বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

১৬ তম বিসিএস (শিক্ষা) প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ১৯৯৪

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a অস্থায়ী
b ক্ষণিক
c ক্ষণস্থায়ী
d নশ্বর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নশ্বর ১. কেন সঠিক: - 'নশ্বর' শব্দটির অর্থ হলো যার বিনাশ আছে বা যা চিরস্থায়ী নয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে জীবন, জগত বা শরীরের অনিত্যতা বোঝাতে 'যা চিরস্থায়ী নয়' এর পরিবর্তে 'নশ্বর' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। কোনো দীর্ঘ ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে, যা ভাষার সৌন্দর্য ও মাধর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী নশ্বর। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'নশ্বর' শব্দটি দিয়ে পৃথিবীর অনিত্য বা চিরস্থায়ী না হওয়ার প্রকৃতি বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের জীবন নশ্বর। ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের জীবন যে একদিন ধ্বংসশীল বা অবলুপ্ত হবে, তা 'নশ্বর' শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্থায়ী — অস্থায়ী বলতে এমন কিছুকে বোঝায় যা স্থায়ী নয় বা কিছু সময়ের জন্য টিকে থাকে, তবে এটি মৃত্যুর অবধারিত পরিণতি বা অমরত্বের বিপরীত হিসেবে 'নশ্বর'-এর মতো গভীর অর্থ বহন করে না। B) ক্ষণিক — ক্ষণিক শব্দটি খুব অল্প সময় স্থায়ী হয় এমন কোনো ঘটনা বা অনুভূতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা চিরস্থায়ী না হওয়ার একটি রূপ হলেও মানুষের জীবন বা বস্তুর অবিনাশী বা নশ্বর প্রকৃতির ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। C) ক্ষণস্থায়ী — ক্ষণস্থায়ী অর্থ যা ক্ষণকাল বা অল্পকাল স্থায়ী হয়, এটি মূলত সময়কালের স্বল্পতা নির্দেশ করে, যা 'নশ্বর' শব্দের গভীর দার্শনিক ও সার্বিক ধ্বংসশীলতার সমার্থক নয়। D) নশ্বর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি মৃত্যুর অধীন বা ধ্বংসশীল সত্তাকে নির্দেশ করে, যা 'যা চিরস্থায়ী নয়' এর সবচেয়ে উপযুক্ত এককথায় প্রকাশ। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিনাশ বা মৃত্যুশীল বোঝাতে 'নশ্বর' শব্দ ব্যবহার করা হয় এবং দীর্ঘস্থায়ী না হওয়া বোঝাতে 'অস্থায়ী' বা 'ক্ষণস্থায়ী' ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রায় সমার্থক শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে, যেমন ক্ষণস্থায়ী মানে সময়ের স্বল্পতা এবং নশ্বর মানে ধ্বংসশীলতা।
a ইংরেজরা
b ফরাসিরা
c ওলন্দাজরা
d পর্তুগীজরা
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগীজরা ১. কেন সঠিক: - বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে পর্তুগীজরা সবার আগে আগমন করেছিল। - ১৪৯৮ সালে ভাস্কো দা গামা সমুদ্রপথ আবিষ্কার করার পর তারা বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে বাংলায় আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষা, ইতিহাস ও সংস্কৃতির ওপর প্রভাব ফেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সাধারণ জ্ঞান। - ইউরোপীয়দের মধ্যে সবার আগে পর্তুগীজরা বাংলায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং পরে অন্যান্য জাতি আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পর্তুগীজ কবি ও পর্যটক ব্যাখ্যা: পর্তুগীজরা আসার পর তাদের অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় মিশে গেছে যেমন আনারস, চাবি। উদাহরণ ২: পর্তুগীজ বাণিজ্য কেন্দ্র ব্যাখ্যা: তারা প্রথমে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও হুগলীতে নিজেদের বাণিজ্য কেন্দ্র গড়ে তুলেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজরা — ইংরেজরা পর্তুগীজ ও ওলন্দাজদের অনেক পরে বাংলায় এসে বাণিজ্য শুরু করে এবং রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করে। B) ফরাসিরা — ফরাসিরা ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বেশ পরে আসে এবং চন্দননগরে তাদের প্রধান ঘাঁটি স্থাপন করে। C) ওলন্দাজরা — ওলন্দাজ বা ডাচরা পর্তুগীজদের পরে বাংলায় ব্যবসা করতে আসে এবং চুঁচুড়ায় কুঠি স্থাপন করে। D) পর্তুগীজরা — এটি সঠিক কারণ তারাই প্রথম বাংলায় বাণিজ্য করতে আগমন করেছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলায় আসার ক্ষেত্রে মনে রাখতে পারো প-তে প্রথম এবং প-তে পর্তুগীজ। - ইউরোপীয়দের আগমন ক্রমানুসারে মনে রাখার জন্য এই তথ্যটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খুব কাজে লাগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পর্তুগীজরাই প্রথম বাংলায় এসে আসার পর অনেক পর্তুগীজ শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করে। - এই ধরনের ঐতিহাসিক সাধারণ জ্ঞান BCS এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a নেতিবাচক
b বিয়োগান্তক
c নঞর্থক
d অজানা
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নঞর্থক ১. কেন সঠিক: - 'অচিন' শব্দটিতে 'অ' উপসর্গটি বিশেষ বা বিশেষণের পূর্বে যুক্ত হয়ে কোনো কিছুর অভাব বা না-বোধক অর্থ প্রকাশ করেছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে 'অ' উপসর্গটি মূলত তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ হিসেবে বিভিন্ন শব্দে ভিন্ন ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেইসব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটায়। - 'অ' উপসর্গটি সাধারণত অভাব, ক্ষুদ্র, ঈষৎ, মন্দ ও নঞর্থক অর্থে শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপার্থিব ব্যাখ্যা: এখানে 'অ' উপসর্গটি পার্থিব শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে পার্থিব নয় বা অলৌকিক এমন নঞর্থক অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: অবিচল ব্যাখ্যা: এখানে 'অ' উপসর্গটি বিচল শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে যার কোনো নড়চড় হয় না বা স্থির এমন ভাব প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেতিবাচক — যদিও 'অ' না-বোধক ভাব আনে, তবে ব্যাকরণগত পরিভাষায় উপসর্গযুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে এটিকে সুনির্দিষ্টভাবে নঞর্থক বলা হয়। B) বিয়োগান্তক — বিয়োগান্তক শব্দটি সাধারণত নাটক বা গল্পের ট্র্যাজেডি বা দুঃখজনক সমাপ্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যার সঙ্গে উপসাগরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) অজানা — এটি 'অচিন' শব্দের সমার্থক একটি শব্দ, কিন্তু প্রশ্ন চেয়েছে 'অ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, শব্দের অর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের শুরুতে 'অ' উপসর্গ যুক্ত হয়ে যদি না বোধক বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তবে তা নঞর্থক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে বলে গণ্য করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রাক-সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a উৎকর্ষতা
b উৎকর্ষ
c উৎকৃষ্ট
d উৎকৃষ্টতা
0 167 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উৎকৃষ্ট ১. কেন সঠিক: উৎকর্ষ শব্দের সাথে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে উৎকৃষ্ট বিশেষণ পদ গঠিত হয়। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সাথে একই অর্থে একাধিক প্রত্যয় যুক্ত করে দ্বিরুক্তি বা বাহুল্য দোষ সৃষ্টি করা যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষ্য শব্দ উৎকর্ষ এর সাথে ত প্রত্যয় যুক্ত করে উৎকৃষ্ট শব্দটি গঠিত হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ। উৎকর্ষ শব্দের সাথে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করা ভুল কারণ উৎকর্ষ নিজেই একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহৎ + য = মহত্ত্ব ব্যাখ্যা: মহৎ শব্দের সাথে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য মহত্ত্ব গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সুন্দর + তা = সুন্দরতা ব্যাখ্যা: বিশেষ্য গঠনে সুন্দর শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উৎকর্ষতা — উৎকর্ষ শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করা বাহুল্য দোষযুক্ত এবং এটি একটি অশুষ্ক শব্দ। B) উৎকর্ষ — এটি বিশেষ্য পদ কিন্তু প্রশ্নের চাহিদা অনুযায়ী প্রত্যয়গতভাবে শুদ্ধ বিশেষণ পদটি হলো উৎকৃষ্ট। D) উৎকৃষ্টতা — উৎকৃষ্ট শব্দের সাথে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করায় এটি একটি দ্বিরুক্তিমূলক ভুল শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: উৎকর্ষ শব্দের সাথে শুধু উৎকর্ষ হয় কিন্তু এর বিশেষণ রূপ লেখার সময় ত প্রত্যয়যুক্ত উৎকৃষ্ট লিখতে হবে। অতিরিক্ত তা বা তা প্রত্যয় একসাথে ব্যবহার না করার নিয়মটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে বাহুল্য দোষযুক্ত শব্দ যেমন উৎকর্ষতা বা স্বত্বাধিকারী প্রায়ই প্রতিযোগিতায় পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। শব্দ গঠনের সময় প্রত্যয়ের সঠিক প্রয়োগ ও অতিরিক্ত প্রত্যয় ব্যবহারের নিয়ম ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c মীর মশাররফ হোসেন
d শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের প্রথম পরিচ্ছেদের অংশ। - গভীর রাতে সমুদ্রের ধারে পথ হারানো নবকুমারকে উদ্দেশ করে কাপালিক এই প্রশ্নটি করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। - কপালকুণ্ডলা প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে, যা তাঁর দ্বিতীয় রোমান্টিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষমতা না থাকিলেও আমি রাজা, তুমি মন্ত্রী। ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাসের একটি বিখ্যাত চরিত্র সংলাপ। উদাহরণ ২: কমলাকান্তের দপ্তর। ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসংস্কারমূলক প্রবন্ধগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও এই বিখ্যাত উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তাঁর কপালকুণ্ডলা উপন্যাস থেকে উদ্ধৃত। C) মীর মশাররাত হোসেন — তিনি বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, তবে এই নির্দিষ্ট সাহিত্যিক উদ্ধৃতির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন নিয়ে উপন্যাস লিখলেও এই রোমান্টিক ও রহস্যময় উপন্যাসের সংলাপটি তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের মূল চরিত্র নবকুমার ও কাপালিক, যেখানে পথ হারানোর বিখ্যাত সংলাপটি জড়িত। - বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী এবং দ্বিতীয় উপন্যাস কপালকুণ্ডলা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের বিখ্যাত সংলাপ ও চরিত্র প্রায়ই আসে। - কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো নবকুমার ও কপালকুণ্ডলা।
a মেঘনাদবধ কাব্য
b দুর্গেশনন্দিনী
c নীলদর্পণ
d অগ্নিবীণা
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নীলদর্পণ ১. কেন সঠিক: - দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক নীলদর্পণ বাংলা সাহিত্যের প্রথম গ্রন্থ যা ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। - ১৮৬০ সালে নাটকটি প্রকাশের পর এটি তৎকালীন বাংলার নীলকর সাহেবদের ভয়াবহ অত্যাচার ও নিপীড়নের ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে ব্যাপক খ্যাতি লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র ১৮৩০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি মূলত নীলকরদের বিরুদ্ধে সাধারণ কৃষকদের সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরেন। - এই নাটকটি প্রকাশের পর রেভারেন্ড জেমস লং এটিকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন, যার ফলে ব্রিটিশ সরকার তাকে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা প্রকাশ ব্যাখ্যা: ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র বা সাময়িকী, যা ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: হুতোম প্যাঁচার নকশা ব্যাখ্যা: কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত এটি কলকাতার সমাজচিত্রভিত্তিক একটি জনপ্রিয় গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনাদবধ কাব্য — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য এবং এটি কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। B) দুর্গেশনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সার্থক উপন্যাস এবং এটিও কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। D) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এটি কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - নীলদর্পণ নাটকটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বই, এটি মনে রাখতে ঢাকা এবং নীলদর্পণ শব্দ দুটি একসাথে মাথায় রাখবে। - বাংলার নীল বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত প্রধান সাহিত্যকর্ম হিসেবে এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ বা পত্রিকার নাম বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদের নাম দ্য ইনডিগো প্লান্টিং মিরর এবং এর ইংরেজি অনুবাদক ছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত, যদিও প্রচ্ছদে জেমস লং এর নাম প্রকাশিত হয়।
a অ্যামোনিয়া
b সুপার ফসফেট
c টিএসপি
d ইউরিয়া
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইউরিয়া ১. কেন সঠিক: - জিয়া সার কারখানায় প্রধান কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে বাণিজ্যিকভাবে ইউরিয়া সার উৎপাদন করা হয়। - ইউরিয়া এক প্রকার নাইট্রোজেনযুক্ত রাসায়নিক সার যা উদ্ভিদের পাতার বৃদ্ধি এবং আমিষ তৈরিতে সরাসরি সহায়তা করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি সাধারণ জ্ঞান এবং বাংলাদেশ বিষয়বলি অংশের শিল্প ও অর্থনীতি ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। - জিয়া সার কারখানা লিমিটেড বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যা সিলেক্টেড প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক শিল্প। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘোড়াশাল সার কারখানা ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত এবং ঐতিহ্যবাহী ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। উদাহরণ ২: যমুনা সার কারখানা ব্যাখ্যা: জামালপুর জেলায় অবস্থিত এই কারখানাতেও প্রধানত ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়ে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যামোনিয়া — এটি সার উৎপাদনের একটি প্রধান মধ্যবর্তী রাসায়নিক কাঁচামাল বা উপাদান, সরাসরি উৎপাদিত শেষ পণ্য ইউরিয়া নয়। B) সুপার ফসফেট — এটি ফসফরাসযুক্ত একটি ভিন্ন রাসায়নিক সার যার উৎপাদন প্রক্রিয়া ইউরিয়া থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। C) টিএসপি — এর পূর্ণরূপ ট্রিপল সুপার ফসফেট যা ফসফরাস সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি গ্যাসভিত্তিক সার নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জিয়া মানেই গ্যাস এবং গ্যাস মানেই ইউরিয়া সার। - বাংলাদেশের সরকারি সার কারখানাগুলোর প্রধান উৎপাদিত পণ্য ইউরিয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জিয়া সার কারখানা সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রধান ভারী শিল্প ও তার উৎপাদিত পণ্যের নাম প্রায়ই আসে।
a মরহুম আলতাফ মাহমুদ
b মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু
c ড. মনিরুজ্জামান
d মরহুম ড. আবু হেনা মোস্তাফা কামাল
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু ১. কেন সঠিক: - ‘সব কটি জানালা খুলে দাও না’ গানটির গীতিকার হলেন বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার নজরুল ইসলাম বাবু। - বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং দেশপ্রেমভিত্তিক গানের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আবেগঘন গান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গানটির সুরকার ও প্রথম কণ্ঠশিল্পী ছিলেন বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আলতাফ মাহমুদ। - গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত দেশীয় সংস্কৃতির অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’ ব্যাখ্যা: এটিও মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় দেশপ্রেমমূলক গান। উদাহরণ ২: ‘সব জয় করে নেবো আমরা’ ব্যাখ্যা: এই দেশীয় গানটির গীতিকারও হলেন প্রখ্যাত গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মরহুম আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির গীতিকার নন, বরং তিনি এই বিখ্যাত গানটির সুরকার ও প্রথম কণ্ঠশিল্পী ছিলেন। C) ড. মনিরুজ্জামান — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত অধ্যাপক ও গবেষক হলেও এই গানের গীতিকার নন। D) মরহুম ড. আবু হেনা মোস্তাফা কামাল — তিনি একজন বিখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই গানের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - গান গাওয়ার মানুষ বা সুরকার আলতাফ মাহমুদ, আর গান লেখার বা কথা তৈরির মানুষ নজরুল ইসলাম বাবু। - গীতিকার মনে রাখতে নজরুল নামের সঙ্গে গান লেখার বিষয়টি মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত গান, গীতিকার ও সুরকার থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - আলতাফ মাহমুদ এবং নজরুল ইসলাম বাবু উভয়ের অবদান বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগীতের ইতিহাসে অনন্য।
a বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c বীরজাসুন্দরী দেবী
d মুজাফফর আহমদ
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর বিখ্যাত ‘সঞ্চিতা’ কাব্যগ্রন্থটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন। - বাংলা সাহিত্য জগতে গুরু ও শিষ্যের এক অনন্য সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে নজরুল এই কাব্যটি রবীন্দ্রনাথের করকমলে সমর্পণ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘সঞ্চিতা’ হলো কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি নির্বাচিত সংকলন যা ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নজরুলের এই সম্মান সানন্দে গ্রহণ করেন এবং নজরুলকে উৎসর্গপত্র ও আশীর্বাদ পাঠিয়েছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ এবং বিপ্লবীদের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধার নিদর্শন। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সঞ্চয়িতা’ কাব্যগ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ তাঁর নিজের কবিতার সংকলনটি নজরুল ইসলামের প্রতি ভালোবেসে উৎসর্গ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারীন্দ্রকুমার ঘোষ — বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে নজরুল তাঁর ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থ উৎসর্গ করেছিলেন, ‘সঞ্চিতা’ নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নানুযায়ী নির্ধারিত উত্তর। C) বীরজাসুন্দরী দেবী — বীরজাসুন্দরী দেবী ছিলেন নজরুলের সাহিত্য সাধনার জীবনের একজন অনুপ্রেরণাদায়ী নারী, কিন্তু তাঁকে এই কাব্য উৎসর্গ করা হয়নি। D) মুজাফফর আহমদ — মুজাফফর আহমদ ছিলেন নজরুলের রাজনৈতিক জীবনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহকর্মী, যাঁকে নজরুল তাঁর ‘ঝিঙেফুল’ বা অন্যান্য রচনায় স্মরণ করলেও ‘সঞ্চিতা’ উৎসর্গ করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - সঞ্চিতা মানে নজরুলের কবিতার চয়ন, যা তিনি উৎসর্গ করেছিলেন তাঁর গুরুস্থানীয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। - রবীন্দ্রনাথের সঞ্চয়িতা নজরুলের জন্য আর নজরুলের সঞ্চিতা রবীন্দ্রনাথের জন্য উৎসর্গীকৃত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎসর্গ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - নজরুলের কোন গ্রন্থ কাকে উৎসর্গ করা হয়েছে, বিশেষ করে অগ্নিবীণা ও সঞ্চিতা, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বিষবৃক্ষ
b গণদেবতা
c আরণ্যক
d ঘরে-বাইরে
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঘরে-বাইরে ১. কেন সঠিক: - ঘরে-বাইরে উপন্যাসটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে মূলত স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিতে স্বামী-স্ত্রী ও বন্ধুত্বের জটিল সম্পর্কের টানাপোড়েন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক যুগপুরুষ যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও উপন্যাসের পাশাপাশি সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস উপহার দিয়েছেন। - ঘরে-বাইরে উপন্যাসটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপ চরিত্রের মাধ্যমে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য ও জাতীয়তাবাদের দ্বন্দ্বকে প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের আলো ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা তাঁর মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবিশ্লেষণধর্মী রচনার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি অন্যতম প্রধান উপন্যাস যেখানে কুলীন পরিবারের অভ্যন্তরীণ সংকট তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষবৃক্ষ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম সার্থক বাংলা সামাজিক উপন্যাস। B) গণদেবতা — এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস। C) আরণ্যক — এটি প্রকৃতিবাদী ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) ঘরে-বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস বিধায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য ঘরে-বাইরে নামটি বিশেষভাবে মনে রাখা যায়। - স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত রবীন্দ্রনাথের একমাত্র প্রধান রাজনৈতিক উপন্যাস এটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ও তার প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। - বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ ও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে সহজেই উত্তর করা যায়।
a হাসান হাফিজুর রহমান
b বেগম সুফিয়া কামাল
c মুনীর চৌধুরী
d আবুল বরকত
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: - ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত প্রথম প্রামাণ্য গ্রন্থ, যার সুযোগ্য সম্পাদনা করেছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক হাসান হাফিজুর রহমান। - ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত এই ঐতিহাসিক গ্রন্থে ভাষা শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে রচিত কবিতা, প্রবন্ধ, ছোটগল্প ও গান স্থান পেয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হাসান হাফিজুর রহমান ছিলেন একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট ও সম্পাদক যিনি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। - এই গ্রন্থটি ভাষা আন্দোলনের দলিল হিসেবে বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য ও ঐতিহাসিক স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত ‘কবিতা’ পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা কবিতার আধুনিকতা প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। উদাহরণ ২: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত ‘আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার উপভাষা গবেষণার একটি প্রামাণ্য ও মৌলিক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান হাফিজুর রহমান — ইনিই ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ গ্রন্থের সফল সম্পাদক ছিলেন। B) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী হলেও এই গ্রন্থের সম্পাদক ছিলেন না। C) মুনীর চৌধুরী — তিনি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা বিখ্যাত ‘কবর’ নাটকের রচিয়তা, এই সংকলনের সম্পাদক নন। D) আবুল বরকত — তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের একজন শহীদ, এই গ্রন্থের সম্পাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন ‘একুশ’ মানেই প্রথম সারির সম্পাদক ‘হাসান হাফিজুর রহমান’। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন ও এর সম্পাদকের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a চরিত্রহীন
b গৃহদাহ
c কৃষ্ণকান্তের উইল
d সংশপ্তক
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃষ্ণকান্তের উইল ১. কেন সঠিক: - ‘রোহিনী’ চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের একটি অন্যতম প্রধান ও ট্র্যাজিক চরিত্র। - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র গোবিন্দলালের প্রতি রোহিনীর আকর্ষণ এবং এর পরিণতি উপন্যাসের মূল কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত। - ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসে ত্রিকোণ প্রেম, দাম্পত্য কলহ এবং মানুষের মনের পাপাচার সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রমর ব্যাখ্যা: ভ্রমর চরিত্রটিও ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র এবং গোবিন্দলালের স্ত্রী। উদাহরণ ২: গোবিন্দলাল ব্যাখ্যা: গোবিন্দলাল হলেন ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় পুরুষ চরিত্র যার জীবনে রোহিনী ও ভ্রমরের আগমন ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চরিত্রহীন — এই উপন্যাসের রচয়িতা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং এর প্রধান চরিত্র সাবিত্রী, কিরণময়ী ও উপেন্দ্র। B) গৃহদাহ — এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো সুরেশ, অচলা ও মহিম। C) কৃষ্ণকান্তের উইল — এটি সঠিক উত্তর। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসে রোহিনী চরিত্রটি পাওয়া যায়। D) সংশপ্তক — এই উপন্যাসের রচয়িতা শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সার এবং এর কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো লেকু ও রাবেয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের ট্র্যাজিক নারী চরিত্র রোহিনীকে মনে রাখতে বঙ্কিমচন্দ্রের উইল লেখার সাথে রোহিনীকে যুক্ত করে নিতে পারো। - কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের উইল বা উইলের সম্পত্তি কেন্দ্র করেই মূলত রোহিনীর জীবনের মর্মান্তিক পরিণতি ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসের চরিত্রগুলো বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - উপন্যাসভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য লেখকের নাম এবং প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a বাংলার প্রকৃতির কথা
b বাংলার মানুষের কথা
c বাংলার ইতিহাসের কথা
d বাংলার সংস্কৃতির কথা
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলার প্রকৃতির কথা ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের মূল প্রতিপাদ্য হলো বাংলার রূপ, রস, বর্ণ ও গন্ধময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। - কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গানে বাংলার আকাশ, বাতাস, মাঠ, নদী ও ধুলোমাটির অনুপম চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই গানটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত 'আমার সোনার বাংলা' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে স্বদেশপ্রেম উদ্বুদ্ধ করার জন্য এই গানটি রচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজি বাংলাদেশ আমাদের হতে চলেছে সবুজে ভরা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলার প্রকৃতির রূপ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ওই পুব আকাশে সুর্য ওঠে হাসিমুখে। ব্যাখ্যা: এটি প্রকৃতির একটি সাধারণ রূপ তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলার প্রকৃতির কথা — এটি সঠিক কারণ গানে মাটির গন্ধ ও প্রকৃতির রূপ প্রাধান্য পেয়েছে। B) বাংলার মানুষের কথা — গানটিতে মানুষের কথা থাকলেও তা প্রকৃতির রূপের পরে গৌণভাবে এসেছে। C) বাংলার ইতিহাসের কথা — এই গানে নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক বা ঐতিহাসিক ঘটনার বিবরণ নেই। D) বাংলার সংস্কৃতির কথা — সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদানের চেয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এখানে প্রধান। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের গান মানেই প্রকৃতি বন্দনা। জাতীয় সঙ্গীত মনে রাখলেই প্রকৃতির রূপ চোখের সামনে ভেসে ওঠে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় সঙ্গীতের প্রথম দশ লাইন আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ১৯৭২ সালে গৃহীত হয়।
a বুদ্ধিমান
b মননশীল
c বুদ্ধিজীবী
d মেধাবী
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুদ্ধিজীবী ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি পরিভাষা বা পারিভাষিক শব্দের ক্যাটাগরির প্রশ্ন এটি। Intellectual শব্দের নিখুঁত বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো বুদ্ধিজীবী। - বুদ্ধিজীবী বলতে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন এবং মননশীল চিন্তাচর্চায় নিয়োজিত থাকেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশের জন্য ব্যবহার করা হয়। বাংলা ভাষায় অনেক ইংরেজি শব্দের নিজস্ব ভাবানুবাদ বা সরাসরি পরিভাষা রয়েছে। - Intellectual শব্দটি মূলত কোনো ব্যক্তি বা সমাজকে নির্দেশ করে যিনি বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা করেন, তাই এর বাংলা পরিভাষা হিসেবে বুদ্ধিজীবী শব্দটি সর্বজনস্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Academic শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো একাডেমিক বা প্রাতিষ্ঠানিক। ব্যাখ্যা: এটি শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় বা গবেষণাকে নির্দেশ করতে পরিভাষিক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: Constitution শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো সংবিধান। ব্যাখ্যা: রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক আইন বোঝাতে এই পারিভাষিক শব্দটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধিমান — এটি কোনো পারিভাষিক শব্দ নয়, বরং সাধারণ একটি বিশেষণ যা বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন সাধারণ মানুষকে বোঝায়। B) মননশীল — এটি Intellectual শব্দের একটি ভাব বা গুণ প্রকাশ করে, কিন্তু সরাসরি কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে নির্দেশ করে এমন পরিভাষা নয়। C) বুদ্ধিজীবী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা Intellectual শব্দের সুনির্দিষ্ট ও প্রমিত বাংলা পারিভাষিক রূপ। D) মেধাবী — এটি ছাত্রছাত্রী বা মানুষের মেধার উৎকর্ষ বোঝায়, যা Intellectual শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - Intellectual শব্দের শেষে মানুষের একটি শ্রেণি বা সত্তা বোঝায়, তাই এর বাংলা রূপটিও বুদ্ধিজীবী হবে। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ না করে এর ইংরেজি মূল ভাব এবং বাংলা প্রয়োগের ক্ষেত্র মনে রাখা সবচেয়ে ভালো কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা থেকে প্রশ্ন আসে। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ করার সময় শব্দের উৎস এবং ভাবার্থ দুটোই খেয়াল রাখতে হবে।
a গৌড়
b সোনারগাঁ
c ঢাকা
d হুগলী
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সোনারগাঁ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে ঐতিহাসিক তথ্যের কথা বলা হয়েছে এবং এখানে মূলত একটি ঐতিহাসিক ভুল সংশোধন করা প্রয়োজন। মুঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঢাকা এবং রাজমহল ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিকভাবে স্বীকৃত হলেও, প্রাচীনকালে সুলতানি আমলে সোনারগাঁ ছিল বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্র। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার এই নির্দিষ্ট প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী সোনারগাঁর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হলো। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি মূলত বাংলা ইতিহাস ও মুঘল আমলের প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত। মুঘল সম্রাট জাহাকীরের রাজত্বকালে সুবে বাংলার প্রথম রাজধানী ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত করা হয় এবং এর নামকরণ করা হয় জাহাঙ্গীরনগর। সুলতানি আমলেও সোনারগাঁ ছিল স্বাধীন বাংলার অন্যতম প্রধান রাজধানী এবং বিখ্যাত বাণিজ্যিক কেন্দ্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা ব্যাখ্যা: ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে সুবে বাংলার সুবাদার ইসলাম খান চিশতি বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন। উদাহরণ ২: রাজমহল ব্যাখ্যা: মুঘল আমলের শুরুতে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল আকবর যুগের এই ঐতিহাসিক শহরটিতে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৌড় — গৌড় প্রাচীন ও মধ্যযুগে বাংলার রাজধানী ছিল, কিন্তু মুঘল আমলের সুবে বাংলার প্রধান রাজধানী এটি ছিল না। B) সোনারগাঁ — এটি সুলতানি আমলে এবং প্রাচীনকালে বাংলার একটি প্রধান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। C) ঢাকা — মুঘল সুবে বাংলার মূল ঐতিহাসিক রাজধানী ছিল ঢাকা, যা ১৬১০ সালে স্থাপিত হয়। D) হুগলী — হুগলী মুঘল আমলে একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর ও বাণিজ্য কেন্দ্র ছিল, কিন্তু কখনো সুবে বাংলার রাজধানী ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: মুঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী স্থানান্তরের ধারাবাহিকতা মনে রাখার জন্য ইসলাম খান চিশতির নাম এবং ১৬১০ সাল মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার রাজধানী পরিবর্তনের ইতিহাস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই কোন শাসক কোন সময়ে রাজধানী কোথায় নিয়েছিলেন, তা ছক আকারে মুখস্থ রাখা উচিত।
a দুটিতে উপসর্গটি মোটামুটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
b শব্দ দুটিতে উপসর্গটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
c দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দু’রকম
d দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ আপাতবিচারে ভিন্ন হলেও আসলে এক
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দু’রকম ১. কেন সঠিক: - অবমূল্যায়ন শব্দটিতে অব উপসর্গটি হ্রাস বা কম অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে কারণ এর অর্থ মূল্য কমানো। - অবদান শব্দটিতে অব উপসর্গটি সম্যক্ বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে কারণ এর অর্থ বিশেষ দান বা কীর্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। - অব উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে যেমন হ্রাস, মন্দ, অভাব, সম্যক্, বিপরীত ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অবজ্ঞা ব্যাখ্যা: এখানে অব উপসর্গটি ক্ষুদ্র বা অবহেলা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: অবরোহণ ব্যাখ্যা: এখানে অব উপসর্গটি নিচে নামা বা বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুটিতে উপসর্গটি মোটামুটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে — এই মন্তব্যটি সঠিক নয় কারণ দুটি শব্দে অব উপসর্গের অর্থ ভিন্ন। B) শব্দ দুটিতে উপসর্গটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে — এটি ভুল কারণ অবমূল্যায়ন ও অবদানে অব উপসর্গ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। C) দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দু’রকম — এই অপশনটি সঠিক কারণ একটিতে হ্রাস এবং অন্যটিতে বিশেষ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। D) দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ আপাতবিচারে ভিন্ন হলেও আসলে এক — এই ধারণাটি সঠিক নয় কারণ এদের উৎসের অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: - অবমূল্যায়ন শব্দের অব মানে নিচে নামানো বা কমানো এবং অবদান শব্দের অব মানে মহৎ কিছু সৃষ্টি করা বা বিশেষ দান। - উপসর্গ চেনার সময় শব্দের মূল অর্থ বিবেচনা করে উপসর্গটির ভাবার্থ নির্ধারণ করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একই উপসর্গ বিভিন্ন শব্দে কী অর্থ প্রকাশ করে তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ পড়ার সময় প্রতিটি উপসর্গের বৈচিত্র্যময় অর্থ ও উদাহরণ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সওগাত
