সঠিক উত্তর: C) ২৪ জন
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন। ডক্টর সুকুমার সেন ও অন্যান্য গবেষকদের মতে চর্যাপদে পদ রচয়িতা বা কবির সংখ্যা মোট চব্বিশ জন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাচর্যবিনিশ্চয় পুথিটি আবিষ্কার করেন। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর কবিরা ছিলেন মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভুসুকুপা
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের অন্যতম প্রধান একজন পদকর্তা হলেন ভুসুকুপা যিনি সবচেয়ে বেশি আটটি পদ রচনা করেছিলেন।
উদাহরণ ২: লুইপা
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা হলেন লুইপা এবং তাকে চর্যাপদের আদি কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৭ জন — এটি ভুল কারণ চর্যাপদের কবির সংখ্যা পঁচিশ বা সাতাশ জন নয় বরং প্রামাণিক তথ্য অনুযায়ী চব্বিশ জন।
B) ২৬ জন — এটি ভুল কারণ ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক গবেষণায় চর্যাপদের কবির সংখ্যা ছাব্বিশ জন বলে প্রমাণিত নয়।
D) ২৫ জন — এটি ভুল কারণ কিছু পুথির খণ্ডিত অবস্থার কারণে কবির সংখ্যা নিয়ে মতভেদ থাকলেও সর্বসম্মত ও স্বীকৃত সংখ্যা চব্বিশ জন।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের কবি সংখ্যা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো চব্বিশ জন কবি এবং পদ সাড়ে ছেচল্লিশটি। প্রথম কবি লুইপা এবং সর্বোচ্চ পদ রচয়িতা ভুসুকুপার পদ সংখ্যা আটটি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের মোট পদ, আবিষ্কারক এবং প্রথম কবির নাম জিজ্ঞাসা করা হয়। চর্যাপদের ভাষাকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সান্ধ্য ভাষা বললেও পরে ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় একে বঙ্গকামরূপী বা প্রাচীন বাংলা হিসেবে প্রমাণ করেন।
সঠিক উত্তর: B) দুর্গেশনন্দিনী
১. কেন সঠিক:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দুর্গেশনন্দিনী হলো বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক উপন্যাস।
১৮৬৫ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের প্রকৃত ধারা সূচিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত।
দুর্গেশনন্দিনী একটি ঐতিহাসিক প্রণয় উপন্যাস যার পটভূমি ছিল মোঘল ও পাঠানের দ্বন্দ্ব।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপালকুণ্ডলা
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি রোমান্টিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত প্রথম সামাজিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নরবাবু বিলাস — এটি কোনো মৌলিক উপন্যাস নয় এবং বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এর কোনো স্থান নেই।
B) দুর্গেশনন্দিনী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) ফুলমণি ও করুণার বিবরণ — এটি হ্যানসন ম্যালেন্স রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস হলেও একে সার্থক উপন্যাস বলা হয় না।
D) অঙ্গুরীয় বিনিময় — এটি ভূদেব মুখোপাধ্যায় রচিত প্রথম বাংলা ঐতিহাসিক উপন্যাস তবে তা সার্থক উপন্যাসের মর্যাদা পায়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
বঙ্কিম মানেই প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।
লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং প্রথম উপন্যাস হিসেবে এর গুরুত্ব অপরিসীম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী পরীক্ষায় বারবার আসে।
উপন্যাসটির প্রকাশসাল ১৮৬৫ সাল ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) প্রহসন
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রহসন কারণ নাটকটির মূল উদ্দেশ্য সমাজের কুসংস্কার ও অনৈতিকতা হাস্যরসের মাধ্যমে সমালোচনা করা।
- প্রহসন হলো নাটকের এমন একটি লঘু রূপ যা সমাজের অসঙ্গতি ও বিকৃত আচরণকে উপহাসের ছলে ফুটিয়ে তোলে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাটকটির রচয়িতা হলেন আধুনিক বাংলা নাটকের জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত এই প্রহসনের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের বাবু সমাজের পাপাচার ও কুসংস্কার তীব্রভাবে আঘাত করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ
ব্যাখ্যা: এটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত প্রহসন যা সমাজের নৈতিক অবক্ষয় তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: একেই কি বলে সভ্যতা
ব্যাখ্যা: এই প্রহসনে তৎকালীন নবীন সমাজের ইংরেজি প্রীতির আড়ালে পাপাচার ও মদ্যপানের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রহসন — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটকটি সমাজের ত্রুটি সংশোধনের উদ্দেশ্যে রচিত লঘু নাটক।
B) কমেডি — কমেডি হলো সুবিন্যস্ত মিলনান্তক নাটক যেখানে গভীর ব্যঙ্গ বা প্রহসন থাকে না।
C) ট্র্যাজিডি — ট্র্যাজিডি হলো দুঃখজনক পরিণতি সম্পন্ন নাটক যা দর্শকের মনে করুণার উদ্রেক করে।
D) মেলোড্রামা — মেলোড্রামা হলো অতিরিক্ত আবেগ ও রোমাঞ্চ নির্ভর নাটক যেখানে গভীর সাহিত্যমূল্য থাকে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন দুটি মনে রাখার কৌশল হলো বুড়ো সালিক আর সভ্য মানুষ। এর মাধ্যমে তার দুটি বিখ্যাত প্রহসন সহজেই মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রহসন দুটি হলো একেই কি বলে সভ্যতা এবং বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ। বিসিএস পরীক্ষায় এই দুটি প্রহসনের নাম প্রায়ই আসে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে 'A) কাশীরাম দাস' উল্লেখ করা থাকলেও, তথ্যগতভাবে এটি সঠিক নয়। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী 'লিপিমালা' গ্রন্থের রচয়িতা রাম রাম বসু। তাই সঠিক উত্তর হবে C) রাম রাম বসু। পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্তি এড়াতে সঠিক তথ্যটি নিচে ব্যাখ্যা করা হলো।
সঠিক উত্তর: C) রাম রাম বসু
১. কেন সঠিক:
- 'লিপিমালা' গদ্যগ্রন্থের রচয়িতা রাম রাম বসু। ১৮০২ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের জন্য এটি রচিত ও প্রকাশিত হয়।
- এটি মূলত ফার্সি ভাষায় রচিত ইতিহাস গ্রন্থ 'তওয়ারেখ-ই হিন্দ' বা 'মহাভারতের কথা'র আদлат বা বাংলা অনুবাদ ও অনুসরণে রচিত একটি ঐতিহাসিক জীবনচরিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রাম রাম বসু ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পন্ডিত ও অনুবাদক ছিলেন। তিনি বাংলা গদ্যের উষালগ্নে সহজ ও সাবলীল ভাষা ব্যবহারের জন্য পরিচিত।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রেস থেকে বাংলা গদ্যচর্চা প্রসারের প্রাথমিক যুগে প্রকাশিত গদ্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে লিপিমালা অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
ব্যাখ্যা: এটি রাম রাম বসু রচিত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ঐতিহাসিক জীবনীমূলক গ্রন্থ যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: কথোপকথন
ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত উইলিয়াম কেরির লেখা আরেকটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা তৎকালীন সমাজের কথ্যরূপ তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাশীরাম দাস — কাশীরাম দাস মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা গদ্যগ্রন্থের লেখক নন, তিনি মহাভারত অনুবাদের জন্য বিখ্যাত।
B) দ্বিজরাম দেব — দ্বিজরাম দেব মধ্যযুগের একজন কবি, যিনি এই গদ্যগ্রন্থের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
C) রাম রাম বসু — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত হিসেবে লিপিমালা রচনা করেছেন।
D) মুক্তরাম সেন — মুক্তরাম সেন মধ্যযুগের একজন মনসা মঙ্গল কাব্যের কবি, গদ্যগ্রন্থ লিপিমালার রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
রাম ও লিপি শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো, যেমন রাম রাম বসু লিখেছেন লিপিমালা। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের দুই বিখ্যাত গদ্যলেখক রাম রাম বসু ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাম রাম বসুর দুটি প্রধান গ্রন্থ হলো রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র এবং লিপিমালা।
সঠিক উত্তর: B) বলাকা
কেন সঠিক:
- এই কাব্যে বিশ্বপ্রকৃতির পরিবর্তনশীলতা ও গতির জয়গান গাওয়া হয়েছে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে রচিত এই কবিতায় যুগের পরিবর্তনের দ্রুত গতি প্রকাশিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যে গতিবাদ বা গতিতত্ত্বের প্রথম এবং শ্রেষ্ঠ প্রকাশ ঘটে এই কাব্যে।
- স্থবিরতা ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার বাণী এই গ্রন্থের মূল সুর।
- বলাকা কবিতার নামকবিতায় বুনো হাঁসের ডানার ঝাপটায় গতির প্রকাশ অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ক্ষণিকা — এটি মূলত লঘু ভাব, বিদ্রূপ ও আত্মসচেতনতার সুরযুক্ত একটি কাব্য।
- B) বলাকা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) মানসী — এটি রবীন্দ্রসাহিত্যের মধ্যপর্বের কাব্য যেখানে অন্তর্মুখী ও রোমান্টিক ভাবের প্রকাশ ঘটেছে।
- D) পূরবী — এটি কবির জীবনের অন্তিম পর্বের প্রেম ও মননশীলতার কাব্য।
মনে রাখার টিপস:
- বলাকা মানে উড়ন্ত পাখি, আর পাখি মানেই গতি, তাই গতিতত্ত্ব মানেই বলাকা কাব্য।
সঠিক উত্তর: C) দোলনচাঁপা
১. কেন সঠিক:
দোলনচাঁপা কাজী নজরুল ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রেমের কাব্য এবং এটি তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
এই কাব্যের অধিকাংশ কবিতায় মানবপ্রেম, রোমান্টিকতা এবং তারুণ্যের জয়গান স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো দোলনচাঁপা, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
তার এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত প্রেমের কবিতা ও রোমান্টিক ভাবধারার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এবং সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত বিদ্রোহী ও বিপ্লবী কবিতার কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: ছায়ানট
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গীতি কাব্য ও রোমান্টিক ভাবধারার গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফগ্রিমনসা - অপশনটিতে বানান ভুল রয়েছে এবং এটি মূলত অগ্নিবীণা বা অন্য কোনো কাব্য নয়, এটি একটি ভুল অপশন।
B) বনগীতি - এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি গান ও সুরের সংকলন, যা মূলত প্রেমের কাব্য হিসেবে প্রধানত পরিচিত নয়।
C) দোলনচাঁপা - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি তার প্রথম প্রকাশিত প্রেমের কাব্য।
D) গানের মালা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি গান সংকলন, যা প্রেমের প্রধান কাব্য হিসেবে তালিকাভুক্ত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ দোলনচাঁপা হলো তারুণ্য ও প্রেমের এক অপূর্ব সৃষ্টি।
প্রেমের অনুভূতির প্রকাশ দেখতে হলে দোলনচাঁপা কাব্যগ্রন্থের নাম মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্য বা প্রথম বিদ্রোহী কাব্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং তাদের ধরন ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) উদাসীন পথিকের মনের কথা
১. কেন সঠিক:
মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত একটি উপন্যাস হলো উদাসীন পথিকের মনের কথা। এই উপন্যাসে তৎকালীন সময়ে গ্রামীণ বাংলার কৃষক সমাজের ওপর জমিদার ও নীলকর সাহেবদের ভয়াবহ নির্যাতন এবং শোষণ স্পষ্টভাবে চিত্রিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্য জগতের একজন অত্যন্ত প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তাঁর সাহিত্যকর্মে ঊনবিংশ শতাব্দীর মুসলিম সমাজের চিত্র এবং সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক পরিচিত ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, যার মূল বিষয়বস্তু ছিল সিরাজগঞ্জের কৃষক বিদ্রোহ এবং নীলকর সাহেবদের অত্যাচার।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হোতোম প্যাঁচার নকসা — এই বিখ্যাত নকশা গ্রন্থটির রচয়িতা কালীপ্রসন্ন সিংহ, যিনি হুতোম প্যাঁচা ছদ্মনামে এটি লিখেছিলেন।
B) আল্লালের ঘরের দুলাল — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস যার রচয়িতা প্যারীচাঁদ মিত্র বা টেকচাঁদ ঠাকুর।
C) কমলাকান্তের দপ্তর — এটি ভারতের প্রখ্যাত সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও মননশীল রচনা।
D) উদাসীন পথিকের মনের কথা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই উপন্যাসটির সফল রচয়িতা হলেন মীর মশাররফ হোসেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মীর মশাররফ হোসেনের উপন্যাস ও নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তাঁর নামের প্রথম অক্ষর ম দিয়ে মশাররফ এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস উদাসীন পথিকের মনের কথা ও বিষাদ সিন্ধু একসঙ্গে মনে রাখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম উপন্যাস রত্নবতী এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস উদাসীন পথিকের মনের কথা ও বিষাদ সিন্ধু সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই এসব গ্রন্থের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) পদ্মরাগ
১. কেন সঠিক:
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন মূলত প্রবন্ধ ও গল্পকার হলেও 'পদ্মমরাগ' তার একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
এই উপন্যাসের মূল সুর নারী মুক্তি, আত্মনির্ভরশীলতা এবং নারী শিক্ষার বিস্তার ঘটিয়ে সমাজ পরিবর্তনের বার্তা দেওয়া।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বেগম রোকেয়া বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং মুসলিম নারীদের অধিকার আদায়ের প্রথম কণ্ঠস্বর।
তার সাহিত্যকর্মের মধ্যে উপন্যাস বলতে একমাত্র 'পদ্মমরাগ' গ্রন্থটিকেই গণ্য করা হয় যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়া বা কল্পবিজ্ঞানধর্মী গল্প।
উদাহরণ ২: অবরোধবাসিনী
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত পর্দাপ্রথার কুফল নিয়ে লেখা একটি তীব্র ব্যঙ্গাত্মক ও বাস্তবধর্মী সামাজিক প্রবন্ধ গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মরাগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বেগম রোকেয়া রচিত একমাত্র উপন্যাস।
B) পদ্মাবতী — এটি রোকেয়ার রচনা নয়, এটি মধ্যযুগের কবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
C) মতিচুর — এটি উপন্যাস নয়, বরং এটি বেগম রোকেয়া রচিত নারী জাগরণমূলক প্রবন্ধের একটি বিখ্যাত সংকলন।
D) মতিমহল — এটি বেগম রোকেয়ার কোনো মৌলিক গ্রন্থ নয়, বরং মতিচুর গ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ডকে অনেক সময় ভুলবশত বা অনভিজ্ঞতাবশত এভাবে উল্লেখ করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
রোকেয়ার রচনা মনে রাখার কৌশল হলো মতিচুর তার প্রবন্ধ সংকলন এবং পদ্মরাগ হলো তার একমাত্র উপন্যাস।
উপন্যাসটির নামের শেষে রাগ শব্দ আছে যা দিয়ে নারী জাগরণের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বেগম রোকেয়া নারী জাগরণের পথিকৃৎ হওয়ায় তার জন্ম ও মৃত্যু তারিখ এবং তার রচিত গ্রন্থগুলো থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
তার জন্ম ৯ ডিসেম্বর ১৮৮০ এবং মৃত্যু ৯ ডিসেম্বর ১৯৩২ সালে।
সঠিক উত্তর: C) আরেক ফালগুন
১. কেন সঠিক:
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক অন্যতম বিখ্যাত ও প্রামাণিক উপন্যাস হলো জহির রায়হানের আরেক ফালগুন।
এই উপন্যাসে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমি এবং একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
আরেক ফালগুন উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান।
এটি ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে এটি বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জহির রায়হানের বরফ গলা নদী।
ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হানের লেখা একটি সামাজিক উপন্যাস, যার বিষয়বস্তু ভাষা আন্দোলন নয়।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের আর্তনাদ।
ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন বা একুশভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেকড়ে অরণ্য — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি উপন্যাস, যা ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয় বরং ভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত।
B) জীবন ক্ষুধা — এটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা দরিদ্র মানুষের জীবন সংগ্রাম নিয়ে রচিত।
C) আরেক ফালগুন — এটি জহির রায়হানের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) আনন্দের মৃত্যু — এটি কোনো বিখ্যাত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস নয় এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত সাহিত্য তালিকার বাইরে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের ফালগুন মাসকে মনে রাখলে জহির রায়হানের আরেক ফালগুন উপন্যাসটি সহজে স্মরণ রাখা যায়।
উপন্যাসটির লেখক জহির রায়হান নিজেই ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে জহির রায়হানের আরেক ফালগুন বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে।
একইভাবে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস বা নাটক মনে রাখার জন্য লেখকদের তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) তৃষ্ণা
কেন সঠিক:
- তৃষ্ণা হলো বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক রচিত একটি জনপ্রিয় ছোটগল্পগ্রন্থ।
- লেখকের স্বতন্ত্র গদ্যশৈলী ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ এই গল্পগ্রন্থটির গল্পগুলোতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সাহিত্য প্রসঙ্গ: হাসান আজিজুল হক মূলত তার ছোটগল্পের জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী।
- গ্রামীণ জনপদের মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং মনস্তত্ত্ব তার রচনার প্রধান বিষয়।
- উদাহরণ: তার অন্যান্য বিখ্যাত ছোটগল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে শকুন, আগুনপাখি, বৃত্ততায়ন ইত্যাদি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) তাস — এই নামের কোনো বিখ্যাত ছোটগল্পগ্রন্থ হাসান আজিজুল হকের নয়।
- B) তৃষ্ণা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
- C) এলোমেলো — এটি হাসান আজিজুল হকের রচিত কোনো গ্রন্থ নয়।
- D) ধান কন্যা — এটি হাসান আজিজুল হকের সৃষ্ট কোনো সাহিত্যকর্ম নয়।
মনে রাখার টিপস:
- হাসান আজিজুল হকের নামের প্রথম অক্ষর হ এবং তৃষ্ণা ছোটগল্পগ্রন্থের শুরুতে ত আছে, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) রূপার কৌটা
১. কেন সঠিক:
- মুনীর চৌধুরী বিশ্বখ্যাত নাট্যকার জন গলসওয়ার্থির দ্য সিলভার বক্স নাটকটি বাংলায় রূপান্তর করে রূপার কৌটা নামে প্রকাশ করেন।
- এটি মূলত সামাজিক অবিচার এবং আইনের বৈষম্য নিয়ে রচিত একটি অনুবাদ নাটক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মুনীর চৌধুরী একাধারে নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং ভাষাবিজ্ঞানী ছিলেন যিনি ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থেকে কারাবরণ করেছিলেন।
- তার মৌলিক নাটকের মধ্যে কবর এবং রক্তাক্ত প্রান্তর অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কেউ কিছু বলে না
ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত আরেকটি নাটক যার মূল রচয়িতা নরওয়েজীয় নাট্যকার হেনরিক ইবসেন।
উদাহরণ ২: নষ্টনীড়
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় চার অধ্যায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেননি তবে চারুুলতা চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপার কৌটা — এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক এবং এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
B) রূপান্তর — এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক নয় বরং এটি অন্য কোনো লেখকের সাহিত্যকর্ম।
C) বাগদাদের কবি — এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক নয় এবং এটি এই লেখকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) মাইল পোস্ট — এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক নয় বরং এটি মুনীর চৌধুরীর মৌলিক বা অনূদিত নাটকের তালিকায় নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুনীর চৌধুরীর অনুবাদ নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিনি রূপার কৌটা এবং কেউ কিছু বলে না অনুবাদ করেছিলেন।
- নাটকের নাম মনে রাখতে নাট্যকারের অনুবাদের তালিকা বারবার দেখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় অনুবাদ নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই বিদেশি নাটকের বাংলা রূপান্তরগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
- একই সঙ্গে মৌলিক নাটক ও অনুবাদ নাটকের তফাত পরিষ্কার রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অবিনশ্বর
১. কেন সঠিক:
- 'যা কখনো নষ্ট হয় না' বাক্যটির এককথায় প্রকাশ হলো অবিনশ্বর।
- এখানে বি নষ্ট বা বিনাশ বোঝায় এবং নশ্বর শব্দের অর্থ যা ধ্বংসশীল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
- বাক্যের অর্থ সংক্ষিপ্ত করে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্য সংকোচন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা কখনো নষ্ট হয় না = অবিনশ্বর
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির মাধ্যমে কোনো কিছুর অবিনাশী বা অমর সত্তাকে বোঝানো হয়।
উদাহরণ ২: যা সহজে জয় করা যায় না = দুর্জয়
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বহুল ব্যবহৃত বাক্য সংকোচন যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনষ্টভাব — এই শব্দটির কোনো প্রচলিত বা সঠিক ব্যাকরণগত অর্থ নেই।
B) অবিনশ্বর — এটি সঠিক উত্তর।
C) অবিনষ্ট — এই শব্দটির অর্থ যা নষ্ট হয়নি, তবে এটি বাক্য সংকোচনের যথাযথ রূপ নয়।
D) অনাহত — এই শব্দটির অর্থ যাকে আঘাত করা হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ন শব্দের অর্থ না এবং বিনশ্বর অর্থ ধ্বংসশীল।
- তাই যা ধ্বংস হয় না তাকে অবিনশ্বর বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- মূল শব্দের অর্থ বুঝতে পারলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) ধ্বনিতে ধ্বনিতে মিলকে
কেন সঠিক:
সন্ধি মানে মিলন এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি কেবল পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বোঝায়।
প্রথম শব্দের শেষ ধ্বনি এবং দ্বিতীয় শব্দের প্রথম ধ্বনি মিলে এক নতুন ধ্বনি তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো সন্ধি।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলা হয় যা উচ্চারণের দ্রুততা ও সহজতার জন্য সাধিত হয়।
বাংলা ব্যাকরণে পদের মিলনকে সমাস বলা হলেও ধ্বনির মিলনকে সর্বদা সন্ধি হিসেবে গণ্য করা হয়।
যেমন বিদ্যা যোগ আলয় সমান বিদ্যালয় এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদে পদে মিলকে — এটি সমাসের সংজ্ঞা কারণ সমাস একাধিক পদের মিলন ঘটিয়ে একটি পদ তৈরি করে।
B) শব্দে শব্দে মিলকে — এটি ব্যাকরণে সন্ধির সঠিক সংজ্ঞা নয় কারণ শব্দ সরাসরি না মিলে ধ্বনি বা বর্ণ মিলে।
C) ধ্বনিতে ধ্বনিতে মিলকে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি মূল নিয়ম।
D) উপসর্গে শব্দে মিলকে — এটি উপসর্গ যোগে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া যা সন্ধির সংজ্ঞা নয়।
মনে রাখার টিপস:
সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন এবং এটি সবসময় ধ্বনি বা বর্ণের সাথে সম্পর্কিত থাকে।
পদ মিললে সমাস হয় আর ধ্বনি মিললে সন্ধি হয় এই পার্থক্যটি মনে রাখলে ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: C) ধানক্ষেত
১. কেন সঠিক:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ধানক্ষেত।
নিমন্ত্রণ কবিতাটি এই ধানক্ষেত কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যে পল্লীকবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত।
তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: সোজন বাদায় ঘাট
ব্যাখ্যা: এটিও জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত প্রণয়মূলক কাহিনীকাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বালুচর — এটি জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে নিমন্ত্রণ কবিতাটি নেই।
B) রাখালী — এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ এবং এতে এই কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত নয়।
C) ধানক্ষেত — এটিই সঠিক উত্তর কারণ নিমন্ত্রণ কবিতাটি এই গ্রন্থে রয়েছে।
D) মাটির কান্না — এটি জসীমউদ্দীনের পরিচিত কোনো কাব্যগ্রন্থের নাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
পল্লীকবির ধানক্ষেতে নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে যাওয়া যায়, এভাবে মনে রাখতে পারো।
ধানক্ষেত কাব্যগ্রন্থের নাম দেখলেই জসীমউদ্দীনের নিমন্ত্রণ কবিতার কথা স্মরণ করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী এবং তাঁর সর্বাধিক পরিচিত কাব্য নকশী কাথার মাঠ।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পল্লীকবির বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: C) বসুধা
১. কেন সঠিক:
'বসুধা' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ পৃথিবী।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে এটি অত্যন্তFrequently ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমার্থক বা প্রতিশব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে সামঞ্জস্য বা মিল থাকে।
বাংলা ভাষায় পৃথিবী শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সমার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পৃথিবী
ব্যাখ্যা: এটি এই প্রশ্নের মূল নির্দেশক শব্দ যার অন্যান্য সমার্থক রূপও একই অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: ধরণী
ব্যাখ্যা: এটি 'পৃথিবী' শব্দের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাকেয়া — এই শব্দটির সঙ্গে পৃথিবী শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি কোনো পরিচিত প্রতিশব্দ নয়।
B) সমতা — এই শব্দটির অর্থ সমান ভাব বা সাম্য, যা পৃথিবীর সমার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) ভালাওল — এটি কোনো অর্থবহ বাংলা সমার্থক শব্দ বা প্রমিত শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
পৃথিবী শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো বসু, ধরা, ধরণী, অবনী ও মেদিনী এই শব্দগুলোকে একসঙ্গে মনে রাখা।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসুধা ও অবনী শব্দ দুটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
একই শব্দের বিভিন্ন রূপ এবং তৎসম ও তদ্ভব রূপ আলাদা করার অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কৃত্তিবাস ওঝা
১. কেন সঠিক:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে আদিকবি কৃত্তিবাস ওঝা সংস্কৃত রামায়ণ বাংলায় সফলভাবে অনুবাদ করেন।
- তাঁর এই অনুবাদ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে রামায়ণ অনুবাদের ক্ষেত্রে প্রথম ও সবচেয়ে জনপ্রিয় সংস্করণ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কৃত্তিবাস ওঝা পঞ্চদশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট অনুবাদক ও কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।
- গৌড়ের অধিপতি রাজা বা সুলতানের অনুরোধে তিনি সংস্কৃত রামায়ণ বাংলায় পয়ার ছন্দে অনুবাদ করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃত্তিবাস ওঝার রামায়ণ (শ্রীরামপাঞ্চালী)
ব্যাখ্যা: এটি কৃত্তিবাস ওঝার অমর সৃষ্টি যা বাংলা ঘরে ঘরে পরিচিত এবং বাঙালির অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: কাশীরাম দাসের মহাভারত
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের অপর একটি বিখ্যাত অনুবাদ সাহিত্য যা মূল সংস্কৃত মহাভারতের বাংলা রূপান্তর।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কনলিনীকান্ত ভট্টশালী — ইনি প্রাচীন বাংলার ইতিহাস ও প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার সঙ্গে যুক্ত একজন বিখ্যাত পন্ডিত, অনুবাদক নন।
B) কাশীরাম দাস — ইনি সংস্কৃত রামায়ণ নয়, বরং মহাভারত বাংলায় অনুবাদ করে বিখ্যাত হয়েছেন।
C) মালাধর বসু — ইনি সংস্কৃত রামায়ণ বা মহাভারত নয়, বরং ভাগবত পুরাণ ও শ্রীমদভাগবতের কিছু অংশ নিয়ে শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্য রচনা করেন।
D) কৃত্তিবাস ওঝা — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনিই প্রথম বাংলায় সংস্কৃত রামায়ণ অনুবাদ করেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রামায়ণ অনুবাদের জন্য 'কৃত্তিবাস ওঝা' এবং মহাভারত অনুবাদের জন্য 'কাশীরাম দাস' নামটি মনে রাখবে।
- রাম ও কৃত্তিবাস উভয়ের নাম মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যে রামায়ণের অনুবাদক কৃত্তিবাস ওঝা এবং মহাভারতের অনুবাদক কাশীরাম দাস বারবার বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- মূল গ্রন্থ এবং তার অনুবাদকের নাম মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডিদাস
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পংক্তিটির রচয়িতা মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি চণ্ডিদাস।
- মানবতাবাদ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে এই পংক্তিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা হিসেবে বড়ু চণ্ডিদাসকে বিবেচনা করা হয়।
- তাঁর রচিত একমাত্র প্রামাণিক কাব্য শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের সমাজ ও সংস্কৃতির এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চণ্ডিদাসের পদাবলি।
ব্যাখ্যা: মানবপ্রেম ও বিরহের অনুভূতির জন্য চণ্ডিদাসের পদসমূহ বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে।
উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি বড়ু চণ্ডিদাস কর্তৃক রচিত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের কাহিনি সংবলিত একটি প্রাকৃত নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডিদাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ উদ্ধৃত পংক্তিটি তাঁরই অমর সৃষ্টি।
B) জ্ঞানদাস — ইনি মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট বৈষ্ণব পদকর্তা হলেও এই পংক্তির রচয়িতা নন।
C) মুকুন্দরাম — ইনি মঙ্গলকাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়।
D) গোবিন্দ দাস — ইনি করচা ও পদাবলি সাহিত্যের জন্য খ্যাত হলেও এই পংক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানুষের জয়গান গেয়েছেন যিনি, সেই চণ্ডিদাসের নাম মনে রাখলেই এই পংক্তিটি সহজে মনে থাকবে।
- সবার উপরে মানুষ সত্য, এই মানবতাবাদী বাণীর প্রধান প্রবক্তা চণ্ডিদাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবি ও তাঁদের বিখ্যাত পংক্তি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মানবতাবাদী সাহিত্যকর্ম এবং চর্যাপদ বা মধ্যযুগের প্রবাদপ্রতিম লাইনগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) শাহ মুহম্মদ সগীর
১. কেন সঠিক:
'ইউসুফ-জোলেখা' বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন এবং জনপ্রিয় একটি প্রণয়োপাখ্যান।
শাহ মুহম্মদ সগীর সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এই কাব্য রচনা করেন এবং এটি বাংলা ভাষার আদিযুগের মুসলিম কবিদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগের মুসলিম কবি হিসেবে মধ্যযুগের কাব্যধারায় বিশেষ অবদান রেখে গেছেন।
তাঁর রচিত 'ইউসুফ-জোলেখা' কাব্যটি মূলত ফার্সি সাহিত্যের আদলে রচিত হলেও এতে বাঙালি সংস্কৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ সুলতান রচিত 'নবী বংশ' মধ্যযুগের অন্যতম একটি বিখ্যাত ধর্মীয় ও সাহিত্যিক কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মুসলিম সাহিত্যধারার ঐতিহ্য এবং সুফি সাহিত্যের বিস্তৃতি বোঝাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিদর্শন।
উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খানের 'লায়লী মজনু' কাব্যটি মধ্যযুগের আরেকটি জনপ্রিয় প্রণয়োপাখ্যান।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি শাহ মুহম্মদ সগীরের 'ইউসুফ-জোলেখা' কাব্যের সমসাময়িক ফার্সি প্রভাবপুষ্ট প্রণয়মূলক ধারার প্রতিনিধিত্ব করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলাওল — আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি হলেও তিনি 'পদ্মাবতী' ও 'সপ্তপয়কর' কাব্য রচনা করেছেন, 'ইউসুফ-জোলেখা' নয়।
B) মাসন ঠাকুর — মাসন ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন বা মধ্যযুগের কোনো পরিচিত কবি নন এবং তাঁর নামে কোনো বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম নেই।
C) শাহ মুহম্মদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ভুল অপশনের তালিকায় বিবেচ্য নয়।
D) বাহরাম খান — দৌলত উজির বাহরাম খান 'লায়লী মজনু' কাব্য রচনা করেছেন, যা শাহ মুহম্মদ সগীরের 'ইউসুফ-জোলেখা' থেকে আলাদা।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইউসুফ নামের শুরুতে স অক্ষর আছে এবং রচয়িতা শাহ মুহম্মদ সগীরের নামেও স অক্ষর রয়েছে।
এই মিলটি মনে রাখলে পরীক্ষাকলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি কে এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যের নাম কী, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
একইভাবে বিভিন্ন কবির প্রণয়োপাখ্যানগুলোর নাম আলাদা করে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) মুকুন্দ চক্রবর্তী
১. কেন সঠিক:
মুকুন্দ চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত।
তাঁর কাব্যের সাহিত্যিক মান, চরিত্রগুলোর বাস্তবধর্মী রূপায়ন এবং বর্ণনাভঙ্গির মুন্সিয়ানা তাঁকে অন্যান্য চণ্ডীমঙ্গলের কবিদের তুলনায় অনন্য উচ্চতা দিয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুকুন্দ চক্রবর্তী ষোল শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বর্ধমান জেলার দামিন্যা গ্রামের নিবাসী ছিলেন এবং তিনি কবিকঙ্কণ উপাধিতে ভূষিত হন।
তাঁর রচিত 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যটি 'কবিকঙ্কণ চণ্ডী' নামেও পরিচিত এবং এতে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রারম্ভিক নিদর্শন যা বড়ু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত।
উদাহরণ ২: অন্নদামঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি অষ্টাদশ শতকের মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ উল্লেখযোগ্য কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিজরাম দাস — ইনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের একজন কম পরিচিত কবি হলেও শ্রেষ্ঠ কবি নন।
B) রূপরাম চক্রবর্তী — ইনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অন্যতম কবি হলেও মুকুন্দ চক্রবর্তীর মতো শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পাননি।
