দুর্নীতি দমন কমিশন

দুর্নীতি দমন কমিশনের উপসহকারী পরিচালক পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬।

পদের নাম: উপসহকারী পরিচালক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a 1743
b 1834
c 1734
d 1843
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭৪৩ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ প্রথম মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় ১৭৪৩ সালে। পর্তুগিজ ভাষায় রচিত এই ব্যাকরণটি লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি বাংলা ভাষার ওপর রচিত প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ গ্রন্থ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটির পূর্ণ নাম ভোদাবের কি উক্তি ও কথোপকথন। এটি রচনা করেছিলেন ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁও নামক একজন পর্তুগিজ পাদ্রি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁও রচিত কীর্তন গ্রন্থ ব্যাখ্যা: এই পাদ্রি বাংলা ভাষায় খ্রিস্টধর্ম প্রচারের জন্য রোমান হরফে বাংলা শব্দ ও বাক্য মুদ্রণ করেছিলেন। উদাহরণ ২: ব্রাসি হালহেড রচিত ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি ১৭৭৮ সালে হোয়েলু থেকে প্রকাশিত হয় এবং এর নাম ছিল এ গ্রামার অব দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৪৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ প্রকাশিত হয়। B) ১৮৩৪ — এই সালে কোনো প্রথম বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয়নি এবং এটি ভুল সাল। C) ১৭৩৫ — এই অপশনটি কাল্পনিক এবং বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৮৪৩ — এই সালে তত্ত্বরঞ্জিনী সভা বা অন্যান্য সাহিত্যিক ঘটনা ঘটেছিল কিন্তু প্রথম ব্যাকরণ প্রকাশিত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৭৪৩ সালটি মনে রাখতে পর্তুগিজ পাদ্রি ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁও এবং ১৭৪৩ সংখ্যাটি জোড়া মনে রাখতে পারো। প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ মানেই ১৭৪৩ সাল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম বাংলা ব্যাকরণ ও এর লেখকের নাম আসে। ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁও রচিত গ্রন্থটি রোমান হরফে মুদ্রিত প্রথম বাংলা বই।
a ব্যাপ্ত
b বিতর্ক
c বিনয়
d উপরের সবকটি
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবকটি কেন সঠিক: প্রদত্ত অপশনগুলোর প্রতিটি শব্দেই উপসর্গ যুক্ত রয়েছে। কোনো শব্দই উপসর্গহীন নয়, তাই ডি অপশনটি সঠিক। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয় সূচক শব্দাংশ যা শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত যেমন খাঁটি বাংলা, তৎসম এবং বিদেশী উপসর্গ। যেমন হার শব্দের আগে বি উপসর্গ যোগ হয়ে বিহার শব্দ গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাপ্ত — এই শব্দটিতে বি উপসর্গ যুক্ত আছে, তাই এটি উপসর্গযোগে গঠিত। B) বিতর্ক — এই শব্দটিতে বি উপসর্গ যুক্ত আছে, তাই এটি উপসর্গযোগে গঠিত। C) বিনয় — এই শব্দটিতে বি উপসর্গ যুক্ত আছে, তাই এটি উপসর্গযোগে গঠিত। D) উপরের সবকটি — উপরের প্রতিটি শব্দই উপসর্গযুক্ত হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: শব্দের প্রথমে কোনো অব্যয় অংশ যেমন প্র, পরা, অপ থাকলে তা সাধারণত উপসর্গ হয়। মূল শব্দ থেকে উপসর্গ আলাদা করার অভ্যাস করলে পরীক্ষার সময় ভুল হবে না।
a দিলরুবা-আব্দুল কাদির
b সাত সাগরের মাঝি- ফররুখ আহমেদ
c নূরনামা-আব্দুল হাকিম
d জীবন কথা-জসীমউদ্দীন
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাত সাগরের মাঝি- ফররুখ আহমেদ ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থটি, যার মূল উপজীব্য হলো ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য। - এই কাব্যে মুসলিম সংস্কৃতির গৌরব, ঐতিহ্য এবং ইসলামী ভাবধারার নান্দনিক প্রকাশ ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফররুখ আহমেদ বাংলা সাহিত্যের মুসলিম রেনেসাঁস বা নবজাগরণের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতায় ইসলামী সংস্কৃতির প্রতীকী ও ঐতিহ্যিক রূপায়নের এক অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাশ ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমেদের রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা, যা পাকিস্তান আন্দোলনের পটভূমিতে ও ইসলামী ভাবধারায় রচিত। উদাহরণ ২: সিরাজাম মুনীরা ব্যাখ্যা: এটিও ফররুখ আহমেদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিলরুবা-আব্দুল কাদির — এটি কবি আব্দুল কাদিরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এর মূল উপজীব্য ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নয়। B) সাত সাগরের মাঝি- ফররুখ আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) নূরনামা-আব্দুল হাকিম — এটি মধ্যযুগের পুথি সাহিত্যধারার একটি রচনা, যা শরিয়ত ও ইসলামের বিভিন্ন বিধানের ওপর রচিত হলেও মূল আলোচ্য বিষয় ভিন্ন। D) জীবন কথা-জসীমউদ্দীন — এটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের একটি আত্মজীবনীমূলক বা জীবনভিত্তিক গ্রন্থ, যা ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাত সাগর মানে বিশাল সমুদ্র, আর ইসলামের ইতিহাসও অনেক বিশাল ও ঐতিহ্যমণ্ডিত। - কবি ফররুখ আহমেদের নাম দেখলে সাধারণত ইসলামী ঐতিহ্য ও রেনেসাঁস ভাবধারার কথা মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফররুখ আহমেদের সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থের নাম এবং এর মূল থিম প্রায়ই আসে। - মুসলিম রেনেসাঁসের কবি হিসেবে ফররুখ আহমেদের সাহিত্যকর্মগুলো ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a প্রতি
b অতি
c প্র
d কু
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কু কেন সঠিক: - 'কু' একটি বাংলা বা দেশি উপসর্গ, এটি কোনো তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ নয়। - বাংলা ভাষায় উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ, খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম উপসর্গ মোট কুড়িটি, যা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। - খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট এক وعিশটি, যার মধ্যে 'কু' অন্যতম একটি উপসর্গ। - 'কু' উপসর্গটি সাধারণত খারাপ বা মন্দ অর্থে শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) প্রতি — এটি একটি সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ যা বিপরীত বা সমকক্ষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। - B) অতি — এটি একটি তৎসম উপসর্গ যা আধিক্য বা অতিক্রম অর্থে ব্যবহৃত হয়। - C) প্র — এটি একটি তৎসম উপসর্গ যা উৎকৃষ্ট বা প্রकृष्ट অর্থে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: - খাঁটি বাংলা উপসর্গ এক وعিশটি মুখস্থ রাখার জন্য একটি ছড়া বা শর্টকাট মনে রাখতে পারো। - তৎসম উপসর্গ কুড়িটি আলাদাভাবে তালিকা করে পড়লে পরীক্ষার হলে সহজে চেনা যায়।
a বিপর্যস্ত হওয়া
b অবাক হওয়া
c দোটানা অবস্থা হওয়া
d হতবুদ্ধি হওয়া
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দোটানা অবস্থা হওয়া কেন সঠিক: ত্রিশঙ্কু দশা প্রবচনটি এমন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে যেখানে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয় না। এই বিশেষ অবস্থায় মানুষ দুইয়ের মাঝে পড়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে এবং সঠিক পথ বেছে নিতে পারে না। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ত্রিশঙ্কু পৌরাণিক চরিত্র যিনি স্বর্গ ও মর্ত্যের মাঝে ঝুলে ছিলেন এবং কোনো লোকই পাননি। বাংলা সাহিত্যে ও ভাষার ব্যবহারে এই পৌরাণিক ঘটনাটি দোটানা বা অনিশ্চিত অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন মাঝ আকাশে আটকে থাকা বিমান বা দুই দিকের আকর্ষণে পড়ে থাকা দোদুল্যমান মনের অবস্থাকে ত্রিশঙ্কু দশা বলা চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপর্যস্ত হওয়া — এই অর্থটি সম্পূর্ণ ধ্বংস বা বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা ত্রিশঙ্কু দশার অনিশ্চয়তা প্রকাশ করে না। B) অবাক হওয়া — এই কথাটি কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা দেখে বিস্মিত হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা দোটানা নয়। C) দোটানা অবস্থা হওয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই এবং এটি এখানে প্রযোজ্য। D) হতবুদ্ধি হওয়া — এই অর্থটি হঠাৎ কোনো বিপদে পড়ে কী করব বুঝতে না পারার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ত্রিশঙ্কু মানেই মাঝখানে ঝুলে থাকা বা দুই দিকের টান। তাই পরীক্ষার খাতায় এই প্রশ্ন পেলে নিশ্চিতভাবে দোটানা অবস্থা চিহ্নিত করবে।
a অক্ষরবৃত্ত
b মাত্রাবৃত্ত
c স্বরবৃত্ত
d অমিত্রাক্ষর ছন্দ
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাত্রাবৃত্ত ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত, যা মূলত দলবৃত্ত বা স্বরবৃত্ত ছন্দের আদি রূপ হিসেবেও বিবেচিত হয়। - প্রাচীন বাংলার এই পদগুলো গীত বা গান হিসেবে গাওয়া হতো বলে এর ছন্দ মাত্রাবৃত্ত বা কলাবৃত্ত ছন্দের নিয়ম মেনে চলে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং এর আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। - চর্যাপদের ভাষা সন্ধ্যভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা নামে পরিচিত এবং এর রচয়িতারা সিদ্ধাচার্যগণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদ 'কায় তরুবর পঞ্চ বি ডাল' মাত্রাবৃত্ত ছন্দের কাঠামোগত সুর ও লয় অনুসরণ করে রচিত হয়েছে। ব্যাখ্যা: এই পদে দল বা মাত্রা গণনার ক্ষেত্রে মাত্রাবৃত্ত ছন্দের প্রবহমানতা স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যও মাত্রাবৃত্ত ছন্দের প্রভাবে রচিত একটি মধ্যযুগীয় গুরুত্বপূর্ণ বাংলা কাব্য। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের ছন্দরীতির ধারাবাহিকতা পরবর্তীতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যেও কিছুটা বজায় থাকতে দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষরবৃত্ত — অক্ষরবৃত্ত ছন্দ আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য এবং এটি মূলত অমিত্রাক্ষর ও সনেট কাব্যে ব্যবহৃত হয়। B) মাত্রাবৃত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ চর্যাপদের পংক্তিগুলো মাত্রাবৃত্ত ছন্দের মাত্রার নিয়ম ও পঙক্তির বিন্যাস মেনে চলে। C) স্বরবৃত্ত — স্বরবৃত্ত ছন্দ লোকসাহিত্যে বা ছড়ায় বেশি দেখা যায়, যা দ্রুত লয়ের এবং চর্যাপদ এর চেয়ে ধীর লয়ের মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। D) অমিত্রাক্ষর ছন্দ — মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেন, যার সাথে প্রাচীন চর্যাপদের কোনো ঐতিহাসিক বা কাঠামোগত সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদ গান হিসেবে গাওয়া হতো এবং গান গাওয়ার জন্য মাত্রাবৃত্ত ছন্দের লয় সবচেয়ে উপযোগী। - প্রাচীন গান মানেই মাত্রাবৃত্ত ছন্দ এই কৌশলটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের ছন্দ নিয়ে বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও প্রমিত সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে এটি উদ্ধার করেন।
a ইহারা
b যিনি
c নিজে নিজে
d কেহ
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিজে নিজে ১. কেন সঠিক: যে সর্বনাম পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে পরস্পরতা, পারস্পরিকতা বা একই কাজের দ্বিত্ব প্রকাশ করে, তাকে ব্যতিহারিক সর্বনাম বলে। এখানে 'নিজে নিজে' পদটি একই পদের পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে পারস্পরিকতা বা স্বয়ংক্রিয়তা প্রকাশ করায় এটি ব্যতিহারিক সর্বনামের সঠিক উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সর্বনাম পদকে বিভিন্ন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে যার মধ্যে ব্যতিহারিক সর্বনাম পারস্পরিক সম্পর্ক বা দ্বিত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের সর্বনাম সাধারণত দুটি একই শব্দ পাশাপাশি বসে গঠিত হয় এবং বাক্যে কর্তা বা কর্মের পারস্পরিক বোঝাপড়া নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনারা আপসে আপসে মীমাংসা করে নিন। ব্যাখ্যা: এখানে 'আপসে আপসে' পদটি পারস্পরিক বোঝাপড়া বা ব্যতিহারিক সর্বনাম হিসেবে কাজ করেছে। উদাহরণ ২: তারা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করছে না। ব্যাখ্যা: এখানে 'নিজেদের' শব্দটি পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝাতে ব্যতিহারিক সর্বনামের ভূমিকা পালন করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইহারা — এটি নির্দেশক বা ব্যক্তিবাচক সর্বনামের বহুবচন রূপ, যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে। B) যিনি — এটি সম্বন্ধবাচক বা সাপেক্ষ সর্বনাম, যা বাক্যের অন্য অংশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়। D) কেহ — এটি অনির্দিষ্টবাচক সর্বনাম, যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: একই শব্দ জোড়ায় জোড়ায় বসে যখন পারস্পরিকতা বা নিজেদের মধ্যে কোনো কাজের ভাব প্রকাশ করে, তখন তাকে ব্যতিহারিক সর্বনাম হিসেবে চিনে নেবে। পরীক্ষায় দ্বিত্ব শব্দযুক্ত সর্বনাম দেখলে ব্যতিহারিক সর্বনাম হিসেবে দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বনামের শ্রেণীবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ব্যতিহারিক সর্বনাম চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো শব্দের দ্বিত্ব বা পুনরাবৃত্তি লক্ষ্য করা।
a আবদুল হাকিম
b শাহ মুহম্মদ সগীর
c শাহ গরীবুল্লাহ
d মুহাম্মদ কবীর
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুহাম্মদ কবীর ১. কেন সঠিক: 'ইউসুফ-জুলেখা' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রণয়কাব্য। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে মুহাম্মদ কবীর 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্য রচনা করেননি, বরং এই নামে অন্য একজন বিখ্যাত কবি কাব্য রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে ইউসুফ-জুলেখা কাহিনীর ওপর একাধিক কবি কাব্য রচনা করেছেন। শাহ মুহম্মদ সগীর, শাহ গরীবুল্লাহ এবং আবদুল হাকিম প্রত্যেকেই ইউসুফ-জুলেখা কাব্য রচনা বা অনুবাদ করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত 'ইউসুফ-জুলেখা' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক প্রণয়কাব্য এবং গৌড় সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে রচিত হয়। উদাহরণ ২: দৌড় উজির বা অন্য কবিদের ইউসুফ-জুলেখা রচনা ব্যাখ্যা: মধ্যযুগে পারস্যের ইউসুফ ও জুলেখার প্রেমের কাহিনী অবলম্বনে বাংলা ভাষায় অনেকগুলো কাব্য রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল হাকিম — ভুল কারণ সপ্তদশ শতকের এই বিশিষ্ট কবিও 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্য রচনা করেছিলেন। B) শাহ মুহম্মদ সগীর — ভুল কারণ তিনি গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের আমলেই বাংলা ভাষায় প্রথম 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্য রচনা করেন। C) শাহ গরীবুল্লাহ — ভুল কারণ মধ্যযুগের এই কবিও 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্য রচনা করে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। D) মুহাম্মদ কবীর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই নামের কোনো কাব্য রচনা করেননি, তাই তিনি এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের বিখ্যাত 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্যটি শাহ মুহম্মদ সগীর রচনা করেছিলেন, যা পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু একাধিক কবি এই কাহিনী নিয়ে লিখেছেন, তাই মূল কবিদের নাম আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক প্রণয়কাব্য হলো ইউসুফ-জুলেখা এবং এর রচিয়তা শাহ মুহম্মদ সগীর। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কাব্যের রচিয়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই কবিদের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a মৌলিক ধ্বনি
b যৌগিক ধ্বনি
c স্পর্শ ধ্বনি
d নাসিকা ধ্বনি
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্পর্শ ধ্বনি ১. কেন সঠিক: - ক থেকে ম পর্যন্ত মোট পঁচিশটি ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের বিভিন্ন অঙ্গ পরস্পর স্পর্শ করে উচ্চারিত হয় বলে এদের স্পর্শ ধ্বনি বলা হয়। - বাংলা বর্ণমালায় ক বর্গ থেকে ম বর্গ পর্যন্ত পাঁচটি ধ্বনিগুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত পঁচিশটি বর্ণকে একত্রে স্পৃষ্ট বা স্পর্শ ধ্বনি হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি প্রকরণে উচ্চারণের স্থান ও প্রকৃতি অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। - ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি ধ্বনিকে পাঁচটি বর্গে ভাগ করা হয়েছে এবং এই কারণে এদের বর্গীয় ধ্বনিও বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক ব্যাখ্যা: এটি কবর্গের প্রথম ধ্বনি এবং মুখবিবরের কণ্ঠ্যমূল স্পর্শ করে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: প ব্যাখ্যা: এটি পবর্গের প্রথম ধ্বনি এবং দুটি ঠোঁটের স্পর্শে উচ্চারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌলিক ধ্বনি — মৌলিক ধ্বনি বলতে ভাষার ক্ষুদ্রতম স্বতন্ত্র একককে বোঝায় যা পঁচিশটি ব্যঞ্জনধ্বনির সমষ্টিকে নির্দেশ করে না। B) যৌগিক ধ্বনি — যৌগিক ধ্বনি বা স্বরজ্ঞাপক ধ্বনি বলতে মূলত দুটি স্বরধ্বনির মিলিত রূপ ওই এবং ঔ কে বোঝায়। D) নাসিকা ধ্বনি — নাসিকা ধ্বনি হলো সেই ধ্বনিগুলো যা উচ্চারণের সময় বায়ুর কিছু অংশ নাক দিয়ে বের হয় যেমন ঙ, ঞ, ণ, ন, ম। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি বর্ণকে ক-বর্গ থেকে প-বর্গ পর্যন্ত সাজিয়ে স্পর্শ ধ্বনি মনে রাখা সহজ। - স্পর্শ ধ্বনি মনে রাখার জন্য বর্গীয় বর্ণগুলোর প্রথম ও শেষ বর্ণ মনে রাখলেই যথেষ্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্পর্শ ধ্বনির সংখ্যা কতটি তা জানতে চাওয়া হয়। - ক থেকে ম পর্যন্ত বর্ণগুলোর অপর নাম যে বর্গীয় ধ্বনি, তা পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি।
a দুহঃ + যোগ
b দুঃ + যোগ
c দূর + যোগ
d দূরং + যোগ
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুঃ + যোগ ১. কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মের আওতায় গঠিত একটি শব্দ যেখানে বিসর্গের পর য, র, ল, ব বা হ থাকলে বিসর্গ ও হয়। - এখানে 'দুঃ' এর বিসর্গের সঙ্গে 'যোগ' যুক্ত হয়ে বিসর্গ লোপ পেয়ে ও-কার যুক্ত হয়েছে এবং শব্দটি 'দুর্যোগ' হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুযায়ী অ-কার বা আ-কারের পর বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম বর্ণ কিংবা য, র, ল, ব, হ থাকলে বিসর্গ ও-কার হয়। - এখানে 'দুঃ' এর উ-কারের পর বিসর্গ এবং পরে 'য' থাকার কারণে বিসর্গটি ও-কারে রূপান্তরিত হয়েছে এবং দ এর সঙ্গে ও কার যুক্ত হয়ে দো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমঃ + নাম = নমস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের পর ন থাকলে বিসর্গ ও-কার না হয়ে দন্ত্য স হয়। উদাহরণ ২: বয়ঃ + বৃদ্ধ = বয়োবৃদ্ধ ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের পর ব থাকার কারণে বিসর্গটি ও-কারে পরিণত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুহঃ + যোগ — দুহঃ বলে কোনো প্রমিত শব্দ বা উপসর্গ বাংলায় নেই, তাই এই সন্ধি বিচ্ছেদটি সম্পূর্ণ ভুল। B) দুঃ + যোগ — এটি সঠিক অপশন এবং প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তর হিসেবে এটি নির্ভুল। C) দূর + যোগ — দূর কোনো প্রমিত উপসর্গ নয় যা সরাসরি যোগের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) দূরং + যোগ — দূরং বলে কোনো শব্দ বা পদ বাংলায় সন্ধির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় না, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পর য, র, ল, ব, হ থাকলে বিসর্গ ও-কার হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে দুর্যোগ, বয়োবৃদ্ধ শব্দগুলোর সন্ধি সহজে পার করবে। - দু যোগ যোগ সমান দুর্যোগ, এই সহজ সূত্রটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই নিপাতনে সিদ্ধ ও নিয়মের সন্ধিগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে। - একই নিয়মে তৈরি শব্দগুলো বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a তনু + ময়
b তৎ + ময়
c তনু + ময়
d তদ্ + ময়
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৎ + ময় কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে প্রথম পদের অন্তস্থিত ত-কার বা দ-কার এর পরে ম-কার থাকলে তা নিজ বর্গের নাসিক্য ধ্বনিতে পরিণত হয়। - তৎ শব্দের ত-কারের সাথে ময় শব্দের ম-কারের মিলনে ত-এর জায়গায় ন যুক্ত হয়ে 'তন্ময়' শব্দটি গঠিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি ঘোষ নাসিক্য ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। - এই নিয়মে পদের শেষের ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। - যেমন: তৎ + মধ্যে = তন্মধ্যে, মহৎ + ময় = তন্ময়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) তনু + ময় — এটি কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম মানে না কারণ তনু শব্দের সাথে ময় যুক্ত হয়ে তন্ময় হতে পারে না। - B) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়। - C) তনু + ময় — এটি অপশন এ এর অনুরূপ ভুল এবং নিয়ম বহির্ভূত। - D) তদ্ + ময় — এখানে দ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা তৎ শব্দের মূল রূপের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: - ত-এর সাথে ম যুক্ত থাকলে সন্ধি বিচ্ছেদের সময় ত-এর জায়গায় সবসময় তৎ বসাতে হয়।
a সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি
b দ্বন্দ্ব
c দ্বিগু
d কর্মধারয়
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - সমসমান পদে সংখ্যাবাচক শব্দ এবং শেষে বিশেষ্য পদ থাকলে এবং তা দ্বারা অন্য কোনো পদকে বোঝালে তাকে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস বলে। - পঞ্চ গজের সমাহার দ্বিগু সমাস হলেও, এখানে 'পঞ্চগজ' বলতে পাঁচ গজ পরিমাণ বিশিষ্ট কোনো নির্দিষ্ট মাপের কাপড় বা বস্তুকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বহুব্রীহি সমাসের প্রথম পদ সংখ্যাবাচক এবং শেষ পদ বিশেষ্য হয় এবং সমস্তপদটি একটি বিশেষণ হিসেবে অন্য কোনো পদের অর্থ প্রকাশ করে, তাকে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি বলে। - এই সমাসে সমস্তপদটি সাধারণত স্ত্রীবাচক হয় এবং শেষে 'ঈ' বা 'আ' যুক্ত হয়, তবে এখানে 'পঞ্চগজ' বিশেষ ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দশ গজ পরিমাণ কাপড় যার = দশগজী ব্যাখ্যা: এখানে সংখ্যাবাচক পদ থাকলেও সমস্তপদটি একটি নির্দিষ্ট মাপের কাপড়কে বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: চার হাতি পরিমাণ ফিতা যার = চারহাতি ব্যাখ্যা: এটিও সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাসের একটি সুন্দর উদাহরণ যা পরিমাপ বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সমস্তপদটি অন্য পদকে বোঝায়। B) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, যা এখানে নেই। C) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, কিন্তু এখানে সমাহার না বুঝিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাপ বোঝাচ্ছে। D) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্পর্ক থাকে, যা সংখ্যাবাচক বহুব্রীহির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংখ্যা দিয়ে শুরু হয়ে যদি সমাহার বা সমষ্টি না বুঝিয়ে কোনো পরিমাপ বা অন্য কিছু বোঝায়, তবে তা দ্বিগু না হয়ে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় দ্বিগু ও সংখ্যাবাচক বহুব্রীহির পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই পরিমাপবাচক শব্দ থাকলে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি নির্বাচন করতে হবে।
a পার্শ্বিক
b কম্পনজাত
c তাড়নজাত
d অযোগবাহ
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তাড়নজাত ১. কেন সঠিক: - 'ড়' এবং 'ঢ়' বর্ণ দুটি উচ্চারণের সময় জীবের ডগা শক্ত তালুকে দ্রুত তাড়না বা আঘাত করে বলে এদের তাড়নজাত বর্ণ বলা হয়। - বাংলা বর্ণমালায় এই দুটি ধ্বনিকে উৎস বা উচ্চারণের প্রকৃতি অনুযায়ী বিশেষ মর্যাদায় রাখা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের অন্তর্ভুক্ত এই বর্ণ দুটিকে দাপট বা তাড়নার সঙ্গে উচ্চারণ করতে হয়। - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে স্পর্শ ধ্বনির বাইরেও এদের নিজস্ব উচ্চারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাড়ি ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'ড়' বর্ণটি তাড়নজাত ধ্বনি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যা উচ্চারণে বিশেষ কম্পন সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: আষাঢ় ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'ঢ়' বর্ণটি যুক্ত হয়ে তাড়নজাত ধ্বনির সঠিক উচ্চারণ নিশ্চিত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার্শ্বিক — পার্শ্বিক বর্ণ হলো ল, কারণ এটি উচ্চারণের সময় বাতাস জিবের দুই পাশ দিয়ে বের হয়। B) কম্পনজাত — কম্পনজাত বর্ণ হলো র, কারণ এটি উচ্চারণে জিব কেঁপে ওঠে। C) তাড়নজাত — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'ড়, ঢ়' উচ্চারণে তাড়নার সৃষ্টি হয়। D) অযোগবাহ — অযোগবাহ বর্ণ হলো অনুস্বার, বিসর্গ ও চন্দ্রবিন্দু, যা অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া একা উচ্চারিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - তাড়নজাত মানে জিবের তাড়না বা আঘাত খাওয়া। - 'ড়' ও 'ঢ়' দেখলে তাড়নজাত বর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় বর্ণমালা থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। - পার্শ্বিক, কম্পনজাত এবং তাড়নজাত বর্ণের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখবে।
a প্রতিগ্রহ
b বিগ্রহ
c নিগ্রহ
d দয়া
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিগ্রহ ১. কেন সঠিক: - 'অনুগ্রহ' শব্দটির অর্থ হলো কৃপা, দয়া বা অনুগ্রহ করা। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'নিগ্রহ' শব্দটি। - 'নিগ্রহ' শব্দের অর্থ হলো নির্যাতন, নিপীড়ন বা অবহেলা করা। ফলে অর্থের দিক থেকে এটি 'অনুগ্রহ' এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন দুটি শব্দ যাদের অর্থ পরস্পরের বিপরীত বা উল্টো হয়। বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতসম, তদ্ভব ও বিদেশি নানা উৎসের শব্দের বিপরীত শব্দ প্রচলিত রয়েছে। - সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। এখানে 'অনুগ্রহ' ও 'নিগ্রহ' উভয়ই তৎসম শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সদয় ব্যাখ্যা: 'সদয়' শব্দের বিপরীত শব্দ নির্দয় বা নিষ্ঠুর, যা কৃপার বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: প্রশংসা ব্যাখ্যা: 'প্রশ প্রশংসা' শব্দের বিপরীত শব্দ নিন্দা, যা অনুকূল ভাবের বিপরীত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিগ্রহ — প্রতিগ্রহ শব্দের অর্থ গ্রহণ করা বা দান গ্রহণ করা, যা অনুগ্রহ শব্দের বিপরীতার্থক নয়। B) বিগ্রহ — বিগ্রহ শব্দের অর্থ মূর্তি বা যুদ্ধ, এটি অনুগ্রহ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। C) নিগ্রহ — এটি সঠিক উত্তর। D) দয়া — দয়া হলো অনুগ্রহ শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুগ্রহ মানে কৃপা আর নিগ্রহ মানে শাস্তি বা নির্যাতন। কৃপার উল্টো অত্যাচার এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই উৎস শব্দ চিনে সঠিক বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হবে।
a আনোয়ার পাশা
b হাসান হাফিজুর রহমান
c শহীদুল্লাহ কায়সার
d জহির রায়হান
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আনোয়ার পাশা ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর আনোয়ার পাশা কারণ তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এই উপন্যাসটি রচনা করেছিলেন। - রাইফেল রোটি আওরাত শব্দের অর্থ হলো বন্দুক, রুটি ও নারী যা তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক জান্তার ধ্বংসলীলা ও বর্বরতাকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আনোয়ার পাশা একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন যিনি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন। - রাইফেল রোটি আওরাত হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেন রচিত মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস হাঙ্গরের নদী গ্রেনেড। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের গ্রামীণ জনপদের চিত্র ও নারীর অবদান ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস জনক ও জননী। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনোয়ার পাশা — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি রাইফেল রোটি আওরাত উপন্যাসের রচয়িতা। B) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সম্পাদক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তিনি ঐতিহাসিক বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র সংকলন ও সম্পাদনার জন্য বিখ্যাত। C) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো সারেং বউ ও সংশপ্তক। D) জহির রায়হান — তিনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হলেও তাঁর বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো আরেক ফাল্গুন। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাইফেল হাতে আনোয়ার পাশা ১৯৭১ সালে রুটি ও আওরাত নিয়ে একটি অনন্য উপন্যাস লিখে অমর হয়ে আছেন। - মুক্তিযুদ্ধের প্রথম উপন্যাস মনে রাখতে লেখকের নামের সাথে এই বিশেষ উপন্যাসের নাম মিলিয়ে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রাইফেল রোটি আওরাত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য উপন্যাসের রচয়িতা ও তাদের সাহিত্যকর্মের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
a ১ম চন্দ্রগুপ্ত
b ২য় চন্দ্রগুপ্ত
c শ্রীগুপ্ত
d ভিনসেন্ট স্মিথ
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২য় চন্দ্রগুপ্ত ১. কেন সঠিক: প্রাচীন ভারতের গুপ্ত সাম্রাজ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত 'বিক্রমাদিত্য' উপাধি ধারণ করেছিলেন। তাঁর শাসনকালে শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ব্যাপক বিকাশ ঘটেছিল এবং তাঁর রাজসভায় নবরত্ন উপস্থিত ছিলেন। ২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা: প্রাচীন ভারতের ইতিহাস ও সাহিত্যিক প্রেক্ষাপটে গুপ্ত রাজবংশের রাজারা বিভিন্ন গৌরবময় উপাধি গ্রহণ করতেন। দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালকে ভারতের ধ্রুপদী যুগের স্বর্ণযুগ বলা হয় এবং এই সময়ে বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন ভারতে এসেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমুদ্রগুপ্ত ব্যাখ্যা: তিনি প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ন নামে পরিচিত ছিলেন এবং কবিরাজ উপাধি ধারণ করেছিলেন। উদাহরণ ২: প্রথম চন্দ্রগুপ্ত ব্যাখ্যা: তিনি গুপ্ত রাজবংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা এবং মহারাজা অধিরাজ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ম চন্দ্রগুপ্ত — তিনি 'মহারাজাধিরাজ' উপাধি ধারণ করেছিলেন, বিক্রমাদিত্য উপাধি নেননি। B) ২য় চন্দ্রগুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বিক্রমাদিত্য উপাধি ধারণ করেছিলেন। C) শ্রীগুপ্ত — তিনি গুপ্ত রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা এবং কেবল 'মহারাজ' উপাধি ধারণ করেছিলেন। D) ভিনসেন্ট স্মিথ — তিনি কোনো প্রাচীন ভারতীয় সম্রাট নন, বরং একজন ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ। ৫ মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় শব্দের সাথে বিক্রমাদিত্য যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তই এই উপাধি পেয়েছিলেন। ইতিহাসের রাজাদের উপাধিগুলো আলাদা করে একটি ছোট তালিকায় লিখে প্র্যাকটিস করলে সহজেই মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন ভারতীয় রাজাদের উপাধি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। সমুদ্রগুপ্তের ভারতের নেপোলিয়ন উপাধি এবং দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের বিক্রমাদিত্য উপাধি খুব ভালোভাবে মনে রাখবে।
a 1349
b 1342
c 1335
d 1338
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৩৮ ১. কেন সঠিক: ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ ১৩৩৮ সালে সোনারগাঁয়ে স্বাধীন সুলতানি শাসনের গোড়াপত্তন করেন এবং শাসন ক্ষমতা দখল করেন। এর মাধ্যমে তিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং দিল্লির সুলতানি শাসন থেকে সোনারগাঁকে মুক্ত করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্য ও বাংলাদেশ ইতিহাস বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা মধ্যযুগের বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস নির্দেশ করে। ১৩৩৮ থেকে ১৩৫২ সাল পর্যন্ত ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ সোনারগাঁয়ের স্বাধীন সুলতান হিসেবে রাজত্ব করেন এবং এ সময় বাংলার ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৩৩৮ সাল ব্যাখ্যা: এই সালে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ সোনারগাঁয়ে স্বাধীন সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। উদাহরণ ২: ইবনে বতুতা ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত মরক্কোর পরিব্রাজক ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের আমলেই বাংলা ভ্রমণ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৪৯ — এই সালে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের শাসনকাল শেষ বা এর কাছাকাছি সময়ে বাংলার রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটেছিল, যা ক্ষমতা দখলের সাল নয়। B) ১৩৪২ — এই সালে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ লখনউতিতে ক্ষমতা লাভ করেন, যা সোনারগাঁয়ের ফখরুদ্দিনের ক্ষমতা দখলের সাল নয়। C) ১৩৩৫ — এই সালে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ বিদ্রোহ ঘোষণা করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে সোনারগাঁয়ের শাসন ক্ষমতা দখল করেন ১৩৩৮ সালে। D) ১৩৩৮ — এটি সঠিক সাল কারণ এই বছরই ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ সোনারগাঁয়ের স্বাধীন সুলতান হন। ৫. মনে রাখার টিপস: ফখরুদ্দিনের সোনারগাঁ দখল মনে রাখতে মনে রাখুন যে তিনি ১৩৩৮ সালে ক্ষমতা নিয়েছিলেন এবং ইবনে বতুতা তার আমলেই বাংলায় এসেছিলেন। সুলতানি আমলের শুরুর এই সালটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বাংলার স্বাধীন সুলতানি আমলের প্রতিষ্ঠাতা ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ সম্পর্কে জানলে বেশ কয়েকটি বিসিএস প্রশ্ন কমন পাওয়া যায়। তার শাসনকাল এবং ইবনে বতুতার ভ্রমণ সংক্রান্ত তথ্যগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বাক প্রত্যঙ্গ
b অঙ্গ ধ্বনি
c স্বরতন্ত্রী
d নাসিকাতন্ত্র
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাক প্রত্যঙ্গ ১. কেন সঠিক: মানুষের কথা বলার সময় ফুসফুস থেকে তাড়িয়ে দেওয়া বাতাস মুখগহ্বরের ভেতর নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে বাধা পেয়ে বিভিন্ন ধ্বনি তৈরি করে। ফুসফুস, কণ্ঠনালি, জিহ্বা, তালু, দাঁত, ওষ্ঠ, নাক ইত্যাদি অঙ্গগুলো ধ্বনি উৎপাদনে সরাসরি কাজ করে বলে এদের একত্রে বাক প্রত্যঙ্গ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের এই আলোচনা মূলত ধ্বনি উৎপাদনের স্থান ও প্রক্রিয়া সম্পর্কিত। বাগ প্রত্যঙ্গ বা বাকযন্ত্র হলো মানুষের কথা বলার যন্ত্রসমূহ, যার সাহায্যে আমরা ব্যঞ্জন ও স্বরধ্বনিগুলো স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে পারি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জিহ্বা ব্যাখ্যা: জিহ্বা মুখের ভেতরে নড়াচড়া করে বিভিন্ন স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি তৈরিতে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করে। উদাহরণ ২: ওষ্ঠ বা ঠোঁট ব্যাখ্যা: ঠোঁটের আকৃতি পরিবর্তিত হয়ে প, ব বা উ ধ্বনি উচ্চারণে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক প্রত্যঙ্গ — এটি ধ্বনি তৈরিতে সাহায্যকারী অঙ্গগুলোকে বোঝায় বিধви এটি সঠিক উত্তর। B) অঙ্গ ধ্বনি — বাংলা ব্যাকরণে অঙ্গ ধ্বনি নামে সুনির্দিষ্ট কোনো পরিভাষা বা ব্যাকরণিক একক নেই। C) স্বরতন্ত্রী — এটি বাক প্রত্যঙ্গের একটি অংশ মাত্র, কিন্তু সমগ্র অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে বোঝাতে এটি যথেষ্ট নয়। D) নাসিকাতন্ত্র — এটি নাক ও শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কিত তন্ত্র, যা কেবল নাসিক্য ধ্বনি তৈরিতে সাহায্য করে। ৫ মনে রাখার টিপস: কথা বলার বা বাক তৈরির সঙ্গে যুক্ত সব প্রত্যঙ্গকে একত্রে বাক প্রত্যঙ্গ বলা হয়। মনে রাখবে বাক অর্থ কথা এবং প্রত্যঙ্গ অর্থ অঙ্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা উচ্চারণের ক্ষেত্রে ফুসফুস থেকে মুখবিবর পর্যন্ত বিস্তৃত অঙ্গগুলোকে বাকযন্ত্র বা বাক প্রত্যঙ্গ বলা হয়। এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি তত্ত্ব অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
a তৎসম
b তদ্ভব
c ফারসী
d তুর্কি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দগুলো যেমন মুচলেকা, লাশ এবং কুর্নিশ তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - বাংলা ভাষা বিভিন্ন বিদেশি ভাষার সংস্পর্শে এসে অনেক নতুন শব্দ গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে তুর্কি শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস বা শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত তৎসম, তদ্ভব, অর্ধতদ্সম, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো মূলত প্রশাসনিক, সামরিক এবং দৈনন্দিন জীবনের কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্র প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা শব্দটি একটি বহুল ব্যবহৃত তুর্কি শব্দ যা প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চাকর ব্যাখ্যা: চাকর শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দ যা কাজের লোক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম — তৎসম শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত আছে। B) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। C) ফারসী — ফারসী ভাষার শব্দসমূহ প্রধানত ধর্ম, আইন এবং সংস্কৃতি সম্পর্কিত হলেও মুচলেকা, লাশ, কুর্নিশ এই শব্দগুলো ফারসী নয়। D) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নোক্ত শব্দগুলো তুর্কি ভাষার অন্তর্গত। ৫. মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দগুলো সহজে মনে রাখতে একটি বাক্য মনে রাখতে পারো: দারোগা ও চাকর মিলে লাশ ও মুচলেকা নিয়ে কুর্নিশ করল। - এই ধরনের শব্দগুলো সাধারণত শাসনকার্য ও সামরিক জীবনের সাথে যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তুর্কি, ফারসী ও আরবি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
