বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ

১৬ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (স্কুল পর্যায় ১) ২০১৯

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (90)

a প্রমথচৌধুরী
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c মোতাহার হোসেন চৌধুরী
d ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির সফল প্রবর্তক ও রূপকার হলেন প্রমথ চৌধুরী। তিনি সাধু ভাষার কৃত্রিমতা দূর করে মুখের বুলিকে লেখার ভাষায় রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে ইতালীয় সোনেটের প্রবর্তক এবং বীরবল ছদ্মনামের জনক। তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজ পত্ৰ পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধের যুগ শুরু হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ তেল নুন লাঠিজ ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে চলিত রীতির সাবলীল ও মননশীল ব্যবহার স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত গল্প সংকলন চার ইয়ারী কথা ব্যাখ্যা: চলিত রীতিতে রচিত এই গল্পগ্রন্থে হালকা চালে গভীর জীবনদর্শন তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রমথ চৌধুরী — ইনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির সফল প্রবর্তক ও সবুজ পত্র পত্রিকার সম্পাদক। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ চলিত রীতি ব্যবহার করলেও এর প্রাতিষ্ঠানিক প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। C) মোতাহার হোসেন চৌধুরী — ইনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও লেখক ছিলেন। D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — বিদ্যাসাগর মহাশয় গদ্যে সাধু রীতির পরিমার্জন ও পঙ্কিলতা দূর করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী এবং তাঁর পত্রিকার নাম সবুজ পত্র মনে রাখবে। সবুজ পত্রের মাধ্যমেই চলিত রীতি সাহিত্য সমাজে আন্দোলনের রূপ নেয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী হলেও গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। এই দুটি নাম প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই পার্থক্য মনে রাখবে।
a লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও পদ্ধতি
b উদ্দেশ্য, প্রান্তিক যোগ্যতা, বিষয়বস্তু ও মূল্যায়ন
c উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু, পদ্ধতি ও মূল্যায়ন
d লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু ও মূল্যায়ন
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উদ্দেশ্য, প্রান্তিক যোগ্যতা, বিষয়বস্তু ও মূল্যায়ন কেন সঠিক: আধুনিক শিক্ষাক্রম প্রণয়নে শিক্ষার্থীর সামগ্রিক বিকাশ নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য এবং প্রান্তিক যোগ্যতার নির্ধারণ অত্যন্ত জরুরি। এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিষয়বস্তু নির্বাচন এবং শিখনফল যাচাইয়ের জন্য সঠিক মূল্যায়ন প্রক্রিয়া যুক্ত থাকায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: শিক্ষাক্রম বা কারিকুলাম হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর কাঙ্ক্ষিত আচরণ পরিবর্তনের একটি সুপরিকল্পিত রূপরেখা। এটি মূলত শিক্ষাবিজ্ঞানের একটি বিশেষ পারিভাষিক শব্দ যা পাঠ্যসূচির পরিধি এবং শিখন প্রক্রিয়াকে সামগ্রিকভাবে নির্দেশ করে। যেমন কোনো একটি শ্রেণির পাঠ্যক্রমে কী পড়ানো হবে এবং শেষে শিক্ষার্থী কী অর্জন করবে তা এই উপাদানের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও পদ্ধতি — এই অপশনে শিক্ষাক্রমের অন্যতম প্রধান উপাদান বিষয়বস্তু এবং মূল্যায়ন বাদ পড়েছে। C) উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু, পদ্ধতি ও মূল্যায়ন — এতে আধুনিক শিক্ষাক্রমের আধুনিক ধারণা প্রান্তিক যোগ্যতা অন্তর্ভুক্ত নেই। D) লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু ও মূল্যায়ন — লক্ষ্য শিক্ষাক্রমের চেয়ে বৃহত্তর বিষয় এবং প্রান্তিক যোগ্যতা এখানে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: শিক্ষাক্রমের মূল উপাদানগুলো মনে রাখার জন্য 'উপ্রবিমূ' বা উদ্দেশ্য, প্রান্তিক যোগ্যতা, বিষয়বস্তু ও মূল্যায়ন এই সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
a আসন্ন বিপদ
b মাথাব্যথা
c মহাবিপদ
d মাথার বোঝা
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আসন্ন বিপদ ১. কেন সঠিক: - 'শিরে-সংক্রান্তি' বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ মাথার ওপর সংক্রান্তি বা অন্তিম সময়, যা রূপক অর্থে আসন্ন বিপদ বা অবধারিত সংকট নির্দেশ করে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে কারণ এটি জীবনের এমন এক কঠিন অবস্থাকে বোঝায় যা এড়ানো যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবহ শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে এবং ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। - শিরে-সংক্রান্তি বাগধারাটি মানুষের জীবনে ঘনীভূত হওয়া মারাত্মক কোনো সংকটের ভয়াবহতা ও অনিবার্য উপস্থিতিকে প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষার আগের রাতে প্রশ্নপত্র চুরির খবর শুনে পরীক্ষার্থীর মাথায় যেন শিরে-সংক্রান্তি উপস্থিত হলো। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে শিরে-সংক্রান্তি বাগধারাটি শিক্ষার্থীর আকস্মিক ও আসন্ন বিপদের অবস্থাকে সফলভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। উদাহরণ ২: ব্যবসায়ে বড় ধরনের ধস নামায় এখন তার মাথায় শিরে-সংক্রান্তি অবস্থা বিরাজ করছে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসায়িক চরম সংকটের কারণে আসন্ন বিপদ বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসন্ন বিপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিরে-সংক্রান্তি বলতে ঘনীভূত বা মাথার ওপর এসে পড়া বিপদের অবস্থাকে বোঝায়। B) মাথাব্যথা — এটি ভুল কারণ অপশনটি শিরে-সংক্রান্তির আক্ষরিক অর্থ বা শারীরিক বেদনার কথা বলছে, যা বাগধারার মূল ভাব নয়। C) মহাবিপদ — এটি ভুল কারণ মহাবিপদ একটি সাধারণ তীব্র বিপদ বোঝায়, আর শিরে-সংক্রান্তি নির্দিষ্টভাবে ঠিক মাথার ওপর এসে উপস্থিত হওয়া আসন্ন বিপদকে নির্দেশ করে। D) মাথার বোঝা — এটি ভুল কারণ মাথার বোঝা বলতে শারীরিক বা মানসিক দায়িত্বের ভার বোঝায়, যা এই বাগধারার ভাবার্থের সঙ্গে মিলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিরে অর্থ মাথা এবং সংক্রান্তি অর্থ শেষ দিন বা অন্তিম ক্ষণ, অর্থাৎ মাথার ওপর যখন শেষ সময় বা বিপদ এসে উপস্থিত হয় তাকে শিরে-সংক্রান্তি বলে। - এই কৌশল মনে রাখলে সহজেই উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই জীবনের সংকট বোঝাতে ব্যবহৃত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন করা হয়। - একই ধরনের অন্যান্য বাগধারার মধ্যে খড়্গহস্ত (ক্রোধ প্রকাশ) ও আদায় কাঁচকলায় (শত্রুতা) ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a সমার্থে
b ক্ষুদ্রার্থে
c বৃহদার্থে
d বিপরীতার্থেো
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্ষুদ্রার্থে কেন সঠিক: - 'নাটিকা' শব্দটি মূল শব্দ 'নাটক' এর ছোট বা সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ক্ষুদ্র বা ছোট অর্থে স্ত্রীবাচক বা বিশেষ রূপ বোঝাতে শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ নিয়মে বা প্রত্যয় যোগ করে শব্দের মাধ্যমে ক্ষুদ্রত্ব প্রকাশ করা হয়। - সাহিত্যের ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ নাটক থেকে ছোট পরিসরের নাটককে নাটিকা বলা হয়। - যেমন: পুথি থেকে পুথিকা, নাটক থেকে নাটিকা। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সমার্থে — এই অর্থে শব্দের মূল অর্থ পরিবর্তিত হয় না, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) বৃহদার্থে — বড় বা বিশাল কিছু বোঝাতে বৃহদার্থ হয়, যা নাটিকার ক্ষেত্রে উল্টো। - D) বিপরীতার্থে — বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে এই অপشن ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: - ছোট বা সংক্ষিপ্ত কিছু বোঝালে সবসময় ক্ষুদ্রার্থ হবে। - ইকা প্রত্যয়যুক্ত শব্দ সাধারণত ক্ষুদ্রার্থ প্রকাশ করে।
a অত্যন্ত উষ্ণ
b কুসুম কুসুম উষ্ণ
c পাগড়ি
d শীতের আমেজ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাগড়ি ১. কেন সঠিক: - উষ্ণীষ শব্দের মূল অর্থ হলো মাথা বা মস্তকে পরিধান করার বিশেষ শিরস্ত্রাণ বা পাগড়ি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ ও এককথায় প্রকাশ বা সমার্থক শব্দ জাতীয় প্রশ্ন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার সরাসরি অর্থ প্রাচীনকাল থেকেই রাজমুকুট বা পাগড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভিন্ন প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় কাব্যে উচ্চপদস্থ ব্যক্তি বা রাজাদের মাথা ঢাকা পোষাকের ক্ষেত্রে এই শব্দটি পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা তার মাথায় রাজকীয় উষ্ণীষ পরে সিংহাসনে বসলেন। ব্যাখ্যা: এখানে উষ্ণীষ শব্দটি রাজামুকুট বা পাগড়ির অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রাচীন ভারতীয় রাজারা মহামূল্যবান রত্নখচিত উষ্ণীষ ব্যবহার করতেন। ব্যাখ্যা: এটি রাজকীয় পাগড়ি বা শিরোভূষণ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অত্যন্ত উষ্ণ — উষ্ণীষ শব্দের উচ্চারণ বা বানানের সাথে উষ্ণ শব্দের মিল থাকলেও এর অর্থ তাপমাত্রার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) কুসুম কুসুম উষ্ণ — এটি উষ্ণতার একটি মাত্রা বোঝালেও উষ্ণীষ শব্দের আসল অর্থের সাথে এর কোনো দূরতম সম্পর্কও নেই। C) পাগড়ি — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই শব্দের অভিধানিক অর্থও বটে। D) শীতের আমেজ — শীতকালীন আবহাওয়া বা অনুভূতির সাথে এই শব্দের কোনো ব্যাকরণগত বা আভিধানিক মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - উষ্ণীষ শব্দের শেষে ষ রয়েছে এবং পাগড়ি বাঁধার সাথে এর সংযোগ মনে রেখে এটি সহজে মুখস্থ রাখা যায়। - উষ্ণ শব্দের সাথে মিল দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না কারণ এর আসল অর্থ মাথার পাগড়ি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই এককথায় প্রকাশ বা সমার্থক শব্দ হিসেবে আসে। - প্রমিত বাংলা বানানের ক্ষেত্রে যুক্তবর্ণের ব্যবহার এবং তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a কর কমল
b কাল স্রোত
c কর পল্লব
d কচুকাটা
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাল স্রোত ১. কেন সঠিক: রূপক কর্মধারায় সমাসে উপমান ও উপমিত পদের মধ্যে অভেদ বা মিল কল্পনা করা হয়। এখানে কাল বা সময় এবং স্রোত সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি বস্তু হওয়া সত্ত্বেও কালকে স্রোতের সঙ্গে সম্পূর্ণ এক বলে অভিন্নরূপ দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে উপমান ও উপমিত পদের মধ্যে অভেদ বা মিল কল্পনা করা হয় এবং সমাসবাক্যে একটি রূপ পদ ব্যবহৃত হয় তাকে রূপক কর্মধারায় সমাস বলে। এই সমাসে সাধারণত দৃশ্যমান বিষয়ের সঙ্গে অদৃশ্য বা বিমূর্ত বিষয়ের অভেদ কল্পনা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু। এখানে বিষাদের গভীরতা ও দুঃখকে সিন্ধুর সঙ্গে অভিন্ন কল্পনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ক্রোধ আগুন ব্যাখ্যা: ক্রোধ রূপ আগুন। এখানে মনের তীব্র ক্ষোভকে আগুনের ধ্বংসাত্মক রূপের সঙ্গে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর কমল — এটি উপমূর্ত কর্মধারায় সমাস কারণ এখানে কমলের সঙ্গে কর বা হাতের তুলনা বোঝানো হয়েছে। B) কাল স্রোত — সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই কারণ এটি কাল রূপ স্রোত অর্থে রূপক কর্মধারায় সমাস। C) কর পল্লব — এটিও উপমূর্ত কর্মধারায় সমাস কারণ হাতের সঙ্গে পল্লব বা পাতার সরাসরি তুলনা করা হয়েছে। D) কচুকাটা — এটি একটি বিশেষ প্রক্রিয়া বা সমাসবদ্ধ শব্দ যার অর্থ নির্বিচারে নিধন করা, যা রূপক কর্মধারয় নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রূপক কর্মধারায় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে অবশ্যই রূপ শব্দটি থাকবে। বিমূর্ত ধারণার সঙ্গে মূর্ত বিষয়ের তুলনা বুঝলেই তা রূপক কর্মধারায় হিসেবে ধরে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূপক কর্মধারায় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিষাদ সিন্ধু, ক্রাধানল, মন মাঝি এবং কাল স্রোত এই কয়েকটি উদাহরণ বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
a লুঙ্গি
b খোকা
c সম্রাট
d গঞ্জ
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গঞ্জ কেন সঠিক: - গঞ্জ শব্দটি বাংলা ভাষার আদি নিবাসী কোল, মুণ্ডা বা দ্রাবিড় গোষ্ঠীর ভাষা থেকে এসেছে। - বাংলার স্থানীয় মানুষের ব্যবহৃত প্রাচীন শব্দভাণ্ডার থেকে এটি সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলোর উৎস বা মূল পাওয়া যায় না এবং যা এ দেশের আদি অধিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে, তাকে দেশি শব্দ বলে। - বাংলা ভাষা গঠনের প্রক্রিয়ায় স্থানীয় সংস্কৃতির প্রভাবে এ ধরনের শব্দের বহুল ব্যবহার শুরু হয়। - গঞ্জ ছাড়াও কুড়ি, চোঙা, টোপর ইত্যাদি দেশি শব্দের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) লুঙ্গি — এটি বর্মি বা মায়ানমার ভাষার শব্দ। - B) খোকা — এটি দেশি শব্দ হলেও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের অনেক ক্ষেত্রে একে বিশেষ উৎস হিসেবে গণ্য করা হয়, তবে তুলনামূলক বিচারে গঞ্জ অধিক গ্রহণযোগ্য দেশি শব্দ। - C) সম্রাট — এটি ফার্সি ভাষা থেকে আগত একটি বিদেশি শব্দ। - D) গঞ্জ — এটি সঠিক দেশি শব্দ হওয়ায় এই অপشنটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: - হাট, বাজার ও গঞ্জ জাতীয় স্থানীয় নামগুলো সাধারণত দেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত হয়।
a ডাকঘর
b খোলা ডাক
c উপবিধি
d লেখস্বত্ব
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) খোলা ডাক ১. কেন সঠিক: 'Book post' ইংরেজি পারিভাষিক শব্দটির প্রমিত বাংলা রূপ হলো 'খোলা ডাক'। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের পারিভাষিক শব্দের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা ইংরেজি বা অন্যান্য বিদেশি ভাষার শব্দের ভাবানুবাদ বা রূপান্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দাপ্তরিক কাজে বিভিন্ন ধরনের চিঠিপত্র ও বইপত্র প্রেরণের জন্য নির্দিষ্ট পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Registered post ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি পরিভাষাটির সঠিক বাংলা অর্থ হলো নিবন্ধিত ডাক বা রেজিস্ট্রি ডাক। উদাহরণ ২: Press note ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি পরিভাষাটির সঠিক বাংলা অর্থ হলো তথ্যবিবরণী বা প্রেস নোট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাকঘর — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Post office, যা কোনো নির্দিষ্ট পোস্টাল ভবনকে বোঝায়। B) খোলা ডাক — এটি Book post এর সঠিক পারিভাষিক রূপ এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। C) উপবিধি — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Bye-law, যা কোনো সংস্থার অভ্যন্তরীণ নিয়মাবলি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) লেখস্বত্ব — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Copyright, যা কোনো সাহিত্য বা শিল্পকর্মের স্বত্বাধিকার বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: বুক বা বই আমরা খাতার মতো উন্মুক্ত বা খোলা রাখি, তাই Book post মানে হলো খোলা ডাক। এভাবে মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডাক বিভাগ সংক্রান্ত পারিভাষিক শব্দ যেমন Dead letter office বা Dead letter এর অর্থ বারবার আসে। দাপ্তরিক পরিভাষা মুখস্থ করার চেয়ে শব্দগুলোর মূল ভাব বুঝে পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a কমা
b দাড়ি
c কোলন
d সেমিকোলন
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কমা ১. কেন সঠিক: বাক্যে কাউকে ডেকে বা সম্বোধন করে কিছু বললে সেই সম্বোধন পদের পরে কমা চিহ্ন বসে। এটি বক্তার বক্তব্যকে শ্রোতার নিকট স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলতে এবং বাক্যের বিরতি নির্দেশ করতে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যে পদ প্রকরণে সম্বোধন পদ হলো সেই পদ যার মাধ্যমে কাউকে আহ্বান বা সম্বোধন করা হয়। বাংলা ব্যাকরণের বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্ন ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী, সম্বোধন পদের ঠিক পরেই অল্প বিরতির জন্য কমা ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম, এদিকে এসো। ব্যাখ্যা: এখানে রহিমকে ডেকে কথা বলা হয়েছে, তাই রহিম সম্বোধন পদের পরে কমা বসেছে। উদাহরণ ২: শিক্ষক মহাশয়, আমাদের প্রণাম নেবেন। ব্যাখ্যা: এখানে শিক্ষক মহাশয়কে সম্বোধন করা হয়েছে এবং পদের পরে কমা ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সম্বোধন পদের পরে অল্প বিরতির জন্য কমা বসে। B) দাড়ি — এটি বাক্যের সমাপ্তি বা পূর্ণচ্ছেদ বোঝাতে বাক্যের শেষে বসে, সম্বোধন পদের পরে নয়। C) কোলন — এটি একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য বাক্যের অবতারণা করতে বা উদাহরণ দিতে ব্যবহৃত হয়। D) সেমিকোলন — এটি কমার চেয়ে বেশি এবং দাড়ির চেয়ে কম বিরতি বোঝাতে দুটি স্বাধীন উপবাক্যের মাঝে বসে। ৫ মনে রাখার টিপস: কারো নাম ধরে ডাকলেই থামতে হয় অল্প একটু, তাই ডাকার ঠিক পরেই কমা দিতে হয়। বাক্যের শুরুতে কাউকে সম্বোধন করলে তার পরেই কমার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরাম চিহ্নের ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সম্বোধন পদের পরে কমা বসার নিয়মটি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার পুনরাবৃত্তি হয়।
a যন্ত্রণা
b বিরক্তি
c সম্মতি
d উচ্ছাস
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উচ্ছাস ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ব্যবহৃত 'মরি! মরি!' শব্দযুগল মনের তীব্র আনন্দ, মুগ্ধতা বা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছে। - অনন্বয়ী অব্যয় বা ভাববাচক অব্যয় মূলত বাক্যের অন্যান্য পদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ছাড়াই স্বাধীনভাবে মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে অব্যয় পদ বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে মনের নানা ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। - আবেগ, উল্লাস, ঘৃণা, ভয় ইত্যাদি প্রকাশের জন্য এই পদ ব্যবহার করা হয়, যা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঃ! কী চমৎকার দৃশ্য। ব্যাখ্যা: এখানে 'বাঃ!' শব্দটি দিয়ে মনের গভীর আনন্দ ও প্রশংসা প্রকাশ করা হয়েছে, যা অনন্বয়ী অব্যয়ের একটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: ছি! কাজটি তোমার করা উচিত হয়নি। ব্যাখ্যা: এখানে 'ছি!' শব্দটি দিয়ে ঘৃণা বা লজ্জা প্রকাশ করা হয়েছে, যা অনন্বয়ী অব্যয়ের আরেকটি প্রচলিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যন্ত্রণা — বাক্যের ভাবটি কোনো শারীরিক বা মানসিক কষ্টের নয়, বরং প্রকৃতির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হওয়ার প্রকাশ। B) বিরক্তি — এখানে বিরক্তি প্রকাশ পাওয়ার মতো কোনো নেতিবাচক বা ক্ষোভের উপাদান নেই। C) সম্মতি — এই বাক্যটি কারো কোনো প্রস্তাবে রাজি হওয়া বা মত দেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে মনের আবেগ যেমন আনন্দ, বেদনা, বিস্ময় বা উচ্ছ্বাস বুঝতে পারলে তা অনন্বয়ী অব্যয়ের উচ্ছ্বাস বা আবেগ প্রকাশকারী রূপ হিসেবে ধরে নেবে। - 'মরি মরি' বা 'বাহ বাহ' দেখলে সাধারণত আনন্দ বা উচ্ছ্বাস বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অনন্বয়ী অব্যয়কে অনেক সময় আবেগসূচক অব্যয় বা ভাববাচক অব্যয় বলা হয়। - পরীক্ষার হলে বাক্যের ভেতরের আবেগ বা মনের ভাব ভালোভাবে লক্ষ করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a পুনরায় শুরু করা
b খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ
c কাউকে ডেকে আনা
d একটি স্মরণীয় দিন
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রদও প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। 'Call it a day' ইংরেজি বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো 'আজকের মতো কাজ সমাপ্ত করা'। তাই প্রশ্নটিতে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনোটিই সঠিক নয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় এমন ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্ন আসতে পারে, যেখানে সঠিক উত্তর অপশনে থাকে না। ১. কেন সঠিক: - 'Call it a day' একটি অত্যন্ত পরিচিত ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ দিন বলা হলেও ভাবার্থ হলো কোনো কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করা। - কর্মদিবস শেষ করা বা আর কাজ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া বোঝাতে এই অভিব্যক্তিটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি ইংরেজি ভাষার একটি প্রমিত বাগধারা বা Idiom, যার সরাসরি বাংলা পরিভাষা হলো আজকের মতো কাজ শেষ করা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইংরেজি প্রবাদ ও বাগধারার সঠিক বাংলা অনুবাদ বা অর্থ জানতে চাওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Let us call it a day and go home. ব্যাখ্যা: বাক্যটির অর্থ হলো, চলো আজ এখানেই কাজ শেষ করি এবং বাড়ি যাই। উদাহরণ ২: After working for ten hours, he decided to call it a day. ব্যাখ্যা: দশ ঘণ্টা কাজ করার পর সে আজকের মতো কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুনরায় শুরু করা — এই অর্থটি সঠিক নয় কারণ এই বাগধারাটি কাজ শেষের ঘোষণা দিতে ব্যবহৃত হয়, নতুন করে শুরু করতে নয়। B) খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ — এই অর্থটি ভুল কারণ এর সঙ্গে গুরুত্বের কোনো সম্পর্ক নেই, বরং এটি সময় বা সমাপ্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। C) কাউকে ডেকে আনা — এই অর্থটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক এবং ইডিয়মটির মূল ভাবের সঙ্গে মিল নেই। D) একটি স্মরণীয় দিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি শাব্দিক অনুবাদের বিভ্রান্তি থেকে তৈরি করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - দিন শেষ বা কাজ শেষ মনে রাখার জন্য 'Call it a day' কথাটি মাথায় রাখবে। সূর্য ডুবে গেলে যেমন দিনের কাজ শেষ হয়, তেমনি কাজ বন্ধ করার ঘোষণাও হলো কল ইট এ ডে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইংরেজি বাগধারার ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থ না খুঁজে সবসময় তার ভাবার্থ বা প্রচলিত অর্থ বুঝতে হবে। পরীক্ষার হলে এমন ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্ন পেলে সবচেয়ে কাছাকাছি বা যৌক্তিক অর্থ বিবেচনা করতে হবে।
a ইংরেজি +বাংলা
b ইংরেজি +আরবি
c ইংরেজি +ফারসি
d ইংরেজি +তৎসম
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইংরেজি +তৎসম ১. কেন সঠিক: - খ্রিস্টান শব্দটি একটি মিশ্র শব্দ কারণ এটি দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দ মিলে গঠিত হয়েছে। - এর প্রথম অংশ ক্রিস্ট বা খ্রিস্ট হলো ইংরেজি শব্দ এবং দ্বিতীয় অংশ আন হলো তৎসম বা সংস্কৃত প্রত্যয় বা শব্দাংশ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - মিশ্র শব্দ বা সংকর শব্দ হলো সেই শব্দ যা দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দের মিলনে গঠিত হয়। - বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ভাষার শব্দের মিলনে এ ধরনের নানা নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেডমাস্টার ব্যাখ্যা: হেড হলো ইংরেজি শব্দ এবং মাস্টার হলো ইংরেজি শব্দ, তবে এটি ইংরেজি ও তৎসমর মিশ্রণেও হতে পারে যেমন হেড মৌলবি। উদাহরণ ২: চৌকিদার ব্যাখ্যা: চৌকি হলো বাংলা বা হিন্দি শব্দ এবং দার হলো ফারসি শব্দ, যা মিশ্র শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি +বাংলা — কারণ খ্রিস্টান শব্দের দ্বিতীয় অংশ বাংলা নয়, বরং এটি তৎসম বা সংস্কৃত মূল থেকে এসেছে। B) ইংরেজি +আরবি — কারণ এই শব্দের কোনো অংশ আরবি ভাষা থেকে আসেনি। C) ইংরেজি +ফারসি — কারণ এর দ্বিতীয় অংশটি ফারসি ভাষার শব্দ নয়। D) ইংরেজি +তৎসম — কারণ এটি ইংরেজি মূল শব্দের সঙ্গে তৎসম বা সংস্কৃত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত সঠিক মিশ্র শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - খ্রিস্টান শব্দের শুরুতে ইংরেজি উচ্চারণ আছে এবং শেষে তৎসম রূপ রয়েছে, এভাবে মনে রাখতে পারো। - মিশ্র শব্দ চেনার জন্য শব্দের অংশ দুটি আলাদা করে কোন ভাষার তা খেয়াল করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মিশ্র শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিভিন্ন ভাষার শব্দের মিলনে গঠিত শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a তিব্বতি লিপি
b ব্রাহ্মী লিপি
c খরোস্ত্রী লিপি
d দেবনাগরী লিপি
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাহ্মী লিপি ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালার উৎস হলো প্রাচীন ভারতীয় লিপি ব্যবস্থা ব্রাহ্মী লিপি। - ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে ব্রাহ্মী লিপি থেকেই বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা লিপির উদ্ভব ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নে লিপি বিবর্তনের ধারা আলোচিত হয়েছে। - প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি থেকে কুটিল লিপি এবং পরবর্তী সময়ে সেন ও পাল আমলে কায়স্থী বা прото-বাংলা লিপির মাধ্যমে বর্তমান বাংলা বর্ণমালার সৃষ্টি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা বর্ণমালার ক, খ, গ ইত্যাদি অক্ষরগুলোর মূল রূপ প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপিতে পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এই অক্ষরগুলো শত শত বছর ধরে বিবর্তিত হয়ে আজকের আধুনিক রূপ লাভ করেছে। উদাহরণ ২: ভারতের দেবনাগরী এবং বাংলার লিপি একই উৎস থেকে উৎপন্ন হয়েছে। ব্যাখ্যা: ব্রাহ্মী লিপি শাখা প্রশাখার মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশের অধিকাংশ লিপির জন্ম দিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিব্বতি লিপি — তিব্বতি লিপি লানজা বা উদু লিপি থেকে এসেছে যার উৎসও ব্রাহ্মী, তবে সরাসরি বাংলা বর্ণমালার উৎস তিব্বতি লিপি নয়। B) ব্রাহ্মী লিপি — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এই নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়। C) খরোস্ত্রী লিপি — খরোস্ত্রী লিপি প্রাচীন ভারতের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে প্রচলিত ছিল যা ডান দিক থেকে বাম দিকে লেখা হতো এবং এটি বাংলা লিপির উৎস নয়। D) দেবনাগরী লিপি — দেবনাগরী হিন্দি ও সংস্কৃত লেখার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি বাংলা লিপির উৎস নয়, বরং সমগোত্রীয় অপর একটি লিপি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভারতীয় প্রায় সব আধুনিক লিপির আদি মাতা হলো ব্রাহ্মী লিপি। - বাংলা বর্ণমালার উৎস মনে রাখতে ব্রাহ্মী শব্দটিকে মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ইতিহাস থেকে প্রায়ই লিপি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - বাংলা লিপির উৎস ব্রাহ্মী লিপি এটি মুখস্থ রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a পরাকাষ্ঠা
b পরাক্লান্ত
c পরায়ণ
d পরাভব
