কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল

মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪

পদের নাম: জুনিয়র অডিটর (১১তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (70)

a তসলিমা নাসরিন
b হুমায়ুন আজাদ
c বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
d বেগম সুফিয়া কামাল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন কেন সঠিক: ১. তিনি বিশ শতকের শুরুর দিকে মুসলিম নারীদের শিক্ষা ও অধিকার নিয়ে জোরালো লেখালেখি করেছিলেন। ২. তাঁর সুলতানার স্বপ্ন এবং পদ্মরাগ উপন্যাসে নারীবাদী চিন্তার স্পষ্ট প্রকাশ ঘটেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা সাহিত্যে নারীমুক্তির আন্দোলন ও চিন্তার ক্ষেত্রে তাঁকে পথিকৃৎ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. সমাজে নারীর সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে তিনি তাঁর প্রবন্ধ ও গল্পে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ৩. তাঁর মতিচূর প্রবন্ধগ্রন্থটি এর একটি উৎকৃষ্ট সাহিত্যিক উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তসলিমা নাসরিন — তিনি আধুনিক যুগের একজন লেখিকা, বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারীবাদী নন। B) হুমায়ুন আজাদ — তিনি একজন বিশিষ্ট পুরুষ লেখক ও অধ্যাপক ছিলেন, কোনো নারী লেখিকা নন। C) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি বিশিষ্ট কবি ও সমাজকর্মী হলেও প্রথম নারীবাদী লেখিকা নন। মনে রাখার টিপস: বাংলার ঘরে ঘরে নারীশিক্ষার আলো জ্বেলে যিনি প্রথম নারীবাদী সাহিত্য রচনা শুরু করেন, তিনি হলেন বেগম রোকেয়া।
a প্যালেস্টাইন
b পূর্ব তিমুর
c মোনাকো
d ম্যাকাও
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যালেস্টাইন ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২০১২ সালের ২৯ নভেম্বর প্যালেস্টাইনকে অ-সদস্য পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর ফলে প্যালেস্টাইন জাতিসংঘে স্থায়ী পর্যবেক্ষক দেশের মর্যাদা লাভ করে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি সাধারণ জ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অংশে জাতিসংঘ সম্পর্কিত বিভিন্ন দেশের সদস্যপদ ও মর্যাদার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্যাটিকান সিটি ব্যাখ্যা: প্যালেস্টাইনের মতো ভ্যাটিকান সিটিও জাতিসংঘের একটি অ-সদস্য পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র। উদাহরণ ২: তাইওয়ান ব্যাখ্যা: তাইওয়ান বর্তমানে জাতিসংঘের কোনো সদস্য বা পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যালেস্টাইন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বর্তমানে জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষক দেশ হিসেবে স্বীকৃত। B) পূর্ব তিমুর — এটি জাতিসংঘের একটি পূর্ণাঙ্গ সদস্য রাষ্ট্র, কোনো পর্যবেক্ষক দেশ নয়। C) মোনাকো — এটি জাতিসংঘের একটি পূর্ণাঙ্গ সদস্য রাষ্ট্র। D) ম্যাকাও — এটি জাতিসংঘের কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র বা পর্যবেক্ষক দেশ নয়, বরং চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল। ৫. মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘে বর্তমানে স্থায়ী পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র রয়েছে দুটি, যথা প্যালেস্টাইন ও ভ্যাটিকান সিটি। প্যালেস্টাইন ২০১২ সালে এই মর্যাদা লাভ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সদস্যপদ, বিশেষ করে জাতিসংঘের অঙ্গসংগঠন এবং পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো দেশ কবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছে তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a গদ্য সাহিত্য
b চর্যাপদ
c ময়মনসিংহ গীতিকা
d চতুর্দশপদী কবিতা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন যা বাংলা ভাষার আদি রূপ ধারণ করে আছে। - বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ অনুধাবনের জন্য চর্যাপদ সবচেয়ে প্রামাণিক ও ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা ধর্মীয় গান যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। - ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষার আদি রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সর্বাধিক সংখ্যক পদ রচনা করেছিলেন এবং তাঁর পদের ভাষাও প্রাচীন বাংলার কাছাকাছি। উদাহরণ ২: চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ব্যাখ্যা: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গদ্য সাহিত্য — গদ্য সাহিত্য বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন নয় বরং মধ্যযুগে পদ্যের আধিক্য ছিল এবং আধুনিক যুগেই গদ্যের বিকাশ ঘটে। C) ময়মনসিংহ গীতিকা — ময়মনসিংহ গীতিকা প্রাচীন যুগের নিদর্শন নয় বরং এটি মধ্যযুগের লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত একটি সমৃদ্ধ পালাগান সংগ্রহ। D) চতুর্দশপদী কবিতা — চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট হলো আধুনিক যুগের একটি কাব্যরূপ যার প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন বললে চোখ বন্ধ করে চর্যাপদ উত্তর করবে কারণ এটি সাহিত্যের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক দলিল। - আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং ভাষা আবিষ্কারক সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এই দুটি নাম সবসময় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কার সাল ও মোট পদের সংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর পুথিটি অসমাপ্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।
a সুধাংশু
b শশাঙ্ক
c বিধু
d ভানু
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভানু ১. কেন সঠিক: - ভানু শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ সূর্য। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দের সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে এবং ভানু একটি অত্যন্ত কমন শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন সব শব্দ যেগুলোর বানান ও রূপ আলাদা হলেও অর্থ একই বা প্রায় একই হয়। - বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ মূলত তদ্ভব ও তৎসম শব্দের ভাণ্ডার থেকে আসে, যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবি ব্যাখ্যা: এটি সূর্যের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ যা বিভিন্ন কাব্য ও গানে পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: তপন ব্যাখ্যা: তপন শব্দটিও সূর্যের আরেকটি অতি পরিচিত প্রতিশব্দ হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুধাংশু — এটি চাঁদের প্রতিশব্দ, যার অর্থ যিনি সুধা বা অমৃত বর্ষণ করেন। B) শশাঙ্ক — এটিও চাঁদের একটি প্রতিশব্দ, কারণ চাঁদের গায়ে শশক বা খরগোশের মতো দাগ থাকে। C) বিধু — এই শব্দটির অর্থ চাঁদ, যা মূলত কাব্যিক অর্থে চন্দ্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) ভানু — এটি সূর্যের প্রতিশব্দ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - সূর্য মানে যার আলো চারদিকে ছড়ায় যেমন রবি, তপন, ভানু, দিবাকর। - চাঁদ হলো সুধাংশু, শশাঙ্ক, বিধু, চন্দ্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরীক্ষায় সূর্য ও চন্দ্রের প্রতিশব্দগুলো প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই এগুলো আলাদা করে ছক আকারে পড়তে হবে। - সমার্থক শব্দ মুখস্থ না করে শব্দগুলোর মূল অর্থ ও উৎস মনে রাখার চেষ্টা করতে হবে।
a অপ্রত্যাশিত বাধা
b যা সচরাচর ঘটে না
c পৌষ-মাঘ মাসের
d নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অপ্রত্যাশিত বাধা ১. কেন সঠিক: - 'অকালে বাদলা' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ অসময়ে বৃষ্টি হওয়া এবং ভাবগত অর্থ অপ্রত্যাশিত বা হঠাৎ আসা বাধা। - কৃষিকাজে বা দৈনন্দিন জীবনে হঠাৎ বৃষ্টি নামলে যেমন সব পরিকল্পনা পণ্ড হয়ে যায়, তেমনই জীবনের যেকোনো কাজে হঠাৎ কোনো বাধা আসলে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং কম কথায় মনের ভাব সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষার ঠিক আগের রাতে বিদ্যুৎ চলে যাওয়া যেন আমার প্রস্তুতিতে অকালে বাদলা নামাল। ব্যাখ্যা: এখানে হঠাৎ করে তৈরি হওয়া অপ্রত্যাশিত বাধার ক্ষেত্রে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসায় হঠাৎ মন্দা দেখা দেওয়ায় আমাদের লাভ করার আশায় যেন অকালে বাদলা লেগেছে। ব্যাখ্যা: এখানে চলমান ভালো অবস্থার মধ্যে হঠাৎ নেমে আসা বিপদের বা আশাহত হওয়ার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপ্রত্যাশিত বাধা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'অকালে বাদলা' বাগধারার সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে। B) যা সচরাচর ঘটে না — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বিরল ঘটনা বোঝায়, কিন্তু বাগধারাটি মূলত কোনো কাজে আসা হঠাৎ বাধা নির্দেশ করে। C) পৌষ-মাঘ মাসের — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি ঋতুভিত্তিক বর্ষণ বা শীতের বৃষ্টিকে বোঝায়, বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবকে প্রকাশ করে না। D) নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় — এই অপশনটি ভুল কারণ নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় বলতে যা প্রতিদিন ঘটে তা বোঝায়, কিন্তু অকাল মানে অপ্রত্যাশিত বা আকস্মিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাদলা মানে বৃষ্টি। অকালে বৃষ্টি নামলে যেমন সব পরিকল্পনা ভেস্তে যায়, তেমনি যেকোনো কাজে হঠাৎ আসা বাধা মানেই অকালে বাদলা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রকৃতি বা ঋতুভিত্তিক বাগধারার প্রকৃত ভাবার্থ জানতে চাওয়া হয়। আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর রূপক বা ভাবগত অর্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আসন্ন বিপদ
b অসময়ে মাথাব্যথা
c হঠাৎ বিপদাপন্ন হওয়া
d হঠাৎ রোগাক্রান্ত হওয়া
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আসন্ন বিপদ ১. কেন সঠিক: - শিরে সংক্রান্তি একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক ও তাৎপর্যপূর্ণ অর্থ হলো মাথার ওপর এসে উপস্থিত বিপদ বা অবধারিত সংকট। - সংক্রান্তি বলতে সাধারণত মাসের শেষ দিন বা বিপদসংকুল সময়কে বোঝানো হয়, আর তা যখন ঠিক শিরে বা মাথায় এসে উপস্থিত হয় তখন তাকে আসন্ন বিপদ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট বাগধারা, যা বিশেষ কোনো শব্দগুচ্ছের সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও গভীর ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ ও বাগধারা অংশে এই ধরনের অভিব্যক্তি মানুষের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধিকে রূপক আকারে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষা ঘাড়ের ওপর চলে আসায় পড়াশোনা না করা শিক্ষার্থীদের জন্য এখন শিরে সংক্রান্তি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ব্যাখ্যা: সময় সংক্ষেপ এবং কাজ অনেক বেশি হওয়ায় এই অবস্থাকে আসন্ন বিপদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসায়ে চরম লোকসানের মুখে পড়ে মালিকের মাথায় এখন শিরে সংক্রান্তি অবস্থা বিরাজ করছে। ব্যাখ্যা: ব্যবসা ধ্বংসের মুখে থাকায় এটি একটি আসন্ন ও অবধারিত বড় বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসন্ন বিপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিরে সংক্রান্তি বাগধারাটির মূল অর্থই আসন্ন বা মাথার ওপর এসে পড়া বিপদ। B) অসময়ে মাথাব্যথা — এটি ভুল কারণ শব্দটির আক্ষরিক মিল খুঁজতে গিয়ে ভুল অর্থ দাঁড় করানো হয়েছে, যা বাগধারার ভাবের সঙ্গে মেলে না। C) হঠাৎ বিপদাপন্ন হওয়া — এটি ভুল কারণ শিরে সংক্রান্তি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটা কোনো দুর্ঘটনা বোঝায় না, বরং পূর্বনির্ধারিত বা অবধারিত আসন্ন সংকটকে বোঝায়। D) হঠাৎ রোগাক্রান্ত হওয়া — এটি ভুল কারণ এই বাগধারাটি কোনো শারীরিক রোগব্যাধি প্রকাশ করার জন্য ব্যবহার করা হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিরে শব্দের অর্থ মাথা এবং সংক্রান্তি অর্থ শেষ দিন বা কঠিন সময়, তাই মাথার ওপর সংক্রান্তি বা শেষ মুহূর্তের কঠিন বিপদ এভাবে মনে রাখতে পারো। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে, তাই মাথা ও বিপদ এই দুটি শব্দ মাথায় রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস ও অন্তর্নিহিত অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর প্রমিত ও রূপক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন
b সৈয়দ আলী আহসান
c সৈয়দ শামসুল হক
d শামসুর রাহমান
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ আলী আহসান ১. কেন সঠিক: - আমাদের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা কবিতার প্রথম দশ লাইন ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক সৈয়দ আলী আহসান। - জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এর ভাব ও মর্যাদা তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক প্রয়াস ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ আলী আহসান বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও অনুবাদক ছিলেন যিনি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আমার সোনার বাংলা গানটির প্রথম দশ লাইন ১৯৭০ এর দশকে বা মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ইংরেজি ভাষায় অনূদিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা জাতীয় সংগীত)। ব্যাখ্যা: এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় প্রেরণার সবচেয়ে বড় উৎস ছিল এবং পরবর্তীতে জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃতি পায়। উদাহরণ ২: বিদ্রোহী কবিতার ইংরেজি অনুবাদ (কাজী নজরুল ইসলামের লেখা)। ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাটি বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে যা বিশ্বসাহিত্যে তার পরিচিতি বাড়িয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন — তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হলেও জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক নন। B) সৈয়দ আলী আহসান — সঠিক উত্তর। C) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বাংলার প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই অনুবাদটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদ করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - জাতীয় সংগীতের সুর ও কথা রবীন্দ্রনাথের, আর এর ইংরেজি অনুবাদের কাজটি করেছেন নামের শুরুতে 'সৈয়দ'যুক্ত কবি সৈয়দ আলী আহসান। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে আলী আহসান সাহেব আমাদের জাতীয় সংগীতকে ইংরেজি ভাষায় রূপ দিয়ে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করার কাজ করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় সংগীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এর ইংরেজি অনুবাদক সৈয়দ আলী আহসান, এই দুটি তথ্য বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - জাতীয় সংগীতের দৈর্ঘ্য কত লাইন বা এটি কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে, এই ধরনের তথ্যগুলোও ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
a মুমুক্ষু
b মৃমৃক্ষু
c মুমুক্ষু
d মুমুক্ষু
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুমুক্ষু ১. কেন সঠিক: - মুক্তি পেতে ইচ্ছুক বোঝাতে মুমুক্ষু শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই বানানটি প্রমিত ও নির্ভুল। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - উু প্রত্যয়ান্ত শব্দের ক্ষেত্রে বানানে সাধারণত হ্রস্ব উ কার ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা লাভ করা কঠিন ব্যাখ্যা: একে এককথায় দুর্লভ বলা হয়, যা প্রাপ্তির জটিলতা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: জয় করার ইচ্ছা ব্যাখ্যা: একে এককথায় জিগীষা বলা হয়, যা কোনো কিছু অর্জনের তীব্র বাসনা বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুক্ষু — এই অপশনটি সঠিক এবং বানান ও অর্থ উভয় ক্ষেত্রেই শতভাগ নির্ভুল। B) মৃমৃক্ষু — এই অপশনে ভুল বানান ও ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়। C) মুমুক্ষু — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হলেও বিন্যাসের কারণে পরীক্ষামূলক প্রশ্নে ক বা প্রথম অপশনটি প্রধান ধরা হয়। D) মুমুক্ষু — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হলেও বিন্যাসের কারণে পরীক্ষামূলক প্রশ্নে ক বা প্রথম অপশনটি প্রধান ধরা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুমুক্ষু বানানে প্রথম অক্ষর ম এ হ্রস্ব উ কার এবং দ্বিতীয় ম এ হ্রস্ব উ কার যুক্ত হয়। - শেষের ক্ষ এ হ্রস্ব উ কার ব্যবহার করে এই এককথায় প্রকাশটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের সূক্ষ্ম বানানযুক্ত এককথায় প্রকাশগুলো অপশনে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। - বানানের সঠিক রূপ মনে রাখার জন্য প্রমিত বাংলা বানানরীতি ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a বসন্ত
b শেষের কবিতা
c চণ্ডালিকায়
d গোরা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বসন্ত ১. কেন সঠিক: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার 'বসন্ত' নাটকটি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন। ১৯২৩ সালে রচিত এই নাটকের উৎসর্গপত্রে রবীন্দ্রনাথ নজরুলকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন ‘আহত বীরের গান সমাপ্ত হলো যার কণ্ঠে’। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা এবং গুরুদেব নামে পরিচিত। কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি যিনি তার ওজরহীন দ্রোহের জন্য বিখ্যাত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সঞ্চয়িতা' কাব্যগ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়নি, এটি তার নিজের কবিতা সংকলন। ব্যাখ্যা: উৎসর্গ ও সংকলনের পার্থক্য বোঝাতে এই উদাহরণটি গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়কে উৎসর্গ করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: সাহিত্যকর্মের উৎসর্গ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে এটি সহায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বসন্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার এই নাটকটিই নজরুলকে উৎসর্গ করেছিলেন। B) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস যার উৎসর্গ ভিন্ন প্রেক্ষাপটে রচিত। C) চণ্ডালিকায় — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত নৃত্যনাট্য যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) গোরা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক ও সমাজচেতনামূলক উপন্যাস যা অন্য উদ্দেশ্যে রচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: বসন্ত ঋতুতে প্রকৃতি বিদ্রোহী রূপ নেয়, আর বিদ্রোহী কবি নজরুলকে রবীন্দ্রনাথ 'বসন্ত' নাটক উৎসর্গ করেছিলেন। এই সংযোগটি মনে রাখলে পরীক্ষা হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যিকদের উৎসর্গ করা গ্রন্থ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের পারস্পরিক সাহিত্যিক সম্পর্কের এই ঐতিহাসিক দিকটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a নাটক
b উপন্যাস
c ঐতিহাসিক নাটক
d কবিতা গ্রন্থ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাটক ১. কেন সঠিক: রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ঘটনা এবং এর করুণ পরিণতি এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি ক্লাসিক মর্যাদা লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক। ব্যাখ্যা: এটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত একাঙ্কিকা নাটক। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর রূপান্তরিত নাটক নষ্টনীড়। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের সফল নাট্যরূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — এটি সঠিক কারণ রক্তাক্ত প্রান্তর একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক। B) উপন্যাস — এটি উপন্যাস নয়, কারণ এতে দৃশ্য, সংলাপ ও অঙ্কের বিন্যাস রয়েছে। C) ঐতিহাসিক নাটক — নাটকটি ঐতিহাসিক হলেও মূল অপশনে কেবল নাটক থাকায় তা সবচেয়ে সরাসরি ও প্রাথমিক শ্রেণি নির্দেশ করে। D) কবিতা গ্রন্থ — এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: রক্তাক্ত প্রান্তর একটি যুদ্ধভিত্তিক নাটক এবং এর নাট্যকার মুনীর চৌধুরী। যুদ্ধ মানেই রক্তপাত আর মুনীর চৌধুরী আমাদের প্রখ্যাত নাট্যকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী এবং এর পটভূমি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নাটকের নাম ও লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়।
