কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল

মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪

পদের নাম: অডিটর (১১তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (69)

a ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ
b ২৫ বৈশাখ ১২৮০ বঙ্গাব্দ
c ২৫ বৈশাখ ১২৬০ বঙ্গাব্দ
d উপরের কোনোটিই নয়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ ১. কেন সঠিক: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম বাংলা ১২৬৮ সনের ২৫ বৈশাখ কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ইংরেজি সাল অনুযায়ী তাঁর জন্মতারিখ ১৮৬১ সালের ৭ মে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা যিনি কবিতা, গান, ছোটগল্প ও উপন্যাসে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং এশিয়ার প্রথম নোবেলজয়ী সাহিত্যিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ। ব্যাখ্যা: এটি অন্যান্য বিখ্যাত কবির জন্মতারিখ সংক্রান্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। উদাহরণ ২: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যু ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ। ব্যাখ্যা: কবিদের জন্ম ও মৃত্যুর সাল বা তারিখ বাংলা সাহিত্য অংশে প্রায়ই বহু নির্বাচনী প্রশ্নে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঠিক জন্মতারিখ এবং বঙ্গাব্দ। B) ২৫ বৈশাখ ১২৮০ বঙ্গাব্দ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম হয়নি বরং এটি একটি ভুল ও বিভ্রান্তিকর অপশন। C) ২৫ বৈশাখ ১২৬০ বঙ্গাব্দ — এই সালটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মের সঠিক বঙ্গাব্দের সঙ্গে মিলছে না। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ এবং মৃত্যু ১৩৪১ বঙ্গাব্দের ২২ শ্রাবণ। ইংরেজি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সাতের সাত অর্থাৎ ৭ মে ১৮৬১ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের জন্ম ও মৃত্যু তারিখ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা ও ইংরেজি উভয় সন মনে রাখলে যেকোনো ধরনের কনফিউশন এড়ানো সম্ভব।
a মৃত্যুক্ষুধা
b চোখের বালি
c পথের দাবী
d পথের পাচালী
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৃত্যুক্ষুধা কেন সঠিক: - মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - এই উপন্যাসে বাঙালি মুসলিম সমাজের দরিদ্র মানুষের জীবনচিত্র বাস্তবসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি বেশ কিছু সফল উপন্যাসও রচনা করেছেন। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো বাঁধনহারা এবং কুহেলিকা। - বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্বতন্ত্র। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। - B) চোখের বালি — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। - C) পথের দাবী — এটি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। - D) পথের পাচালী — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি চিরন্তন গ্রামীণ উপন্যাস। মনে রাখার টিপস: - নজরুলের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা।
a মুমূর্ষ
b মূমূর্ষ
c মুমুর্ষ
d মূমূর্ষ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুমূর্ষ কেন সঠিক: - এই বানানটিতে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব উ-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহৃত হয়েছে। - শব্দটির শেষ বর্ণে রেফ ও মূর্ধন্য ষ সঠিক নিয়মে যুক্ত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বানানের নিয়ম অনুযায়ী ম এর সাথে হ্রস্ব উ-কার এবং ম এর সাথে দীর্ঘ ঊ-কার যুক্ত হয়। - এই বিশেষ শব্দটিতে প্রথমে হ্রস্ব উ এবং পরে দীর্ঘ ঊ লেখার ব্যাকরণগত বিধান রয়েছে। - যেমন মুমূর্ষু শব্দের শুরুর অংশটি এই নিয়মে গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মুমূর্ষ — এটি আসলে সঠিক অপশন এবং প্রশ্নে এটিকেই সঠিক বলা হয়েছে। - B) মূমূর্ষ — প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহারের কারণে এটি ভুল। - C) মুমুর্ষ — সব কটি বর্ণে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের কারণে এটি ভুল। - D) মূমূর্ষ — উভয় বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহারের কারণে এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - ছোট হাতের উ দিয়ে শুরু আর বড় হাতের ঊ দিয়ে মাঝের অংশ মনে রাখতে হবে।
a ১৮০০ সালে
b ১৭৯৯ সালে
c ১৮৩৬ সালে
d ১৮০৪ সালে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০০ সালে ১. কেন সঠিক: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ১০ জুলাই কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি সিভিল সার্ভিসের তরুণ ইংরেজ কর্মকর্তাদের ভারতীয় ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোর জন্য এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই কলেজ বাংলা গদ্যের বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং এর মাধ্যমেই মূলত আধুনিক বাংলা গদ্যের সূচনা হয়। কেরানি তৈরির এই প্রতিষ্ঠানে উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে একটি অনুবাদ বিভাগ ও পন্ডিতবর্গ বাংলা গদ্য চর্চা শুরু করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক বাংলা গদ্য গ্রন্থগুলোর অন্যতম। উদাহরণ ২: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের বাতত্রিশ সিংহাসন ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের দ্বারা রচিত এবং বাংলা গদ্যের আদি রূপের নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮০০ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। B) ১৭৯৯ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১৮৩৬ সালে — এই সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং এর অনেক পরে এর কার্যক্রম পরিবর্তিত হয়। D) ১৮০৪ সালে — এই সালটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে ১৮০০ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা শতকের শুরু বা শূন্যের দশক নির্দেশ করে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠাকাল এবং এর সাথে জড়িত পন্ডিতদের নাম যেমন উইলিয়াম কেরি বা মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের নাম জানতে চাওয়া হয়।
a মনঃক্ষুন্ন
b মনোক্ষুণ্ণ
c মনক্ষুণ্ণ
d মনোক্ষুণ্ণ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মনঃক্ষুন্ন কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গের পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে। এই নিয়মে মনঃ শব্দের সাথে ক্ষুণ্ণ যুক্ত হয়ে মনঃক্ষুন্ন শব্দটি গঠিত হয় এবং এটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুযায়ী অ-কার কিংবা আ-কারের পরে বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে ক বা খ থাকলে বিসর্গ বিসর্গই থেকে যায়। বাংলা ভাষার বানানরীতি ও প্রমিত বানান নিয়মে এই জাতীয় শব্দের ক্ষেত্রে বিসর্গ বর্জন করার কোনো বিধান নেই। যেমন স্বতঃস্ফূর্ত, অহর্নিশ এবং মনঃকষ্ট শব্দগুলোতেও এই বিশেষ ব্যাকরণগত নিয়মটি নিখুঁতভাবে অনুসরণ করা হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) মনোক্ষুণ্ণ — এই বানানে বিসর্গের পরিবর্তে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক সন্ধির নিয়মের পরিপন্থী ও অপ্রমিত। C) মনক্ষুণ্ণ — এই শব্দটিতে প্রয়োজনীয় বিসর্গ চিহ্নটি বর্জন করা হয়েছে যা বানানটিকে সম্পূর্ণভাবে অশুদ্ধ করে তুলেছে। D) মনোক্ষুণ্ণ — এই অপশনটিতেও একই ভুল বারবার চলে এসেছে এবং বিসর্গের বদলে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মনঃ শব্দের সাথে কোনো শব্দ যুক্ত করার সময় বিসর্গ তুলে দিয়ে ও-কার দেওয়া যাবে না। সব সময় মনে রাখতে হবে যে মনঃ এর পর ক্ষুণ্ণ বসলে বিসর্গ ঠিক অবস্থাতেই বজায় থাকে।
a অসমীচীন
b অসমীচিন
c অসমিচিন
d অসমিচীন
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অসমীচীন ১. কেন সঠিক: অসমীচীন শব্দটির বানান প্রমিত বাংলা বানরীতি অনুযায়ী সঠিক কারণ এর গঠনে দীর্ঘ ঈ-কার ও দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী সমাস বা প্রত্যয়যুক্ত বহু শব্দে ই-কার ও উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দ গঠনে উপসর্গ ও প্রত্যয়ের সঠিক প্রয়োগ না জানলে বানরীতিতে ভুল হয়। অসমীচীন শব্দের ক্ষেত্রে আতিশয্য বা অসমীচিনতা বোঝাতে এই দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুষমা ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত ও শুদ্ধ বানানযুক্ত শব্দ যেখানে সঠিক নিয়মে উ-কার ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রতিযোগিতামূলক ব্যাখ্যা: প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য প্রমিত বানান জানা বাধ্যতামূলক যা পরীক্ষার নম্বর বাড়াতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসমীচীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে বাংলা একাডেমি নির্ধারিত প্রমিত বানানরীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। B) অসমীচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এর শেষাংশে দীর্ঘ ঈ-কারের বদলে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) অসমিচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এর প্রথমাংশে দন্ত্য স-এর বদলে তালব্য শ ব্যবহারের নিয়ম না থাকলেও এখানে বানান গঠন ভুল হয়েছে। D) অসমিচীন — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দের শুরুতে বা মাঝের অংশে ভুল বর্ণের ব্যবহার হয়েছে যা প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী। ৫. মনে রাখার টিপস: বানান মনে রাখার জন্য মনে রাখবে যে চীন শব্দের বানানে দীর্ঘ ঈ-কার থাকে এবং অসমীচীন শব্দটির শেষেও দীর্ঘ ঈ-কার বসে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের বানান সহজেই আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বহুবার এসেছে এবং এটি বারবার আসার মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বানান। এই নিয়মের অন্যান্য শব্দ যেমন প্রবীণ ও সমীচীন বানানগুলো ভালোভাবে চর্চা করা উচিত।
a বীভিষিকা
b বিভিষীকা
c বিভীষিকা
d বিভিষিকা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিভীষিকা কেন সঠিক: - এই বানানটিতে প্রথম বর্ণে ই-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘী-কার ব্যবহৃত হয়। - বাংলা বানান নিয়ম অনুযায়ী এর সঠিক রূপটি সি অপশনে রয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বানানের নিয়মে ই-কার এবং দীর্ঘী-কারের সঠিক প্রয়োগ এখানে দেখানো হয়েছে। - সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই শব্দের মূল রূপটি বাংলায় অনুসৃত হয়। - সঠিক রূপ গঠনের জন্য যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার আবশ্যক। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বীভিষিকা — এখানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘী-কার ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। - B) বিভিষীকা — এখানে মূর্ধন্য স এবং দীর্ঘী-কারের অবস্থান ভুল। - D) বিভিষিকা — এখানে দীর্ঘী-কার এবং সঠিক স্বরবর্ণের অভাব রয়েছে। মনে রাখার টিপস: - প্রথমে ছোট ই, পরে বড় ঈ এবং শেষে ক লেখো।
a নিশীথ
b অমানিশা
c আঁধার
d ক ও খ উভয়টি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক ও খ উভয়টি ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে A অপশন চিহ্নিত থাকলেও বাংলা ভাষার আভিধানিক অর্থে 'রাত্রি' শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে 'নিশীথ' এবং 'অমানিশা' উভয়ই সমানভাবে গ্রহণযোগ্য। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে অনেক সময় একাধিক সঠিক অপশন থাকতে পারে, যা এখানে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক বা প্রতিশব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়ে থাকে। রাত্রি বা রাত বোঝাতে প্রমিত বাংলা ভাষায় নিশা, রজনী, যামিনী, নিশীথ এবং অমানিশা শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রজনী ব্যাখ্যা: রজনী শব্দটির অর্থ রাত্রি বা রাত, যা বাংলা কাব্যে ও সাধু ভাষায় বহুল ব্যবহৃত একটি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: যামিনী ব্যাখ্যা: যামিনী হলো রাত্রির আরেকটি চমৎকার সমার্থক শব্দ, যা প্রমিত বাংলায় রাতের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশীথ — এটি রাত্রির একটি সঠিক সমার্থক শব্দ, যা রাতের গভীর সময় বা মধ্যরাতকে নির্দেশ করে। B) অমানিশা — এটিও রাত্রির সঠিক সমার্থক শব্দ, যার অর্থ অমাবস্যার অন্ধকার রাত্রি। C) আঁধার — এটি রাতের বৈশিষ্ট্য হলেও সরাসরি রাত্রির সমার্থক শব্দ নয়, বরং এটি অন্ধকার বা তিমিরের সমার্থক। D) ক ও খ উভয়টি — যেহেতু নিশীথ এবং অমানিশা দুটি শব্দই রাত্রির সমার্থক, তাই এই অপশনটিই সবচেয়ে সঠিক এবং সম্পূর্ণ উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: রাত্রি শব্দটির সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য নিশা, রজনী, যামিনী ও নিশীথ এই চারটি শব্দ একসঙ্গে চর্চা করবে। রাতের গভীর রূপ বোঝাতে নিশীথ এবং অন্ধকার রূপ বোঝাতে অমানিশা ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় সব অপশন ভালোভাবে পড়ে দেখতে হবে। অনেক সময় একাধিক সঠিক অপশন থাকলে পরিপূরক অপশনটি নির্বাচন করতে হয়।
a বারি
b বারিধী
c নীর
d পাণি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বারিধী ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হবে B) বারিধী, কারণ 'বারিধী' বা 'বারিধি' শব্দের অর্থ সমুদ্র, জল নয়। - 'জল' শব্দের সমার্থক শব্দ হলো যা পানি বা জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য, কিন্তু বারিধি মানে জলের আধার বা সমুদ্র। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক শব্দ বা শব্দার্থ প্রকরণ অংশের একটি প্রশ্ন। - বাংলা ভাষায় একই অর্থের অনেক শব্দ থাকে, যেগুলোকে সমার্থক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদধি ব্যাখ্যা: উদধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, যা জল শব্দের সমার্থক নয়। উদাহরণ ২: অর্ণব ব্যাখ্যা: অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারি — বারি শব্দের অর্থ জল, তাই এটি সঠিক উত্তরের শর্ত পূরণ করে না। B) বারিধী — বারিধী শব্দের অর্থ সমুদ্র, যা জল শব্দের সমার্থক নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) নীর — নীর শব্দের অর্থ জল, তাই এটিও জল শব্দের সমার্থক। D) পাণি — পাণি শব্দের অর্থ জল বা হাত, তাই এটি জল শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে শব্দের শেষে 'ধি' বা 'নিধি' থাকে সাধারণত তার অর্থ সমুদ্র বা ভাণ্ডার বোঝায়, যেমন বারিধি। - সমার্থক শব্দ পড়ার সময় জল এবং সমুদ্রবাচক শব্দের পার্থক্য সবসময় আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জল এবং সমুদ্রবাচক শব্দের পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বারি, নীর, পানি শব্দের অর্থ জল হলেও বারিধি বা উদধি মানে সমুদ্র।
a ভাগ্যবান
b নির্বোধ
c হতভাগ্য
d সুদর্শন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হতভাগ্য ১. কেন সঠিক: - 'আটকপালে' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ হলো পোড়া কপাল বা যার ভাগ্য মন্দ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসা এই বাগধারাটি মূলত দুর্ভাগ্য বা মন্দভাগ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে সংক্ষেপে ও আকর্ষণীয়ভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ নির্বুদ্ধিতার শাস্তি, যা কোনো বোকামি করার পর প্রাপ্ত ফল বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ইঁদুর কপালে ব্যাখ্যা: এর অর্থ মন্দভাগ্য বা যার ভাগ্য খুব খারাপ, যা 'আটকপালে' বাগধারার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাগ্যবান — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'সুদিনের পাখি' বা 'ভাগ্যবান' বোঝাতে অন্য বাগধারা ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল। B) নির্বোধ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'গোবর গণেশ' বা 'আকাশ কুসুম' জাতীয় বাগধারা রয়েছে, তাই এটি ভুল। C) হতভাগ্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সুদর্শন — এই শব্দটির অর্থ সুন্দর চেহারা, যা ভাগ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি কোনো বাগধারার অর্থও নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কপাল পোড়া বা মন্দ ভাগ্য বোঝাতে 'আট কপাল', 'অগাধ জলে পড়া' বা 'ইঁদুর কপালে' শব্দগুলো একসঙ্গে মনে রাখতে পারেন। - কপাল শব্দটি দিয়ে দুর্ভাগ্য বোঝানোই এসব বাগধারার মূল বৈশিষ্ট্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ বা ভাগ্য সংক্রান্ত বাগধারাগুলো বারবার আসে। - কপাল, মাথা বা হাত দিয়ে গঠিত বাগধারাগুলোর অর্থ আলাদাভাবে তালিকা করে চর্চা করা উচিত।
a অর্থ কী?
b অনুশীলন
c গুরুচণ্ডালি
d ভূমিকা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূমিকা ১. কেন সঠিক: - 'গৌরচন্দ্রিকা' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা, যার শাব্দিক অর্থ গৌর বা চৈতন্যদেবের বন্দনা এবং প্রবহমান অর্থে মূল কথার অবতারণার আগে অপ্রয়োজনীয় বা দীর্ঘ ভূমিকা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত এই বাগধারাটির প্রচ্ছন্ন বা রূপক অর্থ অর্থাৎ মূল আলোচনার সূচনা বা ভূমিকা বোঝাতেই বেশি ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে এবং ভাষাটিকে সমৃদ্ধ করে তোলে। - বাংলা ব্যাকরণে শব্দার্থের রূপান্তর ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাগধারার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ভাষার প্রকাশভঙ্গিকে আকর্ষণীয় ও সাবলীল করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসল কথা বাদ দিয়ে এত গৌরচন্দ্রিকা না গেয়ে সরাসরি মূল বিষয়ে আসো। ব্যাখ্যা: এখানে মূল কথার আগে অতিরিক্ত ভূমিকা বা লম্বা প্রস্তাবনা করা অর্থে গৌরচন্দ্রিকা ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: কোনো রাখঢাক বা গৌরচন্দ্রিকা না করে তিনি সোজা নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে অপ্রয়োজনীয় সূচনা বা ভূমিকা এড়িয়ে চলার ক্ষেত্রে গৌরচন্দ্রিকা বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ কী? — এটি সরাসরি কোনো বাগধারার অর্থ নয় বরং একটি প্রশ্নবোধক বাক্য যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) অনুশীলন — এর অর্থ চর্চা বা চর্চা করা, যা গৌরচন্দ্রিকা বাগধারার প্রস্তাবনা বা ভূমিকার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) গুরুচণ্ডালি — এটি একটি ব্যাকরণগত দোষ যেখানে তৎসম ও তদ্ভব শব্দের অবৈজ্ঞানিক মিশ্রণ ঘটে, বাগধারার অর্থের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) ভূমিকা — এটি সঠিক কারণ গৌরচন্দ্রিকা বাগধারাটি মূল আলোচনার পূর্বপ্রস্তুতি বা সূচনা অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো অনুষ্ঠানে মূল গায়ক আসার আগে যেমন বন্দনা বা ভূমিকা গাওয়া হয়, তেমনি বক্তব্যের শুরুতে অপ্রয়োজনীয় ভূমিকা বোঝাতে গৌরচন্দ্রিকা মনে রাখবে। - গৌরাঙ্গ বা চৈতন্যদেবের বন্দনা থেকে এই কথার সূত্রপাত হয়েছে বলে একে সূচনার সমার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস বা রূপক অর্থ প্রায়ই আসে, তাই আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে ভাবার্থ মনে রাখতে হবে। - একই ধরনের অন্যান্য বাগধারা যেমন বিড়াল তপস্বী বা কুম্ভীরাশ্রু ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a কাব্যগ্রন্থ
b নাটক
c উপন্যাস
d যবনিকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: 'শেষের কবিতা' একটি বিখ্যাত উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এটি ১৯২৯ সালে রচনা করেন যা বাংলা সাহিত্যে একটি আধুনিক রোমান্টিক উপন্যাস হিসেবে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও দার্শনিক। 'শেষের কবিতা' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত রায় ও লাবণ্য সেন যারা প্রেম ও বুদ্ধিবৃত্তিক তর্কের মধ্য দিয়ে আধুনিক সম্পর্কের এক নতুন রূপ তুলে ধরেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'চোখের বালি' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: 'গোরা' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রেষ্ঠ সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যগ্রন্থ — শেষের কবিতা নামের মাঝে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং একটি গদ্য উপন্যাস। B) নাটক — এটি কোনো নাটক বা মঞ্চস্থ করার উপযোগী দৃশ্যকাব্য নয়, এটি পঠিত ও মূল্যায়িত হয় উপন্যাস হিসেবে। C) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অনন্য উপন্যাস। D) যবনিকা — যবনিকা কোনো ধরনের গ্রন্থ বা সাহিত্যকর্মের নাম নয়, এটি নাটক বা মঞ্চের পর্দা অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নামে কবিতা থাকলেও শেষের কবিতা আসলে উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতা উপন্যাসের নায়ক অমিত রায় একজন ব্যারিস্টার। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে শেষের কবিতা কোন ধরণের রচনা। এটি মনে রাখতে হবে যে নামের বিভ্রান্তিতে না পড়ে একে উপন্যাস হিসেবে দাগাতে হবে।
a regularly
b walk to and fro
c irregularly
d within
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) irregularly কেন সঠিক: 'By fits and starts' একটি প্রবাদ যার অর্থ হলো অনিয়মিতভাবে বা থেমে থেমে কোনো কাজ করা। এটি এমন একটি অবস্থাকে বোঝায় যা নিয়মিতভাবে ঘটে না। অনিয়মিত কাজের ক্ষেত্রে এই ইডিয়ম ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) regularly — এর অর্থ নিয়মিতভাবে, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। B) walk to and fro — এর অর্থ এদিক-সেদিক হাঁটা, যা ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না। C) irregularly — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। D) within — এর অর্থ ভেতরে, যার সাথে প্রশ্নগত অর্থের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: ফিট মানে হঠাৎ জ্বলে ওঠা এবং স্টার্ট মানে শুরু, তাই হুটহাট বা থেমে থেমে কাজ করা বোঝালে এই ফ্রেজটি মনে রাখবে।
a with
b against
c for
d মহাকাব্য
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) with কেন সঠিক: ১. ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী অপরাধ বোঝাতে charge শব্দের পরে সর্বদা with প্রিপজিশন বসে। ২. এখানে খুন বা হত্যার অভিযোগ আনার ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয় না। ৩. নির্দিষ্ট শব্দগুচ্ছ বা Fixed Preposition-এর নিয়ম মেনে এখানে সঠিক উত্তরটি with নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) against — অভিযোগের ক্ষেত্রে against ব্যবহার করা হলেও charge শব্দের সাথে এটি বসে না। C) for — অপরাধের কারণ বোঝাতে for ব্যবহার করা যায়, কিন্তু এটি charge-এর সাথে বসে সঠিক অর্থ দেয় না। D) মহাকাব্য — এটি কোনো প্রিপজিশন নয় এবং এই বাক্যের সাথে এর কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: কারونর বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগ আনা হলে always Charged with বলতে হয়।
a to
b after
c with
d into
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: Adjacent শব্দের অর্থ সংলগ্ন বা কাছাকাছি। এর পরে সাধারণত নির্দিষ্ট preposition হিসেবে to বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর। B) after — এটি পরে অর্থে বসে যা adjacent শব্দের সাথে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। C) with — এটি সাথে অর্থে বসে কিন্তু adjacent এর পরে এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) into — এটি ভেতরে প্রবেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: Adjacent শব্দটি পেলেই চোখ বন্ধ করে to বসিয়ে দেবে কারণ এদের একটি স্থায়ী জুটি আছে।
a Philanthropist
b Misanthropist
c Humanitarian
d recklessly
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Misanthropist কেন সঠিক: Misanthropist শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ 'mises' (ঘৃণা করা) এবং 'anthropos' (মানুষ) থেকে। এর অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি যিনি মানবজাতিকে ঘৃণা করেন বা মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলেন। প্রশ্নটিতে 'A hater of mankind' এর এককথায় প্রকাশ চাওয়া হয়েছে। তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Philanthropist — এর অর্থ মানবহিতৈষী বা যিনি মানবজাতির কল্যাণ করেন। এটি সঠিক উত্তরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Misanthropist — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) Humanitarian — এর অর্থ মানবতাবাদী যিনি মানুষের অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করেন। এটিও হ্রণা করার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) recklessly — এটি একটি adverb যার অর্থ বেপরোয়াভাবে। এটি কোনো মানুষ বা বিশেষ শব্দগুচ্ছের এককথায় প্রকাশ নয়। মনে রাখার টিপস: 'Phil' মানে ভালোবাসা এবং 'Mis' মানে ঘৃণা করা। আর 'anthrop' হলো মানুষ সংক্রান্ত, তাই Misanthropist মানে মানবদ্বেষী।
a George Bernard Shaw
b William Shakespeare
c T.S. Eliot
d Hatred
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Shakespeare কেন সঠিক: - 'The Merchant of Venice' বিশ্ববিখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা একটি জনপ্রিয় নাটক। - এটি তাঁর অন্যতম সেরা রোমান্টিক কমেডি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। - তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকাভুক্ত একটি নাটক এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) George Bernard Shaw — তিনি আধুনিক যুগের একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ছিলেন যিনি শেক্সপিয়ারের যুগে জন্ম নেননি। B) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) T.S. Eliot — তিনি মূলত বিশ শতকের একজন বিখ্যাত আধুনিক কবি ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন। D) Hatred — এটি কোনো ব্যক্তির নাম বা নাট্যকার নয়, এটি একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ ঘৃণা। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটকগুলো মনে রাখতে তাঁর প্রেমের ও প্রতিশোধের নাটকগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে পারো।
a Foxen
b Vixen
c Female Fox
d Christopher Marlowe
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Vixen কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরুষবাচক শব্দ ফক্স এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো ভিক্সেন। এটি একটি নির্দিষ্ট এবং প্রমিত শব্দ যা শেয়াল বা খেঁকশিয়ালের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Foxen — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে এটি সম্পূর্ণ ভুল। B) Vixen — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Female Fox — এটি ব্যবহার করা গেলেও ব্যাকরণের দিক থেকে এটি সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ নয়। D) Christopher Marlowe — এটি একজন বিখ্যাত ইংরেজি নাট্যকারের নাম এবং এর সাথে লিঙ্গ পরিবর্তনের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: শেয়ালের ক্ষেত্রে ফক্স এবং ভিক্সেন জোড়াটি মনে রাখা খুব সহজ।
a to
b for
c with
d None of the above
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: - Sentence শব্দের অর্থ সাজা প্রদান করা এবং এর সাথে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে to বসে। - Sentence to death অর্থ মৃত্যুদণ্ড দেওয়া, যা অপরাধের শাস্তির ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক কারণ Sentence শব্দের পর মৃত্যু দণ্ডের ক্ষেত্রে প্রিপজিশন হিসেবে to বসে। B) for — এটি ভুল কারণ Sentence শব্দের পর উদ্দেশ্য বোঝাতে for বসে না, এখানে শাস্তির প্রাপক বা ধরন বোঝাতে to বসে। C) with — এটি ভুল কারণ Sentence-এর সাথে with প্রিপজিশন ব্যবহার করলে অর্থ সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে যায় যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) None of the above — এটি ভুল কারণ অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর A তে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: মৃত্যুদণ্ড বা শাস্তির আদেশ বোঝাতে Sentence শব্দের সাথে সর্বদা to প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a Impatient
b Dispatient
c Inpatient
d after
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Impatient কেন সঠিক: Patient শব্দের অর্থ ধৈর্যশীল এবং এর বিপরীতার্থক শব্দ গঠনের জন্য সাধারণত Im উপসর্গ যুক্ত করা হয়। তাই Patient এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো Impatient যার অর্থ অধৈর্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Impatient — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) Dispatient — ইংরেজী ভাষায় এমন কোনো শব্দ সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। C) Inpatient — এর অর্থ হাসপাতালের অন্তর্বিভাগীয় রোগী, যা বিপরীত শব্দ নয়। D) after — এটি একটি প্রিপজিশন বা অব্যয়, যার অর্থ পরে এবং এটি কোনো বিপরীত শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ Patient এর বিপরীত শব্দ তৈরির সময় সাধারণ নিয়মে Im প্রিফিক্স যুক্ত করে Impatient বানাতে হয়।
a ৫০% লাভ
b ৩৫% লাভ
c ২৫% লাভ
d কোনোটিই নয়
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০% লাভ প্রদত্ত তথ্য: ১০ টাকায় কেনে ১২টি জিনিস ১০ টাকায় বিক্রি করে ৮টি জিনিস ধরি, মোট ক্রয় করা ও বিক্রয়ের পরিমাণ = ২৪টি জিনিস (১২ ও ৮ এর লসাগু) অতএব, ১২টির দাম ১০ টাকা হলে, ২৪টির ক্রয়মূল্য = ১০ × (২৪ ÷ ১২) = ২০ টাকা ৮টির দাম ১০ টাকা হলে, ২৪টির বিক্রয়মূল্য = ১০ × (২৪ ÷ ৮) = ৩০ টাকা সুতরাং, লাভ হলো = ৩০ − ২০ = ১০ টাকা উত্তর: শতকরা লাভ = (১০ ÷ ২০) × ১০০% = ৫০% লাভ
a ১০% বৃদ্ধি
b ৮% বৃদ্ধি
c ১২% বৃদ্ধি
d ৮% হ্রাস
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮% বৃদ্ধি প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য কুড়ি শতাংশ বৃদ্ধি পায় প্রস্থ দশ শতাংশ হ্রাস পায় ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রাথমিক দৈর্ঘ্য = ১০০ একক প্রাথমিক প্রস্থ = ১০০ একক অতএব, প্রাথমিক ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক পরিবর্তন পরবর্তী দৈর্ঘ্য = ১২০ একক পরিবর্তন পরবর্তী প্রস্থ = ৯০ একক সুতরাং, পরিবর্তিত ক্ষেত্রফল = ১২০ × ৯০ = ১০৮০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফলের পরিবর্তন = ১০৮০০ − ১০০০০ = ৮০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় আট শতাংশ
a 12
b 8
c 10
d 15
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৪x² − px + ৯ তুলনা করে পাই: প্রথম পদটি একটি পূর্ণবর্গ এবং শেষ পদটি একটি পূর্ণবর্গ প্রথম পদটিকে লেখা যায় (২x)² এবং শেষ পদটিকে লেখা যায় (৩)² ধরি, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী পূর্ণবর্গের নিয়মটি প্রয়োগ করতে হবে এখানে মধ্যপদটি হবে দুই গুণ প্রথম পদের বর্গমূল গুণ শেষ পদের বর্গমূল অতএব, মধ্যপদ px সমান হবে দুই গুণ (২x) গুণ (৩) হিসাব করলে পাই px সমান ১২x সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে x বাদ দিলে p এর মান পাওয়া যায় বারো উত্তর: ১২
a 3abc
b 3a²b²c²
c 12abc
d উপরের কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 3abc প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a + b + c = ০ ধরি, a + b = −c অতএব, উভয় পক্ষে ঘন করে পাই, (a + b)^৩ = (−c)^৩ সুতরাং, a^৩ + b^৩ + ৩ab(a + b) = −c^৩ a^৩ + b^৩ + ৩ab(−c) = −c^৩ উত্তর: a^৩ + b^৩ + c^৩ = ৩abc
a ২৪ সেকেন্ড
b ২০ সেকেন্ড
c ৪০ সেকেন্ড
d উপরের কোনোটিই নয়
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ সেকেন্ড প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের গতিবেগ = ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ১০০ মিটার প্লাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ৩০০ মিটার ধরি, মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + প্লাটফর্মের দৈর্ঘ্য মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১০০ মিটার + ৩০০ মিটার = ৪০০ মিটার অতএব, ট্রেনের গতিবেগ মিটার প্রতি সেকেন্ডে বের করতে হবে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার = (৬০ × ১০০০ মিটার) ÷ ৩৬০০ সেকেন্ড সুতরাং, ট্রেনের গতিবেগ = ৬০০০০ ÷ ৩৬০০ মিটার প্রতি সেকেন্ড = ৫০ ÷ ৩ মিটার প্রতি সেকেন্ড উত্তর: সময় = মোট দূরত্ব ÷ গতিবেগ = ৪০০ ÷ (৫০ ÷ ৩) = ২৪ সেকেন্ড
a ২.৫৪ সেন্টিমিটার
b ২.০২ সেন্টিমিটার
c ৩.৭৩ সেন্টিমিটার
d ১.৩৭ সেন্টিমিটার
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২.৫৪ সেন্টিমিটার প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক ইঞ্চি ও সেন্টিমিটারের সম্পর্ক ধরি, আন্তর্জাতিক আদর্শ মান অনুযায়ী ১ ইঞ্চির সঠিক মাপ নির্ধারণ করা হয় অতএব, ১ ইঞ্চি সমান ঠিক শূন্য দশমিক শূন্য দুই পাঁচ চার মিটার ধরা হয় সুতরাং, মিটারকে সেন্টিমিটারে রূপান্তর করলে মান পাওয়া যায় উত্তর: ২.৫৪ সেন্টিমিটার
a ৪৫ ডিগ্রি
b ৫৫ ডিগ্রি
c ৬৫ ডিগ্রি
d ৩৫ ডিগ্রি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৫ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের দুটি সন্নিহিত কোণ দেওয়া আছে একটি কোণের মান ১১৫ ডিগ্রি ধরি, সামান্তরিকের প্রথম সন্নিহিত কোণ = ১১৫ ডিগ্রি সামান্তরিকের অপর সন্নিহিত কোণটি ক ডিগ্রি অতএব, সামান্তরিকের দুটি সন্নিহিত কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ১১৫ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি − ১১৫ ডিগ্রি উত্তর: ৬৫ ডিগ্রি
a 18
b 24
c 12
d 16
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮ প্রدত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x + (১ / x) = ৩ ধরি, a = x এবং b = (১ / x) প্রদত্ত মান হলো a + b = ৩ অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী ঘন নির্ণয় করতে হবে আমরা জানি, (a + b)³ = a³ + b³ + ৩ab(a + b) সুতরাং, x³ + (১ / x)³ = (x + (১ / x))³ − ৩ × (x × (১ / x)) × (x + (১ / x)) উত্তর: ১৮
a ২৫ বার
b ৩০ বার
c ১৫ বার
d কোনোটিই নয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: চাকার ব্যাস = ৪.২ মিটার অতিক্রান্ত মোট পথ = ৩০০ মিটার ধরি, চাকার পরিধি = পাই × ব্যাস পাই এর মান = ২২ ভাগ ৭ অতএব, চাকার পরিধি = (২২ ভাগ ৭) × ৪.২ মিটার চাকার পরিধি = ১৩.২ মিটার সুতরাং, চাকার ঘোরার সংখ্যা = ৩০০ ভাগ ১৩.২ উত্তর: ২২.৭৩ বার (প্রায়)
a ৯ মিটার
b ১২ মিটার
c ১৫ মিটার
d কোনোটিই নয়
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ মিটার প্রদত্ত তথ্য: মইয়ের দৈর্ঘ্য = ১৮ মিটার ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০° ধরি, দেয়ালের উচ্চতা = h মিটার অতএব, sin(৩০°) = দেয়ালের উচ্চতা ÷ মইয়ের দৈর্ঘ্য sin(৩০°) = h ÷ ১৮ সুতরাং, ১ ÷ ২ = h ÷ ১৮ উত্তর: h = ৯ মিটার
a আরেক ফাল্গুন
b রাইফেল রোটি আওরাত
c কবর
d আমি বিজয় দেখেছি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরেক ফাল্গুন কেন সঠিক: - এই উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত এবং এর রচিয়তা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান। - একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা এবং ভাষা সংগ্রামীদের অবদানের কথা এই উপন্যাসে অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরেক ফাল্গুন — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত জহির রায়হানের বিখ্যাত উপন্যাস, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়, বরং এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি নিধনের পটভূমিতে রচিত আনোয়ার পাশার প্রথম বাংলা উপন্যাস। C) কবর — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং মুনীর চৌধুরী কর্তৃক ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। D) আমি বিজয় দেখেছি — এটি ভাষা আন্দোলনের ওপর রচিত কোনো উপন্যাস নয়, এটি মূলত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণমূলক একটি গ্রন্থ। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের ফাল্গুন মাসের সঙ্গে জহির রায়হানের উপন্যাস আরেক ফাল্গুন নামটি মনে রাখতে হবে।
a এইডস
b যক্ষ্মা
c বসন্ত
d None of the above
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এইডস কেন সঠিক: - এইডস মূলত রক্ত, বীর্য বা অন্যান্য শারীরিক তরলের প্রত্যক্ষ বিনিময়ের মাধ্যমে ছড়ায়, যা সাধারণ ছোঁয়াচে বা বায়ুবাহিত রোগ নয়। - এটি হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস বা এইচআইভি দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ, যা হাঁচি, কাশি বা সাধারণ ছোঁয়ায় ছড়ায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এইডস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এইডস কোনো সাধারণ ছোঁয়াচে রোগ নয়। B) যক্ষ্মা — এটি একটি বায়ুবাহিত ছোঁয়াচে রোগ, যা আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে সহজেই ছড়ায়। C) বসন্ত — এটি একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা ত্বক বা বাতাসের মাধ্যমে সহজেই একজনের থেকে অন্যজনে ছড়ায়। D) None of the above — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: এইডস হলো রক্ত ও শারীরিক তরলবাহিত রোগ, যা সাধারণ সংস্পর্শ বা ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হয় না।
a Compressed Natural Gas
b Carbonated Nitrogen Gas
c Complete Natural Gas
d None of the abvoe
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Compressed Natural Gas কেন সঠিক: - পরিবেশবান্ধব যানবহনে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক গ্যাসকে উচ্চ চাপে সংকুচিত করে সিলিন্ডারে সংরক্ষণ করা হয়। - এই গ্যাস প্রযুক্তির পূর্ণরূপ হলো কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Compressed Natural Gas — এটি সঠিক উত্তর কারণ গ্যাসকে সংকুচিত করে সিলিন্ডারে ভরা হয়। B) Carbonated Nitrogen Gas — কার্বনেটেড নাইট্রোজেন গ্যাস কোনো বৈজ্ঞানিক বা প্রযুক্তিগত নাম নয়। C) Complete Natural Gas — এটি পূর্ণরূপের ক্ষেত্রে একটি ভুল ও মনগড়া শব্দপ্রয়োগ। D) None of the abvoe — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সিএনজি মানেই হলো সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস, যেখানে Compressed শব্দের অর্থ সংকুচিত এবং Natural Gas অর্থ প্রাকৃতিক গ্যাস।
a ইখেন
b মিথেন
c প্রোপেন
d নাইট্রোজেন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিথেন কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক গ্যাসে প্রধানত হালকা হাইড্রোকার্বন থাকে, যার মধ্যে মিথেনের পরিমাণ প্রায় শতকরা পচাানব্বই ভাগ। - এটি গন্ধহীন এবং দাহ্য পদার্থ হওয়ায় শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইখেন — এটি কোনো আদর্শ রাসায়নিক যৌগ নয় এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদানও নয়। B) মিথেন — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান। C) প্রোপেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের সামান্য পরিমাণে থাকতে পারে, তবে প্রধান উপাদান নয়। D) নাইট্রোজেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি মিশ্রণ উপাদান হতে পারে, কিন্তু প্রধান উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক গ্যাস বললেই মিথেনের নাম মনে রাখবে কারণ গ্যাসের শতকরা পচাানব্বই ভাগই মিথেন।
a আলফ্রেড নোবেল
b ওপেনহেইমার
c আলবার্ট আইনস্টাইন
d রাদারফোর্ড
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ওপেনহেইমার কেন সঠিক: - জুলিয়াস রবার্ট ওপেনহেইমারকে ম্যানহাটন প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক পরিচালক হিসেবে পারমাণবিক বোমা তৈরির মূল রূপকার বা জনক বলা হয়। - তাঁর নেতৃত্বে ১৯৪৫ সালে প্রথম সফল পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলফ্রেড নোবেল — তিনি ডিনামাইট আবিষ্কার করেছিলেন, পারমাণবিক বোমা নয়। B) ওপেনহেইমার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) আলবার্ট আইনস্টাইন — তিনি আপেক্ষিকতার তত্ত্ব এবং পারমাণবিক শক্তির সমীকরণ দিলেও বোমা আবিষ্কার করেননি। D) রাদারফোর্ড — তিনি পরমাণুর নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেছিলেন, তবে পারমাণবিক বোমা তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: ওপেনহেইমার নামটির সঙ্গে 'হেইম' বা বোমা তৈরির মূল কারিগর হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
a লোহিতকণিকা
b শ্বেতকণিকা
c লিউকোপ্লাস্ট
d বেসোফিল
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লিউকোপ্লাস্ট কেন সঠিক: - মানবদেহের রক্ত প্রধানত রক্তরস এবং রক্তকণিকা এই দুই ভাগে বিভক্ত। - রক্তকণিকা তিন প্রকার যথা লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অনুচক্রিকা, কিন্তু লিউকোপ্লাস্ট উদ্ভিদের প্লাস্টিডের একটি প্রকার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোহিতকণিকা — এটি রক্তের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা মানবদেহে অক্সিজেন পরিবহন করে। B) শ্বেতকণিকা — এটি রক্তের একটি উপাদান যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করে। C) লিউকোপ্লাস্ট — এটি রক্তের উপাদান নয়, বরং উদ্ভিদের বর্ণহীন প্লাস্টিড যা খাদ্য সঞ্চয় করে। D) বেসোফিল — এটি এক প্রকার শ্বেত রক্তকণিকা, তাই এটি রক্তের একটি উপাদান। মনে রাখার টিপস: রক্তে থাকে লোহিত, শ্বেত ও অনুচক্রিকা, আর লিউকোপ্লাস্ট হলো উদ্ভিদের বর্ণহীন প্লাস্টিড।
a বাদুর
b প্লাটিপাস
c কোয়ালা
d তিমি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্লাটিপাস কেন সঠিক: - প্লাটিপাস মোনোট্রিম গোত্রের স্তন্যপায়ী প্রাণী যারা সরাসরি বাচ্চা প্রসব না করে ডিম পাড়ে। - ডিম ফোটার পর এরা মায়ের শরীর থেকে নিঃসৃত দুধ পান করে বড় হয়, যা স্তন্যপায়ী প্রাণীর প্রধান বৈশিষ্ট্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাদুর — বাদুর স্তন্যপায়ী প্রাণী হলেও এরা ডিম পাড়ে না, বরং সরাসরি পূর্ণাঙ্গ বাচ্চা প্রসব করে। B) প্লাটিপাস — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) কোয়ালা — কোয়ালা একটি মারসুপিয়াল বা থুগে স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা বাচ্চা প্রসব করে এবং থলিতে লালনপালন করে। D) তিমি — তিমি জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী হলেও এরা ডিম পাড়ে না, সরাসরি বাচ্চা প্রসব করে। মনে রাখার টিপস: প্লাটিপাস এবং একিডনা হলো ব্যতিক্রমী দুটি স্তন্যপায়ী প্রাণী যারা ডিম পাড়ে।
a ১০০ ডিগ্রি
b ১৮০ ডিগ্রি
c ২১২ ডিগ্রি
d কোনোটিই নয়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১২ ডিগ্রি কেন সঠিক: - সেলসিয়াস স্কেলের একশ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ফারেনহাইট স্কেলে দুইশ বারো ডিগ্রি ফারেনহাইট এর সমান হয়। - পানি সাধারণত স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডীয় চাপে দুইশ বারো ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ ডিগ্রি — এটি সেলসিয়াস স্কেলে পানির স্ফুটনাঙ্ক, ফারেনহাইট স্কেলে নয়। B) ১৮০ ডিগ্রি — এটি সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যকার মৌলিক ব্যবধান বা ঘরের সংখ্যা নির্দেশ করে। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি সি অপশনে থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: সেলসিয়াসের ১০০ ডিগ্রি মানেই ফারেনহাইট স্কেলের ২১২ ডিগ্রি।
a ক্যারোটিন
b হিমোগ্লোবিন
c মেলানিন
d থায়াসিন
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেলানিন কেন সঠিক: - মেলানিন হলো এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ যা মানুষের ত্বক, চুল ও চোখের রঙের জন্য দায়ী। - মানবদেহের ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ যত বেশি হয়, সেই ব্যক্তির গায়ের রং তত বেশি অন্ধকার বা কালো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যারোটিন — এটি একটি হলুদ বা কমলা রঙের রঞ্জক পদার্থ, যা গাজর বা মিষ্টি আলুতে থাকে এবং মানুষের ত্বকের রঙের মূল নিয়ন্ত্রক নয়। B) হিমোগlobin — এটি রক্তে অক্সিজেন বহনকারী প্রোটিন, যা রক্তের লাল রঙের জন্য দায়ী হলেও ত্বকের স্থায়ী রঙের ওপর প্রভাব ফেলে না। C) মেলানিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ভুল প্রযোজ্য নয়। D) থায়াসিন — এটি কোনো পরিচিত জৈব রঞ্জক পদার্থ নয় যা মানুষের গায়ের রং নির্ধারণ করে। মনে রাখার টিপস: মানুষের চামড়ার মেলানিন বাড়লে রং কালো হয়, কম থাকলে ফর্সা হয়।
a ২০৬টি
b ২১৬টি
c ২৩০টি
d ২২২টি
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০৬টি কেন সঠিক: - একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের কঙ্কালতন্ত্রে মোট ২০৬টি অস্থি বা হাড় থাকে। - জন্মের সময় মানবশিশুতে হাড়ের সংখ্যা প্রায় ৩০০টি থাকলেও বয়সের সাথে তা জোড়া লেগে ২০৬টিতে পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০৬টি — এটি একটি পূর্ণবয়স্ক মানুষের কঙ্কালতন্ত্রের সঠিক এবং সর্বসম্মত অস্থিসংখ্যা। B) ২১৬টি — এই সংখ্যাটি মানবদেহের স্বাভাবিক হারের সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং এটি ভুল তথ্য। C) ২৩০টি — মানবদেহের মোট হাড়ের সংখ্যা ২৩০টি নয়, এটি ভুল হিসাব। D) ২২২টি — এটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সঠিক অস্থিসংখ্যা নয়, মানবদেহের ক্ষেত্রে এই মানটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শিশুর হাড় বেশি (প্রায় ৩০০) আর প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হাড় ঠিক ২০৬টি, এই পার্থক্যটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি সহজে চিহ্নিত করা যায়।
a র‍্যাডক্লিফ কমিশন
b মাউন্টব্যাটেন কমিশন
c ডুরান্ড কমিশন
d স্যার ম্যাকমোহন কমিশন
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) র‍্যাডক্লিফ কমিশন কেন সঠিক: - ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির সময় বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা নির্ধারণের জন্য স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফের নেতৃত্বে এই কমিশন গঠিত হয়েছিল। - এই সীমানা কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতেই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) র‍্যাডক্লিফ কমিশন — এটিই ১৯৪৭ সালের সীমানা নির্ধারণকারী কমিশন এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) মাউন্টব্যাটেন কমিশন — এটি কোনো সীমানা কমিশন নয়, লর্ড মাউন্টব্যাটেন ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় যিনি স্বাধীনতার পরিকল্পনা পেশ করেছিলেন। C) ডুরান্ড কমিশন — এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমানা নির্ধারণের জন্য ১৮৯৩ সালে গঠিত হয়েছিল। D) স্যার ম্যাকমোহন কমিশন — এটি ভারত ও তিব্বতের মধ্যকার সীমানা নির্ধারণের জন্য ১৯১৪ সালে গঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: রেখা বা সীমানা কেটে আলাদা করা বোঝাতে কাঁচি বা ধারালো বস্তুর প্রয়োজন হয়, আর র‍্যাডক্লিফ নামের সাথে কাটার বিষয়টি মনে রাখতে পারেন।
a মার্টিন লুথার কিং
b জুনিয়র আব্রাহাম লিংকন
c এজন এফ কেনেডি
d ঘলিন্ডন বি জনসন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মার্টিন লুথার কিং কেন সঠিক: - মার্টিন লুথার কিং ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসিতে ঐতিহাসিক নাগরিক অধিকার মিছিলে এই বিখ্যাত ভাষণ দেন। - এই ভাষণের মূল লক্ষ্য ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবাদ বিলোপ এবং কৃষ্ণাঙ্গদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্টিন লুথার কিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন এবং এই ঐতিহাসিক ভাষণটি তিনিই প্রদান করেছিলেন। B) জুনিয়র আব্রাহাম লিংকন — তিনি আমেরিকার কোনো প্রেসিডেন্ট ছিলেন না, এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম। C) এজন এফ কেনেডি — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং তার অন্য বিখ্যাত ভাষণ রয়েছে, তবে এই ভাষণটি তার নয়। D) ঘলিন্ডন বি জনসন — তিনি মার্টিন লুথার কিংয়ের সমসাময়িক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, কিন্তু এই ভাষণের বক্তা তিনি নন। মনে রাখার টিপস: মার্টিন লুথার কিংয়ের স্বপ্নের (Dream) সাথে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের লড়াইয়ের বিষয়টি মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে চিনে নেওয়া যায়।
a ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস
b বঙ্গবন্ধুর রেসকোর্স ময়দানের ভাষণের জন্য
c গণঅভ্যুত্থান দিবসের জন্য গোচাই
d ঐতিহাসিক ৬ দফা ঘোষণার জন্য
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গবন্ধুর রেসকোর্স ময়দানের ভাষণের জন্য কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। - এই ভাষণে তিনি বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার সংগ্রামের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস — ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে গঠিত হয়, ৭ মার্চের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) বঙ্গবন্ধুর রেসকোর্স ময়দানের ভাষণের জন্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) গণঅভ্যুত্থান দিবসের জন্য গোচাই — এটি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানকে নির্দেশ করে, ৭ মার্চের ঘটনা নয়। D) ঐতিহাসিক ৬ দফা ঘোষণার জন্য — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ৬ দফা পেশ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সাতই মার্চ মানেই রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ডাক।
a খাজা নাজিমউদ্দিন
b মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
c মোঃ নূরুল আমীন
d উপরের কোনোটিই নয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের কোনোটিই নয় (প্রকৃত উত্তর: মালিক গোলাম মোহাম্মদ) কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল ছিলেন মালিক গোলাম মোহাম্মদ। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক নামটি না থাকায় সঠিক উত্তর হবে উপরের কোনোটিই নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাজা নাজিমউদ্দিন — তিনি ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, গভর্নর জেনারেল ছিলেন না। B) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ — তিনি পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন এবং ১৯৪৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। C) মোঃ নূরুল আমীন — তিনি ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। D) উপরের কোনোটিই নয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৫২ সালের গভর্নর জেনারেল মালিক গোলাম মোহাম্মদ এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন এবং গভর্নর জেনারেল ছিলেন মালিক গোলাম মোহাম্মদ।
a ইউএনডিপি
b এফএও
c ইউনেস্কো
d আইএলও
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইউনেস্কো কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। - ২০০০ সাল থেকে বিশ্বের ১৭টি দেশে এই দিবসটি প্রথম পালিত হয় এবং পরবর্তীতে জাতিসংঘ তা আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউএনডিপি — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি সংক্রান্ত অঙ্গসংগঠন, যা মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। B) এফএও — এটি খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার দায়িত্ব পালন করেনি। C) ইউনেস্কো — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক অঙ্গসংগঠন হওয়ায় এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি প্রদান করেছে। D) আইএলও — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, যা শ্রমজীবী মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করে এবং এই স্বীকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা ও সংস্কৃতি শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত বিধায় এর স্বীকৃতি ইউনেস্কো প্রদান করেছে।
a ক ভাষা আন্দোলন
b খস্বাধীনতা সংগ্রাম
c সাংস্কৃতি আন্দোলন
d কোনোটিই নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভাষা আন্দোলন কেন সঠিক: - ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর আবুল কাসেমের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত তমদ্দুন মজলিস বাঙালি সংস্কৃতি ও ভাষা রক্ষার প্রথম আন্দোলন শুরু করে। - এই সংগঠনটি ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই দাবিতে গঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সাংস্কৃতিক সংগঠনটিই প্রথম বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপন করেছিল। B) স্বাধীনতা সংগ্রাম — এটি সরাসরি স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রাথমিক রূপ না হলেও স্বাধিকার আন্দোলনের পথ প্রস্তুত করেছিল। C) সাংস্কৃতিক আন্দোলন — তমদ্দুন মজলিস সাংস্কৃতিক সংগঠন হলেও এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে ভাষা আন্দোলনের সাথে এর সরাসরি ঐতিহাসিক সংযোগ রয়েছে। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: তমদ্দুন মজলিস মানেই ১৯৪৭ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রথম অগ্রপথিক সংগঠন।
a সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
b মুজিবনগর
c মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান
d ঢাকা সেনানিবাসে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঢাকা সেনানিবাসে কেন সঠিক: - শিখা অনির্বাণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ। - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর সেনানিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এই শিখাটি প্রজ্বলন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান — এটি ঐতিহাসিক স্থান হলেও এখানে শিখা অনির্বাণ অবস্থিত নয়, এখানে শিখা চিরন্তন অবস্থিত। B) মুজিবনগর — এটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণের স্থান এবং স্মৃতিসৌধের জন্য পরিচিত, শিখা অনির্বাণ এখানে নেই। C) মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত কবরস্থান, যা ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত শিখা অনির্বাণ থেকে ভিন্ন। D) ঢাকা সেনানিবাসে — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিখা অনির্বাণ এখানেই স্থায়ীভাবে স্থাপিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সেনাবাহিনীর প্রধান কার্যালয় ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এবং শহীদদের স্মরণে নির্মিত শিখা অনির্বাণও এই সেনানিবাসের ভেতরেই রয়েছে।
a মাইনুল হোসেন
b শিল্পী সাহাবউদ্দিন
c স্থপতি মজারুল ইসলাম
d হামিদুর রহমান
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাইনুল হোসেন কেন সঠিক: - সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল নকশা ও স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। - ১৯৭৮ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং ১৯৮২ সালে এটি উদ্বোধন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইনুল হোসেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা তৈরি করেছিলেন। B) শিল্পী সাহাবউদ্দিন — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা, স্মৃতিসৌধের স্থপতি নন। C) স্থপতি মজারুল ইসলাম — তিনি দেশের বিশিষ্ট স্থপতি হলেও এই স্মৃতিসৌধের নকশাকার নন। D) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ বা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সঙ্গে যুক্ত, জাতীয় স্মৃতিসৌধের নন। মনে রাখার টিপস: স্মৃতিসৌধের 'মাইনুল' নামের সাথে 'মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি' কথাটি মনে রাখতে পারেন।
a ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
b ১৭ এপ্রিল ১৯৭২
c ডিসেম্বর ১৯৭২
d কোনোটিই নয়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। - বিজয় দিবসের স্মারক হিসেবে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে এই সংবিধান কার্যকর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দিন থেকেই সংবিধান কার্যকর করা হয়। B) ১৭ এপ্রিল ১৯৭২ — এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেছিল। C) ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি অসম্পূর্ণ তথ্য কারণ সংবিধান কার্যকর হওয়ার সুনির্দিষ্ট তারিখ হলো ১৬ ডিসেম্বর। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের মাস ও দিন মনে রেখেই ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
a বিশ্ব নারী দিবস
b জাতীয় শিশু দিবস
c আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
d বিশ্ব পরিবেশ দিবস
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাতীয় শিশু দিবস কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৭ই মার্চ তারিখটি জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্ব নারী দিবস — এটি ৮ই মার্চ পালিত হয় এবং এর সাথে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের কোনো সম্পর্ক নেই। B) জাতীয় শিশু দিবস — এটি বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের সাথে সম্পর্কিত এবং ১৭ই মার্চ এই দিবস পালন করা হয়। C) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস — এটি ২১শে ফেব্রুয়ারি পালিত হয় যা ভাষা আন্দোলনের স্মারক দিবস। D) বিশ্ব পরিবেশ দিবস — এটি ৫ই জুন পালিত হয় এবং এটি পরিবেশ সুরক্ষার সাথে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ১৭ই মার্চ এবং শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ, তাই এই দিনটি 'জাতীয় শিশু দিবস' হিসেবে পালিত হয়।
a জাপান
b ইসরাইল
c ইন্দোনেশিয়া
d ডেনমার্ক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাপান কেন সঠিক: - জাপানের আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও ঐতিহাসিক নাম হলো ডায়েট। - এটি একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা যা প্রতিনিধি পরিষদ এবং উচ্চকক্ষ বা কাউন্সিলরস সভা নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ দেশটির আইনসভার নাম ডায়েট। B) ইসরাইল — ইসরাইলের আইনসভার নাম নেসেট, যা ডায়েট নয়। C) ইন্দোনেশিয়া — ইন্দোনেশিয়ার আইনসভার নাম গণ পরামর্শক সভা বা ডিপিআর, যা ডায়েট নয়। D) ডেনমার্ক — ডেনমার্কের আইনসভার নাম ফকেটিং, যা ডায়েট নয়। মনে রাখার টিপস: জাপানিরা ডায়েট মেনে সুস্থ থাকে, এভাবে মনে রাখতে পারেন জাপানের পার্লামেন্টের নাম ডায়েট।
a ২১%
b ৩০%
c ৭৮.০৯%
d ৫%
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১% কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণ থাকে যার মধ্যে অক্সিজেনের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থায় শতকরা একুশ ভাগ। - জীবকুলের শ্বাসকার্য এবং দহন প্রক্রিয়ার জন্য এই নির্দিষ্ট মাত্রার অক্সিজেন অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১% — এটি বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের সঠিক শতকরা পরিমাণ যা পরীক্ষিত ও প্রমাণিত। B) ৩০% — এটি বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের স্বাভাবিক পরিমাণ নয় বরং এটি একটি অতিরিক্ত বা কাল্পনিক মান। C) ৭৮.০৯% — এটি বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা নাইট্রোজেন গ্যাসের শতকরা হার। D) ৫% — এটি বায়ুমণ্ডলে বিদ্যমান কোনো প্রধান গ্যাসের শতকরা পরিমাণ নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলো মনে রাখতে নাইট্রোজেন ৭৮% এবং অক্সিজেন ২১% এই দুটি প্রধান সংখ্যা মনে রাখলেই চলে।
a বঙ্গভবন
b উত্তরা গণভবন
c গণভবন
d সংসদ ভবন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গভবন কেন সঠিক: - বঙ্গভবন হলো বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়। - এটি রাজধানী ঢাকার দিলকুশা এলাকায় অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গভবন — এটি রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন হওয়ায় সঠিক উত্তর। B) উত্তরা গণভবন — এটি নাটোর জেলায় অবস্থিত নাটোরের রাজবাড়ি এবং সরকারের উত্তরবঙ্গের সরকারি বাসভবন। C) গণভবন — এটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন। D) সংসদ ভবন — এটি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ বা আইনসভার ভবন। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রপতির বাসভবন 'বঙ্গভবন' এবং প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন 'গণভবন'।
a ১ নং সেক্টর
b ১১ নং সেক্টর
c ৯ নং সেক্টর
d ৩ নং সেক্টর
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ নং সেক্টর কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং চট্টগ্রাম অঞ্চল ১ নং সেক্টরের আওতাধীন ছিল। - চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ফেনী নদীর অববাহিকা পর্যন্ত এলাকা ১ নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ নং সেক্টর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ চট্টগ্রাম ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল এই সেক্টরের অধীন পরিচালিত হয়েছিল। B) ১১ নং সেক্টর — এটি সঠিক নয়, কারণ ১১ নং সেক্টর গঠিত হয়েছিল ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চল নিয়ে। C) ৯ নং সেক্টর — এটি সঠিক নয়, কারণ ৯ নং সেক্টর গঠিত হয়েছিল বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা ও সাতক্ষীরা অঞ্চল নিয়ে। D) ৩ নং সেক্টর — এটি সঠিক নয়, কারণ ৩ নং সেক্টর গঠিত হয়েছিল হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং নারায়ণগঞ্জ অঞ্চল নিয়ে। মনে রাখার টিপস: চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশের প্রথম যোগাযোগ শুরু হয়, তাই মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেও চট্টগ্রাম ১ নম্বর সেক্টরে ছিল।
a মৎস্য চাষ
b রেশম চাষ
c মৌমাছি চাষ
d বৃক্ষ চাষ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌমাছি চাষ কেন সঠিক: - এপিকালচার (Apiculture) বলতে বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন এবং মধু ও মোম উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে বোঝায়। - এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির একটি শাখা যার মাধ্যমে মৌমাছির কৃত্রিম উপায়ে পরিচর্যা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৎস্য চাষ — মৎস্য চাষকে বলা হয় পিসিকালচার (Pisciculture), যা জলজ প্রাণী ও মাছ উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত। B) রেশম চাষ — রেশম চাষকে বলা হয় সেরিকালচার (Sericulture), যা রেশম পোকা পালনের সাথে যুক্ত। C) মৌমাছি চাষ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বৈজ্ঞানিক পরিভাষা হলো এপিকালচার। D) বৃক্ষ চাষ — বৃক্ষ বা বন সৃজন এবং পরিচর্যাকে বলা হয় সিলভিকালচার (Silviculture)। মনে রাখার টিপস: মৌমাছির ইংরেজি অ্যাপিস (Apis) থেকে এপিকালচার শব্দটি এসেছে, যা মনে রাখলেই মৌমাছি চাষ সহজে চেনা যায়।
a ১৮তম
b ১৯তম
c ২০তম
d ২১তম
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০তম কেন সঠিক: - এডভোকেট আবদুল হামিদ ২০১৩ সালের চব্বিশে এপ্রিল বাংলাদেশের বিংশ বা কুড়ি তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। - তিনি সংবিধানের বিধান অনুযায়ী টানা দুই মেয়াদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮তম — জিল্লুর রহমান বাংলাদেশের ঊনবিংশতম রাষ্ট্রপতি ছিলেন, অষ্টাদশতম নন। B) ১৯তম — প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মো Zillur Rahman ছিলেন বাংলাদেশের ঊনবিংশ বা উনিশতম রাষ্ট্রপতি। D) ২১তম — আবদুল হামিদের পর মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের একবিংশ বা একুশতম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। মনে রাখার টিপস: আবদুল হামিদ ছিলেন বাংলাদেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি এবং তিনি দুই মেয়াদে এই পদে আসীন ছিলেন।
a ৯২তম
b ৯৪ তম
c ৯০তম
d ৮৮তম
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৪ তম কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। - জন্মসাল ১৯২০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত হিসাব করলে ২০১৪ সালে তাঁর ৯৪তম জন্মবার্ষিকী হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯২তম — এটি ভুল কারণ ১৯২০ থেকে হিসাব করলে ২০১৪ সালে বয়স ৯২ বছর হয় না। B) ৯৪ তম — এটি সঠিক এবং ঐতিহাসিক সাল গণনার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। C) ৯০তম — এটি ভুল কারণ এই গণনায় জন্মসাল ও বর্তমান সালের ব্যবধান কম ধরা হয়েছে। D) ৮৮তম — এটি ভুল কারণ এটি ২০১৪ সালের সঠিক জন্মবার্ষিকীর হিসাবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্মসাল ১৯২০ সাল থেকে যে সালের জন্মবার্ষিকী চাওয়া হবে সেই সাল বিয়োগ করে এক যোগ করলেই সঠিক জন্মবার্ষিকী পাওয়া যাবে।
a ৫জুন
b ১৮ জানুয়ারি
c ২৩ জুন
d ২৫ ডিসেম্বর
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ জুন কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - ওই সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ জুন — এই দিনটি প্রতি বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। B) ১৮ জানুয়ারি — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয় না। C) ২৩ জুন — এই তারিখটি বিশ্ব পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস। D) ২৫ ডিসেম্বর — এই দিনটি খ্রিষ্টধর্মের অনুসারীদের বড়দিন হিসেবে পালিত হয়। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে আমরা যেন সবসময় ৫ জনে মিলে হাত মেলাই, এভাবে ৫ জুন মনে রাখা যায়।
a ২০০ নটিক্যাল মাইল
b ২৫০ নটিক্যাল মাইল
c ৭০ নটিক্যাল মাইল
d ১০০ নটিক্যাল মাইল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০০ নটিক্যাল মাইল কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত দূরত্বকে অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা বা ইইজেড বলা হয়। - এই সীমার মধ্যে থাকা সকল অর্থনৈতিক সম্পদের ওপর সংশ্লিষ্ট দেশের সার্বভৌম অধিকার থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০ নটিক্যাল মাইল — এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার সঠিক পরিমাপ। B) ২৫০ নটিক্যাল মাইল — এটি কোনো স্বীকৃত সমুদ্রসীমার মাপ নয়। C) ৭০ নটিক্যাল মাইল — এই মাপটি বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ডি) ১০০ নটিক্যাল মাইল — এটি আঞ্চলিক জলসীমা বা অর্থনৈতিক সীমার সঠিক মাপ নয়। মনে রাখার টিপস: অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার ক্ষেত্রে সংখ্যাটি মনে রাখবে দুইশো বা ২০০ নটিক্যাল মাইল।
a মহেশখালি
b নারিকেল জিঞ্জিরা
c কুতুবদিয়া
d মনপুরা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহেশখালি কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়বিশিষ্ট দ্বীপ, যা কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। - এই দ্বীপে আদিনাথ মন্দিরসহ ছোট-বড় বেশ কিছু পাহাড়ি টিলা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহেশখালি — এটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) নারিকেল জিঞ্জিরা — এটি সেন্টমার্টিন দ্বীপের অপর নাম এবং এটি একটি প্রবাল দ্বীপ, পাহাড়ি দ্বীপ নয়। C) কুতুবদিয়া — এটি একটি নিচু উপকূলীয় দ্বীপ, যেখানে কোনো পাহাড় বা পাহাড়ি টিলা নেই। D) মনপুরা — এটি ভোলা জেলায় অবস্থিত একটি সমতল দ্বীপ, যা নদী ও সাগর দ্বারা বেষ্টিত। মনে রাখার টিপস: মহেশখালীর 'ম' দিয়ে মনে রাখতে পারেন একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ 'মহেশখালি'।
a বেরিং প্রণালী
b সুয়েজ খাল
c বসফোরাস প্রণালী
d পানামা খাল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পানামা খাল কেন সঠিক: - পানামা খাল উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে পৃথক করেছে। - এটি প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্তকারী একটি কৃত্রিম জলপথ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেরিং প্রণালী — এটি এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে। B) সুয়েজ খাল — এটি এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে সংযুক্ত ও পৃথক করেছে। C) বসফোরাস প্রণালী — এটি ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশকে পৃথক করেছে। D) পানামা খাল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকাকে বিচ্ছিন্ন করেছে। মনে রাখার টিপস: আমেরিকা মহাদেশ দুটিকে বিভক্ত করেছে পানামা খাল, আর এশিয়া ও আফ্রিকাকে বিভক্ত করেছে সুয়েজ খাল।
a অষ্টম স্থানে
b চতুর্থ স্থানে
c একাদশ স্থানে
d উপরের কোনোটিই নয়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের কোনোটিই নয় কেন সঠিক: - মাতৃভাষার ভিত্তিতে বিশ্বে বাংলা ভাষার স্থান ষষ্ঠ এবং মোট ব্যবহারকারীর দিক থেকে সপ্তম। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক স্থান বা ষষ্ঠ বা সপ্তম উল্লেখ না থাকায় ডি অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অষ্টম স্থানে — মাতৃভাষার সংখ্যা বা মোট বক্তার দিক থেকে বাংলা অষ্টম স্থানে নেই। B) চতুর্থ স্থানে — মাতৃভাষার দিক থেকে চতুর্থ স্থানটি মান্দারিন বা স্প্যানিশ ভাষার দখলে। C) একাদশ স্থানে — বাংলা ভাষা একাদশ অবস্থানে নেই, এটি আরো অনেক এগিয়ে। D) উপরের কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর ষষ্ঠ বা সপ্তম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: মাতৃভাষার দিক থেকে বাংলা ষষ্ঠ এবং মোট ব্যবহারকারীর দিক থেকে সপ্তম স্থানে রয়েছে।
a ৮ ফেব্রুয়ারি
b ১৭ এপ্রিল
c ৮ মার্চ
d ২৫ মার্চ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ মার্চ কেন সঠিক: - ১৯৭৭ সাল থেকে জাতিসংঘ প্রতিবছর ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করে আসছে। - নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সমাজ গঠনে তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে এই দিনটি বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় না, এটি একটি সাধারণ দিন। বি) ১৭ এপ্রিল — এটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের দিন। সি) ৮ মার্চ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। ডি) ২৫ মার্চ — এটি ১৯৭১ সালের কালরাত বা গণহত্যা স্মরণ দিবস। মনে রাখার টিপস: মার্চ মাসের প্রথম দিকে, অর্থাৎ ৮ তারিখে বিশ্ব নারী দিবস পালিত হয়।
a ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র
b গ্রিসের প্রথম শাসনতন্ত্র
c রাশিয়ার শাসনতন্ত্র
d অস্ট্রেলিয়ার শাসনতন্ত্র
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র কেন সঠিক: - ম্যাগনাকার্টা হলো ১২১৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা জন কর্তৃক স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক অধিকার সনদ, যা বিশ্ব ইতিহাসে প্রথম শাসনতান্ত্রিক দলিল হিসেবে স্বীকৃত। - এই সনদের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের রাজার ক্ষমতা সীমিত করা হয় এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি ইংল্যান্ডের প্রথম সাংবিধানিক দলিল। B) গ্রিসের প্রথম শাসনতন্ত্র — এটি ভুল কারণ ম্যাগনাকার্টার সঙ্গে গ্রিসের কোনো সম্পর্ক নেই, গ্রিসের শাসনতন্ত্র অনেক পরের আধুনিক ইতিহাস। C) রাশিয়ার শাসনতন্ত্র — এটি ভুল কারণ ম্যাগনাকার্টা রুশ ইতিহাসের অংশ নয়, এটি সম্পূর্ণভাবে ব্রিটিশ সাংবিধানিক ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত। D) অস্ট্রেলিয়ার শাসনতন্ত্র — এটি ভুল কারণ অস্ট্রেলিয়া অনেক পরে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীন হয়ে নিজস্ব শাসনতন্ত্র লাভ করে। মনে রাখার টিপস: ম্যাগনাকার্টা মানেই গ্রেট চার্টার বা মহান সনদ, যা ১২১৫ সালে ইংল্যান্ডে রাজা ও জনগণের অধিকার রক্ষায় প্রথম স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
a ১৯৬১ সালে
b ১৯২১ সালে
c ১৯১৩ সালে
d ১৯০৫ সালে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২১ সালে কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১ জুলাই ১৯২১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে এবং এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়। - বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে এবং ১৯১২ সালের নাথান কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬১ সালে — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বরং বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গণে প্রাচীন নিদর্শন ও গবেষণার নতুন ধারা শুরু হয়েছিল। B) ১৯২১ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত ও কার্যক্রম শুরু করে। C) ১৯১৩ সালে — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নাথান কমিশন গঠিত ও রিপোর্ট পেশ করা হয়েছিল, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়নি। D) ১৯০৫ সালে — এই সালে ব্রিটিশ ভারত সরকার কর্তৃক বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়েছিল, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়, সংখ্যাটি মনে রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯২১ মনে রাখুন।
a ইতালি
b গ্রিস
c ভারত
d ইংল্যান্ড
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রিস কেন সঠিক: - খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে গ্রিসের এথেন্স নগররাষ্ট্রে প্রথম প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের প্রচলন শুরু হয়। - প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ও চিন্তাবিদগণ শাসনব্যবস্থায় জনগণের অংশগ্রহণের এই ধারণার সূত্রপাত করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি প্রাচীন রোমান সভ্যতার কেন্দ্র হলেও আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত নয়। C) ভারত — এটি বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ হলেও এখানে গণতন্ত্রের ঐতিহাসিক জন্ম হয়নি। D) ইংল্যান্ড — এখানে সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ পরবর্তীতে ঘটেছে, তবে গণতন্ত্রের আদি জন্মভূমি গ্রিস। মনে রাখার টিপস: গণতন্ত্রের জন্মস্থান মনে রাখতে জি দিয়ে গ্রিস এবং জি দিয়ে গণতন্ত্র কথাটি মনে রাখতে পারো।
a কুয়ালালামপুর
b বেইজিং
c ত্রিপলী
d কায়রো
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: D) কায়রো কেন সঠিক: - তাহরির স্কোয়ার মিশরের রাজধানী কায়রো শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক চত্বর। - ২০১১ সালের আরব বসন্তের সময় এই চত্বরে লাখ লাখ মানুষ জড়ো হয়ে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের পতনের আন্দোলন সফল করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুয়ালালামপুর — এটি মালয়েশিয়ার রাজধানী, যেখানে মারডেকা স্কোয়ার বা স্বাধীনতা চত্বর অবস্থিত, তাহরির স্কোয়ার নয়। B) বেইজিং — এটি চীনের রাজধানী, যেখানে বিখ্যাত তিয়েনানমেন স্কোয়ার অবস্থিত। সি) ত্রিপলী — এটি লিবিয়ার রাজধানী, যেখানে গ্রিন স্কোয়ার বা শহীদ চত্বর অবস্থিত। D) কায়রো — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মিশরের রাজধানী কায়রো শহরেই তাহরির স্কোয়ার অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: তাহরির শব্দের অর্থ মুক্তি; মিশরের কায়রো শহরে মুক্তি আন্দোলনের প্রতীক হলো এই স্কোয়ার।