a ৩১, ৯, ১০
b ৩২, ৭, ১১
c ৩০, ৮, ১২
d ৩২, ৮, ১০
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩২, ৮, ১০ ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে পূর্ণমাত্রা বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রা বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। এই সংখ্যাগুলো প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী নির্দিষ্ট করা হয়েছে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি নিয়ে মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে। পূর্ণমাত্রা বর্ণ হলো those letters যেগুলোর উপরে সম্পূর্ণ রেখা বা মাত্রা থাকে, যার মোট সংখ্যা ৩২টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, ঈ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো পূর্ণমাত্রা স্বরবর্ণের কয়েকটি উদাহরণ। উদাহরণ ২: ক, চ, ত, প ব্যাখ্যা: এগুলো হলো পূর্ণমাত্রা ব্যঞ্জনবর্ণের কয়েকটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১, ৯, ১০ — এই সংখ্যাগুলো বাংলা বর্ণমালার মাত্রার সঠিক বিন্যাস নয় কারণ পূর্ণমাত্রা ৩২টি। B) ৩২, ৭, ১১ — এখানে অর্ধমাত্রার সংখ্যা ৭টি বলা হয়েছে যা ভুল, অর্ধমাত্রা ৮টি। C) ৩০, ৮, ১২ — এখানে পূর্ণমাত্রার সংখ্যা ৩০টি বলা হয়েছে যা সঠিক নয়, পূর্ণমাত্রা ৩২টি। D) ৩২, ৮, ১০ — এটি সঠিক কারণ এতে পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি বলা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: মাত্রার হিসাব মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ৩২ যোগ ৮ যোগ ১০ সমান ৫০। পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাহীন ১০ এভাবে ক্রমানুসারে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পূর্ণমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। স্বরবর্ণে পূর্ণমাত্রা ৬টি, অর্ধমাত্রা ১টি এবং মাত্রাহীন ৪টি বর্ণ রয়েছে তা আলাদাভাবে মনে রাখা দরকার।
a বাঁধন-হারা
b মৃত্যুক্ষুধা
c কুহেলিকা
d শিউলিমালা
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুহেলিকা ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক উপন্যাসে জাহাঙ্গীর চরিত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। উপন্যাসের পটভূমি ও চরিত্র বিশ্লেשণ করলে দেখা যায় জাহাঙ্গীর চরিত্রটি বিপ্লব ও দেশপ্রেমের প্রতীক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের একজন বিদ্রোহী কবি হলেও তিনি কয়েকটি উপন্যাসও রচনা করেছেন। তার এই উপন্যাসগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও প্রেমের সংঘাত অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধন-হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং পত্রোপন্যাস ধারার একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যেখানে দরিদ্র মানুষের জীবনসংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁধন-হারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস হলেও এর কেন্দ্রীয় চরিত্র জাহাঙ্গীর নয়, বরং এটি পত্রোপন্যাস। B) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক ও দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের জীবনের উপন্যাস, যেখানে জাহাঙ্গীর চরিত্রটি নেই। D) শিউলিমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প সংকলন, কোনো উপন্যাস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের রাজনৈতিক উপন্যাস কুহেলিকা মনে রাখতে কুহেলিকা শব্দের সাথে জাহাঙ্গীর চরিত্রটি যুক্ত করে একটি ছোট্ট বাক্য বানিয়ে নিতে পারো। উপন্যাস মনে রাখার সময় লেখকের লেখার ধরন ও চরিত্রগুলো একসাথে মিলিয়ে পড়া সবচেয়ে কার্যকর উপায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কাজী নজরুল ইসলামের মাত্র তিনটি উপন্যাস রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপন্যাস তিনটি হলো বাঁধন-হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা, যেগুলোর নাম ও চরিত্র ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a অরণ্য
b পর্বত
c স্থাবর
d সমুদ্র
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্থাবর ১. কেন সঠিক: - জঙ্গম শব্দের অর্থ যা নড়াচড়া করতে পারে বা গতিশীল। - স্থাবর শব্দের অর্থ যা নড়াচড়া করতে পারে না বা অপরিবর্তনীয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎসের রূপ এবং অর্থের বিপরীত দিক বিবেচনা করতে হয়। - বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় পদের সংগতি রক্ষা করা জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সচল ও অচল ব্যাখ্যা: সচল এবং অচল শব্দ দুটি যথাক্রমে গতিশীল ও স্থিতিশীল অবস্থা বোঝাতে বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চেতন ও অচেতন ব্যাখ্যা: চেতন এবং অচেতন শব্দ দুটি মনের ভাব ও অস্তিত্বের বিপরীত অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অরণ্য — অরণ্য শব্দের অর্থ বন বা জঙ্গল, যা জঙ্গম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) পর্বত — পর্বত শব্দের অর্থ পাহাড়, যা জঙ্গম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) স্থাবর — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ কারণ এটি গতিশীলের বিপরীত স্থির বা অপরিবর্তনীয় অবস্থা প্রকাশ করে। D) সমুদ্র — সমুদ্র শব্দের অর্থ জলরাশি বা সাগর, যা জঙ্গম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জঙ্গম মানে যা চলে আর স্থাবর মানে যা থাকে বা আটকে থাকে। - এই দুটি শব্দ পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রায়ই বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই মূল সংস্কৃত রূপের সঙ্গে মিল রেখে চয়ন করতে হয়। - শব্দার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে বিপরীতার্থক শব্দের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a Conscintious
b Consientious
c Concientious
d Conscientious
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Conscientious কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো Conscientious যার অর্থ সচেতন বা কতর্ব্যপরায়ণ। বানানের শুরুতে Consci এবং মাঝে en যুক্ত হয় যা সঠিক গঠনের নিয়ম মেনে চলে। বানানের শেষে tious অংশটি সঠিকভাবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Conscintious — এই বানানে conscientious শব্দের মাঝে i এবং o অক্ষরের সঠিক বিন্যাস নেই। B) Consientious — এই বানানে sc বর্ণগুচ্ছটি অনুপস্থিত রয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল। C) Concientious — এই বানানে sc বর্ণদ্বয়ের পরিবর্তে শুধু c ব্যবহার করা হয়েছে। D) Conscientious — এটি বানান এবং গঠনের দিক থেকে সম্পূর্ণ সঠিক শব্দ। মনে রাখার টিপস: বানানটি সহজে মনে রাখতে Science শব্দটির সাথে -tious যোগ করে মনে রাখতে পারো।
a Adjective
b Noun
c Preposition
d Pronoun
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Preposition কেন সঠিক: - 'except' শব্দটি এখানে Friday (noun) শব্দের পূর্বে বসে বাকiaর অন্য অংশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছে। - preposition সাধারণত noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্যান্য শব্দের সাথে তার সম্পর্ক নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না, তাই এটি adjective নয়। B) Noun — এটি কোনো নাম বা বিশেষ্য পদ নয়, বরং এটি এখানে সম্পর্ক স্থাপনকারী শব্দ হিসেবে কাজ করেছে। C) Preposition — প্রদত্ত উত্তর সঠিক, কারণ এটি noun-এর পূর্বে বসে preposition-এর কাজ সম্পন্ন করেছে। D) Pronoun — এটি noun-এর পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়নি, তাই এটি pronoun হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কোনো শব্দ noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সংযোগ ঘটালে সাধারণত সেটি preposition হয়।
a Claire Clairmont
b Marry Wollstonecraft
c Mary Wollstonecraft Godwin
d Mary Shelley
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Marry Wollstonecraft কেন সঠিক: এটি নারী অধিকারের পক্ষে লেখা ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন ও প্রভাবশালী দার্শনিক গ্রন্থ। ১৭৯২ সালে প্রকাশিত এই বইটির রচয়িতা হলেন মেরি ওলস্টোনক্রাফট। তিনি একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ নারীবাদী লেখিকা ও দার্শনিক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Claire Clairmont — তিনি একজন কবি বায়রনের সাথে সম্পর্কিত এবং মেরি শেলীর বৈমাত্রেয় বোন ছিলেন। B) Marry Wollstonecraft — এই বানানটি সঠিক এবং তিনিই এই বইটির মূল রচয়িতা। C) Mary Wollstonecraft Godwin — এটি মেরি শেলীর সম্পূর্ণ নাম এবং তিনি মেরি ওলস্টোনক্রাফটের কন্যা। D) Mary Shelley — তিনি ফ্রাঙ্কেনস্টাইন উপন্যাসের লেখিকা এবং মেরি ওলস্টোনক্রাফটের মেয়ে। মনে রাখার টিপস: নারী অধিকারের প্রথম কণ্ঠস্বর হিসেবে মেরি ওলস্টোনক্রাফটের নাম মনে রাখবে।
a Immigrant
b Expatriate
c Emigrant
d Migrant
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Emigrant কেন সঠিক: Emigrant শব্দটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি নিজের দেশ স্থায়ীভাবে ছেড়ে অন্য দেশে বসবাস শুরু করেন। এখানে নিজের দেশ ত্যাগ করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Immigrant — যিনি অন্য দেশ থেকে এসে কোনো নতুন দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন তাকে বোঝায়। B) Expatriate — যিনি কাজের জন্য সামقিকভাবে বা স্থায়ীভাবে নিজের দেশের বাইরে বসবাস করেন তাকে বোঝায়। C) Emigrant — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Migrant — যিনি কাজের সন্ধানে বা অন্য কারণে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়মিত যাতায়াত বা বসবাস করেন তাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: E দিয়ে Exit বোঝায় তাই নিজ দেশ থেকে বেরিয়ে যাওয়া হলো Emigrant এবং I দিয়ে In বোঝায় তাই অন্য দেশে প্রবেশ করা হলো Immigrant।
a Christopher Marlowe
b Thomas Kyd
c William Haughton
d Ben Johnson
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) William Haughton কেন সঠিক: উইলিয়াম হaughton ষোড়শ শতকের শেষভাগে একজন বিশিষ্ট ইংরেজ নাট্যকার ছিলেন যিনি এলিজাবেথীয় যুগে নাটক রচনায় খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। এই নাটকটি তার সবচেয়ে বিখ্যাত এবং জনপ্রিয় কমেডি রচনা হিসেবে ইংরেজি নাট্যসাহিত্যে বিশেষভাবে সমাদৃত। নাটকটি মূলত লন্ডনের বণিক সমাজের পটভূমিতে রচিত একটি রোমান্টিক কমেডি যা তৎকালীন সমাজে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Christopher Marlowe — তিনি এই নাটকটি লেখেননি কারণ তিনি মূলত ডক্টর ফাউস্টাস এবং এডওয়ার্ড সেকেন্ড এর মতো বিখ্যাত ট্র্যাজেডি রচনার জন্য বিখ্যাত। B) Thomas Kyd — তিনি এই নাটকের রচয়িতা নন কারণ তিনি এলিজাবেথীয় যুগে প্রতিশোধমূলক নাটক লেখার জন্য সর্বাধিক পরিচিত ছিলেন। C) William Haughton — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই এই কমেডি নাটকটির মূল রচয়িতা। D) Ben Johnson — তিনি এই নাটকটি রচনা করেননি কারণ তিনি তৎকালীন সময়ে ভলপোন এবং দ্য অ্যালকেমিস্ট এর মতো বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক কমেডির জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: উইলিয়াম হaughton এর নামের সাথে টাকা পয়সা সম্পর্কিত এই নাটকটি মনে রাখতে ইংরেজি টাকার কথা মাথায় রাখতে পারেন।
a Masculine
b Feminine
c Neuter
d Common
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: ‘neighbour’ শব্দের অর্থ প্রতিবেশী, যা পুরুষ বা নারী উভয়কেই বোঝাতে পারে। তাই এটি Common Gender এর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি শুধুমাত্র পুরুষবাচক শব্দ বোঝায় না কারণ প্রতিবেশী নারীও হতে পারে। B) Feminine — এটি শুধুমাত্র স্ত্রীবাচক শব্দ বোঝায় না কারণ প্রতিবেশী পুরুষও হতে পারে। C) Neuter — এটি জড় পদার্থ বোঝায় না কারণ প্রতিবেশী একটি জীবিত মানুষ। D) Common — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটি পুরুষ ও নারী উভয়কেই নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ দিয়ে পুরুষ এবং নারী উভয়কেই বোঝায়, সেগুলোকে Common Gender বলে।
a Memorandum
b Stimulus
c Dice
d Oasis
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dice কেন সঠিক: Dice শব্দটির ক্ষেত্রে একবচন ও বহুবচন উভয় রূপেই একই বানান ব্যবহৃত হয়। আধুনিক ইংরেজিতে এটি একক এবং একাধিক উভয় অর্থেই সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Memorandum — এটি ল্যাটিন শব্দ, যার সঠিক বহুবচন হলো memoranda। B) Stimulus — এটি ল্যাটিন শব্দ, যার সঠিক বহুবচন হলো stimuli। C) Dice — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Oasis — এটি গ্রিক মূলের শব্দ, যার সঠিক বহুবচন হলো oases। মনে রাখার টিপস: কিছু শব্দের একবচন ও বহুবচন একই থাকে, যেমন dice, deer ও sheep।
a Participle
b Infinitive
c Verbal Noun
d Gerund
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Gerund কেন সঠিক: ১. প্রদত্ত বাক্যে 'teaching' শব্দটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে এবং 'started' transitive verb এর object হিসেবে বসেছে। ২. verb এবং noun উভয় গুণের অধিকারী হওয়ায় এটি একটি Gerund হিসেবে গণ্য হয়েছে। ৩. কি শুরু করেছিল প্রশ্নের উত্তরে 'teaching' আসায় এটি object এর কাজ সম্পূর্ণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Participle — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে adjective বা adverb এর কাজ করে, কিন্তু এখানে এটি noun এর কাজ করছে। B) Infinitive — এটি সাধারণত to + verb আকারে থাকে, যা এখানে নেই। C) Verbal Noun — এটি the এবং of এর মাঝে বসে নির্দিষ্ট কোনো কাজের নাম বোঝায়, যা এই বাক্যে নেই। D) Gerund — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি একই সাথে verb এবং noun এর কাজ করে এবং বাক্যে object এর স্থান নেয়, তবে তাকে Gerund বলে।
a Affable
b Mild
c Rough
d Genial
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Rough কেন সঠিক: inclemet শব্দের অর্থ হলো প্রতিকূল, কঠোর বা খারাপ আবহাওয়া যুক্ত। এর সঠিক সমার্থক শব্দ হলো rough যার অর্থও কঠোর বা প্রতিকূল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Affable - এর অর্থ মিশুক বা অমায়িক, যা inclement শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Mild - এর অর্থ মৃদু বা কোমল, যা inclement শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Rough - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Genial - এর অর্থ হাসিখুশি বা বন্ধুভাবাপন্ন, যা inclement শব্দের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: inclement weather বলতেই আমরা খারাপ বা রুক্ষ আবহাওয়া বুঝি, আর rough মানেও রুক্ষ।
a Leave on holidays
b Spending time in France
c Leave without permission
d Emergency Leave
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Leave without permission কেন সঠিক: এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম যার শাব্দিক অর্থ ফরাসি ছুটি হলেও এর প্রকৃত ভাবার্থ হলো বিনা অনুমতিতে বা না জানিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করা। আটত্রিশ শতাব্দীতে ফরাসি সংস্কৃতিতে মালিক বা কর্তার অনুমতি না নিয়ে সামাজিক অনুষ্ঠান বা পার্টিতে চলে যাওয়ার একটি প্রচলিত প্রথা ছিল। এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকেই মূলত বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকাকে এই বিশেষ বাগধারা দ্বারা প্রকাশ করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অনুমতি ছাড়া ছুটি নেওয়া অপশনটিকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Leave on holidays — এটি দিয়ে ছুটির দিনে বা বৈধ অবকাশ যাপনের ছুটি বোঝায়, কিন্তু ফরাসি ছুটির আসল অর্থ অননুমোদিত অনুপস্থিতি। B) Spending time in France — এটি ফ্রেঞ্চ লিভ ইডিওমের আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও এর কোনো রূপক বা প্রবাদমূলক বাগ্ধারাভিত্তিক অর্থ নেই। D) Emergency Leave — এটি জরুরি প্রয়োজনে নেওয়া বৈধ ছুটি বোঝায়, যা বিনা অনুমতিতে কাজ থেকে পালানোর সাথে পুরোপুরি অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: ফ্রেঞ্চ শব্দ দেখলে ফ্রান্স না ভেবে বুঝবে বিনা অনুমতিতে পালিয়ে যাওয়া।
a height
b width
c length
d depth
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) height কেন সঠিক: Altitude শব্দটির বাংলা অর্থ হলো উচ্চতা বা কোনো স্থানের উচ্চ অবস্থান। Height শব্দটির অর্থও উচ্চতা বা লম্বালম্বি পরিমাপ বোঝায়। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় একই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) height — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ altitude শব্দের সমার্থক। B) width — এর অর্থ প্রস্থ, যা উচ্চতার বিপরীত একটি পরিমাপ। C) length — এর অর্থ দৈর্ঘ্য, যা কোনো বস্তুর দীর্ঘ দিক নির্দেশ করে। D) depth — এর অর্থ গভীরতা, যা ওপর থেকে নিচের দূরত্ব বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Altitude শব্দটি বিমান চলাচলের সময় উচ্চতা মাপতে বেশি ব্যবহৃত হয়, যা height শব্দের সাথে মিল আছে।
a Alfred Tennyson
b Robert Browning
c William Wordsworth
d Matthew Arnold
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) William Wordsworth কেন সঠিক: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি নন, তিনি মূলত রোমান্টিক যুগের প্রধান কবি হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে পরিচিত। ভিক্টোরিয়ান যুগ শুরু হয় ১৮৩৭ সাল থেকে, অথচ ওয়ার্ডসওয়ার্থ তার আগেই সাহিত্য সাধনা করেছেন। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশিত হয় ১৭৯৮ সালে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alfred Tennyson — আলফ্রেড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রতিনিধি স্থানীয় কবি। B) Robert Browning — রবার্ট ব্রাউনিং ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং নাট্যধর্মী কবিতার জন্য বিখ্যাত। C) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। D) Matthew Arnold — ম্যাথিউ আর্নল্ড ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ডসওয়ার্থ হলেন প্রকৃতির কবি যিনি রোমান্টিক যুগের প্রতিনিধিত্ব করেন, তাই তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের নন।
a 100 year
b 1000 year
c 1 million year
d 1 billion year
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০০০ year কেন সঠিক: Millennium শব্দটির মূল অর্থ হলো এক হাজার বছর বা ১০ শতাব্দীর একটি দীর্ঘ সময়কাল। ইংরেজি পরিভাষায় ঐতিহাসিক বা জ্যোতির্বিজ্ঞানের সময় গণনায় এটি ১০০০ বছর বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ year — এটি শতাব্দী বা Century বোঝায়, যা Millennium এর চেয়ে কম। B) ১০০০ year — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়কাল বোঝায়। C) ১ million year — এটি দশ লক্ষ বছর বোঝায় যা Millennium এর তুলনায় অনেক বেশি বড়। D) ১ billion year — এটি এক শ কোটি বছর বোঝায় যা ভূতাত্ত্বিক সময়ের সাথে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: Millennium শব্দের শুরুতে M অক্ষরটি থাকে যা রোমান সংখ্যায় ১০০০ নির্দেশ করে।
a by
b on
c at
d to
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: adhere শব্দের অর্থ কোনো নীতি বা নিয়মের প্রতি অবিচল থাকা বা মেনে চলা। এর সাথে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় to ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — adhere শব্দের সাথে নিয়ম অনুযায়ী by প্রিপজিশন বসে না। B) on — বাক্যের অর্থের সাথে on প্রিপজিশনটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) at — এই স্থানে at প্রিপজিশন ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: adhere শব্দের অর্থ লেগে থাকা বা মেনে চলা, তাই এর পরে সবসময় to বসে।
a he
b him
c himself
d his
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) his কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, Gerund বা verbal noun এর পূর্বে সবসময় Possessive pronoun বা Adjective বসে। - এই বাক্যে leaving একটি Gerund হওয়ায় এর পূর্বে possessive form হিসেবে his ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) he — এটি Subjective pronoun, যা Gerund এর পূর্বে বসে না। B) him — এটি Objective pronoun, যা এখানে বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) himself — এটি Reflexive pronoun, যা এই শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) his — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি possessive case। মনে রাখার টিপস: Gerund এর ঠিক আগের শব্দটিকে তার মালিকানা বোঝাতে সবসময় possessive রূপ দিতে হয়।
a London and Edinburgh
b London and Paris
c Paris and Tokyo
d Paris and Geneva
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) London and Paris কেন সঠিক: চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত উপন্যাস "আ টেল অব টু সিটিজ" মূলত ফরাসি বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে লেখা হয়েছে। এই উপন্যাসের প্রধান ঘটনাগুলো লন্ডন এবং প্যারিস শহরের মধ্যে আবর্তিত হয়েছে। লেখক উপন্যাসে এই দুটি শহরের সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা তুলে ধরেছেন। এই কারণে সঠিক উত্তর লন্ডন এবং প্যারিস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) London and Edinburgh — এডিনবরা স্কটল্যান্ডের শহর এবং এই উপন্যাসের কাহিনীতে এর কোনো প্রধান ভূমিকা নেই। B) London and Paris — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) Paris and Tokyo — টোকিও জাপানের রাজধানী এবং এই উপন্যাসের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) Paris and Geneva — জেনেভা সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এই উপন্যাসের মূল পটভূমিতে এর কোনো স্থান নেই। মনে রাখার টিপস: উপন্যাসের নামটিতেই দুটি শহরের কথা বলা আছে, যার একটি ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডন এবং অন্যটি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস।
a An Absurd Play
b A Tragedy
c A Historical Novel
d A Comedy
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A Tragedy কেন সঠিক: ক্রিস্টোফার মারলোর লেখা ডক্টর ফস্টাস নাটকটি রেনেসাঁ যুগের একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি। লোভের কারণে প্রধান চরিত্র ফস্টাসের করুণ পতন এর মূল বিষয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An Absurd Play — এটি আধুনিক নাট্যধারার অ্যাবসার্ড নাটক নয় বরং এলিজাবেথান যুগের নাটক। B) A Tragedy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) A Historical Novel — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং ১৬ শতকের একটি বিখ্যাত নাটক। D) A Comedy — এতে কোনো হাসির বিষয় নেই, বরং শেষ পরিণতি অত্যন্ত শোচনীয়। মনে রাখার টিপস: মারলোর নাটক মানেই ট্র্যাজেডি এবং ডক্টর ফস্টাস তার মধ্যে অন্যতম সেরা।
a Samuel Johnson
b William Congreve
c John Dryden
d T. S. Eliot
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Samuel Johnson কেন সঠিক: - তিনি ১৭৫৫ সালে বিখ্যাত "A Dictionary of the English Language" সংকলন ও প্রকাশ করেন। - এটি ইংরেজি ভাষার অন্যতম প্রধান ও ঐতিহাসিক প্রথম দিককার নির্ভরযোগ্য অভিধান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Samuel Johnson — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই ঐতিহাসিক ইংরেজি অভিধানটি সফলভাবে সংকলন করেছিলেন। B) William Congreve — তিনি একজন বিখ্যাত Restoration যুগের নাট্যকার ও কবি ছিলেন, কোনো অভিধান প্রণেতা নন। C) John Dryden — তিনি সপ্তদশ শতকের একজন প্রখ্যাত কবি, সাহিত্যিক ও সমালোচক ছিলেন, অভিধানের সাথে যুক্ত নন। D) T. S. Eliot — তিনি বিংশ শতকের একজন আধুনিক কবি ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন, অভিধান প্রণেতা নন। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম দিকের বিখ্যাত অভিধানের কথা মনে এলেই ডা. স্যামুয়েল জনসন (Samuel Johnson)-এর নাম স্মরণ করতে হবে।
a The act of using someone’s idea as one’s own
b The act of planning everything beforehand
c The act of playing a musical instrument
d The art of dealing with forgery
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The act of using someone’s idea as one’s own কেন সঠিক: Plagiarism শব্দের অর্থ হলো অন্যের লেখা, চিন্তা বা সৃষ্টি নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া। এটি শিক্ষাক্ষেত্রে এবং পেশাদার জগতে একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যের কাজ চুরি করা বা সাধুতার অভাব বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The act of using someone’s idea as one’s own — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই প্লেজিয়ারিজমের মূল সংজ্ঞা। B) The act of planning everything beforehand — কোনো কিছু আগে থেকেই পরিকল্পনা করাকে প্ল্যাগিয়ারিজম বলা হয় না। C) The act of playing a musical instrument — কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজানোকে প্লেজিয়ারিজম বলা হয় না। D) The art of dealing with forgery — জালিয়াতির সাথে কারবার করাকে বা মোকাবেলা করাকে ফোরজারি বলা হয়, প্লেজিয়ারিজম নয়। মনে রাখার টিপস: Plagiarism শব্দটির সাথে চুরি বা নকল করার বিষয়টি জড়িত। অন্যের আইডিয়া কপি করলেই এই শব্দটি মনে রাখতে হবে।
a of
b for
c about
d to
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: - Solution শব্দের পরে সাধারণত উপযুক্ত preposition হিসেবে to বসে। - কোনো সমস্যার সমাধান বোঝাতে solution to the problem নিয়মটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — Solution শব্দের পরে of বসে না, এটি সম্পর্ক বা অধিকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) for — উদ্দেশ্য বোঝাতে for ব্যবহৃত হলেও solution শব্দের ক্ষেত্রে এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) about — কোনো বিষয় সম্পর্কে বোঝাতে about বসে, যা সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট কোনো সমস্যার সমাধান বা উত্তর বোঝাতে solution-এর পরে to বসে। মনে রাখার টিপস: Solution শব্দের পরে সবসময় to প্রিপজিশন বসে, যেমন solution to the problem।
a 67
b 55
c 40
d 64
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮ ধরি, এটি বিখ্যাত ফিবোনাচ্চি ধারা অতএব, প্রথম সংখ্যা ১ দ্বিতীয় সংখ্যা ১ তৃতীয় সংখ্যা ১ + ১ = ২ চতুর্থ সংখ্যা ১ + ২ = ৩ পঞ্চম সংখ্যা ২ + ৩ = ৫ ষষ্ঠ সংখ্যা ৩ + ৫ = ৮ সপ্তম সংখ্যা ৫ + ৮ = ১৩ অষ্টম সংখ্যা ৮ + ১৩ = ২১ নবম সংখ্যা ১৩ + ২১ = ৩৪ দশম সংখ্যা ২১ + ৩৪ = ৫৫ উত্তর: ৫৫
a {1, 5}
b {1}
c {1/2, 2/3, 3/5}
d {1/2, 1/3, 1/5}
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: সেটের বিয়োগ বা বাদ সেটের নিয়ম প্রয়োগ করতে হবে। প্রথম সেট থেকে দ্বিতীয় সেটের উপাদানগুলো বাদ দিতে হবে। ধরি, সেট এ = ১, ২, ৩ সেট বি = ২, ৩, ৫ সেটের বিয়োগ মানে এ সেটের উপাদান থেকে বি সেটের উপাদান বাদ। অতএব, সেট এ এর উপাদানগুলো হলো ১, ২ এবং ৩ সেট বি এর উপাদানগুলো হলো ২, ৩ এবং ৫ উভয় সেটে সাধারণ উপাদান হলো ২ এবং ৩ সুতরাং, সেট এ থেকে সেট বি এর উপাদান বাদ দিলে কেবল ১ থাকে অবশিষ্টাংশ উপাদান নিয়ে গঠিত সেট হলো ১ উত্তর: ১
a (1/2) * (1/2)
b (1/6) * (1/6)
c (1/2) * (1/6)
d (1/6) * (1/2)
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (১/৬) × (১/৬) প্রদত্ত তথ্য: একটি ছক্কা পরপর দুইবার নিক্ষেপ করা হলো প্রতিবার ছক্কায় ছয় ওঠার ঘটনা একটি স্বাধীন ঘটনা ধরি, প্রথমবার ছয় ওঠার সম্ভাবনা = ১/৬ দ্বিতীয়বার ছয় ওঠার সম্ভাবনা = ১/৬ অতএব, উভয় ক্ষেত্রে ছয় আসার অনুকূল ফলাফল = ১ ছক্কার মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ৬ সুতরাং, দুইবারই ছয় ওঠার মোট সম্ভাবনা = (১/৬) × (১/৬) উত্তর: (১/৬) × (১/৬)
a 27
b 72
c 80
d 84
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮৪ প্রদত্ত তথ্য: মোট খেলোয়াড়ের সংখ্যা = ৯ জন নির্বাচনের জন্য খেলোয়াড়ের সংখ্যা = ৬ জন ধরি, এটি একটি বিন্যাস নয় বরং একটি সমাবর্তন বা নির্বাচন সমস্যা তাই এখানে বিন্যাস নয় বরং সমাবেশ সূত্র ব্যবহার করতে হবে যেখানে ক্রমের কোনো গুরুত্ব নেই অতএব, ৯ জন থেকে ৬ জন নির্বাচন করার মোট উপায় = ৯C৬ আমরা জানি, ৯C৬ সমান লেখা যায় ৯C(৯ − ৬) বা ৯C৩ ৯C৩ এর মান নির্ণয়ের জন্য উপরের অংশে ৯ থেকে শুরু করে তিনটি সংখ্যা গুণ করতে হবে দ্বিতীয় হিসাব: লবের মান = ৯ × ৮ × ৭ হরের মান = ৩ × ২ × ১ চূড়ান্ত হিসাব: ৯ × ৮ × ৭ ÷ (৩ × ২ × ১) = ৫০৪ ÷ ৬ = ৮৪ উত্তর: ৮৪
a 4x^3
b 2x^3
c 4x^-3
d 4x^-7
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪x^৩ প্রদত্ত তথ্য: লব হলো (২x^-১)^২ হর হলো x^-৫ ধরি, লবের ভেতরের অংশ = ২x^-১ ঘাত হলো দুই এবং মাইনাস পাঁচ অতএব, লবকে বর্গ করলে পাই ৪x^-২ হর নিচে যেমন আছে তেমনই থাকে সুতরাং, ভাগ করার সময় ঘাত বিয়োগ হয় (−২ − (−৫)) হিসাব করলে হয় ৪x^৩ উত্তর: ৪x^৩
a 16
b 32
c 64
d 112
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ হলো log_(২√২) x = ৪ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী ভিত্তি এবং মান পরিবর্তন করে লেখা যায় অতএব, x = (২√২)^৪ সুতরাং, x = (২ × ২^(১/২))^৪ উত্তর: ৬৪
a ৫৩ বছর
b ৬৬ বছর
c ৬৮ বছর
d কোনটিই নয়
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৬ বছর প্রদত্ত তথ্য: পল্টু ও তার বাবার বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ৪০ বছর ১৩ বছর পর তাদের দুজনের বয়সের সমষ্টি কত হবে ধরি, পল্টুর বর্তমান বয়স = ক বছর পারের বর্তমান বয়স = খ বছর অতএব, বর্তমানে তাদের বয়সের সমষ্টি, ক + খ = ৪০ ১৩ বছর পর পল্টুর বয়স বাড়বে ১৩ বছর এবং বাবার বয়স বাড়বে ১৩ বছর সুতরাং, ১৩ বছর পর উভয়ের মোট বয়স বৃদ্ধি পাবে, ১৩ + ১৩ = ২৬ বছর ১৩ বছর পর তাদের দুজনের বয়সের সমষ্টি হবে, ৪০ + ২৬ = ৬৬ বছর উত্তর: ৬৬ বছর
a 5 + x
b 5 - x
c 7 + x
d 7 - x
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ − x প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৩৫ − ২x − x^২ একটি উৎপাদক হলো ৭ + x ধরি, অপর উৎপাদকটি হলো (A − x) অথবা অপর উৎপাদকটি হলো (৫ − x) অতএব, উৎপাদক দুটির গুণফল মূল রাশির সমান হবে (৭ + x) × (৫ − x) গুণ করি সুতরাং, ৭ × ৫ = ৩৫, মাইনাস ৭x, প্লাস ৫x এবং মাইনাস x^২ পাই হিসাব করে ৩৫ − ২x − x^২ পাওয়া যায় উত্তর: ৫ − x
a mn
b mn + 2
c mn + 4
d সবকটি
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবকটি প্রদত্ত তথ্য: m একটি বিজোড় সংখ্যা n একটি বিজোড় সংখ্যা ধরি, m = ১ n = ৩ অতএব, mn = ১ × ৩ = ৩, যা একটি বিজোড় সংখ্যা mn + ২ = ৩ + ২ = ৫, যা একটি বিজোড় সংখ্যা mn + ৪ = ৩ + ৪ = ৭, যা একটি বিজোড় সংখ্যা সুতরাং, দুটি বিজোড় সংখ্যার গুণফলের সাথে যেকোনো জোড় সংখ্যা যোগ বা বিয়োগ করলে ফলাফল সর্বদা বিজোড় সংখ্যা হয় উত্তর: সবকটি
a ১৮০টি
b ১২০টি
c ৪০০টি
d ২০০টি
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০টি প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয় করতে পারলো ৪০% কলা অবশিষ্ট কলা আছে ১০ ডজন ধরি, মোট কলার পরিমাণ = ১০০% অতএব, অবশিষ্ট কলার শতকরা পরিমাণ = ১০০% − ৪০% = ৬০% ১০ ডজন কলা মানে ১০ × ১২ = ১২০টি কলা সুতরাং, ৬০% অংশ সমান হলো ১২০টি কলা উত্তর: মোট কলার সংখ্যা = ১২০ × ১০০ ÷ ৬০ = ২০০টি
a ৮ মিটার
b ৯ মিটার
c ১০ মিটার
d ৭ মিটার
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ মিটার প্রদত্ত তথ্য: মইয়ের দৈর্ঘ্য = ১৮ মিটার মইটি ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০ ডিগ্রি ধরি, দেয়ালের উচ্চতা = h মিটার সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = ১৮ মিটার কোণ থিটা = ৩০ ডিগ্রি অতএব, আমরা জানি ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী সাইন থিটা = লম্ব ÷ অতিভুজ এখানে লম্ব হলো দেয়ালের উচ্চতা এবং অতিভুজ হলো মইয়ের দৈর্ঘ্য তাই সাইন ৩০ ডিগ্রি = h ÷ ১৮ সুতরাং, সাইন ৩০ ডিগ্রির মান হলো এক বাই দুই সুতরাং h ÷ ১৮ = এক বাই দুই উত্তর: h = ৯ মিটার
a {1, -11}
b {-1, 11}
c {1, 11}
d {-1, -11}
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) -1, 11 প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো abs(x − ৫) = ৬ ধরি, পরম মানের সংজ্ঞা অনুযায়ী মান দুটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক হতে পারে তাই (x − ৫) = ৬ অথবা (x − ৫) = −৬ অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে x = ৬ + ৫ দ্বিতীয় ক্ষেত্রে x = −৬ + ৫ সুতরাং, প্রথম ক্ষেত্রে x এর মান ১১ দ্বিতীয় ক্ষেত্রে x এর মান −১ উত্তর: -১, ১১
a অনুপাত 5 : 4
b অনুপাত 6 : 5
c অনুপাত 25 : 24
d অনুপাত 24:25
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুপাত ২৫ : ২৪ প্রদত্ত তথ্য: A অনুপাত B = ৫ অনুপাত ৪ A অনুপাত C = ৬ অনুপাত ৫ ধরি, প্রথম অনুপাতের সাথে একটি চলক যুক্ত করি দ্বিতীয় অনুপাতের সাথে আরেকটি চলক যুক্ত করি অতএব, A সমান ৫x এবং B সমান ৪x A সমান ৬y এবং C সমান ৫y সুতরাং, ৫x সমান ৬y ধরে x অনুপাত y বের করি C অনুপাত B এর মান হিসাব করে পাই ২৫ অনুপাত ২৪ উত্তর: অনুপাত ২৫ : ২৪
a মান -27/26
b মান 27/26
c মান 26/27
d মান -26/27
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মান −২৬/২৭ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x + (১ ÷ x) = ১ ÷ ৩ ধরি, প্রদত্ত রাশি = x^৩ + (১ ÷ x^৩) বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, x^৩ + (১ ÷ x^৩) = (x + (১ ÷ x))^৩ − ৩ × (x + (১ ÷ x)) অতএব, সূত্রে মান বসিয়ে পাই, (১ ÷ ৩)^৩ − ৩ × (১ ÷ ৩) প্রথম হিসাবের মান পাই, ১ ÷ ২৭ − ১ সুতরাং, লসাগু করে বিয়োগ করলে পাই, (১ − ২৭) ÷ ২৭ চূড়ান্ত হিসাব শেষে মান হয়, −২৬ ÷ ২৭ উত্তর: −২৬/২৭
a 7
b উত্তর 9/3
c 13
d কোনটি নয়
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩ প্রদত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = (২x + ৫) ÷ (x − ৩) এখানে চলক x এর মান ৪ বসাতে হবে ধরি, x = ৪ অতএব, লবের মান = (২ × ৪) + ৫ লবের মান = ৮ + ৫ = ১৩ সুতরাং, হরের মান = ৪ − ৩ = ১ উত্তর: ১৩ ÷ ১ = ১৩
a (sqrt(3)/2) a^2 বর্গ একক
b (2/sqrt(3)) a^2 বর্গ একক
c (sqrt(3)/4) a^2 বর্গ একক
d a^3 বর্গ একক
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (√৩ ÷ ৪) a^২ বর্গ একক প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমবাহু ত্রিভুজ ত্রিভুজটির এক বাহুর দৈর্ঘ্য = a একক ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = a ত্রিভুজের উচ্চতা = h অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা h = (√৩ ÷ ২) × a সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × a × (√৩ ÷ ২) × a ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × a^২ উত্তর: (√৩ ÷ ৪) a^২ বর্গ একক
a সমবাহু ত্রিভুজ
b বৃত্তস্থ ত্রিভুজ
c সমকোণী ত্রিভুজ
d ত্রিভুজ হবে না
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমকোণী ত্রিভুজ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC এর কোণ A = ৩৭° ত্রিভুজ ABC এর কোণ C = ৫৩° ধরি, ত্রিভুজের তৃতীয় কোণটি হলো কোণ B অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° কোণ B = ১৮০° − (৩৭° + ৫৩°) সুতরাং, কোণ B = ১৮০° − ৯০° = ৯০° উত্তর: সমকোণী ত্রিভুজ
a ২০০ বর্গমিটার
b ৩০০ বর্গমিটার
c ৬০০ বর্গমিটার
d ৪০০ বর্গমিটার
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০০ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: রাস্তার চওড়া = ৫ মিটার রাস্তার ক্ষেত্রফল = ৫০০ বর্গমিটার ধরি, বর্গাকার মাঠের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার রাস্তা সহ মাঠের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = (ক + ১০) মিটার অতএব, রাস্তা সহ মাঠের ক্ষেত্রফল = (ক + ১০) বর্গ মাঠের ক্ষেত্রফল = (ক) বর্গ সুতরাং, রাস্তার ক্ষেত্রফল = (ক + ১০) বর্গ − (ক) বর্গ = ৫০০ সমীকরণ সমাধান করে পাই, ক = ২০ উত্তর: মাঠের ক্ষেত্রফল = ২০ × ২০ = ৪০০ বর্গমিটার
a ৬ দিনে
b ৫ দিনে
c ৪ দিনে
d ১২ দিনে
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ক কাজটি করতে পারে ৬ দিনে খ কাজটি করতে পারে ১২ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজটিকে ১ একক ধরা হলো ক ১ দিনে করে ১ ÷ ৬ অংশ অতএব, খ ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে (১ ÷ ৬) + (১ ÷ ১২) অংশ লসাগু করে পাই (২ + ১) ÷ ১২ = ৩ ÷ ১২ অংশ সুতরাং, কাটাকাটি করে একত্রে ১ দিনে করে ১ ÷ ৪ অংশ সম্পূর্ণ কাজটি শেষ করতে সময় লাগবে ৪ দিন উত্তর: ৪ দিনে
a ৪৫, ৬০
b ২৭, ৩৬
c ৩০, ৪০
d ৬০, ৮০
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৫, ৬০ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৩ : ৪ সংখ্যা দুটির লসাগু ১৮০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৪ক অতএব, সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩ × ৪ × ক = ১২ক শর্তমতে লেখা যায়, ১২ক = ১৮০ সুতরাং, ক = ১৮০ ÷ ১২ = ১৫ প্রথম সংখ্যাটি = ৩ × ১৫ = ৪৫ উত্তর: দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৪ × ১৫ = ৬০
a সভার কার্যবিবরণী
b আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত
c আনুষ্ঠানিক ঐক্যমত
d চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত কেন সঠিক: - নোট অব ডিসেন্ট বলতে কোনো কমিটি, বোর্ড বা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের সাথে কোনো সদস্যের দ্বিমত পোষণ করে তা লিখিতভাবে নথিভুক্ত করাকে বোঝায়। - এটি মূলত பெரும்பমতের সিদ্ধান্তের বিপরীতে কোনো সদস্যের আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত বা নোট আকারে আপত্তি প্রকাশ করার প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সভার কার্যবিবরণী — এটি সভার পুরো আলোচনার লিখিত রূপ, কোনো নির্দিষ্ট সদস্যের ভিন্নমত নয়। B) আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নোট অব ডিসেন্টের সঠিক সংজ্ঞা। C) আনুষ্ঠানিক ঐক্যমত — এটি সব সদস্যের মতের মিল প্রকাশ করে, যা নোট অব ডিসেন্টের বিপরীত। D) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত — এটি সভার সম্মিলিত বা সংখ্যাগরিষ্ঠ সিদ্ধান্তের ফল, কোনো একক সদস্যের ভিন্নমত নয়। মনে রাখার টিপস: নোট মানে লিখিত আর ডিসেন্ট মানে অমিল বা ভিন্নতা, তাই নোট অব ডিসেন্ট হলো লিখিত ভিন্নমত।
a কার্ল মার্কস
b হিটলার
c রুশো
d প্লেটো
