কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪

পদের নাম: উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (71)

a ৭টি
b ৯টি
c ৮টি
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরবর্ণ বা সংকুচিত স্বরবর্ণের সংখ্যা মোট ১১টি। প্রদত্ত অপশনগুলোতে ১১ সংখ্যাটি না থাকায় সঠিক উত্তর হিসেবে ডি নির্বাচন করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। এই ১১টি স্বরবর্ণের মধ্যে হ্রস্ব স্বর এবং দীর্ঘ স্বর উভয় প্রকার বর্ণই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা বর্ণমালার প্রথম এবং সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত একটি স্বরবর্ণ। উদাহরণ ২: আ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা বর্ণমালার দ্বিতীয় স্বরবর্ণ যা দীর্ঘ স্বর হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — বাংলা বর্ণমালার মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা সাতটি নয়, বরং এটি ১১টি। B) ৯টি — বাংলা বর্ণমালার মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা নয়টি নয়, সঠিক সংখ্যাটি হলো ১১টি। C) ৮টি — বাংলা বর্ণমালার মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা আটটি নয়, মোট স্বরবর্ণ ১১টি রয়েছে। D) কোনোটিই নয় — প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর ১১ না থাকায় এই অপশনটি সঠিক হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা বর্ণমালার মোট বর্ণ পঞ্চাশটি এবং তার মধ্যে স্বরবর্ণ এগারোটি ও ব্যঞ্জনবর্ণ উনচল্লিশটি। সংখ্যা দুটি মনে রাখার জন্য যথাক্রমে ৫০, ১১ এবং ৩৯ সংখ্যাগুলো একসাথে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয় এবং এর সংখ্যা ১০টি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মোট বর্ণ, স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a সরল বাক্য
b জটিল বাক্যকা
c যৌগিক বাক্য
d মিশ্র বাক্যাল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরল বাক্য কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে একটিমাত্র উদ্দেশ্য বা কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। ২. বাক্যটির মধ্যে কোনো খণ্ডবাক্য বা একাধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত নেই। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে ব্যাকরণের নিয়মে সরল বাক্য বলে। ২. এখানে পদ্মফুল হলো উদ্দেশ্য বা কর্তা এবং জন্মে হলো সমাপিকা ক্রিয়া। ৩. যেমন: আকাশে চাঁদ উঠেছে, এটি একটি সরল বাক্যের উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এতে সরল বাক্যের সমস্ত ব্যাকরণগত শর্ত পুরোপুরিভাবে মিলে গেছে। B) জটিল বাক্য — এই অপশনটি ভুল, কারণ জটিল বাক্যের মতো এখানে একাধিক পরস্পরনির্ভর খণ্ডবাক্য বা সাপেক্ষ সর্বনাম নেই। C) যৌগিক বাক্য — এই অপশনটি ভুল, কারণ যৌগিক বাক্যের মতো দুটি স্বাধীন বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা দ্বারা যুক্ত হয়নি। D) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি ভুল, কারণ মিশ্র বাক্য বলতে মূলত জটিল বাক্যকেই বোঝানো হয় এবং এই বাক্যে তার কোনো লক্ষণ নেই। মনে রাখার টিপস: ১. বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া খুঁজবে এবং সেটি যদি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে সরল বাক্য বলবে।
a বেগম রোকেয়া
b সেলিনা হোসেন
c সুফিয়া কামাল
d তসলিমা নাসরিন
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেগম রোকেয়া ১. কেন সঠিক: - 'সুলতানার স্বপ্ন' বা 'Sultana's Dream' হলো নারীজাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের রচিত একটি বিশ্বখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়া বা কল্পবিজ্ঞানভিত্তিক সাহিত্যকর্ম। - এই রচনাটিতে একটি পুরুষতান্ত্রিক সমাজের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে নারীরা সমাজ পরিচালনা করেন এবং পুরুষরা অন্তঃপুরে বন্দি থাকেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাঙালি মুসলিম নারীজাগরণ ও সমাজ সংস্কারের এক অবিস্মরণীয় নাম যিনি ১৮৮০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - এটি মূলত একটি ইংরেজি ছোটগল্প হিসেবে ১৯০৫ সালে মাদ্রাজের দ্য ইন্ডিয়ান লেডিস ম্যাগাজিন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে বাংলায় অনূদিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মতিচুর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন যা নারীশিক্ষা ও সমাজ সংস্কারের ওপর লিখিত। উদাহরণ ২: পদ্মরাগ ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা নারী অধিকার ও মুক্তির বার্তা বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম রোকেয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সাহিত্যকর্মটি তার দ্বারাই রচিত। B) সেলিনা হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত সমসাময়িক ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। C) সুফিয়া কামাল — তিনি বিশিষ্ট কবি ও নারী আন্দোলনের নেত্রী হলেও এই কল্পবিজ্ঞানধর্মী গ্রন্থটি তার নয়। D) তসলিমা নাসরিন — তিনি আধুনিক বিতর্কিত লেখক ও নারীবাদী হলেও উনিশ শতক বা বিশ শতকের শুরুর এই ক্লাসিক গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বপ্ন এবং নারীজাগরণ সম্পর্কিত কোনো বৈপ্লবিক সাহিত্যকর্মের কথা এলেই বেগম রোকেয়ার নাম মনে রাখতে হবে। - সুলতানার স্বপ্ন একটি কাল্পনিক রাজ্য যেখানে নারীরা দেশ চালায়, যার রচয়িতা বেগম রোকেয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যু দিবস ৯ ডিসেম্বর একই দিনে পালিত হয়, যা রোকেয়া দিবস নামে পরিচিত। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার ইংরেজি রচনা 'সুলতানার স্বপ্ন' এবং তার প্রবন্ধ 'মতিচুর' প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a ইতি + দি
b ইতি + আদি
c ইত + তাদি
d ইতি + অদি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইতি + আদি ১. কেন সঠিক: - 'ইত্যাদি' শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো ইতি + আদি। এটি স্বরসন্ধির একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ। - এখানে প্রথম পদের শেষে অবস্থিত 'ই' কার এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে থাকা 'আ' মিলে 'য' বা 'যা' এ রূপান্তরিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কারের জায়গায় 'য' বা 'য্' হয় এবং এর সাথে পরবর্তী স্বরধ্বনি যুক্ত হয়। এটি বাংলা ব্যাকরণের ই-সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। - এখানে ইতি শব্দের শেষের 'ই' এবং আদি শব্দের শুরুর 'আ' মিলে '্যা' গঠিত হয়েছে, যা মূল শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে ইত্যাদি রূপ নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি + অপি = যদিঅপি ব্যাখ্যা: এখানে ই-কারের পর অ-কার থাকায় ই-কার য-ফলা রূপ ধারণ করেছে। উদাহরণ ২: অতি + অধিক = অতিরিক্ত ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ই-কারের সাথে অ-কার যুক্ত হয়ে য-ফলা গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতি + দি — দি কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এটি সন্ধির নিয়মের সাথে মেলে না। C) ইত + তাদি — ইত এবং তাদি শব্দ দুটি সঠিক সন্ধির নিয়ম গঠন করে না। D) ইতি + অদি — অদি কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা উপসর্গ নয়, সঠিক শব্দটি হবে আদি। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইত্যাদি শব্দটি ভাঙলে শেষাংশ 'আদি' পাওয়া যায়, যা দিয়ে শুরু বা প্রারম্ভ বোঝায়। - য-ফলাযুক্ত শব্দে ই-কার বা ঈ-কার দিয়ে সন্ধি ভাঙতে হয়, যেমন ইতি যোগ আদি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই নিয়মের ক্ষেত্রে প্রথম শব্দটিতে সাধারণত ই-কার বা ঈ-কার থাকে।
a পুত্র
b কেষ্ট
c পুত্তর
d বিষ্ট
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কেষ্ট ১. কেন সঠিক: সংস্কৃত শব্দ প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে কিছুটা বিকৃত বা সহজ হয়ে বাংলায় আসার সময় যে শব্দগুলো তৈরি হয়, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন-তৎসম শব্দ বলা হয়। কৃষ্ণ শব্দটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ, যার প্রাকৃত রূপ পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় অর্ধ-তৎসম রূপে কেষ্ট হিসেবে প্রচলিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব সংস্কৃত শব্দ সামান্য পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে। এ ধরনের শব্দে মূল সংস্কৃত শব্দের উচ্চারণ ও রূপ পুরোপুরি সংরক্ষিত থাকে না, বরং কথ্য ভাষার প্রভাবে কিছুটা তদ্ভব শব্দের মতো আচরণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত জ্যোৎস্না শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ। উদাহরণ ২: গিন্নি ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত গৃহিণী শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুত্র — এটি একটি তৎসম শব্দ, কারণ এটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং এর কোনো রূপ পরিবর্তন ঘটেনি। C) পুত্তর — এটি অর্ধ-তৎসম শব্দ হলেও পুত্র শব্দের সঠিক অর্ধ-তৎসম রূপ পুত্তর নয়, বরং এটি প্রাকৃত ভাষার একটি স্তর। D) বিষ্ট — এটি কৃষ্ণ শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ নয়, এটি মূলত বিষ্ণু শব্দের পরিবর্তিত কথ্য রূপ বা ভিন্ন একটি শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত কৃষ্ণ উচ্চারণের সময় সহজ করে বাংলায় কেষ্ট বলা হয়, তাই এটি অর্ধ-তৎসম। অর্ধ-তৎসম শব্দ চেনার উপায় হলো এগুলো মূলত মুখের ভাষা থেকে আসা কিছুটা পরিবর্তিত তৎসম শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম, অর্ধ-তৎসম ও তদ্ভব শব্দ আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। শ্রাদ্ধ থেকে ছেরাদ্দ, ভক্তি থেকে ভক্তি বা গিন্নি ও বৌমা জাতীয় শব্দগুলো অর্ধ-তৎসম শব্দ হিসেবে ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সাধু ভাষারীতিতে
b চলিত ভাষারীতিতে
c আঞ্চলিক রীতিতে
d মিশ্র রীতিতে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাধু ভাষারীতিতে ১. কেন সঠিক: সাধু ভাষারীতি হলো বাংলা ভাষার একটি সুনির্দিষ্ট ও লিখিত রূপ, যা তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বহুল ব্যবহারের জন্য সুপরিচিত। এই রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ থাকে এবং গুরুগম্ভীর ভাব বজায় রাখতে সংস্কৃত শব্দ ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দের উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। তৎসম শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং সাধু রীতিতে এদের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিমালয় পর্বতমালা আমাদের উত্তর সীমান্তে অবস্থিত। ব্যাখ্যা: হিমালয়, পর্বতমালা, সীমান্ত ইত্যাদি শব্দ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে যা সাধু ভাষারীতিকে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয় এবং পশ্চিমে অস্ত যায়। ব্যাখ্যা: সূর্য, উদিত, পশ্চিম ইত্যাদি তৎসম শব্দের প্রয়োগ সাধু রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধু ভাষারীতিতে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রীতিতে তৎসম শব্দের আধিক্য থাকে। B) চলিত ভাষারীতিতে — এই রীতিতে তৎসম শব্দের পরিবর্তে তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের ব্যবহার বেশি হয়। C) আঞ্চলিক রীতিতে — এটি মানুষের মুখরসিক কথ্য ভাষা, যেখানে মূলত প্রাকৃত ও পরিবর্তিত শব্দের প্রাধান্য থাকে। D) মিশ্র রীতিতে — সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে এবং এতে তৎসম শব্দের সুনির্দিষ্ট নিয়ম মানা হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধু মানেই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের জাদু। এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষারীতি মূলত দুই প্রকার, সাধু ও চলিত। সাধু রীতি অপরিবর্তনীয় এবং চলিত রীতি পরিবর্তনশীল।
a দেবদাস
b পদ্মরাগ
c পালা মৌ
d নবযুগ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দেবদাস ১. কেন সঠিক: - দেবদাস বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপন্যাস এবং এর রচয়িতা কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - এই উপন্যাসের দেবদাস, পার্বতী বা পারু এবং চন্দ্রমুখী চরিত্রগুলো বাংলা কথাসাহিত্যে অমর হয়ে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের এক অন্যতম জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক যিনি গণমানুষের সুখদুঃখ ও সমাজের নানা অনিয়ম খুব নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছেন। - দেবদাস উপন্যাসটি তাঁর তরুণ বয়সের রচনা হলেও এটি প্রকাশের পর থেকেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং পরবর্তীতে এই উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে একাধিক চলচ্চিত্র নির্মিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকান্ত ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস এবং তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: গৃহদাহ ব্যাখ্যা: এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতা নির্ভর জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেবদাস — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) পদ্মরাগ — এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী উপন্যাস ও প্রবন্ধ গ্রন্থ। C) পালা মৌ — এটি প্রমথ চৌধুরী বা অন্য কোনো লেখকের কোনো প্রমিত সাহিত্যকর্ম নয় বরং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) নবযুগ — এটি কাজী নজরুল ইসলাম ও মওলানা আকরম খাঁ সম্পাদিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক পত্রিকা। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্রের অমর প্রেমের ট্র্যাজেডি মূলক উপন্যাসের নাম মনে রাখতে দেবদাস নামটি সবার আগে মনে রাখতে হবে। - ত্রিভুজ প্রেমের করুণ পরিণতি বোঝাতে এই উপন্যাসের নাম বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরৎচন্দ্রের উপন্যাস ও চরিত্রের নাম খুবFrequently আসে। - বিখ্যাত লেখকদের প্রথম প্রকাশিত বা সর্বাধিক জনপ্রিয় গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়তে হবে।
a মালা
b মালিকা
c মালিনী যার
d মালিনি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মালিনি ১. কেন সঠিক: - মালী শব্দের সাথে ই প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়েছে। - মালী অর্থ যিনি ফুল চাষ করেন বা বাগান পরিচর্যা করেন এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো মালিনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পুরুষবাচক শব্দের শেষে ঈ-কার বা ই-কার যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দে রূপান্তর করা হয়। - তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম বেশি প্রযোজ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাতক থেকে চাতকী ব্যাখ্যা: পুরুষবাচক শব্দের অন্তে ঈ-কার যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: কাঙালী থেকে কাঙালিনী ব্যাখ্যা: শব্দের সাথে ইনি প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালা — এটি স্ত্রীবাচক শব্দ হলেও মালী শব্দের ব্যাকরণগত স্ত্রীবাচক রূপ নয়। B) মালিকা — এটি মালী শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে প্রমিত বাংলায় গৃহীত নয়। C) মালিনী যার — এটি কোনো একক শব্দ নয় বরং এটি একটি ব্যাসবাক্যের অংশ বিশেষ। D) মালিনি — এটি মালী শব্দের ব্যাকরণগতভাবে সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - মালী শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার থাকলে স্ত্রীবাচক করার সময় সাধারণত হ্রস্ব ই-কার বা নি প্রত্যয় যুক্ত হয়। - মালী থেকে মালিনি শব্দটি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ নির্ধারণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - প্রত্যয় যোগ করার সময় বানানের প্রতি বিশেষ নজর রাখতে হবে।
a সত্যেন সেন
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c আবুল ফজল
d আল মাহমুদ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - শেষের কবিতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং পরীক্ষামুখী আধুনিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা উপন্যাসের প্রচলিত ধারা ভেঙে নতুন এক গদ্যশৈলী ও মনস্তাত্ত্বিক রূপ দান করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শেষের কবিতা একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের দুটি অমর চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য সেন এবং এর বিখ্যাত দুটি পংক্তি হলো হে মোর দুর্ভাগা দেশ এবং যারে বলে ভালোবাসে তারে তো পাওয়া যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোরা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি বিখ্যাত ও দীর্ঘতম সামাজিক উপন্যাস যা ব্রিটিশ আমলের ভারতীয় সমাজ ও জাতীয়তাবাদকে কেন্দ্র করে রচিত। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যেখানে পুরোনো ঐতিহ্য ও আধুনিকতার দ্বন্দ্ব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্যেন সেন — তিনি একজন প্রগতিশীল লেখক ও কথাশিল্পী হলেও শেষের কবিতা তার রচনা নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনন্য একটি সৃষ্টি। C) আবুল ফজল — তিনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। D) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই উপন্যাসটি তার লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা উপন্যাসটি মূলত একটি গদ্যধর্মী কাব্য, তাই এর নামের শেষে কবিতা থাকলেও এটি একটি উপন্যাস। - রবি ঠাকুরের উপন্যাস মনে রাখার জন্য অমিত ও লাবণ্য চরিত্র এবং শেষের কবিতা নামটি একসাথে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শেষের কবিতা একটি উপন্যাস নাকি কবিতা, এই কনফিউশন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে, তাই এটি ভালো করে মনে রাখবে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা ও যোগাযোগ উপন্যাসের প্রকাশকাল এবং চরিত্রগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a উন্মোচন
b পতন
c অবতান
d অবসান
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পতন ১. কেন সঠিক: উত্থান শব্দের অর্থ ওপরের দিকে ওঠা, জাগরণ, উন্নতি বা বিকাশ। এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে পতন শব্দটি যার অর্থ নিচে নেমে যাওয়া, অবনতি বা ধ্বংস। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার বা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অংশ। বিপরীত শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উন্নতি - অবনতি ব্যাখ্যা: উন্নতি শব্দের অর্থ অগ্রগতি, যার বিপরীত শব্দ অবনতি অর্থাৎ পিছিয়ে পড়া। উদাহরণ ২: জয় - পরাজয় ব্যাখ্যা: জয় শব্দের অর্থ সফলতা, যার বিপরীত শব্দ পরাজয় অর্থাৎ ব্যর্থতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্মোচন — উন্মোচন শব্দের অর্থ প্রকাশ করা বা আবরণ সরানো, যা উত্থানের বিপরীতার্থক নয়। B) পতন — সঠিক উত্তর। C) অবতান — অবতান বলতে সাধারণত নিচু হওয়া বা অবনত হওয়া বোঝায়, তবে এটি উত্থানের প্রচলিত বিপরীত শব্দ নয়। D) অবসান — অবসান শব্দের অর্থ শেষ বা সমাপ্তি, যা উত্থানের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে যথাযথ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: উত্থান মানে ওপরে ওঠা এবং পতন মানে নিচে নামা, সিঁড়িতে ওপরের দিকে ওঠাকে উত্থান এবং নিচের দিকে নামাকে পতন বলে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এসব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a দশানন
b সুপুরুষ
c সাদাকালো
