সঠিক উত্তর: A) শক্তি
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে 'মুখ' শব্দটি মানুষের শরীরের অঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি, বরং এখানে ব্যক্তির সামর্থ্য, ক্ষমতা বা শক্তিকে নির্দেশ করা হয়েছে।
বাক্যটির অন্তর্নিহিত অর্থ হলো ব্যক্তির নিজের শারীরিক বা আর্থিক সামর্থ্যের চেয়ে বড় বড় কথা বলা বা আস্ফালন করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় প্রবাদ-প্রবচন, যা শব্দার্থের বাইরে রূপক অর্থে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে থাকে।
এখানে লাক্ষণিক বা ব্যঞ্জনা শব্দের মাধ্যমে মানুষের বাকপটুতা এবং বাস্তব ক্ষমতার মধ্যকার ফারাক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খালি কলসি বাজে বেশি।
ব্যাখ্যা: অযোগ্য বা কম জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিরাই বেশি বড় বড় কথা বলে, যা এই প্রবাদের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: হাতি ঘোড়া গেল তল, পিঁপড়ে বলে কত জল।
ব্যাখ্যা: যাদের নিজেদের কোনো সামর্থ্য নেই, বড় বড় বিষয়ে তাদের অযাচিত মন্তব্য করা বোঝাতে এই প্রবাদ ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শক্তি — সঠিক উত্তর কারণ এখানে মুখ বলতে কথার পরিমাপ নয় বরং ব্যক্তির ক্ষমতা বা সামর্থ্যকে বোঝানো হয়েছে।
B) প্রত্যঙ্গ — এটি ভুল কারণ মুখ শরীরের অঙ্গ বা প্রত্যঙ্গ অর্থে এই প্রবাদে ব্যবহৃত হয়নি।
C) গালি — এটি ভুল কারণ এখানে কাউকে বকাঝকা করা বা অপমান করার অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে না।
D) অনুভূতি — এটি ভুল কারণ মুখ মানুষের মনের আবেগ বা অনুভূতির প্রকাশ মাধ্যম হিসেবে এখানে আসেনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
বড় মুখ মানে বড় কথা বলার ক্ষমতা বা শক্তি, শরীরের কোনো অঙ্গ বা অনুভূতি নয়।
প্রবাদ-প্রবচনের আক্ষরিক অর্থ না ধরে সবসময় তার ভেতরের রূপক অর্থ বা ভাবার্থ বিবেচনা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রবাদ-প্রবচন ও বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ বা নির্দিষ্ট শব্দের রূপক অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
শব্দার্থ মুখস্থ করার পাশাপাশি বাক্যের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী তার ভাবার্থ অনুধাবন করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ভাষার ইতিহাস বর্ণনা করা
কেন সঠিক:
- ব্যাকরণ শুধু বর্তমান নিয়ম শেখায় না, বরং ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ইতিহাসও তুলে ধরে।
- প্রাচীন ভাষা থেকে বর্তমান রূপ পর্যন্ত পরিবর্তনের ধারা বোঝার জন্য ব্যাকরণ কাজ করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে ভাষার ঐতিহাসিক বিবর্তন অন্যতম একটি ধারা।
- ভাষা বিজ্ঞান এবং ঐতিহাসিক ব্যাকরণে ভাষার পরিবর্তনের ইতিহাস গভীরভাবে আলোচনা করা হয়।
- যেমন প্রাচীন বাংলা ভাষা কীভাবে আজকের আধুনিক বাংলা রূপে এসেছে তার ইতিহাস ব্যাকরণ পাঠে জানা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ভাষাবোধ সৃষ্টি করা — এটি ব্যাকরণের অন্যতম কাজ হলেও মূল উদ্দেশ্য হিসেবে ইতিহাস বর্ণনাই অধিকতর গ্রহণযোগ্য।
- C) ভাষাকে জানা ও বুঝা — এটি সামগ্রিক উদ্দেশ্যের অংশ কিন্তু নির্দিষ্টভাবে ব্যাকরণের বৈজ্ঞানিক মূল উদ্দেশ্য নয়।
- D) ভাষার মাধুর্য তুলে ধরা — ভাষার মাধুর্য তুলে ধরা প্রধানত অলংকার শাস্ত্র ও সাহিত্যের কাজ, ব্যাকরণের নয়।
মনে রাখার টিপস:
- ব্যাকরণ শব্দের অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করা, যা ভাষার ইতিহাস ও গঠন বুঝতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: B) শব্দময় ঢেউ
১. কেন সঠিক:
কল্লোল শব্দের আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ হলো শব্দময় ঢেউ বা সমুদ্রের ঢেউয়ের গর্জন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দের উৎস ও অর্থ নির্ণয়ের জন্য শব্দার্থের গভীরতা বুঝতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। কল্লোল একটি বিশেষ্য পদ যার মাধ্যমে ধ্বনিযুক্ত বা শব্দশীল তরঙ্গকে বোঝানো হয়।
বাংলা সাহিত্যে কল্লোল একটি অত্যন্ত ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত শব্দ, কারণ বিশ শতকের ত্রিশের দশকে বাংলা আধুনিক কবিতার মোড় ঘোরানো সাহিত্য পত্রিকার নাম ছিল কল্লোল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উত্তাল সমুদ্রের কল্লোল রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে দিচ্ছিল।
ব্যাখ্যা: এখানে কল্লোল শব্দ দিয়ে সমুদ্রের শব্দযুক্ত ঢেউয়ের গর্জনকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: কল্লোল পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার হাওয়া লেগেছিল।
ব্যাখ্যা: এখানে কল্লোল একটি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকার নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কলকল — কলকল হলো পানির বয়ে যাওয়ার বা মানুষের মৃদু কথার শব্দ, এটি ঢেউয়ের পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না।
B) শব্দময় ঢেউ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ কল্লোল শব্দের প্রমিত অর্থ হলো শব্দের সঙ্গে ঢেউ।
C) কোলাহল — কোলাহল শব্দের অর্থ মানুষের গণ্ডগোল বা শোরগোল, যা সমুদ্রের ঢেউয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) তরঙ্গ — তরঙ্গ শুধু ঢেউ বোঝায়, কিন্তু কল্লোলের ভেতরে একটি শব্দ বা ধ্বনির আবহ থাকে যা শুধু তরঙ্গে থাকে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
কল্লোল মানে তরঙ্গের শব্দ। কল অর্থ শব্দ এবং লোল অর্থ ললিত বা লহরি, অর্থাৎ শব্দের সঙ্গে ঢেউ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩৩০ সালের বৈশাখে (১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ)। এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস।
সঠিক উত্তর: D) নাটকের সংলাপে
১. কেন সঠিক:
সাধু ভাষা হলো গাম্ভীর্যপূর্ণ, তৎসম শব্দবহুল এবং কৃত্রিম রূপ, যা নাটক বা কথ্য কথোপকথনের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযোগী।
নাটকের সংলাপ মানুষের স্বাভাবিক মুখের ভাষার কাছাকাছি বা চলিত রীতিতে হতে হয়, যা সাধু ভাষায় অসম্ভব।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সাধু ভাষা সাধারণত সাহিত্যিক রচনার ক্ষেত্রে গাম্ভীর্য আনে, কিন্তু নাটকের সংলাপে তা কৃত্রিম ও হাস্যকর শোনায়।
নাটক মানুষের জীবন ও বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি হওয়ায় সেখানে চলিত বা কথ্য ভাষার ব্যবহারই একমাত্র স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য মাধ্যম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুমি কোথায় যাচ্ছো? (চলিত রূপ)
ব্যাখ্যা: এটি মানুষের দৈনন্দিন মুখের ভাষা বা চলিত রূপ, যা নাটকের সংলাপে সহজেই ব্যবহার করা যায়।
উদাহরণ ২: আপনি কোথায় গমন করিতেছেন? (সাধু রূপ)
ব্যাখ্যা: এটি সাধু রূপ, যা নাটকের পাত্রের মুখ থেকে উচ্চারিত হলে তা চরম কৃত্রিম ও অবাস্তব শোনায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিতার পঙক্তিতে — কবিতা গাম্ভীর্য রক্ষা করার জন্য ঐতিহ্যগতভাবে সাধু ভাষা সফলভাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
B) গানের কলিতে — বাংলা গানে, বিশেষ করে পুরনো ও ভক্তিগীতি বা ধ্রুপদী ধারায় সাধু ভাষার ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়।
C) গল্পের বর্ণনায় — উপন্যাসের বা গল্পের বর্ণনামূলক অংশে লেখকের বয়ানে সাধু ভাষা অত্যন্ত সুন্দরভাবে মানিয়ে যায়।
D) নাটকের সংলাপে — সংলাপ মানেই কথোপকথন, যেখানে সাধু ভাষা ব্যবহার করলে মানুষের মুখের জীবন্ত ভাষা হারিয়ে যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেখানে মানুষের স্বাভাবিক মুখের কথার প্রয়োজন, সেখানে সাধু ভাষা অনুপযোগী আর যেখানে লেখার গম্ভীর রূপ দরকার, সেখানে সাধু ভাষা উপযোগী।
নাটক মানেই অভিনয় ও সংলাপ, তাই নাটকে সবসময় জীবন্ত চলিত ভাষা ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সাধু ও চলিতী রীতির প্রধান পার্থক্য হলো সাধু ভাষা পরিবর্তনশীল নয় এবং ক্রিয়ার রূপ দীর্ঘ, পক্ষান্তরে চলিত ভাষা গতিশীল ও কথ্য রূপের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার রূপ পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই নাটকের সংলাপ ও চিঠিপত্রের ভাষা ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) মরীচিকা
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ নির্ভুল।
- মরীচিকা শব্দের অর্থ বালুকাময় মরুভূমিতে দৃষ্টিভ্রম বা জলকণিকা থাকার অবাস্তব অনুভূতি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে দীর্ঘ ঈ কার এবং হ্রস্ব ই কার ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ কার এবং চ এ হ্রস্ব ই কার যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমীচীন
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান যেখানে প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় ই কার দীর্ঘ হয়।
উদাহরণ ২: নদী
ব্যাখ্যা: শব্দের অন্তে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহারের এটি একটি আদর্শ ব্যাকরণগত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মরীচিকা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে।
B) মরীচীকা — এই অপশনটি ভুল কারণ চ এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়।
C) মরিচীকা — এই অপশনটি ভুল কারণ ম এর নিচে হ্রস্ব ই কার এবং চ এর নিচে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে।
D) মরিচিকা — এই অপশনটি ভুল কারণ ম এর নিচে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ মূল শব্দে দীর্ঘ ঈ কার হবে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মরুভূমির গরমে জল খুঁজতে গেলে দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হয়, তাই মরীচিকা শব্দে দীর্ঘ ঈ কার বসে।
- বানানটি মনে রাখতে মরী+চিকা এই অংশগুলো ভেঙে বারবার চর্চা করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই শব্দটি প্রায়ই বারবার আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান বই থেকে সমজাতীয় অন্যান্য জটিল বানানগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) বিজয় গুপ্ত
১. কেন সঠিক:
- ‘মনসামঙ্গল’ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম জনপ্রিয় ধারা।
- এই ধারার অন্যতম প্রধান ও প্রথম সারির রচয়িতা হলেন কবি বিজয় গুপ্ত।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যের নাম ‘পদ্মপুরাণ’ বা ‘মনসামঙ্গল’।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিজয় গুপ্ত পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষভাগে বরিশালের (বর্তমান গোপৈলা গ্রাম) ফুল্লশ্রী বা কালাদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর রচিত ‘পদ্মপুরাণ’ কাব্যটি ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে (সুলতান হোসেন শাহের আমলে) রচিত হয়।
- মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র হলো চাঁদ সওদাগর ও দেবী মনসা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ রচিত ‘মনসামঙ্গল’।
ব্যাখ্যা: এটি মনসামঙ্গল কাব্যের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণিক সংযোজন।
উদাহরণ ২: রূপনারায়ণ দেব রচিত ‘মনসামঙ্গল’।
ব্যাখ্যা: ইনিও মনসামঙ্গল ধারার একজন গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত কবি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিজ মাধব — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের একজন কবি হলেও তাঁকে এই ধারার প্রধান রচয়িতা হিসেবে গণ্য করা হয় না।
B) রামদাস আদক — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা হলেও বিজয় গুপ্তের মতো প্রধান ও প্রাচীন রচয়িতা নন।
C) ময়ূর ভট্ট — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি হিসেবে পরিচিত, তবে প্রধান রচয়িতা হিসেবে বিজয় গুপ্তের নাম সর্বাগ্রে আসে।
D) বিজয় গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই ধারার অন্যতম প্রধান ও স্বনামধন্য রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান রচয়িতা মনে রাখতে বিজয়ের কথা মনে রাখবে।
- বিজয় গুপ্তের কাব্যগ্রন্থের নাম পদ্মপুরাণ, যা সহজেই পরীক্ষার জন্য মুখস্থ রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের মধ্যে মনসামঙ্গল ও চণ্ডীমঙ্গল সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- কবি বিজয় গুপ্তের জন্মস্থান এবং তাঁর কাব্যের রচনাকাল বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: C) সাজু
১. কেন সঠিক:
নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটির প্রধান নারী চরিত্রের নাম সাজু। এই কাব্যে গ্রামবাংলার এক সাধারণ গ্রামীণ বধূ সাজুর নিখিল প্রেম ও বিরহের আকুলতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
নকশী কাঁথার মাঠ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতিকাব্য যা পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচনা করেছেন। ১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি লোকসাহিত্যের উপাদানে সমৃদ্ধ এবং এটি ইংরেজিতে ফিল্ড অব এমব্রয়ডারি নামে অনূদিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সোজন বাদিয়ার ঘাট
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের আরেকটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: রাখালী
ব্যাখ্যা: এটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধুমালা — এটি জসীমউদ্দীনের নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যের নায়িকা নয়।
B) রুপাই — এটি নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যের প্রধান পুরুষ চরিত্রের নাম, নায়িকার নাম নয়।
C) সাজু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) দুলী — এটি সোজন বাদিয়ার ঘাট কাব্যের একটি চরিত্র, নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যের নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যের নায়ক হলো রুপাই আর নায়িকা হলো সাজু। দুটি নাম মনে রাখতে রূপাই ও সাজু এই জুটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের নকশী কাঁথার মাঠ এবং সোজন বাদিয়ার ঘাট দুটি কাব্যই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। কাব্য দুটির চরিত্র ও রচয়িতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ষ + ণ
১. কেন সঠিক:
যুক্তবর্ণ ‘ষ্ণ’ বিশ্লেষণ করলে মূর্ধন্য ‘ষ’ এবং মূর্ধন্য ‘ণ’ পাওয়া যায়। বাংলা বর্ণমালায় এই দুটি বর্ণ মিলে যুক্তাক্ষর তৈরি করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ গঠনের সময় দুটি বর্ণ একত্রিত হয়ে নতুন রূপ ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উষ্ণ শব্দটিতে ‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণ রয়েছে।
ব্যাখ্যা: উষ্ণ শব্দটির বানান বিশ্লেষণে ষ এবং ণ যুক্ত হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
উদাহরণ ২: তৃষ্ণা শব্দটিতে ‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণ রয়েছে।
ব্যাখ্যা: তৃষ্ণা শব্দের মাঝখানে ষ ও ণ যুক্ত হয়ে এই ধ্বনি তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষ + ঞ — এটি ভুল কারণ এখানে ঞ যুক্ত হয়েছে, যা ‘ষ্ণ’ গঠনে আসে না।
B) ষ্ + ঞ — হসন্ত থাকলেও এখানে ঞ বর্ণটি সঠিক নয়।
D) ষ + ম — এখানে ম যুক্ত হয়েছে, যা ‘ষ্ণ’ এর পরিবর্তে ‘ষ্ম’ গঠন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
উষ্ণ বা তৃষ্ণা শব্দ দুটি মনে রাখলে সহজেই মনে রাখা যায় যে এখানে মূর্ধন্য ষ ও মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুক্তবর্ণ ভেঙে দেখানোর প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই শব্দগুলোর সঠিক বানান ও গঠন মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) প্রথম চৌধুরী
কেন সঠিক:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন।
- এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার রীতির প্রবর্তন ঘটেছিল।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাময়িক পত্রের ইতিহাসে ‘সবুজপত্র’ একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী সাহিত্য পত্রিকা।
- ১৯১৪ সালের আগস্ট মাসে প্রথম এই পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- প্রমথ চৌধুরী বীরবল ছদ্মনামে এই পত্রিকায় লেখালেখি করতেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, তবে এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও নিয়মিত লেখক ছিলেন।
- B) অক্ষয় কুমার দত্ত — তিনি উনিশ শতকের ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- C) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক যুগের ‘কবিতা’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- D) প্রথম চৌধুরী — এখানে প্রমথ চৌধুরীকে প্রথম চৌধুরী লেখা হয়েছে, তবে তিনিই এই পত্রিকার সম্পাদক।
মনে রাখার টিপস:
- সবুজ পাতা বা সবুজপত্র দেখলে প্রমথ চৌধুরীর নাম মনে রাখবে।
- বীরবল ছদ্মনামের আড়ালে প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পরিচালনা করতেন।
সঠিক উত্তর: A) আধুনিক যুগ
১. কেন সঠিক:
বাংলা গদ্য মূলত আধুনিক যুগের ভাষার নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত। প্রাচীন ও মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের প্রধান বাহন ছিল পদ্য বা কবিতা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। আধুনিক যুগে গদ্যরীতির ব্যাপক বিকাশ ঘটে এবং এটি সাহিত্যের প্রধান মাধ্যম হয়ে ওঠে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেতাল পঞ্চবিংশতি একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক যুগের গদ্যরীতির উৎকর্ষ সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনী একটি আধুনিক যুগের গদ্য উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা উপন্যাসের ধারায় গদ্যের সার্থক প্রয়োগ ফুটিয়ে তুলেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আধুনিক যুগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা গদ্যের সৃষ্টি ও বিকাশ আধুনিক যুগেই ঘটেছিল।
B) মধ্যযুগ — এই যুগে বাংলা সাহিত্যের মাধ্যম ছিল পদ্য, যেমন মঙ্গলকাব্য ও বৈষ্ণব পদাবলী।
C) মধ্য বর্তমান যুগ — এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের কোনো স্বীকৃত যুগ বিভাগ নয়।
D) প্রাচীন যুগ — এই যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ, যা সম্পূর্ণভাবে পদ্য বা গান আকারে রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন ও মধ্যযুগ মানেই পদ্য এবং আধুনিক যুগ মানেই গদ্য। এই সহজ বিভাজন মনে রাখলে উত্তর করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা গদ্যের জন্ম ও বিকাশ মূলত উনিশ শতকে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের হাত ধরে শুরু হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা গদ্যের সূচনা ও বিকাশ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) ব্যতিহার বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
- ক্রিয়ার পারস্পরিক বা বিনিময় অর্থ প্রকাশ করলে যে বহুব্রীহি সমাস হয়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
- লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই, তা নির্দেশ করতে এখানে পারস্পরিক ক্রিয়ার আদান-প্রদান বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বহুব্রীহি সমাসে দুটি পদের মধ্যে পারস্পরিক বা একই জাতীয় ক্রিয়ার বিনিময় বোঝায়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
- এই সমাসে সাধারণত উত্তরপদে আ বা ই যুক্ত হয় এবং পূর্বপদে দীর্ঘ স্বরধ্বনি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গালাগালি
ব্যাখ্যা: গালিতে গালিতে যে বিনিময় বা ঝগড়া, তা বোঝাতে এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
উদাহরণ ২: কোলাকুলি
ব্যাখ্যা: কোলে কোলে যে মিলন বা বিনিময়, তা বোঝাতে এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাদি — প্রাদি সমাস হলো প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গের সঙ্গে ক্ত বা কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদের যে সমাস হয়।
B) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ বা গুণ প্রকাশ পায় যা পারস্পরিক ক্রিয়ার ক্ষেত্রে হয় না।
D) ব্যতিহার বহুব্রীহি — এটি সঠিক অপশন কারণ এখানে ক্রিয়ার পারস্পরিক বিনিময় বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পারস্পরিক বোঝাপড়া বা মারামারি জাতীয় শব্দ দেখলে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস নির্ধারণ করবে।
- খেয়াল রাখবে শব্দের মাঝে আ বা ই কার যুক্ত থাকে যেমন লাঠালাঠি, হাতাহাতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাতাহাতি, কোলাকুলি, চুলোচুলি শব্দগুলো প্রায়ই ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হিসেবে আসে।
- পূর্বপদের দ্বিরুক্তি এবং পারস্পরিক লড়াই বা বিনিময় অর্থ এই সমাসের প্রধান চাবিকাঠি।
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুধা + ঋত
১. কেন সঠিক:
- ক্ষুধা শব্দের শেষে থাকা আ এবং ঋত শব্দের শুরুতে থাকা ঋ মিলে ঋ-কার হয়েছে এবং পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়েছে।
- স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী অ-কার বা আ-কারের পর ঋ থাকলে উভয় মিলে অর্ হয়, যা রেফ হিসেবে যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অ-কার কিংবা আ-কারের পর ঋ থাকলে উভয় মিলে অর্ হয় এবং তা আগের বর্ণের সাথে রেফ রূপে যুক্ত হয়।
- ক্ষুধ + আ + ঋ + ত মিলে ক্ষুধার্ত শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে আ এবং ঋ এর মিলনে রেফ এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজা + ঋষি = রাজর্ষি
ব্যাখ্যা: আ-কারের পর ঋ থাকায় তা মিলে অর্ বা রাজর্ষি রূপ ধারণ করেছে।
উদাহরণ ২: মহা + ঋষি = মহর্ষি
ব্যাখ্যা: আ-কারের পর ঋ যুক্ত হয়ে মহর্ষি শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা একই সন্ধির নিয়মে সাধিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষুৎ + আর্ত — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হলেও ক্ষুধার্ত শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এটি নয়।
B) ক্ষুধা + আর্ত — এখানে আ এবং আ মিলে আ হওয়ার কথা, যা ক্ষুধার্ত শব্দের বানানের সাথে মেলে না।
D) ক্ষুধ + আর্ত — ক্ষুধ কোনো পূর্ণাঙ্গ শব্দ নয় এবং এখানে সঠিক সন্ধির নিয়ম প্রয়োগ করা হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্ষুধার্ত শব্দের সন্ধি মনে রাখতে শেষাংশের ঋত শব্দটি মনে রাখতে হবে।
- অ বা আ এর সাথে ঋ যোগ হলে সর্বদা রেফ বা অর্ হয়, এই সূত্রটি মনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে।
- ঋ-কার যুক্ত সন্ধিগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: B) বেড়াল
১. কেন সঠিক:
'মার্জার' একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার প্রমিত অর্থ বেড়াল বা বিড়াল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই ধরনের তৎসম শব্দের ব্যবহার প্রায়ই দেখা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক এই প্রশ্নে 'মার্জার' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। এটি প্রাণীবাচক বিশেষ্য পদ যা বিশেষ করে মার্জারজাতীয় প্রাণীকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মার্জাররূপী মহাপুরুষ
ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কমলাকান্তের দপ্তর রচনায় মার্জার চরিত্রটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মার্জার শাবক
ব্যাখ্যা: মার্জার শব্দের সঙ্গে শাবক যুক্ত করে বিড়ালের বাচ্চাকে বোঝানো হয়েছে, যা সাহিত্য ও সাধারণ ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মার্জনাকারী — এই শব্দের অর্থ যে ব্যক্তি পরিচ্ছন্ন করেন বা ক্ষমা করেন, যা মার্জার শব্দের অর্থ নয়।
B) বেড়াল — এটি সঠিক উত্তর এবং মার্জার শব্দের সমার্থক।
C) কাক — এটি একটি ভিন্ন পক্ষীকূলের পাখি নির্দেশ করে, যা মার্জার শব্দের অর্থ নয়।
D) কুকুর — এটি একটি ভিন্ন চতুষ্পদ প্রাণী নির্দেশ করে, যা মার্জার শব্দের অর্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মার্জার শব্দের সঙ্গে বঙ্কিমচন্দ্রের কমলাকান্তের বিড়ালের কথা মনে রাখতে পারো। মার্জার মানেই বিড়াল বা বেড়াল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তৎসম শব্দগুলোর সঠিক অর্থ জানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি। একই ধরনের শব্দের উৎস ও অর্থ ভালো করে আয়ত্ত করলে নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) কৃত্রিম
১. কেন সঠিক:
নৈসর্গিক শব্দের অর্থ হলো প্রাকৃতিকভাবে তৈরি বা যা প্রকৃতি থেকে এসেছে।
এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো কৃত্রিম, যার অর্থ মানুষের দ্বারা তৈরি বা যা প্রকৃতিতে নিজ থেকে ঘটে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
বাংলা ভাষায় বিশেষ কিছু শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে উৎসের মিল রক্ষা করা হয়, যেমন তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দই হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নৈসর্গিক সৌন্দর্য
ব্যাখ্যা: এটি প্রকৃতির নিজ হাতে গড়া রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কৃত্রিম ফুল
ব্যাখ্যা: এটি মানুষের তৈরি বা নকল ফুল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নৈশ — এই শব্দের অর্থ রাতের বেলা বা রাত্রিসংক্রান্ত, যা নৈসর্গিক শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) নৈতিক — এই শব্দের অর্থ নীতিসংক্রান্ত বা সততাভিত্তিক, যা প্রকৃতির বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