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রুশো কেন সঠিক: - জিন জাক রুশো তাঁর বিখ্যাত 'সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট' বা 'সামাজিক চুক্তি' তত্ত্বে জনগণের সর্বময় ক্ষমতার কথা বলেছেন। - তাঁর মতে, রাষ্ট্র পরিচালনার মূল সার্বভৌম ক্ষমতা জনগণের হাতেই ন্যস্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্ল মার্কস — তিনি বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র ও শ্রমিক শ্রেণির বিপ্লবের প্রবক্তা ছিলেন, সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস হিসেবে জনগণের সরাসরি অধিকারের তাত্ত্বিক নন। B) হিটলার — তিনি একনায়কতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদী শাসনের প্রবক্তা ছিলেন, যেখানে ক্ষমতা কোনো একক ব্যক্তির হাতে সীমাবদ্ধ থাকে। D) প্লেটো — তিনি তাঁর 'রিপাবলিক' গ্রন্থে দার্শনিক রাজার শাসনের পক্ষে মত দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র বা জনসাধারণের সার্বভৌমত্বের পক্ষে নন। মনে রাখার টিপস: জনগণের ক্ষমতার কথা বললেই মনে রাখবেন রুশোর সামাজিক চুক্তির কথা।
a জোসেফ স্ট্যালিন
b এডলফ হিটলার
c বেনিতো মুসোলিনি
d কাইজার
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেনিতো মুসোলিনি কেন সঠিক: - বেনিতো মুসোলিনি ইতালিতে প্রথম ফ্যাসিবাদী আন্দোলন ও সরকার প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯২২ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত দেশটির ফ্যাসিবাদী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শাসনকার্য পরিচালনা করেন। - রাজনৈতিক তত্ত্ব ও প্রয়োগে উগ্র জাতীয়তাবাদ, একনায়কতন্ত্র এবং বিরোধীদের ওপর চরম দমনপীড়নের মাধ্যমে তিনি ফ্যাসিবাদ ধারণার প্রবক্তা ও জনক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জোসেফ স্ট্যালিন — তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট নেতা ও একনায়ক ছিলেন, যিনি ফ্যাসিবাদের নয় বরং সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের সাথে যুক্ত ছিলেন। B) এডলফ হিটলার — তিনি জার্মানির নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদী শাসনের প্রবক্তা হলেও মুসোলিনির পর ফ্যাসিবাদের বিস্তার ঘটিয়েছিলেন, ফ্যাসিবাদের মূল জনক মুসোলিনি নন। D) কাইজার — এটি কোনো ব্যক্তির নাম নয়, বরং এটি জার্মান ও অস্ট্রীয় সাম্রাজ্যের সম্রাটদের ঐতিহাসিক রাজউপাধি। মনে রাখার টিপস: ইতালির মুসোলিনি হলেন ফ্যাসিবাদের মূল জনক, আর জার্মানির হিটলার ছিলেন নাৎসিবাদের প্রতিষ্ঠাতা।
a 84
b 81
c 88
d 85
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮৮ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৮ অনুচ্ছেদে সংযুক্ত তহবিলের উপর ধার্য ব্যয়সমূহ স্পষ্টভাবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পারিশ্রমিক, বিচারকদের বেতন এবং সংসদ সচিবালয়ের খরচের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮৪ — এই ধারায় সরকারি হিসাব ও পাবলিক অ্যাকাউন্টস সম্পর্কে বলা হয়েছে, যা সংযুক্ত তহবিলের ধার্য ব্যয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৮১ — এই ধারাটি অর্থ বিলের সংজ্ঞা ও উত্থাপন সংক্রান্ত বিধানের সঙ্গে সম্পর্কিত। C) ৮৮ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সংযুক্ত তহবিলের উপর ধার্য ব্যয় সম্পর্কিত বিধান বহন করে। D) ৮৫ — এই ধারাটি সংযুক্ত তহবিলে অর্থ জমাদান এবং তা থেকে অর্থ উত্তোলন সংক্রান্ত নিয়মাবলী বর্ণনা করে। মনে রাখার টিপস: সংযুক্ত তহবিলের ব্যয় মানেই আঠারো দুগুণে ছত্রিশ অর্থাৎ আট আট (৮৮) অনুচ্ছেদ মনে রাখতে হবে।
a বিবরণ
b আইন
c অধ্যাদেশ
d বিধি
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: A) বিবরণ কেন সঠিক: - 'তফসিল' একটি আরবি বা ফার্সি শব্দ যার মূল অর্থ হলো তালিকা, বিবরণ বা বিশদ তালিকা। - সংবিধান বা কোনো আইনের মূল কাঠামোর বাইরে অতিরিক্ত তথ্য বা নির্দিষ্ট বিষয়ের তালিকা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিবরণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তফসিল বলতে সাধারণত কোনো বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ তালিকা বা বিবরণ বোঝায়। B) আইন — আইন হলো বিধান বা নিয়মের সমষ্টি, যা তফসিল থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি ধারণা। C) অধ্যাদেশ — অধ্যাদেশ হলো রাষ্ট্রপতির জারিকৃত সাময়িক আইন বা আদেশ, যা তফসিলের সমার্থক নয়। D) বিধি — বিধি হলো কোনো আইন বাস্তবায়নের জন্য প্রণীত নিয়ম বা নীতিমালা, যা তফসিল নয়। মনে রাখার টিপস: আইনের পেছনে থাকা তালিকা বা বিবরণকেই তফসিল বলা হয়।
a থানচি
b রুমা
c আলীকদম
d রোয়াংছড়ি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রুমা কেন সঠিক: - বগা লেক বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক পাহাড়ি হ্রদ। - সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় তিন হাজার ফুট উঁচুতে পাহাড়ের চূড়ায় এই হ্রদটি অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থানচি — এটি বান্দরবানের একটি উপজেলা হলেও বগা লেক এখানে অবস্থিত নয়। B) রুমা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অবস্থিত। C) আলীকদম — এটি বান্দরবানের অন্য একটি উপজেলা, যেখানে বগা লেক নেই। D) রোয়াংছড়ি — এটিও বান্দরবানের একটি উপজেলা এবং বগা লেকের অবস্থান এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: বগা লেক দেখতে সুন্দর রুমা বান্দরবান।
a ডেনমার্ক
b ফিনল্যান্ড
c সুইডেন
d আয়ারল্যান্ড
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডেনমার্ক কেন সঠিক: - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত দুর্নীতি ধারণাসূচক বা সিপিআই অনুযায়ী ডেনমার্ক দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। - এই দেশটিতে সুশাসন, আইনের শাসন এবং সরকারি খাতের উচ্চ পর্যায়ের স্বচ্ছতা বজায় থাকায় দুর্নীতির মাত্রা সর্বনিম্ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্ক — এই প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর কারণ সূচকে দেশটি বিশ্বে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। B) ফিনল্যান্ড — এটি কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং শীর্ষের কাছাকাছি অবস্থান করলেও দুর্নীতি ধারণাসূচক অনুযায়ী এটি প্রথম স্থান অর্জন করেনি। C) সুইডেন — উত্তর ইউরোপের এই দেশটিতে দুর্নীতির হার খুবই কম হলেও ডেনমার্কের তুলনায় এর স্কোর কিছুটা পেছনে থাকায় এটি শীর্ষস্থান অর্জন করতে পারেনি। D) আয়ারল্যান্ড — উন্নত অর্থনীতি ও সুশাসনের দেশ হওয়া সত্ত্বেও দুর্নীতি ধারণাসূচকের শীর্ষ তালিকায় ডেনমার্কের নিচে এর অবস্থান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে কম দুর্নীতির ডি মানে ডেনমার্ক দিয়ে মনে রাখতে পারো।
a প্রগতি
b সুরক্ষা
c প্রত্যয়
d প্রবাসী
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয় কেন সঠিক: - প্রত্যয় স্কিমটি সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার সর্বশেষ সংযোজিত স্কিম। - এটি স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এবং সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রগতি — এটি বেসরকারি খাতের প্রাতিষ্ঠানিক চাকরিজীবীদের জন্য নির্ধারিত স্কিম। B) সুরক্ষা — এটি স্বনিযুক্ত বা অপ্রাতিষ্ঠানিক পেশায় নিয়োজিত নাগরিকদের জন্য নির্ধারিত স্কিম। C) প্রত্যয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই স্কিমটি সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে। D) প্রবাসী — এটি বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের সুবিধার জন্য প্রবর্তিত স্কিম। মনে রাখার টিপস: সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকুরিতে নিয়োগের পর প্রত্যয়পত্র লাগে, তাই স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের স্কিমের নাম প্রত্যয়।
a অপারেটিং সিস্টেম
b তামাকের জাত
c খরা সহিষ্ণু ধান
d পাটের জাত
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খরা সহিষ্ণু ধান কেন সঠিক: - নারিকা-১ হলো বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত একটি খরা সহিষ্ণু ধানের জাত। - এই জাতটি কম বৃষ্টিপাত বা খরাপ্রবণ এলাকায় চাষের উপযোগী এবং এর জীবনকাল কম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপারেটিং সিস্টেম — এটি কম্পিউটারের সফটওয়্যার বা সিস্টেম সফটওয়্যার বুঝায়, কোনো কৃষি পণ্যের জাত নয়। B) তামাকের জাত — নারিকা-১ তামাকের কোনো জাত নয়, এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ধানের জাত। C) খরা সহিষ্ণু ধান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ নারিকা-১ একটি বিশেষ ধরনের খরা সহিষ্ণু ধানের জাত। D) পাটের জাত — এটি পাটের কোনো জাত নয়, পাট উন্নয়নের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: নারিকা নামের সাথে ধানের সম্পর্ক মনে রাখতে মাথায় রাখুন ধান গাছের গোড়া বা শিকড় (নারি) মাটি আঁকড়ে ধরে খরা সহ্য করে।
a বায়ান্নো ই-বুক
b একাত্তর ই-বুক
c একুশ ই-বুক
d পঁচাত্তর ই-বুক
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একুশ ই-বুক কেন সঠিক: - ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রকাশিত 'একুশ ই-বুক' বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল বা ই-বুক হিসেবে স্বীকৃত। - এটি ইন্টারনেটে প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের ডিজিটাল যুগের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ান্নো ই-বুক — এটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কোনো প্রথম প্রকাশিত ই-বুক নয়। B) একাত্তর ই-বুক — এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রকাশনা হলেও প্রথম ই-বুক নয়। C) একুশ ই-বুক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) পঁচাত্তর ই-বুক — এটি বাংলাদেশের প্রথম ই-বুক হিসেবে তালিকাভুক্ত বা স্বীকৃত নয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের একুশ সংখ্যাটিকে মনে রেখে সহজেই মনে রাখুন বাংলাদেশের প্রথম ই-বুকের নাম একুশ ই-বুক।
a জ্যাক ডর্সি
b সিনা কর্পোরেশন
c লুডিকর্প
d ডেভিড কার্প
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিনা কর্পোরেশন কেন সঠিক: - সিনা কর্পোরেশন চীনের একটি বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যা জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং সাইট সিনা উইবো তৈরি ও পরিচালনা করে। - টুইটারের চীনা বিকল্প হিসেবে চীনে এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্যাক ডর্সি — তিনি মার্কিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, চীনা সিনা উইবো এর উদ্ভাবক নন। B) সিনা কর্পোরেশন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই চীনা প্রতিষ্ঠানটিই সিনা উইবো উদ্ভাবন করেছে। C) লুডিকর্প — এটি ফটো শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ফ্লিকার এর প্রতিষ্ঠাতা প্রতিষ্ঠান, যা উইবো এর সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ডেভিড কার্প — তিনি ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম টাম্বলার এর প্রতিষ্ঠাতা, সিনা উইবো এর উদ্ভাবক নন। মনে রাখার টিপস: উইবো নামের সাথে সিনা কর্পোরেশনের নাম মিল আছে, তাই উইবো পেলেই সিনা কর্পোরেশন মনে রাখবে।
a মেহেদী হাসান খান
b মোঃ ইউসুফ চৌধুরী
c শাবাব মোস্তফা
d রিফাত নবী
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মোঃ ইউসুফ চৌধুরী কেন সঠিক: - মোঃ ইউসুফ চৌধুরী সমাজসেবায় অসামান্য অবদান রাখার জন্য একুশে পদক লাভ করেছেন। - রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেহেদী হাসান খান — তিনি বাংলা সফটওয়্যার অভ্র কীবোর্ড তৈরির জন্য পরিচিত এবং তিনি ভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য স্বীকৃত। B) মোঃ ইউসুফ চৌধুরী — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে তিনি সমাজসেবায় একুশে পদক লাভ করেছেন। C) শাবাব মোস্তফা — তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পরিচিত এবং সমাজসেবা ক্যাটাগরির সাথে সম্পর্কিত নন। D) রিফাত নবী — তিনি এই নির্দিষ্ট সালের সমাজসেবা ক্যাটাগরির একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি নন। মনে রাখার টিপস: সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় মোঃ ইউসুফ চৌধুরী একুশে পদক পেয়েছেন, এটি মনে রাখতে নামের সাথে সমাজসেবা শব্দটি যুক্ত করে রাখুন।
a Structured Query Language.
b Simple Query Language.
c System Query Logic.
d Sequential Question Language.
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Structured Query Language. ১. কেন সঠিক: SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language, যা একটি প্রমিত প্রোগ্রামিং ভাষা। এটি রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে ডেটা সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার, আপডেট ও ব্যবস্থাপনার কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: SQL হলো এমন একটি ডেটাবেজ ভাষা যার মাধ্যমে ডেটাবেজে কমান্ড পাঠিয়ে কাঙ্ক্ষিত তথ্য খুব সহজে সংগ্রহ ও পরিচালনা করা যায়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে কোয়েরি পাঠায় এবং এই ভাষা সেই নির্দেশ বুঝে নির্দিষ্ট টেবিল থেকে ডেটা খুঁজে বের করে প্রদর্শন করে। ব্যবহার: ব্যাংক ব্যবস্থার লেনদেন পরিচালনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর তথ্য সংরক্ষণ এবং বড় প্রতিষ্ঠানের ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলার সময় ডেটাবেজ থেকে অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স চেক করা। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় ব্যাংকের সফটওয়্যার SQL কমান্ড ব্যবহার করে গ্রাহকের বর্তমান স্থিতি যাচাই করে। উদাহরণ ২: ই-কমার্স ওয়েবসাইটে কোনো পণ্যের স্টক খোঁজা। ব্যাখ্যা: সার্চ বক্সে পণ্যের নাম লিখলে ডেটাবেজ থেকে SQL কোয়েরির মাধ্যমে পণ্যের লভ্যতা ও দাম দেখানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Structured Query Language — এটি সঠিক পূর্ণরূপ এবং ডেটাবেজ পরিচালনার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আদর্শ ভাষা। B) Simple Query Language — এটি কোনো প্রচলিত বা সঠিক প্রযুক্তিগত পরিভাষা নয়। C) System Query Logic — এটি ডেটাবেজ ভাষার সঠিক নাম বা পূর্ণরূপ বহন করে না। D) Sequential Question Language — এটি প্রশ্ন বা ক্রমানুসারের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও ডেটাবেজের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: SQL মানে কাঠামোগো ভাষা, তাই মনে রাখতে হবে এর প্রথম শব্দটি Structured। ডেটাবেজের সঙ্গে কোয়েরি শব্দ যুক্ত থাকে, তাই Query Language অংশটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটাবেজ ভাষা হিসেবে SQL এর পূর্ণরূপ প্রায়ই আসে। এটি কোনো প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং এটি একটি ডিক্লারেটিভ ডেটা ম্যানিপুলেশন ভাষা।
a Close Circuit
b Carbon Copy
c Close Contact
d Close Cope
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Carbon Copy ১. কেন সঠিক: ই-মেইল পাঠানোর সময় একাধিক প্রাপককে চিঠি বা বার্তা পাঠানোর জন্য সিসি ব্যবহার করা হয়। এখানে সিসি এর পূর্ণরূপ হলো কার্বন কপি, যা মূলত ঐতিহ্যবাহী কাগজের যুগে কার্বন পেপার ব্যবহারের ধারণা থেকে এসেছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সিসি হলো এমন একটি ই-মেইল ফিল্ড যেখানে মূল প্রাপক ছাড়াও অন্যান্যদের অনুলিপি পাঠানো হয়। কার্যপদ্ধতি: এই ফিল্ডে রাখা ই-মেইল ঠিকানাগুলোতে মূল বার্তার একটি অনুলিপি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে যায়। ব্যবহার: একই বার্তা বা তথ্য অফিসের একাধিক সহকর্মী বা বিভাগকে জানানোর জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। পার্থক্য: বিসিসি বা ব্লাইন্ড কার্বন কপির ক্ষেত্রে অন্য প্রাপকরা দেখতে পান না যে মেইলটি আর কাকে পাঠানো হয়েছে, কিন্তু সিসিতে সবাই সবার ঠিকানা দেখতে পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রধান শিক্ষক স্কুলের সকল শিক্ষককে একটি জরুরি নোটিশ পাঠানোর সময় সিসিতে সবার ই-মেইল ঠিকানা যুক্ত করলেন। ব্যাখ্যা: এর ফলে একজন শিক্ষক বুঝতে পারেন যে এই একই নোটিশ অন্য শিক্ষকদেরও জানানো হয়েছে। উদাহরণ ২: ম্যানেজার একটি প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে ক্লায়েন্টকে মূল মেইল পাঠিয়ে টিম সদস্যদের সিসিতে রাখলেন। ব্যাখ্যা: এতে টিম সদস্যরা জানতে পারলেন যে ক্লায়েন্টের সঙ্গে কী যোগাযোগ হয়েছে এবং কার কী দায়িত্ব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Close Circuit — এটি ক্লোজড সার্কিট বা সিসিটিভি প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত, যা ক্যামেরার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং ই-মেইলের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) Carbon Copy — এটি সঠিক উত্তর। C) Close Contact — এই শব্দগুচ্ছটি ই-মেইলের কাঠامোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি কোনো প্রযুক্তিগত পরিভাষা নয়। D) Close Cope — এটি কম্পিউটার বিজ্ঞান বা ই-মেইল সিস্টেমে ব্যবহৃত হয় না এবং এটি সম্পূর্ণ অর্থহীন একটি অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: ই-মেইল লেখার সময় মনে রাখবে টু ফিল্ড হলো প্রধান প্রাপকের জন্য এবং সিসি ফিল্ড হলো অবগতির জন্য কার্বন কপি পাঠানোর জন্য। কাগজে কার্বন পেপার দিয়ে যেমন এক লেখায় একাধিক কপি পাওয়া যায়, ই-মেইলে সিসি ঠিক তেমনি কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ই-মেইল আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে সিসি এবং বিসিসি এর পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ই-মেইলের ক্ষেত্রে টুর পাশাপাশি সিসি ও বিসিসি ফিল্ড কীভাবে কাজ করে তা ভালোভাবে আয়ত্ত রাখতে হবে।
a নওগাঁ
b নীলফামারী
c নাটোর
d লালমনিরহাট
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নওগাঁ ১. কেন সঠিক: হলুদ বিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। এটি পাল আমলের একটি বৌদ্ধ বিহার এবং এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পাল রাজবংশের শাসনামলে বাংলার বৌদ্ধ সংস্কৃতি ও শিক্ষার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে এই অঞ্চল গড়ে ওঠে। স্থান: নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলায় পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের কাছাকাছি এই ঐতিহাসিক স্থানটি অবস্থিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার ব্যাখ্যা: নওগাঁ জেলায় অবস্থিত সোমপুর মহাবিহার বা পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বাংলাদেশের সবচেয়ে বিখ্যাত ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। উদাহরণ ২: জগদ্দল বিহার ব্যাখ্যা: এটিও নওগাঁ জেলায় অবস্থিত আরেকটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার যা পাল আমলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির নিদর্শন বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নওগাঁ — এটি সঠিক উত্তর কারণ হলুদ বিহার এই জেলায় অবস্থিত। B) নীলফামারী — এই জেলায় নীলসাগর ও ভীমের জাঙ্গাল অবস্থিত, তবে এটি হলুদ বিহারের অবস্থান নয়। C) নাটোর — এই জেলায় উত্তরা গণভবন ও নাটোর রাজবাড়ি অবস্থিত, হলুদ বিহার এখানে নয়। D) লালমনিরহাট — এই জেলায় তিস্তা ব্যারেজ ও ত্রিমোহনী জমিদার বাড়ি অবস্থিত, হলুদ বিহারের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: নওগাঁ জেলাকে প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের উর্বর ভূমি বলা যায় কারণ পাহাড়পুর, হলুদ বিহার ও জগদ্দল বিহার সবই এই জেলায় অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন বাংলার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ও তাদের জেলাভিত্তিক অবস্থান প্রায়ই আসে। যেমন সোমপুর মহাবিহার, শালবন বিহার ও মহাস্থানগড়ের অবস্থান ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ৩০ জুন
b ১৬ জুলাই
c ১৯ নভেম্বর
d ৮ এপ্রিল
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ জুন ১. কেন সঠিক: - সাঁওতাল বিদ্রোহ ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন সংঘটিত হয়েছিল বলে এই দিনটিকে সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। - ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন, জমিদার ও মহাজনদের শোষণ এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাঁওতাল জনগোষ্ঠী এই ঐতিহাসিক সশস্ত্র বিদ্রোহ শুরু করেছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ আমলের সাঁওতাল পরগনা এলাকায় জমিদার ও মহাজনদের সীমাহীন শোষণ এবং লাঞ্ছনার প্রতিবাদে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়। তারিখ ও স্থান: ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন বর্তমান ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের ভোগনাদিহি গ্রামে এই বিদ্রোহের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: সাঁওতাল বিদ্রোহের প্রধান দুই বীর নায়ক ছিলেন সিধু মুর্মু ও কানু মুর্মু। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিদ্রোহ ব্রিটিশদের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল এবং পরবর্তীতে সাঁওতাল পরগনা সৃষ্টি করতে ব্রিটিশ প্রশাসন বাধ্য হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিধু ও কানু ব্যাখ্যা: তারা ছিলেন সাঁওতাল বিদ্রোহের সর্বাধিনায়ক যারা সাধারণ সাঁওতালদের একত্রিত করে ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র সংগ্রামের ডাক দিয়েছিলেন। উদাহরণ ২: ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ব্যাখ্যা: এটি ব্রিটিশ আমলের আরেকটি প্রাচীন আন্দোলন যা থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ জুন — এটি সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস হিসেবে পালিত হয় এবং সঠিক উত্তর। B) ১৬ জুলাই — এই তারিখে কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক জাতীয় বা আন্তর্জাতিক দিবস নেই যা এই প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত। C) ১৯ নভেম্বর — এই তারিখটি সাঁওতাল বিদ্রোহের সাথে সম্পর্কিত নয়, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার তারিখ। D) ৮ এপ্রিল — এই তারিখটি সাঁওতাল বিদ্রোহের সূচনা বা কোনো বিশেষ দিবসের সাথে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাঁওতাল বিদ্রোহের সন ১৮৫৫ এবং তারিখ ৩০ জুন মনে রাখার জন্য সিধু কানুর আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করতে হবে। - মাসটি জুন এবং তারিখটি মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ৩০ তারিখ এভাবে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সিধু ও কানুর নাম এবং বিদ্রোহের সাল প্রায়ই আসে। - এই প্রশ্ন থেকে সাঁওতাল বিদ্রোহের নেতৃত্ব এবং সঠিক সাল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করা যায়।
a মাতারবাড়ি
b ফুলবাড়ি
c পায়রা
d রূপপুর
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পায়রা ১. কেন সঠিক: পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং এর আশেপাশের অঞ্চলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি ব্যবচিত্রের অংশ হিসেবে এলএনজি বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর জন্য উপকূলীয় অঞ্চল ও পায়রা বন্দর সংলগ্ন এলাকায় জ্বালানি বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অর্থনীতি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: [প্রযোজ্য ক্ষেত্রে] স্থান ও অবকাঠামো: পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত পায়রা বন্দর এলাকা দেশের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস ও এনার্জি হাব হিসেবে গড়ে উঠছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ধরনের বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের দক্ষিণাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করবে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, যা পাবনা জেলায় অবস্থিত এবং রাশিয়া সহযোগিতায় নির্মিত হচ্ছে। উদাহরণ ২: রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাতারবাড়ি — এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প, এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়। B) ফুলবাড়ি — এটি দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত একটি কয়লা খনি এলাকা, যেখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কোনো নির্দিষ্ট এলএনজি প্রকল্প নেই। C) পায়রা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে পায়রা বন্দর ও সংলগ্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এলএনজি ভিত্তিক প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে। D) রূপপুর — এটি পাবনা জেলায় অবস্থিত দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের স্থান, এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পায়রা নামটি শুনলেই দক্ষিণাঞ্চলের পটুয়াখালী জেলার পায়রা বন্দর এবং সেখানে গড়ে ওঠা বিশাল জ্বালানি ও বিদ্যুৎ হাবের কথা মাথায় রাখতে হবে। কয়লা, পারমাণবিক এবং এলএনজির মধ্যে গুলিয়ে না ফেলে স্থানগুলোর মূল প্রকল্পগুলো আলাদা করে মনে রাখা নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি মিশ্রণ নীতি এবং এলএনজি আমদানির গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি। একই বিষয় থেকে অন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর বা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ৫ বছর
b ১০ বছর
c ৩ বছর
d ১৫ বছর
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ বছর ১. কেন সঠিক: - ই-পাসপোর্টের নিয়ম অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য এর মেয়াদ ৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। - অপ্রাপ্তবয়স্কদের শারীরিক গঠন ও চেহারার দ্রুত পরিবর্তন ঘটে বলে তাদের পাসপোর্টের মেয়াদ কম রাখা হয়। ২. প্রশাসন ও আইনগত তথ্য: - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর পাসপোর্ট প্রদান ও নিয়ন্ত্রণের মূল দায়িত্ব পালন করে। - বিধান ও নিয়ম: বাংলাদেশ সরকারের পাসপোর্ট নীতিমালায় প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের জন্য মেয়াদ আলাদা করা হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি প্রাপ্তির বয়স ব্যাখ্যা: বাংলাদেশে ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হলে নাগরিকরা ভোটাধিকার ও জাতীয় পরিচয়পত্র লাভ করেন, যা পাসপোর্ট প্রদানেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বয়সসীমা। উদাহরণ ২: প্রাপ্তবয়স্কদের ই-পাসপোর্টের মেয়াদ ব্যাখ্যা: ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য ই-পাসপোর্টের মেয়াদ ৫ বছর বা ১০ বছর হয়ে থাকে, যা আবেদনকারীর পছন্দের ওপর নির্ভর করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ বছর — এটি ১৮ বছরের কম বয়সীদের ই-পাসপোর্টের সঠিক মেয়াদ। B) ১০ বছর — এটি শুধুমাত্র ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকদের ই-পাসপোর্টের জন্য প্রযোজ্য। C) ৩ বছর — এই মেয়াদে বাংলাদেশের কোনো সাধারণ নাগরিকের ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা হয় না। D) ১৫ বছর — এই মেয়াদটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বা বাংলাদেশের পাসপোর্টের নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ১৮ বছরের নিচে বয়স হলে পাসপোর্টের মেয়াদ অর্ধেক অর্থাৎ ৫ বছর হবে, আর প্রাপ্তবয়স্ক হলে ১০ বছর পর্যন্ত হতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পাসপোর্ট সম্পর্কিত এই নিয়মটি BCS ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই বিষয় থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের ই-পাসপোর্টের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত বছর, তা নিয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
a ৫১৩৮ কিঃমিঃ
b ৪৩৭১ কিঃমিঃ
c ৪১৫৬ কিঃমিঃ
d ৩৯৭৮ কিঃমিঃ
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪১৫৬ কিঃমিঃ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কিলোমিটার, যা দেশের ভৌগোলিক ও ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ ও ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে এই দৈর্ঘ্য প্রামাণ্য দলিলে স্বীকৃতি লাভ করেছে। ২. ভৌগোলিক সীমানা ও অবস্থান: - ভৌগোলিক অবস্থান: বাংলাদেশের উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিম দিকজুড়ে ভারতের অবস্থান এবং দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। - প্রতিবেশী দেশ: বাংলাদেশের সাথে স্থল সীমান্তে কেবল ভারত ও মিয়ানমার যুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে ভারতের সাথে সীমানা সবচেয়ে দীর্ঘ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা চুক্তি ব্যাখ্যা: ১৯৭৪ সালের ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি এবং পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও সুনির্দিষ্ট হয়। উদাহরণ ২: মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত দৈর্ঘ্য ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমান্ত দৈর্ঘ্য হলো ২৭১ কিলোমিটার, যা ভারতের তুলনায় অনেক কম এবং পরীক্ষার্থীদের তুলনামূলক মনে রাখতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫১৩৮ কিঃমিঃ — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ ও ভারতের মোট সীমানার সঠিক পরিমাপ নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক বা অতিরঞ্জিত পরিসংখ্যান। B) ৪৩৭১ কিঃমিঃ — এই মানটি ভারত ও বাংলাদেশের প্রকৃত আন্তর্জাতিক সীমানা দূরত্বের সাথে মিলে না এবং এটি ভুল তথ্য। C) ৪১৫৬ কিঃমিঃ — এটিই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সঠিক সীমানা দৈর্ঘ্য। D) ৩৯৭৮ কিঃমিঃ — এই দৈর্ঘ্যটি সঠিক সীমানা নির্দেশ করে না এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বিভ্রান্তিকর একটি অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: - চার হাজার একান্ন বা ৪১৫৬ সংখ্যাটি মনে রাখার জন্য শেষের তিনটি অঙ্ক ৫১ এবং ৫৬ এভাবে ভাগ করে মনে রাখতে পারো। - ভারতের সাথে সীমান্ত বড় এবং মিয়ানমারের সাথে ছোট, এই তুলনাটি মনে রাখলে সহজে ভুল এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীর নাম বিজিবি এবং ভারতের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীর নাম বিএসএফ। - একই বিষয় থেকে পরীক্ষাতে ভারতের সাথে কোন কোন রাজ্যের সীমান্ত বেশি বা কম আছে, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a বারাং
b পাড়া
c পুঞ্জি
d মৌজা
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুঞ্জি ১. কেন সঠিক: - খাসিয়া উপজাতি তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী গ্রামগুলোকে পুঞ্জি নামে অভিহিত করে থাকে। - বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট অঞ্চলে এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের বসবাস বেশি এবং তাদের বসতি এলাকাগুলো পুঞ্জি হিসেবে পরিচিত। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: খাসিয়া সমাজ মূলত মাতৃতান্ত্রিক এবং তাদের প্রধান পেশা পান চাষ করা। - geographic location: সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে এদের বসতি গড়ে উঠেছে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: পুঞ্জিগুলো খাসিয়াদের নিজস্ব সামাজিক ও সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাগুরছড়া পুঞ্জি ব্যাখ্যা: এটি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত খাসিয়া পুঞ্জি, যা পানের চাষ এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের কূপের জন্য পরিচিত। উদাহরণ ২: লবছড়া পুঞ্জি ব্যাখ্যা: এটি সিলেট অঞ্চলে অবস্থিত আরেকটি ঐতিহ্যবাহী খাসিয়া গ্রাম, যা তাদের নিজস্ব সামাজিক রীতিনীতির জন্য পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারাং — এটি খাসিয়া গ্রামের নাম নয়, এটি অন্য কোনো আঞ্চলিক বা ভিন্ন সংস্কৃতির শব্দ। B) পাড়া — এটি সাধারণভাবে বাঙালি বা অন্যান্য উপজাতির গ্রামভিত্তিক ছোট বসতিকে বোঝায়, খাসিয়াদের নিজস্ব গ্রামকে পাড়া বলা হয় না। D) মৌজা — এটি ভূমি রাজস্ব প্রশাসনের একটি একক বা নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, কোনো উপজাতির বসতি বা গ্রামের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - খাসিয়াদের গ্রাম মনে রাখার সহজ উপায় হলো 'খ' দিয়ে খাসিয়া এবং 'প' দিয়ে পুঞ্জি। খাসিয়া মানেই পুঞ্জিভিত্তিক বসবাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সামাজিক ব্যবস্থা ও তাদের গ্রাম বা বসতির নাম প্রায়ই আসে। যেমন গারোদের বসতিকে চিন ও পাড়া বলা হয় এবং সাঁওতালদের গ্রামকে আড বা টুলা বলা হয়।
a ব্রাজিল
b ডেনমার্ক
c নরওয়ে
d বুলগেরিয়া
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নরওয়ে ১. কেন সঠিক: - নরওয়ে ইউরোপ মহাদেশের একটি দেশ হলেও এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়। - নরওয়ের জনগণ গণভোটের মাধ্যমে দুবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ অর্জনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ হলো ইউরোপের একত্রীকৃত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৫৭ সালের মার্চ মাসে রোম চুক্তির মাধ্যমে এর পূর্বসূরি গঠিত হয়। - সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরে এর সদর দপ্তর অবস্থিত। - সদস্যসংখ্যা: বর্তমানে এই জোটে সাতাশটি সদস্য দেশ রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুইজারল্যান্ড ব্যাখ্যা: নরওয়ের মতো সুইজারল্যান্ডও ইউরোপের উন্নত দেশ কিন্তু ইইউর সদস্য নয়। উদাহরণ ২: যুক্তরাজ্য ব্যাখ্যা: যুক্তরাজ্য একসময় ইইউর সদস্য থাকলেও ব্রেক্সিটের মাধ্যমে জোট থেকে বেরিয়ে গেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাজিল — এটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। B) ডেনমার্ক — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বর্তমানের সক্রিয় অংশীদার। D) বুলগেরিয়া — এটি ২০০৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ লাভ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নরওয়ে এবং সুইজারল্যান্ড ইউরোপে থেকেও নিজেদের অর্থনৈতিক স্বকক্ষতা বজায় রাখতে ইইউ থেকে দূরে থাকে। - স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশগুলোর মধ্যে ডেনমার্ক সদস্য হলেও নরওয়ে সদস্য নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান সদস্য সংখ্যা এবং ব্রেক্সিট সংক্রান্ত তথ্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন কোন ইউরোপীয় দেশ ইইউর বাইরে রয়েছে, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য মুখস্থ রাখা জরুরি।
a ন্যাটো
b আইএমএফ
c জাতিসংঘ
d ওয়ার্ল্ড ব্যাংক
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাতিসংঘ ১. কেন সঠিক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে বিশ্বকে রক্ষা করা এবং ভবিষ্যতের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আটলান্টিক সনদের মাধ্যমে জাতিসংঘ গঠনের পথ সুগম হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাকলিন ডি রুজভেল্ট এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল ১৯৪১ সালে এই ঐতিহাসিক সনদ স্বাক্ষর করেন। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: জাতিসংঘ (United Nations - UN) প্রতিষ্ঠা: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সাল সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে লিগ অব নেশনস ব্যর্থ হওয়ায় নতুন একটি বৈশ্বিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা এবং দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৪১ সালের আটলান্টিক সনদ ব্যাখ্যা: এই সনদের মাধ্যমেই মূলত আধুনিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার এবং পরবর্তীতে জাতিসংঘ গঠনের রূপরেখা তৈরি হয়। উদাহরণ ২: ১৯৪৫ সালের সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন ব্যাখ্যা: আটলান্টিক সনদের আদর্শের ওপর ভিত্তি করেই সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশ মিলে জাতিসংঘ সনদ চূড়ান্ত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ন্যাটো — এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নকে প্রতিহত করার জন্য গঠিত একটি সামরিক জোট, যার সঙ্গে আটলান্টিক সনদের সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) আইএমএফ — এটি ১৯৪৪ সালের ব্রাইটুন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা যুদ্ধোত্তর অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য তৈরি হয়। D) ওয়ার্ল্ড ব্যাংক — এটিও ব্রাইটুন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয় এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠনে ও উন্নয়নে ঋণ প্রদান করে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশ্বযুদ্ধ শেষে শান্তির জন্য বিশ্ববাসীর যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, তার প্রথম ধাপ ছিল আটলান্টিক সনদ এবং এর চূড়ান্ত রূপ হলো জাতিসংঘ। সনদের মাধ্যমে শান্তি আর জাতিসংঘের মাধ্যমে বিশ্ব রক্ষা পেল, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় ১৯৪১ সালে এবং জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে যে, কোন সনদের ভিত্তিতে জাতিসংঘ গঠিত হয়েছিল।
a 1927
b 1949
c 1789
d 1917
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯১৭ ১. কেন সঠিক: বলশেভিক বিপ্লব ১৯১৭ সালে সংঘটিত হয়েছিল এবং এর মাধ্যমে রাশিয়ায় জার শাসনের পতন ঘটে। এটি বিশ্বের প্রথম সফল সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব যা ১৯১৭ সালের নভেম্বর মাসে ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে সংঘটিত হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: প্রেক্ষাপট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়ার চরম অর্থনৈতিক সংকট এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসের ব্যর্থতার ফলে এই বিপ্লব অনিবার্য হয়ে ওঠে। উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠন করা ছিল এর মূল উদ্দেশ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯ ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপের রাজনীতিতে রাজতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার ধারণা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়। উদাহরণ ২: চীন বিপ্লব ১৯৪৯ ব্যাখ্যা: মাও সে তুং এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতা দখল করে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৭ — এই সালে বলশেভিক বিপ্লব হয়নি, তবে এটি জোসেফ স্টালিনের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার বছর হিসেবে পরিচিত। B) ১৯৪৯ — এটি চীন বিপ্লবের সাল, যা রাশিয়া বিপ্লবের অনেক পরে সংঘটিত হয়েছিল। C) ১৭৮৯ — এটি ফরাসি বিপ্লবের সাল, যা ইউরোপের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। D) ১৯১৭ — এটি সঠিক উত্তর, এই সালেই রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: বলশেভিক বিপ্লব বা রাশিয়ান বিপ্লব মনে রাখার জন্য প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল মনে রাখতে হবে। যুদ্ধ চলাকালীন ১৯১৭ সালে রাশিয়া যুদ্ধ থেকে সরে দাঁড়ায় এবং বিপ্লব সফল হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই বিপ্লবের নায়ক ভ্লাদিমির লেনিন এবং এর ফলেই পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়ন বা ইউএসএসআর গঠিত হয়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিপ্লবের সাল ও নেতার নাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a পলিনেশিয়া
