বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের হিসাবরক্ষক পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: হিসাবরক্ষক (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a বিদ্যান
b বিদ্বান
c বিদ্দান
d বিদ্বয়ান
1 35 1 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিদ্বান ১. কেন সঠিক: বিদ্বান শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ এবং এর মূল অর্থ জ্ঞানী বা পন্ডিত ব্যক্তি। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দের বানানে দ-এর নিচে ব-ফলা এবং শেষে ন ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী বিদ্ ধাতু এবং এর সঙ্গে কানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। বানানটি প্রমিত রাখতে এবং শব্দের সঠিক উৎস রক্ষা করতে দ-এর নিচে ব-ফলা ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি একজন সমাজের বিদ্বান ব্যক্তি হিসেবে সকলের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ও আদরণীয়। ব্যাখ্যা: এখানে বিদ্বান শব্দটি পন্ডিত বা জ্ঞানী অর্থ প্রকাশ করতে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর কারণ তার জ্ঞানের আলো সমাজকে সঠিক পথ দেখায়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে জ্ঞানের গভীরতা বোঝাতে বিদ্বান শব্দটির সঠিক ও প্রমিত রূপ প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যান - এই বানানটিতে দ-এর নিচে ব-ফলা ব্যবহার না করায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল রূপ। B) বিদ্বান - এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নির্ধারিত রূপ। C) বিদ্দান - এখানে ব-ফলার পরিবর্তে অতিরিক্ত দ যুক্ত হওয়ায় বানানটি অশুদ্ধ হয়েছে। D) বিদ্বয়ান - এখানে অতিরিক্ত য যুক্ত করার কারণে বানানটি প্রমিত নিয়মের বাইরে চলে গেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দটির শুরুতে ব-ই এবং মাঝে দ-এর নিচে ব-ফলা আছে কি না তা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। জ্ঞানী অর্থে ব্যবহৃত এই শব্দটিতে সর্বদা ন ব্যবহৃত হয় ণ নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এই ধরনের তৎসম শব্দের বানান শুদ্ধ বা অশুদ্ধ হিসেবে জানতে চাওয়া হয়। পরীক্ষায় ভালো করার জন্য সংস্কৃত থেকে আসা বিশেষণের বানানগুলোর ক্ষেত্রে ব-ফলার ব্যবহার সতর্কতার সাথে লক্ষ্য করতে হবে।
a মন্দ অর্থে
b বিপরীত অর্থে
c বৃথা অর্থে
d অস্বাভাবিক অর্থে
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মন্দ অর্থে কেন সঠিক: - 'অপদেবতা' শব্দটিতে 'অপ' উপসর্গটি দেবতা শব্দের পূর্বে বসে ভালো বা সাধারণ দেবতার বিপরীত হিসেবে অশুভ বা মন্দ অর্থ প্রকাশ করেছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'অপ' উপসর্গটি খারাপ বা মন্দ গুণসম্পন্ন সত্তাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'অপ' একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা সাধারণত বিপরীত, মন্দ, অভাব ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ভাষায় এটি তৎসম শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ বা বিশেষ ভাব তৈরি করে। - যেমন 'অপসংস্কৃতি' শব্দটিতেও 'অপ' উপসর্গটি মন্দ বা খারাপ সংস্কৃতি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মন্দ অর্থে — এই অপশনটি সঠিক কারণ অপদেবতা শব্দে অপ উপসর্গ মন্দ অর্থ প্রকাশ করে। - B) বিপরীত অর্থে — বিপরীত অর্থে অপ উপসর্গ ব্যবহার হলেও অপদেবতা শব্দে এটি প্রধানত মন্দ বা অশুভ অর্থ প্রকাশ করে। - C) বৃথা অর্থে — বৃথা বা অপচয় অর্থে অপ উপসর্গ অন্য শব্দে বসে যেমন অপব্যয়, কিন্তু এখানে তা প্রযোজ্য নয়। - D) অস্বাভাবিক অর্থে — অস্বাভাবিক বোঝাতে অপ উপসর্গ সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: - অপদেবতা মানে অশুভ বা মন্দ দেবতা, তাই এখানে অপ উপসর্গটি মন্দ অর্থ নির্দেশ করে।
a নিঃ+অবধি
b নির+বধি
c নিরব+অবধি
d নিরঃ+বধি
0 44 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিঃ+অবধি কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে। - বিসর্গের পর স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ লোপ পেয়ে র হয় এবং পরবর্তী স্বরবর্ণ আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়মে নিঃ এর বিসর্গ র এ পরিবর্তিত হয়েছে। - অব এর অ স্বরবর্ণটি র এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে রবীন্দ্র বা নিরবধি শব্দের সৃষ্টি করে। - যেমন: নিঃ + আকার = নিরাকার, নিঃ + আশা = নিরাশ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) নিঃ+অবধি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাকি অপشنগুলো ভুল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। - B) নির+বধি — নির কোনো সঠিক পূর্বপদ নয় এবং এখানে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মানা হয়নি। - C) নিরব+অবধি — নিরব কোনো মূল শব্দ নয় এবং এটি সন্ধির নিয়মের বাইরে গঠিত। - D) নিরঃ+বধি — নিরঃ বলে বাংলায় কোনো ব্যাকরণসম্মত শব্দ বা উপসর্গ নেই। মনে রাখার টিপস: - বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গের জায়গায় র আসলে সাধারণত প্রথম অংশে নিঃ থাকে।
a ১৯৬০
b ১৯৬৭
c ১৯৮১
d ১৯৬৮
1 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৭ ১. কেন সঠিক: - হাসান আজিজুল হকের বিখ্যাত ছোটগল্প ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৭ সালে। - এই গল্পটি বাংলা ছোটগল্পের ধারায় একটি বিশেষ শিল্পরূপ ও গভীর জীবনদর্শন ধারণ করে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক বাংলা ছোটগল্পে বাস্তবতার নির্মম রূপ ও মানুষের টিকে থাকার লড়াই ফুটিয়ে তুলেছেন। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থের মধ্যে ‘শকুন ও অন্যান্য জেরা’, ‘আগুনপাখি’ ও ‘আমৃত্যু আজীবন’ অত্যন্ত জনপ্রিয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাসান আজিজুল হকের বিখ্যাত ছোটগল্প ‘শকুন’। ব্যাখ্যা: এই গল্পটিতে লেখকের অনন্য গদ্যশৈলী ও সমাজবাস্তবতার নিখুঁত রূপ ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: হাসান আজিজুল হকের উপন্যাস ‘আগুনপাখি’। ব্যাখ্যা: দেশভাগের প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসটি বাংলা কথাসাহিত্যে একটি মাস্টারপিস হিসেবে বিবেচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬০ — এই সালে হাসান আজিজুল হকের আলোচিত এই গল্পটি প্রকাশিত হয়নি। B) ১৯৬৭ — এই সালটি আলোচ্য ছোটগল্প প্রকাশের সঠিক সাল হিসেবে স্বীকৃত। C) ১৯৮১ — এই সালে গল্পটি প্রকাশিত হয়নি, এটি অন্য কোনো সাহিত্যকর্মের প্রকাশকাল হতে পারে। D) ১৯৬৮ — এই সালটি আলোচ্য গল্পের প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হাসান আজিজুল হকের ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ’ গল্পের প্রকাশকাল মনে রাখতে ১৯৬৭ সালটি নোট করে রাখতে পারো। - লেখকের জন্ম ও তাঁর প্রধান রচনাগুলোর সাল একটি ছোট তালিকায় লিখে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত গল্প ও উপন্যাসের প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। - লেখকের অন্যান্য জনপ্রিয় গ্রন্থের প্রকাশকাল ও চরিত্র সম্পর্কে ধারণা রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
a এয়াকুব আলী চৌধুরী
b সৈয়দ এমদাদ আলী
c বীরবল
d মোজাম্মেল হক
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোজাম্মেল হক ১. কেন সঠিক: - কবি মোজাম্মেল হক পারস্যের মহাকবি ফেরদৌসীর বিখ্যাত মহাকাব্য শাহনামা বাংলায় সফলভাবে পদ্যে অনুবাদ করেন। - মুসলিম রেনেসাঁ ও ঐতিহ্যচেতনার ধারক এই লেখক বাংলা সাহিত্যে ইসলামী ঐতিহ্য তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোজাম্মেল হক ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের একজন বিশিষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক ও সাংবাদিক ছিলেন। - তার অনূদিত শাহনামা মুসলিম বীরত্বগাথা ও ইতিহাসের এক অমর সৃষ্টি যা বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে পরিচিত লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোজাম্মেল হক রচিত প্রহলাদ চরিত্র একটি কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম যা তার কাব্যপ্রতিভার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: মোজাম্মেল হক রচিত জাতীয় অভিনন্দন একটি প্রীতিমূলক গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি তার সাহিত্যিক অবদানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন যা তৎকালীন সমাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এয়াকুব আলী চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক হলেও শাহনামা অনুবাদ করেননি, তার বিখ্যাত গ্রন্থ মানবমুকুট। B) সৈয়দ এমদাদ আলী — তিনি বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং সাহিত্যিক হলেও শাহনামার অনুবাদক নন। C) বীরবল — এটি প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার রীতিনীতির প্রবক্তা, শাহনামা অনুবাদ করেননি। D) মোজাম্মেল হক — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি পারস্যের মহাকাব্যের বঙ্গানুবাদ করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মোজাম্মেল হক মানেই শাহনামা অনুবাদক হিসেবে স্মরণ রাখতে হবে। - মহাকবি ফেরদৌসীর শাহনামা বাংলায় এনেছেন মোজাম্মেল হক এমন ছন্দ মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি মহাকাব্যের অনুবাদক সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল গ্রন্থ এবং অনুবাদকের নাম জোড় আকারে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বেশ সহায়ক।
a ওটি
b ছুঁয়ো না
c লজ্জাবতী
d লতা
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওটি ১. কেন সঠিক: নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীকে নির্দেশ করার জন্য পদাশ্রিত নির্দেশক ব্যবহার করা হয়। এখানে ওটি শব্দটি লতা নামক বিশেষ্য পদকে নির্দিষ্ট করে বুঝিয়েছে বলে এটি পদাশ্রিত নির্দেশক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ বা প্রত্যয় পদের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায় সেগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। বাংলা ব্যাকরণে টা, টি, খানা, খানি, কুল, সকল ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশকের প্রধান উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বইটি আমাকে দাও। ব্যাখ্যা: এখানে বই বিশেষ্যের সাথে টি যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: খাতাটি সবাধে টেবিলের ওপর রাখো। ব্যাখ্যা: এখানে খাতা বিশেষ্যের সাথে টি যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি খাতাকে নির্দেশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওটি - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্টতা বোঝাচ্ছে। B) ছুঁয়ো না - এটি একটি ক্রিয়াপদ যা নিষেধ বা বারণ অর্থ প্রকাশ করছে। C) লজ্জাবতী - এটি বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশকারী বিশেষণ পদ। D) লতা - এটি একটি উদ্ভিদের নাম যা বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ বা সর্বনাম পদ যখন নির্দিষ্ট করে কাউকে বা কিছুকে নির্দেশ করে তখন তাকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলবে। টি, টা, খানা, খানি দেখলে সহজে পদাশ্রিত নির্দেশক চিনে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পদাশ্রিত নির্দেশক সাধারণত পদের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা বা বহুবচন বোঝায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নির্দিষ্টতা রক্ষাকারী শব্দগুলো আলাদা করতে এই নিয়ম কাজে লাগে।
a বনভূমি
b কলাপী
c নীরধি
d বিটপী
0 50 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিটপী ১. কেন সঠিক: - 'বৃক্ষ' শব্দের একটি অন্যতম বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ হলো 'বিটপী'। - বৃক্ষ শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে রয়েছে গাছ, তরু, পাদপ, মহীরুহ ইত্যাদি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সকল শব্দ যেগুলোর উচ্চারণ ভিন্ন হলেও অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধ-তদ্ভব, তদ্ভব ও বিদেশি নানা উৎস থেকে আসা শব্দের সমার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তরু ব্যাখ্যা: তরু শব্দটি বৃক্ষ বা গাছের সমার্থক হিসেবে বাংলা কবিতায় ও গদ্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পাদপ ব্যাখ্যা: পাদপ শব্দের অর্থ যা পা বা শিকড় দিয়ে পান করে, অর্থাৎ গাছ বা বৃক্ষ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনভূমি — বনভূমি অর্থ বহু গাছপালা যুক্ত বিস্তীর্ণ এলাকা, যা এককভাবে একটি বৃক্ষকে বোঝায় না। B) কলাপী — কলাপী শব্দের অর্থ ময়ূর, যা কোনোভাবেই বৃক্ষ শব্দের সমার্থক নয়। C) নীরধি — নীরধি শব্দের অর্থ সমুদ্র বা জলধি, যার সঙ্গে বৃক্ষ শব্দের কোনো মিল নেই। D) বিটপী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ গাছ বা বৃক্ষ। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিটপী মানে গাছ, আর কলাপী মানে ময়ূর। এই দুটি শব্দ প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উল্টোভাবে অপশনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিদ বা প্রকৃতিবাচক সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তরু, পাদপ, মহীরুহ ও বিটপী শব্দগুলো সমার্থক শব্দ হিসেবে ভালোভাবে আয়ত্ত রাখা উচিত।
a উত্তম পুরুষ
b নাম পুরুষ
c ক ও খ
d মধ্যম পুরুষ
1 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মধ্যম পুরুষ ১. কেন সঠিক: প্রত্যক্ষভাবে উদ্দিষ্ট ব্যক্তি বা শ্রোতাকে মধ্যম পুরুষ বলা হয়। বক্তা যার সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন বা সম্বোধন করেন, ব্যাকরণের ভাষায় তাকে মধ্যম পুরুষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সর্বনাম ও ক্রিয়ার পুরুষ তিন ভাগে বিভক্ত। বক্তা নিজে হলো উত্তম পুরুষ, যার সম্পর্কে বা যার সম্বন্ধে কিছু বলা হয় তিনি নাম পুরুষ, এবং যার সঙ্গে সরাসরি কথা বলা হয় তিনি মধ্যম পুরুষ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুমি আগামী কাল ক্লাসে উপস্থিত থেকো। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে তুমি শব্দটি সরাসরি শ্রোতাকে বোঝায় বলে এটি মধ্যম পুরুষ। উদাহরণ ২: আপনারা অনুগ্রহ করে একটু বসুন। ব্যাখ্যা: এখানে আপনারা শব্দটি সামনে উপস্থিত শ্রোতৃবর্গকে নির্দেশ করায় এটি মধ্যম পুরুষ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তম পুরুষ — বক্তা বা লেখক নিজে যখন নিজের কথা বলেন, তাকে উত্তম পুরুষ বলা হয়, যা শ্রোতাকে নির্দেশ করে না। B) নাম পুরুষ — বক্তা ও শ্রোতা ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা বিষয় সম্পর্কে বলা হলে তাকে নাম পুরুষ বলা হয়। C) ক ও খ — এই অপশনটিতে উত্তম ও নাম পুরুষকে বোঝানো হয়েছে, যা সরাসরি শ্রোতাকে নির্দেশ করার সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না। D) মধ্যম পুরুষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রত্যক্ষভাবে উদ্দিষ্ট ব্যক্তি বা শ্রোতাকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: বক্তা নিজে উত্তম, সামনে বসা বা যার সঙ্গে কথা বলা হয় তিনি মধ্যম, আর দূরে থাকা ব্যক্তি বা বিষয় হলো নাম বা প্রথম পুরুষ। এভাবে খুব সহজেই পুরুষ নির্ণয় করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পুরুষবাচক সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাক্যের কর্তা বা সর্বনামটি বক্তা, শ্রোতা নাকি অন্য কেউ, তা চিহ্নিত করতে পারলে সঠিক উত্তর সহজেই বের করা যায়।
a উপমান
b উপমিত
c রূপক
d মধ্যপদলোপী
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মধ্যপদলোপী কেন সঠিক: ১. ‘সোনামুখী’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো সোনা বাঁধানো মুখ যে নারীর, যা কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে। ২. এখানে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদগুলো লুপ্ত হয়ে নতুন পদ তৈরি হওয়ায় এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হিসেবে গণ্য হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যের এক বা একাধিক পদ সম্পূর্ণভাবে লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। ২. এই সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের অর্থের প্রধান্য থাকে এবং মাঝের বিশেষ অর্থবোধক পদটি উহ্য থাকে। ৩. যেমন, হসিমুখ = হাঁস হাস মুখ যে নারীর, এখানে মাঝের পদগুলো বিলুপ্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপমান — উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমেয় পদের তুলনা বোঝায়, যা সোনামুখীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) উপমিত — উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্ম উল্লেখ না করে উপমেয়কে উপমানের সাথে তুলনা করা হয়, যা এখানে হয়নি। C) রূপক — রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়, যা সোনামুখী শব্দে অনুপস্থিত। D) মধ্যপদলোপী — এটি ভুল নয়, কারণ প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এটাই এবং এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: ১. ব্যাসবাক্য বিস্তার করার সময় যদি মাঝের অংশ বাদ যায়, তবে সেটি মধ্যপদলোপী সমাস হবে। ২. কোনো মুখের রূপ বা বিশেষণের সাথে সোনা বা রূপার মতো উপাদান যুক্ত থাকলে তা মধ্যপদলোপী কর্মধারয় হয়।
a আরবি
b ফরাসি
c ফারসি
d উর্দু
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফারসি ১. কেন সঠিক: - ‘মুসলমান’ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে ফারসি শব্দের সংখ্যা অত্যন্ত বেশি এবং এর মধ্যে ধর্ম ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত শব্দও রয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ ও উৎস বিচারে আরবি ও ফারসি ভাষার শব্দের মধ্যে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তাই উৎস সঠিকভাবে চেনা জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস ও শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ ইত্যাদি। - ‘মুসলমান’ শব্দটি মূলত আরবি ‘মুসলিম’ শব্দ থেকে ফারসি ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় প্রবেশ করেছে, যার কারণে ব্যাকরণগতভাবে এটি ফারসি শব্দ হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোদা ব্যাখ্যা: এটি একটি ফারসি শব্দ, যা সৃষ্টিকর্তা অর্থে বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: রোজা ব্যাখ্যা: এটিও একটি ফারসি শব্দ, যা ইসলামের একটি অন্যতম প্রধান ইবাদত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — ইসলাম ধর্মের মূল উৎস আরবি ভাষা হলেও ‘মুসলমান’ শব্দটি সরাসরি আরবি রূপ হিসেবে বাংলায় আসেনি, বরং ফারসি ভাষার মাধ্যমে এসেছে। B) ফরাসি — ফরাসি একটি ইউরোপীয় ভাষা এবং বাংলা ভাষায় ফরাসি শব্দের সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত যেমন কার্তুজ, রেস্তোরাঁ। C) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই শব্দটির রূপগত উৎপত্তি ফারসি ভাষার ব্যাকরণিক কাঠانো অনুসরণ করে বাংলায় এসেছে। D) উর্দু — উর্দু ভাষা ভারত উপমহাদেশে সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি ফারসি ও আরবি শব্দ দ্বারা প্রভাবিত হলেও ‘মুসলমান’ শব্দটি উর্দু থেকে বাংলায় আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধর্ম ও সংস্কৃতিবাচক অনেক শব্দ সরাসরি আরবি মনে হলেও রোজা, খোদা, নামাজ এবং মুসলমান শব্দগুলো ফারসি ভাষার মাধ্যমে বাংলায় এসেছে। - উৎস মনে রাখার জন্য শব্দের শেষ অংশের রূপ এবং ব্যবহারের ক্ষেত্র লক্ষ্য করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্য বুঝতে ধর্মীয় ও সামাজিক পরিভাষাগুলোর সঠিক উৎস তালিকা মুখস্থ রাখতে হবে।
a নাগর দোলা
b নগরী
c নাগরিক
d নগরসমেত
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাগরিক ১. কেন সঠিক: - ‘নগর’ বিশেষ্য পদের সঙ্গে ‘ইক’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ ‘নাগরিক’ গঠিত হয়েছে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী বিশেষ্য পদকে বিশেষণে রূপান্তর করার জন্য শব্দের অন্তে প্রত্যয় যোগ করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদকে বিশেষণে রূপান্তর করার নিয়ম হলো মূল শব্দের সঙ্গে নির্দিষ্ট প্রত্যয় যেমন ইক, ঈয়, ইন ইত্যাদি যুক্ত করা। - নগর শব্দের সঙ্গে ইক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নাগরিক শব্দ গঠন করে যা নগর সংক্রান্ত গুণ বা অবস্থাকে প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পর্বত + ইক = পার্বতীয় বা পৰ্বতীয় ব্যাখ্যা: পর্বত বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণে রূপান্তরিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ইতিহাস + ইক = ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা: ইতিহাস বিশেষ্য পদের সঙ্গে ইক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাগর দোলা — এটি একটি বিশেষ্য পদ যা একটি বিশেষ গ্রামীণ বা মেলাভিত্তিক বিনোদন মাধ্যমকে বোঝায় এবং এর সঙ্গে নগর শব্দের সরাসরি বিশেষ রূপের মিল নেই। B) নগরী — এটি ‘নগর’ শব্দের একটি সমার্থক বা স্ত্রীবাচক বিশেষ্য পদ, যা বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। D) নগরসমেত — এটি একটি অব্যয়ীভাব বা বহুব্রীহি জাতীয় শব্দ যা সমাসবদ্ধ পদ, কিন্তু সরাসরি নগর শব্দের বিশেষণ রূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্থানবাচক বিশেষ্য পদের সঙ্গে ইক প্রত্যয় যুক্ত করে সহজেই বিশেষণ পদ তৈরি করা যায় যেমন নগর থেকে নাগরিক। - প্রত্যয়যুক্ত শব্দ চেনার সময় মূল শব্দ এবং যুক্ত প্রত্যয় আলাদা করে দেখলে তা দ্রুত মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পরিবর্তনের নিয়ম প্রায়ই আসে। - প্রত্যয় সাধিত শব্দ চেনার কৌশল রপ্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a ৩৯
b ৪১
c ৪২
d ৪৩
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪১ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক ধ্বনি মূলত মোট একচল্লিশটি। এর মধ্যে স্বরধ্বনি সাতটি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি চৌত্রিশটি মিলে মোট একচল্লিশটি মূল ধ্বনি রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি হলো ভাষার সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম অংশ বা একক যা কান দিয়ে শোনা যায়। বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ পঞ্চাশটি হলেও উচ্চারণের দিক থেকে মূল ধ্বনির সংখ্যা একচল্লিশটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, উ - এগুলো হলো বাংলা ভাষার মৌলিক স্বরধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। ব্যাখ্যা: এই স্বরধ্বনিগুলো অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে। উদাহরণ ২: ক, চ, ট, ত - এগুলো হলো বাংলা ভাষার ব্যঞ্জনধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। ব্যাখ্যা: এই ব্যঞ্জনধ্বনিগুলো স্বরধ্বনির সাহায্য ছাড়া স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৯ — এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মূল ধ্বনির সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না। এটি একটি ভুল তথ্য। B) ৪১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার মূল ধ্বনি একচল্লিশটি। C) ৪২ — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের মূল ধ্বনির গণনায় সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়। এটি অতিরিক্ত গণনা। D) ৪৩ — এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণের প্রমিত সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বর্ণ পঞ্চাশটি হলেও মূল ধ্বনি একচল্লিশটি এই বিষয়টি মনে রাখবে। স্বরধ্বনি সাতটি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি চৌত্রিশটি যোগ করলে একচল্লিশ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালা এবং ধ্বনি প্রকরণ থেকে প্রতি বছর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a মালাধর বসু
b সমরেশ বসু
c মুকুন্দ দাশ
d রাজশেখর বসু
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজশেখর বসু ১. কেন সঠিক: - 'পরশুরাম' হলো প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক ও রসসাহিত্য রচয়িতা রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম। - তিনি মূলত তার ব্যঙ্গাত্মক ও হাস্যরসাত্মক ছোটগল্পের জন্য বাংলা সাহিত্যে পরশুরাম নামেই সর্বাধিক পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রাজশেখর বসু ১৮৮০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি একাধারে লেখক, রসাস্বাদক ও অভিধানপ্রণেতা ছিলেন। - তার বিখ্যাত গল্পগ্রন্থগুলোর মধ্যে কজ্জলী, পরশুরামের গল্প এবং গড্ডলিকা বাংলা সাহিত্যে ব্যঙ্গসাহিত্যের অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গড্ডলিকা ব্যাখ্যা: এটি রাজশেখর বসু বা পরশুরামের প্রথম প্রকাশিত বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক গল্পগ্রন্থ। উদাহরণ ২: চলন্তিকা ব্যাখ্যা: এটি রাজশেখর বসু কর্তৃক সংকলিত ও রচিত একটি জনপ্রিয় বাংলা প্রমিত অভিধান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালাধর বসু — ইনি মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্য রচনা করেছিলেন এবং তার কোনো ছদ্মনাম পরশুরাম ছিল না। B) সমরেশ বসু — ইনি আধুনিক যুগের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক যিনি কালকূট ও ভ্রমর ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন, পরশুরাম নন। C) মুকুন্দ দাশ — ইনি বাংলা ১৩ শতকের একজন বিখ্যাত দেশপ্রেমিক চারণকবি ও নাট্যকার ছিলেন, পরশুরাম তার ছদ্মনাম নয়। D) রাজশেখর বসু — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'পরশুরাম' ছদ্মনামে ব্যঙ্গরচনা লিখতেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - পরশুরামের রসাত্মক লেখাগুলো রাজত্ব করেছিল পাঠকদের হৃদয়ে, তাই রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম পরশুরাম। - বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য লেখকের প্রকৃত নামের প্রথম অক্ষর বা উপাধির সাথে মিল রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম প্রায়ই আসে। - অনুরূপভাবে বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম অনিলা দেবী।
a গণলিনী
b উদ্যান
c তটিনী
d মোহিনী
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তটিনী কেন সঠিক: ১. তটিনী শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো যার তট বা তীর আছে এবং এটি নদী অর্থে ব্যবহৃত হয়। ২. বাংলা ব্যাকরণে নদী বোঝাতে তরঙ্গিনী, তটিনী, স্রোতস্বিনী ইত্যাদি সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও ভাবার্থ বিবেচনা করে সঠিক প্রতিশব্দ নির্ধারণ করা হয়। ২. বাংলা সাহিত্য ও কাব্যে নদীর সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে তটিনী শব্দটির বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. যেমন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অন্যান্য কবিদের কবিতায় নদীর প্রবাহ বোঝাতে তটিনী শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণলিনী — এটি কোনো পরিচিত বা সঠিক বাংলা শব্দ নয় এবং এর সাথে নদীর কোনো সম্পর্ক নেই। B) উদ্যান — উদ্যান শব্দটির অর্থ বাগান বা পার্ক, যা নদী শব্দের প্রতিশব্দ হতে পারে না। C) সঠিক উত্তর — এই অপশনে তটিনী উল্লেখ আছে যা নদীর সঠিক প্রতিশব্দ। D) মোহিনী — মোহিনী শব্দটির অর্থ যা মোহ জন্মায় বা মুগ্ধ করে, এটি নদীর সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: ১. নদী শব্দের শেষে ইনি যুক্ত শব্দগুলো যেমন তটিনী, তরঙ্গিনী সাধারণত নদীর প্রতিশব্দ হয়। ২. তট শব্দের সাথে ইনি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তটিনী গঠিত হয়েছে যার অর্থ নদী।
a আলমারি
b ইংরেজি
c রিকশা
d ঢেঁকি
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঢেঁকি ১. কেন সঠিক: - ঢেঁকি একটি দেশি শব্দ। বাংলায় ব্যবহৃত যেসব শব্দের উৎস বা মূল নির্দেশ করা যায় না এবং যা প্রাক-আর্য বা আদিম জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে এসেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলে। - ঢেঁকি মূলত ধান ভানার একটি ঐতিহ্যবাহী দেশীয় কাঠের যন্ত্র। এটি বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং এর কোনো সংস্কৃত বা বিদেশি উৎস নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, বিদেশি এবং দেশি শব্দ। - বাংলাদেশের আদি অধিবাসী কোল, মুণ্ডা, সাঁওতাল ইত্যাদি জাতির ভাষা থেকে যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুলা ব্যাখ্যা: কুলা একটি দেশি শব্দ যা ধান বা শস্য পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর উৎস আদিবাসী ভাষা। উদাহরণ ২: চুলা ব্যাখ্যা: চুলা রান্নার কাজে ব্যবহৃত একটি দেশি শব্দ, যা প্রাকৃতিকভাবে বা আদি সংস্কৃতি থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলমারি — এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ, যা বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মিলে না। B) ইংরেজি — এটি একটি বিদেশি শব্দ, যা মূলত ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। C) রিকশা — এটি একটি জাপানি শব্দ, যা বিদেশি শব্দের শ্রেণিভুক্ত এবং দেশি শব্দ নয়। D) ঢেঁকি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দেশি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেশি শব্দ সহজে মনে রাখার জন্য কুলা, ঢেঁকি, চুলা, কুঁড়েঘর, গঞ্জ, টোপর ইত্যাদি শব্দগুলো একটি ছন্দে মনে রাখতে পারো। - যেসব শব্দ আমাদের গ্রামীণ জনপদের অতি পরিচিত বস্তু বা পরিবেশ বোঝায়, সেগুলোর বেশিরভাগই দেশি শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেশি এবং বিদেশি শব্দের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - আলু, পেঁপে, আনারস, চাবি, বালতি ইত্যাদি পর্তুগিজ শব্দ এবং রিকশা, হাঙর, সুনামি ইত্যাদি জাপানি শব্দ ভালো করে পড়তে হবে।
a তৎ+ময়
b তনু+ময়
c তৃৎ+ময়
d তন+ময়
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তৎ+ময় ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ব্যঞ্জনবর্ণের পর ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে এই পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। তৎ শব্দের ত এর পরে ম বর্ণ থাকার কারণে ত পরিবর্তিত হয়ে নিজ বর্গের নাসিক্য বর্ণ দন্ত্য ন এ পরিণত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। বর্গের প্রথম বর্ণের পর নাসিক্য বর্ণ ম বা ন থাকলে প্রথম বর্ণটি নিজ বর্গের নাসিক্য বর্ণে পরিণত হয়। এখানে ত বর্গের প্রথম বর্ণ ত এর সঙ্গে ময় যুক্ত হয়ে ত রূপান্তরিত হয়েছে ন এ এবং শব্দটি গঠিত হয়েছে তন্ময়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জগৎ+নাথ = জগন্নাথ ব্যাখ্যা: ত বর্গের প্রথম বর্ণের পর ন থাকার কারণে ত পরিবর্তিত হয়ে ন এ পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: মিত+ময় = চিন্ময় ব্যাখ্যা: ত বর্গের প্রথম বর্ণের পর ম থাকার কারণে ত পরিবর্তিত হয়ে ন এ পরিণত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎ+ময় — এটি সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী গঠিত সন্ধি বিচ্ছেদ। B) তনু+ময় — এই সন্ধিটি ব্যাকরণের নিয়মের সঙ্গে মেলে না এবং তনু শব্দের অর্থ শরীর। C) তৃৎ+ময় — তৃৎ বলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। D) তন+ময় — তন কোনো মূল শব্দ নয় এবং এর সঙ্গে ময় যুক্ত হয়ে তন্ময় গঠিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি বিচ্ছেদের সময় ত বা দ এর পরে ম বা ন থাকলে ত বা দ স্থানে সাধারণত ন হয়। তৎ যোগ ময় সমান তন্ময় এভাবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে। নাসিক্য বর্ণ যোগে গঠিত সন্ধিগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a উভয় লিঙ্গ
b পুরুষ লিঙ্গ
c ক্লীব লিঙ্গ
d স্ত্রী লিঙ্গ