C) কৃত্রিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি প্রাকৃতিকের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) স্বাভাবিক — এই শব্দের অর্থ স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিকভাবে যা ঘটে, যা নৈসর্গিক শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় বিপরীতার্থক হিসেবে নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নৈসর্গিক মানে প্রকৃতি প্রদত্ত এবং কৃত্রিম মানে মানুষ তৈরি।
প্রকৃতি ও মানুষের তৈরি এই দুটি ধারণার বিপরীত সম্পর্কটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব বা উৎস বুঝতে হবে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দ প্রায়ই আসে, তাই প্রাকৃতিকের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দগুলো একত্রে চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) নীর
কেন সঠিক:
- 'অদিতি' শব্দের অর্থ পৃথিবী বা অবনী।
- 'নীর' শব্দের অর্থ হলো পানি বা জল, যা পৃথিবীর সমার্থক শব্দ নয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়।
- পৃথিবীর অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে যেমন পৃথ্বী, ক্ষিতি, অবনী, ধরণী ইত্যাদি।
- উদাহরণের জন্য বলা যায় পৃথিবী যেমন স্থলভাগ বোঝায়, তেমনি নীর তরল পদার্থ বা জল বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পৃথ্বী — এটি পৃথিবীর একটি সমার্থক শব্দ এবং অদিতি শব্দের সাথে সম্পর্কযুক্ত।
- B) নীর — এটি জল বা পানির সমার্থক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
- C) ক্ষিতি — এটি পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলোর মধ্যে একটি।
- D) অবনী — এটিও পৃথিবীর অপর একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
- পৃথিবী সম্পর্কিত শব্দগুলো হলো পৃথ্বী, ক্ষিতি, অবনী এবং জল সম্পর্কিত শব্দ হলো নীর।
সঠিক উত্তর: C) শবদাহ
১. কেন সঠিক:
গুরুচণ্ডালী দোষ বলতে সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণজনিত ত্রুটিকে বোঝায়। শবদাহ শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সাধু রীতি ও চলিত রীতির পদের অশুভ মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। তৎসম শব্দের সঙ্গে তৎসম এবং তদ্ভব বা দেশি শব্দের সঙ্গে দেশি শব্দ ব্যবহার করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্মশানঘাট। এটি তৎসম শব্দ হওয়ায় গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত।
ব্যাখ্যা: শ্মশান ও ঘাট দুটি শব্দই প্রমিত ব্যবহারের উপযুক্ত এবং ব্যাকরণসিদ্ধ।
উদাহরণ ২: মড়ার মুখ। এটি চলিতরীতির খাঁটি বাংলা প্রয়োগ।
ব্যাখ্যা: এখানে মড়ার সঙ্গে মুখ শব্দ ব্যবহার করায় কোনো মিশ্রণজনিত দোষ ঘটেনি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শবপোড়া — শব তৎসম শব্দ এবং পোড়া দেশি বা তদ্ভব শব্দ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট।
B) মড়াদেহ — মড়া তদ্ভব শব্দ এবং দেহ তৎসম শব্দ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট।
C) শবদাহ — এটি সঠিক কারণ শব ও দাহ দুটিই তৎসম শব্দ।
D) শবমোড়া — শব তৎসম শব্দ এবং মোড়া দেশি শব্দ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দ এবং বাংলা শব্দের সঙ্গে বাংলা শব্দ ব্যবহার করলে গুরুচণ্ডালী দোষ হয় না। সমাসবদ্ধ পদের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস এক হওয়া বাঞ্ছনীয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শবপোড়া বা মড়াদেহের মতো মিশ্র শব্দ পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। সমার্থক বা প্রতিশব্দ নির্বাচনে শব্দের উৎস বা রূপের দিকে লক্ষ্য রাখলে এই ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ আলী আহসান
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা এর ইংরেজি অনুবাদক হলেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক সৈয়দ আলী আহসান। তিনি এই গানটির ভাবানুবাদ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ইংরেজি ভাষায় রূপান্তর করেন যাতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর মূল ভাব বজায় থাকে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
আমাদের জাতীয় সংগীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি ঐতিহাসিক গান যা বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছিল। এর ইংরেজি অনুবাদ সাহিত্যিক ও দাপ্তরিক কাজের অংশ হিসেবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা গানের প্রথম দশ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদিত।
ব্যাখ্যা: জাতীয় সংগীতের পূর্ণাঙ্গ রূপ থেকে সংকলিত অংশবিশেষ আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: বিদ্রোহী কবিতার ইংরেজি অনুবাদক কবীর চৌধুরী।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিখ্যাত কবিতার ইংরেজি অনুবাদের উদাহরণ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি এই গানের রচয়িতা, ইংরেজি অনুবাদক নন।
B) সৈয়দ আলী আহসান — এটি সঠিক উত্তর।
C) W. B. Yeats — তিনি আইরিশ কবি, আমাদের জাতীয় সংগীতের অনুবাদক নন।
D) মাহফুজ আনাম — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক, এই গানের অনুবাদক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
জাতীয় সংগীতের সুর ও কথা রবীন্দ্রনাথের হলেও ইংরেজি রূপ দিয়েছেন আলী আহসান। এভাবে মনে রাখতে পারো যে গানটি লিখেছিলেন রবি ঠাকুর আর ইংরেজিতে সাজিয়েছিলেন সৈয়দ আলী আহসান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং ইংরেজি অনুবাদক উভয়ের নামই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। তাই রচয়িতা ও অনুবাদক গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: C) মঙ্গলকাব্য
১. কেন সঠিক:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে দেবদেবীর মহিমা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত কাব্যগুলোকে মঙ্গলকাব্য বলা হয় এবং এগুলোই মধ্যযুগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও মৌলিক ধারা।
- এই ধারার কাব্যগুলো সমাজের নানা স্তর ও ধর্মীয় বিশ্বাসকে একত্রিত করে বাংলা সাহিত্যের মূলধারায় বিশাল অবদান রেখেছিল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি সমৃদ্ধ ধারা যা মূলত দেবদেবীর পূজা ও মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য রচিত হয়েছিল।
- এই কাব্যগুলো সাধারণ মানুষের লৌকিক জীবন, সংস্কার এবং তৎকালীন সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থার এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মনসামঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় ধারা যা দেবী মনসার মাহাত্ম্য প্রচার করে।
উদাহরণ ২: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর রচিত এই কাব্যটি মধ্যযুগের সমাজচিত্র ও মঙ্গলকাব্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুবাদ সাহিত্য — এটি রামায়ণ ও মহাভারতের মতো সংস্কৃত গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদের ধারা, যা মঙ্গলকাব্যের মতো একক ও মৌলিক উল্লেখযোগ্য ধারা নয়।
B) রোমান্টিক প্রনয়োপাখ্যান — এটি মধ্যযুগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা হলেও মঙ্গলকাব্যের মতো ব্যাপকতা ও সামাজিক প্রভাব লাভ করতে পারেনি।
C) মঙ্গলকাব্য — এটি সঠিক উত্তর।
D) জীবনী সাহিত্য — চৈতন্যদেব ও অন্যান্য সাধকদের জীবন নিয়ে রচিত হলেও এটি মঙ্গলকাব্যের মতো মধ্যযুগের প্রধান ও বিস্তৃত ধারা ছিল না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মধ্যযুগ মানেই দেবদেবীর পূজা ও মঙ্গলকাব্য।
- পরীক্ষা মনে রাখবে মধ্যযুগের সবচেয়ে বড় ও মৌলিক সাহিত্যকীর্তি হলো মঙ্গলকাব্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মঙ্গলকাব্যগুলো সাধারণত চার ভাগে বিভক্ত যেমন বন্দনা, আত্মপরিচয়, দেবখন্ড এবং মর্ত্যখন্ড।
- এই ধারা থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) মরুভাস্কর
১. কেন সঠিক:
- মরুভাস্কর হলো মহানবী হযরত মুহম্মদ (স) এর জীবনের ওপর রচিত একটি বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ।
- প্রাবন্ধিক ও গবেষক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী এই গ্রন্থটি রচনা করে ইসলামের মহান প্রবক্তার জীবন ও আদর্শ তুলে ধরেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জীবনীমূলক গ্রন্থ।
- মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী ১৯৪১ সালে এই গ্রন্থটি রচনা করেন এবং এর মাধ্যমে মহানবীর জীবনদর্শন সহজ ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হযরত মোহাম্মদ (স)
ব্যাখ্যা: মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর অপর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা নৈতিকতা শেখায়।
উদাহরণ ২: বিশ্বনবী
ব্যাখ্যা: এটিও হযরত মুহম্মদ (স) এর জীবনভিত্তিক আরেকটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মরুমায়া — এটি যোবেদা খাতুন চৌধুরীর লেখা কোনো জীবনীগ্রন্থ নয়, বরং এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন।
B) মরুভাস্কর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) মরুতীর্থ — এটি কালিন্দী চরণ দাসের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা হযরত মুহম্মদ (স) এর জীবনী নয়।
D) মরুকুসুম — এটি কোনো প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক বা জীবনীগ্রন্থ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মরুভূমিতে যেমন সূর্য সবকিছু আলোকিত করে, তেমনি মহানবী হযরত মুহম্মদ (স) এর জীবন মরুভাস্কর বইটিতে ভাস্করের মতো দেদীপ্যমান।
- লেখকের নাম মনে রাখতে মাথায় রাখবে ওয়াজেদ আলী ইসলামি জীবন ও প্রবন্ধ রচনায় বিখ্যাত ছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনীগ্রন্থ ও রচয়িতার নাম প্রায়ই আসে।
- মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর রচনা হিসেবে 'মরুভাস্কর' পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
সঠিক উত্তর: A) ইউসুফ জোলেখা
১. কেন সঠিক:
- মুসলমান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য হলো ইউসুফ জোলেখা। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের অবদান রাখার ক্ষেত্রে এই কাব্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক স্মারক হিসেবে বিবেচিত হয়।
- ইউসুফ জোলেখা কাব্যের মূল কাহিনী পারস্যের কবি জামীর বা ফেরদৌসীর প্রণয়োপাখ্যান থেকে গৃহীত হলেও কবি শাহ মুহম্মদ সগর এটাকে সার্থকভাবে বাংলা রূপ দিয়েছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে সুলতানি ও হোসেন শাহী আমল থেকেই মুসলমান কবিদের সাহিত্যচর্চা শুরু হয়। এই সময় পারস্য ও আরবীয় সংস্কৃতির প্রভাবে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান রচনার ধারা গড়ে ওঠে।
- ইউসুফ জোলেখা কাব্যটি রচনা করেন শাহ মুহম্মদ সগর বা মতান্তরে সুলতান শাহ। এটি মধ্যযুগের মুসলিম রচিত প্রথম স্বাধীন ও মৌলিক ধারার বাংলা সাহিত্যকর্ম হিসেবে ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক বিচারে অত্যন্ত মূল্যবান।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাইলী মজনু
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের অপর একটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যান যা মুসলমান কবিদের দ্বারা বাংলায় অনূদিত ও রূপান্তরিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: আলাওল রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান যা মধ্যযুগের মধ্যভাগে রচিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউসুফ জোলেখা — এটি মুসলমান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য হিসেবে সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত।
B) রসুল বিজয় — জয়নুল আবেদীন বা সাবিরিদ খান রচিত হলেও এটি ইউসুফ জোলেখার মতো প্রাচীনতম মুসলিম রচিত কাব্য নয়।
C) নূরনামা — আবদুল হাকিম রচিত একটি বিখ্যাত নীতিমূলক ও ধর্মীয় কবিতাগ্রন্থ যা পরবর্তীতে রচিত হয়েছিল।
D) শবে মেরাজ — মধ্যযুগের কবি সাবিরিদ খান রচিত একটি ধর্মীয় কাব্য যা ইউসুফ জোলেখার প্রাচীনতার সাথে তুলনীয় নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাচীনতম মুসলিম কাব্য মনে রাখতে ইউসুফ ও জোলেখার প্রেমের গল্পটি সবার আগে মনে রাখবে। শাহ মুহম্মদ সগরের এই কাব্যটি মুসলিম সাহিত্য ধারার আদি উৎস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কবি ও তাঁর কাব্য কোনটি তা বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্নে উৎস ও কবির নাম খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) দ্বিজ কানাই
১. কেন সঠিক:
'মহুয়া' পালাটি বাংলা লোকসাহিত্য এবং ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। দ্বিজ কানাই এই পালাটির মূল রচয়িতা হিসেবে সর্বস্বীকৃত ও পরীক্ষিত তথ্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মৈমনসিংহ গীতিকার সংগ্রহ ও সম্পাদনা করেন ড. দীনেশচন্দ্র সেন এবং এটি প্রকাশ করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। 'মহুয়া' পালায় মহুয়া ও নদের চাঁদের প্রেমের ট্র্যাজিক পরিণতি অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মলুয়া
ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালা যার রচয়িতা দ্বিজ ঈশান।
উদাহরণ ২: দেওয়ানা মদিনা
ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকার আরেকটি জনপ্রিয় পালা এবং এর রচয়িতা মনসুর বয়াতি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিজ কানাই — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি 'মহুয়া' পালার মূল রচয়িতা।
B) মনসুর বয়াতি — তিনি 'মহুয়া' পালার রচয়িতা নন, তবে তিনি 'দেওয়ানা মদিনা' পালার বিখ্যাত রচয়িতা।
C) নয়নচাঁদ ঘোষ — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার 'চন্দ্রাবতী' বা অন্যান্য পালা রচনার সঙ্গে যুক্ত হলেও 'মহুয়া'র রচয়িতা নন।
D) দ্বিজ ঈশান — তিনি 'মহুয়া' পালার রচয়িতা নন, তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার বিখ্যাত 'মলুয়া' পালার রচয়িতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
মহুয়া পালা রচনা করেছেন দ্বিজ কানাই, এভাবে মনে রাখতে পারো যে মহুয়ার সাথে কানাই যুক্ত। ময়মনসিংহ গীতিকার পালাগুলোর রচয়িতা মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ময়মনসিংহ গীতিকা থেকে বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন পালাটি কার লেখা তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মীর মশাররফ হোসেন
১. কেন সঠিক:
- মীর মশাররফ হোসেন আধুনিক বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম যিনি আধুনিক উপন্যাসের ধারা ও গদ্যে স্বতন্ত্র অবদান রাখেন।
- বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাহিত্যিকদের নবজাগরণ ও আধুনিকতার সূচনা করেছিলেন তিনি তার শক্তিশালী লেখনীর মাধ্যমে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মশাররফ হোসেন উনিশ শতকের বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক হিসেবে অত্যন্ত খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
- তার বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি মহাকাব্যিক গদ্যশিল্প।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস যা বাংলা সাহিত্যে মুসলিম লেখকদের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে গণ্য হয়।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচার ও কৃষকদের দুর্দশার চিত্র নিয়ে রচিত একটি প্রতিবাদী নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও আধুনিক মুসলিম সাহিত্যিক হলেও উনিশ শতকের সূচনার পথিকৃৎ নন।
B) গোলাম মোস্তফা — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও মীর মশাররফ হোসেনের অনেক পরে আবির্ভূত হয়েছিলেন।
C) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি আধুনিক বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ হিসেবে স্বীকৃত।
D) আকরাম খাঁ — তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও ইসলামী পন্ডিত ছিলেন, তবে সাহিত্যের পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মীর মশাররফ হোসেন হলেন আধুনিক বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের পথপ্রদর্শক বা পথিকৃৎ।
- তার অমর সৃষ্টি বিষাদ সিন্ধু মনে রাখলেই তার সাহিত্যিক গুরুত্ব বোঝা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের জন্মস্থান ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে।
- তার প্রথম উপন্যাস রত্নবতী এবং বিখ্যাত নাটক জমিদার দর্পণ সম্পর্কে ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭৬
১. কেন সঠিক:
- পল্লীকবি জসীম উদ্দীন ১৯৭৬ সালের ১৩ই মার্চ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
- বাংলা সাহিত্যে পল্লীপ্রকৃতি ও মানুষের জীবন ফুটিয়ে তোলার জন্য তাকে পল্লীকবি উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জসীম উদ্দীন ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে নকশী কাথার মাঠ ও সোজন বা দিয়ারের ঘাট বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তার পল্লীগীতির মূল সুরকে প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: সোজন বা দিয়ারের ঘাট
ব্যাখ্যা: এটিও জসীম উদ্দীনের রচিত একটি শোকগাথাধর্মী বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৬ — এই সালে জসীম উদ্দীন মৃত্যুবরণ করেন এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ১৯৭৮ — এই সালটি জসীম উদ্দীনের মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি ভুল তথ্য।
C) ১৯৭৪ — এই সালটি তার প্রয়াণকালের সঙ্গে মিলে না, তাই এটি ভুল অপশন।
D) ১৯৭২ — এই সালটি জসীম উদ্দীনের মৃত্যুর বছর নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জসীম উদ্দীনের জন্ম ১৯০৩ সালে এবং মৃত্যু ১৯৭৬ সালে, এই দুটি সাল একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
- তার অমর সৃষ্টি নকশী কাথার মাঠ কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল ১৯২৯ সাল, যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী এবং তার বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী চলে مسافر مسافر নয় বরং চলে মুসাফির।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের জন্ম ও মৃত্যুর সাল প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের সালগুলো আলাদা করে নোট করে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) pleasing
কেন সঠিক:
Malicious শব্দটির অর্থ ক্ষতিকর বা প্রতিহিংসাপরায়ণ, যার বিপরীত শব্দ হলো pleasing বা আনন্দদায়ক।
এই শব্দটি অন্য মানুষের ক্ষতি করার ইচ্ছার ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
তাই এটি সঠিক বিপরীত শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) resentful — এটি malicious শব্দের একটি সমার্থক শব্দ, যার অর্থ ক্ষুব্ধ বা অসন্তুষ্ট।
B) rancorous — এটিও malicious শব্দের সমার্থক, যার অর্থ বিদ্বেষপূর্ণ বা তিক্ত।
C) envious — এটিও এক ধরনের নেতিবাচক মনোভাব বোঝায়, যার অর্থ ঈর্ষান্বিত।
D) pleasing — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ আনন্দদায়ক বা তুষ্টকারী, যা ক্ষতিকারের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Malice মানে ক্ষতিকর কিছু, আর Pleasing মানে মন খুশি করা।
সঠিক উত্তর: C) Steward
কেন সঠিক:
Steward শব্দটি কেবল পুরুষবাচক বা কমন জেন্ডার হিসেবে stewardess শব্দের সাথে তুলনামূলকভাবে ব্যবহৃত হয় না। এটি সাধারণত পুরুষ তত্ত্বাবধায়ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর স্ত্রীলিঙ্গ হলো stewardess।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Professor — এটি পুরুষ এবং নারী উভয় শিক্ষক বা অধ্যাপক বোঝাতে ব্যবহৃত হয় তাই এটি একটি ডুয়াল জেন্ডার।
B) Doctor — এটি পুরুষ এবং নারী উভয় চিকিৎসক বোঝাতে সমানভাবে ব্যবহৃত হয় তাই এটি একটি ডুয়াল জেন্ডার।
C) Steward — এটি শুধু পুরুষ কর্মী বোঝায় এবং এর নির্দিষ্ট স্ত্রীলিঙ্গ stewardess রয়েছে তাই এটি উত্তর।
D) Cook — এটি পুরুষ এবং নারী উভয় রাঁধুনি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় তাই এটি একটি ডুয়াল জেন্ডার।
মনে রাখার টিপস:
যেসব পদের নির্দিষ্ট স্ত্রীলিঙ্গ রূপ থাকে তারা সাধারণ ডুয়াল জেন্ডার হয় না যেমন Steward এর স্ত্রীলিঙ্গ Stewardess।
সঠিক উত্তর: B) advise
কেন সঠিক:
বাক্যে It is high time বা It is time থাকলে তা দিয়ে বর্তমান সময়ে কোনো কাজ করার উপযুক্ত সময় বোঝায়। এই গঠনটি সাধারণত কাউকে কোনো কাজ করার জন্য পরামর্শ বা উপদেশ দিতে ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) command — এই গঠনটি দিয়ে সরাসরি কোনো কঠোর হুকুম বোঝায় না।
B) advise — এটি সঠিক কারণ বাক্যটি দিয়ে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
C) request — এই বাক্যে কাউকে কোনো কিছু বিনয়ের সাথে অনুরোধ করা হয়নি।
D) order — এটি কোনো আনুষ্ঠানিক বা সামরিক আদেশের ভাব প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে It is high time দেখলে বুঝবে এটি কোনো কাজ দ্রুত করার পরামর্শ বা উপদেশ বোঝাচ্ছে।
সঠিক উত্তর: A) Certainty
কেন সঠিক:
বাক্যে বলা হয়েছে সে ক্লাসে উপস্থিত নেই এবং সে নিশ্চয়ই অসুস্থ। এই অনুমানটি প্রায় নিশ্চিত যে সে অসুস্থ বলেই ক্লাসে আসেনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Certainty — এটি সঠিক কারণ বক্তা যুক্তি দিয়ে নিশ্চিতভাবে ধরে নিয়েছেন যে সে অসুস্থ।
B) Possiblity — এটি ভুল কারণ এখানে নিছক কোনো সম্ভাবনার কথা বলা হয়নি বরং নিশ্চিত অনুমানের প্রকাশ ঘটেছে।
C) Obligation — এটি ভুল কারণ এখানে কোনো বাধ্যবাধকতা বা কর্তব্যের কথা বোঝানো হয়নি।
D) Intention — এটি ভুল কারণ এখানে কারো কোনো উদ্দেশ্য বা ইচ্ছার প্রকাশ নেই।
মনে রাখার টিপস:
কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণে যখন কোনো কিছু নিশ্চিত বলে মনে হয়, তখন Modal Verb হিসেবে must be ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) to be surprised
কেন সঠিক:
'Take aback' একটি ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ হলো হঠাৎ করে অবাক বা বিস্মিত হওয়া।
বাক্যে কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটলে এই বিশেষ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to take somethng back — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ফিরিয়ে নেওয়া, যা মূল ফ্রেজাল ভার্বের সাথে মেলে না।
B) to return back — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো বিস্মিত হওয়া বা অবাক হওয়ার ভাব প্রকাশ করে না।
C) to be surprised — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল নেই।
D) পিছনের দিকে ঠেলে দেওয়া অর্থে এটি ব্যবহার করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
'Take aback' ফ্রেজাল ভার্ব দেখলেই মাথায় রাখবে এর অর্থ হলো হঠাৎ চমকে যাওয়া বা অবাক হওয়া।
সঠিক উত্তর: B) chill
কেন সঠিক:
'Cool' শব্দটির মূল অর্থ ঠান্ডা করা এবং এর সরাসরি ভার্ব ফর্ম হলো 'chill'।
অন্য কোনো শব্দ এর সঠিক ও সরাসরি ভার্ব রূপ হিসেবে কাজ করে না।
এটি দিয়ে কোনো কিছু ঠান্ডা করার কাজটি বোঝায়।
তাই এটিই সঠিক ভার্ব ফর্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cold — এটি একটি এডজেক্টিভ বা বিশেষণ যার অর্থ ঠান্ডা।
B) chill — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) fridge — এটি একটি নাউন যার অর্থ রেফ্রিজারেটর বা ঠান্ডা রাখার যন্ত্র।
D) freeze — এর অর্থ জমানো, যা 'cool' শব্দের সরাসরি ভার্ব রূপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Cool' এবং 'chill' দুটি শব্দই ঠান্ডা করার কাজ বোঝাতে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) novel
কেন সঠিক:
চার্লস ডিকেন্সের লেখা 'A tale of two cities' একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস।
ফরাসি বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে এটি রচিত হয়েছে এবং গদ্যে দীর্ঘ কাহিনি বর্ণনার কারণে এটি উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) novel — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থটি একটি দীর্ঘ কথাসাহিত্য বা উপন্যাস।
B) drama — এটি নাটক নয় কারণ এতে সংলাপের মাধ্যমে মঞ্চে অভিনয়ের কোনো দৃশ্যপট নেই।
C) epic — এটি মহাকাব্য নয় কারণ মহাকাব্য সবসময় পদ্য বা ছন্দে রচিত দীর্ঘ কবিতা হয়।
D) fiction — এটি সঠিক হলেও, ফিকশনের অনেক রূপের মধ্যে উপন্যাসই এর সবচেয়ে নিখুঁত ও নির্দিষ্ট পরিচয়।
মনে রাখার টিপস:
চার্লস ডিকেন্স বললেই আমাদের মাথায় আসে বড় বড় উপন্যাস, আর 'A tale of two cities' হলো ইতিহাসের পটভূমিতে লেখা তেমনই একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
সঠিক উত্তর: A) relationship by birth or descent
কেন সঠিক:
Kindred শব্দের মূল অর্থ হলো রক্তের সম্পর্ক বা জন্মসূত্রে আত্মীয়তা। অপশন এ তে ঠিক এই জন্মগত সম্পর্কের কথাই বলা হয়েছে যা মূল শব্দের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) relationship by birth or descent — এটি সঠিক উত্তর। কারণ এটি কিন্দ্রেড বা রক্তের সম্পর্কের সঠিক সংজ্ঞা প্রদান করে।
B) social relationship — এটি ভুল কারণ সমাজগত বা সামাজিক সম্পর্ক জন্মসূত্রের আত্মীয়তাকে বোঝায় না।
C) distant relationship — এটি ভুল কারণ দূরসম্পর্কের আত্মীয়কে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না।
D) unaffiliated relationship — এটি ভুল কারণ এর অর্থ সম্পর্কহীন, যা কিন্দ্রেড শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Kindred শব্দটি মনে রাখতে কি এবং রেড মনে রাখুন, যার সাথে রক্তের লাল রঙের সম্পর্ক মিলিয়ে জন্ম বা রক্তের সম্পর্ক মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) metaphor
কেন সঠিক:
এখানে দেশপ্রেমিককে সরাসরি নক্ষত্রের সাথে তুলনা করা হয়েছে without using like or as.
মেটাফোর হলো এমন একটি রূপক যেখানে দুটি ভিন্ন জিনিসের মধ্যে সরাসরি তুলনা বোঝানো হয়।
এই বাক্যে দেশপ্রেমিককে আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্রের মর্যাদায় ভূষিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) simile — সিমিলি হতে হলে তুলনার ক্ষেত্রে অবশ্যই like অথবা as শব্দ থাকতে হতো।
B) metaphor — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে কোনো রূপক শব্দ ছাড়াই সরাসরি তুলনা করা হয়েছে।
C) allegory — এটি একটি প্রতীকী গল্প বা কাহিনী, যা একক কোনো শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) personification — এটি অজীব বস্তুকে মানব গুণ বা চরিত্রের রূপ দেয়, যা এখানে ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
সরাসরি তুলনা বুঝালে metaphor হয় এবং like বা as থাকলে simile হয়।
সঠিক উত্তর: B) The teacher advised the students to not waste time
কেন সঠিক:
বক্তব্যটি শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীদের প্রতি উপদেশমূলক হওয়ায় reporting verb পরিবর্তন হয়ে advised বসেছে।
Imperative sentence-এর negative రూప পরিবর্তনের সময় infinitive-এর পূর্বে not বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The teacher forbade the students not to waste time — forbade শব্দের সাথে আবার not ব্যবহার করায় বাক্যে দ্বৈত নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে যা ভুল।
B) The teacher advised the students to not waste time — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী সবগুলো পরিবর্তন সঠিকভাবে করা হয়েছে।
C) The teacher advised the students to not waste time — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের সাথে হুবহু মিলে গেছে এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল।
D) The teacher ordered the students donn't waste time — এখানে don't শব্দটি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে এবং বানান ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-এ নিষেধ বা উপদেশ বোঝালে forbid বা advise ব্যবহার করতে হয় এবং to এর আগে not বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) small
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে 'let' একটি প্রত্যয় যা সাধারণত কোনো শব্দের শেষে বসে ক্ষুদ্র বা ছোট বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
booklet শব্দটির অর্থ ছোট বই, যা book শব্দের সাথে let যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) chief — এটি প্রধান বা মুখিয়া বোঝায়, যা booklet শব্দের অর্থের সাথে মেলে না।
B) half — এটি অর্ধেক বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) round — এটি গোল বোঝায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অমূলক।
D) small — এটি ছোট বা ক্ষুদ্র বোঝায়, যা সঠিক উত্তরের সাথে মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে let বা ling প্রত্যয় দেখলে বুঝবে সেটি কোনো ছোট বস্তুকে বোঝাচ্ছে যেমন booklet বা duckling।
সঠিক উত্তর: C) Mummy
কেন সঠিক:
Mummy শব্দটি অত্যন্ত আপন ও ঘরোয়া পরিবেশে পরিবারের সদস্যদের ডাকতে ব্যবহৃত হয়। এটি দাপ্তরিক বা প্রাতিষ্ঠানিক লেখার সম্পূর্ণ অনুপযোগী একটি কথ্য রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mother — এটি একটি আনুষ্ঠানিক ও প্রমিত শব্দ যা সব ধরনের লেখা ও বলায় ব্যবহার করা যায়।
B) Father — এটিও একটি আনুষ্ঠানিক ও সুনির্দিষ্ট শব্দ যা পিতাকে বোঝাতে সব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
D) Parent — এটি অত্যন্ত আনুষ্ঠানিক একটি আইনি ও সামাজিক শব্দ যা বাবা বা মা উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবারের ভেতরের আদরমাখা ডাকগুলো সাধারণত ইনফরমাল বা কথ্য হয় এবং বাকিগুলো ফরমাল বা প্রাতিষ্ঠানিক হয়।
সঠিক উত্তর: A) If you do not study hard, you will fail
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে or থাকায় এটি একটি compound sentence যা Complex করার সময় If clause এবং negative অর্থ প্রকাশ করে।
তাই সঠিক নিয়মে if you do not ব্যবহার করে বাক্যটিকে complex করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক অর্থ ও গঠন বজায় রেখেছে।
B) If you study hard, you will fail — এটি অর্থের দিক থেকে ভুল কারণ কঠোর পড়াশোনা করলে ফেল করবে এমন বোঝায়।
C) If you not study hard, you will fail — এখানে grammatical ভুল আছে কারণ subject এর পর সরাসরি not বসেনة do not বসে।
D) In case of you study hard, you will fail — এটি complex sentence নয় বরং একটি incorrect phrase গঠন।
মনে রাখার টিপস:
Compound বাক্যে or থাকলে Complex করার সময় সাধারণত if যুক্ত clause-টিকে negative করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) might not have
কেন সঠিক:
বাক্যটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের অসম্ভব কল্পনা প্রকাশ করছে।
প্রথম অংশে Past Perfect (had been) থাকায় পরের অংশে would have অথবা might have এর সাথে verb এর পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
occurred শব্দটি এখানে মূল verb হিসেবে রয়েছে, তাই তার পূর্বে might not have বসবে।
অন্য কোনো সাহায্যকারী verb এর প্রয়োজন নেই কারণ মূল verb নিজেই অতীত participle রূপে আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) might not have — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) would not be — be verb বসার কারণে এখানে মূল verb occurred এর সাথে ব্যাকরণগত মিল থাকে না।
C) might not have been — been অতিরিক্ত থাকার কারণে বাক্যটির অর্থ ও গঠন ভুল হয়ে যায়।
D) might not — শুধু might not বসার পর মূল verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
মনে রাখার টিপস:
Third Conditional এ যদি ইফ ক্লজে had + v3 থাকে, তবে মূল ক্লজে would have বা might have + v3 বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Man : Burrow
কেন সঠিক:
এই অপশনে মানুষ ও তার বাসস্থানের সম্পর্কটি ভুল দেওয়া হয়েছে। মানুষ গুহায় বা ঘরে বাস করে, কিন্তু বারো বা Burrow হলো খরগোশ জাতীয় প্রাণীর গর্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Fish : Aquarium — এটি সঠিক অ্যানালজি কারণ মাছ অ্যাকুরিয়ামে বাস করে।
B) Man : Burrow — এটি ভুল কারণ মানুষ বারো বা গর্তে থাকে না।
C) Eskimo : Igloo — এটি সঠিক অ্যানালজি কারণ এস্কিমোরা ইগলুতে বাস করে।
D) Dog : Kernel — এটি সঠিক অ্যানালজি কারণ কুকুরের বাসস্থানকে কেনেল বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রাণী এবং তাদের বাসস্থানের সঠিক জোড়গুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে যাতে এমন ব্যতিক্রম সহজেই ধরতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) Curator
কেন সঠিক:
- কিউরেটর বা Curator হলেন সেই ব্যক্তি যিনি কোনো জাদুঘর বা প্রদর্শনীর সংগ্রহশালা দেখাশোনা করেন ও সংরক্ষণ করেন।
- জাদুঘরের ঐতিহাসিক নিদর্শন বা শিল্পকর্মের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও প্রদর্শনীর দায়িত্ব কিউরেটরের ওপর ন্যস্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Librarian — লাইব্রেরিয়ান বা গ্রন্থাগারিক হলেন সেই ব্যক্তি যিনি লাইব্রেরির বইপত্র ও নথিপত্র রক্ষণাবেক্ষণ করেন, জাদুঘর পরিচালনা করেন না।
B) Janitor — জেনিটর হলেন ভবনের পরিচ্ছন্নতা ও সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্মী, যিনি জাদুঘরের প্রদর্শনীর সংরক্ষক নন।
C) Palmist — পামিস্ট বা হস্তরেখাবিদ মানুষের হাতের রেখা দেখে ভাগ্য গণনা করেন, যার সঙ্গে জাদুঘরের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) Curator — কিউরেটর বা জাদুঘরের তত্ত্বাবধায়ক হলেন সেই ব্যক্তি যিনি জাদুঘরের সংগ্রহশালা ও প্রদর্শনী দেখভাল করেন।
মনে রাখার টিপস:
কিউরেটর শব্দটির সঙ্গে কেয়ার বা যত্ন শব্দটির মিল আছে, যা জাদুঘরের জিনিসপত্রের যত্ন নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়।
সঠিক উত্তর: D) will you
কেন সঠিক:
মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি Negative অর্থ প্রকাশ করছে।
Imperative Sentence-এর ক্ষেত্রে Tag Question সাধারণত will you হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) shan't you — এটি Imperative Sentence-এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয় এবং এর অর্থ এখানে মেলে না।
B) do you — এটি সাধারণত Present Indefinite Tense-এর Affirmative বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
C) isn't it — এটি কোনো Statement-এর সাহায্যকারী verb Be-এর ওপর ভিত্তি করে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) will you — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence দিয়ে কোনো আদেশ, নিষেধ বা অনুরোধ বোঝালে Tag Question-এ চোখ বন্ধ করে will you বসাবে।
সঠিক উত্তর: B) telecast
কেন সঠিক:
'telecast' একটি বিশেষ ধরণের দুর্বল ভার্ব বা irregular verb। এর প্রেজেন্ট, পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম একই থাকে।
তাই এই ভার্বটির পাস্ট পার্টিসিপল করার সময় এর সাথে কোনো অতিরিক্ত অক্ষর যুক্ত করার প্রয়োজন হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) telecasted — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ মূল ভার্বের সাথে ইডি যোগ করে এর পাস্ট পার্টিসিপল গঠন করা যায় না।
B) telecast — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটিই মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ।
C) telecastted — এই বানানে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অতিরিক্ত টি এবং ইডি যুক্ত করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
D) telecasten — এই বানানে ই এন যুক্ত করা হয়েছে যা এই বিশেষ ভার্বের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্রডকাস্ট, কাস্ট এবং টেলিপ্রিন্ট জাতীয় ভার্বগুলোর তিনটি ফর্মই একই অর্থাৎ অপরিবর্তিত থাকে।
সঠিক উত্তর: B) surrendered
কেন সঠিক:
- gave in একটি ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ হলো আত্মসমর্পণ করা বা কোনো প্রতিরোধ না করে হেরে যাওয়া।
- বাক্যে সৈন্যরা শেষ পর্যন্ত লড়াই থামিয়ে হার মেনে নিয়েছিল বোঝাতে এই ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়েছে।
- surrendered শব্দটির অর্থও হলো আত্মসমর্পণ করা বা পরাজয় স্বীকার করা।
- তাই সঠিক উত্তরটি হলো surrendered।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) won — এর অর্থ জয়লাভ করা, যা gave in এর অর্থের সাথে মিলে না।
B) surrendered — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) cheerep up — এর অর্থ আনন্দিত করা বা উৎসাহ দেওয়া, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়।
D) started fighting — এর অর্থ লড়াই শুরু করা, যা gave in এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Give in মানে হলো ভেতরে সব শক্তি হারিয়ে ফেলো, তাই মাথা নিচু করে আত্মসমর্পণ বা হার মেনে নিতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Conjunction
কেন সঠিক:
এখানে 'than' শব্দটি দুটি ভিন্ন বাক্য বা clause-কে যুক্ত করার কাজ করছে। পুরো বাক্যটি আসলে "He is taller than I am" যার সংক্ষিপ্ত রূপ এটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adjective — এই শব্দটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না।
B) Noun — এই শব্দটি কোনো কিছুর নাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি।
C) Preposition — এর পরে কোনো noun বা pronoun অবজেক্টিভ রূপে বসে কেবল সম্বন্ধ বোঝায় না।
D) Conjunction — এটি দুটি ক্লজকে যুক্ত করেছে এবং এর পরে 'I' সাবজেক্টিভ রূপ সঠিক আছে।
মনে রাখার টিপস:
than-এর পরে যদি সাবজেক্ট প্রোনাউন (যেমন I, he, she) বসে, তবে তা Conjunction হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: D) lack of respect to God and religion
কেন সঠিক:
- 'Blasphemy' একটি ইংরেজি শব্দ যার শাব্দিক অর্থ ঈশ্বরনিন্দা বা ধর্ম অবমাননা।
- এটি এমন আচরণ বা বক্তব্যকে নির্দেশ করে যা পবিত্র কোনো বিষয় বা ধর্মের প্রতি চরম অসম্মান প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) appreciation of God and religion — এটি 'Blasphemy' শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, কারণ এটি ধর্মের প্রতি প্রশংসা বোঝায়।
B) Islam — এটি একটি নির্দিষ্ট ধর্মের নাম, যা কোনো সাধারণ শব্দের অর্থ বা সংজ্ঞাকে নির্দেশ করে না।
C) Buddhism — এটিও একটি ধর্মের নাম এবং 'Blasphemy' শব্দের সাথে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) lack of respect to God and religion — এটি 'Blasphemy' শব্দের সঠিক অর্থ বহন করে, কারণ ধর্ম অবমাননা মানেই বিশ্বাসের প্রতি অশ্রদ্ধা।
মনে রাখার টিপস:
'Blasphemy' শব্দটির শুরুতেই ব্লাস বা বকাঝকা মনে রাখতে পারেন, যার সাথে ধর্ম বা ঈশ্বরের অবমাননার মিল রয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) People of a country always honour their freedom fighters.
কেন সঠিক:
Passive বাক্যের Subject (his country people) Active বাক্যে Subject (People of a country) হিসেবে বসেছে।
Passive বাক্যের is honored প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স হওয়ায় Active বাক্যে মূল verb-এর Present form (honour) বসেছে।
Passive বাক্যের always শব্দটি ঠিক জায়গায় বসে সঠিক অর্থ প্রকাশ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) People of a country honours their freedom fighters always. — Subject plural হওয়ায় এর সাথে s যুক্ত ভুল verb ব্যবহার করা হয়েছে।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) His country people honour always their freedom fighters. — এখানে always adverb-টি verb-এর পরে ভুলভাবে বসানো হয়েছে।
D) People honour their freedom fighters. — প্রদত্ত বাক্যের 'country' শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Passive থেকে Active করার সময় object-কে subject বানাতে হয় এবং টেন্স অনুযায়ী সঠিক verb ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) on the way
কেন সঠিক:
'En route' একটি ফরাসি মূলের ইংরেজি ফ্রেজ যার শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো কোনো গন্তব্যে যাওয়ার পথে বা যাত্রাপথে।
এটি সাধারণত ভ্রমণের সময় কোথাও থেমে যাওয়ার বা মাঝপথের অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
তাই সঠিক অপশন হিসেবে 'on the way' নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on the way — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'En route' ফ্রেজটির সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
B) on a plane — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটি শুধুমাত্র বিমানে যাতায়াত বোঝায় না, যেকোনো যাত্রাপথকেই নির্দেশ করে।
C) on a train — এটি ভুল কারণ ট্রেন ছাড়াও যেকোনো যানবাহনে বা সাধারণভাবে যাত্রাপথে থাকার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায়।
D) in the bus — এটি ভুল কারণ এটি শুধুমাত্র বাসের ভেতরের অবস্থাকে বোঝায়, যা মূল ফ্রেজের সার্বজনীন অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
'En route' শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি ফরাসি শব্দ যার অর্থ চলার পথে বা রাস্তার মাঝে।
সঠিক উত্তর: C) I myself did the job
কেন সঠিক:
এখানে myself প্রোনাউনটি সরাসরি I সাবজেক্টের ঠিক পরেই বসেছে।
এটি সাবজেক্টের উপর বিশেষ জোর বা গুরুত্ব প্রকাশ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She saw herself — এখানে herself শব্দটি অবজেক্ট হিসেবে বসেছে এবং এটি Emphatic Pronoun নয়, বরং Reflexive Pronoun।
B) He did the work himself — এখানে himself সাবজেক্টের পরে না বসে বাক্যের শেষে বসেছে, তাই এটি তুলনামূলক কম জোরালো।
C) I myself did the job — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) She cooked the meal herself — এখানে herself সাবজেক্টের পরে না থেকে শেষে থাকায় এটি সাধারণ Reflexive হিসেবে কাজ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
সাবজেক্টের ঠিক পরেই যখন reflexive pronoun বসে তখন তাকে emphatic pronoun বলে।
সঠিক উত্তর: A) go away
কেন সঠিক:
বাক্যে 'had better' একটি মডাল ভার্বের মতো কাজ করে এবং এর পরে সবসময় ভার্বের বেইজ ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
তাই এখানে 'go' verb-টির সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়েছে এবং সঠিক উত্তরটি গঠনগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) go away — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'had better' এর পরে ভার্বের মূল রূপ বসে এবং এটি অর্থপূর্ণ বাক্য গঠন করে।
B) gone away — এই অপশনটি ভুল কারণ 'had better' এর পরে কখনো ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ বসে না।
C) went away — এই অপশনটি ভুল কারণ 'had better' এর পরে কখনো ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে না।
D) going away — এই অপশনটি ভুল কারণ 'had better' এর পরে কখনো আইএনজি যুক্ত ভার্ব বসে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'had better' দেখলে সব সময় মনে রাখবে এর পর ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বা মূল রূপ বসাতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ৪৫, ৬০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৩ : ৪
সংখ্যা দুটির লসাগু ১৮০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৪ক
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩ × ৪ × ক = ১২ক
প্রশ্নমতে, ১২ক = ১৮০
সুতরাং,
ক = ১৮০ ÷ ১২ = ১৫
সংখ্যা দুটি হলো (৩ × ১৫) = ৪৫ এবং (৪ × ১৫) = ৬০
উত্তর: ৪৫, ৬০
সঠিক উত্তর: C) ৪৮ বর্গ সেমি
প্রদত্ত তথ্য:
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহুদ্বয়ের প্রতি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০ সেমি
ত্রিভুজের ভূমি বা অপর বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৬ সেমি
ধরি,
সমান বাহু a = ১০ সেমি
ভূমি b = ১৬ সেমি
অতএব,
ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো (b ÷ ৪) × √(৪ × a × a − b × b)
মানগুলো বসিয়ে পাই, (১৬ ÷ ৪) × √(৪ × ১০ × ১০ − ১৬ × ১৬)
ভেতরের হিসাব করে পাই, ৪ × √(৪০০ − ২৫৬)
সুতরাং,
হিসাব করে পাই, ৪ × √১৪৪ = ৪ × ১২ = ৪৮
উত্তর: ৪৮ বর্গ সেমি
সঠিক উত্তর: D) ২
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x + ২y = ৪
দ্বিতীয় শর্তটি হলো x = ২y
ধরি,
প্রথম সমীকরণে x এর পরিবর্তে সরাসরি মান বসাবো
অতএব,
x এর জায়গায় ২y লিখলে সমীকরণটি দাঁড়ায় ২y + ২y = ৪
সুতরাং,
যোগ করে পাই ৪y = ৪
উত্তর: y = ১ এবং x = ২ × ১ = ২
সঠিক উত্তর: A) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো ৯ − ১২x + ax২
রাশিটিকে একটি পূর্ণবর্গ রাশি হতে হবে
ধরি,
রাশিটিকে লেখা যায় (৩)^২ − ২ × ৩ × ২x + (ax)^২ আকারে
এখানে প্রথম পদের বর্গমূল ৩ এবং শেষ পদের বর্গমূল √a × x
অতএব,
মধ্যের পদটি সমান হবে ২ × প্রথম পদ × শেষ পদের সাথে
১২x সমান হবে ২ × ৩ × √a × x এর সাথে
সুতরাং,
১২ সমান হবে ৬ × √a এর সাথে
√a এর মান হবে ২ এবং a এর মান হবে ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: B) (7x - 8)
প্রদত্ত তথ্য:
দ্বিপদী রাশিটি হলো ৭x^২ − x − ৮
ধরি,
রাশিটির মধ্যপদ বিভাজন করতে হবে
প্রথম ও শেষের পদের গুণফল = ৭ × (−৮) = −৫৬x^২
মাঝের পদ হলো −x
অতএব,
মধ্যপদ −x কে ভেঙে লেখা যায় −৮x + ৭x
এখন রাশিটি হয় ৭x^২ − ৮x + ৭x − ৮
সুতরাং,
প্রথম দুটি পদ থেকে x কমন নিয়ে পাই, x(৭x − ৮)
এবং পরের দুটি পদ থেকে ১ কমন নিয়ে পাই, +১(৭x − ৮)
উত্তর: (৭x − ৮)(x + ১), যার একটি উৎপাদক হলো (৭x − ৮)
সঠিক উত্তর: C) ৬.৪৫ বর্গ সেমি
প্রদত্ত তথ্য:
১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেমি
ধরি,
১ বর্গইঞ্চি = ১ ইঞ্চি × ১ ইঞ্চি
অতএব,
১ বর্গইঞ্চি = ২.৫৪ সেমি × ২.৫৪ সেমি
সুতরাং,
১ বর্গইঞ্চি = ৬.৪৫ বর্গ সেমি
উত্তর: ৬.৪৫ বর্গ সেমি
সঠিক উত্তর: A) ০, ১
প্রদত্ত তথ্য:
বাস্তব সংখ্যার ক্ষেত্রে যোগের অভেদক হলো শূন্য
বাস্তব সংখ্যার ক্ষেত্রে গুণের অভেদক হলো এক
ধরি,
যেকোনো বাস্তব সংখ্যাটি হলো ক
অতএব,
ক + ০ = ক
ক × ১ = ক
সুতরাং,
যোগের অভেদ উপাদান হলো ০ এবং গুণের অভেদ উপাদান হলো ১
উত্তর: ০, ১
সঠিক উত্তর: A) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার পদগুলি হলো ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪
ধরি,
প্রথম পদ = ২
দ্বিতীয় পদ = ৩
তৃতীয় পদ = ৫
অতএব,
২ + ৩ = ৫
৩ + ৫ = ৮
৫ + ৮ = ১৩
সুতরাং,
২১ + ৩৪ = ৫৫
উত্তর: ৫৫
সঠিক উত্তর: B) ২২, ২৩
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো পঁয়তাল্লিশ
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি হলো ক
বড় সংখ্যাটি হলো ক + ১
অতএব,
বড় সংখ্যার বর্গ = (ক + ১) × (ক + ১)
ছোট সংখ্যার বর্গ = ক × ক
বর্গের অন্তর = (ক + ১) × (ক + ১) − (ক × ক) = ৪৫
সুতরাং,
সমীকরণ সমাধান করে পাই, ২ক + ১ = ৪৫
সুতরাং, ২ক = ৪৪ এবং ক = ২২
উত্তর: সংখ্যা দুটি হলো ২২ এবং ২৩
সঠিক উত্তর: A) দো-আঁশ
কেন সঠিক:
- এই মাটিতে বালি ও পলিমাটির সুষম অনুপাত থাকে, যা উদ্ভিদের জন্য আদর্শ পুষ্টি উপাদান ধরে রাখতে সাহায্য করে।
- দো-আঁশ মাটির পানি ধারণক্ষমতা এবং নিষ্কাশন ক্ষমতা উভয়ই ভারসাম্যপূর্ণ হওয়ায় শিকড় সহজে বাতাস ও খাবার পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দো-আঁশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এতে বালি, পলি ও কাদার অনুপাত ফসল চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
B) পলিমাটি — নদীর অববাহিকায় পলিমাটি উর্বর হলেও এতে প্রায়ই পানি জমে থাকে, যা সব ধরনের কৃষি কাজের জন্য দো-আঁশের মতো সার্বিকভাবে উপযোগী নয়।
C) এটেল মাটি — এই মাটিতে কণার আকার খুব ক্ষুদ্র হওয়ায় পানি আটকে থাকে এবং সহজে কর্দমাক্ত হয়, যা চাষাবাদের জন্য কঠিন।
D) বেলে মাটি — এর কণাগুলো বড় এবং ফাঁপা হওয়ায় পানি ও সার বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারে না, ফলে ফসল পুষ্টি পায় না।
মনে রাখার টিপস:
সব ফসলের আবাদের রাজা, দো-আঁশ মাটি তার কাজের খাঁজা।
সঠিক উত্তর: C) সিরিয়া
কেন সঠিক:
- ২০১১ সাল থেকে শুরু হওয়া সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে ইউরোপের দেশগুলোতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।
- এই ব্যাপক শরণার্থী ও অভিবাসী সংকট পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনীতি ও নিরাপত্তায় মারাত্মক প্রভাব ফেলেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরাক — ইরাকে যুদ্ধ ও সংঘাত হলেও ইউরোপজুড়ে বর্তমান অভিবাসী সংকটের প্রধান উৎস সিরিয়া ছিল না।
B) ইরান — ইরানে বড় ধরনের কোনো গৃহযুদ্ধ হয়নি যার কারণে ইউরোপে নজিরবিহীন অধিবাসী সংকট তৈরি হতে পারে।
C) সিরিয়া — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি এই ক্ষেত্রে ভুল নয়।
D) তুরস্ক — তুরস্কে গৃহযুদ্ধ হয়নি, বরং দেশটি সিরীয় শরণার্থীদের অন্যতম প্রধান আশ্রয়শিবির হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপে শরণার্থী সংকট বললেই ২০১১ সালের সিরিয়ার গৃহযুদ্ধকে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) ২৭ অনুচ্ছেদ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা বলা হয়েছে, যার অর্থ সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান এবং সমান সুরক্ষার অধিকারী।
- এই অনুচ্ছেদটি সংবিধানের তৃতীয় ভাগে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম মূল ভিত্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৭ অনুচ্ছেদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং সমাশ্রয়ের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
B) ২৮ অনুচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ এই অনুচ্ছেদে ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ বা জন্মস্থানের কারণে বৈষম্যের নিষিদ্ধকরণের কথা বলা হয়েছে।
C) ২৯ অনুচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ এই অনুচ্ছেদে সরকারি চাকরিতে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে।
D) ৪৭ অনুচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ এই অনুচ্ছেদে নির্দিষ্ট কিছু আইন প্রণয়নের হেফাজত সম্পর্কে বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
স দিয়ে সমান এবং স দিয়ে সাত, অর্থাৎ ২৭ অনুচ্ছেদ মানেই সকলের সমান অধিকার।
সঠিক উত্তর: C) পূর্বাশা দ্বীপ
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি বঙ্গোপসাগরে হারিয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি ছোট এবং বর্তমানে নিমজ্জিত দ্বীপ।
- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সীমানা নির্ধারণের সময় ভৌগোলিক ও কৌশলগত কারণে এই দ্বীপটির নাম পূর্বাশা দ্বীপ রাখা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শাহপরীর দ্বীপ — এটি টেকনাফ উপজেলায় অবস্থিত একটি দ্বীপ এবং মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, যা দক্ষিণ তালপট্টি নয়।
B) জালিয়ার দ্বীপ — এটি কক্সবাজারের নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি পর্যটনকেন্দ্রিক দ্বীপ, যা দক্ষিণ তালপট্টি নয়।
C) পূর্বাশা দ্বীপ — এটি সঠিক উত্তর।
D) সন্দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার কাছে বঙ্গোপসাগরের একটি প্রাচীন ও জনবহুল দ্বীপ, যা দক্ষিণ তালপট্টি নয়।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ দিক থেকে পূর্বের আশা করলেই মনে রাখা যায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপর নাম পূর্বাশা দ্বীপ।
সঠিক উত্তর: C) উ থান্ট
কেন সঠিক:
- উ থান্ট ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- তিনি মিয়ানমারের নাগরিক ছিলেন এবং তিনি প্রথম এশিয়ান যিনি এই পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুটওয়াল্র্ডহেইম — তিনি জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব ছিলেন এবং তিনি ১৯৭২ সাল থেকে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
B) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড — তিনি জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব ছিলেন এবং ১৯৬১ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন।
D) ট্রাইগভেলাই — তিনি জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন এবং ১৯৫২ সালে পদত্যাগ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালে জাতিসংঘের প্রধান ছিলেন এশিয়ার উ থান্ট।
সঠিক উত্তর: B) ১৮ এপ্রিল ১৯৭২
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথ অব নেশনস এর ৩২তম সদস্যপদ লাভ করে।
- লন্ডনে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনে এই সদস্যপদ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1971 — এই বছরে বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও কমনওয়েলথ বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেনি।
B) 1972 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বছরের ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
C) 1973 — এই সালের সঙ্গে বাংলাদেশের কমনওয়েলথ সদস্যপদ লাভের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) 1975 — এই বছরে বাংলাদেশ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখলেও এটি সদস্যপদ লাভের সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
সঠিক উত্তর: A) ২৫ মার্চ, ২০১০
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩ এর অধীনে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে এই বিচারিক প্যানেল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ মার্চ, ২০১০ — এই তারিখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়েছিল তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) ১০ জুন, ২০১০ — এটি ট্রাইব্যুনাল গঠনের সঠিক তারিখ নয়, এটি অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) ১৫ জুলাই, ২০১০ — এই তারিখে ট্রাইব্যুনাল গঠনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
D) ১ জানুয়ারি, ২০১১ — এটি ট্রাইব্যুনাল গঠনের সাল বা তারিখের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করতে ২০১০ সালের ২৫ মার্চ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়, যা মনে রাখতে ২৫ মার্চ কালরাত্রির তারিখের সঙ্গে মেলাতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) হোমার
কেন সঠিক:
- হোমার প্রাচীন গ্রিসের বিখ্যাত অন্ধ মহাকবি ছিলেন যিনি বিশ্বখ্যাত ইলিয়াড ও ওডিসির মতো মহাকাব্য রচনা করেছেন।
- গ্রিক ঐতিহ্য অনুযায়ী তিনি অন্ধ ছিলেন এবং তার রচিত মহাকাব্য দুটি পশ্চিমা সাহিত্যের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হোমার — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রাচীন গ্রিসের অন্ধ মহাকবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
B) দান্তে — ইনি ইতালীয় কবি ও রেনেসাঁর অগ্রদূত, গ্রিক মহাকবি নন।
C) সফোগক্লিস — ইনি প্রাচীন গ্রিসের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাট্যকার ছিলেন, মহাকবি বা অন্ধ কবি নন।
D) দ্যাভিঞ্চি — ইনি ইতালীয় রেনেসাঁর বহুমুখী প্রতিভাধর শিল্পী ও বিজ্ঞানী, প্রাচীন গ্রিসের কেউ নন।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিসের অন্ধ কবি মানেই হোমার এবং তার মহাকাব্য হলো ইলিয়াড ও ওডিসি।
সঠিক উত্তর: B) ২০০০
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) দশম পূর্ণ সদস্য বা টেস্ট মর্যাদা লাভ করে।
- ভারতের বিপক্ষে ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ঢাকায় বাংলাদেশ তাদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮৮ — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসির সহযোগী সদস্য পদ লাভ করেছিল, টেস্ট মর্যাদা নয়।
B) ২০০০ — এটি সঠিক উত্তর, এই সালে বাংলাদেশ টেস্ট খেলার ঐতিহাসিক যোগ্যতা অর্জন করে।
C) ২০০৩ — এই সালটি বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সঙ্গে টেস্ট মর্যাদার দিক থেকে সম্পর্কিত নয়।
D) ২০০৪ — এই সালটি টেস্ট মর্যাদা লাভের ক্ষেত্রে কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
নতুন শতাব্দীর শুরুতেই অর্থাৎ ২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস বা মর্যাদা পায়।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে পুঞ্জীভূত বা সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।
- জ্বালানি খাত, বিশেষ করে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং সেবা খাতে মার্কিন বিনিয়োগের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি বর্তমানে বাংলাদেশে সরাসরি সর্বোচ্চ বিনিয়োগকারী দেশ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) জাপান — জাপান বাংলাদেশের অন্যতম বড় উন্নয়ন সহযোগী ও শীর্ষ বিনিয়োগকারী দেশগুলোর একটি হলেও বর্তমানে সরাসরি বিনিয়োগে শীর্ষ অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে।
C) চীন — চীন থেকে বাংলাদেশে অবকাঠামো ও উৎপাদন খাতে বিশাল বিনিয়োগ আসলেও পুঞ্জীভূত সরাসরি বিনিয়োগের দিক থেকে এটি যুক্তরাষ্ট্রের পরেই অবস্থান করে।
D) কানাডা — কানাডা থেকে কিছু খাতে বিনিয়োগ থাকলেও তা বাংলাদেশের শীর্ষ বিনিয়োগকারী দেশগুলোর তালিকার শীর্ষে নেই।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্র মানে শীর্ষ বিনিয়োগ, কারণ জ্বালানি ও সেবা খাতে তাদের অবদান সবচেয়ে বেশি।
সঠিক উত্তর: B) ২১৫ একর
কেন সঠিক:
- জাতীয় সংসদ ভবন মূল কমপ্লেক্স এবং চন্দ্রিমা উদ্যানসহ এর আশপাশের সব এলাকা মিলিয়ে মোট জমির পরিমাণ ২১৫ একর।
- প্রখ্যাত স্থপতি লুই কান এই ভবনের নকশা তৈরি করেন এবং এটি শেরেবাংলা নগর, ঢাকায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০ একর — এই পরিমাপটি সঠিক নয়, কারণ জাতীয় সংসদ ভবনের নির্ধারিত মোট ভূমির পরিমাণ ১৮০ একর থেকে বেশি।
B) ২১৫ একর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের মোট আয়তন ২১৫ একর হিসেবে নির্ধারিত ও স্বীকৃত।
C) ২০১ একর — এই সংখ্যাটি সংসদ ভবনের মোট আয়তনের সঙ্গে মিলে না এবং এটি ভুল তথ্য।
D) ২১৯ একর — এটি ভুল পরিমাপ, কারণ সংসদ ভবনের প্রকৃত জমির পরিমাণ ২১৯ একর নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় সংসদ ভবনের জমির পরিমাণ মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন দুইশ পনেরো একর।
সঠিক উত্তর: D) লিওনার্দো দ্যা-ভিঞ্চি
কেন সঠিক:
- বিশ্বখ্যাত রেনেসাঁ শিল্পী লিওনার্দো দ্যা-ভিঞ্চি ১৫০৩ থেকে ১৫১৯ সালের মধ্যে তৈলচিত্রটি অঙ্কন করেন।
- এই চিত্রের রহস্যময় হাসি এবং অনন্য ফুটিয়ে তোলার শৈলীর জন্য এটি ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পকর্ম হিসেবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিশিয়ান — তিনি ইতালীয় রেনেসাঁ যুগের ভেনেশিয়ান স্কুলের একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হলেও এই ছবির স্রষ্টা নন।
B) র্যাফায়েল — তিনি রেনেসাঁ যুগের অন্যতম প্রধান চিত্রশিল্পী ও স্থপতি হলেও মোনলিসা তাঁর অঙ্কিত নয়।
C) মাইকেল এঞ্জোলো — তিনি রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হলেও এই বিখ্যাত পোর্ট্রেটটির সঙ্গে যুক্ত নন।
D) লিওনার্দো দ্যা-ভিঞ্চি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য।
মনে রাখার টিপস:
মোনলিসা এবং লিওনার্দো দ্যা-ভিঞ্চি দুটি নামের মাধ্যমেই রেনেসাঁ যুগের শ্রেষ্ঠ শিল্পকর্মের ইতিহাস মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ২৫০০ বছর
কেন সঠিক:
- প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও কার্বন ডেটিং পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় ওয়ারী-বটেশ্বর প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন।
- এটি নরসিংদী জেলার বেলাবো ও মনোহরদী উপজেলায় অবস্থিত প্রাচীন বাংলার একটি সমৃদ্ধ মৌর্য আমলপূর্ব বা সমসাময়িক নগরকেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫০০ বছর — এটি প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় প্রমাণিত প্রাচীনতম সময়কাল, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ১০০০ বছর — এই সময়কালটি ওয়ারী-বটেশ্বরের প্রাচীনত্বকে অনেক কমিয়ে দেখায় এবং এটি সঠিক নয়।
C) ৩০০০ বছর — এটি ওয়ারী-বটেশ্বরের প্রাক-পাথর যুগীয় বা আদি সংস্কৃতির সময় নির্দেশ করে, যা মূল নগর সভ্যতার বয়স নয়।
D) ১৫০০ বছর — এই সময়কালটি এই প্রাচীন সভ্যতার সঠিক সময়সীমার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ারী-বটেশ্বরের বয়স আড়াই হাজার বছর বা আড়াই হাজার সংখ্যাটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে বলা যায়।
সঠিক উত্তর: D) সুভাসচন্দ্র বসু
কেন সঠিক:
- সুভাসচন্দ্র বসু ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন ও নেতৃত্ব দিয়ে অনন্য ভূমিকা রাখেন।
- তাঁর দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারতবাসী এবং তাঁর অনুসারীরা তাঁকে পরম শ্রদ্ধায় নেতাজী উপাধিতে ভূষিত করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিত্ররঞ্জন দাস — তিনি স্বরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট আইনজীবী হলেও তাঁকে দেশবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হতো।
B) এ, কে ফজলুল হক — তিনি শেরে বাংলা নামে পরিচিত একজন প্রখ্যাত বাঙালি রাজনীতিবিদ ও অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
সি) মণি সিংহ — তিনি বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এবং টংক আন্দোলনের ঐতিহাসিক মহানায়ক ছিলেন।
D) সুভাসচন্দ্র বসু — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তাঁকে নেতাজী বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
নেতাজী শব্দটি শুনলেই মনে রাখবে আজাদ হিন্দ ফৌজের মহানায়ক সুভাসচন্দ্র বসুর কথা।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৫ সাল
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা এই আত্মজীবনীতে ১৯৩৮ সাল থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনা উঠে এসেছে।
- গ্রন্থটির শেষাংশে ১৯৫৫ সালের ঘটনাবলির উল্লেখ রয়েছে, যার কারণে এর সময়কাল ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৫ সাল — এই সাল পর্যন্তই গ্রন্থটির মূল ঘটনাবলি ও স্মৃতিচারণ সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
B) ১৯৩২ সাল — এই সালটি গ্রন্থের ঘটনার শেষ সময়সীমা নির্দেশ করে না, তাই এটি সঠিক নয়।
C) ১৯৬৬ সাল — এই সাল পর্যন্ত গ্রন্থটির সময়কাল নয়, কারণ এর আগেই লেখার কাজ শেষ বা সমাপ্ত হয়েছে।
D) ১৯৬৯ সাল — এই সালের কোনো রাজনৈতিক বা স্মৃতিকথার বিবরণ এই আত্মজীবনীর মূল অংশে অন্তর্ভুক্ত নেই।
মনে রাখার টিপস:
অসমাপ্ত আত্মজীবনীর শেষ সাল মনে রাখতে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন ও ১৯৫৫ সালের ঘটনাপ্রবাহের কথা স্মরণ করতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
কেন সঠিক:
- ‘আলোকিত মানুষ চাই’ স্লোগানটি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ প্রতিষ্ঠিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- মানুষের মাঝে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ তৈরি করাই এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিকেএসপি — এটি বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যার কাজ দেশের উদীয়মান ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা দেওয়া।
B) বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র — এটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান, যার কাজ গ্রন্থ প্রকাশনা ও পঠন সংস্কৃতি উন্নয়ন।
D) জাতীয় পাবলিক লাইব্রেরি — এটি একটি সরকারি গণগ্রন্থাগার, যার মূল কাজ পাঠকদের বই পড়ার সুযোগ ও সেবা দেওয়া।
মনে রাখার টিপস:
বই পড়লে মন আলোকিত হয়, তাই ‘আলোকিত মানুষ চাই’ স্লোগানটি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত।
সঠিক উত্তর: B) ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ গাজীপুরের জয়দেবপুরে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের দ্বিতীয় ব্যাটালিয়নের বাঙালি সেনারা প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে এটিই ছিল প্রাতিষ্ঠানিক বাহিনীর প্রথম সংগঠিত সামরিক প্রতিরোধ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুলিশ — পুলিশ বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে রাজারবাগে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, যা সামগ্রিক প্রতিরোধ হলেও প্রশ্নের নির্দিষ্ট ঘটনার জন্য সঠিক নয়।
B) ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) ই. পি. আর — ই. পি. আর বা ইপিআর জোয়ানরা পরবর্তীতে প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ নিলেও প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধের কৃতিত্ব ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের।
D) আনসার ভিডিপি — আনসার ও ভিডিপি বাহিনী এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধের প্রাথমিক ইতিহাসের প্রধান নিয়ামক ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে সামরিক বাহিনী, আর এর অগ্রভাগে ছিল ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট।
সঠিক উত্তর: C) যশোর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত হয়ে যশোর জেলা বাংলাদেশের প্রথম শত্রুমুক্ত জেলার মর্যাদা লাভ করে।
- এই দিন মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর যৌথ আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি সেনারা যশোর সেনানিবাস ছেড়ে পালিয়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুমিল্লা — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় কোনো নির্দিষ্ট দিক থেকে প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা ছিল না।
B) পঞ্চগড় — এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা এবং পরবর্তীতে মুক্ত হয়, প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা নয়।
C) যশোর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা ঘোষিত হয়।
D) টাঙ্গাইল — এটি ১১ই ডিসেম্বর ১৯৭১ শত্রুমুক্ত হয়, যা যশোরের অনেক পরে।
মনে রাখার টিপস:
যশোর জয়ের যশ সবার আগে, তাই এটি প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা।
সঠিক উত্তর: B) সোমবার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠক সাধারণত প্রতি সপ্তাহের সোমবার অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রধানমন্ত্রী এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবিবার — এটি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস হলেও মন্ত্রিপরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকের জন্য নির্ধারিত দিন নয়।
B) সোমবার — এই দিনটি মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকের জন্য নির্ধারিত।
C) মঙ্গলবার — এই দিনে সাধারণত মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠক বসে না।
D) বুধবার — এই দিনটিও মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকের জন্য নির্ধারিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সপ্তাহের কাজের শুরুতেই অর্থাৎ সোমবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক বসে।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: D) ইসরাইল
কেন সঠিক:
- মোশে দায়ান ইসরাইলের একজন বিখ্যাত সামরিক জেনারেল ও রাজনৈতিক নেতা ছিলেন।
- তিনি ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করলেও দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। প্রদত্ত উত্তরটি ঐতিহাসিক তথ্যের দিক থেকে ভুল বা অসম্পূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীলংকা — মোশে দায়ান শ্রীলংকার রাজনৈতিক ইতিহাস বা সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না।
B) উত্তর কোরিয়া — মোশে দায়ান উত্তর কোরিয়ার কোনো সরকারি পদে দায়িত্ব পালন করেননি।
C) চীন — মোশে দায়ানের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের কোনো সম্পর্ক ছিল না।
D) ইসরাইল — তিনি ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন, যদিও তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
মোশে দায়ান নামটি শুনলেই মনে রাখবে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইসরাইলের সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, প্রধানমন্ত্রী নন।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সংবিধান সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞান
সঠিক উত্তর: D) গ্রেট ব্রিটেন
কেন সঠিক:
- গ্রেট ব্রিটেনের আইন অনুযায়ী রাজা বা রানীর কোনো আইনি দায়বদ্ধতা নেই এবং রাজাকে বিচারালয়ে অভিযুক্ত করা যায় না।
- ব্রিটিশ সংবিধানে রাজা অপরাধ করতে পারেন না বা আইনগতভাবে ভুল করতে পারেন না এই নীতি প্রচলিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — জাপানের সংবিধানে সম্রাট রাষ্ট্র ও জনগণের ঐক্যের প্রতীক হলেও এই নির্দিষ্ট আইনি নীতিটি প্রচলিত নেই।
B) নেপাল — নেপালে রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি ঘটেছে এবং এটি একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, তাই এই উক্তি প্রযোজ্য নয়।
C) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ডে রাজতন্ত্র বিদ্যমান এবং কড়া রাজ অবমাননা আইন থাকলেও এই নির্দিষ্ট প্রবাদ বা উক্তিটি তাদের সংবিধানে নেই।
D) গ্রেট ব্রিটেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ব্রিটিশ সাংবিধানিক আইনে এই বিশেষ নীতিটি স্বীকৃত।
মনে রাখার টিপস:
ব্রিটেনের রাজতন্ত্র এবং আইনগত বিশেষাধিকার মনে রাখতে রাজা মারে না বা রাজা ভুল করতে পারেন না নীতিটি গ্রেট ব্রিটেনের সঙ্গে মেলাতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ২৭টি
কেন সঠিক:
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ বর্তমানে ২৭টি স্বাধীন ইউরোপীয় দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিটের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জোট ত্যাগ করার পর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ২৭টিতে দাঁড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৭টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ব্রেক্সিটের পর বর্তমানে এই জোটের সদস্য সংখ্যা ঠিক ২৭টি।
B) ২৫টি — অতীতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা ২৫টি ছিল, যা বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিলছে না।
C) ১৩টি — এই সংখ্যাটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশের বাস্তব সংখ্যার সঙ্গে কোনোভাবেই মিল ندارد।
D) ২১টি — ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান বা অতীতের কোনো একসময়ের সদস্য সংখ্যা ২১টি ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন শব্দের অক্ষর সংখ্যা এবং বর্তমান সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে পারেন এভাবে যে ইইউ জোটে এখন ২৭টি দেশ রয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) মালয়েশিয়া
কেন সঠিক:
- মালয়েশিয়ার সরকারি মুদ্রার নাম হলো রিংগিত।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এই মুদ্রা মালয়েশিয়ান রিংগিত হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালয়েশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের মুদ্রার নাম রিংগিত।
B) তুরস্ক — তুরস্কের মুদ্রার নাম লিরা, তাই এটি সঠিক নয়।
C) ইন্দোনেশিয়া — ইন্দোনেশিয়ার মুদ্রার নাম রুপিয়া, তাই এটি রিংগিত নয়।
D) সিরিয়া — সিরিয়ার মুদ্রার নাম সিরিয়ান পাউন্ড, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
মালয়েশিয়ার মানুষ রিং পরে ঘুরতে পছন্দ করে, এভাবে মনে রাখতে পারেন মালয়েশিয়ার মুদ্রা রিংগিত।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৬ সালে
কেন সঠিক:
- ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ইনডেমনিটি বা দায়মুক্তি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল, যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাত্রের বিচারে বাধা সৃষ্টি করেছিল।
- সপ্তম জাতীয় সংসদে ১২ নভেম্বর ১৯৯৬ সালে এই ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল বা রহিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই সংসদে বিল পাসের মাধ্যমে অধ্যাদেশটি বাতিল করা হয়।
B) ১৯৯৫ সালে — এই সালে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলসংক্রান্ত কোনো ঐতিহাসিক বা আইনগত ঘটনা ঘটেনি।
C) ১৯৯১ সালে — এই সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়নি।
D) ১৯৯৮ সালে — এই সালটি ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭৫ সালে জারি হয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ এবং এর ঠিক একুশ বছর পর ১৯৯৬ সালে এটি বাতিল করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) জন এডামস
কেন সঠিক:
- জন এডামস ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট এবং তিনি ও তাঁর স্ত্রী অ্যাবিগেল এডামস ১৮০০ সালে প্রথম হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করেন ও বসবাস শুরু করেন।
- হোয়াইট হাউসের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর তিনিই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে এই ঐতিহাসিক ভবনে ওঠেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থমাস জেফারসন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় প্রেসিডেন্ট এবং হোয়াইট হাউসে বসবাসকারী দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
B) জর্জ ওয়াশিংটন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট হলেও হোয়াইট হাউসের নির্মাণ কাজ তাঁর মেয়াদকালে শেষ না হওয়ায় তিনি সেখানে বসবাস করতে পারেননি।
D) জন মনরো — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট এবং হোয়াইট হাউসে তাঁর অনেক পরে বসবাস শুরু করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
হোয়াইট হাউসে প্রথম পা রেখেছিলেন আমেরিকার দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট জন এডামস।
প্রশ্নের ধরন: বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব
সঠিক উত্তর: D) পিতল
১. কেন সঠিক:
- পিতল কোনো চৌম্বক পদার্থ নয়, এটি তামা ও দস্তার একটি সংকর ধাতু।
- চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করলেও পিতল চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে সকল পদার্থ চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলা হয়। অন্যদিকে যে সকল পদার্থ চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: চৌম্বক পদার্থের পরমাণুগুলোর নিজস্ব চুম্বকত্ব থাকে যা বাহ্যিক চুম্বক দ্বারা প্রভাবিত হয়। পিতলে এমন কোনো চৌম্বক ধর্মী উপাদান থাকে না।
- বাস্তব প্রয়োগ: যেসব যন্ত্রপাতিতে চুম্বকের প্রভাব এড়িয়ে কাজ করতে হয় সেখানে পিতল ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তামা বা কপার দিয়ে তৈরি মুদ্রা।
ব্যাখ্যা: তামাও একটি অচৌম্বক পদার্থ যা চুম্বকের সংস্পর্শে আসলে আকর্ষণ অনুভব করে না।
উদাহরণ ২: কাঠের তৈরি চেয়ার।
ব্যাখ্যা: কাঠ একটি সম্পূর্ণ অচৌম্বক বস্তু হওয়ায় চুম্বক একে কখনোই আকর্ষণ করতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লৌহ — এটি একটি শক্তিশালী চৌম্বক পদার্থ এবং চুম্বক দ্বারা তীব্রভাবে আকৃষ্ট হয়।
B) ইস্পাত — এটি লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু এবং এটিও চৌম্বক পদার্থ হিসেবে চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয়।
C) নিকেল — এটি প্রাকৃতিক চৌম্বক ধাতু যা চুম্বক দ্বারা সহজেই আকৃষ্ট হয়।
D) পিতল — এটি সঠিক উত্তর কারণ পিতল তামা ও দস্তার মিশ্রণ হওয়ায় চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লোহা, ইস্পাত, নিকেল এবং কোবাল্ট হলো প্রধান চৌম্বক ধাতু।
- পিতল, তামা, সোনা এবং রূপা হলো অচৌম্বক ধাতু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সংকর ধাতু মানেই চৌম্বক হবে এমন কোনো কথা নেই, যেমন পিতল সংকর ধাতু হলেও অচৌম্বক।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন ধাতু ও সংকর ধাতুর চুম্বকীয় বৈশিষ্ট্য যাচাইয়ের জন্য আসে।
সঠিক উত্তর: C) আইনস্টাইন
১. কেন সঠিক:
বিখ্যাত পদার্থবিদ অ্যালবার্ট আইনস্টাইন ১৯০৫ সালে তাঁর আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বে ভর ও শক্তির মধ্যকার এই সমতা প্রকাশ করেন।
এই সূত্রটি প্রমাণ করে যে ভর এবং শক্তি মূলত একই জিনিসের দুটি ভিন্ন রূপ এবং একটিকে অপরটিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভর ও শক্তির সমতুল্যতা।
সূত্র/তত্ত্ব: E = mc২
এখানে E হলো শক্তি, m হলো ভর এবং c হলো শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ যার মান প্রায় প্রতি সেকেন্ডে তিন লক্ষ কিলোমিটার।
বাস্তব প্রয়োগ: সূর্যের অভ্যন্তরে নিউক্লীয় সংযোজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে ভর শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং আলো ও তাপ উৎপন্ন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ।
ব্যাখ্যা: পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের সময় অতি সামান্য পরিমাণ ভর সম্পূর্ণভাবে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে প্রচণ্ড ধ্বংসাত্মক শক্তি ও তাপ উৎপন্ন করে।
উদাহরণ ২: সূর্যের শক্তি উৎপাদন।
ব্যাখ্যা: সূর্য প্রতি সেকেন্ডে প্রচুর পরিমাণ ভর শক্তিতে রূপান্তর করে আমাদের পৃথিবীতে আলো ও তাপ শক্তি পাঠাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউটন — আইজাক নিউটন গতিসূত্র এবং মহাকর্ষ সূত্র আবিষ্কার করেন কিন্তু ভর ও শক্তির সমীকরণ দেননি।
B) আর্কিমিডিস — আর্কিমিডিস পদার্থবিজ্ঞানের প্লবতা বা ভাসন সূত্র আবিষ্কার করেন, যা তরল পদার্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) আইনস্টাইন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ইকুয়েশনটি প্রবর্তন করেছিলেন।
D) গ্যালিলিও — গ্যালিলিও দূরবীক্ষণ যন্ত্রের উন্নতি সাধন করেন এবং পরন্ত বস্তুর সূত্র আবিষ্কার করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
আইনস্টাইনের নামের প্রথম অক্ষর 'আ' এবং আপেক্ষিকতা ও শক্তির সমীকরণের সঙ্গে তাঁর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
ভর ও শক্তির এই বিশাল সম্পর্ক শুধু আইনস্টাইনের মেধার পক্ষেই আবিষ্কার করা সম্ভব হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই সমীকরণে আলোর বেগের মান ধ্রুবক হিসেবে কাজ করে এবং তা বর্গ আকারে থাকে।
বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে যে আপেক্ষিকতার তত্ত্বের প্রবক্তা কে অথবা এই সূত্রটি কার।
সঠিক উত্তর: B) কঠিন
১. কেন সঠিক:
তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তিনটি পদ্ধতিতে স্থানান্তরিত হয়, যার মধ্যে পরিবহন হলো কঠিন মাধ্যমে তাপ সঞ্চালনের প্রধান পদ্ধতি।
কঠিন পদার্থের অণুগুলো খুব কাছাকাছি থাকে এবং তাদের আন্তঃআণবিক শক্তি অনেক বেশি হওয়ায় তাপ দ্রুত এক অণু থেকে অন্য অণুতে ছড়ায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপের পরিবহন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে পদার্থের অণুগুলোর নিজ স্থান পরিবর্তন না করে কেবল কম্পনের মাধ্যমে উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে তাপ সঞ্চালিত হয়।
কার্যপ্রণালি: কঠিন পদার্থের একটি প্রান্তে তাপ প্রয়োগ করলে ওই প্রান্তের অণুগুলো তাপশক্তি শোষণ করে দ্রুত কাঁপতে থাকে এবং পাশের অণুগুলোকে ধাক্কা দিয়ে তাপ পৌঁছে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোহার চামচের এক প্রান্ত আগুনে ধরলে অন্য প্রান্ত দ্রুত গরম হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: এটি কঠিন মাধ্যমে তাপের দ্রুত পরিবহনের কারণে ঘটে থাকে।
উদাহরণ ২: শীতের দিনে ঘরের মেঝে কাঠের হলে কম ঠান্ডা লাগে কিন্তু পাথরের হলে বেশি ঠান্ডা লাগে।
ব্যাখ্যা: পাথর বা টাইলস তাপের সুপরিবাহী হওয়ায় শরীর থেকে দ্রুত তাপ টেনে নেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়বীয় — বায়বীয় মাধ্যমে অণুগুলো দূরে দূরে থাকে, তাই পরিবহন প্রক্রিয়ায় তাপ সঞ্চালনের হার সবচেয়ে কম হয়।
B) কঠিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ কঠিন মাধ্যমে অণুর ঘনত্ব বেশি থাকায় তাপ পরিবহনের হার সবচেয়ে বেশি হয়।
C) তরল — তরল মাধ্যমে অণুগুলোর দূরত্ব একটু বেশি থাকায় পরিবহন অপেক্ষা পরিচলন পদ্ধতিতে তাপ বেশি সঞ্চালিত হয়।
D) কোনোটিই না — যেহেতু কঠিন মাধ্যমটি সঠিক, তাই এই অপশনটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
কঠিন মানে কড়া যোগাযোগ, তাই কঠিন মাধ্যমে অণুগুলো খুব কাছাকাছি থাকে এবং তাপ পরিবহনও সবচেয়ে দ্রুত হয়।
পদার্থের অবস্থা ভেদে তাপ সঞ্চালনের গতির ক্রমটি হলো কঠিনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি, তরলের ক্ষেত্রে মাঝারি এবং বায়বীয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তাপ সঞ্চালনের তিনটি পদ্ধতির মধ্যে কঠিন মাধ্যমে শুধু পরিবহন, তরল ও বায়বীয় মাধ্যমে পরিবহন ও পরিচলন এবং শূন্য মাধ্যমে শুধু বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়।
পরীক্ষায় প্রায়ই কোন মাধ্যমে তাপের পরিবহন বেশি বা কম তা নিয়ে প্রশ্ন আসে, তাই অণুর কাছাকাছি থাকার বিষয়টি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) ল্যাক্টিক
১. কেন সঠিক:
দুধে প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদ থাকলেও তা যখন টক হতে শুরু করে, তখন তার মূল কারণ হলো ল্যাক্টিক এসিডের উপস্থিতি।
দুধে থাকা ল্যাকটোজ শর্করা ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় ল্যাক্টিক এসিডে রূপান্তরিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ল্যাক্টিক এসিড একটি জৈব এসিড যার রাসায়নিক সংকেত হলো সি থ্রি এইচ সিক্স ও থ্রি।
কার্যপ্রণালি: ল্যাক্টোব্যাসিলাস নামক ব্যাকটেরিয়া দুধে থাকা ল্যাকটোজ শর্করাকে ভেঙে শক্তিতে পরিণত করে এবং উপজাত হিসেবে ল্যাক্টিক এসিড তৈরি করে।
কারণ ও ফলাফল: এসিড তৈরি হওয়ার কারণে দুধের পিএইচ মান কমে যায় এবং প্রোটিনগুলো জমাট বেঁধে দুধ টক ও দইয়ে পরিণত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তরল দুধ সাধারণ তাপমাত্রায় দীর্ঘক্ষণ ফেলে রাখলে তা কেটে ছানা হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: ব্যাকটেরিয়ার ক্রিয়ায় ল্যাকটোজ ভেঙে ল্যাক্টিক এসিড উৎপন্ন হওয়ার কারণে এই পরিবর্তন ঘটে।
উদাহরণ ২: মিষ্টি দুধ দিয়ে দই তৈরি করা।
ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া বা বীজ ব্যবহার করে দুধের ল্যাকটোজকে ল্যাক্টিক এসিডে রূপান্তরিত করে দই প্রস্তুত করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফলিক — এটি একটি ভিটামিন যা ফলিক এসিড বা ভিটামিন বি নাইন নামে পরিচিত এবং এটি সবুজ শাকসবজিতে থাকে।
B) ল্যাক্টিক — এটি দুধে উপস্থিত প্রধান জৈব এসিড যা দুধের টক ভাব এবং দই তৈরির জন্য দায়ী।
C) সালফোলিক — এটি কোনো সাধারণ খাদ্যোপযোগী বা প্রাকৃতিকভাবে দুধে প্রাপ্ত এসিড নয়।
ডি) হাইড্রোক্লোরিক — এটি একটি শক্তিশালী অজৈব এসিড যা মানবদেহের পাকস্থলীতে খাদ্য পরিপাকের জন্য উৎপাদিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
দুধ ইংরেজি শব্দ মিল্ক আর এর সাথে মিল রেখেই মনে রাখতে হবে ল্যাকটিক এসিড।
ল্যাক্টো শব্দের অর্থ দুধ, তাই দুধ সম্পর্কিত যেকোনো শব্দ ল্যাকটোজ বা ল্যাকটিক দিয়ে শুরু হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
দুধ টক হওয়ার জন্য ল্যাক্টোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া দায়ী যা বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে মানবদেহে পেশী ক্লান্তির জন্য কোন এসিড দায়ী, যার উত্তরও ল্যাকটিক এসিড।
সঠিক উত্তর: B) কালো
১. কেন সঠিক:
কালো রং যেকোনো বস্তুর ওপর আপতিত সমস্ত আলোকশক্তি ও তাপশক্তি শুষে নেয় এবং বিকিরণও দ্রুত করে।
তাই কালো রঙের কাপে রাখা চা চারপাশের পরিবেশে খুব দ্রুত তাপ বিকিরণ করে এবং তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপ বিকিরণ এবং শোষণ ক্ষমতা বস্তুর রঙের ওপর নির্ভর করে।
কার্যপ্রণালি: কৃষ্ণবস্তু বা কালো বস্তু ভালো শোষণকারী এবং ভালো বিকিরণকারী হওয়ায় ভেতরকার তাপ দ্রুত বাইরে ছড়িয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গরমের দিনে কালো কাপড় পরলে বেশি গরম লাগে কারণ তা সূর্যের তাপ দ্রুত শোষণ করে।
ব্যাখ্যা: কালো রঙের তাপ শোষণের ক্ষমতা বেশি থাকায় এটি দ্রুত উত্তপ্ত হয়।
উদাহরণ ২: শীতপ্রধান দেশে গাড়ির রঙ সাদা রাখা হয় যাতে ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
ব্যাখ্যা: সাদা রং তাপ শোষণ না করে প্রতিফলিত করে, ফলে ভেতরের পরিবেশ ঠান্ডা থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাদা — সাদা রং তাপ শোষণ কম করে এবং তাপ প্রতিফলিত করে, তাই সাদা কাপে চা দেরিতে ঠাণ্ডা হয়।
B) কালো — এটি সঠিক কারণ কালো রং দ্রুত তাপ বিকিরণ করে চা তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা করতে সাহায্য করে।
C) লাল — লাল রঙের কাপ নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো শোষণ করে, কিন্তু কালো রঙের মতো দ্রুত তাপ বিকিরণ করতে পারে না।
D) নীল — নীল রঙের বস্তু তাপ বিকিরণে মধ্যম প্রকৃতির, তাই এটি কালো রঙের মতো দ্রুত চা ঠাণ্ডা করতে পারে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
যে রং তাপ ভালো শোষণ করে, সে রং তাপ ভালো বিকিরণও করে।
তাই কালো কাপ চা দ্রুত ঠান্ডা করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তাপ বিকিরণের ক্ষেত্রে কৃষ্ণবস্তুর শোষণ ক্ষমতা ও বিকিরণ ক্ষমতা সমান এবং সর্বাধিক।
এই একই ধারণার ওপর ভিত্তি করে শীতকালে সাদা বা হালকা রঙের পোশাক এবং গরমেও হালকা রঙের পোশাক পরার সুপারিশ করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) শক্তি
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে 'মুখ' শব্দটি মানুষের শরীরের অঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি, বরং এখানে ব্যক্তির সামর্থ্য, ক্ষমতা বা শক্তিকে নির্দেশ করা হয়েছে।
বাক্যটির অন্তর্নিহিত অর্থ হলো ব্যক্তির নিজের শারীরিক বা আর্থিক সামর্থ্যের চেয়ে বড় বড় কথা বলা বা আস্ফালন করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় প্রবাদ-প্রবচন, যা শব্দার্থের বাইরে রূপক অর্থে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে থাকে।
এখানে লাক্ষণিক বা ব্যঞ্জনা শব্দের মাধ্যমে মানুষের বাকপটুতা এবং বাস্তব ক্ষমতার মধ্যকার ফারাক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খালি কলসি বাজে বেশি।
ব্যাখ্যা: অযোগ্য বা কম জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিরাই বেশি বড় বড় কথা বলে, যা এই প্রবাদের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: হাতি ঘোড়া গেল তল, পিঁপড়ে বলে কত জল।
ব্যাখ্যা: যাদের নিজেদের কোনো সামর্থ্য নেই, বড় বড় বিষয়ে তাদের অযাচিত মন্তব্য করা বোঝাতে এই প্রবাদ ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শক্তি — সঠিক উত্তর কারণ এখানে মুখ বলতে কথার পরিমাপ নয় বরং ব্যক্তির ক্ষমতা বা সামর্থ্যকে বোঝানো হয়েছে।
B) প্রত্যঙ্গ — এটি ভুল কারণ মুখ শরীরের অঙ্গ বা প্রত্যঙ্গ অর্থে এই প্রবাদে ব্যবহৃত হয়নি।
C) গালি — এটি ভুল কারণ এখানে কাউকে বকাঝকা করা বা অপমান করার অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে না।
D) অনুভূতি — এটি ভুল কারণ মুখ মানুষের মনের আবেগ বা অনুভূতির প্রকাশ মাধ্যম হিসেবে এখানে আসেনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
বড় মুখ মানে বড় কথা বলার ক্ষমতা বা শক্তি, শরীরের কোনো অঙ্গ বা অনুভূতি নয়।
প্রবাদ-প্রবচনের আক্ষরিক অর্থ না ধরে সবসময় তার ভেতরের রূপক অর্থ বা ভাবার্থ বিবেচনা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রবাদ-প্রবচন ও বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ বা নির্দিষ্ট শব্দের রূপক অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
শব্দার্থ মুখস্থ করার পাশাপাশি বাক্যের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী তার ভাবার্থ অনুধাবন করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭৬
১. কেন সঠিক:
- পল্লীকবি জসীম উদ্দীন ১৯৭৬ সালের ১৩ই মার্চ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
- বাংলা সাহিত্যে পল্লীপ্রকৃতি ও মানুষের জীবন ফুটিয়ে তোলার জন্য তাকে পল্লীকবি উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জসীম উদ্দীন ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে নকশী কাথার মাঠ ও সোজন বা দিয়ারের ঘাট বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তার পল্লীগীতির মূল সুরকে প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: সোজন বা দিয়ারের ঘাট
ব্যাখ্যা: এটিও জসীম উদ্দীনের রচিত একটি শোকগাথাধর্মী বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৬ — এই সালে জসীম উদ্দীন মৃত্যুবরণ করেন এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ১৯৭৮ — এই সালটি জসীম উদ্দীনের মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি ভুল তথ্য।
C) ১৯৭৪ — এই সালটি তার প্রয়াণকালের সঙ্গে মিলে না, তাই এটি ভুল অপশন।
D) ১৯৭২ — এই সালটি জসীম উদ্দীনের মৃত্যুর বছর নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জসীম উদ্দীনের জন্ম ১৯০৩ সালে এবং মৃত্যু ১৯৭৬ সালে, এই দুটি সাল একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
- তার অমর সৃষ্টি নকশী কাথার মাঠ কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল ১৯২৯ সাল, যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী এবং তার বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী চলে مسافر مسافر নয় বরং চলে মুসাফির।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের জন্ম ও মৃত্যুর সাল প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের সালগুলো আলাদা করে নোট করে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) মীর মশাররফ হোসেন
১. কেন সঠিক:
- মীর মশাররফ হোসেন আধুনিক বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম যিনি আধুনিক উপন্যাসের ধারা ও গদ্যে স্বতন্ত্র অবদান রাখেন।
- বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাহিত্যিকদের নবজাগরণ ও আধুনিকতার সূচনা করেছিলেন তিনি তার শক্তিশালী লেখনীর মাধ্যমে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মীর মশাররফ হোসেন উনিশ শতকের বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক হিসেবে অত্যন্ত খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
- তার বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি মহাকাব্যিক গদ্যশিল্প।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস যা বাংলা সাহিত্যে মুসলিম লেখকদের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে গণ্য হয়।
উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচার ও কৃষকদের দুর্দশার চিত্র নিয়ে রচিত একটি প্রতিবাদী নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও আধুনিক মুসলিম সাহিত্যিক হলেও উনিশ শতকের সূচনার পথিকৃৎ নন।
B) গোলাম মোস্তফা — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও মীর মশাররফ হোসেনের অনেক পরে আবির্ভূত হয়েছিলেন।
C) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি আধুনিক বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ হিসেবে স্বীকৃত।
D) আকরাম খাঁ — তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও ইসলামী পন্ডিত ছিলেন, তবে সাহিত্যের পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মীর মশাররফ হোসেন হলেন আধুনিক বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের পথপ্রদর্শক বা পথিকৃৎ।
- তার অমর সৃষ্টি বিষাদ সিন্ধু মনে রাখলেই তার সাহিত্যিক গুরুত্ব বোঝা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেনের জন্মস্থান ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে।
- তার প্রথম উপন্যাস রত্নবতী এবং বিখ্যাত নাটক জমিদার দর্পণ সম্পর্কে ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) দ্বিজ কানাই
১. কেন সঠিক:
'মহুয়া' পালাটি বাংলা লোকসাহিত্য এবং ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। দ্বিজ কানাই এই পালাটির মূল রচয়িতা হিসেবে সর্বস্বীকৃত ও পরীক্ষিত তথ্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মৈমনসিংহ গীতিকার সংগ্রহ ও সম্পাদনা করেন ড. দীনেশচন্দ্র সেন এবং এটি প্রকাশ করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। 'মহুয়া' পালায় মহুয়া ও নদের চাঁদের প্রেমের ট্র্যাজিক পরিণতি অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মলুয়া
ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালা যার রচয়িতা দ্বিজ ঈশান।
উদাহরণ ২: দেওয়ানা মদিনা
ব্যাখ্যা: ময়মনসিংহ গীতিকার আরেকটি জনপ্রিয় পালা এবং এর রচয়িতা মনসুর বয়াতি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিজ কানাই — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি 'মহুয়া' পালার মূল রচয়িতা।
B) মনসুর বয়াতি — তিনি 'মহুয়া' পালার রচয়িতা নন, তবে তিনি 'দেওয়ানা মদিনা' পালার বিখ্যাত রচয়িতা।
C) নয়নচাঁদ ঘোষ — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার 'চন্দ্রাবতী' বা অন্যান্য পালা রচনার সঙ্গে যুক্ত হলেও 'মহুয়া'র রচয়িতা নন।
D) দ্বিজ ঈশান — তিনি 'মহুয়া' পালার রচয়িতা নন, তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার বিখ্যাত 'মলুয়া' পালার রচয়িতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
মহুয়া পালা রচনা করেছেন দ্বিজ কানাই, এভাবে মনে রাখতে পারো যে মহুয়ার সাথে কানাই যুক্ত। ময়মনসিংহ গীতিকার পালাগুলোর রচয়িতা মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ময়মনসিংহ গীতিকা থেকে বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন পালাটি কার লেখা তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ইউসুফ জোলেখা
১. কেন সঠিক:
- মুসলমান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য হলো ইউসুফ জোলেখা। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের অবদান রাখার ক্ষেত্রে এই কাব্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক স্মারক হিসেবে বিবেচিত হয়।
- ইউসুফ জোলেখা কাব্যের মূল কাহিনী পারস্যের কবি জামীর বা ফেরদৌসীর প্রণয়োপাখ্যান থেকে গৃহীত হলেও কবি শাহ মুহম্মদ সগর এটাকে সার্থকভাবে বাংলা রূপ দিয়েছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে সুলতানি ও হোসেন শাহী আমল থেকেই মুসলমান কবিদের সাহিত্যচর্চা শুরু হয়। এই সময় পারস্য ও আরবীয় সংস্কৃতির প্রভাবে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান রচনার ধারা গড়ে ওঠে।
- ইউসুফ জোলেখা কাব্যটি রচনা করেন শাহ মুহম্মদ সগর বা মতান্তরে সুলতান শাহ। এটি মধ্যযুগের মুসলিম রচিত প্রথম স্বাধীন ও মৌলিক ধারার বাংলা সাহিত্যকর্ম হিসেবে ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক বিচারে অত্যন্ত মূল্যবান।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাইলী মজনু
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের অপর একটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যান যা মুসলমান কবিদের দ্বারা বাংলায় অনূদিত ও রূপান্তরিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: আলাওল রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান যা মধ্যযুগের মধ্যভাগে রচিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউসুফ জোলেখা — এটি মুসলমান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য হিসেবে সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত।
B) রসুল বিজয় — জয়নুল আবেদীন বা সাবিরিদ খান রচিত হলেও এটি ইউসুফ জোলেখার মতো প্রাচীনতম মুসলিম রচিত কাব্য নয়।
C) নূরনামা — আবদুল হাকিম রচিত একটি বিখ্যাত নীতিমূলক ও ধর্মীয় কবিতাগ্রন্থ যা পরবর্তীতে রচিত হয়েছিল।
D) শবে মেরাজ — মধ্যযুগের কবি সাবিরিদ খান রচিত একটি ধর্মীয় কাব্য যা ইউসুফ জোলেখার প্রাচীনতার সাথে তুলনীয় নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাচীনতম মুসলিম কাব্য মনে রাখতে ইউসুফ ও জোলেখার প্রেমের গল্পটি সবার আগে মনে রাখবে। শাহ মুহম্মদ সগরের এই কাব্যটি মুসলিম সাহিত্য ধারার আদি উৎস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কবি ও তাঁর কাব্য কোনটি তা বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্নে উৎস ও কবির নাম খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মরুভাস্কর
১. কেন সঠিক:
- মরুভাস্কর হলো মহানবী হযরত মুহম্মদ (স) এর জীবনের ওপর রচিত একটি বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থ।
- প্রাবন্ধিক ও গবেষক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী এই গ্রন্থটি রচনা করে ইসলামের মহান প্রবক্তার জীবন ও আদর্শ তুলে ধরেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জীবনীমূলক গ্রন্থ।
- মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী ১৯৪১ সালে এই গ্রন্থটি রচনা করেন এবং এর মাধ্যমে মহানবীর জীবনদর্শন সহজ ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হযরত মোহাম্মদ (স)
ব্যাখ্যা: মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর অপর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা নৈতিকতা শেখায়।
উদাহরণ ২: বিশ্বনবী
ব্যাখ্যা: এটিও হযরত মুহম্মদ (স) এর জীবনভিত্তিক আরেকটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মরুমায়া — এটি যোবেদা খাতুন চৌধুরীর লেখা কোনো জীবনীগ্রন্থ নয়, বরং এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন।
B) মরুভাস্কর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) মরুতীর্থ — এটি কালিন্দী চরণ দাসের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা হযরত মুহম্মদ (স) এর জীবনী নয়।
D) মরুকুসুম — এটি কোনো প্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক বা জীবনীগ্রন্থ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মরুভূমিতে যেমন সূর্য সবকিছু আলোকিত করে, তেমনি মহানবী হযরত মুহম্মদ (স) এর জীবন মরুভাস্কর বইটিতে ভাস্করের মতো দেদীপ্যমান।
- লেখকের নাম মনে রাখতে মাথায় রাখবে ওয়াজেদ আলী ইসলামি জীবন ও প্রবন্ধ রচনায় বিখ্যাত ছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনীগ্রন্থ ও রচয়িতার নাম প্রায়ই আসে।
- মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর রচনা হিসেবে 'মরুভাস্কর' পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য।
সঠিক উত্তর: C) মঙ্গলকাব্য
১. কেন সঠিক:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে দেবদেবীর মহিমা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত কাব্যগুলোকে মঙ্গলকাব্য বলা হয় এবং এগুলোই মধ্যযুগের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও মৌলিক ধারা।
- এই ধারার কাব্যগুলো সমাজের নানা স্তর ও ধর্মীয় বিশ্বাসকে একত্রিত করে বাংলা সাহিত্যের মূলধারায় বিশাল অবদান রেখেছিল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি সমৃদ্ধ ধারা যা মূলত দেবদেবীর পূজা ও মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য রচিত হয়েছিল।
- এই কাব্যগুলো সাধারণ মানুষের লৌকিক জীবন, সংস্কার এবং তৎকালীন সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থার এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মনসামঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় ধারা যা দেবী মনসার মাহাত্ম্য প্রচার করে।
উদাহরণ ২: চণ্ডীমঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর রচিত এই কাব্যটি মধ্যযুগের সমাজচিত্র ও মঙ্গলকাব্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুবাদ সাহিত্য — এটি রামায়ণ ও মহাভারতের মতো সংস্কৃত গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদের ধারা, যা মঙ্গলকাব্যের মতো একক ও মৌলিক উল্লেখযোগ্য ধারা নয়।
B) রোমান্টিক প্রনয়োপাখ্যান — এটি মধ্যযুগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা হলেও মঙ্গলকাব্যের মতো ব্যাপকতা ও সামাজিক প্রভাব লাভ করতে পারেনি।
C) মঙ্গলকাব্য — এটি সঠিক উত্তর।
D) জীবনী সাহিত্য — চৈতন্যদেব ও অন্যান্য সাধকদের জীবন নিয়ে রচিত হলেও এটি মঙ্গলকাব্যের মতো মধ্যযুগের প্রধান ও বিস্তৃত ধারা ছিল না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মধ্যযুগ মানেই দেবদেবীর পূজা ও মঙ্গলকাব্য।
- পরীক্ষা মনে রাখবে মধ্যযুগের সবচেয়ে বড় ও মৌলিক সাহিত্যকীর্তি হলো মঙ্গলকাব্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মঙ্গলকাব্যগুলো সাধারণত চার ভাগে বিভক্ত যেমন বন্দনা, আত্মপরিচয়, দেবখন্ড এবং মর্ত্যখন্ড।
- এই ধারা থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ আলী আহসান
১. কেন সঠিক:
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা এর ইংরেজি অনুবাদক হলেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক সৈয়দ আলী আহসান। তিনি এই গানটির ভাবানুবাদ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ইংরেজি ভাষায় রূপান্তর করেন যাতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর মূল ভাব বজায় থাকে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
আমাদের জাতীয় সংগীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি ঐতিহাসিক গান যা বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছিল। এর ইংরেজি অনুবাদ সাহিত্যিক ও দাপ্তরিক কাজের অংশ হিসেবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা গানের প্রথম দশ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদিত।
ব্যাখ্যা: জাতীয় সংগীতের পূর্ণাঙ্গ রূপ থেকে সংকলিত অংশবিশেষ আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: বিদ্রোহী কবিতার ইংরেজি অনুবাদক কবীর চৌধুরী।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিখ্যাত কবিতার ইংরেজি অনুবাদের উদাহরণ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি এই গানের রচয়িতা, ইংরেজি অনুবাদক নন।
B) সৈয়দ আলী আহসান — এটি সঠিক উত্তর।
C) W. B. Yeats — তিনি আইরিশ কবি, আমাদের জাতীয় সংগীতের অনুবাদক নন।
D) মাহফুজ আনাম — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক, এই গানের অনুবাদক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
জাতীয় সংগীতের সুর ও কথা রবীন্দ্রনাথের হলেও ইংরেজি রূপ দিয়েছেন আলী আহসান। এভাবে মনে রাখতে পারো যে গানটি লিখেছিলেন রবি ঠাকুর আর ইংরেজিতে সাজিয়েছিলেন সৈয়দ আলী আহসান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং ইংরেজি অনুবাদক উভয়ের নামই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। তাই রচয়িতা ও অনুবাদক গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: C) শবদাহ
১. কেন সঠিক:
গুরুচণ্ডালী দোষ বলতে সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণজনিত ত্রুটিকে বোঝায়। শবদাহ শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সাধু রীতি ও চলিত রীতির পদের অশুভ মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। তৎসম শব্দের সঙ্গে তৎসম এবং তদ্ভব বা দেশি শব্দের সঙ্গে দেশি শব্দ ব্যবহার করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্মশানঘাট। এটি তৎসম শব্দ হওয়ায় গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত।
ব্যাখ্যা: শ্মশান ও ঘাট দুটি শব্দই প্রমিত ব্যবহারের উপযুক্ত এবং ব্যাকরণসিদ্ধ।
উদাহরণ ২: মড়ার মুখ। এটি চলিতরীতির খাঁটি বাংলা প্রয়োগ।
ব্যাখ্যা: এখানে মড়ার সঙ্গে মুখ শব্দ ব্যবহার করায় কোনো মিশ্রণজনিত দোষ ঘটেনি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শবপোড়া — শব তৎসম শব্দ এবং পোড়া দেশি বা তদ্ভব শব্দ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট।
B) মড়াদেহ — মড়া তদ্ভব শব্দ এবং দেহ তৎসম শব্দ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট।
C) শবদাহ — এটি সঠিক কারণ শব ও দাহ দুটিই তৎসম শব্দ।
D) শবমোড়া — শব তৎসম শব্দ এবং মোড়া দেশি শব্দ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দ এবং বাংলা শব্দের সঙ্গে বাংলা শব্দ ব্যবহার করলে গুরুচণ্ডালী দোষ হয় না। সমাসবদ্ধ পদের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস এক হওয়া বাঞ্ছনীয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শবপোড়া বা মড়াদেহের মতো মিশ্র শব্দ পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। সমার্থক বা প্রতিশব্দ নির্বাচনে শব্দের উৎস বা রূপের দিকে লক্ষ্য রাখলে এই ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) নীর
কেন সঠিক:
- 'অদিতি' শব্দের অর্থ পৃথিবী বা অবনী।
- 'নীর' শব্দের অর্থ হলো পানি বা জল, যা পৃথিবীর সমার্থক শব্দ নয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়।
- পৃথিবীর অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে যেমন পৃথ্বী, ক্ষিতি, অবনী, ধরণী ইত্যাদি।
- উদাহরণের জন্য বলা যায় পৃথিবী যেমন স্থলভাগ বোঝায়, তেমনি নীর তরল পদার্থ বা জল বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পৃথ্বী — এটি পৃথিবীর একটি সমার্থক শব্দ এবং অদিতি শব্দের সাথে সম্পর্কযুক্ত।
- B) নীর — এটি জল বা পানির সমার্থক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
- C) ক্ষিতি — এটি পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলোর মধ্যে একটি।
- D) অবনী — এটিও পৃথিবীর অপর একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
- পৃথিবী সম্পর্কিত শব্দগুলো হলো পৃথ্বী, ক্ষিতি, অবনী এবং জল সম্পর্কিত শব্দ হলো নীর।
সঠিক উত্তর: C) কৃত্রিম
১. কেন সঠিক:
নৈসর্গিক শব্দের অর্থ হলো প্রাকৃতিকভাবে তৈরি বা যা প্রকৃতি থেকে এসেছে।
এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো কৃত্রিম, যার অর্থ মানুষের দ্বারা তৈরি বা যা প্রকৃতিতে নিজ থেকে ঘটে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
বাংলা ভাষায় বিশেষ কিছু শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে উৎসের মিল রক্ষা করা হয়, যেমন তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দই হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নৈসর্গিক সৌন্দর্য
ব্যাখ্যা: এটি প্রকৃতির নিজ হাতে গড়া রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কৃত্রিম ফুল
ব্যাখ্যা: এটি মানুষের তৈরি বা নকল ফুল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নৈশ — এই শব্দের অর্থ রাতের বেলা বা রাত্রিসংক্রান্ত, যা নৈসর্গিক শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) নৈতিক — এই শব্দের অর্থ নীতিসংক্রান্ত বা সততাভিত্তিক, যা প্রকৃতির বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
C) কৃত্রিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি প্রাকৃতিকের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) স্বাভাবিক — এই শব্দের অর্থ স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিকভাবে যা ঘটে, যা নৈসর্গিক শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় বিপরীতার্থক হিসেবে নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নৈসর্গিক মানে প্রকৃতি প্রদত্ত এবং কৃত্রিম মানে মানুষ তৈরি।
প্রকৃতি ও মানুষের তৈরি এই দুটি ধারণার বিপরীত সম্পর্কটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব বা উৎস বুঝতে হবে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দ প্রায়ই আসে, তাই প্রাকৃতিকের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দগুলো একত্রে চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) বেড়াল
১. কেন সঠিক:
'মার্জার' একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার প্রমিত অর্থ বেড়াল বা বিড়াল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই ধরনের তৎসম শব্দের ব্যবহার প্রায়ই দেখা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক এই প্রশ্নে 'মার্জার' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। এটি প্রাণীবাচক বিশেষ্য পদ যা বিশেষ করে মার্জারজাতীয় প্রাণীকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মার্জাররূপী মহাপুরুষ
ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কমলাকান্তের দপ্তর রচনায় মার্জার চরিত্রটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মার্জার শাবক
ব্যাখ্যা: মার্জার শব্দের সঙ্গে শাবক যুক্ত করে বিড়ালের বাচ্চাকে বোঝানো হয়েছে, যা সাহিত্য ও সাধারণ ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মার্জনাকারী — এই শব্দের অর্থ যে ব্যক্তি পরিচ্ছন্ন করেন বা ক্ষমা করেন, যা মার্জার শব্দের অর্থ নয়।
B) বেড়াল — এটি সঠিক উত্তর এবং মার্জার শব্দের সমার্থক।
C) কাক — এটি একটি ভিন্ন পক্ষীকূলের পাখি নির্দেশ করে, যা মার্জার শব্দের অর্থ নয়।
D) কুকুর — এটি একটি ভিন্ন চতুষ্পদ প্রাণী নির্দেশ করে, যা মার্জার শব্দের অর্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
মার্জার শব্দের সঙ্গে বঙ্কিমচন্দ্রের কমলাকান্তের বিড়ালের কথা মনে রাখতে পারো। মার্জার মানেই বিড়াল বা বেড়াল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তৎসম শব্দগুলোর সঠিক অর্থ জানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি। একই ধরনের শব্দের উৎস ও অর্থ ভালো করে আয়ত্ত করলে নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) ভাষার ইতিহাস বর্ণনা করা
কেন সঠিক:
- ব্যাকরণ শুধু বর্তমান নিয়ম শেখায় না, বরং ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ইতিহাসও তুলে ধরে।
- প্রাচীন ভাষা থেকে বর্তমান রূপ পর্যন্ত পরিবর্তনের ধারা বোঝার জন্য ব্যাকরণ কাজ করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে ভাষার ঐতিহাসিক বিবর্তন অন্যতম একটি ধারা।
- ভাষা বিজ্ঞান এবং ঐতিহাসিক ব্যাকরণে ভাষার পরিবর্তনের ইতিহাস গভীরভাবে আলোচনা করা হয়।
- যেমন প্রাচীন বাংলা ভাষা কীভাবে আজকের আধুনিক বাংলা রূপে এসেছে তার ইতিহাস ব্যাকরণ পাঠে জানা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ভাষাবোধ সৃষ্টি করা — এটি ব্যাকরণের অন্যতম কাজ হলেও মূল উদ্দেশ্য হিসেবে ইতিহাস বর্ণনাই অধিকতর গ্রহণযোগ্য।
- C) ভাষাকে জানা ও বুঝা — এটি সামগ্রিক উদ্দেশ্যের অংশ কিন্তু নির্দিষ্টভাবে ব্যাকরণের বৈজ্ঞানিক মূল উদ্দেশ্য নয়।
- D) ভাষার মাধুর্য তুলে ধরা — ভাষার মাধুর্য তুলে ধরা প্রধানত অলংকার শাস্ত্র ও সাহিত্যের কাজ, ব্যাকরণের নয়।
মনে রাখার টিপস:
- ব্যাকরণ শব্দের অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করা, যা ভাষার ইতিহাস ও গঠন বুঝতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুধা + ঋত
১. কেন সঠিক:
- ক্ষুধা শব্দের শেষে থাকা আ এবং ঋত শব্দের শুরুতে থাকা ঋ মিলে ঋ-কার হয়েছে এবং পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়েছে।
- স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী অ-কার বা আ-কারের পর ঋ থাকলে উভয় মিলে অর্ হয়, যা রেফ হিসেবে যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অ-কার কিংবা আ-কারের পর ঋ থাকলে উভয় মিলে অর্ হয় এবং তা আগের বর্ণের সাথে রেফ রূপে যুক্ত হয়।
- ক্ষুধ + আ + ঋ + ত মিলে ক্ষুধার্ত শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে আ এবং ঋ এর মিলনে রেফ এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজা + ঋষি = রাজর্ষি
ব্যাখ্যা: আ-কারের পর ঋ থাকায় তা মিলে অর্ বা রাজর্ষি রূপ ধারণ করেছে।
উদাহরণ ২: মহা + ঋষি = মহর্ষি
ব্যাখ্যা: আ-কারের পর ঋ যুক্ত হয়ে মহর্ষি শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা একই সন্ধির নিয়মে সাধিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষুৎ + আর্ত — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হলেও ক্ষুধার্ত শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এটি নয়।
B) ক্ষুধা + আর্ত — এখানে আ এবং আ মিলে আ হওয়ার কথা, যা ক্ষুধার্ত শব্দের বানানের সাথে মেলে না।
D) ক্ষুধ + আর্ত — ক্ষুধ কোনো পূর্ণাঙ্গ শব্দ নয় এবং এখানে সঠিক সন্ধির নিয়ম প্রয়োগ করা হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্ষুধার্ত শব্দের সন্ধি মনে রাখতে শেষাংশের ঋত শব্দটি মনে রাখতে হবে।
- অ বা আ এর সাথে ঋ যোগ হলে সর্বদা রেফ বা অর্ হয়, এই সূত্রটি মনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে।
- ঋ-কার যুক্ত সন্ধিগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: D) ব্যতিহার বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
- ক্রিয়ার পারস্পরিক বা বিনিময় অর্থ প্রকাশ করলে যে বহুব্রীহি সমাস হয়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
- লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই, তা নির্দেশ করতে এখানে পারস্পরিক ক্রিয়ার আদান-প্রদান বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বহুব্রীহি সমাসে দুটি পদের মধ্যে পারস্পরিক বা একই জাতীয় ক্রিয়ার বিনিময় বোঝায়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
- এই সমাসে সাধারণত উত্তরপদে আ বা ই যুক্ত হয় এবং পূর্বপদে দীর্ঘ স্বরধ্বনি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গালাগালি
ব্যাখ্যা: গালিতে গালিতে যে বিনিময় বা ঝগড়া, তা বোঝাতে এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
উদাহরণ ২: কোলাকুলি
ব্যাখ্যা: কোলে কোলে যে মিলন বা বিনিময়, তা বোঝাতে এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাদি — প্রাদি সমাস হলো প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গের সঙ্গে ক্ত বা কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদের যে সমাস হয়।
B) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ বা গুণ প্রকাশ পায় যা পারস্পরিক ক্রিয়ার ক্ষেত্রে হয় না।
D) ব্যতিহার বহুব্রীহি — এটি সঠিক অপশন কারণ এখানে ক্রিয়ার পারস্পরিক বিনিময় বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পারস্পরিক বোঝাপড়া বা মারামারি জাতীয় শব্দ দেখলে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস নির্ধারণ করবে।
- খেয়াল রাখবে শব্দের মাঝে আ বা ই কার যুক্ত থাকে যেমন লাঠালাঠি, হাতাহাতি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাতাহাতি, কোলাকুলি, চুলোচুলি শব্দগুলো প্রায়ই ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হিসেবে আসে।
- পূর্বপদের দ্বিরুক্তি এবং পারস্পরিক লড়াই বা বিনিময় অর্থ এই সমাসের প্রধান চাবিকাঠি।
সঠিক উত্তর: A) আধুনিক যুগ
১. কেন সঠিক:
বাংলা গদ্য মূলত আধুনিক যুগের ভাষার নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত। প্রাচীন ও মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের প্রধান বাহন ছিল পদ্য বা কবিতা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়। আধুনিক যুগে গদ্যরীতির ব্যাপক বিকাশ ঘটে এবং এটি সাহিত্যের প্রধান মাধ্যম হয়ে ওঠে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেতাল পঞ্চবিংশতি একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক যুগের গদ্যরীতির উৎকর্ষ সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনী একটি আধুনিক যুগের গদ্য উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা উপন্যাসের ধারায় গদ্যের সার্থক প্রয়োগ ফুটিয়ে তুলেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আধুনিক যুগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা গদ্যের সৃষ্টি ও বিকাশ আধুনিক যুগেই ঘটেছিল।
B) মধ্যযুগ — এই যুগে বাংলা সাহিত্যের মাধ্যম ছিল পদ্য, যেমন মঙ্গলকাব্য ও বৈষ্ণব পদাবলী।
C) মধ্য বর্তমান যুগ — এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের কোনো স্বীকৃত যুগ বিভাগ নয়।
D) প্রাচীন যুগ — এই যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ, যা সম্পূর্ণভাবে পদ্য বা গান আকারে রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন ও মধ্যযুগ মানেই পদ্য এবং আধুনিক যুগ মানেই গদ্য। এই সহজ বিভাজন মনে রাখলে উত্তর করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা গদ্যের জন্ম ও বিকাশ মূলত উনিশ শতকে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের হাত ধরে শুরু হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা গদ্যের সূচনা ও বিকাশ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) প্রথম চৌধুরী
কেন সঠিক:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন।
- এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার রীতির প্রবর্তন ঘটেছিল।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাময়িক পত্রের ইতিহাসে ‘সবুজপত্র’ একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী সাহিত্য পত্রিকা।
- ১৯১৪ সালের আগস্ট মাসে প্রথম এই পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- প্রমথ চৌধুরী বীরবল ছদ্মনামে এই পত্রিকায় লেখালেখি করতেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, তবে এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও নিয়মিত লেখক ছিলেন।
- B) অক্ষয় কুমার দত্ত — তিনি উনিশ শতকের ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- C) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক যুগের ‘কবিতা’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- D) প্রথম চৌধুরী — এখানে প্রমথ চৌধুরীকে প্রথম চৌধুরী লেখা হয়েছে, তবে তিনিই এই পত্রিকার সম্পাদক।
মনে রাখার টিপস:
- সবুজ পাতা বা সবুজপত্র দেখলে প্রমথ চৌধুরীর নাম মনে রাখবে।
- বীরবল ছদ্মনামের আড়ালে প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পরিচালনা করতেন।
সঠিক উত্তর: C) ষ + ণ
১. কেন সঠিক:
যুক্তবর্ণ ‘ষ্ণ’ বিশ্লেষণ করলে মূর্ধন্য ‘ষ’ এবং মূর্ধন্য ‘ণ’ পাওয়া যায়। বাংলা বর্ণমালায় এই দুটি বর্ণ মিলে যুক্তাক্ষর তৈরি করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ গঠনের সময় দুটি বর্ণ একত্রিত হয়ে নতুন রূপ ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উষ্ণ শব্দটিতে ‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণ রয়েছে।
ব্যাখ্যা: উষ্ণ শব্দটির বানান বিশ্লেষণে ষ এবং ণ যুক্ত হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
উদাহরণ ২: তৃষ্ণা শব্দটিতে ‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণ রয়েছে।
ব্যাখ্যা: তৃষ্ণা শব্দের মাঝখানে ষ ও ণ যুক্ত হয়ে এই ধ্বনি তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষ + ঞ — এটি ভুল কারণ এখানে ঞ যুক্ত হয়েছে, যা ‘ষ্ণ’ গঠনে আসে না।
B) ষ্ + ঞ — হসন্ত থাকলেও এখানে ঞ বর্ণটি সঠিক নয়।
D) ষ + ম — এখানে ম যুক্ত হয়েছে, যা ‘ষ্ণ’ এর পরিবর্তে ‘ষ্ম’ গঠন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
উষ্ণ বা তৃষ্ণা শব্দ দুটি মনে রাখলে সহজেই মনে রাখা যায় যে এখানে মূর্ধন্য ষ ও মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুক্তবর্ণ ভেঙে দেখানোর প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই শব্দগুলোর সঠিক বানান ও গঠন মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) সাজু
১. কেন সঠিক:
নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটির প্রধান নারী চরিত্রের নাম সাজু। এই কাব্যে গ্রামবাংলার এক সাধারণ গ্রামীণ বধূ সাজুর নিখিল প্রেম ও বিরহের আকুলতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
নকশী কাঁথার মাঠ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতিকাব্য যা পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচনা করেছেন। ১৯২৯ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি লোকসাহিত্যের উপাদানে সমৃদ্ধ এবং এটি ইংরেজিতে ফিল্ড অব এমব্রয়ডারি নামে অনূদিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সোজন বাদিয়ার ঘাট
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের আরেকটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: রাখালী
ব্যাখ্যা: এটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধুমালা — এটি জসীমউদ্দীনের নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যের নায়িকা নয়।
B) রুপাই — এটি নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যের প্রধান পুরুষ চরিত্রের নাম, নায়িকার নাম নয়।
C) সাজু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) দুলী — এটি সোজন বাদিয়ার ঘাট কাব্যের একটি চরিত্র, নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যের নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যের নায়ক হলো রুপাই আর নায়িকা হলো সাজু। দুটি নাম মনে রাখতে রূপাই ও সাজু এই জুটি মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের নকশী কাঁথার মাঠ এবং সোজন বাদিয়ার ঘাট দুটি কাব্যই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। কাব্য দুটির চরিত্র ও রচয়িতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) বিজয় গুপ্ত
১. কেন সঠিক:
- ‘মনসামঙ্গল’ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম জনপ্রিয় ধারা।
- এই ধারার অন্যতম প্রধান ও প্রথম সারির রচয়িতা হলেন কবি বিজয় গুপ্ত।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যের নাম ‘পদ্মপুরাণ’ বা ‘মনসামঙ্গল’।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিজয় গুপ্ত পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষভাগে বরিশালের (বর্তমান গোপৈলা গ্রাম) ফুল্লশ্রী বা কালাদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর রচিত ‘পদ্মপুরাণ’ কাব্যটি ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে (সুলতান হোসেন শাহের আমলে) রচিত হয়।
- মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র হলো চাঁদ সওদাগর ও দেবী মনসা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ রচিত ‘মনসামঙ্গল’।
ব্যাখ্যা: এটি মনসামঙ্গল কাব্যের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণিক সংযোজন।
উদাহরণ ২: রূপনারায়ণ দেব রচিত ‘মনসামঙ্গল’।
ব্যাখ্যা: ইনিও মনসামঙ্গল ধারার একজন গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত কবি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিজ মাধব — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের একজন কবি হলেও তাঁকে এই ধারার প্রধান রচয়িতা হিসেবে গণ্য করা হয় না।
B) রামদাস আদক — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা হলেও বিজয় গুপ্তের মতো প্রধান ও প্রাচীন রচয়িতা নন।
C) ময়ূর ভট্ট — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি হিসেবে পরিচিত, তবে প্রধান রচয়িতা হিসেবে বিজয় গুপ্তের নাম সর্বাগ্রে আসে।
D) বিজয় গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই ধারার অন্যতম প্রধান ও স্বনামধন্য রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান রচয়িতা মনে রাখতে বিজয়ের কথা মনে রাখবে।
- বিজয় গুপ্তের কাব্যগ্রন্থের নাম পদ্মপুরাণ, যা সহজেই পরীক্ষার জন্য মুখস্থ রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের মধ্যে মনসামঙ্গল ও চণ্ডীমঙ্গল সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- কবি বিজয় গুপ্তের জন্মস্থান এবং তাঁর কাব্যের রচনাকাল বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) মরীচিকা
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ নির্ভুল।
- মরীচিকা শব্দের অর্থ বালুকাময় মরুভূমিতে দৃষ্টিভ্রম বা জলকণিকা থাকার অবাস্তব অনুভূতি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে দীর্ঘ ঈ কার এবং হ্রস্ব ই কার ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ কার এবং চ এ হ্রস্ব ই কার যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমীচীন
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানান যেখানে প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় ই কার দীর্ঘ হয়।
উদাহরণ ২: নদী
ব্যাখ্যা: শব্দের অন্তে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহারের এটি একটি আদর্শ ব্যাকরণগত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মরীচিকা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে।
B) মরীচীকা — এই অপশনটি ভুল কারণ চ এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়।
C) মরিচীকা — এই অপশনটি ভুল কারণ ম এর নিচে হ্রস্ব ই কার এবং চ এর নিচে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে।
D) মরিচিকা — এই অপশনটি ভুল কারণ ম এর নিচে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ মূল শব্দে দীর্ঘ ঈ কার হবে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মরুভূমির গরমে জল খুঁজতে গেলে দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হয়, তাই মরীচিকা শব্দে দীর্ঘ ঈ কার বসে।
- বানানটি মনে রাখতে মরী+চিকা এই অংশগুলো ভেঙে বারবার চর্চা করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই শব্দটি প্রায়ই বারবার আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান বই থেকে সমজাতীয় অন্যান্য জটিল বানানগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) নাটকের সংলাপে
১. কেন সঠিক:
সাধু ভাষা হলো গাম্ভীর্যপূর্ণ, তৎসম শব্দবহুল এবং কৃত্রিম রূপ, যা নাটক বা কথ্য কথোপকথনের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযোগী।
নাটকের সংলাপ মানুষের স্বাভাবিক মুখের ভাষার কাছাকাছি বা চলিত রীতিতে হতে হয়, যা সাধু ভাষায় অসম্ভব।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সাধু ভাষা সাধারণত সাহিত্যিক রচনার ক্ষেত্রে গাম্ভীর্য আনে, কিন্তু নাটকের সংলাপে তা কৃত্রিম ও হাস্যকর শোনায়।
নাটক মানুষের জীবন ও বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি হওয়ায় সেখানে চলিত বা কথ্য ভাষার ব্যবহারই একমাত্র স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য মাধ্যম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুমি কোথায় যাচ্ছো? (চলিত রূপ)
ব্যাখ্যা: এটি মানুষের দৈনন্দিন মুখের ভাষা বা চলিত রূপ, যা নাটকের সংলাপে সহজেই ব্যবহার করা যায়।
উদাহরণ ২: আপনি কোথায় গমন করিতেছেন? (সাধু রূপ)
ব্যাখ্যা: এটি সাধু রূপ, যা নাটকের পাত্রের মুখ থেকে উচ্চারিত হলে তা চরম কৃত্রিম ও অবাস্তব শোনায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিতার পঙক্তিতে — কবিতা গাম্ভীর্য রক্ষা করার জন্য ঐতিহ্যগতভাবে সাধু ভাষা সফলভাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
B) গানের কলিতে — বাংলা গানে, বিশেষ করে পুরনো ও ভক্তিগীতি বা ধ্রুপদী ধারায় সাধু ভাষার ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়।
C) গল্পের বর্ণনায় — উপন্যাসের বা গল্পের বর্ণনামূলক অংশে লেখকের বয়ানে সাধু ভাষা অত্যন্ত সুন্দরভাবে মানিয়ে যায়।
D) নাটকের সংলাপে — সংলাপ মানেই কথোপকথন, যেখানে সাধু ভাষা ব্যবহার করলে মানুষের মুখের জীবন্ত ভাষা হারিয়ে যায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেখানে মানুষের স্বাভাবিক মুখের কথার প্রয়োজন, সেখানে সাধু ভাষা অনুপযোগী আর যেখানে লেখার গম্ভীর রূপ দরকার, সেখানে সাধু ভাষা উপযোগী।
নাটক মানেই অভিনয় ও সংলাপ, তাই নাটকে সবসময় জীবন্ত চলিত ভাষা ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সাধু ও চলিতী রীতির প্রধান পার্থক্য হলো সাধু ভাষা পরিবর্তনশীল নয় এবং ক্রিয়ার রূপ দীর্ঘ, পক্ষান্তরে চলিত ভাষা গতিশীল ও কথ্য রূপের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার রূপ পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই নাটকের সংলাপ ও চিঠিপত্রের ভাষা ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) শব্দময় ঢেউ
১. কেন সঠিক:
কল্লোল শব্দের আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ হলো শব্দময় ঢেউ বা সমুদ্রের ঢেউয়ের গর্জন।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দের উৎস ও অর্থ নির্ণয়ের জন্য শব্দার্থের গভীরতা বুঝতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। কল্লোল একটি বিশেষ্য পদ যার মাধ্যমে ধ্বনিযুক্ত বা শব্দশীল তরঙ্গকে বোঝানো হয়।
বাংলা সাহিত্যে কল্লোল একটি অত্যন্ত ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত শব্দ, কারণ বিশ শতকের ত্রিশের দশকে বাংলা আধুনিক কবিতার মোড় ঘোরানো সাহিত্য পত্রিকার নাম ছিল কল্লোল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উত্তাল সমুদ্রের কল্লোল রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে দিচ্ছিল।
ব্যাখ্যা: এখানে কল্লোল শব্দ দিয়ে সমুদ্রের শব্দযুক্ত ঢেউয়ের গর্জনকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: কল্লোল পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার হাওয়া লেগেছিল।
ব্যাখ্যা: এখানে কল্লোল একটি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকার নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কলকল — কলকল হলো পানির বয়ে যাওয়ার বা মানুষের মৃদু কথার শব্দ, এটি ঢেউয়ের পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না।
B) শব্দময় ঢেউ — এটিই সঠিক উত্তর কারণ কল্লোল শব্দের প্রমিত অর্থ হলো শব্দের সঙ্গে ঢেউ।
C) কোলাহল — কোলাহল শব্দের অর্থ মানুষের গণ্ডগোল বা শোরগোল, যা সমুদ্রের ঢেউয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) তরঙ্গ — তরঙ্গ শুধু ঢেউ বোঝায়, কিন্তু কল্লোলের ভেতরে একটি শব্দ বা ধ্বনির আবহ থাকে যা শুধু তরঙ্গে থাকে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
কল্লোল মানে তরঙ্গের শব্দ। কল অর্থ শব্দ এবং লোল অর্থ ললিত বা লহরি, অর্থাৎ শব্দের সঙ্গে ঢেউ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩৩০ সালের বৈশাখে (১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ)। এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস।
সঠিক উত্তর: A) might not have
কেন সঠিক:
বাক্যটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের অসম্ভব কল্পনা প্রকাশ করছে।
প্রথম অংশে Past Perfect (had been) থাকায় পরের অংশে would have অথবা might have এর সাথে verb এর পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
occurred শব্দটি এখানে মূল verb হিসেবে রয়েছে, তাই তার পূর্বে might not have বসবে।
অন্য কোনো সাহায্যকারী verb এর প্রয়োজন নেই কারণ মূল verb নিজেই অতীত participle রূপে আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) might not have — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) would not be — be verb বসার কারণে এখানে মূল verb occurred এর সাথে ব্যাকরণগত মিল থাকে না।
C) might not have been — been অতিরিক্ত থাকার কারণে বাক্যটির অর্থ ও গঠন ভুল হয়ে যায়।
D) might not — শুধু might not বসার পর মূল verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
মনে রাখার টিপস:
Third Conditional এ যদি ইফ ক্লজে had + v3 থাকে, তবে মূল ক্লজে would have বা might have + v3 বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) go away
কেন সঠিক:
বাক্যে 'had better' একটি মডাল ভার্বের মতো কাজ করে এবং এর পরে সবসময় ভার্বের বেইজ ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
তাই এখানে 'go' verb-টির সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়েছে এবং সঠিক উত্তরটি গঠনগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) go away — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'had better' এর পরে ভার্বের মূল রূপ বসে এবং এটি অর্থপূর্ণ বাক্য গঠন করে।
B) gone away — এই অপশনটি ভুল কারণ 'had better' এর পরে কখনো ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ বসে না।
C) went away — এই অপশনটি ভুল কারণ 'had better' এর পরে কখনো ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে না।
D) going away — এই অপশনটি ভুল কারণ 'had better' এর পরে কখনো আইএনজি যুক্ত ভার্ব বসে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'had better' দেখলে সব সময় মনে রাখবে এর পর ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বা মূল রূপ বসাতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) advise
কেন সঠিক:
বাক্যে It is high time বা It is time থাকলে তা দিয়ে বর্তমান সময়ে কোনো কাজ করার উপযুক্ত সময় বোঝায়। এই গঠনটি সাধারণত কাউকে কোনো কাজ করার জন্য পরামর্শ বা উপদেশ দিতে ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) command — এই গঠনটি দিয়ে সরাসরি কোনো কঠোর হুকুম বোঝায় না।
B) advise — এটি সঠিক কারণ বাক্যটি দিয়ে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
C) request — এই বাক্যে কাউকে কোনো কিছু বিনয়ের সাথে অনুরোধ করা হয়নি।
D) order — এটি কোনো আনুষ্ঠানিক বা সামরিক আদেশের ভাব প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে It is high time দেখলে বুঝবে এটি কোনো কাজ দ্রুত করার পরামর্শ বা উপদেশ বোঝাচ্ছে।
সঠিক উত্তর: A) Certainty
কেন সঠিক:
বাক্যে বলা হয়েছে সে ক্লাসে উপস্থিত নেই এবং সে নিশ্চয়ই অসুস্থ। এই অনুমানটি প্রায় নিশ্চিত যে সে অসুস্থ বলেই ক্লাসে আসেনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Certainty — এটি সঠিক কারণ বক্তা যুক্তি দিয়ে নিশ্চিতভাবে ধরে নিয়েছেন যে সে অসুস্থ।
B) Possiblity — এটি ভুল কারণ এখানে নিছক কোনো সম্ভাবনার কথা বলা হয়নি বরং নিশ্চিত অনুমানের প্রকাশ ঘটেছে।
C) Obligation — এটি ভুল কারণ এখানে কোনো বাধ্যবাধকতা বা কর্তব্যের কথা বোঝানো হয়নি।
D) Intention — এটি ভুল কারণ এখানে কারো কোনো উদ্দেশ্য বা ইচ্ছার প্রকাশ নেই।
মনে রাখার টিপস:
কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণে যখন কোনো কিছু নিশ্চিত বলে মনে হয়, তখন Modal Verb হিসেবে must be ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) to be surprised
কেন সঠিক:
'Take aback' একটি ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ হলো হঠাৎ করে অবাক বা বিস্মিত হওয়া।
বাক্যে কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটলে এই বিশেষ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to take somethng back — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ফিরিয়ে নেওয়া, যা মূল ফ্রেজাল ভার্বের সাথে মেলে না।
B) to return back — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো বিস্মিত হওয়া বা অবাক হওয়ার ভাব প্রকাশ করে না।
C) to be surprised — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল নেই।
D) পিছনের দিকে ঠেলে দেওয়া অর্থে এটি ব্যবহার করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
'Take aback' ফ্রেজাল ভার্ব দেখলেই মাথায় রাখবে এর অর্থ হলো হঠাৎ চমকে যাওয়া বা অবাক হওয়া।
সঠিক উত্তর: B) chill
কেন সঠিক:
'Cool' শব্দটির মূল অর্থ ঠান্ডা করা এবং এর সরাসরি ভার্ব ফর্ম হলো 'chill'।
অন্য কোনো শব্দ এর সঠিক ও সরাসরি ভার্ব রূপ হিসেবে কাজ করে না।
এটি দিয়ে কোনো কিছু ঠান্ডা করার কাজটি বোঝায়।
তাই এটিই সঠিক ভার্ব ফর্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) cold — এটি একটি এডজেক্টিভ বা বিশেষণ যার অর্থ ঠান্ডা।
B) chill — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) fridge — এটি একটি নাউন যার অর্থ রেফ্রিজারেটর বা ঠান্ডা রাখার যন্ত্র।
D) freeze — এর অর্থ জমানো, যা 'cool' শব্দের সরাসরি ভার্ব রূপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Cool' এবং 'chill' দুটি শব্দই ঠান্ডা করার কাজ বোঝাতে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) novel
কেন সঠিক:
চার্লস ডিকেন্সের লেখা 'A tale of two cities' একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস।
ফরাসি বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে এটি রচিত হয়েছে এবং গদ্যে দীর্ঘ কাহিনি বর্ণনার কারণে এটি উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) novel — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থটি একটি দীর্ঘ কথাসাহিত্য বা উপন্যাস।
B) drama — এটি নাটক নয় কারণ এতে সংলাপের মাধ্যমে মঞ্চে অভিনয়ের কোনো দৃশ্যপট নেই।
C) epic — এটি মহাকাব্য নয় কারণ মহাকাব্য সবসময় পদ্য বা ছন্দে রচিত দীর্ঘ কবিতা হয়।
D) fiction — এটি সঠিক হলেও, ফিকশনের অনেক রূপের মধ্যে উপন্যাসই এর সবচেয়ে নিখুঁত ও নির্দিষ্ট পরিচয়।
মনে রাখার টিপস:
চার্লস ডিকেন্স বললেই আমাদের মাথায় আসে বড় বড় উপন্যাস, আর 'A tale of two cities' হলো ইতিহাসের পটভূমিতে লেখা তেমনই একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
সঠিক উত্তর: A) relationship by birth or descent
কেন সঠিক:
Kindred শব্দের মূল অর্থ হলো রক্তের সম্পর্ক বা জন্মসূত্রে আত্মীয়তা। অপশন এ তে ঠিক এই জন্মগত সম্পর্কের কথাই বলা হয়েছে যা মূল শব্দের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) relationship by birth or descent — এটি সঠিক উত্তর। কারণ এটি কিন্দ্রেড বা রক্তের সম্পর্কের সঠিক সংজ্ঞা প্রদান করে।
B) social relationship — এটি ভুল কারণ সমাজগত বা সামাজিক সম্পর্ক জন্মসূত্রের আত্মীয়তাকে বোঝায় না।
C) distant relationship — এটি ভুল কারণ দূরসম্পর্কের আত্মীয়কে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না।
D) unaffiliated relationship — এটি ভুল কারণ এর অর্থ সম্পর্কহীন, যা কিন্দ্রেড শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Kindred শব্দটি মনে রাখতে কি এবং রেড মনে রাখুন, যার সাথে রক্তের লাল রঙের সম্পর্ক মিলিয়ে জন্ম বা রক্তের সম্পর্ক মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) metaphor
কেন সঠিক:
এখানে দেশপ্রেমিককে সরাসরি নক্ষত্রের সাথে তুলনা করা হয়েছে without using like or as.
মেটাফোর হলো এমন একটি রূপক যেখানে দুটি ভিন্ন জিনিসের মধ্যে সরাসরি তুলনা বোঝানো হয়।
এই বাক্যে দেশপ্রেমিককে আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্রের মর্যাদায় ভূষিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) simile — সিমিলি হতে হলে তুলনার ক্ষেত্রে অবশ্যই like অথবা as শব্দ থাকতে হতো।
B) metaphor — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে কোনো রূপক শব্দ ছাড়াই সরাসরি তুলনা করা হয়েছে।
C) allegory — এটি একটি প্রতীকী গল্প বা কাহিনী, যা একক কোনো শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) personification — এটি অজীব বস্তুকে মানব গুণ বা চরিত্রের রূপ দেয়, যা এখানে ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
সরাসরি তুলনা বুঝালে metaphor হয় এবং like বা as থাকলে simile হয়।
সঠিক উত্তর: B) The teacher advised the students to not waste time
কেন সঠিক:
বক্তব্যটি শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীদের প্রতি উপদেশমূলক হওয়ায় reporting verb পরিবর্তন হয়ে advised বসেছে।
Imperative sentence-এর negative రూప পরিবর্তনের সময় infinitive-এর পূর্বে not বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The teacher forbade the students not to waste time — forbade শব্দের সাথে আবার not ব্যবহার করায় বাক্যে দ্বৈত নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে যা ভুল।
B) The teacher advised the students to not waste time — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী সবগুলো পরিবর্তন সঠিকভাবে করা হয়েছে।
C) The teacher advised the students to not waste time — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের সাথে হুবহু মিলে গেছে এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল।
D) The teacher ordered the students donn't waste time — এখানে don't শব্দটি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে এবং বানান ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-এ নিষেধ বা উপদেশ বোঝালে forbid বা advise ব্যবহার করতে হয় এবং to এর আগে not বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) small
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে 'let' একটি প্রত্যয় যা সাধারণত কোনো শব্দের শেষে বসে ক্ষুদ্র বা ছোট বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
booklet শব্দটির অর্থ ছোট বই, যা book শব্দের সাথে let যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) chief — এটি প্রধান বা মুখিয়া বোঝায়, যা booklet শব্দের অর্থের সাথে মেলে না।
B) half — এটি অর্ধেক বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) round — এটি গোল বোঝায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অমূলক।
D) small — এটি ছোট বা ক্ষুদ্র বোঝায়, যা সঠিক উত্তরের সাথে মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে let বা ling প্রত্যয় দেখলে বুঝবে সেটি কোনো ছোট বস্তুকে বোঝাচ্ছে যেমন booklet বা duckling।
সঠিক উত্তর: C) Mummy
কেন সঠিক:
Mummy শব্দটি অত্যন্ত আপন ও ঘরোয়া পরিবেশে পরিবারের সদস্যদের ডাকতে ব্যবহৃত হয়। এটি দাপ্তরিক বা প্রাতিষ্ঠানিক লেখার সম্পূর্ণ অনুপযোগী একটি কথ্য রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mother — এটি একটি আনুষ্ঠানিক ও প্রমিত শব্দ যা সব ধরনের লেখা ও বলায় ব্যবহার করা যায়।
B) Father — এটিও একটি আনুষ্ঠানিক ও সুনির্দিষ্ট শব্দ যা পিতাকে বোঝাতে সব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
D) Parent — এটি অত্যন্ত আনুষ্ঠানিক একটি আইনি ও সামাজিক শব্দ যা বাবা বা মা উভয়কেই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবারের ভেতরের আদরমাখা ডাকগুলো সাধারণত ইনফরমাল বা কথ্য হয় এবং বাকিগুলো ফরমাল বা প্রাতিষ্ঠানিক হয়।
সঠিক উত্তর: A) If you do not study hard, you will fail
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে or থাকায় এটি একটি compound sentence যা Complex করার সময় If clause এবং negative অর্থ প্রকাশ করে।
তাই সঠিক নিয়মে if you do not ব্যবহার করে বাক্যটিকে complex করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক অর্থ ও গঠন বজায় রেখেছে।
B) If you study hard, you will fail — এটি অর্থের দিক থেকে ভুল কারণ কঠোর পড়াশোনা করলে ফেল করবে এমন বোঝায়।
C) If you not study hard, you will fail — এখানে grammatical ভুল আছে কারণ subject এর পর সরাসরি not বসেনة do not বসে।
D) In case of you study hard, you will fail — এটি complex sentence নয় বরং একটি incorrect phrase গঠন।
মনে রাখার টিপস:
Compound বাক্যে or থাকলে Complex করার সময় সাধারণত if যুক্ত clause-টিকে negative করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) I myself did the job
কেন সঠিক:
এখানে myself প্রোনাউনটি সরাসরি I সাবজেক্টের ঠিক পরেই বসেছে।
এটি সাবজেক্টের উপর বিশেষ জোর বা গুরুত্ব প্রকাশ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She saw herself — এখানে herself শব্দটি অবজেক্ট হিসেবে বসেছে এবং এটি Emphatic Pronoun নয়, বরং Reflexive Pronoun।
B) He did the work himself — এখানে himself সাবজেক্টের পরে না বসে বাক্যের শেষে বসেছে, তাই এটি তুলনামূলক কম জোরালো।
C) I myself did the job — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) She cooked the meal herself — এখানে herself সাবজেক্টের পরে না থেকে শেষে থাকায় এটি সাধারণ Reflexive হিসেবে কাজ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
সাবজেক্টের ঠিক পরেই যখন reflexive pronoun বসে তখন তাকে emphatic pronoun বলে।
সঠিক উত্তর: C) Steward
কেন সঠিক:
Steward শব্দটি কেবল পুরুষবাচক বা কমন জেন্ডার হিসেবে stewardess শব্দের সাথে তুলনামূলকভাবে ব্যবহৃত হয় না। এটি সাধারণত পুরুষ তত্ত্বাবধায়ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর স্ত্রীলিঙ্গ হলো stewardess।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Professor — এটি পুরুষ এবং নারী উভয় শিক্ষক বা অধ্যাপক বোঝাতে ব্যবহৃত হয় তাই এটি একটি ডুয়াল জেন্ডার।
B) Doctor — এটি পুরুষ এবং নারী উভয় চিকিৎসক বোঝাতে সমানভাবে ব্যবহৃত হয় তাই এটি একটি ডুয়াল জেন্ডার।
C) Steward — এটি শুধু পুরুষ কর্মী বোঝায় এবং এর নির্দিষ্ট স্ত্রীলিঙ্গ stewardess রয়েছে তাই এটি উত্তর।
D) Cook — এটি পুরুষ এবং নারী উভয় রাঁধুনি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় তাই এটি একটি ডুয়াল জেন্ডার।
মনে রাখার টিপস:
যেসব পদের নির্দিষ্ট স্ত্রীলিঙ্গ রূপ থাকে তারা সাধারণ ডুয়াল জেন্ডার হয় না যেমন Steward এর স্ত্রীলিঙ্গ Stewardess।
সঠিক উত্তর: B) Man : Burrow
কেন সঠিক:
এই অপশনে মানুষ ও তার বাসস্থানের সম্পর্কটি ভুল দেওয়া হয়েছে। মানুষ গুহায় বা ঘরে বাস করে, কিন্তু বারো বা Burrow হলো খরগোশ জাতীয় প্রাণীর গর্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Fish : Aquarium — এটি সঠিক অ্যানালজি কারণ মাছ অ্যাকুরিয়ামে বাস করে।
B) Man : Burrow — এটি ভুল কারণ মানুষ বারো বা গর্তে থাকে না।
C) Eskimo : Igloo — এটি সঠিক অ্যানালজি কারণ এস্কিমোরা ইগলুতে বাস করে।
D) Dog : Kernel — এটি সঠিক অ্যানালজি কারণ কুকুরের বাসস্থানকে কেনেল বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রাণী এবং তাদের বাসস্থানের সঠিক জোড়গুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে যাতে এমন ব্যতিক্রম সহজেই ধরতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) Curator
কেন সঠিক:
- কিউরেটর বা Curator হলেন সেই ব্যক্তি যিনি কোনো জাদুঘর বা প্রদর্শনীর সংগ্রহশালা দেখাশোনা করেন ও সংরক্ষণ করেন।
- জাদুঘরের ঐতিহাসিক নিদর্শন বা শিল্পকর্মের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও প্রদর্শনীর দায়িত্ব কিউরেটরের ওপর ন্যস্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Librarian — লাইব্রেরিয়ান বা গ্রন্থাগারিক হলেন সেই ব্যক্তি যিনি লাইব্রেরির বইপত্র ও নথিপত্র রক্ষণাবেক্ষণ করেন, জাদুঘর পরিচালনা করেন না।
B) Janitor — জেনিটর হলেন ভবনের পরিচ্ছন্নতা ও সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্মী, যিনি জাদুঘরের প্রদর্শনীর সংরক্ষক নন।
C) Palmist — পামিস্ট বা হস্তরেখাবিদ মানুষের হাতের রেখা দেখে ভাগ্য গণনা করেন, যার সঙ্গে জাদুঘরের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) Curator — কিউরেটর বা জাদুঘরের তত্ত্বাবধায়ক হলেন সেই ব্যক্তি যিনি জাদুঘরের সংগ্রহশালা ও প্রদর্শনী দেখভাল করেন।
মনে রাখার টিপস:
কিউরেটর শব্দটির সঙ্গে কেয়ার বা যত্ন শব্দটির মিল আছে, যা জাদুঘরের জিনিসপত্রের যত্ন নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়।
সঠিক উত্তর: D) will you
কেন সঠিক:
মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি Negative অর্থ প্রকাশ করছে।
Imperative Sentence-এর ক্ষেত্রে Tag Question সাধারণত will you হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) shan't you — এটি Imperative Sentence-এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয় এবং এর অর্থ এখানে মেলে না।
B) do you — এটি সাধারণত Present Indefinite Tense-এর Affirmative বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
C) isn't it — এটি কোনো Statement-এর সাহায্যকারী verb Be-এর ওপর ভিত্তি করে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) will you — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence দিয়ে কোনো আদেশ, নিষেধ বা অনুরোধ বোঝালে Tag Question-এ চোখ বন্ধ করে will you বসাবে।
সঠিক উত্তর: B) telecast
কেন সঠিক:
'telecast' একটি বিশেষ ধরণের দুর্বল ভার্ব বা irregular verb। এর প্রেজেন্ট, পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম একই থাকে।
তাই এই ভার্বটির পাস্ট পার্টিসিপল করার সময় এর সাথে কোনো অতিরিক্ত অক্ষর যুক্ত করার প্রয়োজন হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) telecasted — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ মূল ভার্বের সাথে ইডি যোগ করে এর পাস্ট পার্টিসিপল গঠন করা যায় না।
B) telecast — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটিই মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ।
C) telecastted — এই বানানে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অতিরিক্ত টি এবং ইডি যুক্ত করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
D) telecasten — এই বানানে ই এন যুক্ত করা হয়েছে যা এই বিশেষ ভার্বের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্রডকাস্ট, কাস্ট এবং টেলিপ্রিন্ট জাতীয় ভার্বগুলোর তিনটি ফর্মই একই অর্থাৎ অপরিবর্তিত থাকে।
সঠিক উত্তর: B) surrendered
কেন সঠিক:
- gave in একটি ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ হলো আত্মসমর্পণ করা বা কোনো প্রতিরোধ না করে হেরে যাওয়া।
- বাক্যে সৈন্যরা শেষ পর্যন্ত লড়াই থামিয়ে হার মেনে নিয়েছিল বোঝাতে এই ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়েছে।
- surrendered শব্দটির অর্থও হলো আত্মসমর্পণ করা বা পরাজয় স্বীকার করা।
- তাই সঠিক উত্তরটি হলো surrendered।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) won — এর অর্থ জয়লাভ করা, যা gave in এর অর্থের সাথে মিলে না।
B) surrendered — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) cheerep up — এর অর্থ আনন্দিত করা বা উৎসাহ দেওয়া, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়।
D) started fighting — এর অর্থ লড়াই শুরু করা, যা gave in এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Give in মানে হলো ভেতরে সব শক্তি হারিয়ে ফেলো, তাই মাথা নিচু করে আত্মসমর্পণ বা হার মেনে নিতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Conjunction
কেন সঠিক:
এখানে 'than' শব্দটি দুটি ভিন্ন বাক্য বা clause-কে যুক্ত করার কাজ করছে। পুরো বাক্যটি আসলে "He is taller than I am" যার সংক্ষিপ্ত রূপ এটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adjective — এই শব্দটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না।
B) Noun — এই শব্দটি কোনো কিছুর নাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি।
C) Preposition — এর পরে কোনো noun বা pronoun অবজেক্টিভ রূপে বসে কেবল সম্বন্ধ বোঝায় না।
D) Conjunction — এটি দুটি ক্লজকে যুক্ত করেছে এবং এর পরে 'I' সাবজেক্টিভ রূপ সঠিক আছে।
মনে রাখার টিপস:
than-এর পরে যদি সাবজেক্ট প্রোনাউন (যেমন I, he, she) বসে, তবে তা Conjunction হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: D) lack of respect to God and religion
কেন সঠিক:
- 'Blasphemy' একটি ইংরেজি শব্দ যার শাব্দিক অর্থ ঈশ্বরনিন্দা বা ধর্ম অবমাননা।
- এটি এমন আচরণ বা বক্তব্যকে নির্দেশ করে যা পবিত্র কোনো বিষয় বা ধর্মের প্রতি চরম অসম্মান প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) appreciation of God and religion — এটি 'Blasphemy' শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, কারণ এটি ধর্মের প্রতি প্রশংসা বোঝায়।
B) Islam — এটি একটি নির্দিষ্ট ধর্মের নাম, যা কোনো সাধারণ শব্দের অর্থ বা সংজ্ঞাকে নির্দেশ করে না।
C) Buddhism — এটিও একটি ধর্মের নাম এবং 'Blasphemy' শব্দের সাথে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) lack of respect to God and religion — এটি 'Blasphemy' শব্দের সঠিক অর্থ বহন করে, কারণ ধর্ম অবমাননা মানেই বিশ্বাসের প্রতি অশ্রদ্ধা।
মনে রাখার টিপস:
'Blasphemy' শব্দটির শুরুতেই ব্লাস বা বকাঝকা মনে রাখতে পারেন, যার সাথে ধর্ম বা ঈশ্বরের অবমাননার মিল রয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) People of a country always honour their freedom fighters.
কেন সঠিক:
Passive বাক্যের Subject (his country people) Active বাক্যে Subject (People of a country) হিসেবে বসেছে।
Passive বাক্যের is honored প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স হওয়ায় Active বাক্যে মূল verb-এর Present form (honour) বসেছে।
Passive বাক্যের always শব্দটি ঠিক জায়গায় বসে সঠিক অর্থ প্রকাশ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) People of a country honours their freedom fighters always. — Subject plural হওয়ায় এর সাথে s যুক্ত ভুল verb ব্যবহার করা হয়েছে।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) His country people honour always their freedom fighters. — এখানে always adverb-টি verb-এর পরে ভুলভাবে বসানো হয়েছে।
D) People honour their freedom fighters. — প্রদত্ত বাক্যের 'country' শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Passive থেকে Active করার সময় object-কে subject বানাতে হয় এবং টেন্স অনুযায়ী সঠিক verb ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) on the way
কেন সঠিক:
'En route' একটি ফরাসি মূলের ইংরেজি ফ্রেজ যার শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো কোনো গন্তব্যে যাওয়ার পথে বা যাত্রাপথে।
এটি সাধারণত ভ্রমণের সময় কোথাও থেমে যাওয়ার বা মাঝপথের অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
তাই সঠিক অপশন হিসেবে 'on the way' নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on the way — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'En route' ফ্রেজটির সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
B) on a plane — এটি ভুল কারণ ফ্রেজটি শুধুমাত্র বিমানে যাতায়াত বোঝায় না, যেকোনো যাত্রাপথকেই নির্দেশ করে।
C) on a train — এটি ভুল কারণ ট্রেন ছাড়াও যেকোনো যানবাহনে বা সাধারণভাবে যাত্রাপথে থাকার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায়।
D) in the bus — এটি ভুল কারণ এটি শুধুমাত্র বাসের ভেতরের অবস্থাকে বোঝায়, যা মূল ফ্রেজের সার্বজনীন অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
'En route' শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি ফরাসি শব্দ যার অর্থ চলার পথে বা রাস্তার মাঝে।
সঠিক উত্তর: D) pleasing
কেন সঠিক:
Malicious শব্দটির অর্থ ক্ষতিকর বা প্রতিহিংসাপরায়ণ, যার বিপরীত শব্দ হলো pleasing বা আনন্দদায়ক।
এই শব্দটি অন্য মানুষের ক্ষতি করার ইচ্ছার ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
তাই এটি সঠিক বিপরীত শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) resentful — এটি malicious শব্দের একটি সমার্থক শব্দ, যার অর্থ ক্ষুব্ধ বা অসন্তুষ্ট।
B) rancorous — এটিও malicious শব্দের সমার্থক, যার অর্থ বিদ্বেষপূর্ণ বা তিক্ত।
C) envious — এটিও এক ধরনের নেতিবাচক মনোভাব বোঝায়, যার অর্থ ঈর্ষান্বিত।
D) pleasing — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ আনন্দদায়ক বা তুষ্টকারী, যা ক্ষতিকারের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Malice মানে ক্ষতিকর কিছু, আর Pleasing মানে মন খুশি করা।
সঠিক উত্তর: B) ৪৫, ৬০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৩ : ৪
সংখ্যা দুটির লসাগু ১৮০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৪ক
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩ × ৪ × ক = ১২ক
প্রশ্নমতে, ১২ক = ১৮০
সুতরাং,
ক = ১৮০ ÷ ১২ = ১৫
সংখ্যা দুটি হলো (৩ × ১৫) = ৪৫ এবং (৪ × ১৫) = ৬০
উত্তর: ৪৫, ৬০
সঠিক উত্তর: B) ২২, ২৩
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো পঁয়তাল্লিশ
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি হলো ক
বড় সংখ্যাটি হলো ক + ১
অতএব,
বড় সংখ্যার বর্গ = (ক + ১) × (ক + ১)
ছোট সংখ্যার বর্গ = ক × ক
বর্গের অন্তর = (ক + ১) × (ক + ১) − (ক × ক) = ৪৫
সুতরাং,
সমীকরণ সমাধান করে পাই, ২ক + ১ = ৪৫
সুতরাং, ২ক = ৪৪ এবং ক = ২২
উত্তর: সংখ্যা দুটি হলো ২২ এবং ২৩
সঠিক উত্তর: A) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার পদগুলি হলো ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪
ধরি,
প্রথম পদ = ২
দ্বিতীয় পদ = ৩
তৃতীয় পদ = ৫
অতএব,
২ + ৩ = ৫
৩ + ৫ = ৮
৫ + ৮ = ১৩
সুতরাং,
২১ + ৩৪ = ৫৫
উত্তর: ৫৫
সঠিক উত্তর: A) ০, ১
প্রদত্ত তথ্য:
বাস্তব সংখ্যার ক্ষেত্রে যোগের অভেদক হলো শূন্য
বাস্তব সংখ্যার ক্ষেত্রে গুণের অভেদক হলো এক
ধরি,
যেকোনো বাস্তব সংখ্যাটি হলো ক
অতএব,
ক + ০ = ক
ক × ১ = ক
সুতরাং,
যোগের অভেদ উপাদান হলো ০ এবং গুণের অভেদ উপাদান হলো ১
উত্তর: ০, ১
সঠিক উত্তর: C) ৬.৪৫ বর্গ সেমি
প্রদত্ত তথ্য:
১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেমি
ধরি,
১ বর্গইঞ্চি = ১ ইঞ্চি × ১ ইঞ্চি
অতএব,
১ বর্গইঞ্চি = ২.৫৪ সেমি × ২.৫৪ সেমি
সুতরাং,
১ বর্গইঞ্চি = ৬.৪৫ বর্গ সেমি
উত্তর: ৬.৪৫ বর্গ সেমি
সঠিক উত্তর: B) (7x - 8)
প্রদত্ত তথ্য:
দ্বিপদী রাশিটি হলো ৭x^২ − x − ৮
ধরি,
রাশিটির মধ্যপদ বিভাজন করতে হবে
প্রথম ও শেষের পদের গুণফল = ৭ × (−৮) = −৫৬x^২
মাঝের পদ হলো −x
অতএব,
মধ্যপদ −x কে ভেঙে লেখা যায় −৮x + ৭x
এখন রাশিটি হয় ৭x^২ − ৮x + ৭x − ৮
সুতরাং,
প্রথম দুটি পদ থেকে x কমন নিয়ে পাই, x(৭x − ৮)
এবং পরের দুটি পদ থেকে ১ কমন নিয়ে পাই, +১(৭x − ৮)
উত্তর: (৭x − ৮)(x + ১), যার একটি উৎপাদক হলো (৭x − ৮)
সঠিক উত্তর: A) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো ৯ − ১২x + ax২
রাশিটিকে একটি পূর্ণবর্গ রাশি হতে হবে
ধরি,
রাশিটিকে লেখা যায় (৩)^২ − ২ × ৩ × ২x + (ax)^২ আকারে
এখানে প্রথম পদের বর্গমূল ৩ এবং শেষ পদের বর্গমূল √a × x
অতএব,
মধ্যের পদটি সমান হবে ২ × প্রথম পদ × শেষ পদের সাথে
১২x সমান হবে ২ × ৩ × √a × x এর সাথে
সুতরাং,
১২ সমান হবে ৬ × √a এর সাথে
√a এর মান হবে ২ এবং a এর মান হবে ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: D) ২
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x + ২y = ৪
দ্বিতীয় শর্তটি হলো x = ২y
ধরি,
প্রথম সমীকরণে x এর পরিবর্তে সরাসরি মান বসাবো
অতএব,
x এর জায়গায় ২y লিখলে সমীকরণটি দাঁড়ায় ২y + ২y = ৪
সুতরাং,
যোগ করে পাই ৪y = ৪
উত্তর: y = ১ এবং x = ২ × ১ = ২
সঠিক উত্তর: C) ৪৮ বর্গ সেমি
প্রদত্ত তথ্য:
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহুদ্বয়ের প্রতি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০ সেমি
ত্রিভুজের ভূমি বা অপর বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৬ সেমি
ধরি,
সমান বাহু a = ১০ সেমি
ভূমি b = ১৬ সেমি
অতএব,
ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো (b ÷ ৪) × √(৪ × a × a − b × b)
মানগুলো বসিয়ে পাই, (১৬ ÷ ৪) × √(৪ × ১০ × ১০ − ১৬ × ১৬)
ভেতরের হিসাব করে পাই, ৪ × √(৪০০ − ২৫৬)
সুতরাং,
হিসাব করে পাই, ৪ × √১৪৪ = ৪ × ১২ = ৪৮
উত্তর: ৪৮ বর্গ সেমি
সঠিক উত্তর: D) লিওনার্দো দ্যা-ভিঞ্চি
কেন সঠিক:
- বিশ্বখ্যাত রেনেসাঁ শিল্পী লিওনার্দো দ্যা-ভিঞ্চি ১৫০৩ থেকে ১৫১৯ সালের মধ্যে তৈলচিত্রটি অঙ্কন করেন।
- এই চিত্রের রহস্যময় হাসি এবং অনন্য ফুটিয়ে তোলার শৈলীর জন্য এটি ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পকর্ম হিসেবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিশিয়ান — তিনি ইতালীয় রেনেসাঁ যুগের ভেনেশিয়ান স্কুলের একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হলেও এই ছবির স্রষ্টা নন।
B) র্যাফায়েল — তিনি রেনেসাঁ যুগের অন্যতম প্রধান চিত্রশিল্পী ও স্থপতি হলেও মোনলিসা তাঁর অঙ্কিত নয়।
C) মাইকেল এঞ্জোলো — তিনি রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হলেও এই বিখ্যাত পোর্ট্রেটটির সঙ্গে যুক্ত নন।
D) লিওনার্দো দ্যা-ভিঞ্চি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য।
মনে রাখার টিপস:
মোনলিসা এবং লিওনার্দো দ্যা-ভিঞ্চি দুটি নামের মাধ্যমেই রেনেসাঁ যুগের শ্রেষ্ঠ শিল্পকর্মের ইতিহাস মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৬ সালে
কেন সঠিক:
- ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ইনডেমনিটি বা দায়মুক্তি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল, যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাত্রের বিচারে বাধা সৃষ্টি করেছিল।
- সপ্তম জাতীয় সংসদে ১২ নভেম্বর ১৯৯৬ সালে এই ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল বা রহিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই সংসদে বিল পাসের মাধ্যমে অধ্যাদেশটি বাতিল করা হয়।
B) ১৯৯৫ সালে — এই সালে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলসংক্রান্ত কোনো ঐতিহাসিক বা আইনগত ঘটনা ঘটেনি।
C) ১৯৯১ সালে — এই সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়নি।
D) ১৯৯৮ সালে — এই সালটি ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭৫ সালে জারি হয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ এবং এর ঠিক একুশ বছর পর ১৯৯৬ সালে এটি বাতিল করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) মালয়েশিয়া
কেন সঠিক:
- মালয়েশিয়ার সরকারি মুদ্রার নাম হলো রিংগিত।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এই মুদ্রা মালয়েশিয়ান রিংগিত হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালয়েশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের মুদ্রার নাম রিংগিত।
B) তুরস্ক — তুরস্কের মুদ্রার নাম লিরা, তাই এটি সঠিক নয়।
C) ইন্দোনেশিয়া — ইন্দোনেশিয়ার মুদ্রার নাম রুপিয়া, তাই এটি রিংগিত নয়।
D) সিরিয়া — সিরিয়ার মুদ্রার নাম সিরিয়ান পাউন্ড, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
মালয়েশিয়ার মানুষ রিং পরে ঘুরতে পছন্দ করে, এভাবে মনে রাখতে পারেন মালয়েশিয়ার মুদ্রা রিংগিত।
সঠিক উত্তর: A) ২৭টি
কেন সঠিক:
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ বর্তমানে ২৭টি স্বাধীন ইউরোপীয় দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিটের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জোট ত্যাগ করার পর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ২৭টিতে দাঁড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৭টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ব্রেক্সিটের পর বর্তমানে এই জোটের সদস্য সংখ্যা ঠিক ২৭টি।
B) ২৫টি — অতীতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা ২৫টি ছিল, যা বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিলছে না।
C) ১৩টি — এই সংখ্যাটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশের বাস্তব সংখ্যার সঙ্গে কোনোভাবেই মিল ندارد।
D) ২১টি — ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান বা অতীতের কোনো একসময়ের সদস্য সংখ্যা ২১টি ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন শব্দের অক্ষর সংখ্যা এবং বর্তমান সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে পারেন এভাবে যে ইইউ জোটে এখন ২৭টি দেশ রয়েছে।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সংবিধান সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞান
সঠিক উত্তর: D) গ্রেট ব্রিটেন
কেন সঠিক:
- গ্রেট ব্রিটেনের আইন অনুযায়ী রাজা বা রানীর কোনো আইনি দায়বদ্ধতা নেই এবং রাজাকে বিচারালয়ে অভিযুক্ত করা যায় না।
- ব্রিটিশ সংবিধানে রাজা অপরাধ করতে পারেন না বা আইনগতভাবে ভুল করতে পারেন না এই নীতি প্রচলিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — জাপানের সংবিধানে সম্রাট রাষ্ট্র ও জনগণের ঐক্যের প্রতীক হলেও এই নির্দিষ্ট আইনি নীতিটি প্রচলিত নেই।
B) নেপাল — নেপালে রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি ঘটেছে এবং এটি একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, তাই এই উক্তি প্রযোজ্য নয়।
C) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ডে রাজতন্ত্র বিদ্যমান এবং কড়া রাজ অবমাননা আইন থাকলেও এই নির্দিষ্ট প্রবাদ বা উক্তিটি তাদের সংবিধানে নেই।
D) গ্রেট ব্রিটেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ব্রিটিশ সাংবিধানিক আইনে এই বিশেষ নীতিটি স্বীকৃত।
মনে রাখার টিপস:
ব্রিটেনের রাজতন্ত্র এবং আইনগত বিশেষাধিকার মনে রাখতে রাজা মারে না বা রাজা ভুল করতে পারেন না নীতিটি গ্রেট ব্রিটেনের সঙ্গে মেলাতে হবে।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: D) ইসরাইল
কেন সঠিক:
- মোশে দায়ান ইসরাইলের একজন বিখ্যাত সামরিক জেনারেল ও রাজনৈতিক নেতা ছিলেন।
- তিনি ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করলেও দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। প্রদত্ত উত্তরটি ঐতিহাসিক তথ্যের দিক থেকে ভুল বা অসম্পূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীলংকা — মোশে দায়ান শ্রীলংকার রাজনৈতিক ইতিহাস বা সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না।
B) উত্তর কোরিয়া — মোশে দায়ান উত্তর কোরিয়ার কোনো সরকারি পদে দায়িত্ব পালন করেননি।
C) চীন — মোশে দায়ানের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের কোনো সম্পর্ক ছিল না।
D) ইসরাইল — তিনি ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন, যদিও তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
মোশে দায়ান নামটি শুনলেই মনে রাখবে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইসরাইলের সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, প্রধানমন্ত্রী নন।
সঠিক উত্তর: B) সোমবার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠক সাধারণত প্রতি সপ্তাহের সোমবার অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রধানমন্ত্রী এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবিবার — এটি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস হলেও মন্ত্রিপরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকের জন্য নির্ধারিত দিন নয়।
B) সোমবার — এই দিনটি মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকের জন্য নির্ধারিত।
C) মঙ্গলবার — এই দিনে সাধারণত মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠক বসে না।
D) বুধবার — এই দিনটিও মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকের জন্য নির্ধারিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সপ্তাহের কাজের শুরুতেই অর্থাৎ সোমবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক বসে।
সঠিক উত্তর: C) যশোর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত হয়ে যশোর জেলা বাংলাদেশের প্রথম শত্রুমুক্ত জেলার মর্যাদা লাভ করে।
- এই দিন মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর যৌথ আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি সেনারা যশোর সেনানিবাস ছেড়ে পালিয়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুমিল্লা — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় কোনো নির্দিষ্ট দিক থেকে প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা ছিল না।
B) পঞ্চগড় — এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা এবং পরবর্তীতে মুক্ত হয়, প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা নয়।
C) যশোর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা ঘোষিত হয়।
D) টাঙ্গাইল — এটি ১১ই ডিসেম্বর ১৯৭১ শত্রুমুক্ত হয়, যা যশোরের অনেক পরে।
মনে রাখার টিপস:
যশোর জয়ের যশ সবার আগে, তাই এটি প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা।
সঠিক উত্তর: B) ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ গাজীপুরের জয়দেবপুরে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের দ্বিতীয় ব্যাটালিয়নের বাঙালি সেনারা প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে এটিই ছিল প্রাতিষ্ঠানিক বাহিনীর প্রথম সংগঠিত সামরিক প্রতিরোধ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুলিশ — পুলিশ বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে রাজারবাগে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, যা সামগ্রিক প্রতিরোধ হলেও প্রশ্নের নির্দিষ্ট ঘটনার জন্য সঠিক নয়।
B) ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) ই. পি. আর — ই. পি. আর বা ইপিআর জোয়ানরা পরবর্তীতে প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ নিলেও প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধের কৃতিত্ব ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের।
D) আনসার ভিডিপি — আনসার ও ভিডিপি বাহিনী এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধের প্রাথমিক ইতিহাসের প্রধান নিয়ামক ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে সামরিক বাহিনী, আর এর অগ্রভাগে ছিল ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট।
সঠিক উত্তর: B) বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
কেন সঠিক:
- ‘আলোকিত মানুষ চাই’ স্লোগানটি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ প্রতিষ্ঠিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- মানুষের মাঝে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ তৈরি করাই এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিকেএসপি — এটি বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যার কাজ দেশের উদীয়মান ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা দেওয়া।
B) বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র — এটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান, যার কাজ গ্রন্থ প্রকাশনা ও পঠন সংস্কৃতি উন্নয়ন।
D) জাতীয় পাবলিক লাইব্রেরি — এটি একটি সরকারি গণগ্রন্থাগার, যার মূল কাজ পাঠকদের বই পড়ার সুযোগ ও সেবা দেওয়া।
মনে রাখার টিপস:
বই পড়লে মন আলোকিত হয়, তাই ‘আলোকিত মানুষ চাই’ স্লোগানটি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৫ সাল
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা এই আত্মজীবনীতে ১৯৩৮ সাল থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনা উঠে এসেছে।
- গ্রন্থটির শেষাংশে ১৯৫৫ সালের ঘটনাবলির উল্লেখ রয়েছে, যার কারণে এর সময়কাল ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৫ সাল — এই সাল পর্যন্তই গ্রন্থটির মূল ঘটনাবলি ও স্মৃতিচারণ সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
B) ১৯৩২ সাল — এই সালটি গ্রন্থের ঘটনার শেষ সময়সীমা নির্দেশ করে না, তাই এটি সঠিক নয়।
C) ১৯৬৬ সাল — এই সাল পর্যন্ত গ্রন্থটির সময়কাল নয়, কারণ এর আগেই লেখার কাজ শেষ বা সমাপ্ত হয়েছে।
D) ১৯৬৯ সাল — এই সালের কোনো রাজনৈতিক বা স্মৃতিকথার বিবরণ এই আত্মজীবনীর মূল অংশে অন্তর্ভুক্ত নেই।
মনে রাখার টিপস:
অসমাপ্ত আত্মজীবনীর শেষ সাল মনে রাখতে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন ও ১৯৫৫ সালের ঘটনাপ্রবাহের কথা স্মরণ করতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) সুভাসচন্দ্র বসু
কেন সঠিক:
- সুভাসচন্দ্র বসু ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন ও নেতৃত্ব দিয়ে অনন্য ভূমিকা রাখেন।
- তাঁর দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারতবাসী এবং তাঁর অনুসারীরা তাঁকে পরম শ্রদ্ধায় নেতাজী উপাধিতে ভূষিত করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিত্ররঞ্জন দাস — তিনি স্বরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট আইনজীবী হলেও তাঁকে দেশবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হতো।
B) এ, কে ফজলুল হক — তিনি শেরে বাংলা নামে পরিচিত একজন প্রখ্যাত বাঙালি রাজনীতিবিদ ও অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
সি) মণি সিংহ — তিনি বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এবং টংক আন্দোলনের ঐতিহাসিক মহানায়ক ছিলেন।
D) সুভাসচন্দ্র বসু — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তাঁকে নেতাজী বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
নেতাজী শব্দটি শুনলেই মনে রাখবে আজাদ হিন্দ ফৌজের মহানায়ক সুভাসচন্দ্র বসুর কথা।
সঠিক উত্তর: A) ২৫০০ বছর
কেন সঠিক:
- প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও কার্বন ডেটিং পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় ওয়ারী-বটেশ্বর প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন।
- এটি নরসিংদী জেলার বেলাবো ও মনোহরদী উপজেলায় অবস্থিত প্রাচীন বাংলার একটি সমৃদ্ধ মৌর্য আমলপূর্ব বা সমসাময়িক নগরকেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫০০ বছর — এটি প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় প্রমাণিত প্রাচীনতম সময়কাল, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) ১০০০ বছর — এই সময়কালটি ওয়ারী-বটেশ্বরের প্রাচীনত্বকে অনেক কমিয়ে দেখায় এবং এটি সঠিক নয়।
C) ৩০০০ বছর — এটি ওয়ারী-বটেশ্বরের প্রাক-পাথর যুগীয় বা আদি সংস্কৃতির সময় নির্দেশ করে, যা মূল নগর সভ্যতার বয়স নয়।
D) ১৫০০ বছর — এই সময়কালটি এই প্রাচীন সভ্যতার সঠিক সময়সীমার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ওয়ারী-বটেশ্বরের বয়স আড়াই হাজার বছর বা আড়াই হাজার সংখ্যাটি মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে বলা যায়।
সঠিক উত্তর: C) সিরিয়া
কেন সঠিক:
- ২০১১ সাল থেকে শুরু হওয়া সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে ইউরোপের দেশগুলোতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।
- এই ব্যাপক শরণার্থী ও অভিবাসী সংকট পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনীতি ও নিরাপত্তায় মারাত্মক প্রভাব ফেলেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরাক — ইরাকে যুদ্ধ ও সংঘাত হলেও ইউরোপজুড়ে বর্তমান অভিবাসী সংকটের প্রধান উৎস সিরিয়া ছিল না।
B) ইরান — ইরানে বড় ধরনের কোনো গৃহযুদ্ধ হয়নি যার কারণে ইউরোপে নজিরবিহীন অধিবাসী সংকট তৈরি হতে পারে।
C) সিরিয়া — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি এই ক্ষেত্রে ভুল নয়।
D) তুরস্ক — তুরস্কে গৃহযুদ্ধ হয়নি, বরং দেশটি সিরীয় শরণার্থীদের অন্যতম প্রধান আশ্রয়শিবির হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপে শরণার্থী সংকট বললেই ২০১১ সালের সিরিয়ার গৃহযুদ্ধকে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) ২১৫ একর
কেন সঠিক:
- জাতীয় সংসদ ভবন মূল কমপ্লেক্স এবং চন্দ্রিমা উদ্যানসহ এর আশপাশের সব এলাকা মিলিয়ে মোট জমির পরিমাণ ২১৫ একর।
- প্রখ্যাত স্থপতি লুই কান এই ভবনের নকশা তৈরি করেন এবং এটি শেরেবাংলা নগর, ঢাকায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০ একর — এই পরিমাপটি সঠিক নয়, কারণ জাতীয় সংসদ ভবনের নির্ধারিত মোট ভূমির পরিমাণ ১৮০ একর থেকে বেশি।
B) ২১৫ একর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের মোট আয়তন ২১৫ একর হিসেবে নির্ধারিত ও স্বীকৃত।
C) ২০১ একর — এই সংখ্যাটি সংসদ ভবনের মোট আয়তনের সঙ্গে মিলে না এবং এটি ভুল তথ্য।
D) ২১৯ একর — এটি ভুল পরিমাপ, কারণ সংসদ ভবনের প্রকৃত জমির পরিমাণ ২১৯ একর নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় সংসদ ভবনের জমির পরিমাণ মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন দুইশ পনেরো একর।
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে পুঞ্জীভূত বা সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।
- জ্বালানি খাত, বিশেষ করে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং সেবা খাতে মার্কিন বিনিয়োগের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি বর্তমানে বাংলাদেশে সরাসরি সর্বোচ্চ বিনিয়োগকারী দেশ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) জাপান — জাপান বাংলাদেশের অন্যতম বড় উন্নয়ন সহযোগী ও শীর্ষ বিনিয়োগকারী দেশগুলোর একটি হলেও বর্তমানে সরাসরি বিনিয়োগে শীর্ষ অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে।
C) চীন — চীন থেকে বাংলাদেশে অবকাঠামো ও উৎপাদন খাতে বিশাল বিনিয়োগ আসলেও পুঞ্জীভূত সরাসরি বিনিয়োগের দিক থেকে এটি যুক্তরাষ্ট্রের পরেই অবস্থান করে।
D) কানাডা — কানাডা থেকে কিছু খাতে বিনিয়োগ থাকলেও তা বাংলাদেশের শীর্ষ বিনিয়োগকারী দেশগুলোর তালিকার শীর্ষে নেই।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্র মানে শীর্ষ বিনিয়োগ, কারণ জ্বালানি ও সেবা খাতে তাদের অবদান সবচেয়ে বেশি।
সঠিক উত্তর: A) ২৫ মার্চ, ২০১০
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩ এর অধীনে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে এই বিচারিক প্যানেল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ মার্চ, ২০১০ — এই তারিখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়েছিল তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) ১০ জুন, ২০১০ — এটি ট্রাইব্যুনাল গঠনের সঠিক তারিখ নয়, এটি অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) ১৫ জুলাই, ২০১০ — এই তারিখে ট্রাইব্যুনাল গঠনের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
D) ১ জানুয়ারি, ২০১১ — এটি ট্রাইব্যুনাল গঠনের সাল বা তারিখের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করতে ২০১০ সালের ২৫ মার্চ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়, যা মনে রাখতে ২৫ মার্চ কালরাত্রির তারিখের সঙ্গে মেলাতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) ২০০০
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) দশম পূর্ণ সদস্য বা টেস্ট মর্যাদা লাভ করে।
- ভারতের বিপক্ষে ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ঢাকায় বাংলাদেশ তাদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮৮ — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসির সহযোগী সদস্য পদ লাভ করেছিল, টেস্ট মর্যাদা নয়।
B) ২০০০ — এটি সঠিক উত্তর, এই সালে বাংলাদেশ টেস্ট খেলার ঐতিহাসিক যোগ্যতা অর্জন করে।
C) ২০০৩ — এই সালটি বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সঙ্গে টেস্ট মর্যাদার দিক থেকে সম্পর্কিত নয়।
D) ২০০৪ — এই সালটি টেস্ট মর্যাদা লাভের ক্ষেত্রে কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
নতুন শতাব্দীর শুরুতেই অর্থাৎ ২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস বা মর্যাদা পায়।
সঠিক উত্তর: C) জন এডামস
কেন সঠিক:
- জন এডামস ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট এবং তিনি ও তাঁর স্ত্রী অ্যাবিগেল এডামস ১৮০০ সালে প্রথম হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করেন ও বসবাস শুরু করেন।
- হোয়াইট হাউসের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর তিনিই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে এই ঐতিহাসিক ভবনে ওঠেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থমাস জেফারসন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় প্রেসিডেন্ট এবং হোয়াইট হাউসে বসবাসকারী দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
B) জর্জ ওয়াশিংটন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট হলেও হোয়াইট হাউসের নির্মাণ কাজ তাঁর মেয়াদকালে শেষ না হওয়ায় তিনি সেখানে বসবাস করতে পারেননি।
D) জন মনরো — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট এবং হোয়াইট হাউসে তাঁর অনেক পরে বসবাস শুরু করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
হোয়াইট হাউসে প্রথম পা রেখেছিলেন আমেরিকার দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট জন এডামস।
সঠিক উত্তর: A) হোমার
কেন সঠিক:
- হোমার প্রাচীন গ্রিসের বিখ্যাত অন্ধ মহাকবি ছিলেন যিনি বিশ্বখ্যাত ইলিয়াড ও ওডিসির মতো মহাকাব্য রচনা করেছেন।
- গ্রিক ঐতিহ্য অনুযায়ী তিনি অন্ধ ছিলেন এবং তার রচিত মহাকাব্য দুটি পশ্চিমা সাহিত্যের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হোমার — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রাচীন গ্রিসের অন্ধ মহাকবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
B) দান্তে — ইনি ইতালীয় কবি ও রেনেসাঁর অগ্রদূত, গ্রিক মহাকবি নন।
C) সফোগক্লিস — ইনি প্রাচীন গ্রিসের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাট্যকার ছিলেন, মহাকবি বা অন্ধ কবি নন।
D) দ্যাভিঞ্চি — ইনি ইতালীয় রেনেসাঁর বহুমুখী প্রতিভাধর শিল্পী ও বিজ্ঞানী, প্রাচীন গ্রিসের কেউ নন।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিসের অন্ধ কবি মানেই হোমার এবং তার মহাকাব্য হলো ইলিয়াড ও ওডিসি।
সঠিক উত্তর: A) দো-আঁশ
কেন সঠিক:
- এই মাটিতে বালি ও পলিমাটির সুষম অনুপাত থাকে, যা উদ্ভিদের জন্য আদর্শ পুষ্টি উপাদান ধরে রাখতে সাহায্য করে।
- দো-আঁশ মাটির পানি ধারণক্ষমতা এবং নিষ্কাশন ক্ষমতা উভয়ই ভারসাম্যপূর্ণ হওয়ায় শিকড় সহজে বাতাস ও খাবার পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দো-আঁশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এতে বালি, পলি ও কাদার অনুপাত ফসল চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
B) পলিমাটি — নদীর অববাহিকায় পলিমাটি উর্বর হলেও এতে প্রায়ই পানি জমে থাকে, যা সব ধরনের কৃষি কাজের জন্য দো-আঁশের মতো সার্বিকভাবে উপযোগী নয়।
C) এটেল মাটি — এই মাটিতে কণার আকার খুব ক্ষুদ্র হওয়ায় পানি আটকে থাকে এবং সহজে কর্দমাক্ত হয়, যা চাষাবাদের জন্য কঠিন।
D) বেলে মাটি — এর কণাগুলো বড় এবং ফাঁপা হওয়ায় পানি ও সার বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারে না, ফলে ফসল পুষ্টি পায় না।
মনে রাখার টিপস:
সব ফসলের আবাদের রাজা, দো-আঁশ মাটি তার কাজের খাঁজা।
সঠিক উত্তর: B) ১৮ এপ্রিল ১৯৭২
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথ অব নেশনস এর ৩২তম সদস্যপদ লাভ করে।
- লন্ডনে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনে এই সদস্যপদ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1971 — এই বছরে বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও কমনওয়েলথ বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেনি।
B) 1972 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বছরের ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
C) 1973 — এই সালের সঙ্গে বাংলাদেশের কমনওয়েলথ সদস্যপদ লাভের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) 1975 — এই বছরে বাংলাদেশ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখলেও এটি সদস্যপদ লাভের সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
সঠিক উত্তর: C) উ থান্ট
কেন সঠিক:
- উ থান্ট ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- তিনি মিয়ানমারের নাগরিক ছিলেন এবং তিনি প্রথম এশিয়ান যিনি এই পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুটওয়াল্র্ডহেইম — তিনি জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব ছিলেন এবং তিনি ১৯৭২ সাল থেকে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
B) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড — তিনি জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব ছিলেন এবং ১৯৬১ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন।
D) ট্রাইগভেলাই — তিনি জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন এবং ১৯৫২ সালে পদত্যাগ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালে জাতিসংঘের প্রধান ছিলেন এশিয়ার উ থান্ট।
সঠিক উত্তর: C) পূর্বাশা দ্বীপ
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি বঙ্গোপসাগরে হারিয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি ছোট এবং বর্তমানে নিমজ্জিত দ্বীপ।
- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সীমানা নির্ধারণের সময় ভৌগোলিক ও কৌশলগত কারণে এই দ্বীপটির নাম পূর্বাশা দ্বীপ রাখা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শাহপরীর দ্বীপ — এটি টেকনাফ উপজেলায় অবস্থিত একটি দ্বীপ এবং মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, যা দক্ষিণ তালপট্টি নয়।
B) জালিয়ার দ্বীপ — এটি কক্সবাজারের নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি পর্যটনকেন্দ্রিক দ্বীপ, যা দক্ষিণ তালপট্টি নয়।
C) পূর্বাশা দ্বীপ — এটি সঠিক উত্তর।
D) সন্দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার কাছে বঙ্গোপসাগরের একটি প্রাচীন ও জনবহুল দ্বীপ, যা দক্ষিণ তালপট্টি নয়।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ দিক থেকে পূর্বের আশা করলেই মনে রাখা যায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপর নাম পূর্বাশা দ্বীপ।
সঠিক উত্তর: A) ২৭ অনুচ্ছেদ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা বলা হয়েছে, যার অর্থ সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান এবং সমান সুরক্ষার অধিকারী।
- এই অনুচ্ছেদটি সংবিধানের তৃতীয় ভাগে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম মূল ভিত্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৭ অনুচ্ছেদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং সমাশ্রয়ের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
B) ২৮ অনুচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ এই অনুচ্ছেদে ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ বা জন্মস্থানের কারণে বৈষম্যের নিষিদ্ধকরণের কথা বলা হয়েছে।
C) ২৯ অনুচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ এই অনুচ্ছেদে সরকারি চাকরিতে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে।
D) ৪৭ অনুচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ এই অনুচ্ছেদে নির্দিষ্ট কিছু আইন প্রণয়নের হেফাজত সম্পর্কে বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
স দিয়ে সমান এবং স দিয়ে সাত, অর্থাৎ ২৭ অনুচ্ছেদ মানেই সকলের সমান অধিকার।
সঠিক উত্তর: B) কঠিন
১. কেন সঠিক:
তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তিনটি পদ্ধতিতে স্থানান্তরিত হয়, যার মধ্যে পরিবহন হলো কঠিন মাধ্যমে তাপ সঞ্চালনের প্রধান পদ্ধতি।
কঠিন পদার্থের অণুগুলো খুব কাছাকাছি থাকে এবং তাদের আন্তঃআণবিক শক্তি অনেক বেশি হওয়ায় তাপ দ্রুত এক অণু থেকে অন্য অণুতে ছড়ায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপের পরিবহন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে পদার্থের অণুগুলোর নিজ স্থান পরিবর্তন না করে কেবল কম্পনের মাধ্যমে উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে তাপ সঞ্চালিত হয়।
কার্যপ্রণালি: কঠিন পদার্থের একটি প্রান্তে তাপ প্রয়োগ করলে ওই প্রান্তের অণুগুলো তাপশক্তি শোষণ করে দ্রুত কাঁপতে থাকে এবং পাশের অণুগুলোকে ধাক্কা দিয়ে তাপ পৌঁছে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোহার চামচের এক প্রান্ত আগুনে ধরলে অন্য প্রান্ত দ্রুত গরম হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: এটি কঠিন মাধ্যমে তাপের দ্রুত পরিবহনের কারণে ঘটে থাকে।
উদাহরণ ২: শীতের দিনে ঘরের মেঝে কাঠের হলে কম ঠান্ডা লাগে কিন্তু পাথরের হলে বেশি ঠান্ডা লাগে।
ব্যাখ্যা: পাথর বা টাইলস তাপের সুপরিবাহী হওয়ায় শরীর থেকে দ্রুত তাপ টেনে নেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়বীয় — বায়বীয় মাধ্যমে অণুগুলো দূরে দূরে থাকে, তাই পরিবহন প্রক্রিয়ায় তাপ সঞ্চালনের হার সবচেয়ে কম হয়।
B) কঠিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ কঠিন মাধ্যমে অণুর ঘনত্ব বেশি থাকায় তাপ পরিবহনের হার সবচেয়ে বেশি হয়।
C) তরল — তরল মাধ্যমে অণুগুলোর দূরত্ব একটু বেশি থাকায় পরিবহন অপেক্ষা পরিচলন পদ্ধতিতে তাপ বেশি সঞ্চালিত হয়।
D) কোনোটিই না — যেহেতু কঠিন মাধ্যমটি সঠিক, তাই এই অপশনটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
কঠিন মানে কড়া যোগাযোগ, তাই কঠিন মাধ্যমে অণুগুলো খুব কাছাকাছি থাকে এবং তাপ পরিবহনও সবচেয়ে দ্রুত হয়।
পদার্থের অবস্থা ভেদে তাপ সঞ্চালনের গতির ক্রমটি হলো কঠিনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি, তরলের ক্ষেত্রে মাঝারি এবং বায়বীয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তাপ সঞ্চালনের তিনটি পদ্ধতির মধ্যে কঠিন মাধ্যমে শুধু পরিবহন, তরল ও বায়বীয় মাধ্যমে পরিবহন ও পরিচলন এবং শূন্য মাধ্যমে শুধু বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়।
পরীক্ষায় প্রায়ই কোন মাধ্যমে তাপের পরিবহন বেশি বা কম তা নিয়ে প্রশ্ন আসে, তাই অণুর কাছাকাছি থাকার বিষয়টি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) আইনস্টাইন
১. কেন সঠিক:
বিখ্যাত পদার্থবিদ অ্যালবার্ট আইনস্টাইন ১৯০৫ সালে তাঁর আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বে ভর ও শক্তির মধ্যকার এই সমতা প্রকাশ করেন।
এই সূত্রটি প্রমাণ করে যে ভর এবং শক্তি মূলত একই জিনিসের দুটি ভিন্ন রূপ এবং একটিকে অপরটিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ভর ও শক্তির সমতুল্যতা।
সূত্র/তত্ত্ব: E = mc২
এখানে E হলো শক্তি, m হলো ভর এবং c হলো শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ যার মান প্রায় প্রতি সেকেন্ডে তিন লক্ষ কিলোমিটার।
বাস্তব প্রয়োগ: সূর্যের অভ্যন্তরে নিউক্লীয় সংযোজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে ভর শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং আলো ও তাপ উৎপন্ন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ।
ব্যাখ্যা: পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের সময় অতি সামান্য পরিমাণ ভর সম্পূর্ণভাবে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে প্রচণ্ড ধ্বংসাত্মক শক্তি ও তাপ উৎপন্ন করে।
উদাহরণ ২: সূর্যের শক্তি উৎপাদন।
ব্যাখ্যা: সূর্য প্রতি সেকেন্ডে প্রচুর পরিমাণ ভর শক্তিতে রূপান্তর করে আমাদের পৃথিবীতে আলো ও তাপ শক্তি পাঠাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউটন — আইজাক নিউটন গতিসূত্র এবং মহাকর্ষ সূত্র আবিষ্কার করেন কিন্তু ভর ও শক্তির সমীকরণ দেননি।
B) আর্কিমিডিস — আর্কিমিডিস পদার্থবিজ্ঞানের প্লবতা বা ভাসন সূত্র আবিষ্কার করেন, যা তরল পদার্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) আইনস্টাইন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ইকুয়েশনটি প্রবর্তন করেছিলেন।
D) গ্যালিলিও — গ্যালিলিও দূরবীক্ষণ যন্ত্রের উন্নতি সাধন করেন এবং পরন্ত বস্তুর সূত্র আবিষ্কার করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
আইনস্টাইনের নামের প্রথম অক্ষর 'আ' এবং আপেক্ষিকতা ও শক্তির সমীকরণের সঙ্গে তাঁর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
ভর ও শক্তির এই বিশাল সম্পর্ক শুধু আইনস্টাইনের মেধার পক্ষেই আবিষ্কার করা সম্ভব হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই সমীকরণে আলোর বেগের মান ধ্রুবক হিসেবে কাজ করে এবং তা বর্গ আকারে থাকে।
বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে যে আপেক্ষিকতার তত্ত্বের প্রবক্তা কে অথবা এই সূত্রটি কার।
প্রশ্নের ধরন: বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্ব
সঠিক উত্তর: D) পিতল
১. কেন সঠিক:
- পিতল কোনো চৌম্বক পদার্থ নয়, এটি তামা ও দস্তার একটি সংকর ধাতু।
- চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করলেও পিতল চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: যে সকল পদার্থ চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলা হয়। অন্যদিকে যে সকল পদার্থ চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলা হয়।
- কার্যপ্রণালি: চৌম্বক পদার্থের পরমাণুগুলোর নিজস্ব চুম্বকত্ব থাকে যা বাহ্যিক চুম্বক দ্বারা প্রভাবিত হয়। পিতলে এমন কোনো চৌম্বক ধর্মী উপাদান থাকে না।
- বাস্তব প্রয়োগ: যেসব যন্ত্রপাতিতে চুম্বকের প্রভাব এড়িয়ে কাজ করতে হয় সেখানে পিতল ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তামা বা কপার দিয়ে তৈরি মুদ্রা।
ব্যাখ্যা: তামাও একটি অচৌম্বক পদার্থ যা চুম্বকের সংস্পর্শে আসলে আকর্ষণ অনুভব করে না।
উদাহরণ ২: কাঠের তৈরি চেয়ার।
ব্যাখ্যা: কাঠ একটি সম্পূর্ণ অচৌম্বক বস্তু হওয়ায় চুম্বক একে কখনোই আকর্ষণ করতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লৌহ — এটি একটি শক্তিশালী চৌম্বক পদার্থ এবং চুম্বক দ্বারা তীব্রভাবে আকৃষ্ট হয়।
B) ইস্পাত — এটি লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু এবং এটিও চৌম্বক পদার্থ হিসেবে চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয়।
C) নিকেল — এটি প্রাকৃতিক চৌম্বক ধাতু যা চুম্বক দ্বারা সহজেই আকৃষ্ট হয়।
D) পিতল — এটি সঠিক উত্তর কারণ পিতল তামা ও দস্তার মিশ্রণ হওয়ায় চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লোহা, ইস্পাত, নিকেল এবং কোবাল্ট হলো প্রধান চৌম্বক ধাতু।
- পিতল, তামা, সোনা এবং রূপা হলো অচৌম্বক ধাতু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সংকর ধাতু মানেই চৌম্বক হবে এমন কোনো কথা নেই, যেমন পিতল সংকর ধাতু হলেও অচৌম্বক।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন ধাতু ও সংকর ধাতুর চুম্বকীয় বৈশিষ্ট্য যাচাইয়ের জন্য আসে।
সঠিক উত্তর: B) ল্যাক্টিক
১. কেন সঠিক:
দুধে প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদ থাকলেও তা যখন টক হতে শুরু করে, তখন তার মূল কারণ হলো ল্যাক্টিক এসিডের উপস্থিতি।
দুধে থাকা ল্যাকটোজ শর্করা ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় ল্যাক্টিক এসিডে রূপান্তরিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ল্যাক্টিক এসিড একটি জৈব এসিড যার রাসায়নিক সংকেত হলো সি থ্রি এইচ সিক্স ও থ্রি।
কার্যপ্রণালি: ল্যাক্টোব্যাসিলাস নামক ব্যাকটেরিয়া দুধে থাকা ল্যাকটোজ শর্করাকে ভেঙে শক্তিতে পরিণত করে এবং উপজাত হিসেবে ল্যাক্টিক এসিড তৈরি করে।
কারণ ও ফলাফল: এসিড তৈরি হওয়ার কারণে দুধের পিএইচ মান কমে যায় এবং প্রোটিনগুলো জমাট বেঁধে দুধ টক ও দইয়ে পরিণত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তরল দুধ সাধারণ তাপমাত্রায় দীর্ঘক্ষণ ফেলে রাখলে তা কেটে ছানা হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা: ব্যাকটেরিয়ার ক্রিয়ায় ল্যাকটোজ ভেঙে ল্যাক্টিক এসিড উৎপন্ন হওয়ার কারণে এই পরিবর্তন ঘটে।
উদাহরণ ২: মিষ্টি দুধ দিয়ে দই তৈরি করা।
ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া বা বীজ ব্যবহার করে দুধের ল্যাকটোজকে ল্যাক্টিক এসিডে রূপান্তরিত করে দই প্রস্তুত করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফলিক — এটি একটি ভিটামিন যা ফলিক এসিড বা ভিটামিন বি নাইন নামে পরিচিত এবং এটি সবুজ শাকসবজিতে থাকে।
B) ল্যাক্টিক — এটি দুধে উপস্থিত প্রধান জৈব এসিড যা দুধের টক ভাব এবং দই তৈরির জন্য দায়ী।
C) সালফোলিক — এটি কোনো সাধারণ খাদ্যোপযোগী বা প্রাকৃতিকভাবে দুধে প্রাপ্ত এসিড নয়।
ডি) হাইড্রোক্লোরিক — এটি একটি শক্তিশালী অজৈব এসিড যা মানবদেহের পাকস্থলীতে খাদ্য পরিপাকের জন্য উৎপাদিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
দুধ ইংরেজি শব্দ মিল্ক আর এর সাথে মিল রেখেই মনে রাখতে হবে ল্যাকটিক এসিড।
ল্যাক্টো শব্দের অর্থ দুধ, তাই দুধ সম্পর্কিত যেকোনো শব্দ ল্যাকটোজ বা ল্যাকটিক দিয়ে শুরু হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
দুধ টক হওয়ার জন্য ল্যাক্টোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া দায়ী যা বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে মানবদেহে পেশী ক্লান্তির জন্য কোন এসিড দায়ী, যার উত্তরও ল্যাকটিক এসিড।
সঠিক উত্তর: B) কালো
১. কেন সঠিক:
কালো রং যেকোনো বস্তুর ওপর আপতিত সমস্ত আলোকশক্তি ও তাপশক্তি শুষে নেয় এবং বিকিরণও দ্রুত করে।
তাই কালো রঙের কাপে রাখা চা চারপাশের পরিবেশে খুব দ্রুত তাপ বিকিরণ করে এবং তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: তাপ বিকিরণ এবং শোষণ ক্ষমতা বস্তুর রঙের ওপর নির্ভর করে।
কার্যপ্রণালি: কৃষ্ণবস্তু বা কালো বস্তু ভালো শোষণকারী এবং ভালো বিকিরণকারী হওয়ায় ভেতরকার তাপ দ্রুত বাইরে ছড়িয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গরমের দিনে কালো কাপড় পরলে বেশি গরম লাগে কারণ তা সূর্যের তাপ দ্রুত শোষণ করে।
ব্যাখ্যা: কালো রঙের তাপ শোষণের ক্ষমতা বেশি থাকায় এটি দ্রুত উত্তপ্ত হয়।
উদাহরণ ২: শীতপ্রধান দেশে গাড়ির রঙ সাদা রাখা হয় যাতে ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
ব্যাখ্যা: সাদা রং তাপ শোষণ না করে প্রতিফলিত করে, ফলে ভেতরের পরিবেশ ঠান্ডা থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাদা — সাদা রং তাপ শোষণ কম করে এবং তাপ প্রতিফলিত করে, তাই সাদা কাপে চা দেরিতে ঠাণ্ডা হয়।
B) কালো — এটি সঠিক কারণ কালো রং দ্রুত তাপ বিকিরণ করে চা তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা করতে সাহায্য করে।
C) লাল — লাল রঙের কাপ নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো শোষণ করে, কিন্তু কালো রঙের মতো দ্রুত তাপ বিকিরণ করতে পারে না।
D) নীল — নীল রঙের বস্তু তাপ বিকিরণে মধ্যম প্রকৃতির, তাই এটি কালো রঙের মতো দ্রুত চা ঠাণ্ডা করতে পারে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
যে রং তাপ ভালো শোষণ করে, সে রং তাপ ভালো বিকিরণও করে।
তাই কালো কাপ চা দ্রুত ঠান্ডা করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তাপ বিকিরণের ক্ষেত্রে কৃষ্ণবস্তুর শোষণ ক্ষমতা ও বিকিরণ ক্ষমতা সমান এবং সর্বাধিক।
এই একই ধারণার ওপর ভিত্তি করে শীতকালে সাদা বা হালকা রঙের পোশাক এবং গরমেও হালকা রঙের পোশাক পরার সুপারিশ করা হয়।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)