b ওরিয়েন্টাল অঞ্চল
c মেলানেশিয়া
d মাইক্রোনেশিয়া
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেলানেশিয়া ১. কেন সঠিক: পাপুয়া নিউগিনি ওশেনিয়া অঞ্চলের ওশেনিয়া মহাদেশের প্রশান্ত মহাসাগরীয় একটি রাষ্ট্র। ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের কারণে এই অঞ্চলকে মেলানেশিয়া হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: পাপুয়া নিউগিনি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। অবস্থান: ওশেনিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। প্রেক্ষাপট: ওশেনিয়া অঞ্চলকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া ও পলিনেশিয়া। গুরুত্ব: প্রশান্ত মহাসাগরীয় ভূরাজনীতিতে দ্বীপ রাষ্ট্রটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিজি ব্যাখ্যা: এটিও মেলানেশিয়া অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ রাষ্ট্র। উদাহরণ ২: ভানুয়াতু ব্যাখ্যা: এই দেশটি মেলানেশিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এর সংস্কৃতি পাপুয়ার সাথে মেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পলিনেশিয়া — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্য একটি দ্বীপপুঞ্জ যেখানে নিউজিল্যান্ড ও সামোয়া অবস্থিত। B) ওরিয়েন্টাল অঞ্চল — এটি জীবভূগোলের একটি অঞ্চল যা দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে নির্দেশ করে। C) মেলানেশিয়া — এটি সঠিক উত্তর যা পাপুয়া নিউগিনির ভৌগোলিক অঞ্চল। D) মাইক্রোনেশিয়া — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের উত্তর-পশ্চিমের ক্ষুদ্র দ্বীপসমূহের একটি অঞ্চল। ৫. মনে রাখার টিপস: পাপুয়া নিউগিনির নাম শুরু হয় প দিয়ে এবং এটি মেলানেশিয়ার প্রধান দেশ। মেলানেশিয়া অর্থ কালো দ্বীপপুঞ্জ যেখানে পাপুয়া নিউগিনি অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ওশেনিয়া অঞ্চলের দ্বীপগুলোর ভৌগোলিক বিভাজন থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। পাপুয়ার রাজধানী এবং মুদ্রার নাম থেকেও প্রশ্ন হতে পারে।
a ৪৩তম
b ৪৪তম
c ৪৫তম
d ৪৭তম
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৫তম ১. কেন সঠিক: - ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৭ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। - যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, একই ব্যক্তি দুই দফায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারলে তাদের ক্রমিক সংখ্যা গণনা ভিন্ন হতে পারে, তবে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদটি ছিল দেশটির ৪৫তম প্রশাসন। ২. রাষ্ট্রপ্রধান ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: - দেশ: যুক্তরাষ্ট্র বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। - প্রেক্ষাপট: ডোনাল্ড ট্রাম্প রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হিসেবে ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করেন। - গুরুত্ব: তার প্রথম মেয়াদে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে দাঁড়ানো। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জো বাইডেন ব্যাখ্যা: ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরেই ২০২১ সালে জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। উদাহরণ ২: বারাক ওবামা ব্যাখ্যা: ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঠিক পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্ট ছিলেন বারাক ওবামা, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৩তম — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ৪৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ, যিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন। B) ৪৪তম — এই অপশনটি ভুল কারণ ৪৪তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন বারাক ওবামা, যিনি ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। C) ৪৫তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। D) ৪৭তম — এই অপশনটি ভুল কারণ ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে চলেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওবামা ছিলেন ৪৪তম, ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে ৪৫তম, বাইডেন ৪৬তম এবং ট্রাম্প পুনরায় বিজয়ী হয়ে ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। - এই ক্রম মনে রাখলে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক চারজন প্রেসিডেন্টের ধারাবাহিকতা খুব সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্টদের ক্রমিক নম্বর প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - একই ব্যক্তি দুবার নির্বাচিত হলে তাদের ক্রমিক নম্বর কীভাবে পরিবর্তিত হয়, তা ভালো করে বুঝে রাখা জরুরি।
a রাশিয়া
b ভারত
c যুক্তরাষ্ট্র
d ফ্রান্স
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাশিয়া ১. কেন সঠিক: - নোভাইয়া জামল্যা পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রটি রাশিয়ার উত্তর মেরুর কাছে আর্কটিক মহাসাগরে অবস্থিত। - স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন এই দ্বীপাঞ্চলে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হাইড্রোজেন বোমা পরীক্ষামূলকভাবে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল। ২. পারমাণবিক অস্ত্র ও নিরস্ত্রীকরণ: - দেশ: রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত। - প্রেক্ষাপট: সোভিয়েত আমল থেকে শুরু করে এই স্থানটি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা ও গবেষণার জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। - গুরুত্ব: সামরিক শক্তি প্রদর্শন এবং কৌশলগত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অর্জনের জন্য এই অঞ্চলের ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নেভাডা টেস্ট সাইট ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত একটি প্রধান পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার স্থান, যা স্নায়ুযুদ্ধের সময় ব্যাপক ব্যবহৃত হয়েছিল। উদাহরণ ২: পোখরান টেস্ট রেঞ্জ ব্যাখ্যা: এটি ভারতে অবস্থিত, যেখানে ভারত তাদের প্রথম পারমাণবিক অস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ নোভাইয়া পরীক্ষা কেন্দ্রটি রুশ ভূখণ্ডেই অবস্থিত। B) ভারত — ভারত দক্ষিণ এশিয়ার দেশ এবং এর পরমাণু পরীক্ষার মূল স্থান রাজস্থানের পোখরান। C) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকার একটি পরাশক্তি এবং তাদের প্রধান পরমাণু পরীক্ষা কেন্দ্র নেভাডায় অবস্থিত। D) ফ্রান্স — ফ্রান্স ইউরোপের দেশ এবং তারা মূলত প্রশান্ত মহাসাগরের মুরুরোয়া প্রবাল দ্বীপে পরমাণু পরীক্ষা চালাত। ৫ মনে রাখার টিপস: - নোভাইয়া নামটির মধ্যে একটি ঠান্ডা বা বরফাবৃত অঞ্চলের আভাস পাওয়া যায়, যা রাশিয়ার উত্তর মেরুর আর্কটিক অঞ্চলের সঙ্গে মিলে যায়। - পরীক্ষার স্থানটি রাশিয়ার সর্বউত্তরের প্রত্যন্ত দ্বীপে অবস্থিত বলে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ভূগোলের ওপর ভিত্তি করে করা হয়। - একই বিষয় থেকে পরীক্ষক কোনো নির্দিষ্ট দেশের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বোমার নাম বা পরীক্ষার সাল সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পারেন।
a দক্ষিণ আফ্রিকা
b বাংলাদেশ
c সুদান
d সৌদি আরব
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দক্ষিণ আফ্রিকা ১. কেন সঠিক: - দক্ষিণ আফ্রিকা ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে মামলা করে। - দেশটি ঐতিহাসিকভাবে বর্ণবাদ বিরোধী সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত থাকায় ফিলিস্তিনের পক্ষে জোরালো আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র হলো আফ্রিকার সর্বদক্ষিণের একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী প্রিটোরিয়া, কেপ টাউন ও ব্লুমফন্টেইন। - আদালত: মামলাটি করা হয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) যা জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ এবং নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। - প্রেক্ষাপট: গাজায় অব্যাহত সামরিক অভিযانی ও মানবিক সংকটের প্রেক্ষাপটে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে এই ঐতিহাসিক মামলা দায়ের করা হয়। - উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক অপরাধ ও মানবাধিকার সনদের আলোকে ইসরাইল যেন গাজায় সামরিক আগ্রাসন বন্ধ করে এবং গণহত্যা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়। - ফলাফল: আন্তর্জাতিক আদালত অন্তর্বর্তীকালীন বেশ কিছু জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিলেও সংঘাত এখনো চলমান রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার্বিয়ার বিরুদ্ধে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার মামলা ব্যাখ্যা: অতীতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এমন মামলা করার ঐতিহাসিক নজির রয়েছে। উদাহরণ ২: মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলা ব্যাখ্যা: ওআইসিভুক্ত দেশের পক্ষে গাম্বিয়া আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলা করে যা রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতার এক অনন্য উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আফ্রিকান দেশটিই প্রথম ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যার মামলা দায়ের করে। B) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের পক্ষে দৃঢ় রাজনৈতিক সমর্থন জানালেও সরাসরি আন্তর্জাতিক আদালতে এই মামলা করেনি। C) সুদান — সুদান নিজে গৃহযুদ্ধ ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকটে জর্জরিত থাকায় এই মামলার সঙ্গে যুক্ত নয়। D) সৌদি আরব — সৌদি আরব কূটনৈতিকভাবে ফিলিস্তিনকে সমর্থন জানালেও এই মামলাটি করার ক্ষেত্রে প্রধান বাদী হিসেবে ভূমিকা রাখেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা দক্ষিণ আফ্রিকা গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর চলা নির্যাতনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রথম আইনি লড়াই শুরু করে। - আদালতের নাম আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা ICJ এবং এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করার এখতিয়ার কেবল সার্বভৌম রাষ্ট্রের রয়েছে, কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার নয়। - একই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক আদালতের কাজ এবং ফিলিস্তিন সংকটের আইনি দিক থেকে প্রশ্ন আসতে পারে।
a স্পেন
b ফ্রান্স
c রাশিয়া
d জার্মানি
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স ১. কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে আমেরিকান উপনিবেশগুলোকে সামরিক, অর্থনৈতিক ও নৌবহর দিয়ে সরাসরি সহায়তা করেছিল ফ্রান্স। - ১৭৭৮ সালে সায়েন্টিফিক ও সামরিক জোটের মাধ্যমে ফরাসি রাজা ষোড়শ লুই এই যুদ্ধে যোগ দেন, যা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে জয় নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রেখেছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - পটভূমি: ১৭৭৫ থেকে ১৭৮৩ সাল পর্যন্ত চলা এই যুদ্ধে মার্কিন উপনিবেশগুলো স্বাধীনতার জন্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে। - গুরুত্ব: ফ্রান্সের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের ফলে ইয়র্কটাউন যুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনী পরাজিত হয় এবং ১৭৮৩ সালের প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন স্বাধীনতা স্বীকৃতি পায়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সারাতোগার যুদ্ধ ব্যাখ্যা: ১৭৭৭ সালের এই যুদ্ধে আমেরিকানদের বিজয়ের পর ফ্রান্স নিশ্চিত হয় যে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশদের হারাতে সক্ষম এবং তারা সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। উদাহরণ ২: মার্কুয়েস দ্য লাফায়েত ব্যাখ্যা: এই ফরাসি সেনা কর্মকর্তা আমেরিকান বিপ্লবে যোগ দিয়ে জর্জ ওয়াশিংটনের অধীনে যুদ্ধ করেন, যা দুই দেশের ঐতিহাসিক মিত্রতার প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পেন — স্পেন ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল এবং পরোক্ষভাবে সহায়তা করলেও সরাসরি প্রধান মিত্র ছিল না। C) রাশিয়া — রাশিয়া এই যুদ্ধে সামরিকভাবে অংশ নেয়নি, তবে তারা সশস্ত্র নিরপেক্ষতার লিগ গঠন করে ব্রিটিশ বাণিজ্যিক স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করেছিল। D) জার্মানি — সেসময়ে আধুনিক জার্মানি রাষ্ট্র হিসেবে ছিল না, তবে ব্রিটিশরা হেসা অঞ্চল থেকে ভাড়াটে সেনা এনেছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্রিটিশদের চিরশত্রু ছিল ফ্রান্স, তাই আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশদের হারাতে ফ্রান্স আমেরিকানদের পক্ষ নেয়। - লাফায়েত নামটি মনে রাখলে ফ্রান্সের সম্পৃক্ততা সহজে মনে পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষার জন্য আমেরিকান বিপ্লবের মিত্র দেশ এবং ১৭৮৩ সালের প্যারিস চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টপিক। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে, কোন চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করে।
a বাংলাদেশ
b ভুটান
c চীন
d নেপাল
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভুটান ১. কেন সঠিক: ভুটান বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০০৪ সালে সম্পূর্ণভাবে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি এবং জনসম্মুখে ধূমপান নিষিদ্ধ করে আইন পাস করে। বৌদ্ধ সংস্কৃতির প্রভাব এবং স্বাস্থ্য সচেতনতার কারণে দেশটির সরকার এই ঐতিহাসিক ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: ভুটান রাজধানী: থিম্পু প্রেক্ষাপট: বৌদ্ধ দর্শনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এবং নাগরিকদের সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে ভুটান সরকার এই আইন প্রণয়ন করে। উদ্দেশ্য: তামাকমুক্ত সমাজ গঠন এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষা করা এই আইনের মূল লক্ষ্য ছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিউজিল্যান্ড ব্যাখ্যা: নিউজিল্যান্ড পরবর্তী সময়ে তামাক বিক্রির ওপর কঠোর বয়সসীমা আরোপ করে বিশ্বের প্রথম ধোঁয়ামুক্ত প্রজন্ম গড়ে তোলার আইন পাস করে। উদাহরণ ২: সিঙ্গাপুর ব্যাখ্যা: সিঙ্গাপুর বহু আগে থেকেই জনসম্মুখে ধূমপান কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিভিন্ন স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ প্রথম দেশ নয়, যদিও এখানে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আইন রয়েছে। B) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভুটানই প্রথম দেশ হিসেবে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। C) চীন — চীন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তামাক উৎপাদনকারী ও ব্যবহারকারী দেশ, তাই এটি প্রথম দেশ নয়। D) নেপাল — নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ হলেও ধূমপান নিষিদ্ধকরণে বিশ্বের প্রথম দেশ হওয়ার গৌরব অর্জন করেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশ্বে প্রথম ধূমপান নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে পাহাড় ঘেরা ছোট ও শান্তিপ্রিয় দেশ ভুটান সবার আগে পদক্ষেপ নেয়। ধূমপানমুক্ত দেশের কথা মনে এলে দক্ষিণ এশিয়ার ভুটানের নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য এবং বৈশ্বিক প্রথম অর্জন সংক্রান্ত ক্যাটাগরিতে প্রায়ই আসে। ভুটানের পরিবেশগত নীতি এবং তামাক আইন সম্পর্কে জানলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a 1956
b 1889
c 1856
d 1945
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৬ ১. কেন সঠিক: মিশরের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি গামাল আবদেল নাসের ২৬শে জুলাই ১৯৫৬ সালে সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেন। এর ফলে ব্রিটিশ ও ফরাসি নিয়ন্ত্রित সুয়েজ খাল কোম্পানির কর্তৃত্ব শেষ হয় এবং খালের মালিকানা মিশরের সরকারের হাতে চলে আসে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: দেশ: মিশর, উত্তর আফ্রিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। প্রেক্ষাপট: আসওয়ান বাঁধ নির্মাণের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বব্যাংক ঋণ দিতে অস্বীকৃতি জানালে মিশর এই পদক্ষেপ নেয়। উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: সুয়েজ খাল থেকে প্রাপ্ত টোল বা রাজস্ব ব্যবহার করে আসওয়ান বাঁধ নির্মাণের অর্থায়ন নিশ্চিত করা। ফলাফল/প্রভাব: এর প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটেন, ফ্রান্স ও ইসরায়েল মিশরের ওপর আক্রমণ চালায়, যা ইতিহাসে সুয়েজ সংকট নামে পরিচিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানামা খাল ব্যাখ্যা: এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং সুয়েজ খালের মতো এটিও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কৃত্রিম জলপথ। উদাহরণ ২: আসওয়ান বাঁধ ব্যাখ্যা: সুয়েজ খাল জাতীয়করণের অর্থনৈতিক লাভের মাধ্যমেই নীল নদের ওপর এই বাঁধ নির্মাণের কাজ ত্বরান্বিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই মিশর সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেছিল। B) ১৮৮৯ — এই সালে সুয়েজ খাল জাতীয়করণ হয়নি, বরং এটি উনিশ শতকের শেষভাগের একটি বছর। C) ১৮১৮৫৬ — এই সালটি সঠিক নয়, কারণ ১৮৫৯ সালে সুয়েজ খালের খননকাজ শুরু হয়েছিল এবং ১৮৬৯ সালে তা চালু হয়। D) ১৯৪৫ — এই সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় এবং জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা সুয়েজ খাল জাতীয়করণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নাসের ১৯৫৬ সালে নিলেন সুয়েজ খালের দায়িত্ব, এই ঘটনা ঘটিয়ে তিনি দেখালেন অদম্য সাহসিকতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সুয়েজ খাল জাতীয়করণের সাল এবং এর সঙ্গে জড়িত নেতার নাম জানতে চাওয়া হয়।
a জাভা
b বালি
c অচেহ
d কালিমান্তান
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কালিমান্তান ১. কেন সঠিক: - ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা অতিরিক্ত জনবহুল হয়ে পড়া এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে দেশটির সরকার রাজধানী স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়। - নতুন রাজধানী নুসানতারা পূর্ব কালিমান্তান প্রদেশে অবস্থিত এবং এটি একটি পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: ইন্দোনেশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র এবং বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যাবহুল দেশ। - প্রেক্ষাপট: জাভা দ্বীপের ওপর জনসংখ্যার চাপ কমানো এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে রাজধানী স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। - উদ্দেশ্য: জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, দূষণ কমানো এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রাজিল ব্যাখ্যা: ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনেরিও থেকে রাজধানী সরিয়ে সম্পূর্ণ পরিকল্পিত অভ্যন্তরীণ শহর ব্রাসিলিয়ায় নেওয়া হয়েছিল। উদাহরণ ২: কাজাখস্তান ব্যাখ্যা: কাজাখস্তান তাদের রাজধানী আলমাটি থেকে সরিয়ে উত্তর অঞ্চলের আস্তানায় স্থানান্তর করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাভা — এটি ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে জনবহুল দ্বীপ এবং বর্তমান রাজধানী জাকার্তা এই দ্বীপেই অবস্থিত। B) বালি — এটি ইন্দোনেশিয়ার একটি বিখ্যাত পর্যটন দ্বীপ এবং এটি দেশের রাজধানী নয়। C) অচেহ — এটি সুমাত্রা দ্বীপের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত একটি বিশেষ স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশ। D) কালিমান্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ নতুন রাজধানী নুসানতারা এই অঞ্চলেই অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - নতুন রাজধানী মনে রাখতে কাল শব্দটির সঙ্গে নতুন বা নুসানতারার সংযোগ করতে পারো। - জাকার্তা থেকে দূরে কালিমান্তানে ইন্দোনেশিয়ার নতুন ক্ষমতার কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষার জন্য এই প্রশ্নটি সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি ও ভৌগোলিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই টপিক থেকে রাজধানী সংক্রান্ত অন্য কোনো ভৌগোলিক প্রশ্ন বা দেশের নাম জানতে চাওয়া হতে পারে।
a কেনিয়া
b মোজাম্বিক
c জিবুতি
d পাকিস্তান
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কেনিয়া ১. কেন সঠিক: - কেনিয়ার মোম্বাসা সমুদ্রবন্দরটি পূর্ব আফ্রিকার সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র এবং চীনা অর্থায়নে ও নির্মাণে এর আধুনিকায়ন করা হয়েছে। - এটি চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বা বিআরআই প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে কাজ করছে। ২. ভূরাজনীতি ও অবকাঠামো: - দেশ/সংস্থা: কেনিয়া হলো পূর্ব আফ্রিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ যার রাজধানী নাইরোবি এবং মোম্বাসা এর প্রধান বন্দর শহর। - প্রেক্ষাপট: চীন বিশ্বব্যাপী সামুদ্রিক যোগাযোগ ও বাণিজ্য রুট প্রসারের জন্য বিভিন্ন দেশের সমুদ্রবন্দর নির্মাণ ও অর্থায়নে বড় ধরনের বিনিয়োগ করছে। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: এই প্রকল্পের মাধ্যমে চীন পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাকিস্তানের গোয়াদার বন্দর ব্যাখ্যা: এটিও চীনা অর্থায়নে নির্মিত একটি কৌশলগত সমুদ্রবন্দর যা চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর বা সিপিইসি প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দর ব্যাখ্যা: চীনের ঋণে নির্মিত এই বন্দরটি আর্থিক সংকটের কারণে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে চীনের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার ঘটনা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেনিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ মোম্বাসা বন্দরটি এই দেশেই অবস্থিত এবং এর উন্নয়নে চীনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা রয়েছে। B) মোজাম্বিক — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার একটি দেশ হলেও চীনা অর্থায়নে নির্মিত মোম্বাসার মতো বিখ্যাত বন্দর এখানে নেই। C) জিবুতি — জিবুতিতে চীনের সামরিক ঘাঁটি ও বন্দর সুবিধা থাকলেও মোম্বাসা বন্দরটি এই দেশে অবস্থিত নয়। D) পাকিস্তান — পাকিস্তানে চীনা অর্থায়নে গোয়াদার বন্দর নির্মিত হয়েছে, মোম্বাসা বন্দরটি পাকিস্তানে অবস্থিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মোম্বাসা শব্দটি শুনলেই কেনিয়া এবং পূর্ব আফ্রিকার সামুদ্রিক বাণিজ্যের কথা মাথায় রাখবে। - চীন আফ্রিকার যেসব দেশে বড় বন্দর বিনিয়োগ করেছে, তার মধ্যে কেনিয়ার মোম্বাসা অন্যতম প্রধান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিআরআই বা বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের সঙ্গে কোন কোন বন্দর জড়িত, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্ন থেকে আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি, ঋণ কূটনীতি এবং আঞ্চলিক সমুদ্রবন্দরের অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
a চীন ও আফগানিস্তান
b চীন ও ইংল্যান্ড
c ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তান
d চীন ও রাশিয়া
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন ও ইংল্যান্ড ১. কেন সঠিক: - আফিম যুদ্ধ মূলত সংঘটিত হয়েছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য এবং চীনের চিং রাজবংশের মধ্যে। - চীনের বাজারে অবৈধ আফিম বিক্রির ব্রিটিশ নীতির কারণে এই ঐতিহাসিক যুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: - প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতে উৎপাদিত আফিম অবৈধভাবে চীনে রপ্তানি করত। - ফলাফল/প্রভাব: চীনের পক্ষ থেকে আফিম বাণিজ্য নিষিদ্ধ করার পর প্রথম আফিম যুদ্ধ শুরু হয় এবং চীন পরাজিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নানকিং চুক্তি ব্যাখ্যা: প্রথম আফিম যুদ্ধের পর ১৮৪২ সালে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে এই অসম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উদাহরণ ২: হংকং দ্বীপের হস্তান্তর ব্যাখ্যা: নানকিং চুক্তির মাধ্যমে হংকং দ্বীপ ব্রিটিশদের হাতে চলে যায়, যা দীর্ঘমেয়াদে চীনের ঔপনিবেশিক ইতিহাসের একটি টার্নিং পয়েন্ট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন ও আফগানিস্তান — এই দুটি দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক আফিম যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি। B) চীন ও ইংল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি দেশের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ হয়েছিল। C) ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তান — এটি ভুল কারণ ব্রিটিশদের সাথে আফগানিস্তানের অ্যাংলো-আফগান যুদ্ধ হয়েছিল। D) চীন ও রাশিয়া — এই দুটি দেশের মধ্যে আফিম যুদ্ধ হয়নি, বরং সীমান্ত নিয়ে নানা সংঘাত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - আফিম যুদ্ধ মানেই ব্রিটিশদের বাণিজ্য সাম্রাজ্য বিস্তারের আগ্রাসন এবং চীনের সাথে সংঘাত। - চীন ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার এই যুদ্ধ এশিয়ার উপনিবেশায়নের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রথম আফিম যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল ১৮৩৯ থেকে ১৮৪২ সালের মধ্যে। - এই যুদ্ধের মাধ্যমে চীন তার সার্বভৌমত্ব হারাতে শুরু করে এবং পশ্চিমা শক্তির কাছে দুর্বল হয়ে পড়ে।
a 1939
b 1943
c 1949
d 1960
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1949 ১. কেন সঠিক: নর্থ আটলান্টিক চুক্তি অর্গানাইজেশন বা ন্যাটো একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল স্বাক্ষরিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বিস্তার রোধ এবং পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলোর সুরক্ষায় এই সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা ন্যাটো একটি যৌথ প্রতিরক্ষা জোট। প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি গঠিত হয়। সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরে এই সামরিক জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। প্রেক্ষাপট: স্নায়ুযুদ্ধের সূচনালগ্নে পশ্চিমের গণতান্ত্রিক দেশগুলোকে সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসন থেকে রক্ষা করার জন্য এটি গঠিত হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওয়ারশ চুক্তি ব্যাখ্যা: ন্যাটোর প্রতিক্রিয়ায় সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ব্লকের দেশগুলো ১৯৫৫ সালে এই সামরিক জোট গঠন করেছিল। উদাহরণ ২: আর্টিকেল ফাইভ বা অনুচ্ছেদ পাঁচ ব্যাখ্যা: ন্যাটোর এই মূল নীতি অনুযায়ী জোটের যেকোনো সদস্য দেশের ওপর আক্রমণ সমগ্র জোটের ওপর আক্রমণ বলে গণ্য করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1939 — এই সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল কিন্তু ন্যাটো গঠিত হয়নি। B) 1943 — এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী বছর এবং এই সময়ে ন্যাটো বা কোনো স্থায়ী সামরিক জোট গঠিত হয়নি। C) 1949 — এই সালেই ঐতিহাসিক নর্থ আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়। D) 1960 — এই দশকে স্নায়ুযুদ্ধের উত্তেজনা থাকলেও ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির চার বছর পর অর্থাৎ ১৯৪৯ সালে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে যুদ্ধ শেষের পরের সময়কালকে হিসাব করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ন্যাটোর সদর দপ্তর ও প্রতিষ্ঠার সাল প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ন্যাটোর বর্তমান সদস্যসংখ্যা এবং সর্বশেষ যোগদানকারী দেশ সম্পর্কেও পরীক্ষার্থীদের ধারণা রাখতে হবে।
a ১৮০ নং প্রস্তাব
b ১৮১ নং প্রস্তাব
c ১৬০ নং প্রস্তাব
d ১৬১ নং প্রস্তাব
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮১ নং প্রস্তাব ১. কেন সঠিক: ১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্যালেস্টাইন বিভাজন পরিকল্পনা গৃহীত হয়। এই প্রস্তাবের মাধ্যমেই ব্রিটিশ ম্যান্ডেটাধীন প্যালেস্টাইন ভূখণ্ডকে একটি ইহুদি রাষ্ট্র এবং একটি আরব রাষ্ট্রে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: সংস্থা: জাতিসংঘ (United Nations) প্রতিষ্ঠা: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সাল সদর দপ্তর: নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইহুদিদের ওপর চালানো হলোকাস্ট এবং মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের মুখে এই বিভাজন পরিকল্পনা করা হয়। উদ্দেশ্য: প্যালেস্টাইন সংকটের একটি আন্তর্জাতিক ও আইনি সমাধান খোঁজা এবং দুই পক্ষের সহাবস্থান নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাজন ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শক্তির প্রস্থানকালে ভারত ও প্যালেস্টাইন উভয় অঞ্চলেই বিভাজন নীতি প্রয়োগ করা হয়েছিল, যার দীর্ঘস্থায়ী geopolitical প্রভাব রয়েছে। উদাহরণ ২: জেরুজালেম আন্তর্জাতিকীকরণ ব্যাখ্যা: ১৮১ নং প্রস্তাব অনুযায়ী জেরুজালেম শহরটিকে একটি বিশেষ আন্তর্জাতিক অঞ্চলের অধীনে রাখার কথা বলা হয়েছিল, যা বর্তমান সংঘাতেরও একটি কেন্দ্রীয় বিষয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮০ নং প্রস্তাব — এই নম্বরের কোনো ঐতিহাসিক বা প্যালেস্টাইন বিভাজন সংক্রান্ত প্রস্তাব জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়নি। B) ১৮১ নং প্রস্তাব — এটি প্যালেস্টাইন বিভাজন পরিকল্পনার সঠিক প্রস্তাব নম্বর এবং ১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর পাস হয়েছিল। C) ১৬০ নং প্রস্তাব — এটি প্যালেস্টাইন বিভাজন বা মধ্যপ্রাচ্য সংকটের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রস্তাব নয়। D) ১৬১ নং প্রস্তাব — এই প্রস্তাবটি প্যালেস্টাইন বিভাজনের ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্যালেস্টাইন বিভাজনের প্রস্তাবটি একানব্বই বা ১৮১ নম্বর প্রস্তাব হিসেবে মনে রাখতে পারেন। ১৯৪৭ সালের এই প্রস্তাবের শেষ দুটি অঙ্ক ৮১ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কত নং প্রস্তাব দ্বারা প্যালেস্টাইন বিভক্ত হয়েছিল, তা বারবার বিভিন্ন চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষায় জিজ্ঞাসা করা হয়।
a ব্রাজিল ও বলিভিয়া
b যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
c জার্মানি ও পোল্যান্ড
d মিশর ও সুদান
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা ১. কেন সঠিক: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমান্তটি ইতিহাসে মেডিসিন লাইন নামে পরিচিত। ১৮৭৪ সালে নর্থ ওয়েস্ট মাউন্টেড পুলিশ এই অঞ্চল পরিমাপ ও চিহ্নিত করার সময় আদিবাসীরা এই নাম দেয়। ২. ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: সীমান্ত: বিশ্বের দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক স্থল সীমান্ত যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে অবস্থিত। দৈর্ঘ্য: এই সীমান্তটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮ হাজার ৮৯১ কিলোমিটার। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৪৮তম সমান্তরাল রেখা ব্যাখ্যা: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্ত নির্ধারণে এই ভৌগোলিক রেখার ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। উদাহরণ ২: ডিউরেন্ড লাইন ব্যাখ্যা: এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমানা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাজিল ও বলিভিয়া — এই দেশদুটির সীমান্ত মেডিসিন লাইন নামে পরিচিত নয়। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশগুলো আমাজন অববাহিকা দ্বারা সংযুক্ত। B) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা উপরে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে। C) জার্মানি ও পোল্যান্ড — এই দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক সীমান্ত লাইন হলো ওডার নাইস লাইন। D) মিশর ও সুদান — এই দেশ দুটির সীমান্ত বিরোধপূর্ণ একটি এলাকা যা বির তাউইল নামে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা হলো উত্তর আমেরিকার বড় দেশ। উত্তর আমেরিকার আদিবাসীরা ওষুধ বা চিকিৎসার জন্য এই অঞ্চলের দিকে আসত বলে এই সীমান্তকে মেডিসিন লাইন বলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের দীর্ঘতম অ-সামরিক সীমান্ত কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এর উত্তর হলো যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা।
a ২০ জুন ২০২৫
b ২১ জুন ২০২৫
c ২২ জুন ২০২৫
d ২৩ জুন ২০২৫
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ জুন ২০২৫ ১. কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানে পরিচালিত এই সামরিক অভিযানটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও পারমাণবিক সংকটের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সাম্প্রতিক ঘটনা। - দীর্ঘদিনের উত্তেজনা এবং পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলা সরাসরি সামরিক সংঘাতে এই তারিখটি বিশেষভাবে চিহ্নিত। ২. যুদ্ধ, সংঘাত ও ভূরাজনীতি: - দেশ/পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। - প্রেক্ষাপট: ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংস এবং মধ্যপ্রাচ্যে কৌশলগত আধিপত্য বজায় রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এই অভিযান পরিচালনা করে। - গুরুত্ব: এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা তৈরি হয় এবং বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যের ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়ে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপারেশন ক্যাশন ড্রাগন ব্যাখ্যা: অতীতে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানে পরিচালিত বিভিন্ন সামরিক বা গোয়েন্দা অভিযানের সঙ্গে এর তুলনা করা যায়, যা দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বৈরিতার প্রতীক। উদাহরণ ২: ইসরায়েল-ইরান সংঘাত ব্যাখ্যা: এই হামলাটি কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এর সঙ্গে ইসরায়েলের কৌশলগত স্বার্থও ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ জুন ২০২৫ — এটি সঠিক তারিখ নয় কারণ এই দিনে এই নির্দিষ্ট সামরিক অভিযান পরিচালিত হয়নি। B) ২১ জুন ২০২৫ — এই তারিখটি অপারেশন মিডনাইট হ্যামার হামলার প্রকৃত দিন হিসেবে নথিভুক্ত হয়নি। D) ২৩ জুন ২০২৫ — এই তারিখে অভিযানটি পরিচালিত হয়নি, বরং হামলার পরের দিন হিসেবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের নাম মনে রাখতে মিডনাইট বা মধ্যরাত শব্দটি মাথায় রাখতে পারো, যা সাধারণত রাতের আঁধারে পরিচালিত গোপন বা অতর্কিত হামলা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। - জুন মাসের শেষের দিকে এই ঘটনা ঘটেছিল বলে তারিখটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক যুদ্ধ ও সামরিক অভিযান থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
a মাইক্রোক্রেডিট
b সফট লোন
c বাণিজ্যিক লোন
d পণ্য সাহায্য
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সফট লোন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ IDA স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে অত্যন্ত নমনীয় শর্তে বা সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে থাকে, যা সফট লোন নামে পরিচিত। - এই ঋণগুলোর সুদের হার শূন্যের কাছাকাছি বা খুব কম হয়ে থাকে এবং পরিশোধের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সময় বা গ্রেস পিরিয়ড পাওয়া যায়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: - সংস্থা: IDA বা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, যা বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি অংশ। - প্রতিষ্ঠা: ১৯০৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এটি গঠিত হয় এবং ১৯৬০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। - সদর দপ্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি। - উদ্দেশ্য: বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ অতীতে IDA থেকে প্রচুর পরিমাণে সফট লোন বা সহজ শর্তের ঋণ পেয়েছে, যা দেশের অবকাঠামো ও সামাজিক উন্নয়নে ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সাব-সাহারান আফ্রিকা ব্যাখ্যা: আফ্রিকার অনেক স্বল্পোন্নত দেশ তাদের দারিদ্র্য বিমোচন ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের জন্য এই বিশেষ ঋণ সুবিধার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইক্রোক্রেডিট — এটি সাধারণত গ্রামীণ ব্যাংক বা ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে দরিদ্র ব্যক্তিদের স্বল্প পরিসরে দেওয়া ক্ষুদ্র ঋণ, যা আইডিএ-র কাজের পরিধিভুক্ত নয়। B) সফট লোন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ আইডিএ অত্যন্ত সহজ শর্তে ও দীর্ঘমেয়াদে এই ঋণ প্রদান করে থাকে। C) বাণিজ্যিক লোন — এটি উচ্চ সুদের হারে ব্যাংক বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া হয়, যা স্বল্পোন্নত দেশের জন্য অনুকূল নয়। D) পণ্য সাহায্য — এটি ঋণ নয়, বরং কোনো দেশকে সরাসরি নির্দিষ্ট পণ্য বা খাদ্য সামগ্রী উপহার বা সাহায্যেরূপে প্রদান করা বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আইডিএ হলো বিশ্বব্যাংকের এমন একটি শাখা যা দরিদ্রদের সাহায্য করে, তাই তাদের ঋণের শর্তও সহজ বা সফট হয়। - সফট লোন মানে হলো কম সুদ এবং দীর্ঘমেয়াদে ঋণ পরিশোধের সুযোগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্বব্যাংকের উইন্ডো বা অঙ্গসংস্থা হিসেবে আইবিআরডি বাণিজ্যিক ঋণ দেয় এবং আইডিএ সহজ শর্তের ঋণ দেয়। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক অর্থসংস্থা সংক্রান্ত অংশে প্রায়ই আসে।

মোট প্রশ্ন (22)

a প্রতি
b অতি
c প্র
d কু
