বহিরাগম ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর

বহিরাগম ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪

পদের নাম: সহকারী পরিচালক (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (97)

a আব্দুল জব্বার
b আপেল মাহমুদ
c মুক্তিযুদ্ধ
d ভাষা আন্দোলন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আপেল মাহমুদ ১. কেন সঠিক: - 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি' গানটির শিল্পী আপেল মাহমুদ। - এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার এবং সুরকার ও শিল্পী আপেল মাহমুদ। - এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা জোগানো অন্যতম একটি কালজয়ী গান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'জয় বাংলা বাংলার জয়' ব্যাখ্যা: এটিও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত একটি জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: 'পূর্ব দিগে সূর্য উঠেছে রক্ত লাল রক্ত লাল' ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসমৃদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দীপ্ত করার মতো একটি ঐতিহাসিক গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আব্দুল জব্বার — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী হলেও এই গানটির শিল্পী নন, তিনি 'সালাম সালাম হাজার সালাম' গানের শিল্পী। B) আপেল মাহমুদ — এটি সঠিক উত্তর। C) মুক্তিযুদ্ধ — এটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা বা প্রেক্ষাপট, কোনো ব্যক্তি বা শিল্পীর নাম নয়। D) ভাষা আন্দোলন — এটি ১৯৫২ সালের একটি ঐতিহাসিক আন্দোলন, কোনো গান বা শিল্পীর নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যুদ্ধের গান মানেই আপেল মাহমুদ এবং গোবিন্দ হালদারের সৃষ্টি। - গানটির প্রথম লাইন মনে রাখলেই এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং শিল্পীর নাম সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান, গীতিকার ও শিল্পীর নাম প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানগুলোর গীতিকার ও শিল্পীর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে।
a ঝরাপাতা
b কবর
c তাহারেই পড়ে মনে
d তোমাকেই পড়ে মনে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তাহারেই পড়ে মনে ১. কেন সঠিক: - 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি সুফিয়া কামালের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আবেগঘন সৃষ্টি। - প্রকৃতির রূপ পরিবর্তনের সাথে মানুষের মনের দুঃখ ও বিষাদের অপূর্ব রূপায়ন ঘটেছে এই কবিতায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের প্রগতিশীল আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ, নারীবাদী লেখক এবং জননী সাহসিকা হিসেবে পরিচিত। - ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত এই কবিতায় শীতের শুষ্ক প্রকৃতির সাথে কবির ব্যক্তিগত শোক ও বেদনার গভীর মিল দেখানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া ব্যাখ্যা: এটি সুফিয়া কামালের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যার মাধ্যমে তিনি সাহিত্যজগতে খ্যাতি অর্জন করেন। উদাহরণ ২: মায়া কাজল ব্যাখ্যা: এটিও কবি সুফিয়া কামালের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং পরিচিত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝরাপাতা — এটি সুফিয়া কামালের কবিতা নয়, বরং এটি কবি কাজী নজরুলের একটি গদ্যগ্রন্থ। B) কবর — এটি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় শোকগাথাধর্মী কবিতা। D) তোমাকেই পড়ে মনে — এটি কোনো মৌলিক সাহিত্যিক কবিতা নয়, বরং মূল কবিতার সঙ্গে মিল রেখে তৈরি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুফিয়া কামালের জনপ্রিয় কবিতার নাম মনে রাখার সূত্র হলো, তার মনে শীতের সকালে তাহারেই পড়ে মনে এবং সাঁঝের মায়ার কথা জাগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার রচয়িতা বা প্রকাশের সন জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের সাহিত্য প্রশ্নে কবির অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের নামগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a খেলারাম খেলে যা
b চিলেকোঠার সেপাই
c রুদ্ধদ্বার মুক্তপ্রাণ
d সারেং বৌ
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিলেকোঠার সেপাই ১. কেন সঠিক: - চিলেকোঠার সেপাই বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি রাজনৈতিক উপন্যাস যার রচিয়তা আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে ঊনসত্তরের গণঅভুত্থান ও তৎকালীন ঢাকার নিম্নবর্গ মানুষের জীবন অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি তাঁর গভীর জীবনবোধ ও শৈল্পিক ভাষার জন্য পরিচিত। - তাঁর রচিত একমাত্র দুটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাসের মধ্যে চিলেকোঠার সেপাই এবং খোয়াবনামা সর্বাধিক জনপ্রিয় ও প্রশংসিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোয়াবনামা ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা দ্বিতীয় ও শেষ উপন্যাস যা তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: অন্য ঘর অন্য স্বর ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত ছোটগল্প সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খেলারাম খেলে যা — এই বিখ্যাত উপন্যাসটির রচিয়তা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা উপন্যাস হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) রুদ্ধদ্বার মুক্তপ্রাণ — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কোনো বিখ্যাত বা পরিচিত সাহিত্যকর্ম নয়। D) সারেং বৌ — এই জনপ্রিয় উপন্যাসটি শহীদুল জহির বা অন্য কেউ নয়, বরং শহীদুল্লাহ কায়সারের লেখা। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইলিয়াসের উপন্যাসের সংখ্যা কম কিন্তু মান অনেক বেশি। - মনে রাখার কৌশল হলো ইলিয়াস মূলত চিলেকোঠার সেপাই এবং খোয়াবনামা লিখে অমর হয়ে আছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের মোট উপন্যাসের সংখ্যা দুটি যার একটি চিলেকোঠার সেপাই এবং অন্যটি খোয়াবনামা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের উপন্যাসের নাম ও পটভূমি প্রায়শই পরীক্ষাতে আসে।
a মেঘনাদবধ কাব্য
b বীরাঙ্গনা
c ব্রজাঙ্গনা
d শর্মিষ্ঠা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শর্মিষ্ঠা ১. কেন সঠিক: - শর্মিষ্ঠা হলো মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম বাংলা নাটক, যা ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত হয়। - বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে এটি প্রথম সার্থক পাশ্চাত্য রীতির অমিত্রাক্ষর ছন্দের বাইরে গদ্যে রচিত আধুনিক নাটক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবক্তা এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে চিরস্মরণীয়। - তাঁর নাট্যচর্চার সূচনা হয় এই শর্মিষ্ঠা নাটক রচনার মধ্য দিয়ে, যা মহাভারতের দেবযানী ও শর্মিষ্ঠার আখ্যান অবলম্বনে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি পৌরাণিক নাটক, যা ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কৃষ্ণকুমারী ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনাদবধ কাব্য — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি মহাকাব্য, কোনো নাটক নয়। B) বীরাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি পত্রকাব্য বা গীতিধর্মী কাব্যগ্রন্থ। C) ব্রজাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পটভূমিতে রচিত একটি লিরিক বা গীতিপ্রবণ কাব্য। D) শর্মিষ্ঠা — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন দত্তের নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মধুসূদনের প্রথম নাটক শর্মিষ্ঠা। - তাঁর নাটকের নামের শেষাংশে কাব্য বা পদ্যধর্মী নাম এড়িয়ে নাট্যরূপের ঐতিহ্য মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শর্মিষ্ঠা নাটকটি বাংলা নাটকের ইতিহাসে প্রথম মৌলিক ও আধুনিক নাট্যরচনার মর্যাদা লাভ করেছে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক বা প্রথম মহাকাব্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a 39
b 41
c 42
d 43
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ৪১ কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনিগুলোকে স্বরধ্বনি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। - ডক্টর সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষায় মোট একচল্লিশটি মৌলিক ধ্বনি রয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি এবং মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা চৌত্রিশটি। - এই মৌলিক স্বরধ্বনি এবং মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি মিলে মোট একচল্লিশটি ধ্বনি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। - যেমন: অ, আ, ই, উ ইত্যাদি স্বরধ্বনি এবং ক, খ, গ ইত্যাদি ব্যঞ্জনধ্বনি। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) ৩৯ — এটি সঠিক নয় কারণ বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি গণনায় এই সংখ্যাটি মেলে না। - খ) ৪১ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি ডক্টর সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতানুযায়ী নির্ধারিত। - গ) ৪২ — এটি সঠিক নয় কারণ বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা বাহ্যিক গণনায় বিয়াল্লিশটি ধরা হয় না। - ঘ) ৪৩ — এটি সঠিক নয় কারণ তিপ্পান্নটি বা অন্য কোনো সংখ্যা বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনির সঠিক মাপকাঠি নয়। মনে রাখার টিপস: - বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি মনে রাখতে সাতটি স্বরধ্বনি এবং চৌত্রিশটি ব্যঞ্জনধ্বনির যোগফল হিসাব করতে হবে।
a মতিচুর
b পদ্মরাগ
c সুলতানার স্বপ্ন
d অবরোধবাসিনী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুলতানার স্বপ্ন ১. কেন সঠিক: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারীদের অধিকার ও মুক্তির পক্ষে কলম ধরেছিলেন এবং তাঁর একটি বিখ্যাত গ্রন্থ তিনি ইংরেজিতে রচনা করেছিলেন। সুলতানার স্বপ্ন বা The Sultanas Dream তাঁর রচিত প্রথম নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা যা মূল ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন বিশ শতকের প্রারম্ভের বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত ও সমাজসংস্কারক। সুলতানার স্বপ্ন গ্রন্থটিতে তিনি লাডল্যান্ড বা ল্যাডল্যান্ড নামক এক কাল্পনিক সমাজের চিত্র এঁকেছেন যেখানে পুরুষেরা অন্তঃপুরে বন্দি থাকে এবং নারীরা সমাজ পরিচালনা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মতিচুর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত প্রবন্ধ সংকলন যার প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। উদাহরণ ২: পদ্মরাগ ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর পটভূমি ছিল নারীদের আশ্রয়কেন্দ্র তারণীকাবাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মতিচুর — এটি বেগম রোকেয়ার বাংলা ভাষায় রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ, ইংরেজি গ্রন্থ নয়। B) পদ্মরাগ — এটি তাঁর বাংলা ভাষায় রচিত উপন্যাস, ইংরেজি গ্রন্থ নয়। C) সুলতানার স্বপ্ন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) অবরোধবাসিনী — এটি তাঁর বাংলা ভাষায় রচিত একটি সমাজতামূলক ব্যঙ্গাত্মক গ্রন্থ, ইংরেজি গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বেগম রোকেয়ার ইংরেজি স্বপ্নের নাম সুলতানার স্বপ্ন বা The Sultanas Dream মনে রাখলে সহজেই উত্তর করা যায়। ইংরেজি রচনার কথা বললেই সুলতানার স্বপ্ন নামটি মাথায় আনতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার গ্রন্থগুলোর নাম এবং তাদের ধরণ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। কোনটি উপন্যাস, কোনটি প্রবন্ধ এবং কোনটি ইংরেজিতে রচিত তা আলাদা করে ছক আকারে মনে রাখতে হবে।
a শেষের কবিতা
b সমাপ্তি
c গীতাঞ্জলি
d শেষ লেখা মাত
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেষের কবিতা ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি মূলত লেখক ও সাহিত্যকর্মের ধরন সম্পর্কিত। শেষের কবিতা হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় উপন্যাস, যা প্রকাশিত হয় উনত্রিশ সালে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। শেষের কবিতা একটি গীতিধর্মী ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যার প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের আলো ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষের কবিতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস। B) সমাপ্তি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প, কোনো উপন্যাস নয়। C) গীতাঞ্জলি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা উপন্যাসের আওতাভুক্ত নয়। D) শেষ লেখা মাত — এই নামে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো প্রামাণ্য গ্রন্থ নেই, এটি ভুল তথ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতা একটি উপন্যাস হলেও এর নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকায় অনেকে একে কবিতা মনে করেন, যা একটি সাধারণ ভুল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস ও ছোটগল্পের পার্থক্য প্রায়ই আসে। শেষের কবিতা ও যোগাযোগ হলো তাঁর উপন্যাস এবং সমাপ্তি হলো ছোটগল্প।
a উদীচি
b ঐক্যতা
c ইয়াত্তা
d কিঞ্চিত
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কিঞ্চিত ১. কেন সঠিক: - কিঞ্চিত শব্দটি বাংলা ব্যাকরণে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ এবং এর অর্থ অল্প বা কিছুটা। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সংস্কৃত শব্দে ই-কার বা উ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মানা হয় এবং কিঞ্চিত শব্দে ই-কার ও খ-এর নিচে ন-যুক্ত বর্ণ সঠিক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম শব্দের বানানে মূল সংস্করণের বানান অপরিবর্তিত থাকে। - কিঞ্চিত শব্দটিতে কি-এর পর ঞ্চ যুক্ত বর্ণ ব্যবহৃত হয়েছে যা ম-ফলা বা অন্য কোনো বর্ণের কারণে পরিবর্তিত হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিঞ্চিত পরিমাণ ব্যাখ্যা: এই শব্দগুচ্ছে কিঞ্চিত শব্দের অর্থ অল্প পরিমাণ বোঝাতে সঠিক বানানে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: কিঞ্চিত মাত্র ব্যাখ্যা: এখানেও কিঞ্চিত শব্দের সঠিক তৎসম রূপ অপরিবর্তিত রেখে সামান্য মাত্রা বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উদীচি — সঠিক বানান হলো উদীচী যেখানে অন্ত্য দীর্ঘী-কার ব্যবহার করা হয়। B) ঐক্যতা — এটি একটি অপপ্রয়োগ কারণ এক থেকে ঐক্য এবং তার সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করে ঐক্যতা বলা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়, শুদ্ধ রূপ হলো ঐক্য। C) ইয়াত্তা — সঠিক বানান হলো ইয়ত্তা যেখানে য-ফলা এবং দুটি ত যুক্ত হয়। D) কিঞ্চিত — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানান। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত শব্দে খ-এর সঙ্গে ন যুক্ত হলে তা কিঞ্চিত হয় এবং এর শেষ বর্ণে ত থাকে। - বাংলা শুদ্ধ বানানের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের মূল রূপটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই আসে তাই সংস্কৃত মূল রূপ মুখস্থ রাখা জরুরি। - অপপ্রয়োগজনিত শব্দ যেমন ঐক্যতার পরিবর্তে ঐক্য ব্যবহার করতে হয় তা মনে রাখতে হবে।
a আরবি
b ফারসি
c উর্দু
d বাংলা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফারসি ১. কেন সঠিক: 'খোদা' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষা বিভিন্ন ভাষার শব্দ ধার করে সমৃদ্ধ হয়েছে এবং ফারসি ভাষা থেকে প্রচুর শব্দ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারে প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগের অন্তর্গত একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়। ফারসি শব্দগুলো বিদেশি শব্দের একটি প্রধান অংশ এবং এগুলো মূলত মুঘল আমল ও শাসনতান্ত্রিক যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পর্দা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় পোশাক ও প্রচ্ছদের ক্ষেত্রে গৃহিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কারখানা ব্যাখ্যা: এটিও ফারসি ভাষার শব্দ, যা কর্মশালা বা উৎপাদনের স্থান বোঝাতে বাংলা ভাষায় নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে আল্লাহ, ইসলাম, কুরআন ইত্যাদি শব্দ এসেছে, কিন্তু 'খোদা' শব্দটি আরবি নয় বরং ফারসি। B) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর। C) উর্দু — উর্দু একটি মিশ্র ভাষা এবং এটি ফারসি ও আরবি শব্দ দ্বারা প্রভাবিত হলেও 'খোদা' সরাসরি ফারসি থেকে বাংলায় এসেছে। D) বাংলা — এটি দেশীয় বা প্রাকৃত থেকে সরাসরি বিকশিত শব্দ নয়, বরং একটি বিদেশি ভাষার শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: ধর্মীয় ও সামাজিক উপাসনা বা সৃষ্টিকর্তা বোঝাতে ব্যবহৃত 'খোদা', 'পয়গম্বর', 'নামায' ও 'রোজা' শব্দগুলো সাধারণত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে আরবি ও ফারসি শব্দ আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই ধর্মীয় উপাসনা ও প্রশাসনিক ফারসি শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করা উচিত।
a সোন্দর্য
b সৌন্দর্য
c সোন্দ্যর্য
d সৌন্দয্য
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌন্দর্য ১. কেন সঠিক: - সুন্দর শব্দের সঙ্গে ভাববাচক প্রত্যয় য যুক্ত হয়ে সৌন্দর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী মূল শব্দ বা প্রত্যয় যুক্ত করার সময় বানানের সঠিক রূপ বজায় রাখতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুন্দর বিশেষ্য পদের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৌন্দর্য বিশেষ্য পদটি গঠিত হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যয় যোগের সময় মূল শব্দের বানানে পরিবর্তন আসতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধৈর্য ব্যাখ্যা: ধীর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ধৈর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মাধুর্য ব্যাখ্যা: মধুর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মাধুর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোন্দর্য — এটি ভুল বানান কারণ সুন্দরের জায়গায় সোন্দর লেখা হয়েছে। B) সৌন্দর্য — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি মেনে গঠিত। C) সোন্দ্যর্য — এটি ভুল বানান কারণ এখানে অতিরিক্ত ফলা ব্যবহার করা হয়েছে। D) সৌন্দয্য — এটি ভুল বানান কারণ শেষের বর্ণে ভুল ফলা যুক্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুন্দর শব্দটির সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত করার সময় প্রথম অক্ষরে ও-কার দিতে হয় এবং শেষের জ-ফলা ঠিক রাখতে হয়। - এই নিয়মে ধীর থেকে ধৈর্য এবং মধুর থেকে মাধুর্য বানানগুলো মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দের বানান পরিষ্কার থাকলে এ ধরনের প্রত্যয়যুক্ত বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
a বাজনা
b মানব
c দোকানদার
d বেঙাচি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মানব ১. কেন সঠিক: - মানব শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতরূপে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দের অর্থ হলো তার সমান বা সংস্কৃতের সমান। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় অবিকৃত অবস্থায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোই তৎসম শব্দ। - এই শব্দগুলোতে সাধারণত সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম ও বর্ণপ্রক্রিয়া অপরিবর্তিত থাকে এবং এতে মূর্ধন্য ণ বা ষ এর ব্যবহার বেশি দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ কারণ এটি সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর কোনো পরিবর্তন হয়নি। উদাহরণ ২: সূর্য ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ যার উৎস সংস্কৃত ভাষা এবং এটি বাংলায় একই রূপে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাজনা — এটি একটি তদ্ভব শব্দ, যার উৎপত্তি সংস্কৃত বাজ্য বা বাদ্য থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলায় এসেছে। B) মানব — এটি একটি তৎসম শব্দ এবং সঠিক উত্তর, যা সংস্কৃত মনু শব্দের সাথে অ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। C) দোকানদার — এটি একটি ফারসি শব্দ, যেখানে দোকান এবং দার দুটি অংশই বিদেশি ভাষার। D) বেঙাচি — এটি একটি দেশি শব্দ, যা অরিজিনাল বা আদি দেশীয় শব্দভান্ডার থেকে বাংলায় এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়মে গঠিত এবং মূর্ধন্য বর্ণযুক্ত অনেক শব্দই তৎসম শব্দ হয়। - শব্দের উৎস মনে রাখতে তৎসম শব্দের অর্থটি মাথায় রাখতে হবে যার অর্থ তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃতের সমান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস নির্ণয় করার জন্য শব্দটির গঠন ও বানানরীতি ভালোভাবে লক্ষ করতে হয়। - তৎসম শব্দ চেনার জন্য সংস্কৃত ব্যাকরণের প্রত্যয়যুক্ত শব্দ এবং নিছক সংস্কৃত শব্দগুলো বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a মুক্তিযুদ্ধের পত্র সংকলন
b মুক্তিযুদ্ধের নাটক
c মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র
d মুক্তিযুদ্ধের কবিতা সংকলন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুক্তিযুদ্ধের পত্র সংকলন ১. কেন সঠিক: - একাত্তরের চিঠি একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ যেখানে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লেখা চিঠির সংকলন প্রকাশ করা হয়েছে। - ১৯৭১ সালে যুদ্ধকালীন সময়ে রণাঙ্গন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের পাঠানো চিঠিপত্র এই গ্রন্থের মূল উপাদান হওয়ায় এটি পত্র সংকলন হিসেবে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বাংলা সাহিত্যে পত্র সাহিত্য একটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে যেখানে সরাসরি রণাঙ্গনের অভিজ্ঞতা ফুটে ওঠে। - প্রথম আলো পত্রিকার উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকা থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের এই চিঠিগুলো সংগ্রহ করে সংকলন আকারে প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রণাঙ্গনের চিঠি ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধকালীন মুক্তিযোদ্ধাদের চিঠিপত্রের একটি প্রামাণ্য সংকলন। উদাহরণ ২: চিঠি ১৯৭১ ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বিভিন্ন ব্যক্তির চিঠির একটি ঐতিহাসিক ও প্রামাণ্য রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তিযুদ্ধের পত্র সংকলন - এটি সঠিক কারণ গ্রন্থটি মুক্তিযোদ্ধাদের চিঠির সংকলন। B) মুক্তিযুদ্ধের নাটক - এটি নাটক নয়, কারণ এতে কোনো নাট্যরূপ বা সংলাপভিত্তিক বিন্যাস নেই। C) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র - এটি কোনো চলচ্ছবি বা দৃশ্যমান সিনেমা নয়, বরং একটি গ্রন্থ। D) মুক্তিযুদ্ধের কবিতা সংকলন - এটি কবিতা নয়, কারণ এখানে পদ্য বা ছন্দের পরিবর্তে গদ্যে লেখা চিঠিপত্র স্থান পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - একাত্তরের চিঠি নামের মধ্যেই চিঠি শব্দটি রয়েছে, যার মাধ্যমে এটি একটি পত্র সংকলন তা সহজে মনে রাখা যায়। - মুক্তিযুদ্ধ ও চিঠি যুক্ত থাকলে সবসময় পত্র সংকলন হিসেবে উত্তর চিহ্নিত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য গ্রন্থ থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এ ধরনের সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রে নামের শেষ অংশ বা মূল বিষয়বস্তু খেয়াল করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a মুক্তিযুদ্ধ
b বঙ্গভঙ্গ
c ভাষা আন্দোলন
d সিপাহি বিদ্রোহ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি ভাষা আন্দোলন কারণ মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটির মূল বিষয়বস্তু বা পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। - নাটকে ভাষা আন্দোলনের শহীদের আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর অমানবিক আচরণের বাস্তব রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবর নাটকটির রচয়িতা বিশিষ্ট নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ মুনীর চৌধুরী। - ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দी থাকা অবস্থায় তিনি এই নাটকটি রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর রক্তে ভেজা নাটক ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক হলো এই কবর। উদাহরণ ২: কারাগারের বন্দী জীবনের সৃষ্টি ব্যাখ্যা: ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে নাট্যকার মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে এই ঐতিহাসিক নাটকটি লিখেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তিযুদ্ধ — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম নয় কারণ নাটকটি রচিত হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের অনেক আগে ১৯৫৩ সালে। B) বঙ্গভঙ্গ — এটি বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত হয়নি কারণ বঙ্গভঙ্গ সংঘটিত হয়েছিল ১৯০৫ সালে। D) সিপাহি বিদ্রোহ — এটি সিপাহি বিদ্রোহের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় কারণ সিপাহি বিদ্রোহ হয়েছিল ১৮৫৭ সালে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এটি মনে রাখতে কবর শব্দের সঙ্গে বায়ান্ন সালের ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি যুক্ত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক কোনটি এই প্রশ্নের উত্তর হলো কবর। - কারাগারে বসে রচিত নাটক হিসেবে মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a ইংরেজি
b গুজরাটি
c ফারসি
d আরবি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গুজরাটি ১. কেন সঠিক: - 'হরতাল' শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও প্রাকৃত ভাষার শব্দও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার একটি হলো গুজরাটি ভাষা। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তদ্ভব, তৎসম, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - বিদেশি শব্দের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে পর্তুগাল, ইংরেজি, আরবি, ফারসি এবং গুজরাটিসহ বিভিন্ন ভাষা থেকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খদ্দর ব্যাখ্যা: এটিও একটি গুজরাটি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ঢেঁকি ব্যাখ্যা: এটি একটি দেশি শব্দ, যা শব্দের উৎসের ভিন্নতা বোঝাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে নানা শব্দ বাংলায় এলেও 'হরতাল' ইংরেজি শব্দ নয়। B) গুজরাটি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে অনেক প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ এলেও 'হরতাল' ফারসি নয়। D) আরবি — আরবি ভাষা থেকে প্রধানত ধর্ম ও প্রশাসন সংক্রান্ত শব্দ বাংলায় এসেছে, 'হরতাল' আরবি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গুজরাটি ভাষা থেকে আগত শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো 'হরতাল' ও 'খদ্দর' শব্দ দুটিকে একসাথে মনে রাখা। - বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের উৎস ও রূপ ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বিদেশি শব্দ বিশেষ করে পর্তুগাল, আরবি, ফারসি এবং গুজরাটি শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a দুর্গেশনন্দিনী
b চন্দ্রশেখর
c কৃষ্ণকান্তের উইল
d রজনী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃষ্ণকান্তের উইল ১. কেন সঠিক: - রোহিণী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস কৃষ্ণকান্তের উইলের অন্যতম প্রধান নারী চরিত্র। - এই উপন্যাসে রোহিণী ও গোবিন্দলালের জটিল প্রেম এবং তার পরিণতি অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। - কৃষ্ণকান্তের উইল প্রকাশিত হয় ১৮৭৮ সালে, যা একটি মনস্তাত্ত্বিক ও পারিবারিক কলহভিত্তিক সামাজিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ উপন্যাসের চরিত্র সূর্যমুখী ও কুন্দনন্দিনী। ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত ট্র্যাজিক প্রেমের উপন্যাস। উদাহরণ ২: কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের চরিত্র নবকুমার ও মতিবিবি। ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রোমান্টিক ধারার দ্বিতীয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুর্গেশনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস এবং এর প্রধান নায়িকা আয়েশা ও তিলোত্তমা, রোহিণী নয়। B) চন্দ্রশেখর — এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস এবং এর প্রধান নায়িকা শৈবলিনী, রোহিণী এই উপন্যাসের চরিত্র নয়। C) কৃষ্ণকান্তের উইল — এই অপশনটি সঠিক এবং রোহিণী এই উপন্যাসেরই কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র। D) রজনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস এবং এর নামভূমিকায় রয়েছে রজনী চরিত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের ট্র্যাজিক ও জটিল প্রেমের চরিত্র রোহিণীকে মনে রাখতে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসটি মনে রাখবে। - উপন্যাসটি সম্পত্তি ও অবৈধ প্রেমের পতন নিয়ে রচিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্রের চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - চরিত্রগুলোর নাম ও তাদের উপন্যাস ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a পরি + ঈক্ষা
b পরি + ইক্ষা
c পরিঃ + ঈক্ষা
d পরিঃ + ইক্ষা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরি + ঈক্ষা ১. কেন সঠিক: - পরি যুক্ত ঈক্ষা মিলে পরীক্ষা শব্দটি গঠিত হয়েছে। এখানে ব্যঞ্জনবর্ণের পর স্বরবর্ণ বা ই কারের নিয়ম কাজ করেছে। - প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী পরি উপসর্গের পরে ঈক্ষা যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ কার গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ই কার বা ঈ কারের পর ই কার বা ঈ কার থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ ঈ কার হয়। - এই নিয়মে পরি এর ই কার এবং ঈক্ষা এর দীর্ঘ ঈ মিলে দীর্ঘ ঈ কার হয়েছে এবং শব্দটির সঠিক রূপ দাঁড়িয়েছে পরীক্ষা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতি + ঈক্ষা = প্রতিক্ষা নয়, প্রতিক্ষা শব্দটি ভুল, শুদ্ধ বানান প্রতীক্ষা। ব্যাখ্যা: এখানে প্রতি এবং ঈক্ষা মিলে দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত হয়ে প্রতীক্ষা গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: নদী + ঈশ = নদীশ। ব্যাখ্যা: নদী এর দীর্ঘ ঈ এবং ঈশ এর দীর্ঘ ঈ মিলে দীর্ঘ ঈ কার বহাল থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরি + ঈক্ষা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে তৈরি। B) পরি + ইক্ষা — এই অপশনটি ভুল কারণ ইক্ষার ক্ষেত্রে রস ই ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণসম্মত নয়। setC) পরিঃ + ঈক্ষা — এই অপশনটি ভুল কারণ পরি এর সাথে বিসর্গ যুক্ত করার কোনো নিয়ম নেই। D) পরিঃ + ইক্ষা — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গ এবং রস ই উভয়ই ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পরীক্ষা শব্দটিতে সর্বদা দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করতে হয়। - সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় পরি উপসর্গের সাথে দীর্ঘ ঈ যুক্ত ঈক্ষা শব্দ বসাতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শুদ্ধ বানান ও সন্ধি বিচ্ছেদ থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। - উপসর্গের সাথে যুক্ত শব্দের সন্ধি করার সময় ই কারের দীর্ঘতা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a আরবি
b ফারসি
c উর্দু
d হিন্দি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হিন্দি ১. কেন সঠিক: - মহাকবি আলাওল ষোড়শ শতকের বিখ্যাত হিন্দি কবি মালিক মোহাম্মদ জায়সি রচিত অবধী ভাষার পদুমাবত কাব্য অবলম্বনে বাংলা ভাষায় পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন। - অবধী হলো হিন্দি ভাষার একটি প্রাকৃতভিত্তিক অবর রূপ বা উপভাষা, যা মধ্যযুগে উত্তর ভারতে প্রচলিত ছিল এবং এটি হিন্দি ভাষারই অন্তর্গত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার রোমান্টিক ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি যিনি সপ্তদশ শতকে রোসাং রাজসভার অমাত্য মাগন ঠাকুরের অনুরোধে এই কাব্য রচনা শুরু করেন। - পদ্মাবতী কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে অনুবাদ সাহিত্য ধারার অন্তর্ভুক্ত হলেও এটি মূলত আক্ষরিক অনুবাদ নয়, বরং ভাবানুবাদ এবং মৌলিক প্রতিভার এক অপূর্ব সমন্বয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী ব্যাখ্যা: এটি দৌড় কাজী রচিত মধ্যযুগের আরেকটি বিখ্যাত প্রেমের কাব্য যা অবহট্ঠ বা হিন্দি বলয় থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে রচিত। উদাহরণ ২: ইউসুফ জোলেখা ব্যাখ্যা: শাহ মুহম্মদ গরিবুল্লাহ রচিত আরেকটি মধ্যযুগের জনপ্রিয় কাব্য যা বিদেশি ভাষার কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে বাংলায় রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে আলাওল পদ্মাবতী কাব্য অনুবাদ করেননি কারণ মূল গ্রন্থটি মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার অবধী রূপের ওপর রচিত ছিল। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে এই কাব্য অনুবাদ করা হয়নি যদিও আলাওলের অনেক রচনার ওপর ফারসি সাহিত্যের গভীর প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। C) উর্দু — উর্দু ভাষা তখনো একটি স্বতন্ত্র সাহিত্যিক রূপ হিসেবে বিকশিত হয়নি এবং মূল কাব্যটি উর্দুতে রচিত ছিল না। D) হিন্দি — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূল কাব্য পদ্ুমাবত হিন্দি ভাষার অবধী উপভাষায় রচিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের ক্ষেত্রে মনে রাখবে মালিক মোহাম্মদ জায়সির হিন্দি গ্রন্থ পদ্ুমাবত থেকেই আলাওল বাংলা পদ্মাবতী কাব্য তৈরি করেছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে পদ্মাবতী কাব্যের রচয়িতা কে কিংবা এটি কোন ভাষার কাব্যের অনুবাদ, তাই মূল গ্রন্থ ও লেখকের নাম মনে রাখা জরুরি।
a 1802
b 1820
c 1821
d 1822
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮২০ ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা গদ্যের জনক এবং পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মসাল প্রায়ই আসে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৯ শতকের বাংলা নবজাগরণের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব ও সমাজসংস্কারক। তিনি বাংলা গদ্যকে প্রাঞ্জল ও গতিশীল রূপ দেন এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থসমূহের মধ্যে বর্ণপরিচয়, বেতালপঞ্চবিংশতি ও শকুন্তলা উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যাখ্যা: উনিশ শতকের বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মসাল সম্পর্কিত প্রশ্নে এটি কাজে লাগে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মসাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮০২ — এই সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম হয়নি বরং এটি তার জন্মসাল নয়। B) ১৮২০ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই সালেই জন্মগ্রহণ করেন। C) ১৮২১ — এই সালটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মসাল নয়। D) ১৮২২ — এই সালটি সঠিক জন্মসালকে নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম ১৮২০ সালে এবং তার মৃত্যুর সালটি হলো ১৮৯১ সাল। জন্মের সালটি মনে রাখতে বিদ্যাসাগরের নামের অক্ষরের মতো সালটিও ১৯ শতকের বিশের দশক অর্থাৎ ১৮২০ সাল মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মতারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ এবং মৃত্যু ২৯ জুলাই ১৮৯১। সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যুর সাল মনে রাখার জন্য ছক তৈরি করে পড়লে বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
a 11
b 21
c 31
d 41
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১ ১. কেন সঠিক: 'বীরাঙ্গনা' মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক পত্রপরামর্শমূলক কাব্য। এই কাব্যে মোট পত্র বা চিঠির সংখ্যা ১১টি এবং প্রতিটি পত্রই পৌরাণিক কাহিনীর চরিত্রদের দ্বারা আবর্তিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬২ সালে রচিত বীরাঙ্গনা কাব্যটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচনা করেন। গ্রিক কবি ওভিডের হিরোইডেস কাব্যের অনুসরণে রচিত এই পত্রকাব্যে নারী হৃদয়ের প্রেম, অভিমান ও দ্রোহ প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরাঙ্গনা কাব্যের প্রথম পত্র হলো দুষ্মন্তের উদ্দেশ্যে শকুন্তলার লেখা পত্র। ব্যাখ্যা: এই পত্রে শকুন্তলা তাঁর প্রতি দুষ্মন্তের অন্যায়ের তীব্র অভিমান ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্যের নবম পত্র হলো রাবণের উদ্দেশ্যে মন্ডোদরীর লেখা পত্র। ব্যাখ্যা: পতিতে ভক্তি ও লঙ্কার আসন্ন বিনাশের আশঙ্কায় মন্ডোদরীর আকুলতা এই পত্রে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ কাব্যের মোট পত্রের সংখ্যা ১১টি। B) ২১ — এই সংখ্যাটি বীরাঙ্গনার পত্র সংখ্যার সাথে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য। C) ৩১ — এই সংখ্যাটি সম্পূর্ণ অবাস্তব ও প্রশ্নের উত্তরের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। D) ৪১ — এই সংখ্যাটি ভুল এবং এটি বীরাঙ্গনা কাব্যের আয়তনের সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বীরাঙ্গনা কাব্যের পত্র সংখ্যা মনে রাখতে ১ সংখ্যাটি দুবার বসবে অর্থাৎ ১১। মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য মানেই ১১টি চিঠির সমাহার। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বীরাঙ্গনা কাব্য কোন ছন্দে রচিত তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে এবং এর উত্তর অমিত্রাক্ষর ছন্দ। এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যে একক ও অনন্য সৃষ্টির মর্যাদা লাভ করেছে।
a গোবিন্দদাস
b জ্ঞানদাস
c বিদ্যাপতি
d চণ্ডীদাসরাত
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিদ্যাপতি কেন সঠিক: ১. কবি বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করতেন এবং তাঁর কণ্ঠস্বর বা পদের মাধুর্য কোকিলের ডাকের মতো মিষ্টি ছিল। ২. মৈথিলি ভাষার ওপর তাঁর অসাধারণ দখল এবং মধুর পদের জন্য মিথিলার রাজা তাকে মৈথিল কোকিল উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. মধ্যযুগের বাংলা ও মৈথিলি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদকর্তা হলেন বিদ্যাপতি এবং তিনি মূলত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের পদ লিখে বিখ্যাত হয়েছেন। ২. বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীতে মৈথিলি মিশ্রিত বাংলা বা ব্রজবুলি ভাষার প্রচলন মূলত বিদ্যাপতির হাত ধরেই বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে। ৩. যেমন তাঁর রচিত বিখ্যাত একটি পদ হলো পিয় পিয় পুনহি নিহারয়ে নোর, যা মৈথিলি ও ব্রজবুলি ভাষার অপূর্ব মিশ্রণে তৈরি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবিন্দদাস — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা বৈষ্ণব পদকর্তা হলেও মৈথিল কোকিল উপাধির সাথে যুক্ত নন। B) জ্ঞানদাস — ইনি বাংলা পদাবলীর অন্যতম প্রধান কবি এবং ইনি চণ্ডীদাসের অনুগামী হিসেবে বাংলাতেই পদ রচনা করেছেন। C) বিদ্যাপতি — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই মৈথিল কোকিল উপাধি পেয়েছেন। D) চণ্ডীদাস — ইনি বাংলা ভাষার আদি ও অন্যতম প্রধান বৈষ্ণব কবি, যার সাথে মৈথিল কোকিল উপাধির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ১. নামের সাথে মিল রেখে মনে রেখো মিথিলার কবি বিদ্যাপতি মানেই মৈথিলি ভাষার কোকিল বা মৈথিল কোকিল। ২. কোকিলের ডাক যেমন মিষ্টি তেমনি বিদ্যাপতির পদের ভাষা ও সুর অত্যন্ত মধুর ও শ্রুতিমধুর।
a কাহ্ন পা
b লুইপা
c ভুসুকু পা
d সরহ পা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাহ্ন পা ১. কেন সঠিক: চর্যাপদের কবিগণের মধ্যে কাহ্ন পা সর্বাধিক সংখ্যক পদ রচনা করেছিলেন। তিনি চর্যাপদের মোট তেত্রিশটি পদ রচনা করেছেন বলে জানা যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাহ্ন পা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান ও সর্বাধিক পদরচয়িতা কবি হিসেবে স্বীকৃত। ডক্টর সুকুমার সেন ও অন্যান্য গবেষকদের মতে তার রচিত পদের সংখ্যা তেত্রিশটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাহ্ন পা রচিত পদ সংখ্যা তেত্রিশটি। ব্যাখ্যা: চর্যাপদে এককভাবে সবচেয়ে বেশি পদ লেখার গৌরব অর্জন করেছেন তিনি। উদাহরণ ২: লুইপার পদ সংখ্যা দুটি। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা লুইপা এবং তিনি মোট দুটি পদ রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাহ্ন পা — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি চর্যাপদের সর্বাধিক তেত্রিশটি পদ রচনা করেছেন। B) লুইপা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি চর্যাপদের মাত্র দুটি পদ রচনা করেছেন। C) ভুসুকু পা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি চর্যাপদের আটটি পদ রচনা করেছেন, যা সর্বাধিক নয়। D) সরহ পা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি চর্যাপদের চারটি পদ রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: কাহ্ন পা মানে সর্বাধিক পদ অর্থাৎ তেত্রিশটি পদ মনে রাখবে। চর্যাপদের কবিদের মধ্যে সংখ্যায় তিনিই সবার শীর্ষে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা এবং প্রধান কবিদের পদসংখ্যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে বেশি পদ কাহ্নপার এবং সবচেয়ে কম পদ কোনো কোনো কবির একটি।
a কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
b ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
c ময়ূর ভট্ট
d কানা হরিদত্ত
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর কেন সঠিক: - অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর তৎকালীন বর্ধমান জেলার ভুরসুট পরগনার পাণ্ডুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল এবং সত্যনারায়ণ ব্রতকথা বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। সাহিত্য প্রসঙ্গ: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছেন। - তাঁর কাব্যে ফার্সি শব্দের ব্যবহার এবং নাগরিক সংস্কৃতির ছোঁয়া আধুনিক যুগের সূচনা করে। - নদীমাতৃক বাংলার সমাজচিত্র এবং তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তাঁর কাব্যে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — ইনি বর্ধমান জেলার দামিন্যা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। - B) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর — ইনিই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। - C) ময়ূর ভট্ট — ইনি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের বা মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম প্রারম্ভিক কবি হিসেবে পরিচিত। - D) কানা হরিদত্ত — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের আদিকবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর জন্মস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। মনে রাখার টিপস: - ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের জন্মস্থান মনে রাখতে "ভ" দিয়ে ভুরসুট এবং "ভা" দিয়ে ভারতচন্দ্র এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারো।
a করণে সপ্তমী
b কর্মে সপ্তমী
c অপাদানে শূন্য
d অধিকরণের দ্বিতীয়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) করণে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে মাখা বা আচ্ছন্ন করা কাজটি কিসের দ্বারা বা কী উপকরণে সম্পাদিত হয়েছে, তা বোঝাতে মধু শব্দের সঙ্গে সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহার হয়েছে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কর্ম সম্পাদনের মাধ্যম, উপায় বা উপকরণকে করণ কারক বলা হয় এবং এতে সপ্তমী বা এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ক মাধ্যমকে করণ কারক বলে। - শব্দের শেষে এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত থাকলে তাকে সপ্তমী বিভক্তি বা ৭মী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলমে লেখা ভালো। ব্যাখ্যা: লেখার উপকরণ কলম হওয়ায় এটি করণে সপ্তমী কারকের উদাহরণ। উদাহরণ ২: জোছনায় আকাশ প্লাবিত। ব্যাখ্যা: প্লাবিত হওয়ার মাধ্যম জোছনা হওয়ায় এটি করণে সপ্তমী কারকের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে সপ্তমী — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যের ক্রিয়াটি সাধিত হওয়ার মাধ্যম বা উপকরণ বোঝাতে সপ্তমী বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। B) কর্মে সপ্তমী — বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্ম কারক বলে, কিন্তু এখানে কোনো কর্ম নেই। C) অপাদানে শূন্য — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীতি বা উৎপন্ন হয় তাকে অপাদান কারক বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অধিকরণের দ্বিতীয় — ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার স্থান বা সময়কে অধিকরণ কারক বলে এবং এতে দ্বিতীয় বিভক্তি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো বাক্য পড়ার সময় যদি কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া যায়, তবে তা করণ কারক হবে। - শব্দের শেষে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বাক্যের মূল ভাব ও ক্রিয়ার সঙ্গে পদের সম্পর্ক ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। - উপকরণ বা মাধ্যম বোঝালে সবসময় করণ কারক হয়।
a জীবনানন্দ দাশ
b অমিয় চক্রবর্তী
c বিষ্ণু দে
d বুদ্ধদেব বসু
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অমিয় চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: অমিয় চক্রবর্তী রবীন্দ্রোত্তর যুগের একজন বিশিষ্ট আধুনিক কবি এবং তিনি দীর্ঘকাল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যিক চিন্তাধারা এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা তাঁর কবিমানস গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিল, যা তাঁর কবিতায় আধুনিক রূপ লাভ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অমিয় চক্রবর্তী ছিলেন ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রবক্তা এবং কল্লোল যুগের সঙ্গেও তাঁর পরোক্ষ যোগাযোগ ছিল। তিনি শুধু কবিই ছিলেন না, একজন প্রথিতযশা সাহিত্য সমালোচক ও অধ্যাপক হিসেবেও আধুনিক বাংলা সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অমিয় চক্রবর্তীর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ খসড়া। ব্যাখ্যা: এটি কবির আধুনিক মননশীলতা ও কাব্যশৈলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: অমিয় চক্রবর্তীর অপর একটি পরিচিত কাব্যগ্রন্থ পারাপার। ব্যাখ্যা: এই কাব্যে আধুনিক জীবনের যান্ত্রিকতা ও মানবপ্রেমের অপূর্ব রূপায়ণ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানন্দ দাশ — তিনি রবীন্দ্রোত্তর যুগের প্রধান আধুনিক কবি ও রূপসী বাংলার কবি হলেও রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন না। B) অমিয় চক্রবর্তী — এটি সঠিক উত্তর। C) বিষ্ণু দে — তিনি রবীন্দ্রোত্তর যুগের মার্কসবাদী ভাবধারার অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি হলেও রবীন্দ্রনাথের সচিব ছিলেন না। D) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান সংগঠক ও সম্পাদক হলেও রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে কাজ করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ও আধুনিক কবি মনে রাখতে অমিয় চক্রবর্তীর নাম স্মরণ করবে। তিনি সচিব হিসেবে রবীন্দ্রনাথের অত্যন্ত ঘনিষ্ট সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রোত্তর যুগের কবিদের নাম ও তাঁদের পেশাগত বা সাহিত্যিক বিশেষত্ব বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ত্রিশের দশকের আধুনিক কবিদের জীবন ও সাহিত্যকর্ম ভালোভাবে অধ্যয়ন করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a w. B. Yeats
b John Keats
c Joseph Conrad
d W. H. Auden
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) w. B. Yeats কেন সঠিক: ডব্লিউ বি ইয়েটস আয়ারল্যান্ডের একজন বিখ্যাত কবি যিনি সাহিত্য বিভাগে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ১৯২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি নোবেল বিজয়ী একমাত্র কবি এই অপশনগুলোর মধ্যে। তিনি আধুনিক ইংরেজি কবিতার অন্যতম প্রধান পুরুষ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) w. B. Yeats — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) John Keats — জন কিটসের স্বল্প জীবনকালে তিনি কোনো নোবেল পুরস্কার পাননি কারণ তার মৃত্যুর আগেই নোবেল প্রথার শুরু হয়। C) Joseph Conrad — জোসেফ কনরাড বিখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও তিনি জীবনে কখনো নোবেল পুরস্কার পাননি। D) W. H. Auden — ডব্লিউ এইচ অডেন আধুনিক যুগের কবি হলেও তিনি নোবেল পুরস্কার পাননি। মনে রাখার টিপস: ইয়েটস হলেন সেই আইরিশ কবি যিনি নোবেল জিতেছিলেন।
a by
b with
c in
d through
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in কেন সঠিক: কোনো কাজে সাহায্য করা বোঝাতে assist বা assist someone in doing something গঠন ব্যবহৃত হয়। প্রশ্নের বাক্যে প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার কাজে সাহায্য করা বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — কোনো মাধ্যম বা উপায়ে কাজ সম্পন্ন করা বোঝালে by বসে, কিন্তু এখানে কাজের ক্ষেত্রে সহায়তা বোঝাতে ইন প্রিপজিশন বসে। B) with — কোনো বস্তু বা উপকরণের সাহায্যে কিছু করা বোঝালে with বসে, যা এই শূন্যস্থানের জন্য সঠিক নয়। C) in — এই অপশনটি ইতিমধ্যেই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। D) through — কোনো মাধ্যম বা প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাওয়া বোঝালে through বসে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: Assist শব্দের পর সাধারণত in বসে এবং এর পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a It is ten minutes to two
b It is two minutes to ten
c It is ten to two
d It is ten hours to two
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) It is two minutes to ten কেন সঠিক: বাংলায় দশটা বাজতে দুই মিনিট বাকি বুঝাতে ইংরেজিতে It is two minutes to ten বলতে হয়। এখানে মিনিটের সংখ্যা এবং ঘণ্টার সংখ্যা সঠিকভাবে সাজানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is ten minutes to two — এই অপশনটির অর্থ হলো দুইটা বাজতে দশ মিনিট বাকি, যা মূল বাক্যের সাথে মিলে না। B) It is two minutes to ten — এটি সঠিক অপশন এবং এর অর্থ দশটা বাজতে দুই মিনিট বাকি। C) It is ten to two — এটি দুইটা বাজতে দশ মিনিট বাকি বুঝায় এবং এতে মিনিটের সম্পূর্ণ হিসাব নেই। D) It is ten hours to two — এই অপশনের অর্থ দুইটা বাজতে দশ ঘণ্টা বাকি, যা অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: সময় বলার সময় বাজতে বাকি বুঝাতে to এবং বেজে গেলে past ব্যবহার করতে হয়।
a farewell speech
b first speech
c last speech
d late speech
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) first speech কেন সঠিক: Maiden speech একটি ইংরেজি idiom বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ কুমারী বক্তৃতা হলেও ব্যবহারিক অর্থে এর অর্থ প্রথম বক্তৃতা। সাধারণত কোনো ব্যক্তি পার্লামেন্টে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম যে বক্তব্য দেন তাকেই maiden speech বলা হয়। এটি বক্তার জীবনের প্রথম কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্যকে নির্দেশ করে। এই বিশেষ অর্থটি নিশ্চিত করার জন্য অপশন বি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) farewell speech — এই অপশনটি ভুল কারণ farewell speech অর্থ বিদায়ী ভাষণ যা maiden speech এর বিপরীত। B) first speech — এটি সঠিক অপশন এবং প্রথম বক্তৃতার অর্থ প্রকাশ করে। C) last speech — এই অপশনটি ভুল কারণ last speech অর্থ শেষ ভাষণ যা maiden speech এর সাথে মেলে না। D) late speech — এই অপশনটি ভুল কারণ late speech বলতে দেরিতে দেওয়া ভাষণ বোঝায় যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Maiden শব্দের অর্থ কুমারী বা প্রথম। তাই কোনো মানুষের প্রথম বক্তব্য মনে রাখতে maiden speech কথাটি ব্যবহার করা হয়।
a freshen
b enfresh
c freshy
d defresh
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) freshen কেন সঠিক: - 'Fresh' একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যার শেষে 'en' সাফিক্স বা প্রত্যয় যোগ করে একে ভার্ব বা ক্রিয়াপদে রূপান্তর করা হয়েছে। - 'Freshen' শব্দের অর্থ হলো তাজা করা বা সতেজ করা, যা একটি কাজের বা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) freshen — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি 'fresh' শব্দের সঠিক ভার্ব রূপ। B) enfresh — এটি ইংরেজি ব্যাকরণসম্মত কোনো প্রচলিত শব্দ বা সঠিক ভার্ব নয়। C) freshy — এটি কোনো ভার্ব নয়, এটি একটি অপ্রচলিত বা ভুল গঠন। D) defresh — এটি কোনো অর্থবহ বা মানসম্মত ইংরেজি শব্দ বা ভার্ব নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো অ্যাডজেক্টিভের শেষে 'en' যোগ করে প্রায়ই তাকে ভার্বে রূপান্তর করা যায়, যেমন fresh থেকে freshen।
a news
b crises
c mathematics
d economics
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) crises কেন সঠিক: শব্দটির শেষ অক্ষর es থাকার কারণে এটি প্লুরাল বা বহুবচন রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি মূলত crisis শব্দের বহুবচন রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) news — এই শব্দটির শেষে s থাকলেও এটি একটি সিঙ্গুলার বা একবচন নাউন। B) crises — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং বহুবচন রূপ। C) mathematics — এই শব্দের শেষে s থাকলেও এটি একটি সিঙ্গুলার বিষয় বোঝাচ্ছে। D) economics — এই শব্দের শেষে s থাকলেও এটি একটি সিঙ্গুলার শাস্ত্র বা বিষয়। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে is থাকে, তাদের বহুবচন করতে হলে is এর জায়গায় es বসাতে হয়।
a an epic
b a satirical work
c a ballad
d a tragedy
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) an epic কেন সঠিক: - জন মিল্টনের বিখ্যাত মহাকাব্য বা এপিক হলো প্যারাডাইস লস্ট, যা ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত হয়। - এর মূল বিষয়বস্তু হলো মানুষের পতন এবং ইবলিস বা শয়তানের প্ররোচনায় আদি পিতা আদম ও হাওয়ার নিষিদ্ধ ফল ভক্ষণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an epic — এটি সঠিক কারণ এটি একটি ধ্রুপদী মহাকাব্যের সকল বৈশিষ্ট্য বহন করে। B) a satirical work — এটি কোনো বিদ্রূপাত্মক রচনা নয়, বরং এটি একটি গুরুতর ধর্মীয় ও মহাকাব্যের থিম নিয়ে লেখা। C) a ballad — এটি কোনো লোকগীতি বা ব্যালাড নয়, কারণ ব্যালাড সংক্ষিপ্ত ও গেয় হয় আর এটি বিশাল আকারের মহাকাব্য। D) a tragedy — এটি নাটকীয় ট্র্যাজেডি নয়, কারণ এটি মঞ্চে প্রদর্শনের জন্য লেখা কোনো নাটক নয় বরং এটি একটি মহাকাব্যিক কবিতা। মনে রাখার টিপস: জন মিল্টন অন্ধ অবস্থায় মহাকাব্য লিখেছিলেন, তাই মনে রাখবে মিল্টনের প্যারাডাইস লস্ট মানেই একটি মহাকাব্য বা এপিক।
a demonstrative
b relative
c personal
d reflexive
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) relative কেন সঠিক: Who, what এবং which শব্দগুলো সাধারণত দুটি বাক্যকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এগুলো পূর্ববর্তী Noun বা Pronoun-কে নির্দেশ করে এবং তাদের সম্পর্ক স্থাপন করে। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এদের Relative Pronoun বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) demonstrative — এই Pronounগুলো দূর বা কাছের নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয় যেমন this ও that। B) relative — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নোক্ত শব্দগুলো বাক্যের মাঝে বসে সম্পর্ক স্থাপন করে। C) personal — এই Pronounগুলো সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর নামের পরিবর্তে বসে যেমন I, you ও he। D) reflexive — এই Pronounগুলো বাক্যের সাবজেক্ট ও অবজেক্ট একই ব্যক্তি হলে ব্যবহৃত হয় যেমন myself ও himself। মনে রাখার টিপস: যে Pronounগুলো বাক্যের মাঝখানে বসে দুটি অংশকে জুড়ে দেয় এবং আগের শব্দকে নির্দেশ করে, তারাই Relative Pronoun।
a for
b since
c from
d till
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) since কেন সঠিক: বাক্যটিতে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট বারের নাম (Monday) উল্লেখ থাকায় সঠিক preposition হিসেবে since বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — নির্দিষ্ট কোনো সময়কাল বা ব্যাপ্তির ক্ষেত্রে for বসে, পয়েন্ট অফ টাইমের ক্ষেত্রে নয়। B) since — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট বারের নামের পূর্বে since বসে। C) from — এটি সাধারণত future বা present tense এ হতে পারে কিন্তু perfect continuous এ নির্দিষ্ট পয়েন্টে since বসে। D) till — এটি নির্দিষ্ট কোনো সময় পর্যন্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট দিন বা বারের নাম থাকলে since এবং কত দিন ধরে তা বুঝাতে for ব্যবহার করবে।
a committee
b comittee
c commite
d commitee
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) committee কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে দুটি m, দুটি t এবং দুটি e একসাথে বসেছে। এটি ইংরেজি বানানের একটি ব্যতিক্রমী নিয়ম যেখানে তিনটি বর্ণ দ্বিমুক্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) committee — এটি সঠিক বানান। B) comittee — এখানে একটি m কম আছে। C) commite — এখানে একটি t এবং শেষ e কম আছে। D) commitee — এখানে শেষ অংশে একটি e বেশি আছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো ডাবল m, ডাবল t এবং ডাবল e একসাথে উচ্চারণ করা।
a much
b more
c little
d less
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) less কেন সঠিক: বাক্যটিতে একটি সমান্তরাল তুলনামূলক কাঠামোর নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে চিন্তার পরিমাণ কমলে পরিস্থিতি ভালো হয়। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই ধরনের বাক্যে "The + comparative form, the + comparative form" কাঠামো ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) much — এটি পজিটিভ ডিগ্রি হওয়ায় এখানে তুলনামূলক বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) more — এটি বসালে বাক্যের অর্থ বিপরীত হয়ে যায় এবং ভুল বার্তা দেয়। C) little — এটি সঠিক তুলনামূলক রূপ নয় কারণ এখানে ডিগ্রি পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে। D) less — এটি সঠিক কারণ এটি 'little' শব্দের তুলনামূলক রূপ এবং অর্থ সম্পূর্ণ করে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে 'The' থাকলে পরবর্তী অংশেও 'The' বসে এবং উভয় পাশে তুলনামূলক ডিগ্রি বা comparative form ব্যবহার করতে হয়।
a Charles Dickens
b Thomas Hardy
c Jane Austen
d Henry Fielding
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Charles Dickens কেন সঠিক: গ্রেট এক্সপেক্টেশনস উপন্যাসটি বিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের লেখা। এটি পিপি নামক এক এতিম বালকের জীবন সংগ্রাম ও পরিপক্বতার গল্প। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Charles Dickens — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) Thomas Hardy — থমাস হার্ডি এই উপন্যাসের লেখক নন, তিনি টেস অব দ্য ডি'উবারভিলস উপন্যাসের জন্য পরিচিত। C) Jane Austen — জেন অস্টিন এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তিনি প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। D) Henry Fielding — হেনরি ফিল্ডিং এই বইটির লেখক নন, তিনি টম জোন্স উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত উপন্যাসের নাম মনে রাখতে গ্রেট এক্সপেক্টেশনস এবং অলিভার টুইস্ট নাম দুটি একসাথে মনে রাখুন।
a on
b over
c for
d after
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: ইংরেজী ব্যাকরণ অনুযায়ী congratulate verb টির পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় on ব্যবহৃত হয়। কাউকে কোনো সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানানোর ক্ষেত্রে এই নিয়মটি প্রযোজ্য। সঠিক preposition ব্যবহারের কারণে সঠিক উত্তর on হবে। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে on ছাড়া অন্য কিছু বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) over — এই preposition টি congratulate এর পরে বসে না এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে না। C) for — সাফল্য বোঝালেও ইংরেজি নিয়মে congratulate এর পরে for ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) after — এই preposition টির অর্থ এখানে মানানসই নয় এবং এটি ভুল অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Congratulate শব্দের পরে সবসময় on preposition বসে।
a noun
b degree
c quantity
d time
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) time কেন সঠিক: - টেন্স বা কাল মূলত সময়ের সাথে সম্পর্কিত, যা নির্দেশ করে কোনো ক্রিয়া কখন সংঘটিত হচ্ছে। - ব্যাকরণগতভাবে Verb-এর রূপ পরিবর্তন করে কাজের সময় বা কাল নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি কোনো কিছুর নাম নির্দেশ করে, যা কাজের সময় বা কাল নির্দেশ করতে পারে না। B) degree — এটি মূলত Adjective বা Adverb-এর তারতম্য বা তুলনা প্রকাশ করে, টেন্সের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) quantity — এটি কোনো কিছুর পরিমাণ নির্দেশ করে, যা ক্রিয়ার সময়ের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) time — এটি সঠিক উত্তর কারণ টেন্স সরাসরি সময়ের সাথে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: Tense শব্দের অর্থ কাল এবং Time শব্দের অর্থ সময়, তাই Tense মানেই সময়ের হিসাব।
a I feel hungry
b I feel hunger
c I feel hungrily
d I feel hungered
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I feel hungry কেন সঠিক: এখানে feel একটি linking verb যা অবস্থা প্রকাশ করে এবং এর পরে adjective বসে। hungry হলো একটি adjective যা সঠিক grammatically গঠন তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I feel hungry — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) I feel hunger — hunger হলো noun, কিন্তু linking verb-এর পরে noun বসে না। C) I feel hungrily — hungrily হলো adverb, কিন্তু linking verb-এর পরে adverb বসে না। D) I feel hungered — hungered হলো past participle, যা এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Linking verb-এর পরে সবসময় adjective বসে, adverb বা noun বসে না।
a Romantic
b Victorian
c Puritan
d Elizabethan
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Victorian কেন সঠিক: লর্ড আলফ্রেড টেনিসন ছিলেন ভিক্টোরিয়া আমלের প্রধান কবি যিনি রাণী ভিক্টোরিয়ার রাজত্বকালে সাহিত্য রচনা করেন। এই সময়কালটি ১৮৩৭ সাল থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। টেনিসনের বিখ্যাত কবিতাগুলো এই যুগের সামাজিক ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার প্রতিফলন ঘটায়। তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের শ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Romantic — এই যুগটি টেনিসনের জন্মের আগের সময়কালকে নির্দেশ করে যা উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও কোলরিজের মতো কবিদের জন্য বিখ্যাত। B) Victorian — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Puritan — এই সময়কালটি সপ্তদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি জন মিল্টনের লেখার সাথে সম্পর্কিত যা টেনিসনের অনেক পরের ঘটনা। D) Elizabethan — এই যুগটি ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগ ও সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুর সময় নির্দেশ করে যা উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের সাথে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: টেনিসন ও রাণী ভিক্টোরিয়ার সময়কাল প্রায় একই ছিল তাই তাঁর নাম এলেই ভিক্টোরিয়ান যুগ মনে রাখবে।
a will lie
b would lie
c had lain
d had laid
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) had lain কেন সঠিক: বাক্যটির প্রথম অংশ পাস্ট টেন্স-এ (mentioned) আছে এবং শেষের দিকে 'the previous day' থাকায় এটি অতীতের ঘটনা নির্দেশ করছে। তাই নিয়ম অনুযায়ী ন্যারেশনের পরিবর্তন বা পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ব্যবহারের জন্য সঠিক উত্তরটি হবে had lain। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will lie — এটি ফিউচার টেন্স নির্দেশ করে, যা পাস্ট টেন্সের সাথে মেলে না। B) would lie — এটি ফিউচার ইন দ্য পাস্ট বোঝায়, যা এই বাক্যের অর্থ প্রকাশে অক্ষম। C) had lain — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় প্রযোজ্য নয়। D) had laid — 'laid' হলো 'lay' (ডিম পাড়া বা কোনো কিছু শায়িত করা) ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল, কিন্তু এখানে শুয়ে থাকা অর্থে 'lie' ভার্বের পাস্ট পারফেক্ট প্রয়োজন। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'the previous day' থাকলে এবং আগের অংশ পাস্ট টেন্স হলে সাধারণত পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করতে হয়।
a threaten
b worsen
c bounden
d flatten
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) bounden কেন সঠিক: - 'Bounden' শব্দটির শেষে en যুক্ত থাকলেও এটি কোনো ভার্ব বা ক্রিয়া নয়। - এটি মূলত 'Bind' verb-এর একটি পুরনো অতীত কৃদন্ত রূপ (Past Participle), যা বর্তমানে শুধু বিশেষণ (Adjective) হিসেবে noun-এর পূর্বে বসে (যেমন: bounden duty)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) threaten — এটি একটি verb, যার অর্থ হুমকি দেওয়া বা ভয় দেখানো (threat noun থেকে গঠিত)। B) worsen — এটি একটি verb, যার অর্থ অবনতি হওয়া বা খারাপ করা (worse adjective থেকে গঠিত)। C) bounden — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি verb নয় বরং একটি adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) flatten — এটি একটি verb, যার অর্থ সমতল করা (flat adjective থেকে গঠিত)। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে en suffix বা প্রত্যয় যুক্ত থাকলেই সেটি নিশ্চিতভাবে verb হবে না, কিছু ব্যতিক্রম শব্দ যেমন bounden আসলে adjective হিসেবে কাজ করে।
a withdrawn
b withdraw
c withdrawing
d withdrawal
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) withdrawing কেন সঠিক: বাক্যটিতে committed to একটি প্রিপজিশনাল ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর পর সাধারণত ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) withdrawn — এটি পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হওয়ায় এখানে বসতে পারে না। B) withdraw — এটি ভার্বের বেস ফর্ম হওয়ায় নিয়মানুযায়ী এখানে বসবে না। C) withdrawing — এটি সঠিক কারণ committed to এর পরে ing যুক্ত ভার্ব বসে। D) withdrawal — এটি নাউন ফর্ম হওয়ায় এখানে সঠিক গ্রামার গঠন করে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে committed to থাকলে তারপরে সবসময় ভার্বের সাথে ing যোগ করতে হয়।
a simile
b metaphor
c personification
d alliteration
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) simile কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে 'as' শব্দটি ব্যবহার করে কবির সাথে মেঘের সরাসরি তুলনা করা হয়েছে। ২. দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে 'like' বা 'as' দিয়ে তুলনা করা হলে তাকে simile বলে। ৩. এটি বিখ্যাত কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের ড্যাফোডিলস কবিতার একটি পঙ্ক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) simile — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) metaphor — এখানে 'like' বা 'as' ছাড়া সরাসরি রূপক অর্থে তুলনা করা হয়নি। C) personification — এখানে প্রকৃতিকে মানুষের গুণ দেওয়া হয়নি, কেবল মেঘের সাথে তুলনা করা হয়েছে। D) alliteration — এখানে পাশাপাশি শব্দের শুরুতে একই অক্ষরের পুনরাবৃত্তি ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: বাক্যে like বা as দেখলে সাধারণত সেটি simile হবে।
a John Keats
b P.B. Shelley
c S.T. Coleridge
d William Wordsworth
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) P.B. Shelley কেন সঠিক: পার্সি বাইশি শেলি তার কবিতায় সমাজ সংস্কার, বিপ্লব এবং স্বাধীনতার জোরালো বাণী প্রচার করেছেন। তাকে রোমান্টিক যুগের অন্যতম বিদ্রোহী কবি বলা হয়। তার বিখ্যাত কবিতা ওডি টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড বিপ্লবের প্রতীক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Keats — জন কিটস হলেন মূলত সৌন্দর্য ও অনুভূতির কবি এবং তিনি প্রকৃতি ও শিল্প নিয়ে বেশি লিখেছেন। B) P.B. Shelley — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। C) S.T. Coleridge — কোলরিজ হলেন রোমান্টিক যুগের রহস্য ও কল্পকাহিনীর প্রধান কবি। D) William Wordsworth — ওয়ার্ডসওয়ার্থ হলেন মূলত প্রকৃতির কবি এবং তিনি মানুষের সাধারণ জীবন নিয়ে লিখেছেন। মনে রাখার টিপস: শেলি মানেই বিপ্লব এবং স্বাধীনতার কবি, যা তার বিদ্রোহী লেখালেখিতে প্রকাশ পায়।
a subject + verb + object
b subject + verb + object + object
c subject + verb + object + complemen
d subject + verb+ complement + adverb
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) subject + verb + object + complemen কেন সঠিক: - এই বাক্যে They হলো subject, made হলো verb এবং Karim হলো object। - the captain পদটি object (Karim)-এর পরিচয় বা অবস্থা প্রকাশ করছে, যা grammatically একটি Objective Complement। বাকি অপশন কেন ভুল: A) subject + verb + object — এটি শুধু subject, verb ও object পর্যন্ত নির্দেশ করে, যা এই বাক্যের সম্পূর্ণ গঠন প্রকাশ করে না। B) subject + verb + object + object — এখানে দুটি ভিন্ন object নেই, বরং একটি object এবং তার complement রয়েছে। C) subject + verb + object + complemen — এটি এই বাক্যের সঠিক গঠন কাঠামোকে নিখুঁতভাবে নির্দেশ করে। D) subject + verb+ complement + adverb — এই বাক্যে কোনো adverb বা verb-এর নিজস্ব complement নেই, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো বাক্যে object-কে পরিচয় করানোর জন্য অতিরিক্ত যে noun বা title বসে, তাকে Objective Complement বলে।
a They have made a decision
b They are ready to make a decision
c They have not made a decision
d They are about to make a decision
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) They have not made a decision কেন সঠিক: - Present perfect tense-এর বাক্য গঠনে 'yet' সাধারণত negative (না-বোধক) বাক্যে ব্যবহৃত হয়। - 'Have yet to' এই ফ্রেজটির অর্থ হলো কাজটি এখনও সম্পন্ন হয়নি, অর্থাৎ তারা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) They have made a decision — এটি একটি affirmative বা হ্যাঁ-বোধক বাক্য, কিন্তু মূল বাক্যে 'yet' থাকার কারণে সিদ্ধান্ত না নেওয়ার ভাব প্রকাশ পায়। B) They are ready to make a decision — এর অর্থ তারা সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুত, যা মূল বাক্যের 'এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি' এই অর্থের সাথে মেলে না। C) They have not made a decision — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রেজটির নেতিবাচক অর্থ এই অপশনের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। D) They are about to make a decision — এর অর্থ তারা সিদ্ধান্ত নিতেই চলেছে, যা 'এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি' এই অর্থের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'have yet to' বা 'has yet to' দেখলে বুঝতে হবে কাজটি এখনও শেষ হয়নি এবং এর অর্থ সবসময় না-বোধক হয়।
a than
b welcomed
c accept
d accepted
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) accept কেন সঠিক: - বাক্যে 'had better' একটি মডাল ভার্বের মতো কাজ করে এবং এর পরে সর্বদা মূল ভার্বের বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। - প্রদত্ত শূন্যস্থানের পর 'the offer' রয়েছে, তাই এখানে ভার্বের মূল রূপ 'accept' বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) than — 'had better' কাঠামোর সাথে 'than' যুক্ত হয় না, এটি ভুল ব্যবহারে আসে। B) welcomed — এটি পাস্ট ফর্ম, 'had better'-এর পর ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে না। C) accept — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহৃত হয়েছে। D) accepted — এটি পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম, তাই 'had better'-এর পর এটি বসবে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'had better', 'would rather', 'let' থাকলে এরপরে সর্বদা ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
a Henrik Ibsen
b George Bernard Shaw
c John Osborne
d Eugene O'Neill
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) George Bernard Shaw কেন সঠিক: জর্জ বার্নার্ড শ আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তিনি একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ছিলেন। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় বহু বিশ্বখ্যাত নাটক রচনা করে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। তিনি মূলত ব্রিটিশ সাহিত্য ধারার সাথে যুক্ত থাকলেও তাঁর জন্মসূত্রে জাতীয়তা ছিল আইরিশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Henrik Ibsen — হেনরিক ইবসেন নরওয়ের বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন, আয়ারল্যান্ডের নন। B) George Bernard Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) John Osborne — জন অসবর্ন ইংল্যান্ডের একজন বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন। D) Eugene O'Neill — ইউজিন ও'নিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ছিলেন। মনে রাখার টিপস: বার্নার্ড শ নামের সাথে আইরিশ নাট্যকার কথাটি মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যাবে।
a (AUB)UC=AU(BUC)
b AUB=BUA
c (A∩B)'=A'UB'
d A∩B'=A-B
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (A∩B)'=A'UB' প্রদত্ত তথ্য: সেটের সংযোগ এবং সেটের ছেদ এর পারস্পরিক সম্পর্ক পূরক সেট সম্পর্কিত সার্বিক নিয়ম ধরি, ইউনিভার্সাল সেট বা সার্বিক সেট = U যেকোনো দুটি উপসেট = A এবং B অতএব, প্রথম সূত্রটি হলো (AUB)' = A'∩B' দ্বিতীয় সূত্রটি হলো (A∩B)' = A'UB' সুতরাং, অপশন সি তে উল্লেখিত সম্পর্কটি সঠিক উত্তর: C) (A∩B)'=A'UB'
a ডেমোক্রিন্টাস
b রজার বেকন
c হাইগেন
d আল-মাসুদী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাইগেন প্রদত্ত তথ্য: পদার্থবিজ্ঞানের আলোর প্রকৃতি সম্পর্কিত বিভিন্ন মতবাদ দেওয়া আছে। এখানে আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। ধরি, বিজ্ঞানী নিউটনের মতে আলো হলো কণার সমষ্টি। বিজ্ঞানী ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনের মতে আলো হলো তরঙ্গের মাধ্যমে চলে। অতএব, ১৬৭৮ সালে বিজ্ঞানী হাইগেন আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব সফলভাবে প্রকাশ করেন। এই তত্ত্বের মাধ্যমে আলোর প্রতিফলন ও প্রতিসরণ ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়। সুতরাং, বিজ্ঞান ইতিহাসে আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের আবিষ্কারক হিসেবে হাইগেনের নাম স্বীকৃত। উত্তর: হাইগেন
a টেলিফোন অফিসে
b প্রেরক টাওয়ারে
c গ্রাহক টাওয়ারের
d প্রেরক-গ্রাহক টাওয়ারে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রেরক-গ্রাহক টাওয়ারে প্রদত্ত তথ্য: মোবাইল ফোন থেকে ডায়াল করা হলো বেতার তরঙ্গ উৎপন্ন হলো ধরি, তরঙ্গটি প্রথমে প্রেরক টাওয়ারে পৌঁছায় সেখান থেকে গ্রাহক টাওয়ারে প্রেরিত হয় অতএব, যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে দুটি টাওয়ার কাজ করে প্রথমটি প্রেরক এবং দ্বিতীয়টি গ্রাহক হিসেবে যুক্ত থাকে সুতরাং, তরঙ্গটি প্রেরক-গ্রাহক উভয় টাওয়ারের মাধ্যমেই সঞ্চালিত হয় উত্তর: প্রেরক-গ্রাহক টাওয়ারে
a বিউটেন
b মিথেন
c ইথেন
d প্রোপেন
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিউটেন প্রদত্ত তথ্য: সিলিন্ডারে রান্নার কাজে বহুল ব্যবহৃত প্রধান জ্বালানি গ্যাস কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে ধরি, সিলিন্ডারের গ্যাস হলো হাইড্রোকার্বন শ্রেণির অ্যালকেন গোত্রের একটি উপাদান অতএব, এই গ্যাসে কার্বন পরমাণুর সংখ্যা চারটি এবং হাইড্রোজেন পরমাণুর সংখ্যা দশটি থাকে সুতরাং, রাসায়নিক গঠন অনুযায়ী এই গ্যাসটি বিউটেন নামে পরিচিত উত্তর: A) বিউটেন
a 20MHz-20000 MHz
b 20 Hz-20000 Hz
c 10MHz - 1000MHz
d 20 Hz-2000 Hz
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০ Hz − ২০০০০ Hz প্রদত্ত তথ্য: সুস্থ মানুষের কানের শ্রবণ ক্ষমতার কম্পাঙ্কের পরিসর নির্ধারিত থাকে। ধরি, সর্বনিম্ন শ্রাব্যতার কম্পাঙ্ক = ২০ Hz সর্বোচ্চ শ্রাব্যতার কম্পাঙ্ক = ২০০০০ Hz অতএব, মানুষের কান এই নির্দিষ্ট সীমার ভেতরের শব্দ শুনতে পায়। এর নিচের শব্দ বা ওপরের শব্দ মানুষ শুনতে পায় না। সুতরাং, মানুষের শ্রাব্যতার সীমার পরিসর হলো ২০ Hz থেকে ২০০০০ Hz পর্যন্ত। উত্তর: ২০ Hz − ২০০০০ Hz
a ভূ-পৃষ্ঠে
b পাহাড়ের উপরে
c ভূ-কেন্দ্রে
d মাটির নিচে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভূ-পৃষ্ঠে প্রদত্ত তথ্য: অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর কেন্দ্রে শূন্য হয় ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে বা নিচে নামলে ত্বরণ কমে যায় ধরি, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ = R কেন্দ্র থেকে দূরত্ব = r অতএব, ভূ-পৃষ্ঠে দূরত্ব সবচেয়ে কম হয় তাই আকর্ষণ বল বেশি অনুভূত হয় সুতরাং, ভূ-পৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় উত্তর: ভূ-পৃষ্ঠে
a আসমানী, সবুজ, নীল
b নীল, সবুজ, লাল
c সাদা, লাল, সবুজ
d হলুদ, লাল, নীল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নীল, সবুজ, লাল প্রدত্ত তথ্য: রঙিন টেলিভিশনের পর্দা তৈরিতে মৌলিক রঙের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়। ধরি, প্রথম মৌলিক রঙ = নীল দ্বিতীয় মৌলিক রঙ = সবুজ অতএব, তৃতীয় মৌলিক রঙ = লাল সুতরাং, রঙিন টেলিভিশনের তিনটি মৌলিক রঙ একত্রিত হয়ে অন্যান্য রঙ তৈরি করে। উত্তর: নীল, সবুজ, লাল
a কার্বনিক এসিড
b সাইট্রিক এসিড
c পারক্লোরিক এসডি
d হাইড্রোক্লোরিক এসিড
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হাইড্রোক্লোরিক এসিড প্রদত্ত তথ্য: পাকস্থলীতে খাদ্য পরিপাকের জন্য এক ধরণের বিশেষ এসিড উৎপাদিত হয় ধরি, পাকস্থলীর প্রাচীর থেকে ক্ষরিত রস হলো গ্যাস্ট্রিক রস অতএব, এই গ্যাস্ট্রিক রসের প্রধান উপাদান হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড সুতরাং, এই এসিড খাদ্যের আমিষ জাতীয় অংশ পরিপাকে সরাসরি সাহায্য করে উত্তর: হাইড্রোক্লোরিক এসিড
a 7.35-7.45
b 5.55-5.65
c 6.50-6.70
d 4.79-5.00
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭.৩৫-৭.৪৫ প্রদত্ত তথ্য: সুস্থ মানুষের ধমনীর রক্তের স্বাভাবিক pH এর মান নির্দিষ্ট করা আছে। মানবদেহের রক্ত সামান্য ক্ষারীয় প্রকৃতির হয়ে থাকে। ধরি, রক্তের অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষিত হয় বাফারের মাধ্যমে। pH এর মান সাত এর বেশি হলে তা ক্ষারীয় হয়। অতএব, রক্তের pH এর সর্বনিম্ন স্বাভাবিক মাত্রা হলো সাত দশমিক তিন পাঁচ। রক্তের pH এর সর্বোচ্চ স্বাভাবিক মাত্রা হলো সাত দশমিক চার পাঁচ। সুতরাং, স্বাভাবিক রক্তের pH এর পূর্ণ পরিসরটি হলো সাত দশমিক তিন পাঁচ থেকে সাত দশমিক চার পাঁচ। উত্তর: ৭.৩৫-৭.৪৫
a ইথেন
b মিথেন
c রেয়ন
d ফ্রেয়ন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফ্রেয়ন প্রদত্ত তথ্য: সাধারণ রেফ্রিজারেটরে শীতায়ক হিসেবে গ্যাস ব্যবহৃত হয় এই বিশেষ গ্যাসটি রাসায়নিকভাবে ফ্রেয়ন নামে পরিচিত ধরি, ব্যবহৃত হিমায়ক তরল হলো ক্লোরোফ্লুরোকার্বন বা ফ্রেয়ন এটি ঘরের তাপমাত্রায় গ্যাসীয় হলেও চাপে তরল হয় অতএব, এটি খুব সহজেই তাপ শোষণ করতে পারে এবং বাষ্পীভূত হয়ে ঠান্ডা পরিবেশ সৃষ্টি করে সুতরাং, হিমায়িত করার মূল উপাদান হিসেবে ফ্রেয়ন ব্যবহার করা হয় উত্তর: ফ্রেয়ন
a √3/2
b 1/2
c 1/√2
d 1√3
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতিক কোণ = ৩০ ডিগ্রি সাইন অনুপাত নির্ণয় করতে হবে ধরি, সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = ১ একক অতিভুজ = ২ একক অতএব, sin থিটা = লম্ব ÷ অতিভুজ sin ৩০ ডিগ্রি = ১ ÷ ২ সুতরাং, মান হিসাব করে পাওয়া যায় উত্তর: ১/২
a ২৫% ক্ষতি
b ২৫% লাভ
c ২০% ক্ষতি
d ২০% লাভ
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫% ক্ষতি প্রদত্ত তথ্য: একখানা বাড়ির বিক্রয় মূল্য তার ক্রয় মূল্যের পাঁচ ভাগের চার অংশের সমান। ধরি, বাড়িটির ক্রয় মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, বাড়িটির বিক্রয় মূল্য = ১০০ এর চার বাই পাঁচ অংশ = ৮০ টাকা সুতরাং, যেহেতু বিক্রয় মূল্য ক্রয় মূল্যের চেয়ে কম, তাই ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ = ১০০ − ৮০ = ২০ টাকা উত্তর: ২৫% ক্ষতি
a 3 উপায়ে
b 4 উপায়ে
c 5 উপায়ে
d 6 উপায়ে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ উপায়ে প্রদত্ত তথ্য: বর্ণগুলো হলো A, B এবং C মোট বর্ণের সংখ্যা = ৩ ধরি, প্রথম স্থানে বসার জন্য বর্ণ আছে ৩টি দ্বিতীয় স্থানে বসার জন্য বর্ণ আছে ২টি অতএব, তৃতীয় স্থানে বসার জন্য বর্ণ বাকি থাকে ১টি সব কটি বর্ণ একসাথে নিয়ে বিন্যাস সংখ্যা হিসাব করতে হবে সুতরাং, নির্ণেয় বিন্যাসের মোট সংখ্যা হবে ৩ × ২ × ১ উত্তর: ৬ উপায়ে
a 2,3,5 সে. মি.
b 4,5,6 সে. মি.
c 3,5,7 সে. মি.
d 5,6,8 সে. মি.
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২, ৩, ৫ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ২, ৩ ও ৫ সে. মি. ধরি, ত্রিভুজের বাহু তিনটি ক, খ ও গ অতএব, প্রথম দুটি বাহুর যোগফল = ২ + ৩ = ৫ সে. মি. তৃতীয় বাহুর দৈর্ঘ্য = ৫ সে. মি. সুতরাং, ত্রিভুজের যেকোনো দুই বাহুর সমষ্টি তৃতীয় বাহু অপেক্ষা বৃহত্তর হতে হয়, কিন্তু এখানে দুই বাহুর সমষ্টি তৃতীয় বাহুর সমান হয়ে গেছে। উত্তর: A) ২, ৩, ৫ সে. মি.
a 2
b 3
c 4
d 1
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই এর ঘাত x প্লাস সাত সমান চার এর ঘাত x প্লাস দুই। ধরি, সমীকরণটির ভিত্তি উভয় পক্ষে একই করতে হবে। অতএব, চার কে দুই এর স্কয়ার লেখা যায়। সুতরাং, দুই এর ঘাত x প্লাস সাত সমান দুই এর ব্র্যাকেট দুই গুণ x প্লাস দুই। অতএব, উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি দুই বাদ দিলে পাওয়া যায় x প্লাস সাত সমান দুই গুণ x প্লাস চার। সুতরাং, x প্লাস সাত সমান দুই x প্লাস চার। অতএব, সাত বিয়োগ চার সমান দুই x বিয়োগ x। সুতরাং, তিন সমান x। উত্তর: ৩
a 85
b 75
c 65
d 55
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রতি বেঞ্চে ৫ জন বসলে ৫ খানা বেঞ্চ খালি থাকে প্রতি বেঞ্চে ৪ জন বসলে ৭ জন ছাত্র দাঁড়িয়ে থাকে ধরি, মোট বেঞ্চের সংখ্যা = ক টি অতএব, প্রথম শর্ত অনুযায়ী মোট ছাত্র সংখ্যা = ৫ গুণ (ক − ৫) দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী মোট ছাত্র সংখ্যা = ৪ গুণ ক + ৭ সুতরাং, ৫ গুণ (ক − ৫) = ৪ গুণ ক + ৭ ৫ গুণ ক − ২৫ = ৪ গুণ ক + ৭ উত্তর: ছাত্র সংখ্যা = ৫৫ জন
a ৬০ বর্গমিটার
b ৮৪ বর্গমিটার
c ৯০ বর্গমিটার
d ৪৮ বর্গমিটার
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮৪ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ১৩ মিটার, ১৪ মিটার ও ১৫ মিটার ধরি, প্রথম বাহু a = ১৩ মিটার দ্বিতীয় বাহু b = ১৪ মিটার তৃতীয় বাহু c = ১৫ মিটার অতএব, অর্ধপরিসীমা s = (১৩ + ১৪ + ১৫) ÷ ২ = ৪২ ÷ ২ = ২১ মিটার s − a = ২১ − ১৩ = ৮ মিটার s − b = ২১ − ১৪ = ৭ মিটার সুতরাং, s − c = ২১ − ১৫ = ৬ মিটার ক্ষেত্রফল = √(২১ × ৮ × ৭ × ৬) = √(৭০৫৬) = ৮৪ বর্গমিটার উত্তর: ৮৪ বর্গমিটার
a pq
b p+q
c pq (p+q)
d 0
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ প্রদত্ত তথ্য: সমান্তর ধারার পি-তম পদ = ৭ সমান্তর ধারার কিউ-তম পদ = পি ধরি, ধারার প্রথম পদ = এ ধারার সাধারণ অন্তর = ডি অতএব, পি-তম পদ = এ + (পি − ১)ডি = ৭ কিউ-তম পদ = এ + (কিউ − ১)ডি = পি সুতরাং, প্রথম সমীকরণ থেকে দ্বিতীয় সমীকরণ বিয়োগ করে পাই, (পি − কিউ)ডি = ৭ − পি চূড়ান্ত হিসাব: (পি + কিউ) তম পদ = এ + (পি + কিউ − ১)ডি = ০ উত্তর: ০
a 1/2
b 1/3
c 5/6
d 2/3
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২/৩ প্রদত্ত তথ্য: একটি ছক্কা একবার নিক্ষেপ করা হলো ছক্কায় মোট সম্ভাব্য ফলাফল হলো ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ধরি, মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা = ৬ ২ থেকে বড় সংখ্যাগুলো হলো ৩, ৪, ৫, ৬ অতএব, ২ থেকে বড় সংখ্যা পাওয়ার অনুকূল ফলাফল = ৪টি সুতরাং, সম্ভাবনার সূত্র অনুযায়ী অনুকূল ফলাফল এবং মোট ফলাফলের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে উত্তর: ৪/৬ = ২/৩
a 2.259 মি.
b 2.199 মি.
c 2.359 মি.
d 2.159 মি.
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২.১৯৯ মি. প্রদত্ত তথ্য: চাকার ব্যাস = ৭০ সে. মি. ধরি, চাকার ব্যাসার্ধ (র) = ব্যাস ÷ ২ = ৭০ ÷ ২ = ৩৫ সে. মি. চাকার পরিধি = ২ × পাই × ব্যাসার্ধ অতএব, পাই এর মান = ৩.১৪১৬ পরিধি = ২ × ৩.১৪১৬ × ৩৫ সে. মি. সুতরাং, পরিধি = ২১৯.৮ সে. মি. = ২.১৯৯ মিটার উত্তর: ২.১৯৯ মি.
a 20%
b 40%
c 10%
d 15%
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০% প্রদত্ত তথ্য: ক্রয় মূল্য ও বিক্রয় মূল্যের অনুপাত = ৫ : ৬ ধরি, ক্রয় মূল্য = ৫ক বিক্রয় মূল্য = ৬ক অতএব, লাভ = বিক্রয় মূল্য − ক্রয় মূল্য লাভ = ৬ক − ৫ক = ১ক সুতরাং, শতকরা লাভ = (লাভ ÷ ক্রয় মূল্য) × ১০০% শতকরা লাভ = (১ক ÷ ৫ক) × ১০০% = ২০% উত্তর: ২০%
a পরিকেন্দ্র
b ভরকেন্দ্র
c অন্তঃকেন্দ্র
d লম্বকেন্দ্র
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভরকেন্দ্র প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দু পর্যন্ত অঙ্কিত রেখাকে মধ্যমা বলা হয় ত্রিভুজের তিনটি মধ্যমা একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় ধরি, ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দুগুলো থেকে মধ্যমা তিনটি টানা হলো এই মধ্যমত্রয় যে বিন্দুতে পরস্পরকে ছেদ করে তাকে বিশেষ নামে ডাকা হয় অতএব, জ্যামিতির নিয়ম অনুযায়ী ত্রিভুজের তিনটি মধ্যমার ছেদবিন্দু নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থান করে এই ছেদবিন্দুটি ত্রিভুজটির সমস্ত ভরকে সমভাবে ভারসাম্য রক্ষা করে সুতরাং, ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয়ের এই মিলন বিন্দুকে ভরকেন্দ্র বলা হয় উত্তর: B) ভরকেন্দ্র
a মেঘনা
b যমুনা
c পদ্মা
d ধলেশ্বরী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যমুনা কেন সঠিক: - সিরাজগঞ্জ জেলাটি যমুনা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত এবং এটি নদীমাতৃক বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর ও শহর। - যমুনা নদী উত্তর দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের পাশ দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনা — এটি মূলত দেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী, যা সিরাজগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত নয়। B) যমুনা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সিরাজগঞ্জ শহর এই নদীর তীরেই অবস্থিত। সি) পদ্মা — এটি দেশের একটি প্রধান নদী যা রাজশাহী ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের পাশ দিয়ে প্রবাহিত, সিরাজগঞ্জ এর তীরে নয়। ডি) ধলেশ্বরী — এটি বুড়িগঙ্গার শাখা নদী এবং মূলত মানিকগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: সিরাজের যম হলো যমুনা নদী।
a একটি
b দুইটি
c তিনটি
d চারটি
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুইটি কেন সঠিক: - বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি কম্পিউটার প্রযুক্তির মূল ভিত্তি এবং এতে শুধুমাত্র দুটি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। - এই দুটি অঙ্ক হলো শূন্য এবং এক, যা ডিজিটাল সিগন্যালের অন এবং অফ অবস্থা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি — একটি অঙ্ক দিয়ে কোনো সংখ্যা পদ্ধতি গঠন করা সম্ভব নয় কারণ তথ্যের বৈচিত্র্য প্রকাশ করতে কমপক্ষে দুটি অঙ্ক প্রয়োজন। B) দুইটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাইনারি পদ্ধতিতে শূন্য এবং এক এই দুটি মাত্র অঙ্ক ব্যবহৃত হয়। C) তিনটি — তিনটি অঙ্ক নিয়ে ট্রায়ারি সংখ্যা পদ্ধতি হতে পারে, কিন্তু বাইনারি পদ্ধতিতে তিন ব্যবহৃত হয় না। D) চারটি — চারটি অঙ্ক নিয়ে কোয়াটারনারি সংখ্যা পদ্ধতি হতে পারে, যা বাইনারি পদ্ধতির জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাই শব্দের অর্থ দুই, তাই বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে অঙ্ক সংখ্যাও দুটি অর্থাৎ শূন্য এবং এক।
a তিব্বত
b ভুটান
c মালদ্বীপ
d নেপাল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভুটান কেন সঠিক: - থিম্পু দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভুটানের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - শহরটি ভুটানের পশ্চিম কেন্দ্রীয় অংশে অবস্থিত এবং এটি দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিব্বত — এটি চীনের একটি স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল এবং এর রাজধানী লাসা, যা ভুটান নয়। B) ভুটান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং থিম্পু এই দেশটিরই রাজধানী। C) মালদ্বীপ — এই দ্বীপরাষ্ট্রটির রাজধানীর নাম মালে, থিম্পু নয়। D) নেপাল — এই হিমালয় অঞ্চলের দেশটির রাজধানী কাঠমান্ডু, থিম্পু নয়। মনে রাখার টিপস: ভুটানের খাবার থালিতে করে থিম্পুতে খাওয়া যায়, এভাবে মনে রাখতে পারেন ভুটানের রাজধানী থিম্পু।
a নীলফামারী
b কুড়িগ্রাম
c লালমনিরহাট
d দিনাজপুর
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লালমনিরহাট কেন সঠিক: - দহগ্রাম ছিটমহল বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত একটি ভূখণ্ড। - এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি বিখ্যাত ও বৃহত্তম অবশিষ্ট ছিটমহল এবং তিনবিঘা করিডোর এর সঙ্গে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীলফামারী — এই জেলায় দহগ্রাম ছিটমহল অবস্থিত নয়, এটি অন্য একটি উত্তরবঙ্গীয় জেলা। B) কুড়িগ্রাম — এই জেলায় অন্যান্য কিছু ছিটমহল ছিল, তবে দহগ্রাম এখানে অবস্থিত নয়। C) লালমনিরহাট — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই দহগ্রাম ছিটমহল অবস্থিত। D) দিনাজপুর — এই জেলায় দহগ্রাম ছিটমহল অবস্থিত নয়, এটি ভিন্ন একটি সীমান্তবর্তী জেলা। মনে রাখার টিপস: লাল রঙের মরিচ দিয়ে দহগ্রামের ছিটমহল মনে রাখবে, অর্থাৎ লালমনিরহাট জেলায় দহগ্রাম অবস্থিত।
a সুয়েজ খাল
b পানামা
c ইকুয়েডর
d কোনোটাই না
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পানামা প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ কেন সঠিক: - পানামা খাল মধ্য আমেরিকার পানামা দেশে অবস্থিত একটি কৃত্রিম জলপথ। - এটি আটলান্টিক মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং সামুদ্রিক দূরত্ব কমিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুয়েজ খাল — এটি লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে, যা আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেনি। B) পানামা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। C) ইকুয়েডর — এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ, কোনো খাল বা জলপথ নয়। D) কোনোটাই না — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: প দিয়ে পানামা এবং প দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগর মনে রাখলেই আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর সংযোগকারী খালটি সহজে মনে থাকবে।
a আসাম
b মণিপুর
c নাগাল্যান্ড
d মিজোরাম
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মণিপুর কেন সঠিক: - টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মণিপুরে বরাক নদীর ওপর অবস্থিত একটি বিতর্কিত বাঁধ প্রকল্প। - বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এই বাঁধটি নিয়ে আন্তর্জাতিক নদী অধিকার ও পানির সুষম বন্টন নিয়ে নানা আলোচনা ও উদ্বেগ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসাম — আসাম ভারতের একটি রাজ্য হলেও টিপাইমুখ বাঁধ এখানে অবস্থিত নয়, বরাক নদী এই রাজ্যের দিকে প্রবাহিত হয়। B) মণিপুর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বাঁধটি এই রাজ্যেই বরাক ও তুইভাই নদীর সঙ্গমস্থলের কাছে নির্মিত হচ্ছে। C) নাগাল্যান্ড — এটি ভারতের আরেকটি পাহাড়ি রাজ্য এবং এর সঙ্গে টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের কোনো ভৌগোলিক সংশ্লিষ্টতা নেই। D) মিজোরাম — মিজোরাম ভারতের একটি রাজ্য হলেও টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের মূল অবস্থান এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: বরাক নদীর নাম মনে রাখলেই টিপাইমুখ বাঁধের রাজ্য হিসেবে মণিপুরকে সহজেই চিনে নেওয়া যায়।
a 1982
b 1985
c 1988
d 1995
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৮৮ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করে। - প্রথম থেকেই বাংলাদেশ পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার মাধ্যমে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮২ — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কোনো কার্যক্রম শুরু করেনি। B) ১৯৮৫ — এটি শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের যোগদানের সাল নয়। D) ১৯৯৫ — এটি বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা মিশনে যোগদানের সূচনা সাল নয়, অনেক পরে। মনে রাখার টিপস: আশির দশকের শেষ বছর অর্থাৎ ১৯৮৮ সাল হলো বাংলাদেশ শান্তিরক্ষার পথে পা রাখার শুরুর বছর।
a 1789
b 1791
c 1795
d 1800
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭৮৯ কেন সঠিক: - ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯ সালের ৫ই মে শুরু হয় এবং এর মাধ্যমে ফ্রান্সের বুরো রাজবংশের পতন ঘটে। - এই বিপ্লবের মূল স্লোগান ছিল সাম্য, স্বাধীনতা ও ভ্রাতৃত্ব, যা বিশ্ব ইতিহাসে গণতন্ত্রের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৮৯ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল এবং বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটেছিল। B) ১৭৯১ — এটি ভুল কারণ এই সালে ফ্রান্সে নতুন সংবিধান প্রণীত হয় এবং রাজা ষোড়শ লুইয়ের পালানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়, যা বিপ্লবের পরবর্তী পর্যায়। C) ১৭৯৫ — এটি ভুল কারণ এই সালে ফ্রান্সে থার্মিডোরিয়ান প্রতিক্রিয়ার পর ডাইরেক্টরি শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। D) ১৮০০ — এটি ভুল কারণ এই সালে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফ্রান্সে কনস্যুলেট শাসন প্রতিষ্ঠা করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। মনে রাখার টিপস: ফরাসি বিপ্লবের সাল মনে রাখতে ১৭৮৯ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করো, কারণ এটি আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাঁক বদলের বছর।
a লন্ডন
b জেনেভা
c প্যারিস
d নিউইয়র্ক
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা কেন সঠিক: - রেডক্রস আন্তর্জাতিক আন্দোলনের সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। - এটি ১৮৬৩ সালে হেনরি ডুনান্ট কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে রেডক্রসের সদর দপ্তর নেই। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং রেডক্রসের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হলেও রেডক্রসের নয়। D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং জাতিসংঘের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, রেডক্রসের নয়। মনে রাখার টিপস: মানবিক কাজের জন্য সুইজারল্যান্ডের জেনেভা বিখ্যাত, তাই রেডক্রসের সদর দপ্তর সেখানেই অবস্থিত।
a 0.42083333333333
b 0.21388888888889
c 0.50555555555556
d 0.46319444444444
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ১০:৬ (অথবা ৫:৩) কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত হলো ১০:৬, যা সরলীকরণ করলে ৫:৩ হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে অনুপাতটি দশমিক ভগ্নাংশ আকারে দেওয়া আছে, যেখানে ১০ কে ৬ দ্বারা ভাগ করলে ০.৪২০৮৩৩... মান পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.42083333333333 — এই দশমিক মানটি ১০:৬ বা ৫:৩ অনুপাতের ভাগফল প্রকাশ করে, যা জাতীয় পতাকার সঠিক অনুপাত। B) 0.21388888888889 — এই মানটি জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাতের সঙ্গে মেলে না। C) 0.50555555555556 — এই মানটি ভুল অনুপাত নির্দেশ করে এবং এটি পতাকার মাপের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) 0.46319444444444 — এই মানটি অন্য কোনো পরিমাপ নির্দেশ করে, যা জাতীয় পতাকার অনুপাত নয়। মনে রাখার টিপস: জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ১০ এবং প্রস্থ ৬, দশকে ছয় দিয়ে ভাগ করলে এই দশমিক মান পাওয়া যায়।
a মক্কা
b মদিনা
c জেরুজালেম
d বাগদাদ
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেরুজালেম কেন সঠিক: - আল আকসা মসজিদ ফিলিস্তিনের জেরুজালেম শহরে অবস্থিত প্রাচীন ও পবিত্র একটি মসজিদ। - ইসলাম ধর্মে এটি তৃতীয় পবিত্রতম স্থান এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মিরাজের রাতে এখানে এসেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মক্কা — এটি সৌদি আরবে অবস্থিত যেখানে পবিত্র কাবা শরিফ রয়েছে, জেরুজালেম নয়। B) মদিনা — এটি সৌদি আরবে অবস্থিত যেখানে মসজিদে নববী রয়েছে, আল আকসা মসজিদ নয়। C) জেরুজালেম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং আল আকসা মসজিদ এই শহরেই অবস্থিত। D) বাগদাদ — এটি ইরাকের রাজধানী এবং ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর হলেও আল আকসা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: আল আকসা মসজিদ ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে অবস্থিত, যা ইসলামের তৃতীয় পবিত্র স্থান।
a 2008
b 2009
c 2010
d 2011
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১০ কেন সঠিক: - সাংবাদিক ও পর্বতারোহী মুসা ইব্রাহীম ২০১০ সালের ২৩ মে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি বাংলাদেশ বিষয়াবলির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক অর্জন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৮ — এই সালে মুসা ইব্রাহীম মাউন্ট এভারেস্টে আরোহণ করেননি, এটি ভুল সাল। B) ২০০৯ — এই সালে বাংলাদেশের কোনো পর্বতারোহী এভারেস্ট জয় করেননি। D) ২০১১ — এই সালের ২৪ মে এম এ মুহিত ও নিশাত মজুমদার পরবর্তী সময়ে এভারেস্ট জয় করেন। মনে রাখার টিপস: মুসা ইব্রাহীম ২০১০ সালে এভারেস্ট জয় করেন, মনে রাখতে সালটি ডাবল টেন বা দুই হাজার দশ মনে রাখতে পারেন।
a মুন্সিগঞ্জ
b নরসিংদী
c মানিকগঞ্জ
d ঢাকা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুন্সিগঞ্জ কেন সঠিক: - অতীশ দীপঙ্কর বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুর অঞ্চলের বজ্রযোগিনী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। - তিনি প্রাচীন বাংলার একজন প্রখ্যাত বৌদ্ধ পণ্ডিত এবং দার্শনিক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুন্সিগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অতীশ দীপঙ্কর এই জেলার বজ্রযোগিনী গ্রামে জন্মেছেন। B) নরসিংদী — এটি ভুল কারণ এই জেলার সঙ্গে অতীশ দীপঙ্করের জন্মস্থানের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। C) মানিকগঞ্জ — এটি ভুল কারণ এটি অতীশ দীপঙ্করের জন্মস্থান বা আদি নিবাস নয়। D) ঢাকা — এটি ভুল কারণ প্রাচীন বিক্রমপুর অঞ্চল বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: অতীশ দীপঙ্কর বজ্রযোগিনীর সন্তান, মুন্সিগঞ্জে তাঁর অবদান মহান।
a মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
b সৌদি আরব
c জাপান
d ভারত
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাপান কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে জাপান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অংশীদার ও দ্বিপক্ষীয় দাতা দেশ হিসেবে কাজ করছে। - মেগা প্রকল্প যেমন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, মেট্রোরেল এবং মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জাপান সবচেয়ে বেশি ঋণ ও সহায়তা দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হলেও এটি সবচেয়ে বেশি ঋণ প্রদানকারী দেশ নয়। B) সৌদি আরব — সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশ বিভিন্ন সময় আর্থিক সহায়তা ও ঋণ পেলেও তা জাপানের পরিমাণের তুলনায় অনেক কম। C) জাপান — এটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য সঠিক উত্তর। D) ভারত — ভারত বাংলাদেশকে একাধিকবার লাইন অফ ক্রেডিট বা এলওসি দিলেও শীর্ষ ঋণদাতা দেশ জাপান। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন প্রকল্প এবং মেট্রোরেলের কথা মনে রাখলে জাপানের ঋণ সহায়তার বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
a রাজশাহী
b রংপুর
c কুষ্টিয়া
d ময়মনসিংহ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রংপুর কেন সঠিক: - ভাওয়াইয়া গান মূলত বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিশেষ করে রংপুর অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা ও নদীভিত্তিক সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। - গরুর গাড়ি চালক বা ভাওয়াইয়া শিল্পীদের গাওয়া এই লোকসংগীতে গ্রামীণ মানুষের সুখ, দুঃখ ও প্রেমের সুর ফুটিয়ে তোলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — রাজশাহী অঞ্চলের প্রধান লোকসংগীতে গম্ভীরা ও আলকাপ বেশি পরিচিত, তাই এটি ভাওয়াইয়ার মূল ক্ষেত্র নয়। C) কুষ্টিয়া — কুষ্টিয়া অঞ্চল বাউল গান এবং লালন সাঁইয়ের সাধনার জন্য বিশেষভাবে বিখ্যাত, ভাওয়াইয়ার জন্য নয়। D) ময়মনসিংহ — ময়মনসিংহ অঞ্চল মূলত মৈমনসিংহ গীতিকা এবং জারি বা ভাটিয়ালি গানের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: উত্তরের রংপুর মানেই ভাওয়াইয়া গান এবং দক্ষিণের কুষ্টিয়া মানেই বাউল গান, এভাবে অঞ্চলভিত্তিক লোকসংগীত মনে রাখতে হবে।
a ১৯৬৪ সনে
b ১৯৭২ সনে
c ১৯৫০ সনে
d ১৯২৯ সনে
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৬৪ সনে কেন সঠিক: - ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পিএলও (PLO) ১৯৬৪ সালের ২৮শে মে জেরুজালেম শহরে গঠিত হয়। - ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৪ সনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই পিএলও গঠিত হয়েছিল। B) ১৯৭২ সনে — এই সালে পিএলও গঠিত হয়নি, তবে ১৯৭৪ সালে ফিলিস্তিনিদের একমাত্র বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃতি পায়। C) ৫০ সনে — এই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে পিএলও গঠনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। D) ১৯২৯ সনে — এই সালে পিএলও গঠিত হয়নি, এটি ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার প্রতিষ্ঠার সঠিক সময় নয়। মনে রাখার টিপস: পিএলও গঠনের সাল মনে রাখতে ১৯৬৪ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দশক।
a ভারত মহাসাগর
b আটলান্টিক মহাসাগর
c প্রশান্ত মহাসাগর
d ভূমধ্যসাগর
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রশান্ত মহাসাগর কেন সঠিক: - প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর আয়তন ও গভীরতা উভয় দিক থেকেই বৃহত্তম মহাসাগর। - এর আয়তন প্রায় ১৬ কোটি বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর মোট জলভাগের প্রায় অর্ধেক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত মহাসাগর — এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মহাসাগর এবং এর আয়তন প্রশান্ত মহাসাগরের তুলনায় অনেক কম। B) আটলান্টিক মহাসাগর — এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর এবং এর আয়তন প্রশান্ত মহাসাগরের প্রায় অর্ধেক। D) ভূমধ্যসাগর — এটি কোনো মহাসাগর নয়, এটি আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে যুক্ত একটি অভ্যন্তরীণ সাগর মাত্র। মনে রাখার টিপস: মহাসাগরগুলোর আয়তনের বড় থেকে ছোট ক্রম মনে রাখতে পারো এই শব্দ দিয়ে: প্র-আ-ভা-কু-আ (প্রশান্ত, আটলান্টিক, ভারত, দক্ষিণ বা অ্যান্টার্কটিক, আর্কটিক)।
a পাকিস্তান
b ইন্দোনেশিয়া
c তুরস্ক
d বাংলাদেশ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: - ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ। - বিশ্বের মোট মুসলিম জনসংখ্যার প্রায় বারো শতাংশ এই দেশে বসবাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকিস্তান — এটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে ইন্দোনেশিয়ার পরেই এর অবস্থান। B) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর এবং এটি বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিমপ্রধান দেশ। C) তুরস্ক — এটি একটি মুসলিমপ্রধান দেশ হলেও এর জনসংখ্যা ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় অনেক কম। D) বাংলাদেশ — এটি বিশ্বের তৃতীয় সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ, যা ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের পরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইন্দোনেশিয়া নামটি মনে রাখতে পারেন প্রথম অক্ষর ই দিয়ে, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ হিসেবে এক নম্বরে রয়েছে।
a ১০২তম
b ১২০তম
c ১৩৬তম
d ১৪০তম
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৬তম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে পদ লাভ করে। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম বাংলায় ভাষণ দিয়ে বাংলাদেশের সদস্যপদ প্রাপ্তিকে ঐতিহাসিক উচ্চতায় নিয়ে যান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০২তম — এই ক্রমিকে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছে অন্য কোনো দেশ, যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ১২০তম — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ প্রাপ্তির সঠিক ক্রম নির্দেশ করে না। C) ১৩৬তম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের প্রকৃত ক্রম। D) ১৪০তম — এই ক্রমটি ভুল এবং এটি জাতিসংঘের অন্য কোনো সদস্য দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ৭৪ সালে সদস্য হয় এবং সংখ্যাটি ১৩৬, মনে রাখতে পারেন ৭৪ এর সাথে ১৩৬ এর সম্পর্ক।
a মারমা
b চাকমা
c ত্রিপুরা
d গারো
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চাকমা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। - এরা প্রধানত রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় বসবাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মারমা — মারমা উপজাতির জনসংখ্যা চাকমাদের পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। B) চাকমা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ত্রিপুরা — ত্রিপুরা উপজাতি জনসংখ্যার দিক থেকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। D) গারো — গারো উপজাতি প্রধানত ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে বসবাস করে এবং এদের সংখ্যা চাকমাদের চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: চাকমা উপজাতির প্রথম অক্ষর চ এবং বেশি শব্দের প্রথম অক্ষর ব, এভাবে চা-বাগান মনে রেখে চাকমা উপজাতির লোকসংখ্যা সবচেয়ে বেশি তা মনে রাখা যায়।
a রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা
b ময়মনসিংহ জেলা
c রাজশাহী জেলা
d দিনাজপুর জেলা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট ৬৪টি জেলার মধ্যে আয়তনের দিক থেকে রাঙ্গামাটি হলো সবচেয়ে বড় জেলা। - এই জেলার আয়তন প্রায় ৬১১৬ বর্গকিলোমিটার, যা দেশের মোট আয়তনের একটি বড় অংশ জুড়ে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) ময়মনসিংহ জেলা — এটি একটি বিভাগীয় শহর ও জেলা হলেও আয়তনে রাঙ্গামাটির চেয়ে অনেক ছোট। C) রাজশাহী জেলা — এটি দেশের উত্তরঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা কিন্তু আয়তনে রাঙ্গামাটির চেয়ে ছোট। D) দিনাজপুর জেলা — এটি আয়তনের দিক থেকে দেশের বড় জেলাগুলোর একটি হলেও রাঙ্গামাটির চেয়ে এর আয়তন কম। মনে রাখার টিপস: আয়তনে বড় জেলা মনে রাখতে পাহাড়ি এলাকার কথা মাথায় রাখুন, কারণ পাহাড়ের কারণে রাঙ্গামাটি দেশের বৃহত্তম জেলা।
a 1757
b 1850
c 1857
d 1793
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮৫৭ কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে ভারতবর্ষের সৈনিক ও সাধারণ মানুষের প্রথম সশস্ত্র ও ব্যাপক গণবিক্ষোভ হলো সিপাহী বিদ্রোহ। - ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরে মঙ্গল পান্ডের নেতৃত্বে এই বিদ্রোহ শুরু হয় এবং তা সমগ্র উত্তর ও মধ্য ভারতে ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৫৭ — এই সনে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, যা বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। B) ১৮৫০ — এই সনে ভারতবর্ষের ইতিহাসে কোনো বড় বা উল্লেখযোগ্য বিদ্রোহের ঘটনা ঘটেনি। C) ১৮৫৭ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সনেই ঐতিহাসিক সিপাহী বিদ্রোহ বা মহাবিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল। D) ১৭৯৩ — এই সনে চিরস্থায়ী বন্দोबस्त চালু করা হয়েছিল, যা ব্রিটিশ আমლის একটি ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থা। মনে রাখার টিপস: পলাশীর যুদ্ধ এবং সিপাহী বিদ্রোহের পার্থক্য মনে রাখতে হবে; ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধ এবং ঠিক একশ বছর পর ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহ হয়।
a বগুড়া
b দিনাজপুর
c যশোর
d বাগেরহাট
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাগেরহাট কেন সঠিক: - ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের ঐতিহাসিক জেলা বাগেরহাটে অবস্থিত। - এটি পনেরো শতকের খান জাহান আলী নির্মিত একটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের জেলা, যেখানে ঐতিহাসিক মহাস্থানগড় অবস্থিত কিন্তু ষাট গম্বুজ মসজিদ নয়। B) দিনাজপুর — এটি উত্তরবঙ্গের জেলা, যেখানে বিখ্যাত কান্তজী মন্দির অবস্থিত কিন্তু ষাট গম্বুজ মসজিদ নয়। C) যশোর — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা হলেও ষাট গম্বুজ মসজিদ এখানে অবস্থিত নয়। D) বাগেরহাট — এই অপশনটি সঠিক কারণ মসজিদটি এখানেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ষাট গম্বুজ মসজিদ এবং খান জাহান আলীর মাজার উভয়ই বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
a খন্দকার মোশতাক আহম্মদ
b তাজউদ্দীন আহমদ
c ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
d সৈয়দ নজরুল ইসলাম
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত প্রথম বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন ক্যাপ্টেন মনসুর আলী। - তিনি এপ্রিলে গঠিত এই সরকারের অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব সফলভাবে পরিচালনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খন্দকার মোশতাক আহম্মদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, অর্থমন্ত্রী ছিলেন না। B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, অর্থমন্ত্রী ছিলেন না। D) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: মন্ত্রিসভার মনসুর মানেই অর্থ, তাই মনে রাখুন মনসুর আলী ছিলেন অর্থমন্ত্রী।
a স্পেন
b তাইওয়ান
c কাতার
d নেপাল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাইওয়ান কেন সঠিক: - তাইওয়ানকে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না এবং আন্তর্জাতিকভাবে এটি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। - এই কূটনৈতিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে তাইওয়ানের কোনো আনুষ্ঠানিক দূতাবাস বা কূটনৈতিক মিশন নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পেন — বাংলাদেশে স্পেনের পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস ও কূটনৈতিক কার্যক্রম রয়েছে। B) তাইওয়ান — বাংলাদেশ এই অঞ্চলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এখানে কোনো দূতাবাস নেই। C) কাতার — বাংলাদেশে কাতারের পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস ও কূটনৈতিক কার্যক্রম সক্রিয় রয়েছে। D) নেপাল — বাংলাদেশে নেপালের পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: যেসকল দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক স্বীকৃতি নেই, তাদের দূতাবাসও বাংলাদেশে থাকে না। তাইওয়ান তার একটি বড় উদাহরণ।
a ব্রিটেন
b ভারত
c রাশিয়া
d যুক্তরাষ্ট্র
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তান সরকারকে কূটনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে প্রত্যক্ষ সহায়তা করেছিল। - বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেন — ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে নৈতিক সমর্থন দিয়েছিল এবং যুদ্ধ চলাকালীন সহানুভূতিশীল ভূমিকা পালন করেছিল। B) ভারত — ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সর্বাত্মক সহায়তা, শরণার্থীদের আশ্রয় এবং কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করেছিল। C) রাশিয়া — তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কূটনৈতিক ও সামরিকভাবে দৃঢ় সমর্থন ও সহযোগিতা প্রদান করেছিল। D) যুক্তরাষ্ট্র — মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল এবং পাকিস্তান সরকারের পক্ষে সপ্তম নৌবহর প্রেরণ করেছিল। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালিরা ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের সমর্থন পেলেও পাকিস্তানপন্থী যুক্তরাষ্ট্র ছিল আমাদের স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান বিরোধী শক্তি।

মোট প্রশ্ন (24)

a মুক্তিযুদ্ধ
b বঙ্গভঙ্গ
c ভাষা আন্দোলন
d সিপাহি বিদ্রোহ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি ভাষা আন্দোলন কারণ মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটির মূল বিষয়বস্তু বা পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। - নাটকে ভাষা আন্দোলনের শহীদের আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর অমানবিক আচরণের বাস্তব রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবর নাটকটির রচয়িতা বিশিষ্ট নাট্যকার ও শিক্ষাবিদ মুনীর চৌধুরী। - ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দी থাকা অবস্থায় তিনি এই নাটকটি রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর রক্তে ভেজা নাটক ব্যাখ্যা: ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক হলো এই কবর। উদাহরণ ২: কারাগারের বন্দী জীবনের সৃষ্টি ব্যাখ্যা: ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে নাট্যকার মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে এই ঐতিহাসিক নাটকটি লিখেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তিযুদ্ধ — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যকর্ম নয় কারণ নাটকটি রচিত হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের অনেক আগে ১৯৫৩ সালে। B) বঙ্গভঙ্গ — এটি বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত হয়নি কারণ বঙ্গভঙ্গ সংঘটিত হয়েছিল ১৯০৫ সালে। D) সিপাহি বিদ্রোহ — এটি সিপাহি বিদ্রোহের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় কারণ সিপাহি বিদ্রোহ হয়েছিল ১৮৫৭ সালে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এটি মনে রাখতে কবর শব্দের সঙ্গে বায়ান্ন সালের ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি যুক্ত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক কোনটি এই প্রশ্নের উত্তর হলো কবর। - কারাগারে বসে রচিত নাটক হিসেবে মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a ঝরাপাতা
b কবর
c তাহারেই পড়ে মনে
d তোমাকেই পড়ে মনে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তাহারেই পড়ে মনে ১. কেন সঠিক: - 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি সুফিয়া কামালের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আবেগঘন সৃষ্টি। - প্রকৃতির রূপ পরিবর্তনের সাথে মানুষের মনের দুঃখ ও বিষাদের অপূর্ব রূপায়ন ঘটেছে এই কবিতায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের প্রগতিশীল আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ, নারীবাদী লেখক এবং জননী সাহসিকা হিসেবে পরিচিত। - ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত এই কবিতায় শীতের শুষ্ক প্রকৃতির সাথে কবির ব্যক্তিগত শোক ও বেদনার গভীর মিল দেখানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া ব্যাখ্যা: এটি সুফিয়া কামালের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যার মাধ্যমে তিনি সাহিত্যজগতে খ্যাতি অর্জন করেন। উদাহরণ ২: মায়া কাজল ব্যাখ্যা: এটিও কবি সুফিয়া কামালের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং পরিচিত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝরাপাতা — এটি সুফিয়া কামালের কবিতা নয়, বরং এটি কবি কাজী নজরুলের একটি গদ্যগ্রন্থ। B) কবর — এটি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় শোকগাথাধর্মী কবিতা। D) তোমাকেই পড়ে মনে — এটি কোনো মৌলিক সাহিত্যিক কবিতা নয়, বরং মূল কবিতার সঙ্গে মিল রেখে তৈরি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুফিয়া কামালের জনপ্রিয় কবিতার নাম মনে রাখার সূত্র হলো, তার মনে শীতের সকালে তাহারেই পড়ে মনে এবং সাঁঝের মায়ার কথা জাগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার রচয়িতা বা প্রকাশের সন জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের সাহিত্য প্রশ্নে কবির অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের নামগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a খেলারাম খেলে যা
b চিলেকোঠার সেপাই
c রুদ্ধদ্বার মুক্তপ্রাণ
d সারেং বৌ
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চিলেকোঠার সেপাই ১. কেন সঠিক: - চিলেকোঠার সেপাই বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি রাজনৈতিক উপন্যাস যার রচিয়তা আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে ঊনসত্তরের গণঅভুত্থান ও তৎকালীন ঢাকার নিম্নবর্গ মানুষের জীবন অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি তাঁর গভীর জীবনবোধ ও শৈল্পিক ভাষার জন্য পরিচিত। - তাঁর রচিত একমাত্র দুটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাসের মধ্যে চিলেকোঠার সেপাই এবং খোয়াবনামা সর্বাধিক জনপ্রিয় ও প্রশংসিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খোয়াবনামা ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা দ্বিতীয় ও শেষ উপন্যাস যা তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: অন্য ঘর অন্য স্বর ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত ছোটগল্প সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খেলারাম খেলে যা — এই বিখ্যাত উপন্যাসটির রচিয়তা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা উপন্যাস হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) রুদ্ধদ্বার মুক্তপ্রাণ — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কোনো বিখ্যাত বা পরিচিত সাহিত্যকর্ম নয়। D) সারেং বৌ — এই জনপ্রিয় উপন্যাসটি শহীদুল জহির বা অন্য কেউ নয়, বরং শহীদুল্লাহ কায়সারের লেখা। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইলিয়াসের উপন্যাসের সংখ্যা কম কিন্তু মান অনেক বেশি। - মনে রাখার কৌশল হলো ইলিয়াস মূলত চিলেকোঠার সেপাই এবং খোয়াবনামা লিখে অমর হয়ে আছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের মোট উপন্যাসের সংখ্যা দুটি যার একটি চিলেকোঠার সেপাই এবং অন্যটি খোয়াবনামা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের উপন্যাসের নাম ও পটভূমি প্রায়শই পরীক্ষাতে আসে।
a মেঘনাদবধ কাব্য
b বীরাঙ্গনা
c ব্রজাঙ্গনা
d শর্মিষ্ঠা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শর্মিষ্ঠা ১. কেন সঠিক: - শর্মিষ্ঠা হলো মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম বাংলা নাটক, যা ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত হয়। - বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে এটি প্রথম সার্থক পাশ্চাত্য রীতির অমিত্রাক্ষর ছন্দের বাইরে গদ্যে রচিত আধুনিক নাটক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবক্তা এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে চিরস্মরণীয়। - তাঁর নাট্যচর্চার সূচনা হয় এই শর্মিষ্ঠা নাটক রচনার মধ্য দিয়ে, যা মহাভারতের দেবযানী ও শর্মিষ্ঠার আখ্যান অবলম্বনে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি পৌরাণিক নাটক, যা ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কৃষ্ণকুমারী ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনাদবধ কাব্য — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি মহাকাব্য, কোনো নাটক নয়। B) বীরাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি পত্রকাব্য বা গীতিধর্মী কাব্যগ্রন্থ। C) ব্রজাঙ্গনা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পটভূমিতে রচিত একটি লিরিক বা গীতিপ্রবণ কাব্য। D) শর্মিষ্ঠা — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন দত্তের নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মধুসূদনের প্রথম নাটক শর্মিষ্ঠা। - তাঁর নাটকের নামের শেষাংশে কাব্য বা পদ্যধর্মী নাম এড়িয়ে নাট্যরূপের ঐতিহ্য মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শর্মিষ্ঠা নাটকটি বাংলা নাটকের ইতিহাসে প্রথম মৌলিক ও আধুনিক নাট্যরচনার মর্যাদা লাভ করেছে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক বা প্রথম মহাকাব্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a 39
b 41
c 42
d 43
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ৪১ কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনিগুলোকে স্বরধ্বনি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। - ডক্টর সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষায় মোট একচল্লিশটি মৌলিক ধ্বনি রয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি এবং মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা চৌত্রিশটি। - এই মৌলিক স্বরধ্বনি এবং মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি মিলে মোট একচল্লিশটি ধ্বনি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। - যেমন: অ, আ, ই, উ ইত্যাদি স্বরধ্বনি এবং ক, খ, গ ইত্যাদি ব্যঞ্জনধ্বনি। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) ৩৯ — এটি সঠিক নয় কারণ বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি গণনায় এই সংখ্যাটি মেলে না। - খ) ৪১ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি ডক্টর সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতানুযায়ী নির্ধারিত। - গ) ৪২ — এটি সঠিক নয় কারণ বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা বাহ্যিক গণনায় বিয়াল্লিশটি ধরা হয় না। - ঘ) ৪৩ — এটি সঠিক নয় কারণ তিপ্পান্নটি বা অন্য কোনো সংখ্যা বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনির সঠিক মাপকাঠি নয়। মনে রাখার টিপস: - বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি মনে রাখতে সাতটি স্বরধ্বনি এবং চৌত্রিশটি ব্যঞ্জনধ্বনির যোগফল হিসাব করতে হবে।
a মতিচুর
b পদ্মরাগ
c সুলতানার স্বপ্ন
d অবরোধবাসিনী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুলতানার স্বপ্ন ১. কেন সঠিক: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারীদের অধিকার ও মুক্তির পক্ষে কলম ধরেছিলেন এবং তাঁর একটি বিখ্যাত গ্রন্থ তিনি ইংরেজিতে রচনা করেছিলেন। সুলতানার স্বপ্ন বা The Sultanas Dream তাঁর রচিত প্রথম নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা যা মূল ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন বিশ শতকের প্রারম্ভের বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত ও সমাজসংস্কারক। সুলতানার স্বপ্ন গ্রন্থটিতে তিনি লাডল্যান্ড বা ল্যাডল্যান্ড নামক এক কাল্পনিক সমাজের চিত্র এঁকেছেন যেখানে পুরুষেরা অন্তঃপুরে বন্দি থাকে এবং নারীরা সমাজ পরিচালনা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মতিচুর ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত প্রবন্ধ সংকলন যার প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। উদাহরণ ২: পদ্মরাগ ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর পটভূমি ছিল নারীদের আশ্রয়কেন্দ্র তারণীকাবাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মতিচুর — এটি বেগম রোকেয়ার বাংলা ভাষায় রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ, ইংরেজি গ্রন্থ নয়। B) পদ্মরাগ — এটি তাঁর বাংলা ভাষায় রচিত উপন্যাস, ইংরেজি গ্রন্থ নয়। C) সুলতানার স্বপ্ন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) অবরোধবাসিনী — এটি তাঁর বাংলা ভাষায় রচিত একটি সমাজতামূলক ব্যঙ্গাত্মক গ্রন্থ, ইংরেজি গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বেগম রোকেয়ার ইংরেজি স্বপ্নের নাম সুলতানার স্বপ্ন বা The Sultanas Dream মনে রাখলে সহজেই উত্তর করা যায়। ইংরেজি রচনার কথা বললেই সুলতানার স্বপ্ন নামটি মাথায় আনতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার গ্রন্থগুলোর নাম এবং তাদের ধরণ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। কোনটি উপন্যাস, কোনটি প্রবন্ধ এবং কোনটি ইংরেজিতে রচিত তা আলাদা করে ছক আকারে মনে রাখতে হবে।
a শেষের কবিতা
b সমাপ্তি
c গীতাঞ্জলি
d শেষ লেখা মাত
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেষের কবিতা ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি মূলত লেখক ও সাহিত্যকর্মের ধরন সম্পর্কিত। শেষের কবিতা হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় উপন্যাস, যা প্রকাশিত হয় উনত্রিশ সালে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। শেষের কবিতা একটি গীতিধর্মী ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যার প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের আলো ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষের কবিতা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস। B) সমাপ্তি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প, কোনো উপন্যাস নয়। C) গীতাঞ্জলি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা উপন্যাসের আওতাভুক্ত নয়। D) শেষ লেখা মাত — এই নামে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো প্রামাণ্য গ্রন্থ নেই, এটি ভুল তথ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতা একটি উপন্যাস হলেও এর নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকায় অনেকে একে কবিতা মনে করেন, যা একটি সাধারণ ভুল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস ও ছোটগল্পের পার্থক্য প্রায়ই আসে। শেষের কবিতা ও যোগাযোগ হলো তাঁর উপন্যাস এবং সমাপ্তি হলো ছোটগল্প।
a উদীচি
b ঐক্যতা
c ইয়াত্তা
d কিঞ্চিত
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কিঞ্চিত ১. কেন সঠিক: - কিঞ্চিত শব্দটি বাংলা ব্যাকরণে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ এবং এর অর্থ অল্প বা কিছুটা। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সংস্কৃত শব্দে ই-কার বা উ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মানা হয় এবং কিঞ্চিত শব্দে ই-কার ও খ-এর নিচে ন-যুক্ত বর্ণ সঠিক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম শব্দের বানানে মূল সংস্করণের বানান অপরিবর্তিত থাকে। - কিঞ্চিত শব্দটিতে কি-এর পর ঞ্চ যুক্ত বর্ণ ব্যবহৃত হয়েছে যা ম-ফলা বা অন্য কোনো বর্ণের কারণে পরিবর্তিত হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিঞ্চিত পরিমাণ ব্যাখ্যা: এই শব্দগুচ্ছে কিঞ্চিত শব্দের অর্থ অল্প পরিমাণ বোঝাতে সঠিক বানানে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: কিঞ্চিত মাত্র ব্যাখ্যা: এখানেও কিঞ্চিত শব্দের সঠিক তৎসম রূপ অপরিবর্তিত রেখে সামান্য মাত্রা বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উদীচি — সঠিক বানান হলো উদীচী যেখানে অন্ত্য দীর্ঘী-কার ব্যবহার করা হয়। B) ঐক্যতা — এটি একটি অপপ্রয়োগ কারণ এক থেকে ঐক্য এবং তার সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করে ঐক্যতা বলা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়, শুদ্ধ রূপ হলো ঐক্য। C) ইয়াত্তা — সঠিক বানান হলো ইয়ত্তা যেখানে য-ফলা এবং দুটি ত যুক্ত হয়। D) কিঞ্চিত — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানান। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত শব্দে খ-এর সঙ্গে ন যুক্ত হলে তা কিঞ্চিত হয় এবং এর শেষ বর্ণে ত থাকে। - বাংলা শুদ্ধ বানানের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের মূল রূপটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই আসে তাই সংস্কৃত মূল রূপ মুখস্থ রাখা জরুরি। - অপপ্রয়োগজনিত শব্দ যেমন ঐক্যতার পরিবর্তে ঐক্য ব্যবহার করতে হয় তা মনে রাখতে হবে।
a আরবি
b ফারসি
c উর্দু
d বাংলা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফারসি ১. কেন সঠিক: 'খোদা' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষা বিভিন্ন ভাষার শব্দ ধার করে সমৃদ্ধ হয়েছে এবং ফারসি ভাষা থেকে প্রচুর শব্দ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারে প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগের অন্তর্গত একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়। ফারসি শব্দগুলো বিদেশি শব্দের একটি প্রধান অংশ এবং এগুলো মূলত মুঘল আমল ও শাসনতান্ত্রিক যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পর্দা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় পোশাক ও প্রচ্ছদের ক্ষেত্রে গৃহিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কারখানা ব্যাখ্যা: এটিও ফারসি ভাষার শব্দ, যা কর্মশালা বা উৎপাদনের স্থান বোঝাতে বাংলা ভাষায় নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে আল্লাহ, ইসলাম, কুরআন ইত্যাদি শব্দ এসেছে, কিন্তু 'খোদা' শব্দটি আরবি নয় বরং ফারসি। B) ফারসি — এটি সঠিক উত্তর। C) উর্দু — উর্দু একটি মিশ্র ভাষা এবং এটি ফারসি ও আরবি শব্দ দ্বারা প্রভাবিত হলেও 'খোদা' সরাসরি ফারসি থেকে বাংলায় এসেছে। D) বাংলা — এটি দেশীয় বা প্রাকৃত থেকে সরাসরি বিকশিত শব্দ নয়, বরং একটি বিদেশি ভাষার শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: ধর্মীয় ও সামাজিক উপাসনা বা সৃষ্টিকর্তা বোঝাতে ব্যবহৃত 'খোদা', 'পয়গম্বর', 'নামায' ও 'রোজা' শব্দগুলো সাধারণত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে আরবি ও ফারসি শব্দ আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই ধর্মীয় উপাসনা ও প্রশাসনিক ফারসি শব্দগুলো আলাদা করে চর্চা করা উচিত।
a সোন্দর্য
b সৌন্দর্য
c সোন্দ্যর্য
d সৌন্দয্য
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌন্দর্য ১. কেন সঠিক: - সুন্দর শব্দের সঙ্গে ভাববাচক প্রত্যয় য যুক্ত হয়ে সৌন্দর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী মূল শব্দ বা প্রত্যয় যুক্ত করার সময় বানানের সঠিক রূপ বজায় রাখতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুন্দর বিশেষ্য পদের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৌন্দর্য বিশেষ্য পদটি গঠিত হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যয় যোগের সময় মূল শব্দের বানানে পরিবর্তন আসতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধৈর্য ব্যাখ্যা: ধীর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ধৈর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মাধুর্য ব্যাখ্যা: মধুর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মাধুর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোন্দর্য — এটি ভুল বানান কারণ সুন্দরের জায়গায় সোন্দর লেখা হয়েছে। B) সৌন্দর্য — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি মেনে গঠিত। C) সোন্দ্যর্য — এটি ভুল বানান কারণ এখানে অতিরিক্ত ফলা ব্যবহার করা হয়েছে। D) সৌন্দয্য — এটি ভুল বানান কারণ শেষের বর্ণে ভুল ফলা যুক্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুন্দর শব্দটির সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত করার সময় প্রথম অক্ষরে ও-কার দিতে হয় এবং শেষের জ-ফলা ঠিক রাখতে হয়। - এই নিয়মে ধীর থেকে ধৈর্য এবং মধুর থেকে মাধুর্য বানানগুলো মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দের বানান পরিষ্কার থাকলে এ ধরনের প্রত্যয়যুক্ত বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
a বাজনা
b মানব
c দোকানদার
d বেঙাচি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মানব ১. কেন সঠিক: - মানব শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। - উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে যে শব্দগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতরূপে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দের অর্থ হলো তার সমান বা সংস্কৃতের সমান। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় অবিকৃত অবস্থায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোই তৎসম শব্দ। - এই শব্দগুলোতে সাধারণত সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম ও বর্ণপ্রক্রিয়া অপরিবর্তিত থাকে এবং এতে মূর্ধন্য ণ বা ষ এর ব্যবহার বেশি দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ কারণ এটি সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর কোনো পরিবর্তন হয়নি। উদাহরণ ২: সূর্য ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ যার উৎস সংস্কৃত ভাষা এবং এটি বাংলায় একই রূপে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাজনা — এটি একটি তদ্ভব শব্দ, যার উৎপত্তি সংস্কৃত বাজ্য বা বাদ্য থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলায় এসেছে। B) মানব — এটি একটি তৎসম শব্দ এবং সঠিক উত্তর, যা সংস্কৃত মনু শব্দের সাথে অ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। C) দোকানদার — এটি একটি ফারসি শব্দ, যেখানে দোকান এবং দার দুটি অংশই বিদেশি ভাষার। D) বেঙাচি — এটি একটি দেশি শব্দ, যা অরিজিনাল বা আদি দেশীয় শব্দভান্ডার থেকে বাংলায় এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়মে গঠিত এবং মূর্ধন্য বর্ণযুক্ত অনেক শব্দই তৎসম শব্দ হয়। - শব্দের উৎস মনে রাখতে তৎসম শব্দের অর্থটি মাথায় রাখতে হবে যার অর্থ তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃতের সমান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস নির্ণয় করার জন্য শব্দটির গঠন ও বানানরীতি ভালোভাবে লক্ষ করতে হয়। - তৎসম শব্দ চেনার জন্য সংস্কৃত ব্যাকরণের প্রত্যয়যুক্ত শব্দ এবং নিছক সংস্কৃত শব্দগুলো বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a মুক্তিযুদ্ধের পত্র সংকলন
b মুক্তিযুদ্ধের নাটক
c মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র
d মুক্তিযুদ্ধের কবিতা সংকলন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুক্তিযুদ্ধের পত্র সংকলন ১. কেন সঠিক: - একাত্তরের চিঠি একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ যেখানে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লেখা চিঠির সংকলন প্রকাশ করা হয়েছে। - ১৯৭১ সালে যুদ্ধকালীন সময়ে রণাঙ্গন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের পাঠানো চিঠিপত্র এই গ্রন্থের মূল উপাদান হওয়ায় এটি পত্র সংকলন হিসেবে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বাংলা সাহিত্যে পত্র সাহিত্য একটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে যেখানে সরাসরি রণাঙ্গনের অভিজ্ঞতা ফুটে ওঠে। - প্রথম আলো পত্রিকার উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকা থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের এই চিঠিগুলো সংগ্রহ করে সংকলন আকারে প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রণাঙ্গনের চিঠি ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধকালীন মুক্তিযোদ্ধাদের চিঠিপত্রের একটি প্রামাণ্য সংকলন। উদাহরণ ২: চিঠি ১৯৭১ ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বিভিন্ন ব্যক্তির চিঠির একটি ঐতিহাসিক ও প্রামাণ্য রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তিযুদ্ধের পত্র সংকলন - এটি সঠিক কারণ গ্রন্থটি মুক্তিযোদ্ধাদের চিঠির সংকলন। B) মুক্তিযুদ্ধের নাটক - এটি নাটক নয়, কারণ এতে কোনো নাট্যরূপ বা সংলাপভিত্তিক বিন্যাস নেই। C) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র - এটি কোনো চলচ্ছবি বা দৃশ্যমান সিনেমা নয়, বরং একটি গ্রন্থ। D) মুক্তিযুদ্ধের কবিতা সংকলন - এটি কবিতা নয়, কারণ এখানে পদ্য বা ছন্দের পরিবর্তে গদ্যে লেখা চিঠিপত্র স্থান পেয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - একাত্তরের চিঠি নামের মধ্যেই চিঠি শব্দটি রয়েছে, যার মাধ্যমে এটি একটি পত্র সংকলন তা সহজে মনে রাখা যায়। - মুক্তিযুদ্ধ ও চিঠি যুক্ত থাকলে সবসময় পত্র সংকলন হিসেবে উত্তর চিহ্নিত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য গ্রন্থ থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এ ধরনের সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রে নামের শেষ অংশ বা মূল বিষয়বস্তু খেয়াল করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a জীবনানন্দ দাশ
b অমিয় চক্রবর্তী
c বিষ্ণু দে
d বুদ্ধদেব বসু
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অমিয় চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: অমিয় চক্রবর্তী রবীন্দ্রোত্তর যুগের একজন বিশিষ্ট আধুনিক কবি এবং তিনি দীর্ঘকাল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যিক চিন্তাধারা এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা তাঁর কবিমানস গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিল, যা তাঁর কবিতায় আধুনিক রূপ লাভ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অমিয় চক্রবর্তী ছিলেন ত্রিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রবক্তা এবং কল্লোল যুগের সঙ্গেও তাঁর পরোক্ষ যোগাযোগ ছিল। তিনি শুধু কবিই ছিলেন না, একজন প্রথিতযশা সাহিত্য সমালোচক ও অধ্যাপক হিসেবেও আধুনিক বাংলা সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অমিয় চক্রবর্তীর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ খসড়া। ব্যাখ্যা: এটি কবির আধুনিক মননশীলতা ও কাব্যশৈলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: অমিয় চক্রবর্তীর অপর একটি পরিচিত কাব্যগ্রন্থ পারাপার। ব্যাখ্যা: এই কাব্যে আধুনিক জীবনের যান্ত্রিকতা ও মানবপ্রেমের অপূর্ব রূপায়ণ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানন্দ দাশ — তিনি রবীন্দ্রোত্তর যুগের প্রধান আধুনিক কবি ও রূপসী বাংলার কবি হলেও রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন না। B) অমিয় চক্রবর্তী — এটি সঠিক উত্তর। C) বিষ্ণু দে — তিনি রবীন্দ্রোত্তর যুগের মার্কসবাদী ভাবধারার অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি হলেও রবীন্দ্রনাথের সচিব ছিলেন না। D) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান সংগঠক ও সম্পাদক হলেও রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে কাজ করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ও আধুনিক কবি মনে রাখতে অমিয় চক্রবর্তীর নাম স্মরণ করবে। তিনি সচিব হিসেবে রবীন্দ্রনাথের অত্যন্ত ঘনিষ্ট সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রোত্তর যুগের কবিদের নাম ও তাঁদের পেশাগত বা সাহিত্যিক বিশেষত্ব বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ত্রিশের দশকের আধুনিক কবিদের জীবন ও সাহিত্যকর্ম ভালোভাবে অধ্যয়ন করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a আব্দুল জব্বার
b আপেল মাহমুদ
c মুক্তিযুদ্ধ
d ভাষা আন্দোলন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আপেল মাহমুদ ১. কেন সঠিক: - 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি' গানটির শিল্পী আপেল মাহমুদ। - এই গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার এবং সুরকার ও শিল্পী আপেল মাহমুদ। - এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা জোগানো অন্যতম একটি কালজয়ী গান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'জয় বাংলা বাংলার জয়' ব্যাখ্যা: এটিও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত একটি জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: 'পূর্ব দিগে সূর্য উঠেছে রক্ত লাল রক্ত লাল' ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসমৃদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দীপ্ত করার মতো একটি ঐতিহাসিক গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আব্দুল জব্বার — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী হলেও এই গানটির শিল্পী নন, তিনি 'সালাম সালাম হাজার সালাম' গানের শিল্পী। B) আপেল মাহমুদ — এটি সঠিক উত্তর। C) মুক্তিযুদ্ধ — এটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা বা প্রেক্ষাপট, কোনো ব্যক্তি বা শিল্পীর নাম নয়। D) ভাষা আন্দোলন — এটি ১৯৫২ সালের একটি ঐতিহাসিক আন্দোলন, কোনো গান বা শিল্পীর নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যুদ্ধের গান মানেই আপেল মাহমুদ এবং গোবিন্দ হালদারের সৃষ্টি। - গানটির প্রথম লাইন মনে রাখলেই এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং শিল্পীর নাম সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান, গীতিকার ও শিল্পীর নাম প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানগুলোর গীতিকার ও শিল্পীর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে।
a ইংরেজি
b গুজরাটি
c ফারসি
d আরবি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গুজরাটি ১. কেন সঠিক: - 'হরতাল' শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও প্রাকৃত ভাষার শব্দও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার একটি হলো গুজরাটি ভাষা। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তদ্ভব, তৎসম, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - বিদেশি শব্দের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে পর্তুগাল, ইংরেজি, আরবি, ফারসি এবং গুজরাটিসহ বিভিন্ন ভাষা থেকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খদ্দর ব্যাখ্যা: এটিও একটি গুজরাটি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ঢেঁকি ব্যাখ্যা: এটি একটি দেশি শব্দ, যা শব্দের উৎসের ভিন্নতা বোঝাতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে নানা শব্দ বাংলায় এলেও 'হরতাল' ইংরেজি শব্দ নয়। B) গুজরাটি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে অনেক প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ এলেও 'হরতাল' ফারসি নয়। D) আরবি — আরবি ভাষা থেকে প্রধানত ধর্ম ও প্রশাসন সংক্রান্ত শব্দ বাংলায় এসেছে, 'হরতাল' আরবি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - গুজরাটি ভাষা থেকে আগত শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো 'হরতাল' ও 'খদ্দর' শব্দ দুটিকে একসাথে মনে রাখা। - বিদেশি শব্দ চেনার জন্য শব্দের উৎস ও রূপ ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বিদেশি শব্দ বিশেষ করে পর্তুগাল, আরবি, ফারসি এবং গুজরাটি শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a দুর্গেশনন্দিনী
b চন্দ্রশেখর
c কৃষ্ণকান্তের উইল
d রজনী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃষ্ণকান্তের উইল ১. কেন সঠিক: - রোহিণী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস কৃষ্ণকান্তের উইলের অন্যতম প্রধান নারী চরিত্র। - এই উপন্যাসে রোহিণী ও গোবিন্দলালের জটিল প্রেম এবং তার পরিণতি অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। - কৃষ্ণকান্তের উইল প্রকাশিত হয় ১৮৭৮ সালে, যা একটি মনস্তাত্ত্বিক ও পারিবারিক কলহভিত্তিক সামাজিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ উপন্যাসের চরিত্র সূর্যমুখী ও কুন্দনন্দিনী। ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত ট্র্যাজিক প্রেমের উপন্যাস। উদাহরণ ২: কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের চরিত্র নবকুমার ও মতিবিবি। ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রোমান্টিক ধারার দ্বিতীয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুর্গেশনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস এবং এর প্রধান নায়িকা আয়েশা ও তিলোত্তমা, রোহিণী নয়। B) চন্দ্রশেখর — এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস এবং এর প্রধান নায়িকা শৈবলিনী, রোহিণী এই উপন্যাসের চরিত্র নয়। C) কৃষ্ণকান্তের উইল — এই অপশনটি সঠিক এবং রোহিণী এই উপন্যাসেরই কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র। D) রজনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস এবং এর নামভূমিকায় রয়েছে রজনী চরিত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের ট্র্যাজিক ও জটিল প্রেমের চরিত্র রোহিণীকে মনে রাখতে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসটি মনে রাখবে। - উপন্যাসটি সম্পত্তি ও অবৈধ প্রেমের পতন নিয়ে রচিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্রের চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - চরিত্রগুলোর নাম ও তাদের উপন্যাস ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a পরি + ঈক্ষা
b পরি + ইক্ষা
c পরিঃ + ঈক্ষা
d পরিঃ + ইক্ষা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পরি + ঈক্ষা ১. কেন সঠিক: - পরি যুক্ত ঈক্ষা মিলে পরীক্ষা শব্দটি গঠিত হয়েছে। এখানে ব্যঞ্জনবর্ণের পর স্বরবর্ণ বা ই কারের নিয়ম কাজ করেছে। - প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী পরি উপসর্গের পরে ঈক্ষা যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ কার গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ই কার বা ঈ কারের পর ই কার বা ঈ কার থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ ঈ কার হয়। - এই নিয়মে পরি এর ই কার এবং ঈক্ষা এর দীর্ঘ ঈ মিলে দীর্ঘ ঈ কার হয়েছে এবং শব্দটির সঠিক রূপ দাঁড়িয়েছে পরীক্ষা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতি + ঈক্ষা = প্রতিক্ষা নয়, প্রতিক্ষা শব্দটি ভুল, শুদ্ধ বানান প্রতীক্ষা। ব্যাখ্যা: এখানে প্রতি এবং ঈক্ষা মিলে দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত হয়ে প্রতীক্ষা গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: নদী + ঈশ = নদীশ। ব্যাখ্যা: নদী এর দীর্ঘ ঈ এবং ঈশ এর দীর্ঘ ঈ মিলে দীর্ঘ ঈ কার বহাল থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরি + ঈক্ষা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে তৈরি। B) পরি + ইক্ষা — এই অপশনটি ভুল কারণ ইক্ষার ক্ষেত্রে রস ই ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণসম্মত নয়। setC) পরিঃ + ঈক্ষা — এই অপশনটি ভুল কারণ পরি এর সাথে বিসর্গ যুক্ত করার কোনো নিয়ম নেই। D) পরিঃ + ইক্ষা — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গ এবং রস ই উভয়ই ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পরীক্ষা শব্দটিতে সর্বদা দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করতে হয়। - সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় পরি উপসর্গের সাথে দীর্ঘ ঈ যুক্ত ঈক্ষা শব্দ বসাতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শুদ্ধ বানান ও সন্ধি বিচ্ছেদ থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। - উপসর্গের সাথে যুক্ত শব্দের সন্ধি করার সময় ই কারের দীর্ঘতা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a আরবি
b ফারসি
c উর্দু
d হিন্দি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হিন্দি ১. কেন সঠিক: - মহাকবি আলাওল ষোড়শ শতকের বিখ্যাত হিন্দি কবি মালিক মোহাম্মদ জায়সি রচিত অবধী ভাষার পদুমাবত কাব্য অবলম্বনে বাংলা ভাষায় পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন। - অবধী হলো হিন্দি ভাষার একটি প্রাকৃতভিত্তিক অবর রূপ বা উপভাষা, যা মধ্যযুগে উত্তর ভারতে প্রচলিত ছিল এবং এটি হিন্দি ভাষারই অন্তর্গত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার রোমান্টিক ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি যিনি সপ্তদশ শতকে রোসাং রাজসভার অমাত্য মাগন ঠাকুরের অনুরোধে এই কাব্য রচনা শুরু করেন। - পদ্মাবতী কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে অনুবাদ সাহিত্য ধারার অন্তর্ভুক্ত হলেও এটি মূলত আক্ষরিক অনুবাদ নয়, বরং ভাবানুবাদ এবং মৌলিক প্রতিভার এক অপূর্ব সমন্বয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী ব্যাখ্যা: এটি দৌড় কাজী রচিত মধ্যযুগের আরেকটি বিখ্যাত প্রেমের কাব্য যা অবহট্ঠ বা হিন্দি বলয় থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে রচিত। উদাহরণ ২: ইউসুফ জোলেখা ব্যাখ্যা: শাহ মুহম্মদ গরিবুল্লাহ রচিত আরেকটি মধ্যযুগের জনপ্রিয় কাব্য যা বিদেশি ভাষার কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে বাংলায় রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে আলাওল পদ্মাবতী কাব্য অনুবাদ করেননি কারণ মূল গ্রন্থটি মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার অবধী রূপের ওপর রচিত ছিল। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে এই কাব্য অনুবাদ করা হয়নি যদিও আলাওলের অনেক রচনার ওপর ফারসি সাহিত্যের গভীর প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। C) উর্দু — উর্দু ভাষা তখনো একটি স্বতন্ত্র সাহিত্যিক রূপ হিসেবে বিকশিত হয়নি এবং মূল কাব্যটি উর্দুতে রচিত ছিল না। D) হিন্দি — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূল কাব্য পদ্ুমাবত হিন্দি ভাষার অবধী উপভাষায় রচিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের ক্ষেত্রে মনে রাখবে মালিক মোহাম্মদ জায়সির হিন্দি গ্রন্থ পদ্ুমাবত থেকেই আলাওল বাংলা পদ্মাবতী কাব্য তৈরি করেছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে পদ্মাবতী কাব্যের রচয়িতা কে কিংবা এটি কোন ভাষার কাব্যের অনুবাদ, তাই মূল গ্রন্থ ও লেখকের নাম মনে রাখা জরুরি।
a 1802
b 1820
c 1821
d 1822
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮২০ ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা গদ্যের জনক এবং পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মসাল প্রায়ই আসে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৯ শতকের বাংলা নবজাগরণের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব ও সমাজসংস্কারক। তিনি বাংলা গদ্যকে প্রাঞ্জল ও গতিশীল রূপ দেন এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থসমূহের মধ্যে বর্ণপরিচয়, বেতালপঞ্চবিংশতি ও শকুন্তলা উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যাখ্যা: উনিশ শতকের বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মসাল সম্পর্কিত প্রশ্নে এটি কাজে লাগে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মসাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮০২ — এই সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম হয়নি বরং এটি তার জন্মসাল নয়। B) ১৮২০ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই সালেই জন্মগ্রহণ করেন। C) ১৮২১ — এই সালটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মসাল নয়। D) ১৮২২ — এই সালটি সঠিক জন্মসালকে নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম ১৮২০ সালে এবং তার মৃত্যুর সালটি হলো ১৮৯১ সাল। জন্মের সালটি মনে রাখতে বিদ্যাসাগরের নামের অক্ষরের মতো সালটিও ১৯ শতকের বিশের দশক অর্থাৎ ১৮২০ সাল মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্মতারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ এবং মৃত্যু ২৯ জুলাই ১৮৯১। সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যুর সাল মনে রাখার জন্য ছক তৈরি করে পড়লে বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
a 11
b 21
c 31
d 41
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১ ১. কেন সঠিক: 'বীরাঙ্গনা' মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক পত্রপরামর্শমূলক কাব্য। এই কাব্যে মোট পত্র বা চিঠির সংখ্যা ১১টি এবং প্রতিটি পত্রই পৌরাণিক কাহিনীর চরিত্রদের দ্বারা আবর্তিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬২ সালে রচিত বীরাঙ্গনা কাব্যটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচনা করেন। গ্রিক কবি ওভিডের হিরোইডেস কাব্যের অনুসরণে রচিত এই পত্রকাব্যে নারী হৃদয়ের প্রেম, অভিমান ও দ্রোহ প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরাঙ্গনা কাব্যের প্রথম পত্র হলো দুষ্মন্তের উদ্দেশ্যে শকুন্তলার লেখা পত্র। ব্যাখ্যা: এই পত্রে শকুন্তলা তাঁর প্রতি দুষ্মন্তের অন্যায়ের তীব্র অভিমান ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্যের নবম পত্র হলো রাবণের উদ্দেশ্যে মন্ডোদরীর লেখা পত্র। ব্যাখ্যা: পতিতে ভক্তি ও লঙ্কার আসন্ন বিনাশের আশঙ্কায় মন্ডোদরীর আকুলতা এই পত্রে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ কাব্যের মোট পত্রের সংখ্যা ১১টি। B) ২১ — এই সংখ্যাটি বীরাঙ্গনার পত্র সংখ্যার সাথে মেলে না এবং এটি ভুল তথ্য। C) ৩১ — এই সংখ্যাটি সম্পূর্ণ অবাস্তব ও প্রশ্নের উত্তরের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। D) ৪১ — এই সংখ্যাটি ভুল এবং এটি বীরাঙ্গনা কাব্যের আয়তনের সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বীরাঙ্গনা কাব্যের পত্র সংখ্যা মনে রাখতে ১ সংখ্যাটি দুবার বসবে অর্থাৎ ১১। মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য মানেই ১১টি চিঠির সমাহার। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বীরাঙ্গনা কাব্য কোন ছন্দে রচিত তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে এবং এর উত্তর অমিত্রাক্ষর ছন্দ। এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যে একক ও অনন্য সৃষ্টির মর্যাদা লাভ করেছে।
a গোবিন্দদাস
b জ্ঞানদাস
c বিদ্যাপতি
d চণ্ডীদাসরাত
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিদ্যাপতি কেন সঠিক: ১. কবি বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করতেন এবং তাঁর কণ্ঠস্বর বা পদের মাধুর্য কোকিলের ডাকের মতো মিষ্টি ছিল। ২. মৈথিলি ভাষার ওপর তাঁর অসাধারণ দখল এবং মধুর পদের জন্য মিথিলার রাজা তাকে মৈথিল কোকিল উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. মধ্যযুগের বাংলা ও মৈথিলি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদকর্তা হলেন বিদ্যাপতি এবং তিনি মূলত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের পদ লিখে বিখ্যাত হয়েছেন। ২. বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীতে মৈথিলি মিশ্রিত বাংলা বা ব্রজবুলি ভাষার প্রচলন মূলত বিদ্যাপতির হাত ধরেই বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে। ৩. যেমন তাঁর রচিত বিখ্যাত একটি পদ হলো পিয় পিয় পুনহি নিহারয়ে নোর, যা মৈথিলি ও ব্রজবুলি ভাষার অপূর্ব মিশ্রণে তৈরি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবিন্দদাস — ইনি বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা বৈষ্ণব পদকর্তা হলেও মৈথিল কোকিল উপাধির সাথে যুক্ত নন। B) জ্ঞানদাস — ইনি বাংলা পদাবলীর অন্যতম প্রধান কবি এবং ইনি চণ্ডীদাসের অনুগামী হিসেবে বাংলাতেই পদ রচনা করেছেন। C) বিদ্যাপতি — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই মৈথিল কোকিল উপাধি পেয়েছেন। D) চণ্ডীদাস — ইনি বাংলা ভাষার আদি ও অন্যতম প্রধান বৈষ্ণব কবি, যার সাথে মৈথিল কোকিল উপাধির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ১. নামের সাথে মিল রেখে মনে রেখো মিথিলার কবি বিদ্যাপতি মানেই মৈথিলি ভাষার কোকিল বা মৈথিল কোকিল। ২. কোকিলের ডাক যেমন মিষ্টি তেমনি বিদ্যাপতির পদের ভাষা ও সুর অত্যন্ত মধুর ও শ্রুতিমধুর।
a কাহ্ন পা
b লুইপা
c ভুসুকু পা
d সরহ পা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাহ্ন পা ১. কেন সঠিক: চর্যাপদের কবিগণের মধ্যে কাহ্ন পা সর্বাধিক সংখ্যক পদ রচনা করেছিলেন। তিনি চর্যাপদের মোট তেত্রিশটি পদ রচনা করেছেন বলে জানা যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাহ্ন পা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান ও সর্বাধিক পদরচয়িতা কবি হিসেবে স্বীকৃত। ডক্টর সুকুমার সেন ও অন্যান্য গবেষকদের মতে তার রচিত পদের সংখ্যা তেত্রিশটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাহ্ন পা রচিত পদ সংখ্যা তেত্রিশটি। ব্যাখ্যা: চর্যাপদে এককভাবে সবচেয়ে বেশি পদ লেখার গৌরব অর্জন করেছেন তিনি। উদাহরণ ২: লুইপার পদ সংখ্যা দুটি। ব্যাখ্যা: চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা লুইপা এবং তিনি মোট দুটি পদ রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাহ্ন পা — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি চর্যাপদের সর্বাধিক তেত্রিশটি পদ রচনা করেছেন। B) লুইপা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি চর্যাপদের মাত্র দুটি পদ রচনা করেছেন। C) ভুসুকু পা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি চর্যাপদের আটটি পদ রচনা করেছেন, যা সর্বাধিক নয়। D) সরহ পা — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি চর্যাপদের চারটি পদ রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: কাহ্ন পা মানে সর্বাধিক পদ অর্থাৎ তেত্রিশটি পদ মনে রাখবে। চর্যাপদের কবিদের মধ্যে সংখ্যায় তিনিই সবার শীর্ষে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা এবং প্রধান কবিদের পদসংখ্যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে বেশি পদ কাহ্নপার এবং সবচেয়ে কম পদ কোনো কোনো কবির একটি।
a কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
b ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
c ময়ূর ভট্ট
d কানা হরিদত্ত
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর কেন সঠিক: - অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর তৎকালীন বর্ধমান জেলার ভুরসুট পরগনার পাণ্ডুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল এবং সত্যনারায়ণ ব্রতকথা বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। সাহিত্য প্রসঙ্গ: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছেন। - তাঁর কাব্যে ফার্সি শব্দের ব্যবহার এবং নাগরিক সংস্কৃতির ছোঁয়া আধুনিক যুগের সূচনা করে। - নদীমাতৃক বাংলার সমাজচিত্র এবং তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তাঁর কাব্যে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — ইনি বর্ধমান জেলার দামিন্যা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। - B) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর — ইনিই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। - C) ময়ূর ভট্ট — ইনি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের বা মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম প্রারম্ভিক কবি হিসেবে পরিচিত। - D) কানা হরিদত্ত — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের আদিকবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর জন্মস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। মনে রাখার টিপস: - ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের জন্মস্থান মনে রাখতে "ভ" দিয়ে ভুরসুট এবং "ভা" দিয়ে ভারতচন্দ্র এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারো।
a করণে সপ্তমী
b কর্মে সপ্তমী
c অপাদানে শূন্য
d অধিকরণের দ্বিতীয়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) করণে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে মাখা বা আচ্ছন্ন করা কাজটি কিসের দ্বারা বা কী উপকরণে সম্পাদিত হয়েছে, তা বোঝাতে মধু শব্দের সঙ্গে সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহার হয়েছে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কর্ম সম্পাদনের মাধ্যম, উপায় বা উপকরণকে করণ কারক বলা হয় এবং এতে সপ্তমী বা এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ক মাধ্যমকে করণ কারক বলে। - শব্দের শেষে এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত থাকলে তাকে সপ্তমী বিভক্তি বা ৭মী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলমে লেখা ভালো। ব্যাখ্যা: লেখার উপকরণ কলম হওয়ায় এটি করণে সপ্তমী কারকের উদাহরণ। উদাহরণ ২: জোছনায় আকাশ প্লাবিত। ব্যাখ্যা: প্লাবিত হওয়ার মাধ্যম জোছনা হওয়ায় এটি করণে সপ্তমী কারকের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে সপ্তমী — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যের ক্রিয়াটি সাধিত হওয়ার মাধ্যম বা উপকরণ বোঝাতে সপ্তমী বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। B) কর্মে সপ্তমী — বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্ম কারক বলে, কিন্তু এখানে কোনো কর্ম নেই। C) অপাদানে শূন্য — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীতি বা উৎপন্ন হয় তাকে অপাদান কারক বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অধিকরণের দ্বিতীয় — ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার স্থান বা সময়কে অধিকরণ কারক বলে এবং এতে দ্বিতীয় বিভক্তি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো বাক্য পড়ার সময় যদি কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া যায়, তবে তা করণ কারক হবে। - শব্দের শেষে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বাক্যের মূল ভাব ও ক্রিয়ার সঙ্গে পদের সম্পর্ক ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। - উপকরণ বা মাধ্যম বোঝালে সবসময় করণ কারক হয়।

মোট প্রশ্ন (25)

a by
b with
c in
d through
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in কেন সঠিক: কোনো কাজে সাহায্য করা বোঝাতে assist বা assist someone in doing something গঠন ব্যবহৃত হয়। প্রশ্নের বাক্যে প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার কাজে সাহায্য করা বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — কোনো মাধ্যম বা উপায়ে কাজ সম্পন্ন করা বোঝালে by বসে, কিন্তু এখানে কাজের ক্ষেত্রে সহায়তা বোঝাতে ইন প্রিপজিশন বসে। B) with — কোনো বস্তু বা উপকরণের সাহায্যে কিছু করা বোঝালে with বসে, যা এই শূন্যস্থানের জন্য সঠিক নয়। C) in — এই অপশনটি ইতিমধ্যেই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। D) through — কোনো মাধ্যম বা প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাওয়া বোঝালে through বসে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: Assist শব্দের পর সাধারণত in বসে এবং এর পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a noun
b degree
c quantity
d time
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) time কেন সঠিক: - টেন্স বা কাল মূলত সময়ের সাথে সম্পর্কিত, যা নির্দেশ করে কোনো ক্রিয়া কখন সংঘটিত হচ্ছে। - ব্যাকরণগতভাবে Verb-এর রূপ পরিবর্তন করে কাজের সময় বা কাল নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি কোনো কিছুর নাম নির্দেশ করে, যা কাজের সময় বা কাল নির্দেশ করতে পারে না। B) degree — এটি মূলত Adjective বা Adverb-এর তারতম্য বা তুলনা প্রকাশ করে, টেন্সের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) quantity — এটি কোনো কিছুর পরিমাণ নির্দেশ করে, যা ক্রিয়ার সময়ের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) time — এটি সঠিক উত্তর কারণ টেন্স সরাসরি সময়ের সাথে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: Tense শব্দের অর্থ কাল এবং Time শব্দের অর্থ সময়, তাই Tense মানেই সময়ের হিসাব।
a It is ten minutes to two
b It is two minutes to ten
c It is ten to two
d It is ten hours to two
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) It is two minutes to ten কেন সঠিক: বাংলায় দশটা বাজতে দুই মিনিট বাকি বুঝাতে ইংরেজিতে It is two minutes to ten বলতে হয়। এখানে মিনিটের সংখ্যা এবং ঘণ্টার সংখ্যা সঠিকভাবে সাজানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is ten minutes to two — এই অপশনটির অর্থ হলো দুইটা বাজতে দশ মিনিট বাকি, যা মূল বাক্যের সাথে মিলে না। B) It is two minutes to ten — এটি সঠিক অপশন এবং এর অর্থ দশটা বাজতে দুই মিনিট বাকি। C) It is ten to two — এটি দুইটা বাজতে দশ মিনিট বাকি বুঝায় এবং এতে মিনিটের সম্পূর্ণ হিসাব নেই। D) It is ten hours to two — এই অপশনের অর্থ দুইটা বাজতে দশ ঘণ্টা বাকি, যা অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: সময় বলার সময় বাজতে বাকি বুঝাতে to এবং বেজে গেলে past ব্যবহার করতে হয়।
a farewell speech
b first speech
c last speech
d late speech
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) first speech কেন সঠিক: Maiden speech একটি ইংরেজি idiom বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ কুমারী বক্তৃতা হলেও ব্যবহারিক অর্থে এর অর্থ প্রথম বক্তৃতা। সাধারণত কোনো ব্যক্তি পার্লামেন্টে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম যে বক্তব্য দেন তাকেই maiden speech বলা হয়। এটি বক্তার জীবনের প্রথম কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্যকে নির্দেশ করে। এই বিশেষ অর্থটি নিশ্চিত করার জন্য অপশন বি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) farewell speech — এই অপশনটি ভুল কারণ farewell speech অর্থ বিদায়ী ভাষণ যা maiden speech এর বিপরীত। B) first speech — এটি সঠিক অপশন এবং প্রথম বক্তৃতার অর্থ প্রকাশ করে। C) last speech — এই অপশনটি ভুল কারণ last speech অর্থ শেষ ভাষণ যা maiden speech এর সাথে মেলে না। D) late speech — এই অপশনটি ভুল কারণ late speech বলতে দেরিতে দেওয়া ভাষণ বোঝায় যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Maiden শব্দের অর্থ কুমারী বা প্রথম। তাই কোনো মানুষের প্রথম বক্তব্য মনে রাখতে maiden speech কথাটি ব্যবহার করা হয়।
a freshen
b enfresh
c freshy
d defresh
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) freshen কেন সঠিক: - 'Fresh' একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যার শেষে 'en' সাফিক্স বা প্রত্যয় যোগ করে একে ভার্ব বা ক্রিয়াপদে রূপান্তর করা হয়েছে। - 'Freshen' শব্দের অর্থ হলো তাজা করা বা সতেজ করা, যা একটি কাজের বা ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) freshen — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি 'fresh' শব্দের সঠিক ভার্ব রূপ। B) enfresh — এটি ইংরেজি ব্যাকরণসম্মত কোনো প্রচলিত শব্দ বা সঠিক ভার্ব নয়। C) freshy — এটি কোনো ভার্ব নয়, এটি একটি অপ্রচলিত বা ভুল গঠন। D) defresh — এটি কোনো অর্থবহ বা মানসম্মত ইংরেজি শব্দ বা ভার্ব নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো অ্যাডজেক্টিভের শেষে 'en' যোগ করে প্রায়ই তাকে ভার্বে রূপান্তর করা যায়, যেমন fresh থেকে freshen।
a news
b crises
c mathematics
d economics
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) crises কেন সঠিক: শব্দটির শেষ অক্ষর es থাকার কারণে এটি প্লুরাল বা বহুবচন রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি মূলত crisis শব্দের বহুবচন রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) news — এই শব্দটির শেষে s থাকলেও এটি একটি সিঙ্গুলার বা একবচন নাউন। B) crises — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং বহুবচন রূপ। C) mathematics — এই শব্দের শেষে s থাকলেও এটি একটি সিঙ্গুলার বিষয় বোঝাচ্ছে। D) economics — এই শব্দের শেষে s থাকলেও এটি একটি সিঙ্গুলার শাস্ত্র বা বিষয়। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে is থাকে, তাদের বহুবচন করতে হলে is এর জায়গায় es বসাতে হয়।
a an epic
b a satirical work
c a ballad
d a tragedy
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) an epic কেন সঠিক: - জন মিল্টনের বিখ্যাত মহাকাব্য বা এপিক হলো প্যারাডাইস লস্ট, যা ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত হয়। - এর মূল বিষয়বস্তু হলো মানুষের পতন এবং ইবলিস বা শয়তানের প্ররোচনায় আদি পিতা আদম ও হাওয়ার নিষিদ্ধ ফল ভক্ষণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an epic — এটি সঠিক কারণ এটি একটি ধ্রুপদী মহাকাব্যের সকল বৈশিষ্ট্য বহন করে। B) a satirical work — এটি কোনো বিদ্রূপাত্মক রচনা নয়, বরং এটি একটি গুরুতর ধর্মীয় ও মহাকাব্যের থিম নিয়ে লেখা। C) a ballad — এটি কোনো লোকগীতি বা ব্যালাড নয়, কারণ ব্যালাড সংক্ষিপ্ত ও গেয় হয় আর এটি বিশাল আকারের মহাকাব্য। D) a tragedy — এটি নাটকীয় ট্র্যাজেডি নয়, কারণ এটি মঞ্চে প্রদর্শনের জন্য লেখা কোনো নাটক নয় বরং এটি একটি মহাকাব্যিক কবিতা। মনে রাখার টিপস: জন মিল্টন অন্ধ অবস্থায় মহাকাব্য লিখেছিলেন, তাই মনে রাখবে মিল্টনের প্যারাডাইস লস্ট মানেই একটি মহাকাব্য বা এপিক।
a demonstrative
b relative
c personal
d reflexive
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) relative কেন সঠিক: Who, what এবং which শব্দগুলো সাধারণত দুটি বাক্যকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এগুলো পূর্ববর্তী Noun বা Pronoun-কে নির্দেশ করে এবং তাদের সম্পর্ক স্থাপন করে। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এদের Relative Pronoun বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) demonstrative — এই Pronounগুলো দূর বা কাছের নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয় যেমন this ও that। B) relative — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নোক্ত শব্দগুলো বাক্যের মাঝে বসে সম্পর্ক স্থাপন করে। C) personal — এই Pronounগুলো সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর নামের পরিবর্তে বসে যেমন I, you ও he। D) reflexive — এই Pronounগুলো বাক্যের সাবজেক্ট ও অবজেক্ট একই ব্যক্তি হলে ব্যবহৃত হয় যেমন myself ও himself। মনে রাখার টিপস: যে Pronounগুলো বাক্যের মাঝখানে বসে দুটি অংশকে জুড়ে দেয় এবং আগের শব্দকে নির্দেশ করে, তারাই Relative Pronoun।
a for
b since
c from
d till
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) since কেন সঠিক: বাক্যটিতে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট বারের নাম (Monday) উল্লেখ থাকায় সঠিক preposition হিসেবে since বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — নির্দিষ্ট কোনো সময়কাল বা ব্যাপ্তির ক্ষেত্রে for বসে, পয়েন্ট অফ টাইমের ক্ষেত্রে নয়। B) since — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট বারের নামের পূর্বে since বসে। C) from — এটি সাধারণত future বা present tense এ হতে পারে কিন্তু perfect continuous এ নির্দিষ্ট পয়েন্টে since বসে। D) till — এটি নির্দিষ্ট কোনো সময় পর্যন্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট দিন বা বারের নাম থাকলে since এবং কত দিন ধরে তা বুঝাতে for ব্যবহার করবে।
a committee
b comittee
c commite
d commitee
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) committee কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে দুটি m, দুটি t এবং দুটি e একসাথে বসেছে। এটি ইংরেজি বানানের একটি ব্যতিক্রমী নিয়ম যেখানে তিনটি বর্ণ দ্বিমুক্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) committee — এটি সঠিক বানান। B) comittee — এখানে একটি m কম আছে। C) commite — এখানে একটি t এবং শেষ e কম আছে। D) commitee — এখানে শেষ অংশে একটি e বেশি আছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো ডাবল m, ডাবল t এবং ডাবল e একসাথে উচ্চারণ করা।
a much
b more
c little
d less
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) less কেন সঠিক: বাক্যটিতে একটি সমান্তরাল তুলনামূলক কাঠামোর নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে চিন্তার পরিমাণ কমলে পরিস্থিতি ভালো হয়। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই ধরনের বাক্যে "The + comparative form, the + comparative form" কাঠামো ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) much — এটি পজিটিভ ডিগ্রি হওয়ায় এখানে তুলনামূলক বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) more — এটি বসালে বাক্যের অর্থ বিপরীত হয়ে যায় এবং ভুল বার্তা দেয়। C) little — এটি সঠিক তুলনামূলক রূপ নয় কারণ এখানে ডিগ্রি পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে। D) less — এটি সঠিক কারণ এটি 'little' শব্দের তুলনামূলক রূপ এবং অর্থ সম্পূর্ণ করে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে 'The' থাকলে পরবর্তী অংশেও 'The' বসে এবং উভয় পাশে তুলনামূলক ডিগ্রি বা comparative form ব্যবহার করতে হয়।
a Charles Dickens
b Thomas Hardy
c Jane Austen
d Henry Fielding
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Charles Dickens কেন সঠিক: গ্রেট এক্সপেক্টেশনস উপন্যাসটি বিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের লেখা। এটি পিপি নামক এক এতিম বালকের জীবন সংগ্রাম ও পরিপক্বতার গল্প। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Charles Dickens — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) Thomas Hardy — থমাস হার্ডি এই উপন্যাসের লেখক নন, তিনি টেস অব দ্য ডি'উবারভিলস উপন্যাসের জন্য পরিচিত। C) Jane Austen — জেন অস্টিন এই উপন্যাসের রচয়িতা নন, তিনি প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। D) Henry Fielding — হেনরি ফিল্ডিং এই বইটির লেখক নন, তিনি টম জোন্স উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত উপন্যাসের নাম মনে রাখতে গ্রেট এক্সপেক্টেশনস এবং অলিভার টুইস্ট নাম দুটি একসাথে মনে রাখুন।
a on
b over
c for
d after
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: ইংরেজী ব্যাকরণ অনুযায়ী congratulate verb টির পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় on ব্যবহৃত হয়। কাউকে কোনো সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানানোর ক্ষেত্রে এই নিয়মটি প্রযোজ্য। সঠিক preposition ব্যবহারের কারণে সঠিক উত্তর on হবে। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে on ছাড়া অন্য কিছু বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) over — এই preposition টি congratulate এর পরে বসে না এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশ করে না। C) for — সাফল্য বোঝালেও ইংরেজি নিয়মে congratulate এর পরে for ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) after — এই preposition টির অর্থ এখানে মানানসই নয় এবং এটি ভুল অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Congratulate শব্দের পরে সবসময় on preposition বসে।
a w. B. Yeats
b John Keats
c Joseph Conrad
d W. H. Auden
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) w. B. Yeats কেন সঠিক: ডব্লিউ বি ইয়েটস আয়ারল্যান্ডের একজন বিখ্যাত কবি যিনি সাহিত্য বিভাগে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ১৯২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি নোবেল বিজয়ী একমাত্র কবি এই অপশনগুলোর মধ্যে। তিনি আধুনিক ইংরেজি কবিতার অন্যতম প্রধান পুরুষ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) w. B. Yeats — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) John Keats — জন কিটসের স্বল্প জীবনকালে তিনি কোনো নোবেল পুরস্কার পাননি কারণ তার মৃত্যুর আগেই নোবেল প্রথার শুরু হয়। C) Joseph Conrad — জোসেফ কনরাড বিখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও তিনি জীবনে কখনো নোবেল পুরস্কার পাননি। D) W. H. Auden — ডব্লিউ এইচ অডেন আধুনিক যুগের কবি হলেও তিনি নোবেল পুরস্কার পাননি। মনে রাখার টিপস: ইয়েটস হলেন সেই আইরিশ কবি যিনি নোবেল জিতেছিলেন।
a I feel hungry
b I feel hunger
c I feel hungrily
d I feel hungered
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I feel hungry কেন সঠিক: এখানে feel একটি linking verb যা অবস্থা প্রকাশ করে এবং এর পরে adjective বসে। hungry হলো একটি adjective যা সঠিক grammatically গঠন তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I feel hungry — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) I feel hunger — hunger হলো noun, কিন্তু linking verb-এর পরে noun বসে না। C) I feel hungrily — hungrily হলো adverb, কিন্তু linking verb-এর পরে adverb বসে না। D) I feel hungered — hungered হলো past participle, যা এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Linking verb-এর পরে সবসময় adjective বসে, adverb বা noun বসে না।
a Romantic
b Victorian
c Puritan
d Elizabethan
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Victorian কেন সঠিক: লর্ড আলফ্রেড টেনিসন ছিলেন ভিক্টোরিয়া আমלের প্রধান কবি যিনি রাণী ভিক্টোরিয়ার রাজত্বকালে সাহিত্য রচনা করেন। এই সময়কালটি ১৮৩৭ সাল থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। টেনিসনের বিখ্যাত কবিতাগুলো এই যুগের সামাজিক ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার প্রতিফলন ঘটায়। তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের শ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Romantic — এই যুগটি টেনিসনের জন্মের আগের সময়কালকে নির্দেশ করে যা উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও কোলরিজের মতো কবিদের জন্য বিখ্যাত। B) Victorian — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Puritan — এই সময়কালটি সপ্তদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি জন মিল্টনের লেখার সাথে সম্পর্কিত যা টেনিসনের অনেক পরের ঘটনা। D) Elizabethan — এই যুগটি ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগ ও সপ্তদশ শতাব্দীর শুরুর সময় নির্দেশ করে যা উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের সাথে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: টেনিসন ও রাণী ভিক্টোরিয়ার সময়কাল প্রায় একই ছিল তাই তাঁর নাম এলেই ভিক্টোরিয়ান যুগ মনে রাখবে।
a will lie
b would lie
c had lain
d had laid
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) had lain কেন সঠিক: বাক্যটির প্রথম অংশ পাস্ট টেন্স-এ (mentioned) আছে এবং শেষের দিকে 'the previous day' থাকায় এটি অতীতের ঘটনা নির্দেশ করছে। তাই নিয়ম অনুযায়ী ন্যারেশনের পরিবর্তন বা পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ব্যবহারের জন্য সঠিক উত্তরটি হবে had lain। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will lie — এটি ফিউচার টেন্স নির্দেশ করে, যা পাস্ট টেন্সের সাথে মেলে না। B) would lie — এটি ফিউচার ইন দ্য পাস্ট বোঝায়, যা এই বাক্যের অর্থ প্রকাশে অক্ষম। C) had lain — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় প্রযোজ্য নয়। D) had laid — 'laid' হলো 'lay' (ডিম পাড়া বা কোনো কিছু শায়িত করা) ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল, কিন্তু এখানে শুয়ে থাকা অর্থে 'lie' ভার্বের পাস্ট পারফেক্ট প্রয়োজন। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'the previous day' থাকলে এবং আগের অংশ পাস্ট টেন্স হলে সাধারণত পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করতে হয়।
a threaten
b worsen
c bounden
d flatten
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) bounden কেন সঠিক: - 'Bounden' শব্দটির শেষে en যুক্ত থাকলেও এটি কোনো ভার্ব বা ক্রিয়া নয়। - এটি মূলত 'Bind' verb-এর একটি পুরনো অতীত কৃদন্ত রূপ (Past Participle), যা বর্তমানে শুধু বিশেষণ (Adjective) হিসেবে noun-এর পূর্বে বসে (যেমন: bounden duty)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) threaten — এটি একটি verb, যার অর্থ হুমকি দেওয়া বা ভয় দেখানো (threat noun থেকে গঠিত)। B) worsen — এটি একটি verb, যার অর্থ অবনতি হওয়া বা খারাপ করা (worse adjective থেকে গঠিত)। C) bounden — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি verb নয় বরং একটি adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) flatten — এটি একটি verb, যার অর্থ সমতল করা (flat adjective থেকে গঠিত)। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে en suffix বা প্রত্যয় যুক্ত থাকলেই সেটি নিশ্চিতভাবে verb হবে না, কিছু ব্যতিক্রম শব্দ যেমন bounden আসলে adjective হিসেবে কাজ করে।
a withdrawn
b withdraw
c withdrawing
d withdrawal
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) withdrawing কেন সঠিক: বাক্যটিতে committed to একটি প্রিপজিশনাল ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর পর সাধারণত ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) withdrawn — এটি পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হওয়ায় এখানে বসতে পারে না। B) withdraw — এটি ভার্বের বেস ফর্ম হওয়ায় নিয়মানুযায়ী এখানে বসবে না। C) withdrawing — এটি সঠিক কারণ committed to এর পরে ing যুক্ত ভার্ব বসে। D) withdrawal — এটি নাউন ফর্ম হওয়ায় এখানে সঠিক গ্রামার গঠন করে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে committed to থাকলে তারপরে সবসময় ভার্বের সাথে ing যোগ করতে হয়।
a simile
b metaphor
c personification
d alliteration
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) simile কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে 'as' শব্দটি ব্যবহার করে কবির সাথে মেঘের সরাসরি তুলনা করা হয়েছে। ২. দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে 'like' বা 'as' দিয়ে তুলনা করা হলে তাকে simile বলে। ৩. এটি বিখ্যাত কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের ড্যাফোডিলস কবিতার একটি পঙ্ক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) simile — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) metaphor — এখানে 'like' বা 'as' ছাড়া সরাসরি রূপক অর্থে তুলনা করা হয়নি। C) personification — এখানে প্রকৃতিকে মানুষের গুণ দেওয়া হয়নি, কেবল মেঘের সাথে তুলনা করা হয়েছে। D) alliteration — এখানে পাশাপাশি শব্দের শুরুতে একই অক্ষরের পুনরাবৃত্তি ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: বাক্যে like বা as দেখলে সাধারণত সেটি simile হবে।
a John Keats
b P.B. Shelley
c S.T. Coleridge
d William Wordsworth
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) P.B. Shelley কেন সঠিক: পার্সি বাইশি শেলি তার কবিতায় সমাজ সংস্কার, বিপ্লব এবং স্বাধীনতার জোরালো বাণী প্রচার করেছেন। তাকে রোমান্টিক যুগের অন্যতম বিদ্রোহী কবি বলা হয়। তার বিখ্যাত কবিতা ওডি টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড বিপ্লবের প্রতীক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) John Keats — জন কিটস হলেন মূলত সৌন্দর্য ও অনুভূতির কবি এবং তিনি প্রকৃতি ও শিল্প নিয়ে বেশি লিখেছেন। B) P.B. Shelley — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। C) S.T. Coleridge — কোলরিজ হলেন রোমান্টিক যুগের রহস্য ও কল্পকাহিনীর প্রধান কবি। D) William Wordsworth — ওয়ার্ডসওয়ার্থ হলেন মূলত প্রকৃতির কবি এবং তিনি মানুষের সাধারণ জীবন নিয়ে লিখেছেন। মনে রাখার টিপস: শেলি মানেই বিপ্লব এবং স্বাধীনতার কবি, যা তার বিদ্রোহী লেখালেখিতে প্রকাশ পায়।
a subject + verb + object
b subject + verb + object + object
c subject + verb + object + complemen
d subject + verb+ complement + adverb
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) subject + verb + object + complemen কেন সঠিক: - এই বাক্যে They হলো subject, made হলো verb এবং Karim হলো object। - the captain পদটি object (Karim)-এর পরিচয় বা অবস্থা প্রকাশ করছে, যা grammatically একটি Objective Complement। বাকি অপশন কেন ভুল: A) subject + verb + object — এটি শুধু subject, verb ও object পর্যন্ত নির্দেশ করে, যা এই বাক্যের সম্পূর্ণ গঠন প্রকাশ করে না। B) subject + verb + object + object — এখানে দুটি ভিন্ন object নেই, বরং একটি object এবং তার complement রয়েছে। C) subject + verb + object + complemen — এটি এই বাক্যের সঠিক গঠন কাঠামোকে নিখুঁতভাবে নির্দেশ করে। D) subject + verb+ complement + adverb — এই বাক্যে কোনো adverb বা verb-এর নিজস্ব complement নেই, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো বাক্যে object-কে পরিচয় করানোর জন্য অতিরিক্ত যে noun বা title বসে, তাকে Objective Complement বলে।
a They have made a decision
b They are ready to make a decision
c They have not made a decision
d They are about to make a decision
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) They have not made a decision কেন সঠিক: - Present perfect tense-এর বাক্য গঠনে 'yet' সাধারণত negative (না-বোধক) বাক্যে ব্যবহৃত হয়। - 'Have yet to' এই ফ্রেজটির অর্থ হলো কাজটি এখনও সম্পন্ন হয়নি, অর্থাৎ তারা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) They have made a decision — এটি একটি affirmative বা হ্যাঁ-বোধক বাক্য, কিন্তু মূল বাক্যে 'yet' থাকার কারণে সিদ্ধান্ত না নেওয়ার ভাব প্রকাশ পায়। B) They are ready to make a decision — এর অর্থ তারা সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুত, যা মূল বাক্যের 'এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি' এই অর্থের সাথে মেলে না। C) They have not made a decision — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রেজটির নেতিবাচক অর্থ এই অপশনের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। D) They are about to make a decision — এর অর্থ তারা সিদ্ধান্ত নিতেই চলেছে, যা 'এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি' এই অর্থের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'have yet to' বা 'has yet to' দেখলে বুঝতে হবে কাজটি এখনও শেষ হয়নি এবং এর অর্থ সবসময় না-বোধক হয়।
a than
b welcomed
c accept
d accepted
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) accept কেন সঠিক: - বাক্যে 'had better' একটি মডাল ভার্বের মতো কাজ করে এবং এর পরে সর্বদা মূল ভার্বের বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। - প্রদত্ত শূন্যস্থানের পর 'the offer' রয়েছে, তাই এখানে ভার্বের মূল রূপ 'accept' বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) than — 'had better' কাঠামোর সাথে 'than' যুক্ত হয় না, এটি ভুল ব্যবহারে আসে। B) welcomed — এটি পাস্ট ফর্ম, 'had better'-এর পর ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে না। C) accept — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহৃত হয়েছে। D) accepted — এটি পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম, তাই 'had better'-এর পর এটি বসবে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'had better', 'would rather', 'let' থাকলে এরপরে সর্বদা ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
a Henrik Ibsen
b George Bernard Shaw
c John Osborne
d Eugene O'Neill
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) George Bernard Shaw কেন সঠিক: জর্জ বার্নার্ড শ আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তিনি একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ছিলেন। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় বহু বিশ্বখ্যাত নাটক রচনা করে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। তিনি মূলত ব্রিটিশ সাহিত্য ধারার সাথে যুক্ত থাকলেও তাঁর জন্মসূত্রে জাতীয়তা ছিল আইরিশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Henrik Ibsen — হেনরিক ইবসেন নরওয়ের বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন, আয়ারল্যান্ডের নন। B) George Bernard Shaw — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) John Osborne — জন অসবর্ন ইংল্যান্ডের একজন বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন। D) Eugene O'Neill — ইউজিন ও'নিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ছিলেন। মনে রাখার টিপস: বার্নার্ড শ নামের সাথে আইরিশ নাট্যকার কথাটি মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যাবে।

মোট প্রশ্ন (22)

a ২৫% ক্ষতি
b ২৫% লাভ
c ২০% ক্ষতি
d ২০% লাভ
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫% ক্ষতি প্রদত্ত তথ্য: একখানা বাড়ির বিক্রয় মূল্য তার ক্রয় মূল্যের পাঁচ ভাগের চার অংশের সমান। ধরি, বাড়িটির ক্রয় মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, বাড়িটির বিক্রয় মূল্য = ১০০ এর চার বাই পাঁচ অংশ = ৮০ টাকা সুতরাং, যেহেতু বিক্রয় মূল্য ক্রয় মূল্যের চেয়ে কম, তাই ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ = ১০০ − ৮০ = ২০ টাকা উত্তর: ২৫% ক্ষতি
a ডেমোক্রিন্টাস
b রজার বেকন
c হাইগেন
d আল-মাসুদী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাইগেন প্রদত্ত তথ্য: পদার্থবিজ্ঞানের আলোর প্রকৃতি সম্পর্কিত বিভিন্ন মতবাদ দেওয়া আছে। এখানে আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। ধরি, বিজ্ঞানী নিউটনের মতে আলো হলো কণার সমষ্টি। বিজ্ঞানী ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনের মতে আলো হলো তরঙ্গের মাধ্যমে চলে। অতএব, ১৬৭৮ সালে বিজ্ঞানী হাইগেন আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব সফলভাবে প্রকাশ করেন। এই তত্ত্বের মাধ্যমে আলোর প্রতিফলন ও প্রতিসরণ ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়। সুতরাং, বিজ্ঞান ইতিহাসে আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের আবিষ্কারক হিসেবে হাইগেনের নাম স্বীকৃত। উত্তর: হাইগেন
a টেলিফোন অফিসে
b প্রেরক টাওয়ারে
c গ্রাহক টাওয়ারের
d প্রেরক-গ্রাহক টাওয়ারে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রেরক-গ্রাহক টাওয়ারে প্রদত্ত তথ্য: মোবাইল ফোন থেকে ডায়াল করা হলো বেতার তরঙ্গ উৎপন্ন হলো ধরি, তরঙ্গটি প্রথমে প্রেরক টাওয়ারে পৌঁছায় সেখান থেকে গ্রাহক টাওয়ারে প্রেরিত হয় অতএব, যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে দুটি টাওয়ার কাজ করে প্রথমটি প্রেরক এবং দ্বিতীয়টি গ্রাহক হিসেবে যুক্ত থাকে সুতরাং, তরঙ্গটি প্রেরক-গ্রাহক উভয় টাওয়ারের মাধ্যমেই সঞ্চালিত হয় উত্তর: প্রেরক-গ্রাহক টাওয়ারে
a বিউটেন
b মিথেন
c ইথেন
d প্রোপেন
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিউটেন প্রদত্ত তথ্য: সিলিন্ডারে রান্নার কাজে বহুল ব্যবহৃত প্রধান জ্বালানি গ্যাস কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে ধরি, সিলিন্ডারের গ্যাস হলো হাইড্রোকার্বন শ্রেণির অ্যালকেন গোত্রের একটি উপাদান অতএব, এই গ্যাসে কার্বন পরমাণুর সংখ্যা চারটি এবং হাইড্রোজেন পরমাণুর সংখ্যা দশটি থাকে সুতরাং, রাসায়নিক গঠন অনুযায়ী এই গ্যাসটি বিউটেন নামে পরিচিত উত্তর: A) বিউটেন
a 20MHz-20000 MHz
b 20 Hz-20000 Hz
c 10MHz - 1000MHz
d 20 Hz-2000 Hz
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০ Hz − ২০০০০ Hz প্রদত্ত তথ্য: সুস্থ মানুষের কানের শ্রবণ ক্ষমতার কম্পাঙ্কের পরিসর নির্ধারিত থাকে। ধরি, সর্বনিম্ন শ্রাব্যতার কম্পাঙ্ক = ২০ Hz সর্বোচ্চ শ্রাব্যতার কম্পাঙ্ক = ২০০০০ Hz অতএব, মানুষের কান এই নির্দিষ্ট সীমার ভেতরের শব্দ শুনতে পায়। এর নিচের শব্দ বা ওপরের শব্দ মানুষ শুনতে পায় না। সুতরাং, মানুষের শ্রাব্যতার সীমার পরিসর হলো ২০ Hz থেকে ২০০০০ Hz পর্যন্ত। উত্তর: ২০ Hz − ২০০০০ Hz
a ভূ-পৃষ্ঠে
b পাহাড়ের উপরে
c ভূ-কেন্দ্রে
d মাটির নিচে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভূ-পৃষ্ঠে প্রদত্ত তথ্য: অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর কেন্দ্রে শূন্য হয় ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে বা নিচে নামলে ত্বরণ কমে যায় ধরি, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ = R কেন্দ্র থেকে দূরত্ব = r অতএব, ভূ-পৃষ্ঠে দূরত্ব সবচেয়ে কম হয় তাই আকর্ষণ বল বেশি অনুভূত হয় সুতরাং, ভূ-পৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় উত্তর: ভূ-পৃষ্ঠে
a আসমানী, সবুজ, নীল
b নীল, সবুজ, লাল
c সাদা, লাল, সবুজ
d হলুদ, লাল, নীল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নীল, সবুজ, লাল প্রدত্ত তথ্য: রঙিন টেলিভিশনের পর্দা তৈরিতে মৌলিক রঙের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়। ধরি, প্রথম মৌলিক রঙ = নীল দ্বিতীয় মৌলিক রঙ = সবুজ অতএব, তৃতীয় মৌলিক রঙ = লাল সুতরাং, রঙিন টেলিভিশনের তিনটি মৌলিক রঙ একত্রিত হয়ে অন্যান্য রঙ তৈরি করে। উত্তর: নীল, সবুজ, লাল
a কার্বনিক এসিড
b সাইট্রিক এসিড
c পারক্লোরিক এসডি
d হাইড্রোক্লোরিক এসিড
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হাইড্রোক্লোরিক এসিড প্রদত্ত তথ্য: পাকস্থলীতে খাদ্য পরিপাকের জন্য এক ধরণের বিশেষ এসিড উৎপাদিত হয় ধরি, পাকস্থলীর প্রাচীর থেকে ক্ষরিত রস হলো গ্যাস্ট্রিক রস অতএব, এই গ্যাস্ট্রিক রসের প্রধান উপাদান হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড সুতরাং, এই এসিড খাদ্যের আমিষ জাতীয় অংশ পরিপাকে সরাসরি সাহায্য করে উত্তর: হাইড্রোক্লোরিক এসিড
a 7.35-7.45
b 5.55-5.65
c 6.50-6.70
d 4.79-5.00
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭.৩৫-৭.৪৫ প্রদত্ত তথ্য: সুস্থ মানুষের ধমনীর রক্তের স্বাভাবিক pH এর মান নির্দিষ্ট করা আছে। মানবদেহের রক্ত সামান্য ক্ষারীয় প্রকৃতির হয়ে থাকে। ধরি, রক্তের অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষিত হয় বাফারের মাধ্যমে। pH এর মান সাত এর বেশি হলে তা ক্ষারীয় হয়। অতএব, রক্তের pH এর সর্বনিম্ন স্বাভাবিক মাত্রা হলো সাত দশমিক তিন পাঁচ। রক্তের pH এর সর্বোচ্চ স্বাভাবিক মাত্রা হলো সাত দশমিক চার পাঁচ। সুতরাং, স্বাভাবিক রক্তের pH এর পূর্ণ পরিসরটি হলো সাত দশমিক তিন পাঁচ থেকে সাত দশমিক চার পাঁচ। উত্তর: ৭.৩৫-৭.৪৫
a ইথেন
b মিথেন
c রেয়ন
d ফ্রেয়ন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফ্রেয়ন প্রদত্ত তথ্য: সাধারণ রেফ্রিজারেটরে শীতায়ক হিসেবে গ্যাস ব্যবহৃত হয় এই বিশেষ গ্যাসটি রাসায়নিকভাবে ফ্রেয়ন নামে পরিচিত ধরি, ব্যবহৃত হিমায়ক তরল হলো ক্লোরোফ্লুরোকার্বন বা ফ্রেয়ন এটি ঘরের তাপমাত্রায় গ্যাসীয় হলেও চাপে তরল হয় অতএব, এটি খুব সহজেই তাপ শোষণ করতে পারে এবং বাষ্পীভূত হয়ে ঠান্ডা পরিবেশ সৃষ্টি করে সুতরাং, হিমায়িত করার মূল উপাদান হিসেবে ফ্রেয়ন ব্যবহার করা হয় উত্তর: ফ্রেয়ন
a √3/2
b 1/2
c 1/√2
d 1√3
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতিক কোণ = ৩০ ডিগ্রি সাইন অনুপাত নির্ণয় করতে হবে ধরি, সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = ১ একক অতিভুজ = ২ একক অতএব, sin থিটা = লম্ব ÷ অতিভুজ sin ৩০ ডিগ্রি = ১ ÷ ২ সুতরাং, মান হিসাব করে পাওয়া যায় উত্তর: ১/২
a (AUB)UC=AU(BUC)
b AUB=BUA
c (A∩B)'=A'UB'
d A∩B'=A-B
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (A∩B)'=A'UB' প্রদত্ত তথ্য: সেটের সংযোগ এবং সেটের ছেদ এর পারস্পরিক সম্পর্ক পূরক সেট সম্পর্কিত সার্বিক নিয়ম ধরি, ইউনিভার্সাল সেট বা সার্বিক সেট = U যেকোনো দুটি উপসেট = A এবং B অতএব, প্রথম সূত্রটি হলো (AUB)' = A'∩B' দ্বিতীয় সূত্রটি হলো (A∩B)' = A'UB' সুতরাং, অপশন সি তে উল্লেখিত সম্পর্কটি সঠিক উত্তর: C) (A∩B)'=A'UB'
a 3 উপায়ে
b 4 উপায়ে
c 5 উপায়ে
d 6 উপায়ে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ উপায়ে প্রদত্ত তথ্য: বর্ণগুলো হলো A, B এবং C মোট বর্ণের সংখ্যা = ৩ ধরি, প্রথম স্থানে বসার জন্য বর্ণ আছে ৩টি দ্বিতীয় স্থানে বসার জন্য বর্ণ আছে ২টি অতএব, তৃতীয় স্থানে বসার জন্য বর্ণ বাকি থাকে ১টি সব কটি বর্ণ একসাথে নিয়ে বিন্যাস সংখ্যা হিসাব করতে হবে সুতরাং, নির্ণেয় বিন্যাসের মোট সংখ্যা হবে ৩ × ২ × ১ উত্তর: ৬ উপায়ে
a 2,3,5 সে. মি.
b 4,5,6 সে. মি.
c 3,5,7 সে. মি.
d 5,6,8 সে. মি.
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২, ৩, ৫ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ২, ৩ ও ৫ সে. মি. ধরি, ত্রিভুজের বাহু তিনটি ক, খ ও গ অতএব, প্রথম দুটি বাহুর যোগফল = ২ + ৩ = ৫ সে. মি. তৃতীয় বাহুর দৈর্ঘ্য = ৫ সে. মি. সুতরাং, ত্রিভুজের যেকোনো দুই বাহুর সমষ্টি তৃতীয় বাহু অপেক্ষা বৃহত্তর হতে হয়, কিন্তু এখানে দুই বাহুর সমষ্টি তৃতীয় বাহুর সমান হয়ে গেছে। উত্তর: A) ২, ৩, ৫ সে. মি.
a 2
b 3
c 4
d 1
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই এর ঘাত x প্লাস সাত সমান চার এর ঘাত x প্লাস দুই। ধরি, সমীকরণটির ভিত্তি উভয় পক্ষে একই করতে হবে। অতএব, চার কে দুই এর স্কয়ার লেখা যায়। সুতরাং, দুই এর ঘাত x প্লাস সাত সমান দুই এর ব্র্যাকেট দুই গুণ x প্লাস দুই। অতএব, উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি দুই বাদ দিলে পাওয়া যায় x প্লাস সাত সমান দুই গুণ x প্লাস চার। সুতরাং, x প্লাস সাত সমান দুই x প্লাস চার। অতএব, সাত বিয়োগ চার সমান দুই x বিয়োগ x। সুতরাং, তিন সমান x। উত্তর: ৩
a 85
b 75
c 65
d 55
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রতি বেঞ্চে ৫ জন বসলে ৫ খানা বেঞ্চ খালি থাকে প্রতি বেঞ্চে ৪ জন বসলে ৭ জন ছাত্র দাঁড়িয়ে থাকে ধরি, মোট বেঞ্চের সংখ্যা = ক টি অতএব, প্রথম শর্ত অনুযায়ী মোট ছাত্র সংখ্যা = ৫ গুণ (ক − ৫) দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী মোট ছাত্র সংখ্যা = ৪ গুণ ক + ৭ সুতরাং, ৫ গুণ (ক − ৫) = ৪ গুণ ক + ৭ ৫ গুণ ক − ২৫ = ৪ গুণ ক + ৭ উত্তর: ছাত্র সংখ্যা = ৫৫ জন
a ৬০ বর্গমিটার
b ৮৪ বর্গমিটার
c ৯০ বর্গমিটার
d ৪৮ বর্গমিটার
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮৪ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ১৩ মিটার, ১৪ মিটার ও ১৫ মিটার ধরি, প্রথম বাহু a = ১৩ মিটার দ্বিতীয় বাহু b = ১৪ মিটার তৃতীয় বাহু c = ১৫ মিটার অতএব, অর্ধপরিসীমা s = (১৩ + ১৪ + ১৫) ÷ ২ = ৪২ ÷ ২ = ২১ মিটার s − a = ২১ − ১৩ = ৮ মিটার s − b = ২১ − ১৪ = ৭ মিটার সুতরাং, s − c = ২১ − ১৫ = ৬ মিটার ক্ষেত্রফল = √(২১ × ৮ × ৭ × ৬) = √(৭০৫৬) = ৮৪ বর্গমিটার উত্তর: ৮৪ বর্গমিটার
a pq
b p+q
c pq (p+q)
d 0
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ প্রদত্ত তথ্য: সমান্তর ধারার পি-তম পদ = ৭ সমান্তর ধারার কিউ-তম পদ = পি ধরি, ধারার প্রথম পদ = এ ধারার সাধারণ অন্তর = ডি অতএব, পি-তম পদ = এ + (পি − ১)ডি = ৭ কিউ-তম পদ = এ + (কিউ − ১)ডি = পি সুতরাং, প্রথম সমীকরণ থেকে দ্বিতীয় সমীকরণ বিয়োগ করে পাই, (পি − কিউ)ডি = ৭ − পি চূড়ান্ত হিসাব: (পি + কিউ) তম পদ = এ + (পি + কিউ − ১)ডি = ০ উত্তর: ০
a 1/2
b 1/3
c 5/6
d 2/3
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২/৩ প্রদত্ত তথ্য: একটি ছক্কা একবার নিক্ষেপ করা হলো ছক্কায় মোট সম্ভাব্য ফলাফল হলো ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ধরি, মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা = ৬ ২ থেকে বড় সংখ্যাগুলো হলো ৩, ৪, ৫, ৬ অতএব, ২ থেকে বড় সংখ্যা পাওয়ার অনুকূল ফলাফল = ৪টি সুতরাং, সম্ভাবনার সূত্র অনুযায়ী অনুকূল ফলাফল এবং মোট ফলাফলের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে উত্তর: ৪/৬ = ২/৩
a 2.259 মি.
b 2.199 মি.
c 2.359 মি.
d 2.159 মি.
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২.১৯৯ মি. প্রদত্ত তথ্য: চাকার ব্যাস = ৭০ সে. মি. ধরি, চাকার ব্যাসার্ধ (র) = ব্যাস ÷ ২ = ৭০ ÷ ২ = ৩৫ সে. মি. চাকার পরিধি = ২ × পাই × ব্যাসার্ধ অতএব, পাই এর মান = ৩.১৪১৬ পরিধি = ২ × ৩.১৪১৬ × ৩৫ সে. মি. সুতরাং, পরিধি = ২১৯.৮ সে. মি. = ২.১৯৯ মিটার উত্তর: ২.১৯৯ মি.
a 20%
b 40%
c 10%
d 15%
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০% প্রদত্ত তথ্য: ক্রয় মূল্য ও বিক্রয় মূল্যের অনুপাত = ৫ : ৬ ধরি, ক্রয় মূল্য = ৫ক বিক্রয় মূল্য = ৬ক অতএব, লাভ = বিক্রয় মূল্য − ক্রয় মূল্য লাভ = ৬ক − ৫ক = ১ক সুতরাং, শতকরা লাভ = (লাভ ÷ ক্রয় মূল্য) × ১০০% শতকরা লাভ = (১ক ÷ ৫ক) × ১০০% = ২০% উত্তর: ২০%
a পরিকেন্দ্র
b ভরকেন্দ্র
c অন্তঃকেন্দ্র
d লম্বকেন্দ্র
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভরকেন্দ্র প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দু পর্যন্ত অঙ্কিত রেখাকে মধ্যমা বলা হয় ত্রিভুজের তিনটি মধ্যমা একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় ধরি, ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দুগুলো থেকে মধ্যমা তিনটি টানা হলো এই মধ্যমত্রয় যে বিন্দুতে পরস্পরকে ছেদ করে তাকে বিশেষ নামে ডাকা হয় অতএব, জ্যামিতির নিয়ম অনুযায়ী ত্রিভুজের তিনটি মধ্যমার ছেদবিন্দু নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থান করে এই ছেদবিন্দুটি ত্রিভুজটির সমস্ত ভরকে সমভাবে ভারসাম্য রক্ষা করে সুতরাং, ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয়ের এই মিলন বিন্দুকে ভরকেন্দ্র বলা হয় উত্তর: B) ভরকেন্দ্র

মোট প্রশ্ন (26)

a তিব্বত
b ভুটান
c মালদ্বীপ
d নেপাল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভুটান কেন সঠিক: - থিম্পু দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভুটানের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - শহরটি ভুটানের পশ্চিম কেন্দ্রীয় অংশে অবস্থিত এবং এটি দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিব্বত — এটি চীনের একটি স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল এবং এর রাজধানী লাসা, যা ভুটান নয়। B) ভুটান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং থিম্পু এই দেশটিরই রাজধানী। C) মালদ্বীপ — এই দ্বীপরাষ্ট্রটির রাজধানীর নাম মালে, থিম্পু নয়। D) নেপাল — এই হিমালয় অঞ্চলের দেশটির রাজধানী কাঠমান্ডু, থিম্পু নয়। মনে রাখার টিপস: ভুটানের খাবার থালিতে করে থিম্পুতে খাওয়া যায়, এভাবে মনে রাখতে পারেন ভুটানের রাজধানী থিম্পু।
a রাজশাহী
b রংপুর
c কুষ্টিয়া
d ময়মনসিংহ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রংপুর কেন সঠিক: - ভাওয়াইয়া গান মূলত বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিশেষ করে রংপুর অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা ও নদীভিত্তিক সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। - গরুর গাড়ি চালক বা ভাওয়াইয়া শিল্পীদের গাওয়া এই লোকসংগীতে গ্রামীণ মানুষের সুখ, দুঃখ ও প্রেমের সুর ফুটিয়ে তোলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — রাজশাহী অঞ্চলের প্রধান লোকসংগীতে গম্ভীরা ও আলকাপ বেশি পরিচিত, তাই এটি ভাওয়াইয়ার মূল ক্ষেত্র নয়। C) কুষ্টিয়া — কুষ্টিয়া অঞ্চল বাউল গান এবং লালন সাঁইয়ের সাধনার জন্য বিশেষভাবে বিখ্যাত, ভাওয়াইয়ার জন্য নয়। D) ময়মনসিংহ — ময়মনসিংহ অঞ্চল মূলত মৈমনসিংহ গীতিকা এবং জারি বা ভাটিয়ালি গানের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: উত্তরের রংপুর মানেই ভাওয়াইয়া গান এবং দক্ষিণের কুষ্টিয়া মানেই বাউল গান, এভাবে অঞ্চলভিত্তিক লোকসংগীত মনে রাখতে হবে।
a নীলফামারী
b কুড়িগ্রাম
c লালমনিরহাট
d দিনাজপুর
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লালমনিরহাট কেন সঠিক: - দহগ্রাম ছিটমহল বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত একটি ভূখণ্ড। - এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি বিখ্যাত ও বৃহত্তম অবশিষ্ট ছিটমহল এবং তিনবিঘা করিডোর এর সঙ্গে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীলফামারী — এই জেলায় দহগ্রাম ছিটমহল অবস্থিত নয়, এটি অন্য একটি উত্তরবঙ্গীয় জেলা। B) কুড়িগ্রাম — এই জেলায় অন্যান্য কিছু ছিটমহল ছিল, তবে দহগ্রাম এখানে অবস্থিত নয়। C) লালমনিরহাট — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই দহগ্রাম ছিটমহল অবস্থিত। D) দিনাজপুর — এই জেলায় দহগ্রাম ছিটমহল অবস্থিত নয়, এটি ভিন্ন একটি সীমান্তবর্তী জেলা। মনে রাখার টিপস: লাল রঙের মরিচ দিয়ে দহগ্রামের ছিটমহল মনে রাখবে, অর্থাৎ লালমনিরহাট জেলায় দহগ্রাম অবস্থিত।
a সুয়েজ খাল
b পানামা
c ইকুয়েডর
d কোনোটাই না
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পানামা প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ কেন সঠিক: - পানামা খাল মধ্য আমেরিকার পানামা দেশে অবস্থিত একটি কৃত্রিম জলপথ। - এটি আটলান্টিক মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং সামুদ্রিক দূরত্ব কমিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুয়েজ খাল — এটি লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে, যা আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেনি। B) পানামা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। C) ইকুয়েডর — এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ, কোনো খাল বা জলপথ নয়। D) কোনোটাই না — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: প দিয়ে পানামা এবং প দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগর মনে রাখলেই আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর সংযোগকারী খালটি সহজে মনে থাকবে।
a আসাম
b মণিপুর
c নাগাল্যান্ড
d মিজোরাম
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মণিপুর কেন সঠিক: - টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মণিপুরে বরাক নদীর ওপর অবস্থিত একটি বিতর্কিত বাঁধ প্রকল্প। - বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এই বাঁধটি নিয়ে আন্তর্জাতিক নদী অধিকার ও পানির সুষম বন্টন নিয়ে নানা আলোচনা ও উদ্বেগ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসাম — আসাম ভারতের একটি রাজ্য হলেও টিপাইমুখ বাঁধ এখানে অবস্থিত নয়, বরাক নদী এই রাজ্যের দিকে প্রবাহিত হয়। B) মণিপুর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বাঁধটি এই রাজ্যেই বরাক ও তুইভাই নদীর সঙ্গমস্থলের কাছে নির্মিত হচ্ছে। C) নাগাল্যান্ড — এটি ভারতের আরেকটি পাহাড়ি রাজ্য এবং এর সঙ্গে টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের কোনো ভৌগোলিক সংশ্লিষ্টতা নেই। D) মিজোরাম — মিজোরাম ভারতের একটি রাজ্য হলেও টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্পের মূল অবস্থান এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: বরাক নদীর নাম মনে রাখলেই টিপাইমুখ বাঁধের রাজ্য হিসেবে মণিপুরকে সহজেই চিনে নেওয়া যায়।
a 1982
b 1985
c 1988
d 1995
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৮৮ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করে। - প্রথম থেকেই বাংলাদেশ পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার মাধ্যমে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮২ — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কোনো কার্যক্রম শুরু করেনি। B) ১৯৮৫ — এটি শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের যোগদানের সাল নয়। D) ১৯৯৫ — এটি বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা মিশনে যোগদানের সূচনা সাল নয়, অনেক পরে। মনে রাখার টিপস: আশির দশকের শেষ বছর অর্থাৎ ১৯৮৮ সাল হলো বাংলাদেশ শান্তিরক্ষার পথে পা রাখার শুরুর বছর।
a 1789
b 1791
c 1795
d 1800
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭৮৯ কেন সঠিক: - ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯ সালের ৫ই মে শুরু হয় এবং এর মাধ্যমে ফ্রান্সের বুরো রাজবংশের পতন ঘটে। - এই বিপ্লবের মূল স্লোগান ছিল সাম্য, স্বাধীনতা ও ভ্রাতৃত্ব, যা বিশ্ব ইতিহাসে গণতন্ত্রের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৮৯ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল এবং বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটেছিল। B) ১৭৯১ — এটি ভুল কারণ এই সালে ফ্রান্সে নতুন সংবিধান প্রণীত হয় এবং রাজা ষোড়শ লুইয়ের পালানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়, যা বিপ্লবের পরবর্তী পর্যায়। C) ১৭৯৫ — এটি ভুল কারণ এই সালে ফ্রান্সে থার্মিডোরিয়ান প্রতিক্রিয়ার পর ডাইরেক্টরি শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। D) ১৮০০ — এটি ভুল কারণ এই সালে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফ্রান্সে কনস্যুলেট শাসন প্রতিষ্ঠা করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। মনে রাখার টিপস: ফরাসি বিপ্লবের সাল মনে রাখতে ১৭৮৯ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করো, কারণ এটি আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাঁক বদলের বছর।
a লন্ডন
b জেনেভা
c প্যারিস
d নিউইয়র্ক
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা কেন সঠিক: - রেডক্রস আন্তর্জাতিক আন্দোলনের সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। - এটি ১৮৬৩ সালে হেনরি ডুনান্ট কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে রেডক্রসের সদর দপ্তর নেই। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং রেডক্রসের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হলেও রেডক্রসের নয়। D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং জাতিসংঘের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, রেডক্রসের নয়। মনে রাখার টিপস: মানবিক কাজের জন্য সুইজারল্যান্ডের জেনেভা বিখ্যাত, তাই রেডক্রসের সদর দপ্তর সেখানেই অবস্থিত।
a 0.42083333333333
b 0.21388888888889
c 0.50555555555556
d 0.46319444444444
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ১০:৬ (অথবা ৫:৩) কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত হলো ১০:৬, যা সরলীকরণ করলে ৫:৩ হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে অনুপাতটি দশমিক ভগ্নাংশ আকারে দেওয়া আছে, যেখানে ১০ কে ৬ দ্বারা ভাগ করলে ০.৪২০৮৩৩... মান পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.42083333333333 — এই দশমিক মানটি ১০:৬ বা ৫:৩ অনুপাতের ভাগফল প্রকাশ করে, যা জাতীয় পতাকার সঠিক অনুপাত। B) 0.21388888888889 — এই মানটি জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাতের সঙ্গে মেলে না। C) 0.50555555555556 — এই মানটি ভুল অনুপাত নির্দেশ করে এবং এটি পতাকার মাপের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) 0.46319444444444 — এই মানটি অন্য কোনো পরিমাপ নির্দেশ করে, যা জাতীয় পতাকার অনুপাত নয়। মনে রাখার টিপস: জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ১০ এবং প্রস্থ ৬, দশকে ছয় দিয়ে ভাগ করলে এই দশমিক মান পাওয়া যায়।
a মক্কা
b মদিনা
c জেরুজালেম
d বাগদাদ
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেরুজালেম কেন সঠিক: - আল আকসা মসজিদ ফিলিস্তিনের জেরুজালেম শহরে অবস্থিত প্রাচীন ও পবিত্র একটি মসজিদ। - ইসলাম ধর্মে এটি তৃতীয় পবিত্রতম স্থান এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মিরাজের রাতে এখানে এসেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মক্কা — এটি সৌদি আরবে অবস্থিত যেখানে পবিত্র কাবা শরিফ রয়েছে, জেরুজালেম নয়। B) মদিনা — এটি সৌদি আরবে অবস্থিত যেখানে মসজিদে নববী রয়েছে, আল আকসা মসজিদ নয়। C) জেরুজালেম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং আল আকসা মসজিদ এই শহরেই অবস্থিত। D) বাগদাদ — এটি ইরাকের রাজধানী এবং ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর হলেও আল আকসা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: আল আকসা মসজিদ ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে অবস্থিত, যা ইসলামের তৃতীয় পবিত্র স্থান।
a 2008
b 2009
c 2010
d 2011
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১০ কেন সঠিক: - সাংবাদিক ও পর্বতারোহী মুসা ইব্রাহীম ২০১০ সালের ২৩ মে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি বাংলাদেশ বিষয়াবলির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক অর্জন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০৮ — এই সালে মুসা ইব্রাহীম মাউন্ট এভারেস্টে আরোহণ করেননি, এটি ভুল সাল। B) ২০০৯ — এই সালে বাংলাদেশের কোনো পর্বতারোহী এভারেস্ট জয় করেননি। D) ২০১১ — এই সালের ২৪ মে এম এ মুহিত ও নিশাত মজুমদার পরবর্তী সময়ে এভারেস্ট জয় করেন। মনে রাখার টিপস: মুসা ইব্রাহীম ২০১০ সালে এভারেস্ট জয় করেন, মনে রাখতে সালটি ডাবল টেন বা দুই হাজার দশ মনে রাখতে পারেন।
a মুন্সিগঞ্জ
b নরসিংদী
c মানিকগঞ্জ
d ঢাকা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুন্সিগঞ্জ কেন সঠিক: - অতীশ দীপঙ্কর বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুর অঞ্চলের বজ্রযোগিনী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। - তিনি প্রাচীন বাংলার একজন প্রখ্যাত বৌদ্ধ পণ্ডিত এবং দার্শনিক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুন্সিগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অতীশ দীপঙ্কর এই জেলার বজ্রযোগিনী গ্রামে জন্মেছেন। B) নরসিংদী — এটি ভুল কারণ এই জেলার সঙ্গে অতীশ দীপঙ্করের জন্মস্থানের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। C) মানিকগঞ্জ — এটি ভুল কারণ এটি অতীশ দীপঙ্করের জন্মস্থান বা আদি নিবাস নয়। D) ঢাকা — এটি ভুল কারণ প্রাচীন বিক্রমপুর অঞ্চল বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: অতীশ দীপঙ্কর বজ্রযোগিনীর সন্তান, মুন্সিগঞ্জে তাঁর অবদান মহান।
a মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
b সৌদি আরব
c জাপান
d ভারত
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাপান কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে জাপান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অংশীদার ও দ্বিপক্ষীয় দাতা দেশ হিসেবে কাজ করছে। - মেগা প্রকল্প যেমন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, মেট্রোরেল এবং মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জাপান সবচেয়ে বেশি ঋণ ও সহায়তা দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হলেও এটি সবচেয়ে বেশি ঋণ প্রদানকারী দেশ নয়। B) সৌদি আরব — সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশ বিভিন্ন সময় আর্থিক সহায়তা ও ঋণ পেলেও তা জাপানের পরিমাণের তুলনায় অনেক কম। C) জাপান — এটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য সঠিক উত্তর। D) ভারত — ভারত বাংলাদেশকে একাধিকবার লাইন অফ ক্রেডিট বা এলওসি দিলেও শীর্ষ ঋণদাতা দেশ জাপান। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন প্রকল্প এবং মেট্রোরেলের কথা মনে রাখলে জাপানের ঋণ সহায়তার বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
a একটি
b দুইটি
c তিনটি
d চারটি
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুইটি কেন সঠিক: - বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি কম্পিউটার প্রযুক্তির মূল ভিত্তি এবং এতে শুধুমাত্র দুটি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। - এই দুটি অঙ্ক হলো শূন্য এবং এক, যা ডিজিটাল সিগন্যালের অন এবং অফ অবস্থা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি — একটি অঙ্ক দিয়ে কোনো সংখ্যা পদ্ধতি গঠন করা সম্ভব নয় কারণ তথ্যের বৈচিত্র্য প্রকাশ করতে কমপক্ষে দুটি অঙ্ক প্রয়োজন। B) দুইটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাইনারি পদ্ধতিতে শূন্য এবং এক এই দুটি মাত্র অঙ্ক ব্যবহৃত হয়। C) তিনটি — তিনটি অঙ্ক নিয়ে ট্রায়ারি সংখ্যা পদ্ধতি হতে পারে, কিন্তু বাইনারি পদ্ধতিতে তিন ব্যবহৃত হয় না। D) চারটি — চারটি অঙ্ক নিয়ে কোয়াটারনারি সংখ্যা পদ্ধতি হতে পারে, যা বাইনারি পদ্ধতির জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাই শব্দের অর্থ দুই, তাই বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে অঙ্ক সংখ্যাও দুটি অর্থাৎ শূন্য এবং এক।
a ১৯৬৪ সনে
b ১৯৭২ সনে
c ১৯৫০ সনে
d ১৯২৯ সনে
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৬৪ সনে কেন সঠিক: - ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পিএলও (PLO) ১৯৬৪ সালের ২৮শে মে জেরুজালেম শহরে গঠিত হয়। - ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৪ সনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই পিএলও গঠিত হয়েছিল। B) ১৯৭২ সনে — এই সালে পিএলও গঠিত হয়নি, তবে ১৯৭৪ সালে ফিলিস্তিনিদের একমাত্র বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃতি পায়। C) ৫০ সনে — এই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে পিএলও গঠনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। D) ১৯২৯ সনে — এই সালে পিএলও গঠিত হয়নি, এটি ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার প্রতিষ্ঠার সঠিক সময় নয়। মনে রাখার টিপস: পিএলও গঠনের সাল মনে রাখতে ১৯৬৪ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দশক।
a ভারত মহাসাগর
b আটলান্টিক মহাসাগর
c প্রশান্ত মহাসাগর
d ভূমধ্যসাগর
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রশান্ত মহাসাগর কেন সঠিক: - প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর আয়তন ও গভীরতা উভয় দিক থেকেই বৃহত্তম মহাসাগর। - এর আয়তন প্রায় ১৬ কোটি বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর মোট জলভাগের প্রায় অর্ধেক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত মহাসাগর — এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মহাসাগর এবং এর আয়তন প্রশান্ত মহাসাগরের তুলনায় অনেক কম। B) আটলান্টিক মহাসাগর — এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর এবং এর আয়তন প্রশান্ত মহাসাগরের প্রায় অর্ধেক। D) ভূমধ্যসাগর — এটি কোনো মহাসাগর নয়, এটি আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে যুক্ত একটি অভ্যন্তরীণ সাগর মাত্র। মনে রাখার টিপস: মহাসাগরগুলোর আয়তনের বড় থেকে ছোট ক্রম মনে রাখতে পারো এই শব্দ দিয়ে: প্র-আ-ভা-কু-আ (প্রশান্ত, আটলান্টিক, ভারত, দক্ষিণ বা অ্যান্টার্কটিক, আর্কটিক)।
a পাকিস্তান
b ইন্দোনেশিয়া
c তুরস্ক
d বাংলাদেশ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: - ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ। - বিশ্বের মোট মুসলিম জনসংখ্যার প্রায় বারো শতাংশ এই দেশে বসবাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকিস্তান — এটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে ইন্দোনেশিয়ার পরেই এর অবস্থান। B) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর এবং এটি বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিমপ্রধান দেশ। C) তুরস্ক — এটি একটি মুসলিমপ্রধান দেশ হলেও এর জনসংখ্যা ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় অনেক কম। D) বাংলাদেশ — এটি বিশ্বের তৃতীয় সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ, যা ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের পরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইন্দোনেশিয়া নামটি মনে রাখতে পারেন প্রথম অক্ষর ই দিয়ে, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ হিসেবে এক নম্বরে রয়েছে।
a ১০২তম
b ১২০তম
c ১৩৬তম
d ১৪০তম
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৬তম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে পদ লাভ করে। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম বাংলায় ভাষণ দিয়ে বাংলাদেশের সদস্যপদ প্রাপ্তিকে ঐতিহাসিক উচ্চতায় নিয়ে যান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০২তম — এই ক্রমিকে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছে অন্য কোনো দেশ, যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ১২০তম — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ প্রাপ্তির সঠিক ক্রম নির্দেশ করে না। C) ১৩৬তম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের প্রকৃত ক্রম। D) ১৪০তম — এই ক্রমটি ভুল এবং এটি জাতিসংঘের অন্য কোনো সদস্য দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ৭৪ সালে সদস্য হয় এবং সংখ্যাটি ১৩৬, মনে রাখতে পারেন ৭৪ এর সাথে ১৩৬ এর সম্পর্ক।
a মারমা
b চাকমা
c ত্রিপুরা
d গারো
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চাকমা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। - এরা প্রধানত রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় বসবাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মারমা — মারমা উপজাতির জনসংখ্যা চাকমাদের পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। B) চাকমা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ত্রিপুরা — ত্রিপুরা উপজাতি জনসংখ্যার দিক থেকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। D) গারো — গারো উপজাতি প্রধানত ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে বসবাস করে এবং এদের সংখ্যা চাকমাদের চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: চাকমা উপজাতির প্রথম অক্ষর চ এবং বেশি শব্দের প্রথম অক্ষর ব, এভাবে চা-বাগান মনে রেখে চাকমা উপজাতির লোকসংখ্যা সবচেয়ে বেশি তা মনে রাখা যায়।
a রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা
b ময়মনসিংহ জেলা
c রাজশাহী জেলা
d দিনাজপুর জেলা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট ৬৪টি জেলার মধ্যে আয়তনের দিক থেকে রাঙ্গামাটি হলো সবচেয়ে বড় জেলা। - এই জেলার আয়তন প্রায় ৬১১৬ বর্গকিলোমিটার, যা দেশের মোট আয়তনের একটি বড় অংশ জুড়ে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) ময়মনসিংহ জেলা — এটি একটি বিভাগীয় শহর ও জেলা হলেও আয়তনে রাঙ্গামাটির চেয়ে অনেক ছোট। C) রাজশাহী জেলা — এটি দেশের উত্তরঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা কিন্তু আয়তনে রাঙ্গামাটির চেয়ে ছোট। D) দিনাজপুর জেলা — এটি আয়তনের দিক থেকে দেশের বড় জেলাগুলোর একটি হলেও রাঙ্গামাটির চেয়ে এর আয়তন কম। মনে রাখার টিপস: আয়তনে বড় জেলা মনে রাখতে পাহাড়ি এলাকার কথা মাথায় রাখুন, কারণ পাহাড়ের কারণে রাঙ্গামাটি দেশের বৃহত্তম জেলা।
a 1757
b 1850
c 1857
d 1793
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮৫৭ কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে ভারতবর্ষের সৈনিক ও সাধারণ মানুষের প্রথম সশস্ত্র ও ব্যাপক গণবিক্ষোভ হলো সিপাহী বিদ্রোহ। - ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরে মঙ্গল পান্ডের নেতৃত্বে এই বিদ্রোহ শুরু হয় এবং তা সমগ্র উত্তর ও মধ্য ভারতে ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৫৭ — এই সনে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, যা বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। B) ১৮৫০ — এই সনে ভারতবর্ষের ইতিহাসে কোনো বড় বা উল্লেখযোগ্য বিদ্রোহের ঘটনা ঘটেনি। C) ১৮৫৭ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সনেই ঐতিহাসিক সিপাহী বিদ্রোহ বা মহাবিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল। D) ১৭৯৩ — এই সনে চিরস্থায়ী বন্দोबस्त চালু করা হয়েছিল, যা ব্রিটিশ আমლის একটি ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থা। মনে রাখার টিপস: পলাশীর যুদ্ধ এবং সিপাহী বিদ্রোহের পার্থক্য মনে রাখতে হবে; ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধ এবং ঠিক একশ বছর পর ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহ হয়।
a বগুড়া
b দিনাজপুর
c যশোর
d বাগেরহাট
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাগেরহাট কেন সঠিক: - ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের ঐতিহাসিক জেলা বাগেরহাটে অবস্থিত। - এটি পনেরো শতকের খান জাহান আলী নির্মিত একটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের জেলা, যেখানে ঐতিহাসিক মহাস্থানগড় অবস্থিত কিন্তু ষাট গম্বুজ মসজিদ নয়। B) দিনাজপুর — এটি উত্তরবঙ্গের জেলা, যেখানে বিখ্যাত কান্তজী মন্দির অবস্থিত কিন্তু ষাট গম্বুজ মসজিদ নয়। C) যশোর — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা হলেও ষাট গম্বুজ মসজিদ এখানে অবস্থিত নয়। D) বাগেরহাট — এই অপশনটি সঠিক কারণ মসজিদটি এখানেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ষাট গম্বুজ মসজিদ এবং খান জাহান আলীর মাজার উভয়ই বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
a খন্দকার মোশতাক আহম্মদ
b তাজউদ্দীন আহমদ
c ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
d সৈয়দ নজরুল ইসলাম
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত প্রথম বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন ক্যাপ্টেন মনসুর আলী। - তিনি এপ্রিলে গঠিত এই সরকারের অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব সফলভাবে পরিচালনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খন্দকার মোশতাক আহম্মদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, অর্থমন্ত্রী ছিলেন না। B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, অর্থমন্ত্রী ছিলেন না। D) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: মন্ত্রিসভার মনসুর মানেই অর্থ, তাই মনে রাখুন মনসুর আলী ছিলেন অর্থমন্ত্রী।
a স্পেন
b তাইওয়ান
c কাতার
d নেপাল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাইওয়ান কেন সঠিক: - তাইওয়ানকে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না এবং আন্তর্জাতিকভাবে এটি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। - এই কূটনৈতিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে তাইওয়ানের কোনো আনুষ্ঠানিক দূতাবাস বা কূটনৈতিক মিশন নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পেন — বাংলাদেশে স্পেনের পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস ও কূটনৈতিক কার্যক্রম রয়েছে। B) তাইওয়ান — বাংলাদেশ এই অঞ্চলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এখানে কোনো দূতাবাস নেই। C) কাতার — বাংলাদেশে কাতারের পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস ও কূটনৈতিক কার্যক্রম সক্রিয় রয়েছে। D) নেপাল — বাংলাদেশে নেপালের পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: যেসকল দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক স্বীকৃতি নেই, তাদের দূতাবাসও বাংলাদেশে থাকে না। তাইওয়ান তার একটি বড় উদাহরণ।
a ব্রিটেন
b ভারত
c রাশিয়া
d যুক্তরাষ্ট্র
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তান সরকারকে কূটনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে প্রত্যক্ষ সহায়তা করেছিল। - বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেন — ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে নৈতিক সমর্থন দিয়েছিল এবং যুদ্ধ চলাকালীন সহানুভূতিশীল ভূমিকা পালন করেছিল। B) ভারত — ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সর্বাত্মক সহায়তা, শরণার্থীদের আশ্রয় এবং কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করেছিল। C) রাশিয়া — তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কূটনৈতিক ও সামরিকভাবে দৃঢ় সমর্থন ও সহযোগিতা প্রদান করেছিল। D) যুক্তরাষ্ট্র — মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল এবং পাকিস্তান সরকারের পক্ষে সপ্তম নৌবহর প্রেরণ করেছিল। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালিরা ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের সমর্থন পেলেও পাকিস্তানপন্থী যুক্তরাষ্ট্র ছিল আমাদের স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান বিরোধী শক্তি।
a মেঘনা
b যমুনা
c পদ্মা
d ধলেশ্বরী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যমুনা কেন সঠিক: - সিরাজগঞ্জ জেলাটি যমুনা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত এবং এটি নদীমাতৃক বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর ও শহর। - যমুনা নদী উত্তর দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের পাশ দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনা — এটি মূলত দেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী, যা সিরাজগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত নয়। B) যমুনা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সিরাজগঞ্জ শহর এই নদীর তীরেই অবস্থিত। সি) পদ্মা — এটি দেশের একটি প্রধান নদী যা রাজশাহী ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের পাশ দিয়ে প্রবাহিত, সিরাজগঞ্জ এর তীরে নয়। ডি) ধলেশ্বরী — এটি বুড়িগঙ্গার শাখা নদী এবং মূলত মানিকগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: সিরাজের যম হলো যমুনা নদী।

মোট প্রশ্ন (0)