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পরাভব ১. কেন সঠিক: - পরাভব শব্দটি মূল ধাতু বা শব্দের সঙ্গে পরা উপসর্গ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে যা হারের বিপরীত বা পরাজয় অর্থ প্রকাশ করে। - এখানে পরা উপসর্গটি বিপরীত বা উল্টো অর্থে প্রযুক্ত হয়েছে কারণ ভব অর্থ উৎপত্তি বা অস্তিত্ব আর পরাভব অর্থ পতন বা পরাজয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে এবং বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - পরা উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয় যেমন বিপরীত, উল্টো, আতিশয্য, উৎকর্ষ এবং अनादर বা অবজ্ঞা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরামুখ ব্যাখ্যা: মুখ শব্দের পূর্বে পরা উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীত বা বিমুখ অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পরাজয় ব্যাখ্যা: জয় শব্দের পূর্বে পরা উপসর্গ যুক্ত হয়ে জয়ের বিপরীত অর্থ অর্থাৎ হার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরাকাষ্ঠা — এই শব্দটিতে পরা উপসর্গটি উৎকর্ষ বা আতিশয্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে বিপরীত অর্থে নয়। B) পরাক্লান্ত — এই শব্দটিতে পরা উপসর্গটি বিশেষ তীব্রতা বা আতিশয্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। C) পরায়ণ — এই শব্দটিতে পরা উপসর্গটি নিমগ্ন বা কোনো কিছুর প্রতি গভীর অনুগত থাকা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। D) পরাভব — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে পরা উপসর্গ বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পরা উপসর্গটি সাধারণত উৎকর্ষ বা বিপরীত দুটি প্রধান অর্থ প্রকাশ করে। - জয় এবং ভব শব্দের সাথে বসলে এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং কাষ্ঠা শব্দের সাথে বসলে উৎকর্ষ বোঝায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়। - তাই শব্দের মূল অর্থের সাথে উপসাগরের সংযোগ কীভাবে অর্থ পরিবর্তন করছে তা খেয়াল রাখতে হবে।
a ব্যধিকরণ বহুব্রীহি
b ব্যতিহার বহুব্রীহি
c মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
d অলুক বহুব্রীহি
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্যধিকরণ বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়। 'বীণাপানি' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বীণা পানিতে (হাতে) যার। এখানে পূর্বপদ 'বীণা' এবং পরপদ 'পানি' কোনোটিই প্রধান নয়, বরং এই দুই পদের মাধ্যমে এমন একজন দেবীকে (সরস্বতী) বোঝানো হয়েছে যার হাতে বীণা আছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটিই বিশেষ্য পদ নয় অথবা দুটি পদই ভিন্ন ভিন্ন বিভক্তিযুক্ত হয়, তাকে ব্যধিকরণ বহুব্রীহি বলে। এখানে 'বীণা' প্রথমা বিভক্তি এবং 'পানি' সপ্তমী বিভক্তিযুক্ত হওয়ায় এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহির নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: شاسی‌پانی (শূলপানি) ব্যাখ্যা: শূল পানিতে যার, অর্থাৎ মহাদেব। এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহির একটি ক্লাসিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: গজমোতি ব্যাখ্যা: গজে মজে যে মতি, অর্থাৎ ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের নিয়মে এটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যধিকরণ বহুব্রীহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ পূর্বপদ ও পরপদের বিভক্তি ভিন্ন। B) ব্যতিহার বহুব্রীহি — ক্রিয়ার পারস্পরিক বোঝাবুঝিতে এই সমাস হয় যেমন হাতাহাতি, যা এখানে নেই। C) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি — ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পেলে মধ্যপদলোপী হয় যেমন বিড়ালআঁখি যার = বিড়ালআঁখি। D) অলুক বহুব্রীহি — সমাসবদ্ধ পদে বিভক্তির লোপ না পেলে অলুক হয় যেমন গায়ে মাথায় তেল যার = গায়েমাথাতেল। ৫. মনে রাখার টিপস: শরীরের অঙ্গবাচক শব্দ যেমন পানি বা হাত যদি পরপদ হয় এবং পূর্বপদের সঙ্গে তার বিভক্তির মিল না থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে ব্যধিকরণ বহুব্রীহি দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বীণাপানি ও শূলপানি শব্দ দুটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত প্রায়ই আসে। এই দুটি শব্দ ব্যধিকরণ বহুব্রীহির সবচেয়ে জনপ্রিয় উদাহরণ।
a ৫টি
b ৩টি
c ৪টি
d ১টি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণ ৩টি। এই বর্ণগুলো স্বাধীনভাবে একা একা পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না এবং উচ্চারণের জন্য অন্য বর্ণের সাহায্য নেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে। এর মধ্যে পরাশ্রয়ী বর্ণগুলো সবসময় অন্য বর্ণের ওপর নির্ভর করে বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুঃখ শব্দে ব্যবহৃত বিসর্গ একটি পরাশ্রয়ী বর্ণ। ব্যাখ্যা: বিসর্গ একা উচ্চারিত হতে পারে না, এটি অন্য বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: চাঁদ শব্দে ব্যবহৃত চন্দ্রবিন্দু একটি পরাশ্রয়ী বর্ণ। ব্যাখ্যা: চন্দ্রবিন্দু স্বরবর্ণের ওপর নুনাসিক বা নাসিক্য ভাব ফুটিয়ে তুলতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫টি — ৫টি পরাশ্রয়ী বর্ণ নেই, কারণ পরাশ্রয়ী বর্ণ নির্দিষ্টভাবে ৩টি। B) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর এবং পরাশ্রয়ী বর্ণ হলো অনুস্বার, বিসর্গ ও চন্দ্রবিন্দু। C) ৪টি — ৪টি পরাশ্রয়ী বর্ণ বাংলা বর্ণমালায় স্বীকৃত নয়। D) ১টি — ১টি বর্ণ পরাশ্রয়ী নয়, কারণ এদের সংখ্যা তিনটি। ৫. মনে রাখার টিপস: পরাশ্রয়ী বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো অনুস্বার, বিসর্গ ও চন্দ্রবিন্দু এই তিনটি বর্ণকে একত্রে মনে রাখা। পরাশ্রয়ী শব্দের অর্থই হলো অন্যের ওপর আশ্রিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরাশ্রয়ী বর্ণ কয়টি তা প্রায়ই আসে। এই বর্ণগুলোর অপর নাম অযোগবাহ বর্ণও বলা হয়ে থাকে।
a দ্যুঃ+লোক
b দুই+ লোক
c দ্বি+লোক
d দিব্+লোক
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দিব্+লোক ১. কেন সঠিক: - দ্যুলোক শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো দিব্+লোক। এটি একটি ব্যঞ্জনসন্ধির বিশেষ নিয়ম বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির অন্তর্ভুক্ত। - দ্যুলোক শব্দের অর্থ স্বর্গলোক বা আকাশ। সন্ধির নিয়মানুসারে দিব শব্দের ব্ স্থানে ল যুক্ত হয়ে দ্যুলোক গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি হলো সেইসব সন্ধি যা প্রচলিত কোনো সাধারণ ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলে না, বরং প্রাকৃত ও সাধারণ ব্যবহারের মাধ্যমে সিদ্ধ হয়। - ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে যে পরিবর্তন ঘটে, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। এখানে দিব্ এবং লোক মিলে দ্যুলোক হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উৎ+পত্তি = উৎপত্তি ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি সাধারণ নিয়ম যেখানে ত বা দ এর পর প থাকলে ত স্থানে ম বা প এর প্রভাবে পরিবর্তন ঘটে। উদাহরণ ২: সৎ+জন = সজন ব্যাখ্যা: এটিও ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ যা ত বর্গের সাথে জ এর মিলনে সাধিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্যুঃ+লোক — এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত হতে পারত, কিন্তু দ্যুলোক শব্দ গঠনে বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) দুই+ লোক — এখানে দুই শব্দের সাথে লোক যুক্ত হয়ে কোনো অর্থপূর্ণ বা ব্যাকরণসিদ্ধ সন্ধি গঠন করে না। সি) দ্বি+লোক — দ্বি শব্দটির সাথে লোক যুক্ত করলে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের কোনো নিয়ম অনুযায়ী দ্যুলোক শব্দ পাওয়া যায় না। D) দিব্+লোক — এটি সঠিক কারণ দিব শব্দের সাথে লোক যুক্ত হয়ে নিপাতনে সিদ্ধ নিয়মে দ্যুলোক শব্দ গঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো বিশেষ ব্যতিক্রম হিসেবে মুখস্থ রাখতে হয়। দ্যুলোক শব্দের শুরুতে দিব্ আছে এটি মনে রাখলে পরীক্ষা ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই এ জাতীয় শব্দগুলোর সঠিক বিচ্ছেদ বারবার চর্চা করা উচিত।
a অগ্রনায়ক
b রতন
c আপন
d অনুষ্ঠান
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগ্রনায়ক ১. কেন সঠিক: সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম প্রযোজ্য হয় না বা খাটে না। অগ্রনায়ক শব্দটিতে অগ্র এবং নায়ক দুটি পৃথক শব্দ মিলে সমাসবদ্ধ হয়েছে বলে এখানে ণ-ত্ব বিধান অনুসারে মূর্ধন্য ণ হয় নি, দন্ত ন হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ কিছু শব্দে বসে এবং ট-বর্গের পূর্বে মূর্ধন্য ণ হয়। তবে সমাসবদ্ধ বা যুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে দেশি ও বিদেশি শব্দের মতো তৎসম শব্দের সমাসবদ্ধ পদেও অনেক সময় ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম খাটে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্নাম ব্যাখ্যা: এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ এবং এখানে উপসর্গ ও শব্দের মিলনে গঠিত হওয়ায় দন্ত ন ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ত্রিনয়না ব্যাখ্যা: সমাসবদ্ধ শব্দ হওয়ার কারণে এখানেও ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম কার্যকর হয়নি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্রনায়ক — এটি সমাসবদ্ধ শব্দ হওয়ায় এখানে ণ-ত্ব বিধান খাটেনি এবং দন্ত ন বসেছে যা প্রশ্নের সঠিক চাহিদার সঙ্গে মিলেছে। B) রতন — এটি কোনো সমাসবদ্ধ শব্দ নয়, তাই এটি প্রশ্নোক্ত নিয়মের আলোচ্য বিষয় নয়। C) আপন — এটি স্বাধীন পদ বা শব্দ, সমাসবদ্ধ শব্দ নয়। D) অনুষ্ঠান — এটি উপসর্গযুক্ত শব্দ এবং ন-ত্ব বিধানের বিশেষ নিয়মে এখানে মূর্ধন্য ণ হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সমাসবদ্ধ শব্দ দেখলে মনে রাখবে সেখানে সাধারণত ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম খাটে না এবং দন্ত ন অপরিবর্তিত থাকে। শব্দটি ব্যাসবাক্য বা সমাসের মাধ্যমে গঠিত কি না তা যাচাই করে এই নিয়ম প্রয়োগ করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে যেখানে সমাসবদ্ধ শব্দ এবং সাধারণ শব্দের বানান আলাদা করা হয়। ণ-ত্ব বিধানের ব্যতিক্রম নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
a বৈষয়িক অধিকরণ
b ভাবাধিকরণ
c অভিব্যাপক অধিকরণ
d ঐকদেশিক অধিকরণ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঐকদেশিক অধিকরণ ১. কেন সঠিক: - ক্রিয়ার আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে এবং নির্দিষ্ট কোনো এক স্থানে বা নির্দিষ্ট বিন্দুতে ক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাকে ঐকদেশিক অধিকরণ বলে। - পুকুরের একটি নির্দিষ্ট অংশে মাছ আছে বোঝানো হয়েছে, তাই এটি সমগ্র পুকুর জুড়ে না থেকে নির্দিষ্ট একটি স্থানে অবস্থান করা নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যা দ্বারা ক্রিয়ার আধার বোঝায় তাকে অধিকরণ কারক বলা হয় এবং স্থান বা পাত্রের ভিত্তিতে অধিকরণ চার প্রকার। - নির্দিষ্ট কোনো এক স্থানে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক অধিকরণ কারক বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ আছে। ব্যাখ্যা: বনে বলতে বনের নির্দিষ্ট কোনো অংশে বাঘ আছে বোঝানো হয়েছে, যা ঐকদেশিক অধিকরণের উদাহরণ। উদাহরণ ২: আকাশে চাঁদ উঠেছে। ব্যাখ্যা: আকাশের একটি নির্দিষ্ট অংশে চাঁদ উঠেছে বোঝানো হয়েছে, যা ঐকদেশিক অধিকরণ কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৈষয়িক অধিকরণ — কোনো বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা বা বিষয়ে বিশেষ অর্থ বোঝালে বৈষয়িক অধিকরণ হয়, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়। B) ভাবাধিকরণ — কোনো ক্রিয়ার প্রভাবে অন্য ক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাকে ভাবাধিকরণ বলে, যা এখানে মাছ থাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) অভিব্যাপক অধিকরণ — কোনো বৃহৎ ক্ষেত্র জুড়ে বা সমগ্র ব্যাপ্তিময়তা বোঝালে অভিব্যাপক অধিকরণ হয়, কিন্তু পুকুরের নির্দিষ্ট অংশে মাছ আছে বোঝানো হয়েছে। D) ঐকদেশিক অধিকরণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ নির্দিষ্ট স্থানে ক্রিয়া সম্পাদনের ধারণা এখানে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্থান বা আধার যদি নির্দিষ্ট বা একদেশ বোঝায়, তবে তা ঐকদেশিক অধিকরণ কারক হবে। - সমগ্র ব্যাপ্তিময়তা বোঝালে অভিব্যাপক অধিকরণ হয়, এই পার্থক্যটি মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অধিকরণ কারকের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝে আধার বা স্থান নির্দিষ্ট না সমগ্র তা নির্ণয় করতে হবে।
a ধাতু প্রত্যয়
b শব্দ প্রত্যয়
c কৃৎপ্রত্যয়
d তদ্ধিতপ্রত্যয়
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃৎপ্রত্যয় ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাকে কৃৎপ্রত্যয় বলে। কৃৎপ্রত্যয় সাধিত পদকে কৃদন্ত পদ বলা হয় এবং এটি মূলত বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ গঠনে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার, যথা কৃৎপ্রত্যয় ও তদ্ধিতপ্রত্যয়। ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তা কৃৎপ্রত্যয় এবং শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তা তদ্ধিতপ্রত্যয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √চল + অন্ত = চলমান ব্যাখ্যা: এখানে চল হলো ধাতু এবং অন্ত হলো প্রত্যয়, যা মিলে কৃদন্ত পদ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: √পড় + আ = পড়া ব্যাখ্যা: এখানে পড় হলো ধাতু এবং আ হলো প্রত্যয়, যা কৃৎপ্রত্যয়ের মাধ্যমে সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধাতু প্রত্যয় — ব্যাকরণে ধাতু প্রত্যয় বলে কোনো স্বতন্ত্র বা প্রচলিত প্রত্যয়ের নাম নেই। B) শব্দ প্রত্যয় — শব্দ প্রত্যয় বলতে কোনো পরিভাষা ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয় না। D) তদ্ধিতপ্রত্যয় — তদ্ধিতপ্রত্যয় ধাতু বা ক্রিয়ামূলের পরে নয়, বরং নামশব্দ বা প্রাতিপদিকের পরে যুক্ত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্রিয়ার সাথে কৃৎপ্রত্যয় এবং শব্দের সাথে তদ্ধিতপ্রত্যয় যুক্ত হয়। এই সহজ নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষাকলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কৃৎপ্রত্যয় ও তদ্ধিতপ্রত্যয়ের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। ধাতু চিহ্নিত করতে পারলে কৃৎপ্রত্যয় নির্ণয় করা খুব সহজ হয়।
a আমাদের সেনারা "যুদ্ধে" অপরাজেয়
b একদা প্রভাতে ভানুর "প্রভাতে" ফুটিল কমল কলি
c "চন্দ্রোদয়ে" কুমুদিনি বিকশিত হয়
d "প্রভাতে" উঠিল রবি লোহিত বরণ
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) "চন্দ্রোদয়ে" কুমুদিনি বিকশিত হয় কেন সঠিক: - বাক্যে চন্দ্রোদয় একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ যা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করে। - এই পদে সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কোনো ক্রিয়ার ভাব বা কোনো কাজের সময় বোঝালে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি হয় এবং তাকে ভাবে সপ্তমী বলে। - এখানে সূর্যোদয় বা চন্দ্রোদয়ের মতো একটি ঘটনার ওপর অন্য ঘটনার সংঘটন নির্ভরশীল। - যেমন: সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আমাদের সেনারা যুদ্ধে অপরাজেয় — এটি স্থান বা বিষয়ে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। - B) একদা প্রভাতে ভানুর প্রভাতে ফুটিল কমল কলি — এটি কালবাচক অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। - D) প্রভাতে উঠিল রবি লোহিত বরণ — এটিও নির্দিষ্ট সময় বোঝানোর কারণে কালবাচক অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। মনে রাখার টিপস: - কোনো অসমাপিকা ক্রিয়া বা ভাববাচক বিশেষ্য পদ যখন অন্য কাজের শর্ত বা সময় বোঝায়, তখন তাকে ভাবে সপ্তমী বলে চিনে নেবে।
a প্রত্যুদ্গমন
b অগ্রগামী
c শুভ পদার্পণ
d স্বাগতম
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রত্যুদ্গমন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করা হয়েছে বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী। - কোনো বিশিষ্ট অতিথি বা বরেণ্য ব্যক্তিকে সামনে এগিয়ে গিয়ে সম্মান ও শিষ্টাচারসহ অভ্যর্থনা জানানোকে ব্যাকরণের ভাষায় প্রত্যুদ্গমন বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো ব্যাকরণের এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে সুন্দরভাবে প্রকাশ করা যায়। - প্রতি + উদ + গমন এই অংশের সংযোগ বা সন্ধি সাধনের মাধ্যমে প্রত্যুদ্গমন শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার মূল ভাব সামনে এগিয়ে যাওয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অরিকে দমন করে যে ব্যাখ্যা: এটি এককথায় প্রকাশের একটি সাধারণ নিয়ম যেখানে বড় বাক্যকে সংক্ষেপ করা হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো শোনা যায়নি ব্যাখ্যা: এটিকে এককথায় পূর্বশ্রুতিহীন বলা হয়, যা বাক্যের ভাবকে সুন্দরভাবে প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যুদ্গমন — এটি সঠিক উত্তর। B) অগ্রগামী — এর অর্থ হলো যে সামনে এগিয়ে চলে, কিন্তু এটি অভ্যর্থনা জানানোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) শুভ পদার্পণ — এটি একটি সাধারণ অভ্যর্থনাবাচক বাক্য বা শুভেচ্ছা, নির্দিষ্ট কোনো এককথায় প্রকাশ নয়। D) স্বাগতম — এর অর্থ কাউকে আমন্ত্রণ জানানো, তবে এটি সামনে এগিয়ে যাওয়ার বিশেষ অবস্থাকে নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - অভ্যর্থনা শব্দটির সঙ্গে গমন শব্দটি মিলিয়ে প্রত্যুদ্গমন শব্দটি মনে রাখতে পারো। - সামনে এগিয়ে যাওয়া বোঝাতে উৎ বা উদ্ উপসর্গযুক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - সন্ধি সাধিত এককথায় প্রকাশগুলোর ক্ষেত্রে মূল শব্দের অর্থ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a বাংলা
b পর্তুগিজ
c ফারসি
d হিন্দি
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - পেয়ারা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি আমাদের প্রাত্যহিক ব্যবহৃত একটি বিদেশি শব্দ। - ঐতিহাসিক যোগাযোগের কারণে পর্তুগিজ ভাষা থেকে বহু শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে প্রবেশ করেছে, পেয়ারা তার মধ্যে অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যার মধ্যে বিদেশি শব্দ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - পর্তুগিজ ভাষার বহু শব্দ বাংলা ভাষায় মিশে গেছে যা মূলত বাণিজ্য ও ঔপনিবেশিক প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনারস ব্যাখ্যা: এটিও একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় খাদ্য ও ফলবাচক বিদেশি শব্দের একটি অন্যতম প্রধান উদাহরণ। উদাহরণ ২: চাবি ব্যাখ্যা: দৈনন্দিন ব্যবহৃত এই বস্তুকবাচক শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং প্রমিত রূপে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা — পেয়ারা কোনো মৌলিক বাংলা শব্দ নয় কারণ এটি অন্য ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। B) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি পেয়ারা শব্দের প্রকৃত উৎস নির্দেশ করে। C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ আসলেও পেয়ারা ফারসি শব্দ নয়। D) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলায় প্রবেশ করলেও পেয়ারা হিন্দি শব্দ হিসেবে স্বীকৃত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো খাদ্যদ্রব্য ও দৈনন্দিন ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট ফল ও উপকরণের নাম আলাদা করা। - আনারস, পেয়ara, এবং চাবি—এই শব্দগুলো খেয়াল রাখলেই পর্তুগিজ শব্দের তালিকা সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি-ফারসি শব্দ নিয়ে। - পেয়ারা এবং আনারসের মতো ফলবাচক শব্দগুলোর উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
a অর্থের কুপ্রভাব
b অপচয়
c ক্ষনস্থায়ী বস্তু
d কৃপণের কড়ী
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অর্থের কুপ্রভাব ১. কেন সঠিক: - তামার বিষ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ তামা ধাতুর বিষক্রিয়া নয়, বরং এর প্রতীকী অর্থ হলো অর্থের কুপ্রভাব বা টাকার অহংকার। - সমাজে অনেক সময় অতিরিক্ত অর্থ মানুষের নৈতিক পতন ঘটায় এবং ভালো মানুষকেও নষ্ট করে ফেলে, যা এই বাগধারা দ্বারা বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা, যা বিশেষ বিশেষ শব্দগুচ্ছের মাধ্যমে সাধারণ অর্থের বাইরে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে। - বাগধারা ভাষা ও ভাবকে সংহত, সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলে এবং এর মাধ্যমে সমাজের নানা বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইদুরের কপালে ৬ মাস ধরে টাকা জমানোর পর অবশেষে তার মাথায় তামার বিষ চেপে বসল এবং সে সবাইকে অবহেলা করতে শুরু করল। ব্যাখ্যা: এখানে প্রচুর টাকা পাওয়ার পর মানুষের আচরণে যে পরিবর্তন ও অহংকার আসে, তা বোঝাতে তামার বিষ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নতুন লটারির টাকা হাতে পাওয়ার পর থেকেই ছেলেটির মধ্যে তামার বিষ কাজ করছে, সে এখন পুরনো বন্ধুদের আর চেনেই না। ব্যাখ্যা: হঠাৎ করে প্রচুর অর্থ পাওয়ার ফলে মানুষের নৈতিকতা ও বিনয় নষ্ট হয়ে যাওয়ার অবস্থাকে এখানে নির্দেশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থের কুপ্রভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ তামার বিষ বাগধারাটি ঠিক এই অর্থেই বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। B) অপচয় — এই অপশনটি ভুল কারণ অপচয় অর্থ নষ্ট করা বা অমিতব্যয়ী হওয়া, যা তামার বিষ বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) ক্ষনস্থায়ী বস্তু — এই অপশনটি ভুল কারণ ক্ষণস্থায়ী বস্তু বলতে যা বেশিদিন টিকে থাকে না তাকে বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থ নয়। D) কৃপণের কড়ী — এই অপশনটি ভুল কারণ কৃপণের কড়ী অর্থ কৃপণ ব্যক্তির জমানো বা সযত্নে রক্ষিত অর্থ, যা আলোচ্য বাগধারার অর্থের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - তামা একটি ধাতু আর বিষ হলো খারাপ জিনিস, তাই মনে রাখবে অতিরিক্ত টাকা বা অর্থের কুপ্রভাবই হলো তামার বিষ। - টাকা মানুষের মাথা খারাপ করে দেয় এবং তাকে অহংকারী করে তোলে, এই কথাটি মনে রাখলেই উত্তরটি সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্থের কুপ্রভাব অর্থে সবচেয়ে বেশি যে বাগধারাটি আসে তা হলো তামার বিষ। - এই ধরনের অর্থবোধক বাগধারাগুলোর আক্ষরিক অর্থ না ধরে সবসময় রূপক বা ভাবার্থ বিবেচনা করতে হবে।
a কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন
b ঘুঘু দেখেছ ফাঁদ দেখনি
c অসারের তর্জন-গর্জন সার
d আসলে মুষল নেই, ঢেঁকি ঘরে চাঁদোয়া
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অসারের তর্জন-গর্জন সার ১. কেন সঠিক: - এই প্রবাদটির মূল অর্থ হলো অযোগ্য বা গুণহীন ব্যক্তির ফাঁকা আওয়াজ বা বড়াই কাজের বেলায় কোনো উপকারে আসে না। - প্রশ্নটিতে থাকা গুণহীন ব্যক্তির ব্যর্থ আস্ফালন কথাটির সঙ্গে এই প্রবাদের ভাবার্থ পুরোপুরি মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রবাদ-প্রবচন হলো লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ যা যুগ যুগ ধরে মানুষের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধিকে সংক্ষেপে প্রকাশ করে আসছে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় গভীর অর্থ ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘ দেখে করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে ব্যাখ্যা: আপাতদৃষ্টিতে বিপদ বা কঠিন সময় মনে হলেও এর পেছনে ভালো কিছু অপেক্ষা করছে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: গর্ভে যার নাই রে বিষ, সেও কাটে ফণা ব্যাখ্যা: অযোগ্য বা ক্ষমতাহীন ব্যক্তিও যখন বড়াই বা ক্ষমতা দেখানোর চেষ্টা করে তখন এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন — এই প্রবাদটির অর্থ বিপরীতার্থক বা অসম্ভব নাম রাখা। B) ঘুঘু দেখেছ ফাঁদ দেখনি — এই প্রবাদটির অর্থ বিপদ বা চালাকি সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা না থাকা। C) অসারের তর্জন-গর্জন সার — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ গুণহীনের ব্যর্থ আস্ফালন। D) আসলে মুষল নেই, ঢেঁকি ঘরে চাঁদোয়া — এই প্রবাদটির অর্থ মূল জিনিস বা গুরুত্বহীন জায়গায় আড়ম্বর করা। ৫. মনে রাখার টিপস: - অসার বা গুণহীন শব্দ দেখলে তর্জন-গর্জন সার প্রবাদটি নির্বাচন করবে। - ফাঁকা আওয়াজ আর কাজের কাজ কিছু না হওয়া মানেই অসারের তর্জন-গর্জন সার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্নিহিত অর্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রবাদের ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ধরে এর ভাবার্থ বা রূপক অর্থ বুঝতে হবে।
a He was seen by me play.
b Play was seen him by me.
c He was seen playing by me.
d He was seen to play by me.
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He was seen to play by me. কেন সঠিক: Active voice এ see verb এর পর bare infinitive থাকলে passive করার সময় to যুক্ত করতে হয়। তাই play এর আগে to বসে সঠিক গঠন তৈরি হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He was seen by me play. — এখানে play এর আগে প্রয়োজনীয় to ব্যবহার করা হয়নি যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Play was seen him by me. — এখানে বাক্যের অর্থ এবং সাবজেক্ট অবজেক্টের স্থান পরিবর্তন ভুলভাবে করা হয়েছে। C) He was seen playing by me. — এখানে bare infinitive কে gerund করা হয়েছে যা এই বাক্যের নির্দিষ্ট নিয়মের সাথে মিলে না। D) He was seen to play by me. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Active voice এ see, watch, hear ইত্যাদির পর bare infinitive থাকলে passive করার সময় তার পূর্বে to বসাতে হয়।
a Distribute
b Export
c Import
d Smuggle
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Smuggle কেন সঠিক: Boot leg একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ অবৈধভাবে পণ্য আনা বা পাচার করা। অপশনের মধ্যে Smuggle শব্দের অর্থ চোরাচালান করা বা পাচার করা, যা এর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। আইনবহির্ভূতভাবে কিছু বহন করা বোঝাতেই এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Distribute — এর অর্থ বিতরণ করা, যা অবৈধ পাচারের সমার্থক নয়। B) Export — এর অর্থ রপ্তানি করা, যা বৈধ বা অবৈধ উভয় বাণিজ্য হতে পারে। C) Import — এর অর্থ আমদানি করা, যা সাধারণত বৈধ প্রক্রিয়া বোঝায়। D) Smuggle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: জুতার বুটের ভেতরে লুকিয়ে জিনিসপত্র পাচার করা হতো বলে বুটলেগ শব্দের অর্থ চোরাচালান বা পাচার করা হয়।
a Playing
b Was playing
c Played
d Were playing
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Was playing কেন সঠিক: বাকიটির প্রথমাংশ While দ্বারা শুরু হয়েছে এবং পরের অংশে Past Indefinite Tense (saw) রয়েছে। তাই নিয়মানুযায়ী While এর পরের অংশটি Past Continuous Tense হবে। Subject (I) singular হওয়ায় এখানে auxiliary verb হিসেবে was বসবে। মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে playing হবে। গঠন প্রণালীটি ছিল: While + subject + was/were + verb (ing) + object. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Playing — Auxiliary verb ছাড়া সরাসরি ing যুক্ত verb বসলে তা Past Continuous Tense এর নিয়ম পূরণ করে না। B) Was playing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Played — এটি Past Indefinite Tense, যা While যুক্ত বাক্যের চলমান কাজের নিয়মের সাথে মেলে না। D) Were playing — Subject (I) singular হওয়ায় এখানে plural verb 'were' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: While এর পরে সাধারণত Past Continuous Tense বসে এবং পরের cluase টি Past Indefinite Tense হয়।
a Would have failed
b Would fail
c Will fail
d Will have failed
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Would have failed কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে But for থাকলে এটি তৃতীয় Conditional বা অতীতকালের অসম্ভব শর্ত বোঝায়। এর মূল clause-এ subject-এর পরে would have, could have বা might have বসে এবং মূল verb-এর past participle রূপ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Would have failed — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Would fail — এটি দ্বিতীয় Conditional-এর নিয়ম অনুসরণ করে, যা অতীতকালের অর্থের সাথে মেলে না। C) Will fail — এটি প্রথম Conditional-এর গঠন, যা অতীতকালের অর্থ প্রকাশের জন্য সঠিক নয়। D) Will have failed — এটি ভবিষ্যৎকালের সম্ভাবনা নির্দেশ করে, যা এই অতীতকালের বাক্যে বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে But for থাকলে পরের অংশে always would have + verb-এর past participle বসবে।
a He had been hanged for murder.
b He has been hanged for murder.
c He was hanged for murder.
d He was hunged for murder.
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He was hanged for murder. কেন সঠিক: অপশন সি সঠিক কারণ এটি অতীতের একটি নির্দিষ্ট ঘটনার ক্ষেত্রে সঠিক কাল বা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করেছে। তাছাড়া এখানে ফাঁসি দেওয়া অর্থে hang verb এর সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম hanged ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He had been hanged for murder. — এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই কারণ ঘটনাটি অতীতকালের সাধারণ ঘটনা। B) He has been hanged for murder. — এখানে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা অতীতের নির্দিষ্ট ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) He was hanged for murder. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়। D) He was hunged for murder. — এখানে hang verb এর ভুল পাস্ট ফর্ম hunged ব্যবহার করা হয়েছে, যার সঠিক রূপ হলো hanged। মনে রাখার টিপস: মৃত্যুদণ্ড বা ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে hang verb এর পাস্ট ফর্ম সবসময় hanged হবে, ঝুলিয়ে রাখা অর্থে hung ব্যবহার করা হয়।
a I went there and seeked a job.
b I went there so that I could seek a job.
c I went there for seeking a job.
d I went there and sought a job.
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I went there and sought a job. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি কাজ বোঝানো হয়েছে এবং Compound sentence করতে হলে coordination clause আনতে হয়। and conjunction ব্যবহার করে দুটি স্বাধীন clause যুক্ত করায় এটি সঠিক Compound sentence হয়েছে। মূল verb seek এর past form sought ব্যবহার করা হয়েছে কারণ বাক্যটি অতীত কালের। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I went there and seeked a job. — seek verb এর past form seeked হয় না, সঠিক রূপ sought হবে। B) I went there so that I could seek a job. — এটি একটি Complex sentence, তাই এটি Compound নয়। C) I went there for seeking a job. — এটি একটি Simple sentence এবং preposition এর পর gerund ব্যবহার করা হয়েছে। D) সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Simple sentence এর উদ্দেশ্য বোঝাতে infinitive থাকলে Compound করার সময় and ব্যবহার করে দুটি স্বাধীন clause লিখতে হয় এবং tense অনুযায়ী verb এর সঠিক রূপ বসাতে হয়।
a Bear out
b Bear on
c Bear to
d Bear of
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Bear out কেন সঠিক: 'Bear out' একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ সমর্থন করা বা সত্য প্রমাণ করা। এটি 'confirm' বা নিশ্চিত করার সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বাক্যের অর্থ ঠিক রাখতে এর বিকল্প হিসেবে এটি বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bear out — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Bear on — এর অর্থ কোনো কিছুর সাথে সম্পর্কিত হওয়া বা প্রাসঙ্গিক হওয়া। C) Bear to — এমন কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব সাধারণত ইংরেজিতে ব্যবহৃত হয় না। D) Bear of — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এর নির্দিষ্ট কোনো অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু সমর্থন বা নিশ্চিত করতে 'Bear out' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়।
a Take away unlawfully
b Kidnap
c Restore
d None of them
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Restore কেন সঠিক: Abduct শব্দের অর্থ কাউকে বলপূর্বক অপহরণ করা বা জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এমন সঠিক শব্দ হলো রিস্টোর যার অর্থ ফিরিয়ে দেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Take away unlawfully — এটি আবডাক্ট শব্দের সমার্থক অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। B) Kidnap — এটি আবডাক্ট শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) None of them — যেহেতু সি নম্বর অপশনটি সঠিক তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: আবডাক্ট মানে ছিনিয়ে নেওয়া আর রিস্টোর মানে ফিরিয়ে দেওয়া।
a Have
b Are
c Has
d Was
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Was কেন সঠিক: বাক্যের মূল Subject বা কর্তা হলো The father, যা singular বা একবচন। with his seven daughters অংশটি Prepositional phrase হওয়ায় Verb-কে প্রভাবিত করতে পারে না। বাক্যটি Past tense-এর Passive voice বা সাধারণ Past tense-এর বর্ণনা বোঝাচ্ছে। singular কর্তা হওয়ায় এখানে singular verb হিসেবে Was বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Have — এটি Plural verb, তাই Singular subject-এর সাথে বসে না। B) Are — এটি Plural verb, তাই Singular subject-এর সাথে এটিও ভুল। C) Has — এটি Present tense-এর verb, কিন্তু বাক্যটির প্রেক্ষাপটে Past tense প্রয়োজন। D) Was — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Along with, together with বা with দ্বারা কোনো Subject যুক্ত থাকলে প্রথম Subject অনুসারেই Verb নির্ধারিত হয়।
a Of
b For
c To
d In
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) For কেন সঠিক: - 'Taste for' একটি সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ বা গ্রুপ প্রিপোজিশন, যার অর্থ কোনো কিছুর প্রতি অনুরাগ বা রুচি। - শূন্যস্থানের আগে 'taste' শব্দটি থাকায় এর পরে সঠিক প্রিপোজিশন হিসেবে 'for' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Of — 'Taste of' সাধারণত কোনো কিছুর আস্বাদন বা চেখে দেখার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কোনো বিষয়ের প্রতি অনুরাগ বোঝাতে নয়। B) For — এটি সঠিক কারণ 'taste for' ফ্রেজটি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের প্রতি রুচি বা আগ্রহ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। C) To — 'Taste to' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এই বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে এটি ব্যবহার করা যায় না। D) In — 'Taste in' ফ্যাশন বা শৈলীর ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যবহৃত হলেও এখানে সংগীতের প্রতি অনুরাগ বোঝাতে 'for' ই সঠিক। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ের প্রতি রুচি বা অনুরাগ বোঝাতে সর্বদা 'taste' শব্দের পরে প্রিপোজিশন 'for' বসে।
a The authority criticised him.
b The authority took him to task.
c The authority took him to book.
d The authority gave reins to him.
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The authority took him to task. কেন সঠিক: - 'Take to task' একটি প্রচলিত ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা, যার অর্থ কাউকে তিরস্কার করা বা ভর্ৎসনা করা। - বাক্যের অর্থ অনুযায়ী কর্তপক্ষের তাকে তিরস্কার করার ভাব প্রকাশ করতে এই ইডিওমটি সঠিক ও নিখুঁতভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The authority criticised him. — 'Criticise' সাধারণ অর্থে সমালোচনা করা বোঝায়, কিন্তু সরাসরি তিরস্কার করা বা ভর্ৎসনা করার জন্য 'take to task' ইডিওমটি বেশি উপযুক্ত। B) The authority took him to task. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল বা অপ্রযোজ্য বলার কিছু নেই। C) The authority took him to book. — ইংরেজিতে 'take to task' সঠিক ইডিওম, কিন্তু 'take to book' বলে কোনো মানসম্মত বা প্রচলিত বাগধারা নেই। D) The authority gave reins to him. — 'Give reins to' একটি ইডিওম যার অর্থ কাউকে অবাধ স্বাধীনতা দেওয়া, যা এখানে তিরস্কার করার অর্থের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: কাজের জন্য (Task) বকাঝকা বা তিরস্কার করা হলো, এভাবে মনে রাখলে 'take to task' (তিরস্কার করা) সহজে মনে থাকবে।
a He lived a hut close with river.
b He lived in a hut close at the river.
c He lived in a hut close to the river.
d He lived in a hut close by the river.
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He lived in a hut close to the river. কেন সঠিক: কুটিরে বাস করা অর্থে 'lived in a hut' ব্যবহার করা সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম। নদীর কাছাকাছি বোঝাতে 'close to' preposition সঠিক ও সুন্দরভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He lived a hut close with river. — এখানে hut এর আগে উপযুক্ত preposition নেই এবং close এর সাথে with ব্যবহার ভুল। B) He lived in a hut close at the river. — নদীর কাছাকাছি অর্থে close এর সাথে at preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) He lived in a hut close by the river. — যদিও অর্থ কিছুটা মিলে যায়, তবে নির্দিষ্ট কাঠামোর দিক থেকে close to হলো সবচেয়ে নিখুঁত ও প্রমিত ব্যবহার। মনে রাখার টিপস: কাছাকাছি বা নিকটে বোঝাতে সাধারণত close এর পরে to preposition ব্যবহার করতে হয়।
a Omnious
b Extencion
c Hesitasion
d Mischievous
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Mischievous কেন সঠিক: শব্দটিতে বানানগত নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। এর অর্থ হলো ক্ষতিকর বা দুষ্টু প্রকৃতির। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Omnious — সঠিক বানান হবে Ominous যার অর্থ অশুভ। B) Extencion — সঠিক বানান হবে Extension যার অর্থ সম্প্রসারণ। C) Hesitasion — সঠিক বানান হবে Hesitation যার অর্থ দ্বিধা। D) Mischievous — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান এবং এর অর্থ দুষ্টু। মনে রাখার টিপস: Mischievous বানানটি মনে রাখতে শেষে ous অংশটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a Animated
b Dull
c Heavy
d Slow
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Animated কেন সঠিক: 'Sluggish' শব্দটির অর্থ হলো অলস, মন্থর বা নিষ্ক্রিয়। এর বিপরীত শব্দ হলো প্রাণবন্ত বা উৎসাহী। 'Animated' শব্দটির অর্থ প্রাণবন্ত বা জীবন্ত। তাই এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Animated — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ প্রাণবন্ত। B) Dull — এটি sluggish শব্দের সমার্থক যার অর্থ নিস্তেজ। C) Heavy — এটি ওজনে ভারী বোঝায় যা সঠিক বিপরীত নয়। D) Slow — এটি sluggish শব্দের সমার্থক যার অর্থ ধীরগতির। মনে রাখার টিপস: Sluggish মানে অলস আর Animated মানে প্রাণবন্ত, ঠিক যেন কার্টুন অ্যানিমেশনের মতো জীবন্ত।
a He did not try a little.
b He did not stay unmoved.
c He left no stone unturned.
d He did not turn all stones.
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He left no stone unturned. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে 'tried his best' অর্থ যথাসাধ্য চেষ্টা করা বুঝিয়েছে। 'He left no stone unturned' একটি প্রবাদতুল্য বাক্য যার অর্থ সব ধরনের চেষ্টা করা। তাই অর্থের দিক থেকে এটি মূল বাক্যটির সঠিক নেতিবাচক রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He did not try a little — এটি আক্ষরিক অনুবাদ এবং এর অর্থ সে অল্প চেষ্টা করেনি, যা মূল বাক্যের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না। B) He did not stay unmoved — এই অপশনের অর্থ সে বিচলিত না হয়ে থাকেনি, যা মূল বাক্যের অর্থ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। C) C) He left no stone unturned — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) He did not turn all stones — এটি একটি ভুল অনুবাদ কারণ প্রবাদ বাক্যের সঠিক রূপ এখানে ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: 'Try one's best' এর নেতিবাচক রূপ করতে প্রায়ই 'leave no stone unturned' এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়।
a help
b helped
c helping
d to help
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) helping কেন সঠিক: বাক্যে used to এর আগে be verb (was) থাকলে তার পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। এখানে নিয়ম অনুযায়ী helping সঠিক উত্তর হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) help — be verb এর পরে সরাসরি base form বসে না। B) helped — এখানে past tense এর verb ব্যবহার করা নিয়ম বহির্ভূত। C) helping — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়মের সাথে মিলে যায়। D) to help — was used to এর পরে infinitive বসে না। মনে রাখার টিপস: subject এর পরে be verb এবং used টু থাকলে ভার্বের সাথে ing যোগ করবে।
a briefly
b brevity
c brieve
d but
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) brevity কেন সঠিক: brevity শব্দটি একটি নাউন যার অর্থ সংক্ষিপ্ততা। brief শব্দটির সাথে ty যুক্ত হয়ে এটি নাউনে রূপান্তরিত হয়েছে। এটি বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) briefly - এটি একটি অ্যাডভার্ব কারণ এর শেষে ly যুক্ত আছে। B) brevity - এটি সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল নয়। C) brieve - এটি ইংরেজি শব্দভাণ্ডারে সঠিক কোনো শব্দ নয়। D) but - এটি একটি কনজাংশন বা প্রিপজিশন, নাউন নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শেষে ty বা ness থাকলে সাধারণত সেটি নাউন হয়।
a changed
b change
c had changed
d should changed
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) changed কেন সঠিক: - It is high time বা It is time-এর পর Subject থাকলে Verb-এর Past Indefinite Tense হয়। - এখানে we হলো Subject, তাই পরের Verb-টি Past Form (changed) হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) changed — এটি সঠিক কারণ It is high time-এর পর Verb-এর Past Form বসে। B) change — এটি Present Form, যা It is high time-এর নিয়মের সঙ্গে মেলে না। C) had changed — এটি Past Perfect Tense, যা এই কাঠামোর জন্য প্রয়োজন নেই। D) should changed — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ should-এর পর Verb-এর Base Form বসে। মনে রাখার টিপস: It is high time-এর পর Subject থাকলে Verb-এর পাস্ট ফর্ম (Past Form) হয়।
a of
b by
c in
d from
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) from কেন সঠিক: - কোনো উপাদান থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন বস্তু তৈরি হলে এবং মূল উপাদানটি আর চেনা না গেলে preposition হিসেবে from বসে। - দুধ থেকে দই তৈরি হলে দুধের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে এবং দই থেকে সহজে আর দুধ ফেরত পাওয়া যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — উপাদান অপরিবর্তিত থাকলে এবং মূল বস্তু চেনা গেলে ব্যবহৃত হয়, যেমন চেয়ার কাঠের তৈরি। B) by — সাধারণত কর্তা বা passive voice-এ মাধ্যম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। setC) in — স্থান, ক্ষেত্র বা ভাষার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, উপাদানের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নয়। D) from — সঠিক উত্তর, কারণ এখানে উপাদানের স্থায়ী রূপান্তর ঘটে। মনে রাখার টিপস: রূপ পরিবর্তন হয়ে নতুন বস্তু তৈরি হলে from বসে, আর রূপ অপরিবর্তিত থাকলে of বসে।
a was
b were
c had been
d have been
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: বাক্যে দি হেডমাস্টার এবং দি প্রেসিডেন্ট অফ দ্য স্কুল দ্বারা দুজন ভিন্ন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে। তাদের মাঝে অ্যান্ড কনজাংশন থাকার কারণে সাবজেক্টটি প্লুরাল বা বহুবচন হয়েছে। তাই এখানে সঠিক verb হিসেবে were ব্যবহার করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি singular verb হওয়ায় plural সাবজেক্টের সাথে বসে না। B) were — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে প্রযোজ্য। C) had been — এটি past perfect tense নির্দেশ করে যা সময়ের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) have been — এটি present perfect tense হওয়ায় অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: Article দি যদি একাধিক Subject-এর পূর্বে আলাদাভাবে থাকে, তবে verb সবসময় Plural হয়।
a is
b was
c had been
d were
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: এটি একটি কাল্পনিক বা অবাস্তব শর্তের বাক্য (Unreal Conditional)। তাই সাবজেক্ট singular হওয়া সত্ত্বেও এখানে were বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি বর্তমানকালের সাধারণ সত্য বোঝায় কিন্তু বাক্যের পরের অংশে would have done থাকায় এটি ভুল। B) was — সাধারণ নিয়মে singular subject এর পরে was বসে তবে অবাস্তব শর্তে এর ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) had been — এটি অতীতের পূর্ণাঙ্গ ঘটনা বোঝায় কিন্তু এখানে অতীতকালের অসম্ভব কল্পনা প্রকাশ করা হয়েছে। D) were — এটি কাল্পনিক বাক্যের শর্ত পূরণ করে এবং সাবজেক্ট যাই হোক না কেন were ই সঠিক নিয়ম অনুযায়ী বসে। মনে রাখার টিপস: অবাস্তব বা কাল্পনিক ইচ্ছার বাক্যে (Subjunctive Mood) সাবজেক্টের পর সবসময় were বসে।
a tenfold
b peaceful
c blessed
d malignant
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) malignant কেন সঠিক: Benign শব্দটির অর্থ হলো অমায়িক, সোম্য বা ক্ষতিকর নয় এমন। এর বিপরীতার্থক বা antonym হলো malignant যার অর্থ মারাত্মক বা ক্ষতিকর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) tenfold — এটি পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যার অর্থ দশগুণ। এটি benign শব্দের বিপরীতার্থক নয়। B) peaceful — এর অর্থ শান্ত বা শান্তিপূর্ণ। এটি benign শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, বিপরীত নয়। C) blessed — এর অর্থ পবিত্র বা আশীর্বাদপুষ্ট। এটি benign শব্দের সমার্থক হতে পারে, বিপরীত নয়। D) malignant — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ক্ষতিকর বা মারাত্মক, যা benign শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Benign শব্দটির শুরু B দিয়ে এবং এর অর্থ ভালো বা ক্ষতিকর নয়, অন্যদিকে Malignant শব্দটির শুরু M দিয়ে এবং এর অর্থ খারাপ বা মারাত্মক।
a put on
b put to
c put off
d put left
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) put off কেন সঠিক: - 'Put off' একটি ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ স্থগিত করা বা কোনো কাজ পরে করার জন্য জমিয়ে রাখা। - বাক্যের অর্থ অনুযায়ী আজকের কাজটি কালকের জন্য স্থগিত করতে নিষেধ করা হয়েছে, তাই এখানে 'put off' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) put on — এর অর্থ পরিধান করা বা গায়ে দেওয়া, যা এখানে অর্থসংগত নয়। B) put to — এর অর্থ কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা বা নিবদ্ধ করা, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না। C) put off — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য। D) put left — এটি ইংরেজিতে কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব বা সঠিক ইংরেজি প্রয়োগ নয়। মনে রাখার টিপস: আজকের কাজ আগামীকালের জন্য ফেলে না রেখে 'put off' (স্থগিত) করা থেকে বিরত থাকার প্রবাদমূলক অর্থ মনে রাখতে হবে।
a Noun
b Verb
c Adjective
d Adverb
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Noun কেন সঠিক: এখানে tale শব্দটি একটি গল্পের নাম বা বস্তু হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। Articles (a) এর ঠিক পরে এবং preposition (about) এর আগে বসেছে। এটি বাক্যে অবজেক্ট হিসেবে কাজ করেছে। সব মিলিয়ে এটি একটি Noun. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) Verb — এই শব্দটির কোনো কাজের প্রকাশ বোঝায় না তাই এটি ভার্ব নয়। C) Adjective — এটি কোনো noun বা pronoun কে বিশেষিত করছে না। D) Adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb কে পরিবর্তন করে না। মনে রাখার টিপস: Article যেমন a, an, the এর পরে যে শব্দটি থাকে সাধারণত সেটি noun হয়।
a In case of your failure to move,you will die.
b You move, you will die.
c If you move, you will die.
d Move and die.
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) In case of your failure to move,you will die. কেন সঠিক: প্রশ্নসূচক Imperative Sentence-এ Or থাকলে তাকে Simple Sentence-এ রূপান্তর করার সময় In case of + Possessive case + Gerund ব্যবহার করতে হয়। এখানে প্রদত্ত বাক্যের অর্থ ঠিক রেখে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করায় অপশন এ সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) In case of your failure to move,you will die. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) You move, you will die. — এটি কোনো সঠিক গ্রামাটিক্যাল নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়নি এবং এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ বাক্য। C) If you move, you will die. — Conjunction যুক্ত থাকায় এই বাক্যটি একটি Complex Sentence, যা প্রশ্ন অনুযায়ী Simple নয়। D) Move and die. — And যুক্ত থাকায় এটি একটি Compound Sentence এবং এর অর্থ সম্পূর্ণ বিপরীত হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: Imperative বাক্যে Or থাকলে Simple করার সময় In case of your failure to লিখে মূল ভার্বের সাথে ing যোগ করতে হয়।
a a<b
b a>b
c a=b
d a not = b
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a=b প্রদত্ত তথ্য: প্রথম শর্ত হলো a<=b দ্বিতীয় শর্ত হলো b<=a ধরি, a সংখ্যাটি b এর চেয়ে ছোট বা সমান b সংখ্যাটি a এর চেয়ে ছোট বা সমান অতএব, প্রথম শর্ত অনুযায়ী a এর মান b এর সমান অথবা কম হতে পারে দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী b এর মান a এর সমান অথবা কম হতে পারে সুতরাং, দুটি শর্ত একসাথে সত্য হওয়ার কেবল একটাই উপায় আছে যখন মান দুটি সমান হয় উত্তর: a=b
a x-1
b x-2
c x-3
d x-4
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x-4 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো xএর কিউব − ৬ গুণ xএর বর্গ + ১১ গুণ x − ৬ বিকল্প অপশনগুলোতে চারটি উৎপাদক দেওয়া আছে ধরি, বহুপদী রাশিটিকে fx ধরা যাক উৎপাদক শূন্য হলে fx এর মান শূন্য হবে অতএব, x − ১ হলে x এর মান ১ বসিয়ে পাই ১ − ৬ + ১১ − ৬ = ০ x − ২ হলে x এর মান ২ বসিয়ে পাই ৮ − ২৪ + ২২ − ৬ = ০ সুতরাং, x − ৩ হলে x এর মান ৩ বসিয়ে পাই ২৭ − ৫৪ + ৩৩ − ৬ = ০ x − ৪ হলে x এর মান ৪ বসিয়ে পাই ৬৪ − ৯৬ + ৪৪ − ৬ = ২ উত্তর: x − ৪
a x>0 এবং x not equal 1
b x>=0 এবং x not equla 1
c x>0 অথবা x not equal 1
d x>=0 অথবা x not equla 1
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x>0 এবং x not equal 1 প্রদত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো lnx ভাগ (x − ১) ধরি, লগারিদম সংজ্ঞায়িত হওয়ার জন্য ভেরিয়েবল শূন্যের চেয়ে বড় হতে হবে হরের মান শূন্য হতে পারবে না কারণ হরে শূন্য থাকলে ভগ্নাংশটি অসংজ্ঞায়িত হয় অতএব, লগারিদমের শর্তানুযায়ী প্রথম শর্ত হলো x>0 হরের শর্তানুযায়ী দ্বিতীয় শর্ত হলো x − ১ not equal 0 বা x not equal 1 সুতরাং, এই দুটি শর্ত একসঙ্গে প্রযোজ্য হতে হবে উত্তর: x>0 এবং x not equal 1
a 4
b 9
c 12
d 16
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হলো ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r অতএব, বৃত্তের নতুন ব্যাস = আদি ব্যাস + আদি ব্যাসের তিনগুণ বৃত্তের নতুন ব্যাসার্ধ = ৪ × r সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৪ × r) × (৪ × r) = ১৬ × π × r × r ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = (১৬ × π × r × r) ÷ (π × r × r) = ১৬ গুণ উত্তর: ১৬
a 10
b 15
c 20
d 25
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ৮০ এর প্রথম অংশ হলো ৭৫% এর দ্বিতীয় অংশ হলো ২৫% ধরি, নির্ণয় মান = ৮০ এর ৭৫% এর ২৫% অতএব, ৮০ এর ৭৫% = ৮০ × (৭৫ ÷ ১০০) = ৬০ সুতরাং, ৬০ এর ২৫% = ৬০ × (২৫ ÷ ১০০) = ১৫ উত্তর: ১৫
a 411
b 111
c 211
d 311
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩১১ প্রদত্ত তথ্য: ভাজকগুলো হলো ১২, ১৫, ২০ এবং ২৫ প্রতিক্ষেত্রে অবশিষ্ট থাকে ১১ ধরি, প্রথমে ১২, ১৫, ২০ এবং ২৫ এর লসাগু বের করতে হবে লসাগু বের করার জন্য সংখ্যাগুলোর মৌলিক উৎপাদক নিতে হবে অতএব, ১২, ১৫, ২০ এবং ২৫ এর লসাগু হবে ৩০০ নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে লসাগু এবং অবশিষ্টের যোগফল সুতরাং, সংখ্যাটি হবে ৩০০ + ১১ উত্তর: ৩১১
a 25%
b 40%
c 15%
d 20%
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫% প্রদত্ত তথ্য: কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা = ১২ মহিলার সংখ্যা = ৯ ধরি, পুরুষের সংখ্যা = মোট সদস্য − মহিলার সংখ্যা অতএব, পুরুষের সংখ্যা = ১২ − ৯ পুরুষের সংখ্যা = ৩ সুতরাং, পুরুষের শতকরা হার = (৩ ÷ ১২) × ১০০% উত্তর: ২৫%
a 90°
b 135°
c 175°
d 210°
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৩৫° প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত ১ : ২ : ২ : ৩ ধরি, কোণ চারটি যথাক্রমে ১ক, ২ক, ২ক এবং ৩ক অতএব, চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি = ৩৬০° কোণগুলোর যোগফল = ১ক + ২ক + ২ক + ৩ক = ৮ক সুতরাং, ৮ক = ৩৬০° ক = ৩৬০° ÷ ৮ = ৪৫° উত্তর: বৃহত্তম কোণ = ৩ × ৪৫° = ১৩৫°
a বর্গ
b আয়ত
c ট্রাপিজিয়াম
d রম্বস
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রম্বস প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তস্থ চতুর্ভুজ সংক্রান্ত জ্যামিতিক শর্ত চারটি ভিন্ন চতুর্ভুজের বৈশিষ্ট্য ধরি, চতুর্ভুজটি একটি বৃত্তের ভেতরে অবস্থিত বিপরীত কোণ দুটির সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি অতএব, বর্গ এবং আয়তের বিপরীত কোণগুলো সমান এবং সমকোণ রম্বসের বিপরীত কোণগুলো সমান হলেও তা সমকোণ নয় সুতরাং, রম্বসের ক্ষেত্রে বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণের শর্তটি পূরণ হয় না উত্তর: রম্বস
a 1.111.....
b 1.1010101....
c 1.1001001001...
d 1.1010010001....