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কু কেন সঠিক: - 'কু' একটি বাংলা বা দেশি উপসর্গ, এটি কোনো তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ নয়। - বাংলা ভাষায় উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ, খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম উপসর্গ মোট কুড়িটি, যা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। - খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট এক وعিশটি, যার মধ্যে 'কু' অন্যতম একটি উপসর্গ। - 'কু' উপসর্গটি সাধারণত খারাপ বা মন্দ অর্থে শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) প্রতি — এটি একটি সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ যা বিপরীত বা সমকক্ষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। - B) অতি — এটি একটি তৎসম উপসর্গ যা আধিক্য বা অতিক্রম অর্থে ব্যবহৃত হয়। - C) প্র — এটি একটি তৎসম উপসর্গ যা উৎকৃষ্ট বা প্রकृष्ट অর্থে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: - খাঁটি বাংলা উপসর্গ এক وعিশটি মুখস্থ রাখার জন্য একটি ছড়া বা শর্টকাট মনে রাখতে পারো। - তৎসম উপসর্গ কুড়িটি আলাদাভাবে তালিকা করে পড়লে পরীক্ষার হলে সহজে চেনা যায়।
a প্রতিগ্রহ
b বিগ্রহ
c নিগ্রহ
d দয়া
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিগ্রহ ১. কেন সঠিক: - 'অনুগ্রহ' শব্দটির অর্থ হলো কৃপা, দয়া বা অনুগ্রহ করা। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'নিগ্রহ' শব্দটি। - 'নিগ্রহ' শব্দের অর্থ হলো নির্যাতন, নিপীড়ন বা অবহেলা করা। ফলে অর্থের দিক থেকে এটি 'অনুগ্রহ' এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন দুটি শব্দ যাদের অর্থ পরস্পরের বিপরীত বা উল্টো হয়। বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতসম, তদ্ভব ও বিদেশি নানা উৎসের শব্দের বিপরীত শব্দ প্রচলিত রয়েছে। - সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। এখানে 'অনুগ্রহ' ও 'নিগ্রহ' উভয়ই তৎসম শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সদয় ব্যাখ্যা: 'সদয়' শব্দের বিপরীত শব্দ নির্দয় বা নিষ্ঠুর, যা কৃপার বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: প্রশংসা ব্যাখ্যা: 'প্রশ প্রশংসা' শব্দের বিপরীত শব্দ নিন্দা, যা অনুকূল ভাবের বিপরীত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতিগ্রহ — প্রতিগ্রহ শব্দের অর্থ গ্রহণ করা বা দান গ্রহণ করা, যা অনুগ্রহ শব্দের বিপরীতার্থক নয়। B) বিগ্রহ — বিগ্রহ শব্দের অর্থ মূর্তি বা যুদ্ধ, এটি অনুগ্রহ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। C) নিগ্রহ — এটি সঠিক উত্তর। D) দয়া — দয়া হলো অনুগ্রহ শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুগ্রহ মানে কৃপা আর নিগ্রহ মানে শাস্তি বা নির্যাতন। কৃপার উল্টো অত্যাচার এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই উৎস শব্দ চিনে সঠিক বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হবে।
a পার্শ্বিক
b কম্পনজাত
c তাড়নজাত
d অযোগবাহ
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তাড়নজাত ১. কেন সঠিক: - 'ড়' এবং 'ঢ়' বর্ণ দুটি উচ্চারণের সময় জীবের ডগা শক্ত তালুকে দ্রুত তাড়না বা আঘাত করে বলে এদের তাড়নজাত বর্ণ বলা হয়। - বাংলা বর্ণমালায় এই দুটি ধ্বনিকে উৎস বা উচ্চারণের প্রকৃতি অনুযায়ী বিশেষ মর্যাদায় রাখা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের অন্তর্ভুক্ত এই বর্ণ দুটিকে দাপট বা তাড়নার সঙ্গে উচ্চারণ করতে হয়। - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে স্পর্শ ধ্বনির বাইরেও এদের নিজস্ব উচ্চারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাড়ি ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'ড়' বর্ণটি তাড়নজাত ধ্বনি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যা উচ্চারণে বিশেষ কম্পন সৃষ্টি করে। উদাহরণ ২: আষাঢ় ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'ঢ়' বর্ণটি যুক্ত হয়ে তাড়নজাত ধ্বনির সঠিক উচ্চারণ নিশ্চিত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার্শ্বিক — পার্শ্বিক বর্ণ হলো ল, কারণ এটি উচ্চারণের সময় বাতাস জিবের দুই পাশ দিয়ে বের হয়। B) কম্পনজাত — কম্পনজাত বর্ণ হলো র, কারণ এটি উচ্চারণে জিব কেঁপে ওঠে। C) তাড়নজাত — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'ড়, ঢ়' উচ্চারণে তাড়নার সৃষ্টি হয়। D) অযোগবাহ — অযোগবাহ বর্ণ হলো অনুস্বার, বিসর্গ ও চন্দ্রবিন্দু, যা অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া একা উচ্চারিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - তাড়নজাত মানে জিবের তাড়না বা আঘাত খাওয়া। - 'ড়' ও 'ঢ়' দেখলে তাড়নজাত বর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় বর্ণমালা থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। - পার্শ্বিক, কম্পনজাত এবং তাড়নজাত বর্ণের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখবে।
a সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি
b দ্বন্দ্ব
c দ্বিগু
d কর্মধারয়
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - সমসমান পদে সংখ্যাবাচক শব্দ এবং শেষে বিশেষ্য পদ থাকলে এবং তা দ্বারা অন্য কোনো পদকে বোঝালে তাকে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস বলে। - পঞ্চ গজের সমাহার দ্বিগু সমাস হলেও, এখানে 'পঞ্চগজ' বলতে পাঁচ গজ পরিমাণ বিশিষ্ট কোনো নির্দিষ্ট মাপের কাপড় বা বস্তুকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বহুব্রীহি সমাসের প্রথম পদ সংখ্যাবাচক এবং শেষ পদ বিশেষ্য হয় এবং সমস্তপদটি একটি বিশেষণ হিসেবে অন্য কোনো পদের অর্থ প্রকাশ করে, তাকে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি বলে। - এই সমাসে সমস্তপদটি সাধারণত স্ত্রীবাচক হয় এবং শেষে 'ঈ' বা 'আ' যুক্ত হয়, তবে এখানে 'পঞ্চগজ' বিশেষ ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দশ গজ পরিমাণ কাপড় যার = দশগজী ব্যাখ্যা: এখানে সংখ্যাবাচক পদ থাকলেও সমস্তপদটি একটি নির্দিষ্ট মাপের কাপড়কে বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: চার হাতি পরিমাণ ফিতা যার = চারহাতি ব্যাখ্যা: এটিও সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাসের একটি সুন্দর উদাহরণ যা পরিমাপ বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সমস্তপদটি অন্য পদকে বোঝায়। B) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, যা এখানে নেই। C) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, কিন্তু এখানে সমাহার না বুঝিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাপ বোঝাচ্ছে। D) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্পর্ক থাকে, যা সংখ্যাবাচক বহুব্রীহির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংখ্যা দিয়ে শুরু হয়ে যদি সমাহার বা সমষ্টি না বুঝিয়ে কোনো পরিমাপ বা অন্য কিছু বোঝায়, তবে তা দ্বিগু না হয়ে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় দ্বিগু ও সংখ্যাবাচক বহুব্রীহির পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই পরিমাপবাচক শব্দ থাকলে সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি নির্বাচন করতে হবে।
a তনু + ময়
b তৎ + ময়
c তনু + ময়
d তদ্ + ময়
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৎ + ময় কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে প্রথম পদের অন্তস্থিত ত-কার বা দ-কার এর পরে ম-কার থাকলে তা নিজ বর্গের নাসিক্য ধ্বনিতে পরিণত হয়। - তৎ শব্দের ত-কারের সাথে ময় শব্দের ম-কারের মিলনে ত-এর জায়গায় ন যুক্ত হয়ে 'তন্ময়' শব্দটি গঠিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি ঘোষ নাসিক্য ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। - এই নিয়মে পদের শেষের ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। - যেমন: তৎ + মধ্যে = তন্মধ্যে, মহৎ + ময় = তন্ময়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) তনু + ময় — এটি কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম মানে না কারণ তনু শব্দের সাথে ময় যুক্ত হয়ে তন্ময় হতে পারে না। - B) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়। - C) তনু + ময় — এটি অপশন এ এর অনুরূপ ভুল এবং নিয়ম বহির্ভূত। - D) তদ্ + ময় — এখানে দ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা তৎ শব্দের মূল রূপের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: - ত-এর সাথে ম যুক্ত থাকলে সন্ধি বিচ্ছেদের সময় ত-এর জায়গায় সবসময় তৎ বসাতে হয়।
a দুহঃ + যোগ
b দুঃ + যোগ
c দূর + যোগ
d দূরং + যোগ
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুঃ + যোগ ১. কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মের আওতায় গঠিত একটি শব্দ যেখানে বিসর্গের পর য, র, ল, ব বা হ থাকলে বিসর্গ ও হয়। - এখানে 'দুঃ' এর বিসর্গের সঙ্গে 'যোগ' যুক্ত হয়ে বিসর্গ লোপ পেয়ে ও-কার যুক্ত হয়েছে এবং শব্দটি 'দুর্যোগ' হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুযায়ী অ-কার বা আ-কারের পর বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম বর্ণ কিংবা য, র, ল, ব, হ থাকলে বিসর্গ ও-কার হয়। - এখানে 'দুঃ' এর উ-কারের পর বিসর্গ এবং পরে 'য' থাকার কারণে বিসর্গটি ও-কারে রূপান্তরিত হয়েছে এবং দ এর সঙ্গে ও কার যুক্ত হয়ে দো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমঃ + নাম = নমস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের পর ন থাকলে বিসর্গ ও-কার না হয়ে দন্ত্য স হয়। উদাহরণ ২: বয়ঃ + বৃদ্ধ = বয়োবৃদ্ধ ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের পর ব থাকার কারণে বিসর্গটি ও-কারে পরিণত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুহঃ + যোগ — দুহঃ বলে কোনো প্রমিত শব্দ বা উপসর্গ বাংলায় নেই, তাই এই সন্ধি বিচ্ছেদটি সম্পূর্ণ ভুল। B) দুঃ + যোগ — এটি সঠিক অপশন এবং প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তর হিসেবে এটি নির্ভুল। C) দূর + যোগ — দূর কোনো প্রমিত উপসর্গ নয় যা সরাসরি যোগের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) দূরং + যোগ — দূরং বলে কোনো শব্দ বা পদ বাংলায় সন্ধির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় না, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পর য, র, ল, ব, হ থাকলে বিসর্গ ও-কার হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে দুর্যোগ, বয়োবৃদ্ধ শব্দগুলোর সন্ধি সহজে পার করবে। - দু যোগ যোগ সমান দুর্যোগ, এই সহজ সূত্রটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই নিপাতনে সিদ্ধ ও নিয়মের সন্ধিগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে। - একই নিয়মে তৈরি শব্দগুলো বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a মৌলিক ধ্বনি
b যৌগিক ধ্বনি
c স্পর্শ ধ্বনি
d নাসিকা ধ্বনি
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্পর্শ ধ্বনি ১. কেন সঠিক: - ক থেকে ম পর্যন্ত মোট পঁচিশটি ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের বিভিন্ন অঙ্গ পরস্পর স্পর্শ করে উচ্চারিত হয় বলে এদের স্পর্শ ধ্বনি বলা হয়। - বাংলা বর্ণমালায় ক বর্গ থেকে ম বর্গ পর্যন্ত পাঁচটি ধ্বনিগুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত পঁচিশটি বর্ণকে একত্রে স্পৃষ্ট বা স্পর্শ ধ্বনি হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি প্রকরণে উচ্চারণের স্থান ও প্রকৃতি অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। - ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি ধ্বনিকে পাঁচটি বর্গে ভাগ করা হয়েছে এবং এই কারণে এদের বর্গীয় ধ্বনিও বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক ব্যাখ্যা: এটি কবর্গের প্রথম ধ্বনি এবং মুখবিবরের কণ্ঠ্যমূল স্পর্শ করে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: প ব্যাখ্যা: এটি পবর্গের প্রথম ধ্বনি এবং দুটি ঠোঁটের স্পর্শে উচ্চারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌলিক ধ্বনি — মৌলিক ধ্বনি বলতে ভাষার ক্ষুদ্রতম স্বতন্ত্র একককে বোঝায় যা পঁচিশটি ব্যঞ্জনধ্বনির সমষ্টিকে নির্দেশ করে না। B) যৌগিক ধ্বনি — যৌগিক ধ্বনি বা স্বরজ্ঞাপক ধ্বনি বলতে মূলত দুটি স্বরধ্বনির মিলিত রূপ ওই এবং ঔ কে বোঝায়। D) নাসিকা ধ্বনি — নাসিকা ধ্বনি হলো সেই ধ্বনিগুলো যা উচ্চারণের সময় বায়ুর কিছু অংশ নাক দিয়ে বের হয় যেমন ঙ, ঞ, ণ, ন, ম। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি বর্ণকে ক-বর্গ থেকে প-বর্গ পর্যন্ত সাজিয়ে স্পর্শ ধ্বনি মনে রাখা সহজ। - স্পর্শ ধ্বনি মনে রাখার জন্য বর্গীয় বর্ণগুলোর প্রথম ও শেষ বর্ণ মনে রাখলেই যথেষ্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্পর্শ ধ্বনির সংখ্যা কতটি তা জানতে চাওয়া হয়। - ক থেকে ম পর্যন্ত বর্ণগুলোর অপর নাম যে বর্গীয় ধ্বনি, তা পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি।
a আবদুল হাকিম
b শাহ মুহম্মদ সগীর
c শাহ গরীবুল্লাহ
d মুহাম্মদ কবীর
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুহাম্মদ কবীর ১. কেন সঠিক: 'ইউসুফ-জুলেখা' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রণয়কাব্য। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে মুহাম্মদ কবীর 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্য রচনা করেননি, বরং এই নামে অন্য একজন বিখ্যাত কবি কাব্য রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে ইউসুফ-জুলেখা কাহিনীর ওপর একাধিক কবি কাব্য রচনা করেছেন। শাহ মুহম্মদ সগীর, শাহ গরীবুল্লাহ এবং আবদুল হাকিম প্রত্যেকেই ইউসুফ-জুলেখা কাব্য রচনা বা অনুবাদ করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত 'ইউসুফ-জুলেখা' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক প্রণয়কাব্য এবং গৌড় সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে রচিত হয়। উদাহরণ ২: দৌড় উজির বা অন্য কবিদের ইউসুফ-জুলেখা রচনা ব্যাখ্যা: মধ্যযুগে পারস্যের ইউসুফ ও জুলেখার প্রেমের কাহিনী অবলম্বনে বাংলা ভাষায় অনেকগুলো কাব্য রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল হাকিম — ভুল কারণ সপ্তদশ শতকের এই বিশিষ্ট কবিও 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্য রচনা করেছিলেন। B) শাহ মুহম্মদ সগীর — ভুল কারণ তিনি গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের আমলেই বাংলা ভাষায় প্রথম 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্য রচনা করেন। C) শাহ গরীবুল্লাহ — ভুল কারণ মধ্যযুগের এই কবিও 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্য রচনা করে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। D) মুহাম্মদ কবীর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই নামের কোনো কাব্য রচনা করেননি, তাই তিনি এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের বিখ্যাত 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্যটি শাহ মুহম্মদ সগীর রচনা করেছিলেন, যা পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু একাধিক কবি এই কাহিনী নিয়ে লিখেছেন, তাই মূল কবিদের নাম আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক প্রণয়কাব্য হলো ইউসুফ-জুলেখা এবং এর রচিয়তা শাহ মুহম্মদ সগীর। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কাব্যের রচিয়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই কবিদের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a ইহারা
b যিনি
c নিজে নিজে
d কেহ
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিজে নিজে ১. কেন সঠিক: যে সর্বনাম পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে পরস্পরতা, পারস্পরিকতা বা একই কাজের দ্বিত্ব প্রকাশ করে, তাকে ব্যতিহারিক সর্বনাম বলে। এখানে 'নিজে নিজে' পদটি একই পদের পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে পারস্পরিকতা বা স্বয়ংক্রিয়তা প্রকাশ করায় এটি ব্যতিহারিক সর্বনামের সঠিক উদাহরণ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সর্বনাম পদকে বিভিন্ন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে যার মধ্যে ব্যতিহারিক সর্বনাম পারস্পরিক সম্পর্ক বা দ্বিত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের সর্বনাম সাধারণত দুটি একই শব্দ পাশাপাশি বসে গঠিত হয় এবং বাক্যে কর্তা বা কর্মের পারস্পরিক বোঝাপড়া নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনারা আপসে আপসে মীমাংসা করে নিন। ব্যাখ্যা: এখানে 'আপসে আপসে' পদটি পারস্পরিক বোঝাপড়া বা ব্যতিহারিক সর্বনাম হিসেবে কাজ করেছে। উদাহরণ ২: তারা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করছে না। ব্যাখ্যা: এখানে 'নিজেদের' শব্দটি পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝাতে ব্যতিহারিক সর্বনামের ভূমিকা পালন করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইহারা — এটি নির্দেশক বা ব্যক্তিবাচক সর্বনামের বহুবচন রূপ, যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে। B) যিনি — এটি সম্বন্ধবাচক বা সাপেক্ষ সর্বনাম, যা বাক্যের অন্য অংশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়। D) কেহ — এটি অনির্দিষ্টবাচক সর্বনাম, যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: একই শব্দ জোড়ায় জোড়ায় বসে যখন পারস্পরিকতা বা নিজেদের মধ্যে কোনো কাজের ভাব প্রকাশ করে, তখন তাকে ব্যতিহারিক সর্বনাম হিসেবে চিনে নেবে। পরীক্ষায় দ্বিত্ব শব্দযুক্ত সর্বনাম দেখলে ব্যতিহারিক সর্বনাম হিসেবে দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বনামের শ্রেণীবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ব্যতিহারিক সর্বনাম চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো শব্দের দ্বিত্ব বা পুনরাবৃত্তি লক্ষ্য করা।
a অক্ষরবৃত্ত
b মাত্রাবৃত্ত
c স্বরবৃত্ত
d অমিত্রাক্ষর ছন্দ
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাত্রাবৃত্ত ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত, যা মূলত দলবৃত্ত বা স্বরবৃত্ত ছন্দের আদি রূপ হিসেবেও বিবেচিত হয়। - প্রাচীন বাংলার এই পদগুলো গীত বা গান হিসেবে গাওয়া হতো বলে এর ছন্দ মাত্রাবৃত্ত বা কলাবৃত্ত ছন্দের নিয়ম মেনে চলে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং এর আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। - চর্যাপদের ভাষা সন্ধ্যভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা নামে পরিচিত এবং এর রচয়িতারা সিদ্ধাচার্যগণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদ 'কায় তরুবর পঞ্চ বি ডাল' মাত্রাবৃত্ত ছন্দের কাঠামোগত সুর ও লয় অনুসরণ করে রচিত হয়েছে। ব্যাখ্যা: এই পদে দল বা মাত্রা গণনার ক্ষেত্রে মাত্রাবৃত্ত ছন্দের প্রবহমানতা স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যও মাত্রাবৃত্ত ছন্দের প্রভাবে রচিত একটি মধ্যযুগীয় গুরুত্বপূর্ণ বাংলা কাব্য। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের ছন্দরীতির ধারাবাহিকতা পরবর্তীতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যেও কিছুটা বজায় থাকতে দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষরবৃত্ত — অক্ষরবৃত্ত ছন্দ আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য এবং এটি মূলত অমিত্রাক্ষর ও সনেট কাব্যে ব্যবহৃত হয়। B) মাত্রাবৃত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ চর্যাপদের পংক্তিগুলো মাত্রাবৃত্ত ছন্দের মাত্রার নিয়ম ও পঙক্তির বিন্যাস মেনে চলে। C) স্বরবৃত্ত — স্বরবৃত্ত ছন্দ লোকসাহিত্যে বা ছড়ায় বেশি দেখা যায়, যা দ্রুত লয়ের এবং চর্যাপদ এর চেয়ে ধীর লয়ের মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। D) অমিত্রাক্ষর ছন্দ — মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেন, যার সাথে প্রাচীন চর্যাপদের কোনো ঐতিহাসিক বা কাঠামোগত সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদ গান হিসেবে গাওয়া হতো এবং গান গাওয়ার জন্য মাত্রাবৃত্ত ছন্দের লয় সবচেয়ে উপযোগী। - প্রাচীন গান মানেই মাত্রাবৃত্ত ছন্দ এই কৌশলটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের ছন্দ নিয়ে বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও প্রমিত সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে এটি উদ্ধার করেন।
a বিপর্যস্ত হওয়া
b অবাক হওয়া
c দোটানা অবস্থা হওয়া
d হতবুদ্ধি হওয়া
0 38 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দোটানা অবস্থা হওয়া কেন সঠিক: ত্রিশঙ্কু দশা প্রবচনটি এমন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে যেখানে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয় না। এই বিশেষ অবস্থায় মানুষ দুইয়ের মাঝে পড়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে এবং সঠিক পথ বেছে নিতে পারে না। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ত্রিশঙ্কু পৌরাণিক চরিত্র যিনি স্বর্গ ও মর্ত্যের মাঝে ঝুলে ছিলেন এবং কোনো লোকই পাননি। বাংলা সাহিত্যে ও ভাষার ব্যবহারে এই পৌরাণিক ঘটনাটি দোটানা বা অনিশ্চিত অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন মাঝ আকাশে আটকে থাকা বিমান বা দুই দিকের আকর্ষণে পড়ে থাকা দোদুল্যমান মনের অবস্থাকে ত্রিশঙ্কু দশা বলা চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপর্যস্ত হওয়া — এই অর্থটি সম্পূর্ণ ধ্বংস বা বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা ত্রিশঙ্কু দশার অনিশ্চয়তা প্রকাশ করে না। B) অবাক হওয়া — এই কথাটি কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা দেখে বিস্মিত হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা দোটানা নয়। C) দোটানা অবস্থা হওয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই এবং এটি এখানে প্রযোজ্য। D) হতবুদ্ধি হওয়া — এই অর্থটি হঠাৎ কোনো বিপদে পড়ে কী করব বুঝতে না পারার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ত্রিশঙ্কু মানেই মাঝখানে ঝুলে থাকা বা দুই দিকের টান। তাই পরীক্ষার খাতায় এই প্রশ্ন পেলে নিশ্চিতভাবে দোটানা অবস্থা চিহ্নিত করবে।
a ১ম চন্দ্রগুপ্ত
b ২য় চন্দ্রগুপ্ত
c শ্রীগুপ্ত
d ভিনসেন্ট স্মিথ
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২য় চন্দ্রগুপ্ত ১. কেন সঠিক: প্রাচীন ভারতের গুপ্ত সাম্রাজ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত 'বিক্রমাদিত্য' উপাধি ধারণ করেছিলেন। তাঁর শাসনকালে শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ব্যাপক বিকাশ ঘটেছিল এবং তাঁর রাজসভায় নবরত্ন উপস্থিত ছিলেন। ২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা: প্রাচীন ভারতের ইতিহাস ও সাহিত্যিক প্রেক্ষাপটে গুপ্ত রাজবংশের রাজারা বিভিন্ন গৌরবময় উপাধি গ্রহণ করতেন। দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালকে ভারতের ধ্রুপদী যুগের স্বর্ণযুগ বলা হয় এবং এই সময়ে বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন ভারতে এসেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমুদ্রগুপ্ত ব্যাখ্যা: তিনি প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ন নামে পরিচিত ছিলেন এবং কবিরাজ উপাধি ধারণ করেছিলেন। উদাহরণ ২: প্রথম চন্দ্রগুপ্ত ব্যাখ্যা: তিনি গুপ্ত রাজবংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা এবং মহারাজা অধিরাজ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ম চন্দ্রগুপ্ত — তিনি 'মহারাজাধিরাজ' উপাধি ধারণ করেছিলেন, বিক্রমাদিত্য উপাধি নেননি। B) ২য় চন্দ্রগুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বিক্রমাদিত্য উপাধি ধারণ করেছিলেন। C) শ্রীগুপ্ত — তিনি গুপ্ত রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা এবং কেবল 'মহারাজ' উপাধি ধারণ করেছিলেন। D) ভিনসেন্ট স্মিথ — তিনি কোনো প্রাচীন ভারতীয় সম্রাট নন, বরং একজন ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ। ৫ মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় শব্দের সাথে বিক্রমাদিত্য যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তই এই উপাধি পেয়েছিলেন। ইতিহাসের রাজাদের উপাধিগুলো আলাদা করে একটি ছোট তালিকায় লিখে প্র্যাকটিস করলে সহজেই মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন ভারতীয় রাজাদের উপাধি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। সমুদ্রগুপ্তের ভারতের নেপোলিয়ন উপাধি এবং দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের বিক্রমাদিত্য উপাধি খুব ভালোভাবে মনে রাখবে।
a দিলরুবা-আব্দুল কাদির
b সাত সাগরের মাঝি- ফররুখ আহমেদ
c নূরনামা-আব্দুল হাকিম
d জীবন কথা-জসীমউদ্দীন
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাত সাগরের মাঝি- ফররুখ আহমেদ ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থটি, যার মূল উপজীব্য হলো ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য। - এই কাব্যে মুসলিম সংস্কৃতির গৌরব, ঐতিহ্য এবং ইসলামী ভাবধারার নান্দনিক প্রকাশ ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফররুখ আহমেদ বাংলা সাহিত্যের মুসলিম রেনেসাঁস বা নবজাগরণের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতায় ইসলামী সংস্কৃতির প্রতীকী ও ঐতিহ্যিক রূপায়নের এক অনন্য সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাশ ব্যাখ্যা: এটি ফররুখ আহমেদের রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা, যা পাকিস্তান আন্দোলনের পটভূমিতে ও ইসলামী ভাবধারায় রচিত। উদাহরণ ২: সিরাজাম মুনীরা ব্যাখ্যা: এটিও ফররুখ আহমেদের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিলরুবা-আব্দুল কাদির — এটি কবি আব্দুল কাদিরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এর মূল উপজীব্য ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নয়। B) সাত সাগরের মাঝি- ফররুখ আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) নূরনামা-আব্দুল হাকিম — এটি মধ্যযুগের পুথি সাহিত্যধারার একটি রচনা, যা শরিয়ত ও ইসলামের বিভিন্ন বিধানের ওপর রচিত হলেও মূল আলোচ্য বিষয় ভিন্ন। D) জীবন কথা-জসীমউদ্দীন — এটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের একটি আত্মজীবনীমূলক বা জীবনভিত্তিক গ্রন্থ, যা ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাত সাগর মানে বিশাল সমুদ্র, আর ইসলামের ইতিহাসও অনেক বিশাল ও ঐতিহ্যমণ্ডিত। - কবি ফররুখ আহমেদের নাম দেখলে সাধারণত ইসলামী ঐতিহ্য ও রেনেসাঁস ভাবধারার কথা মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফররুখ আহমেদের সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থের নাম এবং এর মূল থিম প্রায়ই আসে। - মুসলিম রেনেসাঁসের কবি হিসেবে ফররুখ আহমেদের সাহিত্যকর্মগুলো ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a ব্যাপ্ত
b বিতর্ক
c বিনয়
d উপরের সবকটি
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবকটি কেন সঠিক: প্রদত্ত অপশনগুলোর প্রতিটি শব্দেই উপসর্গ যুক্ত রয়েছে। কোনো শব্দই উপসর্গহীন নয়, তাই ডি অপশনটি সঠিক। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয় সূচক শব্দাংশ যা শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত যেমন খাঁটি বাংলা, তৎসম এবং বিদেশী উপসর্গ। যেমন হার শব্দের আগে বি উপসর্গ যোগ হয়ে বিহার শব্দ গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাপ্ত — এই শব্দটিতে বি উপসর্গ যুক্ত আছে, তাই এটি উপসর্গযোগে গঠিত। B) বিতর্ক — এই শব্দটিতে বি উপসর্গ যুক্ত আছে, তাই এটি উপসর্গযোগে গঠিত। C) বিনয় — এই শব্দটিতে বি উপসর্গ যুক্ত আছে, তাই এটি উপসর্গযোগে গঠিত। D) উপরের সবকটি — উপরের প্রতিটি শব্দই উপসর্গযুক্ত হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: শব্দের প্রথমে কোনো অব্যয় অংশ যেমন প্র, পরা, অপ থাকলে তা সাধারণত উপসর্গ হয়। মূল শব্দ থেকে উপসর্গ আলাদা করার অভ্যাস করলে পরীক্ষার সময় ভুল হবে না।
a 1743
b 1834
c 1734
d 1843
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭৪৩ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ প্রথম মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় ১৭৪৩ সালে। পর্তুগিজ ভাষায় রচিত এই ব্যাকরণটি লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি বাংলা ভাষার ওপর রচিত প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ গ্রন্থ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটির পূর্ণ নাম ভোদাবের কি উক্তি ও কথোপকথন। এটি রচনা করেছিলেন ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁও নামক একজন পর্তুগিজ পাদ্রি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁও রচিত কীর্তন গ্রন্থ ব্যাখ্যা: এই পাদ্রি বাংলা ভাষায় খ্রিস্টধর্ম প্রচারের জন্য রোমান হরফে বাংলা শব্দ ও বাক্য মুদ্রণ করেছিলেন। উদাহরণ ২: ব্রাসি হালহেড রচিত ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি ১৭৭৮ সালে হোয়েলু থেকে প্রকাশিত হয় এবং এর নাম ছিল এ গ্রামার অব দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৪৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ প্রকাশিত হয়। B) ১৮৩৪ — এই সালে কোনো প্রথম বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয়নি এবং এটি ভুল সাল। C) ১৭৩৫ — এই অপশনটি কাল্পনিক এবং বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৮৪৩ — এই সালে তত্ত্বরঞ্জিনী সভা বা অন্যান্য সাহিত্যিক ঘটনা ঘটেছিল কিন্তু প্রথম ব্যাকরণ প্রকাশিত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৭৪৩ সালটি মনে রাখতে পর্তুগিজ পাদ্রি ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁও এবং ১৭৪৩ সংখ্যাটি জোড়া মনে রাখতে পারো। প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ মানেই ১৭৪৩ সাল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম বাংলা ব্যাকরণ ও এর লেখকের নাম আসে। ম্যানুয়েল দা আস্‌সুম্পসাঁও রচিত গ্রন্থটি রোমান হরফে মুদ্রিত প্রথম বাংলা বই।
a আনোয়ার পাশা
b হাসান হাফিজুর রহমান
c শহীদুল্লাহ কায়সার
d জহির রায়হান
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আনোয়ার পাশা ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর আনোয়ার পাশা কারণ তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এই উপন্যাসটি রচনা করেছিলেন। - রাইফেল রোটি আওরাত শব্দের অর্থ হলো বন্দুক, রুটি ও নারী যা তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক জান্তার ধ্বংসলীলা ও বর্বরতাকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আনোয়ার পাশা একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন যিনি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন। - রাইফেল রোটি আওরাত হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেন রচিত মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস হাঙ্গরের নদী গ্রেনেড। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের গ্রামীণ জনপদের চিত্র ও নারীর অবদান ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস জনক ও জননী। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনোয়ার পাশা — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি রাইফেল রোটি আওরাত উপন্যাসের রচয়িতা। B) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সম্পাদক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তিনি ঐতিহাসিক বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র সংকলন ও সম্পাদনার জন্য বিখ্যাত। C) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো সারেং বউ ও সংশপ্তক। D) জহির রায়হান — তিনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হলেও তাঁর বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো আরেক ফাল্গুন। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাইফেল হাতে আনোয়ার পাশা ১৯৭১ সালে রুটি ও আওরাত নিয়ে একটি অনন্য উপন্যাস লিখে অমর হয়ে আছেন। - মুক্তিযুদ্ধের প্রথম উপন্যাস মনে রাখতে লেখকের নামের সাথে এই বিশেষ উপন্যাসের নাম মিলিয়ে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রাইফেল রোটি আওরাত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য উপন্যাসের রচয়িতা ও তাদের সাহিত্যকর্মের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
a অরণ্য
b পর্বত
c স্থাবর
d সমুদ্র
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্থাবর ১. কেন সঠিক: - জঙ্গম শব্দের অর্থ যা নড়াচড়া করতে পারে বা গতিশীল। - স্থাবর শব্দের অর্থ যা নড়াচড়া করতে পারে না বা অপরিবর্তনীয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎসের রূপ এবং অর্থের বিপরীত দিক বিবেচনা করতে হয়। - বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় পদের সংগতি রক্ষা করা জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সচল ও অচল ব্যাখ্যা: সচল এবং অচল শব্দ দুটি যথাক্রমে গতিশীল ও স্থিতিশীল অবস্থা বোঝাতে বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চেতন ও অচেতন ব্যাখ্যা: চেতন এবং অচেতন শব্দ দুটি মনের ভাব ও অস্তিত্বের বিপরীত অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অরণ্য — অরণ্য শব্দের অর্থ বন বা জঙ্গল, যা জঙ্গম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) পর্বত — পর্বত শব্দের অর্থ পাহাড়, যা জঙ্গম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে প্রযোজ্য নয়। C) স্থাবর — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ কারণ এটি গতিশীলের বিপরীত স্থির বা অপরিবর্তনীয় অবস্থা প্রকাশ করে। D) সমুদ্র — সমুদ্র শব্দের অর্থ জলরাশি বা সাগর, যা জঙ্গম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জঙ্গম মানে যা চলে আর স্থাবর মানে যা থাকে বা আটকে থাকে। - এই দুটি শব্দ পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রায়ই বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই মূল সংস্কৃত রূপের সঙ্গে মিল রেখে চয়ন করতে হয়। - শব্দার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে বিপরীতার্থক শব্দের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a বাঁধন-হারা
b মৃত্যুক্ষুধা
c কুহেলিকা
d শিউলিমালা
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুহেলিকা ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক উপন্যাসে জাহাঙ্গীর চরিত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। উপন্যাসের পটভূমি ও চরিত্র বিশ্লেשণ করলে দেখা যায় জাহাঙ্গীর চরিত্রটি বিপ্লব ও দেশপ্রেমের প্রতীক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের একজন বিদ্রোহী কবি হলেও তিনি কয়েকটি উপন্যাসও রচনা করেছেন। তার এই উপন্যাসগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও প্রেমের সংঘাত অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধন-হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং পত্রোপন্যাস ধারার একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যেখানে দরিদ্র মানুষের জীবনসংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁধন-হারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস হলেও এর কেন্দ্রীয় চরিত্র জাহাঙ্গীর নয়, বরং এটি পত্রোপন্যাস। B) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক ও দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের জীবনের উপন্যাস, যেখানে জাহাঙ্গীর চরিত্রটি নেই। D) শিউলিমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প সংকলন, কোনো উপন্যাস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের রাজনৈতিক উপন্যাস কুহেলিকা মনে রাখতে কুহেলিকা শব্দের সাথে জাহাঙ্গীর চরিত্রটি যুক্ত করে একটি ছোট্ট বাক্য বানিয়ে নিতে পারো। উপন্যাস মনে রাখার সময় লেখকের লেখার ধরন ও চরিত্রগুলো একসাথে মিলিয়ে পড়া সবচেয়ে কার্যকর উপায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কাজী নজরুল ইসলামের মাত্র তিনটি উপন্যাস রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপন্যাস তিনটি হলো বাঁধন-হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা, যেগুলোর নাম ও চরিত্র ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ৩১, ৯, ১০
b ৩২, ৭, ১১
c ৩০, ৮, ১২
d ৩২, ৮, ১০
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩২, ৮, ১০ ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে পূর্ণমাত্রা বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রা বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। এই সংখ্যাগুলো প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী নির্দিষ্ট করা হয়েছে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি নিয়ে মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে। পূর্ণমাত্রা বর্ণ হলো those letters যেগুলোর উপরে সম্পূর্ণ রেখা বা মাত্রা থাকে, যার মোট সংখ্যা ৩২টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, ঈ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো পূর্ণমাত্রা স্বরবর্ণের কয়েকটি উদাহরণ। উদাহরণ ২: ক, চ, ত, প ব্যাখ্যা: এগুলো হলো পূর্ণমাত্রা ব্যঞ্জনবর্ণের কয়েকটি উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১, ৯, ১০ — এই সংখ্যাগুলো বাংলা বর্ণমালার মাত্রার সঠিক বিন্যাস নয় কারণ পূর্ণমাত্রা ৩২টি। B) ৩২, ৭, ১১ — এখানে অর্ধমাত্রার সংখ্যা ৭টি বলা হয়েছে যা ভুল, অর্ধমাত্রা ৮টি। C) ৩০, ৮, ১২ — এখানে পূর্ণমাত্রার সংখ্যা ৩০টি বলা হয়েছে যা সঠিক নয়, পূর্ণমাত্রা ৩২টি। D) ৩২, ৮, ১০ — এটি সঠিক কারণ এতে পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি বলা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: মাত্রার হিসাব মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ৩২ যোগ ৮ যোগ ১০ সমান ৫০। পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাহীন ১০ এভাবে ক্রমানুসারে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পূর্ণমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। স্বরবর্ণে পূর্ণমাত্রা ৬টি, অর্ধমাত্রা ১টি এবং মাত্রাহীন ৪টি বর্ণ রয়েছে তা আলাদাভাবে মনে রাখা দরকার।
a তৎসম
b তদ্ভব
c ফারসী
d তুর্কি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দগুলো যেমন মুচলেকা, লাশ এবং কুর্নিশ তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - বাংলা ভাষা বিভিন্ন বিদেশি ভাষার সংস্পর্শে এসে অনেক নতুন শব্দ গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে তুর্কি শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস বা শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত তৎসম, তদ্ভব, অর্ধতদ্সম, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো মূলত প্রশাসনিক, সামরিক এবং দৈনন্দিন জীবনের কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্র প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা শব্দটি একটি বহুল ব্যবহৃত তুর্কি শব্দ যা প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চাকর ব্যাখ্যা: চাকর শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দ যা কাজের লোক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম — তৎসম শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত আছে। B) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। C) ফারসী — ফারসী ভাষার শব্দসমূহ প্রধানত ধর্ম, আইন এবং সংস্কৃতি সম্পর্কিত হলেও মুচলেকা, লাশ, কুর্নিশ এই শব্দগুলো ফারসী নয়। D) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নোক্ত শব্দগুলো তুর্কি ভাষার অন্তর্গত। ৫. মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দগুলো সহজে মনে রাখতে একটি বাক্য মনে রাখতে পারো: দারোগা ও চাকর মিলে লাশ ও মুচলেকা নিয়ে কুর্নিশ করল। - এই ধরনের শব্দগুলো সাধারণত শাসনকার্য ও সামরিক জীবনের সাথে যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তুর্কি, ফারসী ও আরবি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