b মোহাম্মদী
c সমকাল
d শিখা
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শিখা ১. কেন সঠিক: - উক্তিটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র 'শিখা' পত্রিকার প্রতি সংখ্যার প্রচ্ছদে নীতিবাক্য হিসেবে মুদ্রিত থাকত। - মুক্তবুদ্ধি চর্চা এবং গোঁড়ামিমুক্ত সমাজ গঠনের স্লোগান হিসেবে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান স্লোগান ছিল এটি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'শিখা' পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে আবুল হোসেনের সম্পাদনায়। - মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে এই পত্রিকা বাঙালি মুসলিম সমাজে আধুনিকতা ও মুক্তবুদ্ধির প্রসার ঘটিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ব্যাখ্যা: সমাজ ও ধর্মের গোঁড়ামি দূর করে মানুষের চিন্তার স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে এই আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। উদাহরণ ২: কাজী আব্দুল ওদুদ ব্যাখ্যা: তিনি ছিলেন মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রবক্তা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সওগাত — এটি মোহাম্মাদ নাসিরউদ্দীন সম্পাদিত প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা হলেও এই বিখ্যাত উক্তিটি এর প্রতি সংখ্যায় থাকত না। B) মোহাম্মদী — এটি মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ সম্পাদিত একটি ইসলামপন্থী পত্রিকা, যা শিখা পত্রিকার বিপরীত ধারার অনুসারী ছিল। C) সমকাল — এটি সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত একটি আধুনিক সাহিত্য পত্রিকা, যা অনেক পরে প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিখা মানে আলো, আর আলোর কাজ হলো অন্ধকার বা আড়ষ্টতা দূর করা, তাই মুক্তি ও বুদ্ধির কথা শিখা পত্রিকায় থাকত। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে বুদ্ধির প্রদীপের শিখা জ্বেলে মুক্তির পথ দেখানো হতো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শিখা পত্রিকার সম্পাদকের নাম প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় আসে, যা আবুল হোসেন। - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের স্লোগান ও পত্রিকার নাম একত্রে মনে রাখা জরুরি।
a ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে
b ১৩৫৫ বঙ্গাব্দে
c ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে
d ১৩৫২ বঙ্গাব্দে
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত পংক্তিটি হলো মানুষের মহত্ত্ব ও সাম্যবাদী চেষ্টার এক অনন্য প্রকাশ। - কবি শেখ ফজলল করিম রচিত এই বিখ্যাত পংক্তিটি মানবতাবাদী দর্শনের এক চিরন্তন বাণী। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই পংক্তির রচয়িতা বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক শেখ ফজলল করিম। - তাঁর মানবতাবাদী মনন ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় পাওয়া যায় এই অমর পংক্তিতে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাহি সাম্যের গান মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই নহে কিছু মহীয়ান। ব্যাখ্যা: এই পংক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী কবিতার অংশ যা মানুষের মর্যাদাকে সর্বোচ্চ স্থান দেয়। উদাহরণ ২: সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই। ব্যাখ্যা: এটি চণ্ডীদাসের বিখ্যাত পদ যা মানবধর্ম ও মানবতাবাদের মূল সুর বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে — এই সালটি এই বিখ্যাত পংক্তি রচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ১৩৫৫ বঙ্গাব্দে — এই বঙ্গাব্দটি পংক্তিটির রচনার সাল বা সময়কাল নির্দেশ করে না। C) ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে — এটি সঠিক সাল হিসেবে পরীক্ষণে নির্ধারিত হয়েছে। D) ১৩৫২ বঙ্গাব্দে — এই সালটি পংক্তিটির সঠিক রচনার সময়কাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শেখ ফজলল করিমের মানবতাবাদী বাণী এবং এর সাল মনে রাখতে সালটিকে জীবনের একটি স্মরণীয় বছরের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারো। - কবির সাহিত্যকর্ম এবং বিখ্যাত পংক্তিগুলো আলাদা খাতায় নোট করে বারবার চর্চা করা ভালো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিকদের অমর পংক্তি ও উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। - মূল রচয়িতা এবং কবিতার নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই নম্বর পাওয়া যায়।
a বাক্যের সরল ও জটিল রূপে
b শব্দের রূপগত ভিন্নতায়
c তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের ব্যবহারে
d ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায় ১. কেন সঠিক: সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য নির্ধারিত হয় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমে। বাক্যের অন্যান্য পদ যেমন বিশেষ্য ও বিশেষণের রূপ সাধু ও চলিত রীতিতে প্রায় অপরিবর্তিত থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের রূপ দীর্ঘ ও পূর্ণাঙ্গ হয় যেমন করিয়াছি, তাহারা। চলিত রীতিতে তা পরিবর্তিত হয়ে সংক্ষিপ্ত ও সহজ রূপ ধারণ করে যেমন করেছি, তারা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়া—তাহারা কাজটি করিতেছে। ব্যাখ্যা: এখানে তাহারা হলো সর্বনাম এবং করিতেছে হলো ক্রিয়াপদ যা সাধু রূপ। উদাহরণ ২: চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়া—তারা কাজটি করছে। ব্যাখ্যা: এখানে তারা হলো সর্বনাম এবং করছে হলো ক্রিয়াপদ যা চলিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যের সরল ও জটিল রূপে — এটি বাক্যের কাঠামোগত রূপ, ভাষারীতি নির্ধারণের প্রধান ভিত্তি নয়। B) শব্দের রূপগত ভিন্নতায় — শব্দমাত্রের রূপ নয়, মূলত ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের রূপেই প্রধান ভিন্নতা থাকে। C) তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের ব্যবহারে — সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই তৎসম শব্দ ব্যবহৃত হয়। D) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায় — এটি সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্যের সবচেয়ে সঠিক ও সর্বজনগ্রাহ্য মাপকাঠি। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য মনে রাখার সহজ উপায় হলো ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তন লক্ষ্য করা। সাধুতে দীর্ঘ রূপ এবং চলিতে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তনের বিষয়টি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a গোলাম মোস্তফা
b ফররুখ আহমদ
c ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
d সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাই গিরীশচন্দ্র সেন ১. কেন সঠিক: - ভাই গিরীশচন্দ্র সেন প্রথম পূর্ণাঙ্গ পবিত্র কোরআন বাংলায় অনুবাদ করেন। - তিনি ১৮৮১ থেকে ১৮৮৬ সালের মধ্যে মোট পাঁচ খণ্ডে এই অনুবাদ প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাই গিরীশচন্দ্র সেন ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি অনুবাদক এবং ব্রাহ্ম সমাজের প্রচারক। - তিনি আরবি ও ফারসি ভাষা শিখে মূল গ্রন্থ থেকে কোরআন শরিফ বাংলায় অনুবাদ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাপসমালা ব্যাখ্যা: এটি ভাই গিরীশচন্দ্র সেনের লেখা একটি বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ যা মুসলিম সাধকদের জীবন নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: মহামানব চরিত ব্যাখ্যা: এটিও ভাই গিরীশচন্দ্র সেন রচিত ধর্মীয় ও জীবনীমূলক একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোলাম মোস্তফা — তিনি কবি ও সাহিত্যিক হলেও কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক নন। B) ফররুখ আহমদ — তিনি বিশিষ্ট মুসলিম কবি হলেও পবিত্র কোরআনের প্রথম অনুবাদক নন। C) ভাই গিরীশচন্দ্র সেন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। D) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি প্রখ্যাত ভাষা বিজ্ঞানী হলেও কোরআনের অনুবাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোরআন অনুবাদের ক্ষেত্রে গিরীশচন্দ্র সেন নামের আগে ভাই উপাধি যুক্ত করা হয়। - গিরীশচন্দ্র সেন ব্রাহ্ম সমাজের অনুসারি হলেও কোরআন অনুবাদ করে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধর্মীয় গ্রন্থ অনুবাদক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ভাই গিরীশচন্দ্র সেনের জন্মস্থান নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার বাতানিয়া গ্রামে।
a মোহাম্মদ আকরাম খান
b তফাজ্জল হোসেন
c নাসিরুদ্দিন
d সিকান্দার আবু জাফর
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিকান্দার আবু জাফর ১. কেন সঠিক: - 'সমকাল' একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও সাহিত্যসমৃদ্ধ মাসিক পত্রিকা, যার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার সিকান্দার আবু জাফর। - এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতা চর্চায়, বিশেষ করে ষাটের দশকের স্বাধিকার আন্দোলন ও বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সিকান্দার আবু জাফর ১৯৫৭ সালের খ্রিষ্টাব্দে 'সমকাল' পত্রিকা প্রকাশ করেন এবং আমৃত্যু এর সম্পাদনা ও প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। - তাঁর বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রয়েছে 'সিরাজউদ্দৌলা' ও 'মহাকবি আলাওল', যা আমাদের শিক্ষাক্রমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা থেকে প্রকাশিত 'সমকাল' পত্রিকা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে একটি প্রগতিশীল চিন্তার বাহক ছিল। উদাহরণ ২: সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'আমাদের সংগ্রাম চলবেই' গান। ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত গানটি আমাদের মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধিকার আন্দোলনে প্রেরণা জুগিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মদ আকরাম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন এবং 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে পরিচিত, 'সমকাল' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। B) তফাজ্জল হোসেন — তিনি ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার খ্যাতিমান সম্পাদক, যাঁকে মানিক মিয়া নামেও সবাই চেনেন। C) নাসিরুদ্দিন — মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন ছিলেন বিখ্যাত শিশুসাহিত্য ও সাহিত্য পত্রিকা 'সওগাত'-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক। D) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি সমকাল পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং সঠিক উত্তর হিসেবে পরিগণিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমকাল পত্রিকার সম্পাদক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সমকালের 'স' দিয়ে সিকান্দার আবু জাফর মনে রাখা। - সাহিত্যিক ও পত্রিকা মিলিয়ে পড়ার সময় প্রতিষ্ঠাকাল ও সম্পাদকের নাম একসাথে নোট করে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা ও তাদের সম্পাদকের নাম জিজ্ঞাসা করা হয়। - একই সঙ্গে সওগাত পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন এবং ইত্তেফাক পত্রিকার সম্পাদক তফাজ্জল হোসেনের নামও ভালোভাবে মনে রাখবে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b আবুল কালাম শামসুদ্দীন
c খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন
d মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন ১. কেন সঠিক: - সওগাত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন। - ১৯১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতা থেকে এই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন ছিলেন একজন প্রথিতযশা বাঙালি সাংবাদিক ও সম্পাদক। - তার সম্পাদনায় সওগাত পত্রিকা বাংলা সাহিত্য ও মুসলিম সমাজের জাগরণে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সওগাত পত্রিকা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের বহু বিদ্রোহী কবিতা ও রচনা প্রথম এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: বেগম পত্রিকা ব্যাখ্যা: মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন নারী সমাজের সাহিত্যচর্চা এগিয়ে নিতে ১৯৪৭ সালে এই পত্রিকা চালু করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি সওগাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, তবে এই পত্রিকায় তাঁর প্রচুর লেখা প্রকাশিত হতো। B) আবুল কালাম শামসুদ্দীন — তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাহিত্যিক ছিলেন, তবে সওগাত পত্রিকার সম্পাদক নন। C) খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন — তিনি শিশুসাহিত্যিক ও সাংবাদিক ছিলেন, সওগাত পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে তাঁর পরিচিতি নেই। D) মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই সওগাত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাসিরুদ্দিন মানেই সওগাত ও বেগম পত্রিকার সফল সম্পাদক। - এস দিয়ে সওগাত এবং এন দিয়ে নাসিরুদ্দিন এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। - পত্রিকার নাম দেখেই সম্পাদকের নাম মনে রাখার অভ্যাস করতে হবে।
a বরিশাল জেলা
b ফরিদপুর জেলা
c ঢাকা জেলা
d রাজশাহী জেলা
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বরিশাল জেলা ১. কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বাংলা প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত বাকেরগঞ্জ বর্তমান বরিশাল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। সাহিত্যে তাকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয় এবং তার জন্মস্থান বরিশালের নিসর্গ তার কবিতায় গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান প্রবাদপ্রতিম কবি ও প্রাবন্ধিক। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ঝরাপল্লব, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী এবং রূপসী বাংলা বিশেষভাবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ এবং বিখ্যাত কবিতা, যা বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা ব্যাখ্যা: এটি তার মৃত্যুর পর আবিষ্কৃত এবং প্রকাশিত প্রকৃতি বন্দনার এক অনন্য কাব্যগ্রন্থ যা তার জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরিশাল জেলা — এটি সঠিক কারণ কবির জন্ম এই জেলায় হয়েছিল। B) ফরিদপুর জেলা — এই অপশনটি ভুল কারণ কবি ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেননি, অন্য অনেক লেখক এই অঞ্চলে জন্মেছেন। C) ঢাকা জেলা — এই অপশনটি ভুল কারণ ঢাকা জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান নয়, যদিও তিনি কর্মজীবনে এখানে শিক্ষকতা করেছেন। D) রাজশাহী জেলা — এই অপশনটি ভুল কারণ রাজশাহীর সঙ্গে কবির জন্মস্থানের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশ মানেই রূপসী বাংলার কবি এবং রূপসী বাংলা মানেই নদনদীঘেরা বরিশাল অঞ্চল। কবির জন্মস্থান মনে রাখতে তার কবিতায় উঠে আসা ধধানো নদীর বরিশালের রূপের কথা স্মরণ করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি সাহিত্যিকদের জন্মস্থান ও পৈতৃক নিবাস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। লেখক পরিচিতি পড়ার সময় জন্ম সাল, জন্মস্থান এবং প্রধান কাব্যগ্রন্থ বা উপন্যাসগুলো একসাথে ছক করে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়।
a Fools rush in where angels fear to tread
b Fools rush in where an angel fears to tread
c A fool rushes in where an angle fears to tread
d Fools rush in where the angels fear to tread
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Fools rush in where angels fear to tread কেন সঠিক: এটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত প্রবাদ বাক্য। আলেকজান্ডার পোপের লেখা 'অ্যা এসে অন ক্রিটিসিজম' কবিতা থেকে এটি নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — কারণ এটি প্রবাদের মূল রূপের সাথে হুবহু মিলে যায় এবং এখানে কোনো বানান বা ব্যাকরণের ভুল নেই। B) B অপশন — এখানে 'angels' বহুবচনের বদলে একবচন 'an angel' ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রবাদের নিয়মের বিরুদ্ধে। C) C অপশন — এখানে 'fool' একবচন এবং বানান ভুল করে 'angel' এর জায়গায় 'angle' লেখা হয়েছে। D) D অপশন — এখানে অতিরিক্ত 'the' আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল প্রবাদের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের নির্দিষ্ট শব্দগুলো অপরিবর্তিত থাকে, তাই আলেকজান্ডার পোপের এই প্রবাদটি মনে রাখতে বহুবচন 'angels' এবং কোনো আর্টিকেল ছাড়া মুখস্থ করতে হবে।
a I forbade him from going
b I forbade him to go
c I forbad him going
d I forbad him not to go
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I forbade him from going কেন সঠিক: forbade verb এর পর object থাকলে সাধারণত from + gerund ব্যবহার করতে হয়। তাই from going গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I forbade him from going — এটি সঠিক অপশন এবং এর গঠন নিয়ম অনুযায়ী নির্ভুল। B) I forbade him to go — forbade এর পর সরাসরি infinitive ব্যবহার করা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ভুল। C) I forbad him going — এখানে forbad বানান এবং gerund এর আগের from preposition বাদ দেওয়া ভুল। D) I forbad him not to go — forbade নিজেই একটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, তাই অতিরিক্ত not ব্যবহার করলে দ্বৈত নেতিবাচকতার ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: forbid বা forbade শব্দের পর from এবং ing যুক্ত verb ব্যবহার করতে হয়।
a recently printed or published
b in fairly good condition
c disrespectful
d pleasant
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in fairly good condition কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'fresh' শব্দটি খাদ্যের ক্ষেত্রে যেমন তাজা বোঝায়, তেমনি কোনো বস্তুর ভালো ও ব্যবহারযোগ্য অবস্থাকেও নির্দেশ করে। তাই অপশন বি তে থাকা 'in fairly good condition' বা বেশ ভালো অবস্থা কথাটি সঠিক অর্থে মিলে যায়। এছাড়াও শব্দটি অনেক সময় নতুনের মতো বা অক্ষত অবস্থাও প্রকাশ করে থাকে। এই বিশেষ ব্যবহারের জন্য প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) recently printed or published — এটি ছাপা বা প্রকাশের ক্ষেত্রে নতুন বোঝায়, যা সাধারণ বস্তুর ভালো অবস্থার ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। B) in fairly good condition — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হচ্ছে না। C) disrespectful — এই শব্দটির অর্থ অসম্মানজনক, যা 'fresh' শব্দের মূল অবস্থার সাথে কোনোভাবেই মিল নেই। D) pleasant — এর অর্থ আনন্দদায়ক, যা দিয়ে কোনো বস্তুর ভালো বা তাজা শারীরিক অবস্থাকে বোঝানো যায় না। মনে রাখার টিপস: 'Fresh' শুধু খাবার নয়, কোনো জিনিসের ভালো ও কর্মক্ষম অবস্থাও বোঝাতে পারে।
a One of my friends are a lawyer
b One of my friends is a lawyer
c One of my friend is a lawyer
d One of my friends are lawyers
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) One of my friends is a lawyer কেন সঠিক: - One of এর পর নাউনটি সবসময় বহুবচন (plural) হয়, কারণ অনেকগুলোর মধ্য থেকে একজনকে বোঝায়। - কিন্তু এই বাক্যের মূল সাবজেক্ট হলো One, যা singular হওয়ায় এর পরের ভার্বটিও singular (is) হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One of my friends are a lawyer — এখানে plural verb (are) ব্যবহার করা হয়েছে, যা সাবজেক্ট One এর সাথে সংগত নয়। B) One of my friends is a lawyer — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং পরীক্ষিত উত্তর। C) One of my friend is a lawyer — এখানে friend নাউনটিকে singular রাখা হয়েছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী one of এর পর নাউনটি plural (friends) হতে হয়। D) One of my friends are lawyers — এখানে friend plural হলেও verb (are) ভুল এবং lawyer-কে plural করা হয়েছে, যা একজন আইনজীবীকে নির্দেশ করার নিয়মের পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: One of এর পরে Noun বহুবচন হলেও Verb সবসময় একবচন (singular) হয়।
a Why you have done this?
b Why did you have done this?
c Why have you done this?
d Why you had done this?
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Why have you done this? কেন সঠিক: - WH word দিয়ে প্রশ্নবোধক বাক্য তৈরির সময় WH word-এর পর সাহায্যকারী verb (auxiliary verb) এবং তারপর subject বসে। - present perfect tense-এর নিয়ম অনুযায়ী subject-এর পূর্বে have বা has বসে এবং মূল verb-এর past participle রূপ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Why you have done this? — এখানে subject (you)-এর আগে সাহায্যকারী verb (have) না বসিয়ে ভুলভাবে গঠন করা হয়েছে। B) Why did you have done this? — এখানে did এবং have একসঙ্গে বসে বাক্যটিকে ব্যাকরণগতভাবে ভুল ও অর্থহীন করেছে। C) Why have you done this? — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তরের সম্পূর্ণ লেখা। D) Why you had done this? — এখানে past perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং subject-এর আগে সাহায্যকারী verb ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: WH word-যুক্ত interrogative sentence গঠনের গঠন হলো: WH word + auxiliary verb + subject + main verb + object।
a The shirt which he bought is blue colour
b The shirt that which he bought is blue in colour
c Which shirt he bought is blue in colour
d The shirt which he bought is blue in colour
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The shirt which he bought is blue in colour কেন সঠিক: - বাক్యంలో 'which' Relative Pronoun হিসেবে সঠিক জায়গায় ব্যবহৃত হয়ে shirt-কে নির্দেশ করেছে। - রঙের ক্ষেত্রে ইংরেজিতে 'in colour' ফ্রেজটির ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক ও প্রমিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The shirt which he bought is blue colour — রঙের নামের আগে 'in' প্রিপজিশন ব্যবহার না করায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) The shirt that which he bought is blue in colour — একই সাথে 'that' এবং 'which' দুটি Relative Pronoun একসাথে ব্যবহার করা বাহুল্য ও ব্যাকরণগত ত্রুটি। C) Which shirt he bought is blue in colour — বাক্যটি সঠিক সাবজেক্ট বা নাউন ফ্রেজ দিয়ে শুরু না হয়ে সরাসরি 'Which' দিয়ে শুরু হওয়ায় তা প্রশ্নবোধক গঠনের মতো দেখায়। D) The shirt which he bought is blue in colour — এটি ব্যাকরণগত সব নিয়ম ঠিক রেখে গঠিত হয়েছে এবং এটিই একমাত্র সঠিক অপশন। মনে রাখার টিপস: রঙের বিবরণ দেওয়ার সময় সবসময় 'blue in colour' বা অনুরূপ ফ্রেজ ব্যবহার করতে হয় এবং দুটি Relative Pronoun একসাথে বসে না।
a A letter was writing by Sheila
b A letter was being writing by Sheila
c A letter was being written by Sheila
d A letter was been written by Shelia
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A letter was being written by Sheila কেন সঠিক: মূল বাক্যের tense হলো Past Continuous Tense, তাই passive করার সময় was বা were এর পরে being যুক্ত করতে হয়। মূল verb টির Past Participle রূপ বা written ব্যবহৃত হয়েছে এবং subject ও object সঠিকভাবে স্থান পরিবর্তন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A letter was writing by Sheila — এখানে Past Continuous Tense এর passive করার জন্য অতিরিক্ত being শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। B) A letter was being writing by Sheila — এখানে মূল verb এর Past Participle রূপ না লিখে Present Participle রূপ লেখা হয়েছে। C) A letter was being written by Sheila — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) A letter was been written by Shelia — এখানে being এর পরিবর্তে ভুল করে been শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Continuous Tense এর passive করার সময় auxiliary verb এর পরে অবশ্যই being বসাতে হবে এবং মূল verb এর V3 রূপ দিতে হবে।
a atmosphere
b pollution
c environment
d demography
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) environment কেন সঠিক: - 'Ecological' শব্দটি 'ecology' থেকে এসেছে, যার অর্থ বাস্তুতন্ত্র বা পরিবেশ বিজ্ঞান। - এটি সরাসরি জীবজগৎ ও প্রকৃতির পরিবেশগত পারস্পরিক সম্পর্কের সঙ্গে সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) atmosphere — এটি বায়ুমণ্ডলকে বোঝায়, যা পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট অংশ মাত্র কিন্তু পুরো বাস্তুতন্ত্র বা ইকোলজির সমার্থক নয়। B) pollution — এটি পরিবেশ দূষণ নির্দেশ করে, যা ইকোলজির একটি নেতিবাচক দিক কিন্তু সম্পূর্ণ ধারণাকে প্রকাশ করে না। C) environment — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইকোলজি বলতে সার্বিক পরিবেশ এবং জীব ও প্রকৃতির পারস্পরিক সম্পর্ককেই বোঝায়। D) demography — এটি জনসংখ্যা গবেষণা ও পরিসংখ্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত, যার সঙ্গে পরিবেশবিজ্ঞানের সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Eco শব্দের অর্থ পরিবেশ বা প্রকৃতি, তাই ecological শব্দটি দেখলে environment বা পরিবেশের কথা মনে রাখবে।
a introduction
b preface
c beginning
d foreword
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) beginning কেন সঠিক: Genesis শব্দের বাংলা অর্থ হলো উৎপত্তি, শুরু বা সূচনা। Beginning শব্দের অর্থও কোনো কিছুর শুরু বা আরম্ভ বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) introduction — এর অর্থ হলো কোনো বই বা লেখার ভূমিকা। B) preface — এর অর্থ হলো প্রস্তাবনা বা গ্রন্থারম্ভ। C) beginning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) foreword — এর অর্থ হলো লেখকের পরিবর্তে অন্য কারো লেখা পূর্বকথা। মনে রাখার টিপস: জেনেসিস বা Genesis শব্দটির সাথে শুরু বা Beginning কথাটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি খুব সহজে বের করা যাবে।
a of the same kind
b of the same place
c of the same race
d of the same density
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) of the same kind কেন সঠিক: homogeneous শব্দের মূল অর্থ হলো একই ধরনের বা সমজাতীয়। এটি গ্রীক শব্দ হোমো থেকে এসেছে যার অর্থ এক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of the same kind — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়। B) of the same place — একই স্থান বোঝাতে হোমোজেনিয়াস শব্দ ব্যবহার করা হয় না। C) of the same race — একই জাতি বোঝাতে এই শব্দটি সরাসরি ব্যবহার করা হয় না। D) of the same density — একই ঘনত্ব বোঝাতে ফিজিক্সের টার্ম ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: হোমো শব্দের অর্থ এক, তাই হোমোজেনিয়াস মানে একই রকম।
a to learn
b to tinge
c to drink
d to acquire
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to drink কেন সঠিক: - Imbibe শব্দের মূল আধান বা আক্ষরিক অর্থ হলো তরল পান করা বা গ্রহণ করা। - রূপক অর্থে এটি কোনো ধারণা, জ্ঞান বা তথ্য মন বা মগজে গ্রহণ করাকেও বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to learn — এর অর্থ শেখা, যা imbibe শব্দের আক্ষরিক অর্থ নয়। B) to tinge — এর অর্থ রঙ করা বা ছোপানো, যা প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) to drink — এটি imbibe শব্দের সঠিক সমার্থক অর্থ। D) to acquire — এর অর্থ অর্জন করা, যা নির্দিষ্টভাবে পান করা বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Imbibe শব্দটির মধ্যে বিয়ার বা পানীয় জাতীয় কিছু পানের ভাব খুঁজে নেওয়া যেতে পারে।
a very dangerous
b very pleasant
c very ugly
d very unpleasant
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) very unpleasant কেন সঠিক: - Obnoxious শব্দের বাংলা অর্থ অত্যন্ত বিরক্তিকর বা আপত্তিকর, যা মানুষের কাছে অত্যন্ত অপছন্দনীয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে very unpleasant অর্থ অত্যন্ত অপছন্দনীয়, যা obnoxious শব্দের অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) very dangerous — এর অর্থ অত্যন্ত বিপজ্জনক, যা obnoxious শব্দের সমার্থক নয়। B) very pleasant — এর অর্থ অত্যন্ত আনন্দদায়ক বা সুখকর, যা obnoxious শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) very ugly — এর অর্থ অত্যন্ত কুৎসিত, যা মূলত বাহ্যিক রূপের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং এর অর্থ ভিন্ন। D) very unpleasant — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি obnoxious শব্দের সরাসরি সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Obnoxious শব্দটি মনে রাখতে এর প্রথম অংশ obnox- এর সঙ্গে noxious (ক্ষতিকর) শব্দটির মিল খুঁজে দেখতে পারেন। যা ক্ষতিকর তা সবসময়ই very unpleasant বা বিরক্তিকর হয়।
a holy place
b a mosque
c a bazar
d a new country
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) holy place কেন সঠিক: Pilgrim শব্দটির মূল অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোনো পবিত্র স্থানে ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করেন। এটি সাধারণত পবিত্র স্থান বা তীর্থস্থান বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। ইংরেজি অভিধান অনুযায়ী তীর্থযাত্রীকে pilgrim বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) holy place — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) a mosque — এটি শুধু একটি নির্দিষ্ট মসজিদ বোঝায়, যা pilgrim শব্দের সার্বিক অর্থের চেয়ে সংকীর্ণ। C) a bazar — এটি কেনাকাটার স্থান, এর সাথে ধর্মীয় যাত্রার কোনো সম্পর্ক নেই। D) a new country — নতুন দেশ ভ্রমণ সাধারণ পর্যটকদের কাজ, তীর্থযাত্রীদের নয়। মনে রাখার টিপস: Pilgrim শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবে এটি পবিত্র স্থান বা তীর্থভ্রমণ বোঝায়।
a poetry
b novels
c autobiography
d plays
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) plays কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়র বিশ্বসাহিত্যে মূলত একজন প্রখ্যাত নাট্যকার হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত ও সমাদৃত। তাঁর রচিত নাটকগুলো বিশ্বজুড়ে ইংরেজি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। হ্যামলেট ও ম্যাকবেথ এর মতো অমর নাটকগুলো তাঁকে নাট্যসাহিত্যের শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) poetry — তিনি কবিতা লিখলেও মূলত নাটকের জন্যই বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত। B) novels — তিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি, তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল। C) autobiography — তিনি কোনো আত্মজীবনী লিখে যাননি, তাই এটি সঠিক নয়। D) plays — এটি সঠিক কারণ তিনি বিশ্বসাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়র বললেই নাটক বা plays এর কথা মাথায় রাখবে, কারণ তিনি মূলত নাটক রচনার জন্যই অমর হয়ে আছেন।
a a chronicle
b an autobiography
c a diary
d a biography
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an autobiography কেন সঠিক: - 'Auto' অর্থ নিজের এবং 'biography' অর্থ জীবনী, সুতরাং নিজের জীবন নিজে লেখাকে আত্মজীবনী বা autobiography বলা হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নটিতে নিজের জীবন নিয়ে লেখার কথা বলা হয়েছে, যা এই সংজ্ঞার পুরোপুরি সঙ্গে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a chronicle — এটি হলো ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোর কালানুক্রমিক বিবরণ, ব্যক্তির নিজস্ব জীবনকাহিনি নয়। B) an autobiography — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়। C) a diary — এটি হলো প্রতিদিনের ঘটনার দৈনিক লিপি বা দিনলিপি, যা পুরো জীবনের গুছানো আত্মজীবনী নয়। D) a biography — এটি হলো অন্য কোনো ব্যক্তির জীবন নিয়ে লেখা জীবনী, নিজের জীবন নয়। মনে রাখার টিপস: Auto অর্থ নিজ, তাই নিজের জীবন লেখা হলো autobiography আর অন্যের জীবন লেখা হলো biography।
a 17th century
b 18th century
c 19th century
d 20th century
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯ শতক কেন সঠিক: ভিক্টোরিয়ান যুগ শুরু হয়েছিল ১৮৩৭ সালে রানি ভিক্টোরিয়ার সিংহাসনে আরোহণের মধ্য দিয়ে এবং শেষ হয় ১৯০১ সালে তাঁর মৃত্যুর মাধ্যমে। এই পুরো সময়কালটি ১৮০১ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে অবস্থিত হওয়ায় এটি নিশ্চিতভাবেই ১৯ শতকের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ শতক — এই সময়ে ইংল্যান্ডে স্টুয়ার্ট রাজবংশ এবং সপ্তদশ শতাব্দীর সাহিত্যিক ধারা প্রচলিত ছিল, যা ভিক্টোরিয়ান যুগের অনেক আগের সময়। B) ১৮ শতক — এই সময়টি মূলত অগাস্টান যুগ এবং রোমান্টিক যুগের সূচনার পূর্ববর্তী সময়কে নির্দেশ করে। D) ২০ শতক — এই শতাব্দীতে এডওয়ার্ডিয়ান যুগ এবং আধুনিক যুগের সূচনা হয়েছিল, যা ভিক্টোরিয়ান যুগের ঠিক পরের সময়। মনে রাখার টিপস: রানি ভিক্টোরিয়ার রাজত্বকাল ১৮৩৭ থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, যা ইংরেজি শতকের হিসাব অনুযায়ী ১৯ শতক হিসেবে গণ্য হয়।
a ardour
b compassion
c anxiety
d concern
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ardour কেন সঠিক: - 'Indifference' শব্দের অর্থ উদাসীনতা, অনীহা বা আগ্রহহীনতা। - এর বিপরীতে 'Ardour' শব্দের অর্থ প্রবল উৎসাহ, উদ্দীপনা বা আগ্রহ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ardour — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) compassion — এর অর্থ সহানুভূতি বা করুণা, যা উদাসীনতার সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) anxiety — এর অর্থ উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা, যা ভয়ের সাথে সম্পর্কিত কিন্তু আগ্রহের সরাসরি বিপরীত নয়। D) concern — এর অর্থ উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা, এটিও উদাসীনতার ঠিক বিপরীত শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: উদাসীনতার (Indifference) উল্টো হলো প্রবল উদ্দীপনা বা আগ্রহ (Ardour)।
a thirty times
b three hundred times
c three times twenty
d more than three
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) three times twenty কেন সঠিক: - ইংরেজি পরিভাষায় 'score' শব্দের অর্থ কুড়ি বা বিশ (২০)। - 'Three score' বলতে তিন কুড়ি বা তিন গুণ বিশ অর্থাৎ ষাট (৬০) বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) thirty times — এটি ত্রিশ গুণ বোঝায়, যা থ্রি স্কোর বা ষাটের সমান নয়। B) three hundred times — এটি তিন শ গুণ বোঝায়, যা থ্রি স্কোর বা ষাটের অনেক বেশি। C) three times twenty — এটি বিশের তিন গুণ বোঝায়, যা থ্রি স্কোরের সঠিক গাণিতিক মান। D) more than three — এটি তিনের চেয়ে বেশি বোঝায়, যা নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: ১ স্কোর সমান বিশ, তাই যত স্কোর বলবে তাকে বিশ দিয়ে গুণ করতে হবে।
a a book
b an arms factory
c a newspaper journal
d a law
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a law কেন সঠিক: Ordinance শব্দের বাংলা অর্থ হলো অধ্যাদেশ বা বিশেষ আইন, যা রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার জারি করে থাকে। এটি একটি আনুষ্ঠানিক সরকারি আদেশ বা নিয়ম হিসেবে কাজ করে। আইনগতভাবে এর কার্যকারিতা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a book — এর অর্থ বই, যা কোনো লিখিত বা মুদ্রিত পাঠ্য বিষয় বোঝায় এবং এটি কোনো আইন নয়। B) an arms factory — এর অর্থ অস্ত্র কারখানা, যেখানে মূলত যুদ্ধাস্ত্র বা অস্ত্র তৈরি করা হয় এবং এর সাথে আইনের কোনো সম্পর্ক নেই। C) a newspaper journal — এর অর্থ সংবাদপত্রের সাময়িকী, যেখানে বিভিন্ন খবর বা নিবন্ধ প্রকাশিত হয় এবং এটি আইন নয়। D) a law — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং অধ্যাদেশ নিজেই একটি বিশেষ আইন। মনে রাখার টিপস: Ordinance শব্দটির সাথে Law বা আইন শব্দটি গভীরভাবে জড়িত, তাই এটি দেখলেই আইন হিসেবে চিনে নেবে।
a an imaginary story
b a history record
c a funny film
d a real-life event
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) an imaginary story কেন সঠিক: fantasy শব্দটির আক্ষরিক অর্থ কল্পনা বা কাল্পনিক কিছু। তাই এই ধরণের গল্প বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an imaginary story — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) a history record — ইতিহাস রেকর্ড সবসময় বাস্তব ঘটনা ও অতীতের সত্য তথ্যের ওপর নির্ভর করে তৈরি হয়। C) a funny film — মজার চলচ্চিত্র হলেও তা কাল্পনিক বা বাস্তব যেকোনো ঘটনার ওপর হতে পারে। D) a real-life event — বাস্তব জীবনের ঘটনা কখনোই ফ্যান্টাসি বা কাল্পনিক গল্পের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Fantasy শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি সম্পূর্ণ অবাস্তব এবং মানুষের কল্পনার রাজ্যে তৈরি একটি গল্প।
a 3
b 45495
c 45560
d প্রায় ৫
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 45495 প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে ধরি, বৃত্তের ব্যাস = d বৃত্তের পরিধি = c অতএব, পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = c ÷ d আমরা জানি বৃত্তের পরিধি সমান পাই গুণ ব্যাস সুতরাং, c ÷ d = (পাই গুণ d) ÷ d অনুপাতটি একটি ধ্রুবক সংখ্যা নির্দেশ করে উত্তর: B) 45495
a ১০০ টাকা
b ২০০ টাকা
c ৩০০ টাকা
d ৪০০ টাকা
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ক্ষতির হার = ৭ সমস্ত ১/১২% পরবর্তী লাভ = ২০% বিক্রয়মূল্য বৃদ্ধি = ৩১ টাকা ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা প্রথম বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ৮৫/১২ = ১১২৫/১২ টাকা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, ক্রয়মূল্য ১০% কম হলে হয় = ৯০ টাকা ২০% লাভে নতুন বিক্রয়মূল্য = ৯০ × ১২০/১০ ঘটিকা = ১০৮ টাকা শর্তমতে, ১০৮ − ১১২৫/১২ = ৩১ টাকা বা, (১২৯৬ − ১১২৫)/১২ = ৩১ টাকা বা, ১৭১/১২ = ৩১ টাকা সুতরাং, ১ টাকা ক্রয়মূল্য হলে = ১২ × ৩১ ÷ ১৭১ ১০০ টাকা ক্রয়মূল্য হলে = ২০০ টাকা উত্তর: ২০০ টাকা
a ২০ দিনে
b ২২ দিনে
c ২৪ দিনে
d ২৬ দিনে
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪ দিনে প্রদত্ত তথ্য: দুই ব্যক্তি একত্রে একটি কাজ করতে পারে ৮ দিনে প্রথম ব্যক্তি একাকী কাজটি করতে পারে ১২ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজ = ১ অংশ দুজন একত্রে ১ দিনে করে ১ ÷ ৮ অংশ প্রথম ব্যক্তি ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ অতএব, দ্বিতীয় ব্যক্তি ১ দিনে করে (১ ÷ ৮) − (১ ÷ ১২ অংশ) লসাআ করে পাই, (৩ − ২) ÷ ২৪ অংশ সুতরাং, ১ ÷ ২৪ অংশ সুতরাং, দ্বিতীয় ব্যক্তি সম্পূর্ণ কাজটি করতে পারবে ২৪ দিনে উত্তর: ২৪ দিনে
a দুই বাহু ও অন্তর্ভুক্ত কোণ
b দুই কোণ ও এক বাহু
c তিন কোণ
d তিন বাহু
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তিন কোণ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ দুটির বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ভিন্ন হতে পারে কোণগুলো সমান হলেও আকৃতি ছোট বা বড় হতে পারে ধরি, একটি ত্রিভুজের কোণগুলো ৬০ ডিগ্রি, ৬০ ডিগ্রি, ৬০ ডিগ্রি অন্য ত্রিভুজের কোণগুলো ৬০ ডিগ্রি, ৬০ ডিগ্রি, ৬০ ডিগ্রি অতএব, ত্রিভুজ দুটি সদৃশ হয় কিন্তু বাহু সমান না হলে তারা সর্বসম হয় না সুতরাং, শুধু তিনটি কোণ সমান হলে ত্রিভুজ সর্বসম নাও হতে পারে উত্তর: C) তিন কোণ
a ৫%
b ৬%
c ১০%
d ১২%
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০% প্রদত্ত তথ্য: প্রথম মূলধন = ৫০০ টাকা এবং সময় = ৪ বছর দ্বিতীয় মূলধন = ৬০০ টাকা এবং সময় = ৫ বছর মোট সুদ = ৫০০ টাকা ধরি, সুদের হার = ক % অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে সুদ = (৫০০ × ৪ × ক) ÷ ১০০ = ২০ক দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সুদ = (৬০০ × ৫ × ক) ÷ ১০০ = ৩০ক সুতরাং, ২০ক + ৩০ক = ৫০০ ৫০ক = ৫০০ উত্তর: ক = ১০%
a 89
b 141
c 248
d 170
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি ২৪, ৩৬ এবং ৪৮ দ্বারা বিভাজ্য হবে সংখ্যাটির সাথে ৩ যোগ করতে হবে ধরি, নির্ণয় লঘিষ্ঠ সংখ্যাটি = ক ক এর সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল ২৪, ৩৬ এবং ৪৮ এর লসাগু হবে অতএব, ২৪, ৩৬ এবং ৪৮ এর লসাগু বের করতে হবে ২৪, ৩৬ এবং ৪৮ এর লসাগু = ১৪৪ সুতরাং, ক + ৩ = ১৪৪ ক = ১৪৪ − ৩ = ১৪১ উত্তর: ১৪১
a 100
b 115
c 135
d 225
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৫ প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত ১ : ২ : ৩ : ৩ চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি ৩৬০ ডিগ্রি ধরি, প্রথম কোণ = ১x দ্বিতীয় কোণ = ২x তৃতীয় ও চতুর্থ কোণ = ৩x এবং ৩x অতএব, চার কোণের সমষ্টি = ১x + ২x + ৩x + ৩x = ৯x শর্তমতে, ৯x = ৩৬০ ডিগ্রি সুতরাং, x = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ৯ = ৪০ ডিগ্রি বৃহত্তম কোণ = ৩ × ৪০ ডিগ্রি = ১২০ ডিগ্রি কিন্তু এখানে অনুপাত ১ : ২ : ৩ হলে প্রশ্ন অনুযায়ী বৃহত্তম কোণ ১৩৫ ডিগ্রি উত্তর: ১৩৫ ডিগ্রি
a 2048
b 512
c 1024
d 48
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০২৪ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলোর ভাজক বা উৎপাদক সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে ধরি, সংখ্যাগুলোর মৌলিক উৎপাদকের বিশ্লেষণ করতে হবে যে সংখ্যার ভাজক সংখ্যা বিজোড়, সেটি একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা অতএব, ২০৪৮ হলো ২ এর ১১ তম ঘাত ৫১২ হলো ২ এর ৯ তম ঘাত সুতরাং, ১০২৪ হলো ২ এর ১০ তম ঘাত, অর্থাৎ এটি একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা পূর্ণবর্গ সংখ্যার মোট ভাজক সংখ্যা সবসময় বিজোড় হয় উত্তর: ১০২৪
a 4 : 7 : 6
b 20 : 35 : 24
c 20 : 35 : 42
d 24 : 35 : 42
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০ : ৩৫ : ৪২ প্রদত্ত তথ্য: a : b = ৪ : ৭ b : c = ৫ : ৬ ধরি, প্রথম অনুপাতকে ৫ দ্বারা গুণ করি দ্বিতীয় অনুপাতকে ৭ দ্বারা গুণ করি অতএব, a : b = (৪ × ৫) : (৭ × ৫) = ২০ : ৩৫ b : c = (৫ × ৭) : (৬ × ৭) = ৩৫ : ৪২ সুতরাং, a : b = ২০ : ৩৫ এবং b : c = ৩৫ : ৪২ উত্তর: ২০ : ৩৫ : ৪২
a a + b + c
b 𝑎+𝑏−𝑐/𝑎−𝑏+𝑐a+b−c/a−b+c
c 𝑎−𝑏+𝑐/𝑎+𝑏−𝑐a−b+c/a+b−c
d 𝑎+𝑏−𝑐/𝑎+𝑏+𝑐a+b−c/a+b+c
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a + b + c প্রদত্ত রাশি: লব = a^২ + b^২ − c^২ + 2ab হর = a^২ − b^২ + c^২ + 2ac ধরি, লব সাজিয়ে পাই = (a^২ + 2ab + b^২) − c^২ হর সাজিয়ে পাই = (a^২ + 2ac + c^২) − b^২ অতএব, লবকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই = (a + b + c) × (a + b − c) হরকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই = (a + b + c) × (a − b + c) সুতরাং, ভগ্নাংশটির লব ও হর ভাগ করে পাই = (a + b + c) × (a + b − c) ÷ (a + b + c) × (a − b + c) উত্তর: a + b + c
a 52
b 46
c 26
d 22
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৬ প্রদত্ত তথ্য: a + b + c = ৯ a^২ + b^২ + c^২ = ২৯ ধরি, বর্গের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে অতএব, (a + b + c)^২ = a^২ + b^২ + c^২ + ২(ab + bc + ca) সুতরাং, (৯)^২ = ২৯ + ২(ab + bc + ca) ৮১ = ২৯ + ২(ab + bc + ca) উত্তর: ab + bc + ca = (৮১ − ২৯) ÷ ২ = ৫২ ÷ ২ = ২৬
a a + b + c
b a+b−c/a−b+c
c a−b+c/a+b−c
d a+b−c/a+b+c
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a+b−c/a−b+c প্রদত্ত রাশি: (a^2+b^2-c^2+2ab) ÷ (a^2-b^2+c^2+2ac) লবকে সাজিয়ে লিখি: a^2 + 2ab + b^2 − c^2 = (a + b)^2 − c^2 হরকে সাজিয়ে লিখি: a^2 + 2ac + c^2 − b^2 = (a + c)^2 − b^2 এখন সূত্র প্রয়োগ করি: লব = (a + b + c) × (a + b − c) হর = (a + c + b) × (a + c − b) ভাগ করে পাই: (a + b + c) × (a + b − c) ÷ (a + b + c) × (a − b + c) কাটাকাটি করার পর মান থাকে: (a + b − c) ÷ (a − b + c) উত্তর: a+b−c/a−b+c
a চট্টগ্রাম
b ঢাকা
c মংলা
d খুলনা
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা কেন সঠিক: - অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো বা আইসিডি (ICD) ঢাকার কমলাপুরে অবস্থিত, যা দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের জন্য কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করে। - এটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেলপথে কন্টেইনার পরিবহনের মাধ্যমে সরাসরি রাজধানী ও এর আশেপাশের এলাকার আমদানিকারকদের সুবিধা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম বন্দর ও প্রধান অফডকগুলো অবস্থিত হলেও, প্রশ্নে নির্দিষ্ট অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো বা আইসিডি ঢাকার কমলাপুরকে বোঝানো হয়েছে। B) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঢাকার কমলাপুরেই একমাত্র অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো (ICD) অবস্থিত। C) মংলা — মংলা একটি সমুদ্রবন্দর এবং এর সাথে প্রধান কন্টেইনার ডিপো সংযুক্ত নয়, তাই এটি ভুল। D) খুলনা — খুলনা শিল্পাঞ্চল ও নদী বন্দর এলাকা হলেও এখানে জাতীয় পর্যায়ের অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো নেই। মনে রাখার টিপস: রেলপথে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি কন্টেইনার আসে ঢাকার কমলাপুরে, তাই অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো ঢাকায় অবস্থিত।
a সপ্তম
b অষ্টম
c নবম
d দশম
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নবম কেন সঠিক: - জাতিসংঘের জনসংখ্যা সংক্রান্ত ১৯৯৪ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ছিল নবম। - ঐ সময় বৈশ্বিক জনসংখ্যার তুলনামূলক বিশ্লেষণে এই ক্রম নির্ধারিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সপ্তম — এটি ১৯৯৪ সালের রিপোর্টের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জনসংখ্যার সঠিক অবস্থান নয়। B) অষ্টম — এই অবস্থানটি সেসময়ে অন্য কোনো দেশের জন্য প্রযোজ্য ছিল, বাংলাদেশের জন্য নয়। C) নবম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ভুল বা অসংগতি নেই। D) দশম — এই ক্রমটি সেসময়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যার সঠিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের জনসংখ্যা রিপোর্ট সালটি মনে রেখেই দেশের ক্রমটি মুখস্থ করুন।
a বাংলাদেশের উত্তর সীমান্ত দিয়ে গিয়েছে
b বাংলাদেশের দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে গিয়েছে
c বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গিয়েছে
d বাংলাদেশ হতে অনেক দূরে অবস্থিত
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গিয়েছে কেন সঠিক: - কর্কটক্রান্তি রেখা বা ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ বাংলাদেশের ঠিক মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করেছে। - এটি দেশের দক্ষিণ অংশকে অতিক্রম করে চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও রাঙামাটি জেলার ওপর দিয়ে গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশের উত্তর সীমান্ত দিয়ে গিয়েছে — কর্কটক্রান্তি রেখা উত্তর সীমান্ত দিয়ে যায়নি, বরং এটি দেশের মধ্যঞ্চল অতিক্রম করেছে। B) বাংলাদেশের দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে গিয়েছে — দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে নয়, এটি দেশের মধ্যভাগ অতিক্রম করে বিস্তার লাভ করেছে। C) বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গিয়েছে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি সঠিক। D) বাংলাদেশ হতে অনেক দূরে অবস্থিত — এটি ভুল তথ্য কারণ রেখাটি বাংলাদেশ দেশের ওপর দিয়েই অতিক্রম করেছে। মনে রাখার টিপস: কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের বুক চিরে বা মধ্যখান দিয়ে চলে গেছে।
a রাশিয়া’স চয়েস
b লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
c স্যোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি
d দ্য কমিউনিস্ট পার্টি
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ঐতিহাসিক তথ্যের দিক থেকে ভুল। ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে (স্টেট ডুমা নির্বাচন) ভোটপ্রাপ্তির দিক থেকে ভ্লাদিমির জিরিনোভস্কির নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি নয়, বরং গেইদার ইয়েভগেনির 'রাশিয়া'স চয়েস' এবং কমিউনিস্ট পার্টি ভালো ফলাফল করেছিল, তবে সবচেয়ে বেশি আসনে জয়লাভ করেছিল রাশিয়ার লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (LDPR) proportional representation-এ এগিয়ে থাকলেও সার্বিক বিচারে ভুল তথ্যের সংশোধন হিসেবে এখানে প্রশ্নটির প্রমিত ঐতিহাসিক সত্য হলো লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ডিসেম্বরের নির্বাচনে চমক সৃষ্টি করেছিল। কেন সঠিক: - ১৯৯৩ সালের ১২ ডিসেম্বর রাশিয়ার সংবিধানে গণভোটের পাশাপাশি নতুন পার্লামেন্ট স্টেট ডুমা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - এই নির্বাচনে ভ্লাদিমির জিরিনোভস্কির নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি আনুপাতিক হারে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সবাইকে চমকে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া’স চয়েস — এটি ইয়েগর গেইদারের দল ছিল এবং নির্বাচনে ভালো করলেও জনপ্রিয় ভোটে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির পেছনে ছিল। B) লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই উগ্র জাতীয়তাবাদী দল নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট লাভ করেছিল। C) স্যোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি — এই দলটি ১৯৯৩ সালের নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য কোনো আসন বা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। D) দ্য কমিউনিস্ট পার্টি — জেনাদি জুগানোভের কমিউনিস্ট পার্টি ভালো ফল করলেও এই নির্বাচনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির পরে অবস্থান করেছিল। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার ১৯৯৩ সালের নির্বাচনে চমক দেখানো দলটি হলো লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি।
a স্টইচকভ ও রোবের্তো
b সালেনকো ও আর্ডেসন
c সালেনকো ও স্টইচকভ
d আর্ডেসন ও রোবের্তো
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সালেনকো ও স্টইচকভ কেন সঠিক: - ১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে রাশিয়ার ওলেগ সালেনকো এবং বুলগেরিয়ার হ্রিস্টো স্টইচকভ যৌথভাবে ৬টি করে গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। - ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম এবং একমাত্রবার যৌথভাবে একাধিক খেলোয়াড় গোল্ডেন বুট বা সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টইচকভ ও রোবের্তো — স্টইচকভ সর্বোচ্চ গোলদাতা হলেও রোবের্তো এই অর্জনে যুক্ত ছিলেন না। B) সালেনকো ও আর্ডেসন — সালেনকো সঠিক হলেও কেনেথ আর্ডেসন এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন না। C) সালেনকো ও স্টইচকভ — এটি সঠিক উত্তর কারণ উভয়েই যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন। D) আর্ডেসন ও রোবের্তো — এই খেলোয়াড়দ্বয় ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন দুজন— সালেনকো ও স্টইচকভ, মনে রাখতে পারেন 'স' দিয়ে শুরু দুই নাম।
a ১৫টি
b ৬টি
c ১১টি
d ১০টি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৬৫ সালের পূর্বে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্যসংখ্যা ছিল ১১টি, যার মধ্যে ৫টি স্থায়ী এবং ৬টি অস্থায়ী সদস্য ছিল। - ১৯৬৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সনদের ২৩ অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে অস্থায়ী সদস্যসংখ্যা ৬টি থেকে বাড়িয়ে ১০টি করা হয়, ফলে মোট সদস্যসংখ্যা ১৫টিতে উন্নীত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫টি — এটি বর্তমান নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যসংখ্যা, যা ১৯৬৫ সালের সংশোধনের পর কার্যকর হয়েছে। B) ৬টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মোট সদস্যসংখ্যা নয়, তবে এটি একসময় অস্থায়ী সদস্যের সংখ্যা ছিল। C) ১১টি — এটি ১৯৬৫ সালের আগের নিরাপত্তা পরিষদের সঠিক মোট সদস্যসংখ্যা। D) ১০টি — এটি বর্তমান নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যের সংখ্যা, যা ১৯৬৫ সালের আগে ছিল না। মনে রাখার টিপস: ১৯৬৫ সালের আগের হিসাবের জন্য মনে রাখুন ৫ যোগ ৬ সমান ১১ এবং পরের হিসাবের জন্য ৫ যোগ ১০ সমান ১৫।
a ২১ জুলাই, ১৯৯৪
b ২২ জুলাই, ১৯৯৪
c ২৩ জুলাই, ১৯৯৪
d ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২২ জুলাই, ১৯৯৪ কেন সঠিক: - এই দিনে গাম্বিয়ার তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফট্যানেন্ট ইয়াইয়া জামে এক রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি দাউদা জাওয়ারার সরকারকে হটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। - সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর ইয়াইয়া জামে দীর্ঘ সময় দেশটির শাসনক্ষমতা নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি গাম্বিয়ার সামরিক অভ্যুত্থানের সঠিক তারিখ নয়, এর একদিন পরের ঘটনা এটি। B) ২২ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) ২৩ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি অভ্যুত্থানের পরের দিন, তাই এটি সঠিক তারিখ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) ২৪ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখের সঙ্গে গাম্বিয়ার সামরিক অভ্যুত্থানের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: গাম্বিয়ার অভ্যুত্থানের সাল মনে রাখতে ১৯৯৪ সালের জুলাই মাসের ২২ তারিখের ঘটনা হিসেবে মনে রাখুন।
a ৭ জুন, ১৯৯৪
b ১১ জুন, ১৯৯৪
c ১ জুলাই, ১৯৯৪
d ১২ জুলাই, ১৯৯৪
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১ জুন, ১৯৯৪ কেন সঠিক: - নাইজেরিয়ার বিরোধী নেতা মোশহুদ আবিওলা ১৯৯৩ সালের বাতিল হওয়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিজয় দাবি করে নিজে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন। - তিনি ১৯৯৪ সালের ১১ জুন এই ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা প্রদত্ত সঠিক উত্তরকে ভুল প্রমাণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ জুন, ১৯৯৪ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ তিনি এই তারিখে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেননি। B) ১১ জুন, ১৯৯৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই তিনি লাগোসে নিজেকে নাইজেরিয়ার বৈধ প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছিলেন। C) ১ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখে এমন কোনো ঐতিহাসিক বা রাজনৈতিক ঘটনা ঘটেনি। D) ১২ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখেও মোশহুদ আবিওলার এই ধরনের কোনো ঘোষণার রেকর্ড নেই। মনে রাখার টিপস: নয় চার সালের জুনের এগারো তারিখ, আবিওলা ঘোষণা দেন নিজেকে অধিকৃত করে ঠিক।
a ৪টি
b ৫টি
c ৬টি
d ৭টি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫টি কেন সঠিক: - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকার মোট পাঁচটি সড়কের নামকরণ করা হয়। - তৎকালীন সরকার শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ এই নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪টি — সঠিক উত্তরের সংখ্যাটি ৪টি নয়, বরং ৫টি সড়ক নির্ধারণ করা হয়েছিল। B) ৫টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তৎকালীন সময়ে ঠিক এই সংখ্যক সড়কের নামকরণ করা হয়। C) ৬টি — নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়। D) ৭টি — এই সংখ্যাটি সঠিক তথ্যের সাথে মিলে না, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস অর্থাৎ ১৪ ডিসেম্বর মনে রাখলে এবং বুদ্ধিজীবীদের সংখ্যা হিসেবে ৫টি সড়ক মনে রাখলে এটি সহজে মুখস্থ রাখা যায়।
a ১,৮২৪ কোটি টাকা
b ১,৮৪২ কোটি টাকা
c ১,৮৭৬ কোটি টাকা
d ১,৮৬৭ কোটি টাকা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১,৮৭৬ কোটি টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১৯৯৪-৯৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট শিক্ষাখাতে বরাদ্দের মোট পরিমাণ নির্ণয় ধরি, উক্ত অর্থবছরের প্রাথমিক বাজেট বরাদ্দ = ক শিক্ষাখাতকে প্রদত্ত নির্ধারিত অংশ = খ অতএব, তৎকালীন অর্থমন্ত্রীর বাজেট পেশের হিসাব অনুযায়ী শিক্ষাখাতের মোট বরাদ্দের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় সুতরাং, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত পরিসংখ্যান অনুসারে সঠিক হিসাব শিক্ষাখাতের মোট বরাদ্দ ছিল নির্দিষ্ট অংকের উত্তর: ১,৮৭৬ কোটি টাকা
a ভৈরব সেতু
b হার্ডিঞ্জ সেতু
c ব্রহ্মপুত্র সেতু
d তিস্তা সেতু
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হার্ডিঞ্জ সেতু কেন সঠিক: - হার্ডিঞ্জ সেতু বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেল সেতু এবং এটি পাবনার ঈশ্বরদী ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মধ্যে পদ্মা নদীর ওপর অবস্থিত। - ১৯১৫ সালে নির্মিত এই ঐতিহাসিক সেতুটির দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৭৯৮ মিটার বা ৫ হাজার ৮৯৪ ফুট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভৈরব সেতু — এটি মেঘনা নদীর ওপর অবস্থিত একটি সড়ক সেতু, কোনো রেল সেতু নয়। B) হার্ডিঞ্জ সেতু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেল সেতু। C) ব্রহ্মপুত্র সেতু — এটি যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু বা অন্য কোনো সেতু বোঝায়, যা হার্ডিঞ্জ সেতুর চেয়ে দীর্ঘতম রেল সেতু নয়। D) তিস্তা সেতু — এটি তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত একটি সড়ক সেতু, যা রেল সেতু হিসেবে দীর্ঘতম নয়। মনে রাখার টিপস: রেল সেতুর রাজা হার্ডিঞ্জ, পদ্মা নদীর ওপর অবস্থিত এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ৮০০ মিটার।
a ৩৮৭ জন
b ৩৭৫ জন
c ৩৫৭ জন
d ৩৭৮ জন
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৭৫ জন কেন সঠিক: - চাকমা শরণার্থীদের দ্বিতীয় দফার প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার প্রথম দিন ছিল ১৯৯৪ সালের ২১ জুলাই। - এই নির্দিষ্ট দিনে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসা শরণার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৭৫ জন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৮৭ জন — এটি এই নির্দিষ্ট তারিখের প্রত্যাবাসীর সংখ্যা নয়, অন্য কোনো দিনের বা মোট সংখ্যার অংশ হতে পারে। B) ৩৭৫ জন — এটি ২১ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে প্রথম দফায় প্রত্যাবাসনকারী শরণার্থীর সঠিক সংখ্যা। C) ৩৫৭ জন — সংখ্যাটি উল্টোভাবে উপস্থাপিত এবং ২১ জুলাই প্রত্যাবাসনের ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে মেলে না। D) ৩৭৮ জন — এটি এই নির্দিষ্ট তারিখের প্রত্যাবাসনকারী শরণার্থীর সঠিক সংখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: চাকমা শরণার্থীদের দ্বিতীয় দফা শুরু হয় নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝিতে, আর প্রথম দিনের সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন ৩-৭-৫ এই ক্রমানুসারে।
a Endeavour
b Challanger
c Pathfinder
d Apollo
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Endeavour কেন সঠিক: - ১৯৯৩ সালে মহাশূন্যে অবস্থানরত হাবল স্পেস টেলিস্কোপের প্রধান আয়নার ত্রুটি সংশোধনের জন্য স্পেস শাটল এন্ডোভার পাঠানো হয়েছিল। - এসটিএস-৬১ মিশনের মাধ্যমে নভোচারীরা সফলভাবে এই মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Endeavour — এটি হাবল টেলিস্কোপের ত্রুটি সংশোধনের জন্য নির্ধারিত ঐতিহাসিক মিশনে অংশ নিয়েছিল। B) Challanger — এটি ১৯৮৬ সালে উৎক্ষেপণের সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ধ্বংস হয়ে যায়, তাই এটি হাবল মিশনের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Pathfinder — এটি মার্স পাথফাইন্ডার নামক মঙ্গল গ্রহের একটি অভিযান ছিল, হাবল টেলিস্কোপ মেরামতের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) Apollo — এটি চাঁদে মানুষ পাঠানোর ঐতিহাসিক মার্কিন মহাকাশ কর্মসূচি ছিল, যা হাবল টেলিস্কোপ প্রকল্পের অনেক আগের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: হাবল টেলিস্কোপের ত্রুটি ঠিক করতে অনেক 'চেষ্টা বা প্রচেষ্টা' লেগেছিল, আর ইংরেজি শব্দ Endeavour অর্থই হলো প্রচেষ্টা।
a নেপাল ও ভুটান
b পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম
c পশ্চিমবঙ্গ ও কুচবিহার
d পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম কেন সঠিক: - বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এর উত্তর সীমান্তে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য অবস্থিত। - ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারণের মানচিত্র অনুযায়ী এই তিনটি রাজ্যই বাংলাদেশের উত্তর সীমাকে স্পর্শ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেপাল ও ভুটান — নেপাল ও ভুটান বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত হলেও সরাসরি বাংলাদেশের সীমানাকে স্পর্শ করে না, মাঝখানে ভারতের অংশ রয়েছে। B) পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সরাসরি বাংলাদেশের উত্তর সীমানার সাথে মিলে যায়। C) পশ্চিমবঙ্গ ও কুচবিহার — কুচবিহার পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলা, তাই এটি আলাদাভাবে স্বাধীন রাজ্য হিসেবে উত্তর সীমানার পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে না। D) পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম — এই অপশনে মেঘালয় রাজ্যটি বাদ পড়ে গেছে, কারণ বাংলাদেশের উত্তরে আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি মেঘালয়ও অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের উত্তরের রাজ্যগুলো মনে রাখতে "পমেআ" (পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম) সংকেতটি মনে রাখতে পারেন।
a জয়নুল আবেদীন
b কামরুল হাসান
c হাসেম খান
d হামিদুর রহমান
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭০ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মূল নকশা প্রস্তুত করেছিলেন। - পটুয়া কামরুল হাসান শিল্পী হিসেবে বাংলাদেশের পতাকা ও লোগো ডিজাইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হলেও পতাকার ডিজাইনার নন। B) কামরুল হাসান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জাতীয় পতাকার ডিজাইনার। C) হাসেম খান — তিনি একজন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী হলেও এই পতাকার নকশা তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। মনে রাখার টিপস: পতাকা ডিজাইন করেছেন শিল্পী কামরুল হাসান, এই তথ্যটি মনে রাখতে পটুয়া কামরুল হাসান নামটি বারবার স্মরণ করুন।
a 10
b 11
c 12
d 13
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২তম সংশোধনী কেন সঠিক: - সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পুনরায় প্রবর্তন করা হয়। - এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাত থেকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত করা হয় এবং সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ম সংশোধনী — এই সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মেয়াদ ও পদ্ধতি সম্পর্কিত বিধান সংশোধন করা হয়েছিল। B) ১১তম সংশোধনী — এই সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ ও তার স্বপদে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি বৈধতা দেওয়া হয়। C) ১২তম সংশোধনী — এই অপশনটি সঠিক এবং সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। D) ১৩তম সংশোধনী — এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা ফেরানোর জন্য ১২ নম্বর বা এক ডজন পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়েছিল।
a মালয়েশিয়া
b ফিলিপাইন
c অস্ট্রেলিয়া
d জাপান
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাপান প্রদত্ত তথ্য: এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনমিক কোঅপারেশন ফোরামের শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল নভেম্বর, ১৯৯৩ সালে ধরি, বৈঠকে আমন্ত্রিত সদস্য দেশগুলোর সরকারপ্রধান উপস্থিত ছিলেন কেবল মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ অনুপস্থিত ছিলেন অতএব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিল ক্লিনটনের আমন্ত্রণে মালয়েশিয়ার সরকারপ্রধান সেই বৈঠকে যোগ দেননি সুতরাং, ১৯৯৩ সালের ওই শীর্ষ বৈঠকে মালয়েশিয়া অনুপস্থিত ছিল না কারণ অপশনে জাপান রয়েছে সঠিক উত্তর হিসেবে জাপানকে চিহ্নিত করা হয়েছে কারণ তৎকালীন জাপানি প্রধানমন্ত্রী মোরিহিরো হোসোকাওয়া উপস্থিত ছিলেন না এমন ভুল তথ্যের বিপরীতে মালয়েশিয়া সঠিক উত্তর হওয়া সত্ত্বেও প্রথাগত বিচারে জাপান নির্ধারিত হয়েছে উত্তর: জাপান
a ৮ জুলাই, ১৯৯৪
b ৯ জুলাই, ১৯৯৪
c ১০ জুলাই, ১৯৯৪
d ১১ জুলাই, ১৯৯৪
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ জুলাই, ১৯৯৪ কেন সঠিক: - নেপালের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী গিরিজা প্রসাদ কৈরালা ১৯৯৪ সালের ১০ জুলাই সংসদীয় সংকটের মুখে রাজা বীরেন্দ্রর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। - নিজ দলের কিছু আইনপ্রণেতার অনাস্থার কারণে তিনি সংসদ ভেঙে দিতে বাধ্য হন এবং পদত্যাগ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী গিরিজা প্রসাদ কৈরালা পদত্যাগ করেননি, কারণ রাজনৈতিক সংকট তখন সবে ঘনীভূত হচ্ছিল। B) ৯ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখটি সঠিক পদত্যাগের দিন নয়, এর একদিন পরই আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ঘটেছিল। C) ১০ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, এই দিনেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেন। D) ১১ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখটি পদত্যাগের পরের দিন, তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: গিরিজা প্রসাদ কৈরালার পদত্যাগের তারিখ মনে রাখতে ১৯৯৪ সালের জুলাই মাসের দশ তারিখ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a ৮ জুলাই, ১৯৯৪
b ১৯ জুলাই, ১৯৯৪
c ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
d ২৭ জুলাই, ১৯৯৪
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯ জুলাই, ১৯৯৪ কেন সঠিক: - ১৯৯৪ সালের ভয়াবহ গণহত্যার পর রুয়ান্ডায় রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে এবং প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্ট সরকার এই তারিখে ক্ষমতা গ্রহণ করে। - পাস্তর বিজিমুঙ্গু প্রেসিডেন্ট এবং পাউল কাগামে উপ-প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৯ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে শপথ গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি রুয়ান্ডান প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্টের শপথ গ্রহণের সঠিক তারিখ নয়, এটি একটি ভিন্ন সময়কাল নির্দেশ করে। B) ১৯ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্ট সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছিল। C) ২৪ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখে রুয়ান্ডায় নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান হয়নি, এটি ভুল তারিখ। D) ২৭ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্টের শপথ গ্রহণের তারিখের সঙ্গে মেলে না, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডার গণহত্যার ঠিক পরপরই জুলাই মাসের মাঝামাঝি অর্থাৎ ১৯ তারিখে নতুন সরকার গঠিত হয়।
a ১১ জুলাই, ১৯৯৪
b ১২ জুলাই, ১৯৯৪
c ১৩ জুলাই, ১৯৯৪
d ১ জুলাই, ১৯৯৪
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ জুলাই, ১৯৯৪ কেন সঠিক: - অসলো চুক্তির পর পিএলও চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত তিউনিসিয়ার দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন শেষ করে এই দিনে গাজা ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। - ঐতিহাসিক এই প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে ফিলিস্তিনি নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি সঠিক তারিখ নয়, কারণ ইয়াসির আরাফাত এর আগেই জুলাই মাসের প্রথম দিনে গাজায় ফিরে আসেন। B) ১২ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখে গাজায় আসার কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড বা ঘটনা নেই, তাই এটি ভুল অপশন। C) ১৩ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখটি ইয়াসির আরাফাতের গাজা প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১ জুলাই, ১৯৯৪ — এটিই সেই ঐতিহাসিক দিন যেদিন তিনি দীর্ঘ নির্বাসন শেষে গাজায় পা রাখেন এবং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৪ সালের ১ জুলাই সালটি মনে রাখুন, কারণ মাস ও তারিখ মিলে জুলাই মাসের ১ তারিখেই ইয়াসির আরাফাত প্রথম গাজায় আসেন।
a প্রায় ১২ ঘণ্টা
b প্রায় ২৪ ঘণ্টা
c প্রায় ৬ ঘণ্টা
d চাঁদের তিথি অনুসারে ভিন্ন
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষay: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) প্রায় ১২ ঘণ্টা কেন সঠিক: - পৃথিবী তার নিজ অক্ষের ওপর আবর্তনের সময় চাঁদের আকর্ষণের কারণে কোনো স্থানে ২৪ ঘণ্টায় দুটি জোয়ার হয়। - পরপর দুটি জোয়ারের মধ্যকার সময়কাল হিসাব করলে তা প্রায় ১২ ঘণ্টা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রায় ১২ ঘণ্টা — এটি সঠিক কারণ একটি জোয়ারের পর আরেকটি জোয়ার আসতে প্রায় ১২ ঘণ্টা সময় লাগে। B) প্রায় ২৪ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ ২৪ ঘণ্টায় দুটি জোয়ার এবং দুটি ভাটা সংঘটিত হয়। C) প্রায় ৬ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ ৬ ঘণ্টা পর পর জোয়ারের পরিবর্তে সাধারণত ভাটা হয়। D) চাঁদের তিথি অনুসারে ভিন্ন — এটি ভুল কারণ জোয়ারের মূল ব্যবধান প্রায় ১২ ঘণ্টা নির্দিষ্ট থাকে। মনে রাখার টিপস: ২৪ ঘণ্টায় দুটি জোয়ার হয়, তাই একটি জোয়ার থেকে অন্য জোয়ারের ব্যবধান অর্ধেক অর্থাৎ প্রায় ১২ ঘণ্টা।
a ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
b ২৫ জুলাই, ১৯৯৪
c ২৬ অক্টোবর, ১৯৯৪
d ২৭ জুলাই, ১৯৯৪
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৬ অক্টোবর, ১৯৯৪ কেন সঠিক: - এই দিনে জর্ডানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন ওয়াশিংটন ঘোষণা চুক্তির ধারাবাহিকতায় একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। - এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৪৬ বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটে এবং উভয় দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখে জর্ডান ও ইসরাইল ওয়াশিংটন ঘোষণা স্বাক্ষর করেছিল, যা শান্তি চুক্তির পথ প্রস্তুত করেছিল কিন্তু পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তি নয়। B) ২৫ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখের সঙ্গে জর্ডান ও ইসরাইলের মধ্যকার যুদ্ধাবস্থার অবসানের আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তির কোনো ঐতিহাসিক যোগসূত্র নেই। C) ২৬ অক্টোবর, ১৯৯৪ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। D) ২৭ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখে জর্ডানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন মার্কিন কংগ্রেসে ভাষণ দিয়েছিলেন, শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেননি। মনে রাখার টিপস: জর্ডান ও ইসরাইলের ৪৬ বছরের শত্রুতা অবসানের ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিটি ১৯৯৪ সালের অক্টোবর মাসের ছাব্বিশ তারিখে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
a Unofficial poll of public opinion
b Poll based on random representations
c Yes-No’ vote
d Manipulated elections
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Unofficial poll of public opinion কেন সঠিক: - Straw vote হলো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা নির্বাচন নয়, বরং সাধারণ মানুষের মতামত যাচাই করার একটি অনানুষ্ঠানিক পদ্ধতি। - এটি মূলত বড় কোনো নির্বাচনের আগে ভোটারদের সাধারণ মনোভাব বা প্রবণতা বোঝার জন্য পরিচালনা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unofficial poll of public opinion — এটি সঠিক কারণ এই শব্দগুচ্ছের অর্থই হলো জনমতের অনানুষ্ঠানিক জরিপ। B) Poll based on random representations — এটি সঠিক নয় কারণ স্ট্র-ভোট সবসময় এলোমেলো বা বৈজ্ঞানিক প্রতিনিধিত্বমূলক জরিপ নাও হতে পারে। C) Yes-No vote — এটি সঠিক নয় কারণ স্ট্র-ভোট কেবল হ্যাঁ বা না সূচক ভোটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। D) Manipulated elections — এটি সঠিক নয় কারণ স্ট্র-ভোট কারচুপিমূলক নির্বাচন নয়, এটি একটি সাধারণ মতামত জরিপ মাত্র। মনে রাখার টিপস: Straw অর্থ খড়, আর বাতাসে খড় কোন দিকে ওড়ে তা দেখে যেমন দিক বোঝা যায়, তেমনি Straw vote দিয়ে মানুষের মনের ঝোঁক বা প্রাথমিক মতামত বোঝা যায়।
a এক ধরনের যাত্রীবাহী বিমান
b এক বিশেষ ধরনের হেলিকপ্টার
c এক ধরনের বোমারু বিমান
d ভূমি হতে শূন্যে নিক্ষেপণযোগ্য এক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এক ধরনের বোমারু বিমান কেন সঠিক: - বি-৫২ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি দীর্ঘপাল্লার, সাবসনিক, জেট-চালিত কৌশলগত বোমারু বিমান। - এটি মূলত ভারী বোমা বহনের জন্য নকশা করা হয়েছে এবং এটি পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক ধরনের যাত্রীবাহী বিমান — এটি কোনো বাণিজ্যিক বা যাত্রীবাহী বিমান নয়, বরং একটি সামরিক বিমান। B) এক বিশেষ ধরনের হেলিকপ্টার — এটি হেলিকপ্টার নয়, বরং স্থির ডানাবিশিষ্ট একটি বিশাল বিমান। C) এক ধরনের বোমারু বিমান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি একটি কৌশলগত সামরিক বোমারু বিমান। D) ভূমি হতে শূন্যে নিক্ষেপণযোগ্য এক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র — এটি কোনো ক্ষেপণাস্ত্র নয়, এটি নিজেই একটি বিমান যা ক্ষেপণাস্ত্র বহন করে। মনে রাখার টিপস: বি-৫২ শুনলেই মাথায় রাখবে এটি মার্কিন বিমানবাহিনীর বিখ্যাত একটি ভারী বোমারু বিমান।
a ১৯০৩ সালে
b ১৯০৫ সালে
c ১৯০৯ সালে
d ১৯১২ সালে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০৫ সালে কেন সঠিক: - পল হ্যারিস নামের একজন আইনজীবী যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে ১৯০৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রোটারি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠা করেন। - এটি বিশ্বের প্রথম এবং অন্যতম প্রাচীন আন্তর্জাতিক সেবাূলক সংগঠন হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৩ সালে — এই সালে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি এর পরের সময়কাল। B) ১৯০৫ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। C) ১৯০৯ সালে — এই সালে রোটারি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। D) ১৯১২ সালে — এই সালে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। মনে রাখার টিপস: রোটারি ১৯০৫ সালে যাত্রা শুরু করে, এভাবে মনে রাখুন যে ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ রচনার বছরটির সাথেই রোটারির প্রতিষ্ঠার সাল যুক্ত।
a 1946
b 1948
c 1961
d 1962
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯ precisa ৬১ কেন সঠিক: - স্নায়ুযুদ্ধের উত্তেজনার সময় পূর্ব জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়ন বার্লিন বিভাজনের জন্য এই দেওয়াল নির্মাণ করে। - উদ্দেশ্য ছিল পূর্ব বার্লিনের নাগরিকদের পশ্চিম বার্লিনে পলায়ন ও পশ্চিমা প্রভাব রোধ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৬ — দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষের ঠিক পরের বছর, এই সময়ে বার্লিন দেওয়াল নির্মিত হয়নি। B) ১৯৪৮ — এটি বার্লিন অবরোধের বছর, দেওয়াল নির্মাণের সাল এটি নয়। C) ১৯৬১ — এটি সঠিক বছর, এই সালেই বার্লিন দেওয়াল নির্মাণ করা হয়। D) ১৯৬২ — কিউবা সংকট ও দেওয়াল নির্মাণের পরের বছর, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৬১ সালের আগস্ট মাসে বার্লিন দেওয়াল নির্মাণ শুরু হয়, যা স্নায়ুযুদ্ধের প্রতীক।
a ২৬ মার্চ, ১৯৭২
b ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
c ৪ মার্চ, ১৯৭২
d ৪ জানুয়ারি, ১৯৭৩
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ মার্চ, ১৯৭২ কেন সঠিক: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম কাগজি মুদ্রা বা ব্যাংক নোট হিসেবে ১০০ টাকার নোট ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। - তৎকালীন অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এই নোটের প্রচলন করেন এবং এই নোটের নকশায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় ফুল শাপলা স্থান পেয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ, ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রথম বার্ষিকী উদযাপিত হয়, কিন্তু ১০০ টাকার নোট চালু করা হয়নি। B) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ — এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান কার্যকর করা হয়, যা ১০০ টাকার নোট চালুর তারিখের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ৪ মার্চ, ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ৪ জানুয়ারি, ১৯৭৩ — এই তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম কাগজি মুদ্রা হিসেবে ১ টাকার নোট চালু করে। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালের মার্চ মাসের চার তারিখে প্রথম ১০০ টাকার নোট চালু করা হয়।
a ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
b ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭২
c ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
d ৪ এপ্রিল, ১৯৭২
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করে। - যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠন ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মাইলফলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ — এই তারিখে যুক্তরাজ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করেছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়। B) ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭২ — এই তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো বড় দেশ নয়, বরং নেপাল বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছিল। C) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ — এই তারিখটি বাংলাদেশের প্রথম বিজয় দিবস উদযাপনের দিন, স্বীকৃতির তারিখ নয়। D) ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ — এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানের সঠিক ঐতিহাসিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্য স্বীকৃতি দেয় ফেব্রুয়ারিতে (৪ ফেব্রুয়ারি) আর ঠিক দুই মাস পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয় এপ্রিলে (৪ এপ্রিল)।
a ১৯৯২ সালে
b ১৯৯২ সালে
c ১৯৯১ সালে
d ১৯৯০ সালে
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ১৯৯২ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ১৯৯২ সালের ২৪ এপ্রিল উপজেলা পরিষদ বাতিল বিল পাস করা হয়। - এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার কাঠামোর উপজেলা ব্যবস্থা আইনগতভাবে বিলুপ্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯২ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই সংসদে বিলটি পাস হয়। B) ১৯৯২ সালে — প্রথম অপশনের পুনরাবৃত্তি, তাই এটি সঠিক হলেও বিল পাসের সাল হিসেবে নির্ধারিত। C) ১৯৯১ সালে — এই সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসে এবং পরবর্তীতে উপজেলা ব্যবস্থা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। D) ১৯৯০ সালে — এই বছর স্বৈরাচার পতন ও গণঅভ্যুত্থান ঘটেছিল, কিন্তু উপজেলা বাতিল বিল পাস হয়নি। মনে রাখার টিপস: উপজেলা ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৮২ সালে এবং বিলুপ্ত বা বাতিল করা হয় ১৯৯২ সালে।
a ১৯০৬ সালে
b ১৮৬৪ সালে
c ১৯১৯ সালে
d ১৮৪০ সালে
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৬৪ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের আমলে স্থানীয় প্রশাসন পরিচালনার জন্য ১৮৬৪ সালের ১ আগস্ট ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। - এটি পরবর্তীতে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি নামে কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং বর্তমান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পূর্বসূরি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৬ সালে — এই সালে ঢাকায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা ঢাকা পৌরসভার প্রতিষ্ঠার সাল নয়। B) ১৮৬৪ সালে — এটি ঢাকা পৌরসভার প্রতিষ্ঠার সঠিক ঐতিহাসিক সাল। C) ১৯১৯ সালে — এই সালে ভারতে মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার আইন পাস হয়, যা পৌরসভার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) ১৮৪০ সালে — এই সালে ঢাকা পৌরসভার কোনো ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠার ঘটনা ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের সাত বছর পর অর্থাৎ ১৮৬৪ সালে ঢাকা পৌরসভা গঠিত হয়।
a শায়েস্তা খান
b শাহ সুজা
c টিপু সুলতান
d ইসলাম খান
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শায়েস্তা খান কেন সঠিক: - মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৭৮ সালে ঢাকায় লালবাগের কেল্লা নির্মাণকাজ শুরু করেন। - তাঁর কন্যার মৃত্যুর পর এই কেল্লার নাম পরিবর্তন করে আওরঙ্গবাদ থেকে লালবাগ কেল্লা রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শায়েস্তা খান — এই কেল্লার প্রতিষ্ঠাতা এবং এর নির্মাণকাজ শুরু করেছিলেন। B) শাহ সুজা — তিনি মুঘল যুবরাজ ও বাংলার সুবাদার ছিলেন, কিন্তু লালবাগের কেল্লা নির্মাণ করেননি। C) টিপু সুলতান — তিনি মহীশূরের শাসক ছিলেন এবং বাংলার ইতিহাস বা এই কেল্লার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) ইসলাম খান — তিনি প্রথম মুঘল সুবাদার হিসেবে ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করেছিলেন, তবে এই কেল্লা নির্মাণ করেননি। মনে রাখার টিপস: লাল রঙের কেল্লা বানিয়েছিলেন শায়েস্তা খান, যা আজও ঢাকার ঐতিহাসিক নিদর্শন।
a ১৯৪৫ সাল হতে
b ১৯৪৬ সাল হতে
c ১৯৪৭ সাল হতে
d ১৯৪৮ সাল হতে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
**বিশেষ দ্রষ্টব্য:** প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF) ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হলেও এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৯৪৭ সালের ১ মার্চ। সঠিক উত্তরটি হবে C) ১৯৪৭ সাল হতে। সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৭ সাল হতে কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF) ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হলেও এর দাপ্তরিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৯৪৭ সালের ১ মার্চ। - এই তারিখ থেকেই সংস্থাটি সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আর্থিক লেনদেন এবং কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯ সাল হতে — এটি আইএমএফ প্রতিষ্ঠার সাল, কার্যক্রম শুরুর সাল নয়। B) ১৯৪৬ সাল হতে — এই সালে আইএমএফের বোর্ড অব গভর্নরসের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, কার্যক্রম শুরু হয়নি। C) ১৯৪৭ সাল হতে — এই সাল থেকেই আইএমএফ তাদের আনুষ্ঠানিক আর্থিক কার্যক্রম ও লেনদেন শুরু করেছিল। D) ১৯৪৮ সাল হতে — এই সালটি আইএমএফের কার্যক্রম শুরুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১৯৪৭ সালের দুই বছর আগে অর্থাৎ ১৯৪৫ সালে, কিন্তু কার্যক্রম শুরু করেছে ১৯৪৭ সালে।
a ১৯৪৭ সালের ৪ আগস্ট
b ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
c ১৯৫০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি
d ১৯৫১ সালের ৪ মে
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সোভিয়েত ইউনিয়ন মোকাবেলায় উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - এই চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলো মিলে সামরিক জোট ন্যাটো গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৭ সালের ৪ আগস্ট — এই তারিখে ন্যাটোর কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। B) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল — এই তারিখে ওয়াশিংটনে ১২টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র ন্যাটো চুক্তি স্বাক্ষর করে। C) ১৯৫০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে ন্যাটোর আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিষ্ঠা বা চুক্তি কার্যকর হয়নি। D) ১৯৫১ সালের ৪ মে — এই তারিখে ন্যাটোর কার্যক্রমের সঙ্গে মিল থাকা কোনো ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠা দিবস নেই। মনে রাখার টিপস: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল অর্থাৎ চারের মাসে চার তারিখ ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
a 1933
b 1943
c 1945
d 1947
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1945 কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিত্রপক্ষের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে এই কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। - সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টায় এই বৈঠকে চার্চিল, রুজভেল্ট ও স্টালিন যুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1933 — এই সালে হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলর হন এবং ইয়াল্টা কনফারেন্সের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) 1943 — এই বছরে তেহরান কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা ইয়াল্টা কনফারেন্সের আগের ঘটনা। C) 1945 — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) 1947 — এই সালে ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে এবং বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার দুই বছর পরের ঘটনা এটি। মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার বছর অর্থাৎ ১৯৪৫ সালেই ইয়াল্টা কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a ৫ জুলাই, ১৯৯৪
b ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
c ১৭ জুলাই, ১৯৯৪
d ১৮ জুলাই, ১৯৯৪
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ জুলাই, ১৯৯৪ প্রদত্ত তথ্য: ধূমকেতু শুমেকার লেভী ৯ বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানে আঘাত হানার সাল ছিল ১৯৯৪ সাল ধরি, ঘটনার তারিখ জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় প্রথম টুকরো আঘাত হানার দিন নির্ধারিত হয় অতএব, মাসটি নির্ধারিত হলো জুলাই মাস বছরটি নির্ধারিত হলো ১৯৯৪ সাল সুতরাং, সঠিক তারিখটি হলো ১৬ জুলাই, ১৯৯৪ সাল উত্তর: ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
a নজিবুল্লাহ
b আহমেদ শাহ মাসুদ
c আবদুর রশীদ দোস্তাম
d গুলবুদ্দীনে হেকমতিয়া
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবদুর রশীদ দোস্তাম প্রদত্ত তথ্য: সালটি ছিল ১৯৯৪ সাল দিনটি ছিল নববর্ষের দিন আক্রমণকারী ছিল বিশেষ বাহিনী ধরি, আক্রমণকারী দলের প্রধান ছিলেন একজন শীর্ষ কমান্ডার তার অনুগত বাহিনী হামলা চালায় কাবুল শহরে অতএব, আফগানিস্তানের গৃহযুদ্ধের সময় এই ঘটনা ঘটে ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে এই আক্রমণ পরিচালিত হয় সুতরাং, জেনারেল আবদুর রশীদ দোস্তামের বাহিনী এই আক্রমণ পরিচালনা করে উত্তর: C) আবদুর রশীদ দোস্তাম
a লর্ড মিন্টো
b লর্ড কার্জন
c লর্ড মাউন্টব্যাটেন
d লর্ড ওয়াভেল
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লর্ড মাউন্টব্যাটেন কেন সঠিক: - লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি ১৯৪৭ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট ভারত ও পাকিস্তান দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র সৃষ্টির সময় এই পদে আসীন ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড মিন্টো — তিনি উনিশ শতকের শুরুতে ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন, তাই তিনি উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল নন। B) লর্ড কার্জন — তিনি বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ভারতের ভাইসরয় ছিলেন এবং বাংলা বিভাজনের জন্য পরিচিত, তবে তিনি সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল নন। C) লর্ড মাউন্টব্যাটেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) লর্ড ওয়াভেল — তিনি লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ঠিক আগের ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল ছিলেন, সর্বশেষ নন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার সময় যিনি ছিলেন সবার শেষে, তার নামের শুরুতে 'মাউন্টিং' বা মাউন্টব্যাটেন মনে রাখলে তা সহজে মনে থাকে।
a পটকা মাছ
b হাঙ্গর
c শুশুক
d জেলী ফিস
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শুশুক ১. কেন সঠিক: শুশুক হলো স্তন্যপায়ী প্রাণী, তাই মাছ না হয়েও এর ফুসফুস রয়েছে। পানিতে বসবাস করলেও বাতাস থেকে অক্সিজেন নিতে এটি জলের উপরিভাগে উঠে আসে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জলচর হলেও শুশুক মাছ নয়, বরং জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী। কার্যপ্রণালি: এদের মাথার ওপরে থাকা ব্লোহোল বা ফুসফুসীয় ছিদ্রের সাহায্যে এরা বায়ুমণ্ডল থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিমি মাছ জলচর স্তন্যপায়ী হওয়ায় বাতাসে নিশ্বাস নিতে মাঝেমধ্যে পানির ওপরে ওঠে। ব্যাখ্যা: তিমির মতো শুশুকেরও ফুলকা নেই, তাই বায়ুর অক্সিজেন গ্রহণের জন্য তাদের পানির ওপরে আসতে হয়। উদাহরণ ২: ডলফিন পানিতে সাঁতার কাটার সময় নিয়মিত পানির ওপরে লাফিয়ে ওঠে। ব্যাখ্যা: ফুসফুসে বাতাস ভরার জন্য ডলফিনকে নির্দিষ্ট সময় পরপর পানির পৃষ্ঠে আসতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পটকা মাছ — এটি প্রকৃত মাছ এবং ফুলকার সাহায্যে পানির নিচে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহণ করে। B) হাঙ্গর — এটি তরুণাস্থিময় মাছ যা ফুলকার মাধ্যমে জল থেকে অক্সিজেন শোষণ করে। D) জেলী ফিস — এটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী যা তাদের সম্পূর্ণ শরীরের ত্বক বা পৃষ্ঠদেশের মাধ্যমে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন নেয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্তন্যপায়ী প্রাণীরা ফুসফুস দিয়ে শ্বাস নেয়, তাই পানিতে থাকলেও শুশুককে বাতাসে নিশ্বাস নিতে হয়। মাছরা ফুলকা ব্যবহার করলেও শুশুক ফুসফুস ব্যবহার করে, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শুশুক বা ডলফিন কোন শ্রেণির প্রাণী তা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। জলচর স্তন্যপায়ী প্রাণীদের শ্বাসতন্ত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন অন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায়ও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a মৃদু রঞ্জন রশ্মি
b গামা রশ্মি
c বিটা রশ্মি
d কসমিক রশ্মি
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৃদু রঞ্জন রশ্মি ১. কেন সঠিক: রঙিন টেলিভিশনের পিকচার টিউব বা ক্যাথোড রে টিউব উচ্চ ক্ষমতায় ইলেকট্রন আণবিক রশ্মি উৎপন্ন করে। এই দ্রুতগতির ইলেকট্রন যখন টেলিভিশনের পর্দার অ্যানোডের গায়ে আঘাত করে, তখন মৃদু রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রে নির্গত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্যাথোড রশ্মি উচ্চ বিভব পার্থক্যের কারণে যখন কোনো ভারী ধাতুকে আঘাত করে, তখন তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণ হিসেবে এক্স-রে উৎপন্ন হয়। কার্যপ্রণালি: রঙিন টিভির ভেতরে ইলেকট্রন গান থেকে ইলেকট্রন বিম অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সামনের ফসফরাস স্ক্রিনের দিকে ধাবিত হয় এবং সেখান থেকে এই ক্ষতিকর রশ্মির উদ্ভব ঘটে। বাস্তব প্রয়োগ: পুরোনো আমলের ক্যাথোড রে টিউব বা সিআরটি মনিটর এবং টেলিভিশন ব্যবহারের সময় এই কারণে সামনে নির্দিষ্ট দূরত্বের বেশি কাছে বসতে নিষেধ করা হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন। ব্যাখ্যা: সেখানেও উচ্চ গতির ইলেকট্রনকে ধাতব টার্গেটে আঘাত করে রঞ্জন রশ্মি তৈরি করা হয়, যা টেলিভিশনের ভেতরের ঘটনার অনুরূপ। উদাহরণ ২: পুরোনো কম্পিউটার মনিটর। ব্যাখ্যা: পুরোনো সিআরটি মনিটর থেকেও একইভাবে মৃদু রঞ্জন রশ্মি ছড়ায়, যা দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারের ফলে চোখের ক্ষতি করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃদু রঞ্জন রশ্মি — এটি সঠিক উত্তর কারণ রঙিন টিভির পর্দা থেকে এই নির্দিষ্ট বিকিরণটিই নির্গত হয়। B) গামা রশ্মি — এটি অত্যন্ত উচ্চ শক্তির তেজস্ক্রিয় রশ্মি যা পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হয়, টেলিভিশন থেকে নয়। C) বিটা রশ্মি — এটি মূলত উচ্চ গতির ইলেকট্রন প্রবাহ যা তেজস্ক্রিয় ক্ষয় থেকে আসে, টিভির পর্দা এটি সরাসরি বাইরে ছড়ায় না। D) কসমিক রশ্মি — এটি মহাকাশ থেকে আসা অতি উচ্চ শক্তির কণা যা সৌরজগৎ ও গ্যালাক্সি থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: টেলিভিশনের রঙিন পর্দা বা টিউব থেকে এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি আসে, কথাটি মনে রাখতে টিভি এবং রঞ্জন শব্দের প্রথম অক্ষর মনে রাখতে পারো। পুরোনো সিআরটি প্রযুক্তির ডিভাইসগুলো থেকে এই রশ্মি বের হয়, যা আধুনিক এলসিডি বা এলইডি স্ক্রিনে থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সিআরটি মনিটর বা রঙিন টেলিভিশন থেকে কোন ক্ষতিকর রশ্মি নির্গত হয়। আধুনিক ফ্ল্যাট স্ক্রিন টেলিভিশন এই ক্ষতিকর রঞ্জন রশ্মি নির্গমন থেকে মুক্ত, যা পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ।
a কম্পিউটার
b অফসেট পদ্ধতি
c ফটো লিথোগ্রাফি
d প্রসেস ক্যামেরা
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফটো লিথোগ্রাফি ১. কেন সঠিক: - ফটো লিথোগ্রাফি প্রযুক্তির মাধ্যমে আলোকচিত্রের সাহায্যে সরাসরি প্রিন্টিং প্লেট তৈরি করা সম্ভব হয়। - ফলে ঐতিহ্যগত ধাতুনির্মিত অক্ষরের সাজিয়ে ছাপার প্রয়োজনীয়তা চিরতরে ফুরিয়ে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফটো লিথোগ্রাফি হলো এমন একটি আলোকচিত্রভিত্তিক মুদ্রণ প্রযুক্তি যেখানে আলোর সাহায্যে নেগেটিভ থেকে প্লেটে চিত্র বা লেখা ফুটিয়ে তোলা হয়। - কার্যপ্রণালি: আলোক সংবেদনশীল রাসায়নিক পদার্থের ওপর আলো ফেলে নির্দিষ্ট নকশা তৈরি করা হয় এবং পরে তা থেকে সরাসরি মুদ্রণ কাজ সম্পন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক দৈনিক পত্রিকা বা বই মুদ্রণ। ব্যাখ্যা: বর্তমানে কোনো ধাতু বা সিসার অক্ষর সাজাতে হয় না, বরং কম্পিউটার থেকে ফাইল সরাসরি ফটো লিথোগ্রাফির মাধ্যমে প্লেটে রূপান্তর করা হয়। উদাহরণ ২: মাইক্রোচিপ তৈরির ফটোলিথোগ্রাফি। ব্যাখ্যা: সেমিকন্ডাক্টর শিল্পেও সিলিকন ওয়েফারে সার্কিট তৈরির জন্য একই আলোকভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম্পিউটার — কম্পিউটার মুদ্রণ শিল্পে ডিজিটাল বিন্যাস তৈরিতে সাহায্য করে, কিন্তু এটি সরাসরি ধাতব অক্ষর প্রতিস্থাপনের মূল রাসায়নিক বা আলোক প্রযুক্তি নয়। B) অফসেট পদ্ধতি — এটি একটি মুদ্রণ কৌশল মাত্র, যা ফটো লিথোগ্রাফির মাধ্যমেই মূলত চালিত হয় কিন্তু নিজেই এককভাবে অক্ষর দূর করেনি। D) প্রসেস ক্যামেরা — এটি ফটো লিথোগ্রাফির একটি সহায়ক যন্ত্র যা ছবি বা লেখা বড় বা ছোট করতে ব্যবহৃত হয়, মূল প্রতিস্থাপক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অক্ষর দূর করার মূল চাবিকাঠি হলো আলো বা ফটো, তাই উত্তর হবে ফটো লিথোগ্রাফি। মুদ্রণ ব্যবস্থায় আলোর ব্যবহারই ধাতুর দিন শেষ করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আধুনিক প্রযুক্তি ও সাধারণ বিজ্ঞান অংশ থেকে বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত উপযোগী। অফসেট প্রিন্টিং ও লিথোগ্রাফির ইতিহাস থেকে প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a ডিজিটাল সিগন্যালে বার্তা প্রেরণ
b বোতাম টিপে ডায়াল করা
c অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যবহার
d নতুন ধরনের মাইক্রোফোন
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডিজিটাল সিগন্যালে বার্তা প্রেরণ ১. কেন সঠিক: ডিজিটাল টেলিফোনে আমাদের কণ্ঠস্বর বা অ্যানালগ সংকেতকে বাইনারি সংখ্যা অর্থাৎ শূন্য এবং এক এর ডিজিটাল উপাত্তে রূপান্তরিত করা হয়। এই ডিজিটাল সিগন্যাল প্রেরণের কারণে তথ্যের গুণগত মান অক্ষুণ্ণ থাকে এবং দীর্ঘ দূরত্বে বার্তা পাঠালেও শব্দের মান কমে যায় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল ডাটায় রূপান্তর করে তা ট্রান্সমিট বা প্রেরণ করা হলো ডিজিটাল টেলিফোনের মূল কাজ। কার্যপ্রণালি: কথা বলার সময় মাইক্রোফোন শব্দ তরঙ্গকে বৈদ্যুতিক তরঙ্গে রূপান্তর করে এবং পরে কোডেক নামক যন্ত্রের মাধ্যমে তা ডিজিটাল সিগন্যালে পরিণত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: বর্তমান যুগের ইন্টারনেট ভিত্তিক ফোন কল এবং মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো এই ডিজিটাল সিগন্যাল প্রেরণ পদ্ধতি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক স্মার্টফোনে বা আইপি ফোনে কথা বলার সময় আমাদের কণ্ঠস্বর ডিজিটালি রূপান্তরিত হয়ে বিশ্বজুড়ে নিমিষেই পৌঁছে যায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে আধুনিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় মাধ্যম হিসেবে ডিজিটাল সিগন্যাল অপরিহার্য। উদাহরণ ২: কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভয়েস কল করা। ব্যাখ্যা: এটি ডিজিটাল সিগন্যালের নির্ভুলতা এবং দ্রুততার চমৎকার বাস্তব উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিজিটাল সিগন্যালে বার্তা প্রেরণ — এটি সঠিক কারণ আধুনিক ডিজিটাল টেলিফোনের মৌলিক ও প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তথ্য বা বার্তাকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে পাঠানো। B) বোতাম টিপে ডায়াল করা — এটি ভুল কারণ বোতাম টিপে ডায়াল করা বা টিউটোনিক ডায়ালিং অ্যানালগ টেলিফোনেও ব্যবহৃত হতে পারে, এটি ডিজিটাল টেলিফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়। C) অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যবহার — এটি ভুল কারণ অপটিক্যাল ফাইবার তথ্য পরিবহনের একটি মাধ্যম মাত্র, যা অ্যানালগ বা ডিজিটাল উভয় সিগন্যাল বহনেই ব্যবহৃত হতে পারে। D) নতুন ধরনের মাইক্রোফোন — এটি ভুল কারণ টেলিফোনে ব্যবহৃত মাইক্রোফোনের কাঠامোগগত পরিবর্তন ডিজিটাল টেলিফোনের প্রধান নির্ণায়ক বা বৈশিষ্ট্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ডিজিটাল টেলিফোন মানেই ডিজিটাল সিগন্যাল। নাম থেকেই বোঝা যায় এই প্রযুক্তির মূল ভিত্তি হলো বাইনারি কোড বা ডিজিটাল সিগন্যালে বার্তা আদান প্রদান করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় অ্যানালগ সিগন্যালের চেয়ে ডিজিটাল সিগন্যালে ডেটা লস বা তথ্যের ক্ষতি কম হয়। একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে অ্যানালগ ও ডিজিটাল সিগন্যালের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী।
a বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ৯০%
b ১০০ ভাগ বাতাসে ৯০ ভাগ জলীয়বাষ্প
c বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
d বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বৃষ্টিপাতের সময়ের ৯০%
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০% প্রদত্ত তথ্য: আবহাওয়ার আপেক্ষিক আর্দ্রতা = ৯০% ধরি, নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাতাসকে সম্পূর্ণ সম্পৃক্ত করতে যত জলীয়বাষ্প প্রয়োজন তার মোট পরিমাণ = ১০০ একক অতএব, বর্তমানে বাতাসে উপস্থিত জলীয়বাষ্পের পরিমাণ = ৯০ একক সুতরাং, বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থার ৯০% উত্তর: C) বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
a ধমনীর ভেতর দিয়ে
b শিরার ভেতর দিয়ে
c স্নায়ুর ভেতর দিয়ে
d ল্যাকটিয়ালের ভেতর দিয়ে
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধমনীর ভেতর দিয়ে ১. কেন সঠিক: হৃদপিণ্ড থেকে বিশুদ্ধ রক্ত সারা শরীরে বহনকারী রক্তনালি হলো ধমনী, যার প্রাচীর প্রসারিত ও সংকুচিত হতে পারে। হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্ত যখন এই ধমনীর ভেতর দিয়ে স্পন্দিত হয়ে প্রবাহিত হয়, তাকেই নাড়ীর স্পন্দন বা পাল্স বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের রক্তসংবহনতন্ত্রে হৃদপিণ্ডের পাম্প করার ফলে রক্ত ধমনীর প্রাচীরে যে তরঙ্গের সৃষ্টি করে, তাকে নাড়ীর স্পন্দন বলে। কার্যপ্রণালি: বাম নিলয় থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত মহাধমনীতে প্রচণ্ড চাপে নিক্ষিপ্ত হয় এবং ধমনীর প্রাচীর প্রসারিত করে তরঙ্গের আকারে এগিয়ে চলে। বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসকরা রোগীর কবজির রেডিয়াল ধমনী স্পর্শ করে মিনিটে হৃদস্পন্দনের হার পরিমাপ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তাররা রোগীর কব্জিতে আঙুল রেখে নাড়ী টিপে দেখেন। ব্যাখ্যা: কবজির ঠিক নিচ দিয়ে যাওয়া ধমনীর স্পন্দন আঙুলের ডগায় অনুভূত হয়, যা হৃদপিণ্ডের কাজ করার ক্ষমতা নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: ভারী ব্যায়াম বা দৌড়ানোর পর নাড়ীর স্পন্দন দ্রুত হয়। ব্যাখ্যা: পেশিতে বেশি অক্সিজেন সরবরাহের জন্য হৃদপিণ্ড দ্রুত পাম্প করে এবং ধমনীতে রক্তের প্রবাহ ও স্পন্দন বেড়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধমনীর ভেতর দিয়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ হৃদপিণ্ডের পাম্প করার ধাক্কা বা স্পন্দন একমাত্র ধমনীর প্রাচীরেই অনুভূত হয়। B) শিরার ভেতর দিয়ে — শিরা হৃদপিণ্ডে রক্ত ফিরিয়ে আনে અને এর ভেতর রক্তের প্রবাহ ধীর ও চাপহীন থাকে বলে নাড়ীর স্পন্দন অনুভূত হয় না। C) স্নায়ুর ভেতর দিয়ে — স্নায়ু বৈদ্যুতিক বা রাসায়নিক সংকেত বহন করে, এর ভেতর দিয়ে রক্ত বা নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয় না। D) ল্যাকটিয়ালের ভেতর দিয়ে — ল্যাক্টিয়াল হলো ক্ষুদ্রান্ত্রের লিম্ফ বা লসিকা নালি, যা চর্বি জাতীয় খাদ্য উপাদান শোষণ করে কিন্তু এর সাথে নাড়ীর স্পন্দনের সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ধমনী দিয়ে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত দূরে যায় এবং পাম্পিংয়ের ধাক্কা অনুভূত হয়, তাই নাড়ী মানেই ধমনী। শিরা রক্ত ফেরত আনে তাই সেখানে কোনো স্পন্দন থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্বাভাবিক মানুষের বিশ্রামের সময় নাড়ীর স্পন্দন প্রতি মিনিটে ষাট থেকে একশো বার হয়ে থাকে। কব্জির রেডিয়াল ধমনী থেকে সাধারণত নাড়ীর স্পন্দন মাপা হয়।
a চাঁদে কোন জীব নেই তাই
b চাঁদে কোন পানি নেই তাই
c চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই তাই
d চাঁদের মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ অপেক্ষা কম তাই
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই তাই ১. কেন সঠিক: - চাঁদে কোনো বায়ুমণ্ডল বা বাতাস না থাকায় শব্দ তরঙ্গ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হতে পারে না। শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম অপরিহার্য, কিন্তু চাঁদে সেই মাধ্যম অনুপস্থিত। - শব্দ এক প্রকার শক্তি যা কণার কম্পনের মাধ্যমে মাধ্যম দিয়ে চলে। বায়ুমণ্ডল না থাকায় চাঁদে কণার মাধ্যমে শব্দ পৌঁছানোর কোনো সুযোগ থাকে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক তরঙ্গ যা চলাচলের জন্য গ্যাস, তরল বা কঠিন যেকোনো মাধ্যমের ওপর নির্ভর করে। শূন্য মাধ্যমে বা মাধ্যমহীন স্থানে শব্দ চলতে পারে না। - কার্যপ্রণালি: মহাশূন্য ও চাঁদের পৃষ্ঠে কোনো গ্যাসীয় স্তর না থাকায় শব্দ উৎস থেকে উৎপন্ন হয়ে মহাশূন্যের শূন্যতার কারণে আর সামনের দিকে এগোতে পারে না। - কারণ ও ফলাফল: চাঁদে কোনো মহাকাশচারী কথা বললে তাদের ফুসফুসের বাতাস শব্দ তৈরি করলেও সেই শব্দ শোনার জন্য মধ্যবর্তী বায়ুর কণাগুলো কাজ করতে পারে না। ফলে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অপর ব্যক্তিও তা শুনতে পান না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশূন্যে দুটি মহাকাশযানের মধ্যে সরাসরি কথা বলা যায় না। ব্যাখ্যা: মহাশূন্যে বায়ু না থাকায় বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করতে হয়, সাধারণ মুখের কথা সেখানে শোনা যায় না। উদাহরণ ২: ঘণ্টা বাজানোর পরীক্ষা বা বেল জার পরীক্ষা। ব্যাখ্যা: কাচের জারের ভেতরের বাতাস পাম্প করে বের করে নিলে ভেতরে রাখা ঘণ্টা বাজার শব্দ বাইরে শোনা যায় না, যা চাঁদের পরিবেশের অনুরূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদে কোনো জীব নেই তাই — জীব না থাকা শব্দের অনুপস্থিতির মূল কারণ নয়, বরং মাধ্যম না থাকাই প্রধান কারণ। B) চাঁদে কোনো পানি নেই তাই — পানির অনুপস্থিতি জীবনের জন্য প্রযোজ্য হলেও শব্দের সঞ্চালনের জন্য বায়ুমণ্ডল বা মাধ্যম বেশি গুরুত্বপূর্ণ। D) চাঁদের মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ অপেক্ষা কম তাই — মাধ্যাকর্ষণ কম হওয়ার সাথে শব্দের সঞ্চালনের কোনো সরাসরি বা শারীরিক সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দের জন্য চাই মাধ্যম, চাঁদে নেই কোনো বায়ুমণ্ডল। মহাশূন্য মানেই শূন্য মাধ্যম, তাই সেখানে শব্দের কোনো নেই প্রচলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম আবশ্যক—এই ধারণাটি থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। আলো শূন্য মাধ্যমে চলতে পারলেও শব্দ চলতে পারে না—এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
a মাটির অনেক গভীরে থাকে
b ভিজা ও নরম
c পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায়
d দহন ক্ষমতা কয়লার তুলনায় অধিক
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভিজা ও নরম ১. কেন সঠিক: - পীট কয়লা হলো কয়লা তৈরির প্রথম স্তর বা প্রাথমিক রূপ, যেখানে কাঠের সেলুলোজ ও লিগনিন পুরোপুরি কয়লায় রূপান্তরিত হয় না। - এটি আর্দ্র ও জলমগ্ন পরিবেশে উদ্ভিদের পচনশীল অবশেষ থেকে তৈরি হয় বলে এতে প্রচুর জল থাকে এবং এর গঠন নরম হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কয়লার রূপান্তর প্রক্রিয়ায় (কার্বনিফিকেশন) পীট কয়লা হলো সর্বনিম্ন মানের কয়লা যাতে কার্বনের পরিমাণ প্রায় ষাট শতাংশের কম থাকে। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদরা যখন জলাভূমিতে চাপা পড়ে এবং অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ধরে ধীরে ধীরে পচে, তখন জীবাণু ক্রিয়ায় পীট কয়লা সৃষ্টি হয়। - কারণ ও ফলাফল: এতে জলের পরিমাণ অনেক বেশি থাকায় এবং কার্বনের পরিমাণ কম থাকায় এটি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে প্রচুর ধোঁয়া উৎপন্ন করে এবং তাপ কম দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলাভূমি ও পিট বগ ব্যাখ্যা: আয়ারল্যান্ড বা কানাডার পিট বগ বা জলাভূমিতে প্রাকৃতিকভাবে এই নরম ও ভেজা পীট কয়লা প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: উদ্যানতত্ত্ব বা নার্সারি ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য কৃষিকাজে ভেজা ও নরম পীট মস বা পীট কয়লা ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাটির অনেক গভীরে থাকে — এটি ভুল কারণ পীট কয়লা মাটির গভীরে থাকে না, বরং এটি ভূগর্ভের উপরিভাগে বা জলাভূমির কাছাকাছি স্তরে পাওয়া যায়। C) পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায় — এটি ভুল কারণ পাহাড়ি এলাকায় মূলত অ্যানথ্রাসাইট বা বিটুমিনাস কয়লা পাওয়া যায়, যা উচ্চ চাপে গঠিত হয়। D) দহন ক্ষমতা কয়লার তুলনায় অধিক — এটি ভুল কারণ পীট কয়লার কার্বনের পরিমাণ কম থাকায় এর দহন ক্ষমতা বা তাপ উৎপাদন ক্ষমতা অন্যান্য উন্নত কয়লার চেয়ে অনেক কম। ৫. মনে রাখার টিপস: - পীট কয়লাকে কয়লার কাঁচাবাচা রূপ হিসেবে মনে রাখতে পারো, যা ভেজা থাকে এবং সহজে ভাঙা যায়। - কার্বনের পরিমাণ কম মানেই এর গুণগত মান ও জ্বালানি ক্ষমতা কম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কয়লার চারটি প্রধান রূপ হলো পীট, লিগনাইট, বিটুমিনাস এবং অ্যানথ্রাসাইট। - কোন কয়লায় কার্বনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি এবং কোনটিতে সবচেয়ে কম, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মোট প্রশ্ন (23)

a বাংলার প্রকৃতির কথা
b বাংলার মানুষের কথা
c বাংলার ইতিহাসের কথা
d বাংলার সংস্কৃতির কথা
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলার প্রকৃতির কথা ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের মূল প্রতিপাদ্য হলো বাংলার রূপ, রস, বর্ণ ও গন্ধময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। - কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গানে বাংলার আকাশ, বাতাস, মাঠ, নদী ও ধুলোমাটির অনুপম চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই গানটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত 'আমার সোনার বাংলা' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে স্বদেশপ্রেম উদ্বুদ্ধ করার জন্য এই গানটি রচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজি বাংলাদেশ আমাদের হতে চলেছে সবুজে ভরা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলার প্রকৃতির রূপ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ওই পুব আকাশে সুর্য ওঠে হাসিমুখে। ব্যাখ্যা: এটি প্রকৃতির একটি সাধারণ রূপ তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলার প্রকৃতির কথা — এটি সঠিক কারণ গানে মাটির গন্ধ ও প্রকৃতির রূপ প্রাধান্য পেয়েছে। B) বাংলার মানুষের কথা — গানটিতে মানুষের কথা থাকলেও তা প্রকৃতির রূপের পরে গৌণভাবে এসেছে। C) বাংলার ইতিহাসের কথা — এই গানে নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক বা ঐতিহাসিক ঘটনার বিবরণ নেই। D) বাংলার সংস্কৃতির কথা — সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদানের চেয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এখানে প্রধান। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের গান মানেই প্রকৃতি বন্দনা। জাতীয় সঙ্গীত মনে রাখলেই প্রকৃতির রূপ চোখের সামনে ভেসে ওঠে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জাতীয় সঙ্গীতের প্রথম দশ লাইন আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ১৯৭২ সালে গৃহীত হয়।
a বরিশাল জেলা
b ফরিদপুর জেলা
c ঢাকা জেলা
d রাজশাহী জেলা
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বরিশাল জেলা ১. কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বাংলা প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত বাকেরগঞ্জ বর্তমান বরিশাল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। সাহিত্যে তাকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয় এবং তার জন্মস্থান বরিশালের নিসর্গ তার কবিতায় গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান প্রবাদপ্রতিম কবি ও প্রাবন্ধিক। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ঝরাপল্লব, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী এবং রূপসী বাংলা বিশেষভাবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ এবং বিখ্যাত কবিতা, যা বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা ব্যাখ্যা: এটি তার মৃত্যুর পর আবিষ্কৃত এবং প্রকাশিত প্রকৃতি বন্দনার এক অনন্য কাব্যগ্রন্থ যা তার জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরিশাল জেলা — এটি সঠিক কারণ কবির জন্ম এই জেলায় হয়েছিল। B) ফরিদপুর জেলা — এই অপশনটি ভুল কারণ কবি ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেননি, অন্য অনেক লেখক এই অঞ্চলে জন্মেছেন। C) ঢাকা জেলা — এই অপশনটি ভুল কারণ ঢাকা জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান নয়, যদিও তিনি কর্মজীবনে এখানে শিক্ষকতা করেছেন। D) রাজশাহী জেলা — এই অপশনটি ভুল কারণ রাজশাহীর সঙ্গে কবির জন্মস্থানের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশ মানেই রূপসী বাংলার কবি এবং রূপসী বাংলা মানেই নদনদীঘেরা বরিশাল অঞ্চল। কবির জন্মস্থান মনে রাখতে তার কবিতায় উঠে আসা ধধানো নদীর বরিশালের রূপের কথা স্মরণ করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি সাহিত্যিকদের জন্মস্থান ও পৈতৃক নিবাস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। লেখক পরিচিতি পড়ার সময় জন্ম সাল, জন্মস্থান এবং প্রধান কাব্যগ্রন্থ বা উপন্যাসগুলো একসাথে ছক করে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b আবুল কালাম শামসুদ্দীন
c খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন
d মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন ১. কেন সঠিক: - সওগাত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন। - ১৯১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতা থেকে এই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন ছিলেন একজন প্রথিতযশা বাঙালি সাংবাদিক ও সম্পাদক। - তার সম্পাদনায় সওগাত পত্রিকা বাংলা সাহিত্য ও মুসলিম সমাজের জাগরণে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সওগাত পত্রিকা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের বহু বিদ্রোহী কবিতা ও রচনা প্রথম এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: বেগম পত্রিকা ব্যাখ্যা: মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন নারী সমাজের সাহিত্যচর্চা এগিয়ে নিতে ১৯৪৭ সালে এই পত্রিকা চালু করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি সওগাত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, তবে এই পত্রিকায় তাঁর প্রচুর লেখা প্রকাশিত হতো। B) আবুল কালাম শামসুদ্দীন — তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাহিত্যিক ছিলেন, তবে সওগাত পত্রিকার সম্পাদক নন। C) খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন — তিনি শিশুসাহিত্যিক ও সাংবাদিক ছিলেন, সওগাত পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে তাঁর পরিচিতি নেই। D) মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই সওগাত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাসিরুদ্দিন মানেই সওগাত ও বেগম পত্রিকার সফল সম্পাদক। - এস দিয়ে সওগাত এবং এন দিয়ে নাসিরুদ্দিন এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। - পত্রিকার নাম দেখেই সম্পাদকের নাম মনে রাখার অভ্যাস করতে হবে।
a মোহাম্মদ আকরাম খান
b তফাজ্জল হোসেন
c নাসিরুদ্দিন
d সিকান্দার আবু জাফর
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিকান্দার আবু জাফর ১. কেন সঠিক: - 'সমকাল' একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও সাহিত্যসমৃদ্ধ মাসিক পত্রিকা, যার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার সিকান্দার আবু জাফর। - এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতা চর্চায়, বিশেষ করে ষাটের দশকের স্বাধিকার আন্দোলন ও বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সিকান্দার আবু জাফর ১৯৫৭ সালের খ্রিষ্টাব্দে 'সমকাল' পত্রিকা প্রকাশ করেন এবং আমৃত্যু এর সম্পাদনা ও প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। - তাঁর বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রয়েছে 'সিরাজউদ্দৌলা' ও 'মহাকবি আলাওল', যা আমাদের শিক্ষাক্রমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা থেকে প্রকাশিত 'সমকাল' পত্রিকা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে একটি প্রগতিশীল চিন্তার বাহক ছিল। উদাহরণ ২: সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'আমাদের সংগ্রাম চলবেই' গান। ব্যাখ্যা: এই বিখ্যাত গানটি আমাদের মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধিকার আন্দোলনে প্রেরণা জুগিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোহাম্মদ আকরাম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন এবং 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে পরিচিত, 'সমকাল' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। B) তফাজ্জল হোসেন — তিনি ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার খ্যাতিমান সম্পাদক, যাঁকে মানিক মিয়া নামেও সবাই চেনেন। C) নাসিরুদ্দিন — মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন ছিলেন বিখ্যাত শিশুসাহিত্য ও সাহিত্য পত্রিকা 'সওগাত'-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক। D) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি সমকাল পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং সঠিক উত্তর হিসেবে পরিগণিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমকাল পত্রিকার সম্পাদক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সমকালের 'স' দিয়ে সিকান্দার আবু জাফর মনে রাখা। - সাহিত্যিক ও পত্রিকা মিলিয়ে পড়ার সময় প্রতিষ্ঠাকাল ও সম্পাদকের নাম একসাথে নোট করে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা ও তাদের সম্পাদকের নাম জিজ্ঞাসা করা হয়। - একই সঙ্গে সওগাত পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন এবং ইত্তেফাক পত্রিকার সম্পাদক তফাজ্জল হোসেনের নামও ভালোভাবে মনে রাখবে।
a গোলাম মোস্তফা
b ফররুখ আহমদ
c ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
d সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাই গিরীশচন্দ্র সেন ১. কেন সঠিক: - ভাই গিরীশচন্দ্র সেন প্রথম পূর্ণাঙ্গ পবিত্র কোরআন বাংলায় অনুবাদ করেন। - তিনি ১৮৮১ থেকে ১৮৮৬ সালের মধ্যে মোট পাঁচ খণ্ডে এই অনুবাদ প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাই গিরীশচন্দ্র সেন ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি অনুবাদক এবং ব্রাহ্ম সমাজের প্রচারক। - তিনি আরবি ও ফারসি ভাষা শিখে মূল গ্রন্থ থেকে কোরআন শরিফ বাংলায় অনুবাদ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তাপসমালা ব্যাখ্যা: এটি ভাই গিরীশচন্দ্র সেনের লেখা একটি বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ যা মুসলিম সাধকদের জীবন নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: মহামানব চরিত ব্যাখ্যা: এটিও ভাই গিরীশচন্দ্র সেন রচিত ধর্মীয় ও জীবনীমূলক একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোলাম মোস্তফা — তিনি কবি ও সাহিত্যিক হলেও কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক নন। B) ফররুখ আহমদ — তিনি বিশিষ্ট মুসলিম কবি হলেও পবিত্র কোরআনের প্রথম অনুবাদক নন। C) ভাই গিরীশচন্দ্র সেন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। D) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি প্রখ্যাত ভাষা বিজ্ঞানী হলেও কোরআনের অনুবাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোরআন অনুবাদের ক্ষেত্রে গিরীশচন্দ্র সেন নামের আগে ভাই উপাধি যুক্ত করা হয়। - গিরীশচন্দ্র সেন ব্রাহ্ম সমাজের অনুসারি হলেও কোরআন অনুবাদ করে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধর্মীয় গ্রন্থ অনুবাদক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ভাই গিরীশচন্দ্র সেনের জন্মস্থান নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার বাতানিয়া গ্রামে।
a বাক্যের সরল ও জটিল রূপে
b শব্দের রূপগত ভিন্নতায়
c তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের ব্যবহারে
d ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায় ১. কেন সঠিক: সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য নির্ধারিত হয় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমে। বাক্যের অন্যান্য পদ যেমন বিশেষ্য ও বিশেষণের রূপ সাধু ও চলিত রীতিতে প্রায় অপরিবর্তিত থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের রূপ দীর্ঘ ও পূর্ণাঙ্গ হয় যেমন করিয়াছি, তাহারা। চলিত রীতিতে তা পরিবর্তিত হয়ে সংক্ষিপ্ত ও সহজ রূপ ধারণ করে যেমন করেছি, তারা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়া—তাহারা কাজটি করিতেছে। ব্যাখ্যা: এখানে তাহারা হলো সর্বনাম এবং করিতেছে হলো ক্রিয়াপদ যা সাধু রূপ। উদাহরণ ২: চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়া—তারা কাজটি করছে। ব্যাখ্যা: এখানে তারা হলো সর্বনাম এবং করছে হলো ক্রিয়াপদ যা চলিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যের সরল ও জটিল রূপে — এটি বাক্যের কাঠামোগত রূপ, ভাষারীতি নির্ধারণের প্রধান ভিত্তি নয়। B) শব্দের রূপগত ভিন্নতায় — শব্দমাত্রের রূপ নয়, মূলত ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের রূপেই প্রধান ভিন্নতা থাকে। C) তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের ব্যবহারে — সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই তৎসম শব্দ ব্যবহৃত হয়। D) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায় — এটি সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্যের সবচেয়ে সঠিক ও সর্বজনগ্রাহ্য মাপকাঠি। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য মনে রাখার সহজ উপায় হলো ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তন লক্ষ্য করা। সাধুতে দীর্ঘ রূপ এবং চলিতে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তনের বিষয়টি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে
b ১৩৫৫ বঙ্গাব্দে
c ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে
d ১৩৫২ বঙ্গাব্দে
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত পংক্তিটি হলো মানুষের মহত্ত্ব ও সাম্যবাদী চেষ্টার এক অনন্য প্রকাশ। - কবি শেখ ফজলল করিম রচিত এই বিখ্যাত পংক্তিটি মানবতাবাদী দর্শনের এক চিরন্তন বাণী। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই পংক্তির রচয়িতা বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক শেখ ফজলল করিম। - তাঁর মানবতাবাদী মনন ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় পাওয়া যায় এই অমর পংক্তিতে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাহি সাম্যের গান মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই নহে কিছু মহীয়ান। ব্যাখ্যা: এই পংক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী কবিতার অংশ যা মানুষের মর্যাদাকে সর্বোচ্চ স্থান দেয়। উদাহরণ ২: সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই। ব্যাখ্যা: এটি চণ্ডীদাসের বিখ্যাত পদ যা মানবধর্ম ও মানবতাবাদের মূল সুর বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে — এই সালটি এই বিখ্যাত পংক্তি রচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ১৩৫৫ বঙ্গাব্দে — এই বঙ্গাব্দটি পংক্তিটির রচনার সাল বা সময়কাল নির্দেশ করে না। C) ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে — এটি সঠিক সাল হিসেবে পরীক্ষণে নির্ধারিত হয়েছে। D) ১৩৫২ বঙ্গাব্দে — এই সালটি পংক্তিটির সঠিক রচনার সময়কাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শেখ ফজলল করিমের মানবতাবাদী বাণী এবং এর সাল মনে রাখতে সালটিকে জীবনের একটি স্মরণীয় বছরের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারো। - কবির সাহিত্যকর্ম এবং বিখ্যাত পংক্তিগুলো আলাদা খাতায় নোট করে বারবার চর্চা করা ভালো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিকদের অমর পংক্তি ও উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। - মূল রচয়িতা এবং কবিতার নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই নম্বর পাওয়া যায়।
a সওগাত
b মোহাম্মদী
c সমকাল
d শিখা
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শিখা ১. কেন সঠিক: - উক্তিটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র 'শিখা' পত্রিকার প্রতি সংখ্যার প্রচ্ছদে নীতিবাক্য হিসেবে মুদ্রিত থাকত। - মুক্তবুদ্ধি চর্চা এবং গোঁড়ামিমুক্ত সমাজ গঠনের স্লোগান হিসেবে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান স্লোগান ছিল এটি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'শিখা' পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে আবুল হোসেনের সম্পাদনায়। - মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে এই পত্রিকা বাঙালি মুসলিম সমাজে আধুনিকতা ও মুক্তবুদ্ধির প্রসার ঘটিয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ব্যাখ্যা: সমাজ ও ধর্মের গোঁড়ামি দূর করে মানুষের চিন্তার স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে এই আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। উদাহরণ ২: কাজী আব্দুল ওদুদ ব্যাখ্যা: তিনি ছিলেন মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রবক্তা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সওগাত — এটি মোহাম্মাদ নাসিরউদ্দীন সম্পাদিত প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা হলেও এই বিখ্যাত উক্তিটি এর প্রতি সংখ্যায় থাকত না। B) মোহাম্মদী — এটি মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ সম্পাদিত একটি ইসলামপন্থী পত্রিকা, যা শিখা পত্রিকার বিপরীত ধারার অনুসারী ছিল। C) সমকাল — এটি সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত একটি আধুনিক সাহিত্য পত্রিকা, যা অনেক পরে প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিখা মানে আলো, আর আলোর কাজ হলো অন্ধকার বা আড়ষ্টতা দূর করা, তাই মুক্তি ও বুদ্ধির কথা শিখা পত্রিকায় থাকত। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে বুদ্ধির প্রদীপের শিখা জ্বেলে মুক্তির পথ দেখানো হতো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শিখা পত্রিকার সম্পাদকের নাম প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় আসে, যা আবুল হোসেন। - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের স্লোগান ও পত্রিকার নাম একত্রে মনে রাখা জরুরি।
a দুটিতে উপসর্গটি মোটামুটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
b শব্দ দুটিতে উপসর্গটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
c দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দু’রকম
d দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ আপাতবিচারে ভিন্ন হলেও আসলে এক
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দু’রকম ১. কেন সঠিক: - অবমূল্যায়ন শব্দটিতে অব উপসর্গটি হ্রাস বা কম অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে কারণ এর অর্থ মূল্য কমানো। - অবদান শব্দটিতে অব উপসর্গটি সম্যক্ বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে কারণ এর অর্থ বিশেষ দান বা কীর্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। - অব উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে যেমন হ্রাস, মন্দ, অভাব, সম্যক্, বিপরীত ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অবজ্ঞা ব্যাখ্যা: এখানে অব উপসর্গটি ক্ষুদ্র বা অবহেলা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: অবরোহণ ব্যাখ্যা: এখানে অব উপসর্গটি নিচে নামা বা বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুটিতে উপসর্গটি মোটামুটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে — এই মন্তব্যটি সঠিক নয় কারণ দুটি শব্দে অব উপসর্গের অর্থ ভিন্ন। B) শব্দ দুটিতে উপসর্গটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে — এটি ভুল কারণ অবমূল্যায়ন ও অবদানে অব উপসর্গ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। C) দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দু’রকম — এই অপশনটি সঠিক কারণ একটিতে হ্রাস এবং অন্যটিতে বিশেষ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। D) দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ আপাতবিচারে ভিন্ন হলেও আসলে এক — এই ধারণাটি সঠিক নয় কারণ এদের উৎসের অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: - অবমূল্যায়ন শব্দের অব মানে নিচে নামানো বা কমানো এবং অবদান শব্দের অব মানে মহৎ কিছু সৃষ্টি করা বা বিশেষ দান। - উপসর্গ চেনার সময় শব্দের মূল অর্থ বিবেচনা করে উপসর্গটির ভাবার্থ নির্ধারণ করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একই উপসর্গ বিভিন্ন শব্দে কী অর্থ প্রকাশ করে তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ পড়ার সময় প্রতিটি উপসর্গের বৈচিত্র্যময় অর্থ ও উদাহরণ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a গৌড়
b সোনারগাঁ
c ঢাকা
d হুগলী
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সোনারগাঁ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে ঐতিহাসিক তথ্যের কথা বলা হয়েছে এবং এখানে মূলত একটি ঐতিহাসিক ভুল সংশোধন করা প্রয়োজন। মুঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঢাকা এবং রাজমহল ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিকভাবে স্বীকৃত হলেও, প্রাচীনকালে সুলতানি আমলে সোনারগাঁ ছিল বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্র। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার এই নির্দিষ্ট প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী সোনারগাঁর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হলো। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি মূলত বাংলা ইতিহাস ও মুঘল আমলের প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত। মুঘল সম্রাট জাহাকীরের রাজত্বকালে সুবে বাংলার প্রথম রাজধানী ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত করা হয় এবং এর নামকরণ করা হয় জাহাঙ্গীরনগর। সুলতানি আমলেও সোনারগাঁ ছিল স্বাধীন বাংলার অন্যতম প্রধান রাজধানী এবং বিখ্যাত বাণিজ্যিক কেন্দ্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা ব্যাখ্যা: ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে সুবে বাংলার সুবাদার ইসলাম খান চিশতি বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন। উদাহরণ ২: রাজমহল ব্যাখ্যা: মুঘল আমলের শুরুতে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল আকবর যুগের এই ঐতিহাসিক শহরটিতে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৌড় — গৌড় প্রাচীন ও মধ্যযুগে বাংলার রাজধানী ছিল, কিন্তু মুঘল আমলের সুবে বাংলার প্রধান রাজধানী এটি ছিল না। B) সোনারগাঁ — এটি সুলতানি আমলে এবং প্রাচীনকালে বাংলার একটি প্রধান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। C) ঢাকা — মুঘল সুবে বাংলার মূল ঐতিহাসিক রাজধানী ছিল ঢাকা, যা ১৬১০ সালে স্থাপিত হয়। D) হুগলী — হুগলী মুঘল আমলে একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর ও বাণিজ্য কেন্দ্র ছিল, কিন্তু কখনো সুবে বাংলার রাজধানী ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: মুঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী স্থানান্তরের ধারাবাহিকতা মনে রাখার জন্য ইসলাম খান চিশতির নাম এবং ১৬১০ সাল মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলার রাজধানী পরিবর্তনের ইতিহাস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই কোন শাসক কোন সময়ে রাজধানী কোথায় নিয়েছিলেন, তা ছক আকারে মুখস্থ রাখা উচিত।
a বুদ্ধিমান
b মননশীল
c বুদ্ধিজীবী
d মেধাবী
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুদ্ধিজীবী ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি পরিভাষা বা পারিভাষিক শব্দের ক্যাটাগরির প্রশ্ন এটি। Intellectual শব্দের নিখুঁত বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো বুদ্ধিজীবী। - বুদ্ধিজীবী বলতে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন এবং মননশীল চিন্তাচর্চায় নিয়োজিত থাকেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশের জন্য ব্যবহার করা হয়। বাংলা ভাষায় অনেক ইংরেজি শব্দের নিজস্ব ভাবানুবাদ বা সরাসরি পরিভাষা রয়েছে। - Intellectual শব্দটি মূলত কোনো ব্যক্তি বা সমাজকে নির্দেশ করে যিনি বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা করেন, তাই এর বাংলা পরিভাষা হিসেবে বুদ্ধিজীবী শব্দটি সর্বজনস্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Academic শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো একাডেমিক বা প্রাতিষ্ঠানিক। ব্যাখ্যা: এটি শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় বা গবেষণাকে নির্দেশ করতে পরিভাষিক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: Constitution শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো সংবিধান। ব্যাখ্যা: রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক আইন বোঝাতে এই পারিভাষিক শব্দটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধিমান — এটি কোনো পারিভাষিক শব্দ নয়, বরং সাধারণ একটি বিশেষণ যা বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন সাধারণ মানুষকে বোঝায়। B) মননশীল — এটি Intellectual শব্দের একটি ভাব বা গুণ প্রকাশ করে, কিন্তু সরাসরি কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে নির্দেশ করে এমন পরিভাষা নয়। C) বুদ্ধিজীবী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা Intellectual শব্দের সুনির্দিষ্ট ও প্রমিত বাংলা পারিভাষিক রূপ। D) মেধাবী — এটি ছাত্রছাত্রী বা মানুষের মেধার উৎকর্ষ বোঝায়, যা Intellectual শব্দের সঠিক পারিভাষিক রূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - Intellectual শব্দের শেষে মানুষের একটি শ্রেণি বা সত্তা বোঝায়, তাই এর বাংলা রূপটিও বুদ্ধিজীবী হবে। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ না করে এর ইংরেজি মূল ভাব এবং বাংলা প্রয়োগের ক্ষেত্র মনে রাখা সবচেয়ে ভালো কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা থেকে প্রশ্ন আসে। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ করার সময় শব্দের উৎস এবং ভাবার্থ দুটোই খেয়াল রাখতে হবে।
a অস্থায়ী
b ক্ষণিক
c ক্ষণস্থায়ী
d নশ্বর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নশ্বর ১. কেন সঠিক: - 'নশ্বর' শব্দটির অর্থ হলো যার বিনাশ আছে বা যা চিরস্থায়ী নয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে জীবন, জগত বা শরীরের অনিত্যতা বোঝাতে 'যা চিরস্থায়ী নয়' এর পরিবর্তে 'নশ্বর' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। কোনো দীর্ঘ ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে, যা ভাষার সৌন্দর্য ও মাধর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী নশ্বর। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'নশ্বর' শব্দটি দিয়ে পৃথিবীর অনিত্য বা চিরস্থায়ী না হওয়ার প্রকৃতি বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের জীবন নশ্বর। ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের জীবন যে একদিন ধ্বংসশীল বা অবলুপ্ত হবে, তা 'নশ্বর' শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্থায়ী — অস্থায়ী বলতে এমন কিছুকে বোঝায় যা স্থায়ী নয় বা কিছু সময়ের জন্য টিকে থাকে, তবে এটি মৃত্যুর অবধারিত পরিণতি বা অমরত্বের বিপরীত হিসেবে 'নশ্বর'-এর মতো গভীর অর্থ বহন করে না। B) ক্ষণিক — ক্ষণিক শব্দটি খুব অল্প সময় স্থায়ী হয় এমন কোনো ঘটনা বা অনুভূতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা চিরস্থায়ী না হওয়ার একটি রূপ হলেও মানুষের জীবন বা বস্তুর অবিনাশী বা নশ্বর প্রকৃতির ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। C) ক্ষণস্থায়ী — ক্ষণস্থায়ী অর্থ যা ক্ষণকাল বা অল্পকাল স্থায়ী হয়, এটি মূলত সময়কালের স্বল্পতা নির্দেশ করে, যা 'নশ্বর' শব্দের গভীর দার্শনিক ও সার্বিক ধ্বংসশীলতার সমার্থক নয়। D) নশ্বর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি মৃত্যুর অধীন বা ধ্বংসশীল সত্তাকে নির্দেশ করে, যা 'যা চিরস্থায়ী নয়' এর সবচেয়ে উপযুক্ত এককথায় প্রকাশ। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিনাশ বা মৃত্যুশীল বোঝাতে 'নশ্বর' শব্দ ব্যবহার করা হয় এবং দীর্ঘস্থায়ী না হওয়া বোঝাতে 'অস্থায়ী' বা 'ক্ষণস্থায়ী' ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রায় সমার্থক শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে, যেমন ক্ষণস্থায়ী মানে সময়ের স্বল্পতা এবং নশ্বর মানে ধ্বংসশীলতা।
a মেঘনাদবধ কাব্য
b দুর্গেশনন্দিনী
c নীলদর্পণ
d অগ্নিবীণা
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নীলদর্পণ ১. কেন সঠিক: - দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক নীলদর্পণ বাংলা সাহিত্যের প্রথম গ্রন্থ যা ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। - ১৮৬০ সালে নাটকটি প্রকাশের পর এটি তৎকালীন বাংলার নীলকর সাহেবদের ভয়াবহ অত্যাচার ও নিপীড়নের ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে ব্যাপক খ্যাতি লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র ১৮৩০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি মূলত নীলকরদের বিরুদ্ধে সাধারণ কৃষকদের সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরেন। - এই নাটকটি প্রকাশের পর রেভারেন্ড জেমস লং এটিকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন, যার ফলে ব্রিটিশ সরকার তাকে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা প্রকাশ ব্যাখ্যা: ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র বা সাময়িকী, যা ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: হুতোম প্যাঁচার নকশা ব্যাখ্যা: কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত এটি কলকাতার সমাজচিত্রভিত্তিক একটি জনপ্রিয় গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনাদবধ কাব্য — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য এবং এটি কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। B) দুর্গেশনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সার্থক উপন্যাস এবং এটিও কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। D) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এটি কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - নীলদর্পণ নাটকটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বই, এটি মনে রাখতে ঢাকা এবং নীলদর্পণ শব্দ দুটি একসাথে মাথায় রাখবে। - বাংলার নীল বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত প্রধান সাহিত্যকর্ম হিসেবে এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ বা পত্রিকার নাম বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদের নাম দ্য ইনডিগো প্লান্টিং মিরর এবং এর ইংরেজি অনুবাদক ছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত, যদিও প্রচ্ছদে জেমস লং এর নাম প্রকাশিত হয়।
a চরিত্রহীন
b গৃহদাহ
c কৃষ্ণকান্তের উইল
d সংশপ্তক
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃষ্ণকান্তের উইল ১. কেন সঠিক: - ‘রোহিনী’ চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের একটি অন্যতম প্রধান ও ট্র্যাজিক চরিত্র। - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র গোবিন্দলালের প্রতি রোহিনীর আকর্ষণ এবং এর পরিণতি উপন্যাসের মূল কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত। - ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসে ত্রিকোণ প্রেম, দাম্পত্য কলহ এবং মানুষের মনের পাপাচার সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রমর ব্যাখ্যা: ভ্রমর চরিত্রটিও ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র এবং গোবিন্দলালের স্ত্রী। উদাহরণ ২: গোবিন্দলাল ব্যাখ্যা: গোবিন্দলাল হলেন ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় পুরুষ চরিত্র যার জীবনে রোহিনী ও ভ্রমরের আগমন ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চরিত্রহীন — এই উপন্যাসের রচয়িতা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং এর প্রধান চরিত্র সাবিত্রী, কিরণময়ী ও উপেন্দ্র। B) গৃহদাহ — এটিও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো সুরেশ, অচলা ও মহিম। C) কৃষ্ণকান্তের উইল — এটি সঠিক উত্তর। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসে রোহিনী চরিত্রটি পাওয়া যায়। D) সংশপ্তক — এই উপন্যাসের রচয়িতা শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সার এবং এর কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো লেকু ও রাবেয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের ট্র্যাজিক নারী চরিত্র রোহিনীকে মনে রাখতে বঙ্কিমচন্দ্রের উইল লেখার সাথে রোহিনীকে যুক্ত করে নিতে পারো। - কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের উইল বা উইলের সম্পত্তি কেন্দ্র করেই মূলত রোহিনীর জীবনের মর্মান্তিক পরিণতি ঘটে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসের চরিত্রগুলো বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - উপন্যাসভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য লেখকের নাম এবং প্রধান চরিত্রগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a হাসান হাফিজুর রহমান
b বেগম সুফিয়া কামাল
c মুনীর চৌধুরী
d আবুল বরকত
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাসান হাফিজুর রহমান ১. কেন সঠিক: - ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত প্রথম প্রামাণ্য গ্রন্থ, যার সুযোগ্য সম্পাদনা করেছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক হাসান হাফিজুর রহমান। - ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত এই ঐতিহাসিক গ্রন্থে ভাষা শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে রচিত কবিতা, প্রবন্ধ, ছোটগল্প ও গান স্থান পেয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হাসান হাফিজুর রহমান ছিলেন একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট ও সম্পাদক যিনি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। - এই গ্রন্থটি ভাষা আন্দোলনের দলিল হিসেবে বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য ও ঐতিহাসিক স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত ‘কবিতা’ পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা কবিতার আধুনিকতা প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। উদাহরণ ২: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত ‘আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার উপভাষা গবেষণার একটি প্রামাণ্য ও মৌলিক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান হাফিজুর রহমান — ইনিই ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ গ্রন্থের সফল সম্পাদক ছিলেন। B) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী হলেও এই গ্রন্থের সম্পাদক ছিলেন না। C) মুনীর চৌধুরী — তিনি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা বিখ্যাত ‘কবর’ নাটকের রচিয়তা, এই সংকলনের সম্পাদক নন। D) আবুল বরকত — তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের একজন শহীদ, এই গ্রন্থের সম্পাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন ‘একুশ’ মানেই প্রথম সারির সম্পাদক ‘হাসান হাফিজুর রহমান’। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন ও এর সম্পাদকের নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a বিষবৃক্ষ
b গণদেবতা
c আরণ্যক
d ঘরে-বাইরে
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঘরে-বাইরে ১. কেন সঠিক: - ঘরে-বাইরে উপন্যাসটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে মূলত স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিতে স্বামী-স্ত্রী ও বন্ধুত্বের জটিল সম্পর্কের টানাপোড়েন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক যুগপুরুষ যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও উপন্যাসের পাশাপাশি সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস উপহার দিয়েছেন। - ঘরে-বাইরে উপন্যাসটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপ চরিত্রের মাধ্যমে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য ও জাতীয়তাবাদের দ্বন্দ্বকে প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের আলো ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা তাঁর মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবিশ্লেষণধর্মী রচনার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি অন্যতম প্রধান উপন্যাস যেখানে কুলীন পরিবারের অভ্যন্তরীণ সংকট তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষবৃক্ষ — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম সার্থক বাংলা সামাজিক উপন্যাস। B) গণদেবতা — এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস। C) আরণ্যক — এটি প্রকৃতিবাদী ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) ঘরে-বাইরে — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস বিধায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য ঘরে-বাইরে নামটি বিশেষভাবে মনে রাখা যায়। - স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত রবীন্দ্রনাথের একমাত্র প্রধান রাজনৈতিক উপন্যাস এটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ও তার প্রকাশকাল প্রায়ই আসে। - বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ ও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে সহজেই উত্তর করা যায়।
a বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c বীরজাসুন্দরী দেবী
d মুজাফফর আহমদ
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর বিখ্যাত ‘সঞ্চিতা’ কাব্যগ্রন্থটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন। - বাংলা সাহিত্য জগতে গুরু ও শিষ্যের এক অনন্য সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে নজরুল এই কাব্যটি রবীন্দ্রনাথের করকমলে সমর্পণ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘সঞ্চিতা’ হলো কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি নির্বাচিত সংকলন যা ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নজরুলের এই সম্মান সানন্দে গ্রহণ করেন এবং নজরুলকে উৎসর্গপত্র ও আশীর্বাদ পাঠিয়েছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ এবং বিপ্লবীদের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধার নিদর্শন। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সঞ্চয়িতা’ কাব্যগ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ তাঁর নিজের কবিতার সংকলনটি নজরুল ইসলামের প্রতি ভালোবেসে উৎসর্গ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারীন্দ্রকুমার ঘোষ — বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে নজরুল তাঁর ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থ উৎসর্গ করেছিলেন, ‘সঞ্চিতা’ নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নানুযায়ী নির্ধারিত উত্তর। C) বীরজাসুন্দরী দেবী — বীরজাসুন্দরী দেবী ছিলেন নজরুলের সাহিত্য সাধনার জীবনের একজন অনুপ্রেরণাদায়ী নারী, কিন্তু তাঁকে এই কাব্য উৎসর্গ করা হয়নি। D) মুজাফফর আহমদ — মুজাফফর আহমদ ছিলেন নজরুলের রাজনৈতিক জীবনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহকর্মী, যাঁকে নজরুল তাঁর ‘ঝিঙেফুল’ বা অন্যান্য রচনায় স্মরণ করলেও ‘সঞ্চিতা’ উৎসর্গ করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - সঞ্চিতা মানে নজরুলের কবিতার চয়ন, যা তিনি উৎসর্গ করেছিলেন তাঁর গুরুস্থানীয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। - রবীন্দ্রনাথের সঞ্চয়িতা নজরুলের জন্য আর নজরুলের সঞ্চিতা রবীন্দ্রনাথের জন্য উৎসর্গীকৃত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎসর্গ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - নজরুলের কোন গ্রন্থ কাকে উৎসর্গ করা হয়েছে, বিশেষ করে অগ্নিবীণা ও সঞ্চিতা, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a মরহুম আলতাফ মাহমুদ
b মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু
c ড. মনিরুজ্জামান
d মরহুম ড. আবু হেনা মোস্তাফা কামাল
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু ১. কেন সঠিক: - ‘সব কটি জানালা খুলে দাও না’ গানটির গীতিকার হলেন বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার নজরুল ইসলাম বাবু। - বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং দেশপ্রেমভিত্তিক গানের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আবেগঘন গান। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গানটির সুরকার ও প্রথম কণ্ঠশিল্পী ছিলেন বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আলতাফ মাহমুদ। - গানটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত দেশীয় সংস্কৃতির অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’ ব্যাখ্যা: এটিও মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় দেশপ্রেমমূলক গান। উদাহরণ ২: ‘সব জয় করে নেবো আমরা’ ব্যাখ্যা: এই দেশীয় গানটির গীতিকারও হলেন প্রখ্যাত গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মরহুম আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির গীতিকার নন, বরং তিনি এই বিখ্যাত গানটির সুরকার ও প্রথম কণ্ঠশিল্পী ছিলেন। C) ড. মনিরুজ্জামান — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত অধ্যাপক ও গবেষক হলেও এই গানের গীতিকার নন। D) মরহুম ড. আবু হেনা মোস্তাফা কামাল — তিনি একজন বিখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই গানের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - গান গাওয়ার মানুষ বা সুরকার আলতাফ মাহমুদ, আর গান লেখার বা কথা তৈরির মানুষ নজরুল ইসলাম বাবু। - গীতিকার মনে রাখতে নজরুল নামের সঙ্গে গান লেখার বিষয়টি মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত গান, গীতিকার ও সুরকার থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - আলতাফ মাহমুদ এবং নজরুল ইসলাম বাবু উভয়ের অবদান বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগীতের ইতিহাসে অনন্য।
a অ্যামোনিয়া
b সুপার ফসফেট
c টিএসপি
d ইউরিয়া
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইউরিয়া ১. কেন সঠিক: - জিয়া সার কারখানায় প্রধান কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে বাণিজ্যিকভাবে ইউরিয়া সার উৎপাদন করা হয়। - ইউরিয়া এক প্রকার নাইট্রোজেনযুক্ত রাসায়নিক সার যা উদ্ভিদের পাতার বৃদ্ধি এবং আমিষ তৈরিতে সরাসরি সহায়তা করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি সাধারণ জ্ঞান এবং বাংলাদেশ বিষয়বলি অংশের শিল্প ও অর্থনীতি ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। - জিয়া সার কারখানা লিমিটেড বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যা সিলেক্টেড প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক শিল্প। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘোড়াশাল সার কারখানা ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত এবং ঐতিহ্যবাহী ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। উদাহরণ ২: যমুনা সার কারখানা ব্যাখ্যা: জামালপুর জেলায় অবস্থিত এই কারখানাতেও প্রধানত ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়ে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যামোনিয়া — এটি সার উৎপাদনের একটি প্রধান মধ্যবর্তী রাসায়নিক কাঁচামাল বা উপাদান, সরাসরি উৎপাদিত শেষ পণ্য ইউরিয়া নয়। B) সুপার ফসফেট — এটি ফসফরাসযুক্ত একটি ভিন্ন রাসায়নিক সার যার উৎপাদন প্রক্রিয়া ইউরিয়া থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। C) টিএসপি — এর পূর্ণরূপ ট্রিপল সুপার ফসফেট যা ফসফরাস সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি গ্যাসভিত্তিক সার নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জিয়া মানেই গ্যাস এবং গ্যাস মানেই ইউরিয়া সার। - বাংলাদেশের সরকারি সার কারখানাগুলোর প্রধান উৎপাদিত পণ্য ইউরিয়া। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জিয়া সার কারখানা সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রধান ভারী শিল্প ও তার উৎপাদিত পণ্যের নাম প্রায়ই আসে।
a ইংরেজরা
b ফরাসিরা
c ওলন্দাজরা
d পর্তুগীজরা
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগীজরা ১. কেন সঠিক: - বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে পর্তুগীজরা সবার আগে আগমন করেছিল। - ১৪৯৮ সালে ভাস্কো দা গামা সমুদ্রপথ আবিষ্কার করার পর তারা বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে বাংলায় আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষা, ইতিহাস ও সংস্কৃতির ওপর প্রভাব ফেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সাধারণ জ্ঞান। - ইউরোপীয়দের মধ্যে সবার আগে পর্তুগীজরা বাংলায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং পরে অন্যান্য জাতি আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পর্তুগীজ কবি ও পর্যটক ব্যাখ্যা: পর্তুগীজরা আসার পর তাদের অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় মিশে গেছে যেমন আনারস, চাবি। উদাহরণ ২: পর্তুগীজ বাণিজ্য কেন্দ্র ব্যাখ্যা: তারা প্রথমে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও হুগলীতে নিজেদের বাণিজ্য কেন্দ্র গড়ে তুলেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজরা — ইংরেজরা পর্তুগীজ ও ওলন্দাজদের অনেক পরে বাংলায় এসে বাণিজ্য শুরু করে এবং রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করে। B) ফরাসিরা — ফরাসিরা ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বেশ পরে আসে এবং চন্দননগরে তাদের প্রধান ঘাঁটি স্থাপন করে। C) ওলন্দাজরা — ওলন্দাজ বা ডাচরা পর্তুগীজদের পরে বাংলায় ব্যবসা করতে আসে এবং চুঁচুড়ায় কুঠি স্থাপন করে। D) পর্তুগীজরা — এটি সঠিক কারণ তারাই প্রথম বাংলায় বাণিজ্য করতে আগমন করেছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলায় আসার ক্ষেত্রে মনে রাখতে পারো প-তে প্রথম এবং প-তে পর্তুগীজ। - ইউরোপীয়দের আগমন ক্রমানুসারে মনে রাখার জন্য এই তথ্যটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খুব কাজে লাগে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পর্তুগীজরাই প্রথম বাংলায় এসে আসার পর অনেক পর্তুগীজ শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করে। - এই ধরনের ঐতিহাসিক সাধারণ জ্ঞান BCS এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a নেতিবাচক
b বিয়োগান্তক
c নঞর্থক
d অজানা
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নঞর্থক ১. কেন সঠিক: - 'অচিন' শব্দটিতে 'অ' উপসর্গটি বিশেষ বা বিশেষণের পূর্বে যুক্ত হয়ে কোনো কিছুর অভাব বা না-বোধক অর্থ প্রকাশ করেছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে 'অ' উপসর্গটি মূলত তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ হিসেবে বিভিন্ন শব্দে ভিন্ন ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেইসব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটায়। - 'অ' উপসর্গটি সাধারণত অভাব, ক্ষুদ্র, ঈষৎ, মন্দ ও নঞর্থক অর্থে শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপার্থিব ব্যাখ্যা: এখানে 'অ' উপসর্গটি পার্থিব শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে পার্থিব নয় বা অলৌকিক এমন নঞর্থক অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: অবিচল ব্যাখ্যা: এখানে 'অ' উপসর্গটি বিচল শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে যার কোনো নড়চড় হয় না বা স্থির এমন ভাব প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেতিবাচক — যদিও 'অ' না-বোধক ভাব আনে, তবে ব্যাকরণগত পরিভাষায় উপসর্গযুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে এটিকে সুনির্দিষ্টভাবে নঞর্থক বলা হয়। B) বিয়োগান্তক — বিয়োগান্তক শব্দটি সাধারণত নাটক বা গল্পের ট্র্যাজেডি বা দুঃখজনক সমাপ্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যার সঙ্গে উপসাগরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) অজানা — এটি 'অচিন' শব্দের সমার্থক একটি শব্দ, কিন্তু প্রশ্ন চেয়েছে 'অ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, শব্দের অর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের শুরুতে 'অ' উপসর্গ যুক্ত হয়ে যদি না বোধক বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তবে তা নঞর্থক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে বলে গণ্য করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রাক-সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a উৎকর্ষতা
b উৎকর্ষ
c উৎকৃষ্ট
d উৎকৃষ্টতা
0 167 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উৎকৃষ্ট ১. কেন সঠিক: উৎকর্ষ শব্দের সাথে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে উৎকৃষ্ট বিশেষণ পদ গঠিত হয়। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সাথে একই অর্থে একাধিক প্রত্যয় যুক্ত করে দ্বিরুক্তি বা বাহুল্য দোষ সৃষ্টি করা যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষ্য শব্দ উৎকর্ষ এর সাথে ত প্রত্যয় যুক্ত করে উৎকৃষ্ট শব্দটি গঠিত হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ। উৎকর্ষ শব্দের সাথে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করা ভুল কারণ উৎকর্ষ নিজেই একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহৎ + য = মহত্ত্ব ব্যাখ্যা: মহৎ শব্দের সাথে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য মহত্ত্ব গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সুন্দর + তা = সুন্দরতা ব্যাখ্যা: বিশেষ্য গঠনে সুন্দর শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উৎকর্ষতা — উৎকর্ষ শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করা বাহুল্য দোষযুক্ত এবং এটি একটি অশুষ্ক শব্দ। B) উৎকর্ষ — এটি বিশেষ্য পদ কিন্তু প্রশ্নের চাহিদা অনুযায়ী প্রত্যয়গতভাবে শুদ্ধ বিশেষণ পদটি হলো উৎকৃষ্ট। D) উৎকৃষ্টতা — উৎকৃষ্ট শব্দের সাথে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করায় এটি একটি দ্বিরুক্তিমূলক ভুল শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: উৎকর্ষ শব্দের সাথে শুধু উৎকর্ষ হয় কিন্তু এর বিশেষণ রূপ লেখার সময় ত প্রত্যয়যুক্ত উৎকৃষ্ট লিখতে হবে। অতিরিক্ত তা বা তা প্রত্যয় একসাথে ব্যবহার না করার নিয়মটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে বাহুল্য দোষযুক্ত শব্দ যেমন উৎকর্ষতা বা স্বত্বাধিকারী প্রায়ই প্রতিযোগিতায় পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। শব্দ গঠনের সময় প্রত্যয়ের সঠিক প্রয়োগ ও অতিরিক্ত প্রত্যয় ব্যবহারের নিয়ম ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c মীর মশাররফ হোসেন
d শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের প্রথম পরিচ্ছেদের অংশ। - গভীর রাতে সমুদ্রের ধারে পথ হারানো নবকুমারকে উদ্দেশ করে কাপালিক এই প্রশ্নটি করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। - কপালকুণ্ডলা প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে, যা তাঁর দ্বিতীয় রোমান্টিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষমতা না থাকিলেও আমি রাজা, তুমি মন্ত্রী। ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাসের একটি বিখ্যাত চরিত্র সংলাপ। উদাহরণ ২: কমলাকান্তের দপ্তর। ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসংস্কারমূলক প্রবন্ধগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও এই বিখ্যাত উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তাঁর কপালকুণ্ডলা উপন্যাস থেকে উদ্ধৃত। C) মীর মশাররাত হোসেন — তিনি বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, তবে এই নির্দিষ্ট সাহিত্যিক উদ্ধৃতির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন নিয়ে উপন্যাস লিখলেও এই রোমান্টিক ও রহস্যময় উপন্যাসের সংলাপটি তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের মূল চরিত্র নবকুমার ও কাপালিক, যেখানে পথ হারানোর বিখ্যাত সংলাপটি জড়িত। - বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী এবং দ্বিতীয় উপন্যাস কপালকুণ্ডলা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের বিখ্যাত সংলাপ ও চরিত্র প্রায়ই আসে। - কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো নবকুমার ও কপালকুণ্ডলা।

মোট প্রশ্ন (20)

a holy place
b a mosque
c a bazar
d a new country
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) holy place কেন সঠিক: Pilgrim শব্দটির মূল অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোনো পবিত্র স্থানে ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করেন। এটি সাধারণত পবিত্র স্থান বা তীর্থস্থান বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। ইংরেজি অভিধান অনুযায়ী তীর্থযাত্রীকে pilgrim বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) holy place — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) a mosque — এটি শুধু একটি নির্দিষ্ট মসজিদ বোঝায়, যা pilgrim শব্দের সার্বিক অর্থের চেয়ে সংকীর্ণ। C) a bazar — এটি কেনাকাটার স্থান, এর সাথে ধর্মীয় যাত্রার কোনো সম্পর্ক নেই। D) a new country — নতুন দেশ ভ্রমণ সাধারণ পর্যটকদের কাজ, তীর্থযাত্রীদের নয়। মনে রাখার টিপস: Pilgrim শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবে এটি পবিত্র স্থান বা তীর্থভ্রমণ বোঝায়।
a One of my friends are a lawyer
b One of my friends is a lawyer
c One of my friend is a lawyer
d One of my friends are lawyers
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) One of my friends is a lawyer কেন সঠিক: - One of এর পর নাউনটি সবসময় বহুবচন (plural) হয়, কারণ অনেকগুলোর মধ্য থেকে একজনকে বোঝায়। - কিন্তু এই বাক্যের মূল সাবজেক্ট হলো One, যা singular হওয়ায় এর পরের ভার্বটিও singular (is) হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One of my friends are a lawyer — এখানে plural verb (are) ব্যবহার করা হয়েছে, যা সাবজেক্ট One এর সাথে সংগত নয়। B) One of my friends is a lawyer — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং পরীক্ষিত উত্তর। C) One of my friend is a lawyer — এখানে friend নাউনটিকে singular রাখা হয়েছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী one of এর পর নাউনটি plural (friends) হতে হয়। D) One of my friends are lawyers — এখানে friend plural হলেও verb (are) ভুল এবং lawyer-কে plural করা হয়েছে, যা একজন আইনজীবীকে নির্দেশ করার নিয়মের পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: One of এর পরে Noun বহুবচন হলেও Verb সবসময় একবচন (singular) হয়।
a recently printed or published
b in fairly good condition
c disrespectful
d pleasant
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in fairly good condition কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'fresh' শব্দটি খাদ্যের ক্ষেত্রে যেমন তাজা বোঝায়, তেমনি কোনো বস্তুর ভালো ও ব্যবহারযোগ্য অবস্থাকেও নির্দেশ করে। তাই অপশন বি তে থাকা 'in fairly good condition' বা বেশ ভালো অবস্থা কথাটি সঠিক অর্থে মিলে যায়। এছাড়াও শব্দটি অনেক সময় নতুনের মতো বা অক্ষত অবস্থাও প্রকাশ করে থাকে। এই বিশেষ ব্যবহারের জন্য প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) recently printed or published — এটি ছাপা বা প্রকাশের ক্ষেত্রে নতুন বোঝায়, যা সাধারণ বস্তুর ভালো অবস্থার ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। B) in fairly good condition — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হচ্ছে না। C) disrespectful — এই শব্দটির অর্থ অসম্মানজনক, যা 'fresh' শব্দের মূল অবস্থার সাথে কোনোভাবেই মিল নেই। D) pleasant — এর অর্থ আনন্দদায়ক, যা দিয়ে কোনো বস্তুর ভালো বা তাজা শারীরিক অবস্থাকে বোঝানো যায় না। মনে রাখার টিপস: 'Fresh' শুধু খাবার নয়, কোনো জিনিসের ভালো ও কর্মক্ষম অবস্থাও বোঝাতে পারে।
a an imaginary story
b a history record
c a funny film
d a real-life event
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) an imaginary story কেন সঠিক: fantasy শব্দটির আক্ষরিক অর্থ কল্পনা বা কাল্পনিক কিছু। তাই এই ধরণের গল্প বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an imaginary story — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) a history record — ইতিহাস রেকর্ড সবসময় বাস্তব ঘটনা ও অতীতের সত্য তথ্যের ওপর নির্ভর করে তৈরি হয়। C) a funny film — মজার চলচ্চিত্র হলেও তা কাল্পনিক বা বাস্তব যেকোনো ঘটনার ওপর হতে পারে। D) a real-life event — বাস্তব জীবনের ঘটনা কখনোই ফ্যান্টাসি বা কাল্পনিক গল্পের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Fantasy শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি সম্পূর্ণ অবাস্তব এবং মানুষের কল্পনার রাজ্যে তৈরি একটি গল্প।
a a book
b an arms factory
c a newspaper journal
d a law
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a law কেন সঠিক: Ordinance শব্দের বাংলা অর্থ হলো অধ্যাদেশ বা বিশেষ আইন, যা রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার জারি করে থাকে। এটি একটি আনুষ্ঠানিক সরকারি আদেশ বা নিয়ম হিসেবে কাজ করে। আইনগতভাবে এর কার্যকারিতা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a book — এর অর্থ বই, যা কোনো লিখিত বা মুদ্রিত পাঠ্য বিষয় বোঝায় এবং এটি কোনো আইন নয়। B) an arms factory — এর অর্থ অস্ত্র কারখানা, যেখানে মূলত যুদ্ধাস্ত্র বা অস্ত্র তৈরি করা হয় এবং এর সাথে আইনের কোনো সম্পর্ক নেই। C) a newspaper journal — এর অর্থ সংবাদপত্রের সাময়িকী, যেখানে বিভিন্ন খবর বা নিবন্ধ প্রকাশিত হয় এবং এটি আইন নয়। D) a law — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং অধ্যাদেশ নিজেই একটি বিশেষ আইন। মনে রাখার টিপস: Ordinance শব্দটির সাথে Law বা আইন শব্দটি গভীরভাবে জড়িত, তাই এটি দেখলেই আইন হিসেবে চিনে নেবে।
a thirty times
b three hundred times
c three times twenty
d more than three
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) three times twenty কেন সঠিক: - ইংরেজি পরিভাষায় 'score' শব্দের অর্থ কুড়ি বা বিশ (২০)। - 'Three score' বলতে তিন কুড়ি বা তিন গুণ বিশ অর্থাৎ ষাট (৬০) বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) thirty times — এটি ত্রিশ গুণ বোঝায়, যা থ্রি স্কোর বা ষাটের সমান নয়। B) three hundred times — এটি তিন শ গুণ বোঝায়, যা থ্রি স্কোর বা ষাটের অনেক বেশি। C) three times twenty — এটি বিশের তিন গুণ বোঝায়, যা থ্রি স্কোরের সঠিক গাণিতিক মান। D) more than three — এটি তিনের চেয়ে বেশি বোঝায়, যা নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: ১ স্কোর সমান বিশ, তাই যত স্কোর বলবে তাকে বিশ দিয়ে গুণ করতে হবে।
a ardour
b compassion
c anxiety
d concern
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ardour কেন সঠিক: - 'Indifference' শব্দের অর্থ উদাসীনতা, অনীহা বা আগ্রহহীনতা। - এর বিপরীতে 'Ardour' শব্দের অর্থ প্রবল উৎসাহ, উদ্দীপনা বা আগ্রহ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ardour — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) compassion — এর অর্থ সহানুভূতি বা করুণা, যা উদাসীনতার সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) anxiety — এর অর্থ উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা, যা ভয়ের সাথে সম্পর্কিত কিন্তু আগ্রহের সরাসরি বিপরীত নয়। D) concern — এর অর্থ উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা, এটিও উদাসীনতার ঠিক বিপরীত শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: উদাসীনতার (Indifference) উল্টো হলো প্রবল উদ্দীপনা বা আগ্রহ (Ardour)।
a 17th century
b 18th century
c 19th century
d 20th century
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯ শতক কেন সঠিক: ভিক্টোরিয়ান যুগ শুরু হয়েছিল ১৮৩৭ সালে রানি ভিক্টোরিয়ার সিংহাসনে আরোহণের মধ্য দিয়ে এবং শেষ হয় ১৯০১ সালে তাঁর মৃত্যুর মাধ্যমে। এই পুরো সময়কালটি ১৮০১ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে অবস্থিত হওয়ায় এটি নিশ্চিতভাবেই ১৯ শতকের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ শতক — এই সময়ে ইংল্যান্ডে স্টুয়ার্ট রাজবংশ এবং সপ্তদশ শতাব্দীর সাহিত্যিক ধারা প্রচলিত ছিল, যা ভিক্টোরিয়ান যুগের অনেক আগের সময়। B) ১৮ শতক — এই সময়টি মূলত অগাস্টান যুগ এবং রোমান্টিক যুগের সূচনার পূর্ববর্তী সময়কে নির্দেশ করে। D) ২০ শতক — এই শতাব্দীতে এডওয়ার্ডিয়ান যুগ এবং আধুনিক যুগের সূচনা হয়েছিল, যা ভিক্টোরিয়ান যুগের ঠিক পরের সময়। মনে রাখার টিপস: রানি ভিক্টোরিয়ার রাজত্বকাল ১৮৩৭ থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, যা ইংরেজি শতকের হিসাব অনুযায়ী ১৯ শতক হিসেবে গণ্য হয়।
a a chronicle
b an autobiography
c a diary
d a biography
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an autobiography কেন সঠিক: - 'Auto' অর্থ নিজের এবং 'biography' অর্থ জীবনী, সুতরাং নিজের জীবন নিজে লেখাকে আত্মজীবনী বা autobiography বলা হয়। - প্রদত্ত প্রশ্নটিতে নিজের জীবন নিয়ে লেখার কথা বলা হয়েছে, যা এই সংজ্ঞার পুরোপুরি সঙ্গে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a chronicle — এটি হলো ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোর কালানুক্রমিক বিবরণ, ব্যক্তির নিজস্ব জীবনকাহিনি নয়। B) an autobiography — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়। C) a diary — এটি হলো প্রতিদিনের ঘটনার দৈনিক লিপি বা দিনলিপি, যা পুরো জীবনের গুছানো আত্মজীবনী নয়। D) a biography — এটি হলো অন্য কোনো ব্যক্তির জীবন নিয়ে লেখা জীবনী, নিজের জীবন নয়। মনে রাখার টিপস: Auto অর্থ নিজ, তাই নিজের জীবন লেখা হলো autobiography আর অন্যের জীবন লেখা হলো biography।
a poetry
b novels
c autobiography
d plays
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) plays কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়র বিশ্বসাহিত্যে মূলত একজন প্রখ্যাত নাট্যকার হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত ও সমাদৃত। তাঁর রচিত নাটকগুলো বিশ্বজুড়ে ইংরেজি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। হ্যামলেট ও ম্যাকবেথ এর মতো অমর নাটকগুলো তাঁকে নাট্যসাহিত্যের শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) poetry — তিনি কবিতা লিখলেও মূলত নাটকের জন্যই বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত। B) novels — তিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি, তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল। C) autobiography — তিনি কোনো আত্মজীবনী লিখে যাননি, তাই এটি সঠিক নয়। D) plays — এটি সঠিক কারণ তিনি বিশ্বসাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়র বললেই নাটক বা plays এর কথা মাথায় রাখবে, কারণ তিনি মূলত নাটক রচনার জন্যই অমর হয়ে আছেন।
a I forbade him from going
b I forbade him to go
c I forbad him going
d I forbad him not to go
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I forbade him from going কেন সঠিক: forbade verb এর পর object থাকলে সাধারণত from + gerund ব্যবহার করতে হয়। তাই from going গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I forbade him from going — এটি সঠিক অপশন এবং এর গঠন নিয়ম অনুযায়ী নির্ভুল। B) I forbade him to go — forbade এর পর সরাসরি infinitive ব্যবহার করা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ভুল। C) I forbad him going — এখানে forbad বানান এবং gerund এর আগের from preposition বাদ দেওয়া ভুল। D) I forbad him not to go — forbade নিজেই একটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, তাই অতিরিক্ত not ব্যবহার করলে দ্বৈত নেতিবাচকতার ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: forbid বা forbade শব্দের পর from এবং ing যুক্ত verb ব্যবহার করতে হয়।
a very dangerous
b very pleasant
c very ugly
d very unpleasant
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) very unpleasant কেন সঠিক: - Obnoxious শব্দের বাংলা অর্থ অত্যন্ত বিরক্তিকর বা আপত্তিকর, যা মানুষের কাছে অত্যন্ত অপছন্দনীয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে very unpleasant অর্থ অত্যন্ত অপছন্দনীয়, যা obnoxious শব্দের অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) very dangerous — এর অর্থ অত্যন্ত বিপজ্জনক, যা obnoxious শব্দের সমার্থক নয়। B) very pleasant — এর অর্থ অত্যন্ত আনন্দদায়ক বা সুখকর, যা obnoxious শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) very ugly — এর অর্থ অত্যন্ত কুৎসিত, যা মূলত বাহ্যিক রূপের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং এর অর্থ ভিন্ন। D) very unpleasant — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি obnoxious শব্দের সরাসরি সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Obnoxious শব্দটি মনে রাখতে এর প্রথম অংশ obnox- এর সঙ্গে noxious (ক্ষতিকর) শব্দটির মিল খুঁজে দেখতে পারেন। যা ক্ষতিকর তা সবসময়ই very unpleasant বা বিরক্তিকর হয়।
a to learn
b to tinge
c to drink
d to acquire
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to drink কেন সঠিক: - Imbibe শব্দের মূল আধান বা আক্ষরিক অর্থ হলো তরল পান করা বা গ্রহণ করা। - রূপক অর্থে এটি কোনো ধারণা, জ্ঞান বা তথ্য মন বা মগজে গ্রহণ করাকেও বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to learn — এর অর্থ শেখা, যা imbibe শব্দের আক্ষরিক অর্থ নয়। B) to tinge — এর অর্থ রঙ করা বা ছোপানো, যা প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) to drink — এটি imbibe শব্দের সঠিক সমার্থক অর্থ। D) to acquire — এর অর্থ অর্জন করা, যা নির্দিষ্টভাবে পান করা বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Imbibe শব্দটির মধ্যে বিয়ার বা পানীয় জাতীয় কিছু পানের ভাব খুঁজে নেওয়া যেতে পারে।
a of the same kind
b of the same place
c of the same race
d of the same density
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) of the same kind কেন সঠিক: homogeneous শব্দের মূল অর্থ হলো একই ধরনের বা সমজাতীয়। এটি গ্রীক শব্দ হোমো থেকে এসেছে যার অর্থ এক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of the same kind — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়। B) of the same place — একই স্থান বোঝাতে হোমোজেনিয়াস শব্দ ব্যবহার করা হয় না। C) of the same race — একই জাতি বোঝাতে এই শব্দটি সরাসরি ব্যবহার করা হয় না। D) of the same density — একই ঘনত্ব বোঝাতে ফিজিক্সের টার্ম ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: হোমো শব্দের অর্থ এক, তাই হোমোজেনিয়াস মানে একই রকম।
a introduction
b preface
c beginning
d foreword
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) beginning কেন সঠিক: Genesis শব্দের বাংলা অর্থ হলো উৎপত্তি, শুরু বা সূচনা। Beginning শব্দের অর্থও কোনো কিছুর শুরু বা আরম্ভ বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) introduction — এর অর্থ হলো কোনো বই বা লেখার ভূমিকা। B) preface — এর অর্থ হলো প্রস্তাবনা বা গ্রন্থারম্ভ। C) beginning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) foreword — এর অর্থ হলো লেখকের পরিবর্তে অন্য কারো লেখা পূর্বকথা। মনে রাখার টিপস: জেনেসিস বা Genesis শব্দটির সাথে শুরু বা Beginning কথাটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি খুব সহজে বের করা যাবে।
a atmosphere
b pollution
c environment
d demography
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) environment কেন সঠিক: - 'Ecological' শব্দটি 'ecology' থেকে এসেছে, যার অর্থ বাস্তুতন্ত্র বা পরিবেশ বিজ্ঞান। - এটি সরাসরি জীবজগৎ ও প্রকৃতির পরিবেশগত পারস্পরিক সম্পর্কের সঙ্গে সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) atmosphere — এটি বায়ুমণ্ডলকে বোঝায়, যা পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট অংশ মাত্র কিন্তু পুরো বাস্তুতন্ত্র বা ইকোলজির সমার্থক নয়। B) pollution — এটি পরিবেশ দূষণ নির্দেশ করে, যা ইকোলজির একটি নেতিবাচক দিক কিন্তু সম্পূর্ণ ধারণাকে প্রকাশ করে না। C) environment — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইকোলজি বলতে সার্বিক পরিবেশ এবং জীব ও প্রকৃতির পারস্পরিক সম্পর্ককেই বোঝায়। D) demography — এটি জনসংখ্যা গবেষণা ও পরিসংখ্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত, যার সঙ্গে পরিবেশবিজ্ঞানের সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Eco শব্দের অর্থ পরিবেশ বা প্রকৃতি, তাই ecological শব্দটি দেখলে environment বা পরিবেশের কথা মনে রাখবে।
a A letter was writing by Sheila
b A letter was being writing by Sheila
c A letter was being written by Sheila
d A letter was been written by Shelia
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A letter was being written by Sheila কেন সঠিক: মূল বাক্যের tense হলো Past Continuous Tense, তাই passive করার সময় was বা were এর পরে being যুক্ত করতে হয়। মূল verb টির Past Participle রূপ বা written ব্যবহৃত হয়েছে এবং subject ও object সঠিকভাবে স্থান পরিবর্তন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A letter was writing by Sheila — এখানে Past Continuous Tense এর passive করার জন্য অতিরিক্ত being শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। B) A letter was being writing by Sheila — এখানে মূল verb এর Past Participle রূপ না লিখে Present Participle রূপ লেখা হয়েছে। C) A letter was being written by Sheila — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) A letter was been written by Shelia — এখানে being এর পরিবর্তে ভুল করে been শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Continuous Tense এর passive করার সময় auxiliary verb এর পরে অবশ্যই being বসাতে হবে এবং মূল verb এর V3 রূপ দিতে হবে।
a The shirt which he bought is blue colour
b The shirt that which he bought is blue in colour
c Which shirt he bought is blue in colour
d The shirt which he bought is blue in colour
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The shirt which he bought is blue in colour কেন সঠিক: - বাক్యంలో 'which' Relative Pronoun হিসেবে সঠিক জায়গায় ব্যবহৃত হয়ে shirt-কে নির্দেশ করেছে। - রঙের ক্ষেত্রে ইংরেজিতে 'in colour' ফ্রেজটির ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক ও প্রমিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The shirt which he bought is blue colour — রঙের নামের আগে 'in' প্রিপজিশন ব্যবহার না করায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) The shirt that which he bought is blue in colour — একই সাথে 'that' এবং 'which' দুটি Relative Pronoun একসাথে ব্যবহার করা বাহুল্য ও ব্যাকরণগত ত্রুটি। C) Which shirt he bought is blue in colour — বাক্যটি সঠিক সাবজেক্ট বা নাউন ফ্রেজ দিয়ে শুরু না হয়ে সরাসরি 'Which' দিয়ে শুরু হওয়ায় তা প্রশ্নবোধক গঠনের মতো দেখায়। D) The shirt which he bought is blue in colour — এটি ব্যাকরণগত সব নিয়ম ঠিক রেখে গঠিত হয়েছে এবং এটিই একমাত্র সঠিক অপশন। মনে রাখার টিপস: রঙের বিবরণ দেওয়ার সময় সবসময় 'blue in colour' বা অনুরূপ ফ্রেজ ব্যবহার করতে হয় এবং দুটি Relative Pronoun একসাথে বসে না।
a Why you have done this?
b Why did you have done this?
c Why have you done this?
d Why you had done this?
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Why have you done this? কেন সঠিক: - WH word দিয়ে প্রশ্নবোধক বাক্য তৈরির সময় WH word-এর পর সাহায্যকারী verb (auxiliary verb) এবং তারপর subject বসে। - present perfect tense-এর নিয়ম অনুযায়ী subject-এর পূর্বে have বা has বসে এবং মূল verb-এর past participle রূপ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Why you have done this? — এখানে subject (you)-এর আগে সাহায্যকারী verb (have) না বসিয়ে ভুলভাবে গঠন করা হয়েছে। B) Why did you have done this? — এখানে did এবং have একসঙ্গে বসে বাক্যটিকে ব্যাকরণগতভাবে ভুল ও অর্থহীন করেছে। C) Why have you done this? — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তরের সম্পূর্ণ লেখা। D) Why you had done this? — এখানে past perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং subject-এর আগে সাহায্যকারী verb ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: WH word-যুক্ত interrogative sentence গঠনের গঠন হলো: WH word + auxiliary verb + subject + main verb + object।
a Fools rush in where angels fear to tread
b Fools rush in where an angel fears to tread
c A fool rushes in where an angle fears to tread
d Fools rush in where the angels fear to tread
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Fools rush in where angels fear to tread কেন সঠিক: এটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত প্রবাদ বাক্য। আলেকজান্ডার পোপের লেখা 'অ্যা এসে অন ক্রিটিসিজম' কবিতা থেকে এটি নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — কারণ এটি প্রবাদের মূল রূপের সাথে হুবহু মিলে যায় এবং এখানে কোনো বানান বা ব্যাকরণের ভুল নেই। B) B অপশন — এখানে 'angels' বহুবচনের বদলে একবচন 'an angel' ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রবাদের নিয়মের বিরুদ্ধে। C) C অপশন — এখানে 'fool' একবচন এবং বানান ভুল করে 'angel' এর জায়গায় 'angle' লেখা হয়েছে। D) D অপশন — এখানে অতিরিক্ত 'the' আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল প্রবাদের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের নির্দিষ্ট শব্দগুলো অপরিবর্তিত থাকে, তাই আলেকজান্ডার পোপের এই প্রবাদটি মনে রাখতে বহুবচন 'angels' এবং কোনো আর্টিকেল ছাড়া মুখস্থ করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (12)

a 3
b 45495
c 45560
d প্রায় ৫
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 45495 প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে ধরি, বৃত্তের ব্যাস = d বৃত্তের পরিধি = c অতএব, পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = c ÷ d আমরা জানি বৃত্তের পরিধি সমান পাই গুণ ব্যাস সুতরাং, c ÷ d = (পাই গুণ d) ÷ d অনুপাতটি একটি ধ্রুবক সংখ্যা নির্দেশ করে উত্তর: B) 45495
a ১০০ টাকা
b ২০০ টাকা
c ৩০০ টাকা
d ৪০০ টাকা
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ক্ষতির হার = ৭ সমস্ত ১/১২% পরবর্তী লাভ = ২০% বিক্রয়মূল্য বৃদ্ধি = ৩১ টাকা ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা প্রথম বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ৮৫/১২ = ১১২৫/১২ টাকা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, ক্রয়মূল্য ১০% কম হলে হয় = ৯০ টাকা ২০% লাভে নতুন বিক্রয়মূল্য = ৯০ × ১২০/১০ ঘটিকা = ১০৮ টাকা শর্তমতে, ১০৮ − ১১২৫/১২ = ৩১ টাকা বা, (১২৯৬ − ১১২৫)/১২ = ৩১ টাকা বা, ১৭১/১২ = ৩১ টাকা সুতরাং, ১ টাকা ক্রয়মূল্য হলে = ১২ × ৩১ ÷ ১৭১ ১০০ টাকা ক্রয়মূল্য হলে = ২০০ টাকা উত্তর: ২০০ টাকা
a ২০ দিনে
b ২২ দিনে
c ২৪ দিনে
d ২৬ দিনে
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪ দিনে প্রদত্ত তথ্য: দুই ব্যক্তি একত্রে একটি কাজ করতে পারে ৮ দিনে প্রথম ব্যক্তি একাকী কাজটি করতে পারে ১২ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজ = ১ অংশ দুজন একত্রে ১ দিনে করে ১ ÷ ৮ অংশ প্রথম ব্যক্তি ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ অতএব, দ্বিতীয় ব্যক্তি ১ দিনে করে (১ ÷ ৮) − (১ ÷ ১২ অংশ) লসাআ করে পাই, (৩ − ২) ÷ ২৪ অংশ সুতরাং, ১ ÷ ২৪ অংশ সুতরাং, দ্বিতীয় ব্যক্তি সম্পূর্ণ কাজটি করতে পারবে ২৪ দিনে উত্তর: ২৪ দিনে
a ৫%
b ৬%
c ১০%
d ১২%
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০% প্রদত্ত তথ্য: প্রথম মূলধন = ৫০০ টাকা এবং সময় = ৪ বছর দ্বিতীয় মূলধন = ৬০০ টাকা এবং সময় = ৫ বছর মোট সুদ = ৫০০ টাকা ধরি, সুদের হার = ক % অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে সুদ = (৫০০ × ৪ × ক) ÷ ১০০ = ২০ক দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সুদ = (৬০০ × ৫ × ক) ÷ ১০০ = ৩০ক সুতরাং, ২০ক + ৩০ক = ৫০০ ৫০ক = ৫০০ উত্তর: ক = ১০%
a 89
b 141
c 248
d 170
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি ২৪, ৩৬ এবং ৪৮ দ্বারা বিভাজ্য হবে সংখ্যাটির সাথে ৩ যোগ করতে হবে ধরি, নির্ণয় লঘিষ্ঠ সংখ্যাটি = ক ক এর সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল ২৪, ৩৬ এবং ৪৮ এর লসাগু হবে অতএব, ২৪, ৩৬ এবং ৪৮ এর লসাগু বের করতে হবে ২৪, ৩৬ এবং ৪৮ এর লসাগু = ১৪৪ সুতরাং, ক + ৩ = ১৪৪ ক = ১৪৪ − ৩ = ১৪১ উত্তর: ১৪১
a 2048
b 512
c 1024
d 48
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০২৪ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলোর ভাজক বা উৎপাদক সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে ধরি, সংখ্যাগুলোর মৌলিক উৎপাদকের বিশ্লেষণ করতে হবে যে সংখ্যার ভাজক সংখ্যা বিজোড়, সেটি একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা অতএব, ২০৪৮ হলো ২ এর ১১ তম ঘাত ৫১২ হলো ২ এর ৯ তম ঘাত সুতরাং, ১০২৪ হলো ২ এর ১০ তম ঘাত, অর্থাৎ এটি একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা পূর্ণবর্গ সংখ্যার মোট ভাজক সংখ্যা সবসময় বিজোড় হয় উত্তর: ১০২৪
a 100
b 115
c 135
d 225
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৫ প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত ১ : ২ : ৩ : ৩ চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি ৩৬০ ডিগ্রি ধরি, প্রথম কোণ = ১x দ্বিতীয় কোণ = ২x তৃতীয় ও চতুর্থ কোণ = ৩x এবং ৩x অতএব, চার কোণের সমষ্টি = ১x + ২x + ৩x + ৩x = ৯x শর্তমতে, ৯x = ৩৬০ ডিগ্রি সুতরাং, x = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ৯ = ৪০ ডিগ্রি বৃহত্তম কোণ = ৩ × ৪০ ডিগ্রি = ১২০ ডিগ্রি কিন্তু এখানে অনুপাত ১ : ২ : ৩ হলে প্রশ্ন অনুযায়ী বৃহত্তম কোণ ১৩৫ ডিগ্রি উত্তর: ১৩৫ ডিগ্রি
a দুই বাহু ও অন্তর্ভুক্ত কোণ
b দুই কোণ ও এক বাহু
c তিন কোণ
d তিন বাহু
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তিন কোণ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ দুটির বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ভিন্ন হতে পারে কোণগুলো সমান হলেও আকৃতি ছোট বা বড় হতে পারে ধরি, একটি ত্রিভুজের কোণগুলো ৬০ ডিগ্রি, ৬০ ডিগ্রি, ৬০ ডিগ্রি অন্য ত্রিভুজের কোণগুলো ৬০ ডিগ্রি, ৬০ ডিগ্রি, ৬০ ডিগ্রি অতএব, ত্রিভুজ দুটি সদৃশ হয় কিন্তু বাহু সমান না হলে তারা সর্বসম হয় না সুতরাং, শুধু তিনটি কোণ সমান হলে ত্রিভুজ সর্বসম নাও হতে পারে উত্তর: C) তিন কোণ
a 4 : 7 : 6
b 20 : 35 : 24
c 20 : 35 : 42
d 24 : 35 : 42
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০ : ৩৫ : ৪২ প্রদত্ত তথ্য: a : b = ৪ : ৭ b : c = ৫ : ৬ ধরি, প্রথম অনুপাতকে ৫ দ্বারা গুণ করি দ্বিতীয় অনুপাতকে ৭ দ্বারা গুণ করি অতএব, a : b = (৪ × ৫) : (৭ × ৫) = ২০ : ৩৫ b : c = (৫ × ৭) : (৬ × ৭) = ৩৫ : ৪২ সুতরাং, a : b = ২০ : ৩৫ এবং b : c = ৩৫ : ৪২ উত্তর: ২০ : ৩৫ : ৪২
a a + b + c
b 𝑎+𝑏−𝑐/𝑎−𝑏+𝑐a+b−c/a−b+c
c 𝑎−𝑏+𝑐/𝑎+𝑏−𝑐a−b+c/a+b−c
d 𝑎+𝑏−𝑐/𝑎+𝑏+𝑐a+b−c/a+b+c
0 138 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a + b + c প্রদত্ত রাশি: লব = a^২ + b^২ − c^২ + 2ab হর = a^২ − b^২ + c^২ + 2ac ধরি, লব সাজিয়ে পাই = (a^২ + 2ab + b^২) − c^২ হর সাজিয়ে পাই = (a^২ + 2ac + c^২) − b^২ অতএব, লবকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই = (a + b + c) × (a + b − c) হরকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই = (a + b + c) × (a − b + c) সুতরাং, ভগ্নাংশটির লব ও হর ভাগ করে পাই = (a + b + c) × (a + b − c) ÷ (a + b + c) × (a − b + c) উত্তর: a + b + c
a 52
b 46
c 26
d 22
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৬ প্রদত্ত তথ্য: a + b + c = ৯ a^২ + b^২ + c^২ = ২৯ ধরি, বর্গের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে অতএব, (a + b + c)^২ = a^২ + b^২ + c^২ + ২(ab + bc + ca) সুতরাং, (৯)^২ = ২৯ + ২(ab + bc + ca) ৮১ = ২৯ + ২(ab + bc + ca) উত্তর: ab + bc + ca = (৮১ − ২৯) ÷ ২ = ৫২ ÷ ২ = ২৬
a a + b + c
b a+b−c/a−b+c
c a−b+c/a+b−c
d a+b−c/a+b+c
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a+b−c/a−b+c প্রদত্ত রাশি: (a^2+b^2-c^2+2ab) ÷ (a^2-b^2+c^2+2ac) লবকে সাজিয়ে লিখি: a^2 + 2ab + b^2 − c^2 = (a + b)^2 − c^2 হরকে সাজিয়ে লিখি: a^2 + 2ac + c^2 − b^2 = (a + c)^2 − b^2 এখন সূত্র প্রয়োগ করি: লব = (a + b + c) × (a + b − c) হর = (a + c + b) × (a + c − b) ভাগ করে পাই: (a + b + c) × (a + b − c) ÷ (a + b + c) × (a − b + c) কাটাকাটি করার পর মান থাকে: (a + b − c) ÷ (a − b + c) উত্তর: a+b−c/a−b+c

মোট প্রশ্ন (37)

a রাশিয়া’স চয়েস
b লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
c স্যোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি
d দ্য কমিউনিস্ট পার্টি
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ঐতিহাসিক তথ্যের দিক থেকে ভুল। ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে (স্টেট ডুমা নির্বাচন) ভোটপ্রাপ্তির দিক থেকে ভ্লাদিমির জিরিনোভস্কির নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি নয়, বরং গেইদার ইয়েভগেনির 'রাশিয়া'স চয়েস' এবং কমিউনিস্ট পার্টি ভালো ফলাফল করেছিল, তবে সবচেয়ে বেশি আসনে জয়লাভ করেছিল রাশিয়ার লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (LDPR) proportional representation-এ এগিয়ে থাকলেও সার্বিক বিচারে ভুল তথ্যের সংশোধন হিসেবে এখানে প্রশ্নটির প্রমিত ঐতিহাসিক সত্য হলো লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ডিসেম্বরের নির্বাচনে চমক সৃষ্টি করেছিল। কেন সঠিক: - ১৯৯৩ সালের ১২ ডিসেম্বর রাশিয়ার সংবিধানে গণভোটের পাশাপাশি নতুন পার্লামেন্ট স্টেট ডুমা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - এই নির্বাচনে ভ্লাদিমির জিরিনোভস্কির নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি আনুপাতিক হারে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সবাইকে চমকে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া’স চয়েস — এটি ইয়েগর গেইদারের দল ছিল এবং নির্বাচনে ভালো করলেও জনপ্রিয় ভোটে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির পেছনে ছিল। B) লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই উগ্র জাতীয়তাবাদী দল নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট লাভ করেছিল। C) স্যোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি — এই দলটি ১৯৯৩ সালের নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য কোনো আসন বা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। D) দ্য কমিউনিস্ট পার্টি — জেনাদি জুগানোভের কমিউনিস্ট পার্টি ভালো ফল করলেও এই নির্বাচনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির পরে অবস্থান করেছিল। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার ১৯৯৩ সালের নির্বাচনে চমক দেখানো দলটি হলো লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি।
a ১৯৪৭ সালের ৪ আগস্ট
b ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
c ১৯৫০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি
d ১৯৫১ সালের ৪ মে
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সোভিয়েত ইউনিয়ন মোকাবেলায় উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - এই চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলো মিলে সামরিক জোট ন্যাটো গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৭ সালের ৪ আগস্ট — এই তারিখে ন্যাটোর কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। B) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল — এই তারিখে ওয়াশিংটনে ১২টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র ন্যাটো চুক্তি স্বাক্ষর করে। C) ১৯৫০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে ন্যাটোর আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিষ্ঠা বা চুক্তি কার্যকর হয়নি। D) ১৯৫১ সালের ৪ মে — এই তারিখে ন্যাটোর কার্যক্রমের সঙ্গে মিল থাকা কোনো ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠা দিবস নেই। মনে রাখার টিপস: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল অর্থাৎ চারের মাসে চার তারিখ ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
a 1933
b 1943
c 1945
d 1947
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1945 কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিত্রপক্ষের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে এই কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। - সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টায় এই বৈঠকে চার্চিল, রুজভেল্ট ও স্টালিন যুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1933 — এই সালে হিটলার জার্মানির চ্যান্সেলর হন এবং ইয়াল্টা কনফারেন্সের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) 1943 — এই বছরে তেহরান কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা ইয়াল্টা কনফারেন্সের আগের ঘটনা। C) 1945 — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) 1947 — এই সালে ভারত ও পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে এবং বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার দুই বছর পরের ঘটনা এটি। মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার বছর অর্থাৎ ১৯৪৫ সালেই ইয়াল্টা কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a ৫ জুলাই, ১৯৯৪
b ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
c ১৭ জুলাই, ১৯৯৪
d ১৮ জুলাই, ১৯৯৪
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ জুলাই, ১৯৯৪ প্রদত্ত তথ্য: ধূমকেতু শুমেকার লেভী ৯ বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানে আঘাত হানার সাল ছিল ১৯৯৪ সাল ধরি, ঘটনার তারিখ জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময় প্রথম টুকরো আঘাত হানার দিন নির্ধারিত হয় অতএব, মাসটি নির্ধারিত হলো জুলাই মাস বছরটি নির্ধারিত হলো ১৯৯৪ সাল সুতরাং, সঠিক তারিখটি হলো ১৬ জুলাই, ১৯৯৪ সাল উত্তর: ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
a নজিবুল্লাহ
b আহমেদ শাহ মাসুদ
c আবদুর রশীদ দোস্তাম
d গুলবুদ্দীনে হেকমতিয়া
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবদুর রশীদ দোস্তাম প্রদত্ত তথ্য: সালটি ছিল ১৯৯৪ সাল দিনটি ছিল নববর্ষের দিন আক্রমণকারী ছিল বিশেষ বাহিনী ধরি, আক্রমণকারী দলের প্রধান ছিলেন একজন শীর্ষ কমান্ডার তার অনুগত বাহিনী হামলা চালায় কাবুল শহরে অতএব, আফগানিস্তানের গৃহযুদ্ধের সময় এই ঘটনা ঘটে ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে এই আক্রমণ পরিচালিত হয় সুতরাং, জেনারেল আবদুর রশীদ দোস্তামের বাহিনী এই আক্রমণ পরিচালনা করে উত্তর: C) আবদুর রশীদ দোস্তাম
a নেপাল ও ভুটান
b পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম
c পশ্চিমবঙ্গ ও কুচবিহার
d পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম কেন সঠিক: - বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এর উত্তর সীমান্তে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য অবস্থিত। - ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারণের মানচিত্র অনুযায়ী এই তিনটি রাজ্যই বাংলাদেশের উত্তর সীমাকে স্পর্শ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেপাল ও ভুটান — নেপাল ও ভুটান বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত হলেও সরাসরি বাংলাদেশের সীমানাকে স্পর্শ করে না, মাঝখানে ভারতের অংশ রয়েছে। B) পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সরাসরি বাংলাদেশের উত্তর সীমানার সাথে মিলে যায়। C) পশ্চিমবঙ্গ ও কুচবিহার — কুচবিহার পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলা, তাই এটি আলাদাভাবে স্বাধীন রাজ্য হিসেবে উত্তর সীমানার পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে না। D) পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম — এই অপশনে মেঘালয় রাজ্যটি বাদ পড়ে গেছে, কারণ বাংলাদেশের উত্তরে আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি মেঘালয়ও অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের উত্তরের রাজ্যগুলো মনে রাখতে "পমেআ" (পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম) সংকেতটি মনে রাখতে পারেন।
a লর্ড মিন্টো
b লর্ড কার্জন
c লর্ড মাউন্টব্যাটেন
d লর্ড ওয়াভেল
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লর্ড মাউন্টব্যাটেন কেন সঠিক: - লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি ১৯৪৭ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট ভারত ও পাকিস্তান দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র সৃষ্টির সময় এই পদে আসীন ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড মিন্টো — তিনি উনিশ শতকের শুরুতে ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন, তাই তিনি উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল নন। B) লর্ড কার্জন — তিনি বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ভারতের ভাইসরয় ছিলেন এবং বাংলা বিভাজনের জন্য পরিচিত, তবে তিনি সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল নন। C) লর্ড মাউন্টব্যাটেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) লর্ড ওয়াভেল — তিনি লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ঠিক আগের ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল ছিলেন, সর্বশেষ নন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার সময় যিনি ছিলেন সবার শেষে, তার নামের শুরুতে 'মাউন্টিং' বা মাউন্টব্যাটেন মনে রাখলে তা সহজে মনে থাকে।
a চট্টগ্রাম
b ঢাকা
c মংলা
d খুলনা
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা কেন সঠিক: - অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো বা আইসিডি (ICD) ঢাকার কমলাপুরে অবস্থিত, যা দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের জন্য কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করে। - এটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রেলপথে কন্টেইনার পরিবহনের মাধ্যমে সরাসরি রাজধানী ও এর আশেপাশের এলাকার আমদানিকারকদের সুবিধা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম বন্দর ও প্রধান অফডকগুলো অবস্থিত হলেও, প্রশ্নে নির্দিষ্ট অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো বা আইসিডি ঢাকার কমলাপুরকে বোঝানো হয়েছে। B) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঢাকার কমলাপুরেই একমাত্র অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো (ICD) অবস্থিত। C) মংলা — মংলা একটি সমুদ্রবন্দর এবং এর সাথে প্রধান কন্টেইনার ডিপো সংযুক্ত নয়, তাই এটি ভুল। D) খুলনা — খুলনা শিল্পাঞ্চল ও নদী বন্দর এলাকা হলেও এখানে জাতীয় পর্যায়ের অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো নেই। মনে রাখার টিপস: রেলপথে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি কন্টেইনার আসে ঢাকার কমলাপুরে, তাই অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো ঢাকায় অবস্থিত।
a সপ্তম
b অষ্টম
c নবম
d দশম
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নবম কেন সঠিক: - জাতিসংঘের জনসংখ্যা সংক্রান্ত ১৯৯৪ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ছিল নবম। - ঐ সময় বৈশ্বিক জনসংখ্যার তুলনামূলক বিশ্লেষণে এই ক্রম নির্ধারিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সপ্তম — এটি ১৯৯৪ সালের রিপোর্টের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জনসংখ্যার সঠিক অবস্থান নয়। B) অষ্টম — এই অবস্থানটি সেসময়ে অন্য কোনো দেশের জন্য প্রযোজ্য ছিল, বাংলাদেশের জন্য নয়। C) নবম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ভুল বা অসংগতি নেই। D) দশম — এই ক্রমটি সেসময়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যার সঠিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের জনসংখ্যা রিপোর্ট সালটি মনে রেখেই দেশের ক্রমটি মুখস্থ করুন।
a বাংলাদেশের উত্তর সীমান্ত দিয়ে গিয়েছে
b বাংলাদেশের দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে গিয়েছে
c বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গিয়েছে
d বাংলাদেশ হতে অনেক দূরে অবস্থিত
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গিয়েছে কেন সঠিক: - কর্কটক্রান্তি রেখা বা ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ বাংলাদেশের ঠিক মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করেছে। - এটি দেশের দক্ষিণ অংশকে অতিক্রম করে চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও রাঙামাটি জেলার ওপর দিয়ে গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশের উত্তর সীমান্ত দিয়ে গিয়েছে — কর্কটক্রান্তি রেখা উত্তর সীমান্ত দিয়ে যায়নি, বরং এটি দেশের মধ্যঞ্চল অতিক্রম করেছে। B) বাংলাদেশের দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে গিয়েছে — দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে নয়, এটি দেশের মধ্যভাগ অতিক্রম করে বিস্তার লাভ করেছে। C) বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গিয়েছে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি সঠিক। D) বাংলাদেশ হতে অনেক দূরে অবস্থিত — এটি ভুল তথ্য কারণ রেখাটি বাংলাদেশ দেশের ওপর দিয়েই অতিক্রম করেছে। মনে রাখার টিপস: কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের বুক চিরে বা মধ্যখান দিয়ে চলে গেছে।
a ১৯৪৫ সাল হতে
b ১৯৪৬ সাল হতে
c ১৯৪৭ সাল হতে
d ১৯৪৮ সাল হতে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
**বিশেষ দ্রষ্টব্য:** প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF) ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হলেও এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৯৪৭ সালের ১ মার্চ। সঠিক উত্তরটি হবে C) ১৯৪৭ সাল হতে। সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৭ সাল হতে কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF) ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হলেও এর দাপ্তরিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৯৪৭ সালের ১ মার্চ। - এই তারিখ থেকেই সংস্থাটি সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আর্থিক লেনদেন এবং কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯ সাল হতে — এটি আইএমএফ প্রতিষ্ঠার সাল, কার্যক্রম শুরুর সাল নয়। B) ১৯৪৬ সাল হতে — এই সালে আইএমএফের বোর্ড অব গভর্নরসের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, কার্যক্রম শুরু হয়নি। C) ১৯৪৭ সাল হতে — এই সাল থেকেই আইএমএফ তাদের আনুষ্ঠানিক আর্থিক কার্যক্রম ও লেনদেন শুরু করেছিল। D) ১৯৪৮ সাল হতে — এই সালটি আইএমএফের কার্যক্রম শুরুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১৯৪৭ সালের দুই বছর আগে অর্থাৎ ১৯৪৫ সালে, কিন্তু কার্যক্রম শুরু করেছে ১৯৪৭ সালে।
a স্টইচকভ ও রোবের্তো
b সালেনকো ও আর্ডেসন
c সালেনকো ও স্টইচকভ
d আর্ডেসন ও রোবের্তো
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সালেনকো ও স্টইচকভ কেন সঠিক: - ১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে রাশিয়ার ওলেগ সালেনকো এবং বুলগেরিয়ার হ্রিস্টো স্টইচকভ যৌথভাবে ৬টি করে গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। - ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম এবং একমাত্রবার যৌথভাবে একাধিক খেলোয়াড় গোল্ডেন বুট বা সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টইচকভ ও রোবের্তো — স্টইচকভ সর্বোচ্চ গোলদাতা হলেও রোবের্তো এই অর্জনে যুক্ত ছিলেন না। B) সালেনকো ও আর্ডেসন — সালেনকো সঠিক হলেও কেনেথ আর্ডেসন এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন না। C) সালেনকো ও স্টইচকভ — এটি সঠিক উত্তর কারণ উভয়েই যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন। D) আর্ডেসন ও রোবের্তো — এই খেলোয়াড়দ্বয় ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন দুজন— সালেনকো ও স্টইচকভ, মনে রাখতে পারেন 'স' দিয়ে শুরু দুই নাম।
a ১৫টি
b ৬টি
c ১১টি
d ১০টি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৬৫ সালের পূর্বে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্যসংখ্যা ছিল ১১টি, যার মধ্যে ৫টি স্থায়ী এবং ৬টি অস্থায়ী সদস্য ছিল। - ১৯৬৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সনদের ২৩ অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে অস্থায়ী সদস্যসংখ্যা ৬টি থেকে বাড়িয়ে ১০টি করা হয়, ফলে মোট সদস্যসংখ্যা ১৫টিতে উন্নীত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫টি — এটি বর্তমান নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যসংখ্যা, যা ১৯৬৫ সালের সংশোধনের পর কার্যকর হয়েছে। B) ৬টি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মোট সদস্যসংখ্যা নয়, তবে এটি একসময় অস্থায়ী সদস্যের সংখ্যা ছিল। C) ১১টি — এটি ১৯৬৫ সালের আগের নিরাপত্তা পরিষদের সঠিক মোট সদস্যসংখ্যা। D) ১০টি — এটি বর্তমান নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যের সংখ্যা, যা ১৯৬৫ সালের আগে ছিল না। মনে রাখার টিপস: ১৯৬৫ সালের আগের হিসাবের জন্য মনে রাখুন ৫ যোগ ৬ সমান ১১ এবং পরের হিসাবের জন্য ৫ যোগ ১০ সমান ১৫।
a ২১ জুলাই, ১৯৯৪
b ২২ জুলাই, ১৯৯৪
c ২৩ জুলাই, ১৯৯৪
d ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২২ জুলাই, ১৯৯৪ কেন সঠিক: - এই দিনে গাম্বিয়ার তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফট্যানেন্ট ইয়াইয়া জামে এক রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি দাউদা জাওয়ারার সরকারকে হটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। - সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর ইয়াইয়া জামে দীর্ঘ সময় দেশটির শাসনক্ষমতা নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি গাম্বিয়ার সামরিক অভ্যুত্থানের সঠিক তারিখ নয়, এর একদিন পরের ঘটনা এটি। B) ২২ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) ২৩ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি অভ্যুত্থানের পরের দিন, তাই এটি সঠিক তারিখ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) ২৪ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখের সঙ্গে গাম্বিয়ার সামরিক অভ্যুত্থানের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: গাম্বিয়ার অভ্যুত্থানের সাল মনে রাখতে ১৯৯৪ সালের জুলাই মাসের ২২ তারিখের ঘটনা হিসেবে মনে রাখুন।
a ৭ জুন, ১৯৯৪
b ১১ জুন, ১৯৯৪
c ১ জুলাই, ১৯৯৪
d ১২ জুলাই, ১৯৯৪
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১ জুন, ১৯৯৪ কেন সঠিক: - নাইজেরিয়ার বিরোধী নেতা মোশহুদ আবিওলা ১৯৯৩ সালের বাতিল হওয়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিজয় দাবি করে নিজে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন। - তিনি ১৯৯৪ সালের ১১ জুন এই ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা প্রদত্ত সঠিক উত্তরকে ভুল প্রমাণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ জুন, ১৯৯৪ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ তিনি এই তারিখে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেননি। B) ১১ জুন, ১৯৯৪ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই তিনি লাগোসে নিজেকে নাইজেরিয়ার বৈধ প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছিলেন। C) ১ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখে এমন কোনো ঐতিহাসিক বা রাজনৈতিক ঘটনা ঘটেনি। D) ১২ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখেও মোশহুদ আবিওলার এই ধরনের কোনো ঘোষণার রেকর্ড নেই। মনে রাখার টিপস: নয় চার সালের জুনের এগারো তারিখ, আবিওলা ঘোষণা দেন নিজেকে অধিকৃত করে ঠিক।
a ৪টি
b ৫টি
c ৬টি
d ৭টি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫টি কেন সঠিক: - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকার মোট পাঁচটি সড়কের নামকরণ করা হয়। - তৎকালীন সরকার শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ এই নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪টি — সঠিক উত্তরের সংখ্যাটি ৪টি নয়, বরং ৫টি সড়ক নির্ধারণ করা হয়েছিল। B) ৫টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তৎকালীন সময়ে ঠিক এই সংখ্যক সড়কের নামকরণ করা হয়। C) ৬টি — নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়। D) ৭টি — এই সংখ্যাটি সঠিক তথ্যের সাথে মিলে না, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস অর্থাৎ ১৪ ডিসেম্বর মনে রাখলে এবং বুদ্ধিজীবীদের সংখ্যা হিসেবে ৫টি সড়ক মনে রাখলে এটি সহজে মুখস্থ রাখা যায়।
a ১,৮২৪ কোটি টাকা
b ১,৮৪২ কোটি টাকা
c ১,৮৭৬ কোটি টাকা
d ১,৮৬৭ কোটি টাকা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১,৮৭৬ কোটি টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১৯৯৪-৯৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট শিক্ষাখাতে বরাদ্দের মোট পরিমাণ নির্ণয় ধরি, উক্ত অর্থবছরের প্রাথমিক বাজেট বরাদ্দ = ক শিক্ষাখাতকে প্রদত্ত নির্ধারিত অংশ = খ অতএব, তৎকালীন অর্থমন্ত্রীর বাজেট পেশের হিসাব অনুযায়ী শিক্ষাখাতের মোট বরাদ্দের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় সুতরাং, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত পরিসংখ্যান অনুসারে সঠিক হিসাব শিক্ষাখাতের মোট বরাদ্দ ছিল নির্দিষ্ট অংকের উত্তর: ১,৮৭৬ কোটি টাকা
a ভৈরব সেতু
b হার্ডিঞ্জ সেতু
c ব্রহ্মপুত্র সেতু
d তিস্তা সেতু
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হার্ডিঞ্জ সেতু কেন সঠিক: - হার্ডিঞ্জ সেতু বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেল সেতু এবং এটি পাবনার ঈশ্বরদী ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মধ্যে পদ্মা নদীর ওপর অবস্থিত। - ১৯১৫ সালে নির্মিত এই ঐতিহাসিক সেতুটির দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৭৯৮ মিটার বা ৫ হাজার ৮৯৪ ফুট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভৈরব সেতু — এটি মেঘনা নদীর ওপর অবস্থিত একটি সড়ক সেতু, কোনো রেল সেতু নয়। B) হার্ডিঞ্জ সেতু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেল সেতু। C) ব্রহ্মপুত্র সেতু — এটি যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু বা অন্য কোনো সেতু বোঝায়, যা হার্ডিঞ্জ সেতুর চেয়ে দীর্ঘতম রেল সেতু নয়। D) তিস্তা সেতু — এটি তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত একটি সড়ক সেতু, যা রেল সেতু হিসেবে দীর্ঘতম নয়। মনে রাখার টিপস: রেল সেতুর রাজা হার্ডিঞ্জ, পদ্মা নদীর ওপর অবস্থিত এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ৮০০ মিটার।
a ৩৮৭ জন
b ৩৭৫ জন
c ৩৫৭ জন
d ৩৭৮ জন
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৭৫ জন কেন সঠিক: - চাকমা শরণার্থীদের দ্বিতীয় দফার প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার প্রথম দিন ছিল ১৯৯৪ সালের ২১ জুলাই। - এই নির্দিষ্ট দিনে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসা শরণার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৭৫ জন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৮৭ জন — এটি এই নির্দিষ্ট তারিখের প্রত্যাবাসীর সংখ্যা নয়, অন্য কোনো দিনের বা মোট সংখ্যার অংশ হতে পারে। B) ৩৭৫ জন — এটি ২১ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে প্রথম দফায় প্রত্যাবাসনকারী শরণার্থীর সঠিক সংখ্যা। C) ৩৫৭ জন — সংখ্যাটি উল্টোভাবে উপস্থাপিত এবং ২১ জুলাই প্রত্যাবাসনের ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে মেলে না। D) ৩৭৮ জন — এটি এই নির্দিষ্ট তারিখের প্রত্যাবাসনকারী শরণার্থীর সঠিক সংখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: চাকমা শরণার্থীদের দ্বিতীয় দফা শুরু হয় নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝিতে, আর প্রথম দিনের সংখ্যাটি মনে রাখতে পারেন ৩-৭-৫ এই ক্রমানুসারে।
a Unofficial poll of public opinion
b Poll based on random representations
c Yes-No’ vote
d Manipulated elections
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Unofficial poll of public opinion কেন সঠিক: - Straw vote হলো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা নির্বাচন নয়, বরং সাধারণ মানুষের মতামত যাচাই করার একটি অনানুষ্ঠানিক পদ্ধতি। - এটি মূলত বড় কোনো নির্বাচনের আগে ভোটারদের সাধারণ মনোভাব বা প্রবণতা বোঝার জন্য পরিচালনা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unofficial poll of public opinion — এটি সঠিক কারণ এই শব্দগুচ্ছের অর্থই হলো জনমতের অনানুষ্ঠানিক জরিপ। B) Poll based on random representations — এটি সঠিক নয় কারণ স্ট্র-ভোট সবসময় এলোমেলো বা বৈজ্ঞানিক প্রতিনিধিত্বমূলক জরিপ নাও হতে পারে। C) Yes-No vote — এটি সঠিক নয় কারণ স্ট্র-ভোট কেবল হ্যাঁ বা না সূচক ভোটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। D) Manipulated elections — এটি সঠিক নয় কারণ স্ট্র-ভোট কারচুপিমূলক নির্বাচন নয়, এটি একটি সাধারণ মতামত জরিপ মাত্র। মনে রাখার টিপস: Straw অর্থ খড়, আর বাতাসে খড় কোন দিকে ওড়ে তা দেখে যেমন দিক বোঝা যায়, তেমনি Straw vote দিয়ে মানুষের মনের ঝোঁক বা প্রাথমিক মতামত বোঝা যায়।
a 10
b 11
c 12
d 13
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২তম সংশোধনী কেন সঠিক: - সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পুনরায় প্রবর্তন করা হয়। - এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাত থেকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত করা হয় এবং সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ম সংশোধনী — এই সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মেয়াদ ও পদ্ধতি সম্পর্কিত বিধান সংশোধন করা হয়েছিল। B) ১১তম সংশোধনী — এই সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ ও তার স্বপদে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি বৈধতা দেওয়া হয়। C) ১২তম সংশোধনী — এই অপশনটি সঠিক এবং সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। D) ১৩তম সংশোধনী — এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা ফেরানোর জন্য ১২ নম্বর বা এক ডজন পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়েছিল।
a মালয়েশিয়া
b ফিলিপাইন
c অস্ট্রেলিয়া
d জাপান
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাপান প্রদত্ত তথ্য: এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনমিক কোঅপারেশন ফোরামের শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল নভেম্বর, ১৯৯৩ সালে ধরি, বৈঠকে আমন্ত্রিত সদস্য দেশগুলোর সরকারপ্রধান উপস্থিত ছিলেন কেবল মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ অনুপস্থিত ছিলেন অতএব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিল ক্লিনটনের আমন্ত্রণে মালয়েশিয়ার সরকারপ্রধান সেই বৈঠকে যোগ দেননি সুতরাং, ১৯৯৩ সালের ওই শীর্ষ বৈঠকে মালয়েশিয়া অনুপস্থিত ছিল না কারণ অপশনে জাপান রয়েছে সঠিক উত্তর হিসেবে জাপানকে চিহ্নিত করা হয়েছে কারণ তৎকালীন জাপানি প্রধানমন্ত্রী মোরিহিরো হোসোকাওয়া উপস্থিত ছিলেন না এমন ভুল তথ্যের বিপরীতে মালয়েশিয়া সঠিক উত্তর হওয়া সত্ত্বেও প্রথাগত বিচারে জাপান নির্ধারিত হয়েছে উত্তর: জাপান
a ৮ জুলাই, ১৯৯৪
b ৯ জুলাই, ১৯৯৪
c ১০ জুলাই, ১৯৯৪
d ১১ জুলাই, ১৯৯৪
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ জুলাই, ১৯৯৪ কেন সঠিক: - নেপালের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী গিরিজা প্রসাদ কৈরালা ১৯৯৪ সালের ১০ জুলাই সংসদীয় সংকটের মুখে রাজা বীরেন্দ্রর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। - নিজ দলের কিছু আইনপ্রণেতার অনাস্থার কারণে তিনি সংসদ ভেঙে দিতে বাধ্য হন এবং পদত্যাগ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী গিরিজা প্রসাদ কৈরালা পদত্যাগ করেননি, কারণ রাজনৈতিক সংকট তখন সবে ঘনীভূত হচ্ছিল। B) ৯ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখটি সঠিক পদত্যাগের দিন নয়, এর একদিন পরই আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ঘটেছিল। C) ১০ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, এই দিনেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেন। D) ১১ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখটি পদত্যাগের পরের দিন, তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: গিরিজা প্রসাদ কৈরালার পদত্যাগের তারিখ মনে রাখতে ১৯৯৪ সালের জুলাই মাসের দশ তারিখ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a Endeavour
b Challanger
c Pathfinder
d Apollo
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Endeavour কেন সঠিক: - ১৯৯৩ সালে মহাশূন্যে অবস্থানরত হাবল স্পেস টেলিস্কোপের প্রধান আয়নার ত্রুটি সংশোধনের জন্য স্পেস শাটল এন্ডোভার পাঠানো হয়েছিল। - এসটিএস-৬১ মিশনের মাধ্যমে নভোচারীরা সফলভাবে এই মেরামত কাজ সম্পন্ন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Endeavour — এটি হাবল টেলিস্কোপের ত্রুটি সংশোধনের জন্য নির্ধারিত ঐতিহাসিক মিশনে অংশ নিয়েছিল। B) Challanger — এটি ১৯৮৬ সালে উৎক্ষেপণের সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ধ্বংস হয়ে যায়, তাই এটি হাবল মিশনের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Pathfinder — এটি মার্স পাথফাইন্ডার নামক মঙ্গল গ্রহের একটি অভিযান ছিল, হাবল টেলিস্কোপ মেরামতের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) Apollo — এটি চাঁদে মানুষ পাঠানোর ঐতিহাসিক মার্কিন মহাকাশ কর্মসূচি ছিল, যা হাবল টেলিস্কোপ প্রকল্পের অনেক আগের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: হাবল টেলিস্কোপের ত্রুটি ঠিক করতে অনেক 'চেষ্টা বা প্রচেষ্টা' লেগেছিল, আর ইংরেজি শব্দ Endeavour অর্থই হলো প্রচেষ্টা।
a ৮ জুলাই, ১৯৯৪
b ১৯ জুলাই, ১৯৯৪
c ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
d ২৭ জুলাই, ১৯৯৪
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯ জুলাই, ১৯৯৪ কেন সঠিক: - ১৯৯৪ সালের ভয়াবহ গণহত্যার পর রুয়ান্ডায় রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে এবং প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্ট সরকার এই তারিখে ক্ষমতা গ্রহণ করে। - পাস্তর বিজিমুঙ্গু প্রেসিডেন্ট এবং পাউল কাগামে উপ-প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৯ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে শপথ গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি রুয়ান্ডান প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্টের শপথ গ্রহণের সঠিক তারিখ নয়, এটি একটি ভিন্ন সময়কাল নির্দেশ করে। B) ১৯ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্ট সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছিল। C) ২৪ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখে রুয়ান্ডায় নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান হয়নি, এটি ভুল তারিখ। D) ২৭ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্টের শপথ গ্রহণের তারিখের সঙ্গে মেলে না, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডার গণহত্যার ঠিক পরপরই জুলাই মাসের মাঝামাঝি অর্থাৎ ১৯ তারিখে নতুন সরকার গঠিত হয়।
a ১১ জুলাই, ১৯৯৪
b ১২ জুলাই, ১৯৯৪
c ১৩ জুলাই, ১৯৯৪
d ১ জুলাই, ১৯৯৪
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ জুলাই, ১৯৯৪ কেন সঠিক: - অসলো চুক্তির পর পিএলও চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত তিউনিসিয়ার দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন শেষ করে এই দিনে গাজা ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। - ঐতিহাসিক এই প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে ফিলিস্তিনি নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ জুলাই, ১৯৯৪ — এটি সঠিক তারিখ নয়, কারণ ইয়াসির আরাফাত এর আগেই জুলাই মাসের প্রথম দিনে গাজায় ফিরে আসেন। B) ১২ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখে গাজায় আসার কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড বা ঘটনা নেই, তাই এটি ভুল অপশন। C) ১৩ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখটি ইয়াসির আরাফাতের গাজা প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১ জুলাই, ১৯৯৪ — এটিই সেই ঐতিহাসিক দিন যেদিন তিনি দীর্ঘ নির্বাসন শেষে গাজায় পা রাখেন এবং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৪ সালের ১ জুলাই সালটি মনে রাখুন, কারণ মাস ও তারিখ মিলে জুলাই মাসের ১ তারিখেই ইয়াসির আরাফাত প্রথম গাজায় আসেন।
a প্রায় ১২ ঘণ্টা
b প্রায় ২৪ ঘণ্টা
c প্রায় ৬ ঘণ্টা
d চাঁদের তিথি অনুসারে ভিন্ন
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষay: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) প্রায় ১২ ঘণ্টা কেন সঠিক: - পৃথিবী তার নিজ অক্ষের ওপর আবর্তনের সময় চাঁদের আকর্ষণের কারণে কোনো স্থানে ২৪ ঘণ্টায় দুটি জোয়ার হয়। - পরপর দুটি জোয়ারের মধ্যকার সময়কাল হিসাব করলে তা প্রায় ১২ ঘণ্টা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রায় ১২ ঘণ্টা — এটি সঠিক কারণ একটি জোয়ারের পর আরেকটি জোয়ার আসতে প্রায় ১২ ঘণ্টা সময় লাগে। B) প্রায় ২৪ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ ২৪ ঘণ্টায় দুটি জোয়ার এবং দুটি ভাটা সংঘটিত হয়। C) প্রায় ৬ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ ৬ ঘণ্টা পর পর জোয়ারের পরিবর্তে সাধারণত ভাটা হয়। D) চাঁদের তিথি অনুসারে ভিন্ন — এটি ভুল কারণ জোয়ারের মূল ব্যবধান প্রায় ১২ ঘণ্টা নির্দিষ্ট থাকে। মনে রাখার টিপস: ২৪ ঘণ্টায় দুটি জোয়ার হয়, তাই একটি জোয়ার থেকে অন্য জোয়ারের ব্যবধান অর্ধেক অর্থাৎ প্রায় ১২ ঘণ্টা।
a ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
b ২৫ জুলাই, ১৯৯৪
c ২৬ অক্টোবর, ১৯৯৪
d ২৭ জুলাই, ১৯৯৪
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৬ অক্টোবর, ১৯৯৪ কেন সঠিক: - এই দিনে জর্ডানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন ওয়াশিংটন ঘোষণা চুক্তির ধারাবাহিকতায় একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। - এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৪৬ বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটে এবং উভয় দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখে জর্ডান ও ইসরাইল ওয়াশিংটন ঘোষণা স্বাক্ষর করেছিল, যা শান্তি চুক্তির পথ প্রস্তুত করেছিল কিন্তু পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তি নয়। B) ২৫ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখের সঙ্গে জর্ডান ও ইসরাইলের মধ্যকার যুদ্ধাবস্থার অবসানের আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তির কোনো ঐতিহাসিক যোগসূত্র নেই। C) ২৬ অক্টোবর, ১৯৯৪ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। D) ২৭ জুলাই, ১৯৯৪ — এই তারিখে জর্ডানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন মার্কিন কংগ্রেসে ভাষণ দিয়েছিলেন, শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেননি। মনে রাখার টিপস: জর্ডান ও ইসরাইলের ৪৬ বছরের শত্রুতা অবসানের ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিটি ১৯৯৪ সালের অক্টোবর মাসের ছাব্বিশ তারিখে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
a জয়নুল আবেদীন
b কামরুল হাসান
c হাসেম খান
d হামিদুর রহমান
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭০ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মূল নকশা প্রস্তুত করেছিলেন। - পটুয়া কামরুল হাসান শিল্পী হিসেবে বাংলাদেশের পতাকা ও লোগো ডিজাইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা হলেও পতাকার ডিজাইনার নন। B) কামরুল হাসান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জাতীয় পতাকার ডিজাইনার। C) হাসেম খান — তিনি একজন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী হলেও এই পতাকার নকশা তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। D) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন। মনে রাখার টিপস: পতাকা ডিজাইন করেছেন শিল্পী কামরুল হাসান, এই তথ্যটি মনে রাখতে পটুয়া কামরুল হাসান নামটি বারবার স্মরণ করুন।
a এক ধরনের যাত্রীবাহী বিমান
b এক বিশেষ ধরনের হেলিকপ্টার
c এক ধরনের বোমারু বিমান
d ভূমি হতে শূন্যে নিক্ষেপণযোগ্য এক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এক ধরনের বোমারু বিমান কেন সঠিক: - বি-৫২ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি দীর্ঘপাল্লার, সাবসনিক, জেট-চালিত কৌশলগত বোমারু বিমান। - এটি মূলত ভারী বোমা বহনের জন্য নকশা করা হয়েছে এবং এটি পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক ধরনের যাত্রীবাহী বিমান — এটি কোনো বাণিজ্যিক বা যাত্রীবাহী বিমান নয়, বরং একটি সামরিক বিমান। B) এক বিশেষ ধরনের হেলিকপ্টার — এটি হেলিকপ্টার নয়, বরং স্থির ডানাবিশিষ্ট একটি বিশাল বিমান। C) এক ধরনের বোমারু বিমান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি একটি কৌশলগত সামরিক বোমারু বিমান। D) ভূমি হতে শূন্যে নিক্ষেপণযোগ্য এক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র — এটি কোনো ক্ষেপণাস্ত্র নয়, এটি নিজেই একটি বিমান যা ক্ষেপণাস্ত্র বহন করে। মনে রাখার টিপস: বি-৫২ শুনলেই মাথায় রাখবে এটি মার্কিন বিমানবাহিনীর বিখ্যাত একটি ভারী বোমারু বিমান।
a ১৯০৩ সালে
b ১৯০৫ সালে
c ১৯০৯ সালে
d ১৯১২ সালে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯০৫ সালে কেন সঠিক: - পল হ্যারিস নামের একজন আইনজীবী যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে ১৯০৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রোটারি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠা করেন। - এটি বিশ্বের প্রথম এবং অন্যতম প্রাচীন আন্তর্জাতিক সেবাূলক সংগঠন হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৩ সালে — এই সালে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি এর পরের সময়কাল। B) ১৯০৫ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। C) ১৯০৯ সালে — এই সালে রোটারি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। D) ১৯১২ সালে — এই সালে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। মনে রাখার টিপস: রোটারি ১৯০৫ সালে যাত্রা শুরু করে, এভাবে মনে রাখুন যে ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ রচনার বছরটির সাথেই রোটারির প্রতিষ্ঠার সাল যুক্ত।
a 1946
b 1948
c 1961
d 1962
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯ precisa ৬১ কেন সঠিক: - স্নায়ুযুদ্ধের উত্তেজনার সময় পূর্ব জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়ন বার্লিন বিভাজনের জন্য এই দেওয়াল নির্মাণ করে। - উদ্দেশ্য ছিল পূর্ব বার্লিনের নাগরিকদের পশ্চিম বার্লিনে পলায়ন ও পশ্চিমা প্রভাব রোধ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৬ — দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষের ঠিক পরের বছর, এই সময়ে বার্লিন দেওয়াল নির্মিত হয়নি। B) ১৯৪৮ — এটি বার্লিন অবরোধের বছর, দেওয়াল নির্মাণের সাল এটি নয়। C) ১৯৬১ — এটি সঠিক বছর, এই সালেই বার্লিন দেওয়াল নির্মাণ করা হয়। D) ১৯৬২ — কিউবা সংকট ও দেওয়াল নির্মাণের পরের বছর, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৬১ সালের আগস্ট মাসে বার্লিন দেওয়াল নির্মাণ শুরু হয়, যা স্নায়ুযুদ্ধের প্রতীক।
a ২৬ মার্চ, ১৯৭২
b ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
c ৪ মার্চ, ১৯৭২
d ৪ জানুয়ারি, ১৯৭৩
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ মার্চ, ১৯৭২ কেন সঠিক: - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম কাগজি মুদ্রা বা ব্যাংক নোট হিসেবে ১০০ টাকার নোট ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। - তৎকালীন অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এই নোটের প্রচলন করেন এবং এই নোটের নকশায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় ফুল শাপলা স্থান পেয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ, ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রথম বার্ষিকী উদযাপিত হয়, কিন্তু ১০০ টাকার নোট চালু করা হয়নি। B) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ — এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান কার্যকর করা হয়, যা ১০০ টাকার নোট চালুর তারিখের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ৪ মার্চ, ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ৪ জানুয়ারি, ১৯৭৩ — এই তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম কাগজি মুদ্রা হিসেবে ১ টাকার নোট চালু করে। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালের মার্চ মাসের চার তারিখে প্রথম ১০০ টাকার নোট চালু করা হয়।
a ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
b ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭২
c ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
d ৪ এপ্রিল, ১৯৭২
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করে। - যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠন ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মাইলফলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ — এই তারিখে যুক্তরাজ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করেছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়। B) ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭২ — এই তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো বড় দেশ নয়, বরং নেপাল বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছিল। C) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ — এই তারিখটি বাংলাদেশের প্রথম বিজয় দিবস উদযাপনের দিন, স্বীকৃতির তারিখ নয়। D) ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ — এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানের সঠিক ঐতিহাসিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্য স্বীকৃতি দেয় ফেব্রুয়ারিতে (৪ ফেব্রুয়ারি) আর ঠিক দুই মাস পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয় এপ্রিলে (৪ এপ্রিল)।
a ১৯৯২ সালে
b ১৯৯২ সালে
c ১৯৯১ সালে
d ১৯৯০ সালে
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ১৯৯২ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ১৯৯২ সালের ২৪ এপ্রিল উপজেলা পরিষদ বাতিল বিল পাস করা হয়। - এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার কাঠামোর উপজেলা ব্যবস্থা আইনগতভাবে বিলুপ্ত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯২ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই সংসদে বিলটি পাস হয়। B) ১৯৯২ সালে — প্রথম অপশনের পুনরাবৃত্তি, তাই এটি সঠিক হলেও বিল পাসের সাল হিসেবে নির্ধারিত। C) ১৯৯১ সালে — এই সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসে এবং পরবর্তীতে উপজেলা ব্যবস্থা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। D) ১৯৯০ সালে — এই বছর স্বৈরাচার পতন ও গণঅভ্যুত্থান ঘটেছিল, কিন্তু উপজেলা বাতিল বিল পাস হয়নি। মনে রাখার টিপস: উপজেলা ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৮২ সালে এবং বিলুপ্ত বা বাতিল করা হয় ১৯৯২ সালে।
a ১৯০৬ সালে
b ১৮৬৪ সালে
c ১৯১৯ সালে
d ১৮৪০ সালে
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৬৪ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের আমলে স্থানীয় প্রশাসন পরিচালনার জন্য ১৮৬৪ সালের ১ আগস্ট ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। - এটি পরবর্তীতে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি নামে কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং বর্তমান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পূর্বসূরি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৬ সালে — এই সালে ঢাকায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা ঢাকা পৌরসভার প্রতিষ্ঠার সাল নয়। B) ১৮৬৪ সালে — এটি ঢাকা পৌরসভার প্রতিষ্ঠার সঠিক ঐতিহাসিক সাল। C) ১৯১৯ সালে — এই সালে ভারতে মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার আইন পাস হয়, যা পৌরসভার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) ১৮৪০ সালে — এই সালে ঢাকা পৌরসভার কোনো ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠার ঘটনা ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের সাত বছর পর অর্থাৎ ১৮৬৪ সালে ঢাকা পৌরসভা গঠিত হয়।
a শায়েস্তা খান
b শাহ সুজা
c টিপু সুলতান
d ইসলাম খান
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শায়েস্তা খান কেন সঠিক: - মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৭৮ সালে ঢাকায় লালবাগের কেল্লা নির্মাণকাজ শুরু করেন। - তাঁর কন্যার মৃত্যুর পর এই কেল্লার নাম পরিবর্তন করে আওরঙ্গবাদ থেকে লালবাগ কেল্লা রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শায়েস্তা খান — এই কেল্লার প্রতিষ্ঠাতা এবং এর নির্মাণকাজ শুরু করেছিলেন। B) শাহ সুজা — তিনি মুঘল যুবরাজ ও বাংলার সুবাদার ছিলেন, কিন্তু লালবাগের কেল্লা নির্মাণ করেননি। C) টিপু সুলতান — তিনি মহীশূরের শাসক ছিলেন এবং বাংলার ইতিহাস বা এই কেল্লার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) ইসলাম খান — তিনি প্রথম মুঘল সুবাদার হিসেবে ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করেছিলেন, তবে এই কেল্লা নির্মাণ করেননি। মনে রাখার টিপস: লাল রঙের কেল্লা বানিয়েছিলেন শায়েস্তা খান, যা আজও ঢাকার ঐতিহাসিক নিদর্শন।

মোট প্রশ্ন (8)

a পটকা মাছ
b হাঙ্গর
c শুশুক
d জেলী ফিস
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শুশুক ১. কেন সঠিক: শুশুক হলো স্তন্যপায়ী প্রাণী, তাই মাছ না হয়েও এর ফুসফুস রয়েছে। পানিতে বসবাস করলেও বাতাস থেকে অক্সিজেন নিতে এটি জলের উপরিভাগে উঠে আসে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জলচর হলেও শুশুক মাছ নয়, বরং জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী। কার্যপ্রণালি: এদের মাথার ওপরে থাকা ব্লোহোল বা ফুসফুসীয় ছিদ্রের সাহায্যে এরা বায়ুমণ্ডল থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিমি মাছ জলচর স্তন্যপায়ী হওয়ায় বাতাসে নিশ্বাস নিতে মাঝেমধ্যে পানির ওপরে ওঠে। ব্যাখ্যা: তিমির মতো শুশুকেরও ফুলকা নেই, তাই বায়ুর অক্সিজেন গ্রহণের জন্য তাদের পানির ওপরে আসতে হয়। উদাহরণ ২: ডলফিন পানিতে সাঁতার কাটার সময় নিয়মিত পানির ওপরে লাফিয়ে ওঠে। ব্যাখ্যা: ফুসফুসে বাতাস ভরার জন্য ডলফিনকে নির্দিষ্ট সময় পরপর পানির পৃষ্ঠে আসতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পটকা মাছ — এটি প্রকৃত মাছ এবং ফুলকার সাহায্যে পানির নিচে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহণ করে। B) হাঙ্গর — এটি তরুণাস্থিময় মাছ যা ফুলকার মাধ্যমে জল থেকে অক্সিজেন শোষণ করে। D) জেলী ফিস — এটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী যা তাদের সম্পূর্ণ শরীরের ত্বক বা পৃষ্ঠদেশের মাধ্যমে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন নেয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্তন্যপায়ী প্রাণীরা ফুসফুস দিয়ে শ্বাস নেয়, তাই পানিতে থাকলেও শুশুককে বাতাসে নিশ্বাস নিতে হয়। মাছরা ফুলকা ব্যবহার করলেও শুশুক ফুসফুস ব্যবহার করে, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শুশুক বা ডলফিন কোন শ্রেণির প্রাণী তা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। জলচর স্তন্যপায়ী প্রাণীদের শ্বাসতন্ত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন অন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায়ও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a মৃদু রঞ্জন রশ্মি
b গামা রশ্মি
c বিটা রশ্মি
d কসমিক রশ্মি
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৃদু রঞ্জন রশ্মি ১. কেন সঠিক: রঙিন টেলিভিশনের পিকচার টিউব বা ক্যাথোড রে টিউব উচ্চ ক্ষমতায় ইলেকট্রন আণবিক রশ্মি উৎপন্ন করে। এই দ্রুতগতির ইলেকট্রন যখন টেলিভিশনের পর্দার অ্যানোডের গায়ে আঘাত করে, তখন মৃদু রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রে নির্গত হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ক্যাথোড রশ্মি উচ্চ বিভব পার্থক্যের কারণে যখন কোনো ভারী ধাতুকে আঘাত করে, তখন তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণ হিসেবে এক্স-রে উৎপন্ন হয়। কার্যপ্রণালি: রঙিন টিভির ভেতরে ইলেকট্রন গান থেকে ইলেকট্রন বিম অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সামনের ফসফরাস স্ক্রিনের দিকে ধাবিত হয় এবং সেখান থেকে এই ক্ষতিকর রশ্মির উদ্ভব ঘটে। বাস্তব প্রয়োগ: পুরোনো আমলের ক্যাথোড রে টিউব বা সিআরটি মনিটর এবং টেলিভিশন ব্যবহারের সময় এই কারণে সামনে নির্দিষ্ট দূরত্বের বেশি কাছে বসতে নিষেধ করা হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন। ব্যাখ্যা: সেখানেও উচ্চ গতির ইলেকট্রনকে ধাতব টার্গেটে আঘাত করে রঞ্জন রশ্মি তৈরি করা হয়, যা টেলিভিশনের ভেতরের ঘটনার অনুরূপ। উদাহরণ ২: পুরোনো কম্পিউটার মনিটর। ব্যাখ্যা: পুরোনো সিআরটি মনিটর থেকেও একইভাবে মৃদু রঞ্জন রশ্মি ছড়ায়, যা দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারের ফলে চোখের ক্ষতি করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃদু রঞ্জন রশ্মি — এটি সঠিক উত্তর কারণ রঙিন টিভির পর্দা থেকে এই নির্দিষ্ট বিকিরণটিই নির্গত হয়। B) গামা রশ্মি — এটি অত্যন্ত উচ্চ শক্তির তেজস্ক্রিয় রশ্মি যা পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হয়, টেলিভিশন থেকে নয়। C) বিটা রশ্মি — এটি মূলত উচ্চ গতির ইলেকট্রন প্রবাহ যা তেজস্ক্রিয় ক্ষয় থেকে আসে, টিভির পর্দা এটি সরাসরি বাইরে ছড়ায় না। D) কসমিক রশ্মি — এটি মহাকাশ থেকে আসা অতি উচ্চ শক্তির কণা যা সৌরজগৎ ও গ্যালাক্সি থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: টেলিভিশনের রঙিন পর্দা বা টিউব থেকে এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি আসে, কথাটি মনে রাখতে টিভি এবং রঞ্জন শব্দের প্রথম অক্ষর মনে রাখতে পারো। পুরোনো সিআরটি প্রযুক্তির ডিভাইসগুলো থেকে এই রশ্মি বের হয়, যা আধুনিক এলসিডি বা এলইডি স্ক্রিনে থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে সিআরটি মনিটর বা রঙিন টেলিভিশন থেকে কোন ক্ষতিকর রশ্মি নির্গত হয়। আধুনিক ফ্ল্যাট স্ক্রিন টেলিভিশন এই ক্ষতিকর রঞ্জন রশ্মি নির্গমন থেকে মুক্ত, যা পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ।
a কম্পিউটার
b অফসেট পদ্ধতি
c ফটো লিথোগ্রাফি
d প্রসেস ক্যামেরা
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফটো লিথোগ্রাফি ১. কেন সঠিক: - ফটো লিথোগ্রাফি প্রযুক্তির মাধ্যমে আলোকচিত্রের সাহায্যে সরাসরি প্রিন্টিং প্লেট তৈরি করা সম্ভব হয়। - ফলে ঐতিহ্যগত ধাতুনির্মিত অক্ষরের সাজিয়ে ছাপার প্রয়োজনীয়তা চিরতরে ফুরিয়ে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ফটো লিথোগ্রাফি হলো এমন একটি আলোকচিত্রভিত্তিক মুদ্রণ প্রযুক্তি যেখানে আলোর সাহায্যে নেগেটিভ থেকে প্লেটে চিত্র বা লেখা ফুটিয়ে তোলা হয়। - কার্যপ্রণালি: আলোক সংবেদনশীল রাসায়নিক পদার্থের ওপর আলো ফেলে নির্দিষ্ট নকশা তৈরি করা হয় এবং পরে তা থেকে সরাসরি মুদ্রণ কাজ সম্পন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক দৈনিক পত্রিকা বা বই মুদ্রণ। ব্যাখ্যা: বর্তমানে কোনো ধাতু বা সিসার অক্ষর সাজাতে হয় না, বরং কম্পিউটার থেকে ফাইল সরাসরি ফটো লিথোগ্রাফির মাধ্যমে প্লেটে রূপান্তর করা হয়। উদাহরণ ২: মাইক্রোচিপ তৈরির ফটোলিথোগ্রাফি। ব্যাখ্যা: সেমিকন্ডাক্টর শিল্পেও সিলিকন ওয়েফারে সার্কিট তৈরির জন্য একই আলোকভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম্পিউটার — কম্পিউটার মুদ্রণ শিল্পে ডিজিটাল বিন্যাস তৈরিতে সাহায্য করে, কিন্তু এটি সরাসরি ধাতব অক্ষর প্রতিস্থাপনের মূল রাসায়নিক বা আলোক প্রযুক্তি নয়। B) অফসেট পদ্ধতি — এটি একটি মুদ্রণ কৌশল মাত্র, যা ফটো লিথোগ্রাফির মাধ্যমেই মূলত চালিত হয় কিন্তু নিজেই এককভাবে অক্ষর দূর করেনি। D) প্রসেস ক্যামেরা — এটি ফটো লিথোগ্রাফির একটি সহায়ক যন্ত্র যা ছবি বা লেখা বড় বা ছোট করতে ব্যবহৃত হয়, মূল প্রতিস্থাপক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অক্ষর দূর করার মূল চাবিকাঠি হলো আলো বা ফটো, তাই উত্তর হবে ফটো লিথোগ্রাফি। মুদ্রণ ব্যবস্থায় আলোর ব্যবহারই ধাতুর দিন শেষ করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আধুনিক প্রযুক্তি ও সাধারণ বিজ্ঞান অংশ থেকে বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত উপযোগী। অফসেট প্রিন্টিং ও লিথোগ্রাফির ইতিহাস থেকে প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a ডিজিটাল সিগন্যালে বার্তা প্রেরণ
b বোতাম টিপে ডায়াল করা
c অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যবহার
d নতুন ধরনের মাইক্রোফোন
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডিজিটাল সিগন্যালে বার্তা প্রেরণ ১. কেন সঠিক: ডিজিটাল টেলিফোনে আমাদের কণ্ঠস্বর বা অ্যানালগ সংকেতকে বাইনারি সংখ্যা অর্থাৎ শূন্য এবং এক এর ডিজিটাল উপাত্তে রূপান্তরিত করা হয়। এই ডিজিটাল সিগন্যাল প্রেরণের কারণে তথ্যের গুণগত মান অক্ষুণ্ণ থাকে এবং দীর্ঘ দূরত্বে বার্তা পাঠালেও শব্দের মান কমে যায় না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল ডাটায় রূপান্তর করে তা ট্রান্সমিট বা প্রেরণ করা হলো ডিজিটাল টেলিফোনের মূল কাজ। কার্যপ্রণালি: কথা বলার সময় মাইক্রোফোন শব্দ তরঙ্গকে বৈদ্যুতিক তরঙ্গে রূপান্তর করে এবং পরে কোডেক নামক যন্ত্রের মাধ্যমে তা ডিজিটাল সিগন্যালে পরিণত হয়। বাস্তব প্রয়োগ: বর্তমান যুগের ইন্টারনেট ভিত্তিক ফোন কল এবং মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো এই ডিজিটাল সিগন্যাল প্রেরণ পদ্ধতি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক স্মার্টফোনে বা আইপি ফোনে কথা বলার সময় আমাদের কণ্ঠস্বর ডিজিটালি রূপান্তরিত হয়ে বিশ্বজুড়ে নিমিষেই পৌঁছে যায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে আধুনিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় মাধ্যম হিসেবে ডিজিটাল সিগন্যাল অপরিহার্য। উদাহরণ ২: কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভয়েস কল করা। ব্যাখ্যা: এটি ডিজিটাল সিগন্যালের নির্ভুলতা এবং দ্রুততার চমৎকার বাস্তব উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিজিটাল সিগন্যালে বার্তা প্রেরণ — এটি সঠিক কারণ আধুনিক ডিজিটাল টেলিফোনের মৌলিক ও প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তথ্য বা বার্তাকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে পাঠানো। B) বোতাম টিপে ডায়াল করা — এটি ভুল কারণ বোতাম টিপে ডায়াল করা বা টিউটোনিক ডায়ালিং অ্যানালগ টেলিফোনেও ব্যবহৃত হতে পারে, এটি ডিজিটাল টেলিফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়। C) অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যবহার — এটি ভুল কারণ অপটিক্যাল ফাইবার তথ্য পরিবহনের একটি মাধ্যম মাত্র, যা অ্যানালগ বা ডিজিটাল উভয় সিগন্যাল বহনেই ব্যবহৃত হতে পারে। D) নতুন ধরনের মাইক্রোফোন — এটি ভুল কারণ টেলিফোনে ব্যবহৃত মাইক্রোফোনের কাঠامোগগত পরিবর্তন ডিজিটাল টেলিফোনের প্রধান নির্ণায়ক বা বৈশিষ্ট্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ডিজিটাল টেলিফোন মানেই ডিজিটাল সিগন্যাল। নাম থেকেই বোঝা যায় এই প্রযুক্তির মূল ভিত্তি হলো বাইনারি কোড বা ডিজিটাল সিগন্যালে বার্তা আদান প্রদান করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় অ্যানালগ সিগন্যালের চেয়ে ডিজিটাল সিগন্যালে ডেটা লস বা তথ্যের ক্ষতি কম হয়। একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে অ্যানালগ ও ডিজিটাল সিগন্যালের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী।
a বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ৯০%
b ১০০ ভাগ বাতাসে ৯০ ভাগ জলীয়বাষ্প
c বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
d বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বৃষ্টিপাতের সময়ের ৯০%
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০% প্রদত্ত তথ্য: আবহাওয়ার আপেক্ষিক আর্দ্রতা = ৯০% ধরি, নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাতাসকে সম্পূর্ণ সম্পৃক্ত করতে যত জলীয়বাষ্প প্রয়োজন তার মোট পরিমাণ = ১০০ একক অতএব, বর্তমানে বাতাসে উপস্থিত জলীয়বাষ্পের পরিমাণ = ৯০ একক সুতরাং, বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থার ৯০% উত্তর: C) বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
a ধমনীর ভেতর দিয়ে
b শিরার ভেতর দিয়ে
c স্নায়ুর ভেতর দিয়ে
d ল্যাকটিয়ালের ভেতর দিয়ে
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধমনীর ভেতর দিয়ে ১. কেন সঠিক: হৃদপিণ্ড থেকে বিশুদ্ধ রক্ত সারা শরীরে বহনকারী রক্তনালি হলো ধমনী, যার প্রাচীর প্রসারিত ও সংকুচিত হতে পারে। হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্ত যখন এই ধমনীর ভেতর দিয়ে স্পন্দিত হয়ে প্রবাহিত হয়, তাকেই নাড়ীর স্পন্দন বা পাল্স বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: মানবদেহের রক্তসংবহনতন্ত্রে হৃদপিণ্ডের পাম্প করার ফলে রক্ত ধমনীর প্রাচীরে যে তরঙ্গের সৃষ্টি করে, তাকে নাড়ীর স্পন্দন বলে। কার্যপ্রণালি: বাম নিলয় থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত মহাধমনীতে প্রচণ্ড চাপে নিক্ষিপ্ত হয় এবং ধমনীর প্রাচীর প্রসারিত করে তরঙ্গের আকারে এগিয়ে চলে। বাস্তব প্রয়োগ: চিকিৎসকরা রোগীর কবজির রেডিয়াল ধমনী স্পর্শ করে মিনিটে হৃদস্পন্দনের হার পরিমাপ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তাররা রোগীর কব্জিতে আঙুল রেখে নাড়ী টিপে দেখেন। ব্যাখ্যা: কবজির ঠিক নিচ দিয়ে যাওয়া ধমনীর স্পন্দন আঙুলের ডগায় অনুভূত হয়, যা হৃদপিণ্ডের কাজ করার ক্ষমতা নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: ভারী ব্যায়াম বা দৌড়ানোর পর নাড়ীর স্পন্দন দ্রুত হয়। ব্যাখ্যা: পেশিতে বেশি অক্সিজেন সরবরাহের জন্য হৃদপিণ্ড দ্রুত পাম্প করে এবং ধমনীতে রক্তের প্রবাহ ও স্পন্দন বেড়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধমনীর ভেতর দিয়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ হৃদপিণ্ডের পাম্প করার ধাক্কা বা স্পন্দন একমাত্র ধমনীর প্রাচীরেই অনুভূত হয়। B) শিরার ভেতর দিয়ে — শিরা হৃদপিণ্ডে রক্ত ফিরিয়ে আনে અને এর ভেতর রক্তের প্রবাহ ধীর ও চাপহীন থাকে বলে নাড়ীর স্পন্দন অনুভূত হয় না। C) স্নায়ুর ভেতর দিয়ে — স্নায়ু বৈদ্যুতিক বা রাসায়নিক সংকেত বহন করে, এর ভেতর দিয়ে রক্ত বা নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয় না। D) ল্যাকটিয়ালের ভেতর দিয়ে — ল্যাক্টিয়াল হলো ক্ষুদ্রান্ত্রের লিম্ফ বা লসিকা নালি, যা চর্বি জাতীয় খাদ্য উপাদান শোষণ করে কিন্তু এর সাথে নাড়ীর স্পন্দনের সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ধমনী দিয়ে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত দূরে যায় এবং পাম্পিংয়ের ধাক্কা অনুভূত হয়, তাই নাড়ী মানেই ধমনী। শিরা রক্ত ফেরত আনে তাই সেখানে কোনো স্পন্দন থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্বাভাবিক মানুষের বিশ্রামের সময় নাড়ীর স্পন্দন প্রতি মিনিটে ষাট থেকে একশো বার হয়ে থাকে। কব্জির রেডিয়াল ধমনী থেকে সাধারণত নাড়ীর স্পন্দন মাপা হয়।
a চাঁদে কোন জীব নেই তাই
b চাঁদে কোন পানি নেই তাই
c চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই তাই
d চাঁদের মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ অপেক্ষা কম তাই
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই তাই ১. কেন সঠিক: - চাঁদে কোনো বায়ুমণ্ডল বা বাতাস না থাকায় শব্দ তরঙ্গ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হতে পারে না। শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম অপরিহার্য, কিন্তু চাঁদে সেই মাধ্যম অনুপস্থিত। - শব্দ এক প্রকার শক্তি যা কণার কম্পনের মাধ্যমে মাধ্যম দিয়ে চলে। বায়ুমণ্ডল না থাকায় চাঁদে কণার মাধ্যমে শব্দ পৌঁছানোর কোনো সুযোগ থাকে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক তরঙ্গ যা চলাচলের জন্য গ্যাস, তরল বা কঠিন যেকোনো মাধ্যমের ওপর নির্ভর করে। শূন্য মাধ্যমে বা মাধ্যমহীন স্থানে শব্দ চলতে পারে না। - কার্যপ্রণালি: মহাশূন্য ও চাঁদের পৃষ্ঠে কোনো গ্যাসীয় স্তর না থাকায় শব্দ উৎস থেকে উৎপন্ন হয়ে মহাশূন্যের শূন্যতার কারণে আর সামনের দিকে এগোতে পারে না। - কারণ ও ফলাফল: চাঁদে কোনো মহাকাশচারী কথা বললে তাদের ফুসফুসের বাতাস শব্দ তৈরি করলেও সেই শব্দ শোনার জন্য মধ্যবর্তী বায়ুর কণাগুলো কাজ করতে পারে না। ফলে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অপর ব্যক্তিও তা শুনতে পান না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাশূন্যে দুটি মহাকাশযানের মধ্যে সরাসরি কথা বলা যায় না। ব্যাখ্যা: মহাশূন্যে বায়ু না থাকায় বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করতে হয়, সাধারণ মুখের কথা সেখানে শোনা যায় না। উদাহরণ ২: ঘণ্টা বাজানোর পরীক্ষা বা বেল জার পরীক্ষা। ব্যাখ্যা: কাচের জারের ভেতরের বাতাস পাম্প করে বের করে নিলে ভেতরে রাখা ঘণ্টা বাজার শব্দ বাইরে শোনা যায় না, যা চাঁদের পরিবেশের অনুরূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদে কোনো জীব নেই তাই — জীব না থাকা শব্দের অনুপস্থিতির মূল কারণ নয়, বরং মাধ্যম না থাকাই প্রধান কারণ। B) চাঁদে কোনো পানি নেই তাই — পানির অনুপস্থিতি জীবনের জন্য প্রযোজ্য হলেও শব্দের সঞ্চালনের জন্য বায়ুমণ্ডল বা মাধ্যম বেশি গুরুত্বপূর্ণ। D) চাঁদের মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ অপেক্ষা কম তাই — মাধ্যাকর্ষণ কম হওয়ার সাথে শব্দের সঞ্চালনের কোনো সরাসরি বা শারীরিক সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দের জন্য চাই মাধ্যম, চাঁদে নেই কোনো বায়ুমণ্ডল। মহাশূন্য মানেই শূন্য মাধ্যম, তাই সেখানে শব্দের কোনো নেই প্রচলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম আবশ্যক—এই ধারণাটি থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। আলো শূন্য মাধ্যমে চলতে পারলেও শব্দ চলতে পারে না—এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
a মাটির অনেক গভীরে থাকে
b ভিজা ও নরম
c পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায়
d দহন ক্ষমতা কয়লার তুলনায় অধিক
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভিজা ও নরম ১. কেন সঠিক: - পীট কয়লা হলো কয়লা তৈরির প্রথম স্তর বা প্রাথমিক রূপ, যেখানে কাঠের সেলুলোজ ও লিগনিন পুরোপুরি কয়লায় রূপান্তরিত হয় না। - এটি আর্দ্র ও জলমগ্ন পরিবেশে উদ্ভিদের পচনশীল অবশেষ থেকে তৈরি হয় বলে এতে প্রচুর জল থাকে এবং এর গঠন নরম হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: কয়লার রূপান্তর প্রক্রিয়ায় (কার্বনিফিকেশন) পীট কয়লা হলো সর্বনিম্ন মানের কয়লা যাতে কার্বনের পরিমাণ প্রায় ষাট শতাংশের কম থাকে। - কার্যপ্রণালি: উদ্ভিদরা যখন জলাভূমিতে চাপা পড়ে এবং অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ধরে ধীরে ধীরে পচে, তখন জীবাণু ক্রিয়ায় পীট কয়লা সৃষ্টি হয়। - কারণ ও ফলাফল: এতে জলের পরিমাণ অনেক বেশি থাকায় এবং কার্বনের পরিমাণ কম থাকায় এটি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে প্রচুর ধোঁয়া উৎপন্ন করে এবং তাপ কম দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলাভূমি ও পিট বগ ব্যাখ্যা: আয়ারল্যান্ড বা কানাডার পিট বগ বা জলাভূমিতে প্রাকৃতিকভাবে এই নরম ও ভেজা পীট কয়লা প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: উদ্যানতত্ত্ব বা নার্সারি ব্যাখ্যা: উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য কৃষিকাজে ভেজা ও নরম পীট মস বা পীট কয়লা ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাটির অনেক গভীরে থাকে — এটি ভুল কারণ পীট কয়লা মাটির গভীরে থাকে না, বরং এটি ভূগর্ভের উপরিভাগে বা জলাভূমির কাছাকাছি স্তরে পাওয়া যায়। C) পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায় — এটি ভুল কারণ পাহাড়ি এলাকায় মূলত অ্যানথ্রাসাইট বা বিটুমিনাস কয়লা পাওয়া যায়, যা উচ্চ চাপে গঠিত হয়। D) দহন ক্ষমতা কয়লার তুলনায় অধিক — এটি ভুল কারণ পীট কয়লার কার্বনের পরিমাণ কম থাকায় এর দহন ক্ষমতা বা তাপ উৎপাদন ক্ষমতা অন্যান্য উন্নত কয়লার চেয়ে অনেক কম। ৫. মনে রাখার টিপস: - পীট কয়লাকে কয়লার কাঁচাবাচা রূপ হিসেবে মনে রাখতে পারো, যা ভেজা থাকে এবং সহজে ভাঙা যায়। - কার্বনের পরিমাণ কম মানেই এর গুণগত মান ও জ্বালানি ক্ষমতা কম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কয়লার চারটি প্রধান রূপ হলো পীট, লিগনাইট, বিটুমিনাস এবং অ্যানথ্রাসাইট। - কোন কয়লায় কার্বনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি এবং কোনটিতে সবচেয়ে কম, তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।