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্লীব লিঙ্গ ১. কেন সঠিক: যেসব বিশেষ্য পদ দ্বারা স্ত্রী বা পুরুষ বোঝায় না, বরং অচেতন বস্তু বা পদকে নির্দেশ করে, তাকে ব্যাকরণের নিয়মে ক্লীব লিঙ্গ বলা হয়। দালান একটি অচেতন বস্তুবাচক শব্দ হওয়ায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ক্লীব লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত যথা পুংলিঙ্গ, স্ত্রীলিঙ্গ, উভয় লিঙ্গ এবং ক্লীব লিঙ্গ। অচেতন বা প্রাণহীন বস্তু, ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র এবং কিছু ইতর প্রাণীর নাম সাধারণত ক্লীব লিঙ্গের হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বই ব্যাখ্যা: বই একটি প্রাণহীন বস্তুবাচক শব্দ হওয়ায় এটি ক্লীব লিঙ্গ। উদাহরণ ২: কলম ব্যাখ্যা: কলম দ্বারা কোনো জীব বোঝায় না, তাই এটি ক্লীব লিঙ্গ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উভয় লিঙ্গ — উভয় লিঙ্গ বলতে এমন পদ বোঝায় যা একই সঙ্গে পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কে নির্দেশ করে, কিন্তু দালান প্রাণহীন বস্তু হওয়ায় এটি উভয় লিঙ্গ হতে পারে না। B) পুরুষ লিঙ্গ — পুরুষ লিঙ্গ শুধু পুরুষবাচক জীবকে বোঝায়, তাই প্রাণহীন দালান শব্দটিকে পুরুষ লিঙ্গ বলা যায় না। C) ক্লীব লিঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ দালান একটি প্রাণহীন ও অচেতন বস্তুবাচক বিশেষ্য পদ। D) স্ত্রী লিঙ্গ — স্ত্রী লিঙ্গ কেবল স্ত্রীবাচক জীবকে বোঝায়, তাই প্রাণহীন দালান শব্দটিকে স্ত্রী লিঙ্গ বলা ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: যেকোনো প্রাণহীন বস্তু, ঘরবাড়ি বা আসবাবপত্রের নাম দেখলে তা চোখ বন্ধ করে ক্লীব লিঙ্গ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারো। জীববাচক নয় এমন প্রতিটি নামবাচক বিশেষ্যই ক্লীব লিঙ্গের অন্তর্গত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও আসবাবপত্রের নাম দিয়ে প্রায়শই লিঙ্গ জানতে চাওয়া হয়। প্রাণহীন বস্তুবাচক শব্দ দেখলে সবসময় ক্লীব লিঙ্গ দাগানোর নিয়ম মনে রাখবে।
a ভাষাতত্ত্বে
b ধ্বনিতত্ত্বে
c অর্থতত্ত্ব
d রূপতত্ত্বে
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্থতত্ত্ব কেন সঠিক: - বাগধারা শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ বা নতুন অর্থ প্রকাশ করে। - শব্দের বা বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা বাংলা ব্যাকরণের অর্থতত্ত্ব বা语义 অংশের মূল কাজ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে অর্থতত্ত্ব অংশে মূলত শব্দের অর্থার্থকতা, বিপরীত শব্দ, বাগধারা ও প্রবচন নিয়ে আলোচনা করা হয়। - বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে খুব আকর্ষণীয় ও সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। - যেমন, অকালবোধন অর্থ দুর্লভ বস্তু, যা আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ভাষাতত্ত্বে — এই অংশে ভাষার উৎপত্তি, ক্রমবিকাশ ও ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করা হয়। - B) ধ্বনিতত্ত্বে — এই অংশে ধ্বনি, বর্ণ, নত্ব বিধান ও ষত্ব বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়। - C) অর্থতত্ত্ব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল কারণ নেই। - D) রূপতত্ত্বে — এই অংশে পদ, কারক, সমাস, প্রত্যয় ও উপসর্গ নিয়ে আলোচনা করা হয়। মনে রাখার টিপস: - অর্থের সাথে জড়িত সবকিছু অর্থতত্ত্বে আলোচিত হয়, তাই বাগধারাও অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
a ধাতু
b বিভক্তি
c কর্ম
d প্রতিপাদিক
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধাতু ১. কেন সঠিক: - ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয়, যার সাথে কাল ও পুরুষবাচক বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ ক্রিয়া পদ গঠিত হয়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ক্রিয়াপদের যে অংশকে আর ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায় না, তাকে ক্রিয়ামূল বা ধাতু বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ক্রিয়াপদের মূল বা অবিভাজ্য অংশ হলো ধাতু, যেমন পর, খা, যা ইত্যাদি। - ধাতুর সাথে প্রত্যয় বা বিভক্তি যোগ করে নতুন শব্দ ও ক্রিয়াপদ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পড় + আ = পড়া ব্যাখ্যা: এখানে 'পড়' হলো ধাতু এবং 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চল + ছিস = চলছো ব্যাখ্যা: এখানে 'চল' হলো মূল ধাতু যার সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্রিয়ার মূলকে ধাতু বলা হয়। B) বিভক্তি — এটি শব্দের বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে, ক্রিয়ার মূল নয়। C) কর্ম — এটি বাক্যের যার ওপর ভিত্তি করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, ক্রিয়ার মূল নয়। D) প্রতিপাদিক — এটি বিভক্তিহীন নামশব্দ বা প্রাতিপদিক, ক্রিয়ার মূল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়ার মূল হলো ধাতু এবং নামপদের মূল হলো প্রাতিপদিক। - ধাতু মানেই ক্রিয়ার উৎস বা শিকড়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রাতিপদিক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ক্রিয়াপদ থেকে বিভক্তি বাদ দিলে যা থাকে তা-ই ধাতু।
a অতি প্রত্যাশা
b আনন্দিত হওয়া
c সৌভাগ্যের বিষয়
d নতুন কিছু শুরু হওয়া
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৌভাগ্যের বিষয় ১. কেন সঠিক: - 'একাদশে বৃহস্পতি' একটি প্রখ্যাত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ হলো সৌভাগ্যের বিষয় বা সুসময়। - জ্যোতিষশাস্ত্রের বিশ্বাস অনুযায়ী বৃহস্পতি গ্রহ একাদশ ঘরে অবস্থান করলে মানুষের জীবনে চরম সৌভাগ্য ও সাফল্য আসে, সেখান থেকেই এই বাগধারাটির উৎপত্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত বাগধারা, যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে শব্দ বা পদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও প্রচ্ছন্ন ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকরি পাওয়ার পর থেকেই যেন তার একাদশে বৃহস্পতি বিরাজ করছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সৌভাগ্য বা সুসময় বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসায়ে প্রথমবারেই লাভ হওয়ায় তার একাদশে বৃহস্পতি শুরু হলো। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসায়িক সাফল্য এবং ভাগ্য সুপ্রসন্ন হওয়া অর্থে বাগধারাটির প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতি প্রত্যাশা — এই অর্থটি সঠিক নয় কারণ বাগধারাটি ভাগ্য বা সুসময় বোঝায়, কোনো কিছুর অতিরিক্ত চাওয়া বা আশা করা বোঝায় না। B) আনন্দিত হওয়া — আনন্দিত হওয়া মনের একটি সাময়িক ভাব, কিন্তু 'একাদশে বৃহস্পতি' মূলত একটি অনুকূল পরিস্থিতি বা সৌভাগ্যকে নির্দেশ করে। C) সৌভাগ্যের বিষয় — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা বাগধারার প্রকৃত ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। D) নতুন কিছু শুরু হওয়া — নতুন কিছু শুরু হওয়া মানে সূচনা বা আরম্ভ, যা সৌভাগ্যের সমার্থক বা এই বাগধারার সঠিক অর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জ্যোতিষশাস্ত্রে বৃহস্পতি গ্রহকে সৌভাগ্যের প্রতীক ধরা হয় এবং একাদশ ঘর হলো লাভের স্থান। - তাই একাদশে বৃহস্পতি দেখলেই মাথায় রাখবে এটি সুসময় বা সৌভাগ্যের ইঙ্গিত দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই অর্থ মুখস্থ না করে উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে পড়বে। - একই ধরনের আরেকটি সৌভাগ্যবাচক বাগধারা হলো 'অষ্টম মঙ্গল', যা ভালোভাবে মনে রাখবে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b জসীমউদ্দীন
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d আব্দুল হাকিম
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেন সঠিক: ১. সঞ্চয়িতা কাব্যগ্রন্থটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন কবিতা ও গানের একটি বিখ্যাত সংকলন। ২. ১৯৩১ সালে এই গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এর প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি কোনো একক কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং রবীন্দ্রনাথের সেরা কবিতাগুলোর একটি সংকলিত রূপ। ২. বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে রবীন্দ্রনাথের এই সংকলনটি কাব্যপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। ৩. এর কিছু বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে সোনার তরী, বিদ্রোহী বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট কবিতা নয় বরং তার অজস্র জনপ্রিয় সৃষ্টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে অগ্নিবীণা ও বিষের বাঁশি, তাই এটি ভুল। B) জসীমউদ্দীন — জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো নকশী কাথার মাঠ ও সুজন بادিয়া ঘাট, তাই এটি সঠিক নয়। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) আব্দুল হাকিম — আব্দুল হাকিম মধ্যযুগের একজন কবি, তার বিখ্যাত রচনা নূরنامা, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ১. রবীন্দ্রনাথের রচনার সংকলন বোঝাতে সঞ্চয়িতা শব্দটি মনে রাখতে হবে। ২. নজরুল মানে যেমন অগ্নিবীণা, তেমনি রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কবিতার সংকলন হলো সঞ্চয়িতা।
a নাটক
b কাব্য
c পদাবলি
d পালাগান
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্য ১. কেন সঠিক: চন্দ্রাবতী একটি বিশিষ্ট বাংলা আখ্যানকাব্য বা মহাকাব্য। কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা মধ্যযুগের প্রখ্যাত নারী কবি চন্দ্রাবতীর জীবনের ওপর ভিত্তি করে আধুনিক যুগে এই কাব্যটি রচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি ও প্রাবন্ধিক কায়সুল হক অথবা আধুনিক কবিদের রচিত কাব্যে চন্দ্রাবতীর দুঃখময় জীবন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাংলা সাহিত্যে চন্দ্রাবতী হলেন প্রথম বাংলা ভাষার নারী কবি যিনি রামায়ণ অনুবাদ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশ্বেতা দেবীর চন্দ্রাবতী ব্যাখ্যা: এটি চন্দ্রাবতীর জীবনকে কেন্দ্র করে রচিত একটি আধুনিক সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: মলুয়ার পালা ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালাগান যা লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — চন্দ্রাবতী কোনো দৃশ্যকাব্য বা নাটক নয়। এটি মূলত একটি বর্ণনামূলক কাব্যিক রূপ। B) কাব্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি সাহিত্যিক কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত। C) পদাবলি — পদাবলি সাধারণত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক গীতিপদ বোঝায় যা চন্দ্রাবতী নয়। D) পালাগান — এটি কোনো ঐতিহ্যবাহী গীতিনাট্য বা পালাগান হিসেবে সরাসরি তালিকাভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: চন্দ্রাবতী নামটি শুনলেই মনে রাখবে এটি মধ্যযুগের নারী কবি এবং আধুনিক যুগের একটি বিখ্যাত কাব্য। কাব্য ও কবি চন্দ্রাবতীকে এভাবে একসূত্রে গেঁথে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি হিসেবে চন্দ্রাবতীর নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর রচিত রামায়ণ অনুবাদ এবং তাঁর জীবনভিত্তিক কাব্য সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a কবি গান
b পুঁথি সাহিত্য
c নাথ সাহিত্য
d বৈষ্ণব পদ সাহিত্য
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবি গান ১. কেন সঠিক: - এন্টনি ফিরিঙ্গি অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে এবং উনিশ শতকের প্রথমার্ধে বাংলা কবিগানের এক অবিস্মরণীয় ও জনপ্রিয় শিল্পী ছিলেন। - তিনি বিদেশি বংশোদ্ভূত হয়েও বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে এমনভাবে মিশে গিয়েছিলেন যে তিনি বাংলা কবিগানের অন্যতম প্রধান রূপকার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবিগান হলো অষ্টাদশ শতাব্দী থেকে উনিশ শতকের শেষার্ধ পর্যন্ত বাংলায় প্রচলিত এক ধরনের লোকসংগীত যেখানে দুই পক্ষের কবি বা গায়ক ছড়ায় ছড়ায় তর্কে লিপ্ত হতেন। - বাংলার লোকসংস্কৃতির ইতিহাসে কবিগান এক অনন্য ধারার সৃষ্টি করেছিল এবং এন্টনি ফিরিঙ্গি এই ধারার একজন শীর্ষস্থানীয় ও প্রবাদপ্রতিম কবিওয়াল হিসেবে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোবরপাড়া নিবাসী রাম বসু বাংলা কবিগানের অন্যতম সেরা ও প্রভাবশালী একজন প্রধান কবি হিসেবে সমাদৃত হয়েছিলেন। ব্যাখ্যা: এন্টনি ফিরিঙ্গির সমসাময়িক কবিওয়ালাদের মধ্যে রাম বসুর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যিনি কবিগানের মাধ্যমে সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরতেন। উদাহরণ ২: ভোলা ময়রা উনিশ শতকের অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন কবিওয়ালা এবং মিষ্টি বিক্রেতা হিসেবে বাংলা লোকসাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত। ব্যাখ্যা: ভোলা ময়রাও কবিগান পরিবেশন করতেন এবং তাঁর রচিত ও গাওয়া কবিগান সেই সময়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীষণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবি গান — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এন্টনি ফিরিঙ্গি মূলত কবিগানের জন্যই বিখ্যাত এবং তিনি এই ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচয়িতা ও গায়ক ছিলেন। B) পুঁথি সাহিত্য — পুঁথি সাহিত্য হলো মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা যা মূলত মুসলমান কবিদের দ্বারা আরবি ও ফার্সি বা লোককাহিনি অবলম্বনে রচিত হতো। C) নাথ সাহিত্য — নাথ সাহিত্য হলো চর্যাপদের ঠিক পরবর্তী সময়ের এবং মধ্যযুগের শুরুতে গড়ে ওঠা ধর্মীয় লোকসাহিত্যের একটি বিশেষ শাখা যা নাথধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়। D) বৈষ্ণব পদ সাহিত্য — বৈষ্ণব পদ সাহিত্য হলো রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা এবং ভক্তিভাবকে কেন্দ্র করে মধ্যযুগে রচিত এক বিশাল ও সমৃদ্ধ কাব্যধারা। ৫ মনে রাখার টিপস: - এন্টনি ফিরিঙ্গির নাম শুনলেই মাথায় রাখতে হবে তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার একজন বিখ্যাত বিদেশি কবিগানের গায়ক। - কবিগান ও কবিওয়ালা বললেই এন্টনি ফিরিঙ্গি, রাম বসু এবং ভোলা ময়রার নাম একসঙ্গে মনে রাখার চেষ্টা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এন্টনি ফিরিঙ্গির সাহিত্যিক অবদান সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই তাঁর ধারাটি ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি। - এই ধরনের লোকসাহিত্যভিত্তিক প্রশ্নে লেখকের নাম এবং তাঁর সংশ্লিষ্ট সাহিত্য ধারার মেলবন্ধন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a Actor
b Gander
c Bachelor
d Spouse
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Spouse কেন সঠিক: Spouse শব্দটি এমন একটি লিঙ্গ নিরপেক্ষ শব্দ যা স্বামী বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝাতে সমানভাবে ব্যবহার করা যায়। এটি পুরুষ বা নারী ভেদে আলাদা হয় না এবং একই সঙ্গে উভয় লিঙ্গ নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Actor — এই শব্দটির স্ত্রীবাচক রূপ হলো Actress এবং এটি শুধুমাত্র পুরুষ লিঙ্গ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। B) Gander — এটি একটি হাঁসের পুংলিঙ্গ বা পুরুষবাচক শব্দ যার স্ত্রীবাচক রূপ হলো Goose। C) Bachelor — এটি শুধুমাত্র অবিবাহিত পুরুষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যার স্ত্রীবাচক রূপ হলো Spinster বা Maid। মনে রাখার টিপস: যwel সকল শব্দ পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কে বোঝায় তাদের কমন জেন্ডার বলে যেমন Spouse।
a Have met
b Had met
c Met
d Will meet
0 51 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Met কেন সঠিক: বাক্যে গতকাল বা অতীত নির্দেশক শব্দ yesterday থাকলে verb এর Past Indefinite Tense বা V2 ফর্ম বসে। এই নিয়მ অনুযায়ী meet এর পাস্ট ফর্ম met হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Have met — sentence টি Present Perfect Tense নয় কারণ এতে অতীত নির্দেশক শব্দ yesterday আছে। B) Had met — Past Perfect Tense ব্যবহারের জন্য বাক্যে দুটি অতীত ঘটনার প্রয়োজন যা এখানে নেই। C) Met — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Past Indefinite Tense নির্দেশ করে। D) Will meet — এটি Future Indefinite Tense যা অতীত নির্দেশক word yesterday এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে yesterday, ago, last থাকলে চোখ বন্ধ করে verb এর past form ব্যবহার করবে।
a Rude
b Harsh
c Modest
d Clever
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Modest কেন সঠিক: - 'Gentle' শব্দের অর্থ মৃদু, ভদ্র বা অমায়িক। - 'Modest' শব্দের অর্থ বিনয়ী বা ভদ্র, যা 'gentle' শব্দের সমার্থক হিসেবে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rude — এর অর্থ অসভ্য বা রুক্ষ, যা 'gentle' শব্দের বিপরীতার্থক। B) Harsh — এর অর্থ কঠোর বা কর্কশ, যা 'gentle' শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। C) Modest — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ বিনয়ী বা ভদ্র। D) Clever — এর অর্থ চালাক বা চতুর, যা ভদ্র বা মৃদু স্বভাবের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Gentle মানুষেরা সবসময় Modest বা বিনয়ী হয়।
a Day by day
b Day to day
c Day on day
d Day with day
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Day by day কেন সঠিক: এখানে 'Day by day' একটি সঠিক প্রবাদ বা ফ্রেজ যা দিন দিন বা ধীরে ধীরে উন্নতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। দেশের সমৃদ্ধি বা উন্নতির ক্ষেত্রে ধারাবাহিক পরিবর্তন প্রকাশ করতে এই ফ্রেজটি সবচেয়ে উপযুক্ত। এটি একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি ইডিয়ম। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে এই অপশনটি সবচেয়ে মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Day by day — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) Day to day — এই ফ্রেজটির অর্থ দৈনন্দিন বা প্রতিদিনের কাজ, যা উন্নতির অর্থে বসে না। C) Day on day — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজ বা ধারা নেই। D) Day with day — এই ফ্রেজটির কোনো নির্দিষ্ট বা গ্রহণযোগ্য অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: উন্নতি বোঝাতে সব সময় 'Day by day' ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
a Achieve
b Submit
c Win
d Conquer
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Submit কেন সঠিক: succumb শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর কাছে নতি স্বীকার করা বা পরাজিত হওয়া। submit শব্দের অর্থও একই রকম অর্থাৎ আত্মসমর্পণ করা বা বশ্যতা স্বীকার করা। তাই অর্থগত মিল থাকার কারণে এই অপশনটি সঠিক। এটি কঠিন পরিস্থিতির সামনে হেরে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Achieve — এর অর্থ অর্জন করা, যা succumb শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Submit — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল নেই। C) Win — এর অর্থ জয়লাভ করা, যা succumb বা হেরে যাওয়ার সম্পূর্ণ বিপরীত। D) Conquer — এর অর্থ জয় করা বা দখল করা, যা পরাজিত হওয়ার বিপরীতার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Succumb শব্দটিতে Sum (সামনে) এর মতো উচ্চারণ আছে, অর্থাৎ শক্তির সামনে মাথা নত করা বা Submit করা মনে রাখতে পারো।
a As much as
b As many as
c As few as
d so much
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) As much as কেন সঠিক: এখানে দাম বৃদ্ধির পরিমাণ বোঝাতে '30 percent' বা শতকরা হার ব্যবহার করা হয়েছে, যা গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ করা যায়। তাই পরিমাণের ক্ষেত্রে 'As much as' সঠিক নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) As much as — এটি পরিমাণের ক্ষেত্রে বসে এবং এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) As many as — এটি সংখ্যায় গণনা করা যায় এমন বস্তুর ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু শতাংশ গণনা করা যায় না। C) As few as — এটি সংখ্যায় কম এমন গণনাযোগ্য বিশেষ্যের সাথে বসে, তাই এখানে ভুল। D) so much — এটি একা বসে না এবং এই বাক্যের শূন্যস্থানে তুলনামূলক অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: পরিমাণ বা শতাংশের ক্ষেত্রে 'As much as' বসে এবং গণনাযোগ্য সংখ্যার ক্ষেত্রে 'As many as' বসে।
a Bliss
b Eden
c Dystopia
d Joy
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dystopia কেন সঠিক: Utopia শব্দের অর্থ হলো এমন একটি কাল্পনিক আদর্শ রাজ্য যেখানে সবকিছু নিখুঁত ও সুন্দর থাকে। এর ঠিক বিপরীত শব্দ হলো Dystopia যার অর্থ হলো চরম দুর্দশাপূর্ণ ও আতঙ্কজনক এক সমাজ ব্যবস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bliss — এর অর্থ পরম আনন্দ বা সুখ, যা Utopia শব্দের একটি সমার্থক শব্দ এবং এর বিপরীত নয়। B) Eden — এর অর্থ বেহেশত বা স্বর্গোদ্যান, যা Utopia শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে এবং বিপরীতার্থক নয়। C) Dystopia — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য অর্থ প্রযোজ্য নয়। D) Joy — এর অর্থ আনন্দ, যা Utopia অবস্থার একটি ফলাফল হতে পারে কিন্তু সরাসরি বিপরীত শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: Utopia মানে স্বর্গীয় রাজ্য আর Dystopia মানে নরকতুল্য রাজ্য। শব্দের শুরুতে U এর জায়গায় Dys বসালেই বিপরীত অর্থ পাওয়া যায়।
a Masculine
b Feminine
c Neuter
d Common
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: Sibling শব্দটি এমন একটি শব্দ যা ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝাতে পারে। এটি নির্দিষ্ট করে কোনো একটি লিঙ্গ প্রকাশ করে না। তাই এটি Common Gender এর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি শুধুমাত্র পুরুষবাচক শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু sibling দ্বারা ভাই বা বোন উভয়েই হতে পারে। B) Feminine — এটি শুধুমাত্র স্ত্রীবাচক শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু sibling শব্দটিতে ভাইও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। C) Neuter — এটি জড় পদার্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু sibling হলো একজন জীবন্ত মানুষ। D) Common — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটি দিয়ে নারী বা পুরুষ উভয় লিঙ্গকেই বোঝানো সম্ভব। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ দিয়ে নারী এবং পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, সেগুলোই Common Gender.
a Formula
b Vertex
c Memoranda
d Agendum
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Memoranda কেন সঠিক: ল্যাটিন শব্দ যার শেষে a থাকে, তার বহুবচন করার সময় সাধারণত um এর পরিবর্তে a যোগ করা হয়। Memorandum শব্দের বহুবচন রূপ হলো memoranda এবং এটি একটি বহুবচন শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Formula — এটি একটি একবচন শব্দ যার বহুবচন রূপ formulas অথবা formulae হয়। B) Vertex — এটি একটি একবচন শব্দ যার বহুবচন রূপ vertices হয়। C) Memoranda — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি বহুবচন শব্দ। D) Agendum — এটি একটি একবচন শব্দ যার বহুবচন রূপ agenda হয়। মনে রাখার টিপস: উম যুক্ত ল্যাটিন শব্দের শেষে আম যোগ করে বহুবচন করতে হয় যেমন memorandum থেকে memoranda হয়।
a Participle
b Nominal
c Gerund
d Infinitive
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Gerund কেন সঠিক: Swimming শব্দটির সাথে ing যুক্ত হয়ে এটি বাক্যে noun এর কাজ করেছে। এটি একটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে গঠিত noun বা gerund হিসেবে কাজ করছে। এটি বাক্যের subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি কোনো কাজ করার নাম বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Participle — এটি verb এবং adjective উভয়ের কাজ করে যা এখানে করছে না। B) Nominal — এটি কোনো নির্দিষ্ট grammatical term নয় বরং noun জাতীয় শব্দ বোঝায়। C) Gerund — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Infinitive — এর গঠনে to বসতে হয় যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি noun এর কাজ করে এবং বাক্যে subject বা object হয়, তবে তাকে gerund বলে।
a to delete
b to add
c to improve
d to include
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to delete কেন সঠিক: expunge শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছু সম্পূর্ণ মুছে ফেলা বা বাদ দেওয়া। তাই অপশন A এর to delete অর্থ একই রকম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to delete — এটি সঠিক উত্তর। B) to add — এর অর্থ যোগ করা, যা expunge শব্দের বিপরীত। C) to improve — এর অর্থ উন্নতি করা, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। D) to include — এর অর্থ অন্তর্ভুক্ত করা, যা মুছে ফেলার বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Expunge শব্দটিতে sponge শব্দের মিল আছে। স্পঞ্জ দিয়ে যেমন লেখা মুছে ফেলা যায়, তেমনি expunge অর্থও মুছে ফেলা।
a Miser
b Poor
c Bankrupt
d Solvent
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bankrupt কেন সঠিক: Bankrupt শব্দটির বাংলা অর্থ হলো দেউলিয়া বা যে ব্যক্তি তার ঋণ পরিশোধ করতে সম্পূর্ণ অক্ষম। ইংরেজি এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে ঋণ পরিশোধ করতে না পারাকে Bankrupt বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Miser — এর অর্থ কৃপণ, যার প্রচুর টাকা থাকলেও সে খরচ করতে চায় না। B) Poor — এর অর্থ দরিদ্র বা গরিব, যার সাধারণ আয়ের অভাব থাকে কিন্তু সে ঋণগ্রস্ত নাও হতে পারে। C) Bankrupt — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে অন্য কোনো অর্থ প্রযোজ্য নয়। D) Solvent — এর অর্থ সচ্ছল, যার ঋণ পরিশোধ করার যথেষ্ট আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Bank শব্দের অর্থ ব্যাংক এবং Rupt মানে ভেঙে যাওয়া, অর্থাৎ যার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ভেঙে গেছে বা শূন্য হয়ে গেছে তিনিই হলেন Bankrupt বা দেউলিয়া।
a participle
b gerund
c infinitive
d verb
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) gerund কেন সঠিক: ১. প্রদত্ত বাক্যে swimming শব্দটি মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে এবং বাক্যের subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন একসাথে verb ও noun এর কাজ করে, তখন তাকে gerund বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) participle — participle একই সাথে verb এবং adjective এর কাজ করে, কিন্তু এখানে swimming একটি noun এর কাজ করছে। B) gerund — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) infinitive — infinitive বলতে সাধারণত to যোগে verb এর base form কে বোঝায়, যা এখানে নেই। D) verb — swimming শব্দ এখানে সরাসরি কোনো finite verb এর কাজ না করে noun হিসেবে বসেছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে verb+ing যদি noun এর কাজ করে এবং তার পরিবর্তে it বসানো যায়, তবে সেটি সবসময় gerund হবে।
a Imperative
b Interrogative
c Assertive
d Optative
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Imperative কেন সঠিক: এই বাক্যে কোনো আদেশ বা হুকুম বোঝানো হয়েছে কারণ বক্তা একটি ট্যাক্সি ডাকার নির্দেশ দিচ্ছেন। ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ মূলক বাক্য Imperative sentence হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Imperative — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়। B) Interrogative — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটিতে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি। C) Assertive — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটি সাধারণ কোনো বর্ণনা বা বিবৃতিমূলক তথ্য প্রকাশ করছে না। D) Optative — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটিতে কোনো ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায়নি। মনে রাখার টিপস: যে বাক্য দিয়ে আদেশ, নিষেধ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝায় তাকেই Imperative sentence বলে।
a An
b The
c A
d None
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A কেন সঠিক: University শব্দটির শুরুতে ইউ (U) এর উচ্চারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ উয় এর মতো হয়। তাই এর পূর্বে সাধারণ নিয়মে এ (A) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An — শব্দের শুরুতে স্বরবর্ণের উচ্চারণ না থাকলে অ্যান বসে না। B) The — নির্দিষ্ট করে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বোঝানো হয়নি বলে দি বসে না। C) A — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) None — উপযুক্ত আর্টিকেল এখানে বিদ্যমান থাকায় এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে ইউ (U) বা ইও (EU) এর উচ্চারণ ইউ এর মতো হলে তার আগে এ (A) বসে।
a a
b an
c the
d none
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পরের শব্দটি হলো old। শব্দটির প্রথম অক্ষর o হলো ভাওয়েল। ভাওয়েল দিয়ে শুরু শব্দের আগে an বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — শব্দের শুরুতে ভাওয়েল থাকায় এখানে a বসবে না। B) an — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) the — নির্দিষ্ট করে কাউকে বোঝানো হয়নি বলে the বসবে না। D) none — শূন্যস্থানে একটি আর্টিকেল দরকার তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে a, e, i, o, u থাকলে তার আগে an বসাতে হয়।
a knifes
b kniveses
c knives
d knifess
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) knives কেন সঠিক: ইংরেজি নিয়মে যেসব noun এর শেষে f বা fe থাকে, তাদের plural করার সময় f বা fe তুলে দিয়ে ves যোগ করতে হয়। knife শব্দের শেষে fe থাকায় তা পরিবর্তন হয়ে knives হয়েছে। এটি ইংরেজি বানান ও বচনের একটি অত্যন্ত নিয়মিত এবং সাধারণ নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) knifes — সাধারণত f থাকলে সরাসরি s যোগ করে plural করা যায় না। B) kniveses — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল এবং অতিরিক্ত es যুক্ত করা হয়েছে। C) knives — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) knifess — শব্দের শেষে ডাবল s যুক্ত করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে f বা fe থাকলে তা উঠিয়ে ves বসালেই plural হয়ে যায়।
a neuter
b masculine
c common
d feminine
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) common কেন সঠিক: Spouse শব্দটি স্বামী বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝাতে পারে। তাই এটি কমন জেন্ডার হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) neuter - এটি জড় পদার্থ বোঝায় কিন্তু spouse হলো জীবন্ত মানুষ। B) masculine - এটি শুধু পুরুষ বোঝায় কিন্তু spouse দ্বারা নারীও বোঝাতে পারে। C) common - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) feminine - এটি শুধু নারী বোঝায় কিন্তু spouse দ্বারা পুরুষও বোঝাতে পারে। মনে রাখার টিপস: যসব শব্দ দিয়ে নারী বা পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, সেগুলোই কমন জেন্ডার।
a my
b they
c me
d hers
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) me কেন সঠিক: বাক্যের verb হলো shows যার পরে একটি objective pronoun বসে। me হলো I এর objective রূপ যা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) my — এটি একটি possessive determiner যা এখানে noun এর আগে বসে না। B) they — এটি একটি subjective pronoun যা verb এর অবজেক্ট হিসেবে বসে না। C) me — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপشن ধরা হয়েছে। D) hers — এটি একটি possessive pronoun যা এখানে অর্থের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: Show verb এর পর সাধারণত যাকে দেখানো হয় তার objective রূপ বসে।
a pronoun
b noun
c adverb
d adjective
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'always' শব্দটি 'runs' ভার্বটি কীভাবে সম্পাদিত হয় তা নির্দেশ করে। - এটি ভার্বকে модиফাই করায় ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি adverb. বাকি অপশন কেন ভুল: A) pronoun — প্রোনাউন হলো এমন শব্দ যা নাউনের পরিবর্তে বসে, কিন্তু এখানে 'always' কোনো নাউনের পরিবর্তে বসেনি। B) noun — নাউন হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু 'always' কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা জায়গার নাম বোঝায় না। C) adverb — এটি এখানে সঠিক উত্তর কারণ এটি 'runs' ভার্বটির সংঘটিত হওয়ার সময় বা পৌনঃপুনিকতা প্রকাশ করেছে। D) adjective — অ্যাডজেক্টিভ কেবল নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো Verb, Adjective বা অন্য Adverb-কে modify করে এবং সাধারণত কাজের সময় বা ধরণ বোঝায়, তা-ই Adverb.
a The window should be opened.
b Let the window be opened.
c Let the window be opened by you.
d The window must be opened.