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১.১০১০০১০০০১.... প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে বিভিন্ন দশমিক সংখ্যা দেওয়া আছে। সংখ্যাগুলোর মধ্যে কোনটি অমूलদ সংখ্যা তা নির্ণয় করতে হবে। বিশ্লেষণ: যেকোনো মূলদ সংখ্যার দশমিক বিস্তার হয় সসীম অথবা পনপুনিক (পৌণপুনিক)। অমূলদ সংখ্যার দশমিক বিস্তার অসীম এবং অনাবৃত্ত হয়। ধরি, A) ১.১১১..... সংখ্যাটি পনপুনিক বা মূলদ। B) ১.১০১০১০১.... সংখ্যাটি পনপুনিক বা মূলদ। C) ১.১০০১০০১০০১... সংখ্যাটি পনপুনিক বা মূলদ। অতএব, D) ১.১০১০০১০০০১.... সংখ্যাটিতে নির্দিষ্ট কোনো অঙ্ক বারবার ফিরে আসছে না। অর্থাৎ এর দশমিক বিস্তার অসীম এবং অনাবৃত্ত। সুতরাং, অমূলদ সংখ্যার সংজ্ঞা অনুযায়ী এটি একটি অমূলদ সংখ্যা। উত্তর: D) ১.১০১০০১০০০১....
a বর্গ
b রম্বস
c ট্রাপিজিয়াম
d আয়তক্ষেত্র
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আয়তক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল সামান্তরিকের একটি কোণ সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি ধরি, সামান্তরিকটি হলো এ বি সি ডি এর কোণ এ সমান নব্বই ডিগ্রি অতএব, সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলো সমান হওয়ায় কোণ সি সমান নব্বই ডিগ্রি সামান্তরিকের বাহুগুলোর সমষ্টির নিয়ম অনুযায়ী কোণ বি এবং কোণ ডি ও নব্বই ডিগ্রি হবে সুতরাং, যে সামান্তরিকের প্রতিটি কোণ সমকোণ, তাকে আয়তক্ষেত্র বলা হয় উত্তর: আয়তক্ষেত্র
a 15%
b 20%
c 21%
d 25%
0 154 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১% প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, p = a × b a ও b উভয়কে একত্রে ১০% বৃদ্ধি করা হলো ধরি, প্রাথমিক অবস্থায় a এর মান = ১০০ প্রাথমিক অবস্থায় b এর মান = ১০০ অতএব, প্রাথমিক অবস্থায় p এর মান = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ নতুন a এর মান = ১১০ নতুন b এর মান = ১১০ সুতরাং, নতুন p এর মান = ১১০ × ১১০ = ১২১০০ p এর মান বৃদ্ধি পায় = ১২১০০ − ১০০০০ = ২১০০ উত্তর: শতকরা বৃদ্ধি = (২১০০ ÷ ১০০০০) × ১০০% = ২১%
a 35.1
b 35.2
c 35.3
d 35.4
0 139 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৫.২ প্রদত্ত তথ্য: ৬টি কাঠির গড় দৈর্ঘ্য ৪৪.২ সেমি এদের ৫টির গড় দৈর্ঘ্য ৪৬ সেমি ধরি, ৬টি কাঠির মোট দৈর্ঘ্য = ৬ × ৪৪.২ সেমি ৫টি কাঠির মোট দৈর্ঘ্য = ৫ × ৪৬ সেমি অতএব, ৬টি কাঠির মোট দৈর্ঘ্য = ২৬৫.২ সেমি ৫টি কাঠির মোট দৈর্ঘ্য = ২৩০.০ সেমি সুতরাং, ৬ষ্ঠ কাঠিটির দৈর্ঘ্য = ২৬৫.২ সেমি − ২৩০.০ সেমি উত্তর: ৩৫.২ সেমি
a অন্তঃকেন্দ্র
b পরিকেন্দ্র
c লম্বকেন্দ্র
d ভরকেন্দ্র
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরিকেন্দ্র প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষবিন্দু দেওয়া আছে এই শীর্ষবিন্দুগুলো দিয়ে একটি বৃত্ত অঙ্কন করতে হবে ধরি, ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দু তিনটি হলো ক, খ এবং গ এই বিন্দুগুলোর সংযোজক রেখাংশের লম্ব সমদ্বিখণ্ডক তিনটি অঙ্কন করা হলো অতএব, লম্ব সমদ্বিখণ্ডক তিনটি একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় এই মিলিত বিন্দুটি ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষবিন্দু থেকে সমদূরবর্তী হয় এই বিন্দুটিকে কেন্দ্র করে ত্রিভুজের পরিবৃত্ত আঁকা সম্ভব সুতরাং, ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দুগুলো দিয়ে অংকিত বৃত্তের এই কেন্দ্রকে পরিকেন্দ্র বলা হয় উত্তর: পরিকেন্দ্র
a 2
b 3
c 4
d 5
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সরলরেখাগুলোর দৈর্ঘ্য = ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭ সেমি মোট সরলরেখা = ৭টি ধরি, যেকোনো চারটি বাহু দ্বারা চতুর্ভুজ গঠন করতে হলে সবচেয়ে বড় বাহুর দৈর্ঘ্য বাকি তিনটি বাহুর যোগফলের চেয়ে ছোট হতে হবে অতএব, ১, ২, ৩ ও ৪ বাহুগুলোর ক্ষেত্রে = ১ + ২ + ৩ = ৬, যা ৪ অপেক্ষা বড় সুতরাং এই বাহুগুলো দিয়ে চতুর্ভুজ গঠন সম্ভব ধরি, অন্য একটি কম্বিনেশনের ক্ষেত্রে যাচাই করা যাক বাহুগুলো যদি ১, ২, ৩ ও ৭ হয় তবে ১ + ২ + ৩ = ৬, যা ৭ অপেক্ষা ছোট সুতরাং এই বাহুগুলো দিয়ে চতুর্ভুজ গঠন সম্ভব নয় অতএব, একইভাবে ১, ২, ৪ ও ৭ বাহুগুলোর ক্ষেত্রে = ১ + ২ + ৪ = ৭, যা ৭ এর সমান সুতরাং এই বাহুগুলো দিয়েও চতুর্ভুজ গঠন সম্ভব নয় অতএব, একইভাবে ১, ৩, ৪ ও ৮ এর পরিবর্তে ১, ৩, ৪ ও ৭ বাহুগুলোর ক্ষেত্রে = ১ + ৩ + ৪ = ৮, যা ৭ অপেক্ষা বড় সুতরাং এটি সম্ভব সুতরাং, সর্বমোট ৩টি ক্ষেত্রে শর্ত পূরণ হয় না এবং চতুর্ভুজ অঙ্কন সম্ভব নয় উত্তর: ৩
a 4.58
b 5.38
c 3
d 5
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪.৫৮ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ সেমি কেন্দ্র থেকে বিন্দুর দূরত্ব = ৫ সেমি ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে স্পর্শবিন্দুর দূরত্ব অর্থাৎ ব্যাসার্ধ = r = ২ সেমি কেন্দ্র থেকে বাইরের বিন্দুর দূরত্ব অর্থাৎ অতিভুজ = d = ৫ সেমি স্পর্শকের দৈর্ঘ্য = t অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, অতিভুজ স্কয়ার = লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার এখানে, d স্কয়ার = r স্কয়ার + t স্কয়ার ৫ স্কয়ার = ২ স্কয়ার + t স্কয়ার সুতরাং, ২৫ = ৪ + t স্কয়ার t স্কয়ার = ২৫ − ৪ = ২১ উত্তর: t = √২১ = ৪.৫৮ সেমি
a 2
b 3
c 4
d 5
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ১৫ টাকা লাভ = ২৫% ধরি, ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা তাহলে ২৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ২৫ = ১২৫ টাকা অতএব, বিক্রয়মূল্য ১২৫ টাকা হলে লাভ হয় ২৫ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে লাভ হয় ২৫ ÷ ১২৫ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ১৫ টাকা হলে লাভ হয় (২৫ × ১৫) ÷ ১২৫ = ৩ টাকা উত্তর: ৩
a নতুন দিল্লি
b ইসলামাবাদ
c নিউইয়র্ক
d শিকাগো
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ১৯২০ ও ১৯৩০ এর দশকে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতার পুরস্কারের বড় অঙ্কের অর্থ বোঝাতে প্রথম এই নামটি ব্যবহার করা হয়। - বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরটিকে এর জমকালো জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির জন্য এই নামে ডাকা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নতুন দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী শহর এবং এর কোনো ঐতিহাসিক উপনাম বিগ অ্যাপেল নয়। B) ইসলামাবাদ — এটি পাকিস্তানের রাজধানী শহর এবং এর সঙ্গে বিগ অ্যাপেল নামের কোনো সম্পর্ক নেই। C) নিউইয়র্ক — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল বা প্রাসঙ্গিকতার প্রশ্ন নেই। D) শিকাগো — এটি আমেরিকার আরেকটি বড় শহর এবং একে উইন্ডি সিটি বলা হয়, বিগ অ্যাপেল নয়। মনে রাখার টিপস: নিউইয়র্ক শহরে আপেল খাওয়ার ধুম পড়ে যায়, তাই এই শহরের অন্য নাম বিগ অ্যাপেল।
a পৌরসভা
b পল্লী বিদুৎ
c সিটি কর্পোরেশন
d উপজেলা পরিষদ
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পল্লী বিদুৎ কেন সঠিক: - পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড বা সমিতি একটি রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান, যা স্থানীয় সরকারের আওতাভুক্ত নয়। - এটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত না হয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বয়ংশাসিত সংস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৌরসভা — এটি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক স্তর এবং শহরাঞ্চলের জন্য নির্ধারিত। B) পল্লী বিদুৎ — এটি কোনো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি একটি বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সরকারি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা। C) সিটি কর্পোরেশন — এটি দেশের বড় শহরগুলোর স্থানীয় সরকার পরিচালনার জন্য গঠিত সর্বোচ্চ স্তরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। D) উপজেলা পরিষদ — এটি গ্রামীণ অঞ্চলের স্থানীয় সরকার কাঠামোর উপজেলা পর্যায়ের একটি নির্বাচিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: স্থানীয় সরকার বলতে মূলত ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি কর্পোরেশনকে বোঝায়, তাই বিদ্যুৎ বা সেবা সংস্থাগুলো এর বাইরে থাকে।
a পিসিকালচার
b এপিকালচার
c মেরিকালচার
d সেরিকালচার
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এপিকালচার কেন সঠিক: - এপিকালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মৌমাছি পালন এবং মধু ও মোম উৎপাদনের প্রক্রিয়া। - এটি কৃষি খাতের একটি লাভজনক অংশ যা পরাগায়নেও সহায়তা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিসিকালচার — এটি বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ ও উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) এপিকালচার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে মৌমাছি পালনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) মেরিকালচার — এটি সামুদ্রিক জীব ও উদ্ভিদ চাষের সঙ্গে সম্পর্কিত। D) সেরিকালচার — এটি রেশম পোকা চাষ ও রেশম উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: মৌমাছি সম্পর্কিত ইংরেজি শব্দ এপিয়ারি থেকে এপিকালচার শব্দটি এসেছে।
a বেলজিয়াম
b নরওয়ে
c ফিনল্যান্ড
d ডেনমার্ক
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডেনমার্ক কেন সঠিক: - ফোকেটিং হলো ডেনমার্কের এককক্ষ বিশিষ্ট জাতীয় সংসদের নাম। - এটি কোপেনহেগেনের ক্রিস্টিয়ানবর্গ প্রাসাদে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলজিয়াম — বেলজিয়ামের ফেডারেল পার্লামেন্টের নাম হলো দ্য ফেডারেল পার্লামেন্ট অব বেলজিয়াম, যা সিনেট ও প্রতিনিধি কক্ষ নিয়ে গঠিত। B) নরওয়ে — নরওয়ের আইনসভার নাম হলো স্টর্টিং, যা দেশটির সর্বোচ্চ নীত নির্ধারণী ও আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান। C) ফিনল্যান্ড — ফিনল্যান্ডের আইনসভার নাম হলো এডুস্কুন্তা, যা একটি এককক্ষ বিশিষ্ট সংসদ। D) ডেনমার্ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: ডেনের ফোক (Den's Folk) মনে রাখলে ডেনমার্কের আইনসভা ফোকেটিং সহজে মনে রাখা যায়।
a লোহা
b দস্তা
c পটাশিয়াম
d অ্যালুমিনিয়াম
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: D) অ্যালুমিনিয়াম কেন সঠিক: - ভূত্বকে বা প্রকৃতিতে ওয়ান (১) নম্বর সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় ধাতু হলো অ্যালুমিনিয়াম, যা ভূত্বকের মোট ওজনের প্রায় আট (৮) শতাংশ। - সামগ্রিকভাবে ভূত্বকের উপাদান হিসেবে অক্সিজেনের পর এবং সিলিকনের পরেই অ্যালুমিনিয়ামের অবস্থান, যা সবচেয়ে বেশি প্রাপ্ত ধাতব মৌল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোহা — এটি প্রকৃতিতে ভূত্বকে চতুর্থ সর্বাধিক প্রাপ্ত মৌল এবং দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রাপ্ত ধাতু। B) দস্তা — এটি ভূত্বকের উপরিভাগে খুব বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় না এবং এর পরিমাণ অ্যালুমিনিয়ামের তুলনায় অনেক কম। C) পটাশিয়াম — এটি ভূত্বকে পাওয়া গেলেও পরিমাণে অ্যালুমিনিয়ামের তুলনায় অনেক কম এবং এটি ক্ষার ধাতু। D) অ্যালুমিনিয়াম — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি ভূত্বকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা ধাতব উপাদান। মনে রাখার টিপস: মাটিতে ধাতু সবচেয়ে বেশি আলুর মতো (অ্যালুমিনিয়াম) পাওয়া যায়।
a রাষ্ট্রের সেবা করা
b রাষ্ট্রের আইন মেনে চলা
c নিয়মিত কর প্রদান করা
d রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত্য প্রকাশ করা
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও নাগরিকতা সঠিক উত্তর: B) রাষ্ট্রের আইন মেনে চলা কেন সঠিক: - রাষ্টry ব্যবস্থা শৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখার জন্য আইন তৈরি করে এবং নাগরিকের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হলো তা পালন করা। - আইন অমান্য করলে সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, তাই রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশের প্রাথমিক শর্ত হলো দেশের আইন মেনে চলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাষ্ট্রের সেবা করা — এটি নাগরিকের অন্যতম একটি নৈতিক ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলেও আইন মেনে চলার পরেই এর কার্যকারিতা আসে। B) রাষ্ট্রের আইন মেনে চলা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নাগরিকের প্রধানতম আইনি কর্তব্য। C) নিয়মিত কর প্রদান করা — এটি নাগরিকদের একটি অর্থনৈতিক ও বাধ্যতামূলক দায়িত্ব, তবে এটি আইন মানার মতো সার্বিক ও প্রধান কর্তব্য নয়। D) রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত্য প্রকাশ করা — এটি নাগরিকের একটি মৌলিক মানসিক ও রাজনৈতিক মনোভাব, যা আইন মেনে চলার মাধ্যমেই বাস্তবে প্রতিফলিত হয়। মনে রাখার টিপস: আইন মানাই প্রথম কাজ, কারণ আইন না মানলে রাষ্ট্রে শৃঙ্খলা বজায় থাকে না।
a হালদা নদী
b চলন বীল
c পশুর নদী
d মেঘনা নদী
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হালদা নদী কেন সঠিক: - হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, যেখানে রুই ও কাতলার মতো কার্প জাতীয় মাছ সরাসরি ডিম ছাড়ে। - নদীটির বিশেষ ভৌগোলিক অবস্থান এবং জোয়ারভাটার কারণে এখানে মা মাছেরা প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ার উপযুক্ত পরিবেশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হালদা নদী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র। B) চলন বিল — এটি বাংলাদেশের একটি বড় প্লাবনভূমি ও জলাভূমি হলেও এটি মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত নয়। C) পশুর নদী — এটি সুন্দরবনের কাছে অবস্থিত একটি সামুদ্রিক ও জোয়ারভাটা প্রভাবিত নদী, যা প্রজনন কেন্দ্র নয়। D) মেঘনা নদী — এটি দেশের অন্যতম প্রধান নদী ও অববাহিকা হলেও এটি বিশেষভাবে প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে খ্যাত নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক ডিম সংগ্রহের জন্য একমাত্র 'হালদা' নদীকেই দেশজুড়ে মৎস্যের মা বলা হয়।
a কবি গান
b বাউল গান
c লালন গীতি
d ভাওয়াইয়া
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাউল গান কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ২০০৫ সালে বাংলাদেশের বাউল গানকে মানবতার অমৌখিক ও দৃশ্যমান ঐতিহ্য বা Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। - বাউল সাধকদের জীবনদর্শন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং সুরের বৈশ্বিক গুরুত্বের কারণে এটি এই আন্তর্জাতিক মর্যাদা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবি গান — এটি বাংলা সংস্কৃতির প্রাচীন লোকসঙ্গীতের ধারা হলেও ইউনেস্কো থেকে এই নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়নি। B) বাউল গান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত বিশ্বমানের ঐতিহ্য। C) লালন গীতি — এটি বাউল গানেরই একটি অংশ বা ধারা, যা মূলত লালন শাহের পদের ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং আলাদাভাবে এই স্বীকৃতি পায়নি। D) ভাওয়াইয়া — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত হলেও ইউনেস্কোর মানব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বাউল গান মানেই ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য, যা ২০০৫ সালে স্বীকৃতি পায়।
a জয়নুল আবেদীন
b কামরুল হাসান
c হামিদুর রহমান
d হাশেম খান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - পটুয়া শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭০ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রাথমিক রূপটি ডিজাইন করেছিলেন। - ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এক সভায় পতাকার এই রূপটি চূড়ান্ত করা হয় এবং ১৭ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম উত্তোলিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। B) কামরুল হাসান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপের ডিজাইনার। C) হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। D) হাশেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও বইয়ের প্রচ্ছদ শিল্পী, তবে জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। মনে রাখার টিপস: পতাকা মানেই তো কামরুল হাসানের শিল্পকর্ম, তাই পতাকার ডিজাইন বললে মনে রাখবেন কামরুল হাসান।
a ডলার
b পাউন্ড
c টাকা
d রুপি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রুপি কেন সঠিক: - শ্রীলঙ্কার অফিশিয়াল বা রাষ্ট্রীয় মুদ্রার নাম শ্রীলঙ্কান রুপি। - দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম রুপি, যার মধ্যে শ্রীলঙ্কা অন্যতম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, শ্রীলঙ্কার মুদ্রা নয়। B) পাউন্ড — এটি যুক্তরাজ্য ও কিছু অন্যান্য দেশের মুদ্রা, শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) টাকা — এটি বাংলাদেশের প্রচলিত মুদ্রা, যা শ্রীলঙ্কার মুদ্রা নয়। D) রুপি — এটি শ্রীলঙ্কার সঠিক মুদ্রা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ভারত ও শ্রীলঙ্কা উভয় দেশেরই মুদ্রার নাম রুপি।
a ওয়াশিংটন ডিসি
b নিউইয়র্ক
c জেনেভা
d রোম
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওয়াশিংটন ডিসি কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) প্রধান কার্যালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। - ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই সংস্থাটির সদর দপ্তর এখানেই নির্ধারিত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি আইএমএফের সদর দপ্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর, আইএমএফের নয়। C) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) সদর দপ্তর। D) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: টাকা-পয়সা বা অর্থের আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর (যেমন: IMF এবং World Bank) প্রধান কার্যালয় সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
a Short Message service
b Short Mail Service
c Simple Message Service
d Simple Mail Service
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Short Message service কেন সঠিক: - এটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত পাঠ্য বার্তা আদান-প্রদান করার একটি প্রযুক্তি। - প্রথম এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর প্রচলন শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Short Message service - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি এই প্রযুক্তির পূর্ণরূপ। B) Short Mail Service - এটি ভুল কারণ এখানে মেসেজের বদলে মেইল শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। C) Simple Message Service - এটি ভুল কারণ এখানে শর্টের বদলে সিম্পল শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। D) Simple Mail Service - এটি ভুল কারণ এখানে সঠিক শব্দের মিল নেই। মনে রাখার টিপস: এসএমএস মানে ছোট বার্তা, তাই শর্ট মেসেজ সার্ভিস মনে রাখতে হবে।
a ৮ মার্চ
b ৫ অক্টোবর
c ১০ ডিসেম্বর
d ২৪ সেপ্টেম্বর
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১০ ডিসেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা গৃহীত হয়। - পরবর্তীতে ১৯৫০ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে এই দিনটি মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ মার্চ — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়, যা মানবাধিকার দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৫ অক্টোবর — এই তারিখে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়, যা মানবাধিকার দিবসের সঙ্গে মিলে না। C) ১০ ডিসেম্বর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ভুল বা প্রাসঙ্গিকতার প্রশ্ন নেই। D) ২৪ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হয়, যা মানবাধিকার দিবস নয়। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস মনে রাখতে ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে অর্থাৎ ১০ তারিখে মানবাধিকার রক্ষার শপথের কথা স্মরণ করুন।
a সেলিনা হোসেন
b শামসুর রহমান
c অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
d ফকরুল আলম
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অধ্যাপক আনিসুজ্জামান কেন সঠিক: - বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক অধ্যাপক আনিসুজ্জামান তাঁর সাহিত্যকর্ম ও উপমহাদেশে সংস্কৃতির প্রসারে অবদানের জন্য ২০১৯ সালের সার্ক সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। - দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেলিনা হোসেন — তিনি দেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও ২০১৯ সালের এই নির্দিষ্ট পুরস্কারটি লাভ করেননি। B) শামসুর রহমান — তিনি প্রখ্যাত কবি হলেও ২০১৯ সালের অনেক আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন। C) অধ্যাপক আনিসুজ্জামান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি ২০১৯ সালে সার্ক সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেছিলেন। D) ফকরুল আলম — তিনি বিশিষ্ট অনুবাদক ও শিক্ষাবিদ হলেও এই পুরস্কারের সাথে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: সার্ক সাহিত্য পুরস্কার ২০১৯ স্মরণে রাখবে আনিসুজ্জামান নামটি, যিনি বাংলার বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও গবেষক।
a ৩৭তম
b ৪৭তম
c ৫৭তম
d ৬৭তম
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৭তম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০১৮ সালের ১১ই মে স্যাটেলাইটটি মহাকাশে উৎক্ষেপণ করার মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট অধিকারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। - এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ফলে বাংলাদেশ মহাকাশ ক্লাবের গর্বিত সদস্য রাষ্ট্রে পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৭তম — এটি ভুল অপশন কারণ বিশ্ব স্যাটেলাইট ক্লাবে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৭তম নয়, বরং ৫৭তম। B) ৪৭তম — এটি ভুল অপশন কারণ এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ক্রমিক নম্বরের সাথে মেলে না। C) ৫৭তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজ স্যাটেলাইট মহাকাশে সফলভাবে প্রেরণ করে। D) ৬৭তম — এটি ভুল অপশন কারণ বাংলাদেশ ৬৭তম দেশ নয়, বরং ৫৭তম স্যাটেলাইট উৎকারী দেশ। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সাথে ৫৭ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে ৫ ও ৭ যোগ করলে ১২ হয় এবং এর উৎক্ষেপণ সাল ২০১৮ এর সাথে সংখ্যাটি মিলিয়ে পড়া সহজ।
a EU
b IDB
c ADB
d IFRC
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) IFRC কেন সঠিক: - দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং মানবিক কার্যক্রমে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক রেড ক্রসি ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ফেডারেশন এই সম্মাননা প্রদান করে। - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসনে রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) EU — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যা মূলত ইউরোপের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য এই নির্দিষ্ট পদক দেয়নি। B) IDB — এটি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, যা অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ঋণ সহায়তা নিয়ে কাজ করে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পদক প্রদানকারী সংস্থা নয়। C) ADB — এটি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, যা এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলে অবকাঠামো ও আর্থিক উন্নয়নে অর্থায়ন করে থাকে। D) IFRC — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে পুরষ্কৃত করেছে। মনে রাখার টিপস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মানেই মানবিক সহায়তা, আর মানবতার সেবায় কাজ করে আইএফআরসি বা রেসকিসেন্ট সংস্থা।
a বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
b তাজউদ্দীন আহমদ
c সৈয়দ নজরুল ইসলাম
d খন্দকার মোশতাক আহমেদ
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করা হয়। - তাঁর অনুপস্থিতিতে তাঁর নামেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং তিনি ছিলেন এই সরকারের সাংবিধানিক ও সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং তাঁর নেতৃত্বেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। D) খন্দকার মোশতাক আহমেদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের শীর্ষ পদে ছিলেন বঙ্গবন্ধু (রাষ্ট্রপতি) ও তাজউদ্দীন (প্রধানমন্ত্রী), আর সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি।
a ডেনমার্ক
b কেনিয়া
c বেইজিং
d মেক্সিকো
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) বেইজিং কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ঐতিহাসিক তথ্যের দিক থেকে ভুল। প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল মেক্সিকোর মেক্সিকো সিটিতে। - চীন রাজধানীর বেইজিং শহরে ১৯৯৫ সালে চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্ক — ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে ১৯৮০ সালে দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথমটি নয়। B) কেনিয়া — কেনিয়ার নাইরোবিতে ১৯৮৫ সালে তৃতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথমটি নয়। C) বেইজিং — বেইজিংয়ে ১৯৯৫ সালে চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তাই এটি প্রথম সম্মেলনের সঠিক উত্তর নয়। D) মেক্সিকো — মেক্সিকো সিটিতে ১৯৭৫ সালে প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা সঠিক উত্তর হওয়া উচিত। মনে রাখার টিপস: নারীদের প্রথম সম্মেলন মেক্সিকোতে বসেছিল ১৯৭৫ সালে এবং চতুর্থ সম্মেলন বসেছিল বেইজিংয়ে ১৯৯৫ সালে।
a SARS
b Rabies
c HIV
d Ebola
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) HIV কেন সঠিক: - HIV বা হিউম্যান ইমিউনোডেফিশিয়েন্সি ভাইরাস মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে এইডস রোগ সৃষ্টি করে। - এই ভাইরাসটি মূলত শরীরের শ্বেত রক্তকণিকাকে আক্রমণ করে শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ ভেঙে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) SARS — এটি গুরুতর তীব্র শ্বাসকষ্টজনিত সিন্ড্রোম সৃষ্টিকারী একটি ভাইরাস, যা এইডসের জন্য দায়ী নয়। B) Rabies — এটি জলাতঙ্ক রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস, যা সাধারণত কুকুর বা অন্যান্য প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। C) HIV — এটিই এইডস রোগের জন্য দায়ী একমাত্র নির্দিষ্ট ভাইরাস। D) Ebola — এটি ইবোলা নামক মারাত্মক রক্তক্ষরণ জ্বর সৃষ্টিকারী একটি ভাইরাস, যা এইডসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: এইডস রোগের নাম এবং এর জন্য দায়ী ভাইরাস (HIV) প্রায় সমার্থক, তাই এইচআইভি দেখলেই এইডস রোগকে চিহ্নিত করতে হবে।
a ধানের প্রজাতি
b পাখির প্রজাতি
c বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুইটি যুদ্ধ জাহাজ
d বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর দুইটি যুদ্ধ বিমান
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুইটি যুদ্ধ জাহাজ কেন সঠিক: - সংগ্রাম ও প্রত্যাশা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি মেরিটাইম পেট্রোল ভেসেল বা যুদ্ধজাহাজ। - দেশের সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা রক্ষা এবং সামুদ্রিক সম্পদ সুরক্ষায় এই জাহাজগুলো নিয়োজিত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধানের প্রজাতি — সংগ্রাম বা প্রত্যাশা নামে কোনো ধানের জাত নেই, ধান সাধারণত ব্রি ধান বা বিনা ধান নামে পরিচিত। B) পাখির প্রজাতি — এটি কোনো পাখির নাম নয়, এটি সামরিক নৌযানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুইটি যুদ্ধ জাহাজ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর দুইটি যুদ্ধ বিমান — বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলোর নামকরণ সাধারণত ভিন্ন হয়, এগুলো যুদ্ধজাহাজ। মনে রাখার টিপস: নৌবাহিনীর জাহাজের নাম মনে রাখতে 'সংগ্রাম' ও 'প্রত্যাশা' শব্দ দুটিকে সমুদ্রের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a জানুয়ারি মাসে
b ফেব্রুয়ারি মাসে
c জুলাই মাসে
d আগস্ট মাসে