d চৌরাস্তা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দশানন ১. কেন সঠিক: যে সমসে সমস্যমান পদের কাউকেই না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। দশ আনন বা মাথা যার অর্থাৎ রাবণ বোঝাতে দশানন শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে পদের মিলনে সমাস হয় তাদের সমস্যমান পদ বলে এবং সমাসবদ্ধ পদটিকে সমস্ত পদ বলে। বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ প্রধান না হয়ে অন্য পদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়। এটি সাধারণত যার বা যাতে ইত্যাদি পদ দিয়ে ব্যাসবাক্য প্রসারিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিনা পানি যার = বিনা পানি। ব্যাখ্যা: এখানে বিনা ও পানি কোনোটিকেই না বুঝিয়ে সরস্বতী দেবীকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: আয়ত লোচন যার = আয়তলোচনা। ব্যাখ্যা: এখানে আয়ত ও লোচন আলাদাভাবে না বুঝিয়ে সুন্দর চোখবিশিষ্ট নারীকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দশানন - এটি বহুব্রীহি সমাসের সঠিক উত্তর কারণ এটি তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ করে। B) সুপুরুষ - এটি কর্মধারয় সমাস কারণ এখানে পুরুষ শব্দের একটি বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের সমাস হয়েছে। C) সাদাকালো - এটি দ্বন্দ্ব সমাস কারণ এখানে সাদা ও কালো উভয় পদের অর্থই প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। D) চৌরাস্তা - এটি দ্বিগু সমাস কারণ এখানে চার রাস্তার সমাহার বোঝানো হয়েছে এবং সমাসবদ্ধ পদটি বিশেষ্য পদ হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: অন্যের অর্থ প্রকাশ পেলে চোখ বন্ধ করে বহুব্রীহি সমাস দাগাবে। যার বা যাতে শব্দ থাকলে সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বহুব্রীহি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে শব্দটি থাকা। পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে রাবণ অর্থে দশানন শব্দটি প্রায়ই বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ হিসেবে আসে।
a পাল
b গুপ্ত
c সেন
d তুর্কি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে সাধারণত অন্ধকার যুগ বলা হয়। ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজির বাংলা বিজয় এবং তুর্কি আক্রমণ ও দখলের মাধ্যমে এই রাজনৈতিক অস্থিরতার সূত্রপাত ঘটেছিল। এই দেড় শ বছরের সময়কালে বাংলায় কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিক নিদর্শন বা উন্নতমানের সাহিত্যকর্ম রচিত হয়নি বললেই চলে। ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং অরাজকতার কারণে সাহিত্যচর্চা প্রায় বন্ধ থাকায় একে অন্ধকার যুগ বলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডক্টর সুকুমার সেন এবং ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সাহিত্যের কালনির্ণয় ও ইতিহাসের ক্ষেত্রে এই অন্ধকার যুগের ধারণাটি স্পষ্ট করেছেন। এই সময়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে সংস্কৃতির বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। তুর্কি আক্রমণের ফলে বাংলার শাসনক্ষমতা স্থানীয় রাজাদের হাত থেকে বিদেশি মুসলিম শাসকদের হাতে চলে যায়। এই সামাজিক ও রাজনৈতিক রূপান্তরের যুগসন্ধিক্ষণে মৌলিক সাহিত্য সৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ ছিল না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রামাই পণ্ডিতের শূন্যপুরাণ ব্যাখ্যা: অন্ধকার যুগের শেষভাগে রচিত এই গ্রন্থে তৎকালীন সমাজজীবনের কিছুটা পরিচয় পাওয়া যায় যা এই যুগের অন্ধকারের মধ্যেও ব্যতিক্রম। উদাহরণ ২: ডাক ও খনার বচন ব্যাখ্যা: এই যুগের মৌখিক সাহিত্যের নিদর্শন হিসেবে কৃষি ও জীবনদর্শন সম্পর্কিত প্রবচনগুলো সে সময়ের সমাজকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাল — পাল রাজত্বকাল হলো বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার ও চর্যাপদ রচনার স্বর্ণযুগ যা অন্ধকার যুগ নয়। B) গুপ্ত — গুপ্ত রাজত্বকাল প্রাচীন বাংলার সুবর্ণযুগ হিসেবে পরিচিত এবং এটি সাহিত্যের অন্ধকার যুগ নয়। C) সেন — সেন রাজত্বকালে সংস্কৃত ভাষায় উল্লেখযোগ্য কাব্য ও স্মৃতিশাস্ত্র রচিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: তুর্কি বিজয়ের মাধ্যমেই বাংলায় রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয় এবং সাহিত্যচর্চায় ছেদ পড়ে। তাই তুর্কি শাসনামলের সূচনা থেকেই অন্ধকার যুগের হিসাব করা হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের ব্যাপ্তি হলো ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত অর্থাৎ মোট ১৫০ বছর। এই সময়ে কোনো উল্লেখযোগ্য মৌলিক সাহিত্য রচিত না হলেও পরবর্তী যুগে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনার মাধ্যমে অন্ধকার কেটে আলোর সূচনা হয়।
a Pick
b Elect
c Observe
d Look
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Pick কেন সঠিক: Select শব্দের অর্থ কোনো কিছু বাছাই করা বা পছন্দ করা। Pick শব্দের অর্থও কোনো দল বা বস্তু থেকে নির্দিষ্ট করে কিছু বেছে নেওয়া। তাই Select এবং Pick সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্য কোনো অপশন এর সাথে সরাসরি মিলে না। এটি সঠিক উত্তর হিসেবে সবচেয়ে বেশি উপযোগী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pick — এটি সঠিক উত্তর এবং সিলেক্ট শব্দের সমার্থক হিসেবে কাজ করে। B) Elect — এর অর্থ ভোট দিয়ে কাউকে নির্বাচিত করা, সাধারণ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এটি বসে না। C) Observe — এর অর্থ কোনো কিছু পর্যবেক্ষণ করা বা দেখা, যা বাছাই করার সমার্থক নয়। D) Look — এর অর্থ তাকানো বা দৃষ্টি দেওয়া, এর সাথে বাছাই করার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Select এবং Pick উভয় শব্দের অর্থই হলো কোনো কিছু বেছে নেওয়া বা পছন্দ করা।
a Thief
b Trial
c Offense
d Dark
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Offense কেন সঠিক: - Crime এবং Offense উভয় শব্দের অর্থ অপরাধ বা বেআইনি কাজ। - ইংরেজি শব্দার্থের দিক থেকে এদের মধ্যে সরাসরি সমার্থকতা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thief — এর অর্থ চোর, যা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি বোঝায় কিন্তু সমার্থক শব্দ নয়। B) Trial — এর অর্থ বিচার, যা অপরাধের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। C) Offense — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ অপরাধ বা অন্যায় কাজ। D) Dark — এর অর্থ অন্ধকার, যা আলোচ্য শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Crime মানে যেমন অপরাধ, ঠিক তেমনি Offense মানেও অপরাধ। এই দুটি সমার্থক শব্দ মনে রাখলেই উত্তর করা সহজ হবে।
a Rolling
b Combat
c Smoke
d Gun
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Combat কেন সঠিক: - Fight শব্দটির অর্থ লড়াই বা যুদ্ধ করা, যার সমার্থক শব্দ হিসেবে Combat ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Combat সরাসরি Fight বা লড়াইয়ের সমার্থক বা প্রতিশব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rolling — এটি Roll শব্দের সঙ্গে যুক্ত, যার অর্থ গড়ানো এবং Fight শব্দের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। B) Combat — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) Smoke — এর অর্থ ধোঁয়া, যা Fight বা যুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) Gun — এর অর্থ বন্দুক, যা লড়াইয়ে ব্যবহৃত একটি অস্ত্র কিন্তু Fight শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ বা অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Fight এবং Combat দুটি শব্দই সমার্থক এবং যুদ্ধ বা লড়াই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a harmony
b Professie
c Fruit
d Mind
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) harmony কেন সঠিক: - Peace শব্দের অর্থ শান্তি এবং harmony শব্দের অর্থ মিল বা সম্প্রীতি, যা এর সমার্থক শব্দ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের ভোকাবুলারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) harmony — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Peace শব্দের সমার্থক। B) Professie — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ নয়। সি) Fruit — এর অর্থ ফল, যা শান্তি শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ডি) Mind — এর অর্থ মন, যা শান্তি শব্দের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Peace এবং harmony দুটিই ইতিবাচক শব্দ, যা সমাজে শান্তি ও মিল বোঝাতে একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়।
a Water
b House
c Education
d Food
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Education কেন সঠিক: শিক্ষা একটি বিমূর্ত ধারণা যা খালি চোখে দেখা যায় না এবং এটি মানুষের মানসিক বিকাশের সাথে যুক্ত। এটি মানুষের জন্মগত অধিকার এবং জ্ঞান অর্জনের একটি অদৃশ্য মাধ্যম। এটি জীবনকে সুন্দর করার একটি বৌদ্ধিক প্রক্রিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Water — পানি একটি দৃশ্যমান এবং স্পর্শযোগ্য বস্তু যা মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য একটি উপাদান। B) House — বাড়ি একটি দৃশ্যমান ও ভৌত আশ্রয়স্থল যেখানে মানুষ বসবাস করে এবং এটি চোখে দেখা যায়। C) Education — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য একটি ধারণার কথা বলা হলো যা সম্পূর্ণ ভিন্ন। D) Food — খাদ্য একটি দৃশ্যমান ও স্পর্শযোগ্য বস্তু যা খেয়ে মানুষ বেঁচে থাকে এবং শারীরিক শক্তি অর্জন করে। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ ছোঁয়া যায় বা দৃশ্যমান সেগুলো এক ক্যাটাগরির হয়, আর বিমূর্ত ধারণাগুলো আলাদা হয়।
a Profit
b Business
c Loss
d power
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) power কেন সঠিক: প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে প্রথম তিনটি শব্দ সরাসরি ব্যবসা এবং বাণিজ্যের আর্থিক অবস্থার সাথে সম্পর্কিত। শুধুমাত্র ডি নম্বর অপশনটি কোনো আর্থিক লেনদেন বা ব্যবসার পরিভাষার সাথে মেলে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Profit — এটি ব্যবসার একটি অতি পরিচিত আর্থিক লাভ বা আয়ের অংশ নির্দেশ করে। B) Business — এটি এমন একটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম যার সাথে লাভ ও লোকসানের বিষয়টি জড়িত। C) Loss — এটি ব্যবসার একটি আর্থিক ক্ষতি বা লোকসানকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) power — এটি কোনো ব্যবসার আর্থিক ফলাফল বা বাণিজ্যিক পরিভাষা নয়, তাই এটি আলাদা। মনে রাখার টিপস: শব্দগুলোর অর্থ মিলিয়ে দেখবে কোন তিনটি একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র বা ধারণার সাথে মিলে যায় এবং কোনটি আলাদা।
a Morning
b Result
c Hard work
d Patience
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Morning কেন সঠিক: বাকি তিনটি শব্দ সফলতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত এবং মানুষের গুণ বা কাজের সাথে যুক্ত। সফল হতে হলে পরিশ্রম এবং ধৈর্যের প্রয়োজন হয়। ফলাফল হলো সেই কাজের পরিণতি। সকাল একটি সময়ের নাম যা অন্যগুলোর শ্রেণীর সাথে মেলে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Morning — এটি একটি দিনের নির্দিষ্ট সময় বোঝায় এবং সফলতার কোনো উপাদান নয়। B) Result — এটি কাজের পরিণতি যা সাফল্যের ধারণার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। C) Hard work — এটি সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় একটি শারীরিক বা মানসিক শ্রম। D) Patience — এটি মানুষের একটি গুণ যা লক্ষ্য অর্জনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলো কোনো গুণ, কাজ বা তার ফলাফল বোঝায় সেগুলো এক দলে থাকে এবং সময়বাচক শব্দ আলাদা হয়।
a Agriculture
b Weather
c Consultant
d Seed
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Consultant কেন সঠিক: Agriculture, Weather এবং Seed শব্দ তিনটি সরাসরি কৃষি কাজের সাথে গভীরভাবে যুক্ত। কিন্তু Consultant শব্দটির পেশা বা ব্যবসার সাথে সম্পর্ক রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Agriculture — এটি সরাসরি কৃষি বা চাষাবাদ বোঝায় যা উদ্ভিদের সাথে সম্পর্কিত। B) Weather — এটি কৃষিকাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাকৃতিক উপাদান। C) Consultant — এটি একটি পেশাদার পদবী যা কৃষির সাথে সরাসরি যুক্ত নয়। D) Seed — এটি কৃষি কাজের একটি প্রধান ও আবশ্যিক উপাদান। মনে রাখার টিপস: অন্যান্য শব্দগুলো কৃষি সংশ্লিষ্ট হলেও এটি একটি পেশাগত শব্দ।
a Parallel
b Paralal
c Parallal
d Paralel
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Parallel কেন সঠিক: বানানে প্রথম অংশে par এবং এর পর একটি একক l আছে। এর পরে al যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ শব্দটি গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Parallel — এটি সঠিক বানান। B) Paralal — মাঝের অংশ ভুল থাকায় এই বানানটি গ্রহণযোগ্য নয়। C) Parallal — শেষ অংশ ভুল থাকার কারণে এটি অশুদ্ধ। D) Paralel — পর্যাপ্ত l এবং l এর সঠিক ব্যবহার না থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখতে PARA এবং LLEL এই দুটি অংশ আলাদা করে মুখস্থ করতে পারো।
a Comittee
b Committy
c Committee
d Commeetty
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Committee কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে দুটি m, দুটি t এবং দুটি e রয়েছে। ইংরেজি বানানের নিয়م অনুযায়ী এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Comittee — এখানে শেষ অক্ষর দুটি ভুল আছে কারণ এখানে একটি মাত্র t ব্যবহার করা হয়েছে। B) Committy — এখানে শেষের দিকে i অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানানের নিয়মের পরিপন্থী। C) Committee — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে ভুল নয়। D) Commeetty — এখানে ডাবল e এবং ডাবল t অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে ডাবল m, ডাবল t এবং ডাবল e এর নিয়মটি বারবার লিখে অনুশীলন করতে হবে।
a Profesor
b Professer
c Profeser
d Professor
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Professor কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে শুরুতে প্রো (Pro) এবং শেষে ওআর (or) যুক্ত হয়। মাঝখানে ডাবল এফ (ff) এবং একটি ই (e) থাকে। এটি ইংরেজি ভাষার একটি প্রমিত বানানরীতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Profesor — এই বানানে এফ (f) একটি কম আছে এবং শেষে ইআর (er) ব্যবহার করা হয়েছে। B) Professer — এই বানানের শেষের অংশ ভুল কারণ সেখানে ইআর (er) দেওয়া হয়েছে। C) Profeser — এই বানানে এফ (f) একটি এবং শেষের অংশ ভুল রয়েছে। D) Professor — এটি শতভাগ সঠিক এবং প্রমিত বানান। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে প্রো (Pro) এর সাথে ফেসর (fessor) যুক্ত করে প্রোফেসর মনে রাখুন।
a Problam
b Problum
c Problem
d Problame
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Problem কেন সঠিক: - প্রদত্ত বানানটি ইংরেজি ভাষার নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং এর অর্থ সমস্যা। - প্রমিত ইংরেজি বানানরীতিতে শেষের ধ্বনি বোঝাতে lem যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Problam — শেষের অংশ lam ভুল, কারণ প্রমিত বানানে lem হয়। B) Problum — শেষের অংশ lum ভুল, কারণ সঠিক বানানে lem হবে। C) Problem — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো বানান ত্রুটি নেই। D) Problame — শেষের অংশ lame অতিরিক্ত e যুক্ত থাকায় বানানটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখার জন্য শেষের অংশটি লক্ষ্য রাখুন যেখানে lem ব্যবহার করা হয়।
a ৬৬ বছর
b ৫৬ বছর
c ৫৩ বছর
d ৭২ বছর
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬৬ বছর প্রদত্ত তথ্য: খালেক ও তার বাবার বয়সের বর্তমান সমষ্টি = ৪০ বছর ১৩ বছর পর তাদের বয়স দুজনার জন্যই ১৩ বছর করে বাড়বে ধরি, খালেকের বর্তমান বয়স = ক বছর তার বাবার বর্তমান বয়স = খ বছর অতএব, বর্তমান বয়sent যোগফল = ক + খ = ৪০ বছর ১৩ বছর পর খালেকের বয়স হবে = ক + ১৩ বছর ১৩ বছর পর বাবার বয়স হবে = খ + ১৩ বছর সুতরাং, ১৩ বছর পর তাদের বয়সের নতুন সমষ্টি হবে = ক + ১৩ + খ + ১৩ = (ক + খ) + ২৬ বছর উত্তর: ৪০ + ২৬ = ৬৬ বছর
a ৪০%
b ৫০%
c ৬০%
d ৮০%
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮০% প্রদত্ত তথ্য: কলার ক্রয়মূল্য = ৭৫০ টাকা কলার বিক্রয়মূল্য = ১৩৫০ টাকা ধরি, মোট লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য অতএব, লাভ = ১৩৫০ − ৭৫০ = ৬০০ টাকা সুতরাং, ক্রয়মূল্যের উপর শতকরা লাভ = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × ১০০% উত্তর: (৬০০ ÷ ৭৫০) × ১০০% = ৮০%
a ২৭২৫ টাকা
b ৩১২৫ টাকা
c ৩০০০ টাকা
d ৩২০০ টাকা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩১২৫ টাকা প্রদত্ত তথ্য: গাড়ির ক্রয়মূল্য = ২৫০০ টাকা লাভের হার = ২৫% ধরি, ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে, বিক্রয়মূল্য হবে ১০০ + ২৫ = ১২৫ টাকা অতএব, ক্রয়মূল্য ২৫০০ টাকা হলে, বিক্রয়মূল্য হবে (২৫০০ × ১২৫) ÷ ১০০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য = ৩১০০২৫ ÷ ১০০ টাকা = ৩১২৫ টাকা উত্তর: ৩১২৫ টাকা
a 42
b 49
c 55
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: রাজশাহী থেকে খুলনার দূরত্ব = ২৮২ কিলোমিটার মোট সময় লেগেছে = ৭ ঘণ্টা যাত্রাবিরতি ছিল = ১ ঘণ্টা ধরি, বাসটির চলার প্রকৃত সময় = মোট সময় − যাত্রাবিরতি চলার প্রকৃত সময় = ৭ − ১ = ৬ ঘণ্টা অতএব, মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ২৮২ কিলোমিটার চলার প্রকৃত সময় = ৬ ঘণ্টা সুতরাং, গড় গতিবেগ = মোট দূরত্ব ÷ চলার সময় গড় গতিবেগ = ২৮২ ÷ ৬ = ৪৭ কি.মি./ঘণ্টা উত্তর: ৪৭ কি.মি./ঘণ্টা
a ১৫০ টাকা
b ১৯০ টাকা
c ২২৫ টাকা
d ২৯০ টাকা
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বিনিয়োগ = ৭০০ টাকা এবং সুদের হার = ২০% দ্বিতীয় বিনিয়োগ = ৫০০ টাকা এবং সুদের হার = ১০% সময় = ১ বছর ধরি, প্রথম মূলধন = ৭০০ টাকা দ্বিতীয় মূলধন = ৫০০ টাকা সময় = ১ বছর অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে সুদ = ৭০০ × ২০% × ১ = ১৪০ টাকা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সুদ = ৫০০ × ১০% × ১ = ৫০ টাকা সুতরাং, মোট সুদ = ১৪০ টাকা + ৫০ টাকা = ১৯০ টাকা উত্তর: ১৯০ টাকা
a ৯০%
b ৮০%
c ৭৫%
d ৫০%
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯০% প্রদত্ত তথ্য: মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ৫০০ জন ছাত্রীর পরিমাণ = ২০% বুধবার অনুপস্থিত ছাত্রের সংখ্যা = ৪০ জন ধরি, মোট ছাত্রের সংখ্যা = ১০০% − ২০% = ৮০% মোট ছাত্রের সংখ্যা (সংখ্যায়) = ৫০০ জনের ৮০% = ৪০০ জন উপস্থিত ছাত্রের সংখ্যা = মোট ছাত্র − অনুপস্থিত ছাত্র অতএব, উপস্থিত ছাত্রের সংখ্যা = ৪০০ − ৪০ = ৩৬০ জন মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৪০০ জন শতকরা উপস্থিতি = উপস্থিত ছাত্র ÷ মোট ছাত্র × ১০০% সুতরাং, শতকরা উপস্থিতি = ৩৬০ ÷ ৪০০ × ১০০% = ৯০% উত্তর: ৯০%
a ১২০৭৫ টাকা
b ১৩৩২০ টাকা
c ১৬০০০ টাকা
d ১৪৪০০ টাকা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৩৩২০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: সামাদ সাহেবের বর্তমান মাসিক বেতন = ১২০০০ টাকা বেতন বৃদ্ধির হার = ১১% ধরি, বর্তমান বেতন = ১২০০০ টাকা বৃদ্ধির পরিমাণ = ১২০০০ টাকার ১১% অতএব, ১১২০০ এর ১১% = (১২০০০ × ১১) ÷ ১০০ হিসাব করে পাই, ১২০০০ × ১১ = ১৩২০০০০ ১৩২০০০০ ÷ ১০০ = ১৩২০ টাকা সুতরাং, আগামী বছর নতুন মাসিক বেতন হবে = ১২০০০ + ১৩২০ = ১৩৩২০ টাকা উত্তর: ১৩৩২০ টাকা
a 37
b 46.8
c 56.4
d 49
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৬.৮ প্রদত্ত তথ্য: মোট সংখ্যা = ৭২০ নির্ণয় করতে হবে = ৬.৫% ধরি, ৭২০ এর ৬.৫% হলো ক অতএব, ক = ৭২০ × (৬.৫ ÷ ১০০) সুতরাং, ক = (৭২০ × ৬.৫) ÷ ১০০ উত্তর: ৪৬.৮
a 1469
b 10469
c 90146
d 10000
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০৪৬৯ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ০, ১, ৪, ৬ এবং ৯ আমাদের পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রথম অঙ্কটি শূন্য হতে পারবে না কারণ শূন্য দিয়ে শুরু হলে তা চার অঙ্কের সংখ্যা হয়ে যায় অতএব, প্রথম ঘরে বসার মতো ক্ষুদ্রতম সার্থক অঙ্কটি হলো ১ দ্বিতীয় ঘরে ছোট মান আনার জন্য সবচেয়ে ছোট অঙ্ক শূন্য বসবে সুতরাং, পরবর্তী ঘরগুলোতে ক্রমানুসারে ছোট অঙ্কগুলো ৪, ৬ এবং ৯ বসাতে হবে উত্তর: ১০৪৬৯
a ১৮টি
b ২০টি
c ৩০টি
d কোনোটিই নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: বড় বাক্সের সংখ্যা = ১টি বড় বাক্সের ভেতরে ছোট বাক্সের সংখ্যা = ৪টি প্রতি ৪টি বাক্সের ভেতরের ক্ষুদ্র বাক্সের সংখ্যা = ৬টি করে ধরি, বড় বাক্স = ১টি মাঝারি বাক্স = ৪টি অতএব, প্রতিটি মাঝারি বাক্সের ভেতরের ছোট বাক্সের সংখ্যা = ৬টি মোট ছোট বাক্সের সংখ্যা = ৪ × ৬ = ২৪টি সুতরাং, সর্বমোট বাক্সের সংখ্যা = বড় বাক্স ১টি + মাঝারি বাক্স ৪টি + ছোট বাক্স ২৪টি = ২৯টি উত্তর: ২৯টি
a ৫টি
b ৬টি
c ৭টি
d ৮টি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬টি প্রদত্ত তথ্য: এক ডজন বা ১২টি কলার বিক্রয়মূল্য এক টাকা ২৫% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য ১০০% − ২৫% = ৭৫% ধরি, কলার ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে ২৫% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য ৭৫ টাকা ৫০% লাভে নতুন বিক্রয়মূল্য ১০০% + ৫০% = ১৫০ টাকা অতএব, ৭৫ টাকায় বিক্রি করতে হয় ১২টি কলা ১ টাকায় বিক্রি করতে হয় ১২ ÷ ৭৫ টি কলা ১৫০ টাকায় বিক্রি করতে হয় ১২ × ১৫০ ÷ ৭৫ টি কলা সুতরাং, ১৫০ টাকায় বিক্রি করতে হবে ২৪টি কলা টাকার অঙ্কে ৫০% লাভে এক টাকায় বিক্রি করতে হবে ২৪ ÷ ৪ = ৬টি কলা উত্তর: ৬টি
a ৮ জন
b ১০ জন
c ৪ জন
d ৬ জন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ জন প্রদত্ত তথ্য: ২০ জন লোক একটি কাজের অর্ধেক করতে পারে ৩০ দিনে সম্পূর্ণ কাজটি করতে মোট দিন লাগবে ৩০ × ২ = ৬০ দিন একই কাজ ৫০ দিনে শেষ করতে হবে ধরি, সম্পূর্ণ কাজটির পরিমাণ = ১ একক মোট লোকসংখ্যা প্রয়োজন = ক জন অতএব, ১ জন লোক ১ দিনে করে = ১ ÷ (২০ × ৬০) অংশ কাজ ক জন লোক ৫০ দিনে করে = (ক × ৫০) ÷ ১২০০ অংশ কাজ সুতরাং, শর্তমতে, ক × ৫০ ÷ ১২০০ = ১ ক = ১২০০ ÷ ৫০ = ২৪ জন উত্তর: ২৪ − ২০ = ৮ জন অতিরিক্ত লোক লাগবে
a ধান
b গম
c আখ
d পাট
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পাট কেন সঠিক: - পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল এবং এটি দেশের ঐতিহ্যবাহী বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। - বিগত দশকগুলোতে রপ্তানি আয়ে ধান বা গম প্রধান ভূমিকা না রাখায় পাটকেই প্রধান অর্থকরী ফসল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধান — এটি বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য, অর্থকরী ফসল নয়। B) গম — এটিও একটি প্রধান খাদ্যশস্য, যা মূলত অভ্যন্তরীণ খাদ্যের চাহিদা মেটায়। C) আখ — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নগদ বা অর্থকরী ফসল হলেও পাটের মতো প্রধান স্থান দখল করে না। D) পাট — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: খাদ্যের জন্য ধান এবং বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান অর্থকরী ফসল হিসেবে পাট মনে রাখতে হবে।
a মাটি কাটার যন্ত্র
b ধান কাটার যন্ত্র
c প্রাথমিক পর্যায়ের কর্ষণ যন্ত্র
d সেচ যন্ত্র
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাথমিক পর্যায়ের কর্ষণ যন্ত্র কেন সঠিক: - জমি চাষের শুরুতে মাটি উল্টে ফেলা বা খোঁড়ার কাজে কোদাল ব্যবহার করা হয়। - কৃষি প্রযুক্তিতে জমি প্রস্তুত করার প্রথম ধাপ বা কর্ষণ যন্ত্র হিসেবে কোদাল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাটি কাটার যন্ত্র — মাটি কাটা এর সাধারণ কাজ হলেও কৃষিকাজের শৈল্পিক ও কারিগরি পরিভাষায় এটি প্রাথমিক কর্ষণ যন্ত্র হিসেবে গণ্য হয়। B) ধান কাটার যন্ত্র — ধান কাটার জন্য কাস্তে বা আধুনিক হারভেস্টার ব্যবহার করা হয়, কোদাল নয়। C) প্রাথমিক পর্যায়ের কর্ষণ যন্ত্র — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। D) সেচ যন্ত্র — সেচ কাজের জন্য পাম্প বা নালা ব্যবহার করা হয়, কোদালের সঙ্গে সেচের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: কৃষিকাজের শুরুতে জমি প্রস্তুত বা খোঁড়ার কাজকে কর্ষণ বলে, তাই কোদাল একটি প্রাথমিক কর্ষণ যন্ত্র।
a ২য়
b ৩য়
c ৪র্থ
d ৫ম
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪র্থ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। - বাংলাদেশ চাল আমদানির পরিবর্তে বর্তমানে চাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পাশাপাশি উদ্বৃত্ত ধান উৎপাদন করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২য় — এই অবস্থানটি সাধারণত চীন বা ভারতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা বাংলাদেশ নয়। B) ৩য় — ইন্দোনেশিয়া বা ভিয়েতনাম ধান উৎপাদনে এই অবস্থানে থাকতে পারে, যা বাংলাদেশের স্থান নয়। C) ৪র্থ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) ৫ম — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ পঞ্চম নয়, বরং ধান উৎপাদনে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে চার অক্ষরের দেশ অর্থাৎ ৪র্থ স্থানে রয়েছে।
a চামিন্ডা ভাস
b রুবেল হোসেন
c তাইজুল ইসলাম
d জুবায়ের হোসেন
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তাইজুল ইসলাম কেন সঠিক: - ২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ঢাকা টেস্টে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেকেই হ্যাটট্রিক করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন তাইজুল ইসলাম। - একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিশ্বের প্রথম বোলার হিসেবে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন তিনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চামিন্ডা ভাস — তিনি শ্রীলঙ্কার বিখ্যাত পেসার হলেও ওয়ানডে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করেননি, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অন্যান্য অনন্য রেকর্ড আছে। B) রুবেল হোসেন — তিনি বাংলাদেশের একজন পেসার যিনি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন, তবে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করার রেকর্ড তার নেই। D) জুবায়ের হোসেন — তিনি বাংলাদেশের একজন লেগ স্পিনার যিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন, তবে ওয়ানডে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করেননি। মনে রাখার টিপস: অভিষেকের দিনে ওয়ানডেতে প্রথম হ্যাটট্রিককারী বোলার হলেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম।
a চার্লস ব্যাবেজ
b স্টিফেন হকিন্স
c আলফ্রেড নোবেল
d আইনস্টাইন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চার্লস ব্যাবেজ কেন সঠিক: - তিনি ১৮৩৭ সালে প্রথম প্রোগ্রামেবল মেকানিক্যাল কম্পিউটার অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন নকশা করেন। - আধুনিক কম্পিউটিং প্রযুক্তির ধারণার ভিত্তি স্থাপন করার জন্য তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চার্লস ব্যাবেজ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি আধুনিক কম্পিউটারের ধারণার প্রবক্তা। B) স্টিফেন হকিন্স — তিনি একজন বিশ্বখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী ছিলেন, কম্পিউটার নির্মাতা নন। C) আলফ্রেড নোবেল — তিনি ডিনামাইট আবিষ্কারক এবং নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক, কম্পিউটার প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত নন। D) আইনস্টাইন — তিনি আপেক্ষিকতা তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী, কম্পিউটারের জনক নন। মনে রাখার টিপস: ব্যাবেজ মানেই কম্পিউটারের কাজের সূচনা।
a এইচআইভি
b ভেরিসেলা
c ইবোলা
d মার্স
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইবোলা কেন সঠিক: - ইবোলা একটি মারাত্মক ও সংক্রামক ভাইরাস রোগ, যার বিস্তারের কারণে অতীতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বৈশ্বিক সতর্কতা বা জরুরি অবস্থা জারি করেছিল। - এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে উচ্চ মৃত্যুহার দেখা দেওয়ায় আন্তর্জাতিকভাবে এর বিস্তার রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এইচআইভি — এটি বিশ্বব্যাপী দীর্ঘমেয়াদি মহামারি হলেও নির্দিষ্ট কোনো আকস্মিক বিস্তারের জন্য সাম্প্রতিক বৈশ্বিক সতর্কতা হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়। B) ভেরিসেলা — এটি চিকেন পক্স সৃষ্টিকারী ভাইরাস, যা সাধারণত বিশ্বব্যাপী জরুরি সতর্কতা জারির মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করে না। C) ইবোলা — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি নিজেই। D) মার্স — এটি একটি করোনা ভাইরাসজনিত রোগ হলেও ইবোলার মতো ব্যাপক ও তীব্র বৈশ্বিক সতর্কতা অতীতে এর বিস্তারে নেওয়া হয়নি। মনে রাখার টিপস: বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়ানো মারাত্মক ছোঁয়াচে ভাইরাসের নাম এলে ইবোলা নামটি মনে রাখবে।
a ভোলা
b নাটোর
c রাজশাহী
d সিলেট
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজশাহী কেন সঠিক: - রাজশাহী অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে তুতগাছ জন্মে এবং রেশম চাষের অনুকূল আবহাওয়া রয়েছে। - বাংলাদেশ সিল্ক বোর্ড এই জেলায় অবস্থিত হওয়ায় এটি দেশের রেশম শিল্পের প্রধান কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোলা — এটি একটি দ্বীপ জেলা এবং নদী ভাঙনের জন্য পরিচিত, যা রেশম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত নয়। B) নাটোর — এই জেলা কাঁচাগোল্লা মিষ্টির জন্য বিখ্যাত, রেশম গুটি উৎপাদনের জন্য প্রধান কেন্দ্র নয়। C) রাজশাহী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। D) সিলেট — এই জেলা চা বাগান ও পাহাড়ি অঞ্চলের জন্য বিখ্যাত, রেশম গুটির জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: রেশম মানেই রাজশাহী, কারণ রাজশাহী সিল্ক বাংলাদেশের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী ও বিখ্যাত।
a ব্যাঙ
b মহিষ
c কেঁচো
d কোনোটিই নয়
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কেঁচো কেন সঠিক: - কেঁচো মাটি খুঁড়ে তার ভেতর চলাচল করে এবং মাটির উর্বরতা ও বাতাস চলাচলের পথ সুগম করে। - মাটিকে প্রাকৃতিকভাবে চাষ বা আলগা করার এই জাদুকরী ভূমিকার কারণে কেঁচোকে প্রাকৃতিক লাঙল বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাঙ — ব্যাঙ কীটপতঙ্গ খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে কিন্তু মাটি চাষ বা ওল্টানোর সাথে যুক্ত নয়। B) মহিষ — মহিষ মাঠে কাদামাটি ওলোটপালট করে বটে, তবে এটি কৃষকের চাষের বাহন বা সহায়ক প্রাণী, প্রাকৃতিক লাঙল নয়। C) কেঁচো — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত হবে না। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মাটি কাটে যে, লাঙলের কাজ করে সে অর্থাৎ কেঁচো হলো প্রকৃতির নিজস্ব লাঙল।
a বান্দরবান
b রামু
c কাপ্তাই
d বীরাঙামাটি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাপ্তাই কেন সঠিক: - এটি কর্ণফুলী নদীর ওপর অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। - ১৯৫৩ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ১৯৬২ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান্দরবান — এটি একটি পাহাড়ি জেলা হলেও এখানে কোনো জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নেই। B) রামু — এটি কক্সবাজার জেলার একটি উপজেলা, যেখানে কোনো জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত নয়। C) কাপ্তাই — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনে রয়েছে। D) বীরাঙামাটি — এটি রাঙামাটি জেলার ভুল বানান বা অপ্রাসঙ্গিক নাম, যেখানে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: কর্ণফুলী নদীর পানি দিয়ে কাপ্তাইয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তাই কাপ্তাই মানেই জলবিদ্যুৎ।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b অমর্ত্য সেন
c মুহম্মদ ইউনূস
d ফজলে হাসান আবেদ
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেন সঠিক: - তিনি ১৯১৩ সালে তার গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ সং অফারিংস এর জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি কেবল প্রথম বাঙালি নন, বরং প্রথম এশীয় নোবেল বিজয়ী হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৯১৩ সালে প্রথম বাঙালি হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। B) অমর্ত্য সেন — তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেও প্রথম বাঙালি নন, তিনি ১৯৯৮ সালে এই পুরস্কার পান। C) মুহম্মদ ইউনূস — তিনি ও তার গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। D) ফজলে হাসান আবেদ — তিনি ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা হলেও কখনো নোবেল পুরস্কার লাভ করেননি। মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের নোবেল জয়ের সাল মনে রাখতে ১৩ নম্বর সংখ্যাটি মনে রাখুন, তিনি ১৯১৩ সালে পুরস্কার পান।
a শেখ মুজিবুর রহমান
b এম এ জি ওসমানী
c একে খন্দকার তাজউদ্দিন আহমেদ
d কোনোটিই নয়
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক। - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারির মাধ্যমে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র জাতির সর্বাধিনায়ক হিসেবে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) এম এ জি ওসমানী — তিনি ছিলেন মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি, তবে সর্বাধিনায়ক নন। C) একে খন্দকার তাজউদ্দিন আহমেদ — একে খন্দকার ছিলেন বিমান বাহিনীর প্রধান ও উপপ্রধান সেনাপতি এবং তাজউদ্দিন আহমেদ ছিলেন প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রী। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সর্বাধিনায়ক ছিলেন রাজনৈতিক প্রধান অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সেনাপতি ছিলেন সামরিক প্রধান অর্থাৎ জেনারেল ওসমানী।
a ময়মনসিংহ
b বরিশাল
c গাজীপুর
d চাঁদপুর
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গাজীপুর কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) গাজীপুর জেলায় অবস্থিত। - এটি ধান গবেষণা ও উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবনের প্রধান জাতীয় প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ — এখানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA) অবস্থিত। B) বরিশাল — এখানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক কেন্দ্র ও কৃষিসংশ্লিষ্ট অন্য প্রতিষ্ঠান আছে। C) গাজীপুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এখানেই অবস্থিত। D) চাঁদপুর — এটি নদীবেষ্টিত একটি জেলা এবং এখানে এই জাতীয় ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট নেই। মনে রাখার টিপস: ধানের শীষ গাজীপুরের মাটিতে সোভা পায়, তাই ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজীপুরে অবস্থিত।
a ২টি
b ৩টি
c ৪টি
d ৫টি
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩টি কেন সঠিক: - পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি মোট তিনটি জেলা নিয়ে গঠিত। - এই তিনটি জেলা হলো রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২টি — পার্বত্য চট্টগ্রাম দুটি জেলা নিয়ে গঠিত নয়, এটি ভুল তথ্য। B) ৩টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ পার্বত্য চট্টগ্রাম তিনটি জেলা নিয়ে গঠিত। C) ৪টি — পার্বত্য চট্টগ্রামে চারটি জেলা নেই, তাই এটি ভুল। D) ৫টি — পার্বত্য চট্টগ্রামে পাঁচটি জেলা নেই, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাগুলোকে মনে রাখার সহজ উপায় হলো রাখা বা রাখাবান (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান)।
a পশুর জাত
b পশুখাদ্যের অভাব
c পশুর আকার
d পশুর রোগ-ব্যাধি
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পশুখাদ্যের অভাব কেন সঠিক: - আমাদের দেশে গবাদিপশু পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার পায় না, ফলে তাদের শারীরিক শক্তি ও কর্মক্ষমতা কমে যায়। - কৃষিকাজে পশু ব্যবহারের ক্ষেত্রে খাদ্যের এই চরম ঘাটতিই সবচেয়ে বড় অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পশুর জাত — দেশীয় জাতের পশু কৃষিকাজে মোটেও অনুপযুক্ত নয়, বরং খাদ্যের অভাবে ভালো জাতের পশুকেও কাজে লাগানো যায় না। B) পশুখাদ্যের অভাব — এটি সঠিক কারণ, কারণ পুষ্টিকর খাবারের অভাবে পশু কৃষিকাজ করার মতো শারীরিক শক্তি পায় না। C) পশুর আকার — পশুর আকার ছোট বা বড় যাই হোক না কেন, পর্যাপ্ত খাবার পেলে তারা মাঠে কাজ করতে সক্ষম হয়। D) পশুর রোগ-ব্যাধি — রোগ-ব্যাধি কৃষিকাজে একটি সমস্যা হলেও পশুখাদ্যের অভাবের মতো এটি প্রধান ও নিত্যদিনের বাধা নয়। মনে রাখার টিপস: খাবার না পেলে মানুষ বা পশু কেউ কাজ করতে পারে না, তাই পশুশক্তির প্রধান বাধা হলো পশুখাদ্যের অভাব।
a পুকুর
b বিল
c ডোবা
d দিঘী
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিল কেন সঠিক: - বিল হলো প্রাকৃতিক ও মুক্ত জলাশয়, যেখানে নদীর পানি বা বৃষ্টির পানি স্বাভাবিকভাবে আসা-যাওয়া করতে পারে। - এটি মানুষের তৈরি নয় এবং এর সঙ্গে নদী বা খালের সংযোগ থাকে বলে একে মুক্ত জলাশয় বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুকুর — এটি মানুষের খনন করা বদ্ধ জলাশয়, যার চারপাশে বাঁধ থাকে এবং স্বাভাবিক পানির স্রোত থাকে না। B) বিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ডোবা — এটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র আকৃতির বদ্ধ জলাশয়, যা সাধারণত বৃষ্টির জমে থাকা পানি দ্বারা সৃষ্টি হয়। D) দিঘী — এটিও মানুষের খনন করা একটি বড় আকারের বদ্ধ জলাশয়, যার পানি বাইরে থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। মনে রাখার টিপস: যেই জলাশয়ের পানি নিজে নিজেই প্রাকৃতিকভাবে আসা-যাওয়া করে এবং মানুষের খনন করা নয়, সেটাই মুক্ত জলাশয় যেমন বিল।
a ৩-৪ সেমি
b ৫-৬ সেমি
c ৭-৯ সেমি
d ১০-১২ সেমি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭-৯ সেমি কেন সঠিক: - দেশী লাঙ্গল দিয়ে সাধারণ চাষে মাটির উপরিভাগ ৭ থেকে ৯ সেন্টিমিটার গভীর পর্যন্ত কাটা বা উল্টানো যায়। - এটি আমাদের দেশের প্রথাগত কৃষিপদ্ধতিতে ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহৃত লাঙ্গলের স্বাভাবিক চাষের গভীরতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩-৪ সেমি — এই গভীরতা খুবই কম হওয়ায় তা দিয়ে কার্যকরভাবে বীজ বোনার উপযোগী মাটি তৈরি করা যায় না। B) ৫-৬ সেমি — এটি খুব বেশি গভীর নয় এবং আদর্শ দেশী লাঙ্গলের স্বাভাবিক খননক্ষমতার তুলনায় কিছুটা কম। D) ১০-১২ সেমি — দেশী লাঙ্গলের পক্ষে সাধারণত এত গভীরে মাটি কাটা সম্ভব হয় না, এর জন্য আধুনিক যন্ত্রের প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: দেশী লাঙ্গলের চাষের গভীরতা মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ৭ থেকে ৯ সেন্টিমিটার।
a শুকনা জমি
b ভিজা জমি
c এঁটেল মাটি
d দোআঁশ মাটি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দোআঁশ মাটি কেন সঠিক: - দেশী মোল্ড বোর্ড লাঙ্গল মাটির উপরিস্তর কেটে উল্টে দিতে ব্যবহৃত হয়, যা দোআঁশ মাটির ভৌত গঠনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। - দোআঁশ মাটিতে বালি ও কাদার পরিমাণ সমভাবে থাকে বিধায় এই লাঙ্গলে জমি সুন্দরভাবে চাষ ও মিহি করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুকনা জমি — অতিরিক্ত শুকনা জমিতে মোল্ড বোর্ড লাঙ্গল চালানো কঠিন এবং এতে মাটির ঢেলা ভেঙে মিহি হয় না। B) ভিজা জমি — অধিক ভেজা বা আর্দ্র মাটিতে লাঙ্গলের ফলা আটকে যায় এবং মাটি ফলার গায়ে লেগে থাকে। C) এঁটেল মাটি — এঁটেল মাটি খুব আঁটালো ও ভারী হওয়ায় এই লাঙ্গল দিয়ে চাষ করা অত্যন্ত কষ্টকর ও অনুপযোগী। D) দোআঁশ মাটি — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মোল্ড বোর্ড লাঙ্গল মানেই দোআঁশ মাটি চাষের উপযুক্ত যন্ত্র।
a বীজ পাত্র
b বীজ হার নির্ধারক
c ঢেকে দেয়ার যন্ত্র
d খাদ তৈরিকারক
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বীজ হার নির্ধারক কেন সঠিক: - বীজ বপন যন্ত্রের মূল কাজ হলো নির্দিষ্ট দূরত্বে ও সঠিক পরিমাণে বীজ মাটিতে ফেলা। - বীজ হার নির্ধারক যন্ত্রটি জমির পরিমাপ অনুযায়ী প্রতি হেক্টরে সঠিক পরিমাণ বীজ ছড়াতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীজ পাত্র — এটি কেবল বীজ সংরক্ষণের কাজ করে, সুনির্দিষ্ট হার নির্ধারণ করে না। B) বীজ হার নির্ধারক — এটি সঠিক উত্তর। C) ঢেকে দেয়ার যন্ত্র — এটি বীজ বপনের পরের ধাপের কাজ করে, বীজ নির্ধারণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। D) খাদ তৈরিকারক — এটি কেবল মাটি কেটে লাইন বা রেখা তৈরি করে, বীজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে না। মনে রাখার টিপস: কতটুকু বীজ পড়ব তা ঠিক করে হার নির্ধারক।
a নিড়ানি
b ডিক্স হ্যারো
c আঁচড়া
d কোনোটিই নয়
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় (প্রকৃত শক্তিচালিত আগাছা দমন যন্ত্র হলো পাওয়ার উইডার বা পাওয়ার টিলার চালিত উইডার) কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনোটিই সরাসরি ইঞ্জিন বা মোটর চালিত শক্তিচালিত আগাছা দমন যন্ত্র নয়। - প্রশ্নটিতে শক্তিচালিত আগাছা দমন যন্ত্র জানতে চাওয়া হয়েছে, যার সঠিক নাম পাওয়ার উইডার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিড়ানি — এটি সাধারণত হাত দিয়ে ব্যবহারের ঐতিহ্যগত ও মানবশক্তি নির্ভর কৃষি সরঞ্জাম, যা দিয়ে এককভাবে জমি নিড়ানো হয়। B) ডিক্স হ্যারো — এটি মূলত ট্রাক্টর দিয়ে টানা হয় এবং এটি মাটি কাটা ও ম্যাসাই করার কাজে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ আগাছা দমন যন্ত্র নয়। C) আঁচড়া — এটিও হাত দিয়ে বা গবাদিপশু দিয়ে টানা দেশীয় নিড়ানি যন্ত্র, কোনো স্বতন্ত্র শক্তিচালিত মোটরযুক্ত যন্ত্র নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু উপরের কোনো অপশনই শক্তিচালিত আগাছা দমন যন্ত্র নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: শক্তিচালিত আগাছা দমন যন্ত্র মানেই পাওয়ার উইডার, তাই হাত দিয়ে চালানো নিড়ানি বা আঁচড়া এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
a দুই
b চার
c তিন
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় (প্রদত্ত উত্তর সংশোধন করা হলো, মূলত শক্তির উৎসের ভিত্তিতে শক্তিচালিত স্প্রেয়ার দুই প্রকার) কেন সঠিক: - শক্তির উৎসের ভিত্তিতে শক্তিচালিত স্প্রেয়ার প্রধানত দুই প্রকার, যেমন ইঞ্জিনচালিত এবং ব্যাটারিচালিত স্প্রেয়ার। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর না থাকায় সঠিক উত্তর হবে কোনোটিই নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই — এটি সঠিক উত্তর হওয়া উচিত ছিল, কারণ শক্তির উৎসের ভিত্তিতে স্প্রেয়ার দুই প্রকার, তবে প্রশ্নে সঠিক উত্তর ডি দেওয়া হয়েছে। B) চার — শক্তির উৎসের ভিত্তিতে স্প্রেয়ার চার প্রকার নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। C) তিন — শক্তির উৎসের ভিত্তিতে স্প্রেয়ার তিন প্রকার নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। D) কোনোটিই নয় — প্রদত্ত উত্তরের সাপেক্ষে এটি সঠিক হলেও মূল বৈজ্ঞানিক তথ্যানুযায়ী শক্তির উৎসের ভিত্তিতে স্প্রেয়ার দুই প্রকার। মনে রাখার টিপস: শক্তির উৎসের ওপর ভিত্তি করে স্প্রেয়ার মূলত দুই প্রকার (ইঞ্জিন এবং ব্যাটারি)।
a ক্ষণ যন্ত্র
b জমি কর্ষণ
c বালাই দমন
d চারা রোপণ
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) জমি কর্ষণ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের কৃষিতে বর্তমান সময়ে জমি চাষ বা কর্ষণের ক্ষেত্রে ট্রাক্টর এবং পাওয়ার টিলারের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। - সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তে যান্ত্রিক উপায়ে জমি কর্ষণ এখন এদেশের কৃষকদের কাছে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও দৃশ্যমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষণ যন্ত্র — এটি প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট কোনো প্রচলিত কৃষিযন্ত্র বা সঠিক উত্তর নয়। B) জমি কর্ষণ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এদেশের কৃষিতে সর্বাধিক যন্ত্রায়িত অংশ। C) বালাই দমন — এদেশের কৃষিতে কীটনাশক ছিটানোর কাজ আংশিক যন্ত্রায়িত হলেও জমি কর্ষণের মতো সার্বজনীন নয়। D) চারা রোপণ — এদেশের ধানসহ অধিকাংশ প্রধান ফসল এখনও মূলত সনাতন বা হাতের মাধ্যমেই রোপণ করা হয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে যন্ত্রায়নের শুরুটা মূলত জমি কর্ষণের মাধ্যমেই সবচেয়ে বেশি সফল হয়েছে।
a মিষ্টি আলু
b গোলআলু
c কাঁকরোল
d কচু
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গোলআলু কেন সঠিক: - গোলআলুর গায়ে থাকা চোখ বা কুঁড়িযুক্ত অংশ কেটে মাটিতে রোপণ করলে তা থেকে নতুন উদ্ভিদের জন্ম হয়, যা শাখা বা অঙ্গজ প্রজননের একটি রূপ। - উদ্ভিদের অঙ্গ বা শাখা ব্যবহার করে নতুন গাছ উৎপাদনের এই পদ্ধতিটিই মূলত শাখা কলমের বংশ বিস্তার নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিষ্টি আলু — মিষ্টি আলু গাছের লতা বা মূল রোপণ করে বংশ বিস্তার করা হয়, সরাসরি শাখা কলম করা হয় না। B) গোলআলু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা ওপরে দেওয়া হয়েছে। C) কাঁকরোল — কাঁকরোল গাছের ক্ষেত্রে সাধারণত মূল বা টিউবার এবং বীজ ব্যবহার করে বংশ বিস্তার করা হয়। D) কচু — কচু গাছের ক্ষেত্রে লতা বা কন্দ ব্যবহার করে বংশ বিস্তার করা হয়। মনে রাখার টিপস: আলুর চোখে চোখ রাখলে, নতুন গাছ পাবে একেকটি মাপে।
a উন্নতজাতের আধুনিক ধান চাষ
b উচ্চফলনশীল এক জাতের গম
c উচ্চফলনশীল এক জাতের পাট
d কোনোটিই নয়
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উন্নতজাতের আধুনিক ধান চাষ কেন সঠিক: - উফশী শব্দের পূর্ণরূপ হলো উচ্চ ফলনশীল (High Yielding Variety বা HYV)। - এটি মূলত আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে চাষ করা উন্নত জাতের ধানকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর ডি দেওয়া থাকলেও, মূল সঠিক উত্তর এ হবে কারণ উফশী ধান চাষের সঙ্গেই এটি সরাসরি সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্নতজাতের আধুনিক ধান চাষ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ উফশী বলতে প্রধানত উচ্চ ফলনশীল ধান বীজ ও তার চাষাবাদকে বোঝায়। B) উচ্চফলনশীল এক জাতের গম — উফশী শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো গমের জাত নয়, এটি মূলত ধান উৎপাদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। C) উচ্চফলনশীল এক জাতের পাট — পাটের ক্ষেত্রে উফশী শব্দ ব্যবহার করা হয় না, এটি মূলত উফশী ধান চাষের সঙ্গে যুক্ত। D) কোনোটিই নয় — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও তা ভুল, কারণ অপশন এ এর উত্তরটিই এখানে সঠিক। মনে রাখার টিপস: উফশী মানে উচ্চ ফলনশীল। কৃষি ক্ষেত্রে বিশেষ করে ধান চাষের বিপ্লব ঘটাতে উফশী ধান ব্যাপকভাবে পরিচিত।
a চামড়া
b চর্বি
c হাড়
d কোনোটিই নয়
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় কেন সঠিক: - পোলট্রি ফার্ম গড়ে ওঠার মূল কারণ হলো মাংস ও ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধি করা। - এই শিল্পে মূলত ভুট্টা ও সয়াবিন থেকে তৈরি ফিডের চাহিদা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায়, যা প্রদত্ত অপশনে নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চামড়া — পোলট্রি বা মুরগির চামড়া শিল্প বা পোলট্রি খাদ্যের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। B) চর্বি — পোলট্রি ফার্ম বৃদ্ধির কারণে বাণিজ্যিকভাবে চর্বির চাহিদা বাড়ার কোনো সরাসরি বৈজ্ঞানিক বা অর্থনৈতিক সম্পর্ক নেই। C) হাড় — মুরগির হাড় কোনো প্রধান শিল্পপণ্য বা পোলট্রি ফার্ম বৃদ্ধির মূল লক্ষ্য নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু চামড়া, চর্বি বা হাড় কোনোটিরই চাহিদা পোলট্রি বৃদ্ধির কারণে বিশেষভাবে বাড়ে না, তাই এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: পোলট্রি ফার্ম মূলত মাংস ও ডিমের জন্য জনপ্রিয়, তাই এর কারণে হাড় বা চামড়ার নয় বরং ফিড বা খাবারের চাহিদা বাড়ে।
a রেড়ি
b মিষ্টি কুমড়া
c আম
d সীম
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সীম কেন সঠিক: - অংকুরোদগমের সময় বীজপত্র মাটির নিচে থেকে যায় এবং মুকুলবরণ বা ভূত্বক ভেদ করে ওপরে উঠে আসে, যা মৃৎগত অংকুরোদগম নামে পরিচিত। - সীম উদ্ভিদের ক্ষেত্রে বীজপত্র মাটির নিচেই আবদ্ধ থাকে এবং এ কারণেই এটি মৃৎগত অংকুরোদগমের অন্যতম প্রধান উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেড়ি — এটি মৃৎগত অংকুরোদগম নয়, কারণ রেড়ি বীজের অংকুরোদগমের সময় বীজপত্র মাটির ওপরে উঠে আসে যাকে মৃদভেদী অংকুরোদগম বলে। B) মিষ্টি কুমড়া — এটি মৃদভেদী অংকুরোদগমের উদাহরণ কারণ এর বীজপত্র মাটির ওপরে চলে আসে, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) আম — আম গাছের ক্ষেত্রে বীজ মাটিতে পুঁতলেও এর অঙ্কুরোদগম প্রক্রিয়া ভিন্ন প্রকৃতির এবং এটি শিম জাতীয় উদ্ভিদ নয়। D) সীম — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল অপশন নয়, বরং সঠিক উত্তরের পূর্ণ বিবরণ। মনে রাখার টিপস: মৃৎগত অংকুরোদগমের ক্ষেত্রে মনে রাখবে 'সী-ম' অর্থাৎ সীম মাটির নিচে ('নিচে') থাকে।
a হাঁস ও মাছ
b মুরগি ও মাছ
c হাঁস, ধান ও মাছ
d a, b, c সবগুলি
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a, b, c সবগুলি কেন সঠিক: - সমন্বিত চাষ হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে একই জমিতে বা ব্যবস্থাপনায় একাধিক কৃষিভিত্তিক উৎপাদন একে অপরের পরিপূরক হিসেবে পরিচালিত হয়। - হাঁস ও মাছ, মুরগি ও মাছ কিংবা হাঁস, ধান ও মাছের চাষ এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সবগুলোই সঠিক সমন্বিত চাষের উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাঁস ও মাছ — এটি সমন্বিত চাষের একটি রূপ হলেও শুধু এটিই একমাত্র সঠিক উত্তর নয়, কারণ মুরগি বা ধান চাষও এর অন্তর্ভুক্ত। B) মুরগি ও মাছ — এটিও সমন্বিত চাষের একটি পদ্ধতি, তবে অন্যান্য বিকল্পগুলোও সঠিক হওয়ায় এটি একক উত্তর হতে পারে না। C) হাঁস, ধান ও মাছ — এটি একটি চমৎকার ত্রিভুজভিত্তিক সমন্বিত চাষ পদ্ধতি, কিন্তু অন্য অপশনগুলোও সঠিক হওয়ায় শুধু এটি উত্তর হবে না। D) a, b, c সবগুলি — প্রদত্ত সবগুলো অপশনই সমন্বিত চাষের সফল উদাহরণ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: মাছ চাষের সাথে হাঁস, মুরগি বা ধান একসঙ্গে চাষ করাকেই সমন্বিত চাষ বলা হয়।
a বাগদা চিংড়ি
b ঢাকা চিংড়ি
c হরিণা চিংড়ি
d বাঘতারা চিংড়ি
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাগদা চিংড়ি কেন সঠিক: - বাগদা চিংড়ি লবণাক্ত পানিতে খুব ভালো জন্মায় এবং এর আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক চাহিদা ও উচ্চ মূল্য রয়েছে। - বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার-ভাটার লবণাক্ত পানি বাগদা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় এটি সবচেয়ে লাভজনক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাগদা চিংড়ি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) ঢাকা চিংড়ি — এটি কোনো পরিচিত বাণিজ্যিক সামুদ্রিক বা লোনা পানির চিংড়ি প্রজাতি নয়। C) হরিণা চিংড়ি — এটি সামুদ্রিক চিংড়ি হলেও বাগদার মতো বাণিজ্যিকভাবে লোনা পানিতে ঘেরে চাষ করে বেশি লাভ পাওয়া যায় না। D) বাঘতারা চিংড়ি — এটি কোনো মানসম্মত বা পরিচিত চাষযোগ্য বাণিজ্যিক চিংড়ির নাম নয়। মনে রাখার টিপস: লবণাক্ত বা লোনা পানি বললেই মাথায় রাখতে হবে বাগদা চিংড়ির কথা, কারণ এটি বাংলাদেশের প্রধান লোনা পানির লাভজনক চিংড়ি।
a মিষ্টি আলু
b আলফা আলফা
c মটর
d পান
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলফা আলফা কেন সঠিক: - আলফা আলফা একটি বিশ্বখ্যাত ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ যা মাটিতে নাইট্রোজেন সংবদ্ধ করে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। - জৈব সার বা সবুজ সার হিসেবে চাষ করে চাষাবাদে রাসায়নিক সারের নির্ভরতা কমানোর জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিষ্টি আলু — এটি প্রধানত একটি কন্দাল খাদ্য ফসল এবং এর মূল খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সবুজ সার উৎপাদনে এটি ব্যবহৃত হয় না। B) আলফা আলফা — এটি একটি আদর্শ সবুজ সার উৎপাদনকারী উদ্ভিদ যা মাটির উর্বরতা ও পুষ্টি উপাদান বৃদ্ধি করতে সরাসরি চাষ করা হয়। C) মটর — এটি ডালজাতীয় উদ্ভিদ হলেও প্রধানত খাদ্য বা ডাল উৎপাদনের জন্য চাষ করা হয়, নির্দিষ্টভাবে সবুজ সার হিসেবে এর পরিচিতি সীমিত। D) পান — এটি লতানো চিরহরিৎ উদ্ভিদ এবং এর পাতা মানুষ পান হিসেবে খায়, সবুজ সার হিসেবে এর কোনো ব্যবহার নেই। মনে রাখার টিপস: সবুজ সার বা জমির উর্বরতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আলফা আলফা নামটি সবার আগে আসে।
a খাদ্য শস্য
b চিনি
c আঁশ
d তেল
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খাদ্য শস্য কেন সঠিক: - ভুট্টা ঘাস পরিবারের অন্তর্গত একটি দানাদার শস্য যা বিশ্বজুড়ে প্রধান খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - ধান ও গমের মতো ভুট্টাও মানুষের খাদ্য এবং পশুখাদ্য হিসেবে ব্যাপকভাবে উৎপাদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাদ্য শস্য — এটি সঠিক কারণ ভুট্টা একটি প্রধান দানাদার খাদ্য শস্য। B) চিনি — এটি ভুল কারণ ভুট্টা সরাসরি চিনি উৎপাদনের প্রধান উৎস নয়, যদিও ভুট্টার আঠা বা স্টার্চ থেকে কর্ন সিরাপ তৈরি হয়। C) আঁশ — এটি ভুল কারণ ভুট্টা মূল উদ্ভিজ্জ আঁশ বা ফাইবার উৎপাদনের জন্য চাষ করা হয় না। D) তেল — এটি ভুল কারণ ভুট্টা থেকে তেল পাওয়া গেলেও এর মূল ও প্রধান অর্থনৈতিক পরিচয় হলো এটি একটি খাদ্য শস্য। মনে রাখার টিপস: ভাত ও রুটির মতো ভুট্টাও আমরা খাদ্য হিসেবে খাই, তাই এটি খাদ্য শস্য।
a পেকিন
b খাকী ক্যাম্পবেল
c রুয়েন
d মাসকোডি
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পেকিন কেন সঠিক: - পেকিন হাঁস মূলত মাংস উৎপাদনের জন্য বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বিখ্যাত জাত। - এই জাতের হাঁসের মাংস সুস্বাদু হয় এবং এরা অল্প সময়ে দ্রুত শারীরিক বৃদ্ধি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেকিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জাতের হাঁস প্রধানত মাংস উৎপাদনের জন্যই চাষ করা হয়। B) খাকী ক্যাম্পবেল — এটি মাংসের জন্য নয়, বরং বিশ্বের অন্যতম সেরা ডিম পাড়া হাঁসের জাত হিসেবে পরিচিত। C) রুয়েন — এটি একটি ভারী জাতের হাঁস যা মাংসের জন্য পরিচিত হলেও পেকিনের মতো এত বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত নয়। D) মাসকোডি — এটি মাংস উৎপাদনে পরিচিত হলেও এদের উড়ার প্রবণতা বেশি এবং পেকিনের মতো বাণিজ্যিক মাংসের বাজারে প্রধান জাত নয়। মনে রাখার টিপস: পেকিন হাঁসের নাম মনে রাখতে পারেন পেটের ক্ষুধা মেটাতে মাংসের রাজা পেকিন।
a সাইটোপ্লাজম
b ক্লোরোপ্লাস্ট
c ক্রোমোপ্লাস্ট
d কোনোটিই নয়
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্লোরোপ্লাস্ট কেন সঠিক: - ক্লোরোপ্লাস্টে থাকা ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণা সূর্যালোক শোষণ করে। - এই অঙ্গাণুটি সূর্যালোক, কার্বন ডাই অক্সাইড ও পানির সাহায্যে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাইটোপ্লাজম — এটি কোষের অর্ধতরল জেলি সদৃশ পদার্থ যা কোষের অঙ্গাণুগুলো ধারণ করে কিন্তু সরাসরি খাদ্য প্রস্তুত করে না। B) ক্লোরোপ্লাস্ট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত। C) ক্রোমোপ্লাস্ট — এটি রঙিন প্লাস্টিড যা ফুল ও ফলে রঙ সৃষ্টি করে কিন্তু সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয় না। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর বি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সবুজ রঙের ক্লোরোপ্লাস্ট মানেই রান্নাঘর, যেখানে সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে গাছ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করে।
a নিউক্লিয়াস
b গলজি বস্তু
c মাইটোকন্ড্রিয়া
d কোষ গহ্বর
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইটোকন্ড্রিয়া কেন সঠিক: - মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের ভেতরে শক্তি উৎপন্ন করে এবং একে কোষের পাওয়ার হাউস বলা হয়। - এটি শসনের মাধ্যমে খাদ্য জারিত করে শক্তি বা এটিপি তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউক্লিয়াস — এটি কোষের প্রধান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে এবং বংশগতিতে ভূমিকা রাখে। B) গলজি বস্তু — এটি কোষের প্রোটিন ও লিপিড সঞ্চয় এবং নিঃসরণের প্রধান কাজ করে। C) মাইটোকন্ড্রিয়া — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কাজ প্রযোজ্য নয়। D) কোষ গহ্বর — এটি কোষে রস ধারণ করে এবং কোষের স্ফীতি বজায় রাখতে সাহায্য করে। মনে রাখার টিপস: শক্তি মানে পাওয়ার হাউস, আর কোষের পাওয়ার হাউস হলো মাইটোকন্ড্রিয়া।
a বর্ধিষ্ণু অঞ্চল
b মূলরোম
c স্থায়ী অঞ্চল
d বিভাজন অঞ্চল
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মূলরোম কেন সঠিক: - মূলরোমের কোষপ্রাচীর খুব পাতলা হয় এবং এটি মাটি থেকে কৈশিক পানি ও খনিজ লবণ সহজে শোষণ করতে পারে। - মূলরোমের permukaan বা পৃষ্ঠকাল বেশি থাকায় এটি শোষণের কাজ সবচেয়ে দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ধিষ্ণু অঞ্চল — এই অঞ্চলের মূল কাজ হলো কোষ বিভাজনের মাধ্যমে মূলের লম্বায় বৃদ্ধি ঘটানো, খাদ্য শোষণ করা নয়। B) মূলরোম — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) স্থায়ী অঞ্চল — এই অঞ্চলের মূল কাজ হলো উদ্ভিদের মূলকে দৃঢ়ভাবে আটকে রাখা এবং পানি ও খনিজ পরিবহন করা। D) বিভাজন অঞ্চল — এই অঞ্চলের কোষগুলো ক্রমাগত বিভাজিত হয়ে নতুন কোষ সৃষ্টি করে, শোষণের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: রোম যেমন শরীরকে সুরক্ষা দেয়, তেমনি মূলের রোম বা মূলরোম মাটি থেকে খাবার ও পানি টেনে নেয়।
a দুই
b তিন
c চার
d পাচ
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুই কেন সঠিক: - পরাগায়ন মূলত দুই প্রকার, যথা: স্ব-পরাগায়ন এবং পর-পরাগায়ন। - উদ্ভিদের প্রজনন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য পরাগধানী থেকে পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়ার এই দুটি প্রধান মাধ্যম রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই — এটি সঠিক উত্তর কারণ পরাগায়ন প্রধানত স্ব-পরাগায়ন ও পর-পরাগায়ন এই দুই ভাগে বিভক্ত। B) তিন — পরাগায়ন তিন প্রকার নয়, তাই এটি সঠিক নয়। C) চার — পরাগায়ন চার প্রকার হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয় না, তাই এটি ভুল। D) পাচ — পরাগায়ন কখনো পাঁচ প্রকার হতে পারে না, তাই এটি ভুল উত্তর। মনে রাখার টিপস: পরাগায়ন প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়, স্ব এবং পর।
a কেনাফ
b শন
c বিট
d পাট
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিট কেন সঠিক: - আখ ছাড়া বিশ্বের দ্বিতীয় প্রধান চিনি উৎপাদনকারী উদ্ভিদ হলো সুগার বিট বা বিট। - এর মূলে প্রচুর পরিমাণে সুক্রোজ থাকে যা থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চিনি প্রস্তুত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেনাফ — এটি মূলত একটি তন্তু বা আঁশ উৎপাদনকারী উদ্ভিদ যা পাটজাত দ্রব্যের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) শন — এটি একটি শক্ত আঁশ জাতীয় উদ্ভিদ যা মূলত রশি ও থলে তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। C) বিট — এটি সঠিক উত্তর। D) পাট — এটি প্রধান আঁশ উৎপাদনকারী উদ্ভিদ এবং এর থেকে সোনালী আঁশ পাওয়া যায়, কোনো চিনি উৎপাদিত হয় না। মনে রাখার টিপস: আখের পাশাপাশি মিষ্টি স্বাদের বিট থেকেও চিনি তৈরি হয়।

মোট প্রশ্ন (12)

a বেগম রোকেয়া
b সেলিনা হোসেন
c সুফিয়া কামাল
d তসলিমা নাসরিন
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেগম রোকেয়া ১. কেন সঠিক: - 'সুলতানার স্বপ্ন' বা 'Sultana's Dream' হলো নারীজাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের রচিত একটি বিশ্বখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়া বা কল্পবিজ্ঞানভিত্তিক সাহিত্যকর্ম। - এই রচনাটিতে একটি পুরুষতান্ত্রিক সমাজের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে নারীরা সমাজ পরিচালনা করেন এবং পুরুষরা অন্তঃপুরে বন্দি থাকেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাঙালি মুসলিম নারীজাগরণ ও সমাজ সংস্কারের এক অবিস্মরণীয় নাম যিনি ১৮৮০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - এটি মূলত একটি ইংরেজি ছোটগল্প হিসেবে ১৯০৫ সালে মাদ্রাজের দ্য ইন্ডিয়ান লেডিস ম্যাগাজিন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে বাংলায় অনূদিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মতিচুর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন যা নারীশিক্ষা ও সমাজ সংস্কারের ওপর লিখিত। উদাহরণ ২: পদ্মরাগ ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা নারী অধিকার ও মুক্তির বার্তা বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম রোকেয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সাহিত্যকর্মটি তার দ্বারাই রচিত। B) সেলিনা হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত সমসাময়িক ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। C) সুফিয়া কামাল — তিনি বিশিষ্ট কবি ও নারী আন্দোলনের নেত্রী হলেও এই কল্পবিজ্ঞানধর্মী গ্রন্থটি তার নয়। D) তসলিমা নাসরিন — তিনি আধুনিক বিতর্কিত লেখক ও নারীবাদী হলেও উনিশ শতক বা বিশ শতকের শুরুর এই ক্লাসিক গ্রন্থের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্বপ্ন এবং নারীজাগরণ সম্পর্কিত কোনো বৈপ্লবিক সাহিত্যকর্মের কথা এলেই বেগম রোকেয়ার নাম মনে রাখতে হবে। - সুলতানার স্বপ্ন একটি কাল্পনিক রাজ্য যেখানে নারীরা দেশ চালায়, যার রচয়িতা বেগম রোকেয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যু দিবস ৯ ডিসেম্বর একই দিনে পালিত হয়, যা রোকেয়া দিবস নামে পরিচিত। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার ইংরেজি রচনা 'সুলতানার স্বপ্ন' এবং তার প্রবন্ধ 'মতিচুর' প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a সরল বাক্য
b জটিল বাক্যকা
c যৌগিক বাক্য
d মিশ্র বাক্যাল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরল বাক্য কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে একটিমাত্র উদ্দেশ্য বা কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে। ২. বাক্যটির মধ্যে কোনো খণ্ডবাক্য বা একাধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত নেই। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে ব্যাকরণের নিয়মে সরল বাক্য বলে। ২. এখানে পদ্মফুল হলো উদ্দেশ্য বা কর্তা এবং জন্মে হলো সমাপিকা ক্রিয়া। ৩. যেমন: আকাশে চাঁদ উঠেছে, এটি একটি সরল বাক্যের উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এতে সরল বাক্যের সমস্ত ব্যাকরণগত শর্ত পুরোপুরিভাবে মিলে গেছে। B) জটিল বাক্য — এই অপশনটি ভুল, কারণ জটিল বাক্যের মতো এখানে একাধিক পরস্পরনির্ভর খণ্ডবাক্য বা সাপেক্ষ সর্বনাম নেই। C) যৌগিক বাক্য — এই অপশনটি ভুল, কারণ যৌগিক বাক্যের মতো দুটি স্বাধীন বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা দ্বারা যুক্ত হয়নি। D) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি ভুল, কারণ মিশ্র বাক্য বলতে মূলত জটিল বাক্যকেই বোঝানো হয় এবং এই বাক্যে তার কোনো লক্ষণ নেই। মনে রাখার টিপস: ১. বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া খুঁজবে এবং সেটি যদি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে সরল বাক্য বলবে।
a ৭টি
b ৯টি
c ৮টি
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরবর্ণ বা সংকুচিত স্বরবর্ণের সংখ্যা মোট ১১টি। প্রদত্ত অপশনগুলোতে ১১ সংখ্যাটি না থাকায় সঠিক উত্তর হিসেবে ডি নির্বাচন করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। এই ১১টি স্বরবর্ণের মধ্যে হ্রস্ব স্বর এবং দীর্ঘ স্বর উভয় প্রকার বর্ণই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা বর্ণমালার প্রথম এবং সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত একটি স্বরবর্ণ। উদাহরণ ২: আ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা বর্ণমালার দ্বিতীয় স্বরবর্ণ যা দীর্ঘ স্বর হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭টি — বাংলা বর্ণমালার মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা সাতটি নয়, বরং এটি ১১টি। B) ৯টি — বাংলা বর্ণমালার মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা নয়টি নয়, সঠিক সংখ্যাটি হলো ১১টি। C) ৮টি — বাংলা বর্ণমালার মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা আটটি নয়, মোট স্বরবর্ণ ১১টি রয়েছে। D) কোনোটিই নয় — প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর ১১ না থাকায় এই অপশনটি সঠিক হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা বর্ণমালার মোট বর্ণ পঞ্চাশটি এবং তার মধ্যে স্বরবর্ণ এগারোটি ও ব্যঞ্জনবর্ণ উনচল্লিশটি। সংখ্যা দুটি মনে রাখার জন্য যথাক্রমে ৫০, ১১ এবং ৩৯ সংখ্যাগুলো একসাথে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয় এবং এর সংখ্যা ১০টি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মোট বর্ণ, স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a ইতি + দি
b ইতি + আদি
c ইত + তাদি
d ইতি + অদি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইতি + আদি ১. কেন সঠিক: - 'ইত্যাদি' শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো ইতি + আদি। এটি স্বরসন্ধির একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ। - এখানে প্রথম পদের শেষে অবস্থিত 'ই' কার এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে থাকা 'আ' মিলে 'য' বা 'যা' এ রূপান্তরিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কারের জায়গায় 'য' বা 'য্' হয় এবং এর সাথে পরবর্তী স্বরধ্বনি যুক্ত হয়। এটি বাংলা ব্যাকরণের ই-সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। - এখানে ইতি শব্দের শেষের 'ই' এবং আদি শব্দের শুরুর 'আ' মিলে '্যা' গঠিত হয়েছে, যা মূল শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে ইত্যাদি রূপ নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি + অপি = যদিঅপি ব্যাখ্যা: এখানে ই-কারের পর অ-কার থাকায় ই-কার য-ফলা রূপ ধারণ করেছে। উদাহরণ ২: অতি + অধিক = অতিরিক্ত ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ই-কারের সাথে অ-কার যুক্ত হয়ে য-ফলা গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতি + দি — দি কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এটি সন্ধির নিয়মের সাথে মেলে না। C) ইত + তাদি — ইত এবং তাদি শব্দ দুটি সঠিক সন্ধির নিয়ম গঠন করে না। D) ইতি + অদি — অদি কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা উপসর্গ নয়, সঠিক শব্দটি হবে আদি। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইত্যাদি শব্দটি ভাঙলে শেষাংশ 'আদি' পাওয়া যায়, যা দিয়ে শুরু বা প্রারম্ভ বোঝায়। - য-ফলাযুক্ত শব্দে ই-কার বা ঈ-কার দিয়ে সন্ধি ভাঙতে হয়, যেমন ইতি যোগ আদি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই নিয়মের ক্ষেত্রে প্রথম শব্দটিতে সাধারণত ই-কার বা ঈ-কার থাকে।
a পুত্র
b কেষ্ট
c পুত্তর
d বিষ্ট
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কেষ্ট ১. কেন সঠিক: সংস্কৃত শব্দ প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে কিছুটা বিকৃত বা সহজ হয়ে বাংলায় আসার সময় যে শব্দগুলো তৈরি হয়, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন-তৎসম শব্দ বলা হয়। কৃষ্ণ শব্দটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ, যার প্রাকৃত রূপ পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় অর্ধ-তৎসম রূপে কেষ্ট হিসেবে প্রচলিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব সংস্কৃত শব্দ সামান্য পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে। এ ধরনের শব্দে মূল সংস্কৃত শব্দের উচ্চারণ ও রূপ পুরোপুরি সংরক্ষিত থাকে না, বরং কথ্য ভাষার প্রভাবে কিছুটা তদ্ভব শব্দের মতো আচরণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত জ্যোৎস্না শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ। উদাহরণ ২: গিন্নি ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত গৃহিণী শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুত্র — এটি একটি তৎসম শব্দ, কারণ এটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং এর কোনো রূপ পরিবর্তন ঘটেনি। C) পুত্তর — এটি অর্ধ-তৎসম শব্দ হলেও পুত্র শব্দের সঠিক অর্ধ-তৎসম রূপ পুত্তর নয়, বরং এটি প্রাকৃত ভাষার একটি স্তর। D) বিষ্ট — এটি কৃষ্ণ শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ নয়, এটি মূলত বিষ্ণু শব্দের পরিবর্তিত কথ্য রূপ বা ভিন্ন একটি শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত কৃষ্ণ উচ্চারণের সময় সহজ করে বাংলায় কেষ্ট বলা হয়, তাই এটি অর্ধ-তৎসম। অর্ধ-তৎসম শব্দ চেনার উপায় হলো এগুলো মূলত মুখের ভাষা থেকে আসা কিছুটা পরিবর্তিত তৎসম শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম, অর্ধ-তৎসম ও তদ্ভব শব্দ আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। শ্রাদ্ধ থেকে ছেরাদ্দ, ভক্তি থেকে ভক্তি বা গিন্নি ও বৌমা জাতীয় শব্দগুলো অর্ধ-তৎসম শব্দ হিসেবে ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সাধু ভাষারীতিতে
b চলিত ভাষারীতিতে
c আঞ্চলিক রীতিতে
d মিশ্র রীতিতে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাধু ভাষারীতিতে ১. কেন সঠিক: সাধু ভাষারীতি হলো বাংলা ভাষার একটি সুনির্দিষ্ট ও লিখিত রূপ, যা তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বহুল ব্যবহারের জন্য সুপরিচিত। এই রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ থাকে এবং গুরুগম্ভীর ভাব বজায় রাখতে সংস্কৃত শব্দ ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দের উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। তৎসম শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং সাধু রীতিতে এদের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিমালয় পর্বতমালা আমাদের উত্তর সীমান্তে অবস্থিত। ব্যাখ্যা: হিমালয়, পর্বতমালা, সীমান্ত ইত্যাদি শব্দ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে যা সাধু ভাষারীতিকে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয় এবং পশ্চিমে অস্ত যায়। ব্যাখ্যা: সূর্য, উদিত, পশ্চিম ইত্যাদি তৎসম শব্দের প্রয়োগ সাধু রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধু ভাষারীতিতে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রীতিতে তৎসম শব্দের আধিক্য থাকে। B) চলিত ভাষারীতিতে — এই রীতিতে তৎসম শব্দের পরিবর্তে তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের ব্যবহার বেশি হয়। C) আঞ্চলিক রীতিতে — এটি মানুষের মুখরসিক কথ্য ভাষা, যেখানে মূলত প্রাকৃত ও পরিবর্তিত শব্দের প্রাধান্য থাকে। D) মিশ্র রীতিতে — সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে এবং এতে তৎসম শব্দের সুনির্দিষ্ট নিয়ম মানা হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধু মানেই সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের জাদু। এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষারীতি মূলত দুই প্রকার, সাধু ও চলিত। সাধু রীতি অপরিবর্তনীয় এবং চলিত রীতি পরিবর্তনশীল।
a দেবদাস
b পদ্মরাগ
c পালা মৌ
d নবযুগ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দেবদাস ১. কেন সঠিক: - দেবদাস বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপন্যাস এবং এর রচয়িতা কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - এই উপন্যাসের দেবদাস, পার্বতী বা পারু এবং চন্দ্রমুখী চরিত্রগুলো বাংলা কথাসাহিত্যে অমর হয়ে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের এক অন্যতম জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক যিনি গণমানুষের সুখদুঃখ ও সমাজের নানা অনিয়ম খুব নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছেন। - দেবদাস উপন্যাসটি তাঁর তরুণ বয়সের রচনা হলেও এটি প্রকাশের পর থেকেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং পরবর্তীতে এই উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে একাধিক চলচ্চিত্র নির্মিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকান্ত ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস এবং তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: গৃহদাহ ব্যাখ্যা: এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতা নির্ভর জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেবদাস — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) পদ্মরাগ — এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী উপন্যাস ও প্রবন্ধ গ্রন্থ। C) পালা মৌ — এটি প্রমথ চৌধুরী বা অন্য কোনো লেখকের কোনো প্রমিত সাহিত্যকর্ম নয় বরং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) নবযুগ — এটি কাজী নজরুল ইসলাম ও মওলানা আকরম খাঁ সম্পাদিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক পত্রিকা। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্রের অমর প্রেমের ট্র্যাজেডি মূলক উপন্যাসের নাম মনে রাখতে দেবদাস নামটি সবার আগে মনে রাখতে হবে। - ত্রিভুজ প্রেমের করুণ পরিণতি বোঝাতে এই উপন্যাসের নাম বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরৎচন্দ্রের উপন্যাস ও চরিত্রের নাম খুবFrequently আসে। - বিখ্যাত লেখকদের প্রথম প্রকাশিত বা সর্বাধিক জনপ্রিয় গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়তে হবে।
a মালা
b মালিকা
c মালিনী যার
d মালিনি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মালিনি ১. কেন সঠিক: - মালী শব্দের সাথে ই প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়েছে। - মালী অর্থ যিনি ফুল চাষ করেন বা বাগান পরিচর্যা করেন এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো মালিনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পুরুষবাচক শব্দের শেষে ঈ-কার বা ই-কার যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দে রূপান্তর করা হয়। - তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম বেশি প্রযোজ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাতক থেকে চাতকী ব্যাখ্যা: পুরুষবাচক শব্দের অন্তে ঈ-কার যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: কাঙালী থেকে কাঙালিনী ব্যাখ্যা: শব্দের সাথে ইনি প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালা — এটি স্ত্রীবাচক শব্দ হলেও মালী শব্দের ব্যাকরণগত স্ত্রীবাচক রূপ নয়। B) মালিকা — এটি মালী শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে প্রমিত বাংলায় গৃহীত নয়। C) মালিনী যার — এটি কোনো একক শব্দ নয় বরং এটি একটি ব্যাসবাক্যের অংশ বিশেষ। D) মালিনি — এটি মালী শব্দের ব্যাকরণগতভাবে সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - মালী শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার থাকলে স্ত্রীবাচক করার সময় সাধারণত হ্রস্ব ই-কার বা নি প্রত্যয় যুক্ত হয়। - মালী থেকে মালিনি শব্দটি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ নির্ধারণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - প্রত্যয় যোগ করার সময় বানানের প্রতি বিশেষ নজর রাখতে হবে।
a সত্যেন সেন
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c আবুল ফজল
d আল মাহমুদ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - শেষের কবিতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং পরীক্ষামুখী আধুনিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা উপন্যাসের প্রচলিত ধারা ভেঙে নতুন এক গদ্যশৈলী ও মনস্তাত্ত্বিক রূপ দান করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শেষের কবিতা একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসের দুটি অমর চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য সেন এবং এর বিখ্যাত দুটি পংক্তি হলো হে মোর দুর্ভাগা দেশ এবং যারে বলে ভালোবাসে তারে তো পাওয়া যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোরা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আরেকটি বিখ্যাত ও দীর্ঘতম সামাজিক উপন্যাস যা ব্রিটিশ আমলের ভারতীয় সমাজ ও জাতীয়তাবাদকে কেন্দ্র করে রচিত। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যেখানে পুরোনো ঐতিহ্য ও আধুনিকতার দ্বন্দ্ব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্যেন সেন — তিনি একজন প্রগতিশীল লেখক ও কথাশিল্পী হলেও শেষের কবিতা তার রচনা নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপন্যাসটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনন্য একটি সৃষ্টি। C) আবুল ফজল — তিনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। D) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই উপন্যাসটি তার লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা উপন্যাসটি মূলত একটি গদ্যধর্মী কাব্য, তাই এর নামের শেষে কবিতা থাকলেও এটি একটি উপন্যাস। - রবি ঠাকুরের উপন্যাস মনে রাখার জন্য অমিত ও লাবণ্য চরিত্র এবং শেষের কবিতা নামটি একসাথে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শেষের কবিতা একটি উপন্যাস নাকি কবিতা, এই কনফিউশন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে, তাই এটি ভালো করে মনে রাখবে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা ও যোগাযোগ উপন্যাসের প্রকাশকাল এবং চরিত্রগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
a উন্মোচন
b পতন
c অবতান
d অবসান
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পতন ১. কেন সঠিক: উত্থান শব্দের অর্থ ওপরের দিকে ওঠা, জাগরণ, উন্নতি বা বিকাশ। এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে পতন শব্দটি যার অর্থ নিচে নেমে যাওয়া, অবনতি বা ধ্বংস। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার বা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অংশ। বিপরীত শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উন্নতি - অবনতি ব্যাখ্যা: উন্নতি শব্দের অর্থ অগ্রগতি, যার বিপরীত শব্দ অবনতি অর্থাৎ পিছিয়ে পড়া। উদাহরণ ২: জয় - পরাজয় ব্যাখ্যা: জয় শব্দের অর্থ সফলতা, যার বিপরীত শব্দ পরাজয় অর্থাৎ ব্যর্থতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্মোচন — উন্মোচন শব্দের অর্থ প্রকাশ করা বা আবরণ সরানো, যা উত্থানের বিপরীতার্থক নয়। B) পতন — সঠিক উত্তর। C) অবতান — অবতান বলতে সাধারণত নিচু হওয়া বা অবনত হওয়া বোঝায়, তবে এটি উত্থানের প্রচলিত বিপরীত শব্দ নয়। D) অবসান — অবসান শব্দের অর্থ শেষ বা সমাপ্তি, যা উত্থানের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে যথাযথ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: উত্থান মানে ওপরে ওঠা এবং পতন মানে নিচে নামা, সিঁড়িতে ওপরের দিকে ওঠাকে উত্থান এবং নিচের দিকে নামাকে পতন বলে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডার ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এসব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a দশানন
b সুপুরুষ
c সাদাকালো
d চৌরাস্তা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দশানন ১. কেন সঠিক: যে সমসে সমস্যমান পদের কাউকেই না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। দশ আনন বা মাথা যার অর্থাৎ রাবণ বোঝাতে দশানন শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে পদের মিলনে সমাস হয় তাদের সমস্যমান পদ বলে এবং সমাসবদ্ধ পদটিকে সমস্ত পদ বলে। বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ প্রধান না হয়ে অন্য পদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়। এটি সাধারণত যার বা যাতে ইত্যাদি পদ দিয়ে ব্যাসবাক্য প্রসারিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিনা পানি যার = বিনা পানি। ব্যাখ্যা: এখানে বিনা ও পানি কোনোটিকেই না বুঝিয়ে সরস্বতী দেবীকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: আয়ত লোচন যার = আয়তলোচনা। ব্যাখ্যা: এখানে আয়ত ও লোচন আলাদাভাবে না বুঝিয়ে সুন্দর চোখবিশিষ্ট নারীকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দশানন - এটি বহুব্রীহি সমাসের সঠিক উত্তর কারণ এটি তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ করে। B) সুপুরুষ - এটি কর্মধারয় সমাস কারণ এখানে পুরুষ শব্দের একটি বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের সমাস হয়েছে। C) সাদাকালো - এটি দ্বন্দ্ব সমাস কারণ এখানে সাদা ও কালো উভয় পদের অর্থই প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। D) চৌরাস্তা - এটি দ্বিগু সমাস কারণ এখানে চার রাস্তার সমাহার বোঝানো হয়েছে এবং সমাসবদ্ধ পদটি বিশেষ্য পদ হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: অন্যের অর্থ প্রকাশ পেলে চোখ বন্ধ করে বহুব্রীহি সমাস দাগাবে। যার বা যাতে শব্দ থাকলে সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বহুব্রীহি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে শব্দটি থাকা। পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে রাবণ অর্থে দশানন শব্দটি প্রায়ই বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ হিসেবে আসে।
a পাল
b গুপ্ত
c সেন
d তুর্কি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে সাধারণত অন্ধকার যুগ বলা হয়। ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজির বাংলা বিজয় এবং তুর্কি আক্রমণ ও দখলের মাধ্যমে এই রাজনৈতিক অস্থিরতার সূত্রপাত ঘটেছিল। এই দেড় শ বছরের সময়কালে বাংলায় কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিক নিদর্শন বা উন্নতমানের সাহিত্যকর্ম রচিত হয়নি বললেই চলে। ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং অরাজকতার কারণে সাহিত্যচর্চা প্রায় বন্ধ থাকায় একে অন্ধকার যুগ বলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডক্টর সুকুমার সেন এবং ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সাহিত্যের কালনির্ণয় ও ইতিহাসের ক্ষেত্রে এই অন্ধকার যুগের ধারণাটি স্পষ্ট করেছেন। এই সময়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে সংস্কৃতির বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। তুর্কি আক্রমণের ফলে বাংলার শাসনক্ষমতা স্থানীয় রাজাদের হাত থেকে বিদেশি মুসলিম শাসকদের হাতে চলে যায়। এই সামাজিক ও রাজনৈতিক রূপান্তরের যুগসন্ধিক্ষণে মৌলিক সাহিত্য সৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ ছিল না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রামাই পণ্ডিতের শূন্যপুরাণ ব্যাখ্যা: অন্ধকার যুগের শেষভাগে রচিত এই গ্রন্থে তৎকালীন সমাজজীবনের কিছুটা পরিচয় পাওয়া যায় যা এই যুগের অন্ধকারের মধ্যেও ব্যতিক্রম। উদাহরণ ২: ডাক ও খনার বচন ব্যাখ্যা: এই যুগের মৌখিক সাহিত্যের নিদর্শন হিসেবে কৃষি ও জীবনদর্শন সম্পর্কিত প্রবচনগুলো সে সময়ের সমাজকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাল — পাল রাজত্বকাল হলো বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার ও চর্যাপদ রচনার স্বর্ণযুগ যা অন্ধকার যুগ নয়। B) গুপ্ত — গুপ্ত রাজত্বকাল প্রাচীন বাংলার সুবর্ণযুগ হিসেবে পরিচিত এবং এটি সাহিত্যের অন্ধকার যুগ নয়। C) সেন — সেন রাজত্বকালে সংস্কৃত ভাষায় উল্লেখযোগ্য কাব্য ও স্মৃতিশাস্ত্র রচিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: তুর্কি বিজয়ের মাধ্যমেই বাংলায় রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয় এবং সাহিত্যচর্চায় ছেদ পড়ে। তাই তুর্কি শাসনামলের সূচনা থেকেই অন্ধকার যুগের হিসাব করা হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের ব্যাপ্তি হলো ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত অর্থাৎ মোট ১৫০ বছর। এই সময়ে কোনো উল্লেখযোগ্য মৌলিক সাহিত্য রচিত না হলেও পরবর্তী যুগে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনার মাধ্যমে অন্ধকার কেটে আলোর সূচনা হয়।

মোট প্রশ্ন (12)

a Pick
b Elect
c Observe
d Look
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Pick কেন সঠিক: Select শব্দের অর্থ কোনো কিছু বাছাই করা বা পছন্দ করা। Pick শব্দের অর্থও কোনো দল বা বস্তু থেকে নির্দিষ্ট করে কিছু বেছে নেওয়া। তাই Select এবং Pick সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্য কোনো অপশন এর সাথে সরাসরি মিলে না। এটি সঠিক উত্তর হিসেবে সবচেয়ে বেশি উপযোগী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pick — এটি সঠিক উত্তর এবং সিলেক্ট শব্দের সমার্থক হিসেবে কাজ করে। B) Elect — এর অর্থ ভোট দিয়ে কাউকে নির্বাচিত করা, সাধারণ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এটি বসে না। C) Observe — এর অর্থ কোনো কিছু পর্যবেক্ষণ করা বা দেখা, যা বাছাই করার সমার্থক নয়। D) Look — এর অর্থ তাকানো বা দৃষ্টি দেওয়া, এর সাথে বাছাই করার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Select এবং Pick উভয় শব্দের অর্থই হলো কোনো কিছু বেছে নেওয়া বা পছন্দ করা।
a Thief
b Trial
c Offense
d Dark
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Offense কেন সঠিক: - Crime এবং Offense উভয় শব্দের অর্থ অপরাধ বা বেআইনি কাজ। - ইংরেজি শব্দার্থের দিক থেকে এদের মধ্যে সরাসরি সমার্থকতা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thief — এর অর্থ চোর, যা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি বোঝায় কিন্তু সমার্থক শব্দ নয়। B) Trial — এর অর্থ বিচার, যা অপরাধের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। C) Offense — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ অপরাধ বা অন্যায় কাজ। D) Dark — এর অর্থ অন্ধকার, যা আলোচ্য শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Crime মানে যেমন অপরাধ, ঠিক তেমনি Offense মানেও অপরাধ। এই দুটি সমার্থক শব্দ মনে রাখলেই উত্তর করা সহজ হবে।
a Rolling
b Combat
c Smoke
d Gun
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Combat কেন সঠিক: - Fight শব্দটির অর্থ লড়াই বা যুদ্ধ করা, যার সমার্থক শব্দ হিসেবে Combat ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Combat সরাসরি Fight বা লড়াইয়ের সমার্থক বা প্রতিশব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rolling — এটি Roll শব্দের সঙ্গে যুক্ত, যার অর্থ গড়ানো এবং Fight শব্দের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। B) Combat — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) Smoke — এর অর্থ ধোঁয়া, যা Fight বা যুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) Gun — এর অর্থ বন্দুক, যা লড়াইয়ে ব্যবহৃত একটি অস্ত্র কিন্তু Fight শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ বা অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Fight এবং Combat দুটি শব্দই সমার্থক এবং যুদ্ধ বা লড়াই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a harmony
b Professie
c Fruit
d Mind
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) harmony কেন সঠিক: - Peace শব্দের অর্থ শান্তি এবং harmony শব্দের অর্থ মিল বা সম্প্রীতি, যা এর সমার্থক শব্দ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের ভোকাবুলারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) harmony — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Peace শব্দের সমার্থক। B) Professie — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ নয়। সি) Fruit — এর অর্থ ফল, যা শান্তি শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ডি) Mind — এর অর্থ মন, যা শান্তি শব্দের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Peace এবং harmony দুটিই ইতিবাচক শব্দ, যা সমাজে শান্তি ও মিল বোঝাতে একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়।
a Water
b House
c Education
d Food
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Education কেন সঠিক: শিক্ষা একটি বিমূর্ত ধারণা যা খালি চোখে দেখা যায় না এবং এটি মানুষের মানসিক বিকাশের সাথে যুক্ত। এটি মানুষের জন্মগত অধিকার এবং জ্ঞান অর্জনের একটি অদৃশ্য মাধ্যম। এটি জীবনকে সুন্দর করার একটি বৌদ্ধিক প্রক্রিয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Water — পানি একটি দৃশ্যমান এবং স্পর্শযোগ্য বস্তু যা মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য একটি উপাদান। B) House — বাড়ি একটি দৃশ্যমান ও ভৌত আশ্রয়স্থল যেখানে মানুষ বসবাস করে এবং এটি চোখে দেখা যায়। C) Education — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য একটি ধারণার কথা বলা হলো যা সম্পূর্ণ ভিন্ন। D) Food — খাদ্য একটি দৃশ্যমান ও স্পর্শযোগ্য বস্তু যা খেয়ে মানুষ বেঁচে থাকে এবং শারীরিক শক্তি অর্জন করে। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দ ছোঁয়া যায় বা দৃশ্যমান সেগুলো এক ক্যাটাগরির হয়, আর বিমূর্ত ধারণাগুলো আলাদা হয়।
a Profit
b Business
c Loss
d power
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) power কেন সঠিক: প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে প্রথম তিনটি শব্দ সরাসরি ব্যবসা এবং বাণিজ্যের আর্থিক অবস্থার সাথে সম্পর্কিত। শুধুমাত্র ডি নম্বর অপশনটি কোনো আর্থিক লেনদেন বা ব্যবসার পরিভাষার সাথে মেলে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Profit — এটি ব্যবসার একটি অতি পরিচিত আর্থিক লাভ বা আয়ের অংশ নির্দেশ করে। B) Business — এটি এমন একটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম যার সাথে লাভ ও লোকসানের বিষয়টি জড়িত। C) Loss — এটি ব্যবসার একটি আর্থিক ক্ষতি বা লোকসানকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) power — এটি কোনো ব্যবসার আর্থিক ফলাফল বা বাণিজ্যিক পরিভাষা নয়, তাই এটি আলাদা। মনে রাখার টিপস: শব্দগুলোর অর্থ মিলিয়ে দেখবে কোন তিনটি একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র বা ধারণার সাথে মিলে যায় এবং কোনটি আলাদা।
a Morning
b Result
c Hard work
d Patience
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Morning কেন সঠিক: বাকি তিনটি শব্দ সফলতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত এবং মানুষের গুণ বা কাজের সাথে যুক্ত। সফল হতে হলে পরিশ্রম এবং ধৈর্যের প্রয়োজন হয়। ফলাফল হলো সেই কাজের পরিণতি। সকাল একটি সময়ের নাম যা অন্যগুলোর শ্রেণীর সাথে মেলে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Morning — এটি একটি দিনের নির্দিষ্ট সময় বোঝায় এবং সফলতার কোনো উপাদান নয়। B) Result — এটি কাজের পরিণতি যা সাফল্যের ধারণার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। C) Hard work — এটি সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় একটি শারীরিক বা মানসিক শ্রম। D) Patience — এটি মানুষের একটি গুণ যা লক্ষ্য অর্জনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলো কোনো গুণ, কাজ বা তার ফলাফল বোঝায় সেগুলো এক দলে থাকে এবং সময়বাচক শব্দ আলাদা হয়।
a Agriculture
b Weather
c Consultant
d Seed
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Consultant কেন সঠিক: Agriculture, Weather এবং Seed শব্দ তিনটি সরাসরি কৃষি কাজের সাথে গভীরভাবে যুক্ত। কিন্তু Consultant শব্দটির পেশা বা ব্যবসার সাথে সম্পর্ক রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Agriculture — এটি সরাসরি কৃষি বা চাষাবাদ বোঝায় যা উদ্ভিদের সাথে সম্পর্কিত। B) Weather — এটি কৃষিকাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাকৃতিক উপাদান। C) Consultant — এটি একটি পেশাদার পদবী যা কৃষির সাথে সরাসরি যুক্ত নয়। D) Seed — এটি কৃষি কাজের একটি প্রধান ও আবশ্যিক উপাদান। মনে রাখার টিপস: অন্যান্য শব্দগুলো কৃষি সংশ্লিষ্ট হলেও এটি একটি পেশাগত শব্দ।
a Parallel
b Paralal
c Parallal
d Paralel
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Parallel কেন সঠিক: বানানে প্রথম অংশে par এবং এর পর একটি একক l আছে। এর পরে al যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ শব্দটি গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Parallel — এটি সঠিক বানান। B) Paralal — মাঝের অংশ ভুল থাকায় এই বানানটি গ্রহণযোগ্য নয়। C) Parallal — শেষ অংশ ভুল থাকার কারণে এটি অশুদ্ধ। D) Paralel — পর্যাপ্ত l এবং l এর সঠিক ব্যবহার না থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখতে PARA এবং LLEL এই দুটি অংশ আলাদা করে মুখস্থ করতে পারো।
a Comittee
b Committy
c Committee
d Commeetty
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Committee কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে দুটি m, দুটি t এবং দুটি e রয়েছে। ইংরেজি বানানের নিয়م অনুযায়ী এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Comittee — এখানে শেষ অক্ষর দুটি ভুল আছে কারণ এখানে একটি মাত্র t ব্যবহার করা হয়েছে। B) Committy — এখানে শেষের দিকে i অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানানের নিয়মের পরিপন্থী। C) Committee — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে ভুল নয়। D) Commeetty — এখানে ডাবল e এবং ডাবল t অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে ডাবল m, ডাবল t এবং ডাবল e এর নিয়মটি বারবার লিখে অনুশীলন করতে হবে।
a Profesor
b Professer
c Profeser
d Professor
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Professor কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে শুরুতে প্রো (Pro) এবং শেষে ওআর (or) যুক্ত হয়। মাঝখানে ডাবল এফ (ff) এবং একটি ই (e) থাকে। এটি ইংরেজি ভাষার একটি প্রমিত বানানরীতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Profesor — এই বানানে এফ (f) একটি কম আছে এবং শেষে ইআর (er) ব্যবহার করা হয়েছে। B) Professer — এই বানানের শেষের অংশ ভুল কারণ সেখানে ইআর (er) দেওয়া হয়েছে। C) Profeser — এই বানানে এফ (f) একটি এবং শেষের অংশ ভুল রয়েছে। D) Professor — এটি শতভাগ সঠিক এবং প্রমিত বানান। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে প্রো (Pro) এর সাথে ফেসর (fessor) যুক্ত করে প্রোফেসর মনে রাখুন।
a Problam
b Problum
c Problem
d Problame
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Problem কেন সঠিক: - প্রদত্ত বানানটি ইংরেজি ভাষার নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং এর অর্থ সমস্যা। - প্রমিত ইংরেজি বানানরীতিতে শেষের ধ্বনি বোঝাতে lem যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Problam — শেষের অংশ lam ভুল, কারণ প্রমিত বানানে lem হয়। B) Problum — শেষের অংশ lum ভুল, কারণ সঠিক বানানে lem হবে। C) Problem — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো বানান ত্রুটি নেই। D) Problame — শেষের অংশ lame অতিরিক্ত e যুক্ত থাকায় বানানটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখার জন্য শেষের অংশটি লক্ষ্য রাখুন যেখানে lem ব্যবহার করা হয়।

মোট প্রশ্ন (12)

a ৪০%
b ৫০%
c ৬০%
d ৮০%
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮০% প্রদত্ত তথ্য: কলার ক্রয়মূল্য = ৭৫০ টাকা কলার বিক্রয়মূল্য = ১৩৫০ টাকা ধরি, মোট লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য অতএব, লাভ = ১৩৫০ − ৭৫০ = ৬০০ টাকা সুতরাং, ক্রয়মূল্যের উপর শতকরা লাভ = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × ১০০% উত্তর: (৬০০ ÷ ৭৫০) × ১০০% = ৮০%
a ৬৬ বছর
b ৫৬ বছর
c ৫৩ বছর
d ৭২ বছর
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬৬ বছর প্রদত্ত তথ্য: খালেক ও তার বাবার বয়সের বর্তমান সমষ্টি = ৪০ বছর ১৩ বছর পর তাদের বয়স দুজনার জন্যই ১৩ বছর করে বাড়বে ধরি, খালেকের বর্তমান বয়স = ক বছর তার বাবার বর্তমান বয়স = খ বছর অতএব, বর্তমান বয়sent যোগফল = ক + খ = ৪০ বছর ১৩ বছর পর খালেকের বয়স হবে = ক + ১৩ বছর ১৩ বছর পর বাবার বয়স হবে = খ + ১৩ বছর সুতরাং, ১৩ বছর পর তাদের বয়সের নতুন সমষ্টি হবে = ক + ১৩ + খ + ১৩ = (ক + খ) + ২৬ বছর উত্তর: ৪০ + ২৬ = ৬৬ বছর
a ৮ জন
b ১০ জন
c ৪ জন
d ৬ জন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ জন প্রদত্ত তথ্য: ২০ জন লোক একটি কাজের অর্ধেক করতে পারে ৩০ দিনে সম্পূর্ণ কাজটি করতে মোট দিন লাগবে ৩০ × ২ = ৬০ দিন একই কাজ ৫০ দিনে শেষ করতে হবে ধরি, সম্পূর্ণ কাজটির পরিমাণ = ১ একক মোট লোকসংখ্যা প্রয়োজন = ক জন অতএব, ১ জন লোক ১ দিনে করে = ১ ÷ (২০ × ৬০) অংশ কাজ ক জন লোক ৫০ দিনে করে = (ক × ৫০) ÷ ১২০০ অংশ কাজ সুতরাং, শর্তমতে, ক × ৫০ ÷ ১২০০ = ১ ক = ১২০০ ÷ ৫০ = ২৪ জন উত্তর: ২৪ − ২০ = ৮ জন অতিরিক্ত লোক লাগবে
a ২৭২৫ টাকা
b ৩১২৫ টাকা
c ৩০০০ টাকা
d ৩২০০ টাকা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩১২৫ টাকা প্রদত্ত তথ্য: গাড়ির ক্রয়মূল্য = ২৫০০ টাকা লাভের হার = ২৫% ধরি, ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে, বিক্রয়মূল্য হবে ১০০ + ২৫ = ১২৫ টাকা অতএব, ক্রয়মূল্য ২৫০০ টাকা হলে, বিক্রয়মূল্য হবে (২৫০০ × ১২৫) ÷ ১০০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য = ৩১০০২৫ ÷ ১০০ টাকা = ৩১২৫ টাকা উত্তর: ৩১২৫ টাকা
a 42
b 49
c 55
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: রাজশাহী থেকে খুলনার দূরত্ব = ২৮২ কিলোমিটার মোট সময় লেগেছে = ৭ ঘণ্টা যাত্রাবিরতি ছিল = ১ ঘণ্টা ধরি, বাসটির চলার প্রকৃত সময় = মোট সময় − যাত্রাবিরতি চলার প্রকৃত সময় = ৭ − ১ = ৬ ঘণ্টা অতএব, মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ২৮২ কিলোমিটার চলার প্রকৃত সময় = ৬ ঘণ্টা সুতরাং, গড় গতিবেগ = মোট দূরত্ব ÷ চলার সময় গড় গতিবেগ = ২৮২ ÷ ৬ = ৪৭ কি.মি./ঘণ্টা উত্তর: ৪৭ কি.মি./ঘণ্টা
a ১৫০ টাকা
b ১৯০ টাকা
c ২২৫ টাকা
d ২৯০ টাকা
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বিনিয়োগ = ৭০০ টাকা এবং সুদের হার = ২০% দ্বিতীয় বিনিয়োগ = ৫০০ টাকা এবং সুদের হার = ১০% সময় = ১ বছর ধরি, প্রথম মূলধন = ৭০০ টাকা দ্বিতীয় মূলধন = ৫০০ টাকা সময় = ১ বছর অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে সুদ = ৭০০ × ২০% × ১ = ১৪০ টাকা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সুদ = ৫০০ × ১০% × ১ = ৫০ টাকা সুতরাং, মোট সুদ = ১৪০ টাকা + ৫০ টাকা = ১৯০ টাকা উত্তর: ১৯০ টাকা
a ৯০%
b ৮০%
c ৭৫%
d ৫০%
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯০% প্রদত্ত তথ্য: মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ৫০০ জন ছাত্রীর পরিমাণ = ২০% বুধবার অনুপস্থিত ছাত্রের সংখ্যা = ৪০ জন ধরি, মোট ছাত্রের সংখ্যা = ১০০% − ২০% = ৮০% মোট ছাত্রের সংখ্যা (সংখ্যায়) = ৫০০ জনের ৮০% = ৪০০ জন উপস্থিত ছাত্রের সংখ্যা = মোট ছাত্র − অনুপস্থিত ছাত্র অতএব, উপস্থিত ছাত্রের সংখ্যা = ৪০০ − ৪০ = ৩৬০ জন মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৪০০ জন শতকরা উপস্থিতি = উপস্থিত ছাত্র ÷ মোট ছাত্র × ১০০% সুতরাং, শতকরা উপস্থিতি = ৩৬০ ÷ ৪০০ × ১০০% = ৯০% উত্তর: ৯০%
a ১২০৭৫ টাকা
b ১৩৩২০ টাকা
c ১৬০০০ টাকা
d ১৪৪০০ টাকা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৩৩২০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: সামাদ সাহেবের বর্তমান মাসিক বেতন = ১২০০০ টাকা বেতন বৃদ্ধির হার = ১১% ধরি, বর্তমান বেতন = ১২০০০ টাকা বৃদ্ধির পরিমাণ = ১২০০০ টাকার ১১% অতএব, ১১২০০ এর ১১% = (১২০০০ × ১১) ÷ ১০০ হিসাব করে পাই, ১২০০০ × ১১ = ১৩২০০০০ ১৩২০০০০ ÷ ১০০ = ১৩২০ টাকা সুতরাং, আগামী বছর নতুন মাসিক বেতন হবে = ১২০০০ + ১৩২০ = ১৩৩২০ টাকা উত্তর: ১৩৩২০ টাকা
a 37
b 46.8
c 56.4
d 49
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৬.৮ প্রদত্ত তথ্য: মোট সংখ্যা = ৭২০ নির্ণয় করতে হবে = ৬.৫% ধরি, ৭২০ এর ৬.৫% হলো ক অতএব, ক = ৭২০ × (৬.৫ ÷ ১০০) সুতরাং, ক = (৭২০ × ৬.৫) ÷ ১০০ উত্তর: ৪৬.৮
a 1469
b 10469
c 90146
d 10000
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০৪৬৯ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ০, ১, ৪, ৬ এবং ৯ আমাদের পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রথম অঙ্কটি শূন্য হতে পারবে না কারণ শূন্য দিয়ে শুরু হলে তা চার অঙ্কের সংখ্যা হয়ে যায় অতএব, প্রথম ঘরে বসার মতো ক্ষুদ্রতম সার্থক অঙ্কটি হলো ১ দ্বিতীয় ঘরে ছোট মান আনার জন্য সবচেয়ে ছোট অঙ্ক শূন্য বসবে সুতরাং, পরবর্তী ঘরগুলোতে ক্রমানুসারে ছোট অঙ্কগুলো ৪, ৬ এবং ৯ বসাতে হবে উত্তর: ১০৪৬৯
a ১৮টি
b ২০টি
c ৩০টি
d কোনোটিই নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: বড় বাক্সের সংখ্যা = ১টি বড় বাক্সের ভেতরে ছোট বাক্সের সংখ্যা = ৪টি প্রতি ৪টি বাক্সের ভেতরের ক্ষুদ্র বাক্সের সংখ্যা = ৬টি করে ধরি, বড় বাক্স = ১টি মাঝারি বাক্স = ৪টি অতএব, প্রতিটি মাঝারি বাক্সের ভেতরের ছোট বাক্সের সংখ্যা = ৬টি মোট ছোট বাক্সের সংখ্যা = ৪ × ৬ = ২৪টি সুতরাং, সর্বমোট বাক্সের সংখ্যা = বড় বাক্স ১টি + মাঝারি বাক্স ৪টি + ছোট বাক্স ২৪টি = ২৯টি উত্তর: ২৯টি
a ৫টি
b ৬টি
c ৭টি
d ৮টি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬টি প্রদত্ত তথ্য: এক ডজন বা ১২টি কলার বিক্রয়মূল্য এক টাকা ২৫% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য ১০০% − ২৫% = ৭৫% ধরি, কলার ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে ২৫% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য ৭৫ টাকা ৫০% লাভে নতুন বিক্রয়মূল্য ১০০% + ৫০% = ১৫০ টাকা অতএব, ৭৫ টাকায় বিক্রি করতে হয় ১২টি কলা ১ টাকায় বিক্রি করতে হয় ১২ ÷ ৭৫ টি কলা ১৫০ টাকায় বিক্রি করতে হয় ১২ × ১৫০ ÷ ৭৫ টি কলা সুতরাং, ১৫০ টাকায় বিক্রি করতে হবে ২৪টি কলা টাকার অঙ্কে ৫০% লাভে এক টাকায় বিক্রি করতে হবে ২৪ ÷ ৪ = ৬টি কলা উত্তর: ৬টি

মোট প্রশ্ন (35)

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b অমর্ত্য সেন
c মুহম্মদ ইউনূস
d ফজলে হাসান আবেদ
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেন সঠিক: - তিনি ১৯১৩ সালে তার গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ সং অফারিংস এর জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি কেবল প্রথম বাঙালি নন, বরং প্রথম এশীয় নোবেল বিজয়ী হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৯১৩ সালে প্রথম বাঙালি হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। B) অমর্ত্য সেন — তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেও প্রথম বাঙালি নন, তিনি ১৯৯৮ সালে এই পুরস্কার পান। C) মুহম্মদ ইউনূস — তিনি ও তার গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। D) ফজলে হাসান আবেদ — তিনি ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা হলেও কখনো নোবেল পুরস্কার লাভ করেননি। মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের নোবেল জয়ের সাল মনে রাখতে ১৩ নম্বর সংখ্যাটি মনে রাখুন, তিনি ১৯১৩ সালে পুরস্কার পান।
a নিউক্লিয়াস
b গলজি বস্তু
c মাইটোকন্ড্রিয়া
d কোষ গহ্বর
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইটোকন্ড্রিয়া কেন সঠিক: - মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের ভেতরে শক্তি উৎপন্ন করে এবং একে কোষের পাওয়ার হাউস বলা হয়। - এটি শসনের মাধ্যমে খাদ্য জারিত করে শক্তি বা এটিপি তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউক্লিয়াস — এটি কোষের প্রধান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে এবং বংশগতিতে ভূমিকা রাখে। B) গলজি বস্তু — এটি কোষের প্রোটিন ও লিপিড সঞ্চয় এবং নিঃসরণের প্রধান কাজ করে। C) মাইটোকন্ড্রিয়া — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কাজ প্রযোজ্য নয়। D) কোষ গহ্বর — এটি কোষে রস ধারণ করে এবং কোষের স্ফীতি বজায় রাখতে সাহায্য করে। মনে রাখার টিপস: শক্তি মানে পাওয়ার হাউস, আর কোষের পাওয়ার হাউস হলো মাইটোকন্ড্রিয়া।
a বর্ধিষ্ণু অঞ্চল
b মূলরোম
c স্থায়ী অঞ্চল
d বিভাজন অঞ্চল
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মূলরোম কেন সঠিক: - মূলরোমের কোষপ্রাচীর খুব পাতলা হয় এবং এটি মাটি থেকে কৈশিক পানি ও খনিজ লবণ সহজে শোষণ করতে পারে। - মূলরোমের permukaan বা পৃষ্ঠকাল বেশি থাকায় এটি শোষণের কাজ সবচেয়ে দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্ধিষ্ণু অঞ্চল — এই অঞ্চলের মূল কাজ হলো কোষ বিভাজনের মাধ্যমে মূলের লম্বায় বৃদ্ধি ঘটানো, খাদ্য শোষণ করা নয়। B) মূলরোম — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) স্থায়ী অঞ্চল — এই অঞ্চলের মূল কাজ হলো উদ্ভিদের মূলকে দৃঢ়ভাবে আটকে রাখা এবং পানি ও খনিজ পরিবহন করা। D) বিভাজন অঞ্চল — এই অঞ্চলের কোষগুলো ক্রমাগত বিভাজিত হয়ে নতুন কোষ সৃষ্টি করে, শোষণের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: রোম যেমন শরীরকে সুরক্ষা দেয়, তেমনি মূলের রোম বা মূলরোম মাটি থেকে খাবার ও পানি টেনে নেয়।
a দুই
b তিন
c চার
d পাচ
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুই কেন সঠিক: - পরাগায়ন মূলত দুই প্রকার, যথা: স্ব-পরাগায়ন এবং পর-পরাগায়ন। - উদ্ভিদের প্রজনন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য পরাগধানী থেকে পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়ার এই দুটি প্রধান মাধ্যম রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই — এটি সঠিক উত্তর কারণ পরাগায়ন প্রধানত স্ব-পরাগায়ন ও পর-পরাগায়ন এই দুই ভাগে বিভক্ত। B) তিন — পরাগায়ন তিন প্রকার নয়, তাই এটি সঠিক নয়। C) চার — পরাগায়ন চার প্রকার হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয় না, তাই এটি ভুল। D) পাচ — পরাগায়ন কখনো পাঁচ প্রকার হতে পারে না, তাই এটি ভুল উত্তর। মনে রাখার টিপস: পরাগায়ন প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়, স্ব এবং পর।
a কেনাফ
b শন
c বিট
d পাট
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিট কেন সঠিক: - আখ ছাড়া বিশ্বের দ্বিতীয় প্রধান চিনি উৎপাদনকারী উদ্ভিদ হলো সুগার বিট বা বিট। - এর মূলে প্রচুর পরিমাণে সুক্রোজ থাকে যা থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চিনি প্রস্তুত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেনাফ — এটি মূলত একটি তন্তু বা আঁশ উৎপাদনকারী উদ্ভিদ যা পাটজাত দ্রব্যের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) শন — এটি একটি শক্ত আঁশ জাতীয় উদ্ভিদ যা মূলত রশি ও থলে তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। C) বিট — এটি সঠিক উত্তর। D) পাট — এটি প্রধান আঁশ উৎপাদনকারী উদ্ভিদ এবং এর থেকে সোনালী আঁশ পাওয়া যায়, কোনো চিনি উৎপাদিত হয় না। মনে রাখার টিপস: আখের পাশাপাশি মিষ্টি স্বাদের বিট থেকেও চিনি তৈরি হয়।
a রেড়ি
b মিষ্টি কুমড়া
c আম
d সীম
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সীম কেন সঠিক: - অংকুরোদগমের সময় বীজপত্র মাটির নিচে থেকে যায় এবং মুকুলবরণ বা ভূত্বক ভেদ করে ওপরে উঠে আসে, যা মৃৎগত অংকুরোদগম নামে পরিচিত। - সীম উদ্ভিদের ক্ষেত্রে বীজপত্র মাটির নিচেই আবদ্ধ থাকে এবং এ কারণেই এটি মৃৎগত অংকুরোদগমের অন্যতম প্রধান উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেড়ি — এটি মৃৎগত অংকুরোদগম নয়, কারণ রেড়ি বীজের অংকুরোদগমের সময় বীজপত্র মাটির ওপরে উঠে আসে যাকে মৃদভেদী অংকুরোদগম বলে। B) মিষ্টি কুমড়া — এটি মৃদভেদী অংকুরোদগমের উদাহরণ কারণ এর বীজপত্র মাটির ওপরে চলে আসে, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) আম — আম গাছের ক্ষেত্রে বীজ মাটিতে পুঁতলেও এর অঙ্কুরোদগম প্রক্রিয়া ভিন্ন প্রকৃতির এবং এটি শিম জাতীয় উদ্ভিদ নয়। D) সীম — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল অপশন নয়, বরং সঠিক উত্তরের পূর্ণ বিবরণ। মনে রাখার টিপস: মৃৎগত অংকুরোদগমের ক্ষেত্রে মনে রাখবে 'সী-ম' অর্থাৎ সীম মাটির নিচে ('নিচে') থাকে।
a ২টি
b ৩টি
c ৪টি
d ৫টি
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩টি কেন সঠিক: - পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি মোট তিনটি জেলা নিয়ে গঠিত। - এই তিনটি জেলা হলো রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২টি — পার্বত্য চট্টগ্রাম দুটি জেলা নিয়ে গঠিত নয়, এটি ভুল তথ্য। B) ৩টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ পার্বত্য চট্টগ্রাম তিনটি জেলা নিয়ে গঠিত। C) ৪টি — পার্বত্য চট্টগ্রামে চারটি জেলা নেই, তাই এটি ভুল। D) ৫টি — পার্বত্য চট্টগ্রামে পাঁচটি জেলা নেই, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাগুলোকে মনে রাখার সহজ উপায় হলো রাখা বা রাখাবান (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান)।
a ময়মনসিংহ
b বরিশাল
c গাজীপুর
d চাঁদপুর
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গাজীপুর কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) গাজীপুর জেলায় অবস্থিত। - এটি ধান গবেষণা ও উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবনের প্রধান জাতীয় প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ — এখানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA) অবস্থিত। B) বরিশাল — এখানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক কেন্দ্র ও কৃষিসংশ্লিষ্ট অন্য প্রতিষ্ঠান আছে। C) গাজীপুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এখানেই অবস্থিত। D) চাঁদপুর — এটি নদীবেষ্টিত একটি জেলা এবং এখানে এই জাতীয় ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট নেই। মনে রাখার টিপস: ধানের শীষ গাজীপুরের মাটিতে সোভা পায়, তাই ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজীপুরে অবস্থিত।
a শেখ মুজিবুর রহমান
b এম এ জি ওসমানী
c একে খন্দকার তাজউদ্দিন আহমেদ
d কোনোটিই নয়
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক। - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারির মাধ্যমে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র জাতির সর্বাধিনায়ক হিসেবে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) এম এ জি ওসমানী — তিনি ছিলেন মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি, তবে সর্বাধিনায়ক নন। C) একে খন্দকার তাজউদ্দিন আহমেদ — একে খন্দকার ছিলেন বিমান বাহিনীর প্রধান ও উপপ্রধান সেনাপতি এবং তাজউদ্দিন আহমেদ ছিলেন প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রী। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সর্বাধিনায়ক ছিলেন রাজনৈতিক প্রধান অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সেনাপতি ছিলেন সামরিক প্রধান অর্থাৎ জেনারেল ওসমানী।
a সাইটোপ্লাজম
b ক্লোরোপ্লাস্ট
c ক্রোমোপ্লাস্ট
d কোনোটিই নয়
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্লোরোপ্লাস্ট কেন সঠিক: - ক্লোরোপ্লাস্টে থাকা ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণা সূর্যালোক শোষণ করে। - এই অঙ্গাণুটি সূর্যালোক, কার্বন ডাই অক্সাইড ও পানির সাহায্যে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাইটোপ্লাজম — এটি কোষের অর্ধতরল জেলি সদৃশ পদার্থ যা কোষের অঙ্গাণুগুলো ধারণ করে কিন্তু সরাসরি খাদ্য প্রস্তুত করে না। B) ক্লোরোপ্লাস্ট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত। C) ক্রোমোপ্লাস্ট — এটি রঙিন প্লাস্টিড যা ফুল ও ফলে রঙ সৃষ্টি করে কিন্তু সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয় না। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর বি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সবুজ রঙের ক্লোরোপ্লাস্ট মানেই রান্নাঘর, যেখানে সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে গাছ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করে।
a বান্দরবান
b রামু
c কাপ্তাই
d বীরাঙামাটি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাপ্তাই কেন সঠিক: - এটি কর্ণফুলী নদীর ওপর অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। - ১৯৫৩ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ১৯৬২ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান্দরবান — এটি একটি পাহাড়ি জেলা হলেও এখানে কোনো জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নেই। B) রামু — এটি কক্সবাজার জেলার একটি উপজেলা, যেখানে কোনো জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত নয়। C) কাপ্তাই — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনে রয়েছে। D) বীরাঙামাটি — এটি রাঙামাটি জেলার ভুল বানান বা অপ্রাসঙ্গিক নাম, যেখানে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: কর্ণফুলী নদীর পানি দিয়ে কাপ্তাইয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তাই কাপ্তাই মানেই জলবিদ্যুৎ।
a ব্যাঙ
b মহিষ
c কেঁচো
d কোনোটিই নয়
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কেঁচো কেন সঠিক: - কেঁচো মাটি খুঁড়ে তার ভেতর চলাচল করে এবং মাটির উর্বরতা ও বাতাস চলাচলের পথ সুগম করে। - মাটিকে প্রাকৃতিকভাবে চাষ বা আলগা করার এই জাদুকরী ভূমিকার কারণে কেঁচোকে প্রাকৃতিক লাঙল বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাঙ — ব্যাঙ কীটপতঙ্গ খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে কিন্তু মাটি চাষ বা ওল্টানোর সাথে যুক্ত নয়। B) মহিষ — মহিষ মাঠে কাদামাটি ওলোটপালট করে বটে, তবে এটি কৃষকের চাষের বাহন বা সহায়ক প্রাণী, প্রাকৃতিক লাঙল নয়। C) কেঁচো — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত হবে না। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মাটি কাটে যে, লাঙলের কাজ করে সে অর্থাৎ কেঁচো হলো প্রকৃতির নিজস্ব লাঙল।
a ভোলা
b নাটোর
c রাজশাহী
d সিলেট
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজশাহী কেন সঠিক: - রাজশাহী অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে তুতগাছ জন্মে এবং রেশম চাষের অনুকূল আবহাওয়া রয়েছে। - বাংলাদেশ সিল্ক বোর্ড এই জেলায় অবস্থিত হওয়ায় এটি দেশের রেশম শিল্পের প্রধান কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোলা — এটি একটি দ্বীপ জেলা এবং নদী ভাঙনের জন্য পরিচিত, যা রেশম উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত নয়। B) নাটোর — এই জেলা কাঁচাগোল্লা মিষ্টির জন্য বিখ্যাত, রেশম গুটি উৎপাদনের জন্য প্রধান কেন্দ্র নয়। C) রাজশাহী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। D) সিলেট — এই জেলা চা বাগান ও পাহাড়ি অঞ্চলের জন্য বিখ্যাত, রেশম গুটির জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: রেশম মানেই রাজশাহী, কারণ রাজশাহী সিল্ক বাংলাদেশের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী ও বিখ্যাত।
a এইচআইভি
b ভেরিসেলা
c ইবোলা
d মার্স
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইবোলা কেন সঠিক: - ইবোলা একটি মারাত্মক ও সংক্রামক ভাইরাস রোগ, যার বিস্তারের কারণে অতীতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বৈশ্বিক সতর্কতা বা জরুরি অবস্থা জারি করেছিল। - এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে উচ্চ মৃত্যুহার দেখা দেওয়ায় আন্তর্জাতিকভাবে এর বিস্তার রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এইচআইভি — এটি বিশ্বব্যাপী দীর্ঘমেয়াদি মহামারি হলেও নির্দিষ্ট কোনো আকস্মিক বিস্তারের জন্য সাম্প্রতিক বৈশ্বিক সতর্কতা হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়। B) ভেরিসেলা — এটি চিকেন পক্স সৃষ্টিকারী ভাইরাস, যা সাধারণত বিশ্বব্যাপী জরুরি সতর্কতা জারির মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করে না। C) ইবোলা — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি নিজেই। D) মার্স — এটি একটি করোনা ভাইরাসজনিত রোগ হলেও ইবোলার মতো ব্যাপক ও তীব্র বৈশ্বিক সতর্কতা অতীতে এর বিস্তারে নেওয়া হয়নি। মনে রাখার টিপস: বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়ানো মারাত্মক ছোঁয়াচে ভাইরাসের নাম এলে ইবোলা নামটি মনে রাখবে।
a চার্লস ব্যাবেজ
b স্টিফেন হকিন্স
c আলফ্রেড নোবেল
d আইনস্টাইন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চার্লস ব্যাবেজ কেন সঠিক: - তিনি ১৮৩৭ সালে প্রথম প্রোগ্রামেবল মেকানিক্যাল কম্পিউটার অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন নকশা করেন। - আধুনিক কম্পিউটিং প্রযুক্তির ধারণার ভিত্তি স্থাপন করার জন্য তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চার্লস ব্যাবেজ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি আধুনিক কম্পিউটারের ধারণার প্রবক্তা। B) স্টিফেন হকিন্স — তিনি একজন বিশ্বখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী ছিলেন, কম্পিউটার নির্মাতা নন। C) আলফ্রেড নোবেল — তিনি ডিনামাইট আবিষ্কারক এবং নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক, কম্পিউটার প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত নন। D) আইনস্টাইন — তিনি আপেক্ষিকতা তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী, কম্পিউটারের জনক নন। মনে রাখার টিপস: ব্যাবেজ মানেই কম্পিউটারের কাজের সূচনা।
a চামিন্ডা ভাস
b রুবেল হোসেন
c তাইজুল ইসলাম
d জুবায়ের হোসেন
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তাইজুল ইসলাম কেন সঠিক: - ২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ঢাকা টেস্টে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেকেই হ্যাটট্রিক করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন তাইজুল ইসলাম। - একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিশ্বের প্রথম বোলার হিসেবে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন তিনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চামিন্ডা ভাস — তিনি শ্রীলঙ্কার বিখ্যাত পেসার হলেও ওয়ানডে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করেননি, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অন্যান্য অনন্য রেকর্ড আছে। B) রুবেল হোসেন — তিনি বাংলাদেশের একজন পেসার যিনি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন, তবে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করার রেকর্ড তার নেই। D) জুবায়ের হোসেন — তিনি বাংলাদেশের একজন লেগ স্পিনার যিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন, তবে ওয়ানডে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করেননি। মনে রাখার টিপস: অভিষেকের দিনে ওয়ানডেতে প্রথম হ্যাটট্রিককারী বোলার হলেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম।
a ২য়
b ৩য়
c ৪র্থ
d ৫ম
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪র্থ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। - বাংলাদেশ চাল আমদানির পরিবর্তে বর্তমানে চাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পাশাপাশি উদ্বৃত্ত ধান উৎপাদন করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২য় — এই অবস্থানটি সাধারণত চীন বা ভারতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা বাংলাদেশ নয়। B) ৩য় — ইন্দোনেশিয়া বা ভিয়েতনাম ধান উৎপাদনে এই অবস্থানে থাকতে পারে, যা বাংলাদেশের স্থান নয়। C) ৪র্থ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) ৫ম — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ পঞ্চম নয়, বরং ধান উৎপাদনে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে চার অক্ষরের দেশ অর্থাৎ ৪র্থ স্থানে রয়েছে।
a ধান
b গম
c আখ
d পাট
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পাট কেন সঠিক: - পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল এবং এটি দেশের ঐতিহ্যবাহী বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। - বিগত দশকগুলোতে রপ্তানি আয়ে ধান বা গম প্রধান ভূমিকা না রাখায় পাটকেই প্রধান অর্থকরী ফসল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধান — এটি বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য, অর্থকরী ফসল নয়। B) গম — এটিও একটি প্রধান খাদ্যশস্য, যা মূলত অভ্যন্তরীণ খাদ্যের চাহিদা মেটায়। C) আখ — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নগদ বা অর্থকরী ফসল হলেও পাটের মতো প্রধান স্থান দখল করে না। D) পাট — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: খাদ্যের জন্য ধান এবং বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান অর্থকরী ফসল হিসেবে পাট মনে রাখতে হবে।
a উন্নতজাতের আধুনিক ধান চাষ
b উচ্চফলনশীল এক জাতের গম
c উচ্চফলনশীল এক জাতের পাট
d কোনোটিই নয়
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উন্নতজাতের আধুনিক ধান চাষ কেন সঠিক: - উফশী শব্দের পূর্ণরূপ হলো উচ্চ ফলনশীল (High Yielding Variety বা HYV)। - এটি মূলত আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে চাষ করা উন্নত জাতের ধানকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর ডি দেওয়া থাকলেও, মূল সঠিক উত্তর এ হবে কারণ উফশী ধান চাষের সঙ্গেই এটি সরাসরি সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্নতজাতের আধুনিক ধান চাষ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ উফশী বলতে প্রধানত উচ্চ ফলনশীল ধান বীজ ও তার চাষাবাদকে বোঝায়। B) উচ্চফলনশীল এক জাতের গম — উফশী শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো গমের জাত নয়, এটি মূলত ধান উৎপাদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। C) উচ্চফলনশীল এক জাতের পাট — পাটের ক্ষেত্রে উফশী শব্দ ব্যবহার করা হয় না, এটি মূলত উফশী ধান চাষের সঙ্গে যুক্ত। D) কোনোটিই নয় — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও তা ভুল, কারণ অপশন এ এর উত্তরটিই এখানে সঠিক। মনে রাখার টিপস: উফশী মানে উচ্চ ফলনশীল। কৃষি ক্ষেত্রে বিশেষ করে ধান চাষের বিপ্লব ঘটাতে উফশী ধান ব্যাপকভাবে পরিচিত।
a পুকুর
b বিল
c ডোবা
d দিঘী
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিল কেন সঠিক: - বিল হলো প্রাকৃতিক ও মুক্ত জলাশয়, যেখানে নদীর পানি বা বৃষ্টির পানি স্বাভাবিকভাবে আসা-যাওয়া করতে পারে। - এটি মানুষের তৈরি নয় এবং এর সঙ্গে নদী বা খালের সংযোগ থাকে বলে একে মুক্ত জলাশয় বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুকুর — এটি মানুষের খনন করা বদ্ধ জলাশয়, যার চারপাশে বাঁধ থাকে এবং স্বাভাবিক পানির স্রোত থাকে না। B) বিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ডোবা — এটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র আকৃতির বদ্ধ জলাশয়, যা সাধারণত বৃষ্টির জমে থাকা পানি দ্বারা সৃষ্টি হয়। D) দিঘী — এটিও মানুষের খনন করা একটি বড় আকারের বদ্ধ জলাশয়, যার পানি বাইরে থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। মনে রাখার টিপস: যেই জলাশয়ের পানি নিজে নিজেই প্রাকৃতিকভাবে আসা-যাওয়া করে এবং মানুষের খনন করা নয়, সেটাই মুক্ত জলাশয় যেমন বিল।
a ৩-৪ সেমি
b ৫-৬ সেমি
c ৭-৯ সেমি
d ১০-১২ সেমি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭-৯ সেমি কেন সঠিক: - দেশী লাঙ্গল দিয়ে সাধারণ চাষে মাটির উপরিভাগ ৭ থেকে ৯ সেন্টিমিটার গভীর পর্যন্ত কাটা বা উল্টানো যায়। - এটি আমাদের দেশের প্রথাগত কৃষিপদ্ধতিতে ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহৃত লাঙ্গলের স্বাভাবিক চাষের গভীরতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩-৪ সেমি — এই গভীরতা খুবই কম হওয়ায় তা দিয়ে কার্যকরভাবে বীজ বোনার উপযোগী মাটি তৈরি করা যায় না। B) ৫-৬ সেমি — এটি খুব বেশি গভীর নয় এবং আদর্শ দেশী লাঙ্গলের স্বাভাবিক খননক্ষমতার তুলনায় কিছুটা কম। D) ১০-১২ সেমি — দেশী লাঙ্গলের পক্ষে সাধারণত এত গভীরে মাটি কাটা সম্ভব হয় না, এর জন্য আধুনিক যন্ত্রের প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: দেশী লাঙ্গলের চাষের গভীরতা মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ৭ থেকে ৯ সেন্টিমিটার।
a শুকনা জমি
b ভিজা জমি
c এঁটেল মাটি
d দোআঁশ মাটি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দোআঁশ মাটি কেন সঠিক: - দেশী মোল্ড বোর্ড লাঙ্গল মাটির উপরিস্তর কেটে উল্টে দিতে ব্যবহৃত হয়, যা দোআঁশ মাটির ভৌত গঠনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। - দোআঁশ মাটিতে বালি ও কাদার পরিমাণ সমভাবে থাকে বিধায় এই লাঙ্গলে জমি সুন্দরভাবে চাষ ও মিহি করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুকনা জমি — অতিরিক্ত শুকনা জমিতে মোল্ড বোর্ড লাঙ্গল চালানো কঠিন এবং এতে মাটির ঢেলা ভেঙে মিহি হয় না। B) ভিজা জমি — অধিক ভেজা বা আর্দ্র মাটিতে লাঙ্গলের ফলা আটকে যায় এবং মাটি ফলার গায়ে লেগে থাকে। C) এঁটেল মাটি — এঁটেল মাটি খুব আঁটালো ও ভারী হওয়ায় এই লাঙ্গল দিয়ে চাষ করা অত্যন্ত কষ্টকর ও অনুপযোগী। D) দোআঁশ মাটি — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মোল্ড বোর্ড লাঙ্গল মানেই দোআঁশ মাটি চাষের উপযুক্ত যন্ত্র।
a বীজ পাত্র
b বীজ হার নির্ধারক
c ঢেকে দেয়ার যন্ত্র
d খাদ তৈরিকারক
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বীজ হার নির্ধারক কেন সঠিক: - বীজ বপন যন্ত্রের মূল কাজ হলো নির্দিষ্ট দূরত্বে ও সঠিক পরিমাণে বীজ মাটিতে ফেলা। - বীজ হার নির্ধারক যন্ত্রটি জমির পরিমাপ অনুযায়ী প্রতি হেক্টরে সঠিক পরিমাণ বীজ ছড়াতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীজ পাত্র — এটি কেবল বীজ সংরক্ষণের কাজ করে, সুনির্দিষ্ট হার নির্ধারণ করে না। B) বীজ হার নির্ধারক — এটি সঠিক উত্তর। C) ঢেকে দেয়ার যন্ত্র — এটি বীজ বপনের পরের ধাপের কাজ করে, বীজ নির্ধারণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। D) খাদ তৈরিকারক — এটি কেবল মাটি কেটে লাইন বা রেখা তৈরি করে, বীজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে না। মনে রাখার টিপস: কতটুকু বীজ পড়ব তা ঠিক করে হার নির্ধারক।
a নিড়ানি
b ডিক্স হ্যারো
c আঁচড়া
d কোনোটিই নয়
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় (প্রকৃত শক্তিচালিত আগাছা দমন যন্ত্র হলো পাওয়ার উইডার বা পাওয়ার টিলার চালিত উইডার) কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনোটিই সরাসরি ইঞ্জিন বা মোটর চালিত শক্তিচালিত আগাছা দমন যন্ত্র নয়। - প্রশ্নটিতে শক্তিচালিত আগাছা দমন যন্ত্র জানতে চাওয়া হয়েছে, যার সঠিক নাম পাওয়ার উইডার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিড়ানি — এটি সাধারণত হাত দিয়ে ব্যবহারের ঐতিহ্যগত ও মানবশক্তি নির্ভর কৃষি সরঞ্জাম, যা দিয়ে এককভাবে জমি নিড়ানো হয়। B) ডিক্স হ্যারো — এটি মূলত ট্রাক্টর দিয়ে টানা হয় এবং এটি মাটি কাটা ও ম্যাসাই করার কাজে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ আগাছা দমন যন্ত্র নয়। C) আঁচড়া — এটিও হাত দিয়ে বা গবাদিপশু দিয়ে টানা দেশীয় নিড়ানি যন্ত্র, কোনো স্বতন্ত্র শক্তিচালিত মোটরযুক্ত যন্ত্র নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু উপরের কোনো অপশনই শক্তিচালিত আগাছা দমন যন্ত্র নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: শক্তিচালিত আগাছা দমন যন্ত্র মানেই পাওয়ার উইডার, তাই হাত দিয়ে চালানো নিড়ানি বা আঁচড়া এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
a দুই
b চার
c তিন
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় (প্রদত্ত উত্তর সংশোধন করা হলো, মূলত শক্তির উৎসের ভিত্তিতে শক্তিচালিত স্প্রেয়ার দুই প্রকার) কেন সঠিক: - শক্তির উৎসের ভিত্তিতে শক্তিচালিত স্প্রেয়ার প্রধানত দুই প্রকার, যেমন ইঞ্জিনচালিত এবং ব্যাটারিচালিত স্প্রেয়ার। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর না থাকায় সঠিক উত্তর হবে কোনোটিই নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই — এটি সঠিক উত্তর হওয়া উচিত ছিল, কারণ শক্তির উৎসের ভিত্তিতে স্প্রেয়ার দুই প্রকার, তবে প্রশ্নে সঠিক উত্তর ডি দেওয়া হয়েছে। B) চার — শক্তির উৎসের ভিত্তিতে স্প্রেয়ার চার প্রকার নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। C) তিন — শক্তির উৎসের ভিত্তিতে স্প্রেয়ার তিন প্রকার নয়, তাই এই অপশনটি ভুল। D) কোনোটিই নয় — প্রদত্ত উত্তরের সাপেক্ষে এটি সঠিক হলেও মূল বৈজ্ঞানিক তথ্যানুযায়ী শক্তির উৎসের ভিত্তিতে স্প্রেয়ার দুই প্রকার। মনে রাখার টিপস: শক্তির উৎসের ওপর ভিত্তি করে স্প্রেয়ার মূলত দুই প্রকার (ইঞ্জিন এবং ব্যাটারি)।
a ক্ষণ যন্ত্র
b জমি কর্ষণ
c বালাই দমন
d চারা রোপণ
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) জমি কর্ষণ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের কৃষিতে বর্তমান সময়ে জমি চাষ বা কর্ষণের ক্ষেত্রে ট্রাক্টর এবং পাওয়ার টিলারের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। - সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তে যান্ত্রিক উপায়ে জমি কর্ষণ এখন এদেশের কৃষকদের কাছে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও দৃশ্যমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষণ যন্ত্র — এটি প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট কোনো প্রচলিত কৃষিযন্ত্র বা সঠিক উত্তর নয়। B) জমি কর্ষণ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এদেশের কৃষিতে সর্বাধিক যন্ত্রায়িত অংশ। C) বালাই দমন — এদেশের কৃষিতে কীটনাশক ছিটানোর কাজ আংশিক যন্ত্রায়িত হলেও জমি কর্ষণের মতো সার্বজনীন নয়। D) চারা রোপণ — এদেশের ধানসহ অধিকাংশ প্রধান ফসল এখনও মূলত সনাতন বা হাতের মাধ্যমেই রোপণ করা হয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে যন্ত্রায়নের শুরুটা মূলত জমি কর্ষণের মাধ্যমেই সবচেয়ে বেশি সফল হয়েছে।
a মিষ্টি আলু
b গোলআলু
c কাঁকরোল
d কচু
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গোলআলু কেন সঠিক: - গোলআলুর গায়ে থাকা চোখ বা কুঁড়িযুক্ত অংশ কেটে মাটিতে রোপণ করলে তা থেকে নতুন উদ্ভিদের জন্ম হয়, যা শাখা বা অঙ্গজ প্রজননের একটি রূপ। - উদ্ভিদের অঙ্গ বা শাখা ব্যবহার করে নতুন গাছ উৎপাদনের এই পদ্ধতিটিই মূলত শাখা কলমের বংশ বিস্তার নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিষ্টি আলু — মিষ্টি আলু গাছের লতা বা মূল রোপণ করে বংশ বিস্তার করা হয়, সরাসরি শাখা কলম করা হয় না। B) গোলআলু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা ওপরে দেওয়া হয়েছে। C) কাঁকরোল — কাঁকরোল গাছের ক্ষেত্রে সাধারণত মূল বা টিউবার এবং বীজ ব্যবহার করে বংশ বিস্তার করা হয়। D) কচু — কচু গাছের ক্ষেত্রে লতা বা কন্দ ব্যবহার করে বংশ বিস্তার করা হয়। মনে রাখার টিপস: আলুর চোখে চোখ রাখলে, নতুন গাছ পাবে একেকটি মাপে।
a মাটি কাটার যন্ত্র
b ধান কাটার যন্ত্র
c প্রাথমিক পর্যায়ের কর্ষণ যন্ত্র
d সেচ যন্ত্র
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাথমিক পর্যায়ের কর্ষণ যন্ত্র কেন সঠিক: - জমি চাষের শুরুতে মাটি উল্টে ফেলা বা খোঁড়ার কাজে কোদাল ব্যবহার করা হয়। - কৃষি প্রযুক্তিতে জমি প্রস্তুত করার প্রথম ধাপ বা কর্ষণ যন্ত্র হিসেবে কোদাল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাটি কাটার যন্ত্র — মাটি কাটা এর সাধারণ কাজ হলেও কৃষিকাজের শৈল্পিক ও কারিগরি পরিভাষায় এটি প্রাথমিক কর্ষণ যন্ত্র হিসেবে গণ্য হয়। B) ধান কাটার যন্ত্র — ধান কাটার জন্য কাস্তে বা আধুনিক হারভেস্টার ব্যবহার করা হয়, কোদাল নয়। C) প্রাথমিক পর্যায়ের কর্ষণ যন্ত্র — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। D) সেচ যন্ত্র — সেচ কাজের জন্য পাম্প বা নালা ব্যবহার করা হয়, কোদালের সঙ্গে সেচের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: কৃষিকাজের শুরুতে জমি প্রস্তুত বা খোঁড়ার কাজকে কর্ষণ বলে, তাই কোদাল একটি প্রাথমিক কর্ষণ যন্ত্র।
a চামড়া
b চর্বি
c হাড়
d কোনোটিই নয়
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় কেন সঠিক: - পোলট্রি ফার্ম গড়ে ওঠার মূল কারণ হলো মাংস ও ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধি করা। - এই শিল্পে মূলত ভুট্টা ও সয়াবিন থেকে তৈরি ফিডের চাহিদা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায়, যা প্রদত্ত অপশনে নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চামড়া — পোলট্রি বা মুরগির চামড়া শিল্প বা পোলট্রি খাদ্যের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। B) চর্বি — পোলট্রি ফার্ম বৃদ্ধির কারণে বাণিজ্যিকভাবে চর্বির চাহিদা বাড়ার কোনো সরাসরি বৈজ্ঞানিক বা অর্থনৈতিক সম্পর্ক নেই। C) হাড় — মুরগির হাড় কোনো প্রধান শিল্পপণ্য বা পোলট্রি ফার্ম বৃদ্ধির মূল লক্ষ্য নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু চামড়া, চর্বি বা হাড় কোনোটিরই চাহিদা পোলট্রি বৃদ্ধির কারণে বিশেষভাবে বাড়ে না, তাই এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: পোলট্রি ফার্ম মূলত মাংস ও ডিমের জন্য জনপ্রিয়, তাই এর কারণে হাড় বা চামড়ার নয় বরং ফিড বা খাবারের চাহিদা বাড়ে।
a পশুর জাত
b পশুখাদ্যের অভাব
c পশুর আকার
d পশুর রোগ-ব্যাধি
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পশুখাদ্যের অভাব কেন সঠিক: - আমাদের দেশে গবাদিপশু পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার পায় না, ফলে তাদের শারীরিক শক্তি ও কর্মক্ষমতা কমে যায়। - কৃষিকাজে পশু ব্যবহারের ক্ষেত্রে খাদ্যের এই চরম ঘাটতিই সবচেয়ে বড় অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পশুর জাত — দেশীয় জাতের পশু কৃষিকাজে মোটেও অনুপযুক্ত নয়, বরং খাদ্যের অভাবে ভালো জাতের পশুকেও কাজে লাগানো যায় না। B) পশুখাদ্যের অভাব — এটি সঠিক কারণ, কারণ পুষ্টিকর খাবারের অভাবে পশু কৃষিকাজ করার মতো শারীরিক শক্তি পায় না। C) পশুর আকার — পশুর আকার ছোট বা বড় যাই হোক না কেন, পর্যাপ্ত খাবার পেলে তারা মাঠে কাজ করতে সক্ষম হয়। D) পশুর রোগ-ব্যাধি — রোগ-ব্যাধি কৃষিকাজে একটি সমস্যা হলেও পশুখাদ্যের অভাবের মতো এটি প্রধান ও নিত্যদিনের বাধা নয়। মনে রাখার টিপস: খাবার না পেলে মানুষ বা পশু কেউ কাজ করতে পারে না, তাই পশুশক্তির প্রধান বাধা হলো পশুখাদ্যের অভাব।
a হাঁস ও মাছ
b মুরগি ও মাছ
c হাঁস, ধান ও মাছ
d a, b, c সবগুলি
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a, b, c সবগুলি কেন সঠিক: - সমন্বিত চাষ হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে একই জমিতে বা ব্যবস্থাপনায় একাধিক কৃষিভিত্তিক উৎপাদন একে অপরের পরিপূরক হিসেবে পরিচালিত হয়। - হাঁস ও মাছ, মুরগি ও মাছ কিংবা হাঁস, ধান ও মাছের চাষ এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সবগুলোই সঠিক সমন্বিত চাষের উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাঁস ও মাছ — এটি সমন্বিত চাষের একটি রূপ হলেও শুধু এটিই একমাত্র সঠিক উত্তর নয়, কারণ মুরগি বা ধান চাষও এর অন্তর্ভুক্ত। B) মুরগি ও মাছ — এটিও সমন্বিত চাষের একটি পদ্ধতি, তবে অন্যান্য বিকল্পগুলোও সঠিক হওয়ায় এটি একক উত্তর হতে পারে না। C) হাঁস, ধান ও মাছ — এটি একটি চমৎকার ত্রিভুজভিত্তিক সমন্বিত চাষ পদ্ধতি, কিন্তু অন্য অপশনগুলোও সঠিক হওয়ায় শুধু এটি উত্তর হবে না। D) a, b, c সবগুলি — প্রদত্ত সবগুলো অপশনই সমন্বিত চাষের সফল উদাহরণ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: মাছ চাষের সাথে হাঁস, মুরগি বা ধান একসঙ্গে চাষ করাকেই সমন্বিত চাষ বলা হয়।
a বাগদা চিংড়ি
b ঢাকা চিংড়ি
c হরিণা চিংড়ি
d বাঘতারা চিংড়ি
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাগদা চিংড়ি কেন সঠিক: - বাগদা চিংড়ি লবণাক্ত পানিতে খুব ভালো জন্মায় এবং এর আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক চাহিদা ও উচ্চ মূল্য রয়েছে। - বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার-ভাটার লবণাক্ত পানি বাগদা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় এটি সবচেয়ে লাভজনক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাগদা চিংড়ি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) ঢাকা চিংড়ি — এটি কোনো পরিচিত বাণিজ্যিক সামুদ্রিক বা লোনা পানির চিংড়ি প্রজাতি নয়। C) হরিণা চিংড়ি — এটি সামুদ্রিক চিংড়ি হলেও বাগদার মতো বাণিজ্যিকভাবে লোনা পানিতে ঘেরে চাষ করে বেশি লাভ পাওয়া যায় না। D) বাঘতারা চিংড়ি — এটি কোনো মানসম্মত বা পরিচিত চাষযোগ্য বাণিজ্যিক চিংড়ির নাম নয়। মনে রাখার টিপস: লবণাক্ত বা লোনা পানি বললেই মাথায় রাখতে হবে বাগদা চিংড়ির কথা, কারণ এটি বাংলাদেশের প্রধান লোনা পানির লাভজনক চিংড়ি।
a মিষ্টি আলু
b আলফা আলফা
c মটর
d পান
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলফা আলফা কেন সঠিক: - আলফা আলফা একটি বিশ্বখ্যাত ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ যা মাটিতে নাইট্রোজেন সংবদ্ধ করে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। - জৈব সার বা সবুজ সার হিসেবে চাষ করে চাষাবাদে রাসায়নিক সারের নির্ভরতা কমানোর জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিষ্টি আলু — এটি প্রধানত একটি কন্দাল খাদ্য ফসল এবং এর মূল খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সবুজ সার উৎপাদনে এটি ব্যবহৃত হয় না। B) আলফা আলফা — এটি একটি আদর্শ সবুজ সার উৎপাদনকারী উদ্ভিদ যা মাটির উর্বরতা ও পুষ্টি উপাদান বৃদ্ধি করতে সরাসরি চাষ করা হয়। C) মটর — এটি ডালজাতীয় উদ্ভিদ হলেও প্রধানত খাদ্য বা ডাল উৎপাদনের জন্য চাষ করা হয়, নির্দিষ্টভাবে সবুজ সার হিসেবে এর পরিচিতি সীমিত। D) পান — এটি লতানো চিরহরিৎ উদ্ভিদ এবং এর পাতা মানুষ পান হিসেবে খায়, সবুজ সার হিসেবে এর কোনো ব্যবহার নেই। মনে রাখার টিপস: সবুজ সার বা জমির উর্বরতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আলফা আলফা নামটি সবার আগে আসে।
a খাদ্য শস্য
b চিনি
c আঁশ
d তেল
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) খাদ্য শস্য কেন সঠিক: - ভুট্টা ঘাস পরিবারের অন্তর্গত একটি দানাদার শস্য যা বিশ্বজুড়ে প্রধান খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - ধান ও গমের মতো ভুট্টাও মানুষের খাদ্য এবং পশুখাদ্য হিসেবে ব্যাপকভাবে উৎপাদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাদ্য শস্য — এটি সঠিক কারণ ভুট্টা একটি প্রধান দানাদার খাদ্য শস্য। B) চিনি — এটি ভুল কারণ ভুট্টা সরাসরি চিনি উৎপাদনের প্রধান উৎস নয়, যদিও ভুট্টার আঠা বা স্টার্চ থেকে কর্ন সিরাপ তৈরি হয়। C) আঁশ — এটি ভুল কারণ ভুট্টা মূল উদ্ভিজ্জ আঁশ বা ফাইবার উৎপাদনের জন্য চাষ করা হয় না। D) তেল — এটি ভুল কারণ ভুট্টা থেকে তেল পাওয়া গেলেও এর মূল ও প্রধান অর্থনৈতিক পরিচয় হলো এটি একটি খাদ্য শস্য। মনে রাখার টিপস: ভাত ও রুটির মতো ভুট্টাও আমরা খাদ্য হিসেবে খাই, তাই এটি খাদ্য শস্য।
a পেকিন
b খাকী ক্যাম্পবেল
c রুয়েন
d মাসকোডি
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পেকিন কেন সঠিক: - পেকিন হাঁস মূলত মাংস উৎপাদনের জন্য বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বিখ্যাত জাত। - এই জাতের হাঁসের মাংস সুস্বাদু হয় এবং এরা অল্প সময়ে দ্রুত শারীরিক বৃদ্ধি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেকিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জাতের হাঁস প্রধানত মাংস উৎপাদনের জন্যই চাষ করা হয়। B) খাকী ক্যাম্পবেল — এটি মাংসের জন্য নয়, বরং বিশ্বের অন্যতম সেরা ডিম পাড়া হাঁসের জাত হিসেবে পরিচিত। C) রুয়েন — এটি একটি ভারী জাতের হাঁস যা মাংসের জন্য পরিচিত হলেও পেকিনের মতো এত বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত নয়। D) মাসকোডি — এটি মাংস উৎপাদনে পরিচিত হলেও এদের উড়ার প্রবণতা বেশি এবং পেকিনের মতো বাণিজ্যিক মাংসের বাজারে প্রধান জাত নয়। মনে রাখার টিপস: পেকিন হাঁসের নাম মনে রাখতে পারেন পেটের ক্ষুধা মেটাতে মাংসের রাজা পেকিন।