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Let the window be opened. কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি একটি আদেশ বোঝায়। তাই নিয়ম অনুযায়ী Let দিয়ে বাক্যটি শুরু করতে হবে এবং object কে subject বানাতে হবে। এরপর be বসিয়ে মূল verb এর past participle form বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The window should be opened. — এটি উচিত অর্থে উপদেশ বোঝালেও সরাসরি আদেশের সঠিক Passive রূপ নয়। B) Let the window be opened. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Let the window be opened by you. — Imperative Sentence এ সাধারণত by you উহ্য থাকে, তাই এটি অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে অনুপযুক্ত। D) The window must be opened. — এখানে must ব্যবহার করায় নিশ্চিত বাধ্যতামূলক অর্থ প্রকাশ পায়, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: মূল verb দিয়ে শুরু Imperative Sentence কে passive করার সময় প্রথমে Let বসাতে হয়।
a Humorious
b Humorous
c Humourius
d Humurious
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Humorous কেন সঠিক: শব্দটির মূল শব্দ হলো হিউমার বা রসিকতা। এর সাথে ওএস যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Humorious — এই বানানে ভুলভাবে অতিরিক্ত আই অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। B) Humorous — এই অপশনটি সঠিক এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল রয়েছে। C) Humourius — এই বানানে অতিরিক্ত আই এবং ইউ অক্ষর যুক্ত করে ভুল করা হয়েছে। D) Humurious — এই বানানে ও এর পরিবর্তে ইউ ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হিউমার শব্দের শেষে শুধু ওএস বসালে হাস্যরসাত্মক বা মজার অর্থে সঠিক বানান পাওয়া যায়।
a Action
b Acting
c Enact
d Acting
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Enact কেন সঠিক: Enact শব্দটির অর্থ হলো আইন প্রণয়ন করা বা কোনো নাটক অভিনয় করা, যা সরাসরি একটি কাজ বা ক্রিয়া বোঝায়। ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো শব্দের সাথে উপসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন অংশ তৈরি করা যায়, যেখানে Enact একটি নিখুঁত ভার্ব বা ক্রিয়া পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Action — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ যার অর্থ কাজ বা কার্যক্রম, তাই এটি ভার্ব হতে পারে না। B) Acting — এটি সাধারণত প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জিরাড হিসেবে ব্যবহৃত হয়, অথবা এটি অভিনয় করার বিশেষ নাউন রূপ। D) Acting — এটিও একই কারণে ভুল কারণ এটি মূলত মূল ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত রূপ বা বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শুরুতে সাধারণত En যুক্ত করে সেটিকে ভার্বে রূপান্তর করা যায়, যেমন Act থেকে Enact হয়।
a Datum
b Analysis
c Media
d Radius
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Media কেন সঠিক: - 'Media' শব্দটি ল্যাটিন একবচন 'Medium'-এর বহুবচন রূপ। - এটি বাক্যে প্লুরাল বা বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Datum — এটি ল্যাটিন একবচন শব্দ, এর বহুবচন হলো Data। B) Analysis — এটি একবচন শব্দ, যার শেষ অক্ষর i এবং এর বহুবচন হলো Analyses। C) Media — এটি নিজেই সঠিক বহুবচন রূপ, তাই এটি ভুল নয়। D) Radius — এটি ল্যাটিন একবচন শব্দ, এর বহুবচন হলো Radii। মনে রাখার টিপস: ল্যাটিন শব্দে um থাকলে সাধারণত তা পরিবর্তন হয়ে a হয় যেমন Datum থেকে Data এবং Medium থেকে Media।
a Psychology
b Psichology
c Psychologi
d None
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Psychology কেন সঠিক: এটি একটি গ্রীক শব্দ থেকে এসেছে যার শুরুতে পি এস ওয়াই এবং পরে সি ও এল ও জি ওয়াই যুক্ত হয়। এই বানানটিতে ইংরেজি বানানের সকল নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। এখানে গ্রীক মূল শব্দের বানানরীতি অবিকৃত রাখা হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান ও মনস্তত্ত্ব বোঝাতে এই বানানটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Psychology — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং সঠিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। B) Psichology — এই বানানে সি এর পরিবর্তে এস আই ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল। C) Psychologi — এই বানানের শেষে ওয়াই এর পরিবর্তে আই ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। D) None — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মনস্তত্ত্ব বোঝাতে সাইকো শব্দটির শুরুতে পি এস ওয়াই এবং শেষে ওএলওজিওয়াই মনে রাখতে হবে।
a সমবাহু ত্রিভুজ
b বিষমবাহু ত্রিভুজ
c সমকোণি ত্রিভুজ
d কোনটিই না
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই না প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের দুটি বাহু পরস্পর সমান ধরি, ত্রিভুজটির সমান দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ক তৃতীয় বাহুর দৈর্ঘ্য = খ অতএব, যে ত্রিভুজের দুটি বাহু সমান তাকে সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ বলা হয় প্রদত্ত অপশনগুলোতে সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ নেই সঠিক উত্তরটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ হওয়ার কথা সুতরাং, অপশন এ তে সমবাহু, বি তে বিষমবাহু এবং সি তে সমকোণী ত্রিভুজ আছে তাই সঠিক উত্তর অপশন এ, বি বা সি এর কোনোটিই নয় উত্তর: D) কোনটিই না
a ১৭৬
b ২৪২
c ৪৮৪
d ৮৪০
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪২ প্রদত্ত তথ্য: ১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ ধরি, একরের পরিমাণ = ১ একর অতএব, ৪৮৪০ বর্গগজের ৫% নির্ণয় করতে হবে সুতরাং, ৪৮৪০ × ৫ ÷ ১০০ = ২৪২ বর্গগজ উত্তর: ২৪২
a ১১
b ১০১
c ১০২
d ১০০১
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০১ প্রদত্ত তথ্য: ভাজক = ১০ ভাগফল = ১০ ভাগশেষ = ১ ধরি, ভাজ্য হলো সেই সংখ্যা যা নির্ণয় করতে হবে অতএব, ভাজ্য বের করার সূত্র হলো ভাজক এবং ভাগফলের গুণফলের সাথে ভাগশেষ যোগ করা সুতরাং, ভাজক ও ভাগফলের গুণফল = ১০ × ১০ = ১০০ উত্তর: ১০০ + ১ = ১০১
a ৪২
b ৪৫
c ৪৮
d ৫৬
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৫ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির অনুপাত ৫ अनुपात ১১ উত্তর রাশি ৯৯ ধরি, পূর্ব রাশি ক উত্তর রাশি ১১ এর একটি নির্দিষ্ট গুণিতক অতএব, অনুপাতের রাশি দুটি ৫ক এবং ১১ক প্রশ্নমতে, ১১ক = ৯৯ সুতরাং, ক = ৯৯ ÷ ১১ = ৯ উত্তর: পূর্ব রাশি = ৫ × ৯ = ৪৫
a মূলধন রিজার্ভ
b শেয়ার প্রিমিয়াম
c সাধারণ রিজার্ভ
d বন্ড
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বন্ড প্রদত্ত তথ্য: মালিকানা স্বত্বের উপাদান হলো মূলধন, রিজার্ভ এবং লভ্যাংশ বন্ড হলো কোম্পানির একটি দীর্ঘমেয়াদি ঋণ বা দায় ধরি, কোম্পানির মোট মালিকানা স্বত্ব = ক কোম্পানির মোট বহিরদায় = খ অতএব, মালিকানা স্বত্ব বা শেয়ারহোল্ডারদের ইকুইটির মধ্যে মূলধন রিজার্ভ অন্তর্ভুক্ত থাকে শেয়ার প্রিমিয়াম এবং সাধারণ রিজার্ভও মালিকানা স্বত্বের অংশ হিসেবে গণ্য হয় সুতরাং, বন্ড মালিকানা স্বত্বের অংশ না হয়ে কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি ঋণ হিসেবে বিবেচিত হয় উত্তর: বন্ড
a শরিকানা
b চুক্তি
c বিশ্বাসের সম্পর্ক
d অর্থ
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চুক্তি প্রদত্ত তথ্য: অংশীদারি ব্যবসার মূল ভিত্তি কী তা নির্ধারণ করতে হবে ধরি, ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে ওঠে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে অতএব, আইনগত বৈধতা পাওয়ার জন্য লিখিত বা মৌখিক ঐকমত্য প্রয়োজন সুতরাং, এই ঐকমত্য বা অংশীদারদের মধ্যকার পারস্পরিক চুক্তিই হলো ব্যবসার মূল ভিত্তি উত্তর: চুক্তি
a ভাউচার
b চালান
c ডেবিট নোট
d ক্রেডিট নোট
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডেবিট নোট প্রদত্ত তথ্য: ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে পণ্য ক্রয়ের পর তা কোনো কারণে ফেরত দেওয়া হয় এই ফেরতের হিসাব সংরক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট একটি দলিল বা ভাউচার প্রস্তুত করতে হয় ধরি, ক্রেতা কর্তৃক বিক্রেতাকে পণ্য ফেরত পাঠানোর সময় একটি দলিল প্রস্তুত করা হয় এই দলিলে পাওনাদারের হিসাব ডেবিট করা হয় অতএব, এই দলিলটিকে হিসাববিজ্ঞানের ভাষায় ডেবিট নোট বলা হয় উত্তর: C) ডেবিট নোট
a ৫%
b ২০%
c ৩০%
d ৪০%
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫% প্রদত্ত তথ্য: মূলধন, P = ৪২৫ টাকা সময়, n = ৪ বছর মোট সুদ, I = ৮৫ টাকা ধরি, বার্ষিক সুদের হার = r% অতএব, আমরা জানি, সুদের সূত্র হলো I = (P × n × r) ÷ ১০০ এখানে মানগুলো বসিয়ে পাই, ৮৫ = (৪২৫ × ৪ × r) ÷ ১০০ সুতরাং, ৮৫ = ১৭০০ × r ÷ ১০০ ১৭০০ × r = ৮৫০০ উত্তর: r = ৫%
a ১৩০০০০ টাকা
b ১২০০০০ টাকা
c ১৫০০০০ টাকা
d ১৪০০০০ টাকা
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২০০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বেতনের বৃদ্ধির হার = ৫% বৃদ্ধির পরিমাণ = ৬০০০ টাকা ধরি, আহসানের আগের বেতন = ক টাকা অতএব, ক এর ৫% = ৬০০০ টাকা ক × (৫ ÷ ১০০) = ৬০০০ টাকা সুতরাং, ক = ৬০০০ × (১০০ ÷ ৫) ক = ১২০০০০0 ÷ ৫ উত্তর: ১২০০০০ টাকা
a ০.০০৫
b ০.০০৪
c ০.০০৬
d কোনটিই নয়
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০০৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যাটি হলো শূন্য দশমিক শূন্য এক দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো দুই ভাগ পাঁচ ধরি, প্রথম সংখ্যা সমান শূন্য দশমিক শূন্য এক দ্বিতীয় সংখ্যা সমান দুই ভাগ পাঁচ অতএব, দশমিক ভগ্নাংশকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করে পাই শূন্য দশমিক শূন্য এক সমান এক ভাগ একশত সুতরাং, এক ভাগ একশত গুণ দুই ভাগ পাঁচ সমান দুই ভাগ পাঁচশত উত্তর: শূন্য দশমিক শূন্য চার
a ৪৮ ব.মি.
b ১২০ ব.মি.
c ১৪৪ ব.মি.
d ১২১ ব.মি.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২১ ব.মি. প্রদত্ত তথ্য: বর্গাকৃতি ক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪৪ মিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার অতএব, বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ক মিটার সুতরাং, ৪ × ক = ৪৪ ক = ৪৪ ÷ ৪ = ১১ মিটার ক্ষেত্রফল = (বাহু × বাহু) বর্গমিটার উত্তর: ১১ × ১১ = ১২১ ব.মি.
a লিঙ্গ সমতা
b পরিবেশ রক্ষা
c দারিদ্র্য দূরীকরণ
d সবার জন্য শিক্ষা
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) দারিদ্র্য দূরীকরণ কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার বা এসডিজির মূল ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে প্রথম লক্ষ্য হলো সব ধরনের চরম দারিদ্র্যের অবসান ঘটানো। - অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানো এবং বিশ্ব থেকে ক্ষুধার পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এর মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিঙ্গ সমতা — এটি এসডিজির পঞ্চম লক্ষ্য, যা নারী অধিকার ও ক্ষমতায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) পরিবেশ রক্ষা — এটি জলবায়ু পরিবর্তন ও স্থলজ বা জলজ জীবন রক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য লক্ষ্যগুলোর অন্তর্ভুক্ত। C) দারিদ্র্য দূরীকরণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে। D) সবার জন্য শিক্ষা — এটি এসডিজির চতুর্থ লক্ষ্য, যা গুণগত শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: এসডিজির প্রথম কাজ মানুষের পেটে ভাত ও গায়ে কাপড় দেওয়া, অর্থাৎ সবার আগে দারিদ্র্য দূরীকরণ।
a টঙ্গী
b গাজীপুর
c সাভার
d ঢাকা
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গাজীপুর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস গাজীপুর জেলায় অবস্থিত। - এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের মূদ্রা, নোট এবং গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা দলিল মুদ্রণ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টঙ্গী — টঙ্গী গাজীপুরের অন্তর্ভুক্ত একটি এলাকা হলেও মূল প্রতিষ্ঠানটি নির্দিষ্টভাবে গাজীপুর জেলা সদর বা নির্ধারিত এলাকায় অবস্থিত। B) গাজীপুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস এখানেই প্রতিষ্ঠিত। C) সাভার — সাভারে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন শিল্প ও প্রতিষ্ঠান থাকলেও এটি সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসের অবস্থান নয়। D) ঢাকা — রাজধানী ঢাকা হলেও নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রণ প্রেসটি ঢাকার বাইরে গাজীপুরে স্থাপন করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: টাকা বা মুদ্রা ছাপানোর অত্যন্ত গোপনীয় কাজ ঢাকা থেকে কিছুটা দূরে গাজীপুরে সম্পন্ন করা হয়।
a রাষ্ট্রপতি
b অর্থসচিব
c সোনালি ব্যাংক
d বাংলাদেশ ব্যাংক
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্থসচিব কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ এবং ৫ টাকার নোট ও কয়েন সরকারি মুদ্রা বা সরকারের অর্থ বিভাগ কর্তৃক ইস্যু করা হয়। - এই নোটগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পরিবর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবের স্বাক্ষর থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর কোনো দেশীয় মুদ্রায় থাকে না, তিনি দেশের সাংবিধানিক প্রধান মাত্র। B) অর্থসচিব — এই অপশনটি সঠিক কারণ ৫ টাকার নোটে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে এবং এটি সরকারের অর্থ বিভাগ কর্তৃক ইস্যু করা হয়। C) সোনালি ব্যাংক — সোনালি ব্যাংক একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, যা মুদ্রা বা নোট ইস্যু করার এখতিয়ার রাখে না। D) বাংলাদেশ ব্যাংক — বাংলাদেশ ব্যাংক ১০ টাকা থেকে শুরু করে এর চেয়ে বড় মানের ব্যাংক নোট ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করে, ৫ টাকার নোট নয়। মনে রাখার টিপস: কম মানের নোট যেমন ১, ২ ও ৫ টাকার নোট অর্থসচিবের স্বাক্ষরযুক্ত সরকারি মুদ্রা এবং বাকি সব নোট বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষরযুক্ত ব্যাংক নোট।
a কেন্দ্রীয় ব্যাংক
b বাণিজ্যিক ব্যাংক
c স্টক এক্সচেঞ্জ
d ইপিজেড
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কেন্দ্রীয় ব্যাংক কেন সঠিক: - নিকাশ ঘর বা ক্লিয়ারিং হাউজ হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক নিজেদের মধ্যকার দেনা-পাওনা ও চেক নিষ্পত্তি করে থাকে। - দেশের সর্বোচ্চ ব্যাংক হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নিকাশ ঘরের মূল নিয়ন্ত্রক ও পরিচােলক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেন্দ্রীয় ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকের নিকাশ ঘর হিসেবে কাজ করে। B) বাণিজ্যিক ব্যাংক — বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো নিকাশ ঘরের সেবা গ্রহণ করে কিন্তু তারা নিজেরা নিকাশ ঘর পরিচালনা বা নিয়ন্ত্রণ করে না। C) স্টক এক্সচেঞ্জ — এটি শেয়ার কেনাবেচার বাজার, যার সঙ্গে ব্যাংকিং খাতের চেক বা দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির নিকাশ ঘরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) ইপিজেড — এটি মূলত রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা, যা বৈদেশিক বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের সঙ্গে যুক্ত এবং এর কাজ সম্পূর্ণ ভিন্ন। মনে রাখার টিপস: সব ব্যাংকের অভিভাবক হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক, তাই চেক বা দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির নিকাশ ঘরও কেন্দ্রীয় ব্যাংকেই অবস্থিত।
a অর্থ
b শিল্প
c আইন
d বাণিজ্য
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাণিজ্য কেন সঠিক: - ICMAB অর্থাৎ দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ একটি পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান। - বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের পেশাদার হিসাববিদ তৈরি এবং নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ — অর্থ মন্ত্রণালয় বাজেট, রাজস্ব ও ব্যাংকিং খাত পরিচালনা করলেও এই পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি এর অধীনে নয়। B) শিল্প — শিল্প মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান ও কলকারখানা দেখাশোনা করে, যা হিসাব পেশার নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। সি) আইন — আইন মন্ত্রণালয় বিচার বিভাগ এবং আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। D) বাণিজ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বাণিজ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন পেশাজীবী ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ করে। মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য হিসাবের সঙ্গে বাণিজ্য শব্দটি যুক্ত থাকে, তাই কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস বা ICMAB বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
a ICMAB
b SEC
c BIBM
d ICAB
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ICAB কেন সঠিক: - ICAB হলো ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ, যা দেশে সিএ ডিগ্রি প্রদানকারী একমাত্র পেশাদার প্রতিষ্ঠান। - এটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশে হিসাববিজ্ঞান পেশার মান উন্নয়ন ও সনদ বিতরণের দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ICMAB — এটি কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস ডিগ্রি প্রদান করে, সিএ ডিগ্রি প্রদান করে না। B) SEC — এটি দেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, শিক্ষা বা ডিগ্রি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়। C) BIBM — এটি ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যা কোনো পেশাদার ডিগ্রি প্রদান করে না। D) ICAB — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই বাংলাদেশে সিএ ডিগ্রি প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস বা সিএ শব্দের জন্য ICAB এবং কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টসের জন্য ICMAB মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে।
a ৪:৩
b ৫:৩
c ৩:৫
d ৬:৩
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫:৩ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের নির্দিষ্ট অনুপাত হলো ৫:৩। - এই অনুপাত অনুযায়ী পতাকাটি তৈরি করা হয়, যার সবুজ ক্ষেত্রের মাঝে লাল বৃত্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪:৩ — এই অনুপাতটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঠিক মাপ নয়, এটি ভুল উত্তর। B) ৫:৩ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঠিক ও অনুমোদিত দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত। C) ৩:৫ — এটি পতাকার প্রস্থ ও দৈর্ঘ্যের অনুপাত, কিন্তু প্রশ্ন চেয়েছে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত। D) ৬:৩ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঠিক মাপ বা অনুপাত নয়, এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: দৈর্ঘ্য বড় হয় তাই ৫ এবং প্রস্থ ছোট হয় তাই ৩, অর্থাৎ ৫:৩ মনে রাখবে।
a ৩ নভেম্বর
b ৭ নভেম্বর
c ২১ নভেম্বর
d ১৭ নভেম্বর
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১ নভেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী যৌথভাবে পাকিস্তানি আক্রমণকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণ পরিচালনা করে। - সশস্ত্র বাহিনীর এই সম্মিলিত আক্রমণ ও বিজয়ের গৌরবকে স্মরণ করতে প্রতি বছর ২১ নভেম্বর দিনটিকে সশস্ত্রবাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ নভেম্বর — এই দিনটি জেল হত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা সশস্ত্রবাহিনী দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৭ নভেম্বর — এই দিনটি সিপাহী ও জনতা বিপ্লব এবং সংহতি দিবস হিসেবে পালিত হয়। D) ১৭ নভেম্বর — এই দিনে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের ঠিক আগে নভেম্বর মাসের একুশ তারিখে তিন বাহিনী একত্রিত হয়ে আক্রমণ চালায়, তাই ২১ নভেম্বর সশস্ত্রবাহিনী দিবস।
a হরিকেল
b সমতট
c পুন্ড্র
d গৌড়
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুন্ড্র কেন সঠিক: - পুন্ড্রবর্ধন বা পুন্ড্র বাংলার প্রাচীনতম জনপদ হিসেবে ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক রেকর্ডে স্বীকৃত। - মৌর্য আমলের মহাস্থানগড় শিলালিপিতে পুন্ড্র জনপদের সুস্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ হলেও পুন্ড্রর চেয়ে প্রাচীন নয়, যা বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। B) সমতট — এটি প্রাচীন বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি জনপদ, যা বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল এবং পুন্ড্রর সমসাময়িক বা পরবর্তী। C) পুন্ড্র — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক এবং অন্যান্য অপশনের মতো ভুল নয়। D) গৌড় — এটি প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান জনপদ ও রাজনৈতিক কেন্দ্র হলেও পুন্ড্রর তুলনায় এটি পরবর্তীকালের জনপদ। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বাংলায় মানুষ প্রথমে পুণ্য বা পুন্ড্র কাজ শুরু করেছিল, তাই বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ হলো পুন্ড্র।
a ৪ আগস্ট ২০২৬
b ৫ আগস্ট ২০২৬
c ৬ আগস্ট ২০২৬
d ৭ আগস্ট ২০২৬
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ৫ আগস্ট ২০২৬ কেন সঠিক: - জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ ও ইতিহাসের সঠিক মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে এই জাদুঘরটি স্থাপন করা হয়েছে। - গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি বা এর ঐতিহাসিক দিনকে স্মরণীয় করতে ২০২৬ সালের ৫ আগস্ট এই জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ আগস্ট ২০২৬ — এই তারিখে জাদুঘরটি উদ্বোধন করা হয়নি, কারণ ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল দিনটি এর পরের দিন। B) ৫ আগস্ট ২০২৬ — এটি সঠিক উত্তর এবং এই দিনেই জাদুঘরটি উদ্বোধনের দিন নির্ধারিত ছিল। C) ৬ আগস্ট ২০২৬ — উদ্বোধনের নির্ধারিত তারিখের পরের দিন হওয়ায় এটি সঠিক অপশন নয়। D) ৭ আগস্ট ২০২৬ — এই তারিখে অন্য কোনো ঘটনা ঘটতে পারে, তবে এটি জাদুঘর উদ্বোধনের তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের দিন বা ঐতিহাসিক স্মারক হিসেবে ৫ আগস্ট তারিখটিকে জাদুঘর উদ্বোধনের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।
a বিল্ডিং কোড
b ভবন আইন
c বিল্ডিং অধ্যাদেশ
d কোনটিই নয়
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিল্ডিং কোড কেন সঠিক: - ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে নকশা, মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারিভাবে নির্দিষ্ট নিয়মকানুন মেনে চলা বাধ্যতামূলক, যা বিল্ডিং কোড নামে পরিচিত। - বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড বা বিএনবিসি অনুযায়ী দেশের প্রতিটি ভবন নির্মাণ করা আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিল্ডিং কোড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভবন নির্মাণের জন্য নির্ধারিত বাধ্যতামূলক নিয়মকানুন। B) ভবন আইন — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রমিত নির্দেশিকা বা কোড বোঝায় না, বরং সার্বিক আইনি কাঠামোর সাধারণ নাম। C) বিল্ডিং অধ্যাদেশ — এটি নির্দিষ্ট কোনো কোড বা নিয়মের পূর্ণাঙ্গ প্রমিত নির্দেশিকা নির্দেশ করে না। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ভবন নির্মাণের সময় কোড বা নিয়ম মানতে হয়, তাই সঠিক উত্তর বিল্ডিং কোড।
a সম্পত্তি বেশি দেখাবে
b দায় বেশি দেখাবে
c ব্যয় বেশি হবে
d সঞ্চয় বাড়বে
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা সঠিক উত্তর: খ) দায় বেশি দেখাবে কেন সঠিক: - অনুপার্জিত আয় হলো এমন অগ্রিম প্রাপ্তি যা এখনো অর্জিত হয়নি, তাই হিসাববিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি চলতি দায়। - এই অনুপার্জিত আয়ের জন্য যদি সঠিক সময়ে সমন্বয় বা জাবেদা না করা হয়, তবে হিসাবের বহিতে দায় প্রকৃত পরিমাণের চেয়ে বেশি প্রদর্শিত হতে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) সম্পত্তি বেশি দেখাবে — অনুপার্জিত আয়ের সাথে সম্পত্তির সরাসরি কোনো যোগসূত্র নেই, তাই এটি সম্পত্তি বাড়ায় না। খ) দায় বেশি দেখাবে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ সমন্বয় না করলে অগ্রিম আয় দায় হিসেবেই থেকে যায়। গ) ব্যয় বেশি হবে — অনুপার্জিত আয় একটি দায় হিসাব, এর সাথে খরচের বা ব্যয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। ঘ) সঞ্চয় বাড়বে — ব্যবসায়িক হিসাববিজ্ঞানে সঞ্চয় বৃদ্ধির সাথে অনুপার্জিত আয়ের সমন্বয়ের কোনো সরাসরি প্রভাব নেই। মনে রাখার টিপস: অনুপার্জিত আয় হলো অগ্রিম প্রাপ্ত টাকা, যা সেবামূলক কাজ না করা পর্যন্ত একধরনের দেনা বা দায় হিসেবে গণ্য হয়।
a Last Developing Council.
b Least Developed Country.
c Last Developed Country.
d Least Developing Country.
