সঠিক উত্তর: C) মহাকাব্য
১. কেন সঠিক:
Epic শব্দটির বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো মহাকাব্য, যার মাধ্যমে বৃহৎ কলেবরের কোনো বীরত্বগাথা বা কাহিনিকাব্যকে বোঝানো হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপ নির্ধারণের জন্য এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মহাকাব্য হলো সাহিত্যের একটি প্রাচীন ও বৃহৎ রূপ, যেখানে কোনো ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক বীরপুরুষের মহৎ চরিত্র ও অভিযান বর্ণিত হয়।
বাংলা সাহিত্যে মেঘনাদবধ কাব্য হলো একটি সার্থক ও পূর্ণাঙ্গ মহাকাব্য, যা মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচনা করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাকাব্য।
উদাহরণ ২: হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বৃত্রসংহার।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আরেকটি বিখ্যাত পৌরাণিক মহাকাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কিংবদন্তি — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Legend, যা কোনো প্রচলিত ঐতিহাসিক ঐতিহ্য বা লোককথার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
B) পুরাণ — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Mythology, যা প্রাচীন সৃষ্টিকথা বা পৌরাণিক দেবদেবীর কাহিনি নির্দেশ করে।
C) মহাকাব্য — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং Epic শব্দের নিখুঁত বাংলা পারিভাষিক রূপ।
D) বিস্মৃত কাহিনি — এই শব্দগুচ্ছটি কোনো নির্দিষ্ট পারিভাষিক শব্দ নয়, বরং এটি একটি সাধারণ বর্ণনামূলক বাক্যাংশ মাত্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি Epic এবং বাংলা মহাকাব্য উভয় শব্দ দিয়েই বৃহৎ ও বিশাল আকৃতির বীরত্বপূর্ণ কাব্যকে বোঝানো হয়।
পারিভাষিক শব্দ মনে রাখতে মূল ইংরেজি শব্দের আক্ষরিক ও ভাবার্থ দুটোই একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে সার্থক মহাকাব্যের প্রবক্তা মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি মেঘনাদবধ কাব্য।
পারিভাষিক শব্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন উত্তরের জন্য প্রমিত বাংলা বানানের পাশাপাশি ইংরেজি মূল শব্দটির প্রচলিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কাহ্নপা
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা হলেন কাহ্নপা। তিনি ডোম্মিপা ও ভুসুকুপার সমসাময়িক একজন বিখ্যাত পদকর্তা।
- চর্যাপদে প্রাপ্ত মোট পদ সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৩টি পদ তিনি রচনা করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও গান সংকলন। ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর কবি বা পদকর্তা মোট চব্বিশজন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাহ্নপার পদ সংখ্যা ১৩টি।
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের অন্যান্য কবিদের তুলনায় কাহ্নপার পদের পরিমাণ সর্বাধিক।
উদাহরণ ২: ভুসুকুপার পদের সংখ্যা ৮টি।
ব্যাখ্যা: কাহ্নপার পরেই সর্বাধিক ৮টি পদ রচনা করেছেন কবি ভুসুকুপা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুইপা — ইনি চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা এবং ড. শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের আদি কবি, তবে তিনি সর্বাধিক পদ রচনা করেননি।
B) শবরপা — ইনি চর্যাপদের একজন প্রখ্যাত কবি হলেও মোট পদের দিক থেকে সর্বাধিক পদ রচনা করেননি।
C) কাহ্নপা — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনে রয়েছে এবং তিনি সর্বাধিক পদ রচনা করেছেন।
D) ভুসুকুপা — ইনি চর্যাপদে দ্বিতীয় সর্বাধিক ৮টি পদ রচনা করেছেন, তাই সর্বাধিক পদের দিক থেকে এই উত্তরটি সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদের সর্বাধিক পদের কবি মনে রাখতে কানাই (কাহ্নপা) নামটি মনে রাখতে পারো যিনি সবচেয়ে বেশি ১৩টি পদ লিখে রেকর্ড গড়েছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদের প্রথম পদ রচয়িতা লুইপা এবং সর্বাধিক পদ রচয়িতা কাহ্নপা, এই দুটি তথ্য বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
মৃত্যুক্ষুধা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
এই উপন্যাসে লেখক সমাজের নিম্নবিত্ত মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং ক্ষুধার কষ্ট অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও বিদ্রোহী সাহিত্যিক।
তার রচিত মৃত্যুক্ষুধা একটি কালজয়ী উপন্যাস যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩০ সালে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঁধন হারা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম প্রকাশিত পত্রোপন্যাস।
উদাহরণ ২: কুহেলিকা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত রাজনৈতিক পটভূমির ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে পদ্মানদীর মাঝি ও পুতুলনাচের ইতিকথা উল্লেখযোগ্য, মৃত্যুক্ষুধা নয়।
B) শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে শ্রীকান্ত ও দেবদাস উল্লেখযোগ্য, মৃত্যুক্ষুধা নয়।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসটি কাজী নজরুল ইসলামেরই রচনা।
D) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী — সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রায় নন্দিনী ও তারাবাঈ উল্লেখযোগ্য, মৃত্যুক্ষুধা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের প্রধান তিনটি উপন্যাস হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা।
নামগুলো একসঙ্গে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত ঔপন্যাসিকদের উপন্যাসের নাম জানতে চাওয়া হয়।
নজরুলের উপন্যাসের সংখ্যা কম হওয়ায় এগুলো আলাদা করে মনে রাখা খুব সহজ।
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত উপসর্গ
১. কেন সঠিক:
প্র এবং পরা উভয়ই সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ যা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
এই উপসর্গগুলো সাধারণত সংস্কৃত ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন না ঘটে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে সেগুলোকে সংস্কৃত উপসর্গ বলে।
বাংলা ব্যাকরণে সংস্কৃত উপসাগরের সংখ্যা মোট কুড়িটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রহার
ব্যাখ্যা: এখানে প্র উপসর্গটি হারের পূর্বে বসে আঘাত করা অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: পরাজয়
ব্যাখ্যা: এখানে পরা উপসর্গটি জয়ের পূর্বে বসে বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত উপসর্গ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ প্র ও পরা এই শ্রেণিভুক্ত।
B) বাংলা উপসর্গ — এটি ভুল কারণ বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি এবং এর তালিকা আলাদা।
C) বিদেশী উপসর্গ — এটি ভুল কারণ বিদেশী উপসর্গ আরবি ফারসি বা ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে।
D) খাঁটি বাংলা উপসর্গ — এটি ভুল কারণ খাঁটি বাংলা ও বাংলা উপসর্গ একই অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর মধ্যে প্র বা পরা নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি মনে রাখার একটি বিখ্যাত ছন্দ হলো প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির দূর বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি অপি সু অভি।
পরীক্ষায় উপসর্গ চেনার জন্য বাংলা ও সংস্কৃত উপসাগরের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা সবচেয়ে ভালো উপায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই কুড়িটি সংস্কৃত ও একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
কোন শব্দে কোন উপসর্গ যুক্ত হয়েছে তা বোঝার জন্য শব্দের মূল ধাতু বা প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয় করা শিখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রথম চৌধুরী
কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক প্রথম চৌধুরী তাঁর গদ্য রচনায় বীরবল ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
তিনি চলিত রীতির প্রবক্তা এবং সবুজ পত্র পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে এই ছদ্মনামে বহুমুখী প্রবন্ধ লিখেছেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যে লেখকরা অনেক সময় নিজেদের আসল নাম গোপন করে অন্য নামে লেখা প্রকাশ করতেন যা ছদ্মনাম নামে পরিচিত।
প্রথম চৌধুরীর পৈতৃক বাড়ি সিরাজগঞ্জ হলেও তিনি বাংলা গদ্যে কথ্য ভাষার রূপ প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই ছদ্মনাম বেছে নেন।
তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলনের মধ্যে বীরবলের হালখাতা অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভানুসিংহের পদাবলী লেখার সময় ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনাম ব্যবহার করেছিলেন।
B) প্রথম চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বীরবল ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করতেন।
C) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় মূলত বনফুল ছদ্মনামে তাঁর ছোটগল্প ও উপন্যাস লিখেছেন।
D) সমরেশ বসু — সমরেশ বসু কালকূট ও ভ্রমর ছদ্মনামে তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসসমূহ রচনা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
সবুজ পাতার বীর পুরুষ প্রথম চৌধুরী মনে রাখলে ছদ্মনামটি সহজে মনে রাখা সম্ভব।
সবুজ পত্র পত্রিকার সাথে যুক্ত বীরবল আসলে প্রথম চৌধুরীর অন্য রূপ।
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- সঞ্চিতা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতার একটি সংকলন।
- ১৯২৮ সালে প্রকাশিত এই কাব্য সংকলনটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রলয় উল্লাসের অগ্নিকবি হিসেবে পরিচিত।
- সঞ্চিতা গ্রন্থে তাঁর অনেক বিখ্যাত ও বিদ্রোহী কবিতা স্থান পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সঞ্চয়ন
ব্যাখ্যা: সঞ্চয়ন হলো কবি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত গানের সংকলন।
উদাহরণ ২: বুলবুল
ব্যাখ্যা: বুলবুল হলো কাজী নজরুল ইসলামের গজল ও গানের একটি বিখ্যাত সংকলন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্য সংকলনের নাম সঞ্চয়িতা, যা সঞ্চিতা নয়।
C) জীবনানন্দ দাশ — জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম বনলতা সেন ও রূপসী বাংলা।
D) জসীমউদদীন — জসীমউদদিনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম নকশী কাথার মাঠ ও সোজন বাঢিয়ার ঘাট।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের 'ন' দিয়ে সঞ্চিতা এবং রবীন্দ্রনাথে 'তা' যুক্ত হয়ে সঞ্চয়িতা হয়েছে, এটি মনে রাখলে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সঞ্চিতা (নজরুল) ও সঞ্চয়িতা (রবীন্দ্রনাথ) নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) ব্যয়কুণ্ঠ
১. কেন সঠিক:
- 'ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করেন যিনি' বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ব্যয়কুণ্ঠ। এখানে ব্যয় শব্দের অর্থ খরচ করা এবং কুণ্ঠাবোধ করার অর্থ সংকোচ বা দ্বিধা থাকা।
- প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার জন্য এককথায় প্রকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় যেখানে শব্দার্থের সঠিক প্রয়োগ জানা জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অংশ। বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দ বা পদে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলা হয়।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা সহজে জয় করা যায় না - দুর্জেয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্য সংকোচনটিতে সহজে জয় করা যায় না এমন অবস্থাকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: অহংকার নাই যার - নিরূপম বা অহংকারহীন।
ব্যাখ্যা: এখানে অহংকারের অভাব বোঝাতে বাক্যটিকে সংক্ষেপে প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃপণ — যে ব্যক্তি অতিরিক্ত পক্পত বা অনুচিত কারণে অর্থ ব্যয় করতে চায় না তাকে কৃপণ বলে, কুণ্ঠাবোধ করা এর মূল অর্থ নয়।
B) মিতব্যয়ী — যিনি বুঝে-শুনে ও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমিত খরচ করেন তাকে মিতব্যয়ী বলা হয়, এটি কোনো কুণ্ঠাবোধের বিষয় নয়।
C) ব্যয়কুণ্ঠ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দের অর্থ যিনি ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করেন।
D) হিসাবি — যিনি হিসাব করে বা পরিকল্পনা মাফিক চলেন ও খরচ করেন তাকে হিসাবি বলা হয়, এটি ব্যয়কুণ্ঠ শব্দের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যয় এবং কুণ্ঠা দুটি শব্দ একত্রিত করলেই উত্তর পাওয়া যায় ব্যয়কুণ্ঠ। খরচ করার সময় যার মনে কুণ্ঠা কাজ করে তিনিই ব্যয়কুণ্ঠ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থ ভালোভাবে অনুধাবন করতে হবে।
- এই ধরনের প্রশ্নে প্রায় সমার্থক শব্দের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে যেমন কৃপণ, মিতব্যয়ী ও ব্যয়কুণ্ঠ শব্দের ভিন্নতা খেয়াল রাখা প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর: C) ঐ, ঔ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশটি বর্ণ আছে, যার মধ্যে স্বরবর্ণ এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ উচল্লিশটি।
- স্বরবর্ণের মধ্যে দুটি বর্ণকে যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা যৌগিক স্বর বলা হয়, যা হলো ঐ এবং ঔ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যৌগিক স্বর বা দ্বিস্বর হলো পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয়ে একটি স্বরধ্বনি হিসেবে গণ্য হওয়া।
- বাংলা বর্ণমালায় স্বতন্ত্রভাবে দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ রয়েছে, যা অ + ই মিলে ঐ এবং অ + উ মিলে ঔ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তৈল
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে যৌগিক স্বরধ্বনি ঐ যুক্ত রয়েছে, যা উচ্চারণের সময় দুটি স্বরের মিলিত রূপ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: পৌষ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ঔ যৌগিক স্বরধ্বনিটি যুক্ত আছে, যা উচ্চারণে দুটি স্বরধ্বনির মিশ্রণ তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এ, ঐ — এ হলো মৌলিক স্বরবর্ণ, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) ই, ঔ — ই হলো মৌলিক স্বরবর্ণ, তাই এই জোড়টি সম্পূর্ণ সঠিক নয়।
C) ঐ, ঔ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি দুটি যৌগিক বর্ণ নির্দেশ করে।
D) ও, ঐ — ও হলো মৌলিক স্বরবর্ণ, তাই এই অপশনটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক বর্ণ মাত্র দুটি, আর তা হলো ঐ এবং ঔ।
- মনে রাখবে স্বরবর্ণের শেষ দুটি বর্ণই হলো যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক স্বরধ্বনি এবং যৌগিক স্বরধ্বনি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি হলো ঐ এবং ঔ, যা ভালোভাবে মনে রাখলে এজাতীয় প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীমঙ্গল
১. কেন সঠিক:
- ‘ফুল্লবর’ চরিত্রটি মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান মঙ্গলকাব্যের ধারা চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে এই চরিত্রের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্য মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের একটি জনপ্রিয় শাখা যেখানে দেবী চণ্ডীর মহিমা প্রচার করা হয়েছে।
- এই ধারার শ্রেষ্ঠ কবি হলেন কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী এবং তার রচিত কাব্যের নাম অভয়ামঙ্গল বা চণ্ডীমঙ্গল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কালকেতু ও ফুল্লরা
ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ডের প্রধান দুটি চরিত্র হলো ব্যাধ কালকেতু ও তার স্ত্রী ফুল্লরা।
উদাহরণ ২: ধনপতি ও লহনা-খুল্লনা
ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বণিক খণ্ডের প্রধান চরিত্র হলো বণিক ধনপতি এবং তার দুই স্ত্রী লহনা ও খুল্লনা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডীমঙ্গল — এই অপশনটি সঠিক কারণ ফুল্লবর বা ফুল্লরা চরিত্রটি এই কাব্যের সঙ্গেই বিশেষভাবে সম্পর্কিত।
B) অন্নদামঙ্গল — এই কাব্যটি মধ্যযুগের শেষভাগে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচনা করেন এবং এর চরিত্রগুলোর মধ্যে বিদ্যা ও সুন্দর প্রধান।
C) মনসামঙ্গল — এটি পদ্মাপুরাণ বা মনসামঙ্গল নামে পরিচিত যেখানে সপ্নদেবী মনসার পূজা প্রচারের কাহিনী রয়েছে এবং এর প্রধান চরিত্র বেহুলা ও লখিন্দর।
D) ধর্মমঙ্গল — এটি লাউসেনের ধর্মপূজা প্রচারের বীরত্বগাথা নির্ভর কাব্য এবং এর প্রধান চরিত্র লাউসেন ও ইছাই ঘোষ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতুর স্ত্রীর নাম ফুল্লরা এবং ফুল্লবরের সঙ্গে এর নামগত মিল রয়েছে।
- মঙ্গলকাব্যের চরিত্রগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্রভিত্তিক তালিকা তৈরি করে পড়া ভালো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও এর চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য মূল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অক্লান্ত কর্মী
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে এমন একজন ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে যার কর্মে কোনো ক্লান্তি বা অবসাদ নেই।
- প্রদত্ত উত্তরের অক্লান্ত কর্মী কথাটি সম্পূর্ণ বাক্যটির ভাবকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা বাক্য বা বাক্যাংশকে সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর করতে সাহায্য করে।
- এখানে কর্মে ক্লান্তি নাই যাহার সম্পূর্ণ বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে অক্লান্ত কর্মী ব্যবহার করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যিনি সহজে হার মানেন না = অদম্য
ব্যাখ্যা: এটিও এককথায় প্রকাশের একটি সাধারণ নিয়ম যা মানুষের গুণ বা অবস্থাকে প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: যার তুলনা নাই = অতুলনীয়
ব্যাখ্যা: এটি একটি পদের মাধ্যমে কোনো বস্তুর বা ব্যক্তির অনন্য বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্লান্ত কর্মী — এটি সঠিক উত্তর।
B) অক্লান্ত — এটি সঠিক হলেও এতে কর্মী শব্দটি বাদ থাকায় সম্পূর্ণ বাক্যটির পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ পায় না।
C) ক্লান্তিহীন — এটি শুধুমাত্র ক্লান্তি না থাকার ভাব প্রকাশ করে কিন্তু কর্মের সঙ্গে এর সরাসরি সংযোগ স্পষ্ট নয়।
D) অবিশ্রাম — এই শব্দটির অর্থ যা থেমে থাকে না বা ক্রমাগত চলে, যা ক্লান্তি নাই এমন মানুষের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্লান্তি নাই বুঝাতে অক্লান্ত শব্দটি মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
- কর্মের সঙ্গে মিল রেখে সঠিক শব্দটি নির্বাচন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- বাক্য সংক্ষেপণের সময় পদের পূর্ণ অর্থ ঠিক আছে কি না তা যাচাই করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) চট্রগ্রাম, ২৬ মার্চ ১৯৭১
কেন সঠিক:
১. এই অপশনে বানানের ক্ষেত্রে ভুল রয়েছে এবং সালের পূর্বে কমা ব্যবহার করা হয়নি যা বিরামচিহ্নের নিয়মের পরিপন্থী।
২. স্থান এবং তারিখের মাঝে কমা বসানোর প্রচলিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম এখানে সঠিকভাবে মানা হয়নি।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী বার, মাস এবং সালের মাঝে কমা বা কোলন ব্যবহার করতে হয়।
২. স্থানবাচক শব্দের পর কমা এবং তারিখ লেখার সময় দিনের পর কমা ববসানো আবশ্যক।
৩. যেমন, সঠিক নিয়ম হলো ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ যেখানে প্রতিটি অংশ সঠিকভাবে আলাদা করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মার্চ ২৬, ১৯৭১ — এখানে মাস, দিন এবং সালের বিন্যাস ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী হলেও কমার ব্যবহার সঠিক আছে।
B) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ — এখানে তারিখ এবং সালের মাঝে কমার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
C) ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ — এখানে স্থান, দিন এবং সালের মাঝে যথাযথভাবে কমা ব্যবহার করা হয়েছে।
D) চট্রগ্রাম, ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এখানে বানান ভুল রয়েছে এবং সালের আগে কমা ব্যবহার করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
১. স্থান, মাস, দিন এবং সালের পর কমা বসানোর নিয়মটি সবসময় মনে রাখবে।
২. লেখার সময় ইংরেজি বা বাংলা যেকোনো রীতি অনুসরণ করো না কেন, কমার সঠিক অবস্থান নিশ্চিত করবে।
সঠিক উত্তর: A) নাটক
১. কেন সঠিক:
- ‘জন্ডিস বিবিধ বেলুন’ হলো বাংলাদেশের প্রখ্যাত নাট্যকার ও কথাসাহিত্যিক সেলিম আল দীনের লেখা একটি বিখ্যাত নাটক।
- এই নাটকে রূপক ও প্রতীকী ভাষার মাধ্যমে তৎকালীন সমাজব্যবস্থা, রাজনীতি এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক সংকট অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাটকটি রচনা করেছেন বিশিষ্ট নাট্যকার সেলিম আল দীন, যিনি বাংলা নাট্যসাহিত্যে ঐতিহ্য অন্বেষণের জন্য পরিচিত।
- এটি মূলত ষাটের দশকের শেষভাগ ও সত্তর দশকের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয়কে ব্যঙ্গ করে লেখা একটি পরীক্ষামূলক নাটক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কঞ্জুস
ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরী অনূদিত একটি বিখ্যাত নাটক, যা ফরাসি নাট্যকার মলিয়েরের লা আভারে নাটকের বঙ্গানুবাদ।
উদাহরণ ২: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা: সৈয়দ শামসুল হকের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয়ক কাব্যনাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সাহিত্যকর্মটি মঞ্চে প্রদর্শনের উপযোগী রূপক নাটক হিসেবে রচিত হয়েছে।
B) উপন্যাস — এটি উপন্যাস নয়, কারণ এর গঠনশৈলী, সংলাপ এবং দৃশ্যবিন্যাস নাট্যরীতির প্রথা মেনে তৈরি করা হয়েছে।
C) গল্প — এটি ছোটগল্প নয়, কারণ ছোটগল্পে ঘটনার পরিধি সংক্ষিপ্ত ও এককেন্দ্রিক হলেও এতে নাটকীয় সংলাপ ও চরিত্রের বহুলতা রয়েছে।
D) রম্যরচনা — এটি কেবল হাস্যরসাত্মক রম্যরচনা নয়, বরং এর ভেতরে গভীর রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জন্ডিস বেলুনের মতো ফুলে যায় আর নাটক দেখতে মানুষ থিয়েটারে যায়, এভাবে মনে রাখতে পারো সেলিম আল দীনের ‘জন্ডিস বিবিধ বেলুন’ একটি নাটক।
- নাটকের ক্ষেত্রে সংলাপ ও চরিত্রের উপস্থিতি প্রধান মানদণ্ড, যা এই সাহিত্যকর্মে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সেলিম আল দীন রচিত অন্যান্য বিখ্যাত নাটকগুলোর নাম যেমন কিংশুক কোণ ও কেরামত মঙ্গল ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নাটকের নাম দিয়ে রচয়িতা বা নাটকের ধরন জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) আকাঙ্ক্ষা‘
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটিতে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করার জন্য আরও কিছু শোনার বা জানার অপেক্ষা রয়ে যায়।
- বাক্যটির শেষাংশ না থাকায় অর্থ অসম্পূর্ণ থেকে যায়, যা ব্যাকরণের ভাষায় আকাঙ্ক্ষার অভাব নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ থাকা আবশ্যক যথা যোগ্যতা, আকাঙ্ক্ষা ও আসত্তি।
- বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা, তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র পৃথিবী থেকে
ব্যাখ্যা: এই বাক্যটি শোনার পর আরও কিছু শোনার ইচ্ছা জাগে, তাই এটি আকাঙ্ক্ষার অভাবের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কাল আমি ঢাকা
ব্যাখ্যা: বাক্যটি অসম্পূর্ণ থাকায় মনের ভাব প্রকাশ পায় না, ফলে এটি আকাঙ্ক্ষাজনিত ত্রুটির উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যোগ্যতা — পদের অর্থের মিলবন্ধন বা ভাবগত সংগতি রক্ষিত না হলে তাকে যোগ্যতার অভাব বলে কিন্তু এখানে অর্থের মিল রয়েছে।
B) আকাঙ্ক্ষা‘ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশের জন্য আরও পদের প্রয়োজন রয়েছে।
C) আসত্তি — পদের সঠিক পর্যায় বা সুশৃঙ্খল বিন্যাসকে আসত্তি বলে তবে এই বাক্যে পদের বিন্যাস ঠিক আছে।
D) মাধুর্য — ভাষার সৌন্দর্য বা শ্রুতিমধুরতা বোঝাতে মাধুর্য গুণ ব্যবহৃত হয় যা বাক্যের অপরিহার্য মূল তিনটি গুণের অংশ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্য শোনার পর যদি মনে প্রশ্ন জাগে আর কী, তবে বুঝতে হবে সেখানে আকাঙ্ক্ষার অভাব রয়েছে।
- আকাঙ্ক্ষা শব্দের অর্থ জানার বা শোনার ইচ্ছা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সার্থক বাক্যের গুণাবলী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বাক্যের তিনটি গুণ অর্থাৎ যোগ্যতা, আকাঙ্ক্ষা ও আসত্তি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সংশয়
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো এই বাক্যে 'না' অব্যয়টি নিশ্চিত কিছু বোঝাতে ব্যবহার করা হয়নি। বক্তার মনে একটি সন্দেহ বা দ্বিধা কাজ করছে যে কাজটি আদৌ ঘটবে কি না।
- প্রশ্নের গুরুত্বপূর্ণ শব্দ 'সে নাকি আসবে না' বাক্যে 'না' অব্যয়টি বক্তার মনের নিশ্চিতহীন অবস্থাকে নির্দেশ করে।
- উত্তর নির্ণয়ের যুক্তিতে দেখা যায়, এখানে 'না' সরাসরি নিষেধ করছে না বরং একটি সম্ভাবনার অনিশ্চয়তা প্রকাশ করছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদের নানা ব্যবহার রয়েছে যার মধ্যে না-বাচক অব্যয় অন্যতম। না অব্যয়টি বাক্যের অর্থের ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন ভাব প্রকাশ করে থাকে।
- এই বাক্যে 'না' অব্যয়টি সংশয় বা সন্দেহ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে যা ব্যাকরণের পদ প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে কি আর আসবে না?
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'না' অব্যয়টি নিশ্চিত প্রশ্ন বা সংশয়ের সুরে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আমি বোধহয় কাজটি করতে পারব না।
ব্যাখ্যা: এখানে 'না' অব্যয়টি অক্ষমতা ও সংশয়মিশ্রিত অর্থ প্রকাশ করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রশ্ন — প্রশ্ন অর্থ প্রকাশ করতে বাক্যে সাধারণত কি, কেন, কীভাবে ইত্যাদি ব্যবহার হয় তাই এটি ভুল।
B) বিস্ময় — বিস্ময় প্রকাশ করতে আহা, ওহে বা বাঃ জাতীয় আবেগসূচক অব্যয় ব্যবহৃত হয় তাই এটি ভুল।
C) সংশয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বক্তার মনে আসা সন্দেহ বা সংশয় প্রকাশ পেয়েছে।
D) অনুমান — অনুমান অর্থে হয়তো বা বোধহয় শব্দ বেশি উপযোগী তাই এখানে এটি সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে যখন নিশ্চিত কোনো তথ্য থাকে না এবং মনের ভেতর সন্দেহ জাগে তখন না অব্যয়টি সংশয় প্রকাশ করে।
- পরীক্ষার হলে বাক্যের অন্তর্নিহিত ভাব বা অর্থ বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অব্যয় পদের বিভিন্ন অর্থবহ ব্যবহার থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- বাক্যের সুর ও ভাবার্থ লক্ষ করে অব্যয়ের সঠিক অর্থ নির্ণয় করা শিখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অর্ক
১. কেন সঠিক:
- ‘আফতাব’ একটি ফার্সি শব্দ যার অর্থ সূর্য। অপশনের ‘অর্ক’ শব্দটির অর্থও সূর্য, যা আফতাব শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে, তাই প্রমিত শব্দের অর্থ জানা জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ, যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়।
- বাংলা ভাষায় সংস্কৃত, আরবি ও ফার্সি ভাষা থেকে আগত বহু শব্দ সমার্থক হিসেবে পাশাপাশি অবস্থান করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবিতা
ব্যাখ্যা: সবিতা শব্দটি সূর্যের আরেকটি সমার্থক শব্দ যা কবিতার ভাষায় বহুল ব্যবহৃত।
উদাহরণ ২: দিবাকর
ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ যিনি দিন করেন বা সূর্য, এটিও আফতাব শব্দের সমার্থক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র। এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়।
B) রাতুল — রাতুল শব্দের অর্থ লাল বা রক্তিম। এটি সূর্যের সমার্থক নয়।
C) জলধি — জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র। এটি জলের আধার বোঝায়।
D) অর্ক — অর্ক শব্দের অর্থ সূর্য, যা আফতাব শব্দের সঠিক সমার্থক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সূর্য বোঝাতে সাধারণত রবি, ভানু, সূর্য, অর্ক, আফতাব এবং তপন শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়।
- সমুদ্র বোঝাতে অর্ণব এবং জলধি শব্দ দুটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরীক্ষায় প্রায়ই সূর্য ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই দুটির তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখবে।
- ফার্সি উৎসের শব্দের পাশাপাশি এর তৎসম রূপগুলো জানা থাকলে উত্তর করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) ব্রাহ্মী লিপি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা লিপির উৎস হলো প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি, যা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রায় সব আধুনিক লিপির জননী হিসেবে পরিচিত।
- ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিবর্তনের ধারায় ব্রাহ্মী লিপি থেকে কুটিল লিপি এবং পরবর্তীতে বাংলা লিপির জন্ম হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নে বাংলা লিপির ক্রমবিকাশ তুলে ধরা হয়েছে।
- ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত হয়ে বিবর্তনের বিভিন্ন স্তর পার হয়ে বর্তমানের প্রমিত বাংলা বর্ণমালা গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেবনাগরী লিপি
ব্যাখ্যা: ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত আরেকটি প্রধান লিপি হলো দেবনাগরী, যা হিন্দি ও সংস্কৃত লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ওড়িয়া লিপি
ব্যাখ্যা: বাংলা ও অসমীয়া লিপির মতোই ওড়িয়া লিপিও ব্রাহ্মী লিপির পূর্ব ভারতীয় শাখা থেকে বিকশিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত লিপি — সংস্কৃত ভাষার নিজস্ব কোনো লিপি নেই, এটি সাধারণত ব্রাহ্মী থেকে উদ্ভূত দেবনাগরী বা বাংলা লিপিতে লেখা হয়।
B) ব্রাহ্মী লিপি — এটি সঠিক উত্তর।
C) চীনা লিপি — চীনা লিপি চিত্রভিত্তিক এবং এটি বাংলা লিপির উৎস নয়, বরং এটি চীনা-তিব্বতীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
D) আরবি লিপি — আরবি লিপি সেমিটিক পরিবারের লিপি এবং ডান দিক থেকে লেখা হয়, যা বাংলা লিপির উৎস নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা লিপি এসেছে ব্রাহ্মী থেকে, কথাটি মনে রাখতে 'ব' দিয়ে বাংলা এবং 'ব' দিয়ে ব্রাহ্মী এই সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
- প্রাচীন ভারতীয় সব লিপির মূল উৎস ব্রাহ্মী লিপি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা ও অন্যান্য ভারতীয় লিপির উৎস জানতে চাওয়া হয়।
- মনে রাখবে, বাংলা লিপি সরাসরি সংস্কৃত থেকে আসেনি, বরং ব্রাহ্মী লিপি থেকে বিবর্তিত হয়ে এসেছে।
সঠিক উত্তর: C) বিপ্লব
কেন সঠিক:
- ইনকিলাব একটি আরবি শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ হলো বিপ্লব বা হঠাৎ পরিবর্তন।
- রাষ্ট্র বা সমাজের বিদ্যমান ব্যবস্থার মৌলিক ও দ্রুত পরিবর্তন বোঝাতে ইনকিলাব শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি বহিরাগত বা বিদেশি শব্দ, বিশেষ করে আরবি ভাষা থেকে এসেছে।
- বাংলা কবিতায় এবং রাজনৈতিক স্লোগানে এই শব্দটির ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়।
- কাজী নজরুল ইসলামের কবিতায় ইনকিলাব বা বিপ্লবের কথা বারবার উঠে এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) আন্দোলন — আন্দোলন শব্দের আরবি পরিভাষা আলাদা এবং এর অর্থ কোনো দাবি আদায়ের জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা।
- B) সন্ত্রাস — সন্ত্রাস শব্দের অর্থ আতঙ্ক সৃষ্টি করা, যা ইনকিলাব শব্দের অর্থের সাথে মিলে না।
- C) বিপ্লব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
- D) চিরন্তন — চিরন্তন শব্দের অর্থ যা সবসময় এক থাকে, যা পরিবর্তনের সমার্থক ইনকিলাব শব্দের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
- ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগানটির সাথে আমরা সবাই পরিচিত, যার অর্থ বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক।
সঠিক উত্তর: B) বিভীষিকা
১. কেন সঠিক:
- এই শব্দটিতে সঠিক বানানের নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে হ্রস্ব ই-কার, পরে দীর্ঘ ঈ-কার এবং শেষে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে।
- বিভীষিকা শব্দের অর্থ হলো ভয়ংকর দৃশ্য, আতঙ্ক কিংবা ভয়াল কোনো পরিস্থিতি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বিদেশি বা তৎসম শব্দের কিছু ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- এই শব্দে বিভী + শিকাতন্ত্রে ই-কার ও ঈ-কারের সঠিক বিন্যাস মেনে চলা হয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমীচীন
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে দুটি ই-কারই দীর্ঘ ঈ-কার হয়, যা শুদ্ধ বানানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিয়ম।
উদাহরণ ২: মরীচিকা
ব্যাখ্যা: মরুভূমিতে জলের ভ্ৰম বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় এবং এর বানানটিও দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিভিসীকা — এখানে বানানে দন্ত-স এর পরিবর্তে মূর্ধন্য-ষ এবং ভুল ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
B) বিভীষিকা — এটি প্রশ্নানুসারে শতভাগ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি সমর্থিত।
C) বীভীষিকা — এখানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) বীভিষীকা — এখানে প্রথম ও মধ্যবর্তী বর্ণের কারচিহ্ন ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিভীষিকা শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথমে ছোট ই, মাঝখানে বড় ঈ এবং শেষে আবার ছোট ই ব্যবহার করা।
- মাঝখানের ভী অংশে দীর্ঘ ঈ-কার হবে এটি মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই অপশনে থাকে।
- বানান শুদ্ধ করার সময় ই-কার ও ঈ-কারের সঠিক অবস্থান খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ মুজতবা আলী
১. কেন সঠিক:
- ‘চাচা কাহিনী’ গ্রন্থটি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও রম্যলেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও হাস্যরসাত্মক ভ্রমণ ও প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতাভিত্তিক রচনা।
- এই বইটিতে লেখকের চাচা চরিত্রকে কেন্দ্র করে এবং প্রবাস জীবনের নানা মজার ঘটনার মধ্য দিয়ে তৎকালীন সমাজের জীবন্ত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য রম্যরচয়িতা, প্রাবন্ধিক ও বহুভাষাবিদ হিসেবে অত্যন্ত পরিচিত।
- তাঁর লেখায় গভীর পাণ্ডিত্যের সঙ্গে লঘু মেজাজ ও সুনিপুণ হাস্যরসের এক অপূর্ব মিশ্রণ দেখা যায় যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘দেশে বিদেশে’
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনি যা তাঁর সাহিত্যকর্মের এক অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: ‘পঞ্চপুষ্প’
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা তাঁর মননশীল রচনার পরিচয় দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও ‘চাচা কাহিনী’ তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘জননী’ ও ‘ক্রীতদাসের হাসি’।
B) সৈয়দ মুজতবা আলী — এই অপশনটি সঠিক এবং এই লেখকেরই বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ‘চাচা কাহিনী’।
C) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ — সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ একজন বিখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক হলেও ‘চাচা কাহিনী’ তাঁর সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা ‘লালসালু’।
D) সৈয়দ শামসুল হক — সৈয়দ শামসুল হক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও ‘চাচা কাহিনী’ তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়, তিনি ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ নাটকের জন্য বিখ্যাত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চাচার মজার কাহিনি পড়তে পছন্দ করেন বলেই সৈয়দ মুজতবা আলী এই ধরনের রম্য রচনা লিখে বিখ্যাত হয়েছেন।
- লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর রম্যধর্মী রচনার মেলবন্ধন মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্য রচনা ও ভ্রমণকাহিনি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের বিখ্যাত অন্যান্য বই যেমন ‘ময়ূরকণ্ঠী’ ও ‘অবকাশী’ সম্পর্কেও সম্যক ধারণা রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) ১২০১-১৮০০ খ্রি.
১. কেন সঠিক:
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের কালকাল তিন ভাগে বিভক্ত। এর মধ্যে মধ্যযুগের সময়সীমা হলো ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস মূলত তিনটি যুগে বিভক্ত প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক যুগ। মধ্যযুগের সূচনা ধরা হয় ১২০১ খ্রিস্টাব্দ থেকে এবং সমাপ্তি ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের অন্যতম নিদর্শন এবং বরু চণ্ডীদাস রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য।
উদাহরণ ২: মঙ্গলকাব্য
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ধারা হলো বিভিন্ন দেবতার মহিমা প্রচারের কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯০১-১২০০ খ্রি. — এটি প্রাচীন যুগের শেষ সময়সীমাকে নির্দেশ করে।
B) ১২০১-১৩৫০ খ্রি. — এটি মধ্যযুগের শুধু অন্ধকার যুগের বা প্রারম্ভিক সময়ের অংশ।
D) ১৫০১-১৯০০ খ্রি. — এটি মধ্যযুগের সম্পূর্ণ সঠিক সময়সীমা নয় কারণ ১৮০১ সাল থেকে আধুনিক যুগ শুরু হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগ মনে রাখার সহজ উপায় হলো সেন আমলের সূচনা ১২০১ সাল থেকে ব্রিটিশ শাসনের সূচনা ১৮০০ সাল পর্যন্ত। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ মানেই পদাবলী ও মঙ্গলকাব্যের সময়কাল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রাচীন যুগ ৬৫০ থেকে ১২০০ এবং আধুনিক যুগ ১৮০১ থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত বিস্তৃত।
সঠিক উত্তর: D) বচন
১. কেন সঠিক:
খনার খ্যাতির মূল কারণ হলো তার প্রাজ্ঞ ও অভিজ্ঞতাপূর্ণ বচন বা প্রবাদ, যা কৃষি, আবহাওয়া ও সমাজজীবন সম্পর্কিত।
তার এই উপদেশমূলক কথাগুলো শতাব্দী ধরে বাঙালি সমাজে গ্রামীণ সংস্কৃতির অংশ হিসেবে মুখে মুখে প্রচলিত রয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সংমিশ্রণে খনার বচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান দখল করে আছে।
খনা ছিলেন কিংবদন্তিতুল্য এক জ্যোতির্বিদ ও নারী মনীষী, যাঁর বচনগুলো প্রধানত কৃষি ও আবহাওয়ার পূর্বাভাসের ওপর ভিত্তি করে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বর্ষার দিনে ধান রোপণ এবং খনার বচন অনুযায়ী চাষাবাদের নিয়ম অনুসরণ করা।
ব্যাখ্যা: এই উদাহরণটি খনার বচনের কৃষিকেন্দ্রিক উপযোগিতা ও বাস্তব জ্ঞানকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: ডাক ও খনার বচন সংকলন।
ব্যাখ্যা: এই সংকলনগুলো গ্রামীণ বাংলার লোকসাহিত্য এবং আবহাওয়া বিজ্ঞান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ধারণা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধাঁধাঁ — ধাঁধাঁ হলো বুদ্ধিমত্তা পরীক্ষার চতুর প্রশ্ন, যা খনার খ্যাতির মূল ভিত্তি নয়।
B) ছড়া — ছড়া মূলত লয় ও ছন্দের কবিতা, যদিও খনার বচনে ছন্দ থাকে কিন্তু মূল পরিচিতি বচন হিসেবেই।
C) শ্লোক — শ্লোক সাধারণত ধর্মীয় বা সংস্কৃত রচনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা খনার গ্রামীণ প্রবচনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) বচন — এই অপশনটি সঠিক কারণ খনার উপদেশমূলক ও লোকায়ত বাণীগুলো বচন নামেই সর্বাধিক পরিচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
খনা মানেই কৃষিকাজের কথা এবং খনার মুখনিঃসৃত বাণী মানেই বচন।
কৃষি ও আবহাওয়া সম্পর্কিত উপদেশ পেলে চোখ বন্ধ করে বচন উত্তর নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খনার বচন সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে তা সাধারণত লোকসাহিত্য বা প্রবাদ-প্রবচনের অংশ হিসেবে গণ্য হয়।
এই ধরনের প্রশ্নে অপশনে বচন না থাকলে প্রবচন উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) শশ + অঙ্ক
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুযায়ী শশ যোগ অঙ্ক মিলে শশাঙ্ক শব্দ গঠিত হয়। এখানে প্রথম পদের শেষে অ এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে অ যুক্ত হয়ে আ কার হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। অ কার কিংবা আ কারের পর অ কার কিংবা আ কার থাকলে উভয়ে মিলে আ কার হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম যোগ আলয় সমান হিমালয়।
ব্যাখ্যা: এখানে অ কারের পর আ কার যুক্ত হয়ে আ কার হয়েছে।
উদাহরণ ২: মহা যোগ আশয় সমান মহাশয়।
ব্যাখ্যা: এখানে আ কারের পর আ কার যুক্ত হয়ে আ কার হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শশ + অঙ্ক — সঠিক উত্তর।
B) শস + অঙ্ক — প্রথম অংশে বানান ভুল আছে কারণ শশ শব্দের বানানে তালব্য শ ব্যবহৃত হয়।
C) শশা + অঙ্ক — শশা কোনো মূল ব্যাকরণগত শব্দ নয় তাই এই বিচ্ছেদ সঠিক নয়।
D) শসা + অঙ্ক — শসা একটি ফলবাচক শব্দ এবং এর বানান সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শব্দের মূল রূপ ঠিক রাখতে হয়। শশাঙ্ক শব্দের ক্ষেত্রে শশ এবং অঙ্ক অংশ দুটি মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরসন্ধির এই নিয়ম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই নম্বর পাওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) ইবলিশ
১. কেন সঠিক:
- ইবলিশ নাটকটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়, এটি মূলত সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি প্রতিবাদী নাটক।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত নাটকগুলোকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য হিসেবে গণ্য করা হয়, যার মধ্যে ইবলিশ নাটকটি পড়ে না।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ইবলিশ নাটকটির রচয়িতা নাট্যকার কবীর চৌধুরী বা সমসাময়িক অন্য কেউ নন, এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমির বাইরে একটি স্বতন্ত্র সৃষ্টি।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটকে সাধারণত ১৯৭১ সালের রণাঙ্গন, পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও বাঙালির বীরত্ব ফুটে ওঠে যা এই নাটকে অনুপস্থিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য।
উদাহরণ ২: নরকে লাল গোলাপ
ব্যাখ্যা: এটি আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যনাট্য।
B) নরকে লাল গোলাপ — এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি জনপ্রিয় নাটক।
C) বর্ণচোরা — এটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটকের অন্তর্ভুক্ত এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি প্রায়ই আসে।
D) ইবলিশ — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক নয় বিধায় এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক মনে রাখার জন্য সৈয়দ শামসুল হক ও আলাউদ্দিন আল আজাদের বিখ্যাত নাটকগুলোর নাম আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে পারো।
- যে নাটকে ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সরাসরি বা পরোক্ষ আবহ নেই, তা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক, উপন্যাস ও চলচ্চিত্রের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- নাট্যকার ও রচনার বিষয়বস্তু ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) প্রাপকের এলাকা
১. কেন সঠিক:
- পোস্টাল কোড বা জিপ কোড হলো কোনো নির্দিষ্ট এলাকার ডাকঘর বা অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত সংখ্যাবিন্যাস।
- এটি চিঠি বা পার্সেল প্রেরণের সময় প্রাপকের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান বা এলাকা দ্রুত শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
২. ব্যাকরণ বা প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা:
- এটি কোনো ব্যাকরণগত প্রশ্ন নয়, বরং প্রমিত সাধারণ জ্ঞান ও ব্যবহারিক তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন।
- ডাক বিভাগের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি অঞ্চলের জন্য একটি নির্দিষ্ট পোস্টাল কোড থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা ১০০০
ব্যাখ্যা: এটি ঢাকা জিপিও বা প্রধান ডাকঘর এলাকার পোস্টাল কোড নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: রাজশাহী ৬০০০
ব্যাখ্যা: এটি রাজশাহী প্রধান ডাকঘর ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার পোস্টাল কোড নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাপকের এলাকা — এটি সঠিক কারণ পোস্টাল কোড মূলত প্রাপকের সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান বোঝায়।
B) ডাক বিভাগের নাম — এটি ভুল কারণ পোস্টাল কোড কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নাম নির্দেশ করে না।
C) পোস্ট অফিসের নাম — এটি ভুল কারণ পোস্ট অফিসের নাম সরাসরি শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ পায়, নির্দিষ্ট কোডের মাধ্যমে এলাকা বোঝানো হয়।
D) প্রেরকের এলাকা — এটি ভুল কারণ ডাক ঠিকানায় প্রেরকের নিজস্ব এলাকার কোড নয়, বরং যার কাছে পাঠানো হচ্ছে তার এলাকা চিহ্নিত করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চিঠি পাঠানোর সময় প্রাপক যেখানে থাকে, ঠিক তার এলাকার পরিচিতি নিশ্চিত করতে পোস্টাল কোড ব্যবহার করা হয়।
- কোড দেখলে বোঝা যায় চিঠিটি দেশের কোন অঞ্চলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রশাসনিক ও সেবামূলক বিভিন্ন কোড সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বাংলাদেশের প্রথম দুই বা চার অঙ্কের পোস্টাল কোড বিভিন্ন অঞ্চলের ডাকঘরকে সুনির্দিষ্ট করে।
সঠিক উত্তর: B) to give up
কেন সঠিক:
- Advise verb টির পরে Object থাকলে সাধারণত Infinitive (to + verb) বসে।
- এখানে me একটি Object থাকার কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে to give up ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) giving up — Advise এর পরে সরাসরি Gerund বসে না যদি মাঝে Object থাকে।
B) to give up — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) in giving up — Advise এর পরে in preposition বসে নিয়ম অনুযায়ী ভুল হয়।
D) from giving up — Advise এর পরে from বসে না, এটি prevent বা stop verb এর সাথে বসে।
মনে রাখার টিপস:
Advise verb এর পরে Object থাকলে সবসময় to + verb বসবে।
সঠিক উত্তর: C) thoroughly
কেন সঠিক:
- 'Out and Out' একটি প্রবাদপ্রতিম ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ বাইরে এবং বাইরে হলেও এটি মূলত কোনো গুণের পূর্ণ প্রকাশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি বাংলা ভাষায় পুরোপুরি, সম্পূর্ণভাবে বা আদ্যোপান্ত অর্থে ব্যবহৃত হয় যা 'thoroughly' শব্দের সমার্থক।
- ইংরেজিতে এর সমার্থক শব্দ হলো completely বা entirely।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) not at all — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ মোটেও না, যা সম্পূর্ণ বিপরীত একটি ভাব প্রকাশ করে।
B) brave — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সাহসী, যা এই বাগধারার প্রকৃত ব্যাখ্যার সাথে মিলে না।
C) thoroughly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) whole heartedly — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ আন্তরিকভাবে, কিন্তু 'Out and Out' কেবল মন নয় বরং সামগ্রিক দিক বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
'Out and Out' মানে বাইরে থেকে ভেতর পর্যন্ত সব দিক দিয়ে সম্পূর্ণ, যা 'thoroughly' বা পুরোপুরি শব্দের সাথে মিল রাখে।
সঠিক উত্তর: A) realised
কেন সঠিক:
বাক্যে It is time বা It is high time থাকলে এর পরের অংশে সাবজেক্ট এবং ভার্বের পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
এই নিয়ম অনুযায়ী এখানে মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে।
তাই সঠিক উত্তর হলো realised।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) realised — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) had realised — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় এখানে নিয়ম অনুযায়ী বসে না।
C) realise — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম হওয়ায় It is time এর নিয়মের সাথে মেলে না।
D) have realised — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় এই শূন্যস্থানে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে It is time বা It is high time দেখলে চোখ বন্ধ করে ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: A) required number
কেন সঠিক:
কোরাম হলো কোনো সভা বা বৈঠকে আইনগতভাবে কার্য পরিচালনার জন্য উপস্থিত থাকতে হয় এমন সর্বনিম্ন সদস্য সংখ্যা।
এটি সভার বৈধতা নিশ্চিত করতে অপরিহার্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) required number — এটি সঠিক কারণ কোরাম মানেই সভার কাজ চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট সংখ্যক উপস্থিতি।
B) allowed number — এটি ভুল কারণ অনুমোদিত সংখ্যা বলতে কোনো নির্দিষ্ট সীমাকে বোঝায় কিন্তু কোরাম বাধ্যতামূলক ন্যূনতম সংখ্যা।
C) number — এটি ভুল কারণ এটি যেকোনো সাধারণ সংখ্যাকে বোঝায় যা কোরামের সুনির্দিষ্ট আইনি অর্থ প্রকাশ করে না।
D) additional number — এটি ভুল কারণ অতিরিক্ত সংখ্যা বলতে বোঝায় যা প্রয়োজন মিটিয়ে আরও বেশি, কিন্তু কোরাম হলো মূলত মূল ন্যূনতম চাহিদা।
মনে রাখার টিপস:
কোরাম শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি মিটিং চালানোর জন্য বাধ্যতামূলক প্রয়োজনীয় সদস্য সংখ্যা।
সঠিক উত্তর: B) I were a magician
কেন সঠিক:
বাক্যে অসম্ভব কল্পনা বা অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে 'I wish' এর পরে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম হিসেবে 'were' বসে।
এখানে বক্তা জাদুকর হতে চাওয়ার একটি কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশ করছেন যা বাস্তবে সম্ভব নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I am a magician — 'I wish' এর পরে প্রেজেন্ট টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব 'am' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) I were a magician — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না।
C) I had been a magician — অতীতের কোনো অপূর্ণ ইচ্ছা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়, তবে বর্তমানের কাল্পনিক ইচ্ছার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
D) I will be a magician — ভবিষ্যতের কোনো সম্ভাবনা বোঝাতে ফিউচার টেন্স ব্যবহার করা হয়, যা 'I wish' এর নিয়মের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
অবাস্তব ইচ্ছা বোঝাতে 'I wish' এর পরে সবসময় 'were' বসবে।
সঠিক উত্তর: C) William Shakespare
কেন সঠিক:
উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা বিশ্ববিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটকের নাম হ্যামলেট।
এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম সেরা নাটক হিসেবে সর্বমহলে স্বীকৃত।
এটি ১৬০০ সালের দিকে রচিত হয়েছিল।
এটি প্রিন্স হ্যামলেটের প্রতিশোধের গল্প নিয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Christopher Marlowe — তিনি এলিজাবেথান যুগের একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও হ্যামলেট লেখেননি। তিনি ডক্টর ফাউস্টাস নাটকের জন্য বিখ্যাত।
B) William Congreve — তিনি রিস্টোরেশন যুগের একজন বিখ্যাত কমেডি নাট্যকার ছিলেন। হ্যামলেট নাটকের সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) William Shakespare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
D) John Webster — তিনি জ্যাকোবিয়ান যুগের একজন রক্তক্ষয়ী নাটক রচয়িতা ছিলেন। হ্যামলেট নাটকটি তাঁর লেখা নয়।
মনে রাখার টিপস:
শেক্সপিয়ারের সেরা ট্র্যাজেডি নাটক মনে রাখতে হ্যামলেট নামটির সাথে তাঁর নাম মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।
সঠিক উত্তর: C) is
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট দূরত্ব, পরিমাপ বা পরিমাণ বুঝাতে সাবজেক্ট দেখতে বহুবচন হলেও ভার্ব সবসময় একবচন হয়।
এখানে ফাইভ মাইলস একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বোঝানো হয়েছে তাই এর পরে একবচন ভার্ব বসে।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে is ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি বহুবচন ভার্ব যা নির্দিষ্ট দূরত্বের একবচন সাবজেক্টের সাথে বসে না।
B) were — এটি অতীতকালের বহুবচন ভার্ব যা এই বাক্যের নিয়মের সাথে মেলে না।
C) is — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি এখানে প্রযোজ্য।
D) have — এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি সাহাস্যকারী ভার্ব যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
টাকা, সময় এবং দূরات এক সাথে বোঝালে সাবজেক্ট দেখতে প্লুরাল হলেও ভার্ব সবসময় সিঙ্গুলার হয়।
সঠিক উত্তর: B) to give up
কেন সঠিক:
- Advise verb-টির পর সরাসরি object থাকলে এরপর infinitive অর্থাৎ to + verb ব্যবহৃত হয়।
- ধূমপান বর্জন করার অর্থে give up একটি phrasal verb, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) giving — Advise-এর পর object থাকলে gerund ব্যবহার করা নিয়মবিরুদ্ধ।
B) to give up — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) in giving up — Advise verb-এর পর preposition in বসে না।
D) from giving up — এই বাক্যের গঠনে from preposition-এর ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Advise-এর পর object থাকলে to এবং infinitive বসে, আর object না থাকলে gerund বসে।
সঠিক উত্তর: A) cut down
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যটির অর্থ হলো তুরজো একটি কুঠার দিয়ে গাছটি কেটে ফেলেছিল। কোনো গাছ বা লম্বা কিছু কেটে ফেলে মাটিতে ফেলে দেওয়ার ক্ষেত্রে ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে cut down ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cut down — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
B) cut off — এর অর্থ বিচ্ছিন্ন করা বা কেটে আলাদা করা, যা গাছের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ কেটে ফেলার অর্থ প্রকাশ করে না।
C) cut out — এর অর্থ কোনো কিছু কেটে বাদ দেওয়া বা বাদ রাখা, যা গাছের ক্ষেত্রে খাটে না।
D) cut in — এর অর্থ কথার মাঝে বাধা দেওয়া বা হুট করে সামনে চলে আসা, যার সাথে গাছের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
গাছ কেটে নিচে ফেলে দেওয়া বোঝালে সবসময় cut down ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) listening
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে fond of একটি prepositional phrase রয়েছে যার নিয়ম অনুযায়ী এর পরে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে listening।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) listen — এটি verb এর base form হওয়ায় preposition এর পরে বসা grammatically ভুল।
B) listens — এটি singular subject এর জন্য present tense এ ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) listening — এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
D) listend — এটি একটি ভুল বানান এবং এর কোনো সঠিক grammatical রূপ নেই।
মনে রাখার টিপস:
preposition এর পরে সবসময় verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Though he is strong, he is lazy.
কেন সঠিক:
ইংরেজি grammar এর নিয়ম অনুযায়ী Though বা Although এর পর কখনো but বসে না। এর পরিবর্তে শুধু একটি কমা (,) ব্যবহার করলেই দুটি বিপরীত ভাবের clause যুক্ত করা সম্পূর্ণ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Thoough he is strong but he is lazy — এখানে বানান ভুল আছে এবং Though এর সাথে but ব্যবহার করার কারণে এটি redundant বা অতিরিক্ত শব্দের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।
C) Though he is strong, yet he is lazy — যদিও আধুনিক ইংরেজিতে Though এর সাথে sometimes yet ব্যবহার করা হয়, তবে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী Though এর সাথে শুধু কমা ব্যবহার করাই সবচেয়ে নির্ভুল।
D) Though he is strong or he is lazy — এখানে conjunction হিসেবে or ব্যবহার করা হয়েছে যা দুটি বিপরীতার্থক বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে Though বা Although থাকলে মাঝখানে কিন্তু বোঝাতে কখনো but বসাবে না, শুধু একটি কমা (,) ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) religious
কেন সঠিক:
Procession শব্দটির সাধারণ অর্থ হলো শোভাযাত্রা বা মিছিল। তবে সাহিত্য বা বিশেষ পরিভাষায় এটি মূলত ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এটি বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে সৃষ্টিকর্তার স্মরণে বা প্রার্থনার জন্য আয়োজিত হয়।
তাই পরিভাষা হিসেবে এটি ধর্মীয় ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত।
এটি সাধারণত পবিত্রতা ও উপাসনার সাথে জড়িত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mythological — এটি পৌরাণিক বা কাল্পনিক কোনো বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) religious — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) political — এটি কোনো রাজনৈতিক দল বা আন্দোলনের শোডাউন নয়।
D) banking — এটি কোনো আর্থিক লেনদেন বা ব্যাংকিং খাতের শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মিছিল বা শোভাযাত্রা যখন কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে করা হয়, তখন তাকে ধর্মীয় পরিভাষায় Procession বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) for
কেন সঠিক:
Aspire for phrase টি কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা ক্যারিয়ার অর্জনের তীব্র আকাঙ্ক্ষাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
এখানে বৈজ্ঞানিক ক্যারিয়ার গড়ার আকাক্ষা প্রকাশ পাওয়ায় সঠিক preposition হিসেবে for ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — Aspire এর পর সাধারণত to বসেনা কারণ এটি লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) for — এটি সঠিক উত্তর এবং লক্ষ্য অর্জনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করতে এই preposition ই ব্যবহার করা হয়।
C) from — উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে from ব্যবহৃত হয় যা এখানে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
D) by — মাধ্যম বা উপায় বোঝাতে by ব্যবহৃত হয় যা আকাঙ্ক্ষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিশেষ লক্ষ্য বা ক্যারিয়ার অর্জনের তীব্র ইচ্ছা প্রকাশ করতে aspire শব্দের পরে ہمیشہ for preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) the tems being exchanged
কেন সঠিক:
'Vice-versa' একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ হলো পদ বা অবস্থার পারস্পরিক পরিবর্তন ঘটা।
অর্থাৎ, আগের বক্তব্যটি উল্টো দিক থেকেও সত্য অর্থাৎ পক্ষদ্বয় নিজেদের অবস্থান বদল করেছে।
সহজ কথায় একে বিপরীতভাবে বা উল্টোভাবে বোঝানো যায়।
এটি মূলত দুটি বিষয়ের পারস্পরিক স্থান বিনিময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for example — এই অপশনটি ভুল কারণ 'for example' অর্থ উদাহরণস্বরূপ, যা দিয়ে কোনো বিষয়ের দৃষ্টান্ত বোঝানো হয়।
B) face to face — এই অপশনটি ভুল কারণ 'face to face' অর্থ সামনাসামনি বা মুখোমুখি অবস্থান বোঝায়।
C) namely — এই অপশনটি ভুল কারণ 'namely' অর্থ বিশেষ করে বা অর্থাৎ, যা কোনো নির্দিষ্ট নাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে অপর কোনো ভুল অপশন নেই।
মনে রাখার টিপস:
'Vice-versa' শব্দটিকে উল্টো করে বা বিপরীতভাবে চিন্তা করলেই বোঝা যায় যে এখানে পদ বা বিষয়গুলোর পারস্পরিক পরিবর্তন বা বিনিময় ঘটেছে।
সঠিক উত্তর: A) Team : Player
কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে একটি সমজাতীয় শব্দজোড় বা অ্যানালজি চাওয়া হয়েছে যেখানে প্রথম অংশটি সমষ্টি এবং দ্বিতীয় অংশটি তার একটি একক উপাদান নির্দেশ করে।
- একটি দল বা টিম গঠিত হয় অনেকগুলো খেলোয়াড় বা প্লেয়ার নিয়ে, ঠিক যেমন অনেকগুলো ছাত্র বা স্টুডেন্ট মিলে একটি ক্লাস গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Team : Player — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সমষ্টি এবং উপাদানের সম্পর্ক প্রকাশ পেয়েছে।
B) Meeting : Teacher — মিটিং গঠিত হয় বিভিন্ন ব্যক্তির সমন্বয়ে, যেখানে শিক্ষক একটি পেশা এবং এটি সরাসরি সমষ্টির একক নয়।
C) Common : Ordinary — এই শব্দ দুটি সমার্থক বা সিনোনিম, যা মূল প্রশ্নের কাঠামোর সাথে মেলে না।
D) Bird : Beast — এই শব্দ দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি প্রাণী শ্রেণীকে নির্দেশ করে, যা সমষ্টি ও উপাদানের সম্পর্ক নয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দজোড়ের প্রশ্ন সমাধানের সময় মূল শব্দের সম্পর্কটি সমষ্টিবাচক না সমার্থক তা আগে ভালো করে মিলিয়ে নেবে।
সঠিক উত্তর: A) Well
কেন সঠিক:
'Baddy' শব্দটি সাধারণত কোনো গল্পের মন্দ চরিত্র বা খারাপ মানুষকে বোঝাতে অনানুষ্ঠানিক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'Well' বা ভালো অবস্থা বোঝানো হয়।
এটি নেতিবাচক শব্দের বিপরীতে ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।
ইংরেজি ব্যাকরণে শব্দের ভাবের মিল রেখে এটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Well — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে এখানে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) Evil — এটি 'Baddy' শব্দের সমার্থক শব্দ, তাই বিপরীত শব্দ হতে পারে না।
C) Satanic — এটিও একটি নেতিবাচক শব্দ যা শয়তানে রূপ বোঝায় এবং সমার্থক।
D) Goody — এটি ভালো মানুষ বোঝায় কিন্তু 'Well' এখানে মূল উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
মনে রাখার টিপস:
খারাপ বা মন্দ চরিত্রের ইংরেজি 'baddy' হলে তার বিপরীত ভালো অর্থ মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) This is a fact.
কেন সঠিক:
- Fact একটি কাউন্টেবল বা গণনাযোগ্য নাউন, যার পূর্বে নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট আর্টিকেল বসতে পারে।
- এই বাক্যে একটি সাধারণ সত্য বা বাস্তবতাকে বোঝাতে Fact নাউনের পূর্বে indefinite article A ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) This is a true. — True শব্দ হলো একটি adjective, যার পূর্বে আর্টিকেল বসলেও সরাসরি adjective একা noun ছাড়া বসতে পারে না।
B) This is true fact. — Fact একটি noun এবং True আরেকটি adjective, তাই এখানে 'true fact' বলা বাহুল্য বা Redundancy দোষে দুষ্ট।
C) This is fact. — Fact একটি singular countable noun হওয়ায় এর পূর্বে অবশ্যই একটি article (a/an/the) বসাতে হবে।
D) This is a fact. — এটি সঠিক অপশন কারণ নিয়মানুযায়ী countable noun-এর পূর্বে সঠিক আর্টিকেল ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Singular countable noun হিসেবে Fact-এর পূর্বে সবসময় A ব্যবহৃত হয়, কিন্তু শুধু True (adjective) একা noun ছাড়া বসে না।
সঠিক উত্তর: B) She said to me, "Stand up".
কেন সঠিক:
Imperative sentence-কে Direct speech-এ রূপান্তর করার সময় রিপোর্টিং ভার্ব হিসেবে said to এবং রিপোর্টেড স্পিচে সরাসরি মূল ভার্ব বসে।
এখানে 'told me'-কে পরিবর্তন করে 'said to me' করা হয়েছে এবং বাক্যের মূল ভাব ঠিক রাখা হয়েছে।
Direct speech-এ কোনো conjunction বসে না, তাই এখানে দাড়ি বা কমার পরে সরাসরি মূল ভার্ব বসানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She said, "Do stand" — এই অপশনে বক্তার সাথে কার উদ্দেশ্যে কথা বলা হয়েছে (object) তা উল্লেখ করা হয়নি।
C) She told, "Stand up" — told-এর পরে কোনো object (যেমন: me) না থাকায় এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) She said me, "Stand up" — said-এর পরে সরাসরি object বসতে পারে না, সঠিক নিয়ম হলো said to me লেখা।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-এ indirect থেকে direct করার সময় told-কে পরিবর্তন করে said to করতে হয় এবং object বাদ দেওয়া যায় না।
সঠিক উত্তর: D) King Oedipus
কেন সঠিক:
- উক্তিটি গ্রীক নাট্যকার সোফোকলিসের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি কিং ইডিপাস নাটকের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ।
- এই বাক্যের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে জ্ঞান যখন মানুষের জন্য কোনো কল্যাণ বয়ে আনে না, তখন জ্ঞানী হওয়া এক প্রকার কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) King Lear — এটি উইলিয়াম শেকসপিয়ারের একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি, যা পারিবারিক বিয়োগান্তক সম্পর্কের ওপর রচিত এবং এই নাটকের সংলাপ নয়।
B) Dr. Faustus — এটি ক্রিস্টোফার মার্লোর একটি রনেসাঁস যুগের বিখ্যাত নাটক, যার মূল বিষয়বস্তু জ্ঞান অর্জনের জন্য আত্মার সঙ্গে চুক্তি।
C) Sons and Lovers — এটি ডি এইচ লরেন্সের একটি বিখ্যাত আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, কোনো নাটক বা এর সংলাপ নয়।
D) King Oedipus — এটি সোফোকলিসের বিখ্যাত গ্রীক ট্র্যাজেডি এবং এই নাটকেই প্রদত্ত উক্তিটি পাওয়া যায়।
মনে রাখার টিপস:
ইডিপাস নাটকে অতিরিক্ত জ্ঞান ও সত্য উদ্ঘাটনই নায়কের জন্য কষ্টের কারণ হয়েছিল, তাই জ্ঞান ও কষ্টের কথা থাকলে কিং ইডিপাস উত্তর হবে।
সঠিক উত্তর: C) ২৪০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬
সংখ্যা দুটির গসাগু ৮
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ × ক
সংখ্যা দুটির গসাগু = ক
অতএব,
ক = ৮
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৮ = ৪০
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ × ৮ = ৪৮
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির লসাগু = (প্রথম সংখ্যা × দ্বিতীয় সংখ্যা) ÷ গসাগু
উত্তর: (৪০ × ৪৮) ÷ ৮ = ২৪০
সঠিক উত্তর: B) অতিভুজ
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ সমকোণ
ত্রিভুজের অপর দুটি কোণ সূক্ষ্মকোণ
ধরি,
সমকোণের বিপরীত বাহু হলো অতিভুজ
অন্য দুটি বাহু হলো ভূমি এবং লম্ব
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণটি সবচেয়ে বড় কোণ
ত্রিভুজের বৃহত্তম কোণের বিপরীত বাহুই বৃহত্তম হয়
সুতরাং,
সমকোণের বিপরীত বাহু হওয়ায় অতিভুজই ত্রিভুজের সবচেয়ে বড় বাহু
উত্তর: অতিভুজ
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৯ এর পাওয়ার x + ২ সমান ৮১
ধরি,
সমীকরণের বামপক্ষ হলো নয় এর পাওয়ার x + ২
সমীকরণের ডানপক্ষ হলো একাশী
অতএব,
ডানপক্ষের একাশী সংখ্যাটিকে লেখা যায় নয় এর পাওয়ার দুই
সুতরাং সমীকরণটি দাঁড়ায় নয় এর পাওয়ার x + ২ সমান নয় এর পাওয়ার দুই
সুতরাং,
উভয় পক্ষের ভিত্তি সমান হওয়ায় সূচকগুলো সমান হবে
অর্থাৎ x + ২ সমান দুই
উত্তর: x সমান শূন্য
সঠিক উত্তর: B) ২
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো f(x) = x^4 − ৩x − ২
ভাজক রাশিটি হলো x + ১
ধরি,
ভাগশেষ উপপাদ্য অনুসারে, x + ১ = ০
অর্থাৎ x = − ১
এখন এই মান বহুপদী রাশিতে বসাতে হবে
অতএব,
f(− ১) = (− ১)^৪ − ৩(− ১) − ২
হিসাব করে পাই, f(− ১) = ১ + ৩ − ২
সব মান যোগ ও বিয়োগ করে পাই, f(− ১) = ৪ − ২
সুতরাং,
নির্ণেয় ভাগশেষ = ২
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: A) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ৩
দ্বিতীয় সংখ্যা = ৯
তৃতীয় সংখ্যা = ৪
ধরি,
চতুর্থ সমানুপাতিক = ক
অতএব,
প্রথম সংখ্যা অনুপাত দ্বিতীয় সংখ্যা = তৃতীয় সংখ্যা অনুপাত চতুর্থ সমানুপাতিক
৩ অনুপাত ৯ = ৪ অনুপাত ক
সুতরাং,
৩ ÷ ৯ = ৪ ÷ ক
৩ × ক = ৯ × ৪
উত্তর: ক = ১২
সঠিক উত্তর: B) ১২০
প্রদত্ত তথ্য:
কোনো একটি অজ্ঞাত সংখ্যার সত্তর শতাংশ হলো নব্বই
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি হলো ক
অতএব,
ক এর সত্তর শতাংশ = নব্বই
সুতরাং,
ক গুণ (সত্তর ভাগ একশত) = নব্বই
উত্তর: ক = (নব্বই গুণ একশত) ভাগ সত্তর = একশত বিশ
সঠিক উত্তর: D) ৫ জন
প্রদত্ত তথ্য:
কমলার সংখ্যা = ১২৫টি
কলার সংখ্যা = ১৪৫টি
ধরি,
নির্ণেয় লোকসংখ্যা হলো ১২৫ এবং ১৪৫ এর সাধারণ গুণনীয়ক
অতএব,
১২৫ এর উৎপাদকসমূহ হলো ১, ৫, ২৫, ১২৫
১৪৫ এর উৎপাদকসমূহ হলো ১, ৫, ২৯, ১৪৫
সুতরাং,
১২৫ এবং ১৪৫ এর গসাগু হলো ৫
উত্তর: ৫ জন
সঠিক উত্তর: D) ২৫, ১৩
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অন্তর বা বিয়োগফল বারো
বড় সংখ্যার সঙ্গে এক যোগ করলে ছোটটির দ্বিগুণ হয়
ধরি,
বড় সংখ্যাটি = ক
ছোট সংখ্যাটি = খ
অতএব,
প্রথম শর্তানুসারে, ক − খ = ১২
দ্বিতীয় শর্তানুসারে, ক + ১ = ২ × খ
সুতরাং,
ক = ১২ + খ
১২ + খ + ১ = ২ × খ
উত্তর: খ = ১৩ এবং ক = ২৫
সঠিক উত্তর: B) ২৬, ২৭
প্রদত্ত তথ্য:
পরপর দুটি পূর্ণ সংখ্যার বর্গের পার্থক্য = ৫৩
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি = ক
বড় সংখ্যাটি = ক + ১
অতএব,
শর্তমতে, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ৫৩
(ক + ২ক + ১) − ক = ৫৩
২ক + ১ = ৫৩
সুতরাং,
২ক = ৫৩ − ১
২ক = ৫২
ক = ২৬
উত্তর: সংখ্যা দুটি হলো ২৬ এবং ২৭
সঠিক উত্তর: B) বগুড়া
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর অধীনে মশলা গবেষণা কেন্দ্রটি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপযোগী মশলাজাতীয় ফসলের উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির প্রসারে এই কেন্দ্র কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খুলনা — এটি দক্ষিণ অঞ্চলের একটি বিভাগীয় শহর, যেখানে মশলা গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত নয়।
B) বগুড়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানেই প্রধান মশলা গবেষণা কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
C) রাজশাহী — এটি উত্তরবঙ্গের একটি বিভাগীয় শহর, তবে এখানে প্রধান মশলা গবেষণা কেন্দ্র নেই।
D) রাজবাড়ী — এটি ঢাকা বিভাগের একটি জেলা, যেখানে এই গবেষণা কেন্দ্রটি অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মশলার রাজা বগুড়া, শিবগঞ্জে যার ঠিকানা জোড়া।
সঠিক উত্তর: B) উত্তর অঞ্চল
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ভূমি তুলনামূলকভাবে উঁচুতে অবস্থিত এবং এটি বরেন্দ্রভূমি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এ অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত নদীর অববাহিকাগুলো পলি জমে উর্বর হলেও সামগ্রিক ভূমির ঢাল উত্তর থেকে দক্ষিণের দিকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দক্ষিণ অঞ্চল — এটি মূলত সমতল ও সমুদ্র উপকূলবর্তী নিচু এলাকা, যা সুন্দরবন ও বদ্বীপ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
B) উত্তর অঞ্চল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
C) পূর্ব অঞ্চল — এটি মূলত পাহাড়ি অঞ্চল ও উপত্যকা নিয়ে গঠিত, যা সামগ্রিক ভূমি উঁচুর সাধারণ ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিলে না।
D) পশ্চিম অঞ্চল — এটি গাঙ্গেয় সমভূমি ও নিম্নাঞ্চল নিয়ে গঠিত, যা উত্তর অঞ্চলের মতো এত উঁচুতে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের মানচিত্রে ওপরের দিক অর্থাৎ উত্তর দিক মানেই উঁচু ভূমি বা বরেন্দ্রভূমি।
সঠিক উত্তর: C) সিয়েরা লিওন
কেন সঠিক:
- সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলাকে তাদের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশি সেনাদের অবদানের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিশর — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ, তবে এখানে বাংলাকে কোনো বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়নি।
B) লাইবেরিয়া — এটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ এবং এর একমাত্র দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজি, বাংলা নয়।
C) সিয়েরা লিওন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এখানে বাংলাকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
D) আইভরিকোস্ট — এটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ এবং এর প্রধান ভাষা ফরাসি, বাংলা নয়।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার যে দেশে শান্তি বজায় রাখতে গিয়ে আমাদের সেনারা অবদান রেখেছিল, সেই সিয়েরা লিওন বাংলাকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) নভেম্বর
কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী প্রতি চার বছর অন্তর নভেম্বর মাসের প্রথম সোমবারের পরের মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০১৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনটি ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেপ্টেম্বর — এই মাসে মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের কোনো সাংবিধানিক বিধান বা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় না।
B) অক্টোবর — এই মাসে মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ভোটগ্রহণ হয় না, যদিও প্রচারণা চলে।
C) নভেম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
D) ডিসেম্বর — এই মাসে সাধারণ জনগণ ভোট দেয় না, বরং ইলেকটোরাল কলেজ তাদের ভোট প্রদান করে।
মনে রাখার টিপস:
মার্কিন নির্বাচন মানেই মনে রাখবে নভেম্বর মাস, কারণ প্রতি চার বছর পর এই মাসেই ভোট হয়।
সঠিক উত্তর: B) হামিদ আনসারী
কেন সঠিক:
- মোহাম্মদ হামিদ আনসারী ভারতের দ্বাদশ উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তিনি ভারতের ইতিহাসে দীর্ঘমেয়াদি উপরাষ্ট্রপতিদের একজন হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবুল কালাম — ইনি ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী এবং বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ছিলেন, উপরাষ্ট্রপতি নন।
B) হামিদ আনসারী — ইনি ভারতের সঠিক উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন।
C) ফারুক আব্দুল্লাহ — ইনি জম্মু ও কাশ্মীরের প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং সাবেক মুখ্যমন্ত্রী।
D) জাকির হোসেন — ইনি ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন, তবে এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট মেয়াদের সাথে সংশ্লিষ্ট নন।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের মুসলিম উপরাষ্ট্রপতিদের মধ্যে হামিদ আনসারী টানা দুই মেয়াদ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) বুধ
কেন সঠিক:
- সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে বুধ সৌরজগতের প্রথম এবং সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ।
- এর কক্ষপথ সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি হওয়ায় এটি সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম ও দ্রুততম গ্রহ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পৃথিবী — পৃথিবী সূর্য থেকে তৃতীয় স্থানে অবস্থিত এবং এটি সূর্যের নিকটতম গ্রহ নয়।
B) মঙ্গল — মঙ্গল গ্রহ সূর্য থেকে চতুর্থ স্থানে অবস্থিত, তাই এটি নিকটতম গ্রহ হতে পারে না।
C) বুধ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছে অবস্থিত।
D) শুক্র — শুক্র গ্রহ সূর্য থেকে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থিত এবং এটি পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ, সূর্যের নয়।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ হলো বুধ, এভাবে মনে রাখুন যে সূর্যের আলো সবার আগে বুধে পড়ে।
সঠিক উত্তর: B) কুয়েত
কেন সঠিক:
- কুয়েত একটি স্বাধীন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ এবং এর প্রশাসনিক রাজধানী ও বৃহত্তম শহরের নামও কুয়েত সিটি।
- অনেক দেশের রাজধানী ভিন্ন নামে হলেও কুয়েতের ক্ষেত্রে দেশের নাম এবং রাজধানীর নাম একই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবুধাবী — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী, কুয়েতের নয়।
B) কুয়েত — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং দেশটির রাজধানীর নাম।
C) দুবাই — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি বিখ্যাত শহর ও আমিরাত, কিন্তু রাজধানী নয়।
D) রিয়াদ — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের রাজধানী, কুয়েতের নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব দেশের নাম ও রাজধানী একই রকম, কুয়েত তাদের মধ্যে অন্যতম। দেশের নাম কুয়েত হলে রাজধানীর নামও কুয়েত সিটি বা কুয়েত।
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা ILO এর প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই শহরটি সংস্থাটির প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ইউনেস্কো এবং ওইসিডির সদর দপ্তর, আইএলও এর নয়।
B) জেনেভা — এটি আইএলও এর সঠিক সদর দপ্তর এবং এখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও অবস্থিত।
C) লন্ডন — এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার সদর দপ্তর, আইএলও এর নয়।
D) রোম — এটি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সদর দপ্তর, আইএলও এর নয়।
মনে রাখার টিপস:
শ্রমিকরা সাধারণত জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে জেনেভায় কাজ করতে যায়, এভাবে আইএলও এর সদর দপ্তর জেনেভায় অবস্থিত তা মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) রিংগিত
কেন সঠিক:
- রিংগিত হলো মালয়েশিয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত এবং প্রচলিত জাতীয় মুদ্রা।
- এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক লেনদেনের একক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাথ — এটি থাইল্যান্ডের প্রচলিত মুদ্রা, মালয়েশিয়ার নয়।
B) রিংগিত — এটি সঠিক উত্তর এবং মালয়েশিয়ার মুদ্রার নাম।
সি) ইয়েন — এটি জাপানের আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচলিত মুদ্রা।
ডি) দিনার — এটি কুয়েত ও জর্ডানসহ কয়েকটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশের মুদ্রা।
মনে রাখার টিপস:
মালয়েশিয়ার মুদ্রার নাম মনে রাখতে 'মালয়েশিয়ার রিংগিত' শব্দজোড়টি বারবার চর্চা করতে পারো।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়। শ্রীলংকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনূরা কুমার দিশানায়েকা। তবে প্রশ্নটিতে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে তৎকালীন সময়ের বিচারে মাইথ্রিপালা সিরিসেনা সঠিক ছিলেন।
কেন সঠিক:
- মাইথ্রিপালা সিরিসেনা ২০১৫ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত শ্রীলংকার ষষ্ঠ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে তিনিই সঠিক উত্তর ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রেমাদাসা — রানাসিংহে প্রেমাদাসা শ্রীলংকার তৃতীয় প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং তিনি ১৯৯৩ সালে নিহত হন।
B) মাহিন্দ রাজাপাকসে — তিনি শ্রীলংকার ষষ্ঠ প্রেসিডেন্ট ছিলেন যিনি ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
C) সিরিসেনা — মাইথ্রিপালা সিরিসেনা ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
D) বন্দরনায়েক — শ্রীমাভো বন্দরনায়েক বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কিন্তু তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
সিরিসেনা ২০১৫ সালে শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) ভারতে
কেন সঠিক:
- ২০১৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতাটি ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই টুর্নামেন্টে ফাইন্যান্স ম্যাচে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীলংকায় — এই দেশটি এই নির্দিষ্ট সংস্করণের আয়োজক ছিল না, তবে অতীতে ২০১২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল।
B) ভারতে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতের বিভিন্ন স্টেডিয়ামে সফলভাবে আয়োজিত হয়েছিল।
C) বাংলাদেশে — বাংলাদেশ ২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সফল আয়োজক ছিল, ২০১৬ সালের নয়।
D) অস্ট্রেলিয়াতে — অস্ট্রেলিয়া পরবর্তীতে ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজন করেছিল, ২০১৬ সালের সংস্করণের জন্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৬ সালে খেলা দিতে ভারত গেল টি-টোয়েন্টি খেলতে।
সঠিক উত্তর: C) ভারত
কেন সঠিক:
- ২০১৬ সালের এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ফাইনালে বাংলাদেশ দলকে পরাজিত করে ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
- এই টুর্নামেন্টে ভারত অপরাজিত থেকে শিরোপা অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ ফাইনালে ভারতের কাছে পরাজিত হয়ে রানার্সআপ হয়েছিল।
B) পাকিস্তান — পাকিস্তান ফাইনালে উঠতে পারেনি এবং গ্রুপ পর্বে ভারতের কাছে হেরেছিল।
D) শ্র্রীলংকা — শ্রীলংকা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল এবং ফাইনালে খেলতে পারেনি।
মনে রাখার টিপস:
২০১৬ টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপে বাংলাদেশ ফাইনালে উঠলেও ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছিল ভারত।
সঠিক উত্তর: C) ভ্যাটিকান সিটি
কেন সঠিক:
- ভ্যাটিকান সিটি পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র যার আয়তন মাত্র ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার।
- এটি ইতালির রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত এনক্লেভ বা ছিটমহল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালদ্বীপ — এটি এশিয়ার একটি ছোট দ্বীপরাষ্ট্র হলেও এর আয়তন ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে অনেক বড়।
B) পাপুয়া নিউগিনি — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দেশ এবং এর আয়তন ও জনসংখ্যা বেশ বড়।
D) কুয়েত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি তেলসমৃদ্ধ দেশ এবং ভ্যাটিকান সিটির তুলনায় এর আয়তন অনেক বেশি।
মনে রাখার টিপস:
ভ্যাটিকান সিটির প্রথম অক্ষর ভ দিয়ে শুরু, যা ছোট দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট বা ভিন্ন প্রকৃতির।
সঠিক উত্তর: B) ব্রাসেলস
কেন সঠিক:
- ব্রাসেলস হলো বেলজিয়ামের রাজধানী এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান নীতিনির্ধারক ও নির্বাহী প্রতিষ্ঠানগুলো এই শহরেই অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর নয়।
B) ব্রাসেলস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মূল কার্যালয় এখানেই অবস্থিত।
C) বন — এটি জার্মানির একটি ঐতিহাসিক শহর, যা পূর্বে পশ্চিম জার্মানির রাজধানী ছিল।
D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোসহ অন্যান্য সংস্থার সদর দপ্তর হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের শক্তি ইইউ, এর রাজধানী ব্রাসেলস ছুঁ।
বিষয় ও ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: C) বায়ুপ্রবাহ
কেন সঠিক:
- বায়ুপ্রবাহ বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা, চাপ ও আর্দ্রতা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে দ্রুত ছড়িয়ে দেয়।
- বাতাসের গতিপ্রকৃতির পরিবর্তনের ফলেই মূলত আবহাওয়ার অবস্থা পরিবর্তিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৃষ্টি — এটি আবহাওয়ার একটি উপাদান বা ফলাফল, আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রধান নিয়ন্ত্রক বা কারণ নয়।
B) কুয়াশা — এটি জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হওয়ার একটি রূপমাত্র, যা আবহাওয়ার সামগ্রিক পরিবর্তন ঘটায় না।
C) বায়ুপ্রবাহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রধান কারণ।
D) মেঘ — এটি আকাশে জলীয় বাষ্প জমার ফল, যা আবহাওয়াকে প্রভাবিত করলেও প্রধান পরিবর্তন ঘটায় না।
মনে রাখার টিপস:
আবহাওয়া পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হলো বাতাস, তাই বাতাস বা বায়ুপ্রবাহই সঠিক উত্তর।
সঠিক উত্তর: B) নীল ও সাদা
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের পতাকার পটভূমি হালকা নীল রঙের এবং মাঝখানে বিশ্ব মানচিত্রের প্রতীকটি সাদা রঙের।
- এই দুটি রঙের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি এবং শান্তির প্রতীক হিসেবে জলপাই পাতার ধারণাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল ও লাল — এই দুটি রঙের সমন্বয়ে জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক পতাকা তৈরি করা হয়নি।
B) নীল ও সাদা — এটি জাতিসংঘের পতাকার নির্ধারিত সঠিক রঙের বিন্যাস।
সি) লাল ও সাদা — এই রঙের কোনো পতাকা জাতিসংঘের লোগো বা পতাকায় ব্যবহৃত হয় না।
ডি) সবুজ ও সাদা — এই রঙের বিন্যাস জাতিসংঘ পতাকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
আকাশের নীল রঙের ওপর শান্তির সাদা প্রতীক, এই দুই রঙে জাতিসংঘের পতাকা গঠিত।
সঠিক উত্তর: D) আগারগাঁও
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত এবং এটি ২০১৭ সালের ১৭ নভেম্বর বর্তমান নতুন ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
- এর আগে এটি সেগুনবাগিচায় অবস্থিত ছিল, যা ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিরপুর — এটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অবস্থান নয়, বরং এখানে জাতীয় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ অবস্থিত।
B) শাহবাগ — এটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অবস্থান নয়, এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী একটি ঐতিহাসিক এলাকা।
C) সেগুনবাগিচা — এটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের পূর্বের অবস্থান ছিল, বর্তমান অবস্থান নয়।
D) আগারগাঁও — এটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের বর্তমান সঠিক অবস্থান।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর দেখতে বর্তমান ঠিকানা 'আগারগাঁও' মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) মৈত্রী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত সহজ করতে ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে চালুকৃত প্রথম আন্তর্জাতিক ট্রেনটির নাম মৈত্রী এক্সপ্রেস।
- ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন থেকে এই ট্রেন সার্ভিস আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বন্ধু — এটি কোনো ট্রেন সার্ভিসের নাম নয়, এটি কেবল একটি সাধারণ শব্দ।
B) একতা — এটি বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা ও দিনাজপুরের মধ্যে চলাচলকারী একটি আন্তঃনগর ট্রেনের নাম।
C) মৈত্রী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক ট্রেনের নাম।
D) পদ্মা — এটি ঢাকা ও রাজশাহীর মধ্যে চলাচলকারী বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি জনপ্রিয় আন্তঃনগর ট্রেনের নাম।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বের প্রতীক হলো মৈত্রী, তাই ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক ট্রেনের নাম মৈত্রী এক্সপ্রেস।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি মনোনীত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে বন্দि থাকায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি প্রবাসী সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, তবে অনুপস্থিত থাকায় অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেননি।
B) মাওলানা ভাষানী — তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন কোনো পদে ছিলেন না, তবে প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।
C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়, কারণ প্রকৃত অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
D) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রপতি অনুপস্থিত থাকলে উপরাষ্ট্রপতি দায়িত্ব নেন, তাই সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) ১১টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ভৌগোলিক সুবিধা ও সামরিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- সেক্টরগুলোর বাইরে সমগ্র দেশকে নির্দিষ্ট কিছু সাব-সেক্টর এবং ৬৪টি বিশেষ সাব-সেক্টরেও ভাগ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯টি — ৯টি সেক্টর সঠিক নয়, কারণ ১১ জুলাই ১৯৭১ এ এম এ জি ওসমানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমান্ডার সম্মেলনে সেক্টর সংখ্যা ১১টি নির্ধারিত হয়।
B) ১০টি — ১০ নম্বর সেক্টরটি নৌবাহিনীর জন্য গঠিত হলেও স্থলভাগের জন্য আরও সেক্টর ছিল, ফলে মোট সেক্টর সংখ্যা ১০টি ছিল না।
সি) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ১২টি — ১২টি সেক্টর ছিল না, কারণ দেশ ১১টি সেক্টরে বিভক্ত ছিল এবং ১০ নম্বর সেক্টর ছিল নৌ সেক্টর যার কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বা ১১ জন খেলোয়াড়ের একটি ক্রিকেট দলের মতো আমাদের সেক্টর সংখ্যা ছিল ১১টি।
সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আটচল্লিশ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হলেন সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
- যুদ্ধ বা শান্তি ঘোষণা এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সকল রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রপতির কর্তৃত্বে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেনাবাহিনী প্রধান — তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান কিন্তু সমগ্র সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ প্রধান নন।
B) প্রতিরক্ষামন্ত্রী — সাধারণ অর্থে প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করলেও তিনি সর্বাধিনায়ক নহেন।
C) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান এবং নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী হলেও সাংবিধানিকভাবে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক নহেন।
D) রাষ্ট্রপতি — তিনি সাংবিধানিকভাবে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং এই উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্র প্রধান অর্থ রাষ্ট্রপতি, আর তিনিই হলেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান।
সঠিক উত্তর: D) শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে থেকে বাঙালি জাতির পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এ. কে. ফজলুল হক — তিনি কৃষক প্রজাপার্টি ও যুক্তফ্রন্টের নেতা ছিলেন এবং ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের সাথে যুক্ত ছিলেন, ছয় দফা ঘোষণার সাথে নয়।
B) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রধান মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের অন্যতম শীর্ষ নেতা ছিলেন, তবে ১৯৬৬ সালের ছয় দফা তিনি ঘোষণা করেননি।
C) মাওলানা ভাসানী — তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, কিন্তু ছয় দফা কর্মসূচির প্রবক্তা বা ঘোষণাকারী তিনি নন।
D) শেখ মুজিবুর রহমান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তিনিই ১৯৬৬ সালে ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফা মানেই মুক্তির সনদ এবং এর সাথে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম সরাসরি জড়িত।
সঠিক উত্তর: A) শশাঙ্ক
কেন সঠিক:
- রাজা শশাঙ্ক ছিলেন প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম নরপতি।
- তিনি সপ্তম শতাব্দীতে গৌড় অঞ্চলের শাসনভার গ্রহণ করে স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শশাঙ্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজা হিসেবে স্বীকৃত।
B) গোপাল — তিনি বাংলার প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাজা এবং পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা, প্রথম রাজা নন।
C) লক্ষ্মণ সেন — তিনি সেন রাজবংশের অন্যতম শেষ রাজা ছিলেন, প্রথম রাজা নন।
D) ধর্মপাল — তিনি পাল রাজবংশের দ্বিতীয় ও শ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন, প্রথম রাজা নন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীন বাংলার সূর্য ওঠার প্রথম নামটি হলো শশাঙ্ক।
সঠিক উত্তর: A) বুড়িগঙ্গা
কেন সঠিক:
- বাকল্যান্ড বাঁধ তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনামলে ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নির্মিত হয়েছিল।
- নদী ভাঙন থেকে ঢাকাকে রক্ষা এবং নদীর তীর সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এই বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুড়িগঙ্গা — এই নদীর তীরেই ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধ নির্মিত হয়েছিল।
B) হোয়াংহো — এটি চীনের একটি নদী, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) শীতলক্ষ্যা — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি নদী, যেখানে বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত নয়।
D) সিন্ধু — এটি পাকিস্তান ও ভারতের একটি প্রধান নদী, যা ঢাকার ভৌগোলিক সীমানার বাইরে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বুড়িগঙ্গা নদীর তীরেই বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) চাকমা
কেন সঠিক:
- চাকমা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা এবং নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে, যা তাদের সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- তাদের বর্ণমালাকে 'ওজ পাঠ' বা 'আফপাঠ' বলা হয় এবং এটি বর্মী লিপির সাথে মিলযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাকমা — নিজস্ব বর্ণমালা ও ভাষা থাকার কারণে এটি সঠিক উত্তর।
B) রাখাইন — রাখাইন সম্প্রদায়ের নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালা থাকলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চাকমাদের বর্ণমালা সংক্রান্ত প্রশ্নটিতে এটি সঠিক নয়।
C) মণিপুরী — মণিপুরী সম্প্রদায়ের নিজস্ব ভাষা ও লিপি থাকলেও চাকমাদের মতো বিশেষভাবে এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে এটি নির্ধারিত নয়।
D) সাঁওতাল — সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষা 'সাঁওতালি' এবং নিজস্ব লিপি 'অলচিকি' রয়েছে, তবে প্রশ্নটি চাকমাদের বর্ণমালার বিশেষত্বের সাথে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
বর্ণমালা আছে এমন প্রধান ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মনে রাখতে চাকমা নামটি প্রথমে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) অক্সালিক এসিড
কেন সঠিক:
- টমেটোতে প্রাকৃতিকভাবে অক্সালিক এসিড থাকে যা এর টক স্বাদের জন্য দায়ী।
- পালং শাক ও কচু শাকেও অক্সালিক এসিড প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এসিটিক এসিড — এটি প্রধানত ভিনেগারে থাকে এবং টমেটোতে থাকে না।
B) অক্সালিক এসিড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি টমেটোতে প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত থাকে।
C) ম্যালিক এসিড — এটি প্রধানত আপেলে থাকে এবং টমেটোর প্রধান এসিড নয়।
D) সাইট্রিক এসিড — এটি পাতিলেবু এবং কমলালেবুতে থাকে, টমেটোতে মূল এসিড অক্সালিক এসিড।
মনে রাখার টিপস:
টমেটোতে থাকে অক্সালিক এসিড, আর পাতিলেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড।
সঠিক উত্তর: B) কেমোথেরাপি
কেন সঠিক:
- এটি এমন একটি চিকিৎসাপদ্ধতি যেখানে শক্তিশালী ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস বা তাদের বৃদ্ধি রোধ করা হয়।
- এটি অস্ত্রোপচার ও রেডিওথেরাপির পাশাপাশি ক্যান্সার চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত একটি প্রধান পদ্ধতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এমআরআই — এটি একটি ইমেজিং বা রোগ নির্ণয় পদ্ধতি, যার মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গের বিস্তারিত ছবি দেখা হয় কিন্তু এটি চিকিৎসা নয়।
B) কেমোথেরাপি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি ক্যান্সার চিকিৎসায় ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) এনজিওগ্রাফি — এটি রক্তনালীর ব্লক বা সমস্যা নির্ণয় করার জন্য ব্যবহৃত একটি পরীক্ষা, ক্যান্সার চিকিৎসা নয়।
D) আলট্রাসনোগ্রাফি — এটি শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে শরীরের ভেতরের বিভিন্ন অঙ্গ পরীক্ষা করার একটি ইমেজিং পদ্ধতি।
মনে রাখার টিপস:
ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায় কেমোথেরাপির মাধ্যমে ওষুধ ব্যবহার করে সরাসরি ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) H2N1
১. কেন সঠিক:
- সোয়ানফ্লু একটি ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগ যা ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের নির্দিষ্ট স্ট্রেইন দ্বারা ছড়ায়।
- এই ভাইরাসের গায়ে হিমোগ্লুটিনিন এবং নিউরামিনাইডেস নামক দুটি প্রোটিন থাকে যার ধরন অনুযায়ী এর নাম নির্ধারিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস মূলত একটি আরএনএ ভাইরাস যা মিউটেশনের মাধ্যমে দ্রুত রূপ বদলায়।
- কার্যপ্রণালি: ভাইরাসের ওপরের তলে থাকা হিমোগ্লুটিনিন কোষের সাথে যুক্ত হয় এবং নিউরামিনাইডেস নতুন ভাইরাস ছড়াতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২০০৯ সালের সোয়ানফ্লু মহামারী
ব্যাখ্যা: এই মহামারীটি ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল।
উদাহরণ ২: সাধারণ ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জা
ব্যাখ্যা: এটিও বিভিন্ন স্ট্রেইনের ভাইরাসের মাধ্যমে মানবদেহের শ্বাসতন্ত্রকে আক্রমণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) H2N1 — প্রশ্নপত্রে সি অপশন হিসেবে এটি সঠিক উত্তর হলেও মূল টাইপিং বা অপশন বিন্যাসে এটি পুনরাবৃত্ত হয়েছে।
B) N2H1 — এই বিন্যাসে প্রোটিনের নাম ও সংখ্যা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক ক্রমে নেই।
C) H2N1 — এটি সোয়ানফ্লু ভাইরাসের সঠিক স্ট্রেইন নির্দেশ করে যা পরীক্ষিত ও প্রমাণিত।
D) HN — এটি অত্যন্ত অসম্পূর্ণ একটি নাম কারণ এখানে হিমোগ্লুটিনিন ও নিউরামিনাইডেসের নির্দিষ্ট উপপ্রজাতির সংখ্যা উল্লেখ নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সোয়ানফ্লু মনে রাখতে এইচ এবং এন অক্ষরের সাথে দুই ও এক সংখ্যা দুটি মনে রাখবে।
- ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের ক্ষেত্রে প্রথমে এইচ এবং পরে এন বসে তা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সোয়ানফ্লু ভাইরাসের দাপ্তরিক নাম এইচ ওয়ান এন ওয়ান হলেও বিভিন্ন অঞ্চলের রূপভেদে অন্য স্ট্রেইনও দেখা যায়।
- এই ধরনের প্রশ্নে ভাইরাসের নাম এবং প্রোটিনের ধরন প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) আর্গন
১. কেন সঠিক:
- টিউব লাইটে সাধারণত আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয় কারণ এটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস যা ফিলামেন্টের আয়ু বাড়ায়।
- আর্গন গ্যাস বাল্বের ভেতরের টাংস্টেন ফিলামেন্টকে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে এবং আলোর কার্যকারিতা ঠিক রাখে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: নিষ্ক্রিয় গ্যাস এমন একটি মৌল যা সাধারণ তাপমাত্রায় অন্য পদার্থের সঙ্গে সহজে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না।
- কার্যপ্রণালি: টিউব লাইটের ভেতরে অল্প পরিমাণে পারদ বাষ্পের সঙ্গে আর্গন গ্যাস মিশিয়ে রাখা হয় যা বিদ্যুৎ প্রবাহে আয়নিত হয়ে আলো তৈরি করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: গৃহস্থালী ও অফিস আদালতে ব্যবহৃত সাধারণ টিউব লাইট এবং এনার্জি সেভিং বাল্বে এই পদ্ধতি কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘরের সিলিংয়ে ঝোলানো সাধারণ টিউব লাইট।
ব্যাখ্যা: এর ভেতরে থাকা আর্গন ও পারদ বাষ্প বিদ্যুৎ চালিত হয়ে চারদিকে উজ্জ্বল আলো ছড়ায়।
উদাহরণ ২: বিজ্ঞাপনের রঙিন নিয়ন সাইনবোর্ড বা ডিসপ্লে লাইট।
ব্যাখ্যা: সেখানেও বিভিন্ন নিষ্ক্রিয় গ্যাস ব্যবহার করে নির্দিষ্ট রঙের আলো তৈরি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন — হাইড্রোজেন একটি অত্যন্ত দাহ্য গ্যাস হওয়ায় এটি টিউব লাইটে ব্যবহার করলে আগুন ধরে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
B) আর্গন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি নিরাপদ ও অতেজস্ক্রিয় নিষ্ক্রিয় গ্যাস।
C) নিয়ন — এটি মূলত রঙিন বিজ্ঞাপনের সাইনবোর্ড তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, সাধারণ টিউব লাইটে এর ব্যবহার সীমিত।
D) নাইট্রোজেন — প্রদত্ত উত্তর ভুল ছিল, কারণ নাইট্রোজেন পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় নয় এবং উচ্চ তাপমাত্রায় টাংস্টেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- টিউব লাইটে সবসময় নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা নোবেল গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
- আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, তাই টিউব লাইটের সুরক্ষায় আর্গন নামটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- টিউব লাইটের ভেতরে পারদ বাষ্প এবং নিষ্ক্রিয় গ্যাস যেমন আর্গন বা ক্রিপ্টন ব্যবহার করা হয়।
- পরীক্ষামুখী প্রশ্নে প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় বাল্ব বা টিউব লাইটের ভেতরে কোন নিষ্ক্রিয় গ্যাস থাকে।
সঠিক উত্তর:
C) চুম্বক হিসেবে
১. কেন সঠিক:
- ক্যাসেটের ফিতা বা ম্যাগনেটিক টেপে তথ্য বা শব্দ সংরক্ষণের জন্য চুম্বকত্ব বা ম্যাগনেটিজম প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- ফিতাটির ওপর চুম্বকীয় পদার্থের একটি প্রলেপ থাকে যা শব্দ তরঙ্গকে চুম্বক ক্ষেত্রে রূপান্তর করে সংরক্ষণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ম্যাগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস হলো এমন একটি মাধ্যম যা ডেটা সংরক্ষণের জন্য চুম্বকীয় ক্ষেত্র ব্যবহার করে।
- কার্যপদ্ধতি: রেকর্ড করার সময় বৈদ্যুতিক সংকেতকে চুম্বক ক্ষেত্রে রূপান্তর করে ফিতার ওপর স্থায়ীভাবে দাগ কেটে ডেটা লেখা হয়।
- ব্যবহার: পুরোনো দিনের অডিও ক্যাসেট, ভিডিও ক্যাসেট এবং কম্পিউটারের ব্যাকআপ হিসেবে ম্যাগনেটিক টেপ বহুল ব্যবহৃত হতো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যাসেট প্লেয়ার বা টেপ রেকর্ডার
ব্যাখ্যা: অডিও ক্যাসেটের ভেতর থাকা চুম্বকীয় ফিতা ঘুরিয়ে স্পিকারের মাধ্যমে গান বা শব্দ বাজানো হয়।
উদাহরণ ২: ফ্লপি ডিস্ক বা হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
ব্যাখ্যা: এগুলোতেও চুম্বকীয় প্রলেপযুক্ত প্লেট ব্যবহার করে ডেটা বা ফাইল সংরক্ষণ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে — বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র মূলত ফ্ল্যাশ মেমোরি বা ক্যাপাসিটরে ব্যবহৃত হয়, ক্যাসেটের ফিতায় স্থায়ী শব্দ সংরক্ষণের জন্য এটি উপযুক্ত নয়।
B) মেমোরিচিপ হিসেবে — মেমোরি চিপ হলো অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর ভিত্তিক যা র্যাম বা রম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, চৌম্বকীয় ফিতায় চিপ থাকে না।
D) কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে — কার্বন ক্ষেত্র শব্দ সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় না, এটি মূলত কিছু বিশেষ ধরনের মাইক্রোফোনে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্যাসেট বা টেপ দেখলে সবসময় চুম্বক বা ম্যাগনেটিক ক্ষেত্র কথাটি মনে রাখবে।
- ম্যাগনেটিক টেপ হলো সিকোয়েন্সিয়াল অ্যাক্সেস মেমোরির একটি ধ্রুপদী উদাহরণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্টোরেজ ডিভাইসের ধরন এবং প্রাবল্য নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ম্যাগনেটিক স্টোরেজের মূল ভিত্তি হলো চুম্বকত্বের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি।
সঠিক উত্তর:
B) ইন্টারনেট
১. কেন সঠিক:
ইন্টারনেট হলো সারা পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি বৈশ্বিক মহাসংযোগ ব্যবস্থা।
এটি বিভিন্ন ছোট ও বড় নেটওয়ার্ককে একত্রিত করে একটি কেন্দ্রীয় কাঠামো তৈরি করে বলে একে সকল নেটওয়ার্কের জননী বা নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক বলা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ইন্টারনেট হলো প্রোটোকল সুইটের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি বিশাল পরিকাঠামো।
কার্যপদ্ধতি: এটি প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির মাধ্যমে টিসিপি এবং আইপি প্রোটোকল ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা আদান-প্রদান করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার কোনো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা।
ব্যাখ্যা: গ্লোবাল ইন্টারনেটের মাধ্যমে সাবমেরিন ক্যাবল বা স্যাটেলাইটের সাহায্যে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত হয়ে আমরা তথ্য আদান-প্রদান করি।
উদাহরণ ২: ইমেল পাঠানো বা অনলাইন মিটিং করা।
ব্যাখ্যা: ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে ভিন্ন নেটওয়ার্কে থাকা ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করা সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ই-মেইল — এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদানের একটি বিশেষ সেবা মাত্র, কোনো নেটওয়ার্কের ভিত্তি বা জননী নয়।
C) মোবাইল — এটি একটি তারহীন যোগাযোগের যন্ত্র বা প্রযুক্তি, যা নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে কিন্তু নেটওয়ার্কের জননী নয়।
D) টেলিফোন — এটি মূলত ভয়েস যোগাযোগের একটি ঐতিহ্যবাহী মাধ্যম, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের পূর্বসূরি হলেও ইন্টারনেটের সমতুল্য বা নেটওয়ার্কের জননী নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইন্টারনেট শব্দটি ইন্টারকানেক্টেড নেটওয়ার্ক থেকে এসেছে।
সকল নেটওয়ার্কের মূল বা জননী হিসেবে ইন্টারনেটকে মনে রাখতে এর গ্লোবাল বা বিশ্বজনীন রূপটি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইন্টারনেটের জনক ভিনসেন্ট কার্ফ এবং বব কান।
এআরপানেট হলো ইতিহাসের প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যার ওপর ভিত্তি করে আধুনিক ইন্টারনেট গড়ে উঠেছে।
সঠিক উত্তর:
A) random access memory
১. কেন সঠিক:
- RAM-এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory, যা কম্পিউটারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাইমারি বা প্রধান মেমোরি।
- একে র্যান্ডম এক্সেস বলার কারণ হলো প্রসেসর এই মেমোরির যেকোনো লোকেশন বা ঠিকানায় সরাসরি এবং সমান সময়ে ডেটা পড়তে বা লিখতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: RAM হলো কম্পিউটারের এমন একটি উদ্বায়ী বা ভোলাটাইল মেমোরি, যেখানে কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় বর্তমান কাজের ডেটা এবং নির্দেশাবলী সাময়িকভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু করার পর অপারেটিং সিস্টেম ও চলমান সফটওয়্যার হার্ডডিস্ক বা এসএসডি থেকে র্যামে লোড হয় এবং প্রসেসর দ্রুত সেখান থেকে ডেটা নিয়ে কাজ করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলে র্যামে থাকা সমস্ত ডেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়।
- ব্যবহার: স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইসে প্রসেসর ও স্টোরেজের মধ্যে গতির ব্যবধান কমানোর জন্য র্যাম ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লেখার প্যাড বা ব্ল্যাকবোর্ড
ব্যাখ্যা: শিক্ষক ক্লাসে ব্ল্যাকবোর্ডে যা লেখেন তা সাময়িক থাকে এবং কাজ শেষে মুছে ফেলা হয়, ঠিক তেমনি র্যাম বর্তমান কাজের ডেটা সাময়িকভাবে ধরে রাখে।
উদাহরণ ২: কম্পিউটারের গেম খেলা
ব্যাখ্যা: ভারী কোনো ভিডিও গেম খেলার সময় কম্পিউটারের র্যাম গেমের প্রয়োজনীয় ডেটা দ্রুত প্রসেসরকে সরবরাহ করে যাতে গেমটি মসৃণভাবে চলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) random access memory — এটি সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ রূপ।
B) read and memorize — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং কোনো মেমোরির প্রযুক্তিগত নাম নয়।
C) reading and money — এটি বাস্তবসম্মত কোনো প্রযুক্তিগত পরিভাষা নয় এবং এর সঙ্গে মেমোরির কোনো সম্পর্ক নেই।
D) real African monkey — এটি একটি হাস্যকর ও অবাস্তব অপশন যা কোনো কম্পিউটার প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- RAM শব্দের পূর্ণরূপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো র্যান্ডম মানে এলোমেলো বা যেকোনো স্থান থেকে, অ্যাক্সেস মানে প্রবেশ করা এবং মেমোরি মানে স্মৃতি।
- মনে রাখবেন র্যাম হলো কম্পিউটারের তাৎক্ষণিক কাজের টেবিল, টেবিল বড় হলে যেমন একসাথে অনেক কাজ করা যায়, র্যাম বেশি হলে কম্পিউটার তেমনি দ্রুত চলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- র্যাম এক ধরণের ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি, অন্যদিকে আরওএম বা রম হলো নন-ভোলাটাইল বা স্থায়ী মেমোরি।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই RAM ও ROM-এর পূর্ণরূপ এবং তাদের কাজের পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) প্রাপকের এলাকা
১. কেন সঠিক:
- পোস্টাল কোড বা জিপ কোড হলো কোনো নির্দিষ্ট এলাকার ডাকঘর বা অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত সংখ্যাবিন্যাস।
- এটি চিঠি বা পার্সেল প্রেরণের সময় প্রাপকের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান বা এলাকা দ্রুত শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
২. ব্যাকরণ বা প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা:
- এটি কোনো ব্যাকরণগত প্রশ্ন নয়, বরং প্রমিত সাধারণ জ্ঞান ও ব্যবহারিক তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন।
- ডাক বিভাগের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি অঞ্চলের জন্য একটি নির্দিষ্ট পোস্টাল কোড থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা ১০০০
ব্যাখ্যা: এটি ঢাকা জিপিও বা প্রধান ডাকঘর এলাকার পোস্টাল কোড নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: রাজশাহী ৬০০০
ব্যাখ্যা: এটি রাজশাহী প্রধান ডাকঘর ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার পোস্টাল কোড নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাপকের এলাকা — এটি সঠিক কারণ পোস্টাল কোড মূলত প্রাপকের সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান বোঝায়।
B) ডাক বিভাগের নাম — এটি ভুল কারণ পোস্টাল কোড কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নাম নির্দেশ করে না।
C) পোস্ট অফিসের নাম — এটি ভুল কারণ পোস্ট অফিসের নাম সরাসরি শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ পায়, নির্দিষ্ট কোডের মাধ্যমে এলাকা বোঝানো হয়।
D) প্রেরকের এলাকা — এটি ভুল কারণ ডাক ঠিকানায় প্রেরকের নিজস্ব এলাকার কোড নয়, বরং যার কাছে পাঠানো হচ্ছে তার এলাকা চিহ্নিত করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চিঠি পাঠানোর সময় প্রাপক যেখানে থাকে, ঠিক তার এলাকার পরিচিতি নিশ্চিত করতে পোস্টাল কোড ব্যবহার করা হয়।
- কোড দেখলে বোঝা যায় চিঠিটি দেশের কোন অঞ্চলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রশাসনিক ও সেবামূলক বিভিন্ন কোড সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বাংলাদেশের প্রথম দুই বা চার অঙ্কের পোস্টাল কোড বিভিন্ন অঞ্চলের ডাকঘরকে সুনির্দিষ্ট করে।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
মৃত্যুক্ষুধা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
এই উপন্যাসে লেখক সমাজের নিম্নবিত্ত মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং ক্ষুধার কষ্ট অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও বিদ্রোহী সাহিত্যিক।
তার রচিত মৃত্যুক্ষুধা একটি কালজয়ী উপন্যাস যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩০ সালে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঁধন হারা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম প্রকাশিত পত্রোপন্যাস।
উদাহরণ ২: কুহেলিকা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত রাজনৈতিক পটভূমির ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে পদ্মানদীর মাঝি ও পুতুলনাচের ইতিকথা উল্লেখযোগ্য, মৃত্যুক্ষুধা নয়।
B) শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে শ্রীকান্ত ও দেবদাস উল্লেখযোগ্য, মৃত্যুক্ষুধা নয়।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসটি কাজী নজরুল ইসলামেরই রচনা।
D) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী — সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রায় নন্দিনী ও তারাবাঈ উল্লেখযোগ্য, মৃত্যুক্ষুধা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের প্রধান তিনটি উপন্যাস হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা।
নামগুলো একসঙ্গে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত ঔপন্যাসিকদের উপন্যাসের নাম জানতে চাওয়া হয়।
নজরুলের উপন্যাসের সংখ্যা কম হওয়ায় এগুলো আলাদা করে মনে রাখা খুব সহজ।
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত উপসর্গ
১. কেন সঠিক:
প্র এবং পরা উভয়ই সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ যা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
এই উপসর্গগুলো সাধারণত সংস্কৃত ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন না ঘটে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে সেগুলোকে সংস্কৃত উপসর্গ বলে।
বাংলা ব্যাকরণে সংস্কৃত উপসাগরের সংখ্যা মোট কুড়িটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রহার
ব্যাখ্যা: এখানে প্র উপসর্গটি হারের পূর্বে বসে আঘাত করা অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: পরাজয়
ব্যাখ্যা: এখানে পরা উপসর্গটি জয়ের পূর্বে বসে বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত উপসর্গ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ প্র ও পরা এই শ্রেণিভুক্ত।
B) বাংলা উপসর্গ — এটি ভুল কারণ বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি এবং এর তালিকা আলাদা।
C) বিদেশী উপসর্গ — এটি ভুল কারণ বিদেশী উপসর্গ আরবি ফারসি বা ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে।
D) খাঁটি বাংলা উপসর্গ — এটি ভুল কারণ খাঁটি বাংলা ও বাংলা উপসর্গ একই অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর মধ্যে প্র বা পরা নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি মনে রাখার একটি বিখ্যাত ছন্দ হলো প্র পরা অপ সম নি অব অনু নির দূর বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি অপি সু অভি।
পরীক্ষায় উপসর্গ চেনার জন্য বাংলা ও সংস্কৃত উপসাগরের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা সবচেয়ে ভালো উপায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই কুড়িটি সংস্কৃত ও একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
কোন শব্দে কোন উপসর্গ যুক্ত হয়েছে তা বোঝার জন্য শব্দের মূল ধাতু বা প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয় করা শিখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রথম চৌধুরী
কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক প্রথম চৌধুরী তাঁর গদ্য রচনায় বীরবল ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
তিনি চলিত রীতির প্রবক্তা এবং সবুজ পত্র পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে এই ছদ্মনামে বহুমুখী প্রবন্ধ লিখেছেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যে লেখকরা অনেক সময় নিজেদের আসল নাম গোপন করে অন্য নামে লেখা প্রকাশ করতেন যা ছদ্মনাম নামে পরিচিত।
প্রথম চৌধুরীর পৈতৃক বাড়ি সিরাজগঞ্জ হলেও তিনি বাংলা গদ্যে কথ্য ভাষার রূপ প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই ছদ্মনাম বেছে নেন।
তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলনের মধ্যে বীরবলের হালখাতা অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভানুসিংহের পদাবলী লেখার সময় ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনাম ব্যবহার করেছিলেন।
B) প্রথম চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বীরবল ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করতেন।
C) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় মূলত বনফুল ছদ্মনামে তাঁর ছোটগল্প ও উপন্যাস লিখেছেন।
D) সমরেশ বসু — সমরেশ বসু কালকূট ও ভ্রমর ছদ্মনামে তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসসমূহ রচনা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
সবুজ পাতার বীর পুরুষ প্রথম চৌধুরী মনে রাখলে ছদ্মনামটি সহজে মনে রাখা সম্ভব।
সবুজ পত্র পত্রিকার সাথে যুক্ত বীরবল আসলে প্রথম চৌধুরীর অন্য রূপ।
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- সঞ্চিতা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতার একটি সংকলন।
- ১৯২৮ সালে প্রকাশিত এই কাব্য সংকলনটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রলয় উল্লাসের অগ্নিকবি হিসেবে পরিচিত।
- সঞ্চিতা গ্রন্থে তাঁর অনেক বিখ্যাত ও বিদ্রোহী কবিতা স্থান পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সঞ্চয়ন
ব্যাখ্যা: সঞ্চয়ন হলো কবি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত গানের সংকলন।
উদাহরণ ২: বুলবুল
ব্যাখ্যা: বুলবুল হলো কাজী নজরুল ইসলামের গজল ও গানের একটি বিখ্যাত সংকলন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্য সংকলনের নাম সঞ্চয়িতা, যা সঞ্চিতা নয়।
C) জীবনানন্দ দাশ — জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম বনলতা সেন ও রূপসী বাংলা।
D) জসীমউদদীন — জসীমউদদিনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম নকশী কাথার মাঠ ও সোজন বাঢিয়ার ঘাট।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের 'ন' দিয়ে সঞ্চিতা এবং রবীন্দ্রনাথে 'তা' যুক্ত হয়ে সঞ্চয়িতা হয়েছে, এটি মনে রাখলে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সঞ্চিতা (নজরুল) ও সঞ্চয়িতা (রবীন্দ্রনাথ) নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) ব্যয়কুণ্ঠ
১. কেন সঠিক:
- 'ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করেন যিনি' বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ব্যয়কুণ্ঠ। এখানে ব্যয় শব্দের অর্থ খরচ করা এবং কুণ্ঠাবোধ করার অর্থ সংকোচ বা দ্বিধা থাকা।
- প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার জন্য এককথায় প্রকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় যেখানে শব্দার্থের সঠিক প্রয়োগ জানা জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অংশ। বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দ বা পদে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলা হয়।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা সহজে জয় করা যায় না - দুর্জেয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্য সংকোচনটিতে সহজে জয় করা যায় না এমন অবস্থাকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: অহংকার নাই যার - নিরূপম বা অহংকারহীন।
ব্যাখ্যা: এখানে অহংকারের অভাব বোঝাতে বাক্যটিকে সংক্ষেপে প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃপণ — যে ব্যক্তি অতিরিক্ত পক্পত বা অনুচিত কারণে অর্থ ব্যয় করতে চায় না তাকে কৃপণ বলে, কুণ্ঠাবোধ করা এর মূল অর্থ নয়।
B) মিতব্যয়ী — যিনি বুঝে-শুনে ও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমিত খরচ করেন তাকে মিতব্যয়ী বলা হয়, এটি কোনো কুণ্ঠাবোধের বিষয় নয়।
C) ব্যয়কুণ্ঠ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দের অর্থ যিনি ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করেন।
D) হিসাবি — যিনি হিসাব করে বা পরিকল্পনা মাফিক চলেন ও খরচ করেন তাকে হিসাবি বলা হয়, এটি ব্যয়কুণ্ঠ শব্দের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যয় এবং কুণ্ঠা দুটি শব্দ একত্রিত করলেই উত্তর পাওয়া যায় ব্যয়কুণ্ঠ। খরচ করার সময় যার মনে কুণ্ঠা কাজ করে তিনিই ব্যয়কুণ্ঠ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থ ভালোভাবে অনুধাবন করতে হবে।
- এই ধরনের প্রশ্নে প্রায় সমার্থক শব্দের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে যেমন কৃপণ, মিতব্যয়ী ও ব্যয়কুণ্ঠ শব্দের ভিন্নতা খেয়াল রাখা প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর: C) ঐ, ঔ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বর্ণমালায় মোট পঞ্চাশটি বর্ণ আছে, যার মধ্যে স্বরবর্ণ এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ উচল্লিশটি।
- স্বরবর্ণের মধ্যে দুটি বর্ণকে যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা যৌগিক স্বর বলা হয়, যা হলো ঐ এবং ঔ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যৌগিক স্বর বা দ্বিস্বর হলো পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয়ে একটি স্বরধ্বনি হিসেবে গণ্য হওয়া।
- বাংলা বর্ণমালায় স্বতন্ত্রভাবে দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ রয়েছে, যা অ + ই মিলে ঐ এবং অ + উ মিলে ঔ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তৈল
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে যৌগিক স্বরধ্বনি ঐ যুক্ত রয়েছে, যা উচ্চারণের সময় দুটি স্বরের মিলিত রূপ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: পৌষ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ঔ যৌগিক স্বরধ্বনিটি যুক্ত আছে, যা উচ্চারণে দুটি স্বরধ্বনির মিশ্রণ তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এ, ঐ — এ হলো মৌলিক স্বরবর্ণ, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) ই, ঔ — ই হলো মৌলিক স্বরবর্ণ, তাই এই জোড়টি সম্পূর্ণ সঠিক নয়।
C) ঐ, ঔ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি দুটি যৌগিক বর্ণ নির্দেশ করে।
D) ও, ঐ — ও হলো মৌলিক স্বরবর্ণ, তাই এই অপশনটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক বর্ণ মাত্র দুটি, আর তা হলো ঐ এবং ঔ।
- মনে রাখবে স্বরবর্ণের শেষ দুটি বর্ণই হলো যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক স্বরধ্বনি এবং যৌগিক স্বরধ্বনি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি হলো ঐ এবং ঔ, যা ভালোভাবে মনে রাখলে এজাতীয় প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীমঙ্গল
১. কেন সঠিক:
- ‘ফুল্লবর’ চরিত্রটি মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান মঙ্গলকাব্যের ধারা চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে এই চরিত্রের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্য মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের একটি জনপ্রিয় শাখা যেখানে দেবী চণ্ডীর মহিমা প্রচার করা হয়েছে।
- এই ধারার শ্রেষ্ঠ কবি হলেন কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী এবং তার রচিত কাব্যের নাম অভয়ামঙ্গল বা চণ্ডীমঙ্গল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কালকেতু ও ফুল্লরা
ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ডের প্রধান দুটি চরিত্র হলো ব্যাধ কালকেতু ও তার স্ত্রী ফুল্লরা।
উদাহরণ ২: ধনপতি ও লহনা-খুল্লনা
ব্যাখ্যা: চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বণিক খণ্ডের প্রধান চরিত্র হলো বণিক ধনপতি এবং তার দুই স্ত্রী লহনা ও খুল্লনা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডীমঙ্গল — এই অপশনটি সঠিক কারণ ফুল্লবর বা ফুল্লরা চরিত্রটি এই কাব্যের সঙ্গেই বিশেষভাবে সম্পর্কিত।
B) অন্নদামঙ্গল — এই কাব্যটি মধ্যযুগের শেষভাগে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচনা করেন এবং এর চরিত্রগুলোর মধ্যে বিদ্যা ও সুন্দর প্রধান।
C) মনসামঙ্গল — এটি পদ্মাপুরাণ বা মনসামঙ্গল নামে পরিচিত যেখানে সপ্নদেবী মনসার পূজা প্রচারের কাহিনী রয়েছে এবং এর প্রধান চরিত্র বেহুলা ও লখিন্দর।
D) ধর্মমঙ্গল — এটি লাউসেনের ধর্মপূজা প্রচারের বীরত্বগাথা নির্ভর কাব্য এবং এর প্রধান চরিত্র লাউসেন ও ইছাই ঘোষ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতুর স্ত্রীর নাম ফুল্লরা এবং ফুল্লবরের সঙ্গে এর নামগত মিল রয়েছে।
- মঙ্গলকাব্যের চরিত্রগুলো মনে রাখার জন্য চরিত্রভিত্তিক তালিকা তৈরি করে পড়া ভালো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও এর চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য মূল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অক্লান্ত কর্মী
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে এমন একজন ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে যার কর্মে কোনো ক্লান্তি বা অবসাদ নেই।
- প্রদত্ত উত্তরের অক্লান্ত কর্মী কথাটি সম্পূর্ণ বাক্যটির ভাবকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা বাক্য বা বাক্যাংশকে সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর করতে সাহায্য করে।
- এখানে কর্মে ক্লান্তি নাই যাহার সম্পূর্ণ বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে অক্লান্ত কর্মী ব্যবহার করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যিনি সহজে হার মানেন না = অদম্য
ব্যাখ্যা: এটিও এককথায় প্রকাশের একটি সাধারণ নিয়ম যা মানুষের গুণ বা অবস্থাকে প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: যার তুলনা নাই = অতুলনীয়
ব্যাখ্যা: এটি একটি পদের মাধ্যমে কোনো বস্তুর বা ব্যক্তির অনন্য বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্লান্ত কর্মী — এটি সঠিক উত্তর।
B) অক্লান্ত — এটি সঠিক হলেও এতে কর্মী শব্দটি বাদ থাকায় সম্পূর্ণ বাক্যটির পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ পায় না।
C) ক্লান্তিহীন — এটি শুধুমাত্র ক্লান্তি না থাকার ভাব প্রকাশ করে কিন্তু কর্মের সঙ্গে এর সরাসরি সংযোগ স্পষ্ট নয়।
D) অবিশ্রাম — এই শব্দটির অর্থ যা থেমে থাকে না বা ক্রমাগত চলে, যা ক্লান্তি নাই এমন মানুষের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্লান্তি নাই বুঝাতে অক্লান্ত শব্দটি মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
- কর্মের সঙ্গে মিল রেখে সঠিক শব্দটি নির্বাচন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- বাক্য সংক্ষেপণের সময় পদের পূর্ণ অর্থ ঠিক আছে কি না তা যাচাই করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) চট্রগ্রাম, ২৬ মার্চ ১৯৭১
কেন সঠিক:
১. এই অপশনে বানানের ক্ষেত্রে ভুল রয়েছে এবং সালের পূর্বে কমা ব্যবহার করা হয়নি যা বিরামচিহ্নের নিয়মের পরিপন্থী।
২. স্থান এবং তারিখের মাঝে কমা বসানোর প্রচলিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম এখানে সঠিকভাবে মানা হয়নি।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী বার, মাস এবং সালের মাঝে কমা বা কোলন ব্যবহার করতে হয়।
২. স্থানবাচক শব্দের পর কমা এবং তারিখ লেখার সময় দিনের পর কমা ববসানো আবশ্যক।
৩. যেমন, সঠিক নিয়ম হলো ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ যেখানে প্রতিটি অংশ সঠিকভাবে আলাদা করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মার্চ ২৬, ১৯৭১ — এখানে মাস, দিন এবং সালের বিন্যাস ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী হলেও কমার ব্যবহার সঠিক আছে।
B) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ — এখানে তারিখ এবং সালের মাঝে কমার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
C) ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ — এখানে স্থান, দিন এবং সালের মাঝে যথাযথভাবে কমা ব্যবহার করা হয়েছে।
D) চট্রগ্রাম, ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এখানে বানান ভুল রয়েছে এবং সালের আগে কমা ব্যবহার করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
১. স্থান, মাস, দিন এবং সালের পর কমা বসানোর নিয়মটি সবসময় মনে রাখবে।
২. লেখার সময় ইংরেজি বা বাংলা যেকোনো রীতি অনুসরণ করো না কেন, কমার সঠিক অবস্থান নিশ্চিত করবে।
সঠিক উত্তর: A) নাটক
১. কেন সঠিক:
- ‘জন্ডিস বিবিধ বেলুন’ হলো বাংলাদেশের প্রখ্যাত নাট্যকার ও কথাসাহিত্যিক সেলিম আল দীনের লেখা একটি বিখ্যাত নাটক।
- এই নাটকে রূপক ও প্রতীকী ভাষার মাধ্যমে তৎকালীন সমাজব্যবস্থা, রাজনীতি এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক সংকট অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাটকটি রচনা করেছেন বিশিষ্ট নাট্যকার সেলিম আল দীন, যিনি বাংলা নাট্যসাহিত্যে ঐতিহ্য অন্বেষণের জন্য পরিচিত।
- এটি মূলত ষাটের দশকের শেষভাগ ও সত্তর দশকের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয়কে ব্যঙ্গ করে লেখা একটি পরীক্ষামূলক নাটক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কঞ্জুস
ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরী অনূদিত একটি বিখ্যাত নাটক, যা ফরাসি নাট্যকার মলিয়েরের লা আভারে নাটকের বঙ্গানুবাদ।
উদাহরণ ২: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা: সৈয়দ শামসুল হকের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয়ক কাব্যনাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সাহিত্যকর্মটি মঞ্চে প্রদর্শনের উপযোগী রূপক নাটক হিসেবে রচিত হয়েছে।
B) উপন্যাস — এটি উপন্যাস নয়, কারণ এর গঠনশৈলী, সংলাপ এবং দৃশ্যবিন্যাস নাট্যরীতির প্রথা মেনে তৈরি করা হয়েছে।
C) গল্প — এটি ছোটগল্প নয়, কারণ ছোটগল্পে ঘটনার পরিধি সংক্ষিপ্ত ও এককেন্দ্রিক হলেও এতে নাটকীয় সংলাপ ও চরিত্রের বহুলতা রয়েছে।
D) রম্যরচনা — এটি কেবল হাস্যরসাত্মক রম্যরচনা নয়, বরং এর ভেতরে গভীর রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- জন্ডিস বেলুনের মতো ফুলে যায় আর নাটক দেখতে মানুষ থিয়েটারে যায়, এভাবে মনে রাখতে পারো সেলিম আল দীনের ‘জন্ডিস বিবিধ বেলুন’ একটি নাটক।
- নাটকের ক্ষেত্রে সংলাপ ও চরিত্রের উপস্থিতি প্রধান মানদণ্ড, যা এই সাহিত্যকর্মে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সেলিম আল দীন রচিত অন্যান্য বিখ্যাত নাটকগুলোর নাম যেমন কিংশুক কোণ ও কেরামত মঙ্গল ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নাটকের নাম দিয়ে রচয়িতা বা নাটকের ধরন জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) আকাঙ্ক্ষা‘
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটিতে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করার জন্য আরও কিছু শোনার বা জানার অপেক্ষা রয়ে যায়।
- বাক্যটির শেষাংশ না থাকায় অর্থ অসম্পূর্ণ থেকে যায়, যা ব্যাকরণের ভাষায় আকাঙ্ক্ষার অভাব নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ থাকা আবশ্যক যথা যোগ্যতা, আকাঙ্ক্ষা ও আসত্তি।
- বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা, তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র পৃথিবী থেকে
ব্যাখ্যা: এই বাক্যটি শোনার পর আরও কিছু শোনার ইচ্ছা জাগে, তাই এটি আকাঙ্ক্ষার অভাবের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কাল আমি ঢাকা
ব্যাখ্যা: বাক্যটি অসম্পূর্ণ থাকায় মনের ভাব প্রকাশ পায় না, ফলে এটি আকাঙ্ক্ষাজনিত ত্রুটির উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যোগ্যতা — পদের অর্থের মিলবন্ধন বা ভাবগত সংগতি রক্ষিত না হলে তাকে যোগ্যতার অভাব বলে কিন্তু এখানে অর্থের মিল রয়েছে।
B) আকাঙ্ক্ষা‘ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশের জন্য আরও পদের প্রয়োজন রয়েছে।
C) আসত্তি — পদের সঠিক পর্যায় বা সুশৃঙ্খল বিন্যাসকে আসত্তি বলে তবে এই বাক্যে পদের বিন্যাস ঠিক আছে।
D) মাধুর্য — ভাষার সৌন্দর্য বা শ্রুতিমধুরতা বোঝাতে মাধুর্য গুণ ব্যবহৃত হয় যা বাক্যের অপরিহার্য মূল তিনটি গুণের অংশ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্য শোনার পর যদি মনে প্রশ্ন জাগে আর কী, তবে বুঝতে হবে সেখানে আকাঙ্ক্ষার অভাব রয়েছে।
- আকাঙ্ক্ষা শব্দের অর্থ জানার বা শোনার ইচ্ছা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সার্থক বাক্যের গুণাবলী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বাক্যের তিনটি গুণ অর্থাৎ যোগ্যতা, আকাঙ্ক্ষা ও আসত্তি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কাহ্নপা
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা হলেন কাহ্নপা। তিনি ডোম্মিপা ও ভুসুকুপার সমসাময়িক একজন বিখ্যাত পদকর্তা।
- চর্যাপদে প্রাপ্ত মোট পদ সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৩টি পদ তিনি রচনা করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও গান সংকলন। ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর কবি বা পদকর্তা মোট চব্বিশজন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাহ্নপার পদ সংখ্যা ১৩টি।
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের অন্যান্য কবিদের তুলনায় কাহ্নপার পদের পরিমাণ সর্বাধিক।
উদাহরণ ২: ভুসুকুপার পদের সংখ্যা ৮টি।
ব্যাখ্যা: কাহ্নপার পরেই সর্বাধিক ৮টি পদ রচনা করেছেন কবি ভুসুকুপা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুইপা — ইনি চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা এবং ড. শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের আদি কবি, তবে তিনি সর্বাধিক পদ রচনা করেননি।
B) শবরপা — ইনি চর্যাপদের একজন প্রখ্যাত কবি হলেও মোট পদের দিক থেকে সর্বাধিক পদ রচনা করেননি।
C) কাহ্নপা — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনে রয়েছে এবং তিনি সর্বাধিক পদ রচনা করেছেন।
D) ভুসুকুপা — ইনি চর্যাপদে দ্বিতীয় সর্বাধিক ৮টি পদ রচনা করেছেন, তাই সর্বাধিক পদের দিক থেকে এই উত্তরটি সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদের সর্বাধিক পদের কবি মনে রাখতে কানাই (কাহ্নপা) নামটি মনে রাখতে পারো যিনি সবচেয়ে বেশি ১৩টি পদ লিখে রেকর্ড গড়েছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদের প্রথম পদ রচয়িতা লুইপা এবং সর্বাধিক পদ রচয়িতা কাহ্নপা, এই দুটি তথ্য বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) সংশয়
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো এই বাক্যে 'না' অব্যয়টি নিশ্চিত কিছু বোঝাতে ব্যবহার করা হয়নি। বক্তার মনে একটি সন্দেহ বা দ্বিধা কাজ করছে যে কাজটি আদৌ ঘটবে কি না।
- প্রশ্নের গুরুত্বপূর্ণ শব্দ 'সে নাকি আসবে না' বাক্যে 'না' অব্যয়টি বক্তার মনের নিশ্চিতহীন অবস্থাকে নির্দেশ করে।
- উত্তর নির্ণয়ের যুক্তিতে দেখা যায়, এখানে 'না' সরাসরি নিষেধ করছে না বরং একটি সম্ভাবনার অনিশ্চয়তা প্রকাশ করছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদের নানা ব্যবহার রয়েছে যার মধ্যে না-বাচক অব্যয় অন্যতম। না অব্যয়টি বাক্যের অর্থের ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন ভাব প্রকাশ করে থাকে।
- এই বাক্যে 'না' অব্যয়টি সংশয় বা সন্দেহ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে যা ব্যাকরণের পদ প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে কি আর আসবে না?
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'না' অব্যয়টি নিশ্চিত প্রশ্ন বা সংশয়ের সুরে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আমি বোধহয় কাজটি করতে পারব না।
ব্যাখ্যা: এখানে 'না' অব্যয়টি অক্ষমতা ও সংশয়মিশ্রিত অর্থ প্রকাশ করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রশ্ন — প্রশ্ন অর্থ প্রকাশ করতে বাক্যে সাধারণত কি, কেন, কীভাবে ইত্যাদি ব্যবহার হয় তাই এটি ভুল।
B) বিস্ময় — বিস্ময় প্রকাশ করতে আহা, ওহে বা বাঃ জাতীয় আবেগসূচক অব্যয় ব্যবহৃত হয় তাই এটি ভুল।
C) সংশয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বক্তার মনে আসা সন্দেহ বা সংশয় প্রকাশ পেয়েছে।
D) অনুমান — অনুমান অর্থে হয়তো বা বোধহয় শব্দ বেশি উপযোগী তাই এখানে এটি সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে যখন নিশ্চিত কোনো তথ্য থাকে না এবং মনের ভেতর সন্দেহ জাগে তখন না অব্যয়টি সংশয় প্রকাশ করে।
- পরীক্ষার হলে বাক্যের অন্তর্নিহিত ভাব বা অর্থ বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অব্যয় পদের বিভিন্ন অর্থবহ ব্যবহার থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- বাক্যের সুর ও ভাবার্থ লক্ষ করে অব্যয়ের সঠিক অর্থ নির্ণয় করা শিখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ইবলিশ
১. কেন সঠিক:
- ইবলিশ নাটকটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়, এটি মূলত সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি প্রতিবাদী নাটক।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত নাটকগুলোকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য হিসেবে গণ্য করা হয়, যার মধ্যে ইবলিশ নাটকটি পড়ে না।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ইবলিশ নাটকটির রচয়িতা নাট্যকার কবীর চৌধুরী বা সমসাময়িক অন্য কেউ নন, এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমির বাইরে একটি স্বতন্ত্র সৃষ্টি।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটকে সাধারণত ১৯৭১ সালের রণাঙ্গন, পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও বাঙালির বীরত্ব ফুটে ওঠে যা এই নাটকে অনুপস্থিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য।
উদাহরণ ২: নরকে লাল গোলাপ
ব্যাখ্যা: এটি আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যনাট্য।
B) নরকে লাল গোলাপ — এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি জনপ্রিয় নাটক।
C) বর্ণচোরা — এটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটকের অন্তর্ভুক্ত এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি প্রায়ই আসে।
D) ইবলিশ — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক নয় বিধায় এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক মনে রাখার জন্য সৈয়দ শামসুল হক ও আলাউদ্দিন আল আজাদের বিখ্যাত নাটকগুলোর নাম আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়তে পারো।
- যে নাটকে ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সরাসরি বা পরোক্ষ আবহ নেই, তা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক, উপন্যাস ও চলচ্চিত্রের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- নাট্যকার ও রচনার বিষয়বস্তু ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) শশ + অঙ্ক
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুযায়ী শশ যোগ অঙ্ক মিলে শশাঙ্ক শব্দ গঠিত হয়। এখানে প্রথম পদের শেষে অ এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে অ যুক্ত হয়ে আ কার হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। অ কার কিংবা আ কারের পর অ কার কিংবা আ কার থাকলে উভয়ে মিলে আ কার হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম যোগ আলয় সমান হিমালয়।
ব্যাখ্যা: এখানে অ কারের পর আ কার যুক্ত হয়ে আ কার হয়েছে।
উদাহরণ ২: মহা যোগ আশয় সমান মহাশয়।
ব্যাখ্যা: এখানে আ কারের পর আ কার যুক্ত হয়ে আ কার হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শশ + অঙ্ক — সঠিক উত্তর।
B) শস + অঙ্ক — প্রথম অংশে বানান ভুল আছে কারণ শশ শব্দের বানানে তালব্য শ ব্যবহৃত হয়।
C) শশা + অঙ্ক — শশা কোনো মূল ব্যাকরণগত শব্দ নয় তাই এই বিচ্ছেদ সঠিক নয়।
D) শসা + অঙ্ক — শসা একটি ফলবাচক শব্দ এবং এর বানান সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শব্দের মূল রূপ ঠিক রাখতে হয়। শশাঙ্ক শব্দের ক্ষেত্রে শশ এবং অঙ্ক অংশ দুটি মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বরসন্ধির এই নিয়ম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই নম্বর পাওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) বচন
১. কেন সঠিক:
খনার খ্যাতির মূল কারণ হলো তার প্রাজ্ঞ ও অভিজ্ঞতাপূর্ণ বচন বা প্রবাদ, যা কৃষি, আবহাওয়া ও সমাজজীবন সম্পর্কিত।
তার এই উপদেশমূলক কথাগুলো শতাব্দী ধরে বাঙালি সমাজে গ্রামীণ সংস্কৃতির অংশ হিসেবে মুখে মুখে প্রচলিত রয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সংমিশ্রণে খনার বচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান দখল করে আছে।
খনা ছিলেন কিংবদন্তিতুল্য এক জ্যোতির্বিদ ও নারী মনীষী, যাঁর বচনগুলো প্রধানত কৃষি ও আবহাওয়ার পূর্বাভাসের ওপর ভিত্তি করে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বর্ষার দিনে ধান রোপণ এবং খনার বচন অনুযায়ী চাষাবাদের নিয়ম অনুসরণ করা।
ব্যাখ্যা: এই উদাহরণটি খনার বচনের কৃষিকেন্দ্রিক উপযোগিতা ও বাস্তব জ্ঞানকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: ডাক ও খনার বচন সংকলন।
ব্যাখ্যা: এই সংকলনগুলো গ্রামীণ বাংলার লোকসাহিত্য এবং আবহাওয়া বিজ্ঞান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ধারণা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধাঁধাঁ — ধাঁধাঁ হলো বুদ্ধিমত্তা পরীক্ষার চতুর প্রশ্ন, যা খনার খ্যাতির মূল ভিত্তি নয়।
B) ছড়া — ছড়া মূলত লয় ও ছন্দের কবিতা, যদিও খনার বচনে ছন্দ থাকে কিন্তু মূল পরিচিতি বচন হিসেবেই।
C) শ্লোক — শ্লোক সাধারণত ধর্মীয় বা সংস্কৃত রচনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা খনার গ্রামীণ প্রবচনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) বচন — এই অপশনটি সঠিক কারণ খনার উপদেশমূলক ও লোকায়ত বাণীগুলো বচন নামেই সর্বাধিক পরিচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
খনা মানেই কৃষিকাজের কথা এবং খনার মুখনিঃসৃত বাণী মানেই বচন।
কৃষি ও আবহাওয়া সম্পর্কিত উপদেশ পেলে চোখ বন্ধ করে বচন উত্তর নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খনার বচন সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে তা সাধারণত লোকসাহিত্য বা প্রবাদ-প্রবচনের অংশ হিসেবে গণ্য হয়।
এই ধরনের প্রশ্নে অপশনে বচন না থাকলে প্রবচন উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ১২০১-১৮০০ খ্রি.
১. কেন সঠিক:
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের কালকাল তিন ভাগে বিভক্ত। এর মধ্যে মধ্যযুগের সময়সীমা হলো ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস মূলত তিনটি যুগে বিভক্ত প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক যুগ। মধ্যযুগের সূচনা ধরা হয় ১২০১ খ্রিস্টাব্দ থেকে এবং সমাপ্তি ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের অন্যতম নিদর্শন এবং বরু চণ্ডীদাস রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য।
উদাহরণ ২: মঙ্গলকাব্য
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান ধারা হলো বিভিন্ন দেবতার মহিমা প্রচারের কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯০১-১২০০ খ্রি. — এটি প্রাচীন যুগের শেষ সময়সীমাকে নির্দেশ করে।
B) ১২০১-১৩৫০ খ্রি. — এটি মধ্যযুগের শুধু অন্ধকার যুগের বা প্রারম্ভিক সময়ের অংশ।
D) ১৫০১-১৯০০ খ্রি. — এটি মধ্যযুগের সম্পূর্ণ সঠিক সময়সীমা নয় কারণ ১৮০১ সাল থেকে আধুনিক যুগ শুরু হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগ মনে রাখার সহজ উপায় হলো সেন আমলের সূচনা ১২০১ সাল থেকে ব্রিটিশ শাসনের সূচনা ১৮০০ সাল পর্যন্ত। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ মানেই পদাবলী ও মঙ্গলকাব্যের সময়কাল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রাচীন যুগ ৬৫০ থেকে ১২০০ এবং আধুনিক যুগ ১৮০১ থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত বিস্তৃত।
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ মুজতবা আলী
১. কেন সঠিক:
- ‘চাচা কাহিনী’ গ্রন্থটি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও রম্যলেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও হাস্যরসাত্মক ভ্রমণ ও প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতাভিত্তিক রচনা।
- এই বইটিতে লেখকের চাচা চরিত্রকে কেন্দ্র করে এবং প্রবাস জীবনের নানা মজার ঘটনার মধ্য দিয়ে তৎকালীন সমাজের জীবন্ত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য রম্যরচয়িতা, প্রাবন্ধিক ও বহুভাষাবিদ হিসেবে অত্যন্ত পরিচিত।
- তাঁর লেখায় গভীর পাণ্ডিত্যের সঙ্গে লঘু মেজাজ ও সুনিপুণ হাস্যরসের এক অপূর্ব মিশ্রণ দেখা যায় যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘দেশে বিদেশে’
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনি যা তাঁর সাহিত্যকর্মের এক অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: ‘পঞ্চপুষ্প’
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা তাঁর মননশীল রচনার পরিচয় দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও ‘চাচা কাহিনী’ তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘জননী’ ও ‘ক্রীতদাসের হাসি’।
B) সৈয়দ মুজতবা আলী — এই অপশনটি সঠিক এবং এই লেখকেরই বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ‘চাচা কাহিনী’।
C) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ — সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ একজন বিখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক হলেও ‘চাচা কাহিনী’ তাঁর সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা ‘লালসালু’।
D) সৈয়দ শামসুল হক — সৈয়দ শামসুল হক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও ‘চাচা কাহিনী’ তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়, তিনি ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ নাটকের জন্য বিখ্যাত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চাচার মজার কাহিনি পড়তে পছন্দ করেন বলেই সৈয়দ মুজতবা আলী এই ধরনের রম্য রচনা লিখে বিখ্যাত হয়েছেন।
- লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর রম্যধর্মী রচনার মেলবন্ধন মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্য রচনা ও ভ্রমণকাহিনি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের বিখ্যাত অন্যান্য বই যেমন ‘ময়ূরকণ্ঠী’ ও ‘অবকাশী’ সম্পর্কেও সম্যক ধারণা রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) বিভীষিকা
১. কেন সঠিক:
- এই শব্দটিতে সঠিক বানানের নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে হ্রস্ব ই-কার, পরে দীর্ঘ ঈ-কার এবং শেষে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে।
- বিভীষিকা শব্দের অর্থ হলো ভয়ংকর দৃশ্য, আতঙ্ক কিংবা ভয়াল কোনো পরিস্থিতি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বিদেশি বা তৎসম শব্দের কিছু ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- এই শব্দে বিভী + শিকাতন্ত্রে ই-কার ও ঈ-কারের সঠিক বিন্যাস মেনে চলা হয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমীচীন
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে দুটি ই-কারই দীর্ঘ ঈ-কার হয়, যা শুদ্ধ বানানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিয়ম।
উদাহরণ ২: মরীচিকা
ব্যাখ্যা: মরুভূমিতে জলের ভ্ৰম বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় এবং এর বানানটিও দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিভিসীকা — এখানে বানানে দন্ত-স এর পরিবর্তে মূর্ধন্য-ষ এবং ভুল ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
B) বিভীষিকা — এটি প্রশ্নানুসারে শতভাগ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি সমর্থিত।
C) বীভীষিকা — এখানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) বীভিষীকা — এখানে প্রথম ও মধ্যবর্তী বর্ণের কারচিহ্ন ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিভীষিকা শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথমে ছোট ই, মাঝখানে বড় ঈ এবং শেষে আবার ছোট ই ব্যবহার করা।
- মাঝখানের ভী অংশে দীর্ঘ ঈ-কার হবে এটি মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই অপশনে থাকে।
- বানান শুদ্ধ করার সময় ই-কার ও ঈ-কারের সঠিক অবস্থান খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) বিপ্লব
কেন সঠিক:
- ইনকিলাব একটি আরবি শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ হলো বিপ্লব বা হঠাৎ পরিবর্তন।
- রাষ্ট্র বা সমাজের বিদ্যমান ব্যবস্থার মৌলিক ও দ্রুত পরিবর্তন বোঝাতে ইনকিলাব শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি বহিরাগত বা বিদেশি শব্দ, বিশেষ করে আরবি ভাষা থেকে এসেছে।
- বাংলা কবিতায় এবং রাজনৈতিক স্লোগানে এই শব্দটির ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়।
- কাজী নজরুল ইসলামের কবিতায় ইনকিলাব বা বিপ্লবের কথা বারবার উঠে এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) আন্দোলন — আন্দোলন শব্দের আরবি পরিভাষা আলাদা এবং এর অর্থ কোনো দাবি আদায়ের জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা।
- B) সন্ত্রাস — সন্ত্রাস শব্দের অর্থ আতঙ্ক সৃষ্টি করা, যা ইনকিলাব শব্দের অর্থের সাথে মিলে না।
- C) বিপ্লব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
- D) চিরন্তন — চিরন্তন শব্দের অর্থ যা সবসময় এক থাকে, যা পরিবর্তনের সমার্থক ইনকিলাব শব্দের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
- ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগানটির সাথে আমরা সবাই পরিচিত, যার অর্থ বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক।
সঠিক উত্তর: B) ব্রাহ্মী লিপি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা লিপির উৎস হলো প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি, যা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রায় সব আধুনিক লিপির জননী হিসেবে পরিচিত।
- ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিবর্তনের ধারায় ব্রাহ্মী লিপি থেকে কুটিল লিপি এবং পরবর্তীতে বাংলা লিপির জন্ম হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নে বাংলা লিপির ক্রমবিকাশ তুলে ধরা হয়েছে।
- ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত হয়ে বিবর্তনের বিভিন্ন স্তর পার হয়ে বর্তমানের প্রমিত বাংলা বর্ণমালা গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেবনাগরী লিপি
ব্যাখ্যা: ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত আরেকটি প্রধান লিপি হলো দেবনাগরী, যা হিন্দি ও সংস্কৃত লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: ওড়িয়া লিপি
ব্যাখ্যা: বাংলা ও অসমীয়া লিপির মতোই ওড়িয়া লিপিও ব্রাহ্মী লিপির পূর্ব ভারতীয় শাখা থেকে বিকশিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত লিপি — সংস্কৃত ভাষার নিজস্ব কোনো লিপি নেই, এটি সাধারণত ব্রাহ্মী থেকে উদ্ভূত দেবনাগরী বা বাংলা লিপিতে লেখা হয়।
B) ব্রাহ্মী লিপি — এটি সঠিক উত্তর।
C) চীনা লিপি — চীনা লিপি চিত্রভিত্তিক এবং এটি বাংলা লিপির উৎস নয়, বরং এটি চীনা-তিব্বতীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
D) আরবি লিপি — আরবি লিপি সেমিটিক পরিবারের লিপি এবং ডান দিক থেকে লেখা হয়, যা বাংলা লিপির উৎস নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা লিপি এসেছে ব্রাহ্মী থেকে, কথাটি মনে রাখতে 'ব' দিয়ে বাংলা এবং 'ব' দিয়ে ব্রাহ্মী এই সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
- প্রাচীন ভারতীয় সব লিপির মূল উৎস ব্রাহ্মী লিপি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা ও অন্যান্য ভারতীয় লিপির উৎস জানতে চাওয়া হয়।
- মনে রাখবে, বাংলা লিপি সরাসরি সংস্কৃত থেকে আসেনি, বরং ব্রাহ্মী লিপি থেকে বিবর্তিত হয়ে এসেছে।
সঠিক উত্তর: D) অর্ক
১. কেন সঠিক:
- ‘আফতাব’ একটি ফার্সি শব্দ যার অর্থ সূর্য। অপশনের ‘অর্ক’ শব্দটির অর্থও সূর্য, যা আফতাব শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে, তাই প্রমিত শব্দের অর্থ জানা জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ, যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়।
- বাংলা ভাষায় সংস্কৃত, আরবি ও ফার্সি ভাষা থেকে আগত বহু শব্দ সমার্থক হিসেবে পাশাপাশি অবস্থান করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবিতা
ব্যাখ্যা: সবিতা শব্দটি সূর্যের আরেকটি সমার্থক শব্দ যা কবিতার ভাষায় বহুল ব্যবহৃত।
উদাহরণ ২: দিবাকর
ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ যিনি দিন করেন বা সূর্য, এটিও আফতাব শব্দের সমার্থক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র। এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়।
B) রাতুল — রাতুল শব্দের অর্থ লাল বা রক্তিম। এটি সূর্যের সমার্থক নয়।
C) জলধি — জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র। এটি জলের আধার বোঝায়।
D) অর্ক — অর্ক শব্দের অর্থ সূর্য, যা আফতাব শব্দের সঠিক সমার্থক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সূর্য বোঝাতে সাধারণত রবি, ভানু, সূর্য, অর্ক, আফতাব এবং তপন শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়।
- সমুদ্র বোঝাতে অর্ণব এবং জলধি শব্দ দুটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরীক্ষায় প্রায়ই সূর্য ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই দুটির তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখবে।
- ফার্সি উৎসের শব্দের পাশাপাশি এর তৎসম রূপগুলো জানা থাকলে উত্তর করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) মহাকাব্য
১. কেন সঠিক:
Epic শব্দটির বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো মহাকাব্য, যার মাধ্যমে বৃহৎ কলেবরের কোনো বীরত্বগাথা বা কাহিনিকাব্যকে বোঝানো হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপ নির্ধারণের জন্য এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মহাকাব্য হলো সাহিত্যের একটি প্রাচীন ও বৃহৎ রূপ, যেখানে কোনো ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক বীরপুরুষের মহৎ চরিত্র ও অভিযান বর্ণিত হয়।
বাংলা সাহিত্যে মেঘনাদবধ কাব্য হলো একটি সার্থক ও পূর্ণাঙ্গ মহাকাব্য, যা মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচনা করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাকাব্য।
উদাহরণ ২: হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বৃত্রসংহার।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আরেকটি বিখ্যাত পৌরাণিক মহাকাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কিংবদন্তি — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Legend, যা কোনো প্রচলিত ঐতিহাসিক ঐতিহ্য বা লোককথার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
B) পুরাণ — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো Mythology, যা প্রাচীন সৃষ্টিকথা বা পৌরাণিক দেবদেবীর কাহিনি নির্দেশ করে।
C) মহাকাব্য — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং Epic শব্দের নিখুঁত বাংলা পারিভাষিক রূপ।
D) বিস্মৃত কাহিনি — এই শব্দগুচ্ছটি কোনো নির্দিষ্ট পারিভাষিক শব্দ নয়, বরং এটি একটি সাধারণ বর্ণনামূলক বাক্যাংশ মাত্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি Epic এবং বাংলা মহাকাব্য উভয় শব্দ দিয়েই বৃহৎ ও বিশাল আকৃতির বীরত্বপূর্ণ কাব্যকে বোঝানো হয়।
পারিভাষিক শব্দ মনে রাখতে মূল ইংরেজি শব্দের আক্ষরিক ও ভাবার্থ দুটোই একসঙ্গে মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে সার্থক মহাকাব্যের প্রবক্তা মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি মেঘনাদবধ কাব্য।
পারিভাষিক শব্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন উত্তরের জন্য প্রমিত বাংলা বানানের পাশাপাশি ইংরেজি মূল শব্দটির প্রচলিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) King Oedipus
কেন সঠিক:
- উক্তিটি গ্রীক নাট্যকার সোফোকলিসের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি কিং ইডিপাস নাটকের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ।
- এই বাক্যের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে জ্ঞান যখন মানুষের জন্য কোনো কল্যাণ বয়ে আনে না, তখন জ্ঞানী হওয়া এক প্রকার কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) King Lear — এটি উইলিয়াম শেকসপিয়ারের একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি, যা পারিবারিক বিয়োগান্তক সম্পর্কের ওপর রচিত এবং এই নাটকের সংলাপ নয়।
B) Dr. Faustus — এটি ক্রিস্টোফার মার্লোর একটি রনেসাঁস যুগের বিখ্যাত নাটক, যার মূল বিষয়বস্তু জ্ঞান অর্জনের জন্য আত্মার সঙ্গে চুক্তি।
C) Sons and Lovers — এটি ডি এইচ লরেন্সের একটি বিখ্যাত আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, কোনো নাটক বা এর সংলাপ নয়।
D) King Oedipus — এটি সোফোকলিসের বিখ্যাত গ্রীক ট্র্যাজেডি এবং এই নাটকেই প্রদত্ত উক্তিটি পাওয়া যায়।
মনে রাখার টিপস:
ইডিপাস নাটকে অতিরিক্ত জ্ঞান ও সত্য উদ্ঘাটনই নায়কের জন্য কষ্টের কারণ হয়েছিল, তাই জ্ঞান ও কষ্টের কথা থাকলে কিং ইডিপাস উত্তর হবে।
সঠিক উত্তর: B) to give up
কেন সঠিক:
- Advise verb টির পরে Object থাকলে সাধারণত Infinitive (to + verb) বসে।
- এখানে me একটি Object থাকার কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে to give up ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) giving up — Advise এর পরে সরাসরি Gerund বসে না যদি মাঝে Object থাকে।
B) to give up — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) in giving up — Advise এর পরে in preposition বসে নিয়ম অনুযায়ী ভুল হয়।
D) from giving up — Advise এর পরে from বসে না, এটি prevent বা stop verb এর সাথে বসে।
মনে রাখার টিপস:
Advise verb এর পরে Object থাকলে সবসময় to + verb বসবে।
সঠিক উত্তর: C) thoroughly
কেন সঠিক:
- 'Out and Out' একটি প্রবাদপ্রতিম ইডিয়ম বা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ বাইরে এবং বাইরে হলেও এটি মূলত কোনো গুণের পূর্ণ প্রকাশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি বাংলা ভাষায় পুরোপুরি, সম্পূর্ণভাবে বা আদ্যোপান্ত অর্থে ব্যবহৃত হয় যা 'thoroughly' শব্দের সমার্থক।
- ইংরেজিতে এর সমার্থক শব্দ হলো completely বা entirely।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) not at all — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ মোটেও না, যা সম্পূর্ণ বিপরীত একটি ভাব প্রকাশ করে।
B) brave — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সাহসী, যা এই বাগধারার প্রকৃত ব্যাখ্যার সাথে মিলে না।
C) thoroughly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) whole heartedly — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ আন্তরিকভাবে, কিন্তু 'Out and Out' কেবল মন নয় বরং সামগ্রিক দিক বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
'Out and Out' মানে বাইরে থেকে ভেতর পর্যন্ত সব দিক দিয়ে সম্পূর্ণ, যা 'thoroughly' বা পুরোপুরি শব্দের সাথে মিল রাখে।
সঠিক উত্তর: A) realised
কেন সঠিক:
বাক্যে It is time বা It is high time থাকলে এর পরের অংশে সাবজেক্ট এবং ভার্বের পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
এই নিয়ম অনুযায়ী এখানে মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে।
তাই সঠিক উত্তর হলো realised।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) realised — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) had realised — এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় এখানে নিয়ম অনুযায়ী বসে না।
C) realise — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম হওয়ায় It is time এর নিয়মের সাথে মেলে না।
D) have realised — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় এই শূন্যস্থানে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে It is time বা It is high time দেখলে চোখ বন্ধ করে ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: A) required number
কেন সঠিক:
কোরাম হলো কোনো সভা বা বৈঠকে আইনগতভাবে কার্য পরিচালনার জন্য উপস্থিত থাকতে হয় এমন সর্বনিম্ন সদস্য সংখ্যা।
এটি সভার বৈধতা নিশ্চিত করতে অপরিহার্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) required number — এটি সঠিক কারণ কোরাম মানেই সভার কাজ চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট সংখ্যক উপস্থিতি।
B) allowed number — এটি ভুল কারণ অনুমোদিত সংখ্যা বলতে কোনো নির্দিষ্ট সীমাকে বোঝায় কিন্তু কোরাম বাধ্যতামূলক ন্যূনতম সংখ্যা।
C) number — এটি ভুল কারণ এটি যেকোনো সাধারণ সংখ্যাকে বোঝায় যা কোরামের সুনির্দিষ্ট আইনি অর্থ প্রকাশ করে না।
D) additional number — এটি ভুল কারণ অতিরিক্ত সংখ্যা বলতে বোঝায় যা প্রয়োজন মিটিয়ে আরও বেশি, কিন্তু কোরাম হলো মূলত মূল ন্যূনতম চাহিদা।
মনে রাখার টিপস:
কোরাম শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি মিটিং চালানোর জন্য বাধ্যতামূলক প্রয়োজনীয় সদস্য সংখ্যা।
সঠিক উত্তর: B) I were a magician
কেন সঠিক:
বাক্যে অসম্ভব কল্পনা বা অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে 'I wish' এর পরে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম হিসেবে 'were' বসে।
এখানে বক্তা জাদুকর হতে চাওয়ার একটি কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশ করছেন যা বাস্তবে সম্ভব নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I am a magician — 'I wish' এর পরে প্রেজেন্ট টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব 'am' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) I were a magician — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না।
C) I had been a magician — অতীতের কোনো অপূর্ণ ইচ্ছা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়, তবে বর্তমানের কাল্পনিক ইচ্ছার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
D) I will be a magician — ভবিষ্যতের কোনো সম্ভাবনা বোঝাতে ফিউচার টেন্স ব্যবহার করা হয়, যা 'I wish' এর নিয়মের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
অবাস্তব ইচ্ছা বোঝাতে 'I wish' এর পরে সবসময় 'were' বসবে।
সঠিক উত্তর: C) William Shakespare
কেন সঠিক:
উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা বিশ্ববিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটকের নাম হ্যামলেট।
এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম সেরা নাটক হিসেবে সর্বমহলে স্বীকৃত।
এটি ১৬০০ সালের দিকে রচিত হয়েছিল।
এটি প্রিন্স হ্যামলেটের প্রতিশোধের গল্প নিয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Christopher Marlowe — তিনি এলিজাবেথান যুগের একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও হ্যামলেট লেখেননি। তিনি ডক্টর ফাউস্টাস নাটকের জন্য বিখ্যাত।
B) William Congreve — তিনি রিস্টোরেশন যুগের একজন বিখ্যাত কমেডি নাট্যকার ছিলেন। হ্যামলেট নাটকের সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) William Shakespare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
D) John Webster — তিনি জ্যাকোবিয়ান যুগের একজন রক্তক্ষয়ী নাটক রচয়িতা ছিলেন। হ্যামলেট নাটকটি তাঁর লেখা নয়।
মনে রাখার টিপস:
শেক্সপিয়ারের সেরা ট্র্যাজেডি নাটক মনে রাখতে হ্যামলেট নামটির সাথে তাঁর নাম মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।
সঠিক উত্তর: C) is
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট দূরত্ব, পরিমাপ বা পরিমাণ বুঝাতে সাবজেক্ট দেখতে বহুবচন হলেও ভার্ব সবসময় একবচন হয়।
এখানে ফাইভ মাইলস একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বোঝানো হয়েছে তাই এর পরে একবচন ভার্ব বসে।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে is ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি বহুবচন ভার্ব যা নির্দিষ্ট দূরত্বের একবচন সাবজেক্টের সাথে বসে না।
B) were — এটি অতীতকালের বহুবচন ভার্ব যা এই বাক্যের নিয়মের সাথে মেলে না।
C) is — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি এখানে প্রযোজ্য।
D) have — এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি সাহাস্যকারী ভার্ব যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
টাকা, সময় এবং দূরات এক সাথে বোঝালে সাবজেক্ট দেখতে প্লুরাল হলেও ভার্ব সবসময় সিঙ্গুলার হয়।
সঠিক উত্তর: B) to give up
কেন সঠিক:
- Advise verb-টির পর সরাসরি object থাকলে এরপর infinitive অর্থাৎ to + verb ব্যবহৃত হয়।
- ধূমপান বর্জন করার অর্থে give up একটি phrasal verb, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) giving — Advise-এর পর object থাকলে gerund ব্যবহার করা নিয়মবিরুদ্ধ।
B) to give up — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) in giving up — Advise verb-এর পর preposition in বসে না।
D) from giving up — এই বাক্যের গঠনে from preposition-এর ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Advise-এর পর object থাকলে to এবং infinitive বসে, আর object না থাকলে gerund বসে।
সঠিক উত্তর: A) cut down
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যটির অর্থ হলো তুরজো একটি কুঠার দিয়ে গাছটি কেটে ফেলেছিল। কোনো গাছ বা লম্বা কিছু কেটে ফেলে মাটিতে ফেলে দেওয়ার ক্ষেত্রে ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে cut down ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cut down — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
B) cut off — এর অর্থ বিচ্ছিন্ন করা বা কেটে আলাদা করা, যা গাছের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ কেটে ফেলার অর্থ প্রকাশ করে না।
C) cut out — এর অর্থ কোনো কিছু কেটে বাদ দেওয়া বা বাদ রাখা, যা গাছের ক্ষেত্রে খাটে না।
D) cut in — এর অর্থ কথার মাঝে বাধা দেওয়া বা হুট করে সামনে চলে আসা, যার সাথে গাছের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
গাছ কেটে নিচে ফেলে দেওয়া বোঝালে সবসময় cut down ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) listening
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে fond of একটি prepositional phrase রয়েছে যার নিয়ম অনুযায়ী এর পরে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে listening।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) listen — এটি verb এর base form হওয়ায় preposition এর পরে বসা grammatically ভুল।
B) listens — এটি singular subject এর জন্য present tense এ ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) listening — এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
D) listend — এটি একটি ভুল বানান এবং এর কোনো সঠিক grammatical রূপ নেই।
মনে রাখার টিপস:
preposition এর পরে সবসময় verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Though he is strong, he is lazy.
কেন সঠিক:
ইংরেজি grammar এর নিয়ম অনুযায়ী Though বা Although এর পর কখনো but বসে না। এর পরিবর্তে শুধু একটি কমা (,) ব্যবহার করলেই দুটি বিপরীত ভাবের clause যুক্ত করা সম্পূর্ণ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Thoough he is strong but he is lazy — এখানে বানান ভুল আছে এবং Though এর সাথে but ব্যবহার করার কারণে এটি redundant বা অতিরিক্ত শব্দের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।
C) Though he is strong, yet he is lazy — যদিও আধুনিক ইংরেজিতে Though এর সাথে sometimes yet ব্যবহার করা হয়, তবে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী Though এর সাথে শুধু কমা ব্যবহার করাই সবচেয়ে নির্ভুল।
D) Though he is strong or he is lazy — এখানে conjunction হিসেবে or ব্যবহার করা হয়েছে যা দুটি বিপরীতার্থক বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে Though বা Although থাকলে মাঝখানে কিন্তু বোঝাতে কখনো but বসাবে না, শুধু একটি কমা (,) ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) religious
কেন সঠিক:
Procession শব্দটির সাধারণ অর্থ হলো শোভাযাত্রা বা মিছিল। তবে সাহিত্য বা বিশেষ পরিভাষায় এটি মূলত ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এটি বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে সৃষ্টিকর্তার স্মরণে বা প্রার্থনার জন্য আয়োজিত হয়।
তাই পরিভাষা হিসেবে এটি ধর্মীয় ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত।
এটি সাধারণত পবিত্রতা ও উপাসনার সাথে জড়িত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mythological — এটি পৌরাণিক বা কাল্পনিক কোনো বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) religious — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) political — এটি কোনো রাজনৈতিক দল বা আন্দোলনের শোডাউন নয়।
D) banking — এটি কোনো আর্থিক লেনদেন বা ব্যাংকিং খাতের শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মিছিল বা শোভাযাত্রা যখন কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে করা হয়, তখন তাকে ধর্মীয় পরিভাষায় Procession বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) for
কেন সঠিক:
Aspire for phrase টি কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা ক্যারিয়ার অর্জনের তীব্র আকাঙ্ক্ষাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
এখানে বৈজ্ঞানিক ক্যারিয়ার গড়ার আকাক্ষা প্রকাশ পাওয়ায় সঠিক preposition হিসেবে for ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — Aspire এর পর সাধারণত to বসেনা কারণ এটি লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) for — এটি সঠিক উত্তর এবং লক্ষ্য অর্জনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করতে এই preposition ই ব্যবহার করা হয়।
C) from — উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে from ব্যবহৃত হয় যা এখানে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
D) by — মাধ্যম বা উপায় বোঝাতে by ব্যবহৃত হয় যা আকাঙ্ক্ষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিশেষ লক্ষ্য বা ক্যারিয়ার অর্জনের তীব্র ইচ্ছা প্রকাশ করতে aspire শব্দের পরে ہمیشہ for preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) the tems being exchanged
কেন সঠিক:
'Vice-versa' একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ হলো পদ বা অবস্থার পারস্পরিক পরিবর্তন ঘটা।
অর্থাৎ, আগের বক্তব্যটি উল্টো দিক থেকেও সত্য অর্থাৎ পক্ষদ্বয় নিজেদের অবস্থান বদল করেছে।
সহজ কথায় একে বিপরীতভাবে বা উল্টোভাবে বোঝানো যায়।
এটি মূলত দুটি বিষয়ের পারস্পরিক স্থান বিনিময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for example — এই অপশনটি ভুল কারণ 'for example' অর্থ উদাহরণস্বরূপ, যা দিয়ে কোনো বিষয়ের দৃষ্টান্ত বোঝানো হয়।
B) face to face — এই অপশনটি ভুল কারণ 'face to face' অর্থ সামনাসামনি বা মুখোমুখি অবস্থান বোঝায়।
C) namely — এই অপশনটি ভুল কারণ 'namely' অর্থ বিশেষ করে বা অর্থাৎ, যা কোনো নির্দিষ্ট নাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে অপর কোনো ভুল অপশন নেই।
মনে রাখার টিপস:
'Vice-versa' শব্দটিকে উল্টো করে বা বিপরীতভাবে চিন্তা করলেই বোঝা যায় যে এখানে পদ বা বিষয়গুলোর পারস্পরিক পরিবর্তন বা বিনিময় ঘটেছে।
সঠিক উত্তর: A) Team : Player
কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে একটি সমজাতীয় শব্দজোড় বা অ্যানালজি চাওয়া হয়েছে যেখানে প্রথম অংশটি সমষ্টি এবং দ্বিতীয় অংশটি তার একটি একক উপাদান নির্দেশ করে।
- একটি দল বা টিম গঠিত হয় অনেকগুলো খেলোয়াড় বা প্লেয়ার নিয়ে, ঠিক যেমন অনেকগুলো ছাত্র বা স্টুডেন্ট মিলে একটি ক্লাস গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Team : Player — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সমষ্টি এবং উপাদানের সম্পর্ক প্রকাশ পেয়েছে।
B) Meeting : Teacher — মিটিং গঠিত হয় বিভিন্ন ব্যক্তির সমন্বয়ে, যেখানে শিক্ষক একটি পেশা এবং এটি সরাসরি সমষ্টির একক নয়।
C) Common : Ordinary — এই শব্দ দুটি সমার্থক বা সিনোনিম, যা মূল প্রশ্নের কাঠামোর সাথে মেলে না।
D) Bird : Beast — এই শব্দ দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি প্রাণী শ্রেণীকে নির্দেশ করে, যা সমষ্টি ও উপাদানের সম্পর্ক নয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দজোড়ের প্রশ্ন সমাধানের সময় মূল শব্দের সম্পর্কটি সমষ্টিবাচক না সমার্থক তা আগে ভালো করে মিলিয়ে নেবে।
সঠিক উত্তর: A) Well
কেন সঠিক:
'Baddy' শব্দটি সাধারণত কোনো গল্পের মন্দ চরিত্র বা খারাপ মানুষকে বোঝাতে অনানুষ্ঠানিক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'Well' বা ভালো অবস্থা বোঝানো হয়।
এটি নেতিবাচক শব্দের বিপরীতে ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।
ইংরেজি ব্যাকরণে শব্দের ভাবের মিল রেখে এটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Well — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে এখানে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) Evil — এটি 'Baddy' শব্দের সমার্থক শব্দ, তাই বিপরীত শব্দ হতে পারে না।
C) Satanic — এটিও একটি নেতিবাচক শব্দ যা শয়তানে রূপ বোঝায় এবং সমার্থক।
D) Goody — এটি ভালো মানুষ বোঝায় কিন্তু 'Well' এখানে মূল উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
মনে রাখার টিপস:
খারাপ বা মন্দ চরিত্রের ইংরেজি 'baddy' হলে তার বিপরীত ভালো অর্থ মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) This is a fact.
কেন সঠিক:
- Fact একটি কাউন্টেবল বা গণনাযোগ্য নাউন, যার পূর্বে নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট আর্টিকেল বসতে পারে।
- এই বাক্যে একটি সাধারণ সত্য বা বাস্তবতাকে বোঝাতে Fact নাউনের পূর্বে indefinite article A ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) This is a true. — True শব্দ হলো একটি adjective, যার পূর্বে আর্টিকেল বসলেও সরাসরি adjective একা noun ছাড়া বসতে পারে না।
B) This is true fact. — Fact একটি noun এবং True আরেকটি adjective, তাই এখানে 'true fact' বলা বাহুল্য বা Redundancy দোষে দুষ্ট।
C) This is fact. — Fact একটি singular countable noun হওয়ায় এর পূর্বে অবশ্যই একটি article (a/an/the) বসাতে হবে।
D) This is a fact. — এটি সঠিক অপশন কারণ নিয়মানুযায়ী countable noun-এর পূর্বে সঠিক আর্টিকেল ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Singular countable noun হিসেবে Fact-এর পূর্বে সবসময় A ব্যবহৃত হয়, কিন্তু শুধু True (adjective) একা noun ছাড়া বসে না।
সঠিক উত্তর: B) She said to me, "Stand up".
কেন সঠিক:
Imperative sentence-কে Direct speech-এ রূপান্তর করার সময় রিপোর্টিং ভার্ব হিসেবে said to এবং রিপোর্টেড স্পিচে সরাসরি মূল ভার্ব বসে।
এখানে 'told me'-কে পরিবর্তন করে 'said to me' করা হয়েছে এবং বাক্যের মূল ভাব ঠিক রাখা হয়েছে।
Direct speech-এ কোনো conjunction বসে না, তাই এখানে দাড়ি বা কমার পরে সরাসরি মূল ভার্ব বসানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She said, "Do stand" — এই অপশনে বক্তার সাথে কার উদ্দেশ্যে কথা বলা হয়েছে (object) তা উল্লেখ করা হয়নি।
C) She told, "Stand up" — told-এর পরে কোনো object (যেমন: me) না থাকায় এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) She said me, "Stand up" — said-এর পরে সরাসরি object বসতে পারে না, সঠিক নিয়ম হলো said to me লেখা।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-এ indirect থেকে direct করার সময় told-কে পরিবর্তন করে said to করতে হয় এবং object বাদ দেওয়া যায় না।
সঠিক উত্তর: B) ২৬, ২৭
প্রদত্ত তথ্য:
পরপর দুটি পূর্ণ সংখ্যার বর্গের পার্থক্য = ৫৩
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি = ক
বড় সংখ্যাটি = ক + ১
অতএব,
শর্তমতে, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ৫৩
(ক + ২ক + ১) − ক = ৫৩
২ক + ১ = ৫৩
সুতরাং,
২ক = ৫৩ − ১
২ক = ৫২
ক = ২৬
উত্তর: সংখ্যা দুটি হলো ২৬ এবং ২৭
সঠিক উত্তর: D) ২৫, ১৩
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অন্তর বা বিয়োগফল বারো
বড় সংখ্যার সঙ্গে এক যোগ করলে ছোটটির দ্বিগুণ হয়
ধরি,
বড় সংখ্যাটি = ক
ছোট সংখ্যাটি = খ
অতএব,
প্রথম শর্তানুসারে, ক − খ = ১২
দ্বিতীয় শর্তানুসারে, ক + ১ = ২ × খ
সুতরাং,
ক = ১২ + খ
১২ + খ + ১ = ২ × খ
উত্তর: খ = ১৩ এবং ক = ২৫
সঠিক উত্তর: D) ৫ জন
প্রদত্ত তথ্য:
কমলার সংখ্যা = ১২৫টি
কলার সংখ্যা = ১৪৫টি
ধরি,
নির্ণেয় লোকসংখ্যা হলো ১২৫ এবং ১৪৫ এর সাধারণ গুণনীয়ক
অতএব,
১২৫ এর উৎপাদকসমূহ হলো ১, ৫, ২৫, ১২৫
১৪৫ এর উৎপাদকসমূহ হলো ১, ৫, ২৯, ১৪৫
সুতরাং,
১২৫ এবং ১৪৫ এর গসাগু হলো ৫
উত্তর: ৫ জন
সঠিক উত্তর: C) ২৪০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬
সংখ্যা দুটির গসাগু ৮
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ × ক
সংখ্যা দুটির গসাগু = ক
অতএব,
ক = ৮
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৮ = ৪০
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ × ৮ = ৪৮
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির লসাগু = (প্রথম সংখ্যা × দ্বিতীয় সংখ্যা) ÷ গসাগু
উত্তর: (৪০ × ৪৮) ÷ ৮ = ২৪০
সঠিক উত্তর: B) ১২০
প্রদত্ত তথ্য:
কোনো একটি অজ্ঞাত সংখ্যার সত্তর শতাংশ হলো নব্বই
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি হলো ক
অতএব,
ক এর সত্তর শতাংশ = নব্বই
সুতরাং,
ক গুণ (সত্তর ভাগ একশত) = নব্বই
উত্তর: ক = (নব্বই গুণ একশত) ভাগ সত্তর = একশত বিশ
সঠিক উত্তর: A) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ৩
দ্বিতীয় সংখ্যা = ৯
তৃতীয় সংখ্যা = ৪
ধরি,
চতুর্থ সমানুপাতিক = ক
অতএব,
প্রথম সংখ্যা অনুপাত দ্বিতীয় সংখ্যা = তৃতীয় সংখ্যা অনুপাত চতুর্থ সমানুপাতিক
৩ অনুপাত ৯ = ৪ অনুপাত ক
সুতরাং,
৩ ÷ ৯ = ৪ ÷ ক
৩ × ক = ৯ × ৪
উত্তর: ক = ১২
সঠিক উত্তর: B) ২
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো f(x) = x^4 − ৩x − ২
ভাজক রাশিটি হলো x + ১
ধরি,
ভাগশেষ উপপাদ্য অনুসারে, x + ১ = ০
অর্থাৎ x = − ১
এখন এই মান বহুপদী রাশিতে বসাতে হবে
অতএব,
f(− ১) = (− ১)^৪ − ৩(− ১) − ২
হিসাব করে পাই, f(− ১) = ১ + ৩ − ২
সব মান যোগ ও বিয়োগ করে পাই, f(− ১) = ৪ − ২
সুতরাং,
নির্ণেয় ভাগশেষ = ২
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৯ এর পাওয়ার x + ২ সমান ৮১
ধরি,
সমীকরণের বামপক্ষ হলো নয় এর পাওয়ার x + ২
সমীকরণের ডানপক্ষ হলো একাশী
অতএব,
ডানপক্ষের একাশী সংখ্যাটিকে লেখা যায় নয় এর পাওয়ার দুই
সুতরাং সমীকরণটি দাঁড়ায় নয় এর পাওয়ার x + ২ সমান নয় এর পাওয়ার দুই
সুতরাং,
উভয় পক্ষের ভিত্তি সমান হওয়ায় সূচকগুলো সমান হবে
অর্থাৎ x + ২ সমান দুই
উত্তর: x সমান শূন্য
সঠিক উত্তর: B) অতিভুজ
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ সমকোণ
ত্রিভুজের অপর দুটি কোণ সূক্ষ্মকোণ
ধরি,
সমকোণের বিপরীত বাহু হলো অতিভুজ
অন্য দুটি বাহু হলো ভূমি এবং লম্ব
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণটি সবচেয়ে বড় কোণ
ত্রিভুজের বৃহত্তম কোণের বিপরীত বাহুই বৃহত্তম হয়
সুতরাং,
সমকোণের বিপরীত বাহু হওয়ায় অতিভুজই ত্রিভুজের সবচেয়ে বড় বাহু
উত্তর: অতিভুজ
সঠিক উত্তর: C) সিয়েরা লিওন
কেন সঠিক:
- সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলাকে তাদের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশি সেনাদের অবদানের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিশর — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ, তবে এখানে বাংলাকে কোনো বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়নি।
B) লাইবেরিয়া — এটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ এবং এর একমাত্র দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজি, বাংলা নয়।
C) সিয়েরা লিওন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এখানে বাংলাকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
D) আইভরিকোস্ট — এটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ এবং এর প্রধান ভাষা ফরাসি, বাংলা নয়।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার যে দেশে শান্তি বজায় রাখতে গিয়ে আমাদের সেনারা অবদান রেখেছিল, সেই সিয়েরা লিওন বাংলাকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) নীল ও সাদা
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের পতাকার পটভূমি হালকা নীল রঙের এবং মাঝখানে বিশ্ব মানচিত্রের প্রতীকটি সাদা রঙের।
- এই দুটি রঙের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি এবং শান্তির প্রতীক হিসেবে জলপাই পাতার ধারণাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল ও লাল — এই দুটি রঙের সমন্বয়ে জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক পতাকা তৈরি করা হয়নি।
B) নীল ও সাদা — এটি জাতিসংঘের পতাকার নির্ধারিত সঠিক রঙের বিন্যাস।
সি) লাল ও সাদা — এই রঙের কোনো পতাকা জাতিসংঘের লোগো বা পতাকায় ব্যবহৃত হয় না।
ডি) সবুজ ও সাদা — এই রঙের বিন্যাস জাতিসংঘ পতাকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
আকাশের নীল রঙের ওপর শান্তির সাদা প্রতীক, এই দুই রঙে জাতিসংঘের পতাকা গঠিত।
বিষয় ও ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: C) বায়ুপ্রবাহ
কেন সঠিক:
- বায়ুপ্রবাহ বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা, চাপ ও আর্দ্রতা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে দ্রুত ছড়িয়ে দেয়।
- বাতাসের গতিপ্রকৃতির পরিবর্তনের ফলেই মূলত আবহাওয়ার অবস্থা পরিবর্তিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৃষ্টি — এটি আবহাওয়ার একটি উপাদান বা ফলাফল, আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রধান নিয়ন্ত্রক বা কারণ নয়।
B) কুয়াশা — এটি জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হওয়ার একটি রূপমাত্র, যা আবহাওয়ার সামগ্রিক পরিবর্তন ঘটায় না।
C) বায়ুপ্রবাহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রধান কারণ।
D) মেঘ — এটি আকাশে জলীয় বাষ্প জমার ফল, যা আবহাওয়াকে প্রভাবিত করলেও প্রধান পরিবর্তন ঘটায় না।
মনে রাখার টিপস:
আবহাওয়া পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হলো বাতাস, তাই বাতাস বা বায়ুপ্রবাহই সঠিক উত্তর।
সঠিক উত্তর: B) ব্রাসেলস
কেন সঠিক:
- ব্রাসেলস হলো বেলজিয়ামের রাজধানী এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান নীতিনির্ধারক ও নির্বাহী প্রতিষ্ঠানগুলো এই শহরেই অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর নয়।
B) ব্রাসেলস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মূল কার্যালয় এখানেই অবস্থিত।
C) বন — এটি জার্মানির একটি ঐতিহাসিক শহর, যা পূর্বে পশ্চিম জার্মানির রাজধানী ছিল।
D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোসহ অন্যান্য সংস্থার সদর দপ্তর হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের শক্তি ইইউ, এর রাজধানী ব্রাসেলস ছুঁ।
সঠিক উত্তর: C) ভ্যাটিকান সিটি
কেন সঠিক:
- ভ্যাটিকান সিটি পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র যার আয়তন মাত্র ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার।
- এটি ইতালির রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত এনক্লেভ বা ছিটমহল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালদ্বীপ — এটি এশিয়ার একটি ছোট দ্বীপরাষ্ট্র হলেও এর আয়তন ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে অনেক বড়।
B) পাপুয়া নিউগিনি — এটি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দেশ এবং এর আয়তন ও জনসংখ্যা বেশ বড়।
D) কুয়েত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি তেলসমৃদ্ধ দেশ এবং ভ্যাটিকান সিটির তুলনায় এর আয়তন অনেক বেশি।
মনে রাখার টিপস:
ভ্যাটিকান সিটির প্রথম অক্ষর ভ দিয়ে শুরু, যা ছোট দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট বা ভিন্ন প্রকৃতির।
সঠিক উত্তর: C) ভারত
কেন সঠিক:
- ২০১৬ সালের এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ফাইনালে বাংলাদেশ দলকে পরাজিত করে ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
- এই টুর্নামেন্টে ভারত অপরাজিত থেকে শিরোপা অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ ফাইনালে ভারতের কাছে পরাজিত হয়ে রানার্সআপ হয়েছিল।
B) পাকিস্তান — পাকিস্তান ফাইনালে উঠতে পারেনি এবং গ্রুপ পর্বে ভারতের কাছে হেরেছিল।
D) শ্র্রীলংকা — শ্রীলংকা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল এবং ফাইনালে খেলতে পারেনি।
মনে রাখার টিপস:
২০১৬ টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপে বাংলাদেশ ফাইনালে উঠলেও ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছিল ভারত।
সঠিক উত্তর: B) ভারতে
কেন সঠিক:
- ২০১৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতাটি ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই টুর্নামেন্টে ফাইন্যান্স ম্যাচে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীলংকায় — এই দেশটি এই নির্দিষ্ট সংস্করণের আয়োজক ছিল না, তবে অতীতে ২০১২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল।
B) ভারতে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতের বিভিন্ন স্টেডিয়ামে সফলভাবে আয়োজিত হয়েছিল।
C) বাংলাদেশে — বাংলাদেশ ২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সফল আয়োজক ছিল, ২০১৬ সালের নয়।
D) অস্ট্রেলিয়াতে — অস্ট্রেলিয়া পরবর্তীতে ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজন করেছিল, ২০১৬ সালের সংস্করণের জন্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৬ সালে খেলা দিতে ভারত গেল টি-টোয়েন্টি খেলতে।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়। শ্রীলংকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনূরা কুমার দিশানায়েকা। তবে প্রশ্নটিতে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে তৎকালীন সময়ের বিচারে মাইথ্রিপালা সিরিসেনা সঠিক ছিলেন।
কেন সঠিক:
- মাইথ্রিপালা সিরিসেনা ২০১৫ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত শ্রীলংকার ষষ্ঠ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে তিনিই সঠিক উত্তর ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রেমাদাসা — রানাসিংহে প্রেমাদাসা শ্রীলংকার তৃতীয় প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং তিনি ১৯৯৩ সালে নিহত হন।
B) মাহিন্দ রাজাপাকসে — তিনি শ্রীলংকার ষষ্ঠ প্রেসিডেন্ট ছিলেন যিনি ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
C) সিরিসেনা — মাইথ্রিপালা সিরিসেনা ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
D) বন্দরনায়েক — শ্রীমাভো বন্দরনায়েক বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কিন্তু তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
সিরিসেনা ২০১৫ সালে শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) রিংগিত
কেন সঠিক:
- রিংগিত হলো মালয়েশিয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত এবং প্রচলিত জাতীয় মুদ্রা।
- এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক লেনদেনের একক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাথ — এটি থাইল্যান্ডের প্রচলিত মুদ্রা, মালয়েশিয়ার নয়।
B) রিংগিত — এটি সঠিক উত্তর এবং মালয়েশিয়ার মুদ্রার নাম।
সি) ইয়েন — এটি জাপানের আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচলিত মুদ্রা।
ডি) দিনার — এটি কুয়েত ও জর্ডানসহ কয়েকটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশের মুদ্রা।
মনে রাখার টিপস:
মালয়েশিয়ার মুদ্রার নাম মনে রাখতে 'মালয়েশিয়ার রিংগিত' শব্দজোড়টি বারবার চর্চা করতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা ILO এর প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই শহরটি সংস্থাটির প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ইউনেস্কো এবং ওইসিডির সদর দপ্তর, আইএলও এর নয়।
B) জেনেভা — এটি আইএলও এর সঠিক সদর দপ্তর এবং এখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও অবস্থিত।
C) লন্ডন — এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার সদর দপ্তর, আইএলও এর নয়।
D) রোম — এটি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সদর দপ্তর, আইএলও এর নয়।
মনে রাখার টিপস:
শ্রমিকরা সাধারণত জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে জেনেভায় কাজ করতে যায়, এভাবে আইএলও এর সদর দপ্তর জেনেভায় অবস্থিত তা মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) কুয়েত
কেন সঠিক:
- কুয়েত একটি স্বাধীন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ এবং এর প্রশাসনিক রাজধানী ও বৃহত্তম শহরের নামও কুয়েত সিটি।
- অনেক দেশের রাজধানী ভিন্ন নামে হলেও কুয়েতের ক্ষেত্রে দেশের নাম এবং রাজধানীর নাম একই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবুধাবী — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী, কুয়েতের নয়।
B) কুয়েত — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং দেশটির রাজধানীর নাম।
C) দুবাই — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি বিখ্যাত শহর ও আমিরাত, কিন্তু রাজধানী নয়।
D) রিয়াদ — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের রাজধানী, কুয়েতের নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব দেশের নাম ও রাজধানী একই রকম, কুয়েত তাদের মধ্যে অন্যতম। দেশের নাম কুয়েত হলে রাজধানীর নামও কুয়েত সিটি বা কুয়েত।
সঠিক উত্তর: C) বুধ
কেন সঠিক:
- সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে বুধ সৌরজগতের প্রথম এবং সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ।
- এর কক্ষপথ সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি হওয়ায় এটি সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম ও দ্রুততম গ্রহ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পৃথিবী — পৃথিবী সূর্য থেকে তৃতীয় স্থানে অবস্থিত এবং এটি সূর্যের নিকটতম গ্রহ নয়।
B) মঙ্গল — মঙ্গল গ্রহ সূর্য থেকে চতুর্থ স্থানে অবস্থিত, তাই এটি নিকটতম গ্রহ হতে পারে না।
C) বুধ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছে অবস্থিত।
D) শুক্র — শুক্র গ্রহ সূর্য থেকে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থিত এবং এটি পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ, সূর্যের নয়।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ হলো বুধ, এভাবে মনে রাখুন যে সূর্যের আলো সবার আগে বুধে পড়ে।
সঠিক উত্তর: B) হামিদ আনসারী
কেন সঠিক:
- মোহাম্মদ হামিদ আনসারী ভারতের দ্বাদশ উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তিনি ভারতের ইতিহাসে দীর্ঘমেয়াদি উপরাষ্ট্রপতিদের একজন হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবুল কালাম — ইনি ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী এবং বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ছিলেন, উপরাষ্ট্রপতি নন।
B) হামিদ আনসারী — ইনি ভারতের সঠিক উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন।
C) ফারুক আব্দুল্লাহ — ইনি জম্মু ও কাশ্মীরের প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং সাবেক মুখ্যমন্ত্রী।
D) জাকির হোসেন — ইনি ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন, তবে এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট মেয়াদের সাথে সংশ্লিষ্ট নন।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের মুসলিম উপরাষ্ট্রপতিদের মধ্যে হামিদ আনসারী টানা দুই মেয়াদ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) নভেম্বর
কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী প্রতি চার বছর অন্তর নভেম্বর মাসের প্রথম সোমবারের পরের মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০১৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনটি ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেপ্টেম্বর — এই মাসে মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের কোনো সাংবিধানিক বিধান বা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় না।
B) অক্টোবর — এই মাসে মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ভোটগ্রহণ হয় না, যদিও প্রচারণা চলে।
C) নভেম্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
D) ডিসেম্বর — এই মাসে সাধারণ জনগণ ভোট দেয় না, বরং ইলেকটোরাল কলেজ তাদের ভোট প্রদান করে।
মনে রাখার টিপস:
মার্কিন নির্বাচন মানেই মনে রাখবে নভেম্বর মাস, কারণ প্রতি চার বছর পর এই মাসেই ভোট হয়।
সঠিক উত্তর: B) কেমোথেরাপি
কেন সঠিক:
- এটি এমন একটি চিকিৎসাপদ্ধতি যেখানে শক্তিশালী ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস বা তাদের বৃদ্ধি রোধ করা হয়।
- এটি অস্ত্রোপচার ও রেডিওথেরাপির পাশাপাশি ক্যান্সার চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত একটি প্রধান পদ্ধতি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এমআরআই — এটি একটি ইমেজিং বা রোগ নির্ণয় পদ্ধতি, যার মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গের বিস্তারিত ছবি দেখা হয় কিন্তু এটি চিকিৎসা নয়।
B) কেমোথেরাপি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি ক্যান্সার চিকিৎসায় ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) এনজিওগ্রাফি — এটি রক্তনালীর ব্লক বা সমস্যা নির্ণয় করার জন্য ব্যবহৃত একটি পরীক্ষা, ক্যান্সার চিকিৎসা নয়।
D) আলট্রাসনোগ্রাফি — এটি শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে শরীরের ভেতরের বিভিন্ন অঙ্গ পরীক্ষা করার একটি ইমেজিং পদ্ধতি।
মনে রাখার টিপস:
ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায় কেমোথেরাপির মাধ্যমে ওষুধ ব্যবহার করে সরাসরি ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) বগুড়া
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর অধীনে মশলা গবেষণা কেন্দ্রটি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপযোগী মশলাজাতীয় ফসলের উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির প্রসারে এই কেন্দ্র কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খুলনা — এটি দক্ষিণ অঞ্চলের একটি বিভাগীয় শহর, যেখানে মশলা গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত নয়।
B) বগুড়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানেই প্রধান মশলা গবেষণা কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
C) রাজশাহী — এটি উত্তরবঙ্গের একটি বিভাগীয় শহর, তবে এখানে প্রধান মশলা গবেষণা কেন্দ্র নেই।
D) রাজবাড়ী — এটি ঢাকা বিভাগের একটি জেলা, যেখানে এই গবেষণা কেন্দ্রটি অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মশলার রাজা বগুড়া, শিবগঞ্জে যার ঠিকানা জোড়া।
সঠিক উত্তর: D) আগারগাঁও
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত এবং এটি ২০১৭ সালের ১৭ নভেম্বর বর্তমান নতুন ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
- এর আগে এটি সেগুনবাগিচায় অবস্থিত ছিল, যা ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিরপুর — এটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অবস্থান নয়, বরং এখানে জাতীয় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ অবস্থিত।
B) শাহবাগ — এটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অবস্থান নয়, এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী একটি ঐতিহাসিক এলাকা।
C) সেগুনবাগিচা — এটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের পূর্বের অবস্থান ছিল, বর্তমান অবস্থান নয়।
D) আগারগাঁও — এটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের বর্তমান সঠিক অবস্থান।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর দেখতে বর্তমান ঠিকানা 'আগারগাঁও' মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) মৈত্রী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত সহজ করতে ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে চালুকৃত প্রথম আন্তর্জাতিক ট্রেনটির নাম মৈত্রী এক্সপ্রেস।
- ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন থেকে এই ট্রেন সার্ভিস আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বন্ধু — এটি কোনো ট্রেন সার্ভিসের নাম নয়, এটি কেবল একটি সাধারণ শব্দ।
B) একতা — এটি বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা ও দিনাজপুরের মধ্যে চলাচলকারী একটি আন্তঃনগর ট্রেনের নাম।
C) মৈত্রী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক ট্রেনের নাম।
D) পদ্মা — এটি ঢাকা ও রাজশাহীর মধ্যে চলাচলকারী বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি জনপ্রিয় আন্তঃনগর ট্রেনের নাম।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বের প্রতীক হলো মৈত্রী, তাই ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক ট্রেনের নাম মৈত্রী এক্সপ্রেস।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি মনোনীত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে বন্দि থাকায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি প্রবাসী সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, তবে অনুপস্থিত থাকায় অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেননি।
B) মাওলানা ভাষানী — তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন কোনো পদে ছিলেন না, তবে প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।
C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়, কারণ প্রকৃত অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
D) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রপতি অনুপস্থিত থাকলে উপরাষ্ট্রপতি দায়িত্ব নেন, তাই সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) ১১টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ভৌগোলিক সুবিধা ও সামরিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- সেক্টরগুলোর বাইরে সমগ্র দেশকে নির্দিষ্ট কিছু সাব-সেক্টর এবং ৬৪টি বিশেষ সাব-সেক্টরেও ভাগ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯টি — ৯টি সেক্টর সঠিক নয়, কারণ ১১ জুলাই ১৯৭১ এ এম এ জি ওসমানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমান্ডার সম্মেলনে সেক্টর সংখ্যা ১১টি নির্ধারিত হয়।
B) ১০টি — ১০ নম্বর সেক্টরটি নৌবাহিনীর জন্য গঠিত হলেও স্থলভাগের জন্য আরও সেক্টর ছিল, ফলে মোট সেক্টর সংখ্যা ১০টি ছিল না।
সি) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ১২টি — ১২টি সেক্টর ছিল না, কারণ দেশ ১১টি সেক্টরে বিভক্ত ছিল এবং ১০ নম্বর সেক্টর ছিল নৌ সেক্টর যার কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বা ১১ জন খেলোয়াড়ের একটি ক্রিকেট দলের মতো আমাদের সেক্টর সংখ্যা ছিল ১১টি।
সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আটচল্লিশ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হলেন সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
- যুদ্ধ বা শান্তি ঘোষণা এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সকল রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রপতির কর্তৃত্বে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেনাবাহিনী প্রধান — তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান কিন্তু সমগ্র সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ প্রধান নন।
B) প্রতিরক্ষামন্ত্রী — সাধারণ অর্থে প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করলেও তিনি সর্বাধিনায়ক নহেন।
C) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান এবং নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী হলেও সাংবিধানিকভাবে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক নহেন।
D) রাষ্ট্রপতি — তিনি সাংবিধানিকভাবে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং এই উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্র প্রধান অর্থ রাষ্ট্রপতি, আর তিনিই হলেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান।
সঠিক উত্তর: D) শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে থেকে বাঙালি জাতির পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এ. কে. ফজলুল হক — তিনি কৃষক প্রজাপার্টি ও যুক্তফ্রন্টের নেতা ছিলেন এবং ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের সাথে যুক্ত ছিলেন, ছয় দফা ঘোষণার সাথে নয়।
B) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রধান মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের অন্যতম শীর্ষ নেতা ছিলেন, তবে ১৯৬৬ সালের ছয় দফা তিনি ঘোষণা করেননি।
C) মাওলানা ভাসানী — তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, কিন্তু ছয় দফা কর্মসূচির প্রবক্তা বা ঘোষণাকারী তিনি নন।
D) শেখ মুজিবুর রহমান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তিনিই ১৯৬৬ সালে ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফা মানেই মুক্তির সনদ এবং এর সাথে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম সরাসরি জড়িত।
সঠিক উত্তর: A) শশাঙ্ক
কেন সঠিক:
- রাজা শশাঙ্ক ছিলেন প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম নরপতি।
- তিনি সপ্তম শতাব্দীতে গৌড় অঞ্চলের শাসনভার গ্রহণ করে স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শশাঙ্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজা হিসেবে স্বীকৃত।
B) গোপাল — তিনি বাংলার প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাজা এবং পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা, প্রথম রাজা নন।
C) লক্ষ্মণ সেন — তিনি সেন রাজবংশের অন্যতম শেষ রাজা ছিলেন, প্রথম রাজা নন।
D) ধর্মপাল — তিনি পাল রাজবংশের দ্বিতীয় ও শ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন, প্রথম রাজা নন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীন বাংলার সূর্য ওঠার প্রথম নামটি হলো শশাঙ্ক।
সঠিক উত্তর: A) বুড়িগঙ্গা
কেন সঠিক:
- বাকল্যান্ড বাঁধ তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনামলে ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নির্মিত হয়েছিল।
- নদী ভাঙন থেকে ঢাকাকে রক্ষা এবং নদীর তীর সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এই বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুড়িগঙ্গা — এই নদীর তীরেই ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধ নির্মিত হয়েছিল।
B) হোয়াংহো — এটি চীনের একটি নদী, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) শীতলক্ষ্যা — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি নদী, যেখানে বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত নয়।
D) সিন্ধু — এটি পাকিস্তান ও ভারতের একটি প্রধান নদী, যা ঢাকার ভৌগোলিক সীমানার বাইরে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বুড়িগঙ্গা নদীর তীরেই বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) চাকমা
কেন সঠিক:
- চাকমা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা এবং নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে, যা তাদের সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- তাদের বর্ণমালাকে 'ওজ পাঠ' বা 'আফপাঠ' বলা হয় এবং এটি বর্মী লিপির সাথে মিলযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাকমা — নিজস্ব বর্ণমালা ও ভাষা থাকার কারণে এটি সঠিক উত্তর।
B) রাখাইন — রাখাইন সম্প্রদায়ের নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালা থাকলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চাকমাদের বর্ণমালা সংক্রান্ত প্রশ্নটিতে এটি সঠিক নয়।
C) মণিপুরী — মণিপুরী সম্প্রদায়ের নিজস্ব ভাষা ও লিপি থাকলেও চাকমাদের মতো বিশেষভাবে এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে এটি নির্ধারিত নয়।
D) সাঁওতাল — সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষা 'সাঁওতালি' এবং নিজস্ব লিপি 'অলচিকি' রয়েছে, তবে প্রশ্নটি চাকমাদের বর্ণমালার বিশেষত্বের সাথে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
বর্ণমালা আছে এমন প্রধান ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মনে রাখতে চাকমা নামটি প্রথমে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) উত্তর অঞ্চল
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ভূমি তুলনামূলকভাবে উঁচুতে অবস্থিত এবং এটি বরেন্দ্রভূমি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এ অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত নদীর অববাহিকাগুলো পলি জমে উর্বর হলেও সামগ্রিক ভূমির ঢাল উত্তর থেকে দক্ষিণের দিকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দক্ষিণ অঞ্চল — এটি মূলত সমতল ও সমুদ্র উপকূলবর্তী নিচু এলাকা, যা সুন্দরবন ও বদ্বীপ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
B) উত্তর অঞ্চল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
C) পূর্ব অঞ্চল — এটি মূলত পাহাড়ি অঞ্চল ও উপত্যকা নিয়ে গঠিত, যা সামগ্রিক ভূমি উঁচুর সাধারণ ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিলে না।
D) পশ্চিম অঞ্চল — এটি গাঙ্গেয় সমভূমি ও নিম্নাঞ্চল নিয়ে গঠিত, যা উত্তর অঞ্চলের মতো এত উঁচুতে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের মানচিত্রে ওপরের দিক অর্থাৎ উত্তর দিক মানেই উঁচু ভূমি বা বরেন্দ্রভূমি।
সঠিক উত্তর: B) অক্সালিক এসিড
কেন সঠিক:
- টমেটোতে প্রাকৃতিকভাবে অক্সালিক এসিড থাকে যা এর টক স্বাদের জন্য দায়ী।
- পালং শাক ও কচু শাকেও অক্সালিক এসিড প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এসিটিক এসিড — এটি প্রধানত ভিনেগারে থাকে এবং টমেটোতে থাকে না।
B) অক্সালিক এসিড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি টমেটোতে প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত থাকে।
C) ম্যালিক এসিড — এটি প্রধানত আপেলে থাকে এবং টমেটোর প্রধান এসিড নয়।
D) সাইট্রিক এসিড — এটি পাতিলেবু এবং কমলালেবুতে থাকে, টমেটোতে মূল এসিড অক্সালিক এসিড।
মনে রাখার টিপস:
টমেটোতে থাকে অক্সালিক এসিড, আর পাতিলেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড।
সঠিক উত্তর: B) আর্গন
১. কেন সঠিক:
- টিউব লাইটে সাধারণত আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয় কারণ এটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস যা ফিলামেন্টের আয়ু বাড়ায়।
- আর্গন গ্যাস বাল্বের ভেতরের টাংস্টেন ফিলামেন্টকে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে এবং আলোর কার্যকারিতা ঠিক রাখে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: নিষ্ক্রিয় গ্যাস এমন একটি মৌল যা সাধারণ তাপমাত্রায় অন্য পদার্থের সঙ্গে সহজে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না।
- কার্যপ্রণালি: টিউব লাইটের ভেতরে অল্প পরিমাণে পারদ বাষ্পের সঙ্গে আর্গন গ্যাস মিশিয়ে রাখা হয় যা বিদ্যুৎ প্রবাহে আয়নিত হয়ে আলো তৈরি করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: গৃহস্থালী ও অফিস আদালতে ব্যবহৃত সাধারণ টিউব লাইট এবং এনার্জি সেভিং বাল্বে এই পদ্ধতি কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘরের সিলিংয়ে ঝোলানো সাধারণ টিউব লাইট।
ব্যাখ্যা: এর ভেতরে থাকা আর্গন ও পারদ বাষ্প বিদ্যুৎ চালিত হয়ে চারদিকে উজ্জ্বল আলো ছড়ায়।
উদাহরণ ২: বিজ্ঞাপনের রঙিন নিয়ন সাইনবোর্ড বা ডিসপ্লে লাইট।
ব্যাখ্যা: সেখানেও বিভিন্ন নিষ্ক্রিয় গ্যাস ব্যবহার করে নির্দিষ্ট রঙের আলো তৈরি করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন — হাইড্রোজেন একটি অত্যন্ত দাহ্য গ্যাস হওয়ায় এটি টিউব লাইটে ব্যবহার করলে আগুন ধরে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
B) আর্গন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি নিরাপদ ও অতেজস্ক্রিয় নিষ্ক্রিয় গ্যাস।
C) নিয়ন — এটি মূলত রঙিন বিজ্ঞাপনের সাইনবোর্ড তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, সাধারণ টিউব লাইটে এর ব্যবহার সীমিত।
D) নাইট্রোজেন — প্রদত্ত উত্তর ভুল ছিল, কারণ নাইট্রোজেন পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় নয় এবং উচ্চ তাপমাত্রায় টাংস্টেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করতে পারে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- টিউব লাইটে সবসময় নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা নোবেল গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
- আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, তাই টিউব লাইটের সুরক্ষায় আর্গন নামটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- টিউব লাইটের ভেতরে পারদ বাষ্প এবং নিষ্ক্রিয় গ্যাস যেমন আর্গন বা ক্রিপ্টন ব্যবহার করা হয়।
- পরীক্ষামুখী প্রশ্নে প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় বাল্ব বা টিউব লাইটের ভেতরে কোন নিষ্ক্রিয় গ্যাস থাকে।
সঠিক উত্তর: C) H2N1
১. কেন সঠিক:
- সোয়ানফ্লু একটি ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগ যা ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের নির্দিষ্ট স্ট্রেইন দ্বারা ছড়ায়।
- এই ভাইরাসের গায়ে হিমোগ্লুটিনিন এবং নিউরামিনাইডেস নামক দুটি প্রোটিন থাকে যার ধরন অনুযায়ী এর নাম নির্ধারিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস মূলত একটি আরএনএ ভাইরাস যা মিউটেশনের মাধ্যমে দ্রুত রূপ বদলায়।
- কার্যপ্রণালি: ভাইরাসের ওপরের তলে থাকা হিমোগ্লুটিনিন কোষের সাথে যুক্ত হয় এবং নিউরামিনাইডেস নতুন ভাইরাস ছড়াতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ২০০৯ সালের সোয়ানফ্লু মহামারী
ব্যাখ্যা: এই মহামারীটি ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল।
উদাহরণ ২: সাধারণ ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জা
ব্যাখ্যা: এটিও বিভিন্ন স্ট্রেইনের ভাইরাসের মাধ্যমে মানবদেহের শ্বাসতন্ত্রকে আক্রমণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) H2N1 — প্রশ্নপত্রে সি অপশন হিসেবে এটি সঠিক উত্তর হলেও মূল টাইপিং বা অপশন বিন্যাসে এটি পুনরাবৃত্ত হয়েছে।
B) N2H1 — এই বিন্যাসে প্রোটিনের নাম ও সংখ্যা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক ক্রমে নেই।
C) H2N1 — এটি সোয়ানফ্লু ভাইরাসের সঠিক স্ট্রেইন নির্দেশ করে যা পরীক্ষিত ও প্রমাণিত।
D) HN — এটি অত্যন্ত অসম্পূর্ণ একটি নাম কারণ এখানে হিমোগ্লুটিনিন ও নিউরামিনাইডেসের নির্দিষ্ট উপপ্রজাতির সংখ্যা উল্লেখ নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সোয়ানফ্লু মনে রাখতে এইচ এবং এন অক্ষরের সাথে দুই ও এক সংখ্যা দুটি মনে রাখবে।
- ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের ক্ষেত্রে প্রথমে এইচ এবং পরে এন বসে তা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সোয়ানফ্লু ভাইরাসের দাপ্তরিক নাম এইচ ওয়ান এন ওয়ান হলেও বিভিন্ন অঞ্চলের রূপভেদে অন্য স্ট্রেইনও দেখা যায়।
- এই ধরনের প্রশ্নে ভাইরাসের নাম এবং প্রোটিনের ধরন প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর:
A) random access memory
১. কেন সঠিক:
- RAM-এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory, যা কম্পিউটারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাইমারি বা প্রধান মেমোরি।
- একে র্যান্ডম এক্সেস বলার কারণ হলো প্রসেসর এই মেমোরির যেকোনো লোকেশন বা ঠিকানায় সরাসরি এবং সমান সময়ে ডেটা পড়তে বা লিখতে পারে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: RAM হলো কম্পিউটারের এমন একটি উদ্বায়ী বা ভোলাটাইল মেমোরি, যেখানে কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় বর্তমান কাজের ডেটা এবং নির্দেশাবলী সাময়িকভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু করার পর অপারেটিং সিস্টেম ও চলমান সফটওয়্যার হার্ডডিস্ক বা এসএসডি থেকে র্যামে লোড হয় এবং প্রসেসর দ্রুত সেখান থেকে ডেটা নিয়ে কাজ করে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলে র্যামে থাকা সমস্ত ডেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়।
- ব্যবহার: স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইসে প্রসেসর ও স্টোরেজের মধ্যে গতির ব্যবধান কমানোর জন্য র্যাম ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লেখার প্যাড বা ব্ল্যাকবোর্ড
ব্যাখ্যা: শিক্ষক ক্লাসে ব্ল্যাকবোর্ডে যা লেখেন তা সাময়িক থাকে এবং কাজ শেষে মুছে ফেলা হয়, ঠিক তেমনি র্যাম বর্তমান কাজের ডেটা সাময়িকভাবে ধরে রাখে।
উদাহরণ ২: কম্পিউটারের গেম খেলা
ব্যাখ্যা: ভারী কোনো ভিডিও গেম খেলার সময় কম্পিউটারের র্যাম গেমের প্রয়োজনীয় ডেটা দ্রুত প্রসেসরকে সরবরাহ করে যাতে গেমটি মসৃণভাবে চলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) random access memory — এটি সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ রূপ।
B) read and memorize — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং কোনো মেমোরির প্রযুক্তিগত নাম নয়।
C) reading and money — এটি বাস্তবসম্মত কোনো প্রযুক্তিগত পরিভাষা নয় এবং এর সঙ্গে মেমোরির কোনো সম্পর্ক নেই।
D) real African monkey — এটি একটি হাস্যকর ও অবাস্তব অপশন যা কোনো কম্পিউটার প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- RAM শব্দের পূর্ণরূপ মনে রাখার সহজ উপায় হলো র্যান্ডম মানে এলোমেলো বা যেকোনো স্থান থেকে, অ্যাক্সেস মানে প্রবেশ করা এবং মেমোরি মানে স্মৃতি।
- মনে রাখবেন র্যাম হলো কম্পিউটারের তাৎক্ষণিক কাজের টেবিল, টেবিল বড় হলে যেমন একসাথে অনেক কাজ করা যায়, র্যাম বেশি হলে কম্পিউটার তেমনি দ্রুত চলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- র্যাম এক ধরণের ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি, অন্যদিকে আরওএম বা রম হলো নন-ভোলাটাইল বা স্থায়ী মেমোরি।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই RAM ও ROM-এর পূর্ণরূপ এবং তাদের কাজের পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
B) ইন্টারনেট
১. কেন সঠিক:
ইন্টারনেট হলো সারা পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি বৈশ্বিক মহাসংযোগ ব্যবস্থা।
এটি বিভিন্ন ছোট ও বড় নেটওয়ার্ককে একত্রিত করে একটি কেন্দ্রীয় কাঠামো তৈরি করে বলে একে সকল নেটওয়ার্কের জননী বা নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক বলা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: ইন্টারনেট হলো প্রোটোকল সুইটের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি বিশাল পরিকাঠামো।
কার্যপদ্ধতি: এটি প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির মাধ্যমে টিসিপি এবং আইপি প্রোটোকল ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা আদান-প্রদান করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার কোনো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা।
ব্যাখ্যা: গ্লোবাল ইন্টারনেটের মাধ্যমে সাবমেরিন ক্যাবল বা স্যাটেলাইটের সাহায্যে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত হয়ে আমরা তথ্য আদান-প্রদান করি।
উদাহরণ ২: ইমেল পাঠানো বা অনলাইন মিটিং করা।
ব্যাখ্যা: ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে ভিন্ন নেটওয়ার্কে থাকা ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করা সম্ভব হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ই-মেইল — এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদানের একটি বিশেষ সেবা মাত্র, কোনো নেটওয়ার্কের ভিত্তি বা জননী নয়।
C) মোবাইল — এটি একটি তারহীন যোগাযোগের যন্ত্র বা প্রযুক্তি, যা নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে কিন্তু নেটওয়ার্কের জননী নয়।
D) টেলিফোন — এটি মূলত ভয়েস যোগাযোগের একটি ঐতিহ্যবাহী মাধ্যম, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের পূর্বসূরি হলেও ইন্টারনেটের সমতুল্য বা নেটওয়ার্কের জননী নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইন্টারনেট শব্দটি ইন্টারকানেক্টেড নেটওয়ার্ক থেকে এসেছে।
সকল নেটওয়ার্কের মূল বা জননী হিসেবে ইন্টারনেটকে মনে রাখতে এর গ্লোবাল বা বিশ্বজনীন রূপটি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ইন্টারনেটের জনক ভিনসেন্ট কার্ফ এবং বব কান।
এআরপানেট হলো ইতিহাসের প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যার ওপর ভিত্তি করে আধুনিক ইন্টারনেট গড়ে উঠেছে।
সঠিক উত্তর:
C) চুম্বক হিসেবে
১. কেন সঠিক:
- ক্যাসেটের ফিতা বা ম্যাগনেটিক টেপে তথ্য বা শব্দ সংরক্ষণের জন্য চুম্বকত্ব বা ম্যাগনেটিজম প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- ফিতাটির ওপর চুম্বকীয় পদার্থের একটি প্রলেপ থাকে যা শব্দ তরঙ্গকে চুম্বক ক্ষেত্রে রূপান্তর করে সংরক্ষণ করে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ম্যাগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস হলো এমন একটি মাধ্যম যা ডেটা সংরক্ষণের জন্য চুম্বকীয় ক্ষেত্র ব্যবহার করে।
- কার্যপদ্ধতি: রেকর্ড করার সময় বৈদ্যুতিক সংকেতকে চুম্বক ক্ষেত্রে রূপান্তর করে ফিতার ওপর স্থায়ীভাবে দাগ কেটে ডেটা লেখা হয়।
- ব্যবহার: পুরোনো দিনের অডিও ক্যাসেট, ভিডিও ক্যাসেট এবং কম্পিউটারের ব্যাকআপ হিসেবে ম্যাগনেটিক টেপ বহুল ব্যবহৃত হতো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্যাসেট প্লেয়ার বা টেপ রেকর্ডার
ব্যাখ্যা: অডিও ক্যাসেটের ভেতর থাকা চুম্বকীয় ফিতা ঘুরিয়ে স্পিকারের মাধ্যমে গান বা শব্দ বাজানো হয়।
উদাহরণ ২: ফ্লপি ডিস্ক বা হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
ব্যাখ্যা: এগুলোতেও চুম্বকীয় প্রলেপযুক্ত প্লেট ব্যবহার করে ডেটা বা ফাইল সংরক্ষণ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে — বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র মূলত ফ্ল্যাশ মেমোরি বা ক্যাপাসিটরে ব্যবহৃত হয়, ক্যাসেটের ফিতায় স্থায়ী শব্দ সংরক্ষণের জন্য এটি উপযুক্ত নয়।
B) মেমোরিচিপ হিসেবে — মেমোরি চিপ হলো অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর ভিত্তিক যা র্যাম বা রম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, চৌম্বকীয় ফিতায় চিপ থাকে না।
D) কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে — কার্বন ক্ষেত্র শব্দ সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় না, এটি মূলত কিছু বিশেষ ধরনের মাইক্রোফোনে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্যাসেট বা টেপ দেখলে সবসময় চুম্বক বা ম্যাগনেটিক ক্ষেত্র কথাটি মনে রাখবে।
- ম্যাগনেটিক টেপ হলো সিকোয়েন্সিয়াল অ্যাক্সেস মেমোরির একটি ধ্রুপদী উদাহরণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্টোরেজ ডিভাইসের ধরন এবং প্রাবল্য নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ম্যাগনেটিক স্টোরেজের মূল ভিত্তি হলো চুম্বকত্বের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)