সঠিক উত্তর: A) মায়ে ঝিয়ে
কেন সঠিক:
- এই সমাসে দ্বন্দ্ব সমাসের চেনারূপ বা বিভক্তি লোক পায় না।
- সমাসবদ্ধ পদে পূর্বপদ ও পরপদের বিভক্তি ঠিক থাকে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমসমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না তাকে লুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- একে অলোক দ্বন্দ্ব সমাসও বলা হয়ে থাকে।
- যেমন মায়ে ঝিয়ে অর্থাৎ মা ও ঝি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
- B) ভাইবোন — এটি সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যেখানে ও বা এবং লুপ্ত হয়।
- C) ঘরবাড়ি — এটি সমার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ।
- D) দম্পতি — এটি জায়া ও পতি মিলে গঠিত বিশেষ ধরনের দ্বন্দ্ব সমাস।
মনে রাখার টিপস:
- পদের বিভক্তি যেমন এ বা তে যুক্ত থাকলে এবং সমাসের পরেও তা টিকে থাকলে লুক দ্বন্দ্ব হবে।
সঠিক উত্তর: C) বর্মী
১. কেন সঠিক:
লুঙ্গি একটি বিদেশি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রচলিত হয়েছে। মিয়ানমারের বা বার্মার ভাষা থেকে এই শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ভাষার শব্দ প্রবেশ করেছে। এর মধ্যে বার্মিজ বা বর্মী ভাষা থেকেও কিছু শব্দ বাংলায় স্থান পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লুঙ্গি
ব্যাখ্যা: এটি একটি পোশাকের নাম যা বর্মী ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
উদাহরণ ২: ফুঙ্গি
ব্যাখ্যা: এটি বৌদ্ধ ভিক্ষুক বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটিও বর্মী ভাষার শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবী — এই ভাষা থেকে ইসলাম ধর্ম ও প্রশাসন সংক্রান্ত শব্দ বাংলায় এসেছে যেমন কিতাব ও কলম।
B) ফার্সী — এই ভাষা থেকে সংস্কৃতি ও শাসন সংক্রান্ত শব্দ বাংলায় এসেছে যেমন কাগজ ও চশমা।
D) হিন্দি — এই ভাষা থেকে বিভিন্ন দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ বাংলায় এসেছে যেমন চাহিদা ও পেটে।
৫ মনে রাখার টিপস:
মিয়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় বর্মী সংস্কৃতির প্রভাব রয়েছে। লুঙ্গি ও ফুঙ্গি এই দুটি বর্মী শব্দ মনে রাখলেই পরীক্ষা উত্তর করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস প্রায়ই আসে। তাই শব্দগুলোর উৎস ভাষা আলাদা করে ছক আকারে মুখস্থ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) ভারতচন্দ্র
কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পক্তিটির রচিয়তা হলেন মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- কবির লেখা অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বরচন্দ্র ভারতচন্দ্রের অন্নপূর্ণার কাছে করা একটি প্রার্থনা থেকে এই লাইনটি নেওয়া হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার একটি অত্যন্ত পরিচিত পক্তি।
- এই পক্তির মাধ্যমে কবি তৎকালীন সাধারণ বাঙালির অন্ন ও বস্ত্রের মৌলিক চাহিদার একটি সুন্দর ছবি ফুটিয়ে তুলেছেন।
- যেমন, দুধে ও ভাতে পরিপূর্ণ একটি সচ্ছল পরিবারের জীবনযাত্রার আকুতি এখানে প্রকাশ পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচিয়তা, অন্নদামঙ্গল কাব্যের নন।
- B) দৌলত কাজী — তিনি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কবি, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ সতীময়না ও লোরচন্দ্রাণী।
- C) ভারতচন্দ্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই এই পক্তির স্রষ্টা।
- D) আলাওল — তিনি আরাকান রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি, তাঁর বিখ্যাত রচনা পদ্মাবতী।
মনে রাখার টিপস:
- অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বরী পাটুনীর প্রার্থনা মনে রাখলেই ভারতচন্দ্র নামটিকে সহজে মনে রাখা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
- 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' গ্রন্থটির রচায়িতা হলেন বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- এটি একটি শোকগাথা বা আত্মজীবনীমূলক সাহিত্যকর্ম, যা তিনি তারাচরণ শর্ম্মার অকালমৃত্যুতে রচনা করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ঊনবিংশ শতকের একজন প্রথিতযশা সাহিত্যিক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ।
- তাঁর গদ্যের ছান্দসিক রূপ ও punctuation চিহ্নের সঠিক ব্যবহারের কারণে তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ, যা শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত।
উদাহরণ ২: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটক অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচিত একটি জনপ্রিয় গদ্য গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামমোহন রায় — রামমোহন রায় বাংলা গদ্যের সূচনা করলেও 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' তাঁর রচিত কোনো গ্রন্থ নয়।
B) রামনারায়ণ তর্করত্ন — রামনারায়ন তর্করত্ন একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও এই শোকগাথাটি তাঁর লেখা নয়।
C) দীনবন্ধু মিত্র — দীনবন্ধু মিত্র নীলদর্পণ নাটকের জন্য বিখ্যাত হলেও তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেননি।
D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই একটি অনবদ্য সাহিত্যকর্ম।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিদ্যাসাগরের শোকমূলক বা ব্যক্তিগত অনুভূতির লেখাগুলোর মধ্যে 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' অন্যতম একটি নাম।
- বিদ্যাসাগর মানেই বাংলা গদ্যের মার্জিত রূপ এবং সমাজের নানা সংস্কারের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ এক কলম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ ও অনুবাদ গ্রন্থ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- তাঁর রচিত 'শকুন্তলা', 'সীতার বনবাস' এবং 'ভ্রান্তিবিলাস' গ্রন্থগুলোর নাম ও উৎস ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) শেখ চাঁদ
১. কেন সঠিক:
রসুল বিজয় কাব্যটির রচয়িতা শেখ চাঁদ। মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা পুথি সাহিত্যের ধারায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন ও যুদ্ধকাহিনী অবলম্বনে এই কাব্যটি রচিত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শেখ চাঁদ মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি সপ্তদশ শতাব্দীতে আবির্ভূত হন। তার রসুল বিজয় কাব্যটি বাংলা মুসলমান সাহিত্য ধারার একটি অন্যতম ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ সুলতান রচিত নবী বংশ।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের অন্যতম বিখ্যাত ইসলামী ও পয়গম্বর চরিত কাব্য।
উদাহরণ ২: শাহ মুহাম্মদ সগীর রচিত ইউসুফ জোলেখা।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবির রচিত প্রণয়োপাখ্যান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল হাকিম — তিনি ষোড়শ বা সপ্তদশ শতাব্দীর বিখ্যাত কবি যিনি নূরনামা ও শিহাবুদ্দিননামা রচনা করেছেন কিন্তু রসুল বিজয় তার সৃষ্টি নয়।
B) শেখ চাঁদ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি রসুল বিজয় কাব্যের রচয়িতা হিসেবে মধ্যযুগের সাহিত্যে পরিচিত।
C) মীর মুহম্মদ ಶಫী — তিনি এই নির্দিষ্ট কাব্যের রচয়িতা নন বরং অন্য ধারার পুথি সাহিত্যের সঙ্গে যুক্ত।
D) মুহম্মদ আকিল — তিনি মধ্যযুগের অন্য কোনো গ্রন্থের রচয়িতা হতে পারেন কিন্তু রসুল বিজয় তার রচিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
শেখ চাঁদের চাঁদ মুখের মতো পবিত্র জীবনী নিয়ে লেখা রসুল বিজয় কাব্যটি মনে রাখবে। মধ্যযুগের রসুল বিজয় বললেই কবি শেখ চাঁদের নাম স্মরণ করবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের কবি ও তাদের রচিত ইসলামী পুথি সাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে শেখ চাঁদের রসুল বিজয় কাব্যটি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার পরীক্ষার্থীদের মুখোমুখি হয়।
সঠিক উত্তর: D) কাহ্নপা
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন কবি কাহ্নপা। তিনি মোট তেত্রিশটি পদ রচনা করেছিলেন যার মধ্যে একটি বর্তমানে পাওয়া যায়নি।
- চর্যাপদের কবিদের মধ্যে কাহ্নপাদ বা কাহ্নপা সর্বাধিক সংখ্যক পদের রচয়িতা হিসেবে প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন।
- ডক্টর সুকুমার সেন ও অন্যান্য গবেষকদের মতে চর্যাপদে মোট ত્રેষট্টি জন বা চব্বিশ জন পদকর্তা রয়েছেন যাদের মধ্যে কাহ্নপার পদের সংখ্যাই সর্বাধিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাহ্নপার পদ সংখ্যা তেত্রিশটি।
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের অন্যান্য কবিদের তুলনায় কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেন।
উদাহরণ ২: ভুসুকুপা আটটি পদ রচনা করেন।
ব্যাখ্যা: কাহ্নপার পরেই সবচেয়ে বেশি আটটি পদ রচনা করেন কবি ভুসুকুপা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুইপা — লুইপা চর্যাপদের আদি কবি এবং তিনি মোট দুটি পদ রচনা করেছেন।
B) কুকুরীপা — কুকুরীপা চর্যাপদে মোট তিনটি পদ রচনা করেছেন।
C) সরহপা — সরহপা চর্যাপদে মোট চারটি পদ রচনা করেছেন।
D) কাহ্নপা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সর্বাধিক তেত্রিশটি পদ রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদের জন্য কাহ্নপা নামটি মনে রাখতে পারো কারণ তার নামেই সবচেয়ে বড় সংখ্যা তেত্রিশ জড়িত।
- লুইপা যে প্রথম কবি তা মনে রাখলে আদি ও সর্বাধিকের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে সুবিধা হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন কবি লুইপা এবং তার পদের সংখ্যা দুটি।
- এই ধরনের প্রশ্নে কবি এবং তাদের রচিত পদের সংখ্যা খুব ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে কারণ বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এটি আসে।
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
- 'টাপুর টুপুর' শব্দযুগল কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক শব্দের অনুকরণে গঠিত হয়েছে, যা ব্যাকরণে ধনাত্মক অব্যয় বা অনুকার অব্যয় নামে পরিচিত।
- যে শব্দ কোনো ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়ে বাক্যে অব্যয়ের কাজ করে এবং পদের রূপ পরিবর্তন করে না, তাকে অনুকার অব্যয় বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে পদের কোনো লিঙ্গ, বচন, বিভক্তি বা পরিবর্তন হয় না এবং যা বাক্যের অন্য পদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে কিংবা বাক্যের সৌন্দর্য বাড়ায়, তাকে অব্যয় পদ বলে।
- বিশেষ করে শব্দের দ্বিরুক্তি যখন কোনো ধ্বনির অনুকরণ বোঝায়, তখন তা অনুকার অব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঝিরঝির হাওয়া বইছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'ঝিরঝির' শব্দটি বাতাসের ধ্বনি বা অনুভূতির অনুকরণ বোঝাতে অব্যয় পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ঘেউ ঘেউ শব্দ শোনা যাচ্ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'ঘেউ ঘেউ' কুকুরের ডাকের অনুকরণ বোঝাতে অনুকার অব্যয় হিসেবে কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — কোনো কিছুর নামকে বিশেষ্য বলে, কিন্তু টাপুর টুপুর কোনো নির্দিষ্ট নাম নয় বরং শব্দের ধ্বনি নির্দেশ করে।
B) ক্রিয়া — যে শব্দ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায় তাকে ক্রিয়া বলে, কিন্তু টাপুর টুপুর দ্বারা কোনো কাজ বোঝায় না।
C) অব্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটির কোনো রূপান্তর হয় না এবং এটি ধ্বনির অনুকরণ প্রকাশ করে।
D) সর্বনাম — বিশেষ্যের পরিবর্তে যা ব্যবহৃত হয় তাকে সর্বনাম বলে, কিন্তু টাপুর টুপুর নামের পরিবর্তে বসে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দের পুনরাবৃত্তিতে যদি কোনো ধ্বনি বা আওয়াজ (যেমন: ঝমঝম, টাপুর টুপুর) বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে অনুকার অব্যয় বা অব্যয় পদ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি বা অনুকার অব্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই শব্দের অর্থ ও ধ্বনির ভাবার্থ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মৃত্যুত্তীর্ণ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক বানানটি হলো মৃত্যুত্তীর্ণ, যা গঠিত হয়েছে মৃত্যু এবং উত্তীর্ণ শব্দ দুটি মিলে।
- এখানে ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে ত বা দ এর পরে ত থাকলে ত বা দ স্থানে ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী মৃৎ কিংবা মৃত্যু শব্দের অন্তস্থিত ত বা দ এর সাথে উত্তীর্ণ শব্দের উ যুক্ত হয়ে দ্বিত্ব ত গঠিত হয়।
- এই শব্দটিতে ব্যঞ্জনসন্ধির নিখুঁত প্রয়োগ ঘটেছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জগৎ + জীবন = জগজ্জীবন
ব্যাখ্যা: ত এর পরে জ থাকলে ত স্থানে জ হয়, যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি সাধারণ নিয়ম।
উদাহরণ ২: সৎ + চিন্তা = সচিন্তা
ব্যাখ্যা: ত এর পরে চ থাকলে ত স্থানে চ হয়, যা এই ধরনের সন্ধির আরেকটি উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃত্যুত্তীর্ণ — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
B) মৃত্যুত্তির্ণ — এই অপশনে মূর্ধন্য ণ এর ভুল ব্যবহার রয়েছে, কারণ নিয়মানুসারে এখানে দন্ত্য ন বা ণ এর সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়নি।
C) মৃত্যুত্তীর্ণ — প্রথম অপশনের সাথে এটি হুবহু মিলে গেছে এবং এটিই সঠিক রূপ। (প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত অপশনে এ ও সি একই রয়েছে, তাই এটিও গঠনগতভাবে সঠিক বানান নির্দেশ করছে)।
D) মৃতৃত্তীর্ণ — এখানে মূল শব্দ মৃত্যু এর পরিবর্তে মৃতৃ ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং বানান ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মৃত্যু এবং উত্তীর্ণ শব্দ দুটি পাশাপাশি যোগ করার সময় মাঝের ত বর্ণটি দুটি হবে অর্থাৎ ত্ত হবে।
- সন্ধির সময় শব্দের মূল বানান ঠিক রেখে যুক্তবর্ণের নিয়ম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে সন্ধির মূল নিয়ম ও প্রত্যয়ের প্রভাব ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধিযুক্ত শব্দ শুদ্ধ করার প্রশ্নে এই নিয়মটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: প্রশ্নে প্রদত্ত নির্দেশনা এবং অপশনগুলোর মধ্যে মারাত্মক অসংগতি রয়েছে। প্রশ্ন চাওয়া হয়েছে দ্বিগু সমাসের উদাহরণ কোনটি, কিন্তু অপশনগুলো দেওয়া হয়েছে সন্ধিবিচ্ছেদের (যেমন দু + কৃতি = দুষ্কৃতী)। এটি মূলত একটি প্রশ্নপত্র তৈরির ত্রুটি বা মুদ্রণপ্রমাদ। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক সন্ধিযুক্ত শব্দ হলো দুষ্কৃতী, যার সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো দুঃ + কৃতি। এই প্রশ্নটি দ্বিগু সমাসের নয়, বরং বিসর্গ সন্ধির একটি উদাহরণ।
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে দু + কৃতি যুক্ত হয়ে দুষ্কৃতী গঠিত হয়, যা সন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
- এখানে বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গ (ঃ) এর পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গের স্থানে দন্ত্য স (স) হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে ব্যাকরণগত নিয়মে শব্দটি সাধিত হয়েছে তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।
- স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে বিসর্গের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকলে বিসর্গের স্থানে স হয়, তাই নমঃ ও কার মিলে নমস্কার হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভাঃ + কর = ভাস্কর
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকার কারণে এখানেও বিসর্গ রূপান্তরিত হয়ে দন্ত্য স হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুষ+ কৃতি — এটি ভুল সন্ধিবিচ্ছেদ কারণ এখানে ভুল স ব্যবহার করা হয়েছে এবং সঠিক নিয়মে দুষ্কৃতি লিখতে মূর্ধন্য ষ আসার কথা নয়।
B) দুঃ + কৃতি — এটি সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ যার মাধ্যমে দুষ্কৃতি শব্দটি গঠিত হয়, তবে প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন ডি নির্ধারিত করা হয়েছে।
C) দুসঃ + কৃতি — এটি সম্পূর্ণ ভুল গঠন কারণ বাংলা ব্যাকরণে দুসঃ বলে কোনো উপসর্গ বা শব্দাংশ নেই।
D) দু+কৃতি — প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে এটি নির্দেশ করা হয়েছে, যদিও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক রূপটি হলো বিসর্গযুক্ত দুঃ + কৃতি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে বিসর্গের পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে সাধারণত বিসর্গ পরিবর্তন হয়ে স হয়।
- সমাস এবং সন্ধি সম্পূর্ণ দুটি ভিন্ন ব্যাকরণগত অধ্যায়, তাই পরীক্ষার হলে প্রশ্ন ও অপশন মিলছে কি না তা ভালোভাবে খেয়াল করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় প্রশ্ন এবং অপশনে মুদ্রণজনিত ভুল থাকতে পারে, তাই মৌলিক ব্যাকরণ জানা থাকলে সহজেই তা ধরতে পারবে।
- সন্ধি বিচ্ছেদের সময় হসন্ত এবং বিসর্গের সঠিক ব্যবহার খেয়াল করা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) আরবি
১. কেন সঠিক:
- 'লাপাত্তা' শব্দটি আরবি উপসর্গযুক্ত একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ।
- এখানে 'লা' একটি আরবি উপসর্গ যার অর্থ 'নাই' বা 'অভাব'।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি ও হিন্দি অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাওয়ারিশ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'লা' আরবি উপসর্গ যুক্ত হয়ে 'ওয়ারিশহীন' অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: লাজবাব
ব্যাখ্যা: এখানে 'লা' উপসর্গটি আরবি ভাষার যা 'জবাবের বাইরে' বা 'অতুলনীয়' অর্থ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'লা' একটি আরবি উপসর্গ।
B) ফারসি — এই অপশনটি ভুল কারণ 'লা' ফারসি উপসর্গ নয়, ফারসি উপসর্গ হলো বে, কম, বর ইত্যাদি।
C) পর্তুগিজ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি পর্তুগিজ ভাষার কোনো উপসর্গ নির্দেশ করে না।
D) উর্দু — এই অপশনটি ভুল কারণ উর্দু ভাষার নিজস্ব কোনো মৌলিক উপসর্গ নেই, এরা মূলত ফারসি ও আরবি উপসর্গ ব্যবহার করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আরবি উপসর্গগুলো মনে রাখার জন্য 'লা' (নাই) শব্দটি মাথায় রাখবে।
- লাপাত্তা ও লাওয়ারিশ শব্দ দুটি পরীক্ষায় বেশি আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিদেশি উপসর্গ থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ এবং তার আগের অংশ আলাদা করে দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) স্বরস্বতী
১. কেন সঠিক:
বানানটিতে মূর্ধন্য স এবং দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়েছে যা প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক।
হিন্দু পুরাণের জ্ঞান ও বিদ্যার দেবীর নাম নির্দেশ করতে এই বানানটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ন ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
অনেক সময় বিদেশি বা তৎসম শব্দের বানানে ভুল উচ্চারণজনিত কারণে দন্ত স এর বদলে মূর্ধন্য স ব্যবহারের নিয়ম বা বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃষাণ
ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ভব শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ষ এর সঠিক ব্যবহার রয়েছে।
উদাহরণ ২: পাষাণ
ব্যাখ্যা: তৎসম শব্দের সঠিক বানানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের এটি একটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরস্বতী — প্রথম বর্ণে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহারের কারণে এই বানানটি অগ্রহণযোগ্য হয়েছে।
B) স্বরস্বতী — এটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং পরীক্ষাসম্পর্কিত আদর্শ রূপ।
C) স্বরস্বতি — শেষাংশে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করার কারণে বানানটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
D) শরস্বতি — তালব্য শ এবং হ্রস্ব ই কার ব্যবহারের কারণে এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাদেবীর নাম মনে রাখতে স্বর এবং স্বতী অংশের মাঝখানে মূর্ধন্য স ব্যবহার করতে হয় এবং শেষে দীর্ঘ ঈ কার দিতে হয়।
বানানটি বারবার লিখে চর্চা করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দেবদেবী বা পৌরাণিক শব্দের বানান প্রায়ই আসে।
তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে সঠিক অপশন নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) দীনবন্ধু মিত্র
১. কেন সঠিক:
- 'নীল দর্পণ' বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী নাটক, যার মূল রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র।
- এই নাটকে বাংলার নীলকর সাহেবদের চরম অত্যাচার এবং সাধারণ কৃষকদের ওপর তাদের নির্মম নির্যাতনের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দীনবন্ধু মিত্র উনবিংশ শতকের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও সাহিত্যিক যিনি নীলকরদের বিরুদ্ধে কৃষকদের পক্ষে কলম ধরেছিলেন।
- ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত এই নাটকটি বাংলা নাট্যজগতে বাস্তবধর্মী সামাজিক নাটকের ধারা সূচনা করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'সধবার একাদশী'
ব্যাখ্যা: এটিও দীনবন্ধু মিত্রের রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং সমাজসংস্কারমূলক প্রহসন।
উদাহরণ ২: 'নূরজাহান'
ব্যাখ্যা: এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক, যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি নাট্যকার ও কবি হলেও 'নীল দর্পণ' নাটকটি রচনা করেননি, বরং তিনি এর ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন।
B) দীনবন্ধু মিত্র — এটি সঠিক উত্তর।
C) গিরিশ — গিরিশচন্দ্র ঘোষ বাংলা থিয়েটারের প্রখ্যাত নাট্যকার ও অভিনেতা হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন।
D) ঘোষমুনীর চৌধুরী — এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর নাম, যিনি এই নাটকের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নীল চাষের সঙ্গে দীনতার সম্পর্ক মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে নীল দর্পণ লিখেছিলেন দীনবন্ধু মিত্র।
- পরীক্ষার হলে নীল দর্পণ দেখলেই দীনবন্ধু মিত্র নামটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- 'নীল দর্পণ' নাটকটি ১৮৬১ সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের ইংরেজিতে অনুবাদের মাধ্যমে দ্য ইন্ডিগো প্লান্টিং মিরর নামে প্রকাশিত হয়েছিল।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নাটকের রচয়িতা এবং প্রকাশকাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) আরণ্যক
১. কেন সঠিক:
- আরণ্যক হলো বিশ শতকের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ও ক্লাসিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে মূলত অবিভক্ত বাংলার বিহার রাজ্যের অংশবিশেষ ফুলুরি ও মহিষলাট বনের গ্রামীণ প্রকৃতি এবং মানুষের জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যে প্রকৃতি ও অরণ্যের কবি হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- তাঁর এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে প্রকৃতিভিত্তিক উপন্যাসের এক অনন্য মাস্টারপিস হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পথের পাঁচালী
ব্যাখ্যা: এটিও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিশ্বখ্যাত উপন্যাস, যা গ্রামীণ বাংলার জীবনকে কেন্দ্র করে রচিত।
উদাহরণ ২: অপরাজিত
ব্যাখ্যা: এটি পথের পাঁচালী উপন্যাসের পরবর্তী অংশ বা সিক্যুয়েল এবং এটিও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদশব্দ — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো উপন্যাস নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক অপশন।
B) রজনী — এটি বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক রোমান্টিক উপন্যাস।
D) অসম বৃক্ষ — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো সাহিত্যকর্ম নয়, বরং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক অপশন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের সঙ্গে প্রকৃতি ও অরণ্যের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে, তাই অরণ্য সম্পর্কিত বিখ্যাত উপন্যাস দেখলে তাঁর নাম মনে রাখবে।
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য পথের পাঁচালী, অপরাজিত ও আরণ্যক এই তিনটি নাম একসঙ্গে চর্চা করতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস এবং চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- বিশেষ করে আরণ্যক উপন্যাসের পটভূমি কোন অঞ্চলের তা পরীক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
সঠিক উত্তর: C) অন্য
১. কেন সঠিক:
- অন্য একটি সর্বনাম বা বিশেষণ পদ, যা কখনো অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
- অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় শব্দগুলো বাক্যে স্বাধীনভাবে বসে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে অবস্থান করে কারক বোঝাতে সাহায্য করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বা সম্বন্ধ পদ বোঝাতে সাহায্য করে এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশে সহায়তা করে, তাকে অনুসর্গ বলে।
- অনুসর্গগুলো সাধারণত বিভক্তির কাজ করে থাকে এবং এদের নিজস্ব কোনো স্বাধীন অর্থ না থাকলেও বাক্যের মধ্যে এদের গুরুত্ব অনেক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার চেয়ে সে ভালো গায়।
ব্যাখ্যা: এখানে চেয়ে শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে তুলনা বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: দেশের জন্য জীবন দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে জন্য শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে নিমিত্ত কারক বোঝাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপেক্ষা — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত অনুসর্গ, যা তুলনামূলক বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
B) চেয়ে — এটি একটি প্রচলিত অনুসর্গ, যা সাধারণত তুলনায় ব্যবহৃত হয়।
C) অন্য — এটি অনুসর্গ নয়, এটি একটি সর্বনাম বা বিশেষণ পদ।
D) জন্য — এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত অনুসর্গ, যা নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য প্রকাশে বসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রধান প্রধান অনুসর্গগুলো মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
- পদাশ্রিত নির্দেশক ও অনুসর্গের পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- অনুসর্গগুলোকে কর্মপ্রবচনীয়ও বলা হয়, ব্যাকরণে এই নামটিও মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) হুমায়ূন আহমেদ
কেন সঠিক:
১. জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক উপন্যাস।
২. এই উপন্যাসের রচয়িতা আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনভিত্তিক একটি গবেষণালব্ধ বৃহৎ উপন্যাস।
২. বাংলা কথাসাহিত্যে ঐতিহাসিক উপন্যাসের ধারায় হুমায়ূন আহমেদের এই রচনাটি একটি বিশেষ মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।
৩. মুক্তিযুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে শঙ্খনীল কারাগার বা ১৯৭১ উল্লেখযোগ্য হলেও এটি তার সর্ববৃহৎ সৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ূন আহমেদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বয়ং এই উপন্যাসটি রচনা করেছেন এবং এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম।
B) সেলিনা হোসেন — এই কথাসাহিত্যিক মূলত যাপিত জীবন এবং গाइंडবুড়ি উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, জোছনা ও জননীর গল্প তার লেখা নয়।
C) রিজিয়া রহমান — এই প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক রক্তে ভেজা মাটি এবং উত্তরের সীমানা উপন্যাসের রচয়িতা, আলোচ্য প্রশ্নের সঠিক উত্তর ইনি নন।
D) আনিসুল হক — এই লেখক মা উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসটি তিনি লেখেননি।
মনে রাখার টিপস:
১. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সবচেয়ে বড় উপন্যাস কোনটি তা মনে রাখলেই লেখকের নাম অর্থাৎ হুমায়ূন আহমেদ সহজে মনে রাখা যাবে।
২. জোছনা শব্দটি পেলেই তাকে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত উপন্যাসের সাথে মিলিয়ে নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কুড়িটি
কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা কুড়িটি।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই সংখ্যাটি সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সব অব্যয় শব্দ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাদের উপসর্গ বলে।
- উপসর্গ সাধারণত তিন প্রকার যথা সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ, বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
- সংস্কৃত উপসর্গের কয়েকটি পরিচিত উদাহরণ হলো প্র, পরা, অপ, সম, নি ইত্যাদি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বারোটি — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গের সঠিক সংখ্যা।
- B) ষোলটি — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের কোনো উপসর্গের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- D) চল্লিশটি — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের উপসর্গের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
- বাংলা উপসর্গ বারোটি এবং সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি, এই দুটি সংখ্যা আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৩
১. কেন সঠিক:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ 'সং অফারিংস' এর জন্য এই সম্মাননা অর্জন করেন এবং এশিয়া তথা ইউরোপের বাইরে প্রথম নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও দার্শনিক যিনি বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছেন। ১৯১২ সালে 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য প্রখ্যাতি লাভ করেন এবং পরের বছরই তাঁকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডব্লিউ বি ইয়েটসের ভূমিকা
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথের 'সং অফারিংস' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেছিলেন বিখ্যাত আইরিশ কবি উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস যা নোবেল প্রাপ্তিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল।
উদাহরণ ২: সুইডিশ একাডেমি
ব্যাখ্যা: সুইডিশ একাডেমি এই মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার প্রদান করে থাকে এবং ১৯১৩ সালের ১০ নভেম্বর রবীন্দ্রনাথের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯১২ — এই সালে 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয় এবং রবীন্দ্রনাথ ইংল্যান্ডে যান, তবে নোবেল পুরস্কার পাননি।
B) ১৯১৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
C) ১৯১৪ — প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর বছর এটি, তবে রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাপ্তির সাল এটি নয়।
D) ১৯১৫ — এই সালে ব্রিটিশ সরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে 'নাইট' বা 'স্যার' উপাধিতে ভূষিত করে, যা নোবেল প্রাপ্তির সাল নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
১৯১৩ সালের সংখ্যাটি মনে রাখার জন্য স্মরণ করতে পারো যে বিশ্বসাহিত্যের আসরে বাংলা ভাষা এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছিল এই বছরেই। নোবেল প্রাপ্তির বছরটি ১৯ এর পর ১৩ সংখ্যাটি দিয়ে গঠিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির সন বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত ঘন ঘন আসে। একই সঙ্গে তাঁর 'সং অফারিংস' গ্রন্থটির নাম এবং ভূমিকা লেখকের নাম মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) যুগী
১. কেন সঠিক:
- যুগী হলো বাংলা উপন্যাসের জাদুকর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসে শীতল বাবুর স্ত্রীর নাম।
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের বিভিন্ন গৌণ চরিত্রের মধ্যে শীতল বাবু এবং তার স্ত্রী যুগী বিশেষ বাস্তবতার প্রতিনিধিত্ব করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতাভিত্তিক উপন্যাসের অন্যতম প্রবক্তা।
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে এবং এটি পদ্মা পারের জেলেদের জীবন নিয়ে রচিত বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য মাস্টারপিস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুবের
ব্যাখ্যা: কুবের হলো পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের মূল কেন্দ্রীয় চরিত্র এবং একজন জেলের জীবন সংগ্রামের প্রতীক।
উদাহরণ ২: মালা
ব্যাখ্যা: মালা হলো উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুবেরের হতভাগিনী স্ত্রী যিনি নানা কষ্টে জীবন পার করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালা — মালা শীতল বাবুর স্ত্রী নন বরং তিনি উপন্যাসের মূল চরিত্র কুবেরের প্রথম ও প্রধান স্ত্রী।
B) যুগী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি শীতল বাবুর স্ত্রীর প্রকৃত নাম।
C) কপিলা — কপিলা শীতল বাবুর স্ত্রী নন বরং তিনি কুবেরের শালী এবং উপন্যাসের অন্যতম প্রধান নারী চরিত্র।
D) ময়না — ময়না পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের কোনো প্রধান বা পরিচিত চরিত্র নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের চরিত্রগুলো মনে রাখতে প্রধান চরিত্রগুলোর সাথে গৌণ চরিত্র যেমন শীতল বাবুর স্ত্রী যুগীকে আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে পারো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসের চরিত্র মানেই গ্রামীণ ও নদীকেন্দ্রিক মানুষের বাস্তব জীবনের নিখুঁত প্রতিচ্ছবি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ গৌণ চরিত্র যেমন শীতল বাবুর স্ত্রীর নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস যেমন পুতুল নাচের ইতিকথা এবং শহরবাসীর প্রধান চরিত্রগুলোও ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) অন্ধকার
১. কেন সঠিক:
- 'জুলমাত' একটি আরবি শব্দ, যার মূল অর্থ অন্ধকার বা তমসা।
- সাহিত্য বা পারিভাষিক অর্থে এটি প্রায়শই গভীর অন্ধকার বা অজ্ঞতার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবি আগত শব্দ বা বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ করার জন্য আরবি, ফার্সি ও ইংরেজি ভাষা থেকে বিভিন্ন শব্দ সরাসরি বা পরিবর্তিত হয়ে প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জুলমাত থেকে নাজাত পাওয়া মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা।
ব্যাখ্যা: এখানে অন্ধকার বা কূপমণ্ডূকতা থেকে মুক্তির অর্থ প্রকাশ করতে জুলমাত শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অজ্ঞানতার জুলমাত দূর করতে শিক্ষার আলো প্রয়োজন।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে জুলমাত শব্দটি মানসিক বা সামাজিক অন্ধকার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্ধকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ জুলমাত শব্দের আভিধানিক অর্থ অন্ধকার।
B) অবিচার — এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না কারণ অবিচার অর্থ অন্যায় বা পক্ষপাতিত্ব।
C) অনাচার — এটি ভুল অপশন কারণ অনাচার অর্থ শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ বা নিয়মবহির্ভূত কাজ।
D) অত্যাচার — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ অত্যাচার অর্থ নির্যাতন বা নিপীড়ন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জুলমাত শব্দের সঙ্গে অন্ধকার শব্দটি মনে রাখার জন্য রাতের অন্ধকারের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারো।
- আরবি ভাষার এমন শব্দগুলোর অর্থ চর্চার মাধ্যমে আত্মস্থ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে আরবি ও ফার্সি শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল উৎস এবং আভিধানিক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- 'শিউলী-মালা' হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় ছোটগল্প সংকলন।
- বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও কাজী নজরুল ইসলাম অসংখ্য গল্প ও উপন্যাস রচনা করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি এবং আমাদের জাতীয় কবি।
- 'শিউলী-মালা' গ্রন্থে লেখকের গভীর মানবতাবোধ ও রোমান্টিক অনুভূতির চমৎকার প্রকাশ ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যথার দান
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প সংকলন।
উদাহরণ ২: রিক্তের বেদন
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি বিখ্যাত ছোটগল্প গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি 'শিউলী-মালা' গল্পের লেখক নন, তবে তিনি অসংখ্য ছোটগল্প ও কবিতা লিখেছেন।
B) প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায় — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও এই গল্পের রচয়িতা নন।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই গল্পগ্রন্থের লেখক।
D) প্রমথ চৌধুরী — ইনি বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে পরিচিত এবং চলিত রীতির প্রবর্তক হলেও এই গল্পের লেখক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের ফুলের নামের গল্প মনে রাখুন এভাবে, 'শিউলী-মালা' ও 'ব্যথার দান' দুটিই নজরুলের বিখ্যাত ছোটগল্প।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নজরুলের গল্পগ্রন্থগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই 'শিউলী-মালা', 'ব্যথার দান' ও 'রিক্তের বেদন' একসাথে মনে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: D) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
১. কেন সঠিক:
- 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসের রচিয়তা বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী ও পরীক্ষিত শিল্পী আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।
- এই উপন্যাসে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ঢাকার পুরান ঢাকার সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবন নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আধুনিক বাংলা উপন্যাসের এক অনন্য নাম যিনি স্বল্পসংখ্যক রচনা দিয়ে বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেছেন।
- তাঁর অপর বিখ্যাত উপন্যাস 'খোয়াবনামা' এবং তাঁর ছোটগল্পগুলো বাঙালির মুক্তি সংগ্রাম ও গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খোয়াবনামা
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: দোজখের দোসর
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প, যেখানে তাঁর স্বতন্ত্র গদ্যশৈলী ও সমাজচেতনা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও 'চিলেকোঠার সেপাই' তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে 'প্রদোষে প্রাকৃতজন'।
B) শওকত ওসমান — তিনি 'ক্রীতদাসের হাসি' ও 'জুনু আপা' উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই উপন্যাসের লেখক নন।
C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি 'লালসালু' ও 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসের রচিয়তা, 'চিলেকোঠার সেপাই' তাঁর সাহিত্যকর্ম নয়।
D) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ তিনি 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসের সফল স্রষ্টা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইলিয়াসের সেপাই চিলেকোঠায় বসে ঊনসত্তরের অভ্যুত্থান দেখছিল, এভাবে মনে রাখা যায়।
- লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস যুক্ত করে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঊনসত্তরের পটভূমির উপন্যাস হিসেবে 'চিলেকোঠার সেপাই' প্রায়ই আসে।
- বাংলা উপন্যাসের প্রবক্তা ও তাদের ঐতিহাসিক পটভূমিভিত্তিক উপন্যাসগুলো আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: B) সোনালী কাবিন
১. কেন সঠিক:
সোনালী কাবিন আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এটি মূলত চৌদ্দ পঙক্তির সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার এক অনন্য সংকলন যেখানে বাংলার মাটি, গ্রামীণ জীবন, ঐতিহ্য এবং প্রেমের সুনিপুণ শিল্পরূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান শক্তি যিনি মূলত গ্রামীণ জনপদ, নদী, প্রকৃতি এবং মানুষের সংগ্রামকে তাঁর কবিতায় রূপ দিয়েছেন। সোনালী কাবিন কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সনেট সাহিত্যে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোক্টি ঝিরিঝিরি বাতাসে হেঁটে গেল।
ব্যাখ্যা: এটি আল মাহমুদের গ্রামীণ জনপদের আবহনির্ভর একটি কবিতার লাইন।
উদাহরণ ২: বখতিয়ারের ঘোড়া কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটিও কবি আল মাহমুদের আরেকটি ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সারা দুপুর — এটি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ।
B) সোনালী কাবিন — এটি সঠিক উত্তর এবং আল মাহমুদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ।
C) আশায় বসতি — এটি কবি শামসুর রাহমানের একটি সুপরিচিত কাব্যগ্রন্থ।
D) ঘবন্দী শিবির থেকে — এটি শহীদ কাদরির একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম।
৫. মনে রাখার টিপস:
আল মাহমুদের নাম এলেই সোনালী কাবিন কাব্যগ্রন্থটির কথা সবার আগে মনে রাখতে হবে। সোনালী কাবিন মানেই কবি আল মাহমুদের অমর সনেট গুচ্ছ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আল মাহমুদের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সোনালী কাবিনের প্রকাশকাল ১৯৭৩ সাল এবং এটি তাঁর সনেট রচনার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
সঠিক উত্তর: A) বীরবল
১. কেন সঠিক:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনামে লেখার প্রবর্তন করেন এবং তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত ছদ্মনাম হলো বীরবল।
- এই ছদ্মনামে তিনি বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা সবুজপত্রে মূলত প্রবন্ধ ও মননশীল রচনা লিখতেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা এবং বাংলা গদ্যে বীরবলী শৈলীর জনক হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল নদীয়া জেলার হরিপুর গ্রামে, তবে তাঁর জন্ম ১৮৬৮ সালের ৭ই আগস্ট যশোরে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ রায়তের কথা।
ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রখ্যাত রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রবন্ধ গ্রন্থ যা বীরবল ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধورীর রচিত সনেট সংকলন সনেটপঞ্চশৎ।
ব্যাখ্যা: তিনি এই কাব্যগ্রন্থটিও বীরবল ছদ্মনামে প্রকাশ করেছিলেন যা বাংলা সনেট সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বীরবল — এটি প্রমথ চৌধুরীর নিজস্ব ছদ্মনাম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) যুবনাশ্ব — এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার বিনয় ঘোষের ছদ্মনাম।
C) নীল লোহিত — এটি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।
D) জরাসন্ধ — এটি সাহিত্যিক ও সরকারি কর্মকর্তা সতীশচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর বীরত্বপূর্ণ গদ্যরীতির কারণে তাঁর নাম বীরবল মনে রাখা সহজ।
- সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী বীরবল নামেই বেশি পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম প্রায়ই আসে।
- প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির আন্দোলন গড়ে তোলে।
সঠিক উত্তর: D) মতিচুর
১. কেন সঠিক:
- মতিচুর হলো বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন।
- এই গ্রন্থে নারীর অধিকার, শিক্ষা এবং সমাজ সংস্কারমূলক বিভিন্ন প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর সাহিত্যকর্মের মূল সুর হলো নারী মুক্তি, কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং নারী শিক্ষার বিস্তার।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা, যা ইংরেজি ভাষায় লেডিস ড্রিম নামে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: পদ্মরাগ
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি সমাজ সংস্কারমূলক উপন্যাস, যেখানে নারী সমাজের অবক্ষয় ও মুক্তির উপায় তুলে ধরা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রপঞ্চ — এটি বেগম রোকেয়ার লেখা কোনো গ্রন্থ নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) দেয়াল — এটি কালজয়ী কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
C) মৃত্যুক্ষুধা — এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা সমাজে নিপীড়িত মানুষের জীবন ফুটিয়ে তোলে।
D) মতিচুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রবন্ধ সংকলনটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রোকেয়ার বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মতিচুরের প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড ১৯২২ সালে।
- তাঁর প্রবন্ধ মানেই সমাজ সংস্কার ও নারীর অধিকার নিয়ে জোরালো কণ্ঠস্বর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার প্রবন্ধ গ্রন্থ মতিচুর এবং উপন্যাস পদ্মরাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত রচনার মধ্যে সুলতানার স্বপ্ন এবং অবরোধবাসিনী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
সঠিক উত্তর: C) মাত্রাবৃত্ত
১. কেন সঠিক:
- 'পাঞ্জেরী' কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত, যার মূল ভিত্তি হলো শব্দের দ্যোতনা এবং মাত্রার গণনা।
- এই ছন্দে পর্বের আকার সাধারণত সাত বা আট মাত্রার হয়ে থাকে এবং এর গতি কিছুটা মন্থর ও গাম্ভীর্যপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবিতাটির রচয়িতা বিশ শতকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি ফররুখ আহমদ।
- এটি মূলত বাংলা মুসলিম রেনেসাঁসের চেতনা ও প্রতীকি অর্থে সমুদ্রযাত্রার পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা
ব্যাখ্যা: এটিও মাত্রাবৃত্ত ছন্দের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন যেখানে মাত্রার সুনির্দিষ্ট বিন্যাস লক্ষ্য করা যায়।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মহাপৃথিবী কবিতা
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় মাত্রাবৃত্ত ছন্দের গাম্ভীর্য ও লয় অত্যন্ত সুচারুভাবে ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্ষরবৃত্ত — অক্ষরবৃত্ত ছন্দ হলো বাংলা কবিতার প্রবহমান ও স্বাভাবিক ছন্দ, যা 'পাঞ্জেরী' কবিতার ছন্দের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মেলে না।
B) স্বরবৃত্ত — স্বরবৃত্ত ছন্দ মূলত ছড়া বা দ্রুত গতির গানে ব্যবহৃত হয়, যা 'পাঞ্জেরী' কবিতার গাম্ভীর্যপূর্ণ ভাবের বিপরীত।
D) মুক্তক — মুক্তক ছন্দে নির্দিষ্ট কোনো মাত্রাবৃত্ত বা অক্ষরবৃত্তের ছাঁচ অনুসরণ করা হয় না, যা এই কবিতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফররুখ আহমদের বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতাগুলো যেমন 'পাঞ্জেরী' ও 'সাত সাগরের মাঝি' সাধারণত মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
- মাত্রাবৃত্ত ছন্দকে বাংলা কবিতার দলবৃত্ত বা পর্বভিত্তিক লয় হিসেবেও মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফররুখ আহমদের 'পাঞ্জেরী' ও 'সাত সাগরের মাঝি' কোন ছন্দের, তা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- বাংলা কবিতার ছন্দ চেনার জন্য পর্ব এবং মাত্রার হিসাব করার অভ্যাস রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) phenomenon
কেন সঠিক:
phenomenon শব্দটি একটি গ্রিক মূলের শব্দ, যার শেষে on যুক্ত আছে এবং এটি একবচন বা singular form হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর বহুবচন বা plural form হলো phenomena।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lice — এটি louse শব্দের বহুবচন রূপ, যার অর্থ উকুন।
B) phenomenon — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং একবচন রূপ।
C) errata — এটি erratum শব্দের বহুবচন রূপ, যার অর্থ ভুলত্রুটি।
D) mice — এটি mouse শব্দের বহুবচন রূপ, যার অর্থ ইঁদুর।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি অনেক শব্দের শেষে on থাকলে তা সাধারণত singular হয় এবং a বা i থাকলে তা plural হয়।
সঠিক উত্তর: A) by
কেন সঠিক:
শরীর বা পোশাক ধরে টানার ক্ষেত্রে প্রিপোজিশন হিসেবে সাধারণত by ব্যবহৃত হয়।
এখানে কান ধরে টানার অর্থ প্রকাশ করায় নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী by বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী উপযুক্ত।
B) in — ভেতরে বা মধ্যে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে অর্থহীন।
C) with — কোনো কিছু দ্বারা বা সাহায্যে বোঝাতে বসে যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) of — র বা এর বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এই বাক্যের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
কারো হাত, কান বা চুল ধরে টানার ইংরেজি করার সময় catch এর পরে প্রিপোজিশন by ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) don't I
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে মূল verb হলো need এবং এটি present indefinite tense-এ আছে।
তাই question tag তৈরির জন্য do সাহায্যকারী verb ব্যবহার করতে হবে।
বাক্যটি affirmative বা হ্যা-বোধক হওয়ায় tagটি negative হবে।
সব মিলিয়ে সঠিক উত্তরটি don't I হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) don't I — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) need I — মূল verb need দিয়ে present tense-এ প্রশ্ন করলে do/does আনতে হয়, তাই এটি ভুল।
C) do I — বাক্যটি হ্যা-বোধক হওয়ায় tagটি না-বোধক হওয়া উচিত ছিল, তাই এটি ভুল।
D) needn't I — সাধারণ verb হিসেবে ব্যবহৃত need-এর জন্য don't ব্যবহার করতে হয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মূল verb যুক্ত present indefinite tense-এর হ্যা-বোধক বাক্যকে question tag করার সময় don't বা doesn't ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) none
কেন সঠিক:
বাক্যটি তৃতীয় কন্ডিশনাল বা থার্ড কন্ডিশনাল নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী ইফ ক্লজ অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকলে পরবর্তী অংশে would have, could have বা might have বসে এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হয়।
প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশে have written থাকায় এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স এবং সঠিক উত্তরটি এখানে দেওয়া নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) could send — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের নিয়মে গঠিত হয়েছে কিন্তু প্রথম অংশে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স থাকায় এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) would sent — এখানে would এর পর sent ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ modals এর পর ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
C) could have sent — প্রথম অংশ পাস্ট পারফেক্ট (had written) না হয়ে প্রেজেন্ট পারফেক্ট (have written) হওয়ায় এই উত্তরটি এখানে প্রযোজ্য হবে না।
D) none — উপরের কোনো অপশনই সঠিক নিয়মের সাথে মিলছে না তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
থার্ড কন্ডিশনালে ইফ এর সাথে পাস্ট পারফেক্ট থাকলে পরের অংশে অবশ্যই would have, could have বা might have এর সাথে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হবে।
সঠিক উত্তর: A) since
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে।
এখানে নির্দিষ্ট কোনো সময়ের শুরুর বিন্দু বোঝাতে since বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) since — এটি নির্দিষ্ট সময় বা পয়েন্ট অব টাইমের আগে বসে তাই এটি সঠিক।
B) at — এটি নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হলেও ব্যাপ্তes সময়ের সাথে বসে না।
C) for — এটি নির্দিষ্ট সময়ের স্থায়িত্ব বা পিরিয়ড অব টাইমের পূর্বে বসে।
D) by — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট সময় বা বারের নাম থাকলে since এবং নির্দিষ্ট সময়কাল বা ব্যাপ্তি থাকলে for বসে।
সঠিক উত্তর: C) to
কেন সঠিক:
১. give ভার্বের পর সাধারণত যাকে টাকা বা কিছু দেওয়া হয় তার পূর্বে to প্রিপজিশন বসে।
২. এখানে কার কাছে টাকা দেওয়া হয়েছে তা বোঝাতে to সঠিক উপযুক্ত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — from প্রিপজিশন উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
B) by — by প্রিপজিশন সাধারণত মাধ্যম বা কারো দ্বারা কিছু করা বোঝালে ব্যবহৃত হয়।
C) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) with — with প্রিপজিশন সাধারণত কোনো কিছু দিয়ে বা সাথে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে কিছু দেওয়া বা প্রদান করা বোঝালে give এর পরে সাধারণত to প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) more accurately
কেন সঠিক:
'That is to say' একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজ যার অর্থ হলো অর্থাৎ বা আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেলে। এটি কোনো পূর্বwข้อ0 বক্তব্যকে আরও নির্ভুলভাবে বা পরিষ্কার করে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) following that — এটি কোনো ঘটনা বা বিষয়ের ঠিক পরের অবস্থাকে বোঝায়, যা এই ফ্রেজের অর্থ নয়।
B) in spite of something — এটি কোনো বাধা বা বিপত্তি সত্ত্বেও কিছু ঘটার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
C) more accurately — এটি সঠিক কারণ ফ্রেজটি আগের কথাকে আরও নিখুঁতভাবে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
D) there is no more to be said — এটি আলোচনা বা কথার সমাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
'That is to say' দেখলে মনে রাখবে এর কাজ হলো আগের কঠিন বা অস্পষ্ট কথাটি সহজ করে বা আরও নির্ভুলভাবে বলা।
সঠিক উত্তর: A) plan of journey.
কেন সঠিক:
Itinerary শব্দটির মূল অর্থ হলো ভ্রমণ বা যাত্রার পরিকল্পনা। কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আগে দর্শনীয় স্থান ও সময়ের তালিকা তৈরি করাকে এটি বোঝায়।
এটি একটি ইংরেজি পরিভাষা যা সাধারণত ভ্রমণের রুট নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) plan of journey — এটি সঠিক কারণ এটি itineraries এর মূল অর্থ প্রকাশ করে।
B) list of items to be discussed in a meeting — এটি সভার আলোচ্য সূচি বা agenda বোঝায়।
C) list of events a fixed times — এটি নির্দিষ্ট সময়ের কোনো অনুষ্ঠান বা কর্মসূচির তালিকা বোঝায়।
D) record of events occured in a day — এটি কোনো নির্দিষ্ট দিনের ঘটে যাওয়া ঘটনার বিবরণ বা diary বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Itinerary শব্দটিতে journey বা ভ্রমণের একটি ব্যাপার লুকিয়ে থাকে, তাই এটি যাত্রার পরিকল্পনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) screamed
কেন সঠিক:
কালো সাপ দেখলে মানুষ ভয় ও আতঙ্কে হঠাৎ চিৎকার করে ওঠে।
এই আকস্মিক ভয়ের প্রকাশ বোঝাতেই screamed শব্দটি সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত।
সাপের মতো ভয়ঙ্কর প্রাণী দেখলে বাচ্চাদের মধ্যে তীব্র ভীতি কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) shouted — সাধারণ চিৎকার বোঝাতে এটি বসে, ভয়ের তীব্রতা প্রকাশে নয়।
B) cried — এর অর্থ সাধারণত কান্না করা বা চিৎকার করে ম্রিয়মান হওয়া।
C) yelled — এটি সাধারণত রাগের বশে বা উচ্চস্বরে চিৎকার করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) screamed — সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভয় বা আতঙ্কে হঠাৎ করে ফেটে পড়া চিৎকার বোঝাতে scream ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) tempest
কেন সঠিক:
tempest শব্দটি মূলত একটি অত্যন্ত তীব্র এবং হিংস্র সামুদ্রিক ঝড়কে বোঝায় যা সমুদ্রের ওপর সৃষ্টি হয়।
এটি তীব্র বাতাস এবং প্রায়ই বৃষ্টির সাথে সম্পর্কিত একটি প্রলয়ঙ্করী ঝড়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) tempest — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
B) whirlwind — এটি একটি ঘূর্ণায়মান বায়ুর স্তম্ভ যা টর্নেডোর মতো হলেও সব সময় হিংস্র ঝড়ের পূর্ণাঙ্গ রূপ বোঝায় না।
C) blizzard — এটি প্রবল তুষারঝড় নির্দেশ করে যা তুষারপাতের সাথে সম্পর্কিত এবং সাধারণ হিংস্র সামুদ্রিক ঝড় নয়।
D) monsoon — এটি একটি ঋতুভিত্তিক মৌসুমী বায়ু যা নিয়মিত বৃষ্টির জন্য পরিচিত এবং এটি কোনো একক হিংস্র ঝড় নয়।
মনে রাখার টিপস:
Tempest শব্দের মাঝে টেম্পো শব্দটি আছে, যা দিয়ে ঝড়ের তীব্র গতি বা বেগ মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) gerund
কেন সঠিক:
পদটি মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে বাক্যে noun এর কাজ করেছে।
এটি একই সাথে verb এবং noun এর দ্বৈত কাজ সম্পাদন করে।
এটি বাক্যে subject অথবা object হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) gerund — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) participle — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে adjective এর কাজ করে, যা এখানে হয়নি।
C) infinitive — এর গঠন to + verb হয়, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত।
D) present continuous — এটি কোনো non-finite verb এর নাম নয়, বরং একটি tense এর নাম।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে ing যুক্ত verb যদি noun এর কাজ করে তবে তা gerund হয়।
সঠিক উত্তর: A) little
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাকе hardly any of it অংশটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ প্রায় কিছুই খাওয়া হয়নি।
তাই এর পরিবর্তে এমন একটি শব্দ দরকার যা পরিমাপযোগ্য এবং প্রায় শূন্য বা নেই বললেই চলে এমন পরিমাণ বোঝায়।
little শব্দটি পরিমাপবাচক এবং এটি নেতিবাচক বা প্রায় শূন্য পরিমাণ নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
খাদ্য বা food একটি uncountable noun হওয়ায় এর পূর্বে little বসাটাই ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) little — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) a little — a little শব্দগুচ্ছটি অল্প কিছু বা ইতিবাচক পরিমাণ বোঝায়, কিন্তু এখানে প্রায় শূন্য পরিমাণ বোঝানো হয়েছে।
C) few — few শব্দটি countable noun-এর সাথে বসে, কিন্তু food একটি uncountable noun।
D) a few — a few countable noun-এর সাথে বসে এবং এটি অল্প কিছু বা ইতিবাচক সংখ্যা নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
গণনা করা যায় না এমন জিনিসের ক্ষেত্রে প্রায় কিছুই বোঝাতে little বসে এবং গণনা করা যায় এমন জিনিসের ক্ষেত্রে few বসে।
সঠিক উত্তর: A) married
কেন সঠিক:
marriage শব্দটির সাধারণ ও বহুল ব্যবহৃত Adjective রূপ হলো married। এটি কোনো ব্যক্তির বিবাহিত অবস্থাকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) married — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) nuptial — এটি বিবাহ সংক্রান্ত হলেও সরাসরি marriage শব্দের Adjective রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
C) menstrual — এটি মাসিক সংক্রান্ত একটি শব্দ যার সাথে marriage শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) celestial — এটি আকাশ বা স্বর্গীয় সংক্রান্ত শব্দ যা বিবাহ বা marriage এর সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত কোনো noun-কে adjective-এ রূপান্তর করার সময় এর পরিচিত verb রূপের past participle ফরমটি ব্যবহার করা হয়, যেমন marriage থেকে married।
সঠিক উত্তর: C) barren
কেন সঠিক:
'Fertile' শব্দটির বাংলা অর্থ উর্বর, যেখানে ফসল বা গাছপালা খুব ভালো জন্মায়।
এর বিপরীত বা অ্যান্টনিম হলো 'barren', যার অর্থ বন্ধ্যা বা অনুজ্বর।
এই শব্দটি এমন জমি বোঝায় যেখানে কোনো কিছু জন্মায় না।
উর্বর জমির ঠিক বিপরীত অবস্থা বোঝাতেই এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) useful — এই শব্দটির অর্থ দরকারী বা উপকারী, যা উর্বর শব্দের বিপরীতার্থক নয়।
B) strong — এই শব্দটির অর্থ শক্তিশালী, যা জমির উর্বরতার সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) barren — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপشن হিসেবে ধরা যাবে না।
D) unfavourable — এই শব্দটির অর্থ প্রতিকূল, যা উর্বর জমির সঠিক বিপরীত শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
উর্বর জমির ইংরেজি 'fertile' মনে রাখলে তার উল্টো নির্জীব বা অনুজ্বর জমি বোঝাতে 'barren' শব্দটি মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) Driving down the road
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যটির দুটি অংশের সাবজেক্ট এক হওয়ায় পার্টিসিপল ব্যবহার করে বাক্যটি সংক্ষেপ করা হয়েছে।
কমা দিয়ে যুক্ত বাক্যে সাবজেক্ট উহ্য রেখে সরাসরি ভার্ব ও আইএনজি যুক্ত করে বাক্য শুরু করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) While driving down the road — এখানে অতিরিক্ত While যুক্ত করায় বাক্যের গঠন কিছুটা অসম্পূর্ণ লাগে।
B) While I was driving down the road — এভাবে লিখলে দুটি ক্লজ যুক্ত করতে একটি কনজাংকশন বা পাংচুয়েশনের নিয়ম লঙ্ঘন হয়।
C) I was driving down the road — দুটি স্বাধীন ক্লজ এভাবে কমা দিয়ে যুক্ত করলে রান-অন সেন্টেন্সের ভুল হয়।
D) Driving down the road — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মডিফায়ারের সঠিক নিয়ম মেনে চলে।
মনে রাখার টিপস:
একই সাবজেক্টের দুটি কাজ একসাথে চললে প্রথম অংশটি সংক্ষেপে পার্টিসিপল দিয়ে শুরু করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) Despite that
কেন সঠিক:
এখানে ট্রেন দেরি করার পরেও যথাসময়ে পৌঁছানোর বিপরীত পরিস্থিতি বোঝানো হয়েছে। Despite that phrase টি দুটি বিপরীত ভাবযুক্ত বাক্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে অর্থ সম্পূর্ণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) On the contrary — এর অর্থ এর বিপরীত, যা এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) By contest — এটি কোনো প্রচলিত বা সঠিক ফ্রেজ বা সংযোগকারী শব্দ নয়।
C) Despite that — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) Incidentally — এর অর্থ প্রসঙ্গক্রমে, যা এখানে ঘটনার বিপরীত অবস্থাকে প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বিপরীতমুখী দুটি ধারণার মধ্যে মিল দেখাতে Despite that ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Pronoun
কেন সঠিক:
এখানে 'all' শব্দটি কোনো noun-কে বিশেষিত না করে নিজে একটি pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি একটি indefinite pronoun যা সম্পূর্ণ সমষ্টি বা পরিমাণের কথা নির্দেশ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে বিশেষিত করেনি তাই এটি adverb হতে পারে না।
B) Adjective — এটি কোনো noun-এর পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করেনি তাই এটি adjective নয়।
C) Noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা জায়গার নাম বোঝায় না তাই এটি noun নয়।
D) Pronoun — এটি সঠিক কারণ 'all' এখানে সরাসরি একটি pronoun হিসেবে বাক্যে বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে 'all of' বা একা বসে 'all' যখন কোনো কিছুর পরিবর্তে বসে, তখন তা Pronoun হয়।
সঠিক উত্তর: C) It is the house which is being built
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি কোয়াসিপ্যাসিভ বাক্যের বিশেষ রূপ এবং এর অর্থ হলো বাড়িটি এখন নির্মাণাধীন অবস্থায় আছে।
সঠিক নিয়ম অনুযায়ী একে ভেঙে লিখে প্যাসিভ রূপ দিতে হয় যা এই অপশনে সঠিকভাবে করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A house is beeing built by us. — এখানে বানানে ভুল আছে এবং সাবজেক্টের পরিবর্তন সঠিক নয়।
B) The masons are building the house. — এটি নিজেই একটিভ বাক্যের রূপ যা প্রদত্ত বাক্যের সঠিক প্যাসিভ নয়।
C) It is the house which is being built — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) The house is being built, — এখানে বাক্যটি অসম্পূর্ণ এবং বিরামচিহ্নের ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কোয়াসিপ্যাসিভ বাক্য দেখলে বাক্যের অর্থ বুঝে তাকে সঠিক নিয়মে কমপ্লেক্স বা প্যাসিভ রূপ দিতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) I
কেন সঠিক:
বাক্যের মূল গঠনটি হলো Neither A nor B. এই নিয়মে শেষের সাবজেক্ট অনুযায়ী ক্রিয়াপদ নির্ধারিত হয়।
এখানে দ্বিতীয় সাবজেক্ট হলো শূন্যস্থানটি এবং এর পরের ভাব have-এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সাবজেক্টিভ প্রোনাউন বসবে।
I হলো সাবজেক্টিভ প্রোনাউন যা এখানে সাবজেক্ট হিসেবে সঠিকভাবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) me — এটি অবজেক্টিভ প্রোনাউন হওয়ায় এখানে সাবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে না।
B) I — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) he — he বসালে পরের have ভার্বটি সঠিক হবে না কারণ he এর পরে has বসে।
D) him — এটি অবজেক্টিভ প্রোনাউন হওয়ায় বাক্যের সাবজেক্টের জায়গায় এটি বসবে না।
মনে রাখার টিপস:
Neither nor যুক্ত বাক্যে verb এর কাছের সাবজেক্ট দেখে pronoun এর সঠিক রূপ নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) The
কেন সঠিক:
- নিয়ম অনুযায়ী জাহাজ, ট্রেন বা সাবমেরিনের নামের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে দ্য বসে।
- Nelson একটি ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজের নাম হওয়ায় এর পূর্বে দ্য ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A — এটি সাধারণ ও অনির্দিষ্ট কাউন্টেবল পদের পূর্বে বসে, জাহাজের নামের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) No article — জাহাজের নাম নির্দিষ্ট হওয়ায় এখানে আর্টিকেল বসানো বাধ্যতামূলক।
C) The — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট যুদ্ধজাহাজের নামের পূর্বে দ্য বসে।
D) An — এটি ভাওয়েল সাউন্ড দিয়ে শুরু অনির্দিষ্ট পদের পূর্বে বসে, তাই এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
জাহাজ, ট্রেন ও বিমানের নামের আগে সবসময় দ্য বসবে।
সঠিক উত্তর: B) The ship sunk in the ocean.
কেন সঠিক:
জাহাজ বা নির্জীব বস্তু পানিতে ডুবে যাওয়ার ইংরেজি হিসেবে sink শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
এখানে অতীত বোঝাতে sink শব্দের পাস্ট ফর্ম sunk সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে।
বাক্যটির গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণ নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The ship was drowned in the ocean — Drown শব্দটি শুধুমাত্র জীবন্ত প্রাণী বা মানুষের ক্ষেত্রে পানিতে ডুবে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়।
B) The ship sunk in the ocean — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ ঠিক আছে।
C) The ship goes under the ocean — বর্তমান কাল ব্যবহার করায় এবং অর্থের সংগতি না থাকায় এটি ভুল হয়েছে।
D) The ship was sunk in the ocean — প্যাসিভ ভয়েস করার কারণে এখানে বাক্যটির অর্থ বদলে গেছে যা প্রসঙ্গে বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
মানুষ ডুবে গেলে drown এবং জাহাজ বা বস্তু ডুবে গেলে sink ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) It never pours when it does not rain.
কেন সঠিক:
মূল বাক্যের অর্থ এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী না বোধক রূপান্তর করতে হয়।
এখানে প্রথম অংশকে বিপরীত শব্দ দিয়ে নেগেটিভ করা হয়েছে এবং পরের অংশকে Do not ব্যবহার করে সঠিক রাখা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It always does not pours when it does not rain — এখানে pours এর সাথে s যুক্ত করা হয়েছে যা does not এর পরে ভুল।
B) It never pours when it does not rain — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) It never rains but it pours — এটি একটি প্রবাদ বাক্য এবং এর অর্থ মূল বাক্যের সাথে মিলছে না।
D) It never pours but it rains — এই বাক্যের গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাফারমেটিভ থেকে নেগেটিভ করার সময় বিপরীত শব্দের ব্যবহার এবং টেন্সের সঠিক নিয়ম মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) irrational
কেন সঠিক:
Rational শব্দটির অর্থ বুদ্ধিদীপ্ত বা যুক্তিবাদী। এর বিপরীত শব্দ গঠনে সঠিক প্রিফিক্স বা উপসর্গ হিসেবে ir যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) unrational — এই শব্দটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক নয় এবং এর কোনো প্রচলন নেই।
B) non rational — এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না কারণ সঠিক প্রিফিক্স যোগ করে একটিমাত্র শব্দ তৈরি হয়।
C) disrational — এই প্রিফিক্সটি এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং এটি ভুল গঠন।
D) irrational — এটি সঠিক কারণ rational শব্দের পূর্বে ir যুক্ত হয়ে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ গঠিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত r দিয়ে শুরু হওয়া অনেক শব্দের আগে বিপরীত শব্দ করতে ir যুক্ত করতে হয় যেমন regular থেকে irregular।
সঠিক উত্তর: D) Crocodiles tears
কেন সঠিক:
কুমিরের কান্নার সাথে মিথ্যা দুঃখ প্রকাশের তুলনা করা হয়।
এর শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো কুহক বা ভণ্ডামি কান্না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cry in the wilderness — এর অর্থ অরণ্যোদোদন বা নিষ্ফল আবেদন।
B) Crying need — এর অর্থ অত্যন্ত জরুরি বা তীব্র প্রয়োজন।
C) a dose fisted man — এর অর্থ কৃপণ বা সংকীর্ণ মনের মানুষ।
মনে রাখার টিপস:
কুমির যেমন শিকার ধরার সময় মিথ্যা মায়াকান্না করে, তেমনি মানুষও ভণ্ডামি করতে এই প্রবাদ ব্যবহার করে।
সঠিক উত্তর: B) Adverb
কেন সঠিক:
এখানে 'enough' শব্দটি 'wise' নামক Adjective-কে মডিফাই করেছে।
Grammar-এর নিয়ম অনুযায়ী Adjective-কে মডিফাই করায় এটি Adverb হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adjective — এটি কোনো noun-কে মডিফাই করেনি, তাই এটি Adjective হতে পারে না।
B) Adverb — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী ঠিক আছে।
C) Preposition — এটি কোনো noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে সম্পর্ক স্থাপন করেনি।
D) Conjunction — এটি দুটি শব্দ বা বাক্যাংশকে যুক্ত করার কাজ করেনি।
মনে রাখার টিপস:
Adjective-এর পরে বসে 'enough' সর্বদা Adverb-এর কাজ করে।
সঠিক উত্তর: A) ৬টি
প্রদত্ত তথ্য:
৫ ও ৯৫ এর মধ্যে ৫ ও ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে।
৫ ও ৩ এর লসাগু হলো ১৫।
ধরি,
সংখ্যাগুলো ১৫ দ্বারা বিভাজ্য হতে হবে।
৫ থেকে ৯৫ এর মধ্যে ১৫ এর গুণিতকগুলো বের করতে হবে।
অতএব,
প্রথম গুণিতক = ১৫ × ১ = ১৫
দ্বিতীয় গুণিতক = ১৫ × ২ = ৩০
তৃতীয় গুণিতক = ১৫ × ৩ = ৪৫
চতুর্থ গুণিতক = ১৫ × ৪ = ৬০
পঞ্চম গুণিতক = ১৫ × ৫ = ৭৫
ষষ্ঠ গুণিতক = ১৫ × ৬ = ৯০
সুতরাং,
মোট সংখ্যা হলো ছয়টি।
উত্তর: ৬টি
সঠিক উত্তর: C) ১৫.৯৫ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
২০০০ সাল একটি অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার
২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে গঠিত
ধরি,
ফেব্রুয়ারি মাসের মোট দিনের সংখ্যা = ২৯ দিন
দৈনিক বৃষ্টির গড় পরিমাণ = ০.৫৫ সে.মি.
অতএব,
মোট বৃষ্টির পরিমাণ নির্ণয়ের জন্য দিনের সংখ্যাকে গড় দিয়ে গুণ করতে হবে
মোট বৃষ্টিপাত = ২৯ × ০.৫৫ সে.মি.
সুতরাং,
২৯ কে ০.৫৫ দিয়ে গুণ করলে ফলাফল পাওয়া যায়
উত্তর: ১৫.৯৫ সে.মি.
সঠিক উত্তর: C) ৪.৫
প্রদত্ত তথ্য:
অনুপাত x : y = y : z = ১.৫
এবং z = ২
ধরি,
y ÷ z = ১.৫
এবং x ÷ y = ১.৫
অতএব,
y ÷ ২ = ১.৫
y = ১.৫ × ২ = ৩
সুতরাং,
x ÷ ৩ = ১.৫
x = ১.৫ × ৩ = ৪.৫
উত্তর: ৪.৫
সঠিক উত্তর: D) (৪,০)
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রমজোড়ের সমতা অনুসারে প্রথম উপাদান প্রথম উপাদানের সমান হবে এবং দ্বিতীয় উপাদান দ্বিতীয় উপাদানের সমান হবে।
এখানে দুটি ক্রমজোড় সমান দেওয়া আছে।
ধরি,
প্রথম সমীকরণটি হলো x − y = ৪
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x + ৩y = ৪
এখন এই দুটি সমীকরণ সমাধান করতে হবে।
অতএব,
প্রথম সমীকরণ হতে পাই x = ৪ + y
এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসিয়ে পাই (৪ + y) + ৩y = ৪
বা, ৪ + ৪y = ৪
সুতরাং,
৪y = ৪ − ৪
৪y = ০
অতএব, y = ০
উত্তর: y এর মান শূন্য হলে x এর মান হয় চার, তাই নির্ণেয় মান (৪,০)
সঠিক উত্তর: B) ১/২
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো লগ ৪ ভিত্তিক ২ সমান x
লগারিদম এর সূত্র অনুসারে লেখা যায়,
চার এর পাওয়ার x সমান দুই
বা, দুই এর পাওয়ার দুই এর হোল পাওয়ার x সমান দুই
বা, দুই এর পাওয়ার দুই গুণ x সমান দুই এর পাওয়ার এক
অতএব,
পাওয়ার তুলনা করে পাই, দুই গুণ x সমান এক
সুতরাং,
x সমান এক ভাগ দুই
উত্তর: ১/২
সঠিক উত্তর: D) ১২৭/৬৪
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি একটি গুণোত্তর ধারা যার প্রথম পদ ক = ১
ধারাটির সাধারণ অনুপাত খ = (১/২) ÷ ১ = ১/২
ধরি,
পদসংখ্যা ন = ৭
গুণোত্তর ধারার যোগফলের সূত্রটি এখানে ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
সূত্র অনুযায়ী প্রথম সাতটি পদের যোগফল হবে প্রথম পদ গুণ বন্ধনী শুরু এক বিয়োগ সাধারণ অনুপাতের ওপর পাওয়ার সাত বন্ধনী শেষ ভাগ এক বিয়োগ সাধারণ অনুপাত
এখানে সাধারণ অনুপাতের ওপর পাওয়ার সাত অর্থ হলো এক ভাগ একশো আঠারো
বন্ধনীর ভেতরের হিসাব করলে লব হয় একশো সাতাশি এবং হর হয় একশো আঠারো
সুতরাং,
ওপরের অংশকে নিচের এক ভাগ দুই দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল উল্টে গুণ হয়ে যায়
হিসাব শেষে সঠিক মান পাওয়া যায় একশো সাতাশ ভাগ চৌষট্টি
উত্তর: ১২৭/৬৪
সঠিক উত্তর: C) ৫৭
প্রدত্ত তথ্য:
ধারাটির প্রথম পদ (a) = ১
ধারাটির সাধারণ অন্তর (d) = ৫ − ১ = ৪
ধরি,
পদসংখ্যা (n) = ১৫
নির্ণেয় পদ = a + (n − ১) × d
অতএব,
n − ১ = ১৫ − ১ = ১৪
১৪ × d = ১৪ × ৪ = ৫৬
সুতরাং,
১৫তম পদ = ১ + ৫৬ = ৫৭
উত্তর: ৫৭
সঠিক উত্তর: C) (- ∞, 4)
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো x + 3 > 2x − 1
ধরি,
চলকগুলোকে একদিকে এবং সংখ্যাগুলোকে অন্যদিকে নিতে হবে
অতএব,
x − 2x > − 1 − 3
সুতরাং,
− x > − 4
উত্তর: x < 4 অর্থাৎ সমাধান সেট (- ∞, 4)
সঠিক উত্তর: A) ১
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে x + (১ ÷ x) = ৪
আমাদের মান বের করতে হবে x ÷ (x^২ − ৩x + ১) এর
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি হলো x ÷ (x^২ − ৩x + ১)
হর ও লবকে x দ্বারা ভাগ করে পাই
অতএব,
লব হলো x ÷ x = ১
হর হলো (x^২ − ۳x + ১) ÷ x = x − ৩ + (১ ÷ x)
সুতরাং,
হর থেকে পাই (x + ১ ÷ x) − ৩
মানের জায়গায় ৪ বসিয়ে পাই ৪ − ৩ = ১
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: C) ৬২৫
প্রদত্ত তথ্য:
সুদের হার = ৪%
সময় = ২ বছর
সরল সুদ ও চক্রবৃদ্ধি সুদের পার্থক্য = ১ টাকা
ধরি,
আসল = ক টাকা
অতএব,
২ বছরের সরল সুদ = (ক × ৪ × ২) ÷ ১০০ = ৮ক ÷ ১০০ টাকা
২ বছরের চক্রবৃদ্ধি সুদ = ক × (১ + ৪ ÷ ১০০) এর উপর স্কয়ার − ক টাকা
সুতরাং,
চক্রবৃদ্ধি সুদ ও সরল সুদের পার্থক্য = [ক × (১০৪ ÷ ১০০) এর উপর স্কয়ার − ক] − (৮ক ÷ ১০০) = ১ টাকা
উত্তর: ক এর মান হিসাব করে পাই, আসল = ৬২৫ টাকা
সঠিক উত্তর: C) ৬৩
প্রদত্ত তথ্য:
ভাজক সংখ্যাগুলো হলো ৪, ৫ এবং ৬
প্রতি ক্ষেত্রে ভাগশেষ থাকে ৩
ধরি,
৪, ৫ ও ৬ এর লসাগু বের করতে হবে
৪, ৫ ও ৬ এর লসাগু হলো ৬০
অতএব,
নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে লসাগু এবং ভাগশেষের যোগফল
নির্ণেয় সংখ্যা = ৬০ + ৩ = ৬৩
সুতরাং,
৬৩ কে ৪, ৫ ও ৬ দ্বারা ভাগ করলে প্রতিক্ষেত্রে ৩ ভাগশেষ থাকে
উত্তর: ৬৩
সঠিক উত্তর: খ) ১২÷৫
প্রদত্ত তথ্য:
সাইন এ এর মান হলো বারো বাই তেরো
ধরি,
লম্ব হলো বারো একক এবং অতিভুজ হলো তেরো একক
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য ব্যবহার করে ভূমি বের করতে হবে
সুতরাং,
ভূমি সমান রুট ওভার তেরোর বর্গ বিয়োগ বারোর বর্গ সমান পাঁচ একক
উত্তর: টান এ সমান লম্ব বাই ভূমি সমান বারো বাই পাঁচ
সঠিক উত্তর: D) অসীম
প্রدত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৩x + ২y = ১৫
এটি একটি সরলরৈখিক সমীকরণ
ধরি,
x এর মান ইচ্ছামতো ধরে নেওয়া যায়
y এর মান সমীকরণ থেকে বের করা যায়
অতএব,
x এর মান শূন্য হলে y এর মান সাত দশমিক পাঁচ হয়
x এর মান এক হলে y এর মান ছয় হয়
সুতরাং,
চলক দুটি থাকায় এর অসংখ্য সমাধান পাওয়া সম্ভব
উত্তর: অসীম
সঠিক উত্তর: A) √২৪
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x² + px + ৬ = ০
মূল দুইটি সমান এবং p > ০
ধরি,
সমীকরণটির মূল দুইটি সমান অর্থাৎ আলফা এবং আলফা
মূলদ্বয়ের যোগফল = −p
অতএব,
মূলদ্বয়ের গুণফল = আলফা × আলফা = ৬
আলফা স্কয়ার = ৬
সুতরাং,
p এর মান নির্ণয়ের জন্য সমীকরণের নিশ্চয়ক শূন্য ধরতে হবে
p স্কয়ার − (৪ × ১ × ৬) = ০
উত্তর: p = √২৪
সঠিক উত্তর: D) তিনটি কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজদ্বয়ের সর্বসমতা যাচাইয়ের বিভিন্ন শর্ত
কোণগুলো সমান হলে ত্রিভুজ সদৃশ হয় কিন্তু সর্বসম হয় না
ধরি,
প্রথম ত্রিভুজের কোণত্রয় যথাক্রমে ষাট ডিগ্রি, ষাট ডিগ্রি ও ষাট ডিগ্রি
দ্বিতীয় ত্রিভুজের কোণত্রয় যথাক্রমে ষাট ডিগ্রি, ষাট ডিগ্রি ও ষাট ডিগ্রি
অতএব,
কোণগুলো পরস্পর সমান হওয়া সত্ত্বেও বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ভিন্ন হতে পারে
প্রথম ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ছোট হতে পারে
সুতরাং,
বাহুর দৈর্ঘ্য সমান না হলে ত্রিভুজ দুটি সর্বসম হতে পারে না
উত্তর: তিনটি কোণ
সঠিক উত্তর: D) ৬x − ৩
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২০x
আয়তক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪x + ৩
ধরি,
আয়তক্ষেত্রের অপর বাহুর দৈর্ঘ্য = y
আমরা জানি, আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
অতএব,
২ × (৪x + ৩ + y) = ২০x
৪x + ৩ + y = ২০x ÷ ২
৪x + ৩ + y = ১০x
সুতরাং,
y = ১০x − ৪x − ৩
y = ৬x − ৩
উত্তর: ৬x − ৩
সঠিক উত্তর: B) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
চাকাটি প্রতি মিনিটে ১২ বার ঘুরে
সময় পাঁচ সেকেন্ড
ধরি,
এক মিনিট সমান ষাট সেকেন্ড
ষাট সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ১২ বার
অতএব,
এক সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ১২ ভাগ ষাট বার
পাঁচ সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ১২ গুণ ৫ ভাগ ষাট বার
সুতরাং,
পাঁচ সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ঠিক ১ বার
এক পাক বা একবার ঘোরার অর্থ হলো ৩৬০ ডিগ্রি ঘূরণ
উত্তর: ৩৬০°
সঠিক উত্তর: D) ৬ সে. মি.
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ সে. মি.
কেন্দ্র হতে দূরবর্তী জ্যা এর দূরত্ব = ৪ সে. মি.
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা এর উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে
ব্যাসার্ধ এবং কেন্দ্র থেকে দূরত্বের মধ্যবর্তী কোণ সমকোণ
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = ৫ সে. মি.
লম্ব = ৪ সে. মি.
ভূমির অর্ধেক হলো জ্যা এর অর্ধাংশ
সুতরাং,
জ্যা এর অর্ধাংশ = √(৫ × ৫ − ৪ × ৪)
জ্যা এর অর্ধাংশ = √(২৫ − ১৬) = √৯ = ৩ সে. মি.
উত্তর: সম্পূর্ণ জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ৩ × ২ = ৬ সে. মি.
সঠিক উত্তর: B) ভোলা
কেন সঠিক:
- মনপুরা বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা ভোলার একটি বিচ্ছিন্ন উপজেলা ও নদীমাতৃক দ্বীপ।
- মেঘনা নদীর মোহনায় এবং বঙ্গোপসাগরের উত্তর উপকূলে এই দ্বীপটি অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নোয়াখালী — নোয়াখালী জেলায় হাতিয়া দ্বীপ অবস্থিত, কিন্তু মনপুরা দ্বীপ এখানে নয়।
B) ভোলা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মনপুরা ভোলা জেলার অন্তর্ভুক্ত একটি দ্বীপ উপজেলা।
C) বরিশাল — বরিশাল বিভাগের একটি জেলা ভোলা হলেও মনপুরা মূল বরিশাল জেলায় অবস্থিত নয়।
D) বরগুনা — বরগুনা উপকূলীয় জেলা হলেও এর অধীনে মনপুরা দ্বীপটি অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভোলা জেলার বিখ্যাত ও সুন্দর দ্বীপের নাম মনপুরা।
সঠিক উত্তর: D) ভিয়েনা
কেন সঠিক:
- ভিয়েনা মধ্য ইউরোপের দেশ অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর।
- শহরটি দানিউব নদীর তীরে অবস্থিত এবং এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৈরুত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ লেবাননের রাজধানী, তাই অস্ট্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) সিডনি — এটি অস্ট্রেলিয়ার একটি বিখ্যাত শহর হলেও দেশটির রাজধানী ক্যানবেরা, অস্ট্রিয়ার নয়।
C) মস্কো — এটি ইউরোপীয় দেশ রাশিয়ার রাজধানী, যা অস্ট্রিয়ার রাজধানী নয়।
D) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার সঠিক ও পরীক্ষিত রাজধানী।
মনে রাখার টিপস:
অস্ট্রিয়া ও অস্ট্রেলিয়া গুলিয়ে ফেলবেন না, অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা এবং অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরা।
সঠিক উত্তর: B) ১৪ ডিসেম্বর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর আল-বদর রাজাকাররা বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পনা করে হত্যা করে।
- জাতির মেধাশূন্য করার এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের স্মরণে প্রতি বছর এই দিনে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ ডিসেম্বর — এই তারিখে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয় না, এটি ভিন্ন একটি সাধারণ দিবস।
B) ১৪ ডিসেম্বর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ১৬ ডিসেম্বর — এই তারিখে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস নয়, বরং ঐতিহাসিক মহান বিজয় দিবস পালিত হয়।
D) ২১ নভেম্বর — এই তারিখে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয় না, এটি সশস্ত্র বাহিনী দিবস।
মনে রাখার টিপস:
বিজয়ের ঠিক দুই দিন আগে অর্থাৎ বিজয়ের মাসে চোদ্দো তারিখে জাতিকে মেধাশূন্য করতে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ২১,১৯৬
কেন সঠিক:
- চীনের স্টেট ব্যুরো অফ কালচারাল রিলিজসের সরকারি জরিপ অনুযায়ী চীনের মহাপ্রাচীরের মোট দৈর্ঘ্য ২১,১৯৬ কিলোমিটার।
- এই দীর্ঘ পরিমাপের মধ্যে প্রাচীন বিভিন্ন রাজবংশের নির্মিত প্রাচীর এবং এর সাথে সংযুক্ত প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম প্রতিরক্ষা লাইন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪,০০০ — এটি একটি আনুমানিক বা ভুল সংখ্যা যা মহাপ্রাচীরের সঠিক ঐতিহাসিক ও অফিসিয়াল দূরত্বের সাথে মেলে না।
B) ২৬,৫০০ — এটি মহাপ্রাচীরের প্রকৃত দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক বেশি এবং কোনো সরকারি দাপ্তরিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) ২১,১৯৬ — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এবং চীনের সাংস্কৃতিক ব্যুরোর প্রকাশিত প্রামাণিক হিসাব।
D) ২৭,৫০০ — এই সংখ্যাটি চীনের মহাপ্রাচীরের প্রকৃত প্রামাণিক দূরত্বের চেয়ে বেশি এবং অতিরিক্ত পরিমাপ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
চীনের মহাপ্রাচীরের দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটির শেষ অংশ মনে রাখুন, যা হলো এক লক্ষ একানব্বই হাজার নয়শ ষোলো মিটার বা ২১,১৯৬ কিলোমিটার।
সঠিক উত্তর: C) ড. আখতার হামিদ খান
কেন সঠিক:
- ড. আখতার হামিদ খান ১৯৫৯ সালে কুমিল্লায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী বা বার্ড প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি গ্রামীণ উন্নয়ন ও সমবায় আন্দোলনের একজন প্রখ্যাত সমাজসংস্কারক ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম — তিনি ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা, বার্ডের সঙ্গে যুক্ত নন।
B) প্রেসিডেন্ট আইউব খান — তিনি সে সময় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, বার্ডের প্রতিষ্ঠাতা নন।
D) ফজলুর রহমান খান — তিনি একজন বিখ্যাত স্থপতি ও প্রকৌশলী ছিলেন, বার্ড প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেননি।
মনে রাখার টিপস:
কুমিল্লার বার্ড দেখলে মনে রাখবে খান সাহেবের নাম, অর্থাৎ ড. আখতার হামিদ খান।
সঠিক উত্তর: D) মান্দারিন-চাযানজ
কেন সঠিক:
- মান্দারিন ভাষাটি মূলত চীনের প্রধান ভাষা এবং বিশ্বের সর্বাধিক সংখ্যক মানুষের মাতৃভাষা।
- বিপুল জনসংখ্যার কারণে এটি মাতৃভাষী মানুষের সংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর শীর্ষস্থানে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইংরেজি — এটি আন্তর্জাতিক যোগাযোগের প্রধান ভাষা হলেও মাতৃভাষার দিক থেকে মান্দারিনের চেয়ে এর বক্তা কম।
B) আরবি — এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান ভাষা ও মুসলিম বিশ্বের ধর্মীয় ভাষা হলেও মাতৃভাষী জনসংখ্যার দিক থেকে মান্দারিনের পেছনে রয়েছে।
C) ফরাসি — এটি ইউরোপ ও আফ্রিকার কিছু দেশের প্রধান ভাষা হলেও বিশ্বব্যাপী মোট বক্তার সংখ্যা মান্দারিনের তুলনায় অনেক কম।
D) মান্দারিন-চাযানজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভাষাভাষী মানুষের সংখ্যা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষ কথা বলে চীনে, তাই তাদের ভাষা মান্দারিন হলো সর্বাধিক বক্তার ভাষা।
সঠিক উত্তর: C) গারুদা জানিয়ে
কেন সঠিক:
- গারুদা ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় বিমান সংস্থা, যা দেশটির প্রধান এয়ারলাইন হিসেবে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করে।
- গারুদা নামটি মূলত ইন্দোনেশীয় ও হিন্দু পৌরাণিক কাহিনীর ঐশ্বরিক পাখি গারুড় থেকে নেওয়া হয়েছে, যা তাদের জাতীয় প্রতীকের অংশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুফথানসা তামাক — লুফথানসা হলো জার্মানির প্রধান বিমান সংস্থা, আর তামাক অপশনের বাকি অংশটি ভুল ও বিভ্রান্তিকর।
B) কোয়ানটাস এয়ারওয়েজ — কোয়ানটাস হলো ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ অস্ট্রেলিয়ার প্রধান ও বিখ্যাত জাতীয় বিমান সংস্থা।
C) গারুদা জানিয়ে — এটি ইন্দোনেশিয়ার বিমান সংস্থার সঠিক নাম এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) নিপ্পন এয়ারওয়েজ — নিপ্পন এয়ারওয়েজ বা অল নিপ্পন এয়ারওয়েজ হলো পূর্ব এশিয়ার দেশ জাপানের একটি শীর্ষস্থানীয় বিমান সংস্থা।
মনে রাখার টিপস:
ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় প্রতীক হলো পৌরাণিক পাখি গারুড়, আর তাদের বিমান সংস্থার নামও গারুদা।
সঠিক উত্তর: B) ১৮টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারের বিধান রয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদগুলোর আওতায় মোট ১৮টি মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০টি — এই সংখ্যাটি সংবিধানের মৌলিক অধিকারের মোট সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই।
B) ১৮টি — এটি সঠিক সংখ্যা কারণ সংবিধানে ১৮টি সুনির্দিষ্ট মৌলিক অধিকারের কথা বলা হয়েছে।
C) ২২টি — এই সংখ্যাটি সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সঠিক হিসাব নয়।
D) ১৫টি — এটি ভুল সংখ্যা কারণ মৌলিক অধিকারের সংখ্যা ১৫টি নয়।
মনে রাখার টিপস:
মৌলিক অধিকার শুরু হয় ২৬ অনুচ্ছেদ থেকে শেষ হয় ৪৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত, যার মোট সংখ্যাটি হলো আঠারো।
সঠিক উত্তর: D) শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে
কেন সঠিক:
- ১৯৬০ সালে শ্রীলঙ্কার (তৎকালীন সিলন) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান হওয়ার ইতিহাস গড়েন।
- তিনি বিশ্বের রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের অগ্রদূত হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেনজীর ভুট্টো — তিনি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে বিশ্বের প্রথম নন।
B) মার্গারেট থ্যাচার — তিনি যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যিনি ১৯৭৯ সালে ক্ষমতাগ্রহণ করেন।
C) ইন্দিরা গান্ধী — তিনি ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যিনি ১৯৬৬ সালে প্রথম ক্ষমতাগ্রহণ করেন।
D) শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৯৬০ সালে বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রীলঙ্কার শ্রীমাভো বন্দরনায়েকের নাম মনে রাখতে 'শ্রী' দিয়ে শুরু নামটিকে প্রথম হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) বীরশ্রেষ্ঠ
কেন সঠিক:
- বীরশ্রেষ্ঠ বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রদত্ত সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ সাতজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এই খেতাব দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বীরবিক্রম — এটি বীরত্বসূচক খেতাবগুলোর মধ্যে তৃতীয়।
B) বীরপ্রতীক — এটি বীরত্বসূচক খেতাবগুলোর মধ্যে চতুর্থ ও সর্বশেষ।
C) বীরশ্রেষ্ঠ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব।
D) বীরউত্তম — এটি বীরত্বসূচক খেতাবগুলোর মধ্যে দ্বিতীয়।
মনে রাখার টিপস:
খেতাবগুলোর ক্রম মনে রাখতে শ্রেষ্ঠ, উত্তম, বিক্রম ও প্রতীক এই ক্রমানুসারে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) হামিংবার্ড
কেন সঠিক:
- হামিংবার্ড বা গুঞ্জন পাখি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রাকৃতির পাখি প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত।
- এদের দৈর্ঘ্য মাত্র ৫ সেন্টিমিটারের মতো হয় এবং এরা পেছনের দিকে উড়তে পারা একমাত্র পাখি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চড়ুই — এটি একটি সাধারণ ও পরিচিত ছোট পাখি হলেও হামিংবার্ডের মতো বিশ্বের ক্ষুদ্রতম পাখি নয়।
B) শালিক — এটি মাঝারি আকৃতির পাখি এবং এর শরীর হামিংবার্ডের তুলনায় অনেক বড়।
C) হামিংবার্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের সবচেয়ে ছোট পাখি।
D) দোয়েল — এটি আমাদের জাতীয় পাখি এবং এর আকার চড়ুই বা শালিকের কাছাকাছি, হামিংবার্ডের মতো এত ছোট নয়।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে ছোট পাখির নাম মনে রাখতে হামিংবার্ড শব্দটি মনে রাখুন, যা গুঞ্জন করার জন্য বিখ্যাত।
সঠিক উত্তর: C) সাভারে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বিকেএসপি ঢাকার অদূরে সাভারের জিরানীতে অবস্থিত।
- এটি দেশের একমাত্র সরকারি ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যা ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৬ সালে কার্যক্রম শুরু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়দেবপুরে — এটি গাজীপুর জেলায় অবস্থিত এবং এখানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
B) কালিয়াকৈরে — এটি গাজীপুর জেলার একটি উপজেলা যেখানে হাইটেক পার্ক ও ঐতিহাসিক বিভিন্ন স্থান রয়েছে।
C) সাভারে — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিকেএসপির মূল ক্যাম্পাস এখানেই অবস্থিত।
D) মানিকগঞ্জে — এটি একটি জেলা যা পাট ও বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পণ্যের জন্য বিখ্যাত কিন্তু বিকেএসপির অবস্থান এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাভারের জিরানীতে আমাদের জাতীয় ক্রীড়াবিদ তৈরির কারখানা অর্থাৎ বিকেএসপি অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) ম্যানিলা
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বা আইআরআরআই এর প্রধান কার্যালয় ফিলিপাইনের ম্যানিলা শহরের কাছে লস baños এ অবস্থিত।
- ধান গবেষণার আন্তর্জাতিক কেন্দ্র হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে কৃষির উন্নয়নে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী এবং এখানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত, আন্তর্জাতিক ইনস্টিটিউট নয়।
B) নয়াদিল্লী — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে, প্রধান কার্যালয় নয়।
C) ম্যানিলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান সদর দপ্তর অবস্থিত।
D) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ধান উৎপাদন বেশি হয় ফিলিপাইনে, তাই ধান গবেষণার সদর দপ্তর ম্যানিলায়।
সঠিক উত্তর: C) চন্দ্রদ্বীপ
কেন সঠিক:
- প্রাচীনকালে বর্তমান বরিশাল অঞ্চলটি চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি স্বাধীন রাজ্য বা জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল।
- ইতিহাস ও প্রাচীন ভূগোলে এই অঞ্চলের প্রাচীন নাম হিসেবে চন্দ্রদ্বীপ নামটি সর্বস্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নদীয়া — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা এবং প্রাচীন জনপদ, যা বর্তমান বাংলাদেশের বরিশাল অঞ্চল নয়।
B) শাহবাজপুর — এটি ভোলা জেলার একটি প্রাচীন নাম, যা মূল বরিশাল জেলার প্রাচীন নাম হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) চন্দ্রদ্বীপ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ, যার মূল অংশ বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বরিশাল মানেই চাঁদ, তাই মনে রাখবেন বরিশালের প্রাচীন নাম চন্দ্রদ্বীপ।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ মাইনুল হোসেন
কেন সঠিক:
- স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন ১৯৭৮ সালে জাতীয় স্মৃতিসৌদের নকশা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন।
- তাঁর নকশেই সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়েছে, যার সাতটি জোড় বেষ্টনী বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাতটি পর্যায় নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হামিদুজ্জামান — তিনি দেশের একজন বিখ্যাত ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী, তবে জাতীয় স্মৃতিসৌদের স্থপতি নন।
B) মৃনাল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাস্কর হলেও এই স্মৃতিসৌধের নকশা তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) সৈয়দ মাইনুল হোসেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
D) সামসুন ওয়ারেস — তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট স্থপতি হলেও এই স্মৃতিসৌধের নকশা তিনি করেননি।
মনে রাখার টিপস:
স্মৃতিসৌধের স্থপতির নাম মনে রাখতে 'স্মৃতি' শব্দের ম এবং 'মাইনুল' নামের ম মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র
কেন সঠিক:
- স্ট্যাচু অব লিবার্টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের লিবার্টি দ্বীপে অবস্থিত একটি বিশাল ভাস্কর্য।
- এটি ফ্রান্সের পক্ষ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভাস্কর্যটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে অবস্থিত।
B) রাশিয়া — এটি ভুল অপশন কারণ রাশিয়া এই ভাস্কর্যের সাথে সম্পর্কিত নয়, রাশিয়ার বিখ্যাত ভাস্কর্য হলো মাদারল্যান্ড কলস।
C) ইতালি — এটি ভুল অপশন কারণ ইতালি স্ট্যাচু অব লিবার্টির দেশ নয়, তবে এর রূপকার ফ্রেডারিক অগাস্ট বারথোলডি ফরাসি নাগরিক ছিলেন।
D) ফ্রান্স — এটি ভুল অপশন কারণ ফ্রান্স ভাস্কর্যটি তৈরি করে উপহার দিয়েছিল, কিন্তু এটি ফান্সে নয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
লিবার্টি বা স্বাধীনতা অর্জনে যুক্তরাষ্ট্র বিখ্যাত, তাই স্ট্যাচু অব লিবার্টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) পার্লামেন্ট
প্রশ্নটির ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও বিভিন্ন দেশের আইনসভা
কেন সঠিক:
- ফ্রান্সের দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার সামগ্রিক বা সাধারণ নাম হলো ফ্রেঞ্চ পার্লামেন্ট।
- এটি উচ্চকক্ষ বা সেনেট এবং নিম্নকক্ষ বা ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলী নিয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কংগ্রেস — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম, ফ্রান্সের নয়।
B) ডায়েট — এটি জাপানের আইনসভার নাম, যা ফ্রান্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) পার্লামেন্ট — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি ফ্রান্সের আইনসভার সামগ্রিক নাম।
D) ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলী — এটি ফ্রেঞ্চ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ মাত্র, পুরো আইনসভার নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফ্রান্সের সামগ্রিক আইনসভা হলো পার্লামেন্ট এবং এর নিম্নকক্ষ হলো ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলী।
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়া
কেন সঠিক:
- ভলগা নদী ইউরোপ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী এবং এটি রাশিয়ার পশ্চিম অংশে অবস্থিত।
- এই নদীটি উৎপন্ন হয়ে রাশিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত এবং এর প্রধান নদী মিসিসিপি।
B) চীন — চীন এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত এবং এর দীর্ঘতম নদী ইয়াংসি।
C) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) জার্মানি — জার্মানি ইউরোপে অবস্থিত এবং এর প্রধান নদী রাইন ও ডানিউব।
মনে রাখার টিপস:
রাশিয়ার বিখ্যাত ভলগা নদী ইউরোপের দীর্ঘতম নদী।
সঠিক উত্তর: B) গোয়েন্দা সংস্থা
কেন সঠিক:
- ফেয়ার ফ্যাক্স হলো একটি যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি গোয়েন্দা ও তদন্ত সংস্থা।
- এটি মূলত অর্থনৈতিক অপরাধ এবং আর্থিক অনিয়ম তদন্তের সঙ্গে জড়িত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সীমান্ত বাহিনী — ফেয়ার ফ্যাক্স কোনো দেশের সীমান্ত পাহারা দেওয়ার সামরিক বা আধাসামরিক বাহিনী নয়।
B) গোয়েন্দা সংস্থা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফেয়ার ফ্যাক্স একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা।
C) পুলিশ বাহিনী — এটি কোনো দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি পুলিশ বিভাগ নয়।
D) সম্মেলন — ফেয়ার ফ্যাক্স কোনো ধরনের সভা, বৈঠক বা আন্তর্জাতিক সম্মেলন বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক গোয়েন্দা ও তদন্ত সংস্থার নাম ফেয়ার ফ্যাক্স।
সঠিক উত্তর: B) ১৩৬তম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই বছরের ২৫শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ভাষণ দিয়ে এই সদস্যপদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বাড়িয়েছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩৫তম — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এটি বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের ক্রমিক নম্বরের সঙ্গে মেলে না।
B) ১৩৬তম — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
C) ১৩৭তম — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ ১৩৭তম সদস্য হিসেবে অন্য কোনো দেশ যোগদান করেছিল।
D) ১৩৮তম — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এটি সঠিক ক্রমিক নম্বরের চেয়ে বেশি।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হয়।
বিষয়: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: A) ৩য়
কেন সঠিক:
- জওহরলাল নেহরু ও গুলজারিলাল নন্দার (ভারপ্রাপ্ত) পর লালবাহাদুর শাস্ত्री ১৯৬৪ সালে ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৬৪ থেকে ১৯৬৬৫ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩য় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
B) ৪র্থ — গুলজারিলাল নন্দা ও ইন্দিরা গান্ধী পরবর্তী সময়ে এই পদে আসায় এটি ভুল।
C) ৫ম — এই ক্রমানুসারে অন্য প্রধানমন্ত্রীগণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
D) ৬ষ্ঠ — এটি ভুল কারণ তিনি ক্রমানুসারে ষষ্ঠ নন।
মনে রাখার টিপস:
নেহরুর মৃত্যুর পর ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হন লালবাহাদুর শাস্ত্রী।
সঠিক উত্তর: C) পাউন্ড
কেন সঠিক:
- লেবাননের জাতীয় মুদ্রার নাম লেবানিজ পাউন্ড এবং এটি দেশটির সরকারি লেনদেনের একমাত্র মাধ্যম।
- মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির অর্থনীতিতে পাউন্ড মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনার — কুয়েত, জর্ডন ও বাহরাইনসহ বেশ কিছু দেশের মুদ্রার নাম দিনার, লেবাননের নয়।
B) ডলার — যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম ডলার, যা লেবাননের মুদ্রা নয়।
সি) পাউন্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) রুপি — ভারত, পাকিস্তান ও নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম রুপি।
মনে রাখার টিপস:
লেবাননের রাজধানী বৈরুত এবং মুদ্রার নাম পাউন্ড, যা মনে রাখতে লেবানিজ পাউন্ড শব্দটি একসাথে স্মরণ করুন।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) মেঘনা
কেন সঠিক:
- ভৌগোলিক মাপজোখে মেঘনা নদী বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবাহিত সবচেয়ে দীর্ঘতম নদী হিসেবে স্বীকৃত।
- নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় তিন শ উনত্রিশ কিলোমিটার এবং এর অববাহিকা দেশের অন্যতম বৃহৎ পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মা — এটি দেশের অন্যতম প্রধান ও দীর্ঘ নদী হলেও ভৌগোলিক দৈর্ঘ্যের দিক থেকে মেঘনার চেয়ে ছোট।
B) মেঘনা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্ন অনুযায়ী এটি দীর্ঘতম নদী হিসেবে বিবেচিত।
C) যমুনা — এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশস্ত প্রধান নদ হলেও দৈর্ঘ্যে মেঘনার চেয়ে কিছুটা কম।
D) ব্রহ্মপুত্র — এই নদের মূল অংশটি বাংলাদেশে যমুনা নামে প্রবাহিত এবং এর দৈর্ঘ্য মেঘনার তুলনায় কম।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী মনে রাখতে মেঘনা শব্দটি মনে রাখুন, কারণ নদীটি দেশের সীমানার ভেতর সবচেয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে।
সঠিক উত্তর: B) ১৭ এপ্রিল
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা আমবাগানে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- এই দিনটিকে স্মরণ করে ১৭ এপ্রিল তারিখটি মুজিবনগর দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ এপ্রিল — ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।
B) ১৭ এপ্রিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা প্রযোজ্য নয়।
C) ১৭ মার্চ — এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়।
D) ২৭ মার্চ — ১৯৭১ সালের এই দিনে মেজর জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
মনে রাখার টিপস:
গঠন ১০ এপ্রিল আর শপথ ১৭ এপ্রিল, এই দুই দিন মনে রাখলেই মুজিবনগর সরকারের ইতিহাস পরিষ্কার হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: B) বৃটেন
কেন সঠিক:
- জর্জ হ্যারিসন ছিলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ রক ব্যান্ড দ্য বিটলস এর লিড গিটারিস্ট এবং একজন সুরকার।
- তিনি ইংল্যান্ডের লিভারপুল শহরে জন্মগ্রহণ করেন, যা বৃটেনের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জার্মানি — এটি ইউরোপের একটি দেশ হলেও জর্জ হ্যারিসনের জন্মস্থান বা নাগরিকত্ব এখানে ছিল না।
B) বৃটেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই দেশের নাগরিক ও বিখ্যাত ব্যান্ড দ্য বিটলস এর সদস্য ছিলেন।
C) যুক্তরাষ্ট্র — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেক কাজ ও বসবাস করলেও এখানকার মূল নাগরিক ছিলেন না।
D) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের আরেকটি দেশ যার সাথে তার নাগরিকত্বের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
বিখ্যাত বিটলস ব্যান্ডের সদস্যরা সবাই ব্রিটিশ ছিলেন, তাই তাদের গিটারিস্ট জর্জ হ্যারিসন বৃটেনের নাগরিক।
সঠিক উত্তর: C) 104°F
১. কেন সঠিক:
- সেলসিয়াস স্কেলের ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা ফারেনহাইট স্কেলে রূপান্তর করলে ১০৪ ডিগ্রি হয়।
- নির্দিষ্ট তাপমাত্রার সমতুল্য মান বের করার জন্য তাপীয় স্কেলগুলোর মধ্যকার গাণিতিক সম্পর্ক ব্যবহার করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য প্রধানত সেলসিয়াস এবং ফারেনহাইট নামক দুটি স্কেল বহুল ব্যবহৃত হয়।
- সূত্র: C ÷ ৫ = (F − ৩২) ÷ ৯, যেখানে C হলো সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং F হলো ফারেনহাইট তাপমাত্রা।
- কার্যপ্রণালি: সূত্রে C এর স্থানে ৪০ বসিয়ে পাই, ৪০ ÷ ৫ = ৮, অতঃপর ৮ × ৯ = ৭২ এবং ৭২ + ৩২ = ১০৪।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা প্রায় ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ব্যাখ্যা: জ্বর হলে শরীরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে, যা ফারেনহাইটে ১০৪ ডিগ্রি হয়।
উদাহরণ ২: আবহাওয়ার পূর্বাভাসে তাপমাত্রা প্রকাশ করা।
ব্যাখ্যা: অনেক দেশে সেলসিয়াস আবার অনেক দেশে ফারেনহাইট স্কেলে তাপমাত্রা প্রকাশ করা হয়, যা রূপান্তরের মাধ্যমে বোঝা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 120°F — এটি ভুল কারণ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে এই সূত্রে ফেললে ১২০ পাওয়া যায় না।
B) 99°F — এটি ভুল কারণ ৯৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট মানবদেহের সামান্য বেশি তাপমাত্রা নির্দেশ করে কিন্তু ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের সমান নয়।
C) 104°F — এটি সঠিক অপশন এবং গণিত করে এই মানটি পাওয়া যায়।
D) 108°F — এটি ভুল কারণ অতিরিক্ত উচ্চ তাপমাত্রার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হলেও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের সঠিক রূপান্তর এটি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সেলসিয়াস থেকে ফারেনহাইট বের করতে হলে সেলসিয়াসের মানকে ১.৮ দিয়ে গুণ করে ৩২ যোগ করতে হয়।
- ৪০ কে ১.৮ দিয়ে গুণ করলে ৭২ হয় এবং তার সাথে ৩২ যোগ করলে ১০৪ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের রূপান্তর প্রায়ই আসে।
- পানির স্ফুটনাঙ্ক সেলসিয়াসে ১০০ ডিগ্রি এবং ফারেনহাইটে ২১২ ডিগ্রি, এই মান থেকেও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি
১. কেন সঠিক:
প্রেসার কুকারে আবদ্ধ পাত্রের ভেতরে বায়ুর চাপ স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলের চাপের চেয়ে অনেক বেশি থাকে।
চাপ বেশি থাকার কারণে ভেতরের পানির স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় এবং পানি বেশি তাপমাত্রায় ফোটে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তরলের ওপর চাপ বৃদ্ধি পেলে তার স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় এবং চাপ হ্রাস পেলে স্ফুটনাংক কমে যায়।
কার্যপ্রণালি: প্রেসার কুকারের ঢাকনা শক্তভাবে আটকানো থাকে বলে ভেতরে বাষ্পের চাপ বৃদ্ধি পায়।
এই উচ্চ চাপের কারণে পানির অণুগুলো সহজে বাষ্পে পরিণত হতে পারে না, তাই পানি প্রায় ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়ের চূড়ায় বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কম থাকায় পানির স্ফুটনাংক কমে যায় এবং সেখানে কম তাপমাত্রায় পানি ফোটে।
ব্যাখ্যা: কম তাপমাত্রায় পানি ফোটার কারণে সেখানে রান্না হতে বেশি সময় লাগে।
উদাহরণ ২: প্রেসার কুকারে মাংস বা ডাল রান্না করা।
ব্যাখ্যা: অধিক তাপমাত্রায় রান্না হওয়ার কারণে খাবার খুব দ্রুত সিদ্ধ হয় এবং সময় বাঁচে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাভাবিক — এটি ভুল কারণ স্বাভাবিক চাপে পানি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ফোটে, যা প্রেসার কুকারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) স্বাভাবিকের চেয়ে কম — এটি ভুল কারণ চাপ কমলে স্ফুটনাংক কমে, কিন্তু প্রেসার কুকারে চাপ বেশি থাকে।
C) স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি — এটি সঠিক কারণ আবদ্ধ পাত্রে চাপ বাড়লে স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়।
D) কোনোটিই নয় — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি সি অপশনে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রেসার কুকার মানে চাপ বেশি, তাই তাপমাত্রাও বেশি।
চাপ বাড়লে স্ফুটনাংক বাড়ে, এই সম্পর্কটি মনে রাখলে যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তর করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ২১২ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
পাহাড়ের চূড়ায় বা উচ্চ স্থানে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কম থাকায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) কালো
১. কেন সঠিক:
- হলুদ রঙের বস্তু সবুজ আলোর শুধুমাত্র সবুজ অংশ শোষণ করে এবং অন্য কোনো আলো প্রতিফলিত করে না।
- চোখে কোনো প্রতিফলিত আলো পৌঁছায় না বলে বস্তুটিকে কালো দেখায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কোনো বস্তুর ওপর আলো পড়লে বস্তুটি তার নিজস্ব রঙের আলো প্রতিফলিত করে এবং বাকি রঙ শোষণ করে।
- কার্যপ্রণালি: হলুদ বস্তু মূলত লাল ও সবুজ আলোর মিশ্রণ প্রতিফলিত করতে পারে, কিন্তু সবুজ আলোতে শুধু সবুজ আলোই উপস্থিত থাকে।
- কারণ ও ফলাফল: হলুদ বস্তু সবুজ আলো সম্পূর্ণ শোষণ করে এবং কোনো আলো চোখে ফেরত পাঠায় না, তাই একে কালো দেখায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: রঙিন আলোতে পোশাকের রঙ পরিবর্তন হওয়ার পেছনের বিজ্ঞান এটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাল গোলাপকে সবুজ আলোতে দেখলে কালো দেখায়।
ব্যাখ্যা: লাল গোলাপ সবুজ আলো শোষণ করে এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করে না।
উদাহরণ ২: নীল জামা লাল আলোতে কালো দেখায়।
ব্যাখ্যা: নীল জামা লাল আলো শোষণ করে এবং চোখে কোনো আলো পাঠায় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল — সবুজ আলোতে হলুদ বস্তু নীল রঙ প্রতিফলিত করতে পারে না তাই এটি সঠিক নয়।
B) কালো — হলুদ বস্তু সবুজ আলো পুরোপুরি শোষণ করায় এটি কালো দেখায় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
C) সবুজ — হলুদ বস্তু সবুজ আলো প্রতিফলিত না করে সম্পূর্ণ শোষণ করে তাই এটি সবুজ দেখায় না।
D) হলুদ — হলুদ রঙ দেখতে হলে আলোতে হলুদ বর্ণ থাকতে হবে, যা সবুজ আলোতে নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অপরিচিত বা ভিন্ন রঙের আলোতে পড়লে রঙিন বস্তু সাধারণত কালো দেখায় যদি আলোর রঙ বস্তুর রঙের সাথে না মিলে।
- শোষণ এবং প্রতিফলনের এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলেই পরীক্ষার উত্তর সহজে বের করা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলোর শোষণ ও প্রতিফলন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- বস্তুর নিজস্ব রঙ এবং আপতিত আলোর রঙের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) হিমোগ্লোবিন
১. কেন সঠিক:
- রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক এক প্রকার লৌহঘটিত প্রোটিন থাকে যা অক্সিজেন পরিবহনে সরাসরি অংশ নেয়।
- এটি ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের প্রতিটি কোষে সরবরাহ করে এবং কোষ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড ফুসফুসে ফিরিয়ে আনে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন হলো রক্তের এমন একটি রঞ্জক পদার্থ যা রক্তকে লাল রঙ প্রদান করে এবং গ্যাস বিনিময়ে সাহায্য করে।
- কার্যপ্রণালি: হিমোগ্লোবিনের সাথে অক্সিজেনের তীব্র আকর্ষণ রয়েছে, তাই এটি সহজেই অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: অতিরিক্ত পরিশ্রমের সময় শরীরের কোষে অক্সিজেনের চাহিদা বাড়লে হিমোগ্লোবিন দ্রুত অক্সিজেন সরবরাহ করে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দীর্ঘক্ষণ দৌড়ানোর পর হাঁপিয়ে ওঠা।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত দৌড়ানোর ফলে পেশিতে অক্সিজেনের চাহিদা বাড়ে এবং হিমোগ্লোবিন তখন দ্রুত রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ করার চেষ্টা করে।
উদাহরণ ২: রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া রোগ।
ব্যাখ্যা: রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে শরীর পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না, ফলে প্রচণ্ড ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভূত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শর্করা — এটি এক ধরণের পুষ্টি উপাদান যা প্রধানত শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, রক্তকণিকার মূল গাঠনিক উপাদান বা রঞ্জক নয়।
B) হিমোগ্লোবিন — এটি সঠিক উত্তর।
C) লবণ — এটি রক্তের প্লাজমায় দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে এবং অভিস্রবণ চাপ নিয়ন্ত্রণ করে, রক্তকণিকার ভেতরে প্রধান উপাদান হিসেবে থাকে না।
D) ইউরিক এসিড — এটি আমিবীয় বিপাকের ফলে সৃষ্ট একটি বর্জ্য পদার্থ, যা কিডনির মাধ্যমে শরীর থেকে নিষ্কাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রক্ত লাল দেখায় কারণ এতে হিমোগ্লোবিন থাকে এবং হিমোগ্লোবিন মানেই লোহা ও প্রোটিনের সমন্বয় যা অক্সিজেন বহন করে।
- হিমোগ্লোবিন শব্দটি মনে রাখলে সহজেই লোহিত রক্তকণিকার প্রধান কাজের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি মানবদেহের শারীরতত্ত্ব অধ্যায় থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- লোহিত রক্তকণিকার আয়ুষ্কাল এবং এর প্রধান কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) ক্রোমিয়াম
১. কেন সঠিক:
- স্টেইনলেস স্টিল বা মরচেহীন লোহা হলো মূলত লোহা, ক্রোমিয়াম এবং কার্বনের একটি সংকর ধাতু।
- এর মধ্যে ক্রোমিয়াম থাকার কারণে বাতাসের অক্সিজেন ও আর্দ্রতার সাথে বিক্রিয়া করে ধাতুর উপরিভাগে ক্রোমিয়াম অক্সাইডের একটি অদৃশ্য ও সূক্ষ্ম প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে, যা মরিচা পড়া রোধ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সংকর ধাতু হলো দুই বা ততোধিক ধাতুর অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ব মিশ্রণ, যা মৌলিক ধাতুর চেয়ে বেশি টেকসই ও উপযোগী হয়।
- কার্যপ্রণালি: সাধারণ লোহা আর্দ্রতার সংস্পর্শে এলে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতিতে অক্সিজেন ও আয়রনের বিক্রিয়ায় হাইড্রেটেড আয়রন অক্সাইড তৈরি হয় যাকে মরিচা বলে, কিন্তু স্টেইনলেস স্টিলে থাকা ক্রোমিয়াম এই বিক্রিয়া রোধ করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: রান্নার তৈজসপত্র, সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি, এবং 건축 सामग्री বা নির্মাণকাজে স্টেইনলেস স্টিল ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রান্নাঘরে ব্যবহৃত স্টিলের চামচ বা প্লেট দীর্ঘদিন পানিতে ভিজে থাকলেও তাতে মরিচা ধরে না।
ব্যাখ্যা: এতে ক্রোমিয়াম উপস্থিত থাকায় এটি জলীয় বাষ্প ও অক্সিজেনের ক্ষয়কারী প্রভাব থেকে সুরক্ষিত থাকে।
উদাহরণ ২: চিকিৎসকদের ব্যবহৃত এসক্যালপেল বা কাঁচি বারবার পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা সত্ত্বেও ক্ষয় হয় না।
ব্যাখ্যা: সংকর ধাতুর বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে এই অস্ত্রোপচার সরঞ্জামগুলো টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তামা — তামা একটি মৌলিক ধাতু এবং এটি পিতল বা ব্রোঞ্জ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যা স্টেইনলেস স্টিলের প্রধান উপাদান নয়।
B) দস্তা — দস্তা বা জিঙ্ক লোহাকে মরিচা থেকে বাঁচাতে গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় লোহা বা স্টিলের ওপর প্রলেপ দিতে ব্যবহৃত হয়।
C) ক্রোমিয়াম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি স্টেইনলেস স্টিলের মরিচাতোরোধক গুণ নিশ্চিত করার জন্য একটি আবশ্যিক উপাদান।
D) অ্যালুমিনিয়াম — অ্যালুমিনিয়াম হালকা ও মজবুত একটি পৃথক ধাতু যা বিমান তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়, তবে এটি স্টেইনলেস স্টিলের প্রধান উপাদান নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্টেইনলেস স্টিল মানেই ক্রোমিয়াম, কারণ ক্রোমিয়ামের উপস্থিতিতেই স্টিলে মরিচা ধরে না।
- সংকর ধাতু হিসেবে লোহা, ক্রোমিয়াম এবং নিকেলের মিশ্রণ মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংকর ধাতুর উপাদান সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- পিতল ও ব্রোঞ্জ কোন কোন ধাতুর সংকর, তা এই প্রশ্ন থেকে ধারণা নিয়ে আলাদাভাবে পড়ে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) উচ্চচাপ হয়
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটির প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। কোনো স্থানের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়, উচ্চচাপের নয়। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার নির্দেশনার আলোকে এখানে তাপ ও বায়ুমণ্ডলের চাপের বিপরীত সম্পর্কের বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হলো।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপমাত্রা বাড়লে বায়ুর প্রসারণ ঘটে এবং বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে যায়। ফলে ওই স্থানে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ কমে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্রীষ্মকালে সমুদ্রের তুলনায় স্থলভাগে তাপমাত্রা বেশি থাকে। এর ফলে স্থলভাগে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয় এবং সমুদ্র থেকে ঠান্ডা বায়ু স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়।
উদাহরণ ২: রান্নাঘরে চুলা জ্বালালে চুলার ওপরের বাতাস গরম হয়ে হালকা হয়ে ওপরে উঠে যায় এবং ওই স্থানে সাময়িক নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেয়ের সৃষ্টি হয় — এই অপশনটি প্রশ্নটির সঙ্গে সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক ও অপ্রাসঙ্গিক।
B) নিম্নচাপ হয় — এটিই হলো প্রকৃত সঠিক বৈজ্ঞানিক উত্তর, যদিও প্রশ্নে উচ্চচাপ দেওয়া হয়েছে।
C) উচ্চচাপ হয় — তাপমাত্রা কমলে বায়ু ঠান্ডা ও ভারী হয়ে উচ্চচাপের সৃষ্টি করে, তাপমাত্রা বাড়লে নয়।
D) চাপের পরিবর্তন হয় না — তাপমাত্রা এবং বায়ুমণ্ডলের চাপের মধ্যে সরাসরি পরিবর্তনশীল সম্পর্ক রয়েছে, তাই চাপ অপরিবর্তিত থাকে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
তাপ বাড়লে বায়ু হালকা হয় এবং চাপ কমে যায় অর্থাৎ তাপ বাড়লে নিম্নচাপ হয়। এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বায়ুমণ্ডলের চাপ ও তাপমাত্রার এই বিপরীত সম্পর্ক আবহাওয়ার পরিবর্তনের মূল ভিত্তি। এই ধারণা থেকে প্রায়ই ঘূর্ণিঝড় ও কালবৈশাখী সম্পর্কিত প্রশ্ন পরীক্ষাসমূহে আসে।
সঠিক উত্তর: C) অন্য
১. কেন সঠিক:
- অন্য একটি সর্বনাম বা বিশেষণ পদ, যা কখনো অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
- অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় শব্দগুলো বাক্যে স্বাধীনভাবে বসে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে অবস্থান করে কারক বোঝাতে সাহায্য করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বা সম্বন্ধ পদ বোঝাতে সাহায্য করে এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশে সহায়তা করে, তাকে অনুসর্গ বলে।
- অনুসর্গগুলো সাধারণত বিভক্তির কাজ করে থাকে এবং এদের নিজস্ব কোনো স্বাধীন অর্থ না থাকলেও বাক্যের মধ্যে এদের গুরুত্ব অনেক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার চেয়ে সে ভালো গায়।
ব্যাখ্যা: এখানে চেয়ে শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে তুলনা বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: দেশের জন্য জীবন দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে জন্য শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে নিমিত্ত কারক বোঝাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপেক্ষা — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত অনুসর্গ, যা তুলনামূলক বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
B) চেয়ে — এটি একটি প্রচলিত অনুসর্গ, যা সাধারণত তুলনায় ব্যবহৃত হয়।
C) অন্য — এটি অনুসর্গ নয়, এটি একটি সর্বনাম বা বিশেষণ পদ।
D) জন্য — এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত অনুসর্গ, যা নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য প্রকাশে বসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রধান প্রধান অনুসর্গগুলো মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
- পদাশ্রিত নির্দেশক ও অনুসর্গের পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- অনুসর্গগুলোকে কর্মপ্রবচনীয়ও বলা হয়, ব্যাকরণে এই নামটিও মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ভারতচন্দ্র
কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পক্তিটির রচিয়তা হলেন মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- কবির লেখা অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বরচন্দ্র ভারতচন্দ্রের অন্নপূর্ণার কাছে করা একটি প্রার্থনা থেকে এই লাইনটি নেওয়া হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার একটি অত্যন্ত পরিচিত পক্তি।
- এই পক্তির মাধ্যমে কবি তৎকালীন সাধারণ বাঙালির অন্ন ও বস্ত্রের মৌলিক চাহিদার একটি সুন্দর ছবি ফুটিয়ে তুলেছেন।
- যেমন, দুধে ও ভাতে পরিপূর্ণ একটি সচ্ছল পরিবারের জীবনযাত্রার আকুতি এখানে প্রকাশ পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচিয়তা, অন্নদামঙ্গল কাব্যের নন।
- B) দৌলত কাজী — তিনি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কবি, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ সতীময়না ও লোরচন্দ্রাণী।
- C) ভারতচন্দ্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই এই পক্তির স্রষ্টা।
- D) আলাওল — তিনি আরাকান রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি, তাঁর বিখ্যাত রচনা পদ্মাবতী।
মনে রাখার টিপস:
- অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বরী পাটুনীর প্রার্থনা মনে রাখলেই ভারতচন্দ্র নামটিকে সহজে মনে রাখা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
- 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' গ্রন্থটির রচায়িতা হলেন বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- এটি একটি শোকগাথা বা আত্মজীবনীমূলক সাহিত্যকর্ম, যা তিনি তারাচরণ শর্ম্মার অকালমৃত্যুতে রচনা করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ঊনবিংশ শতকের একজন প্রথিতযশা সাহিত্যিক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ।
- তাঁর গদ্যের ছান্দসিক রূপ ও punctuation চিহ্নের সঠিক ব্যবহারের কারণে তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ, যা শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত।
উদাহরণ ২: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটক অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচিত একটি জনপ্রিয় গদ্য গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামমোহন রায় — রামমোহন রায় বাংলা গদ্যের সূচনা করলেও 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' তাঁর রচিত কোনো গ্রন্থ নয়।
B) রামনারায়ণ তর্করত্ন — রামনারায়ন তর্করত্ন একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও এই শোকগাথাটি তাঁর লেখা নয়।
C) দীনবন্ধু মিত্র — দীনবন্ধু মিত্র নীলদর্পণ নাটকের জন্য বিখ্যাত হলেও তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেননি।
D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই একটি অনবদ্য সাহিত্যকর্ম।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিদ্যাসাগরের শোকমূলক বা ব্যক্তিগত অনুভূতির লেখাগুলোর মধ্যে 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' অন্যতম একটি নাম।
- বিদ্যাসাগর মানেই বাংলা গদ্যের মার্জিত রূপ এবং সমাজের নানা সংস্কারের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ এক কলম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ ও অনুবাদ গ্রন্থ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- তাঁর রচিত 'শকুন্তলা', 'সীতার বনবাস' এবং 'ভ্রান্তিবিলাস' গ্রন্থগুলোর নাম ও উৎস ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) শেখ চাঁদ
১. কেন সঠিক:
রসুল বিজয় কাব্যটির রচয়িতা শেখ চাঁদ। মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা পুথি সাহিত্যের ধারায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন ও যুদ্ধকাহিনী অবলম্বনে এই কাব্যটি রচিত হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শেখ চাঁদ মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি সপ্তদশ শতাব্দীতে আবির্ভূত হন। তার রসুল বিজয় কাব্যটি বাংলা মুসলমান সাহিত্য ধারার একটি অন্যতম ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ সুলতান রচিত নবী বংশ।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের অন্যতম বিখ্যাত ইসলামী ও পয়গম্বর চরিত কাব্য।
উদাহরণ ২: শাহ মুহাম্মদ সগীর রচিত ইউসুফ জোলেখা।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবির রচিত প্রণয়োপাখ্যান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল হাকিম — তিনি ষোড়শ বা সপ্তদশ শতাব্দীর বিখ্যাত কবি যিনি নূরনামা ও শিহাবুদ্দিননামা রচনা করেছেন কিন্তু রসুল বিজয় তার সৃষ্টি নয়।
B) শেখ চাঁদ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি রসুল বিজয় কাব্যের রচয়িতা হিসেবে মধ্যযুগের সাহিত্যে পরিচিত।
C) মীর মুহম্মদ ಶಫী — তিনি এই নির্দিষ্ট কাব্যের রচয়িতা নন বরং অন্য ধারার পুথি সাহিত্যের সঙ্গে যুক্ত।
D) মুহম্মদ আকিল — তিনি মধ্যযুগের অন্য কোনো গ্রন্থের রচয়িতা হতে পারেন কিন্তু রসুল বিজয় তার রচিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
শেখ চাঁদের চাঁদ মুখের মতো পবিত্র জীবনী নিয়ে লেখা রসুল বিজয় কাব্যটি মনে রাখবে। মধ্যযুগের রসুল বিজয় বললেই কবি শেখ চাঁদের নাম স্মরণ করবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের কবি ও তাদের রচিত ইসলামী পুথি সাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে শেখ চাঁদের রসুল বিজয় কাব্যটি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার পরীক্ষার্থীদের মুখোমুখি হয়।
সঠিক উত্তর: D) কাহ্নপা
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন কবি কাহ্নপা। তিনি মোট তেত্রিশটি পদ রচনা করেছিলেন যার মধ্যে একটি বর্তমানে পাওয়া যায়নি।
- চর্যাপদের কবিদের মধ্যে কাহ্নপাদ বা কাহ্নপা সর্বাধিক সংখ্যক পদের রচয়িতা হিসেবে প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন।
- ডক্টর সুকুমার সেন ও অন্যান্য গবেষকদের মতে চর্যাপদে মোট ত્રેষট্টি জন বা চব্বিশ জন পদকর্তা রয়েছেন যাদের মধ্যে কাহ্নপার পদের সংখ্যাই সর্বাধিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাহ্নপার পদ সংখ্যা তেত্রিশটি।
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের অন্যান্য কবিদের তুলনায় কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেন।
উদাহরণ ২: ভুসুকুপা আটটি পদ রচনা করেন।
ব্যাখ্যা: কাহ্নপার পরেই সবচেয়ে বেশি আটটি পদ রচনা করেন কবি ভুসুকুপা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুইপা — লুইপা চর্যাপদের আদি কবি এবং তিনি মোট দুটি পদ রচনা করেছেন।
B) কুকুরীপা — কুকুরীপা চর্যাপদে মোট তিনটি পদ রচনা করেছেন।
C) সরহপা — সরহপা চর্যাপদে মোট চারটি পদ রচনা করেছেন।
D) কাহ্নপা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সর্বাধিক তেত্রিশটি পদ রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদের জন্য কাহ্নপা নামটি মনে রাখতে পারো কারণ তার নামেই সবচেয়ে বড় সংখ্যা তেত্রিশ জড়িত।
- লুইপা যে প্রথম কবি তা মনে রাখলে আদি ও সর্বাধিকের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে সুবিধা হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা করেছেন কবি লুইপা এবং তার পদের সংখ্যা দুটি।
- এই ধরনের প্রশ্নে কবি এবং তাদের রচিত পদের সংখ্যা খুব ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে কারণ বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এটি আসে।
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
- 'টাপুর টুপুর' শব্দযুগল কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক শব্দের অনুকরণে গঠিত হয়েছে, যা ব্যাকরণে ধনাত্মক অব্যয় বা অনুকার অব্যয় নামে পরিচিত।
- যে শব্দ কোনো ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়ে বাক্যে অব্যয়ের কাজ করে এবং পদের রূপ পরিবর্তন করে না, তাকে অনুকার অব্যয় বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে পদের কোনো লিঙ্গ, বচন, বিভক্তি বা পরিবর্তন হয় না এবং যা বাক্যের অন্য পদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে কিংবা বাক্যের সৌন্দর্য বাড়ায়, তাকে অব্যয় পদ বলে।
- বিশেষ করে শব্দের দ্বিরুক্তি যখন কোনো ধ্বনির অনুকরণ বোঝায়, তখন তা অনুকার অব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঝিরঝির হাওয়া বইছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'ঝিরঝির' শব্দটি বাতাসের ধ্বনি বা অনুভূতির অনুকরণ বোঝাতে অব্যয় পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ঘেউ ঘেউ শব্দ শোনা যাচ্ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'ঘেউ ঘেউ' কুকুরের ডাকের অনুকরণ বোঝাতে অনুকার অব্যয় হিসেবে কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — কোনো কিছুর নামকে বিশেষ্য বলে, কিন্তু টাপুর টুপুর কোনো নির্দিষ্ট নাম নয় বরং শব্দের ধ্বনি নির্দেশ করে।
B) ক্রিয়া — যে শব্দ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায় তাকে ক্রিয়া বলে, কিন্তু টাপুর টুপুর দ্বারা কোনো কাজ বোঝায় না।
C) অব্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটির কোনো রূপান্তর হয় না এবং এটি ধ্বনির অনুকরণ প্রকাশ করে।
D) সর্বনাম — বিশেষ্যের পরিবর্তে যা ব্যবহৃত হয় তাকে সর্বনাম বলে, কিন্তু টাপুর টুপুর নামের পরিবর্তে বসে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দের পুনরাবৃত্তিতে যদি কোনো ধ্বনি বা আওয়াজ (যেমন: ঝমঝম, টাপুর টুপুর) বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে অনুকার অব্যয় বা অব্যয় পদ হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি বা অনুকার অব্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই শব্দের অর্থ ও ধ্বনির ভাবার্থ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মৃত্যুত্তীর্ণ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক বানানটি হলো মৃত্যুত্তীর্ণ, যা গঠিত হয়েছে মৃত্যু এবং উত্তীর্ণ শব্দ দুটি মিলে।
- এখানে ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে ত বা দ এর পরে ত থাকলে ত বা দ স্থানে ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী মৃৎ কিংবা মৃত্যু শব্দের অন্তস্থিত ত বা দ এর সাথে উত্তীর্ণ শব্দের উ যুক্ত হয়ে দ্বিত্ব ত গঠিত হয়।
- এই শব্দটিতে ব্যঞ্জনসন্ধির নিখুঁত প্রয়োগ ঘটেছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জগৎ + জীবন = জগজ্জীবন
ব্যাখ্যা: ত এর পরে জ থাকলে ত স্থানে জ হয়, যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি সাধারণ নিয়ম।
উদাহরণ ২: সৎ + চিন্তা = সচিন্তা
ব্যাখ্যা: ত এর পরে চ থাকলে ত স্থানে চ হয়, যা এই ধরনের সন্ধির আরেকটি উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃত্যুত্তীর্ণ — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
B) মৃত্যুত্তির্ণ — এই অপশনে মূর্ধন্য ণ এর ভুল ব্যবহার রয়েছে, কারণ নিয়মানুসারে এখানে দন্ত্য ন বা ণ এর সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়নি।
C) মৃত্যুত্তীর্ণ — প্রথম অপশনের সাথে এটি হুবহু মিলে গেছে এবং এটিই সঠিক রূপ। (প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত অপশনে এ ও সি একই রয়েছে, তাই এটিও গঠনগতভাবে সঠিক বানান নির্দেশ করছে)।
D) মৃতৃত্তীর্ণ — এখানে মূল শব্দ মৃত্যু এর পরিবর্তে মৃতৃ ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং বানান ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মৃত্যু এবং উত্তীর্ণ শব্দ দুটি পাশাপাশি যোগ করার সময় মাঝের ত বর্ণটি দুটি হবে অর্থাৎ ত্ত হবে।
- সন্ধির সময় শব্দের মূল বানান ঠিক রেখে যুক্তবর্ণের নিয়ম মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে সন্ধির মূল নিয়ম ও প্রত্যয়ের প্রভাব ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধিযুক্ত শব্দ শুদ্ধ করার প্রশ্নে এই নিয়মটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: প্রশ্নে প্রদত্ত নির্দেশনা এবং অপশনগুলোর মধ্যে মারাত্মক অসংগতি রয়েছে। প্রশ্ন চাওয়া হয়েছে দ্বিগু সমাসের উদাহরণ কোনটি, কিন্তু অপশনগুলো দেওয়া হয়েছে সন্ধিবিচ্ছেদের (যেমন দু + কৃতি = দুষ্কৃতী)। এটি মূলত একটি প্রশ্নপত্র তৈরির ত্রুটি বা মুদ্রণপ্রমাদ। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক সন্ধিযুক্ত শব্দ হলো দুষ্কৃতী, যার সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো দুঃ + কৃতি। এই প্রশ্নটি দ্বিগু সমাসের নয়, বরং বিসর্গ সন্ধির একটি উদাহরণ।
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে দু + কৃতি যুক্ত হয়ে দুষ্কৃতী গঠিত হয়, যা সন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
- এখানে বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গ (ঃ) এর পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গের স্থানে দন্ত্য স (স) হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে ব্যাকরণগত নিয়মে শব্দটি সাধিত হয়েছে তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।
- স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে বিসর্গের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকলে বিসর্গের স্থানে স হয়, তাই নমঃ ও কার মিলে নমস্কার হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভাঃ + কর = ভাস্কর
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকার কারণে এখানেও বিসর্গ রূপান্তরিত হয়ে দন্ত্য স হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুষ+ কৃতি — এটি ভুল সন্ধিবিচ্ছেদ কারণ এখানে ভুল স ব্যবহার করা হয়েছে এবং সঠিক নিয়মে দুষ্কৃতি লিখতে মূর্ধন্য ষ আসার কথা নয়।
B) দুঃ + কৃতি — এটি সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ যার মাধ্যমে দুষ্কৃতি শব্দটি গঠিত হয়, তবে প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন ডি নির্ধারিত করা হয়েছে।
C) দুসঃ + কৃতি — এটি সম্পূর্ণ ভুল গঠন কারণ বাংলা ব্যাকরণে দুসঃ বলে কোনো উপসর্গ বা শব্দাংশ নেই।
D) দু+কৃতি — প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে এটি নির্দেশ করা হয়েছে, যদিও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক রূপটি হলো বিসর্গযুক্ত দুঃ + কৃতি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে বিসর্গের পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে সাধারণত বিসর্গ পরিবর্তন হয়ে স হয়।
- সমাস এবং সন্ধি সম্পূর্ণ দুটি ভিন্ন ব্যাকরণগত অধ্যায়, তাই পরীক্ষার হলে প্রশ্ন ও অপশন মিলছে কি না তা ভালোভাবে খেয়াল করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় প্রশ্ন এবং অপশনে মুদ্রণজনিত ভুল থাকতে পারে, তাই মৌলিক ব্যাকরণ জানা থাকলে সহজেই তা ধরতে পারবে।
- সন্ধি বিচ্ছেদের সময় হসন্ত এবং বিসর্গের সঠিক ব্যবহার খেয়াল করা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) আরবি
১. কেন সঠিক:
- 'লাপাত্তা' শব্দটি আরবি উপসর্গযুক্ত একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ।
- এখানে 'লা' একটি আরবি উপসর্গ যার অর্থ 'নাই' বা 'অভাব'।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি ও হিন্দি অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাওয়ারিশ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'লা' আরবি উপসর্গ যুক্ত হয়ে 'ওয়ারিশহীন' অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: লাজবাব
ব্যাখ্যা: এখানে 'লা' উপসর্গটি আরবি ভাষার যা 'জবাবের বাইরে' বা 'অতুলনীয়' অর্থ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'লা' একটি আরবি উপসর্গ।
B) ফারসি — এই অপশনটি ভুল কারণ 'লা' ফারসি উপসর্গ নয়, ফারসি উপসর্গ হলো বে, কম, বর ইত্যাদি।
C) পর্তুগিজ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি পর্তুগিজ ভাষার কোনো উপসর্গ নির্দেশ করে না।
D) উর্দু — এই অপশনটি ভুল কারণ উর্দু ভাষার নিজস্ব কোনো মৌলিক উপসর্গ নেই, এরা মূলত ফারসি ও আরবি উপসর্গ ব্যবহার করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আরবি উপসর্গগুলো মনে রাখার জন্য 'লা' (নাই) শব্দটি মাথায় রাখবে।
- লাপাত্তা ও লাওয়ারিশ শব্দ দুটি পরীক্ষায় বেশি আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিদেশি উপসর্গ থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
- উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ এবং তার আগের অংশ আলাদা করে দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) স্বরস্বতী
১. কেন সঠিক:
বানানটিতে মূর্ধন্য স এবং দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়েছে যা প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক।
হিন্দু পুরাণের জ্ঞান ও বিদ্যার দেবীর নাম নির্দেশ করতে এই বানানটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ন ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
অনেক সময় বিদেশি বা তৎসম শব্দের বানানে ভুল উচ্চারণজনিত কারণে দন্ত স এর বদলে মূর্ধন্য স ব্যবহারের নিয়ম বা বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃষাণ
ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ভব শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ষ এর সঠিক ব্যবহার রয়েছে।
উদাহরণ ২: পাষাণ
ব্যাখ্যা: তৎসম শব্দের সঠিক বানানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের এটি একটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরস্বতী — প্রথম বর্ণে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহারের কারণে এই বানানটি অগ্রহণযোগ্য হয়েছে।
B) স্বরস্বতী — এটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক এবং পরীক্ষাসম্পর্কিত আদর্শ রূপ।
C) স্বরস্বতি — শেষাংশে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করার কারণে বানানটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
D) শরস্বতি — তালব্য শ এবং হ্রস্ব ই কার ব্যবহারের কারণে এই বানানটি সম্পূর্ণ ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাদেবীর নাম মনে রাখতে স্বর এবং স্বতী অংশের মাঝখানে মূর্ধন্য স ব্যবহার করতে হয় এবং শেষে দীর্ঘ ঈ কার দিতে হয়।
বানানটি বারবার লিখে চর্চা করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দেবদেবী বা পৌরাণিক শব্দের বানান প্রায়ই আসে।
তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে সঠিক অপশন নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) দীনবন্ধু মিত্র
১. কেন সঠিক:
- 'নীল দর্পণ' বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী নাটক, যার মূল রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র।
- এই নাটকে বাংলার নীলকর সাহেবদের চরম অত্যাচার এবং সাধারণ কৃষকদের ওপর তাদের নির্মম নির্যাতনের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দীনবন্ধু মিত্র উনবিংশ শতকের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও সাহিত্যিক যিনি নীলকরদের বিরুদ্ধে কৃষকদের পক্ষে কলম ধরেছিলেন।
- ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত এই নাটকটি বাংলা নাট্যজগতে বাস্তবধর্মী সামাজিক নাটকের ধারা সূচনা করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'সধবার একাদশী'
ব্যাখ্যা: এটিও দীনবন্ধু মিত্রের রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং সমাজসংস্কারমূলক প্রহসন।
উদাহরণ ২: 'নূরজাহান'
ব্যাখ্যা: এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক, যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে বিশেষ স্থান অধিকার করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি নাট্যকার ও কবি হলেও 'নীল দর্পণ' নাটকটি রচনা করেননি, বরং তিনি এর ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন।
B) দীনবন্ধু মিত্র — এটি সঠিক উত্তর।
C) গিরিশ — গিরিশচন্দ্র ঘোষ বাংলা থিয়েটারের প্রখ্যাত নাট্যকার ও অভিনেতা হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন।
D) ঘোষমুনীর চৌধুরী — এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর নাম, যিনি এই নাটকের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নীল চাষের সঙ্গে দীনতার সম্পর্ক মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে নীল দর্পণ লিখেছিলেন দীনবন্ধু মিত্র।
- পরীক্ষার হলে নীল দর্পণ দেখলেই দীনবন্ধু মিত্র নামটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- 'নীল দর্পণ' নাটকটি ১৮৬১ সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তের ইংরেজিতে অনুবাদের মাধ্যমে দ্য ইন্ডিগো প্লান্টিং মিরর নামে প্রকাশিত হয়েছিল।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নাটকের রচয়িতা এবং প্রকাশকাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) আরণ্যক
১. কেন সঠিক:
- আরণ্যক হলো বিশ শতকের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ও ক্লাসিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে মূলত অবিভক্ত বাংলার বিহার রাজ্যের অংশবিশেষ ফুলুরি ও মহিষলাট বনের গ্রামীণ প্রকৃতি এবং মানুষের জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যে প্রকৃতি ও অরণ্যের কবি হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- তাঁর এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে প্রকৃতিভিত্তিক উপন্যাসের এক অনন্য মাস্টারপিস হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পথের পাঁচালী
ব্যাখ্যা: এটিও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিশ্বখ্যাত উপন্যাস, যা গ্রামীণ বাংলার জীবনকে কেন্দ্র করে রচিত।
উদাহরণ ২: অপরাজিত
ব্যাখ্যা: এটি পথের পাঁচালী উপন্যাসের পরবর্তী অংশ বা সিক্যুয়েল এবং এটিও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদশব্দ — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো উপন্যাস নয় এবং এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক অপশন।
B) রজনী — এটি বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক রোমান্টিক উপন্যাস।
D) অসম বৃক্ষ — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো সাহিত্যকর্ম নয়, বরং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক অপশন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের সঙ্গে প্রকৃতি ও অরণ্যের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে, তাই অরণ্য সম্পর্কিত বিখ্যাত উপন্যাস দেখলে তাঁর নাম মনে রাখবে।
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য পথের পাঁচালী, অপরাজিত ও আরণ্যক এই তিনটি নাম একসঙ্গে চর্চা করতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস এবং চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- বিশেষ করে আরণ্যক উপন্যাসের পটভূমি কোন অঞ্চলের তা পরীক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
সঠিক উত্তর: A) হুমায়ূন আহমেদ
কেন সঠিক:
১. জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক উপন্যাস।
২. এই উপন্যাসের রচয়িতা আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনভিত্তিক একটি গবেষণালব্ধ বৃহৎ উপন্যাস।
২. বাংলা কথাসাহিত্যে ঐতিহাসিক উপন্যাসের ধারায় হুমায়ূন আহমেদের এই রচনাটি একটি বিশেষ মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।
৩. মুক্তিযুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে শঙ্খনীল কারাগার বা ১৯৭১ উল্লেখযোগ্য হলেও এটি তার সর্ববৃহৎ সৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ূন আহমেদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বয়ং এই উপন্যাসটি রচনা করেছেন এবং এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম।
B) সেলিনা হোসেন — এই কথাসাহিত্যিক মূলত যাপিত জীবন এবং গाइंडবুড়ি উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, জোছনা ও জননীর গল্প তার লেখা নয়।
C) রিজিয়া রহমান — এই প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক রক্তে ভেজা মাটি এবং উত্তরের সীমানা উপন্যাসের রচয়িতা, আলোচ্য প্রশ্নের সঠিক উত্তর ইনি নন।
D) আনিসুল হক — এই লেখক মা উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাসটি তিনি লেখেননি।
মনে রাখার টিপস:
১. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সবচেয়ে বড় উপন্যাস কোনটি তা মনে রাখলেই লেখকের নাম অর্থাৎ হুমায়ূন আহমেদ সহজে মনে রাখা যাবে।
২. জোছনা শব্দটি পেলেই তাকে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত উপন্যাসের সাথে মিলিয়ে নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) বর্মী
১. কেন সঠিক:
লুঙ্গি একটি বিদেশি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রচলিত হয়েছে। মিয়ানমারের বা বার্মার ভাষা থেকে এই শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ভাষার শব্দ প্রবেশ করেছে। এর মধ্যে বার্মিজ বা বর্মী ভাষা থেকেও কিছু শব্দ বাংলায় স্থান পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লুঙ্গি
ব্যাখ্যা: এটি একটি পোশাকের নাম যা বর্মী ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
উদাহরণ ২: ফুঙ্গি
ব্যাখ্যা: এটি বৌদ্ধ ভিক্ষুক বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটিও বর্মী ভাষার শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবী — এই ভাষা থেকে ইসলাম ধর্ম ও প্রশাসন সংক্রান্ত শব্দ বাংলায় এসেছে যেমন কিতাব ও কলম।
B) ফার্সী — এই ভাষা থেকে সংস্কৃতি ও শাসন সংক্রান্ত শব্দ বাংলায় এসেছে যেমন কাগজ ও চশমা।
D) হিন্দি — এই ভাষা থেকে বিভিন্ন দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ বাংলায় এসেছে যেমন চাহিদা ও পেটে।
৫ মনে রাখার টিপস:
মিয়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় বর্মী সংস্কৃতির প্রভাব রয়েছে। লুঙ্গি ও ফুঙ্গি এই দুটি বর্মী শব্দ মনে রাখলেই পরীক্ষা উত্তর করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস প্রায়ই আসে। তাই শব্দগুলোর উৎস ভাষা আলাদা করে ছক আকারে মুখস্থ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) মাত্রাবৃত্ত
১. কেন সঠিক:
- 'পাঞ্জেরী' কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত, যার মূল ভিত্তি হলো শব্দের দ্যোতনা এবং মাত্রার গণনা।
- এই ছন্দে পর্বের আকার সাধারণত সাত বা আট মাত্রার হয়ে থাকে এবং এর গতি কিছুটা মন্থর ও গাম্ভীর্যপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবিতাটির রচয়িতা বিশ শতকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি ফররুখ আহমদ।
- এটি মূলত বাংলা মুসলিম রেনেসাঁসের চেতনা ও প্রতীকি অর্থে সমুদ্রযাত্রার পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা
ব্যাখ্যা: এটিও মাত্রাবৃত্ত ছন্দের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন যেখানে মাত্রার সুনির্দিষ্ট বিন্যাস লক্ষ্য করা যায়।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মহাপৃথিবী কবিতা
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় মাত্রাবৃত্ত ছন্দের গাম্ভীর্য ও লয় অত্যন্ত সুচারুভাবে ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্ষরবৃত্ত — অক্ষরবৃত্ত ছন্দ হলো বাংলা কবিতার প্রবহমান ও স্বাভাবিক ছন্দ, যা 'পাঞ্জেরী' কবিতার ছন্দের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মেলে না।
B) স্বরবৃত্ত — স্বরবৃত্ত ছন্দ মূলত ছড়া বা দ্রুত গতির গানে ব্যবহৃত হয়, যা 'পাঞ্জেরী' কবিতার গাম্ভীর্যপূর্ণ ভাবের বিপরীত।
D) মুক্তক — মুক্তক ছন্দে নির্দিষ্ট কোনো মাত্রাবৃত্ত বা অক্ষরবৃত্তের ছাঁচ অনুসরণ করা হয় না, যা এই কবিতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফররুখ আহমদের বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতাগুলো যেমন 'পাঞ্জেরী' ও 'সাত সাগরের মাঝি' সাধারণত মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
- মাত্রাবৃত্ত ছন্দকে বাংলা কবিতার দলবৃত্ত বা পর্বভিত্তিক লয় হিসেবেও মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফররুখ আহমদের 'পাঞ্জেরী' ও 'সাত সাগরের মাঝি' কোন ছন্দের, তা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- বাংলা কবিতার ছন্দ চেনার জন্য পর্ব এবং মাত্রার হিসাব করার অভ্যাস রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) মতিচুর
১. কেন সঠিক:
- মতিচুর হলো বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন।
- এই গ্রন্থে নারীর অধিকার, শিক্ষা এবং সমাজ সংস্কারমূলক বিভিন্ন প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর সাহিত্যকর্মের মূল সুর হলো নারী মুক্তি, কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং নারী শিক্ষার বিস্তার।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা, যা ইংরেজি ভাষায় লেডিস ড্রিম নামে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: পদ্মরাগ
ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি সমাজ সংস্কারমূলক উপন্যাস, যেখানে নারী সমাজের অবক্ষয় ও মুক্তির উপায় তুলে ধরা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রপঞ্চ — এটি বেগম রোকেয়ার লেখা কোনো গ্রন্থ নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) দেয়াল — এটি কালজয়ী কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
C) মৃত্যুক্ষুধা — এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা সমাজে নিপীড়িত মানুষের জীবন ফুটিয়ে তোলে।
D) মতিচুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রবন্ধ সংকলনটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রোকেয়ার বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মতিচুরের প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড ১৯২২ সালে।
- তাঁর প্রবন্ধ মানেই সমাজ সংস্কার ও নারীর অধিকার নিয়ে জোরালো কণ্ঠস্বর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার প্রবন্ধ গ্রন্থ মতিচুর এবং উপন্যাস পদ্মরাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত রচনার মধ্যে সুলতানার স্বপ্ন এবং অবরোধবাসিনী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
সঠিক উত্তর: A) বীরবল
১. কেন সঠিক:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনামে লেখার প্রবর্তন করেন এবং তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত ছদ্মনাম হলো বীরবল।
- এই ছদ্মনামে তিনি বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা সবুজপত্রে মূলত প্রবন্ধ ও মননশীল রচনা লিখতেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা এবং বাংলা গদ্যে বীরবলী শৈলীর জনক হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল নদীয়া জেলার হরিপুর গ্রামে, তবে তাঁর জন্ম ১৮৬৮ সালের ৭ই আগস্ট যশোরে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরীর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ রায়তের কথা।
ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রখ্যাত রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রবন্ধ গ্রন্থ যা বীরবল ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধورীর রচিত সনেট সংকলন সনেটপঞ্চশৎ।
ব্যাখ্যা: তিনি এই কাব্যগ্রন্থটিও বীরবল ছদ্মনামে প্রকাশ করেছিলেন যা বাংলা সনেট সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বীরবল — এটি প্রমথ চৌধুরীর নিজস্ব ছদ্মনাম হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) যুবনাশ্ব — এটি প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার বিনয় ঘোষের ছদ্মনাম।
C) নীল লোহিত — এটি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।
D) জরাসন্ধ — এটি সাহিত্যিক ও সরকারি কর্মকর্তা সতীশচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর বীরত্বপূর্ণ গদ্যরীতির কারণে তাঁর নাম বীরবল মনে রাখা সহজ।
- সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী বীরবল নামেই বেশি পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম প্রায়ই আসে।
- প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির আন্দোলন গড়ে তোলে।
সঠিক উত্তর: B) সোনালী কাবিন
১. কেন সঠিক:
সোনালী কাবিন আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এটি মূলত চৌদ্দ পঙক্তির সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার এক অনন্য সংকলন যেখানে বাংলার মাটি, গ্রামীণ জীবন, ঐতিহ্য এবং প্রেমের সুনিপুণ শিল্পরূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান শক্তি যিনি মূলত গ্রামীণ জনপদ, নদী, প্রকৃতি এবং মানুষের সংগ্রামকে তাঁর কবিতায় রূপ দিয়েছেন। সোনালী কাবিন কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সনেট সাহিত্যে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোক্টি ঝিরিঝিরি বাতাসে হেঁটে গেল।
ব্যাখ্যা: এটি আল মাহমুদের গ্রামীণ জনপদের আবহনির্ভর একটি কবিতার লাইন।
উদাহরণ ২: বখতিয়ারের ঘোড়া কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটিও কবি আল মাহমুদের আরেকটি ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সারা দুপুর — এটি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ।
B) সোনালী কাবিন — এটি সঠিক উত্তর এবং আল মাহমুদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ।
C) আশায় বসতি — এটি কবি শামসুর রাহমানের একটি সুপরিচিত কাব্যগ্রন্থ।
D) ঘবন্দী শিবির থেকে — এটি শহীদ কাদরির একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম।
৫. মনে রাখার টিপস:
আল মাহমুদের নাম এলেই সোনালী কাবিন কাব্যগ্রন্থটির কথা সবার আগে মনে রাখতে হবে। সোনালী কাবিন মানেই কবি আল মাহমুদের অমর সনেট গুচ্ছ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আল মাহমুদের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সোনালী কাবিনের প্রকাশকাল ১৯৭৩ সাল এবং এটি তাঁর সনেট রচনার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
সঠিক উত্তর: D) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
১. কেন সঠিক:
- 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসের রচিয়তা বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী ও পরীক্ষিত শিল্পী আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।
- এই উপন্যাসে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ঢাকার পুরান ঢাকার সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবন নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আধুনিক বাংলা উপন্যাসের এক অনন্য নাম যিনি স্বল্পসংখ্যক রচনা দিয়ে বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেছেন।
- তাঁর অপর বিখ্যাত উপন্যাস 'খোয়াবনামা' এবং তাঁর ছোটগল্পগুলো বাঙালির মুক্তি সংগ্রাম ও গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খোয়াবনামা
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: দোজখের দোসর
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প, যেখানে তাঁর স্বতন্ত্র গদ্যশৈলী ও সমাজচেতনা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও 'চিলেকোঠার সেপাই' তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে 'প্রদোষে প্রাকৃতজন'।
B) শওকত ওসমান — তিনি 'ক্রীতদাসের হাসি' ও 'জুনু আপা' উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও এই উপন্যাসের লেখক নন।
C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি 'লালসালু' ও 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসের রচিয়তা, 'চিলেকোঠার সেপাই' তাঁর সাহিত্যকর্ম নয়।
D) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ তিনি 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসের সফল স্রষ্টা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইলিয়াসের সেপাই চিলেকোঠায় বসে ঊনসত্তরের অভ্যুত্থান দেখছিল, এভাবে মনে রাখা যায়।
- লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস যুক্ত করে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঊনসত্তরের পটভূমির উপন্যাস হিসেবে 'চিলেকোঠার সেপাই' প্রায়ই আসে।
- বাংলা উপন্যাসের প্রবক্তা ও তাদের ঐতিহাসিক পটভূমিভিত্তিক উপন্যাসগুলো আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- 'শিউলী-মালা' হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় ছোটগল্প সংকলন।
- বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও কাজী নজরুল ইসলাম অসংখ্য গল্প ও উপন্যাস রচনা করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি এবং আমাদের জাতীয় কবি।
- 'শিউলী-মালা' গ্রন্থে লেখকের গভীর মানবতাবোধ ও রোমান্টিক অনুভূতির চমৎকার প্রকাশ ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যথার দান
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প সংকলন।
উদাহরণ ২: রিক্তের বেদন
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি বিখ্যাত ছোটগল্প গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি 'শিউলী-মালা' গল্পের লেখক নন, তবে তিনি অসংখ্য ছোটগল্প ও কবিতা লিখেছেন।
B) প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায় — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও এই গল্পের রচয়িতা নন।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই গল্পগ্রন্থের লেখক।
D) প্রমথ চৌধুরী — ইনি বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে পরিচিত এবং চলিত রীতির প্রবর্তক হলেও এই গল্পের লেখক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের ফুলের নামের গল্প মনে রাখুন এভাবে, 'শিউলী-মালা' ও 'ব্যথার দান' দুটিই নজরুলের বিখ্যাত ছোটগল্প।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
নজরুলের গল্পগ্রন্থগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই 'শিউলী-মালা', 'ব্যথার দান' ও 'রিক্তের বেদন' একসাথে মনে রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: A) অন্ধকার
১. কেন সঠিক:
- 'জুলমাত' একটি আরবি শব্দ, যার মূল অর্থ অন্ধকার বা তমসা।
- সাহিত্য বা পারিভাষিক অর্থে এটি প্রায়শই গভীর অন্ধকার বা অজ্ঞতার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবি আগত শব্দ বা বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ করার জন্য আরবি, ফার্সি ও ইংরেজি ভাষা থেকে বিভিন্ন শব্দ সরাসরি বা পরিবর্তিত হয়ে প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জুলমাত থেকে নাজাত পাওয়া মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা।
ব্যাখ্যা: এখানে অন্ধকার বা কূপমণ্ডূকতা থেকে মুক্তির অর্থ প্রকাশ করতে জুলমাত শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অজ্ঞানতার জুলমাত দূর করতে শিক্ষার আলো প্রয়োজন।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে জুলমাত শব্দটি মানসিক বা সামাজিক অন্ধকার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্ধকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ জুলমাত শব্দের আভিধানিক অর্থ অন্ধকার।
B) অবিচার — এটি সঠিক উত্তরের সঙ্গে মেলে না কারণ অবিচার অর্থ অন্যায় বা পক্ষপাতিত্ব।
C) অনাচার — এটি ভুল অপশন কারণ অনাচার অর্থ শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ বা নিয়মবহির্ভূত কাজ।
D) অত্যাচার — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ অত্যাচার অর্থ নির্যাতন বা নিপীড়ন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জুলমাত শব্দের সঙ্গে অন্ধকার শব্দটি মনে রাখার জন্য রাতের অন্ধকারের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারো।
- আরবি ভাষার এমন শব্দগুলোর অর্থ চর্চার মাধ্যমে আত্মস্থ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে আরবি ও ফার্সি শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল উৎস এবং আভিধানিক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) যুগী
১. কেন সঠিক:
- যুগী হলো বাংলা উপন্যাসের জাদুকর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসে শীতল বাবুর স্ত্রীর নাম।
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের বিভিন্ন গৌণ চরিত্রের মধ্যে শীতল বাবু এবং তার স্ত্রী যুগী বিশেষ বাস্তবতার প্রতিনিধিত্ব করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতাভিত্তিক উপন্যাসের অন্যতম প্রবক্তা।
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে এবং এটি পদ্মা পারের জেলেদের জীবন নিয়ে রচিত বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য মাস্টারপিস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুবের
ব্যাখ্যা: কুবের হলো পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের মূল কেন্দ্রীয় চরিত্র এবং একজন জেলের জীবন সংগ্রামের প্রতীক।
উদাহরণ ২: মালা
ব্যাখ্যা: মালা হলো উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুবেরের হতভাগিনী স্ত্রী যিনি নানা কষ্টে জীবন পার করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালা — মালা শীতল বাবুর স্ত্রী নন বরং তিনি উপন্যাসের মূল চরিত্র কুবেরের প্রথম ও প্রধান স্ত্রী।
B) যুগী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি শীতল বাবুর স্ত্রীর প্রকৃত নাম।
C) কপিলা — কপিলা শীতল বাবুর স্ত্রী নন বরং তিনি কুবেরের শালী এবং উপন্যাসের অন্যতম প্রধান নারী চরিত্র।
D) ময়না — ময়না পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের কোনো প্রধান বা পরিচিত চরিত্র নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের চরিত্রগুলো মনে রাখতে প্রধান চরিত্রগুলোর সাথে গৌণ চরিত্র যেমন শীতল বাবুর স্ত্রী যুগীকে আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে পারো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসের চরিত্র মানেই গ্রামীণ ও নদীকেন্দ্রিক মানুষের বাস্তব জীবনের নিখুঁত প্রতিচ্ছবি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ গৌণ চরিত্র যেমন শীতল বাবুর স্ত্রীর নাম প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস যেমন পুতুল নাচের ইতিকথা এবং শহরবাসীর প্রধান চরিত্রগুলোও ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৩
১. কেন সঠিক:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ 'সং অফারিংস' এর জন্য এই সম্মাননা অর্জন করেন এবং এশিয়া তথা ইউরোপের বাইরে প্রথম নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও দার্শনিক যিনি বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছেন। ১৯১২ সালে 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য প্রখ্যাতি লাভ করেন এবং পরের বছরই তাঁকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডব্লিউ বি ইয়েটসের ভূমিকা
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথের 'সং অফারিংস' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেছিলেন বিখ্যাত আইরিশ কবি উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস যা নোবেল প্রাপ্তিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল।
উদাহরণ ২: সুইডিশ একাডেমি
ব্যাখ্যা: সুইডিশ একাডেমি এই মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার প্রদান করে থাকে এবং ১৯১৩ সালের ১০ নভেম্বর রবীন্দ্রনাথের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯১২ — এই সালে 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয় এবং রবীন্দ্রনাথ ইংল্যান্ডে যান, তবে নোবেল পুরস্কার পাননি।
B) ১৯১৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
C) ১৯১৪ — প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর বছর এটি, তবে রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাপ্তির সাল এটি নয়।
D) ১৯১৫ — এই সালে ব্রিটিশ সরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে 'নাইট' বা 'স্যার' উপাধিতে ভূষিত করে, যা নোবেল প্রাপ্তির সাল নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
১৯১৩ সালের সংখ্যাটি মনে রাখার জন্য স্মরণ করতে পারো যে বিশ্বসাহিত্যের আসরে বাংলা ভাষা এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছিল এই বছরেই। নোবেল প্রাপ্তির বছরটি ১৯ এর পর ১৩ সংখ্যাটি দিয়ে গঠিত।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির সন বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত ঘন ঘন আসে। একই সঙ্গে তাঁর 'সং অফারিংস' গ্রন্থটির নাম এবং ভূমিকা লেখকের নাম মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) কুড়িটি
কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা কুড়িটি।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই সংখ্যাটি সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সব অব্যয় শব্দ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাদের উপসর্গ বলে।
- উপসর্গ সাধারণত তিন প্রকার যথা সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ, বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
- সংস্কৃত উপসর্গের কয়েকটি পরিচিত উদাহরণ হলো প্র, পরা, অপ, সম, নি ইত্যাদি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বারোটি — এটি খাঁটি বাংলা উপসর্গের সঠিক সংখ্যা।
- B) ষোলটি — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের কোনো উপসর্গের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- D) চল্লিশটি — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের উপসর্গের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
- বাংলা উপসর্গ বারোটি এবং সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি, এই দুটি সংখ্যা আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মায়ে ঝিয়ে
কেন সঠিক:
- এই সমাসে দ্বন্দ্ব সমাসের চেনারূপ বা বিভক্তি লোক পায় না।
- সমাসবদ্ধ পদে পূর্বপদ ও পরপদের বিভক্তি ঠিক থাকে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমসমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না তাকে লুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- একে অলোক দ্বন্দ্ব সমাসও বলা হয়ে থাকে।
- যেমন মায়ে ঝিয়ে অর্থাৎ মা ও ঝি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
- B) ভাইবোন — এটি সাধারণ দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যেখানে ও বা এবং লুপ্ত হয়।
- C) ঘরবাড়ি — এটি সমার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ।
- D) দম্পতি — এটি জায়া ও পতি মিলে গঠিত বিশেষ ধরনের দ্বন্দ্ব সমাস।
মনে রাখার টিপস:
- পদের বিভক্তি যেমন এ বা তে যুক্ত থাকলে এবং সমাসের পরেও তা টিকে থাকলে লুক দ্বন্দ্ব হবে।
সঠিক উত্তর: C) barren
কেন সঠিক:
'Fertile' শব্দটির বাংলা অর্থ উর্বর, যেখানে ফসল বা গাছপালা খুব ভালো জন্মায়।
এর বিপরীত বা অ্যান্টনিম হলো 'barren', যার অর্থ বন্ধ্যা বা অনুজ্বর।
এই শব্দটি এমন জমি বোঝায় যেখানে কোনো কিছু জন্মায় না।
উর্বর জমির ঠিক বিপরীত অবস্থা বোঝাতেই এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) useful — এই শব্দটির অর্থ দরকারী বা উপকারী, যা উর্বর শব্দের বিপরীতার্থক নয়।
B) strong — এই শব্দটির অর্থ শক্তিশালী, যা জমির উর্বরতার সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) barren — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপشن হিসেবে ধরা যাবে না।
D) unfavourable — এই শব্দটির অর্থ প্রতিকূল, যা উর্বর জমির সঠিক বিপরীত শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
উর্বর জমির ইংরেজি 'fertile' মনে রাখলে তার উল্টো নির্জীব বা অনুজ্বর জমি বোঝাতে 'barren' শব্দটি মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) little
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাকе hardly any of it অংশটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ প্রায় কিছুই খাওয়া হয়নি।
তাই এর পরিবর্তে এমন একটি শব্দ দরকার যা পরিমাপযোগ্য এবং প্রায় শূন্য বা নেই বললেই চলে এমন পরিমাণ বোঝায়।
little শব্দটি পরিমাপবাচক এবং এটি নেতিবাচক বা প্রায় শূন্য পরিমাণ নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
খাদ্য বা food একটি uncountable noun হওয়ায় এর পূর্বে little বসাটাই ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) little — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) a little — a little শব্দগুচ্ছটি অল্প কিছু বা ইতিবাচক পরিমাণ বোঝায়, কিন্তু এখানে প্রায় শূন্য পরিমাণ বোঝানো হয়েছে।
C) few — few শব্দটি countable noun-এর সাথে বসে, কিন্তু food একটি uncountable noun।
D) a few — a few countable noun-এর সাথে বসে এবং এটি অল্প কিছু বা ইতিবাচক সংখ্যা নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
গণনা করা যায় না এমন জিনিসের ক্ষেত্রে প্রায় কিছুই বোঝাতে little বসে এবং গণনা করা যায় এমন জিনিসের ক্ষেত্রে few বসে।
সঠিক উত্তর: A) gerund
কেন সঠিক:
পদটি মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে বাক্যে noun এর কাজ করেছে।
এটি একই সাথে verb এবং noun এর দ্বৈত কাজ সম্পাদন করে।
এটি বাক্যে subject অথবা object হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) gerund — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) participle — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে adjective এর কাজ করে, যা এখানে হয়নি।
C) infinitive — এর গঠন to + verb হয়, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত।
D) present continuous — এটি কোনো non-finite verb এর নাম নয়, বরং একটি tense এর নাম।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে ing যুক্ত verb যদি noun এর কাজ করে তবে তা gerund হয়।
সঠিক উত্তর: A) tempest
কেন সঠিক:
tempest শব্দটি মূলত একটি অত্যন্ত তীব্র এবং হিংস্র সামুদ্রিক ঝড়কে বোঝায় যা সমুদ্রের ওপর সৃষ্টি হয়।
এটি তীব্র বাতাস এবং প্রায়ই বৃষ্টির সাথে সম্পর্কিত একটি প্রলয়ঙ্করী ঝড়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) tempest — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
B) whirlwind — এটি একটি ঘূর্ণায়মান বায়ুর স্তম্ভ যা টর্নেডোর মতো হলেও সব সময় হিংস্র ঝড়ের পূর্ণাঙ্গ রূপ বোঝায় না।
C) blizzard — এটি প্রবল তুষারঝড় নির্দেশ করে যা তুষারপাতের সাথে সম্পর্কিত এবং সাধারণ হিংস্র সামুদ্রিক ঝড় নয়।
D) monsoon — এটি একটি ঋতুভিত্তিক মৌসুমী বায়ু যা নিয়মিত বৃষ্টির জন্য পরিচিত এবং এটি কোনো একক হিংস্র ঝড় নয়।
মনে রাখার টিপস:
Tempest শব্দের মাঝে টেম্পো শব্দটি আছে, যা দিয়ে ঝড়ের তীব্র গতি বা বেগ মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) screamed
কেন সঠিক:
কালো সাপ দেখলে মানুষ ভয় ও আতঙ্কে হঠাৎ চিৎকার করে ওঠে।
এই আকস্মিক ভয়ের প্রকাশ বোঝাতেই screamed শব্দটি সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত।
সাপের মতো ভয়ঙ্কর প্রাণী দেখলে বাচ্চাদের মধ্যে তীব্র ভীতি কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) shouted — সাধারণ চিৎকার বোঝাতে এটি বসে, ভয়ের তীব্রতা প্রকাশে নয়।
B) cried — এর অর্থ সাধারণত কান্না করা বা চিৎকার করে ম্রিয়মান হওয়া।
C) yelled — এটি সাধারণত রাগের বশে বা উচ্চস্বরে চিৎকার করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
D) screamed — সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভয় বা আতঙ্কে হঠাৎ করে ফেটে পড়া চিৎকার বোঝাতে scream ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) plan of journey.
কেন সঠিক:
Itinerary শব্দটির মূল অর্থ হলো ভ্রমণ বা যাত্রার পরিকল্পনা। কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আগে দর্শনীয় স্থান ও সময়ের তালিকা তৈরি করাকে এটি বোঝায়।
এটি একটি ইংরেজি পরিভাষা যা সাধারণত ভ্রমণের রুট নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) plan of journey — এটি সঠিক কারণ এটি itineraries এর মূল অর্থ প্রকাশ করে।
B) list of items to be discussed in a meeting — এটি সভার আলোচ্য সূচি বা agenda বোঝায়।
C) list of events a fixed times — এটি নির্দিষ্ট সময়ের কোনো অনুষ্ঠান বা কর্মসূচির তালিকা বোঝায়।
D) record of events occured in a day — এটি কোনো নির্দিষ্ট দিনের ঘটে যাওয়া ঘটনার বিবরণ বা diary বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Itinerary শব্দটিতে journey বা ভ্রমণের একটি ব্যাপার লুকিয়ে থাকে, তাই এটি যাত্রার পরিকল্পনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) more accurately
কেন সঠিক:
'That is to say' একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজ যার অর্থ হলো অর্থাৎ বা আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেলে। এটি কোনো পূর্বwข้อ0 বক্তব্যকে আরও নির্ভুলভাবে বা পরিষ্কার করে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) following that — এটি কোনো ঘটনা বা বিষয়ের ঠিক পরের অবস্থাকে বোঝায়, যা এই ফ্রেজের অর্থ নয়।
B) in spite of something — এটি কোনো বাধা বা বিপত্তি সত্ত্বেও কিছু ঘটার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
C) more accurately — এটি সঠিক কারণ ফ্রেজটি আগের কথাকে আরও নিখুঁতভাবে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
D) there is no more to be said — এটি আলোচনা বা কথার সমাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
'That is to say' দেখলে মনে রাখবে এর কাজ হলো আগের কঠিন বা অস্পষ্ট কথাটি সহজ করে বা আরও নির্ভুলভাবে বলা।
সঠিক উত্তর: C) to
কেন সঠিক:
১. give ভার্বের পর সাধারণত যাকে টাকা বা কিছু দেওয়া হয় তার পূর্বে to প্রিপজিশন বসে।
২. এখানে কার কাছে টাকা দেওয়া হয়েছে তা বোঝাতে to সঠিক উপযুক্ত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — from প্রিপজিশন উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
B) by — by প্রিপজিশন সাধারণত মাধ্যম বা কারো দ্বারা কিছু করা বোঝালে ব্যবহৃত হয়।
C) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) with — with প্রিপজিশন সাধারণত কোনো কিছু দিয়ে বা সাথে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে কিছু দেওয়া বা প্রদান করা বোঝালে give এর পরে সাধারণত to প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) since
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে।
এখানে নির্দিষ্ট কোনো সময়ের শুরুর বিন্দু বোঝাতে since বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) since — এটি নির্দিষ্ট সময় বা পয়েন্ট অব টাইমের আগে বসে তাই এটি সঠিক।
B) at — এটি নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হলেও ব্যাপ্তes সময়ের সাথে বসে না।
C) for — এটি নির্দিষ্ট সময়ের স্থায়িত্ব বা পিরিয়ড অব টাইমের পূর্বে বসে।
D) by — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট সময় বা বারের নাম থাকলে since এবং নির্দিষ্ট সময়কাল বা ব্যাপ্তি থাকলে for বসে।
সঠিক উত্তর: D) none
কেন সঠিক:
বাক্যটি তৃতীয় কন্ডিশনাল বা থার্ড কন্ডিশনাল নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী ইফ ক্লজ অংশে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকলে পরবর্তী অংশে would have, could have বা might have বসে এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হয়।
প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশে have written থাকায় এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স এবং সঠিক উত্তরটি এখানে দেওয়া নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) could send — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের নিয়মে গঠিত হয়েছে কিন্তু প্রথম অংশে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স থাকায় এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) would sent — এখানে would এর পর sent ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ modals এর পর ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
C) could have sent — প্রথম অংশ পাস্ট পারফেক্ট (had written) না হয়ে প্রেজেন্ট পারফেক্ট (have written) হওয়ায় এই উত্তরটি এখানে প্রযোজ্য হবে না।
D) none — উপরের কোনো অপশনই সঠিক নিয়মের সাথে মিলছে না তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
থার্ড কন্ডিশনালে ইফ এর সাথে পাস্ট পারফেক্ট থাকলে পরের অংশে অবশ্যই would have, could have বা might have এর সাথে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হবে।
সঠিক উত্তর: A) don't I
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে মূল verb হলো need এবং এটি present indefinite tense-এ আছে।
তাই question tag তৈরির জন্য do সাহায্যকারী verb ব্যবহার করতে হবে।
বাক্যটি affirmative বা হ্যা-বোধক হওয়ায় tagটি negative হবে।
সব মিলিয়ে সঠিক উত্তরটি don't I হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) don't I — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) need I — মূল verb need দিয়ে present tense-এ প্রশ্ন করলে do/does আনতে হয়, তাই এটি ভুল।
C) do I — বাক্যটি হ্যা-বোধক হওয়ায় tagটি না-বোধক হওয়া উচিত ছিল, তাই এটি ভুল।
D) needn't I — সাধারণ verb হিসেবে ব্যবহৃত need-এর জন্য don't ব্যবহার করতে হয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মূল verb যুক্ত present indefinite tense-এর হ্যা-বোধক বাক্যকে question tag করার সময় don't বা doesn't ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) by
কেন সঠিক:
শরীর বা পোশাক ধরে টানার ক্ষেত্রে প্রিপোজিশন হিসেবে সাধারণত by ব্যবহৃত হয়।
এখানে কান ধরে টানার অর্থ প্রকাশ করায় নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী by বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী উপযুক্ত।
B) in — ভেতরে বা মধ্যে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে অর্থহীন।
C) with — কোনো কিছু দ্বারা বা সাহায্যে বোঝাতে বসে যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) of — র বা এর বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এই বাক্যের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
কারো হাত, কান বা চুল ধরে টানার ইংরেজি করার সময় catch এর পরে প্রিপোজিশন by ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) phenomenon
কেন সঠিক:
phenomenon শব্দটি একটি গ্রিক মূলের শব্দ, যার শেষে on যুক্ত আছে এবং এটি একবচন বা singular form হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর বহুবচন বা plural form হলো phenomena।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lice — এটি louse শব্দের বহুবচন রূপ, যার অর্থ উকুন।
B) phenomenon — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং একবচন রূপ।
C) errata — এটি erratum শব্দের বহুবচন রূপ, যার অর্থ ভুলত্রুটি।
D) mice — এটি mouse শব্দের বহুবচন রূপ, যার অর্থ ইঁদুর।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি অনেক শব্দের শেষে on থাকলে তা সাধারণত singular হয় এবং a বা i থাকলে তা plural হয়।
সঠিক উত্তর: D) Driving down the road
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যটির দুটি অংশের সাবজেক্ট এক হওয়ায় পার্টিসিপল ব্যবহার করে বাক্যটি সংক্ষেপ করা হয়েছে।
কমা দিয়ে যুক্ত বাক্যে সাবজেক্ট উহ্য রেখে সরাসরি ভার্ব ও আইএনজি যুক্ত করে বাক্য শুরু করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) While driving down the road — এখানে অতিরিক্ত While যুক্ত করায় বাক্যের গঠন কিছুটা অসম্পূর্ণ লাগে।
B) While I was driving down the road — এভাবে লিখলে দুটি ক্লজ যুক্ত করতে একটি কনজাংকশন বা পাংচুয়েশনের নিয়ম লঙ্ঘন হয়।
C) I was driving down the road — দুটি স্বাধীন ক্লজ এভাবে কমা দিয়ে যুক্ত করলে রান-অন সেন্টেন্সের ভুল হয়।
D) Driving down the road — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মডিফায়ারের সঠিক নিয়ম মেনে চলে।
মনে রাখার টিপস:
একই সাবজেক্টের দুটি কাজ একসাথে চললে প্রথম অংশটি সংক্ষেপে পার্টিসিপল দিয়ে শুরু করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) married
কেন সঠিক:
marriage শব্দটির সাধারণ ও বহুল ব্যবহৃত Adjective রূপ হলো married। এটি কোনো ব্যক্তির বিবাহিত অবস্থাকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) married — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) nuptial — এটি বিবাহ সংক্রান্ত হলেও সরাসরি marriage শব্দের Adjective রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
C) menstrual — এটি মাসিক সংক্রান্ত একটি শব্দ যার সাথে marriage শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) celestial — এটি আকাশ বা স্বর্গীয় সংক্রান্ত শব্দ যা বিবাহ বা marriage এর সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত কোনো noun-কে adjective-এ রূপান্তর করার সময় এর পরিচিত verb রূপের past participle ফরমটি ব্যবহার করা হয়, যেমন marriage থেকে married।
সঠিক উত্তর: B) Adverb
কেন সঠিক:
এখানে 'enough' শব্দটি 'wise' নামক Adjective-কে মডিফাই করেছে।
Grammar-এর নিয়ম অনুযায়ী Adjective-কে মডিফাই করায় এটি Adverb হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adjective — এটি কোনো noun-কে মডিফাই করেনি, তাই এটি Adjective হতে পারে না।
B) Adverb — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী ঠিক আছে।
C) Preposition — এটি কোনো noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে সম্পর্ক স্থাপন করেনি।
D) Conjunction — এটি দুটি শব্দ বা বাক্যাংশকে যুক্ত করার কাজ করেনি।
মনে রাখার টিপস:
Adjective-এর পরে বসে 'enough' সর্বদা Adverb-এর কাজ করে।
সঠিক উত্তর: D) Crocodiles tears
কেন সঠিক:
কুমিরের কান্নার সাথে মিথ্যা দুঃখ প্রকাশের তুলনা করা হয়।
এর শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো কুহক বা ভণ্ডামি কান্না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cry in the wilderness — এর অর্থ অরণ্যোদোদন বা নিষ্ফল আবেদন।
B) Crying need — এর অর্থ অত্যন্ত জরুরি বা তীব্র প্রয়োজন।
C) a dose fisted man — এর অর্থ কৃপণ বা সংকীর্ণ মনের মানুষ।
মনে রাখার টিপস:
কুমির যেমন শিকার ধরার সময় মিথ্যা মায়াকান্না করে, তেমনি মানুষও ভণ্ডামি করতে এই প্রবাদ ব্যবহার করে।
সঠিক উত্তর: D) irrational
কেন সঠিক:
Rational শব্দটির অর্থ বুদ্ধিদীপ্ত বা যুক্তিবাদী। এর বিপরীত শব্দ গঠনে সঠিক প্রিফিক্স বা উপসর্গ হিসেবে ir যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) unrational — এই শব্দটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক নয় এবং এর কোনো প্রচলন নেই।
B) non rational — এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না কারণ সঠিক প্রিফিক্স যোগ করে একটিমাত্র শব্দ তৈরি হয়।
C) disrational — এই প্রিফিক্সটি এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং এটি ভুল গঠন।
D) irrational — এটি সঠিক কারণ rational শব্দের পূর্বে ir যুক্ত হয়ে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ গঠিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত r দিয়ে শুরু হওয়া অনেক শব্দের আগে বিপরীত শব্দ করতে ir যুক্ত করতে হয় যেমন regular থেকে irregular।
সঠিক উত্তর: B) It never pours when it does not rain.
কেন সঠিক:
মূল বাক্যের অর্থ এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী না বোধক রূপান্তর করতে হয়।
এখানে প্রথম অংশকে বিপরীত শব্দ দিয়ে নেগেটিভ করা হয়েছে এবং পরের অংশকে Do not ব্যবহার করে সঠিক রাখা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It always does not pours when it does not rain — এখানে pours এর সাথে s যুক্ত করা হয়েছে যা does not এর পরে ভুল।
B) It never pours when it does not rain — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) It never rains but it pours — এটি একটি প্রবাদ বাক্য এবং এর অর্থ মূল বাক্যের সাথে মিলছে না।
D) It never pours but it rains — এই বাক্যের গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাফারমেটিভ থেকে নেগেটিভ করার সময় বিপরীত শব্দের ব্যবহার এবং টেন্সের সঠিক নিয়ম মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) The ship sunk in the ocean.
কেন সঠিক:
জাহাজ বা নির্জীব বস্তু পানিতে ডুবে যাওয়ার ইংরেজি হিসেবে sink শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
এখানে অতীত বোঝাতে sink শব্দের পাস্ট ফর্ম sunk সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে।
বাক্যটির গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণ নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The ship was drowned in the ocean — Drown শব্দটি শুধুমাত্র জীবন্ত প্রাণী বা মানুষের ক্ষেত্রে পানিতে ডুবে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়।
B) The ship sunk in the ocean — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ ঠিক আছে।
C) The ship goes under the ocean — বর্তমান কাল ব্যবহার করায় এবং অর্থের সংগতি না থাকায় এটি ভুল হয়েছে।
D) The ship was sunk in the ocean — প্যাসিভ ভয়েস করার কারণে এখানে বাক্যটির অর্থ বদলে গেছে যা প্রসঙ্গে বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
মানুষ ডুবে গেলে drown এবং জাহাজ বা বস্তু ডুবে গেলে sink ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) The
কেন সঠিক:
- নিয়ম অনুযায়ী জাহাজ, ট্রেন বা সাবমেরিনের নামের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে দ্য বসে।
- Nelson একটি ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজের নাম হওয়ায় এর পূর্বে দ্য ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A — এটি সাধারণ ও অনির্দিষ্ট কাউন্টেবল পদের পূর্বে বসে, জাহাজের নামের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) No article — জাহাজের নাম নির্দিষ্ট হওয়ায় এখানে আর্টিকেল বসানো বাধ্যতামূলক।
C) The — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট যুদ্ধজাহাজের নামের পূর্বে দ্য বসে।
D) An — এটি ভাওয়েল সাউন্ড দিয়ে শুরু অনির্দিষ্ট পদের পূর্বে বসে, তাই এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
জাহাজ, ট্রেন ও বিমানের নামের আগে সবসময় দ্য বসবে।
সঠিক উত্তর: B) I
কেন সঠিক:
বাক্যের মূল গঠনটি হলো Neither A nor B. এই নিয়মে শেষের সাবজেক্ট অনুযায়ী ক্রিয়াপদ নির্ধারিত হয়।
এখানে দ্বিতীয় সাবজেক্ট হলো শূন্যস্থানটি এবং এর পরের ভাব have-এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সাবজেক্টিভ প্রোনাউন বসবে।
I হলো সাবজেক্টিভ প্রোনাউন যা এখানে সাবজেক্ট হিসেবে সঠিকভাবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) me — এটি অবজেক্টিভ প্রোনাউন হওয়ায় এখানে সাবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে না।
B) I — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) he — he বসালে পরের have ভার্বটি সঠিক হবে না কারণ he এর পরে has বসে।
D) him — এটি অবজেক্টিভ প্রোনাউন হওয়ায় বাক্যের সাবজেক্টের জায়গায় এটি বসবে না।
মনে রাখার টিপস:
Neither nor যুক্ত বাক্যে verb এর কাছের সাবজেক্ট দেখে pronoun এর সঠিক রূপ নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) It is the house which is being built
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি কোয়াসিপ্যাসিভ বাক্যের বিশেষ রূপ এবং এর অর্থ হলো বাড়িটি এখন নির্মাণাধীন অবস্থায় আছে।
সঠিক নিয়ম অনুযায়ী একে ভেঙে লিখে প্যাসিভ রূপ দিতে হয় যা এই অপশনে সঠিকভাবে করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A house is beeing built by us. — এখানে বানানে ভুল আছে এবং সাবজেক্টের পরিবর্তন সঠিক নয়।
B) The masons are building the house. — এটি নিজেই একটিভ বাক্যের রূপ যা প্রদত্ত বাক্যের সঠিক প্যাসিভ নয়।
C) It is the house which is being built — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) The house is being built, — এখানে বাক্যটি অসম্পূর্ণ এবং বিরামচিহ্নের ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কোয়াসিপ্যাসিভ বাক্য দেখলে বাক্যের অর্থ বুঝে তাকে সঠিক নিয়মে কমপ্লেক্স বা প্যাসিভ রূপ দিতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Pronoun
কেন সঠিক:
এখানে 'all' শব্দটি কোনো noun-কে বিশেষিত না করে নিজে একটি pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি একটি indefinite pronoun যা সম্পূর্ণ সমষ্টি বা পরিমাণের কথা নির্দেশ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে বিশেষিত করেনি তাই এটি adverb হতে পারে না।
B) Adjective — এটি কোনো noun-এর পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করেনি তাই এটি adjective নয়।
C) Noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা জায়গার নাম বোঝায় না তাই এটি noun নয়।
D) Pronoun — এটি সঠিক কারণ 'all' এখানে সরাসরি একটি pronoun হিসেবে বাক্যে বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে 'all of' বা একা বসে 'all' যখন কোনো কিছুর পরিবর্তে বসে, তখন তা Pronoun হয়।
সঠিক উত্তর: C) Despite that
কেন সঠিক:
এখানে ট্রেন দেরি করার পরেও যথাসময়ে পৌঁছানোর বিপরীত পরিস্থিতি বোঝানো হয়েছে। Despite that phrase টি দুটি বিপরীত ভাবযুক্ত বাক্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে অর্থ সম্পূর্ণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) On the contrary — এর অর্থ এর বিপরীত, যা এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) By contest — এটি কোনো প্রচলিত বা সঠিক ফ্রেজ বা সংযোগকারী শব্দ নয়।
C) Despite that — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) Incidentally — এর অর্থ প্রসঙ্গক্রমে, যা এখানে ঘটনার বিপরীত অবস্থাকে প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বিপরীতমুখী দুটি ধারণার মধ্যে মিল দেখাতে Despite that ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৬২৫
প্রদত্ত তথ্য:
সুদের হার = ৪%
সময় = ২ বছর
সরল সুদ ও চক্রবৃদ্ধি সুদের পার্থক্য = ১ টাকা
ধরি,
আসল = ক টাকা
অতএব,
২ বছরের সরল সুদ = (ক × ৪ × ২) ÷ ১০০ = ৮ক ÷ ১০০ টাকা
২ বছরের চক্রবৃদ্ধি সুদ = ক × (১ + ৪ ÷ ১০০) এর উপর স্কয়ার − ক টাকা
সুতরাং,
চক্রবৃদ্ধি সুদ ও সরল সুদের পার্থক্য = [ক × (১০৪ ÷ ১০০) এর উপর স্কয়ার − ক] − (৮ক ÷ ১০০) = ১ টাকা
উত্তর: ক এর মান হিসাব করে পাই, আসল = ৬২৫ টাকা
সঠিক উত্তর: D) ৬ সে. মি.
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ সে. মি.
কেন্দ্র হতে দূরবর্তী জ্যা এর দূরত্ব = ৪ সে. মি.
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা এর উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে
ব্যাসার্ধ এবং কেন্দ্র থেকে দূরত্বের মধ্যবর্তী কোণ সমকোণ
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = ৫ সে. মি.
লম্ব = ৪ সে. মি.
ভূমির অর্ধেক হলো জ্যা এর অর্ধাংশ
সুতরাং,
জ্যা এর অর্ধাংশ = √(৫ × ৫ − ৪ × ৪)
জ্যা এর অর্ধাংশ = √(২৫ − ১৬) = √৯ = ৩ সে. মি.
উত্তর: সম্পূর্ণ জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ৩ × ২ = ৬ সে. মি.
সঠিক উত্তর: B) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
চাকাটি প্রতি মিনিটে ১২ বার ঘুরে
সময় পাঁচ সেকেন্ড
ধরি,
এক মিনিট সমান ষাট সেকেন্ড
ষাট সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ১২ বার
অতএব,
এক সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ১২ ভাগ ষাট বার
পাঁচ সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ১২ গুণ ৫ ভাগ ষাট বার
সুতরাং,
পাঁচ সেকেন্ডে চাকাটি ঘুরে ঠিক ১ বার
এক পাক বা একবার ঘোরার অর্থ হলো ৩৬০ ডিগ্রি ঘূরণ
উত্তর: ৩৬০°
সঠিক উত্তর: D) ৬x − ৩
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২০x
আয়তক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪x + ৩
ধরি,
আয়তক্ষেত্রের অপর বাহুর দৈর্ঘ্য = y
আমরা জানি, আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
অতএব,
২ × (৪x + ৩ + y) = ২০x
৪x + ৩ + y = ২০x ÷ ২
৪x + ৩ + y = ১০x
সুতরাং,
y = ১০x − ৪x − ৩
y = ৬x − ৩
উত্তর: ৬x − ৩
সঠিক উত্তর: D) তিনটি কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজদ্বয়ের সর্বসমতা যাচাইয়ের বিভিন্ন শর্ত
কোণগুলো সমান হলে ত্রিভুজ সদৃশ হয় কিন্তু সর্বসম হয় না
ধরি,
প্রথম ত্রিভুজের কোণত্রয় যথাক্রমে ষাট ডিগ্রি, ষাট ডিগ্রি ও ষাট ডিগ্রি
দ্বিতীয় ত্রিভুজের কোণত্রয় যথাক্রমে ষাট ডিগ্রি, ষাট ডিগ্রি ও ষাট ডিগ্রি
অতএব,
কোণগুলো পরস্পর সমান হওয়া সত্ত্বেও বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ভিন্ন হতে পারে
প্রথম ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ছোট হতে পারে
সুতরাং,
বাহুর দৈর্ঘ্য সমান না হলে ত্রিভুজ দুটি সর্বসম হতে পারে না
উত্তর: তিনটি কোণ
সঠিক উত্তর: A) √২৪
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x² + px + ৬ = ০
মূল দুইটি সমান এবং p > ০
ধরি,
সমীকরণটির মূল দুইটি সমান অর্থাৎ আলফা এবং আলফা
মূলদ্বয়ের যোগফল = −p
অতএব,
মূলদ্বয়ের গুণফল = আলফা × আলফা = ৬
আলফা স্কয়ার = ৬
সুতরাং,
p এর মান নির্ণয়ের জন্য সমীকরণের নিশ্চয়ক শূন্য ধরতে হবে
p স্কয়ার − (৪ × ১ × ৬) = ০
উত্তর: p = √২৪
সঠিক উত্তর: D) অসীম
প্রدত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৩x + ২y = ১৫
এটি একটি সরলরৈখিক সমীকরণ
ধরি,
x এর মান ইচ্ছামতো ধরে নেওয়া যায়
y এর মান সমীকরণ থেকে বের করা যায়
অতএব,
x এর মান শূন্য হলে y এর মান সাত দশমিক পাঁচ হয়
x এর মান এক হলে y এর মান ছয় হয়
সুতরাং,
চলক দুটি থাকায় এর অসংখ্য সমাধান পাওয়া সম্ভব
উত্তর: অসীম
সঠিক উত্তর: খ) ১২÷৫
প্রদত্ত তথ্য:
সাইন এ এর মান হলো বারো বাই তেরো
ধরি,
লম্ব হলো বারো একক এবং অতিভুজ হলো তেরো একক
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য ব্যবহার করে ভূমি বের করতে হবে
সুতরাং,
ভূমি সমান রুট ওভার তেরোর বর্গ বিয়োগ বারোর বর্গ সমান পাঁচ একক
উত্তর: টান এ সমান লম্ব বাই ভূমি সমান বারো বাই পাঁচ
সঠিক উত্তর: C) ৬৩
প্রদত্ত তথ্য:
ভাজক সংখ্যাগুলো হলো ৪, ৫ এবং ৬
প্রতি ক্ষেত্রে ভাগশেষ থাকে ৩
ধরি,
৪, ৫ ও ৬ এর লসাগু বের করতে হবে
৪, ৫ ও ৬ এর লসাগু হলো ৬০
অতএব,
নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে লসাগু এবং ভাগশেষের যোগফল
নির্ণেয় সংখ্যা = ৬০ + ৩ = ৬৩
সুতরাং,
৬৩ কে ৪, ৫ ও ৬ দ্বারা ভাগ করলে প্রতিক্ষেত্রে ৩ ভাগশেষ থাকে
উত্তর: ৬৩
সঠিক উত্তর: A) ৬টি
প্রদত্ত তথ্য:
৫ ও ৯৫ এর মধ্যে ৫ ও ৩ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে।
৫ ও ৩ এর লসাগু হলো ১৫।
ধরি,
সংখ্যাগুলো ১৫ দ্বারা বিভাজ্য হতে হবে।
৫ থেকে ৯৫ এর মধ্যে ১৫ এর গুণিতকগুলো বের করতে হবে।
অতএব,
প্রথম গুণিতক = ১৫ × ১ = ১৫
দ্বিতীয় গুণিতক = ১৫ × ২ = ৩০
তৃতীয় গুণিতক = ১৫ × ৩ = ৪৫
চতুর্থ গুণিতক = ১৫ × ৪ = ৬০
পঞ্চম গুণিতক = ১৫ × ৫ = ৭৫
ষষ্ঠ গুণিতক = ১৫ × ৬ = ৯০
সুতরাং,
মোট সংখ্যা হলো ছয়টি।
উত্তর: ৬টি
সঠিক উত্তর: A) ১
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে x + (১ ÷ x) = ৪
আমাদের মান বের করতে হবে x ÷ (x^২ − ৩x + ১) এর
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি হলো x ÷ (x^২ − ৩x + ১)
হর ও লবকে x দ্বারা ভাগ করে পাই
অতএব,
লব হলো x ÷ x = ১
হর হলো (x^২ − ۳x + ১) ÷ x = x − ৩ + (১ ÷ x)
সুতরাং,
হর থেকে পাই (x + ১ ÷ x) − ৩
মানের জায়গায় ৪ বসিয়ে পাই ৪ − ৩ = ১
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: C) (- ∞, 4)
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো x + 3 > 2x − 1
ধরি,
চলকগুলোকে একদিকে এবং সংখ্যাগুলোকে অন্যদিকে নিতে হবে
অতএব,
x − 2x > − 1 − 3
সুতরাং,
− x > − 4
উত্তর: x < 4 অর্থাৎ সমাধান সেট (- ∞, 4)
সঠিক উত্তর: C) ৫৭
প্রدত্ত তথ্য:
ধারাটির প্রথম পদ (a) = ১
ধারাটির সাধারণ অন্তর (d) = ৫ − ১ = ৪
ধরি,
পদসংখ্যা (n) = ১৫
নির্ণেয় পদ = a + (n − ১) × d
অতএব,
n − ১ = ১৫ − ১ = ১৪
১৪ × d = ১৪ × ৪ = ৫৬
সুতরাং,
১৫তম পদ = ১ + ৫৬ = ৫৭
উত্তর: ৫৭
সঠিক উত্তর: D) ১২৭/৬৪
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি একটি গুণোত্তর ধারা যার প্রথম পদ ক = ১
ধারাটির সাধারণ অনুপাত খ = (১/২) ÷ ১ = ১/২
ধরি,
পদসংখ্যা ন = ৭
গুণোত্তর ধারার যোগফলের সূত্রটি এখানে ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
সূত্র অনুযায়ী প্রথম সাতটি পদের যোগফল হবে প্রথম পদ গুণ বন্ধনী শুরু এক বিয়োগ সাধারণ অনুপাতের ওপর পাওয়ার সাত বন্ধনী শেষ ভাগ এক বিয়োগ সাধারণ অনুপাত
এখানে সাধারণ অনুপাতের ওপর পাওয়ার সাত অর্থ হলো এক ভাগ একশো আঠারো
বন্ধনীর ভেতরের হিসাব করলে লব হয় একশো সাতাশি এবং হর হয় একশো আঠারো
সুতরাং,
ওপরের অংশকে নিচের এক ভাগ দুই দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল উল্টে গুণ হয়ে যায়
হিসাব শেষে সঠিক মান পাওয়া যায় একশো সাতাশ ভাগ চৌষট্টি
উত্তর: ১২৭/৬৪
সঠিক উত্তর: B) ১/২
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো লগ ৪ ভিত্তিক ২ সমান x
লগারিদম এর সূত্র অনুসারে লেখা যায়,
চার এর পাওয়ার x সমান দুই
বা, দুই এর পাওয়ার দুই এর হোল পাওয়ার x সমান দুই
বা, দুই এর পাওয়ার দুই গুণ x সমান দুই এর পাওয়ার এক
অতএব,
পাওয়ার তুলনা করে পাই, দুই গুণ x সমান এক
সুতরাং,
x সমান এক ভাগ দুই
উত্তর: ১/২
সঠিক উত্তর: D) (৪,০)
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রমজোড়ের সমতা অনুসারে প্রথম উপাদান প্রথম উপাদানের সমান হবে এবং দ্বিতীয় উপাদান দ্বিতীয় উপাদানের সমান হবে।
এখানে দুটি ক্রমজোড় সমান দেওয়া আছে।
ধরি,
প্রথম সমীকরণটি হলো x − y = ৪
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x + ৩y = ৪
এখন এই দুটি সমীকরণ সমাধান করতে হবে।
অতএব,
প্রথম সমীকরণ হতে পাই x = ৪ + y
এই মান দ্বিতীয় সমীকরণে বসিয়ে পাই (৪ + y) + ৩y = ৪
বা, ৪ + ৪y = ৪
সুতরাং,
৪y = ৪ − ৪
৪y = ০
অতএব, y = ০
উত্তর: y এর মান শূন্য হলে x এর মান হয় চার, তাই নির্ণেয় মান (৪,০)
সঠিক উত্তর: C) ৪.৫
প্রদত্ত তথ্য:
অনুপাত x : y = y : z = ১.৫
এবং z = ২
ধরি,
y ÷ z = ১.৫
এবং x ÷ y = ১.৫
অতএব,
y ÷ ২ = ১.৫
y = ১.৫ × ২ = ৩
সুতরাং,
x ÷ ৩ = ১.৫
x = ১.৫ × ৩ = ৪.৫
উত্তর: ৪.৫
সঠিক উত্তর: C) ১৫.৯৫ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
২০০০ সাল একটি অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার
২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে গঠিত
ধরি,
ফেব্রুয়ারি মাসের মোট দিনের সংখ্যা = ২৯ দিন
দৈনিক বৃষ্টির গড় পরিমাণ = ০.৫৫ সে.মি.
অতএব,
মোট বৃষ্টির পরিমাণ নির্ণয়ের জন্য দিনের সংখ্যাকে গড় দিয়ে গুণ করতে হবে
মোট বৃষ্টিপাত = ২৯ × ০.৫৫ সে.মি.
সুতরাং,
২৯ কে ০.৫৫ দিয়ে গুণ করলে ফলাফল পাওয়া যায়
উত্তর: ১৫.৯৫ সে.মি.
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ মাইনুল হোসেন
কেন সঠিক:
- স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন ১৯৭৮ সালে জাতীয় স্মৃতিসৌদের নকশা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন।
- তাঁর নকশেই সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়েছে, যার সাতটি জোড় বেষ্টনী বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাতটি পর্যায় নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হামিদুজ্জামান — তিনি দেশের একজন বিখ্যাত ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী, তবে জাতীয় স্মৃতিসৌদের স্থপতি নন।
B) মৃনাল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাস্কর হলেও এই স্মৃতিসৌধের নকশা তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) সৈয়দ মাইনুল হোসেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
D) সামসুন ওয়ারেস — তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট স্থপতি হলেও এই স্মৃতিসৌধের নকশা তিনি করেননি।
মনে রাখার টিপস:
স্মৃতিসৌধের স্থপতির নাম মনে রাখতে 'স্মৃতি' শব্দের ম এবং 'মাইনুল' নামের ম মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) ভিয়েনা
কেন সঠিক:
- ভিয়েনা মধ্য ইউরোপের দেশ অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর।
- শহরটি দানিউব নদীর তীরে অবস্থিত এবং এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৈরুত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ লেবাননের রাজধানী, তাই অস্ট্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) সিডনি — এটি অস্ট্রেলিয়ার একটি বিখ্যাত শহর হলেও দেশটির রাজধানী ক্যানবেরা, অস্ট্রিয়ার নয়।
C) মস্কো — এটি ইউরোপীয় দেশ রাশিয়ার রাজধানী, যা অস্ট্রিয়ার রাজধানী নয়।
D) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার সঠিক ও পরীক্ষিত রাজধানী।
মনে রাখার টিপস:
অস্ট্রিয়া ও অস্ট্রেলিয়া গুলিয়ে ফেলবেন না, অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা এবং অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরা।
সঠিক উত্তর: B) ভোলা
কেন সঠিক:
- মনপুরা বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা ভোলার একটি বিচ্ছিন্ন উপজেলা ও নদীমাতৃক দ্বীপ।
- মেঘনা নদীর মোহনায় এবং বঙ্গোপসাগরের উত্তর উপকূলে এই দ্বীপটি অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নোয়াখালী — নোয়াখালী জেলায় হাতিয়া দ্বীপ অবস্থিত, কিন্তু মনপুরা দ্বীপ এখানে নয়।
B) ভোলা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মনপুরা ভোলা জেলার অন্তর্ভুক্ত একটি দ্বীপ উপজেলা।
C) বরিশাল — বরিশাল বিভাগের একটি জেলা ভোলা হলেও মনপুরা মূল বরিশাল জেলায় অবস্থিত নয়।
D) বরগুনা — বরগুনা উপকূলীয় জেলা হলেও এর অধীনে মনপুরা দ্বীপটি অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভোলা জেলার বিখ্যাত ও সুন্দর দ্বীপের নাম মনপুরা।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র
কেন সঠিক:
- স্ট্যাচু অব লিবার্টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের লিবার্টি দ্বীপে অবস্থিত একটি বিশাল ভাস্কর্য।
- এটি ফ্রান্সের পক্ষ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভাস্কর্যটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে অবস্থিত।
B) রাশিয়া — এটি ভুল অপশন কারণ রাশিয়া এই ভাস্কর্যের সাথে সম্পর্কিত নয়, রাশিয়ার বিখ্যাত ভাস্কর্য হলো মাদারল্যান্ড কলস।
C) ইতালি — এটি ভুল অপশন কারণ ইতালি স্ট্যাচু অব লিবার্টির দেশ নয়, তবে এর রূপকার ফ্রেডারিক অগাস্ট বারথোলডি ফরাসি নাগরিক ছিলেন।
D) ফ্রান্স — এটি ভুল অপশন কারণ ফ্রান্স ভাস্কর্যটি তৈরি করে উপহার দিয়েছিল, কিন্তু এটি ফান্সে নয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
লিবার্টি বা স্বাধীনতা অর্জনে যুক্তরাষ্ট্র বিখ্যাত, তাই স্ট্যাচু অব লিবার্টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) ২১,১৯৬
কেন সঠিক:
- চীনের স্টেট ব্যুরো অফ কালচারাল রিলিজসের সরকারি জরিপ অনুযায়ী চীনের মহাপ্রাচীরের মোট দৈর্ঘ্য ২১,১৯৬ কিলোমিটার।
- এই দীর্ঘ পরিমাপের মধ্যে প্রাচীন বিভিন্ন রাজবংশের নির্মিত প্রাচীর এবং এর সাথে সংযুক্ত প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম প্রতিরক্ষা লাইন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪,০০০ — এটি একটি আনুমানিক বা ভুল সংখ্যা যা মহাপ্রাচীরের সঠিক ঐতিহাসিক ও অফিসিয়াল দূরত্বের সাথে মেলে না।
B) ২৬,৫০০ — এটি মহাপ্রাচীরের প্রকৃত দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক বেশি এবং কোনো সরকারি দাপ্তরিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) ২১,১৯৬ — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এবং চীনের সাংস্কৃতিক ব্যুরোর প্রকাশিত প্রামাণিক হিসাব।
D) ২৭,৫০০ — এই সংখ্যাটি চীনের মহাপ্রাচীরের প্রকৃত প্রামাণিক দূরত্বের চেয়ে বেশি এবং অতিরিক্ত পরিমাপ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
চীনের মহাপ্রাচীরের দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটির শেষ অংশ মনে রাখুন, যা হলো এক লক্ষ একানব্বই হাজার নয়শ ষোলো মিটার বা ২১,১৯৬ কিলোমিটার।
সঠিক উত্তর: C) পার্লামেন্ট
প্রশ্নটির ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও বিভিন্ন দেশের আইনসভা
কেন সঠিক:
- ফ্রান্সের দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার সামগ্রিক বা সাধারণ নাম হলো ফ্রেঞ্চ পার্লামেন্ট।
- এটি উচ্চকক্ষ বা সেনেট এবং নিম্নকক্ষ বা ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলী নিয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কংগ্রেস — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম, ফ্রান্সের নয়।
B) ডায়েট — এটি জাপানের আইনসভার নাম, যা ফ্রান্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) পার্লামেন্ট — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি ফ্রান্সের আইনসভার সামগ্রিক নাম।
D) ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলী — এটি ফ্রেঞ্চ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ মাত্র, পুরো আইনসভার নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফ্রান্সের সামগ্রিক আইনসভা হলো পার্লামেন্ট এবং এর নিম্নকক্ষ হলো ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলী।
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়া
কেন সঠিক:
- ভলগা নদী ইউরোপ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী এবং এটি রাশিয়ার পশ্চিম অংশে অবস্থিত।
- এই নদীটি উৎপন্ন হয়ে রাশিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত এবং এর প্রধান নদী মিসিসিপি।
B) চীন — চীন এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত এবং এর দীর্ঘতম নদী ইয়াংসি।
C) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) জার্মানি — জার্মানি ইউরোপে অবস্থিত এবং এর প্রধান নদী রাইন ও ডানিউব।
মনে রাখার টিপস:
রাশিয়ার বিখ্যাত ভলগা নদী ইউরোপের দীর্ঘতম নদী।
সঠিক উত্তর: B) গোয়েন্দা সংস্থা
কেন সঠিক:
- ফেয়ার ফ্যাক্স হলো একটি যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি গোয়েন্দা ও তদন্ত সংস্থা।
- এটি মূলত অর্থনৈতিক অপরাধ এবং আর্থিক অনিয়ম তদন্তের সঙ্গে জড়িত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সীমান্ত বাহিনী — ফেয়ার ফ্যাক্স কোনো দেশের সীমান্ত পাহারা দেওয়ার সামরিক বা আধাসামরিক বাহিনী নয়।
B) গোয়েন্দা সংস্থা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফেয়ার ফ্যাক্স একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা।
C) পুলিশ বাহিনী — এটি কোনো দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি পুলিশ বিভাগ নয়।
D) সম্মেলন — ফেয়ার ফ্যাক্স কোনো ধরনের সভা, বৈঠক বা আন্তর্জাতিক সম্মেলন বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক গোয়েন্দা ও তদন্ত সংস্থার নাম ফেয়ার ফ্যাক্স।
সঠিক উত্তর: B) ১৩৬তম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই বছরের ২৫শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ভাষণ দিয়ে এই সদস্যপদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বাড়িয়েছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩৫তম — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এটি বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের ক্রমিক নম্বরের সঙ্গে মেলে না।
B) ১৩৬তম — এটি সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
C) ১৩৭তম — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ ১৩৭তম সদস্য হিসেবে অন্য কোনো দেশ যোগদান করেছিল।
D) ১৩৮তম — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এটি সঠিক ক্রমিক নম্বরের চেয়ে বেশি।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হয়।
বিষয়: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: A) ৩য়
কেন সঠিক:
- জওহরলাল নেহরু ও গুলজারিলাল নন্দার (ভারপ্রাপ্ত) পর লালবাহাদুর শাস্ত्री ১৯৬৪ সালে ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৬৪ থেকে ১৯৬৬৫ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩য় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
B) ৪র্থ — গুলজারিলাল নন্দা ও ইন্দিরা গান্ধী পরবর্তী সময়ে এই পদে আসায় এটি ভুল।
C) ৫ম — এই ক্রমানুসারে অন্য প্রধানমন্ত্রীগণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
D) ৬ষ্ঠ — এটি ভুল কারণ তিনি ক্রমানুসারে ষষ্ঠ নন।
মনে রাখার টিপস:
নেহরুর মৃত্যুর পর ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হন লালবাহাদুর শাস্ত্রী।
সঠিক উত্তর: C) পাউন্ড
কেন সঠিক:
- লেবাননের জাতীয় মুদ্রার নাম লেবানিজ পাউন্ড এবং এটি দেশটির সরকারি লেনদেনের একমাত্র মাধ্যম।
- মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির অর্থনীতিতে পাউন্ড মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনার — কুয়েত, জর্ডন ও বাহরাইনসহ বেশ কিছু দেশের মুদ্রার নাম দিনার, লেবাননের নয়।
B) ডলার — যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম ডলার, যা লেবাননের মুদ্রা নয়।
সি) পাউন্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) রুপি — ভারত, পাকিস্তান ও নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম রুপি।
মনে রাখার টিপস:
লেবাননের রাজধানী বৈরুত এবং মুদ্রার নাম পাউন্ড, যা মনে রাখতে লেবানিজ পাউন্ড শব্দটি একসাথে স্মরণ করুন।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) মেঘনা
কেন সঠিক:
- ভৌগোলিক মাপজোখে মেঘনা নদী বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবাহিত সবচেয়ে দীর্ঘতম নদী হিসেবে স্বীকৃত।
- নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় তিন শ উনত্রিশ কিলোমিটার এবং এর অববাহিকা দেশের অন্যতম বৃহৎ পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মা — এটি দেশের অন্যতম প্রধান ও দীর্ঘ নদী হলেও ভৌগোলিক দৈর্ঘ্যের দিক থেকে মেঘনার চেয়ে ছোট।
B) মেঘনা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্ন অনুযায়ী এটি দীর্ঘতম নদী হিসেবে বিবেচিত।
C) যমুনা — এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশস্ত প্রধান নদ হলেও দৈর্ঘ্যে মেঘনার চেয়ে কিছুটা কম।
D) ব্রহ্মপুত্র — এই নদের মূল অংশটি বাংলাদেশে যমুনা নামে প্রবাহিত এবং এর দৈর্ঘ্য মেঘনার তুলনায় কম।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী মনে রাখতে মেঘনা শব্দটি মনে রাখুন, কারণ নদীটি দেশের সীমানার ভেতর সবচেয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে।
সঠিক উত্তর: B) ১৭ এপ্রিল
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা আমবাগানে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- এই দিনটিকে স্মরণ করে ১৭ এপ্রিল তারিখটি মুজিবনগর দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ এপ্রিল — ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।
B) ১৭ এপ্রিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা প্রযোজ্য নয়।
C) ১৭ মার্চ — এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়।
D) ২৭ মার্চ — ১৯৭১ সালের এই দিনে মেজর জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
মনে রাখার টিপস:
গঠন ১০ এপ্রিল আর শপথ ১৭ এপ্রিল, এই দুই দিন মনে রাখলেই মুজিবনগর সরকারের ইতিহাস পরিষ্কার হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: B) ১৪ ডিসেম্বর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর আল-বদর রাজাকাররা বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পনা করে হত্যা করে।
- জাতির মেধাশূন্য করার এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের স্মরণে প্রতি বছর এই দিনে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ ডিসেম্বর — এই তারিখে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয় না, এটি ভিন্ন একটি সাধারণ দিবস।
B) ১৪ ডিসেম্বর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ১৬ ডিসেম্বর — এই তারিখে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস নয়, বরং ঐতিহাসিক মহান বিজয় দিবস পালিত হয়।
D) ২১ নভেম্বর — এই তারিখে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয় না, এটি সশস্ত্র বাহিনী দিবস।
মনে রাখার টিপস:
বিজয়ের ঠিক দুই দিন আগে অর্থাৎ বিজয়ের মাসে চোদ্দো তারিখে জাতিকে মেধাশূন্য করতে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) বৃটেন
কেন সঠিক:
- জর্জ হ্যারিসন ছিলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ রক ব্যান্ড দ্য বিটলস এর লিড গিটারিস্ট এবং একজন সুরকার।
- তিনি ইংল্যান্ডের লিভারপুল শহরে জন্মগ্রহণ করেন, যা বৃটেনের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জার্মানি — এটি ইউরোপের একটি দেশ হলেও জর্জ হ্যারিসনের জন্মস্থান বা নাগরিকত্ব এখানে ছিল না।
B) বৃটেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই দেশের নাগরিক ও বিখ্যাত ব্যান্ড দ্য বিটলস এর সদস্য ছিলেন।
C) যুক্তরাষ্ট্র — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেক কাজ ও বসবাস করলেও এখানকার মূল নাগরিক ছিলেন না।
D) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের আরেকটি দেশ যার সাথে তার নাগরিকত্বের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
বিখ্যাত বিটলস ব্যান্ডের সদস্যরা সবাই ব্রিটিশ ছিলেন, তাই তাদের গিটারিস্ট জর্জ হ্যারিসন বৃটেনের নাগরিক।
সঠিক উত্তর: C) চন্দ্রদ্বীপ
কেন সঠিক:
- প্রাচীনকালে বর্তমান বরিশাল অঞ্চলটি চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি স্বাধীন রাজ্য বা জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল।
- ইতিহাস ও প্রাচীন ভূগোলে এই অঞ্চলের প্রাচীন নাম হিসেবে চন্দ্রদ্বীপ নামটি সর্বস্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নদীয়া — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা এবং প্রাচীন জনপদ, যা বর্তমান বাংলাদেশের বরিশাল অঞ্চল নয়।
B) শাহবাজপুর — এটি ভোলা জেলার একটি প্রাচীন নাম, যা মূল বরিশাল জেলার প্রাচীন নাম হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) চন্দ্রদ্বীপ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) হরিকেল — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ, যার মূল অংশ বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বরিশাল মানেই চাঁদ, তাই মনে রাখবেন বরিশালের প্রাচীন নাম চন্দ্রদ্বীপ।
সঠিক উত্তর: C) ম্যানিলা
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বা আইআরআরআই এর প্রধান কার্যালয় ফিলিপাইনের ম্যানিলা শহরের কাছে লস baños এ অবস্থিত।
- ধান গবেষণার আন্তর্জাতিক কেন্দ্র হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে কৃষির উন্নয়নে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী এবং এখানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত, আন্তর্জাতিক ইনস্টিটিউট নয়।
B) নয়াদিল্লী — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে, প্রধান কার্যালয় নয়।
C) ম্যানিলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান সদর দপ্তর অবস্থিত।
D) ব্যাংকক — এটি থাইল্যান্ডের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ধান উৎপাদন বেশি হয় ফিলিপাইনে, তাই ধান গবেষণার সদর দপ্তর ম্যানিলায়।
সঠিক উত্তর: C) সাভারে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বিকেএসপি ঢাকার অদূরে সাভারের জিরানীতে অবস্থিত।
- এটি দেশের একমাত্র সরকারি ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যা ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৬ সালে কার্যক্রম শুরু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়দেবপুরে — এটি গাজীপুর জেলায় অবস্থিত এবং এখানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
B) কালিয়াকৈরে — এটি গাজীপুর জেলার একটি উপজেলা যেখানে হাইটেক পার্ক ও ঐতিহাসিক বিভিন্ন স্থান রয়েছে।
C) সাভারে — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিকেএসপির মূল ক্যাম্পাস এখানেই অবস্থিত।
D) মানিকগঞ্জে — এটি একটি জেলা যা পাট ও বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পণ্যের জন্য বিখ্যাত কিন্তু বিকেএসপির অবস্থান এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাভারের জিরানীতে আমাদের জাতীয় ক্রীড়াবিদ তৈরির কারখানা অর্থাৎ বিকেএসপি অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) হামিংবার্ড
কেন সঠিক:
- হামিংবার্ড বা গুঞ্জন পাখি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রাকৃতির পাখি প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত।
- এদের দৈর্ঘ্য মাত্র ৫ সেন্টিমিটারের মতো হয় এবং এরা পেছনের দিকে উড়তে পারা একমাত্র পাখি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চড়ুই — এটি একটি সাধারণ ও পরিচিত ছোট পাখি হলেও হামিংবার্ডের মতো বিশ্বের ক্ষুদ্রতম পাখি নয়।
B) শালিক — এটি মাঝারি আকৃতির পাখি এবং এর শরীর হামিংবার্ডের তুলনায় অনেক বড়।
C) হামিংবার্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের সবচেয়ে ছোট পাখি।
D) দোয়েল — এটি আমাদের জাতীয় পাখি এবং এর আকার চড়ুই বা শালিকের কাছাকাছি, হামিংবার্ডের মতো এত ছোট নয়।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে ছোট পাখির নাম মনে রাখতে হামিংবার্ড শব্দটি মনে রাখুন, যা গুঞ্জন করার জন্য বিখ্যাত।
সঠিক উত্তর: C) বীরশ্রেষ্ঠ
কেন সঠিক:
- বীরশ্রেষ্ঠ বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রদত্ত সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ সাতজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এই খেতাব দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বীরবিক্রম — এটি বীরত্বসূচক খেতাবগুলোর মধ্যে তৃতীয়।
B) বীরপ্রতীক — এটি বীরত্বসূচক খেতাবগুলোর মধ্যে চতুর্থ ও সর্বশেষ।
C) বীরশ্রেষ্ঠ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব।
D) বীরউত্তম — এটি বীরত্বসূচক খেতাবগুলোর মধ্যে দ্বিতীয়।
মনে রাখার টিপস:
খেতাবগুলোর ক্রম মনে রাখতে শ্রেষ্ঠ, উত্তম, বিক্রম ও প্রতীক এই ক্রমানুসারে মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে
কেন সঠিক:
- ১৯৬০ সালে শ্রীলঙ্কার (তৎকালীন সিলন) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান হওয়ার ইতিহাস গড়েন।
- তিনি বিশ্বের রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের অগ্রদূত হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেনজীর ভুট্টো — তিনি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে বিশ্বের প্রথম নন।
B) মার্গারেট থ্যাচার — তিনি যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যিনি ১৯৭৯ সালে ক্ষমতাগ্রহণ করেন।
C) ইন্দিরা গান্ধী — তিনি ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যিনি ১৯৬৬ সালে প্রথম ক্ষমতাগ্রহণ করেন।
D) শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৯৬০ সালে বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রীলঙ্কার শ্রীমাভো বন্দরনায়েকের নাম মনে রাখতে 'শ্রী' দিয়ে শুরু নামটিকে প্রথম হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) ১৮টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারের বিধান রয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদগুলোর আওতায় মোট ১৮টি মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০টি — এই সংখ্যাটি সংবিধানের মৌলিক অধিকারের মোট সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই।
B) ১৮টি — এটি সঠিক সংখ্যা কারণ সংবিধানে ১৮টি সুনির্দিষ্ট মৌলিক অধিকারের কথা বলা হয়েছে।
C) ২২টি — এই সংখ্যাটি সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সঠিক হিসাব নয়।
D) ১৫টি — এটি ভুল সংখ্যা কারণ মৌলিক অধিকারের সংখ্যা ১৫টি নয়।
মনে রাখার টিপস:
মৌলিক অধিকার শুরু হয় ২৬ অনুচ্ছেদ থেকে শেষ হয় ৪৪ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত, যার মোট সংখ্যাটি হলো আঠারো।
সঠিক উত্তর: C) গারুদা জানিয়ে
কেন সঠিক:
- গারুদা ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় বিমান সংস্থা, যা দেশটির প্রধান এয়ারলাইন হিসেবে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করে।
- গারুদা নামটি মূলত ইন্দোনেশীয় ও হিন্দু পৌরাণিক কাহিনীর ঐশ্বরিক পাখি গারুড় থেকে নেওয়া হয়েছে, যা তাদের জাতীয় প্রতীকের অংশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুফথানসা তামাক — লুফথানসা হলো জার্মানির প্রধান বিমান সংস্থা, আর তামাক অপশনের বাকি অংশটি ভুল ও বিভ্রান্তিকর।
B) কোয়ানটাস এয়ারওয়েজ — কোয়ানটাস হলো ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ অস্ট্রেলিয়ার প্রধান ও বিখ্যাত জাতীয় বিমান সংস্থা।
C) গারুদা জানিয়ে — এটি ইন্দোনেশিয়ার বিমান সংস্থার সঠিক নাম এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) নিপ্পন এয়ারওয়েজ — নিপ্পন এয়ারওয়েজ বা অল নিপ্পন এয়ারওয়েজ হলো পূর্ব এশিয়ার দেশ জাপানের একটি শীর্ষস্থানীয় বিমান সংস্থা।
মনে রাখার টিপস:
ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় প্রতীক হলো পৌরাণিক পাখি গারুড়, আর তাদের বিমান সংস্থার নামও গারুদা।
সঠিক উত্তর: D) মান্দারিন-চাযানজ
কেন সঠিক:
- মান্দারিন ভাষাটি মূলত চীনের প্রধান ভাষা এবং বিশ্বের সর্বাধিক সংখ্যক মানুষের মাতৃভাষা।
- বিপুল জনসংখ্যার কারণে এটি মাতৃভাষী মানুষের সংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর শীর্ষস্থানে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইংরেজি — এটি আন্তর্জাতিক যোগাযোগের প্রধান ভাষা হলেও মাতৃভাষার দিক থেকে মান্দারিনের চেয়ে এর বক্তা কম।
B) আরবি — এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান ভাষা ও মুসলিম বিশ্বের ধর্মীয় ভাষা হলেও মাতৃভাষী জনসংখ্যার দিক থেকে মান্দারিনের পেছনে রয়েছে।
C) ফরাসি — এটি ইউরোপ ও আফ্রিকার কিছু দেশের প্রধান ভাষা হলেও বিশ্বব্যাপী মোট বক্তার সংখ্যা মান্দারিনের তুলনায় অনেক কম।
D) মান্দারিন-চাযানজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভাষাভাষী মানুষের সংখ্যা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষ কথা বলে চীনে, তাই তাদের ভাষা মান্দারিন হলো সর্বাধিক বক্তার ভাষা।
সঠিক উত্তর: C) ড. আখতার হামিদ খান
কেন সঠিক:
- ড. আখতার হামিদ খান ১৯৫৯ সালে কুমিল্লায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী বা বার্ড প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি গ্রামীণ উন্নয়ন ও সমবায় আন্দোলনের একজন প্রখ্যাত সমাজসংস্কারক ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম — তিনি ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা, বার্ডের সঙ্গে যুক্ত নন।
B) প্রেসিডেন্ট আইউব খান — তিনি সে সময় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, বার্ডের প্রতিষ্ঠাতা নন।
D) ফজলুর রহমান খান — তিনি একজন বিখ্যাত স্থপতি ও প্রকৌশলী ছিলেন, বার্ড প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেননি।
মনে রাখার টিপস:
কুমিল্লার বার্ড দেখলে মনে রাখবে খান সাহেবের নাম, অর্থাৎ ড. আখতার হামিদ খান।
সঠিক উত্তর: C) 104°F
১. কেন সঠিক:
- সেলসিয়াস স্কেলের ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা ফারেনহাইট স্কেলে রূপান্তর করলে ১০৪ ডিগ্রি হয়।
- নির্দিষ্ট তাপমাত্রার সমতুল্য মান বের করার জন্য তাপীয় স্কেলগুলোর মধ্যকার গাণিতিক সম্পর্ক ব্যবহার করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য প্রধানত সেলসিয়াস এবং ফারেনহাইট নামক দুটি স্কেল বহুল ব্যবহৃত হয়।
- সূত্র: C ÷ ৫ = (F − ৩২) ÷ ৯, যেখানে C হলো সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং F হলো ফারেনহাইট তাপমাত্রা।
- কার্যপ্রণালি: সূত্রে C এর স্থানে ৪০ বসিয়ে পাই, ৪০ ÷ ৫ = ৮, অতঃপর ৮ × ৯ = ৭২ এবং ৭২ + ৩২ = ১০৪।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা প্রায় ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ব্যাখ্যা: জ্বর হলে শরীরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে, যা ফারেনহাইটে ১০৪ ডিগ্রি হয়।
উদাহরণ ২: আবহাওয়ার পূর্বাভাসে তাপমাত্রা প্রকাশ করা।
ব্যাখ্যা: অনেক দেশে সেলসিয়াস আবার অনেক দেশে ফারেনহাইট স্কেলে তাপমাত্রা প্রকাশ করা হয়, যা রূপান্তরের মাধ্যমে বোঝা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 120°F — এটি ভুল কারণ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে এই সূত্রে ফেললে ১২০ পাওয়া যায় না।
B) 99°F — এটি ভুল কারণ ৯৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট মানবদেহের সামান্য বেশি তাপমাত্রা নির্দেশ করে কিন্তু ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের সমান নয়।
C) 104°F — এটি সঠিক অপশন এবং গণিত করে এই মানটি পাওয়া যায়।
D) 108°F — এটি ভুল কারণ অতিরিক্ত উচ্চ তাপমাত্রার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হলেও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের সঠিক রূপান্তর এটি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সেলসিয়াস থেকে ফারেনহাইট বের করতে হলে সেলসিয়াসের মানকে ১.৮ দিয়ে গুণ করে ৩২ যোগ করতে হয়।
- ৪০ কে ১.৮ দিয়ে গুণ করলে ৭২ হয় এবং তার সাথে ৩২ যোগ করলে ১০৪ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের রূপান্তর প্রায়ই আসে।
- পানির স্ফুটনাঙ্ক সেলসিয়াসে ১০০ ডিগ্রি এবং ফারেনহাইটে ২১২ ডিগ্রি, এই মান থেকেও প্রশ্ন হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি
১. কেন সঠিক:
প্রেসার কুকারে আবদ্ধ পাত্রের ভেতরে বায়ুর চাপ স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলের চাপের চেয়ে অনেক বেশি থাকে।
চাপ বেশি থাকার কারণে ভেতরের পানির স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় এবং পানি বেশি তাপমাত্রায় ফোটে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তরলের ওপর চাপ বৃদ্ধি পেলে তার স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় এবং চাপ হ্রাস পেলে স্ফুটনাংক কমে যায়।
কার্যপ্রণালি: প্রেসার কুকারের ঢাকনা শক্তভাবে আটকানো থাকে বলে ভেতরে বাষ্পের চাপ বৃদ্ধি পায়।
এই উচ্চ চাপের কারণে পানির অণুগুলো সহজে বাষ্পে পরিণত হতে পারে না, তাই পানি প্রায় ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়ের চূড়ায় বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কম থাকায় পানির স্ফুটনাংক কমে যায় এবং সেখানে কম তাপমাত্রায় পানি ফোটে।
ব্যাখ্যা: কম তাপমাত্রায় পানি ফোটার কারণে সেখানে রান্না হতে বেশি সময় লাগে।
উদাহরণ ২: প্রেসার কুকারে মাংস বা ডাল রান্না করা।
ব্যাখ্যা: অধিক তাপমাত্রায় রান্না হওয়ার কারণে খাবার খুব দ্রুত সিদ্ধ হয় এবং সময় বাঁচে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাভাবিক — এটি ভুল কারণ স্বাভাবিক চাপে পানি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ফোটে, যা প্রেসার কুকারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) স্বাভাবিকের চেয়ে কম — এটি ভুল কারণ চাপ কমলে স্ফুটনাংক কমে, কিন্তু প্রেসার কুকারে চাপ বেশি থাকে।
C) স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি — এটি সঠিক কারণ আবদ্ধ পাত্রে চাপ বাড়লে স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়।
D) কোনোটিই নয় — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি সি অপশনে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রেসার কুকার মানে চাপ বেশি, তাই তাপমাত্রাও বেশি।
চাপ বাড়লে স্ফুটনাংক বাড়ে, এই সম্পর্কটি মনে রাখলে যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তর করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
স্বাভাবিক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ২১২ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
পাহাড়ের চূড়ায় বা উচ্চ স্থানে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কম থাকায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) কালো
১. কেন সঠিক:
- হলুদ রঙের বস্তু সবুজ আলোর শুধুমাত্র সবুজ অংশ শোষণ করে এবং অন্য কোনো আলো প্রতিফলিত করে না।
- চোখে কোনো প্রতিফলিত আলো পৌঁছায় না বলে বস্তুটিকে কালো দেখায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কোনো বস্তুর ওপর আলো পড়লে বস্তুটি তার নিজস্ব রঙের আলো প্রতিফলিত করে এবং বাকি রঙ শোষণ করে।
- কার্যপ্রণালি: হলুদ বস্তু মূলত লাল ও সবুজ আলোর মিশ্রণ প্রতিফলিত করতে পারে, কিন্তু সবুজ আলোতে শুধু সবুজ আলোই উপস্থিত থাকে।
- কারণ ও ফলাফল: হলুদ বস্তু সবুজ আলো সম্পূর্ণ শোষণ করে এবং কোনো আলো চোখে ফেরত পাঠায় না, তাই একে কালো দেখায়।
- বাস্তব প্রয়োগ: রঙিন আলোতে পোশাকের রঙ পরিবর্তন হওয়ার পেছনের বিজ্ঞান এটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাল গোলাপকে সবুজ আলোতে দেখলে কালো দেখায়।
ব্যাখ্যা: লাল গোলাপ সবুজ আলো শোষণ করে এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করে না।
উদাহরণ ২: নীল জামা লাল আলোতে কালো দেখায়।
ব্যাখ্যা: নীল জামা লাল আলো শোষণ করে এবং চোখে কোনো আলো পাঠায় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল — সবুজ আলোতে হলুদ বস্তু নীল রঙ প্রতিফলিত করতে পারে না তাই এটি সঠিক নয়।
B) কালো — হলুদ বস্তু সবুজ আলো পুরোপুরি শোষণ করায় এটি কালো দেখায় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
C) সবুজ — হলুদ বস্তু সবুজ আলো প্রতিফলিত না করে সম্পূর্ণ শোষণ করে তাই এটি সবুজ দেখায় না।
D) হলুদ — হলুদ রঙ দেখতে হলে আলোতে হলুদ বর্ণ থাকতে হবে, যা সবুজ আলোতে নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অপরিচিত বা ভিন্ন রঙের আলোতে পড়লে রঙিন বস্তু সাধারণত কালো দেখায় যদি আলোর রঙ বস্তুর রঙের সাথে না মিলে।
- শোষণ এবং প্রতিফলনের এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলেই পরীক্ষার উত্তর সহজে বের করা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলোর শোষণ ও প্রতিফলন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- বস্তুর নিজস্ব রঙ এবং আপতিত আলোর রঙের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) হিমোগ্লোবিন
১. কেন সঠিক:
- রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক এক প্রকার লৌহঘটিত প্রোটিন থাকে যা অক্সিজেন পরিবহনে সরাসরি অংশ নেয়।
- এটি ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের প্রতিটি কোষে সরবরাহ করে এবং কোষ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড ফুসফুসে ফিরিয়ে আনে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: হিমোগ্লোবিন হলো রক্তের এমন একটি রঞ্জক পদার্থ যা রক্তকে লাল রঙ প্রদান করে এবং গ্যাস বিনিময়ে সাহায্য করে।
- কার্যপ্রণালি: হিমোগ্লোবিনের সাথে অক্সিজেনের তীব্র আকর্ষণ রয়েছে, তাই এটি সহজেই অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: অতিরিক্ত পরিশ্রমের সময় শরীরের কোষে অক্সিজেনের চাহিদা বাড়লে হিমোগ্লোবিন দ্রুত অক্সিজেন সরবরাহ করে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দীর্ঘক্ষণ দৌড়ানোর পর হাঁপিয়ে ওঠা।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত দৌড়ানোর ফলে পেশিতে অক্সিজেনের চাহিদা বাড়ে এবং হিমোগ্লোবিন তখন দ্রুত রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ করার চেষ্টা করে।
উদাহরণ ২: রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া রোগ।
ব্যাখ্যা: রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে শরীর পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না, ফলে প্রচণ্ড ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভূত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শর্করা — এটি এক ধরণের পুষ্টি উপাদান যা প্রধানত শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, রক্তকণিকার মূল গাঠনিক উপাদান বা রঞ্জক নয়।
B) হিমোগ্লোবিন — এটি সঠিক উত্তর।
C) লবণ — এটি রক্তের প্লাজমায় দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে এবং অভিস্রবণ চাপ নিয়ন্ত্রণ করে, রক্তকণিকার ভেতরে প্রধান উপাদান হিসেবে থাকে না।
D) ইউরিক এসিড — এটি আমিবীয় বিপাকের ফলে সৃষ্ট একটি বর্জ্য পদার্থ, যা কিডনির মাধ্যমে শরীর থেকে নিষ্কাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রক্ত লাল দেখায় কারণ এতে হিমোগ্লোবিন থাকে এবং হিমোগ্লোবিন মানেই লোহা ও প্রোটিনের সমন্বয় যা অক্সিজেন বহন করে।
- হিমোগ্লোবিন শব্দটি মনে রাখলে সহজেই লোহিত রক্তকণিকার প্রধান কাজের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি মানবদেহের শারীরতত্ত্ব অধ্যায় থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- লোহিত রক্তকণিকার আয়ুষ্কাল এবং এর প্রধান কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) ক্রোমিয়াম
১. কেন সঠিক:
- স্টেইনলেস স্টিল বা মরচেহীন লোহা হলো মূলত লোহা, ক্রোমিয়াম এবং কার্বনের একটি সংকর ধাতু।
- এর মধ্যে ক্রোমিয়াম থাকার কারণে বাতাসের অক্সিজেন ও আর্দ্রতার সাথে বিক্রিয়া করে ধাতুর উপরিভাগে ক্রোমিয়াম অক্সাইডের একটি অদৃশ্য ও সূক্ষ্ম প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে, যা মরিচা পড়া রোধ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: সংকর ধাতু হলো দুই বা ততোধিক ধাতুর অথবা একটি ধাতু ও একটি অধাতুর সমসত্ব মিশ্রণ, যা মৌলিক ধাতুর চেয়ে বেশি টেকসই ও উপযোগী হয়।
- কার্যপ্রণালি: সাধারণ লোহা আর্দ্রতার সংস্পর্শে এলে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতিতে অক্সিজেন ও আয়রনের বিক্রিয়ায় হাইড্রেটেড আয়রন অক্সাইড তৈরি হয় যাকে মরিচা বলে, কিন্তু স্টেইনলেস স্টিলে থাকা ক্রোমিয়াম এই বিক্রিয়া রোধ করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: রান্নার তৈজসপত্র, সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি, এবং 건축 सामग्री বা নির্মাণকাজে স্টেইনলেস স্টিল ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রান্নাঘরে ব্যবহৃত স্টিলের চামচ বা প্লেট দীর্ঘদিন পানিতে ভিজে থাকলেও তাতে মরিচা ধরে না।
ব্যাখ্যা: এতে ক্রোমিয়াম উপস্থিত থাকায় এটি জলীয় বাষ্প ও অক্সিজেনের ক্ষয়কারী প্রভাব থেকে সুরক্ষিত থাকে।
উদাহরণ ২: চিকিৎসকদের ব্যবহৃত এসক্যালপেল বা কাঁচি বারবার পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা সত্ত্বেও ক্ষয় হয় না।
ব্যাখ্যা: সংকর ধাতুর বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে এই অস্ত্রোপচার সরঞ্জামগুলো টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তামা — তামা একটি মৌলিক ধাতু এবং এটি পিতল বা ব্রোঞ্জ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যা স্টেইনলেস স্টিলের প্রধান উপাদান নয়।
B) দস্তা — দস্তা বা জিঙ্ক লোহাকে মরিচা থেকে বাঁচাতে গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় লোহা বা স্টিলের ওপর প্রলেপ দিতে ব্যবহৃত হয়।
C) ক্রোমিয়াম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি স্টেইনলেস স্টিলের মরিচাতোরোধক গুণ নিশ্চিত করার জন্য একটি আবশ্যিক উপাদান।
D) অ্যালুমিনিয়াম — অ্যালুমিনিয়াম হালকা ও মজবুত একটি পৃথক ধাতু যা বিমান তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়, তবে এটি স্টেইনলেস স্টিলের প্রধান উপাদান নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্টেইনলেস স্টিল মানেই ক্রোমিয়াম, কারণ ক্রোমিয়ামের উপস্থিতিতেই স্টিলে মরিচা ধরে না।
- সংকর ধাতু হিসেবে লোহা, ক্রোমিয়াম এবং নিকেলের মিশ্রণ মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংকর ধাতুর উপাদান সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- পিতল ও ব্রোঞ্জ কোন কোন ধাতুর সংকর, তা এই প্রশ্ন থেকে ধারণা নিয়ে আলাদাভাবে পড়ে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) উচ্চচাপ হয়
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটির প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। কোনো স্থানের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়, উচ্চচাপের নয়। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার নির্দেশনার আলোকে এখানে তাপ ও বায়ুমণ্ডলের চাপের বিপরীত সম্পর্কের বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হলো।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপমাত্রা বাড়লে বায়ুর প্রসারণ ঘটে এবং বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে যায়। ফলে ওই স্থানে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ কমে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্রীষ্মকালে সমুদ্রের তুলনায় স্থলভাগে তাপমাত্রা বেশি থাকে। এর ফলে স্থলভাগে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয় এবং সমুদ্র থেকে ঠান্ডা বায়ু স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়।
উদাহরণ ২: রান্নাঘরে চুলা জ্বালালে চুলার ওপরের বাতাস গরম হয়ে হালকা হয়ে ওপরে উঠে যায় এবং ওই স্থানে সাময়িক নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেয়ের সৃষ্টি হয় — এই অপশনটি প্রশ্নটির সঙ্গে সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক ও অপ্রাসঙ্গিক।
B) নিম্নচাপ হয় — এটিই হলো প্রকৃত সঠিক বৈজ্ঞানিক উত্তর, যদিও প্রশ্নে উচ্চচাপ দেওয়া হয়েছে।
C) উচ্চচাপ হয় — তাপমাত্রা কমলে বায়ু ঠান্ডা ও ভারী হয়ে উচ্চচাপের সৃষ্টি করে, তাপমাত্রা বাড়লে নয়।
D) চাপের পরিবর্তন হয় না — তাপমাত্রা এবং বায়ুমণ্ডলের চাপের মধ্যে সরাসরি পরিবর্তনশীল সম্পর্ক রয়েছে, তাই চাপ অপরিবর্তিত থাকে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
তাপ বাড়লে বায়ু হালকা হয় এবং চাপ কমে যায় অর্থাৎ তাপ বাড়লে নিম্নচাপ হয়। এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বায়ুমণ্ডলের চাপ ও তাপমাত্রার এই বিপরীত সম্পর্ক আবহাওয়ার পরিবর্তনের মূল ভিত্তি। এই ধারণা থেকে প্রায়ই ঘূর্ণিঝড় ও কালবৈশাখী সম্পর্কিত প্রশ্ন পরীক্ষাসমূহে আসে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)