a দ্বিগু সমাস
b গদ্বন্দ্ব সমাস
c কর্মধারয় সমাস
d তৎপুরুষ সমাস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৎপুরুষ সমাস কেন সঠিক: - নরাধম শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো নরদের অধম। - এখানে সমাসবদ্ধ পদে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়েছে এবং পরপদ অধম এর অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - পদ দুটির মধ্যে ষষ্ঠী বিভক্তির সম্পর্ক থাকায় এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস। - অনুরূপ কিছু উদাহরণ হলো দেশের ভক্ত দেশভক্ত, রাজার পুত্র রাজপুত্র। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) দ্বিগু সমাস — এই সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের সমাস হয় এবং সমাহার বোঝায়, যা নরাধম শব্দে নেই। - B) দ্বন্দ্ব সমাস — এই সমাসে উভয় পদের অর্থ সমানভাবে প্রধান থাকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) কর্মধারয় সমাস — এই সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ বা অভেদ বোঝায়, কিন্তু নরাধম তুলনা বা অভেদ বোঝায় না। - D) তৎপুরুষ সমাস — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - কোনো পদের ব্যাসবাক্যের মাঝখানে এর, র বিভক্তি থাকলে চোখ বন্ধ করে তা ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস দাগাবে।
a ১৮০০ সালে
b ১৮০৫ সালে
c ১৮৩৩ সালে
d ১৭৯১ সালে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০০ সালে ১. কেন সঠিক: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ৪ঠা মে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে প্রতিষ্ঠিত হয়। বৃটিশ রাজকর্মচারীদের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোর উদ্দেশ্যে লর্ড ওয়েলেসলি এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রতিষ্ঠার পর এই কলেজে একটি অনুবাদ বিভাগ খোলা হয় এবং উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে পন্ডিতগণ বাংলা গদ্য চর্চা শুরু করেন। বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে এবং পাঠ্যপুস্তক রচনায় এই কলেজের ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী ভূমিকা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক বাংলা গ্রন্থগুলোর অন্যতম। উদাহরণ ২: মৃত্যুনঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত রাজাবলী ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের গদ্য রচনার একটি বিখ্যাত নিদর্শন এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮০০ সালে — এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল এবং এর ঐতিহাসিক ভিত্তি রয়েছে। B) ১৮০৫ সালে — এই সালে কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তবে এর কার্যক্রমের একটি সক্রিয় সময়কাল এটি। C) ১৮৩৩ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। D) ১৭৯১ সালে — এই সালে সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৮০০ সালে লর্ড ওয়েলেসলি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। মনে রাখার কৌশল হলো ফোর্ট উইলিয়াম প্রতিষ্ঠার সালটি ঠিক শতাব্দীর শুরুর বছর অর্থাৎ ১৮০০ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এবং এর প্রথম অধ্যক্ষ বা প্রধান কে ছিলেন, সে বিষয়ে প্রশ্ন আসে। এই কলেজের মাধ্যমেই বাংলা গদ্য সাহিত্য প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করতে শুরু করে।
a কাজেম আল কোরায়েশী
b কাশেম আল কোরায়েশী
c কায়কোবাদ আল কোরায়েশী
d উপরের কোনোটিই নয়
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের কোনোটিই নয় ১. কেন সঠিক: - কবি কায়কোবাদের আসল নাম মহাকবি কায়কোবাদ নয়, বরং তাঁর প্রকৃত নাম হলো মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক নামটি না থাকায় ডি অপশনটি সঠিক হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কায়কোবাদ বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য রচয়িতাদের অন্যতম এবং তিনি মুসলিম কবিদের মধ্যে প্রথম মহাকাব্য রচনা করেন। - তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্যের নাম মহাশ্মশান, যা পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশ্মশান ব্যাখ্যা: এটি কবি কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ ও অমর মহাকাব্য যা প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে। উদাহরণ ২: অশ্রুমালা ব্যাখ্যা: এটি কবি কায়কোবাদের একটি বিখ্যাত গীতিকাব্য যা তাঁর কবিত্বশক্তির অন্যতম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজেম আল কোরায়েশী — বানান ভুল থাকার কারণে এটি সম্পূর্ণ সঠিক নাম হিসেবে গণ্য করা যায় না। B) কাশেম আল কোরায়েশী — আসল নামে মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী ছিল, এখানে প্রথম অংশ মোহাম্মদ অনুপস্থিত এবং বানানেও ভুল রয়েছে। C) কায়কোবাদ আল কোরায়েশী — কায়কোবাদ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম, আসল নাম নয়। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু আগের অপশনগুলোতে সঠিক নাম বা বানান সঠিক ছিল না, তাই এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - কায়কোবাদের আসল নাম মনে রাখতে মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী নামটি বারবার চর্চা করতে পারো। - ছদ্মনাম কায়কোবাদ আর আসল নাম কাজেম আল কোরেশী আলাদাভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কবি কায়কোবাদের জন্মস্থান ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে। - তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ বিরহলাপ ১৮৬৪ সালে প্রকাশিত হয় যখন তাঁর বয়স মাত্র চৌদ্দ বছর।
a সংশপ্তক
b সূর্য-দীঘল বাড়ি
c লালসালু
d আবদুল্লাহ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লালসালু ১. কেন সঠিক: - লালসালু হলো বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার এবং ক্ষমতার অপব্যবহার অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসে মনস্তাত্ত্বিক ধারা এবং অস্তিত্ববাদী চেতনার এক অনন্য প্রবক্তা। - লালসালু উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে এবং এটি গ্রামীণ সমাজের মনস্তত্ত্ব ও সমাজ বাস্তবতার এক নিখুঁত দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাঁদের অমাবস্যা ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত তৃতীয় ও শেষ উপন্যাস যা অস্তিত্ববাদী দর্শনের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংশপ্তক — এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নয়। B) সূর্য-দীঘল বাড়ি — এটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাকের রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস। D) আবদুল্লাহ — এটি কাজী ইমদাদুল হক রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম সামাজিক উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রধান তিনটি উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ওয়ালীউল্লাহর লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা ও কাঁদো নদী কাঁদো। - এভাবে লেখকের নামের সাথে তাঁর প্রধান উপন্যাসগুলো একসাথে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লালসালু উপন্যাসটি ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করেন খোদ লেখক নিজেই যা Tree Without Roots নামে প্রকাশিত হয়। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঔপন্যাসিক ও তাঁদের বিখ্যাত গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a কুলা
b টেবিল
c চেয়ার
d বালতি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বালতি ১. কেন সঠিক: বালতি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আত্মীকৃত হয়েছে। পর্তুগিজরা বাংলাদেশে আসার পর তাদের ব্যবহৃত বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর নাম আমাদের ভাষায় প্রবেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস ও শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়। পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা শব্দগুলো সাধারণত সামুদ্রিক বাণিজ্য, ধর্ম এবং দৈনন্দিন গৃহস্থালির কাজের সঙ্গে যুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাবি ব্যাখ্যা: চাবি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত একটি গৃহস্থালি ও দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ। উদাহরণ ২: আনারস ব্যাখ্যা: আনারস শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আত্মীকৃত একটি সুস্বাদু ফলের নাম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুলা — কুলা একটি দেশি শব্দ যা বাংলা ভাষায় সরাসরি প্রচলিত হয়েছে। B) টেবিল — টেবিল শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। C) চেয়ার — চেয়ার শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। D) বালতি — বালতি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটি পর্তুগিজ শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো গৃহস্থালি সামগ্রী যেমন বালতি, চাবি, আলপিন, কামিজ এবং খাবার যেমন আনারস, পাউরুটি মনে রাখা। এগুলো পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পর্তুগিজ ভাষার শব্দগুলো প্রায়ই বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। বিদেশি শব্দের উৎস চেনার জন্য শব্দগুলোর অর্থ এবং ব্যবহার ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a Collective Noun
b Proper Noun
c Common Noun
d None of the above
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Collective Noun কেন সঠিক: Jury শব্দটি বিচারকদের একটি সমষ্টিকে বোঝায়। এটি যখন এককভাবে একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, তখন তা দলীয় বা সমষ্টিগত বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়। একাধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত এই গোষ্ঠীটি একটি একক সত্তা হিসেবে কাজ করে। তাই এটি Collective Noun এর সঠিক উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Collective Noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। B) Proper Noun — কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম না হওয়ায় এটি সঠিক নয়। C) Common Noun — একই জাতীয় সাধারণ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর নাম বোঝায় না। D) None of the above — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে নাউন কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে একত্রে বোঝায়, তাকে Collective Noun বলে।
a of
b with
c for
d to
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) of কেন সঠিক: Accused শব্দের পরে অপরাধ বোঝাতে সবসময় 'of' preposition ব্যবহৃত হয়। এখানেForgery অর্থ জালিয়াতি, যা একটি অপরাধ এবং এর সাথে 'of' বসে। নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী Accused এর সাথে 'with' বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী বসেছে। B) with — এটি সঠিক নয় কারণ accused এর সাথে with বসে না। C) for — এটি ভুল কারণ এখানে অপরাধের কারণ নয় বরং অপরাধের নাম বোঝানো হয়েছে। D) to — এটি সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম সমর্থন করে না। মনে রাখার টিপস: Accused শব্দের অর্থ অভিযুক্ত এবং এর পরে সবসময় of preposition বসে।
a resemblance
b follow
c go behind
d takethe sameway
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) resemblance কেন সঠিক: takes after একটি phrasal verb যার অর্থ হলো কারো সাথে চেহারায় বা আচরণে মিল থাকা। তাই এই বাক্যে মায়ের সাথে ছেলের মিল বোঝাতে resemblance শব্দটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) resemblance — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মিল থাকা বা সদৃশ হওয়া। B) follow — এর অর্থ অনুসরণ করা, যা চেহারায় মিল থাকা বোঝায় না। C) go behind — এর অর্থ পেছনে যাওয়া, যা এই বাক্যের সাথে পুরোপুরি মিলে না। D) takethe sameway — এর অর্থ একই পথে চলা, যা সঠিক অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: takes after দেখলে মনে রাখবে এর মানে হলো দেখতে বা আচরণে কারো মতো হওয়া অর্থাৎ সাদৃশ্য বোঝানো।
a to
b with
c among
d within
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: - Confine শব্দের অর্থ সীমাবদ্ধ রাখা বা আটকে রাখা। শয্যাশায়ী হওয়া বোঝাতে Confine শব্দের পর সাধারণত to preposition ব্যবহৃত হয়। - অসুস্থতার কারণে বিছানায় সীমাবদ্ধ থাকাকে ইংরেজিতে Confined to bed বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ Confined to bed একটি নির্দিষ্ট প্রিপোজিশনাল ফ্রেজ। B) with — এটি সাধারণত কোনো যন্ত্র বা সঙ্গ বোঝাতে বসে, তাই শয্যাশায়ী অর্থে এখানে ভুল। C) among — এটি অনেকের মধ্যে তুলনা বা অবস্থানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। D) within — এটি কোনো সীমার ভেতরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা শয্যাশায়ী অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বিছানায় সীমাবদ্ধ বা শয্যাশায়ী অর্থে সবসময় Confined to bed মনে রাখবে।
a non believer
b believer
c mystic
d worshiper
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) non believer কেন সঠিক: atheist শব্দের বাংলা অর্থ হলো নাস্তিক, অর্থাৎ যিনি ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন না। non believer অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোনো ধর্মে বা ঈশ্বরের শক্তিতে বিশ্বাস রাখেন না। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় একই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) non believer — এটি সঠিক উত্তর। B) believer — এর অর্থ বিশ্বাসী, যা নাস্তিক শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) mystic — এর অর্থ মরমিবাদী বা আধ্যাত্মিক সাধক, যা নাস্তিকের সমার্থক নয়। D) worshiper — এর অর্থ উপাসক বা পূਜারী, যা নাস্তিক শব্দের উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: a prefix টি অনেক সময় না বা বিপরীত অর্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যেমন theist অর্থ আস্তিক আর atheist অর্থ নাস্তিক।
a wild
b violent
c rude
d calm
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) rude কেন সঠিক: - 'Humble' শব্দের অর্থ বিনীত, নম্র বা ভদ্র, যার বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিভ হলো উদ্ধত বা অসভ্য। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'rude' শব্দটির অর্থ অভদ্র বা রূঢ়, যা humble শব্দের সবচেয়ে সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wild — এই শব্দের অর্থ বন্য বা হিংস্র, যা humble শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়। B) violent — এই শব্দের অর্থ সহিংস বা উগ্র, যা সাধারণত শান্ত বা মৃদু স্বভাবের বিপরীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) rude — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ অভদ্র বা রূঢ়, যা humble শব্দের বিপরীত। D) calm — এই শব্দের অর্থ শান্ত, যা humble শব্দের সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিপরীতার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Humility বা বিনয়ী স্বভাবের উল্টো আচরণ হলো অন্যের সাথে খারাপ বা Rude ব্যবহার করা।
a Dan Brown
b Jules Verne
c Sidney Sheldon
d None of the above
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Dan Brown কেন সঠিক: - 'দ্য ভিঞ্চি কোড' (The Da Vinci Code) উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশ্বখ্যাত আমেরিকান লেখক ড্যান ব্রাউন। - এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মিস্ট্রি থ্রিলার উপন্যাস, যা ২০০৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dan Brown — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই উপন্যাসের মূল লেখক। B) Jules Verne — তিনি ফরাসি সাহিত্যিক, যিনি বিজ্ঞান কল্পকাহিনির জন্য বিখ্যাত হলেও এই উপন্যাসের লেখক নন। C) Sidney Sheldon — তিনি জনপ্রিয় আমেরিকান লেখক ও নাট্যকার হলেও এই বিখ্যাত উপন্যাসটি তার লেখা নয়। D) None of the above — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ভিঞ্চি কোড মানেই ড্যান ব্রাউনের রহস্যময় থ্রিলার উপন্যাস।
a The Murder In the Cathedral
b Never Can Tell
c Doctor Faustus
d Macbeth
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Doctor Faustus কেন সঠিক: Doctor Faustus নাটকটির রচিয়তা হলেন বিখ্যাত এলিজাবেথান নাট্যকার ক্রিস্টোফার মারলো। রেনেসাঁ যুগের এই ট্র্যাজেডি নাটকটিতে মানবাত্মার জ্ঞান তৃষ্ণা ও পতনের চমৎকার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এটি তার সাহিত্যকর্মের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Murder In the Cathedral — এটি টি এস এলিয়ট রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য। B) Never Can Tell — এটি আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ রচিত একটি নাটক। C) Doctor Faustus — এটি তো নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে মারলোর নাটকের নাম বোঝানো হয়েছে। D) Macbeth — এটি ইংরেজি সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা ট্র্যাজেডি। মনে রাখার টিপস: ক্রিস্টোফার মারলো বললেই মাথায় আনতে হবে বিখ্যাত নাটক ডক্টর ফস্টাস এর নাম।
a 37.3
b 33.3
c 34.3
d 32.3
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৪.৩ প্রদত্ত তথ্য: ৭টি সংখ্যার গড় = ৪০ যোগ হওয়া ৩টি সংখ্যার গড় = ২১ মোট সংখ্যা = ১০টি ধরি, ৭টি সংখ্যার সমষ্টি = ৭ × ৪০ ৩টি সংখ্যার সমষ্টি = ৩ × ২১ অতএব, ৭টি সংখ্যার মোট মান = ২৮০ ৩টি সংখ্যার মোট মান = ৬৩ সুতরাং, ১০টি সংখ্যার মোট সমষ্টি = ২৮০ + ৬৩ = ৩৪৩ ১০টি সংখ্যার নতুন গড় = ৩৪৩ ÷ ১০ = ৩৪.৩ উত্তর: ৩৪.৩
a ২০%
b ১৫%
c ২৫%
d ৩০%
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০% প্রদত্ত তথ্য: চিনির মূল্য বৃদ্ধি পেল ২৫% ব্যয় অপরিবর্তিত রাখতে হবে ধরি, পূর্বে ১০০ টাকার চিনি কেনা হতো ১০০ কেজি বর্তমানে ১২৫ টাকার চিনি কিনতে হয় ১০০ কেজি অতএব, ১০০ টাকার চিনি এখন কিনতে হয় (১০০ × ১০০) ÷ ১২৫ কেজি হিসাব করে পাওয়া যায় ৮০ কেজি সুতরাং, চিনি খাওয়া কমাতে হবে ১০০ কেজি − ৮০ কেজি = ২০ কেজি উত্তর: ২০%
a 33
b 30
c 32
d 48
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৩ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো দুই, তিন, পাঁচ, নয়, সতেরো ধরি, প্রথম পদের সাথে যোগ হবে এক দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ হবে দুই অতএব, তিন বিয়োগ দুই সমান এক পাঁচ বিয়োগ তিন সমান দুই সুতরাং, নয় বিয়োগ পাঁচ সমান চার এবং সতেরো বিয়োগ নয় সমান আট উত্তর: ৩৩
a -17
b 19
c 20
d উপরের কোনোটিই নয়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = ১০ − (−৭) দ্বিতীয় রাশি = −১০ + (−৭) ধরি, প্রথম সংখ্যাটি প্রথম রাশি থেকে পাই দ্বিতীয় সংখ্যাটি দ্বিতীয় রাশি থেকে পাই অতএব, প্রথম রাশি = ১০ + ৭ = ১৭ দ্বিতীয় রাশি = −(১০ − ৭) = −৩ সুতরাং, প্রথম রাশি অপেক্ষা দ্বিতীয় রাশি ছোট বা বড় তা বের করতে হবে ১৭ থেকে −৩ বিয়োগ করি = ১৭ − (−৩) = ১৭ + ৩ = ২০ উত্তর: ২০ বড়
a ৯ও২১
b ৭ও২৩
c ৮ও২২
d ২২ও১৮
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ ও ২১ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার গুণফল = ১৮৯ সংখ্যা দুটির যোগফল = ৩০ ধরি, একটি সংখ্যা = ক অন্য সংখ্যাটি = ৩০ − ক অতএব, ক × (৩০ − ক) = ১৮৯ ৩০ক − ক² = ১৮৯ ক² − ৩০ক + ১৮৯ = ০ সুতরাং, (ক − ২১) × (ক − ৯) = ০ ক = ২১ অথবা ক = ৯ উত্তর: সংখ্যা দুটি ৯ ও ২১
a ১২০০০০ টাকা
b ১২০০০ টাকা
c ১৩০০০০ টাকা
d উপরের কোনোটিই নয়
0 139 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২০০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বেতন বৃদ্ধির হার = ৫% বৃদ্ধিপ্রাপ্ত টাকার পরিমাণ = ৬০০০ টাকা ধরি, আহসানের আগের বেতন = ক টাকা অতএব, ক এর ৫% = ৬০০০ টাকা সুতরাং, ক × (৫ ÷ ১০০) = ৬০০০ উত্তর: ক = (৬০০০ × ১০০) ÷ ৫ = ১২০০০০ টাকা
a ২০ মি.
b ১৪ মি.
c ৩০ মি.
d ১৬ মি.
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০ মি. প্রদত্ত তথ্য: রশির মোট দৈর্ঘ্য = ৪০ মিটার রশির অনুপাত = ৩ : ৭ : ১০ ধরি, অনুপাতের প্রথম অংশ = ৩ক অনুপাতের দ্বিতীয় অংশ = ৭ক অনুপাতের তৃতীয় অংশ = ১০ক অতএব, অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = ৩ + ৭ + ১০ = ২০ দীর্ঘতম অংশটি হবে রশির ১০ অংশ সুতরাং, দীর্ঘতম অংশের দৈর্ঘ্য = (৪০ × ১০) ÷ ২০ মিটার উত্তর: ২০ মি.
