জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫

পদের নাম: সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (95)

a নবদ্বীপের
b বৃন্দাবনের
c মিথিলার
d বর্ধমানের
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিথিলার ১. কেন সঠিক: বিদ্যাপতি ছিলেন মূলত মিথিলা অঞ্চলের কবি এবং তিনি মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করতেন। মিথিলার রাজা শিবসিংহের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি সাহিত্যচর্চা করতেন এবং বাংলা পদাবলির ইতিহাসে তিনি মৈথিলি কোকিল নামে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির এক অন্যতম প্রধান কবি যিনি সংস্কৃত ও অবহট্ঠ ভাষার পাশাপাশি মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করেছেন। যদিও তিনি বাংলা ভাষার কবি ছিলেন না, তবুও তাঁর মৈথিলি ভাষার অনুকরণে বাংলায় ব্রজবুলি ভাষার সৃষ্টি হয় এবং বাংলা সাহিত্যে তাঁর প্রভাব অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাস ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাস ছিলেন বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের বা মধ্যযুগের শুরুর দিকের কবি যিনি খাঁটি বাংলায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনা করেছেন। উদাহরণ ২: জ্ঞানদাস ব্যাখ্যা: জ্ঞানদাস ছিলেন বাংলার বৈষ্ণব পদাবলির অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি যিনি বিদ্যাপতির ব্রজবুলি ভাষার অনুকরণে বাংলায় পদ রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবদ্বীপের — নবদ্বীপ বাংলার নদীয়া জেলায় অবস্থিত এবং এটি শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান হিসেবে বিখ্যাত হলেও বিদ্যাপতি এখানকার কবি ছিলেন না। B) বৃন্দাবনের — বৃন্দাবন ভারতের উত্তর প্রদেশে অবস্থিত এবং বৈষ্ণব ধর্মে এটি শ্রীকৃষ্ণের লীলাক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত হলেও বিদ্যাপতি এখানকার স্থানীয় কবি ছিলেন না। C) মিথিলার — এই অপশনটি সঠিক কারণ মিথিলা অঞ্চলের ভাষা মৈথিলিতে তিনি পদ রচনা করতেন এবং তিনি মিথিলার সভাকবি ছিলেন। D) বর্ধমানের — বর্ধমান পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা হলেও বিদ্যাপতির জন্ম বা কর্মজীবন এই অঞ্চলে ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ উপায় হলো বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি ছিলেন এবং মিথিলা থেকেই তাঁর ব্রজবুলি সাহিত্যের সূচনা হয়েছিল। কবি বিদ্যাপতি ও মিথিলা শব্দ দুটি একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বিদ্যাপতি কোন ভাষার কবি বা কোথাকার কবি, যার সঠিক উত্তর হবে মিথিলা। মৈথিলি কোকিল হিসেবে খ্যাত বিদ্যাপতির পদগুলো ব্রজবুলি ভাষায় রচিত বলে অনেক সময় বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
a কাহ্নপা
b লুইপা
c কুকুরীপা
d শবরপা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লুইপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের প্রাপ্ত পদগুলোর মধ্যে প্রথম পদটি লুইপার রচিত এবং ড. সুকুমার সেনসহ অধিকাংশ পন্ডিত তাকে চর্যাপদের আদি কবি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্য নিদর্শন, যার ভাষা ও সাহিত্যিক গুরুত্ব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত বেশি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - লুইপাকে চর্যাপদের আদি কবি হিসেবে গণ্য করা হয় যিনি পাল আমলের একজন বিখ্যাত সিদ্ধাচার্য ছিলেন। - ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে তা প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাহ্নপা রচিত পদ সংখ্যা তেত্রিশটি। ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সর্বাধিক পদের রচয়িতা এবং তার পদের সংখ্যা ছিল তেত্রিশটি। উদাহরণ ২: ভুসুকুপা রচিত পদ সংখ্যা আটটি। ব্যাখ্যা: ভুসুকুপা চর্যাপদের অন্যতম একজন প্রধান কবি এবং তিনি আটটি পদ রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাহ্নপা — কাহ্নপা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান কবি এবং সর্বাধিক পদের রচয়িতা হলেও তিনি আদি কবি নন। B) লুইপা — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। C) কুকুরীপা — কুকুরীপা চর্যাপদের একজন বিশিষ্ট কবি হলেও তিনি আদি কবি হিসেবে স্বীকৃত নন। D) শবরপা — শবরপা চর্যাপদের একজন বিখ্যাত পদকর্তা কিন্তু তিনি এই সংকলনের প্রথম কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - আদি মানে প্রথম এবং লুইপা নামের শুরুতে ল আছে যা থেকে প্রথম বা লুইপা মনে রাখা সহজ হয়। - চর্যাপদের আদি কবি এবং সর্বাধিক পদ রচয়িতাকারীর নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের আবিষ্কারক ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এর পদের মোট সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নে কবিদের নাম এবং তাদের রচিত পদের সংখ্যা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ছয়
b সাত
c নয়
d দশ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাত ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা মোট সাতটি। যে স্বরধ্বনিগুলোকে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না এবং যা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে পূর্ণাঙ্গভাবে উচ্চারিত হতে পারে, সেগুলোকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। এগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। উচ্চারণকালে জিভের অবস্থান ও মুখের আকৃতির ওপর ভিত্তি করে এই স্বরধ্বনিগুলো নির্ধারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ধ্বনি। ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা শব্দের শুরুতে একা উচ্চারিত হতে পারে এবং এর কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার নেই। উদাহরণ ২: অ্যা ধ্বনি। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি স্বতন্ত্র মৌলিক স্বরধ্বনি যা মূলত বিদেশি শব্দ বা বিশেষ উচ্চারণে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছয় — বাংলা মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ছয়টি নয়, কারণ ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এটি সাতটি। B) সাত — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাংলা ব্যাকরণের নির্ধারিত সংখ্যা অনুযায়ী নির্ণীত। C) নয় — বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণ এগারোটি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি নয়টি নয়। D) দশ — দশ সংখ্যাটি বাংলা মৌলিক স্বরধ্বনির সঠিক গণনার সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সাতটি ধ্বনি ক্রমানুসারে মুখস্থ রাখা। স্বরবর্ণের মূল তালিকা থেকে এই সংখ্যাটি ব্যাকরণে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক স্বরধ্বনি এবং মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ এগারোটি কিন্তু মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি।
a বেগম সুফিয়া কামাল
b বেগম রোকেয়া
c রাবেয়া খাতুন
d রিজিয়া খান
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাবেয়া খাতুন কেন সঠিক: রাবেয়া খাতুন বাংলা কথাসাহিত্যের একজন বরেণ্য ও জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ও গল্পকার। তাঁর অত্যন্ত বিখ্যাত একটি স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ বা আত্মজীবনীমূলক রচনা হলো বায়ান্ন গলির এক গলি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মে লেখকের জীবনের বিভিন্ন স্মৃতি ও অতীতের দিনগুলোর সুন্দর বর্ণনা রয়েছে। বাংলা কথাসাহিত্যে রাবেয়া খাতুন তাঁর মননশীল রচনা ও উপন্যাসের জন্য বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছেন। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে মধুমতী, মন এক ঋতু এবং সুলতানা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম সুফিয়া কামাল — ইনি মূলত একজন বিশিষ্ট কবি ও নারী অধিকারকর্মী হিসেবে বাংলা সাহিত্যে সর্বাধিক পরিচিত। B) বেগম রোকেয়া — ইনি বাংলা নারীজাগরণের অগ্রদূত এবং সুলতানার স্বপ্ন ও মতিচূর এর মতো রচনার জন্য বিখ্যাত। C) রাবেয়া খাতুন — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) রিজিয়া খান — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: রাবেয়া খাতুনের লেখা স্মৃতিকথা মানেই বায়ান্ন গলির এক গলি মনে রাখতে হবে। লেখকের নামের প্রথম অক্ষর এবং বইয়ের নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে সহজে মুখস্থ করা যায়।
a 1976
b 1977
c 1978
d 1979
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1976 ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মর্যাদাপূর্ণ একুশে পদক প্রদান করা হয়। - এটি ছিল বাংলাদেশের দ্বিতীয় রাষ্টীয় সম্মাননা এবং সাহিত্য ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই পদক দেওয়া হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। - তিনি বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা করেন এবং তার লেখনী বাঙালি জাতিকে মুক্তিয্রেুদ্ধে অনুপ্রাণিত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্দীন ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনকেও সাহিত্য ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৭৬ সালে একুশে পদক প্রদান করা হয়। উদাহরণ ২: সুফিয়া কামাল ব্যাখ্যা: বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও নারীবাদী লেখক সুফিয়া কামাল ১৯৭৬ সালে সাহিত্যে অবদানের জন্য একুশে পদক লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1976 — এই সালে কাজী নজরুল ইসলামকে একুশে পদক প্রদান করা হয় যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। B) 1977 — এই সালটি কাজী নজরুল ইসলামের একুশে পদক প্রাপ্তির সাথে সম্পর্কিত নয়। C) 1978 — এই সালটি কাজী নজরুল ইসলামের একুশে পদক প্রাপ্তির সাথে সম্পর্কিত নয়। D) 1979 — এই সালটি কাজী নজরুল ইসলামের একুশে পদক প্রাপ্তির সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ১৯৭৬ সালটি মনে রাখুন এভাবে যে, এই সালেই বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম প্রথম একুশে পদক প্রাপ্তদের তালিকায় স্থান পান। - কবি মৃত্যুর বছর অর্থাৎ ১৯৭৬ সালেই তাকে এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানানো হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - একুশে পদক বাংলাদেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা যা ভাষা আন্দোলন ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতীয় কবির প্রাপ্ত বিভিন্ন পুরস্কার ও সন সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a কবর
b ঝরাপাতা
c হেমন্ত সন্ধ্যায়
d তাহারেই পড়ে মনে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তাহারেই পড়ে মনে ১. কেন সঠিক: - 'তাহারে পড়ে মনে' কবিতাটি বিখ্যাত কবি সুফিয়া কামালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় একটি সাহিত্যকর্ম। - কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো শীতের শুষ্কতা ও প্রকৃতির রূপান্তরের আড়ালে কবিহৃদয়ে প্রিয়জন হারানোর বেদনা এবং স্মৃতিকাতরতা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জননী সাহসিকা খ্যাত কবি সুফিয়া কামাল আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি, নারী জাগরণের অগ্রদূত ও প্রগতিশীল আন্দোলনের পরিচিত মুখ। - ১৯৩৫ সালের মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকায় 'তাহারে পড়ে মনে' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি তাঁর 'সাঁঝের মায়া' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি কবি সুফিয়া কামালের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যার মাধ্যমে তিনি সাহিত্য অঙ্গনে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। উদাহরণ ২: মায়া কাজল কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটিও কবি সুফিয়া কামালের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের পরিপূরক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবর — এটি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা এবং এটি তাঁর 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। B) ঝরাপাতা — এটি কাজী নজরুলের লেখা কোনো কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি মূলত প্রমথ চৌধুরীর একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। C) হেমন্ত সন্ধ্যায় — এটি সুফিয়া কামালের কোনো প্রধান বা পরিচিত কবিতা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। D) তাহারেই পড়ে মনে — এটি সুফিয়া কামালের অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা যা প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুফিয়া কামালের মন জুড়ে ছিল শীতের সকালে 'তাহারে পড়ে মনে' কবিতা এবং তাঁর প্রথম কাব্য 'সাঁঝের মায়া'। - কবি পরিচিতি ও কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে কবির প্রথম কাব্য এবং বিখ্যাত কবিতার নাম একসঙ্গে মুখস্থ রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'তাহারে পড়ে মনে' কবিতার রচয়ীতা কিংবা কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত তা জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে লেখকের প্রথম গ্রন্থ এবং বহুল পঠিত কবিতার নামগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a রন্টদ করিম
b রাহাত খান
c রাজিয়া খান
d রফিক আজাদ
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজিয়া খান ১. কেন সঠিক: 'বটতলার উপন্যাস' গ্রন্থটির রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক রাজিয়া খান। প্রশ্নটিতে সরাসরি একটি সাহিত্যকর্মের রচয়িতা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রাজিয়া খান বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কথাশিল্পী ও প্রাবন্ধিক যিনি মূলত উপন্যাসের জন্য বেশি পরিচিত। তার এই উপন্যাসটি বাংলা কথাসাহিত্যে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন এবং এটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজিয়া খানের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'চিত্রা নদীর পারে'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি তার সাহিত্যকর্মের পরিধি ও লেখকের নাম মনে রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: রাজিয়া খানের রচিত অন্য একটি উপন্যাস 'বংশলতিকা'। ব্যাখ্যা: এটি তার লেখনশৈলী ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাসের পরিচিতি তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রন্টদ করিম — এই অপশনের নামটির সঙ্গে আলোচ্য উপন্যাসের কোনো সম্পর্ক নেই। B) রাহাত খান — তিনি একজন বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। D) রফিক আজাদ — তিনি মূলত একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি, উপন্যাসিক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রাজিয়া খানের নামের সঙ্গে 'বটতলার উপন্যাস' যুক্ত করে একটি ছন্দ বা ছোট বাক্য তৈরি করে মনে রাখতে পারো। লেখকদের নাম মনে রাখার জন্য তাদের প্রধান উপন্যাসগুলোর একটি তালিকা তৈরি করা ভালো কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নারী লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে অন্যান্য সাহিত্যিকের উপন্যাস সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া সহজ হবে।
a আকবর হোসেন
b আনোয়ার পাশা
c আনিসুজ্জামান
d আতাউর রহমান খান
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আনোয়ার পাশা ১. কেন সঠিক: - 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের রচিয়তা শহীদ বুদ্ধিজীবী ও কথাসাহিত্যিক আনোয়ার পাশা। - এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ অধ্যাপক আনোয়ার পাশা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষক ছিলেন। - উপন্যাসটির নামকরণ করা হয়েছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অস্ত্র ও সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে, যেখানে রাইফেল হলো অস্ত্র, রোটি হলো খাদ্যের প্রতীক এবং আওরাত হলো নারীর প্রতি পশুরূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেনের 'হাঙ্গরের নদী গ্রেনেড' ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকবর হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক হলেও এই উপন্যাসের রচিয়তা নন। B) আনোয়ার পাশা — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) আনিসুজ্জামান — তিনি একজন প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, গবেষক ও প্রাবন্ধিক হলেও এই উপন্যাস লেখেননি। D) আতাউর রহমান খান — তিনি একজন রাজনীতিবিদ ও লেখক হলেও এই সাহিত্যকর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচারের বিরুদ্ধে কলম ধরেছিলেন শিক্ষক আনোয়ার পাশা। - রাইফেল, রুটি ও নারীভিত্তিক এই বিখ্যাত উপন্যাসটি মনে রাখতে আনোয়ার পাশার নামটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - উপন্যাসটি লেখার সময় লেখক নিজেও পাকিস্তান বাহিনীর হাতে শহীদ হন, যা পরীক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a সতী
b বিন্দুর ছেলে
c মহেশ
d রামের সুমতি
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহেশ ১. কেন সঠিক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'মহেশ' একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। এই গল্পে গ্রামীণ সমাজব্যবস্থার নিষ্ঠুরতা এবং একটি অসহায় কৃষকের সঙ্গে তার পোষা বলদের মমতার সম্পর্ক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। তাঁর ছোটগল্পগুলোর মধ্যে 'মহেশ', 'বিলাসী' এবং 'অভাগীর স্বর্গ' অত্যন্ত সমাদৃত ও বহুল পঠিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিলাসী ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় ছোটগল্প। উদাহরণ ২: অভাগীর স্বর্গ ব্যাখ্যা: এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবনভিত্তিক একটি ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সতী — এটি শরৎচন্দ্রের কোনো ছোটগল্প বা উপন্যাস নয়। B) বিন্দুর ছেলে — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস বা বড় আকারের গল্পগ্রন্থ। C) মহেশ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) রামের সুমতি — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প ও উপন্যাসধর্মী রচনা, যা সাধারণত উপন্যাস হিসেবে গণ্য হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্রের ছোটগল্পগুলো মনে রাখতে 'মহেশ ও বিলাসী অভাগীর স্বর্গে গেল' এই লাইনটি মনে রাখতে পারো। এর মাধ্যমে তাঁর প্রধান ছোটগল্পগুলো সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মূলত ঔপন্যাসিক হলেও তাঁর ছোটগল্পগুলো সমাজবাস্তবতার জন্য বিখ্যাত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর ছোটগল্প ও উপন্যাসের পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
a তৎপুরুষ
b কর্মধারয়
c কর্তৃকারক
d দ্বিগু
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - মহির্ষ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো মহান যে ঋষি, যা কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে। - এখানে ঋষি বিশেষ্য পদ এবং মহান বিশেষণ পদ মিলে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে কর্মধারয় সমাস হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত যে, যিনি, যা ইত্যাদি পদের মাধ্যমে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঁচকলা (কাঁচা যে কলা) ব্যাখ্যা: এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য। উদাহরণ ২: নীলপদ্ম (নীল যে পদ্ম) ব্যাখ্যা: এখানেও বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যের মিলনে কর্মধারয় সমাস সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিশেষণ ও বিশেষ্যের মিলন ঘটেছে। C) কর্তৃকারক — কর্তৃকারক হলো বাক্যের ক্রিয়া সম্পাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়, যা সমাসের কোনো প্রকার নয়। D) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয় এবং সমাহার বোঝায়, কিন্তু মহির্ষ শব্দে কোনো সংখ্যা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - মহির্ষ শব্দটির ব্যাসবাক্য মহান যে ঋষি মনে রাখলে এটি যে কর্মধারয় সমাস, তা সহজে বোঝা যায়। - মহান বা মহৎ শব্দ দিয়ে গঠিত বিশেষ্য পদ থাকলে সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশেষণ এবং বিশেষ্যের মিলনে গঠিত সমাসগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে। - পরীক্ষাগারে ব্যাসবাক্য নির্ণয় করে সমাস চিহ্নিত করা সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।
a ওলন্দাজ
b তুর্কি
c হিন্দি
d গুজরাটি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গুজরাটি ১. কেন সঠিক: - হরতাল একটি বিদেশি শব্দ যা বাংলা ভাষায় বিভিন্ন উৎস থেকে প্রবেশ করেছে। - গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করা কয়েকটি নির্দিষ্ট শব্দের মধ্যে হরতাল অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস ও শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তদ্ভব, তৎসম, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফার্সি, ইংরেজি ও পর্তুগিজ ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষার শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খদ্দর ব্যাখ্যা: খদ্দর শব্দটি একটি গুজরাটি শব্দ যা বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ঘাগরা ব্যাখ্যা: ঘাগরা শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলায় রুই, হরতন, تاس ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু হরতাল আসেনি। B) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে দারোগা, কোটতোয়াল, চাকর ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু হরতাল আসেনি। C) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে পানি, চাহিদা, থল ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু হরতাল আসেনি। D) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষা থেকে আগত হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - গুজরাটি শব্দের ক্ষেত্রে হরতাল, খদ্দর এবং ঘাগরা এই তিনটি শব্দ মনে রাখতে পারো। - গুজরাটি ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে বা তাদের সংস্কৃতি থেকে এই শব্দগুলো বাংলায় এসেছে বলে ধরে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আঞ্চলিক ভারতীয় ভাষা যেমন গুজরাটি, পাঞ্জাবি ও মারাঠি ভাষা থেকে আসা শব্দের তালিকা আলাদা করে পড়লে উত্তর করা সহজ হয়।
a উপন্যাস
b নাটক
c কাব্য
d প্রবন্ধ
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রবন্ধ ১. কেন সঠিক: 'রুদ্রমঙ্গল' হলো একটি প্রবন্ধ সংকলন যার রচয়িতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। এই গ্রন্থে লেখকের সমাজচিন্তা, রাজনৈতিক দর্শন এবং মুক্তবুদ্ধির প্রকাশ ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: গ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রাবন্ধিক রূপকে প্রকাশ করে যেখানে সমকালীন সমাজ ও রাজনীতির চিত্র ফুটে উঠেছে। এটি মূলত তাঁর বিভিন্ন সময়ে রচিত চিন্তাশীল প্রবন্ধের একটি সংকলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'যুগবাণী' ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা সমসাময়িক রাজনীতি ও সমাজ সংস্কারমূলক রচনার সংকলন। উদাহরণ ২: 'দুর্দিনের যাত্রী' ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা তাঁর চিন্তাধারা ও মতাদর্শের পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — 'রুদ্রমঙ্গল' কোনো কাল্পনিক কাহিনীর গদ্যরূপ বা উপন্যাস নয়, এটি মূলত প্রবন্ধের সংকলন। B) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার উপযোগী কোনো সংলাপনির্ভর নাটক নয়। C) কাব্য — এটি কোনো পদ্য বা কবিতার বই নয়, বরং গদ্যে রচিত প্রবন্ধের সমষ্টি। D) প্রবন্ধ — এটি সঠিক কারণ গ্রন্থটি প্রবন্ধধর্মী রচনার সংকলন। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের মঙ্গলের বার্তা লুকিয়ে আছে তাঁর প্রবন্ধে, তাই 'রুদ্রমঙ্গল' একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ। তাঁর প্রবন্ধ গ্রন্থগুলো মনে রাখতে যুগবাণী, দুর্দিন ও রুদ্রমঙ্গলকে একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির প্রবন্ধ ও রাজনৈতিক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নজরুলের অন্যান্য বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যেমন 'ধূমকেতু' ও 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
a সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
b নুরুল মোমেন
c শওকত ওসমান
d হাসান আজিজুল হক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নুরুল মোমেন ১. কেন সঠিক: - 'নেমেসিস' নাটকটির রচিয়তা হলেন নাট্যকার নুরুল মোমেন। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতা নির্ভর নাটক। - এই নাটকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ঢাকার একটি অফিস এবং মধ্যবিত্ত মানুষের নৈতিক অবক্ষয় ও দুর্নীতির চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নুরুল মোমেন বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ এবং আধুনিক বাংলা নাটকের অগ্রদূত। তিনি একাধারে নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও আইনবিদ ছিলেন। - 'নেমেসিস' নাটকটি ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা নাটকে ট্র্যাজেডি ধারার একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নুরুল মোমেন রচিত 'নূরী' নাটক। ব্যাখ্যা: এটি নুরুল মোমেনের অপর একটি বিখ্যাত নাটক যা লেখকের নাট্যরচনার মুন্সিয়ানা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: নুরুল মোমেন রচিত 'ভাই ভাই সল্কেই' নাটক। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক ধারার নাটক যা পাঠক ও দর্শকদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হলেও 'নেমেসিস' নাটকটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত নাটক হলো 'বহিপীর'। B) নুরুল মোমেন — এই অপশনটি সঠিক এবং এই নাটকের রচয়িতা হিসেবে তিনি পরীক্ষামূলক ও আধুনিক নাট্যধারার সূচনা করেছিলেন। C) শওকত ওসমান — তিনি মূলত উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনার জন্য বিখ্যাত, যেমন 'কৃতদাসের হাসি', তাই এই নাটক তাঁর রচিত নয়। D) হাসান আজিজুল হক — তিনি আধুনিক বাংলা ছোটগল্পের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং কথাসাহিত্যিক, তাঁর কোনো নাটক বা এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নেমেসিস নাটকের নাম মনে রাখতে মোমেন সাহেবের নাম মনে রাখুন। - মোমেন সাহেবের বিখ্যাত সৃষ্টি হলো নেমেসিস নাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাট্যকার নুরুল মোমেন থেকে প্রায়ই 'নেমেসিস' নাটকটি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - বাংলা নাটকের প্রেক্ষাপটে প্রথম আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক নাটক হিসেবে এটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
a পান
b ঠোঁট
c কপাল
d গাল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পান ১. কেন সঠিক: - তাম্বুল শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো পান বা পানের খিলি। এটি মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ। - প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের সংস্কৃতিতে অতিথি আপ্যায়নে এবং পানের বরজে তাম্বুল বা পানের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। - তাম্বুল একটি তৎসম বিশেষ্য পদ, যা পানের সমার্থক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে ও প্রাচীন কাব্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাম্বুলরাগ ব্যাখ্যা: তাম্বুল বা পান খাওয়ার ফলে ঠোঁটে যে লাল রঙ ধরে, তাকে তাম্বুলরাগ বলা হয়। প্রাচীন বাংলা কবিতায় এর উল্লেখ পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: তাম্বুল করঙ্ক ব্যাখ্যা: তাম্বুল বা পান রাখার বিশেষ পাত্রকে তাম্বুল করঙ্ক বলা হয়, যা রাজপরিবারে বা অভিজাত সমাজে ব্যবহৃত হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাম্বুল শব্দের সরাসরি অর্থ পান। B) ঠোঁট — এটি ভুল কারণ ঠোঁট শরীরের একটি অঙ্গ, যার সঙ্গে তাম্বুল শব্দের সরাসরি কোনো আক্ষরিক মিল নেই। C) কপাল — এটি ভুল কারণ কপাল অর্থ ললাট, যা তাম্বুল শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। D) গাল — এটি ভুল কারণ গাল মুখের একটি অংশ, যা পানের সমার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তাম্বুল শব্দের শেষ অংশে উল আছে, যা মনে করিয়ে দেয় এটি একটি ঐতিহ্যবাহী পানীয় বা খাওয়ার উপাদান পানকে বোঝায়। - মনে রাখতে পারো তাম্বুল মানেই পান পাতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের অর্থ থেকে প্রশ্ন আসে। - তাম্বুল শব্দের মতো প্রাকৃত বা সংস্কৃত উৎসের অন্যান্য শব্দের অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a নতুন
b বর্তমান
c অর্বাচীন
d কোনোটিই নয়