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Least Developed Country. কেন সঠিক: - অর্থনৈতিক ও মানবসম্পদ সূচকের ভিত্তিতে জাতিসংঘের নির্ধারিত স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে Least Developed Country বা LDC বলা হয়। - বাংলাদেশ এই ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অত্যন্ত পরিচিত একটি অর্থনৈতিক পরিভাষা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Last Developing Council — এই নামে জাতিসংঘের বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কোনো সুপরিচিত বা স্বীকৃত সংস্থা বা পরিভাষা নেই। B) Least Developed Country — এটি জাতিসংঘের সংজ্ঞায়িত স্বল্পোন্নত দেশের সঠিক ইংরেজি রূপ এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) Last Developed Country — ব্যাকরণগতভাবে শব্দটি সঠিক মনে হলেও এটি জাতিসংঘের অফিসিয়াল বা স্বীকৃত অর্থনৈতিক পরিভাষা নয়। D) Least Developing Country — এখানে Developed এর পরিবর্তে Developing শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা জাতিসংঘের দাপ্তরিক পরিভাষার সঙ্গে মিলে না। মনে রাখার টিপস: LDC-র পূর্ণরূপ মনে রাখতে Least (স্বল্প) Developed (উন্নয়নশীল বা উন্নত) Country (দেশ) এই ক্রমানুসরণটি মনে রাখতে হবে।
a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c সুইজারল্যান্ড
d চীন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন কেন সঠিক: - বর্তমান বিশ্বে চীন মোট কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণে প্রথম স্থানে রয়েছে। - দেশটির দ্রুত শিল্পায়ন এবং কয়লার ওপর উচ্চমাত্রার নির্ভরতা এর প্রধান কারণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি ঐতিহ্যের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণকারী দেশ হলেও বর্তমানে বার্ষিক নিঃসরণে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। B) যুক্তরাজ্য — শিল্প বিপ্লবের সূতিকাগার হলেও দেশটি বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ নয়। C) সুইজারল্যান্ড — এটি একটি উন্নত দেশ এবং এদের কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বিশ্ব গড়ের তুলনায় বেশ কম। D) চীন — এটি বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ হিসেবে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: জনসংখ্যা ও কারখানায় এগিয়ে থাকা চীন কার্বন নিঃসরণেও সবার উপরে।
a ১১তম
b ১৩তম
c ১৫তম
d ৯ম
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৩তম কেন সঠিক: - বগুড়াকে সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ বা ১৩তম সিটি কর্পোরেশন হিসেবে উন্নীত করা হয়েছে। - প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীकरण এবং স্থানীয় উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১তম — এটি দেশের ত্রয়োদশ সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। B) ১৩তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বগুড়া দেশের সর্বশেষ গঠিত বা ত্রয়োদশ সিটি কর্পোরেশন। C) ১৫তম — এটি বর্তমান মোট সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যার সাথে মেলে না। ডি) ৯ম — এই ক্রমানুসারে অতীতে অন্য কোনো শহর সিটি কর্পোরেশন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল। মনে রাখার টিপস: বগুড়া জেলাটি উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ, যা বর্তমানে দেশের ১৩তম সিটি কর্পোরেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
a আয়কর
b আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক
c ভূমি রাজস্ব
d মূল্য সংযোজন কর
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মূল্য সংযোজন কর কেন সঠিক: - মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট হলো বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ খাতের বৃহত্তম রাজস্ব আয়ের উৎস। - নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেবা গ্রহণের সময় ভোক্তারা এই কর পরিশোধ করে থাকে, যার ফলে সরকারের কোষাগারে সবচেয়ে বেশি অর্থ জমা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়কর — এটি সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হলেও বর্তমানে মূল্য সংযোজন করের চেয়ে এর পরিমাণ কিছুটা কম। B) আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক — এটি বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর ধার্য করা হয় এবং এটি অভ্যন্তরীণ রাজস্বের তুলনায় কম। C) ভূমি রাজস্ব — এটি গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের ভূমি মালিকদের নিকট থেকে আদায় করা হয় এবং এর পরিমাণ অত্যন্ত কম। D) মূল্য সংযোজন কর — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ এটি দেশের সর্বাধিক রাজস্ব আদায়কারী খাত। মনে রাখার টিপস: সরকারের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আসে ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর থেকে, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে আমরা যা কিনি তাতেই ভ্যাট দিই।
a আন্তর্জাতিক বাজারে
b শেয়ার বাজারে
c জুয়া খেলায়
d খুচরা বাজারে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শেয়ার বাজারে কেন সঠিক: - ব্লু চিপ (Blue Chip) হলো আর্থিক ও শেয়ার বাজারের অত্যন্ত লাভজনক, স্বনামধন্য এবং আর্থিকভাবে শক্তিশালী কোম্পানিগুলোর শেয়ার। - এই ধরনের কোম্পানিগুলো নিয়মিত ভালো লভ্যাংশ প্রদান করে এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে অত্যন্ত নিরাপদ ও বিশ্বস্ত বলে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আন্তর্জাতিক বাজারে — এই বাজারের সঙ্গে ব্লু চিপ ধারণার কোনো সরাসরি বা নির্দিষ্ট সম্পর্ক নেই। B) শেয়ার বাজারে — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি শেয়ার বাজারের শীর্ষস্থানীয় ও লাভজনক কোম্পানির শেয়ার নির্দেশ করে। C) জুয়া খেলায় — এটি জুয়ার টেবিলের সবচেয়ে মূল্যবান নীল চিপ থেকে এসেছে, কিন্তু বর্তমান ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে অর্থনৈতিক। D) খুচরা বাজারে — খুচরা বা পণ্যের বাজারের দৈনন্দিন বেচাকেনার সঙ্গে এই ধারণার কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: ব্লু চিপ মানেই শেয়ার বাজারের সবচেয়ে দামি, নির্ভরযোগ্য এবং লাভজনক কোম্পানির শক্তিশালী শেয়ার।
a সুদের হার কমিয়ে দিবে
b অর্থ সরবরাহ বাড়িয়ে দিবে
c ব্যাংক হার বাড়িয়ে দিবে
d ডেবিট/ঋণ বাড়িয়ে দিবে
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যাংক হার বাড়িয়ে দিবে কেন সঠিক: - মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি গ্রহণ করে এবং বাজারে অর্থের সরবরাহ কমানোর চেষ্টা করে। - ব্যাংক হার বা সুদের হার বাড়িয়ে দিলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে নিরুৎসাহিত হয় এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ঋণ বিতরণ কমে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুদের হার কমিয়ে দিবে — সুদের হার কমালে ঋণ নেওয়া সস্তা হয়, ফলে বাজারে অর্থের সরবরাহ আরও বেড়ে গিয়ে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পাবে। B) অর্থ সরবরাহ বাড়িয়ে দিবে — বাজারে অর্থের সরবরাহ বাড়লে মানুষের হাতের টাকা বৃদ্ধি পায়, যা মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দেয়। C) ব্যাংক হার বাড়িয়ে দিবে — এটি সঠিক কারণ, ব্যাংক হার বাড়লে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণের সুদ বাড়ে এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসে। D) ডেবিট/ঋণ বাড়িয়ে দিবে — ঋণ বা ডেবিট বাড়লে মানুষের খরচ করার ক্ষমতা বাড়ে, যা মুদ্রাস্ফীতি হ্রাসের পরিবর্তে বৃদ্ধি ঘটায়। মনে রাখার টিপস: মুদ্রাস্ফীতি কমানোর চাবিকাঠি হলো ঋণ সংকোচন করা, তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক হার বা সুদের হার বাড়িয়ে দেয়।
a আমদানি
b শুল্ক
c ট্যারিফ
d রপ্তানি
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রপ্তানি কেন সঠিক: - বিনিময় হার হ্রাস বা মুদ্রার অবমূল্যায়ন ঘটলে দেশের পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কমে যায়। - এতে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে দেশীয় পণ্য কেনা লাভজনক হয় এবং দেশের রপ্তানি বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমদানি — বিনিময় হার হ্রাস পেলে বিদেশি পণ্যের দাম বেড়ে যায়, ফলে আমদানি কমে যায়। B) শুল্ক — এটি বাণিজ্য নীতি সংক্রান্ত সরকারি কর, বিনিময় হ্রাসের কারণে সরাসরি শুল্ক বৃদ্ধি পায় না। C) ট্যারিফ — এটিও আমদানির ওপর ধার্যকৃত কর, যা বিনিময় হ্রাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) রপ্তানি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ মুদ্রার মান কমলে রপ্তানিকারকরা বেশি লাভবান হন। মনে রাখার টিপস: বিনিময় হার হ্রাস মানে মুদ্রার মান কমা, আর মান কমলে দেশের পণ্য বিদেশে সস্তা হয় তাই রপ্তানি বাড়ে।
a ১৯২০ সালে
b ১৯২৬ সালে
c ১৯২৫ সালে
d ১৯৩০ সালে
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৬ সালে কেন সঠিক: - ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকায় ‘ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংগঠনের স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২০ সালে — এই সালে ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ১৯২৬ সালের ঘটনা। B) ১৯২৬ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়। C) ১৯২৫ সালে — এই সালে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং এর আগের বছরগুলোতে এর প্রাথমিক প্রস্তুতি চলেছিল। D) ৩০ সালে — এই সালে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক তথ্য নেই। মনে রাখার টিপস: ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাকাল মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন উনিশশো ছাব্বিশ সাল।
a বিরক্ত
b আসক্ত
c সংসক্ত
d আরক্ত
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিরক্ত কেন সঠিক: - 'অনুরক্ত' শব্দের অর্থ কোনো কিছুর প্রতি গভীর অনুরাগ বা আকর্ষণ থাকা। - এর সরাসরি ও যথাযথ বিপরীত বাার্থকতা প্রকাশ করে 'বিরক্ত' শব্দটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিরক্ত — এটি সঠিক উত্তর, কারণ অনুরাগ বা আসক্তির বিপরীত হলো বিরক্তি ভাব। B) আসক্ত — এটি 'অনুরক্ত' শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) সংসক্ত — এর অর্থ সংযুক্ত বা সংশ্লিষ্ট, যা অনুরক্ত শব্দের বিপরীত নয়। D) আরক্ত — এর অর্থ ঈষৎ লাল বা রক্তিম, যা এই শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: অনুরক্ত মানে আকর্ষণ আর বিরক্ত মানে দূরত্ব সৃষ্টি, তাই অনুরাগ থাকলে তার উল্টোটি হয় বিরক্তি।
a পুন্ড্র
b বরেন্দ্র
c হরিকেল
d গৌড়
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পুন্ড্র কেন সঠিক: - প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদের বর্তমান ভৌগোলিক পরিধিতে বগুড়া জেলা অবস্থিত। - পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর ছিল প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান ও সমৃদ্ধ প্রশাসনিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুন্ড্র — সঠিক উত্তর কারণ প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল বগুড়া অঞ্চল। B) বরেন্দ্র — এটি মূলত রাজশাহী অঞ্চলের প্রাচীন ভূখণ্ড, যা পুণ্ড্র জনপদের একটি অংশ হলেও সরাসরি বগুড়ার প্রধান প্রাচীন জনপদ হিসেবে পুণ্ড্র নামেই বেশি পরিচিত। C) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ যা বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। D) গৌড় — এটি মূলত বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও মালদহ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত একটি ঐতিহাসিক জনপদ ও রাজধানী ছিল। মনে রাখার টিপস: বগুড়ার প্রাচীন নাম পুণ্ড্রনগর, তাই বগুড়া মানেই পুণ্ড্র জনপদ।
a কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা
b সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা
c ভূমিকম্প
d মরুকরণ
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা কেন সঠিক: - ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি থাকা দেশগুলোর অন্যতম। - বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে বরফ গলে সমুদ্রের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশের উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যাওয়ার চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা — এটি জলবায়ু পরিবর্তনের একটি পরোক্ষ প্রভাব এবং বৈশ্বিক সূচকের মূল ক্যাটাগরি হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাকেই প্রধান ঝুঁকি ধরা হয়। B) সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা — এটি সঠিক কারণ বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকিতে বাংলাদেশের প্রধান ও সর্বাধিক আলোচিত ক্যাটাগরি এটি। C) ভূমিকম্প — বাংলাদেশ ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থিত হলেও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সূচকে এটি প্রধান ক্যাটাগরি নয়। D) মরুকরণ — বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে মরুকরণের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও এটি সামগ্রিক বৈশ্বিক ঝুঁকিতে বাংলাদেশের প্রধান ক্যাটাগরি হিসেবে নির্ধারিত নয়। মনে রাখার টিপস: সমুদ্রের কোল ঘেঁষে থাকা বাংলাদেশে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিই সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক পরিবেশগত ঝুঁকি।
a ইরাক
b ইরান
c সিরিয়া
d কাতার
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরান কেন সঠিক: - এভিন কারাগার ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থিত একটি কুখ্যাত কারাগার। - রাজনৈতিক বন্দি এবং ভিন্নমতাবলম্বীদের আটকের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে এই কারাগারটি পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যার রাজধানী বাগদাদ এবং এর সঙ্গে এভিন কারাগারের কোনো সম্পর্ক নেই। B) ইরান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ কারাগারটি এখানেই অবস্থিত। C) সিরিয়া — এটি গৃহযুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, এর রাজধানী দামেস্ক এবং এটি এই কারাগারের অবস্থান নয়। D) কাতার — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি ধনী ও স্বাধীন দেশ, যার রাজধানী দোহা এবং এভিন কারাগার এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: ইরানের তেহরানের এভিন কারাগার রাজনৈতিক বন্দিদের জন্য বিখ্যাত।
a ধীরেন্দ্র
b জ্ঞানেন্দ্র
c বীরেন্দ্র
d মহেন্দ্র
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্ঞানেন্দ্র কেন সঠিক: - জ্ঞানেন্দ্র ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত নেপালের শেষ রাজা হিসেবে শাসন করেন। - তাঁর রাজত্বকালে নেপালে দীর্ঘস্থায়ী রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং দেশটি প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধীরেন্দ্র — তিনি রাজা বীরেন্দ্র ও জ্ঞানেন্দ্রর ভাই ছিলেন, কিন্তু নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন না। B) জ্ঞানেন্দ্র — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন। C) বীরেন্দ্র — তিনি জ্ঞানেন্দ্রর ভাই এবং তাঁর আগের রাজা ছিলেন, সর্বশেষ রাজা ছিলেন না। D) মহেন্দ্র — তিনি বীরেন্দ্র ও জ্ঞানেন্দ্রর পিতা ছিলেন এবং অনেক আগেই রাজত্ব করেছেন। মনে রাখার টিপস: জ্ঞান দিয়ে নেপালের রাজতন্ত্রের জ্ঞান বা শেষ ঘটিয়েছিলেন রাজা জ্ঞানেন্দ্র।
a রপ্তানি পণ্যের অবমূল্যায়ন
b আমদানি পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ
c আয়কর ফাঁকি দেয়া
d অবৈধ চ্যানেলে বিদেশে টাকা পাঠানো
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আমদানি পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক নয়। মূলত আমদানি পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ (Over-invoicing) মানিলন্ডারিং বা মুদ্রা পাচারের একটি অন্যতম প্রধান পদ্ধতি। - সঠিক উত্তরটি হবে C) আয়কর ফাঁকি দেয়া। আয়কর ফাঁকি দেওয়া বা ট্যাক্স এভয়েডেন্স হলো রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অপরাধ, যা সরাসরি মুদ্রা পাচারের সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রপ্তানি পণ্যের অবমূল্যায়ন — এটি আন্ডার-ইনভয়েসিং নামে পরিচিত এবং এর মাধ্যমে অবৈধভাবে দেশের বাইরে অর্থ পাচার করা হয়। B) আমদানি পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ — এটি ওভার-ইনভয়েসিং নামে পরিচিত এবং এর মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়। C) আয়কর ফাঁকি দেয়া — এটি সরকারের কর ফাঁকি দেওয়ার অপরাধ, যা অর্থ স্থানান্তর বা পাচারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) অবৈধ চ্যানেলে বিদেশে টাকা পাঠানো — এটি হুন্ডি বা অন্যান্য অবৈধ মাধ্যমের সাহায্যে সরাসরি মুদ্রা পাচার করার কাজ। মনে রাখার টিপস: কর ফাঁকি দেওয়া হলো সরকারের রাজস্ব সংক্রান্ত অপরাধ, আর মুদ্রা পাচার হলো অবৈধভাবে বিদেশে অর্থ সরিয়ে নেওয়ার আর্থিক অপরাধ।
a ইসলাম খান
b মীর মুরাদ
c শাহবাজ খান
d শায়েস্তা খান
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইসলাম খান কেন সঠিক: - বাংলার সুবাদার ইসলাম খান নৌবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধি ও নদীমাতৃক অঞ্চলের প্রতিরক্ষার জন্য প্রথম নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার প্রচলন করেছিলেন। - বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌকাবাইচ আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই উৎসবের সূচনা হয়, যা পরবর্তীতে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী অংশে পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলাম খান — ইনি বাংলার সুবাদার ছিলেন এবং বাংলায় প্রথম নৌকাবাইচ উৎসবের সূচনা করেছিলেন। B) মীর মুরাদ — ইনি মোঘল আমলের একজন সেনাপতি বা কর্মকর্তা ছিলেন, নৌকাবাইচ চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) শাহবাজ খান — ইনি বাংলার একজন মোঘল সুবাদার ও সেনাপতি ছিলেন, তবে নৌকাবাইচ চালুর ইতিহাস তাঁর সঙ্গে জড়িত নয়। D) শায়েস্তা খান — ইনি বাংলার বিখ্যাত সুবাদার হলেও তাঁর আমলের শাসনকাল ও জনকল্যাণমূলক কাজ নৌকাবাইচ চালুর ঘটনার সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: নৌকা বাইচ মানেই পানিতে ইসলাম খানের আগমন, যিনি প্রথম বুড়িগঙ্গায় এই উৎসব শুরু করেন।
a ১৮৬১
b ১৮৫৭
c ১৮৪৫
d ১৮৮২
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮৬১ কেন সঠিক: - ব্রিটিশ সরকার বাংলায় নীল চাষ সংক্রান্ত অনিয়ম ও নির্যাতন তদন্ত করার জন্য ১৮৬১ সালে নীল কমিশন গঠন করে। - এই কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তীকালে বাংলায় নীল চাষের অবসান ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই নীল কমিশন গঠিত হয়েছিল। B) ১৮৫৮ — এটি সিপাহী বিদ্রোহের বছর, নীল কমিশন গঠনের বছর নয়। C) ১৮৪৫ — এই সালে নীল কমিশন সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। D) ১৮৮২ — এটি হান্ট কমিশন গঠনের বছর, যা শিক্ষা সংস্কারের সাথে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: নীল বিদ্রোহের ভয়াবহতা দেখে ব্রিটিশ সরকার ১৮৬১ সালে নীল কমিশন গঠন করতে বাধ্য হয়।
a গ্র্যান্ড খাল
b পানামা খাল
c সুয়েজ খাল
d অক্কানেম খাল
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পানামা খাল প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ কেন সঠিক: - পানামা খাল প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও এর গভীরতা ও খননকাজের পরিধি একে পৃথিবীর গভীরতম খালের মর্যাদা দিয়েছে। - এই খালটির গভীরতা এবং পাহাড় কেটে এর পথ তৈরির জন্য এটি প্রকৌশল বিদ্যার এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্র্যান্ড খাল — এটি মূলত চীনের একটি প্রাচীন ও দীর্ঘ কৃত্রিম জলপথ, কিন্তু এটি পানামা খালের মতো গভীরতম সামুদ্রিক খাল নয়। B) পানামা খাল — এটি প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোগকারী পৃথিবীর গভীরতম এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৃত্রিম খাল। C) সুয়েজ খাল — এটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে সংযোগকারী দীর্ঘ কৃত্রিম খাল হলেও এর গভীরতা পানামা খালের তুলনায় কম। D) অক্কানেম খাল — এটি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে কোনো প্রধান বা সঠিক আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক খাল নয়। মনে রাখার টিপস: গভীর খাল মনে রাখতে পানামা নামটি মনে রাখুন, যা দুই মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
a বাল্টিক সাগর
b কৃষ্ণ সাগর
c আরব সাগর
d লোহিত সাগর
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: D) লোহিত সাগর কেন সঠিক: - লোহিত সাগর আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত মিশর এবং এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত সৌদি আরবের মাঝখানে প্রাকৃতিক সীমানা তৈরি করেছে। - এই ভূরাজনৈতিক অবস্থানের কারণে লোহিত সাগরটি মিশর ও সৌদি আরবকে ভৌগোলিক ও সামুদ্রিকভাবে পৃথক করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাল্টিক সাগর — এটি উত্তর ইউরোপে অবস্থিত এবং এটি মূলত স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপ ও ইউরোপীয় মূল ভূখণ্ডকে আলাদা করেছে। B) কৃষ্ণ সাগর — এটি দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ ও আনাতোলিয়া বা এশিয়া মাইনরের মাঝে অবস্থিত, যা মিশর বা সৌদি আরবের সীমানায় নেই। C) আরব সাগর — এটি ভারত মহাসাগরের একটি উত্তর অংশ, যা ভারত, পাকিস্তান ও আরব উপদ্বীপের মাঝে অবস্থিত কিন্তু মিশর ও সৌদি আরবকে বিভাজন করে না। D) লোহিত সাগর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা মিশর ও সৌদি আরবের মধ্যবর্তী জলসীমা হিসেবে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: মিশর ও সৌদি আরবের মাঝে ব্যবধান খুঁজতে হলে লোহিত সাগরের লোহিত বা লাল রঙের সীমানার কথা মনে রাখতে হবে।
a সামরিক
b রাজনৈতিক
c সামাজিক
d পরিবেশগত
0 51 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সামরিক কেন সঠিক: - ন্যাটো হলো উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের দেশগুলোর একটি সামরিক জোট, যা পারস্পরিক প্রতিরক্ষার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছে। - এর মূল নীতি হলো জোটের যেকোনো সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ হলে তা সব সদস্য দেশের ওপর আক্রমণ বলে গণ্য হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামরিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ ন্যাটো মূলত একটি সামরিক ও প্রতিরক্ষা চুক্তিভিত্তিক সংস্থা। B) রাজনৈতিক — ন্যাটো প্রধানত সামরিক উদ্দেশ্যে গঠিত, যদিও এর রাজনৈতিক ফোরাম রয়েছে, তাই এটি প্রাথমিক রাজনৈতিক জোট নয়। C) সামাজিক — ন্যাটোর কাজ সামাজিক উন্নয়ন বা কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা নয়। D) পরিবেশগত — পরিবেশ সুরক্ষা বা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করা এই জোটের মূল লক্ষ্য বা কাজ নয়। মনে রাখার টিপস: ন্যাটো মানেই পারস্পরিক প্রতিরক্ষার সামরিক চুক্তি।
a ভারত
b যুক্তরাষ্ট্র
c যুক্তরাজ্য
d কানাডা
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্যে ষোড়শ শতাব্দীতে রাষ্ট্রীয় ধর্মের সমালোচনা বা ধর্ম অবমাননাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে প্রথম ব্লাসফেমি আইন বা ব্ল্যাসফেমি আইন প্রণয়ন করা হয়। - রাজতন্ত্র ও চার্চের ক্ষমতা সুসংহত করার উদ্দেশ্যে মূলত এই আইন চালু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — এটি ব্রিটিশ শাসনামলে প্রণীত আইনের প্রভাবে পরবর্তীতে ধর্ম অবমাননার ধারা যুক্ত করে, কিন্তু প্রথম ব্লাসফেমি আইন চালুকারী দেশ নয়। B) যুক্তরাষ্ট্র — এর সংবিধানে বাকস্বাধীনতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি থাকায় এটি প্রথম ব্লাসফেমি আইন চালুকারী দেশ নয়। D) কানাডা — এটি ব্রিটিশ আইনব্যবস্থা অনুসরণ করলেও প্রথম ব্লাসফেমি আইন এই দেশে চালু হয়নি। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের রাজতন্ত্র ও চার্চের ক্ষমতা রক্ষা করতে বিশ্বে প্রথম ব্লাসফেমি আইন চালু হয়েছিল।
a নূর জাহান
b সুলতানা রাজিয়া
c মমতাজ
d যোধা বাঈ
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুলতানা রাজিয়া কেন সঠিক: - তিনি ১২৩৬ থেকে ১২৪০ সাল পর্যন্ত দিল্লির প্রথম ও একমাত্র মুসলিম নারী শাসক বা সুলতান হিসেবে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন। - তিনি দাস বংশের সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুতমিশের সুযোগ্য কন্যা ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নূর জাহান — তিনি দিল্লির সিংহাসনে বসেননি, বরং তিনি ছিলেন মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের প্রভাবশালী স্ত্রী ও পর্দার অন্তরালের ক্ষমতার উৎস। B) সুলতানা রাজিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) মমতাজ — তিনি দিল্লির কোনো শাসক বা সুলতান ছিলেন না, তিনি মুঘল সম্রাট শাহজাহানের প্রিয় স্ত্রী ছিলেন যার স্মরণে তাজমহল নির্মিত হয়। D) যোধা বাঈ — তিনি দিল্লির সিংহাসনে অধিষ্ঠিত কোনো শাসক ছিলেন না, বরং তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের রাজপুত স্ত্রী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: দিল্লির সিংহাসনে বসা একমাত্র নারী সুলতান হলেন রাজিয়া, যাঁর নামের সাথে 'সুলতানা' উপাধি যুক্ত।
a ৪৮
b ৫১
c ৬৭
d ১২৮
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির বিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালনকালে তার কোনো কাজের জন্য আদালতে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৮ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদ এবং তার ক্ষমতা সম্পর্কে সাধারণ বিধান বলা হয়েছে, দায়মুক্তি নয়। B) ৫১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি নিশ্চিত করে। C) ৬৭ — এই অনুচ্ছেদে মূলত সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হওয়া সম্পর্কিত বিধান আলোচনা করা হয়েছে। D) ১২৮ — এই অনুচ্ছেদে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের ক্ষমতা এবং দায়িত্বের কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ৫১ মানেই রাষ্ট্রপতির আইনি সুরক্ষা বা দায়মুক্তি।
a ইলিশ মাছ
b পাট
c রূপা
d চিংড়ি মাছ
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চিংড়ি মাছ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ থেকে প্রচুর পরিমাণে চিংড়ি মাছ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হয় বলে একে সাদা সোনা বলা হয়। - আন্তর্জাতিক বাজারে এর উচ্চ চাহিদা ও অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারণে একে এই বিশেষ নামে ভূষিত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইলিশ মাছ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় মাছ এবং একে ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য বলা হলেও সাদা সোনা বলা হয় না। B) পাট — পাট বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসল এবং এর সোনালি আঁশের কারণে একে সোনালী আঁশ বলা হয়, সাদা সোনা নয়। C) রূপা — রূপা একটি মূল্যবান ধাতু, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয় এবং এটি মাছের কোনো প্রকারভেদ নয়। D) চিংড়ি মাছ — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই মিলে গেছে। মনে রাখার টিপস: পাট হলো সোনালী আঁশ আর চিংড়ি হলো সাদা সোনা।
a ১৩৬তম
b ১৩৭তম
c ১৩৮তম
d ১৩৯তম
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩৬তম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৬তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ক্রমিক নম্বরেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল। B) ১৩৭তম — এই নম্বরটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশ ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। C) ১৩৮তম — এটি ভুল অপশন কারণ জাতিসংঘের সদস্যপদ প্রাপ্তিতে বাংলাদেশের ক্রমিক এটি ছিল না। D) ১৩৯তম — এই সংখ্যাটি সঠিক ক্রমিক নম্বরের সাথে মেলে না এবং এটি ভুল উত্তর। মনে রাখার টিপস: ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয় এবং শেষের সংখ্যা ৬ (১৩৬) মনে রাখলে সহজেই ১৩৬তম সংখ্যাটি মনে রাখা যায়।
a কয়লা
b খনিজ তেল
c চুনাপাথর
d প্রাকৃতিক গ্যাস
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রাকৃতিক গ্যাস কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ এবং বাণিজ্যিক শক্তির মূল উৎস। - দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা ও শিল্পকারখানায় এই খনিজ সম্পদের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কয়লা — এটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ হলেও প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো দেশের প্রধান জ্বালানি ও শক্তির উৎস নয়। B) খনিজ তেল — বাংলাদেশে খনিজ তেলের বাণিজ্যিক উৎপাদন অত্যন্ত সীমিত এবং দেশের চাহিদার প্রায় পুরোটাই আমদানিনির্ভর। C) চুনাপাথর — এটি সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হলেও দেশের প্রধান খনিজ সম্পদ নয়। D) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে এর অবদান সবচেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এবং জ্বালানি চাহিদা মেটাতে প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
a আয়ের চেয়ে ব্যয় কম হলে
b আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হলে
c আয় ও ব্যয় সমান
d কোনটি নয়
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হলে কেন সঠিক: - সরকারের বা কোনো প্রতিষ্ঠানের আয় যখন ব্যয়ের চেয়ে কম হয়, তখন তাকে ঘাটতি বাজেট বলা হয়। - এই অবস্থায় অতিরিক্ত ব্যয় মেটাতে সাধারণত ঋণ বা বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়ের চেয়ে ব্যয় কম হলে — এটি উদ্বৃত্ত বাজেটের সংজ্ঞা, ঘাটতি বাজেট নয়। B) আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হলে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) আয় ও ব্যয় সমান — এটি সুষম বাজেটের সংজ্ঞা, ঘাটতি বাজেট নয়। D) কোনটি নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ঘাতি বা ঘাটতি মানেই কমতি, অর্থাৎ আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি থাকলে বাজেটে ঘাটতি দেখা দেয়।
a যুক্তরাষ্ট্র
b চীন
c ইতালি
d জাপান
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইতালি কেন সঠিক: - আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার ইতিহাস অনুযায়ী বিশ্বের প্রথম ব্যাংক ইতালিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। - ১৪৭২ সালে ইতালির সিয়েনা শহরে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক অব মন্তি দে পাসি দি সিয়েনা বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সচল ব্যাংক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের আধুনিক অর্থনীতি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার একটি শক্তিশালী দেশ হলেও বিশ্বের প্রথম ব্যাংক এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। B) চীন — চীনে বিশ্বের প্রথম কাগজী মুদ্রা বা ব্যাংকনোট চালু হলেও বিশ্বের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংক এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। C) ইতালি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। D) জাপান — জাপানে আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার বিকাশ ঘটেছিল অনেক পরে, তাই এটি প্রথম ব্যাংক প্রতিষ্ঠার স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: ব্যাংক ব্যবসার আদি জন্মস্থান ইতালি, এটি মনে রাখতে ইতালির প্রাচীন ব্যাংক সিয়েনা শহরের নাম মনে রাখতে হবে।
a ভার্চুয়াল গেম
b ক্রেডিট কার্ড
c ইলেকট্রনিক মুদ্রা
d এক ধরনের সফটওয়্যার
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইলেকট্রনিক মুদ্রা কেন সঠিক: - এটি কোনো ধাতব মুদ্রা বা কাগজ নয়, বরং ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেনযোগ্য একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রা। - এটি কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না, বরং ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভার্চুয়াল গেম — এটি কোনো বিনোদনমূলক গেম বা খেলার সফটওয়্যার নয়, বরং একটি আর্থিক লেনদেনের মাধ্যম। B) ক্রেডিট কার্ড — এটি কোনো প্লাস্টিক কার্ড বা ব্যাংক কার্ড নয়, যা দিয়ে সরাসরি কেনাকাটা করা যায়। D) এক ধরনের সফটওয়্যার — এটি কোনো একক সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম নয়, বরং সফটওয়্যার ও ক্রিপ্টোগ্রাফির ওপর ভিত্তি করে তৈরি ডিজিটাল সম্পদ। মনে রাখার টিপস: বিটকয়েন হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেন করা যায় এমন এক ধরনের অদৃশ্য ইলেকট্রনিক মুদ্রা।