a 48
b 54
c 60
d 45
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৪ প্রদত্ত তথ্য: ৫ বিয়োগ ৮ সমান ৫১৩ a বিয়োগ b সমান ৩ ধরি, প্রথম সংখ্যা সমান ৫ দ্বিতীয় সংখ্যা সমান ৮ অতএব, ৫ থেকে ৮ বিয়োগ করলে পাওয়া যায় বিয়োগ ৩ ৫ এবং ৮ যোগ করলে পাওয়া যায় ১৩ সুতরাং, দুটি ফলাফল পাশাপাশি বসিয়ে পাই ৫১৩ একইভাবে ৯ বিয়োগ ৮ এর জন্য প্রযোজ্য উত্তর: ৫৪
a ১০%
b ৫%
c ৮%
d ১২%
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫% প্রদত্ত তথ্য: মূলধন, P = ৪২৫ টাকা সময়, n = ৪ বছর মোট সুদ, I = ৮৫ টাকা ধরি, সুদের হার = r% আমরা জানি, সুদের সূত্র হলো I = (P × n × r) ÷ ১০০ অতএব, ৮৫ = (৪২৫ × ৪ × r) ÷ ১০০ ৮৫ = ১৭০০ × r ÷ ১০০ সুতরাং, ১৭০০ × r = ৮৫০০ r = ৮৫০০ ÷ ১৭০০ = ৫ উত্তর: ৫%
a 48
b 54
c 60
d 45
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৪ প্রদত্ত তথ্য: ঘনফল ও বিয়োগফলের মান দেওয়া আছে a ৩ − b ৩ = ৫১৩ এবং a − b = ৩ ধরি, a ও b হলো দুটি অজানা সংখ্যা অতএব, a ৩ − b ৩ এর অনুসিদ্ধান্ত হলো (a − b) ৩ + ৩ab(a − b) সুতরাং, ৫১৩ = (৩) ৩ + ৩ab × ৩ উত্তর: ab = ৫৪
a আফগান-পাকিস্তান সীমান্ত রেখা
b ভারত ও তিব্বতের সীমান্ত রেখা
c ইরাক-ইরানের সীমান্ত রেখা
d জার্মান-ফ্রান্সের সীমান্ত রেখা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আফগান-পাকিস্তান সীমান্ত রেখা কেন সঠিক: - ১৮৯৩ সালে ব্রিটিশ কূটনীতিবিদ স্যার মর্টিমার ডুরান্ডের নামে আফগানিস্তান ও ব্রিটিশ ভারতের মধ্যকার এই সীমান্ত রেখা নির্ধারিত হয়। - বর্তমানে এটি স্বাধীন আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিসেবেrecognized। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফগান-পাকিস্তান সীমান্ত রেখা — এটি ডুরান্ড লাইনের সঠিক সংজ্ঞা এবং বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা। B) ভারত ও তিব্বতের সীমান্ত রেখ — ভারত ও তিব্বতের মধ্যকার সীমান্ত রেখাকে ম্যাকমোহন লাইন বলা হয়, ডুরান্ড লাইন নয়। C) ইরাক-ইরানের সীমান্ত রেখ — ইরাক ও ইরানের সীমান্ত কোনো নির্দিষ্ট নামে পরিচিত নয়, এটি সাধারণত শাত আল আরব বা সাধারণ সীমানা হিসেবে পরিচিত। D) জার্মান-ফ্রান্সের সীমান্ত রেখ — জার্মানি ও ফ্রান্সের সীমান্ত রেখা ম্যাজিনো লাইন বা ঐতিহাসিক অন্যান্য নামে পরিচিত, এটি ডুরান্ড লাইন নয়। মনে রাখার টিপস: ডুরান্ড লাইনের 'ড' অক্ষরটি দিয়ে মনে রাখতে পারেন এটি আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত রেখা।
a ৪ নভেম্বর ১৯৭২
b ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
c ২৬ মার্চ ১৯৭২
d ১৭ এপ্রিল ১৯৭২
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হলেও এটি কার্যকর বা প্রবর্তিত হয় একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে। - বিজয়ের প্রথম বার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ নভেম্বর ১৯৭২ — এই তারিখে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহিত বা অনুমোদিত হয়েছিল। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এই তারিখ থেকেই বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর বা প্রবর্তিত হয়। C) ২৬ মার্চ ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রথম বার্ষিকী উদযাপিত হয়, সংবিধানের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) ১৭ এপ্রিল ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সংবিধান গৃহিত হয় ৪ নভেম্বর আর প্রবর্তিত বা কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে।
a কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন
b রেডক্মিসেন্ট সোসাইটি
c সন্ধানী
d ঢাকা মেডিকেল কলেজ
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সন্ধানী কেন সঠিক: - সন্ধানী বাংলাদেশের প্রথম এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রম পরিচালনাকারী অন্যতম প্রাচীন ও শীর্ষস্থানীয় সংগঠন। - ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ১৯৭৭ সালে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি দেশের রক্তদান আন্দোলনে পথিকৃৎ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন — এটি একটি স্বেচ্ছাসেবী রক্তদান কেন্দ্র হলেও প্রাচীনত্ব ও ঐতিহাসিক অবদানের দিক থেকে সন্ধানী শীর্ষস্থানে স্বীকৃত। B) রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি — এটি মূলত একটি আন্তর্জাতিক ও জাতীয় ত্রাণ এবং মানবিক সাহায্যকারী সংস্থা, যা বহুবিধ কাজের সাথে যুক্ত। D) ঢাকা মেডিকেল কলেজ — এটি একটি চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল, রক্তদান পরিচালনাকারী সরাসরি কোনো স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান আন্দোলনের প্রাচীন ও শীর্ষ প্রতীক হলো সন্ধানী, যা মেডিকেল শিক্ষার্থীদের হাত ধরে শুরু হয়েছিল।
a জাপান
b সুইজারল্যান্ড
c জার্মানি
d মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জার্মানি কেন সঠিক: - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা যার বর্তমান সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিন শহরে অবস্থিত। - ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই সংস্থাটি জার্মানি থেকেই তাদের বৈশ্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ হলেও এই আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। B) সুইজারল্যান্ড — আন্তর্জাতিক অনেক সংস্থার সদর দপ্তর এখানে থাকলেও এটি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর নয়। C) জার্মানি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় এখানেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। D) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী রাষ্ট্র হলেও এই নির্দিষ্ট সংস্থার সদর দপ্তর এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: টিআই (Transparency International) এর সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিনে, এভাবে মনে রাখুন যে ট্রান্সপারেন্সি বা স্বচ্ছতার জন্য বার্লিন বিখ্যাত।
a একটি পুতুলের নাম
b একটি কম্পিউটারের নাম
c শিশুতোষ বইয়ের সিরিজ
d এক ধরনের মোবাইল সেট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিশুতোষ বইয়ের সিরিজ কেন সঠিক: - হ্যারি পটার ব্রিটিশ লেখক জে কে রোলিং রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ফ্যান্টাসি উপন্যাস সিরিজ। - এই শিশুতোষ উপন্যাসগুলো জাদুকর বালক হ্যারি পটার ও তার বন্ধুদের হগওয়ার্টস স্কুল অব উইচক্রাফট অ্যান্ড উইজার্ডরির বিভিন্ন রোমাঞ্চকর অ্যাডভেন্ডার নিয়ে রচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি পুতুলের নাম — হ্যারি পটার কোনো পুতুল নয়, এটি বিশ্বখ্যাত একটি সাহিত্যকর্ম। B) একটি কম্পিউটারের নাম — হ্যারি পটার কোনো প্রযুক্তিগত যন্ত্র বা কম্পিউটার নয়। C) শিশুতোষ বইয়ের সিরিজ — এটি সঠিক কারণ হ্যারি পটার মূলত সাতটি উপন্যাসের একটি বিশ্ববিখ্যাত শিশুতোষ বইয়ের সিরিজ। D) এক ধরনের মোবাইল সেট — হ্যারি পটার কোনো ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস বা মোবাইল ফোন নয়। মনে রাখার টিপস: হ্যারি পটার নামটি দেখলেই মনে রাখবে এটি জে কে রোলিং রচিত জাদুকরী কাহিনীর একটি বিখ্যাত বইয়ের সিরিজ।
a পুকুরে
b সাগরে
c বিলে
d নদীতে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাগরে কেন সঠিক: - সাগরের পানিতে প্রচুর লবণ দ্রবীভূত থাকে, যার ফলে এর ঘনত্ব পুকুর বা নদীর পানির চেয়ে বেশি হয়। - পানির ঘনত্ব বেশি হওয়ার কারণে প্লবতা বা উর্ধ্বমুখী বল বৃদ্ধি পায়, যা মানুষের শরীরকে সহজে ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুকুরে — পুকুরের পানি মিষ্টি এবং এতে লবণের পরিমাণ কম থাকায় ঘনত্ব কম হয়, তাই সহজে ভাসা যায় না। B) সাগরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাগরের লবণাক্ত পানির ঘনত্ব ও প্লবতা বেশি। C) বিলে — বিলের পানি সাধারণত মিষ্টি এবং কম ঘন হওয়ায় সাঁতার কাটা অপেক্ষাকৃত কঠিন। D) নদীতে — নদীর পানি মিষ্টি এবং এর স্রোত ও কম ঘনত্বের কারণে সাগরের তুলনায় সাঁতার কাটা কঠিন। মনে রাখার টিপস: পানির লবণাক্ততা যত বেশি, তার ঘনত্ব ও প্লবতা তত বেশি, আর সাঁতার কাটা তত সহজ।
a চিনিজাতীয় খাবার খেলে এ রোগ বেশি হয়
b এ রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।
c এ রোগ মানবদেহের কিডনি বিনষ্ট করে
d ইনসুলিনের ক্ষরণ কম হলে এ রোগ হয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চিনিজাতীয় খাবার খেলে এ রোগ বেশি হয় কেন সঠিক: - ডায়াবেটিস মূলত হরমোনজনিত এবং বিপাকীয় ত্রুটিজনিত রোগ, যা অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার কারণে সরাসরি হয় না। - এটি সাধারণত অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরি না হওয়া অথবা শরীর ইনসুলিন ব্যবহারে ব্যর্থ হওয়ার কারণে ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিনিজাতীয় খাবার খেলে এ রোগ বেশি হয় — এটি ভুল কারণ অতিরিক্ত চিনি খাওয়া সরাসরি ডায়াবেটিসের কারণ নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত। B) এ রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায় — এটি সঠিক তথ্য কারণ ইনসুলিনের অভাবে কোষ গ্লুকোজ গ্রহণ করতে না পারায় রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। C) এ রোগ মানবদেহের কিডনি বিনষ্ট করে — এটি সঠিক তথ্য কারণ দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিস রক্তনালির ক্ষতি করে কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট করতে পারে। D) ইনসুলিনের ক্ষরণ কম হলে এ রোগ হয় — এটি সঠিক তথ্য কারণ অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে এই রোগ দেখা দেয়। মনে রাখার টিপস: ডায়াবেটিস মানে চিনি খাওয়া বেশি নয়, বরং শরীরে ইনসুলিনের ঘাটতি বা কার্যকারিতার অভাব।
a সুইডেন
b বাহামা
c বুলগেরিয়া
d উজবেকিস্তান
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুলগেরিয়া কেন সঠিক: - বুলগেরিয়া দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান উপদ্বীপে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র। - বলকান অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক অবস্থানের কারণে বুলগেরিয়াকে বলকান রাষ্ট্র বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইডেন — এটি উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের একটি দেশ, বলকান অঞ্চলে অবস্থিত নয়। B) বাহামা — এটি ক্যারিবিয়ান সাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র, যা ইউরোপীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়। C) বুলগেরিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর অবস্থান আলোচনা করা হয়েছে। D) উজবেকিস্তান — এটি মধ্য এশিয়ার একটি ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র, যার সঙ্গে বলকান অঞ্চলের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বলকান রাষ্ট্রগুলো ইউরোপের দক্ষিণ-পূর্বে থাকে, যার মধ্যে বুলগেরিয়া অন্যতম প্রধান একটি দেশ।
a বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ নেন
b বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়
c তাজউদ্দীন আহমদ অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন
d উপরের সবগুলোই
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ নেন কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা বর্তমান মুজিবনগর আমবাগানে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে। - এই সরকারের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক রূপ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ নেন — এটি সঠিক কারণ ১৭ এপ্রিল এই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেছিল। B) বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় — সরকার গঠিত হয়েছিল ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে, ১৭ এপ্রিল নয়। C) তাজউদ্দীন আহমদ অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন — তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেও ১৭ এপ্রিলের মূল ঐতিহাসিক ঘটনা ছিল পুরো সরকারের শপথ গ্রহণ। D) উপরের সবগুলোই — যেহেতু বি এবং সি অপশন ১৭ এপ্রিলের সঠিক ঘটনা নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: দশ এপ্রিল সরকার গঠন আর ঠিক এক সপ্তাহ পর অর্থাৎ সতের এপ্রিল শপথ গ্রহণ।
a ২৩ ডিসেম্বর
b ১৬ মার্চ
c ২১ অক্টোবর
d ২১ জুন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) ২১ জুন কেন সঠিক: - ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে সূর্যরশ্মি সবচেয়ে লম্বভাবে পতিত হয়, ফলে এটি বছরের দীর্ঘতম দিন এবং ক্ষুদ্রতম রাত। - এই দিনটিকে উত্তর গোলার্ধের সংক্রান্তি বা কর্কটক্রান্তি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ ডিসেম্বর — এই দিনটি দক্ষিণ গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন এবং উত্তর গোলার্ধের ক্ষুদ্রতম দিন। B) ১৬ মার্চ — এটি সাধারণ একটি দিন, এই সময়ে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান থাকে। C) ২১ অক্টোবর — এটিও স্বাভাবিক দিন, যেখানে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যে বিশেষ কোনো তারতম্য ঘটে না। D) ২১ জুন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং উত্তর গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন হিসেবে পরীক্ষিত। মনে রাখার টিপস: জুন মাসের ২১ তারিখ হলো গ্রীষ্মকালীন সংক্রান্তি, যখন উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় হয়।
a কম হয়
b বেশি হয়
c একই হয়
d খুবই কম হয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একই হয় কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘোরানোর জন্য রেগুলেটর ব্যবহার করা হয়, যা রোধ বাড়িয়ে সার্কিটে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমিয়ে দেয়। - রোধ বাড়ার কারণে বৈদ্যুতিক শক্তির অপচয় হয় না, ফলে স্বাভাবিক বা ধীরে ঘোরার সময় বিদ্যুৎ খরচ মূলত একই থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম হয় — রেগুলেটর ব্যবহার করে পাখা ধীরে চালালে বিদ্যুৎ খরচ কমে না, কারণ অতিরিক্ত রোধ বিদ্যুৎ প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে মাত্র। B) বেশি হয় — পাখা ধীরে ঘুরলে কম কাজ সম্পন্ন হয় বলে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে না, বরং শক্তির অপচয় রোধ হয়। C) একই হয় — রেগুলেটর কেবল কারেন্ট কমিয়ে পাখার গতি কমায়, তাই মোট বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। D) খুবই কম হয় — পাখা ধীরে চললে বিদ্যুৎ খরচ সামান্য কমে যাওয়ার ধারণা ভুল, বৈজ্ঞানিকভাবে এর খরচ একই থাকে। মনে রাখার টিপস: রেগুলেটর দিয়ে পাখা কমালে গতি কমে কিন্তু বিদ্যুৎ বিল একই থাকে।
a ৭ মার্চ ১৯৭১
b ২৬ মার্চ ১৯৭১
c ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
d ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬ মার্চ ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আক্রমণ চালালে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। - ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করা হয় এবং এই দিনটিকেই আমাদের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ মার্চ ১৯৭১ — এই দিনে রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন, যা অসহযোগ আন্দোলনের দিকনির্দেশনা ছিল কিন্তু স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নয়। B) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। C) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি বিজয়ের দিন, যেদিন পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে শত্রুমুক্ত হয়। D) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) শপথ গ্রহণ করেছিল। মনে রাখার টিপস: ২৫ মার্চ রাতে আক্রমণের পরপরই ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়, তাই ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস।
a শহীদ আলতাফ মাহমুদ
b শহীদুল্লাহ কায়সার
c আবদুল গাফফার চৌধুরী
d আপেল মাহমুদ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবদুল গাফফার চৌধুরী কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রচিত অমর গানটির গীতিকার বা রচয়িতা সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী। - এই গানটিতে সুর করেছিলেন শহীদ আলতাফ মাহমুদ এবং এটি প্রথম প্রকাশিত হয় হাসান হাফিজুর রহমান সংকলিত একুশে সংকলন গ্রন্থে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শহীদ আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির প্রথম সফল সুরকার ছিলেন, এর রচয়িতা নন। B) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও কথাশিল্পী ছিলেন, এই গানের রচয়িতা নন। D) আপেল মাহমুদ — তিনি এই গানটির অন্যতম জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও সুরকার, এর রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: গাফফার চৌধুরীর চৌধুরী শব্দের সাথে গানের অমর সৃষ্টির কথা মনে রাখতে পারেন।
a অধ্যাপক আবুল কাশেম
b কামরুদ্দিন আহমদ
c আবদুল মতিন
d আবদুস সালাম
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অধ্যাপক আবুল কাশেম কেন সঠিক: - ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে সাংস্কৃতিক সংগঠন তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়। - এই প্রতিষ্ঠানটিই সর্বপ্রথম বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধ্যাপক আবুল কাশেম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতা ছিলেন। B) কামরুদ্দিন আহমদ — তিনি ভাষা আন্দোলনের সাথে যুক্ত একজন রাজনীতিবিদ ও প্রাবন্ধিক হলেও তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন না। C) আবদুল মতিন — তিনি ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা ও সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। D) আবদুস সালাম — তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের একজন শহীদ, যিনি তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা নন। মনে রাখার টিপস: তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠার সাথে আবুল কাশেমের নাম মনে রাখতে মনে রাখুন, তমদ্দুনের কাসেম বা কাশেমের মজলিশ।
a ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
b মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
c মদনমোহন তর্কালঙ্কার
d কামিনী রায়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর কেন সঠিক: - এটি মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্যের বিদ্যাসুন্দর উপাখ্যানের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত পঙক্তি। - ঈশ্বর কাছে অন্নপূর্ণার কাছে প্রার্থনা করার সময় ঈশ্বরী পাটুনী এই বিখ্যাত বরটি চেয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর — তিনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারা শেষ করে আধুনিক যুগের সূচনা পর্বে অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি হিসেবে এই লাইনটি রচনা করেছেন। B) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি ষোড়শ শতাব্দীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত কবি হলেও এই পঙক্তিটি তার রচিত নয়। C) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — তিনি উনিশ শতকের শিশুশিক্ষার লেখক হলেও এই পঙক্তিটি তার কোনো কাব্যের অংশ নয়। D) কামিনী রায় — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত নারী কবি হলেও এই প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ধারার পঙক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরী পাটুনীর অন্নপূর্ণার কাছে চাওয়া বর মনে রাখতে ভারতচন্দ্রের নাম মনে রাখুন।
a সুন্দরবন
b ভোলা
c মনপুরা
d সেন্টমার্টিন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি এবং ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) সুন্দরবন কেন সঠিক: - বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হওয়ায় পলি জমে গঠিত বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ বা ডেল্টা হলো এই অঞ্চলটি। - গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর অববাহিকায় পলি জমা হয়ে এই বিশাল ব-দ্বীপ গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুন্দরবন — এটি গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর অববাহিকায় গঠিত বিশ্বের বৃহত্তম সক্রিয় ব-দ্বীপ। B) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা, ব-দ্বীপ বা ডেল্টা নয়। C) মনপুরা — এটি ভোলার একটি উপজেলা ও ছোট দ্বীপ, সমগ্র ব-দ্বীপ অঞ্চল নয়। D) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, নদীগঠিত ব-দ্বীপ নয়। মনে রাখার টিপস: নদীমাতৃক বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ হলো সুন্দরবন, যা গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় অবস্থিত।
a পঞ্চগড়
b কুড়িগ্রাম
c ঠাকুরগাঁও
d নীলফামারী
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পঞ্চগড় কেন সঠিক: - পঞ্চগড় বাংলাদেশের সর্বউত্তরে অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী জেলা এবং এর তেঁতুলিয়া উপজেলা দেশের সর্বউত্তরের ভূখণ্ড। - ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এই জেলাটি হিমালয়ের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থিত এবং এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত স্পষ্টভাবে দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চগড় — এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা এবং সঠিক উত্তর। B) কুড়িগ্রাম — এটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি জেলা এবং এর রৌমারী বা চিলমারী সীমান্ত অঞ্চল ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় অবস্থিত। C) ঠাকুরগাঁও — এটি পঞ্চগড়ের ঠিক দক্ষিণে অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী জেলা হলেও এটি সর্বউত্তরের জেলা নয়। D) নীলফামারী — এটি রংপুর বিভাগের একটি জেলা যা তিস্তা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত কিন্তু এটি দেশের সর্বউত্তরের জেলা নয়। মনে রাখার টিপস: উত্তরে পঞ্চগড় আর দক্ষিণে টেকনাফ মনে রাখলে বাংলাদেশের সর্বউত্তর এবং সর্বদক্ষিণ জেলার অবস্থান সহজেই মনে থাকে।