a বাক প্রত্যঙ্গ
b অঙ্গ ধ্বনি
c স্বরতন্ত্রী
d নাসিকাতন্ত্র
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাক প্রত্যঙ্গ ১. কেন সঠিক: মানুষের কথা বলার সময় ফুসফুস থেকে তাড়িয়ে দেওয়া বাতাস মুখগহ্বরের ভেতর নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে বাধা পেয়ে বিভিন্ন ধ্বনি তৈরি করে। ফুসফুস, কণ্ঠনালি, জিহ্বা, তালু, দাঁত, ওষ্ঠ, নাক ইত্যাদি অঙ্গগুলো ধ্বনি উৎপাদনে সরাসরি কাজ করে বলে এদের একত্রে বাক প্রত্যঙ্গ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের এই আলোচনা মূলত ধ্বনি উৎপাদনের স্থান ও প্রক্রিয়া সম্পর্কিত। বাগ প্রত্যঙ্গ বা বাকযন্ত্র হলো মানুষের কথা বলার যন্ত্রসমূহ, যার সাহায্যে আমরা ব্যঞ্জন ও স্বরধ্বনিগুলো স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে পারি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জিহ্বা ব্যাখ্যা: জিহ্বা মুখের ভেতরে নড়াচড়া করে বিভিন্ন স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি তৈরিতে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করে। উদাহরণ ২: ওষ্ঠ বা ঠোঁট ব্যাখ্যা: ঠোঁটের আকৃতি পরিবর্তিত হয়ে প, ব বা উ ধ্বনি উচ্চারণে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক প্রত্যঙ্গ — এটি ধ্বনি তৈরিতে সাহায্যকারী অঙ্গগুলোকে বোঝায় বিধви এটি সঠিক উত্তর। B) অঙ্গ ধ্বনি — বাংলা ব্যাকরণে অঙ্গ ধ্বনি নামে সুনির্দিষ্ট কোনো পরিভাষা বা ব্যাকরণিক একক নেই। C) স্বরতন্ত্রী — এটি বাক প্রত্যঙ্গের একটি অংশ মাত্র, কিন্তু সমগ্র অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে বোঝাতে এটি যথেষ্ট নয়। D) নাসিকাতন্ত্র — এটি নাক ও শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কিত তন্ত্র, যা কেবল নাসিক্য ধ্বনি তৈরিতে সাহায্য করে। ৫ মনে রাখার টিপস: কথা বলার বা বাক তৈরির সঙ্গে যুক্ত সব প্রত্যঙ্গকে একত্রে বাক প্রত্যঙ্গ বলা হয়। মনে রাখবে বাক অর্থ কথা এবং প্রত্যঙ্গ অর্থ অঙ্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা উচ্চারণের ক্ষেত্রে ফুসফুস থেকে মুখবিবর পর্যন্ত বিস্তৃত অঙ্গগুলোকে বাকযন্ত্র বা বাক প্রত্যঙ্গ বলা হয়। এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি তত্ত্ব অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
a 1349
b 1342
c 1335
d 1338
0 31 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৩৮ ১. কেন সঠিক: ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ ১৩৩৮ সালে সোনারগাঁয়ে স্বাধীন সুলতানি শাসনের গোড়াপত্তন করেন এবং শাসন ক্ষমতা দখল করেন। এর মাধ্যমে তিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং দিল্লির সুলতানি শাসন থেকে সোনারগাঁকে মুক্ত করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্য ও বাংলাদেশ ইতিহাস বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা মধ্যযুগের বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস নির্দেশ করে। ১৩৩৮ থেকে ১৩৫২ সাল পর্যন্ত ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ সোনারগাঁয়ের স্বাধীন সুলতান হিসেবে রাজত্ব করেন এবং এ সময় বাংলার ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৩৩৮ সাল ব্যাখ্যা: এই সালে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ সোনারগাঁয়ে স্বাধীন সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। উদাহরণ ২: ইবনে বতুতা ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত মরক্কোর পরিব্রাজক ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের আমলেই বাংলা ভ্রমণ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৪৯ — এই সালে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের শাসনকাল শেষ বা এর কাছাকাছি সময়ে বাংলার রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটেছিল, যা ক্ষমতা দখলের সাল নয়। B) ১৩৪২ — এই সালে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ লখনউতিতে ক্ষমতা লাভ করেন, যা সোনারগাঁয়ের ফখরুদ্দিনের ক্ষমতা দখলের সাল নয়। C) ১৩৩৫ — এই সালে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ বিদ্রোহ ঘোষণা করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে সোনারগাঁয়ের শাসন ক্ষমতা দখল করেন ১৩৩৮ সালে। D) ১৩৩৮ — এটি সঠিক সাল কারণ এই বছরই ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ সোনারগাঁয়ের স্বাধীন সুলতান হন। ৫. মনে রাখার টিপস: ফখরুদ্দিনের সোনারগাঁ দখল মনে রাখতে মনে রাখুন যে তিনি ১৩৩৮ সালে ক্ষমতা নিয়েছিলেন এবং ইবনে বতুতা তার আমলেই বাংলায় এসেছিলেন। সুলতানি আমলের শুরুর এই সালটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বাংলার স্বাধীন সুলতানি আমলের প্রতিষ্ঠাতা ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ সম্পর্কে জানলে বেশ কয়েকটি বিসিএস প্রশ্ন কমন পাওয়া যায়। তার শাসনকাল এবং ইবনে বতুতার ভ্রমণ সংক্রান্ত তথ্যগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a Leave on holidays
b Spending time in France
c Leave without permission
d Emergency Leave
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Leave without permission কেন সঠিক: এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম যার শাব্দিক অর্থ ফরাসি ছুটি হলেও এর প্রকৃত ভাবার্থ হলো বিনা অনুমতিতে বা না জানিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করা। আটত্রিশ শতাব্দীতে ফরাসি সংস্কৃতিতে মালিক বা কর্তার অনুমতি না নিয়ে সামাজিক অনুষ্ঠান বা পার্টিতে চলে যাওয়ার একটি প্রচলিত প্রথা ছিল। এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকেই মূলত বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকাকে এই বিশেষ বাগধারা দ্বারা প্রকাশ করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অনুমতি ছাড়া ছুটি নেওয়া অপশনটিকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Leave on holidays — এটি দিয়ে ছুটির দিনে বা বৈধ অবকাশ যাপনের ছুটি বোঝায়, কিন্তু ফরাসি ছুটির আসল অর্থ অননুমোদিত অনুপস্থিতি। B) Spending time in France — এটি ফ্রেঞ্চ লিভ ইডিওমের আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও এর কোনো রূপক বা প্রবাদমূলক বাগ্ধারাভিত্তিক অর্থ নেই। D) Emergency Leave — এটি জরুরি প্রয়োজনে নেওয়া বৈধ ছুটি বোঝায়, যা বিনা অনুমতিতে কাজ থেকে পালানোর সাথে পুরোপুরি অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: ফ্রেঞ্চ শব্দ দেখলে ফ্রান্স না ভেবে বুঝবে বিনা অনুমতিতে পালিয়ে যাওয়া।
a height
b width
c length
d depth
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) height কেন সঠিক: Altitude শব্দটির বাংলা অর্থ হলো উচ্চতা বা কোনো স্থানের উচ্চ অবস্থান। Height শব্দটির অর্থও উচ্চতা বা লম্বালম্বি পরিমাপ বোঝায়। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় একই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) height — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ altitude শব্দের সমার্থক। B) width — এর অর্থ প্রস্থ, যা উচ্চতার বিপরীত একটি পরিমাপ। C) length — এর অর্থ দৈর্ঘ্য, যা কোনো বস্তুর দীর্ঘ দিক নির্দেশ করে। D) depth — এর অর্থ গভীরতা, যা ওপর থেকে নিচের দূরত্ব বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Altitude শব্দটি বিমান চলাচলের সময় উচ্চতা মাপতে বেশি ব্যবহৃত হয়, যা height শব্দের সাথে মিল আছে।
a Alfred Tennyson
b Robert Browning
c William Wordsworth
d Matthew Arnold
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) William Wordsworth কেন সঠিক: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি নন, তিনি মূলত রোমান্টিক যুগের প্রধান কবি হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে পরিচিত। ভিক্টোরিয়ান যুগ শুরু হয় ১৮৩৭ সাল থেকে, অথচ ওয়ার্ডসওয়ার্থ তার আগেই সাহিত্য সাধনা করেছেন। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ লিরিক্যাল ব্যালাডস প্রকাশিত হয় ১৭৯৮ সালে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Alfred Tennyson — আলফ্রেড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রতিনিধি স্থানীয় কবি। B) Robert Browning — রবার্ট ব্রাউনিং ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং নাট্যধর্মী কবিতার জন্য বিখ্যাত। C) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। D) Matthew Arnold — ম্যাথিউ আর্নল্ড ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক। মনে রাখার টিপস: ওয়ার্ডসওয়ার্থ হলেন প্রকৃতির কবি যিনি রোমান্টিক যুগের প্রতিনিধিত্ব করেন, তাই তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের নন।
a 100 year
b 1000 year
c 1 million year
d 1 billion year
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০০০ year কেন সঠিক: Millennium শব্দটির মূল অর্থ হলো এক হাজার বছর বা ১০ শতাব্দীর একটি দীর্ঘ সময়কাল। ইংরেজি পরিভাষায় ঐতিহাসিক বা জ্যোতির্বিজ্ঞানের সময় গণনায় এটি ১০০০ বছর বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ year — এটি শতাব্দী বা Century বোঝায়, যা Millennium এর চেয়ে কম। B) ১০০০ year — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়কাল বোঝায়। C) ১ million year — এটি দশ লক্ষ বছর বোঝায় যা Millennium এর তুলনায় অনেক বেশি বড়। D) ১ billion year — এটি এক শ কোটি বছর বোঝায় যা ভূতাত্ত্বিক সময়ের সাথে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: Millennium শব্দের শুরুতে M অক্ষরটি থাকে যা রোমান সংখ্যায় ১০০০ নির্দেশ করে।
a by
b on
c at
d to
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: adhere শব্দের অর্থ কোনো নীতি বা নিয়মের প্রতি অবিচল থাকা বা মেনে চলা। এর সাথে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় to ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — adhere শব্দের সাথে নিয়ম অনুযায়ী by প্রিপজিশন বসে না। B) on — বাক্যের অর্থের সাথে on প্রিপজিশনটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) at — এই স্থানে at প্রিপজিশন ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: adhere শব্দের অর্থ লেগে থাকা বা মেনে চলা, তাই এর পরে সবসময় to বসে।
a he
b him
c himself
d his
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) his কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, Gerund বা verbal noun এর পূর্বে সবসময় Possessive pronoun বা Adjective বসে। - এই বাক্যে leaving একটি Gerund হওয়ায় এর পূর্বে possessive form হিসেবে his ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) he — এটি Subjective pronoun, যা Gerund এর পূর্বে বসে না। B) him — এটি Objective pronoun, যা এখানে বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) himself — এটি Reflexive pronoun, যা এই শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) his — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি possessive case। মনে রাখার টিপস: Gerund এর ঠিক আগের শব্দটিকে তার মালিকানা বোঝাতে সবসময় possessive রূপ দিতে হয়।
a London and Edinburgh
b London and Paris
c Paris and Tokyo
d Paris and Geneva
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) London and Paris কেন সঠিক: চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত উপন্যাস "আ টেল অব টু সিটিজ" মূলত ফরাসি বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে লেখা হয়েছে। এই উপন্যাসের প্রধান ঘটনাগুলো লন্ডন এবং প্যারিস শহরের মধ্যে আবর্তিত হয়েছে। লেখক উপন্যাসে এই দুটি শহরের সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা তুলে ধরেছেন। এই কারণে সঠিক উত্তর লন্ডন এবং প্যারিস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) London and Edinburgh — এডিনবরা স্কটল্যান্ডের শহর এবং এই উপন্যাসের কাহিনীতে এর কোনো প্রধান ভূমিকা নেই। B) London and Paris — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) Paris and Tokyo — টোকিও জাপানের রাজধানী এবং এই উপন্যাসের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) Paris and Geneva — জেনেভা সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এই উপন্যাসের মূল পটভূমিতে এর কোনো স্থান নেই। মনে রাখার টিপস: উপন্যাসের নামটিতেই দুটি শহরের কথা বলা আছে, যার একটি ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডন এবং অন্যটি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস।
a Samuel Johnson
b William Congreve
c John Dryden
d T. S. Eliot
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Samuel Johnson কেন সঠিক: - তিনি ১৭৫৫ সালে বিখ্যাত "A Dictionary of the English Language" সংকলন ও প্রকাশ করেন। - এটি ইংরেজি ভাষার অন্যতম প্রধান ও ঐতিহাসিক প্রথম দিককার নির্ভরযোগ্য অভিধান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Samuel Johnson — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই ঐতিহাসিক ইংরেজি অভিধানটি সফলভাবে সংকলন করেছিলেন। B) William Congreve — তিনি একজন বিখ্যাত Restoration যুগের নাট্যকার ও কবি ছিলেন, কোনো অভিধান প্রণেতা নন। C) John Dryden — তিনি সপ্তদশ শতকের একজন প্রখ্যাত কবি, সাহিত্যিক ও সমালোচক ছিলেন, অভিধানের সাথে যুক্ত নন। D) T. S. Eliot — তিনি বিংশ শতকের একজন আধুনিক কবি ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন, অভিধান প্রণেতা নন। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম দিকের বিখ্যাত অভিধানের কথা মনে এলেই ডা. স্যামুয়েল জনসন (Samuel Johnson)-এর নাম স্মরণ করতে হবে।
a The act of using someone’s idea as one’s own
b The act of planning everything beforehand
c The act of playing a musical instrument
d The art of dealing with forgery
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The act of using someone’s idea as one’s own কেন সঠিক: Plagiarism শব্দের অর্থ হলো অন্যের লেখা, চিন্তা বা সৃষ্টি নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া। এটি শিক্ষাক্ষেত্রে এবং পেশাদার জগতে একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যের কাজ চুরি করা বা সাধুতার অভাব বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The act of using someone’s idea as one’s own — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই প্লেজিয়ারিজমের মূল সংজ্ঞা। B) The act of planning everything beforehand — কোনো কিছু আগে থেকেই পরিকল্পনা করাকে প্ল্যাগিয়ারিজম বলা হয় না। C) The act of playing a musical instrument — কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজানোকে প্লেজিয়ারিজম বলা হয় না। D) The art of dealing with forgery — জালিয়াতির সাথে কারবার করাকে বা মোকাবেলা করাকে ফোরজারি বলা হয়, প্লেজিয়ারিজম নয়। মনে রাখার টিপস: Plagiarism শব্দটির সাথে চুরি বা নকল করার বিষয়টি জড়িত। অন্যের আইডিয়া কপি করলেই এই শব্দটি মনে রাখতে হবে।
a of
b for
c about
d to
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: - Solution শব্দের পরে সাধারণত উপযুক্ত preposition হিসেবে to বসে। - কোনো সমস্যার সমাধান বোঝাতে solution to the problem নিয়মটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — Solution শব্দের পরে of বসে না, এটি সম্পর্ক বা অধিকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) for — উদ্দেশ্য বোঝাতে for ব্যবহৃত হলেও solution শব্দের ক্ষেত্রে এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) about — কোনো বিষয় সম্পর্কে বোঝাতে about বসে, যা সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট কোনো সমস্যার সমাধান বা উত্তর বোঝাতে solution-এর পরে to বসে। মনে রাখার টিপস: Solution শব্দের পরে সবসময় to প্রিপজিশন বসে, যেমন solution to the problem।
a Conscintious
b Consientious
c Concientious
d Conscientious
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Conscientious কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো Conscientious যার অর্থ সচেতন বা কতর্ব্যপরায়ণ। বানানের শুরুতে Consci এবং মাঝে en যুক্ত হয় যা সঠিক গঠনের নিয়ম মেনে চলে। বানানের শেষে tious অংশটি সঠিকভাবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Conscintious — এই বানানে conscientious শব্দের মাঝে i এবং o অক্ষরের সঠিক বিন্যাস নেই। B) Consientious — এই বানানে sc বর্ণগুচ্ছটি অনুপস্থিত রয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল। C) Concientious — এই বানানে sc বর্ণদ্বয়ের পরিবর্তে শুধু c ব্যবহার করা হয়েছে। D) Conscientious — এটি বানান এবং গঠনের দিক থেকে সম্পূর্ণ সঠিক শব্দ। মনে রাখার টিপস: বানানটি সহজে মনে রাখতে Science শব্দটির সাথে -tious যোগ করে মনে রাখতে পারো।
a An Absurd Play
b A Tragedy
c A Historical Novel
d A Comedy
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A Tragedy কেন সঠিক: ক্রিস্টোফার মারলোর লেখা ডক্টর ফস্টাস নাটকটি রেনেসাঁ যুগের একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি। লোভের কারণে প্রধান চরিত্র ফস্টাসের করুণ পতন এর মূল বিষয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An Absurd Play — এটি আধুনিক নাট্যধারার অ্যাবসার্ড নাটক নয় বরং এলিজাবেথান যুগের নাটক। B) A Tragedy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) A Historical Novel — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং ১৬ শতকের একটি বিখ্যাত নাটক। D) A Comedy — এতে কোনো হাসির বিষয় নেই, বরং শেষ পরিণতি অত্যন্ত শোচনীয়। মনে রাখার টিপস: মারলোর নাটক মানেই ট্র্যাজেডি এবং ডক্টর ফস্টাস তার মধ্যে অন্যতম সেরা।
a Affable
b Mild
c Rough
d Genial
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Rough কেন সঠিক: inclemet শব্দের অর্থ হলো প্রতিকূল, কঠোর বা খারাপ আবহাওয়া যুক্ত। এর সঠিক সমার্থক শব্দ হলো rough যার অর্থও কঠোর বা প্রতিকূল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Affable - এর অর্থ মিশুক বা অমায়িক, যা inclement শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Mild - এর অর্থ মৃদু বা কোমল, যা inclement শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) Rough - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Genial - এর অর্থ হাসিখুশি বা বন্ধুভাবাপন্ন, যা inclement শব্দের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: inclement weather বলতেই আমরা খারাপ বা রুক্ষ আবহাওয়া বুঝি, আর rough মানেও রুক্ষ।
a Participle
b Infinitive
c Verbal Noun
d Gerund
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Gerund কেন সঠিক: ১. প্রদত্ত বাক্যে 'teaching' শব্দটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করেছে এবং 'started' transitive verb এর object হিসেবে বসেছে। ২. verb এবং noun উভয় গুণের অধিকারী হওয়ায় এটি একটি Gerund হিসেবে গণ্য হয়েছে। ৩. কি শুরু করেছিল প্রশ্নের উত্তরে 'teaching' আসায় এটি object এর কাজ সম্পূর্ণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Participle — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে adjective বা adverb এর কাজ করে, কিন্তু এখানে এটি noun এর কাজ করছে। B) Infinitive — এটি সাধারণত to + verb আকারে থাকে, যা এখানে নেই। C) Verbal Noun — এটি the এবং of এর মাঝে বসে নির্দিষ্ট কোনো কাজের নাম বোঝায়, যা এই বাক্যে নেই। D) Gerund — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি একই সাথে verb এবং noun এর কাজ করে এবং বাক্যে object এর স্থান নেয়, তবে তাকে Gerund বলে।
a Memorandum
b Stimulus
c Dice
d Oasis
0 27 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dice কেন সঠিক: Dice শব্দটির ক্ষেত্রে একবচন ও বহুবচন উভয় রূপেই একই বানান ব্যবহৃত হয়। আধুনিক ইংরেজিতে এটি একক এবং একাধিক উভয় অর্থেই সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Memorandum — এটি ল্যাটিন শব্দ, যার সঠিক বহুবচন হলো memoranda। B) Stimulus — এটি ল্যাটিন শব্দ, যার সঠিক বহুবচন হলো stimuli। C) Dice — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) Oasis — এটি গ্রিক মূলের শব্দ, যার সঠিক বহুবচন হলো oases। মনে রাখার টিপস: কিছু শব্দের একবচন ও বহুবচন একই থাকে, যেমন dice, deer ও sheep।
a Masculine
b Feminine
c Neuter
d Common
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Common কেন সঠিক: ‘neighbour’ শব্দের অর্থ প্রতিবেশী, যা পুরুষ বা নারী উভয়কেই বোঝাতে পারে। তাই এটি Common Gender এর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Masculine — এটি শুধুমাত্র পুরুষবাচক শব্দ বোঝায় না কারণ প্রতিবেশী নারীও হতে পারে। B) Feminine — এটি শুধুমাত্র স্ত্রীবাচক শব্দ বোঝায় না কারণ প্রতিবেশী পুরুষও হতে পারে। C) Neuter — এটি জড় পদার্থ বোঝায় না কারণ প্রতিবেশী একটি জীবিত মানুষ। D) Common — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটি পুরুষ ও নারী উভয়কেই নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ দিয়ে পুরুষ এবং নারী উভয়কেই বোঝায়, সেগুলোকে Common Gender বলে।
a Adjective
b Noun
c Preposition
d Pronoun
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Preposition কেন সঠিক: - 'except' শব্দটি এখানে Friday (noun) শব্দের পূর্বে বসে বাকiaর অন্য অংশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছে। - preposition সাধারণত noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্যান্য শব্দের সাথে তার সম্পর্ক নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না, তাই এটি adjective নয়। B) Noun — এটি কোনো নাম বা বিশেষ্য পদ নয়, বরং এটি এখানে সম্পর্ক স্থাপনকারী শব্দ হিসেবে কাজ করেছে। C) Preposition — প্রদত্ত উত্তর সঠিক, কারণ এটি noun-এর পূর্বে বসে preposition-এর কাজ সম্পন্ন করেছে। D) Pronoun — এটি noun-এর পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়নি, তাই এটি pronoun হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কোনো শব্দ noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সংযোগ ঘটালে সাধারণত সেটি preposition হয়।
a Christopher Marlowe
b Thomas Kyd
c William Haughton
d Ben Johnson
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) William Haughton কেন সঠিক: উইলিয়াম হaughton ষোড়শ শতকের শেষভাগে একজন বিশিষ্ট ইংরেজ নাট্যকার ছিলেন যিনি এলিজাবেথীয় যুগে নাটক রচনায় খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। এই নাটকটি তার সবচেয়ে বিখ্যাত এবং জনপ্রিয় কমেডি রচনা হিসেবে ইংরেজি নাট্যসাহিত্যে বিশেষভাবে সমাদৃত। নাটকটি মূলত লন্ডনের বণিক সমাজের পটভূমিতে রচিত একটি রোমান্টিক কমেডি যা তৎকালীন সমাজে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Christopher Marlowe — তিনি এই নাটকটি লেখেননি কারণ তিনি মূলত ডক্টর ফাউস্টাস এবং এডওয়ার্ড সেকেন্ড এর মতো বিখ্যাত ট্র্যাজেডি রচনার জন্য বিখ্যাত। B) Thomas Kyd — তিনি এই নাটকের রচয়িতা নন কারণ তিনি এলিজাবেথীয় যুগে প্রতিশোধমূলক নাটক লেখার জন্য সর্বাধিক পরিচিত ছিলেন। C) William Haughton — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই এই কমেডি নাটকটির মূল রচয়িতা। D) Ben Johnson — তিনি এই নাটকটি রচনা করেননি কারণ তিনি তৎকালীন সময়ে ভলপোন এবং দ্য অ্যালকেমিস্ট এর মতো বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক কমেডির জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: উইলিয়াম হaughton এর নামের সাথে টাকা পয়সা সম্পর্কিত এই নাটকটি মনে রাখতে ইংরেজি টাকার কথা মাথায় রাখতে পারেন।
a Immigrant
b Expatriate
c Emigrant
d Migrant
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Emigrant কেন সঠিক: Emigrant শব্দটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি নিজের দেশ স্থায়ীভাবে ছেড়ে অন্য দেশে বসবাস শুরু করেন। এখানে নিজের দেশ ত্যাগ করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Immigrant — যিনি অন্য দেশ থেকে এসে কোনো নতুন দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন তাকে বোঝায়। B) Expatriate — যিনি কাজের জন্য সামقিকভাবে বা স্থায়ীভাবে নিজের দেশের বাইরে বসবাস করেন তাকে বোঝায়। C) Emigrant — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Migrant — যিনি কাজের সন্ধানে বা অন্য কারণে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়মিত যাতায়াত বা বসবাস করেন তাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: E দিয়ে Exit বোঝায় তাই নিজ দেশ থেকে বেরিয়ে যাওয়া হলো Emigrant এবং I দিয়ে In বোঝায় তাই অন্য দেশে প্রবেশ করা হলো Immigrant।
a Claire Clairmont
b Marry Wollstonecraft
c Mary Wollstonecraft Godwin
d Mary Shelley
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Marry Wollstonecraft কেন সঠিক: এটি নারী অধিকারের পক্ষে লেখা ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন ও প্রভাবশালী দার্শনিক গ্রন্থ। ১৭৯২ সালে প্রকাশিত এই বইটির রচয়িতা হলেন মেরি ওলস্টোনক্রাফট। তিনি একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ নারীবাদী লেখিকা ও দার্শনিক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Claire Clairmont — তিনি একজন কবি বায়রনের সাথে সম্পর্কিত এবং মেরি শেলীর বৈমাত্রেয় বোন ছিলেন। B) Marry Wollstonecraft — এই বানানটি সঠিক এবং তিনিই এই বইটির মূল রচয়িতা। C) Mary Wollstonecraft Godwin — এটি মেরি শেলীর সম্পূর্ণ নাম এবং তিনি মেরি ওলস্টোনক্রাফটের কন্যা। D) Mary Shelley — তিনি ফ্রাঙ্কেনস্টাইন উপন্যাসের লেখিকা এবং মেরি ওলস্টোনক্রাফটের মেয়ে। মনে রাখার টিপস: নারী অধিকারের প্রথম কণ্ঠস্বর হিসেবে মেরি ওলস্টোনক্রাফটের নাম মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a 16
b 32
c 64
d 112
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ হলো log_(২√২) x = ৪ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী ভিত্তি এবং মান পরিবর্তন করে লেখা যায় অতএব, x = (২√২)^৪ সুতরাং, x = (২ × ২^(১/২))^৪ উত্তর: ৬৪
a 7
b উত্তর 9/3
c 13
d কোনটি নয়
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩ প্রদত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = (২x + ৫) ÷ (x − ৩) এখানে চলক x এর মান ৪ বসাতে হবে ধরি, x = ৪ অতএব, লবের মান = (২ × ৪) + ৫ লবের মান = ৮ + ৫ = ১৩ সুতরাং, হরের মান = ৪ − ৩ = ১ উত্তর: ১৩ ÷ ১ = ১৩
a মান -27/26
b মান 27/26
c মান 26/27
d মান -26/27
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মান −২৬/২৭ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x + (১ ÷ x) = ১ ÷ ৩ ধরি, প্রদত্ত রাশি = x^৩ + (১ ÷ x^৩) বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, x^৩ + (১ ÷ x^৩) = (x + (১ ÷ x))^৩ − ৩ × (x + (১ ÷ x)) অতএব, সূত্রে মান বসিয়ে পাই, (১ ÷ ৩)^৩ − ৩ × (১ ÷ ৩) প্রথম হিসাবের মান পাই, ১ ÷ ২৭ − ১ সুতরাং, লসাগু করে বিয়োগ করলে পাই, (১ − ২৭) ÷ ২৭ চূড়ান্ত হিসাব শেষে মান হয়, −২৬ ÷ ২৭ উত্তর: −২৬/২৭
a অনুপাত 5 : 4
b অনুপাত 6 : 5
c অনুপাত 25 : 24
d অনুপাত 24:25
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনুপাত ২৫ : ২৪ প্রদত্ত তথ্য: A অনুপাত B = ৫ অনুপাত ৪ A অনুপাত C = ৬ অনুপাত ৫ ধরি, প্রথম অনুপাতের সাথে একটি চলক যুক্ত করি দ্বিতীয় অনুপাতের সাথে আরেকটি চলক যুক্ত করি অতএব, A সমান ৫x এবং B সমান ৪x A সমান ৬y এবং C সমান ৫y সুতরাং, ৫x সমান ৬y ধরে x অনুপাত y বের করি C অনুপাত B এর মান হিসাব করে পাই ২৫ অনুপাত ২৪ উত্তর: অনুপাত ২৫ : ২৪
a {1, -11}
b {-1, 11}
c {1, 11}
d {-1, -11}
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) -1, 11 প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো abs(x − ৫) = ৬ ধরি, পরম মানের সংজ্ঞা অনুযায়ী মান দুটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক হতে পারে তাই (x − ৫) = ৬ অথবা (x − ৫) = −৬ অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে x = ৬ + ৫ দ্বিতীয় ক্ষেত্রে x = −৬ + ৫ সুতরাং, প্রথম ক্ষেত্রে x এর মান ১১ দ্বিতীয় ক্ষেত্রে x এর মান −১ উত্তর: -১, ১১
a ৮ মিটার
b ৯ মিটার
c ১০ মিটার
d ৭ মিটার
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ মিটার প্রদত্ত তথ্য: মইয়ের দৈর্ঘ্য = ১৮ মিটার মইটি ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০ ডিগ্রি ধরি, দেয়ালের উচ্চতা = h মিটার সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = ১৮ মিটার কোণ থিটা = ৩০ ডিগ্রি অতএব, আমরা জানি ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী সাইন থিটা = লম্ব ÷ অতিভুজ এখানে লম্ব হলো দেয়ালের উচ্চতা এবং অতিভুজ হলো মইয়ের দৈর্ঘ্য তাই সাইন ৩০ ডিগ্রি = h ÷ ১৮ সুতরাং, সাইন ৩০ ডিগ্রির মান হলো এক বাই দুই সুতরাং h ÷ ১৮ = এক বাই দুই উত্তর: h = ৯ মিটার
a ১৮০টি
b ১২০টি
c ৪০০টি
d ২০০টি
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০টি প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয় করতে পারলো ৪০% কলা অবশিষ্ট কলা আছে ১০ ডজন ধরি, মোট কলার পরিমাণ = ১০০% অতএব, অবশিষ্ট কলার শতকরা পরিমাণ = ১০০% − ৪০% = ৬০% ১০ ডজন কলা মানে ১০ × ১২ = ১২০টি কলা সুতরাং, ৬০% অংশ সমান হলো ১২০টি কলা উত্তর: মোট কলার সংখ্যা = ১২০ × ১০০ ÷ ৬০ = ২০০টি
a mn
b mn + 2
c mn + 4
d সবকটি
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবকটি প্রদত্ত তথ্য: m একটি বিজোড় সংখ্যা n একটি বিজোড় সংখ্যা ধরি, m = ১ n = ৩ অতএব, mn = ১ × ৩ = ৩, যা একটি বিজোড় সংখ্যা mn + ২ = ৩ + ২ = ৫, যা একটি বিজোড় সংখ্যা mn + ৪ = ৩ + ৪ = ৭, যা একটি বিজোড় সংখ্যা সুতরাং, দুটি বিজোড় সংখ্যার গুণফলের সাথে যেকোনো জোড় সংখ্যা যোগ বা বিয়োগ করলে ফলাফল সর্বদা বিজোড় সংখ্যা হয় উত্তর: সবকটি
a 5 + x
b 5 - x
c 7 + x
d 7 - x
0 29 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ − x প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৩৫ − ২x − x^২ একটি উৎপাদক হলো ৭ + x ধরি, অপর উৎপাদকটি হলো (A − x) অথবা অপর উৎপাদকটি হলো (৫ − x) অতএব, উৎপাদক দুটির গুণফল মূল রাশির সমান হবে (৭ + x) × (৫ − x) গুণ করি সুতরাং, ৭ × ৫ = ৩৫, মাইনাস ৭x, প্লাস ৫x এবং মাইনাস x^২ পাই হিসাব করে ৩৫ − ২x − x^২ পাওয়া যায় উত্তর: ৫ − x
a ৫৩ বছর
b ৬৬ বছর
c ৬৮ বছর
d কোনটিই নয়
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৬ বছর প্রদত্ত তথ্য: পল্টু ও তার বাবার বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ৪০ বছর ১৩ বছর পর তাদের দুজনের বয়সের সমষ্টি কত হবে ধরি, পল্টুর বর্তমান বয়স = ক বছর পারের বর্তমান বয়স = খ বছর অতএব, বর্তমানে তাদের বয়সের সমষ্টি, ক + খ = ৪০ ১৩ বছর পর পল্টুর বয়স বাড়বে ১৩ বছর এবং বাবার বয়স বাড়বে ১৩ বছর সুতরাং, ১৩ বছর পর উভয়ের মোট বয়স বৃদ্ধি পাবে, ১৩ + ১৩ = ২৬ বছর ১৩ বছর পর তাদের দুজনের বয়সের সমষ্টি হবে, ৪০ + ২৬ = ৬৬ বছর উত্তর: ৬৬ বছর
a ৪৫, ৬০
b ২৭, ৩৬
c ৩০, ৪০
d ৬০, ৮০
0 36 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৫, ৬০ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৩ : ৪ সংখ্যা দুটির লসাগু ১৮০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৪ক অতএব, সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩ × ৪ × ক = ১২ক শর্তমতে লেখা যায়, ১২ক = ১৮০ সুতরাং, ক = ১৮০ ÷ ১২ = ১৫ প্রথম সংখ্যাটি = ৩ × ১৫ = ৪৫ উত্তর: দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৪ × ১৫ = ৬০
a 4x^3
b 2x^3
c 4x^-3
d 4x^-7
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪x^৩ প্রদত্ত তথ্য: লব হলো (২x^-১)^২ হর হলো x^-৫ ধরি, লবের ভেতরের অংশ = ২x^-১ ঘাত হলো দুই এবং মাইনাস পাঁচ অতএব, লবকে বর্গ করলে পাই ৪x^-২ হর নিচে যেমন আছে তেমনই থাকে সুতরাং, ভাগ করার সময় ঘাত বিয়োগ হয় (−২ − (−৫)) হিসাব করলে হয় ৪x^৩ উত্তর: ৪x^৩
a 27
b 72
c 80
d 84
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮৪ প্রদত্ত তথ্য: মোট খেলোয়াড়ের সংখ্যা = ৯ জন নির্বাচনের জন্য খেলোয়াড়ের সংখ্যা = ৬ জন ধরি, এটি একটি বিন্যাস নয় বরং একটি সমাবর্তন বা নির্বাচন সমস্যা তাই এখানে বিন্যাস নয় বরং সমাবেশ সূত্র ব্যবহার করতে হবে যেখানে ক্রমের কোনো গুরুত্ব নেই অতএব, ৯ জন থেকে ৬ জন নির্বাচন করার মোট উপায় = ৯C৬ আমরা জানি, ৯C৬ সমান লেখা যায় ৯C(৯ − ৬) বা ৯C৩ ৯C৩ এর মান নির্ণয়ের জন্য উপরের অংশে ৯ থেকে শুরু করে তিনটি সংখ্যা গুণ করতে হবে দ্বিতীয় হিসাব: লবের মান = ৯ × ৮ × ৭ হরের মান = ৩ × ২ × ১ চূড়ান্ত হিসাব: ৯ × ৮ × ৭ ÷ (৩ × ২ × ১) = ৫০৪ ÷ ৬ = ৮৪ উত্তর: ৮৪
a (1/2) * (1/2)
b (1/6) * (1/6)
c (1/2) * (1/6)
d (1/6) * (1/2)
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (১/৬) × (১/৬) প্রদত্ত তথ্য: একটি ছক্কা পরপর দুইবার নিক্ষেপ করা হলো প্রতিবার ছক্কায় ছয় ওঠার ঘটনা একটি স্বাধীন ঘটনা ধরি, প্রথমবার ছয় ওঠার সম্ভাবনা = ১/৬ দ্বিতীয়বার ছয় ওঠার সম্ভাবনা = ১/৬ অতএব, উভয় ক্ষেত্রে ছয় আসার অনুকূল ফলাফল = ১ ছক্কার মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ৬ সুতরাং, দুইবারই ছয় ওঠার মোট সম্ভাবনা = (১/৬) × (১/৬) উত্তর: (১/৬) × (১/৬)
a {1, 5}
b {1}
c {1/2, 2/3, 3/5}
d {1/2, 1/3, 1/5}
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: সেটের বিয়োগ বা বাদ সেটের নিয়ম প্রয়োগ করতে হবে। প্রথম সেট থেকে দ্বিতীয় সেটের উপাদানগুলো বাদ দিতে হবে। ধরি, সেট এ = ১, ২, ৩ সেট বি = ২, ৩, ৫ সেটের বিয়োগ মানে এ সেটের উপাদান থেকে বি সেটের উপাদান বাদ। অতএব, সেট এ এর উপাদানগুলো হলো ১, ২ এবং ৩ সেট বি এর উপাদানগুলো হলো ২, ৩ এবং ৫ উভয় সেটে সাধারণ উপাদান হলো ২ এবং ৩ সুতরাং, সেট এ থেকে সেট বি এর উপাদান বাদ দিলে কেবল ১ থাকে অবশিষ্টাংশ উপাদান নিয়ে গঠিত সেট হলো ১ উত্তর: ১
a 67
b 55
c 40
d 64
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮ ধরি, এটি বিখ্যাত ফিবোনাচ্চি ধারা অতএব, প্রথম সংখ্যা ১ দ্বিতীয় সংখ্যা ১ তৃতীয় সংখ্যা ১ + ১ = ২ চতুর্থ সংখ্যা ১ + ২ = ৩ পঞ্চম সংখ্যা ২ + ৩ = ৫ ষষ্ঠ সংখ্যা ৩ + ৫ = ৮ সপ্তম সংখ্যা ৫ + ৮ = ১৩ অষ্টম সংখ্যা ৮ + ১৩ = ২১ নবম সংখ্যা ১৩ + ২১ = ৩৪ দশম সংখ্যা ২১ + ৩৪ = ৫৫ উত্তর: ৫৫
a সমবাহু ত্রিভুজ
b বৃত্তস্থ ত্রিভুজ
c সমকোণী ত্রিভুজ
d ত্রিভুজ হবে না
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমকোণী ত্রিভুজ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC এর কোণ A = ৩৭° ত্রিভুজ ABC এর কোণ C = ৫৩° ধরি, ত্রিভুজের তৃতীয় কোণটি হলো কোণ B অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° কোণ B = ১৮০° − (৩৭° + ৫৩°) সুতরাং, কোণ B = ১৮০° − ৯০° = ৯০° উত্তর: সমকোণী ত্রিভুজ
a (sqrt(3)/2) a^2 বর্গ একক
b (2/sqrt(3)) a^2 বর্গ একক
c (sqrt(3)/4) a^2 বর্গ একক
d a^3 বর্গ একক
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (√৩ ÷ ৪) a^২ বর্গ একক প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমবাহু ত্রিভুজ ত্রিভুজটির এক বাহুর দৈর্ঘ্য = a একক ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = a ত্রিভুজের উচ্চতা = h অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা h = (√৩ ÷ ২) × a সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × a × (√৩ ÷ ২) × a ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × a^২ উত্তর: (√৩ ÷ ৪) a^২ বর্গ একক
a ২০০ বর্গমিটার
b ৩০০ বর্গমিটার
c ৬০০ বর্গমিটার
d ৪০০ বর্গমিটার
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০০ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: রাস্তার চওড়া = ৫ মিটার রাস্তার ক্ষেত্রফল = ৫০০ বর্গমিটার ধরি, বর্গাকার মাঠের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার রাস্তা সহ মাঠের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = (ক + ১০) মিটার অতএব, রাস্তা সহ মাঠের ক্ষেত্রফল = (ক + ১০) বর্গ মাঠের ক্ষেত্রফল = (ক) বর্গ সুতরাং, রাস্তার ক্ষেত্রফল = (ক + ১০) বর্গ − (ক) বর্গ = ৫০০ সমীকরণ সমাধান করে পাই, ক = ২০ উত্তর: মাঠের ক্ষেত্রফল = ২০ × ২০ = ৪০০ বর্গমিটার
a ৬ দিনে
b ৫ দিনে
c ৪ দিনে
d ১২ দিনে
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ক কাজটি করতে পারে ৬ দিনে খ কাজটি করতে পারে ১২ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজটিকে ১ একক ধরা হলো ক ১ দিনে করে ১ ÷ ৬ অংশ অতএব, খ ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে (১ ÷ ৬) + (১ ÷ ১২) অংশ লসাগু করে পাই (২ + ১) ÷ ১২ = ৩ ÷ ১২ অংশ সুতরাং, কাটাকাটি করে একত্রে ১ দিনে করে ১ ÷ ৪ অংশ সম্পূর্ণ কাজটি শেষ করতে সময় লাগবে ৪ দিন উত্তর: ৪ দিনে

মোট প্রশ্ন (12)

a জোসেফ স্ট্যালিন
b এডলফ হিটলার
c বেনিতো মুসোলিনি
d কাইজার
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেনিতো মুসোলিনি কেন সঠিক: - বেনিতো মুসোলিনি ইতালিতে প্রথম ফ্যাসিবাদী আন্দোলন ও সরকার প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯২২ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত দেশটির ফ্যাসিবাদী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শাসনকার্য পরিচালনা করেন। - রাজনৈতিক তত্ত্ব ও প্রয়োগে উগ্র জাতীয়তাবাদ, একনায়কতন্ত্র এবং বিরোধীদের ওপর চরম দমনপীড়নের মাধ্যমে তিনি ফ্যাসিবাদ ধারণার প্রবক্তা ও জনক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জোসেফ স্ট্যালিন — তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট নেতা ও একনায়ক ছিলেন, যিনি ফ্যাসিবাদের নয় বরং সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের সাথে যুক্ত ছিলেন। B) এডলফ হিটলার — তিনি জার্মানির নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদী শাসনের প্রবক্তা হলেও মুসোলিনির পর ফ্যাসিবাদের বিস্তার ঘটিয়েছিলেন, ফ্যাসিবাদের মূল জনক মুসোলিনি নন। D) কাইজার — এটি কোনো ব্যক্তির নাম নয়, বরং এটি জার্মান ও অস্ট্রীয় সাম্রাজ্যের সম্রাটদের ঐতিহাসিক রাজউপাধি। মনে রাখার টিপস: ইতালির মুসোলিনি হলেন ফ্যাসিবাদের মূল জনক, আর জার্মানির হিটলার ছিলেন নাৎসিবাদের প্রতিষ্ঠাতা।
a কার্ল মার্কস
b হিটলার
c রুশো
d প্লেটো