a সংবাদ সংস্থা
b বিমান বন্দর
c শেয়ার বাজার
d জাহাজশিল্প
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেয়ার বাজার কেন সঠিক: - ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে অবস্থিত এবং এটি বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। - নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এখানে অবস্থিত হওয়ায় এই রাস্তাটি মূলত বিশ্বের শেয়ার বাজারের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবাদ সংস্থা — সংবাদ সংস্থা হিসেবে রয়টার্স বা এপি বিখ্যাত, যা ওয়াল স্ট্রিটের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) বিমান বন্দর — এটি কোনো বিমান বন্দর নয়, বরং নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটন এলাকার একটি বিখ্যাত রাস্তা। C) শেয়ার বাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ওয়াল স্ট্রিট বিশ্বখ্যাত শেয়ার বাজারের প্রধান কেন্দ্র। D) জাহাজশিল্প — এটি জাহাজ নির্মাণের কোনো স্থান নয়, এটি বিশ্ব অর্থবাজার ও বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। মনে রাখার টিপস: ওয়াল মানে দেওয়াল আর স্ট্রিট মানে রাস্তা, কিন্তু বিশ্ব অর্থনীতিতে এই ওয়াল স্ট্রিট মানেই টাকার খেলা বা শেয়ার বাজার।

মোট প্রশ্ন (23)

a মালাধর বসু
b সমরেশ বসু
c মুকুন্দ দাশ
d রাজশেখর বসু
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজশেখর বসু ১. কেন সঠিক: - 'পরশুরাম' হলো প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক ও রসসাহিত্য রচয়িতা রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম। - তিনি মূলত তার ব্যঙ্গাত্মক ও হাস্যরসাত্মক ছোটগল্পের জন্য বাংলা সাহিত্যে পরশুরাম নামেই সর্বাধিক পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রাজশেখর বসু ১৮৮০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি একাধারে লেখক, রসাস্বাদক ও অভিধানপ্রণেতা ছিলেন। - তার বিখ্যাত গল্পগ্রন্থগুলোর মধ্যে কজ্জলী, পরশুরামের গল্প এবং গড্ডলিকা বাংলা সাহিত্যে ব্যঙ্গসাহিত্যের অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গড্ডলিকা ব্যাখ্যা: এটি রাজশেখর বসু বা পরশুরামের প্রথম প্রকাশিত বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক গল্পগ্রন্থ। উদাহরণ ২: চলন্তিকা ব্যাখ্যা: এটি রাজশেখর বসু কর্তৃক সংকলিত ও রচিত একটি জনপ্রিয় বাংলা প্রমিত অভিধান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালাধর বসু — ইনি মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্য রচনা করেছিলেন এবং তার কোনো ছদ্মনাম পরশুরাম ছিল না। B) সমরেশ বসু — ইনি আধুনিক যুগের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক যিনি কালকূট ও ভ্রমর ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন, পরশুরাম নন। C) মুকুন্দ দাশ — ইনি বাংলা ১৩ শতকের একজন বিখ্যাত দেশপ্রেমিক চারণকবি ও নাট্যকার ছিলেন, পরশুরাম তার ছদ্মনাম নয়। D) রাজশেখর বসু — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'পরশুরাম' ছদ্মনামে ব্যঙ্গরচনা লিখতেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - পরশুরামের রসাত্মক লেখাগুলো রাজত্ব করেছিল পাঠকদের হৃদয়ে, তাই রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম পরশুরাম। - বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য লেখকের প্রকৃত নামের প্রথম অক্ষর বা উপাধির সাথে মিল রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম প্রায়ই আসে। - অনুরূপভাবে বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম অনিলা দেবী।
a মন্দ অর্থে
b বিপরীত অর্থে
c বৃথা অর্থে
d অস্বাভাবিক অর্থে
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মন্দ অর্থে কেন সঠিক: - 'অপদেবতা' শব্দটিতে 'অপ' উপসর্গটি দেবতা শব্দের পূর্বে বসে ভালো বা সাধারণ দেবতার বিপরীত হিসেবে অশুভ বা মন্দ অর্থ প্রকাশ করেছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'অপ' উপসর্গটি খারাপ বা মন্দ গুণসম্পন্ন সত্তাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'অপ' একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা সাধারণত বিপরীত, মন্দ, অভাব ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ভাষায় এটি তৎসম শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ বা বিশেষ ভাব তৈরি করে। - যেমন 'অপসংস্কৃতি' শব্দটিতেও 'অপ' উপসর্গটি মন্দ বা খারাপ সংস্কৃতি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মন্দ অর্থে — এই অপশনটি সঠিক কারণ অপদেবতা শব্দে অপ উপসর্গ মন্দ অর্থ প্রকাশ করে। - B) বিপরীত অর্থে — বিপরীত অর্থে অপ উপসর্গ ব্যবহার হলেও অপদেবতা শব্দে এটি প্রধানত মন্দ বা অশুভ অর্থ প্রকাশ করে। - C) বৃথা অর্থে — বৃথা বা অপচয় অর্থে অপ উপসর্গ অন্য শব্দে বসে যেমন অপব্যয়, কিন্তু এখানে তা প্রযোজ্য নয়। - D) অস্বাভাবিক অর্থে — অস্বাভাবিক বোঝাতে অপ উপসর্গ সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: - অপদেবতা মানে অশুভ বা মন্দ দেবতা, তাই এখানে অপ উপসর্গটি মন্দ অর্থ নির্দেশ করে।
a নিঃ+অবধি
b নির+বধি
c নিরব+অবধি
d নিরঃ+বধি
0 44 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নিঃ+অবধি কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে। - বিসর্গের পর স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ লোপ পেয়ে র হয় এবং পরবর্তী স্বরবর্ণ আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়মে নিঃ এর বিসর্গ র এ পরিবর্তিত হয়েছে। - অব এর অ স্বরবর্ণটি র এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে রবীন্দ্র বা নিরবধি শব্দের সৃষ্টি করে। - যেমন: নিঃ + আকার = নিরাকার, নিঃ + আশা = নিরাশ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) নিঃ+অবধি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাকি অপشنগুলো ভুল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। - B) নির+বধি — নির কোনো সঠিক পূর্বপদ নয় এবং এখানে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মানা হয়নি। - C) নিরব+অবধি — নিরব কোনো মূল শব্দ নয় এবং এটি সন্ধির নিয়মের বাইরে গঠিত। - D) নিরঃ+বধি — নিরঃ বলে বাংলায় কোনো ব্যাকরণসম্মত শব্দ বা উপসর্গ নেই। মনে রাখার টিপস: - বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গের জায়গায় র আসলে সাধারণত প্রথম অংশে নিঃ থাকে।
a ১৯৬০
b ১৯৬৭
c ১৯৮১
d ১৯৬৮
1 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৭ ১. কেন সঠিক: - হাসান আজিজুল হকের বিখ্যাত ছোটগল্প ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৭ সালে। - এই গল্পটি বাংলা ছোটগল্পের ধারায় একটি বিশেষ শিল্পরূপ ও গভীর জীবনদর্শন ধারণ করে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক বাংলা ছোটগল্পে বাস্তবতার নির্মম রূপ ও মানুষের টিকে থাকার লড়াই ফুটিয়ে তুলেছেন। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থের মধ্যে ‘শকুন ও অন্যান্য জেরা’, ‘আগুনপাখি’ ও ‘আমৃত্যু আজীবন’ অত্যন্ত জনপ্রিয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাসান আজিজুল হকের বিখ্যাত ছোটগল্প ‘শকুন’। ব্যাখ্যা: এই গল্পটিতে লেখকের অনন্য গদ্যশৈলী ও সমাজবাস্তবতার নিখুঁত রূপ ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: হাসান আজিজুল হকের উপন্যাস ‘আগুনপাখি’। ব্যাখ্যা: দেশভাগের প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসটি বাংলা কথাসাহিত্যে একটি মাস্টারপিস হিসেবে বিবেচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬০ — এই সালে হাসান আজিজুল হকের আলোচিত এই গল্পটি প্রকাশিত হয়নি। B) ১৯৬৭ — এই সালটি আলোচ্য ছোটগল্প প্রকাশের সঠিক সাল হিসেবে স্বীকৃত। C) ১৯৮১ — এই সালে গল্পটি প্রকাশিত হয়নি, এটি অন্য কোনো সাহিত্যকর্মের প্রকাশকাল হতে পারে। D) ১৯৬৮ — এই সালটি আলোচ্য গল্পের প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হাসান আজিজুল হকের ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ’ গল্পের প্রকাশকাল মনে রাখতে ১৯৬৭ সালটি নোট করে রাখতে পারো। - লেখকের জন্ম ও তাঁর প্রধান রচনাগুলোর সাল একটি ছোট তালিকায় লিখে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত গল্প ও উপন্যাসের প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। - লেখকের অন্যান্য জনপ্রিয় গ্রন্থের প্রকাশকাল ও চরিত্র সম্পর্কে ধারণা রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
a এয়াকুব আলী চৌধুরী
b সৈয়দ এমদাদ আলী
c বীরবল
d মোজাম্মেল হক
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোজাম্মেল হক ১. কেন সঠিক: - কবি মোজাম্মেল হক পারস্যের মহাকবি ফেরদৌসীর বিখ্যাত মহাকাব্য শাহনামা বাংলায় সফলভাবে পদ্যে অনুবাদ করেন। - মুসলিম রেনেসাঁ ও ঐতিহ্যচেতনার ধারক এই লেখক বাংলা সাহিত্যে ইসলামী ঐতিহ্য তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোজাম্মেল হক ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের একজন বিশিষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক ও সাংবাদিক ছিলেন। - তার অনূদিত শাহনামা মুসলিম বীরত্বগাথা ও ইতিহাসের এক অমর সৃষ্টি যা বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে পরিচিত লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোজাম্মেল হক রচিত প্রহলাদ চরিত্র একটি কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম যা তার কাব্যপ্রতিভার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: মোজাম্মেল হক রচিত জাতীয় অভিনন্দন একটি প্রীতিমূলক গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি তার সাহিত্যিক অবদানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন যা তৎকালীন সমাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এয়াকুব আলী চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক হলেও শাহনামা অনুবাদ করেননি, তার বিখ্যাত গ্রন্থ মানবমুকুট। B) সৈয়দ এমদাদ আলী — তিনি বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং সাহিত্যিক হলেও শাহনামার অনুবাদক নন। C) বীরবল — এটি প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার রীতিনীতির প্রবক্তা, শাহনামা অনুবাদ করেননি। D) মোজাম্মেল হক — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি পারস্যের মহাকাব্যের বঙ্গানুবাদ করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মোজাম্মেল হক মানেই শাহনামা অনুবাদক হিসেবে স্মরণ রাখতে হবে। - মহাকবি ফেরদৌসীর শাহনামা বাংলায় এনেছেন মোজাম্মেল হক এমন ছন্দ মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি মহাকাব্যের অনুবাদক সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল গ্রন্থ এবং অনুবাদকের নাম জোড় আকারে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বেশ সহায়ক।
a ওটি
b ছুঁয়ো না
c লজ্জাবতী
d লতা
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওটি ১. কেন সঠিক: নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীকে নির্দেশ করার জন্য পদাশ্রিত নির্দেশক ব্যবহার করা হয়। এখানে ওটি শব্দটি লতা নামক বিশেষ্য পদকে নির্দিষ্ট করে বুঝিয়েছে বলে এটি পদাশ্রিত নির্দেশক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ বা প্রত্যয় পদের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায় সেগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। বাংলা ব্যাকরণে টা, টি, খানা, খানি, কুল, সকল ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশকের প্রধান উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বইটি আমাকে দাও। ব্যাখ্যা: এখানে বই বিশেষ্যের সাথে টি যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: খাতাটি সবাধে টেবিলের ওপর রাখো। ব্যাখ্যা: এখানে খাতা বিশেষ্যের সাথে টি যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি খাতাকে নির্দেশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওটি - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্টতা বোঝাচ্ছে। B) ছুঁয়ো না - এটি একটি ক্রিয়াপদ যা নিষেধ বা বারণ অর্থ প্রকাশ করছে। C) লজ্জাবতী - এটি বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশকারী বিশেষণ পদ। D) লতা - এটি একটি উদ্ভিদের নাম যা বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ বা সর্বনাম পদ যখন নির্দিষ্ট করে কাউকে বা কিছুকে নির্দেশ করে তখন তাকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলবে। টি, টা, খানা, খানি দেখলে সহজে পদাশ্রিত নির্দেশক চিনে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পদাশ্রিত নির্দেশক সাধারণত পদের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা বা বহুবচন বোঝায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নির্দিষ্টতা রক্ষাকারী শব্দগুলো আলাদা করতে এই নিয়ম কাজে লাগে।
a উত্তম পুরুষ
b নাম পুরুষ
c ক ও খ
d মধ্যম পুরুষ
1 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মধ্যম পুরুষ ১. কেন সঠিক: প্রত্যক্ষভাবে উদ্দিষ্ট ব্যক্তি বা শ্রোতাকে মধ্যম পুরুষ বলা হয়। বক্তা যার সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন বা সম্বোধন করেন, ব্যাকরণের ভাষায় তাকে মধ্যম পুরুষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সর্বনাম ও ক্রিয়ার পুরুষ তিন ভাগে বিভক্ত। বক্তা নিজে হলো উত্তম পুরুষ, যার সম্পর্কে বা যার সম্বন্ধে কিছু বলা হয় তিনি নাম পুরুষ, এবং যার সঙ্গে সরাসরি কথা বলা হয় তিনি মধ্যম পুরুষ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুমি আগামী কাল ক্লাসে উপস্থিত থেকো। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে তুমি শব্দটি সরাসরি শ্রোতাকে বোঝায় বলে এটি মধ্যম পুরুষ। উদাহরণ ২: আপনারা অনুগ্রহ করে একটু বসুন। ব্যাখ্যা: এখানে আপনারা শব্দটি সামনে উপস্থিত শ্রোতৃবর্গকে নির্দেশ করায় এটি মধ্যম পুরুষ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তম পুরুষ — বক্তা বা লেখক নিজে যখন নিজের কথা বলেন, তাকে উত্তম পুরুষ বলা হয়, যা শ্রোতাকে নির্দেশ করে না। B) নাম পুরুষ — বক্তা ও শ্রোতা ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা বিষয় সম্পর্কে বলা হলে তাকে নাম পুরুষ বলা হয়। C) ক ও খ — এই অপশনটিতে উত্তম ও নাম পুরুষকে বোঝানো হয়েছে, যা সরাসরি শ্রোতাকে নির্দেশ করার সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না। D) মধ্যম পুরুষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রত্যক্ষভাবে উদ্দিষ্ট ব্যক্তি বা শ্রোতাকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: বক্তা নিজে উত্তম, সামনে বসা বা যার সঙ্গে কথা বলা হয় তিনি মধ্যম, আর দূরে থাকা ব্যক্তি বা বিষয় হলো নাম বা প্রথম পুরুষ। এভাবে খুব সহজেই পুরুষ নির্ণয় করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পুরুষবাচক সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাক্যের কর্তা বা সর্বনামটি বক্তা, শ্রোতা নাকি অন্য কেউ, তা চিহ্নিত করতে পারলে সঠিক উত্তর সহজেই বের করা যায়।
a উপমান
b উপমিত
c রূপক
d মধ্যপদলোপী
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মধ্যপদলোপী কেন সঠিক: ১. ‘সোনামুখী’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো সোনা বাঁধানো মুখ যে নারীর, যা কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে। ২. এখানে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদগুলো লুপ্ত হয়ে নতুন পদ তৈরি হওয়ায় এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হিসেবে গণ্য হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যের এক বা একাধিক পদ সম্পূর্ণভাবে লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। ২. এই সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের অর্থের প্রধান্য থাকে এবং মাঝের বিশেষ অর্থবোধক পদটি উহ্য থাকে। ৩. যেমন, হসিমুখ = হাঁস হাস মুখ যে নারীর, এখানে মাঝের পদগুলো বিলুপ্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপমান — উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমেয় পদের তুলনা বোঝায়, যা সোনামুখীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) উপমিত — উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্ম উল্লেখ না করে উপমেয়কে উপমানের সাথে তুলনা করা হয়, যা এখানে হয়নি। C) রূপক — রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়, যা সোনামুখী শব্দে অনুপস্থিত। D) মধ্যপদলোপী — এটি ভুল নয়, কারণ প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এটাই এবং এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: ১. ব্যাসবাক্য বিস্তার করার সময় যদি মাঝের অংশ বাদ যায়, তবে সেটি মধ্যপদলোপী সমাস হবে। ২. কোনো মুখের রূপ বা বিশেষণের সাথে সোনা বা রূপার মতো উপাদান যুক্ত থাকলে তা মধ্যপদলোপী কর্মধারয় হয়।
a আরবি
b ফরাসি
c ফারসি
d উর্দু
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফারসি ১. কেন সঠিক: - ‘মুসলমান’ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে ফারসি শব্দের সংখ্যা অত্যন্ত বেশি এবং এর মধ্যে ধর্ম ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত শব্দও রয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ ও উৎস বিচারে আরবি ও ফারসি ভাষার শব্দের মধ্যে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তাই উৎস সঠিকভাবে চেনা জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস ও শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ ইত্যাদি। - ‘মুসলমান’ শব্দটি মূলত আরবি ‘মুসলিম’ শব্দ থেকে ফারসি ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় প্রবেশ করেছে, যার কারণে ব্যাকরণগতভাবে এটি ফারসি শব্দ হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোদা ব্যাখ্যা: এটি একটি ফারসি শব্দ, যা সৃষ্টিকর্তা অর্থে বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: রোজা ব্যাখ্যা: এটিও একটি ফারসি শব্দ, যা ইসলামের একটি অন্যতম প্রধান ইবাদত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — ইসলাম ধর্মের মূল উৎস আরবি ভাষা হলেও ‘মুসলমান’ শব্দটি সরাসরি আরবি রূপ হিসেবে বাংলায় আসেনি, বরং ফারসি ভাষার মাধ্যমে এসেছে। B) ফরাসি — ফরাসি একটি ইউরোপীয় ভাষা এবং বাংলা ভাষায় ফরাসি শব্দের সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত যেমন কার্তুজ, রেস্তোরাঁ। C) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই শব্দটির রূপগত উৎপত্তি ফারসি ভাষার ব্যাকরণিক কাঠانো অনুসরণ করে বাংলায় এসেছে। D) উর্দু — উর্দু ভাষা ভারত উপমহাদেশে সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি ফারসি ও আরবি শব্দ দ্বারা প্রভাবিত হলেও ‘মুসলমান’ শব্দটি উর্দু থেকে বাংলায় আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধর্ম ও সংস্কৃতিবাচক অনেক শব্দ সরাসরি আরবি মনে হলেও রোজা, খোদা, নামাজ এবং মুসলমান শব্দগুলো ফারসি ভাষার মাধ্যমে বাংলায় এসেছে। - উৎস মনে রাখার জন্য শব্দের শেষ অংশের রূপ এবং ব্যবহারের ক্ষেত্র লক্ষ্য করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্য বুঝতে ধর্মীয় ও সামাজিক পরিভাষাগুলোর সঠিক উৎস তালিকা মুখস্থ রাখতে হবে।
a নাগর দোলা
b নগরী
c নাগরিক
d নগরসমেত
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাগরিক ১. কেন সঠিক: - ‘নগর’ বিশেষ্য পদের সঙ্গে ‘ইক’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ ‘নাগরিক’ গঠিত হয়েছে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী বিশেষ্য পদকে বিশেষণে রূপান্তর করার জন্য শব্দের অন্তে প্রত্যয় যোগ করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদকে বিশেষণে রূপান্তর করার নিয়ম হলো মূল শব্দের সঙ্গে নির্দিষ্ট প্রত্যয় যেমন ইক, ঈয়, ইন ইত্যাদি যুক্ত করা। - নগর শব্দের সঙ্গে ইক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নাগরিক শব্দ গঠন করে যা নগর সংক্রান্ত গুণ বা অবস্থাকে প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পর্বত + ইক = পার্বতীয় বা পৰ্বতীয় ব্যাখ্যা: পর্বত বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণে রূপান্তরিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ইতিহাস + ইক = ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা: ইতিহাস বিশেষ্য পদের সঙ্গে ইক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাগর দোলা — এটি একটি বিশেষ্য পদ যা একটি বিশেষ গ্রামীণ বা মেলাভিত্তিক বিনোদন মাধ্যমকে বোঝায় এবং এর সঙ্গে নগর শব্দের সরাসরি বিশেষ রূপের মিল নেই। B) নগরী — এটি ‘নগর’ শব্দের একটি সমার্থক বা স্ত্রীবাচক বিশেষ্য পদ, যা বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। D) নগরসমেত — এটি একটি অব্যয়ীভাব বা বহুব্রীহি জাতীয় শব্দ যা সমাসবদ্ধ পদ, কিন্তু সরাসরি নগর শব্দের বিশেষণ রূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্থানবাচক বিশেষ্য পদের সঙ্গে ইক প্রত্যয় যুক্ত করে সহজেই বিশেষণ পদ তৈরি করা যায় যেমন নগর থেকে নাগরিক। - প্রত্যয়যুক্ত শব্দ চেনার সময় মূল শব্দ এবং যুক্ত প্রত্যয় আলাদা করে দেখলে তা দ্রুত মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পরিবর্তনের নিয়ম প্রায়ই আসে। - প্রত্যয় সাধিত শব্দ চেনার কৌশল রপ্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a ৩৯
b ৪১
c ৪২
d ৪৩
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪১ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক ধ্বনি মূলত মোট একচল্লিশটি। এর মধ্যে স্বরধ্বনি সাতটি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি চৌত্রিশটি মিলে মোট একচল্লিশটি মূল ধ্বনি রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি হলো ভাষার সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম অংশ বা একক যা কান দিয়ে শোনা যায়। বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ পঞ্চাশটি হলেও উচ্চারণের দিক থেকে মূল ধ্বনির সংখ্যা একচল্লিশটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, উ - এগুলো হলো বাংলা ভাষার মৌলিক স্বরধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। ব্যাখ্যা: এই স্বরধ্বনিগুলো অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে। উদাহরণ ২: ক, চ, ট, ত - এগুলো হলো বাংলা ভাষার ব্যঞ্জনধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। ব্যাখ্যা: এই ব্যঞ্জনধ্বনিগুলো স্বরধ্বনির সাহায্য ছাড়া স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৯ — এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মূল ধ্বনির সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না। এটি একটি ভুল তথ্য। B) ৪১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার মূল ধ্বনি একচল্লিশটি। C) ৪২ — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের মূল ধ্বনির গণনায় সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়। এটি অতিরিক্ত গণনা। D) ৪৩ — এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি বা বর্ণের প্রমিত সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বর্ণ পঞ্চাশটি হলেও মূল ধ্বনি একচল্লিশটি এই বিষয়টি মনে রাখবে। স্বরধ্বনি সাতটি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি চৌত্রিশটি যোগ করলে একচল্লিশ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বর্ণমালা এবং ধ্বনি প্রকরণ থেকে প্রতি বছর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। ধ্বনি ও বর্ণের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ভাষাতত্ত্বে
b ধ্বনিতত্ত্বে
c অর্থতত্ত্ব
d রূপতত্ত্বে
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্থতত্ত্ব কেন সঠিক: - বাগধারা শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ বা নতুন অর্থ প্রকাশ করে। - শব্দের বা বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা বাংলা ব্যাকরণের অর্থতত্ত্ব বা语义 অংশের মূল কাজ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে অর্থতত্ত্ব অংশে মূলত শব্দের অর্থার্থকতা, বিপরীত শব্দ, বাগধারা ও প্রবচন নিয়ে আলোচনা করা হয়। - বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে খুব আকর্ষণীয় ও সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। - যেমন, অকালবোধন অর্থ দুর্লভ বস্তু, যা আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ভাষাতত্ত্বে — এই অংশে ভাষার উৎপত্তি, ক্রমবিকাশ ও ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করা হয়। - B) ধ্বনিতত্ত্বে — এই অংশে ধ্বনি, বর্ণ, নত্ব বিধান ও ষত্ব বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়। - C) অর্থতত্ত্ব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল কারণ নেই। - D) রূপতত্ত্বে — এই অংশে পদ, কারক, সমাস, প্রত্যয় ও উপসর্গ নিয়ে আলোচনা করা হয়। মনে রাখার টিপস: - অর্থের সাথে জড়িত সবকিছু অর্থতত্ত্বে আলোচিত হয়, তাই বাগধারাও অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
a বনভূমি
b কলাপী
c নীরধি
d বিটপী
0 50 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিটপী ১. কেন সঠিক: - 'বৃক্ষ' শব্দের একটি অন্যতম বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ হলো 'বিটপী'। - বৃক্ষ শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে রয়েছে গাছ, তরু, পাদপ, মহীরুহ ইত্যাদি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সকল শব্দ যেগুলোর উচ্চারণ ভিন্ন হলেও অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধ-তদ্ভব, তদ্ভব ও বিদেশি নানা উৎস থেকে আসা শব্দের সমার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তরু ব্যাখ্যা: তরু শব্দটি বৃক্ষ বা গাছের সমার্থক হিসেবে বাংলা কবিতায় ও গদ্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পাদপ ব্যাখ্যা: পাদপ শব্দের অর্থ যা পা বা শিকড় দিয়ে পান করে, অর্থাৎ গাছ বা বৃক্ষ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনভূমি — বনভূমি অর্থ বহু গাছপালা যুক্ত বিস্তীর্ণ এলাকা, যা এককভাবে একটি বৃক্ষকে বোঝায় না। B) কলাপী — কলাপী শব্দের অর্থ ময়ূর, যা কোনোভাবেই বৃক্ষ শব্দের সমার্থক নয়। C) নীরধি — নীরধি শব্দের অর্থ সমুদ্র বা জলধি, যার সঙ্গে বৃক্ষ শব্দের কোনো মিল নেই। D) বিটপী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ গাছ বা বৃক্ষ। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিটপী মানে গাছ, আর কলাপী মানে ময়ূর। এই দুটি শব্দ প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উল্টোভাবে অপশনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিদ বা প্রকৃতিবাচক সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তরু, পাদপ, মহীরুহ ও বিটপী শব্দগুলো সমার্থক শব্দ হিসেবে ভালোভাবে আয়ত্ত রাখা উচিত।
a কবি গান
b পুঁথি সাহিত্য
c নাথ সাহিত্য
d বৈষ্ণব পদ সাহিত্য
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবি গান ১. কেন সঠিক: - এন্টনি ফিরিঙ্গি অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে এবং উনিশ শতকের প্রথমার্ধে বাংলা কবিগানের এক অবিস্মরণীয় ও জনপ্রিয় শিল্পী ছিলেন। - তিনি বিদেশি বংশোদ্ভূত হয়েও বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে এমনভাবে মিশে গিয়েছিলেন যে তিনি বাংলা কবিগানের অন্যতম প্রধান রূপকার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবিগান হলো অষ্টাদশ শতাব্দী থেকে উনিশ শতকের শেষার্ধ পর্যন্ত বাংলায় প্রচলিত এক ধরনের লোকসংগীত যেখানে দুই পক্ষের কবি বা গায়ক ছড়ায় ছড়ায় তর্কে লিপ্ত হতেন। - বাংলার লোকসংস্কৃতির ইতিহাসে কবিগান এক অনন্য ধারার সৃষ্টি করেছিল এবং এন্টনি ফিরিঙ্গি এই ধারার একজন শীর্ষস্থানীয় ও প্রবাদপ্রতিম কবিওয়াল হিসেবে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোবরপাড়া নিবাসী রাম বসু বাংলা কবিগানের অন্যতম সেরা ও প্রভাবশালী একজন প্রধান কবি হিসেবে সমাদৃত হয়েছিলেন। ব্যাখ্যা: এন্টনি ফিরিঙ্গির সমসাময়িক কবিওয়ালাদের মধ্যে রাম বসুর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যিনি কবিগানের মাধ্যমে সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরতেন। উদাহরণ ২: ভোলা ময়রা উনিশ শতকের অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন কবিওয়ালা এবং মিষ্টি বিক্রেতা হিসেবে বাংলা লোকসাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত। ব্যাখ্যা: ভোলা ময়রাও কবিগান পরিবেশন করতেন এবং তাঁর রচিত ও গাওয়া কবিগান সেই সময়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীষণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবি গান — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এন্টনি ফিরিঙ্গি মূলত কবিগানের জন্যই বিখ্যাত এবং তিনি এই ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচয়িতা ও গায়ক ছিলেন। B) পুঁথি সাহিত্য — পুঁথি সাহিত্য হলো মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা যা মূলত মুসলমান কবিদের দ্বারা আরবি ও ফার্সি বা লোককাহিনি অবলম্বনে রচিত হতো। C) নাথ সাহিত্য — নাথ সাহিত্য হলো চর্যাপদের ঠিক পরবর্তী সময়ের এবং মধ্যযুগের শুরুতে গড়ে ওঠা ধর্মীয় লোকসাহিত্যের একটি বিশেষ শাখা যা নাথধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়। D) বৈষ্ণব পদ সাহিত্য — বৈষ্ণব পদ সাহিত্য হলো রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা এবং ভক্তিভাবকে কেন্দ্র করে মধ্যযুগে রচিত এক বিশাল ও সমৃদ্ধ কাব্যধারা। ৫ মনে রাখার টিপস: - এন্টনি ফিরিঙ্গির নাম শুনলেই মাথায় রাখতে হবে তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার একজন বিখ্যাত বিদেশি কবিগানের গায়ক। - কবিগান ও কবিওয়ালা বললেই এন্টনি ফিরিঙ্গি, রাম বসু এবং ভোলা ময়রার নাম একসঙ্গে মনে রাখার চেষ্টা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এন্টনি ফিরিঙ্গির সাহিত্যিক অবদান সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই তাঁর ধারাটি ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি। - এই ধরনের লোকসাহিত্যভিত্তিক প্রশ্নে লেখকের নাম এবং তাঁর সংশ্লিষ্ট সাহিত্য ধারার মেলবন্ধন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a নাটক
b কাব্য
c পদাবলি
d পালাগান
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্য ১. কেন সঠিক: চন্দ্রাবতী একটি বিশিষ্ট বাংলা আখ্যানকাব্য বা মহাকাব্য। কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা মধ্যযুগের প্রখ্যাত নারী কবি চন্দ্রাবতীর জীবনের ওপর ভিত্তি করে আধুনিক যুগে এই কাব্যটি রচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি ও প্রাবন্ধিক কায়সুল হক অথবা আধুনিক কবিদের রচিত কাব্যে চন্দ্রাবতীর দুঃখময় জীবন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাংলা সাহিত্যে চন্দ্রাবতী হলেন প্রথম বাংলা ভাষার নারী কবি যিনি রামায়ণ অনুবাদ করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশ্বেতা দেবীর চন্দ্রাবতী ব্যাখ্যা: এটি চন্দ্রাবতীর জীবনকে কেন্দ্র করে রচিত একটি আধুনিক সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: মলুয়ার পালা ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালাগান যা লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — চন্দ্রাবতী কোনো দৃশ্যকাব্য বা নাটক নয়। এটি মূলত একটি বর্ণনামূলক কাব্যিক রূপ। B) কাব্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি সাহিত্যিক কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত। C) পদাবলি — পদাবলি সাধারণত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক গীতিপদ বোঝায় যা চন্দ্রাবতী নয়। D) পালাগান — এটি কোনো ঐতিহ্যবাহী গীতিনাট্য বা পালাগান হিসেবে সরাসরি তালিকাভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: চন্দ্রাবতী নামটি শুনলেই মনে রাখবে এটি মধ্যযুগের নারী কবি এবং আধুনিক যুগের একটি বিখ্যাত কাব্য। কাব্য ও কবি চন্দ্রাবতীকে এভাবে একসূত্রে গেঁথে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি হিসেবে চন্দ্রাবতীর নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর রচিত রামায়ণ অনুবাদ এবং তাঁর জীবনভিত্তিক কাব্য সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b জসীমউদ্দীন
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d আব্দুল হাকিম