a পাবলো পিকাসো
b জয়নুল আবেদিন
c কামরুল হাসান
d ধ্রুব এষ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জয়নুল আবেদিন কেন সঠিক: - এটি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের অত্যন্ত বিখ্যাত একটি চিত্রকর্ম, যা ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপটে অঙ্কিত। - দুর্ভিক্ষের মর্মান্তিক চিত্র ও মানুষের অবয়ব ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এই শিল্পকর্মটি ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাবলো পিকাসো — তিনি স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী এবং কিউবিজম আন্দোলনের প্রবক্তা, কিন্তু তিনি ম্যাডোনা-৪৩ ছবির শিল্পী নন। B) জয়নুল আবেদিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় প্রযোজ্য নয়। C) কামরুল হাসান — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও পটুয়া নামে পরিচিত হলেও এই ছবির স্রষ্টা নন। D) ধ্রুব এষ — তিনি সমসাময়িক বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী ও প্রচ্ছদশিল্পী, কিন্তু ঐতিহাসিক ম্যাডোনা-৪৩ ছবির সঙ্গে তিনি সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: ম্যাডোনা নামের সাথে ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের করুণ ইতিহাস যুক্ত থাকায় এর শিল্পী হিসেবে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনকে মনে রাখতে হবে।
a লুই আই কান
b ফ্রাঙ্ক লয়েড রাইট
c ফ্রাঙ্ক গ্যারী
d ফজলুর রহমান খান
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লুই আই কান কেন সঠিক: - লুই আই কান আমেরিকান বিখ্যাত স্থপতি যিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা তৈরি করেন। - ১৯৬১ সালে শুরু হওয়া এই ঐতিহাসিক স্থাপনার নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুই আই কান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি। B) ফ্রাঙ্ক লয়েড রাইট — তিনি আমেরিকার একজন বিখ্যাত স্থপতি হলেও জাতীয় সংসদ ভবন ডিজাইন করেননি। C) ফ্রাঙ্ক গ্যারী — তিনি একজন প্রখ্যাত আধুনিক স্থপতি, যাঁর কাজের সাথে এই সংসদ ভবনের কোনো সম্পর্ক নেই। D) ফজলুর রহমান খান — তিনি বিশ্বখ্যাত স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হলেও জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি নন। মনে রাখার টিপস: সংসদ ভবনের স্থপতি মনে রাখতে মাথায় রাখুন, কান দিয়ে ভবন শোনার মতো লুই আই কান এই ভবন এঁকেছেন।
a পদ্মা
b সুরমা
c বরাক
d কর্ণফুলী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বরাক কেন সঠিক: - টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের মণিপুর রাজ্যে বরাক নদীর ওপর নির্মিত একটি বিতর্কিত বাঁধ প্রকল্প। - এই নদীর পানি বাংলাদেশের সুরমা ও কুশিয়ারা নদী হয়ে প্রবাহিত হয়, যা বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জলাভূমির প্রধান উৎস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি গঙ্গার প্রধান শাখা নদী, যার সঙ্গে টিপাইমুখ বাঁধের সরাসরি ভৌগোলিক সংযোগ নেই। B) সুরমা — বরাক নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়, তাই এটি সুরমার উজান নয়, বরং বরাকের উজান। D) কর্ণফুলী — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী, যা ভারতের মিজোরাম থেকে উৎপন্ন হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। মনে রাখার টিপস: বরাক নদী টিপ করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে সুরমা ও কুশিয়ারা হয়, তাই টিপাইমুখ বাঁধ বরাক নদীর ওপর অবস্থিত।
a ১টি
b ২টি
c ৩টি
d ৪টি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ২টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের নদী বিশেষজ্ঞদের মতে নারীবাচক ও পুরুষবাচক নামের দিক বিবেচনা করে প্রধান নদী দুটিকে নদ বলা হয়। - বাংলা ভাষায় পুংলিঙ্গবাচক নদ এবং স্ত্রীলিঙ্গবাচক নদী আলাদা করার ঐতিহ্য রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশে নদ বা নদীর সংখ্যা একটি নয় বরং দুটি পুংলিঙ্গবাচক নদ রয়েছে। B) ২টি — এটি সঠিক কারণ ব্রহ্মপুত্র ও নদ এবং কপোতাক্ষ নদ পুরুষবাচক হওয়ায় এদের নদ বলা হয়। C) ৩টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশে ঐতিহ্যগতভাবে পুরুষবাচক নামের নদ নির্দিষ্টভাবে দুটি হিসেবে গণ্য করা হয়। D) ৪টি — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ বাংলাদেশে নদ হিসেবে স্বীকৃত প্রধান নদীর সংখ্যা চারটি নয় বরং দুটি। মনে রাখার টিপস: ব্রহ্মপুত্র এবং কপোতাক্ষ এই দুটি নাম পুরুষবাচক হওয়ায় এদের নদ বলা হয় আর বাকি সব নদী।
a ১২১৫ খ্রিস্টাব্দে
b ১২১০ খ্রিস্টাব্দে
c ১২২৫ খ্রিস্টাব্দে
d ১২১২ খ্রিস্টাব্দে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২১৫ খ্রিস্টাব্দে কেন সঠিক: - ইংল্যান্ডের রাজা জন ১২১৫ সালের ১৫ জুন এই ঐতিহাসিক সনদ স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন। - এটি বিশ্বে নাগরিক অধিকার ও আইনের শাসনের ইতিহাসে প্রথম লিখিত দলিল হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২১৫ খ্রিস্টাব্দে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ম্যাগনাকার্টা প্রণীত ও স্বাক্ষরিত হয়েছিল। B) ১২১০ খ্রিস্টাব্দে — এই সালে ম্যাগনাকার্টা প্রণীত হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১২২৫ খ্রিস্টাব্দে — এটি ম্যাগনাকার্টা প্রণয়নের সাল নয়, পরবর্তীতে এর কিছু সংশোধিত রূপ প্রকাশ করা হয়েছিল। D) ১২১২ খ্রিস্টাব্দে — এই সালের সঙ্গে ম্যাগনাকার্টা প্রণয়নের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ম্যাগনাকার্টা ১২১৫ সালে প্রণীত হয়—এটি মনে রাখতে "ম্যাগনা-১৫" এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a জুরিখ
b রোম
c ব্রাসেলস
d মাদ্রিদ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোম কেন সঠিক: - ইতালির রাজধানী রোম সারা বছর নাতিশীতোষ্ণ ও মনোরম আবহাওয়ার জন্য পরিচিত। - এখানকার আবহাওয়া খুব বেশি ঠান্ডা বা গরম হয় না, যা চির বসন্তের আবহাওয়াকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুরিখ — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এটি ব্যাংকিং ও জীবনযাত্রার মানের জন্য পরিচিত, চির বসন্তের শহর নয়। B) রোম — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয় হিসেবে পরিচিত। D) মাদ্রিদ — এটি স্পেনের রাজধানী এবং এর আবহাওয়া চরম ভাবাপন্ন, অর্থাৎ তীব্র গরম ও ঠান্ডা থাকে। মনে রাখার টিপস: রোমান সভ্যতার মতো রোমের আবহাওয়াও চিরকাল মনোরম ও বসন্তের মতো সুন্দর থাকে।
a ১২০তম
b ১২৫তম
c ১৪০তম
d ১৩৬তম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৬তম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে ১৩৬তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ভাষণ দিয়ে বাংলাদেশের সদস্যপদকে ঐতিহাসিক রূপ দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০তম — এই ক্রমিকে অন্য কোনো দেশ জাতিসংঘে যোগদান করেছিল, যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ১২৫তম — এটি বাংলাদেশ সম্পর্কিত জাতিসংঘের সদস্যপদের সঠিক ক্রমসংখ্যা নয়। C) ১৪০তম — এটি ভুল তথ্য এবং বাংলাদেশ এই ক্রমিকে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি। D) ১৩৬তম — এটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ এই ক্রমিক নম্বরেই জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ৭৪ সালে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি হিসেবে ১৩৬ নম্বর ঘরে জাতিসংঘের সদস্য আসন গ্রহণ করেছিল।
a ওয়াশিংটন
b নিউইয়র্কণ
c ব্রাসেলস
d জুরিখ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওয়াশিংটন কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ উভয় সংস্থাই যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। - ১৯৪৪ সালের ব্রটন উডস সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্বব্যাংক তার কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়, বিশ্বব্যাংকের নয়। C) ব্রাসেলস — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটোর প্রধান কার্যালয়। D) জুরিখ — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি বড় শহর, তবে কোনো বৈশ্বিক আর্থিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের আর্থিক রাজধানী যুক্তরাষ্ট্র হওয়ায় বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর প্রধান কার্যালয় ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
a সিলেট
b ময়মনসিংহ
c পটুয়াখালী
d বান্দরবান
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিলেট কেন সঠিক: - খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের একটি প্রধান পাহাড়ি নৃ-গোষ্ঠী, যাদের মূল বসবাস সিলেট বিভাগের বিভিন্ন পাহাড়ি অঞ্চলে। - বিশেষ করে সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলার চা বাগান ও পাহাড়ি এলাকায় খাসিয়া পুঞ্জিগুলোতে এদের প্রধান বসতি রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অঞ্চলেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর মূল বসবাস। B) ময়মনসিংহ — এটি ভুল কারণ ময়মনসিংহে মূলত গারো, হাজং ও কোচ নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ বাস করে। C) পটুয়াখালী — এটি ভুল কারণ পটুয়াখালী অঞ্চলে রাখাইন নৃ-গোষ্ঠীর লোক বসবাস করে। D) বান্দরবান — এটি ভুল কারণ বান্দরবানে চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা ও বমসহ অন্যান্য পাহাড়ি জনগোষ্ঠী বাস করে। মনে রাখার টিপস: সিলেট অঞ্চলের চা বাগান ও পাহুড়ে এলাকায় খাসিয়া পুঞ্জি দেখা যায়, তাই খাসিয়া মানেই সিলেট।
a অস্ট্রেলিয়া
b কানাডা
c নিউজিল্যান্ড
d দক্ষিণ আফ্রিকা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউজিল্যান্ড কেন সঠিক: - মাউরী হলো নিউজিল্যান্ডের আদিম বা ভূখণ্ডটির প্রথম অধিবাসী জনগোষ্ঠী। - তারা পলিনেশীয় বংশোদ্ভূত এবং নিউজিল্যান্ডের সংস্কৃতিতে তাদের ভাষা ও ঐতিহ্যের গভীর প্রভাব রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের অ্যাবোরিজিনাল বলা হয়, মাউরী নয়। B) কানাডা — কানাডার আদিবাসীদের ইনুইট বা ফার্স্ট নেশনস বলা হয়, মাউরী এখানে বাস করে না। C) নিউজিল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মাউরী আদিবাসীদের মূল বাসস্থান। D) দক্ষিণ আফ্রিকা — দক্ষিণ আফ্রিকার আদিবাসীদের জুলু বা খোইসান বলা হয়, মাউরী নয়। মনে রাখার টিপস: নিউজিল্যান্ডের সাথে মাউরী আদিবাসীদের নাম মনে রাখতে নিউজিল্যান্ডের রাগবি দল অল ব্ল্যাকস এর বিখ্যাত হাকা নৃত্যটি স্মরণ করতে পারো, যা মাউরী সংস্কৃতির অংশ।
a মোনাকো
b ভ্যাটিক্যান সিটি
c মালদ্বীপ
d পূর্ব তিমুর
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মোনাকো প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি কেন সঠিক: - জাতিসংঘে সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে মোনাকো হলো আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে ক্ষুদ্র দেশ। - মোনাকোর মোট আয়তন মাত্র দুই দশমিক শূন্য দুই বর্গকিলোমিটার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোনাকো — এটি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম। B) ভ্যাটিক্যান সিটি — এটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র হলেও জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয়, বরং স্থায়ী পর্যবেক্ষক দেশ। C) মালদ্বীপ — এটি আয়তনের দিক থেকে ছোট হলেও মোনাকোর চেয়ে বড় এবং এটি জাতিসংঘের সদস্য। D) পূর্ব তিমুর — এটি একটি ছোট রাষ্ট্র কিন্তু মোনাকোর তুলনায় এর আয়তন ও জনসংখ্যা অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘে পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে মোনাকো হলো সবচেয়ে ছোট এবং ভ্যাটিক্যান সিটি শুধু পর্যবেক্ষক।
a ৭৫৭ মাইল
b ১১৫৭ মাইল
c ৩৮৫৭ মাইল
d ২০৫৭ মাইল
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭৫৭ মাইল ১. কেন সঠিক: বাতাসে শব্দের গতি তাপমাত্রা এবং মাধ্যমের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলে শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ মিটার বা ঘণ্টায় প্রায় ৭৫৭ মাইল হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: শব্দ এক প্রকার শক্তি যা কম্পনের মাধ্যমে মাধ্যম দিয়ে সঞ্চালিত হয়। এটি শূন্য মাধ্যমে চলতে পারে না। কার্যপ্রণালি: শব্দ তরঙ্গের কণাগুলোর সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করে। মাধ্যম যত ঘন হয়, শব্দের গতি তত বেশি হয়। বাস্তব প্রয়োগ: জেট প্লেন যখন শব্দের বেগকে অতিক্রম করে, তখন প্রচণ্ড শব্দ সৃষ্টি হয় যাকে সনিক বুম বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বজ্রপাত ও আলোর ঝলকানি। ব্যাখ্যা: আলো শব্দের চেয়ে অনেক দ্রুত চলে তাই বজ্রপাতের আলো আমরা আগে দেখি এবং শব্দ পরে শুনি। উদাহরণ ২: রেললাইনের পাতে কান পাতা। ব্যাখ্যা: লোহা বায়ুর চেয়ে ঘন মাধ্যম হওয়ায় তাতে শব্দের গতি অনেক বেশি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭৫৭ মাইল — এটি শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের প্রতি ঘণ্টার সঠিক গতিবেগ। B) ১১৫৭ মাইল — এই মানটি ভুল এবং এটি বাতাসের স্বাভাবিক শব্দের গতির সঙ্গে মেলে না। C) ৩৮৫৭ মাইল — এটি অনেক বেশি মান যা বাতাসে শব্দের গতির চেয়ে বহু গুণ বেশি। D) ২০৫৭ মাইল — এটি শব্দের গতির সঠিক মান নয় এবং এটি ভুল তথ্য নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাতাসে শব্দের গতি মনে রাখতে ৭৫০ এর কাছাকাছি সংখ্যাটি মনে রাখা যেতে পারে। শূন্য ডিগ্রি তাপমাত্রায় ৭৫৭ মাইল প্রতি ঘণ্টা হিসাবটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন। তাপমাত্রা বাড়লে বাতাসে শব্দের গতি বাড়ে।
a ইকো কার্ডিওগ্রাম
b ড্রোনোমিটার
c অ্যানিমোমিটার
d সিসমোগ্রাফ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিসমোগ্রাফ ১. কেন সঠিক: ভূ-কম্পন বা ভূমিকম্প মাপা এবং এর তীব্রতা রেকর্ড করার জন্য সিসমোগ্রাফ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। এই যন্ত্রটি ভূত্বকের কম্পন বা তরঙ্গকে নিখুঁতভাবে কাগজের ওপর গ্রাফের মাধ্যমে চিহ্নিত করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সিসমোগ্রাফ এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যা পৃথিবীর অভ্যন্তরে শক্তির আকস্মিক মুক্তির ফলে সৃষ্ট সিসমিক তরঙ্গ রেকর্ড করে। কার্যপ্রণালি: ভূগর্ভে প্লেটের নড়াচড়ার ফলে যে শক্তি উৎপন্ন হয় তা তরঙ্গের আকারে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং সিসমোগ্রাফের মাধ্যমে তা দৃশ্যমান হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামি। ব্যাখ্যা: এই বিশাল ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট ভূ-কম্পন বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সিসমোগ্রাফ যন্ত্রে নিখুঁতভাবে ধরা পড়েছিল। উদাহরণ ২: ঘরের ঝুলন্ত কোনো ভারী বস্তুর সামান্য নড়ে ওঠা। ব্যাখ্যা: মৃদু ভূমিকম্পের সময় সিসমোগ্রাফের ভেতরের ভারী লোলা বা পেন্ডুলাম জড়তার সূত্রের কারণে স্থির থাকতে চায়, যা কম্পন মাপতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইকো কার্ডিওগ্রাম — এটি হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা ও রক্তপ্রবাহ পরীক্ষার জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়, ভূ-কম্পনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) ড্রোনোমিটার — এটি এমন কোনো স্বীকৃত বা প্রচলিত বৈজ্ঞানিক পরিমাপক যন্ত্র নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। C) অ্যানিমোমিটার — এটি বাতাসের গতিবেগ ও চাপ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত একটি আবহাওয়া সংক্রান্ত যন্ত্র। D) সিসমোগ্রাফ — এটি ভূ-কম্পন বা ভূমিকম্পের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব পরিমাপ করার একমাত্র সঠিক বৈজ্ঞানিক যন্ত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: সিসমিক কথাটি মাটি বা ভূমিকম্পের সঙ্গে জড়িত, তাই ভূ-কম্পন মাপক যন্ত্রের নামের শুরুতেই সিসমো শব্দ থাকে। সিসমোগ্রাফ নামের শেষাংশ গ্রাফ নির্দেশ করে যে এটি কম্পনের একটি চিত্র বা গ্রাফ তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপের জন্য রিখটার স্কেল ব্যবহার করা হয়, যা সিসমোগ্রাফের ডেটার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় ভূ-প্রকৃতি ও পরিবেশ বিজ্ঞান অংশ থেকে প্রায়ই আসে।
a ম্যানোমিটার
b ব্যারোমিটার
c হাইগ্রোমিটার
d হাইড্রোমিটার
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাইগ্রোমিটার ১. কেন সঠিক: বায়ুতে উপস্থিত জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আর্দ্রতা পরিমাপ করার জন্য হাইগ্রোমিটার যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং কৃষিকাজে সঠিক আর্দ্রতা জানার জন্য এই যন্ত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের আপেক্ষিক উপস্থিতি বা আর্দ্রতা সরাসরি পরিমাপ করার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এটি। কার্যপ্রণালি: বিভিন্ন ধরনের হাইগ্রোমিটার যেমন চুল হাইগ্রোমিটার বা সাইক্রোমিটার আর্দ্রতার তারতম্যের ওপর ভিত্তি করে পরিমাপ প্রদর্শন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্ষাকালে ঘরের স্যাঁতসেঁতে ভাব পরিমাপ করা। ব্যাখ্যা: আবহাওয়ায় জলীয় বাষ্প বেশি থাকলে হাইগ্রোমিটারের কাঁটা উচ্চ আর্দ্রতার নির্দেশ দেয়। উদাহরণ ২: আবহাওয়া অফিসে বৃষ্টির পূর্বাভাস নির্ণয়। ব্যাখ্যা: বায়ুর আর্দ্রতা হঠাৎ কমে বা বেড়ে গেলে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা যাচাই করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যানোমিটার — এই যন্ত্রটি গ্যাস বা তরলের চাপ পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়, বায়ুর আর্দ্রতা মাপতে নয়। B) ব্যারোমিটার — এই যন্ত্রটি বায়ুমণ্ডলের চাপ পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়, যা আবহাওয়া পরিবর্তনে সাহায্য করে। C) হাইগ্রোমিটার — এটি বায়ুর আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) হাইড্রোমিটার — এই যন্ত্রটি তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: হাইগ্রো শব্দের অর্থ আর্দ্রতা এবং মিটার অর্থ পরিমাপক যন্ত্র, তাই হাইগ্রোমিটার মানে আর্দ্রতা মাপা। হাইড্রোমিটারের সাথে গুলিয়ে ফেলবেন না কারণ হাইড্রো শব্দের অর্থ তরল বা পানি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বায়ুর আর্দ্রতা ১০০% হলে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। একই ধরনের প্রশ্ন হিসেবে ব্যারোমিটার কী পরিমাপ করে বা ম্যানোমিটারের কাজ কী তা পরীক্ষায় আসতে পারে।
a গ্রিস, সিসিলি
b ইতালি, রোম
c স্পেন, বার্সিলোনা
d ইংল্যান্ড, লন্ডন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গ্রিস, সিসিলি ১. কেন সঠিক: আর্কিমিডিস প্রাচীন গ্রিসের একজন মহান গণিতবিদ, পদার্থবিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী ছিলেন। তিনি তৎকালীন গ্রিক সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত সিসিলি দ্বীপের সিরাকিউজ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: আর্কিমিডিসের নীতি তরল বা বায়বীয় পদার্থে নিমজ্জিত কোনো বস্তুর ওপর প্রযুক্ত প্লবতা সম্পর্কিত। বাস্তব প্রয়োগ: জাহাজের সমুদ্রে ভেসে থাকা এবং হাইড্রোমিটারের কার্যকারিতায় এই নীতি সরাসরি প্রয়োগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পানিতে কাঠের টুকরো ভাসানো। ব্যাখ্যা: বস্তুটি সমপরিমাণ পানির ওজন অপসারিত করে ভেসে থাকে। উদাহরণ ২: মানুষের সাতার কাটা। ব্যাখ্যা: শরীর পানি অপসারিত করে প্লবতা বল লাভ করে ভেসে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রিস, সিসিলি — এটি সঠিক কারণ আর্কিমিডিস প্রাচীন গ্রিক উপনিবেশ সিরাকিউজে জন্মেছিলেন। B) ইতালি, রোম — রোম প্রাচীনকালে আলাদা সাম্রাজ্য ছিল এবং আর্কিমিডিসের জন্মস্থান রোমে ছিল না। C) স্পেন, বার্সিলোনা — বার্সিলোনা স্পেনের শহর, যা এই প্রাচীন বিজ্ঞানীর জন্মস্থান নয়। D) ইংল্যান্ড, লন্ডন — লন্ডন যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং প্রাচীন গ্রিক বিজ্ঞানীর সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: আর্কিমিডিসের জন্মস্থান মনে রাখতে গ্রিক বিজ্ঞানী ও সিসিলির সিরাকিউজ শহর একসঙ্গে মনে রাখুন। প্রাচীন গ্রিক সভ্যতার বিস্তৃতি সিসিলি পর্যন্ত ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আর্কিমিডিস ইউরেকা শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। এই ধরনের প্রশ্ন থেকে তার বিখ্যাত প্লবতার সূত্র ও ক্রাউন পরীক্ষার ইতিহাস সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a অ্যাম্পিয়ার মিটার
b গ্যালভানোমিটার
c অ্যামিটার
d ভোল্টামিটার