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রুশো কেন সঠিক: - জিন জাক রুশো তাঁর বিখ্যাত 'সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট' বা 'সামাজিক চুক্তি' তত্ত্বে জনগণের সর্বময় ক্ষমতার কথা বলেছেন। - তাঁর মতে, রাষ্ট্র পরিচালনার মূল সার্বভৌম ক্ষমতা জনগণের হাতেই ন্যস্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্ল মার্কস — তিনি বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র ও শ্রমিক শ্রেণির বিপ্লবের প্রবক্তা ছিলেন, সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস হিসেবে জনগণের সরাসরি অধিকারের তাত্ত্বিক নন। B) হিটলার — তিনি একনায়কতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদী শাসনের প্রবক্তা ছিলেন, যেখানে ক্ষমতা কোনো একক ব্যক্তির হাতে সীমাবদ্ধ থাকে। D) প্লেটো — তিনি তাঁর 'রিপাবলিক' গ্রন্থে দার্শনিক রাজার শাসনের পক্ষে মত দিয়েছিলেন, গণতন্ত্র বা জনসাধারণের সার্বভৌমত্বের পক্ষে নন। মনে রাখার টিপস: জনগণের ক্ষমতার কথা বললেই মনে রাখবেন রুশোর সামাজিক চুক্তির কথা।
a 84
b 81
c 88
d 85
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮৮ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৮ অনুচ্ছেদে সংযুক্ত তহবিলের উপর ধার্য ব্যয়সমূহ স্পষ্টভাবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। - এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পারিশ্রমিক, বিচারকদের বেতন এবং সংসদ সচিবালয়ের খরচের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮৪ — এই ধারায় সরকারি হিসাব ও পাবলিক অ্যাকাউন্টস সম্পর্কে বলা হয়েছে, যা সংযুক্ত তহবিলের ধার্য ব্যয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৮১ — এই ধারাটি অর্থ বিলের সংজ্ঞা ও উত্থাপন সংক্রান্ত বিধানের সঙ্গে সম্পর্কিত। C) ৮৮ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সংযুক্ত তহবিলের উপর ধার্য ব্যয় সম্পর্কিত বিধান বহন করে। D) ৮৫ — এই ধারাটি সংযুক্ত তহবিলে অর্থ জমাদান এবং তা থেকে অর্থ উত্তোলন সংক্রান্ত নিয়মাবলী বর্ণনা করে। মনে রাখার টিপস: সংযুক্ত তহবিলের ব্যয় মানেই আঠারো দুগুণে ছত্রিশ অর্থাৎ আট আট (৮৮) অনুচ্ছেদ মনে রাখতে হবে।
a সভার কার্যবিবরণী
b আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত
c আনুষ্ঠানিক ঐক্যমত
d চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
0 23 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত কেন সঠিক: - নোট অব ডিসেন্ট বলতে কোনো কমিটি, বোর্ড বা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের সাথে কোনো সদস্যের দ্বিমত পোষণ করে তা লিখিতভাবে নথিভুক্ত করাকে বোঝায়। - এটি মূলত பெரும்பমতের সিদ্ধান্তের বিপরীতে কোনো সদস্যের আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত বা নোট আকারে আপত্তি প্রকাশ করার প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সভার কার্যবিবরণী — এটি সভার পুরো আলোচনার লিখিত রূপ, কোনো নির্দিষ্ট সদস্যের ভিন্নমত নয়। B) আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নোট অব ডিসেন্টের সঠিক সংজ্ঞা। C) আনুষ্ঠানিক ঐক্যমত — এটি সব সদস্যের মতের মিল প্রকাশ করে, যা নোট অব ডিসেন্টের বিপরীত। D) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত — এটি সভার সম্মিলিত বা সংখ্যাগরিষ্ঠ সিদ্ধান্তের ফল, কোনো একক সদস্যের ভিন্নমত নয়। মনে রাখার টিপস: নোট মানে লিখিত আর ডিসেন্ট মানে অমিল বা ভিন্নতা, তাই নোট অব ডিসেন্ট হলো লিখিত ভিন্নমত।
a বিবরণ
b আইন
c অধ্যাদেশ
d বিধি
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য সঠিক উত্তর: A) বিবরণ কেন সঠিক: - 'তফসিল' একটি আরবি বা ফার্সি শব্দ যার মূল অর্থ হলো তালিকা, বিবরণ বা বিশদ তালিকা। - সংবিধান বা কোনো আইনের মূল কাঠামোর বাইরে অতিরিক্ত তথ্য বা নির্দিষ্ট বিষয়ের তালিকা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিবরণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তফসিল বলতে সাধারণত কোনো বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ তালিকা বা বিবরণ বোঝায়। B) আইন — আইন হলো বিধান বা নিয়মের সমষ্টি, যা তফসিল থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি ধারণা। C) অধ্যাদেশ — অধ্যাদেশ হলো রাষ্ট্রপতির জারিকৃত সাময়িক আইন বা আদেশ, যা তফসিলের সমার্থক নয়। D) বিধি — বিধি হলো কোনো আইন বাস্তবায়নের জন্য প্রণীত নিয়ম বা নীতিমালা, যা তফসিল নয়। মনে রাখার টিপস: আইনের পেছনে থাকা তালিকা বা বিবরণকেই তফসিল বলা হয়।
a থানচি
b রুমা
c আলীকদম
d রোয়াংছড়ি
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রুমা কেন সঠিক: - বগা লেক বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক পাহাড়ি হ্রদ। - সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় তিন হাজার ফুট উঁচুতে পাহাড়ের চূড়ায় এই হ্রদটি অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থানচি — এটি বান্দরবানের একটি উপজেলা হলেও বগা লেক এখানে অবস্থিত নয়। B) রুমা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অবস্থিত। C) আলীকদম — এটি বান্দরবানের অন্য একটি উপজেলা, যেখানে বগা লেক নেই। D) রোয়াংছড়ি — এটিও বান্দরবানের একটি উপজেলা এবং বগা লেকের অবস্থান এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: বগা লেক দেখতে সুন্দর রুমা বান্দরবান।
a ডেনমার্ক
b ফিনল্যান্ড
c সুইডেন
d আয়ারল্যান্ড
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডেনমার্ক কেন সঠিক: - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত দুর্নীতি ধারণাসূচক বা সিপিআই অনুযায়ী ডেনমার্ক দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। - এই দেশটিতে সুশাসন, আইনের শাসন এবং সরকারি খাতের উচ্চ পর্যায়ের স্বচ্ছতা বজায় থাকায় দুর্নীতির মাত্রা সর্বনিম্ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্ক — এই প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর কারণ সূচকে দেশটি বিশ্বে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। B) ফিনল্যান্ড — এটি কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং শীর্ষের কাছাকাছি অবস্থান করলেও দুর্নীতি ধারণাসূচক অনুযায়ী এটি প্রথম স্থান অর্জন করেনি। C) সুইডেন — উত্তর ইউরোপের এই দেশটিতে দুর্নীতির হার খুবই কম হলেও ডেনমার্কের তুলনায় এর স্কোর কিছুটা পেছনে থাকায় এটি শীর্ষস্থান অর্জন করতে পারেনি। D) আয়ারল্যান্ড — উন্নত অর্থনীতি ও সুশাসনের দেশ হওয়া সত্ত্বেও দুর্নীতি ধারণাসূচকের শীর্ষ তালিকায় ডেনমার্কের নিচে এর অবস্থান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে কম দুর্নীতির ডি মানে ডেনমার্ক দিয়ে মনে রাখতে পারো।
a মেহেদী হাসান খান
b মোঃ ইউসুফ চৌধুরী
c শাবাব মোস্তফা
d রিফাত নবী
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মোঃ ইউসুফ চৌধুরী কেন সঠিক: - মোঃ ইউসুফ চৌধুরী সমাজসেবায় অসামান্য অবদান রাখার জন্য একুশে পদক লাভ করেছেন। - রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেহেদী হাসান খান — তিনি বাংলা সফটওয়্যার অভ্র কীবোর্ড তৈরির জন্য পরিচিত এবং তিনি ভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য স্বীকৃত। B) মোঃ ইউসুফ চৌধুরী — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে তিনি সমাজসেবায় একুশে পদক লাভ করেছেন। C) শাবাব মোস্তফা — তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পরিচিত এবং সমাজসেবা ক্যাটাগরির সাথে সম্পর্কিত নন। D) রিফাত নবী — তিনি এই নির্দিষ্ট সালের সমাজসেবা ক্যাটাগরির একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি নন। মনে রাখার টিপস: সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় মোঃ ইউসুফ চৌধুরী একুশে পদক পেয়েছেন, এটি মনে রাখতে নামের সাথে সমাজসেবা শব্দটি যুক্ত করে রাখুন।
a প্রগতি
b সুরক্ষা
c প্রত্যয়
d প্রবাসী
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয় কেন সঠিক: - প্রত্যয় স্কিমটি সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার সর্বশেষ সংযোজিত স্কিম। - এটি স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এবং সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রগতি — এটি বেসরকারি খাতের প্রাতিষ্ঠানিক চাকরিজীবীদের জন্য নির্ধারিত স্কিম। B) সুরক্ষা — এটি স্বনিযুক্ত বা অপ্রাতিষ্ঠানিক পেশায় নিয়োজিত নাগরিকদের জন্য নির্ধারিত স্কিম। C) প্রত্যয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই স্কিমটি সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে। D) প্রবাসী — এটি বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের সুবিধার জন্য প্রবর্তিত স্কিম। মনে রাখার টিপস: সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকুরিতে নিয়োগের পর প্রত্যয়পত্র লাগে, তাই স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের স্কিমের নাম প্রত্যয়।
a অপারেটিং সিস্টেম
b তামাকের জাত
c খরা সহিষ্ণু ধান
d পাটের জাত
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খরা সহিষ্ণু ধান কেন সঠিক: - নারিকা-১ হলো বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত একটি খরা সহিষ্ণু ধানের জাত। - এই জাতটি কম বৃষ্টিপাত বা খরাপ্রবণ এলাকায় চাষের উপযোগী এবং এর জীবনকাল কম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপারেটিং সিস্টেম — এটি কম্পিউটারের সফটওয়্যার বা সিস্টেম সফটওয়্যার বুঝায়, কোনো কৃষি পণ্যের জাত নয়। B) তামাকের জাত — নারিকা-১ তামাকের কোনো জাত নয়, এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ধানের জাত। C) খরা সহিষ্ণু ধান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ নারিকা-১ একটি বিশেষ ধরনের খরা সহিষ্ণু ধানের জাত। D) পাটের জাত — এটি পাটের কোনো জাত নয়, পাট উন্নয়নের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: নারিকা নামের সাথে ধানের সম্পর্ক মনে রাখতে মাথায় রাখুন ধান গাছের গোড়া বা শিকড় (নারি) মাটি আঁকড়ে ধরে খরা সহ্য করে।
a জ্যাক ডর্সি
b সিনা কর্পোরেশন
c লুডিকর্প
d ডেভিড কার্প
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিনা কর্পোরেশন কেন সঠিক: - সিনা কর্পোরেশন চীনের একটি বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যা জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং সাইট সিনা উইবো তৈরি ও পরিচালনা করে। - টুইটারের চীনা বিকল্প হিসেবে চীনে এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্যাক ডর্সি — তিনি মার্কিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, চীনা সিনা উইবো এর উদ্ভাবক নন। B) সিনা কর্পোরেশন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই চীনা প্রতিষ্ঠানটিই সিনা উইবো উদ্ভাবন করেছে। C) লুডিকর্প — এটি ফটো শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ফ্লিকার এর প্রতিষ্ঠাতা প্রতিষ্ঠান, যা উইবো এর সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ডেভিড কার্প — তিনি ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম টাম্বলার এর প্রতিষ্ঠাতা, সিনা উইবো এর উদ্ভাবক নন। মনে রাখার টিপস: উইবো নামের সাথে সিনা কর্পোরেশনের নাম মিল আছে, তাই উইবো পেলেই সিনা কর্পোরেশন মনে রাখবে।
a বায়ান্নো ই-বুক
b একাত্তর ই-বুক
c একুশ ই-বুক
d পঁচাত্তর ই-বুক
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একুশ ই-বুক কেন সঠিক: - ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রকাশিত 'একুশ ই-বুক' বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল বা ই-বুক হিসেবে স্বীকৃত। - এটি ইন্টারনেটে প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের ডিজিটাল যুগের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ান্নো ই-বুক — এটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কোনো প্রথম প্রকাশিত ই-বুক নয়। B) একাত্তর ই-বুক — এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রকাশনা হলেও প্রথম ই-বুক নয়। C) একুশ ই-বুক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) পঁচাত্তর ই-বুক — এটি বাংলাদেশের প্রথম ই-বুক হিসেবে তালিকাভুক্ত বা স্বীকৃত নয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের একুশ সংখ্যাটিকে মনে রেখে সহজেই মনে রাখুন বাংলাদেশের প্রথম ই-বুকের নাম একুশ ই-বুক।

মোট প্রশ্ন (2)

a Structured Query Language.
b Simple Query Language.
c System Query Logic.
d Sequential Question Language.
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Structured Query Language. ১. কেন সঠিক: SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language, যা একটি প্রমিত প্রোগ্রামিং ভাষা। এটি রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে ডেটা সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার, আপডেট ও ব্যবস্থাপনার কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: SQL হলো এমন একটি ডেটাবেজ ভাষা যার মাধ্যমে ডেটাবেজে কমান্ড পাঠিয়ে কাঙ্ক্ষিত তথ্য খুব সহজে সংগ্রহ ও পরিচালনা করা যায়। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে কোয়েরি পাঠায় এবং এই ভাষা সেই নির্দেশ বুঝে নির্দিষ্ট টেবিল থেকে ডেটা খুঁজে বের করে প্রদর্শন করে। ব্যবহার: ব্যাংক ব্যবস্থার লেনদেন পরিচালনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর তথ্য সংরক্ষণ এবং বড় প্রতিষ্ঠানের ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলার সময় ডেটাবেজ থেকে অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স চেক করা। ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় ব্যাংকের সফটওয়্যার SQL কমান্ড ব্যবহার করে গ্রাহকের বর্তমান স্থিতি যাচাই করে। উদাহরণ ২: ই-কমার্স ওয়েবসাইটে কোনো পণ্যের স্টক খোঁজা। ব্যাখ্যা: সার্চ বক্সে পণ্যের নাম লিখলে ডেটাবেজ থেকে SQL কোয়েরির মাধ্যমে পণ্যের লভ্যতা ও দাম দেখানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Structured Query Language — এটি সঠিক পূর্ণরূপ এবং ডেটাবেজ পরিচালনার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আদর্শ ভাষা। B) Simple Query Language — এটি কোনো প্রচলিত বা সঠিক প্রযুক্তিগত পরিভাষা নয়। C) System Query Logic — এটি ডেটাবেজ ভাষার সঠিক নাম বা পূর্ণরূপ বহন করে না। D) Sequential Question Language — এটি প্রশ্ন বা ক্রমানুসারের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও ডেটাবেজের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: SQL মানে কাঠামোগো ভাষা, তাই মনে রাখতে হবে এর প্রথম শব্দটি Structured। ডেটাবেজের সঙ্গে কোয়েরি শব্দ যুক্ত থাকে, তাই Query Language অংশটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডেটাবেজ ভাষা হিসেবে SQL এর পূর্ণরূপ প্রায়ই আসে। এটি কোনো প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং এটি একটি ডিক্লারেটিভ ডেটা ম্যানিপুলেশন ভাষা।
a Close Circuit
b Carbon Copy
c Close Contact
d Close Cope
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Carbon Copy ১. কেন সঠিক: ই-মেইল পাঠানোর সময় একাধিক প্রাপককে চিঠি বা বার্তা পাঠানোর জন্য সিসি ব্যবহার করা হয়। এখানে সিসি এর পূর্ণরূপ হলো কার্বন কপি, যা মূলত ঐতিহ্যবাহী কাগজের যুগে কার্বন পেপার ব্যবহারের ধারণা থেকে এসেছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: সিসি হলো এমন একটি ই-মেইল ফিল্ড যেখানে মূল প্রাপক ছাড়াও অন্যান্যদের অনুলিপি পাঠানো হয়। কার্যপদ্ধতি: এই ফিল্ডে রাখা ই-মেইল ঠিকানাগুলোতে মূল বার্তার একটি অনুলিপি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে যায়। ব্যবহার: একই বার্তা বা তথ্য অফিসের একাধিক সহকর্মী বা বিভাগকে জানানোর জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। পার্থক্য: বিসিসি বা ব্লাইন্ড কার্বন কপির ক্ষেত্রে অন্য প্রাপকরা দেখতে পান না যে মেইলটি আর কাকে পাঠানো হয়েছে, কিন্তু সিসিতে সবাই সবার ঠিকানা দেখতে পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রধান শিক্ষক স্কুলের সকল শিক্ষককে একটি জরুরি নোটিশ পাঠানোর সময় সিসিতে সবার ই-মেইল ঠিকানা যুক্ত করলেন। ব্যাখ্যা: এর ফলে একজন শিক্ষক বুঝতে পারেন যে এই একই নোটিশ অন্য শিক্ষকদেরও জানানো হয়েছে। উদাহরণ ২: ম্যানেজার একটি প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে ক্লায়েন্টকে মূল মেইল পাঠিয়ে টিম সদস্যদের সিসিতে রাখলেন। ব্যাখ্যা: এতে টিম সদস্যরা জানতে পারলেন যে ক্লায়েন্টের সঙ্গে কী যোগাযোগ হয়েছে এবং কার কী দায়িত্ব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Close Circuit — এটি ক্লোজড সার্কিট বা সিসিটিভি প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত, যা ক্যামেরার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং ই-মেইলের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) Carbon Copy — এটি সঠিক উত্তর। C) Close Contact — এই শব্দগুচ্ছটি ই-মেইলের কাঠامোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি কোনো প্রযুক্তিগত পরিভাষা নয়। D) Close Cope — এটি কম্পিউটার বিজ্ঞান বা ই-মেইল সিস্টেমে ব্যবহৃত হয় না এবং এটি সম্পূর্ণ অর্থহীন একটি অপশন। ৫. মনে রাখার টিপস: ই-মেইল লেখার সময় মনে রাখবে টু ফিল্ড হলো প্রধান প্রাপকের জন্য এবং সিসি ফিল্ড হলো অবগতির জন্য কার্বন কপি পাঠানোর জন্য। কাগজে কার্বন পেপার দিয়ে যেমন এক লেখায় একাধিক কপি পাওয়া যায়, ই-মেইলে সিসি ঠিক তেমনি কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ই-মেইল আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে সিসি এবং বিসিসি এর পার্থক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ই-মেইলের ক্ষেত্রে টুর পাশাপাশি সিসি ও বিসিসি ফিল্ড কীভাবে কাজ করে তা ভালোভাবে আয়ত্ত রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (6)

a নওগাঁ
b নীলফামারী
c নাটোর
d লালমনিরহাট
0 33 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নওগাঁ ১. কেন সঠিক: হলুদ বিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। এটি পাল আমলের একটি বৌদ্ধ বিহার এবং এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: পাল রাজবংশের শাসনামলে বাংলার বৌদ্ধ সংস্কৃতি ও শিক্ষার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে এই অঞ্চল গড়ে ওঠে। স্থান: নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলায় পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের কাছাকাছি এই ঐতিহাসিক স্থানটি অবস্থিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার ব্যাখ্যা: নওগাঁ জেলায় অবস্থিত সোমপুর মহাবিহার বা পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বাংলাদেশের সবচেয়ে বিখ্যাত ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। উদাহরণ ২: জগদ্দল বিহার ব্যাখ্যা: এটিও নওগাঁ জেলায় অবস্থিত আরেকটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার যা পাল আমলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির নিদর্শন বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নওগাঁ — এটি সঠিক উত্তর কারণ হলুদ বিহার এই জেলায় অবস্থিত। B) নীলফামারী — এই জেলায় নীলসাগর ও ভীমের জাঙ্গাল অবস্থিত, তবে এটি হলুদ বিহারের অবস্থান নয়। C) নাটোর — এই জেলায় উত্তরা গণভবন ও নাটোর রাজবাড়ি অবস্থিত, হলুদ বিহার এখানে নয়। D) লালমনিরহাট — এই জেলায় তিস্তা ব্যারেজ ও ত্রিমোহনী জমিদার বাড়ি অবস্থিত, হলুদ বিহারের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: নওগাঁ জেলাকে প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের উর্বর ভূমি বলা যায় কারণ পাহাড়পুর, হলুদ বিহার ও জগদ্দল বিহার সবই এই জেলায় অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন বাংলার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান ও তাদের জেলাভিত্তিক অবস্থান প্রায়ই আসে। যেমন সোমপুর মহাবিহার, শালবন বিহার ও মহাস্থানগড়ের অবস্থান ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ৩০ জুন
b ১৬ জুলাই
c ১৯ নভেম্বর
d ৮ এপ্রিল
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ জুন ১. কেন সঠিক: - সাঁওতাল বিদ্রোহ ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন সংঘটিত হয়েছিল বলে এই দিনটিকে সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। - ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন, জমিদার ও মহাজনদের শোষণ এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাঁওতাল জনগোষ্ঠী এই ঐতিহাসিক সশস্ত্র বিদ্রোহ শুরু করেছিল। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ আমলের সাঁওতাল পরগনা এলাকায় জমিদার ও মহাজনদের সীমাহীন শোষণ এবং লাঞ্ছনার প্রতিবাদে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়। তারিখ ও স্থান: ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন বর্তমান ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের ভোগনাদিহি গ্রামে এই বিদ্রোহের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: সাঁওতাল বিদ্রোহের প্রধান দুই বীর নায়ক ছিলেন সিধু মুর্মু ও কানু মুর্মু। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই বিদ্রোহ ব্রিটিশদের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল এবং পরবর্তীতে সাঁওতাল পরগনা সৃষ্টি করতে ব্রিটিশ প্রশাসন বাধ্য হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিধু ও কানু ব্যাখ্যা: তারা ছিলেন সাঁওতাল বিদ্রোহের সর্বাধিনায়ক যারা সাধারণ সাঁওতালদের একত্রিত করে ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র সংগ্রামের ডাক দিয়েছিলেন। উদাহরণ ২: ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ব্যাখ্যা: এটি ব্রিটিশ আমলের আরেকটি প্রাচীন আন্দোলন যা থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ জুন — এটি সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস হিসেবে পালিত হয় এবং সঠিক উত্তর। B) ১৬ জুলাই — এই তারিখে কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক জাতীয় বা আন্তর্জাতিক দিবস নেই যা এই প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত। C) ১৯ নভেম্বর — এই তারিখটি সাঁওতাল বিদ্রোহের সাথে সম্পর্কিত নয়, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার তারিখ। D) ৮ এপ্রিল — এই তারিখটি সাঁওতাল বিদ্রোহের সূচনা বা কোনো বিশেষ দিবসের সাথে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাঁওতাল বিদ্রোহের সন ১৮৫৫ এবং তারিখ ৩০ জুন মনে রাখার জন্য সিধু কানুর আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করতে হবে। - মাসটি জুন এবং তারিখটি মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ৩০ তারিখ এভাবে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সিধু ও কানুর নাম এবং বিদ্রোহের সাল প্রায়ই আসে। - এই প্রশ্ন থেকে সাঁওতাল বিদ্রোহের নেতৃত্ব এবং সঠিক সাল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করা যায়।
a মাতারবাড়ি
b ফুলবাড়ি
c পায়রা
d রূপপুর
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পায়রা ১. কেন সঠিক: পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং এর আশেপাশের অঞ্চলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি ব্যবচিত্রের অংশ হিসেবে এলএনজি বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর জন্য উপকূলীয় অঞ্চল ও পায়রা বন্দর সংলগ্ন এলাকায় জ্বালানি বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: অর্থনীতি, শিল্প, অর্থনীতি ও উন্নয়ন: [প্রযোজ্য ক্ষেত্রে] স্থান ও অবকাঠামো: পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত পায়রা বন্দর এলাকা দেশের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিকস ও এনার্জি হাব হিসেবে গড়ে উঠছে। তাৎপর্য ও ফলাফল: এই ধরনের বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের দক্ষিণাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করবে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, যা পাবনা জেলায় অবস্থিত এবং রাশিয়া সহযোগিতায় নির্মিত হচ্ছে। উদাহরণ ২: রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাতারবাড়ি — এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প, এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়। B) ফুলবাড়ি — এটি দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত একটি কয়লা খনি এলাকা, যেখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কোনো নির্দিষ্ট এলএনজি প্রকল্প নেই। C) পায়রা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে পায়রা বন্দর ও সংলগ্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এলএনজি ভিত্তিক প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে। D) রূপপুর — এটি পাবনা জেলায় অবস্থিত দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের স্থান, এলএনজি ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পায়রা নামটি শুনলেই দক্ষিণাঞ্চলের পটুয়াখালী জেলার পায়রা বন্দর এবং সেখানে গড়ে ওঠা বিশাল জ্বালানি ও বিদ্যুৎ হাবের কথা মাথায় রাখতে হবে। কয়লা, পারমাণবিক এবং এলএনজির মধ্যে গুলিয়ে না ফেলে স্থানগুলোর মূল প্রকল্পগুলো আলাদা করে মনে রাখা নিরাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি মিশ্রণ নীতি এবং এলএনজি আমদানির গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি। একই বিষয় থেকে অন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর বা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a ৫ বছর
b ১০ বছর
c ৩ বছর
d ১৫ বছর
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ বছর ১. কেন সঠিক: - ই-পাসপোর্টের নিয়ম অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য এর মেয়াদ ৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। - অপ্রাপ্তবয়স্কদের শারীরিক গঠন ও চেহারার দ্রুত পরিবর্তন ঘটে বলে তাদের পাসপোর্টের মেয়াদ কম রাখা হয়। ২. প্রশাসন ও আইনগত তথ্য: - সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান: বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর পাসপোর্ট প্রদান ও নিয়ন্ত্রণের মূল দায়িত্ব পালন করে। - বিধান ও নিয়ম: বাংলাদেশ সরকারের পাসপোর্ট নীতিমালায় প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের জন্য মেয়াদ আলাদা করা হয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি প্রাপ্তির বয়স ব্যাখ্যা: বাংলাদেশে ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হলে নাগরিকরা ভোটাধিকার ও জাতীয় পরিচয়পত্র লাভ করেন, যা পাসপোর্ট প্রদানেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বয়সসীমা। উদাহরণ ২: প্রাপ্তবয়স্কদের ই-পাসপোর্টের মেয়াদ ব্যাখ্যা: ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য ই-পাসপোর্টের মেয়াদ ৫ বছর বা ১০ বছর হয়ে থাকে, যা আবেদনকারীর পছন্দের ওপর নির্ভর করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ বছর — এটি ১৮ বছরের কম বয়সীদের ই-পাসপোর্টের সঠিক মেয়াদ। B) ১০ বছর — এটি শুধুমাত্র ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকদের ই-পাসপোর্টের জন্য প্রযোজ্য। C) ৩ বছর — এই মেয়াদে বাংলাদেশের কোনো সাধারণ নাগরিকের ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা হয় না। D) ১৫ বছর — এই মেয়াদটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বা বাংলাদেশের পাসপোর্টের নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ১৮ বছরের নিচে বয়স হলে পাসপোর্টের মেয়াদ অর্ধেক অর্থাৎ ৫ বছর হবে, আর প্রাপ্তবয়স্ক হলে ১০ বছর পর্যন্ত হতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পাসপোর্ট সম্পর্কিত এই নিয়মটি BCS ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই বিষয় থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের ই-পাসপোর্টের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত বছর, তা নিয়েও প্রশ্ন আসতে পারে।
a ৫১৩৮ কিঃমিঃ
b ৪৩৭১ কিঃমিঃ
c ৪১৫৬ কিঃমিঃ
d ৩৯৭৮ কিঃমিঃ
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪১৫৬ কিঃমিঃ ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কিলোমিটার, যা দেশের ভৌগোলিক ও ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ ও ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে এই দৈর্ঘ্য প্রামাণ্য দলিলে স্বীকৃতি লাভ করেছে। ২. ভৌগোলিক সীমানা ও অবস্থান: - ভৌগোলিক অবস্থান: বাংলাদেশের উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিম দিকজুড়ে ভারতের অবস্থান এবং দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। - প্রতিবেশী দেশ: বাংলাদেশের সাথে স্থল সীমান্তে কেবল ভারত ও মিয়ানমার যুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে ভারতের সাথে সীমানা সবচেয়ে দীর্ঘ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা চুক্তি ব্যাখ্যা: ১৯৭৪ সালের ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি এবং পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও সুনির্দিষ্ট হয়। উদাহরণ ২: মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত দৈর্ঘ্য ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমান্ত দৈর্ঘ্য হলো ২৭১ কিলোমিটার, যা ভারতের তুলনায় অনেক কম এবং পরীক্ষার্থীদের তুলনামূলক মনে রাখতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫১৩৮ কিঃমিঃ — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ ও ভারতের মোট সীমানার সঠিক পরিমাপ নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক বা অতিরঞ্জিত পরিসংখ্যান। B) ৪৩৭১ কিঃমিঃ — এই মানটি ভারত ও বাংলাদেশের প্রকৃত আন্তর্জাতিক সীমানা দূরত্বের সাথে মিলে না এবং এটি ভুল তথ্য। C) ৪১৫৬ কিঃমিঃ — এটিই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সঠিক সীমানা দৈর্ঘ্য। D) ৩৯৭৮ কিঃমিঃ — এই দৈর্ঘ্যটি সঠিক সীমানা নির্দেশ করে না এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বিভ্রান্তিকর একটি অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: - চার হাজার একান্ন বা ৪১৫৬ সংখ্যাটি মনে রাখার জন্য শেষের তিনটি অঙ্ক ৫১ এবং ৫৬ এভাবে ভাগ করে মনে রাখতে পারো। - ভারতের সাথে সীমান্ত বড় এবং মিয়ানমারের সাথে ছোট, এই তুলনাটি মনে রাখলে সহজে ভুল এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীর নাম বিজিবি এবং ভারতের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীর নাম বিএসএফ। - একই বিষয় থেকে পরীক্ষাতে ভারতের সাথে কোন কোন রাজ্যের সীমান্ত বেশি বা কম আছে, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
a বারাং
b পাড়া
c পুঞ্জি
d মৌজা
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুঞ্জি ১. কেন সঠিক: - খাসিয়া উপজাতি তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী গ্রামগুলোকে পুঞ্জি নামে অভিহিত করে থাকে। - বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট অঞ্চলে এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের বসবাস বেশি এবং তাদের বসতি এলাকাগুলো পুঞ্জি হিসেবে পরিচিত। ২. বাংলাদেশ বিষয়ক তথ্য: - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: খাসিয়া সমাজ মূলত মাতৃতান্ত্রিক এবং তাদের প্রধান পেশা পান চাষ করা। - geographic location: সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে এদের বসতি গড়ে উঠেছে। - তাৎপর্য ও ফলাফল: পুঞ্জিগুলো খাসিয়াদের নিজস্ব সামাজিক ও সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাগুরছড়া পুঞ্জি ব্যাখ্যা: এটি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত খাসিয়া পুঞ্জি, যা পানের চাষ এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের কূপের জন্য পরিচিত। উদাহরণ ২: লবছড়া পুঞ্জি ব্যাখ্যা: এটি সিলেট অঞ্চলে অবস্থিত আরেকটি ঐতিহ্যবাহী খাসিয়া গ্রাম, যা তাদের নিজস্ব সামাজিক রীতিনীতির জন্য পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারাং — এটি খাসিয়া গ্রামের নাম নয়, এটি অন্য কোনো আঞ্চলিক বা ভিন্ন সংস্কৃতির শব্দ। B) পাড়া — এটি সাধারণভাবে বাঙালি বা অন্যান্য উপজাতির গ্রামভিত্তিক ছোট বসতিকে বোঝায়, খাসিয়াদের নিজস্ব গ্রামকে পাড়া বলা হয় না। D) মৌজা — এটি ভূমি রাজস্ব প্রশাসনের একটি একক বা নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, কোনো উপজাতির বসতি বা গ্রামের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - খাসিয়াদের গ্রাম মনে রাখার সহজ উপায় হলো 'খ' দিয়ে খাসিয়া এবং 'প' দিয়ে পুঞ্জি। খাসিয়া মানেই পুঞ্জিভিত্তিক বসবাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সামাজিক ব্যবস্থা ও তাদের গ্রাম বা বসতির নাম প্রায়ই আসে। যেমন গারোদের বসতিকে চিন ও পাড়া বলা হয় এবং সাঁওতালদের গ্রামকে আড বা টুলা বলা হয়।

মোট প্রশ্ন (18)

a বাংলাদেশ
b ভুটান
c চীন
d নেপাল
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভুটান ১. কেন সঠিক: ভুটান বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০০৪ সালে সম্পূর্ণভাবে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি এবং জনসম্মুখে ধূমপান নিষিদ্ধ করে আইন পাস করে। বৌদ্ধ সংস্কৃতির প্রভাব এবং স্বাস্থ্য সচেতনতার কারণে দেশটির সরকার এই ঐতিহাসিক ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: ভুটান রাজধানী: থিম্পু প্রেক্ষাপট: বৌদ্ধ দর্শনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এবং নাগরিকদের সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে ভুটান সরকার এই আইন প্রণয়ন করে। উদ্দেশ্য: তামাকমুক্ত সমাজ গঠন এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষা করা এই আইনের মূল লক্ষ্য ছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিউজিল্যান্ড ব্যাখ্যা: নিউজিল্যান্ড পরবর্তী সময়ে তামাক বিক্রির ওপর কঠোর বয়সসীমা আরোপ করে বিশ্বের প্রথম ধোঁয়ামুক্ত প্রজন্ম গড়ে তোলার আইন পাস করে। উদাহরণ ২: সিঙ্গাপুর ব্যাখ্যা: সিঙ্গাপুর বহু আগে থেকেই জনসম্মুখে ধূমপান কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিভিন্ন স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ প্রথম দেশ নয়, যদিও এখানে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আইন রয়েছে। B) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভুটানই প্রথম দেশ হিসেবে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। C) চীন — চীন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তামাক উৎপাদনকারী ও ব্যবহারকারী দেশ, তাই এটি প্রথম দেশ নয়। D) নেপাল — নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ হলেও ধূমপান নিষিদ্ধকরণে বিশ্বের প্রথম দেশ হওয়ার গৌরব অর্জন করেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: বিশ্বে প্রথম ধূমপান নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে পাহাড় ঘেরা ছোট ও শান্তিপ্রিয় দেশ ভুটান সবার আগে পদক্ষেপ নেয়। ধূমপানমুক্ত দেশের কথা মনে এলে দক্ষিণ এশিয়ার ভুটানের নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য এবং বৈশ্বিক প্রথম অর্জন সংক্রান্ত ক্যাটাগরিতে প্রায়ই আসে। ভুটানের পরিবেশগত নীতি এবং তামাক আইন সম্পর্কে জানলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a ২০ জুন ২০২৫
b ২১ জুন ২০২৫
c ২২ জুন ২০২৫
d ২৩ জুন ২০২৫
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ জুন ২০২৫ ১. কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানে পরিচালিত এই সামরিক অভিযানটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও পারমাণবিক সংকটের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সাম্প্রতিক ঘটনা। - দীর্ঘদিনের উত্তেজনা এবং পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলা সরাসরি সামরিক সংঘাতে এই তারিখটি বিশেষভাবে চিহ্নিত। ২. যুদ্ধ, সংঘাত ও ভূরাজনীতি: - দেশ/পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। - প্রেক্ষাপট: ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংস এবং মধ্যপ্রাচ্যে কৌশলগত আধিপত্য বজায় রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এই অভিযান পরিচালনা করে। - গুরুত্ব: এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা তৈরি হয় এবং বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যের ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়ে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপারেশন ক্যাশন ড্রাগন ব্যাখ্যা: অতীতে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানে পরিচালিত বিভিন্ন সামরিক বা গোয়েন্দা অভিযানের সঙ্গে এর তুলনা করা যায়, যা দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বৈরিতার প্রতীক। উদাহরণ ২: ইসরায়েল-ইরান সংঘাত ব্যাখ্যা: এই হামলাটি কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এর সঙ্গে ইসরায়েলের কৌশলগত স্বার্থও ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ জুন ২০২৫ — এটি সঠিক তারিখ নয় কারণ এই দিনে এই নির্দিষ্ট সামরিক অভিযান পরিচালিত হয়নি। B) ২১ জুন ২০২৫ — এই তারিখটি অপারেশন মিডনাইট হ্যামার হামলার প্রকৃত দিন হিসেবে নথিভুক্ত হয়নি। D) ২৩ জুন ২০২৫ — এই তারিখে অভিযানটি পরিচালিত হয়নি, বরং হামলার পরের দিন হিসেবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের নাম মনে রাখতে মিডনাইট বা মধ্যরাত শব্দটি মাথায় রাখতে পারো, যা সাধারণত রাতের আঁধারে পরিচালিত গোপন বা অতর্কিত হামলা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। - জুন মাসের শেষের দিকে এই ঘটনা ঘটেছিল বলে তারিখটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাম্প্রতিক যুদ্ধ ও সামরিক অভিযান থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - এই প্রশ্নটি থেকে পরীক্ষার্থীরা সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে।
a ব্রাজিল ও বলিভিয়া
b যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
c জার্মানি ও পোল্যান্ড
d মিশর ও সুদান
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা ১. কেন সঠিক: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমান্তটি ইতিহাসে মেডিসিন লাইন নামে পরিচিত। ১৮৭৪ সালে নর্থ ওয়েস্ট মাউন্টেড পুলিশ এই অঞ্চল পরিমাপ ও চিহ্নিত করার সময় আদিবাসীরা এই নাম দেয়। ২. ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: সীমান্ত: বিশ্বের দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক স্থল সীমান্ত যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে অবস্থিত। দৈর্ঘ্য: এই সীমান্তটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮ হাজার ৮৯১ কিলোমিটার। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ৪৮তম সমান্তরাল রেখা ব্যাখ্যা: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্ত নির্ধারণে এই ভৌগোলিক রেখার ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। উদাহরণ ২: ডিউরেন্ড লাইন ব্যাখ্যা: এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমানা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাজিল ও বলিভিয়া — এই দেশদুটির সীমান্ত মেডিসিন লাইন নামে পরিচিত নয়। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশগুলো আমাজন অববাহিকা দ্বারা সংযুক্ত। B) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা উপরে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে। C) জার্মানি ও পোল্যান্ড — এই দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক সীমান্ত লাইন হলো ওডার নাইস লাইন। D) মিশর ও সুদান — এই দেশ দুটির সীমান্ত বিরোধপূর্ণ একটি এলাকা যা বির তাউইল নামে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা হলো উত্তর আমেরিকার বড় দেশ। উত্তর আমেরিকার আদিবাসীরা ওষুধ বা চিকিৎসার জন্য এই অঞ্চলের দিকে আসত বলে এই সীমান্তকে মেডিসিন লাইন বলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের দীর্ঘতম অ-সামরিক সীমান্ত কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এর উত্তর হলো যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা।