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেন সঠিক: ১. সঞ্চয়িতা কাব্যগ্রন্থটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন কবিতা ও গানের একটি বিখ্যাত সংকলন। ২. ১৯৩১ সালে এই গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এর প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি কোনো একক কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং রবীন্দ্রনাথের সেরা কবিতাগুলোর একটি সংকলিত রূপ। ২. বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে রবীন্দ্রনাথের এই সংকলনটি কাব্যপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। ৩. এর কিছু বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে সোনার তরী, বিদ্রোহী বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট কবিতা নয় বরং তার অজস্র জনপ্রিয় সৃষ্টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে অগ্নিবীণা ও বিষের বাঁশি, তাই এটি ভুল। B) জসীমউদ্দীন — জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো নকশী কাথার মাঠ ও সুজন بادিয়া ঘাট, তাই এটি সঠিক নয়। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) আব্দুল হাকিম — আব্দুল হাকিম মধ্যযুগের একজন কবি, তার বিখ্যাত রচনা নূরنامা, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ১. রবীন্দ্রনাথের রচনার সংকলন বোঝাতে সঞ্চয়িতা শব্দটি মনে রাখতে হবে। ২. নজরুল মানে যেমন অগ্নিবীণা, তেমনি রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কবিতার সংকলন হলো সঞ্চয়িতা।
a অতি প্রত্যাশা
b আনন্দিত হওয়া
c সৌভাগ্যের বিষয়
d নতুন কিছু শুরু হওয়া
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৌভাগ্যের বিষয় ১. কেন সঠিক: - 'একাদশে বৃহস্পতি' একটি প্রখ্যাত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ হলো সৌভাগ্যের বিষয় বা সুসময়। - জ্যোতিষশাস্ত্রের বিশ্বাস অনুযায়ী বৃহস্পতি গ্রহ একাদশ ঘরে অবস্থান করলে মানুষের জীবনে চরম সৌভাগ্য ও সাফল্য আসে, সেখান থেকেই এই বাগধারাটির উৎপত্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত বাগধারা, যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে শব্দ বা পদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও প্রচ্ছন্ন ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকরি পাওয়ার পর থেকেই যেন তার একাদশে বৃহস্পতি বিরাজ করছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সৌভাগ্য বা সুসময় বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসায়ে প্রথমবারেই লাভ হওয়ায় তার একাদশে বৃহস্পতি শুরু হলো। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসায়িক সাফল্য এবং ভাগ্য সুপ্রসন্ন হওয়া অর্থে বাগধারাটির প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতি প্রত্যাশা — এই অর্থটি সঠিক নয় কারণ বাগধারাটি ভাগ্য বা সুসময় বোঝায়, কোনো কিছুর অতিরিক্ত চাওয়া বা আশা করা বোঝায় না। B) আনন্দিত হওয়া — আনন্দিত হওয়া মনের একটি সাময়িক ভাব, কিন্তু 'একাদশে বৃহস্পতি' মূলত একটি অনুকূল পরিস্থিতি বা সৌভাগ্যকে নির্দেশ করে। C) সৌভাগ্যের বিষয় — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা বাগধারার প্রকৃত ভাবার্থের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। D) নতুন কিছু শুরু হওয়া — নতুন কিছু শুরু হওয়া মানে সূচনা বা আরম্ভ, যা সৌভাগ্যের সমার্থক বা এই বাগধারার সঠিক অর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জ্যোতিষশাস্ত্রে বৃহস্পতি গ্রহকে সৌভাগ্যের প্রতীক ধরা হয় এবং একাদশ ঘর হলো লাভের স্থান। - তাই একাদশে বৃহস্পতি দেখলেই মাথায় রাখবে এটি সুসময় বা সৌভাগ্যের ইঙ্গিত দেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই অর্থ মুখস্থ না করে উৎসের সঙ্গে মিলিয়ে পড়বে। - একই ধরনের আরেকটি সৌভাগ্যবাচক বাগধারা হলো 'অষ্টম মঙ্গল', যা ভালোভাবে মনে রাখবে।
a ধাতু
b বিভক্তি
c কর্ম
d প্রতিপাদিক
0 39 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধাতু ১. কেন সঠিক: - ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বলা হয়, যার সাথে কাল ও পুরুষবাচক বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ ক্রিয়া পদ গঠিত হয়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ক্রিয়াপদের যে অংশকে আর ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায় না, তাকে ক্রিয়ামূল বা ধাতু বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ক্রিয়াপদের মূল বা অবিভাজ্য অংশ হলো ধাতু, যেমন পর, খা, যা ইত্যাদি। - ধাতুর সাথে প্রত্যয় বা বিভক্তি যোগ করে নতুন শব্দ ও ক্রিয়াপদ তৈরি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পড় + আ = পড়া ব্যাখ্যা: এখানে 'পড়' হলো ধাতু এবং 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: চল + ছিস = চলছো ব্যাখ্যা: এখানে 'চল' হলো মূল ধাতু যার সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক্রিয়ার মূলকে ধাতু বলা হয়। B) বিভক্তি — এটি শব্দের বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে, ক্রিয়ার মূল নয়। C) কর্ম — এটি বাক্যের যার ওপর ভিত্তি করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, ক্রিয়ার মূল নয়। D) প্রতিপাদিক — এটি বিভক্তিহীন নামশব্দ বা প্রাতিপদিক, ক্রিয়ার মূল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়ার মূল হলো ধাতু এবং নামপদের মূল হলো প্রাতিপদিক। - ধাতু মানেই ক্রিয়ার উৎস বা শিকড়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রাতিপদিক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ক্রিয়াপদ থেকে বিভক্তি বাদ দিলে যা থাকে তা-ই ধাতু।
a উভয় লিঙ্গ
b পুরুষ লিঙ্গ
c ক্লীব লিঙ্গ
d স্ত্রী লিঙ্গ
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্লীব লিঙ্গ ১. কেন সঠিক: যেসব বিশেষ্য পদ দ্বারা স্ত্রী বা পুরুষ বোঝায় না, বরং অচেতন বস্তু বা পদকে নির্দেশ করে, তাকে ব্যাকরণের নিয়মে ক্লীব লিঙ্গ বলা হয়। দালান একটি অচেতন বস্তুবাচক শব্দ হওয়ায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ক্লীব লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত যথা পুংলিঙ্গ, স্ত্রীলিঙ্গ, উভয় লিঙ্গ এবং ক্লীব লিঙ্গ। অচেতন বা প্রাণহীন বস্তু, ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র এবং কিছু ইতর প্রাণীর নাম সাধারণত ক্লীব লিঙ্গের হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বই ব্যাখ্যা: বই একটি প্রাণহীন বস্তুবাচক শব্দ হওয়ায় এটি ক্লীব লিঙ্গ। উদাহরণ ২: কলম ব্যাখ্যা: কলম দ্বারা কোনো জীব বোঝায় না, তাই এটি ক্লীব লিঙ্গ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উভয় লিঙ্গ — উভয় লিঙ্গ বলতে এমন পদ বোঝায় যা একই সঙ্গে পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কে নির্দেশ করে, কিন্তু দালান প্রাণহীন বস্তু হওয়ায় এটি উভয় লিঙ্গ হতে পারে না। B) পুরুষ লিঙ্গ — পুরুষ লিঙ্গ শুধু পুরুষবাচক জীবকে বোঝায়, তাই প্রাণহীন দালান শব্দটিকে পুরুষ লিঙ্গ বলা যায় না। C) ক্লীব লিঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ দালান একটি প্রাণহীন ও অচেতন বস্তুবাচক বিশেষ্য পদ। D) স্ত্রী লিঙ্গ — স্ত্রী লিঙ্গ কেবল স্ত্রীবাচক জীবকে বোঝায়, তাই প্রাণহীন দালান শব্দটিকে স্ত্রী লিঙ্গ বলা ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: যেকোনো প্রাণহীন বস্তু, ঘরবাড়ি বা আসবাবপত্রের নাম দেখলে তা চোখ বন্ধ করে ক্লীব লিঙ্গ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারো। জীববাচক নয় এমন প্রতিটি নামবাচক বিশেষ্যই ক্লীব লিঙ্গের অন্তর্গত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও আসবাবপত্রের নাম দিয়ে প্রায়শই লিঙ্গ জানতে চাওয়া হয়। প্রাণহীন বস্তুবাচক শব্দ দেখলে সবসময় ক্লীব লিঙ্গ দাগানোর নিয়ম মনে রাখবে।
a তৎ+ময়
b তনু+ময়
c তৃৎ+ময়
d তন+ময়
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তৎ+ময় ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ব্যঞ্জনবর্ণের পর ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে এই পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। তৎ শব্দের ত এর পরে ম বর্ণ থাকার কারণে ত পরিবর্তিত হয়ে নিজ বর্গের নাসিক্য বর্ণ দন্ত্য ন এ পরিণত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। বর্গের প্রথম বর্ণের পর নাসিক্য বর্ণ ম বা ন থাকলে প্রথম বর্ণটি নিজ বর্গের নাসিক্য বর্ণে পরিণত হয়। এখানে ত বর্গের প্রথম বর্ণ ত এর সঙ্গে ময় যুক্ত হয়ে ত রূপান্তরিত হয়েছে ন এ এবং শব্দটি গঠিত হয়েছে তন্ময়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জগৎ+নাথ = জগন্নাথ ব্যাখ্যা: ত বর্গের প্রথম বর্ণের পর ন থাকার কারণে ত পরিবর্তিত হয়ে ন এ পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: মিত+ময় = চিন্ময় ব্যাখ্যা: ত বর্গের প্রথম বর্ণের পর ম থাকার কারণে ত পরিবর্তিত হয়ে ন এ পরিণত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎ+ময় — এটি সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী গঠিত সন্ধি বিচ্ছেদ। B) তনু+ময় — এই সন্ধিটি ব্যাকরণের নিয়মের সঙ্গে মেলে না এবং তনু শব্দের অর্থ শরীর। C) তৃৎ+ময় — তৃৎ বলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। D) তন+ময় — তন কোনো মূল শব্দ নয় এবং এর সঙ্গে ময় যুক্ত হয়ে তন্ময় গঠিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি বিচ্ছেদের সময় ত বা দ এর পরে ম বা ন থাকলে ত বা দ স্থানে সাধারণত ন হয়। তৎ যোগ ময় সমান তন্ময় এভাবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে। নাসিক্য বর্ণ যোগে গঠিত সন্ধিগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a আলমারি
b ইংরেজি
c রিকশা
d ঢেঁকি
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঢেঁকি ১. কেন সঠিক: - ঢেঁকি একটি দেশি শব্দ। বাংলায় ব্যবহৃত যেসব শব্দের উৎস বা মূল নির্দেশ করা যায় না এবং যা প্রাক-আর্য বা আদিম জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে এসেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলে। - ঢেঁকি মূলত ধান ভানার একটি ঐতিহ্যবাহী দেশীয় কাঠের যন্ত্র। এটি বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং এর কোনো সংস্কৃত বা বিদেশি উৎস নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, বিদেশি এবং দেশি শব্দ। - বাংলাদেশের আদি অধিবাসী কোল, মুণ্ডা, সাঁওতাল ইত্যাদি জাতির ভাষা থেকে যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুলা ব্যাখ্যা: কুলা একটি দেশি শব্দ যা ধান বা শস্য পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর উৎস আদিবাসী ভাষা। উদাহরণ ২: চুলা ব্যাখ্যা: চুলা রান্নার কাজে ব্যবহৃত একটি দেশি শব্দ, যা প্রাকৃতিকভাবে বা আদি সংস্কৃতি থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলমারি — এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ, যা বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মিলে না। B) ইংরেজি — এটি একটি বিদেশি শব্দ, যা মূলত ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। C) রিকশা — এটি একটি জাপানি শব্দ, যা বিদেশি শব্দের শ্রেণিভুক্ত এবং দেশি শব্দ নয়। D) ঢেঁকি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দেশি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেশি শব্দ সহজে মনে রাখার জন্য কুলা, ঢেঁকি, চুলা, কুঁড়েঘর, গঞ্জ, টোপর ইত্যাদি শব্দগুলো একটি ছন্দে মনে রাখতে পারো। - যেসব শব্দ আমাদের গ্রামীণ জনপদের অতি পরিচিত বস্তু বা পরিবেশ বোঝায়, সেগুলোর বেশিরভাগই দেশি শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেশি এবং বিদেশি শব্দের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - আলু, পেঁপে, আনারস, চাবি, বালতি ইত্যাদি পর্তুগিজ শব্দ এবং রিকশা, হাঙর, সুনামি ইত্যাদি জাপানি শব্দ ভালো করে পড়তে হবে।
a গণলিনী
b উদ্যান
c তটিনী
d মোহিনী
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তটিনী কেন সঠিক: ১. তটিনী শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো যার তট বা তীর আছে এবং এটি নদী অর্থে ব্যবহৃত হয়। ২. বাংলা ব্যাকরণে নদী বোঝাতে তরঙ্গিনী, তটিনী, স্রোতস্বিনী ইত্যাদি সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও ভাবার্থ বিবেচনা করে সঠিক প্রতিশব্দ নির্ধারণ করা হয়। ২. বাংলা সাহিত্য ও কাব্যে নদীর সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে তটিনী শব্দটির বহুল ব্যবহার দেখা যায়। ৩. যেমন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অন্যান্য কবিদের কবিতায় নদীর প্রবাহ বোঝাতে তটিনী শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণলিনী — এটি কোনো পরিচিত বা সঠিক বাংলা শব্দ নয় এবং এর সাথে নদীর কোনো সম্পর্ক নেই। B) উদ্যান — উদ্যান শব্দটির অর্থ বাগান বা পার্ক, যা নদী শব্দের প্রতিশব্দ হতে পারে না। C) সঠিক উত্তর — এই অপশনে তটিনী উল্লেখ আছে যা নদীর সঠিক প্রতিশব্দ। D) মোহিনী — মোহিনী শব্দটির অর্থ যা মোহ জন্মায় বা মুগ্ধ করে, এটি নদীর সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: ১. নদী শব্দের শেষে ইনি যুক্ত শব্দগুলো যেমন তটিনী, তরঙ্গিনী সাধারণত নদীর প্রতিশব্দ হয়। ২. তট শব্দের সাথে ইনি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তটিনী গঠিত হয়েছে যার অর্থ নদী।
a বিদ্যান
b বিদ্বান
c বিদ্দান
d বিদ্বয়ান
1 35 1 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিদ্বান ১. কেন সঠিক: বিদ্বান শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ এবং এর মূল অর্থ জ্ঞানী বা পন্ডিত ব্যক্তি। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দের বানানে দ-এর নিচে ব-ফলা এবং শেষে ন ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী বিদ্ ধাতু এবং এর সঙ্গে কানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। বানানটি প্রমিত রাখতে এবং শব্দের সঠিক উৎস রক্ষা করতে দ-এর নিচে ব-ফলা ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি একজন সমাজের বিদ্বান ব্যক্তি হিসেবে সকলের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ও আদরণীয়। ব্যাখ্যা: এখানে বিদ্বান শব্দটি পন্ডিত বা জ্ঞানী অর্থ প্রকাশ করতে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর কারণ তার জ্ঞানের আলো সমাজকে সঠিক পথ দেখায়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে জ্ঞানের গভীরতা বোঝাতে বিদ্বান শব্দটির সঠিক ও প্রমিত রূপ প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্যান - এই বানানটিতে দ-এর নিচে ব-ফলা ব্যবহার না করায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল রূপ। B) বিদ্বান - এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নির্ধারিত রূপ। C) বিদ্দান - এখানে ব-ফলার পরিবর্তে অতিরিক্ত দ যুক্ত হওয়ায় বানানটি অশুদ্ধ হয়েছে। D) বিদ্বয়ান - এখানে অতিরিক্ত য যুক্ত করার কারণে বানানটি প্রমিত নিয়মের বাইরে চলে গেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দটির শুরুতে ব-ই এবং মাঝে দ-এর নিচে ব-ফলা আছে কি না তা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। জ্ঞানী অর্থে ব্যবহৃত এই শব্দটিতে সর্বদা ন ব্যবহৃত হয় ণ নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এই ধরনের তৎসম শব্দের বানান শুদ্ধ বা অশুদ্ধ হিসেবে জানতে চাওয়া হয়। পরীক্ষায় ভালো করার জন্য সংস্কৃত থেকে আসা বিশেষণের বানানগুলোর ক্ষেত্রে ব-ফলার ব্যবহার সতর্কতার সাথে লক্ষ্য করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a Actor
b Gander
c Bachelor
d Spouse
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Spouse কেন সঠিক: Spouse শব্দটি এমন একটি লিঙ্গ নিরপেক্ষ শব্দ যা স্বামী বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝাতে সমানভাবে ব্যবহার করা যায়। এটি পুরুষ বা নারী ভেদে আলাদা হয় না এবং একই সঙ্গে উভয় লিঙ্গ নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Actor — এই শব্দটির স্ত্রীবাচক রূপ হলো Actress এবং এটি শুধুমাত্র পুরুষ লিঙ্গ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। B) Gander — এটি একটি হাঁসের পুংলিঙ্গ বা পুরুষবাচক শব্দ যার স্ত্রীবাচক রূপ হলো Goose। C) Bachelor — এটি শুধুমাত্র অবিবাহিত পুরুষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যার স্ত্রীবাচক রূপ হলো Spinster বা Maid। মনে রাখার টিপস: যwel সকল শব্দ পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কে বোঝায় তাদের কমন জেন্ডার বলে যেমন Spouse।
a Imperative
b Interrogative
c Assertive
d Optative
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Imperative কেন সঠিক: এই বাক্যে কোনো আদেশ বা হুকুম বোঝানো হয়েছে কারণ বক্তা একটি ট্যাক্সি ডাকার নির্দেশ দিচ্ছেন। ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ মূলক বাক্য Imperative sentence হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Imperative — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়। B) Interrogative — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটিতে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি। C) Assertive — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটি সাধারণ কোনো বর্ণনা বা বিবৃতিমূলক তথ্য প্রকাশ করছে না। D) Optative — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটিতে কোনো ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায়নি। মনে রাখার টিপস: যে বাক্য দিয়ে আদেশ, নিষেধ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝায় তাকেই Imperative sentence বলে।
a Miser
b Poor
c Bankrupt
d Solvent
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bankrupt কেন সঠিক: Bankrupt শব্দটির বাংলা অর্থ হলো দেউলিয়া বা যে ব্যক্তি তার ঋণ পরিশোধ করতে সম্পূর্ণ অক্ষম। ইংরেজি এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে ঋণ পরিশোধ করতে না পারাকে Bankrupt বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Miser — এর অর্থ কৃপণ, যার প্রচুর টাকা থাকলেও সে খরচ করতে চায় না। B) Poor — এর অর্থ দরিদ্র বা গরিব, যার সাধারণ আয়ের অভাব থাকে কিন্তু সে ঋণগ্রস্ত নাও হতে পারে। C) Bankrupt — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে অন্য কোনো অর্থ প্রযোজ্য নয়। D) Solvent — এর অর্থ সচ্ছল, যার ঋণ পরিশোধ করার যথেষ্ট আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Bank শব্দের অর্থ ব্যাংক এবং Rupt মানে ভেঙে যাওয়া, অর্থাৎ যার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ভেঙে গেছে বা শূন্য হয়ে গেছে তিনিই হলেন Bankrupt বা দেউলিয়া।
a to delete
b to add
c to improve
d to include
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to delete কেন সঠিক: expunge শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছু সম্পূর্ণ মুছে ফেলা বা বাদ দেওয়া। তাই অপশন A এর to delete অর্থ একই রকম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to delete — এটি সঠিক উত্তর। B) to add — এর অর্থ যোগ করা, যা expunge শব্দের বিপরীত। C) to improve — এর অর্থ উন্নতি করা, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। D) to include — এর অর্থ অন্তর্ভুক্ত করা, যা মুছে ফেলার বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Expunge শব্দটিতে sponge শব্দের মিল আছে। স্পঞ্জ দিয়ে যেমন লেখা মুছে ফেলা যায়, তেমনি expunge অর্থও মুছে ফেলা।
a Participle
b Nominal
c Gerund
d Infinitive
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Gerund কেন সঠিক: Swimming শব্দটির সাথে ing যুক্ত হয়ে এটি বাক্যে noun এর কাজ করেছে। এটি একটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে গঠিত noun বা gerund হিসেবে কাজ করছে। এটি বাক্যের subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি কোনো কাজ করার নাম বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Participle — এটি verb এবং adjective উভয়ের কাজ করে যা এখানে করছে না। B) Nominal — এটি কোনো নির্দিষ্ট grammatical term নয় বরং noun জাতীয় শব্দ বোঝায়। C) Gerund — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Infinitive — এর গঠনে to বসতে হয় যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি noun এর কাজ করে এবং বাক্যে subject বা object হয়, তবে তাকে gerund বলে।
a Formula
b Vertex
c Memoranda
d Agendum
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Memoranda কেন সঠিক: ল্যাটিন শব্দ যার শেষে a থাকে, তার বহুবচন করার সময় সাধারণত um এর পরিবর্তে a যোগ করা হয়। Memorandum শব্দের বহুবচন রূপ হলো memoranda এবং এটি একটি বহুবচন শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Formula — এটি একটি একবচন শব্দ যার বহুবচন রূপ formulas অথবা formulae হয়। B) Vertex — এটি একটি একবচন শব্দ যার বহুবচন রূপ vertices হয়। C) Memoranda — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি বহুবচন শব্দ। D) Agendum — এটি একটি একবচন শব্দ যার বহুবচন রূপ agenda হয়। মনে রাখার টিপস: উম যুক্ত ল্যাটিন শব্দের শেষে আম যোগ করে বহুবচন করতে হয় যেমন memorandum থেকে memoranda হয়।
a Masculine
b Feminine
c Neuter
d Common
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: Sibling শব্দটি এমন একটি শব্দ যা ভাই বা বোন উভয়কেই বোঝাতে পারে। এটি নির্দিষ্ট করে কোনো একটি লিঙ্গ প্রকাশ করে না। তাই এটি Common Gender এর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি শুধুমাত্র পুরুষবাচক শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু sibling দ্বারা ভাই বা বোন উভয়েই হতে পারে। B) Feminine — এটি শুধুমাত্র স্ত্রীবাচক শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু sibling শব্দটিতে ভাইও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। C) Neuter — এটি জড় পদার্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু sibling হলো একজন জীবন্ত মানুষ। D) Common — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটি দিয়ে নারী বা পুরুষ উভয় লিঙ্গকেই বোঝানো সম্ভব। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ দিয়ে নারী এবং পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, সেগুলোই Common Gender.
a Bliss
b Eden
c Dystopia
d Joy
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dystopia কেন সঠিক: Utopia শব্দের অর্থ হলো এমন একটি কাল্পনিক আদর্শ রাজ্য যেখানে সবকিছু নিখুঁত ও সুন্দর থাকে। এর ঠিক বিপরীত শব্দ হলো Dystopia যার অর্থ হলো চরম দুর্দশাপূর্ণ ও আতঙ্কজনক এক সমাজ ব্যবস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bliss — এর অর্থ পরম আনন্দ বা সুখ, যা Utopia শব্দের একটি সমার্থক শব্দ এবং এর বিপরীত নয়। B) Eden — এর অর্থ বেহেশত বা স্বর্গোদ্যান, যা Utopia শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে এবং বিপরীতার্থক নয়। C) Dystopia — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য অর্থ প্রযোজ্য নয়। D) Joy — এর অর্থ আনন্দ, যা Utopia অবস্থার একটি ফলাফল হতে পারে কিন্তু সরাসরি বিপরীত শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: Utopia মানে স্বর্গীয় রাজ্য আর Dystopia মানে নরকতুল্য রাজ্য। শব্দের শুরুতে U এর জায়গায় Dys বসালেই বিপরীত অর্থ পাওয়া যায়।
a As much as
b As many as
c As few as
d so much
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) As much as কেন সঠিক: এখানে দাম বৃদ্ধির পরিমাণ বোঝাতে '30 percent' বা শতকরা হার ব্যবহার করা হয়েছে, যা গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ করা যায়। তাই পরিমাণের ক্ষেত্রে 'As much as' সঠিক নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) As much as — এটি পরিমাণের ক্ষেত্রে বসে এবং এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) As many as — এটি সংখ্যায় গণনা করা যায় এমন বস্তুর ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু শতাংশ গণনা করা যায় না। C) As few as — এটি সংখ্যায় কম এমন গণনাযোগ্য বিশেষ্যের সাথে বসে, তাই এখানে ভুল। D) so much — এটি একা বসে না এবং এই বাক্যের শূন্যস্থানে তুলনামূলক অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: পরিমাণ বা শতাংশের ক্ষেত্রে 'As much as' বসে এবং গণনাযোগ্য সংখ্যার ক্ষেত্রে 'As many as' বসে।
a Achieve
b Submit
c Win
d Conquer
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Submit কেন সঠিক: succumb শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর কাছে নতি স্বীকার করা বা পরাজিত হওয়া। submit শব্দের অর্থও একই রকম অর্থাৎ আত্মসমর্পণ করা বা বশ্যতা স্বীকার করা। তাই অর্থগত মিল থাকার কারণে এই অপশনটি সঠিক। এটি কঠিন পরিস্থিতির সামনে হেরে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Achieve — এর অর্থ অর্জন করা, যা succumb শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Submit — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল নেই। C) Win — এর অর্থ জয়লাভ করা, যা succumb বা হেরে যাওয়ার সম্পূর্ণ বিপরীত। D) Conquer — এর অর্থ জয় করা বা দখল করা, যা পরাজিত হওয়ার বিপরীতার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Succumb শব্দটিতে Sum (সামনে) এর মতো উচ্চারণ আছে, অর্থাৎ শক্তির সামনে মাথা নত করা বা Submit করা মনে রাখতে পারো।
a Day by day
b Day to day
c Day on day
d Day with day
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Day by day কেন সঠিক: এখানে 'Day by day' একটি সঠিক প্রবাদ বা ফ্রেজ যা দিন দিন বা ধীরে ধীরে উন্নতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। দেশের সমৃদ্ধি বা উন্নতির ক্ষেত্রে ধারাবাহিক পরিবর্তন প্রকাশ করতে এই ফ্রেজটি সবচেয়ে উপযুক্ত। এটি একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি ইডিয়ম। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে এই অপশনটি সবচেয়ে মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Day by day — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) Day to day — এই ফ্রেজটির অর্থ দৈনন্দিন বা প্রতিদিনের কাজ, যা উন্নতির অর্থে বসে না। C) Day on day — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজ বা ধারা নেই। D) Day with day — এই ফ্রেজটির কোনো নির্দিষ্ট বা গ্রহণযোগ্য অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: উন্নতি বোঝাতে সব সময় 'Day by day' ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
a Rude
b Harsh
c Modest
d Clever
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Modest কেন সঠিক: - 'Gentle' শব্দের অর্থ মৃদু, ভদ্র বা অমায়িক। - 'Modest' শব্দের অর্থ বিনয়ী বা ভদ্র, যা 'gentle' শব্দের সমার্থক হিসেবে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rude — এর অর্থ অসভ্য বা রুক্ষ, যা 'gentle' শব্দের বিপরীতার্থক। B) Harsh — এর অর্থ কঠোর বা কর্কশ, যা 'gentle' শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। C) Modest — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ বিনয়ী বা ভদ্র। D) Clever — এর অর্থ চালাক বা চতুর, যা ভদ্র বা মৃদু স্বভাবের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Gentle মানুষেরা সবসময় Modest বা বিনয়ী হয়।
a Have met
b Had met
c Met
d Will meet
0 51 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Met কেন সঠিক: বাক্যে গতকাল বা অতীত নির্দেশক শব্দ yesterday থাকলে verb এর Past Indefinite Tense বা V2 ফর্ম বসে। এই নিয়მ অনুযায়ী meet এর পাস্ট ফর্ম met হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Have met — sentence টি Present Perfect Tense নয় কারণ এতে অতীত নির্দেশক শব্দ yesterday আছে। B) Had met — Past Perfect Tense ব্যবহারের জন্য বাক্যে দুটি অতীত ঘটনার প্রয়োজন যা এখানে নেই। C) Met — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Past Indefinite Tense নির্দেশ করে। D) Will meet — এটি Future Indefinite Tense যা অতীত নির্দেশক word yesterday এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে yesterday, ago, last থাকলে চোখ বন্ধ করে verb এর past form ব্যবহার করবে।
a a
b an
c the
d none
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পরের শব্দটি হলো old। শব্দটির প্রথম অক্ষর o হলো ভাওয়েল। ভাওয়েল দিয়ে শুরু শব্দের আগে an বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — শব্দের শুরুতে ভাওয়েল থাকায় এখানে a বসবে না। B) an — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) the — নির্দিষ্ট করে কাউকে বোঝানো হয়নি বলে the বসবে না। D) none — শূন্যস্থানে একটি আর্টিকেল দরকার তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরুতে a, e, i, o, u থাকলে তার আগে an বসাতে হয়।
a Psychology
b Psichology
c Psychologi
d None
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Psychology কেন সঠিক: এটি একটি গ্রীক শব্দ থেকে এসেছে যার শুরুতে পি এস ওয়াই এবং পরে সি ও এল ও জি ওয়াই যুক্ত হয়। এই বানানটিতে ইংরেজি বানানের সকল নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। এখানে গ্রীক মূল শব্দের বানানরীতি অবিকৃত রাখা হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান ও মনস্তত্ত্ব বোঝাতে এই বানানটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Psychology — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং সঠিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। B) Psichology — এই বানানে সি এর পরিবর্তে এস আই ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল। C) Psychologi — এই বানানের শেষে ওয়াই এর পরিবর্তে আই ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। D) None — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মনস্তত্ত্ব বোঝাতে সাইকো শব্দটির শুরুতে পি এস ওয়াই এবং শেষে ওএলওজিওয়াই মনে রাখতে হবে।
a An
b The
c A
d None
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A কেন সঠিক: University শব্দটির শুরুতে ইউ (U) এর উচ্চারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ উয় এর মতো হয়। তাই এর পূর্বে সাধারণ নিয়মে এ (A) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An — শব্দের শুরুতে স্বরবর্ণের উচ্চারণ না থাকলে অ্যান বসে না। B) The — নির্দিষ্ট করে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বোঝানো হয়নি বলে দি বসে না। C) A — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) None — উপযুক্ত আর্টিকেল এখানে বিদ্যমান থাকায় এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে ইউ (U) বা ইও (EU) এর উচ্চারণ ইউ এর মতো হলে তার আগে এ (A) বসে।
a Datum
b Analysis
c Media
d Radius
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Media কেন সঠিক: - 'Media' শব্দটি ল্যাটিন একবচন 'Medium'-এর বহুবচন রূপ। - এটি বাক্যে প্লুরাল বা বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Datum — এটি ল্যাটিন একবচন শব্দ, এর বহুবচন হলো Data। B) Analysis — এটি একবচন শব্দ, যার শেষ অক্ষর i এবং এর বহুবচন হলো Analyses। C) Media — এটি নিজেই সঠিক বহুবচন রূপ, তাই এটি ভুল নয়। D) Radius — এটি ল্যাটিন একবচন শব্দ, এর বহুবচন হলো Radii। মনে রাখার টিপস: ল্যাটিন শব্দে um থাকলে সাধারণত তা পরিবর্তন হয়ে a হয় যেমন Datum থেকে Data এবং Medium থেকে Media।
a Action
b Acting
c Enact
d Acting
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Enact কেন সঠিক: Enact শব্দটির অর্থ হলো আইন প্রণয়ন করা বা কোনো নাটক অভিনয় করা, যা সরাসরি একটি কাজ বা ক্রিয়া বোঝায়। ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো শব্দের সাথে উপসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন অংশ তৈরি করা যায়, যেখানে Enact একটি নিখুঁত ভার্ব বা ক্রিয়া পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Action — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ যার অর্থ কাজ বা কার্যক্রম, তাই এটি ভার্ব হতে পারে না। B) Acting — এটি সাধারণত প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জিরাড হিসেবে ব্যবহৃত হয়, অথবা এটি অভিনয় করার বিশেষ নাউন রূপ। D) Acting — এটিও একই কারণে ভুল কারণ এটি মূলত মূল ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত রূপ বা বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শুরুতে সাধারণত En যুক্ত করে সেটিকে ভার্বে রূপান্তর করা যায়, যেমন Act থেকে Enact হয়।
a Humorious
b Humorous
c Humourius
d Humurious
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Humorous কেন সঠিক: শব্দটির মূল শব্দ হলো হিউমার বা রসিকতা। এর সাথে ওএস যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Humorious — এই বানানে ভুলভাবে অতিরিক্ত আই অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। B) Humorous — এই অপশনটি সঠিক এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল রয়েছে। C) Humourius — এই বানানে অতিরিক্ত আই এবং ইউ অক্ষর যুক্ত করে ভুল করা হয়েছে। D) Humurious — এই বানানে ও এর পরিবর্তে ইউ ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হিউমার শব্দের শেষে শুধু ওএস বসালে হাস্যরসাত্মক বা মজার অর্থে সঠিক বানান পাওয়া যায়।
a The window should be opened.
b Let the window be opened.
c Let the window be opened by you.
d The window must be opened.