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যামিটার ১. কেন সঠিক: - কোনো বর্তনীতে বা পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে কী পরিমাণ আধান বা চার্জ প্রবাহিত হচ্ছে, অর্থাৎ বিদ্যুৎ প্রবাহের মান সরাসরি পরিমাপ করা হয় অ্যামিটার দিয়ে। - বিদ্যুৎ প্রবাহের এসআই একক অ্যাম্পিয়ার এবং এই প্রবাহ নিখুঁতভাবে মাপার জন্য সরাসরি বর্তনীর সাথে সমবায় বা শ্রেণীতে অ্যামিটার যুক্ত করা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: অ্যামিটার হলো একটি পরিমাপক যন্ত্র যা গ্যালভানোমিটারের সাথে সমান্তরালে একটি খুব ছোট মানের রোধ বা শান্ট যুক্ত করে তৈরি করা হয়। - কার্যপ্রণালি: এই যন্ত্রটি খুব কম রোধবিশিষ্ট হওয়ায় এর মধ্য দিয়ে মূল বিদ্যুৎ প্রবাহ সহজে বাধাহীনভাবে প্রবাহিত হতে পারে এবং পরিমাপ করা যায়। - বাস্তব প্রয়োগ: বাসা-বাড়ির মেইন সুইচবোর্ড, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রের সার্কিট এবং সাবস্টেশনে বিদ্যুৎ প্রবাহ পর্যবেক্ষণে অ্যামিটার ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি বৈদ্যুতিক মোটরের চালক সার্কিটে অ্যামিটার যুক্ত করা। ব্যাখ্যা: মোটরটি চালু করার পর এটি কতটকু বিদ্যুৎ টানছে তা অ্যামিটারের কাঁটা বা ডিজিটাল ডিসপ্লে দেখে সহজেই নির্ধারণ করা যায়। উদাহরণ ২: ল্যাবরেটরিতে ওহমের সূত্র যাচাইয়ের পরীক্ষা। ব্যাখ্যা: বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের মান কত হচ্ছে তা জানার জন্য বর্তনীর সাথে সিরিজে একটি অ্যামিটার স্থাপন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যাম্পিয়ার মিটার — অ্যাম্পিয়ার হলো বিদ্যুৎ প্রবাহ মাপার একক, কিন্তু এই নামের কোনো নির্দিষ্ট পরিমাপক যন্ত্র সাধারণত বিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয় না। B) গ্যালভানোমিটার — এটি বর্তনীতে বিদ্যুৎ প্রবাহের উপস্থিতি এবং দিক নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি বড় মান মাপতে নয়। C) অ্যামিটার — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি দিয়ে সরাসরি বিদ্যুৎ প্রবাহের মান মাপা হয়। D) ভোল্টামিটার — এটি এমন একটি পাত্র যেখানে তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটানো হয়, বিদ্যুৎ প্রবাহ মাপা এর কাজ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদ্যুৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার এবং এই একক থেকেই যন্ত্রটির নাম হয়েছে অ্যামিটার। - মনে রাখবে, অ্যামিটার সব সময় বর্তনীতে শ্রেণীতে বা সিরিজে সংযুক্ত থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আদর্শ অ্যামিটারের রোধ শূন্য হওয়া বাঞ্ছনীয়, তবে বাস্তবে এর রোধ খুব কম হয়। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব অধ্যায় থেকে প্রায়ই আসে।
a এসেটিক এসিড
b ল্যাকটিক এসিড
c সাইট্রিক এসিড
d কার্বলিক এসিড
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাইট্রিক এসিড ১. কেন সঠিক: লেবুতে প্রাকৃতিকভাবে সাইট্রিক এসিড থাকে যা এর টক স্বাদের মূল কারণ। এটি এক প্রকার জৈব এসিড যা ফলমূলের মধ্যে পাওয়া যায় এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সাইট্রিক এসিড একটি দুর্বল জৈব এসিড যার রাসায়নিক সংকেত হলো সি ছয় এইচ আট ও সেভেন। কার্যপ্রণালি: লেবুর কোষে থাকা রস বা কুঁড়িতে এই এসিড তৈরি হয় এবং এটি ভিটামিন সি এর সাথে মিলে উদ্ভিদের বিপাক ক্রিয়ায় অংশ নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাগজি লেবু বা পাতিলেবু কেটে মুখে দিলে তীব্র টক স্বাদ অনুভূত হয়। ব্যাখ্যা: লেবুর রসে থাকা সাইট্রিক এসিড জিবের প্যাপিলার সাথে বিক্রিয়া করে এই টক স্বাদ তৈরি করে। উদাহরণ ২: লেবুর রসে চায়ের রঙ হালকা হয়ে যাওয়া। ব্যাখ্যা: সাইট্রিক এসিড চায়ের পিএইচ এর মাত্রা পরিবর্তন করে রঙের এই বৈচিত্র্য আনে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এসেটিক এসিড — এটি ভিনেগারে পাওয়া যায় এবং লেবুতে থাকে না। B) ল্যাকটিক এসিড — এটি টক দইয়ে পাওয়া যায় এবং এটি অন্য একটি জৈব এসিড। C) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবুতে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় এবং এটিই সঠিক উত্তর। D) কার্বলিক এসিড — এটি মূলত ফেনল যা একটি ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ এবং ফলমূলের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: লেবুর ইংরেজি লেমন এবং এর নামের সাথে মিলে যায় সাইট্রিক এসিড। এভাবে লেমন থেকে সাইট্রিক এসিড কথাটি মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কমলা ও লেবুজাতীয় ফলে সাইট্রিক এসিড বা ভিটামিন সি প্রচুর পরিমাণে থাকে। এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই খাদ্য ও পুষ্টি অধ্যায় থেকে আসে।
a পরিবহন
b পরিচলন
c বিকিরণ
d সঞ্চালন
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিকিরণ ১. কেন সঠিক: - বিকিরণ এমন একটি তাপ সঞ্চালন প্রক্রিয়া যার জন্য কোনো মাধ্যম বা উপাদানের প্রয়োজন হয় না। - মহাশূন্য বা শূন্যস্থানের মধ্য দিয়ে এই পদ্ধতিতে তাপ সরাসরি তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গের আকারে চলাচল করতে পারে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: যে প্রক্রিয়ায় তাপ মাধ্যম ছাড়া বা মাধ্যমের উপস্থিতি ছাড়াই উষ্ণ বস্তু থেকে শীতল বস্তুতে সরাসরি স্থানান্তরিত হয় তাকে বিকিরণ বলে। - কার্যপ্রণালি: এটি তাপীয় বিকিরণ বা অবলোহিত তরঙ্গের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয় এবং আলোর গতিতে ভ্রমণ করে। - বাস্তব প্রয়োগ: সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ এই বিকিরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই পৌঁছে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যের তাপ পৃথিবীতে পৌঁছানো। ব্যাখ্যা: সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে বিশাল শূন্যস্থান থাকা সত্ত্বেও সূর্যের তাপ বিকিরণ প্রক্রিয়ায় আমাদের কাছে এসে পৌঁছায়। উদাহরণ ২: ফায়ারপ্লেস বা আগুনের সামনে হাত গরম করা। ব্যাখ্যা: আগুন থেকে নির্গত তাপ বায়ু থাকা সত্ত্বেও মূলত বিকিরণ প্রক্রিয়ায় আমাদের শরীরে এসে Wärme বা তাপ অনুভূত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিবহন — পরিবহন হলো কঠিন পদার্থের মধ্য দিয়ে তাপ সঞ্চালনের পদ্ধতি, যার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয় এবং এটি শূন্য মাধ্যমে কাজ করে না। B) পরিচলন — পরিচলন হলো তরল ও বায়বীয় পদার্থের মধ্য দিয়ে তাপ সঞ্চালনের পদ্ধতি, যেখানে মাধ্যমের কণার চলাচল আবশ্যক। D) সঞ্চালন — সঞ্চালন কোনো তাপ সঞ্চালনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি নয়, এটি কেবল তাপ ছড়ানোর একটি সাধারণ বাংলা শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - শূন্যস্থান বা মাধ্যমের অনুপস্থিতি থাকলে উত্তর হবে বিকিরণ, কারণ বিকিরণের মাধ্যম লাগে না। - পরিবহন শুধু কঠিন মাধ্যমে এবং পরিচলন তরল ও বায়বীয় মাধ্যমে ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে যে সূর্য থেকে পৃথিবীতে কোন প্রক্রিয়ায় তাপ আসে। - মনে রাখবে, তাপ সঞ্চালনের যে পদ্ধতিতে মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না তা হলো বিকিরণ।
a 36.9
b 38.4
c 34.2
d 32.4
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 36.9 ১. কেন সঠিক: ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রা সেলসিয়াস স্কেলে রূপান্তর করার জন্য একটি নির্দিষ্ট গাণিতিক সূত্র ব্যবহার করতে হয়। এই রূপান্তরের মাধ্যমে মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ফারেনহাইট থেকে সেলসিয়াসে নিখুঁতভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ফারেনহাইট এবং সেলসিয়াস হলো তাপমাত্রা পরিমাপের দুটি বহুল ব্যবহৃত একক। সূত্র: সি ÷ ৫ = (এফ − ৩২) ÷ ৯, যেখানে সি হলো সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং এফ হলো ফারেনহাইট তাপমাত্রা। হিসাব: এখানে এফ এর মান ৯৮.৪, সি = ৫ × (৯৮.৪ − ৩২) ÷ ৯ = ৫ × ৬৬.৪ ÷ ৯ = ৩৩২ ÷ ৯ = ৩৬.৮৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা প্রায় ৩৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুস্থ মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হিসেবে ধরা হয়। ব্যাখ্যা: বিভিন্ন স্কেলে তাপমাত্রা ভিন্ন হলেও তাপমাত্রার প্রকৃত তীব্রতা একই থাকে। উদাহরণ ২: আবহাওয়ার পূর্বাভাসে তাপমাত্রা সেলসিয়াসে প্রকাশ করা হলেও অনেক দেশে ফারেনহাইট ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: রূপান্তর সূত্র জানা থাকলে যেকোনো স্কেলের মান সহজে বোধগম্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 36.9 — এটি ফারেনহাইট স্কেলের ৯৮.৪ ডিগ্রির সঠিক সেলসিয়াস রূপান্তর এবং মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রার কাছাকাছি মান। B) 38.4 — এটি ভুল কারণ এই মানটি ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটকে সঠিকভাবে রূপান্তর করলে আসে না বরং এটি হালকা জ্বরের সেলসিয়াস রূপান্তর। C) 34.2 — এটি ভুল কারণ এই মানটি অতিরিক্ত কম তাপমাত্রা নির্দেশ করে যা মানুষের বেঁচে থাকার জন্য স্বাভাবিক নয়। D) 32.4 — এটি ভুল কারণ সেলসিয়াস স্কেলে এই মানটি জমাট বাঁধার কাছাকাছি তাপমাত্রা নির্দেশ করে যা শরীরের তাপমাত্রার সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: তাপমাত্রা রূপান্তরের সময় মনে রাখবে সেলসিয়াস মান সবসময় ফারেনহাইট মানের তুলনায় কিছুটা ছোট হয়। সি সমান পাঁচ গুণ এফ মাইনাস ৩২ এবং পুরোটিকে নয় দ্বারা ভাগ করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাপমাত্রা রূপান্তর সংক্রান্ত অংক প্রায়ই আসে। সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মিলিত বিন্দু মাইনাস চল্লিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ফারেনহাইট, এটি মুখস্থ রাখা ভালো।
a বেগুনী
b লাল
c হলুদ
d কালো
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাল ১. কেন সঠিক: - লাল রঙ হলো আলোর একটি প্রাথমিক বা মৌলিক রঙ, যা অন্য কোনো রঙের মিশ্রণে তৈরি করা যায় না। - দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং এর কম্পাঙ্ক সবচেয়ে কম থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর মৌলিক রঙগুলো হলো লাল, নীল ও সবুজ। এই তিনটি রঙ বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে দৃশ্যমান আলোর অন্য যেকোনো রঙ তৈরি করা সম্ভব। - কার্যপ্রণালি: মানব চোখের রেটিনায় থাকা তিন ধরনের কোন কোষ এই তিনটি মৌলিক রঙের প্রতি সংবেদনশীল এবং মস্তিষ্ক এই সংকেতগুলোকে একত্রিত করে রঙ হিসেবে চিনতে পারে। - বাস্তব প্রয়োগ: রঙিন টেলিভিশন, কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের ডিসপ্লেতে লাল, সবুজ ও নীল পিক্সেলের আলো ব্যবহার করে নিখুঁত ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেলিভিশনের স্ক্রিন ব্যাখ্যা: রঙিন টেলিভিশনের পর্দায় অত্যন্ত ক্ষুদ্র লাল, সবুজ ও নীল রঙের বিন্দু বা সাবপিক্সেল থাকে, যা নির্দিষ্ট অনুপাতে জ্বলে নানা রঙের ছবি তৈরি করে। উদাহরণ ২: ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যাখ্যা: লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য অনেক বেশি হওয়ায় এটি কুয়াশা বা ধূলিকণা ভেদ করে দূর থেকে চোখে পড়ে, তাই বিপদ বা থামার সংকেতে লাল রঙ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগুনী — বেগুনী হলো মাধ্যমিক রঙ বা আলোর বর্ণালীর একটি প্রান্তিক রঙ, যা মৌলিক রঙ নয়। B) লাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ লাল রঙের আলোর মিশ্রণে অন্যান্য রঙ তৈরি হয় কিন্তু লাল নিজে মিশ্রণজাত নয়। C) হলুদ — আলোর ক্ষেত্রে হলুদ মৌলিক রঙ নয়, তবে শিল্পকলার রঙ বা রঞ্জক পদার্থের ক্ষেত্রে হলুদ একটি প্রাথমিক রঙ হিসেবে ধরা হয়। D) কালো — কালো কোনো রঙ নয়, এটি আলোর সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি বা সব রঙ শুষে নেওয়ার ফল। ৫ মনে রাখার টিপস: - আলোর মৌলিক রঙ মনে রাখার কৌশল হলো ‘রানি সবুজ’ অর্থাত্ লাল, নীল ও সবুজ। - মনে রাখতে হবে আলোর প্রাথমিক রঙ তিনটি, যার একটি হলো আমাদের সঠিক উত্তর লাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আলো ও রঞ্জক পদার্থের প্রাথমিক রঙের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - আলোর প্রাথমিক রঙ হলো লাল, নীল ও সবুজ এবং রঞ্জক পদার্থের প্রাথমিক রঙ হলো লাল, নীল ও হলুদ।

মোট প্রশ্ন (15)

a গদ্য সাহিত্য
b চর্যাপদ
c ময়মনসিংহ গীতিকা
d চতুর্দশপদী কবিতা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন যা বাংলা ভাষার আদি রূপ ধারণ করে আছে। - বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ অনুধাবনের জন্য চর্যাপদ সবচেয়ে প্রামাণিক ও ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা ধর্মীয় গান যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। - ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষার আদি রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সর্বাধিক সংখ্যক পদ রচনা করেছিলেন এবং তাঁর পদের ভাষাও প্রাচীন বাংলার কাছাকাছি। উদাহরণ ২: চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ব্যাখ্যা: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গদ্য সাহিত্য — গদ্য সাহিত্য বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন নয় বরং মধ্যযুগে পদ্যের আধিক্য ছিল এবং আধুনিক যুগেই গদ্যের বিকাশ ঘটে। C) ময়মনসিংহ গীতিকা — ময়মনসিংহ গীতিকা প্রাচীন যুগের নিদর্শন নয় বরং এটি মধ্যযুগের লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত একটি সমৃদ্ধ পালাগান সংগ্রহ। D) চতুর্দশপদী কবিতা — চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট হলো আধুনিক যুগের একটি কাব্যরূপ যার প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন বললে চোখ বন্ধ করে চর্যাপদ উত্তর করবে কারণ এটি সাহিত্যের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক দলিল। - আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং ভাষা আবিষ্কারক সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এই দুটি নাম সবসময় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কার সাল ও মোট পদের সংখ্যা সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। - চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর পুথিটি অসমাপ্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।
a প্যালেস্টাইন
b পূর্ব তিমুর
c মোনাকো
d ম্যাকাও
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যালেস্টাইন ১. কেন সঠিক: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২০১২ সালের ২৯ নভেম্বর প্যালেস্টাইনকে অ-সদস্য পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর ফলে প্যালেস্টাইন জাতিসংঘে স্থায়ী পর্যবেক্ষক দেশের মর্যাদা লাভ করে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি সাধারণ জ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অংশে জাতিসংঘ সম্পর্কিত বিভিন্ন দেশের সদস্যপদ ও মর্যাদার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্যাটিকান সিটি ব্যাখ্যা: প্যালেস্টাইনের মতো ভ্যাটিকান সিটিও জাতিসংঘের একটি অ-সদস্য পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র। উদাহরণ ২: তাইওয়ান ব্যাখ্যা: তাইওয়ান বর্তমানে জাতিসংঘের কোনো সদস্য বা পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যালেস্টাইন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বর্তমানে জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষক দেশ হিসেবে স্বীকৃত। B) পূর্ব তিমুর — এটি জাতিসংঘের একটি পূর্ণাঙ্গ সদস্য রাষ্ট্র, কোনো পর্যবেক্ষক দেশ নয়। C) মোনাকো — এটি জাতিসংঘের একটি পূর্ণাঙ্গ সদস্য রাষ্ট্র। D) ম্যাকাও — এটি জাতিসংঘের কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র বা পর্যবেক্ষক দেশ নয়, বরং চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল। ৫. মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘে বর্তমানে স্থায়ী পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র রয়েছে দুটি, যথা প্যালেস্টাইন ও ভ্যাটিকান সিটি। প্যালেস্টাইন ২০১২ সালে এই মর্যাদা লাভ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সদস্যপদ, বিশেষ করে জাতিসংঘের অঙ্গসংগঠন এবং পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো দেশ কবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছে তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a অপ্রত্যাশিত বাধা
b যা সচরাচর ঘটে না
c পৌষ-মাঘ মাসের
d নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অপ্রত্যাশিত বাধা ১. কেন সঠিক: - 'অকালে বাদলা' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ অসময়ে বৃষ্টি হওয়া এবং ভাবগত অর্থ অপ্রত্যাশিত বা হঠাৎ আসা বাধা। - কৃষিকাজে বা দৈনন্দিন জীবনে হঠাৎ বৃষ্টি নামলে যেমন সব পরিকল্পনা পণ্ড হয়ে যায়, তেমনই জীবনের যেকোনো কাজে হঠাৎ কোনো বাধা আসলে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং কম কথায় মনের ভাব সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষার ঠিক আগের রাতে বিদ্যুৎ চলে যাওয়া যেন আমার প্রস্তুতিতে অকালে বাদলা নামাল। ব্যাখ্যা: এখানে হঠাৎ করে তৈরি হওয়া অপ্রত্যাশিত বাধার ক্ষেত্রে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসায় হঠাৎ মন্দা দেখা দেওয়ায় আমাদের লাভ করার আশায় যেন অকালে বাদলা লেগেছে। ব্যাখ্যা: এখানে চলমান ভালো অবস্থার মধ্যে হঠাৎ নেমে আসা বিপদের বা আশাহত হওয়ার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপ্রত্যাশিত বাধা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'অকালে বাদলা' বাগধারার সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে। B) যা সচরাচর ঘটে না — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বিরল ঘটনা বোঝায়, কিন্তু বাগধারাটি মূলত কোনো কাজে আসা হঠাৎ বাধা নির্দেশ করে। C) পৌষ-মাঘ মাসের — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি ঋতুভিত্তিক বর্ষণ বা শীতের বৃষ্টিকে বোঝায়, বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবকে প্রকাশ করে না। D) নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় — এই অপশনটি ভুল কারণ নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় বলতে যা প্রতিদিন ঘটে তা বোঝায়, কিন্তু অকাল মানে অপ্রত্যাশিত বা আকস্মিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাদলা মানে বৃষ্টি। অকালে বৃষ্টি নামলে যেমন সব পরিকল্পনা ভেস্তে যায়, তেমনি যেকোনো কাজে হঠাৎ আসা বাধা মানেই অকালে বাদলা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রকৃতি বা ঋতুভিত্তিক বাগধারার প্রকৃত ভাবার্থ জানতে চাওয়া হয়। আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর রূপক বা ভাবগত অর্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আসন্ন বিপদ
b অসময়ে মাথাব্যথা
c হঠাৎ বিপদাপন্ন হওয়া
d হঠাৎ রোগাক্রান্ত হওয়া
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আসন্ন বিপদ ১. কেন সঠিক: - শিরে সংক্রান্তি একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক ও তাৎপর্যপূর্ণ অর্থ হলো মাথার ওপর এসে উপস্থিত বিপদ বা অবধারিত সংকট। - সংক্রান্তি বলতে সাধারণত মাসের শেষ দিন বা বিপদসংকুল সময়কে বোঝানো হয়, আর তা যখন ঠিক শিরে বা মাথায় এসে উপস্থিত হয় তখন তাকে আসন্ন বিপদ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট বাগধারা, যা বিশেষ কোনো শব্দগুচ্ছের সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও গভীর ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ ও বাগধারা অংশে এই ধরনের অভিব্যক্তি মানুষের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধিকে রূপক আকারে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষা ঘাড়ের ওপর চলে আসায় পড়াশোনা না করা শিক্ষার্থীদের জন্য এখন শিরে সংক্রান্তি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ব্যাখ্যা: সময় সংক্ষেপ এবং কাজ অনেক বেশি হওয়ায় এই অবস্থাকে আসন্ন বিপদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসায়ে চরম লোকসানের মুখে পড়ে মালিকের মাথায় এখন শিরে সংক্রান্তি অবস্থা বিরাজ করছে। ব্যাখ্যা: ব্যবসা ধ্বংসের মুখে থাকায় এটি একটি আসন্ন ও অবধারিত বড় বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসন্ন বিপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিরে সংক্রান্তি বাগধারাটির মূল অর্থই আসন্ন বা মাথার ওপর এসে পড়া বিপদ। B) অসময়ে মাথাব্যথা — এটি ভুল কারণ শব্দটির আক্ষরিক মিল খুঁজতে গিয়ে ভুল অর্থ দাঁড় করানো হয়েছে, যা বাগধারার ভাবের সঙ্গে মেলে না। C) হঠাৎ বিপদাপন্ন হওয়া — এটি ভুল কারণ শিরে সংক্রান্তি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটা কোনো দুর্ঘটনা বোঝায় না, বরং পূর্বনির্ধারিত বা অবধারিত আসন্ন সংকটকে বোঝায়। D) হঠাৎ রোগাক্রান্ত হওয়া — এটি ভুল কারণ এই বাগধারাটি কোনো শারীরিক রোগব্যাধি প্রকাশ করার জন্য ব্যবহার করা হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিরে শব্দের অর্থ মাথা এবং সংক্রান্তি অর্থ শেষ দিন বা কঠিন সময়, তাই মাথার ওপর সংক্রান্তি বা শেষ মুহূর্তের কঠিন বিপদ এভাবে মনে রাখতে পারো। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে, তাই মাথা ও বিপদ এই দুটি শব্দ মাথায় রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস ও অন্তর্নিহিত অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর প্রমিত ও রূপক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন
b সৈয়দ আলী আহসান
c সৈয়দ শামসুল হক
d শামসুর রাহমান
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ আলী আহসান ১. কেন সঠিক: - আমাদের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা কবিতার প্রথম দশ লাইন ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক সৈয়দ আলী আহসান। - জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এর ভাব ও মর্যাদা তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক প্রয়াস ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ আলী আহসান বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও অনুবাদক ছিলেন যিনি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আমার সোনার বাংলা গানটির প্রথম দশ লাইন ১৯৭০ এর দশকে বা মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ইংরেজি ভাষায় অনূদিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা জাতীয় সংগীত)। ব্যাখ্যা: এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় প্রেরণার সবচেয়ে বড় উৎস ছিল এবং পরবর্তীতে জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃতি পায়। উদাহরণ ২: বিদ্রোহী কবিতার ইংরেজি অনুবাদ (কাজী নজরুল ইসলামের লেখা)। ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাটি বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে যা বিশ্বসাহিত্যে তার পরিচিতি বাড়িয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন — তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হলেও জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক নন। B) সৈয়দ আলী আহসান — সঠিক উত্তর। C) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বাংলার প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই অনুবাদটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদ করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - জাতীয় সংগীতের সুর ও কথা রবীন্দ্রনাথের, আর এর ইংরেজি অনুবাদের কাজটি করেছেন নামের শুরুতে 'সৈয়দ'যুক্ত কবি সৈয়দ আলী আহসান। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে আলী আহসান সাহেব আমাদের জাতীয় সংগীতকে ইংরেজি ভাষায় রূপ দিয়ে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করার কাজ করেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় সংগীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এর ইংরেজি অনুবাদক সৈয়দ আলী আহসান, এই দুটি তথ্য বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - জাতীয় সংগীতের দৈর্ঘ্য কত লাইন বা এটি কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে, এই ধরনের তথ্যগুলোও ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
a মুমুক্ষু
b মৃমৃক্ষু
c মুমুক্ষু
d মুমুক্ষু
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুমুক্ষু ১. কেন সঠিক: - মুক্তি পেতে ইচ্ছুক বোঝাতে মুমুক্ষু শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই বানানটি প্রমিত ও নির্ভুল। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - উু প্রত্যয়ান্ত শব্দের ক্ষেত্রে বানানে সাধারণত হ্রস্ব উ কার ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা লাভ করা কঠিন ব্যাখ্যা: একে এককথায় দুর্লভ বলা হয়, যা প্রাপ্তির জটিলতা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: জয় করার ইচ্ছা ব্যাখ্যা: একে এককথায় জিগীষা বলা হয়, যা কোনো কিছু অর্জনের তীব্র বাসনা বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুক্ষু — এই অপশনটি সঠিক এবং বানান ও অর্থ উভয় ক্ষেত্রেই শতভাগ নির্ভুল। B) মৃমৃক্ষু — এই অপশনে ভুল বানান ও ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়। C) মুমুক্ষু — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হলেও বিন্যাসের কারণে পরীক্ষামূলক প্রশ্নে ক বা প্রথম অপশনটি প্রধান ধরা হয়। D) মুমুক্ষু — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হলেও বিন্যাসের কারণে পরীক্ষামূলক প্রশ্নে ক বা প্রথম অপশনটি প্রধান ধরা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুমুক্ষু বানানে প্রথম অক্ষর ম এ হ্রস্ব উ কার এবং দ্বিতীয় ম এ হ্রস্ব উ কার যুক্ত হয়। - শেষের ক্ষ এ হ্রস্ব উ কার ব্যবহার করে এই এককথায় প্রকাশটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের সূক্ষ্ম বানানযুক্ত এককথায় প্রকাশগুলো অপশনে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। - বানানের সঠিক রূপ মনে রাখার জন্য প্রমিত বাংলা বানানরীতি ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a বসন্ত
b শেষের কবিতা
c চণ্ডালিকায়
d গোরা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বসন্ত ১. কেন সঠিক: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার 'বসন্ত' নাটকটি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন। ১৯২৩ সালে রচিত এই নাটকের উৎসর্গপত্রে রবীন্দ্রনাথ নজরুলকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন ‘আহত বীরের গান সমাপ্ত হলো যার কণ্ঠে’। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা এবং গুরুদেব নামে পরিচিত। কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি যিনি তার ওজরহীন দ্রোহের জন্য বিখ্যাত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সঞ্চয়িতা' কাব্যগ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়নি, এটি তার নিজের কবিতা সংকলন। ব্যাখ্যা: উৎসর্গ ও সংকলনের পার্থক্য বোঝাতে এই উদাহরণটি গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়কে উৎসর্গ করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: সাহিত্যকর্মের উৎসর্গ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে এটি সহায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বসন্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার এই নাটকটিই নজরুলকে উৎসর্গ করেছিলেন। B) শেষের কবিতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস যার উৎসর্গ ভিন্ন প্রেক্ষাপটে রচিত। C) চণ্ডালিকায় — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত নৃত্যনাট্য যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) গোরা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক ও সমাজচেতনামূলক উপন্যাস যা অন্য উদ্দেশ্যে রচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: বসন্ত ঋতুতে প্রকৃতি বিদ্রোহী রূপ নেয়, আর বিদ্রোহী কবি নজরুলকে রবীন্দ্রনাথ 'বসন্ত' নাটক উৎসর্গ করেছিলেন। এই সংযোগটি মনে রাখলে পরীক্ষা হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যিকদের উৎসর্গ করা গ্রন্থ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের পারস্পরিক সাহিত্যিক সম্পর্কের এই ঐতিহাসিক দিকটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a নাটক
b উপন্যাস
c ঐতিহাসিক নাটক
d কবিতা গ্রন্থ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাটক ১. কেন সঠিক: রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ঘটনা এবং এর করুণ পরিণতি এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি ক্লাসিক মর্যাদা লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক। ব্যাখ্যা: এটি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত একাঙ্কিকা নাটক। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরীর রূপান্তরিত নাটক নষ্টনীড়। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের সফল নাট্যরূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — এটি সঠিক কারণ রক্তাক্ত প্রান্তর একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক। B) উপন্যাস — এটি উপন্যাস নয়, কারণ এতে দৃশ্য, সংলাপ ও অঙ্কের বিন্যাস রয়েছে। C) ঐতিহাসিক নাটক — নাটকটি ঐতিহাসিক হলেও মূল অপশনে কেবল নাটক থাকায় তা সবচেয়ে সরাসরি ও প্রাথমিক শ্রেণি নির্দেশ করে। D) কবিতা গ্রন্থ — এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: রক্তাক্ত প্রান্তর একটি যুদ্ধভিত্তিক নাটক এবং এর নাট্যকার মুনীর চৌধুরী। যুদ্ধ মানেই রক্তপাত আর মুনীর চৌধুরী আমাদের প্রখ্যাত নাট্যকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী এবং এর পটভূমি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নাটকের নাম ও লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়।
a দ্বিগু সমাস
b গদ্বন্দ্ব সমাস
c কর্মধারয় সমাস
d তৎপুরুষ সমাস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৎপুরুষ সমাস কেন সঠিক: - নরাধম শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো নরদের অধম। - এখানে সমাসবদ্ধ পদে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়েছে এবং পরপদ অধম এর অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - পদ দুটির মধ্যে ষষ্ঠী বিভক্তির সম্পর্ক থাকায় এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস। - অনুরূপ কিছু উদাহরণ হলো দেশের ভক্ত দেশভক্ত, রাজার পুত্র রাজপুত্র। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) দ্বিগু সমাস — এই সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের সমাস হয় এবং সমাহার বোঝায়, যা নরাধম শব্দে নেই। - B) দ্বন্দ্ব সমাস — এই সমাসে উভয় পদের অর্থ সমানভাবে প্রধান থাকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) কর্মধারয় সমাস — এই সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ বা অভেদ বোঝায়, কিন্তু নরাধম তুলনা বা অভেদ বোঝায় না। - D) তৎপুরুষ সমাস — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - কোনো পদের ব্যাসবাক্যের মাঝখানে এর, র বিভক্তি থাকলে চোখ বন্ধ করে তা ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস দাগাবে।
a ১৮০০ সালে
b ১৮০৫ সালে
c ১৮৩৩ সালে
d ১৭৯১ সালে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০০ সালে ১. কেন সঠিক: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ৪ঠা মে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে প্রতিষ্ঠিত হয়। বৃটিশ রাজকর্মচারীদের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোর উদ্দেশ্যে লর্ড ওয়েলেসলি এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রতিষ্ঠার পর এই কলেজে একটি অনুবাদ বিভাগ খোলা হয় এবং উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে পন্ডিতগণ বাংলা গদ্য চর্চা শুরু করেন। বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে এবং পাঠ্যপুস্তক রচনায় এই কলেজের ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী ভূমিকা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক বাংলা গ্রন্থগুলোর অন্যতম। উদাহরণ ২: মৃত্যুনঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত রাজাবলী ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের গদ্য রচনার একটি বিখ্যাত নিদর্শন এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮০০ সালে — এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল এবং এর ঐতিহাসিক ভিত্তি রয়েছে। B) ১৮০৫ সালে — এই সালে কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তবে এর কার্যক্রমের একটি সক্রিয় সময়কাল এটি। C) ১৮৩৩ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। D) ১৭৯১ সালে — এই সালে সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৮০০ সালে লর্ড ওয়েলেসলি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। মনে রাখার কৌশল হলো ফোর্ট উইলিয়াম প্রতিষ্ঠার সালটি ঠিক শতাব্দীর শুরুর বছর অর্থাৎ ১৮০০ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এবং এর প্রথম অধ্যক্ষ বা প্রধান কে ছিলেন, সে বিষয়ে প্রশ্ন আসে। এই কলেজের মাধ্যমেই বাংলা গদ্য সাহিত্য প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করতে শুরু করে।
a তসলিমা নাসরিন
b হুমায়ুন আজাদ
c বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
d বেগম সুফিয়া কামাল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন কেন সঠিক: ১. তিনি বিশ শতকের শুরুর দিকে মুসলিম নারীদের শিক্ষা ও অধিকার নিয়ে জোরালো লেখালেখি করেছিলেন। ২. তাঁর সুলতানার স্বপ্ন এবং পদ্মরাগ উপন্যাসে নারীবাদী চিন্তার স্পষ্ট প্রকাশ ঘটেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা সাহিত্যে নারীমুক্তির আন্দোলন ও চিন্তার ক্ষেত্রে তাঁকে পথিকৃৎ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. সমাজে নারীর সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে তিনি তাঁর প্রবন্ধ ও গল্পে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ৩. তাঁর মতিচূর প্রবন্ধগ্রন্থটি এর একটি উৎকৃষ্ট সাহিত্যিক উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তসলিমা নাসরিন — তিনি আধুনিক যুগের একজন লেখিকা, বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারীবাদী নন। B) হুমায়ুন আজাদ — তিনি একজন বিশিষ্ট পুরুষ লেখক ও অধ্যাপক ছিলেন, কোনো নারী লেখিকা নন। C) বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি বিশিষ্ট কবি ও সমাজকর্মী হলেও প্রথম নারীবাদী লেখিকা নন। মনে রাখার টিপস: বাংলার ঘরে ঘরে নারীশিক্ষার আলো জ্বেলে যিনি প্রথম নারীবাদী সাহিত্য রচনা শুরু করেন, তিনি হলেন বেগম রোকেয়া।
a কাজেম আল কোরায়েশী
b কাশেম আল কোরায়েশী
c কায়কোবাদ আল কোরায়েশী
d উপরের কোনোটিই নয়
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের কোনোটিই নয় ১. কেন সঠিক: - কবি কায়কোবাদের আসল নাম মহাকবি কায়কোবাদ নয়, বরং তাঁর প্রকৃত নাম হলো মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক নামটি না থাকায় ডি অপশনটি সঠিক হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কায়কোবাদ বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য রচয়িতাদের অন্যতম এবং তিনি মুসলিম কবিদের মধ্যে প্রথম মহাকাব্য রচনা করেন। - তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্যের নাম মহাশ্মশান, যা পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশ্মশান ব্যাখ্যা: এটি কবি কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ ও অমর মহাকাব্য যা প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে। উদাহরণ ২: অশ্রুমালা ব্যাখ্যা: এটি কবি কায়কোবাদের একটি বিখ্যাত গীতিকাব্য যা তাঁর কবিত্বশক্তির অন্যতম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজেম আল কোরায়েশী — বানান ভুল থাকার কারণে এটি সম্পূর্ণ সঠিক নাম হিসেবে গণ্য করা যায় না। B) কাশেম আল কোরায়েশী — আসল নামে মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী ছিল, এখানে প্রথম অংশ মোহাম্মদ অনুপস্থিত এবং বানানেও ভুল রয়েছে। C) কায়কোবাদ আল কোরায়েশী — কায়কোবাদ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম, আসল নাম নয়। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু আগের অপশনগুলোতে সঠিক নাম বা বানান সঠিক ছিল না, তাই এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - কায়কোবাদের আসল নাম মনে রাখতে মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী নামটি বারবার চর্চা করতে পারো। - ছদ্মনাম কায়কোবাদ আর আসল নাম কাজেম আল কোরেশী আলাদাভাবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কবি কায়কোবাদের জন্মস্থান ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে। - তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ বিরহলাপ ১৮৬৪ সালে প্রকাশিত হয় যখন তাঁর বয়স মাত্র চৌদ্দ বছর।
a সংশপ্তক
b সূর্য-দীঘল বাড়ি
c লালসালু
d আবদুল্লাহ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লালসালু ১. কেন সঠিক: - লালসালু হলো বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার এবং ক্ষমতার অপব্যবহার অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসে মনস্তাত্ত্বিক ধারা এবং অস্তিত্ববাদী চেতনার এক অনন্য প্রবক্তা। - লালসালু উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে এবং এটি গ্রামীণ সমাজের মনস্তত্ত্ব ও সমাজ বাস্তবতার এক নিখুঁত দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাঁদের অমাবস্যা ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত তৃতীয় ও শেষ উপন্যাস যা অস্তিত্ববাদী দর্শনের ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংশপ্তক — এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক শহীদুল্লাহ কায়সারের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নয়। B) সূর্য-দীঘল বাড়ি — এটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাকের রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস। D) আবদুল্লাহ — এটি কাজী ইমদাদুল হক রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম সামাজিক উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রধান তিনটি উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ওয়ালীউল্লাহর লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা ও কাঁদো নদী কাঁদো। - এভাবে লেখকের নামের সাথে তাঁর প্রধান উপন্যাসগুলো একসাথে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - লালসালু উপন্যাসটি ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করেন খোদ লেখক নিজেই যা Tree Without Roots নামে প্রকাশিত হয়। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঔপন্যাসিক ও তাঁদের বিখ্যাত গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a কুলা
b টেবিল
c চেয়ার
d বালতি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বালতি ১. কেন সঠিক: বালতি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আত্মীকৃত হয়েছে। পর্তুগিজরা বাংলাদেশে আসার পর তাদের ব্যবহৃত বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর নাম আমাদের ভাষায় প্রবেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস ও শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়। পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা শব্দগুলো সাধারণত সামুদ্রিক বাণিজ্য, ধর্ম এবং দৈনন্দিন গৃহস্থালির কাজের সঙ্গে যুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাবি ব্যাখ্যা: চাবি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত একটি গৃহস্থালি ও দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ। উদাহরণ ২: আনারস ব্যাখ্যা: আনারস শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আত্মীকৃত একটি সুস্বাদু ফলের নাম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুলা — কুলা একটি দেশি শব্দ যা বাংলা ভাষায় সরাসরি প্রচলিত হয়েছে। B) টেবিল — টেবিল শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। C) চেয়ার — চেয়ার শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। D) বালতি — বালতি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটি পর্তুগিজ শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো গৃহস্থালি সামগ্রী যেমন বালতি, চাবি, আলপিন, কামিজ এবং খাবার যেমন আনারস, পাউরুটি মনে রাখা। এগুলো পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পর্তুগিজ ভাষার শব্দগুলো প্রায়ই বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। বিদেশি শব্দের উৎস চেনার জন্য শব্দগুলোর অর্থ এবং ব্যবহার ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a সুধাংশু
b শশাঙ্ক
c বিধু
d ভানু
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভানু ১. কেন সঠিক: - ভানু শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ সূর্য। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দের সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে এবং ভানু একটি অত্যন্ত কমন শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন সব শব্দ যেগুলোর বানান ও রূপ আলাদা হলেও অর্থ একই বা প্রায় একই হয়। - বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ মূলত তদ্ভব ও তৎসম শব্দের ভাণ্ডার থেকে আসে, যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবি ব্যাখ্যা: এটি সূর্যের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ যা বিভিন্ন কাব্য ও গানে পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: তপন ব্যাখ্যা: তপন শব্দটিও সূর্যের আরেকটি অতি পরিচিত প্রতিশব্দ হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুধাংশু — এটি চাঁদের প্রতিশব্দ, যার অর্থ যিনি সুধা বা অমৃত বর্ষণ করেন। B) শশাঙ্ক — এটিও চাঁদের একটি প্রতিশব্দ, কারণ চাঁদের গায়ে শশক বা খরগোশের মতো দাগ থাকে। C) বিধু — এই শব্দটির অর্থ চাঁদ, যা মূলত কাব্যিক অর্থে চন্দ্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) ভানু — এটি সূর্যের প্রতিশব্দ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: - সূর্য মানে যার আলো চারদিকে ছড়ায় যেমন রবি, তপন, ভানু, দিবাকর। - চাঁদ হলো সুধাংশু, শশাঙ্ক, বিধু, চন্দ্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরীক্ষায় সূর্য ও চন্দ্রের প্রতিশব্দগুলো প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই এগুলো আলাদা করে ছক আকারে পড়তে হবে। - সমার্থক শব্দ মুখস্থ না করে শব্দগুলোর মূল অর্থ ও উৎস মনে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (8)

a Collective Noun
b Proper Noun
c Common Noun
d None of the above
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Collective Noun কেন সঠিক: Jury শব্দটি বিচারকদের একটি সমষ্টিকে বোঝায়। এটি যখন এককভাবে একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, তখন তা দলীয় বা সমষ্টিগত বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়। একাধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত এই গোষ্ঠীটি একটি একক সত্তা হিসেবে কাজ করে। তাই এটি Collective Noun এর সঠিক উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Collective Noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। B) Proper Noun — কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম না হওয়ায় এটি সঠিক নয়। C) Common Noun — একই জাতীয় সাধারণ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর নাম বোঝায় না। D) None of the above — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: যে নাউন কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে একত্রে বোঝায়, তাকে Collective Noun বলে।
a of
b with
c for
d to
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) of কেন সঠিক: Accused শব্দের পরে অপরাধ বোঝাতে সবসময় 'of' preposition ব্যবহৃত হয়। এখানেForgery অর্থ জালিয়াতি, যা একটি অপরাধ এবং এর সাথে 'of' বসে। নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী Accused এর সাথে 'with' বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী বসেছে। B) with — এটি সঠিক নয় কারণ accused এর সাথে with বসে না। C) for — এটি ভুল কারণ এখানে অপরাধের কারণ নয় বরং অপরাধের নাম বোঝানো হয়েছে। D) to — এটি সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম সমর্থন করে না। মনে রাখার টিপস: Accused শব্দের অর্থ অভিযুক্ত এবং এর পরে সবসময় of preposition বসে।
a resemblance
b follow
c go behind
d takethe sameway
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) resemblance কেন সঠিক: takes after একটি phrasal verb যার অর্থ হলো কারো সাথে চেহারায় বা আচরণে মিল থাকা। তাই এই বাক্যে মায়ের সাথে ছেলের মিল বোঝাতে resemblance শব্দটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) resemblance — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মিল থাকা বা সদৃশ হওয়া। B) follow — এর অর্থ অনুসরণ করা, যা চেহারায় মিল থাকা বোঝায় না। C) go behind — এর অর্থ পেছনে যাওয়া, যা এই বাক্যের সাথে পুরোপুরি মিলে না। D) takethe sameway — এর অর্থ একই পথে চলা, যা সঠিক অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: takes after দেখলে মনে রাখবে এর মানে হলো দেখতে বা আচরণে কারো মতো হওয়া অর্থাৎ সাদৃশ্য বোঝানো।
a to
b with
c among
d within
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: - Confine শব্দের অর্থ সীমাবদ্ধ রাখা বা আটকে রাখা। শয্যাশায়ী হওয়া বোঝাতে Confine শব্দের পর সাধারণত to preposition ব্যবহৃত হয়। - অসুস্থতার কারণে বিছানায় সীমাবদ্ধ থাকাকে ইংরেজিতে Confined to bed বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ Confined to bed একটি নির্দিষ্ট প্রিপোজিশনাল ফ্রেজ। B) with — এটি সাধারণত কোনো যন্ত্র বা সঙ্গ বোঝাতে বসে, তাই শয্যাশায়ী অর্থে এখানে ভুল। C) among — এটি অনেকের মধ্যে তুলনা বা অবস্থানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। D) within — এটি কোনো সীমার ভেতরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা শয্যাশায়ী অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বিছানায় সীমাবদ্ধ বা শয্যাশায়ী অর্থে সবসময় Confined to bed মনে রাখবে।
a non believer
b believer
c mystic
d worshiper
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) non believer কেন সঠিক: atheist শব্দের বাংলা অর্থ হলো নাস্তিক, অর্থাৎ যিনি ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন না। non believer অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোনো ধর্মে বা ঈশ্বরের শক্তিতে বিশ্বাস রাখেন না। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় একই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) non believer — এটি সঠিক উত্তর। B) believer — এর অর্থ বিশ্বাসী, যা নাস্তিক শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) mystic — এর অর্থ মরমিবাদী বা আধ্যাত্মিক সাধক, যা নাস্তিকের সমার্থক নয়। D) worshiper — এর অর্থ উপাসক বা পূਜারী, যা নাস্তিক শব্দের উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: a prefix টি অনেক সময় না বা বিপরীত অর্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যেমন theist অর্থ আস্তিক আর atheist অর্থ নাস্তিক।
a wild
b violent
c rude
d calm
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) rude কেন সঠিক: - 'Humble' শব্দের অর্থ বিনীত, নম্র বা ভদ্র, যার বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিভ হলো উদ্ধত বা অসভ্য। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'rude' শব্দটির অর্থ অভদ্র বা রূঢ়, যা humble শব্দের সবচেয়ে সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wild — এই শব্দের অর্থ বন্য বা হিংস্র, যা humble শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়। B) violent — এই শব্দের অর্থ সহিংস বা উগ্র, যা সাধারণত শান্ত বা মৃদু স্বভাবের বিপরীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) rude — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ অভদ্র বা রূঢ়, যা humble শব্দের বিপরীত। D) calm — এই শব্দের অর্থ শান্ত, যা humble শব্দের সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিপরীতার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Humility বা বিনয়ী স্বভাবের উল্টো আচরণ হলো অন্যের সাথে খারাপ বা Rude ব্যবহার করা।
a Dan Brown
b Jules Verne
c Sidney Sheldon
d None of the above
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Dan Brown কেন সঠিক: - 'দ্য ভিঞ্চি কোড' (The Da Vinci Code) উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশ্বখ্যাত আমেরিকান লেখক ড্যান ব্রাউন। - এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মিস্ট্রি থ্রিলার উপন্যাস, যা ২০০৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dan Brown — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই উপন্যাসের মূল লেখক। B) Jules Verne — তিনি ফরাসি সাহিত্যিক, যিনি বিজ্ঞান কল্পকাহিনির জন্য বিখ্যাত হলেও এই উপন্যাসের লেখক নন। C) Sidney Sheldon — তিনি জনপ্রিয় আমেরিকান লেখক ও নাট্যকার হলেও এই বিখ্যাত উপন্যাসটি তার লেখা নয়। D) None of the above — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ভিঞ্চি কোড মানেই ড্যান ব্রাউনের রহস্যময় থ্রিলার উপন্যাস।
a The Murder In the Cathedral
b Never Can Tell
c Doctor Faustus
d Macbeth
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Doctor Faustus কেন সঠিক: Doctor Faustus নাটকটির রচিয়তা হলেন বিখ্যাত এলিজাবেথান নাট্যকার ক্রিস্টোফার মারলো। রেনেসাঁ যুগের এই ট্র্যাজেডি নাটকটিতে মানবাত্মার জ্ঞান তৃষ্ণা ও পতনের চমৎকার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এটি তার সাহিত্যকর্মের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Murder In the Cathedral — এটি টি এস এলিয়ট রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য। B) Never Can Tell — এটি আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ রচিত একটি নাটক। C) Doctor Faustus — এটি তো নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে মারলোর নাটকের নাম বোঝানো হয়েছে। D) Macbeth — এটি ইংরেজি সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা ট্র্যাজেডি। মনে রাখার টিপস: ক্রিস্টোফার মারলো বললেই মাথায় আনতে হবে বিখ্যাত নাটক ডক্টর ফস্টাস এর নাম।

মোট প্রশ্ন (10)

a 37.3
b 33.3
c 34.3
d 32.3
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৪.৩ প্রদত্ত তথ্য: ৭টি সংখ্যার গড় = ৪০ যোগ হওয়া ৩টি সংখ্যার গড় = ২১ মোট সংখ্যা = ১০টি ধরি, ৭টি সংখ্যার সমষ্টি = ৭ × ৪০ ৩টি সংখ্যার সমষ্টি = ৩ × ২১ অতএব, ৭টি সংখ্যার মোট মান = ২৮০ ৩টি সংখ্যার মোট মান = ৬৩ সুতরাং, ১০টি সংখ্যার মোট সমষ্টি = ২৮০ + ৬৩ = ৩৪৩ ১০টি সংখ্যার নতুন গড় = ৩৪৩ ÷ ১০ = ৩৪.৩ উত্তর: ৩৪.৩
a ২০%
b ১৫%
c ২৫%
d ৩০%
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০% প্রদত্ত তথ্য: চিনির মূল্য বৃদ্ধি পেল ২৫% ব্যয় অপরিবর্তিত রাখতে হবে ধরি, পূর্বে ১০০ টাকার চিনি কেনা হতো ১০০ কেজি বর্তমানে ১২৫ টাকার চিনি কিনতে হয় ১০০ কেজি অতএব, ১০০ টাকার চিনি এখন কিনতে হয় (১০০ × ১০০) ÷ ১২৫ কেজি হিসাব করে পাওয়া যায় ৮০ কেজি সুতরাং, চিনি খাওয়া কমাতে হবে ১০০ কেজি − ৮০ কেজি = ২০ কেজি উত্তর: ২০%
a 33
b 30
c 32
d 48
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৩ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো দুই, তিন, পাঁচ, নয়, সতেরো ধরি, প্রথম পদের সাথে যোগ হবে এক দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ হবে দুই অতএব, তিন বিয়োগ দুই সমান এক পাঁচ বিয়োগ তিন সমান দুই সুতরাং, নয় বিয়োগ পাঁচ সমান চার এবং সতেরো বিয়োগ নয় সমান আট উত্তর: ৩৩
a -17
b 19
c 20
d উপরের কোনোটিই নয়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = ১০ − (−৭) দ্বিতীয় রাশি = −১০ + (−৭) ধরি, প্রথম সংখ্যাটি প্রথম রাশি থেকে পাই দ্বিতীয় সংখ্যাটি দ্বিতীয় রাশি থেকে পাই অতএব, প্রথম রাশি = ১০ + ৭ = ১৭ দ্বিতীয় রাশি = −(১০ − ৭) = −৩ সুতরাং, প্রথম রাশি অপেক্ষা দ্বিতীয় রাশি ছোট বা বড় তা বের করতে হবে ১৭ থেকে −৩ বিয়োগ করি = ১৭ − (−৩) = ১৭ + ৩ = ২০ উত্তর: ২০ বড়
a ৯ও২১
b ৭ও২৩
c ৮ও২২
d ২২ও১৮
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ ও ২১ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার গুণফল = ১৮৯ সংখ্যা দুটির যোগফল = ৩০ ধরি, একটি সংখ্যা = ক অন্য সংখ্যাটি = ৩০ − ক অতএব, ক × (৩০ − ক) = ১৮৯ ৩০ক − ক² = ১৮৯ ক² − ৩০ক + ১৮৯ = ০ সুতরাং, (ক − ২১) × (ক − ৯) = ০ ক = ২১ অথবা ক = ৯ উত্তর: সংখ্যা দুটি ৯ ও ২১
a ১২০০০০ টাকা
b ১২০০০ টাকা
c ১৩০০০০ টাকা
d উপরের কোনোটিই নয়
0 139 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২০০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বেতন বৃদ্ধির হার = ৫% বৃদ্ধিপ্রাপ্ত টাকার পরিমাণ = ৬০০০ টাকা ধরি, আহসানের আগের বেতন = ক টাকা অতএব, ক এর ৫% = ৬০০০ টাকা সুতরাং, ক × (৫ ÷ ১০০) = ৬০০০ উত্তর: ক = (৬০০০ × ১০০) ÷ ৫ = ১২০০০০ টাকা
a ২০ মি.
b ১৪ মি.
c ৩০ মি.
d ১৬ মি.
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০ মি. প্রদত্ত তথ্য: রশির মোট দৈর্ঘ্য = ৪০ মিটার রশির অনুপাত = ৩ : ৭ : ১০ ধরি, অনুপাতের প্রথম অংশ = ৩ক অনুপাতের দ্বিতীয় অংশ = ৭ক অনুপাতের তৃতীয় অংশ = ১০ক অতএব, অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = ৩ + ৭ + ১০ = ২০ দীর্ঘতম অংশটি হবে রশির ১০ অংশ সুতরাং, দীর্ঘতম অংশের দৈর্ঘ্য = (৪০ × ১০) ÷ ২০ মিটার উত্তর: ২০ মি.
a 48
b 54
c 60
d 45
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৪ প্রদত্ত তথ্য: ৫ বিয়োগ ৮ সমান ৫১৩ a বিয়োগ b সমান ৩ ধরি, প্রথম সংখ্যা সমান ৫ দ্বিতীয় সংখ্যা সমান ৮ অতএব, ৫ থেকে ৮ বিয়োগ করলে পাওয়া যায় বিয়োগ ৩ ৫ এবং ৮ যোগ করলে পাওয়া যায় ১৩ সুতরাং, দুটি ফলাফল পাশাপাশি বসিয়ে পাই ৫১৩ একইভাবে ৯ বিয়োগ ৮ এর জন্য প্রযোজ্য উত্তর: ৫৪
a ১০%
b ৫%
c ৮%
d ১২%
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫% প্রদত্ত তথ্য: মূলধন, P = ৪২৫ টাকা সময়, n = ৪ বছর মোট সুদ, I = ৮৫ টাকা ধরি, সুদের হার = r% আমরা জানি, সুদের সূত্র হলো I = (P × n × r) ÷ ১০০ অতএব, ৮৫ = (৪২৫ × ৪ × r) ÷ ১০০ ৮৫ = ১৭০০ × r ÷ ১০০ সুতরাং, ১৭০০ × r = ৮৫০০ r = ৮৫০০ ÷ ১৭০০ = ৫ উত্তর: ৫%
a 48
b 54
c 60
d 45
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৪ প্রদত্ত তথ্য: ঘনফল ও বিয়োগফলের মান দেওয়া আছে a ৩ − b ৩ = ৫১৩ এবং a − b = ৩ ধরি, a ও b হলো দুটি অজানা সংখ্যা অতএব, a ৩ − b ৩ এর অনুসিদ্ধান্ত হলো (a − b) ৩ + ৩ab(a − b) সুতরাং, ৫১৩ = (৩) ৩ + ৩ab × ৩ উত্তর: ab = ৫৪

মোট প্রশ্ন (28)

a ১২১৫ খ্রিস্টাব্দে
b ১২১০ খ্রিস্টাব্দে
c ১২২৫ খ্রিস্টাব্দে
d ১২১২ খ্রিস্টাব্দে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২১৫ খ্রিস্টাব্দে কেন সঠিক: - ইংল্যান্ডের রাজা জন ১২১৫ সালের ১৫ জুন এই ঐতিহাসিক সনদ স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন। - এটি বিশ্বে নাগরিক অধিকার ও আইনের শাসনের ইতিহাসে প্রথম লিখিত দলিল হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২১৫ খ্রিস্টাব্দে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ম্যাগনাকার্টা প্রণীত ও স্বাক্ষরিত হয়েছিল। B) ১২১০ খ্রিস্টাব্দে — এই সালে ম্যাগনাকার্টা প্রণীত হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১২২৫ খ্রিস্টাব্দে — এটি ম্যাগনাকার্টা প্রণয়নের সাল নয়, পরবর্তীতে এর কিছু সংশোধিত রূপ প্রকাশ করা হয়েছিল। D) ১২১২ খ্রিস্টাব্দে — এই সালের সঙ্গে ম্যাগনাকার্টা প্রণয়নের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ম্যাগনাকার্টা ১২১৫ সালে প্রণীত হয়—এটি মনে রাখতে "ম্যাগনা-১৫" এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a চিনিজাতীয় খাবার খেলে এ রোগ বেশি হয়
b এ রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।
c এ রোগ মানবদেহের কিডনি বিনষ্ট করে
d ইনসুলিনের ক্ষরণ কম হলে এ রোগ হয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চিনিজাতীয় খাবার খেলে এ রোগ বেশি হয় কেন সঠিক: - ডায়াবেটিস মূলত হরমোনজনিত এবং বিপাকীয় ত্রুটিজনিত রোগ, যা অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার কারণে সরাসরি হয় না। - এটি সাধারণত অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরি না হওয়া অথবা শরীর ইনসুলিন ব্যবহারে ব্যর্থ হওয়ার কারণে ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চিনিজাতীয় খাবার খেলে এ রোগ বেশি হয় — এটি ভুল কারণ অতিরিক্ত চিনি খাওয়া সরাসরি ডায়াবেটিসের কারণ নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত। B) এ রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায় — এটি সঠিক তথ্য কারণ ইনসুলিনের অভাবে কোষ গ্লুকোজ গ্রহণ করতে না পারায় রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। C) এ রোগ মানবদেহের কিডনি বিনষ্ট করে — এটি সঠিক তথ্য কারণ দীর্ঘস্থায়ী ডায়াবেটিস রক্তনালির ক্ষতি করে কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট করতে পারে। D) ইনসুলিনের ক্ষরণ কম হলে এ রোগ হয় — এটি সঠিক তথ্য কারণ অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে এই রোগ দেখা দেয়। মনে রাখার টিপস: ডায়াবেটিস মানে চিনি খাওয়া বেশি নয়, বরং শরীরে ইনসুলিনের ঘাটতি বা কার্যকারিতার অভাব।
a পুকুরে
b সাগরে
c বিলে
d নদীতে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাগরে কেন সঠিক: - সাগরের পানিতে প্রচুর লবণ দ্রবীভূত থাকে, যার ফলে এর ঘনত্ব পুকুর বা নদীর পানির চেয়ে বেশি হয়। - পানির ঘনত্ব বেশি হওয়ার কারণে প্লবতা বা উর্ধ্বমুখী বল বৃদ্ধি পায়, যা মানুষের শরীরকে সহজে ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুকুরে — পুকুরের পানি মিষ্টি এবং এতে লবণের পরিমাণ কম থাকায় ঘনত্ব কম হয়, তাই সহজে ভাসা যায় না। B) সাগরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাগরের লবণাক্ত পানির ঘনত্ব ও প্লবতা বেশি। C) বিলে — বিলের পানি সাধারণত মিষ্টি এবং কম ঘন হওয়ায় সাঁতার কাটা অপেক্ষাকৃত কঠিন। D) নদীতে — নদীর পানি মিষ্টি এবং এর স্রোত ও কম ঘনত্বের কারণে সাগরের তুলনায় সাঁতার কাটা কঠিন। মনে রাখার টিপস: পানির লবণাক্ততা যত বেশি, তার ঘনত্ব ও প্লবতা তত বেশি, আর সাঁতার কাটা তত সহজ।
a একটি পুতুলের নাম
b একটি কম্পিউটারের নাম
c শিশুতোষ বইয়ের সিরিজ
d এক ধরনের মোবাইল সেট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিশুতোষ বইয়ের সিরিজ কেন সঠিক: - হ্যারি পটার ব্রিটিশ লেখক জে কে রোলিং রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ফ্যান্টাসি উপন্যাস সিরিজ। - এই শিশুতোষ উপন্যাসগুলো জাদুকর বালক হ্যারি পটার ও তার বন্ধুদের হগওয়ার্টস স্কুল অব উইচক্রাফট অ্যান্ড উইজার্ডরির বিভিন্ন রোমাঞ্চকর অ্যাডভেন্ডার নিয়ে রচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি পুতুলের নাম — হ্যারি পটার কোনো পুতুল নয়, এটি বিশ্বখ্যাত একটি সাহিত্যকর্ম। B) একটি কম্পিউটারের নাম — হ্যারি পটার কোনো প্রযুক্তিগত যন্ত্র বা কম্পিউটার নয়। C) শিশুতোষ বইয়ের সিরিজ — এটি সঠিক কারণ হ্যারি পটার মূলত সাতটি উপন্যাসের একটি বিশ্ববিখ্যাত শিশুতোষ বইয়ের সিরিজ। D) এক ধরনের মোবাইল সেট — হ্যারি পটার কোনো ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস বা মোবাইল ফোন নয়। মনে রাখার টিপস: হ্যারি পটার নামটি দেখলেই মনে রাখবে এটি জে কে রোলিং রচিত জাদুকরী কাহিনীর একটি বিখ্যাত বইয়ের সিরিজ।
a জাপান
b সুইজারল্যান্ড
c জার্মানি
d মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জার্মানি কেন সঠিক: - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা যার বর্তমান সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিন শহরে অবস্থিত। - ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই সংস্থাটি জার্মানি থেকেই তাদের বৈশ্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ হলেও এই আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। B) সুইজারল্যান্ড — আন্তর্জাতিক অনেক সংস্থার সদর দপ্তর এখানে থাকলেও এটি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর নয়। C) জার্মানি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় এখানেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। D) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী রাষ্ট্র হলেও এই নির্দিষ্ট সংস্থার সদর দপ্তর এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: টিআই (Transparency International) এর সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিনে, এভাবে মনে রাখুন যে ট্রান্সপারেন্সি বা স্বচ্ছতার জন্য বার্লিন বিখ্যাত।
a আফগান-পাকিস্তান সীমান্ত রেখা
b ভারত ও তিব্বতের সীমান্ত রেখা
c ইরাক-ইরানের সীমান্ত রেখা
d জার্মান-ফ্রান্সের সীমান্ত রেখা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আফগান-পাকিস্তান সীমান্ত রেখা কেন সঠিক: - ১৮৯৩ সালে ব্রিটিশ কূটনীতিবিদ স্যার মর্টিমার ডুরান্ডের নামে আফগানিস্তান ও ব্রিটিশ ভারতের মধ্যকার এই সীমান্ত রেখা নির্ধারিত হয়। - বর্তমানে এটি স্বাধীন আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিসেবেrecognized। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফগান-পাকিস্তান সীমান্ত রেখা — এটি ডুরান্ড লাইনের সঠিক সংজ্ঞা এবং বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা। B) ভারত ও তিব্বতের সীমান্ত রেখ — ভারত ও তিব্বতের মধ্যকার সীমান্ত রেখাকে ম্যাকমোহন লাইন বলা হয়, ডুরান্ড লাইন নয়। C) ইরাক-ইরানের সীমান্ত রেখ — ইরাক ও ইরানের সীমান্ত কোনো নির্দিষ্ট নামে পরিচিত নয়, এটি সাধারণত শাত আল আরব বা সাধারণ সীমানা হিসেবে পরিচিত। D) জার্মান-ফ্রান্সের সীমান্ত রেখ — জার্মানি ও ফ্রান্সের সীমান্ত রেখা ম্যাজিনো লাইন বা ঐতিহাসিক অন্যান্য নামে পরিচিত, এটি ডুরান্ড লাইন নয়। মনে রাখার টিপস: ডুরান্ড লাইনের 'ড' অক্ষরটি দিয়ে মনে রাখতে পারেন এটি আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত রেখা।
a কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন
b রেডক্মিসেন্ট সোসাইটি
c সন্ধানী
d ঢাকা মেডিকেল কলেজ
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সন্ধানী কেন সঠিক: - সন্ধানী বাংলাদেশের প্রথম এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রম পরিচালনাকারী অন্যতম প্রাচীন ও শীর্ষস্থানীয় সংগঠন। - ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ১৯৭৭ সালে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি দেশের রক্তদান আন্দোলনে পথিকৃৎ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন — এটি একটি স্বেচ্ছাসেবী রক্তদান কেন্দ্র হলেও প্রাচীনত্ব ও ঐতিহাসিক অবদানের দিক থেকে সন্ধানী শীর্ষস্থানে স্বীকৃত। B) রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি — এটি মূলত একটি আন্তর্জাতিক ও জাতীয় ত্রাণ এবং মানবিক সাহায্যকারী সংস্থা, যা বহুবিধ কাজের সাথে যুক্ত। D) ঢাকা মেডিকেল কলেজ — এটি একটি চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল, রক্তদান পরিচালনাকারী সরাসরি কোনো স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান আন্দোলনের প্রাচীন ও শীর্ষ প্রতীক হলো সন্ধানী, যা মেডিকেল শিক্ষার্থীদের হাত ধরে শুরু হয়েছিল।
a মোনাকো
b ভ্যাটিক্যান সিটি
c মালদ্বীপ
d পূর্ব তিমুর
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মোনাকো প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি কেন সঠিক: - জাতিসংঘে সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে মোনাকো হলো আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে ক্ষুদ্র দেশ। - মোনাকোর মোট আয়তন মাত্র দুই দশমিক শূন্য দুই বর্গকিলোমিটার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোনাকো — এটি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম। B) ভ্যাটিক্যান সিটি — এটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র হলেও জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয়, বরং স্থায়ী পর্যবেক্ষক দেশ। C) মালদ্বীপ — এটি আয়তনের দিক থেকে ছোট হলেও মোনাকোর চেয়ে বড় এবং এটি জাতিসংঘের সদস্য। D) পূর্ব তিমুর — এটি একটি ছোট রাষ্ট্র কিন্তু মোনাকোর তুলনায় এর আয়তন ও জনসংখ্যা অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘে পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে মোনাকো হলো সবচেয়ে ছোট এবং ভ্যাটিক্যান সিটি শুধু পর্যবেক্ষক।
a অস্ট্রেলিয়া
b কানাডা
c নিউজিল্যান্ড
d দক্ষিণ আফ্রিকা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউজিল্যান্ড কেন সঠিক: - মাউরী হলো নিউজিল্যান্ডের আদিম বা ভূখণ্ডটির প্রথম অধিবাসী জনগোষ্ঠী। - তারা পলিনেশীয় বংশোদ্ভূত এবং নিউজিল্যান্ডের সংস্কৃতিতে তাদের ভাষা ও ঐতিহ্যের গভীর প্রভাব রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের অ্যাবোরিজিনাল বলা হয়, মাউরী নয়। B) কানাডা — কানাডার আদিবাসীদের ইনুইট বা ফার্স্ট নেশনস বলা হয়, মাউরী এখানে বাস করে না। C) নিউজিল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মাউরী আদিবাসীদের মূল বাসস্থান। D) দক্ষিণ আফ্রিকা — দক্ষিণ আফ্রিকার আদিবাসীদের জুলু বা খোইসান বলা হয়, মাউরী নয়। মনে রাখার টিপস: নিউজিল্যান্ডের সাথে মাউরী আদিবাসীদের নাম মনে রাখতে নিউজিল্যান্ডের রাগবি দল অল ব্ল্যাকস এর বিখ্যাত হাকা নৃত্যটি স্মরণ করতে পারো, যা মাউরী সংস্কৃতির অংশ।
a সিলেট
b ময়মনসিংহ
c পটুয়াখালী
d বান্দরবান
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিলেট কেন সঠিক: - খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের একটি প্রধান পাহাড়ি নৃ-গোষ্ঠী, যাদের মূল বসবাস সিলেট বিভাগের বিভিন্ন পাহাড়ি অঞ্চলে। - বিশেষ করে সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলার চা বাগান ও পাহাড়ি এলাকায় খাসিয়া পুঞ্জিগুলোতে এদের প্রধান বসতি রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অঞ্চলেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর মূল বসবাস। B) ময়মনসিংহ — এটি ভুল কারণ ময়মনসিংহে মূলত গারো, হাজং ও কোচ নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ বাস করে। C) পটুয়াখালী — এটি ভুল কারণ পটুয়াখালী অঞ্চলে রাখাইন নৃ-গোষ্ঠীর লোক বসবাস করে। D) বান্দরবান — এটি ভুল কারণ বান্দরবানে চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা ও বমসহ অন্যান্য পাহাড়ি জনগোষ্ঠী বাস করে। মনে রাখার টিপস: সিলেট অঞ্চলের চা বাগান ও পাহুড়ে এলাকায় খাসিয়া পুঞ্জি দেখা যায়, তাই খাসিয়া মানেই সিলেট।
a ওয়াশিংটন
b নিউইয়র্কণ
c ব্রাসেলস
d জুরিখ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওয়াশিংটন কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ উভয় সংস্থাই যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। - ১৯৪৪ সালের ব্রটন উডস সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্বব্যাংক তার কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়, বিশ্বব্যাংকের নয়। C) ব্রাসেলস — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটোর প্রধান কার্যালয়। D) জুরিখ — এটি সুইজারল্যান্ডের একটি বড় শহর, তবে কোনো বৈশ্বিক আর্থিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের আর্থিক রাজধানী যুক্তরাষ্ট্র হওয়ায় বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর প্রধান কার্যালয় ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
a ১২০তম
b ১২৫তম
c ১৪০তম
d ১৩৬তম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৬তম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে ১৩৬তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ভাষণ দিয়ে বাংলাদেশের সদস্যপদকে ঐতিহাসিক রূপ দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০তম — এই ক্রমিকে অন্য কোনো দেশ জাতিসংঘে যোগদান করেছিল, যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ১২৫তম — এটি বাংলাদেশ সম্পর্কিত জাতিসংঘের সদস্যপদের সঠিক ক্রমসংখ্যা নয়। C) ১৪০তম — এটি ভুল তথ্য এবং বাংলাদেশ এই ক্রমিকে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি। D) ১৩৬তম — এটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ এই ক্রমিক নম্বরেই জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ৭৪ সালে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি হিসেবে ১৩৬ নম্বর ঘরে জাতিসংঘের সদস্য আসন গ্রহণ করেছিল।
a জুরিখ
b রোম
c ব্রাসেলস
d মাদ্রিদ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রোম কেন সঠিক: - ইতালির রাজধানী রোম সারা বছর নাতিশীতোষ্ণ ও মনোরম আবহাওয়ার জন্য পরিচিত। - এখানকার আবহাওয়া খুব বেশি ঠান্ডা বা গরম হয় না, যা চির বসন্তের আবহাওয়াকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুরিখ — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এটি ব্যাংকিং ও জীবনযাত্রার মানের জন্য পরিচিত, চির বসন্তের শহর নয়। B) রোম — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয় হিসেবে পরিচিত। D) মাদ্রিদ — এটি স্পেনের রাজধানী এবং এর আবহাওয়া চরম ভাবাপন্ন, অর্থাৎ তীব্র গরম ও ঠান্ডা থাকে। মনে রাখার টিপস: রোমান সভ্যতার মতো রোমের আবহাওয়াও চিরকাল মনোরম ও বসন্তের মতো সুন্দর থাকে।
a সুইডেন
b বাহামা
c বুলগেরিয়া
d উজবেকিস্তান
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুলগেরিয়া কেন সঠিক: - বুলগেরিয়া দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান উপদ্বীপে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র। - বলকান অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক অবস্থানের কারণে বুলগেরিয়াকে বলকান রাষ্ট্র বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইডেন — এটি উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের একটি দেশ, বলকান অঞ্চলে অবস্থিত নয়। B) বাহামা — এটি ক্যারিবিয়ান সাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র, যা ইউরোপীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়। C) বুলগেরিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর অবস্থান আলোচনা করা হয়েছে। D) উজবেকিস্তান — এটি মধ্য এশিয়ার একটি ভূবেষ্টিত রাষ্ট্র, যার সঙ্গে বলকান অঞ্চলের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বলকান রাষ্ট্রগুলো ইউরোপের দক্ষিণ-পূর্বে থাকে, যার মধ্যে বুলগেরিয়া অন্যতম প্রধান একটি দেশ।
a বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ নেন
b বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়
c তাজউদ্দীন আহমদ অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন
d উপরের সবগুলোই
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ নেন কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা বর্তমান মুজিবনগর আমবাগানে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে। - এই সরকারের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক রূপ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ নেন — এটি সঠিক কারণ ১৭ এপ্রিল এই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেছিল। B) বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় — সরকার গঠিত হয়েছিল ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে, ১৭ এপ্রিল নয়। C) তাজউদ্দীন আহমদ অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন — তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেও ১৭ এপ্রিলের মূল ঐতিহাসিক ঘটনা ছিল পুরো সরকারের শপথ গ্রহণ। D) উপরের সবগুলোই — যেহেতু বি এবং সি অপশন ১৭ এপ্রিলের সঠিক ঘটনা নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: দশ এপ্রিল সরকার গঠন আর ঠিক এক সপ্তাহ পর অর্থাৎ সতের এপ্রিল শপথ গ্রহণ।
a ১টি
b ২টি
c ৩টি
d ৪টি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ২টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের নদী বিশেষজ্ঞদের মতে নারীবাচক ও পুরুষবাচক নামের দিক বিবেচনা করে প্রধান নদী দুটিকে নদ বলা হয়। - বাংলা ভাষায় পুংলিঙ্গবাচক নদ এবং স্ত্রীলিঙ্গবাচক নদী আলাদা করার ঐতিহ্য রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশে নদ বা নদীর সংখ্যা একটি নয় বরং দুটি পুংলিঙ্গবাচক নদ রয়েছে। B) ২টি — এটি সঠিক কারণ ব্রহ্মপুত্র ও নদ এবং কপোতাক্ষ নদ পুরুষবাচক হওয়ায় এদের নদ বলা হয়। C) ৩টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশে ঐতিহ্যগতভাবে পুরুষবাচক নামের নদ নির্দিষ্টভাবে দুটি হিসেবে গণ্য করা হয়। D) ৪টি — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ বাংলাদেশে নদ হিসেবে স্বীকৃত প্রধান নদীর সংখ্যা চারটি নয় বরং দুটি। মনে রাখার টিপস: ব্রহ্মপুত্র এবং কপোতাক্ষ এই দুটি নাম পুরুষবাচক হওয়ায় এদের নদ বলা হয় আর বাকি সব নদী।
a পদ্মা
b সুরমা
c বরাক
d কর্ণফুলী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বরাক কেন সঠিক: - টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের মণিপুর রাজ্যে বরাক নদীর ওপর নির্মিত একটি বিতর্কিত বাঁধ প্রকল্প। - এই নদীর পানি বাংলাদেশের সুরমা ও কুশিয়ারা নদী হয়ে প্রবাহিত হয়, যা বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জলাভূমির প্রধান উৎস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি গঙ্গার প্রধান শাখা নদী, যার সঙ্গে টিপাইমুখ বাঁধের সরাসরি ভৌগোলিক সংযোগ নেই। B) সুরমা — বরাক নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়, তাই এটি সুরমার উজান নয়, বরং বরাকের উজান। D) কর্ণফুলী — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী, যা ভারতের মিজোরাম থেকে উৎপন্ন হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। মনে রাখার টিপস: বরাক নদী টিপ করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে সুরমা ও কুশিয়ারা হয়, তাই টিপাইমুখ বাঁধ বরাক নদীর ওপর অবস্থিত।
a লুই আই কান
b ফ্রাঙ্ক লয়েড রাইট
c ফ্রাঙ্ক গ্যারী
d ফজলুর রহমান খান
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লুই আই কান কেন সঠিক: - লুই আই কান আমেরিকান বিখ্যাত স্থপতি যিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা তৈরি করেন। - ১৯৬১ সালে শুরু হওয়া এই ঐতিহাসিক স্থাপনার নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুই আই কান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি। B) ফ্রাঙ্ক লয়েড রাইট — তিনি আমেরিকার একজন বিখ্যাত স্থপতি হলেও জাতীয় সংসদ ভবন ডিজাইন করেননি। C) ফ্রাঙ্ক গ্যারী — তিনি একজন প্রখ্যাত আধুনিক স্থপতি, যাঁর কাজের সাথে এই সংসদ ভবনের কোনো সম্পর্ক নেই। D) ফজলুর রহমান খান — তিনি বিশ্বখ্যাত স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হলেও জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি নন। মনে রাখার টিপস: সংসদ ভবনের স্থপতি মনে রাখতে মাথায় রাখুন, কান দিয়ে ভবন শোনার মতো লুই আই কান এই ভবন এঁকেছেন।
a পাবলো পিকাসো
b জয়নুল আবেদিন
c কামরুল হাসান
d ধ্রুব এষ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জয়নুল আবেদিন কেন সঠিক: - এটি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের অত্যন্ত বিখ্যাত একটি চিত্রকর্ম, যা ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপটে অঙ্কিত। - দুর্ভিক্ষের মর্মান্তিক চিত্র ও মানুষের অবয়ব ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এই শিল্পকর্মটি ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাবলো পিকাসো — তিনি স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী এবং কিউবিজম আন্দোলনের প্রবক্তা, কিন্তু তিনি ম্যাডোনা-৪৩ ছবির শিল্পী নন। B) জয়নুল আবেদিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় প্রযোজ্য নয়। C) কামরুল হাসান — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও পটুয়া নামে পরিচিত হলেও এই ছবির স্রষ্টা নন। D) ধ্রুব এষ — তিনি সমসাময়িক বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী ও প্রচ্ছদশিল্পী, কিন্তু ঐতিহাসিক ম্যাডোনা-৪৩ ছবির সঙ্গে তিনি সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: ম্যাডোনা নামের সাথে ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের করুণ ইতিহাস যুক্ত থাকায় এর শিল্পী হিসেবে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনকে মনে রাখতে হবে।
a পঞ্চগড়
b কুড়িগ্রাম
c ঠাকুরগাঁও
d নীলফামারী
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পঞ্চগড় কেন সঠিক: - পঞ্চগড় বাংলাদেশের সর্বউত্তরে অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী জেলা এবং এর তেঁতুলিয়া উপজেলা দেশের সর্বউত্তরের ভূখণ্ড। - ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এই জেলাটি হিমালয়ের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থিত এবং এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত স্পষ্টভাবে দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চগড় — এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা এবং সঠিক উত্তর। B) কুড়িগ্রাম — এটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি জেলা এবং এর রৌমারী বা চিলমারী সীমান্ত অঞ্চল ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় অবস্থিত। C) ঠাকুরগাঁও — এটি পঞ্চগড়ের ঠিক দক্ষিণে অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী জেলা হলেও এটি সর্বউত্তরের জেলা নয়। D) নীলফামারী — এটি রংপুর বিভাগের একটি জেলা যা তিস্তা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত কিন্তু এটি দেশের সর্বউত্তরের জেলা নয়। মনে রাখার টিপস: উত্তরে পঞ্চগড় আর দক্ষিণে টেকনাফ মনে রাখলে বাংলাদেশের সর্বউত্তর এবং সর্বদক্ষিণ জেলার অবস্থান সহজেই মনে থাকে।
a সুন্দরবন
b ভোলা
c মনপুরা
d সেন্টমার্টিন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি এবং ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) সুন্দরবন কেন সঠিক: - বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হওয়ায় পলি জমে গঠিত বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ বা ডেল্টা হলো এই অঞ্চলটি। - গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর অববাহিকায় পলি জমা হয়ে এই বিশাল ব-দ্বীপ গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুন্দরবন — এটি গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর অববাহিকায় গঠিত বিশ্বের বৃহত্তম সক্রিয় ব-দ্বীপ। B) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা, ব-দ্বীপ বা ডেল্টা নয়। C) মনপুরা — এটি ভোলার একটি উপজেলা ও ছোট দ্বীপ, সমগ্র ব-দ্বীপ অঞ্চল নয়। D) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, নদীগঠিত ব-দ্বীপ নয়। মনে রাখার টিপস: নদীমাতৃক বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ হলো সুন্দরবন, যা গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় অবস্থিত।
a ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
b মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
c মদনমোহন তর্কালঙ্কার
d কামিনী রায়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর কেন সঠিক: - এটি মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্যের বিদ্যাসুন্দর উপাখ্যানের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত পঙক্তি। - ঈশ্বর কাছে অন্নপূর্ণার কাছে প্রার্থনা করার সময় ঈশ্বরী পাটুনী এই বিখ্যাত বরটি চেয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর — তিনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারা শেষ করে আধুনিক যুগের সূচনা পর্বে অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি হিসেবে এই লাইনটি রচনা করেছেন। B) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি ষোড়শ শতাব্দীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত কবি হলেও এই পঙক্তিটি তার রচিত নয়। C) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — তিনি উনিশ শতকের শিশুশিক্ষার লেখক হলেও এই পঙক্তিটি তার কোনো কাব্যের অংশ নয়। D) কামিনী রায় — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত নারী কবি হলেও এই প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ধারার পঙক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরী পাটুনীর অন্নপূর্ণার কাছে চাওয়া বর মনে রাখতে ভারতচন্দ্রের নাম মনে রাখুন।
a অধ্যাপক আবুল কাশেম
b কামরুদ্দিন আহমদ
c আবদুল মতিন
d আবদুস সালাম
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অধ্যাপক আবুল কাশেম কেন সঠিক: - ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে সাংস্কৃতিক সংগঠন তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়। - এই প্রতিষ্ঠানটিই সর্বপ্রথম বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধ্যাপক আবুল কাশেম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতা ছিলেন। B) কামরুদ্দিন আহমদ — তিনি ভাষা আন্দোলনের সাথে যুক্ত একজন রাজনীতিবিদ ও প্রাবন্ধিক হলেও তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন না। C) আবদুল মতিন — তিনি ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা ও সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। D) আবদুস সালাম — তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের একজন শহীদ, যিনি তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা নন। মনে রাখার টিপস: তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠার সাথে আবুল কাশেমের নাম মনে রাখতে মনে রাখুন, তমদ্দুনের কাসেম বা কাশেমের মজলিশ।
a শহীদ আলতাফ মাহমুদ
b শহীদুল্লাহ কায়সার
c আবদুল গাফফার চৌধুরী
d আপেল মাহমুদ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবদুল গাফফার চৌধুরী কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রচিত অমর গানটির গীতিকার বা রচয়িতা সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী। - এই গানটিতে সুর করেছিলেন শহীদ আলতাফ মাহমুদ এবং এটি প্রথম প্রকাশিত হয় হাসান হাফিজুর রহমান সংকলিত একুশে সংকলন গ্রন্থে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শহীদ আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির প্রথম সফল সুরকার ছিলেন, এর রচয়িতা নন। B) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও কথাশিল্পী ছিলেন, এই গানের রচয়িতা নন। D) আপেল মাহমুদ — তিনি এই গানটির অন্যতম জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও সুরকার, এর রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: গাফফার চৌধুরীর চৌধুরী শব্দের সাথে গানের অমর সৃষ্টির কথা মনে রাখতে পারেন।
a ৭ মার্চ ১৯৭১
b ২৬ মার্চ ১৯৭১
c ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
d ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬ মার্চ ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আক্রমণ চালালে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। - ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করা হয় এবং এই দিনটিকেই আমাদের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ মার্চ ১৯৭১ — এই দিনে রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন, যা অসহযোগ আন্দোলনের দিকনির্দেশনা ছিল কিন্তু স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নয়। B) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। C) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি বিজয়ের দিন, যেদিন পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে শত্রুমুক্ত হয়। D) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) শপথ গ্রহণ করেছিল। মনে রাখার টিপস: ২৫ মার্চ রাতে আক্রমণের পরপরই ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়, তাই ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস।
a কম হয়
b বেশি হয়
c একই হয়
d খুবই কম হয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একই হয় কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘোরানোর জন্য রেগুলেটর ব্যবহার করা হয়, যা রোধ বাড়িয়ে সার্কিটে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমিয়ে দেয়। - রোধ বাড়ার কারণে বৈদ্যুতিক শক্তির অপচয় হয় না, ফলে স্বাভাবিক বা ধীরে ঘোরার সময় বিদ্যুৎ খরচ মূলত একই থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম হয় — রেগুলেটর ব্যবহার করে পাখা ধীরে চালালে বিদ্যুৎ খরচ কমে না, কারণ অতিরিক্ত রোধ বিদ্যুৎ প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে মাত্র। B) বেশি হয় — পাখা ধীরে ঘুরলে কম কাজ সম্পন্ন হয় বলে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে না, বরং শক্তির অপচয় রোধ হয়। C) একই হয় — রেগুলেটর কেবল কারেন্ট কমিয়ে পাখার গতি কমায়, তাই মোট বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। D) খুবই কম হয় — পাখা ধীরে চললে বিদ্যুৎ খরচ সামান্য কমে যাওয়ার ধারণা ভুল, বৈজ্ঞানিকভাবে এর খরচ একই থাকে। মনে রাখার টিপস: রেগুলেটর দিয়ে পাখা কমালে গতি কমে কিন্তু বিদ্যুৎ বিল একই থাকে।
a ২৩ ডিসেম্বর
b ১৬ মার্চ
c ২১ অক্টোবর
d ২১ জুন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) ২১ জুন কেন সঠিক: - ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে সূর্যরশ্মি সবচেয়ে লম্বভাবে পতিত হয়, ফলে এটি বছরের দীর্ঘতম দিন এবং ক্ষুদ্রতম রাত। - এই দিনটিকে উত্তর গোলার্ধের সংক্রান্তি বা কর্কটক্রান্তি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ ডিসেম্বর — এই দিনটি দক্ষিণ গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন এবং উত্তর গোলার্ধের ক্ষুদ্রতম দিন। B) ১৬ মার্চ — এটি সাধারণ একটি দিন, এই সময়ে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান থাকে। C) ২১ অক্টোবর — এটিও স্বাভাবিক দিন, যেখানে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যে বিশেষ কোনো তারতম্য ঘটে না। D) ২১ জুন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং উত্তর গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন হিসেবে পরীক্ষিত। মনে রাখার টিপস: জুন মাসের ২১ তারিখ হলো গ্রীষ্মকালীন সংক্রান্তি, যখন উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় হয়।
a ৪ নভেম্বর ১৯৭২
b ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
c ২৬ মার্চ ১৯৭২
d ১৭ এপ্রিল ১৯৭২
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হলেও এটি কার্যকর বা প্রবর্তিত হয় একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে। - বিজয়ের প্রথম বার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ নভেম্বর ১৯৭২ — এই তারিখে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহিত বা অনুমোদিত হয়েছিল। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এই তারিখ থেকেই বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর বা প্রবর্তিত হয়। C) ২৬ মার্চ ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রথম বার্ষিকী উদযাপিত হয়, সংবিধানের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) ১৭ এপ্রিল ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সংবিধান গৃহিত হয় ৪ নভেম্বর আর প্রবর্তিত বা কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে।