বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬

পদের নাম: সহকারী সচিব/সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a প্রাদি সমাস
b দ্বিগু সমাস
c অব্যয়ীভাব সমাস
d নিত্য সমাস
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিত্য সমাস কেন সঠিক: ১. এই সমাসের কোনো ব্যাসবাক্য হয় না বা আলাদা করে পদের বিস্তার করা যায় না। ২. সমাসবদ্ধ পদটি নিজেই নিজের অর্থ প্রকাশ করে যেমন দুই এবং নব্বই মিলে বিরানব্বই হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো দ্বারাই সমস্তপদ গঠিত হয় এবং আলাদা ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না তাকে নিত্য সমাস বলে। ২. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সংখ্যাবাচক শব্দের ক্ষেত্রে এই বিশেষ গঠন দেখা যায়। ৩. যেমন অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ প্রভৃতি উপসর্গ ক্বত বা কৃদন্ত পদের পূর্বে বসে যে সমাস হয় তা প্রাদি সমাস। B) দ্বিগু সমাস — সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক পদের সাথে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তা দ্বিগু সমাস। C) অব্যয়ীভাব সমাস — পূর্বপদে অব্যয় যোগে যদি অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয় তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। D) নিত্য সমাস — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই বরং এটি সঠিক নিয়ম মেনে চলে। মনে রাখার টিপস: ১. ব্যাসবাক্য ছাড়া যেসব শব্দ গঠিত হয় এবং যাদের সাধারণ নিয়মে ভাঙা যায় না সেগুলোই নিত্য সমাস। ২. সংখ্যাবাচক শব্দ যেমন একান্ন, বিরানব্বই দেখলে প্রথমে নিত্য সমাস হিসেবে বিবেচনা করবে।
a সংযুক্ত বাক্য
b যৌগিক বাক্য
c সরল বাক্য
d মিশ্র বাক্য
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিশ্র বাক্য ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত রয়েছে। - এখানে যদি সত্য বল অংশটি শর্ত বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং তাহলে মুক্তি পাবে অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্য হিসেবে কাজ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। - এই ধরনের বাক্যে সাধারণত যদি, তবে, যতো, ততো, যে, সে, যারা, তারা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি দেশের সেবা করেন, তিনি প্রকৃত দেশপ্রেমিক। ব্যাখ্যা: এখানে যিনি দেশের সেবা করেন আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং তিনি প্রকৃত দেশপ্রেমিক প্রধান খণ্ডবাক্য হওয়ায় এটি মিশ্র বাক্য। উদাহরণ ২: যদি তুমি পরিশ্রম কর, তবে সফল হবে। ব্যাখ্যা: শর্তমূলক অর্থ প্রকাশ করায় এবং সাপেক্ষ জোড়া ব্যবহৃত হওয়ায় এটি মিশ্র বাক্যের একটি আদর্শ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংযুক্ত বাক্য — এই বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে নেই। B) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। C) সরল বাক্য — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এখানে একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে। D) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে সাপেক্ষ অব্যয়ের সাহায্যে প্রধান ও আশ্রিত খণ্ডবাক্যের সংযোগ ঘটেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - যদি, তবে, যিনি, তিনি, যা, তা ইত্যাদি সাপেক্ষ শব্দ জোড়া দেখলে চোখ বন্ধ করে মিশ্র বা জটিল বাক্য দাগাবে। - সরল বাক্যে একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যৌগিক বাক্যে স্বাধীন খণ্ডবাক্য থাকে এবং মিশ্র বাক্যে পরাধীন বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের জন্য সরল ও মিশ্র বাক্যের পার্থক্য চেনার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয়ের উপস্থিতি খেয়াল করলেই মিশ্র বাক্য খুব সহজে আলাদা করা সম্ভব।
a বিশৃঙ্খলা
b এলোমেলো
c তাস খেলার ঘর
d ক্ষণস্থায়ী
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ষণস্থায়ী ১. কেন সঠিক: - তাসের ঘর একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ তাসের তৈরি ঘর এবং ভাবার্থ হলো যা অত্যন্ত সহজে ভেঙে যায় বা যার স্থায়িত্ব খুব কম। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে, যেখানে এর মূল ভাব বা অন্তর্নিহিত অর্থ হিসেবে ক্ষণস্থায়ী বা নশ্বরতা বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট বাগধারা, যা বিশেষ কোনো শব্দগুচ্ছের সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - বাগধারাটি মানুষের জীবনের অনিশ্চয়তা বা কোনো উদ্যোগের অচিরেই পতন বোঝাতে রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন্ত্রিত্ব পাওয়া মানেই তো তাসের ঘর, কখন যে ক্ষমতার পালাবদল ঘটে তা কেউ জানে না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ক্ষমতা বা মন্ত্রিত্বের অস্থায়ী রূপ বোঝাতে তাসের ঘর বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: দুর্নীতি করে গড়া তার এই বিশাল সাম্রাজ্য যেন তাসের ঘরের মতো যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে। ব্যাখ্যা: অবৈধ উপার্জনের ওপর প্রতিষ্ঠিত কোনো ব্যবস্থার স্থায়িত্ব যে নেই, তা বোঝাতে এখানে তাসের ঘর ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশৃঙ্খলা — বিশৃঙ্খলা বলতে কোনো সুশৃঙ্খল পরিবেশের অভাব বা গোলযোগ বোঝায়, যা তাসের ঘরের নির্দিষ্ট রূপক অর্থের সঙ্গে সরাসরি মেলে না। B) এলোমেলো — এলোমেলো অর্থ অগোছালো বা বিন্যস্ত নয় এমন অবস্থা, যা এই বাগধারার মূল ভাব বা স্থায়ীত্বের ধারণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) তাস খেলার ঘর — এটি বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার ভাবার্থ বা রূপক অর্থই মূল উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়। D) ক্ষণস্থায়ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাসের ঘর সহজেই ভেঙে যায় এবং এর কোনো স্থায়িত্ব থাকে না, যা ক্ষণস্থায়ী শব্দের সমার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: - তাস দিয়ে ঘর বানালে যেমন তা বাতাসে মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে, তেমনি যে জিনিস খুব সহজেই ধ্বংস হয়ে যায় তাকে তাসের ঘর বা ক্ষণস্থায়ী বলা হয়। - এই ধরনের বাগধারা পড়ার সময় আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার রূপক অর্থ নির্ণয় করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - তাসের ঘরের মতো আরও কিছু বাগধারা যেমন বালির বাঁধ বা কাগজের ফুল একই ধরনের ক্ষণস্থায়ী অর্থ প্রকাশ করে।
a কারক
b বিভক্তি
c সমাস
d প্রাতিপাদিক
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রাতিপাদিক ১. কেন সঠিক: - বিভক্তিহীন নাম পদকে প্রাতিপাদিক বলা হয়। সহজ কথায়, শব্দের যে মূল রূপের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় প্রাতিপাদিক বলে। - প্রাতিপাদিক হলো শব্দের মূল ভিত্তি, যার সঙ্গে পরবর্তীতে কারক বা বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - প্রাতিপাদিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ বা শব্দের মূল রূপ, যাকে প্রাতিপদিকও বলা হয়। যেমন, কলম, বই, ফুল ইত্যাদি শব্দগুলো যখন একা বসে এবং কোনো বিভক্তি থাকে না, তখন সেগুলো প্রাতিপাদিক। - বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের মূল রূপই হলো প্রাতিপাদিক, যা বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী করার জন্য বিভক্তি গ্রহণ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুল ব্যাখ্যা: ফুল শব্দটি একটি বিভক্তিহীন নাম পদ, তাই এটি প্রাতিপাদিক। এর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ফুলের, ফুলকে ইত্যাদি পদ হতে পারে। উদাহরণ ২: বই ব্যাখ্যা: বই একটি স্বাধীন নাম শব্দ যার সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই। এটি প্রাতিপাদিক পদের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারক — বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত পদগুলোর সম্পর্ককে কারক বলে, এটি কোনো বিভক্তিহীন নাম পদ নয়। B) বিভক্তি — শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাক্য গঠনে সাহায্যকারী বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি হলো বিভক্তি, যা এখানে অনুপস্থিত। C) সমাস — অর্থের সংগতি রক্ষার জন্য একাধিক পদের একপদীকরণ হলো সমাস, যা পদের গঠন প্রক্রিয়া নির্দেশ করে। D) প্রাতিপাদিক — সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভক্তিহীন নাম পদের সঠিক নাম। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাতিপাদিক মানেই হলো বিভক্তিহীন মূল শব্দ। মনে রাখবে প্র তে প্রাতিপাদিক এবং প্র তে প্রথম বা মূল রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাতিপাদিক কী তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। মনে রাখবে শব্দের মূল রূপই প্রাতিপাদিক।
a রূঢ়ি
b যোগরূঢ়
c যৌগিক
d তৎসম
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রূঢ়ি ১. কেন সঠিক: - রূঢ়ি বা রূঢ় শব্দ হলো এমন শব্দ যা প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও মূল বা প্রকৃতি-প্রত্যয়ের অর্থ প্রকাশ না করে প্রচলিত অর্থে অন্য কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - 'সন্দেশ' শব্দের প্রচলিত ব্যুৎপত্তিগত অর্থ সংবাদ বা খবর হলেও বর্তমানে এটি বাংলা ভাষায় একটি সুস্বাদু মিষ্টি বিশেষ অর্থে নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎস বা গঠন অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যথা যৌগিক, রূঢ়ি ও যোগরূঢ় শব্দ। - যে শব্দগুলো মূল বা অংশবিশেষের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি বা রূঢ় শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৈল ব্যাখ্যা: তিল থেকে উৎপন্ন যেকোনো স্নেহপদার্থ তৈল বোঝানোর কথা থাকলেও বর্তমানে এটি কেবল সরিষার তেল অর্থে রূঢ়ি শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: গবেষণা ব্যাখ্যা: গো বা গরু অন্বেষণ করা এর মূল অর্থ হলেও বর্তমানে এটি কোনো বিষয়ে নিবিড় ও বিশদ অধ্যায়ন বা অনুসন্ধান অর্থে রূঢ়ি শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূঢ়ি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রকৃতি-প্রত্যয়ের অর্থ বজায় না রেখে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। B) যোগরূঢ় — এই অপশনটি ভুল কারণ যোগরূঢ় শব্দ সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়ে সমাস্যমান পদের অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো অর্থ বোঝায়, যেমন পঙ্কজ। C) যৌগিক — এই অপশনটি ভুল কারণ যৌগিক শব্দের অর্থ প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুসারী হয়, যেমন গায়ক। D) তৎসম — এই অপশনটি ভুল কারণ তৎসম শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, এটি শব্দের গঠনের শ্রেণিবিভাগ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রূঢ়ি শব্দের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে শব্দটির বাহ্যিক বা সাধারণ অর্থ এবং প্রচলিত অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা হয়। - সন্দেশ মানে খবর, কিন্তু আমরা খাই মিষ্টি, এই বৈপরীত্য দিয়েই রূঢ়ি শব্দ মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৈল, গবেষণা, হস্তী, প্রবীণ, বাঁশি ও সন্দেশ শব্দগুলো প্রায়ই রূঢ়ি শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে দেওয়া হয়। - শব্দগুলোর প্রচলিত অর্থ ও ব্যুৎপত্তিগত অর্থের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
a ধাঁধাঁ
b ছড়া
c প্রবাদ
d গাথা কাহিনী
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছড়া ১. কেন সঠিক: লোক সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হলো ছড়া কারণ এটি মানুষের মুখে মুখে যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কোনো নির্দিষ্ট লেখকের নাম ছাড়াই এটি লোকমুখে রূপান্তরিত হয়ে বর্তমান রূপ লাভ করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: লোক সাহিত্য হলো সাধারণ মানুষের সৃষ্টি যা অলিখিতভাবে মুখে মুখে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ছড়ায়। ছড়া মানুষের জীবনযাত্রা, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির আদিম রূপ বহন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আয় চাঁদ মাম টি টি দিয়ে যা, চাঁদের কপালে টিপ দিয়ে যা। ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহ্যবাহী শিশুতোষ ছড়া যা লোক সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: ঘুম পাড়ানি মাসি পিসি মোদের বাড়ি এসো। ব্যাখ্যা: এটি গ্রামীণ জনপদে প্রচলিত একটি প্রাচীন লোকজ ছড়া। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধাঁধাঁ — এটি লোক সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে ছড়ার পরেই এর স্থান। B) ছড়া — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি লোক সাহিত্যের সবচেয়ে প্রাচীন রূপ। C) প্রবাদ — এটি মানুষের অভিজ্ঞতার সংক্ষিপ্ত প্রকাশ হলেও ছড়ার মতো প্রাচীনতম লোক সাহিত্যের মর্যাদা পায় না। D) গাথা কাহিনী — এটি লোক সাহিত্যের একটি শাখা তবে এর উৎপত্তি ছড়ার পরে হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: লোক সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন মনে রাখার জন্য মনে রাখবে মানুষের মুখে প্রথমে ছড়া এসেছে। ছড়া দিয়েই লোক সাহিত্যের সূচনা হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লোক সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে প্রায়ই ছড়া প্রশ্ন আসে। একই ধরনের প্রশ্নে মৌখিক ঐতিহ্য ও লোক সংস্কৃতির পার্থক্য খেয়াল রাখতে হবে।
a অগ্নিসাক্ষী
b অনেক সূর্যের আশা
c আরেক ফাল্গুন
d চিলেকোঠার সেপাই
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চিলেকোঠার সেপাই ১. কেন সঠিক: - ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাককালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো চিলেকোঠার সেপাই। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ওসমান ও খেঁটু মিয়া তৎকালীন গণআন্দোলনের রাজনৈতিক ও সামাজিক আবহকে ফুটিয়ে তুলেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বরেণ্য কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এই উপন্যাসের রচয়িতা। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের খোয়াবনামা উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি তিব্বতি আন্দোলন ও তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত লেখকের আরেকটি মাস্টারপিস। উদাহরণ ২: শহীদুল জহিরের জীবন ও রাজনৈতিক উপন্যাস জীবন এবং রাজনৈতিক বাস্তবায়ন। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটভূমি ও মানুষের সংগ্রাম নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিসাক্ষী — হাসান আজিজুল হকের বিখ্যাত উপন্যাস যার প্রেক্ষাপট মূলত মুক্তিযুদ্ধ ও দেশভাগ। B) অনেক সূর্যের আশা — এটি শহীদ আকন্দ রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। C) আরেক ফাল্গুন — জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসের পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। D) চিলেকোঠার সেপাই — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইলিয়াসের সেপাই আর ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এভাবে মনে রাখতে পারো যে চিলেকোঠার সেপাই ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানকে ধারণ করে। - রাজনৈতিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে লেখকের নাম ও ঐতিহাসিক সাল মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উপন্যাস থেকে চরিত্র বা পটভূমি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ভাষা আন্দোলনের উপন্যাস এবং গণঅভ্যুত্থানের উপন্যাসের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
b শেখ আলীমুল্লাহ
c রাজা রামমোহন রায়
d অক্ষয় দত্ত
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এবং তাঁর সম্পাদনাতেই এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে বাংলা সংবাদপত্র ও সাহিত্যচর্চার ইতিহাসে এই পত্রিকার বিশেষ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'সংবাদ প্রভাকর' ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক রূপ নেয়। এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যের অনেক প্রখ্যাত লেখক যেমন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও দীনবন্ধু মিত্র সাহিত্যজগতে পরিচিতি লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সংবাদ রত্নাবলী' ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি প্রখ্যাত সংবাদপত্র ছিল। উদাহরণ ২: 'বোধেন্দুবিকাশ' ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের একটি বিখ্যাত রচনা যা তৎকালীন সমাজচিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সফল সম্পাদক ছিলেন। B) শেখ আলীমুল্লাহ — ইনি এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং কোনো প্রধান পত্রিকার সম্পাদকও ছিলেন না। C) রাজা রামমোহন রায় — ইনি 'সংবাদ কৌমুদী' ও 'মিরাতুল আকবর' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। D) অক্ষয় দত্ত — ইনি মূলত 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার বিখ্যাত সম্পাদক ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য এবং ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সংবাদজগতের সূর্যতুল্য ব্যক্তিত্ব। এভাবে প্রভাকর ও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নাম একত্রে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে 'সংবাদ প্রভাকর' প্রথম সফল দৈনিক পত্রিকা হিসেবে পরিচিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকার নাম ও সম্পাদকের নাম মেলানোর প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a সবিতা
b অবনী
c সুধাকর
d কলানিধি
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সবিতা ১. কেন সঠিক: সবিতা শব্দটির অর্থ সূর্য। এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ যা বাংলা ভাষায় সূর্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও ব্যুৎপত্তিগত অর্থ জানা জরুরি। সবিতা শব্দটি বৈদিক দেবতা সাবিত্রী বা সূর্যকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিবাকর ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন যিনি অর্থাৎ সূর্য। উদাহরণ ২: ভাস্কর ব্যাখ্যা: ভাস্কর শব্দের অর্থ আলো ছড়ান যিনি অর্থাৎ সূর্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবিতা — এটি সূর্যের প্রতিশব্দ হওয়ায় সঠিক। B) অবনী — অবনী শব্দটির অর্থ পৃথিবী বা ধরণী, সূর্য নয়। C) সুধাকর — সুধাকর শব্দটির অর্থ চাঁদ বা চন্দ্র, সূর্য নয়। D) কলানিধি — কলানিধি শব্দটির অর্থ চাঁদের কলা বা চাঁদ, সূর্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য রবি, দিবাকর, ভাস্কর, তপন, সবিতা এবং ভানু এই নামগুলো একসাথে বারবার চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিশব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দগুলোর উৎস ও আক্ষরিক অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। একই রকম দেখতে চাঁদ ও পৃথিবীর প্রতিশব্দগুলোর সাথে সূর্যের প্রতিশব্দ গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a ভারতচন্দ্র রায়
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d মাইকেল মধুসূদন দত্ত
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: যুগসন্ধিক্ষণ বলতে মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মধ্যবর্তী সময়কে বোঝানো হয়। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কবিতায় মধ্যযুগের সাহিত্যের শেষ বৈশিষ্ট্য যেমন অলংকারপ্রয়োগ ও পীর-পাঞ্চালী এবং আধুনিক যুগের বৈশিষ্ট্য যেমন দেশপ্রেম ও সমকালীন সমাজের সমালোচনা একসঙ্গে পাওয়া যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক এবং তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তাকে বলা হয় বাংলা কাব্যের ভোরের পাখি কারণ তিনি মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়ে আধুনিক যুগের সূচনা করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের রচিত বিখ্যাত কবিতা হাপুছ হুপুছ। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় তৎকালীন সমাজের নানা অসংগতি ও বাস্তবচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদিত পত্রিকা সংবাদ প্রভাকর। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে অনেক নতুন লেখকের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল এবং বাংলা গদ্য ও পদ্যের বিকাশ ঘটেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র রায় — তিনি মধ্যযুগের সর্বশেষ এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে পরিচিত, কোনো যুগসন্ধিক্ষণের কবি নন। B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি যুগসন্ধিক্ষণের প্রধান কবি হিসেবে স্বীকৃত। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি বা বাংলা লিরিক কবিতার জনক হিসেবে পরিচিত, যুগসন্ধিক্ষণের কবি নন। D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি ও সনেটের প্রবর্তক, যুগসন্ধিক্ষণের কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সংযোগস্থল হলো সন্ধি আর এই সন্ধিক্ষণের প্রধান কবি হলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। এভাবে মনে রাখতে পারো যে গুপ্ত মানে লুকিয়ে থাকা যুগের সেতু বন্ধনকারী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। যুগসন্ধিক্ষণ ও ভোরের পাখি সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ও বিহারীলাল চক্রবর্তীর উপাধি গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a মি.উইলিয়াম
b উইলিয়াম কেরী
c রামরাম বসু
d জেসি মার্শম্যান
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উইলিয়াম কেরী ১. কেন সঠিক: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর এর বাংলা বিভাগ চালু করা হয় এবং এর প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান বিশিষ্ট মিশনারি ও পন্ডিত উইলিয়াম কেরী। তিনি বাংলা গদ্যের উন্নয়নে এবং পাঠ্যপুস্তক রচনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের চৌঠা মে কলকাতার ময়দানে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ সিভিল সার্ভিস অফিসারদের ভারতীয় ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানো। উইলিয়াম কেরী এই কলেজের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের প্রধান হিসেবে দীর্ঘকাল দায়িত্ব পালন করেন এবং বহু গ্রন্থ রচনা ও অনুবাদ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরীর রচিত গ্রন্থ কথোপকথন। ব্যাখ্যা: এটি ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে সেকালের কথ্য বাংলার চমৎকার রূপ পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরীর রচিত গ্রন্থ ইতিহাসমালা। ব্যাখ্যা: এটি ১৮১২ সালে প্রকাশিত গল্পের একটি সংকলন যা বাংলা গদ্যের প্রসারে সাহায্য করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মি.উইলিয়াম — এই নামে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের কোনো প্রধান ছিলেন না। B) উইলিয়াম কেরী — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান ছিলেন। C) রামরাম বসু — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের একজন পন্ডিত ছিলেন, প্রধান ছিলেন না। D) জেসি মার্শম্যান — তিনি শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কিন্তু ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ও কেরী শব্দ দুটি মনে রাখতে পারেন কারণ কেরী সাহেবই বিভাগটি প্রথম পরিচালনা করেন। বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে উইলিয়াম কেরীর নাম সবচেয়ে আগে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০০ সালে এবং বাংলা বিভাগ চালু হয় একই বছর। এই কলেজ কেন্দ্র করেই মূলত আধুনিক বাংলা গদ্য সাহিত্য চর্চার সূত্রপাত ঘটেছিল।
a সৃষ + টি
b সৃশ + তি
c <সৃজ্ + তি
d শ্রী + টি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) <সৃজ্ + তি ১. কেন সঠিক: সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ হলো 'সৃষ্টি'। এখানে মূল ধাতু বা প্রকৃতি হলো 'সৃজ্' এবং এর সাথে 'তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। শব্দের শুরুতে বা মধ্যে থাকা 'ঋ' কার এবং প্রকৃতির শেষের জ-ফলা বা ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী 'সৃজ্' ধাতুর সাথে 'তি' যুক্ত হয়ে 'সৃষ্টি' রূপ লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের উপসর্গ ও প্রত্যয় অংশের কৃৎপ্রত্যয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। ধাতুর সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎপ্রত্যয় বলে এবং সংস্কৃত নিয়মে গঠিত শব্দে এই পরিবর্তনগুলো দেখা যায়। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'সৃজ্' ধাতুর উত্তর 'ক্তি' প্রত্যয় যুক্ত হলে কিংবা 'তি' প্রত্যয় যোগে ট-বর্গীয় ধ্বনির প্রভাব দেখা যায়। এখানে 'সৃজ্' ধাতুর জ স্থানে ষ এবং ত স্থানে ট হয়ে 'সৃষ্টি' সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √কৃ + তি = ক্তি বা সৃষ্টি প্রক্রিয়ার মতো কৃতি ব্যাখ্যা: কৃ ধাতুর সাথে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃতি শব্দ গঠিত হয় যা একই ব্যাকরণিক নিয়মের অধীন। উদাহরণ ২: √বজ্ + তি = বস্তি ব্যাখ্যা: বজ ধাতু থেকে তি প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দের গঠনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যঞ্জন পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৃষ + টি — সৃষ নামের কোনো মৌলিক সংস্কৃত ধাতু ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। B) সৃশ + তি — সৃশ কোনো মূল ধাতু বা প্রকৃতি হিসেবে সঠিক রূপ নয়। D) শ্রী + টি — শ্রী ধাতু বা শব্দের সাথে তি প্রত্যয় যুক্ত হলে সৃষ্টি শব্দ তৈরি হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: সৃষ্টি শব্দটি দেখলে এর মূল ধাতু 'সৃজ্' মনে রাখবে কারণ এই ধাতুর শেষ বর্ণ জ পরিবর্তিত হয়ে ষ এবং ট হয়। পরীক্ষার হলে কৃৎপ্রত্যয় নির্ণয়ের সময় ধাতুর নিচে হসন্ত চিহ্ন আছে কি না তা খেয়াল করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রকৃতি ও প্রত্যয় প্রায়ই আসে যেখানে শব্দের ভিতরের ধাতু চেনার প্রয়োজন হয়। ব্যঞ্জনসন্ধি ও প্রত্যয়ের নিয়মের সংযোগস্থলগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a রামনিধি গুপ্ত
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c অতুলপ্রসাদ সেন
d সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অতুলপ্রসাদ সেন ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান ও তার রচয়িতা সম্পর্কিত। - মোদের গরব মোদের আশা আ-মরি বাংলা ভাষা গানটি বিখ্যাত সুরকার ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের রচনা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অতুলপ্রসাদ সেন আধুনিক বাংলা গানের অন্যতম প্রধান পুরুষ এবং স্বদেশী সঙ্গীতের এক অনন্য প্রবক্তা। - তিনি মূলত ভক্তিগীতি, প্রেমের গান এবং দেশাত্মবোধক গান রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী উঠ আদি-জগৎ-সংশ্রব ব্যাখ্যা: এটি অতুলপ্রসাদ সেনের রচিত আরেকটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: কে তোমায় এমন করে গান শেখাল পাখি ব্যাখ্যা: এটিও অতুলপ্রসাদ সেনের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামনিধি গুপ্ত — তিনি নিধু বাবু নামে পরিচিত এবং বাংলা টপ্পা গানের জন্য বিখ্যাত, এই গানের রচয়িতা নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি হলেও এই বিখ্যাত গানের রচয়িতা নন। C) অতুলপ্রসাদ সেন — এটি সঠিক উত্তর। D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত একজন বিশিষ্ট কবি, এই গানের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: অতুলপ্রসাদ মানেই দেশপ্রেমের গান এবং তার সবচেয়ে বড় সৃষ্টি হলো মোদের গরব মোদের আশা গানটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় লেখা এই গানটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। অতুলপ্রসাদ সেনের গানগুলো মূলত ভক্তি, প্রেম ও দেশপ্রেমের ত্রিবেণী সঙ্গম।
a চণ্ডীদাস
b বড়ু চণ্ডীদাস
c দ্বিজ চণ্ডীদাস
d দীন চণ্ডীদাস
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বড়ু চণ্ডীদাস কেন সঠিক: - ১৯০৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্বল্পভ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থেকে এই পুথি আবিষ্কার ও প্রকাশ করেন। - এই কাব্যের ভণিতায় 'বড়ু চণ্ডীদাস' নামটি স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অর্থাৎ বৈষ্ণব পদাবলীর প্রাচীনতম নিদর্শন। - এই কাব্যে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পৌরাণিক কাহিনী নাটকীয় ঢঙে রচিত হয়েছে। - কাব্যের মূল চরিত্র তিনটি যথা রাধা, কৃষ্ণ এবং বড়াই। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) চণ্ডীদাস — পদকর্তা চণ্ডীদাস এবং বড়ু চণ্ডীদাস অভিন্ন ব্যক্তি নন। - B) বড়ু চণ্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) দ্বিজ চণ্ডীদাস — ইনি মঙ্গলকাব্যের সমসাময়িক বা পরবর্তী অন্য একজন কবি। - D) দীন চণ্ডীদাস — ইনিও শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা নন, অন্য ধারার কবি। মনে রাখার টিপস: - কীর্তন শুনলে বড় বড় আনন্দ হয়, তাই শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সাথে বড়ু চণ্ডীদাস যুক্ত।
a questionere
b questioneer
c questionaire
d questionnaire
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) questionnaire কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানানের শুরুতে question অংশটি থাকে এবং এর সাথে naire যুক্ত হয়। এটি একটি ফরাসি ভাষার শব্দ থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে যার অর্থ প্রশ্নমালা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) questionere — এখানে বানানের শেষের অংশ ভুল আছে কারণ সঠিক বানানে naire ব্যবহৃত হয়। B) questioneer — এখানে শেষের অংশে eer ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। C) questionaire — এখানে বানানটিতে একটি n কম রয়েছে তাই এটি সঠিক নয়। D) questionnaire — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং আদর্শ ইংরেজি বানানরীতি মেনে চলে। মনে রাখার টিপস: question এর সাথে naire যোগ করে এই বানানটি মনে রাখা সহজ হয়।
a some
b any
c no
d none
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) any কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি না বোধক অর্থ প্রকাশ করে কারণ এতে never শব্দটি রয়েছে। - ইংরেজী ব্যাকরণ অনুযায়ী negative sentence বা না বোধক বাক্যে some এর পরিবর্তে any ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) some — এটি সাধারণত affirmative বা হাঁ বোধক বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না। B) any — এটি সঠিক কারণ বাক্যটি negative এবং এটি negative বাক্যে ব্যবহৃত হয়। C) no — বাক্যটিতে already never রয়েছে, তাই একই সঙ্গে আরেকটি negative শব্দ no বসলে double negative হয়ে ভুল অর্থ প্রকাশ করবে। D) none — এটি pronoun হিসেবে একা বসে, noun এর আগে determiner হিসেবে সরাসরি বসে কাজ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে never বা not থাকলে সাধারণত some না হয়ে any বসে।
a Sir Richard Burton
b Alexander Pope
c Smith
d None of them
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sir Richard Burton কেন সঠিক: স্যার রিচার্ড বার্টন অ্যারাবিয়ান নাইটস বইটি আরবি ভাষা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। তার এই অনুবাদ সাহিত্য বিশ্বে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রামাণিক হিসেবে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sir Richard Burton — এটি সঠিক অপশন এবং তিনি এই বিখ্যাত গ্রন্থটির অনুবাদক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) Alexander Pope — তিনি অ্যারাবিয়ান নাইটস এর লেখক নন, বরং তিনি একজন বিখ্যাত ইংরেজি কবি ও অনুবাদক। C) Smith — এই নামে কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিক অ্যারাবিয়ান নাইটস রচনার সাথে যুক্ত নন। D) None of them — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপشنটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: আরব্য রজনী বা অ্যারাবিয়ান নাইটস এর ইংরেজি রূপান্তর করেছিলেন স্যার রিচার্ড বার্টন।
a example
b priority
c elderly
d case
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) priority কেন সঠিক: Precedence শব্দের বাংলা অর্থ হলো অগ্রাধিকার বা সবার আগে পাওয়ার অধিকার। Priority শব্দের অর্থও ঠিক একই রকম অর্থাৎ কোনো কিছুকে অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) example — এর অর্থ উদাহরণ, যা precedence শব্দের অর্থের সাথে কোনোভাবেই মিলে না। B) priority — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য অপশনগুলোর মাঝে একমাত্র এটিই সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। C) elderly — এর অর্থ বয়োবৃদ্ধ বা বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ নির্দেশ করে। D) case — এর অর্থ ক্ষেত্র বা মামলা, যা precedence শব্দের অর্থকে সমর্থন করে না। মনে রাখার টিপস: Precedence শব্দটি শুনলেই মাথায় রাখবে প্রথমা বা প্রথম স্থান পাওয়ার কথা, যার ইংরেজি সমার্থক শব্দ হলো priority।
a about
b for
c at
d to
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: Indispensable শব্দটির পর সাধারণত সঠিক preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হলো কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বা অপরিহার্য। সফলতার জন্য সততা অত্যন্ত জরুরি বোঝাতে এই নিয়মটি প্রযোজ্য। তাই শূন্যস্থানে to বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও সঠিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) about — Indispensable শব্দের পর about বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) for — বাংলা অর্থে জন্য মনে হলেও এখানে সঠিক প্রিপোজিশন হিসেবে for ব্যবহার করা যায় না। C) at — স্থান বা নির্দিষ্ট দিকে বোঝাতে at বসে, যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না। D) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Indispensable শব্দের পর সর্বদা to প্রিপোজিশন বসে, এটি মুখস্থ রাখা ভালো।
a than Dhaka
b then those of Dhaka
c than those of Dhaka
d then Dhaka's
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) than those of Dhaka কেন সঠিক: বাক্যে তুলনার বিষয়টি চট্টগ্রাম ও ঢাকার রাস্তার মধ্যে হচ্ছে, কেবল ঢাকা শহরের সাথে নয়। তাই চট্টগ্রাম ও ঢাকার রাস্তার মধ্যে সঠিক তুলনা বোঝাতে singular nouns এর পরিবর্তে those of ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dhaka — এখানে চট্টগ্রামের রাস্তার সাথে সরাসরি ঢাকা শহরের তুলনা করা হয়েছে যা অর্থগতভাবে ভুল। B) then those of Dhaka — এখানে তুলনার জন্য then ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক তুলনামূলক শব্দ than নয়। D) then Dhaka's — এখানে বানান ভুল হিসেবে then ব্যবহার করা হয়েছে এবং তা গ্রামারের নিয়মের বাইরে। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার সময় একই জাতীয় জিনিসের মধ্যে তুলনা করতে হয় এবং আগের noun এর বহুবচন বোঝাতে those of ব্যবহার করতে হয়।
a A.T. Dev
b Chaucer
c Sir Thomas
d Samuel Johnson
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Samuel Johnson কেন সঠিক: ডক্টর স্যামুয়েল জনসন ১৭৫৫ সালে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইংরেজি অভিধান সংকলন করেন। তাঁর এই বিখ্যাত অভিধানটির নাম ছিল এ ডিকশনারি অব দ্য ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A.T. Dev — তিনি আধুনিক যুগের একজন বাঙালি lexicographer বা অভিধান প্রণেতা। B) Chaucer — জিওফ্রে চসার মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত ইংরেজ কবি ও সাহিত্যিক। C) Sir Thomas — স্যার টমাস বলতে এখানে স্যার টমাস ব্রাউন বা স্যার টমাস ম্যালোরিকে বোঝানো হয়েছে, যারা অভিধান প্রণেতা নন। D) Samuel Johnson — ইনি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রথম অভিধানের জনক হিসেবে স্যামুয়েল জনসনের নাম ১৭৫৫ সালের সাথে মনে রাখবে।
a Where did the seen by you?
b Where was he see by you?
c Where was seen by you?
d Where was he seen by you?