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Let the window be opened. কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি একটি আদেশ বোঝায়। তাই নিয়ম অনুযায়ী Let দিয়ে বাক্যটি শুরু করতে হবে এবং object কে subject বানাতে হবে। এরপর be বসিয়ে মূল verb এর past participle form বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The window should be opened. — এটি উচিত অর্থে উপদেশ বোঝালেও সরাসরি আদেশের সঠিক Passive রূপ নয়। B) Let the window be opened. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Let the window be opened by you. — Imperative Sentence এ সাধারণত by you উহ্য থাকে, তাই এটি অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে অনুপযুক্ত। D) The window must be opened. — এখানে must ব্যবহার করায় নিশ্চিত বাধ্যতামূলক অর্থ প্রকাশ পায়, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: মূল verb দিয়ে শুরু Imperative Sentence কে passive করার সময় প্রথমে Let বসাতে হয়।
a pronoun
b noun
c adverb
d adjective
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'always' শব্দটি 'runs' ভার্বটি কীভাবে সম্পাদিত হয় তা নির্দেশ করে। - এটি ভার্বকে модиফাই করায় ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি adverb. বাকি অপশন কেন ভুল: A) pronoun — প্রোনাউন হলো এমন শব্দ যা নাউনের পরিবর্তে বসে, কিন্তু এখানে 'always' কোনো নাউনের পরিবর্তে বসেনি। B) noun — নাউন হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু 'always' কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা জায়গার নাম বোঝায় না। C) adverb — এটি এখানে সঠিক উত্তর কারণ এটি 'runs' ভার্বটির সংঘটিত হওয়ার সময় বা পৌনঃপুনিকতা প্রকাশ করেছে। D) adjective — অ্যাডজেক্টিভ কেবল নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো Verb, Adjective বা অন্য Adverb-কে modify করে এবং সাধারণত কাজের সময় বা ধরণ বোঝায়, তা-ই Adverb.
a participle
b gerund
c infinitive
d verb
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) gerund কেন সঠিক: ১. প্রদত্ত বাক্যে swimming শব্দটি মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে এবং বাক্যের subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন একসাথে verb ও noun এর কাজ করে, তখন তাকে gerund বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) participle — participle একই সাথে verb এবং adjective এর কাজ করে, কিন্তু এখানে swimming একটি noun এর কাজ করছে। B) gerund — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) infinitive — infinitive বলতে সাধারণত to যোগে verb এর base form কে বোঝায়, যা এখানে নেই। D) verb — swimming শব্দ এখানে সরাসরি কোনো finite verb এর কাজ না করে noun হিসেবে বসেছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে verb+ing যদি noun এর কাজ করে এবং তার পরিবর্তে it বসানো যায়, তবে সেটি সবসময় gerund হবে।
a my
b they
c me
d hers
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) me কেন সঠিক: বাক্যের verb হলো shows যার পরে একটি objective pronoun বসে। me হলো I এর objective রূপ যা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) my — এটি একটি possessive determiner যা এখানে noun এর আগে বসে না। B) they — এটি একটি subjective pronoun যা verb এর অবজেক্ট হিসেবে বসে না। C) me — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপشن ধরা হয়েছে। D) hers — এটি একটি possessive pronoun যা এখানে অর্থের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: Show verb এর পর সাধারণত যাকে দেখানো হয় তার objective রূপ বসে।
a neuter
b masculine
c common
d feminine
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) common কেন সঠিক: Spouse শব্দটি স্বামী বা স্ত্রী উভয়কেই বোঝাতে পারে। তাই এটি কমন জেন্ডার হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) neuter - এটি জড় পদার্থ বোঝায় কিন্তু spouse হলো জীবন্ত মানুষ। B) masculine - এটি শুধু পুরুষ বোঝায় কিন্তু spouse দ্বারা নারীও বোঝাতে পারে। C) common - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) feminine - এটি শুধু নারী বোঝায় কিন্তু spouse দ্বারা পুরুষও বোঝাতে পারে। মনে রাখার টিপস: যসব শব্দ দিয়ে নারী বা পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, সেগুলোই কমন জেন্ডার।
a knifes
b kniveses
c knives
d knifess
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) knives কেন সঠিক: ইংরেজি নিয়মে যেসব noun এর শেষে f বা fe থাকে, তাদের plural করার সময় f বা fe তুলে দিয়ে ves যোগ করতে হয়। knife শব্দের শেষে fe থাকায় তা পরিবর্তন হয়ে knives হয়েছে। এটি ইংরেজি বানান ও বচনের একটি অত্যন্ত নিয়মিত এবং সাধারণ নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) knifes — সাধারণত f থাকলে সরাসরি s যোগ করে plural করা যায় না। B) kniveses — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল এবং অতিরিক্ত es যুক্ত করা হয়েছে। C) knives — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) knifess — শব্দের শেষে ডাবল s যুক্ত করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে f বা fe থাকলে তা উঠিয়ে ves বসালেই plural হয়ে যায়।

মোট প্রশ্ন (11)

a ৪৮ ব.মি.
b ১২০ ব.মি.
c ১৪৪ ব.মি.
d ১২১ ব.মি.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২১ ব.মি. প্রদত্ত তথ্য: বর্গাকৃতি ক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪৪ মিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার অতএব, বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ক মিটার সুতরাং, ৪ × ক = ৪৪ ক = ৪৪ ÷ ৪ = ১১ মিটার ক্ষেত্রফল = (বাহু × বাহু) বর্গমিটার উত্তর: ১১ × ১১ = ১২১ ব.মি.
a ০.০০৫
b ০.০০৪
c ০.০০৬
d কোনটিই নয়
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০০৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যাটি হলো শূন্য দশমিক শূন্য এক দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো দুই ভাগ পাঁচ ধরি, প্রথম সংখ্যা সমান শূন্য দশমিক শূন্য এক দ্বিতীয় সংখ্যা সমান দুই ভাগ পাঁচ অতএব, দশমিক ভগ্নাংশকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করে পাই শূন্য দশমিক শূন্য এক সমান এক ভাগ একশত সুতরাং, এক ভাগ একশত গুণ দুই ভাগ পাঁচ সমান দুই ভাগ পাঁচশত উত্তর: শূন্য দশমিক শূন্য চার
a ১৩০০০০ টাকা
b ১২০০০০ টাকা
c ১৫০০০০ টাকা
d ১৪০০০০ টাকা
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২০০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বেতনের বৃদ্ধির হার = ৫% বৃদ্ধির পরিমাণ = ৬০০০ টাকা ধরি, আহসানের আগের বেতন = ক টাকা অতএব, ক এর ৫% = ৬০০০ টাকা ক × (৫ ÷ ১০০) = ৬০০০ টাকা সুতরাং, ক = ৬০০০ × (১০০ ÷ ৫) ক = ১২০০০০0 ÷ ৫ উত্তর: ১২০০০০ টাকা
a ৫%
b ২০%
c ৩০%
d ৪০%
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫% প্রদত্ত তথ্য: মূলধন, P = ৪২৫ টাকা সময়, n = ৪ বছর মোট সুদ, I = ৮৫ টাকা ধরি, বার্ষিক সুদের হার = r% অতএব, আমরা জানি, সুদের সূত্র হলো I = (P × n × r) ÷ ১০০ এখানে মানগুলো বসিয়ে পাই, ৮৫ = (৪২৫ × ৪ × r) ÷ ১০০ সুতরাং, ৮৫ = ১৭০০ × r ÷ ১০০ ১৭০০ × r = ৮৫০০ উত্তর: r = ৫%
a ভাউচার
b চালান
c ডেবিট নোট
d ক্রেডিট নোট
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডেবিট নোট প্রদত্ত তথ্য: ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে পণ্য ক্রয়ের পর তা কোনো কারণে ফেরত দেওয়া হয় এই ফেরতের হিসাব সংরক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট একটি দলিল বা ভাউচার প্রস্তুত করতে হয় ধরি, ক্রেতা কর্তৃক বিক্রেতাকে পণ্য ফেরত পাঠানোর সময় একটি দলিল প্রস্তুত করা হয় এই দলিলে পাওনাদারের হিসাব ডেবিট করা হয় অতএব, এই দলিলটিকে হিসাববিজ্ঞানের ভাষায় ডেবিট নোট বলা হয় উত্তর: C) ডেবিট নোট
a শরিকানা
b চুক্তি
c বিশ্বাসের সম্পর্ক
d অর্থ
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চুক্তি প্রদত্ত তথ্য: অংশীদারি ব্যবসার মূল ভিত্তি কী তা নির্ধারণ করতে হবে ধরি, ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে ওঠে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে অতএব, আইনগত বৈধতা পাওয়ার জন্য লিখিত বা মৌখিক ঐকমত্য প্রয়োজন সুতরাং, এই ঐকমত্য বা অংশীদারদের মধ্যকার পারস্পরিক চুক্তিই হলো ব্যবসার মূল ভিত্তি উত্তর: চুক্তি
a মূলধন রিজার্ভ
b শেয়ার প্রিমিয়াম
c সাধারণ রিজার্ভ
d বন্ড
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বন্ড প্রদত্ত তথ্য: মালিকানা স্বত্বের উপাদান হলো মূলধন, রিজার্ভ এবং লভ্যাংশ বন্ড হলো কোম্পানির একটি দীর্ঘমেয়াদি ঋণ বা দায় ধরি, কোম্পানির মোট মালিকানা স্বত্ব = ক কোম্পানির মোট বহিরদায় = খ অতএব, মালিকানা স্বত্ব বা শেয়ারহোল্ডারদের ইকুইটির মধ্যে মূলধন রিজার্ভ অন্তর্ভুক্ত থাকে শেয়ার প্রিমিয়াম এবং সাধারণ রিজার্ভও মালিকানা স্বত্বের অংশ হিসেবে গণ্য হয় সুতরাং, বন্ড মালিকানা স্বত্বের অংশ না হয়ে কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি ঋণ হিসেবে বিবেচিত হয় উত্তর: বন্ড
a ৪২
b ৪৫
c ৪৮
d ৫৬
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৫ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির অনুপাত ৫ अनुपात ১১ উত্তর রাশি ৯৯ ধরি, পূর্ব রাশি ক উত্তর রাশি ১১ এর একটি নির্দিষ্ট গুণিতক অতএব, অনুপাতের রাশি দুটি ৫ক এবং ১১ক প্রশ্নমতে, ১১ক = ৯৯ সুতরাং, ক = ৯৯ ÷ ১১ = ৯ উত্তর: পূর্ব রাশি = ৫ × ৯ = ৪৫
a ১১
b ১০১
c ১০২
d ১০০১
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০১ প্রদত্ত তথ্য: ভাজক = ১০ ভাগফল = ১০ ভাগশেষ = ১ ধরি, ভাজ্য হলো সেই সংখ্যা যা নির্ণয় করতে হবে অতএব, ভাজ্য বের করার সূত্র হলো ভাজক এবং ভাগফলের গুণফলের সাথে ভাগশেষ যোগ করা সুতরাং, ভাজক ও ভাগফলের গুণফল = ১০ × ১০ = ১০০ উত্তর: ১০০ + ১ = ১০১
a ১৭৬
b ২৪২
c ৪৮৪
d ৮৪০
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪২ প্রদত্ত তথ্য: ১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ ধরি, একরের পরিমাণ = ১ একর অতএব, ৪৮৪০ বর্গগজের ৫% নির্ণয় করতে হবে সুতরাং, ৪৮৪০ × ৫ ÷ ১০০ = ২৪২ বর্গগজ উত্তর: ২৪২
a সমবাহু ত্রিভুজ
b বিষমবাহু ত্রিভুজ
c সমকোণি ত্রিভুজ
d কোনটিই না
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই না প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের দুটি বাহু পরস্পর সমান ধরি, ত্রিভুজটির সমান দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ক তৃতীয় বাহুর দৈর্ঘ্য = খ অতএব, যে ত্রিভুজের দুটি বাহু সমান তাকে সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ বলা হয় প্রদত্ত অপশনগুলোতে সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ নেই সঠিক উত্তরটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ হওয়ার কথা সুতরাং, অপশন এ তে সমবাহু, বি তে বিষমবাহু এবং সি তে সমকোণী ত্রিভুজ আছে তাই সঠিক উত্তর অপশন এ, বি বা সি এর কোনোটিই নয় উত্তর: D) কোনটিই না

মোট প্রশ্ন (41)

a সম্পত্তি বেশি দেখাবে
b দায় বেশি দেখাবে
c ব্যয় বেশি হবে
d সঞ্চয় বাড়বে
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা সঠিক উত্তর: খ) দায় বেশি দেখাবে কেন সঠিক: - অনুপার্জিত আয় হলো এমন অগ্রিম প্রাপ্তি যা এখনো অর্জিত হয়নি, তাই হিসাববিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি চলতি দায়। - এই অনুপার্জিত আয়ের জন্য যদি সঠিক সময়ে সমন্বয় বা জাবেদা না করা হয়, তবে হিসাবের বহিতে দায় প্রকৃত পরিমাণের চেয়ে বেশি প্রদর্শিত হতে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) সম্পত্তি বেশি দেখাবে — অনুপার্জিত আয়ের সাথে সম্পত্তির সরাসরি কোনো যোগসূত্র নেই, তাই এটি সম্পত্তি বাড়ায় না। খ) দায় বেশি দেখাবে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ সমন্বয় না করলে অগ্রিম আয় দায় হিসেবেই থেকে যায়। গ) ব্যয় বেশি হবে — অনুপার্জিত আয় একটি দায় হিসাব, এর সাথে খরচের বা ব্যয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। ঘ) সঞ্চয় বাড়বে — ব্যবসায়িক হিসাববিজ্ঞানে সঞ্চয় বৃদ্ধির সাথে অনুপার্জিত আয়ের সমন্বয়ের কোনো সরাসরি প্রভাব নেই। মনে রাখার টিপস: অনুপার্জিত আয় হলো অগ্রিম প্রাপ্ত টাকা, যা সেবামূলক কাজ না করা পর্যন্ত একধরনের দেনা বা দায় হিসেবে গণ্য হয়।
a পুন্ড্র
b বরেন্দ্র
c হরিকেল
d গৌড়
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পুন্ড্র কেন সঠিক: - প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদের বর্তমান ভৌগোলিক পরিধিতে বগুড়া জেলা অবস্থিত। - পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর ছিল প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান ও সমৃদ্ধ প্রশাসনিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুন্ড্র — সঠিক উত্তর কারণ প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল বগুড়া অঞ্চল। B) বরেন্দ্র — এটি মূলত রাজশাহী অঞ্চলের প্রাচীন ভূখণ্ড, যা পুণ্ড্র জনপদের একটি অংশ হলেও সরাসরি বগুড়ার প্রধান প্রাচীন জনপদ হিসেবে পুণ্ড্র নামেই বেশি পরিচিত। C) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ যা বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। D) গৌড় — এটি মূলত বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও মালদহ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত একটি ঐতিহাসিক জনপদ ও রাজধানী ছিল। মনে রাখার টিপস: বগুড়ার প্রাচীন নাম পুণ্ড্রনগর, তাই বগুড়া মানেই পুণ্ড্র জনপদ।
a নূর জাহান
b সুলতানা রাজিয়া
c মমতাজ
d যোধা বাঈ
0 37 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুলতানা রাজিয়া কেন সঠিক: - তিনি ১২৩৬ থেকে ১২৪০ সাল পর্যন্ত দিল্লির প্রথম ও একমাত্র মুসলিম নারী শাসক বা সুলতান হিসেবে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন। - তিনি দাস বংশের সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুতমিশের সুযোগ্য কন্যা ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নূর জাহান — তিনি দিল্লির সিংহাসনে বসেননি, বরং তিনি ছিলেন মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের প্রভাবশালী স্ত্রী ও পর্দার অন্তরালের ক্ষমতার উৎস। B) সুলতানা রাজিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) মমতাজ — তিনি দিল্লির কোনো শাসক বা সুলতান ছিলেন না, তিনি মুঘল সম্রাট শাহজাহানের প্রিয় স্ত্রী ছিলেন যার স্মরণে তাজমহল নির্মিত হয়। D) যোধা বাঈ — তিনি দিল্লির সিংহাসনে অধিষ্ঠিত কোনো শাসক ছিলেন না, বরং তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের রাজপুত স্ত্রী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: দিল্লির সিংহাসনে বসা একমাত্র নারী সুলতান হলেন রাজিয়া, যাঁর নামের সাথে 'সুলতানা' উপাধি যুক্ত।
a ৪৮
b ৫১
c ৬৭
d ১২৮
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির বিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালনকালে তার কোনো কাজের জন্য আদালতে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৮ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদ এবং তার ক্ষমতা সম্পর্কে সাধারণ বিধান বলা হয়েছে, দায়মুক্তি নয়। B) ৫১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি নিশ্চিত করে। C) ৬৭ — এই অনুচ্ছেদে মূলত সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হওয়া সম্পর্কিত বিধান আলোচনা করা হয়েছে। D) ১২৮ — এই অনুচ্ছেদে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের ক্ষমতা এবং দায়িত্বের কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের ৫১ মানেই রাষ্ট্রপতির আইনি সুরক্ষা বা দায়মুক্তি।
a ইলিশ মাছ
b পাট
c রূপা
d চিংড়ি মাছ
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চিংড়ি মাছ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ থেকে প্রচুর পরিমাণে চিংড়ি মাছ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হয় বলে একে সাদা সোনা বলা হয়। - আন্তর্জাতিক বাজারে এর উচ্চ চাহিদা ও অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারণে একে এই বিশেষ নামে ভূষিত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইলিশ মাছ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় মাছ এবং একে ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য বলা হলেও সাদা সোনা বলা হয় না। B) পাট — পাট বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসল এবং এর সোনালি আঁশের কারণে একে সোনালী আঁশ বলা হয়, সাদা সোনা নয়। C) রূপা — রূপা একটি মূল্যবান ধাতু, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয় এবং এটি মাছের কোনো প্রকারভেদ নয়। D) চিংড়ি মাছ — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই মিলে গেছে। মনে রাখার টিপস: পাট হলো সোনালী আঁশ আর চিংড়ি হলো সাদা সোনা।
a ১৩৬তম
b ১৩৭তম
c ১৩৮তম
d ১৩৯তম
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩৬তম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৬তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ক্রমিক নম্বরেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল। B) ১৩৭তম — এই নম্বরটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশ ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। C) ১৩৮তম — এটি ভুল অপশন কারণ জাতিসংঘের সদস্যপদ প্রাপ্তিতে বাংলাদেশের ক্রমিক এটি ছিল না। D) ১৩৯তম — এই সংখ্যাটি সঠিক ক্রমিক নম্বরের সাথে মেলে না এবং এটি ভুল উত্তর। মনে রাখার টিপস: ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয় এবং শেষের সংখ্যা ৬ (১৩৬) মনে রাখলে সহজেই ১৩৬তম সংখ্যাটি মনে রাখা যায়।
a কয়লা
b খনিজ তেল
c চুনাপাথর
d প্রাকৃতিক গ্যাস
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রাকৃতিক গ্যাস কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ এবং বাণিজ্যিক শক্তির মূল উৎস। - দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা ও শিল্পকারখানায় এই খনিজ সম্পদের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কয়লা — এটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ হলেও প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো দেশের প্রধান জ্বালানি ও শক্তির উৎস নয়। B) খনিজ তেল — বাংলাদেশে খনিজ তেলের বাণিজ্যিক উৎপাদন অত্যন্ত সীমিত এবং দেশের চাহিদার প্রায় পুরোটাই আমদানিনির্ভর। C) চুনাপাথর — এটি সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হলেও দেশের প্রধান খনিজ সম্পদ নয়। D) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে এর অবদান সবচেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এবং জ্বালানি চাহিদা মেটাতে প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
a আয়ের চেয়ে ব্যয় কম হলে
b আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হলে
c আয় ও ব্যয় সমান
d কোনটি নয়
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হলে কেন সঠিক: - সরকারের বা কোনো প্রতিষ্ঠানের আয় যখন ব্যয়ের চেয়ে কম হয়, তখন তাকে ঘাটতি বাজেট বলা হয়। - এই অবস্থায় অতিরিক্ত ব্যয় মেটাতে সাধারণত ঋণ বা বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়ের চেয়ে ব্যয় কম হলে — এটি উদ্বৃত্ত বাজেটের সংজ্ঞা, ঘাটতি বাজেট নয়। B) আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হলে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) আয় ও ব্যয় সমান — এটি সুষম বাজেটের সংজ্ঞা, ঘাটতি বাজেট নয়। D) কোনটি নয় — সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ঘাতি বা ঘাটতি মানেই কমতি, অর্থাৎ আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি থাকলে বাজেটে ঘাটতি দেখা দেয়।
a যুক্তরাষ্ট্র
b চীন
c ইতালি
d জাপান
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইতালি কেন সঠিক: - আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার ইতিহাস অনুযায়ী বিশ্বের প্রথম ব্যাংক ইতালিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। - ১৪৭২ সালে ইতালির সিয়েনা শহরে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক অব মন্তি দে পাসি দি সিয়েনা বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সচল ব্যাংক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের আধুনিক অর্থনীতি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার একটি শক্তিশালী দেশ হলেও বিশ্বের প্রথম ব্যাংক এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। B) চীন — চীনে বিশ্বের প্রথম কাগজী মুদ্রা বা ব্যাংকনোট চালু হলেও বিশ্বের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংক এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। C) ইতালি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। D) জাপান — জাপানে আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার বিকাশ ঘটেছিল অনেক পরে, তাই এটি প্রথম ব্যাংক প্রতিষ্ঠার স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: ব্যাংক ব্যবসার আদি জন্মস্থান ইতালি, এটি মনে রাখতে ইতালির প্রাচীন ব্যাংক সিয়েনা শহরের নাম মনে রাখতে হবে।
a ভার্চুয়াল গেম
b ক্রেডিট কার্ড
c ইলেকট্রনিক মুদ্রা
d এক ধরনের সফটওয়্যার
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইলেকট্রনিক মুদ্রা কেন সঠিক: - এটি কোনো ধাতব মুদ্রা বা কাগজ নয়, বরং ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেনযোগ্য একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রা। - এটি কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না, বরং ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভার্চুয়াল গেম — এটি কোনো বিনোদনমূলক গেম বা খেলার সফটওয়্যার নয়, বরং একটি আর্থিক লেনদেনের মাধ্যম। B) ক্রেডিট কার্ড — এটি কোনো প্লাস্টিক কার্ড বা ব্যাংক কার্ড নয়, যা দিয়ে সরাসরি কেনাকাটা করা যায়। D) এক ধরনের সফটওয়্যার — এটি কোনো একক সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম নয়, বরং সফটওয়্যার ও ক্রিপ্টোগ্রাফির ওপর ভিত্তি করে তৈরি ডিজিটাল সম্পদ। মনে রাখার টিপস: বিটকয়েন হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেন করা যায় এমন এক ধরনের অদৃশ্য ইলেকট্রনিক মুদ্রা।
a সংবাদ সংস্থা
b বিমান বন্দর
c শেয়ার বাজার
d জাহাজশিল্প
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেয়ার বাজার কেন সঠিক: - ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে অবস্থিত এবং এটি বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। - নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এখানে অবস্থিত হওয়ায় এই রাস্তাটি মূলত বিশ্বের শেয়ার বাজারের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবাদ সংস্থা — সংবাদ সংস্থা হিসেবে রয়টার্স বা এপি বিখ্যাত, যা ওয়াল স্ট্রিটের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) বিমান বন্দর — এটি কোনো বিমান বন্দর নয়, বরং নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটন এলাকার একটি বিখ্যাত রাস্তা। C) শেয়ার বাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ওয়াল স্ট্রিট বিশ্বখ্যাত শেয়ার বাজারের প্রধান কেন্দ্র। D) জাহাজশিল্প — এটি জাহাজ নির্মাণের কোনো স্থান নয়, এটি বিশ্ব অর্থবাজার ও বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। মনে রাখার টিপস: ওয়াল মানে দেওয়াল আর স্ট্রিট মানে রাস্তা, কিন্তু বিশ্ব অর্থনীতিতে এই ওয়াল স্ট্রিট মানেই টাকার খেলা বা শেয়ার বাজার।
a সামরিক
b রাজনৈতিক
c সামাজিক
d পরিবেশগত
0 51 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সামরিক কেন সঠিক: - ন্যাটো হলো উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের দেশগুলোর একটি সামরিক জোট, যা পারস্পরিক প্রতিরক্ষার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছে। - এর মূল নীতি হলো জোটের যেকোনো সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ হলে তা সব সদস্য দেশের ওপর আক্রমণ বলে গণ্য হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামরিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ ন্যাটো মূলত একটি সামরিক ও প্রতিরক্ষা চুক্তিভিত্তিক সংস্থা। B) রাজনৈতিক — ন্যাটো প্রধানত সামরিক উদ্দেশ্যে গঠিত, যদিও এর রাজনৈতিক ফোরাম রয়েছে, তাই এটি প্রাথমিক রাজনৈতিক জোট নয়। C) সামাজিক — ন্যাটোর কাজ সামাজিক উন্নয়ন বা কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা নয়। D) পরিবেশগত — পরিবেশ সুরক্ষা বা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করা এই জোটের মূল লক্ষ্য বা কাজ নয়। মনে রাখার টিপস: ন্যাটো মানেই পারস্পরিক প্রতিরক্ষার সামরিক চুক্তি।
a টঙ্গী
b গাজীপুর
c সাভার
d ঢাকা
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গাজীপুর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস গাজীপুর জেলায় অবস্থিত। - এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের মূদ্রা, নোট এবং গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা দলিল মুদ্রণ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টঙ্গী — টঙ্গী গাজীপুরের অন্তর্ভুক্ত একটি এলাকা হলেও মূল প্রতিষ্ঠানটি নির্দিষ্টভাবে গাজীপুর জেলা সদর বা নির্ধারিত এলাকায় অবস্থিত। B) গাজীপুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস এখানেই প্রতিষ্ঠিত। C) সাভার — সাভারে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন শিল্প ও প্রতিষ্ঠান থাকলেও এটি সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসের অবস্থান নয়। D) ঢাকা — রাজধানী ঢাকা হলেও নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রণ প্রেসটি ঢাকার বাইরে গাজীপুরে স্থাপন করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: টাকা বা মুদ্রা ছাপানোর অত্যন্ত গোপনীয় কাজ ঢাকা থেকে কিছুটা দূরে গাজীপুরে সম্পন্ন করা হয়।
a রাষ্ট্রপতি
b অর্থসচিব
c সোনালি ব্যাংক
d বাংলাদেশ ব্যাংক
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্থসচিব কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ এবং ৫ টাকার নোট ও কয়েন সরকারি মুদ্রা বা সরকারের অর্থ বিভাগ কর্তৃক ইস্যু করা হয়। - এই নোটগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পরিবর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবের স্বাক্ষর থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর কোনো দেশীয় মুদ্রায় থাকে না, তিনি দেশের সাংবিধানিক প্রধান মাত্র। B) অর্থসচিব — এই অপশনটি সঠিক কারণ ৫ টাকার নোটে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে এবং এটি সরকারের অর্থ বিভাগ কর্তৃক ইস্যু করা হয়। C) সোনালি ব্যাংক — সোনালি ব্যাংক একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, যা মুদ্রা বা নোট ইস্যু করার এখতিয়ার রাখে না। D) বাংলাদেশ ব্যাংক — বাংলাদেশ ব্যাংক ১০ টাকা থেকে শুরু করে এর চেয়ে বড় মানের ব্যাংক নোট ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করে, ৫ টাকার নোট নয়। মনে রাখার টিপস: কম মানের নোট যেমন ১, ২ ও ৫ টাকার নোট অর্থসচিবের স্বাক্ষরযুক্ত সরকারি মুদ্রা এবং বাকি সব নোট বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষরযুক্ত ব্যাংক নোট।
a কেন্দ্রীয় ব্যাংক
b বাণিজ্যিক ব্যাংক
c স্টক এক্সচেঞ্জ
d ইপিজেড
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কেন্দ্রীয় ব্যাংক কেন সঠিক: - নিকাশ ঘর বা ক্লিয়ারিং হাউজ হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক নিজেদের মধ্যকার দেনা-পাওনা ও চেক নিষ্পত্তি করে থাকে। - দেশের সর্বোচ্চ ব্যাংক হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নিকাশ ঘরের মূল নিয়ন্ত্রক ও পরিচােলক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেন্দ্রীয় ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকের নিকাশ ঘর হিসেবে কাজ করে। B) বাণিজ্যিক ব্যাংক — বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো নিকাশ ঘরের সেবা গ্রহণ করে কিন্তু তারা নিজেরা নিকাশ ঘর পরিচালনা বা নিয়ন্ত্রণ করে না। C) স্টক এক্সচেঞ্জ — এটি শেয়ার কেনাবেচার বাজার, যার সঙ্গে ব্যাংকিং খাতের চেক বা দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির নিকাশ ঘরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) ইপিজেড — এটি মূলত রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা, যা বৈদেশিক বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের সঙ্গে যুক্ত এবং এর কাজ সম্পূর্ণ ভিন্ন। মনে রাখার টিপস: সব ব্যাংকের অভিভাবক হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক, তাই চেক বা দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির নিকাশ ঘরও কেন্দ্রীয় ব্যাংকেই অবস্থিত।
a অর্থ
b শিল্প
c আইন
d বাণিজ্য
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাণিজ্য কেন সঠিক: - ICMAB অর্থাৎ দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ একটি পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান। - বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের পেশাদার হিসাববিদ তৈরি এবং নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ — অর্থ মন্ত্রণালয় বাজেট, রাজস্ব ও ব্যাংকিং খাত পরিচালনা করলেও এই পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি এর অধীনে নয়। B) শিল্প — শিল্প মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান ও কলকারখানা দেখাশোনা করে, যা হিসাব পেশার নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। সি) আইন — আইন মন্ত্রণালয় বিচার বিভাগ এবং আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। D) বাণিজ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বাণিজ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন পেশাজীবী ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ করে। মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য হিসাবের সঙ্গে বাণিজ্য শব্দটি যুক্ত থাকে, তাই কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস বা ICMAB বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
a ICMAB
b SEC
c BIBM
d ICAB
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ICAB কেন সঠিক: - ICAB হলো ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ, যা দেশে সিএ ডিগ্রি প্রদানকারী একমাত্র পেশাদার প্রতিষ্ঠান। - এটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশে হিসাববিজ্ঞান পেশার মান উন্নয়ন ও সনদ বিতরণের দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ICMAB — এটি কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস ডিগ্রি প্রদান করে, সিএ ডিগ্রি প্রদান করে না। B) SEC — এটি দেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, শিক্ষা বা ডিগ্রি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়। C) BIBM — এটি ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যা কোনো পেশাদার ডিগ্রি প্রদান করে না। D) ICAB — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই বাংলাদেশে সিএ ডিগ্রি প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস বা সিএ শব্দের জন্য ICAB এবং কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টসের জন্য ICMAB মনে রাখলেই বিভ্রান্তি দূর হবে।
a আয়কর
b আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক
c ভূমি রাজস্ব
d মূল্য সংযোজন কর
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মূল্য সংযোজন কর কেন সঠিক: - মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট হলো বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ খাতের বৃহত্তম রাজস্ব আয়ের উৎস। - নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেবা গ্রহণের সময় ভোক্তারা এই কর পরিশোধ করে থাকে, যার ফলে সরকারের কোষাগারে সবচেয়ে বেশি অর্থ জমা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়কর — এটি সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হলেও বর্তমানে মূল্য সংযোজন করের চেয়ে এর পরিমাণ কিছুটা কম। B) আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক — এটি বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর ধার্য করা হয় এবং এটি অভ্যন্তরীণ রাজস্বের তুলনায় কম। C) ভূমি রাজস্ব — এটি গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের ভূমি মালিকদের নিকট থেকে আদায় করা হয় এবং এর পরিমাণ অত্যন্ত কম। D) মূল্য সংযোজন কর — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ এটি দেশের সর্বাধিক রাজস্ব আদায়কারী খাত। মনে রাখার টিপস: সরকারের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আসে ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর থেকে, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে আমরা যা কিনি তাতেই ভ্যাট দিই।
a আন্তর্জাতিক বাজারে
b শেয়ার বাজারে
c জুয়া খেলায়
d খুচরা বাজারে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শেয়ার বাজারে কেন সঠিক: - ব্লু চিপ (Blue Chip) হলো আর্থিক ও শেয়ার বাজারের অত্যন্ত লাভজনক, স্বনামধন্য এবং আর্থিকভাবে শক্তিশালী কোম্পানিগুলোর শেয়ার। - এই ধরনের কোম্পানিগুলো নিয়মিত ভালো লভ্যাংশ প্রদান করে এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে অত্যন্ত নিরাপদ ও বিশ্বস্ত বলে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আন্তর্জাতিক বাজারে — এই বাজারের সঙ্গে ব্লু চিপ ধারণার কোনো সরাসরি বা নির্দিষ্ট সম্পর্ক নেই। B) শেয়ার বাজারে — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি শেয়ার বাজারের শীর্ষস্থানীয় ও লাভজনক কোম্পানির শেয়ার নির্দেশ করে। C) জুয়া খেলায় — এটি জুয়ার টেবিলের সবচেয়ে মূল্যবান নীল চিপ থেকে এসেছে, কিন্তু বর্তমান ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে অর্থনৈতিক। D) খুচরা বাজারে — খুচরা বা পণ্যের বাজারের দৈনন্দিন বেচাকেনার সঙ্গে এই ধারণার কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: ব্লু চিপ মানেই শেয়ার বাজারের সবচেয়ে দামি, নির্ভরযোগ্য এবং লাভজনক কোম্পানির শক্তিশালী শেয়ার।
a সুদের হার কমিয়ে দিবে
b অর্থ সরবরাহ বাড়িয়ে দিবে
c ব্যাংক হার বাড়িয়ে দিবে
d ডেবিট/ঋণ বাড়িয়ে দিবে
0 35 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যাংক হার বাড়িয়ে দিবে কেন সঠিক: - মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি গ্রহণ করে এবং বাজারে অর্থের সরবরাহ কমানোর চেষ্টা করে। - ব্যাংক হার বা সুদের হার বাড়িয়ে দিলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে নিরুৎসাহিত হয় এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ঋণ বিতরণ কমে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুদের হার কমিয়ে দিবে — সুদের হার কমালে ঋণ নেওয়া সস্তা হয়, ফলে বাজারে অর্থের সরবরাহ আরও বেড়ে গিয়ে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পাবে। B) অর্থ সরবরাহ বাড়িয়ে দিবে — বাজারে অর্থের সরবরাহ বাড়লে মানুষের হাতের টাকা বৃদ্ধি পায়, যা মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দেয়। C) ব্যাংক হার বাড়িয়ে দিবে — এটি সঠিক কারণ, ব্যাংক হার বাড়লে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণের সুদ বাড়ে এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসে। D) ডেবিট/ঋণ বাড়িয়ে দিবে — ঋণ বা ডেবিট বাড়লে মানুষের খরচ করার ক্ষমতা বাড়ে, যা মুদ্রাস্ফীতি হ্রাসের পরিবর্তে বৃদ্ধি ঘটায়। মনে রাখার টিপস: মুদ্রাস্ফীতি কমানোর চাবিকাঠি হলো ঋণ সংকোচন করা, তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক হার বা সুদের হার বাড়িয়ে দেয়।
a আমদানি
b শুল্ক
c ট্যারিফ
d রপ্তানি
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রপ্তানি কেন সঠিক: - বিনিময় হার হ্রাস বা মুদ্রার অবমূল্যায়ন ঘটলে দেশের পণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কমে যায়। - এতে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে দেশীয় পণ্য কেনা লাভজনক হয় এবং দেশের রপ্তানি বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমদানি — বিনিময় হার হ্রাস পেলে বিদেশি পণ্যের দাম বেড়ে যায়, ফলে আমদানি কমে যায়। B) শুল্ক — এটি বাণিজ্য নীতি সংক্রান্ত সরকারি কর, বিনিময় হ্রাসের কারণে সরাসরি শুল্ক বৃদ্ধি পায় না। C) ট্যারিফ — এটিও আমদানির ওপর ধার্যকৃত কর, যা বিনিময় হ্রাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) রপ্তানি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ মুদ্রার মান কমলে রপ্তানিকারকরা বেশি লাভবান হন। মনে রাখার টিপস: বিনিময় হার হ্রাস মানে মুদ্রার মান কমা, আর মান কমলে দেশের পণ্য বিদেশে সস্তা হয় তাই রপ্তানি বাড়ে।
a ৪:৩
b ৫:৩
c ৩:৫
d ৬:৩
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫:৩ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের নির্দিষ্ট অনুপাত হলো ৫:৩। - এই অনুপাত অনুযায়ী পতাকাটি তৈরি করা হয়, যার সবুজ ক্ষেত্রের মাঝে লাল বৃত্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪:৩ — এই অনুপাতটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঠিক মাপ নয়, এটি ভুল উত্তর। B) ৫:৩ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঠিক ও অনুমোদিত দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত। C) ৩:৫ — এটি পতাকার প্রস্থ ও দৈর্ঘ্যের অনুপাত, কিন্তু প্রশ্ন চেয়েছে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত। D) ৬:৩ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঠিক মাপ বা অনুপাত নয়, এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: দৈর্ঘ্য বড় হয় তাই ৫ এবং প্রস্থ ছোট হয় তাই ৩, অর্থাৎ ৫:৩ মনে রাখবে।
a ১৯২০ সালে
b ১৯২৬ সালে
c ১৯২৫ সালে
d ১৯৩০ সালে
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৬ সালে কেন সঠিক: - ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকায় ‘ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংগঠনের স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২০ সালে — এই সালে ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ১৯২৬ সালের ঘটনা। B) ১৯২৬ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়। C) ১৯২৫ সালে — এই সালে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং এর আগের বছরগুলোতে এর প্রাথমিক প্রস্তুতি চলেছিল। D) ৩০ সালে — এই সালে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক তথ্য নেই। মনে রাখার টিপস: ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাকাল মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন উনিশশো ছাব্বিশ সাল।
a ১১তম
b ১৩তম
c ১৫তম
d ৯ম
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৩তম কেন সঠিক: - বগুড়াকে সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ বা ১৩তম সিটি কর্পোরেশন হিসেবে উন্নীত করা হয়েছে। - প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীकरण এবং স্থানীয় উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১তম — এটি দেশের ত্রয়োদশ সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। B) ১৩তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বগুড়া দেশের সর্বশেষ গঠিত বা ত্রয়োদশ সিটি কর্পোরেশন। C) ১৫তম — এটি বর্তমান মোট সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যার সাথে মেলে না। ডি) ৯ম — এই ক্রমানুসারে অতীতে অন্য কোনো শহর সিটি কর্পোরেশন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল। মনে রাখার টিপস: বগুড়া জেলাটি উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ, যা বর্তমানে দেশের ১৩তম সিটি কর্পোরেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c সুইজারল্যান্ড
d চীন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন কেন সঠিক: - বর্তমান বিশ্বে চীন মোট কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণে প্রথম স্থানে রয়েছে। - দেশটির দ্রুত শিল্পায়ন এবং কয়লার ওপর উচ্চমাত্রার নির্ভরতা এর প্রধান কারণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি ঐতিহ্যের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণকারী দেশ হলেও বর্তমানে বার্ষিক নিঃসরণে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। B) যুক্তরাজ্য — শিল্প বিপ্লবের সূতিকাগার হলেও দেশটি বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ নয়। C) সুইজারল্যান্ড — এটি একটি উন্নত দেশ এবং এদের কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বিশ্ব গড়ের তুলনায় বেশ কম। D) চীন — এটি বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ হিসেবে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: জনসংখ্যা ও কারখানায় এগিয়ে থাকা চীন কার্বন নিঃসরণেও সবার উপরে।
a Last Developing Council.
b Least Developed Country.
c Last Developed Country.
d Least Developing Country.
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Least Developed Country. কেন সঠিক: - অর্থনৈতিক ও মানবসম্পদ সূচকের ভিত্তিতে জাতিসংঘের নির্ধারিত স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে Least Developed Country বা LDC বলা হয়। - বাংলাদেশ এই ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অত্যন্ত পরিচিত একটি অর্থনৈতিক পরিভাষা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Last Developing Council — এই নামে জাতিসংঘের বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কোনো সুপরিচিত বা স্বীকৃত সংস্থা বা পরিভাষা নেই। B) Least Developed Country — এটি জাতিসংঘের সংজ্ঞায়িত স্বল্পোন্নত দেশের সঠিক ইংরেজি রূপ এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) Last Developed Country — ব্যাকরণগতভাবে শব্দটি সঠিক মনে হলেও এটি জাতিসংঘের অফিসিয়াল বা স্বীকৃত অর্থনৈতিক পরিভাষা নয়। D) Least Developing Country — এখানে Developed এর পরিবর্তে Developing শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা জাতিসংঘের দাপ্তরিক পরিভাষার সঙ্গে মিলে না। মনে রাখার টিপস: LDC-র পূর্ণরূপ মনে রাখতে Least (স্বল্প) Developed (উন্নয়নশীল বা উন্নত) Country (দেশ) এই ক্রমানুসরণটি মনে রাখতে হবে।
a লিঙ্গ সমতা
b পরিবেশ রক্ষা
c দারিদ্র্য দূরীকরণ
d সবার জন্য শিক্ষা
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) দারিদ্র্য দূরীকরণ কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার বা এসডিজির মূল ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে প্রথম লক্ষ্য হলো সব ধরনের চরম দারিদ্র্যের অবসান ঘটানো। - অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানো এবং বিশ্ব থেকে ক্ষুধার পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এর মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিঙ্গ সমতা — এটি এসডিজির পঞ্চম লক্ষ্য, যা নারী অধিকার ও ক্ষমতায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) পরিবেশ রক্ষা — এটি জলবায়ু পরিবর্তন ও স্থলজ বা জলজ জীবন রক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য লক্ষ্যগুলোর অন্তর্ভুক্ত। C) দারিদ্র্য দূরীকরণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে। D) সবার জন্য শিক্ষা — এটি এসডিজির চতুর্থ লক্ষ্য, যা গুণগত শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: এসডিজির প্রথম কাজ মানুষের পেটে ভাত ও গায়ে কাপড় দেওয়া, অর্থাৎ সবার আগে দারিদ্র্য দূরীকরণ।
a বিল্ডিং কোড
b ভবন আইন
c বিল্ডিং অধ্যাদেশ
d কোনটিই নয়
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিল্ডিং কোড কেন সঠিক: - ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে নকশা, মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারিভাবে নির্দিষ্ট নিয়মকানুন মেনে চলা বাধ্যতামূলক, যা বিল্ডিং কোড নামে পরিচিত। - বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড বা বিএনবিসি অনুযায়ী দেশের প্রতিটি ভবন নির্মাণ করা আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিল্ডিং কোড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভবন নির্মাণের জন্য নির্ধারিত বাধ্যতামূলক নিয়মকানুন। B) ভবন আইন — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রমিত নির্দেশিকা বা কোড বোঝায় না, বরং সার্বিক আইনি কাঠামোর সাধারণ নাম। C) বিল্ডিং অধ্যাদেশ — এটি নির্দিষ্ট কোনো কোড বা নিয়মের পূর্ণাঙ্গ প্রমিত নির্দেশিকা নির্দেশ করে না। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ভবন নির্মাণের সময় কোড বা নিয়ম মানতে হয়, তাই সঠিক উত্তর বিল্ডিং কোড।
a ৪ আগস্ট ২০২৬
b ৫ আগস্ট ২০২৬
c ৬ আগস্ট ২০২৬
d ৭ আগস্ট ২০২৬
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ৫ আগস্ট ২০২৬ কেন সঠিক: - জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ ও ইতিহাসের সঠিক মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে এই জাদুঘরটি স্থাপন করা হয়েছে। - গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি বা এর ঐতিহাসিক দিনকে স্মরণীয় করতে ২০২৬ সালের ৫ আগস্ট এই জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ আগস্ট ২০২৬ — এই তারিখে জাদুঘরটি উদ্বোধন করা হয়নি, কারণ ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল দিনটি এর পরের দিন। B) ৫ আগস্ট ২০২৬ — এটি সঠিক উত্তর এবং এই দিনেই জাদুঘরটি উদ্বোধনের দিন নির্ধারিত ছিল। C) ৬ আগস্ট ২০২৬ — উদ্বোধনের নির্ধারিত তারিখের পরের দিন হওয়ায় এটি সঠিক অপশন নয়। D) ৭ আগস্ট ২০২৬ — এই তারিখে অন্য কোনো ঘটনা ঘটতে পারে, তবে এটি জাদুঘর উদ্বোধনের তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের দিন বা ঐতিহাসিক স্মারক হিসেবে ৫ আগস্ট তারিখটিকে জাদুঘর উদ্বোধনের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।
a হরিকেল
b সমতট
c পুন্ড্র
d গৌড়
0 40 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুন্ড্র কেন সঠিক: - পুন্ড্রবর্ধন বা পুন্ড্র বাংলার প্রাচীনতম জনপদ হিসেবে ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক রেকর্ডে স্বীকৃত। - মৌর্য আমলের মহাস্থানগড় শিলালিপিতে পুন্ড্র জনপদের সুস্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ হলেও পুন্ড্রর চেয়ে প্রাচীন নয়, যা বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। B) সমতট — এটি প্রাচীন বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি জনপদ, যা বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল এবং পুন্ড্রর সমসাময়িক বা পরবর্তী। C) পুন্ড্র — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক এবং অন্যান্য অপশনের মতো ভুল নয়। D) গৌড় — এটি প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান জনপদ ও রাজনৈতিক কেন্দ্র হলেও পুন্ড্রর তুলনায় এটি পরবর্তীকালের জনপদ। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বাংলায় মানুষ প্রথমে পুণ্য বা পুন্ড্র কাজ শুরু করেছিল, তাই বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ হলো পুন্ড্র।
a ৩ নভেম্বর
b ৭ নভেম্বর
c ২১ নভেম্বর
d ১৭ নভেম্বর
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১ নভেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী যৌথভাবে পাকিস্তানি আক্রমণকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণ পরিচালনা করে। - সশস্ত্র বাহিনীর এই সম্মিলিত আক্রমণ ও বিজয়ের গৌরবকে স্মরণ করতে প্রতি বছর ২১ নভেম্বর দিনটিকে সশস্ত্রবাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ নভেম্বর — এই দিনটি জেল হত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা সশস্ত্রবাহিনী দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৭ নভেম্বর — এই দিনটি সিপাহী ও জনতা বিপ্লব এবং সংহতি দিবস হিসেবে পালিত হয়। D) ১৭ নভেম্বর — এই দিনে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের ঠিক আগে নভেম্বর মাসের একুশ তারিখে তিন বাহিনী একত্রিত হয়ে আক্রমণ চালায়, তাই ২১ নভেম্বর সশস্ত্রবাহিনী দিবস।
a বিরক্ত
b আসক্ত
c সংসক্ত
d আরক্ত
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিরক্ত কেন সঠিক: - 'অনুরক্ত' শব্দের অর্থ কোনো কিছুর প্রতি গভীর অনুরাগ বা আকর্ষণ থাকা। - এর সরাসরি ও যথাযথ বিপরীত বাার্থকতা প্রকাশ করে 'বিরক্ত' শব্দটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিরক্ত — এটি সঠিক উত্তর, কারণ অনুরাগ বা আসক্তির বিপরীত হলো বিরক্তি ভাব। B) আসক্ত — এটি 'অনুরক্ত' শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) সংসক্ত — এর অর্থ সংযুক্ত বা সংশ্লিষ্ট, যা অনুরক্ত শব্দের বিপরীত নয়। D) আরক্ত — এর অর্থ ঈষৎ লাল বা রক্তিম, যা এই শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: অনুরক্ত মানে আকর্ষণ আর বিরক্ত মানে দূরত্ব সৃষ্টি, তাই অনুরাগ থাকলে তার উল্টোটি হয় বিরক্তি।
a ভারত
b যুক্তরাষ্ট্র
c যুক্তরাজ্য
d কানাডা
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্যে ষোড়শ শতাব্দীতে রাষ্ট্রীয় ধর্মের সমালোচনা বা ধর্ম অবমাননাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে প্রথম ব্লাসফেমি আইন বা ব্ল্যাসফেমি আইন প্রণয়ন করা হয়। - রাজতন্ত্র ও চার্চের ক্ষমতা সুসংহত করার উদ্দেশ্যে মূলত এই আইন চালু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — এটি ব্রিটিশ শাসনামলে প্রণীত আইনের প্রভাবে পরবর্তীতে ধর্ম অবমাননার ধারা যুক্ত করে, কিন্তু প্রথম ব্লাসফেমি আইন চালুকারী দেশ নয়। B) যুক্তরাষ্ট্র — এর সংবিধানে বাকস্বাধীনতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি থাকায় এটি প্রথম ব্লাসফেমি আইন চালুকারী দেশ নয়। D) কানাডা — এটি ব্রিটিশ আইনব্যবস্থা অনুসরণ করলেও প্রথম ব্লাসফেমি আইন এই দেশে চালু হয়নি। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের রাজতন্ত্র ও চার্চের ক্ষমতা রক্ষা করতে বিশ্বে প্রথম ব্লাসফেমি আইন চালু হয়েছিল।
a কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা
b সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা
c ভূমিকম্প
d মরুকরণ
0 32 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা কেন সঠিক: - ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি থাকা দেশগুলোর অন্যতম। - বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে বরফ গলে সমুদ্রের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশের উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যাওয়ার চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা — এটি জলবায়ু পরিবর্তনের একটি পরোক্ষ প্রভাব এবং বৈশ্বিক সূচকের মূল ক্যাটাগরি হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাকেই প্রধান ঝুঁকি ধরা হয়। B) সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা — এটি সঠিক কারণ বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকিতে বাংলাদেশের প্রধান ও সর্বাধিক আলোচিত ক্যাটাগরি এটি। C) ভূমিকম্প — বাংলাদেশ ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থিত হলেও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সূচকে এটি প্রধান ক্যাটাগরি নয়। D) মরুকরণ — বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে মরুকরণের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও এটি সামগ্রিক বৈশ্বিক ঝুঁকিতে বাংলাদেশের প্রধান ক্যাটাগরি হিসেবে নির্ধারিত নয়। মনে রাখার টিপস: সমুদ্রের কোল ঘেঁষে থাকা বাংলাদেশে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিই সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক পরিবেশগত ঝুঁকি।
a ইরাক
b ইরান
c সিরিয়া
d কাতার
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরান কেন সঠিক: - এভিন কারাগার ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থিত একটি কুখ্যাত কারাগার। - রাজনৈতিক বন্দি এবং ভিন্নমতাবলম্বীদের আটকের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে এই কারাগারটি পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, যার রাজধানী বাগদাদ এবং এর সঙ্গে এভিন কারাগারের কোনো সম্পর্ক নেই। B) ইরান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ কারাগারটি এখানেই অবস্থিত। C) সিরিয়া — এটি গৃহযুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ, এর রাজধানী দামেস্ক এবং এটি এই কারাগারের অবস্থান নয়। D) কাতার — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি ধনী ও স্বাধীন দেশ, যার রাজধানী দোহা এবং এভিন কারাগার এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: ইরানের তেহরানের এভিন কারাগার রাজনৈতিক বন্দিদের জন্য বিখ্যাত।
a ধীরেন্দ্র
b জ্ঞানেন্দ্র
c বীরেন্দ্র
d মহেন্দ্র
0 34 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্ঞানেন্দ্র কেন সঠিক: - জ্ঞানেন্দ্র ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত নেপালের শেষ রাজা হিসেবে শাসন করেন। - তাঁর রাজত্বকালে নেপালে দীর্ঘস্থায়ী রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং দেশটি প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধীরেন্দ্র — তিনি রাজা বীরেন্দ্র ও জ্ঞানেন্দ্রর ভাই ছিলেন, কিন্তু নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন না। B) জ্ঞানেন্দ্র — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন। C) বীরেন্দ্র — তিনি জ্ঞানেন্দ্রর ভাই এবং তাঁর আগের রাজা ছিলেন, সর্বশেষ রাজা ছিলেন না। D) মহেন্দ্র — তিনি বীরেন্দ্র ও জ্ঞানেন্দ্রর পিতা ছিলেন এবং অনেক আগেই রাজত্ব করেছেন। মনে রাখার টিপস: জ্ঞান দিয়ে নেপালের রাজতন্ত্রের জ্ঞান বা শেষ ঘটিয়েছিলেন রাজা জ্ঞানেন্দ্র।
a রপ্তানি পণ্যের অবমূল্যায়ন
b আমদানি পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ
c আয়কর ফাঁকি দেয়া
d অবৈধ চ্যানেলে বিদেশে টাকা পাঠানো
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আমদানি পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক নয়। মূলত আমদানি পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ (Over-invoicing) মানিলন্ডারিং বা মুদ্রা পাচারের একটি অন্যতম প্রধান পদ্ধতি। - সঠিক উত্তরটি হবে C) আয়কর ফাঁকি দেয়া। আয়কর ফাঁকি দেওয়া বা ট্যাক্স এভয়েডেন্স হলো রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অপরাধ, যা সরাসরি মুদ্রা পাচারের সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রপ্তানি পণ্যের অবমূল্যায়ন — এটি আন্ডার-ইনভয়েসিং নামে পরিচিত এবং এর মাধ্যমে অবৈধভাবে দেশের বাইরে অর্থ পাচার করা হয়। B) আমদানি পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ — এটি ওভার-ইনভয়েসিং নামে পরিচিত এবং এর মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়। C) আয়কর ফাঁকি দেয়া — এটি সরকারের কর ফাঁকি দেওয়ার অপরাধ, যা অর্থ স্থানান্তর বা পাচারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) অবৈধ চ্যানেলে বিদেশে টাকা পাঠানো — এটি হুন্ডি বা অন্যান্য অবৈধ মাধ্যমের সাহায্যে সরাসরি মুদ্রা পাচার করার কাজ। মনে রাখার টিপস: কর ফাঁকি দেওয়া হলো সরকারের রাজস্ব সংক্রান্ত অপরাধ, আর মুদ্রা পাচার হলো অবৈধভাবে বিদেশে অর্থ সরিয়ে নেওয়ার আর্থিক অপরাধ।
a ইসলাম খান
b মীর মুরাদ
c শাহবাজ খান
d শায়েস্তা খান
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইসলাম খান কেন সঠিক: - বাংলার সুবাদার ইসলাম খান নৌবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধি ও নদীমাতৃক অঞ্চলের প্রতিরক্ষার জন্য প্রথম নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার প্রচলন করেছিলেন। - বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌকাবাইচ আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই উৎসবের সূচনা হয়, যা পরবর্তীতে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী অংশে পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলাম খান — ইনি বাংলার সুবাদার ছিলেন এবং বাংলায় প্রথম নৌকাবাইচ উৎসবের সূচনা করেছিলেন। B) মীর মুরাদ — ইনি মোঘল আমলের একজন সেনাপতি বা কর্মকর্তা ছিলেন, নৌকাবাইচ চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) শাহবাজ খান — ইনি বাংলার একজন মোঘল সুবাদার ও সেনাপতি ছিলেন, তবে নৌকাবাইচ চালুর ইতিহাস তাঁর সঙ্গে জড়িত নয়। D) শায়েস্তা খান — ইনি বাংলার বিখ্যাত সুবাদার হলেও তাঁর আমলের শাসনকাল ও জনকল্যাণমূলক কাজ নৌকাবাইচ চালুর ঘটনার সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: নৌকা বাইচ মানেই পানিতে ইসলাম খানের আগমন, যিনি প্রথম বুড়িগঙ্গায় এই উৎসব শুরু করেন।
a ১৮৬১
b ১৮৫৭
c ১৮৪৫
d ১৮৮২
0 43 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮৬১ কেন সঠিক: - ব্রিটিশ সরকার বাংলায় নীল চাষ সংক্রান্ত অনিয়ম ও নির্যাতন তদন্ত করার জন্য ১৮৬১ সালে নীল কমিশন গঠন করে। - এই কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তীকালে বাংলায় নীল চাষের অবসান ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই নীল কমিশন গঠিত হয়েছিল। B) ১৮৫৮ — এটি সিপাহী বিদ্রোহের বছর, নীল কমিশন গঠনের বছর নয়। C) ১৮৪৫ — এই সালে নীল কমিশন সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। D) ১৮৮২ — এটি হান্ট কমিশন গঠনের বছর, যা শিক্ষা সংস্কারের সাথে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: নীল বিদ্রোহের ভয়াবহতা দেখে ব্রিটিশ সরকার ১৮৬১ সালে নীল কমিশন গঠন করতে বাধ্য হয়।
a গ্র্যান্ড খাল
b পানামা খাল
c সুয়েজ খাল
d অক্কানেম খাল
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পানামা খাল প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ কেন সঠিক: - পানামা খাল প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও এর গভীরতা ও খননকাজের পরিধি একে পৃথিবীর গভীরতম খালের মর্যাদা দিয়েছে। - এই খালটির গভীরতা এবং পাহাড় কেটে এর পথ তৈরির জন্য এটি প্রকৌশল বিদ্যার এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্র্যান্ড খাল — এটি মূলত চীনের একটি প্রাচীন ও দীর্ঘ কৃত্রিম জলপথ, কিন্তু এটি পানামা খালের মতো গভীরতম সামুদ্রিক খাল নয়। B) পানামা খাল — এটি প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোগকারী পৃথিবীর গভীরতম এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৃত্রিম খাল। C) সুয়েজ খাল — এটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে সংযোগকারী দীর্ঘ কৃত্রিম খাল হলেও এর গভীরতা পানামা খালের তুলনায় কম। D) অক্কানেম খাল — এটি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে কোনো প্রধান বা সঠিক আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক খাল নয়। মনে রাখার টিপস: গভীর খাল মনে রাখতে পানামা নামটি মনে রাখুন, যা দুই মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
a বাল্টিক সাগর
b কৃষ্ণ সাগর
c আরব সাগর
d লোহিত সাগর
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: D) লোহিত সাগর কেন সঠিক: - লোহিত সাগর আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত মিশর এবং এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত সৌদি আরবের মাঝখানে প্রাকৃতিক সীমানা তৈরি করেছে। - এই ভূরাজনৈতিক অবস্থানের কারণে লোহিত সাগরটি মিশর ও সৌদি আরবকে ভৌগোলিক ও সামুদ্রিকভাবে পৃথক করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাল্টিক সাগর — এটি উত্তর ইউরোপে অবস্থিত এবং এটি মূলত স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপ ও ইউরোপীয় মূল ভূখণ্ডকে আলাদা করেছে। B) কৃষ্ণ সাগর — এটি দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ ও আনাতোলিয়া বা এশিয়া মাইনরের মাঝে অবস্থিত, যা মিশর বা সৌদি আরবের সীমানায় নেই। C) আরব সাগর — এটি ভারত মহাসাগরের একটি উত্তর অংশ, যা ভারত, পাকিস্তান ও আরব উপদ্বীপের মাঝে অবস্থিত কিন্তু মিশর ও সৌদি আরবকে বিভাজন করে না। D) লোহিত সাগর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা মিশর ও সৌদি আরবের মধ্যবর্তী জলসীমা হিসেবে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: মিশর ও সৌদি আরবের মাঝে ব্যবধান খুঁজতে হলে লোহিত সাগরের লোহিত বা লাল রঙের সীমানার কথা মনে রাখতে হবে।