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফেব্রুয়ারি মাসে কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন। - বাংলার মানুষের স্বাধিকার অর্জনের এই সনদটি আনুষ্ঠানিকভাবে ফেব্রুয়ারি মাসেই ঘোষিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জানুয়ারি মাসে — এই সময়ে ৬ দফা ঘোষণা করা হয়নি, তবে ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রণয়নের প্রস্তুতি ও চিন্তাভাবনা চলছিল। B) ফেব্রুয়ারি মাসে — এটি সঠিক উত্তর কারণ লাহোরে বিরোধী দলীয় সম্মেলনে এই মাসে দাবিটি উত্থাপন করা হয়। C) জুলাই মাসে — এই মাসে ৬ দফা ঘোষণা করা হয়নি, বরং এই সময়ে ৬ দফার পক্ষে তুমুল আন্দোলন গড়ে ওঠে। D) আগস্ট মাসে — এই মাসে ৬ দফা ঘোষণা করা হয়নি, এটি ৬ দফা ঘোষণার মাস নয়। মনে রাখার টিপস: ছয় দফার মাস মনে রাখতে 'ফেব্রুয়ারি' শব্দটির সাথে ঐতিহাসিক আন্দোলনকে যুক্ত করে মনে রাখুন।
a দ্রাবিড়
b নেগ্রিটো
c ভোট চীন
d অস্ট্রিক
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রিক কেন সঠিক: - নৃতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাঙালি জাতির গঠিত হওয়ার মূলে সবচেয়ে বড় অংশটি অস্ট্রিক জাতিগোষ্ঠীর বংশধর। - প্রাচীনকাল থেকেই এই অঞ্চলের মূল জনগোষ্ঠীর রক্তধারায় অস্ট্রিক বা নিষাদ জাতির সংমিশ্রণ সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রাবিড় — দ্রাবিড়রা বাঙালি জাতির গঠনে অবদান রাখলেও তারা প্রধান অংশ নয়, বরং দ্বিতীয় বৃহত্তম ধারা হিসেবে বিবেচিত হয়। B) নেগ্রিটো — এটি বাংলাদেশের আদিমতম জাতিগোষ্ঠী হলেও বাঙালি জাতির প্রধান অংশ হিসেবে এরা অন্তর্ভুক্ত নয়। C) ভোট চীন — ভোট চীন বা মঙ্গলীয় জনগোষ্ঠীর রক্তধারা বাঙালি জাতির উত্তরাংশের মানুষের মধ্যে কিছুটা থাকলেও প্রধান অংশ নয়। D) অস্ট্রিক — এটিই সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: বাঙালি জাতির মূল ভিত্তি অস্ট্রিক, এটি মনে রাখতে 'অ' দিয়ে 'অস্ট্রিক' এবং 'অ' দিয়ে 'প্রধান' অংশ এই মিলটি মনে রাখুন।
a পুন্ড্র
b তাম্রলিপ্ত
c গৌড়
d হরিকেল
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পুন্ড্র কেন সঠিক: - পুন্ড্র হলো বাংলার প্রাচীনতম জনপদ, যার রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা বর্তমান মহাস্থানগড়। - ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক সূত্র অনুযায়ী এটি বাংলার প্রাচীন জনপদ হিসেবে সর্বস্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুন্ড্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। B) তাম্রলিপ্ত — এটি প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও জনপদ হলেও পুন্ড্রর চেয়ে প্রাচীন নয়। C) গৌড় — এটি পরবর্তীকালের একটি বিখ্যাত জনপদ ও স্বাধীন রাজ্য, যা বাংলার প্রাচীনতম জনপদ নয়। D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি জনপদ, যা পুণ্ড্র জনপদের সমসাময়িক বা প্রাচীনতম নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বাংলায় সবার আগে পা রাখে পুন্ড্র, তাই পুণ্ড্রই হলো বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ।

মোট প্রশ্ন (25)

a পরাকাষ্ঠা
b পরাক্লান্ত
c পরায়ণ
d পরাভব
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পরাভব ১. কেন সঠিক: - পরাভব শব্দটি মূল ধাতু বা শব্দের সঙ্গে পরা উপসর্গ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে যা হারের বিপরীত বা পরাজয় অর্থ প্রকাশ করে। - এখানে পরা উপসর্গটি বিপরীত বা উল্টো অর্থে প্রযুক্ত হয়েছে কারণ ভব অর্থ উৎপত্তি বা অস্তিত্ব আর পরাভব অর্থ পতন বা পরাজয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে এবং বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - পরা উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয় যেমন বিপরীত, উল্টো, আতিশয্য, উৎকর্ষ এবং अनादर বা অবজ্ঞা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরামুখ ব্যাখ্যা: মুখ শব্দের পূর্বে পরা উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীত বা বিমুখ অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পরাজয় ব্যাখ্যা: জয় শব্দের পূর্বে পরা উপসর্গ যুক্ত হয়ে জয়ের বিপরীত অর্থ অর্থাৎ হার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরাকাষ্ঠা — এই শব্দটিতে পরা উপসর্গটি উৎকর্ষ বা আতিশয্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে বিপরীত অর্থে নয়। B) পরাক্লান্ত — এই শব্দটিতে পরা উপসর্গটি বিশেষ তীব্রতা বা আতিশয্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। C) পরায়ণ — এই শব্দটিতে পরা উপসর্গটি নিমগ্ন বা কোনো কিছুর প্রতি গভীর অনুগত থাকা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। D) পরাভব — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে পরা উপসর্গ বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পরা উপসর্গটি সাধারণত উৎকর্ষ বা বিপরীত দুটি প্রধান অর্থ প্রকাশ করে। - জয় এবং ভব শব্দের সাথে বসলে এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং কাষ্ঠা শব্দের সাথে বসলে উৎকর্ষ বোঝায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়। - তাই শব্দের মূল অর্থের সাথে উপসাগরের সংযোগ কীভাবে অর্থ পরিবর্তন করছে তা খেয়াল রাখতে হবে।
a আসন্ন বিপদ
b মাথাব্যথা
c মহাবিপদ
d মাথার বোঝা
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আসন্ন বিপদ ১. কেন সঠিক: - 'শিরে-সংক্রান্তি' বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ মাথার ওপর সংক্রান্তি বা অন্তিম সময়, যা রূপক অর্থে আসন্ন বিপদ বা অবধারিত সংকট নির্দেশ করে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে কারণ এটি জীবনের এমন এক কঠিন অবস্থাকে বোঝায় যা এড়ানো যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবহ শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে এবং ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। - শিরে-সংক্রান্তি বাগধারাটি মানুষের জীবনে ঘনীভূত হওয়া মারাত্মক কোনো সংকটের ভয়াবহতা ও অনিবার্য উপস্থিতিকে প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষার আগের রাতে প্রশ্নপত্র চুরির খবর শুনে পরীক্ষার্থীর মাথায় যেন শিরে-সংক্রান্তি উপস্থিত হলো। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে শিরে-সংক্রান্তি বাগধারাটি শিক্ষার্থীর আকস্মিক ও আসন্ন বিপদের অবস্থাকে সফলভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। উদাহরণ ২: ব্যবসায়ে বড় ধরনের ধস নামায় এখন তার মাথায় শিরে-সংক্রান্তি অবস্থা বিরাজ করছে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসায়িক চরম সংকটের কারণে আসন্ন বিপদ বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসন্ন বিপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিরে-সংক্রান্তি বলতে ঘনীভূত বা মাথার ওপর এসে পড়া বিপদের অবস্থাকে বোঝায়। B) মাথাব্যথা — এটি ভুল কারণ অপশনটি শিরে-সংক্রান্তির আক্ষরিক অর্থ বা শারীরিক বেদনার কথা বলছে, যা বাগধারার মূল ভাব নয়। C) মহাবিপদ — এটি ভুল কারণ মহাবিপদ একটি সাধারণ তীব্র বিপদ বোঝায়, আর শিরে-সংক্রান্তি নির্দিষ্টভাবে ঠিক মাথার ওপর এসে উপস্থিত হওয়া আসন্ন বিপদকে নির্দেশ করে। D) মাথার বোঝা — এটি ভুল কারণ মাথার বোঝা বলতে শারীরিক বা মানসিক দায়িত্বের ভার বোঝায়, যা এই বাগধারার ভাবার্থের সঙ্গে মিলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিরে অর্থ মাথা এবং সংক্রান্তি অর্থ শেষ দিন বা অন্তিম ক্ষণ, অর্থাৎ মাথার ওপর যখন শেষ সময় বা বিপদ এসে উপস্থিত হয় তাকে শিরে-সংক্রান্তি বলে। - এই কৌশল মনে রাখলে সহজেই উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই জীবনের সংকট বোঝাতে ব্যবহৃত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন করা হয়। - একই ধরনের অন্যান্য বাগধারার মধ্যে খড়্গহস্ত (ক্রোধ প্রকাশ) ও আদায় কাঁচকলায় (শত্রুতা) ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a সমার্থে
b ক্ষুদ্রার্থে
c বৃহদার্থে
d বিপরীতার্থেো
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্ষুদ্রার্থে কেন সঠিক: - 'নাটিকা' শব্দটি মূল শব্দ 'নাটক' এর ছোট বা সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ক্ষুদ্র বা ছোট অর্থে স্ত্রীবাচক বা বিশেষ রূপ বোঝাতে শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ নিয়মে বা প্রত্যয় যোগ করে শব্দের মাধ্যমে ক্ষুদ্রত্ব প্রকাশ করা হয়। - সাহিত্যের ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ নাটক থেকে ছোট পরিসরের নাটককে নাটিকা বলা হয়। - যেমন: পুথি থেকে পুথিকা, নাটক থেকে নাটিকা। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সমার্থে — এই অর্থে শব্দের মূল অর্থ পরিবর্তিত হয় না, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) বৃহদার্থে — বড় বা বিশাল কিছু বোঝাতে বৃহদার্থ হয়, যা নাটিকার ক্ষেত্রে উল্টো। - D) বিপরীতার্থে — বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে এই অপشن ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: - ছোট বা সংক্ষিপ্ত কিছু বোঝালে সবসময় ক্ষুদ্রার্থ হবে। - ইকা প্রত্যয়যুক্ত শব্দ সাধারণত ক্ষুদ্রার্থ প্রকাশ করে।
a অত্যন্ত উষ্ণ
b কুসুম কুসুম উষ্ণ
c পাগড়ি
d শীতের আমেজ
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাগড়ি ১. কেন সঠিক: - উষ্ণীষ শব্দের মূল অর্থ হলো মাথা বা মস্তকে পরিধান করার বিশেষ শিরস্ত্রাণ বা পাগড়ি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ ও এককথায় প্রকাশ বা সমার্থক শব্দ জাতীয় প্রশ্ন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার সরাসরি অর্থ প্রাচীনকাল থেকেই রাজমুকুট বা পাগড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভিন্ন প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় কাব্যে উচ্চপদস্থ ব্যক্তি বা রাজাদের মাথা ঢাকা পোষাকের ক্ষেত্রে এই শব্দটি পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা তার মাথায় রাজকীয় উষ্ণীষ পরে সিংহাসনে বসলেন। ব্যাখ্যা: এখানে উষ্ণীষ শব্দটি রাজামুকুট বা পাগড়ির অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রাচীন ভারতীয় রাজারা মহামূল্যবান রত্নখচিত উষ্ণীষ ব্যবহার করতেন। ব্যাখ্যা: এটি রাজকীয় পাগড়ি বা শিরোভূষণ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অত্যন্ত উষ্ণ — উষ্ণীষ শব্দের উচ্চারণ বা বানানের সাথে উষ্ণ শব্দের মিল থাকলেও এর অর্থ তাপমাত্রার সাথে সম্পর্কিত নয়। B) কুসুম কুসুম উষ্ণ — এটি উষ্ণতার একটি মাত্রা বোঝালেও উষ্ণীষ শব্দের আসল অর্থের সাথে এর কোনো দূরতম সম্পর্কও নেই। C) পাগড়ি — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই শব্দের অভিধানিক অর্থও বটে। D) শীতের আমেজ — শীতকালীন আবহাওয়া বা অনুভূতির সাথে এই শব্দের কোনো ব্যাকরণগত বা আভিধানিক মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - উষ্ণীষ শব্দের শেষে ষ রয়েছে এবং পাগড়ি বাঁধার সাথে এর সংযোগ মনে রেখে এটি সহজে মুখস্থ রাখা যায়। - উষ্ণ শব্দের সাথে মিল দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না কারণ এর আসল অর্থ মাথার পাগড়ি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই ধরনের শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই এককথায় প্রকাশ বা সমার্থক শব্দ হিসেবে আসে। - প্রমিত বাংলা বানানের ক্ষেত্রে যুক্তবর্ণের ব্যবহার এবং তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a কর কমল
b কাল স্রোত
c কর পল্লব
d কচুকাটা
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাল স্রোত ১. কেন সঠিক: রূপক কর্মধারায় সমাসে উপমান ও উপমিত পদের মধ্যে অভেদ বা মিল কল্পনা করা হয়। এখানে কাল বা সময় এবং স্রোত সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি বস্তু হওয়া সত্ত্বেও কালকে স্রোতের সঙ্গে সম্পূর্ণ এক বলে অভিন্নরূপ দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে উপমান ও উপমিত পদের মধ্যে অভেদ বা মিল কল্পনা করা হয় এবং সমাসবাক্যে একটি রূপ পদ ব্যবহৃত হয় তাকে রূপক কর্মধারায় সমাস বলে। এই সমাসে সাধারণত দৃশ্যমান বিষয়ের সঙ্গে অদৃশ্য বা বিমূর্ত বিষয়ের অভেদ কল্পনা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু। এখানে বিষাদের গভীরতা ও দুঃখকে সিন্ধুর সঙ্গে অভিন্ন কল্পনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ক্রোধ আগুন ব্যাখ্যা: ক্রোধ রূপ আগুন। এখানে মনের তীব্র ক্ষোভকে আগুনের ধ্বংসাত্মক রূপের সঙ্গে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর কমল — এটি উপমূর্ত কর্মধারায় সমাস কারণ এখানে কমলের সঙ্গে কর বা হাতের তুলনা বোঝানো হয়েছে। B) কাল স্রোত — সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই কারণ এটি কাল রূপ স্রোত অর্থে রূপক কর্মধারায় সমাস। C) কর পল্লব — এটিও উপমূর্ত কর্মধারায় সমাস কারণ হাতের সঙ্গে পল্লব বা পাতার সরাসরি তুলনা করা হয়েছে। D) কচুকাটা — এটি একটি বিশেষ প্রক্রিয়া বা সমাসবদ্ধ শব্দ যার অর্থ নির্বিচারে নিধন করা, যা রূপক কর্মধারয় নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রূপক কর্মধারায় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে অবশ্যই রূপ শব্দটি থাকবে। বিমূর্ত ধারণার সঙ্গে মূর্ত বিষয়ের তুলনা বুঝলেই তা রূপক কর্মধারায় হিসেবে ধরে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূপক কর্মধারায় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিষাদ সিন্ধু, ক্রাধানল, মন মাঝি এবং কাল স্রোত এই কয়েকটি উদাহরণ বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
a লুঙ্গি
b খোকা
c সম্রাট
d গঞ্জ
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গঞ্জ কেন সঠিক: - গঞ্জ শব্দটি বাংলা ভাষার আদি নিবাসী কোল, মুণ্ডা বা দ্রাবিড় গোষ্ঠীর ভাষা থেকে এসেছে। - বাংলার স্থানীয় মানুষের ব্যবহৃত প্রাচীন শব্দভাণ্ডার থেকে এটি সরাসরি বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলোর উৎস বা মূল পাওয়া যায় না এবং যা এ দেশের আদি অধিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে, তাকে দেশি শব্দ বলে। - বাংলা ভাষা গঠনের প্রক্রিয়ায় স্থানীয় সংস্কৃতির প্রভাবে এ ধরনের শব্দের বহুল ব্যবহার শুরু হয়। - গঞ্জ ছাড়াও কুড়ি, চোঙা, টোপর ইত্যাদি দেশি শব্দের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) লুঙ্গি — এটি বর্মি বা মায়ানমার ভাষার শব্দ। - B) খোকা — এটি দেশি শব্দ হলেও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের অনেক ক্ষেত্রে একে বিশেষ উৎস হিসেবে গণ্য করা হয়, তবে তুলনামূলক বিচারে গঞ্জ অধিক গ্রহণযোগ্য দেশি শব্দ। - C) সম্রাট — এটি ফার্সি ভাষা থেকে আগত একটি বিদেশি শব্দ। - D) গঞ্জ — এটি সঠিক দেশি শব্দ হওয়ায় এই অপشنটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: - হাট, বাজার ও গঞ্জ জাতীয় স্থানীয় নামগুলো সাধারণত দেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত হয়।
a ডাকঘর
b খোলা ডাক
c উপবিধি
d লেখস্বত্ব
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) খোলা ডাক ১. কেন সঠিক: 'Book post' ইংরেজি পারিভাষিক শব্দটির প্রমিত বাংলা রূপ হলো 'খোলা ডাক'। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের পারিভাষিক শব্দের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা ইংরেজি বা অন্যান্য বিদেশি ভাষার শব্দের ভাবানুবাদ বা রূপান্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দাপ্তরিক কাজে বিভিন্ন ধরনের চিঠিপত্র ও বইপত্র প্রেরণের জন্য নির্দিষ্ট পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Registered post ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি পরিভাষাটির সঠিক বাংলা অর্থ হলো নিবন্ধিত ডাক বা রেজিস্ট্রি ডাক। উদাহরণ ২: Press note ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি পরিভাষাটির সঠিক বাংলা অর্থ হলো তথ্যবিবরণী বা প্রেস নোট। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাকঘর — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Post office, যা কোনো নির্দিষ্ট পোস্টাল ভবনকে বোঝায়। B) খোলা ডাক — এটি Book post এর সঠিক পারিভাষিক রূপ এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। C) উপবিধি — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Bye-law, যা কোনো সংস্থার অভ্যন্তরীণ নিয়মাবলি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) লেখস্বত্ব — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Copyright, যা কোনো সাহিত্য বা শিল্পকর্মের স্বত্বাধিকার বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: বুক বা বই আমরা খাতার মতো উন্মুক্ত বা খোলা রাখি, তাই Book post মানে হলো খোলা ডাক। এভাবে মূল শব্দের সঙ্গে মিল রেখে সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডাক বিভাগ সংক্রান্ত পারিভাষিক শব্দ যেমন Dead letter office বা Dead letter এর অর্থ বারবার আসে। দাপ্তরিক পরিভাষা মুখস্থ করার চেয়ে শব্দগুলোর মূল ভাব বুঝে পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a কমা
b দাড়ি
c কোলন
d সেমিকোলন
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কমা ১. কেন সঠিক: বাক্যে কাউকে ডেকে বা সম্বোধন করে কিছু বললে সেই সম্বোধন পদের পরে কমা চিহ্ন বসে। এটি বক্তার বক্তব্যকে শ্রোতার নিকট স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলতে এবং বাক্যের বিরতি নির্দেশ করতে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যে পদ প্রকরণে সম্বোধন পদ হলো সেই পদ যার মাধ্যমে কাউকে আহ্বান বা সম্বোধন করা হয়। বাংলা ব্যাকরণের বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্ন ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী, সম্বোধন পদের ঠিক পরেই অল্প বিরতির জন্য কমা ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম, এদিকে এসো। ব্যাখ্যা: এখানে রহিমকে ডেকে কথা বলা হয়েছে, তাই রহিম সম্বোধন পদের পরে কমা বসেছে। উদাহরণ ২: শিক্ষক মহাশয়, আমাদের প্রণাম নেবেন। ব্যাখ্যা: এখানে শিক্ষক মহাশয়কে সম্বোধন করা হয়েছে এবং পদের পরে কমা ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সম্বোধন পদের পরে অল্প বিরতির জন্য কমা বসে। B) দাড়ি — এটি বাক্যের সমাপ্তি বা পূর্ণচ্ছেদ বোঝাতে বাক্যের শেষে বসে, সম্বোধন পদের পরে নয়। C) কোলন — এটি একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য বাক্যের অবতারণা করতে বা উদাহরণ দিতে ব্যবহৃত হয়। D) সেমিকোলন — এটি কমার চেয়ে বেশি এবং দাড়ির চেয়ে কম বিরতি বোঝাতে দুটি স্বাধীন উপবাক্যের মাঝে বসে। ৫ মনে রাখার টিপস: কারো নাম ধরে ডাকলেই থামতে হয় অল্প একটু, তাই ডাকার ঠিক পরেই কমা দিতে হয়। বাক্যের শুরুতে কাউকে সম্বোধন করলে তার পরেই কমার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরাম চিহ্নের ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সম্বোধন পদের পরে কমা বসার নিয়মটি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার পুনরাবৃত্তি হয়।
a যন্ত্রণা
b বিরক্তি
c সম্মতি
d উচ্ছাস
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উচ্ছাস ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ব্যবহৃত 'মরি! মরি!' শব্দযুগল মনের তীব্র আনন্দ, মুগ্ধতা বা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছে। - অনন্বয়ী অব্যয় বা ভাববাচক অব্যয় মূলত বাক্যের অন্যান্য পদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ছাড়াই স্বাধীনভাবে মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে অব্যয় পদ বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে মনের নানা ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। - আবেগ, উল্লাস, ঘৃণা, ভয় ইত্যাদি প্রকাশের জন্য এই পদ ব্যবহার করা হয়, যা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঃ! কী চমৎকার দৃশ্য। ব্যাখ্যা: এখানে 'বাঃ!' শব্দটি দিয়ে মনের গভীর আনন্দ ও প্রশংসা প্রকাশ করা হয়েছে, যা অনন্বয়ী অব্যয়ের একটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: ছি! কাজটি তোমার করা উচিত হয়নি। ব্যাখ্যা: এখানে 'ছি!' শব্দটি দিয়ে ঘৃণা বা লজ্জা প্রকাশ করা হয়েছে, যা অনন্বয়ী অব্যয়ের আরেকটি প্রচলিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যন্ত্রণা — বাক্যের ভাবটি কোনো শারীরিক বা মানসিক কষ্টের নয়, বরং প্রকৃতির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হওয়ার প্রকাশ। B) বিরক্তি — এখানে বিরক্তি প্রকাশ পাওয়ার মতো কোনো নেতিবাচক বা ক্ষোভের উপাদান নেই। C) সম্মতি — এই বাক্যটি কারো কোনো প্রস্তাবে রাজি হওয়া বা মত দেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে মনের আবেগ যেমন আনন্দ, বেদনা, বিস্ময় বা উচ্ছ্বাস বুঝতে পারলে তা অনন্বয়ী অব্যয়ের উচ্ছ্বাস বা আবেগ প্রকাশকারী রূপ হিসেবে ধরে নেবে। - 'মরি মরি' বা 'বাহ বাহ' দেখলে সাধারণত আনন্দ বা উচ্ছ্বাস বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অনন্বয়ী অব্যয়কে অনেক সময় আবেগসূচক অব্যয় বা ভাববাচক অব্যয় বলা হয়। - পরীক্ষার হলে বাক্যের ভেতরের আবেগ বা মনের ভাব ভালোভাবে লক্ষ করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a পুনরায় শুরু করা
b খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ
c কাউকে ডেকে আনা
d একটি স্মরণীয় দিন
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রদও প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। 'Call it a day' ইংরেজি বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো 'আজকের মতো কাজ সমাপ্ত করা'। তাই প্রশ্নটিতে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনোটিই সঠিক নয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় এমন ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্ন আসতে পারে, যেখানে সঠিক উত্তর অপশনে থাকে না। ১. কেন সঠিক: - 'Call it a day' একটি অত্যন্ত পরিচিত ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ দিন বলা হলেও ভাবার্থ হলো কোনো কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করা। - কর্মদিবস শেষ করা বা আর কাজ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া বোঝাতে এই অভিব্যক্তিটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি ইংরেজি ভাষার একটি প্রমিত বাগধারা বা Idiom, যার সরাসরি বাংলা পরিভাষা হলো আজকের মতো কাজ শেষ করা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইংরেজি প্রবাদ ও বাগধারার সঠিক বাংলা অনুবাদ বা অর্থ জানতে চাওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Let us call it a day and go home. ব্যাখ্যা: বাক্যটির অর্থ হলো, চলো আজ এখানেই কাজ শেষ করি এবং বাড়ি যাই। উদাহরণ ২: After working for ten hours, he decided to call it a day. ব্যাখ্যা: দশ ঘণ্টা কাজ করার পর সে আজকের মতো কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুনরায় শুরু করা — এই অর্থটি সঠিক নয় কারণ এই বাগধারাটি কাজ শেষের ঘোষণা দিতে ব্যবহৃত হয়, নতুন করে শুরু করতে নয়। B) খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ — এই অর্থটি ভুল কারণ এর সঙ্গে গুরুত্বের কোনো সম্পর্ক নেই, বরং এটি সময় বা সমাপ্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। C) কাউকে ডেকে আনা — এই অর্থটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক এবং ইডিয়মটির মূল ভাবের সঙ্গে মিল নেই। D) একটি স্মরণীয় দিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি শাব্দিক অনুবাদের বিভ্রান্তি থেকে তৈরি করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - দিন শেষ বা কাজ শেষ মনে রাখার জন্য 'Call it a day' কথাটি মাথায় রাখবে। সূর্য ডুবে গেলে যেমন দিনের কাজ শেষ হয়, তেমনি কাজ বন্ধ করার ঘোষণাও হলো কল ইট এ ডে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইংরেজি বাগধারার ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থ না খুঁজে সবসময় তার ভাবার্থ বা প্রচলিত অর্থ বুঝতে হবে। পরীক্ষার হলে এমন ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্ন পেলে সবচেয়ে কাছাকাছি বা যৌক্তিক অর্থ বিবেচনা করতে হবে।
a ইংরেজি +বাংলা
b ইংরেজি +আরবি
c ইংরেজি +ফারসি
d ইংরেজি +তৎসম
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইংরেজি +তৎসম ১. কেন সঠিক: - খ্রিস্টান শব্দটি একটি মিশ্র শব্দ কারণ এটি দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দ মিলে গঠিত হয়েছে। - এর প্রথম অংশ ক্রিস্ট বা খ্রিস্ট হলো ইংরেজি শব্দ এবং দ্বিতীয় অংশ আন হলো তৎসম বা সংস্কৃত প্রত্যয় বা শব্দাংশ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - মিশ্র শব্দ বা সংকর শব্দ হলো সেই শব্দ যা দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দের মিলনে গঠিত হয়। - বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ভাষার শব্দের মিলনে এ ধরনের নানা নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেডমাস্টার ব্যাখ্যা: হেড হলো ইংরেজি শব্দ এবং মাস্টার হলো ইংরেজি শব্দ, তবে এটি ইংরেজি ও তৎসমর মিশ্রণেও হতে পারে যেমন হেড মৌলবি। উদাহরণ ২: চৌকিদার ব্যাখ্যা: চৌকি হলো বাংলা বা হিন্দি শব্দ এবং দার হলো ফারসি শব্দ, যা মিশ্র শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি +বাংলা — কারণ খ্রিস্টান শব্দের দ্বিতীয় অংশ বাংলা নয়, বরং এটি তৎসম বা সংস্কৃত মূল থেকে এসেছে। B) ইংরেজি +আরবি — কারণ এই শব্দের কোনো অংশ আরবি ভাষা থেকে আসেনি। C) ইংরেজি +ফারসি — কারণ এর দ্বিতীয় অংশটি ফারসি ভাষার শব্দ নয়। D) ইংরেজি +তৎসম — কারণ এটি ইংরেজি মূল শব্দের সঙ্গে তৎসম বা সংস্কৃত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত সঠিক মিশ্র শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - খ্রিস্টান শব্দের শুরুতে ইংরেজি উচ্চারণ আছে এবং শেষে তৎসম রূপ রয়েছে, এভাবে মনে রাখতে পারো। - মিশ্র শব্দ চেনার জন্য শব্দের অংশ দুটি আলাদা করে কোন ভাষার তা খেয়াল করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মিশ্র শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিভিন্ন ভাষার শব্দের মিলনে গঠিত শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a তিব্বতি লিপি
b ব্রাহ্মী লিপি
c খরোস্ত্রী লিপি
d দেবনাগরী লিপি
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাহ্মী লিপি ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালার উৎস হলো প্রাচীন ভারতীয় লিপি ব্যবস্থা ব্রাহ্মী লিপি। - ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে ব্রাহ্মী লিপি থেকেই বিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা লিপির উদ্ভব ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নে লিপি বিবর্তনের ধারা আলোচিত হয়েছে। - প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি থেকে কুটিল লিপি এবং পরবর্তী সময়ে সেন ও পাল আমলে কায়স্থী বা прото-বাংলা লিপির মাধ্যমে বর্তমান বাংলা বর্ণমালার সৃষ্টি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা বর্ণমালার ক, খ, গ ইত্যাদি অক্ষরগুলোর মূল রূপ প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপিতে পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এই অক্ষরগুলো শত শত বছর ধরে বিবর্তিত হয়ে আজকের আধুনিক রূপ লাভ করেছে। উদাহরণ ২: ভারতের দেবনাগরী এবং বাংলার লিপি একই উৎস থেকে উৎপন্ন হয়েছে। ব্যাখ্যা: ব্রাহ্মী লিপি শাখা প্রশাখার মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশের অধিকাংশ লিপির জন্ম দিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিব্বতি লিপি — তিব্বতি লিপি লানজা বা উদু লিপি থেকে এসেছে যার উৎসও ব্রাহ্মী, তবে সরাসরি বাংলা বর্ণমালার উৎস তিব্বতি লিপি নয়। B) ব্রাহ্মী লিপি — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এই নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়। C) খরোস্ত্রী লিপি — খরোস্ত্রী লিপি প্রাচীন ভারতের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে প্রচলিত ছিল যা ডান দিক থেকে বাম দিকে লেখা হতো এবং এটি বাংলা লিপির উৎস নয়। D) দেবনাগরী লিপি — দেবনাগরী হিন্দি ও সংস্কৃত লেখার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি বাংলা লিপির উৎস নয়, বরং সমগোত্রীয় অপর একটি লিপি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভারতীয় প্রায় সব আধুনিক লিপির আদি মাতা হলো ব্রাহ্মী লিপি। - বাংলা বর্ণমালার উৎস মনে রাখতে ব্রাহ্মী শব্দটিকে মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ইতিহাস থেকে প্রায়ই লিপি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - বাংলা লিপির উৎস ব্রাহ্মী লিপি এটি মুখস্থ রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a ব্যধিকরণ বহুব্রীহি
b ব্যতিহার বহুব্রীহি
c মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
d অলুক বহুব্রীহি