a জিব্রাল্টার প্রণালী
b পক প্রণালী
c বসফোরাস প্রণালী
d হরমুজ প্রণালী
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বসফোরাস প্রণালী কেন সঠিক: - বসফোরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশকে পৃথক করেছে এবং তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। - এটি একই সঙ্গে কৃষ্ণ সাগর ও মারমারা সাগরকে সংযুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিব্রাল্টার প্রণালী — এটি ইউরোপের স্পেন ও আফ্রিকার মরক্কোকে পৃথক করেছে এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। B) পক প্রণালী — এটি ভারতের তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে এবং বঙ্গোপসাগরকে পক উপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। C) বসফোরাস প্রণালী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) হরমুজ প্রণালী — এটি ওমান ও ইরানকে পৃথক করেছে এবং পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: ইউরোপ ও এশিয়াকে বসফোরাস প্রণালী পৃথক করেছে, এটি মনে রাখতে বসফোরাস শব্দটিকে দুই মহাদেশের সংযোগ সেতু হিসেবে মনে রাখুন।
a হামিদুর রহমান
b শামীম সিকদার
c আমিনুল ইসলাম
d নিতুন কুণ্ডু
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হামিদুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান। - ১৯৫৭ সালে তৎকালীন সরকারের অনুমোদন নিয়ে তাঁর নকশা অনুযায়ী শহীদ মিনারের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুর রহমান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাকার ছিলেন। B) শামীম সিকদার — তিনি বিখ্যাত ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা এবং চারুকলা ইনস্টিটিউটের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের ভাস্কর। C) আমিনুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের শিল্পকলার একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও আধুনিক শিল্প আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। D) নিতুন কুণ্ডু — তিনি বিখ্যাত 'সাবাস বাংলাদেশ' ভাস্কর্য এবং জন্মভূমির স্থপতি ও ডিজাইনার হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের শহীদ মিনার মানেই শিল্পী হামিদুরের রহমান, যা মনে রাখতে শহীদ মিনার ও হামিদুর নামের প্রথম অক্ষর দুটি মেলাতে পারেন।

মোট প্রশ্ন (12)

a ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ
b ২৫ বৈশাখ ১২৮০ বঙ্গাব্দ
c ২৫ বৈশাখ ১২৬০ বঙ্গাব্দ
d উপরের কোনোটিই নয়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ ১. কেন সঠিক: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম বাংলা ১২৬৮ সনের ২৫ বৈশাখ কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ইংরেজি সাল অনুযায়ী তাঁর জন্মতারিখ ১৮৬১ সালের ৭ মে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা যিনি কবিতা, গান, ছোটগল্প ও উপন্যাসে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং এশিয়ার প্রথম নোবেলজয়ী সাহিত্যিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ। ব্যাখ্যা: এটি অন্যান্য বিখ্যাত কবির জন্মতারিখ সংক্রান্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। উদাহরণ ২: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যু ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ। ব্যাখ্যা: কবিদের জন্ম ও মৃত্যুর সাল বা তারিখ বাংলা সাহিত্য অংশে প্রায়ই বহু নির্বাচনী প্রশ্নে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঠিক জন্মতারিখ এবং বঙ্গাব্দ। B) ২৫ বৈশাখ ১২৮০ বঙ্গাব্দ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম হয়নি বরং এটি একটি ভুল ও বিভ্রান্তিকর অপশন। C) ২৫ বৈশাখ ১২৬০ বঙ্গাব্দ — এই সালটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মের সঠিক বঙ্গাব্দের সঙ্গে মিলছে না। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ এবং মৃত্যু ১৩৪১ বঙ্গাব্দের ২২ শ্রাবণ। ইংরেজি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সাতের সাত অর্থাৎ ৭ মে ১৮৬১ সাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের জন্ম ও মৃত্যু তারিখ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা ও ইংরেজি উভয় সন মনে রাখলে যেকোনো ধরনের কনফিউশন এড়ানো সম্ভব।
a মৃত্যুক্ষুধা
b চোখের বালি
c পথের দাবী
d পথের পাচালী
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৃত্যুক্ষুধা কেন সঠিক: - মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - এই উপন্যাসে বাঙালি মুসলিম সমাজের দরিদ্র মানুষের জীবনচিত্র বাস্তবসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি বেশ কিছু সফল উপন্যাসও রচনা করেছেন। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো বাঁধনহারা এবং কুহেলিকা। - বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্বতন্ত্র। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। - B) চোখের বালি — এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। - C) পথের দাবী — এটি কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। - D) পথের পাচালী — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি চিরন্তন গ্রামীণ উপন্যাস। মনে রাখার টিপস: - নজরুলের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা।
a মুমূর্ষ
b মূমূর্ষ
c মুমুর্ষ
d মূমূর্ষ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুমূর্ষ কেন সঠিক: - এই বানানটিতে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব উ-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহৃত হয়েছে। - শব্দটির শেষ বর্ণে রেফ ও মূর্ধন্য ষ সঠিক নিয়মে যুক্ত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বানানের নিয়ম অনুযায়ী ম এর সাথে হ্রস্ব উ-কার এবং ম এর সাথে দীর্ঘ ঊ-কার যুক্ত হয়। - এই বিশেষ শব্দটিতে প্রথমে হ্রস্ব উ এবং পরে দীর্ঘ ঊ লেখার ব্যাকরণগত বিধান রয়েছে। - যেমন মুমূর্ষু শব্দের শুরুর অংশটি এই নিয়মে গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মুমূর্ষ — এটি আসলে সঠিক অপশন এবং প্রশ্নে এটিকেই সঠিক বলা হয়েছে। - B) মূমূর্ষ — প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহারের কারণে এটি ভুল। - C) মুমুর্ষ — সব কটি বর্ণে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের কারণে এটি ভুল। - D) মূমূর্ষ — উভয় বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহারের কারণে এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - ছোট হাতের উ দিয়ে শুরু আর বড় হাতের ঊ দিয়ে মাঝের অংশ মনে রাখতে হবে।
a ১৮০০ সালে
b ১৭৯৯ সালে
c ১৮৩৬ সালে
d ১৮০৪ সালে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০০ সালে ১. কেন সঠিক: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ১০ জুলাই কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি সিভিল সার্ভিসের তরুণ ইংরেজ কর্মকর্তাদের ভারতীয় ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোর জন্য এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই কলেজ বাংলা গদ্যের বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং এর মাধ্যমেই মূলত আধুনিক বাংলা গদ্যের সূচনা হয়। কেরানি তৈরির এই প্রতিষ্ঠানে উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে একটি অনুবাদ বিভাগ ও পন্ডিতবর্গ বাংলা গদ্য চর্চা শুরু করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক বাংলা গদ্য গ্রন্থগুলোর অন্যতম। উদাহরণ ২: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের বাতত্রিশ সিংহাসন ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের দ্বারা রচিত এবং বাংলা গদ্যের আদি রূপের নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮০০ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। B) ১৭৯৯ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১৮৩৬ সালে — এই সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং এর অনেক পরে এর কার্যক্রম পরিবর্তিত হয়। D) ১৮০৪ সালে — এই সালটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে ১৮০০ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা শতকের শুরু বা শূন্যের দশক নির্দেশ করে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠাকাল এবং এর সাথে জড়িত পন্ডিতদের নাম যেমন উইলিয়াম কেরি বা মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের নাম জানতে চাওয়া হয়।
a মনঃক্ষুন্ন
b মনোক্ষুণ্ণ
c মনক্ষুণ্ণ
d মনোক্ষুণ্ণ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মনঃক্ষুন্ন কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গের পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে। এই নিয়মে মনঃ শব্দের সাথে ক্ষুণ্ণ যুক্ত হয়ে মনঃক্ষুন্ন শব্দটি গঠিত হয় এবং এটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুযায়ী অ-কার কিংবা আ-কারের পরে বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে ক বা খ থাকলে বিসর্গ বিসর্গই থেকে যায়। বাংলা ভাষার বানানরীতি ও প্রমিত বানান নিয়মে এই জাতীয় শব্দের ক্ষেত্রে বিসর্গ বর্জন করার কোনো বিধান নেই। যেমন স্বতঃস্ফূর্ত, অহর্নিশ এবং মনঃকষ্ট শব্দগুলোতেও এই বিশেষ ব্যাকরণগত নিয়মটি নিখুঁতভাবে অনুসরণ করা হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) মনোক্ষুণ্ণ — এই বানানে বিসর্গের পরিবর্তে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক সন্ধির নিয়মের পরিপন্থী ও অপ্রমিত। C) মনক্ষুণ্ণ — এই শব্দটিতে প্রয়োজনীয় বিসর্গ চিহ্নটি বর্জন করা হয়েছে যা বানানটিকে সম্পূর্ণভাবে অশুদ্ধ করে তুলেছে। D) মনোক্ষুণ্ণ — এই অপশনটিতেও একই ভুল বারবার চলে এসেছে এবং বিসর্গের বদলে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মনঃ শব্দের সাথে কোনো শব্দ যুক্ত করার সময় বিসর্গ তুলে দিয়ে ও-কার দেওয়া যাবে না। সব সময় মনে রাখতে হবে যে মনঃ এর পর ক্ষুণ্ণ বসলে বিসর্গ ঠিক অবস্থাতেই বজায় থাকে।
a অসমীচীন
b অসমীচিন
c অসমিচিন
d অসমিচীন
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অসমীচীন ১. কেন সঠিক: অসমীচীন শব্দটির বানান প্রমিত বাংলা বানরীতি অনুযায়ী সঠিক কারণ এর গঠনে দীর্ঘ ঈ-কার ও দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী সমাস বা প্রত্যয়যুক্ত বহু শব্দে ই-কার ও উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দ গঠনে উপসর্গ ও প্রত্যয়ের সঠিক প্রয়োগ না জানলে বানরীতিতে ভুল হয়। অসমীচীন শব্দের ক্ষেত্রে আতিশয্য বা অসমীচিনতা বোঝাতে এই দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুষমা ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত ও শুদ্ধ বানানযুক্ত শব্দ যেখানে সঠিক নিয়মে উ-কার ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রতিযোগিতামূলক ব্যাখ্যা: প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য প্রমিত বানান জানা বাধ্যতামূলক যা পরীক্ষার নম্বর বাড়াতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসমীচীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে বাংলা একাডেমি নির্ধারিত প্রমিত বানানরীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। B) অসমীচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এর শেষাংশে দীর্ঘ ঈ-কারের বদলে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) অসমিচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এর প্রথমাংশে দন্ত্য স-এর বদলে তালব্য শ ব্যবহারের নিয়ম না থাকলেও এখানে বানান গঠন ভুল হয়েছে। D) অসমিচীন — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দের শুরুতে বা মাঝের অংশে ভুল বর্ণের ব্যবহার হয়েছে যা প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী। ৫. মনে রাখার টিপস: বানান মনে রাখার জন্য মনে রাখবে যে চীন শব্দের বানানে দীর্ঘ ঈ-কার থাকে এবং অসমীচীন শব্দটির শেষেও দীর্ঘ ঈ-কার বসে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের বানান সহজেই আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বহুবার এসেছে এবং এটি বারবার আসার মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বানান। এই নিয়মের অন্যান্য শব্দ যেমন প্রবীণ ও সমীচীন বানানগুলো ভালোভাবে চর্চা করা উচিত।
a বীভিষিকা
b বিভিষীকা
c বিভীষিকা
d বিভিষিকা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিভীষিকা কেন সঠিক: - এই বানানটিতে প্রথম বর্ণে ই-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘী-কার ব্যবহৃত হয়। - বাংলা বানান নিয়ম অনুযায়ী এর সঠিক রূপটি সি অপশনে রয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বানানের নিয়মে ই-কার এবং দীর্ঘী-কারের সঠিক প্রয়োগ এখানে দেখানো হয়েছে। - সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই শব্দের মূল রূপটি বাংলায় অনুসৃত হয়। - সঠিক রূপ গঠনের জন্য যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার আবশ্যক। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বীভিষিকা — এখানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘী-কার ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। - B) বিভিষীকা — এখানে মূর্ধন্য স এবং দীর্ঘী-কারের অবস্থান ভুল। - D) বিভিষিকা — এখানে দীর্ঘী-কার এবং সঠিক স্বরবর্ণের অভাব রয়েছে। মনে রাখার টিপস: - প্রথমে ছোট ই, পরে বড় ঈ এবং শেষে ক লেখো।
a নিশীথ
b অমানিশা
c আঁধার
d ক ও খ উভয়টি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক ও খ উভয়টি ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে A অপশন চিহ্নিত থাকলেও বাংলা ভাষার আভিধানিক অর্থে 'রাত্রি' শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে 'নিশীথ' এবং 'অমানিশা' উভয়ই সমানভাবে গ্রহণযোগ্য। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে অনেক সময় একাধিক সঠিক অপশন থাকতে পারে, যা এখানে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক বা প্রতিশব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়ে থাকে। রাত্রি বা রাত বোঝাতে প্রমিত বাংলা ভাষায় নিশা, রজনী, যামিনী, নিশীথ এবং অমানিশা শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রজনী ব্যাখ্যা: রজনী শব্দটির অর্থ রাত্রি বা রাত, যা বাংলা কাব্যে ও সাধু ভাষায় বহুল ব্যবহৃত একটি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: যামিনী ব্যাখ্যা: যামিনী হলো রাত্রির আরেকটি চমৎকার সমার্থক শব্দ, যা প্রমিত বাংলায় রাতের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশীথ — এটি রাত্রির একটি সঠিক সমার্থক শব্দ, যা রাতের গভীর সময় বা মধ্যরাতকে নির্দেশ করে। B) অমানিশা — এটিও রাত্রির সঠিক সমার্থক শব্দ, যার অর্থ অমাবস্যার অন্ধকার রাত্রি। C) আঁধার — এটি রাতের বৈশিষ্ট্য হলেও সরাসরি রাত্রির সমার্থক শব্দ নয়, বরং এটি অন্ধকার বা তিমিরের সমার্থক। D) ক ও খ উভয়টি — যেহেতু নিশীথ এবং অমানিশা দুটি শব্দই রাত্রির সমার্থক, তাই এই অপশনটিই সবচেয়ে সঠিক এবং সম্পূর্ণ উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: রাত্রি শব্দটির সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য নিশা, রজনী, যামিনী ও নিশীথ এই চারটি শব্দ একসঙ্গে চর্চা করবে। রাতের গভীর রূপ বোঝাতে নিশীথ এবং অন্ধকার রূপ বোঝাতে অমানিশা ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় সব অপশন ভালোভাবে পড়ে দেখতে হবে। অনেক সময় একাধিক সঠিক অপশন থাকলে পরিপূরক অপশনটি নির্বাচন করতে হয়।
a বারি
b বারিধী
c নীর
d পাণি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বারিধী ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হবে B) বারিধী, কারণ 'বারিধী' বা 'বারিধি' শব্দের অর্থ সমুদ্র, জল নয়। - 'জল' শব্দের সমার্থক শব্দ হলো যা পানি বা জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য, কিন্তু বারিধি মানে জলের আধার বা সমুদ্র। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক শব্দ বা শব্দার্থ প্রকরণ অংশের একটি প্রশ্ন। - বাংলা ভাষায় একই অর্থের অনেক শব্দ থাকে, যেগুলোকে সমার্থক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উদধি ব্যাখ্যা: উদধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, যা জল শব্দের সমার্থক নয়। উদাহরণ ২: অর্ণব ব্যাখ্যা: অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারি — বারি শব্দের অর্থ জল, তাই এটি সঠিক উত্তরের শর্ত পূরণ করে না। B) বারিধী — বারিধী শব্দের অর্থ সমুদ্র, যা জল শব্দের সমার্থক নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) নীর — নীর শব্দের অর্থ জল, তাই এটিও জল শব্দের সমার্থক। D) পাণি — পাণি শব্দের অর্থ জল বা হাত, তাই এটি জল শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে শব্দের শেষে 'ধি' বা 'নিধি' থাকে সাধারণত তার অর্থ সমুদ্র বা ভাণ্ডার বোঝায়, যেমন বারিধি। - সমার্থক শব্দ পড়ার সময় জল এবং সমুদ্রবাচক শব্দের পার্থক্য সবসময় আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জল এবং সমুদ্রবাচক শব্দের পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বারি, নীর, পানি শব্দের অর্থ জল হলেও বারিধি বা উদধি মানে সমুদ্র।
a ভাগ্যবান
b নির্বোধ
c হতভাগ্য
d সুদর্শন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হতভাগ্য ১. কেন সঠিক: - 'আটকপালে' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ হলো পোড়া কপাল বা যার ভাগ্য মন্দ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসা এই বাগধারাটি মূলত দুর্ভাগ্য বা মন্দভাগ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে সংক্ষেপে ও আকর্ষণীয়ভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ নির্বুদ্ধিতার শাস্তি, যা কোনো বোকামি করার পর প্রাপ্ত ফল বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ইঁদুর কপালে ব্যাখ্যা: এর অর্থ মন্দভাগ্য বা যার ভাগ্য খুব খারাপ, যা 'আটকপালে' বাগধারার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাগ্যবান — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'সুদিনের পাখি' বা 'ভাগ্যবান' বোঝাতে অন্য বাগধারা ব্যবহৃত হয়, তাই এটি ভুল। B) নির্বোধ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'গোবর গণেশ' বা 'আকাশ কুসুম' জাতীয় বাগধারা রয়েছে, তাই এটি ভুল। C) হতভাগ্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সুদর্শন — এই শব্দটির অর্থ সুন্দর চেহারা, যা ভাগ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি কোনো বাগধারার অর্থও নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কপাল পোড়া বা মন্দ ভাগ্য বোঝাতে 'আট কপাল', 'অগাধ জলে পড়া' বা 'ইঁদুর কপালে' শব্দগুলো একসঙ্গে মনে রাখতে পারেন। - কপাল শব্দটি দিয়ে দুর্ভাগ্য বোঝানোই এসব বাগধারার মূল বৈশিষ্ট্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ বা ভাগ্য সংক্রান্ত বাগধারাগুলো বারবার আসে। - কপাল, মাথা বা হাত দিয়ে গঠিত বাগধারাগুলোর অর্থ আলাদাভাবে তালিকা করে চর্চা করা উচিত।
a অর্থ কী?