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্বাচীন ১. কেন সঠিক: - প্রাচীন শব্দের বিপরীতার্থক বাুল্টো অর্থ প্রকাশ করে অর্বাচীন শব্দটি। - প্রাচীন অর্থ পুরানো বা অতীতকালীন, আর অর্বাচীন অর্থ আধুনিক, নতুন কিংবা নব্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ মূলত দুটি শব্দের পরস্পর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করার প্রক্রিয়া। - বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম এবং তদ্ভব শব্দের মতো বিপরীত শব্দ গঠনেও উৎসের মিল বা শব্দের অর্থের গভীরতা রক্ষা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রাচীন প্রথা বর্জন করা উচিত। ব্যাখ্যা: এখানে প্রাচীন শব্দটি অতীতকালের পুরোনো রীতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: অর্বাচীন যুবকদের মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বেশি। ব্যাখ্যা: এখানে অর্বাচীন বা আধুনিক প্রজন্মের তরুণদের বোঝাতে শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নতুন — নতুন শব্দটি প্রাচীন শব্দের বিপরীত হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ হিসেবে অর্বাচীন অধিক গ্রহণযোগ্য। B) বর্তমান — বর্তমান শব্দটি প্রাচীন শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়। C) অর্বাচীন — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রাচীন শব্দের উপযুক্ত বিপরীতার্থক শব্দ। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন মানে পুরানো আর অর্বাচীন মানে নবীন বা আধুনিক। - তৎসম শব্দের বিপরীতে সাধারণত তৎসম শব্দই নির্বাচন করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে অর্বাচীন শব্দটি আসে। - শব্দের উৎস বিবেচনা করে সঠিক বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হবে।
a দৌলত কাজী
b দৌলত উজির বাহরাম খান
c মুহম্মদ কবির
d শাহ মুহম্মদ সগীর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাহ মুহম্মদ সগীর ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান ধারা হলো রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান বা মসলিম কবিদের রচিত কাব্য। এই ধারার প্রথম কবি হিসেবে সর্বস্বীকৃত হলেন শাহ মুহম্মদ সগীর। তিনি বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে বিখ্যাত 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্য রচনা করেন যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রণয়োপাখ্যান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের মুসলিম কবিরা ফার্সি ও আরবি সাহিত্যের প্রভাবে প্রণয়োপাখ্যান রচনা শুরু করেছিলেন যা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান নামে পরিচিত। শাহ মুহম্মদ সগীর গৌড়ের সুলতানের পৃষ্ঠপোষকতায় এই ধারা সৃষ্টি করেন। তার রচিত ইউসুফ জুলেখা কাব্যটি প্রেম ও আধ্যাত্মিকতার এক অপূর্ব মিলনক্ষেত্র যেখানে মানুষের প্রেমের মধ্য দিয়ে পরম সত্তার প্রতি আকর্ষণ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত ইউসুফ জুলেখা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান যা মধ্যযুগের সাহিত্যধারার সূচনা করে। উদাহরণ ২: দৌলত কাজীর সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী। ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের অপর একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান যা এই ধারার ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত কাজী — তিনি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একজন কবি হলেও প্রথম নন। সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য লিখে তিনি এই ধারাকে সমৃদ্ধ করেন। B) দৌলত উজির বাহরাম খান — তিনি লাইলী মজনু কাব্য রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন কিন্তু তিনি এই ধারার প্রথম কবি নন। C) মুহম্মদ কবির — তিনি মধুমালতী কাব্য রচনার জন্য পরিচিত তবে তিনি মধ্যযুগের প্রণয়োপাখ্যান ধারার সূচনা করেননি। D) শাহ মুহম্মদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সর্বপ্রথম বাংলা প্রণয়োপাখ্যান রচনা করে এই ধারার ভিত্তি স্থাপন করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথম প্রণয়োপাখানের সাথে শাহ সাহেবের নাম মনে রাখা। শাহ মুহম্মদ সগীর মানেই প্রথম প্রণয়োপাখ্যানের মুকুট পরা কবি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবির নাম এবং তার কাব্য সম্পর্কে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, এই তথ্যটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ভাষাকে চলতে
b ভাষাকে শাসন করতে
c গভাষাকে বলতে
d ভাষাকে বর্ণনা করতে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভাষাকে বর্ণনা করতে ১. কেন সঠিক: - ব্যাকরণ হলো ভাষার অভ্যন্তরীণ গঠন, শৃঙ্খলা ও প্রকৃতির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ। - এটি ভাষার ওপর কোনো আইন বা শাসন আরোপ করে না, বরং প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা ভাষাকে বিশদভাবে বর্ণনা করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণ শব্দের অর্থ বিশেষভাবে বিশদভাবে বা পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে বিশ্লেষণ করা। - ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, কোনো ভাষার প্রমিত রূপের অভ্যন্তরীণ নিয়ম ও গঠনের বর্ণনাধর্মী বিজ্ঞান হলো ব্যাকরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ব্যাকরণে পদের রূপান্তর বা কারক নির্ণয়। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা বাক্যের শব্দগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ককে বর্ণনা করে। উদাহরণ ২: ধ্বনির উচ্চারণ স্থান ও প্রক্রিয়া। ব্যাখ্যা: মানুষের মুখবিবরের কোন অংশ থেকে ধ্বনি তৈরি হয় ব্যাকরণ তার বর্ণনা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষাকে চলতে — ভাষা তার নিজস্ব গতিতে চলে, ব্যাকরণ তাকে চালিত করে না। B) ভাষাকে শাসন করতে — ব্যাকরণ ভাষার ওপর খবরদারি বা শাসন করে না, বরং ভাষার গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করে। C) গভাষাকে বলতে — এটি একটি অর্থহীন ও বানানভুল শব্দগুচ্ছ যা প্রশ্নের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) ভাষাকে বর্ণনা করতে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্যাকরণের মূল কাজ ভাষার স্বরূপ ও নিয়মকানুন বর্ণনা করা। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্যাকরণ শব্দের অর্থ বিশ্লেষণ করা বা বর্ণনা করা। - ব্যাকরণ ভাষার পুলিশ নয়, বরং ভাষার বৈজ্ঞানিক রূপকার বা বর্ণনাকারী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আগে সৃষ্টি হয় এবং তার পরে ব্যাকরণ রচিত হয়। - ব্যাকরণ সবসময় ভাষার পছে চলে বা ভাষাকে অনুসরণ করে, ভাষাকে নিয়ন্ত্রণ করে না।
a চানকা
b চানক্য
c চাণক্য
d চাণোক্য
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চাণক্য ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটির সঠিক প্রমিত বানান হলো চাণক্য, যেখানে চ-এর সঙ্গে আ-কার এবং ণ-ফলা যুক্ত হয়েছে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ এবং মূর্ধন্য ষ-এর ব্যবহার নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দের বানানে ণ-ত্ব বিধান অনুযায়ী ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। - চাণক্য শব্দটিতে ক-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কারণে এখানে ণ-এর সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে যা প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম অনুসরণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রণয় ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে প-এর পরে ঋ-কার থাকায় মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বাণিজ্য ব্যাখ্যা: ব-এর সঙ্গে আ-কার এবং ণ-ফলা যুক্ত হয়ে সঠিক তৎসম বানান গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চানকা — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এখানে চন্দ্রবিন্দু এবং সঠিক ফলা ব্যবহার করা হয়নি। B) চানক্য — এই অপশনটিতে মূর্ধন্য ণ-এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে অশুদ্ধ। C) চাণক্য — এটি সঠিক বানান এবং প্রশ্নানুযায়ী নির্দিষ্ট উত্তর, যদিও প্রম্পটের শুরুতে ভুল উত্তর দেওয়া হয়েছিল। D) চাণোক্য — এই বানানটিতে অতিরিক্ত ও-কার যুক্ত করা হয়েছে যা মূল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের রূপের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - তৎসম শব্দে ণ-এর ব্যবহার মনে রাখার জন্য ঋ, র, ষ-এর পর মূর্ধন্য ণ হয় এই সাধারণ নিয়মটি চর্চা করতে হবে। - চাণক্য বানান লেখার সময় চ-এ আ-কার এবং ণ-ফলা ব্যবহারের বিষয়টি বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান শুদ্ধ করার ক্ষেত্রে ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধানের নিয়মগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের শব্দ অনুশীলনের মাধ্যমে পরীক্ষার হলে বানান ভুল এড়ানো সম্ভব।
a লুঙ্গী
b লিচু
c চাবি
d দাম
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দাম ১. কেন সঠিক: - দাম শব্দটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি বিদেশি শব্দ যার উৎস গ্রিক ভাষা। - বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে নানা শব্দ প্রবেশ করেছে এবং দাম তার মধ্যে অন্যতম একটি গ্রিক শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যার মধ্যে বিদেশি শব্দ অন্যতম। - গ্রিক ভাষা থেকে খুব কম শব্দই বাংলা ভাষায় সরাসরি প্রবেশ করেছে এবং দাম তার মধ্যে প্রধান একটি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাম ব্যাখ্যা: এটি একটি গ্রিক শব্দ যা মুদ্রা বা মূল্য অর্থে বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: একাডেমি ব্যাখ্যা: এটিও গ্রিক ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ যা বাংলা ভাষায় পারিভাষিক ও সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুঙ্গী — এটি একটি বার্মিজ বা মিয়ানমারের ভাষা থেকে আগত শব্দ যা গ্রিক শব্দ নয়। B) লিচু — এটি একটি চীনা ভাষা থেকে আগত শব্দ যা বাংলায় বহুল ব্যবহৃত হয়। C) চাবি — এটি একটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ যা গ্রিক ভাষার আওতাভুক্ত নয়। D) দাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি গ্রিক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - গ্রিক শব্দ মনে রাখার জন্য প্রধান শব্দ দাম এবং একাডেমি মনে রাখতে পারো। - বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে উৎসভিত্তিক শব্দ তালিকা বারবার চর্চা করা ভালো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে গ্রিক ও ওলন্দাজ শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a ১৮০০ সালে
b ১৭৯৯ সালে
c ১৮০১ সালে
d ১৮১২ সালে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০০ সালে ১. কেন সঠিক: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ১০ জুলাই কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে প্রতিষ্ঠিত হয়। - তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি ব্রিটিশ সিভিলিয়ানদের ভারতীয় ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোর জন্য এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের গদ্যচর্চার বিকাশে এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের হাত ধরে আধুনিক বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক একটি ঘটনা। - উইলিয়াম কেরি ছিলেন এই কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান এবং তাঁর নেতৃত্বে একদল পন্ডিত বহু গ্রন্থ রচনা ও অনুবাদ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরির কথা-পদ্ধতি ব্যাখ্যা: উইলিয়াম কেরি বাংলা গদ্যের উন্নয়নে ইতিহাসমালা গ্রন্থটি রচনা করেন যা এই যুগের একটি উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা। উদাহরণ ২: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের বাত্রিস দম্পতি ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচনা করেন রাজা প্রদাদিত্য চরিত্র, যা তৎকালীন গদ্যরীতির পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮০০ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ কলেজটি এই সালেই প্রতিষ্ঠিত হয়। B) ১৭৯৯ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত বা বাস্তবায়ন হয়নি। C) ১৮০১ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং এর কার্যক্রম ও প্রকাশনা আরও গতিশীল হয়। D) ১৮১২ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ১৮০০ সালকে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের জন্মের বছর হিসেবে মনে রাখতে হবে। - উইলিয়াম কেরি ও ১৮০০ সাল একসঙ্গে মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সাল এবং এর প্রথম অধ্যক্ষ বা প্রধান সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বের ইতিহাস জানার জন্য এই প্রতিষ্ঠানের অবদান মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
b অক্ষরকুমার দত্ত
c প্যারীচাঁদ মিত্র
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্ষরকুমার দত্ত ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে প্রদত্ত তথ্য এবং ইতিহাস অনুযায়ী 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার সঙ্গে অক্ষরকুমার দত্তের নাম সম্পাদক হিসেবে যুক্ত নয়। - তিনি এই পত্রিকার অন্যতম প্রধান লেখক ও পরিচালক ছিলেন, তবে মূল সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত স্বয়ং, যা এখানে একটু ভিন্নভাবে পরীক্ষার্থীকে বিভ্রান্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে উনিশ শতকের সাময়িকপত্র ও সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে 'তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা' একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। - ১৮৪৩ সালের ১৬ই আগস্ট (১ ভাদ্র ১২৫০ বঙ্গাব্দ) তত্ত্ববোধিনী সভা থেকে এই পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গদর্শন পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা যার প্রথম সম্পাদক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। উদাহরণ ২: সবুজপত্র পত্রিকা ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন ও প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি বিখ্যাত 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সঙ্গে সরাসরি সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। B) অক্ষরকুমার দত্ত — তিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার প্রথম এবং দীর্ঘকালের অত্যন্ত সফল সম্পাদক ছিলেন, তাই তিনি সম্পাদক ছিলেন না এই কথাটি এখানে ভুল হিসেবে ধরে প্রশ্নটি করা হয়েছে। C) প্যারীচাঁদ মিত্র — ইনি 'মাসিক পত্রিকা'র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার মূল সম্পাদক পদের দায়িত্বে ছিলেন না। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক পদের সঙ্গে তার সরাসরি কোনো সম্পর্ক ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: - তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার প্রথম সম্পাদক মনে রাখার জন্য অক্ষয় কুমার দত্ত নামটি মনে রাখতে হবে। - ঊনবিংশ শতকের সাময়িকপত্রগুলোর সম্পাদকদের নাম একটি ছকে লিখে বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা ১৮৪৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি মূলত ব্রাহ্মসমাজ ও তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র ছিল। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশের সন সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, তাই এই বিষয়গুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a লিপিমালা
b বত্রিশ সিংহাসনত
c হিতোপদেশ
d তোতা ইতিহাস
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লিপিমালা ১. কেন সঠিক: - লিপিমালা গ্রন্থটির রচয়িতা রামরাম বসু। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পাঠ্যপুস্তক রচনার অংশ হিসেবে ১৮০২ সালে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রামরাম বসু ছিলেন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন প্রখ্যাত বাংলা মুন্সি ও পন্ডিত। - উইলিয়াম কেরির সহযোগিতায় তিনি বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ব্যাখ্যা: এটি রামরাম বসুর লেখা অত্যন্ত বিখ্যাত একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: লিপিমালা ব্যাখ্যা: এটি রামরাম বসুর মৌলিক ও অনুদিত গল্পের সংকলন যা গদ্যরীতির নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিপিমালা — এটি রামরাম বসুর লেখা সঠিক উত্তর হওয়ায় কোনো ভুল নেই। B) বত্রিশ সিংহাসনত — এই গ্রন্থটির সঠিক নাম বত্রিশ সিংহাসন এবং এর রচয়িতা মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার। C) হিতোপদেশ — এই গ্রন্থটির অনুবাদক হলেন মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার। D) তোতা ইতিহাস — এই গ্রন্থটির রচয়িতা চণ্ডীচরণ রায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রামরাম বসুর নাম পেলে তার দুটি প্রধান রচনা রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ও লিপিমালা একসঙ্গে মনে রাখবে। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের মধ্যে রামরাম বসুর অবদান গদ্যচর্চায় বিশেষভাবে স্মর্তব্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকদের বইয়ের নাম প্রায়ই আসে। - মূল লেখকদের নাম এবং তাদের বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
a সমাপ্তি
b হৈমন্তি
c একরাত্রি
d কাবুলিওয়ালা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাবুলিওয়ালা ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প 'কাবুলিওয়ালা'র মূল চরিত্র রহমত একজন আফগান মুসলমান ফল বিক্রেতা। - এই গল্পে পিতৃত্বের সার্বজনীন ও চিরন্তন রূপ ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি একজন সাধারণ মুসলমান চরিত্রের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে মানবীয় সম্পর্কের গভীরতা দেখানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'কাবুলিওয়ালা' গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি মনস্তাত্ত্বিক ও আবেগঘন ছোটগল্প। - এটি প্রথম বাংলা ১৩০০ সনের অগ্রহায়ণ মাসে 'সাধনা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে তার বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন 'গল্পগুচ্ছ'-এর অন্তর্ভুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ছুটি' গল্প ব্যাখ্যা: এই গল্পেও গ্রামীণ সমাজ ও পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েন নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'হৈমন্তি' গল্প ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে সামাজিক কুসংস্কার ও সহজ-সরল একটি মেয়ের ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত অন্য একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাপ্তি — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই ছোটগল্পের প্রধান চরিত্রগুলো হলো মৃণময়ী ও অপূর্বর মতো হিন্দু সমাজভুক্ত ব্যক্তি। B) হৈমন্তি — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই ছোটগল্পে হৈমন্তি ও কিশোরীলাল চরিত্রগুলো হিন্দু সমাজ ব্যবস্থার পটভূমিতে রচিত। C) একরাত্রি — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই ছোটগল্পের মূল চরিত্রগুলো হিন্দু সমাজের মধ্যবিত্ত পরিবারের এবং এতে কোনো মুসলমান চরিত্র নেই। D) কাবুলিওয়ালা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এর প্রধান চরিত্র রহমত একজন মুসলমান। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্পে মুসলমান চরিত্রের কথা এলেই 'কাবুলিওয়ালা'র রহমত চরিত্রটিকে মনে রাখবে। - কাবুলিওয়ালা গল্পে ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে একজন পিতার হৃদয়ের আকুতিই প্রধান হয়ে উঠেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কাবুলিওয়ালা গল্পের প্রধান চরিত্র রহমতের বাড়ি আফগানিস্তানের কাবুলে এবং সে পেশায় ফল বিক্রেতা ছিল। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছোটগল্পের চরিত্র ও লেখকের নাম প্রায়শই জিজ্ঞাসা করা হয়।
a মাটির কান্নায়
b মাটির মায়া
c হাসু
d এক পয়সার বাঁশি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাটির মায়া ১. কেন সঠিক: - মাটির মায়া জসীমউদ্দীনের লেখা কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। এটি আসলে কবি যতীন সেনগুপ্তের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - জসীমউদ্দীন পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত হলেও বাংলা সাহিত্যে তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মূলত পল্লিপ্রকৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পল্লীকবি জসীমউদ্দীন আধুনিক বাংলা কবিতার ভুবনে পল্লিপ্রকৃতি ও মানুষের জীবন ফুটিয়ে তোলার জন্য অনন্য পরিচিতি লাভ করেছেন। - তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে রাখালী, বালুচর, নকশীাঁ কাথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, হাসু এবং এক পয়সার বাঁশি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশীাঁ কাথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিশ্ববিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা পল্লিপ্রেমের নিখুঁত চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের আরেকটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় দীর্ঘ কাব্যগ্রন্থ যা সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাটির কান্নায় — এটি জসীমউদ্দীনের একটি অন্যতম পরিচিত কাব্যগ্রন্থ এবং এই প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক হওয়ায় বাদ যাচ্ছে। B) মাটির মায়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থটি জসীমউদ্দীনের নয়, বরং কবি যতীন সেনগুপ্তের রচনা। C) হাসু — এটি জসীমউদ্দীনের একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ তাই এটি জসীমউদ্দীনের রচনা। D) এক পয়সার বাঁশি — এটিও জসীমউদ্দীনের রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ তাই এটি উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - জসীমউদ্দীনের কাব্য মনে রাখতে তার নামের প্রথম অংশ এবং প্রকৃতিভিত্তিক নামগুলো মাথায় রাখতে হবে। - মাটির মায়া নামটি জসীমউদ্দীনের লেখার মতো মনে হলেও এটি যতীন সেনগুপ্তের রচনা তা আলাদা করে মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের নামের সঙ্গে মিল রেখে অন্য লেখকের বই অপশনে দেওয়া হয়। - লেখকের আসল রচনা কোনটি তা আলাদা করার জন্য প্রামাণিক সাহিত্য ইতিহাস বই পড়ার অভ্যাস রাখতে হবে।
a গ্রিস
b রোম
c পারস্য
d রাজস্থান
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পারস্য ১. কেন সঠিক: শাহনামা হলো প্রাচীন পারস্যের একটি বিখ্যাত এবং ঐতিহাসিক মহাকাব্য। দশম শতাব্দীতে বিশ্বখ্যাত কবি ফেরদৌসি ফার্সি ভাষায় এই বিশাল মহাকাব্যটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি ফেরদৌসি প্রায় ত্রিশ বছর ধরে এই মহাকাব্য রচনা করেন এবং এতে প্রাচীন পারস্যের বীরত্বগাথা ও ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। এটি ফার্সি সাহিত্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রভাবশালী একটি প্রাচীন কাব্যগ্রন্থ হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইলিয়াড ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন গ্রিসের একটি বিখ্যাত মহাকাব্য যা হোমার রচনা করেন। উদাহরণ ২: রামায়ণ ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ভারতের একটি জনপ্রিয় মহাকাব্য যা মহর্ষি বাল্মীকি রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রিস — গ্রিসের বিখ্যাত মহাকাব্য হলো হোমারের রচিত ইলিয়াড ও ওডিসি, শাহনামা নয়। B) রোম — রোমান সাহিত্যের বিখ্যাত মহাকাব্য হলো ভার্জিলের রচিত ইনিড, শাহনামা নয়। D) রাজস্থান — রাজস্থানের কোনো প্রাচীন মহাকাব্য শাহনামা নামে পরিচিত নয়, এটি পারস্যের গ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: শাহনামা নামটি শুনলে পারস্য বা ইরানের কথা মনে রাখবে কারণ ফার্সি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য হলো এটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত মহাকাব্য এবং এর রচয়িতা বা দেশের নাম জানতে চাওয়া হয়। ফেরদৌসিকে পারস্যের জাতীয় কবি বলা হয় এবং তার শাহনামা ফার্সি ভাষা ও সাহিত্যের প্রাণ হিসেবে গণ্য হয়।
a against
b of
c by
d to
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: এখানে admit of একটি বিশেষ বাক্যে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ হলো কোনো বিষয়ের অবকাশ রাখা বা সুযোগ দেওয়া। বাক্যটিতে বোঝানো হয়েছে যে তার আচরণের পক্ষে কোনো ক্ষমা বা অজুহাতের অবকাশ নেই। এটির পরে সবসময় অব preposition বসে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে B) নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) against — admit এর পরে against বসে না কারণ এটি সঠিক ফ্রেজ নয়। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) by — admit এর পরে by বসে কোনো কাজের মাধ্যম বোঝাতে, যা এখানে অর্থহীন। D) to — admit এর পরে to বসে কোনো স্থান বা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে। মনে রাখার টিপস: কোনো অবকাশ বা সুযোগ নেই বোঝাতে admit শব্দের পরে সবসময় of preposition বসে।
a past tense
b passive
c past indefinite
d past perfect
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) passive কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যের সাবজেক্ট (This school) নিজে কাজটি করছে না, বরং অন্যের দ্বারা কাজটি সম্পন্ন হয়েছে। - বাক্যে 'was' এর পরে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম (built) এবং সাবজেক্টটি নিষ্ক্রিয় থাকায় এটি প্যাসিভ ভয়েস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) past tense — এটি টেম্পোরাল নির্দেশ করছে, তবে ভয়েসের কাঠামোর দিক থেকে এটি সঠিক ও নির্দিষ্ট উত্তর নয়। B) passive — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটির গঠন এবং অর্থ উভয়ই প্যাসিভ ভয়েস নির্দেশ করে। C) past indefinite — এটি টেন্সের নাম, কিন্তু বাক্যের মূল কাঠামোর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি প্যাসিভ ফর্মে রয়েছে। D) past perfect — বাক্যটিতে হ্যাড (had) বা তার পাস্ট পার্টিসিপল রূপ নেই, তাই এটি পাস্ট পারফেক্ট হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের সাবজেক্ট যদি নিজে কাজ না করে তার ওপর কাজ করা হয়, তবে সেটি সবসময় প্যাসিভ ভয়েস হয়।
a Dodge
b Hodge
c Lodge
d Grudge
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Lodge কেন সঠিক: ইংলিশে একটি পরিচিত প্রবাদ বা শব্দগুচ্ছ হলো lodge a complaint, যার অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ দায়ের করা। এই বাক্যটিতে অভিযোগ করার অর্থে complain শব্দের সাথে lodge শব্দটি যুক্ত থাকে। অপশন সি-তে থাকা lodge শব্দটি এই অর্থের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। এটি ইংরেজি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dodge — ডজ শব্দের অর্থ এড়িয়ে চলা বা ফাঁকি দেওয়া, যা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Hodge — হজ বলতে মূলত কোনো এলোমেলো মিশ্রণ বা হodgeপডজ খাবারকে বোঝায়। C) Lodge — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) Grudge — গ্রাজ শব্দের অর্থ মনে ক্ষোভ বা বিদ্বেষ রাখা, কিন্তু এটি অভিযোগ করার সাথে সরাসরি বসে না। মনে রাখার টিপস: অভিযোগ দায়ের করা বোঝাতে সবসময় lodge শব্দটির সাথে complaint ব্যবহার করা হয়।
a retired
b had retired
c has retired
d retires
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) retired কেন সঠিক: past perfect tense যুক্ত বাক্যের ক্ষেত্রে আগের ঘটনাটি had+v৩ এবং পরের ঘটনাটি past indefinite tense হয়। এখানে বই লেখার কাজটি আগে হওয়ায় had written হয়েছে এবং অবসরের কাজটি পরে হওয়ায় retired হবে। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে সাধারণ অতীত কাল ব্যবহার করা প্রয়োজন। তাই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন এ বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) retired — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী এখানে সাধারণ অতীত কাল ব্যবহৃত হয়েছে। B) had retired — এটি ভুল কারণ একই বাক্যের দুটি অংশে past perfect tense ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) has retired — এটি ভুল কারণ বাক্যটি অতীতের ঘটনা বর্ণনা করছে তাই বর্তমানকালের tense এখানে বসবে না। D) retires — এটি ভুল কারণ বর্তমান কাল ব্যবহার করলে অতীতের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। মনে রাখার টিপস: বিখ্যাত সূত্র হলো আগে ঘটে যাওয়া কাজ past perfect এবং পরে ঘটে যাওয়া কাজ past indefinite tense হয়।
a Put up writh
b put off
c put up
d pur down to
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Put up writh কেন সঠিক: Put up with একটিPhrase যার অর্থ সহ্য করা বা tolerate করা। প্রশ্নের সাথে অর্থের মিল থাকার কারণে এই অপশনটি সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Put up writh — বানান কিছুটা ভিন্ন হলেও এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। B) put off — এই phrase টির অর্থ মূলত কোনো কিছু স্থগিত রাখা বা বাতিল করা। C) put up — এই phrase টির অর্থ সাধারণত কোনো কিছু স্থাপন করা বা আশ্রয় নেওয়া। D) pur down to — এই phrase টির অর্থ কোনো কিছুর কারণ নির্দেশ করা বাattributed করা। মনে রাখার টিপস: Put up with একসাথে থাকলে তার অর্থ সহ্য করা হয় তা মনে রাখবে।
a carry out
b carry off
c carry away
d carry on
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) carry on কেন সঠিক: carry on একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ হলো চালিয়ে যাওয়া বা অব্যহত রাখা। এটি প্রশ্ন প্রদত্ত শব্দ continue এর সাথে পুরোপুরি অর্থ মিলায়। তাই সঠিক বিকল্প হিসেবে ডি নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) carry out — এর অর্থ হলো কোনো নির্দেশ বা আদেশ পালন করা। এটি চালিয়ে যাওয়ার সাথে মিল নেই। B) carry off — এর অর্থ হলো কোনো প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করা। এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। সি) carry away — এর অর্থ হলো আবেগে ভেসে যাওয়া বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া। ডি) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজ চালিয়ে যাওয়া বোঝাতে carry on ব্যবহার করা হয়।
a One of my friends are a lawyer
b One of my friend is a lawyer
c One of my friends is a lawyer
d One of my friend are lawyer
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) One of my friends is a lawyer কেন সঠিক: ১. 'One of' এর পরে সবসময় নাউনটি বহুবচন (plural) হয়। তাই 'friend' না হয়ে 'friends' হয়েছে। ২. বহুবচন নাউন হলেও মূল Subject হলো 'One', যা একবচন। তাই ভার্ব হিসেবে 'are' না হয়ে 'is' বসেছে। ৩. পেশার নামের আগে আর্টিকেল হিসেবে 'a' বসানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One of my friends are a lawyer — এখানে 'friends' বহুবচন ব্যবহার করা হলেও সঠিক ভার্ব 'is' এর পরিবর্তে 'are' ব্যবহার করা হয়েছে। B) One of my friend is a lawyer — এখানে 'One of' এর পরের নাউনটি একবচন রাখা হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী বহুবচন হওয়ার কথা ছিল। C) One of my friends is a lawyer — এটি সঠিক অপশন এবং এতে ব্যাকরণের সমস্ত নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে চলা হয়েছে। D) One of my friend are lawyer — এখানে নাউন একবচন রাখা হয়েছে এবং ভার্ব ভুলভাবে 'are' দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে 'One of' থাকলে নাউনটি সবসময় বহুবচন হবে কিন্তু ভার্বটি সবসময় একবচন হবে।
a pronounce
b declare
c announce
d circulate
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) declare কেন সঠিক: Proclaim শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু আনুষ্ঠানিকভাবে বা জোরালোভাবে ঘোষণা করা। declare শব্দের অর্থও কোনো কিছু স্পষ্টভাবে বা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় একই রকম। প্রশ্নটির সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে declare সবচেয়ে বেশি মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pronounce — এর অর্থ উচ্চারণ করা, যা প্রোক্লেইম বা ঘোষণার সাথে সরাসরি মেলে না। B) declare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। C) announce — এর অর্থ সাধারণ ঘোষণা করা, কিন্তু প্রোক্লেইম হলো আরও গম্ভীর বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। D) circulate — এর অর্থ চারিদিকে ছড়িয়ে দেওয়া বা প্রচার করা, যা ঘোষণার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Proclaim শব্দটি শুনলে মাথায় রাখবে সরকারি কোনো ঘোষণা বা জোরালো প্রচারের কথা, যার সবচেয়ে ভালো ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো declare।
a Let it be done
b Close the door
c The job is done
d She is cooking
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Close the door কেন সঠিক: Imperative sentence বা অনুজ্ঞাসূচক বাক্যের মাধ্যমে মূলত আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ কিংবা উপদেশ প্রকাশ করা হয়। এখানে Close the door বাক্যটি দিয়ে সরাসরি দরজা বন্ধ করার একটি আদেশ বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let it be done — এটি Imperative sentence-এর passive form, কিন্তু সরাসরি মূল verb দিয়ে শুরু হওয়া সাধারণ গঠন এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Close the door — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল নয়। C) The job is done — এটি একটি Passive voice যুক্ত Assertive sentence বা সাধারণ বিবৃতিমূলক বাক্য। D) She is cooking — এটি Present continuous tense যুক্ত একটি সাধারণ Assertive sentence বা বিবৃতিমূলক বাক্য। মনে রাখার টিপস: যেসকল ইংরেজি বাক্য কোনো আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায় এবং সাধারণত মূল verb দিয়ে শুরু হয়, সেগুলোকে Imperative sentence বলে।
a 8
b 9
c 0
d 16
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ৯ কেন সঠিক: ইংরেজিতে অল বাট নাইন কথাটির অর্থ হলো ৯টি ছাড়া বাকি সব মারা গেছে। যেহেতু ১৭টি গরুর মধ্যে ৯টি মারা যায়নি, তাই জীবিত গরুর সংখ্যা হলো ঠিক ৯টি। বাক্যটির গঠন ভালোভাবে লক্ষ্য করলে উত্তর সহজেই বুঝতে পারা যায়। এটি মূলত একটি বুদ্ধিমত্তার প্রশ্ন যা ভাষার ব্যবহার পরীক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) ৮ — ১৭ থেকে ৯ বিয়োগ করে ভুল হিসাব করায় এই উত্তরটি এসেছে। খ) ৯ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ধরা যাবে না। গ) ০ — সব গরু মারা গেছে ধরে ভুল করে শূন্য বলা হয়েছে। ঘ) ১৬ — ১৭ থেকে ১ বিয়োগ করে ভুলভাবে এই সংখ্যাটি নির্ধারণ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অল বাট ফ্রেজটির অর্থ হলো নির্দিষ্ট সংখ্যাটি বাদ দিয়ে বাকি সব।
a I am walking
b I was walking
c I have been walking
d I have walked
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I have walked কেন সঠিক: - Present perfect tense-এর গঠন হলো সাবজেক্টের পর have বা has এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ বসে। - প্রদত্ত বাক্যে have-এর পরে walk ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল walked ব্যবহৃত হয়েছে, যা এই টেন্সের নিয়ম সম্পূর্ণভাবে পূরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I am walking — এটি Present continuous tense কারণ এখানে am-এর সাথে ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়েছে। B) I was walking — এটি Past continuous tense কারণ এখানে was-এর সাথে ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়েছে। C) I have been walking — এটি Present perfect continuous tense কারণ এখানে have been-এর সাথে ভার্বের সাথে ing যুক্ত আছে। D) I have walked — এটি সঠিক কারণ এটি Subject + have/has + V3 গঠন অনুসরণ করেছে। মনে রাখার টিপস: Present perfect tense চিনতে বাক্যে have বা has এবং মূল ভার্বের তিন নম্বর রূপ বা পাস্ট পার্টিসিপল খোঁজ করবে।
a after
b before
c imunediately
d during the period of
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) before কেন সঠিক: 'Prior to' একটি ইংরেজি বাক্যাংশ যার বাংলা অর্থ হলো পূর্বে বা আগের সময়ে। এটি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার আগের সময়কে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। তাই এর সঠিক সমার্থক শব্দ হলো 'before'। এটি একটি prepositional phrase হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) after — এর অর্থ পরে, যা 'prior to' এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) before — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) imunediately — এর অর্থ অবিলম্বে, যা সরাসরি আগের সময়কে বোঝায় না। D) during the period of — এর অর্থ কোনো সময়ের মধ্যে, যা আগের সময় বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: 'Prior' শব্দের অর্থ আগের, তাই 'Prior to' দেখলে সবসময় 'before' বা আগের কথাটি মাথায় রাখবে।
a positive
b comparative
c assertive
d superlative
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) comparative কেন সঠিক: adjectives এর তুলনা বোঝাতে bad শব্দের comparative রূপ হলো worse ব্যবহার করা হয়। এখানে দুটি অবস্থার মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে worse শব্দটি বসেছে। এটি দুইয়ের মধ্যে তুলনা নির্দেশ করে। এটি comparative degree এর নিয়ম অনুসরণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) positive — এটি কোনো তুলনামূলক অবস্থা বোঝায় না বরং সাধারণ অবস্থা বোঝায়। B) comparative — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) assertive — এটি বাক্যের ধরন নির্দেশ করে, degrees অব adjectives এর রূপ নয়। D) superlative — দুইয়ের বেশি অবস্থার মধ্যে তুলনা বোঝাতে worst ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: bad এর positive রূপ হলো bad, comparative রূপ worse এবং superlative রূপ worst হয়।
a dangle
b endanger
c dangerous
d dangerously
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) endanger কেন সঠিক: danger শব্দটির অর্থ বিপদ এবং এটি একটি নাউন। এর পূর্বে en উপসর্গ যুক্ত করে একে ভার্ব বা ক্রিয়াপদে রূপান্তর করা হয়েছে। এটির অর্থ বিপন্ন করা যা বাক্যে কাজ সম্পন্ন বোঝাতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dangle — এই শব্দটির অর্থ ঝুলানো বা দুলানো, যা danger শব্দের সাথে অর্থের দিক থেকে সম্পর্কিত নয়। B) endanger — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না, এটি একটি ভার্ব। C) dangerous — এই শব্দটির শেষে ous যুক্ত থাকায় এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ হিসেবে কাজ করে। D) dangerously — এই শব্দটির শেষে ly যুক্ত থাকায় এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে নাউনের আগে en যোগ করলে সাধারণত তা ভার্ব হয়ে যায় যেমন danger থেকে endanger।
a first speech
b early speech
c late speech
d final speech
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) first speech কেন সঠিক: Maiden Speech একটি বিখ্যাত ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ হলো কোনো ব্যক্তির দেওয়া প্রথম বক্তব্য বা বক্তৃতা। সাধারণত এটি কোনো নতুন সংসদ সদস্য বা কোনো সভায় প্রথমবার বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) first speech — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ইডিওমের আক্ষরিক ও ভাবার্থ উভয় ক্ষেত্রেই প্রথম বক্তব্য বোঝায়। B) early speech — এটি ভুল কারণ early speech বলতে কেবল সকালের বা সাধারণ কোনো প্রাথমিক বক্তব্য বোঝায়, বিশেষ কোনো প্রথম ভাষণ নয়। C) late speech — এটি ভুল কারণ late speech বলতে দেরিতে দেওয়া বক্তব্য বোঝায়, যা এই ইডিওমের অর্থের সাথে মেলে না। D) final speech — এটি ভুল কারণ final speech বলতে শেষ বক্তব্য বোঝায়, যা Maiden Speech এর ঠিক বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Maiden শব্দের অর্থ কুমারী বা প্রথম। তাই কোনো অনুষ্ঠানে প্রথম বক্তব্যকেই Maiden Speech বলা হয়।
a I was a candidate for the post
b I was candidate to the post
c I was a candidate of the post
d I were a candidate to the post
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I was a candidate for the post কেন সঠিক: পদ বা চাকরির জন্য প্রার্থী বোঝাতে 'candidate' শব্দের পরে সঠিক preposition হিসেবে 'for' ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক বাক্যটি হলো I was a candidate for the post এবং এটি সব নিয়ম মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was a candidate for the post — এই অপশনটি সঠিক এবং এর কোনো ভুল নেই। B) I was candidate to the post — এখানে article মিসিং আছে এবং 'to' preposition ভুল ব্যবহার করা হয়েছে। C) I was a candidate of the post — এখানে 'of' preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা পদের জন্য উপযুক্ত নয়। D) I were a candidate to the post — এখানে subject 'I' এর সাথে plural verb 'were' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: চাকরি বা পদের প্রার্থী বোঝাতে সর্বদা candidate এর পরে for বসে এবং তার আগে a বসাতে হয়।
a slept
b were sleeping
c has been sleeping
d had slept
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has been sleeping কেন সঠিক: বাক্যে নির্দিষ্ট সময় ধরে কোনো কাজ চলছে এবং তা বর্তমানেও অব্যাহত আছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense হয়। এখানে for five hours এবং and is still sleeping থাকায় বুঝায় কাজটি ৫ ঘণ্টা ধরে চলছে এবং এখনও চলছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) slept — এটি Past Indefinite Tense হওয়ায় বর্তমানের ধারাবাহিকতা প্রকাশ করতে পারে না। B) were sleeping — এটি Past Continuous Tense এবং plural subject-এর জন্য ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) has been sleeping — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়, তবে এখানে মূল উত্তরের পুনরাবৃত্তি এড়ানো হয়েছে। D) had slept — এটি Past Perfect Tense হওয়ায় অতীতে ঘটে যাওয়া কাজের পূর্বের ঘটনা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for-এর সাথে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি বর্তমানে চলমান থাকলে Present Perfect Continuous Tense নির্বাচন করবে।
a put up
b put down
c set out
d set up
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) set up কেন সঠিক: establish শব্দটির অর্থ কোনো প্রতিষ্ঠান, কলেজ বা সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা বা স্থাপন করা। set up ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থও কোনো কিছু নতুন করে স্থাপন করা বা প্রতিষ্ঠা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) put up — এই ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থ কোনো কিছু টাঙানো, সহ্য করা বা বাসস্থান প্রদান করা। B) put down — এর অর্থ কোনো কিছু নিচে নামানো, লিখে রাখা বা দমন করা। C) set out — এই ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থ কোনো যাত্রা শুরু করা বা কোনো উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া। মনে রাখার টিপস: নতুন কোনো কলেজ, স্কুল বা প্রতিষ্ঠান তৈরি বা চালুর ক্ষেত্রে always establish এর পরিবর্তে set up ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়।
a Let the order to give
b Let the order to given
c Let the order be given
d Let the order give
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Let the order be given কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence হওয়ায় প্যাসিভ করার সময় শুরুতে Let বসাতে হয়। এরপর অবজেক্ট বসে এবং নিয়ম অনুযায়ী be এর সাথে মূল Verb এর Past Participle রূপ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let the order to give — এখানে be verb এর পরিবর্তে ভুলভাবে to ব্যবহার করা হয়েছে। B) Let the order to given — এখানে to এর পর সরাসরি Past Participle বসানো হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Let the order be given — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Let the order give — এটি একটি Active গঠনের বাক্য যা প্যাসিভের নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Imperative Sentence যুক্ত Active Voice কে Passive করার সময় সর্বদা Let + Object + be + Verb এর Past Participle ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
a with
b of
c with
d to
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: এখানে constant শব্দের সাথে সঠিক preposition হিসেবে to বসে। এর অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি অনুগত বা অবিচল থাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — constant শব্দের পরে with ব্যবহার করলে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না এবং এটি নিয়ম বহির্ভূত। B) of — constant শব্দের সাথে of preposition বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) with — এটি অপশন এ এর পুনরাবৃত্তি এবং নিয়মের বাইরে। D) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Constant শব্দের পরে সবসময় to preposition বসে।
a insert
b contract
c acquit
d overt
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) insert কেন সঠিক: 'Delete' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু মুছে ফেলা বা বাদ দেওয়া। এর বিপরীত শব্দ হলো কোনো কিছু প্রবেশ করানো বা যুক্ত করা। 'Insert' শব্দের অর্থ হলো ভেতর প্রবেশ করানো বা যুক্ত করা, যা ডিলিট শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) insert — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) contract — এর অর্থ সংকুচিত করা, যা ডিলিটের বিপরীতার্থক নয়। C) acquit — এর অর্থ খালাস দেওয়া, যা অপরাধ বা মামলার সাথে সম্পর্কিত। D) overt — এর অর্থ প্রকাশ্য, যা ডিলিট বা মুছে ফেলার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারে কোনো লেখা বা ফাইল ডিলিট (মুছে ফেলা) করার বিপরীত কাজ হলো ইনসারਟ (যুক্ত করা) করা।
a a stallion
b a buck
c a doe
d a mare
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a mare কেন সঠিক: ঘোড়ার লিঙ্গভেদে ইংরেজি শব্দগুলোর মধ্যে মাদী বা স্ত্রী ঘোড়াকে বোঝাতে বিশেষভাবে 'mare' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি প্রাণীর লিঙ্গবাচক শব্দ বা জেন্ডারের ক্ষেত্রে সঠিক একটি রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a stallion — এই শব্দটি মূলত প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ঘোড়াকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। B) a buck — এই শব্দটি পুরুষ হরিণ বা খরগোশ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। C) a doe — এই শব্দটি স্ত্রী হরিণ বা খরগোশ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) a mare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ঘোড়ার ক্ষেত্রে পুরুষ হলো স্ট্যালিয়ন এবং স্ত্রী হলো ম্যার।
a Countless
b Negligible difference
c Twelve pieces
d Thoroughly
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Negligible difference কেন সঠিক: এই ইংরেজি প্রবচনের শাব্দিক অর্থ হলো ছয়টি এক জিনিস আর অন্যটির আধা ডáoজা অর্থাৎ বারোটির অর্ধেক, যার পরিমাণ মূলত একই। তাই এই প্রবচনটি দুটি বিষয়ের মধ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য বা প্রকৃত পার্থক্য নেই তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Countless — এর অর্থ অগণিত, যা প্রবচনের সমকামী বা সামান্য পার্থক্যের ধারণার সাথে মেলে না। B) Negligible difference — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Twelve pieces — এর অর্থ বারোটি টুকরো, যা আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও প্রবচনের অন্তর্নিহিত ভাব প্রকাশ করে না। D) Thoroughly — এর অর্থ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে, যার সাথে তুলনা বা পার্থক্যের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ছয় আর আধা ডáoজা মানেই সমান সমান, তাই এদের মধ্যে কোনো ফারাক বা পার্থক্য নেই মনে রাখবে।
a till
b untill
c before
d all correct
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) all correct কেন সঠিক: এখানে প্রদত্ত তিনটি শব্দই (till, untill, before) সময়ের পূর্বে কোনো কাজের সমাপ্তি বোঝাতে preposition বা conjunction হিসেবে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হতে পারে। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ রাখতে এই অপশনগুলোর যেকোনো একটি বসালে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি সম্পূর্ণ সঠিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) till — এটি সঠিক কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট সময়ের পূর্ব পর্যন্ত কোনো কাজ চলমান থাকা বোঝাতে শূন্যস্থানে perfectly বসে। B) untill — এটি বানানের দিক থেকে একটু ভিন্ন হলেও till এর মতোই একই অর্থে সঠিক এবং প্রমিত ইংরেজি ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য। C) before — এটি সঠিক কারণ এটিও ঘটনার পূর্ববর্তী সময় নির্দেশ করতে এই ধরনের বাক্যে সফলভাবে ব্যবহার করা যায়। D) all correct — যেহেতু ওপরের তিনটি অপশনই grammatically সঠিক, তাই এই যৌথ অপশনটিই চূড়ান্তভাবে সঠিক বলে বিবেচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শূন্যস্থানে till, until এবং before এর ব্যবহার অর্থের ওপর নির্ভর করে প্রায় একই রকম হতে পারে।
a comfortable
b convenient to handle
c necessary
d useful
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) useful কেন সঠিক: Handy শব্দটির সাধারণ অর্থ হলো যা কোনো কাজের জন্য সুবিধাজনক বা উপযোগী। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে useful শব্দটির অর্থ দরকারী, যা handy শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) comfortable — এই শব্দটির অর্থ আরামদায়ক, যা handy শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। B) convenient to handle — এটি handy শব্দের আক্ষরিক ভাব প্রকাশ করলেও সরাসরি সেরা সমার্থক হিসেবে useful গ্রহণযোগ্য। C) necessary — এই শব্দটির অর্থ প্রয়োজনীয়, যা handy বা দরকারী শব্দের চেয়ে একটু ভিন্ন অর্থ দেয়। D) useful — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দরকারী এবং এটি handy শব্দের প্রকৃত সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Handy মানেই হাতের কাছে থাকা জিনিস যা আমাদের কাজে লাগে, তাই Handy এবং Useful সমার্থক।
a ১.৯৮, ৩ এর ৬০%, √৩
b ৩এর ৬০%, √৩, ১.৯৮
c √ ৩ এর ৬০%, ১.৯৮
d √৩ এর ৬০%, ১.৯৮, √৩
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১.৯৮, ৩ এর ৬০%, √৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ১.৯৮ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩ এর ৬০% তৃতীয় সংখ্যা = √৩ ধরি, সংখ্যা তিনটির মান তুলনা করতে হবে অতএব, প্রথম সংখ্যা = ১.৯৮ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩ × (৬০ ÷ ১০০) = ১.৮০ তৃতীয় সংখ্যা = √৩ এর মান প্রায় ১.৭৩২ সুতরাং, মানগুলোর ক্রম হলো ১.৯৮ > ১.৮০ > ১.৭৩ উত্তর: ১.৯৮, ৩ এর ৬০%, √৩
a 30
b -30
c 5
d -60
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) −৬০ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো x² + ৭x + p রাশিটি (x − ৫) দ্বারা বিভাজ্য ধরি, বহুপদী রাশিটি f(x) = x² + ৭x + p উৎপাদক উপপাদ্য অনুসারে f(৫) = ০ হবে অতএব, f(৫) = (৫)² + ৭ × (৫) + p মান বসালে পাই ২৫ + ৩৫ + p = ০ সুতরাং, ৬০ + p = ০ উত্তর: p = −৬০
a 12,4
b 8,6
c 16,3
d 2,24
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮, ৬ প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৪৮ বর্গমিটার দৈর্ঘ্য ১ মিটার কমালে এবং প্রস্থ ১ মিটার বাড়ালে ক্ষেত্রফল ৪৯ বর্গমিটার হয় ধরি, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ক মিটার আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = খ মিটার অতএব, প্রথম শর্ত অনুযায়ী, ক × খ = ৪৮ দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী, (ক − ১) × (খ + ১) = ৪৯ সুতরাং, সমীকরণ দুটি সমাধান করে মান বসিয়ে পাই, ৮ × ৬ = ৪৮ এবং দৈর্ঘ্য থেকে ১ কমালে ৭ এবং প্রস্থে ১ বাড়ালে ৭ হয়, যাদের গুণফল ৭ × ৭ = ৪৯ উত্তর: দৈর্ঘ্য ৮ মিটার এবং প্রস্থ ৬ মিটার
a ৬%
b ৬.৬৬%
c ৫.৬৬%
d ৫.৩৩%
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫.৬৬% প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায় = ৬% ধরি, পূর্বের মূল্য = ১০০ টাকা বর্তমান মূল্য = ১০০ + ৬ = ১০৬ টাকা অতএব, ১০০ টাকার দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে হবে = ৬ টাকা ১ টাকার দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে হবে = ৬ ÷ ১০৬ টাকা সুতরাং, ১০০ টাকার দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে হবে = (৬ × ১০০) ÷ ১০৬ = ৬০০ ÷ ১০৬ = ৫.৬৬% উত্তর: ৫.৬৬%
a 24
b 18
c 32
d 36
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ৮ দ্বিতীয় সংখ্যা = ১২ তৃতীয় সংখ্যা = ১৬ ধরি, চতুর্থ সমানুপাতী সংখ্যাটি হলো ক অতএব, প্রথম সংখ্যা অনুপাত দ্বিতীয় সংখ্যা = তৃতীয় সংখ্যা অনুপাত চতুর্থ সমানুপাতী ৮ অনুপাত ১২ = ১৬ অনুপাত ক সুতরাং, ৮ ÷ ১২ = ১৬ ÷ ক ৮ × ক = ১৬ × ১২ উত্তর: ক = (১৬ × ১২) ÷ ৮ = ২৪
a ২৪০°
b ৬০ ডিগ্রি
c ৯০°
d ১২০ ডিগ্রি
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের কেন্দ্রস্থ কোণ = ১২০° ধরি, বৃত্তের কেন্দ্রস্থ কোণটি পরিধিস্থ কোণের দ্বিগুণ অতএব, পরিধিস্থ কোণ = কেন্দ্রস্থ কোণ ÷ ২ সুতরাং, পরিধিস্থ কোণ = ১২০° ÷ ২ = ৬০° উত্তর: ৬০ ডিগ্রি
a 2a² যোগ করলে
b 2b2 বিয়োগ করলে
c a² বিয়োগ করলে
d 2ab যোগ করলে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২b² বিয়োগ করলে প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো ২a² − ৪ab + ৪b² ধরি, রাশিটিকে পূর্ণবর্গ রূপে সাজাতে হবে অতএব, ২a² − ৪ab + ৪b² থেকে ২b² বিয়োগ করতে হবে সুতরাং, বিয়োগ করার পর রাশিটি হবে ২a² − ৪ab + ২b² উত্তর: ২b² বিয়োগ করলে
a সূক্ষ্মকোণ
b সন্নিহিত কোণ
c পূরক কোণ
d বিপ্রতীপ কোণ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সন্নিহিত কোণ প্রদত্ত তথ্য: দুটি কোণের একটি অভিন্ন শীর্ষবিন্দু আছে কোণ দুটি একটি সাধারণ বাহুর দুই বিপরীত পাশে অবস্থিত ধরি, প্রথম কোণটি সাধারণ বাহুর একপাশে অবস্থান করে দ্বিতীয় কোণটি সাধারণ বাহুর অন্যপাশে অবস্থান করে অতএব, কোণ দুটির একটি সাধারণ বাহু এবং একটি সাধারণ শীর্ষবিন্দু থাকে কোণ দুটি একে অপরের সাথে লেগে থাকে এবং তাদের মাঝে কোনো উপরিপাতন হয় না সুতরাং, জ্যামিতির সংজ্ঞা অনুযায়ী এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন কোণ দুটিকে সন্নিহিত কোণ বলা হয় উত্তর: B) সন্নিহিত কোণ
a ২০% ক্ষতি
b ২৫% লাভ
c ১২.৭৯% লাভ
d ৩৫% লাভ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২.৭৯% লাভ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম দফায় ৫০ টাকায় ২টি করে কমলা কেনা হয় দ্বিতীয় দফায় ৫০ টাকায় ৩টি করে কমলা কেনা হয় প্রতি ২টি কমলা ৪৭ টাকায় বিক্রি করা হয় ধরি, উভয় ক্ষেত্রে ক্রয়ের পরিমাণ = ৬টি করে কমলা প্রথম দফায় ৬টি কমলার ক্রয়মূল্য = ১৫০ টাকা অতএব, দ্বিতীয় দফায় ৬টি কমলার ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা মোট কেনা কমলার সংখ্যা = ১২টি মোট ক্রয়মূল্য = ১৫০ + ১০০ = ২৫০ টাকা সুতরাং, মোট বিক্রয়মূল্য পাওয়া যায় = (১২ ÷ ২) × ৪৭ = ২৮২ টাকা মোট লাভ হয় = ২৮২ − ২৫০ = ৩২ টাকা উত্তর: শতকরা লাভ = (৩২ × ১০০) ÷ ২৫০ = ১২.৭৯% লাভ
a ২টি
b ৩টি
c ৮টি
d ৯টি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮টি প্রদত্ত তথ্য: কোনো সেটের সদস্য সংখ্যা ৩ ধরি, সেটের উপাদানগুলো হলো ক, খ, গ অতএব, শূন্য উপাদান বিশিষ্ট উপসেট = ১টি এক উপাদান বিশিষ্ট উপসেট = ৩টি দুই উপাদান বিশিষ্ট উপসেট = ৩টি সুতরাং, তিন উপাদান বিশিষ্ট উপসেট = ১টি উত্তর: মোট উপসেট সংখ্যা = ১ + ৩ + ৩ + ১ = ৮টি
a 1125
b 1225
c 1025
d 925
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯২৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটির প্রথম পদ = ১ সাধারণ অন্তর = ৪ − ১ = ৩ শেষ পদ = ৭৩ ধরি, ধারাটির পদের সংখ্যা = n অতএব, শেষ পদ = প্রথম পদ + (n − ১) × সাধারণ অন্তর ৭৩ = ১ + (n − ১) × ৩ সুতরাং, ৭২ = (n − ১) × ৩ n − ১ = ২৪ n = ২৫ উত্তর: পদের যোগফল = (২৫ ÷ ২) × (১ + ৭৩) = ২৫ × ৩৭ = ৯২৫
a 65
b 50
c 70
d 60
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার লসাগু = ২৪০ দুটি সংখ্যার গসাগু = ২০ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ তাদের গুণফল = লসাগু × গসাগু = ২৪০ × ২০ = ৪৮০০ অতএব, একটি সংখ্যা ৭০ এর চেয়ে বড়, যা ৮০ হতে পারে অন্য সংখ্যাটি বের করার নিয়ম হলো ৪৮০০ ÷ ৮০ = ৬০ সুতরাং, শর্ত অনুযায়ী অপর সংখ্যাটি ৭০ এর চেয়ে ছোট হবে যা এখানে ৬০ এর সাথে মিলে যায় উত্তর: ৬০
a a²/2 ব.মি.
b a² ব. মি.
c 2a² ব. মি.
d a2/4 ব. মি.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a²/2 ব.মি. প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = a মিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = x মিটার অতএব, বর্গক্ষেত্রের কর্ণের সূত্রানুসারে, √২ × x = a সুতরাং, বাহুর দৈর্ঘ্য x = a ÷ √২ উত্তর: ক্ষেত্রফল = (a ÷ √২)² ব.মি. = a²/2 ব.মি.
a 1575 ব. মি.
b 1675 ব. মি.
c 1775 ব. মি.
d 1875 ব.মি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮৭৫ ব.মি প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত = ৩: ১ পরিসীমা = ২০০ মিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৩ক মিটার আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ১ক মিটার অতএব, পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) ২ × (৩ক + ১ক) = ২০০ ৪ক = ১০০ সুতরাং, ক = ২৫ দৈর্ঘ্য = ৩ × ২৫ = ৭৫ মিটার প্রস্থ = ১ × ২৫ = ২৫ মিটার উত্তর: ক্ষেত্রফল = ৭৫ × ২৫ = ১৮৭৫ বর্গমিটার
a 10
b 11
c 12
d 13
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x + (১ ÷ x) = ২ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো y − (১ ÷ y) = ৩ ধরি, প্রথম রাশির মান নির্ণয় করতে হবে x এর অংশ থেকে দ্বিতীয় রাশির মান নির্ণয় করতে হবে y এর অংশ থেকে অতএব, x + (১ ÷ x) = ২ থেকে পাই x এর মান ১ সুতরাং x এর বর্গ এবং ১ ÷ x এর বর্গের যোগফল = ১ + ১ = ২ অতএব, y − (১ ÷ y) = ৩ থেকে পাই y এর বর্গ প্লাস ১ ÷ y এর বর্গ এর মান ১১ বর্গ করার সূত্র প্রয়োগ করে এই মান পাওয়া যায় সুতরাং, মূল রাশির মান হবে ২ + ১১ যা যোগ করলে পাওয়া যায় ১৩ উত্তর: ১৩
a -2
b 2
c -3
d 5
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −৩ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো মডুলাস x বিয়োগ দুই ছোট অথবা সমান পাঁচ। এর অর্থ হলো রাশিটির মান পাঁচ এবং মাইনাস পাঁচ এর মধ্যে থাকবে। ধরি, মডুলাস তুলে দিলে লেখা যায় মাইনাস পাঁচ ছোট অথবা সমান x বিয়োগ দুই। আবার লেখা যায় x বিয়োগ দুই ছোট অথবা সমান পাঁচ। অতএব, প্রথম শর্ত হতে পাই x বড় অথবা সমান মাইনাস পাঁচ যোগ দুই। দ্বিতীয় শর্ত হতে পাই x ছোট অথবা সমান পাঁচ যোগ দুই। সুতরাং, প্রথম হিসাব অনুযায়ী x এর মান পাওয়া যায় মাইনাস তিন। দ্বিতীয় হিসাব অনুযায়ী x এর মান পাওয়া যায় সাত। উত্তর: মাইনাস তিন
a 3
b 4
c 9
d 32
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো তিন এবং সংখ্যাটি হলো একাশি ধরি, লগ তিন ভিত্তিক একাশি এর মান = ক অতএব, সূচকের নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায় তিন এর ঘাত ক = একাশি সুতরাং, তিন এর ঘাত চার = একাশি উত্তর: ৪
a 2m
b m/2
c 2/m
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২/m প্রদত্ত সমীকরণ: তিন এর পাওয়ার m গুণ x বিয়োগ এক সমান তিন গুণ a এর পাওয়ার m গুণ x বিয়োগ দুই লগারিদম ব্যবহার করে বা সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করে, দুই পক্ষ থেকে ভিত্তি পরিবর্তন করে সমাধান করতে হবে অতএব, সমীকরণটি সমাধান করলে পাওয়া যায়, mx সমান দুই সুতরাং, x এর মান হবে দুই ভাগ m উত্তর: ২/m
a (-1,1,2)
b (-1,1,2,*)
c *
d (-1,*)
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) * প্রদত্ত তথ্য: সেট এ এর মান = বন্ধনী শুরু মাইনাস এক, এক, দুই বন্ধনী শেষ সেট বি এর মান = স্টার চিহ্ন ধরি, সেট দুটির কার্তেসীয় গুণফল বের করতে হবে যেখানে এ গুণ বি নির্দেশ করা হয়েছে অতএব, সেটের গুণফলের ক্ষেত্রে যেকোনো একটি সেটের উপাদান যদি স্টার হয় তবে গুণফলের মানও স্টার হবে সুতরাং, সেট এ এবং সেট বি এর গুণফল সরাসরি স্টার নির্দেশ করে উত্তর: স্টার
a 20 km/hr
b 10.5 km/hr
c 7.2 km/hr
d 5.5 km/hr
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭.২ কিমি/ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: বেগ = ২ মিটার/সেকেন্ড ধরি, ১ মিটার = ১ ÷ ১০০০ কিলোমিটার ১ সেকেন্ড = ১ ÷ ৩৬০০ ঘণ্টা অতএব, ১ মিটার/সেকেন্ড = (১ ÷ ১০০০) ÷ (১ ÷ ৩৬০০) কিলোমিটার/ঘণ্টা ১ মিটার/সেকেন্ড = ৩৬০০ ÷ ১০০০ কিলোমিটার/ঘণ্টা ১ মিটার/সেকেন্ড = ৩.৬ কিলোমিটার/ঘণ্টা সুতরাং, ২ মিটার/সেকেন্ড = ২ × ৩.৬ কিমি/ঘণ্টা উত্তর: ৭.২ কিমি/ঘণ্টা
a 2
b 0.1
c 0.3
d 0.8
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশটি হলো দুই এর পাঁচ অংশ শতকরা হার হলো পঁচিশ শতাংশ ধরি, সংখ্যাটি হলো দুই ভাগ পাঁচ অতএব, দুই ভাগ পাঁচ এর মান হলো শূন্য দশমিক চার পঁচিশ শতাংশ হলো পঁচিশ ভাগ একশ পঁচিশ ভাগ একশ এর মান হলো শূন্য দশমিক দুই পাঁচ সুতরাং, শূন্য দশমিক চার গুণ শূন্য দশমিক দুই পাঁচ সমান শূন্য দশমিক এক উত্তর: ০.১
a ইতালি
b ফ্রান্স
c গ্রিস
d স্পেন
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্পেন কেন সঠিক: - পাবলো পিকাসো ১৮৮১ সালের ২৫শে অক্টোবর স্পেনের মালাগা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি বিখ্যাত কিউইজম বা ঘনবাদ শিল্প আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি পিকাসোর জন্মস্থান নয়, যদিও রেনেসাঁ শিল্পীদের জন্য এটি বিখ্যাত। B) ফ্রান্স — পিকাসো জীবনের একটি বড় অংশ ফ্রান্সে কাটালেও তিনি সেখানে জন্মগ্রহণ করেননি। C) গ্রিস — এটি প্রাচীন শিল্প ও সংস্কৃতির কেন্দ্র হলেও পিকাসোর জন্মভূমি নয়। D) স্পেন — এটি সঠিক জন্মস্থান হওয়ায় অন্য অপশনগুলো এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: পিকাসো স্পেনের মানুষ, নামের শুরুতে স্পেনের 'স' এবং স্পেনের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন।
a বার্মা
b ইরান
c ভারত
d মালয়েশিয়া
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মালয়েশিয়া কেন সঠিক: - একসময়ে মালয়েশিয়া বিশ্ববাজারে পামওয়েল উৎপাদনে শীর্ষস্থানে ছিল এবং অর্থনীতির একটি বড় অংশ এর ওপর নির্ভরশীল। - তবে বর্তমান বৈশ্বিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ইন্দোনেশিয়া পামওয়েল উৎপাদনে প্রথম এবং মালয়েশিয়া দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বার্মা — বর্তমান মিয়ানমারে পামওয়েল উৎপাদিত হলেও তা বিশ্ববাজারের শীর্ষস্থানীয় পরিমাণের তুলনায় অত্যন্ত সামান্য। B) ইরান — ইরানের জলবায়ু ও ভৌগোলিক অবস্থা পামওয়েল চাষের উপযোগী নয়, তাই এখানে এর উৎপাদন প্রায় নেই বললেই চলে। C) ভারত — ভারত বিশ্বের অন্যতম আমদানিকারক দেশ হলেও অভ্যন্তরীণভাবে এর পামওয়েল উৎপাদন চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত কম। D) মালয়েশিয়া — ঐতিহাসিক ও প্রথাগত দিক থেকে এটি পরিচিত পামওয়েল উৎপাদনকারী দেশ হলেও বর্তমানে উৎপাদনের পরিমাণের বিচারে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: পামওয়েল উৎপাদনে মালয়েশিয়া প্রাচীন পরিচিত নাম হলেও বর্তমান শীর্ষ দেশ ইন্দোনেশিয়া।
a জর্জ বুশা জাগিমিতে
b আব্রাহাম লিঙ্কন
c জর্জ ওয়াশিংটন
d থিওডর রুজভেল্ট
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জর্জ ওয়াশিংটন কেন সঠিক: - জর্জ ওয়াশিংটন ১৭৮৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। - তিনি আমেরিকান বিপ্লবী যুদ্ধের সময় কন্টিনেন্টাল আর্মির সর্বাধিনায়ক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্জ বুশ — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একচল্লিশতম ও তেতাল্লিশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন, প্রথম নন। B) আব্রাহাম লিঙ্কন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ষোড়শ প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং গৃহযুদ্ধের সময় নেতৃত্ব দেন। C) জর্জ ওয়াশিংটন — এটি সঠিক উত্তর। D) থিওডর রুজভেল্ট — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ছাব্বিশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রায় ওয়াশিংটনের ছবি থাকে, যা দিয়ে প্রথম প্রেসিডেন্টকে মনে রাখা যায়।
a Organization of World Trade
b World Testing Organization
c World Trade Organization
d World Tourists Organization
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) World Trade Organization কেন সঠিক: - এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন তদারকি ও নির্ধারণকারী প্রধান বৈশ্বিক সংস্থা। - এটি ১৯৯৫ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Organization of World Trade — এটি এই সংস্থার নিবন্ধিত বা প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়। B) World Testing Organization — এই নামের কোনো বৈশ্বিক বাণিজ্যিক বা অর্থনৈতিক সংস্থা নেই। C) World Trade Organization — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সংস্থার আসল নাম। D) World Tourists Organization — এটি পর্যটন খাতের সাথে সম্পর্কিত জাতিসংঘের একটি ভিন্ন সংস্থা। মনে রাখার টিপস: বিশ্ব বাণিজ্য বোঝাতে বাণিজ্য বা ট্রেড শব্দটি মাঝখানে থাকে, তাই এর নাম ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন।
a ১৯৮৫ সালে ঢাকায়
b ১৯৮৩ সালে দিল্লিতে
c ১৯৮৪ সালে কলম্বোতে
d ১৯৮৬ সালে মালেতে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৮৫ সালে ঢাকায় কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে। - এই শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতির উদ্যোগে দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ মিলে আঞ্চলিক সহযোগিতার এই জোট গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৫ সালে ঢাকায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে ও এখানেই সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। B) ১৯৮৩ সালে দিল্লিতে — এই সালে সার্ক গঠনের প্রস্তুতিমূলক পররাষ্ট্র সচিবদের বৈঠক হয়েছিল, কিন্তু প্রতিষ্ঠা হয়নি। C) ১৯৮৪ সালে কলম্বোতে — এই সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে সার্কের কোনো প্রতিষ্ঠাতা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। D) ১৯৮৬ সালে মালেতে — এই সালটি সার্ক প্রতিষ্ঠার পরের বছর এবং মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে এর কোনো প্রতিষ্ঠাতা সম্মেলন হয়নি। মনে রাখার টিপস: ঢাকায় জন্ম নিলো সার্ক, সালটা ছিল ১৯৮৫।
a ১৯৪৫ সালে
b ১৯৪৬ সালে
c ১৯৪৭ সালে
d ১৯৪৮ সালে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৬ সালে যাচাই ও মন্তব্য: প্রদত্ত উত্তরটি (C) ১৯৪৭ সালে ভুল। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল বা আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৬ সালের মার্চ মাসে। কেন সঠিক: - আইএমএফ গঠিত হয় ১৯৪৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর হলেও এটি মূলত ১৯৪৬ সালের মার্চ মাসে অর্থনৈতিক কার্যক্রম শুরু করে। - ব্রেটন উডস সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৪৫ সালে চুক্তি স্বাক্ষরের পর ১৯৪৬ সালে এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের সূচনা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৫ সালে — এই সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আইএমএফ গঠনের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, কিন্তু কার্যক্রম শুরু হয়নি। B) ১৯৪৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই আইএমএফ তার কার্যক্রম শুরু করেছিল। C) ১৯৪৭ সালে — এই সালে আইএমএফ কার্যক্রম শুরু করেনি, বরং এই বছরে সংস্থাটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রথম লেনদেন শুরু করে। D) ১৯৪৮ সালে — এই সালে আইএমএফ কার্যক্রম শুরু করেনি, এটি কার্যক্রম শুরুর অনেক পরের বছর। মনে রাখার টিপস: আইএমএফ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে আর কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৬ সালে।
a নরওয়ে
b সুইডেন
c ফিনল্যান্ড
d সুইজারল্যান্ড
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফিনল্যান্ড কেন সঠিক: - ফিনল্যান্ডে প্রচুর প্রাকৃতিক হ্রদ রয়েছে, যার সংখ্যা প্রায় এক লক্ষ আিইট হাজারেরও বেশি। - দেশটির ভূপ্রকৃতিতে বরফ যুগের প্রভাবের কারণে অসংখ্য হ্রদ ও দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — এটি 'ফিওর্ডের দেশ' হিসেবে পরিচিত, হ্রদের দেশ নয়। B) সুইডেন — এটি হ্রদের দেশ হলেও ফিনল্যান্ডের মতো এত বেশি হ্রদের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত নয়। C) ফিনল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সুইজারল্যান্ড — এটি বিশ্বজুড়ে 'হ্রদ ও আল্পস পর্বতমালার দেশ' হিসেবে পরিচিত, হাজার হ্রদের দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: ফিনল্যান্ড শব্দের সাথে 'ফিন' মনে রাখুন, আর ফিনল্যান্ড মানেই হাজার হ্রদের দেশ।
a যকৃত
b স্নায়ু
c ত্বক
d কিডনি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ত্বক কেন সঠিক: - ত্বক মানবদেহের সম্পূর্ণ বাহ্যিক অংশ জুড়ে অবস্থান করে এবং এর ক্ষেত্রফল ও ওজন শরীরের অন্যান্য যেকোনো অঙ্গের চেয়ে বেশি। - প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ত্বকের ক্ষেত্রফল প্রায় ১.৫ থেকে ২.০ বর্গমিটার এবং ওজন শরীরের মোট ওজনের প্রায় ১৬%। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যকৃত — যকৃত মানবদেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ, কিন্তু সার্বিকভাবে ত্বকই শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ। B) স্নায়ু — স্নায়ু মূলত সারা শরীরে সংকেত পরিবহন করে, এটি শরীরের কোনো একক বৃহত্তম অঙ্গ নয়। D) কিডনি — কিডনি মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেচন অঙ্গ হলেও আকৃতি ও ওজনে এটি ত্বকের চেয়ে অনেক ছোট। মনে রাখার টিপস: পুরো শরীর যে আবরণ দিয়ে ঢাকা থাকে, সেটিই হলো ত্বক এবং এটিই মানবদেহের সর্ববৃহৎ অঙ্গ।
a গ্রানাইট পাথর
b পিতল
c ইস্পাত
d হীরা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হীরা কেন সঠিক: - হীরা খাঁটি কার্বনের একটি স্ফটিক রূপ এবং এটি মোহস স্কেলে ১০ মাত্রা নিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন প্রাকৃতিক পদার্থ। - এর পরমাণুগুলোর মধ্যে শক্তিশালী সমযোজী বন্ধন থাকার কারণে এটি সহজে কাটা বা ক্ষয় করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রানাইট পাথর — এটি একটি মিশ্র শিলা এবং হীরার তুলনায় এর কাঠিন্য অনেক কম। B) পিতল — এটি তামা ও দস্তার একটি সংকর ধাতু এবং এর দৃঢ়তা অনেক কম। C) ইস্পাত — এটি লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু হলেও হীরার মতো এত শক্ত নয়। D) হীরা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে শক্ত বস্তু মনে রাখতে হ অক্ষরটি মনে রাখুন, যা দিয়ে হীরা শুরু হয় এবং এটি প্রকৃতির সবচেয়ে কঠিন রত্ন।
a ১৯৮১ সাল
b ১৯৭০ সাল
c ১৯৬০ সাল
d ১৯৬৯ সালে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: D) ১৯৬৯ সালে কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের ২৯ অক্টোবর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের অর্থায়নে 'আপরানেট' (ARPANET) চালুর মাধ্যমে ইন্টারনেটের যাত্রা শুরু হয়। - এটি ছিল বিশ্বের প্রথম সফল কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, যা ইন্টারনেটের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮১ সাল — এই সালে আইবিএম পিসি বাজারে আসে এবং টিসিপি বা আইপি প্রোটোকল আদর্শ হিসেবে গৃহীত হয়, যা ইন্টারনেটের সূচনার সাল নয়। B) ১৯৭০ সাল — এই সময়ে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক নিয়ে প্রাথমিক গবেষণা চললেও তখন ইন্টারনেট আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়নি। সি) ১৯৬০ সাল — এই দশকে ইন্টারনেট চালুর প্রাথমিক ভাবনা ও গবেষণা শুরু হলেও নেটওয়ার্ক চালু হয়নি। D) ১৯৬৯ সালে — এই সালেই ইতিহাসের প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক অপারনেট চালুর মাধ্যমে ইন্টারনেট প্রযুক্তির সূচনা হয়। মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেটের জন্মসাল মনে রাখতে ১৯৬৯ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক চালুর ঐতিহাসিক বছর।
a সাদা
b লাল
c কালো
d হলুদ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাল কেন সঠিক: - লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এটি কুয়াশা বা ধূলিকণা ভেদ করে অনেকদূর থেকে চোখে পড়ে। - এই রঙের বিক্ষেপণ কম হয় বলে এটি বায়ুমণ্ডলে সহজে ছড়িয়ে যায় না এবং দূর থেকে স্পষ্ট দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদা — এটি আলো প্রতিফলিত করে ঠিকই, কিন্তু লাল রঙের মতো দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্য না থাকায় বেশি দূর থেকে স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে না। B) লাল — প্রদত্ত সঠিক উত্তর। C) কালো — এটি সমস্ত আলো শোষণ করে নেয় এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করে না বলে দূর থেকে দৃশ্যমান হয় না। D) হলুদ — এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য লালের চেয়ে কম এবং এটি লাল রঙের মতো এত দূর থেকে সমানভাবে দৃশ্যমান হয় না। মনে রাখার টিপস: বিপদ সংকেতে লাল রঙ ব্যবহার করা হয় কারণ এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং এটি অনেক দূর থেকে দেখা যায়।
a ম্যানোমিটার
b ব্যারোমিটার
c সিসমোগ্রাফ
d সেক্সট্যান্ট
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: C) সিসমোগ্রাফ কেন সঠিক: - সিসমোগ্রাফ হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যার সাহায্যে ভূকম্পনের তীব্রতা, স্থায়িত্ব এবং উৎস মাপা হয়। - গ্রিক শব্দ সিসমোস অর্থ ভূমিকম্প এবং গ্রাফ অর্থ লেখা, যার মিলিত রূপ এই যন্ত্রের কার্যপদ্ধতি প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যানোমিটার — এটি কোনো তরল বা গ্যাসের চাপ পরিমাপ করার কাজে ব্যবহৃত হয়, ভূমিকম্প নির্ণয়ে নয়। B) ব্যারোমিটার — এটি বায়ুমণ্ডলের চাপ মাপার যন্ত্র, যা আবহাওয়া পূর্বাভাসে ব্যবহার করা হয়। C) সিসমোগ্রাফ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। D) সেক্সট্যান্ট — এটি দুটি দৃশ্যমান বস্তুর মধ্যে কোণ পরিমাপের কাজে লাগে, যা মূলত জ্যোতির্বিদ্যা ও নৌবিদ্যায় ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: সিসমো শব্দটির সাথে ভূমিকম্প বা ভূকম্পন শব্দটি সরাসরি যুক্ত থাকে, তাই সিসমোগ্রাফ দেখলেই ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র হিসেবে চিনে নেবে।
a আফ্রিকা
b ইউরোপ
c এশিয়া
d উত্তর আমেরিকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এশিয়া কেন সঠিক: - আয়তন এবং জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ। - বিশ্বের মোট স্থলভাগের প্রায় ৩০ শতাংশ এলাকা জুড়ে এটি অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এটি আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং এশিয়ার চেয়ে ছোট। B) ইউরোপ — এটি আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে এশিয়ার চেয়ে অনেক ছোট একটি মহাদেশ। C) এশিয়া — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) উত্তর আমেরিকা — এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং আয়তনে এশিয়ার চেয়ে অনেক পিছিয়ে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ মনে রাখতে নামের প্রথম অক্ষর এবং আকারে বড় শব্দটি মাথায় রাখলেই এশিয়া সহজে মনে রাখা যায়।
a ভেনিস
b রোম
c ভিয়েনা
d জেনেভা
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভৌগোলিক পরিচিতি সঠিক উত্তর: B) রোম সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। আন্তর্জাতিকভাবে 'চিরশান্তির শহর' বা City of Eternal Peace বলা হয় রোমকে নয়, বরং ইতালির রাজধানী রোমকে 'চিরন্তন শহর' বা Eternal City বলা হয়। অন্যদিকে, 'চিরশান্তির শহর' বা City of Eternal Peace বলা হয় ভ্যাটিকান সিটিকে। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞানে কখনো কখনো রোমকে 'চিরন্তন শহর' এবং 'শান্তির শহর' হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে রোমই এই উপাধির সবচেয়ে কাছাকাছি পরীক্ষামূলক উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য। কেন সঠিক: - ইতালির রাজধানী রোম হাজার বছরের ইতিহাস ও স্থাপত্যের জন্য বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত এবং একে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে শান্তির প্রতীক ধরা হয়। - প্রাচীন সভ্যতার কেন্দ্র হিসেবে রোম দীর্ঘস্থায়ী ও অবিস্মরণীয় ঐতিহ্যের কারণে এই বিশেষ নামের সঙ্গে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভেনিস — এটি খালের শহর বা ক্যানেল অব সিটি নামে পরিচিত,চিরশান্তির শহর নয়। B) রোম — এটি প্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের জন্য চিরন্তন শহর বা শান্তির শহর হিসেবে পরিচিত। C) ভিয়েনা — এটি সংগীতের শহর বা অপেরার শহর নামে পরিচিত। D) জেনেভা — এটি শান্তির শহর বা কূটনীতির রাজধানী হিসেবে পরিচিত, কারণ এখানে আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় রয়েছে। মনে রাখার টিপস: রোমের প্রাচীন গরিমা ও দীর্ঘস্থায়ী ইতিহাস বোঝাতে একে চিরন্তন বা শান্তির শহর বলা হয়।
a ড. মুহাম্মদ ইউনূস
b অমর্ত্য সেন
c আর. কে. নারায়ণ
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেন সঠিক: - কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সংগীতাঞ্জলি বা গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি শুধু বাঙালি বা ভারতীয় উপমহাদেশের নন, এশিয়ারও প্রথম নোবেল বিজয়ী ব্যক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. মুহাম্মদ ইউনূস — তিনি ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, তবে তিনি প্রথম বাঙালি নন। B) অমর্ত্য সেন — তিনি ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, তবে তিনি প্রথম বাঙালি নন। C) আর. কে. নারায়ণ — তিনি ভারতের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও কখনো নোবেল পুরস্কার লাভ করেননি। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ১৯১৩ সালে প্রথম বাঙালি হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। মনে রাখার টিপস: সাহিত্যে প্রথম নোবেল জয়ী বাঙালি হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তাঁর পুরস্কার অর্জনের সালটি হলো উনিশ শ তের।
a ৯টি
b ১০টি
c ১১টি
d ১২টি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কৌশলগত কারণে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - সেক্টরগুলো ছাড়াও সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরেও ভাগ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ১০ এপ্রিল গঠিত সরকার দেশকে ৯টি সেক্টরে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিলেও পরে তা বাড়িয়ে ১১টি করা হয়। B) ১০টি — এটি সঠিক নয় কারণ ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ-সেক্টর এবং এটি বাদে বাকি ১০টি স্থল সেক্টর মিলে মোট সেক্টর সংখ্যা হয়েছিল ১১টি। C) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সমগ্র বাংলাদেশকে সফলভাবে পরিচালনার জন্য ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। D) ১২টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের সময় সেক্টর বা সাব-সেক্টরের সংখ্যা কখনোই ১২টি ছিল না। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের নিয়মিত খেলোয়াড় সংখ্যা অর্থাৎ ১১ জনের কথা মাথায় রাখতে পারেন।
a সিলেট
b রাজশাহী
c রংপুর
d বরিশাল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাজশাহী কেন সঠিক: - গম্ভীরা গান মূলত চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত ও নাট্যরূপ। - সমাজের নানা অসংগতি, সামাজিক সমস্যা এবং সমসাময়িক বিষয় হাস্যরস ও নাটকীয়তার মাধ্যমে এই গানে ফুটিয়ে তোলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — সিলেট অঞ্চলের প্রধান লোকসংগীত হলো ধামাইল ও হাসন রাজার মরমী গান। B) রাজশাহী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) রংপুর — রংপুর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত হলো ভাওয়াইয়া ও পালাগান। D) বরিশাল — বরিশাল অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত হলো ভাওয়াইয়া ও কীর্তন। মনে রাখার টিপস: চাঁপাইনবাবগঞ্জ বা রাজশাহী অঞ্চলের নবাব ও বুড়ো চরিত্রের সংলাপভিত্তিক লোকসংগীত হলো গম্ভীরা।
a পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
b সুন্দরবন বনাঞ্চল
c মধুপুর বনাঞ্চল
d সিলেট বনাঞ্চল
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) সুন্দরবন বনাঞ্চল প্রদত্ত উত্তর সংশোধন: প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর (A) পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল ভুল। সঠিক উত্তরটি হবে সুন্দরবন বনাঞ্চল। কারণ ক্ষেত্রফলের দিক থেকে সুন্দরবন বাংলাদেশের বৃহত্তম বনভূমি। কেন সঠিক: - সুন্দরবন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বা উপকূলীয় বনভূমি, যার মোট ক্ষেত্রফল প্রায় ছয় হাজার বর্গকিলোমিটার। - এটি দেশের বৃহত্তম এবং এককভাবে সবচেয়ে বড় বনাঞ্চল হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল — এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বনাঞ্চল বা পাহাড়ি বনভূমি, কিন্তু সুন্দরবনের চেয়ে আয়তনে ছোট। B) সুন্দরবন বনাঞ্চল — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল এবং এটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। C) মধুপুর বনাঞ্চল — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও তুলনামূলক ছোট শালবন বা সোপান বনাঞ্চল। D) সিলেট বনাঞ্চল — এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি ও ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনাঞ্চল, যা আয়তনে বেশ ছোট। মনে রাখার টিপস: বৃহত্তম বন বললেই সুন্দরবন মনে রাখবে, যা রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল।
a কুষ্টিয়া
b মেহেরপুর
c বেনাপোল
d কালুরঘাট
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কালুরঘাট কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার করা হয়। - পরবর্তীতে ২৭ মার্চ এই কেন্দ্র থেকেই মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুষ্টিয়া — এটি ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থান, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের প্রথম প্রচারস্থল নয়। B) মেহেরপুর — বৈদ্যনাথতলা বা বর্তমান মুজিবনগর এখানেই অবস্থিত, যা প্রথম সরকারের সঙ্গে সম্পর্কিত। C) বেনাপোল — এটি একটি স্থলবন্দর ও সীমান্ত এলাকা, যা মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থী চলাচলের সঙ্গে যুক্ত। D) কালুরঘাট — এই অপশনটি সঠিক এবং এখান থেকেই স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের সম্প্রচার শুরু হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণা শুনতে সবাই ছুটে গেল কালুর ঘাটে, তাই বেতারকেন্দ্রটি কালুরঘাট থেকেই প্রথম প্রচার শুরু করে।
a রংপুর
b দিনাজপুর
c বগুড়া
d রাজশাহী
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রংপুর কেন সঠিক: - বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ই ডিসেম্বর তৎকালীন রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রংপুর — এটি বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) দিনাজপুর — এটি রংপুর বিভাগের একটি জেলা হলেও বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান নয়। C) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা হলেও এর সঙ্গে বেগম রোকেয়ার জন্মস্থানের কোনো সংযোগ নেই। D) রাজশাহী — এটি একটি বিভাগীয় শহর এবং প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের অংশ হলেও এটি বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান নয়। মনে রাখার টিপস: নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান মনে রাখতে মনে রাখুন তিনি রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামের সন্তান।
a কুড়িগ্রাম
b পঞ্চগড় কুড়ী ওয়ে
c লালমনিরহাট সাদাঙ্গায়
d নীলফামারী
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লালমনিরহাট সাদাঙ্গায় কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক দহগ্রাম ছিটমহলটি বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্ভুক্ত একটি ভূখণ্ড। - ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের ফলে এটি মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুড়িগ্রাম — কুড়িগ্রাম জেলায় ভারতের অন্যান্য কিছু ছিটমহল ছিল, তবে দহগ্রাম এখানে অবস্থিত নয়। B) পঞ্চগড় কুড়ী ওয়ে — পঞ্চগড় জেলায় অন্য ছিটমহল অবস্থিত হলেও দহগ্রাম এখানে অবস্থিত নয় এবং অপশনের অংশটি অপ্রাসঙ্গিক। C) লালমনিরহাট সাদাঙ্গায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। D) নীলফামারী — নীলফামারী জেলায় কোনো ছিটমহল বিনিময়ের ঘটনা ঘটেনি এবং এর সঙ্গে দহগ্রামের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: লাল রঙের আম খেতে ভালো লাগে, আর লাল দিয়ে মনে রাখুন লালমনিরহাটের দহগ্রাম ছিটমহল।
a ২০১২ সালে
b ২০১১ সালে
c ২০১৪ সালে
d ২০১৩ সালে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ২০১৪ সালে কেন সঠিক: - জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি মাইনুল হোসেন ১৯৪০ সালের ১১ই মে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি ২০১৪ সালের ১০ই নভেম্বর ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১২ সালে — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি এই বছরে মৃত্যুবরণ করেননি। B) ২০১১ সালে — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি এই বছর মৃত্যুবরণ করেননি। C) ২০১৪ সালে — এটি সঠিক কারণ তিনি এই সালের ১০ই নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। D) ২০১৩ সালে — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি এই বছরে মৃত্যুবরণ করেননি। মনে রাখার টিপস: স্থপতি মাইনুল হোসেন স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জন্য বিখ্যাত এবং তিনি ২০১৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
a ঢাকায়
b লাহোরে
c করাচিতে
d কলকাতায়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাহোরে কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি কনভেনশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি প্রথম পেশ করেন। - বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত এই ছয় দফা দাবি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উত্থাপন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকায় — এটি সঠিক নয়, কারণ ছয় দফা দাবি ঢাকায় প্রথম উত্থাপন করা হয়নি; তবে লাহোরে উত্থাপনের পর ঢাকায় এসে বঙ্গবন্ধু এটি প্রচার করেন। B) লাহোরে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ১৯৬৬ সালের লাহোর কনভেনশনেই প্রথম এই ঐতিহাসিক দাবি পেশ করা হয়েছিল। C) করাচিতে — এটি সঠিক নয়, কারণ পাকিস্তানের তৎকালীন রাজধানী করাচিতে এই কনভেনশন বা ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করা হয়নি। D) কলকাতায় — এটি সঠিক নয়, কারণ কলকাতা ভারতের একটি শহর এবং ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবির সঙ্গে এর কোনো স্থানগত সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: লাহোরে প্রথম ছয় দফা উত্থাপন করা হয়েছিল, তাই লা দিয়ে লাহোর এবং লা দিয়ে প্রথম মনে রাখতে পারেন।
a ১৬ বছর
b ১৮ বছর
c ২০ বছর
d ২১ বছর
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ বছর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান ও ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী একজন নাগরিকের ভোটাধিকার প্রাপ্তির সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর নির্ধারিত। - এই বয়সে একজন নাগরিক সাবালক হিসেবে গণ্য হন এবং জাতীয় বা স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আইনগত অধিকার লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ বছর — এই বয়সে বাংলাদেশের আইনে সাবালকত্ব অর্জিত হয় না এবং জাতীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার পাওয়া যায় না। B) ১৮ বছর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং আইনসম্মতভাবে ভোータধিকার অর্জনের ন্যূনতম বয়স। C) ২০ বছর — এটি ভোটাধিকার অর্জনের বয়সের চেয়ে বেশি এবং এর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। D) ২১ বছর — এটি কিছু পদের প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স হতে পারে, তবে সাধারণ ভোটাধিকারের জন্য এই বয়সের প্রয়োজন হয় না। মনে রাখার টিপস: আইনগতভাবে সাবালক হওয়ার বয়স এবং ভোট দেওয়ার বয়স হলো ১৮ বছর।

মোট প্রশ্ন (25)

a পান
b ঠোঁট
c কপাল
d গাল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পান ১. কেন সঠিক: - তাম্বুল শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো পান বা পানের খিলি। এটি মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ। - প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের সংস্কৃতিতে অতিথি আপ্যায়নে এবং পানের বরজে তাম্বুল বা পানের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। - তাম্বুল একটি তৎসম বিশেষ্য পদ, যা পানের সমার্থক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে ও প্রাচীন কাব্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাম্বুলরাগ ব্যাখ্যা: তাম্বুল বা পান খাওয়ার ফলে ঠোঁটে যে লাল রঙ ধরে, তাকে তাম্বুলরাগ বলা হয়। প্রাচীন বাংলা কবিতায় এর উল্লেখ পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: তাম্বুল করঙ্ক ব্যাখ্যা: তাম্বুল বা পান রাখার বিশেষ পাত্রকে তাম্বুল করঙ্ক বলা হয়, যা রাজপরিবারে বা অভিজাত সমাজে ব্যবহৃত হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাম্বুল শব্দের সরাসরি অর্থ পান। B) ঠোঁট — এটি ভুল কারণ ঠোঁট শরীরের একটি অঙ্গ, যার সঙ্গে তাম্বুল শব্দের সরাসরি কোনো আক্ষরিক মিল নেই। C) কপাল — এটি ভুল কারণ কপাল অর্থ ললাট, যা তাম্বুল শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। D) গাল — এটি ভুল কারণ গাল মুখের একটি অংশ, যা পানের সমার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তাম্বুল শব্দের শেষ অংশে উল আছে, যা মনে করিয়ে দেয় এটি একটি ঐতিহ্যবাহী পানীয় বা খাওয়ার উপাদান পানকে বোঝায়। - মনে রাখতে পারো তাম্বুল মানেই পান পাতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের অর্থ থেকে প্রশ্ন আসে। - তাম্বুল শব্দের মতো প্রাকৃত বা সংস্কৃত উৎসের অন্যান্য শব্দের অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ছয়
b সাত
c নয়
d দশ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাত ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা মোট সাতটি। যে স্বরধ্বনিগুলোকে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না এবং যা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে পূর্ণাঙ্গভাবে উচ্চারিত হতে পারে, সেগুলোকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। এগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। উচ্চারণকালে জিভের অবস্থান ও মুখের আকৃতির ওপর ভিত্তি করে এই স্বরধ্বনিগুলো নির্ধারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ধ্বনি। ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা শব্দের শুরুতে একা উচ্চারিত হতে পারে এবং এর কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার নেই। উদাহরণ ২: অ্যা ধ্বনি। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি স্বতন্ত্র মৌলিক স্বরধ্বনি যা মূলত বিদেশি শব্দ বা বিশেষ উচ্চারণে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছয় — বাংলা মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ছয়টি নয়, কারণ ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এটি সাতটি। B) সাত — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাংলা ব্যাকরণের নির্ধারিত সংখ্যা অনুযায়ী নির্ণীত। C) নয় — বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণ এগারোটি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি নয়টি নয়। D) দশ — দশ সংখ্যাটি বাংলা মৌলিক স্বরধ্বনির সঠিক গণনার সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সাতটি ধ্বনি ক্রমানুসারে মুখস্থ রাখা। স্বরবর্ণের মূল তালিকা থেকে এই সংখ্যাটি ব্যাকরণে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক স্বরধ্বনি এবং মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ এগারোটি কিন্তু মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি।
a বেগম সুফিয়া কামাল
b বেগম রোকেয়া
c রাবেয়া খাতুন
d রিজিয়া খান
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাবেয়া খাতুন কেন সঠিক: রাবেয়া খাতুন বাংলা কথাসাহিত্যের একজন বরেণ্য ও জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ও গল্পকার। তাঁর অত্যন্ত বিখ্যাত একটি স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ বা আত্মজীবনীমূলক রচনা হলো বায়ান্ন গলির এক গলি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মে লেখকের জীবনের বিভিন্ন স্মৃতি ও অতীতের দিনগুলোর সুন্দর বর্ণনা রয়েছে। বাংলা কথাসাহিত্যে রাবেয়া খাতুন তাঁর মননশীল রচনা ও উপন্যাসের জন্য বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছেন। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে মধুমতী, মন এক ঋতু এবং সুলতানা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম সুফিয়া কামাল — ইনি মূলত একজন বিশিষ্ট কবি ও নারী অধিকারকর্মী হিসেবে বাংলা সাহিত্যে সর্বাধিক পরিচিত। B) বেগম রোকেয়া — ইনি বাংলা নারীজাগরণের অগ্রদূত এবং সুলতানার স্বপ্ন ও মতিচূর এর মতো রচনার জন্য বিখ্যাত। C) রাবেয়া খাতুন — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) রিজিয়া খান — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: রাবেয়া খাতুনের লেখা স্মৃতিকথা মানেই বায়ান্ন গলির এক গলি মনে রাখতে হবে। লেখকের নামের প্রথম অক্ষর এবং বইয়ের নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে সহজে মুখস্থ করা যায়।
a 1976
b 1977
c 1978
d 1979
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1976 ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মর্যাদাপূর্ণ একুশে পদক প্রদান করা হয়। - এটি ছিল বাংলাদেশের দ্বিতীয় রাষ্টীয় সম্মাননা এবং সাহিত্য ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই পদক দেওয়া হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। - তিনি বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা করেন এবং তার লেখনী বাঙালি জাতিকে মুক্তিয্রেুদ্ধে অনুপ্রাণিত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্দীন ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনকেও সাহিত্য ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৭৬ সালে একুশে পদক প্রদান করা হয়। উদাহরণ ২: সুফিয়া কামাল ব্যাখ্যা: বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও নারীবাদী লেখক সুফিয়া কামাল ১৯৭৬ সালে সাহিত্যে অবদানের জন্য একুশে পদক লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1976 — এই সালে কাজী নজরুল ইসলামকে একুশে পদক প্রদান করা হয় যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। B) 1977 — এই সালটি কাজী নজরুল ইসলামের একুশে পদক প্রাপ্তির সাথে সম্পর্কিত নয়। C) 1978 — এই সালটি কাজী নজরুল ইসলামের একুশে পদক প্রাপ্তির সাথে সম্পর্কিত নয়। D) 1979 — এই সালটি কাজী নজরুল ইসলামের একুশে পদক প্রাপ্তির সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ১৯৭৬ সালটি মনে রাখুন এভাবে যে, এই সালেই বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম প্রথম একুশে পদক প্রাপ্তদের তালিকায় স্থান পান। - কবি মৃত্যুর বছর অর্থাৎ ১৯৭৬ সালেই তাকে এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানানো হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - একুশে পদক বাংলাদেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা যা ভাষা আন্দোলন ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতীয় কবির প্রাপ্ত বিভিন্ন পুরস্কার ও সন সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a কবর
b ঝরাপাতা
c হেমন্ত সন্ধ্যায়
d তাহারেই পড়ে মনে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তাহারেই পড়ে মনে ১. কেন সঠিক: - 'তাহারে পড়ে মনে' কবিতাটি বিখ্যাত কবি সুফিয়া কামালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় একটি সাহিত্যকর্ম। - কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো শীতের শুষ্কতা ও প্রকৃতির রূপান্তরের আড়ালে কবিহৃদয়ে প্রিয়জন হারানোর বেদনা এবং স্মৃতিকাতরতা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জননী সাহসিকা খ্যাত কবি সুফিয়া কামাল আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি, নারী জাগরণের অগ্রদূত ও প্রগতিশীল আন্দোলনের পরিচিত মুখ। - ১৯৩৫ সালের মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকায় 'তাহারে পড়ে মনে' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি তাঁর 'সাঁঝের মায়া' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি কবি সুফিয়া কামালের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যার মাধ্যমে তিনি সাহিত্য অঙ্গনে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। উদাহরণ ২: মায়া কাজল কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটিও কবি সুফিয়া কামালের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের পরিপূরক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবর — এটি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা এবং এটি তাঁর 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। B) ঝরাপাতা — এটি কাজী নজরুলের লেখা কোনো কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি মূলত প্রমথ চৌধুরীর একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। C) হেমন্ত সন্ধ্যায় — এটি সুফিয়া কামালের কোনো প্রধান বা পরিচিত কবিতা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। D) তাহারেই পড়ে মনে — এটি সুফিয়া কামালের অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা যা প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুফিয়া কামালের মন জুড়ে ছিল শীতের সকালে 'তাহারে পড়ে মনে' কবিতা এবং তাঁর প্রথম কাব্য 'সাঁঝের মায়া'। - কবি পরিচিতি ও কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে কবির প্রথম কাব্য এবং বিখ্যাত কবিতার নাম একসঙ্গে মুখস্থ রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'তাহারে পড়ে মনে' কবিতার রচয়ীতা কিংবা কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত তা জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে লেখকের প্রথম গ্রন্থ এবং বহুল পঠিত কবিতার নামগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a রন্টদ করিম
b রাহাত খান
c রাজিয়া খান
d রফিক আজাদ
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজিয়া খান ১. কেন সঠিক: 'বটতলার উপন্যাস' গ্রন্থটির রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক রাজিয়া খান। প্রশ্নটিতে সরাসরি একটি সাহিত্যকর্মের রচয়িতা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রাজিয়া খান বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কথাশিল্পী ও প্রাবন্ধিক যিনি মূলত উপন্যাসের জন্য বেশি পরিচিত। তার এই উপন্যাসটি বাংলা কথাসাহিত্যে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন এবং এটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজিয়া খানের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'চিত্রা নদীর পারে'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি তার সাহিত্যকর্মের পরিধি ও লেখকের নাম মনে রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: রাজিয়া খানের রচিত অন্য একটি উপন্যাস 'বংশলতিকা'। ব্যাখ্যা: এটি তার লেখনশৈলী ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাসের পরিচিতি তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রন্টদ করিম — এই অপশনের নামটির সঙ্গে আলোচ্য উপন্যাসের কোনো সম্পর্ক নেই। B) রাহাত খান — তিনি একজন বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। D) রফিক আজাদ — তিনি মূলত একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি, উপন্যাসিক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রাজিয়া খানের নামের সঙ্গে 'বটতলার উপন্যাস' যুক্ত করে একটি ছন্দ বা ছোট বাক্য তৈরি করে মনে রাখতে পারো। লেখকদের নাম মনে রাখার জন্য তাদের প্রধান উপন্যাসগুলোর একটি তালিকা তৈরি করা ভালো কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নারী লেখকদের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে অন্যান্য সাহিত্যিকের উপন্যাস সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া সহজ হবে।
a আকবর হোসেন
b আনোয়ার পাশা
c আনিসুজ্জামান
d আতাউর রহমান খান
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আনোয়ার পাশা ১. কেন সঠিক: - 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের রচিয়তা শহীদ বুদ্ধিজীবী ও কথাসাহিত্যিক আনোয়ার পাশা। - এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদ অধ্যাপক আনোয়ার পাশা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষক ছিলেন। - উপন্যাসটির নামকরণ করা হয়েছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অস্ত্র ও সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে, যেখানে রাইফেল হলো অস্ত্র, রোটি হলো খাদ্যের প্রতীক এবং আওরাত হলো নারীর প্রতি পশুরূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেলিনা হোসেনের 'হাঙ্গরের নদী গ্রেনেড' ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকবর হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক হলেও এই উপন্যাসের রচিয়তা নন। B) আনোয়ার পাশা — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) আনিসুজ্জামান — তিনি একজন প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, গবেষক ও প্রাবন্ধিক হলেও এই উপন্যাস লেখেননি। D) আতাউর রহমান খান — তিনি একজন রাজনীতিবিদ ও লেখক হলেও এই সাহিত্যকর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অত্যাচারের বিরুদ্ধে কলম ধরেছিলেন শিক্ষক আনোয়ার পাশা। - রাইফেল, রুটি ও নারীভিত্তিক এই বিখ্যাত উপন্যাসটি মনে রাখতে আনোয়ার পাশার নামটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - উপন্যাসটি লেখার সময় লেখক নিজেও পাকিস্তান বাহিনীর হাতে শহীদ হন, যা পরীক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a সতী
b বিন্দুর ছেলে
c মহেশ
d রামের সুমতি
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহেশ ১. কেন সঠিক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'মহেশ' একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। এই গল্পে গ্রামীণ সমাজব্যবস্থার নিষ্ঠুরতা এবং একটি অসহায় কৃষকের সঙ্গে তার পোষা বলদের মমতার সম্পর্ক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। তাঁর ছোটগল্পগুলোর মধ্যে 'মহেশ', 'বিলাসী' এবং 'অভাগীর স্বর্গ' অত্যন্ত সমাদৃত ও বহুল পঠিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিলাসী ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় ছোটগল্প। উদাহরণ ২: অভাগীর স্বর্গ ব্যাখ্যা: এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবনভিত্তিক একটি ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সতী — এটি শরৎচন্দ্রের কোনো ছোটগল্প বা উপন্যাস নয়। B) বিন্দুর ছেলে — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস বা বড় আকারের গল্পগ্রন্থ। C) মহেশ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) রামের সুমতি — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প ও উপন্যাসধর্মী রচনা, যা সাধারণত উপন্যাস হিসেবে গণ্য হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্রের ছোটগল্পগুলো মনে রাখতে 'মহেশ ও বিলাসী অভাগীর স্বর্গে গেল' এই লাইনটি মনে রাখতে পারো। এর মাধ্যমে তাঁর প্রধান ছোটগল্পগুলো সহজেই মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মূলত ঔপন্যাসিক হলেও তাঁর ছোটগল্পগুলো সমাজবাস্তবতার জন্য বিখ্যাত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর ছোটগল্প ও উপন্যাসের পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
a তৎপুরুষ
b কর্মধারয়
c কর্তৃকারক
d দ্বিগু
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - মহির্ষ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো মহান যে ঋষি, যা কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে। - এখানে ঋষি বিশেষ্য পদ এবং মহান বিশেষণ পদ মিলে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে কর্মধারয় সমাস হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত যে, যিনি, যা ইত্যাদি পদের মাধ্যমে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঁচকলা (কাঁচা যে কলা) ব্যাখ্যা: এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য। উদাহরণ ২: নীলপদ্ম (নীল যে পদ্ম) ব্যাখ্যা: এখানেও বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যের মিলনে কর্মধারয় সমাস সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিশেষণ ও বিশেষ্যের মিলন ঘটেছে। C) কর্তৃকারক — কর্তৃকারক হলো বাক্যের ক্রিয়া সম্পাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়, যা সমাসের কোনো প্রকার নয়। D) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয় এবং সমাহার বোঝায়, কিন্তু মহির্ষ শব্দে কোনো সংখ্যা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - মহির্ষ শব্দটির ব্যাসবাক্য মহান যে ঋষি মনে রাখলে এটি যে কর্মধারয় সমাস, তা সহজে বোঝা যায়। - মহান বা মহৎ শব্দ দিয়ে গঠিত বিশেষ্য পদ থাকলে সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশেষণ এবং বিশেষ্যের মিলনে গঠিত সমাসগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে। - পরীক্ষাগারে ব্যাসবাক্য নির্ণয় করে সমাস চিহ্নিত করা সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।
a ওলন্দাজ
b তুর্কি
c হিন্দি
d গুজরাটি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গুজরাটি ১. কেন সঠিক: - হরতাল একটি বিদেশি শব্দ যা বাংলা ভাষায় বিভিন্ন উৎস থেকে প্রবেশ করেছে। - গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করা কয়েকটি নির্দিষ্ট শব্দের মধ্যে হরতাল অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎস ও শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তদ্ভব, তৎসম, অর্ধতৎসম, দেশি ও বিদেশি শব্দে ভাগ করা হয়। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফার্সি, ইংরেজি ও পর্তুগিজ ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষার শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খদ্দর ব্যাখ্যা: খদ্দর শব্দটি একটি গুজরাটি শব্দ যা বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ঘাগরা ব্যাখ্যা: ঘাগরা শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলায় রুই, হরতন, تاس ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু হরতাল আসেনি। B) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে দারোগা, কোটতোয়াল, চাকর ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু হরতাল আসেনি। C) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে পানি, চাহিদা, থল ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু হরতাল আসেনি। D) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষা থেকে আগত হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - গুজরাটি শব্দের ক্ষেত্রে হরতাল, খদ্দর এবং ঘাগরা এই তিনটি শব্দ মনে রাখতে পারো। - গুজরাটি ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে বা তাদের সংস্কৃতি থেকে এই শব্দগুলো বাংলায় এসেছে বলে ধরে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - আঞ্চলিক ভারতীয় ভাষা যেমন গুজরাটি, পাঞ্জাবি ও মারাঠি ভাষা থেকে আসা শব্দের তালিকা আলাদা করে পড়লে উত্তর করা সহজ হয়।
a উপন্যাস
b নাটক
c কাব্য
d প্রবন্ধ
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রবন্ধ ১. কেন সঠিক: 'রুদ্রমঙ্গল' হলো একটি প্রবন্ধ সংকলন যার রচয়িতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। এই গ্রন্থে লেখকের সমাজচিন্তা, রাজনৈতিক দর্শন এবং মুক্তবুদ্ধির প্রকাশ ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: গ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রাবন্ধিক রূপকে প্রকাশ করে যেখানে সমকালীন সমাজ ও রাজনীতির চিত্র ফুটে উঠেছে। এটি মূলত তাঁর বিভিন্ন সময়ে রচিত চিন্তাশীল প্রবন্ধের একটি সংকলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'যুগবাণী' ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা সমসাময়িক রাজনীতি ও সমাজ সংস্কারমূলক রচনার সংকলন। উদাহরণ ২: 'দুর্দিনের যাত্রী' ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা তাঁর চিন্তাধারা ও মতাদর্শের পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — 'রুদ্রমঙ্গল' কোনো কাল্পনিক কাহিনীর গদ্যরূপ বা উপন্যাস নয়, এটি মূলত প্রবন্ধের সংকলন। B) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার উপযোগী কোনো সংলাপনির্ভর নাটক নয়। C) কাব্য — এটি কোনো পদ্য বা কবিতার বই নয়, বরং গদ্যে রচিত প্রবন্ধের সমষ্টি। D) প্রবন্ধ — এটি সঠিক কারণ গ্রন্থটি প্রবন্ধধর্মী রচনার সংকলন। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের মঙ্গলের বার্তা লুকিয়ে আছে তাঁর প্রবন্ধে, তাই 'রুদ্রমঙ্গল' একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ। তাঁর প্রবন্ধ গ্রন্থগুলো মনে রাখতে যুগবাণী, দুর্দিন ও রুদ্রমঙ্গলকে একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির প্রবন্ধ ও রাজনৈতিক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নজরুলের অন্যান্য বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যেমন 'ধূমকেতু' ও 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
a সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
b নুরুল মোমেন
c শওকত ওসমান
d হাসান আজিজুল হক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নুরুল মোমেন ১. কেন সঠিক: - 'নেমেসিস' নাটকটির রচিয়তা হলেন নাট্যকার নুরুল মোমেন। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতা নির্ভর নাটক। - এই নাটকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ঢাকার একটি অফিস এবং মধ্যবিত্ত মানুষের নৈতিক অবক্ষয় ও দুর্নীতির চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নুরুল মোমেন বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ এবং আধুনিক বাংলা নাটকের অগ্রদূত। তিনি একাধারে নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও আইনবিদ ছিলেন। - 'নেমেসিস' নাটকটি ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা নাটকে ট্র্যাজেডি ধারার একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নুরুল মোমেন রচিত 'নূরী' নাটক। ব্যাখ্যা: এটি নুরুল মোমেনের অপর একটি বিখ্যাত নাটক যা লেখকের নাট্যরচনার মুন্সিয়ানা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: নুরুল মোমেন রচিত 'ভাই ভাই সল্কেই' নাটক। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক ধারার নাটক যা পাঠক ও দর্শকদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হলেও 'নেমেসিস' নাটকটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত নাটক হলো 'বহিপীর'। B) নুরুল মোমেন — এই অপশনটি সঠিক এবং এই নাটকের রচয়িতা হিসেবে তিনি পরীক্ষামূলক ও আধুনিক নাট্যধারার সূচনা করেছিলেন। C) শওকত ওসমান — তিনি মূলত উপন্যাস ও ছোটগল্প রচনার জন্য বিখ্যাত, যেমন 'কৃতদাসের হাসি', তাই এই নাটক তাঁর রচিত নয়। D) হাসান আজিজুল হক — তিনি আধুনিক বাংলা ছোটগল্পের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং কথাসাহিত্যিক, তাঁর কোনো নাটক বা এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নেমেসিস নাটকের নাম মনে রাখতে মোমেন সাহেবের নাম মনে রাখুন। - মোমেন সাহেবের বিখ্যাত সৃষ্টি হলো নেমেসিস নাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাট্যকার নুরুল মোমেন থেকে প্রায়ই 'নেমেসিস' নাটকটি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - বাংলা নাটকের প্রেক্ষাপটে প্রথম আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক নাটক হিসেবে এটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
a নতুন
b বর্তমান
c অর্বাচীন
d কোনোটিই নয়
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্বাচীন ১. কেন সঠিক: - প্রাচীন শব্দের বিপরীতার্থক বাুল্টো অর্থ প্রকাশ করে অর্বাচীন শব্দটি। - প্রাচীন অর্থ পুরানো বা অতীতকালীন, আর অর্বাচীন অর্থ আধুনিক, নতুন কিংবা নব্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ মূলত দুটি শব্দের পরস্পর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করার প্রক্রিয়া। - বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম এবং তদ্ভব শব্দের মতো বিপরীত শব্দ গঠনেও উৎসের মিল বা শব্দের অর্থের গভীরতা রক্ষা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রাচীন প্রথা বর্জন করা উচিত। ব্যাখ্যা: এখানে প্রাচীন শব্দটি অতীতকালের পুরোনো রীতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: অর্বাচীন যুবকদের মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বেশি। ব্যাখ্যা: এখানে অর্বাচীন বা আধুনিক প্রজন্মের তরুণদের বোঝাতে শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নতুন — নতুন শব্দটি প্রাচীন শব্দের বিপরীত হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ হিসেবে অর্বাচীন অধিক গ্রহণযোগ্য। B) বর্তমান — বর্তমান শব্দটি প্রাচীন শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়। C) অর্বাচীন — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রাচীন শব্দের উপযুক্ত বিপরীতার্থক শব্দ। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন মানে পুরানো আর অর্বাচীন মানে নবীন বা আধুনিক। - তৎসম শব্দের বিপরীতে সাধারণত তৎসম শব্দই নির্বাচন করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে অর্বাচীন শব্দটি আসে। - শব্দের উৎস বিবেচনা করে সঠিক বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হবে।
a কাহ্নপা
b লুইপা
c কুকুরীপা
d শবরপা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লুইপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের প্রাপ্ত পদগুলোর মধ্যে প্রথম পদটি লুইপার রচিত এবং ড. সুকুমার সেনসহ অধিকাংশ পন্ডিত তাকে চর্যাপদের আদি কবি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্য নিদর্শন, যার ভাষা ও সাহিত্যিক গুরুত্ব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত বেশি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - লুইপাকে চর্যাপদের আদি কবি হিসেবে গণ্য করা হয় যিনি পাল আমলের একজন বিখ্যাত সিদ্ধাচার্য ছিলেন। - ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে তা প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাহ্নপা রচিত পদ সংখ্যা তেত্রিশটি। ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সর্বাধিক পদের রচয়িতা এবং তার পদের সংখ্যা ছিল তেত্রিশটি। উদাহরণ ২: ভুসুকুপা রচিত পদ সংখ্যা আটটি। ব্যাখ্যা: ভুসুকুপা চর্যাপদের অন্যতম একজন প্রধান কবি এবং তিনি আটটি পদ রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাহ্নপা — কাহ্নপা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান কবি এবং সর্বাধিক পদের রচয়িতা হলেও তিনি আদি কবি নন। B) লুইপা — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। C) কুকুরীপা — কুকুরীপা চর্যাপদের একজন বিশিষ্ট কবি হলেও তিনি আদি কবি হিসেবে স্বীকৃত নন। D) শবরপা — শবরপা চর্যাপদের একজন বিখ্যাত পদকর্তা কিন্তু তিনি এই সংকলনের প্রথম কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - আদি মানে প্রথম এবং লুইপা নামের শুরুতে ল আছে যা থেকে প্রথম বা লুইপা মনে রাখা সহজ হয়। - চর্যাপদের আদি কবি এবং সর্বাধিক পদ রচয়িতাকারীর নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের আবিষ্কারক ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এর পদের মোট সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নে কবিদের নাম এবং তাদের রচিত পদের সংখ্যা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a গ্রিস
b রোম
c পারস্য
d রাজস্থান
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পারস্য ১. কেন সঠিক: শাহনামা হলো প্রাচীন পারস্যের একটি বিখ্যাত এবং ঐতিহাসিক মহাকাব্য। দশম শতাব্দীতে বিশ্বখ্যাত কবি ফেরদৌসি ফার্সি ভাষায় এই বিশাল মহাকাব্যটি রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি ফেরদৌসি প্রায় ত্রিশ বছর ধরে এই মহাকাব্য রচনা করেন এবং এতে প্রাচীন পারস্যের বীরত্বগাথা ও ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। এটি ফার্সি সাহিত্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রভাবশালী একটি প্রাচীন কাব্যগ্রন্থ হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইলিয়াড ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন গ্রিসের একটি বিখ্যাত মহাকাব্য যা হোমার রচনা করেন। উদাহরণ ২: রামায়ণ ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ভারতের একটি জনপ্রিয় মহাকাব্য যা মহর্ষি বাল্মীকি রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রিস — গ্রিসের বিখ্যাত মহাকাব্য হলো হোমারের রচিত ইলিয়াড ও ওডিসি, শাহনামা নয়। B) রোম — রোমান সাহিত্যের বিখ্যাত মহাকাব্য হলো ভার্জিলের রচিত ইনিড, শাহনামা নয়। D) রাজস্থান — রাজস্থানের কোনো প্রাচীন মহাকাব্য শাহনামা নামে পরিচিত নয়, এটি পারস্যের গ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: শাহনামা নামটি শুনলে পারস্য বা ইরানের কথা মনে রাখবে কারণ ফার্সি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য হলো এটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত মহাকাব্য এবং এর রচয়িতা বা দেশের নাম জানতে চাওয়া হয়। ফেরদৌসিকে পারস্যের জাতীয় কবি বলা হয় এবং তার শাহনামা ফার্সি ভাষা ও সাহিত্যের প্রাণ হিসেবে গণ্য হয়।
a মাটির কান্নায়
b মাটির মায়া
c হাসু
d এক পয়সার বাঁশি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাটির মায়া ১. কেন সঠিক: - মাটির মায়া জসীমউদ্দীনের লেখা কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। এটি আসলে কবি যতীন সেনগুপ্তের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - জসীমউদ্দীন পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত হলেও বাংলা সাহিত্যে তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মূলত পল্লিপ্রকৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পল্লীকবি জসীমউদ্দীন আধুনিক বাংলা কবিতার ভুবনে পল্লিপ্রকৃতি ও মানুষের জীবন ফুটিয়ে তোলার জন্য অনন্য পরিচিতি লাভ করেছেন। - তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে রাখালী, বালুচর, নকশীাঁ কাথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, হাসু এবং এক পয়সার বাঁশি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশীাঁ কাথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিশ্ববিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা পল্লিপ্রেমের নিখুঁত চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের আরেকটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় দীর্ঘ কাব্যগ্রন্থ যা সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাটির কান্নায় — এটি জসীমউদ্দীনের একটি অন্যতম পরিচিত কাব্যগ্রন্থ এবং এই প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক হওয়ায় বাদ যাচ্ছে। B) মাটির মায়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থটি জসীমউদ্দীনের নয়, বরং কবি যতীন সেনগুপ্তের রচনা। C) হাসু — এটি জসীমউদ্দীনের একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ তাই এটি জসীমউদ্দীনের রচনা। D) এক পয়সার বাঁশি — এটিও জসীমউদ্দীনের রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ তাই এটি উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - জসীমউদ্দীনের কাব্য মনে রাখতে তার নামের প্রথম অংশ এবং প্রকৃতিভিত্তিক নামগুলো মাথায় রাখতে হবে। - মাটির মায়া নামটি জসীমউদ্দীনের লেখার মতো মনে হলেও এটি যতীন সেনগুপ্তের রচনা তা আলাদা করে মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের নামের সঙ্গে মিল রেখে অন্য লেখকের বই অপশনে দেওয়া হয়। - লেখকের আসল রচনা কোনটি তা আলাদা করার জন্য প্রামাণিক সাহিত্য ইতিহাস বই পড়ার অভ্যাস রাখতে হবে।
a সমাপ্তি
b হৈমন্তি
c একরাত্রি
d কাবুলিওয়ালা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাবুলিওয়ালা ১. কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প 'কাবুলিওয়ালা'র মূল চরিত্র রহমত একজন আফগান মুসলমান ফল বিক্রেতা। - এই গল্পে পিতৃত্বের সার্বজনীন ও চিরন্তন রূপ ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি একজন সাধারণ মুসলমান চরিত্রের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে মানবীয় সম্পর্কের গভীরতা দেখানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'কাবুলিওয়ালা' গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি মনস্তাত্ত্বিক ও আবেগঘন ছোটগল্প। - এটি প্রথম বাংলা ১৩০০ সনের অগ্রহায়ণ মাসে 'সাধনা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে তার বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন 'গল্পগুচ্ছ'-এর অন্তর্ভুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ছুটি' গল্প ব্যাখ্যা: এই গল্পেও গ্রামীণ সমাজ ও পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েন নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'হৈমন্তি' গল্প ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে সামাজিক কুসংস্কার ও সহজ-সরল একটি মেয়ের ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত অন্য একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাপ্তি — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই ছোটগল্পের প্রধান চরিত্রগুলো হলো মৃণময়ী ও অপূর্বর মতো হিন্দু সমাজভুক্ত ব্যক্তি। B) হৈমন্তি — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই ছোটগল্পে হৈমন্তি ও কিশোরীলাল চরিত্রগুলো হিন্দু সমাজ ব্যবস্থার পটভূমিতে রচিত। C) একরাত্রি — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই ছোটগল্পের মূল চরিত্রগুলো হিন্দু সমাজের মধ্যবিত্ত পরিবারের এবং এতে কোনো মুসলমান চরিত্র নেই। D) কাবুলিওয়ালা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এর প্রধান চরিত্র রহমত একজন মুসলমান। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্পে মুসলমান চরিত্রের কথা এলেই 'কাবুলিওয়ালা'র রহমত চরিত্রটিকে মনে রাখবে। - কাবুলিওয়ালা গল্পে ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে একজন পিতার হৃদয়ের আকুতিই প্রধান হয়ে উঠেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কাবুলিওয়ালা গল্পের প্রধান চরিত্র রহমতের বাড়ি আফগানিস্তানের কাবুলে এবং সে পেশায় ফল বিক্রেতা ছিল। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছোটগল্পের চরিত্র ও লেখকের নাম প্রায়শই জিজ্ঞাসা করা হয়।
a লিপিমালা
b বত্রিশ সিংহাসনত
c হিতোপদেশ
d তোতা ইতিহাস
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লিপিমালা ১. কেন সঠিক: - লিপিমালা গ্রন্থটির রচয়িতা রামরাম বসু। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পাঠ্যপুস্তক রচনার অংশ হিসেবে ১৮০২ সালে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রামরাম বসু ছিলেন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন প্রখ্যাত বাংলা মুন্সি ও পন্ডিত। - উইলিয়াম কেরির সহযোগিতায় তিনি বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ব্যাখ্যা: এটি রামরাম বসুর লেখা অত্যন্ত বিখ্যাত একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: লিপিমালা ব্যাখ্যা: এটি রামরাম বসুর মৌলিক ও অনুদিত গল্পের সংকলন যা গদ্যরীতির নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিপিমালা — এটি রামরাম বসুর লেখা সঠিক উত্তর হওয়ায় কোনো ভুল নেই। B) বত্রিশ সিংহাসনত — এই গ্রন্থটির সঠিক নাম বত্রিশ সিংহাসন এবং এর রচয়িতা মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার। C) হিতোপদেশ — এই গ্রন্থটির অনুবাদক হলেন মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার। D) তোতা ইতিহাস — এই গ্রন্থটির রচয়িতা চণ্ডীচরণ রায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রামরাম বসুর নাম পেলে তার দুটি প্রধান রচনা রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ও লিপিমালা একসঙ্গে মনে রাখবে। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের মধ্যে রামরাম বসুর অবদান গদ্যচর্চায় বিশেষভাবে স্মর্তব্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকদের বইয়ের নাম প্রায়ই আসে। - মূল লেখকদের নাম এবং তাদের বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
a ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
b অক্ষরকুমার দত্ত
c প্যারীচাঁদ মিত্র
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্ষরকুমার দত্ত ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নে প্রদত্ত তথ্য এবং ইতিহাস অনুযায়ী 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার সঙ্গে অক্ষরকুমার দত্তের নাম সম্পাদক হিসেবে যুক্ত নয়। - তিনি এই পত্রিকার অন্যতম প্রধান লেখক ও পরিচালক ছিলেন, তবে মূল সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত স্বয়ং, যা এখানে একটু ভিন্নভাবে পরীক্ষার্থীকে বিভ্রান্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে উনিশ শতকের সাময়িকপত্র ও সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে 'তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা' একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। - ১৮৪৩ সালের ১৬ই আগস্ট (১ ভাদ্র ১২৫০ বঙ্গাব্দ) তত্ত্ববোধিনী সভা থেকে এই পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গদর্শন পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা যার প্রথম সম্পাদক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। উদাহরণ ২: সবুজপত্র পত্রিকা ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন ও প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি বিখ্যাত 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সঙ্গে সরাসরি সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। B) অক্ষরকুমার দত্ত — তিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার প্রথম এবং দীর্ঘকালের অত্যন্ত সফল সম্পাদক ছিলেন, তাই তিনি সম্পাদক ছিলেন না এই কথাটি এখানে ভুল হিসেবে ধরে প্রশ্নটি করা হয়েছে। C) প্যারীচাঁদ মিত্র — ইনি 'মাসিক পত্রিকা'র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার মূল সম্পাদক পদের দায়িত্বে ছিলেন না। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক পদের সঙ্গে তার সরাসরি কোনো সম্পর্ক ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: - তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার প্রথম সম্পাদক মনে রাখার জন্য অক্ষয় কুমার দত্ত নামটি মনে রাখতে হবে। - ঊনবিংশ শতকের সাময়িকপত্রগুলোর সম্পাদকদের নাম একটি ছকে লিখে বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা ১৮৪৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি মূলত ব্রাহ্মসমাজ ও তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র ছিল। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশের সন সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, তাই এই বিষয়গুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ১৮০০ সালে
b ১৭৯৯ সালে
c ১৮০১ সালে
d ১৮১২ সালে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০০ সালে ১. কেন সঠিক: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের ১০ জুলাই কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে প্রতিষ্ঠিত হয়। - তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি ব্রিটিশ সিভিলিয়ানদের ভারতীয় ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোর জন্য এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের গদ্যচর্চার বিকাশে এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের হাত ধরে আধুনিক বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক একটি ঘটনা। - উইলিয়াম কেরি ছিলেন এই কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান এবং তাঁর নেতৃত্বে একদল পন্ডিত বহু গ্রন্থ রচনা ও অনুবাদ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরির কথা-পদ্ধতি ব্যাখ্যা: উইলিয়াম কেরি বাংলা গদ্যের উন্নয়নে ইতিহাসমালা গ্রন্থটি রচনা করেন যা এই যুগের একটি উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা। উদাহরণ ২: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের বাত্রিস দম্পতি ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচনা করেন রাজা প্রদাদিত্য চরিত্র, যা তৎকালীন গদ্যরীতির পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮০০ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ কলেজটি এই সালেই প্রতিষ্ঠিত হয়। B) ১৭৯৯ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত বা বাস্তবায়ন হয়নি। C) ১৮০১ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং এর কার্যক্রম ও প্রকাশনা আরও গতিশীল হয়। D) ১৮১২ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ১৮০০ সালকে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের জন্মের বছর হিসেবে মনে রাখতে হবে। - উইলিয়াম কেরি ও ১৮০০ সাল একসঙ্গে মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার সাল এবং এর প্রথম অধ্যক্ষ বা প্রধান সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বের ইতিহাস জানার জন্য এই প্রতিষ্ঠানের অবদান মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a লুঙ্গী
b লিচু
c চাবি
d দাম
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দাম ১. কেন সঠিক: - দাম শব্দটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি বিদেশি শব্দ যার উৎস গ্রিক ভাষা। - বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে নানা শব্দ প্রবেশ করেছে এবং দাম তার মধ্যে অন্যতম একটি গ্রিক শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যার মধ্যে বিদেশি শব্দ অন্যতম। - গ্রিক ভাষা থেকে খুব কম শব্দই বাংলা ভাষায় সরাসরি প্রবেশ করেছে এবং দাম তার মধ্যে প্রধান একটি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাম ব্যাখ্যা: এটি একটি গ্রিক শব্দ যা মুদ্রা বা মূল্য অর্থে বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: একাডেমি ব্যাখ্যা: এটিও গ্রিক ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ যা বাংলা ভাষায় পারিভাষিক ও সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুঙ্গী — এটি একটি বার্মিজ বা মিয়ানমারের ভাষা থেকে আগত শব্দ যা গ্রিক শব্দ নয়। B) লিচু — এটি একটি চীনা ভাষা থেকে আগত শব্দ যা বাংলায় বহুল ব্যবহৃত হয়। C) চাবি — এটি একটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ যা গ্রিক ভাষার আওতাভুক্ত নয়। D) দাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি গ্রিক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - গ্রিক শব্দ মনে রাখার জন্য প্রধান শব্দ দাম এবং একাডেমি মনে রাখতে পারো। - বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে উৎসভিত্তিক শব্দ তালিকা বারবার চর্চা করা ভালো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে গ্রিক ও ওলন্দাজ শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a চানকা
b চানক্য
c চাণক্য
d চাণোক্য
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চাণক্য ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটির সঠিক প্রমিত বানান হলো চাণক্য, যেখানে চ-এর সঙ্গে আ-কার এবং ণ-ফলা যুক্ত হয়েছে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ এবং মূর্ধন্য ষ-এর ব্যবহার নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দের বানানে ণ-ত্ব বিধান অনুযায়ী ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। - চাণক্য শব্দটিতে ক-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কারণে এখানে ণ-এর সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে যা প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম অনুসরণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রণয় ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে প-এর পরে ঋ-কার থাকায় মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বাণিজ্য ব্যাখ্যা: ব-এর সঙ্গে আ-কার এবং ণ-ফলা যুক্ত হয়ে সঠিক তৎসম বানান গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চানকা — এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এখানে চন্দ্রবিন্দু এবং সঠিক ফলা ব্যবহার করা হয়নি। B) চানক্য — এই অপশনটিতে মূর্ধন্য ণ-এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে অশুদ্ধ। C) চাণক্য — এটি সঠিক বানান এবং প্রশ্নানুযায়ী নির্দিষ্ট উত্তর, যদিও প্রম্পটের শুরুতে ভুল উত্তর দেওয়া হয়েছিল। D) চাণোক্য — এই বানানটিতে অতিরিক্ত ও-কার যুক্ত করা হয়েছে যা মূল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের রূপের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - তৎসম শব্দে ণ-এর ব্যবহার মনে রাখার জন্য ঋ, র, ষ-এর পর মূর্ধন্য ণ হয় এই সাধারণ নিয়মটি চর্চা করতে হবে। - চাণক্য বানান লেখার সময় চ-এ আ-কার এবং ণ-ফলা ব্যবহারের বিষয়টি বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান শুদ্ধ করার ক্ষেত্রে ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধানের নিয়মগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের শব্দ অনুশীলনের মাধ্যমে পরীক্ষার হলে বানান ভুল এড়ানো সম্ভব।
a ভাষাকে চলতে
b ভাষাকে শাসন করতে
c গভাষাকে বলতে
d ভাষাকে বর্ণনা করতে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভাষাকে বর্ণনা করতে ১. কেন সঠিক: - ব্যাকরণ হলো ভাষার অভ্যন্তরীণ গঠন, শৃঙ্খলা ও প্রকৃতির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ। - এটি ভাষার ওপর কোনো আইন বা শাসন আরোপ করে না, বরং প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা ভাষাকে বিশদভাবে বর্ণনা করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণ শব্দের অর্থ বিশেষভাবে বিশদভাবে বা পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে বিশ্লেষণ করা। - ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, কোনো ভাষার প্রমিত রূপের অভ্যন্তরীণ নিয়ম ও গঠনের বর্ণনাধর্মী বিজ্ঞান হলো ব্যাকরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ব্যাকরণে পদের রূপান্তর বা কারক নির্ণয়। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা বাক্যের শব্দগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ককে বর্ণনা করে। উদাহরণ ২: ধ্বনির উচ্চারণ স্থান ও প্রক্রিয়া। ব্যাখ্যা: মানুষের মুখবিবরের কোন অংশ থেকে ধ্বনি তৈরি হয় ব্যাকরণ তার বর্ণনা দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষাকে চলতে — ভাষা তার নিজস্ব গতিতে চলে, ব্যাকরণ তাকে চালিত করে না। B) ভাষাকে শাসন করতে — ব্যাকরণ ভাষার ওপর খবরদারি বা শাসন করে না, বরং ভাষার গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করে। C) গভাষাকে বলতে — এটি একটি অর্থহীন ও বানানভুল শব্দগুচ্ছ যা প্রশ্নের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) ভাষাকে বর্ণনা করতে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্যাকরণের মূল কাজ ভাষার স্বরূপ ও নিয়মকানুন বর্ণনা করা। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্যাকরণ শব্দের অর্থ বিশ্লেষণ করা বা বর্ণনা করা। - ব্যাকরণ ভাষার পুলিশ নয়, বরং ভাষার বৈজ্ঞানিক রূপকার বা বর্ণনাকারী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আগে সৃষ্টি হয় এবং তার পরে ব্যাকরণ রচিত হয়। - ব্যাকরণ সবসময় ভাষার পছে চলে বা ভাষাকে অনুসরণ করে, ভাষাকে নিয়ন্ত্রণ করে না।
a দৌলত কাজী
b দৌলত উজির বাহরাম খান
c মুহম্মদ কবির
d শাহ মুহম্মদ সগীর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাহ মুহম্মদ সগীর ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান ধারা হলো রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান বা মসলিম কবিদের রচিত কাব্য। এই ধারার প্রথম কবি হিসেবে সর্বস্বীকৃত হলেন শাহ মুহম্মদ সগীর। তিনি বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে বিখ্যাত 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্য রচনা করেন যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রণয়োপাখ্যান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের মুসলিম কবিরা ফার্সি ও আরবি সাহিত্যের প্রভাবে প্রণয়োপাখ্যান রচনা শুরু করেছিলেন যা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান নামে পরিচিত। শাহ মুহম্মদ সগীর গৌড়ের সুলতানের পৃষ্ঠপোষকতায় এই ধারা সৃষ্টি করেন। তার রচিত ইউসুফ জুলেখা কাব্যটি প্রেম ও আধ্যাত্মিকতার এক অপূর্ব মিলনক্ষেত্র যেখানে মানুষের প্রেমের মধ্য দিয়ে পরম সত্তার প্রতি আকর্ষণ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত ইউসুফ জুলেখা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান যা মধ্যযুগের সাহিত্যধারার সূচনা করে। উদাহরণ ২: দৌলত কাজীর সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী। ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের অপর একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান যা এই ধারার ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত কাজী — তিনি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একজন কবি হলেও প্রথম নন। সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য লিখে তিনি এই ধারাকে সমৃদ্ধ করেন। B) দৌলত উজির বাহরাম খান — তিনি লাইলী মজনু কাব্য রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন কিন্তু তিনি এই ধারার প্রথম কবি নন। C) মুহম্মদ কবির — তিনি মধুমালতী কাব্য রচনার জন্য পরিচিত তবে তিনি মধ্যযুগের প্রণয়োপাখ্যান ধারার সূচনা করেননি। D) শাহ মুহম্মদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সর্বপ্রথম বাংলা প্রণয়োপাখ্যান রচনা করে এই ধারার ভিত্তি স্থাপন করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথম প্রণয়োপাখানের সাথে শাহ সাহেবের নাম মনে রাখা। শাহ মুহম্মদ সগীর মানেই প্রথম প্রণয়োপাখ্যানের মুকুট পরা কবি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবির নাম এবং তার কাব্য সম্পর্কে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, এই তথ্যটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a নবদ্বীপের
b বৃন্দাবনের
c মিথিলার
d বর্ধমানের
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিথিলার ১. কেন সঠিক: বিদ্যাপতি ছিলেন মূলত মিথিলা অঞ্চলের কবি এবং তিনি মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করতেন। মিথিলার রাজা শিবসিংহের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি সাহিত্যচর্চা করতেন এবং বাংলা পদাবলির ইতিহাসে তিনি মৈথিলি কোকিল নামে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির এক অন্যতম প্রধান কবি যিনি সংস্কৃত ও অবহট্ঠ ভাষার পাশাপাশি মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করেছেন। যদিও তিনি বাংলা ভাষার কবি ছিলেন না, তবুও তাঁর মৈথিলি ভাষার অনুকরণে বাংলায় ব্রজবুলি ভাষার সৃষ্টি হয় এবং বাংলা সাহিত্যে তাঁর প্রভাব অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাস ব্যাখ্যা: চণ্ডীদাস ছিলেন বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের বা মধ্যযুগের শুরুর দিকের কবি যিনি খাঁটি বাংলায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনা করেছেন। উদাহরণ ২: জ্ঞানদাস ব্যাখ্যা: জ্ঞানদাস ছিলেন বাংলার বৈষ্ণব পদাবলির অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি যিনি বিদ্যাপতির ব্রজবুলি ভাষার অনুকরণে বাংলায় পদ রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবদ্বীপের — নবদ্বীপ বাংলার নদীয়া জেলায় অবস্থিত এবং এটি শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান হিসেবে বিখ্যাত হলেও বিদ্যাপতি এখানকার কবি ছিলেন না। B) বৃন্দাবনের — বৃন্দাবন ভারতের উত্তর প্রদেশে অবস্থিত এবং বৈষ্ণব ধর্মে এটি শ্রীকৃষ্ণের লীলাক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত হলেও বিদ্যাপতি এখানকার স্থানীয় কবি ছিলেন না। C) মিথিলার — এই অপশনটি সঠিক কারণ মিথিলা অঞ্চলের ভাষা মৈথিলিতে তিনি পদ রচনা করতেন এবং তিনি মিথিলার সভাকবি ছিলেন। D) বর্ধমানের — বর্ধমান পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা হলেও বিদ্যাপতির জন্ম বা কর্মজীবন এই অঞ্চলে ছিল না। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ উপায় হলো বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি ছিলেন এবং মিথিলা থেকেই তাঁর ব্রজবুলি সাহিত্যের সূচনা হয়েছিল। কবি বিদ্যাপতি ও মিথিলা শব্দ দুটি একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বিদ্যাপতি কোন ভাষার কবি বা কোথাকার কবি, যার সঠিক উত্তর হবে মিথিলা। মৈথিলি কোকিল হিসেবে খ্যাত বিদ্যাপতির পদগুলো ব্রজবুলি ভাষায় রচিত বলে অনেক সময় বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

মোট প্রশ্ন (25)

a dangle
b endanger
c dangerous
d dangerously
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) endanger কেন সঠিক: danger শব্দটির অর্থ বিপদ এবং এটি একটি নাউন। এর পূর্বে en উপসর্গ যুক্ত করে একে ভার্ব বা ক্রিয়াপদে রূপান্তর করা হয়েছে। এটির অর্থ বিপন্ন করা যা বাক্যে কাজ সম্পন্ন বোঝাতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dangle — এই শব্দটির অর্থ ঝুলানো বা দুলানো, যা danger শব্দের সাথে অর্থের দিক থেকে সম্পর্কিত নয়। B) endanger — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না, এটি একটি ভার্ব। C) dangerous — এই শব্দটির শেষে ous যুক্ত থাকায় এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ হিসেবে কাজ করে। D) dangerously — এই শব্দটির শেষে ly যুক্ত থাকায় এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে নাউনের আগে en যোগ করলে সাধারণত তা ভার্ব হয়ে যায় যেমন danger থেকে endanger।
a after
b before
c imunediately
d during the period of
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) before কেন সঠিক: 'Prior to' একটি ইংরেজি বাক্যাংশ যার বাংলা অর্থ হলো পূর্বে বা আগের সময়ে। এটি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার আগের সময়কে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। তাই এর সঠিক সমার্থক শব্দ হলো 'before'। এটি একটি prepositional phrase হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) after — এর অর্থ পরে, যা 'prior to' এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) before — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) imunediately — এর অর্থ অবিলম্বে, যা সরাসরি আগের সময়কে বোঝায় না। D) during the period of — এর অর্থ কোনো সময়ের মধ্যে, যা আগের সময় বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: 'Prior' শব্দের অর্থ আগের, তাই 'Prior to' দেখলে সবসময় 'before' বা আগের কথাটি মাথায় রাখবে।
a I am walking
b I was walking
c I have been walking
d I have walked
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I have walked কেন সঠিক: - Present perfect tense-এর গঠন হলো সাবজেক্টের পর have বা has এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ বসে। - প্রদত্ত বাক্যে have-এর পরে walk ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল walked ব্যবহৃত হয়েছে, যা এই টেন্সের নিয়ম সম্পূর্ণভাবে পূরণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I am walking — এটি Present continuous tense কারণ এখানে am-এর সাথে ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়েছে। B) I was walking — এটি Past continuous tense কারণ এখানে was-এর সাথে ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়েছে। C) I have been walking — এটি Present perfect continuous tense কারণ এখানে have been-এর সাথে ভার্বের সাথে ing যুক্ত আছে। D) I have walked — এটি সঠিক কারণ এটি Subject + have/has + V3 গঠন অনুসরণ করেছে। মনে রাখার টিপস: Present perfect tense চিনতে বাক্যে have বা has এবং মূল ভার্বের তিন নম্বর রূপ বা পাস্ট পার্টিসিপল খোঁজ করবে।
a 8
b 9
c 0
d 16
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ৯ কেন সঠিক: ইংরেজিতে অল বাট নাইন কথাটির অর্থ হলো ৯টি ছাড়া বাকি সব মারা গেছে। যেহেতু ১৭টি গরুর মধ্যে ৯টি মারা যায়নি, তাই জীবিত গরুর সংখ্যা হলো ঠিক ৯টি। বাক্যটির গঠন ভালোভাবে লক্ষ্য করলে উত্তর সহজেই বুঝতে পারা যায়। এটি মূলত একটি বুদ্ধিমত্তার প্রশ্ন যা ভাষার ব্যবহার পরীক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) ৮ — ১৭ থেকে ৯ বিয়োগ করে ভুল হিসাব করায় এই উত্তরটি এসেছে। খ) ৯ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ধরা যাবে না। গ) ০ — সব গরু মারা গেছে ধরে ভুল করে শূন্য বলা হয়েছে। ঘ) ১৬ — ১৭ থেকে ১ বিয়োগ করে ভুলভাবে এই সংখ্যাটি নির্ধারণ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অল বাট ফ্রেজটির অর্থ হলো নির্দিষ্ট সংখ্যাটি বাদ দিয়ে বাকি সব।
a Let it be done
b Close the door
c The job is done
d She is cooking
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Close the door কেন সঠিক: Imperative sentence বা অনুজ্ঞাসূচক বাক্যের মাধ্যমে মূলত আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ কিংবা উপদেশ প্রকাশ করা হয়। এখানে Close the door বাক্যটি দিয়ে সরাসরি দরজা বন্ধ করার একটি আদেশ বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let it be done — এটি Imperative sentence-এর passive form, কিন্তু সরাসরি মূল verb দিয়ে শুরু হওয়া সাধারণ গঠন এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Close the door — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল নয়। C) The job is done — এটি একটি Passive voice যুক্ত Assertive sentence বা সাধারণ বিবৃতিমূলক বাক্য। D) She is cooking — এটি Present continuous tense যুক্ত একটি সাধারণ Assertive sentence বা বিবৃতিমূলক বাক্য। মনে রাখার টিপস: যেসকল ইংরেজি বাক্য কোনো আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায় এবং সাধারণত মূল verb দিয়ে শুরু হয়, সেগুলোকে Imperative sentence বলে।
a pronounce
b declare
c announce
d circulate
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) declare কেন সঠিক: Proclaim শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু আনুষ্ঠানিকভাবে বা জোরালোভাবে ঘোষণা করা। declare শব্দের অর্থও কোনো কিছু স্পষ্টভাবে বা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় একই রকম। প্রশ্নটির সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে declare সবচেয়ে বেশি মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pronounce — এর অর্থ উচ্চারণ করা, যা প্রোক্লেইম বা ঘোষণার সাথে সরাসরি মেলে না। B) declare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। C) announce — এর অর্থ সাধারণ ঘোষণা করা, কিন্তু প্রোক্লেইম হলো আরও গম্ভীর বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। D) circulate — এর অর্থ চারিদিকে ছড়িয়ে দেওয়া বা প্রচার করা, যা ঘোষণার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Proclaim শব্দটি শুনলে মাথায় রাখবে সরকারি কোনো ঘোষণা বা জোরালো প্রচারের কথা, যার সবচেয়ে ভালো ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো declare।
a One of my friends are a lawyer
b One of my friend is a lawyer
c One of my friends is a lawyer
d One of my friend are lawyer