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্যধিকরণ বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়। 'বীণাপানি' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বীণা পানিতে (হাতে) যার। এখানে পূর্বপদ 'বীণা' এবং পরপদ 'পানি' কোনোটিই প্রধান নয়, বরং এই দুই পদের মাধ্যমে এমন একজন দেবীকে (সরস্বতী) বোঝানো হয়েছে যার হাতে বীণা আছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটিই বিশেষ্য পদ নয় অথবা দুটি পদই ভিন্ন ভিন্ন বিভক্তিযুক্ত হয়, তাকে ব্যধিকরণ বহুব্রীহি বলে। এখানে 'বীণা' প্রথমা বিভক্তি এবং 'পানি' সপ্তমী বিভক্তিযুক্ত হওয়ায় এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহির নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: شاسی‌پانی (শূলপানি) ব্যাখ্যা: শূল পানিতে যার, অর্থাৎ মহাদেব। এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহির একটি ক্লাসিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: গজমোতি ব্যাখ্যা: গজে মজে যে মতি, অর্থাৎ ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের নিয়মে এটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যধিকরণ বহুব্রীহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ পূর্বপদ ও পরপদের বিভক্তি ভিন্ন। B) ব্যতিহার বহুব্রীহি — ক্রিয়ার পারস্পরিক বোঝাবুঝিতে এই সমাস হয় যেমন হাতাহাতি, যা এখানে নেই। C) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি — ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পেলে মধ্যপদলোপী হয় যেমন বিড়ালআঁখি যার = বিড়ালআঁখি। D) অলুক বহুব্রীহি — সমাসবদ্ধ পদে বিভক্তির লোপ না পেলে অলুক হয় যেমন গায়ে মাথায় তেল যার = গায়েমাথাতেল। ৫. মনে রাখার টিপস: শরীরের অঙ্গবাচক শব্দ যেমন পানি বা হাত যদি পরপদ হয় এবং পূর্বপদের সঙ্গে তার বিভক্তির মিল না থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে ব্যধিকরণ বহুব্রীহি দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বীণাপানি ও শূলপানি শব্দ দুটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত প্রায়ই আসে। এই দুটি শব্দ ব্যধিকরণ বহুব্রীহির সবচেয়ে জনপ্রিয় উদাহরণ।
a লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও পদ্ধতি
b উদ্দেশ্য, প্রান্তিক যোগ্যতা, বিষয়বস্তু ও মূল্যায়ন
c উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু, পদ্ধতি ও মূল্যায়ন
d লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু ও মূল্যায়ন
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উদ্দেশ্য, প্রান্তিক যোগ্যতা, বিষয়বস্তু ও মূল্যায়ন কেন সঠিক: আধুনিক শিক্ষাক্রম প্রণয়নে শিক্ষার্থীর সামগ্রিক বিকাশ নিশ্চিত করার জন্য সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য এবং প্রান্তিক যোগ্যতার নির্ধারণ অত্যন্ত জরুরি। এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিষয়বস্তু নির্বাচন এবং শিখনফল যাচাইয়ের জন্য সঠিক মূল্যায়ন প্রক্রিয়া যুক্ত থাকায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: শিক্ষাক্রম বা কারিকুলাম হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর কাঙ্ক্ষিত আচরণ পরিবর্তনের একটি সুপরিকল্পিত রূপরেখা। এটি মূলত শিক্ষাবিজ্ঞানের একটি বিশেষ পারিভাষিক শব্দ যা পাঠ্যসূচির পরিধি এবং শিখন প্রক্রিয়াকে সামগ্রিকভাবে নির্দেশ করে। যেমন কোনো একটি শ্রেণির পাঠ্যক্রমে কী পড়ানো হবে এবং শেষে শিক্ষার্থী কী অর্জন করবে তা এই উপাদানের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও পদ্ধতি — এই অপশনে শিক্ষাক্রমের অন্যতম প্রধান উপাদান বিষয়বস্তু এবং মূল্যায়ন বাদ পড়েছে। C) উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু, পদ্ধতি ও মূল্যায়ন — এতে আধুনিক শিক্ষাক্রমের আধুনিক ধারণা প্রান্তিক যোগ্যতা অন্তর্ভুক্ত নেই। D) লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু ও মূল্যায়ন — লক্ষ্য শিক্ষাক্রমের চেয়ে বৃহত্তর বিষয় এবং প্রান্তিক যোগ্যতা এখানে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: শিক্ষাক্রমের মূল উপাদানগুলো মনে রাখার জন্য 'উপ্রবিমূ' বা উদ্দেশ্য, প্রান্তিক যোগ্যতা, বিষয়বস্তু ও মূল্যায়ন এই সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
a কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন
b ঘুঘু দেখেছ ফাঁদ দেখনি
c অসারের তর্জন-গর্জন সার
d আসলে মুষল নেই, ঢেঁকি ঘরে চাঁদোয়া
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অসারের তর্জন-গর্জন সার ১. কেন সঠিক: - এই প্রবাদটির মূল অর্থ হলো অযোগ্য বা গুণহীন ব্যক্তির ফাঁকা আওয়াজ বা বড়াই কাজের বেলায় কোনো উপকারে আসে না। - প্রশ্নটিতে থাকা গুণহীন ব্যক্তির ব্যর্থ আস্ফালন কথাটির সঙ্গে এই প্রবাদের ভাবার্থ পুরোপুরি মিলে যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রবাদ-প্রবচন হলো লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ যা যুগ যুগ ধরে মানুষের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধিকে সংক্ষেপে প্রকাশ করে আসছে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় গভীর অর্থ ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘ দেখে করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে ব্যাখ্যা: আপাতদৃষ্টিতে বিপদ বা কঠিন সময় মনে হলেও এর পেছনে ভালো কিছু অপেক্ষা করছে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: গর্ভে যার নাই রে বিষ, সেও কাটে ফণা ব্যাখ্যা: অযোগ্য বা ক্ষমতাহীন ব্যক্তিও যখন বড়াই বা ক্ষমতা দেখানোর চেষ্টা করে তখন এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন — এই প্রবাদটির অর্থ বিপরীতার্থক বা অসম্ভব নাম রাখা। B) ঘুঘু দেখেছ ফাঁদ দেখনি — এই প্রবাদটির অর্থ বিপদ বা চালাকি সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা না থাকা। C) অসারের তর্জন-গর্জন সার — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ গুণহীনের ব্যর্থ আস্ফালন। D) আসলে মুষল নেই, ঢেঁকি ঘরে চাঁদোয়া — এই প্রবাদটির অর্থ মূল জিনিস বা গুরুত্বহীন জায়গায় আড়ম্বর করা। ৫. মনে রাখার টিপস: - অসার বা গুণহীন শব্দ দেখলে তর্জন-গর্জন সার প্রবাদটি নির্বাচন করবে। - ফাঁকা আওয়াজ আর কাজের কাজ কিছু না হওয়া মানেই অসারের তর্জন-গর্জন সার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্নিহিত অর্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রবাদের ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ধরে এর ভাবার্থ বা রূপক অর্থ বুঝতে হবে।
a অর্থের কুপ্রভাব
b অপচয়
c ক্ষনস্থায়ী বস্তু
d কৃপণের কড়ী
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অর্থের কুপ্রভাব ১. কেন সঠিক: - তামার বিষ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ তামা ধাতুর বিষক্রিয়া নয়, বরং এর প্রতীকী অর্থ হলো অর্থের কুপ্রভাব বা টাকার অহংকার। - সমাজে অনেক সময় অতিরিক্ত অর্থ মানুষের নৈতিক পতন ঘটায় এবং ভালো মানুষকেও নষ্ট করে ফেলে, যা এই বাগধারা দ্বারা বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা, যা বিশেষ বিশেষ শব্দগুচ্ছের মাধ্যমে সাধারণ অর্থের বাইরে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে। - বাগধারা ভাষা ও ভাবকে সংহত, সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলে এবং এর মাধ্যমে সমাজের নানা বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইদুরের কপালে ৬ মাস ধরে টাকা জমানোর পর অবশেষে তার মাথায় তামার বিষ চেপে বসল এবং সে সবাইকে অবহেলা করতে শুরু করল। ব্যাখ্যা: এখানে প্রচুর টাকা পাওয়ার পর মানুষের আচরণে যে পরিবর্তন ও অহংকার আসে, তা বোঝাতে তামার বিষ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নতুন লটারির টাকা হাতে পাওয়ার পর থেকেই ছেলেটির মধ্যে তামার বিষ কাজ করছে, সে এখন পুরনো বন্ধুদের আর চেনেই না। ব্যাখ্যা: হঠাৎ করে প্রচুর অর্থ পাওয়ার ফলে মানুষের নৈতিকতা ও বিনয় নষ্ট হয়ে যাওয়ার অবস্থাকে এখানে নির্দেশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থের কুপ্রভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ তামার বিষ বাগধারাটি ঠিক এই অর্থেই বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। B) অপচয় — এই অপশনটি ভুল কারণ অপচয় অর্থ নষ্ট করা বা অমিতব্যয়ী হওয়া, যা তামার বিষ বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) ক্ষনস্থায়ী বস্তু — এই অপশনটি ভুল কারণ ক্ষণস্থায়ী বস্তু বলতে যা বেশিদিন টিকে থাকে না তাকে বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থ নয়। D) কৃপণের কড়ী — এই অপশনটি ভুল কারণ কৃপণের কড়ী অর্থ কৃপণ ব্যক্তির জমানো বা সযত্নে রক্ষিত অর্থ, যা আলোচ্য বাগধারার অর্থের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - তামা একটি ধাতু আর বিষ হলো খারাপ জিনিস, তাই মনে রাখবে অতিরিক্ত টাকা বা অর্থের কুপ্রভাবই হলো তামার বিষ। - টাকা মানুষের মাথা খারাপ করে দেয় এবং তাকে অহংকারী করে তোলে, এই কথাটি মনে রাখলেই উত্তরটি সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্থের কুপ্রভাব অর্থে সবচেয়ে বেশি যে বাগধারাটি আসে তা হলো তামার বিষ। - এই ধরনের অর্থবোধক বাগধারাগুলোর আক্ষরিক অর্থ না ধরে সবসময় রূপক বা ভাবার্থ বিবেচনা করতে হবে।
a বাংলা
b পর্তুগিজ
c ফারসি
d হিন্দি
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - পেয়ারা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি আমাদের প্রাত্যহিক ব্যবহৃত একটি বিদেশি শব্দ। - ঐতিহাসিক যোগাযোগের কারণে পর্তুগিজ ভাষা থেকে বহু শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে প্রবেশ করেছে, পেয়ারা তার মধ্যে অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যার মধ্যে বিদেশি শব্দ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - পর্তুগিজ ভাষার বহু শব্দ বাংলা ভাষায় মিশে গেছে যা মূলত বাণিজ্য ও ঔপনিবেশিক প্রভাবের ফলস্বরূপ ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনারস ব্যাখ্যা: এটিও একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় খাদ্য ও ফলবাচক বিদেশি শব্দের একটি অন্যতম প্রধান উদাহরণ। উদাহরণ ২: চাবি ব্যাখ্যা: দৈনন্দিন ব্যবহৃত এই বস্তুকবাচক শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং প্রমিত রূপে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা — পেয়ারা কোনো মৌলিক বাংলা শব্দ নয় কারণ এটি অন্য ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। B) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি পেয়ারা শব্দের প্রকৃত উৎস নির্দেশ করে। C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ আসলেও পেয়ারা ফারসি শব্দ নয়। D) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলায় প্রবেশ করলেও পেয়ারা হিন্দি শব্দ হিসেবে স্বীকৃত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো খাদ্যদ্রব্য ও দৈনন্দিন ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট ফল ও উপকরণের নাম আলাদা করা। - আনারস, পেয়ara, এবং চাবি—এই শব্দগুলো খেয়াল রাখলেই পর্তুগিজ শব্দের তালিকা সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি-ফারসি শব্দ নিয়ে। - পেয়ারা এবং আনারসের মতো ফলবাচক শব্দগুলোর উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
a প্রত্যুদ্গমন
b অগ্রগামী
c শুভ পদার্পণ
d স্বাগতম
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রত্যুদ্গমন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করা হয়েছে বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী। - কোনো বিশিষ্ট অতিথি বা বরেণ্য ব্যক্তিকে সামনে এগিয়ে গিয়ে সম্মান ও শিষ্টাচারসহ অভ্যর্থনা জানানোকে ব্যাকরণের ভাষায় প্রত্যুদ্গমন বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো ব্যাকরণের এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে সুন্দরভাবে প্রকাশ করা যায়। - প্রতি + উদ + গমন এই অংশের সংযোগ বা সন্ধি সাধনের মাধ্যমে প্রত্যুদ্গমন শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার মূল ভাব সামনে এগিয়ে যাওয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অরিকে দমন করে যে ব্যাখ্যা: এটি এককথায় প্রকাশের একটি সাধারণ নিয়ম যেখানে বড় বাক্যকে সংক্ষেপ করা হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো শোনা যায়নি ব্যাখ্যা: এটিকে এককথায় পূর্বশ্রুতিহীন বলা হয়, যা বাক্যের ভাবকে সুন্দরভাবে প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যুদ্গমন — এটি সঠিক উত্তর। B) অগ্রগামী — এর অর্থ হলো যে সামনে এগিয়ে চলে, কিন্তু এটি অভ্যর্থনা জানানোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) শুভ পদার্পণ — এটি একটি সাধারণ অভ্যর্থনাবাচক বাক্য বা শুভেচ্ছা, নির্দিষ্ট কোনো এককথায় প্রকাশ নয়। D) স্বাগতম — এর অর্থ কাউকে আমন্ত্রণ জানানো, তবে এটি সামনে এগিয়ে যাওয়ার বিশেষ অবস্থাকে নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - অভ্যর্থনা শব্দটির সঙ্গে গমন শব্দটি মিলিয়ে প্রত্যুদ্গমন শব্দটি মনে রাখতে পারো। - সামনে এগিয়ে যাওয়া বোঝাতে উৎ বা উদ্ উপসর্গযুক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - সন্ধি সাধিত এককথায় প্রকাশগুলোর ক্ষেত্রে মূল শব্দের অর্থ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a আমাদের সেনারা "যুদ্ধে" অপরাজেয়
b একদা প্রভাতে ভানুর "প্রভাতে" ফুটিল কমল কলি
c "চন্দ্রোদয়ে" কুমুদিনি বিকশিত হয়
d "প্রভাতে" উঠিল রবি লোহিত বরণ
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) "চন্দ্রোদয়ে" কুমুদিনি বিকশিত হয় কেন সঠিক: - বাক্যে চন্দ্রোদয় একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ যা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করে। - এই পদে সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কোনো ক্রিয়ার ভাব বা কোনো কাজের সময় বোঝালে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি হয় এবং তাকে ভাবে সপ্তমী বলে। - এখানে সূর্যোদয় বা চন্দ্রোদয়ের মতো একটি ঘটনার ওপর অন্য ঘটনার সংঘটন নির্ভরশীল। - যেমন: সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আমাদের সেনারা যুদ্ধে অপরাজেয় — এটি স্থান বা বিষয়ে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। - B) একদা প্রভাতে ভানুর প্রভাতে ফুটিল কমল কলি — এটি কালবাচক অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। - D) প্রভাতে উঠিল রবি লোহিত বরণ — এটিও নির্দিষ্ট সময় বোঝানোর কারণে কালবাচক অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। মনে রাখার টিপস: - কোনো অসমাপিকা ক্রিয়া বা ভাববাচক বিশেষ্য পদ যখন অন্য কাজের শর্ত বা সময় বোঝায়, তখন তাকে ভাবে সপ্তমী বলে চিনে নেবে।
a ধাতু প্রত্যয়
b শব্দ প্রত্যয়
c কৃৎপ্রত্যয়
d তদ্ধিতপ্রত্যয়
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃৎপ্রত্যয় ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাকে কৃৎপ্রত্যয় বলে। কৃৎপ্রত্যয় সাধিত পদকে কৃদন্ত পদ বলা হয় এবং এটি মূলত বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ গঠনে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার, যথা কৃৎপ্রত্যয় ও তদ্ধিতপ্রত্যয়। ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তা কৃৎপ্রত্যয় এবং শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তা তদ্ধিতপ্রত্যয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √চল + অন্ত = চলমান ব্যাখ্যা: এখানে চল হলো ধাতু এবং অন্ত হলো প্রত্যয়, যা মিলে কৃদন্ত পদ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: √পড় + আ = পড়া ব্যাখ্যা: এখানে পড় হলো ধাতু এবং আ হলো প্রত্যয়, যা কৃৎপ্রত্যয়ের মাধ্যমে সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধাতু প্রত্যয় — ব্যাকরণে ধাতু প্রত্যয় বলে কোনো স্বতন্ত্র বা প্রচলিত প্রত্যয়ের নাম নেই। B) শব্দ প্রত্যয় — শব্দ প্রত্যয় বলতে কোনো পরিভাষা ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয় না। D) তদ্ধিতপ্রত্যয় — তদ্ধিতপ্রত্যয় ধাতু বা ক্রিয়ামূলের পরে নয়, বরং নামশব্দ বা প্রাতিপদিকের পরে যুক্ত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্রিয়ার সাথে কৃৎপ্রত্যয় এবং শব্দের সাথে তদ্ধিতপ্রত্যয় যুক্ত হয়। এই সহজ নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষাকলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কৃৎপ্রত্যয় ও তদ্ধিতপ্রত্যয়ের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। ধাতু চিহ্নিত করতে পারলে কৃৎপ্রত্যয় নির্ণয় করা খুব সহজ হয়।
a বৈষয়িক অধিকরণ
b ভাবাধিকরণ
c অভিব্যাপক অধিকরণ
d ঐকদেশিক অধিকরণ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঐকদেশিক অধিকরণ ১. কেন সঠিক: - ক্রিয়ার আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে এবং নির্দিষ্ট কোনো এক স্থানে বা নির্দিষ্ট বিন্দুতে ক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাকে ঐকদেশিক অধিকরণ বলে। - পুকুরের একটি নির্দিষ্ট অংশে মাছ আছে বোঝানো হয়েছে, তাই এটি সমগ্র পুকুর জুড়ে না থেকে নির্দিষ্ট একটি স্থানে অবস্থান করা নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যা দ্বারা ক্রিয়ার আধার বোঝায় তাকে অধিকরণ কারক বলা হয় এবং স্থান বা পাত্রের ভিত্তিতে অধিকরণ চার প্রকার। - নির্দিষ্ট কোনো এক স্থানে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক অধিকরণ কারক বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ আছে। ব্যাখ্যা: বনে বলতে বনের নির্দিষ্ট কোনো অংশে বাঘ আছে বোঝানো হয়েছে, যা ঐকদেশিক অধিকরণের উদাহরণ। উদাহরণ ২: আকাশে চাঁদ উঠেছে। ব্যাখ্যা: আকাশের একটি নির্দিষ্ট অংশে চাঁদ উঠেছে বোঝানো হয়েছে, যা ঐকদেশিক অধিকরণ কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৈষয়িক অধিকরণ — কোনো বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা বা বিষয়ে বিশেষ অর্থ বোঝালে বৈষয়িক অধিকরণ হয়, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়। B) ভাবাধিকরণ — কোনো ক্রিয়ার প্রভাবে অন্য ক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাকে ভাবাধিকরণ বলে, যা এখানে মাছ থাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) অভিব্যাপক অধিকরণ — কোনো বৃহৎ ক্ষেত্র জুড়ে বা সমগ্র ব্যাপ্তিময়তা বোঝালে অভিব্যাপক অধিকরণ হয়, কিন্তু পুকুরের নির্দিষ্ট অংশে মাছ আছে বোঝানো হয়েছে। D) ঐকদেশিক অধিকরণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ নির্দিষ্ট স্থানে ক্রিয়া সম্পাদনের ধারণা এখানে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্থান বা আধার যদি নির্দিষ্ট বা একদেশ বোঝায়, তবে তা ঐকদেশিক অধিকরণ কারক হবে। - সমগ্র ব্যাপ্তিময়তা বোঝালে অভিব্যাপক অধিকরণ হয়, এই পার্থক্যটি মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অধিকরণ কারকের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝে আধার বা স্থান নির্দিষ্ট না সমগ্র তা নির্ণয় করতে হবে।
a অগ্রনায়ক
b রতন
c আপন
d অনুষ্ঠান
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগ্রনায়ক ১. কেন সঠিক: সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম প্রযোজ্য হয় না বা খাটে না। অগ্রনায়ক শব্দটিতে অগ্র এবং নায়ক দুটি পৃথক শব্দ মিলে সমাসবদ্ধ হয়েছে বলে এখানে ণ-ত্ব বিধান অনুসারে মূর্ধন্য ণ হয় নি, দন্ত ন হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ কিছু শব্দে বসে এবং ট-বর্গের পূর্বে মূর্ধন্য ণ হয়। তবে সমাসবদ্ধ বা যুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে দেশি ও বিদেশি শব্দের মতো তৎসম শব্দের সমাসবদ্ধ পদেও অনেক সময় ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম খাটে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্নাম ব্যাখ্যা: এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ এবং এখানে উপসর্গ ও শব্দের মিলনে গঠিত হওয়ায় দন্ত ন ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ত্রিনয়না ব্যাখ্যা: সমাসবদ্ধ শব্দ হওয়ার কারণে এখানেও ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম কার্যকর হয়নি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্রনায়ক — এটি সমাসবদ্ধ শব্দ হওয়ায় এখানে ণ-ত্ব বিধান খাটেনি এবং দন্ত ন বসেছে যা প্রশ্নের সঠিক চাহিদার সঙ্গে মিলেছে। B) রতন — এটি কোনো সমাসবদ্ধ শব্দ নয়, তাই এটি প্রশ্নোক্ত নিয়মের আলোচ্য বিষয় নয়। C) আপন — এটি স্বাধীন পদ বা শব্দ, সমাসবদ্ধ শব্দ নয়। D) অনুষ্ঠান — এটি উপসর্গযুক্ত শব্দ এবং ন-ত্ব বিধানের বিশেষ নিয়মে এখানে মূর্ধন্য ণ হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সমাসবদ্ধ শব্দ দেখলে মনে রাখবে সেখানে সাধারণত ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম খাটে না এবং দন্ত ন অপরিবর্তিত থাকে। শব্দটি ব্যাসবাক্য বা সমাসের মাধ্যমে গঠিত কি না তা যাচাই করে এই নিয়ম প্রয়োগ করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে যেখানে সমাসবদ্ধ শব্দ এবং সাধারণ শব্দের বানান আলাদা করা হয়। ণ-ত্ব বিধানের ব্যতিক্রম নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
a দ্যুঃ+লোক
b দুই+ লোক
c দ্বি+লোক
d দিব্+লোক
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দিব্+লোক ১. কেন সঠিক: - দ্যুলোক শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো দিব্+লোক। এটি একটি ব্যঞ্জনসন্ধির বিশেষ নিয়ম বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির অন্তর্ভুক্ত। - দ্যুলোক শব্দের অর্থ স্বর্গলোক বা আকাশ। সন্ধির নিয়মানুসারে দিব শব্দের ব্ স্থানে ল যুক্ত হয়ে দ্যুলোক গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি হলো সেইসব সন্ধি যা প্রচলিত কোনো সাধারণ ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলে না, বরং প্রাকৃত ও সাধারণ ব্যবহারের মাধ্যমে সিদ্ধ হয়। - ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে যে পরিবর্তন ঘটে, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। এখানে দিব্ এবং লোক মিলে দ্যুলোক হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উৎ+পত্তি = উৎপত্তি ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি সাধারণ নিয়ম যেখানে ত বা দ এর পর প থাকলে ত স্থানে ম বা প এর প্রভাবে পরিবর্তন ঘটে। উদাহরণ ২: সৎ+জন = সজন ব্যাখ্যা: এটিও ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ যা ত বর্গের সাথে জ এর মিলনে সাধিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্যুঃ+লোক — এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত হতে পারত, কিন্তু দ্যুলোক শব্দ গঠনে বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) দুই+ লোক — এখানে দুই শব্দের সাথে লোক যুক্ত হয়ে কোনো অর্থপূর্ণ বা ব্যাকরণসিদ্ধ সন্ধি গঠন করে না। সি) দ্বি+লোক — দ্বি শব্দটির সাথে লোক যুক্ত করলে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের কোনো নিয়ম অনুযায়ী দ্যুলোক শব্দ পাওয়া যায় না। D) দিব্+লোক — এটি সঠিক কারণ দিব শব্দের সাথে লোক যুক্ত হয়ে নিপাতনে সিদ্ধ নিয়মে দ্যুলোক শব্দ গঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো বিশেষ ব্যতিক্রম হিসেবে মুখস্থ রাখতে হয়। দ্যুলোক শব্দের শুরুতে দিব্ আছে এটি মনে রাখলে পরীক্ষা ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই এ জাতীয় শব্দগুলোর সঠিক বিচ্ছেদ বারবার চর্চা করা উচিত।
a ৫টি
b ৩টি
c ৪টি
d ১টি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণ ৩টি। এই বর্ণগুলো স্বাধীনভাবে একা একা পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না এবং উচ্চারণের জন্য অন্য বর্ণের সাহায্য নেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে। এর মধ্যে পরাশ্রয়ী বর্ণগুলো সবসময় অন্য বর্ণের ওপর নির্ভর করে বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুঃখ শব্দে ব্যবহৃত বিসর্গ একটি পরাশ্রয়ী বর্ণ। ব্যাখ্যা: বিসর্গ একা উচ্চারিত হতে পারে না, এটি অন্য বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে উচ্চারিত হয়। উদাহরণ ২: চাঁদ শব্দে ব্যবহৃত চন্দ্রবিন্দু একটি পরাশ্রয়ী বর্ণ। ব্যাখ্যা: চন্দ্রবিন্দু স্বরবর্ণের ওপর নুনাসিক বা নাসিক্য ভাব ফুটিয়ে তুলতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫টি — ৫টি পরাশ্রয়ী বর্ণ নেই, কারণ পরাশ্রয়ী বর্ণ নির্দিষ্টভাবে ৩টি। B) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর এবং পরাশ্রয়ী বর্ণ হলো অনুস্বার, বিসর্গ ও চন্দ্রবিন্দু। C) ৪টি — ৪টি পরাশ্রয়ী বর্ণ বাংলা বর্ণমালায় স্বীকৃত নয়। D) ১টি — ১টি বর্ণ পরাশ্রয়ী নয়, কারণ এদের সংখ্যা তিনটি। ৫. মনে রাখার টিপস: পরাশ্রয়ী বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো অনুস্বার, বিসর্গ ও চন্দ্রবিন্দু এই তিনটি বর্ণকে একত্রে মনে রাখা। পরাশ্রয়ী শব্দের অর্থই হলো অন্যের ওপর আশ্রিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরাশ্রয়ী বর্ণ কয়টি তা প্রায়ই আসে। এই বর্ণগুলোর অপর নাম অযোগবাহ বর্ণও বলা হয়ে থাকে।
a প্রমথচৌধুরী
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c মোতাহার হোসেন চৌধুরী
d ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির সফল প্রবর্তক ও রূপকার হলেন প্রমথ চৌধুরী। তিনি সাধু ভাষার কৃত্রিমতা দূর করে মুখের বুলিকে লেখার ভাষায় রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে ইতালীয় সোনেটের প্রবর্তক এবং বীরবল ছদ্মনামের জনক। তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজ পত্ৰ পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধের যুগ শুরু হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ তেল নুন লাঠিজ ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে চলিত রীতির সাবলীল ও মননশীল ব্যবহার স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত গল্প সংকলন চার ইয়ারী কথা ব্যাখ্যা: চলিত রীতিতে রচিত এই গল্পগ্রন্থে হালকা চালে গভীর জীবনদর্শন তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রমথ চৌধুরী — ইনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির সফল প্রবর্তক ও সবুজ পত্র পত্রিকার সম্পাদক। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ চলিত রীতি ব্যবহার করলেও এর প্রাতিষ্ঠানিক প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। C) মোতাহার হোসেন চৌধুরী — ইনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও লেখক ছিলেন। D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — বিদ্যাসাগর মহাশয় গদ্যে সাধু রীতির পরিমার্জন ও পঙ্কিলতা দূর করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী এবং তাঁর পত্রিকার নাম সবুজ পত্র মনে রাখবে। সবুজ পত্রের মাধ্যমেই চলিত রীতি সাহিত্য সমাজে আন্দোলনের রূপ নেয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী হলেও গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। এই দুটি নাম প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই পার্থক্য মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a Animated
b Dull
c Heavy
d Slow
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Animated কেন সঠিক: 'Sluggish' শব্দটির অর্থ হলো অলস, মন্থর বা নিষ্ক্রিয়। এর বিপরীত শব্দ হলো প্রাণবন্ত বা উৎসাহী। 'Animated' শব্দটির অর্থ প্রাণবন্ত বা জীবন্ত। তাই এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Animated — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ প্রাণবন্ত। B) Dull — এটি sluggish শব্দের সমার্থক যার অর্থ নিস্তেজ। C) Heavy — এটি ওজনে ভারী বোঝায় যা সঠিক বিপরীত নয়। D) Slow — এটি sluggish শব্দের সমার্থক যার অর্থ ধীরগতির। মনে রাখার টিপস: Sluggish মানে অলস আর Animated মানে প্রাণবন্ত, ঠিক যেন কার্টুন অ্যানিমেশনের মতো জীবন্ত।
a He lived a hut close with river.
b He lived in a hut close at the river.
c He lived in a hut close to the river.
d He lived in a hut close by the river.
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He lived in a hut close to the river. কেন সঠিক: কুটিরে বাস করা অর্থে 'lived in a hut' ব্যবহার করা সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম। নদীর কাছাকাছি বোঝাতে 'close to' preposition সঠিক ও সুন্দরভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He lived a hut close with river. — এখানে hut এর আগে উপযুক্ত preposition নেই এবং close এর সাথে with ব্যবহার ভুল। B) He lived in a hut close at the river. — নদীর কাছাকাছি অর্থে close এর সাথে at preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) He lived in a hut close by the river. — যদিও অর্থ কিছুটা মিলে যায়, তবে নির্দিষ্ট কাঠামোর দিক থেকে close to হলো সবচেয়ে নিখুঁত ও প্রমিত ব্যবহার। মনে রাখার টিপস: কাছাকাছি বা নিকটে বোঝাতে সাধারণত close এর পরে to preposition ব্যবহার করতে হয়।
a The authority criticised him.
b The authority took him to task.
c The authority took him to book.
d The authority gave reins to him.
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The authority took him to task. কেন সঠিক: - 'Take to task' একটি প্রচলিত ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা, যার অর্থ কাউকে তিরস্কার করা বা ভর্ৎসনা করা। - বাক্যের অর্থ অনুযায়ী কর্তপক্ষের তাকে তিরস্কার করার ভাব প্রকাশ করতে এই ইডিওমটি সঠিক ও নিখুঁতভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The authority criticised him. — 'Criticise' সাধারণ অর্থে সমালোচনা করা বোঝায়, কিন্তু সরাসরি তিরস্কার করা বা ভর্ৎসনা করার জন্য 'take to task' ইডিওমটি বেশি উপযুক্ত। B) The authority took him to task. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল বা অপ্রযোজ্য বলার কিছু নেই। C) The authority took him to book. — ইংরেজিতে 'take to task' সঠিক ইডিওম, কিন্তু 'take to book' বলে কোনো মানসম্মত বা প্রচলিত বাগধারা নেই। D) The authority gave reins to him. — 'Give reins to' একটি ইডিওম যার অর্থ কাউকে অবাধ স্বাধীনতা দেওয়া, যা এখানে তিরস্কার করার অর্থের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: কাজের জন্য (Task) বকাঝকা বা তিরস্কার করা হলো, এভাবে মনে রাখলে 'take to task' (তিরস্কার করা) সহজে মনে থাকবে।
a Of
b For
c To
d In
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) For কেন সঠিক: - 'Taste for' একটি সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ বা গ্রুপ প্রিপোজিশন, যার অর্থ কোনো কিছুর প্রতি অনুরাগ বা রুচি। - শূন্যস্থানের আগে 'taste' শব্দটি থাকায় এর পরে সঠিক প্রিপোজিশন হিসেবে 'for' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Of — 'Taste of' সাধারণত কোনো কিছুর আস্বাদন বা চেখে দেখার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কোনো বিষয়ের প্রতি অনুরাগ বোঝাতে নয়। B) For — এটি সঠিক কারণ 'taste for' ফ্রেজটি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের প্রতি রুচি বা আগ্রহ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। C) To — 'Taste to' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এই বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে এটি ব্যবহার করা যায় না। D) In — 'Taste in' ফ্যাশন বা শৈলীর ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যবহৃত হলেও এখানে সংগীতের প্রতি অনুরাগ বোঝাতে 'for' ই সঠিক। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ের প্রতি রুচি বা অনুরাগ বোঝাতে সর্বদা 'taste' শব্দের পরে প্রিপোজিশন 'for' বসে।
a Have
b Are
c Has
d Was
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Was কেন সঠিক: বাক্যের মূল Subject বা কর্তা হলো The father, যা singular বা একবচন। with his seven daughters অংশটি Prepositional phrase হওয়ায় Verb-কে প্রভাবিত করতে পারে না। বাক্যটি Past tense-এর Passive voice বা সাধারণ Past tense-এর বর্ণনা বোঝাচ্ছে। singular কর্তা হওয়ায় এখানে singular verb হিসেবে Was বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Have — এটি Plural verb, তাই Singular subject-এর সাথে বসে না। B) Are — এটি Plural verb, তাই Singular subject-এর সাথে এটিও ভুল। C) Has — এটি Present tense-এর verb, কিন্তু বাক্যটির প্রেক্ষাপটে Past tense প্রয়োজন। D) Was — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Along with, together with বা with দ্বারা কোনো Subject যুক্ত থাকলে প্রথম Subject অনুসারেই Verb নির্ধারিত হয়।
a Take away unlawfully
b Kidnap
c Restore
d None of them
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Restore কেন সঠিক: Abduct শব্দের অর্থ কাউকে বলপূর্বক অপহরণ করা বা জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এমন সঠিক শব্দ হলো রিস্টোর যার অর্থ ফিরিয়ে দেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Take away unlawfully — এটি আবডাক্ট শব্দের সমার্থক অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। B) Kidnap — এটি আবডাক্ট শব্দের সরাসরি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) None of them — যেহেতু সি নম্বর অপশনটি সঠিক তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: আবডাক্ট মানে ছিনিয়ে নেওয়া আর রিস্টোর মানে ফিরিয়ে দেওয়া।
a Bear out
b Bear on
c Bear to
d Bear of
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Bear out কেন সঠিক: 'Bear out' একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ সমর্থন করা বা সত্য প্রমাণ করা। এটি 'confirm' বা নিশ্চিত করার সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বাক্যের অর্থ ঠিক রাখতে এর বিকল্প হিসেবে এটি বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bear out — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Bear on — এর অর্থ কোনো কিছুর সাথে সম্পর্কিত হওয়া বা প্রাসঙ্গিক হওয়া। C) Bear to — এমন কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব সাধারণত ইংরেজিতে ব্যবহৃত হয় না। D) Bear of — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এর নির্দিষ্ট কোনো অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু সমর্থন বা নিশ্চিত করতে 'Bear out' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়।
a I went there and seeked a job.
b I went there so that I could seek a job.
c I went there for seeking a job.
d I went there and sought a job.
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I went there and sought a job. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি কাজ বোঝানো হয়েছে এবং Compound sentence করতে হলে coordination clause আনতে হয়। and conjunction ব্যবহার করে দুটি স্বাধীন clause যুক্ত করায় এটি সঠিক Compound sentence হয়েছে। মূল verb seek এর past form sought ব্যবহার করা হয়েছে কারণ বাক্যটি অতীত কালের। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I went there and seeked a job. — seek verb এর past form seeked হয় না, সঠিক রূপ sought হবে। B) I went there so that I could seek a job. — এটি একটি Complex sentence, তাই এটি Compound নয়। C) I went there for seeking a job. — এটি একটি Simple sentence এবং preposition এর পর gerund ব্যবহার করা হয়েছে। D) সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Simple sentence এর উদ্দেশ্য বোঝাতে infinitive থাকলে Compound করার সময় and ব্যবহার করে দুটি স্বাধীন clause লিখতে হয় এবং tense অনুযায়ী verb এর সঠিক রূপ বসাতে হয়।
a He had been hanged for murder.
b He has been hanged for murder.
c He was hanged for murder.
d He was hunged for murder.
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He was hanged for murder. কেন সঠিক: অপশন সি সঠিক কারণ এটি অতীতের একটি নির্দিষ্ট ঘটনার ক্ষেত্রে সঠিক কাল বা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করেছে। তাছাড়া এখানে ফাঁসি দেওয়া অর্থে hang verb এর সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম hanged ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He had been hanged for murder. — এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই কারণ ঘটনাটি অতীতকালের সাধারণ ঘটনা। B) He has been hanged for murder. — এখানে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা অতীতের নির্দিষ্ট ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) He was hanged for murder. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়। D) He was hunged for murder. — এখানে hang verb এর ভুল পাস্ট ফর্ম hunged ব্যবহার করা হয়েছে, যার সঠিক রূপ হলো hanged। মনে রাখার টিপস: মৃত্যুদণ্ড বা ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে hang verb এর পাস্ট ফর্ম সবসময় hanged হবে, ঝুলিয়ে রাখা অর্থে hung ব্যবহার করা হয়।
a Would have failed
b Would fail
c Will fail
d Will have failed
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Would have failed কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে But for থাকলে এটি তৃতীয় Conditional বা অতীতকালের অসম্ভব শর্ত বোঝায়। এর মূল clause-এ subject-এর পরে would have, could have বা might have বসে এবং মূল verb-এর past participle রূপ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Would have failed — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Would fail — এটি দ্বিতীয় Conditional-এর নিয়ম অনুসরণ করে, যা অতীতকালের অর্থের সাথে মেলে না। C) Will fail — এটি প্রথম Conditional-এর গঠন, যা অতীতকালের অর্থ প্রকাশের জন্য সঠিক নয়। D) Will have failed — এটি ভবিষ্যৎকালের সম্ভাবনা নির্দেশ করে, যা এই অতীতকালের বাক্যে বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে But for থাকলে পরের অংশে always would have + verb-এর past participle বসবে।
a Playing
b Was playing
c Played
d Were playing
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Was playing কেন সঠিক: বাকიটির প্রথমাংশ While দ্বারা শুরু হয়েছে এবং পরের অংশে Past Indefinite Tense (saw) রয়েছে। তাই নিয়মানুযায়ী While এর পরের অংশটি Past Continuous Tense হবে। Subject (I) singular হওয়ায় এখানে auxiliary verb হিসেবে was বসবে। মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে playing হবে। গঠন প্রণালীটি ছিল: While + subject + was/were + verb (ing) + object. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Playing — Auxiliary verb ছাড়া সরাসরি ing যুক্ত verb বসলে তা Past Continuous Tense এর নিয়ম পূরণ করে না। B) Was playing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Played — এটি Past Indefinite Tense, যা While যুক্ত বাক্যের চলমান কাজের নিয়মের সাথে মেলে না। D) Were playing — Subject (I) singular হওয়ায় এখানে plural verb 'were' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: While এর পরে সাধারণত Past Continuous Tense বসে এবং পরের cluase টি Past Indefinite Tense হয়।
a Distribute
b Export
c Import
d Smuggle
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Smuggle কেন সঠিক: Boot leg একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ অবৈধভাবে পণ্য আনা বা পাচার করা। অপশনের মধ্যে Smuggle শব্দের অর্থ চোরাচালান করা বা পাচার করা, যা এর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। আইনবহির্ভূতভাবে কিছু বহন করা বোঝাতেই এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Distribute — এর অর্থ বিতরণ করা, যা অবৈধ পাচারের সমার্থক নয়। B) Export — এর অর্থ রপ্তানি করা, যা বৈধ বা অবৈধ উভয় বাণিজ্য হতে পারে। C) Import — এর অর্থ আমদানি করা, যা সাধারণত বৈধ প্রক্রিয়া বোঝায়। D) Smuggle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: জুতার বুটের ভেতরে লুকিয়ে জিনিসপত্র পাচার করা হতো বলে বুটলেগ শব্দের অর্থ চোরাচালান বা পাচার করা হয়।
a He was seen by me play.
b Play was seen him by me.
c He was seen playing by me.
d He was seen to play by me.
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He was seen to play by me. কেন সঠিক: Active voice এ see verb এর পর bare infinitive থাকলে passive করার সময় to যুক্ত করতে হয়। তাই play এর আগে to বসে সঠিক গঠন তৈরি হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He was seen by me play. — এখানে play এর আগে প্রয়োজনীয় to ব্যবহার করা হয়নি যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Play was seen him by me. — এখানে বাক্যের অর্থ এবং সাবজেক্ট অবজেক্টের স্থান পরিবর্তন ভুলভাবে করা হয়েছে। C) He was seen playing by me. — এখানে bare infinitive কে gerund করা হয়েছে যা এই বাক্যের নির্দিষ্ট নিয়মের সাথে মিলে না। D) He was seen to play by me. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Active voice এ see, watch, hear ইত্যাদির পর bare infinitive থাকলে passive করার সময় তার পূর্বে to বসাতে হয়।
a He did not try a little.
b He did not stay unmoved.
c He left no stone unturned.
d He did not turn all stones.
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He left no stone unturned. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে 'tried his best' অর্থ যথাসাধ্য চেষ্টা করা বুঝিয়েছে। 'He left no stone unturned' একটি প্রবাদতুল্য বাক্য যার অর্থ সব ধরনের চেষ্টা করা। তাই অর্থের দিক থেকে এটি মূল বাক্যটির সঠিক নেতিবাচক রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He did not try a little — এটি আক্ষরিক অনুবাদ এবং এর অর্থ সে অল্প চেষ্টা করেনি, যা মূল বাক্যের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না। B) He did not stay unmoved — এই অপশনের অর্থ সে বিচলিত না হয়ে থাকেনি, যা মূল বাক্যের অর্থ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। C) C) He left no stone unturned — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) He did not turn all stones — এটি একটি ভুল অনুবাদ কারণ প্রবাদ বাক্যের সঠিক রূপ এখানে ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: 'Try one's best' এর নেতিবাচক রূপ করতে প্রায়ই 'leave no stone unturned' এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়।
a Omnious
b Extencion
c Hesitasion
d Mischievous
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Mischievous কেন সঠিক: শব্দটিতে বানানগত নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। এর অর্থ হলো ক্ষতিকর বা দুষ্টু প্রকৃতির। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Omnious — সঠিক বানান হবে Ominous যার অর্থ অশুভ। B) Extencion — সঠিক বানান হবে Extension যার অর্থ সম্প্রসারণ। C) Hesitasion — সঠিক বানান হবে Hesitation যার অর্থ দ্বিধা। D) Mischievous — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান এবং এর অর্থ দুষ্টু। মনে রাখার টিপস: Mischievous বানানটি মনে রাখতে শেষে ous অংশটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a In case of your failure to move,you will die.
b You move, you will die.
c If you move, you will die.
d Move and die.
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) In case of your failure to move,you will die. কেন সঠিক: প্রশ্নসূচক Imperative Sentence-এ Or থাকলে তাকে Simple Sentence-এ রূপান্তর করার সময় In case of + Possessive case + Gerund ব্যবহার করতে হয়। এখানে প্রদত্ত বাক্যের অর্থ ঠিক রেখে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করায় অপশন এ সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) In case of your failure to move,you will die. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) You move, you will die. — এটি কোনো সঠিক গ্রামাটিক্যাল নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়নি এবং এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ বাক্য। C) If you move, you will die. — Conjunction যুক্ত থাকায় এই বাক্যটি একটি Complex Sentence, যা প্রশ্ন অনুযায়ী Simple নয়। D) Move and die. — And যুক্ত থাকায় এটি একটি Compound Sentence এবং এর অর্থ সম্পূর্ণ বিপরীত হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: Imperative বাক্যে Or থাকলে Simple করার সময় In case of your failure to লিখে মূল ভার্বের সাথে ing যোগ করতে হয়।
a Noun
b Verb
c Adjective
d Adverb
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Noun কেন সঠিক: এখানে tale শব্দটি একটি গল্পের নাম বা বস্তু হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। Articles (a) এর ঠিক পরে এবং preposition (about) এর আগে বসেছে। এটি বাক্যে অবজেক্ট হিসেবে কাজ করেছে। সব মিলিয়ে এটি একটি Noun. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) Verb — এই শব্দটির কোনো কাজের প্রকাশ বোঝায় না তাই এটি ভার্ব নয়। C) Adjective — এটি কোনো noun বা pronoun কে বিশেষিত করছে না। D) Adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb কে পরিবর্তন করে না। মনে রাখার টিপস: Article যেমন a, an, the এর পরে যে শব্দটি থাকে সাধারণত সেটি noun হয়।
a put on
b put to
c put off
d put left
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) put off কেন সঠিক: - 'Put off' একটি ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ স্থগিত করা বা কোনো কাজ পরে করার জন্য জমিয়ে রাখা। - বাক্যের অর্থ অনুযায়ী আজকের কাজটি কালকের জন্য স্থগিত করতে নিষেধ করা হয়েছে, তাই এখানে 'put off' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) put on — এর অর্থ পরিধান করা বা গায়ে দেওয়া, যা এখানে অর্থসংগত নয়। B) put to — এর অর্থ কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা বা নিবদ্ধ করা, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না। C) put off — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য। D) put left — এটি ইংরেজিতে কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব বা সঠিক ইংরেজি প্রয়োগ নয়। মনে রাখার টিপস: আজকের কাজ আগামীকালের জন্য ফেলে না রেখে 'put off' (স্থগিত) করা থেকে বিরত থাকার প্রবাদমূলক অর্থ মনে রাখতে হবে।
a tenfold
b peaceful
c blessed
d malignant
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) malignant কেন সঠিক: Benign শব্দটির অর্থ হলো অমায়িক, সোম্য বা ক্ষতিকর নয় এমন। এর বিপরীতার্থক বা antonym হলো malignant যার অর্থ মারাত্মক বা ক্ষতিকর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) tenfold — এটি পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যার অর্থ দশগুণ। এটি benign শব্দের বিপরীতার্থক নয়। B) peaceful — এর অর্থ শান্ত বা শান্তিপূর্ণ। এটি benign শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, বিপরীত নয়। C) blessed — এর অর্থ পবিত্র বা আশীর্বাদপুষ্ট। এটি benign শব্দের সমার্থক হতে পারে, বিপরীত নয়। D) malignant — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ক্ষতিকর বা মারাত্মক, যা benign শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Benign শব্দটির শুরু B দিয়ে এবং এর অর্থ ভালো বা ক্ষতিকর নয়, অন্যদিকে Malignant শব্দটির শুরু M দিয়ে এবং এর অর্থ খারাপ বা মারাত্মক।
a is
b was
c had been
d were
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: এটি একটি কাল্পনিক বা অবাস্তব শর্তের বাক্য (Unreal Conditional)। তাই সাবজেক্ট singular হওয়া সত্ত্বেও এখানে were বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি বর্তমানকালের সাধারণ সত্য বোঝায় কিন্তু বাক্যের পরের অংশে would have done থাকায় এটি ভুল। B) was — সাধারণ নিয়মে singular subject এর পরে was বসে তবে অবাস্তব শর্তে এর ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) had been — এটি অতীতের পূর্ণাঙ্গ ঘটনা বোঝায় কিন্তু এখানে অতীতকালের অসম্ভব কল্পনা প্রকাশ করা হয়েছে। D) were — এটি কাল্পনিক বাক্যের শর্ত পূরণ করে এবং সাবজেক্ট যাই হোক না কেন were ই সঠিক নিয়ম অনুযায়ী বসে। মনে রাখার টিপস: অবাস্তব বা কাল্পনিক ইচ্ছার বাক্যে (Subjunctive Mood) সাবজেক্টের পর সবসময় were বসে।
a was
b were
c had been
d have been
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: বাক্যে দি হেডমাস্টার এবং দি প্রেসিডেন্ট অফ দ্য স্কুল দ্বারা দুজন ভিন্ন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে। তাদের মাঝে অ্যান্ড কনজাংশন থাকার কারণে সাবজেক্টটি প্লুরাল বা বহুবচন হয়েছে। তাই এখানে সঠিক verb হিসেবে were ব্যবহার করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি singular verb হওয়ায় plural সাবজেক্টের সাথে বসে না। B) were — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে প্রযোজ্য। C) had been — এটি past perfect tense নির্দেশ করে যা সময়ের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) have been — এটি present perfect tense হওয়ায় অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: Article দি যদি একাধিক Subject-এর পূর্বে আলাদাভাবে থাকে, তবে verb সবসময় Plural হয়।
a of
b by
c in
d from
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) from কেন সঠিক: - কোনো উপাদান থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন বস্তু তৈরি হলে এবং মূল উপাদানটি আর চেনা না গেলে preposition হিসেবে from বসে। - দুধ থেকে দই তৈরি হলে দুধের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে এবং দই থেকে সহজে আর দুধ ফেরত পাওয়া যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — উপাদান অপরিবর্তিত থাকলে এবং মূল বস্তু চেনা গেলে ব্যবহৃত হয়, যেমন চেয়ার কাঠের তৈরি। B) by — সাধারণত কর্তা বা passive voice-এ মাধ্যম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। setC) in — স্থান, ক্ষেত্র বা ভাষার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, উপাদানের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নয়। D) from — সঠিক উত্তর, কারণ এখানে উপাদানের স্থায়ী রূপান্তর ঘটে। মনে রাখার টিপস: রূপ পরিবর্তন হয়ে নতুন বস্তু তৈরি হলে from বসে, আর রূপ অপরিবর্তিত থাকলে of বসে।
a changed
b change
c had changed
d should changed
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) changed কেন সঠিক: - It is high time বা It is time-এর পর Subject থাকলে Verb-এর Past Indefinite Tense হয়। - এখানে we হলো Subject, তাই পরের Verb-টি Past Form (changed) হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) changed — এটি সঠিক কারণ It is high time-এর পর Verb-এর Past Form বসে। B) change — এটি Present Form, যা It is high time-এর নিয়মের সঙ্গে মেলে না। C) had changed — এটি Past Perfect Tense, যা এই কাঠামোর জন্য প্রয়োজন নেই। D) should changed — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ should-এর পর Verb-এর Base Form বসে। মনে রাখার টিপস: It is high time-এর পর Subject থাকলে Verb-এর পাস্ট ফর্ম (Past Form) হয়।
a briefly
b brevity
c brieve
d but
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) brevity কেন সঠিক: brevity শব্দটি একটি নাউন যার অর্থ সংক্ষিপ্ততা। brief শব্দটির সাথে ty যুক্ত হয়ে এটি নাউনে রূপান্তরিত হয়েছে। এটি বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) briefly - এটি একটি অ্যাডভার্ব কারণ এর শেষে ly যুক্ত আছে। B) brevity - এটি সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল নয়। C) brieve - এটি ইংরেজি শব্দভাণ্ডারে সঠিক কোনো শব্দ নয়। D) but - এটি একটি কনজাংশন বা প্রিপজিশন, নাউন নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শেষে ty বা ness থাকলে সাধারণত সেটি নাউন হয়।
a help
b helped
c helping
d to help
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) helping কেন সঠিক: বাক্যে used to এর আগে be verb (was) থাকলে তার পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। এখানে নিয়ম অনুযায়ী helping সঠিক উত্তর হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) help — be verb এর পরে সরাসরি base form বসে না। B) helped — এখানে past tense এর verb ব্যবহার করা নিয়ম বহির্ভূত। C) helping — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়মের সাথে মিলে যায়। D) to help — was used to এর পরে infinitive বসে না। মনে রাখার টিপস: subject এর পরে be verb এবং used টু থাকলে ভার্বের সাথে ing যোগ করবে।

মোট প্রশ্ন (17)

a অন্তঃকেন্দ্র
b পরিকেন্দ্র
c লম্বকেন্দ্র
d ভরকেন্দ্র
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরিকেন্দ্র প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষবিন্দু দেওয়া আছে এই শীর্ষবিন্দুগুলো দিয়ে একটি বৃত্ত অঙ্কন করতে হবে ধরি, ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দু তিনটি হলো ক, খ এবং গ এই বিন্দুগুলোর সংযোজক রেখাংশের লম্ব সমদ্বিখণ্ডক তিনটি অঙ্কন করা হলো অতএব, লম্ব সমদ্বিখণ্ডক তিনটি একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় এই মিলিত বিন্দুটি ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষবিন্দু থেকে সমদূরবর্তী হয় এই বিন্দুটিকে কেন্দ্র করে ত্রিভুজের পরিবৃত্ত আঁকা সম্ভব সুতরাং, ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দুগুলো দিয়ে অংকিত বৃত্তের এই কেন্দ্রকে পরিকেন্দ্র বলা হয় উত্তর: পরিকেন্দ্র
a a<b
b a>b
c a=b
d a not = b
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a=b প্রদত্ত তথ্য: প্রথম শর্ত হলো a<=b দ্বিতীয় শর্ত হলো b<=a ধরি, a সংখ্যাটি b এর চেয়ে ছোট বা সমান b সংখ্যাটি a এর চেয়ে ছোট বা সমান অতএব, প্রথম শর্ত অনুযায়ী a এর মান b এর সমান অথবা কম হতে পারে দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী b এর মান a এর সমান অথবা কম হতে পারে সুতরাং, দুটি শর্ত একসাথে সত্য হওয়ার কেবল একটাই উপায় আছে যখন মান দুটি সমান হয় উত্তর: a=b
a x-1
b x-2
c x-3
d x-4
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x-4 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো xএর কিউব − ৬ গুণ xএর বর্গ + ১১ গুণ x − ৬ বিকল্প অপশনগুলোতে চারটি উৎপাদক দেওয়া আছে ধরি, বহুপদী রাশিটিকে fx ধরা যাক উৎপাদক শূন্য হলে fx এর মান শূন্য হবে অতএব, x − ১ হলে x এর মান ১ বসিয়ে পাই ১ − ৬ + ১১ − ৬ = ০ x − ২ হলে x এর মান ২ বসিয়ে পাই ৮ − ২৪ + ২২ − ৬ = ০ সুতরাং, x − ৩ হলে x এর মান ৩ বসিয়ে পাই ২৭ − ৫৪ + ৩৩ − ৬ = ০ x − ৪ হলে x এর মান ৪ বসিয়ে পাই ৬৪ − ৯৬ + ৪৪ − ৬ = ২ উত্তর: x − ৪
a x>0 এবং x not equal 1
b x>=0 এবং x not equla 1
c x>0 অথবা x not equal 1
d x>=0 অথবা x not equla 1
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x>0 এবং x not equal 1 প্রদত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো lnx ভাগ (x − ১) ধরি, লগারিদম সংজ্ঞায়িত হওয়ার জন্য ভেরিয়েবল শূন্যের চেয়ে বড় হতে হবে হরের মান শূন্য হতে পারবে না কারণ হরে শূন্য থাকলে ভগ্নাংশটি অসংজ্ঞায়িত হয় অতএব, লগারিদমের শর্তানুযায়ী প্রথম শর্ত হলো x>0 হরের শর্তানুযায়ী দ্বিতীয় শর্ত হলো x − ১ not equal 0 বা x not equal 1 সুতরাং, এই দুটি শর্ত একসঙ্গে প্রযোজ্য হতে হবে উত্তর: x>0 এবং x not equal 1
a 4
b 9
c 12
d 16
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হলো ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r অতএব, বৃত্তের নতুন ব্যাস = আদি ব্যাস + আদি ব্যাসের তিনগুণ বৃত্তের নতুন ব্যাসার্ধ = ৪ × r সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৪ × r) × (৪ × r) = ১৬ × π × r × r ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = (১৬ × π × r × r) ÷ (π × r × r) = ১৬ গুণ উত্তর: ১৬
a 10
b 15
c 20
d 25
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ৮০ এর প্রথম অংশ হলো ৭৫% এর দ্বিতীয় অংশ হলো ২৫% ধরি, নির্ণয় মান = ৮০ এর ৭৫% এর ২৫% অতএব, ৮০ এর ৭৫% = ৮০ × (৭৫ ÷ ১০০) = ৬০ সুতরাং, ৬০ এর ২৫% = ৬০ × (২৫ ÷ ১০০) = ১৫ উত্তর: ১৫
a 411
b 111
c 211
d 311
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩১১ প্রদত্ত তথ্য: ভাজকগুলো হলো ১২, ১৫, ২০ এবং ২৫ প্রতিক্ষেত্রে অবশিষ্ট থাকে ১১ ধরি, প্রথমে ১২, ১৫, ২০ এবং ২৫ এর লসাগু বের করতে হবে লসাগু বের করার জন্য সংখ্যাগুলোর মৌলিক উৎপাদক নিতে হবে অতএব, ১২, ১৫, ২০ এবং ২৫ এর লসাগু হবে ৩০০ নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে লসাগু এবং অবশিষ্টের যোগফল সুতরাং, সংখ্যাটি হবে ৩০০ + ১১ উত্তর: ৩১১
a 25%
b 40%
c 15%
d 20%
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫% প্রদত্ত তথ্য: কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা = ১২ মহিলার সংখ্যা = ৯ ধরি, পুরুষের সংখ্যা = মোট সদস্য − মহিলার সংখ্যা অতএব, পুরুষের সংখ্যা = ১২ − ৯ পুরুষের সংখ্যা = ৩ সুতরাং, পুরুষের শতকরা হার = (৩ ÷ ১২) × ১০০% উত্তর: ২৫%
a 90°
b 135°
c 175°
d 210°
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৩৫° প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত ১ : ২ : ২ : ৩ ধরি, কোণ চারটি যথাক্রমে ১ক, ২ক, ২ক এবং ৩ক অতএব, চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি = ৩৬০° কোণগুলোর যোগফল = ১ক + ২ক + ২ক + ৩ক = ৮ক সুতরাং, ৮ক = ৩৬০° ক = ৩৬০° ÷ ৮ = ৪৫° উত্তর: বৃহত্তম কোণ = ৩ × ৪৫° = ১৩৫°
a 1.111.....
b 1.1010101....
c 1.1001001001...
d 1.1010010001....