C) দ্বিজমাধব — ইনিও চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের একজন কবি ছিলেন কিন্তু তাঁর কাব্য মুকুন্দ চক্রবর্তীর সমকক্ষ বা শ্রেষ্ঠ বিবেচিত হয় না।
D) মুকুন্দ চক্রবর্তী — প্রদত্ত প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর এবং অন্যান্য অপশনগুলো এর শ্রেষ্ঠত্বের মানে পৌঁছাতে পারেনি।
৫ মনে রাখার টিপস:
মঙ্গলকাব্যের মধ্যে চণ্ডীমঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবি মনে রাখার জন্য কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তীর উপাধি ও তাঁর কাব্য নামের প্রথম অংশ মিলিয়ে নিতে পারো।
পরীক্ষায় শ্রেষ্ঠ কবি আসলেই চোখ বন্ধ করে মুকুন্দ চক্রবর্তী বা কবিকঙ্কণ মুকুন্দ উত্তর নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কবিকঙ্কণ কার উপাধি, যার উত্তর মুকুন্দ চক্রবর্তী।
একইভাবে ধর্মমঙ্গল বা মনসামঙ্গল কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবিদের নামগুলোও আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) গবাক্ষ
১. কেন সঠিক:
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো সেই সন্ধি যা ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না এবং প্রাকৃত বা প্রচলিত নিয়মে সাধিত হয়।
গবাক্ষ শব্দটি গো এবং অক্ষ শব্দের মিলনে গঠিত হলেও এটি স্বাভাবিক স্বরসন্ধি বা ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসরণ না করে নিপাতনে সিদ্ধ হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
সাধারণত সন্ধির নির্দিষ্ট নিয়ম বা সূত্র থাকে কিন্তু নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম কাজ করে না।
এই জাতীয় সন্ধিগুলো ব্যাকরণবিদদের মতে সরাসরি মুখস্থ রাখতে হয় কারণ এগুলো প্রথাগত নিয়মের বাইরে সাধিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চষক (চশ + অক = চষক)
ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ যা সাধারণ নিয়মের বাইরে সাধিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরস্পর (পর + পর = পরস্পর)
ব্যাখ্যা: এটিও ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম না মেনে নিপাতনে সিদ্ধ প্রক্রিয়ায় গঠিত একটি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যদ্যপি — এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয় বরং এটি ই-কার বা ঈ-কার এবং উ-কার বা ঊ-কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে য-ফলা বা ব-ফলা হওয়ার নিয়মিত স্বরসন্ধি (যদি + অপি = যদ্যপি) এর মাধ্যমে গঠিত।
B) লবণ — এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয় বরং এটি অচি বা ও-কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে অব আদেশ হওয়ার নিয়মিত স্বরসন্ধি (লো + অন = লবণ) এর মাধ্যমে সাধিত হয়েছে।
C) গবাক্ষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ গো এবং অক্ষ মিলে গবাক্ষ শব্দ গঠিত হয় যা কোনো সাধারণ সন্ধির নিয়ম মেনে চলে না এবং নিপাতনে সিদ্ধ হয়।
D) সংসার — এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয় বরং এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মিত নিয়মে ম-কার এর পর দন্ত্য স থাকলে ম-কারের স্থানে অনুস্বার হওয়ার নিয়ম (সম + সার = সংসার) মেনে সাধিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
গবাক্ষ শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি গরুর চোখের সাথে সম্পর্কিত এবং এটি কোনো সাধারণ নিয়ম মানে না।
নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলো পরীক্ষার জন্য আলাদা করে তালিকা তৈরি করে নিয়মিত চর্চা করলে সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই গবাক্ষ, পরস্পর, চষক, এবং সংস্কৃতর মতো গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সাধারণ সন্ধির নিয়ম যেখানে প্রযোজ্য হয় না সেখানেই নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির ধারণা প্রয়োগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) পাঁচ প্রকার
১. কেন সঠিক:
উৎস বা উৎপত্তিগত দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই শ্রেণিবিভাগটি বাংলা শব্দভান্ডারের উৎস নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
উৎসগত দিক থেকে বাংলা শব্দগুলোকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি এই পাঁচভাগে বিভক্ত করা হয়। বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে এই পাঁচটি উৎসের সন্ধান মেলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, তাই এটি তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: কুলা
ব্যাখ্যা: এটি প্রাক-আর্য বা আদিবাসীদের ভাষা থেকে আগত, তাই এটি দেশি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিন প্রকার — উৎসগত দিক থেকে শব্দের সংখ্যা তিন নয়, কারণ এতে দেশি ও বিদেশি শব্দ বাদ পড়ে যায়।
B) পাঁচ প্রকার — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি উৎসগত দিক থেকে শব্দের সর্বজনস্বীকৃত সঠিক সংখ্যা।
C) চার প্রকার — চার প্রকার বলতে সাধারণত পদের প্রকারভেদ বা অন্য কোনো ব্যাকরণগত বিভাগ বোঝায়, যা শব্দের উৎসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) ছয় প্রকার — উৎসগত বা উৎপত্তিগত দিক থেকে শব্দের শ্রেণিবিভাগে ছয় প্রকারের কোনো অস্তিত্ব নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
উৎসগত শব্দের প্রকারভেদ সহজে মনে রাখার কৌশল হলো শব্দটির উৎস বা উৎপত্তি বোঝাতে পাঁচ আঙুলের হাতের কথা ভাবা। ত-ত-ত-দে-বি অর্থাৎ তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় তদ্ভব বা অর্ধতৎসম শব্দ কোনটি, তাই ৫ প্রকারের সংজ্ঞা ও উদাহরণ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। একই ধরনের প্রশ্নে গঠনগত দিক থেকে শব্দ দুই প্রকার (সাধিত ও মৌলিক) তা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সূত্রপাত
১. কেন সঠিক:
- উপক্রম শব্দের অর্থ হলো কোনো কাজের সূচনা বা শুরু হওয়া এবং সূত্রপাত শব্দের অর্থও একই রকম।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে মূল শব্দের সাথে ভাবের মিল খুঁজে বের করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ বিষয়ক বাংলা ব্যাকরণের একটি অংশ।
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় সমান বা কাছাকাছি এবং প্রসঙ্গভেদে একটির পরিবর্তে অন্যটি ব্যবহার করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সভার সূত্রপাত হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে সূত্রপাত শব্দ দ্বারা সভার শুরু হওয়া বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: নতুন প্রকল্পের উপক্রম হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে উপক্রম শব্দ দ্বারা প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়া বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সূত্রপাত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উপক্রম শব্দের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
B) চেষ্টা — এটি ভুল কারণ চেষ্টা শব্দের অর্থ প্রয়াস বা সাধনা, যা কোনো কাজের শুরু বোঝায় না।
C) আরম্ভ — এটি আংশিক কাছাকাছি হলেও উপক্রম শব্দের সবচেয়ে নিখুঁত ও প্রমিত সমার্থক হিসেবে সূত্রপাতকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।
D) প্রয়াস — এটি ভুল কারণ প্রয়াস শব্দের অর্থ প্রচেষ্টা বা উদ্যোগ, যা সূচনার সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপক্রম এবং সূত্রপাত দুটি শব্দই কোনো বিষয়ের শুরু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এদের জমজ ভাই হিসেবে মনে রাখতে পারো।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় মূল শব্দের ভাবার্থ বা সূক্ষ্ম তফাত খেয়াল করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় কাছাকাছি অর্থের একাধিক শব্দ অপশনে থাকে, যার মধ্যে সবচেয়ে মানানসই শব্দটি বেছে নিতে হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে শব্দের প্রচলিত ব্যবহার এবং প্রমিত রূপের ওপর জোর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারিত হয়।
ভাষার লিখিত রূপের চেয়ে মৌখিক রূপের শুরুতেই ধ্বনির উৎপত্তি হয় বলে এটি ভাষার ক্ষুদ্রতম ভাষিক একক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্য বা শব্দ বিশ্লেষণ করলে সবচেয়ে ছোট যে অবিভাজ্য একক পাওয়া যায় তা হলো ধ্বনি।
মুখের উচ্চারित আওয়াজ যখন অর্থ প্রকাশ করে তখন তা ভাষিক ধ্বনিতে পরিণত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ
ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক ধ্বনি যা উচ্চারিত হওয়ার সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য নেয় না।
উদাহরণ ২: ম
ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি যা মুখবিবরে উচ্চারিত হয়ে ভাষার শব্দ গঠনে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, তাই এটি ক্ষুদ্রতম ভাষিক একক নয় বরং ক্ষুদ্রতম লিপিভিত্তিক একক।
B) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর।
C) অক্ষর — অক্ষর হলো কথার একবারে উচ্চারিত অংশ, যা ধ্বনির চেয়ে বড় একক।
D) শব্দ — শব্দ হলো এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণের সমষ্টি, যা ধ্বনির চেয়ে বহු গুণে বড় একক।
৫. মনে রাখার টিপস:
কান দিয়ে যা শুনি এবং মুখ দিয়ে যা উচ্চারণ করি তা হলো ধ্বনি।
ধ্বনি হলো ভাষার সবচেয়ে ছোট কণা বা একক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষা সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি খুবই কমন।
কখনো প্রশ্ন আসে ভাষার ক্ষুদ্রতম লিখিত একক কী, যার উত্তর হবে বর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) উপসর্গের
১. কেন সঠিক:
- উপসর্গের নিজস্ব কোনো স্বাধীন অর্থবাচকতা বা অর্থ প্রকাশের ক্ষমতা নেই।
- উপসর্গগুলো শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না এবং এর কোনো স্বতন্ত্র অর্থ থাকে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্র
ব্যাখ্যা: প্র একটি উপসর্গ, যার নিজস্ব কোনো অর্থ নেই কিন্তু হারের আগে বসে প্রহার শব্দ তৈরি করে অর্থের পরিবর্তন ঘটায়।
উদাহরণ ২: পরি
ব্যাখ্যা: পরি উপসর্গটি একা কোনো অর্থ প্রকাশ করে না, তবে পূর্নের আগে বসে পরিপূর্ণ শব্দ গঠন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারকের — কারক বাক্যে ব্যবহৃত বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ক নির্দেশ করে এবং এর অর্থ বোঝার ক্ষমতা আছে।
B) অনুসর্গের — অনুসর্গগুলো স্বাধীন পদ হিসেবে বা বিভক্তির মতো ব্যবহৃত হয়ে নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে।
D) ধাতুর — ধাতুটি ক্রিয়ার মূল এবং এর স্পষ্ট অর্থবাচকতা রয়েছে যা থেকে ক্রিয়া গঠিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপসর্গ মানে উপরি বা সামনে বসা অংশ যার নিজের কোনো স্বতন্ত্র অর্থ নেই।
- মনে রাখবে উপসর্গ অন্যের ঘাড়ে চড়ে নিজের প্রভাব দেখায় কিন্তু একা তার দাম নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলায় উপসর্গ মোট একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ কুড়িটি।
- উপসর্গের কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন করা এবং অর্থের উৎকর্ষ বা অপকর্ষ সাধন করা।
সঠিক উত্তর: A) বেকার
১. কেন সঠিক:
- বেকার শব্দটি গঠিত হয়েছে ফার্সি উপসর্গ বে এবং বাংলা কার শব্দ মিলে। এখানে বে উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ চিহ্নিত করার সময় শব্দের মূল অংশ আলাদা করে তার পূর্বে যুক্ত অব্যয় বা উপসর্গটি শনাক্ত করতে হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যথা বাংলা উপসর্গ তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশী উপসর্গ।
- বিদেশী উপসাগরের মধ্যে আরবি ফার্সি ইংরেজি ও হিন্দি উপসর্গ অন্যতম। ফার্সি উপসাগরের তালিকা বেশ দীর্ঘ যেমন কম দর বর বে বদ নিম খাস লা ফির ফি ইত্যাদি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বদনাম
ব্যাখ্যা: এখানে বদ একটি ফার্সি উপসর্গ যা খারাপ বা মন্দ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কমবখ্ত
ব্যাখ্যা: এখানে কম একটি ফার্সি উপসর্গ যা অল্প বা কম অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেকার — সঠিক উত্তর কারণ এটি বিদেশী উপসর্গ দিয়ে গঠিত।
B) বিকার — এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে বি উপসর্গটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি বিদেশী উপসর্গ নয়।
C) নিদাঘ — এটি নি উপসর্গযুক্ত তৎসম শব্দ যার অর্থ তীব্র গরম এবং এটি বিদেশী উপসাগরের আওতাভুক্ত নয়।
D) নিবার — এটিও নি উপসর্গযোগে গঠিত একটি শব্দ যা তৎসম উৎসের এবং বিদেশী উপসর্গ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফার্সি উপসর্গগুলো মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো কার দর কম বর বে বদ নিম খাস লা ফির ফি। এই শব্দগুলোর সাথে মিল রেখে শব্দ গঠিত হলে তা বিদেশী উপসর্গ হিসেবে চিহ্নিত হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ থেকে প্রশ্ন আসে তাই খাঁটি বাংলা তৎসম এবং বিদেশী উপসাগরগুলোর সুনির্দিষ্ট তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি। উপসর্গ শব্দের অর্থ পরিবর্তন বা সংকোচন প্রসারণ করতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: C) peer
কেন সঠিক:
peer শব্দটি কোনো ব্যক্তি বা সমবয়সী একক মানুষকে বোঝায়, তাই এটি কমন নাউন।
এটি কোনো দল বা সমষ্টি নির্দেশ করে না।
এটি ব্যক্তিবর্গের একক পরিচয় তুলে ধরে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) class — এটি একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সমষ্টিগতভাবে বোঝায়, যা কালেক্টিভ নাউন।
B) audience — এটি বক্তা বা পারফর্মারদের উপভোগকারী শ্রোতামণ্ডলীকে বুঝায়, যা একটি কালেক্টিভ নাউন।
C) peer — এটি একই বয়স বা মর্যাদার একক ব্যক্তিকে নির্দেশ করে, তাই এটি কালেক্টিভ নাউন নয়।
D) public — এটি সমাজের সকল সাধারণ মানুষকে একত্রিতভাবে বোঝায়, যা একটি কালেক্টিভ নাউন।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দল বোঝায় তা কালেক্টিভ নাউন, আর একক ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে তা কমন নাউন হয়।
সঠিক উত্তর: B) Malaysia
কেন সঠিক:
রিঙ্গিত বা মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত হলো মালয়েশিয়ার সরকারি মুদ্রা।
এই মুদ্রাটি মালয়েশিয়ার অর্থনীতিতে লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এই মুদ্রার অফিসিয়াল কোড হলো এমওয়াইআর।
মালয়েশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ ও প্রচলন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Thailand — থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম থাই বাত যা এই দেশের আর্থিক লেনদেনে ব্যবহৃত হয়।
B) Malaysia — এই অপশনটি সঠিক কারণ রিঙ্গিত মালয়েশিয়ারই আনুষ্ঠানিক মুদ্রা।
C) Singapore — সিঙ্গাপুরের মুদ্রার নাম সিঙ্গাপুর ডলার যা থাইল্যান্ড বা মালয়েশিয়ার মুদ্রা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
D) Myanmar — মিয়ানমারের সরকারি মুদ্রার নাম হলো কিয়াত যা দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার আরেকটি মুদ্রা।
মনে রাখার টিপস:
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর এবং দেশের প্রধান মুদ্রার নাম হলো রিঙ্গিত।
সঠিক উত্তর: C) misogynist
কেন সঠিক:
'Misogynist' শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো নারীদ্বেষী বা যে নারীদের ঘৃণা করে।
প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে এমন একজন ব্যক্তি যে নারীদের ঘৃণা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) imposter — এর অর্থ হলো প্রতারক বা ছদ্মবেশী ব্যক্তি।
B) somnambulist — এর অর্থ হলো ঘুমন্ত অবস্থায় হাঁটার অভ্যাস আছে যে ব্যক্তি।
C) misogynist — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
D) pilgrim — এর অর্থ হলো পবিত্র তীর্থস্থান ভ্রমণকারী বা তীর্থযাত্রী।
মনে রাখার টিপস:
'Mis' মানে ঘৃণা করা এবং 'gyny' মানে নারী, তাই দুটি মিলে হয় নারীদ্বেষী।
সঠিক উত্তর: A) a proverb
কেন সঠিক:
'After death the doctor' একটি সুপরিচিত প্রবাদ বাক্য যার বাংলা অর্থ হলো চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে।
এটি মানুষের অভিজ্ঞতালব্ধ চিরন্তন সত্য একটি কথা প্রকাশ করে।
এটি সমাজে বহুল ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a proverb — এটি সঠিক কারণ এটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রবাদ বাক্য।
B) an idiom — এটি ভুল কারণ ইডিওম বা বাগধারা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে না, কিন্তু এটি প্রবাদ।
C) a phrase — এটি ভুল কারণ ফ্রেজ কোনো সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না, অথচ এটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রবাদ।
D) a simile — এটি ভুল কারণ সিমিলি তে তুলনা বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো তুলনা করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
যেসব বাক্য মানুষের জীবনের অভিজ্ঞতা বা উপদেশমূলক পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলো সাধারণত প্রবাদ বা proverb হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: D) He shook hands with me
কেন সঠিক:
শেক হ্যান্ডস একটি সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ যার অর্থ হাত মেলানো। এই বাক্যে সাবজেক্ট এবং ভার্বের ব্যবহার সম্পূর্ণ সঠিক ও স্বাভাবিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Discussed — ডিসকাস ভার্বের পর এবাউট বসে না কারণ এটি একটি ট্রানজিটিভ ভার্ব।
B) He knows to swim — সাঁতার কাটার নিয়ম বোঝাতে নো হাউ টু ব্যবহার করতে হয়।
C) He says me a fool — কল বা মেক ভার্ব ব্যবহার না করে সেজ ভার্ব ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
সঠিক উত্তর: A) from
কেন সঠিক:
অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে বা বাইরের কোনো প্রভাবে মৃত্যু হলে ডাইডের পরে ফ্রম বসে। এখানে ওভারইটিং বা অতিরিক্ত খাওয়া হলো মৃত্যুর কারণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — সঠিক উত্তর।
B) on — এটি মৃত্যুর কারণ বোঝাতে বসে না।
C) for — এটি সাধারণত কোনো কিছুর জন্য বোঝাতে বসে।
D) of — এটি রোগ বা স্বাভাবিক কারণে মারা গেলে বসে।
মনে রাখার টিপস:
রোগে মারা গেলে অফ আর অতিরিক্ত খাওয়া বা দুর্ঘটনা হলে ফ্রম বসে।
সঠিক উত্তর: A) Would you mind opening the window
কেন সঠিক:
- Would you mind এর পর verb-এর সাথে ing যুক্ত করে খুব বিনয়ের সাথে কোনো অনুরোধ (Request) বোঝানো হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে জানালাটি খোলার জন্য একটি বিনীত অনুরোধ প্রকাশ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Would you mind opening the window - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি একটি অনুরোধ প্রকাশের বাক্য।
B) Would that he were here - এটি দ্বারা অতীতে কোনো অসম্ভব বা অপূর্ণ ইচ্ছাকে (Wish) বোঝানো হয়েছে, কোনো অনুরোধ নয়।
C) Never do this - এটি একটি অনুজ্ঞা বা আদেশমূলক বাক্য (Imperative sentence), যা দিয়ে কোনো কিছু নিষেধ করা বোঝায়।
D) Liza and Shuvo are in love - এটি একটি সাধারণ বিবৃতিমূলক বাক্য (Assertive sentence), যা দিয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Would you mind দেখলে বুঝবে এটি কোনো কাজের জন্য অনুরোধ বা প্রস্তাব করা বোঝাচ্ছে।
সঠিক উত্তর: B) to pass the blame to someone else
কেন সঠিক:
Pass the buck একটি ইংরেজي idiomatic phrase যার অর্থ নিজের দায়দায়িত্ব বা দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো।
এই বাক্যাংশটির উৎপত্তি কার্ড খেলার একটি নিয়ম থেকে যেখানে খেলোয়াড়রা তাদের দায়িত্ব অন্য জনের কাছে স্থানান্তর করত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to pass the blame — এই অপশনটি আংশিক সঠিক কিন্তু এতে দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানোর সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায় না।
B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) to pass the blame — এই অপশনটি প্রথম অপশনের অনুরূপ এবং এতেও অন্যের কাছে স্থানান্তরের বিষয়টি অসম্পূর্ণ থাকে।
D) to someone else — এটি কেবল একজন ব্যক্তির কথা বলে কিন্তু সম্পূর্ণ ইডিয়মের মূল ভাব দোষ চাপানো কথাটি এখানে অনুপস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
Buck অর্থ টাকা বা দায়িত্ব এবং Pass অর্থ চালিয়ে দেওয়া, তাই অন্যের ঘাড়ে দায়িত্ব বা দোষ চাপানোই হলো Pass the buck.
সঠিক উত্তর: D) disgusting
কেন সঠিক:
- 'Awesome' শব্দের অর্থ চমৎকার, অসাধারণ বা যা দেখে বিস্ময় জাগে।
- 'Disgusting' শব্দের অর্থ অত্যন্ত অপছন্দনীয় বা বিরক্তিকর, যা 'awesome' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) grand — এই শব্দের অর্থ বিশাল বা চমৎকার, যা 'awesome' শব্দের সমার্থক এবং বিপরীতার্থক নয়।
B) deanting — এই বানানটি ভুল এবং ইংরেজি শব্দভান্ডারে এর কোনো গ্রহণযোগ্য অর্থ নেই।
C) majestic — এই শব্দের অর্থ রাজকীয় বা সুদৃশ্য, যা 'awesome' শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
D) disgusting — এই শব্দের অর্থ জঘন্য বা বিরক্তিকর, যা 'awesome' শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
'Awesome' মানে চমৎকার আর 'Disgusting' মানে জঘন্য, ভালো ও খারাপের এই বিপরীত সম্পর্কটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: B) need, dare
কেন সঠিক:
need এবং dare শব্দগুলো সাধারণত মূল verb হিসেবে ব্যবহৃত হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে auxiliary verb এর মতো কাজ করে। তাই এদেরকে semi-modals বা marginal auxiliary verbs বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Can, could — এরা প্রকৃত modal auxiliary verbs, semi-modal নয়।
B) need, dare — এগুলোই সঠিক উত্তর কারণ এরা উভয় রূপেই ব্যবহৃত হয়।
C) will, would — এরা সাধারণ modal auxiliary verbs এর অন্তর্ভুক্ত।
D) must, should — এরাও বাক্যে শুধুমাত্র primary modal হিসেবে বসে।
মনে রাখার টিপস:
Need এবং dare হলো সেই বিশেষ ভারব যা modal এবং main verb উভয় হিসেবেই ব্যবহৃত হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) Conrad
কেন সঠিক:
এই বিখ্যাত উপন্যাসটি ইংরেজ ঔপন্যাসিক জোসেফ কনরাড ১৮৯৯ সালে রচনা করেন।
উপন্যাসটির মূল চরিত্র মার্লো এবং এটি মূলত কঙ্গো নদীর পটভূমিতে লেখা একটি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সাহিত্যকর্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) DH Lawrence — ডি এইচ লরেন্স মূলত আধুনিক যুগের সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে লিখতেন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের নাম সানস অ্যান্ড লাভার্স।
B) EM Forster — ই এম ফর্স্টার সাম্রাজ্যবাদ ও সংস্কৃতির সংঘাত নিয়ে লিখলেও এই বিশেষ উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি এ প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া।
C) Conrad — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) ভার্জিনিয়া উলফ — ভার্জিনিয়া উলফ স্ট্রিম অফ কনশাসনেস বা চেতনাপ্রবাহ রীতির লেখার জন্য বিখ্যাত, যেমন মিসেস ডালোওয়ে তাঁর অন্যতম প্রধান সৃষ্টি।
মনে রাখার টিপস:
কনরাডের নামের সাথে 'ডার্কনেস' শব্দ দুটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে তাঁর অন্ধকারের কঙ্গো অভিযানই এই উপন্যাসের মূল বিষয়।
সঠিক উত্তর: B) phenomenon
কেন সঠিক:
pheno শব্দের শেষে on থাকলে সাধারণত তা একবচন বা singular হয় এবং বহুবচনে a যুক্ত হয়ে phenomena হয়।
তাই বহুবচন రూప phenomena এর মূল একক বা singular রূপ হলো phenomenon।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) phenomenna — এই বানানে অতিরিক্ত n যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
C) phenomenone — এখানে শেষে ne যুক্ত করা হয়েছে যা সঠিক ইংরেজি শব্দ গঠন করে না।
D) phenom — এটি একটি প্রচলিত কথ্য রূপ হলেও বহুবচন phenomena এর মূল সঠিক একবচন নয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে a থাকলে বহুবচন এবং on থাকলে একবচন হয়, যেমন phenomenon থেকে phenomena।
সঠিক উত্তর: A) He does not feel well
কেন সঠিক:
"He is not himself" একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম, যার আক্ষরিক অর্থ হলো সে নিজে নয়।
এর ভাবগত অর্থ হলো শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতার কারণে কেউ তার স্বাভাবিক আচরণ করতে পারছে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He does not feel well — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয় বরং এটিই এই ইডিওমের মূল অর্থ প্রকাশ করে।
B) He is a different person — কথাটির অর্থ সে একজন সম্পূর্ণ ভিন্ন মানুষ হয়ে গেছে, যা এই ইডিওমের সঠিক ভাবার্থ নয়।
C) He is not what he seems to be — এর অর্থ সে যেমন দেখা যায় আসলে তেমন নয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) He is not a well-known person — কথাটির অর্থ সে কোনো পরিচিত ব্যক্তি নয়, যার সাথে এই প্রবাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
"Not himself" দেখলে বুঝতে হবে মানুষটি আজ অসুস্থ বা স্বাভাবিক অবস্থায় নেই।
সঠিক উত্তর: C) William Wordsworth
কেন সঠিক:
ডাফোডিল ফুল দেখে মুগ্ধ হয়ে উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এই বিখ্যাত কবিতাটি রচনা করেছেন।
প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত এই সাহিত্যিক তার কবিতায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।
কবিতাটির আরেকটি পরিচিত নাম হলো আই ওয়ান্ডার লোনলি অ্যাজ এ ক্লাউড।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wordsworth Longfellow — এটি ভুল কারণ লংফেলো একজন আমেরিকান কবি এবং তিনি এই কবিতাটি লেখেননি।
B) Alfred Tennyson — এটি ভুল কারণ আলফ্রেড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি এবং তার বিখ্যাত রচনা ইন মেমোরিয়াম।
C) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে কোনো কারণ নেই।
D) Robert Browning — এটি ভুল কারণ রবার্ট ব্রাউনিং নাট্যধর্মী কবিতার জন্য পরিচিত এবং তিনি এই কবিতা লেখেননি।
মনে রাখার টিপস:
ডাফোডিল ফুল দেখলে প্রকৃতির কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) had
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে প্রধান ভার্ব হিসেবে খাবার গ্রহণ করা অর্থে হ্যাভ বা খাওয়া বোঝানো হয়েছে।
এখানে সাবজেক্টের পর প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স গঠন করতে হ্যাভ সাহায্যকারী ভার্ব বসেছে এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে হ্যাড বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have — সাবজেক্ট আই এর পর সরাসরি হ্যাভ বসালে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ থেকে যায় কারণ মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম নেই।
B) will — উইল বসালে ভবিষ্যতের অর্থ প্রকাশ পাবে যা বাক্যের অন্য অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) had taken — টেকেন বসালে অর্থের পুনরাবৃত্তি ঘটে কারণ হ্যাভ এবং টেক একই সাথে প্রয়োজন হয় না।
D) had — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বাক্যে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স গঠনে হ্যাভ এর পর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে হ্যাড বসতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) I took your leave
কেন সঠিক:
বিদায় নেওয়া অর্থে ইংরেজি idioms অনুযায়ী সঠিক নিয়ম হলো take leave of somebody বলা। এখানে your leave ব্যবহার করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I have a bad headache — এই বাক্যে মাথা ব্যথার কথা বলতে headache এর আগে a বসানো সম্পূর্ণ সঠিক।
B) Keep to the left — এই বাক্যে রাস্তা বা নিয়ম মেনে চলার ক্ষেত্রে সঠিক preposition ব্যবহার করা হয়েছে।
C) He has just come here — এই বাক্যে কাজের সমাপ্তি বোঝাতে present perfect tense এর গঠন সঠিক আছে।
D) I took your leave — এখানে your এর পরিবর্তে of ব্যবহার করা উচিত ছিল তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
কারো কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ হলো take leave of আর এখানে কখনো possessive pronoun বসে না।
সঠিক উত্তর: A) stinking
কেন সঠিক:
stinking শব্দটি দুর্গন্ধ ছড়ানো বা পচা অর্থ প্রকাশ করে।
এটি মানুষের হাসির সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) stinking - এটি পচা বা দুর্গন্ধযুক্ত অবস্থা বোঝায়, যা হাসির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) smiling - এটি অর্থ মৃদু হাসা, যা মুখের এক ধরনের হাসির প্রকাশ।
C) giggle - এটি অর্থ খিলখিল করে হাসা, যা হাসির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
D) chuckle - এটি অর্থ মৃদুস্বরে হাসা, যা হাসির একটি বিশেষ রূপ।
মনে রাখার টিপস:
শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে জানলে খুব সহজেই হাসির সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দগুলো আলাদা করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) William Shakespeare
কেন সঠিক:
এটি শেক্সপিয়ারের লেখা একটি বিখ্যাত রোমান্টিক কমেডি নাটক।
নাটকের মূল বিষয়বস্তু ভুল বোঝাবুঝি এবং প্রেমের জটিলতা নিয়ে গড়ে উঠেছে।
এলিজাবেথীয় যুগের নাট্যসাহিত্যে এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Jane Austene — তিনি মূলত সামাজিক ও পারিবারিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত, কোনো নাটক লেখেননি।
B) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাটককার নন।
C) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Virgina Woolf — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতাবাদী ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
শেক্সপিয়ারের কমেডি নাটক মানেই ভুল বোঝাবুঝি ও মজার ঘটনা, যার একটি সুন্দর উদাহরণ হলো এই নাটকটি।
সঠিক উত্তর: C) noun
কেন সঠিক:
এখানে 'beauty' শব্দটি কোনো গুণ বা সৌন্দর্য বোঝাচ্ছে না, বরং একজন সুন্দরী নারীকে বোঝাচ্ছে।
শব্দটির আগে article 'a' এবং possessive pronoun 'her' বসেছে, যা একে noun-এ পরিণত করেছে।
সাধারণত article বা possessive-এর পরে থাকা শব্দ noun হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adjective — এটি কোনো দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না, তাই এটি adjective হতে পারে না।
B) verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝায় না, তাই এটি verb নয়।
C) noun — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb-এর কাজের সময়, স্থান বা ধরন বোঝাচ্ছে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো abstract noun-এর আগে article 'a' বা 'an' বসলে তা বিশেষ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় এবং তখন তা common noun অর্থাৎ noun হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: C) idiom
কেন সঠিক:
'Run into debt' একটি বিশেষ বাগধারা যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়া বোঝায়।
শব্দের সাধারণ অর্থের সাথে এর বাস্তব প্রয়োগের কোনো মিল নেই।
এটি একটি স্থায়ী শব্দগুচ্ছ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) phrase — এটি কেবল শব্দগুচ্ছ নয়, এর একটি বিশেষ অর্থ আছে।
B) verbal noun — এটি কোনো ভার্ব থেকে তৈরি হওয়া নাউন বা বিশেষ্য পদ নয়।
C) idiom — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) adverb clause — এটি কোনো ক্রিয়াবিশেষণ জাতীয় বাক্যাংশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দগুচ্ছের অর্থ যদি সাধারণ নিয়ম না মেনে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তবে তা সবসময় idiom হয়।
সঠিক উত্তর: B) will you
কেন সঠিক:
মূল বাকye 'Let me' থাকলে ট্যাগ কোশ্চেন সাধারণত 'will you' হয় কারণ এটি অনুরোধ বোঝায়।
এছাড়াও Imperative sentence-এ বক্তা শ্রোতার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে 'will you' ব্যবহার করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) shall we — 'Let's' বা প্রস্তাব বোঝালে 'shall we' হয়, কিন্তু এখানে অনুমতি বোঝানো হয়েছে।
B) will you — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল নয়।
C) isn't it — 'Let me' যুক্ত বাকye 'isn't it' ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই।
D) shon't it — এটি একটি ভুল বানান এবং ট্যাগ কোশ্চেনের নিয়মের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাকye Let-এর পর me, him, her বা them থাকলে ট্যাগ কোশ্চেনে সবসময় will you ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) into
কেন সঠিক:
ব্রেক ইনটু একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ বলপূর্বক কোথাও প্রবেশ করা। চোর যেহেতু ঘরে জোর করে ঢুকেছিল তাই এখানে সঠিক প্রিপজিশন হবে into।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — ব্রেক অ্যাট বলতে বোঝায় কোনো কিছুর দিকে আক্রমণ করা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
B) up — ব্রেক আপ অর্থ ভেঙে যাওয়া বা সম্পর্ক শেষ হওয়া, যা ঘরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) on — ব্রেক অন কোনো সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব নয় এবং এটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) into — এটি সঠিক অপশন এবং এর অর্থ বলপূর্বক প্রবেশ করা।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও জোর করে বা অনধিকার প্রবেশ করা বোঝাতে ব্রেক ভার্বের সাথে সবসময় into প্রিপজিশন বসে।
সঠিক উত্তর: B) sovereignty
কেন সঠিক:
সঠিক বানানটিতে sovereign শব্দের সাথে ty প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
এর সঠিক উচ্চারণ এবং গঠন বানানটিকে নির্ভুল করে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) soverinty — বানানটিতে মাঝের g অক্ষরটি বাদ পড়েছে তাই এটি ভুল।
B) sovereignty — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
C) soverignty — বানানটিতে মাঝের i অক্ষরটি অনুপস্থিত রয়েছে।
D) sovereiginity — বানানটিতে অতিরিক্ত i অক্ষর যুক্ত করে ভুল করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
sovereign লিখে শেষে ty যোগ করলে সঠিক বানান পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: C) noun
কেন সঠিক:
এখানে 'talk' শব্দটির পূর্বে 'a' আর্টিকেল বসেছে এবং এর অর্থ একটি আলোচনা বা কথোপকথন। ইংরেজী ব্যাকরণ অনুযায়ী আর্টিকেল বা determiners সবসময় noun-এর পূর্বে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) verb — এটি কোনো কাজ বোঝাচ্ছে না বরং একটি নাম বা অবস্থাকে নির্দেশ করছে।
B) pronoun — এটি নামের পরিবর্তে বসেনি বরং নিজেই একটি স্বতন্ত্র নাম পদ হিসেবে কাজ করেছে।
C) noun — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল অপশন।
D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে মডিফাই করছে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দের আগে 'a', 'an' বা 'the' দেখলে ধরে নেবে সেটি সাধারণত noun হয়।
সঠিক উত্তর: B) She said to us, "Hurry up."
কেন সঠিক:
Imperative sentence-এ indirect speech থেকে direct করার সময় reporting verb হিসেবে said ব্যবহার করতে হয়। এখানে listener বা object হিসেবে us থাকায় said-এর পরে to বসিয়ে said to us লিখতে হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She said, "Do hurry up — এই অপশনে listener বা object (us) উল্লেখ করা হয়নি, যা প্রদত্ত sentence-এর অর্থের সাথে মিলে না।
B) She said to us, "Hurry up." — এটি সঠিক অপশন এবং এতে সঠিক নিয়মে direct speech গঠন করা হয়েছে।
C) She told, "Hurry up." — এই অপশনে said বা told-এর পরে সঠিক object (us) ব্যবহার করা হয়নি।
D) She said us, "Hurry up." — এই অপশনে said-এর পরে সরাসরি object বসানো হয়েছে, যা grammatically ভুল এবং মাঝখানে to বসেনি।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-এ told-কে তুলে দিয়ে said to করতে হয় এবং listener-কে বাদ দেওয়া যায় না।
সঠিক উত্তর: A) ৬৪√৩ বর্গ মি.
প্রদত্ত তথ্য:
সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৬ মিটার
ধরি,
ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক = ১৬ মিটার
অতএব,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র = (√৩ ÷ ৪) × (বাহু × বাহু)
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ১৬ × ১৬
উত্তর: ৬৪√৩ বর্গ মি.
সঠিক উত্তর: B) ৫৩
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনে দেওয়া সংখ্যাগুলি হলো ১০৫, ৫৩, ২১ এবং ১২৪
ধরি,
সংখ্যাগুলি মৌলিক নাকি যৌগিক তা পরীক্ষা করতে হবে
অতএব,
১০৫ সংখ্যাটিকে ৩ ও ৫ দ্বারা ভাগ করা যায় তাই এটি মৌলিক নয়
২১ সংখ্যাটিকে ৩ ও ৭ দ্বারা ভাগ করা যায় তাই এটি মৌলিক নয়
১২৪ একটি জোড় সংখ্যা এবং ২ দ্বারা বিভাজ্য তাই এটি মৌলিক নয়
সুতরাং,
৫৩ সংখ্যাটিকে ১ এবং ৫৩ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না
উত্তর: ৫৩
সঠিক উত্তর: D) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
পরপর তিনটি সংখ্যার গুণফল = ১২০
ধরি,
সংখ্যা তিনটি হলো ক − ১, ক এবং ক + ১
অতএব,
(ক − ১) × ক × (ক + ১) = ১২০
ক × (ক × ক − ১) = ১২০
সুতরাং,
৫ × (৫ × ৫ − ১) = ৫ × ২৪ = ১২০
সংখ্যা তিনটি হলো ৪, ৫ এবং ৬
উত্তর: ৪ + ৫ + ৬ = ১৫
সঠিক উত্তর: A) ৫ জনকে
প্রদত্ত তথ্য:
মোট কমলালেবুর সংখ্যা = ১২৫টি
মোট কলার সংখ্যা = ১৪৫টি
ধরি,
বালকের সংখ্যা হবে এমন একটি সংখ্যা যা দিয়ে ১২৫ এবং ১৪৫ উভয় সংখ্যাকেই নিঃশেষে ভাগ করা যাবে।
অর্থাৎ, ১২৫ এবং ১৪৫ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে।
অতএব,
১২৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৫, ২৫, ১২৫
১৪৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৫, ২৯, ১৪৫
সুতরাং,
১২৫ এবং ১৪৫ এর সাধারণ উৎপাদক বা গসাগু হলো ৫।
উত্তর: ৫ জনকে
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয়
প্রدত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ১ এর বর্গ + ৩ এর বর্গ + ৫ এর বর্গ + ডট ডট ডট + ৩১ এর বর্গ
এটি বিজোড় স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের ধারা
ধরি,
ধারার শেষ পদ (২n − ১) = ৩১
সুতরাং, ২n = ৩১ + ১ = ৩২ এবং n = ১৬
অতএব,
বিজোড় সংখ্যার বর্গের যোগফলের সূত্র হলো n গুন (৪ গুন n এর বর্গ − ১) ভাগ ৩
এখানে n এর মান ১৬ বসাতে হবে
সুতরাং,
১৬ গুন (৪ গুন ১৬ এর বর্গ − ১) ভাগ ৩ গণনা করে পাই ৫৪৪০
উত্তর: ৫৪৪০
সঠিক উত্তর: A) ৫০%
প্রদত্ত তথ্য:
৩টি আমের ক্রয়মূল্য ১ টাকা
২টি আমের বিক্রয়মূল্য ১ টাকা
ধরি,
৬টি আমের ক্রয়মূল্য = ২ টাকা
৬টি আমের বিক্রয়মূল্য = ৩ টাকা
অতএব,
লাভ = ৩ − ২ = ১ টাকা
সুতরাং,
শতকরা লাভ = (১ ÷ ২) × ১০০% = ৫০%
উত্তর: ৫০%
সঠিক উত্তর: C) ১০২
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সংখ্যার অর্ধেক তার এক-তৃতীয়াংশের চেয়ে ১৭ বেশি
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি = ক
সংখ্যাটির অর্ধেক = ক ÷ ২
সংখ্যাটির এক-তৃতীয়াংশ = ক ÷ ৩
অতএব,
শর্তমতে লেখা যায়,
ক ÷ ২ − ক ÷ ৩ = ১৭
সুতরাং,
লসাগু করে পাই, (৩ক − ২ক) ÷ ৬ = ১৭
বা, ক ÷ ৬ = ১৭
উত্তর: ক = ১৭ × ৬ = ১০২
সঠিক উত্তর: B) ৩ ও ২
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x + ২y = ৭
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো ২x − ৩y = ০
ধরি,
প্রথম সমীকরণ হতে পাই x = ৭ − ২y
এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসাই
অতএব,
২(৭ − ২y) − ৩y = ০
১৪ − ৪y − ৩y = ০
১৪ − ৭y = ০
সুতরাং,
৭y = ১৪
y = ২
উত্তর: x এর মান ৩ এবং y এর মান ২
সঠিক উত্তর: A) ১৯৪
প্রদত্ত তথ্য:
P + (১ ÷ P) = ৪
ধরি,
প্রথম ধাপের বর্গ নির্ণয় করতে হবে
দ্বিতীয় ধাপের মান বসাতে হবে
অতএব,
(P + (১ ÷ P)) এর হোল স্কয়ার = ৪ এর স্কয়ার
P স্কয়ার + (১ ÷ P স্কয়ার) + ২ = ১৬
P স্কয়ার + (১ ÷ P স্কয়ার) = ১৬ − ২ = ১৪
সুতরাং,
উভয় পক্ষকে আবার বর্গ করে পাই
(P স্কয়ার + (১ ÷ P স্কয়ার)) এর হোল স্কয়ার = ১৪ এর স্কয়ার
উত্তর: P এর পাওয়ার ৪ + (১ ÷ P এর পাওয়ার ৪) = ১৯৪
সঠিক উত্তর: D) প্রবৃদ্ধ কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
কোণের পরিমাণ = ১৮২°
ধরি,
যে কোণের পরিমাপ ৯০° অপেক্ষা বড় কিন্তু ১৮০° অপেক্ষা ছোট তাকে স্থূলকোণ বলে
যে কোণের পরিমাপ ১৮০° অপেক্ষা বড় কিন্তু ৩৬০° অপেক্ষা ছোট তাকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে
অতএব,
প্রদত্ত কোণের মান ১৮০° এর চেয়ে বড়
সুতরাং,
এটি একটি প্রবৃদ্ধ কোণ
উত্তর: প্রবৃদ্ধ কোণ
সঠিক উত্তর: A) ৪ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
গাছের মোট উচ্চতা বা ভাঙা অংশের দৈর্ঘ্য উল্লেখ নেই, তবে অপশন মিলিয়ে সমাধান করতে হবে।
গাছটির ভাঙা অংশ মাটির সাথে ত্রিশ ডিগ্রি কোণে মিলিত হয়েছে।
ধরি,
গাছটি ভূমি থেকে h উচ্চতায় ভেঙেছিল।
ভেঙে যাওয়া অংশটি অতিভুজ হিসেবে কাজ করে।
অতএব,
লম্ব এবং অতিভুজের অনুপাত হলো সাইন ত্রিশ ডিগ্রি।
সাইন ত্রিশ ডিগ্রি এর মান হলো এক বাই দুই।
লম্ব সমান হয় অতিভুজ গুণ এক বাই দুই।
সুতরাং,
অপশন এ এর মান অনুযায়ী গাছের ভাঙা অংশ আট মিটার হলে উচ্চতা চার মিটার হয়।
আট গুণ এক বাই দুই সমান চার মিটার।
উত্তর: ৪ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ১৬৮৯৯
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনগুলোর সাথে ১ যোগ করলে প্রাপ্ত সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে।
তাই প্রতিটি অপশনের সাথে ১ যোগ করে দেখতে হবে কোনটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা।
ধরি,
অপশন সি এর সংখ্যাটি = ১৬৮৯৯
অতএব,
১৬৮৯৯ + ১ = ১৬৯০০
১৬৯০০ সংখ্যাটির বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে।
সুতরাং,
√১৬৯০০ = ১৩০, যা একটি পূর্ণসংখ্যা।
উত্তর: ১৬৮৯৯ সংখ্যাটি একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হতে ১ কম।
সঠিক উত্তর: C) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
কেন সঠিক:
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে প্রথম রাষ্ট্রভাষা বাংলার সাংবিধানিক দাবি উত্থাপন করেন।
- তার এই ঐতিহাসিক প্রস্তাবের মাধ্যমেই রাষ্ট্রভাষা বাংলার আন্দোলন প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত রূপ লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মওলানা ভাসানী — তিনি ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিলেও সংসদে প্রথম দাবি উত্থাপন করেননি।
B) শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি ভাষা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক ও ছাত্রনেতা ছিলেন, তবে তখন পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য ছিলেন না।
C) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) এ. কে. ফজলুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও শেরেবাংলা নামে পরিচিত হলেও সংসদে প্রথম এই দাবি তোলেননি।
মনে রাখার টিপস:
সংসদে প্রথম দাবি তুললেন দত্ত, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।
সঠিক উত্তর: A) ভুটান
কেন সঠিক:
- ভুটান বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০০৪ সালে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে।
- স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বৌদ্ধ ধর্মের অনুশাসন মেনে দেশটি প্রকাশ্যে ধূমপান নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) সাইপ্রাস — এটি ধূমপানমুক্ত দেশ নয়, বরং এখানকার কর্মক্ষেত্রে ধূমপান নিয়ন্ত্রণের আইন রয়েছে।
C) গ্রিসর — গ্রিস ধূমপানমুক্ত দেশ নয়, ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে এখানে ধূমপানের হার বেশ বেশি।
D) রুমানিয়া — এটি ধূমপানমুক্ত দেশ নয়, এখানে কেবল নির্দিষ্ট কিছু জনসমাগমে ধূমপান নিষিদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
ভুটান পাহাড় ঘেরা শান্তির দেশ, তাই পাহাড়ের মতো পবিত্র রাখতে তারা প্রথম ধূমপান নিষিদ্ধ করে।
সঠিক উত্তর: C) বইমেলা
কেন সঠিক:
- জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং প্রাচীনতম বার্ষিক বইমেলার জন্য বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক পরিচিত ও বিখ্যাত।
- প্রতি বছর অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত এই ফ্রাঙ্কফুর্ট বুক ফেয়ার আন্তর্জাতিক প্রকাশনা শিল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য মেলা হিসেবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইস হকি — এটি উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের কিছু দেশের জনপ্রিয় খেলা, ফ্রাঙ্কফুর্ট এর জন্য বিখ্যাত নয়।
B) ঔষধশিল্প — জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট অর্থনৈতিক কেন্দ্র হলেও এটি প্রধানত ব্যাংকিং ও বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত, বিশেষ ঔষধশিল্পের একক কেন্দ্র নয়।
D) কৃষিপণ্য — ফ্রাঙ্কফুর্ট একটি অত্যন্ত উন্নত ও জনবহুল বাণিজ্যিক মহানগরী, ঐতিহ্যগতভাবে এটি কৃষিপণ্যের জন্য বিখ্যাত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফ্রাঙ্কফুর্ট মানেই বইয়ের মেলা, কারণ এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বইমেলার শহর।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯০ সালে
কেন সঠিক:
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়।
- বার্লিন প্রাচীর পতনের পরের বছরই দুই জার্মানির দীর্ঘদিনের বিভক্তির অবসান ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯০ সালে — এই সালে দুই জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়েছিল।
B) ১৯৯১ সালে — এই সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গিয়েছিল, কিন্তু জার্মানি একত্রিত হয় এর এক বছর আগে।
C) ১৯৯২ সালে — এই সালে জার্মানির একত্রীকরণের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
D) ১৯৯৫ সালে — এই সালটি জার্মানির একত্রীকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীর পতনের পরের বছর অর্থাৎ ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি এক হয়।
সঠিক উত্তর: C) দ্যাগ হ্যামারশেল্ড
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ মহাসচিব দ্যাগ হ্যামারশেল্ড ১৯৬১ সালে কঙ্গোয় শান্তি রক্ষা মিশন পালনের সময় বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন।
- তিনি একমাত্র জাতিসংঘ মহাসচিব যিনি দায়িত্ব পালনকালে মারা যান এবং মরণোত্তর নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্রিপেডলি — এটি কোনো জাতিসংঘের মহাসচিবের নাম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) কুর্ট ওয়াল্ডহেইম — তিনি জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব ছিলেন এবং স্বাভাবিকভাবেই মেয়াদ শেষ করেন।
ডি) উথান্ট — তিনি জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব ছিলেন এবং তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
দ্যাগ হ্যামারশেল্ডের বিমান দুর্ঘটনা মনে রাখতে 'দ্যাগ ও দুর্ঘটনা' দুটি শব্দ মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) জাপানি
কেন সঠিক:
- 'সুনামি' একটি জাপানি শব্দ যার অর্থ সমুদ্রের বন্দর বা পোতাশ্রয়ের ঢেউ।
- জাপান ভূমিকম্প ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসপ্রবণ দেশ হওয়ায় তাদের ভাষাতেই এই শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা — এটি একটি বঙ্গীয় বা ভারতীয় ভাষার নাম, সুনামি শব্দের উৎস নয়।
C) ইন্দোনেশিয়ানাত — এটি বানান ভুল এবং সুনামি শব্দটি ইন্দোনেশীয় ভাষা থেকে আসেনি।
D) চাইনিজ — এটি চীন দেশের ভাষা, সুনামি শব্দের উৎপত্তি এই ভাষা থেকে হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
জাপানে প্রায়ই সামুদ্রিক ঢেউ বা জলোচ্ছ্বাস হয়, তাই জলোচ্ছ্বাসের আন্তর্জাতিক নাম 'সুনামি' এসেছে জাপানি ভাষা থেকেই।
সঠিক উত্তর: C) পঞ্চগড়
কেন সঠিক:
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকাগুলোর বিন্যাস করা হয় দেশের উত্তর থেকে দক্ষিণ এবং পূর্ব থেকে পশ্চিম ক্রমানুসারে।
- পঞ্চগড় জেলা দেশের সর্বউত্তরে অবস্থিত হওয়ায় জাতীয় সংসদের ১নং আসনটি এই জেলায় নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কক্সবাজার — এটি দেশের সর্বদক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা হওয়ায় এর সংসদীয় আসন সংখ্যা আলাদা এবং এটি ১নং আসন নয়।
B) সিলেট — এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি বিভাগীয় জেলা এবং এর সংসদীয় আসনগুলোর নম্বর অন্য ক্রমানুসারে সাজানো।
D) বরগুনা — এটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি উপকূলীয় জেলা এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এটি ১নং আসন হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
মানচিত্রের উপরে থাকে উত্তর দিক, আর দেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড় বলেই এটি জাতীয় সংসদের ১নং আসন।
সঠিক উত্তর: C) শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন অর্জনের জন্য ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন।
- এই ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনা কার্টা হিসেবে পরিচিত, যা পরবর্তীতে উনসত্তরের গণঅভুত্থান ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে প্রেরণা জুগিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি প্রখ্যাত বাঙালি রাজনীতিবিদ এবং পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হলেও ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেননি।
B) মওলানা ভাসানী — তিনি একজন প্রখ্যাত জননেতা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও ছয় দফা কর্মসূচি পেশ বা ঘোষণা করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় নেতা ছিলেন, তবে ছয় দফা ঘোষণার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফার জনক বা ঘোষক হিসেবে সর্বদা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মনে রাখতে হবে, যা বাঙালি জাতির স্বাধীনতার মূল ভিত্তি।
সঠিক উত্তর: C) আখতার হামিদ খান
কেন সঠিক:
- ড. আখতার হামিদ খান ১৯৫৯ সালে কুমিল্লায় বাংলাদেশ একাডেমি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (BARD) প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় আন্দোলনের একজন প্রবক্তা এবং কুমিল্লা মডেলের রূপকার ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইউব খান — তিনি পাকিস্তানের সামরিক শাসক ছিলেন এবং BARD প্রতিষ্ঠার সময় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, এর প্রতিষ্ঠাতা নন।
B) ইয়াহিয়া খান — তিনি আইউব খানের পরে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হন এবং BARD প্রতিষ্ঠার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) আখতার হামিদ খান — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি BARD-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম পরিচালক ছিলেন।
D) এ. কে. ফজলুল হক — তিনি বাংলার প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও কৃষক-প্রজা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, BARD-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
কুমিল্লা বার্ডের বারান্দায় বসে আখতার হামিদ খান পল্লী উন্নয়নের স্বপ্ন দেখেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর ধারা ৩ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হলেন বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
- যুদ্ধ বা শান্তি ঘোষণা এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সকল রাষ্ট্রীয় আদেশের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি এই সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান এবং মন্ত্রিপরিষদের প্রধান নির্বাহী হলেও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক নন।
B) সেনাবাহিনী প্রধান — তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান এবং শুধুমাত্র একটি বাহিনীর কমান্ড পরিচালনা করেন, সমগ্র সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান নন।
C) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) নৌবাহিনী প্রধান — তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান এবং শুধুমাত্র নৌবাহিনীর প্রশাসনিক ও অপারেশনাল দায়িত্ব পালন করেন।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্র প্রধানই সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান, অর্থাৎ 'র' দিয়ে রাষ্ট্রপতি এবং 'র' দিয়ে রক্ষা মন্ত্রণালয় বা সশস্ত্র বাহিনী মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) সুলতানী আমলে
কেন সঠিক:
- বাংলার স্বাধীন সুলতানদের আমলে সোনারগাঁও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে রাজধানী বা অন্যতম প্রধান নগরী হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- বিশেষ করে সুলতান ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের আমলের সময় সোনারগাঁও থেকে বাংলার শাসনকার্য পরিচালিত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুলতানী আমলে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সময়ে সোনারগাঁও স্বাধীন বাংলার রাজধানী ও মুদ্রণশালা হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছিল।
B) মুঘল আমলে — এই সময়ে বাংলার রাজধানী সোনারগাঁও থেকে প্রথমে ঢাকা এবং পরবর্তীতে অন্যান্য স্থানে স্থানান্তরিত হয়।
C) ব্রিটিশ আমলে — এই সময়ে কলকাতা বাংলার তথা পুরো ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী ছিল, সোনারগাঁও নয়।
D) পাকিস্তান আমলে — এই সময়ে পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকা ছিল, সোনারগাঁও বা অন্য কোনো প্রাচীন শহর রাজধানী ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীন সুলতানি আমলে সোনারগাঁও ছিল বাংলার অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক রাজধানী।
সঠিক উত্তর: D) এশিয়াটিক সোসাইটি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি ২০০৩ সালে প্রথম প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম জাতীয় জ্ঞানকোষ বা বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করে।
- এই বিশাল প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পাদনা ও প্রকাশের মূল দায়িত্ব পালন করেছিল এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের অন্যতম প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলেও বাংলাপিডিয়া প্রকাশের মূল দায়িত্ব পালন করেনি।
B) বাংলা একাডেমি — এটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে কাজ করলেও বাংলাপিডিয়া প্রকাশের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়।
C) শিল্পকলা একাডেমি — এটি মূলত চারু ও কারুকলা এবং সংস্কৃতি চর্চার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি প্রতিষ্ঠান।
D) এশিয়াটিক সোসাইটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই বাংলাপিডিয়া প্রথম প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়াটিক সোসাইটি মানেই জ্ঞানচর্চা, আর তাদের সবচেয়ে বড় সৃষ্টি হলো বাংলাপিডিয়া।
সঠিক উত্তর: C) সাংবিধানিক সংস্থা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা পিএসসি একটি সাংবিধানিক সংস্থা কারণ সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এটি গঠিত হয়েছে।
- প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করা এই সংস্থার মূল সাংবিধানিক দায়িত্ব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা — এটি সঠিক নয় কারণ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আইনে চলে, কিন্তু পিএসসি সরাসরি সংবিধানের বিধান দ্বারা পরিচালিত হয়।
B) কর্পোরেট সংস্থা — এটি সঠিক নয় কারণ কর্পোরেট সংস্থা সাধারণত ব্যবসা বা লাভজনক বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে গঠিত হয়, যা পিএসসির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) সাংবিধানিক সংস্থা — প্রদত্ত উত্তর সঠিক, কারণ এটি সরাসরি দেশের সংবিধান দ্বারা সৃষ্ট এবং ক্ষমতা প্রাপ্ত একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান।
D) পূর্ণ সরকারি সংস্থা — এটি সঠিক নয় কারণ পিএসসি সরকারের নির্বাহী বিভাগের অধীন সাধারণ কোনো সরকারি দপ্তর নয়, এটি একটি স্বাধীন সাংবিধানিক কমিশন।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ১৩৭ থেকে ১৪১ অনুচ্ছেদে পিএসসির কথা বলা আছে, তাই এটি একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
সঠিক উত্তর: B) সিলেট
কেন সঠিক:
- মণিপুরী সম্প্রদায় বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, যাদের মূল বসবাস সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার, সিলেট ও হবিগঞ্জ জেলায়।
- এদের একটি বড় অংশ মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় কেন্দ্রীভূত হয়ে বসবাস করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুমিল্লা — কুমিল্লা অঞ্চলে সাধারণত ত্রিপুরা উপজাতির মানুষের বসবাস রয়েছে, মণিপুরী উপজাতির নয়।
B) সিলেট — এই অপশনটি সঠিক কারণ মণিপুরী জনগোষ্ঠীর মূল বসতি সিলেট অঞ্চলেই অবস্থিত।
C) রাঙামাটি — রাঙামাটি পার্বত্য জেলা যেখানে চাকমা, মারমা ও তঞ্চঙ্গ্যাসহ পাহাড়ি উপজাতিরা বাস করে।
D) ময়মনসিংহ — ময়মনসিংহ অঞ্চলে গারো, হাজং ও কোচ উপজাতির মানুষের বসতি বেশি।
মনে রাখার টিপস:
মণিপুরী উপজাতির 'ম' এবং সিলেট অঞ্চলের 'সি' যুক্ত করে মনে রাখতে পারো সিলেটে মণিপুরী সম্প্রদায়ের প্রধান বসতি।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৮৩ সালে
কেন সঠিক:
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ১৯৭৬ সালে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস কর্তৃক একটি গবেষণা প্রকল্প হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী জোবরা গ্রামে চালু হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালের অক্টোবর মাসে বিশেষ অধ্যাদেশের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংক একটি স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ ব্যাংক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৬ সালে — এই সালে এটি মূলত গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প হিসেবে জোবরা গ্রামে কার্যক্রম শুরু করেছিল, পূর্ণাঙ্গ ব্যাংক হিসেবে নয়।
B) ১৯৭৯ সালে — এই সালে গ্রামীণ ব্যাংক নামে কোনো আনুষ্ঠানিক বা আইনি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা লাভ করেনি।
D) ১৯৮৫ সালে — এটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল নয়, কারণ এর আগেই ১৯৮৩ সালে ব্যাংকটি পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি লাভ করে।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭৬ সালে গবেষণা প্রজেক্ট শুরু হলেও ব্যাংকের রূপ পেতে ১৯৮৩ সাল লেগেছিল।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) সুপ্রিম কোর্ট
কেন সঠিক:
- সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান এবং এর সুরক্ষা নিশ্চিত করার চূড়ান্ত এখতিয়ার সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের রয়েছে।
- সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক কোনো আইন বা আদেশ বাতিল করার ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্ট সংরক্ষণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্পিকার — ইনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন এবং সংসদীয় কার্যক্রমের প্রধান, কিন্তু সংবিধানের অভিভাবক নন।
B) আইন মন্ত্রণালয় — এই মন্ত্রণালয় দেশের আইন প্রণয়ন ও বিচার বিভাগীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে সংবিধানের ব্যাখ্যাকর্তা নয়।
C) রাষ্ট্রপতি — ইনি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হলেও সংবিধানের অভিভাবক বা ব্যাখ্যাকর্তা হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট দায়িত্ব পালন করে।
D) সুপ্রিম কোর্ট — এটি সংবিধানের চূড়ান্ত রক্ষক, অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকর্তা হিসেবে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
আইন বা সংবিধানের কোনো দ্বন্দ্ব দেখা দিলে শেষ ভরসা বা অভিভাবক হিসেবে আদালতের শরণাপন্ন হতে হয়, তাই উত্তর সুপ্রিম কোর্ট।
সঠিক উত্তর: C) ভারত
কেন সঠিক:
- 'ব্লাকক্যাট' বা ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড ভারতের একটি বিশেষ সন্ত্রাসবিরোধী কমান্ডো বাহিনী।
- ১৯৮৪ সালের ১৬ অক্টোবর এই এলিট বাহিনীটি গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসরাইল — ইসরাইলের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার নাম মোসাদ এবং বিশেষ কমান্ডো বাহিনীর নাম সায়েরাত মাতকাল।
B) দক্ষিণ আফ্রিকা — দক্ষিণ আফ্রিকার এই নামে কোনো বিখ্যাত কমান্ডো বাহিনী নেই।
C) ভারত — এটিই সঠিক উত্তর কারণ ব্লাকক্যাট ভারতের বিশেষ কমান্ডো বাহিনী।
D) পাকিস্তান — পাকিস্তানের বিশেষ কমান্ডো বাহিনীর নাম স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ।
মনে রাখার টিপস:
প্রতিবেশী দেশ ভারতের বিশেষ ও ভয়ঙ্কর কমান্ডো বাহিনী হলো ব্লাকক্যাট।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৬৯ সাল
কেন সঠিক:
- ১৯৬৪ সালে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পিএলও গঠিত হওয়ার পর থেকেই ইয়াসির আরাফাত এর একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন।
- ১৯৬৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি পিএলওর সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সংস্থা এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬৪ সাল — এই সালে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পিএলও গঠিত হয়, কিন্তু ইয়াসির আরাফাত তখন চেয়ারম্যান হননি।
B) ১৯৬৫ সাল — এই সালটি পিএলওর ইতিহাসে বা ইয়াসির আরাফাতের চেয়ারম্যান হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ কারণে উল্লেখযোগ্য নয়।
C) ১৯৬৭ সাল — আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের বছর এটি, তবে এই সালে তিনি পিএলওর চেয়ারম্যান হননি।
D) ১৯৬৯ সাল — এই সালেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পিএলওর চেয়ারম্যান পদ লাভ করেন, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
পিএলও গঠনের পাঁচ বছর পর অর্থাৎ ১৯৬৯ সালে ইয়াসির আরাফাত এর চেয়ারম্যান হন।
সঠিক উত্তর: D) রোম
কেন সঠিক:
- প্রাচীন রোম শহরটি টাইবার নদীর তীরে সাতটি পাহাড়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলে একে সাত পাহাড়ের দেশ বলা হয়।
- ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্যের কারণে বিশ্ব মানচিত্রে রোম নগরী এই নামে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিসিসিপি — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি নদী ও অঙ্গরাজ্যের নাম, কোনো পাহাড়ের দেশ নয়।
B) কাঠমান্ডু — এটি নেপালের রাজধানী এবং হিমালয়ের উপত্যকায় অবস্থিত একটি শহর।
C) দার্জিলিং — এটি ভারতের একটি পাহাড়ি পর্যটন শহর হলেও একে সাত পাহাড়ের দেশ বলা হয় না।
D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং প্রাচীন সাতটি পাহাড়ের ওপর গড়ে ওঠা ঐতিহাসিক নগরী।
মনে রাখার টিপস:
রোমান সভ্যতার জন্মস্থান রোম শহরটি সাতটি পাহাড় নিয়ে গঠিত, তাই এটি সাত পাহাড়ের দেশ।
সঠিক উত্তর: D) হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ
কেন সঠিক:
- যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা বা কংগ্রেস দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত, যার নিম্নকক্ষ হলো হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ বা প্রতিনিধি পরিষদ।
- এই কক্ষের সদস্যরা জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন এবং অঙ্গরাজ্যগুলোর জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বণ্টিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাউস অব কমনস্ — এটি যুক্তরাজ্যের সংসদ বা পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নাম, যুক্তরাষ্ট্রের নয়।
B) হাউস অব লর্ডস্ — এটি যুক্তরাজ্যের সংসদ বা পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের নাম, যুক্তরাষ্ট্রের নয়।
C) সিনেট — এটি যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ, নিম্নকক্ষ নয়।
D) হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ — এটিই যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার সঠিক নিম্নকক্ষ।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নকক্ষ হলো হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ হলো সিনেট।
সঠিক উত্তর: C) বাথ
কেন সঠিক:
- থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় ও প্রচলিত মুদ্রার নাম বাথ।
- থাইল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক অফ থাইল্যান্ড এই মুদ্রা জারি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিংগিত — এটি মালয়েশিয়ার প্রচলিত মুদ্রার নাম, থাইল্যান্ডের নয়।
B) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম, থাইল্যান্ডের নয়।
C) বাথ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম।
D) পাউন্ড — এটি যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রার নামের অংশ, থাইল্যান্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
থাইল্যান্ডের মানুষ গরম থেকে বাঁচতে বাথ বা গোসল করতে পছন্দ করে, আর তাদের মুদ্রার নামও বাথ।
সঠিক উত্তর: C) উষ্ণতা হ্রাস
কেন সঠিক:
- কিয়োটো চুক্তি হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমানোর আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধে কাজ করে।
- এটি ১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটোতে গৃহীত হয় এবং ২০০৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জনসংখ্যা হ্রাস — এটি পরিবার পরিকল্পনা বা জনমিতি বিষয়ক নীতি, কিয়োটো চুক্তির বিষয় নয়।
B) দরিদ্রতা হ্রাস — এটি মূলত অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) উষ্ণতা হ্রাস — এটি সঠিক কারণ কিয়োটো চুক্তি জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
D) নিরস্ত্রীকরণ — এটি সামরিক অস্ত্র কমানো বা যুদ্ধ প্রতিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক বিষয়।
মনে রাখার টিপস:
কিয়োটো চুক্তি মানেই জলবায়ু রক্ষা এবং পৃথিবীর উষ্ণতা কমানোর ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।
সঠিক উত্তর: B) ওয়াশিংটন ডিসি
কেন সঠিক:
- বিশ্বব্যাংক বা World Bank ১৯৪৪ সালে গঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সদস্য দেশগুলোকে ঋণ ও অনুদান দিয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তরের অবস্থান, বিশ্বব্যাংকের নয়।
B) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি সঠিক উত্তর।
C) ডেট্রয়েট — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোটরশিল্প বা অটোমোবাইল উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র।
D) ডালাস — এটি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের একটি বড় বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক শহর।
মনে রাখার টিপস:
টাকার বা অর্থের ব্যাংকগুলো সাধারণত দেশের রাজধানীতে থাকে, তাই বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) সীতাকুণ্ড
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রথম ইকোপার্ক হলো চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত বাঁশবাড়িয়া ও চন্দ্রনাথ সংরক্ষিত বনাঞ্চল নিয়ে গঠিত ইকোপার্ক।
- biodiversity বা জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পর্যটনের প্রসারের জন্য ২০০১ সালে সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — এটি প্রথম ইকোপার্কের স্থান নয়, তবে এখানে পরবর্তীতে অন্যান্য সংরক্ষিত বন ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে।
B) রাঙামাটি — এটি পার্বত্য জেলা হলেও বাংলাদেশের প্রথম ইকোপার্ক এখানে অবস্থিত নয়।
D) খাগড়াছড়ি — এটি পাহাড়ি জেলা হলেও এখানে প্রথম ইকোপার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রথম ইকোপার্ক সীতাকুণ্ডে অবস্থিত, মনে রাখতে 'স' তে সীতাকুণ্ড এবং 'স' তে প্রথম সংরক্ষিত পার্কের কথা মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ১০নং সেক্টর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সমগ্র বাংলাদেশকে যে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়, তার মধ্যে ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ সেক্টর।
- এই সেক্টরের কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা বা নিয়মিত কমান্ডার ছিল না, এটি গঠিত হয়েছিল দেশের সমুদ্রসীমা এবং নৌপথের অপারেশনের জন্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯নং সেক্টর — এটি খুলনা, সাতক্ষীরা, বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি ভৌগোলিক সেক্টর ছিল, নৌপথের জন্য নির্দিষ্ট ছিল না।
B) ৪নং সেক্টর — এটি মূলত সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত নিয়মিত একটি সেক্টর ছিল।
C) ১০নং সেক্টর — এটিই একমাত্র বিশেষ সেক্টর যা সমগ্র নৌপথ ও সমুদ্র উপকールの নদীভিত্তিক অপারেশনের জন্য গঠিত হয়েছিল।
D) ১১নং সেক্টর — এটি টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি নির্দিষ্ট স্থলভিত্তিক সেক্টর ছিল।
মনে রাখার টিপস:
নৌপথ বা সমুদ্রের পানির সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন দশ নম্বর সেক্টর মানেই জলের সেক্টর।
সঠিক উত্তর: A) স্নায়ুতন্ত্রের অঙ্গ
কেন সঠিক:
- মস্তিষ্ক কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে সমস্ত শারীরিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি সারা শরীর থেকে তথ্য গ্রহণ করে বিশ্লেষণ করে এবং উপযুক্ত নির্দেশ প্রদান করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্নায়ুতন্ত্রের অঙ্গ — এই অপশনটি সঠিক কারণ মস্তিষ্ক স্নায়ুতন্ত্রের কেন্দ্রীয় অংশ।
B) রেচন তন্ত্রের — রেচন তন্ত্রের প্রধান অঙ্গ কিডনি বা বৃক্ক, বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করা এর কাজ।
C) পরিপাক তন্ত্রের — পরিপাক তন্ত্র খাদ্য পরিপাক ও পুষ্টি উপাদান শোষণের সঙ্গে যুক্ত।
D) শ্বাস তন্ত্রের — শ্বাস তন্ত্র ফুসফুসের মাধ্যমে অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে।
মনে রাখার টিপস:
সারা শরীরের চিন্তা ও নির্দেশনার কেন্দ্রবিন্দু হলো মস্তিষ্ক, যা স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান চালিকাশক্তি।
সঠিক উত্তর: C) ল্যাকটোজ সার
১. কেন সঠিক:
দুধে যে প্রাকৃতিক শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায় তার নাম ল্যাকটোজ।
এটি একটি ডাইস্যাকারাইড বা দ্বি-শর্করা যা গ্লুকোজ এবং গ্যালাকটোজের সমন্বয়ে গঠিত।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ল্যাকটোজ হলো স্তন্যপায়ী প্রাণীর দুধে বিদ্যমান প্রধান শর্করা যা শক্তির একটি ভালো উৎস।
কার্যপ্রণালি: মানবদেহে ল্যাকটোজ পরিপাক করার জন্য ল্যাকটেজ নামক এনজাইম প্রয়োজন হয় যা একে ভেঙে সরল শর্করায় পরিণত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গরুর দুধ পান করার পর অনেকের পেটে সমস্যা বা অস্বস্তি হয়।
ব্যাখ্যা: দেহে ল্যাকটেজ এনজাইমের ঘাটতি থাকলে ল্যাকটোজ সঠিকভাবে হজম হয় না, যাকে ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা বলে।
উদাহরণ ২: দই বা ছানা তৈরির সময় ল্যাকটোজ ল্যাকটিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়।
ব্যাখ্যা: ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে এই পরিবর্তনের কারণে দুধ জমে টক স্বাদের খাবার তৈরি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রুকটোজ — এটি ফলমূল এবং মধুতে প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান সবচেয়ে মিষ্টি моноস্যাকারাইড বা সরল শর্করা।
B) এমাইলেজ — এটি কোনো শর্করা নয়, বরং শর্করা জাতীয় খাদ্য পরিপাককারী একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসেচক বা এনজাইম।
C) ল্যাকটোজ সার — এটি দুধে থাকা সঠিক শর্করা যার সঙ্গে সার শব্দটি মুদ্রণজনিত বা অতিরিক্ত অংশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
D) গ্যালাকটোজ — এটি একা দুধে থাকে না, বরং ল্যাকটোজ ভেঙে গ্লুকোজের সঙ্গে উৎপন্ন হওয়া একটি সরল শর্করা।
৫ মনে রাখার টিপস:
দুধ বা মিল্ক শব্দটির সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখতে হবে দুধের শর্করার নাম ল্যাকটোজ।
ল্যাকটোজ শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ল্যাকটা অর্থ দুধ থেকে এসেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
দুধে কোন অ্যাসিড থাকে তা জানতে চাইলে ল্যাকটিক অ্যাসিড উত্তর হবে।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে ল্যাকটোজ কোন দুটি সরল শর্করার সমন্বয়ে গঠিত।
সঠিক উত্তর: D) কালো
১. কেন সঠিক:
- কালো রঙের বস্তু দৃশ্যমান আলোর সমস্ত বর্ণ শোষণ করে এবং কোনো বর্ণ প্রতিফলিত করে না।
- আলো শোষিত হওয়ার কারণে আলোকশক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়, তাই কালো বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কোনো বস্তুর বর্ণ নির্ভর করে বস্তুটি আলোর কোন অংশ শোষণ বা প্রতিফলিত করে তার ওপর।
- কার্যপ্রণালি: কালো বস্তু বা পৃষ্ঠে আলো আপতিত হলে তা সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয় এবং কোনো আলো ফিরে আসে না।
- বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশে কালো রঙের পোশাক পরা হয় যাতে সূর্যের তাপ বেশি শোষিত হয়ে শরীর গরম থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গরমের দিনে পিচঢালা কালো রাস্তা খালি পায়ে হাঁটা কঠিন কারণ এটি দ্রুত তাপ শোষণ করে উত্তপ্ত হয়।
ব্যাখ্যা: কালো পিচ রাস্তার আলোগুলো শোষণ করে প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে, যা এর তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
উদাহরণ ২: সোলার কুকার বা সৌর চুল্লির ভেতরের অংশ কালো রঙের করা হয়।
ব্যাখ্যা: কালো রঙ সূর্যের আলো ও তাপ সর্বোচ্চ পরিমাণে শোষণ করে রান্নার কাজকে দ্রুত ও সহজ করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাদা — সাদা বস্তু প্রায় সব আলো প্রতিফলিত করে, তাই এর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম এবং প্রতিফলন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
B) নীল — নীল বস্তু নীল বর্ণ বাদে অন্য বর্ণগুলোর বেশিরভাগ শোষণ করলেও কালো রঙের মতো সম্পূর্ণ আলো শোষণ করতে পারে না।
C) লাল — লাল বস্তু লাল আলো প্রতিফলিত করে এবং অন্য বর্ণগুলো শোষণ করে, তবে এটি কালো রঙের তুলনায় অনেক কম তাপ শোষণ করে।
D) কালো — এই অপশনটি সঠিক কারণ কালো বস্তু সব আলো শোষণ করে এবং এর তাপ শোষণ ক্ষমতা সর্বাধিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাদায় সব ফেরে, কালোয় সব মেশে। সাদা রঙ তাপ প্রতিফলিত করে আর কালো রঙ তাপ শোষণ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- তাপ শোষণ ক্ষমতার বিপরীত হলো তাপ বিকিরণ ক্ষমতা, অর্থাৎ যে বস্তু যত ভালো শোষণ করে সে তত ভালো বিকিরণ করে।
- এই একই ধারণার ওপর ভিত্তি করে ভালো তাপ শোষণকারী বস্তু হিসেবে কালো রঙ কৃষিকাজ বা গৃহ নির্মাণে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) অক্সিজেন বহন করা
১. কেন সঠিক:
- লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক এক প্রকার লৌহঘটিত প্রোটিন থাকে যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে।
- এই হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সঙ্গে অস্থায়ীভাবে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে এবং সমগ্র দেহের কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: লোহিত রক্তকণিকা বা এরিথ্রোসাইট মেরুদণ্ডী প্রাণীদের রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের প্রধান বাহক হিসেবে কাজ করে।
- কার্যপ্রণালি: ফুসফুসের অ্যালভিওলাইতে বায়ুমণ্ডলীয় অক্সিজেন প্রবেশ করলে তা কৈশিক নালির মাধ্যমে লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দীর্ঘক্ষণ পাহাড়ি এলাকায় বা উঁচুতে ভ্রমণের সময় মানুষের শ্বাসকষ্ট হয়।
ব্যাখ্যা: উচ্চ altitudes-এ বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের চাপ কম থাকায় লোহিত রক্তকণিকা কম অক্সিজেন গ্রহণ করে, ফলে শরীরে অক্সিজেনের চাহিদা মেটাতে হৃৎস্পন্দন ও লোহিত কণিকার উৎপাদন বেড়ে যায়।
উদাহরণ ২: কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়া।
ব্যাখ্যা: কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে অক্সিজেনের চেয়ে অনেক বেশি শক্তভাবে যুক্ত হয়, যা কোষে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে দেয় এবং মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন বহন করা — এটি লোহিত রক্তকণিকার প্রধান এবং সঠিক কাজ।
B) নাইট্রোজেন বহন করা — রক্ত নাইট্রোজেন গ্যাস সরাসরি পরিবহন করে না, এটি মূলত রক্তরসে সামান্য পরিমাণে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
C) কার্বন ডাই-অক্সাইড বহন করা — কার্বন ডাই-অক্সাইড মূলত রক্তরস বা প্লাজমার মাধ্যমে বাইকার্বোনেট লবণের আকারে বেশি পরিবাহিত হয়, যদিও এর সামান্য অংশ হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে যায়।
D) রোগ প্রতিরোধ করা নেই — রোগ প্রতিরোধ করার মূল কাজটি শ্বেত রক্তকণিকা বা লিউকোসাইট করে থাকে, লোহিত কণিকা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
লাল রক্ত মানেই জীবনদাতা অক্সিজেন, কারণ লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিনই ফুসফুস থেকে কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন এবং মানবদেহে এটি তৈরি হয় অস্থিমজ্জায়।
এরূপ প্রশ্ন থেকে প্রায়ই হিমোগ্লোবিনের কাজ বা শ্বেত রক্তকণিকার ভূমিকা সম্পর্কিত এমসিকিউ আসে।
সঠিক উত্তর: C) বৃষ্টির কণা
১. কেন সঠিক:
আকাশে রংধনু সৃষ্টির পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করে বায়ুমণ্ডলে ভেসে থাকা বৃষ্টির কণা। সূর্যের আলো যখন বৃষ্টির ফোঁটার ভেতর প্রবেশ করে, তখন আলোর প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন এবং বিচ্ছুরণ ঘটে।
এই আলোর বিভিন্ন তরঙ্গের কোণগত পার্থক্যের কারণে সাদা আলো তার উপাদান সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে দর্শকের চোখে এসে পড়ে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: প্রিজমের মতো বৃষ্টির ফোঁটাও আলোর বিচ্ছুরণ ঘটায়।
কার্যপ্রণালি: সূর্যের আলো বৃষ্টির ফোঁটায় পড়ার পর প্রথমে প্রতিসৃত ও বিভক্ত হয়, ফোঁটার পেছনের দেয়ালে প্রতিফলিত হয় এবং ফোঁটা থেকে বের হওয়ার সময় পুনরায় প্রতিসৃত হয়ে সাতটি রঙে আলাদা হয়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদ্যানের লন স্প্রিংকলার বা পানি ছিটানোর পাইপের কুয়াশার দিকে তাকালে রোদের আলোয় ছোট ছোট কৃত্রিম রংধনু দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: কৃত্রিমভাবে তৈরি পানির কণাগুলোর ওপর সূর্যের আলো পড়ে একইভাবে আলোর প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে রংধনু তৈরি করে।
উদাহরণ ২: জলপ্রপাতের কাছাকাছি বাতাসে ভাসমান ক্ষুদ্র জলকণায় সূর্যের আলো পড়লে চমৎকার রংধনু দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: জলপ্রপাতের জলকণাগুলো বৃষ্টির ফোঁটার মতো প্রিজমের কাজ করে আলোর প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে রংধনু দৃশ্যমান করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়ুস্তর — শুধু বায়ুস্তর আলোর বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে রংধনু তৈরি করতে পারে না। তবে বায়ুমণ্ডলের স্তর আলোর প্রতিসরণের কারণে দিগন্তে সূর্যকে একটু ওপরে দেখানোর মতো ঘটনা ঘটায়।
B) তুষার কণা — তুষার কণা সাধারণত আলো প্রতিফলিত বা বিক্ষিপ্ত করে সাদা বা উজ্জ্বল আলো দেখায়। কিন্তু রংধনু তৈরির জন্য তরল পানির ফোঁটার ভেতরে আলোর প্রতিসরণ ও অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন প্রয়োজন, যা তুষার কণা করে না।
C) বৃষ্টির কণা — এটি সঠিক উত্তর। কারণ বৃষ্টির ফোঁটা আলোর প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ও বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে রংধনু সৃষ্টি করে।
D) ধূলিকণা — ধূলিকণা বায়ুমণ্ডলে আলোর বিক্ষেপণ ঘটায়। এর ফলে আকাশের রং নীল দেখায় বা সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় আকাশ লাল দেখায়, কিন্তু রংধনু তৈরি করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
রংধনু মনে রাখার সহজ উপায় হলো বেনীআহীকলুদ। এখানে বতে বেগুনি, নী তে নীল, আ তে আসমানী, হী তে হলুদ, ক তে কমলা এবং ল তে লাল রঙ বোঝানো হয়েছে। বৃষ্টির ফোঁটা এই সাতটি রঙকে আলাদা করে দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রংধনু দেখার সময় দর্শককে অবশ্যই সূর্যকে নিজের পিঠের দিকে এবং বৃষ্টির ফোঁটাকে সামনের দিকে রাখতে হবে। একই ধারণা থেকে বিসিএসে আলো ও প্রতিসরণ সম্পর্কিত অন্যান্য প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) বস্তুর কম্পন
১. কেন সঠিক:
শব্দ এক প্রকার শক্তি যা আমাদের শোনার অনুভূতি জাগায় এবং এটি কেবল তখনই উৎপন্ন হয় যখন কোনো বস্তু কাঁপে বা কম্পিত হয়।
বস্তুর দ্রুত সামনের ও পেছনের বা এদিক-ওএদিকের গতিকে কম্পন বলে, যা চারপাশের বায়ুকে সংকুচিত ও প্রসারিত করে শব্দ তৈরি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কম্পনশীল বস্তু থেকে শক্তি তরঙ্গাকারে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাধ্যমকে কাঁপিয়ে আমাদের কানে পৌঁছায়।
কার্যপ্রণালি: কোনো বস্তু যখন কাঁপে তখন তার সংস্পর্শে থাকা বায়ুকণার ওপর চাপ সৃষ্টি হয় এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের মাধ্যমে শব্দ সামনের দিকে অগ্রসর হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গিটার বা সেতারের তারে আঙুল দিয়ে টান দিলে তা দ্রুত কাঁপে এবং সুমধুর শব্দ উৎপন্ন করে।
ব্যাখ্যা: তারের এই যান্ত্রিক কম্পন চারপাশের বায়ুকে আন্দোলিত করে আমাদের কানে শব্দের অনুভূতি পাঠায়।
উদাহরণ ২: কোনো থালায় চামচ দিয়ে আঘাত করলে থালাটি কাঁপতে থাকে এবং শব্দ শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: আঘাতের ফলে থালার পরমাণুগুলো কম্পিত হয় এবং সেই কম্পন বায়ুর মাধ্যমে আমাদের পর্যন্ত পৌঁছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বস্তুর কম্পন — এটি সঠিক কারণ কম্পন ছাড়া কোনো শব্দ উৎপন্ন হতে পারে না।
B) প্রতিধ্বনি — এটি শব্দের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেখানে শব্দ কোনো বাধা পেয়ে ফিরে আসে, কিন্তু এটি শব্দ উৎপত্তির কারণ নয়।
C) বস্তুর তাপমাত্রা — তাপমাত্রা পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে পারে বা শব্দের বেগ বাড়াতে পারে, কিন্তু এটি সরাসরি শব্দ উৎপন্ন করে না।
D) শব্দ তরঙ্গ — শব্দ তরঙ্গ হলো শব্দের প্রচার বা চলার মাধ্যম, যা কম্পনের ফলে সৃষ্টি হয় কিন্তু নিজে উৎপত্তির মূল কারণ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
কম্পন মানেই আন্দোলন বা কাঁপুনি, আর কম্পন থাকলেই শব্দ হবে।
শব্দ সৃষ্টির মূল চাবিকাঠি হলো বস্তুর দ্রুত গতি বা কম্পন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন, তাই শূন্য বা বায়ুশূন্য স্থানে শব্দ শোনা যায় না।
এই প্রশ্নটি থেকে প্রায়ই শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ বা শব্দের তীব্রতা সম্পর্কিত অন্য প্রশ্ন পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) সর্বত্র
১. কেন সঠিক:
ব্যাকটেরিয়া হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অভিযোজিত এককোষী অণুজীব যা পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি পরিবেশেই বেঁচে থাকতে পারে।
এদের চরম পরিবেশেও বেঁচে থাকার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে যা এদের সর্বত্র উপস্থিতি নিশ্চিত করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ব্যাকটেরিয়া প্রোপ্রারিওটিক বা আদি কোষী অণুজীব যা অত্যন্ত দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে পারে এবং বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে স্পোর বা গুটি তৈরি করে টিকে থাকে।
কার্যপ্রণালি: এরা মৃতজীবী, পরজীবী বা স্বনির্ভর হিসেবে মাটি, পানি, বাতাস এবং অন্যান্য জীবের দেহের ভেতর ও বাইরে সর্বত্র খাদ্য সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া ই কোলাই বাস করে।
ব্যাখ্যা: এটি হজমে সাহায্য করে এবং আমাদের শরীরের ভেতরেও ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি প্রমাণ করে।
উদাহরণ ২: গভীর সমুদ্রের হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট বা উষ্ণ প্রস্রবণে ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে বাতাস বা মাটি ছাড়াও চরম তাপমাত্রার অঞ্চলেও ব্যাকটেরিয়া বেঁচে থাকতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্থলে — মাটি ব্যাকটেরিয়ার প্রধান আবাস হলেও শুধু স্থলেই সীমাবদ্ধ নয়, কারণ জল ও বাতাসেও প্রচুর ব্যাকটেরিয়া থাকে।
B) জলে — মহাসাগর থেকে পুকুরের পানিতে ব্যাকটেরিয়া থাকে তবে এটি সম্পূর্ণ পরিবেশের একটি অংশ মাত্র।
C) বাতাসে — বাতাসে ধূলিকণা ও জলীয় বাষ্পের সাথে ব্যাকটেরিয়া ভেসে বেড়ায় কিন্তু এটি এদের একমাত্র বাসস্থান নয়।
D) সর্বত্র — এই উত্তরটি সঠিক কারণ ব্যাকটেরিয়া স্থল, জল, বাতাস, জীবদেহ এবং চরম পরিবেশসহ মহাবিশ্বের প্রায় সব জায়গাতেই উপস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
ব্যাকটেরিয়া হলো প্রকৃতির সর্বঘাঁটির জীব, তাই এর উত্তর হবে সর্বত্র।
মাটি, পানি, বাতাস বা জীবদেহ যেখানেই হাত দাও না কেন, ব্যাকটেরিয়া সেখানে পাবেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ব্যাকটেরিয়া পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন জীবগুলোর একটি।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের প্রধান উপাদান কী, যার উত্তর হলো পেপ্টিডোগ্লাইকান।
সঠিক উত্তর: B) অ্যাড্রিনালিন গ্রন্থি
১. কেন সঠিক:
- অ্যাড্রিনালিন গ্রন্থি বা এড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
- এই হরমোন রক্তনালী সংকুচিত করে এবং হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে সাময়িকভাবে রক্তচাপ বৃদ্ধি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: মানবদেহের বৃক্কের ওপরে অবস্থিত এড্রিনাল গ্রন্থি থেকে এড্রিনালিন হরমোন নিঃসৃত হয়।
- কার্যপ্রণালি: জরুরি পরিস্থিতিতে বা ভয়ের সময় এই হরমোন রক্তে মিশে রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেহকে প্রস্তুত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হঠাৎ ভয় পেলে বুক ধড়ফড় করা।
ব্যাখ্যা: এসময় এড্রিনালিন হরমোন দ্রুত নিঃসৃত হয়ে হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।
উদাহরণ ২: অতিরিক্ত রাগ বা উত্তেজনার সময় শরীর কেঁপে ওঠা।
ব্যাখ্যা: এই হরমোনের প্রভাবে রক্তনালী সংকুচিত হয় এবং রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থাইরয়েড গ্রন্থি — এটি বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর সমস্যার কারণে ওজনের পরিবর্তন ঘটে, সরাসরি উচ্চ রক্তচাপের প্রধান কারণ এটি নয়।
B) অ্যাড্রিনালিন গ্রন্থি — এটি সরাসরি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে এবং উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী হরমোন নিঃসরণ করে।
C) পিটুইটারী গ্রন্থি — এটি মাস্টার গ্ল্যান্ড বা প্রধান গ্রন্থি যা অন্যান্য হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে, সরাসরি উচ্চ রক্তচাপ ঘটায় না।
D) অগ্নাশয় — এটি ইনসুলিন হরমোন তৈরি করে যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, রক্তচাপের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
জরুরি অবস্থার হরমোন এড্রিনালিন রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।
এড্রিনাল গ্রন্থি বৃক্কের ওপরে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এড্রিনালিন হরমোনকে ইমার্জেন্সি হরমোন বা আপৎকালীন হরমোন বলা হয়।
এই ধরনের প্রশ্ন মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত অধ্যায় থেকে প্রায়ই বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) বসুধা
১. কেন সঠিক:
'বসুধা' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ পৃথিবী।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে এটি অত্যন্তFrequently ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমার্থক বা প্রতিশব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে সামঞ্জস্য বা মিল থাকে।
বাংলা ভাষায় পৃথিবী শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সমার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পৃথিবী
ব্যাখ্যা: এটি এই প্রশ্নের মূল নির্দেশক শব্দ যার অন্যান্য সমার্থক রূপও একই অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: ধরণী
ব্যাখ্যা: এটি 'পৃথিবী' শব্দের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাকেয়া — এই শব্দটির সঙ্গে পৃথিবী শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি কোনো পরিচিত প্রতিশব্দ নয়।
B) সমতা — এই শব্দটির অর্থ সমান ভাব বা সাম্য, যা পৃথিবীর সমার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) ভালাওল — এটি কোনো অর্থবহ বাংলা সমার্থক শব্দ বা প্রমিত শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
পৃথিবী শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো বসু, ধরা, ধরণী, অবনী ও মেদিনী এই শব্দগুলোকে একসঙ্গে মনে রাখা।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসুধা ও অবনী শব্দ দুটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
একই শব্দের বিভিন্ন রূপ এবং তৎসম ও তদ্ভব রূপ আলাদা করার অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ২৪ জন
১. কেন সঠিক:
চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন। ডক্টর সুকুমার সেন ও অন্যান্য গবেষকদের মতে চর্যাপদে পদ রচয়িতা বা কবির সংখ্যা মোট চব্বিশ জন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাচর্যবিনিশ্চয় পুথিটি আবিষ্কার করেন। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর কবিরা ছিলেন মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভুসুকুপা
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের অন্যতম প্রধান একজন পদকর্তা হলেন ভুসুকুপা যিনি সবচেয়ে বেশি আটটি পদ রচনা করেছিলেন।
উদাহরণ ২: লুইপা
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা হলেন লুইপা এবং তাকে চর্যাপদের আদি কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৭ জন — এটি ভুল কারণ চর্যাপদের কবির সংখ্যা পঁচিশ বা সাতাশ জন নয় বরং প্রামাণিক তথ্য অনুযায়ী চব্বিশ জন।
B) ২৬ জন — এটি ভুল কারণ ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক গবেষণায় চর্যাপদের কবির সংখ্যা ছাব্বিশ জন বলে প্রমাণিত নয়।
D) ২৫ জন — এটি ভুল কারণ কিছু পুথির খণ্ডিত অবস্থার কারণে কবির সংখ্যা নিয়ে মতভেদ থাকলেও সর্বসম্মত ও স্বীকৃত সংখ্যা চব্বিশ জন।
৫. মনে রাখার টিপস:
চর্যাপদের কবি সংখ্যা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো চব্বিশ জন কবি এবং পদ সাড়ে ছেচল্লিশটি। প্রথম কবি লুইপা এবং সর্বোচ্চ পদ রচয়িতা ভুসুকুপার পদ সংখ্যা আটটি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের মোট পদ, আবিষ্কারক এবং প্রথম কবির নাম জিজ্ঞাসা করা হয়। চর্যাপদের ভাষাকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সান্ধ্য ভাষা বললেও পরে ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় একে বঙ্গকামরূপী বা প্রাচীন বাংলা হিসেবে প্রমাণ করেন।
সঠিক উত্তর: D) কৃত্তিবাস ওঝা
১. কেন সঠিক:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে আদিকবি কৃত্তিবাস ওঝা সংস্কৃত রামায়ণ বাংলায় সফলভাবে অনুবাদ করেন।
- তাঁর এই অনুবাদ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে রামায়ণ অনুবাদের ক্ষেত্রে প্রথম ও সবচেয়ে জনপ্রিয় সংস্করণ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কৃত্তিবাস ওঝা পঞ্চদশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট অনুবাদক ও কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।
- গৌড়ের অধিপতি রাজা বা সুলতানের অনুরোধে তিনি সংস্কৃত রামায়ণ বাংলায় পয়ার ছন্দে অনুবাদ করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃত্তিবাস ওঝার রামায়ণ (শ্রীরামপাঞ্চালী)
ব্যাখ্যা: এটি কৃত্তিবাস ওঝার অমর সৃষ্টি যা বাংলা ঘরে ঘরে পরিচিত এবং বাঙালির অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: কাশীরাম দাসের মহাভারত
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের অপর একটি বিখ্যাত অনুবাদ সাহিত্য যা মূল সংস্কৃত মহাভারতের বাংলা রূপান্তর।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কনলিনীকান্ত ভট্টশালী — ইনি প্রাচীন বাংলার ইতিহাস ও প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার সঙ্গে যুক্ত একজন বিখ্যাত পন্ডিত, অনুবাদক নন।
B) কাশীরাম দাস — ইনি সংস্কৃত রামায়ণ নয়, বরং মহাভারত বাংলায় অনুবাদ করে বিখ্যাত হয়েছেন।
C) মালাধর বসু — ইনি সংস্কৃত রামায়ণ বা মহাভারত নয়, বরং ভাগবত পুরাণ ও শ্রীমদভাগবতের কিছু অংশ নিয়ে শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্য রচনা করেন।
D) কৃত্তিবাস ওঝা — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনিই প্রথম বাংলায় সংস্কৃত রামায়ণ অনুবাদ করেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রামায়ণ অনুবাদের জন্য 'কৃত্তিবাস ওঝা' এবং মহাভারত অনুবাদের জন্য 'কাশীরাম দাস' নামটি মনে রাখবে।
- রাম ও কৃত্তিবাস উভয়ের নাম মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যে রামায়ণের অনুবাদক কৃত্তিবাস ওঝা এবং মহাভারতের অনুবাদক কাশীরাম দাস বারবার বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- মূল গ্রন্থ এবং তার অনুবাদকের নাম মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডিদাস
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পংক্তিটির রচয়িতা মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি চণ্ডিদাস।
- মানবতাবাদ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে এই পংক্তিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা হিসেবে বড়ু চণ্ডিদাসকে বিবেচনা করা হয়।
- তাঁর রচিত একমাত্র প্রামাণিক কাব্য শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের সমাজ ও সংস্কৃতির এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চণ্ডিদাসের পদাবলি।
ব্যাখ্যা: মানবপ্রেম ও বিরহের অনুভূতির জন্য চণ্ডিদাসের পদসমূহ বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে।
উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি বড়ু চণ্ডিদাস কর্তৃক রচিত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের কাহিনি সংবলিত একটি প্রাকৃত নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডিদাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ উদ্ধৃত পংক্তিটি তাঁরই অমর সৃষ্টি।
B) জ্ঞানদাস — ইনি মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট বৈষ্ণব পদকর্তা হলেও এই পংক্তির রচয়িতা নন।
C) মুকুন্দরাম — ইনি মঙ্গলকাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়।
D) গোবিন্দ দাস — ইনি করচা ও পদাবলি সাহিত্যের জন্য খ্যাত হলেও এই পংক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানুষের জয়গান গেয়েছেন যিনি, সেই চণ্ডিদাসের নাম মনে রাখলেই এই পংক্তিটি সহজে মনে থাকবে।
- সবার উপরে মানুষ সত্য, এই মানবতাবাদী বাণীর প্রধান প্রবক্তা চণ্ডিদাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবি ও তাঁদের বিখ্যাত পংক্তি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মানবতাবাদী সাহিত্যকর্ম এবং চর্যাপদ বা মধ্যযুগের প্রবাদপ্রতিম লাইনগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) শাহ মুহম্মদ সগীর
১. কেন সঠিক:
'ইউসুফ-জোলেখা' বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন এবং জনপ্রিয় একটি প্রণয়োপাখ্যান।
শাহ মুহম্মদ সগীর সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এই কাব্য রচনা করেন এবং এটি বাংলা ভাষার আদিযুগের মুসলিম কবিদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগের মুসলিম কবি হিসেবে মধ্যযুগের কাব্যধারায় বিশেষ অবদান রেখে গেছেন।
তাঁর রচিত 'ইউসুফ-জোলেখা' কাব্যটি মূলত ফার্সি সাহিত্যের আদলে রচিত হলেও এতে বাঙালি সংস্কৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ সুলতান রচিত 'নবী বংশ' মধ্যযুগের অন্যতম একটি বিখ্যাত ধর্মীয় ও সাহিত্যিক কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মুসলিম সাহিত্যধারার ঐতিহ্য এবং সুফি সাহিত্যের বিস্তৃতি বোঝাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিদর্শন।
উদাহরণ ২: দৌলত উজির বাহরাম খানের 'লায়লী মজনু' কাব্যটি মধ্যযুগের আরেকটি জনপ্রিয় প্রণয়োপাখ্যান।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি শাহ মুহম্মদ সগীরের 'ইউসুফ-জোলেখা' কাব্যের সমসাময়িক ফার্সি প্রভাবপুষ্ট প্রণয়মূলক ধারার প্রতিনিধিত্ব করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলাওল — আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি হলেও তিনি 'পদ্মাবতী' ও 'সপ্তপয়কর' কাব্য রচনা করেছেন, 'ইউসুফ-জোলেখা' নয়।
B) মাসন ঠাকুর — মাসন ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন বা মধ্যযুগের কোনো পরিচিত কবি নন এবং তাঁর নামে কোনো বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম নেই।
C) শাহ মুহম্মদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ভুল অপশনের তালিকায় বিবেচ্য নয়।
D) বাহরাম খান — দৌলত উজির বাহরাম খান 'লায়লী মজনু' কাব্য রচনা করেছেন, যা শাহ মুহম্মদ সগীরের 'ইউসুফ-জোলেখা' থেকে আলাদা।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইউসুফ নামের শুরুতে স অক্ষর আছে এবং রচয়িতা শাহ মুহম্মদ সগীরের নামেও স অক্ষর রয়েছে।
এই মিলটি মনে রাখলে পরীক্ষাকলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি কে এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যের নাম কী, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
একইভাবে বিভিন্ন কবির প্রণয়োপাখ্যানগুলোর নাম আলাদা করে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) মুকুন্দ চক্রবর্তী
১. কেন সঠিক:
মুকুন্দ চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত।
তাঁর কাব্যের সাহিত্যিক মান, চরিত্রগুলোর বাস্তবধর্মী রূপায়ন এবং বর্ণনাভঙ্গির মুন্সিয়ানা তাঁকে অন্যান্য চণ্ডীমঙ্গলের কবিদের তুলনায় অনন্য উচ্চতা দিয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মুকুন্দ চক্রবর্তী ষোল শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বর্ধমান জেলার দামিন্যা গ্রামের নিবাসী ছিলেন এবং তিনি কবিকঙ্কণ উপাধিতে ভূষিত হন।
তাঁর রচিত 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যটি 'কবিকঙ্কণ চণ্ডী' নামেও পরিচিত এবং এতে তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রারম্ভিক নিদর্শন যা বড়ু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত।
উদাহরণ ২: অন্নদামঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি অষ্টাদশ শতকের মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ উল্লেখযোগ্য কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিজরাম দাস — ইনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের একজন কম পরিচিত কবি হলেও শ্রেষ্ঠ কবি নন।
B) রূপরাম চক্রবর্তী — ইনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অন্যতম কবি হলেও মুকুন্দ চক্রবর্তীর মতো শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পাননি।
C) দ্বিজমাধব — ইনিও চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের একজন কবি ছিলেন কিন্তু তাঁর কাব্য মুকুন্দ চক্রবর্তীর সমকক্ষ বা শ্রেষ্ঠ বিবেচিত হয় না।
D) মুকুন্দ চক্রবর্তী — প্রদত্ত প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর এবং অন্যান্য অপশনগুলো এর শ্রেষ্ঠত্বের মানে পৌঁছাতে পারেনি।
৫ মনে রাখার টিপস:
মঙ্গলকাব্যের মধ্যে চণ্ডীমঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবি মনে রাখার জন্য কবিকঙ্কণ মুকুন্দ চক্রবর্তীর উপাধি ও তাঁর কাব্য নামের প্রথম অংশ মিলিয়ে নিতে পারো।
পরীক্ষায় শ্রেষ্ঠ কবি আসলেই চোখ বন্ধ করে মুকুন্দ চক্রবর্তী বা কবিকঙ্কণ মুকুন্দ উত্তর নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কবিকঙ্কণ কার উপাধি, যার উত্তর মুকুন্দ চক্রবর্তী।
একইভাবে ধর্মমঙ্গল বা মনসামঙ্গল কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবিদের নামগুলোও আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) গবাক্ষ
১. কেন সঠিক:
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো সেই সন্ধি যা ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না এবং প্রাকৃত বা প্রচলিত নিয়মে সাধিত হয়।
গবাক্ষ শব্দটি গো এবং অক্ষ শব্দের মিলনে গঠিত হলেও এটি স্বাভাবিক স্বরসন্ধি বা ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসরণ না করে নিপাতনে সিদ্ধ হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
সাধারণত সন্ধির নির্দিষ্ট নিয়ম বা সূত্র থাকে কিন্তু নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম কাজ করে না।
এই জাতীয় সন্ধিগুলো ব্যাকরণবিদদের মতে সরাসরি মুখস্থ রাখতে হয় কারণ এগুলো প্রথাগত নিয়মের বাইরে সাধিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চষক (চশ + অক = চষক)
ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ যা সাধারণ নিয়মের বাইরে সাধিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরস্পর (পর + পর = পরস্পর)
ব্যাখ্যা: এটিও ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম না মেনে নিপাতনে সিদ্ধ প্রক্রিয়ায় গঠিত একটি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যদ্যপি — এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয় বরং এটি ই-কার বা ঈ-কার এবং উ-কার বা ঊ-কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে য-ফলা বা ব-ফলা হওয়ার নিয়মিত স্বরসন্ধি (যদি + অপি = যদ্যপি) এর মাধ্যমে গঠিত।
B) লবণ — এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয় বরং এটি অচি বা ও-কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে অব আদেশ হওয়ার নিয়মিত স্বরসন্ধি (লো + অন = লবণ) এর মাধ্যমে সাধিত হয়েছে।
C) গবাক্ষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ গো এবং অক্ষ মিলে গবাক্ষ শব্দ গঠিত হয় যা কোনো সাধারণ সন্ধির নিয়ম মেনে চলে না এবং নিপাতনে সিদ্ধ হয়।
D) সংসার — এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয় বরং এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মিত নিয়মে ম-কার এর পর দন্ত্য স থাকলে ম-কারের স্থানে অনুস্বার হওয়ার নিয়ম (সম + সার = সংসার) মেনে সাধিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
গবাক্ষ শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি গরুর চোখের সাথে সম্পর্কিত এবং এটি কোনো সাধারণ নিয়ম মানে না।
নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলো পরীক্ষার জন্য আলাদা করে তালিকা তৈরি করে নিয়মিত চর্চা করলে সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই গবাক্ষ, পরস্পর, চষক, এবং সংস্কৃতর মতো গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সাধারণ সন্ধির নিয়ম যেখানে প্রযোজ্য হয় না সেখানেই নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির ধারণা প্রয়োগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) বেকার
১. কেন সঠিক:
- বেকার শব্দটি গঠিত হয়েছে ফার্সি উপসর্গ বে এবং বাংলা কার শব্দ মিলে। এখানে বে উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ চিহ্নিত করার সময় শব্দের মূল অংশ আলাদা করে তার পূর্বে যুক্ত অব্যয় বা উপসর্গটি শনাক্ত করতে হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যথা বাংলা উপসর্গ তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশী উপসর্গ।
- বিদেশী উপসাগরের মধ্যে আরবি ফার্সি ইংরেজি ও হিন্দি উপসর্গ অন্যতম। ফার্সি উপসাগরের তালিকা বেশ দীর্ঘ যেমন কম দর বর বে বদ নিম খাস লা ফির ফি ইত্যাদি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বদনাম
ব্যাখ্যা: এখানে বদ একটি ফার্সি উপসর্গ যা খারাপ বা মন্দ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কমবখ্ত
ব্যাখ্যা: এখানে কম একটি ফার্সি উপসর্গ যা অল্প বা কম অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেকার — সঠিক উত্তর কারণ এটি বিদেশী উপসর্গ দিয়ে গঠিত।
B) বিকার — এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে বি উপসর্গটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি বিদেশী উপসর্গ নয়।
C) নিদাঘ — এটি নি উপসর্গযুক্ত তৎসম শব্দ যার অর্থ তীব্র গরম এবং এটি বিদেশী উপসাগরের আওতাভুক্ত নয়।
D) নিবার — এটিও নি উপসর্গযোগে গঠিত একটি শব্দ যা তৎসম উৎসের এবং বিদেশী উপসর্গ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফার্সি উপসর্গগুলো মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো কার দর কম বর বে বদ নিম খাস লা ফির ফি। এই শব্দগুলোর সাথে মিল রেখে শব্দ গঠিত হলে তা বিদেশী উপসর্গ হিসেবে চিহ্নিত হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ থেকে প্রশ্ন আসে তাই খাঁটি বাংলা তৎসম এবং বিদেশী উপসাগরগুলোর সুনির্দিষ্ট তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি। উপসর্গ শব্দের অর্থ পরিবর্তন বা সংকোচন প্রসারণ করতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: B) পাঁচ প্রকার
১. কেন সঠিক:
উৎস বা উৎপত্তিগত দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই শ্রেণিবিভাগটি বাংলা শব্দভান্ডারের উৎস নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
উৎসগত দিক থেকে বাংলা শব্দগুলোকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি এই পাঁচভাগে বিভক্ত করা হয়। বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে এই পাঁচটি উৎসের সন্ধান মেলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, তাই এটি তৎসম শব্দ।
উদাহরণ ২: কুলা
ব্যাখ্যা: এটি প্রাক-আর্য বা আদিবাসীদের ভাষা থেকে আগত, তাই এটি দেশি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিন প্রকার — উৎসগত দিক থেকে শব্দের সংখ্যা তিন নয়, কারণ এতে দেশি ও বিদেশি শব্দ বাদ পড়ে যায়।
B) পাঁচ প্রকার — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি উৎসগত দিক থেকে শব্দের সর্বজনস্বীকৃত সঠিক সংখ্যা।
C) চার প্রকার — চার প্রকার বলতে সাধারণত পদের প্রকারভেদ বা অন্য কোনো ব্যাকরণগত বিভাগ বোঝায়, যা শব্দের উৎসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) ছয় প্রকার — উৎসগত বা উৎপত্তিগত দিক থেকে শব্দের শ্রেণিবিভাগে ছয় প্রকারের কোনো অস্তিত্ব নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
উৎসগত শব্দের প্রকারভেদ সহজে মনে রাখার কৌশল হলো শব্দটির উৎস বা উৎপত্তি বোঝাতে পাঁচ আঙুলের হাতের কথা ভাবা। ত-ত-ত-দে-বি অর্থাৎ তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় তদ্ভব বা অর্ধতৎসম শব্দ কোনটি, তাই ৫ প্রকারের সংজ্ঞা ও উদাহরণ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। একই ধরনের প্রশ্নে গঠনগত দিক থেকে শব্দ দুই প্রকার (সাধিত ও মৌলিক) তা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সূত্রপাত
১. কেন সঠিক:
- উপক্রম শব্দের অর্থ হলো কোনো কাজের সূচনা বা শুরু হওয়া এবং সূত্রপাত শব্দের অর্থও একই রকম।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে মূল শব্দের সাথে ভাবের মিল খুঁজে বের করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ বিষয়ক বাংলা ব্যাকরণের একটি অংশ।
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় সমান বা কাছাকাছি এবং প্রসঙ্গভেদে একটির পরিবর্তে অন্যটি ব্যবহার করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সভার সূত্রপাত হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে সূত্রপাত শব্দ দ্বারা সভার শুরু হওয়া বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: নতুন প্রকল্পের উপক্রম হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে উপক্রম শব্দ দ্বারা প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়া বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সূত্রপাত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উপক্রম শব্দের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
B) চেষ্টা — এটি ভুল কারণ চেষ্টা শব্দের অর্থ প্রয়াস বা সাধনা, যা কোনো কাজের শুরু বোঝায় না।
C) আরম্ভ — এটি আংশিক কাছাকাছি হলেও উপক্রম শব্দের সবচেয়ে নিখুঁত ও প্রমিত সমার্থক হিসেবে সূত্রপাতকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।
D) প্রয়াস — এটি ভুল কারণ প্রয়াস শব্দের অর্থ প্রচেষ্টা বা উদ্যোগ, যা সূচনার সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপক্রম এবং সূত্রপাত দুটি শব্দই কোনো বিষয়ের শুরু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এদের জমজ ভাই হিসেবে মনে রাখতে পারো।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় মূল শব্দের ভাবার্থ বা সূক্ষ্ম তফাত খেয়াল করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় কাছাকাছি অর্থের একাধিক শব্দ অপশনে থাকে, যার মধ্যে সবচেয়ে মানানসই শব্দটি বেছে নিতে হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে শব্দের প্রচলিত ব্যবহার এবং প্রমিত রূপের ওপর জোর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারিত হয়।
ভাষার লিখিত রূপের চেয়ে মৌখিক রূপের শুরুতেই ধ্বনির উৎপত্তি হয় বলে এটি ভাষার ক্ষুদ্রতম ভাষিক একক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্য বা শব্দ বিশ্লেষণ করলে সবচেয়ে ছোট যে অবিভাজ্য একক পাওয়া যায় তা হলো ধ্বনি।
মুখের উচ্চারित আওয়াজ যখন অর্থ প্রকাশ করে তখন তা ভাষিক ধ্বনিতে পরিণত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ
ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক ধ্বনি যা উচ্চারিত হওয়ার সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য নেয় না।
উদাহরণ ২: ম
ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি যা মুখবিবরে উচ্চারিত হয়ে ভাষার শব্দ গঠনে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, তাই এটি ক্ষুদ্রতম ভাষিক একক নয় বরং ক্ষুদ্রতম লিপিভিত্তিক একক।
B) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর।
C) অক্ষর — অক্ষর হলো কথার একবারে উচ্চারিত অংশ, যা ধ্বনির চেয়ে বড় একক।
D) শব্দ — শব্দ হলো এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণের সমষ্টি, যা ধ্বনির চেয়ে বহු গুণে বড় একক।
৫. মনে রাখার টিপস:
কান দিয়ে যা শুনি এবং মুখ দিয়ে যা উচ্চারণ করি তা হলো ধ্বনি।
ধ্বনি হলো ভাষার সবচেয়ে ছোট কণা বা একক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষা সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি খুবই কমন।
কখনো প্রশ্ন আসে ভাষার ক্ষুদ্রতম লিখিত একক কী, যার উত্তর হবে বর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) উপসর্গের
১. কেন সঠিক:
- উপসর্গের নিজস্ব কোনো স্বাধীন অর্থবাচকতা বা অর্থ প্রকাশের ক্ষমতা নেই।
- উপসর্গগুলো শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না এবং এর কোনো স্বতন্ত্র অর্থ থাকে না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্র
ব্যাখ্যা: প্র একটি উপসর্গ, যার নিজস্ব কোনো অর্থ নেই কিন্তু হারের আগে বসে প্রহার শব্দ তৈরি করে অর্থের পরিবর্তন ঘটায়।
উদাহরণ ২: পরি
ব্যাখ্যা: পরি উপসর্গটি একা কোনো অর্থ প্রকাশ করে না, তবে পূর্নের আগে বসে পরিপূর্ণ শব্দ গঠন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারকের — কারক বাক্যে ব্যবহৃত বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ক নির্দেশ করে এবং এর অর্থ বোঝার ক্ষমতা আছে।
B) অনুসর্গের — অনুসর্গগুলো স্বাধীন পদ হিসেবে বা বিভক্তির মতো ব্যবহৃত হয়ে নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে।
D) ধাতুর — ধাতুটি ক্রিয়ার মূল এবং এর স্পষ্ট অর্থবাচকতা রয়েছে যা থেকে ক্রিয়া গঠিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপসর্গ মানে উপরি বা সামনে বসা অংশ যার নিজের কোনো স্বতন্ত্র অর্থ নেই।
- মনে রাখবে উপসর্গ অন্যের ঘাড়ে চড়ে নিজের প্রভাব দেখায় কিন্তু একা তার দাম নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলায় উপসর্গ মোট একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ কুড়িটি।
- উপসর্গের কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন করা এবং অর্থের উৎকর্ষ বা অপকর্ষ সাধন করা।
সঠিক উত্তর: C) ধানক্ষেত
১. কেন সঠিক:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ধানক্ষেত।
নিমন্ত্রণ কবিতাটি এই ধানক্ষেত কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যে পল্লীকবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত।
তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: সোজন বাদায় ঘাট
ব্যাখ্যা: এটিও জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত প্রণয়মূলক কাহিনীকাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বালুচর — এটি জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ হলেও এতে নিমন্ত্রণ কবিতাটি নেই।
B) রাখালী — এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ এবং এতে এই কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত নয়।
C) ধানক্ষেত — এটিই সঠিক উত্তর কারণ নিমন্ত্রণ কবিতাটি এই গ্রন্থে রয়েছে।
D) মাটির কান্না — এটি জসীমউদ্দীনের পরিচিত কোনো কাব্যগ্রন্থের নাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
পল্লীকবির ধানক্ষেতে নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে যাওয়া যায়, এভাবে মনে রাখতে পারো।
ধানক্ষেত কাব্যগ্রন্থের নাম দেখলেই জসীমউদ্দীনের নিমন্ত্রণ কবিতার কথা স্মরণ করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী এবং তাঁর সর্বাধিক পরিচিত কাব্য নকশী কাথার মাঠ।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পল্লীকবির বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়শই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
সঠিক উত্তর: B) দুর্গেশনন্দিনী
১. কেন সঠিক:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দুর্গেশনন্দিনী হলো বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক উপন্যাস।
১৮৬৫ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের প্রকৃত ধারা সূচিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত।
দুর্গেশনন্দিনী একটি ঐতিহাসিক প্রণয় উপন্যাস যার পটভূমি ছিল মোঘল ও পাঠানের দ্বন্দ্ব।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপালকুণ্ডলা
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি রোমান্টিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত প্রথম সামাজিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নরবাবু বিলাস — এটি কোনো মৌলিক উপন্যাস নয় এবং বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এর কোনো স্থান নেই।
B) দুর্গেশনন্দিনী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) ফুলমণি ও করুণার বিবরণ — এটি হ্যানসন ম্যালেন্স রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস হলেও একে সার্থক উপন্যাস বলা হয় না।
D) অঙ্গুরীয় বিনিময় — এটি ভূদেব মুখোপাধ্যায় রচিত প্রথম বাংলা ঐতিহাসিক উপন্যাস তবে তা সার্থক উপন্যাসের মর্যাদা পায়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
বঙ্কিম মানেই প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।
লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং প্রথম উপন্যাস হিসেবে এর গুরুত্ব অপরিসীম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী পরীক্ষায় বারবার আসে।
উপন্যাসটির প্রকাশসাল ১৮৬৫ সাল ভালোভাবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ধ্বনিতে ধ্বনিতে মিলকে
কেন সঠিক:
সন্ধি মানে মিলন এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি কেবল পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বোঝায়।
প্রথম শব্দের শেষ ধ্বনি এবং দ্বিতীয় শব্দের প্রথম ধ্বনি মিলে এক নতুন ধ্বনি তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো সন্ধি।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলা হয় যা উচ্চারণের দ্রুততা ও সহজতার জন্য সাধিত হয়।
বাংলা ব্যাকরণে পদের মিলনকে সমাস বলা হলেও ধ্বনির মিলনকে সর্বদা সন্ধি হিসেবে গণ্য করা হয়।
যেমন বিদ্যা যোগ আলয় সমান বিদ্যালয় এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদে পদে মিলকে — এটি সমাসের সংজ্ঞা কারণ সমাস একাধিক পদের মিলন ঘটিয়ে একটি পদ তৈরি করে।
B) শব্দে শব্দে মিলকে — এটি ব্যাকরণে সন্ধির সঠিক সংজ্ঞা নয় কারণ শব্দ সরাসরি না মিলে ধ্বনি বা বর্ণ মিলে।
C) ধ্বনিতে ধ্বনিতে মিলকে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি মূল নিয়ম।
D) উপসর্গে শব্দে মিলকে — এটি উপসর্গ যোগে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া যা সন্ধির সংজ্ঞা নয়।
মনে রাখার টিপস:
সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন এবং এটি সবসময় ধ্বনি বা বর্ণের সাথে সম্পর্কিত থাকে।
পদ মিললে সমাস হয় আর ধ্বনি মিললে সন্ধি হয় এই পার্থক্যটি মনে রাখলে ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: B) অবিনশ্বর
১. কেন সঠিক:
- 'যা কখনো নষ্ট হয় না' বাক্যটির এককথায় প্রকাশ হলো অবিনশ্বর।
- এখানে বি নষ্ট বা বিনাশ বোঝায় এবং নশ্বর শব্দের অর্থ যা ধ্বংসশীল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
- বাক্যের অর্থ সংক্ষিপ্ত করে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্য সংকোচন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা কখনো নষ্ট হয় না = অবিনশ্বর
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির মাধ্যমে কোনো কিছুর অবিনাশী বা অমর সত্তাকে বোঝানো হয়।
উদাহরণ ২: যা সহজে জয় করা যায় না = দুর্জয়
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বহুল ব্যবহৃত বাক্য সংকোচন যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনষ্টভাব — এই শব্দটির কোনো প্রচলিত বা সঠিক ব্যাকরণগত অর্থ নেই।
B) অবিনশ্বর — এটি সঠিক উত্তর।
C) অবিনষ্ট — এই শব্দটির অর্থ যা নষ্ট হয়নি, তবে এটি বাক্য সংকোচনের যথাযথ রূপ নয়।
D) অনাহত — এই শব্দটির অর্থ যাকে আঘাত করা হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ন শব্দের অর্থ না এবং বিনশ্বর অর্থ ধ্বংসশীল।
- তাই যা ধ্বংস হয় না তাকে অবিনশ্বর বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য সংকোচন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- মূল শব্দের অর্থ বুঝতে পারলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) রূপার কৌটা
১. কেন সঠিক:
- মুনীর চৌধুরী বিশ্বখ্যাত নাট্যকার জন গলসওয়ার্থির দ্য সিলভার বক্স নাটকটি বাংলায় রূপান্তর করে রূপার কৌটা নামে প্রকাশ করেন।
- এটি মূলত সামাজিক অবিচার এবং আইনের বৈষম্য নিয়ে রচিত একটি অনুবাদ নাটক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মুনীর চৌধুরী একাধারে নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং ভাষাবিজ্ঞানী ছিলেন যিনি ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থেকে কারাবরণ করেছিলেন।
- তার মৌলিক নাটকের মধ্যে কবর এবং রক্তাক্ত প্রান্তর অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কেউ কিছু বলে না
ব্যাখ্যা: এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত আরেকটি নাটক যার মূল রচয়িতা নরওয়েজীয় নাট্যকার হেনরিক ইবসেন।
উদাহরণ ২: নষ্টনীড়
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় চার অধ্যায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেননি তবে চারুুলতা চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপার কৌটা — এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক এবং এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
B) রূপান্তর — এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক নয় বরং এটি অন্য কোনো লেখকের সাহিত্যকর্ম।
C) বাগদাদের কবি — এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক নয় এবং এটি এই লেখকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) মাইল পোস্ট — এটি মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক নয় বরং এটি মুনীর চৌধুরীর মৌলিক বা অনূদিত নাটকের তালিকায় নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুনীর চৌধুরীর অনুবাদ নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তিনি রূপার কৌটা এবং কেউ কিছু বলে না অনুবাদ করেছিলেন।
- নাটকের নাম মনে রাখতে নাট্যকারের অনুবাদের তালিকা বারবার দেখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় অনুবাদ নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই বিদেশি নাটকের বাংলা রূপান্তরগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
- একই সঙ্গে মৌলিক নাটক ও অনুবাদ নাটকের তফাত পরিষ্কার রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) তৃষ্ণা
কেন সঠিক:
- তৃষ্ণা হলো বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক রচিত একটি জনপ্রিয় ছোটগল্পগ্রন্থ।
- লেখকের স্বতন্ত্র গদ্যশৈলী ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ এই গল্পগ্রন্থটির গল্পগুলোতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সাহিত্য প্রসঙ্গ: হাসান আজিজুল হক মূলত তার ছোটগল্পের জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী।
- গ্রামীণ জনপদের মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং মনস্তত্ত্ব তার রচনার প্রধান বিষয়।
- উদাহরণ: তার অন্যান্য বিখ্যাত ছোটগল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে শকুন, আগুনপাখি, বৃত্ততায়ন ইত্যাদি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) তাস — এই নামের কোনো বিখ্যাত ছোটগল্পগ্রন্থ হাসান আজিজুল হকের নয়।
- B) তৃষ্ণা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
- C) এলোমেলো — এটি হাসান আজিজুল হকের রচিত কোনো গ্রন্থ নয়।
- D) ধান কন্যা — এটি হাসান আজিজুল হকের সৃষ্ট কোনো সাহিত্যকর্ম নয়।
মনে রাখার টিপস:
- হাসান আজিজুল হকের নামের প্রথম অক্ষর হ এবং তৃষ্ণা ছোটগল্পগ্রন্থের শুরুতে ত আছে, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) আরেক ফালগুন
১. কেন সঠিক:
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক অন্যতম বিখ্যাত ও প্রামাণিক উপন্যাস হলো জহির রায়হানের আরেক ফালগুন।
এই উপন্যাসে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমি এবং একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
আরেক ফালগুন উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান।
এটি ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে এটি বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জহির রায়হানের বরফ গলা নদী।
ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হানের লেখা একটি সামাজিক উপন্যাস, যার বিষয়বস্তু ভাষা আন্দোলন নয়।
উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের আর্তনাদ।
ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলন বা একুশভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেকড়ে অরণ্য — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি উপন্যাস, যা ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয় বরং ভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত।
B) জীবন ক্ষুধা — এটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা দরিদ্র মানুষের জীবন সংগ্রাম নিয়ে রচিত।
C) আরেক ফালগুন — এটি জহির রায়হানের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) আনন্দের মৃত্যু — এটি কোনো বিখ্যাত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস নয় এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত সাহিত্য তালিকার বাইরে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের ফালগুন মাসকে মনে রাখলে জহির রায়হানের আরেক ফালগুন উপন্যাসটি সহজে স্মরণ রাখা যায়।
উপন্যাসটির লেখক জহির রায়হান নিজেই ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে জহির রায়হানের আরেক ফালগুন বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে।
একইভাবে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস বা নাটক মনে রাখার জন্য লেখকদের তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) পদ্মরাগ
১. কেন সঠিক:
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন মূলত প্রবন্ধ ও গল্পকার হলেও 'পদ্মমরাগ' তার একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
এই উপন্যাসের মূল সুর নারী মুক্তি, আত্মনির্ভরশীলতা এবং নারী শিক্ষার বিস্তার ঘটিয়ে সমাজ পরিবর্তনের বার্তা দেওয়া।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বেগম রোকেয়া বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং মুসলিম নারীদের অধিকার আদায়ের প্রথম কণ্ঠস্বর।
তার সাহিত্যকর্মের মধ্যে উপন্যাস বলতে একমাত্র 'পদ্মমরাগ' গ্রন্থটিকেই গণ্য করা হয় যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়া বা কল্পবিজ্ঞানধর্মী গল্প।
উদাহরণ ২: অবরোধবাসিনী
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত পর্দাপ্রথার কুফল নিয়ে লেখা একটি তীব্র ব্যঙ্গাত্মক ও বাস্তবধর্মী সামাজিক প্রবন্ধ গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মরাগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বেগম রোকেয়া রচিত একমাত্র উপন্যাস।
B) পদ্মাবতী — এটি রোকেয়ার রচনা নয়, এটি মধ্যযুগের কবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
C) মতিচুর — এটি উপন্যাস নয়, বরং এটি বেগম রোকেয়া রচিত নারী জাগরণমূলক প্রবন্ধের একটি বিখ্যাত সংকলন।
D) মতিমহল — এটি বেগম রোকেয়ার কোনো মৌলিক গ্রন্থ নয়, বরং মতিচুর গ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ডকে অনেক সময় ভুলবশত বা অনভিজ্ঞতাবশত এভাবে উল্লেখ করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
রোকেয়ার রচনা মনে রাখার কৌশল হলো মতিচুর তার প্রবন্ধ সংকলন এবং পদ্মরাগ হলো তার একমাত্র উপন্যাস।
উপন্যাসটির নামের শেষে রাগ শব্দ আছে যা দিয়ে নারী জাগরণের ক্ষোভ ও প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বেগম রোকেয়া নারী জাগরণের পথিকৃৎ হওয়ায় তার জন্ম ও মৃত্যু তারিখ এবং তার রচিত গ্রন্থগুলো থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
তার জন্ম ৯ ডিসেম্বর ১৮৮০ এবং মৃত্যু ৯ ডিসেম্বর ১৯৩২ সালে।
সঠিক উত্তর: D) উদাসীন পথিকের মনের কথা
১. কেন সঠিক:
মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত একটি উপন্যাস হলো উদাসীন পথিকের মনের কথা। এই উপন্যাসে তৎকালীন সময়ে গ্রামীণ বাংলার কৃষক সমাজের ওপর জমিদার ও নীলকর সাহেবদের ভয়াবহ নির্যাতন এবং শোষণ স্পষ্টভাবে চিত্রিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্য জগতের একজন অত্যন্ত প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তাঁর সাহিত্যকর্মে ঊনবিংশ শতাব্দীর মুসলিম সমাজের চিত্র এবং সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক পরিচিত ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, যার মূল বিষয়বস্তু ছিল সিরাজগঞ্জের কৃষক বিদ্রোহ এবং নীলকর সাহেবদের অত্যাচার।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হোতোম প্যাঁচার নকসা — এই বিখ্যাত নকশা গ্রন্থটির রচয়িতা কালীপ্রসন্ন সিংহ, যিনি হুতোম প্যাঁচা ছদ্মনামে এটি লিখেছিলেন।
B) আল্লালের ঘরের দুলাল — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস যার রচয়িতা প্যারীচাঁদ মিত্র বা টেকচাঁদ ঠাকুর।
C) কমলাকান্তের দপ্তর — এটি ভারতের প্রখ্যাত সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও মননশীল রচনা।
D) উদাসীন পথিকের মনের কথা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই উপন্যাসটির সফল রচয়িতা হলেন মীর মশাররফ হোসেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
মীর মশাররফ হোসেনের উপন্যাস ও নাটক মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তাঁর নামের প্রথম অক্ষর ম দিয়ে মশাররফ এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস উদাসীন পথিকের মনের কথা ও বিষাদ সিন্ধু একসঙ্গে মনে রাখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম উপন্যাস রত্নবতী এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস উদাসীন পথিকের মনের কথা ও বিষাদ সিন্ধু সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই এসব গ্রন্থের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) দোলনচাঁপা
১. কেন সঠিক:
দোলনচাঁপা কাজী নজরুল ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রেমের কাব্য এবং এটি তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
এই কাব্যের অধিকাংশ কবিতায় মানবপ্রেম, রোমান্টিকতা এবং তারুণ্যের জয়গান স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো দোলনচাঁপা, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
তার এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত প্রেমের কবিতা ও রোমান্টিক ভাবধারার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এবং সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত বিদ্রোহী ও বিপ্লবী কবিতার কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: ছায়ানট
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গীতি কাব্য ও রোমান্টিক ভাবধারার গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফগ্রিমনসা - অপশনটিতে বানান ভুল রয়েছে এবং এটি মূলত অগ্নিবীণা বা অন্য কোনো কাব্য নয়, এটি একটি ভুল অপশন।
B) বনগীতি - এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি গান ও সুরের সংকলন, যা মূলত প্রেমের কাব্য হিসেবে প্রধানত পরিচিত নয়।
C) দোলনচাঁপা - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি তার প্রথম প্রকাশিত প্রেমের কাব্য।
D) গানের মালা - এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি গান সংকলন, যা প্রেমের প্রধান কাব্য হিসেবে তালিকাভুক্ত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ দোলনচাঁপা হলো তারুণ্য ও প্রেমের এক অপূর্ব সৃষ্টি।
প্রেমের অনুভূতির প্রকাশ দেখতে হলে দোলনচাঁপা কাব্যগ্রন্থের নাম মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্য বা প্রথম বিদ্রোহী কাব্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং তাদের ধরন ভালোভাবে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুব জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) বলাকা
কেন সঠিক:
- এই কাব্যে বিশ্বপ্রকৃতির পরিবর্তনশীলতা ও গতির জয়গান গাওয়া হয়েছে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে রচিত এই কবিতায় যুগের পরিবর্তনের দ্রুত গতি প্রকাশিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যে গতিবাদ বা গতিতত্ত্বের প্রথম এবং শ্রেষ্ঠ প্রকাশ ঘটে এই কাব্যে।
- স্থবিরতা ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার বাণী এই গ্রন্থের মূল সুর।
- বলাকা কবিতার নামকবিতায় বুনো হাঁসের ডানার ঝাপটায় গতির প্রকাশ অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ক্ষণিকা — এটি মূলত লঘু ভাব, বিদ্রূপ ও আত্মসচেতনতার সুরযুক্ত একটি কাব্য।
- B) বলাকা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) মানসী — এটি রবীন্দ্রসাহিত্যের মধ্যপর্বের কাব্য যেখানে অন্তর্মুখী ও রোমান্টিক ভাবের প্রকাশ ঘটেছে।
- D) পূরবী — এটি কবির জীবনের অন্তিম পর্বের প্রেম ও মননশীলতার কাব্য।
মনে রাখার টিপস:
- বলাকা মানে উড়ন্ত পাখি, আর পাখি মানেই গতি, তাই গতিতত্ত্ব মানেই বলাকা কাব্য।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে 'A) কাশীরাম দাস' উল্লেখ করা থাকলেও, তথ্যগতভাবে এটি সঠিক নয়। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী 'লিপিমালা' গ্রন্থের রচয়িতা রাম রাম বসু। তাই সঠিক উত্তর হবে C) রাম রাম বসু। পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্তি এড়াতে সঠিক তথ্যটি নিচে ব্যাখ্যা করা হলো।
সঠিক উত্তর: C) রাম রাম বসু
১. কেন সঠিক:
- 'লিপিমালা' গদ্যগ্রন্থের রচয়িতা রাম রাম বসু। ১৮০২ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের জন্য এটি রচিত ও প্রকাশিত হয়।
- এটি মূলত ফার্সি ভাষায় রচিত ইতিহাস গ্রন্থ 'তওয়ারেখ-ই হিন্দ' বা 'মহাভারতের কথা'র আদлат বা বাংলা অনুবাদ ও অনুসরণে রচিত একটি ঐতিহাসিক জীবনচরিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রাম রাম বসু ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পন্ডিত ও অনুবাদক ছিলেন। তিনি বাংলা গদ্যের উষালগ্নে সহজ ও সাবলীল ভাষা ব্যবহারের জন্য পরিচিত।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রেস থেকে বাংলা গদ্যচর্চা প্রসারের প্রাথমিক যুগে প্রকাশিত গদ্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে লিপিমালা অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
ব্যাখ্যা: এটি রাম রাম বসু রচিত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ঐতিহাসিক জীবনীমূলক গ্রন্থ যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: কথোপকথন
ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত উইলিয়াম কেরির লেখা আরেকটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা তৎকালীন সমাজের কথ্যরূপ তুলে ধরে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাশীরাম দাস — কাশীরাম দাস মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা গদ্যগ্রন্থের লেখক নন, তিনি মহাভারত অনুবাদের জন্য বিখ্যাত।
B) দ্বিজরাম দেব — দ্বিজরাম দেব মধ্যযুগের একজন কবি, যিনি এই গদ্যগ্রন্থের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
C) রাম রাম বসু — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত হিসেবে লিপিমালা রচনা করেছেন।
D) মুক্তরাম সেন — মুক্তরাম সেন মধ্যযুগের একজন মনসা মঙ্গল কাব্যের কবি, গদ্যগ্রন্থ লিপিমালার রচয়িতা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
রাম ও লিপি শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো, যেমন রাম রাম বসু লিখেছেন লিপিমালা। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের দুই বিখ্যাত গদ্যলেখক রাম রাম বসু ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাম রাম বসুর দুটি প্রধান গ্রন্থ হলো রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র এবং লিপিমালা।
সঠিক উত্তর: A) প্রহসন
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রহসন কারণ নাটকটির মূল উদ্দেশ্য সমাজের কুসংস্কার ও অনৈতিকতা হাস্যরসের মাধ্যমে সমালোচনা করা।
- প্রহসন হলো নাটকের এমন একটি লঘু রূপ যা সমাজের অসঙ্গতি ও বিকৃত আচরণকে উপহাসের ছলে ফুটিয়ে তোলে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাটকটির রচয়িতা হলেন আধুনিক বাংলা নাটকের জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত এই প্রহসনের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের বাবু সমাজের পাপাচার ও কুসংস্কার তীব্রভাবে আঘাত করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ
ব্যাখ্যা: এটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত প্রহসন যা সমাজের নৈতিক অবক্ষয় তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: একেই কি বলে সভ্যতা
ব্যাখ্যা: এই প্রহসনে তৎকালীন নবীন সমাজের ইংরেজি প্রীতির আড়ালে পাপাচার ও মদ্যপানের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রহসন — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটকটি সমাজের ত্রুটি সংশোধনের উদ্দেশ্যে রচিত লঘু নাটক।
B) কমেডি — কমেডি হলো সুবিন্যস্ত মিলনান্তক নাটক যেখানে গভীর ব্যঙ্গ বা প্রহসন থাকে না।
C) ট্র্যাজিডি — ট্র্যাজিডি হলো দুঃখজনক পরিণতি সম্পন্ন নাটক যা দর্শকের মনে করুণার উদ্রেক করে।
D) মেলোড্রামা — মেলোড্রামা হলো অতিরিক্ত আবেগ ও রোমাঞ্চ নির্ভর নাটক যেখানে গভীর সাহিত্যমূল্য থাকে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন দুটি মনে রাখার কৌশল হলো বুড়ো সালিক আর সভ্য মানুষ। এর মাধ্যমে তার দুটি বিখ্যাত প্রহসন সহজেই মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রহসন দুটি হলো একেই কি বলে সভ্যতা এবং বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ। বিসিএস পরীক্ষায় এই দুটি প্রহসনের নাম প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) peer
কেন সঠিক:
peer শব্দটি কোনো ব্যক্তি বা সমবয়সী একক মানুষকে বোঝায়, তাই এটি কমন নাউন।
এটি কোনো দল বা সমষ্টি নির্দেশ করে না।
এটি ব্যক্তিবর্গের একক পরিচয় তুলে ধরে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) class — এটি একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সমষ্টিগতভাবে বোঝায়, যা কালেক্টিভ নাউন।
B) audience — এটি বক্তা বা পারফর্মারদের উপভোগকারী শ্রোতামণ্ডলীকে বুঝায়, যা একটি কালেক্টিভ নাউন।
C) peer — এটি একই বয়স বা মর্যাদার একক ব্যক্তিকে নির্দেশ করে, তাই এটি কালেক্টিভ নাউন নয়।
D) public — এটি সমাজের সকল সাধারণ মানুষকে একত্রিতভাবে বোঝায়, যা একটি কালেক্টিভ নাউন।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দল বোঝায় তা কালেক্টিভ নাউন, আর একক ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে তা কমন নাউন হয়।
সঠিক উত্তর: C) noun
কেন সঠিক:
এখানে 'talk' শব্দটির পূর্বে 'a' আর্টিকেল বসেছে এবং এর অর্থ একটি আলোচনা বা কথোপকথন। ইংরেজী ব্যাকরণ অনুযায়ী আর্টিকেল বা determiners সবসময় noun-এর পূর্বে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) verb — এটি কোনো কাজ বোঝাচ্ছে না বরং একটি নাম বা অবস্থাকে নির্দেশ করছে।
B) pronoun — এটি নামের পরিবর্তে বসেনি বরং নিজেই একটি স্বতন্ত্র নাম পদ হিসেবে কাজ করেছে।
C) noun — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল অপশন।
D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে মডিফাই করছে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দের আগে 'a', 'an' বা 'the' দেখলে ধরে নেবে সেটি সাধারণত noun হয়।
সঠিক উত্তর: B) sovereignty
কেন সঠিক:
সঠিক বানানটিতে sovereign শব্দের সাথে ty প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
এর সঠিক উচ্চারণ এবং গঠন বানানটিকে নির্ভুল করে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) soverinty — বানানটিতে মাঝের g অক্ষরটি বাদ পড়েছে তাই এটি ভুল।
B) sovereignty — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
C) soverignty — বানানটিতে মাঝের i অক্ষরটি অনুপস্থিত রয়েছে।
D) sovereiginity — বানানটিতে অতিরিক্ত i অক্ষর যুক্ত করে ভুল করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
sovereign লিখে শেষে ty যোগ করলে সঠিক বানান পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) into
কেন সঠিক:
ব্রেক ইনটু একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ বলপূর্বক কোথাও প্রবেশ করা। চোর যেহেতু ঘরে জোর করে ঢুকেছিল তাই এখানে সঠিক প্রিপজিশন হবে into।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — ব্রেক অ্যাট বলতে বোঝায় কোনো কিছুর দিকে আক্রমণ করা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
B) up — ব্রেক আপ অর্থ ভেঙে যাওয়া বা সম্পর্ক শেষ হওয়া, যা ঘরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) on — ব্রেক অন কোনো সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব নয় এবং এটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) into — এটি সঠিক অপশন এবং এর অর্থ বলপূর্বক প্রবেশ করা।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও জোর করে বা অনধিকার প্রবেশ করা বোঝাতে ব্রেক ভার্বের সাথে সবসময় into প্রিপজিশন বসে।
সঠিক উত্তর: B) will you
কেন সঠিক:
মূল বাকye 'Let me' থাকলে ট্যাগ কোশ্চেন সাধারণত 'will you' হয় কারণ এটি অনুরোধ বোঝায়।
এছাড়াও Imperative sentence-এ বক্তা শ্রোতার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে 'will you' ব্যবহার করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) shall we — 'Let's' বা প্রস্তাব বোঝালে 'shall we' হয়, কিন্তু এখানে অনুমতি বোঝানো হয়েছে।
B) will you — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল নয়।
C) isn't it — 'Let me' যুক্ত বাকye 'isn't it' ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই।
D) shon't it — এটি একটি ভুল বানান এবং ট্যাগ কোশ্চেনের নিয়মের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাকye Let-এর পর me, him, her বা them থাকলে ট্যাগ কোশ্চেনে সবসময় will you ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) idiom
কেন সঠিক:
'Run into debt' একটি বিশেষ বাগধারা যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়া বোঝায়।
শব্দের সাধারণ অর্থের সাথে এর বাস্তব প্রয়োগের কোনো মিল নেই।
এটি একটি স্থায়ী শব্দগুচ্ছ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) phrase — এটি কেবল শব্দগুচ্ছ নয়, এর একটি বিশেষ অর্থ আছে।
B) verbal noun — এটি কোনো ভার্ব থেকে তৈরি হওয়া নাউন বা বিশেষ্য পদ নয়।
C) idiom — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) adverb clause — এটি কোনো ক্রিয়াবিশেষণ জাতীয় বাক্যাংশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দগুচ্ছের অর্থ যদি সাধারণ নিয়ম না মেনে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তবে তা সবসময় idiom হয়।
সঠিক উত্তর: C) noun
কেন সঠিক:
এখানে 'beauty' শব্দটি কোনো গুণ বা সৌন্দর্য বোঝাচ্ছে না, বরং একজন সুন্দরী নারীকে বোঝাচ্ছে।
শব্দটির আগে article 'a' এবং possessive pronoun 'her' বসেছে, যা একে noun-এ পরিণত করেছে।
সাধারণত article বা possessive-এর পরে থাকা শব্দ noun হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adjective — এটি কোনো দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না, তাই এটি adjective হতে পারে না।
B) verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝায় না, তাই এটি verb নয়।
C) noun — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb-এর কাজের সময়, স্থান বা ধরন বোঝাচ্ছে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো abstract noun-এর আগে article 'a' বা 'an' বসলে তা বিশেষ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় এবং তখন তা common noun অর্থাৎ noun হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: C) William Shakespeare
কেন সঠিক:
এটি শেক্সপিয়ারের লেখা একটি বিখ্যাত রোমান্টিক কমেডি নাটক।
নাটকের মূল বিষয়বস্তু ভুল বোঝাবুঝি এবং প্রেমের জটিলতা নিয়ে গড়ে উঠেছে।
এলিজাবেথীয় যুগের নাট্যসাহিত্যে এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Jane Austene — তিনি মূলত সামাজিক ও পারিবারিক উপন্যাসের জন্য পরিচিত, কোনো নাটক লেখেননি।
B) Charles Dickens — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাটককার নন।
C) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Virgina Woolf — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতাবাদী ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
শেক্সপিয়ারের কমেডি নাটক মানেই ভুল বোঝাবুঝি ও মজার ঘটনা, যার একটি সুন্দর উদাহরণ হলো এই নাটকটি।
সঠিক উত্তর: A) stinking
কেন সঠিক:
stinking শব্দটি দুর্গন্ধ ছড়ানো বা পচা অর্থ প্রকাশ করে।
এটি মানুষের হাসির সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) stinking - এটি পচা বা দুর্গন্ধযুক্ত অবস্থা বোঝায়, যা হাসির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) smiling - এটি অর্থ মৃদু হাসা, যা মুখের এক ধরনের হাসির প্রকাশ।
C) giggle - এটি অর্থ খিলখিল করে হাসা, যা হাসির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
D) chuckle - এটি অর্থ মৃদুস্বরে হাসা, যা হাসির একটি বিশেষ রূপ।
মনে রাখার টিপস:
শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে জানলে খুব সহজেই হাসির সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দগুলো আলাদা করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) I took your leave
কেন সঠিক:
বিদায় নেওয়া অর্থে ইংরেজি idioms অনুযায়ী সঠিক নিয়ম হলো take leave of somebody বলা। এখানে your leave ব্যবহার করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I have a bad headache — এই বাক্যে মাথা ব্যথার কথা বলতে headache এর আগে a বসানো সম্পূর্ণ সঠিক।
B) Keep to the left — এই বাক্যে রাস্তা বা নিয়ম মেনে চলার ক্ষেত্রে সঠিক preposition ব্যবহার করা হয়েছে।
C) He has just come here — এই বাক্যে কাজের সমাপ্তি বোঝাতে present perfect tense এর গঠন সঠিক আছে।
D) I took your leave — এখানে your এর পরিবর্তে of ব্যবহার করা উচিত ছিল তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
কারো কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ হলো take leave of আর এখানে কখনো possessive pronoun বসে না।
সঠিক উত্তর: D) had
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে প্রধান ভার্ব হিসেবে খাবার গ্রহণ করা অর্থে হ্যাভ বা খাওয়া বোঝানো হয়েছে।
এখানে সাবজেক্টের পর প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স গঠন করতে হ্যাভ সাহায্যকারী ভার্ব বসেছে এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে হ্যাড বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have — সাবজেক্ট আই এর পর সরাসরি হ্যাভ বসালে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ থেকে যায় কারণ মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম নেই।
B) will — উইল বসালে ভবিষ্যতের অর্থ প্রকাশ পাবে যা বাক্যের অন্য অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) had taken — টেকেন বসালে অর্থের পুনরাবৃত্তি ঘটে কারণ হ্যাভ এবং টেক একই সাথে প্রয়োজন হয় না।
D) had — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বাক্যে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স গঠনে হ্যাভ এর পর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে হ্যাড বসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) William Wordsworth
কেন সঠিক:
ডাফোডিল ফুল দেখে মুগ্ধ হয়ে উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এই বিখ্যাত কবিতাটি রচনা করেছেন।
প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত এই সাহিত্যিক তার কবিতায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।
কবিতাটির আরেকটি পরিচিত নাম হলো আই ওয়ান্ডার লোনলি অ্যাজ এ ক্লাউড।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wordsworth Longfellow — এটি ভুল কারণ লংফেলো একজন আমেরিকান কবি এবং তিনি এই কবিতাটি লেখেননি।
B) Alfred Tennyson — এটি ভুল কারণ আলফ্রেড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি এবং তার বিখ্যাত রচনা ইন মেমোরিয়াম।
C) William Wordsworth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে কোনো কারণ নেই।
D) Robert Browning — এটি ভুল কারণ রবার্ট ব্রাউনিং নাট্যধর্মী কবিতার জন্য পরিচিত এবং তিনি এই কবিতা লেখেননি।
মনে রাখার টিপস:
ডাফোডিল ফুল দেখলে প্রকৃতির কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) He does not feel well
কেন সঠিক:
"He is not himself" একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম, যার আক্ষরিক অর্থ হলো সে নিজে নয়।
এর ভাবগত অর্থ হলো শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতার কারণে কেউ তার স্বাভাবিক আচরণ করতে পারছে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He does not feel well — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয় বরং এটিই এই ইডিওমের মূল অর্থ প্রকাশ করে।
B) He is a different person — কথাটির অর্থ সে একজন সম্পূর্ণ ভিন্ন মানুষ হয়ে গেছে, যা এই ইডিওমের সঠিক ভাবার্থ নয়।
C) He is not what he seems to be — এর অর্থ সে যেমন দেখা যায় আসলে তেমন নয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) He is not a well-known person — কথাটির অর্থ সে কোনো পরিচিত ব্যক্তি নয়, যার সাথে এই প্রবাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
"Not himself" দেখলে বুঝতে হবে মানুষটি আজ অসুস্থ বা স্বাভাবিক অবস্থায় নেই।
সঠিক উত্তর: B) She said to us, "Hurry up."
কেন সঠিক:
Imperative sentence-এ indirect speech থেকে direct করার সময় reporting verb হিসেবে said ব্যবহার করতে হয়। এখানে listener বা object হিসেবে us থাকায় said-এর পরে to বসিয়ে said to us লিখতে হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She said, "Do hurry up — এই অপশনে listener বা object (us) উল্লেখ করা হয়নি, যা প্রদত্ত sentence-এর অর্থের সাথে মিলে না।
B) She said to us, "Hurry up." — এটি সঠিক অপশন এবং এতে সঠিক নিয়মে direct speech গঠন করা হয়েছে।
C) She told, "Hurry up." — এই অপশনে said বা told-এর পরে সঠিক object (us) ব্যবহার করা হয়নি।
D) She said us, "Hurry up." — এই অপশনে said-এর পরে সরাসরি object বসানো হয়েছে, যা grammatically ভুল এবং মাঝখানে to বসেনি।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-এ told-কে তুলে দিয়ে said to করতে হয় এবং listener-কে বাদ দেওয়া যায় না।
সঠিক উত্তর: B) Malaysia
কেন সঠিক:
রিঙ্গিত বা মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত হলো মালয়েশিয়ার সরকারি মুদ্রা।
এই মুদ্রাটি মালয়েশিয়ার অর্থনীতিতে লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এই মুদ্রার অফিসিয়াল কোড হলো এমওয়াইআর।
মালয়েশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ ও প্রচলন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Thailand — থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম থাই বাত যা এই দেশের আর্থিক লেনদেনে ব্যবহৃত হয়।
B) Malaysia — এই অপশনটি সঠিক কারণ রিঙ্গিত মালয়েশিয়ারই আনুষ্ঠানিক মুদ্রা।
C) Singapore — সিঙ্গাপুরের মুদ্রার নাম সিঙ্গাপুর ডলার যা থাইল্যান্ড বা মালয়েশিয়ার মুদ্রা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
D) Myanmar — মিয়ানমারের সরকারি মুদ্রার নাম হলো কিয়াত যা দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার আরেকটি মুদ্রা।
মনে রাখার টিপস:
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর এবং দেশের প্রধান মুদ্রার নাম হলো রিঙ্গিত।
সঠিক উত্তর: C) misogynist
কেন সঠিক:
'Misogynist' শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো নারীদ্বেষী বা যে নারীদের ঘৃণা করে।
প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে এমন একজন ব্যক্তি যে নারীদের ঘৃণা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) imposter — এর অর্থ হলো প্রতারক বা ছদ্মবেশী ব্যক্তি।
B) somnambulist — এর অর্থ হলো ঘুমন্ত অবস্থায় হাঁটার অভ্যাস আছে যে ব্যক্তি।
C) misogynist — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
D) pilgrim — এর অর্থ হলো পবিত্র তীর্থস্থান ভ্রমণকারী বা তীর্থযাত্রী।
মনে রাখার টিপস:
'Mis' মানে ঘৃণা করা এবং 'gyny' মানে নারী, তাই দুটি মিলে হয় নারীদ্বেষী।
সঠিক উত্তর: A) a proverb
কেন সঠিক:
'After death the doctor' একটি সুপরিচিত প্রবাদ বাক্য যার বাংলা অর্থ হলো চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে।
এটি মানুষের অভিজ্ঞতালব্ধ চিরন্তন সত্য একটি কথা প্রকাশ করে।
এটি সমাজে বহুল ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a proverb — এটি সঠিক কারণ এটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রবাদ বাক্য।
B) an idiom — এটি ভুল কারণ ইডিওম বা বাগধারা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে না, কিন্তু এটি প্রবাদ।
C) a phrase — এটি ভুল কারণ ফ্রেজ কোনো সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না, অথচ এটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রবাদ।
D) a simile — এটি ভুল কারণ সিমিলি তে তুলনা বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো তুলনা করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
যেসব বাক্য মানুষের জীবনের অভিজ্ঞতা বা উপদেশমূলক পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলো সাধারণত প্রবাদ বা proverb হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: D) He shook hands with me
কেন সঠিক:
শেক হ্যান্ডস একটি সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ যার অর্থ হাত মেলানো। এই বাক্যে সাবজেক্ট এবং ভার্বের ব্যবহার সম্পূর্ণ সঠিক ও স্বাভাবিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Discussed — ডিসকাস ভার্বের পর এবাউট বসে না কারণ এটি একটি ট্রানজিটিভ ভার্ব।
B) He knows to swim — সাঁতার কাটার নিয়ম বোঝাতে নো হাউ টু ব্যবহার করতে হয়।
C) He says me a fool — কল বা মেক ভার্ব ব্যবহার না করে সেজ ভার্ব ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
সঠিক উত্তর: A) from
কেন সঠিক:
অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে বা বাইরের কোনো প্রভাবে মৃত্যু হলে ডাইডের পরে ফ্রম বসে। এখানে ওভারইটিং বা অতিরিক্ত খাওয়া হলো মৃত্যুর কারণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — সঠিক উত্তর।
B) on — এটি মৃত্যুর কারণ বোঝাতে বসে না।
C) for — এটি সাধারণত কোনো কিছুর জন্য বোঝাতে বসে।
D) of — এটি রোগ বা স্বাভাবিক কারণে মারা গেলে বসে।
মনে রাখার টিপস:
রোগে মারা গেলে অফ আর অতিরিক্ত খাওয়া বা দুর্ঘটনা হলে ফ্রম বসে।
সঠিক উত্তর: A) Would you mind opening the window
কেন সঠিক:
- Would you mind এর পর verb-এর সাথে ing যুক্ত করে খুব বিনয়ের সাথে কোনো অনুরোধ (Request) বোঝানো হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে জানালাটি খোলার জন্য একটি বিনীত অনুরোধ প্রকাশ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Would you mind opening the window - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি একটি অনুরোধ প্রকাশের বাক্য।
B) Would that he were here - এটি দ্বারা অতীতে কোনো অসম্ভব বা অপূর্ণ ইচ্ছাকে (Wish) বোঝানো হয়েছে, কোনো অনুরোধ নয়।
C) Never do this - এটি একটি অনুজ্ঞা বা আদেশমূলক বাক্য (Imperative sentence), যা দিয়ে কোনো কিছু নিষেধ করা বোঝায়।
D) Liza and Shuvo are in love - এটি একটি সাধারণ বিবৃতিমূলক বাক্য (Assertive sentence), যা দিয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Would you mind দেখলে বুঝবে এটি কোনো কাজের জন্য অনুরোধ বা প্রস্তাব করা বোঝাচ্ছে।
সঠিক উত্তর: B) to pass the blame to someone else
কেন সঠিক:
Pass the buck একটি ইংরেজي idiomatic phrase যার অর্থ নিজের দায়দায়িত্ব বা দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো।
এই বাক্যাংশটির উৎপত্তি কার্ড খেলার একটি নিয়ম থেকে যেখানে খেলোয়াড়রা তাদের দায়িত্ব অন্য জনের কাছে স্থানান্তর করত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to pass the blame — এই অপশনটি আংশিক সঠিক কিন্তু এতে দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানোর সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায় না।
B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) to pass the blame — এই অপশনটি প্রথম অপশনের অনুরূপ এবং এতেও অন্যের কাছে স্থানান্তরের বিষয়টি অসম্পূর্ণ থাকে।
D) to someone else — এটি কেবল একজন ব্যক্তির কথা বলে কিন্তু সম্পূর্ণ ইডিয়মের মূল ভাব দোষ চাপানো কথাটি এখানে অনুপস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
Buck অর্থ টাকা বা দায়িত্ব এবং Pass অর্থ চালিয়ে দেওয়া, তাই অন্যের ঘাড়ে দায়িত্ব বা দোষ চাপানোই হলো Pass the buck.
সঠিক উত্তর: D) disgusting
কেন সঠিক:
- 'Awesome' শব্দের অর্থ চমৎকার, অসাধারণ বা যা দেখে বিস্ময় জাগে।
- 'Disgusting' শব্দের অর্থ অত্যন্ত অপছন্দনীয় বা বিরক্তিকর, যা 'awesome' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) grand — এই শব্দের অর্থ বিশাল বা চমৎকার, যা 'awesome' শব্দের সমার্থক এবং বিপরীতার্থক নয়।
B) deanting — এই বানানটি ভুল এবং ইংরেজি শব্দভান্ডারে এর কোনো গ্রহণযোগ্য অর্থ নেই।
C) majestic — এই শব্দের অর্থ রাজকীয় বা সুদৃশ্য, যা 'awesome' শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
D) disgusting — এই শব্দের অর্থ জঘন্য বা বিরক্তিকর, যা 'awesome' শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
'Awesome' মানে চমৎকার আর 'Disgusting' মানে জঘন্য, ভালো ও খারাপের এই বিপরীত সম্পর্কটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: B) need, dare
কেন সঠিক:
need এবং dare শব্দগুলো সাধারণত মূল verb হিসেবে ব্যবহৃত হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে auxiliary verb এর মতো কাজ করে। তাই এদেরকে semi-modals বা marginal auxiliary verbs বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Can, could — এরা প্রকৃত modal auxiliary verbs, semi-modal নয়।
B) need, dare — এগুলোই সঠিক উত্তর কারণ এরা উভয় রূপেই ব্যবহৃত হয়।
C) will, would — এরা সাধারণ modal auxiliary verbs এর অন্তর্ভুক্ত।
D) must, should — এরাও বাক্যে শুধুমাত্র primary modal হিসেবে বসে।
মনে রাখার টিপস:
Need এবং dare হলো সেই বিশেষ ভারব যা modal এবং main verb উভয় হিসেবেই ব্যবহৃত হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) Conrad
কেন সঠিক:
এই বিখ্যাত উপন্যাসটি ইংরেজ ঔপন্যাসিক জোসেফ কনরাড ১৮৯৯ সালে রচনা করেন।
উপন্যাসটির মূল চরিত্র মার্লো এবং এটি মূলত কঙ্গো নদীর পটভূমিতে লেখা একটি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সাহিত্যকর্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) DH Lawrence — ডি এইচ লরেন্স মূলত আধুনিক যুগের সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে লিখতেন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের নাম সানস অ্যান্ড লাভার্স।
B) EM Forster — ই এম ফর্স্টার সাম্রাজ্যবাদ ও সংস্কৃতির সংঘাত নিয়ে লিখলেও এই বিশেষ উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি এ প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া।
C) Conrad — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়।
D) ভার্জিনিয়া উলফ — ভার্জিনিয়া উলফ স্ট্রিম অফ কনশাসনেস বা চেতনাপ্রবাহ রীতির লেখার জন্য বিখ্যাত, যেমন মিসেস ডালোওয়ে তাঁর অন্যতম প্রধান সৃষ্টি।
মনে রাখার টিপস:
কনরাডের নামের সাথে 'ডার্কনেস' শব্দ দুটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে তাঁর অন্ধকারের কঙ্গো অভিযানই এই উপন্যাসের মূল বিষয়।
সঠিক উত্তর: B) phenomenon
কেন সঠিক:
pheno শব্দের শেষে on থাকলে সাধারণত তা একবচন বা singular হয় এবং বহুবচনে a যুক্ত হয়ে phenomena হয়।
তাই বহুবচন రూప phenomena এর মূল একক বা singular রূপ হলো phenomenon।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) phenomenna — এই বানানে অতিরিক্ত n যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
C) phenomenone — এখানে শেষে ne যুক্ত করা হয়েছে যা সঠিক ইংরেজি শব্দ গঠন করে না।
D) phenom — এটি একটি প্রচলিত কথ্য রূপ হলেও বহুবচন phenomena এর মূল সঠিক একবচন নয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে a থাকলে বহুবচন এবং on থাকলে একবচন হয়, যেমন phenomenon থেকে phenomena।
সঠিক উত্তর: B) ৩ ও ২
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x + ২y = ৭
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো ২x − ৩y = ০
ধরি,
প্রথম সমীকরণ হতে পাই x = ৭ − ২y
এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসাই
অতএব,
২(৭ − ২y) − ৩y = ০
১৪ − ৪y − ৩y = ০
১৪ − ৭y = ০
সুতরাং,
৭y = ১৪
y = ২
উত্তর: x এর মান ৩ এবং y এর মান ২
সঠিক উত্তর: B) ৫৩
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনে দেওয়া সংখ্যাগুলি হলো ১০৫, ৫৩, ২১ এবং ১২৪
ধরি,
সংখ্যাগুলি মৌলিক নাকি যৌগিক তা পরীক্ষা করতে হবে
অতএব,
১০৫ সংখ্যাটিকে ৩ ও ৫ দ্বারা ভাগ করা যায় তাই এটি মৌলিক নয়
২১ সংখ্যাটিকে ৩ ও ৭ দ্বারা ভাগ করা যায় তাই এটি মৌলিক নয়
১২৪ একটি জোড় সংখ্যা এবং ২ দ্বারা বিভাজ্য তাই এটি মৌলিক নয়
সুতরাং,
৫৩ সংখ্যাটিকে ১ এবং ৫৩ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না
উত্তর: ৫৩
সঠিক উত্তর: D) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
পরপর তিনটি সংখ্যার গুণফল = ১২০
ধরি,
সংখ্যা তিনটি হলো ক − ১, ক এবং ক + ১
অতএব,
(ক − ১) × ক × (ক + ১) = ১২০
ক × (ক × ক − ১) = ১২০
সুতরাং,
৫ × (৫ × ৫ − ১) = ৫ × ২৪ = ১২০
সংখ্যা তিনটি হলো ৪, ৫ এবং ৬
উত্তর: ৪ + ৫ + ৬ = ১৫
সঠিক উত্তর: A) ৫ জনকে
প্রদত্ত তথ্য:
মোট কমলালেবুর সংখ্যা = ১২৫টি
মোট কলার সংখ্যা = ১৪৫টি
ধরি,
বালকের সংখ্যা হবে এমন একটি সংখ্যা যা দিয়ে ১২৫ এবং ১৪৫ উভয় সংখ্যাকেই নিঃশেষে ভাগ করা যাবে।
অর্থাৎ, ১২৫ এবং ১৪৫ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে।
অতএব,
১২৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৫, ২৫, ১২৫
১৪৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৫, ২৯, ১৪৫
সুতরাং,
১২৫ এবং ১৪৫ এর সাধারণ উৎপাদক বা গসাগু হলো ৫।
উত্তর: ৫ জনকে
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয়
প্রدত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ১ এর বর্গ + ৩ এর বর্গ + ৫ এর বর্গ + ডট ডট ডট + ৩১ এর বর্গ
এটি বিজোড় স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের ধারা
ধরি,
ধারার শেষ পদ (২n − ১) = ৩১
সুতরাং, ২n = ৩১ + ১ = ৩২ এবং n = ১৬
অতএব,
বিজোড় সংখ্যার বর্গের যোগফলের সূত্র হলো n গুন (৪ গুন n এর বর্গ − ১) ভাগ ৩
এখানে n এর মান ১৬ বসাতে হবে
সুতরাং,
১৬ গুন (৪ গুন ১৬ এর বর্গ − ১) ভাগ ৩ গণনা করে পাই ৫৪৪০
উত্তর: ৫৪৪০
সঠিক উত্তর: A) ৫০%
প্রদত্ত তথ্য:
৩টি আমের ক্রয়মূল্য ১ টাকা
২টি আমের বিক্রয়মূল্য ১ টাকা
ধরি,
৬টি আমের ক্রয়মূল্য = ২ টাকা
৬টি আমের বিক্রয়মূল্য = ৩ টাকা
অতএব,
লাভ = ৩ − ২ = ১ টাকা
সুতরাং,
শতকরা লাভ = (১ ÷ ২) × ১০০% = ৫০%
উত্তর: ৫০%
সঠিক উত্তর: C) ১০২
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সংখ্যার অর্ধেক তার এক-তৃতীয়াংশের চেয়ে ১৭ বেশি
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি = ক
সংখ্যাটির অর্ধেক = ক ÷ ২
সংখ্যাটির এক-তৃতীয়াংশ = ক ÷ ৩
অতএব,
শর্তমতে লেখা যায়,
ক ÷ ২ − ক ÷ ৩ = ১৭
সুতরাং,
লসাগু করে পাই, (৩ক − ২ক) ÷ ৬ = ১৭
বা, ক ÷ ৬ = ১৭
উত্তর: ক = ১৭ × ৬ = ১০২
সঠিক উত্তর: A) ৬৪√৩ বর্গ মি.
প্রদত্ত তথ্য:
সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৬ মিটার
ধরি,
ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক = ১৬ মিটার
অতএব,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র = (√৩ ÷ ৪) × (বাহু × বাহু)
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ১৬ × ১৬
উত্তর: ৬৪√৩ বর্গ মি.
সঠিক উত্তর: A) ১৯৪
প্রদত্ত তথ্য:
P + (১ ÷ P) = ৪
ধরি,
প্রথম ধাপের বর্গ নির্ণয় করতে হবে
দ্বিতীয় ধাপের মান বসাতে হবে
অতএব,
(P + (১ ÷ P)) এর হোল স্কয়ার = ৪ এর স্কয়ার
P স্কয়ার + (১ ÷ P স্কয়ার) + ২ = ১৬
P স্কয়ার + (১ ÷ P স্কয়ার) = ১৬ − ২ = ১৪
সুতরাং,
উভয় পক্ষকে আবার বর্গ করে পাই
(P স্কয়ার + (১ ÷ P স্কয়ার)) এর হোল স্কয়ার = ১৪ এর স্কয়ার
উত্তর: P এর পাওয়ার ৪ + (১ ÷ P এর পাওয়ার ৪) = ১৯৪
সঠিক উত্তর: D) প্রবৃদ্ধ কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
কোণের পরিমাণ = ১৮২°
ধরি,
যে কোণের পরিমাপ ৯০° অপেক্ষা বড় কিন্তু ১৮০° অপেক্ষা ছোট তাকে স্থূলকোণ বলে
যে কোণের পরিমাপ ১৮০° অপেক্ষা বড় কিন্তু ৩৬০° অপেক্ষা ছোট তাকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে
অতএব,
প্রদত্ত কোণের মান ১৮০° এর চেয়ে বড়
সুতরাং,
এটি একটি প্রবৃদ্ধ কোণ
উত্তর: প্রবৃদ্ধ কোণ
সঠিক উত্তর: A) ৪ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
গাছের মোট উচ্চতা বা ভাঙা অংশের দৈর্ঘ্য উল্লেখ নেই, তবে অপশন মিলিয়ে সমাধান করতে হবে।
গাছটির ভাঙা অংশ মাটির সাথে ত্রিশ ডিগ্রি কোণে মিলিত হয়েছে।
ধরি,
গাছটি ভূমি থেকে h উচ্চতায় ভেঙেছিল।
ভেঙে যাওয়া অংশটি অতিভুজ হিসেবে কাজ করে।
অতএব,
লম্ব এবং অতিভুজের অনুপাত হলো সাইন ত্রিশ ডিগ্রি।
সাইন ত্রিশ ডিগ্রি এর মান হলো এক বাই দুই।
লম্ব সমান হয় অতিভুজ গুণ এক বাই দুই।
সুতরাং,
অপশন এ এর মান অনুযায়ী গাছের ভাঙা অংশ আট মিটার হলে উচ্চতা চার মিটার হয়।
আট গুণ এক বাই দুই সমান চার মিটার।
উত্তর: ৪ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ১৬৮৯৯
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনগুলোর সাথে ১ যোগ করলে প্রাপ্ত সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে।
তাই প্রতিটি অপশনের সাথে ১ যোগ করে দেখতে হবে কোনটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা।
ধরি,
অপশন সি এর সংখ্যাটি = ১৬৮৯৯
অতএব,
১৬৮৯৯ + ১ = ১৬৯০০
১৬৯০০ সংখ্যাটির বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে।
সুতরাং,
√১৬৯০০ = ১৩০, যা একটি পূর্ণসংখ্যা।
উত্তর: ১৬৮৯৯ সংখ্যাটি একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হতে ১ কম।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) সুপ্রিম কোর্ট
কেন সঠিক:
- সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান এবং এর সুরক্ষা নিশ্চিত করার চূড়ান্ত এখতিয়ার সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের রয়েছে।
- সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক কোনো আইন বা আদেশ বাতিল করার ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্ট সংরক্ষণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্পিকার — ইনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন এবং সংসদীয় কার্যক্রমের প্রধান, কিন্তু সংবিধানের অভিভাবক নন।
B) আইন মন্ত্রণালয় — এই মন্ত্রণালয় দেশের আইন প্রণয়ন ও বিচার বিভাগীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে সংবিধানের ব্যাখ্যাকর্তা নয়।
C) রাষ্ট্রপতি — ইনি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হলেও সংবিধানের অভিভাবক বা ব্যাখ্যাকর্তা হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট দায়িত্ব পালন করে।
D) সুপ্রিম কোর্ট — এটি সংবিধানের চূড়ান্ত রক্ষক, অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকর্তা হিসেবে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
আইন বা সংবিধানের কোনো দ্বন্দ্ব দেখা দিলে শেষ ভরসা বা অভিভাবক হিসেবে আদালতের শরণাপন্ন হতে হয়, তাই উত্তর সুপ্রিম কোর্ট।
সঠিক উত্তর: A) স্নায়ুতন্ত্রের অঙ্গ
কেন সঠিক:
- মস্তিষ্ক কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে সমস্ত শারীরিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি সারা শরীর থেকে তথ্য গ্রহণ করে বিশ্লেষণ করে এবং উপযুক্ত নির্দেশ প্রদান করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্নায়ুতন্ত্রের অঙ্গ — এই অপশনটি সঠিক কারণ মস্তিষ্ক স্নায়ুতন্ত্রের কেন্দ্রীয় অংশ।
B) রেচন তন্ত্রের — রেচন তন্ত্রের প্রধান অঙ্গ কিডনি বা বৃক্ক, বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করা এর কাজ।
C) পরিপাক তন্ত্রের — পরিপাক তন্ত্র খাদ্য পরিপাক ও পুষ্টি উপাদান শোষণের সঙ্গে যুক্ত।
D) শ্বাস তন্ত্রের — শ্বাস তন্ত্র ফুসফুসের মাধ্যমে অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে।
মনে রাখার টিপস:
সারা শরীরের চিন্তা ও নির্দেশনার কেন্দ্রবিন্দু হলো মস্তিষ্ক, যা স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান চালিকাশক্তি।
সঠিক উত্তর: C) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
কেন সঠিক:
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে প্রথম রাষ্ট্রভাষা বাংলার সাংবিধানিক দাবি উত্থাপন করেন।
- তার এই ঐতিহাসিক প্রস্তাবের মাধ্যমেই রাষ্ট্রভাষা বাংলার আন্দোলন প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত রূপ লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মওলানা ভাসানী — তিনি ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিলেও সংসদে প্রথম দাবি উত্থাপন করেননি।
B) শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি ভাষা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক ও ছাত্রনেতা ছিলেন, তবে তখন পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য ছিলেন না।
C) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) এ. কে. ফজলুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও শেরেবাংলা নামে পরিচিত হলেও সংসদে প্রথম এই দাবি তোলেননি।
মনে রাখার টিপস:
সংসদে প্রথম দাবি তুললেন দত্ত, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।
সঠিক উত্তর: C) পঞ্চগড়
কেন সঠিক:
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকাগুলোর বিন্যাস করা হয় দেশের উত্তর থেকে দক্ষিণ এবং পূর্ব থেকে পশ্চিম ক্রমানুসারে।
- পঞ্চগড় জেলা দেশের সর্বউত্তরে অবস্থিত হওয়ায় জাতীয় সংসদের ১নং আসনটি এই জেলায় নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কক্সবাজার — এটি দেশের সর্বদক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা হওয়ায় এর সংসদীয় আসন সংখ্যা আলাদা এবং এটি ১নং আসন নয়।
B) সিলেট — এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি বিভাগীয় জেলা এবং এর সংসদীয় আসনগুলোর নম্বর অন্য ক্রমানুসারে সাজানো।
D) বরগুনা — এটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি উপকূলীয় জেলা এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এটি ১নং আসন হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
মানচিত্রের উপরে থাকে উত্তর দিক, আর দেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড় বলেই এটি জাতীয় সংসদের ১নং আসন।
সঠিক উত্তর: C) শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন অর্জনের জন্য ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন।
- এই ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনা কার্টা হিসেবে পরিচিত, যা পরবর্তীতে উনসত্তরের গণঅভুত্থান ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে প্রেরণা জুগিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি প্রখ্যাত বাঙালি রাজনীতিবিদ এবং পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হলেও ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেননি।
B) মওলানা ভাসানী — তিনি একজন প্রখ্যাত জননেতা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও ছয় দফা কর্মসূচি পেশ বা ঘোষণা করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় নেতা ছিলেন, তবে ছয় দফা ঘোষণার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফার জনক বা ঘোষক হিসেবে সর্বদা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মনে রাখতে হবে, যা বাঙালি জাতির স্বাধীনতার মূল ভিত্তি।
সঠিক উত্তর: C) আখতার হামিদ খান
কেন সঠিক:
- ড. আখতার হামিদ খান ১৯৫৯ সালে কুমিল্লায় বাংলাদেশ একাডেমি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (BARD) প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় আন্দোলনের একজন প্রবক্তা এবং কুমিল্লা মডেলের রূপকার ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইউব খান — তিনি পাকিস্তানের সামরিক শাসক ছিলেন এবং BARD প্রতিষ্ঠার সময় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, এর প্রতিষ্ঠাতা নন।
B) ইয়াহিয়া খান — তিনি আইউব খানের পরে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হন এবং BARD প্রতিষ্ঠার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) আখতার হামিদ খান — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি BARD-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম পরিচালক ছিলেন।
D) এ. কে. ফজলুল হক — তিনি বাংলার প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও কৃষক-প্রজা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, BARD-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
কুমিল্লা বার্ডের বারান্দায় বসে আখতার হামিদ খান পল্লী উন্নয়নের স্বপ্ন দেখেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর ধারা ৩ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হলেন বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
- যুদ্ধ বা শান্তি ঘোষণা এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সকল রাষ্ট্রীয় আদেশের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি এই সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান এবং মন্ত্রিপরিষদের প্রধান নির্বাহী হলেও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক নন।
B) সেনাবাহিনী প্রধান — তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান এবং শুধুমাত্র একটি বাহিনীর কমান্ড পরিচালনা করেন, সমগ্র সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান নন।
C) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) নৌবাহিনী প্রধান — তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান এবং শুধুমাত্র নৌবাহিনীর প্রশাসনিক ও অপারেশনাল দায়িত্ব পালন করেন।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্র প্রধানই সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান, অর্থাৎ 'র' দিয়ে রাষ্ট্রপতি এবং 'র' দিয়ে রক্ষা মন্ত্রণালয় বা সশস্ত্র বাহিনী মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) সুলতানী আমলে
কেন সঠিক:
- বাংলার স্বাধীন সুলতানদের আমলে সোনারগাঁও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে রাজধানী বা অন্যতম প্রধান নগরী হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- বিশেষ করে সুলতান ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের আমলের সময় সোনারগাঁও থেকে বাংলার শাসনকার্য পরিচালিত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুলতানী আমলে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সময়ে সোনারগাঁও স্বাধীন বাংলার রাজধানী ও মুদ্রণশালা হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছিল।
B) মুঘল আমলে — এই সময়ে বাংলার রাজধানী সোনারগাঁও থেকে প্রথমে ঢাকা এবং পরবর্তীতে অন্যান্য স্থানে স্থানান্তরিত হয়।
C) ব্রিটিশ আমলে — এই সময়ে কলকাতা বাংলার তথা পুরো ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী ছিল, সোনারগাঁও নয়।
D) পাকিস্তান আমলে — এই সময়ে পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকা ছিল, সোনারগাঁও বা অন্য কোনো প্রাচীন শহর রাজধানী ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীন সুলতানি আমলে সোনারগাঁও ছিল বাংলার অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক রাজধানী।
সঠিক উত্তর: D) এশিয়াটিক সোসাইটি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি ২০০৩ সালে প্রথম প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম জাতীয় জ্ঞানকোষ বা বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করে।
- এই বিশাল প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পাদনা ও প্রকাশের মূল দায়িত্ব পালন করেছিল এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের অন্যতম প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলেও বাংলাপিডিয়া প্রকাশের মূল দায়িত্ব পালন করেনি।
B) বাংলা একাডেমি — এটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে কাজ করলেও বাংলাপিডিয়া প্রকাশের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়।
C) শিল্পকলা একাডেমি — এটি মূলত চারু ও কারুকলা এবং সংস্কৃতি চর্চার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি প্রতিষ্ঠান।
D) এশিয়াটিক সোসাইটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই বাংলাপিডিয়া প্রথম প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়াটিক সোসাইটি মানেই জ্ঞানচর্চা, আর তাদের সবচেয়ে বড় সৃষ্টি হলো বাংলাপিডিয়া।
সঠিক উত্তর: C) সাংবিধানিক সংস্থা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা পিএসসি একটি সাংবিধানিক সংস্থা কারণ সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এটি গঠিত হয়েছে।
- প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করা এই সংস্থার মূল সাংবিধানিক দায়িত্ব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা — এটি সঠিক নয় কারণ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আইনে চলে, কিন্তু পিএসসি সরাসরি সংবিধানের বিধান দ্বারা পরিচালিত হয়।
B) কর্পোরেট সংস্থা — এটি সঠিক নয় কারণ কর্পোরেট সংস্থা সাধারণত ব্যবসা বা লাভজনক বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে গঠিত হয়, যা পিএসসির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) সাংবিধানিক সংস্থা — প্রদত্ত উত্তর সঠিক, কারণ এটি সরাসরি দেশের সংবিধান দ্বারা সৃষ্ট এবং ক্ষমতা প্রাপ্ত একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান।
D) পূর্ণ সরকারি সংস্থা — এটি সঠিক নয় কারণ পিএসসি সরকারের নির্বাহী বিভাগের অধীন সাধারণ কোনো সরকারি দপ্তর নয়, এটি একটি স্বাধীন সাংবিধানিক কমিশন।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ১৩৭ থেকে ১৪১ অনুচ্ছেদে পিএসসির কথা বলা আছে, তাই এটি একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
সঠিক উত্তর: B) সিলেট
কেন সঠিক:
- মণিপুরী সম্প্রদায় বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, যাদের মূল বসবাস সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার, সিলেট ও হবিগঞ্জ জেলায়।
- এদের একটি বড় অংশ মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় কেন্দ্রীভূত হয়ে বসবাস করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুমিল্লা — কুমিল্লা অঞ্চলে সাধারণত ত্রিপুরা উপজাতির মানুষের বসবাস রয়েছে, মণিপুরী উপজাতির নয়।
B) সিলেট — এই অপশনটি সঠিক কারণ মণিপুরী জনগোষ্ঠীর মূল বসতি সিলেট অঞ্চলেই অবস্থিত।
C) রাঙামাটি — রাঙামাটি পার্বত্য জেলা যেখানে চাকমা, মারমা ও তঞ্চঙ্গ্যাসহ পাহাড়ি উপজাতিরা বাস করে।
D) ময়মনসিংহ — ময়মনসিংহ অঞ্চলে গারো, হাজং ও কোচ উপজাতির মানুষের বসতি বেশি।
মনে রাখার টিপস:
মণিপুরী উপজাতির 'ম' এবং সিলেট অঞ্চলের 'সি' যুক্ত করে মনে রাখতে পারো সিলেটে মণিপুরী সম্প্রদায়ের প্রধান বসতি।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৮৩ সালে
কেন সঠিক:
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ১৯৭৬ সালে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস কর্তৃক একটি গবেষণা প্রকল্প হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী জোবরা গ্রামে চালু হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালের অক্টোবর মাসে বিশেষ অধ্যাদেশের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংক একটি স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ ব্যাংক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৬ সালে — এই সালে এটি মূলত গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্প হিসেবে জোবরা গ্রামে কার্যক্রম শুরু করেছিল, পূর্ণাঙ্গ ব্যাংক হিসেবে নয়।
B) ১৯৭৯ সালে — এই সালে গ্রামীণ ব্যাংক নামে কোনো আনুষ্ঠানিক বা আইনি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা লাভ করেনি।
D) ১৯৮৫ সালে — এটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল নয়, কারণ এর আগেই ১৯৮৩ সালে ব্যাংকটি পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি লাভ করে।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭৬ সালে গবেষণা প্রজেক্ট শুরু হলেও ব্যাংকের রূপ পেতে ১৯৮৩ সাল লেগেছিল।
সঠিক উত্তর: C) ১০নং সেক্টর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সমগ্র বাংলাদেশকে যে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়, তার মধ্যে ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ সেক্টর।
- এই সেক্টরের কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা বা নিয়মিত কমান্ডার ছিল না, এটি গঠিত হয়েছিল দেশের সমুদ্রসীমা এবং নৌপথের অপারেশনের জন্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯নং সেক্টর — এটি খুলনা, সাতক্ষীরা, বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি ভৌগোলিক সেক্টর ছিল, নৌপথের জন্য নির্দিষ্ট ছিল না।
B) ৪নং সেক্টর — এটি মূলত সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত নিয়মিত একটি সেক্টর ছিল।
C) ১০নং সেক্টর — এটিই একমাত্র বিশেষ সেক্টর যা সমগ্র নৌপথ ও সমুদ্র উপকールの নদীভিত্তিক অপারেশনের জন্য গঠিত হয়েছিল।
D) ১১নং সেক্টর — এটি টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি নির্দিষ্ট স্থলভিত্তিক সেক্টর ছিল।
মনে রাখার টিপস:
নৌপথ বা সমুদ্রের পানির সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন দশ নম্বর সেক্টর মানেই জলের সেক্টর।
সঠিক উত্তর: A) ভুটান
কেন সঠিক:
- ভুটান বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০০৪ সালে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে।
- স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বৌদ্ধ ধর্মের অনুশাসন মেনে দেশটি প্রকাশ্যে ধূমপান নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) সাইপ্রাস — এটি ধূমপানমুক্ত দেশ নয়, বরং এখানকার কর্মক্ষেত্রে ধূমপান নিয়ন্ত্রণের আইন রয়েছে।
C) গ্রিসর — গ্রিস ধূমপানমুক্ত দেশ নয়, ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে এখানে ধূমপানের হার বেশ বেশি।
D) রুমানিয়া — এটি ধূমপানমুক্ত দেশ নয়, এখানে কেবল নির্দিষ্ট কিছু জনসমাগমে ধূমপান নিষিদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
ভুটান পাহাড় ঘেরা শান্তির দেশ, তাই পাহাড়ের মতো পবিত্র রাখতে তারা প্রথম ধূমপান নিষিদ্ধ করে।
সঠিক উত্তর: C) সীতাকুণ্ড
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রথম ইকোপার্ক হলো চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত বাঁশবাড়িয়া ও চন্দ্রনাথ সংরক্ষিত বনাঞ্চল নিয়ে গঠিত ইকোপার্ক।
- biodiversity বা জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পর্যটনের প্রসারের জন্য ২০০১ সালে সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — এটি প্রথম ইকোপার্কের স্থান নয়, তবে এখানে পরবর্তীতে অন্যান্য সংরক্ষিত বন ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে।
B) রাঙামাটি — এটি পার্বত্য জেলা হলেও বাংলাদেশের প্রথম ইকোপার্ক এখানে অবস্থিত নয়।
D) খাগড়াছড়ি — এটি পাহাড়ি জেলা হলেও এখানে প্রথম ইকোপার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রথম ইকোপার্ক সীতাকুণ্ডে অবস্থিত, মনে রাখতে 'স' তে সীতাকুণ্ড এবং 'স' তে প্রথম সংরক্ষিত পার্কের কথা মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) ওয়াশিংটন ডিসি
কেন সঠিক:
- বিশ্বব্যাংক বা World Bank ১৯৪৪ সালে গঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সদস্য দেশগুলোকে ঋণ ও অনুদান দিয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তরের অবস্থান, বিশ্বব্যাংকের নয়।
B) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি সঠিক উত্তর।
C) ডেট্রয়েট — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোটরশিল্প বা অটোমোবাইল উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র।
D) ডালাস — এটি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের একটি বড় বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক শহর।
মনে রাখার টিপস:
টাকার বা অর্থের ব্যাংকগুলো সাধারণত দেশের রাজধানীতে থাকে, তাই বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) উষ্ণতা হ্রাস
কেন সঠিক:
- কিয়োটো চুক্তি হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমানোর আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধে কাজ করে।
- এটি ১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটোতে গৃহীত হয় এবং ২০০৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জনসংখ্যা হ্রাস — এটি পরিবার পরিকল্পনা বা জনমিতি বিষয়ক নীতি, কিয়োটো চুক্তির বিষয় নয়।
B) দরিদ্রতা হ্রাস — এটি মূলত অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) উষ্ণতা হ্রাস — এটি সঠিক কারণ কিয়োটো চুক্তি জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
D) নিরস্ত্রীকরণ — এটি সামরিক অস্ত্র কমানো বা যুদ্ধ প্রতিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক বিষয়।
মনে রাখার টিপস:
কিয়োটো চুক্তি মানেই জলবায়ু রক্ষা এবং পৃথিবীর উষ্ণতা কমানোর ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।
সঠিক উত্তর: C) বাথ
কেন সঠিক:
- থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় ও প্রচলিত মুদ্রার নাম বাথ।
- থাইল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক অফ থাইল্যান্ড এই মুদ্রা জারি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিংগিত — এটি মালয়েশিয়ার প্রচলিত মুদ্রার নাম, থাইল্যান্ডের নয়।
B) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম, থাইল্যান্ডের নয়।
C) বাথ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম।
D) পাউন্ড — এটি যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রার নামের অংশ, থাইল্যান্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
থাইল্যান্ডের মানুষ গরম থেকে বাঁচতে বাথ বা গোসল করতে পছন্দ করে, আর তাদের মুদ্রার নামও বাথ।
সঠিক উত্তর: D) হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ
কেন সঠিক:
- যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা বা কংগ্রেস দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত, যার নিম্নকক্ষ হলো হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ বা প্রতিনিধি পরিষদ।
- এই কক্ষের সদস্যরা জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন এবং অঙ্গরাজ্যগুলোর জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বণ্টিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাউস অব কমনস্ — এটি যুক্তরাজ্যের সংসদ বা পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নাম, যুক্তরাষ্ট্রের নয়।
B) হাউস অব লর্ডস্ — এটি যুক্তরাজ্যের সংসদ বা পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের নাম, যুক্তরাষ্ট্রের নয়।
C) সিনেট — এটি যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ, নিম্নকক্ষ নয়।
D) হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ — এটিই যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার সঠিক নিম্নকক্ষ।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নকক্ষ হলো হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ হলো সিনেট।
সঠিক উত্তর: D) রোম
কেন সঠিক:
- প্রাচীন রোম শহরটি টাইবার নদীর তীরে সাতটি পাহাড়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলে একে সাত পাহাড়ের দেশ বলা হয়।
- ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্যের কারণে বিশ্ব মানচিত্রে রোম নগরী এই নামে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিসিসিপি — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি নদী ও অঙ্গরাজ্যের নাম, কোনো পাহাড়ের দেশ নয়।
B) কাঠমান্ডু — এটি নেপালের রাজধানী এবং হিমালয়ের উপত্যকায় অবস্থিত একটি শহর।
C) দার্জিলিং — এটি ভারতের একটি পাহাড়ি পর্যটন শহর হলেও একে সাত পাহাড়ের দেশ বলা হয় না।
D) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং প্রাচীন সাতটি পাহাড়ের ওপর গড়ে ওঠা ঐতিহাসিক নগরী।
মনে রাখার টিপস:
রোমান সভ্যতার জন্মস্থান রোম শহরটি সাতটি পাহাড় নিয়ে গঠিত, তাই এটি সাত পাহাড়ের দেশ।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৬৯ সাল
কেন সঠিক:
- ১৯৬৪ সালে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পিএলও গঠিত হওয়ার পর থেকেই ইয়াসির আরাফাত এর একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন।
- ১৯৬৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি পিএলওর সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সংস্থা এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬৪ সাল — এই সালে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পিএলও গঠিত হয়, কিন্তু ইয়াসির আরাফাত তখন চেয়ারম্যান হননি।
B) ১৯৬৫ সাল — এই সালটি পিএলওর ইতিহাসে বা ইয়াসির আরাফাতের চেয়ারম্যান হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ কারণে উল্লেখযোগ্য নয়।
C) ১৯৬৭ সাল — আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের বছর এটি, তবে এই সালে তিনি পিএলওর চেয়ারম্যান হননি।
D) ১৯৬৯ সাল — এই সালেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পিএলওর চেয়ারম্যান পদ লাভ করেন, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
পিএলও গঠনের পাঁচ বছর পর অর্থাৎ ১৯৬৯ সালে ইয়াসির আরাফাত এর চেয়ারম্যান হন।
সঠিক উত্তর: B) জাপানি
কেন সঠিক:
- 'সুনামি' একটি জাপানি শব্দ যার অর্থ সমুদ্রের বন্দর বা পোতাশ্রয়ের ঢেউ।
- জাপান ভূমিকম্প ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসপ্রবণ দেশ হওয়ায় তাদের ভাষাতেই এই শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা — এটি একটি বঙ্গীয় বা ভারতীয় ভাষার নাম, সুনামি শব্দের উৎস নয়।
C) ইন্দোনেশিয়ানাত — এটি বানান ভুল এবং সুনামি শব্দটি ইন্দোনেশীয় ভাষা থেকে আসেনি।
D) চাইনিজ — এটি চীন দেশের ভাষা, সুনামি শব্দের উৎপত্তি এই ভাষা থেকে হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
জাপানে প্রায়ই সামুদ্রিক ঢেউ বা জলোচ্ছ্বাস হয়, তাই জলোচ্ছ্বাসের আন্তর্জাতিক নাম 'সুনামি' এসেছে জাপানি ভাষা থেকেই।
সঠিক উত্তর: C) ভারত
কেন সঠিক:
- 'ব্লাকক্যাট' বা ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড ভারতের একটি বিশেষ সন্ত্রাসবিরোধী কমান্ডো বাহিনী।
- ১৯৮৪ সালের ১৬ অক্টোবর এই এলিট বাহিনীটি গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসরাইল — ইসরাইলের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার নাম মোসাদ এবং বিশেষ কমান্ডো বাহিনীর নাম সায়েরাত মাতকাল।
B) দক্ষিণ আফ্রিকা — দক্ষিণ আফ্রিকার এই নামে কোনো বিখ্যাত কমান্ডো বাহিনী নেই।
C) ভারত — এটিই সঠিক উত্তর কারণ ব্লাকক্যাট ভারতের বিশেষ কমান্ডো বাহিনী।
D) পাকিস্তান — পাকিস্তানের বিশেষ কমান্ডো বাহিনীর নাম স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ।
মনে রাখার টিপস:
প্রতিবেশী দেশ ভারতের বিশেষ ও ভয়ঙ্কর কমান্ডো বাহিনী হলো ব্লাকক্যাট।
সঠিক উত্তর: C) দ্যাগ হ্যামারশেল্ড
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ মহাসচিব দ্যাগ হ্যামারশেল্ড ১৯৬১ সালে কঙ্গোয় শান্তি রক্ষা মিশন পালনের সময় বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন।
- তিনি একমাত্র জাতিসংঘ মহাসচিব যিনি দায়িত্ব পালনকালে মারা যান এবং মরণোত্তর নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্রিপেডলি — এটি কোনো জাতিসংঘের মহাসচিবের নাম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) কুর্ট ওয়াল্ডহেইম — তিনি জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব ছিলেন এবং স্বাভাবিকভাবেই মেয়াদ শেষ করেন।
ডি) উথান্ট — তিনি জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব ছিলেন এবং তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
দ্যাগ হ্যামারশেল্ডের বিমান দুর্ঘটনা মনে রাখতে 'দ্যাগ ও দুর্ঘটনা' দুটি শব্দ মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯০ সালে
কেন সঠিক:
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়।
- বার্লিন প্রাচীর পতনের পরের বছরই দুই জার্মানির দীর্ঘদিনের বিভক্তির অবসান ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯০ সালে — এই সালে দুই জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয়েছিল।
B) ১৯৯১ সালে — এই সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গিয়েছিল, কিন্তু জার্মানি একত্রিত হয় এর এক বছর আগে।
C) ১৯৯২ সালে — এই সালে জার্মানির একত্রীকরণের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
D) ১৯৯৫ সালে — এই সালটি জার্মানির একত্রীকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীর পতনের পরের বছর অর্থাৎ ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি এক হয়।
সঠিক উত্তর: C) বইমেলা
কেন সঠিক:
- জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং প্রাচীনতম বার্ষিক বইমেলার জন্য বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক পরিচিত ও বিখ্যাত।
- প্রতি বছর অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত এই ফ্রাঙ্কফুর্ট বুক ফেয়ার আন্তর্জাতিক প্রকাশনা শিল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য মেলা হিসেবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইস হকি — এটি উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের কিছু দেশের জনপ্রিয় খেলা, ফ্রাঙ্কফুর্ট এর জন্য বিখ্যাত নয়।
B) ঔষধশিল্প — জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট অর্থনৈতিক কেন্দ্র হলেও এটি প্রধানত ব্যাংকিং ও বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত, বিশেষ ঔষধশিল্পের একক কেন্দ্র নয়।
D) কৃষিপণ্য — ফ্রাঙ্কফুর্ট একটি অত্যন্ত উন্নত ও জনবহুল বাণিজ্যিক মহানগরী, ঐতিহ্যগতভাবে এটি কৃষিপণ্যের জন্য বিখ্যাত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফ্রাঙ্কফুর্ট মানেই বইয়ের মেলা, কারণ এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বইমেলার শহর।
সঠিক উত্তর: C) ল্যাকটোজ সার
১. কেন সঠিক:
দুধে যে প্রাকৃতিক শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায় তার নাম ল্যাকটোজ।
এটি একটি ডাইস্যাকারাইড বা দ্বি-শর্করা যা গ্লুকোজ এবং গ্যালাকটোজের সমন্বয়ে গঠিত।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ল্যাকটোজ হলো স্তন্যপায়ী প্রাণীর দুধে বিদ্যমান প্রধান শর্করা যা শক্তির একটি ভালো উৎস।
কার্যপ্রণালি: মানবদেহে ল্যাকটোজ পরিপাক করার জন্য ল্যাকটেজ নামক এনজাইম প্রয়োজন হয় যা একে ভেঙে সরল শর্করায় পরিণত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গরুর দুধ পান করার পর অনেকের পেটে সমস্যা বা অস্বস্তি হয়।
ব্যাখ্যা: দেহে ল্যাকটেজ এনজাইমের ঘাটতি থাকলে ল্যাকটোজ সঠিকভাবে হজম হয় না, যাকে ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা বলে।
উদাহরণ ২: দই বা ছানা তৈরির সময় ল্যাকটোজ ল্যাকটিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়।
ব্যাখ্যা: ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে এই পরিবর্তনের কারণে দুধ জমে টক স্বাদের খাবার তৈরি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রুকটোজ — এটি ফলমূল এবং মধুতে প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান সবচেয়ে মিষ্টি моноস্যাকারাইড বা সরল শর্করা।
B) এমাইলেজ — এটি কোনো শর্করা নয়, বরং শর্করা জাতীয় খাদ্য পরিপাককারী একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসেচক বা এনজাইম।
C) ল্যাকটোজ সার — এটি দুধে থাকা সঠিক শর্করা যার সঙ্গে সার শব্দটি মুদ্রণজনিত বা অতিরিক্ত অংশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
D) গ্যালাকটোজ — এটি একা দুধে থাকে না, বরং ল্যাকটোজ ভেঙে গ্লুকোজের সঙ্গে উৎপন্ন হওয়া একটি সরল শর্করা।
৫ মনে রাখার টিপস:
দুধ বা মিল্ক শব্দটির সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখতে হবে দুধের শর্করার নাম ল্যাকটোজ।
ল্যাকটোজ শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ল্যাকটা অর্থ দুধ থেকে এসেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
দুধে কোন অ্যাসিড থাকে তা জানতে চাইলে ল্যাকটিক অ্যাসিড উত্তর হবে।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে ল্যাকটোজ কোন দুটি সরল শর্করার সমন্বয়ে গঠিত।
সঠিক উত্তর: B) অ্যাড্রিনালিন গ্রন্থি
১. কেন সঠিক:
- অ্যাড্রিনালিন গ্রন্থি বা এড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
- এই হরমোন রক্তনালী সংকুচিত করে এবং হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে সাময়িকভাবে রক্তচাপ বৃদ্ধি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: মানবদেহের বৃক্কের ওপরে অবস্থিত এড্রিনাল গ্রন্থি থেকে এড্রিনালিন হরমোন নিঃসৃত হয়।
- কার্যপ্রণালি: জরুরি পরিস্থিতিতে বা ভয়ের সময় এই হরমোন রক্তে মিশে রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেহকে প্রস্তুত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হঠাৎ ভয় পেলে বুক ধড়ফড় করা।
ব্যাখ্যা: এসময় এড্রিনালিন হরমোন দ্রুত নিঃসৃত হয়ে হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।
উদাহরণ ২: অতিরিক্ত রাগ বা উত্তেজনার সময় শরীর কেঁপে ওঠা।
ব্যাখ্যা: এই হরমোনের প্রভাবে রক্তনালী সংকুচিত হয় এবং রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থাইরয়েড গ্রন্থি — এটি বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর সমস্যার কারণে ওজনের পরিবর্তন ঘটে, সরাসরি উচ্চ রক্তচাপের প্রধান কারণ এটি নয়।
B) অ্যাড্রিনালিন গ্রন্থি — এটি সরাসরি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে এবং উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী হরমোন নিঃসরণ করে।
C) পিটুইটারী গ্রন্থি — এটি মাস্টার গ্ল্যান্ড বা প্রধান গ্রন্থি যা অন্যান্য হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে, সরাসরি উচ্চ রক্তচাপ ঘটায় না।
D) অগ্নাশয় — এটি ইনসুলিন হরমোন তৈরি করে যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, রক্তচাপের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
জরুরি অবস্থার হরমোন এড্রিনালিন রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।
এড্রিনাল গ্রন্থি বৃক্কের ওপরে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এড্রিনালিন হরমোনকে ইমার্জেন্সি হরমোন বা আপৎকালীন হরমোন বলা হয়।
এই ধরনের প্রশ্ন মানবদেহ ও শারীরবৃত্ত অধ্যায় থেকে প্রায়ই বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) সর্বত্র
১. কেন সঠিক:
ব্যাকটেরিয়া হলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অভিযোজিত এককোষী অণুজীব যা পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি পরিবেশেই বেঁচে থাকতে পারে।
এদের চরম পরিবেশেও বেঁচে থাকার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে যা এদের সর্বত্র উপস্থিতি নিশ্চিত করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ব্যাকটেরিয়া প্রোপ্রারিওটিক বা আদি কোষী অণুজীব যা অত্যন্ত দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে পারে এবং বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে স্পোর বা গুটি তৈরি করে টিকে থাকে।
কার্যপ্রণালি: এরা মৃতজীবী, পরজীবী বা স্বনির্ভর হিসেবে মাটি, পানি, বাতাস এবং অন্যান্য জীবের দেহের ভেতর ও বাইরে সর্বত্র খাদ্য সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া ই কোলাই বাস করে।
ব্যাখ্যা: এটি হজমে সাহায্য করে এবং আমাদের শরীরের ভেতরেও ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি প্রমাণ করে।
উদাহরণ ২: গভীর সমুদ্রের হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট বা উষ্ণ প্রস্রবণে ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে বাতাস বা মাটি ছাড়াও চরম তাপমাত্রার অঞ্চলেও ব্যাকটেরিয়া বেঁচে থাকতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্থলে — মাটি ব্যাকটেরিয়ার প্রধান আবাস হলেও শুধু স্থলেই সীমাবদ্ধ নয়, কারণ জল ও বাতাসেও প্রচুর ব্যাকটেরিয়া থাকে।
B) জলে — মহাসাগর থেকে পুকুরের পানিতে ব্যাকটেরিয়া থাকে তবে এটি সম্পূর্ণ পরিবেশের একটি অংশ মাত্র।
C) বাতাসে — বাতাসে ধূলিকণা ও জলীয় বাষ্পের সাথে ব্যাকটেরিয়া ভেসে বেড়ায় কিন্তু এটি এদের একমাত্র বাসস্থান নয়।
D) সর্বত্র — এই উত্তরটি সঠিক কারণ ব্যাকটেরিয়া স্থল, জল, বাতাস, জীবদেহ এবং চরম পরিবেশসহ মহাবিশ্বের প্রায় সব জায়গাতেই উপস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
ব্যাকটেরিয়া হলো প্রকৃতির সর্বঘাঁটির জীব, তাই এর উত্তর হবে সর্বত্র।
মাটি, পানি, বাতাস বা জীবদেহ যেখানেই হাত দাও না কেন, ব্যাকটেরিয়া সেখানে পাবেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ব্যাকটেরিয়া পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন জীবগুলোর একটি।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের প্রধান উপাদান কী, যার উত্তর হলো পেপ্টিডোগ্লাইকান।
সঠিক উত্তর: A) বস্তুর কম্পন
১. কেন সঠিক:
শব্দ এক প্রকার শক্তি যা আমাদের শোনার অনুভূতি জাগায় এবং এটি কেবল তখনই উৎপন্ন হয় যখন কোনো বস্তু কাঁপে বা কম্পিত হয়।
বস্তুর দ্রুত সামনের ও পেছনের বা এদিক-ওএদিকের গতিকে কম্পন বলে, যা চারপাশের বায়ুকে সংকুচিত ও প্রসারিত করে শব্দ তৈরি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কম্পনশীল বস্তু থেকে শক্তি তরঙ্গাকারে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাধ্যমকে কাঁপিয়ে আমাদের কানে পৌঁছায়।
কার্যপ্রণালি: কোনো বস্তু যখন কাঁপে তখন তার সংস্পর্শে থাকা বায়ুকণার ওপর চাপ সৃষ্টি হয় এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের মাধ্যমে শব্দ সামনের দিকে অগ্রসর হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গিটার বা সেতারের তারে আঙুল দিয়ে টান দিলে তা দ্রুত কাঁপে এবং সুমধুর শব্দ উৎপন্ন করে।
ব্যাখ্যা: তারের এই যান্ত্রিক কম্পন চারপাশের বায়ুকে আন্দোলিত করে আমাদের কানে শব্দের অনুভূতি পাঠায়।
উদাহরণ ২: কোনো থালায় চামচ দিয়ে আঘাত করলে থালাটি কাঁপতে থাকে এবং শব্দ শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: আঘাতের ফলে থালার পরমাণুগুলো কম্পিত হয় এবং সেই কম্পন বায়ুর মাধ্যমে আমাদের পর্যন্ত পৌঁছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বস্তুর কম্পন — এটি সঠিক কারণ কম্পন ছাড়া কোনো শব্দ উৎপন্ন হতে পারে না।
B) প্রতিধ্বনি — এটি শব্দের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেখানে শব্দ কোনো বাধা পেয়ে ফিরে আসে, কিন্তু এটি শব্দ উৎপত্তির কারণ নয়।
C) বস্তুর তাপমাত্রা — তাপমাত্রা পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে পারে বা শব্দের বেগ বাড়াতে পারে, কিন্তু এটি সরাসরি শব্দ উৎপন্ন করে না।
D) শব্দ তরঙ্গ — শব্দ তরঙ্গ হলো শব্দের প্রচার বা চলার মাধ্যম, যা কম্পনের ফলে সৃষ্টি হয় কিন্তু নিজে উৎপত্তির মূল কারণ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
কম্পন মানেই আন্দোলন বা কাঁপুনি, আর কম্পন থাকলেই শব্দ হবে।
শব্দ সৃষ্টির মূল চাবিকাঠি হলো বস্তুর দ্রুত গতি বা কম্পন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন, তাই শূন্য বা বায়ুশূন্য স্থানে শব্দ শোনা যায় না।
এই প্রশ্নটি থেকে প্রায়ই শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ বা শব্দের তীব্রতা সম্পর্কিত অন্য প্রশ্ন পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) বৃষ্টির কণা
১. কেন সঠিক:
আকাশে রংধনু সৃষ্টির পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করে বায়ুমণ্ডলে ভেসে থাকা বৃষ্টির কণা। সূর্যের আলো যখন বৃষ্টির ফোঁটার ভেতর প্রবেশ করে, তখন আলোর প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন এবং বিচ্ছুরণ ঘটে।
এই আলোর বিভিন্ন তরঙ্গের কোণগত পার্থক্যের কারণে সাদা আলো তার উপাদান সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে দর্শকের চোখে এসে পড়ে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: প্রিজমের মতো বৃষ্টির ফোঁটাও আলোর বিচ্ছুরণ ঘটায়।
কার্যপ্রণালি: সূর্যের আলো বৃষ্টির ফোঁটায় পড়ার পর প্রথমে প্রতিসৃত ও বিভক্ত হয়, ফোঁটার পেছনের দেয়ালে প্রতিফলিত হয় এবং ফোঁটা থেকে বের হওয়ার সময় পুনরায় প্রতিসৃত হয়ে সাতটি রঙে আলাদা হয়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদ্যানের লন স্প্রিংকলার বা পানি ছিটানোর পাইপের কুয়াশার দিকে তাকালে রোদের আলোয় ছোট ছোট কৃত্রিম রংধনু দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: কৃত্রিমভাবে তৈরি পানির কণাগুলোর ওপর সূর্যের আলো পড়ে একইভাবে আলোর প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে রংধনু তৈরি করে।
উদাহরণ ২: জলপ্রপাতের কাছাকাছি বাতাসে ভাসমান ক্ষুদ্র জলকণায় সূর্যের আলো পড়লে চমৎকার রংধনু দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: জলপ্রপাতের জলকণাগুলো বৃষ্টির ফোঁটার মতো প্রিজমের কাজ করে আলোর প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে রংধনু দৃশ্যমান করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়ুস্তর — শুধু বায়ুস্তর আলোর বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে রংধনু তৈরি করতে পারে না। তবে বায়ুমণ্ডলের স্তর আলোর প্রতিসরণের কারণে দিগন্তে সূর্যকে একটু ওপরে দেখানোর মতো ঘটনা ঘটায়।
B) তুষার কণা — তুষার কণা সাধারণত আলো প্রতিফলিত বা বিক্ষিপ্ত করে সাদা বা উজ্জ্বল আলো দেখায়। কিন্তু রংধনু তৈরির জন্য তরল পানির ফোঁটার ভেতরে আলোর প্রতিসরণ ও অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন প্রয়োজন, যা তুষার কণা করে না।
C) বৃষ্টির কণা — এটি সঠিক উত্তর। কারণ বৃষ্টির ফোঁটা আলোর প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ও বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে রংধনু সৃষ্টি করে।
D) ধূলিকণা — ধূলিকণা বায়ুমণ্ডলে আলোর বিক্ষেপণ ঘটায়। এর ফলে আকাশের রং নীল দেখায় বা সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় আকাশ লাল দেখায়, কিন্তু রংধনু তৈরি করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
রংধনু মনে রাখার সহজ উপায় হলো বেনীআহীকলুদ। এখানে বতে বেগুনি, নী তে নীল, আ তে আসমানী, হী তে হলুদ, ক তে কমলা এবং ল তে লাল রঙ বোঝানো হয়েছে। বৃষ্টির ফোঁটা এই সাতটি রঙকে আলাদা করে দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রংধনু দেখার সময় দর্শককে অবশ্যই সূর্যকে নিজের পিঠের দিকে এবং বৃষ্টির ফোঁটাকে সামনের দিকে রাখতে হবে। একই ধারণা থেকে বিসিএসে আলো ও প্রতিসরণ সম্পর্কিত অন্যান্য প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) অক্সিজেন বহন করা
১. কেন সঠিক:
- লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক এক প্রকার লৌহঘটিত প্রোটিন থাকে যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে।
- এই হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সঙ্গে অস্থায়ীভাবে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে এবং সমগ্র দেহের কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: লোহিত রক্তকণিকা বা এরিথ্রোসাইট মেরুদণ্ডী প্রাণীদের রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের প্রধান বাহক হিসেবে কাজ করে।
- কার্যপ্রণালি: ফুসফুসের অ্যালভিওলাইতে বায়ুমণ্ডলীয় অক্সিজেন প্রবেশ করলে তা কৈশিক নালির মাধ্যমে লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দীর্ঘক্ষণ পাহাড়ি এলাকায় বা উঁচুতে ভ্রমণের সময় মানুষের শ্বাসকষ্ট হয়।
ব্যাখ্যা: উচ্চ altitudes-এ বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের চাপ কম থাকায় লোহিত রক্তকণিকা কম অক্সিজেন গ্রহণ করে, ফলে শরীরে অক্সিজেনের চাহিদা মেটাতে হৃৎস্পন্দন ও লোহিত কণিকার উৎপাদন বেড়ে যায়।
উদাহরণ ২: কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়া।
ব্যাখ্যা: কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে অক্সিজেনের চেয়ে অনেক বেশি শক্তভাবে যুক্ত হয়, যা কোষে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে দেয় এবং মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন বহন করা — এটি লোহিত রক্তকণিকার প্রধান এবং সঠিক কাজ।
B) নাইট্রোজেন বহন করা — রক্ত নাইট্রোজেন গ্যাস সরাসরি পরিবহন করে না, এটি মূলত রক্তরসে সামান্য পরিমাণে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
C) কার্বন ডাই-অক্সাইড বহন করা — কার্বন ডাই-অক্সাইড মূলত রক্তরস বা প্লাজমার মাধ্যমে বাইকার্বোনেট লবণের আকারে বেশি পরিবাহিত হয়, যদিও এর সামান্য অংশ হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে যায়।
D) রোগ প্রতিরোধ করা নেই — রোগ প্রতিরোধ করার মূল কাজটি শ্বেত রক্তকণিকা বা লিউকোসাইট করে থাকে, লোহিত কণিকা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
লাল রক্ত মানেই জীবনদাতা অক্সিজেন, কারণ লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিনই ফুসফুস থেকে কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন এবং মানবদেহে এটি তৈরি হয় অস্থিমজ্জায়।
এরূপ প্রশ্ন থেকে প্রায়ই হিমোগ্লোবিনের কাজ বা শ্বেত রক্তকণিকার ভূমিকা সম্পর্কিত এমসিকিউ আসে।
সঠিক উত্তর: D) কালো
১. কেন সঠিক:
- কালো রঙের বস্তু দৃশ্যমান আলোর সমস্ত বর্ণ শোষণ করে এবং কোনো বর্ণ প্রতিফলিত করে না।
- আলো শোষিত হওয়ার কারণে আলোকশক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়, তাই কালো বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কোনো বস্তুর বর্ণ নির্ভর করে বস্তুটি আলোর কোন অংশ শোষণ বা প্রতিফলিত করে তার ওপর।
- কার্যপ্রণালি: কালো বস্তু বা পৃষ্ঠে আলো আপতিত হলে তা সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয় এবং কোনো আলো ফিরে আসে না।
- বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশে কালো রঙের পোশাক পরা হয় যাতে সূর্যের তাপ বেশি শোষিত হয়ে শরীর গরম থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গরমের দিনে পিচঢালা কালো রাস্তা খালি পায়ে হাঁটা কঠিন কারণ এটি দ্রুত তাপ শোষণ করে উত্তপ্ত হয়।
ব্যাখ্যা: কালো পিচ রাস্তার আলোগুলো শোষণ করে প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে, যা এর তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
উদাহরণ ২: সোলার কুকার বা সৌর চুল্লির ভেতরের অংশ কালো রঙের করা হয়।
ব্যাখ্যা: কালো রঙ সূর্যের আলো ও তাপ সর্বোচ্চ পরিমাণে শোষণ করে রান্নার কাজকে দ্রুত ও সহজ করে তোলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাদা — সাদা বস্তু প্রায় সব আলো প্রতিফলিত করে, তাই এর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম এবং প্রতিফলন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
B) নীল — নীল বস্তু নীল বর্ণ বাদে অন্য বর্ণগুলোর বেশিরভাগ শোষণ করলেও কালো রঙের মতো সম্পূর্ণ আলো শোষণ করতে পারে না।
C) লাল — লাল বস্তু লাল আলো প্রতিফলিত করে এবং অন্য বর্ণগুলো শোষণ করে, তবে এটি কালো রঙের তুলনায় অনেক কম তাপ শোষণ করে।
D) কালো — এই অপশনটি সঠিক কারণ কালো বস্তু সব আলো শোষণ করে এবং এর তাপ শোষণ ক্ষমতা সর্বাধিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাদায় সব ফেরে, কালোয় সব মেশে। সাদা রঙ তাপ প্রতিফলিত করে আর কালো রঙ তাপ শোষণ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- তাপ শোষণ ক্ষমতার বিপরীত হলো তাপ বিকিরণ ক্ষমতা, অর্থাৎ যে বস্তু যত ভালো শোষণ করে সে তত ভালো বিকিরণ করে।
- এই একই ধারণার ওপর ভিত্তি করে ভালো তাপ শোষণকারী বস্তু হিসেবে কালো রঙ কৃষিকাজ বা গৃহ নির্মাণে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)