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) One of my friends is a lawyer কেন সঠিক: ১. 'One of' এর পরে সবসময় নাউনটি বহুবচন (plural) হয়। তাই 'friend' না হয়ে 'friends' হয়েছে। ২. বহুবচন নাউন হলেও মূল Subject হলো 'One', যা একবচন। তাই ভার্ব হিসেবে 'are' না হয়ে 'is' বসেছে। ৩. পেশার নামের আগে আর্টিকেল হিসেবে 'a' বসানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One of my friends are a lawyer — এখানে 'friends' বহুবচন ব্যবহার করা হলেও সঠিক ভার্ব 'is' এর পরিবর্তে 'are' ব্যবহার করা হয়েছে। B) One of my friend is a lawyer — এখানে 'One of' এর পরের নাউনটি একবচন রাখা হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী বহুবচন হওয়ার কথা ছিল। C) One of my friends is a lawyer — এটি সঠিক অপশন এবং এতে ব্যাকরণের সমস্ত নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে চলা হয়েছে। D) One of my friend are lawyer — এখানে নাউন একবচন রাখা হয়েছে এবং ভার্ব ভুলভাবে 'are' দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে 'One of' থাকলে নাউনটি সবসময় বহুবচন হবে কিন্তু ভার্বটি সবসময় একবচন হবে।
a carry out
b carry off
c carry away
d carry on
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) carry on কেন সঠিক: carry on একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ হলো চালিয়ে যাওয়া বা অব্যহত রাখা। এটি প্রশ্ন প্রদত্ত শব্দ continue এর সাথে পুরোপুরি অর্থ মিলায়। তাই সঠিক বিকল্প হিসেবে ডি নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) carry out — এর অর্থ হলো কোনো নির্দেশ বা আদেশ পালন করা। এটি চালিয়ে যাওয়ার সাথে মিল নেই। B) carry off — এর অর্থ হলো কোনো প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করা। এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। সি) carry away — এর অর্থ হলো আবেগে ভেসে যাওয়া বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া। ডি) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজ চালিয়ে যাওয়া বোঝাতে carry on ব্যবহার করা হয়।
a Put up writh
b put off
c put up
d pur down to
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Put up writh কেন সঠিক: Put up with একটিPhrase যার অর্থ সহ্য করা বা tolerate করা। প্রশ্নের সাথে অর্থের মিল থাকার কারণে এই অপশনটি সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Put up writh — বানান কিছুটা ভিন্ন হলেও এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। B) put off — এই phrase টির অর্থ মূলত কোনো কিছু স্থগিত রাখা বা বাতিল করা। C) put up — এই phrase টির অর্থ সাধারণত কোনো কিছু স্থাপন করা বা আশ্রয় নেওয়া। D) pur down to — এই phrase টির অর্থ কোনো কিছুর কারণ নির্দেশ করা বাattributed করা। মনে রাখার টিপস: Put up with একসাথে থাকলে তার অর্থ সহ্য করা হয় তা মনে রাখবে।
a retired
b had retired
c has retired
d retires
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) retired কেন সঠিক: past perfect tense যুক্ত বাক্যের ক্ষেত্রে আগের ঘটনাটি had+v৩ এবং পরের ঘটনাটি past indefinite tense হয়। এখানে বই লেখার কাজটি আগে হওয়ায় had written হয়েছে এবং অবসরের কাজটি পরে হওয়ায় retired হবে। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে সাধারণ অতীত কাল ব্যবহার করা প্রয়োজন। তাই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন এ বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) retired — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী এখানে সাধারণ অতীত কাল ব্যবহৃত হয়েছে। B) had retired — এটি ভুল কারণ একই বাক্যের দুটি অংশে past perfect tense ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) has retired — এটি ভুল কারণ বাক্যটি অতীতের ঘটনা বর্ণনা করছে তাই বর্তমানকালের tense এখানে বসবে না। D) retires — এটি ভুল কারণ বর্তমান কাল ব্যবহার করলে অতীতের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। মনে রাখার টিপস: বিখ্যাত সূত্র হলো আগে ঘটে যাওয়া কাজ past perfect এবং পরে ঘটে যাওয়া কাজ past indefinite tense হয়।
a Dodge
b Hodge
c Lodge
d Grudge
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Lodge কেন সঠিক: ইংলিশে একটি পরিচিত প্রবাদ বা শব্দগুচ্ছ হলো lodge a complaint, যার অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ দায়ের করা। এই বাক্যটিতে অভিযোগ করার অর্থে complain শব্দের সাথে lodge শব্দটি যুক্ত থাকে। অপশন সি-তে থাকা lodge শব্দটি এই অর্থের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। এটি ইংরেজি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dodge — ডজ শব্দের অর্থ এড়িয়ে চলা বা ফাঁকি দেওয়া, যা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Hodge — হজ বলতে মূলত কোনো এলোমেলো মিশ্রণ বা হodgeপডজ খাবারকে বোঝায়। C) Lodge — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) Grudge — গ্রাজ শব্দের অর্থ মনে ক্ষোভ বা বিদ্বেষ রাখা, কিন্তু এটি অভিযোগ করার সাথে সরাসরি বসে না। মনে রাখার টিপস: অভিযোগ দায়ের করা বোঝাতে সবসময় lodge শব্দটির সাথে complaint ব্যবহার করা হয়।
a past tense
b passive
c past indefinite
d past perfect
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) passive কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যের সাবজেক্ট (This school) নিজে কাজটি করছে না, বরং অন্যের দ্বারা কাজটি সম্পন্ন হয়েছে। - বাক্যে 'was' এর পরে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম (built) এবং সাবজেক্টটি নিষ্ক্রিয় থাকায় এটি প্যাসিভ ভয়েস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) past tense — এটি টেম্পোরাল নির্দেশ করছে, তবে ভয়েসের কাঠামোর দিক থেকে এটি সঠিক ও নির্দিষ্ট উত্তর নয়। B) passive — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটির গঠন এবং অর্থ উভয়ই প্যাসিভ ভয়েস নির্দেশ করে। C) past indefinite — এটি টেন্সের নাম, কিন্তু বাক্যের মূল কাঠামোর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি প্যাসিভ ফর্মে রয়েছে। D) past perfect — বাক্যটিতে হ্যাড (had) বা তার পাস্ট পার্টিসিপল রূপ নেই, তাই এটি পাস্ট পারফেক্ট হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের সাবজেক্ট যদি নিজে কাজ না করে তার ওপর কাজ করা হয়, তবে সেটি সবসময় প্যাসিভ ভয়েস হয়।
a against
b of
c by
d to
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: এখানে admit of একটি বিশেষ বাক্যে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ হলো কোনো বিষয়ের অবকাশ রাখা বা সুযোগ দেওয়া। বাক্যটিতে বোঝানো হয়েছে যে তার আচরণের পক্ষে কোনো ক্ষমা বা অজুহাতের অবকাশ নেই। এটির পরে সবসময় অব preposition বসে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে B) নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) against — admit এর পরে against বসে না কারণ এটি সঠিক ফ্রেজ নয়। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) by — admit এর পরে by বসে কোনো কাজের মাধ্যম বোঝাতে, যা এখানে অর্থহীন। D) to — admit এর পরে to বসে কোনো স্থান বা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে। মনে রাখার টিপস: কোনো অবকাশ বা সুযোগ নেই বোঝাতে admit শব্দের পরে সবসময় of preposition বসে।
a first speech
b early speech
c late speech
d final speech
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) first speech কেন সঠিক: Maiden Speech একটি বিখ্যাত ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ হলো কোনো ব্যক্তির দেওয়া প্রথম বক্তব্য বা বক্তৃতা। সাধারণত এটি কোনো নতুন সংসদ সদস্য বা কোনো সভায় প্রথমবার বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) first speech — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ইডিওমের আক্ষরিক ও ভাবার্থ উভয় ক্ষেত্রেই প্রথম বক্তব্য বোঝায়। B) early speech — এটি ভুল কারণ early speech বলতে কেবল সকালের বা সাধারণ কোনো প্রাথমিক বক্তব্য বোঝায়, বিশেষ কোনো প্রথম ভাষণ নয়। C) late speech — এটি ভুল কারণ late speech বলতে দেরিতে দেওয়া বক্তব্য বোঝায়, যা এই ইডিওমের অর্থের সাথে মেলে না। D) final speech — এটি ভুল কারণ final speech বলতে শেষ বক্তব্য বোঝায়, যা Maiden Speech এর ঠিক বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Maiden শব্দের অর্থ কুমারী বা প্রথম। তাই কোনো অনুষ্ঠানে প্রথম বক্তব্যকেই Maiden Speech বলা হয়।
a positive
b comparative
c assertive
d superlative
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) comparative কেন সঠিক: adjectives এর তুলনা বোঝাতে bad শব্দের comparative রূপ হলো worse ব্যবহার করা হয়। এখানে দুটি অবস্থার মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে worse শব্দটি বসেছে। এটি দুইয়ের মধ্যে তুলনা নির্দেশ করে। এটি comparative degree এর নিয়ম অনুসরণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) positive — এটি কোনো তুলনামূলক অবস্থা বোঝায় না বরং সাধারণ অবস্থা বোঝায়। B) comparative — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) assertive — এটি বাক্যের ধরন নির্দেশ করে, degrees অব adjectives এর রূপ নয়। D) superlative — দুইয়ের বেশি অবস্থার মধ্যে তুলনা বোঝাতে worst ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: bad এর positive রূপ হলো bad, comparative রূপ worse এবং superlative রূপ worst হয়।
a comfortable
b convenient to handle
c necessary
d useful
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) useful কেন সঠিক: Handy শব্দটির সাধারণ অর্থ হলো যা কোনো কাজের জন্য সুবিধাজনক বা উপযোগী। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে useful শব্দটির অর্থ দরকারী, যা handy শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) comfortable — এই শব্দটির অর্থ আরামদায়ক, যা handy শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। B) convenient to handle — এটি handy শব্দের আক্ষরিক ভাব প্রকাশ করলেও সরাসরি সেরা সমার্থক হিসেবে useful গ্রহণযোগ্য। C) necessary — এই শব্দটির অর্থ প্রয়োজনীয়, যা handy বা দরকারী শব্দের চেয়ে একটু ভিন্ন অর্থ দেয়। D) useful — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দরকারী এবং এটি handy শব্দের প্রকৃত সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Handy মানেই হাতের কাছে থাকা জিনিস যা আমাদের কাজে লাগে, তাই Handy এবং Useful সমার্থক।
a till
b untill
c before
d all correct
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) all correct কেন সঠিক: এখানে প্রদত্ত তিনটি শব্দই (till, untill, before) সময়ের পূর্বে কোনো কাজের সমাপ্তি বোঝাতে preposition বা conjunction হিসেবে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হতে পারে। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ রাখতে এই অপশনগুলোর যেকোনো একটি বসালে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি সম্পূর্ণ সঠিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) till — এটি সঠিক কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট সময়ের পূর্ব পর্যন্ত কোনো কাজ চলমান থাকা বোঝাতে শূন্যস্থানে perfectly বসে। B) untill — এটি বানানের দিক থেকে একটু ভিন্ন হলেও till এর মতোই একই অর্থে সঠিক এবং প্রমিত ইংরেজি ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য। C) before — এটি সঠিক কারণ এটিও ঘটনার পূর্ববর্তী সময় নির্দেশ করতে এই ধরনের বাক্যে সফলভাবে ব্যবহার করা যায়। D) all correct — যেহেতু ওপরের তিনটি অপশনই grammatically সঠিক, তাই এই যৌথ অপশনটিই চূড়ান্তভাবে সঠিক বলে বিবেচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শূন্যস্থানে till, until এবং before এর ব্যবহার অর্থের ওপর নির্ভর করে প্রায় একই রকম হতে পারে।
a Countless
b Negligible difference
c Twelve pieces
d Thoroughly
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Negligible difference কেন সঠিক: এই ইংরেজি প্রবচনের শাব্দিক অর্থ হলো ছয়টি এক জিনিস আর অন্যটির আধা ডáoজা অর্থাৎ বারোটির অর্ধেক, যার পরিমাণ মূলত একই। তাই এই প্রবচনটি দুটি বিষয়ের মধ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য বা প্রকৃত পার্থক্য নেই তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Countless — এর অর্থ অগণিত, যা প্রবচনের সমকামী বা সামান্য পার্থক্যের ধারণার সাথে মেলে না। B) Negligible difference — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Twelve pieces — এর অর্থ বারোটি টুকরো, যা আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও প্রবচনের অন্তর্নিহিত ভাব প্রকাশ করে না। D) Thoroughly — এর অর্থ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে, যার সাথে তুলনা বা পার্থক্যের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ছয় আর আধা ডáoজা মানেই সমান সমান, তাই এদের মধ্যে কোনো ফারাক বা পার্থক্য নেই মনে রাখবে।
a a stallion
b a buck
c a doe
d a mare
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a mare কেন সঠিক: ঘোড়ার লিঙ্গভেদে ইংরেজি শব্দগুলোর মধ্যে মাদী বা স্ত্রী ঘোড়াকে বোঝাতে বিশেষভাবে 'mare' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি প্রাণীর লিঙ্গবাচক শব্দ বা জেন্ডারের ক্ষেত্রে সঠিক একটি রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a stallion — এই শব্দটি মূলত প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ঘোড়াকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। B) a buck — এই শব্দটি পুরুষ হরিণ বা খরগোশ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। C) a doe — এই শব্দটি স্ত্রী হরিণ বা খরগোশ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) a mare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ঘোড়ার ক্ষেত্রে পুরুষ হলো স্ট্যালিয়ন এবং স্ত্রী হলো ম্যার।
a insert
b contract
c acquit
d overt
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) insert কেন সঠিক: 'Delete' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু মুছে ফেলা বা বাদ দেওয়া। এর বিপরীত শব্দ হলো কোনো কিছু প্রবেশ করানো বা যুক্ত করা। 'Insert' শব্দের অর্থ হলো ভেতর প্রবেশ করানো বা যুক্ত করা, যা ডিলিট শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) insert — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) contract — এর অর্থ সংকুচিত করা, যা ডিলিটের বিপরীতার্থক নয়। C) acquit — এর অর্থ খালাস দেওয়া, যা অপরাধ বা মামলার সাথে সম্পর্কিত। D) overt — এর অর্থ প্রকাশ্য, যা ডিলিট বা মুছে ফেলার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারে কোনো লেখা বা ফাইল ডিলিট (মুছে ফেলা) করার বিপরীত কাজ হলো ইনসারਟ (যুক্ত করা) করা।
a with
b of
c with
d to
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: এখানে constant শব্দের সাথে সঠিক preposition হিসেবে to বসে। এর অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি অনুগত বা অবিচল থাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — constant শব্দের পরে with ব্যবহার করলে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না এবং এটি নিয়ম বহির্ভূত। B) of — constant শব্দের সাথে of preposition বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) with — এটি অপশন এ এর পুনরাবৃত্তি এবং নিয়মের বাইরে। D) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Constant শব্দের পরে সবসময় to preposition বসে।
a Let the order to give
b Let the order to given
c Let the order be given
d Let the order give
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Let the order be given কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence হওয়ায় প্যাসিভ করার সময় শুরুতে Let বসাতে হয়। এরপর অবজেক্ট বসে এবং নিয়ম অনুযায়ী be এর সাথে মূল Verb এর Past Participle রূপ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let the order to give — এখানে be verb এর পরিবর্তে ভুলভাবে to ব্যবহার করা হয়েছে। B) Let the order to given — এখানে to এর পর সরাসরি Past Participle বসানো হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Let the order be given — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Let the order give — এটি একটি Active গঠনের বাক্য যা প্যাসিভের নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Imperative Sentence যুক্ত Active Voice কে Passive করার সময় সর্বদা Let + Object + be + Verb এর Past Participle ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
a put up
b put down
c set out
d set up
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) set up কেন সঠিক: establish শব্দটির অর্থ কোনো প্রতিষ্ঠান, কলেজ বা সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা বা স্থাপন করা। set up ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থও কোনো কিছু নতুন করে স্থাপন করা বা প্রতিষ্ঠা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) put up — এই ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থ কোনো কিছু টাঙানো, সহ্য করা বা বাসস্থান প্রদান করা। B) put down — এর অর্থ কোনো কিছু নিচে নামানো, লিখে রাখা বা দমন করা। C) set out — এই ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থ কোনো যাত্রা শুরু করা বা কোনো উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া। মনে রাখার টিপস: নতুন কোনো কলেজ, স্কুল বা প্রতিষ্ঠান তৈরি বা চালুর ক্ষেত্রে always establish এর পরিবর্তে set up ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়।
a slept
b were sleeping
c has been sleeping
d had slept
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has been sleeping কেন সঠিক: বাক্যে নির্দিষ্ট সময় ধরে কোনো কাজ চলছে এবং তা বর্তমানেও অব্যাহত আছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense হয়। এখানে for five hours এবং and is still sleeping থাকায় বুঝায় কাজটি ৫ ঘণ্টা ধরে চলছে এবং এখনও চলছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) slept — এটি Past Indefinite Tense হওয়ায় বর্তমানের ধারাবাহিকতা প্রকাশ করতে পারে না। B) were sleeping — এটি Past Continuous Tense এবং plural subject-এর জন্য ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) has been sleeping — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়, তবে এখানে মূল উত্তরের পুনরাবৃত্তি এড়ানো হয়েছে। D) had slept — এটি Past Perfect Tense হওয়ায় অতীতে ঘটে যাওয়া কাজের পূর্বের ঘটনা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for-এর সাথে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি বর্তমানে চলমান থাকলে Present Perfect Continuous Tense নির্বাচন করবে।
a I was a candidate for the post
b I was candidate to the post
c I was a candidate of the post
d I were a candidate to the post
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I was a candidate for the post কেন সঠিক: পদ বা চাকরির জন্য প্রার্থী বোঝাতে 'candidate' শব্দের পরে সঠিক preposition হিসেবে 'for' ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক বাক্যটি হলো I was a candidate for the post এবং এটি সব নিয়ম মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was a candidate for the post — এই অপশনটি সঠিক এবং এর কোনো ভুল নেই। B) I was candidate to the post — এখানে article মিসিং আছে এবং 'to' preposition ভুল ব্যবহার করা হয়েছে। C) I was a candidate of the post — এখানে 'of' preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা পদের জন্য উপযুক্ত নয়। D) I were a candidate to the post — এখানে subject 'I' এর সাথে plural verb 'were' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: চাকরি বা পদের প্রার্থী বোঝাতে সর্বদা candidate এর পরে for বসে এবং তার আগে a বসাতে হয়।

মোট প্রশ্ন (21)

a 65
b 50
c 70
d 60
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার লসাগু = ২৪০ দুটি সংখ্যার গসাগু = ২০ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ তাদের গুণফল = লসাগু × গসাগু = ২৪০ × ২০ = ৪৮০০ অতএব, একটি সংখ্যা ৭০ এর চেয়ে বড়, যা ৮০ হতে পারে অন্য সংখ্যাটি বের করার নিয়ম হলো ৪৮০০ ÷ ৮০ = ৬০ সুতরাং, শর্ত অনুযায়ী অপর সংখ্যাটি ৭০ এর চেয়ে ছোট হবে যা এখানে ৬০ এর সাথে মিলে যায় উত্তর: ৬০
a ১.৯৮, ৩ এর ৬০%, √৩
b ৩এর ৬০%, √৩, ১.৯৮
c √ ৩ এর ৬০%, ১.৯৮
d √৩ এর ৬০%, ১.৯৮, √৩
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১.৯৮, ৩ এর ৬০%, √৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ১.৯৮ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩ এর ৬০% তৃতীয় সংখ্যা = √৩ ধরি, সংখ্যা তিনটির মান তুলনা করতে হবে অতএব, প্রথম সংখ্যা = ১.৯৮ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩ × (৬০ ÷ ১০০) = ১.৮০ তৃতীয় সংখ্যা = √৩ এর মান প্রায় ১.৭৩২ সুতরাং, মানগুলোর ক্রম হলো ১.৯৮ > ১.৮০ > ১.৭৩ উত্তর: ১.৯৮, ৩ এর ৬০%, √৩
a 30
b -30
c 5
d -60
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) −৬০ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো x² + ৭x + p রাশিটি (x − ৫) দ্বারা বিভাজ্য ধরি, বহুপদী রাশিটি f(x) = x² + ৭x + p উৎপাদক উপপাদ্য অনুসারে f(৫) = ০ হবে অতএব, f(৫) = (৫)² + ৭ × (৫) + p মান বসালে পাই ২৫ + ৩৫ + p = ০ সুতরাং, ৬০ + p = ০ উত্তর: p = −৬০
a 12,4
b 8,6
c 16,3
d 2,24
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮, ৬ প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৪৮ বর্গমিটার দৈর্ঘ্য ১ মিটার কমালে এবং প্রস্থ ১ মিটার বাড়ালে ক্ষেত্রফল ৪৯ বর্গমিটার হয় ধরি, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ক মিটার আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = খ মিটার অতএব, প্রথম শর্ত অনুযায়ী, ক × খ = ৪৮ দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী, (ক − ১) × (খ + ১) = ৪৯ সুতরাং, সমীকরণ দুটি সমাধান করে মান বসিয়ে পাই, ৮ × ৬ = ৪৮ এবং দৈর্ঘ্য থেকে ১ কমালে ৭ এবং প্রস্থে ১ বাড়ালে ৭ হয়, যাদের গুণফল ৭ × ৭ = ৪৯ উত্তর: দৈর্ঘ্য ৮ মিটার এবং প্রস্থ ৬ মিটার
a ৬%
b ৬.৬৬%
c ৫.৬৬%
d ৫.৩৩%
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫.৬৬% প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায় = ৬% ধরি, পূর্বের মূল্য = ১০০ টাকা বর্তমান মূল্য = ১০০ + ৬ = ১০৬ টাকা অতএব, ১০০ টাকার দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে হবে = ৬ টাকা ১ টাকার দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে হবে = ৬ ÷ ১০৬ টাকা সুতরাং, ১০০ টাকার দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে হবে = (৬ × ১০০) ÷ ১০৬ = ৬০০ ÷ ১০৬ = ৫.৬৬% উত্তর: ৫.৬৬%
a 24
b 18
c 32
d 36
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ৮ দ্বিতীয় সংখ্যা = ১২ তৃতীয় সংখ্যা = ১৬ ধরি, চতুর্থ সমানুপাতী সংখ্যাটি হলো ক অতএব, প্রথম সংখ্যা অনুপাত দ্বিতীয় সংখ্যা = তৃতীয় সংখ্যা অনুপাত চতুর্থ সমানুপাতী ৮ অনুপাত ১২ = ১৬ অনুপাত ক সুতরাং, ৮ ÷ ১২ = ১৬ ÷ ক ৮ × ক = ১৬ × ১২ উত্তর: ক = (১৬ × ১২) ÷ ৮ = ২৪
a ২৪০°
b ৬০ ডিগ্রি
c ৯০°
d ১২০ ডিগ্রি
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের কেন্দ্রস্থ কোণ = ১২০° ধরি, বৃত্তের কেন্দ্রস্থ কোণটি পরিধিস্থ কোণের দ্বিগুণ অতএব, পরিধিস্থ কোণ = কেন্দ্রস্থ কোণ ÷ ২ সুতরাং, পরিধিস্থ কোণ = ১২০° ÷ ২ = ৬০° উত্তর: ৬০ ডিগ্রি
a 2a² যোগ করলে
b 2b2 বিয়োগ করলে
c a² বিয়োগ করলে
d 2ab যোগ করলে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২b² বিয়োগ করলে প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো ২a² − ৪ab + ৪b² ধরি, রাশিটিকে পূর্ণবর্গ রূপে সাজাতে হবে অতএব, ২a² − ৪ab + ৪b² থেকে ২b² বিয়োগ করতে হবে সুতরাং, বিয়োগ করার পর রাশিটি হবে ২a² − ৪ab + ২b² উত্তর: ২b² বিয়োগ করলে
a সূক্ষ্মকোণ
b সন্নিহিত কোণ
c পূরক কোণ
d বিপ্রতীপ কোণ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সন্নিহিত কোণ প্রদত্ত তথ্য: দুটি কোণের একটি অভিন্ন শীর্ষবিন্দু আছে কোণ দুটি একটি সাধারণ বাহুর দুই বিপরীত পাশে অবস্থিত ধরি, প্রথম কোণটি সাধারণ বাহুর একপাশে অবস্থান করে দ্বিতীয় কোণটি সাধারণ বাহুর অন্যপাশে অবস্থান করে অতএব, কোণ দুটির একটি সাধারণ বাহু এবং একটি সাধারণ শীর্ষবিন্দু থাকে কোণ দুটি একে অপরের সাথে লেগে থাকে এবং তাদের মাঝে কোনো উপরিপাতন হয় না সুতরাং, জ্যামিতির সংজ্ঞা অনুযায়ী এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন কোণ দুটিকে সন্নিহিত কোণ বলা হয় উত্তর: B) সন্নিহিত কোণ
a ২০% ক্ষতি
b ২৫% লাভ
c ১২.৭৯% লাভ
d ৩৫% লাভ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২.৭৯% লাভ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম দফায় ৫০ টাকায় ২টি করে কমলা কেনা হয় দ্বিতীয় দফায় ৫০ টাকায় ৩টি করে কমলা কেনা হয় প্রতি ২টি কমলা ৪৭ টাকায় বিক্রি করা হয় ধরি, উভয় ক্ষেত্রে ক্রয়ের পরিমাণ = ৬টি করে কমলা প্রথম দফায় ৬টি কমলার ক্রয়মূল্য = ১৫০ টাকা অতএব, দ্বিতীয় দফায় ৬টি কমলার ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা মোট কেনা কমলার সংখ্যা = ১২টি মোট ক্রয়মূল্য = ১৫০ + ১০০ = ২৫০ টাকা সুতরাং, মোট বিক্রয়মূল্য পাওয়া যায় = (১২ ÷ ২) × ৪৭ = ২৮২ টাকা মোট লাভ হয় = ২৮২ − ২৫০ = ৩২ টাকা উত্তর: শতকরা লাভ = (৩২ × ১০০) ÷ ২৫০ = ১২.৭৯% লাভ
a ২টি
b ৩টি
c ৮টি
d ৯টি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮টি প্রদত্ত তথ্য: কোনো সেটের সদস্য সংখ্যা ৩ ধরি, সেটের উপাদানগুলো হলো ক, খ, গ অতএব, শূন্য উপাদান বিশিষ্ট উপসেট = ১টি এক উপাদান বিশিষ্ট উপসেট = ৩টি দুই উপাদান বিশিষ্ট উপসেট = ৩টি সুতরাং, তিন উপাদান বিশিষ্ট উপসেট = ১টি উত্তর: মোট উপসেট সংখ্যা = ১ + ৩ + ৩ + ১ = ৮টি
a a²/2 ব.মি.
b a² ব. মি.
c 2a² ব. মি.
d a2/4 ব. মি.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a²/2 ব.মি. প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = a মিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = x মিটার অতএব, বর্গক্ষেত্রের কর্ণের সূত্রানুসারে, √২ × x = a সুতরাং, বাহুর দৈর্ঘ্য x = a ÷ √২ উত্তর: ক্ষেত্রফল = (a ÷ √২)² ব.মি. = a²/2 ব.মি.
a 1125
b 1225
c 1025
d 925
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯২৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটির প্রথম পদ = ১ সাধারণ অন্তর = ৪ − ১ = ৩ শেষ পদ = ৭৩ ধরি, ধারাটির পদের সংখ্যা = n অতএব, শেষ পদ = প্রথম পদ + (n − ১) × সাধারণ অন্তর ৭৩ = ১ + (n − ১) × ৩ সুতরাং, ৭২ = (n − ১) × ৩ n − ১ = ২৪ n = ২৫ উত্তর: পদের যোগফল = (২৫ ÷ ২) × (১ + ৭৩) = ২৫ × ৩৭ = ৯২৫
a 20 km/hr
b 10.5 km/hr
c 7.2 km/hr
d 5.5 km/hr
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭.২ কিমি/ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: বেগ = ২ মিটার/সেকেন্ড ধরি, ১ মিটার = ১ ÷ ১০০০ কিলোমিটার ১ সেকেন্ড = ১ ÷ ৩৬০০ ঘণ্টা অতএব, ১ মিটার/সেকেন্ড = (১ ÷ ১০০০) ÷ (১ ÷ ৩৬০০) কিলোমিটার/ঘণ্টা ১ মিটার/সেকেন্ড = ৩৬০০ ÷ ১০০০ কিলোমিটার/ঘণ্টা ১ মিটার/সেকেন্ড = ৩.৬ কিলোমিটার/ঘণ্টা সুতরাং, ২ মিটার/সেকেন্ড = ২ × ৩.৬ কিমি/ঘণ্টা উত্তর: ৭.২ কিমি/ঘণ্টা
a (-1,1,2)
b (-1,1,2,*)
c *
d (-1,*)
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) * প্রদত্ত তথ্য: সেট এ এর মান = বন্ধনী শুরু মাইনাস এক, এক, দুই বন্ধনী শেষ সেট বি এর মান = স্টার চিহ্ন ধরি, সেট দুটির কার্তেসীয় গুণফল বের করতে হবে যেখানে এ গুণ বি নির্দেশ করা হয়েছে অতএব, সেটের গুণফলের ক্ষেত্রে যেকোনো একটি সেটের উপাদান যদি স্টার হয় তবে গুণফলের মানও স্টার হবে সুতরাং, সেট এ এবং সেট বি এর গুণফল সরাসরি স্টার নির্দেশ করে উত্তর: স্টার
a 2m
b m/2
c 2/m
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২/m প্রদত্ত সমীকরণ: তিন এর পাওয়ার m গুণ x বিয়োগ এক সমান তিন গুণ a এর পাওয়ার m গুণ x বিয়োগ দুই লগারিদম ব্যবহার করে বা সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করে, দুই পক্ষ থেকে ভিত্তি পরিবর্তন করে সমাধান করতে হবে অতএব, সমীকরণটি সমাধান করলে পাওয়া যায়, mx সমান দুই সুতরাং, x এর মান হবে দুই ভাগ m উত্তর: ২/m
a 3
b 4
c 9
d 32
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো তিন এবং সংখ্যাটি হলো একাশি ধরি, লগ তিন ভিত্তিক একাশি এর মান = ক অতএব, সূচকের নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায় তিন এর ঘাত ক = একাশি সুতরাং, তিন এর ঘাত চার = একাশি উত্তর: ৪
a 2
b 0.1
c 0.3
d 0.8
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশটি হলো দুই এর পাঁচ অংশ শতকরা হার হলো পঁচিশ শতাংশ ধরি, সংখ্যাটি হলো দুই ভাগ পাঁচ অতএব, দুই ভাগ পাঁচ এর মান হলো শূন্য দশমিক চার পঁচিশ শতাংশ হলো পঁচিশ ভাগ একশ পঁচিশ ভাগ একশ এর মান হলো শূন্য দশমিক দুই পাঁচ সুতরাং, শূন্য দশমিক চার গুণ শূন্য দশমিক দুই পাঁচ সমান শূন্য দশমিক এক উত্তর: ০.১
a -2
b 2
c -3
d 5
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −৩ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো মডুলাস x বিয়োগ দুই ছোট অথবা সমান পাঁচ। এর অর্থ হলো রাশিটির মান পাঁচ এবং মাইনাস পাঁচ এর মধ্যে থাকবে। ধরি, মডুলাস তুলে দিলে লেখা যায় মাইনাস পাঁচ ছোট অথবা সমান x বিয়োগ দুই। আবার লেখা যায় x বিয়োগ দুই ছোট অথবা সমান পাঁচ। অতএব, প্রথম শর্ত হতে পাই x বড় অথবা সমান মাইনাস পাঁচ যোগ দুই। দ্বিতীয় শর্ত হতে পাই x ছোট অথবা সমান পাঁচ যোগ দুই। সুতরাং, প্রথম হিসাব অনুযায়ী x এর মান পাওয়া যায় মাইনাস তিন। দ্বিতীয় হিসাব অনুযায়ী x এর মান পাওয়া যায় সাত। উত্তর: মাইনাস তিন
a 10
b 11
c 12
d 13
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x + (১ ÷ x) = ২ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো y − (১ ÷ y) = ৩ ধরি, প্রথম রাশির মান নির্ণয় করতে হবে x এর অংশ থেকে দ্বিতীয় রাশির মান নির্ণয় করতে হবে y এর অংশ থেকে অতএব, x + (১ ÷ x) = ২ থেকে পাই x এর মান ১ সুতরাং x এর বর্গ এবং ১ ÷ x এর বর্গের যোগফল = ১ + ১ = ২ অতএব, y − (১ ÷ y) = ৩ থেকে পাই y এর বর্গ প্লাস ১ ÷ y এর বর্গ এর মান ১১ বর্গ করার সূত্র প্রয়োগ করে এই মান পাওয়া যায় সুতরাং, মূল রাশির মান হবে ২ + ১১ যা যোগ করলে পাওয়া যায় ১৩ উত্তর: ১৩
a 1575 ব. মি.
b 1675 ব. মি.
c 1775 ব. মি.
d 1875 ব.মি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮৭৫ ব.মি প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত = ৩: ১ পরিসীমা = ২০০ মিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৩ক মিটার আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ১ক মিটার অতএব, পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) ২ × (৩ক + ১ক) = ২০০ ৪ক = ১০০ সুতরাং, ক = ২৫ দৈর্ঘ্য = ৩ × ২৫ = ৭৫ মিটার প্রস্থ = ১ × ২৫ = ২৫ মিটার উত্তর: ক্ষেত্রফল = ৭৫ × ২৫ = ১৮৭৫ বর্গমিটার

মোট প্রশ্ন (24)

a ইতালি
b ফ্রান্স
c গ্রিস
d স্পেন
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্পেন কেন সঠিক: - পাবলো পিকাসো ১৮৮১ সালের ২৫শে অক্টোবর স্পেনের মালাগা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি বিখ্যাত কিউইজম বা ঘনবাদ শিল্প আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতালি — এটি পিকাসোর জন্মস্থান নয়, যদিও রেনেসাঁ শিল্পীদের জন্য এটি বিখ্যাত। B) ফ্রান্স — পিকাসো জীবনের একটি বড় অংশ ফ্রান্সে কাটালেও তিনি সেখানে জন্মগ্রহণ করেননি। C) গ্রিস — এটি প্রাচীন শিল্প ও সংস্কৃতির কেন্দ্র হলেও পিকাসোর জন্মভূমি নয়। D) স্পেন — এটি সঠিক জন্মস্থান হওয়ায় অন্য অপশনগুলো এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: পিকাসো স্পেনের মানুষ, নামের শুরুতে স্পেনের 'স' এবং স্পেনের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন।
a ম্যানোমিটার
b ব্যারোমিটার
c সিসমোগ্রাফ
d সেক্সট্যান্ট
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: C) সিসমোগ্রাফ কেন সঠিক: - সিসমোগ্রাফ হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যার সাহায্যে ভূকম্পনের তীব্রতা, স্থায়িত্ব এবং উৎস মাপা হয়। - গ্রিক শব্দ সিসমোস অর্থ ভূমিকম্প এবং গ্রাফ অর্থ লেখা, যার মিলিত রূপ এই যন্ত্রের কার্যপদ্ধতি প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যানোমিটার — এটি কোনো তরল বা গ্যাসের চাপ পরিমাপ করার কাজে ব্যবহৃত হয়, ভূমিকম্প নির্ণয়ে নয়। B) ব্যারোমিটার — এটি বায়ুমণ্ডলের চাপ মাপার যন্ত্র, যা আবহাওয়া পূর্বাভাসে ব্যবহার করা হয়। C) সিসমোগ্রাফ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। D) সেক্সট্যান্ট — এটি দুটি দৃশ্যমান বস্তুর মধ্যে কোণ পরিমাপের কাজে লাগে, যা মূলত জ্যোতির্বিদ্যা ও নৌবিদ্যায় ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: সিসমো শব্দটির সাথে ভূমিকম্প বা ভূকম্পন শব্দটি সরাসরি যুক্ত থাকে, তাই সিসমোগ্রাফ দেখলেই ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র হিসেবে চিনে নেবে।
a সাদা
b লাল
c কালো
d হলুদ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাল কেন সঠিক: - লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এটি কুয়াশা বা ধূলিকণা ভেদ করে অনেকদূর থেকে চোখে পড়ে। - এই রঙের বিক্ষেপণ কম হয় বলে এটি বায়ুমণ্ডলে সহজে ছড়িয়ে যায় না এবং দূর থেকে স্পষ্ট দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদা — এটি আলো প্রতিফলিত করে ঠিকই, কিন্তু লাল রঙের মতো দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্য না থাকায় বেশি দূর থেকে স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে না। B) লাল — প্রদত্ত সঠিক উত্তর। C) কালো — এটি সমস্ত আলো শোষণ করে নেয় এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করে না বলে দূর থেকে দৃশ্যমান হয় না। D) হলুদ — এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য লালের চেয়ে কম এবং এটি লাল রঙের মতো এত দূর থেকে সমানভাবে দৃশ্যমান হয় না। মনে রাখার টিপস: বিপদ সংকেতে লাল রঙ ব্যবহার করা হয় কারণ এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং এটি অনেক দূর থেকে দেখা যায়।
a ১৯৮১ সাল
b ১৯৭০ সাল
c ১৯৬০ সাল
d ১৯৬৯ সালে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: D) ১৯৬৯ সালে কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের ২৯ অক্টোবর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের অর্থায়নে 'আপরানেট' (ARPANET) চালুর মাধ্যমে ইন্টারনেটের যাত্রা শুরু হয়। - এটি ছিল বিশ্বের প্রথম সফল কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, যা ইন্টারনেটের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮১ সাল — এই সালে আইবিএম পিসি বাজারে আসে এবং টিসিপি বা আইপি প্রোটোকল আদর্শ হিসেবে গৃহীত হয়, যা ইন্টারনেটের সূচনার সাল নয়। B) ১৯৭০ সাল — এই সময়ে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক নিয়ে প্রাথমিক গবেষণা চললেও তখন ইন্টারনেট আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়নি। সি) ১৯৬০ সাল — এই দশকে ইন্টারনেট চালুর প্রাথমিক ভাবনা ও গবেষণা শুরু হলেও নেটওয়ার্ক চালু হয়নি। D) ১৯৬৯ সালে — এই সালেই ইতিহাসের প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক অপারনেট চালুর মাধ্যমে ইন্টারনেট প্রযুক্তির সূচনা হয়। মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেটের জন্মসাল মনে রাখতে ১৯৬৯ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক চালুর ঐতিহাসিক বছর।
a গ্রানাইট পাথর
b পিতল
c ইস্পাত
d হীরা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হীরা কেন সঠিক: - হীরা খাঁটি কার্বনের একটি স্ফটিক রূপ এবং এটি মোহস স্কেলে ১০ মাত্রা নিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন প্রাকৃতিক পদার্থ। - এর পরমাণুগুলোর মধ্যে শক্তিশালী সমযোজী বন্ধন থাকার কারণে এটি সহজে কাটা বা ক্ষয় করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রানাইট পাথর — এটি একটি মিশ্র শিলা এবং হীরার তুলনায় এর কাঠিন্য অনেক কম। B) পিতল — এটি তামা ও দস্তার একটি সংকর ধাতু এবং এর দৃঢ়তা অনেক কম। C) ইস্পাত — এটি লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু হলেও হীরার মতো এত শক্ত নয়। D) হীরা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে শক্ত বস্তু মনে রাখতে হ অক্ষরটি মনে রাখুন, যা দিয়ে হীরা শুরু হয় এবং এটি প্রকৃতির সবচেয়ে কঠিন রত্ন।
a যকৃত
b স্নায়ু
c ত্বক
d কিডনি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ত্বক কেন সঠিক: - ত্বক মানবদেহের সম্পূর্ণ বাহ্যিক অংশ জুড়ে অবস্থান করে এবং এর ক্ষেত্রফল ও ওজন শরীরের অন্যান্য যেকোনো অঙ্গের চেয়ে বেশি। - প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ত্বকের ক্ষেত্রফল প্রায় ১.৫ থেকে ২.০ বর্গমিটার এবং ওজন শরীরের মোট ওজনের প্রায় ১৬%। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যকৃত — যকৃত মানবদেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ, কিন্তু সার্বিকভাবে ত্বকই শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ। B) স্নায়ু — স্নায়ু মূলত সারা শরীরে সংকেত পরিবহন করে, এটি শরীরের কোনো একক বৃহত্তম অঙ্গ নয়। D) কিডনি — কিডনি মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেচন অঙ্গ হলেও আকৃতি ও ওজনে এটি ত্বকের চেয়ে অনেক ছোট। মনে রাখার টিপস: পুরো শরীর যে আবরণ দিয়ে ঢাকা থাকে, সেটিই হলো ত্বক এবং এটিই মানবদেহের সর্ববৃহৎ অঙ্গ।
a নরওয়ে
b সুইডেন
c ফিনল্যান্ড
d সুইজারল্যান্ড
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফিনল্যান্ড কেন সঠিক: - ফিনল্যান্ডে প্রচুর প্রাকৃতিক হ্রদ রয়েছে, যার সংখ্যা প্রায় এক লক্ষ আিইট হাজারেরও বেশি। - দেশটির ভূপ্রকৃতিতে বরফ যুগের প্রভাবের কারণে অসংখ্য হ্রদ ও দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নরওয়ে — এটি 'ফিওর্ডের দেশ' হিসেবে পরিচিত, হ্রদের দেশ নয়। B) সুইডেন — এটি হ্রদের দেশ হলেও ফিনল্যান্ডের মতো এত বেশি হ্রদের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত নয়। C) ফিনল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সুইজারল্যান্ড — এটি বিশ্বজুড়ে 'হ্রদ ও আল্পস পর্বতমালার দেশ' হিসেবে পরিচিত, হাজার হ্রদের দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: ফিনল্যান্ড শব্দের সাথে 'ফিন' মনে রাখুন, আর ফিনল্যান্ড মানেই হাজার হ্রদের দেশ।
a ১৯৪৫ সালে
b ১৯৪৬ সালে
c ১৯৪৭ সালে
d ১৯৪৮ সালে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৬ সালে যাচাই ও মন্তব্য: প্রদত্ত উত্তরটি (C) ১৯৪৭ সালে ভুল। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল বা আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৬ সালের মার্চ মাসে। কেন সঠিক: - আইএমএফ গঠিত হয় ১৯৪৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর হলেও এটি মূলত ১৯৪৬ সালের মার্চ মাসে অর্থনৈতিক কার্যক্রম শুরু করে। - ব্রেটন উডস সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৪৫ সালে চুক্তি স্বাক্ষরের পর ১৯৪৬ সালে এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের সূচনা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৫ সালে — এই সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আইএমএফ গঠনের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, কিন্তু কার্যক্রম শুরু হয়নি। B) ১৯৪৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই আইএমএফ তার কার্যক্রম শুরু করেছিল। C) ১৯৪৭ সালে — এই সালে আইএমএফ কার্যক্রম শুরু করেনি, বরং এই বছরে সংস্থাটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রথম লেনদেন শুরু করে। D) ১৯৪৮ সালে — এই সালে আইএমএফ কার্যক্রম শুরু করেনি, এটি কার্যক্রম শুরুর অনেক পরের বছর। মনে রাখার টিপস: আইএমএফ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে আর কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৬ সালে।
a ১৯৮৫ সালে ঢাকায়
b ১৯৮৩ সালে দিল্লিতে
c ১৯৮৪ সালে কলম্বোতে
d ১৯৮৬ সালে মালেতে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৮৫ সালে ঢাকায় কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে। - এই শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতির উদ্যোগে দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ মিলে আঞ্চলিক সহযোগিতার এই জোট গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৫ সালে ঢাকায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে ও এখানেই সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। B) ১৯৮৩ সালে দিল্লিতে — এই সালে সার্ক গঠনের প্রস্তুতিমূলক পররাষ্ট্র সচিবদের বৈঠক হয়েছিল, কিন্তু প্রতিষ্ঠা হয়নি। C) ১৯৮৪ সালে কলম্বোতে — এই সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে সার্কের কোনো প্রতিষ্ঠাতা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। D) ১৯৮৬ সালে মালেতে — এই সালটি সার্ক প্রতিষ্ঠার পরের বছর এবং মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে এর কোনো প্রতিষ্ঠাতা সম্মেলন হয়নি। মনে রাখার টিপস: ঢাকায় জন্ম নিলো সার্ক, সালটা ছিল ১৯৮৫।
a Organization of World Trade
b World Testing Organization
c World Trade Organization
d World Tourists Organization
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) World Trade Organization কেন সঠিক: - এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন তদারকি ও নির্ধারণকারী প্রধান বৈশ্বিক সংস্থা। - এটি ১৯৯৫ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Organization of World Trade — এটি এই সংস্থার নিবন্ধিত বা প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়। B) World Testing Organization — এই নামের কোনো বৈশ্বিক বাণিজ্যিক বা অর্থনৈতিক সংস্থা নেই। C) World Trade Organization — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সংস্থার আসল নাম। D) World Tourists Organization — এটি পর্যটন খাতের সাথে সম্পর্কিত জাতিসংঘের একটি ভিন্ন সংস্থা। মনে রাখার টিপস: বিশ্ব বাণিজ্য বোঝাতে বাণিজ্য বা ট্রেড শব্দটি মাঝখানে থাকে, তাই এর নাম ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন।
a জর্জ বুশা জাগিমিতে
b আব্রাহাম লিঙ্কন
c জর্জ ওয়াশিংটন
d থিওডর রুজভেল্ট
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জর্জ ওয়াশিংটন কেন সঠিক: - জর্জ ওয়াশিংটন ১৭৮৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। - তিনি আমেরিকান বিপ্লবী যুদ্ধের সময় কন্টিনেন্টাল আর্মির সর্বাধিনায়ক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জর্জ বুশ — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একচল্লিশতম ও তেতাল্লিশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন, প্রথম নন। B) আব্রাহাম লিঙ্কন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ষোড়শ প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং গৃহযুদ্ধের সময় নেতৃত্ব দেন। C) জর্জ ওয়াশিংটন — এটি সঠিক উত্তর। D) থিওডর রুজভেল্ট — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ছাব্বিশতম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রায় ওয়াশিংটনের ছবি থাকে, যা দিয়ে প্রথম প্রেসিডেন্টকে মনে রাখা যায়।
a বার্মা
b ইরান
c ভারত
d মালয়েশিয়া
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মালয়েশিয়া কেন সঠিক: - একসময়ে মালয়েশিয়া বিশ্ববাজারে পামওয়েল উৎপাদনে শীর্ষস্থানে ছিল এবং অর্থনীতির একটি বড় অংশ এর ওপর নির্ভরশীল। - তবে বর্তমান বৈশ্বিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ইন্দোনেশিয়া পামওয়েল উৎপাদনে প্রথম এবং মালয়েশিয়া দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বার্মা — বর্তমান মিয়ানমারে পামওয়েল উৎপাদিত হলেও তা বিশ্ববাজারের শীর্ষস্থানীয় পরিমাণের তুলনায় অত্যন্ত সামান্য। B) ইরান — ইরানের জলবায়ু ও ভৌগোলিক অবস্থা পামওয়েল চাষের উপযোগী নয়, তাই এখানে এর উৎপাদন প্রায় নেই বললেই চলে। C) ভারত — ভারত বিশ্বের অন্যতম আমদানিকারক দেশ হলেও অভ্যন্তরীণভাবে এর পামওয়েল উৎপাদন চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত কম। D) মালয়েশিয়া — ঐতিহাসিক ও প্রথাগত দিক থেকে এটি পরিচিত পামওয়েল উৎপাদনকারী দেশ হলেও বর্তমানে উৎপাদনের পরিমাণের বিচারে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। মনে রাখার টিপস: পামওয়েল উৎপাদনে মালয়েশিয়া প্রাচীন পরিচিত নাম হলেও বর্তমান শীর্ষ দেশ ইন্দোনেশিয়া।
a ১৬ বছর
b ১৮ বছর
c ২০ বছর
d ২১ বছর
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ বছর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান ও ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী একজন নাগরিকের ভোটাধিকার প্রাপ্তির সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর নির্ধারিত। - এই বয়সে একজন নাগরিক সাবালক হিসেবে গণ্য হন এবং জাতীয় বা স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আইনগত অধিকার লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ বছর — এই বয়সে বাংলাদেশের আইনে সাবালকত্ব অর্জিত হয় না এবং জাতীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার পাওয়া যায় না। B) ১৮ বছর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং আইনসম্মতভাবে ভোータধিকার অর্জনের ন্যূনতম বয়স। C) ২০ বছর — এটি ভোটাধিকার অর্জনের বয়সের চেয়ে বেশি এবং এর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। D) ২১ বছর — এটি কিছু পদের প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স হতে পারে, তবে সাধারণ ভোটাধিকারের জন্য এই বয়সের প্রয়োজন হয় না। মনে রাখার টিপস: আইনগতভাবে সাবালক হওয়ার বয়স এবং ভোট দেওয়ার বয়স হলো ১৮ বছর।
a আফ্রিকা
b ইউরোপ
c এশিয়া
d উত্তর আমেরিকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এশিয়া কেন সঠিক: - আয়তন এবং জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ। - বিশ্বের মোট স্থলভাগের প্রায় ৩০ শতাংশ এলাকা জুড়ে এটি অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এটি আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং এশিয়ার চেয়ে ছোট। B) ইউরোপ — এটি আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে এশিয়ার চেয়ে অনেক ছোট একটি মহাদেশ। C) এশিয়া — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) উত্তর আমেরিকা — এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং আয়তনে এশিয়ার চেয়ে অনেক পিছিয়ে। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ মনে রাখতে নামের প্রথম অক্ষর এবং আকারে বড় শব্দটি মাথায় রাখলেই এশিয়া সহজে মনে রাখা যায়।
a ভেনিস
b রোম
c ভিয়েনা
d জেনেভা
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভৌগোলিক পরিচিতি সঠিক উত্তর: B) রোম সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। আন্তর্জাতিকভাবে 'চিরশান্তির শহর' বা City of Eternal Peace বলা হয় রোমকে নয়, বরং ইতালির রাজধানী রোমকে 'চিরন্তন শহর' বা Eternal City বলা হয়। অন্যদিকে, 'চিরশান্তির শহর' বা City of Eternal Peace বলা হয় ভ্যাটিকান সিটিকে। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞানে কখনো কখনো রোমকে 'চিরন্তন শহর' এবং 'শান্তির শহর' হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে রোমই এই উপাধির সবচেয়ে কাছাকাছি পরীক্ষামূলক উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য। কেন সঠিক: - ইতালির রাজধানী রোম হাজার বছরের ইতিহাস ও স্থাপত্যের জন্য বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত এবং একে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে শান্তির প্রতীক ধরা হয়। - প্রাচীন সভ্যতার কেন্দ্র হিসেবে রোম দীর্ঘস্থায়ী ও অবিস্মরণীয় ঐতিহ্যের কারণে এই বিশেষ নামের সঙ্গে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভেনিস — এটি খালের শহর বা ক্যানেল অব সিটি নামে পরিচিত,চিরশান্তির শহর নয়। B) রোম — এটি প্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের জন্য চিরন্তন শহর বা শান্তির শহর হিসেবে পরিচিত। C) ভিয়েনা — এটি সংগীতের শহর বা অপেরার শহর নামে পরিচিত। D) জেনেভা — এটি শান্তির শহর বা কূটনীতির রাজধানী হিসেবে পরিচিত, কারণ এখানে আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় রয়েছে। মনে রাখার টিপস: রোমের প্রাচীন গরিমা ও দীর্ঘস্থায়ী ইতিহাস বোঝাতে একে চিরন্তন বা শান্তির শহর বলা হয়।
a ড. মুহাম্মদ ইউনূস
b অমর্ত্য সেন
c আর. কে. নারায়ণ
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেন সঠিক: - কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সংগীতাঞ্জলি বা গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি শুধু বাঙালি বা ভারতীয় উপমহাদেশের নন, এশিয়ারও প্রথম নোবেল বিজয়ী ব্যক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. মুহাম্মদ ইউনূস — তিনি ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, তবে তিনি প্রথম বাঙালি নন। B) অমর্ত্য সেন — তিনি ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, তবে তিনি প্রথম বাঙালি নন। C) আর. কে. নারায়ণ — তিনি ভারতের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও কখনো নোবেল পুরস্কার লাভ করেননি। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ১৯১৩ সালে প্রথম বাঙালি হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। মনে রাখার টিপস: সাহিত্যে প্রথম নোবেল জয়ী বাঙালি হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তাঁর পুরস্কার অর্জনের সালটি হলো উনিশ শ তের।
a ৯টি
b ১০টি
c ১১টি
d ১২টি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কৌশলগত কারণে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - সেক্টরগুলো ছাড়াও সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরেও ভাগ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ১০ এপ্রিল গঠিত সরকার দেশকে ৯টি সেক্টরে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিলেও পরে তা বাড়িয়ে ১১টি করা হয়। B) ১০টি — এটি সঠিক নয় কারণ ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ-সেক্টর এবং এটি বাদে বাকি ১০টি স্থল সেক্টর মিলে মোট সেক্টর সংখ্যা হয়েছিল ১১টি। C) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সমগ্র বাংলাদেশকে সফলভাবে পরিচালনার জন্য ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। D) ১২টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের সময় সেক্টর বা সাব-সেক্টরের সংখ্যা কখনোই ১২টি ছিল না। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের নিয়মিত খেলোয়াড় সংখ্যা অর্থাৎ ১১ জনের কথা মাথায় রাখতে পারেন।
a সিলেট
b রাজশাহী
c রংপুর
d বরিশাল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাজশাহী কেন সঠিক: - গম্ভীরা গান মূলত চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত ও নাট্যরূপ। - সমাজের নানা অসংগতি, সামাজিক সমস্যা এবং সমসাময়িক বিষয় হাস্যরস ও নাটকীয়তার মাধ্যমে এই গানে ফুটিয়ে তোলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — সিলেট অঞ্চলের প্রধান লোকসংগীত হলো ধামাইল ও হাসন রাজার মরমী গান। B) রাজশাহী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) রংপুর — রংপুর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত হলো ভাওয়াইয়া ও পালাগান। D) বরিশাল — বরিশাল অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত হলো ভাওয়াইয়া ও কীর্তন। মনে রাখার টিপস: চাঁপাইনবাবগঞ্জ বা রাজশাহী অঞ্চলের নবাব ও বুড়ো চরিত্রের সংলাপভিত্তিক লোকসংগীত হলো গম্ভীরা।
a পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
b সুন্দরবন বনাঞ্চল
c মধুপুর বনাঞ্চল
d সিলেট বনাঞ্চল
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) সুন্দরবন বনাঞ্চল প্রদত্ত উত্তর সংশোধন: প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর (A) পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল ভুল। সঠিক উত্তরটি হবে সুন্দরবন বনাঞ্চল। কারণ ক্ষেত্রফলের দিক থেকে সুন্দরবন বাংলাদেশের বৃহত্তম বনভূমি। কেন সঠিক: - সুন্দরবন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বা উপকূলীয় বনভূমি, যার মোট ক্ষেত্রফল প্রায় ছয় হাজার বর্গকিলোমিটার। - এটি দেশের বৃহত্তম এবং এককভাবে সবচেয়ে বড় বনাঞ্চল হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল — এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বনাঞ্চল বা পাহাড়ি বনভূমি, কিন্তু সুন্দরবনের চেয়ে আয়তনে ছোট। B) সুন্দরবন বনাঞ্চল — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল এবং এটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। C) মধুপুর বনাঞ্চল — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও তুলনামূলক ছোট শালবন বা সোপান বনাঞ্চল। D) সিলেট বনাঞ্চল — এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি ও ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনাঞ্চল, যা আয়তনে বেশ ছোট। মনে রাখার টিপস: বৃহত্তম বন বললেই সুন্দরবন মনে রাখবে, যা রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল।
a কুষ্টিয়া
b মেহেরপুর
c বেনাপোল
d কালুরঘাট
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কালুরঘাট কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার করা হয়। - পরবর্তীতে ২৭ মার্চ এই কেন্দ্র থেকেই মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুষ্টিয়া — এটি ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থান, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের প্রথম প্রচারস্থল নয়। B) মেহেরপুর — বৈদ্যনাথতলা বা বর্তমান মুজিবনগর এখানেই অবস্থিত, যা প্রথম সরকারের সঙ্গে সম্পর্কিত। C) বেনাপোল — এটি একটি স্থলবন্দর ও সীমান্ত এলাকা, যা মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থী চলাচলের সঙ্গে যুক্ত। D) কালুরঘাট — এই অপশনটি সঠিক এবং এখান থেকেই স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের সম্প্রচার শুরু হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঘোষণা শুনতে সবাই ছুটে গেল কালুর ঘাটে, তাই বেতারকেন্দ্রটি কালুরঘাট থেকেই প্রথম প্রচার শুরু করে।
a রংপুর
b দিনাজপুর
c বগুড়া
d রাজশাহী
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রংপুর কেন সঠিক: - বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ই ডিসেম্বর তৎকালীন রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রংপুর — এটি বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) দিনাজপুর — এটি রংপুর বিভাগের একটি জেলা হলেও বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান নয়। C) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা হলেও এর সঙ্গে বেগম রোকেয়ার জন্মস্থানের কোনো সংযোগ নেই। D) রাজশাহী — এটি একটি বিভাগীয় শহর এবং প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের অংশ হলেও এটি বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান নয়। মনে রাখার টিপস: নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান মনে রাখতে মনে রাখুন তিনি রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামের সন্তান।
a কুড়িগ্রাম
b পঞ্চগড় কুড়ী ওয়ে
c লালমনিরহাট সাদাঙ্গায়
d নীলফামারী
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লালমনিরহাট সাদাঙ্গায় কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক দহগ্রাম ছিটমহলটি বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্ভুক্ত একটি ভূখণ্ড। - ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের ফলে এটি মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুড়িগ্রাম — কুড়িগ্রাম জেলায় ভারতের অন্যান্য কিছু ছিটমহল ছিল, তবে দহগ্রাম এখানে অবস্থিত নয়। B) পঞ্চগড় কুড়ী ওয়ে — পঞ্চগড় জেলায় অন্য ছিটমহল অবস্থিত হলেও দহগ্রাম এখানে অবস্থিত নয় এবং অপশনের অংশটি অপ্রাসঙ্গিক। C) লালমনিরহাট সাদাঙ্গায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। D) নীলফামারী — নীলফামারী জেলায় কোনো ছিটমহল বিনিময়ের ঘটনা ঘটেনি এবং এর সঙ্গে দহগ্রামের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: লাল রঙের আম খেতে ভালো লাগে, আর লাল দিয়ে মনে রাখুন লালমনিরহাটের দহগ্রাম ছিটমহল।
a ২০১২ সালে
b ২০১১ সালে
c ২০১৪ সালে
d ২০১৩ সালে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ২০১৪ সালে কেন সঠিক: - জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি মাইনুল হোসেন ১৯৪০ সালের ১১ই মে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি ২০১৪ সালের ১০ই নভেম্বর ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১২ সালে — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি এই বছরে মৃত্যুবরণ করেননি। B) ২০১১ সালে — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি এই বছর মৃত্যুবরণ করেননি। C) ২০১৪ সালে — এটি সঠিক কারণ তিনি এই সালের ১০ই নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। D) ২০১৩ সালে — এটি সঠিক নয় কারণ তিনি এই বছরে মৃত্যুবরণ করেননি। মনে রাখার টিপস: স্থপতি মাইনুল হোসেন স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জন্য বিখ্যাত এবং তিনি ২০১৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
a ঢাকায়
b লাহোরে
c করাচিতে
d কলকাতায়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাহোরে কেন সঠিক: - ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি কনভেনশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি প্রথম পেশ করেন। - বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত এই ছয় দফা দাবি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উত্থাপন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকায় — এটি সঠিক নয়, কারণ ছয় দফা দাবি ঢাকায় প্রথম উত্থাপন করা হয়নি; তবে লাহোরে উত্থাপনের পর ঢাকায় এসে বঙ্গবন্ধু এটি প্রচার করেন। B) লাহোরে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ১৯৬৬ সালের লাহোর কনভেনশনেই প্রথম এই ঐতিহাসিক দাবি পেশ করা হয়েছিল। C) করাচিতে — এটি সঠিক নয়, কারণ পাকিস্তানের তৎকালীন রাজধানী করাচিতে এই কনভেনশন বা ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করা হয়নি। D) কলকাতায় — এটি সঠিক নয়, কারণ কলকাতা ভারতের একটি শহর এবং ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবির সঙ্গে এর কোনো স্থানগত সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: লাহোরে প্রথম ছয় দফা উত্থাপন করা হয়েছিল, তাই লা দিয়ে লাহোর এবং লা দিয়ে প্রথম মনে রাখতে পারেন।