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Where was he seen by you? কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এর Interrogative Sentence হওয়ায় Passive voice করার সময় Where অপরিবর্তিত থাকে এবং সাবজেক্ট অনুযায়ী was বসে। মূল verb-এর V3 বা past participle রূপ এবং তার পূর্বে object-কে subject হিসেবে বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Where did the seen by you? — এখানে Auxiliary verb ভুল আছে এবং মূল verb-এর সঠিক রূপ নেই। B) Where was he see by you? — এখানে see verb-এর V3 রূপ (seen) ব্যবহার করা হয়নি। C) Where was seen by you? — এখানে passive form-এ কোনো subject ব্যবহার করা হয়নি। D) Where was he seen by you? — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: WH word যুক্ত Interrogative sentence-কে Passive করার সময় WH word অপরيবর্তিত রেখে Tense অনুযায়ী Auxiliary verb এবং V3 বসাতে হয়।
a King victor I
b Victory of the British Empire
c The Victors in the war against the French
d Queen Victoria
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Queen Victoria কেন সঠিক: ১৮৩৭ সাল থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৬৪ বছর যুক্তরাজ্য শাসন করেন রানি ভিক্টোরিয়া। তাঁর এই দীর্ঘ এবং প্রভাবশালী রাজত্বকালকে ইংরেজি সাহিত্যে ও ইতিহাসে ভিক্টোরিয়ান যুগ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) King victor I — এই নামে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ইতিহাসে কোনো রাজা কখনো সিংহাসনে বসেননি। B) Victory of the British Empire — এটি কোনো যুদ্ধজয়ের নাম নয়, বরং এটি একজন নির্দিষ্ট শাসকের রাজত্বকাল নির্দেশ করে। C) The Victors in the war against the French — ফরাসিদের বিরুদ্ধে জয়লাভের সাথে এই যুগের নামকরণের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Queen Victoria — এটি সঠিক কারণ তাঁর নামানুসারেই এই পুরো সাহিত্য ও ইতিহাসের যুগের নামকরণ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: রানি ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে ভিক্টোরিয়ান যুগের নামকরণ করা হয়েছে, তাই যুগটির নাম দেখলেই রানির কথা মনে রাখবে।
a London and Washington
b London and Paris
c London and Rome
d London and Berlin
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) London and Paris কেন সঠিক: উপন্যাসটির মূল পটভূমি অষ্টাদশ শতাব্দীতে ফরাসি বিপ্লবের সময়কার ইংল্যান্ডের লন্ডন এবং ফ্রান্সের প্যারিস শহরকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে। এই দুটি শহরের সামাজিক ও রাজনৈতিক বৈপরীত্য ফুটিয়ে তুলতে লেখক এই নাম ব্যবহার করেছেন। চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) London and Washington — ওয়াশিংটন শহরটি এই উপন্যাসের পটভূমির সাথে সম্পর্কিত নয়। B) London and Paris — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) London and Rome — রোম শহরটি এই উপন্যাসের মূল ঘটনার সাথে যুক্ত নয়। D) London and Berlin — বার্লিন শহরটি এই উপন্যাসের কাহিনীর অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্সের এই উপন্যাসের দুটি প্রধান শহর হলো লন্ডন এবং প্যারিস।
a Shakespeare
b Gorge Orwell
c RFA Sully Prudhomme
d Anna Seward
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) RFA Sully Prudhomme কেন সঠিক: সুল্লি প্রুধম ১৯০১ সালে সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি একজন ফরাসি কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। প্রথম নোবেল বিজয়ী হিসেবে সাহিত্য ইতিহাসে তাঁর নাম অমর হয়ে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakespeare — তিনি অনেক আগেই মারা যান এবং তাঁর মৃত্যুর বহু পরে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তিত হয়। B) Gorge Orwell — তিনি তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও প্রথম নোবেল পুরস্কার পাননি। C) RFA Sully Prudhomme — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Anna Seward — তিনি একজন ইংরেজ কবি ছিলেন কিন্তু নোবেল পুরস্কার পাননি। মনে রাখার টিপস: সাহিত্যের প্রথম নোবেল মনে রাখতে ফরাসি কবি সুল্লি প্রুধম নামটি মনে রাখবে।
a Apxes
b Apices
c Apexos
d Apexeon
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: বি) Apices কেন সঠিক: ল্যাটিন বা গ্রিক উৎস থেকে আসা যেসব শব্দের শেষে এক্স থাকে, তাদের বহুবচন করার সময় এক্স তুলে দিয়ে আইসিইএস যোগ করতে হয়। অ্যাপেক্স শব্দটি ল্যাটিন ভাষা থেকে এসেছে বলে এর সঠিক বহুবচন রূপটি এপাইসেস হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: এ) এপক্ষেস — সাধারণ ইংরেজি নিয়মে ইএস যোগ করে এই বহুবচনটি তৈরি করা হয়েছে যা এই বিশেষ শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। বি) এপাইসেস — এটিই সঠিক উত্তর কারণ ল্যাটিন নিয়মে এক্স পরিবর্তন হয়ে আইসিইএস যুক্ত হয়েছে। সি) অপেক্সোস — এখানে অতিরিক্ত ওএস যুক্ত করা হয়েছে যা ইংরেজি ব্যাকরণের কোনো নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়নি। ডি) এপেক্সিঅন — এই শব্দরূপটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ইংরেজি বা ল্যাটিন ব্যাকরণে এর কোনো ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় ল্যাটিন থেকে আসা যেসব শব্দের শেষে এক্স বা ইস থাকে, তাদের বহুবচন সাধারণত আইসিইএস দিয়ে শেষ হয়।
a I know what you are
b I know who you are
c I know who are you
d I know what are you
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I know who you are কেন সঠিক: প্রদত্ত Simple বাক্যটিকে Complex করার জন্য Object-কে an adjective clause-এ রূপান্তর করতে হয়। এখানে 'you' ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ায় 'who' relative pronoun ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে। Complex বাক্যের subordinate clause-টিতে প্রথমে subject এবং পরে verb বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I know what you are — 'what' বস্তুর ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু এখানে ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে তাই এটি ভুল। B) I know who you are — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) I know who are you — clause-এর ভেতর verb আগে চলে আসায় নিয়ম অনুযায়ী গঠনটি ভুল হয়েছে। D) I know what are you — এখানে ভুল pronoun ব্যবহারের পাশাপাশি verb-এর ভুল অবস্থান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Simple থেকে Complex করার সময় relative pronoun বসানোর পর প্রথমে Subject এবং পরে Verb বসে।
a The way of the world
b Hamlet
c Oedipus Rex
d Macbeth
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Macbeth কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি 'ম্যাকবেথ' নাটকের শুরুতে তিন ডাইনি বা উইডান সিস্টার্স আত্মপ্রকাশ করে। - এই ডাইনিগুলোর ভবিষ্যৎবাণীই ম্যাকবেথকে সিংহাসন লোভী করে তোলে এবং নাটকের মূল ট্র্যাজেডির সূচনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The way of the world — এটি উইলিয়াম কংগ্রিভের একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক, যেখানে কোনো ডাইনির চরিত্র নেই। B) Hamlet — এটি শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি হলেও এর মূল চরিত্র রাজকুমার হ্যামলেট এবং এখানে কোনো ডাইনির উপস্থিতি নেই। C) Oedipus Rex — এটি সোফোকলিসের একটি ধ্রুপদী গ্রিক ট্র্যাজেডি, যা গ্রিক মিথলজির ওপর ভিত্তি করে রচিত এবং এতে কোনো ডাইনি নেই। D) Macbeth — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এই নাটকের প্লট আবর্তিত হয়েছে তিন ডাইনির ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে। মনে রাখার টিপস: ম্যাকবেথ নাটকের শুরুতে তিন ডাইনির ভবিষ্যদ্বাণী থেকেই গল্পের মূল দ্বন্দ্ব ও ট্র্যাজেডির শুরু হয়।
a Jingle
b ticks
c Rustle
d Patters
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Patters কেন সঠিক: বৃষ্টির ফোঁটা যখন কোনো কঠিন বস্তুর ওপর ঝরে পড়ে, তখন যে ছান্দিক ও মৃদু শব্দের সৃষ্টি হয় তাকে ইংরেজিতে প্যাটাস বা patters বলা হয়। এটি সাধারণত বৃষ্টির ফোটার সুনির্দিষ্ট ধ্বনি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। বৃষ্টির শব্দের জন্য এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড শব্দ। এই শব্দটি ইংরেজিতে বিশেষভাবে বৃষ্টির শব্দ নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jingle - এটি মূলত কোনো ধাতব বা চাবির টুংটাং শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, বৃষ্টির শব্দের জন্য নয়। B) ticks - এটি ঘড়ির কাঁটার টিকটিক শব্দ বা ছোট কোনো শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Rustle - এটি পাতার মর্মর ধ্বনি বা শুকনো পাতার নড়ার শব্দ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) Patters - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বৃষ্টির ফোটার পতনের শব্দ মনে রাখতে পি অক্ষর দিয়ে শুরু প্যাটাস বা patters শব্দটি মাথায় রাখবে।
a Donne
b Shelly
c Tennyson
d Coleridge
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Shelly কেন সঠিক: উদ্ধৃতিটি বিখ্যাত রোমান্টিক কবি পার্সি বিশ শেলির ওড টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড কবিতার শেষ লাইন। তিনি মানুষের জীবনে দুঃখের পর সুখ আসবে বোঝাতে এই রূপক ব্যবহার করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Donne — জন ডন মেটাফিজিক্যাল কবি ছিলেন এবং তিনি এই লাইনটি লেখেননি। B) Shelly — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই বিখ্যাত পংক্তিটির রচয়িতা। C) Tennyson — লর্ড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি ছিলেন এবং তিনি অন্য ধারার কবিতা লিখেছেন। D) Coleridge — কোলরিজ রোমান্টিক যুগের কবি হলেও তিনি অলৌকিক ও রহস্যময় কবিতা লেখার জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: শেলির নাম মনে রাখতে ওড টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড কবিতার শেষ লাইনটি বারবার মনে করতে পারো।
a 20
b 190
c 380
d 760
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৮০ প্রদত্ত তথ্য: মোট সদস্য সংখ্যা = ২০ নির্বাচন করতে হবে = ১ জন অধিনায়ক এবং ১ জন সহ-অধিনায়ক ধরি, অধিনায়ক নির্বাচন করা যাবে = ২০ উপায়ে সহ-অধিনায়ক নির্বাচন বাকি থাকে = ১৯ জনের মধ্য থেকে ১ জন অতএব, অধিনায়ক নির্বাচন করার পর বাকি সদস্য = ১৯ জন সহ-অধিনায়ক নির্বাচন করা যাবে = ১৯ উপায়ে সুতরাং, মোট নির্বাচনের উপায় = ২০ × ১৯ = ৩৮০ উত্তর: ৩৮০
a 160
b 80
c 36
d 48
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৮ প্রদত্ত তথ্য: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি = ১৬ একক সমান দুটি বাহুর প্রতিটি = ১০ একক ধরি, ত্রিভুজের সমান বাহু দুটিকে a এবং ভূমিকে b ধরা হলো এখানে a = ১০ এবং b = ১৬ অতএব, ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো (b ÷ ৪) × √(৪ × a × a − b × b) মানগুলো বসিয়ে পাই, (১৬ ÷ ৪) × √(৪ × ১০ × ১০ − ১৬ × ১৬) সুতরাং, চার গুণ ১০০ বিয়োগ ২৫৬ যা হিসাব করলে হয় চার গুণ √১৪৪ বা চার গুণ ১২ উত্তর: ৪৮ বর্গ একক
a 315
b 530
c 630
d 525
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৩০ প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ১,২৬০ টাকা ডলি ও লিলি সমান টাকা পায় বনি ডলির দ্বিগুণ টাকা পায় ধরি, লিলি পায় = ক টাকা ডলি পায় = ক টাকা বনি পায় = ২ক টাকা অতএব, মোট টাকা = লিলি + ডলি + বনি ক + ক + ২ক = ১,২৬০ সুতরাং, ৪ক = ১,২৬০ ক = ৩১৫ উত্তর: বনির টাকা = ২ × ৩১৫ = ৬৩০ টাকা
a 101
b 102
c 75
d 59
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০১ প্রদত্ত তথ্য: অনুক্রমটি হলো ৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩, পরবর্তী সংখ্যা ধরি, প্রথম পদের সাথে যোগ হলো ৩ দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ হলো ৬ অতএব, তৃতীয় পদের সাথে যোগ হলো ১২ চতুর্থ পদের সাথে যোগ হলো ২৪ সুতরাং, পঞ্চম পদের সাথে যোগ হবে ৪৮ উত্তর: ৫৩ + ৪৮ = ১০১
a ৬০ বার
b ১২০ বার
c ১৮০ বার
d ৭৬০ বার
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮০ বার প্রদত্ত তথ্য: SCIENCE শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে ৭টি এখানে স্বরবর্ণ আছে ৩টি (I, E, E) এখানে ব্যঞ্জনবর্ণ আছে ৪টি (S, C, N, C) ধরি, ৩টি স্বরবর্ণকে একটি বর্ণ হিসেবে বিবেচনা করি তাহলে মোট বর্ণ হয় ১টি + ৪টি = ৫টি এবং E বর্ণটি আছে ২টি অতএব, ৫টি বর্ণকে সাজানো যায় = ৫! ÷ ২! = ১২০ ÷ ২ = ৬০ উপায়ে ৩টি স্বরবর্ণ নিজেদের মধ্যে সাজানো যায় = ৩! ÷ ২! = ৬ ÷ ২ = ৩ উপায়ে সুতরাং, মোট সাজানোর সংখ্যা = ৬০ × ৩ = ১৮০ বার উত্তর: ১৮০ বার
a ৪৮ ফুট
b ৪১ ফুট
c ৪৪ ফুট
d ৪৩ ফুট
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪১ ফুট প্রদত্ত তথ্য: বাড়িটির উচ্চতা = ৪০ ফুট দেওয়াল থেকে মইয়ের দূরত্ব = ৯ ফুট ধরি, মইটির দৈর্ঘ্য অতিভুজ = ক ফুট অতএব, সমকোণী ত্রিভুজের পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার = অতিভুজ স্কয়ার সুতরাং, ৪০ স্কয়ার + ৯ স্কয়ার = ক স্কয়ার ১৬০০ + ৮১ = ক স্কয়ার উত্তর: ১৬৮১ এর বর্গমূল = ৪১ ফুট
a 21
b 23
c 24
d 22
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২ প্রদত্ত তথ্য: ১২ ও ৯৬ এর মধ্যে (এ দুটি সংখ্যাসহ) ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলো নির্ণয় করতে হবে। প্রথম সংখ্যাটি হলো ১২ এবং শেষ সংখ্যাটি হলো ৯৬। ধরি, ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলো একটি সমান্তর ধারা গঠন করে। যেখানে প্রথম পদ (a) = ১২ সাধারণ অন্তর (d) = ৪ অতএব, ধরি, শেষ পদ বা এন-তম পদ (nth term) = ৯৬ সমান্তর ধারার সূত্র অনুযায়ী, a + (n − 1) × d = ৯৬ মান বসিয়ে পাই, ১২ + (n − 1) × ৪ = ৯৬ সুতরাং, (n − 1) × ৪ = ৯৬ − ১২ = ৮৪ n − 1 = ৮৪ ÷ ৪ = ২১ উত্তর: n = ২১ + ১ = ২২ টি
a ১ মি.২০ সে.
b ১ মি. ৩০ সে.
c ৩ মি.
d ৫ মি.
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ মি. প্রদত্ত তথ্য: ঘণ্টাগুলো বাজার পর ১০ সেকেন্ড, ১৫ সেকেন্ড, ২০ সেকেন্ড এবং ২৫ সেকেন্ড পর পর বাজতে থাকে ধরি, ঘণ্টাগুলোর একত্রে বাজার সময় নির্ণয় করতে হবে এই সময়ের পরিমাণ হবে ১০, ১৫, ২০ এবং ২৫ এর লসাগু অতএব, ১০ এর উৎপাদক = ২ × ৫ ১৫ এর উৎপাদক = ৩ × ৫ সুতরাং, ২০ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ৫ ২৫ এর উৎপাদক = ৫ × ৫ উত্তর: লসাগু = ৩ × ৫ × ৫ × ৪ = ৩০০ সেকেন্ড বা ৫ মিনিট
a ২০%
b ১৬%
c ১৮%
d ১৫%
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০% প্রদত্ত তথ্য: চালের দাম বৃদ্ধি পেল ২৫% সাংসারিক ব্যয় অপরিবর্তিত রাখতে হবে ধরি, পূর্বের চালের দাম = ১০০ টাকা বর্তমান চালের দাম = ১২৫ টাকা অতএব, ১২৫ টাকার চালের ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ টাকা ১ টাকার চালের ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ ÷ ১২৫ টাকা ১০০ টাকার চালের ব্যবহার কমাতে হবে = (২৫ × ১০০) ÷ ১২৫ টাকা সুতরাং, হিসাব করে পাওয়া যায় ২০ টাকা উত্তর: ২০%
a ৪৭টি
b ৪৮টি
c ৪৯টি
d ৫০টি
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪টি কেন সঠিক: - ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনার বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য এই সনদ প্রণয়ন করেন। - ঐতিহাসিক এই সনদে মোট ৪৭টি ধারা ছিল, যার মাধ্যমে মদিনার প্রথম ইসলামী রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৭টি — এটি মদিনা সনদের সঠিক ধারা সংখ্যা এবং ঐতিহাসিক দলিল দ্বারা প্রমাণিত। B) ৪৮টি — এটি ভুল সংখ্যা, ঐতিহাসিক সনদে এই পরিমাণ ধারা ছিল না। C) ৪৯টি — এটি মদিনার সনদের ধারার সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই এবং সম্পূর্ণ অবাস্তব। D) ৫০টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা, বিভ্রান্ত করার জন্য এই অপশনটি ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: মদিনা সনদের ধারা ৪৭টি মনে রাখতে 'মদিনা' শব্দটির অক্ষর বা একটি নির্দিষ্ট কাল্পনিক জোড় মনে রাখতে পারেন, যেখানে ৪ এবং ৭ যোগ করলে ১১ হয় কিন্তু সংখ্যাটি ৪৭।
a স্পেন
b জাপান
c ইংল্যান্ড
d ফ্রান্স
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফ্রান্স কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে বর্তমান ফ্রান্স ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নাম ছিল গল বা গালিয়া। - ঐতিহাসিক রোমান সাম্রাজ্যের যুগে অঞ্চলটি গল নামে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পেন — স্পেনের প্রাচীন নাম ছিল হিস্পানিয়া, গল নয়। B) জাপান — জাপানের প্রাচীন নাম ছিল ওয়া বা জিপং, গল নয়। সি) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ডের প্রাচীন নাম ছিল ব্রিটেন বা অ্যালবিয়ন, গল নয়। D) ফ্রান্স — এই অপশনটি সঠিক কারণ ফ্রান্সের প্রাচীন নামই হলো গল। মনে রাখার টিপস: ফ্রান্সের ফুটবল দলের প্রতীক মোরগ, আর ফ্রান্সের প্রাচীন নাম গল (Gaul)।
a হেরোডোটাস
b এরিস্টটল
c টায়ানবি
d ইবনে খালদুন
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হেরোডোটাস কেন সঠিক: - তিনি খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে গ্রিক-পারস্য যুদ্ধের ইতিহাস লিখে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘটনার সুশৃঙ্খল বিবরণ তুলে ধরেন। - রোমান দার্শনিক সিসেরো তাঁকে ইতিহাসের জনক হিসেবে আখ্যায়িত করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেরোডোটাস — ইনিই ইতিহাসের জনক এবং তাঁর ইতিহাস রচনার মাধ্যমে এই শাস্ত্রের সূচনা হয়। B) এরিস্টটল — তিনি ইতিহাসের জনক নন, বরং তাকে জীববিজ্ঞান এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। C) টায়ানবি — তিনি একজন প্রভাবশালী আধুনিক ইতিহাসবিদ ও দার্শনিক, তবে ইতিহাসের জনক নন। D) ইবনে খালদুন — তিনি সমাজবিজ্ঞান ও আধুনিক ইতিহাস দর্শনের জনক হিসেবে পরিচিত, ইতিহাসের প্রাচীন জনক নন। মনে রাখার টিপস: হ দিয়ে ইতিহাস এবং হ দিয়ে হেরোডোটাস, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
a যুক্তরাজ্য
b আমেরিকা
c ইসরাইল
d ভারত
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাজ্য প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাধারণ জ্ঞান কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্যে লিখিত সংবিধান নেই এবং তাদের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ও মূল্যবোধ শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্য ও প্রথার ওপর প্রতিষ্ঠিত। - বিশ্বের আধুনিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংসদীয় ব্যবস্থার ভিত্তি যুক্তরাজ্যে প্রথম গড়ে উঠেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের সাংবিধানিক ঐতিহ্য ও রাজনৈতিক মূল্যবোধ বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে প্রাচীনগুলোর একটি। B) আমেরিকা — তুলনামূলক নবীন রাষ্ট্র হিসেবে এর সংবিধান এবং আধুনিক মূল্যবোধ অষ্টাদশ শতাব্দীতে গঠিত হয়েছে। C) ইসরাইল — এটি একটি আধুনিক রাষ্ট্র যা উনিশশো আটচল্লিশ সালে প্রতিষ্ঠার পর নিজেদের রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধ গড়ে তুলেছে। D) ভারত — প্রাচীন সভ্যতা হলেও আধুনিক গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে ভারতের সংবিধান উনিশশো পঞ্চাশ সালে কার্যকর হয়। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন মূল্যবোধের দেশ বললেই রাজতন্ত্র ও দীর্ঘ ঐতিহ্যের দেশ যুক্তরাজ্যকে মনে রাখবে।
a মিয়ানমার, ইরান
b ইরান, মিয়ানমার
c মিয়ানমার, জর্ডান
d জর্ডান, মিয়ানমার
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিয়ানমার, জর্ডান কেন সঠিক: - আকিয়াব বন্দরটি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর। - আকাবা বন্দরটি জর্ডানের একমাত্র সমুদ্রবন্দর এবং এটি লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিয়ানমার, ইরান — ইরান সঠিক নয় কারণ আকাবা বন্দর জর্ডানে অবস্থিত, ইরানে নয়। B) ইরান, মিয়ানমার — আকিয়াবের সাথে ইরানের কোনো সমুদ্রবন্দর নেই এবং ক্রম উল্টো দেওয়া হয়েছে। C) মিয়ানমার, জর্ডান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ দুটি বন্দর যথাক্রমে এই দুটি দেশেরই সমুদ্রবন্দর। D) জর্ডান, মিয়ানমার — বন্দর দুটির ক্রম উল্টো দেওয়া হয়েছে, কারণ প্রথমে আকিয়াব ও পরে আকাবা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আ-আ দিয়ে মনে রাখুন আকিয়াব মিয়ানমারে এবং আকাবা জর্ডানে অবস্থিত।
a ১ মাসের জন্য
b ১ বছরের জন্য
c ২ মাসের জন্য
d ২ বছরের জন্য
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ মাসের জন্য কেন সঠিক: - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি পজিশনটি ঘূর্ণায়মান পদ্ধতিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পরিবর্তিত হয়। - পরিষদের ১৫টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রত্যেকে পালাক্রমে প্রতি ১ মাসের জন্য সভাপতির দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ মাসের জন্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব প্রতি মাসেই পরিবর্তিত হয়। B) ১ বছরের জন্য — এই মেয়াদটি নিরাপত্তা পরিষদের সাধারণ বা স্থায়ী সদস্যদের মেয়াদ বা অন্য কোনো পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, সভাপতির জন্য নয়। C) ২ মাসের জন্য — নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্বের মেয়াদ ২ মাস নয়, তাই এটি ভুল। D) ২ বছরের জন্য — এই মেয়াদটি নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যদের নির্বাচিত থাকার সময়কাল নির্দেশ করে, সভাপতির মেয়াদকাল নয়। মনে রাখার টিপস: নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি পদের মেয়াদ ক্যালেন্ডারের মাসের হিসাব অনুসারে ১ মাস করে নির্ধারিত হয়।
a আইভর জেনিংস
b অধ্যাপক লাস্কি
c জন লক
d আব্রাহাম লিংকন
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আইভর জেনিংস কেন সঠিক: - গণতন্ত্রের মূল শর্ত হলো কার্যকর বিরোধী দল, যা এই উক্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। - বিশিষ্ট ব্রিটিশ আইনবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী স্যার আইভর জেনিংস গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে বিরোধী দলের অপরিহার্যতা বোঝাতে এই মন্তব্য করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইভর জেনিংস — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি গণতন্ত্রে বিরোধী দলের গুরুত্ব সম্পর্কে এই সুপরিচিত মন্তব্যটি করেছেন। B) অধ্যাপক লাস্কি — তিনি রাজনৈতিক বহুত্ববাদ এবং অধিকারের তত্ত্ব নিয়ে কাজ করলেও এই নির্দিষ্ট উক্তিটির প্রবক্তা নন। C) জন লক — তিনি আধুনিক উদারতাবাদের জনক এবং সামাজিক চুক্তি মতবাদের প্রবক্তা, বিরোধী দল নিয়ে এই উক্তিটি তাঁর নয়। D) আব্রাহাম লিংকন — তিনি গণতন্ত্রের বিখ্যাত সংজ্ঞা দিলেও বিরোধী দল সম্পর্কিত এই উক্তিটির সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: আইভর জেনিংস হলেন এমন একজন আইনবিদ, যিনি মনে করতেন বিরোধী দল ছাড়া প্রকৃত গণতন্ত্র চলে না।
a স্পেন
b নেদারল্যান্ড
c পর্তুগাল
d ডেনমার্ক
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডেনমার্ক কেন সঠিক: - ডেনমার্কের অধিবাসী বা অভিবাসীদের বাংলা ভাষায় ঐতিহ্যগতভাবে দিনেমার বলা হয়। - প্রাচীনকালে ডেনমার্কের পূর্বনাম ছিল ডেনমার্ক এবং তাদের ভাষাকে ডেনিশ বা দিনেমার বলা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পেন — স্পেনের অধিবাসীদের স্পেনীয় বলা হয়, দিনেমার বলা হয় না। B) নেদারল্যান্ড — নেদারল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বলা হয়, দিনেমার বলা হয় না। C) পর্তুগাল — পর্তুগালের অধিবাসীদের পর্তুগিজ বলা হয়, দিনেমার বলা হয় না। D) ডেনমার্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডেনমার্কের অভিবাসীদেরই দিনেমার বলা হয়। মনে রাখার টিপস: ড দিয়ে ডেনমার্ক এবং ড দিয়ে দিনেমার, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
a গণতন্ত্রের চর্চা করার জন্য
b ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য
c জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য
d গণতন্ত্র সম্পর্কে জানার জন্য
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও নাগরিকতা সঠিক উত্তর: B) ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য কেন সঠিক: - গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মূল লক্ষ্য হলো নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করা। - এটি সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে এবং মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে নিরাপদ রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণতন্ত্রের চর্চা করার জন্য — এটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যম বা প্রক্রিয়া হতে পারে, মূল উদ্দেশ্য নয়। B) ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য — এটি মূলত রাষ্ট্র ও আইনের সাধারণ দায়িত্ব, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিশেষ লক্ষ্য নয়। D) গণতন্ত্র সম্পর্কে জানার জন্য — এটি তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জনের বিষয়, মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য নয়। মনে রাখার টিপস: গণতন্ত্র মানেই মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতা, তাই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রধান কাজ হলো ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
a আর্থার বেলফোর
b থিওডোর হার্জেল
c মোনাটেম বেগিন
d ব্যারন এডমন্ড বথচাইন্ড
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) থিওডোর হার্জেল কেন সঠিক: - থিওডোর হার্জেল আধুনিক রাজনৈতিক জায়নবাদের প্রবক্তা এবং ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মূল স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন। - তিনি ১৮৯৬ সালে জুডেনস্টেট বা ইহুদি রাষ্ট্র নামক গ্রন্থ রচনা করে ইহুদিদের জন্য একটি স্বতন্ত্র ভূমি গঠনের ধারণা দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্থার বেলফোর — তিনি ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন এবং ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার বেলফোর ঘোষণা প্রদান করেন। B) থিওডোর হার্জেল — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) মোনাটেম বেগিন — তিনি ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা নন। D) ব্যারন এডমন্ড বথচাইন্ড — তিনি ইহুদি বসতি স্থাপনে আর্থিক সহায়তা প্রদানকারী একজন ধনী দানশীল ব্যক্তি ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ইহুদি রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখে হৃদয় জয় করেছিলেন থিওডোর হার্জেল, তাই হার্জেল হলো স্বপ্নদ্রষ্টা।
a জার্মানিতে
b যুক্তরাষ্ট্রে
c ইংল্যান্ডে
d আমেরিকায়
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জার্মানিতে কেন সঠিক: - ব্ল্যাক ফরেস্ট বা কালো বন জার্মানির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বাডেন-ভুর্টemberg রাজ্যে অবস্থিত একটি পাহাড়ি জঙ্গলময় অঞ্চল। - ঘন পাইন গাছের সমারোহের কারণে এই বনের ভেতরটা বেশ অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে, যার ফলে এর নাম হয়েছে ব্ল্যাক ফরেস্ট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানিতে — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্ল্যাক ফরেস্ট এই দেশেই অবস্থিত। B) যুক্তরাষ্ট্রে — এটি ভুল কারণ যুক্তরাষ্ট্র বা আমেরিকা মহাদেশে বিখ্যাত এই বনটি অবস্থিত নয়। C) ইংল্যান্ডে — এটি ভুল কারণ ইংল্যান্ড ইউরোপের অন্য একটি দেশ এবং ব্ল্যাক ফরেস্ট সেখানে নেই। D) আমেরিকায় — এটি ভুল কারণ আমেরিকা এবং যুক্তরাষ্ট্র একই দেশ এবং এই নামকরণের কোনো বিখ্যাত বন সেখানে নেই। মনে রাখার টিপস: জার্মানি দেশের বিখ্যাত বিয়ার এবং চকলেটের মতোই এর ব্ল্যাক ফরেস্ট নামক ঘন জঙ্গলটিও বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
a হুয়ান সোমাভিয়া
b ডোমিনিক স্ত্রসকান
c প্যাসকাল লেমি
d জিম ইয়ং কিম
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জিম ইয়ং কিম কেন সঠিক: - জিম ইয়ং কিম ২০১২ সালে বিশ্বব্যাংকের দ্বাদশ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম কোরীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুয়ান সোমাভিয়া — তিনি বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ছিলেন না, বরং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) দীর্ঘসময়ের মহাপরিচালক ছিলেন। B) ডোমিনিক স্ত্রসকান — তিনি বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তিনি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। C) প্যাসকাল লেমি — তিনি বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) সাবেক মহাপরিচালক ছিলেন। D) জিম ইয়ং কিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী জিম ইয়ং কিম নামটি মনে রাখতে কিম শব্দটির সঙ্গে বিশ্বব্যাংক যুক্ত করে নিতে পারেন।
a পরী বিবি
b ইরান দুখত
c জাহানারা
d বিবি মরিয়ম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরান দুখত কেন সঠিক: - লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরে অবস্থিত বিখ্যাত পরী বিবির মাজারের মূল শায়িত নারীর আসল নাম ইরান দুখত। - তিনি ছিলেন বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খানের অতি প্রিয় কন্যা, যাকে মৃত্যুর পর এই দুর্গে সমাহিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরী বিবি — এটি তার আসল নাম নয়, বরং এটি তার একটি জনপ্রিয় ও আলংকারিক উপনাম বা ডাকনাম ছিল। C) জাহানারা — এটি মোঘল সম্রাট শাহজাহানের জ্যেষ্ঠ কন্যার নাম, যার সাথে লালবাগ দুর্গের এই ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই। D) বিবি মরিয়ম — ইনিও শায়েস্তা খানের পরিবারভুক্ত এবং লালবাগ দুর্গে তার মাজার রয়েছে, তবে তিনি কন্যা নন। মনে রাখার টিপস: শায়েস্তা খানের কন্যার আসল নাম ইরান দুখত আর পরী বিবি হলো তার আদরের ডাকনাম।
a আসাম যুদ্ধে
b পিলখানা যুদ্ধে
c পলাশীর যুদ্ধে
d রাজমহলের যুদ্ধে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আসাম যুদ্ধে কেন সঠিক: - সুবাদার মীরজুমলা ১৬৬২ সালে আসাম ও কোচবিহার অভিযানে এই বিখ্যাত কামানটি ব্যবহার করেছিলেন। - বিশাল আকৃতির এই কামানটি মোঘল সেনাপতির সামরিক শক্তির প্রতীক হিসেবে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসাম যুদ্ধে — এটি সঠিক উত্তর কারণ মীরজুমলা আসাম অভিযানের সময় এই ভারী কামানটি সফলভাবে ব্যবহার করেছিলেন। B) পিলখানা যুদ্ধে — পিলখানা কোনো ঐতিহাসিক যুদ্ধের নাম নয়, তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ অসঙ্গত। C) পলাশীর যুদ্ধে — পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল ১৭৫৭ সালে ব্রিটিশ ও সিরাজউদ্দৌলার মধ্যে, যেখানে মীরজুমলার কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না। D) রাজমহলের যুদ্ধে — রাজমহলের যুদ্ধ মোঘলদের বাংলার অধিকার সুদৃঢ় করার সময় সংঘটিত হলেও এটি মীরজুমলার কামানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: মীরজুমলার নাম আসাম অভিযানের সঙ্গে সরাসরি জড়িত, তাই মীরজুমলার কামান মানেই আসাম যুদ্ধ।
a ক্যাপ্টেন হকিন্স
b এডওয়ার্ডস
c স্যার টমাস রো
d উইলিয়াম কেরি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্যাপ্টেন হকিন্স কেন সঠিক: - ১৬০৮ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে প্রথম ইংরেজ দূত হিসেবে আসেন ক্যাপ্টেন উইলিয়াম হকিন্স। - তিনি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্যের অনুমতি চাওয়ার জন্য মুঘল রাজসভায় উপস্থিত হয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যাপ্টেন হকিন্স — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি সবার আগে জাহাঙ্গীরের দরবারে এসেছিলেন। B) এডওয়ার্ডস — এই নামের কেউ জাহাঙ্গীরের দরবারে প্রথম দূত হিসেবে আসেননি। C) স্যার টমাস রো — তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে আসা প্রথম ইংরেজ দূত নন, তিনি এসেছিলেন ১৬১৫ সালে দ্বিতীয় দূত হিসেবে। D) উইলিয়াম কেরি — তিনি একজন ধর্মপ্রচারক ছিলেন, মুঘল দরবারের কোনো রাজদূত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: জাহাঙ্গীরের দরবারে প্রথম হকিন্স আসলেন হক করে, আর টমাস রো আসলেন পরে।
a সম্রাট জাহাঙ্গীর
b সম্রাট শাহজাহান
c সম্রাট আওরঙ্গজেব
d সম্রাট ফররুখ শিয়র
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সম্রাট জাহাঙ্গীর কেন সঠিক: - সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে ১৬০৮ সালে প্রথম ব্রিটিশ প্রতিনিধি ক্যাপ্টেন হকিংস মুঘল দরবারে আসেন এবং ১৬১৩ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের ফরমানে ইংরেজরা সুরাটে প্রথম বাণিজ্য কুঠি নির্মাণের অনুমতি পায়। - পরবর্তীতে ব্রিটিশ প্রতিনিধি স্যার থমাস রো ১৭১৫ সালে সুনির্দিষ্ট রাজকীয় ফরমান লাভ করেন, যা বাংলায় ইংরেজদের বাণিজ্য বিস্তার ও কুঠি নির্মাণের পথ সুগম করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট জাহাঙ্গীর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তার আমলেই ইংরেজরা বাণিজ্য কুঠি নির্মাণের অনুমতি লাভ করেছিল। B) সম্রাট শাহজাহান — তিনি মুঘল সম্রাট হলেও তার আমলের আগেই ইংরেজরা বাংলায় বাণিজ্যিক অধিকার ও কুঠি স্থাপনের অনুমতি পেয়েছিল। C) সম্রাট আওরঙ্গজেব — তার আমলে ইংরেজরা বাণিজ্যিক সুবিধা পেলেও তারা বাংলায় প্রথম কুঠি নির্মাণের অনুমতি জাহাঙ্গীরের আমলেই পেয়েছিল। D) সম্রাট ফররুখ শিয়র — তিনি ১৭১৭ সালে বিখ্যাত ফরমান বা রাজকীয় আদেশ জারি করে ইংরেজদের শুল্কমুক্ত বাণিজ্যের বিশেষ সুবিধা দিয়েছিলেন, প্রথম কুঠি নির্মাণের অনুমতি নয়। মনে রাখার টিপস: জাহাঙ্গীর মানে অনুমতি, তাই বাংলায় প্রথম কুঠি নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিলেন সম্রাট জাহাঙ্গীর।
a সমাজকর্মীর মূল্যবোধ ভিত্তি
b সমাজকর্মের মূল্যবোধের ভিত্তি
c সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তি
d বিশেষ মূল্যবোধের ভিত্তি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তি কেন সঠিক: - মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস, আচার-অনুষ্ঠান ও নৈতিক অনুশাসন সমাজ জীবনে গভীরভাবে প্রভাব ফেলে বৃহত্তর সামাজিক মূল্যবোধ গঠনে সাহায্য করে। - ধর্মীয় দর্শন মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক ও আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে সমাজের সামগ্রিক মূল্যবোধের ভিত্তি মজবুত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজকর্মীর মূল্যবোধ ভিত্তি — সমাজকর্মীর নিজস্ব পেশাগত মূল্যবোধ আলাদা এবং তা সমাজকর্ম পেশার নীতিমালার ওপর প্রতিষ্ঠিত, সামগ্রিক ধর্মীয় দর্শনের ওপর নয়। B) সমাজকর্মের মূল্যবোধের ভিত্তি — সমাজকর্মের মূল্যবোধ মূলত মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত, যা এককভাবে কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় দর্শনের ভিত্তি নয়। C) সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তি — সঠিক উত্তর, কারণ ধর্মীয় দর্শন বৃহত্তর সমাজের মানুষের আচরণ ও নীতি নির্ধারণ করে সামাজিক মূল্যবোধের ভিত তৈরি করে। D) বিশেষ মূল্যবোধের ভিত্তি — ধর্মীয় দর্শন কোনো বিশেষ বা সংকীর্ণ গণ্ডির মূল্যবোধ তৈরি করে না, এটি সমাজের সার্বিক মূল্যবোধের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মনে রাখার টিপস: ধর্ম মানুষের সমাজে বসবাস শেখায়, তাই ধর্মীয় দর্শন হলো সামাজিক মূল্যবোধের মূল ভিত্তি।
a রশিদ চৌধুরী
b রফিকুন আহমদ
c জয়নুল আবেদীন
d কামরুল হাসান
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - ‘রায়বেঁশে নৃত্য’ শিল্পকর্মটি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসানের একটি অন্যতম প্রধান ও পরিচিত শিল্পকর্ম। - বাংলার লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তাঁর শিল্পকর্মে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রশিদ চৌধুরী — তিনি মূলত বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং টেপিস্ট্রি বা কুটিরশিল্প মাধ্যম ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। B) রফিকুন আহমদ — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কার্টুনিস্ট ও চিত্রশিল্পী, যিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্টুনের জন্য বিখ্যাত। C) জয়নুল আবেদীন — তিনি শিল্পাচার্য হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত শিল্পকর্মের মধ্যে মন্বন্তরের চিত্রমালা অন্যতম। D) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: লোকশিল্প ও লোকনৃত্য সংক্রান্ত চিত্রকর্মের ক্ষেত্রে পটশিল্পী ও চিত্রশিল্পী কামরুল হাসানকে মনে রাখতে হবে।
a সৈয়দ নজরুল ইসলাম
b তাজউদ্দীন আহমেদ
c বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
d ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকারের (মুজিবনগর সরকার) ঘোষণাপত্র অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। - তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকাকালীন অনুপস্থিতিতেই তাকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং তার নেতৃত্বেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন, প্রথম রাষ্ট্রপতি নন। B) তাজউদ্দীন আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। D) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী — তিনি পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী ছিলেন, তবে প্রথম সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের ঘোষণাপত্র অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
a ২ বছর
b ৩ বছর
c ৪ বছর
d ৫ বছর
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ বছর কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল চার বছর নির্ধারিত রয়েছে। - সরকার এই পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পুনরায় একই ব্যক্তিকে অথবা অন্য কাউকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দিতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ বছর — বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নির্ধারিত পদের মেয়াদ দুই বছর নয়। B) ৩ বছর — এই মেয়াদের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের কার্যকালের কোনো মিল নেই। C) ৪ বছর — এটি সঠিক মেয়াদ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। D) ৫ বছর — সাধারণ অনেক পদের মেয়াদ পাঁচ বছর হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর চার অক্ষরের শব্দ, আর তাঁর পদের মেয়াদও চার বছর।
a সুবেদার ইসলাম খান
b মীর জুমলা
c মুর্শিদাকুলী খান
d উমিদ খাঁ
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উমিদ খাঁ কেন সঠিক: - মুঘল সুবেদার শায়েস্তা খানের আমলে মোঘল স্থাপত্যরীতিতে ১৬৬০ থেকে ১৬৬৪ সালের দিকে এই মসজিদটি নির্মিত হয়। - তৎকালীন ঢাকার ফৌজদার উমিদ খাঁ মোঘল আমলে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এই ঐতিহাসিক সাত গম্বুজ মসজিদটি নির্মাণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবেদার ইসলাম খান — ইনি ১৬১০ সালে ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী করেন এবং ঢাকা শহরের প্রথম মোঘল স্থাপনা নির্মাণ করেন, কিন্তু সাত গম্বুজ মসজিদের নির্মাতা নন। B) মীর জুমলা — ইনি বাংলার একজন বিখ্যাত মোঘল সুবেদার ছিলেন যিনি ইবরাহম খাঁর কেল্লা ও বিভিন্ন রাস্তাঘাট নির্মাণ করেন, কিন্তু এই মসজিদ নির্মাণ করেননি। C) মুর্শিদাকুলী খান — ইনি বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব ও দেওয়ান ছিলেন যিনি রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন, কিন্তু এই মসজিদের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) উমিদ খাঁ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ ইনিই ঢাকার ফৌজদার হিসেবে সাত গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সাত গম্বুজ মসজিদ নির্মাণের সঙ্গে উমিদ খাঁর নাম মনে রাখতে উমিদ শব্দের সঙ্গে মসজিদের গম্বুজের সংখ্যা মিলিয়ে পড়তে পারো।
a উন্নতজাতের চা
b উন্নতজাতের পাট
c উন্নতজাতের ইক্ষু
d উন্নতজাতের ধান
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উন্নতজাতের ধান কেন সঠিক: - ইরাটম (IRATOM) হলো ফিলিপাইনের আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে উদ্ভাবित উচ্চফলনশীল ধানের একটি জাত। - এটি আমাদের দেশে কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাতে এবং খাদ্য ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্নতজাতের চা — এটি চা উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, চা পাতার আলাদা উন্নত জাত রয়েছে। B) উন্নতজাতের পাট — পাট গবেষণার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই, পাট উৎপাদনে অন্য জাত ব্যবহৃত হয়। C) উন্নতজাতের ইক্ষু — এটি আখের কোনো উন্নত জাতের নাম নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। D) উন্নতজাতের ধান — এটি একটি উন্নতজাতের ধানের নাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ধান উৎপাদন বা খাদ্যশস্যের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের নাম যুক্ত থাকলে সেটি সাধারণত ধানের জাত নির্দেশ করে।
a এম ভি বাঙালি
b এম ভি বাংলাদেশী
c এম ভি মধুমতি
d এম ভি বঙ্গবন্ধু
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এম ভি বাঙালি কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন (BIWTC)-এর অধীনে দেশের শিপইয়ার্ডে তৈরি প্রথম আধুনিক যাত্রীবাহী স্টিমার। - অভ্যন্তরীণ জলপথে নিরাপদ ও আরামদায়ক যাত্রী পরিবহনের জন্য এই জলযানটি নির্মাণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এম ভি বাঙালি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটিই দেশে তৈরি প্রথম যাত্রীবাহী জলযান। B) এম ভি বাংলাদেশী — এটি এই প্রশ্নের জন্য সঠিক উত্তর নয়, কারণ এই নামে কোনো প্রধান সরকারি স্টিমার নেই। C) এম ভি মধুমতি — এটি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি পরবর্তী আরেকটি যাত্রীবাহী জাহাজ, তবে প্রথম নয়। D) এম ভি বঙ্গবন্ধু — এটি দেশের প্রথম নির্মিত যাত্রীবাহী স্টিমার নয়। মনে রাখার টিপস: দেশের প্রথম তৈরি স্টিমার মনে রাখতে বাঙালির অবদান সবার আগে, তাই নাম এম ভি বাঙালি।
a ৫ নং
b ৭ নং
c ১০ নং
d ১১ নং
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১০ নং কেন সঠিক: - ১০ নং সেক্টর ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নৌ সেক্টর, যার নির্দিষ্ট কোনো ভৌগোলিক এলাকা ছিল না। - এই সেক্টরে কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না এবং এটি গঠিত হয়েছিল নৌবাহিনীর কমান্ডোদের নিয়ে সমুদ্র ও নদীপথে অভিযান পরিচালনার জন্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ নং — এটি নিয়মিত সেক্টর ছিল যার ভৌগোলিক এলাকা ছিল সিলেট ও ময়মনসিংহের কিছু অংশ। B) ৭ নং — এটি নিয়মিত সেক্টর ছিল যার ভৌগোলিক এলাকা ছিল রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া ও নাটোর। C) ১০ নং — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ১১ নং — এটি নিয়মিত সেক্টর ছিল যার ভৌগোলিক এলাকা ছিল টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ। মনে রাখার টিপস: নৌপথে ১০ জন কমান্ডো দিয়ে ১০ নং সেক্টর গঠিত হয়েছিল, যা ছিল একমাত্র ব্যতিক্রমী সেক্টর।
a চাকমাদের
b মারমাদের
c গারোদের
d রাখাইনদের
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গারোদের কেন সঠিক: - ওয়ানগালা গারো সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ও প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব। - নতুন ফসল তোলার পর দেবতা মিসি সালজং-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য এই উৎসব পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাকমাদের — চাকমাদের প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু, ওয়ানগালা নয়। B) মারমাদের — মারমাদের প্রধান উৎসব সাংগ্রাই, ওয়ানগালা গারোদের উৎসব। C) গারোদের — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) রাখাইনদের — রাখাইনদের প্রধান উৎসব সাংগ্রাইন, ওয়ানগালা তাদের উৎসব নয়। মনে রাখার টিপস: গারোদের প্রধান উৎসব ওয়ানগালা মনে রাখতে "গারো ওয়ানগালা" এভাবে জোড়া শব্দ হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
a পাল আমলে
b মুঘল আমলে
c সেন আমলে
d ইংরেজ আমলে
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুঘল আমলে প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা কেন সঠিক: - মুঘল আমলে মসলিন কাপড় বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করে এবং ঢাকাকে এর উৎপাদন ও বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়। - তৎকালীন মুঘল সম্রাট ও অভিজাত শ্রেণীর পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকার মসলিন তার স্বর্ণযুগে পৌঁছায় এবং রাজকীয় পোশাক তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাল আমলে — এই সময়ে প্রাচীন বাংলায় বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছিল, তবে বিশ্বখ্যাত ঢাকাই মসলিনের গৌরবময় উৎপাদন শুরু হয়নি। B) মুঘল আমলে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই আমলেই ঢাকার মসলিন উৎপাদনে উৎকর্ষ সাধিত হয় ও রাজকীয় প্রশ্রয় পায়। C) সেন আমলে — এই যুগে হিন্দু সংস্কৃতির বিকাশ ও সাহিত্যচর্চা হলেও মসলিনের আন্তর্জাতিক খ্যাতি ও বাণিজ্য মুঘল আমলের মতো ছিল না। D) ইংরেজ আমলে — এই সময়ে ব্রিটিশদের শুল্ক নীতি এবং কারখানায় উৎপাদিত সস্তা কাপড়ের প্রতিযোগিতায় মসলিন শিল্প ধ্বংস হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: মসলিন কাপড় আর মুঘল সাম্রাজ্যের সোনালী ঐতিহ্য ও রাজকীয় আভিজাত্য একে অপরের পরিপূরক হিসেবে মনে রাখা যায়।
a ১৭৯৩ সালে
b ১৭৯৬ সালে
c ১৭৯৯ সালে
d ১৮০২ সালে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭৯৩ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস বাংলায় ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু করেন। - এই প্রথার মাধ্যমে জমিদারদের জমির স্থায়ী মালিকানা প্রদান করা হয় এবং সরকারের রাজস্বের পরিমাণ চিরতরে নির্দিষ্ট করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৯৩ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা কার্যকর করেছিলেন। B) ১৭৯৬ সালে — এই সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করা হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১৭৯৯ সালে — এই সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয়নি, বরং পরবর্তীতে পঞ্চম আইন বা অন্য কোনো প্রশাসনিক ঘটনা ঘটেছিল। D) ১৮০২ সালে — এই সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রথা চালু হয়নি, এটি ভুল সাল। মনে রাখার টিপস: করনওয়ালিস ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত মনে রাখতে করনওয়ালিস নামের শেষ অংশ নবিশের সঙ্গে ১৭৯৩ সালের তেতাল্লিশ সংখ্যাটি মিলিয়ে নিতে পারো।
a ১৯৫৪ সালে
b ১৯৫৫ সালে
c ১৯৫৬ সালে
d ১৯৫৭ সালে
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি (ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা) সঠিক উত্তর: C) ১৯৫৬ সালে কেন সঠিক: - শের-ই-বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ১৯৫৬ সালের মার্চ মাসে পূর্ব বাংলার গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা তাকে এই পদে নিয়োগ প্রদান করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৪ সালে — এই সালে তিনি যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন, গভর্নর হননি। B) ১৯৫৫ সালে — এই বছরে তিনি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, গভর্নর হননি। C) ১৯৫৬ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই সালেই গভর্নর নিযুক্ত হয়েছিলেন। D) ১৯৫৭ সালে — ১৯৫৬ সালে গভর্নর হলেও তিনি এই বছর পদত্যাগ করেন বা তার মেয়াদ শেষ হয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তফ্রন্টের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন চুয়ান্ন সালে, আর পূর্ব বাংলার গভর্নর হয়েছিলেন ছাপ্পান্ন সালে।
a এস এম সুলতান
b জয়নুল আবেদীন
c মোস্তফা মনোয়ার
d নিতুন কুণ্ডু
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জয়নুল আবেদীন কেন সঠিক: - ১৯৪৩ সালের বাংলার ভয়াবহ মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষের করুণ দৃশ্য ফুটিয়ে তুলতে শিল্পী জয়নুল আবেদীন এই চিত্রকর্মটি অঙ্কন করেন। - দুর্ভিক্ষের অবক্ষয়িত মানুষের কঙ্কালসার রূপ এবং মাতৃত্বের বেদনা এই ছবির মূল উপজীব্য বিষয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এস এম সুলতান — তিনি গ্রামীণ কৃষক ও বাংলার শ্রমজীবী মানুষের পেশীশক্তি ফুটিয়ে তোলার জন্য বিখ্যাত, ১৯৪৩ সালের মন্বন্তরের এই ছবির চিত্রশিল্পী তিনি নন। B) জয়নুল আবেদীন — তিনি এই বিখ্যাত চিত্রকর্মটির রচয়িতা এবং বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার অগ্রপথিক। C) মোস্তফা মনোয়ার — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও পাপেট নির্মাতা হলেও এই ঐতিহাসিক ছবির সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। D) নিতুন কুণ্ডু — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর এবং মুক্তিযুদ্ধে সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যের স্রষ্টা, এই ছবির চিত্রশিল্পী নন। মনে রাখার টিপস: জয়নুল আবেদীন মানেই ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ ও মন্বন্তরের চিত্রকর্ম।
a জারি
b ধূপ
c বল
d ঝুমুর
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধূপ কেন সঠিক: - ধূপ নৃত্য হলো বাংলাদেশের ফরিদপুর অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্য। - এই অঞ্চলের গ্রামীণ সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্যের সঙ্গে এই নৃত্য গভীরভাবে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জারি — জারি গান ও নৃত্য মূলত শোকাবহ লোকসংগীতের অংশ যা মূলত বৃহত্তর ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে বেশি প্রচলিত। B) ধূপ — এটি ফরিদপুর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। setC) বল — বল বা বলখেলা চট্টগ্রামের একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ কুস্তি প্রতিযোগিতা, কোনো নৃত্য নয়। D) ঝুমুর — ঝুমুর নৃত্য মূলত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড এবং বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের চা শ্রমিক ও আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য। মনে রাখার টিপস: ফরিদপুরের ঐতিহ্য মানেই সুবাসিত ধূপ নৃত্য।
a বৃহস্পতিবার
b শুক্রবার
c শনিবার
d রবিবার
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বৃহস্পতিবার কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ঘুমন্ত বাঙালির ওপর অপারেশন সার্চলাইট নামে নির্মম গণহত্যা শুরু করে। - ক্যালেন্ডারের হিসাব অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ একটি বৃহস্পতিবার ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃহস্পতিবার — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বৃহস্পতিবার ছিল। B) শুক্রবার — ২৫ মার্চ বৃহস্পতিবার হওয়ায় ২৬ মার্চ ছিল শুক্রবার, তাই এটি ভুল। C) শনিবার — এটি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের সঠিক বার নয়। D) রবিবার — এটি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের সঠিক বার নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত ছিল বৃহস্পতিবার এবং পরের দিন ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় শুক্রবার।
a ওয়াটার লু’র যুদ্ধ
b আমেরিকার গৃহযুদ্ধ
c ফরাসি বিপ্লব
d ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্রিমিয়ার যুদ্ধ কেন সঠিক: - ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ১৮৫৪ থেকে ১৮৫৬ সালের ক্রিমিয়ার যুদ্ধে আহত ব্রিটিশ সৈন্যদের সেবায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। - যুদ্ধক্ষেত্রে নারীদের নার্সিং পেশার আধুনিকায়ন করার জন্য তিনি দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াটার লু’র যুদ্ধ — এই যুদ্ধের সাথে নেপোলিয়ন বোনাপার্টের পরাজয় জড়িত, ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের কোনো সম্পর্ক নেই। B) আমেরিকার গৃহযুদ্ধ — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ একটি সংঘাত, যা এই ব্রিটিশ সমাজকর্মীর সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ফরাসি বিপ্লব — এটি ১৭৮৯ সালের রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলন, যা ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মকালেরও আগের ঘটনা। D) ক্রিমিয়ার যুদ্ধ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ও ক্রিমিয়া যুদ্ধ দুটি নাম একসাথে মনে রাখতে নাইটিঙ্গেলের ল্যাম্প হাতে সেবা করার বিখ্যাত ইতিহাসটি স্মরণ করুন।
a ১ জানুয়ারি
b ২৮ অক্টোবর
c ৫ জুন
d ২১ সেপ্টেম্বর
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২১ সেপ্টেম্বর কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৮১ সালে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় এই দিনটি আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা দেয়। - এই দিনে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিরতি পালন এবং সংঘাত নিরসনে সচেতনতা তৈরি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জানুয়ারি — এটি আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস নয়, তবে এই দিনে ইংরেজি নববর্ষ পালিত হয়। B) ২৮ অক্টোবর — এটি শান্তি দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো আন্তর্জাতিক সরকারি দিবস নয়। C) ৫ জুন — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়, যা শান্তি দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ২১ সেপ্টেম্বর — এটি জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস, তাই এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: শান্তি বজায় রাখতে দুই (২) হাতে এক (১) হয়ে কাজ করার কথা মনে রাখলেই ২১ সেপ্টেম্বর তারিখটি সহজে মনে থাকবে।
a দ্রিনা
b দ্রাভা
c তিয়া
d দানিউব
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্রিনা কেন সঠিক: - দ্রিনা নদীটি বলকান অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী যা মূলত বসনিয়া ও হার্জোগোভিনা এবং সার্বিয়ার মধ্যে প্রাকৃতিক সীমানা তৈরি করেছে। - ভৌগোলিক অবস্থান ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই নদীটি বসনিয়া হার্জোগোভিনাকে পূর্বের অংশ থেকে আলাদা করার জন্য পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রিনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নদীটি বসনিয়া হার্জোগোভিনাকে ভৌগোলিকভাবে বিভক্ত করেছে। B) দ্রাভা — এটি মূলত মধ্য ইউরোপের একটি নদী যা ডানিউব নদীর উপনদী এবং ক্রোয়েশিয়া ও হাঙ্গেরির সীমানা নির্ধারণ করে। C) তিয়া — এটি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে কোনো প্রধান বা প্রাসঙ্গিক নদী নয়। D) দানিউব — এটি ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী যা ১০টি দেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে কিন্তু বসনিয়াকে বিভক্ত করেনি। মনে রাখার টিপস: বসনিয়াকে বিভক্তকারী নদীর নাম মনে রাখতে 'ব' দিয়ে বসনিয়া এবং 'দ্র' দিয়ে দ্রিনা নদী মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a ফ্যাক্সের প্রেরকযন্ত্রের অতি আধুনিক সংস্করণ
b যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোয়েন্দা সংস্থা
c ইতালির একটি বার্তা সংস্থা
d মার্কিন প্রেসিডেন্ট ব্যবহৃত একটি অতি গোপন সংকেত
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোয়েন্দা সংস্থা কেন সঠিক: - ফেয়ার ফ্যাক্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত ও বিতর্কিত বেসরকারি প্রাইভেট গোয়েন্দা ও সিকিউরিটি সংস্থা। - আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনৈতিক অপরাধ তদন্তে এই সংস্থাটি বিভিন্ন সময় নানা তথ্য উদ্ঘাটন করে আলোচনায় এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাক্সের প্রেরকযন্ত্রের অতি আধুনিক সংস্করণ — এটি কোনো প্রযুক্তিগত যন্ত্র বা ফ্যাক্স মেশিনের নাম নয়, বরং একটি গোয়েন্দা সংস্থার নাম। B) যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোয়েন্দা সংস্থা — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে। C) ইতালির একটি বার্তা সংস্থা — এটি কোনো সংবাদ সংস্থা নয়, এটি একটি প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্থা। D) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ব্যবহৃত একটি অতি গোপন সংকেত — এটি কোনো গোপন কোড বা সংকেত নয়, একটি মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: ফেয়ার ফ্যাক্স নামটি মনে রাখতে ফ দিয়ে ফ্যাক্স (গোয়েন্দা সংস্থা) এবং আ দিয়ে আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্র) এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারো।
a ভুটান
b নেপাল
c ঘানা
d কম্বোডিয়া
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভুটান কেন সঠিক: - দোজংখা হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভুটানের সরকারি এবং প্রধান ভাষা। - এই ভাষাটি তিব্বতি ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং ভুটানের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুটান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ দোজংখা ভুটানের সরকারি ভাষা। B) নেপাল — নেপালের প্রধান সরকারি ভাষা হলো নেপালি, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) ঘানা — ঘানার প্রধান ও সরকারি ভাষা হলো ইংরেজি, দোজংখা সেখানে ব্যবহৃত হয় না। D) কম্বোডিয়া — কম্বোডিয়ার সরকারি ভাষা হলো খেমার, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ভুটানের পাহাড় ঘেরা প্রকৃতির মতো এর ভাষার নামটিও আলাদা, দোজংখা শুনলেই ভুটানের কথা মনে রাখবে।
a যেখানে সচেতনতা নেই
b যেখানে শিক্ষা নেই
c যেখানে সংবাদ মাধ্যম নেই
d যেখানে দেশপ্রেম নেই
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যেখানে শিক্ষা নেই কেন সঠিক: - সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান শর্ত হলো সচেতন ও দক্ষ নাগরিক সমাজ, যা কেবল শিক্ষার মাধ্যমেই গড়ে ওঠে। - শিক্ষা মানুষের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করে, যা ছাড়া রাষ্ট্রে জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যেখানে সচেতনতা নেই — সচেতনতা সুশাসনের একটি অনুষঙ্গ হলেও, শিক্ষা হলো সেই মূল ভিত্তি যা নাগরিক সচেতনতা তৈরি করে। C) যেখানে সংবাদ মাধ্যম নেই — সংবাদ মাধ্যম সুশাসনের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে, কিন্তু এটি শিক্ষার মতো সার্বিক মূল ভিত নয়। D) যেখানে দেশপ্রেম নেই — দেশপ্রেম নৈতিক প্রেরণা জোগায়, তবে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন চালনার জন্য জ্ঞান ও শিক্ষার গুরুত্ব সর্বাধিক। মনে রাখার টিপস: সুশাসনের চাবিকাঠি হলো শিক্ষা, কারণ শিক্ষাই মানুষকে সচেতন ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে তোলে।
a কুতুবউদ্দীন আইবেক
b শামসুদ্দিন ইলতুতমিশ
c গিয়াসউদ্দীন বলবন
d মুহাম্মদ বিন তুঘলক
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুদ্দিন ইলতুতমিশ কেন সঠিক: - সুলতানা রাজিয়া ছিলেন দিল্লির মামলুক বা দাস বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুতমিশের সুযোগ্যা কন্যা। - তিনি ১২৩৬ সালে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং তিনিই ছিলেন মুসলিম বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম নারী শাসক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুতুবউদ্দীন আইবেক — তিনি দিল্লির দাস বংশের প্রতিষ্ঠাতা হলেও সুলতানা রাজিয়া তাঁর কন্যা ছিলেন না, তিনি ছিলেন ইলতুতমিশের কন্যা। B) শামসুদ্দিন ইলতুতমিশ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি সুলতানা রাজিয়ার পিতা ছিলেন এবং দিল্লি শাসন করেছিলেন। C) গিয়াসউদ্দীন বলবন — তিনি ছিলেন দিল্লির দাস বংশের একজন প্রভাবশালী সুলতান ও আমির, যিনি রাজিয়ার অনেক পরে ক্ষমতালাভ করেন। D) মুহাম্মদ বিন তুঘلک — তিনি তুঘলক বংশের শাসক ছিলেন এবং অনেক পরে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন। মনে রাখার টিপস: ইলতুতমিশের কন্যা রাজিয়া হলেন দিল্লির প্রথম নারী শাসক, যাঁর নামের সাথে পিতা ইলতুতমিশের নাম মনে রাখা জরুরি।
a কাঠালিয়া (ঝালকাঠি)
b পতেঙ্গা (চট্রগ্রাম)
c সাভার (ঢাকা)
d সোনাগাজী (ফেনী)
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সোনাগাজী (ফেনী) কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলায় অবস্থিত। - এই প্রকল্পে বায়ু থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য টারবাইন স্থাপন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঠালিয়া (ঝালকাঠি) — এটি ঝালকাঠি জেলার একটি উপজেলা হলেও বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য পরিচিত নয়। B) পতেঙ্গা (চট্রগ্রাম) — এটি চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত এবং সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দর এলাকার জন্য পরিচিত, প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র এখানে নয়। C) সাভার (ঢাকা) — এটি ঢাকা জেলার একটি শিল্প এলাকা এবং এখানে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও ইপিজেড রয়েছে, বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়। D) সোনাগাজী (ফেনী) — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা ফেনী জেলায় প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পের অবস্থান নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: বায়ু থেকে বিদ্যুৎ পেতে সোনাগাজীতে যাই।
a বাংলাদেশ বিমান
b অ্যারো বেঙ্গল এয়ারলাইন্স
c এয়ার বাংলা
d জিএমজি
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যারো বেঙ্গল এয়ারলাইন্স কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৯৩ সালে অ্যারো বেঙ্গল এয়ারলাইন্স প্রথম বেসরকারি বিমান সংস্থা হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে। - এটি ছিল দেশের বিমান চলাচল খাতে বেসরকারি খাতের প্রথম বাণিজ্যিক উদ্যোগ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ বিমান — এটি বাংলাদেশের সরকারি জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা, কোনো বেসরকারি সংস্থা নয়। B) অ্যারো বেঙ্গল এয়ারলাইন্স — এটি বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি বিমান সংস্থা হিসেবে সফলভাবে কার্যক্রম শুরু করেছিল। C) এয়ার বাংলা — এটি পরবর্তী সময়ে গঠিত একটি বেসরকারি বিমান সংস্থা, তবে প্রথম নয়। D) জিএমজি — জিএমজি এয়ারলাইন্স বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় বেসরকারি বিমান সংস্থা হলেও এটি প্রথম নয়। মনে রাখার টিপস: বেসরকারি বিমান মানেই আকাশে বাংলার বেঙ্গল বাজানো, তাই প্রথম বেসরকারি বিমান সংস্থার নাম অ্যারো বেঙ্গল এয়ারলাইন্স।
a কণ্ঠশিল্পী
b সেতার শিল্পী
c তবলা শিল্পী
d সরোদ শিল্পী
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তবলা শিল্পী কেন সঠিক: - ওস্তাদ আল্লা রাখা খান ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের একজন বিখ্যাত এবং কিংবদন্তি তবলা বাদক। - তিনি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতে তবলা বাদনকে একটি অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিলেন এবং বিখ্যাত সেতার বাদক পণ্ডিত রবি শংকরের সঙ্গে যুক্ত থেকে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কণ্ঠশিল্পী — ওস্তাদ আল্লা রাখা গান গাওয়ার জন্য বিখ্যাত ছিলেন না, তিনি যন্ত্রসংগীতের সাথে যুক্ত ছিলেন। B) সেতার শিল্পী — পণ্ডিত রবি শংকর সেতার বাদক ছিলেন, আর ওস্তাদ আল্লা রাখা তবলা বাদনের জন্য পরিচিত। C) তবলা শিল্পী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই বাদ্যযন্ত্র বাজানোতেই বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। D) সরোদ শিল্পী — ওস্তাদ আমজাদ আলী খান বা ওস্তাদ আলাউদ্দীন খাঁ সরোদ বাদক ছিলেন, ওস্তাদ আল্লা রাখা নন। মনে রাখার টিপস: আল্লা রাখা নামের সাথে তবলা বাদক ওস্তাদ জাকির হোসেনের নাম মনে রাখুন, কারণ জাকির হোসেন হলেন ওস্তাদ আল্লা রাখারই সুযোগ্য পুত্র।
a ১৯ জন
b ৩৫ জন
c ৩৯ জন
d ৫১ জন
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৫ জন কেন সঠিক: - ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সরকার বাঙালি সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করেছিল, তাতে মোট আসামি ছিলেন ৩৫ জন। - এই মামলার এক নম্বর আসামি ছিলেন তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ও পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ মামলার প্রথম দিকে আসামির সংখ্যা ১৯ জন বলা হলেও পরবর্তীতে তা বাড়ানো হয়। B) ৩৫ জন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই মামলায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে বঙ্গবন্ধুসহ মোট ৩৫ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। C) ৩৯ জন — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মামলার কোনো পর্যায়ে আসামির সংখ্যা ৩৯ জন ছিল না। D) ৫১ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ উনসত্তরের গণঅভুত্থানের সময় মামলার আসামির সংখ্যা ৫১ জন ছিল না। মনে রাখার টিপস: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটি উল্টে পাল্টে না ভেবে মনে রাখুন যে বঙ্গবন্ধু ছিলেন প্রধান আসামি এবং মোট আসামির সংখ্যা ছিল তিন দশক ও পাঁচ জন অর্থাৎ ৩৫ জন।
a শের শাহ
b আকবর
c জাহাঙ্গীর
d আওরঙ্গজেব
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শের শাহ কেন সঠিক: - শের শাহ সুরি ১৫৩৮ সালে গৌড় দখল করেন এবং বাংলার শাসনভার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন। - এ সময় তিনি হুগলি ও সাতক্ষীরা অঞ্চল থেকে পর্তুগিজ জলদস্যু ও বণিকদের ক্ষমতা খর্ব করে তাদের বিতাড়িত করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শের শাহ — তিনি বাংলা থেকে পর্তুগিজদের বিতাড়িত করেন, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) আকবর — তিনি মুঘল সম্রাট ছিলেন এবং মোগল আমলে বাংলার বারো ভূঁইয়াদের দমন করা হয়, পর্তুগিজদের বিতাড়ন তিনি করেননি। C) জাহাঙ্গীর — তার আমলেও পর্তুগিজরা বাংলায় বাণিজ্য করেছে এবং পরবর্তীতে মোগলদের সঙ্গে তাদের সংঘাত হয়, তবে শের শাহ ছিলেন প্রথম যিনি তাদের দমন করেন। D) আওরঙ্গজেব — তিনি বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খানের মাধ্যমে আরাকানি মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়িত করেন, যা শের শাহের ঘটনার বহু পরের। মনে রাখার টিপস: পর্তুগিজদের বাংলা থেকে প্রথম বিতাড়িত করেন দিল্লির শুরি বংশের প্রতিষ্ঠাতা শের শাহ।
a ৭ জানুয়ারি ১৯৯৫
b ২ নভেম্বর ১৯৯৬
c ২৮ অক্টোবর ১৯৯৭
d ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ কেন সঠিক: - ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ইতালির নাপোলি শহরে ইউনেস্কোর একুশতম সম্মেলনে সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য বা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। - এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য, যা এর জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক গুরুত্বের জন্য স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ জানুয়ারি ১৯৯৫ — এই তারিখে সুন্দরবন সম্পর্কিত কোনো বিশ্ব ঐতিহ্য বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়ার রেকর্ড নেই। B) ২ নভেম্বর ১৯৯৬ — এই তারিখটি সুন্দরবনের ইউনেস্কো স্বীকৃতি সংক্রান্ত ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ২৮ অক্টোবর ১৯৯৭ — এই তারিখে সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। D) ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ — এই তারিখে সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেস্কোর তালিকায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্থান পায়। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের স্বীকৃতি মনে রাখতে সালটি মনে রাখুন ১৯৯৭ এবং মাসটি ডিসেম্বর, ঠিক বিজয়ের মাসের ছয় তারিখে এই গৌরব অর্জন করে।
a বন্যা
b জলোচ্ছ্বাস
c সুনামি
d অগ্নুৎপাত
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুনামি কেন সঠিক: - সমুদ্রের তলদেশে আকস্মিক ভূমিকম্প বা টেকটনিক প্লেটের স্থানচ্যুতির ফলে প্রকাণ্ড সামুদ্রিক ঢেউ বা সুনামি সৃষ্টি হয়। - ভূকম্পনজনিত শক্তির প্রভাবে সমুদ্রের পানি প্রবল বেগে উপকূলের দিকেড়ে ধেয়ে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্যা — নদী ভাঙন বা অতিবৃষ্টির কারণে বন্যা হয়, যা সরাসরি ভূমিকম্পের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) জলোচ্ছ্বাস — প্রধানত সামুদ্রিক ঝড় বা সাইক্লোনের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়, ভূমিকম্পের প্রধান আশঙ্কা এটি নয়। C) সুনামি — এটি সরাসরি সমুদ্রের তলদেশের ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সামুদ্রিক ঢেউ, যা প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) অগ্নুৎপাত — অগ্নুৎপাত টেকটনিক প্লেটেরMOVEMENT এর কারণে হতে পারে, তবে ভূমিকম্পের সরাসরি প্রত্যক্ষ ফল সুনামি। মনে রাখার টিপস: ভূমিকম্প জলের নিচে হলে সুনামির আশঙ্কা তৈরি হয়।
a অমাবস্যায়
b একাদশীতে
c অষ্টমীতে
d পঞ্চমীতে
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অমাবস্যায় কেন সঠিক: - অমাবস্যা ও পূর্ণিমার দিনে সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ একই সরলরেখায় অবস্থান করে। - এই সমান্তরাল অবস্থানের কারণে সূর্যের ও চাঁদের মিলিত আকর্ষণে জোয়ারের পানি সবচেয়ে বেশি ফুলে ওঠে, যাকে তেজকটাল বা মরা জোয়ার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অমাবস্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এ সময়ে সূর্য ও চাঁদের মিলিত আকর্ষণে জোয়ারের তেজ সবচেয়ে বেশি হয়। B) একাদশীতে — এই অপশনে জোয়ারের তেজ বৃদ্ধি পায় না, বরং এটি তিথির একটি সাধারণ দিন। C) অষ্টমীতে — এই দিনে সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করায় মরাকটাল বা জোয়ারের প্রকোপ সবচেয়ে কম হয়। D) পঞ্চমীতে — এই অপশনে জোয়ার-ভাটার ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ বা তীব্র আকর্ষণ কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: তেজকটাল মানে জোর বেশি, আর অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় চাঁদ-সূর্য একসঙ্গে জোরে টানে।
a শীতলক্ষ্যা
b বুড়িগঙ্গা
c ধরলা
d বংশী
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) বুড়িগঙ্গা কেন সঠিক: - বুড়িগঙ্গা নদীটি মূলত ধলেশ্বরী নদী থেকেই উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নদীতে পতিত হয়েছে। - ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক তথ্যানুযায়ী, বুড়িগঙ্গা ধলেশ্বরী নদীর একটি অন্যতম প্রধান শাখা নদী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শীতলক্ষ্যা — এটি ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা নদী এবং এটি গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। B) বুড়িগঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ধলেশ্বরী নদীর শাখা। C) ধরলা — এটি ভারতের আসাম থেকে উৎপন্ন হয়ে কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এটি ব্রহ্মপুত্রের উপনদী। D) বংশী — এটি গাজীপুর ও টাঙ্গাইল অঞ্চলের একটি নদী এবং এটি মূলত বংশী বা বংশাই নামে পরিচিত যা করতোয়া নদী থেকে উৎপন্ন হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ধলেশ্বরী নদীর পানি থেকে বুড়িগঙ্গা নদীর জন্ম হয়েছে, যা ঢাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত।
a বিকেএসপি
b বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
c জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র
d জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কেন সঠিক: - বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র বাংলাদেশের একটি প্রখ্যাত সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান, যার মূল লক্ষ্য মানুষের মননশীলতা বিকাশ করা। - অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ১৯৭৮ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর সুপরিচিত স্লোগান হলো আলোকিত মানুষ চাই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিকেএসপি — এটি বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা খেলাধুলা ও শিক্ষার উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত এবং এর স্লোগান ভিন্ন। B) বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বইপড়া আন্দোলন ও আলোকিত মানুষ গড়ার কাজের জন্য পরিচিত। C) জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র — এটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, যা বই প্রকাশনা ও প্রচারের সঙ্গে যুক্ত। D) জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র — প্রশ্নপত্রে একই অপশন পুনরাবৃত্তি হয়েছে, তবে এটি গ্রন্থ উন্নয়নের সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় সঠিক স্লোগানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মানেই মনের আলো ছড়ানোর আন্দোলন, তাই এর স্লোগান হলো আলোকিত মানুষ চাই।
a ট্রপোমণ্ডল
b স্ট্রাটোমণ্ডল
c মেসোমণ্ডল
d তাপমণ্ডল
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্ট্রাটোমণ্ডল ১. কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোমণ্ডল স্তরে ওজোনের পরিমাণ সর্বাধিক থাকে, যা পৃথিবীর জীবন রক্ষায় অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে। - এই স্তরে ওজোন গ্যাসের স্তরটি সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর রশ্নি প্রতিহত করে ভূ-পৃষ্ঠের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ওজোন হলো অক্সিজেনের একটি রূপান্তর যার রাসায়নিক সংকেত ও থ্রি। - কার্যপ্রণালি: সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি অক্সিজেন অণুর ওপর পড়ে তাকে ভেঙে ওজোন গ্যাস তৈরি করে এবং নিজেই শোষিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যের আলোয় ওজোন তৈরি ব্যাখ্যা: স্ট্রাটোমণ্ডলে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে অক্সিজেন অণু ভেঙে একক অক্সিজেন পরমাণুতে পরিণত হয় এবং পরবর্তীতে অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে ওজোন গ্যাস গঠন করে। উদাহরণ ২: ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ ব্যাখ্যা: রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনারে ব্যবহৃত ক্লোরোফ্লোরোকার্বন বা সিএফসি গ্যাস স্ট্রাটোমণ্ডলে পৌঁছে ওজোন স্তরকে ভেঙে পাতলা করে ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রপোমণ্ডল — এটি বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর যেখানে মেঘ বৃষ্টি ও ঝড়ঝঞ্জা ঘটে এবং ওজোনের উপস্থিতি খুব কম থাকে। B) স্ট্রাটোমণ্ডল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই স্তরেই ওজোন গ্যাসের সবচেয়ে ঘন স্তর বা ওজোনস্ফিয়ার অবস্থান করে। C) মেসোমণ্ডল — এটি বায়ুমণ্ডলের একটি উচ্চ স্তর যেখানে তাপমাত্রা সবচেয়ে কম হয় এবং এখানে ওজোনের কোনো উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি নেই। D) তাপমণ্ডল — এটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে ওপরের স্তর যেখানে বায়ু অত্যন্ত হালকা এবং তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্ট্রাটোমণ্ডলের ইংরেজি নামের শুরু এস দিয়ে এবং ওজোনের শুরু ও দিয়ে, এভাবে এস ও দিয়ে মনে রাখা যায় ওজোন স্তর স্ট্রাটোমণ্ডলে থাকে। - ওজোন গ্যাসের স্তর বায়ুমণ্ডলের যে অংশে থাকে তাকে ওজোনস্ফিয়ার বলা হয় এবং এটি স্ট্রাটোমণ্ডলের একটি অংশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে তাপমাত্রা উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বৃদ্ধি পায়, এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - ওজোন স্তরের ক্ষয়ের জন্য মূলত ক্লোরিন পরমাণু দায়ী যা সিএফসি থেকে উৎপন্ন হয়।
a সমান
b দ্বিগুণ
c তিনগুণ
d শূন্য
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শূন্য ১. কেন সঠিক: কৃত্রিম উপগ্রহ যখন পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে, তখন উপগ্রহের ভেতর থাকা বস্তু ও মহাকাশচারী উভয়েই একই ত্বরণে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে মুক্তভাবে পড়তে থাকে। এই মুক্তভাবে পড়ার অবস্থার কারণে বস্তুর ওপর কোনো অভিলম্ব প্রতিক্রিয়া বল কাজ করে না, যা আমাদের ওজন অনুভবের প্রধান কারণ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ওজন হলো কোনো বস্তুর ওপর পৃথিবীর অভিকর্ষ বল এবং অবলম্বনের প্রতিক্রিয়ার সম্মিলিত ফল। কার্যপ্রণালি: কৃত্রিম উপগ্রহ এবং এর ভেទস্থ বস্তু উভয়েরই কেন্দ্রমুখী ত্বরণ এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ সমান হওয়ায় ভেতরে কোনো ওজনহীনতার সৃষ্টি হয়। বাস্তব প্রয়োগ: মহাকাশচারীরা মহাশূন্যে বা কৃত্রিম উপগ্রহে ভেসে থাকেন কারণ সেখানে ওজন শূন্য অনুভূত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লিফট যখন হঠাৎ তার ছাদ বা কেবল ছিঁড়ে নিচের দিকে মুক্তভাবে পড়তে থাকে, তখন লিফটের ভেতরের যাত্রীর ওজন শূন্য বা ওজনহীন মনে হয়। ব্যাখ্যা: কৃত্রিম উপগ্রহের ভেতরের অবস্থাও ঠিক এই মুক্তভাবে পড়ার অবস্থার মতো নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে থাকে। উদাহরণ ২: পানিতে ডুবে থাকা কোনো বস্তুর আপাত ওজন যেমন কমে যায়, তেমনি মহাকাশযানের সম্পূর্ণ মুক্তপতনের কারণে ওজন পুরোপুরি শূন্য হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি অভিকর্ষজ ত্বরণ ও কেন্দ্রমুখী ত্বরণের নিখুঁত সাম্যাবস্থার একটি বাস্তব রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমান — ভুল কারণ পৃথিবীতে বস্তুর ওজন থাকলেও কৃত্রিম উপগ্রহে অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ওজন অনুভূত হয় না। B) দ্বিগুণ — ভুল কারণ কৃত্রিম উপগ্রহের গতি বা উচ্চতার কারণে ওজন বৃদ্ধি পায় না, বরং শূন্য হয়ে যায়। C) তিনগুণ — ভুল কারণ ওজনের এমন কোনো বৃদ্ধি ঘটে না, বরং মুক্তপতনের কারণে ওজন সম্পূর্ণ লোপ পায়। D) শূন্য — এটি সঠিক কারণ উপগ্রহের ভেতর কার্যকর অভিকর্ষ বলের প্রভাব থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: কৃত্রিম উপগ্রহ মানেই মুক্তপতন বা ফ্রি ফল। মুক্তপতনের ভেতর সবকিছু ওজনহীন বা শূন্য ওজন বিশিষ্ট হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। মহাকাশচারীদের মহাশূন্যে ভেসে থাকার কারণ হিসেবে ওজনহীনতা বা শূন্য ওজন সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘুরেফিরে আসে।
a এক কিলোওয়াট-ঘণ্টায়
b এক ওয়াট -ঘণ্টা
c এক কিলোওয়াট
d এক ওয়াট
0 51 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এক কিলোওয়াট-ঘণ্টায় ১. কেন সঠিক: - বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব করার সময় এক কিলোওয়াট-ঘণ্টাকে এক ইউনিট হিসেবে ধরা হয়। - এটি মূলত শক্তির একটি বাণিজ্যিক একক, যা আমাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ নির্ধারণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক শক্তি খরচের পরিমাপ হলো ক্ষমতা এবং সময়ের গুণফল। - সূত্র/তত্ত্ব: শক্তি (E) = ক্ষমতা (P) × সময় (t)। এখানে ক্ষমতা কিলোওয়াটে এবং সময় ঘণ্টায় মাপা হয়। - কার্যপ্রণালি: এক হাজার ওয়াটের কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র এক ঘণ্টা একটানা চললে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হয়, তাকে এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা এক ইউনিট বলে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের বাড়ির বৈদ্যুতিক মিটারে যে রিডিং ওঠে, তা এই কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ইউনিট হিসেবেই গণনা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি এক হাজার ওয়াটের হিটার যদি এক ঘণ্টা চালানো হয়, তবে এটি এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করবে। ব্যাখ্যা: হিটারটির ক্ষমতা এক কিলোওয়াট এবং সময় এক ঘণ্টা হওয়ায় মোট শক্তি খরচ হয় এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা। উদাহরণ ২: একটি একশো ওয়াটের বাল্ব যদি দশ ঘণ্টা জ্বালানো হয়, তবে তা এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করবে। ব্যাখ্যা: এখানে ক্ষমতা শূন্য দশমিক এক কিলোওয়াট এবং সময় দশ ঘণ্টা, গুণ করলে এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক কিলোওয়াট-ঘণ্টায় — এটি সঠিক কারণ বৈদ্যুতিক শক্তির বাণিজ্যিক হিসাব এই এককেই করা হয়। B) এক ওয়াট-ঘণ্টা — এটি শক্তির একটি খুব ছোট একক, যা দিয়ে সাধারণত আমাদের বাড়ির বড় বিদ্যুৎ খরচ মাপা হয় না। C) এক কিলোওয়াট — এটি কেবল বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক, শক্তির ব্যয়ের পরিমাণ বা সময়ের হিসাব এর মধ্যে থাকে না। D) এক ওয়াট — এটি ক্ষমতার খুব ছোট একটি একক, যা দিয়ে শক্তির মোট খরচ বোঝানো যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্যুতের ইউনিট মানেই কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা বিওটি ইউনিট। - কিলো অর্থ এক হাজার, তাই এক হাজার ওয়াট এক ঘণ্টা চললেই এক ইউনিট হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এক কিলোওয়াট-ঘণ্টাকে অনেক সময় বিওটি (Board of Trade Unit) বলা হয়। - এই একই ধারণা থেকে পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রের বিদ্যুৎ খরচের অঙ্ক আসতে পারে।
a রাজকাঁকড়া
b প্লাটিপাস
c স্কোনোডেন
d ভেড়া
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাজকাঁকড়া ১. কেন সঠিক: - রাজকাঁকড়া হলো একটি জীবন্ত জীবাশ্ম, কারণ কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবীতে যে রূপ নিয়ে এটি আবির্ভূত হয়েছিল, আজও এর শারীরিক গঠনে তেমন কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। - দীর্ঘ বিবর্তনের ধারায় পৃথিবীর বহু প্রজাতি বিলুপ্ত হলেও এরা অত্যন্ত সফলভাবে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জীবন্ত জীবাশ্ম এমন সব জীবিত প্রজাতিকে বোঝায়, যাদের নিকটতম আত্মীয়রা পৃথিবী থেকে বহু আগেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং যাদের জীবাশ্মের সঙ্গে বর্তমানের জীবিত প্রাণীর শারীরিক গঠনের মিল হুবহু মিলে যায়। - কার্যপ্রণালি: এরা প্রাগৈতিহাসিক পরিবেশের চরম প্রতিকূল অবস্থা সহ্য করে বেঁচে থাকার বিশেষ শারীরিক কৌশল অর্জন করেছিল, যা আজও এদের অবিকৃত রাখতে সাহায্য করছে। - বাস্তব প্রয়োগ: ভূবিজ্ঞান ও জীবাশ্মবিদ্যায় এই প্রাণীগুলো অতীত পৃথিবীর জলবায়ু ও পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা পেতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গিংকগো বাইলোবা উদ্ভিদ ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রাচীন উদ্ভিদ যা ডাইনোসরের যুগেও পৃথিবীতে বিদ্যমান ছিল এবং এর বর্তমান রূপ প্রাগৈতিহাসিক যুগের পাতার সঙ্গেই হুবহু মিলে যায়। উদাহরণ ২: নটিলাস প্রজাতি ব্যাখ্যা: সামুদ্রিক এই প্রাণীটিও শত কোটি বছর ধরে প্রায় অপরিবর্তিত অবস্থায় সমুদ্রে টিকে আছে, যা একে জীবন্ত জীবাশ্মের নিখুঁত উদাহরণ করে তুলেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজকাঁকড়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর শারীরিক গঠন শত কোটি বছর ধরে প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে এবং এটি একটি জীবন্ত জীবাশ্ম। B) প্লাটিপাস — এটি একটি মনোট্রেম বা ডিম পাড়া স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা বিবর্তনের একটি ব্যতিক্রমী শাখা হলেও একে প্রথাগত জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয় না। C) স্কোনোডেন — এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল নাম হতে পারে অথবা নির্দিষ্ট কোনো প্রাচীন প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম নয় যা জীবন্ত জীবাশ্ম হিসেবে পরিচিত। D) ভেড়া — এটি একটি আধুনিক গৃহপালিত স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং বিবর্তনের আধুনিক ধারার ফল, তাই এটি জীবন্ত জীবাশ্মের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - জীবন্ত জীবাশ্ম মনে রাখার সহজ উপায় হলো রাজকাঁকড়ার মতো প্রাচীন সামুদ্রিক প্রাণীরা কোটি বছর ধরে প্রকৃতিতে নিজেদের রূপ বদল না করে টিকে আছে। - মনে রাখবে, যে প্রাণী সময়ের পরিবর্তনেও অপরিবর্তিত থাকে, সে-ই জীবন্ত জীবাশ্ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিবর্তন এবং জীববৈচিত্র্য অধ্যায়ের জন্য রাজকাঁকড়া একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - এই একই ধারণা থেকে প্রায়শই অন্য জীবন্ত জীবাশ্ম যেমন ল্যাটিমেরিয়া মাছ বা সিলিক্যান্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
a পেপসিন
b ট্রিপসিন
c টায়ালিন
d অ্যামাইলেজ
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টায়ালিন ১. কেন সঠিক: মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রে মুখগহ্বরে লালারসের মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্যের প্রথম পরিপাক শুরু হয়। লালারসে উপস্থিত টায়ালিন বা সেলাইভারি অ্যামাইলেজ জটিল শর্করাকে ভেঙে সরল শর্করায় রূপান্তরিত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: লালারস হলো মানবদেহের মুখগহ্বরে অবস্থিত লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত এক প্রকার পাচক রস। কার্যপ্রণালি: মুখের ভেতর খাবার চিবানোর সময় লালারস খাদ্যের সঙ্গে মিশে যায় এবং টায়ালিন এনজাইম শর্করা পরিপাক করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত বা রুটি অনেকক্ষণ চিবোলে মিষ্টি লাগে। ব্যাখ্যা: লালারসের টায়ালিন এনজাইম শর্করাকে ভেঙে গ্লুকোজ বা সরল কার্বোহাইড্রেটে পরিণত করে বলেই মিষ্টি স্বাদ পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: শুষ্ক মুড়ি বা বিস্কুট মুখে দিলে লালার অভাবে গিলতে সমস্যা হয়। ব্যাখ্যা: লালারস খাদ্যকে পিচ্ছিল ও নরম করে গলাধঃকরণে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেপসিন — এটি পাকস্থলীতে উৎপাদিত হয় এবং আমিশ জাতীয় খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। B) ট্রিপসিন — এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয় এবং ক্ষুদ্রান্ত্রে আমিষ পরিপাক করে। D) অ্যামাইলেজ — লালারসের ক্ষেত্রে অ্যামাইলেজকে সাধারণত টায়ালিন বলা হয়, তবে এটি মূলত একটি ব্যাপক পরিপাককারী এনজাইম যা অগ্ন্যাশয়েও তৈরি হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মুখে খাবার দিলেই লালা আসে এবং টায়ালিন নামে এনজাইম শর্করা ভাঙতে শুরু করে। মুখের লালা আর টায়ালিন মিলে শর্করা পরিপাক করে, কথাটি এভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহে পরিপাক প্রক্রিয়া মুখগহ্বর থেকেই শুরু হয় এবং প্রথম পরিপাক হয় শর্করা জাতীয় খাদ্যের। কোন এনজাইম কোথায় কাজ করে তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক।
a স্থিতি শক্তি
b তড়িৎ শক্তি
c যান্ত্রিক শক্তি
d গতিশক্তি
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্থিতি শক্তি ১. কেন সঠিক: নদীতে বাঁধ দেওয়ার ফলে বিশাল পরিমাণ পানি উঁচুতে বা জলাধারে জমা রাখা হয়। অবস্থান পরিবর্তনের কারণে এই জলরাশিতে একধরনের সুপ্ত বা সঞ্চিত শক্তি তৈরি হয়, যা মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে পরবর্তীতে কাজে লাগানোর জন্য প্রস্তুত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কোনো বস্তুকে তার স্বাভাবিক অবস্থা বা অবস্থান থেকে পরিবর্তন করে অন্য কোনো অবস্থা বা অবস্থানে রাখলে তাতে যে শক্তি সঞ্চিত হয়, তাকে স্থিতি শক্তি বলে। কার্যপ্রণালি: বাঁধের মাধ্যমে পানিকে উঁচুতে আটকে রাখা হয় এবং পরে পাইপের মাধ্যমে নিচে ফেলে সেই গতিকে কাজে লাগিয়ে টারবাইন ঘোরানো হয়, যা পরবর্তীতে জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। বাস্তব প্রয়োগ: জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে জলাধারের পানি নিচে ফেলার ঠিক আগমুহূর্ত পর্যন্ত সম্পূর্ণ শক্তি স্থিতি শক্তি হিসেবে জমা থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টান টান করে ধরা ধনুকের ছিল্লা। ব্যাখ্যা: ছিল্লা টান টান করার ফলে ধনুকে যে শক্তি জমা হয়, তা ছেড়ে দিলে তীরকে দ্রুতগতিতে ছুড়ে দেয়। উদাহরণ ২: ঘড়ির স্প্রিং গুটিয়ে রাখা। ব্যাখ্যা: স্প্রিং গুটিয়ে রাখলে তাতে স্থিতি শক্তি জমা হয়, যা পরবর্তীতে ঘড়ির কাঁটা সচল রাখতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্থিতি শক্তি — এটি সঠিক কারণ জলাধারে আটকে থাকা পানির উচ্চতার কারণে এই শক্তি সঞ্চিত হয়। B) তড়িৎ শক্তি — এটি ভুল কারণ জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রথমে পানি থেকে তড়িৎ সরাসরি পাওয়া যায় না, বরং যান্ত্রিক শক্তির মাধ্যমে এটি পরে উৎপন্ন হয়। C) যান্ত্রিক শক্তি — এটি ভুল কারণ জলাধারে স্থির অবস্থায় থাকা জলরাশিতে যান্ত্রিক শক্তি বা গতিশীল রূপ থাকে না, এটি রূপান্তরের পরের ধাপ। D) গতিশক্তি — এটি ভুল কারণ নদীর বাঁধের পেছনে জলরাশি যখন স্থির বা প্রায় স্থির অবস্থায় থাকে, তখন তাতে কোনো গতি থাকে না; পানি নিচে পড়ার সময় গতিশক্তি তৈরি হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উঁচুতে আটকে রাখা স্থির পানি মানেই স্থিতি শক্তি এবং চলমান বা পতনশীল পানি মানেই গতিশক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে শক্তির রূপান্তরের ধারাবাহিকতাটি হলো স্থিতি শক্তি থেকে গতিশক্তি, গতিশক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি এবং যান্ত্রিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই রূপান্তরের ধাপগুলো প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি
b বিক্ষেপণ বেশি
c প্রতিফলন বেশি
d শোষণ বেশি
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিক্ষেপণ বেশি ১. কেন সঠিক: - আলোর বিক্ষেপণ বা আলোর ছড়িয়ে পড়ার কারণে আকাশ নীল দেখায়। - বায়ুমণ্ডলে থাকা গ্যাসের কণা এবং ধূলিকণার ওপর সূর্যালোক পড়লে এই ঘটনা ঘটে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর বিক্ষেপণ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে আলো বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে। - কার্যপ্রণালি: সূর্যের আলো বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে আসার সময় ছোট কণার দ্বারা সব দিকে বিক্ষিপ্ত হয়। - কারণ ও ফলাফল: নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম থাকায় এর বিক্ষেপণ লাল বা হলুদ আলোর চেয়ে অনেক বেশি হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময় আকাশ লাল দেখানোর পেছনেও আলোর বিক্ষেপণ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সম্পর্ক কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রিজমের মধ্য দিয়ে সাদা আলো গেলে সাতটি রঙে বিভক্ত হওয়া। ব্যাখ্যা: বিভিন্ন রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্ন হওয়ায় আলো ভিন্ন কোণে বেঁকে যায়। উদাহরণ ২: বিপদ সংকেত হিসেবে লাল আলো ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হওয়ায় কুয়াশা বা ধোঁয়ায় এর বিক্ষেপণ কম হয় এবং দূর থেকে দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি — নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম, লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি। B) বিক্ষেপণ বেশি — এটি সঠিক কারণ, কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কারণে নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি ঘটে। C) প্রতিফলন বেশি — প্রতিফলন আলোর দিক পরিবর্তন করে কিন্তু আকাশের নীল রঙের জন্য দায়ী নয়। D) শোষণ বেশি — বায়ুমণ্ডল দ্বারা আলোর শোষণ প্রধান কারণ নয়, বিক্ষেপণের কারণে আকাশ নীল দেখায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নীল মানে বিক্ষেপণ বেশি আর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম। - লাল মানে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি আর বিক্ষেপণ কম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আলোর বিক্ষেপণ সম্পর্কিত লর্ড রেইলির সূত্রটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং বিক্ষেপণের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a অ্যাসকরবিক এসিড
b ফলিক এসিড
c ফ্যাটি এসিড
d এমাইনো এসিড
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ্যাসকরবিক এসিড ১. কেন সঠিক: ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম অ্যাসকরবিক এসিড। এটি মানবদেহের জন্য একটি অত্যন্ত জরুরি পুষ্টি উপাদান যা শরীরের বিভিন্ন কলা বা টিস্যু গঠনে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সরাসরি কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিড হলো একটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা শরীর নিজে থেকে তৈরি করতে পারে না এবং খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়। কার্যপ্রণালি: এটি দেহে কোলাজেন নামক প্রোটিন তৈরি করতে সাহায্য করে যা ত্বক, রক্তনালী, লিগামেন্ট এবং হাড়কে শক্তিশালী রাখে এবং ক্ষত শুকাতে দ্রুত ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমলকী, লেবু এবং পেয়ারা খাওয়ার ফলে সর্দি ও ঠান্ডার প্রকোপ কমে যায়। ব্যাখ্যা: এই ফলগুলোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যাসকরবিক এসিড থাকে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। উদাহরণ ২: মানুষের স্কার্ভি রোগ হলে মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে এবং দাঁতের গোড়া দুর্বল হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: খাদ্যে ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিডের দীর্ঘমেয়াদি ঘাটতির কারণে এই রোগটি ঘটে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যাসকরবিক এসিড — এটি ভিটামিন সি এর সঠিক রাসায়নিক নাম এবং এটি মানবদেহের পুষ্টির জন্য অপরিহার্য। B) ফলিক এসিড — এটি ভিটামিন বি ৯ এর রাসায়নিক নাম, যা কোষ বিভাজন ও নতুন রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। C) ফ্যাটি এসিড — এটি লিপিড বা চর্বির একটি গাঠনিক একক, যা শক্তি উৎপাদনে এবং কোষের ঝিল্লি গঠনে কাজ করে। D) এমাইনো এসিড — এটি প্রোটিনের মূল একক বা বিল্ডিং ব্লক, যা শরীরের পেশি ও টিস্যু গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৫ মনে রাখার টিপস: ভিটামিন সি এর জন্য সি দিয়ে শুরু একটি সুন্দর ফলের কথা ভাবুন যেমন সাইট্রাস বা লেবু জাতীয় ফল, যার টক স্বাদের কারণ হলো অ্যাসকরবিক এসিড। এভাবে ভিটামিন সি এবং অ্যাসকরবিক এসিডের নামটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিটামিনের রাসায়নিক নাম এবং ঘাটতিজনিত রোগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় এবং এটি তাপ প্রয়োগে নষ্ট হয়ে যায়, এই তথ্যগুলো মনে রাখা জরুরি।
a সিনকোনো
b কালমেঘ
c বাসক
d ফণিমনসা
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিনকোনো ১. কেন সঠিক: - ম্যালেরিয়া রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিশ্ববিখ্যাত ঔষধি উপাদান কুইনাইন সিনকোনা গাছের ছাল থেকে প্রস্তুত করা হয়। - এই উদ্ভিজ্জ অ্যালকালয়েডটি মানবদেহে প্রবেশ করে ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী প্লাজমোডিয়াম পরজীবীর বংশবৃদ্ধি রোধ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ঔষধি উদ্ভিদ থেকে প্রাপ্ত রাসায়নিক যৌগ যা চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। - কার্যপ্রণালি: সিনকোনা গাছের ছাল শুকিয়ে গুঁড়ো করে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় কুইনাইন নিষ্কাশন করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: অতীতে ম্যালেরিয়া নিরাময়ে কুইনাইন ছিল প্রধান ওষুধ এবং বর্তমানের অনেক ওষুধের মূল উৎস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাটুরা বা ধুতরা গাছ ব্যাখ্যা: ধুতরা গাছের ফুল ও বীজ থেকে অ্যাট্রোপাইন নামক ঔষধি উপাদান পাওয়া যায় যা হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: তুলসী গাছ ব্যাখ্যা: তুলসীর পাতা ও কাণ্ডে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকে যা সর্দি ও কাশি নিরাময়ে দারুণ কার্যকর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিনকোনো - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ছাল থেকেই কুইনাইন তৈরি করা হয়। B) কালমেঘ - এটি একটি ঔষধি গাছ যা যকৃতের রোগ ও পেটের পীড়া নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়, কুইনাইন তৈরিতে নয়। C) বাসক - এটি সর্দি ও শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, এর থেকে কুইনাইন পাওয়া যায় না। D) ফণিমনসা - এটি একটি ক্যাকটাসজাতীয় উদ্ভিদ যা মরু অঞ্চলে জন্মায় এবং এতে কুইনাইন থাকে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ম্যালেরিয়ার নিরাময় মানেই সিনকোনা গাছের ছাল থেকে আসা কুইনাইন। - সি দিয়ে সিনকোনা এবং সি দিয়ে কুইনাইন এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিজ্জ ঔষধি উপাদান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ম্যালেরিয়া রোগের পরজীবী এবং এর বাহক মশার নাম সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
a মাউস
b মনিটর
c সিপিইউ
d পাওয়ার পয়েন্ট
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পাওয়ার পয়েন্ট ১. কেন সঠিক: - হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের সেই সমস্ত শারীরিক অংশ যা ছোঁয়া যায় এবং দেখা যায়। - পাওয়ার পয়েন্ট কোনো শারীরিক যন্ত্র নয়, এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা প্রেজেন্টেশন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বলতে ইলেকট্রনিক ও যান্ত্রিক উপাদানগুলোকে বোঝায় যা ডেটা প্রসেস করতে সাহায্য করে। - ব্যবহার: পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহার করে মাল্টিমিডিয়া স্লাইড তৈরি করা হয় যা শিক্ষা ও ব্যবসায়িক উপস্থাপনায় কাজে লাগে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিবোর্ড বা মাউস। ব্যাখ্যা: এগুলো হলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যার যা হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং ইনপুট দিতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড। ব্যাখ্যা: এটি পাওয়ার পয়েন্টের মতো একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার স্ক্রিনে কাজ করে কিন্তু ধরা যায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাউস — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস এবং শারীরিক হার্ডওয়্যার। B) মনিটর — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস এবং শারীরিক হার্ডওয়্যার। C) সিপিইউ — এটি কম্পিউটারের মূল প্রসেসিং ইউনিট যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার। D) পাওয়ার পয়েন্ট — এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, তাই এটি হার্ডওয়্যার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হার্ডওয়্যার হলো শরীর আর সফটওয়্যার হলো প্রাণ বা কাজের নির্দেশিকা। - যেসব জিনিস হাত দিয়ে ধরা যায় না যেমন প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার, সেগুলো হার্ডওয়্যার হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট অফিস মূলত একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের সমষ্টি। - অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোজ এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যেমন পাওয়ার পয়েন্ট উভয়ই সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত।
a বাইনারি ও ডেসিমাল নম্বর
b অক্ষর ও ডেসিমাল ডিজিট
c বাইনারি ও অক্টাল নম্বর
d অকটাল ও ডেসিমাল নম্বর
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্ষর ও ডেসিমাল ডিজিট ১. কেন সঠিক: হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ষোলটি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে দশমিক পদ্ধতির শূন্য থেকে নয় পর্যন্ত দশটি ডিজিট এবং ইংরেজি বর্ণমালার এ থেকে এফ পর্যন্ত ছয়টি অক্ষর থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: হেক্সাডেসিমাল হলো একটি ষোড়শিক সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি বা বেস হলো ষোলো। কার্যপদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে শূন্য থেকে নয় পর্যন্ত সংখ্যা এবং এ থেকে এফ পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহার করে যেকোনো বড় সংখ্যা প্রকাশ করা হয়। বৈশিষ্ট্য: এখানে এ মানে দশ, বি মানে এগারো, সি মানে বারো, ডি মানে তেরো, ই মানে চৌদ্দ এবং এফ মানে পনেরো বোঝায়। ব্যবহার: কম্পিউটারের মেমোরি অ্যাড্রেসিং এবং মাইক্রোপ্রসেসরের নির্দেশ কোড তৈরিতে হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটার মেমোরির একটি নির্দিষ্ট ঠিকানা লেখার সময় চার এ এফ থ্রি হেক্সাডেসিমাল কোড ব্যবহার করা হতে পারে। ব্যাখ্যা: এখানে চারটি ডেসিমাল ডিজিট এবং এ ও এফ দুটি অক্ষর একত্রে একটি পূর্ণাঙ্গ হেক্সাডেসিমাল নম্বর গঠন করেছে। উদাহরণ ২: রঙের কোড নির্ধারণের সময় হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতি ব্যবহার করে লাল সবুজ নীলের মান প্রকাশ করা হয়। ব্যাখ্যা: যেমন এফ এফ শূন্য শূন্য শূন্য শূন্য কোডটি খাঁটি লাল রঙ বোঝাতে অক্ষর ও ডেসিমাল ডিজিটের সংমিশ্রণ ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাইনারি ও ডেসিমাল নম্বর — বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে শুধু শূন্য ও এক থাকে এবং ডেসিমাল পদ্ধতিতে শূন্য থেকে নয় পর্যন্ত থাকে, যা হেক্সাডেসিমালের সম্পূর্ণ গঠন নয়। B) অক্ষর ও ডেসিমাল ডিজিট — এটি হেক্সাডেসিমাল নম্বর গঠনের সঠিক সংমিশ্রণ কারণ এতে দশমিকের অংক এবং বর্ণমালার অক্ষর থাকে। C) বাইনারি ও অক্টাল নম্বর — বাইনারিতে দুটি এবং অক্টালে আটটি অঙ্ক থাকে, যা হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি গঠনে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। D) অকটাল ও ডেসিমাল নম্বর — অক্টাল এবং ডেসিমাল উভয়ই পৃথক সংখ্যা পদ্ধতি এবং এদের সংমিশ্রণে কোনো নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড সংখ্যা পদ্ধতি গঠিত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: হেক্সাডেসিমাল মানে ষোলো, যেখানে দশমিকের দশটি অংক এবং ইংরেজির প্রথম ছয়টি অক্ষর মিলে মোট ষোলোটি প্রতীক হয়। অক্ষরগুলো হলো এ, বি, সি, ডি, ই এবং এফ, যা যথাক্রমে দশ থেকে পনেরো পর্যন্ত মান প্রকাশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যা পদ্ধতির বেস বা ভিত্তি প্রায়ই আসে, যেমন হেক্সাডেসিমালের বেস ষোলো এবং অক্টালের বেস আট। ডিজিটাল ডিভাইসে বাইনারি ডেটা সংক্ষিপ্ত আকারে প্রদর্শনের জন্য হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
a Optical Mark Reader
b Optical Memory Reader
c Optical Modern Reader
d Read only Memory
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Optical Mark Reader ১. কেন সঠিক: - OMR এর পূর্ণরূপ হলো Optical Mark Reader, যা একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। - এটি কাগজের নির্দিষ্ট স্থানে কালির উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অপটিক্যালি বা আলোকীয় পদ্ধতিতে শনাক্ত করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: OMR হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা কাগজের পাতায় ঘষা বা পূরণ করা বিশেষ চিহ্ন বা দাগ নিখুঁতভাবে পড়তে পারে। - কার্যপদ্ধতি: ডিভাইসের আলো বা সেন্সর কাগজের ওপর আলো ফেলে এবং প্রতিফলিত আলোর তারতম্য বিশ্লেষণ করে ডেটা গ্রহণ করে। - ব্যবহার: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বহুনির্বাচনী প্রশ্ন বা MCQ উত্তরপত্র মূল্যায়নে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন। ব্যাখ্যা: হাজার হাজার পরীক্ষার্থীর OMR শিট খুব অল্প সময়ে নির্ভুলভাবে পরীক্ষা করতে এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: লটারি বা অপটিন ফর্ম প্রসেসিং। ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট বৃত্ত ভরাট করা ফরম স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্রুত প্রসেস করতে OMR ডিভাইস সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Optical Mark Reader — এটি সঠিক উত্তর কারণ OMR এর পূর্ণরূপ এবং কার্যপদ্ধতি এটাই নির্দেশ করে। B) Optical Memory Reader — অপটিক্যাল মেমরি রিডার নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ইনপুট ডিভাইস প্রচলিত নেই। C) Optical Modern Reader — মডার্ন বা আধুনিক শব্দটির সাথে এই প্রযুক্তির নামকরণের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Read only Memory — এটি কম্পিউটারের মূল মেমরি বা প্রাইমারি স্টোরেজের একটি প্রকার, যার সংক্ষিপ্ত রূপ ROM। ৫ মনে রাখার টিপস: - OMR এর প্রথম দুটি অক্ষর অপটিক্যাল মার্ক মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। - পরীক্ষার খাতার বৃত্ত ভরাট করার কাজটির সাথে সরাসরি মার্ক শব্দটি যুক্ত থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - OMR মূলত এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যা বিশেষ কালি রিড করতে পারে। - এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের ভুলত্রুটি ছাড়াই খুব দ্রুত ফলাফল প্রস্তুত করা সম্ভব হয়।
a ALU
b Josephson
c Register
d Control Unit
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ALU ১. কেন সঠিক: সিপিইউ বা Central Processing Unit-এর ভেতরের মূল অংশ হলো এএলইউ বা Arithmetic Logic Unit। এটি কম্পিউটারের সমস্ত গাণিতিক হিসাব এবং যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজটি সরাসরি সম্পন্ন করে থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ALU হলো সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের সেই অংশ যা যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগের মতো গাণিতিক কাজ এবং সত্য বা মিথ্যা যাচাইয়ের মতো যৌক্তিক কাজ করে। কার্যপদ্ধতি: মেমোরি থেকে ডেটা এনে এএলইউ তার ভেতরের সার্কিটের সাহায্যে গণনা করে এবং ফলাফল আবার রেজিস্টার বা মেমোরিতে পাঠিয়ে দেয়। বৈশিষ্ট্য: এটি গাণিতিক অপারেশন এবং লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদনে অত্যন্ত দ্রুতগতির একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যালকুলেটর অ্যাপে দুই যোগ দুই হিসাব করা। ব্যাখ্যা: এই গাণিতিক হিসাবটি সম্পন্ন করার কাজটি সিপியুর এএলইউ অংশ সম্পন্ন করে থাকে। উদাহরণ ২: দুটি সংখ্যার মধ্যে কোনটি বড় তা তুলনা করা। ব্যাখ্যা: এই যৌক্তিক বা লজিক্যাল সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজটিও এএলইউ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ALU — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কম্পিউটারের মূল হিসাব-নিকাশ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের মস্তিষ্ক হিসেবে কাজ করে। B) Josephson — জোসেফসন জাংশন হলো সুপারকন্ডাক্টর সংক্রান্ত একটি ডিভাইস, যা সিপியুর ভেດরের কোনো মূল অংশ নয়। C) Register — রেজিস্টার হলো দ্রুতগতির অস্থায়ী মেমোরি, যা প্রসেসিংয়ের সময় ডেটা সাময়িকভাবে ধরে রাখে কিন্তু মূল হিসাব করে না। D) Control Unit — কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে কাজের সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ করে, সরাসরি গাণিতিক হিসাব করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: এএলইউ বা ALU মানে হলো Arithmetic Logic Unit, যার কাজ হলো হিসাব করা। হিসাব-নিকাশ বা মগজের মূল কাজের জন্য এএলইউ হলো সিপিইউ-এর আসল মস্তিষ্ক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সিপিইউ প্রধানত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত: ALU, Control Unit এবং Register বা Memory Unit। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কম্পিউটারের লজিক বা গাণিতিক কাজ কোনটি সম্পন্ন করে।

মোট প্রশ্ন (14)

a সংযুক্ত বাক্য
b যৌগিক বাক্য
c সরল বাক্য
d মিশ্র বাক্য
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মিশ্র বাক্য ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত রয়েছে। - এখানে যদি সত্য বল অংশটি শর্ত বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং তাহলে মুক্তি পাবে অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্য হিসেবে কাজ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। - এই ধরনের বাক্যে সাধারণত যদি, তবে, যতো, ততো, যে, সে, যারা, তারা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি দেশের সেবা করেন, তিনি প্রকৃত দেশপ্রেমিক। ব্যাখ্যা: এখানে যিনি দেশের সেবা করেন আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং তিনি প্রকৃত দেশপ্রেমিক প্রধান খণ্ডবাক্য হওয়ায় এটি মিশ্র বাক্য। উদাহরণ ২: যদি তুমি পরিশ্রম কর, তবে সফল হবে। ব্যাখ্যা: শর্তমূলক অর্থ প্রকাশ করায় এবং সাপেক্ষ জোড়া ব্যবহৃত হওয়ায় এটি মিশ্র বাক্যের একটি আদর্শ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংযুক্ত বাক্য — এই বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে নেই। B) যৌগিক বাক্য — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে। C) সরল বাক্য — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এখানে একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে। D) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে সাপেক্ষ অব্যয়ের সাহায্যে প্রধান ও আশ্রিত খণ্ডবাক্যের সংযোগ ঘটেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - যদি, তবে, যিনি, তিনি, যা, তা ইত্যাদি সাপেক্ষ শব্দ জোড়া দেখলে চোখ বন্ধ করে মিশ্র বা জটিল বাক্য দাগাবে। - সরল বাক্যে একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যৌগিক বাক্যে স্বাধীন খণ্ডবাক্য থাকে এবং মিশ্র বাক্যে পরাধীন বা আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের জন্য সরল ও মিশ্র বাক্যের পার্থক্য চেনার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয়ের উপস্থিতি খেয়াল করলেই মিশ্র বাক্য খুব সহজে আলাদা করা সম্ভব।
a প্রাদি সমাস
b দ্বিগু সমাস
c অব্যয়ীভাব সমাস
d নিত্য সমাস
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিত্য সমাস কেন সঠিক: ১. এই সমাসের কোনো ব্যাসবাক্য হয় না বা আলাদা করে পদের বিস্তার করা যায় না। ২. সমাসবদ্ধ পদটি নিজেই নিজের অর্থ প্রকাশ করে যেমন দুই এবং নব্বই মিলে বিরানব্বই হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো দ্বারাই সমস্তপদ গঠিত হয় এবং আলাদা ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না তাকে নিত্য সমাস বলে। ২. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সংখ্যাবাচক শব্দের ক্ষেত্রে এই বিশেষ গঠন দেখা যায়। ৩. যেমন অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ প্রভৃতি উপসর্গ ক্বত বা কৃদন্ত পদের পূর্বে বসে যে সমাস হয় তা প্রাদি সমাস। B) দ্বিগু সমাস — সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক পদের সাথে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তা দ্বিগু সমাস। C) অব্যয়ীভাব সমাস — পূর্বপদে অব্যয় যোগে যদি অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয় তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। D) নিত্য সমাস — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই বরং এটি সঠিক নিয়ম মেনে চলে। মনে রাখার টিপস: ১. ব্যাসবাক্য ছাড়া যেসব শব্দ গঠিত হয় এবং যাদের সাধারণ নিয়মে ভাঙা যায় না সেগুলোই নিত্য সমাস। ২. সংখ্যাবাচক শব্দ যেমন একান্ন, বিরানব্বই দেখলে প্রথমে নিত্য সমাস হিসেবে বিবেচনা করবে।
a চণ্ডীদাস
b বড়ু চণ্ডীদাস
c দ্বিজ চণ্ডীদাস
d দীন চণ্ডীদাস
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বড়ু চণ্ডীদাস কেন সঠিক: - ১৯০৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্বল্পভ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থেকে এই পুথি আবিষ্কার ও প্রকাশ করেন। - এই কাব্যের ভণিতায় 'বড়ু চণ্ডীদাস' নামটি স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অর্থাৎ বৈষ্ণব পদাবলীর প্রাচীনতম নিদর্শন। - এই কাব্যে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পৌরাণিক কাহিনী নাটকীয় ঢঙে রচিত হয়েছে। - কাব্যের মূল চরিত্র তিনটি যথা রাধা, কৃষ্ণ এবং বড়াই। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) চণ্ডীদাস — পদকর্তা চণ্ডীদাস এবং বড়ু চণ্ডীদাস অভিন্ন ব্যক্তি নন। - B) বড়ু চণ্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) দ্বিজ চণ্ডীদাস — ইনি মঙ্গলকাব্যের সমসাময়িক বা পরবর্তী অন্য একজন কবি। - D) দীন চণ্ডীদাস — ইনিও শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা নন, অন্য ধারার কবি। মনে রাখার টিপস: - কীর্তন শুনলে বড় বড় আনন্দ হয়, তাই শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের সাথে বড়ু চণ্ডীদাস যুক্ত।
a রামনিধি গুপ্ত
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c অতুলপ্রসাদ সেন
d সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অতুলপ্রসাদ সেন ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান ও তার রচয়িতা সম্পর্কিত। - মোদের গরব মোদের আশা আ-মরি বাংলা ভাষা গানটি বিখ্যাত সুরকার ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের রচনা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অতুলপ্রসাদ সেন আধুনিক বাংলা গানের অন্যতম প্রধান পুরুষ এবং স্বদেশী সঙ্গীতের এক অনন্য প্রবক্তা। - তিনি মূলত ভক্তিগীতি, প্রেমের গান এবং দেশাত্মবোধক গান রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উঠ গো ভারত-লক্ষ্মী উঠ আদি-জগৎ-সংশ্রব ব্যাখ্যা: এটি অতুলপ্রসাদ সেনের রচিত আরেকটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: কে তোমায় এমন করে গান শেখাল পাখি ব্যাখ্যা: এটিও অতুলপ্রসাদ সেনের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামনিধি গুপ্ত — তিনি নিধু বাবু নামে পরিচিত এবং বাংলা টপ্পা গানের জন্য বিখ্যাত, এই গানের রচয়িতা নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি হলেও এই বিখ্যাত গানের রচয়িতা নন। C) অতুলপ্রসাদ সেন — এটি সঠিক উত্তর। D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত একজন বিশিষ্ট কবি, এই গানের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: অতুলপ্রসাদ মানেই দেশপ্রেমের গান এবং তার সবচেয়ে বড় সৃষ্টি হলো মোদের গরব মোদের আশা গানটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় লেখা এই গানটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। অতুলপ্রসাদ সেনের গানগুলো মূলত ভক্তি, প্রেম ও দেশপ্রেমের ত্রিবেণী সঙ্গম।
a সৃষ + টি
b সৃশ + তি
c <সৃজ্ + তি
d শ্রী + টি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) <সৃজ্ + তি ১. কেন সঠিক: সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ হলো 'সৃষ্টি'। এখানে মূল ধাতু বা প্রকৃতি হলো 'সৃজ্' এবং এর সাথে 'তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। শব্দের শুরুতে বা মধ্যে থাকা 'ঋ' কার এবং প্রকৃতির শেষের জ-ফলা বা ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী 'সৃজ্' ধাতুর সাথে 'তি' যুক্ত হয়ে 'সৃষ্টি' রূপ লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের উপসর্গ ও প্রত্যয় অংশের কৃৎপ্রত্যয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। ধাতুর সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎপ্রত্যয় বলে এবং সংস্কৃত নিয়মে গঠিত শব্দে এই পরিবর্তনগুলো দেখা যায়। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'সৃজ্' ধাতুর উত্তর 'ক্তি' প্রত্যয় যুক্ত হলে কিংবা 'তি' প্রত্যয় যোগে ট-বর্গীয় ধ্বনির প্রভাব দেখা যায়। এখানে 'সৃজ্' ধাতুর জ স্থানে ষ এবং ত স্থানে ট হয়ে 'সৃষ্টি' সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √কৃ + তি = ক্তি বা সৃষ্টি প্রক্রিয়ার মতো কৃতি ব্যাখ্যা: কৃ ধাতুর সাথে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃতি শব্দ গঠিত হয় যা একই ব্যাকরণিক নিয়মের অধীন। উদাহরণ ২: √বজ্ + তি = বস্তি ব্যাখ্যা: বজ ধাতু থেকে তি প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দের গঠনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যঞ্জন পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৃষ + টি — সৃষ নামের কোনো মৌলিক সংস্কৃত ধাতু ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। B) সৃশ + তি — সৃশ কোনো মূল ধাতু বা প্রকৃতি হিসেবে সঠিক রূপ নয়। D) শ্রী + টি — শ্রী ধাতু বা শব্দের সাথে তি প্রত্যয় যুক্ত হলে সৃষ্টি শব্দ তৈরি হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: সৃষ্টি শব্দটি দেখলে এর মূল ধাতু 'সৃজ্' মনে রাখবে কারণ এই ধাতুর শেষ বর্ণ জ পরিবর্তিত হয়ে ষ এবং ট হয়। পরীক্ষার হলে কৃৎপ্রত্যয় নির্ণয়ের সময় ধাতুর নিচে হসন্ত চিহ্ন আছে কি না তা খেয়াল করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রকৃতি ও প্রত্যয় প্রায়ই আসে যেখানে শব্দের ভিতরের ধাতু চেনার প্রয়োজন হয়। ব্যঞ্জনসন্ধি ও প্রত্যয়ের নিয়মের সংযোগস্থলগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a মি.উইলিয়াম
b উইলিয়াম কেরী
c রামরাম বসু
d জেসি মার্শম্যান
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উইলিয়াম কেরী ১. কেন সঠিক: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর এর বাংলা বিভাগ চালু করা হয় এবং এর প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান বিশিষ্ট মিশনারি ও পন্ডিত উইলিয়াম কেরী। তিনি বাংলা গদ্যের উন্নয়নে এবং পাঠ্যপুস্তক রচনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালের চৌঠা মে কলকাতার ময়দানে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ সিভিল সার্ভিস অফিসারদের ভারতীয় ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানো। উইলিয়াম কেরী এই কলেজের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের প্রধান হিসেবে দীর্ঘকাল দায়িত্ব পালন করেন এবং বহু গ্রন্থ রচনা ও অনুবাদ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরীর রচিত গ্রন্থ কথোপকথন। ব্যাখ্যা: এটি ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে সেকালের কথ্য বাংলার চমৎকার রূপ পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরীর রচিত গ্রন্থ ইতিহাসমালা। ব্যাখ্যা: এটি ১৮১২ সালে প্রকাশিত গল্পের একটি সংকলন যা বাংলা গদ্যের প্রসারে সাহায্য করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মি.উইলিয়াম — এই নামে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের কোনো প্রধান ছিলেন না। B) উইলিয়াম কেরী — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান ছিলেন। C) রামরাম বসু — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের একজন পন্ডিত ছিলেন, প্রধান ছিলেন না। D) জেসি মার্শম্যান — তিনি শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কিন্তু ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ও কেরী শব্দ দুটি মনে রাখতে পারেন কারণ কেরী সাহেবই বিভাগটি প্রথম পরিচালনা করেন। বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে উইলিয়াম কেরীর নাম সবচেয়ে আগে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০০ সালে এবং বাংলা বিভাগ চালু হয় একই বছর। এই কলেজ কেন্দ্র করেই মূলত আধুনিক বাংলা গদ্য সাহিত্য চর্চার সূত্রপাত ঘটেছিল।
a ভারতচন্দ্র রায়
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d মাইকেল মধুসূদন দত্ত
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: যুগসন্ধিক্ষণ বলতে মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মধ্যবর্তী সময়কে বোঝানো হয়। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কবিতায় মধ্যযুগের সাহিত্যের শেষ বৈশিষ্ট্য যেমন অলংকারপ্রয়োগ ও পীর-পাঞ্চালী এবং আধুনিক যুগের বৈশিষ্ট্য যেমন দেশপ্রেম ও সমকালীন সমাজের সমালোচনা একসঙ্গে পাওয়া যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক এবং তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তাকে বলা হয় বাংলা কাব্যের ভোরের পাখি কারণ তিনি মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়ে আধুনিক যুগের সূচনা করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের রচিত বিখ্যাত কবিতা হাপুছ হুপুছ। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় তৎকালীন সমাজের নানা অসংগতি ও বাস্তবচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদিত পত্রিকা সংবাদ প্রভাকর। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে অনেক নতুন লেখকের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল এবং বাংলা গদ্য ও পদ্যের বিকাশ ঘটেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র রায় — তিনি মধ্যযুগের সর্বশেষ এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে পরিচিত, কোনো যুগসন্ধিক্ষণের কবি নন। B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি যুগসন্ধিক্ষণের প্রধান কবি হিসেবে স্বীকৃত। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি বা বাংলা লিরিক কবিতার জনক হিসেবে পরিচিত, যুগসন্ধিক্ষণের কবি নন। D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি ও সনেটের প্রবর্তক, যুগসন্ধিক্ষণের কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সংযোগস্থল হলো সন্ধি আর এই সন্ধিক্ষণের প্রধান কবি হলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। এভাবে মনে রাখতে পারো যে গুপ্ত মানে লুকিয়ে থাকা যুগের সেতু বন্ধনকারী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। যুগসন্ধিক্ষণ ও ভোরের পাখি সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ও বিহারীলাল চক্রবর্তীর উপাধি গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a সবিতা
b অবনী
c সুধাকর
d কলানিধি
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সবিতা ১. কেন সঠিক: সবিতা শব্দটির অর্থ সূর্য। এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ যা বাংলা ভাষায় সূর্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও ব্যুৎপত্তিগত অর্থ জানা জরুরি। সবিতা শব্দটি বৈদিক দেবতা সাবিত্রী বা সূর্যকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিবাকর ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন যিনি অর্থাৎ সূর্য। উদাহরণ ২: ভাস্কর ব্যাখ্যা: ভাস্কর শব্দের অর্থ আলো ছড়ান যিনি অর্থাৎ সূর্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবিতা — এটি সূর্যের প্রতিশব্দ হওয়ায় সঠিক। B) অবনী — অবনী শব্দটির অর্থ পৃথিবী বা ধরণী, সূর্য নয়। C) সুধাকর — সুধাকর শব্দটির অর্থ চাঁদ বা চন্দ্র, সূর্য নয়। D) কলানিধি — কলানিধি শব্দটির অর্থ চাঁদের কলা বা চাঁদ, সূর্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য রবি, দিবাকর, ভাস্কর, তপন, সবিতা এবং ভানু এই নামগুলো একসাথে বারবার চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিশব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দগুলোর উৎস ও আক্ষরিক অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। একই রকম দেখতে চাঁদ ও পৃথিবীর প্রতিশব্দগুলোর সাথে সূর্যের প্রতিশব্দ গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
b শেখ আলীমুল্লাহ
c রাজা রামমোহন রায়
d অক্ষয় দত্ত
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এবং তাঁর সম্পাদনাতেই এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে বাংলা সংবাদপত্র ও সাহিত্যচর্চার ইতিহাসে এই পত্রিকার বিশেষ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'সংবাদ প্রভাকর' ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক রূপ নেয়। এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যের অনেক প্রখ্যাত লেখক যেমন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও দীনবন্ধু মিত্র সাহিত্যজগতে পরিচিতি লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সংবাদ রত্নাবলী' ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি প্রখ্যাত সংবাদপত্র ছিল। উদাহরণ ২: 'বোধেন্দুবিকাশ' ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের একটি বিখ্যাত রচনা যা তৎকালীন সমাজচিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — ইনি 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সফল সম্পাদক ছিলেন। B) শেখ আলীমুল্লাহ — ইনি এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং কোনো প্রধান পত্রিকার সম্পাদকও ছিলেন না। C) রাজা রামমোহন রায় — ইনি 'সংবাদ কৌমুদী' ও 'মিরাতুল আকবর' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। D) অক্ষয় দত্ত — ইনি মূলত 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার বিখ্যাত সম্পাদক ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য এবং ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সংবাদজগতের সূর্যতুল্য ব্যক্তিত্ব। এভাবে প্রভাকর ও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নাম একত্রে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে 'সংবাদ প্রভাকর' প্রথম সফল দৈনিক পত্রিকা হিসেবে পরিচিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকার নাম ও সম্পাদকের নাম মেলানোর প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a অগ্নিসাক্ষী
b অনেক সূর্যের আশা
c আরেক ফাল্গুন
d চিলেকোঠার সেপাই
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চিলেকোঠার সেপাই ১. কেন সঠিক: - ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাককালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো চিলেকোঠার সেপাই। - উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ওসমান ও খেঁটু মিয়া তৎকালীন গণআন্দোলনের রাজনৈতিক ও সামাজিক আবহকে ফুটিয়ে তুলেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বরেণ্য কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এই উপন্যাসের রচয়িতা। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের খোয়াবনামা উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি তিব্বতি আন্দোলন ও তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত লেখকের আরেকটি মাস্টারপিস। উদাহরণ ২: শহীদুল জহিরের জীবন ও রাজনৈতিক উপন্যাস জীবন এবং রাজনৈতিক বাস্তবায়ন। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটভূমি ও মানুষের সংগ্রাম নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিসাক্ষী — হাসান আজিজুল হকের বিখ্যাত উপন্যাস যার প্রেক্ষাপট মূলত মুক্তিযুদ্ধ ও দেশভাগ। B) অনেক সূর্যের আশা — এটি শহীদ আকন্দ রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। C) আরেক ফাল্গুন — জহির রায়হান রচিত এই উপন্যাসের পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। D) চিলেকোঠার সেপাই — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইলিয়াসের সেপাই আর ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এভাবে মনে রাখতে পারো যে চিলেকোঠার সেপাই ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানকে ধারণ করে। - রাজনৈতিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে লেখকের নাম ও ঐতিহাসিক সাল মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উপন্যাস থেকে চরিত্র বা পটভূমি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ভাষা আন্দোলনের উপন্যাস এবং গণঅভ্যুত্থানের উপন্যাসের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ধাঁধাঁ
b ছড়া
c প্রবাদ
d গাথা কাহিনী
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছড়া ১. কেন সঠিক: লোক সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হলো ছড়া কারণ এটি মানুষের মুখে মুখে যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কোনো নির্দিষ্ট লেখকের নাম ছাড়াই এটি লোকমুখে রূপান্তরিত হয়ে বর্তমান রূপ লাভ করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: লোক সাহিত্য হলো সাধারণ মানুষের সৃষ্টি যা অলিখিতভাবে মুখে মুখে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ছড়ায়। ছড়া মানুষের জীবনযাত্রা, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির আদিম রূপ বহন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আয় চাঁদ মাম টি টি দিয়ে যা, চাঁদের কপালে টিপ দিয়ে যা। ব্যাখ্যা: এটি একটি ঐতিহ্যবাহী শিশুতোষ ছড়া যা লোক সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: ঘুম পাড়ানি মাসি পিসি মোদের বাড়ি এসো। ব্যাখ্যা: এটি গ্রামীণ জনপদে প্রচলিত একটি প্রাচীন লোকজ ছড়া। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধাঁধাঁ — এটি লোক সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে ছড়ার পরেই এর স্থান। B) ছড়া — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি লোক সাহিত্যের সবচেয়ে প্রাচীন রূপ। C) প্রবাদ — এটি মানুষের অভিজ্ঞতার সংক্ষিপ্ত প্রকাশ হলেও ছড়ার মতো প্রাচীনতম লোক সাহিত্যের মর্যাদা পায় না। D) গাথা কাহিনী — এটি লোক সাহিত্যের একটি শাখা তবে এর উৎপত্তি ছড়ার পরে হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: লোক সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন মনে রাখার জন্য মনে রাখবে মানুষের মুখে প্রথমে ছড়া এসেছে। ছড়া দিয়েই লোক সাহিত্যের সূচনা হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লোক সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে প্রায়ই ছড়া প্রশ্ন আসে। একই ধরনের প্রশ্নে মৌখিক ঐতিহ্য ও লোক সংস্কৃতির পার্থক্য খেয়াল রাখতে হবে।
a রূঢ়ি
b যোগরূঢ়
c যৌগিক
d তৎসম
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রূঢ়ি ১. কেন সঠিক: - রূঢ়ি বা রূঢ় শব্দ হলো এমন শব্দ যা প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও মূল বা প্রকৃতি-প্রত্যয়ের অর্থ প্রকাশ না করে প্রচলিত অর্থে অন্য কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - 'সন্দেশ' শব্দের প্রচলিত ব্যুৎপত্তিগত অর্থ সংবাদ বা খবর হলেও বর্তমানে এটি বাংলা ভাষায় একটি সুস্বাদু মিষ্টি বিশেষ অর্থে নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎস বা গঠন অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যথা যৌগিক, রূঢ়ি ও যোগরূঢ় শব্দ। - যে শব্দগুলো মূল বা অংশবিশেষের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি বা রূঢ় শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৈল ব্যাখ্যা: তিল থেকে উৎপন্ন যেকোনো স্নেহপদার্থ তৈল বোঝানোর কথা থাকলেও বর্তমানে এটি কেবল সরিষার তেল অর্থে রূঢ়ি শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: গবেষণা ব্যাখ্যা: গো বা গরু অন্বেষণ করা এর মূল অর্থ হলেও বর্তমানে এটি কোনো বিষয়ে নিবিড় ও বিশদ অধ্যায়ন বা অনুসন্ধান অর্থে রূঢ়ি শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূঢ়ি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রকৃতি-প্রত্যয়ের অর্থ বজায় না রেখে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। B) যোগরূঢ় — এই অপশনটি ভুল কারণ যোগরূঢ় শব্দ সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়ে সমাস্যমান পদের অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো অর্থ বোঝায়, যেমন পঙ্কজ। C) যৌগিক — এই অপশনটি ভুল কারণ যৌগিক শব্দের অর্থ প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুসারী হয়, যেমন গায়ক। D) তৎসম — এই অপশনটি ভুল কারণ তৎসম শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, এটি শব্দের গঠনের শ্রেণিবিভাগ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রূঢ়ি শব্দের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে শব্দটির বাহ্যিক বা সাধারণ অর্থ এবং প্রচলিত অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা হয়। - সন্দেশ মানে খবর, কিন্তু আমরা খাই মিষ্টি, এই বৈপরীত্য দিয়েই রূঢ়ি শব্দ মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৈল, গবেষণা, হস্তী, প্রবীণ, বাঁশি ও সন্দেশ শব্দগুলো প্রায়ই রূঢ়ি শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে দেওয়া হয়। - শব্দগুলোর প্রচলিত অর্থ ও ব্যুৎপত্তিগত অর্থের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
a কারক
b বিভক্তি
c সমাস
d প্রাতিপাদিক
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রাতিপাদিক ১. কেন সঠিক: - বিভক্তিহীন নাম পদকে প্রাতিপাদিক বলা হয়। সহজ কথায়, শব্দের যে মূল রূপের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় প্রাতিপাদিক বলে। - প্রাতিপাদিক হলো শব্দের মূল ভিত্তি, যার সঙ্গে পরবর্তীতে কারক বা বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - প্রাতিপাদিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ বা শব্দের মূল রূপ, যাকে প্রাতিপদিকও বলা হয়। যেমন, কলম, বই, ফুল ইত্যাদি শব্দগুলো যখন একা বসে এবং কোনো বিভক্তি থাকে না, তখন সেগুলো প্রাতিপাদিক। - বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের মূল রূপই হলো প্রাতিপাদিক, যা বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী করার জন্য বিভক্তি গ্রহণ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুল ব্যাখ্যা: ফুল শব্দটি একটি বিভক্তিহীন নাম পদ, তাই এটি প্রাতিপাদিক। এর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ফুলের, ফুলকে ইত্যাদি পদ হতে পারে। উদাহরণ ২: বই ব্যাখ্যা: বই একটি স্বাধীন নাম শব্দ যার সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই। এটি প্রাতিপাদিক পদের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারক — বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত পদগুলোর সম্পর্ককে কারক বলে, এটি কোনো বিভক্তিহীন নাম পদ নয়। B) বিভক্তি — শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাক্য গঠনে সাহায্যকারী বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি হলো বিভক্তি, যা এখানে অনুপস্থিত। C) সমাস — অর্থের সংগতি রক্ষার জন্য একাধিক পদের একপদীকরণ হলো সমাস, যা পদের গঠন প্রক্রিয়া নির্দেশ করে। D) প্রাতিপাদিক — সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভক্তিহীন নাম পদের সঠিক নাম। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাতিপাদিক মানেই হলো বিভক্তিহীন মূল শব্দ। মনে রাখবে প্র তে প্রাতিপাদিক এবং প্র তে প্রথম বা মূল রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাতিপাদিক কী তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। মনে রাখবে শব্দের মূল রূপই প্রাতিপাদিক।
a বিশৃঙ্খলা
b এলোমেলো
c তাস খেলার ঘর
d ক্ষণস্থায়ী
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ষণস্থায়ী ১. কেন সঠিক: - তাসের ঘর একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ তাসের তৈরি ঘর এবং ভাবার্থ হলো যা অত্যন্ত সহজে ভেঙে যায় বা যার স্থায়িত্ব খুব কম। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে, যেখানে এর মূল ভাব বা অন্তর্নিহিত অর্থ হিসেবে ক্ষণস্থায়ী বা নশ্বরতা বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট বাগধারা, যা বিশেষ কোনো শব্দগুচ্ছের সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - বাগধারাটি মানুষের জীবনের অনিশ্চয়তা বা কোনো উদ্যোগের অচিরেই পতন বোঝাতে রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন্ত্রিত্ব পাওয়া মানেই তো তাসের ঘর, কখন যে ক্ষমতার পালাবদল ঘটে তা কেউ জানে না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ক্ষমতা বা মন্ত্রিত্বের অস্থায়ী রূপ বোঝাতে তাসের ঘর বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: দুর্নীতি করে গড়া তার এই বিশাল সাম্রাজ্য যেন তাসের ঘরের মতো যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে। ব্যাখ্যা: অবৈধ উপার্জনের ওপর প্রতিষ্ঠিত কোনো ব্যবস্থার স্থায়িত্ব যে নেই, তা বোঝাতে এখানে তাসের ঘর ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশৃঙ্খলা — বিশৃঙ্খলা বলতে কোনো সুশৃঙ্খল পরিবেশের অভাব বা গোলযোগ বোঝায়, যা তাসের ঘরের নির্দিষ্ট রূপক অর্থের সঙ্গে সরাসরি মেলে না। B) এলোমেলো — এলোমেলো অর্থ অগোছালো বা বিন্যস্ত নয় এমন অবস্থা, যা এই বাগধারার মূল ভাব বা স্থায়ীত্বের ধারণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। C) তাস খেলার ঘর — এটি বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার ভাবার্থ বা রূপক অর্থই মূল উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়। D) ক্ষণস্থায়ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাসের ঘর সহজেই ভেঙে যায় এবং এর কোনো স্থায়িত্ব থাকে না, যা ক্ষণস্থায়ী শব্দের সমার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: - তাস দিয়ে ঘর বানালে যেমন তা বাতাসে মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে, তেমনি যে জিনিস খুব সহজেই ধ্বংস হয়ে যায় তাকে তাসের ঘর বা ক্ষণস্থায়ী বলা হয়। - এই ধরনের বাগধারা পড়ার সময় আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার রূপক অর্থ নির্ণয় করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - তাসের ঘরের মতো আরও কিছু বাগধারা যেমন বালির বাঁধ বা কাগজের ফুল একই ধরনের ক্ষণস্থায়ী অর্থ প্রকাশ করে।

মোট প্রশ্ন (16)

a Jingle
b ticks
c Rustle
d Patters
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Patters কেন সঠিক: বৃষ্টির ফোঁটা যখন কোনো কঠিন বস্তুর ওপর ঝরে পড়ে, তখন যে ছান্দিক ও মৃদু শব্দের সৃষ্টি হয় তাকে ইংরেজিতে প্যাটাস বা patters বলা হয়। এটি সাধারণত বৃষ্টির ফোটার সুনির্দিষ্ট ধ্বনি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। বৃষ্টির শব্দের জন্য এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড শব্দ। এই শব্দটি ইংরেজিতে বিশেষভাবে বৃষ্টির শব্দ নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jingle - এটি মূলত কোনো ধাতব বা চাবির টুংটাং শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, বৃষ্টির শব্দের জন্য নয়। B) ticks - এটি ঘড়ির কাঁটার টিকটিক শব্দ বা ছোট কোনো শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Rustle - এটি পাতার মর্মর ধ্বনি বা শুকনো পাতার নড়ার শব্দ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) Patters - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বৃষ্টির ফোটার পতনের শব্দ মনে রাখতে পি অক্ষর দিয়ে শুরু প্যাটাস বা patters শব্দটি মাথায় রাখবে।
a The way of the world
b Hamlet
c Oedipus Rex
d Macbeth
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Macbeth কেন সঠিক: - উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি 'ম্যাকবেথ' নাটকের শুরুতে তিন ডাইনি বা উইডান সিস্টার্স আত্মপ্রকাশ করে। - এই ডাইনিগুলোর ভবিষ্যৎবাণীই ম্যাকবেথকে সিংহাসন লোভী করে তোলে এবং নাটকের মূল ট্র্যাজেডির সূচনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The way of the world — এটি উইলিয়াম কংগ্রিভের একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক, যেখানে কোনো ডাইনির চরিত্র নেই। B) Hamlet — এটি শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি হলেও এর মূল চরিত্র রাজকুমার হ্যামলেট এবং এখানে কোনো ডাইনির উপস্থিতি নেই। C) Oedipus Rex — এটি সোফোকলিসের একটি ধ্রুপদী গ্রিক ট্র্যাজেডি, যা গ্রিক মিথলজির ওপর ভিত্তি করে রচিত এবং এতে কোনো ডাইনি নেই। D) Macbeth — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এই নাটকের প্লট আবর্তিত হয়েছে তিন ডাইনির ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে। মনে রাখার টিপস: ম্যাকবেথ নাটকের শুরুতে তিন ডাইনির ভবিষ্যদ্বাণী থেকেই গল্পের মূল দ্বন্দ্ব ও ট্র্যাজেডির শুরু হয়।
a I know what you are
b I know who you are
c I know who are you
d I know what are you
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I know who you are কেন সঠিক: প্রদত্ত Simple বাক্যটিকে Complex করার জন্য Object-কে an adjective clause-এ রূপান্তর করতে হয়। এখানে 'you' ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ায় 'who' relative pronoun ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে। Complex বাক্যের subordinate clause-টিতে প্রথমে subject এবং পরে verb বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I know what you are — 'what' বস্তুর ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু এখানে ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে তাই এটি ভুল। B) I know who you are — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) I know who are you — clause-এর ভেতর verb আগে চলে আসায় নিয়ম অনুযায়ী গঠনটি ভুল হয়েছে। D) I know what are you — এখানে ভুল pronoun ব্যবহারের পাশাপাশি verb-এর ভুল অবস্থান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Simple থেকে Complex করার সময় relative pronoun বসানোর পর প্রথমে Subject এবং পরে Verb বসে।
a Apxes
b Apices
c Apexos
d Apexeon
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: বি) Apices কেন সঠিক: ল্যাটিন বা গ্রিক উৎস থেকে আসা যেসব শব্দের শেষে এক্স থাকে, তাদের বহুবচন করার সময় এক্স তুলে দিয়ে আইসিইএস যোগ করতে হয়। অ্যাপেক্স শব্দটি ল্যাটিন ভাষা থেকে এসেছে বলে এর সঠিক বহুবচন রূপটি এপাইসেস হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: এ) এপক্ষেস — সাধারণ ইংরেজি নিয়মে ইএস যোগ করে এই বহুবচনটি তৈরি করা হয়েছে যা এই বিশেষ শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। বি) এপাইসেস — এটিই সঠিক উত্তর কারণ ল্যাটিন নিয়মে এক্স পরিবর্তন হয়ে আইসিইএস যুক্ত হয়েছে। সি) অপেক্সোস — এখানে অতিরিক্ত ওএস যুক্ত করা হয়েছে যা ইংরেজি ব্যাকরণের কোনো নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়নি। ডি) এপেক্সিঅন — এই শব্দরূপটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ইংরেজি বা ল্যাটিন ব্যাকরণে এর কোনো ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় ল্যাটিন থেকে আসা যেসব শব্দের শেষে এক্স বা ইস থাকে, তাদের বহুবচন সাধারণত আইসিইএস দিয়ে শেষ হয়।
a Shakespeare
b Gorge Orwell
c RFA Sully Prudhomme
d Anna Seward
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) RFA Sully Prudhomme কেন সঠিক: সুল্লি প্রুধম ১৯০১ সালে সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি একজন ফরাসি কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। প্রথম নোবেল বিজয়ী হিসেবে সাহিত্য ইতিহাসে তাঁর নাম অমর হয়ে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakespeare — তিনি অনেক আগেই মারা যান এবং তাঁর মৃত্যুর বহু পরে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তিত হয়। B) Gorge Orwell — তিনি তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও প্রথম নোবেল পুরস্কার পাননি। C) RFA Sully Prudhomme — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Anna Seward — তিনি একজন ইংরেজ কবি ছিলেন কিন্তু নোবেল পুরস্কার পাননি। মনে রাখার টিপস: সাহিত্যের প্রথম নোবেল মনে রাখতে ফরাসি কবি সুল্লি প্রুধম নামটি মনে রাখবে।
a London and Washington
b London and Paris
c London and Rome
d London and Berlin
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) London and Paris কেন সঠিক: উপন্যাসটির মূল পটভূমি অষ্টাদশ শতাব্দীতে ফরাসি বিপ্লবের সময়কার ইংল্যান্ডের লন্ডন এবং ফ্রান্সের প্যারিস শহরকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে। এই দুটি শহরের সামাজিক ও রাজনৈতিক বৈপরীত্য ফুটিয়ে তুলতে লেখক এই নাম ব্যবহার করেছেন। চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস এটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) London and Washington — ওয়াশিংটন শহরটি এই উপন্যাসের পটভূমির সাথে সম্পর্কিত নয়। B) London and Paris — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) London and Rome — রোম শহরটি এই উপন্যাসের মূল ঘটনার সাথে যুক্ত নয়। D) London and Berlin — বার্লিন শহরটি এই উপন্যাসের কাহিনীর অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: চার্লস ডিকেন্সের এই উপন্যাসের দুটি প্রধান শহর হলো লন্ডন এবং প্যারিস।
a King victor I
b Victory of the British Empire
c The Victors in the war against the French
d Queen Victoria
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Queen Victoria কেন সঠিক: ১৮৩৭ সাল থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৬৪ বছর যুক্তরাজ্য শাসন করেন রানি ভিক্টোরিয়া। তাঁর এই দীর্ঘ এবং প্রভাবশালী রাজত্বকালকে ইংরেজি সাহিত্যে ও ইতিহাসে ভিক্টোরিয়ান যুগ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) King victor I — এই নামে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ইতিহাসে কোনো রাজা কখনো সিংহাসনে বসেননি। B) Victory of the British Empire — এটি কোনো যুদ্ধজয়ের নাম নয়, বরং এটি একজন নির্দিষ্ট শাসকের রাজত্বকাল নির্দেশ করে। C) The Victors in the war against the French — ফরাসিদের বিরুদ্ধে জয়লাভের সাথে এই যুগের নামকরণের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Queen Victoria — এটি সঠিক কারণ তাঁর নামানুসারেই এই পুরো সাহিত্য ও ইতিহাসের যুগের নামকরণ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: রানি ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে ভিক্টোরিয়ান যুগের নামকরণ করা হয়েছে, তাই যুগটির নাম দেখলেই রানির কথা মনে রাখবে।
a Donne
b Shelly
c Tennyson
d Coleridge
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Shelly কেন সঠিক: উদ্ধৃতিটি বিখ্যাত রোমান্টিক কবি পার্সি বিশ শেলির ওড টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড কবিতার শেষ লাইন। তিনি মানুষের জীবনে দুঃখের পর সুখ আসবে বোঝাতে এই রূপক ব্যবহার করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Donne — জন ডন মেটাফিজিক্যাল কবি ছিলেন এবং তিনি এই লাইনটি লেখেননি। B) Shelly — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই বিখ্যাত পংক্তিটির রচয়িতা। C) Tennyson — লর্ড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি ছিলেন এবং তিনি অন্য ধারার কবিতা লিখেছেন। D) Coleridge — কোলরিজ রোমান্টিক যুগের কবি হলেও তিনি অলৌকিক ও রহস্যময় কবিতা লেখার জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: শেলির নাম মনে রাখতে ওড টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড কবিতার শেষ লাইনটি বারবার মনে করতে পারো।
a Where did the seen by you?
b Where was he see by you?
c Where was seen by you?
d Where was he seen by you?
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Where was he seen by you? কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এর Interrogative Sentence হওয়ায় Passive voice করার সময় Where অপরিবর্তিত থাকে এবং সাবজেক্ট অনুযায়ী was বসে। মূল verb-এর V3 বা past participle রূপ এবং তার পূর্বে object-কে subject হিসেবে বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Where did the seen by you? — এখানে Auxiliary verb ভুল আছে এবং মূল verb-এর সঠিক রূপ নেই। B) Where was he see by you? — এখানে see verb-এর V3 রূপ (seen) ব্যবহার করা হয়নি। C) Where was seen by you? — এখানে passive form-এ কোনো subject ব্যবহার করা হয়নি। D) Where was he seen by you? — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: WH word যুক্ত Interrogative sentence-কে Passive করার সময় WH word অপরيবর্তিত রেখে Tense অনুযায়ী Auxiliary verb এবং V3 বসাতে হয়।
a A.T. Dev
b Chaucer
c Sir Thomas
d Samuel Johnson
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Samuel Johnson কেন সঠিক: ডক্টর স্যামুয়েল জনসন ১৭৫৫ সালে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইংরেজি অভিধান সংকলন করেন। তাঁর এই বিখ্যাত অভিধানটির নাম ছিল এ ডিকশনারি অব দ্য ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A.T. Dev — তিনি আধুনিক যুগের একজন বাঙালি lexicographer বা অভিধান প্রণেতা। B) Chaucer — জিওফ্রে চসার মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত ইংরেজ কবি ও সাহিত্যিক। C) Sir Thomas — স্যার টমাস বলতে এখানে স্যার টমাস ব্রাউন বা স্যার টমাস ম্যালোরিকে বোঝানো হয়েছে, যারা অভিধান প্রণেতা নন। D) Samuel Johnson — ইনি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রথম অভিধানের জনক হিসেবে স্যামুয়েল জনসনের নাম ১৭৫৫ সালের সাথে মনে রাখবে।
a than Dhaka
b then those of Dhaka
c than those of Dhaka
d then Dhaka's
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) than those of Dhaka কেন সঠিক: বাক্যে তুলনার বিষয়টি চট্টগ্রাম ও ঢাকার রাস্তার মধ্যে হচ্ছে, কেবল ঢাকা শহরের সাথে নয়। তাই চট্টগ্রাম ও ঢাকার রাস্তার মধ্যে সঠিক তুলনা বোঝাতে singular nouns এর পরিবর্তে those of ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dhaka — এখানে চট্টগ্রামের রাস্তার সাথে সরাসরি ঢাকা শহরের তুলনা করা হয়েছে যা অর্থগতভাবে ভুল। B) then those of Dhaka — এখানে তুলনার জন্য then ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক তুলনামূলক শব্দ than নয়। D) then Dhaka's — এখানে বানান ভুল হিসেবে then ব্যবহার করা হয়েছে এবং তা গ্রামারের নিয়মের বাইরে। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার সময় একই জাতীয় জিনিসের মধ্যে তুলনা করতে হয় এবং আগের noun এর বহুবচন বোঝাতে those of ব্যবহার করতে হয়।
a about
b for
c at
d to
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: Indispensable শব্দটির পর সাধারণত সঠিক preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হলো কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বা অপরিহার্য। সফলতার জন্য সততা অত্যন্ত জরুরি বোঝাতে এই নিয়মটি প্রযোজ্য। তাই শূন্যস্থানে to বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও সঠিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) about — Indispensable শব্দের পর about বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) for — বাংলা অর্থে জন্য মনে হলেও এখানে সঠিক প্রিপোজিশন হিসেবে for ব্যবহার করা যায় না। C) at — স্থান বা নির্দিষ্ট দিকে বোঝাতে at বসে, যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না। D) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Indispensable শব্দের পর সর্বদা to প্রিপোজিশন বসে, এটি মুখস্থ রাখা ভালো।
a example
b priority
c elderly
d case
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) priority কেন সঠিক: Precedence শব্দের বাংলা অর্থ হলো অগ্রাধিকার বা সবার আগে পাওয়ার অধিকার। Priority শব্দের অর্থও ঠিক একই রকম অর্থাৎ কোনো কিছুকে অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) example — এর অর্থ উদাহরণ, যা precedence শব্দের অর্থের সাথে কোনোভাবেই মিলে না। B) priority — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য অপশনগুলোর মাঝে একমাত্র এটিই সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। C) elderly — এর অর্থ বয়োবৃদ্ধ বা বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ নির্দেশ করে। D) case — এর অর্থ ক্ষেত্র বা মামলা, যা precedence শব্দের অর্থকে সমর্থন করে না। মনে রাখার টিপস: Precedence শব্দটি শুনলেই মাথায় রাখবে প্রথমা বা প্রথম স্থান পাওয়ার কথা, যার ইংরেজি সমার্থক শব্দ হলো priority।
a questionere
b questioneer
c questionaire
d questionnaire
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) questionnaire কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানানের শুরুতে question অংশটি থাকে এবং এর সাথে naire যুক্ত হয়। এটি একটি ফরাসি ভাষার শব্দ থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে যার অর্থ প্রশ্নমালা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) questionere — এখানে বানানের শেষের অংশ ভুল আছে কারণ সঠিক বানানে naire ব্যবহৃত হয়। B) questioneer — এখানে শেষের অংশে eer ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। C) questionaire — এখানে বানানটিতে একটি n কম রয়েছে তাই এটি সঠিক নয়। D) questionnaire — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং আদর্শ ইংরেজি বানানরীতি মেনে চলে। মনে রাখার টিপস: question এর সাথে naire যোগ করে এই বানানটি মনে রাখা সহজ হয়।
a Sir Richard Burton
b Alexander Pope
c Smith
d None of them
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sir Richard Burton কেন সঠিক: স্যার রিচার্ড বার্টন অ্যারাবিয়ান নাইটস বইটি আরবি ভাষা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। তার এই অনুবাদ সাহিত্য বিশ্বে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রামাণিক হিসেবে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sir Richard Burton — এটি সঠিক অপশন এবং তিনি এই বিখ্যাত গ্রন্থটির অনুবাদক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) Alexander Pope — তিনি অ্যারাবিয়ান নাইটস এর লেখক নন, বরং তিনি একজন বিখ্যাত ইংরেজি কবি ও অনুবাদক। C) Smith — এই নামে কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিক অ্যারাবিয়ান নাইটস রচনার সাথে যুক্ত নন। D) None of them — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপشنটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: আরব্য রজনী বা অ্যারাবিয়ান নাইটস এর ইংরেজি রূপান্তর করেছিলেন স্যার রিচার্ড বার্টন।
a some
b any
c no
d none
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) any কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি না বোধক অর্থ প্রকাশ করে কারণ এতে never শব্দটি রয়েছে। - ইংরেজী ব্যাকরণ অনুযায়ী negative sentence বা না বোধক বাক্যে some এর পরিবর্তে any ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) some — এটি সাধারণত affirmative বা হাঁ বোধক বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না। B) any — এটি সঠিক কারণ বাক্যটি negative এবং এটি negative বাক্যে ব্যবহৃত হয়। C) no — বাক্যটিতে already never রয়েছে, তাই একই সঙ্গে আরেকটি negative শব্দ no বসলে double negative হয়ে ভুল অর্থ প্রকাশ করবে। D) none — এটি pronoun হিসেবে একা বসে, noun এর আগে determiner হিসেবে সরাসরি বসে কাজ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে never বা not থাকলে সাধারণত some না হয়ে any বসে।

মোট প্রশ্ন (9)

a 160
b 80
c 36
d 48
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৮ প্রদত্ত তথ্য: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি = ১৬ একক সমান দুটি বাহুর প্রতিটি = ১০ একক ধরি, ত্রিভুজের সমান বাহু দুটিকে a এবং ভূমিকে b ধরা হলো এখানে a = ১০ এবং b = ১৬ অতএব, ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো (b ÷ ৪) × √(৪ × a × a − b × b) মানগুলো বসিয়ে পাই, (১৬ ÷ ৪) × √(৪ × ১০ × ১০ − ১৬ × ১৬) সুতরাং, চার গুণ ১০০ বিয়োগ ২৫৬ যা হিসাব করলে হয় চার গুণ √১৪৪ বা চার গুণ ১২ উত্তর: ৪৮ বর্গ একক
a 315
b 530
c 630
d 525
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৩০ প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ১,২৬০ টাকা ডলি ও লিলি সমান টাকা পায় বনি ডলির দ্বিগুণ টাকা পায় ধরি, লিলি পায় = ক টাকা ডলি পায় = ক টাকা বনি পায় = ২ক টাকা অতএব, মোট টাকা = লিলি + ডলি + বনি ক + ক + ২ক = ১,২৬০ সুতরাং, ৪ক = ১,২৬০ ক = ৩১৫ উত্তর: বনির টাকা = ২ × ৩১৫ = ৬৩০ টাকা
a 101
b 102
c 75
d 59
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০১ প্রদত্ত তথ্য: অনুক্রমটি হলো ৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩, পরবর্তী সংখ্যা ধরি, প্রথম পদের সাথে যোগ হলো ৩ দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ হলো ৬ অতএব, তৃতীয় পদের সাথে যোগ হলো ১২ চতুর্থ পদের সাথে যোগ হলো ২৪ সুতরাং, পঞ্চম পদের সাথে যোগ হবে ৪৮ উত্তর: ৫৩ + ৪৮ = ১০১
a ৬০ বার
b ১২০ বার
c ১৮০ বার
d ৭৬০ বার
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮০ বার প্রদত্ত তথ্য: SCIENCE শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে ৭টি এখানে স্বরবর্ণ আছে ৩টি (I, E, E) এখানে ব্যঞ্জনবর্ণ আছে ৪টি (S, C, N, C) ধরি, ৩টি স্বরবর্ণকে একটি বর্ণ হিসেবে বিবেচনা করি তাহলে মোট বর্ণ হয় ১টি + ৪টি = ৫টি এবং E বর্ণটি আছে ২টি অতএব, ৫টি বর্ণকে সাজানো যায় = ৫! ÷ ২! = ১২০ ÷ ২ = ৬০ উপায়ে ৩টি স্বরবর্ণ নিজেদের মধ্যে সাজানো যায় = ৩! ÷ ২! = ৬ ÷ ২ = ৩ উপায়ে সুতরাং, মোট সাজানোর সংখ্যা = ৬০ × ৩ = ১৮০ বার উত্তর: ১৮০ বার
a 20
b 190
c 380
d 760
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৮০ প্রদত্ত তথ্য: মোট সদস্য সংখ্যা = ২০ নির্বাচন করতে হবে = ১ জন অধিনায়ক এবং ১ জন সহ-অধিনায়ক ধরি, অধিনায়ক নির্বাচন করা যাবে = ২০ উপায়ে সহ-অধিনায়ক নির্বাচন বাকি থাকে = ১৯ জনের মধ্য থেকে ১ জন অতএব, অধিনায়ক নির্বাচন করার পর বাকি সদস্য = ১৯ জন সহ-অধিনায়ক নির্বাচন করা যাবে = ১৯ উপায়ে সুতরাং, মোট নির্বাচনের উপায় = ২০ × ১৯ = ৩৮০ উত্তর: ৩৮০
a ৪৮ ফুট
b ৪১ ফুট
c ৪৪ ফুট
d ৪৩ ফুট
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪১ ফুট প্রদত্ত তথ্য: বাড়িটির উচ্চতা = ৪০ ফুট দেওয়াল থেকে মইয়ের দূরত্ব = ৯ ফুট ধরি, মইটির দৈর্ঘ্য অতিভুজ = ক ফুট অতএব, সমকোণী ত্রিভুজের পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার = অতিভুজ স্কয়ার সুতরাং, ৪০ স্কয়ার + ৯ স্কয়ার = ক স্কয়ার ১৬০০ + ৮১ = ক স্কয়ার উত্তর: ১৬৮১ এর বর্গমূল = ৪১ ফুট
a ২০%
b ১৬%
c ১৮%
d ১৫%
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০% প্রদত্ত তথ্য: চালের দাম বৃদ্ধি পেল ২৫% সাংসারিক ব্যয় অপরিবর্তিত রাখতে হবে ধরি, পূর্বের চালের দাম = ১০০ টাকা বর্তমান চালের দাম = ১২৫ টাকা অতএব, ১২৫ টাকার চালের ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ টাকা ১ টাকার চালের ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ ÷ ১২৫ টাকা ১০০ টাকার চালের ব্যবহার কমাতে হবে = (২৫ × ১০০) ÷ ১২৫ টাকা সুতরাং, হিসাব করে পাওয়া যায় ২০ টাকা উত্তর: ২০%
a 21
b 23
c 24
d 22
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২ প্রদত্ত তথ্য: ১২ ও ৯৬ এর মধ্যে (এ দুটি সংখ্যাসহ) ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলো নির্ণয় করতে হবে। প্রথম সংখ্যাটি হলো ১২ এবং শেষ সংখ্যাটি হলো ৯৬। ধরি, ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলো একটি সমান্তর ধারা গঠন করে। যেখানে প্রথম পদ (a) = ১২ সাধারণ অন্তর (d) = ৪ অতএব, ধরি, শেষ পদ বা এন-তম পদ (nth term) = ৯৬ সমান্তর ধারার সূত্র অনুযায়ী, a + (n − 1) × d = ৯৬ মান বসিয়ে পাই, ১২ + (n − 1) × ৪ = ৯৬ সুতরাং, (n − 1) × ৪ = ৯৬ − ১২ = ৮৪ n − 1 = ৮৪ ÷ ৪ = ২১ উত্তর: n = ২১ + ১ = ২২ টি
a ১ মি.২০ সে.
b ১ মি. ৩০ সে.
c ৩ মি.
d ৫ মি.
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ মি. প্রদত্ত তথ্য: ঘণ্টাগুলো বাজার পর ১০ সেকেন্ড, ১৫ সেকেন্ড, ২০ সেকেন্ড এবং ২৫ সেকেন্ড পর পর বাজতে থাকে ধরি, ঘণ্টাগুলোর একত্রে বাজার সময় নির্ণয় করতে হবে এই সময়ের পরিমাণ হবে ১০, ১৫, ২০ এবং ২৫ এর লসাগু অতএব, ১০ এর উৎপাদক = ২ × ৫ ১৫ এর উৎপাদক = ৩ × ৫ সুতরাং, ২০ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ৫ ২৫ এর উৎপাদক = ৫ × ৫ উত্তর: লসাগু = ৩ × ৫ × ৫ × ৪ = ৩০০ সেকেন্ড বা ৫ মিনিট

মোট প্রশ্ন (48)

a জার্মানিতে
b যুক্তরাষ্ট্রে
c ইংল্যান্ডে
d আমেরিকায়
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জার্মানিতে কেন সঠিক: - ব্ল্যাক ফরেস্ট বা কালো বন জার্মানির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বাডেন-ভুর্টemberg রাজ্যে অবস্থিত একটি পাহাড়ি জঙ্গলময় অঞ্চল। - ঘন পাইন গাছের সমারোহের কারণে এই বনের ভেতরটা বেশ অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে, যার ফলে এর নাম হয়েছে ব্ল্যাক ফরেস্ট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানিতে — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্ল্যাক ফরেস্ট এই দেশেই অবস্থিত। B) যুক্তরাষ্ট্রে — এটি ভুল কারণ যুক্তরাষ্ট্র বা আমেরিকা মহাদেশে বিখ্যাত এই বনটি অবস্থিত নয়। C) ইংল্যান্ডে — এটি ভুল কারণ ইংল্যান্ড ইউরোপের অন্য একটি দেশ এবং ব্ল্যাক ফরেস্ট সেখানে নেই। D) আমেরিকায় — এটি ভুল কারণ আমেরিকা এবং যুক্তরাষ্ট্র একই দেশ এবং এই নামকরণের কোনো বিখ্যাত বন সেখানে নেই। মনে রাখার টিপস: জার্মানি দেশের বিখ্যাত বিয়ার এবং চকলেটের মতোই এর ব্ল্যাক ফরেস্ট নামক ঘন জঙ্গলটিও বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
a ওয়াটার লু’র যুদ্ধ
b আমেরিকার গৃহযুদ্ধ
c ফরাসি বিপ্লব
d ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্রিমিয়ার যুদ্ধ কেন সঠিক: - ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ১৮৫৪ থেকে ১৮৫৬ সালের ক্রিমিয়ার যুদ্ধে আহত ব্রিটিশ সৈন্যদের সেবায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। - যুদ্ধক্ষেত্রে নারীদের নার্সিং পেশার আধুনিকায়ন করার জন্য তিনি দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াটার লু’র যুদ্ধ — এই যুদ্ধের সাথে নেপোলিয়ন বোনাপার্টের পরাজয় জড়িত, ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের কোনো সম্পর্ক নেই। B) আমেরিকার গৃহযুদ্ধ — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ একটি সংঘাত, যা এই ব্রিটিশ সমাজকর্মীর সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ফরাসি বিপ্লব — এটি ১৭৮৯ সালের রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলন, যা ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মকালেরও আগের ঘটনা। D) ক্রিমিয়ার যুদ্ধ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ও ক্রিমিয়া যুদ্ধ দুটি নাম একসাথে মনে রাখতে নাইটিঙ্গেলের ল্যাম্প হাতে সেবা করার বিখ্যাত ইতিহাসটি স্মরণ করুন।
a ৪৭টি
b ৪৮টি
c ৪৯টি
d ৫০টি
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪টি কেন সঠিক: - ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনার বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য এই সনদ প্রণয়ন করেন। - ঐতিহাসিক এই সনদে মোট ৪৭টি ধারা ছিল, যার মাধ্যমে মদিনার প্রথম ইসলামী রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৭টি — এটি মদিনা সনদের সঠিক ধারা সংখ্যা এবং ঐতিহাসিক দলিল দ্বারা প্রমাণিত। B) ৪৮টি — এটি ভুল সংখ্যা, ঐতিহাসিক সনদে এই পরিমাণ ধারা ছিল না। C) ৪৯টি — এটি মদিনার সনদের ধারার সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই এবং সম্পূর্ণ অবাস্তব। D) ৫০টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা, বিভ্রান্ত করার জন্য এই অপশনটি ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: মদিনা সনদের ধারা ৪৭টি মনে রাখতে 'মদিনা' শব্দটির অক্ষর বা একটি নির্দিষ্ট কাল্পনিক জোড় মনে রাখতে পারেন, যেখানে ৪ এবং ৭ যোগ করলে ১১ হয় কিন্তু সংখ্যাটি ৪৭।
a স্পেন
b জাপান
c ইংল্যান্ড
d ফ্রান্স
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফ্রান্স কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে বর্তমান ফ্রান্স ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নাম ছিল গল বা গালিয়া। - ঐতিহাসিক রোমান সাম্রাজ্যের যুগে অঞ্চলটি গল নামে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পেন — স্পেনের প্রাচীন নাম ছিল হিস্পানিয়া, গল নয়। B) জাপান — জাপানের প্রাচীন নাম ছিল ওয়া বা জিপং, গল নয়। সি) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ডের প্রাচীন নাম ছিল ব্রিটেন বা অ্যালবিয়ন, গল নয়। D) ফ্রান্স — এই অপশনটি সঠিক কারণ ফ্রান্সের প্রাচীন নামই হলো গল। মনে রাখার টিপস: ফ্রান্সের ফুটবল দলের প্রতীক মোরগ, আর ফ্রান্সের প্রাচীন নাম গল (Gaul)।
a হেরোডোটাস
b এরিস্টটল
c টায়ানবি
d ইবনে খালদুন
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হেরোডোটাস কেন সঠিক: - তিনি খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে গ্রিক-পারস্য যুদ্ধের ইতিহাস লিখে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘটনার সুশৃঙ্খল বিবরণ তুলে ধরেন। - রোমান দার্শনিক সিসেরো তাঁকে ইতিহাসের জনক হিসেবে আখ্যায়িত করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেরোডোটাস — ইনিই ইতিহাসের জনক এবং তাঁর ইতিহাস রচনার মাধ্যমে এই শাস্ত্রের সূচনা হয়। B) এরিস্টটল — তিনি ইতিহাসের জনক নন, বরং তাকে জীববিজ্ঞান এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। C) টায়ানবি — তিনি একজন প্রভাবশালী আধুনিক ইতিহাসবিদ ও দার্শনিক, তবে ইতিহাসের জনক নন। D) ইবনে খালদুন — তিনি সমাজবিজ্ঞান ও আধুনিক ইতিহাস দর্শনের জনক হিসেবে পরিচিত, ইতিহাসের প্রাচীন জনক নন। মনে রাখার টিপস: হ দিয়ে ইতিহাস এবং হ দিয়ে হেরোডোটাস, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
a যুক্তরাজ্য
b আমেরিকা
c ইসরাইল
d ভারত
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাজ্য প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাধারণ জ্ঞান কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্যে লিখিত সংবিধান নেই এবং তাদের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ও মূল্যবোধ শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্য ও প্রথার ওপর প্রতিষ্ঠিত। - বিশ্বের আধুনিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংসদীয় ব্যবস্থার ভিত্তি যুক্তরাজ্যে প্রথম গড়ে উঠেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের সাংবিধানিক ঐতিহ্য ও রাজনৈতিক মূল্যবোধ বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে প্রাচীনগুলোর একটি। B) আমেরিকা — তুলনামূলক নবীন রাষ্ট্র হিসেবে এর সংবিধান এবং আধুনিক মূল্যবোধ অষ্টাদশ শতাব্দীতে গঠিত হয়েছে। C) ইসরাইল — এটি একটি আধুনিক রাষ্ট্র যা উনিশশো আটচল্লিশ সালে প্রতিষ্ঠার পর নিজেদের রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধ গড়ে তুলেছে। D) ভারত — প্রাচীন সভ্যতা হলেও আধুনিক গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে ভারতের সংবিধান উনিশশো পঞ্চাশ সালে কার্যকর হয়। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন মূল্যবোধের দেশ বললেই রাজতন্ত্র ও দীর্ঘ ঐতিহ্যের দেশ যুক্তরাজ্যকে মনে রাখবে।
a মিয়ানমার, ইরান
b ইরান, মিয়ানমার
c মিয়ানমার, জর্ডান
d জর্ডান, মিয়ানমার
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিয়ানমার, জর্ডান কেন সঠিক: - আকিয়াব বন্দরটি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর। - আকাবা বন্দরটি জর্ডানের একমাত্র সমুদ্রবন্দর এবং এটি লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিয়ানমার, ইরান — ইরান সঠিক নয় কারণ আকাবা বন্দর জর্ডানে অবস্থিত, ইরানে নয়। B) ইরান, মিয়ানমার — আকিয়াবের সাথে ইরানের কোনো সমুদ্রবন্দর নেই এবং ক্রম উল্টো দেওয়া হয়েছে। C) মিয়ানমার, জর্ডান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ দুটি বন্দর যথাক্রমে এই দুটি দেশেরই সমুদ্রবন্দর। D) জর্ডান, মিয়ানমার — বন্দর দুটির ক্রম উল্টো দেওয়া হয়েছে, কারণ প্রথমে আকিয়াব ও পরে আকাবা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আ-আ দিয়ে মনে রাখুন আকিয়াব মিয়ানমারে এবং আকাবা জর্ডানে অবস্থিত।
a ১ মাসের জন্য
b ১ বছরের জন্য
c ২ মাসের জন্য
d ২ বছরের জন্য
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ মাসের জন্য কেন সঠিক: - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি পজিশনটি ঘূর্ণায়মান পদ্ধতিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পরিবর্তিত হয়। - পরিষদের ১৫টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রত্যেকে পালাক্রমে প্রতি ১ মাসের জন্য সভাপতির দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ মাসের জন্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব প্রতি মাসেই পরিবর্তিত হয়। B) ১ বছরের জন্য — এই মেয়াদটি নিরাপত্তা পরিষদের সাধারণ বা স্থায়ী সদস্যদের মেয়াদ বা অন্য কোনো পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, সভাপতির জন্য নয়। C) ২ মাসের জন্য — নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্বের মেয়াদ ২ মাস নয়, তাই এটি ভুল। D) ২ বছরের জন্য — এই মেয়াদটি নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যদের নির্বাচিত থাকার সময়কাল নির্দেশ করে, সভাপতির মেয়াদকাল নয়। মনে রাখার টিপস: নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি পদের মেয়াদ ক্যালেন্ডারের মাসের হিসাব অনুসারে ১ মাস করে নির্ধারিত হয়।
a আইভর জেনিংস
b অধ্যাপক লাস্কি
c জন লক
d আব্রাহাম লিংকন
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আইভর জেনিংস কেন সঠিক: - গণতন্ত্রের মূল শর্ত হলো কার্যকর বিরোধী দল, যা এই উক্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। - বিশিষ্ট ব্রিটিশ আইনবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী স্যার আইভর জেনিংস গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে বিরোধী দলের অপরিহার্যতা বোঝাতে এই মন্তব্য করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইভর জেনিংস — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি গণতন্ত্রে বিরোধী দলের গুরুত্ব সম্পর্কে এই সুপরিচিত মন্তব্যটি করেছেন। B) অধ্যাপক লাস্কি — তিনি রাজনৈতিক বহুত্ববাদ এবং অধিকারের তত্ত্ব নিয়ে কাজ করলেও এই নির্দিষ্ট উক্তিটির প্রবক্তা নন। C) জন লক — তিনি আধুনিক উদারতাবাদের জনক এবং সামাজিক চুক্তি মতবাদের প্রবক্তা, বিরোধী দল নিয়ে এই উক্তিটি তাঁর নয়। D) আব্রাহাম লিংকন — তিনি গণতন্ত্রের বিখ্যাত সংজ্ঞা দিলেও বিরোধী দল সম্পর্কিত এই উক্তিটির সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: আইভর জেনিংস হলেন এমন একজন আইনবিদ, যিনি মনে করতেন বিরোধী দল ছাড়া প্রকৃত গণতন্ত্র চলে না।
a স্পেন
b নেদারল্যান্ড
c পর্তুগাল
d ডেনমার্ক
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডেনমার্ক কেন সঠিক: - ডেনমার্কের অধিবাসী বা অভিবাসীদের বাংলা ভাষায় ঐতিহ্যগতভাবে দিনেমার বলা হয়। - প্রাচীনকালে ডেনমার্কের পূর্বনাম ছিল ডেনমার্ক এবং তাদের ভাষাকে ডেনিশ বা দিনেমার বলা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পেন — স্পেনের অধিবাসীদের স্পেনীয় বলা হয়, দিনেমার বলা হয় না। B) নেদারল্যান্ড — নেদারল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বলা হয়, দিনেমার বলা হয় না। C) পর্তুগাল — পর্তুগালের অধিবাসীদের পর্তুগিজ বলা হয়, দিনেমার বলা হয় না। D) ডেনমার্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডেনমার্কের অভিবাসীদেরই দিনেমার বলা হয়। মনে রাখার টিপস: ড দিয়ে ডেনমার্ক এবং ড দিয়ে দিনেমার, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
a গণতন্ত্রের চর্চা করার জন্য
b ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য
c জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য
d গণতন্ত্র সম্পর্কে জানার জন্য
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও নাগরিকতা সঠিক উত্তর: B) ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য কেন সঠিক: - গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মূল লক্ষ্য হলো নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করা। - এটি সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে এবং মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে নিরাপদ রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণতন্ত্রের চর্চা করার জন্য — এটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যম বা প্রক্রিয়া হতে পারে, মূল উদ্দেশ্য নয়। B) ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য — এটি মূলত রাষ্ট্র ও আইনের সাধারণ দায়িত্ব, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিশেষ লক্ষ্য নয়। D) গণতন্ত্র সম্পর্কে জানার জন্য — এটি তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জনের বিষয়, মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য নয়। মনে রাখার টিপস: গণতন্ত্র মানেই মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতা, তাই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রধান কাজ হলো ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
a আর্থার বেলফোর
b থিওডোর হার্জেল
c মোনাটেম বেগিন
d ব্যারন এডমন্ড বথচাইন্ড
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) থিওডোর হার্জেল কেন সঠিক: - থিওডোর হার্জেল আধুনিক রাজনৈতিক জায়নবাদের প্রবক্তা এবং ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মূল স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন। - তিনি ১৮৯৬ সালে জুডেনস্টেট বা ইহুদি রাষ্ট্র নামক গ্রন্থ রচনা করে ইহুদিদের জন্য একটি স্বতন্ত্র ভূমি গঠনের ধারণা দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্থার বেলফোর — তিনি ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন এবং ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার বেলফোর ঘোষণা প্রদান করেন। B) থিওডোর হার্জেল — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) মোনাটেম বেগিন — তিনি ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা নন। D) ব্যারন এডমন্ড বথচাইন্ড — তিনি ইহুদি বসতি স্থাপনে আর্থিক সহায়তা প্রদানকারী একজন ধনী দানশীল ব্যক্তি ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ইহুদি রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখে হৃদয় জয় করেছিলেন থিওডোর হার্জেল, তাই হার্জেল হলো স্বপ্নদ্রষ্টা।
a সমাজকর্মীর মূল্যবোধ ভিত্তি
b সমাজকর্মের মূল্যবোধের ভিত্তি
c সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তি
d বিশেষ মূল্যবোধের ভিত্তি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তি কেন সঠিক: - মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস, আচার-অনুষ্ঠান ও নৈতিক অনুশাসন সমাজ জীবনে গভীরভাবে প্রভাব ফেলে বৃহত্তর সামাজিক মূল্যবোধ গঠনে সাহায্য করে। - ধর্মীয় দর্শন মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক ও আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে সমাজের সামগ্রিক মূল্যবোধের ভিত্তি মজবুত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাজকর্মীর মূল্যবোধ ভিত্তি — সমাজকর্মীর নিজস্ব পেশাগত মূল্যবোধ আলাদা এবং তা সমাজকর্ম পেশার নীতিমালার ওপর প্রতিষ্ঠিত, সামগ্রিক ধর্মীয় দর্শনের ওপর নয়। B) সমাজকর্মের মূল্যবোধের ভিত্তি — সমাজকর্মের মূল্যবোধ মূলত মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত, যা এককভাবে কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় দর্শনের ভিত্তি নয়। C) সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তি — সঠিক উত্তর, কারণ ধর্মীয় দর্শন বৃহত্তর সমাজের মানুষের আচরণ ও নীতি নির্ধারণ করে সামাজিক মূল্যবোধের ভিত তৈরি করে। D) বিশেষ মূল্যবোধের ভিত্তি — ধর্মীয় দর্শন কোনো বিশেষ বা সংকীর্ণ গণ্ডির মূল্যবোধ তৈরি করে না, এটি সমাজের সার্বিক মূল্যবোধের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মনে রাখার টিপস: ধর্ম মানুষের সমাজে বসবাস শেখায়, তাই ধর্মীয় দর্শন হলো সামাজিক মূল্যবোধের মূল ভিত্তি।
a হুয়ান সোমাভিয়া
b ডোমিনিক স্ত্রসকান
c প্যাসকাল লেমি
d জিম ইয়ং কিম
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জিম ইয়ং কিম কেন সঠিক: - জিম ইয়ং কিম ২০১২ সালে বিশ্বব্যাংকের দ্বাদশ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম কোরীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুয়ান সোমাভিয়া — তিনি বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ছিলেন না, বরং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) দীর্ঘসময়ের মহাপরিচালক ছিলেন। B) ডোমিনিক স্ত্রসকান — তিনি বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তিনি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। C) প্যাসকাল লেমি — তিনি বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) সাবেক মহাপরিচালক ছিলেন। D) জিম ইয়ং কিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মনে রাখার টিপস: বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী জিম ইয়ং কিম নামটি মনে রাখতে কিম শব্দটির সঙ্গে বিশ্বব্যাংক যুক্ত করে নিতে পারেন।
a সম্রাট জাহাঙ্গীর
b সম্রাট শাহজাহান
c সম্রাট আওরঙ্গজেব
d সম্রাট ফররুখ শিয়র
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সম্রাট জাহাঙ্গীর কেন সঠিক: - সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে ১৬০৮ সালে প্রথম ব্রিটিশ প্রতিনিধি ক্যাপ্টেন হকিংস মুঘল দরবারে আসেন এবং ১৬১৩ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের ফরমানে ইংরেজরা সুরাটে প্রথম বাণিজ্য কুঠি নির্মাণের অনুমতি পায়। - পরবর্তীতে ব্রিটিশ প্রতিনিধি স্যার থমাস রো ১৭১৫ সালে সুনির্দিষ্ট রাজকীয় ফরমান লাভ করেন, যা বাংলায় ইংরেজদের বাণিজ্য বিস্তার ও কুঠি নির্মাণের পথ সুগম করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট জাহাঙ্গীর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তার আমলেই ইংরেজরা বাণিজ্য কুঠি নির্মাণের অনুমতি লাভ করেছিল। B) সম্রাট শাহজাহান — তিনি মুঘল সম্রাট হলেও তার আমলের আগেই ইংরেজরা বাংলায় বাণিজ্যিক অধিকার ও কুঠি স্থাপনের অনুমতি পেয়েছিল। C) সম্রাট আওরঙ্গজেব — তার আমলে ইংরেজরা বাণিজ্যিক সুবিধা পেলেও তারা বাংলায় প্রথম কুঠি নির্মাণের অনুমতি জাহাঙ্গীরের আমলেই পেয়েছিল। D) সম্রাট ফররুখ শিয়র — তিনি ১৭১৭ সালে বিখ্যাত ফরমান বা রাজকীয় আদেশ জারি করে ইংরেজদের শুল্কমুক্ত বাণিজ্যের বিশেষ সুবিধা দিয়েছিলেন, প্রথম কুঠি নির্মাণের অনুমতি নয়। মনে রাখার টিপস: জাহাঙ্গীর মানে অনুমতি, তাই বাংলায় প্রথম কুঠি নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিলেন সম্রাট জাহাঙ্গীর।
a ক্যাপ্টেন হকিন্স
b এডওয়ার্ডস
c স্যার টমাস রো
d উইলিয়াম কেরি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্যাপ্টেন হকিন্স কেন সঠিক: - ১৬০৮ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে প্রথম ইংরেজ দূত হিসেবে আসেন ক্যাপ্টেন উইলিয়াম হকিন্স। - তিনি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্যের অনুমতি চাওয়ার জন্য মুঘল রাজসভায় উপস্থিত হয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যাপ্টেন হকিন্স — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি সবার আগে জাহাঙ্গীরের দরবারে এসেছিলেন। B) এডওয়ার্ডস — এই নামের কেউ জাহাঙ্গীরের দরবারে প্রথম দূত হিসেবে আসেননি। C) স্যার টমাস রো — তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে আসা প্রথম ইংরেজ দূত নন, তিনি এসেছিলেন ১৬১৫ সালে দ্বিতীয় দূত হিসেবে। D) উইলিয়াম কেরি — তিনি একজন ধর্মপ্রচারক ছিলেন, মুঘল দরবারের কোনো রাজদূত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: জাহাঙ্গীরের দরবারে প্রথম হকিন্স আসলেন হক করে, আর টমাস রো আসলেন পরে।
a আসাম যুদ্ধে
b পিলখানা যুদ্ধে
c পলাশীর যুদ্ধে
d রাজমহলের যুদ্ধে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আসাম যুদ্ধে কেন সঠিক: - সুবাদার মীরজুমলা ১৬৬২ সালে আসাম ও কোচবিহার অভিযানে এই বিখ্যাত কামানটি ব্যবহার করেছিলেন। - বিশাল আকৃতির এই কামানটি মোঘল সেনাপতির সামরিক শক্তির প্রতীক হিসেবে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আসাম যুদ্ধে — এটি সঠিক উত্তর কারণ মীরজুমলা আসাম অভিযানের সময় এই ভারী কামানটি সফলভাবে ব্যবহার করেছিলেন। B) পিলখানা যুদ্ধে — পিলখানা কোনো ঐতিহাসিক যুদ্ধের নাম নয়, তাই এই অপশনটি সম্পূর্ণ অসঙ্গত। C) পলাশীর যুদ্ধে — পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল ১৭৫৭ সালে ব্রিটিশ ও সিরাজউদ্দৌলার মধ্যে, যেখানে মীরজুমলার কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না। D) রাজমহলের যুদ্ধে — রাজমহলের যুদ্ধ মোঘলদের বাংলার অধিকার সুদৃঢ় করার সময় সংঘটিত হলেও এটি মীরজুমলার কামানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: মীরজুমলার নাম আসাম অভিযানের সঙ্গে সরাসরি জড়িত, তাই মীরজুমলার কামান মানেই আসাম যুদ্ধ।
a পরী বিবি
b ইরান দুখত
c জাহানারা
d বিবি মরিয়ম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরান দুখত কেন সঠিক: - লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরে অবস্থিত বিখ্যাত পরী বিবির মাজারের মূল শায়িত নারীর আসল নাম ইরান দুখত। - তিনি ছিলেন বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খানের অতি প্রিয় কন্যা, যাকে মৃত্যুর পর এই দুর্গে সমাহিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরী বিবি — এটি তার আসল নাম নয়, বরং এটি তার একটি জনপ্রিয় ও আলংকারিক উপনাম বা ডাকনাম ছিল। C) জাহানারা — এটি মোঘল সম্রাট শাহজাহানের জ্যেষ্ঠ কন্যার নাম, যার সাথে লালবাগ দুর্গের এই ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই। D) বিবি মরিয়ম — ইনিও শায়েস্তা খানের পরিবারভুক্ত এবং লালবাগ দুর্গে তার মাজার রয়েছে, তবে তিনি কন্যা নন। মনে রাখার টিপস: শায়েস্তা খানের কন্যার আসল নাম ইরান দুখত আর পরী বিবি হলো তার আদরের ডাকনাম।
a শের শাহ
b আকবর
c জাহাঙ্গীর
d আওরঙ্গজেব
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শের শাহ কেন সঠিক: - শের শাহ সুরি ১৫৩৮ সালে গৌড় দখল করেন এবং বাংলার শাসনভার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন। - এ সময় তিনি হুগলি ও সাতক্ষীরা অঞ্চল থেকে পর্তুগিজ জলদস্যু ও বণিকদের ক্ষমতা খর্ব করে তাদের বিতাড়িত করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শের শাহ — তিনি বাংলা থেকে পর্তুগিজদের বিতাড়িত করেন, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) আকবর — তিনি মুঘল সম্রাট ছিলেন এবং মোগল আমলে বাংলার বারো ভূঁইয়াদের দমন করা হয়, পর্তুগিজদের বিতাড়ন তিনি করেননি। C) জাহাঙ্গীর — তার আমলেও পর্তুগিজরা বাংলায় বাণিজ্য করেছে এবং পরবর্তীতে মোগলদের সঙ্গে তাদের সংঘাত হয়, তবে শের শাহ ছিলেন প্রথম যিনি তাদের দমন করেন। D) আওরঙ্গজেব — তিনি বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খানের মাধ্যমে আরাকানি মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়িত করেন, যা শের শাহের ঘটনার বহু পরের। মনে রাখার টিপস: পর্তুগিজদের বাংলা থেকে প্রথম বিতাড়িত করেন দিল্লির শুরি বংশের প্রতিষ্ঠাতা শের শাহ।
a ৭ জানুয়ারি ১৯৯৫
b ২ নভেম্বর ১৯৯৬
c ২৮ অক্টোবর ১৯৯৭
d ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ কেন সঠিক: - ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ইতালির নাপোলি শহরে ইউনেস্কোর একুশতম সম্মেলনে সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য বা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। - এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য, যা এর জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক গুরুত্বের জন্য স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ জানুয়ারি ১৯৯৫ — এই তারিখে সুন্দরবন সম্পর্কিত কোনো বিশ্ব ঐতিহ্য বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়ার রেকর্ড নেই। B) ২ নভেম্বর ১৯৯৬ — এই তারিখটি সুন্দরবনের ইউনেস্কো স্বীকৃতি সংক্রান্ত ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ২৮ অক্টোবর ১৯৯৭ — এই তারিখে সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। D) ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ — এই তারিখে সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেস্কোর তালিকায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্থান পায়। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের স্বীকৃতি মনে রাখতে সালটি মনে রাখুন ১৯৯৭ এবং মাসটি ডিসেম্বর, ঠিক বিজয়ের মাসের ছয় তারিখে এই গৌরব অর্জন করে।
a বন্যা
b জলোচ্ছ্বাস
c সুনামি
d অগ্নুৎপাত
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুনামি কেন সঠিক: - সমুদ্রের তলদেশে আকস্মিক ভূমিকম্প বা টেকটনিক প্লেটের স্থানচ্যুতির ফলে প্রকাণ্ড সামুদ্রিক ঢেউ বা সুনামি সৃষ্টি হয়। - ভূকম্পনজনিত শক্তির প্রভাবে সমুদ্রের পানি প্রবল বেগে উপকূলের দিকেড়ে ধেয়ে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্যা — নদী ভাঙন বা অতিবৃষ্টির কারণে বন্যা হয়, যা সরাসরি ভূমিকম্পের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) জলোচ্ছ্বাস — প্রধানত সামুদ্রিক ঝড় বা সাইক্লোনের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়, ভূমিকম্পের প্রধান আশঙ্কা এটি নয়। C) সুনামি — এটি সরাসরি সমুদ্রের তলদেশের ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সামুদ্রিক ঢেউ, যা প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) অগ্নুৎপাত — অগ্নুৎপাত টেকটনিক প্লেটেরMOVEMENT এর কারণে হতে পারে, তবে ভূমিকম্পের সরাসরি প্রত্যক্ষ ফল সুনামি। মনে রাখার টিপস: ভূমিকম্প জলের নিচে হলে সুনামির আশঙ্কা তৈরি হয়।
a অমাবস্যায়
b একাদশীতে
c অষ্টমীতে
d পঞ্চমীতে
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অমাবস্যায় কেন সঠিক: - অমাবস্যা ও পূর্ণিমার দিনে সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ একই সরলরেখায় অবস্থান করে। - এই সমান্তরাল অবস্থানের কারণে সূর্যের ও চাঁদের মিলিত আকর্ষণে জোয়ারের পানি সবচেয়ে বেশি ফুলে ওঠে, যাকে তেজকটাল বা মরা জোয়ার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অমাবস্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এ সময়ে সূর্য ও চাঁদের মিলিত আকর্ষণে জোয়ারের তেজ সবচেয়ে বেশি হয়। B) একাদশীতে — এই অপশনে জোয়ারের তেজ বৃদ্ধি পায় না, বরং এটি তিথির একটি সাধারণ দিন। C) অষ্টমীতে — এই দিনে সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করায় মরাকটাল বা জোয়ারের প্রকোপ সবচেয়ে কম হয়। D) পঞ্চমীতে — এই অপশনে জোয়ার-ভাটার ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ বা তীব্র আকর্ষণ কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: তেজকটাল মানে জোর বেশি, আর অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় চাঁদ-সূর্য একসঙ্গে জোরে টানে।
a শীতলক্ষ্যা
b বুড়িগঙ্গা
c ধরলা
d বংশী
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) বুড়িগঙ্গা কেন সঠিক: - বুড়িগঙ্গা নদীটি মূলত ধলেশ্বরী নদী থেকেই উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নদীতে পতিত হয়েছে। - ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক তথ্যানুযায়ী, বুড়িগঙ্গা ধলেশ্বরী নদীর একটি অন্যতম প্রধান শাখা নদী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শীতলক্ষ্যা — এটি ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা নদী এবং এটি গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। B) বুড়িগঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ধলেশ্বরী নদীর শাখা। C) ধরলা — এটি ভারতের আসাম থেকে উৎপন্ন হয়ে কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এটি ব্রহ্মপুত্রের উপনদী। D) বংশী — এটি গাজীপুর ও টাঙ্গাইল অঞ্চলের একটি নদী এবং এটি মূলত বংশী বা বংশাই নামে পরিচিত যা করতোয়া নদী থেকে উৎপন্ন হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ধলেশ্বরী নদীর পানি থেকে বুড়িগঙ্গা নদীর জন্ম হয়েছে, যা ঢাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত।
a বিকেএসপি
b বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
c জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র
d জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কেন সঠিক: - বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র বাংলাদেশের একটি প্রখ্যাত সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান, যার মূল লক্ষ্য মানুষের মননশীলতা বিকাশ করা। - অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ১৯৭৮ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর সুপরিচিত স্লোগান হলো আলোকিত মানুষ চাই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিকেএসপি — এটি বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা খেলাধুলা ও শিক্ষার উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত এবং এর স্লোগান ভিন্ন। B) বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বইপড়া আন্দোলন ও আলোকিত মানুষ গড়ার কাজের জন্য পরিচিত। C) জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র — এটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, যা বই প্রকাশনা ও প্রচারের সঙ্গে যুক্ত। D) জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র — প্রশ্নপত্রে একই অপশন পুনরাবৃত্তি হয়েছে, তবে এটি গ্রন্থ উন্নয়নের সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় সঠিক স্লোগানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মানেই মনের আলো ছড়ানোর আন্দোলন, তাই এর স্লোগান হলো আলোকিত মানুষ চাই।
a জারি
b ধূপ
c বল
d ঝুমুর
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধূপ কেন সঠিক: - ধূপ নৃত্য হলো বাংলাদেশের ফরিদপুর অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্য। - এই অঞ্চলের গ্রামীণ সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্যের সঙ্গে এই নৃত্য গভীরভাবে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জারি — জারি গান ও নৃত্য মূলত শোকাবহ লোকসংগীতের অংশ যা মূলত বৃহত্তর ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে বেশি প্রচলিত। B) ধূপ — এটি ফরিদপুর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। setC) বল — বল বা বলখেলা চট্টগ্রামের একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ কুস্তি প্রতিযোগিতা, কোনো নৃত্য নয়। D) ঝুমুর — ঝুমুর নৃত্য মূলত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড এবং বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের চা শ্রমিক ও আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য। মনে রাখার টিপস: ফরিদপুরের ঐতিহ্য মানেই সুবাসিত ধূপ নৃত্য।
a সৈয়দ নজরুল ইসলাম
b তাজউদ্দীন আহমেদ
c বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
d ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকারের (মুজিবনগর সরকার) ঘোষণাপত্র অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। - তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকাকালীন অনুপস্থিতিতেই তাকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং তার নেতৃত্বেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন, প্রথম রাষ্ট্রপতি নন। B) তাজউদ্দীন আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। D) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী — তিনি পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী ছিলেন, তবে প্রথম সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের ঘোষণাপত্র অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
a ২ বছর
b ৩ বছর
c ৪ বছর
d ৫ বছর
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ বছর কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল চার বছর নির্ধারিত রয়েছে। - সরকার এই পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পুনরায় একই ব্যক্তিকে অথবা অন্য কাউকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দিতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ বছর — বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নির্ধারিত পদের মেয়াদ দুই বছর নয়। B) ৩ বছর — এই মেয়াদের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের কার্যকালের কোনো মিল নেই। C) ৪ বছর — এটি সঠিক মেয়াদ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। D) ৫ বছর — সাধারণ অনেক পদের মেয়াদ পাঁচ বছর হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর চার অক্ষরের শব্দ, আর তাঁর পদের মেয়াদও চার বছর।
a সুবেদার ইসলাম খান
b মীর জুমলা
c মুর্শিদাকুলী খান
d উমিদ খাঁ
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উমিদ খাঁ কেন সঠিক: - মুঘল সুবেদার শায়েস্তা খানের আমলে মোঘল স্থাপত্যরীতিতে ১৬৬০ থেকে ১৬৬৪ সালের দিকে এই মসজিদটি নির্মিত হয়। - তৎকালীন ঢাকার ফৌজদার উমিদ খাঁ মোঘল আমলে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এই ঐতিহাসিক সাত গম্বুজ মসজিদটি নির্মাণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবেদার ইসলাম খান — ইনি ১৬১০ সালে ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী করেন এবং ঢাকা শহরের প্রথম মোঘল স্থাপনা নির্মাণ করেন, কিন্তু সাত গম্বুজ মসজিদের নির্মাতা নন। B) মীর জুমলা — ইনি বাংলার একজন বিখ্যাত মোঘল সুবেদার ছিলেন যিনি ইবরাহম খাঁর কেল্লা ও বিভিন্ন রাস্তাঘাট নির্মাণ করেন, কিন্তু এই মসজিদ নির্মাণ করেননি। C) মুর্শিদাকুলী খান — ইনি বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব ও দেওয়ান ছিলেন যিনি রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন, কিন্তু এই মসজিদের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) উমিদ খাঁ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ ইনিই ঢাকার ফৌজদার হিসেবে সাত গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সাত গম্বুজ মসজিদ নির্মাণের সঙ্গে উমিদ খাঁর নাম মনে রাখতে উমিদ শব্দের সঙ্গে মসজিদের গম্বুজের সংখ্যা মিলিয়ে পড়তে পারো।
a উন্নতজাতের চা
b উন্নতজাতের পাট
c উন্নতজাতের ইক্ষু
d উন্নতজাতের ধান
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উন্নতজাতের ধান কেন সঠিক: - ইরাটম (IRATOM) হলো ফিলিপাইনের আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে উদ্ভাবित উচ্চফলনশীল ধানের একটি জাত। - এটি আমাদের দেশে কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাতে এবং খাদ্য ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্নতজাতের চা — এটি চা উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, চা পাতার আলাদা উন্নত জাত রয়েছে। B) উন্নতজাতের পাট — পাট গবেষণার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই, পাট উৎপাদনে অন্য জাত ব্যবহৃত হয়। C) উন্নতজাতের ইক্ষু — এটি আখের কোনো উন্নত জাতের নাম নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। D) উন্নতজাতের ধান — এটি একটি উন্নতজাতের ধানের নাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ধান উৎপাদন বা খাদ্যশস্যের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের নাম যুক্ত থাকলে সেটি সাধারণত ধানের জাত নির্দেশ করে।
a এম ভি বাঙালি
b এম ভি বাংলাদেশী
c এম ভি মধুমতি
d এম ভি বঙ্গবন্ধু
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এম ভি বাঙালি কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন (BIWTC)-এর অধীনে দেশের শিপইয়ার্ডে তৈরি প্রথম আধুনিক যাত্রীবাহী স্টিমার। - অভ্যন্তরীণ জলপথে নিরাপদ ও আরামদায়ক যাত্রী পরিবহনের জন্য এই জলযানটি নির্মাণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এম ভি বাঙালি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটিই দেশে তৈরি প্রথম যাত্রীবাহী জলযান। B) এম ভি বাংলাদেশী — এটি এই প্রশ্নের জন্য সঠিক উত্তর নয়, কারণ এই নামে কোনো প্রধান সরকারি স্টিমার নেই। C) এম ভি মধুমতি — এটি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি পরবর্তী আরেকটি যাত্রীবাহী জাহাজ, তবে প্রথম নয়। D) এম ভি বঙ্গবন্ধু — এটি দেশের প্রথম নির্মিত যাত্রীবাহী স্টিমার নয়। মনে রাখার টিপস: দেশের প্রথম তৈরি স্টিমার মনে রাখতে বাঙালির অবদান সবার আগে, তাই নাম এম ভি বাঙালি।
a ৫ নং
b ৭ নং
c ১০ নং
d ১১ নং
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১০ নং কেন সঠিক: - ১০ নং সেক্টর ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নৌ সেক্টর, যার নির্দিষ্ট কোনো ভৌগোলিক এলাকা ছিল না। - এই সেক্টরে কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না এবং এটি গঠিত হয়েছিল নৌবাহিনীর কমান্ডোদের নিয়ে সমুদ্র ও নদীপথে অভিযান পরিচালনার জন্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ নং — এটি নিয়মিত সেক্টর ছিল যার ভৌগোলিক এলাকা ছিল সিলেট ও ময়মনসিংহের কিছু অংশ। B) ৭ নং — এটি নিয়মিত সেক্টর ছিল যার ভৌগোলিক এলাকা ছিল রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া ও নাটোর। C) ১০ নং — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ১১ নং — এটি নিয়মিত সেক্টর ছিল যার ভৌগোলিক এলাকা ছিল টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ। মনে রাখার টিপস: নৌপথে ১০ জন কমান্ডো দিয়ে ১০ নং সেক্টর গঠিত হয়েছিল, যা ছিল একমাত্র ব্যতিক্রমী সেক্টর।
a চাকমাদের
b মারমাদের
c গারোদের
d রাখাইনদের
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গারোদের কেন সঠিক: - ওয়ানগালা গারো সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ও প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব। - নতুন ফসল তোলার পর দেবতা মিসি সালজং-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য এই উৎসব পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাকমাদের — চাকমাদের প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু, ওয়ানগালা নয়। B) মারমাদের — মারমাদের প্রধান উৎসব সাংগ্রাই, ওয়ানগালা গারোদের উৎসব। C) গারোদের — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) রাখাইনদের — রাখাইনদের প্রধান উৎসব সাংগ্রাইন, ওয়ানগালা তাদের উৎসব নয়। মনে রাখার টিপস: গারোদের প্রধান উৎসব ওয়ানগালা মনে রাখতে "গারো ওয়ানগালা" এভাবে জোড়া শব্দ হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
a পাল আমলে
b মুঘল আমলে
c সেন আমলে
d ইংরেজ আমলে
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুঘল আমলে প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা কেন সঠিক: - মুঘল আমলে মসলিন কাপড় বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করে এবং ঢাকাকে এর উৎপাদন ও বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়। - তৎকালীন মুঘল সম্রাট ও অভিজাত শ্রেণীর পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকার মসলিন তার স্বর্ণযুগে পৌঁছায় এবং রাজকীয় পোশাক তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাল আমলে — এই সময়ে প্রাচীন বাংলায় বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছিল, তবে বিশ্বখ্যাত ঢাকাই মসলিনের গৌরবময় উৎপাদন শুরু হয়নি। B) মুঘল আমলে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই আমলেই ঢাকার মসলিন উৎপাদনে উৎকর্ষ সাধিত হয় ও রাজকীয় প্রশ্রয় পায়। C) সেন আমলে — এই যুগে হিন্দু সংস্কৃতির বিকাশ ও সাহিত্যচর্চা হলেও মসলিনের আন্তর্জাতিক খ্যাতি ও বাণিজ্য মুঘল আমলের মতো ছিল না। D) ইংরেজ আমলে — এই সময়ে ব্রিটিশদের শুল্ক নীতি এবং কারখানায় উৎপাদিত সস্তা কাপড়ের প্রতিযোগিতায় মসলিন শিল্প ধ্বংস হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: মসলিন কাপড় আর মুঘল সাম্রাজ্যের সোনালী ঐতিহ্য ও রাজকীয় আভিজাত্য একে অপরের পরিপূরক হিসেবে মনে রাখা যায়।
a ১৭৯৩ সালে
b ১৭৯৬ সালে
c ১৭৯৯ সালে
d ১৮০২ সালে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭৯৩ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস বাংলায় ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু করেন। - এই প্রথার মাধ্যমে জমিদারদের জমির স্থায়ী মালিকানা প্রদান করা হয় এবং সরকারের রাজস্বের পরিমাণ চিরতরে নির্দিষ্ট করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৯৩ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা কার্যকর করেছিলেন। B) ১৭৯৬ সালে — এই সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করা হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১৭৯৯ সালে — এই সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয়নি, বরং পরবর্তীতে পঞ্চম আইন বা অন্য কোনো প্রশাসনিক ঘটনা ঘটেছিল। D) ১৮০২ সালে — এই সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রথা চালু হয়নি, এটি ভুল সাল। মনে রাখার টিপস: করনওয়ালিস ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত মনে রাখতে করনওয়ালিস নামের শেষ অংশ নবিশের সঙ্গে ১৭৯৩ সালের তেতাল্লিশ সংখ্যাটি মিলিয়ে নিতে পারো।
a ১৯৫৪ সালে
b ১৯৫৫ সালে
c ১৯৫৬ সালে
d ১৯৫৭ সালে
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি (ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা) সঠিক উত্তর: C) ১৯৫৬ সালে কেন সঠিক: - শের-ই-বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ১৯৫৬ সালের মার্চ মাসে পূর্ব বাংলার গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা তাকে এই পদে নিয়োগ প্রদান করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫৪ সালে — এই সালে তিনি যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন, গভর্নর হননি। B) ১৯৫৫ সালে — এই বছরে তিনি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, গভর্নর হননি। C) ১৯৫৬ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই সালেই গভর্নর নিযুক্ত হয়েছিলেন। D) ১৯৫৭ সালে — ১৯৫৬ সালে গভর্নর হলেও তিনি এই বছর পদত্যাগ করেন বা তার মেয়াদ শেষ হয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তফ্রন্টের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন চুয়ান্ন সালে, আর পূর্ব বাংলার গভর্নর হয়েছিলেন ছাপ্পান্ন সালে।
a এস এম সুলতান
b জয়নুল আবেদীন
c মোস্তফা মনোয়ার
d নিতুন কুণ্ডু
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জয়নুল আবেদীন কেন সঠিক: - ১৯৪৩ সালের বাংলার ভয়াবহ মন্বন্তর বা দুর্ভিক্ষের করুণ দৃশ্য ফুটিয়ে তুলতে শিল্পী জয়নুল আবেদীন এই চিত্রকর্মটি অঙ্কন করেন। - দুর্ভিক্ষের অবক্ষয়িত মানুষের কঙ্কালসার রূপ এবং মাতৃত্বের বেদনা এই ছবির মূল উপজীব্য বিষয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এস এম সুলতান — তিনি গ্রামীণ কৃষক ও বাংলার শ্রমজীবী মানুষের পেশীশক্তি ফুটিয়ে তোলার জন্য বিখ্যাত, ১৯৪৩ সালের মন্বন্তরের এই ছবির চিত্রশিল্পী তিনি নন। B) জয়নুল আবেদীন — তিনি এই বিখ্যাত চিত্রকর্মটির রচয়িতা এবং বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার অগ্রপথিক। C) মোস্তফা মনোয়ার — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও পাপেট নির্মাতা হলেও এই ঐতিহাসিক ছবির সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। D) নিতুন কুণ্ডু — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর এবং মুক্তিযুদ্ধে সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যের স্রষ্টা, এই ছবির চিত্রশিল্পী নন। মনে রাখার টিপস: জয়নুল আবেদীন মানেই ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ ও মন্বন্তরের চিত্রকর্ম।
a রশিদ চৌধুরী
b রফিকুন আহমদ
c জয়নুল আবেদীন
d কামরুল হাসান
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - ‘রায়বেঁশে নৃত্য’ শিল্পকর্মটি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসানের একটি অন্যতম প্রধান ও পরিচিত শিল্পকর্ম। - বাংলার লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তাঁর শিল্পকর্মে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রশিদ চৌধুরী — তিনি মূলত বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং টেপিস্ট্রি বা কুটিরশিল্প মাধ্যম ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। B) রফিকুন আহমদ — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কার্টুনিস্ট ও চিত্রশিল্পী, যিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্টুনের জন্য বিখ্যাত। C) জয়নুল আবেদীন — তিনি শিল্পাচার্য হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত শিল্পকর্মের মধ্যে মন্বন্তরের চিত্রমালা অন্যতম। D) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: লোকশিল্প ও লোকনৃত্য সংক্রান্ত চিত্রকর্মের ক্ষেত্রে পটশিল্পী ও চিত্রশিল্পী কামরুল হাসানকে মনে রাখতে হবে।
a বৃহস্পতিবার
b শুক্রবার
c শনিবার
d রবিবার
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বৃহস্পতিবার কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ঘুমন্ত বাঙালির ওপর অপারেশন সার্চলাইট নামে নির্মম গণহত্যা শুরু করে। - ক্যালেন্ডারের হিসাব অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ একটি বৃহস্পতিবার ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃহস্পতিবার — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বৃহস্পতিবার ছিল। B) শুক্রবার — ২৫ মার্চ বৃহস্পতিবার হওয়ায় ২৬ মার্চ ছিল শুক্রবার, তাই এটি ভুল। C) শনিবার — এটি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের সঠিক বার নয়। D) রবিবার — এটি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের সঠিক বার নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত ছিল বৃহস্পতিবার এবং পরের দিন ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় শুক্রবার।
a ১৯ জন
b ৩৫ জন
c ৩৯ জন
d ৫১ জন
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৫ জন কেন সঠিক: - ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সরকার বাঙালি সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করেছিল, তাতে মোট আসামি ছিলেন ৩৫ জন। - এই মামলার এক নম্বর আসামি ছিলেন তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ও পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ মামলার প্রথম দিকে আসামির সংখ্যা ১৯ জন বলা হলেও পরবর্তীতে তা বাড়ানো হয়। B) ৩৫ জন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই মামলায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে বঙ্গবন্ধুসহ মোট ৩৫ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। C) ৩৯ জন — এই সংখ্যাটি ভুল কারণ মামলার কোনো পর্যায়ে আসামির সংখ্যা ৩৯ জন ছিল না। D) ৫১ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ উনসত্তরের গণঅভুত্থানের সময় মামলার আসামির সংখ্যা ৫১ জন ছিল না। মনে রাখার টিপস: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটি উল্টে পাল্টে না ভেবে মনে রাখুন যে বঙ্গবন্ধু ছিলেন প্রধান আসামি এবং মোট আসামির সংখ্যা ছিল তিন দশক ও পাঁচ জন অর্থাৎ ৩৫ জন।
a কণ্ঠশিল্পী
b সেতার শিল্পী
c তবলা শিল্পী
d সরোদ শিল্পী
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তবলা শিল্পী কেন সঠিক: - ওস্তাদ আল্লা রাখা খান ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের একজন বিখ্যাত এবং কিংবদন্তি তবলা বাদক। - তিনি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতে তবলা বাদনকে একটি অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিলেন এবং বিখ্যাত সেতার বাদক পণ্ডিত রবি শংকরের সঙ্গে যুক্ত থেকে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কণ্ঠশিল্পী — ওস্তাদ আল্লা রাখা গান গাওয়ার জন্য বিখ্যাত ছিলেন না, তিনি যন্ত্রসংগীতের সাথে যুক্ত ছিলেন। B) সেতার শিল্পী — পণ্ডিত রবি শংকর সেতার বাদক ছিলেন, আর ওস্তাদ আল্লা রাখা তবলা বাদনের জন্য পরিচিত। C) তবলা শিল্পী — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই বাদ্যযন্ত্র বাজানোতেই বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। D) সরোদ শিল্পী — ওস্তাদ আমজাদ আলী খান বা ওস্তাদ আলাউদ্দীন খাঁ সরোদ বাদক ছিলেন, ওস্তাদ আল্লা রাখা নন। মনে রাখার টিপস: আল্লা রাখা নামের সাথে তবলা বাদক ওস্তাদ জাকির হোসেনের নাম মনে রাখুন, কারণ জাকির হোসেন হলেন ওস্তাদ আল্লা রাখারই সুযোগ্য পুত্র।
a বাংলাদেশ বিমান
b অ্যারো বেঙ্গল এয়ারলাইন্স
c এয়ার বাংলা
d জিএমজি
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যারো বেঙ্গল এয়ারলাইন্স কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৯৩ সালে অ্যারো বেঙ্গল এয়ারলাইন্স প্রথম বেসরকারি বিমান সংস্থা হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে। - এটি ছিল দেশের বিমান চলাচল খাতে বেসরকারি খাতের প্রথম বাণিজ্যিক উদ্যোগ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ বিমান — এটি বাংলাদেশের সরকারি জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা, কোনো বেসরকারি সংস্থা নয়। B) অ্যারো বেঙ্গল এয়ারলাইন্স — এটি বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি বিমান সংস্থা হিসেবে সফলভাবে কার্যক্রম শুরু করেছিল। C) এয়ার বাংলা — এটি পরবর্তী সময়ে গঠিত একটি বেসরকারি বিমান সংস্থা, তবে প্রথম নয়। D) জিএমজি — জিএমজি এয়ারলাইন্স বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় বেসরকারি বিমান সংস্থা হলেও এটি প্রথম নয়। মনে রাখার টিপস: বেসরকারি বিমান মানেই আকাশে বাংলার বেঙ্গল বাজানো, তাই প্রথম বেসরকারি বিমান সংস্থার নাম অ্যারো বেঙ্গল এয়ারলাইন্স।
a কাঠালিয়া (ঝালকাঠি)
b পতেঙ্গা (চট্রগ্রাম)
c সাভার (ঢাকা)
d সোনাগাজী (ফেনী)
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সোনাগাজী (ফেনী) কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলায় অবস্থিত। - এই প্রকল্পে বায়ু থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য টারবাইন স্থাপন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঠালিয়া (ঝালকাঠি) — এটি ঝালকাঠি জেলার একটি উপজেলা হলেও বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য পরিচিত নয়। B) পতেঙ্গা (চট্রগ্রাম) — এটি চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত এবং সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দর এলাকার জন্য পরিচিত, প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র এখানে নয়। C) সাভার (ঢাকা) — এটি ঢাকা জেলার একটি শিল্প এলাকা এবং এখানে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও ইপিজেড রয়েছে, বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়। D) সোনাগাজী (ফেনী) — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা ফেনী জেলায় প্রথম বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পের অবস্থান নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: বায়ু থেকে বিদ্যুৎ পেতে সোনাগাজীতে যাই।
a কুতুবউদ্দীন আইবেক
b শামসুদ্দিন ইলতুতমিশ
c গিয়াসউদ্দীন বলবন
d মুহাম্মদ বিন তুঘলক
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুদ্দিন ইলতুতমিশ কেন সঠিক: - সুলতানা রাজিয়া ছিলেন দিল্লির মামলুক বা দাস বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুতমিশের সুযোগ্যা কন্যা। - তিনি ১২৩৬ সালে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং তিনিই ছিলেন মুসলিম বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম নারী শাসক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুতুবউদ্দীন আইবেক — তিনি দিল্লির দাস বংশের প্রতিষ্ঠাতা হলেও সুলতানা রাজিয়া তাঁর কন্যা ছিলেন না, তিনি ছিলেন ইলতুতমিশের কন্যা। B) শামসুদ্দিন ইলতুতমিশ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি সুলতানা রাজিয়ার পিতা ছিলেন এবং দিল্লি শাসন করেছিলেন। C) গিয়াসউদ্দীন বলবন — তিনি ছিলেন দিল্লির দাস বংশের একজন প্রভাবশালী সুলতান ও আমির, যিনি রাজিয়ার অনেক পরে ক্ষমতালাভ করেন। D) মুহাম্মদ বিন তুঘلک — তিনি তুঘলক বংশের শাসক ছিলেন এবং অনেক পরে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন। মনে রাখার টিপস: ইলতুতমিশের কন্যা রাজিয়া হলেন দিল্লির প্রথম নারী শাসক, যাঁর নামের সাথে পিতা ইলতুতমিশের নাম মনে রাখা জরুরি।
a যেখানে সচেতনতা নেই
b যেখানে শিক্ষা নেই
c যেখানে সংবাদ মাধ্যম নেই
d যেখানে দেশপ্রেম নেই
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যেখানে শিক্ষা নেই কেন সঠিক: - সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান শর্ত হলো সচেতন ও দক্ষ নাগরিক সমাজ, যা কেবল শিক্ষার মাধ্যমেই গড়ে ওঠে। - শিক্ষা মানুষের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করে, যা ছাড়া রাষ্ট্রে জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যেখানে সচেতনতা নেই — সচেতনতা সুশাসনের একটি অনুষঙ্গ হলেও, শিক্ষা হলো সেই মূল ভিত্তি যা নাগরিক সচেতনতা তৈরি করে। C) যেখানে সংবাদ মাধ্যম নেই — সংবাদ মাধ্যম সুশাসনের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে, কিন্তু এটি শিক্ষার মতো সার্বিক মূল ভিত নয়। D) যেখানে দেশপ্রেম নেই — দেশপ্রেম নৈতিক প্রেরণা জোগায়, তবে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন চালনার জন্য জ্ঞান ও শিক্ষার গুরুত্ব সর্বাধিক। মনে রাখার টিপস: সুশাসনের চাবিকাঠি হলো শিক্ষা, কারণ শিক্ষাই মানুষকে সচেতন ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে তোলে।
a ভুটান
b নেপাল
c ঘানা
d কম্বোডিয়া
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভুটান কেন সঠিক: - দোজংখা হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভুটানের সরকারি এবং প্রধান ভাষা। - এই ভাষাটি তিব্বতি ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং ভুটানের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুটান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ দোজংখা ভুটানের সরকারি ভাষা। B) নেপাল — নেপালের প্রধান সরকারি ভাষা হলো নেপালি, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) ঘানা — ঘানার প্রধান ও সরকারি ভাষা হলো ইংরেজি, দোজংখা সেখানে ব্যবহৃত হয় না। D) কম্বোডিয়া — কম্বোডিয়ার সরকারি ভাষা হলো খেমার, তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: ভুটানের পাহাড় ঘেরা প্রকৃতির মতো এর ভাষার নামটিও আলাদা, দোজংখা শুনলেই ভুটানের কথা মনে রাখবে।
a ফ্যাক্সের প্রেরকযন্ত্রের অতি আধুনিক সংস্করণ
b যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোয়েন্দা সংস্থা
c ইতালির একটি বার্তা সংস্থা
d মার্কিন প্রেসিডেন্ট ব্যবহৃত একটি অতি গোপন সংকেত
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোয়েন্দা সংস্থা কেন সঠিক: - ফেয়ার ফ্যাক্স হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত ও বিতর্কিত বেসরকারি প্রাইভেট গোয়েন্দা ও সিকিউরিটি সংস্থা। - আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনৈতিক অপরাধ তদন্তে এই সংস্থাটি বিভিন্ন সময় নানা তথ্য উদ্ঘাটন করে আলোচনায় এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাক্সের প্রেরকযন্ত্রের অতি আধুনিক সংস্করণ — এটি কোনো প্রযুক্তিগত যন্ত্র বা ফ্যাক্স মেশিনের নাম নয়, বরং একটি গোয়েন্দা সংস্থার নাম। B) যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোয়েন্দা সংস্থা — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে। C) ইতালির একটি বার্তা সংস্থা — এটি কোনো সংবাদ সংস্থা নয়, এটি একটি প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্থা। D) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ব্যবহৃত একটি অতি গোপন সংকেত — এটি কোনো গোপন কোড বা সংকেত নয়, একটি মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: ফেয়ার ফ্যাক্স নামটি মনে রাখতে ফ দিয়ে ফ্যাক্স (গোয়েন্দা সংস্থা) এবং আ দিয়ে আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্র) এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারো।
a দ্রিনা
b দ্রাভা
c তিয়া
d দানিউব
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্রিনা কেন সঠিক: - দ্রিনা নদীটি বলকান অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী যা মূলত বসনিয়া ও হার্জোগোভিনা এবং সার্বিয়ার মধ্যে প্রাকৃতিক সীমানা তৈরি করেছে। - ভৌগোলিক অবস্থান ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই নদীটি বসনিয়া হার্জোগোভিনাকে পূর্বের অংশ থেকে আলাদা করার জন্য পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রিনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নদীটি বসনিয়া হার্জোগোভিনাকে ভৌগোলিকভাবে বিভক্ত করেছে। B) দ্রাভা — এটি মূলত মধ্য ইউরোপের একটি নদী যা ডানিউব নদীর উপনদী এবং ক্রোয়েশিয়া ও হাঙ্গেরির সীমানা নির্ধারণ করে। C) তিয়া — এটি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে কোনো প্রধান বা প্রাসঙ্গিক নদী নয়। D) দানিউব — এটি ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী যা ১০টি দেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে কিন্তু বসনিয়াকে বিভক্ত করেনি। মনে রাখার টিপস: বসনিয়াকে বিভক্তকারী নদীর নাম মনে রাখতে 'ব' দিয়ে বসনিয়া এবং 'দ্র' দিয়ে দ্রিনা নদী মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a ১ জানুয়ারি
b ২৮ অক্টোবর
c ৫ জুন
d ২১ সেপ্টেম্বর
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২১ সেপ্টেম্বর কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৮১ সালে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় এই দিনটি আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা দেয়। - এই দিনে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিরতি পালন এবং সংঘাত নিরসনে সচেতনতা তৈরি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জানুয়ারি — এটি আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস নয়, তবে এই দিনে ইংরেজি নববর্ষ পালিত হয়। B) ২৮ অক্টোবর — এটি শান্তি দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো আন্তর্জাতিক সরকারি দিবস নয়। C) ৫ জুন — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়, যা শান্তি দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ২১ সেপ্টেম্বর — এটি জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস, তাই এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: শান্তি বজায় রাখতে দুই (২) হাতে এক (১) হয়ে কাজ করার কথা মনে রাখলেই ২১ সেপ্টেম্বর তারিখটি সহজে মনে থাকবে।

মোট প্রশ্ন (9)

a এক কিলোওয়াট-ঘণ্টায়
b এক ওয়াট -ঘণ্টা
c এক কিলোওয়াট
d এক ওয়াট
0 51 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এক কিলোওয়াট-ঘণ্টায় ১. কেন সঠিক: - বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব করার সময় এক কিলোওয়াট-ঘণ্টাকে এক ইউনিট হিসেবে ধরা হয়। - এটি মূলত শক্তির একটি বাণিজ্যিক একক, যা আমাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ নির্ধারণ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বৈদ্যুতিক শক্তি খরচের পরিমাপ হলো ক্ষমতা এবং সময়ের গুণফল। - সূত্র/তত্ত্ব: শক্তি (E) = ক্ষমতা (P) × সময় (t)। এখানে ক্ষমতা কিলোওয়াটে এবং সময় ঘণ্টায় মাপা হয়। - কার্যপ্রণালি: এক হাজার ওয়াটের কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র এক ঘণ্টা একটানা চললে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হয়, তাকে এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা এক ইউনিট বলে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের বাড়ির বৈদ্যুতিক মিটারে যে রিডিং ওঠে, তা এই কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ইউনিট হিসেবেই গণনা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি এক হাজার ওয়াটের হিটার যদি এক ঘণ্টা চালানো হয়, তবে এটি এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করবে। ব্যাখ্যা: হিটারটির ক্ষমতা এক কিলোওয়াট এবং সময় এক ঘণ্টা হওয়ায় মোট শক্তি খরচ হয় এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা। উদাহরণ ২: একটি একশো ওয়াটের বাল্ব যদি দশ ঘণ্টা জ্বালানো হয়, তবে তা এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করবে। ব্যাখ্যা: এখানে ক্ষমতা শূন্য দশমিক এক কিলোওয়াট এবং সময় দশ ঘণ্টা, গুণ করলে এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক কিলোওয়াট-ঘণ্টায় — এটি সঠিক কারণ বৈদ্যুতিক শক্তির বাণিজ্যিক হিসাব এই এককেই করা হয়। B) এক ওয়াট-ঘণ্টা — এটি শক্তির একটি খুব ছোট একক, যা দিয়ে সাধারণত আমাদের বাড়ির বড় বিদ্যুৎ খরচ মাপা হয় না। C) এক কিলোওয়াট — এটি কেবল বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক, শক্তির ব্যয়ের পরিমাণ বা সময়ের হিসাব এর মধ্যে থাকে না। D) এক ওয়াট — এটি ক্ষমতার খুব ছোট একটি একক, যা দিয়ে শক্তির মোট খরচ বোঝানো যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্যুতের ইউনিট মানেই কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা বিওটি ইউনিট। - কিলো অর্থ এক হাজার, তাই এক হাজার ওয়াট এক ঘণ্টা চললেই এক ইউনিট হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এক কিলোওয়াট-ঘণ্টাকে অনেক সময় বিওটি (Board of Trade Unit) বলা হয়। - এই একই ধারণা থেকে পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রের বিদ্যুৎ খরচের অঙ্ক আসতে পারে।
a সমান
b দ্বিগুণ
c তিনগুণ
d শূন্য
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শূন্য ১. কেন সঠিক: কৃত্রিম উপগ্রহ যখন পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে, তখন উপগ্রহের ভেতর থাকা বস্তু ও মহাকাশচারী উভয়েই একই ত্বরণে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে মুক্তভাবে পড়তে থাকে। এই মুক্তভাবে পড়ার অবস্থার কারণে বস্তুর ওপর কোনো অভিলম্ব প্রতিক্রিয়া বল কাজ করে না, যা আমাদের ওজন অনুভবের প্রধান কারণ। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ওজন হলো কোনো বস্তুর ওপর পৃথিবীর অভিকর্ষ বল এবং অবলম্বনের প্রতিক্রিয়ার সম্মিলিত ফল। কার্যপ্রণালি: কৃত্রিম উপগ্রহ এবং এর ভেទস্থ বস্তু উভয়েরই কেন্দ্রমুখী ত্বরণ এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ সমান হওয়ায় ভেতরে কোনো ওজনহীনতার সৃষ্টি হয়। বাস্তব প্রয়োগ: মহাকাশচারীরা মহাশূন্যে বা কৃত্রিম উপগ্রহে ভেসে থাকেন কারণ সেখানে ওজন শূন্য অনুভূত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লিফট যখন হঠাৎ তার ছাদ বা কেবল ছিঁড়ে নিচের দিকে মুক্তভাবে পড়তে থাকে, তখন লিফটের ভেতরের যাত্রীর ওজন শূন্য বা ওজনহীন মনে হয়। ব্যাখ্যা: কৃত্রিম উপগ্রহের ভেতরের অবস্থাও ঠিক এই মুক্তভাবে পড়ার অবস্থার মতো নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে থাকে। উদাহরণ ২: পানিতে ডুবে থাকা কোনো বস্তুর আপাত ওজন যেমন কমে যায়, তেমনি মহাকাশযানের সম্পূর্ণ মুক্তপতনের কারণে ওজন পুরোপুরি শূন্য হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি অভিকর্ষজ ত্বরণ ও কেন্দ্রমুখী ত্বরণের নিখুঁত সাম্যাবস্থার একটি বাস্তব রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমান — ভুল কারণ পৃথিবীতে বস্তুর ওজন থাকলেও কৃত্রিম উপগ্রহে অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ওজন অনুভূত হয় না। B) দ্বিগুণ — ভুল কারণ কৃত্রিম উপগ্রহের গতি বা উচ্চতার কারণে ওজন বৃদ্ধি পায় না, বরং শূন্য হয়ে যায়। C) তিনগুণ — ভুল কারণ ওজনের এমন কোনো বৃদ্ধি ঘটে না, বরং মুক্তপতনের কারণে ওজন সম্পূর্ণ লোপ পায়। D) শূন্য — এটি সঠিক কারণ উপগ্রহের ভেতর কার্যকর অভিকর্ষ বলের প্রভাব থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: কৃত্রিম উপগ্রহ মানেই মুক্তপতন বা ফ্রি ফল। মুক্তপতনের ভেতর সবকিছু ওজনহীন বা শূন্য ওজন বিশিষ্ট হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। মহাকাশচারীদের মহাশূন্যে ভেসে থাকার কারণ হিসেবে ওজনহীনতা বা শূন্য ওজন সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘুরেফিরে আসে।
a সিনকোনো
b কালমেঘ
c বাসক
d ফণিমনসা
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিনকোনো ১. কেন সঠিক: - ম্যালেরিয়া রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিশ্ববিখ্যাত ঔষধি উপাদান কুইনাইন সিনকোনা গাছের ছাল থেকে প্রস্তুত করা হয়। - এই উদ্ভিজ্জ অ্যালকালয়েডটি মানবদেহে প্রবেশ করে ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী প্লাজমোডিয়াম পরজীবীর বংশবৃদ্ধি রোধ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ঔষধি উদ্ভিদ থেকে প্রাপ্ত রাসায়নিক যৌগ যা চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। - কার্যপ্রণালি: সিনকোনা গাছের ছাল শুকিয়ে গুঁড়ো করে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় কুইনাইন নিষ্কাশন করা হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: অতীতে ম্যালেরিয়া নিরাময়ে কুইনাইন ছিল প্রধান ওষুধ এবং বর্তমানের অনেক ওষুধের মূল উৎস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাটুরা বা ধুতরা গাছ ব্যাখ্যা: ধুতরা গাছের ফুল ও বীজ থেকে অ্যাট্রোপাইন নামক ঔষধি উপাদান পাওয়া যায় যা হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: তুলসী গাছ ব্যাখ্যা: তুলসীর পাতা ও কাণ্ডে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকে যা সর্দি ও কাশি নিরাময়ে দারুণ কার্যকর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিনকোনো - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ছাল থেকেই কুইনাইন তৈরি করা হয়। B) কালমেঘ - এটি একটি ঔষধি গাছ যা যকৃতের রোগ ও পেটের পীড়া নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়, কুইনাইন তৈরিতে নয়। C) বাসক - এটি সর্দি ও শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, এর থেকে কুইনাইন পাওয়া যায় না। D) ফণিমনসা - এটি একটি ক্যাকটাসজাতীয় উদ্ভিদ যা মরু অঞ্চলে জন্মায় এবং এতে কুইনাইন থাকে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ম্যালেরিয়ার নিরাময় মানেই সিনকোনা গাছের ছাল থেকে আসা কুইনাইন। - সি দিয়ে সিনকোনা এবং সি দিয়ে কুইনাইন এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিজ্জ ঔষধি উপাদান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ম্যালেরিয়া রোগের পরজীবী এবং এর বাহক মশার নাম সম্পর্কেও ধারণা রাখা জরুরি।
a অ্যাসকরবিক এসিড
b ফলিক এসিড
c ফ্যাটি এসিড
d এমাইনো এসিড
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ্যাসকরবিক এসিড ১. কেন সঠিক: ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম অ্যাসকরবিক এসিড। এটি মানবদেহের জন্য একটি অত্যন্ত জরুরি পুষ্টি উপাদান যা শরীরের বিভিন্ন কলা বা টিস্যু গঠনে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সরাসরি কাজ করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিড হলো একটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা শরীর নিজে থেকে তৈরি করতে পারে না এবং খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়। কার্যপ্রণালি: এটি দেহে কোলাজেন নামক প্রোটিন তৈরি করতে সাহায্য করে যা ত্বক, রক্তনালী, লিগামেন্ট এবং হাড়কে শক্তিশালী রাখে এবং ক্ষত শুকাতে দ্রুত ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমলকী, লেবু এবং পেয়ারা খাওয়ার ফলে সর্দি ও ঠান্ডার প্রকোপ কমে যায়। ব্যাখ্যা: এই ফলগুলোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যাসকরবিক এসিড থাকে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। উদাহরণ ২: মানুষের স্কার্ভি রোগ হলে মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে এবং দাঁতের গোড়া দুর্বল হয়ে যায়। ব্যাখ্যা: খাদ্যে ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিডের দীর্ঘমেয়াদি ঘাটতির কারণে এই রোগটি ঘটে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যাসকরবিক এসিড — এটি ভিটামিন সি এর সঠিক রাসায়নিক নাম এবং এটি মানবদেহের পুষ্টির জন্য অপরিহার্য। B) ফলিক এসিড — এটি ভিটামিন বি ৯ এর রাসায়নিক নাম, যা কোষ বিভাজন ও নতুন রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। C) ফ্যাটি এসিড — এটি লিপিড বা চর্বির একটি গাঠনিক একক, যা শক্তি উৎপাদনে এবং কোষের ঝিল্লি গঠনে কাজ করে। D) এমাইনো এসিড — এটি প্রোটিনের মূল একক বা বিল্ডিং ব্লক, যা শরীরের পেশি ও টিস্যু গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৫ মনে রাখার টিপস: ভিটামিন সি এর জন্য সি দিয়ে শুরু একটি সুন্দর ফলের কথা ভাবুন যেমন সাইট্রাস বা লেবু জাতীয় ফল, যার টক স্বাদের কারণ হলো অ্যাসকরবিক এসিড। এভাবে ভিটামিন সি এবং অ্যাসকরবিক এসিডের নামটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিটামিনের রাসায়নিক নাম এবং ঘাটতিজনিত রোগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় এবং এটি তাপ প্রয়োগে নষ্ট হয়ে যায়, এই তথ্যগুলো মনে রাখা জরুরি।
a তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি
b বিক্ষেপণ বেশি
c প্রতিফলন বেশি
d শোষণ বেশি
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিক্ষেপণ বেশি ১. কেন সঠিক: - আলোর বিক্ষেপণ বা আলোর ছড়িয়ে পড়ার কারণে আকাশ নীল দেখায়। - বায়ুমণ্ডলে থাকা গ্যাসের কণা এবং ধূলিকণার ওপর সূর্যালোক পড়লে এই ঘটনা ঘটে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোর বিক্ষেপণ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে আলো বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে। - কার্যপ্রণালি: সূর্যের আলো বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে আসার সময় ছোট কণার দ্বারা সব দিকে বিক্ষিপ্ত হয়। - কারণ ও ফলাফল: নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম থাকায় এর বিক্ষেপণ লাল বা হলুদ আলোর চেয়ে অনেক বেশি হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময় আকাশ লাল দেখানোর পেছনেও আলোর বিক্ষেপণ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সম্পর্ক কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রিজমের মধ্য দিয়ে সাদা আলো গেলে সাতটি রঙে বিভক্ত হওয়া। ব্যাখ্যা: বিভিন্ন রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ভিন্ন হওয়ায় আলো ভিন্ন কোণে বেঁকে যায়। উদাহরণ ২: বিপদ সংকেত হিসেবে লাল আলো ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হওয়ায় কুয়াশা বা ধোঁয়ায় এর বিক্ষেপণ কম হয় এবং দূর থেকে দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি — নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম, লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি। B) বিক্ষেপণ বেশি — এটি সঠিক কারণ, কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কারণে নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি ঘটে। C) প্রতিফলন বেশি — প্রতিফলন আলোর দিক পরিবর্তন করে কিন্তু আকাশের নীল রঙের জন্য দায়ী নয়। D) শোষণ বেশি — বায়ুমণ্ডল দ্বারা আলোর শোষণ প্রধান কারণ নয়, বিক্ষেপণের কারণে আকাশ নীল দেখায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নীল মানে বিক্ষেপণ বেশি আর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম। - লাল মানে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি আর বিক্ষেপণ কম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আলোর বিক্ষেপণ সম্পর্কিত লর্ড রেইলির সূত্রটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং বিক্ষেপণের ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a স্থিতি শক্তি
b তড়িৎ শক্তি
c যান্ত্রিক শক্তি
d গতিশক্তি
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্থিতি শক্তি ১. কেন সঠিক: নদীতে বাঁধ দেওয়ার ফলে বিশাল পরিমাণ পানি উঁচুতে বা জলাধারে জমা রাখা হয়। অবস্থান পরিবর্তনের কারণে এই জলরাশিতে একধরনের সুপ্ত বা সঞ্চিত শক্তি তৈরি হয়, যা মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে পরবর্তীতে কাজে লাগানোর জন্য প্রস্তুত থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: কোনো বস্তুকে তার স্বাভাবিক অবস্থা বা অবস্থান থেকে পরিবর্তন করে অন্য কোনো অবস্থা বা অবস্থানে রাখলে তাতে যে শক্তি সঞ্চিত হয়, তাকে স্থিতি শক্তি বলে। কার্যপ্রণালি: বাঁধের মাধ্যমে পানিকে উঁচুতে আটকে রাখা হয় এবং পরে পাইপের মাধ্যমে নিচে ফেলে সেই গতিকে কাজে লাগিয়ে টারবাইন ঘোরানো হয়, যা পরবর্তীতে জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। বাস্তব প্রয়োগ: জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে জলাধারের পানি নিচে ফেলার ঠিক আগমুহূর্ত পর্যন্ত সম্পূর্ণ শক্তি স্থিতি শক্তি হিসেবে জমা থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টান টান করে ধরা ধনুকের ছিল্লা। ব্যাখ্যা: ছিল্লা টান টান করার ফলে ধনুকে যে শক্তি জমা হয়, তা ছেড়ে দিলে তীরকে দ্রুতগতিতে ছুড়ে দেয়। উদাহরণ ২: ঘড়ির স্প্রিং গুটিয়ে রাখা। ব্যাখ্যা: স্প্রিং গুটিয়ে রাখলে তাতে স্থিতি শক্তি জমা হয়, যা পরবর্তীতে ঘড়ির কাঁটা সচল রাখতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্থিতি শক্তি — এটি সঠিক কারণ জলাধারে আটকে থাকা পানির উচ্চতার কারণে এই শক্তি সঞ্চিত হয়। B) তড়িৎ শক্তি — এটি ভুল কারণ জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রথমে পানি থেকে তড়িৎ সরাসরি পাওয়া যায় না, বরং যান্ত্রিক শক্তির মাধ্যমে এটি পরে উৎপন্ন হয়। C) যান্ত্রিক শক্তি — এটি ভুল কারণ জলাধারে স্থির অবস্থায় থাকা জলরাশিতে যান্ত্রিক শক্তি বা গতিশীল রূপ থাকে না, এটি রূপান্তরের পরের ধাপ। D) গতিশক্তি — এটি ভুল কারণ নদীর বাঁধের পেছনে জলরাশি যখন স্থির বা প্রায় স্থির অবস্থায় থাকে, তখন তাতে কোনো গতি থাকে না; পানি নিচে পড়ার সময় গতিশক্তি তৈরি হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: উঁচুতে আটকে রাখা স্থির পানি মানেই স্থিতি শক্তি এবং চলমান বা পতনশীল পানি মানেই গতিশক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে শক্তির রূপান্তরের ধারাবাহিকতাটি হলো স্থিতি শক্তি থেকে গতিশক্তি, গতিশক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি এবং যান্ত্রিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই রূপান্তরের ধাপগুলো প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a পেপসিন
b ট্রিপসিন
c টায়ালিন
d অ্যামাইলেজ
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টায়ালিন ১. কেন সঠিক: মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রে মুখগহ্বরে লালারসের মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্যের প্রথম পরিপাক শুরু হয়। লালারসে উপস্থিত টায়ালিন বা সেলাইভারি অ্যামাইলেজ জটিল শর্করাকে ভেঙে সরল শর্করায় রূপান্তরিত করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: লালারস হলো মানবদেহের মুখগহ্বরে অবস্থিত লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত এক প্রকার পাচক রস। কার্যপ্রণালি: মুখের ভেতর খাবার চিবানোর সময় লালারস খাদ্যের সঙ্গে মিশে যায় এবং টায়ালিন এনজাইম শর্করা পরিপাক করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত বা রুটি অনেকক্ষণ চিবোলে মিষ্টি লাগে। ব্যাখ্যা: লালারসের টায়ালিন এনজাইম শর্করাকে ভেঙে গ্লুকোজ বা সরল কার্বোহাইড্রেটে পরিণত করে বলেই মিষ্টি স্বাদ পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: শুষ্ক মুড়ি বা বিস্কুট মুখে দিলে লালার অভাবে গিলতে সমস্যা হয়। ব্যাখ্যা: লালারস খাদ্যকে পিচ্ছিল ও নরম করে গলাধঃকরণে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেপসিন — এটি পাকস্থলীতে উৎপাদিত হয় এবং আমিশ জাতীয় খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। B) ট্রিপসিন — এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয় এবং ক্ষুদ্রান্ত্রে আমিষ পরিপাক করে। D) অ্যামাইলেজ — লালারসের ক্ষেত্রে অ্যামাইলেজকে সাধারণত টায়ালিন বলা হয়, তবে এটি মূলত একটি ব্যাপক পরিপাককারী এনজাইম যা অগ্ন্যাশয়েও তৈরি হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মুখে খাবার দিলেই লালা আসে এবং টায়ালিন নামে এনজাইম শর্করা ভাঙতে শুরু করে। মুখের লালা আর টায়ালিন মিলে শর্করা পরিপাক করে, কথাটি এভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মানবদেহে পরিপাক প্রক্রিয়া মুখগহ্বর থেকেই শুরু হয় এবং প্রথম পরিপাক হয় শর্করা জাতীয় খাদ্যের। কোন এনজাইম কোথায় কাজ করে তা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক।
a রাজকাঁকড়া
b প্লাটিপাস
c স্কোনোডেন
d ভেড়া
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাজকাঁকড়া ১. কেন সঠিক: - রাজকাঁকড়া হলো একটি জীবন্ত জীবাশ্ম, কারণ কোটি কোটি বছর আগে পৃথিবীতে যে রূপ নিয়ে এটি আবির্ভূত হয়েছিল, আজও এর শারীরিক গঠনে তেমন কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। - দীর্ঘ বিবর্তনের ধারায় পৃথিবীর বহু প্রজাতি বিলুপ্ত হলেও এরা অত্যন্ত সফলভাবে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: জীবন্ত জীবাশ্ম এমন সব জীবিত প্রজাতিকে বোঝায়, যাদের নিকটতম আত্মীয়রা পৃথিবী থেকে বহু আগেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং যাদের জীবাশ্মের সঙ্গে বর্তমানের জীবিত প্রাণীর শারীরিক গঠনের মিল হুবহু মিলে যায়। - কার্যপ্রণালি: এরা প্রাগৈতিহাসিক পরিবেশের চরম প্রতিকূল অবস্থা সহ্য করে বেঁচে থাকার বিশেষ শারীরিক কৌশল অর্জন করেছিল, যা আজও এদের অবিকৃত রাখতে সাহায্য করছে। - বাস্তব প্রয়োগ: ভূবিজ্ঞান ও জীবাশ্মবিদ্যায় এই প্রাণীগুলো অতীত পৃথিবীর জলবায়ু ও পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা পেতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গিংকগো বাইলোবা উদ্ভিদ ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রাচীন উদ্ভিদ যা ডাইনোসরের যুগেও পৃথিবীতে বিদ্যমান ছিল এবং এর বর্তমান রূপ প্রাগৈতিহাসিক যুগের পাতার সঙ্গেই হুবহু মিলে যায়। উদাহরণ ২: নটিলাস প্রজাতি ব্যাখ্যা: সামুদ্রিক এই প্রাণীটিও শত কোটি বছর ধরে প্রায় অপরিবর্তিত অবস্থায় সমুদ্রে টিকে আছে, যা একে জীবন্ত জীবাশ্মের নিখুঁত উদাহরণ করে তুলেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজকাঁকড়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর শারীরিক গঠন শত কোটি বছর ধরে প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে এবং এটি একটি জীবন্ত জীবাশ্ম। B) প্লাটিপাস — এটি একটি মনোট্রেম বা ডিম পাড়া স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা বিবর্তনের একটি ব্যতিক্রমী শাখা হলেও একে প্রথাগত জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয় না। C) স্কোনোডেন — এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল নাম হতে পারে অথবা নির্দিষ্ট কোনো প্রাচীন প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম নয় যা জীবন্ত জীবাশ্ম হিসেবে পরিচিত। D) ভেড়া — এটি একটি আধুনিক গৃহপালিত স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং বিবর্তনের আধুনিক ধারার ফল, তাই এটি জীবন্ত জীবাশ্মের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - জীবন্ত জীবাশ্ম মনে রাখার সহজ উপায় হলো রাজকাঁকড়ার মতো প্রাচীন সামুদ্রিক প্রাণীরা কোটি বছর ধরে প্রকৃতিতে নিজেদের রূপ বদল না করে টিকে আছে। - মনে রাখবে, যে প্রাণী সময়ের পরিবর্তনেও অপরিবর্তিত থাকে, সে-ই জীবন্ত জীবাশ্ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিবর্তন এবং জীববৈচিত্র্য অধ্যায়ের জন্য রাজকাঁকড়া একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - এই একই ধারণা থেকে প্রায়শই অন্য জীবন্ত জীবাশ্ম যেমন ল্যাটিমেরিয়া মাছ বা সিলিক্যান্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসতে পারে।
a ট্রপোমণ্ডল
b স্ট্রাটোমণ্ডল
c মেসোমণ্ডল
d তাপমণ্ডল
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্ট্রাটোমণ্ডল ১. কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোমণ্ডল স্তরে ওজোনের পরিমাণ সর্বাধিক থাকে, যা পৃথিবীর জীবন রক্ষায় অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে। - এই স্তরে ওজোন গ্যাসের স্তরটি সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর রশ্নি প্রতিহত করে ভূ-পৃষ্ঠের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ওজোন হলো অক্সিজেনের একটি রূপান্তর যার রাসায়নিক সংকেত ও থ্রি। - কার্যপ্রণালি: সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি অক্সিজেন অণুর ওপর পড়ে তাকে ভেঙে ওজোন গ্যাস তৈরি করে এবং নিজেই শোষিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্যের আলোয় ওজোন তৈরি ব্যাখ্যা: স্ট্রাটোমণ্ডলে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে অক্সিজেন অণু ভেঙে একক অক্সিজেন পরমাণুতে পরিণত হয় এবং পরবর্তীতে অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে ওজোন গ্যাস গঠন করে। উদাহরণ ২: ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ ব্যাখ্যা: রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনারে ব্যবহৃত ক্লোরোফ্লোরোকার্বন বা সিএফসি গ্যাস স্ট্রাটোমণ্ডলে পৌঁছে ওজোন স্তরকে ভেঙে পাতলা করে ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট্রপোমণ্ডল — এটি বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর যেখানে মেঘ বৃষ্টি ও ঝড়ঝঞ্জা ঘটে এবং ওজোনের উপস্থিতি খুব কম থাকে। B) স্ট্রাটোমণ্ডল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই স্তরেই ওজোন গ্যাসের সবচেয়ে ঘন স্তর বা ওজোনস্ফিয়ার অবস্থান করে। C) মেসোমণ্ডল — এটি বায়ুমণ্ডলের একটি উচ্চ স্তর যেখানে তাপমাত্রা সবচেয়ে কম হয় এবং এখানে ওজোনের কোনো উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি নেই। D) তাপমণ্ডল — এটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে ওপরের স্তর যেখানে বায়ু অত্যন্ত হালকা এবং তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্ট্রাটোমণ্ডলের ইংরেজি নামের শুরু এস দিয়ে এবং ওজোনের শুরু ও দিয়ে, এভাবে এস ও দিয়ে মনে রাখা যায় ওজোন স্তর স্ট্রাটোমণ্ডলে থাকে। - ওজোন গ্যাসের স্তর বায়ুমণ্ডলের যে অংশে থাকে তাকে ওজোনস্ফিয়ার বলা হয় এবং এটি স্ট্রাটোমণ্ডলের একটি অংশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে তাপমাত্রা উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বৃদ্ধি পায়, এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - ওজোন স্তরের ক্ষয়ের জন্য মূলত ক্লোরিন পরমাণু দায়ী যা সিএফসি থেকে উৎপন্ন হয়।

মোট প্রশ্ন (4)

a ALU
b Josephson
c Register
d Control Unit
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ALU ১. কেন সঠিক: সিপিইউ বা Central Processing Unit-এর ভেতরের মূল অংশ হলো এএলইউ বা Arithmetic Logic Unit। এটি কম্পিউটারের সমস্ত গাণিতিক হিসাব এবং যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজটি সরাসরি সম্পন্ন করে থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ALU হলো সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের সেই অংশ যা যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগের মতো গাণিতিক কাজ এবং সত্য বা মিথ্যা যাচাইয়ের মতো যৌক্তিক কাজ করে। কার্যপদ্ধতি: মেমোরি থেকে ডেটা এনে এএলইউ তার ভেতরের সার্কিটের সাহায্যে গণনা করে এবং ফলাফল আবার রেজিস্টার বা মেমোরিতে পাঠিয়ে দেয়। বৈশিষ্ট্য: এটি গাণিতিক অপারেশন এবং লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদনে অত্যন্ত দ্রুতগতির একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্যালকুলেটর অ্যাপে দুই যোগ দুই হিসাব করা। ব্যাখ্যা: এই গাণিতিক হিসাবটি সম্পন্ন করার কাজটি সিপியুর এএলইউ অংশ সম্পন্ন করে থাকে। উদাহরণ ২: দুটি সংখ্যার মধ্যে কোনটি বড় তা তুলনা করা। ব্যাখ্যা: এই যৌক্তিক বা লজিক্যাল সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজটিও এএলইউ করে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ALU — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কম্পিউটারের মূল হিসাব-নিকাশ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের মস্তিষ্ক হিসেবে কাজ করে। B) Josephson — জোসেফসন জাংশন হলো সুপারকন্ডাক্টর সংক্রান্ত একটি ডিভাইস, যা সিপியুর ভেດরের কোনো মূল অংশ নয়। C) Register — রেজিস্টার হলো দ্রুতগতির অস্থায়ী মেমোরি, যা প্রসেসিংয়ের সময় ডেটা সাময়িকভাবে ধরে রাখে কিন্তু মূল হিসাব করে না। D) Control Unit — কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে কাজের সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ করে, সরাসরি গাণিতিক হিসাব করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: এএলইউ বা ALU মানে হলো Arithmetic Logic Unit, যার কাজ হলো হিসাব করা। হিসাব-নিকাশ বা মগজের মূল কাজের জন্য এএলইউ হলো সিপিইউ-এর আসল মস্তিষ্ক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সিপিইউ প্রধানত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত: ALU, Control Unit এবং Register বা Memory Unit। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কম্পিউটারের লজিক বা গাণিতিক কাজ কোনটি সম্পন্ন করে।
a Optical Mark Reader
b Optical Memory Reader
c Optical Modern Reader
d Read only Memory
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Optical Mark Reader ১. কেন সঠিক: - OMR এর পূর্ণরূপ হলো Optical Mark Reader, যা একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। - এটি কাগজের নির্দিষ্ট স্থানে কালির উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অপটিক্যালি বা আলোকীয় পদ্ধতিতে শনাক্ত করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: OMR হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা কাগজের পাতায় ঘষা বা পূরণ করা বিশেষ চিহ্ন বা দাগ নিখুঁতভাবে পড়তে পারে। - কার্যপদ্ধতি: ডিভাইসের আলো বা সেন্সর কাগজের ওপর আলো ফেলে এবং প্রতিফলিত আলোর তারতম্য বিশ্লেষণ করে ডেটা গ্রহণ করে। - ব্যবহার: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বহুনির্বাচনী প্রশ্ন বা MCQ উত্তরপত্র মূল্যায়নে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন। ব্যাখ্যা: হাজার হাজার পরীক্ষার্থীর OMR শিট খুব অল্প সময়ে নির্ভুলভাবে পরীক্ষা করতে এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: লটারি বা অপটিন ফর্ম প্রসেসিং। ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট বৃত্ত ভরাট করা ফরম স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্রুত প্রসেস করতে OMR ডিভাইস সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Optical Mark Reader — এটি সঠিক উত্তর কারণ OMR এর পূর্ণরূপ এবং কার্যপদ্ধতি এটাই নির্দেশ করে। B) Optical Memory Reader — অপটিক্যাল মেমরি রিডার নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ইনপুট ডিভাইস প্রচলিত নেই। C) Optical Modern Reader — মডার্ন বা আধুনিক শব্দটির সাথে এই প্রযুক্তির নামকরণের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Read only Memory — এটি কম্পিউটারের মূল মেমরি বা প্রাইমারি স্টোরেজের একটি প্রকার, যার সংক্ষিপ্ত রূপ ROM। ৫ মনে রাখার টিপস: - OMR এর প্রথম দুটি অক্ষর অপটিক্যাল মার্ক মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। - পরীক্ষার খাতার বৃত্ত ভরাট করার কাজটির সাথে সরাসরি মার্ক শব্দটি যুক্ত থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - OMR মূলত এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যা বিশেষ কালি রিড করতে পারে। - এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের ভুলত্রুটি ছাড়াই খুব দ্রুত ফলাফল প্রস্তুত করা সম্ভব হয়।
a বাইনারি ও ডেসিমাল নম্বর
b অক্ষর ও ডেসিমাল ডিজিট
c বাইনারি ও অক্টাল নম্বর
d অকটাল ও ডেসিমাল নম্বর
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্ষর ও ডেসিমাল ডিজিট ১. কেন সঠিক: হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ষোলটি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে দশমিক পদ্ধতির শূন্য থেকে নয় পর্যন্ত দশটি ডিজিট এবং ইংরেজি বর্ণমালার এ থেকে এফ পর্যন্ত ছয়টি অক্ষর থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: হেক্সাডেসিমাল হলো একটি ষোড়শিক সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি বা বেস হলো ষোলো। কার্যপদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে শূন্য থেকে নয় পর্যন্ত সংখ্যা এবং এ থেকে এফ পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহার করে যেকোনো বড় সংখ্যা প্রকাশ করা হয়। বৈশিষ্ট্য: এখানে এ মানে দশ, বি মানে এগারো, সি মানে বারো, ডি মানে তেরো, ই মানে চৌদ্দ এবং এফ মানে পনেরো বোঝায়। ব্যবহার: কম্পিউটারের মেমোরি অ্যাড্রেসিং এবং মাইক্রোপ্রসেসরের নির্দেশ কোড তৈরিতে হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কম্পিউটার মেমোরির একটি নির্দিষ্ট ঠিকানা লেখার সময় চার এ এফ থ্রি হেক্সাডেসিমাল কোড ব্যবহার করা হতে পারে। ব্যাখ্যা: এখানে চারটি ডেসিমাল ডিজিট এবং এ ও এফ দুটি অক্ষর একত্রে একটি পূর্ণাঙ্গ হেক্সাডেসিমাল নম্বর গঠন করেছে। উদাহরণ ২: রঙের কোড নির্ধারণের সময় হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতি ব্যবহার করে লাল সবুজ নীলের মান প্রকাশ করা হয়। ব্যাখ্যা: যেমন এফ এফ শূন্য শূন্য শূন্য শূন্য কোডটি খাঁটি লাল রঙ বোঝাতে অক্ষর ও ডেসিমাল ডিজিটের সংমিশ্রণ ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাইনারি ও ডেসিমাল নম্বর — বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে শুধু শূন্য ও এক থাকে এবং ডেসিমাল পদ্ধতিতে শূন্য থেকে নয় পর্যন্ত থাকে, যা হেক্সাডেসিমালের সম্পূর্ণ গঠন নয়। B) অক্ষর ও ডেসিমাল ডিজিট — এটি হেক্সাডেসিমাল নম্বর গঠনের সঠিক সংমিশ্রণ কারণ এতে দশমিকের অংক এবং বর্ণমালার অক্ষর থাকে। C) বাইনারি ও অক্টাল নম্বর — বাইনারিতে দুটি এবং অক্টালে আটটি অঙ্ক থাকে, যা হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি গঠনে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। D) অকটাল ও ডেসিমাল নম্বর — অক্টাল এবং ডেসিমাল উভয়ই পৃথক সংখ্যা পদ্ধতি এবং এদের সংমিশ্রণে কোনো নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড সংখ্যা পদ্ধতি গঠিত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: হেক্সাডেসিমাল মানে ষোলো, যেখানে দশমিকের দশটি অংক এবং ইংরেজির প্রথম ছয়টি অক্ষর মিলে মোট ষোলোটি প্রতীক হয়। অক্ষরগুলো হলো এ, বি, সি, ডি, ই এবং এফ, যা যথাক্রমে দশ থেকে পনেরো পর্যন্ত মান প্রকাশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যা পদ্ধতির বেস বা ভিত্তি প্রায়ই আসে, যেমন হেক্সাডেসিমালের বেস ষোলো এবং অক্টালের বেস আট। ডিজিটাল ডিভাইসে বাইনারি ডেটা সংক্ষিপ্ত আকারে প্রদর্শনের জন্য হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
a মাউস
b মনিটর
c সিপিইউ
d পাওয়ার পয়েন্ট
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পাওয়ার পয়েন্ট ১. কেন সঠিক: - হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের সেই সমস্ত শারীরিক অংশ যা ছোঁয়া যায় এবং দেখা যায়। - পাওয়ার পয়েন্ট কোনো শারীরিক যন্ত্র নয়, এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা প্রেজেন্টেশন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বলতে ইলেকট্রনিক ও যান্ত্রিক উপাদানগুলোকে বোঝায় যা ডেটা প্রসেস করতে সাহায্য করে। - ব্যবহার: পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহার করে মাল্টিমিডিয়া স্লাইড তৈরি করা হয় যা শিক্ষা ও ব্যবসায়িক উপস্থাপনায় কাজে লাগে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিবোর্ড বা মাউস। ব্যাখ্যা: এগুলো হলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যার যা হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং ইনপুট দিতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড। ব্যাখ্যা: এটি পাওয়ার পয়েন্টের মতো একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার স্ক্রিনে কাজ করে কিন্তু ধরা যায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাউস — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস এবং শারীরিক হার্ডওয়্যার। B) মনিটর — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস এবং শারীরিক হার্ডওয়্যার। C) সিপিইউ — এটি কম্পিউটারের মূল প্রসেসিং ইউনিট যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার। D) পাওয়ার পয়েন্ট — এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, তাই এটি হার্ডওয়্যার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হার্ডওয়্যার হলো শরীর আর সফটওয়্যার হলো প্রাণ বা কাজের নির্দেশিকা। - যেসব জিনিস হাত দিয়ে ধরা যায় না যেমন প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার, সেগুলো হার্ডওয়্যার হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট অফিস মূলত একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের সমষ্টি। - অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোজ এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যেমন পাওয়ার পয়েন্ট উভয়ই সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত।