সঠিক উত্তর: C) সাধু ভাষা
১. কেন সঠিক:
সাধু ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও সুনির্ধারিত পদের বিন্যাস কঠোরভাবে মেনে চলে।
এই রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ নির্দিষ্ট থাকে এবং বাক্যের গঠন পরিবর্তন করা যায় না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার লেখ্য রূপের প্রাচীনতম ও মান্য রূপ হলো সাধু ভাষা।
এই ভাষারীতিতে তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি এবং এর পদবিন্যাস অপরিবর্তনশীল ও ব্যাকরণের নিয়মবদ্ধ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তাহারা মাঠে খেলিতেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়েছে এবং পদবিন্যাস সুনির্দিষ্ট।
উদাহরণ ২: নদীটি সাগরে পতিত হইয়াছে।
ব্যাখ্যা: এটি সাধু ভাষার বাক্য যেখানে ক্রিয়াপদ নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কথ্য ভাষা — কথ্য ভাষা হলো মানুষের মুখের ভাষা যার কোনো সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী ব্যাকরণগত নিয়ম থাকে না।
এটি অঞ্চলভেদে পরিবর্তিত হয়।
B) লেখ্য ভাষা — লেখ্য ভাষা বলতে সাধু ও চলিত উভয় রীতিকেই বোঝায়।
তাই এটি নির্দিষ্ট কোনো একটি বিশেষ রীতির পদবিন্যাসকে নির্দেশ করে না।
D) চলিত ভাষা — চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল ও গতিশীল।
এর পদবিন্যাস সাধু ভাষার মতো অতটা কঠোরভাবে সুনিয়ন্ত্রিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সাধু মানেই সব নিয়ম মনা। সাধু ভাষার সব পদ নির্দিষ্ট ও সুনিয়ন্ত্রিত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষারীতি সংক্রান্ত প্রশ্নে সাধু ভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে ব্যাকরণের নিয়মকানুনের কড়াকড়ি এবং চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য হিসেবে পরিবর্তনশীলতা ও সহজবোধ্যতার বিষয়টি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
- বাংলা গদ্যে সাধু রীতির সুশৃঙ্খল রূপদান ও পরিশীলিত ব্যবহারের জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে সাধু ভাষার জনক বলা হয়।
- তাঁর আগে সাধু রীতি কিছুটা বিশৃঙ্খল ছিল, যা তিনি বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থে প্রথম সুশৃঙ্খলভাবে উপস্থাপন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনিশ শতকের বাঙালি সমাজ সংস্কারক, শিক্ষাবিদ ও গদ্যের প্রথম শিল্পী হিসেবে পরিচিত।
- বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে তিনি সাধু ভাষাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক রচিত প্রথম গ্রন্থ যেখানে সাধু ভাষার সুশৃঙ্খল রূপ প্রকাশ পায়।
উদাহরণ ২: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: বিদ্যাসাগরের এই অনুবাদ গ্রন্থটিতেও সাধু ভাষার অত্যন্ত মার্জিত ও পরিশীলিত রূপ দেখতে পাওয়া যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরলাল রায় — ইনি একজন লেখক হলেও বাংলা সাধু ভাষার জনক হিসেবে স্বীকৃত নন।
B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত উত্তর হিসেবে গৃহিত।
C) ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি একজন বিশিষ্ট ভাষাতাত্ত্বিক, বাংলা সাধু ভাষার জনক নন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা চলিত ভাষারীতির রূপকার ও প্রবক্তা, সাধু ভাষার জনক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাধু ভাষার জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং চলিত ভাষার রূপকার বা প্রবক্তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, এই দুটি নাম গুলিয়ে ফেলবেন না।
- বিদ্যাসাগর মানেই গদ্যের জাদুকর এবং সাধু রীতির সুশৃঙ্খল রূপকার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গদ্যের জনক এবং সাধু ভাষার জনকের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে এবং পদ্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ।
সঠিক উত্তর: A) Modesty is the embellishment of greatness.
কেন সঠিক:
১. এই বাক্যে বিনয় শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ modesty এবং মহত্ত্বের ভূষণ শব্দের ইংরেজি the embellishment of greatness নির্ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
২. বাংলা প্রবচন বা ভাবের অনুবাদের ক্ষেত্রে সঠিক শব্দচয়ন এবং ব্যাকরণের নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করায় এই অপশনটি সবচেয়ে মানানসই হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এখানে ষষ্টি বিভক্তির রূপ বোঝাতে অফ প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে যা মহত্ত্বের অর্থ প্রকাশ করে।
২. ভূষণ শব্দের যথাযথ ইংরেজি প্রতিশব্দ হিসেবে এখানে এমবেলিশমেন্ট নাউনটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৩. যেমন, সততা সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থার ইংরেজি অনেস্টি ইজ দ্য বেস্ট পলিসি হয়, তেমনি এই অনুবাদটিও ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Modesty is the embellishment of greatness — এটি সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে মূল বাক্যের পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
B) Modesty is greatness — এই অপশনে ভূষণ শব্দের কোনো অনুবাদ নেই ফলে বাক্যের মূল অর্থ অসম্পূর্ণ থেকে গেছে।
C) Modesty is great embellishment — এখানে মহত্ত্বের শব্দের সঠিক অনুবাদ অনুপস্থিত এবং এটি কেবল মহান ভূষণ অর্থ প্রকাশ করে।
D) Modesty is embellishment to greatness — এই বাক্যে প্রিপজিশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভুল রয়েছে কারণ এখানে অব বা সম্বন্ধপদ বোঝাতে অফ প্রিপজিশন প্রয়োজন।
মনে রাখার টিপস:
১. বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদের সময় প্রথমে মূল সাবজেক্ট এবং অবজেক্ট চিহ্নিত করে সঠিক প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
২. বিশেষ কোনো গুণ বা ভূষণ বোঝাতে দ্য এমবেলিশমেন্ট অব নাউন গঠনটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) He has few friends.
১. কেন সঠিক:
- 'নাই বললেই চলে' বা অতি নগণ্য পরিমাণ বোঝাতে ইংরেজি ব্যাকরণে 'few' শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
- 'Few' শব্দটির নিজস্ব অর্থই না সূচক, যা প্রায় নেই বললেই চলে এমন অবস্থাকে নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ইংরেজি গ্রামারে 'few' এবং 'a few'-এর ব্যবহার ভিন্ন। 'Few' বসে সংখ্যায় অত্যন্ত কম বা প্রায় নেই অর্থে, যা নেতিবাচক ভাব প্রকাশ করে।
- অন্যদিকে 'a few' বসে সামান্য কিছু বা অল্প কিছু অর্থে, যা ইতিবাচক ভাব প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তার সামান্য কিছু বই আছে।
ব্যাখ্যা: এটি ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করায় এখানে 'a few' ব্যবহৃত হবে এবং ইংরেজি অনুবাদ হবে 'He has a few books.'
উদাহরণ ২: তার বুদ্ধি নেই বললেই চলে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'নাই বললেই চলে' অর্থে নেতিবাচক ভাব থাকায় 'few'-এর পরিবর্তে 'little' ব্যবহৃত হবে এবং অনুবাদ হবে 'He has little intelligence.'
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He has no friends. — এই বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় তার কোনো বন্ধু নেই, যা 'নাই বললেই চলে' অর্থাৎ আংশিক অস্তিত্বের ধারণার চেয়ে ভিন্ন।
B) He has a few friends. — 'A few' অর্থ কিছু বা কয়েকটি, যা 'নাই বললেই চলে' এই নেতিবাচক ভাবের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) He has few friends. — এটি সঠিক অপশন কারণ 'few' অর্থ প্রায় নেই বললেই চলে।
D) He does not have any friend. — এই বাক্যটির অর্থ তার কোনো বন্ধু নেই, যা সরাসরি অস্তিত্বহীনতা বোঝায় কিন্তু প্রদত্ত বাক্যের ভাবকে পুরোপুরি প্রকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে 'নেই বললেই চলে' বা 'খুব কম' থাকলে আর্টিকেল ছাড়া শুধু 'few' বা 'little' ব্যবহার করবে।
- 'কিছু পরিমাণ' বা 'অল্প কিছু' বোঝালে 'few' বা 'little'-এর আগে 'a' যুক্ত করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'few', 'a few' এবং 'the few'-এর পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- গণনাযোগ্য পদের ক্ষেত্রে 'few' এবং পরিমাপযোগ্য বা অগণনযোগ্য পদের ক্ষেত্রে 'little' ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) Mankind is at stake now.
১. কেন সঠিক:
- Mankind একটি অগণন বা কালেক্টিভ নাউন হিসেবে ধরা হয় এবং এর সঙ্গে সাধারণত একবচন বা সিঙ্গুলার ভার্ব ব্যবহার করা হয়।
- at stake একটি প্রবচনীয় ফ্রেজ যার অর্থ বিপন্ন বা ঝুঁকিপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দ দেখতে বহুবচন মনে হলেও এদের সঙ্গে সিঙ্গুলার ভার্ব বসে।
- Mankind শব্দটি মানবজাতিকে সামগ্রিকভাবে নির্দেশ করে যা একবচন হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Mankind is facing a severe crisis.
ব্যাখ্যা: এখানে Mankind সামগ্রিক মানবজাতিকে বোঝাতে সিঙ্গুলার ভার্ব is গ্রহণ করেছে।
উদাহরণ ২: Humanity is in danger.
ব্যাখ্যা: Humanity বা মানবতা একটি অবমূর্ত বিশেষ্য হওয়ায় এর সঙ্গে সিঙ্গুলার ভার্ব বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mankind are at a stake now. — এখানে are এবং a stake ভুল ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Mankind are at stake now. — এখানে are হলো বহুবচন যা Mankind শব্দের সঙ্গে ভুল।
C) Mankind is at stake now. — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত ব্যাকরণগত রূপ।
D) Man are at stake now. — Man এখানে বহুবচন রূপ হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং are ও অসাংগত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Mankind শব্দটিকে সবসময় একটি অবিভক্ত জাতি হিসেবে ধরবে এবং এর পর সবসময় is বা singular verb বসাবে।
- at stake ফ্রেজে কোনো আর্টিকেল (a/an) বসে না, তাই সরাসরি at stake মুখস্থ রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Collective Noun এবং Abstract Noun এর পর singular verb বসে কি না তা প্রায়ই আসে।
- প্রবচন বা ফ্রেজের ভেতরের শব্দ পরিবর্তন না করে হুবহু মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) সলিল সমাধি
কেন সঠিক:
- ইংরেজি পরিভাষাটির আক্ষরিক অর্থ হলো জলে বা পানিতে কবর হওয়া।
- বাংলা idioms বা বাগধারা অনুযায়ী পানিতে ডুবে মৃত্যুকে সলিল সমাধি বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি ইংরেজি ইডিয়মের সঠিক বাংলা ভাবানুবাদ।
- সাহিত্যে বা সংবাদে জলে ডুবে মৃত্যুর ক্ষেত্রে এই রূপকটি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন সমুদ্রে জাহাজ ডুবে নিখোঁজ হওয়া বা পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার ক্ষেত্রে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পানির নালা — এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভৌগোলিক বা সাধারণ শব্দ যার সাথে এই ইডিয়মের কোনো মিল নেই।
- B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো অপশন থাকার কথা নয়, তবে এটি মূল উত্তরের পুনরাবৃত্তি।
- C) পানিযুক্ত কবর — এটি আক্ষরিক অনুবাদ হলেও বাংলা ভাষার প্রচলিত সুন্দর বাগধারা বা মানসম্মত পরিভাষা নয়।
- D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে موجود রয়েছে তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
- Water শব্দের অর্থ জল বা সলিল এবং Grave শব্দের অর্থ সমাধি, তাই দুটি মিলিয়ে সলিল সমাধি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) নিত্য সমাস
১. কেন সঠিক:
যে সমাসে ব্যাসবাক্য হয় না কিংবা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে।
কালসাপ শব্দটির ব্যাসবাক্য হয় না, তাই এটি নিত্য সমাসের অন্তর্ভুক্ত এবং এর মূল অর্থ বিষধর সাপ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
নিত্য সমাসের ক্ষেত্রে পদের অর্থের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং স্বাভাবিক নিয়মে এদের ব্যাসবাক্য গঠন করা সম্ভব নয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের কিছু নির্দিষ্ট শব্দ থেকে সরাসরি নিত্য সমাসের প্রশ্ন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদ ও পরপদের বাইরে ভিন্নতা বোঝাতে নিত্য সমাসের নিয়ম অনুযায়ী ব্যাসবাক্য করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও নিত্য সমাসের নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে যেখানে পদের অর্থ অপরিবর্তিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিত্য সমাস — প্রদত্ত সঠিক উত্তর কারণ কালসাপ শব্দটির কোনো প্রচলিত ব্যাসবাক্য হয় না।
B) দ্বন্দ্ব সমাস — এই সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে যা কালসাপ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) বহুব্রীহি সমাস — এই সমাসে পদের অর্থ বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায় না।
D) কর্মধারায় সমাস — এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্পর্ক থাকে কিন্তু কালসাপ কোনো সাধারণ কর্মধারায় সমাস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
যে সমস্ত শব্দের নিজস্ব কোনো প্রচলিত ব্যাসবাক্য হয় না বা অন্য পদের সাহায্য ছাড়া অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলো সাধারণত নিত্য সমাস হয়।
পরীক্ষায় কালসাপ, গ্রামান্তর বা অন্য মন শব্দগুলো দেখলে নিত্য সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নিত্য সমাসের ক্ষেত্রে কেবল, অন্য, মাত্র ইত্যাদি শব্দগুলো ব্যাসবাক্যে বেশি ব্যবহৃত হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই টপিক থেকে কমন শব্দগুলোই বারবার পুনরাবৃত্তি করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) কুলটা
১. কেন সঠিক:
যেসব শব্দের কোনো পুরুষবাচক শব্দ বা রূপ থাকে না এবং প্রাকৃতিকভাবেই স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। 'কুলটা' শব্দটির কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই এবং এটি সর্বদা স্ত্রীবাচক হিসেবেই ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে কিছু শব্দকে পুরুষবাচক বা স্ত্রীবাচক করার কোনো সুযোগ থাকে না। নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো জন্মগতভাবেই স্ত্রীলিঙ্গবাচক এবং এদের কোনো পুংলিঙ্গবাচক জোড় নেই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সতীন
ব্যাখ্যা: সতীন শব্দটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ কারণ এর কোনো পুংলিঙ্গবাচক রূপ নেই।
উদাহরণ ২: অবলা
ব্যাখ্যা: অবলা শব্দটি নারী বা দুর্বল বোঝাতে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুলটা — এটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
B) যোগিনী — এটি সাধিত স্ত্রীবাচক শব্দ, যার পুংলিঙ্গ রূপ যোগী।
C) রজকী — এটি প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ, যার পুংলিঙ্গ রূপ রজক।
D) চাতকী — এটি ই প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ, যার পুংলিঙ্গ রূপ চাতক।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো এদের কোনো পুরুষবাচক জোড় নেই তা মনে রাখা। কুলটা, সতীন, অবলা, সধবা, এগুলোর কোনো পুংলিঙ্গ হয় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কুলটা, সতীন, অবলা, সধবা, এদুটো শব্দ খুব ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) লো+অন
কেন সঠিক:
- এটি একটি স্বরসন্ধির উদাহরণ যেখানে ও কারের সাথে অন যুক্ত হয়েছে।
- সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ও কারের পরে স্বরধ্বনি থাকলে ও কারের স্থানে অব হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি আদিচ প্রত্যয় সাধিত বা সংস্করণের অট সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম।
- সংস্করণের ব্যাকরণ অনুযায়ী ও বা ঔ কারের পরে অন্য স্বরধ্বনি থাকলে যথাক্রমে অব বা আব হয়।
- যেমন: পো + অন = পবন, খো + অন = ভবন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) লে + অন — এই নিয়মে লে থেকে লব তৈরি হওয়ার কোনো ব্যাকরণসম্মত সুযোগ নেই।
- B) লব + অন — এটি কোনো আসল সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি কারণ লব একটি সম্পূর্ণ শব্দ।
- C) লো + অন — এটি তো সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না।
- D) ল + বন — এখানে বন কোনো প্রত্যয় নয় এবং এটি সন্ধির প্রাথমিক নিয়ম ভঙ্গ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
- লবণ ও পবন শব্দ দুটি দেখলে ও কার এবং অন প্রত্যয় মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) অল্পে ভয়
১. কেন সঠিক:
- সিঁদুরে মেঘ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ সিঁদুরের মতো লাল মেঘ এবং এর ভাবার্থ হলো সামান্য বিপদের আভাষ পেতেই অতিমাত্রায় আতঙ্কিত হয়ে পড়া।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে কারণ এর আক্ষরিক রূপের সঙ্গে ভাবগত অর্থের একটি সূক্ষ্ম মানসিক ভীতি বা পূর্বানুমানের মিল রয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে এবং বাংলা ভাষার সৌন্দর্য ও প্রকাশভঙ্গি বৃদ্ধি করে।
- এটি শব্দার্থের দিক থেকে একটি বিশেষ শৈলী, যেখানে পদের সাধারণ অর্থ পরিবর্তন হয়ে রূপক বা প্রবচনভিত্তিক নতুন অর্থ তৈরি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সামান্য বৃষ্টি দেখেই তার ছাতা খোঁজা শুরু করা মানেই হলো সিঁদুরে মেঘ দেখে ভয় পাওয়া।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অল্পতেই আতঙ্কিত হওয়ার স্বভাব বোঝাতে সিঁদুরে মেঘ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরীক্ষার নাম শুনলেই সে অজ্ঞান হওয়ার উপক্রম করে, তার এই অবস্থা হলো সিঁদুরে মেঘ দেখে ভয় পাওয়ার শামিল।
ব্যাখ্যা: এখানেও প্রকৃত বিপদের আগেই অতিরিক্ত মাত্রায় ভয় পাওয়ার মানসিকতাকে নির্দেশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বড় বিপদ — এই অপশনটি ভুল কারণ বড় বিপদ বোঝাতে অন্য বাগধারা যেমন অতল জলের আহ্বান বা সর্বনাশা মুহূর্ত ব্যবহার করা হয়।
B) অল্পে ভয় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সিঁদুরে মেঘ বাগধারার প্রকৃত ভাবার্থকে সফলভাবে নির্দেশ করে।
C) বিপদের আশঙ্কা — এই অপশনটি আংশिक সত্য মনে হলেও বাগধারাটির মূল ব্যঞ্জনা হলো আশঙ্কা নয়, বরং আশঙ্কায় অতিরিক্ত ও সামান্য কারণে ভীত হওয়া।
D) আকাশ লাল — এই অপশনটি সম্পূর্ণ আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাগধারার রূপক অর্থের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সিঁদুর দেখলেই যেমন মঙ্গল বা অমঙ্গলের কথা ভেবে অনেকে শঙ্কিত হন, তেমনই মেঘ দেখলে বৃষ্টির আশঙ্কায় সামান্য কারণে ভয় পাওয়ার ব্যাপারটি মাথায় রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাবার্থমূলক বাগধারাগুলো প্রায়ই অপশনে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থের ওপর বেশি জোর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বৃহৎ বিষয়
১. কেন সঠিক:
- সপ্তকাণ্ড রামায়ণ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ সাতটি কান্ড বা খণ্ডে বিভক্ত রামায়ণ হলেও, বিশেষ অর্থে এটি কোনো জটিল, দীর্ঘ বা বৃহৎ বিষয়কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- বৃহৎ কোনো কাজের বিশাল বিস্তার বা জটিল বিবরণ বোঝাতেই এই বাগধারাটি বাংলা ভাষায় প্রমিতভাবে ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা, যা রূপক অর্থে কোনো বড় বা দীর্ঘ ঘটনাকে নির্দেশ করে।
- রামায়ণ মহাকাব্যটি বাল্মীকি কর্তৃক রচিত এবং এটি আদিকাব্যের মর্যাদা পায়, যা সাতটি কান্ডে বিভক্ত থাকায় এর পরিসর অত্যন্ত বিশাল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার এই পারিবারিক সমস্যার কথা শুনলে মনে হয় পুরো সপ্তকাণ্ড রামায়ণ শুনতে হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে সমস্যাটির বিশালতা ও দীর্ঘ বিবরণ বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ওই ঘটনার পেছনের ইতিহাস আর বলতে যেও না, সে এক সপ্তকাণ্ড রামায়ণ।
ব্যাখ্যা: কোনো বিষয়ের অতি দীর্ঘ ও জটিল পটভূমি বোঝাতে এই উদাহরণটি প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৃহৎ বিষয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাগধারাটির অন্তর্নিহিত অর্থ বিশাল বা দীর্ঘ বিষয়কে নির্দেশ করে।
B) গ্রন্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ রামায়ণ একটি গ্রন্থ হলেও বাগধারা হিসেবে এটি শুধু একটি সাধারণ গ্রন্থকে বোঝায় না।
C) ছোট গল্প — এই অপশনটি ভুল কারণ ছোট গল্প বলতে সংক্ষিপ্ত পরিসরের সাহিত্যকর্মকে বোঝায়, যা সপ্তকাণ্ড রামায়ণের বিপরীত।
D) কোনোটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি প্রথম অপশনেই বিদ্যমান রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রামায়ণ মহাকাব্য সাতটি কান্ডে বিভক্ত এবং এটি আকারে অনেক বড়, তাই সপ্তকাণ্ড রামায়ণ বললেই মনে রাখবে এটি একটি বিরাট বা বৃহৎ বিষয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ কী তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) জিমূতমন্দ্র
১. কেন সঠিক:
মেঘের ধ্বনি বা গর্জনকে এককথায় জিমূতমন্দ্র বলা হয়।
এখানে জিমূত শব্দের অর্থ মেঘ এবং মন্দ্র শব্দের অর্থ গম্ভীর ধ্বনি বা গর্জন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাক্যের অর্থ সংক্ষিপ্ত করে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশে মেঘের ডাক
ব্যাখ্যা: এটি মেঘের গর্জন বোঝাতে জিমূতমন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সমুদ্রের গম্ভীর ধ্বনি
ব্যাখ্যা: এটিকে এককথায় পারাবরমন্দ্র বা গম্ভীর ধ্বনি বলা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃন্ময় — এর অর্থ মাটি দিয়ে তৈরি বা মৃত্তিকা নির্মিত।
C) জীমূতেন্দ্র — এই বানানটি প্রমিত নয় এবং এটি ভুল গঠন নির্দেশ করে।
D) শানকি — এর অর্থ ছোট থালা বা বাটি জাতীয় পাত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
মন্দ্র শব্দের অর্থ গভীর ধ্বনি আর জিমূত অর্থ মেঘ।
মেঘ ও মন্দ্র মিলে হয় জিমূতমন্দ্র অর্থাৎ মেঘের গম্ভীর ধ্বনি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
মেঘ সম্পর্কিত অন্যান্য এককথায় প্রকাশ যেমন জল দেয় যে জলদ ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অপাদানে শূন্য
কেন সঠিক:
১. বাক্যে স্টেশন শব্দটি থেকে রেলগাড়ি দূরে সরে যাওয়া বোঝাচ্ছে, যা অপাদান কারকের মূল বৈশিষ্ট্য।
২. স্টেশন শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহীত, ভীত বা পতিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলা হয়।
২. শব্দের সাথে কোনো চিহ্ন বা বিভক্তি যুক্ত না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি বলা হয়।
৩. যেমন, পাতা গাছ থেকে পড়ে। এখানে গাছ থেকে হলো অপাদানে পঞ্চমী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপাদানে শূন্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং এটিই নির্ণেয় উত্তর।
B) করণে শূন্য — যার দ্বারা বা মাধ্যমে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) কর্তায় শূন্য — বাক্যটিতে রেলগাড়ি হলো কর্তা, স্টেশন কর্তা হতে পারে না।
D) অধিকরণের শূন্য — ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে, স্টেশন স্থান হলেও এখানে বিচ্যুতি বোঝানো হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
১. স্থান বা বস্তু থেকে কিছু দূরে চলে যাওয়া বা সরে যাওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়।
২. বিভক্তি না থাকলে শূন্য বা প্রথমা বিভক্তি ধরতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মধ্যপদলোপী কর্মধারায়
১. কেন সঠিক:
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ সম্পূর্ণ লোপ পেয়ে একটি নতুন পদ গঠিত হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
- সিংহাসন শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো সিংহাসনযুক্ত আসন, যেখানে মাঝের আসন পদটি লোপ পেয়ে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- কর্মধারয় সমাসে সাধারণত বিশেষ্য ও বিশেষণে অথবা দুটি বিশেষ্যে মিলে একটি পদ গঠিত হয়।
- মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ প্রধানভাবে রক্ষিত হয় এবং মধ্যের পদটি উহ্য থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৌমাছি = মৌ সংগ্রহকারী মাছি
ব্যাখ্যা: এখানে মৌমাছি শব্দে সংগ্রহকারী মধ্যপদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: জয়পতাকা = জয়সূচক পতাকা
ব্যাখ্যা: এখানে জয়পতাকা শব্দে সূচক মধ্যপদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব সমাস — দ্বন্দ্ব সমাসে প্রতিটি পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং এবং ও ও সংযোজক অব্যয় দ্বারা ব্যাসবাক্য গঠিত হয়।
C) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি — এই সমাসে সমস্ত পদটি কোনো তৃতীয় পদকে নির্দেশ করে, যা সিংহাসন শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) অব্যয়ীভাব সমাস — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যাসবাক্যের মাঝের অংশ বা পদ যদি সমস্ত পদে অদৃশ্য বা লোপ পায় এবং সমস্ত পদটি একটি কর্মধারয় সমাস হয়, তবে চোখ বন্ধ করে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে সিংহাসন, মৌমাছি ও ঘিয়েভাজা শব্দগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) সমস্তপদ
১. কেন সঠিক:
সমাস গঠন প্রক্রিয়ায় একাধিক পদ একপদী হওয়ার পর যে নতুন পদটি তৈরি হয়, তাকে সমস্তপদ বলা হয়।
সমাসের মূল উদ্দেশ্য হলো অর্থ সংক্ষেপ করা এবং একাধিক পদের মিলনে একটি পূর্ণাঙ্গ পদ গঠন করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমাসের ব্যাকরণগত সংজ্ঞানুযায়ী, বাক্যের অর্থ সংক্ষেপ করার জন্য একাধিক পদের একপদীকরণকে সমাস বলে।
সমাস প্রক্রিয়ায় যে পদগুলোর মিলন ঘটে, তাদের প্রতিটি পদকে সমস্যমান পদ এবং সমস্তপদকে ভেঙে যে বাক্য বা বাক্যাংশ তৈরি হয় তাকে ব্যাসবাক্য বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
ব্যাখ্যা: এখানে সিংহ চিহ্নিত আসন হলো ব্যাসবাক্য এবং সিংহাসন হলো সমস্তপদ।
উদাহরণ ২: জলে চরে যা = জলচর
ব্যাখ্যা: এখানে জলে চরে যা হলো ব্যাসবাক্য এবং জলচর হলো সমস্তপদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমস্যমান পদ — সমাসবদ্ধ করার জন্য যে পদগুলো একত্রে মিলিত হয়, তাদের প্রত্যেকটিকে সমস্যমান পদ বলা হয়, সমস্তপদ নয়।
B) সমস্তপদ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে প্রযোজ্য।
C) ব্যাসবাক্য — সমস্তপদকে অর্থ পরিষ্কার করার জন্য যে বাক্যে সম্প্রসারিত করা হয়, তাকে ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য বলে।
D) উত্তরপদ — সমাসবদ্ধ পদের শেষের পদটিকে উত্তরপদ বা পরপদ বলা হয়, সমস্তপদ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সমাস প্রক্রিয়ার শেষ ফল হলো সমস্তপদ বা সমাসনিষ্পন্ন পদ।
মনে রাখবে, অনেকগুলো পদ মিলে যখন একটি পদে পরিণত হয়, তখন তাকে সমস্তপদ বলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাসের অংশ থেকে প্রায়ই পদ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সমাসের নাম, ব্যাসবাক্য এবং সমস্তপদ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের যেকোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
বাংলা লেখায় বিরাম চিহ্ন বা যতি চিহ্নের সার্থক ও প্রথম প্রয়োগ এবং প্রবর্তন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
তিনি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত তার 'বেতালপঞ্চবিংশতি' গ্রন্থে প্রথম যতি চিহ্নের সঠিক ও নিয়মিত ব্যবহার করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পরীতি নির্মাতা এবং উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান সংস্কারক।
তার হাত ধরেই বাংলা বাক্য গঠনে পদের সুনির্দিষ্ট বিন্যাস এবং যতি চিহ্নের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভ্রাতৃদ্বয় গভীর মনোযোগ সহকারে পাঠ শেষ করিল।
ব্যাখ্যা: বাক্যের অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝাতে এবং শ্বাস নেওয়ার বিরতি বোঝাতে এখানে দাড়ি ও কমা ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তুমি কি আজ বিদ্যালয়ে যাবে?
ব্যাখ্যা: প্রশ্নবোধক বাক্য চিহ্নিত করতে বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রমথ চৌধুরী — ইনি বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক এবং সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক, বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক নন।
B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম বিরাম চিহ্নের সফল ব্যবহার করেন।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি ও বহুমুখী সাহিত্যিক, বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক নন।
D) আব্দুল হাকিম — ইনি মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি যিনি নূরনামা কাব্য রচনা করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাসাগর মানেই গদ্যের বিদ্যাসাগর এবং তিনিই প্রথম বিরাম চিহ্ন বসিয়ে গদ্যকে সাজিয়েছিলেন।
মনে রাখতে পারো বিদ্যাসাগর মহাশয়েই বাংলা লেখায় যতি চিহ্ন বসানোর নিয়ম চালু করেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা গদ্যে বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহার ও প্রবর্তক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় বারবার আসে।
বাংলা পদাশ্রয়ী ও গদ্যরীতির ইতিহাস থেকে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করতে দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) হাইফেন
কেন সঠিক:
- সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদের অংশগুলোকে স্পষ্টভাবে আলাদা করে দেখানোর জন্য হাইফেন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
- এটি সমাসের পদের মধ্যকার সম্পর্ক বজায় রেখে উপাদানগুলোকে আলাদা করতে সাহায্য করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্ন অধ্যায়ে হাইফেনের এই বিশেষ ব্যবহারটি নির্দিষ্ট করা আছে।
- সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলোর আলাদা স্বাতন্ত্র্য বোঝাতে এই যতিচিহ্নের বিকল্প নেই।
- যেমন: দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে মাতা-पिता বা জমা-খরচ লেখার সময় মাঝখানে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কোলন — কোলন সাধারণত একটি বাক্যের পরে আরেকটি বাক্যের বিস্তার বা উদাহরণ টানতে ব্যবহৃত হয়, সমাসবদ্ধ পদ বিচ্ছিন্ন করতে নয়।
- B) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমার চেয়ে বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্যের মাঝে বসে।
- C) কমা — কমা লেখার মধ্যে স্বল্প বিরতি বোঝাতে বা একাধিক পদকে আলাদা করতে ব্যবহৃত হয়, সমাসবদ্ধ পদের ভেতরে নয়।
- D) হাইফেন — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল প্রমাণের কিছু নেই, এটি সমাসবদ্ধ পদে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
- সমাস মানে সংক্ষেপ বা মিলন, আর সেই মিলনের পদগুলোকে বিশ্লেষণ করার সময় মাঝখানে টানের মতো হাইফেন বসে।
সঠিক উত্তর: C) চাটুকার
১. কেন সঠিক:
- খয়ের খাঁ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ তোষামোদকারী বা যে ব্যক্তি বিনা বিচারে অন্যের প্রশংসা করে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত যেসব বাগধারা মানুষের স্বভাব বা আচরণ বোঝায়, সেগুলোর মধ্যে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো মূলত মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং সামাজিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাটুকারিতা বাদ দিয়ে নিজের যোগ্যতায় কাজ করো।
ব্যাখ্যা: এখানে চাটুকারিতা বলতে তোষামোদ বা খয়ের খাঁসুলভ আচরণকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: অফিসগুলোতে খয়ের খাঁ টাইপের লোকদের কদর বেশি থাকে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তিদের বোঝাতে বাগধারাটির সফল প্রয়োগ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মন্দ ভাগ্য — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'অর্ধচন্দ্র' বা 'অগাধ জলের মাছ' জাতীয় বাগধারা ব্যবহার করা হয় না, বরং মন্দ ভাগ্য বোঝাতে 'উভসংকট' বা 'শনি দশা' ব্যবহৃত হয়।
B) তুচ্ছ পদার্থ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'গাছের পাতাও কলার ছাল' বা 'আকাশ কুসুম' ধরনের অভিব্যক্তি থাকে না, বরং 'গাছের পাতাও' বা তুচ্ছ বোঝাতে আলাদা বাগধারা আছে।
D) নির্বোধ — নির্বোধ বা মূর্খ বোঝাতে 'অগাধ জলের মাছ' বা 'গোবরে পদ্মফুল' ব্যবহৃত হয় না, এর জন্য 'আষাঢ়ে গল্প' বা 'উড়ো চিঠি'র মতো অন্য অর্থ থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- খয়ের খাঁ মানে যিনি সবসময় খয়ের খান বা প্রভুর মন জুগিয়ে চলতে কথা বাড়ান। এভাবে প্রভুর অতিরিক্ত প্রশংসা করা চাটুকারদের কাজ হিসেবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানুষের স্বভাব চরিত্র সংক্রান্ত বাগধারাগুলো প্রায়ই পুনরাবৃত্তি হয়। তাই এই ধরনের শব্দের অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে গঙ্গা শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ জানতে চাওয়া হয়েছে।
- অপশনে থাকা গোমতী, কৃষ্ণবেণী এবং কাবেরী তিনটিই বিভিন্ন নদী বা গঙ্গার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যেগুলোর অর্থ প্রায় একই বা অভিন্ন হয়।
- বাংলা ভাষায় নদীবাচক অনেক শব্দ একে অপরের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুরভি
ব্যাখ্যা: এটি গঙ্গার একটি অন্যতম পরিচিত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: জাহ্নবী
ব্যাখ্যা: মহাভারত অনুযায়ী ঋষি জাহ্নুর নামানুসারে গঙ্গার এই নামকরণ হয়, যা গঙ্গার সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোমতী — এটি একটি নদীর নাম এবং গঙ্গার সমার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
B) কৃষ্ণবেণী — এটি দক্ষিণ ভারতের একটি নদীর নাম এবং গঙ্গার সমার্থক হিসেবে গণ্য হয়।
C) কাবেরী — এটিও একটি বিখ্যাত নদী এবং গঙ্গার সমার্থক শব্দ।
D) সবগুলো — উপরের তিনটি অপশনই সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গঙ্গার সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে নদীর নামবাচক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে পারো।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদীবাচক সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই একত্রে অপশনে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় সব অপশন ভালোভাবে পড়ে নিতে হবে।
- অনেক সময় একাধিক নদীবাচক শব্দ সমার্থক হিসেবে সঠিক উত্তর হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) সোম
১. কেন সঠিক:
'চন্দ্র' শব্দের অন্যতম প্রধান ও প্রচলিত সমার্থক শব্দ হলো 'সোম'। বাংলা ভাষায় চাঁদ বা চন্দ্র বোঝাতে সোম শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যাদের অর্থ প্রায় একই কিন্তু বানান ও রূপ ভিন্ন। চন্দ্র বা চাঁদ বোঝাতে শশাঙ্ক, ইন্দু, নিশাকর, বিধু ইত্যাদি শব্দও ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিশাপতি
ব্যাখ্যা: নিশাপতি শব্দের অর্থ রাতের অধিপতি বা চাঁদ, যা চন্দ্রের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সুধাংশু
ব্যাখ্যা: সুধাংশু শব্দের অর্থ যার অংশ বা রশ্মি সুধাময় বা অমৃতময়, এটিও চন্দ্রের একটি সুন্দর সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোম — সঠিক উত্তর কারণ এটি চন্দ্রের একটি সরাসরি সমার্থক শব্দ।
B) ভূষণ — ভুল অপশন কারণ ভূষণ শব্দের অর্থ অলংকার বা গহনা।
C) নকশা — ভুল অপশন কারণ নকশা শব্দের অর্থ চিত্র, পরিকল্পনা বা কারুকার্য।
D) নভঃ — ভুল অপশন কারণ নভঃ শব্দের অর্থ আকাশ বা অম্বর।
৫. মনে রাখার টিপস:
সোম মানে সোমবার, আর সোমবারে আকাশে চাঁদ দেখা যায় এভাবে মনে রাখতে পারো। চন্দ্রের আরও কিছু নাম হলো শশী ও সুধাকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চন্দ্র, সূর্য, আকাশ, পৃথিবী এই শব্দগুলোর সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। তাই চন্দ্রের অন্যান্য সমার্থক যেমন বিধু, শশাঙ্ক ও সুধাকর ভালোভাবে আয়ত্ত রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) কৃত্রিম
১. কেন সঠিক:
নৈসর্গিক শব্দের অর্থ প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি বা যা প্রকৃতিতে আপনাআপনি ঘটে।
এর সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কৃত্রিম শব্দ, যার অর্থ মানুষের তৈরি বা যা স্বাভাবিক নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত কোনো বিষয়ের বিপরীতে মানুষের তৈরি বা সাধিত বস্তুকে বোঝাতে এই বিপরীত শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নৈসর্গিক সৌন্দর্য
ব্যাখ্যা: এটি প্রকৃতির নিজস্ব সৃষ্টি বা প্রাকৃতিক রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কৃত্রিম ফুল
ব্যাখ্যা: এটি মানুষের তৈরি বা অকৃত্রিম নয় এমন বস্তু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নকল — নকল শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ আসল, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) ঐহিক — ঐহিক শব্দের অর্থ এই পৃথিবীসংক্রান্ত এবং এর বিপরীত শব্দ পারত্রিক।
C) কৃত্রিম — এটি সঠিক উত্তর কারণ নৈসর্গিক শব্দের বিপরীত হিসেবে এটি সর্বগ্রহণযোগ্য।
D) তামসিক — তামসিক শব্দের অর্থ অন্ধকার বা তমোগুণযুক্ত এবং এর বিপরীত সাত্ত্বিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
নৈসর্গিক শব্দটি এসেছে নিসর্গ বা প্রকৃতি থেকে এবং কৃত্রিম শব্দটি এসেছে মানুষ কর্তৃক কর্ম থেকে।
প্রকৃতি বনাম মানবসৃষ্টি এই ভাবনাটি মনে রাখলে পরীক্ষাভবনে সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রতি বছর প্রশ্ন আসে।
নৈসর্গিক ও কৃত্রিম শব্দ যুগল প্রায়ই বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় বিকল্প হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: A) পিপীলিকা
১. কেন সঠিক:
- পিপীলিকা শব্দটির সঠিক বানান হলো প-ই-ফলা দীর্ঘ ই-প-দীর্ঘ ই-ল-ই-ক-আ (পিপীলিকা)।
- বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের প্রথম ই-কার এবং দ্বিতীয় ই-কার দীর্ঘ ই-কার হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি বিষয়ক প্রশ্ন।
- বাংলা বানানে ই-কার এবং ঈ-কারের সঠিক প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমীচীন
ব্যাখ্যা: সমীচীন শব্দটিতে প্রথম ই-কার এবং দ্বিতীয় ঈ-কার ব্যবহৃত হয়, যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শুদ্ধ বানান।
উদাহরণ ২: মরীচিকা
ব্যাখ্যা: মরীচিকা শব্দটিতে প্রথম ই-কার এবং দ্বিতীয় ঈ-কার বসে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিপীলিকা — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি অনুমোদিত প্রমিত বানান।
B) পিপিলিকা — এই অপশনে দীর্ঘ ই-কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল।
C) পীপিলীকা — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) পিপীলীকা — এই অপশনে শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল বানান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পিপীলিকা শব্দে প্রথম ই-কার এবং পরেরটি দীর্ঘ ই-কার মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পি-পী-লি-কা ছন্দে উচ্চারণ করা।
- বানানের ক্ষেত্রে দীর্ঘ ই-কারের সঠিক স্থান মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ও দীর্ঘ ই-কারের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়শই এই ধরনের তদ্ভব ও তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) সমীচীন
১. কেন সঠিক:
- সমীচীন শব্দটির বানানে সম, ই, চ, দীর্ঘ ঈ এবং ণ ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈকার এবং মূর্ধন্য ণ হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শুদ্ধ বানান সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন যা বাংলা ব্যাকরণের বানান প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার বা দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ পদবীবাচক শব্দ যা প্রমিত বানানরীতি মেনে লেখা হয়।
উদাহরণ ২: বুদ্ধিজীবী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দীর্ঘ ঈকার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শমীচিন — এখানে তালব্য শ এবং ই-কার ব্যবহারের ভুল রয়েছে যা প্রমিত বানানরীতিসম্মত নয়।
B) সমীচীন — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি অনুমোদিত প্রমিত রূপ।
C) সমিচীন — এখানে দীর্ঘ ঈকারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
D) শমীচীন — এখানে মূর্ধন্য ণের পরিবর্তে দন্ত ন এবং তালব্য শ ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমীচীন বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এর দুই জায়গায় দীর্ঘ স্বরবর্ণ অর্থাৎ দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়।
- বানানের শেষে সর্বদা মূর্ধন্য ণ বসে এটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই বানানটি সচরাচর ভুল বানানের বিকল্প হিসেবে দেওয়া হয়।
- এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) দারিদ্র্য আমাদের প্রধান সমস্যা
১. কেন সঠিক:
- 'দারিদ্র্য' একটি সঠিক বিশেষ্য পদ, যার অর্থ অভাব বা দরিদ্র অবস্থা।
- একই শব্দে দ্বিত্ব বা অতিরিক্ত প্রত্যয় যুক্ত করে 'দারিদ্র্যতা' লেখা একটি মারাত্মক ব্যাকরণগত ভুল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদের সাথে অতিরিক্ত তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত করে দ্বিরুক্তি দোষ ঘটালে শব্দটি ভুল হয়ে যায়।
- দরিদ্র শব্দের সাথে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দারিদ্র্য' হয়, তাই এর সাথে আবার তা প্রত্যয় যোগ করা প্রমিত বাংলার নিয়মবহির্ভূত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৌজন্য আমাদের ভূষণ
ব্যাখ্যা: সুজন শব্দের সাথে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৌজন্য গঠিত হয়, এর সাথে তা যোগ করে সৌজন্যতা বলা ভুল।
উদাহরণ ২: ঔদার্য তার গুণ
ব্যাখ্যা: উদার শব্দের সাথে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঔদার্য হয়, এর সাথে তা যোগ করে ঔদার্য্যতা বলা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দারিদ্রতাই প্রধান সমস্যা — 'দারিদ্র্যতা' শব্দটিতে ভুল প্রত্যয় ব্যবহারের কারণে বাক্যটি অশুদ্ধ হয়েছে।
B) দারিদ্রতাই আমাদের মূল সমস্যা — 'দারিদ্র্যতা' শব্দের সাথে 'ই' প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় বানান ও গঠনগত দ্বৈত ত্রুটি রয়েছে।
C) দারিদ্র্য আমাদের প্রধান সমস্যা — এটি সঠিক কারণ এখানে প্রমিত ও বিশুদ্ধ শব্দরূপ ব্যবহার করা হয়েছে।
D) দারিদ্রতাই আমাদের প্রধান সমস্যা — এখানেও 'দারিদ্র্যতা' ভুল রূপটি ব্যবহার করার কারণে বাক্যটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দারিদ্র্য এবং সৌজন্য শব্দের সাথে কখনোই অতিরিক্ত 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করবে না।
- য এবং তা একসাথে একই শব্দে বসে না, যেকোনো একটি ব্যবহার করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'দারিদ্র্যতা' বনাম 'দারিদ্র্য' এবং 'সৌজন্যতা' বনাম 'সৌজন্য' সংক্রান্ত শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি আসে।
- ব্যাকরণের এই নিয়মটি মনে রাখলে প্রত্যয়জনিত বহু বাক্যশুদ্ধি সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস
১. কেন সঠিক:
- তপোর জন্য বন = তপোবন। এখানে পূর্বপদের সঙ্গে চতুর্থী বিভক্তি বা নিমিত্ত অর্থ প্রকাশ করায় এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
- তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থের প্রধান্য পায় এবং এখানে নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে চতুর্থী বিভক্তি বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসে সাধারণত কিসের জন্য বা নিমিত্ত অর্থে চতুর্থী বিভক্তির ব্যবহার হয়।
- তপোবন শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো তপের জন্য বন। এখানে তপের নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে বন বোঝানো হয়েছে বলে এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছাত্রাবাস
ব্যাখ্যা: ছাত্রের জন্য আবাস = ছাত্রাবাস। এখানেও নিমিত্ত অর্থে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: ডাকঘর
ব্যাখ্যা: ডাকের জন্য ঘর = ডাকঘর। এটিও চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব সমাস — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাদান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্য করতে এবং, ও, আর যুক্ত হয়, যা এখানে নেই।
B) চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে নিমিত্ত অর্থে চতুর্থী বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে।
C) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ কতিপয় কৃৎ বা তদ্ধিত প্রত্যয়যুক্ত পদের পূর্বে যুক্ত হয়ে যে সমাস হয় তাকে প্রাদি বলে, যা তপোবনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) বহুব্রীহি সমাস — বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো পদকে বোঝায়, কিন্তু তপোবন পদে পদের নিজস্ব অর্থই প্রধান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যাসবাক্যে যদি জন্য বা নিমিত্ত শব্দটি ব্যবহার করতে হয়, তবে চোখ বন্ধ করে সেটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হিসেবে ধরে নিতে পারো।
- ছাত্রাবাস বা তপোবনের মতো শব্দের ক্ষেত্রে উদ্দেশ্য বা ব্যবহারের ক্ষেত্র বোঝানো হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাসের এই নিমিত্ত বা চতুর্থীবাচক শব্দগুলো প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় বিভক্তির অর্থ ঠিকমতো বুঝতে পারলে সমাস নির্ণয় করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি পরিবর্তন
১. কেন সঠিক:
সন্ধির প্রধান ও মূল কাজ হলো দুটি ধ্বনির মিলন ঘটিয়ে উচ্চারণ সহজ করা এবং নতুন ধ্বনির সৃষ্টি করা। পাশাপাশি উচ্চারণের সময় দ্রুততা ও সাবলীলতা রক্ষা করাও সন্ধির অন্যতম প্রধান কাজ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা একীভূত হওয়াকে সন্ধি বলে। ধ্বনির মাধুর্য সম্পাদন এবং উচ্চারণের সুবিধা অর্জনের জন্যই মূলত সন্ধি ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের শেষের ধ্বনি অ এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর ধ্বনি আ মিলে একটি নতুন ধ্বনি আকার বা আ কারের সৃষ্টি করেছে।
উদাহরণ ২: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি মাত্র আ ধ্বনিতে পরিণত হয়ে শব্দের উচ্চারণ সহজ ও শ্রুতিমধুর করেছে।
৪. বাকি অপشن কেন ভুল:
A) ধ্বনি পরিবর্তন — এটি সঠিক কারণ সন্ধি মূলত ধ্বনির মিলন ও পরিবর্তন ঘটিয়ে থাকে।
B) অর্থের পরিবর্তন — সন্ধির কাজ শব্দের অর্থ পরিবর্তন করা নয়, বরং ধ্বনির রূপ পরিবর্তন করা।
C) পদের পরিবর্তন — পদের রূপান্তর ঘটে কারک বা প্রত্যয় সাধনের মাধ্যমে, সন্ধির মাধ্যমে পদের পরিবর্তন হয় না।
D) বাক্য সংকোচন — বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ সম্পূর্ণ আলাদা একটি ব্যাকরণিক বিষয়, যা সন্ধির সাথে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। মিলন সবসময় ধ্বনির মধ্যে ঘটে, তাই সন্ধির প্রধান কাজ হলো ধ্বনি পরিবর্তন করা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন এবং এর মূল কাজ ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তন সাধন করা।
সঠিক উত্তর: C) অপাদান কারক
১. কেন সঠিক:
তিলে তৈরি হয় বাক্যে তিলে শব্দটি অপাদান কারক। কোনো উপাদান থেকে কিছু উৎপন্ন, জাত, বা তৈরিকৃত বোঝালে অপাদান কারক হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত বা রক্ষিত হয়। তিল থেকে তেল বা তিলজাত দ্রব্য উৎপন্ন হয় বলে এটি অপাদান কারক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুধে ঘি হয়।
ব্যাখ্যা: দুধ থেকে ঘি উৎপন্ন হয় বলে দুধে শব্দটি অপাদান কারক।
উদাহরণ ২: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হওয়া বোঝাতে এটি অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) করণকারক — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে করণকারক বলে, তিল এখানে কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম নয়।
D) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে, তিল কোনো স্থান বা সময় নির্দেশ করছে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
উৎপন্ন বা জাত অর্থে মূল উপাদান বোঝালে চোখ বুজে অপাদান কারক দাগাবে। উৎপন্ন বস্তু মূল উপাদান থেকে আলাদা হয়ে তৈরি হয় বলেই এটি অপাদান।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তিলে তেল হয় বা তিলে তৈরি হয় জাতীয় প্রশ্ন প্রায়ই আসে। উপাদান দেখেই অপাদান কারক নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) without break
কেন সঠিক:
এটি একটি ইংরেজি বাগধারা বা ফ্রেজ যার আক্ষরিক অর্থ হলো কোনো বিরতি বা থামাহাড়া ছাড়া টানা কিছু করা।
বাক্যে এটি একটানা বা বিরতিহীনভাবে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
এর সমার্থক শব্দ হলো কন্টিনিউয়াসলি বা উইদাউট স্টপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) without break — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিরতিহীনভাবে বা একটানা কাজ করা বোঝায়।
B) stretch mark — এটি ত্বকের এক ধরণের দাগ বোঝায়, যা এই ফ্রেজের অর্থের সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
C) long way — এটি একটি দীর্ঘ পথ বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাগধারার সাথে সম্পৃক্ত নয়।
D) decay — এর অর্থ ক্ষয় বা পচন ধরা, যা এই ফ্রেজের সঠিক বা কাছাকাছি কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
স্ট্রেচ শব্দের অর্থ টানা, তাই একটানা কোনো কাজ করা বোঝালে অ্যাট আ স্ট্রেচ ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) a false story
কেন সঠিক:
এটি একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ মোরগ ও ষাঁড়ের গল্প হলেও এর প্রকৃত অর্থ হলো অবাস্তব বা মিথ্যা গল্প।
মানুষ যখন কোনো বিশ্বাসযোগ্য নয় এমন বানোট গল্প বলে, তখন এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an animal story — এটি কোনো সাধারণ পশুপাখির গল্প বোঝায় না বরং এটি একটি বিশেষ বাগধারা।
B) a story about a cock and a bull — ইডিয়মের ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থ ধরা হয় না, এর অন্তর্নিহিত ভাব ধরতে হয়।
C) a tragedy — এটি কোনো ট্র্যাজেডি বা দুঃখজনক ঘটনা বোঝায় না, এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও মিথ্যা গল্প।
D) a false story — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি প্রশ্নোক্ত বাগধারাটির মূল অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মোরগ আর ষাঁড় মিলে কখনো গল্প বানাতে পারে না, তাই এই আজব জুটি দেখলে বুঝবেন এটি একটি মিথ্যা বা বানোয়াট গল্প।
সঠিক উত্তর: C) important person
কেন সঠিক:
এটি একটি ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা যার অর্থ সমাজের কোনো বিশিষ্ট বা প্রভাবশালী ব্যক্তি। আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে এটি রূপক অর্থে বিখ্যাত বা ক্ষমতাধর কাউকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) terrorist — এটি সরাসরি কোনো সন্ত্রাসী বা উগ্রপন্থী মানুষ বোঝায়, যা এই বাগধারার রূপক অর্থের সাথে মেলে না।
B) a large bag — এটি একটি বড় ব্যাগ বোঝায় যা শব্দগত মিল থাকলেও মূলত সঠিক অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) important person — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) a large insect — এটি একটি বড় পোকা বোঝায় যা বাগধারার আক্ষরিক ভুল অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
বগ বা পোকা অনেক সময় বড় আকারে ধরা দিলে যেমন সবার নজরে পড়ে, তেমনি সমাজের বড় বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও সবার নজর কাড়েন।
সঠিক উত্তর: A) exile
কেন সঠিক:
'Banish' শব্দের বাংলা অর্থ হলো নির্বাসন দেওয়া বা দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া।
'Exile' শব্দটির অর্থও একই রকম, অর্থাৎ কাউকে তার নিজের দেশ থেকে বের করে দেওয়া।
এই দুটি শব্দের ভাবার্থ ও প্রয়োগ প্রায় সম্পূর্ণ এক।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন এ নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) exile — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ নির্বাসন দেওয়া।
B) emerge — এর অর্থ আবির্ভূত হওয়া বা আত্মপ্রকাশ করা, যা বানিশ শব্দের বিপরীত।
C) drive away — এর অর্থ তাড়িয়ে দেওয়া হলেও 'exile' সরাসরি আইনি বা আনুষ্ঠানিক নির্বাসন বোঝায়।
D) expel — এর অর্থ কোনো প্রতিষ্ঠান বা স্থান থেকে বের করে দেওয়া, যা দেশ থেকে নির্বাসনের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বানিশ মানে হলো ব্যান করা বা নিষিদ্ধ করে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া, যা এক্সাইল বা নির্বাসনের সমার্থক।
সঠিক উত্তর: D) What an exciting game cricket is!
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে What বসবে কারণ এর পর একটি noun phrase রয়েছে।
অতিরিক্ত নিয়ম অনুযায়ী শেষে subject এবং verb যথাক্রমে cricket এবং is বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hurrh! cricket is an exciting game. — এখানে Hurrh বানানটি ভুল এবং এটি Exclamatory বাক্যের সঠিক গঠন নয়।
B) How exciting game is cricket! — Noun এর আগে How বসে না এবং এখানে Article an বাদ পড়েছে।
C) How exciting is cricket when it plays! — বাক্যটির অর্থ বদলে গেছে এবং গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) What an exciting game cricket is! — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
Assertion sentence কে Exclamatory করার সময় adjective এর সাথে noun থাকলে What an বা What a এবং শুধু adjective থাকলে How দিয়ে শুরু করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) We consider trees one of our best friend.
কেন সঠিক:
মূল বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে আছে এবং এর মূল ভারб 'are considered'-কে অ্যাক্টিভ করার জন্য উপযুক্ত সাবজেক্ট ও প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে।
এখানে 'We'-কে সাবজেক্ট ধরে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম 'consider' বসানো হয়েছে এবং বাকি অংশ নিয়ম অনুযায়ী ঠিক রাখা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is tree which is our best friend. — এটি একটি কমপ্লেক্স বাক্য এবং এটি মূল বাক্যের সঠিক অ্যাক্টিভ রূপ নয়।
B) Trees are our best friends. — এটি একটি সাধারণ এফারমেটিভ বাক্য, যা মূল বাক্যের অর্থের রূপান্তর সঠিকভাবে করেনি।
C) We considered trees one of our best friends. — এখানে ভার্বের পাস্ট ফর্ম (considered) ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রেজেন্ট টেন্সের মূল বাক্যের সাথে মেলে না।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্যাসিভ থেকে অ্যাক্টিভ করার সময় বাক্যের টেন্স অপরিবর্তিত রাখতে হয় এবং উপযুক্ত সাবজেক্ট নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) You are requested to keep quiet.
কেন সঠিক:
১. প্রদত্ত বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি দ্বারা কাউকে অনুরোধ বোঝানো হয়েছে।
২. তাই নিয়মানুযায়ী Active voice-কে Passive করার সময় You are requested ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) You are told for keeping quiet. — এই অপশনে for keeping ব্যবহার করা হয়েছে যা গ্রামারের নিয়মের বাইরে এবং ভুল।
B) You are requested to keep quiet. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল নেই।
C) You are requested for keep quiet. — এখানে infinitive-এর আগে for ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল গঠন।
D) You are told to keep quiet. — অনুরোধ বোঝাতে told-এর পরিবর্তে requested ব্যবহার করাই সবচেয়ে সঠিক নিয়ম।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-এ আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝালে Passive করার সময় You are ordered, advised বা requested বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) We should read books so that we can gain knowledge.
কেন সঠিক:
এই বাক্যে so that conjunction ব্যবহার করা হয়েছে যা কমপ্লেক্স সেন্টেন্সের গঠন নির্দেশ করে। এটি মূল ক্লজের সাথে একটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ যুক্ত করে উদ্দেশ্য প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Simple — এটি ইনফিনিটিভ ব্যবহার করে বাক্যটিকে সিম্পল সেন্টেন্সে রূপান্তর করেছে।
B) Compound — এটি অ্যান্ড কনজাংকশন ব্যবহার করে বাক্যটিকে কম্পাউন্ড সেন্টেন্সে রূপান্তর করেছে।
C) Correct — এটি প্রদত্ত বাক্যের সঠিক কমপ্লেক্স রূপ যা নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে।
D) Compound — এটি সো কনজাংকশন ব্যবহার করে বাক্যটিকে কম্পাউন্ড সেন্টেন্সে রূপান্তর করেছে।
মনে রাখার টিপস:
সিম্পল সেন্টেন্সের ইনফিনিটিভ তুলে কমপ্লেক্স করতে হলে so that এবং একটি অতিরিক্ত সাবজেক্ট ও can বা could বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Very few evils are as bad as corruption.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত সুপারলেটিভ ডিগ্রিটিকে পজিটিভ করার নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটির শুরুতে Very few বসেছে।
এর পরের অংশ evils বহুবচন হওয়ায় verb টি are হয়েছে এবং as bad as বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Very few evils is as bad as corruption. — এখানে evils বহুবচন হওয়া সত্ত্বেও is ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) No other evils are as bad as corruption. — one of the worst evils যুক্ত বাক্যকে পজিটিভ করতে হলে No other এর বদলে Very few ব্যবহার করতে হয়।
C) No other evil is as bad as corruption. — এটি the worst যুক্ত বাক্যকে পজিটিভ করার নিয়ম, কিন্তু মূল বাক্যে one of the worst আছে।
D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Superlative বাক্যে one of the থাকলে Positive করার সময় শুরুতে Very few বসে এবং verb সবসময় plural হয়।
সঠিক উত্তর: B) interrupted
কেন সঠিক:
- While-এর ঠিক পরের অংশ Past Continuous Tense (was reading) হলে অপর অংশটি Simple Past Tense (interrupted) হয়।
- অতীতে চলমান কোনো কাজের মাঝে অন্য কোনো সংক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছিল বোঝাতে এই নিয়ম ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) interrupts — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীতকালের ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) interrupted — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি Past Indefinite Tense নির্দেশ করে।
C) is interrupting — এটি Present Continuous Tense, যা অতীতকালের ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
D) interrupting — এটি Gerund বা Participle, যা এখানে একাfinite verb হিসেবে বসতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
While-এর পরে Past Continuous এবং তার আগের বা পরের অংশে Past Simple Tense বসে।
সঠিক উত্তর: B) wears
কেন সঠিক:
- প্রবাদবাক্য বা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হলে ভার্বের সঙ্গে এস বা ইএস যুক্ত হয়।
- এখানে হেড সাবজেক্টটি সিঙ্গুলার হওয়ায় সঠিক ভার্ব হিসেবে wears ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) wear — এটি প্লুরাল ভার্ব, যা সিঙ্গুলার সাবজেক্ট হেডের সঙ্গে বসে না।
B) wears — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) puts — এটি এই প্রবাদবাক্যের নির্দিষ্ট গঠন বা অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) keep — এটি প্রবাদবাক্যের সঠিক শব্দ নয় এবং এর রূপও ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদবাক্যের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হলে ভার্বের শেষে এস থাকে, যেমন হেড wears।
সঠিক উত্তর: A) should
কেন সঠিক:
বাক্যে lest থাকলে তার পরের অংশে সবসময় should বসে। এটি একটি গ্রামাটিক্যাল নিয়ম যা আশঙ্কা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) should — এই অপশনটি সঠিক কারণ lest এর সাথে সবসময় should ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে।
B) will — এই অপশনটি ভুল কারণ lest এর পর ভবিষ্যৎকালের সাধারণ অর্থ প্রকাশ করতে will বসে না।
C) shall — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রথম পুরুষ বা অন্য ক্ষেত্রে lest এর সাথে shall ব্যবহারের নিয়ম নেই।
D) must — এই অপশনটি ভুল কারণ জোরালো বাধ্যবাধকতা বোঝাতে lest এর সাথে must বসে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest দেখলে চোখ বন্ধ করে should বসাবে কারণ এদের জুটি পাকা।
সঠিক উত্তর: D) lazy
কেন সঠিক:
'Agile' শব্দের অর্থ হলো চটপটে, কর্মঠ বা দ্রুত নড়াচড়া করতে পারে এমন।
এর বিপরীতার্থক বা এন্টনিম শব্দ হলো 'lazy' যার অর্থ অলস বা ধীর প্রকৃতির মানুষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) active — এই শব্দটির অর্থ সক্রিয়, যা 'agile' শব্দের সমার্থক এবং বিপরীত নয়।
B) nimble — এই শব্দের অর্থ ক্ষিপ্র বা দ্রুতগতির, যা 'agile' শব্দের সমার্থক।
C) lively — এই শব্দের অর্থ প্রাণবন্ত বা জীবন্ত, যা 'agile' শব্দের সাথে মিলে যায়।
D) lazy — এই শব্দটি সঠিক কারণ এর অর্থ অলস যা চটপটে শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
'Agile' মানে সবসময় দৌড়ের ওপর থাকা, আর 'lazy' মানে শুয়ে বসে সময় কাটানো।
সঠিক উত্তর: A) pessimism
কেন সঠিক:
Optimism শব্দের বাংলা অর্থ হলো আশাবাদ বা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি।
এর বিপরীত শব্দ বা antonym হলো pessimism যার অর্থ নিরাশাবাদ।
তাই অপশন এ সঠিক উত্তর।
এটি একটি সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) pessimism — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ নিরাশাবাদ।
B) opportunities — এর অর্থ সুযোগ, যা আশাবাদের বিপরীত নয়।
C) pestilence — এর অর্থ মহামারী, যা এই শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) opulence — এর অর্থ প্রাচুর্য বা ধনসম্পদ, যার সাথে আশাবাদের সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
অপ্টিমিজম মানে আশা এবং পেসিমিজম মানে নিরাশা, এই দুটি শব্দ সবসময় জোড়ায় মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) Association
কেন সঠিক:
alliance শব্দের অর্থ মৈত্রী, ঐক্য বা মিলন।
Association শব্দের অর্থ সমিতি বা সংযোগ, যাalliance শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Enmity — এর অর্থ শত্রুতা, যাalliance শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Alien — এর অর্থ ভিনদেশী বা অজানা, যাalliance শব্দের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
C) Association — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Separation — এর অর্থ বিচ্ছিন্নতা বা পৃথকীকরণ, যাalliance বা মিলনের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Alliance মানে হলো একসাথে মিলে কাজ করা। Association শব্দটিও একসাথে কাজ করার বা সমিতির কথা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) destroy
কেন সঠিক:
annihilation শব্দটির মূল অর্থ হলো সম্পূর্ণ ধ্বংস বা নিঃশেষ করে ফেলা।
destroy শব্দের অর্থও কোনো কিছু পুরোপুরি ভেঙে ফেলা বা ধ্বংস করা।
তাই annihilate এবং destroy একে অপরের সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) restore — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো হারানো জিনিস পুনরুদ্ধার করা বা পুনর্প্রতিষ্ঠা করা। এটি ধ্বংস করার ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) preserve — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছু সংরক্ষণ করা বা টিকিয়ে রাখা। এটি ধ্বংসের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) safe — এই শব্দটির অর্থ হলো নিরাপদ রাখা বা সুরক্ষিত করা। এটি ধ্বংস করার অর্থ দেয় না।
D) destroy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ হলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা।
মনে রাখার টিপস:
Annihilate শব্দটিতে a-n-n-ihi আছে যার অর্থ শূন্য বা শেষ করে দেওয়া, যা destroy শব্দের সমার্থক।
সঠিক উত্তর: A) falsify
কেন সঠিক:
'False' শব্দটির অর্থ মিথ্যা, যা একটি adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর সাথে 'fy' যুক্ত করে একে verb এ রূপান্তর করা হয় যার অর্থ মিথ্যা প্রতিপন্ন করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) falsify — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয় বরং এটিই সঠিক verb form।
B) falsely — শব্দের শেষে 'ly' থাকায় এটি একটি adverb, তাই এটি সঠিক নয়।
C) falsification — শব্দের শেষে 'cation' থাকায় এটি একটি noun, তাই এটি verb নয়।
D) falcify — বানানে ভুল রয়েছে কারণ সঠিক বানানে 'c' এর পরিবর্তে 's' ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে সাধারণত শেষে 'fy' দেখলে তা verb হিসেবে ধরে নেওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: B) heartily
কেন সঠিক:
heart শব্দটির সাথে ly যুক্ত হয়ে adverb গঠিত হয় যার অর্থ উৎসাহের সাথে বা আন্তরিকভাবে।
বাক্যে verb বা adjective কে मॉडফাই করতে এই রূপটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) heartened — এটি heart শব্দের verb এর past participle রূপ।
B) heartily — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) hearty — এটি heart শব্দের adjective রূপ যার অর্থ আন্তরিক।
D) heartening — এটি heart শব্দের present participle বা adjective রূপ।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত noun এর শেষে ly যুক্ত করলে তা adjective হয়, কিন্তু কিছু noun এর সাথে ly যুক্ত হলে তা adverb এ রূপ নেয় যেমন heartily।
সঠিক উত্তর: B) enable
কেন সঠিক:
'Ability' শব্দের অর্থ যোগ্যতা বা সামর্থ্য, যার মূল ভার্ব রূপ হলো enable যার অর্থ সক্ষম করা।
ইংরেজি গ্রামারে কোনো নাউনের পূর্বে en- উপসর্গ যুক্ত করে সাধারণত তার ভার্ব রূপ তৈরি করা হয়।
enable শব্দটি বাক্যে সরাসরি ভার্ব হিসেবে কাজ করে।
এটি বাক্যের সাবজেক্টকে কোনো কিছু করার ক্ষমতা প্রদান করার অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ableness — এটি কোনো মানসম্মত ইংরেজি শব্দ নয় এবং এটি সঠিক ভার্ব রূপ গঠন করে না।
B) enable — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) ably — এটি 'able' এডজেক্টিভের অ্যাডভার্ব রূপ, যার অর্থ দক্ষতার সাথে।
D) able — এটি একটি এডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যার অর্থ সক্ষম বা যোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে -ity থাকলে এবং তার ভার্ব করতে হলে সাধারণত শব্দের শুরুতে en- যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) realised
কেন সঠিক:
- বাক্যে It is time অথবা It is high time থাকলে এর পরের clause বা অংশটি Past Indefinite Tense হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে subject এর পরে শূন্যস্থান থাকায় সঠিক উত্তরটি পাস্ট টেন্সের verb হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) realised - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের verb এবং নিয়ম অনুযায়ী প্রযোজ্য।
B) realise - এটি প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স, যা It is time এর পরের নিয়মের সাথে মিলে না।
C) had realised - এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক ও নিয়মের বাইরে।
D) have realised - এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা এই বিশেষ গঠনের জন্য সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
It is time বা It is high time এর পর subject থাকলে verb সবসময় পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়।
সঠিক উত্তর: C) were
কেন সঠিক:
আস if বা as though যুক্ত বাক্যের প্রথম অংশ present tense হলে পরের অংশ past indefinite tense হয়।
তবে verb হিসেবে 'be' verb বসাতে হলে subject যাই হোক না কেন সবসময় were ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is — as if এর পরের অংশে present tense হয় না এবং be verb এর ক্ষেত্রে is ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) has been — এটি present perfect tense যা as if যুক্ত বাক্যের নিয়মের সাথে মেলে না।
C) were — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) was — সাধারণ past tense এ was বসালেও as if এর ক্ষেত্রে কাল্পনিক অর্থে সবসময় were বসাতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
as if বা as though এর পরে be verb থাকলে চোখ বন্ধ করে were বসাবে, কারণ এটি অবাস্তব বা কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: B) ২৪ সেকেন্ড
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রেনের বেগ = ঘন্টায় ৬০ কিলোমিটার
ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ১০০ মিটার
প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ৩০০ মিটার
ধরি,
মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য
দূরত্ব = ১০০ মিটার + ৩০০ মিটার = ৪০০ মিটার
অতএব,
ট্রেনের বেগ = ৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা
বেগটিকে মিটার প্রতি সেকেন্ডে পরিবর্তন করতে হবে
সুতরাং,
৬০ কিলোমিটার = ৬০ × ১০০০ মিটার = ৬০০০ মিটার
১ ঘন্টা = ৩৬০০ সেকেন্ড
চূড়ান্ত হিসাব:
বেগ = ৬০০০ ÷ ৩৬০০ মিটার প্রতি সেকেন্ড = ১০ ÷ ৬ মিটার প্রতি সেকেন্ড
সময় = মোট দূরত্ব ÷ বেগ
উত্তর: ৪০০ ÷ (১০ ÷ ৬) = ২৪ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর: C) ১৫০
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সংখ্যাটি হলো ৩০০০
প্রথম ক্ষেত্রে শতকরা হার হলো ৫%
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে শতকরা হার হলো ১০%
ধরি,
৩০০০ এর ৫% অংশ = ৩০০০ × (৫ ÷ ১০০)
৩০০০ এর ১০% অংশ = ৩০০০ × (১০ ÷ ১০০)
অতএব,
প্রথম হিসাব অনুযায়ী ৫% = ১৫০
দ্বিতীয় হিসাব অনুযায়ী ১০% = ৩০০
সুতরাং,
পার্থক্যের পরিমাণ = ৩০০ − ১৫০ = ১৫০
উত্তর: ১৫০
সঠিক উত্তর: A) ১১:১০
প্রদত্ত তথ্য:
কলমটি ১০% লাভে বিক্রয় করা হলো
ধরি,
কলমটির ক্রয় মূল্য = ১০০ টাকা
অতএব,
কলমটির বিক্রয় মূল্য = ১০০ + ১০ = ১১০ টাকা
সুতরাং,
বিক্রয় মূল্য ও ক্রয় মূল্যের অনুপাত = ১১০ : ১০০ = ১১ : ১০
উত্তর: ১১ : ১০
সঠিক উত্তর: C) ১১
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ৩ + ৬ + ৯ + ...
ধারাটির প্রথম পদ = ৩
ধরি,
ধারাটির সাধারণ অন্তর = ৬ − ৩ = ৩
ধারাটির এন-তম পদ = ৩৩
অতএব,
প্রথম পদ + (এন − ১) × সাধারণ অন্তর = ৩৩
৩ + (এন − ১) × ৩ = ৩৩
সুতরাং,
৩ × (এন − ১) = ৩৩ − ৩
এন − ১ = ৩০ ÷ ৩ = ১০
উত্তর: এন = ১০ + ১ = ১১
সঠিক উত্তর: B) ৬ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
আসল (P) = ৫০০ টাকা
মুনাফার হার (r) = ১২% বা ১২ ÷ ১০০
মোট মুনাফা (I) = ৩৬০ টাকা
ধরি,
সময় = ক বছর
আমরা জানি,
সরল মুনাফা (I) = P × r × ক
অতএব,
৩৬০ = ৫০০ × (১২ ÷ ১০০) × ক
৩৬০ = ৬০ × ক
সুতরাং,
ক = ৩৬০ ÷ ৬০
উত্তর: ৬ বছর
সঠিক উত্তর: A) ৫√৩ সেমি
প্রদত্ত তথ্য:
ঘনকের প্রতিটি ধারের দৈর্ঘ্য = ৫ সেমি
ধরি,
ঘনকের ধারের দৈর্ঘ্য = ক = ৫ সেমি
আমরা জানি, ঘনকের কর্ণের সূত্র = ক√৩
অতএব,
ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য হবে ধারের দৈর্ঘ্যের সাথে √৩ এর গুণফল
এখানে ধারের মান বসিয়ে পাই ৫ এবং √৩
সুতরাং,
কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৫ × √৩ সেমি
উত্তর: ৫√৩ সেমি
সঠিক উত্তর: D) ৬ সেমি
প্রদত্ত তথ্য:
ও কেন্দ্র বিশিষ্ট বৃত্তে ওডি লম্ব এবি জ্যা এর উপর
এডি এর দৈর্ঘ্য সমান ৩ সেমি
ধরি,
এবি জ্যা এর দৈর্ঘ্য সমান এ সেমি
ওডি লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে
এডি সমান ডিবি
অতএব,
ডিবি এর দৈর্ঘ্য সমান ৩ সেমি
এবি সমান এডি + ডিবি
এবি সমান ৩ + ৩
সুতরাং,
এবি এর দৈর্ঘ্য হিসাব করে পাই
এবি সমান ৬ সেমি
উত্তর: ৬ সেমি
সঠিক উত্তর: C) ৪২°
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ নব্বই ডিগ্রি
সূক্ষ্মকোণ দুটির পার্থক্যের মান ছয় ডিগ্রি
ধরি,
ক্ষুদ্রতম কোণের মান ক ডিগ্রি
অপর কোণটি হলো ক + ৬ ডিগ্রি
অতএব,
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি একশো আশি ডিগ্রি
সমকোণ বাদে বাকি দুই কোণের সমষ্টি নব্বই ডিগ্রি
সুতরাং ক + ক + ৬ = নব্বই
সুতরাং,
দুই ক + ছয় = নব্বই
দুই ক = চুরাশি
ক = বিয়াল্লিশ
উত্তর: বিয়াল্লিশ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: B) ২০%
প্রদত্ত তথ্য:
টাকায় ৬টি লেবু ক্রয় করা হলো
টাকায় ৫টি লেবু বিক্রয় করা হলো
ধরি,
৫টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা
৬টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
অতএব,
১টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৬ টাকা
১টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৫ টাকা
সুতরাং,
লাভ = (১ ÷ ৫) − (১ ÷ ৬) = (৬ − ৫) ÷ ৩০ = ১ ÷ ৩০ টাকা
উত্তর: লাভের হার = ((১ ÷ ৩০) ÷ (১ ÷ ৬)) × ১০০% = ২০%
সঠিক উত্তর: D) ৪:৭
প্রদত্ত তথ্য:
এ অনুপাত বি সমান ২ অনুপাত ৩
বি অনুপাত সি সমান ৬ অনুপাত ৭
ধরি,
প্রথম অনুপাতটি থেকে পাই এ সমান ২ এবং বি সমান ৩
দ্বিতীয় অনুপাতটি থেকে পাই বি সমান ৬ এবং সি সমান ৭
এখানে বি এর মান দুই জায়গায় ভিন্ন আছে
অতএব,
প্রথম অনুপাতের উভয় রাশিকে ২ দ্বারা গুণ করি
তাহলে এ এর নতুন মান পাই ২ গুণ ২ সমান ৪
এবং বি এর নতুন মান পাই ৩ গুণ ২ সমান ৬
সুতরাং,
এখন এ অনুপাত বি অনুপাত সি সমান ৪ অনুপাত ৬ অনুপাত ৭ হয়
অতএব এ অনুপাত সি সমান ৪ অনুপাত ৭
উত্তর: ৪:৭
সঠিক উত্তর: C) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার গুণফল = ৩৫
দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার গুণফল = ৬৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যা = ক
দ্বিতীয় সংখ্যা = খ
তৃতীয় সংখ্যা = গ
অতএব,
প্রথম সংখ্যা × দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩৫
অর্থাৎ, ক × খ = ৩৫
দ্বিতীয় সংখ্যা × তৃতীয় সংখ্যা = ৬৩
অর্থাৎ, খ × গ = ৬৩
সুতরাং,
খ হলো ৩৫ এবং ৬৩ এর সাধারণ গুণনীয়ক
উত্তর: ৭
সঠিক উত্তর: B) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার বর্গের সমষ্টি ১৩
সংখ্যা দুটির গুণফল ৬
ধরি,
সংখ্যা দুটি যথাক্রমে x এবং y
বর্গের সমষ্টি x² + y² = ১৩
গুণফল xy = ৬
অতএব,
বর্গের অন্তর নির্ণয়ের সূত্রটি হলো
(x² − y²)² = (x² + y²)² − ৪(xy)²
দ্বিতীয় হিসাব:
মানগুলো বসিয়ে পাই
(x² − y²)² = (১৩)² − ৪(৬)²
(x² − y²)² = ১৬৯ − ১৪৪ = ২৫
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির বর্গের অন্তর x² − y² = √২৫ = ৫
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: A) ভারত
কেন সঠিক:
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে একসঙ্গে সেভেন সিস্টার্স বা সাত বোন বলা হয়।
- রাজ্যগুলো হলো আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও মণিপুর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।
B) পাকিস্তান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং এর সঙ্গে সেভেন সিস্টার্স শব্দটির কোনো সম্পর্ক নেই।
C) মিয়ানমার — এটি ভারতের প্রতিবেশী একটি দেশ, যা সেভেন সিস্টার্স অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) ভুটান — এটি হিমালয় অঞ্চলের একটি স্বাধীন দেশ এবং এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর মতো সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে মনে রাখতে এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নামগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
কেন সঠিক:
- হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম মূলত দুস্থ ও অসহায় রোগীদের সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে বা কম খরচে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এই কার্যক্রম সরাসরি সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় — এই মন্ত্রণালয় দেশের দুস্থ ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণ নিয়ে কাজ করে বিধل হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম এর অধীনে পরিচালিত হয়।
B) মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় — এই মন্ত্রণালয় নারী ও শিশুদের উন্নয়ন ও অধিকার রক্ষায় কাজ করে, যা সরাসরি চিকিৎসাসেবার সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় — চিকিৎসাসেবা এই মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন হলেও, 'সমাজসেবা' কার্যক্রমটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিচালনা করে।
D) শিক্ষা মন্ত্রণালয় — শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষা সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে, যা স্বাস্থ্য বা সমাজসেবার পরিধিভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
হাসপাতালে সমাজসেবা মানেই সমাজের কল্যাণ, তাই এটি সরাসরি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন।
সঠিক উত্তর: A) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
কেন সঠিক:
- ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানের তীব্র চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেয়।
- এই মামলা প্রত্যাহারের ফলে তৎকালীন অবিভক্ত পাকিস্তানের কারাগار থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সব বন্দি মুক্তি লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ — এই তারিখে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছিল এবং বন্দিরা মুক্তি পান।
B) ২০ মার্চ ১৯৬৯ — এই তারিখটি এই মামলার সাথে সম্পর্কিত নয়, এটি অন্য একটি রাজনৈতিক সময়ের সাথে জড়িত।
C) ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭০ — এই সালটি ভুল, কারণ মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছিল ১৯৬৯ সালে।
D) ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৮ — এই তারিখে আগরতলা মামলার আনুষ্ঠানিক শুনানি শুরু হয়েছিল, মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
আগরতলা মামলা প্রত্যাহারের সালটি মনে রাখতে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক সাল ১৯৬৯ মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) ৮টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি বা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সক্রিয় ইপিজেড বা প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের সংখ্যা মোট আটটি।
- এই আটটি সরকারি ইপিজেড নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ বা বেপজা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭টি — এই সংখ্যাটি বর্তমান সরকারি ইপিজেড বা বেপজার মোট প্রকৃত সংখ্যার চেয়ে কম।
B) ৮টি — এটি সঠিক সংখ্যা কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে আটটি সরকারি ইপিজেড চালু রয়েছে।
C) ৯টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে সরকারি ইপিজেড আটটি, নয়টি নয়।
D) ১০টি — এটি সঠিক নয় এবং এই সংখ্যাটি সরকারি ও বেসরকারি ইপিজেডের মোট সংখ্যার সঙ্গে বিভ্রান্তিকর হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ বেপজা পরিচালিত সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা মনে রাখতে আট বা ৮ অঙ্কটি মনে রাখুন।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।
- তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা ও তহবিল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী — ইনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন এবং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন না, বরং তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন না, বরং তিনি অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
D) খন্দকার মোশতাক আহমেদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন না, বরং তিনি এই সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন, অর্থমন্ত্রী মনসুর আলী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোশতাক - এভাবে মন্ত্রীদের দপ্তর মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৪ সালে
কেন সঠিক:
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ১৯৭৪ সালের ৩১ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের সময়ে এই শুমারি সম্পন্ন হয় এবং সে সময় দেশের মোট জনসংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে সাত কোটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৯ সালে — এই সালে কোনো প্রথম আদমশুমারি হয়নি, বরং এটি ১৯৭৪ সালের শুমারি থেকে পাঁচ বছর পরের সময়।
B) ১৯৭২ সালে — এই বছর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠন ও সংবিধান প্রণয়নের কাজ প্রাধান্য পায়, আদমশুমারি হয়নি।
C) ১৯৭৩ সালে — এই বছর প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি।
D) ১৯৭৪ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঠিক তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে দেশের প্রথম আদমশুমারি হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১৩৭
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের নবম অধ্যায়ে সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশে এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন গঠন করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩০ — এই অনুচ্ছেদে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের পদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে, যা কর্ম কমিশন সম্পর্কিত নয়।
B) ১৩১ — এই অনুচ্ছেদে কর্ম কমিশনের দায়িত্বের ক্ষেত্র পরিবর্তন সংক্রান্ত বিধান রয়েছে, কমিশন গঠন নয়।
সি) ১৩৭ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই অনুচ্ছেদেই সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের বিধান রয়েছে।
D) ১৪০ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে কমিশন গঠন এবং ১৪০ অনুচ্ছেদে কমিশনের দায়িত্বের কথা বলা হয়েছে।
বিষয়ের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্রের ঢেউ
কেন সঠিক:
- সমুদ্রের ঢেউ একটি অফুরন্ত শক্তির উৎস যা প্রাকৃতিকভাবে বারবার উৎপন্ন হয় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না।
- নবায়নযোগ্য শক্তি এমন শক্তিকে বলা হয় যা ব্যবহারের পর নিঃশেষ হয়ে যায় না এবং প্রকৃতি নিজেই তা পুনরায় পূর্ণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তেল — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং একবার ব্যবহার করলে নিঃশেষ হয়ে যায়, তাই এটি নবায়নযোগ্য শক্তি নয়।
B) গ্যাস — প্রাকৃতিক গ্যাস সীমিত ও জীবাশ্ম উৎস থেকে আসে যা ব্যবহারের ফলে ধীরে ধীরে ফুরিয়ে যায়।
C) কয়লা — কয়লা একটি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কারণ এটি প্রকৃতিতে পুনরায় তৈরি হতে হাজার হাজার বছর সময় লাগে।
D) সমুদ্রের ঢেউ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সামুদ্রিক জোয়ারভাটা ও ঢেউয়ের গতি থেকে বারবার বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব।
মনে রাখার টিপস:
যে শক্তি বারবার ব্যবহার করা যায় এবং ফুরিয়ে যায় না যেমন সূর্য, বাতাস ও সমুদ্রের ঢেউ, তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলে।
সঠিক উত্তর: A) হেরোডোটাস
কেন সঠিক:
- প্রাচীন গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডোটাস প্রথম গুরুত্বের সঙ্গে ঐতিহাসিক ঘটনাবলী সংগ্রহ ও লিপিবদ্ধ করেন।
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ হিস্টোরিজের মাধ্যমে তিনি ইতিহাসকে রূপকথা বা পুরাণ থেকে আলাদা করে গবেষণামূলক শাস্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেরোডোটাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) এরিস্টটল — তিনি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ও বিজ্ঞানী, যাকে রাজনৈতিক বিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞানের জনক বলা হয়, ইতিহাসের জনক নন।
C) ওয়াশিংটন — জর্জ ওয়াশিংটন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন প্রধান সেনাপতি ছিলেন।
D) নিউইয়র্ক — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান ও জনবহুল শহর, কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নন।
মনে রাখার টিপস:
ইতিহাসের পাতা উল্টাতে গেলে হেরোডোটাস নামটির হ দিয়ে শুরু হয়, যা মনে রাখতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: C) ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে ঐতিহাসিক টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০ গৃহীত হয়।
- এই শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্বের সদস্য রাষ্ট্রগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা এসডিজি অনুমোদন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে এসডিজি গৃহীত হয়নি, এটি ভুল সাল বা তারিখ।
B) ২০১৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর — টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০১৫ সালে গৃহীত হয়েছিল, ২০১৬ সালের তারিখটি সঠিক নয়।
C) ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর — এটি সঠিক তারিখ এবং এই দিনেই জাতিসংঘের বিশেষ সম্মেলনে অভীষ্টগুলো গৃহীত হয়।
D) ২০১৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে অন্য জাতিসংঘ সেশন বা আলোচনা হতে পারে, তবে এসডিজি গ্রহণের সঠিক তারিখ এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা এসডিজি ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ঠিক মাঝামাঝি অর্থাৎ ২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
সঠিক উত্তর: A) বেলজিয়াম
কেন সঠিক:
- ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রটি বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরের দক্ষিণাংশে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন এই স্থানেই নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ব্রিটিশ ও প্রুশিয়ান যৌথ বাহিনীর কাছে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলজিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রটি এখানেই অবস্থিত।
B) জাপান — এটি এশিয়ার একটি দেশ এবং এই ঐতিহাসিক ইউরোপীয় যুদ্ধের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
C) জার্মানি — এটি ইউরোপের দেশ হলেও ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রের সঙ্গে এর সরাসরি ভৌগোলিক অবস্থান যুক্ত নয়।
D) ইংল্যান্ড — ব্রিটিশ বাহিনী এই যুদ্ধে অংশ নিলেও মূল যুদ্ধক্ষেত্রটি তাদের নিজেদের ভূখণ্ডে ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
নেপোলিয়নের শেষ পরাজয়ের স্থান ওয়াটারলু বেলজিয়ামে অবস্থিত, এটি মনে রাখতে ওয়াটারলু এবং বেলজিয়াম শব্দ দুটি একসাথে মুখস্থ রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) ২০১১ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ২০১১ সালে জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিমালা প্রণয়ন করে।
- এই নীতিমালার মূল লক্ষ্য ছিল সকলের জন্য মানসম্মত ও সুষম স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১০ সালে — এই সালে খসড়া নীতিমালা তৈরি হলেও চূড়ান্ত অনুমোদিত নীতিমালা প্রকাশিত হয় পরবর্তী বছর।
B) ২০১১ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিমালা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবর্তিত হয়।
সি) ২০১২ সালে — এই সালে অন্য কোনো প্রধান স্বাস্থ্য আইন বা সংশোধনী হলেও মূল নীতিমালা প্রণয়নের সাল এটি নয়।
ডি) ২০১৩ সালে — এই সালে স্বাস্থ্য খাতের অন্যান্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন হলেও নীতিমালা প্রণয়নের সাল হিসেবে এটি বেঠিক।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য নীতি প্রণীত হয় এক যুগ পূর্ণ হওয়ার আগের বছর অর্থাৎ ২০১১ সালে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৮ সালে
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ১৯৯৮-১৯৯৯ অর্থবছরে দেশে প্রথম বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম চালু করা হয়।
- সমাজের অবহেলিত ও পিছিয়ে থাকা প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই যুগান্তকারী কল্যাণমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৮ সালে — এই বছরেই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম চালু করা হয়েছিল।
B) ১৯৯৯ সালে — এই সালে কার্যক্রমটি চলমান থাকলেও এর সূচনা হয়েছিল আগের বছর অর্থাৎ ১৯৯৮ সালে।
C) ২০০০ সালে — এটি বয়স্ক ভাতা চালুর সাল নয়, তবে এই সময়ে অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি প্রসারিত করা হয়েছিল।
D) ২০০১ সালে — এই সালটি বয়স্ক ভাতা চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি একটি পরবর্তী সময়কাল।
মনে রাখার টিপস:
বয়স্ক মানুষরা লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটেন এবং লাঠির আকৃতি ইংরেজি সংখ্যা ১ এর মতো, আর চশমার আকৃতি ৮ এর মতো। এভাবে ১৯৯৮ সাল মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকールの ব্যবস্থা করার রাষ্ট্রীয় মূলনীতি ঘোষিত হয়েছে।
- এটি নাগরিকদের মৌলিক চাহিদা পূরণের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব নির্ধারণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা — এটি সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু, যা জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার উন্নয়নের সাথে সম্পর্কিত।
B) সুযোগের সমতা — এটি সংবিধানের ১৯ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু, যা নাগরিকদের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলে।
C) জাতীয় সংস্কৃতি — এটি সংবিধানের ২৩ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু, যা জাতীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও উন্নয়নের সাথে সম্পর্কিত।
D) মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদ মানেই মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা, যেখানে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাকে বুঝানো হয়েছে।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) ৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক স্টকহোম সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়ে আসছে।
- পরিবেশ সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় উৎসাহিত করার জন্য এই দিনটি নির্ধারিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ জুলাই — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না এবং এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) ৫ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবসের নির্ধারিত সঠিক তারিখ।
C) ২৪ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না এবং এটি অন্য একটি সাধারণ দিবস।
D) ১২ এপ্রিল — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না এবং এটি অন্য একটি বিশেষ দিন।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে হলে মনের ভেতর পাঁচ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে, অর্থাৎ পাঁচ জুন হলো পরিবেশ দিবস।
সঠিক উত্তর: A) লাইবেরিয়া
কেন সঠিক:
- আফ্রিকার দেশ লাইবেরিয়ার রাজধানী মনরোবিয়ায় বাংলাদেশ স্কয়ার অবস্থিত।
- জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের অবদান ও স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাইবেরিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানে শান্তিরক্ষীদের স্মরণে বাংলাদেশ স্কয়ার নামকরণ করা হয়েছে।
B) কঙ্গো — এটি মধ্য আফ্রিকার একটি দেশ এবং এখানে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষী কাজ করলেও বাংলাদেশ স্কয়ার এখানে অবস্থিত নয়।
C) সোমালিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ এবং জাতিসংঘের মিশনে বাংলাদেশ কাজ করলেও এখানে এই নামে কোনো স্কয়ার নেই।
D) সুদান — এটি আফ্রিকান দেশ এবং বাংলাদেশ শান্তিরক্ষীদের অবদান থাকলেও এখানে বাংলাদেশ স্কয়ার অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
লাইবেরিয়ার রাজধানীতে শান্তিরক্ষীদের অবদানের জন্য বাংলাদেশ স্কয়ার তৈরি করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) সামরিক
কেন সঠিক:
- ন্যাটো হলো একটি আন্তঃদেশীয় সামরিক জোট যা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর যৌথ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে এবং এর মূল উদ্দেশ্য যেকোনো বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে রক্ষা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থনৈতিক — ন্যাটো কোনো অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক সংস্থা নয়, এর মূল কাজ সামরিক সুরক্ষা প্রদান করা।
B) পরিবেশগত — এটি পরিবেশ রক্ষা বা জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য গঠিত কোনো সংস্থা নয়।
C) রাজনৈতিক — যদিও এর রাজনৈতিক ফোরাম রয়েছে, তবে এর মূল রূপ ও গঠন সম্পূর্ণভাবে সামরিক প্রতিরক্ষাভিত্তিক।
D) সামরিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ ন্যাটো মূলত একটি সম্মিলিত সামরিক শক্তি ও প্রতিরক্ষা জোট।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাটো শব্দটি মাথায় এলেই মনে রাখবে এটি যুদ্ধ বা প্রতিরক্ষার সাথে যুক্ত একটি সামরিক জোট।
সঠিক উত্তর: D) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
কেন সঠিক:
- SPARRSO বা বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূরঅনুধাবন প্রতিষ্ঠান সরাসরি দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এটি দেশের প্রতিরক্ষা ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার কাজে মহাকাশ প্রযুক্তি ও রিমোট সেন্সিং ব্যবহার করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিল্প মন্ত্রণালয় — এটি দেশের শিল্প খাতের উন্নয়ন ও পলিসি তৈরির সাথে যুক্ত, মহাকাশ গবেষণা এর আওতাভুক্ত নয়।
B) শিক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত, বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এর অধীনে নেই।
C) পরিবেশ মন্ত্রণালয় — এটি পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাজ করে, তবে এসপারসো এর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়।
D) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এসপারসো প্রশাসনিকভাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।
মনে রাখার টিপস:
মহাকাশ বা উপগ্রহ গবেষণা সাধারণত দেশের নিরাপত্তার সাথে জড়িত থাকে, তাই এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI) ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত।
- এটি পাটের উন্নত জাত উদ্ভাবন এবং চাষাবাদ প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মানিকগঞ্জ — এটি একটি জেলা শহর, যেখানে এই জাতীয় কেন্দ্রীয় গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত নয়।
B) রংপুর — এটি একটি বিভাগীয় শহর এবং উত্তরাঞ্চলের পাট উৎপাদনের অঞ্চল হলেও এই প্রধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এখানে নেই।
C) ঢাকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূল প্রতিষ্ঠানটি ঢাকায় অবস্থিত।
D) পাবনা — এটি পাট উৎপাদনের জন্য পরিচিত হলেও এখানে এই জাতীয় গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের বেশিরভাগ জাতীয় গবেষণা ইনস্টিটিউট রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত, তাই পাটের প্রধান গবেষণা কেন্দ্রটিও ঢাকায়।
সঠিক উত্তর: A) জাইকা
কেন সঠিক:
- জাইকা হলো জাপানের সরকারি বৈদেশিক সাহায্য সংস্থা, যার পূর্ণরূপ হলো জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সী।
- এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে আর্থসামাজিক উন্নয়নে কারিগরি সহায়তা, অনুদান এবং নমনীয় ঋণ প্রদান করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাইকা — এটি জাপানের বৈদেশিক সাহায্য সংস্থা হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ডিএফআইডি — এটি যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিভাগ, যা জাপানের সংস্থা নয়।
C) ডানিডা — এটি ডেনমার্কের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহায়তা সংস্থা, যা জাপানের নয়।
D) ওসিডি — এটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা, যা কোনো একক দেশের সাহায্য সংস্থা নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাপানের নাম এবং সংস্থার নামের শুরুতে জ বর্ণটি রয়েছে, যেমন জাপান থেকে জাইকা।
সঠিক উত্তর: C) ২নং
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত ১১টি সেক্টরের মধ্যে ২নং সেক্টরের অধীনে ছিল ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালী এবং ফরিদপুর ও আখাউড়া অঞ্চলের কিছু অংশ।
- মেলাঘরে সদর দপ্তর ছিল এই সেক্টরের এবং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ ও পরে মেজর এ টি এম হায়দার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ নং — এটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালী ও ফেনী নদীর অববাহিকা অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল।
B) ৩নং — এটি হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল।
C) ২নং — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ঢাকা জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল।
D) ১০নং — এটি কোনো ভৌগোলিক এলাকাভিত্তিক সেক্টর ছিল না, এটি নৌ সেক্টর বা নদীপথের জন্য গঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা মানে খালেদ মোশাররফের এলাকা, আর খালেদ মোশাররফ ছিলেন ২নং সেক্টরের কমান্ডার।
সঠিক উত্তর: B) বিজু
কেন সঠিক:
- চাকমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব হলো বিজু, যা সাধারণত চৈত্র সংক্রান্তির সময় তিন দিন ধরে পালন করা হয়।
- এটি তাদের ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ উৎসব, যার মাধ্যমে পুরোনো বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাংগ্রেন — এটি মূলত মারমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব, চাকমাদের নয়।
B) বিজু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
সি) তনচংগা — এটি কোনো উৎসবের নাম নয়, বরং এটি বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নাম।
ডি) নও উৎসব — এটি চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসব নয় এবং এই নামে তাদের কোনো প্রধান উৎসব নেই।
মনে রাখার টিপস:
চ চাকমা আর ব বিজু, এভাবে মনে রাখতে পারো চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু।
সঠিক উত্তর: C) ঐতরেয় আরণ্যক
কেন সঠিক:
- বৈদিক সাহিত্যে প্রাচীনতম গ্রন্থ 'ঐতরেয় আরণ্যক'-এ সর্বপ্রথম 'বঙ্গ' জনপদের নাম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- এই গ্রন্থে বঙ্গ নামের একটি জনজাতি বা অঞ্চলের ভৌগোলিক অস্তিত্বের ঐতিহাসিক প্রমাণ রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইন - ই - আকবরী — এটি মুঘল সম্রাট আকবরের আমলের ঐতিহাসিক গ্রন্থ, যা অনেক পরের রচিত।
B) বাঙালির ইতিহাস — এটি নীহাররঞ্জন রায়ের লেখা একটি আধুনিক ঐতিহাসিক গ্রন্থ, প্রাচীন উৎস নয়।
D) রঘুবংশ — এটি মহাকবি কালিদাসের লেখা একটি সংস্কৃত কাব্যগ্রন্থ, যা বঙ্গ নামের প্রথম উল্লেখ বহন করে না।
মনে রাখার টিপস:
'বঙ্গ' নামের উৎপত্তি খুঁজতে গেলে সবচেয়ে প্রাচীন বৈদিক গ্রন্থ 'ঐতরেয় আরণ্যক' মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সমস্তপদ
১. কেন সঠিক:
সমাস গঠন প্রক্রিয়ায় একাধিক পদ একপদী হওয়ার পর যে নতুন পদটি তৈরি হয়, তাকে সমস্তপদ বলা হয়।
সমাসের মূল উদ্দেশ্য হলো অর্থ সংক্ষেপ করা এবং একাধিক পদের মিলনে একটি পূর্ণাঙ্গ পদ গঠন করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমাসের ব্যাকরণগত সংজ্ঞানুযায়ী, বাক্যের অর্থ সংক্ষেপ করার জন্য একাধিক পদের একপদীকরণকে সমাস বলে।
সমাস প্রক্রিয়ায় যে পদগুলোর মিলন ঘটে, তাদের প্রতিটি পদকে সমস্যমান পদ এবং সমস্তপদকে ভেঙে যে বাক্য বা বাক্যাংশ তৈরি হয় তাকে ব্যাসবাক্য বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
ব্যাখ্যা: এখানে সিংহ চিহ্নিত আসন হলো ব্যাসবাক্য এবং সিংহাসন হলো সমস্তপদ।
উদাহরণ ২: জলে চরে যা = জলচর
ব্যাখ্যা: এখানে জলে চরে যা হলো ব্যাসবাক্য এবং জলচর হলো সমস্তপদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমস্যমান পদ — সমাসবদ্ধ করার জন্য যে পদগুলো একত্রে মিলিত হয়, তাদের প্রত্যেকটিকে সমস্যমান পদ বলা হয়, সমস্তপদ নয়।
B) সমস্তপদ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে প্রযোজ্য।
C) ব্যাসবাক্য — সমস্তপদকে অর্থ পরিষ্কার করার জন্য যে বাক্যে সম্প্রসারিত করা হয়, তাকে ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য বলে।
D) উত্তরপদ — সমাসবদ্ধ পদের শেষের পদটিকে উত্তরপদ বা পরপদ বলা হয়, সমস্তপদ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সমাস প্রক্রিয়ার শেষ ফল হলো সমস্তপদ বা সমাসনিষ্পন্ন পদ।
মনে রাখবে, অনেকগুলো পদ মিলে যখন একটি পদে পরিণত হয়, তখন তাকে সমস্তপদ বলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমাসের অংশ থেকে প্রায়ই পদ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সমাসের নাম, ব্যাসবাক্য এবং সমস্তপদ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের যেকোনো প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) Modesty is the embellishment of greatness.
কেন সঠিক:
১. এই বাক্যে বিনয় শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ modesty এবং মহত্ত্বের ভূষণ শব্দের ইংরেজি the embellishment of greatness নির্ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
২. বাংলা প্রবচন বা ভাবের অনুবাদের ক্ষেত্রে সঠিক শব্দচয়ন এবং ব্যাকরণের নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করায় এই অপশনটি সবচেয়ে মানানসই হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এখানে ষষ্টি বিভক্তির রূপ বোঝাতে অফ প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে যা মহত্ত্বের অর্থ প্রকাশ করে।
২. ভূষণ শব্দের যথাযথ ইংরেজি প্রতিশব্দ হিসেবে এখানে এমবেলিশমেন্ট নাউনটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৩. যেমন, সততা সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থার ইংরেজি অনেস্টি ইজ দ্য বেস্ট পলিসি হয়, তেমনি এই অনুবাদটিও ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Modesty is the embellishment of greatness — এটি সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে মূল বাক্যের পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
B) Modesty is greatness — এই অপশনে ভূষণ শব্দের কোনো অনুবাদ নেই ফলে বাক্যের মূল অর্থ অসম্পূর্ণ থেকে গেছে।
C) Modesty is great embellishment — এখানে মহত্ত্বের শব্দের সঠিক অনুবাদ অনুপস্থিত এবং এটি কেবল মহান ভূষণ অর্থ প্রকাশ করে।
D) Modesty is embellishment to greatness — এই বাক্যে প্রিপজিশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভুল রয়েছে কারণ এখানে অব বা সম্বন্ধপদ বোঝাতে অফ প্রিপজিশন প্রয়োজন।
মনে রাখার টিপস:
১. বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদের সময় প্রথমে মূল সাবজেক্ট এবং অবজেক্ট চিহ্নিত করে সঠিক প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
২. বিশেষ কোনো গুণ বা ভূষণ বোঝাতে দ্য এমবেলিশমেন্ট অব নাউন গঠনটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) He has few friends.
১. কেন সঠিক:
- 'নাই বললেই চলে' বা অতি নগণ্য পরিমাণ বোঝাতে ইংরেজি ব্যাকরণে 'few' শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
- 'Few' শব্দটির নিজস্ব অর্থই না সূচক, যা প্রায় নেই বললেই চলে এমন অবস্থাকে নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ইংরেজি গ্রামারে 'few' এবং 'a few'-এর ব্যবহার ভিন্ন। 'Few' বসে সংখ্যায় অত্যন্ত কম বা প্রায় নেই অর্থে, যা নেতিবাচক ভাব প্রকাশ করে।
- অন্যদিকে 'a few' বসে সামান্য কিছু বা অল্প কিছু অর্থে, যা ইতিবাচক ভাব প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তার সামান্য কিছু বই আছে।
ব্যাখ্যা: এটি ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করায় এখানে 'a few' ব্যবহৃত হবে এবং ইংরেজি অনুবাদ হবে 'He has a few books.'
উদাহরণ ২: তার বুদ্ধি নেই বললেই চলে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'নাই বললেই চলে' অর্থে নেতিবাচক ভাব থাকায় 'few'-এর পরিবর্তে 'little' ব্যবহৃত হবে এবং অনুবাদ হবে 'He has little intelligence.'
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He has no friends. — এই বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় তার কোনো বন্ধু নেই, যা 'নাই বললেই চলে' অর্থাৎ আংশিক অস্তিত্বের ধারণার চেয়ে ভিন্ন।
B) He has a few friends. — 'A few' অর্থ কিছু বা কয়েকটি, যা 'নাই বললেই চলে' এই নেতিবাচক ভাবের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) He has few friends. — এটি সঠিক অপশন কারণ 'few' অর্থ প্রায় নেই বললেই চলে।
D) He does not have any friend. — এই বাক্যটির অর্থ তার কোনো বন্ধু নেই, যা সরাসরি অস্তিত্বহীনতা বোঝায় কিন্তু প্রদত্ত বাক্যের ভাবকে পুরোপুরি প্রকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে 'নেই বললেই চলে' বা 'খুব কম' থাকলে আর্টিকেল ছাড়া শুধু 'few' বা 'little' ব্যবহার করবে।
- 'কিছু পরিমাণ' বা 'অল্প কিছু' বোঝালে 'few' বা 'little'-এর আগে 'a' যুক্ত করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'few', 'a few' এবং 'the few'-এর পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- গণনাযোগ্য পদের ক্ষেত্রে 'few' এবং পরিমাপযোগ্য বা অগণনযোগ্য পদের ক্ষেত্রে 'little' ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) Mankind is at stake now.
১. কেন সঠিক:
- Mankind একটি অগণন বা কালেক্টিভ নাউন হিসেবে ধরা হয় এবং এর সঙ্গে সাধারণত একবচন বা সিঙ্গুলার ভার্ব ব্যবহার করা হয়।
- at stake একটি প্রবচনীয় ফ্রেজ যার অর্থ বিপন্ন বা ঝুঁকিপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দ দেখতে বহুবচন মনে হলেও এদের সঙ্গে সিঙ্গুলার ভার্ব বসে।
- Mankind শব্দটি মানবজাতিকে সামগ্রিকভাবে নির্দেশ করে যা একবচন হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Mankind is facing a severe crisis.
ব্যাখ্যা: এখানে Mankind সামগ্রিক মানবজাতিকে বোঝাতে সিঙ্গুলার ভার্ব is গ্রহণ করেছে।
উদাহরণ ২: Humanity is in danger.
ব্যাখ্যা: Humanity বা মানবতা একটি অবমূর্ত বিশেষ্য হওয়ায় এর সঙ্গে সিঙ্গুলার ভার্ব বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mankind are at a stake now. — এখানে are এবং a stake ভুল ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Mankind are at stake now. — এখানে are হলো বহুবচন যা Mankind শব্দের সঙ্গে ভুল।
C) Mankind is at stake now. — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত ব্যাকরণগত রূপ।
D) Man are at stake now. — Man এখানে বহুবচন রূপ হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং are ও অসাংগত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Mankind শব্দটিকে সবসময় একটি অবিভক্ত জাতি হিসেবে ধরবে এবং এর পর সবসময় is বা singular verb বসাবে।
- at stake ফ্রেজে কোনো আর্টিকেল (a/an) বসে না, তাই সরাসরি at stake মুখস্থ রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Collective Noun এবং Abstract Noun এর পর singular verb বসে কি না তা প্রায়ই আসে।
- প্রবচন বা ফ্রেজের ভেতরের শব্দ পরিবর্তন না করে হুবহু মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) সলিল সমাধি
কেন সঠিক:
- ইংরেজি পরিভাষাটির আক্ষরিক অর্থ হলো জলে বা পানিতে কবর হওয়া।
- বাংলা idioms বা বাগধারা অনুযায়ী পানিতে ডুবে মৃত্যুকে সলিল সমাধি বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি ইংরেজি ইডিয়মের সঠিক বাংলা ভাবানুবাদ।
- সাহিত্যে বা সংবাদে জলে ডুবে মৃত্যুর ক্ষেত্রে এই রূপকটি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন সমুদ্রে জাহাজ ডুবে নিখোঁজ হওয়া বা পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার ক্ষেত্রে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পানির নালা — এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভৌগোলিক বা সাধারণ শব্দ যার সাথে এই ইডিয়মের কোনো মিল নেই।
- B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো অপশন থাকার কথা নয়, তবে এটি মূল উত্তরের পুনরাবৃত্তি।
- C) পানিযুক্ত কবর — এটি আক্ষরিক অনুবাদ হলেও বাংলা ভাষার প্রচলিত সুন্দর বাগধারা বা মানসম্মত পরিভাষা নয়।
- D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে موجود রয়েছে তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
- Water শব্দের অর্থ জল বা সলিল এবং Grave শব্দের অর্থ সমাধি, তাই দুটি মিলিয়ে সলিল সমাধি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) নিত্য সমাস
১. কেন সঠিক:
যে সমাসে ব্যাসবাক্য হয় না কিংবা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে।
কালসাপ শব্দটির ব্যাসবাক্য হয় না, তাই এটি নিত্য সমাসের অন্তর্ভুক্ত এবং এর মূল অর্থ বিষধর সাপ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
নিত্য সমাসের ক্ষেত্রে পদের অর্থের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং স্বাভাবিক নিয়মে এদের ব্যাসবাক্য গঠন করা সম্ভব নয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের কিছু নির্দিষ্ট শব্দ থেকে সরাসরি নিত্য সমাসের প্রশ্ন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদ ও পরপদের বাইরে ভিন্নতা বোঝাতে নিত্য সমাসের নিয়ম অনুযায়ী ব্যাসবাক্য করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও নিত্য সমাসের নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে যেখানে পদের অর্থ অপরিবর্তিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিত্য সমাস — প্রদত্ত সঠিক উত্তর কারণ কালসাপ শব্দটির কোনো প্রচলিত ব্যাসবাক্য হয় না।
B) দ্বন্দ্ব সমাস — এই সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে যা কালসাপ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) বহুব্রীহি সমাস — এই সমাসে পদের অর্থ বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায় না।
D) কর্মধারায় সমাস — এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্পর্ক থাকে কিন্তু কালসাপ কোনো সাধারণ কর্মধারায় সমাস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
যে সমস্ত শব্দের নিজস্ব কোনো প্রচলিত ব্যাসবাক্য হয় না বা অন্য পদের সাহায্য ছাড়া অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলো সাধারণত নিত্য সমাস হয়।
পরীক্ষায় কালসাপ, গ্রামান্তর বা অন্য মন শব্দগুলো দেখলে নিত্য সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নিত্য সমাসের ক্ষেত্রে কেবল, অন্য, মাত্র ইত্যাদি শব্দগুলো ব্যাসবাক্যে বেশি ব্যবহৃত হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই টপিক থেকে কমন শব্দগুলোই বারবার পুনরাবৃত্তি করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) কুলটা
১. কেন সঠিক:
যেসব শব্দের কোনো পুরুষবাচক শব্দ বা রূপ থাকে না এবং প্রাকৃতিকভাবেই স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। 'কুলটা' শব্দটির কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই এবং এটি সর্বদা স্ত্রীবাচক হিসেবেই ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে কিছু শব্দকে পুরুষবাচক বা স্ত্রীবাচক করার কোনো সুযোগ থাকে না। নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো জন্মগতভাবেই স্ত্রীলিঙ্গবাচক এবং এদের কোনো পুংলিঙ্গবাচক জোড় নেই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সতীন
ব্যাখ্যা: সতীন শব্দটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ কারণ এর কোনো পুংলিঙ্গবাচক রূপ নেই।
উদাহরণ ২: অবলা
ব্যাখ্যা: অবলা শব্দটি নারী বা দুর্বল বোঝাতে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুলটা — এটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে।
B) যোগিনী — এটি সাধিত স্ত্রীবাচক শব্দ, যার পুংলিঙ্গ রূপ যোগী।
C) রজকী — এটি প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ, যার পুংলিঙ্গ রূপ রজক।
D) চাতকী — এটি ই প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ, যার পুংলিঙ্গ রূপ চাতক।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো এদের কোনো পুরুষবাচক জোড় নেই তা মনে রাখা। কুলটা, সতীন, অবলা, সধবা, এগুলোর কোনো পুংলিঙ্গ হয় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কুলটা, সতীন, অবলা, সধবা, এদুটো শব্দ খুব ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) লো+অন
কেন সঠিক:
- এটি একটি স্বরসন্ধির উদাহরণ যেখানে ও কারের সাথে অন যুক্ত হয়েছে।
- সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ও কারের পরে স্বরধ্বনি থাকলে ও কারের স্থানে অব হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি আদিচ প্রত্যয় সাধিত বা সংস্করণের অট সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম।
- সংস্করণের ব্যাকরণ অনুযায়ী ও বা ঔ কারের পরে অন্য স্বরধ্বনি থাকলে যথাক্রমে অব বা আব হয়।
- যেমন: পো + অন = পবন, খো + অন = ভবন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) লে + অন — এই নিয়মে লে থেকে লব তৈরি হওয়ার কোনো ব্যাকরণসম্মত সুযোগ নেই।
- B) লব + অন — এটি কোনো আসল সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি কারণ লব একটি সম্পূর্ণ শব্দ।
- C) লো + অন — এটি তো সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না।
- D) ল + বন — এখানে বন কোনো প্রত্যয় নয় এবং এটি সন্ধির প্রাথমিক নিয়ম ভঙ্গ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
- লবণ ও পবন শব্দ দুটি দেখলে ও কার এবং অন প্রত্যয় মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) অল্পে ভয়
১. কেন সঠিক:
- সিঁদুরে মেঘ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ সিঁদুরের মতো লাল মেঘ এবং এর ভাবার্থ হলো সামান্য বিপদের আভাষ পেতেই অতিমাত্রায় আতঙ্কিত হয়ে পড়া।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে কারণ এর আক্ষরিক রূপের সঙ্গে ভাবগত অর্থের একটি সূক্ষ্ম মানসিক ভীতি বা পূর্বানুমানের মিল রয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে এবং বাংলা ভাষার সৌন্দর্য ও প্রকাশভঙ্গি বৃদ্ধি করে।
- এটি শব্দার্থের দিক থেকে একটি বিশেষ শৈলী, যেখানে পদের সাধারণ অর্থ পরিবর্তন হয়ে রূপক বা প্রবচনভিত্তিক নতুন অর্থ তৈরি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সামান্য বৃষ্টি দেখেই তার ছাতা খোঁজা শুরু করা মানেই হলো সিঁদুরে মেঘ দেখে ভয় পাওয়া।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অল্পতেই আতঙ্কিত হওয়ার স্বভাব বোঝাতে সিঁদুরে মেঘ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরীক্ষার নাম শুনলেই সে অজ্ঞান হওয়ার উপক্রম করে, তার এই অবস্থা হলো সিঁদুরে মেঘ দেখে ভয় পাওয়ার শামিল।
ব্যাখ্যা: এখানেও প্রকৃত বিপদের আগেই অতিরিক্ত মাত্রায় ভয় পাওয়ার মানসিকতাকে নির্দেশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বড় বিপদ — এই অপশনটি ভুল কারণ বড় বিপদ বোঝাতে অন্য বাগধারা যেমন অতল জলের আহ্বান বা সর্বনাশা মুহূর্ত ব্যবহার করা হয়।
B) অল্পে ভয় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সিঁদুরে মেঘ বাগধারার প্রকৃত ভাবার্থকে সফলভাবে নির্দেশ করে।
C) বিপদের আশঙ্কা — এই অপশনটি আংশिक সত্য মনে হলেও বাগধারাটির মূল ব্যঞ্জনা হলো আশঙ্কা নয়, বরং আশঙ্কায় অতিরিক্ত ও সামান্য কারণে ভীত হওয়া।
D) আকাশ লাল — এই অপশনটি সম্পূর্ণ আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাগধারার রূপক অর্থের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সিঁদুর দেখলেই যেমন মঙ্গল বা অমঙ্গলের কথা ভেবে অনেকে শঙ্কিত হন, তেমনই মেঘ দেখলে বৃষ্টির আশঙ্কায় সামান্য কারণে ভয় পাওয়ার ব্যাপারটি মাথায় রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাবার্থমূলক বাগধারাগুলো প্রায়ই অপশনে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থের ওপর বেশি জোর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বৃহৎ বিষয়
১. কেন সঠিক:
- সপ্তকাণ্ড রামায়ণ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ সাতটি কান্ড বা খণ্ডে বিভক্ত রামায়ণ হলেও, বিশেষ অর্থে এটি কোনো জটিল, দীর্ঘ বা বৃহৎ বিষয়কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- বৃহৎ কোনো কাজের বিশাল বিস্তার বা জটিল বিবরণ বোঝাতেই এই বাগধারাটি বাংলা ভাষায় প্রমিতভাবে ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা, যা রূপক অর্থে কোনো বড় বা দীর্ঘ ঘটনাকে নির্দেশ করে।
- রামায়ণ মহাকাব্যটি বাল্মীকি কর্তৃক রচিত এবং এটি আদিকাব্যের মর্যাদা পায়, যা সাতটি কান্ডে বিভক্ত থাকায় এর পরিসর অত্যন্ত বিশাল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার এই পারিবারিক সমস্যার কথা শুনলে মনে হয় পুরো সপ্তকাণ্ড রামায়ণ শুনতে হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে সমস্যাটির বিশালতা ও দীর্ঘ বিবরণ বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ওই ঘটনার পেছনের ইতিহাস আর বলতে যেও না, সে এক সপ্তকাণ্ড রামায়ণ।
ব্যাখ্যা: কোনো বিষয়ের অতি দীর্ঘ ও জটিল পটভূমি বোঝাতে এই উদাহরণটি প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৃহৎ বিষয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাগধারাটির অন্তর্নিহিত অর্থ বিশাল বা দীর্ঘ বিষয়কে নির্দেশ করে।
B) গ্রন্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ রামায়ণ একটি গ্রন্থ হলেও বাগধারা হিসেবে এটি শুধু একটি সাধারণ গ্রন্থকে বোঝায় না।
C) ছোট গল্প — এই অপশনটি ভুল কারণ ছোট গল্প বলতে সংক্ষিপ্ত পরিসরের সাহিত্যকর্মকে বোঝায়, যা সপ্তকাণ্ড রামায়ণের বিপরীত।
D) কোনোটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি প্রথম অপশনেই বিদ্যমান রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রামায়ণ মহাকাব্য সাতটি কান্ডে বিভক্ত এবং এটি আকারে অনেক বড়, তাই সপ্তকাণ্ড রামায়ণ বললেই মনে রাখবে এটি একটি বিরাট বা বৃহৎ বিষয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ কী তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) জিমূতমন্দ্র
১. কেন সঠিক:
মেঘের ধ্বনি বা গর্জনকে এককথায় জিমূতমন্দ্র বলা হয়।
এখানে জিমূত শব্দের অর্থ মেঘ এবং মন্দ্র শব্দের অর্থ গম্ভীর ধ্বনি বা গর্জন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাক্যের অর্থ সংক্ষিপ্ত করে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশে মেঘের ডাক
ব্যাখ্যা: এটি মেঘের গর্জন বোঝাতে জিমূতমন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সমুদ্রের গম্ভীর ধ্বনি
ব্যাখ্যা: এটিকে এককথায় পারাবরমন্দ্র বা গম্ভীর ধ্বনি বলা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃন্ময় — এর অর্থ মাটি দিয়ে তৈরি বা মৃত্তিকা নির্মিত।
C) জীমূতেন্দ্র — এই বানানটি প্রমিত নয় এবং এটি ভুল গঠন নির্দেশ করে।
D) শানকি — এর অর্থ ছোট থালা বা বাটি জাতীয় পাত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
মন্দ্র শব্দের অর্থ গভীর ধ্বনি আর জিমূত অর্থ মেঘ।
মেঘ ও মন্দ্র মিলে হয় জিমূতমন্দ্র অর্থাৎ মেঘের গম্ভীর ধ্বনি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
মেঘ সম্পর্কিত অন্যান্য এককথায় প্রকাশ যেমন জল দেয় যে জলদ ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অপাদানে শূন্য
কেন সঠিক:
১. বাক্যে স্টেশন শব্দটি থেকে রেলগাড়ি দূরে সরে যাওয়া বোঝাচ্ছে, যা অপাদান কারকের মূল বৈশিষ্ট্য।
২. স্টেশন শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহীত, ভীত বা পতিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলা হয়।
২. শব্দের সাথে কোনো চিহ্ন বা বিভক্তি যুক্ত না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি বলা হয়।
৩. যেমন, পাতা গাছ থেকে পড়ে। এখানে গাছ থেকে হলো অপাদানে পঞ্চমী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপাদানে শূন্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং এটিই নির্ণেয় উত্তর।
B) করণে শূন্য — যার দ্বারা বা মাধ্যমে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) কর্তায় শূন্য — বাক্যটিতে রেলগাড়ি হলো কর্তা, স্টেশন কর্তা হতে পারে না।
D) অধিকরণের শূন্য — ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে, স্টেশন স্থান হলেও এখানে বিচ্যুতি বোঝানো হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
১. স্থান বা বস্তু থেকে কিছু দূরে চলে যাওয়া বা সরে যাওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়।
২. বিভক্তি না থাকলে শূন্য বা প্রথমা বিভক্তি ধরতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মধ্যপদলোপী কর্মধারায়
১. কেন সঠিক:
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ সম্পূর্ণ লোপ পেয়ে একটি নতুন পদ গঠিত হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
- সিংহাসন শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো সিংহাসনযুক্ত আসন, যেখানে মাঝের আসন পদটি লোপ পেয়ে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- কর্মধারয় সমাসে সাধারণত বিশেষ্য ও বিশেষণে অথবা দুটি বিশেষ্যে মিলে একটি পদ গঠিত হয়।
- মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ প্রধানভাবে রক্ষিত হয় এবং মধ্যের পদটি উহ্য থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৌমাছি = মৌ সংগ্রহকারী মাছি
ব্যাখ্যা: এখানে মৌমাছি শব্দে সংগ্রহকারী মধ্যপদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: জয়পতাকা = জয়সূচক পতাকা
ব্যাখ্যা: এখানে জয়পতাকা শব্দে সূচক মধ্যপদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব সমাস — দ্বন্দ্ব সমাসে প্রতিটি পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং এবং ও ও সংযোজক অব্যয় দ্বারা ব্যাসবাক্য গঠিত হয়।
C) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি — এই সমাসে সমস্ত পদটি কোনো তৃতীয় পদকে নির্দেশ করে, যা সিংহাসন শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) অব্যয়ীভাব সমাস — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যাসবাক্যের মাঝের অংশ বা পদ যদি সমস্ত পদে অদৃশ্য বা লোপ পায় এবং সমস্ত পদটি একটি কর্মধারয় সমাস হয়, তবে চোখ বন্ধ করে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে সিংহাসন, মৌমাছি ও ঘিয়েভাজা শব্দগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) অপাদান কারক
১. কেন সঠিক:
তিলে তৈরি হয় বাক্যে তিলে শব্দটি অপাদান কারক। কোনো উপাদান থেকে কিছু উৎপন্ন, জাত, বা তৈরিকৃত বোঝালে অপাদান কারক হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত বা রক্ষিত হয়। তিল থেকে তেল বা তিলজাত দ্রব্য উৎপন্ন হয় বলে এটি অপাদান কারক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুধে ঘি হয়।
ব্যাখ্যা: দুধ থেকে ঘি উৎপন্ন হয় বলে দুধে শব্দটি অপাদান কারক।
উদাহরণ ২: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হওয়া বোঝাতে এটি অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) করণকারক — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে করণকারক বলে, তিল এখানে কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম নয়।
D) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে, তিল কোনো স্থান বা সময় নির্দেশ করছে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
উৎপন্ন বা জাত অর্থে মূল উপাদান বোঝালে চোখ বুজে অপাদান কারক দাগাবে। উৎপন্ন বস্তু মূল উপাদান থেকে আলাদা হয়ে তৈরি হয় বলেই এটি অপাদান।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তিলে তেল হয় বা তিলে তৈরি হয় জাতীয় প্রশ্ন প্রায়ই আসে। উপাদান দেখেই অপাদান কারক নির্ণয় করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
- বাংলা গদ্যে সাধু রীতির সুশৃঙ্খল রূপদান ও পরিশীলিত ব্যবহারের জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে সাধু ভাষার জনক বলা হয়।
- তাঁর আগে সাধু রীতি কিছুটা বিশৃঙ্খল ছিল, যা তিনি বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থে প্রথম সুশৃঙ্খলভাবে উপস্থাপন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনিশ শতকের বাঙালি সমাজ সংস্কারক, শিক্ষাবিদ ও গদ্যের প্রথম শিল্পী হিসেবে পরিচিত।
- বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে তিনি সাধু ভাষাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক রচিত প্রথম গ্রন্থ যেখানে সাধু ভাষার সুশৃঙ্খল রূপ প্রকাশ পায়।
উদাহরণ ২: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: বিদ্যাসাগরের এই অনুবাদ গ্রন্থটিতেও সাধু ভাষার অত্যন্ত মার্জিত ও পরিশীলিত রূপ দেখতে পাওয়া যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরলাল রায় — ইনি একজন লেখক হলেও বাংলা সাধু ভাষার জনক হিসেবে স্বীকৃত নন।
B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত উত্তর হিসেবে গৃহিত।
C) ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি একজন বিশিষ্ট ভাষাতাত্ত্বিক, বাংলা সাধু ভাষার জনক নন।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা চলিত ভাষারীতির রূপকার ও প্রবক্তা, সাধু ভাষার জনক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাধু ভাষার জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং চলিত ভাষার রূপকার বা প্রবক্তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, এই দুটি নাম গুলিয়ে ফেলবেন না।
- বিদ্যাসাগর মানেই গদ্যের জাদুকর এবং সাধু রীতির সুশৃঙ্খল রূপকার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গদ্যের জনক এবং সাধু ভাষার জনকের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে এবং পদ্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি পরিবর্তন
১. কেন সঠিক:
সন্ধির প্রধান ও মূল কাজ হলো দুটি ধ্বনির মিলন ঘটিয়ে উচ্চারণ সহজ করা এবং নতুন ধ্বনির সৃষ্টি করা। পাশাপাশি উচ্চারণের সময় দ্রুততা ও সাবলীলতা রক্ষা করাও সন্ধির অন্যতম প্রধান কাজ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা একীভূত হওয়াকে সন্ধি বলে। ধ্বনির মাধুর্য সম্পাদন এবং উচ্চারণের সুবিধা অর্জনের জন্যই মূলত সন্ধি ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের শেষের ধ্বনি অ এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর ধ্বনি আ মিলে একটি নতুন ধ্বনি আকার বা আ কারের সৃষ্টি করেছে।
উদাহরণ ২: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি মাত্র আ ধ্বনিতে পরিণত হয়ে শব্দের উচ্চারণ সহজ ও শ্রুতিমধুর করেছে।
৪. বাকি অপشن কেন ভুল:
A) ধ্বনি পরিবর্তন — এটি সঠিক কারণ সন্ধি মূলত ধ্বনির মিলন ও পরিবর্তন ঘটিয়ে থাকে।
B) অর্থের পরিবর্তন — সন্ধির কাজ শব্দের অর্থ পরিবর্তন করা নয়, বরং ধ্বনির রূপ পরিবর্তন করা।
C) পদের পরিবর্তন — পদের রূপান্তর ঘটে কারک বা প্রত্যয় সাধনের মাধ্যমে, সন্ধির মাধ্যমে পদের পরিবর্তন হয় না।
D) বাক্য সংকোচন — বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ সম্পূর্ণ আলাদা একটি ব্যাকরণিক বিষয়, যা সন্ধির সাথে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। মিলন সবসময় ধ্বনির মধ্যে ঘটে, তাই সন্ধির প্রধান কাজ হলো ধ্বনি পরিবর্তন করা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন এবং এর মূল কাজ ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তন সাধন করা।
সঠিক উত্তর: B) চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস
১. কেন সঠিক:
- তপোর জন্য বন = তপোবন। এখানে পূর্বপদের সঙ্গে চতুর্থী বিভক্তি বা নিমিত্ত অর্থ প্রকাশ করায় এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
- তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থের প্রধান্য পায় এবং এখানে নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে চতুর্থী বিভক্তি বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসে সাধারণত কিসের জন্য বা নিমিত্ত অর্থে চতুর্থী বিভক্তির ব্যবহার হয়।
- তপোবন শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো তপের জন্য বন। এখানে তপের নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে বন বোঝানো হয়েছে বলে এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছাত্রাবাস
ব্যাখ্যা: ছাত্রের জন্য আবাস = ছাত্রাবাস। এখানেও নিমিত্ত অর্থে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: ডাকঘর
ব্যাখ্যা: ডাকের জন্য ঘর = ডাকঘর। এটিও চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব সমাস — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাদান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্য করতে এবং, ও, আর যুক্ত হয়, যা এখানে নেই।
B) চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে নিমিত্ত অর্থে চতুর্থী বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে।
C) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ কতিপয় কৃৎ বা তদ্ধিত প্রত্যয়যুক্ত পদের পূর্বে যুক্ত হয়ে যে সমাস হয় তাকে প্রাদি বলে, যা তপোবনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) বহুব্রীহি সমাস — বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো পদকে বোঝায়, কিন্তু তপোবন পদে পদের নিজস্ব অর্থই প্রধান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যাসবাক্যে যদি জন্য বা নিমিত্ত শব্দটি ব্যবহার করতে হয়, তবে চোখ বন্ধ করে সেটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হিসেবে ধরে নিতে পারো।
- ছাত্রাবাস বা তপোবনের মতো শব্দের ক্ষেত্রে উদ্দেশ্য বা ব্যবহারের ক্ষেত্র বোঝানো হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাসের এই নিমিত্ত বা চতুর্থীবাচক শব্দগুলো প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় বিভক্তির অর্থ ঠিকমতো বুঝতে পারলে সমাস নির্ণয় করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) দারিদ্র্য আমাদের প্রধান সমস্যা
১. কেন সঠিক:
- 'দারিদ্র্য' একটি সঠিক বিশেষ্য পদ, যার অর্থ অভাব বা দরিদ্র অবস্থা।
- একই শব্দে দ্বিত্ব বা অতিরিক্ত প্রত্যয় যুক্ত করে 'দারিদ্র্যতা' লেখা একটি মারাত্মক ব্যাকরণগত ভুল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদের সাথে অতিরিক্ত তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত করে দ্বিরুক্তি দোষ ঘটালে শব্দটি ভুল হয়ে যায়।
- দরিদ্র শব্দের সাথে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দারিদ্র্য' হয়, তাই এর সাথে আবার তা প্রত্যয় যোগ করা প্রমিত বাংলার নিয়মবহির্ভূত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৌজন্য আমাদের ভূষণ
ব্যাখ্যা: সুজন শব্দের সাথে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৌজন্য গঠিত হয়, এর সাথে তা যোগ করে সৌজন্যতা বলা ভুল।
উদাহরণ ২: ঔদার্য তার গুণ
ব্যাখ্যা: উদার শব্দের সাথে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঔদার্য হয়, এর সাথে তা যোগ করে ঔদার্য্যতা বলা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দারিদ্রতাই প্রধান সমস্যা — 'দারিদ্র্যতা' শব্দটিতে ভুল প্রত্যয় ব্যবহারের কারণে বাক্যটি অশুদ্ধ হয়েছে।
B) দারিদ্রতাই আমাদের মূল সমস্যা — 'দারিদ্র্যতা' শব্দের সাথে 'ই' প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় বানান ও গঠনগত দ্বৈত ত্রুটি রয়েছে।
C) দারিদ্র্য আমাদের প্রধান সমস্যা — এটি সঠিক কারণ এখানে প্রমিত ও বিশুদ্ধ শব্দরূপ ব্যবহার করা হয়েছে।
D) দারিদ্রতাই আমাদের প্রধান সমস্যা — এখানেও 'দারিদ্র্যতা' ভুল রূপটি ব্যবহার করার কারণে বাক্যটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দারিদ্র্য এবং সৌজন্য শব্দের সাথে কখনোই অতিরিক্ত 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করবে না।
- য এবং তা একসাথে একই শব্দে বসে না, যেকোনো একটি ব্যবহার করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'দারিদ্র্যতা' বনাম 'দারিদ্র্য' এবং 'সৌজন্যতা' বনাম 'সৌজন্য' সংক্রান্ত শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি আসে।
- ব্যাকরণের এই নিয়মটি মনে রাখলে প্রত্যয়জনিত বহু বাক্যশুদ্ধি সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) সমীচীন
১. কেন সঠিক:
- সমীচীন শব্দটির বানানে সম, ই, চ, দীর্ঘ ঈ এবং ণ ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈকার এবং মূর্ধন্য ণ হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শুদ্ধ বানান সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন যা বাংলা ব্যাকরণের বানান প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার বা দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ পদবীবাচক শব্দ যা প্রমিত বানানরীতি মেনে লেখা হয়।
উদাহরণ ২: বুদ্ধিজীবী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দীর্ঘ ঈকার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শমীচিন — এখানে তালব্য শ এবং ই-কার ব্যবহারের ভুল রয়েছে যা প্রমিত বানানরীতিসম্মত নয়।
B) সমীচীন — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি অনুমোদিত প্রমিত রূপ।
C) সমিচীন — এখানে দীর্ঘ ঈকারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
D) শমীচীন — এখানে মূর্ধন্য ণের পরিবর্তে দন্ত ন এবং তালব্য শ ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমীচীন বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এর দুই জায়গায় দীর্ঘ স্বরবর্ণ অর্থাৎ দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়।
- বানানের শেষে সর্বদা মূর্ধন্য ণ বসে এটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই বানানটি সচরাচর ভুল বানানের বিকল্প হিসেবে দেওয়া হয়।
- এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) পিপীলিকা
১. কেন সঠিক:
- পিপীলিকা শব্দটির সঠিক বানান হলো প-ই-ফলা দীর্ঘ ই-প-দীর্ঘ ই-ল-ই-ক-আ (পিপীলিকা)।
- বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের প্রথম ই-কার এবং দ্বিতীয় ই-কার দীর্ঘ ই-কার হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি বিষয়ক প্রশ্ন।
- বাংলা বানানে ই-কার এবং ঈ-কারের সঠিক প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমীচীন
ব্যাখ্যা: সমীচীন শব্দটিতে প্রথম ই-কার এবং দ্বিতীয় ঈ-কার ব্যবহৃত হয়, যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শুদ্ধ বানান।
উদাহরণ ২: মরীচিকা
ব্যাখ্যা: মরীচিকা শব্দটিতে প্রথম ই-কার এবং দ্বিতীয় ঈ-কার বসে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিপীলিকা — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি অনুমোদিত প্রমিত বানান।
B) পিপিলিকা — এই অপশনে দীর্ঘ ই-কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল।
C) পীপিলীকা — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) পিপীলীকা — এই অপশনে শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল বানান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পিপীলিকা শব্দে প্রথম ই-কার এবং পরেরটি দীর্ঘ ই-কার মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পি-পী-লি-কা ছন্দে উচ্চারণ করা।
- বানানের ক্ষেত্রে দীর্ঘ ই-কারের সঠিক স্থান মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ও দীর্ঘ ই-কারের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়শই এই ধরনের তদ্ভব ও তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) কৃত্রিম
১. কেন সঠিক:
নৈসর্গিক শব্দের অর্থ প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি বা যা প্রকৃতিতে আপনাআপনি ঘটে।
এর সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কৃত্রিম শব্দ, যার অর্থ মানুষের তৈরি বা যা স্বাভাবিক নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত কোনো বিষয়ের বিপরীতে মানুষের তৈরি বা সাধিত বস্তুকে বোঝাতে এই বিপরীত শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নৈসর্গিক সৌন্দর্য
ব্যাখ্যা: এটি প্রকৃতির নিজস্ব সৃষ্টি বা প্রাকৃতিক রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কৃত্রিম ফুল
ব্যাখ্যা: এটি মানুষের তৈরি বা অকৃত্রিম নয় এমন বস্তু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নকল — নকল শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ আসল, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) ঐহিক — ঐহিক শব্দের অর্থ এই পৃথিবীসংক্রান্ত এবং এর বিপরীত শব্দ পারত্রিক।
C) কৃত্রিম — এটি সঠিক উত্তর কারণ নৈসর্গিক শব্দের বিপরীত হিসেবে এটি সর্বগ্রহণযোগ্য।
D) তামসিক — তামসিক শব্দের অর্থ অন্ধকার বা তমোগুণযুক্ত এবং এর বিপরীত সাত্ত্বিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
নৈসর্গিক শব্দটি এসেছে নিসর্গ বা প্রকৃতি থেকে এবং কৃত্রিম শব্দটি এসেছে মানুষ কর্তৃক কর্ম থেকে।
প্রকৃতি বনাম মানবসৃষ্টি এই ভাবনাটি মনে রাখলে পরীক্ষাভবনে সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রতি বছর প্রশ্ন আসে।
নৈসর্গিক ও কৃত্রিম শব্দ যুগল প্রায়ই বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় বিকল্প হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: A) সোম
১. কেন সঠিক:
'চন্দ্র' শব্দের অন্যতম প্রধান ও প্রচলিত সমার্থক শব্দ হলো 'সোম'। বাংলা ভাষায় চাঁদ বা চন্দ্র বোঝাতে সোম শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যাদের অর্থ প্রায় একই কিন্তু বানান ও রূপ ভিন্ন। চন্দ্র বা চাঁদ বোঝাতে শশাঙ্ক, ইন্দু, নিশাকর, বিধু ইত্যাদি শব্দও ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিশাপতি
ব্যাখ্যা: নিশাপতি শব্দের অর্থ রাতের অধিপতি বা চাঁদ, যা চন্দ্রের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: সুধাংশু
ব্যাখ্যা: সুধাংশু শব্দের অর্থ যার অংশ বা রশ্মি সুধাময় বা অমৃতময়, এটিও চন্দ্রের একটি সুন্দর সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোম — সঠিক উত্তর কারণ এটি চন্দ্রের একটি সরাসরি সমার্থক শব্দ।
B) ভূষণ — ভুল অপশন কারণ ভূষণ শব্দের অর্থ অলংকার বা গহনা।
C) নকশা — ভুল অপশন কারণ নকশা শব্দের অর্থ চিত্র, পরিকল্পনা বা কারুকার্য।
D) নভঃ — ভুল অপশন কারণ নভঃ শব্দের অর্থ আকাশ বা অম্বর।
৫. মনে রাখার টিপস:
সোম মানে সোমবার, আর সোমবারে আকাশে চাঁদ দেখা যায় এভাবে মনে রাখতে পারো। চন্দ্রের আরও কিছু নাম হলো শশী ও সুধাকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চন্দ্র, সূর্য, আকাশ, পৃথিবী এই শব্দগুলোর সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। তাই চন্দ্রের অন্যান্য সমার্থক যেমন বিধু, শশাঙ্ক ও সুধাকর ভালোভাবে আয়ত্ত রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে গঙ্গা শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ জানতে চাওয়া হয়েছে।
- অপশনে থাকা গোমতী, কৃষ্ণবেণী এবং কাবেরী তিনটিই বিভিন্ন নদী বা গঙ্গার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যেগুলোর অর্থ প্রায় একই বা অভিন্ন হয়।
- বাংলা ভাষায় নদীবাচক অনেক শব্দ একে অপরের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুরভি
ব্যাখ্যা: এটি গঙ্গার একটি অন্যতম পরিচিত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: জাহ্নবী
ব্যাখ্যা: মহাভারত অনুযায়ী ঋষি জাহ্নুর নামানুসারে গঙ্গার এই নামকরণ হয়, যা গঙ্গার সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোমতী — এটি একটি নদীর নাম এবং গঙ্গার সমার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
B) কৃষ্ণবেণী — এটি দক্ষিণ ভারতের একটি নদীর নাম এবং গঙ্গার সমার্থক হিসেবে গণ্য হয়।
C) কাবেরী — এটিও একটি বিখ্যাত নদী এবং গঙ্গার সমার্থক শব্দ।
D) সবগুলো — উপরের তিনটি অপশনই সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গঙ্গার সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে নদীর নামবাচক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে পারো।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদীবাচক সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই একত্রে অপশনে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় সব অপশন ভালোভাবে পড়ে নিতে হবে।
- অনেক সময় একাধিক নদীবাচক শব্দ সমার্থক হিসেবে সঠিক উত্তর হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) চাটুকার
১. কেন সঠিক:
- খয়ের খাঁ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ তোষামোদকারী বা যে ব্যক্তি বিনা বিচারে অন্যের প্রশংসা করে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত যেসব বাগধারা মানুষের স্বভাব বা আচরণ বোঝায়, সেগুলোর মধ্যে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো মূলত মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং সামাজিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাটুকারিতা বাদ দিয়ে নিজের যোগ্যতায় কাজ করো।
ব্যাখ্যা: এখানে চাটুকারিতা বলতে তোষামোদ বা খয়ের খাঁসুলভ আচরণকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: অফিসগুলোতে খয়ের খাঁ টাইপের লোকদের কদর বেশি থাকে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তিদের বোঝাতে বাগধারাটির সফল প্রয়োগ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মন্দ ভাগ্য — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'অর্ধচন্দ্র' বা 'অগাধ জলের মাছ' জাতীয় বাগধারা ব্যবহার করা হয় না, বরং মন্দ ভাগ্য বোঝাতে 'উভসংকট' বা 'শনি দশা' ব্যবহৃত হয়।
B) তুচ্ছ পদার্থ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'গাছের পাতাও কলার ছাল' বা 'আকাশ কুসুম' ধরনের অভিব্যক্তি থাকে না, বরং 'গাছের পাতাও' বা তুচ্ছ বোঝাতে আলাদা বাগধারা আছে।
D) নির্বোধ — নির্বোধ বা মূর্খ বোঝাতে 'অগাধ জলের মাছ' বা 'গোবরে পদ্মফুল' ব্যবহৃত হয় না, এর জন্য 'আষাঢ়ে গল্প' বা 'উড়ো চিঠি'র মতো অন্য অর্থ থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- খয়ের খাঁ মানে যিনি সবসময় খয়ের খান বা প্রভুর মন জুগিয়ে চলতে কথা বাড়ান। এভাবে প্রভুর অতিরিক্ত প্রশংসা করা চাটুকারদের কাজ হিসেবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানুষের স্বভাব চরিত্র সংক্রান্ত বাগধারাগুলো প্রায়ই পুনরাবৃত্তি হয়। তাই এই ধরনের শব্দের অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) হাইফেন
কেন সঠিক:
- সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদের অংশগুলোকে স্পষ্টভাবে আলাদা করে দেখানোর জন্য হাইফেন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
- এটি সমাসের পদের মধ্যকার সম্পর্ক বজায় রেখে উপাদানগুলোকে আলাদা করতে সাহায্য করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্ন অধ্যায়ে হাইফেনের এই বিশেষ ব্যবহারটি নির্দিষ্ট করা আছে।
- সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলোর আলাদা স্বাতন্ত্র্য বোঝাতে এই যতিচিহ্নের বিকল্প নেই।
- যেমন: দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে মাতা-पिता বা জমা-খরচ লেখার সময় মাঝখানে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কোলন — কোলন সাধারণত একটি বাক্যের পরে আরেকটি বাক্যের বিস্তার বা উদাহরণ টানতে ব্যবহৃত হয়, সমাসবদ্ধ পদ বিচ্ছিন্ন করতে নয়।
- B) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমার চেয়ে বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্যের মাঝে বসে।
- C) কমা — কমা লেখার মধ্যে স্বল্প বিরতি বোঝাতে বা একাধিক পদকে আলাদা করতে ব্যবহৃত হয়, সমাসবদ্ধ পদের ভেতরে নয়।
- D) হাইফেন — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল প্রমাণের কিছু নেই, এটি সমাসবদ্ধ পদে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
- সমাস মানে সংক্ষেপ বা মিলন, আর সেই মিলনের পদগুলোকে বিশ্লেষণ করার সময় মাঝখানে টানের মতো হাইফেন বসে।
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
বাংলা লেখায় বিরাম চিহ্ন বা যতি চিহ্নের সার্থক ও প্রথম প্রয়োগ এবং প্রবর্তন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
তিনি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত তার 'বেতালপঞ্চবিংশতি' গ্রন্থে প্রথম যতি চিহ্নের সঠিক ও নিয়মিত ব্যবহার করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পরীতি নির্মাতা এবং উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান সংস্কারক।
তার হাত ধরেই বাংলা বাক্য গঠনে পদের সুনির্দিষ্ট বিন্যাস এবং যতি চিহ্নের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভ্রাতৃদ্বয় গভীর মনোযোগ সহকারে পাঠ শেষ করিল।
ব্যাখ্যা: বাক্যের অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝাতে এবং শ্বাস নেওয়ার বিরতি বোঝাতে এখানে দাড়ি ও কমা ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তুমি কি আজ বিদ্যালয়ে যাবে?
ব্যাখ্যা: প্রশ্নবোধক বাক্য চিহ্নিত করতে বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রমথ চৌধুরী — ইনি বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক এবং সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক, বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক নন।
B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম বিরাম চিহ্নের সফল ব্যবহার করেন।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি ও বহুমুখী সাহিত্যিক, বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক নন।
D) আব্দুল হাকিম — ইনি মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি যিনি নূরনামা কাব্য রচনা করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাসাগর মানেই গদ্যের বিদ্যাসাগর এবং তিনিই প্রথম বিরাম চিহ্ন বসিয়ে গদ্যকে সাজিয়েছিলেন।
মনে রাখতে পারো বিদ্যাসাগর মহাশয়েই বাংলা লেখায় যতি চিহ্ন বসানোর নিয়ম চালু করেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা গদ্যে বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহার ও প্রবর্তক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় বারবার আসে।
বাংলা পদাশ্রয়ী ও গদ্যরীতির ইতিহাস থেকে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করতে দেখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) সাধু ভাষা
১. কেন সঠিক:
সাধু ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও সুনির্ধারিত পদের বিন্যাস কঠোরভাবে মেনে চলে।
এই রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ নির্দিষ্ট থাকে এবং বাক্যের গঠন পরিবর্তন করা যায় না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার লেখ্য রূপের প্রাচীনতম ও মান্য রূপ হলো সাধু ভাষা।
এই ভাষারীতিতে তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি এবং এর পদবিন্যাস অপরিবর্তনশীল ও ব্যাকরণের নিয়মবদ্ধ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তাহারা মাঠে খেলিতেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়েছে এবং পদবিন্যাস সুনির্দিষ্ট।
উদাহরণ ২: নদীটি সাগরে পতিত হইয়াছে।
ব্যাখ্যা: এটি সাধু ভাষার বাক্য যেখানে ক্রিয়াপদ নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কথ্য ভাষা — কথ্য ভাষা হলো মানুষের মুখের ভাষা যার কোনো সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী ব্যাকরণগত নিয়ম থাকে না।
এটি অঞ্চলভেদে পরিবর্তিত হয়।
B) লেখ্য ভাষা — লেখ্য ভাষা বলতে সাধু ও চলিত উভয় রীতিকেই বোঝায়।
তাই এটি নির্দিষ্ট কোনো একটি বিশেষ রীতির পদবিন্যাসকে নির্দেশ করে না।
D) চলিত ভাষা — চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল ও গতিশীল।
এর পদবিন্যাস সাধু ভাষার মতো অতটা কঠোরভাবে সুনিয়ন্ত্রিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সাধু মানেই সব নিয়ম মনা। সাধু ভাষার সব পদ নির্দিষ্ট ও সুনিয়ন্ত্রিত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষারীতি সংক্রান্ত প্রশ্নে সাধু ভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে ব্যাকরণের নিয়মকানুনের কড়াকড়ি এবং চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য হিসেবে পরিবর্তনশীলতা ও সহজবোধ্যতার বিষয়টি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) should
কেন সঠিক:
বাক্যে lest থাকলে তার পরের অংশে সবসময় should বসে। এটি একটি গ্রামাটিক্যাল নিয়ম যা আশঙ্কা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) should — এই অপশনটি সঠিক কারণ lest এর সাথে সবসময় should ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে।
B) will — এই অপশনটি ভুল কারণ lest এর পর ভবিষ্যৎকালের সাধারণ অর্থ প্রকাশ করতে will বসে না।
C) shall — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রথম পুরুষ বা অন্য ক্ষেত্রে lest এর সাথে shall ব্যবহারের নিয়ম নেই।
D) must — এই অপশনটি ভুল কারণ জোরালো বাধ্যবাধকতা বোঝাতে lest এর সাথে must বসে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest দেখলে চোখ বন্ধ করে should বসাবে কারণ এদের জুটি পাকা।
সঠিক উত্তর: A) without break
কেন সঠিক:
এটি একটি ইংরেজি বাগধারা বা ফ্রেজ যার আক্ষরিক অর্থ হলো কোনো বিরতি বা থামাহাড়া ছাড়া টানা কিছু করা।
বাক্যে এটি একটানা বা বিরতিহীনভাবে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
এর সমার্থক শব্দ হলো কন্টিনিউয়াসলি বা উইদাউট স্টপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) without break — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিরতিহীনভাবে বা একটানা কাজ করা বোঝায়।
B) stretch mark — এটি ত্বকের এক ধরণের দাগ বোঝায়, যা এই ফ্রেজের অর্থের সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
C) long way — এটি একটি দীর্ঘ পথ বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাগধারার সাথে সম্পৃক্ত নয়।
D) decay — এর অর্থ ক্ষয় বা পচন ধরা, যা এই ফ্রেজের সঠিক বা কাছাকাছি কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
স্ট্রেচ শব্দের অর্থ টানা, তাই একটানা কোনো কাজ করা বোঝালে অ্যাট আ স্ট্রেচ ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) a false story
কেন সঠিক:
এটি একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ মোরগ ও ষাঁড়ের গল্প হলেও এর প্রকৃত অর্থ হলো অবাস্তব বা মিথ্যা গল্প।
মানুষ যখন কোনো বিশ্বাসযোগ্য নয় এমন বানোট গল্প বলে, তখন এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) an animal story — এটি কোনো সাধারণ পশুপাখির গল্প বোঝায় না বরং এটি একটি বিশেষ বাগধারা।
B) a story about a cock and a bull — ইডিয়মের ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থ ধরা হয় না, এর অন্তর্নিহিত ভাব ধরতে হয়।
C) a tragedy — এটি কোনো ট্র্যাজেডি বা দুঃখজনক ঘটনা বোঝায় না, এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও মিথ্যা গল্প।
D) a false story — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি প্রশ্নোক্ত বাগধারাটির মূল অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
মোরগ আর ষাঁড় মিলে কখনো গল্প বানাতে পারে না, তাই এই আজব জুটি দেখলে বুঝবেন এটি একটি মিথ্যা বা বানোয়াট গল্প।
সঠিক উত্তর: C) important person
কেন সঠিক:
এটি একটি ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা যার অর্থ সমাজের কোনো বিশিষ্ট বা প্রভাবশালী ব্যক্তি। আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে এটি রূপক অর্থে বিখ্যাত বা ক্ষমতাধর কাউকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) terrorist — এটি সরাসরি কোনো সন্ত্রাসী বা উগ্রপন্থী মানুষ বোঝায়, যা এই বাগধারার রূপক অর্থের সাথে মেলে না।
B) a large bag — এটি একটি বড় ব্যাগ বোঝায় যা শব্দগত মিল থাকলেও মূলত সঠিক অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) important person — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) a large insect — এটি একটি বড় পোকা বোঝায় যা বাগধারার আক্ষরিক ভুল অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
বগ বা পোকা অনেক সময় বড় আকারে ধরা দিলে যেমন সবার নজরে পড়ে, তেমনি সমাজের বড় বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও সবার নজর কাড়েন।
সঠিক উত্তর: A) exile
কেন সঠিক:
'Banish' শব্দের বাংলা অর্থ হলো নির্বাসন দেওয়া বা দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া।
'Exile' শব্দটির অর্থও একই রকম, অর্থাৎ কাউকে তার নিজের দেশ থেকে বের করে দেওয়া।
এই দুটি শব্দের ভাবার্থ ও প্রয়োগ প্রায় সম্পূর্ণ এক।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন এ নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) exile — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ নির্বাসন দেওয়া।
B) emerge — এর অর্থ আবির্ভূত হওয়া বা আত্মপ্রকাশ করা, যা বানিশ শব্দের বিপরীত।
C) drive away — এর অর্থ তাড়িয়ে দেওয়া হলেও 'exile' সরাসরি আইনি বা আনুষ্ঠানিক নির্বাসন বোঝায়।
D) expel — এর অর্থ কোনো প্রতিষ্ঠান বা স্থান থেকে বের করে দেওয়া, যা দেশ থেকে নির্বাসনের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বানিশ মানে হলো ব্যান করা বা নিষিদ্ধ করে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া, যা এক্সাইল বা নির্বাসনের সমার্থক।
সঠিক উত্তর: D) What an exciting game cricket is!
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে What বসবে কারণ এর পর একটি noun phrase রয়েছে।
অতিরিক্ত নিয়ম অনুযায়ী শেষে subject এবং verb যথাক্রমে cricket এবং is বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hurrh! cricket is an exciting game. — এখানে Hurrh বানানটি ভুল এবং এটি Exclamatory বাক্যের সঠিক গঠন নয়।
B) How exciting game is cricket! — Noun এর আগে How বসে না এবং এখানে Article an বাদ পড়েছে।
C) How exciting is cricket when it plays! — বাক্যটির অর্থ বদলে গেছে এবং গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) What an exciting game cricket is! — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
Assertion sentence কে Exclamatory করার সময় adjective এর সাথে noun থাকলে What an বা What a এবং শুধু adjective থাকলে How দিয়ে শুরু করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) We consider trees one of our best friend.
কেন সঠিক:
মূল বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে আছে এবং এর মূল ভারб 'are considered'-কে অ্যাক্টিভ করার জন্য উপযুক্ত সাবজেক্ট ও প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে।
এখানে 'We'-কে সাবজেক্ট ধরে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম 'consider' বসানো হয়েছে এবং বাকি অংশ নিয়ম অনুযায়ী ঠিক রাখা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is tree which is our best friend. — এটি একটি কমপ্লেক্স বাক্য এবং এটি মূল বাক্যের সঠিক অ্যাক্টিভ রূপ নয়।
B) Trees are our best friends. — এটি একটি সাধারণ এফারমেটিভ বাক্য, যা মূল বাক্যের অর্থের রূপান্তর সঠিকভাবে করেনি।
C) We considered trees one of our best friends. — এখানে ভার্বের পাস্ট ফর্ম (considered) ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রেজেন্ট টেন্সের মূল বাক্যের সাথে মেলে না।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্যাসিভ থেকে অ্যাক্টিভ করার সময় বাক্যের টেন্স অপরিবর্তিত রাখতে হয় এবং উপযুক্ত সাবজেক্ট নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) You are requested to keep quiet.
কেন সঠিক:
১. প্রদত্ত বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি দ্বারা কাউকে অনুরোধ বোঝানো হয়েছে।
২. তাই নিয়মানুযায়ী Active voice-কে Passive করার সময় You are requested ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) You are told for keeping quiet. — এই অপশনে for keeping ব্যবহার করা হয়েছে যা গ্রামারের নিয়মের বাইরে এবং ভুল।
B) You are requested to keep quiet. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল নেই।
C) You are requested for keep quiet. — এখানে infinitive-এর আগে for ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল গঠন।
D) You are told to keep quiet. — অনুরোধ বোঝাতে told-এর পরিবর্তে requested ব্যবহার করাই সবচেয়ে সঠিক নিয়ম।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-এ আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝালে Passive করার সময় You are ordered, advised বা requested বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) We should read books so that we can gain knowledge.
কেন সঠিক:
এই বাক্যে so that conjunction ব্যবহার করা হয়েছে যা কমপ্লেক্স সেন্টেন্সের গঠন নির্দেশ করে। এটি মূল ক্লজের সাথে একটি সাবঅর্ডিনেট ক্লজ যুক্ত করে উদ্দেশ্য প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Simple — এটি ইনফিনিটিভ ব্যবহার করে বাক্যটিকে সিম্পল সেন্টেন্সে রূপান্তর করেছে।
B) Compound — এটি অ্যান্ড কনজাংকশন ব্যবহার করে বাক্যটিকে কম্পাউন্ড সেন্টেন্সে রূপান্তর করেছে।
C) Correct — এটি প্রদত্ত বাক্যের সঠিক কমপ্লেক্স রূপ যা নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে।
D) Compound — এটি সো কনজাংকশন ব্যবহার করে বাক্যটিকে কম্পাউন্ড সেন্টেন্সে রূপান্তর করেছে।
মনে রাখার টিপস:
সিম্পল সেন্টেন্সের ইনফিনিটিভ তুলে কমপ্লেক্স করতে হলে so that এবং একটি অতিরিক্ত সাবজেক্ট ও can বা could বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Very few evils are as bad as corruption.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত সুপারলেটিভ ডিগ্রিটিকে পজিটিভ করার নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটির শুরুতে Very few বসেছে।
এর পরের অংশ evils বহুবচন হওয়ায় verb টি are হয়েছে এবং as bad as বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Very few evils is as bad as corruption. — এখানে evils বহুবচন হওয়া সত্ত্বেও is ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) No other evils are as bad as corruption. — one of the worst evils যুক্ত বাক্যকে পজিটিভ করতে হলে No other এর বদলে Very few ব্যবহার করতে হয়।
C) No other evil is as bad as corruption. — এটি the worst যুক্ত বাক্যকে পজিটিভ করার নিয়ম, কিন্তু মূল বাক্যে one of the worst আছে।
D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Superlative বাক্যে one of the থাকলে Positive করার সময় শুরুতে Very few বসে এবং verb সবসময় plural হয়।
সঠিক উত্তর: B) interrupted
কেন সঠিক:
- While-এর ঠিক পরের অংশ Past Continuous Tense (was reading) হলে অপর অংশটি Simple Past Tense (interrupted) হয়।
- অতীতে চলমান কোনো কাজের মাঝে অন্য কোনো সংক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছিল বোঝাতে এই নিয়ম ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) interrupts — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীতকালের ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) interrupted — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি Past Indefinite Tense নির্দেশ করে।
C) is interrupting — এটি Present Continuous Tense, যা অতীতকালের ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
D) interrupting — এটি Gerund বা Participle, যা এখানে একাfinite verb হিসেবে বসতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
While-এর পরে Past Continuous এবং তার আগের বা পরের অংশে Past Simple Tense বসে।
সঠিক উত্তর: D) lazy
কেন সঠিক:
'Agile' শব্দের অর্থ হলো চটপটে, কর্মঠ বা দ্রুত নড়াচড়া করতে পারে এমন।
এর বিপরীতার্থক বা এন্টনিম শব্দ হলো 'lazy' যার অর্থ অলস বা ধীর প্রকৃতির মানুষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) active — এই শব্দটির অর্থ সক্রিয়, যা 'agile' শব্দের সমার্থক এবং বিপরীত নয়।
B) nimble — এই শব্দের অর্থ ক্ষিপ্র বা দ্রুতগতির, যা 'agile' শব্দের সমার্থক।
C) lively — এই শব্দের অর্থ প্রাণবন্ত বা জীবন্ত, যা 'agile' শব্দের সাথে মিলে যায়।
D) lazy — এই শব্দটি সঠিক কারণ এর অর্থ অলস যা চটপটে শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
'Agile' মানে সবসময় দৌড়ের ওপর থাকা, আর 'lazy' মানে শুয়ে বসে সময় কাটানো।
সঠিক উত্তর: B) wears
কেন সঠিক:
- প্রবাদবাক্য বা চিরন্তন সত্যের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হলে ভার্বের সঙ্গে এস বা ইএস যুক্ত হয়।
- এখানে হেড সাবজেক্টটি সিঙ্গুলার হওয়ায় সঠিক ভার্ব হিসেবে wears ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) wear — এটি প্লুরাল ভার্ব, যা সিঙ্গুলার সাবজেক্ট হেডের সঙ্গে বসে না।
B) wears — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) puts — এটি এই প্রবাদবাক্যের নির্দিষ্ট গঠন বা অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) keep — এটি প্রবাদবাক্যের সঠিক শব্দ নয় এবং এর রূপও ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদবাক্যের ক্ষেত্রে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হলে ভার্বের শেষে এস থাকে, যেমন হেড wears।
সঠিক উত্তর: C) were
কেন সঠিক:
আস if বা as though যুক্ত বাক্যের প্রথম অংশ present tense হলে পরের অংশ past indefinite tense হয়।
তবে verb হিসেবে 'be' verb বসাতে হলে subject যাই হোক না কেন সবসময় were ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is — as if এর পরের অংশে present tense হয় না এবং be verb এর ক্ষেত্রে is ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) has been — এটি present perfect tense যা as if যুক্ত বাক্যের নিয়মের সাথে মেলে না।
C) were — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) was — সাধারণ past tense এ was বসালেও as if এর ক্ষেত্রে কাল্পনিক অর্থে সবসময় were বসাতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
as if বা as though এর পরে be verb থাকলে চোখ বন্ধ করে were বসাবে, কারণ এটি অবাস্তব বা কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: A) realised
কেন সঠিক:
- বাক্যে It is time অথবা It is high time থাকলে এর পরের clause বা অংশটি Past Indefinite Tense হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে subject এর পরে শূন্যস্থান থাকায় সঠিক উত্তরটি পাস্ট টেন্সের verb হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) realised - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের verb এবং নিয়ম অনুযায়ী প্রযোজ্য।
B) realise - এটি প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স, যা It is time এর পরের নিয়মের সাথে মিলে না।
C) had realised - এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক ও নিয়মের বাইরে।
D) have realised - এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা এই বিশেষ গঠনের জন্য সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
It is time বা It is high time এর পর subject থাকলে verb সবসময় পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়।
সঠিক উত্তর: B) enable
কেন সঠিক:
'Ability' শব্দের অর্থ যোগ্যতা বা সামর্থ্য, যার মূল ভার্ব রূপ হলো enable যার অর্থ সক্ষম করা।
ইংরেজি গ্রামারে কোনো নাউনের পূর্বে en- উপসর্গ যুক্ত করে সাধারণত তার ভার্ব রূপ তৈরি করা হয়।
enable শব্দটি বাক্যে সরাসরি ভার্ব হিসেবে কাজ করে।
এটি বাক্যের সাবজেক্টকে কোনো কিছু করার ক্ষমতা প্রদান করার অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ableness — এটি কোনো মানসম্মত ইংরেজি শব্দ নয় এবং এটি সঠিক ভার্ব রূপ গঠন করে না।
B) enable — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) ably — এটি 'able' এডজেক্টিভের অ্যাডভার্ব রূপ, যার অর্থ দক্ষতার সাথে।
D) able — এটি একটি এডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যার অর্থ সক্ষম বা যোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে -ity থাকলে এবং তার ভার্ব করতে হলে সাধারণত শব্দের শুরুতে en- যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) heartily
কেন সঠিক:
heart শব্দটির সাথে ly যুক্ত হয়ে adverb গঠিত হয় যার অর্থ উৎসাহের সাথে বা আন্তরিকভাবে।
বাক্যে verb বা adjective কে मॉडফাই করতে এই রূপটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) heartened — এটি heart শব্দের verb এর past participle রূপ।
B) heartily — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) hearty — এটি heart শব্দের adjective রূপ যার অর্থ আন্তরিক।
D) heartening — এটি heart শব্দের present participle বা adjective রূপ।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত noun এর শেষে ly যুক্ত করলে তা adjective হয়, কিন্তু কিছু noun এর সাথে ly যুক্ত হলে তা adverb এ রূপ নেয় যেমন heartily।
সঠিক উত্তর: A) falsify
কেন সঠিক:
'False' শব্দটির অর্থ মিথ্যা, যা একটি adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর সাথে 'fy' যুক্ত করে একে verb এ রূপান্তর করা হয় যার অর্থ মিথ্যা প্রতিপন্ন করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) falsify — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয় বরং এটিই সঠিক verb form।
B) falsely — শব্দের শেষে 'ly' থাকায় এটি একটি adverb, তাই এটি সঠিক নয়।
C) falsification — শব্দের শেষে 'cation' থাকায় এটি একটি noun, তাই এটি verb নয়।
D) falcify — বানানে ভুল রয়েছে কারণ সঠিক বানানে 'c' এর পরিবর্তে 's' ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে সাধারণত শেষে 'fy' দেখলে তা verb হিসেবে ধরে নেওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) destroy
কেন সঠিক:
annihilation শব্দটির মূল অর্থ হলো সম্পূর্ণ ধ্বংস বা নিঃশেষ করে ফেলা।
destroy শব্দের অর্থও কোনো কিছু পুরোপুরি ভেঙে ফেলা বা ধ্বংস করা।
তাই annihilate এবং destroy একে অপরের সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) restore — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো হারানো জিনিস পুনরুদ্ধার করা বা পুনর্প্রতিষ্ঠা করা। এটি ধ্বংস করার ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) preserve — এই শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছু সংরক্ষণ করা বা টিকিয়ে রাখা। এটি ধ্বংসের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) safe — এই শব্দটির অর্থ হলো নিরাপদ রাখা বা সুরক্ষিত করা। এটি ধ্বংস করার অর্থ দেয় না।
D) destroy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ হলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা।
মনে রাখার টিপস:
Annihilate শব্দটিতে a-n-n-ihi আছে যার অর্থ শূন্য বা শেষ করে দেওয়া, যা destroy শব্দের সমার্থক।
সঠিক উত্তর: C) Association
কেন সঠিক:
alliance শব্দের অর্থ মৈত্রী, ঐক্য বা মিলন।
Association শব্দের অর্থ সমিতি বা সংযোগ, যাalliance শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Enmity — এর অর্থ শত্রুতা, যাalliance শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Alien — এর অর্থ ভিনদেশী বা অজানা, যাalliance শব্দের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
C) Association — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Separation — এর অর্থ বিচ্ছিন্নতা বা পৃথকীকরণ, যাalliance বা মিলনের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Alliance মানে হলো একসাথে মিলে কাজ করা। Association শব্দটিও একসাথে কাজ করার বা সমিতির কথা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) pessimism
কেন সঠিক:
Optimism শব্দের বাংলা অর্থ হলো আশাবাদ বা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি।
এর বিপরীত শব্দ বা antonym হলো pessimism যার অর্থ নিরাশাবাদ।
তাই অপশন এ সঠিক উত্তর।
এটি একটি সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) pessimism — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ নিরাশাবাদ।
B) opportunities — এর অর্থ সুযোগ, যা আশাবাদের বিপরীত নয়।
C) pestilence — এর অর্থ মহামারী, যা এই শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) opulence — এর অর্থ প্রাচুর্য বা ধনসম্পদ, যার সাথে আশাবাদের সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
অপ্টিমিজম মানে আশা এবং পেসিমিজম মানে নিরাশা, এই দুটি শব্দ সবসময় জোড়ায় মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার গুণফল = ৩৫
দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার গুণফল = ৬৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যা = ক
দ্বিতীয় সংখ্যা = খ
তৃতীয় সংখ্যা = গ
অতএব,
প্রথম সংখ্যা × দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩৫
অর্থাৎ, ক × খ = ৩৫
দ্বিতীয় সংখ্যা × তৃতীয় সংখ্যা = ৬৩
অর্থাৎ, খ × গ = ৬৩
সুতরাং,
খ হলো ৩৫ এবং ৬৩ এর সাধারণ গুণনীয়ক
উত্তর: ৭
সঠিক উত্তর: D) ৪:৭
প্রদত্ত তথ্য:
এ অনুপাত বি সমান ২ অনুপাত ৩
বি অনুপাত সি সমান ৬ অনুপাত ৭
ধরি,
প্রথম অনুপাতটি থেকে পাই এ সমান ২ এবং বি সমান ৩
দ্বিতীয় অনুপাতটি থেকে পাই বি সমান ৬ এবং সি সমান ৭
এখানে বি এর মান দুই জায়গায় ভিন্ন আছে
অতএব,
প্রথম অনুপাতের উভয় রাশিকে ২ দ্বারা গুণ করি
তাহলে এ এর নতুন মান পাই ২ গুণ ২ সমান ৪
এবং বি এর নতুন মান পাই ৩ গুণ ২ সমান ৬
সুতরাং,
এখন এ অনুপাত বি অনুপাত সি সমান ৪ অনুপাত ৬ অনুপাত ৭ হয়
অতএব এ অনুপাত সি সমান ৪ অনুপাত ৭
উত্তর: ৪:৭
সঠিক উত্তর: B) ২০%
প্রদত্ত তথ্য:
টাকায় ৬টি লেবু ক্রয় করা হলো
টাকায় ৫টি লেবু বিক্রয় করা হলো
ধরি,
৫টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা
৬টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
অতএব,
১টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৬ টাকা
১টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৫ টাকা
সুতরাং,
লাভ = (১ ÷ ৫) − (১ ÷ ৬) = (৬ − ৫) ÷ ৩০ = ১ ÷ ৩০ টাকা
উত্তর: লাভের হার = ((১ ÷ ৩০) ÷ (১ ÷ ৬)) × ১০০% = ২০%
সঠিক উত্তর: C) ৪২°
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ নব্বই ডিগ্রি
সূক্ষ্মকোণ দুটির পার্থক্যের মান ছয় ডিগ্রি
ধরি,
ক্ষুদ্রতম কোণের মান ক ডিগ্রি
অপর কোণটি হলো ক + ৬ ডিগ্রি
অতএব,
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি একশো আশি ডিগ্রি
সমকোণ বাদে বাকি দুই কোণের সমষ্টি নব্বই ডিগ্রি
সুতরাং ক + ক + ৬ = নব্বই
সুতরাং,
দুই ক + ছয় = নব্বই
দুই ক = চুরাশি
ক = বিয়াল্লিশ
উত্তর: বিয়াল্লিশ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: D) ৬ সেমি
প্রদত্ত তথ্য:
ও কেন্দ্র বিশিষ্ট বৃত্তে ওডি লম্ব এবি জ্যা এর উপর
এডি এর দৈর্ঘ্য সমান ৩ সেমি
ধরি,
এবি জ্যা এর দৈর্ঘ্য সমান এ সেমি
ওডি লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে
এডি সমান ডিবি
অতএব,
ডিবি এর দৈর্ঘ্য সমান ৩ সেমি
এবি সমান এডি + ডিবি
এবি সমান ৩ + ৩
সুতরাং,
এবি এর দৈর্ঘ্য হিসাব করে পাই
এবি সমান ৬ সেমি
উত্তর: ৬ সেমি
সঠিক উত্তর: B) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার বর্গের সমষ্টি ১৩
সংখ্যা দুটির গুণফল ৬
ধরি,
সংখ্যা দুটি যথাক্রমে x এবং y
বর্গের সমষ্টি x² + y² = ১৩
গুণফল xy = ৬
অতএব,
বর্গের অন্তর নির্ণয়ের সূত্রটি হলো
(x² − y²)² = (x² + y²)² − ৪(xy)²
দ্বিতীয় হিসাব:
মানগুলো বসিয়ে পাই
(x² − y²)² = (১৩)² − ৪(৬)²
(x² − y²)² = ১৬৯ − ১৪৪ = ২৫
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির বর্গের অন্তর x² − y² = √২৫ = ৫
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: A) ৫√৩ সেমি
প্রদত্ত তথ্য:
ঘনকের প্রতিটি ধারের দৈর্ঘ্য = ৫ সেমি
ধরি,
ঘনকের ধারের দৈর্ঘ্য = ক = ৫ সেমি
আমরা জানি, ঘনকের কর্ণের সূত্র = ক√৩
অতএব,
ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য হবে ধারের দৈর্ঘ্যের সাথে √৩ এর গুণফল
এখানে ধারের মান বসিয়ে পাই ৫ এবং √৩
সুতরাং,
কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৫ × √৩ সেমি
উত্তর: ৫√৩ সেমি
সঠিক উত্তর: B) ৬ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
আসল (P) = ৫০০ টাকা
মুনাফার হার (r) = ১২% বা ১২ ÷ ১০০
মোট মুনাফা (I) = ৩৬০ টাকা
ধরি,
সময় = ক বছর
আমরা জানি,
সরল মুনাফা (I) = P × r × ক
অতএব,
৩৬০ = ৫০০ × (১২ ÷ ১০০) × ক
৩৬০ = ৬০ × ক
সুতরাং,
ক = ৩৬০ ÷ ৬০
উত্তর: ৬ বছর
সঠিক উত্তর: C) ১১
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ৩ + ৬ + ৯ + ...
ধারাটির প্রথম পদ = ৩
ধরি,
ধারাটির সাধারণ অন্তর = ৬ − ৩ = ৩
ধারাটির এন-তম পদ = ৩৩
অতএব,
প্রথম পদ + (এন − ১) × সাধারণ অন্তর = ৩৩
৩ + (এন − ১) × ৩ = ৩৩
সুতরাং,
৩ × (এন − ১) = ৩৩ − ৩
এন − ১ = ৩০ ÷ ৩ = ১০
উত্তর: এন = ১০ + ১ = ১১
সঠিক উত্তর: A) ১১:১০
প্রদত্ত তথ্য:
কলমটি ১০% লাভে বিক্রয় করা হলো
ধরি,
কলমটির ক্রয় মূল্য = ১০০ টাকা
অতএব,
কলমটির বিক্রয় মূল্য = ১০০ + ১০ = ১১০ টাকা
সুতরাং,
বিক্রয় মূল্য ও ক্রয় মূল্যের অনুপাত = ১১০ : ১০০ = ১১ : ১০
উত্তর: ১১ : ১০
সঠিক উত্তর: C) ১৫০
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সংখ্যাটি হলো ৩০০০
প্রথম ক্ষেত্রে শতকরা হার হলো ৫%
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে শতকরা হার হলো ১০%
ধরি,
৩০০০ এর ৫% অংশ = ৩০০০ × (৫ ÷ ১০০)
৩০০০ এর ১০% অংশ = ৩০০০ × (১০ ÷ ১০০)
অতএব,
প্রথম হিসাব অনুযায়ী ৫% = ১৫০
দ্বিতীয় হিসাব অনুযায়ী ১০% = ৩০০
সুতরাং,
পার্থক্যের পরিমাণ = ৩০০ − ১৫০ = ১৫০
উত্তর: ১৫০
সঠিক উত্তর: B) ২৪ সেকেন্ড
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রেনের বেগ = ঘন্টায় ৬০ কিলোমিটার
ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ১০০ মিটার
প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ৩০০ মিটার
ধরি,
মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য
দূরত্ব = ১০০ মিটার + ৩০০ মিটার = ৪০০ মিটার
অতএব,
ট্রেনের বেগ = ৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা
বেগটিকে মিটার প্রতি সেকেন্ডে পরিবর্তন করতে হবে
সুতরাং,
৬০ কিলোমিটার = ৬০ × ১০০০ মিটার = ৬০০০ মিটার
১ ঘন্টা = ৩৬০০ সেকেন্ড
চূড়ান্ত হিসাব:
বেগ = ৬০০০ ÷ ৩৬০০ মিটার প্রতি সেকেন্ড = ১০ ÷ ৬ মিটার প্রতি সেকেন্ড
সময় = মোট দূরত্ব ÷ বেগ
উত্তর: ৪০০ ÷ (১০ ÷ ৬) = ২৪ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর: B) ২০১১ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ২০১১ সালে জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিমালা প্রণয়ন করে।
- এই নীতিমালার মূল লক্ষ্য ছিল সকলের জন্য মানসম্মত ও সুষম স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১০ সালে — এই সালে খসড়া নীতিমালা তৈরি হলেও চূড়ান্ত অনুমোদিত নীতিমালা প্রকাশিত হয় পরবর্তী বছর।
B) ২০১১ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিমালা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবর্তিত হয়।
সি) ২০১২ সালে — এই সালে অন্য কোনো প্রধান স্বাস্থ্য আইন বা সংশোধনী হলেও মূল নীতিমালা প্রণয়নের সাল এটি নয়।
ডি) ২০১৩ সালে — এই সালে স্বাস্থ্য খাতের অন্যান্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন হলেও নীতিমালা প্রণয়নের সাল হিসেবে এটি বেঠিক।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য নীতি প্রণীত হয় এক যুগ পূর্ণ হওয়ার আগের বছর অর্থাৎ ২০১১ সালে।
সঠিক উত্তর: A) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
কেন সঠিক:
- হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম মূলত দুস্থ ও অসহায় রোগীদের সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে বা কম খরচে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এই কার্যক্রম সরাসরি সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় — এই মন্ত্রণালয় দেশের দুস্থ ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণ নিয়ে কাজ করে বিধل হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম এর অধীনে পরিচালিত হয়।
B) মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় — এই মন্ত্রণালয় নারী ও শিশুদের উন্নয়ন ও অধিকার রক্ষায় কাজ করে, যা সরাসরি চিকিৎসাসেবার সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় — চিকিৎসাসেবা এই মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন হলেও, 'সমাজসেবা' কার্যক্রমটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিচালনা করে।
D) শিক্ষা মন্ত্রণালয় — শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষা সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে, যা স্বাস্থ্য বা সমাজসেবার পরিধিভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
হাসপাতালে সমাজসেবা মানেই সমাজের কল্যাণ, তাই এটি সরাসরি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন।
সঠিক উত্তর: A) বেলজিয়াম
কেন সঠিক:
- ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রটি বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরের দক্ষিণাংশে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন এই স্থানেই নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ব্রিটিশ ও প্রুশিয়ান যৌথ বাহিনীর কাছে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলজিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রটি এখানেই অবস্থিত।
B) জাপান — এটি এশিয়ার একটি দেশ এবং এই ঐতিহাসিক ইউরোপীয় যুদ্ধের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
C) জার্মানি — এটি ইউরোপের দেশ হলেও ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রের সঙ্গে এর সরাসরি ভৌগোলিক অবস্থান যুক্ত নয়।
D) ইংল্যান্ড — ব্রিটিশ বাহিনী এই যুদ্ধে অংশ নিলেও মূল যুদ্ধক্ষেত্রটি তাদের নিজেদের ভূখণ্ডে ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
নেপোলিয়নের শেষ পরাজয়ের স্থান ওয়াটারলু বেলজিয়ামে অবস্থিত, এটি মনে রাখতে ওয়াটারলু এবং বেলজিয়াম শব্দ দুটি একসাথে মুখস্থ রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে ঐতিহাসিক টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০ গৃহীত হয়।
- এই শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্বের সদস্য রাষ্ট্রগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা এসডিজি অনুমোদন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে এসডিজি গৃহীত হয়নি, এটি ভুল সাল বা তারিখ।
B) ২০১৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর — টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০১৫ সালে গৃহীত হয়েছিল, ২০১৬ সালের তারিখটি সঠিক নয়।
C) ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর — এটি সঠিক তারিখ এবং এই দিনেই জাতিসংঘের বিশেষ সম্মেলনে অভীষ্টগুলো গৃহীত হয়।
D) ২০১৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে অন্য জাতিসংঘ সেশন বা আলোচনা হতে পারে, তবে এসডিজি গ্রহণের সঠিক তারিখ এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা এসডিজি ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ঠিক মাঝামাঝি অর্থাৎ ২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
সঠিক উত্তর: A) হেরোডোটাস
কেন সঠিক:
- প্রাচীন গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডোটাস প্রথম গুরুত্বের সঙ্গে ঐতিহাসিক ঘটনাবলী সংগ্রহ ও লিপিবদ্ধ করেন।
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ হিস্টোরিজের মাধ্যমে তিনি ইতিহাসকে রূপকথা বা পুরাণ থেকে আলাদা করে গবেষণামূলক শাস্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেরোডোটাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) এরিস্টটল — তিনি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ও বিজ্ঞানী, যাকে রাজনৈতিক বিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞানের জনক বলা হয়, ইতিহাসের জনক নন।
C) ওয়াশিংটন — জর্জ ওয়াশিংটন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন প্রধান সেনাপতি ছিলেন।
D) নিউইয়র্ক — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান ও জনবহুল শহর, কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নন।
মনে রাখার টিপস:
ইতিহাসের পাতা উল্টাতে গেলে হেরোডোটাস নামটির হ দিয়ে শুরু হয়, যা মনে রাখতে সাহায্য করে।
বিষয়ের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্রের ঢেউ
কেন সঠিক:
- সমুদ্রের ঢেউ একটি অফুরন্ত শক্তির উৎস যা প্রাকৃতিকভাবে বারবার উৎপন্ন হয় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না।
- নবায়নযোগ্য শক্তি এমন শক্তিকে বলা হয় যা ব্যবহারের পর নিঃশেষ হয়ে যায় না এবং প্রকৃতি নিজেই তা পুনরায় পূর্ণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তেল — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং একবার ব্যবহার করলে নিঃশেষ হয়ে যায়, তাই এটি নবায়নযোগ্য শক্তি নয়।
B) গ্যাস — প্রাকৃতিক গ্যাস সীমিত ও জীবাশ্ম উৎস থেকে আসে যা ব্যবহারের ফলে ধীরে ধীরে ফুরিয়ে যায়।
C) কয়লা — কয়লা একটি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কারণ এটি প্রকৃতিতে পুনরায় তৈরি হতে হাজার হাজার বছর সময় লাগে।
D) সমুদ্রের ঢেউ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সামুদ্রিক জোয়ারভাটা ও ঢেউয়ের গতি থেকে বারবার বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব।
মনে রাখার টিপস:
যে শক্তি বারবার ব্যবহার করা যায় এবং ফুরিয়ে যায় না যেমন সূর্য, বাতাস ও সমুদ্রের ঢেউ, তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলে।
সঠিক উত্তর: C) ১৩৭
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের নবম অধ্যায়ে সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশে এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন গঠন করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩০ — এই অনুচ্ছেদে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের পদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে, যা কর্ম কমিশন সম্পর্কিত নয়।
B) ১৩১ — এই অনুচ্ছেদে কর্ম কমিশনের দায়িত্বের ক্ষেত্র পরিবর্তন সংক্রান্ত বিধান রয়েছে, কমিশন গঠন নয়।
সি) ১৩৭ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই অনুচ্ছেদেই সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের বিধান রয়েছে।
D) ১৪০ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে কমিশন গঠন এবং ১৪০ অনুচ্ছেদে কমিশনের দায়িত্বের কথা বলা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৪ সালে
কেন সঠিক:
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ১৯৭৪ সালের ৩১ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের সময়ে এই শুমারি সম্পন্ন হয় এবং সে সময় দেশের মোট জনসংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে সাত কোটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৯ সালে — এই সালে কোনো প্রথম আদমশুমারি হয়নি, বরং এটি ১৯৭৪ সালের শুমারি থেকে পাঁচ বছর পরের সময়।
B) ১৯৭২ সালে — এই বছর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠন ও সংবিধান প্রণয়নের কাজ প্রাধান্য পায়, আদমশুমারি হয়নি।
C) ১৯৭৩ সালে — এই বছর প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি।
D) ১৯৭৪ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঠিক তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে দেশের প্রথম আদমশুমারি হয়।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।
- তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা ও তহবিল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী — ইনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন এবং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন না, বরং তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন না, বরং তিনি অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
D) খন্দকার মোশতাক আহমেদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন না, বরং তিনি এই সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন, অর্থমন্ত্রী মনসুর আলী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোশতাক - এভাবে মন্ত্রীদের দপ্তর মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) ৮টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি বা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সক্রিয় ইপিজেড বা প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের সংখ্যা মোট আটটি।
- এই আটটি সরকারি ইপিজেড নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ বা বেপজা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭টি — এই সংখ্যাটি বর্তমান সরকারি ইপিজেড বা বেপজার মোট প্রকৃত সংখ্যার চেয়ে কম।
B) ৮টি — এটি সঠিক সংখ্যা কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে আটটি সরকারি ইপিজেড চালু রয়েছে।
C) ৯টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে সরকারি ইপিজেড আটটি, নয়টি নয়।
D) ১০টি — এটি সঠিক নয় এবং এই সংখ্যাটি সরকারি ও বেসরকারি ইপিজেডের মোট সংখ্যার সঙ্গে বিভ্রান্তিকর হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ বেপজা পরিচালিত সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা মনে রাখতে আট বা ৮ অঙ্কটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
কেন সঠিক:
- ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানের তীব্র চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেয়।
- এই মামলা প্রত্যাহারের ফলে তৎকালীন অবিভক্ত পাকিস্তানের কারাগار থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সব বন্দি মুক্তি লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ — এই তারিখে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছিল এবং বন্দিরা মুক্তি পান।
B) ২০ মার্চ ১৯৬৯ — এই তারিখটি এই মামলার সাথে সম্পর্কিত নয়, এটি অন্য একটি রাজনৈতিক সময়ের সাথে জড়িত।
C) ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭০ — এই সালটি ভুল, কারণ মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছিল ১৯৬৯ সালে।
D) ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৮ — এই তারিখে আগরতলা মামলার আনুষ্ঠানিক শুনানি শুরু হয়েছিল, মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
আগরতলা মামলা প্রত্যাহারের সালটি মনে রাখতে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক সাল ১৯৬৯ মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) ভারত
কেন সঠিক:
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে একসঙ্গে সেভেন সিস্টার্স বা সাত বোন বলা হয়।
- রাজ্যগুলো হলো আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও মণিপুর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।
B) পাকিস্তান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং এর সঙ্গে সেভেন সিস্টার্স শব্দটির কোনো সম্পর্ক নেই।
C) মিয়ানমার — এটি ভারতের প্রতিবেশী একটি দেশ, যা সেভেন সিস্টার্স অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) ভুটান — এটি হিমালয় অঞ্চলের একটি স্বাধীন দেশ এবং এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর মতো সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে মনে রাখতে এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নামগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ঐতরেয় আরণ্যক
কেন সঠিক:
- বৈদিক সাহিত্যে প্রাচীনতম গ্রন্থ 'ঐতরেয় আরণ্যক'-এ সর্বপ্রথম 'বঙ্গ' জনপদের নাম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- এই গ্রন্থে বঙ্গ নামের একটি জনজাতি বা অঞ্চলের ভৌগোলিক অস্তিত্বের ঐতিহাসিক প্রমাণ রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইন - ই - আকবরী — এটি মুঘল সম্রাট আকবরের আমলের ঐতিহাসিক গ্রন্থ, যা অনেক পরের রচিত।
B) বাঙালির ইতিহাস — এটি নীহাররঞ্জন রায়ের লেখা একটি আধুনিক ঐতিহাসিক গ্রন্থ, প্রাচীন উৎস নয়।
D) রঘুবংশ — এটি মহাকবি কালিদাসের লেখা একটি সংস্কৃত কাব্যগ্রন্থ, যা বঙ্গ নামের প্রথম উল্লেখ বহন করে না।
মনে রাখার টিপস:
'বঙ্গ' নামের উৎপত্তি খুঁজতে গেলে সবচেয়ে প্রাচীন বৈদিক গ্রন্থ 'ঐতরেয় আরণ্যক' মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৮ সালে
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ১৯৯৮-১৯৯৯ অর্থবছরে দেশে প্রথম বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম চালু করা হয়।
- সমাজের অবহেলিত ও পিছিয়ে থাকা প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই যুগান্তকারী কল্যাণমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৮ সালে — এই বছরেই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম চালু করা হয়েছিল।
B) ১৯৯৯ সালে — এই সালে কার্যক্রমটি চলমান থাকলেও এর সূচনা হয়েছিল আগের বছর অর্থাৎ ১৯৯৮ সালে।
C) ২০০০ সালে — এটি বয়স্ক ভাতা চালুর সাল নয়, তবে এই সময়ে অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি প্রসারিত করা হয়েছিল।
D) ২০০১ সালে — এই সালটি বয়স্ক ভাতা চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি একটি পরবর্তী সময়কাল।
মনে রাখার টিপস:
বয়স্ক মানুষরা লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটেন এবং লাঠির আকৃতি ইংরেজি সংখ্যা ১ এর মতো, আর চশমার আকৃতি ৮ এর মতো। এভাবে ১৯৯৮ সাল মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকールの ব্যবস্থা করার রাষ্ট্রীয় মূলনীতি ঘোষিত হয়েছে।
- এটি নাগরিকদের মৌলিক চাহিদা পূরণের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব নির্ধারণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা — এটি সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু, যা জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার উন্নয়নের সাথে সম্পর্কিত।
B) সুযোগের সমতা — এটি সংবিধানের ১৯ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু, যা নাগরিকদের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলে।
C) জাতীয় সংস্কৃতি — এটি সংবিধানের ২৩ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু, যা জাতীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও উন্নয়নের সাথে সম্পর্কিত।
D) মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদ মানেই মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা, যেখানে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাকে বুঝানো হয়েছে।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) ৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক স্টকহোম সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়ে আসছে।
- পরিবেশ সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় উৎসাহিত করার জন্য এই দিনটি নির্ধারিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ জুলাই — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না এবং এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) ৫ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবসের নির্ধারিত সঠিক তারিখ।
C) ২৪ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না এবং এটি অন্য একটি সাধারণ দিবস।
D) ১২ এপ্রিল — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না এবং এটি অন্য একটি বিশেষ দিন।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে হলে মনের ভেতর পাঁচ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে, অর্থাৎ পাঁচ জুন হলো পরিবেশ দিবস।
সঠিক উত্তর: A) লাইবেরিয়া
কেন সঠিক:
- আফ্রিকার দেশ লাইবেরিয়ার রাজধানী মনরোবিয়ায় বাংলাদেশ স্কয়ার অবস্থিত।
- জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের অবদান ও স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাইবেরিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এখানে শান্তিরক্ষীদের স্মরণে বাংলাদেশ স্কয়ার নামকরণ করা হয়েছে।
B) কঙ্গো — এটি মধ্য আফ্রিকার একটি দেশ এবং এখানে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষী কাজ করলেও বাংলাদেশ স্কয়ার এখানে অবস্থিত নয়।
C) সোমালিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ এবং জাতিসংঘের মিশনে বাংলাদেশ কাজ করলেও এখানে এই নামে কোনো স্কয়ার নেই।
D) সুদান — এটি আফ্রিকান দেশ এবং বাংলাদেশ শান্তিরক্ষীদের অবদান থাকলেও এখানে বাংলাদেশ স্কয়ার অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
লাইবেরিয়ার রাজধানীতে শান্তিরক্ষীদের অবদানের জন্য বাংলাদেশ স্কয়ার তৈরি করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) সামরিক
কেন সঠিক:
- ন্যাটো হলো একটি আন্তঃদেশীয় সামরিক জোট যা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর যৌথ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে এবং এর মূল উদ্দেশ্য যেকোনো বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে রক্ষা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থনৈতিক — ন্যাটো কোনো অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক সংস্থা নয়, এর মূল কাজ সামরিক সুরক্ষা প্রদান করা।
B) পরিবেশগত — এটি পরিবেশ রক্ষা বা জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য গঠিত কোনো সংস্থা নয়।
C) রাজনৈতিক — যদিও এর রাজনৈতিক ফোরাম রয়েছে, তবে এর মূল রূপ ও গঠন সম্পূর্ণভাবে সামরিক প্রতিরক্ষাভিত্তিক।
D) সামরিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ ন্যাটো মূলত একটি সম্মিলিত সামরিক শক্তি ও প্রতিরক্ষা জোট।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাটো শব্দটি মাথায় এলেই মনে রাখবে এটি যুদ্ধ বা প্রতিরক্ষার সাথে যুক্ত একটি সামরিক জোট।
সঠিক উত্তর: D) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
কেন সঠিক:
- SPARRSO বা বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূরঅনুধাবন প্রতিষ্ঠান সরাসরি দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এটি দেশের প্রতিরক্ষা ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার কাজে মহাকাশ প্রযুক্তি ও রিমোট সেন্সিং ব্যবহার করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিল্প মন্ত্রণালয় — এটি দেশের শিল্প খাতের উন্নয়ন ও পলিসি তৈরির সাথে যুক্ত, মহাকাশ গবেষণা এর আওতাভুক্ত নয়।
B) শিক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত, বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এর অধীনে নেই।
C) পরিবেশ মন্ত্রণালয় — এটি পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কাজ করে, তবে এসপারসো এর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়।
D) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এসপারসো প্রশাসনিকভাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।
মনে রাখার টিপস:
মহাকাশ বা উপগ্রহ গবেষণা সাধারণত দেশের নিরাপত্তার সাথে জড়িত থাকে, তাই এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI) ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত।
- এটি পাটের উন্নত জাত উদ্ভাবন এবং চাষাবাদ প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মানিকগঞ্জ — এটি একটি জেলা শহর, যেখানে এই জাতীয় কেন্দ্রীয় গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত নয়।
B) রংপুর — এটি একটি বিভাগীয় শহর এবং উত্তরাঞ্চলের পাট উৎপাদনের অঞ্চল হলেও এই প্রধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এখানে নেই।
C) ঢাকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূল প্রতিষ্ঠানটি ঢাকায় অবস্থিত।
D) পাবনা — এটি পাট উৎপাদনের জন্য পরিচিত হলেও এখানে এই জাতীয় গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের বেশিরভাগ জাতীয় গবেষণা ইনস্টিটিউট রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত, তাই পাটের প্রধান গবেষণা কেন্দ্রটিও ঢাকায়।
সঠিক উত্তর: A) জাইকা
কেন সঠিক:
- জাইকা হলো জাপানের সরকারি বৈদেশিক সাহায্য সংস্থা, যার পূর্ণরূপ হলো জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সী।
- এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে আর্থসামাজিক উন্নয়নে কারিগরি সহায়তা, অনুদান এবং নমনীয় ঋণ প্রদান করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাইকা — এটি জাপানের বৈদেশিক সাহায্য সংস্থা হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ডিএফআইডি — এটি যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিভাগ, যা জাপানের সংস্থা নয়।
C) ডানিডা — এটি ডেনমার্কের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহায়তা সংস্থা, যা জাপানের নয়।
D) ওসিডি — এটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা, যা কোনো একক দেশের সাহায্য সংস্থা নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাপানের নাম এবং সংস্থার নামের শুরুতে জ বর্ণটি রয়েছে, যেমন জাপান থেকে জাইকা।
সঠিক উত্তর: C) ২নং
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত ১১টি সেক্টরের মধ্যে ২নং সেক্টরের অধীনে ছিল ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালী এবং ফরিদপুর ও আখাউড়া অঞ্চলের কিছু অংশ।
- মেলাঘরে সদর দপ্তর ছিল এই সেক্টরের এবং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ ও পরে মেজর এ টি এম হায়দার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ নং — এটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালী ও ফেনী নদীর অববাহিকা অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল।
B) ৩নং — এটি হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল।
C) ২নং — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ঢাকা জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল।
D) ১০নং — এটি কোনো ভৌগোলিক এলাকাভিত্তিক সেক্টর ছিল না, এটি নৌ সেক্টর বা নদীপথের জন্য গঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা মানে খালেদ মোশাররফের এলাকা, আর খালেদ মোশাররফ ছিলেন ২নং সেক্টরের কমান্ডার।
সঠিক উত্তর: B) বিজু
কেন সঠিক:
- চাকমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব হলো বিজু, যা সাধারণত চৈত্র সংক্রান্তির সময় তিন দিন ধরে পালন করা হয়।
- এটি তাদের ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ উৎসব, যার মাধ্যমে পুরোনো বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাংগ্রেন — এটি মূলত মারমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব, চাকমাদের নয়।
B) বিজু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
সি) তনচংগা — এটি কোনো উৎসবের নাম নয়, বরং এটি বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নাম।
ডি) নও উৎসব — এটি চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসব নয় এবং এই নামে তাদের কোনো প্রধান উৎসব নেই।
মনে রাখার টিপস:
চ চাকমা আর ব বিজু, এভাবে মনে রাখতে পারো চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)