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১.১০১০০১০০০১.... প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে বিভিন্ন দশমিক সংখ্যা দেওয়া আছে। সংখ্যাগুলোর মধ্যে কোনটি অমूलদ সংখ্যা তা নির্ণয় করতে হবে। বিশ্লেষণ: যেকোনো মূলদ সংখ্যার দশমিক বিস্তার হয় সসীম অথবা পনপুনিক (পৌণপুনিক)। অমূলদ সংখ্যার দশমিক বিস্তার অসীম এবং অনাবৃত্ত হয়। ধরি, A) ১.১১১..... সংখ্যাটি পনপুনিক বা মূলদ। B) ১.১০১০১০১.... সংখ্যাটি পনপুনিক বা মূলদ। C) ১.১০০১০০১০০১... সংখ্যাটি পনপুনিক বা মূলদ। অতএব, D) ১.১০১০০১০০০১.... সংখ্যাটিতে নির্দিষ্ট কোনো অঙ্ক বারবার ফিরে আসছে না। অর্থাৎ এর দশমিক বিস্তার অসীম এবং অনাবৃত্ত। সুতরাং, অমূলদ সংখ্যার সংজ্ঞা অনুযায়ী এটি একটি অমূলদ সংখ্যা। উত্তর: D) ১.১০১০০১০০০১....
a বর্গ
b আয়ত
c ট্রাপিজিয়াম
d রম্বস
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রম্বস প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তস্থ চতুর্ভুজ সংক্রান্ত জ্যামিতিক শর্ত চারটি ভিন্ন চতুর্ভুজের বৈশিষ্ট্য ধরি, চতুর্ভুজটি একটি বৃত্তের ভেতরে অবস্থিত বিপরীত কোণ দুটির সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি অতএব, বর্গ এবং আয়তের বিপরীত কোণগুলো সমান এবং সমকোণ রম্বসের বিপরীত কোণগুলো সমান হলেও তা সমকোণ নয় সুতরাং, রম্বসের ক্ষেত্রে বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণের শর্তটি পূরণ হয় না উত্তর: রম্বস
a 2
b 3
c 4
d 5
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সরলরেখাগুলোর দৈর্ঘ্য = ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭ সেমি মোট সরলরেখা = ৭টি ধরি, যেকোনো চারটি বাহু দ্বারা চতুর্ভুজ গঠন করতে হলে সবচেয়ে বড় বাহুর দৈর্ঘ্য বাকি তিনটি বাহুর যোগফলের চেয়ে ছোট হতে হবে অতএব, ১, ২, ৩ ও ৪ বাহুগুলোর ক্ষেত্রে = ১ + ২ + ৩ = ৬, যা ৪ অপেক্ষা বড় সুতরাং এই বাহুগুলো দিয়ে চতুর্ভুজ গঠন সম্ভব ধরি, অন্য একটি কম্বিনেশনের ক্ষেত্রে যাচাই করা যাক বাহুগুলো যদি ১, ২, ৩ ও ৭ হয় তবে ১ + ২ + ৩ = ৬, যা ৭ অপেক্ষা ছোট সুতরাং এই বাহুগুলো দিয়ে চতুর্ভুজ গঠন সম্ভব নয় অতএব, একইভাবে ১, ২, ৪ ও ৭ বাহুগুলোর ক্ষেত্রে = ১ + ২ + ৪ = ৭, যা ৭ এর সমান সুতরাং এই বাহুগুলো দিয়েও চতুর্ভুজ গঠন সম্ভব নয় অতএব, একইভাবে ১, ৩, ৪ ও ৮ এর পরিবর্তে ১, ৩, ৪ ও ৭ বাহুগুলোর ক্ষেত্রে = ১ + ৩ + ৪ = ৮, যা ৭ অপেক্ষা বড় সুতরাং এটি সম্ভব সুতরাং, সর্বমোট ৩টি ক্ষেত্রে শর্ত পূরণ হয় না এবং চতুর্ভুজ অঙ্কন সম্ভব নয় উত্তর: ৩
a 4.58
b 5.38
c 3
d 5
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪.৫৮ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ সেমি কেন্দ্র থেকে বিন্দুর দূরত্ব = ৫ সেমি ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে স্পর্শবিন্দুর দূরত্ব অর্থাৎ ব্যাসার্ধ = r = ২ সেমি কেন্দ্র থেকে বাইরের বিন্দুর দূরত্ব অর্থাৎ অতিভুজ = d = ৫ সেমি স্পর্শকের দৈর্ঘ্য = t অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, অতিভুজ স্কয়ার = লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার এখানে, d স্কয়ার = r স্কয়ার + t স্কয়ার ৫ স্কয়ার = ২ স্কয়ার + t স্কয়ার সুতরাং, ২৫ = ৪ + t স্কয়ার t স্কয়ার = ২৫ − ৪ = ২১ উত্তর: t = √২১ = ৪.৫৮ সেমি
a 2
b 3
c 4
d 5
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ১৫ টাকা লাভ = ২৫% ধরি, ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা তাহলে ২৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ২৫ = ১২৫ টাকা অতএব, বিক্রয়মূল্য ১২৫ টাকা হলে লাভ হয় ২৫ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে লাভ হয় ২৫ ÷ ১২৫ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ১৫ টাকা হলে লাভ হয় (২৫ × ১৫) ÷ ১২৫ = ৩ টাকা উত্তর: ৩
a 35.1
b 35.2
c 35.3
d 35.4
0 139 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৫.২ প্রদত্ত তথ্য: ৬টি কাঠির গড় দৈর্ঘ্য ৪৪.২ সেমি এদের ৫টির গড় দৈর্ঘ্য ৪৬ সেমি ধরি, ৬টি কাঠির মোট দৈর্ঘ্য = ৬ × ৪৪.২ সেমি ৫টি কাঠির মোট দৈর্ঘ্য = ৫ × ৪৬ সেমি অতএব, ৬টি কাঠির মোট দৈর্ঘ্য = ২৬৫.২ সেমি ৫টি কাঠির মোট দৈর্ঘ্য = ২৩০.০ সেমি সুতরাং, ৬ষ্ঠ কাঠিটির দৈর্ঘ্য = ২৬৫.২ সেমি − ২৩০.০ সেমি উত্তর: ৩৫.২ সেমি
a 15%
b 20%
c 21%
d 25%
0 154 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১% প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, p = a × b a ও b উভয়কে একত্রে ১০% বৃদ্ধি করা হলো ধরি, প্রাথমিক অবস্থায় a এর মান = ১০০ প্রাথমিক অবস্থায় b এর মান = ১০০ অতএব, প্রাথমিক অবস্থায় p এর মান = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ নতুন a এর মান = ১১০ নতুন b এর মান = ১১০ সুতরাং, নতুন p এর মান = ১১০ × ১১০ = ১২১০০ p এর মান বৃদ্ধি পায় = ১২১০০ − ১০০০০ = ২১০০ উত্তর: শতকরা বৃদ্ধি = (২১০০ ÷ ১০০০০) × ১০০% = ২১%
a বর্গ
b রম্বস
c ট্রাপিজিয়াম
d আয়তক্ষেত্র
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আয়তক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল সামান্তরিকের একটি কোণ সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি ধরি, সামান্তরিকটি হলো এ বি সি ডি এর কোণ এ সমান নব্বই ডিগ্রি অতএব, সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলো সমান হওয়ায় কোণ সি সমান নব্বই ডিগ্রি সামান্তরিকের বাহুগুলোর সমষ্টির নিয়ম অনুযায়ী কোণ বি এবং কোণ ডি ও নব্বই ডিগ্রি হবে সুতরাং, যে সামান্তরিকের প্রতিটি কোণ সমকোণ, তাকে আয়তক্ষেত্র বলা হয় উত্তর: আয়তক্ষেত্র

মোট প্রশ্ন (23)

a Short Message service
b Short Mail Service
c Simple Message Service
d Simple Mail Service
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Short Message service কেন সঠিক: - এটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত পাঠ্য বার্তা আদান-প্রদান করার একটি প্রযুক্তি। - প্রথম এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর প্রচলন শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Short Message service - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি এই প্রযুক্তির পূর্ণরূপ। B) Short Mail Service - এটি ভুল কারণ এখানে মেসেজের বদলে মেইল শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। C) Simple Message Service - এটি ভুল কারণ এখানে শর্টের বদলে সিম্পল শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। D) Simple Mail Service - এটি ভুল কারণ এখানে সঠিক শব্দের মিল নেই। মনে রাখার টিপস: এসএমএস মানে ছোট বার্তা, তাই শর্ট মেসেজ সার্ভিস মনে রাখতে হবে।
a পৌরসভা
b পল্লী বিদুৎ
c সিটি কর্পোরেশন
d উপজেলা পরিষদ
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পল্লী বিদুৎ কেন সঠিক: - পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড বা সমিতি একটি রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান, যা স্থানীয় সরকারের আওতাভুক্ত নয়। - এটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত না হয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বয়ংশাসিত সংস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৌরসভা — এটি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক স্তর এবং শহরাঞ্চলের জন্য নির্ধারিত। B) পল্লী বিদুৎ — এটি কোনো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি একটি বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সরকারি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা। C) সিটি কর্পোরেশন — এটি দেশের বড় শহরগুলোর স্থানীয় সরকার পরিচালনার জন্য গঠিত সর্বোচ্চ স্তরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। D) উপজেলা পরিষদ — এটি গ্রামীণ অঞ্চলের স্থানীয় সরকার কাঠামোর উপজেলা পর্যায়ের একটি নির্বাচিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: স্থানীয় সরকার বলতে মূলত ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি কর্পোরেশনকে বোঝায়, তাই বিদ্যুৎ বা সেবা সংস্থাগুলো এর বাইরে থাকে।
a পিসিকালচার
b এপিকালচার
c মেরিকালচার
d সেরিকালচার
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এপিকালচার কেন সঠিক: - এপিকালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মৌমাছি পালন এবং মধু ও মোম উৎপাদনের প্রক্রিয়া। - এটি কৃষি খাতের একটি লাভজনক অংশ যা পরাগায়নেও সহায়তা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিসিকালচার — এটি বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ ও উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত। B) এপিকালচার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে মৌমাছি পালনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) মেরিকালচার — এটি সামুদ্রিক জীব ও উদ্ভিদ চাষের সঙ্গে সম্পর্কিত। D) সেরিকালচার — এটি রেশম পোকা চাষ ও রেশম উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: মৌমাছি সম্পর্কিত ইংরেজি শব্দ এপিয়ারি থেকে এপিকালচার শব্দটি এসেছে।
a বেলজিয়াম
b নরওয়ে
c ফিনল্যান্ড
d ডেনমার্ক
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডেনমার্ক কেন সঠিক: - ফোকেটিং হলো ডেনমার্কের এককক্ষ বিশিষ্ট জাতীয় সংসদের নাম। - এটি কোপেনহেগেনের ক্রিস্টিয়ানবর্গ প্রাসাদে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলজিয়াম — বেলজিয়ামের ফেডারেল পার্লামেন্টের নাম হলো দ্য ফেডারেল পার্লামেন্ট অব বেলজিয়াম, যা সিনেট ও প্রতিনিধি কক্ষ নিয়ে গঠিত। B) নরওয়ে — নরওয়ের আইনসভার নাম হলো স্টর্টিং, যা দেশটির সর্বোচ্চ নীত নির্ধারণী ও আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান। C) ফিনল্যান্ড — ফিনল্যান্ডের আইনসভার নাম হলো এডুস্কুন্তা, যা একটি এককক্ষ বিশিষ্ট সংসদ। D) ডেনমার্ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: ডেনের ফোক (Den's Folk) মনে রাখলে ডেনমার্কের আইনসভা ফোকেটিং সহজে মনে রাখা যায়।
a লোহা
b দস্তা
c পটাশিয়াম
d অ্যালুমিনিয়াম
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: D) অ্যালুমিনিয়াম কেন সঠিক: - ভূত্বকে বা প্রকৃতিতে ওয়ান (১) নম্বর সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় ধাতু হলো অ্যালুমিনিয়াম, যা ভূত্বকের মোট ওজনের প্রায় আট (৮) শতাংশ। - সামগ্রিকভাবে ভূত্বকের উপাদান হিসেবে অক্সিজেনের পর এবং সিলিকনের পরেই অ্যালুমিনিয়ামের অবস্থান, যা সবচেয়ে বেশি প্রাপ্ত ধাতব মৌল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোহা — এটি প্রকৃতিতে ভূত্বকে চতুর্থ সর্বাধিক প্রাপ্ত মৌল এবং দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রাপ্ত ধাতু। B) দস্তা — এটি ভূত্বকের উপরিভাগে খুব বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় না এবং এর পরিমাণ অ্যালুমিনিয়ামের তুলনায় অনেক কম। C) পটাশিয়াম — এটি ভূত্বকে পাওয়া গেলেও পরিমাণে অ্যালুমিনিয়ামের তুলনায় অনেক কম এবং এটি ক্ষার ধাতু। D) অ্যালুমিনিয়াম — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি ভূত্বকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা ধাতব উপাদান। মনে রাখার টিপস: মাটিতে ধাতু সবচেয়ে বেশি আলুর মতো (অ্যালুমিনিয়াম) পাওয়া যায়।
a রাষ্ট্রের সেবা করা
b রাষ্ট্রের আইন মেনে চলা
c নিয়মিত কর প্রদান করা
d রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত্য প্রকাশ করা
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও নাগরিকতা সঠিক উত্তর: B) রাষ্ট্রের আইন মেনে চলা কেন সঠিক: - রাষ্টry ব্যবস্থা শৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখার জন্য আইন তৈরি করে এবং নাগরিকের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হলো তা পালন করা। - আইন অমান্য করলে সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, তাই রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশের প্রাথমিক শর্ত হলো দেশের আইন মেনে চলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাষ্ট্রের সেবা করা — এটি নাগরিকের অন্যতম একটি নৈতিক ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলেও আইন মেনে চলার পরেই এর কার্যকারিতা আসে। B) রাষ্ট্রের আইন মেনে চলা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নাগরিকের প্রধানতম আইনি কর্তব্য। C) নিয়মিত কর প্রদান করা — এটি নাগরিকদের একটি অর্থনৈতিক ও বাধ্যতামূলক দায়িত্ব, তবে এটি আইন মানার মতো সার্বিক ও প্রধান কর্তব্য নয়। D) রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত্য প্রকাশ করা — এটি নাগরিকের একটি মৌলিক মানসিক ও রাজনৈতিক মনোভাব, যা আইন মেনে চলার মাধ্যমেই বাস্তবে প্রতিফলিত হয়। মনে রাখার টিপস: আইন মানাই প্রথম কাজ, কারণ আইন না মানলে রাষ্ট্রে শৃঙ্খলা বজায় থাকে না।
a হালদা নদী
b চলন বীল
c পশুর নদী
d মেঘনা নদী
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হালদা নদী কেন সঠিক: - হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, যেখানে রুই ও কাতলার মতো কার্প জাতীয় মাছ সরাসরি ডিম ছাড়ে। - নদীটির বিশেষ ভৌগোলিক অবস্থান এবং জোয়ারভাটার কারণে এখানে মা মাছেরা প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ার উপযুক্ত পরিবেশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হালদা নদী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র। B) চলন বিল — এটি বাংলাদেশের একটি বড় প্লাবনভূমি ও জলাভূমি হলেও এটি মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত নয়। C) পশুর নদী — এটি সুন্দরবনের কাছে অবস্থিত একটি সামুদ্রিক ও জোয়ারভাটা প্রভাবিত নদী, যা প্রজনন কেন্দ্র নয়। D) মেঘনা নদী — এটি দেশের অন্যতম প্রধান নদী ও অববাহিকা হলেও এটি বিশেষভাবে প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে খ্যাত নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক ডিম সংগ্রহের জন্য একমাত্র 'হালদা' নদীকেই দেশজুড়ে মৎস্যের মা বলা হয়।
a কবি গান
b বাউল গান
c লালন গীতি
d ভাওয়াইয়া
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাউল গান কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ২০০৫ সালে বাংলাদেশের বাউল গানকে মানবতার অমৌখিক ও দৃশ্যমান ঐতিহ্য বা Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। - বাউল সাধকদের জীবনদর্শন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং সুরের বৈশ্বিক গুরুত্বের কারণে এটি এই আন্তর্জাতিক মর্যাদা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবি গান — এটি বাংলা সংস্কৃতির প্রাচীন লোকসঙ্গীতের ধারা হলেও ইউনেস্কো থেকে এই নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়নি। B) বাউল গান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত বিশ্বমানের ঐতিহ্য। C) লালন গীতি — এটি বাউল গানেরই একটি অংশ বা ধারা, যা মূলত লালন শাহের পদের ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং আলাদাভাবে এই স্বীকৃতি পায়নি। D) ভাওয়াইয়া — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত হলেও ইউনেস্কোর মানব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বাউল গান মানেই ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য, যা ২০০৫ সালে স্বীকৃতি পায়।
a জয়নুল আবেদীন
b কামরুল হাসান
c হামিদুর রহমান
d হাশেম খান
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - পটুয়া শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭০ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রাথমিক রূপটি ডিজাইন করেছিলেন। - ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এক সভায় পতাকার এই রূপটি চূড়ান্ত করা হয় এবং ১৭ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম উত্তোলিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হলেও জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। B) কামরুল হাসান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপের ডিজাইনার। C) হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। D) হাশেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও বইয়ের প্রচ্ছদ শিল্পী, তবে জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। মনে রাখার টিপস: পতাকা মানেই তো কামরুল হাসানের শিল্পকর্ম, তাই পতাকার ডিজাইন বললে মনে রাখবেন কামরুল হাসান।
a ডলার
b পাউন্ড
c টাকা
d রুপি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রুপি কেন সঠিক: - শ্রীলঙ্কার অফিশিয়াল বা রাষ্ট্রীয় মুদ্রার নাম শ্রীলঙ্কান রুপি। - দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম রুপি, যার মধ্যে শ্রীলঙ্কা অন্যতম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, শ্রীলঙ্কার মুদ্রা নয়। B) পাউন্ড — এটি যুক্তরাজ্য ও কিছু অন্যান্য দেশের মুদ্রা, শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) টাকা — এটি বাংলাদেশের প্রচলিত মুদ্রা, যা শ্রীলঙ্কার মুদ্রা নয়। D) রুপি — এটি শ্রীলঙ্কার সঠিক মুদ্রা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ভারত ও শ্রীলঙ্কা উভয় দেশেরই মুদ্রার নাম রুপি।
a ওয়াশিংটন ডিসি
b নিউইয়র্ক
c জেনেভা
d রোম
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওয়াশিংটন ডিসি কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) প্রধান কার্যালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। - ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই সংস্থাটির সদর দপ্তর এখানেই নির্ধারিত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি আইএমএফের সদর দপ্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর, আইএমএফের নয়। C) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) সদর দপ্তর। D) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: টাকা-পয়সা বা অর্থের আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর (যেমন: IMF এবং World Bank) প্রধান কার্যালয় সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
a নতুন দিল্লি
b ইসলামাবাদ
c নিউইয়র্ক
d শিকাগো
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ১৯২০ ও ১৯৩০ এর দশকে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতার পুরস্কারের বড় অঙ্কের অর্থ বোঝাতে প্রথম এই নামটি ব্যবহার করা হয়। - বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরটিকে এর জমকালো জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির জন্য এই নামে ডাকা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নতুন দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী শহর এবং এর কোনো ঐতিহাসিক উপনাম বিগ অ্যাপেল নয়। B) ইসলামাবাদ — এটি পাকিস্তানের রাজধানী শহর এবং এর সঙ্গে বিগ অ্যাপেল নামের কোনো সম্পর্ক নেই। C) নিউইয়র্ক — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল বা প্রাসঙ্গিকতার প্রশ্ন নেই। D) শিকাগো — এটি আমেরিকার আরেকটি বড় শহর এবং একে উইন্ডি সিটি বলা হয়, বিগ অ্যাপেল নয়। মনে রাখার টিপস: নিউইয়র্ক শহরে আপেল খাওয়ার ধুম পড়ে যায়, তাই এই শহরের অন্য নাম বিগ অ্যাপেল।
a পুন্ড্র
b তাম্রলিপ্ত
c গৌড়
d হরিকেল
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পুন্ড্র কেন সঠিক: - পুন্ড্র হলো বাংলার প্রাচীনতম জনপদ, যার রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা বর্তমান মহাস্থানগড়। - ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক সূত্র অনুযায়ী এটি বাংলার প্রাচীন জনপদ হিসেবে সর্বস্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুন্ড্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। B) তাম্রলিপ্ত — এটি প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও জনপদ হলেও পুন্ড্রর চেয়ে প্রাচীন নয়। C) গৌড় — এটি পরবর্তীকালের একটি বিখ্যাত জনপদ ও স্বাধীন রাজ্য, যা বাংলার প্রাচীনতম জনপদ নয়। D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি জনপদ, যা পুণ্ড্র জনপদের সমসাময়িক বা প্রাচীনতম নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বাংলায় সবার আগে পা রাখে পুন্ড্র, তাই পুণ্ড্রই হলো বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ।
a ৮ মার্চ
b ৫ অক্টোবর
c ১০ ডিসেম্বর
d ২৪ সেপ্টেম্বর
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১০ ডিসেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা গৃহীত হয়। - পরবর্তীতে ১৯৫০ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে এই দিনটি মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ মার্চ — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়, যা মানবাধিকার দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৫ অক্টোবর — এই তারিখে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়, যা মানবাধিকার দিবসের সঙ্গে মিলে না। C) ১০ ডিসেম্বর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ভুল বা প্রাসঙ্গিকতার প্রশ্ন নেই। D) ২৪ সেপ্টেম্বর — এই তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হয়, যা মানবাধিকার দিবস নয়। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস মনে রাখতে ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে অর্থাৎ ১০ তারিখে মানবাধিকার রক্ষার শপথের কথা স্মরণ করুন।
a সেলিনা হোসেন
b শামসুর রহমান
c অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
d ফকরুল আলম
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অধ্যাপক আনিসুজ্জামান কেন সঠিক: - বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক অধ্যাপক আনিসুজ্জামান তাঁর সাহিত্যকর্ম ও উপমহাদেশে সংস্কৃতির প্রসারে অবদানের জন্য ২০১৯ সালের সার্ক সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। - দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেলিনা হোসেন — তিনি দেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও ২০১৯ সালের এই নির্দিষ্ট পুরস্কারটি লাভ করেননি। B) শামসুর রহমান — তিনি প্রখ্যাত কবি হলেও ২০১৯ সালের অনেক আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন। C) অধ্যাপক আনিসুজ্জামান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি ২০১৯ সালে সার্ক সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেছিলেন। D) ফকরুল আলম — তিনি বিশিষ্ট অনুবাদক ও শিক্ষাবিদ হলেও এই পুরস্কারের সাথে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: সার্ক সাহিত্য পুরস্কার ২০১৯ স্মরণে রাখবে আনিসুজ্জামান নামটি, যিনি বাংলার বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও গবেষক।
a ৩৭তম
b ৪৭তম
c ৫৭তম
d ৬৭তম
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৭তম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০১৮ সালের ১১ই মে স্যাটেলাইটটি মহাকাশে উৎক্ষেপণ করার মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট অধিকারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। - এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ফলে বাংলাদেশ মহাকাশ ক্লাবের গর্বিত সদস্য রাষ্ট্রে পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৭তম — এটি ভুল অপশন কারণ বিশ্ব স্যাটেলাইট ক্লাবে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৭তম নয়, বরং ৫৭তম। B) ৪৭তম — এটি ভুল অপশন কারণ এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ক্রমিক নম্বরের সাথে মেলে না। C) ৫৭তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজ স্যাটেলাইট মহাকাশে সফলভাবে প্রেরণ করে। D) ৬৭তম — এটি ভুল অপশন কারণ বাংলাদেশ ৬৭তম দেশ নয়, বরং ৫৭তম স্যাটেলাইট উৎকারী দেশ। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সাথে ৫৭ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে ৫ ও ৭ যোগ করলে ১২ হয় এবং এর উৎক্ষেপণ সাল ২০১৮ এর সাথে সংখ্যাটি মিলিয়ে পড়া সহজ।
a EU
b IDB
c ADB
d IFRC
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) IFRC কেন সঠিক: - দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং মানবিক কার্যক্রমে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক রেড ক্রসি ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ফেডারেশন এই সম্মাননা প্রদান করে। - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসনে রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) EU — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যা মূলত ইউরোপের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য এই নির্দিষ্ট পদক দেয়নি। B) IDB — এটি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, যা অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ঋণ সহায়তা নিয়ে কাজ করে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পদক প্রদানকারী সংস্থা নয়। C) ADB — এটি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, যা এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলে অবকাঠামো ও আর্থিক উন্নয়নে অর্থায়ন করে থাকে। D) IFRC — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে পুরষ্কৃত করেছে। মনে রাখার টিপস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মানেই মানবিক সহায়তা, আর মানবতার সেবায় কাজ করে আইএফআরসি বা রেসকিসেন্ট সংস্থা।
a বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
b তাজউদ্দীন আহমদ
c সৈয়দ নজরুল ইসলাম
d খন্দকার মোশতাক আহমেদ
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করা হয়। - তাঁর অনুপস্থিতিতে তাঁর নামেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং তিনি ছিলেন এই সরকারের সাংবিধানিক ও সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং তাঁর নেতৃত্বেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। D) খন্দকার মোশতাক আহমেদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের শীর্ষ পদে ছিলেন বঙ্গবন্ধু (রাষ্ট্রপতি) ও তাজউদ্দীন (প্রধানমন্ত্রী), আর সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি।
a ডেনমার্ক
b কেনিয়া
c বেইজিং
d মেক্সিকো
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) বেইজিং কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ঐতিহাসিক তথ্যের দিক থেকে ভুল। প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল মেক্সিকোর মেক্সিকো সিটিতে। - চীন রাজধানীর বেইজিং শহরে ১৯৯৫ সালে চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্ক — ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে ১৯৮০ সালে দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথমটি নয়। B) কেনিয়া — কেনিয়ার নাইরোবিতে ১৯৮৫ সালে তৃতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথমটি নয়। C) বেইজিং — বেইজিংয়ে ১৯৯৫ সালে চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তাই এটি প্রথম সম্মেলনের সঠিক উত্তর নয়। D) মেক্সিকো — মেক্সিকো সিটিতে ১৯৭৫ সালে প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা সঠিক উত্তর হওয়া উচিত। মনে রাখার টিপস: নারীদের প্রথম সম্মেলন মেক্সিকোতে বসেছিল ১৯৭৫ সালে এবং চতুর্থ সম্মেলন বসেছিল বেইজিংয়ে ১৯৯৫ সালে।
a SARS
b Rabies
c HIV
d Ebola
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) HIV কেন সঠিক: - HIV বা হিউম্যান ইমিউনোডেফিশিয়েন্সি ভাইরাস মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে এইডস রোগ সৃষ্টি করে। - এই ভাইরাসটি মূলত শরীরের শ্বেত রক্তকণিকাকে আক্রমণ করে শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ ভেঙে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) SARS — এটি গুরুতর তীব্র শ্বাসকষ্টজনিত সিন্ড্রোম সৃষ্টিকারী একটি ভাইরাস, যা এইডসের জন্য দায়ী নয়। B) Rabies — এটি জলাতঙ্ক রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস, যা সাধারণত কুকুর বা অন্যান্য প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। C) HIV — এটিই এইডস রোগের জন্য দায়ী একমাত্র নির্দিষ্ট ভাইরাস। D) Ebola — এটি ইবোলা নামক মারাত্মক রক্তক্ষরণ জ্বর সৃষ্টিকারী একটি ভাইরাস, যা এইডসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: এইডস রোগের নাম এবং এর জন্য দায়ী ভাইরাস (HIV) প্রায় সমার্থক, তাই এইচআইভি দেখলেই এইডস রোগকে চিহ্নিত করতে হবে।
a ধানের প্রজাতি
b পাখির প্রজাতি
c বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুইটি যুদ্ধ জাহাজ
d বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর দুইটি যুদ্ধ বিমান
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুইটি যুদ্ধ জাহাজ কেন সঠিক: - সংগ্রাম ও প্রত্যাশা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি মেরিটাইম পেট্রোল ভেসেল বা যুদ্ধজাহাজ। - দেশের সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা রক্ষা এবং সামুদ্রিক সম্পদ সুরক্ষায় এই জাহাজগুলো নিয়োজিত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধানের প্রজাতি — সংগ্রাম বা প্রত্যাশা নামে কোনো ধানের জাত নেই, ধান সাধারণত ব্রি ধান বা বিনা ধান নামে পরিচিত। B) পাখির প্রজাতি — এটি কোনো পাখির নাম নয়, এটি সামরিক নৌযানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুইটি যুদ্ধ জাহাজ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর দুইটি যুদ্ধ বিমান — বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলোর নামকরণ সাধারণত ভিন্ন হয়, এগুলো যুদ্ধজাহাজ। মনে রাখার টিপস: নৌবাহিনীর জাহাজের নাম মনে রাখতে 'সংগ্রাম' ও 'প্রত্যাশা' শব্দ দুটিকে সমুদ্রের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a জানুয়ারি মাসে
b ফেব্রুয়ারি মাসে
c জুলাই মাসে
d আগস্ট মাসে
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফেব্রুয়ারি মাসে কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন। - বাংলার মানুষের স্বাধিকার অর্জনের এই সনদটি আনুষ্ঠানিকভাবে ফেব্রুয়ারি মাসেই ঘোষিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জানুয়ারি মাসে — এই সময়ে ৬ দফা ঘোষণা করা হয়নি, তবে ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রণয়নের প্রস্তুতি ও চিন্তাভাবনা চলছিল। B) ফেব্রুয়ারি মাসে — এটি সঠিক উত্তর কারণ লাহোরে বিরোধী দলীয় সম্মেলনে এই মাসে দাবিটি উত্থাপন করা হয়। C) জুলাই মাসে — এই মাসে ৬ দফা ঘোষণা করা হয়নি, বরং এই সময়ে ৬ দফার পক্ষে তুমুল আন্দোলন গড়ে ওঠে। D) আগস্ট মাসে — এই মাসে ৬ দফা ঘোষণা করা হয়নি, এটি ৬ দফা ঘোষণার মাস নয়। মনে রাখার টিপস: ছয় দফার মাস মনে রাখতে 'ফেব্রুয়ারি' শব্দটির সাথে ঐতিহাসিক আন্দোলনকে যুক্ত করে মনে রাখুন।
a দ্রাবিড়
b নেগ্রিটো
c ভোট চীন
d অস্ট্রিক
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রিক কেন সঠিক: - নৃতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাঙালি জাতির গঠিত হওয়ার মূলে সবচেয়ে বড় অংশটি অস্ট্রিক জাতিগোষ্ঠীর বংশধর। - প্রাচীনকাল থেকেই এই অঞ্চলের মূল জনগোষ্ঠীর রক্তধারায় অস্ট্রিক বা নিষাদ জাতির সংমিশ্রণ সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রাবিড় — দ্রাবিড়রা বাঙালি জাতির গঠনে অবদান রাখলেও তারা প্রধান অংশ নয়, বরং দ্বিতীয় বৃহত্তম ধারা হিসেবে বিবেচিত হয়। B) নেগ্রিটো — এটি বাংলাদেশের আদিমতম জাতিগোষ্ঠী হলেও বাঙালি জাতির প্রধান অংশ হিসেবে এরা অন্তর্ভুক্ত নয়। C) ভোট চীন — ভোট চীন বা মঙ্গলীয় জনগোষ্ঠীর রক্তধারা বাঙালি জাতির উত্তরাংশের মানুষের মধ্যে কিছুটা থাকলেও প্রধান অংশ নয়। D) অস্ট্রিক — এটিই সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: বাঙালি জাতির মূল ভিত্তি অস্ট্রিক, এটি মনে রাখতে 'অ' দিয়ে 'অস্ট্রিক' এবং 'অ' দিয়ে 'প্রধান' অংশ এই মিলটি মনে রাখুন।