a ১৮০ নং প্রস্তাব
b ১৮১ নং প্রস্তাব
c ১৬০ নং প্রস্তাব
d ১৬১ নং প্রস্তাব
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮১ নং প্রস্তাব ১. কেন সঠিক: ১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্যালেস্টাইন বিভাজন পরিকল্পনা গৃহীত হয়। এই প্রস্তাবের মাধ্যমেই ব্রিটিশ ম্যান্ডেটাধীন প্যালেস্টাইন ভূখণ্ডকে একটি ইহুদি রাষ্ট্র এবং একটি আরব রাষ্ট্রে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: সংস্থা: জাতিসংঘ (United Nations) প্রতিষ্ঠা: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সাল সদর দপ্তর: নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইহুদিদের ওপর চালানো হলোকাস্ট এবং মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের মুখে এই বিভাজন পরিকল্পনা করা হয়। উদ্দেশ্য: প্যালেস্টাইন সংকটের একটি আন্তর্জাতিক ও আইনি সমাধান খোঁজা এবং দুই পক্ষের সহাবস্থান নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাজন ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শক্তির প্রস্থানকালে ভারত ও প্যালেস্টাইন উভয় অঞ্চলেই বিভাজন নীতি প্রয়োগ করা হয়েছিল, যার দীর্ঘস্থায়ী geopolitical প্রভাব রয়েছে। উদাহরণ ২: জেরুজালেম আন্তর্জাতিকীকরণ ব্যাখ্যা: ১৮১ নং প্রস্তাব অনুযায়ী জেরুজালেম শহরটিকে একটি বিশেষ আন্তর্জাতিক অঞ্চলের অধীনে রাখার কথা বলা হয়েছিল, যা বর্তমান সংঘাতেরও একটি কেন্দ্রীয় বিষয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮০ নং প্রস্তাব — এই নম্বরের কোনো ঐতিহাসিক বা প্যালেস্টাইন বিভাজন সংক্রান্ত প্রস্তাব জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়নি। B) ১৮১ নং প্রস্তাব — এটি প্যালেস্টাইন বিভাজন পরিকল্পনার সঠিক প্রস্তাব নম্বর এবং ১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর পাস হয়েছিল। C) ১৬০ নং প্রস্তাব — এটি প্যালেস্টাইন বিভাজন বা মধ্যপ্রাচ্য সংকটের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রস্তাব নয়। D) ১৬১ নং প্রস্তাব — এই প্রস্তাবটি প্যালেস্টাইন বিভাজনের ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্যালেস্টাইন বিভাজনের প্রস্তাবটি একানব্বই বা ১৮১ নম্বর প্রস্তাব হিসেবে মনে রাখতে পারেন। ১৯৪৭ সালের এই প্রস্তাবের শেষ দুটি অঙ্ক ৮১ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কত নং প্রস্তাব দ্বারা প্যালেস্টাইন বিভক্ত হয়েছিল, তা বারবার বিভিন্ন চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষায় জিজ্ঞাসা করা হয়।
a 1939
b 1943
c 1949
d 1960
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1949 ১. কেন সঠিক: নর্থ আটলান্টিক চুক্তি অর্গানাইজেশন বা ন্যাটো একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল স্বাক্ষরিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বিস্তার রোধ এবং পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলোর সুরক্ষায় এই সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: সংস্থা: নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা ন্যাটো একটি যৌথ প্রতিরক্ষা জোট। প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এটি গঠিত হয়। সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরে এই সামরিক জোটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। প্রেক্ষাপট: স্নায়ুযুদ্ধের সূচনালগ্নে পশ্চিমের গণতান্ত্রিক দেশগুলোকে সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসন থেকে রক্ষা করার জন্য এটি গঠিত হয়েছিল। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ওয়ারশ চুক্তি ব্যাখ্যা: ন্যাটোর প্রতিক্রিয়ায় সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ব্লকের দেশগুলো ১৯৫৫ সালে এই সামরিক জোট গঠন করেছিল। উদাহরণ ২: আর্টিকেল ফাইভ বা অনুচ্ছেদ পাঁচ ব্যাখ্যা: ন্যাটোর এই মূল নীতি অনুযায়ী জোটের যেকোনো সদস্য দেশের ওপর আক্রমণ সমগ্র জোটের ওপর আক্রমণ বলে গণ্য করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1939 — এই সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল কিন্তু ন্যাটো গঠিত হয়নি। B) 1943 — এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী বছর এবং এই সময়ে ন্যাটো বা কোনো স্থায়ী সামরিক জোট গঠিত হয়নি। C) 1949 — এই সালেই ঐতিহাসিক নর্থ আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়। D) 1960 — এই দশকে স্নায়ুযুদ্ধের উত্তেজনা থাকলেও ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির চার বছর পর অর্থাৎ ১৯৪৯ সালে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। ন্যাটোর প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে যুদ্ধ শেষের পরের সময়কালকে হিসাব করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ন্যাটোর সদর দপ্তর ও প্রতিষ্ঠার সাল প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ন্যাটোর বর্তমান সদস্যসংখ্যা এবং সর্বশেষ যোগদানকারী দেশ সম্পর্কেও পরীক্ষার্থীদের ধারণা রাখতে হবে।
a চীন ও আফগানিস্তান
b চীন ও ইংল্যান্ড
c ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তান
d চীন ও রাশিয়া
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন ও ইংল্যান্ড ১. কেন সঠিক: - আফিম যুদ্ধ মূলত সংঘটিত হয়েছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য এবং চীনের চিং রাজবংশের মধ্যে। - চীনের বাজারে অবৈধ আফিম বিক্রির ব্রিটিশ নীতির কারণে এই ঐতিহাসিক যুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: - প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতে উৎপাদিত আফিম অবৈধভাবে চীনে রপ্তানি করত। - ফলাফল/প্রভাব: চীনের পক্ষ থেকে আফিম বাণিজ্য নিষিদ্ধ করার পর প্রথম আফিম যুদ্ধ শুরু হয় এবং চীন পরাজিত হয়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নানকিং চুক্তি ব্যাখ্যা: প্রথম আফিম যুদ্ধের পর ১৮৪২ সালে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে এই অসম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উদাহরণ ২: হংকং দ্বীপের হস্তান্তর ব্যাখ্যা: নানকিং চুক্তির মাধ্যমে হংকং দ্বীপ ব্রিটিশদের হাতে চলে যায়, যা দীর্ঘমেয়াদে চীনের ঔপনিবেশিক ইতিহাসের একটি টার্নিং পয়েন্ট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন ও আফগানিস্তান — এই দুটি দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক আফিম যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি। B) চীন ও ইংল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি দেশের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ হয়েছিল। C) ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তান — এটি ভুল কারণ ব্রিটিশদের সাথে আফগানিস্তানের অ্যাংলো-আফগান যুদ্ধ হয়েছিল। D) চীন ও রাশিয়া — এই দুটি দেশের মধ্যে আফিম যুদ্ধ হয়নি, বরং সীমান্ত নিয়ে নানা সংঘাত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - আফিম যুদ্ধ মানেই ব্রিটিশদের বাণিজ্য সাম্রাজ্য বিস্তারের আগ্রাসন এবং চীনের সাথে সংঘাত। - চীন ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার এই যুদ্ধ এশিয়ার উপনিবেশায়নের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রথম আফিম যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল ১৮৩৯ থেকে ১৮৪২ সালের মধ্যে। - এই যুদ্ধের মাধ্যমে চীন তার সার্বভৌমত্ব হারাতে শুরু করে এবং পশ্চিমা শক্তির কাছে দুর্বল হয়ে পড়ে।
a কেনিয়া
b মোজাম্বিক
c জিবুতি
d পাকিস্তান
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কেনিয়া ১. কেন সঠিক: - কেনিয়ার মোম্বাসা সমুদ্রবন্দরটি পূর্ব আফ্রিকার সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র এবং চীনা অর্থায়নে ও নির্মাণে এর আধুনিকায়ন করা হয়েছে। - এটি চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বা বিআরআই প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে কাজ করছে। ২. ভূরাজনীতি ও অবকাঠামো: - দেশ/সংস্থা: কেনিয়া হলো পূর্ব আফ্রিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ যার রাজধানী নাইরোবি এবং মোম্বাসা এর প্রধান বন্দর শহর। - প্রেক্ষাপট: চীন বিশ্বব্যাপী সামুদ্রিক যোগাযোগ ও বাণিজ্য রুট প্রসারের জন্য বিভিন্ন দেশের সমুদ্রবন্দর নির্মাণ ও অর্থায়নে বড় ধরনের বিনিয়োগ করছে। - উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: এই প্রকল্পের মাধ্যমে চীন পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাকিস্তানের গোয়াদার বন্দর ব্যাখ্যা: এটিও চীনা অর্থায়নে নির্মিত একটি কৌশলগত সমুদ্রবন্দর যা চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর বা সিপিইসি প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দর ব্যাখ্যা: চীনের ঋণে নির্মিত এই বন্দরটি আর্থিক সংকটের কারণে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে চীনের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার ঘটনা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেনিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ মোম্বাসা বন্দরটি এই দেশেই অবস্থিত এবং এর উন্নয়নে চীনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা রয়েছে। B) মোজাম্বিক — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার একটি দেশ হলেও চীনা অর্থায়নে নির্মিত মোম্বাসার মতো বিখ্যাত বন্দর এখানে নেই। C) জিবুতি — জিবুতিতে চীনের সামরিক ঘাঁটি ও বন্দর সুবিধা থাকলেও মোম্বাসা বন্দরটি এই দেশে অবস্থিত নয়। D) পাকিস্তান — পাকিস্তানে চীনা অর্থায়নে গোয়াদার বন্দর নির্মিত হয়েছে, মোম্বাসা বন্দরটি পাকিস্তানে অবস্থিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মোম্বাসা শব্দটি শুনলেই কেনিয়া এবং পূর্ব আফ্রিকার সামুদ্রিক বাণিজ্যের কথা মাথায় রাখবে। - চীন আফ্রিকার যেসব দেশে বড় বন্দর বিনিয়োগ করেছে, তার মধ্যে কেনিয়ার মোম্বাসা অন্যতম প্রধান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিআরআই বা বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের সঙ্গে কোন কোন বন্দর জড়িত, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই প্রশ্ন থেকে আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি, ঋণ কূটনীতি এবং আঞ্চলিক সমুদ্রবন্দরের অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
a জাভা
b বালি
c অচেহ
d কালিমান্তান
0 26 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কালিমান্তান ১. কেন সঠিক: - ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা অতিরিক্ত জনবহুল হয়ে পড়া এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে দেশটির সরকার রাজধানী স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়। - নতুন রাজধানী নুসানতারা পূর্ব কালিমান্তান প্রদেশে অবস্থিত এবং এটি একটি পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: ইন্দোনেশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র এবং বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যাবহুল দেশ। - প্রেক্ষাপট: জাভা দ্বীপের ওপর জনসংখ্যার চাপ কমানো এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে রাজধানী স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। - উদ্দেশ্য: জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, দূষণ কমানো এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রাজিল ব্যাখ্যা: ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনেরিও থেকে রাজধানী সরিয়ে সম্পূর্ণ পরিকল্পিত অভ্যন্তরীণ শহর ব্রাসিলিয়ায় নেওয়া হয়েছিল। উদাহরণ ২: কাজাখস্তান ব্যাখ্যা: কাজাখস্তান তাদের রাজধানী আলমাটি থেকে সরিয়ে উত্তর অঞ্চলের আস্তানায় স্থানান্তর করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাভা — এটি ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে জনবহুল দ্বীপ এবং বর্তমান রাজধানী জাকার্তা এই দ্বীপেই অবস্থিত। B) বালি — এটি ইন্দোনেশিয়ার একটি বিখ্যাত পর্যটন দ্বীপ এবং এটি দেশের রাজধানী নয়। C) অচেহ — এটি সুমাত্রা দ্বীপের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত একটি বিশেষ স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশ। D) কালিমান্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ নতুন রাজধানী নুসানতারা এই অঞ্চলেই অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - নতুন রাজধানী মনে রাখতে কাল শব্দটির সঙ্গে নতুন বা নুসানতারার সংযোগ করতে পারো। - জাকার্তা থেকে দূরে কালিমান্তানে ইন্দোনেশিয়ার নতুন ক্ষমতার কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষার জন্য এই প্রশ্নটি সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি ও ভৌগোলিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই টপিক থেকে রাজধানী সংক্রান্ত অন্য কোনো ভৌগোলিক প্রশ্ন বা দেশের নাম জানতে চাওয়া হতে পারে।
a 1956
b 1889
c 1856
d 1945
0 28 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৬ ১. কেন সঠিক: মিশরের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি গামাল আবদেল নাসের ২৬শে জুলাই ১৯৫৬ সালে সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেন। এর ফলে ব্রিটিশ ও ফরাসি নিয়ন্ত্রित সুয়েজ খাল কোম্পানির কর্তৃত্ব শেষ হয় এবং খালের মালিকানা মিশরের সরকারের হাতে চলে আসে। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: দেশ: মিশর, উত্তর আফ্রিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। প্রেক্ষাপট: আসওয়ান বাঁধ নির্মাণের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বব্যাংক ঋণ দিতে অস্বীকৃতি জানালে মিশর এই পদক্ষেপ নেয়। উদ্দেশ্য/গুরুত্ব: সুয়েজ খাল থেকে প্রাপ্ত টোল বা রাজস্ব ব্যবহার করে আসওয়ান বাঁধ নির্মাণের অর্থায়ন নিশ্চিত করা। ফলাফল/প্রভাব: এর প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটেন, ফ্রান্স ও ইসরায়েল মিশরের ওপর আক্রমণ চালায়, যা ইতিহাসে সুয়েজ সংকট নামে পরিচিত। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানামা খাল ব্যাখ্যা: এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং সুয়েজ খালের মতো এটিও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কৃত্রিম জলপথ। উদাহরণ ২: আসওয়ান বাঁধ ব্যাখ্যা: সুয়েজ খাল জাতীয়করণের অর্থনৈতিক লাভের মাধ্যমেই নীল নদের ওপর এই বাঁধ নির্মাণের কাজ ত্বরান্বিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই মিশর সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেছিল। B) ১৮৮৯ — এই সালে সুয়েজ খাল জাতীয়করণ হয়নি, বরং এটি উনিশ শতকের শেষভাগের একটি বছর। C) ১৮১৮৫৬ — এই সালটি সঠিক নয়, কারণ ১৮৫৯ সালে সুয়েজ খালের খননকাজ শুরু হয়েছিল এবং ১৮৬৯ সালে তা চালু হয়। D) ১৯৪৫ — এই সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় এবং জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা সুয়েজ খাল জাতীয়করণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নাসের ১৯৫৬ সালে নিলেন সুয়েজ খালের দায়িত্ব, এই ঘটনা ঘটিয়ে তিনি দেখালেন অদম্য সাহসিকতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সুয়েজ খাল জাতীয়করণের সাল এবং এর সঙ্গে জড়িত নেতার নাম জানতে চাওয়া হয়।
a মাইক্রোক্রেডিট
b সফট লোন
c বাণিজ্যিক লোন
d পণ্য সাহায্য
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সফট লোন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সঠিক কারণ IDA স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে অত্যন্ত নমনীয় শর্তে বা সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে থাকে, যা সফট লোন নামে পরিচিত। - এই ঋণগুলোর সুদের হার শূন্যের কাছাকাছি বা খুব কম হয়ে থাকে এবং পরিশোধের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সময় বা গ্রেস পিরিয়ড পাওয়া যায়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা: - সংস্থা: IDA বা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, যা বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি অংশ। - প্রতিষ্ঠা: ১৯০৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এটি গঠিত হয় এবং ১৯৬০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। - সদর দপ্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি। - উদ্দেশ্য: বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ অতীতে IDA থেকে প্রচুর পরিমাণে সফট লোন বা সহজ শর্তের ঋণ পেয়েছে, যা দেশের অবকাঠামো ও সামাজিক উন্নয়নে ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সাব-সাহারান আফ্রিকা ব্যাখ্যা: আফ্রিকার অনেক স্বল্পোন্নত দেশ তাদের দারিদ্র্য বিমোচন ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের জন্য এই বিশেষ ঋণ সুবিধার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইক্রোক্রেডিট — এটি সাধারণত গ্রামীণ ব্যাংক বা ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে দরিদ্র ব্যক্তিদের স্বল্প পরিসরে দেওয়া ক্ষুদ্র ঋণ, যা আইডিএ-র কাজের পরিধিভুক্ত নয়। B) সফট লোন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ আইডিএ অত্যন্ত সহজ শর্তে ও দীর্ঘমেয়াদে এই ঋণ প্রদান করে থাকে। C) বাণিজ্যিক লোন — এটি উচ্চ সুদের হারে ব্যাংক বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া হয়, যা স্বল্পোন্নত দেশের জন্য অনুকূল নয়। D) পণ্য সাহায্য — এটি ঋণ নয়, বরং কোনো দেশকে সরাসরি নির্দিষ্ট পণ্য বা খাদ্য সামগ্রী উপহার বা সাহায্যেরূপে প্রদান করা বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আইডিএ হলো বিশ্বব্যাংকের এমন একটি শাখা যা দরিদ্রদের সাহায্য করে, তাই তাদের ঋণের শর্তও সহজ বা সফট হয়। - সফট লোন মানে হলো কম সুদ এবং দীর্ঘমেয়াদে ঋণ পরিশোধের সুযোগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্বব্যাংকের উইন্ডো বা অঙ্গসংস্থা হিসেবে আইবিআরডি বাণিজ্যিক ঋণ দেয় এবং আইডিএ সহজ শর্তের ঋণ দেয়। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক অর্থসংস্থা সংক্রান্ত অংশে প্রায়ই আসে।
a স্পেন
b ফ্রান্স
c রাশিয়া
d জার্মানি
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স ১. কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে আমেরিকান উপনিবেশগুলোকে সামরিক, অর্থনৈতিক ও নৌবহর দিয়ে সরাসরি সহায়তা করেছিল ফ্রান্স। - ১৭৭৮ সালে সায়েন্টিফিক ও সামরিক জোটের মাধ্যমে ফরাসি রাজা ষোড়শ লুই এই যুদ্ধে যোগ দেন, যা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে জয় নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রেখেছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - পটভূমি: ১৭৭৫ থেকে ১৭৮৩ সাল পর্যন্ত চলা এই যুদ্ধে মার্কিন উপনিবেশগুলো স্বাধীনতার জন্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে। - গুরুত্ব: ফ্রান্সের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের ফলে ইয়র্কটাউন যুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনী পরাজিত হয় এবং ১৭৮৩ সালের প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন স্বাধীনতা স্বীকৃতি পায়। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সারাতোগার যুদ্ধ ব্যাখ্যা: ১৭৭৭ সালের এই যুদ্ধে আমেরিকানদের বিজয়ের পর ফ্রান্স নিশ্চিত হয় যে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশদের হারাতে সক্ষম এবং তারা সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। উদাহরণ ২: মার্কুয়েস দ্য লাফায়েত ব্যাখ্যা: এই ফরাসি সেনা কর্মকর্তা আমেরিকান বিপ্লবে যোগ দিয়ে জর্জ ওয়াশিংটনের অধীনে যুদ্ধ করেন, যা দুই দেশের ঐতিহাসিক মিত্রতার প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পেন — স্পেন ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল এবং পরোক্ষভাবে সহায়তা করলেও সরাসরি প্রধান মিত্র ছিল না। C) রাশিয়া — রাশিয়া এই যুদ্ধে সামরিকভাবে অংশ নেয়নি, তবে তারা সশস্ত্র নিরপেক্ষতার লিগ গঠন করে ব্রিটিশ বাণিজ্যিক স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করেছিল। D) জার্মানি — সেসময়ে আধুনিক জার্মানি রাষ্ট্র হিসেবে ছিল না, তবে ব্রিটিশরা হেসা অঞ্চল থেকে ভাড়াটে সেনা এনেছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্রিটিশদের চিরশত্রু ছিল ফ্রান্স, তাই আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশদের হারাতে ফ্রান্স আমেরিকানদের পক্ষ নেয়। - লাফায়েত নামটি মনে রাখলে ফ্রান্সের সম্পৃক্ততা সহজে মনে পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষার জন্য আমেরিকান বিপ্লবের মিত্র দেশ এবং ১৭৮৩ সালের প্যারিস চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টপিক। - একই বিষয় থেকে প্রশ্ন হতে পারে যে, কোন চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করে।
a দক্ষিণ আফ্রিকা
b বাংলাদেশ
c সুদান
d সৌদি আরব
0 24 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দক্ষিণ আফ্রিকা ১. কেন সঠিক: - দক্ষিণ আফ্রিকা ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে মামলা করে। - দেশটি ঐতিহাসিকভাবে বর্ণবাদ বিরোধী সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত থাকায় ফিলিস্তিনের পক্ষে জোরালো আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - দেশ: দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র হলো আফ্রিকার সর্বদক্ষিণের একটি রাষ্ট্র যার রাজধানী প্রিটোরিয়া, কেপ টাউন ও ব্লুমফন্টেইন। - আদালত: মামলাটি করা হয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) যা জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ এবং নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। - প্রেক্ষাপট: গাজায় অব্যাহত সামরিক অভিযانی ও মানবিক সংকটের প্রেক্ষাপটে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে এই ঐতিহাসিক মামলা দায়ের করা হয়। - উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক অপরাধ ও মানবাধিকার সনদের আলোকে ইসরাইল যেন গাজায় সামরিক আগ্রাসন বন্ধ করে এবং গণহত্যা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়। - ফলাফল: আন্তর্জাতিক আদালত অন্তর্বর্তীকালীন বেশ কিছু জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিলেও সংঘাত এখনো চলমান রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সার্বিয়ার বিরুদ্ধে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার মামলা ব্যাখ্যা: অতীতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এমন মামলা করার ঐতিহাসিক নজির রয়েছে। উদাহরণ ২: মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলা ব্যাখ্যা: ওআইসিভুক্ত দেশের পক্ষে গাম্বিয়া আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলা করে যা রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতার এক অনন্য উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দক্ষিণ আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আফ্রিকান দেশটিই প্রথম ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যার মামলা দায়ের করে। B) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের পক্ষে দৃঢ় রাজনৈতিক সমর্থন জানালেও সরাসরি আন্তর্জাতিক আদালতে এই মামলা করেনি। C) সুদান — সুদান নিজে গৃহযুদ্ধ ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকটে জর্জরিত থাকায় এই মামলার সঙ্গে যুক্ত নয়। D) সৌদি আরব — সৌদি আরব কূটনৈতিকভাবে ফিলিস্তিনকে সমর্থন জানালেও এই মামলাটি করার ক্ষেত্রে প্রধান বাদী হিসেবে ভূমিকা রাখেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা দক্ষিণ আফ্রিকা গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর চলা নির্যাতনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রথম আইনি লড়াই শুরু করে। - আদালতের নাম আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা ICJ এবং এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করার এখতিয়ার কেবল সার্বভৌম রাষ্ট্রের রয়েছে, কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার নয়। - একই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক আদালতের কাজ এবং ফিলিস্তিন সংকটের আইনি দিক থেকে প্রশ্ন আসতে পারে।
a ৪৩তম
b ৪৪তম
c ৪৫তম
d ৪৭তম
0 22 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৫তম ১. কেন সঠিক: - ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৭ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। - যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, একই ব্যক্তি দুই দফায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারলে তাদের ক্রমিক সংখ্যা গণনা ভিন্ন হতে পারে, তবে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদটি ছিল দেশটির ৪৫তম প্রশাসন। ২. রাষ্ট্রপ্রধান ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: - দেশ: যুক্তরাষ্ট্র বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। - প্রেক্ষাপট: ডোনাল্ড ট্রাম্প রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হিসেবে ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করেন। - গুরুত্ব: তার প্রথম মেয়াদে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে দাঁড়ানো। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: জো বাইডেন ব্যাখ্যা: ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরেই ২০২১ সালে জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। উদাহরণ ২: বারাক ওবামা ব্যাখ্যা: ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঠিক পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্ট ছিলেন বারাক ওবামা, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৩তম — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ ৪৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ, যিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন। B) ৪৪তম — এই অপশনটি ভুল কারণ ৪৪তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন বারাক ওবামা, যিনি ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। C) ৪৫তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। D) ৪৭তম — এই অপশনটি ভুল কারণ ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে চলেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওবামা ছিলেন ৪৪তম, ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে ৪৫তম, বাইডেন ৪৬তম এবং ট্রাম্প পুনরায় বিজয়ী হয়ে ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। - এই ক্রম মনে রাখলে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক চারজন প্রেসিডেন্টের ধারাবাহিকতা খুব সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্টদের ক্রমিক নম্বর প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - একই ব্যক্তি দুবার নির্বাচিত হলে তাদের ক্রমিক নম্বর কীভাবে পরিবর্তিত হয়, তা ভালো করে বুঝে রাখা জরুরি।
a পলিনেশিয়া
b ওরিয়েন্টাল অঞ্চল
c মেলানেশিয়া
d মাইক্রোনেশিয়া
0 30 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেলানেশিয়া ১. কেন সঠিক: পাপুয়া নিউগিনি ওশেনিয়া অঞ্চলের ওশেনিয়া মহাদেশের প্রশান্ত মহাসাগরীয় একটি রাষ্ট্র। ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের কারণে এই অঞ্চলকে মেলানেশিয়া হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: দেশ: পাপুয়া নিউগিনি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। অবস্থান: ওশেনিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। প্রেক্ষাপট: ওশেনিয়া অঞ্চলকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া ও পলিনেশিয়া। গুরুত্ব: প্রশান্ত মহাসাগরীয় ভূরাজনীতিতে দ্বীপ রাষ্ট্রটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফিজি ব্যাখ্যা: এটিও মেলানেশিয়া অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ রাষ্ট্র। উদাহরণ ২: ভানুয়াতু ব্যাখ্যা: এই দেশটি মেলানেশিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এর সংস্কৃতি পাপুয়ার সাথে মেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পলিনেশিয়া — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্য একটি দ্বীপপুঞ্জ যেখানে নিউজিল্যান্ড ও সামোয়া অবস্থিত। B) ওরিয়েন্টাল অঞ্চল — এটি জীবভূগোলের একটি অঞ্চল যা দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে নির্দেশ করে। C) মেলানেশিয়া — এটি সঠিক উত্তর যা পাপুয়া নিউগিনির ভৌগোলিক অঞ্চল। D) মাইক্রোনেশিয়া — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের উত্তর-পশ্চিমের ক্ষুদ্র দ্বীপসমূহের একটি অঞ্চল। ৫. মনে রাখার টিপস: পাপুয়া নিউগিনির নাম শুরু হয় প দিয়ে এবং এটি মেলানেশিয়ার প্রধান দেশ। মেলানেশিয়া অর্থ কালো দ্বীপপুঞ্জ যেখানে পাপুয়া নিউগিনি অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ওশেনিয়া অঞ্চলের দ্বীপগুলোর ভৌগোলিক বিভাজন থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। পাপুয়ার রাজধানী এবং মুদ্রার নাম থেকেও প্রশ্ন হতে পারে।
a 1927
b 1949
c 1789
d 1917
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯১৭ ১. কেন সঠিক: বলশেভিক বিপ্লব ১৯১৭ সালে সংঘটিত হয়েছিল এবং এর মাধ্যমে রাশিয়ায় জার শাসনের পতন ঘটে। এটি বিশ্বের প্রথম সফল সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব যা ১৯১৭ সালের নভেম্বর মাসে ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে সংঘটিত হয়। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: প্রেক্ষাপট: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়ার চরম অর্থনৈতিক সংকট এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসের ব্যর্থতার ফলে এই বিপ্লব অনিবার্য হয়ে ওঠে। উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব: পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে শ্রমিক ও কৃষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠন করা ছিল এর মূল উদ্দেশ্য। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯ ব্যাখ্যা: এটি ইউরোপের রাজনীতিতে রাজতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার ধারণা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়। উদাহরণ ২: চীন বিপ্লব ১৯৪৯ ব্যাখ্যা: মাও সে তুং এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতা দখল করে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৭ — এই সালে বলশেভিক বিপ্লব হয়নি, তবে এটি জোসেফ স্টালিনের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার বছর হিসেবে পরিচিত। B) ১৯৪৯ — এটি চীন বিপ্লবের সাল, যা রাশিয়া বিপ্লবের অনেক পরে সংঘটিত হয়েছিল। C) ১৭৮৯ — এটি ফরাসি বিপ্লবের সাল, যা ইউরোপের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। D) ১৯১৭ — এটি সঠিক উত্তর, এই সালেই রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: বলশেভিক বিপ্লব বা রাশিয়ান বিপ্লব মনে রাখার জন্য প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল মনে রাখতে হবে। যুদ্ধ চলাকালীন ১৯১৭ সালে রাশিয়া যুদ্ধ থেকে সরে দাঁড়ায় এবং বিপ্লব সফল হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই বিপ্লবের নায়ক ভ্লাদিমির লেনিন এবং এর ফলেই পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়ন বা ইউএসএসআর গঠিত হয়। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই বিপ্লবের সাল ও নেতার নাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a ন্যাটো
b আইএমএফ
c জাতিসংঘ
d ওয়ার্ল্ড ব্যাংক
0 25 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাতিসংঘ ১. কেন সঠিক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে বিশ্বকে রক্ষা করা এবং ভবিষ্যতের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আটলান্টিক সনদের মাধ্যমে জাতিসংঘ গঠনের পথ সুগম হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাকলিন ডি রুজভেল্ট এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল ১৯৪১ সালে এই ঐতিহাসিক সনদ স্বাক্ষর করেন। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: সংস্থা: জাতিসংঘ (United Nations - UN) প্রতিষ্ঠা: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সাল সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র প্রেক্ষাপট: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে লিগ অব নেশনস ব্যর্থ হওয়ায় নতুন একটি বৈশ্বিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা এবং দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৪১ সালের আটলান্টিক সনদ ব্যাখ্যা: এই সনদের মাধ্যমেই মূলত আধুনিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার এবং পরবর্তীতে জাতিসংঘ গঠনের রূপরেখা তৈরি হয়। উদাহরণ ২: ১৯৪৫ সালের সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন ব্যাখ্যা: আটলান্টিক সনদের আদর্শের ওপর ভিত্তি করেই সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশ মিলে জাতিসংঘ সনদ চূড়ান্ত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ন্যাটো — এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নকে প্রতিহত করার জন্য গঠিত একটি সামরিক জোট, যার সঙ্গে আটলান্টিক সনদের সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) আইএমএফ — এটি ১৯৪৪ সালের ব্রাইটুন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা যুদ্ধোত্তর অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য তৈরি হয়। D) ওয়ার্ল্ড ব্যাংক — এটিও ব্রাইটুন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয় এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠনে ও উন্নয়নে ঋণ প্রদান করে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশ্বযুদ্ধ শেষে শান্তির জন্য বিশ্ববাসীর যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, তার প্রথম ধাপ ছিল আটলান্টিক সনদ এবং এর চূড়ান্ত রূপ হলো জাতিসংঘ। সনদের মাধ্যমে শান্তি আর জাতিসংঘের মাধ্যমে বিশ্ব রক্ষা পেল, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় ১৯৪১ সালে এবং জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে। এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে যে, কোন সনদের ভিত্তিতে জাতিসংঘ গঠিত হয়েছিল।
a ব্রাজিল
b ডেনমার্ক
c নরওয়ে
d বুলগেরিয়া
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নরওয়ে ১. কেন সঠিক: - নরওয়ে ইউরোপ মহাদেশের একটি দেশ হলেও এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়। - নরওয়ের জনগণ গণভোটের মাধ্যমে দুবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ অর্জনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। ২. আন্তর্জাতিক তথ্য: - সংস্থা: ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ হলো ইউরোপের একত্রীকৃত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৫৭ সালের মার্চ মাসে রোম চুক্তির মাধ্যমে এর পূর্বসূরি গঠিত হয়। - সদর দপ্তর: বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরে এর সদর দপ্তর অবস্থিত। - সদস্যসংখ্যা: বর্তমানে এই জোটে সাতাশটি সদস্য দেশ রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুইজারল্যান্ড ব্যাখ্যা: নরওয়ের মতো সুইজারল্যান্ডও ইউরোপের উন্নত দেশ কিন্তু ইইউর সদস্য নয়। উদাহরণ ২: যুক্তরাজ্য ব্যাখ্যা: যুক্তরাজ্য একসময় ইইউর সদস্য থাকলেও ব্রেক্সিটের মাধ্যমে জোট থেকে বেরিয়ে গেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাজিল — এটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। B) ডেনমার্ক — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বর্তমানের সক্রিয় অংশীদার। D) বুলগেরিয়া — এটি ২০০৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ লাভ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নরওয়ে এবং সুইজারল্যান্ড ইউরোপে থেকেও নিজেদের অর্থনৈতিক স্বকক্ষতা বজায় রাখতে ইইউ থেকে দূরে থাকে। - স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশগুলোর মধ্যে ডেনমার্ক সদস্য হলেও নরওয়ে সদস্য নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান সদস্য সংখ্যা এবং ব্রেক্সিট সংক্রান্ত তথ্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোন কোন ইউরোপীয় দেশ ইইউর বাইরে রয়েছে, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য মুখস্থ রাখা জরুরি।
a রাশিয়া
b ভারত
c যুক্তরাষ্ট্র
d ফ্রান্স
0 21 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাশিয়া ১. কেন সঠিক: - নোভাইয়া জামল্যা পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রটি রাশিয়ার উত্তর মেরুর কাছে আর্কটিক মহাসাগরে অবস্থিত। - স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন এই দ্বীপাঞ্চলে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হাইড্রোজেন বোমা পরীক্ষামূলকভাবে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল। ২. পারমাণবিক অস্ত্র ও নিরস্ত্রীকরণ: - দেশ: রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত। - প্রেক্ষাপট: সোভিয়েত আমল থেকে শুরু করে এই স্থানটি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা ও গবেষণার জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। - গুরুত্ব: সামরিক শক্তি প্রদর্শন এবং কৌশলগত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অর্জনের জন্য এই অঞ্চলের ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: নেভাডা টেস্ট সাইট ব্যাখ্যা: এটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত একটি প্রধান পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার স্থান, যা স্নায়ুযুদ্ধের সময় ব্যাপক ব্যবহৃত হয়েছিল। উদাহরণ ২: পোখরান টেস্ট রেঞ্জ ব্যাখ্যা: এটি ভারতে অবস্থিত, যেখানে ভারত তাদের প্রথম পারমাণবিক অস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ নোভাইয়া পরীক্ষা কেন্দ্রটি রুশ ভূখণ্ডেই অবস্থিত। B) ভারত — ভারত দক্ষিণ এশিয়ার দেশ এবং এর পরমাণু পরীক্ষার মূল স্থান রাজস্থানের পোখরান। C) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকার একটি পরাশক্তি এবং তাদের প্রধান পরমাণু পরীক্ষা কেন্দ্র নেভাডায় অবস্থিত। D) ফ্রান্স — ফ্রান্স ইউরোপের দেশ এবং তারা মূলত প্রশান্ত মহাসাগরের মুরুরোয়া প্রবাল দ্বীপে পরমাণু পরীক্ষা চালাত। ৫ মনে রাখার টিপস: - নোভাইয়া নামটির মধ্যে একটি ঠান্ডা বা বরফাবৃত অঞ্চলের আভাস পাওয়া যায়, যা রাশিয়ার উত্তর মেরুর আর্কটিক অঞ্চলের সঙ্গে মিলে যায়। - পরীক্ষার স্থানটি রাশিয়ার সর্বউত্তরের প্রত্যন্ত দ্বীপে অবস্থিত বলে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ভূগোলের ওপর ভিত্তি করে করা হয়। - একই বিষয় থেকে পরীক্ষক কোনো নির্দিষ্ট দেশের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বোমার নাম বা পরীক্ষার সাল সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পারেন।