b অনুশীলন
c গুরুচণ্ডালি
d ভূমিকা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূমিকা ১. কেন সঠিক: - 'গৌরচন্দ্রিকা' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা, যার শাব্দিক অর্থ গৌর বা চৈতন্যদেবের বন্দনা এবং প্রবহমান অর্থে মূল কথার অবতারণার আগে অপ্রয়োজনীয় বা দীর্ঘ ভূমিকা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত এই বাগধারাটির প্রচ্ছন্ন বা রূপক অর্থ অর্থাৎ মূল আলোচনার সূচনা বা ভূমিকা বোঝাতেই বেশি ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে এবং ভাষাটিকে সমৃদ্ধ করে তোলে। - বাংলা ব্যাকরণে শব্দার্থের রূপান্তর ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাগধারার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ভাষার প্রকাশভঙ্গিকে আকর্ষণীয় ও সাবলীল করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসল কথা বাদ দিয়ে এত গৌরচন্দ্রিকা না গেয়ে সরাসরি মূল বিষয়ে আসো। ব্যাখ্যা: এখানে মূল কথার আগে অতিরিক্ত ভূমিকা বা লম্বা প্রস্তাবনা করা অর্থে গৌরচন্দ্রিকা ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: কোনো রাখঢাক বা গৌরচন্দ্রিকা না করে তিনি সোজা নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে অপ্রয়োজনীয় সূচনা বা ভূমিকা এড়িয়ে চলার ক্ষেত্রে গৌরচন্দ্রিকা বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থ কী? — এটি সরাসরি কোনো বাগধারার অর্থ নয় বরং একটি প্রশ্নবোধক বাক্য যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) অনুশীলন — এর অর্থ চর্চা বা চর্চা করা, যা গৌরচন্দ্রিকা বাগধারার প্রস্তাবনা বা ভূমিকার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) গুরুচণ্ডালি — এটি একটি ব্যাকরণগত দোষ যেখানে তৎসম ও তদ্ভব শব্দের অবৈজ্ঞানিক মিশ্রণ ঘটে, বাগধারার অর্থের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) ভূমিকা — এটি সঠিক কারণ গৌরচন্দ্রিকা বাগধারাটি মূল আলোচনার পূর্বপ্রস্তুতি বা সূচনা অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো অনুষ্ঠানে মূল গায়ক আসার আগে যেমন বন্দনা বা ভূমিকা গাওয়া হয়, তেমনি বক্তব্যের শুরুতে অপ্রয়োজনীয় ভূমিকা বোঝাতে গৌরচন্দ্রিকা মনে রাখবে। - গৌরাঙ্গ বা চৈতন্যদেবের বন্দনা থেকে এই কথার সূত্রপাত হয়েছে বলে একে সূচনার সমার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস বা রূপক অর্থ প্রায়ই আসে, তাই আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে ভাবার্থ মনে রাখতে হবে। - একই ধরনের অন্যান্য বাগধারা যেমন বিড়াল তপস্বী বা কুম্ভীরাশ্রু ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a কাব্যগ্রন্থ
b নাটক
c উপন্যাস
d যবনিকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: 'শেষের কবিতা' একটি বিখ্যাত উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এটি ১৯২৯ সালে রচনা করেন যা বাংলা সাহিত্যে একটি আধুনিক রোমান্টিক উপন্যাস হিসেবে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও দার্শনিক। 'শেষের কবিতা' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত রায় ও লাবণ্য সেন যারা প্রেম ও বুদ্ধিবৃত্তিক তর্কের মধ্য দিয়ে আধুনিক সম্পর্কের এক নতুন রূপ তুলে ধরেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'চোখের বালি' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: 'গোরা' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রেষ্ঠ সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যগ্রন্থ — শেষের কবিতা নামের মাঝে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং একটি গদ্য উপন্যাস। B) নাটক — এটি কোনো নাটক বা মঞ্চস্থ করার উপযোগী দৃশ্যকাব্য নয়, এটি পঠিত ও মূল্যায়িত হয় উপন্যাস হিসেবে। C) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অনন্য উপন্যাস। D) যবনিকা — যবনিকা কোনো ধরনের গ্রন্থ বা সাহিত্যকর্মের নাম নয়, এটি নাটক বা মঞ্চের পর্দা অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নামে কবিতা থাকলেও শেষের কবিতা আসলে উপন্যাস। রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতা উপন্যাসের নায়ক অমিত রায় একজন ব্যারিস্টার। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে শেষের কবিতা কোন ধরণের রচনা। এটি মনে রাখতে হবে যে নামের বিভ্রান্তিতে না পড়ে একে উপন্যাস হিসেবে দাগাতে হবে।

মোট প্রশ্ন (8)

a with
b against
c for
d মহাকাব্য
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) with কেন সঠিক: ১. ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী অপরাধ বোঝাতে charge শব্দের পরে সর্বদা with প্রিপজিশন বসে। ২. এখানে খুন বা হত্যার অভিযোগ আনার ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয় না। ৩. নির্দিষ্ট শব্দগুচ্ছ বা Fixed Preposition-এর নিয়ম মেনে এখানে সঠিক উত্তরটি with নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) against — অভিযোগের ক্ষেত্রে against ব্যবহার করা হলেও charge শব্দের সাথে এটি বসে না। C) for — অপরাধের কারণ বোঝাতে for ব্যবহার করা যায়, কিন্তু এটি charge-এর সাথে বসে সঠিক অর্থ দেয় না। D) মহাকাব্য — এটি কোনো প্রিপজিশন নয় এবং এই বাক্যের সাথে এর কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: কারونর বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগ আনা হলে always Charged with বলতে হয়।
a to
b after
c with
d into
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: Adjacent শব্দের অর্থ সংলগ্ন বা কাছাকাছি। এর পরে সাধারণত নির্দিষ্ট preposition হিসেবে to বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর। B) after — এটি পরে অর্থে বসে যা adjacent শব্দের সাথে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। C) with — এটি সাথে অর্থে বসে কিন্তু adjacent এর পরে এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) into — এটি ভেতরে প্রবেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: Adjacent শব্দটি পেলেই চোখ বন্ধ করে to বসিয়ে দেবে কারণ এদের একটি স্থায়ী জুটি আছে।
a regularly
b walk to and fro
c irregularly
d within
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) irregularly কেন সঠিক: 'By fits and starts' একটি প্রবাদ যার অর্থ হলো অনিয়মিতভাবে বা থেমে থেমে কোনো কাজ করা। এটি এমন একটি অবস্থাকে বোঝায় যা নিয়মিতভাবে ঘটে না। অনিয়মিত কাজের ক্ষেত্রে এই ইডিয়ম ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) regularly — এর অর্থ নিয়মিতভাবে, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। B) walk to and fro — এর অর্থ এদিক-সেদিক হাঁটা, যা ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না। C) irregularly — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। D) within — এর অর্থ ভেতরে, যার সাথে প্রশ্নগত অর্থের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: ফিট মানে হঠাৎ জ্বলে ওঠা এবং স্টার্ট মানে শুরু, তাই হুটহাট বা থেমে থেমে কাজ করা বোঝালে এই ফ্রেজটি মনে রাখবে।
a Philanthropist
b Misanthropist
c Humanitarian
d recklessly
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Misanthropist কেন সঠিক: Misanthropist শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ 'mises' (ঘৃণা করা) এবং 'anthropos' (মানুষ) থেকে। এর অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি যিনি মানবজাতিকে ঘৃণা করেন বা মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলেন। প্রশ্নটিতে 'A hater of mankind' এর এককথায় প্রকাশ চাওয়া হয়েছে। তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Philanthropist — এর অর্থ মানবহিতৈষী বা যিনি মানবজাতির কল্যাণ করেন। এটি সঠিক উত্তরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Misanthropist — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) Humanitarian — এর অর্থ মানবতাবাদী যিনি মানুষের অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করেন। এটিও হ্রণা করার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) recklessly — এটি একটি adverb যার অর্থ বেপরোয়াভাবে। এটি কোনো মানুষ বা বিশেষ শব্দগুচ্ছের এককথায় প্রকাশ নয়। মনে রাখার টিপস: 'Phil' মানে ভালোবাসা এবং 'Mis' মানে ঘৃণা করা। আর 'anthrop' হলো মানুষ সংক্রান্ত, তাই Misanthropist মানে মানবদ্বেষী।
a George Bernard Shaw
b William Shakespeare
c T.S. Eliot
d Hatred
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Shakespeare কেন সঠিক: - 'The Merchant of Venice' বিশ্ববিখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা একটি জনপ্রিয় নাটক। - এটি তাঁর অন্যতম সেরা রোমান্টিক কমেডি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। - তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকাভুক্ত একটি নাটক এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) George Bernard Shaw — তিনি আধুনিক যুগের একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ছিলেন যিনি শেক্সপিয়ারের যুগে জন্ম নেননি। B) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) T.S. Eliot — তিনি মূলত বিশ শতকের একজন বিখ্যাত আধুনিক কবি ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন। D) Hatred — এটি কোনো ব্যক্তির নাম বা নাট্যকার নয়, এটি একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ ঘৃণা। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটকগুলো মনে রাখতে তাঁর প্রেমের ও প্রতিশোধের নাটকগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে পারো।
a Foxen
b Vixen
c Female Fox
d Christopher Marlowe
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Vixen কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরুষবাচক শব্দ ফক্স এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো ভিক্সেন। এটি একটি নির্দিষ্ট এবং প্রমিত শব্দ যা শেয়াল বা খেঁকশিয়ালের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Foxen — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে এটি সম্পূর্ণ ভুল। B) Vixen — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Female Fox — এটি ব্যবহার করা গেলেও ব্যাকরণের দিক থেকে এটি সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ নয়। D) Christopher Marlowe — এটি একজন বিখ্যাত ইংরেজি নাট্যকারের নাম এবং এর সাথে লিঙ্গ পরিবর্তনের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: শেয়ালের ক্ষেত্রে ফক্স এবং ভিক্সেন জোড়াটি মনে রাখা খুব সহজ।
a to
b for
c with
d None of the above
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: - Sentence শব্দের অর্থ সাজা প্রদান করা এবং এর সাথে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে to বসে। - Sentence to death অর্থ মৃত্যুদণ্ড দেওয়া, যা অপরাধের শাস্তির ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক কারণ Sentence শব্দের পর মৃত্যু দণ্ডের ক্ষেত্রে প্রিপজিশন হিসেবে to বসে। B) for — এটি ভুল কারণ Sentence শব্দের পর উদ্দেশ্য বোঝাতে for বসে না, এখানে শাস্তির প্রাপক বা ধরন বোঝাতে to বসে। C) with — এটি ভুল কারণ Sentence-এর সাথে with প্রিপজিশন ব্যবহার করলে অর্থ সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে যায় যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) None of the above — এটি ভুল কারণ অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর A তে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: মৃত্যুদণ্ড বা শাস্তির আদেশ বোঝাতে Sentence শব্দের সাথে সর্বদা to প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a Impatient
b Dispatient
c Inpatient
d after
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Impatient কেন সঠিক: Patient শব্দের অর্থ ধৈর্যশীল এবং এর বিপরীতার্থক শব্দ গঠনের জন্য সাধারণত Im উপসর্গ যুক্ত করা হয়। তাই Patient এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো Impatient যার অর্থ অধৈর্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Impatient — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) Dispatient — ইংরেজী ভাষায় এমন কোনো শব্দ সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। C) Inpatient — এর অর্থ হাসপাতালের অন্তর্বিভাগীয় রোগী, যা বিপরীত শব্দ নয়। D) after — এটি একটি প্রিপজিশন বা অব্যয়, যার অর্থ পরে এবং এটি কোনো বিপরীত শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ Patient এর বিপরীত শব্দ তৈরির সময় সাধারণ নিয়মে Im প্রিফিক্স যুক্ত করে Impatient বানাতে হয়।

মোট প্রশ্ন (10)

a ১০% বৃদ্ধি
b ৮% বৃদ্ধি
c ১২% বৃদ্ধি
d ৮% হ্রাস
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮% বৃদ্ধি প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য কুড়ি শতাংশ বৃদ্ধি পায় প্রস্থ দশ শতাংশ হ্রাস পায় ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রাথমিক দৈর্ঘ্য = ১০০ একক প্রাথমিক প্রস্থ = ১০০ একক অতএব, প্রাথমিক ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক পরিবর্তন পরবর্তী দৈর্ঘ্য = ১২০ একক পরিবর্তন পরবর্তী প্রস্থ = ৯০ একক সুতরাং, পরিবর্তিত ক্ষেত্রফল = ১২০ × ৯০ = ১০৮০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফলের পরিবর্তন = ১০৮০০ − ১০০০০ = ৮০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় আট শতাংশ
a 12
b 8
c 10
d 15
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৪x² − px + ৯ তুলনা করে পাই: প্রথম পদটি একটি পূর্ণবর্গ এবং শেষ পদটি একটি পূর্ণবর্গ প্রথম পদটিকে লেখা যায় (২x)² এবং শেষ পদটিকে লেখা যায় (৩)² ধরি, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী পূর্ণবর্গের নিয়মটি প্রয়োগ করতে হবে এখানে মধ্যপদটি হবে দুই গুণ প্রথম পদের বর্গমূল গুণ শেষ পদের বর্গমূল অতএব, মধ্যপদ px সমান হবে দুই গুণ (২x) গুণ (৩) হিসাব করলে পাই px সমান ১২x সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে x বাদ দিলে p এর মান পাওয়া যায় বারো উত্তর: ১২
a 3abc
b 3a²b²c²
c 12abc
d উপরের কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 3abc প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a + b + c = ০ ধরি, a + b = −c অতএব, উভয় পক্ষে ঘন করে পাই, (a + b)^৩ = (−c)^৩ সুতরাং, a^৩ + b^৩ + ৩ab(a + b) = −c^৩ a^৩ + b^৩ + ৩ab(−c) = −c^৩ উত্তর: a^৩ + b^৩ + c^৩ = ৩abc
a ২৪ সেকেন্ড
b ২০ সেকেন্ড
c ৪০ সেকেন্ড
d উপরের কোনোটিই নয়
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ সেকেন্ড প্রদত্ত তথ্য: ট্রেনের গতিবেগ = ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ১০০ মিটার প্লাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ৩০০ মিটার ধরি, মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + প্লাটফর্মের দৈর্ঘ্য মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ১০০ মিটার + ৩০০ মিটার = ৪০০ মিটার অতএব, ট্রেনের গতিবেগ মিটার প্রতি সেকেন্ডে বের করতে হবে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার = (৬০ × ১০০০ মিটার) ÷ ৩৬০০ সেকেন্ড সুতরাং, ট্রেনের গতিবেগ = ৬০০০০ ÷ ৩৬০০ মিটার প্রতি সেকেন্ড = ৫০ ÷ ৩ মিটার প্রতি সেকেন্ড উত্তর: সময় = মোট দূরত্ব ÷ গতিবেগ = ৪০০ ÷ (৫০ ÷ ৩) = ২৪ সেকেন্ড
a ২.৫৪ সেন্টিমিটার
b ২.০২ সেন্টিমিটার
c ৩.৭৩ সেন্টিমিটার
d ১.৩৭ সেন্টিমিটার
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২.৫৪ সেন্টিমিটার প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক ইঞ্চি ও সেন্টিমিটারের সম্পর্ক ধরি, আন্তর্জাতিক আদর্শ মান অনুযায়ী ১ ইঞ্চির সঠিক মাপ নির্ধারণ করা হয় অতএব, ১ ইঞ্চি সমান ঠিক শূন্য দশমিক শূন্য দুই পাঁচ চার মিটার ধরা হয় সুতরাং, মিটারকে সেন্টিমিটারে রূপান্তর করলে মান পাওয়া যায় উত্তর: ২.৫৪ সেন্টিমিটার
a ৪৫ ডিগ্রি
b ৫৫ ডিগ্রি
c ৬৫ ডিগ্রি
d ৩৫ ডিগ্রি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৫ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের দুটি সন্নিহিত কোণ দেওয়া আছে একটি কোণের মান ১১৫ ডিগ্রি ধরি, সামান্তরিকের প্রথম সন্নিহিত কোণ = ১১৫ ডিগ্রি সামান্তরিকের অপর সন্নিহিত কোণটি ক ডিগ্রি অতএব, সামান্তরিকের দুটি সন্নিহিত কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ১১৫ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি − ১১৫ ডিগ্রি উত্তর: ৬৫ ডিগ্রি
a 18
b 24
c 12
d 16
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮ প্রدত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x + (১ / x) = ৩ ধরি, a = x এবং b = (১ / x) প্রদত্ত মান হলো a + b = ৩ অতএব, বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী ঘন নির্ণয় করতে হবে আমরা জানি, (a + b)³ = a³ + b³ + ৩ab(a + b) সুতরাং, x³ + (১ / x)³ = (x + (১ / x))³ − ৩ × (x × (১ / x)) × (x + (১ / x)) উত্তর: ১৮
a ২৫ বার
b ৩০ বার
c ১৫ বার
d কোনোটিই নয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: চাকার ব্যাস = ৪.২ মিটার অতিক্রান্ত মোট পথ = ৩০০ মিটার ধরি, চাকার পরিধি = পাই × ব্যাস পাই এর মান = ২২ ভাগ ৭ অতএব, চাকার পরিধি = (২২ ভাগ ৭) × ৪.২ মিটার চাকার পরিধি = ১৩.২ মিটার সুতরাং, চাকার ঘোরার সংখ্যা = ৩০০ ভাগ ১৩.২ উত্তর: ২২.৭৩ বার (প্রায়)
a ৯ মিটার
b ১২ মিটার
c ১৫ মিটার
d কোনোটিই নয়
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ মিটার প্রদত্ত তথ্য: মইয়ের দৈর্ঘ্য = ১৮ মিটার ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০° ধরি, দেয়ালের উচ্চতা = h মিটার অতএব, sin(৩০°) = দেয়ালের উচ্চতা ÷ মইয়ের দৈর্ঘ্য sin(৩০°) = h ÷ ১৮ সুতরাং, ১ ÷ ২ = h ÷ ১৮ উত্তর: h = ৯ মিটার
a ৫০% লাভ
b ৩৫% লাভ
c ২৫% লাভ
d কোনোটিই নয়
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০% লাভ প্রদত্ত তথ্য: ১০ টাকায় কেনে ১২টি জিনিস ১০ টাকায় বিক্রি করে ৮টি জিনিস ধরি, মোট ক্রয় করা ও বিক্রয়ের পরিমাণ = ২৪টি জিনিস (১২ ও ৮ এর লসাগু) অতএব, ১২টির দাম ১০ টাকা হলে, ২৪টির ক্রয়মূল্য = ১০ × (২৪ ÷ ১২) = ২০ টাকা ৮টির দাম ১০ টাকা হলে, ২৪টির বিক্রয়মূল্য = ১০ × (২৪ ÷ ৮) = ৩০ টাকা সুতরাং, লাভ হলো = ৩০ − ২০ = ১০ টাকা উত্তর: শতকরা লাভ = (১০ ÷ ২০) × ১০০% = ৫০% লাভ

মোট প্রশ্ন (39)

a বেরিং প্রণালী
b সুয়েজ খাল
c বসফোরাস প্রণালী
d পানামা খাল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পানামা খাল কেন সঠিক: - পানামা খাল উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে পৃথক করেছে। - এটি প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্তকারী একটি কৃত্রিম জলপথ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেরিং প্রণালী — এটি এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে। B) সুয়েজ খাল — এটি এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে সংযুক্ত ও পৃথক করেছে। C) বসফোরাস প্রণালী — এটি ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশকে পৃথক করেছে। D) পানামা খাল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকাকে বিচ্ছিন্ন করেছে। মনে রাখার টিপস: আমেরিকা মহাদেশ দুটিকে বিভক্ত করেছে পানামা খাল, আর এশিয়া ও আফ্রিকাকে বিভক্ত করেছে সুয়েজ খাল।
a মহেশখালি
b নারিকেল জিঞ্জিরা
c কুতুবদিয়া
d মনপুরা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহেশখালি কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়বিশিষ্ট দ্বীপ, যা কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। - এই দ্বীপে আদিনাথ মন্দিরসহ ছোট-বড় বেশ কিছু পাহাড়ি টিলা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহেশখালি — এটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) নারিকেল জিঞ্জিরা — এটি সেন্টমার্টিন দ্বীপের অপর নাম এবং এটি একটি প্রবাল দ্বীপ, পাহাড়ি দ্বীপ নয়। C) কুতুবদিয়া — এটি একটি নিচু উপকূলীয় দ্বীপ, যেখানে কোনো পাহাড় বা পাহাড়ি টিলা নেই। D) মনপুরা — এটি ভোলা জেলায় অবস্থিত একটি সমতল দ্বীপ, যা নদী ও সাগর দ্বারা বেষ্টিত। মনে রাখার টিপস: মহেশখালীর 'ম' দিয়ে মনে রাখতে পারেন একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ 'মহেশখালি'।
a ২০০ নটিক্যাল মাইল
b ২৫০ নটিক্যাল মাইল
c ৭০ নটিক্যাল মাইল
d ১০০ নটিক্যাল মাইল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০০ নটিক্যাল মাইল কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত দূরত্বকে অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা বা ইইজেড বলা হয়। - এই সীমার মধ্যে থাকা সকল অর্থনৈতিক সম্পদের ওপর সংশ্লিষ্ট দেশের সার্বভৌম অধিকার থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০ নটিক্যাল মাইল — এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার সঠিক পরিমাপ। B) ২৫০ নটিক্যাল মাইল — এটি কোনো স্বীকৃত সমুদ্রসীমার মাপ নয়। C) ৭০ নটিক্যাল মাইল — এই মাপটি বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ডি) ১০০ নটিক্যাল মাইল — এটি আঞ্চলিক জলসীমা বা অর্থনৈতিক সীমার সঠিক মাপ নয়। মনে রাখার টিপস: অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার ক্ষেত্রে সংখ্যাটি মনে রাখবে দুইশো বা ২০০ নটিক্যাল মাইল।
a ৫জুন
b ১৮ জানুয়ারি
c ২৩ জুন
d ২৫ ডিসেম্বর
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ জুন কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - ওই সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ জুন — এই দিনটি প্রতি বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। B) ১৮ জানুয়ারি — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয় না। C) ২৩ জুন — এই তারিখটি বিশ্ব পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস। D) ২৫ ডিসেম্বর — এই দিনটি খ্রিষ্টধর্মের অনুসারীদের বড়দিন হিসেবে পালিত হয়। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে আমরা যেন সবসময় ৫ জনে মিলে হাত মেলাই, এভাবে ৫ জুন মনে রাখা যায়।
a ৯২তম
b ৯৪ তম
c ৯০তম
d ৮৮তম
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৪ তম কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। - জন্মসাল ১৯২০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত হিসাব করলে ২০১৪ সালে তাঁর ৯৪তম জন্মবার্ষিকী হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯২তম — এটি ভুল কারণ ১৯২০ থেকে হিসাব করলে ২০১৪ সালে বয়স ৯২ বছর হয় না। B) ৯৪ তম — এটি সঠিক এবং ঐতিহাসিক সাল গণনার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। C) ৯০তম — এটি ভুল কারণ এই গণনায় জন্মসাল ও বর্তমান সালের ব্যবধান কম ধরা হয়েছে। D) ৮৮তম — এটি ভুল কারণ এটি ২০১৪ সালের সঠিক জন্মবার্ষিকীর হিসাবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্মসাল ১৯২০ সাল থেকে যে সালের জন্মবার্ষিকী চাওয়া হবে সেই সাল বিয়োগ করে এক যোগ করলেই সঠিক জন্মবার্ষিকী পাওয়া যাবে।
a ১৮তম
b ১৯তম
c ২০তম
d ২১তম
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০তম কেন সঠিক: - এডভোকেট আবদুল হামিদ ২০১৩ সালের চব্বিশে এপ্রিল বাংলাদেশের বিংশ বা কুড়ি তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। - তিনি সংবিধানের বিধান অনুযায়ী টানা দুই মেয়াদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮তম — জিল্লুর রহমান বাংলাদেশের ঊনবিংশতম রাষ্ট্রপতি ছিলেন, অষ্টাদশতম নন। B) ১৯তম — প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মো Zillur Rahman ছিলেন বাংলাদেশের ঊনবিংশ বা উনিশতম রাষ্ট্রপতি। D) ২১তম — আবদুল হামিদের পর মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের একবিংশ বা একুশতম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। মনে রাখার টিপস: আবদুল হামিদ ছিলেন বাংলাদেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি এবং তিনি দুই মেয়াদে এই পদে আসীন ছিলেন।
a মৎস্য চাষ
b রেশম চাষ
c মৌমাছি চাষ
d বৃক্ষ চাষ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌমাছি চাষ কেন সঠিক: - এপিকালচার (Apiculture) বলতে বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন এবং মধু ও মোম উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে বোঝায়। - এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির একটি শাখা যার মাধ্যমে মৌমাছির কৃত্রিম উপায়ে পরিচর্যা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৎস্য চাষ — মৎস্য চাষকে বলা হয় পিসিকালচার (Pisciculture), যা জলজ প্রাণী ও মাছ উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত। B) রেশম চাষ — রেশম চাষকে বলা হয় সেরিকালচার (Sericulture), যা রেশম পোকা পালনের সাথে যুক্ত। C) মৌমাছি চাষ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর বৈজ্ঞানিক পরিভাষা হলো এপিকালচার। D) বৃক্ষ চাষ — বৃক্ষ বা বন সৃজন এবং পরিচর্যাকে বলা হয় সিলভিকালচার (Silviculture)। মনে রাখার টিপস: মৌমাছির ইংরেজি অ্যাপিস (Apis) থেকে এপিকালচার শব্দটি এসেছে, যা মনে রাখলেই মৌমাছি চাষ সহজে চেনা যায়।
a ১ নং সেক্টর
b ১১ নং সেক্টর
c ৯ নং সেক্টর
d ৩ নং সেক্টর
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ নং সেক্টর কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং চট্টগ্রাম অঞ্চল ১ নং সেক্টরের আওতাধীন ছিল। - চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ফেনী নদীর অববাহিকা পর্যন্ত এলাকা ১ নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ নং সেক্টর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ চট্টগ্রাম ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল এই সেক্টরের অধীন পরিচালিত হয়েছিল। B) ১১ নং সেক্টর — এটি সঠিক নয়, কারণ ১১ নং সেক্টর গঠিত হয়েছিল ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চল নিয়ে। C) ৯ নং সেক্টর — এটি সঠিক নয়, কারণ ৯ নং সেক্টর গঠিত হয়েছিল বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা ও সাতক্ষীরা অঞ্চল নিয়ে। D) ৩ নং সেক্টর — এটি সঠিক নয়, কারণ ৩ নং সেক্টর গঠিত হয়েছিল হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং নারায়ণগঞ্জ অঞ্চল নিয়ে। মনে রাখার টিপস: চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশের প্রথম যোগাযোগ শুরু হয়, তাই মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেও চট্টগ্রাম ১ নম্বর সেক্টরে ছিল।
a বঙ্গভবন
b উত্তরা গণভবন
c গণভবন
d সংসদ ভবন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গভবন কেন সঠিক: - বঙ্গভবন হলো বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়। - এটি রাজধানী ঢাকার দিলকুশা এলাকায় অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গভবন — এটি রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন হওয়ায় সঠিক উত্তর। B) উত্তরা গণভবন — এটি নাটোর জেলায় অবস্থিত নাটোরের রাজবাড়ি এবং সরকারের উত্তরবঙ্গের সরকারি বাসভবন। C) গণভবন — এটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন। D) সংসদ ভবন — এটি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ বা আইনসভার ভবন। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রপতির বাসভবন 'বঙ্গভবন' এবং প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন 'গণভবন'।
a ২১%
b ৩০%
c ৭৮.০৯%
d ৫%
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১% কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণ থাকে যার মধ্যে অক্সিজেনের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থায় শতকরা একুশ ভাগ। - জীবকুলের শ্বাসকার্য এবং দহন প্রক্রিয়ার জন্য এই নির্দিষ্ট মাত্রার অক্সিজেন অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১% — এটি বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের সঠিক শতকরা পরিমাণ যা পরীক্ষিত ও প্রমাণিত। B) ৩০% — এটি বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের স্বাভাবিক পরিমাণ নয় বরং এটি একটি অতিরিক্ত বা কাল্পনিক মান। C) ৭৮.০৯% — এটি বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা নাইট্রোজেন গ্যাসের শতকরা হার। D) ৫% — এটি বায়ুমণ্ডলে বিদ্যমান কোনো প্রধান গ্যাসের শতকরা পরিমাণ নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলো মনে রাখতে নাইট্রোজেন ৭৮% এবং অক্সিজেন ২১% এই দুটি প্রধান সংখ্যা মনে রাখলেই চলে।
a জাপান
b ইসরাইল
c ইন্দোনেশিয়া
d ডেনমার্ক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাপান কেন সঠিক: - জাপানের আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও ঐতিহাসিক নাম হলো ডায়েট। - এটি একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা যা প্রতিনিধি পরিষদ এবং উচ্চকক্ষ বা কাউন্সিলরস সভা নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ দেশটির আইনসভার নাম ডায়েট। B) ইসরাইল — ইসরাইলের আইনসভার নাম নেসেট, যা ডায়েট নয়। C) ইন্দোনেশিয়া — ইন্দোনেশিয়ার আইনসভার নাম গণ পরামর্শক সভা বা ডিপিআর, যা ডায়েট নয়। D) ডেনমার্ক — ডেনমার্কের আইনসভার নাম ফকেটিং, যা ডায়েট নয়। মনে রাখার টিপস: জাপানিরা ডায়েট মেনে সুস্থ থাকে, এভাবে মনে রাখতে পারেন জাপানের পার্লামেন্টের নাম ডায়েট।
a এইডস
b যক্ষ্মা
c বসন্ত
d None of the above
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এইডস কেন সঠিক: - এইডস মূলত রক্ত, বীর্য বা অন্যান্য শারীরিক তরলের প্রত্যক্ষ বিনিময়ের মাধ্যমে ছড়ায়, যা সাধারণ ছোঁয়াচে বা বায়ুবাহিত রোগ নয়। - এটি হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস বা এইচআইভি দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ, যা হাঁচি, কাশি বা সাধারণ ছোঁয়ায় ছড়ায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এইডস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এইডস কোনো সাধারণ ছোঁয়াচে রোগ নয়। B) যক্ষ্মা — এটি একটি বায়ুবাহিত ছোঁয়াচে রোগ, যা আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে সহজেই ছড়ায়। C) বসন্ত — এটি একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা ত্বক বা বাতাসের মাধ্যমে সহজেই একজনের থেকে অন্যজনে ছড়ায়। D) None of the above — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: এইডস হলো রক্ত ও শারীরিক তরলবাহিত রোগ, যা সাধারণ সংস্পর্শ বা ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হয় না।
a Compressed Natural Gas
b Carbonated Nitrogen Gas
c Complete Natural Gas
d None of the abvoe
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Compressed Natural Gas কেন সঠিক: - পরিবেশবান্ধব যানবহনে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক গ্যাসকে উচ্চ চাপে সংকুচিত করে সিলিন্ডারে সংরক্ষণ করা হয়। - এই গ্যাস প্রযুক্তির পূর্ণরূপ হলো কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Compressed Natural Gas — এটি সঠিক উত্তর কারণ গ্যাসকে সংকুচিত করে সিলিন্ডারে ভরা হয়। B) Carbonated Nitrogen Gas — কার্বনেটেড নাইট্রোজেন গ্যাস কোনো বৈজ্ঞানিক বা প্রযুক্তিগত নাম নয়। C) Complete Natural Gas — এটি পূর্ণরূপের ক্ষেত্রে একটি ভুল ও মনগড়া শব্দপ্রয়োগ। D) None of the abvoe — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সিএনজি মানেই হলো সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস, যেখানে Compressed শব্দের অর্থ সংকুচিত এবং Natural Gas অর্থ প্রাকৃতিক গ্যাস।
a ইখেন
b মিথেন
c প্রোপেন
d নাইট্রোজেন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মিথেন কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক গ্যাসে প্রধানত হালকা হাইড্রোকার্বন থাকে, যার মধ্যে মিথেনের পরিমাণ প্রায় শতকরা পচাানব্বই ভাগ। - এটি গন্ধহীন এবং দাহ্য পদার্থ হওয়ায় শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইখেন — এটি কোনো আদর্শ রাসায়নিক যৌগ নয় এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদানও নয়। B) মিথেন — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান। C) প্রোপেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের সামান্য পরিমাণে থাকতে পারে, তবে প্রধান উপাদান নয়। D) নাইট্রোজেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি মিশ্রণ উপাদান হতে পারে, কিন্তু প্রধান উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক গ্যাস বললেই মিথেনের নাম মনে রাখবে কারণ গ্যাসের শতকরা পচাানব্বই ভাগই মিথেন।
a আলফ্রেড নোবেল
b ওপেনহেইমার
c আলবার্ট আইনস্টাইন
d রাদারফোর্ড
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ওপেনহেইমার কেন সঠিক: - জুলিয়াস রবার্ট ওপেনহেইমারকে ম্যানহাটন প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক পরিচালক হিসেবে পারমাণবিক বোমা তৈরির মূল রূপকার বা জনক বলা হয়। - তাঁর নেতৃত্বে ১৯৪৫ সালে প্রথম সফল পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলফ্রেড নোবেল — তিনি ডিনামাইট আবিষ্কার করেছিলেন, পারমাণবিক বোমা নয়। B) ওপেনহেইমার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) আলবার্ট আইনস্টাইন — তিনি আপেক্ষিকতার তত্ত্ব এবং পারমাণবিক শক্তির সমীকরণ দিলেও বোমা আবিষ্কার করেননি। D) রাদারফোর্ড — তিনি পরমাণুর নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেছিলেন, তবে পারমাণবিক বোমা তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: ওপেনহেইমার নামটির সঙ্গে 'হেইম' বা বোমা তৈরির মূল কারিগর হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
a লোহিতকণিকা
b শ্বেতকণিকা
c লিউকোপ্লাস্ট
d বেসোফিল
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লিউকোপ্লাস্ট কেন সঠিক: - মানবদেহের রক্ত প্রধানত রক্তরস এবং রক্তকণিকা এই দুই ভাগে বিভক্ত। - রক্তকণিকা তিন প্রকার যথা লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অনুচক্রিকা, কিন্তু লিউকোপ্লাস্ট উদ্ভিদের প্লাস্টিডের একটি প্রকার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লোহিতকণিকা — এটি রক্তের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা মানবদেহে অক্সিজেন পরিবহন করে। B) শ্বেতকণিকা — এটি রক্তের একটি উপাদান যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করে। C) লিউকোপ্লাস্ট — এটি রক্তের উপাদান নয়, বরং উদ্ভিদের বর্ণহীন প্লাস্টিড যা খাদ্য সঞ্চয় করে। D) বেসোফিল — এটি এক প্রকার শ্বেত রক্তকণিকা, তাই এটি রক্তের একটি উপাদান। মনে রাখার টিপস: রক্তে থাকে লোহিত, শ্বেত ও অনুচক্রিকা, আর লিউকোপ্লাস্ট হলো উদ্ভিদের বর্ণহীন প্লাস্টিড।
a বাদুর
b প্লাটিপাস
c কোয়ালা
d তিমি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্লাটিপাস কেন সঠিক: - প্লাটিপাস মোনোট্রিম গোত্রের স্তন্যপায়ী প্রাণী যারা সরাসরি বাচ্চা প্রসব না করে ডিম পাড়ে। - ডিম ফোটার পর এরা মায়ের শরীর থেকে নিঃসৃত দুধ পান করে বড় হয়, যা স্তন্যপায়ী প্রাণীর প্রধান বৈশিষ্ট্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাদুর — বাদুর স্তন্যপায়ী প্রাণী হলেও এরা ডিম পাড়ে না, বরং সরাসরি পূর্ণাঙ্গ বাচ্চা প্রসব করে। B) প্লাটিপাস — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) কোয়ালা — কোয়ালা একটি মারসুপিয়াল বা থুগে স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা বাচ্চা প্রসব করে এবং থলিতে লালনপালন করে। D) তিমি — তিমি জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী হলেও এরা ডিম পাড়ে না, সরাসরি বাচ্চা প্রসব করে। মনে রাখার টিপস: প্লাটিপাস এবং একিডনা হলো ব্যতিক্রমী দুটি স্তন্যপায়ী প্রাণী যারা ডিম পাড়ে।
a ১০০ ডিগ্রি
b ১৮০ ডিগ্রি
c ২১২ ডিগ্রি
d কোনোটিই নয়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১২ ডিগ্রি কেন সঠিক: - সেলসিয়াস স্কেলের একশ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ফারেনহাইট স্কেলে দুইশ বারো ডিগ্রি ফারেনহাইট এর সমান হয়। - পানি সাধারণত স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডীয় চাপে দুইশ বারো ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ ডিগ্রি — এটি সেলসিয়াস স্কেলে পানির স্ফুটনাঙ্ক, ফারেনহাইট স্কেলে নয়। B) ১৮০ ডিগ্রি — এটি সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যকার মৌলিক ব্যবধান বা ঘরের সংখ্যা নির্দেশ করে। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি সি অপশনে থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: সেলসিয়াসের ১০০ ডিগ্রি মানেই ফারেনহাইট স্কেলের ২১২ ডিগ্রি।
a ক্যারোটিন
b হিমোগ্লোবিন
c মেলানিন
d থায়াসিন
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেলানিন কেন সঠিক: - মেলানিন হলো এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ যা মানুষের ত্বক, চুল ও চোখের রঙের জন্য দায়ী। - মানবদেহের ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ যত বেশি হয়, সেই ব্যক্তির গায়ের রং তত বেশি অন্ধকার বা কালো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যারোটিন — এটি একটি হলুদ বা কমলা রঙের রঞ্জক পদার্থ, যা গাজর বা মিষ্টি আলুতে থাকে এবং মানুষের ত্বকের রঙের মূল নিয়ন্ত্রক নয়। B) হিমোগlobin — এটি রক্তে অক্সিজেন বহনকারী প্রোটিন, যা রক্তের লাল রঙের জন্য দায়ী হলেও ত্বকের স্থায়ী রঙের ওপর প্রভাব ফেলে না। C) মেলানিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ভুল প্রযোজ্য নয়। D) থায়াসিন — এটি কোনো পরিচিত জৈব রঞ্জক পদার্থ নয় যা মানুষের গায়ের রং নির্ধারণ করে। মনে রাখার টিপস: মানুষের চামড়ার মেলানিন বাড়লে রং কালো হয়, কম থাকলে ফর্সা হয়।
a ২০৬টি
b ২১৬টি
c ২৩০টি
d ২২২টি
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০৬টি কেন সঠিক: - একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের কঙ্কালতন্ত্রে মোট ২০৬টি অস্থি বা হাড় থাকে। - জন্মের সময় মানবশিশুতে হাড়ের সংখ্যা প্রায় ৩০০টি থাকলেও বয়সের সাথে তা জোড়া লেগে ২০৬টিতে পরিণত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০৬টি — এটি একটি পূর্ণবয়স্ক মানুষের কঙ্কালতন্ত্রের সঠিক এবং সর্বসম্মত অস্থিসংখ্যা। B) ২১৬টি — এই সংখ্যাটি মানবদেহের স্বাভাবিক হারের সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং এটি ভুল তথ্য। C) ২৩০টি — মানবদেহের মোট হাড়ের সংখ্যা ২৩০টি নয়, এটি ভুল হিসাব। D) ২২২টি — এটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সঠিক অস্থিসংখ্যা নয়, মানবদেহের ক্ষেত্রে এই মানটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শিশুর হাড় বেশি (প্রায় ৩০০) আর প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হাড় ঠিক ২০৬টি, এই পার্থক্যটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি সহজে চিহ্নিত করা যায়।
a র‍্যাডক্লিফ কমিশন
b মাউন্টব্যাটেন কমিশন
c ডুরান্ড কমিশন
d স্যার ম্যাকমোহন কমিশন
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) র‍্যাডক্লিফ কমিশন কেন সঠিক: - ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির সময় বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা নির্ধারণের জন্য স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফের নেতৃত্বে এই কমিশন গঠিত হয়েছিল। - এই সীমানা কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতেই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) র‍্যাডক্লিফ কমিশন — এটিই ১৯৪৭ সালের সীমানা নির্ধারণকারী কমিশন এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) মাউন্টব্যাটেন কমিশন — এটি কোনো সীমানা কমিশন নয়, লর্ড মাউন্টব্যাটেন ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় যিনি স্বাধীনতার পরিকল্পনা পেশ করেছিলেন। C) ডুরান্ড কমিশন — এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমানা নির্ধারণের জন্য ১৮৯৩ সালে গঠিত হয়েছিল। D) স্যার ম্যাকমোহন কমিশন — এটি ভারত ও তিব্বতের মধ্যকার সীমানা নির্ধারণের জন্য ১৯১৪ সালে গঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: রেখা বা সীমানা কেটে আলাদা করা বোঝাতে কাঁচি বা ধারালো বস্তুর প্রয়োজন হয়, আর র‍্যাডক্লিফ নামের সাথে কাটার বিষয়টি মনে রাখতে পারেন।
a ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
b ১৭ এপ্রিল ১৯৭২
c ডিসেম্বর ১৯৭২
d কোনোটিই নয়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয় ও ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। - বিজয় দিবসের স্মারক হিসেবে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে এই সংবিধান কার্যকর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দিন থেকেই সংবিধান কার্যকর করা হয়। B) ১৭ এপ্রিল ১৯৭২ — এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেছিল। C) ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি অসম্পূর্ণ তথ্য কারণ সংবিধান কার্যকর হওয়ার সুনির্দিষ্ট তারিখ হলো ১৬ ডিসেম্বর। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের মাস ও দিন মনে রেখেই ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
a মাইনুল হোসেন
b শিল্পী সাহাবউদ্দিন
c স্থপতি মজারুল ইসলাম
d হামিদুর রহমান
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাইনুল হোসেন কেন সঠিক: - সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল নকশা ও স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। - ১৯৭৮ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং ১৯৮২ সালে এটি উদ্বোধন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইনুল হোসেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা তৈরি করেছিলেন। B) শিল্পী সাহাবউদ্দিন — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা, স্মৃতিসৌধের স্থপতি নন। C) স্থপতি মজারুল ইসলাম — তিনি দেশের বিশিষ্ট স্থপতি হলেও এই স্মৃতিসৌধের নকশাকার নন। D) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ বা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সঙ্গে যুক্ত, জাতীয় স্মৃতিসৌধের নন। মনে রাখার টিপস: স্মৃতিসৌধের 'মাইনুল' নামের সাথে 'মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি' কথাটি মনে রাখতে পারেন।
a সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
b মুজিবনগর
c মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান
d ঢাকা সেনানিবাসে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঢাকা সেনানিবাসে কেন সঠিক: - শিখা অনির্বাণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ। - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর সেনানিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এই শিখাটি প্রজ্বলন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান — এটি ঐতিহাসিক স্থান হলেও এখানে শিখা অনির্বাণ অবস্থিত নয়, এখানে শিখা চিরন্তন অবস্থিত। B) মুজিবনগর — এটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণের স্থান এবং স্মৃতিসৌধের জন্য পরিচিত, শিখা অনির্বাণ এখানে নেই। C) মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত কবরস্থান, যা ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত শিখা অনির্বাণ থেকে ভিন্ন। D) ঢাকা সেনানিবাসে — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিখা অনির্বাণ এখানেই স্থায়ীভাবে স্থাপিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সেনাবাহিনীর প্রধান কার্যালয় ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এবং শহীদদের স্মরণে নির্মিত শিখা অনির্বাণও এই সেনানিবাসের ভেতরেই রয়েছে।
a ক ভাষা আন্দোলন
b খস্বাধীনতা সংগ্রাম
c সাংস্কৃতি আন্দোলন
d কোনোটিই নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভাষা আন্দোলন কেন সঠিক: - ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর আবুল কাসেমের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত তমদ্দুন মজলিস বাঙালি সংস্কৃতি ও ভাষা রক্ষার প্রথম আন্দোলন শুরু করে। - এই সংগঠনটি ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই দাবিতে গঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সাংস্কৃতিক সংগঠনটিই প্রথম বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপন করেছিল। B) স্বাধীনতা সংগ্রাম — এটি সরাসরি স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রাথমিক রূপ না হলেও স্বাধিকার আন্দোলনের পথ প্রস্তুত করেছিল। C) সাংস্কৃতিক আন্দোলন — তমদ্দুন মজলিস সাংস্কৃতিক সংগঠন হলেও এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে ভাষা আন্দোলনের সাথে এর সরাসরি ঐতিহাসিক সংযোগ রয়েছে। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: তমদ্দুন মজলিস মানেই ১৯৪৭ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রথম অগ্রপথিক সংগঠন।
a ইউএনডিপি
b এফএও
c ইউনেস্কো
d আইএলও
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইউনেস্কো কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। - ২০০০ সাল থেকে বিশ্বের ১৭টি দেশে এই দিবসটি প্রথম পালিত হয় এবং পরবর্তীতে জাতিসংঘ তা আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউএনডিপি — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি সংক্রান্ত অঙ্গসংগঠন, যা মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। B) এফএও — এটি খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার দায়িত্ব পালন করেনি। C) ইউনেস্কো — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক অঙ্গসংগঠন হওয়ায় এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি প্রদান করেছে। D) আইএলও — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, যা শ্রমজীবী মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করে এবং এই স্বীকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা ও সংস্কৃতি শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত বিধায় এর স্বীকৃতি ইউনেস্কো প্রদান করেছে।
a খাজা নাজিমউদ্দিন
b মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
c মোঃ নূরুল আমীন
d উপরের কোনোটিই নয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের কোনোটিই নয় (প্রকৃত উত্তর: মালিক গোলাম মোহাম্মদ) কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল ছিলেন মালিক গোলাম মোহাম্মদ। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক নামটি না থাকায় সঠিক উত্তর হবে উপরের কোনোটিই নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাজা নাজিমউদ্দিন — তিনি ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, গভর্নর জেনারেল ছিলেন না। B) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ — তিনি পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন এবং ১৯৪৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। C) মোঃ নূরুল আমীন — তিনি ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। D) উপরের কোনোটিই নয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৫২ সালের গভর্নর জেনারেল মালিক গোলাম মোহাম্মদ এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন এবং গভর্নর জেনারেল ছিলেন মালিক গোলাম মোহাম্মদ।
a ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস
b বঙ্গবন্ধুর রেসকোর্স ময়দানের ভাষণের জন্য
c গণঅভ্যুত্থান দিবসের জন্য গোচাই
d ঐতিহাসিক ৬ দফা ঘোষণার জন্য
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গবন্ধুর রেসকোর্স ময়দানের ভাষণের জন্য কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। - এই ভাষণে তিনি বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার সংগ্রামের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস — ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে গঠিত হয়, ৭ মার্চের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) বঙ্গবন্ধুর রেসকোর্স ময়দানের ভাষণের জন্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) গণঅভ্যুত্থান দিবসের জন্য গোচাই — এটি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানকে নির্দেশ করে, ৭ মার্চের ঘটনা নয়। D) ঐতিহাসিক ৬ দফা ঘোষণার জন্য — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ৬ দফা পেশ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সাতই মার্চ মানেই রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ডাক।
a মার্টিন লুথার কিং
b জুনিয়র আব্রাহাম লিংকন
c এজন এফ কেনেডি
d ঘলিন্ডন বি জনসন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মার্টিন লুথার কিং কেন সঠিক: - মার্টিন লুথার কিং ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসিতে ঐতিহাসিক নাগরিক অধিকার মিছিলে এই বিখ্যাত ভাষণ দেন। - এই ভাষণের মূল লক্ষ্য ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবাদ বিলোপ এবং কৃষ্ণাঙ্গদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্টিন লুথার কিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন এবং এই ঐতিহাসিক ভাষণটি তিনিই প্রদান করেছিলেন। B) জুনিয়র আব্রাহাম লিংকন — তিনি আমেরিকার কোনো প্রেসিডেন্ট ছিলেন না, এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম। C) এজন এফ কেনেডি — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং তার অন্য বিখ্যাত ভাষণ রয়েছে, তবে এই ভাষণটি তার নয়। D) ঘলিন্ডন বি জনসন — তিনি মার্টিন লুথার কিংয়ের সমসাময়িক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, কিন্তু এই ভাষণের বক্তা তিনি নন। মনে রাখার টিপস: মার্টিন লুথার কিংয়ের স্বপ্নের (Dream) সাথে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের লড়াইয়ের বিষয়টি মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে চিনে নেওয়া যায়।
a আরেক ফাল্গুন
b রাইফেল রোটি আওরাত
c কবর
d আমি বিজয় দেখেছি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আরেক ফাল্গুন কেন সঠিক: - এই উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত এবং এর রচিয়তা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান। - একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা এবং ভাষা সংগ্রামীদের অবদানের কথা এই উপন্যাসে অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরেক ফাল্গুন — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত জহির রায়হানের বিখ্যাত উপন্যাস, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) রাইফেল রোটি আওরাত — এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়, বরং এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি নিধনের পটভূমিতে রচিত আনোয়ার পাশার প্রথম বাংলা উপন্যাস। C) কবর — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং মুনীর চৌধুরী কর্তৃক ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। D) আমি বিজয় দেখেছি — এটি ভাষা আন্দোলনের ওপর রচিত কোনো উপন্যাস নয়, এটি মূলত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণমূলক একটি গ্রন্থ। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের ফাল্গুন মাসের সঙ্গে জহির রায়হানের উপন্যাস আরেক ফাল্গুন নামটি মনে রাখতে হবে।
a বিশ্ব নারী দিবস
b জাতীয় শিশু দিবস
c আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
d বিশ্ব পরিবেশ দিবস
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জাতীয় শিশু দিবস কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৭ই মার্চ তারিখটি জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্ব নারী দিবস — এটি ৮ই মার্চ পালিত হয় এবং এর সাথে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের কোনো সম্পর্ক নেই। B) জাতীয় শিশু দিবস — এটি বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের সাথে সম্পর্কিত এবং ১৭ই মার্চ এই দিবস পালন করা হয়। C) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস — এটি ২১শে ফেব্রুয়ারি পালিত হয় যা ভাষা আন্দোলনের স্মারক দিবস। D) বিশ্ব পরিবেশ দিবস — এটি ৫ই জুন পালিত হয় এবং এটি পরিবেশ সুরক্ষার সাথে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ১৭ই মার্চ এবং শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ, তাই এই দিনটি 'জাতীয় শিশু দিবস' হিসেবে পালিত হয়।
a হামিদুর রহমান
b শামীম সিকদার
c আমিনুল ইসলাম
d নিতুন কুণ্ডু
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হামিদুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান। - ১৯৫৭ সালে তৎকালীন সরকারের অনুমোদন নিয়ে তাঁর নকশা অনুযায়ী শহীদ মিনারের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুর রহমান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাকার ছিলেন। B) শামীম সিকদার — তিনি বিখ্যাত ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা এবং চারুকলা ইনস্টিটিউটের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের ভাস্কর। C) আমিনুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের শিল্পকলার একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও আধুনিক শিল্প আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। D) নিতুন কুণ্ডু — তিনি বিখ্যাত 'সাবাস বাংলাদেশ' ভাস্কর্য এবং জন্মভূমির স্থপতি ও ডিজাইনার হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের শহীদ মিনার মানেই শিল্পী হামিদুরের রহমান, যা মনে রাখতে শহীদ মিনার ও হামিদুর নামের প্রথম অক্ষর দুটি মেলাতে পারেন।
a জিব্রাল্টার প্রণালী
b পক প্রণালী
c বসফোরাস প্রণালী
d হরমুজ প্রণালী
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বসফোরাস প্রণালী কেন সঠিক: - বসফোরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশকে পৃথক করেছে এবং তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। - এটি একই সঙ্গে কৃষ্ণ সাগর ও মারমারা সাগরকে সংযুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিব্রাল্টার প্রণালী — এটি ইউরোপের স্পেন ও আফ্রিকার মরক্কোকে পৃথক করেছে এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। B) পক প্রণালী — এটি ভারতের তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে এবং বঙ্গোপসাগরকে পক উপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। C) বসফোরাস প্রণালী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) হরমুজ প্রণালী — এটি ওমান ও ইরানকে পৃথক করেছে এবং পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। মনে রাখার টিপস: ইউরোপ ও এশিয়াকে বসফোরাস প্রণালী পৃথক করেছে, এটি মনে রাখতে বসফোরাস শব্দটিকে দুই মহাদেশের সংযোগ সেতু হিসেবে মনে রাখুন।
a কুয়ালালামপুর
b বেইজিং
c ত্রিপলী
d কায়রো
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: D) কায়রো কেন সঠিক: - তাহরির স্কোয়ার মিশরের রাজধানী কায়রো শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক চত্বর। - ২০১১ সালের আরব বসন্তের সময় এই চত্বরে লাখ লাখ মানুষ জড়ো হয়ে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের পতনের আন্দোলন সফল করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুয়ালালামপুর — এটি মালয়েশিয়ার রাজধানী, যেখানে মারডেকা স্কোয়ার বা স্বাধীনতা চত্বর অবস্থিত, তাহরির স্কোয়ার নয়। B) বেইজিং — এটি চীনের রাজধানী, যেখানে বিখ্যাত তিয়েনানমেন স্কোয়ার অবস্থিত। সি) ত্রিপলী — এটি লিবিয়ার রাজধানী, যেখানে গ্রিন স্কোয়ার বা শহীদ চত্বর অবস্থিত। D) কায়রো — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং মিশরের রাজধানী কায়রো শহরেই তাহরির স্কোয়ার অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: তাহরির শব্দের অর্থ মুক্তি; মিশরের কায়রো শহরে মুক্তি আন্দোলনের প্রতীক হলো এই স্কোয়ার।
a ইতালি
b গ্রিস
c ভারত
d ইংল্যান্ড
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রিস কেন সঠিক: - খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে গ্রিসের এথেন্স নগররাষ্ট্রে প্রথম প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের প্রচলন শুরু হয়। - প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ও চিন্তাবিদগণ শাসনব্যবস্থায় জনগণের অংশগ্রহণের এই ধারণার সূত্রপাত করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি প্রাচীন রোমান সভ্যতার কেন্দ্র হলেও আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত নয়। C) ভারত — এটি বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ হলেও এখানে গণতন্ত্রের ঐতিহাসিক জন্ম হয়নি। D) ইংল্যান্ড — এখানে সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ পরবর্তীতে ঘটেছে, তবে গণতন্ত্রের আদি জন্মভূমি গ্রিস। মনে রাখার টিপস: গণতন্ত্রের জন্মস্থান মনে রাখতে জি দিয়ে গ্রিস এবং জি দিয়ে গণতন্ত্র কথাটি মনে রাখতে পারো।
a ১৯৬১ সালে
b ১৯২১ সালে
c ১৯১৩ সালে
d ১৯০৫ সালে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২১ সালে কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১ জুলাই ১৯২১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে এবং এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়। - বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে এবং ১৯১২ সালের নাথান কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬১ সালে — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বরং বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গণে প্রাচীন নিদর্শন ও গবেষণার নতুন ধারা শুরু হয়েছিল। B) ১৯২১ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত ও কার্যক্রম শুরু করে। C) ১৯১৩ সালে — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নাথান কমিশন গঠিত ও রিপোর্ট পেশ করা হয়েছিল, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়নি। D) ১৯০৫ সালে — এই সালে ব্রিটিশ ভারত সরকার কর্তৃক বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়েছিল, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়, সংখ্যাটি মনে রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯২১ মনে রাখুন।
a ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র
b গ্রিসের প্রথম শাসনতন্ত্র
c রাশিয়ার শাসনতন্ত্র
d অস্ট্রেলিয়ার শাসনতন্ত্র
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র কেন সঠিক: - ম্যাগনাকার্টা হলো ১২১৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা জন কর্তৃক স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক অধিকার সনদ, যা বিশ্ব ইতিহাসে প্রথম শাসনতান্ত্রিক দলিল হিসেবে স্বীকৃত। - এই সনদের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের রাজার ক্ষমতা সীমিত করা হয় এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি ইংল্যান্ডের প্রথম সাংবিধানিক দলিল। B) গ্রিসের প্রথম শাসনতন্ত্র — এটি ভুল কারণ ম্যাগনাকার্টার সঙ্গে গ্রিসের কোনো সম্পর্ক নেই, গ্রিসের শাসনতন্ত্র অনেক পরের আধুনিক ইতিহাস। C) রাশিয়ার শাসনতন্ত্র — এটি ভুল কারণ ম্যাগনাকার্টা রুশ ইতিহাসের অংশ নয়, এটি সম্পূর্ণভাবে ব্রিটিশ সাংবিধানিক ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত। D) অস্ট্রেলিয়ার শাসনতন্ত্র — এটি ভুল কারণ অস্ট্রেলিয়া অনেক পরে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীন হয়ে নিজস্ব শাসনতন্ত্র লাভ করে। মনে রাখার টিপস: ম্যাগনাকার্টা মানেই গ্রেট চার্টার বা মহান সনদ, যা ১২১৫ সালে ইংল্যান্ডে রাজা ও জনগণের অধিকার রক্ষায় প্রথম স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
a ৮ ফেব্রুয়ারি
b ১৭ এপ্রিল
c ৮ মার্চ
d ২৫ মার্চ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ মার্চ কেন সঠিক: - ১৯৭৭ সাল থেকে জাতিসংঘ প্রতিবছর ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করে আসছে। - নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সমাজ গঠনে তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে এই দিনটি বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় না, এটি একটি সাধারণ দিন। বি) ১৭ এপ্রিল — এটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের দিন। সি) ৮ মার্চ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। ডি) ২৫ মার্চ — এটি ১৯৭১ সালের কালরাত বা গণহত্যা স্মরণ দিবস। মনে রাখার টিপস: মার্চ মাসের প্রথম দিকে, অর্থাৎ ৮ তারিখে বিশ্ব নারী দিবস পালিত হয়।
a অষ্টম স্থানে
b চতুর্থ স্থানে
c একাদশ স্থানে
d উপরের কোনোটিই নয়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের কোনোটিই নয় কেন সঠিক: - মাতৃভাষার ভিত্তিতে বিশ্বে বাংলা ভাষার স্থান ষষ্ঠ এবং মোট ব্যবহারকারীর দিক থেকে সপ্তম। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক স্থান বা ষষ্ঠ বা সপ্তম উল্লেখ না থাকায় ডি অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অষ্টম স্থানে — মাতৃভাষার সংখ্যা বা মোট বক্তার দিক থেকে বাংলা অষ্টম স্থানে নেই। B) চতুর্থ স্থানে — মাতৃভাষার দিক থেকে চতুর্থ স্থানটি মান্দারিন বা স্প্যানিশ ভাষার দখলে। C) একাদশ স্থানে — বাংলা ভাষা একাদশ অবস্থানে নেই, এটি আরো অনেক এগিয়ে। D) উপরের কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর ষষ্ঠ বা সপ্তম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: মাতৃভাষার দিক থেকে বাংলা ষষ্ঠ এবং মোট ব্যবহারকারীর দিক থেকে সপ্তম স্থানে রয়েছে।