সঠিক উত্তর: B) ঈপ্সা
১. কেন সঠিক:
পাওয়ার বা লাভের ইচ্ছাকে এককথায় ঈপ্সা বলা হয়। এটি একটি অতি পরিচিত বাক্য সংকোচন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন বলতে বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করাকে বোঝায়। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জয় করার ইচ্ছা = জিগীষা
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু জয় করার তীব্র বাসনাকে এককথায় জিগীষা বলা হয়।
উদাহরণ ২: খাওয়ার ইচ্ছা = বুভুক্ষা
ব্যাখ্যা: খাদ্যের বা আহারের প্রতি তীব্র ক্ষুধাকে এককথায় বুভুক্ষা বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিগীষা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ জয় করার ইচ্ছা, পাওয়ার ইচ্ছা নয়।
B) ঈপ্সা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ পাওয়ার বা লাভের ইচ্ছা।
C) বুভুক্ষা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ খাওয়ার বা আহারের ইচ্ছা, পাওয়ার ইচ্ছা নয়।
D) লিপ্সা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ভোগের ইচ্ছা বা লোভ, সাধারণ পাওয়ার ইচ্ছা এর সঠিক প্রতিশব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঈপ্সা শব্দটিতে পাওয়া বা লাভের ভাব প্রকাশ পায়। ই দিয়ে ঈপ্সা এবং ই দিয়ে ইচ্ছা মনে রাখলে সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে ইচ্ছা সম্পর্কিত বাক্য সংকোচনগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) আত্মীয়
১. কেন সঠিক:
- ‘কুটুম্ব’ শব্দের মূল অর্থ হলো কুটুম বা আত্মীয়, যার সঙ্গে রক্তের বা বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে।
- প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে অতিথি বা দূর সম্পর্কের আত্মীয় বোঝাতেও এই শব্দের ঐতিহ্যগত ব্যবহার দেখা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত তৎসম বা অর্ধ-তৎসসম শব্দ যা মূলত সম্পর্কের পরিধি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের শব্দের উৎস ও অর্থের রূপান্তর অধ্যায়ের আওতায় এই ধরনের শব্দগুলো পরীক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুখে-দুঃখে কুটুম্বরাই সবার আগে পাশে এসে দাঁড়ায়।
ব্যাখ্যা: এখানে কুটুম্ব বলতে রক্তের সম্পর্কযুক্ত আত্মীয় বা স্বজনদের বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: বিয়ের অনুষ্ঠানে দূরদূরান্ত থেকে অনেক কুটুম্ব বাড়িতে এসেছেন।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কুটুম্ব শব্দটির মাধ্যমে আমন্ত্রিত অতিথি ও আত্মীয় উভয়কেই নির্দেশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কালো — কালো একটি রঙের নাম যা কোনো বর্ণ বা আভা প্রকাশ করে এবং এর সঙ্গে আত্মীয়তার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) প্রতিবিম্ব — প্রতিবিম্ব অর্থ কোনো বস্তুর ছায়া বা প্রতিফলন, যা শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) কলরব — কলরব শব্দের অর্থ হলো পাখির কূজন বা মানুষের একসঙ্গে করার কোলাহল বা শোরগোল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কুটুম্ব শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি কু বা পরিবারের সঙ্গে জড়িত, অর্থাৎ কু-টুম্ব বা কুটুম্ব মানেই হলো ঘরের মানুষ বা আত্মীয়।
- শব্দার্থ মনে রাখার জন্য প্রতিদিনের পরিচিত কথ্য ভাষার সঙ্গে এর মিল খুঁজে দেখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন ও প্রচলিত শব্দের সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
- এই ধরনের শব্দার্থ মুখস্থ না করে বাক্যে ব্যবহারের মাধ্যমে আয়ত্ত করলে দীর্ঘসময় মনে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) চিরন্তন
কেন সঠিক:
- 'সনাতন' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে যার আক্ষরিক অর্থ যা চিরকাল ধরে চলে আসছে।
- এর গভীর অর্থ হলো যা কখনো ধ্বংস হয় না বা যার আদি ও অন্ত নেই।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে এই শব্দটি বিশেষণের রূপ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
- প্রাচীন ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ক্ষেত্রে এই শব্দটি মূলত অবিনাশী বা শাশ্বত অর্থে প্রয়োগ করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায় সনাতন ধর্ম অর্থ এমন এক জীবনব্যবস্থা যার কোনো সূচনা বা শেষ নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) নতুন — এটি 'সনাতন' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ এর অর্থ আধুনিক বা সাম্প্রতিক।
- B) চিরন্তন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
- C) গ্রাম্য — এই শব্দটির অর্থ পল্লী অঞ্চল সংক্রান্ত যা সনাতন শব্দের অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়।
- D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
- সনাতন মানে সনাতন ধর্ম বা শাশ্বত সত্য অর্থাৎ যা চিরকাল ধরে একই রকম আছে।
সঠিক উত্তর: B) অরিন্দম
১. কেন সঠিক:
- 'অরিন্দম' শব্দের ব্যাসবাক্য বা অর্থ হলো শত্রুকে দমন করে যে। এখানে 'অরি' শব্দের অর্থ শত্রু এবং 'দমন্' বা 'দম্' ধাতু থেকে এই শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই শব্দটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি প্রায়ই বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো ব্যাকরণের এমন একটি অংশ যেখানে বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল করে তোলে।
- এই ধরনের শব্দ মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর গঠন প্রক্রিয়া ব্যুৎপত্তিগত অর্থের ওপর নির্ভর করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইন্দ্রকে জয় করেছে যে = ইন্দ্রজিৎ
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত এককথায় প্রকাশ যা পৌরাণিক চরিত্র মেঘনাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: যা নিবারণ করা যায় না = অনিবার্য
ব্যাখ্যা: এটি এমন একটি বাক্য সংকোচন যা কোনো অপ্রতিরোধ্য ঘটনা বোঝাতে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শত্রুঘ্ন — এর অর্থ শত্রুকে ধ্বংস করেছে যে, তবে নির্দিষ্ট এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শত্রুকে দমন করে যে অর্থে 'অরিন্দম' শব্দটি সবচেয়ে বেশি প্রমিত ও গ্রহণযোগ্য।
B) অরিন্দম — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা শত্রুকে দমন করে যে অর্থে ব্যবহৃত হয়।
C) অজাতশত্রু — এর অর্থ যার শত্রু জন্মায়নি, যা প্রশ্নদত্ত অর্থের সঙ্গে মিলছে না।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অরিন্দম শব্দের প্রথমে 'অরি' আছে যার অর্থ শত্রু, তাই এটি শত্রুর সঙ্গে সম্পর্কিত এককথায় প্রকাশ হিসেবে খুব সহজেই মনে রাখা যায়।
- পরীক্ষার হলে 'অরি' শব্দ দেখলেই শত্রু দমনকারী বা জয়কারী সম্পর্কিত অর্থটি মাথায় আনতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সামান্য শব্দগত পার্থক্যের কারণে উত্তর পরিবর্তিত হতে পারে, যেমন শত্রু নিধনকারী এবং শত্রু দমনকারী এক নয়।
- বিগত সালের বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্ন ব্যাংক ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের কমন এককথায় প্রকাশগুলো আয়ত্ত করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) শ্বশুর
১. কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী স্বামীর পিতাকে বোঝাতে তালব্য শ এবং ব-ফলা যুক্ত শ্বশুর বানানটি শুদ্ধ।
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বানান লেখার সময় মূল সংস্কৃতে যেভাবে ব্যবহৃত হয়, প্রমিত রূপেও তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় বহু তৎসম শব্দে ব-ফলার ব্যবহার রয়েছে যা উচ্চারণের সময় বজায় থাকে বা না থাকলেও বানানে তা লিখতে হয়।
- শ্বশুর শব্দের মূল সংস্কৃতে শ্বশুর রূপটিই ছিল, যা বাংলা ভাষায় অপরিবর্তিতভাবে তৎসম শব্দ হিসেবে প্রবেশ করেছে এবং বানানে তালব্য শ ও ব-ফলা ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শশ্রু
ব্যাখ্যা: এই তৎসম শব্দটিতেও তালব্য শ ও ব-ফলা ব্যবহৃত হয় যার অর্থ দাড়ি বা গোঁফ।
উদাহরণ ২: শ্বাপদ
ব্যাখ্যা: হিংস্র জন্তু বোঝাতে এই তৎসম শব্দটিতেও তালব্য শ এবং ব-ফলা ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্বশুর — এটি সঠিক বানান কারণ এখানে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী তালব্য শ এর সাথে ব-ফলা এবং মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়েছে।
B) শশুর — এই বানানটি ভুল কারণ এখানে প্রথম বর্ণে তালব্য শ এর নিচে ব-ফলা নেই এবং মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত্য স ব্যবহার করা হয়েছে।
C) সশুর — এই বানানটি ভুল কারণ এতে প্রথম বর্ণে তালব্য শ এর পরিবর্তে দন্ত্য স এবং ব-ফলার অনুপস্থিতি রয়েছে।
D) শসুর — এই বানানটি ভুল কারণ এতে ব-ফলা বাদ দেওয়া হয়েছে এবং মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত্য স লেখা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্বামীর পিতাকে মনে রাখার সময় মাথায় রাখবে যে বানানে সর্বদা তালব্য শ এর সাথে ব-ফলা এবং শেষে মূর্ধন্য ষ হবে।
- শ্বশুর বানানটিতে ব-ফলা ও মূর্ধন্য ষ এর সঠিক অবস্থান মনে রাখলে কখনো ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানব সম্পর্কবাচক কিছু জটিল বানান যেমন শ্বশুর, শাশুড়ি প্রায়ই পরীক্ষণে আসে।
- তৎসম শব্দের বানানগুলো মূল সংস্কৃত রূপের সাথে মিল রেখে প্রমিত বানানের নিয়ম মেনে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বিকিরণ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'বিকিরণ' শব্দটিতে 'কি' এবং 'ণ' ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে ই-কার এবং ণত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- এই শব্দটিতে সংস্কৃতির নিয়ম মেনে রসই-কার এবং মূর্ধন্য ণ প্রয়োগ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিরূপণ
ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ যেখানে একই নিয়মে রসই-কার এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বিবরণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও রসই-কার এবং মূর্ধন্য ণ এর সঠিক প্রয়োগ দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিকিরণ — এটি প্রমিত ও সঠিক বানান।
B) বিকীরণ — ভুল বানানের কারণ এখানে দীর্ঘী-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণসম্মত নয়।
C) বিকিরন — ভুল বানানের কারণ এখানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ হওয়ার কথা ছিল।
D) বীকীরণ — ভুল বানানের কারণ এখানে দীর্ঘী-কার এবং দীর্ঘী-কার উভয়ই ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বি উপসর্গের পর কৃ ধাতু এবং অন প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দে সাধারণত রসই-কার ও মূর্ধন্য ণ হয়।
- বানানটি মনে রাখার জন্য মূল ধাতুর গঠন মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান এবং ণত্ব বিধানের প্রয়োগ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের মূল গঠন এবং প্রত্যয়ের ব্যবহার জানলে এই ধরনের বানান সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) অন্তরীক্ষ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি আকাশ শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- অন্তরীক্ষ শব্দের অর্থ হলো পৃথিবী ও স্বর্গের মধ্যবর্তী স্থান বা শূন্যস্থান, যা আকাশের সমার্থক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যেগুলো দেখতে আলাদা হলেও অর্থের দিক থেকে একই বা প্রায় একই ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় শব্দের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সমার্থক শব্দের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে, যা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যোম
ব্যাখ্যা: ব্যোম শব্দটি আকাশের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: গগন
ব্যাখ্যা: গগন অর্থ আকাশ বা আসমান, যা একই অর্থে ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রভা — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রভা শব্দের অর্থ আলো বা দীপ্তি, যা আকাশের প্রতিশব্দ নয়।
B) জলদ — এই অপশনটি ভুল কারণ জলদ শব্দের অর্থ মেঘ, যা আকাশ থেকে আলাদা একটি পদার্থ।
C) অন্তরীক্ষ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি আকাশের সমার্থক শব্দ হিসেবে সরাসরি মিলে যায়।
D) সমীর — এই অপশনটি ভুল কারণ সমীর শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, যা আকাশের সমার্থক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আকাশ শব্দটির সমার্থক মনে রাখতে ব্যোম, গগন, আসমান, ও অন্তরীক্ষ এই শব্দগুলো একসাথে চর্চা করতে পারো।
- শূন্য বা ফাঁকা স্থান বোঝায় এমন শব্দগুলো প্রায়শই আকাশের সমার্থক হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিশব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি অর্থ বুঝে পড়া উচিত।
- প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কিত শব্দ যেমন আকাশ, বাতাস, জল ও পৃথিবী এগুলোর সমার্থক শব্দগুলো বারবার চর্চা করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) মুহূর্ত
১. কেন সঠিক:
- মুহূর্ত শব্দটিতে মূর্ধন্য-ষ এবং হ-এর যুক্তবর্ণের গঠন সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে হ-এর নিচে হ্রস্ব-উ কার এবং তার সাথে রেফ যুক্ত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের বানান বিধিমালার নিয়ম মেনে এই শব্দটি গঠিত হওয়ায় অপশন এ সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে উৎস শব্দ এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। তৎসম শব্দে উ এবং ঊ কার ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- হ এবং হ্রস্ব-উ কারের যুক্তরূপ সবসময় হ-এর নিচে বসে, যা এই শব্দে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গৃহী
ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত তৎসম শব্দ যেখানে ঋ-কার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সুধী
ব্যাখ্যা: শব্দের শেষে ই-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি এখানে প্রযোজ্য হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহূর্ত — এটি সঠিক বানান এবং প্রশ্নানুযায়ী কাঙ্ক্ষিত উত্তর।
B) মুহুর্ত — এখানে হ্রস্ব-উ কারের পরিবর্তে দীর্ঘ-উ কার ব্যবহারের ভুল রয়েছে।
C) মূহূর্ত — এখানে হ-এর সাথে ভুলভাবে দীর্ঘ-উ কার যুক্ত করা হয়েছে।
D) মূহুর্ত — এখানে হ্রস্ব-উ এবং দীর্ঘ-উ কারের ভুল প্রয়োগ একসঙ্গে ঘটেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুহূর্ত বানানে সবসময় হ্রস্ব-উ কার ব্যবহার করতে হয় এবং হ-এর নিচে উ কার বসে। মনে রাখার সহজ উপায় হলো মুহূর্ত শব্দটি ছোট, তাই এতে ছোট ই বা উ কার ব্যবহার করা নিরাপদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হ্রস্ব-উ এবং দীর্ঘ-উ কার সংক্রান্ত বানান ভুলের প্রশ্ন আসে। এই ধরনের শব্দগুলোর ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির বানান অভিধান অনুসরণ করা সবচেয়ে ভালো।
সঠিক উত্তর: A) চন্দ্র
১. কেন সঠিক:
- সুধাকর শব্দের মূল অর্থ হলো চন্দ্র বা চাঁদ।
- সুধা শব্দের অর্থ অমৃত এবং কর শব্দের অর্থ কিরণ, তাই যার কিরণ অমৃতের মতো শীতল ও মধুর তাকে সুধাকর বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বা সমার্থক শব্দের আওতাভুক্ত একটি প্রশ্ন।
- সংস্কৃতে সমাসবদ্ধ বা প্রত্যয়সিদ্ধ অনেক শব্দ বাংলায় সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে শব্দের অংশগুলোর অর্থ বিশ্লেষণ করলে মূল অর্থ স্পষ্ট হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শশধর
ব্যাখ্যা: শশধর শব্দের অর্থ চাঁদ, কারণ এর গায়ে খরগোশের আকৃতির দাগ কল্পনা করা হয়।
উদাহরণ ২: হিমাংশু
ব্যাখ্যা: হিমাংশু শব্দের অর্থ চাঁদ, যার রশ্মি বা অংশু হিম বা শীতল প্রকৃতির।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুধাকর শব্দের সরাসরি অর্থ চাঁদ।
B) সূর্য — সূর্যের সমার্থক শব্দ হলো রবি, ভাস্কর বা দিবাকর, সুধাকর নয়।
C) মধু — মধুর সমার্থক শব্দ হলো মধু বা পুষ্পরস, যা সুধাকরের সঙ্গে মেলে না।
D) মিষ্টি — মিষ্টি বা সুস্বাদু বোঝাতে মধুর বা মিষ্ট শব্দ ব্যবহৃত হয়, সুধাকর অর্থ মিষ্টি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কর শব্দের অর্থ হাত বা কিরণ এবং সুধা অর্থ অমৃত, তাই যার অমৃতময় কিরণ আছে তিনি হলেন চন্দ্র।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চন্দ্র ও সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষাকেন্দ্রে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই সুধাকর ও দিবাকরের মতো শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) পাখি
১. কেন সঠিক:
বিহঙ্গ একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যার অর্থ পক্ষী বা পাখি।
বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার অংশে এই ধরনের শব্দের সরাসরি অর্থ মুখস্থ রাখতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন।
সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো অপরিবর্তিত বা হুবহু বাংলা ভাষায় এসেছে সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খগ
ব্যাখ্যা: এটি বিহঙ্গ শব্দের একটি সমার্থক শব্দ যার অর্থ পাখি।
উদাহরণ ২: খেচর
ব্যাখ্যা: আকাশে চরে যে তাকে খেচর বলা হয় এবং এটিও পাখির সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পর্বত — এই অপশনটি ভুল কারণ পর্বত শব্দের অর্থ পাহাড় বা গিরি।
B) নদী — এই অপশনটি ভুল কারণ নদী শব্দের অর্থ তটিনী বা প্রবাহিণী।
C) পাখি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) সমুদ্র — এই অপশনটি ভুল কারণ সমুদ্র শব্দের অর্থ সাগর বা পারাবার।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিহঙ্গ শব্দটিতে বিহ অর্থ আকাশ এবং গ অর্থ গমনকারী, অর্থাৎ আকাশে গমন করে যে।
এইভাবে শব্দটির গঠন মনে রাখলে এর অর্থ সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
পাখির অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন পক্ষা, পতত্রী এবং পক্ষী ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) একই সময়ে
১. কেন সঠিক:
- যুগপৎ শব্দের অর্থ একই সাথে বা একই সময়ে ঘটে এমন ঘটনা।
- এটি একটি তৎসম শব্দ যা সাধারণত কোনো কাজ বা ঘটনা একসঙ্গে ঘটার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ ও শব্দভান্ডার সংক্রান্ত প্রশ্ন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশে বিজলি চমকালো এবং যুগপৎ গর্জন হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে বিজলি চমকানো ও গর্জন একই সময়ে ঘটার অর্থে শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দুটি ঘটনা যুগপৎ ঘটায় সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল।
ব্যাখ্যা: একই সময়ে একাধিক ঘটনা ঘটার ভাব প্রকাশ করতে এই উদাহরণটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্ত পথ — এটি শব্দের ধ্বনিগত মিল বা অপভ্রংশ থেকে তৈরি একটি ভুল অর্থ, যা মূল শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) একই সময়ে — এটি সঠিক উত্তর এবং শব্দের অর্থর সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) এক যুগের পর — যুগ শব্দের সঙ্গে যুগপৎ শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে موجود রয়েছে, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যুগপৎ শব্দের শেষে থাকা পৎ অংশটি গতি বা যুগপৎ ভাব প্রকাশ করে।
- পরীক্ষার হলে একই সঙ্গে দুটি কাজ বোঝাতে এই শব্দটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কঠিন শব্দের সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
- প্রমিত বাংলা শব্দার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) সাহেবান
১. কেন সঠিক:
- ফার্সি ভাষা থেকে আগত বিশেষ বিশেষ প্রাণবাচক শব্দের সঙ্গে বহুবচন বোঝাতে ফার্সি বহুবচন বোধক অনুসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়।
- সাহেবান শব্দটিতে সাহেব শব্দের সঙ্গে ফার্সি বহুবচন বোধক 'বান' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বহুবচন গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ করে বিদেশি বিশেষ্য পদের ক্ষেত্রে ফার্সি নিয়ম অনুযায়ী বহুবচন সাধিত হয়।
- বাংলা ভাষায় বচন ভেদে বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের সংখ্যা বোঝানো হয় এবং প্রাণবাচক শব্দের বহুবচনে গণ, কুল, বৃন্দ, বর্গ, মণ্ডলী ইত্যাদি ব্যবহৃত হলেও বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে অনেক সময় তাদের নিজস্ব ভাষার নিয়মও অনুসৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুজুর্গ থেকে বুজুর্গান
ব্যাখ্যা: বুজুর্গ একটি ফার্সি শব্দ এবং এর সঙ্গে 'আন' বা 'বান' যুক্ত হয়ে ফার্সি নিয়মে বহুবচন সাহেবান শব্দের মতো বুজুর্গান গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: খান থেকে খান্দান বা মরমী শব্দের বহুবচনে বিশেষ নিয়ম
ব্যাখ্যা: ফার্সি উৎসের প্রাণবাচক শব্দের ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার নিজস্ব প্রত্যয়ের পরিবর্তে ফার্সি বহুবচন বোধক প্রত্যয় প্রয়োগ করার এটি একটি প্রচলিত ব্যাকরণগত নিয়ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাহেবগণ — সাহেব একটি বিদেশি শব্দ হওয়ায় এর সঙ্গে দেশি বা তৎসম বহুবচন বোধক গণ প্রত্যয় যুক্ত করে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে সাধারণত সাহেবান এর পরিবর্তে সাহেবগণ বহুবচন হিসেবে কম গ্রহণযোগ্য।
B) সাহেবান — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফার্সি নিয়ম অনুসারে সাহেব শব্দের বহুবচন সাহেবান ই প্রমিত ও ব্যাকরণগতভাবে স্বীকৃত।
C) সাহেব — এটি একবচন নির্দেশ করে, তাই এটি বহুবচনের রূপ হতে পারে না।
D) সাহেব সকল — সাহেব শব্দের সঙ্গে সকল প্রত্যয় ব্যবহার করলে অর্থের দিক থেকে প্রমিত বা শ্রুতিমধুর শোনায় না এবং এটি ব্যাকরণসিদ্ধ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফার্সি শব্দ যেমন সাহেব, বুজুর্গ ইত্যাদির বহুবচন তৈরিতে শেষে আন বা বান যুক্ত হয়।
- সাহেবান শব্দের শেষাংশের দিকে লক্ষ রাখলেই এটি সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের বহুবচন গঠনের নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ফার্সি ও আরবি শব্দের বহুবচন গঠনের ভিন্নতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অন্ধকার
কেন সঠিক:
১. তিমির শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো গভীর অন্ধকার বা আলোর অনুপস্থিতি।
২. বাংলা কাব্যে এবং পদ্যে অন্ধকার বোঝাতে প্রায়শই এই তৎসম শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. তিমির একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
২. বাংলা সাহিত্যে রাতের বেলা বা আলোর অভাব বোঝাতে এই বিশেষ শব্দটির প্রচলন রয়েছে।
৩. যেমন, তিমিরবিনাশী কথার অর্থ হলো যিনি অন্ধকার নাশ করেন বা দূর করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপলাপ — অপলাপ শব্দটির অর্থ হলো অস্বীকার করা বা লুকিয়ে ফেলা, যা অন্ধকারের সমার্থক নয়।
B) দহন — দহন শব্দের অর্থ হলো পুড়িয়ে ফেলা বা জ্বালা, যা আলোর সাথে সম্পর্কিত কিন্তু অন্ধকার নয়।
C) গগণ — গগণ শব্দের অর্থ হলো আকাশ বা আসমান, যা তিমির বা অন্ধকারের বিপরীত একটি ধারণা।
D) অন্ধকার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটিই তিমিরের সঠিক অর্থ।
মনে রাখার টিপস:
১. তিমির শব্দের সাথে আমরা তিমিরবিনাশী শব্দটি মনে রাখতে পারি।
২. যার অর্থ দাঁড়ায় অন্ধকার দূরকারী, এভাবে খুব সহজেই অর্থটি মনে রাখা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১. কেন সঠিক:
'লালসালু' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
উপন্যাসটিতে গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা এবং সহজ-সরল মানুষের ওপর ধর্মের অপব্যবহারের চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিশ শতকের মধ্যভাগের অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।
১৯৪৮ সালে প্রকাশিত 'লালসালু' উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি বাংলা কথাসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতাভিত্তিক ধারার সূচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাঁদের অমাবস্যা
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত আরেকটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর তৃতীয় ও শেষ উপন্যাস যা অস্তিত্ববাদী দর্শনের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — ইনিই 'লালসালু' উপন্যাসের সফল ও প্রামাণিক রচয়িতা।
B) শামসুর রহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি ও প্রাবন্ধিক, কোনো উপন্যাস রচয়িতা নন।
C) জহির রায়হান — ইনি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার, তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস 'হাজার বছর ধরে'।
D) শহীদুল্লা কায়সার — ইনি প্রখ্যাত সাংবাদিক ও ঔপন্যাসিক, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'সারেং বউ'।
৫. মনে রাখার টিপস:
ওয়ালীউল্লাহর নামের সাথে লালসালু মনে রাখতে 'ওয়ালীউল্লাহর লালসালু' এভাবে একটি ছন্দ বা জোড় তৈরি করতে পারো।
তাঁর উপন্যাসের সংখ্যা কম হলেও প্রতিটি বাংলা সাহিত্যে অনন্য স্থান দখল করে আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
লালসালু উপন্যাসটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
মাজুবিবি, খালেক ব্যাপারী এবং মাজেদ এই উপন্যাসের প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
সঠিক উত্তর: C) সম্পূর্ণ
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো সম্পূর্ণ, কারণ বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
- সংস্কৃত তৎসম শব্দে ট বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে সবসময় মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়, যা এই বানানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নত্ব বিধান নিয়ম অনুযায়ী রি, র, ষ বর্ণের পরে তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়।
- সম্পূর্ণ শব্দটিতে র-ফলা থাকার কারণে এর সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে, যা নত্ব বিধানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কর্ণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে র-ফলা থাকার কারণে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে, যা নত্ব বিধানের সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত।
উদাহরণ ২: বর্ণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও র-ফলা যুক্ত হওয়ার কারণে দন্ত্য ন না হয়ে মূর্ধন্য ণ বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সম্পুর্ণ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বানানের শেষে মূর্ধন্য ণ এর সাথে ভুলভাবে চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে।
B) সম্পুর্ন — এই অপশনটি ভুল কারণ এর শেষাংশে ভুল বানানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে।
C) সম্পূর্ণ — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী পুরোপুরি নির্ভুল একটি রূপ।
D) সম্পূর্ন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বানানের শুরুতে অনুস্বার ব্যবহারের পরিবর্তে ভুলভাবে ম ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তৎসম শব্দে র-ফলা বা রেফ থাকলে তার সাথে সাধারণত মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়, এই নিয়মটি মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
- সম্পূর্ণ শব্দটি লেখার সময় সবসময় মাথায় রাখবে যে এর শেষে ণ এবং রেফ যুক্ত ধ্বনি রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নত্ব বিধানের বানান প্রায়ই আসে, তাই র-ফলাযুক্ত শব্দগুলোর ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
- একই নিয়মে গঠিত অন্যান্য শব্দ যেমন অর্পণ, তর্পণ এবং বর্ণ শব্দগুলোর বানানও একইভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কান্না
কেন সঠিক:
Weep শব্দটির অর্থ হলো সশব্দে বা নীরবে চোখের জল ফেলা।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ক্রিয়া পদ যার বাংলা অর্থ কান্না করা।
এর সমার্থক শব্দ হিসেবে ক্রাই বা সোব ব্যবহার করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঝেড়ে ফেলা — এই অর্থটি শেড বা ব্রাশ শব্দের সাথে সম্পর্কিত।
B) তাড়াতাড়ি — এই অর্থটি কুইকলি বা ফাস্ট শব্দের সাথে মিলে যায়।
C) প্রাবন্ধিক — এই অর্থটি এসেইস্ট বা লেখকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
D) কান্না — এটি সঠিক অর্থ হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Weep শব্দের সাথে উইপ উইপ কান্নার শব্দ মিলিয়ে খুব সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) প্রারম্ভিক
কেন সঠিক:
Initial ইংরেজি শব্দটির বাংলা অর্থ হলো প্রারম্ভিক বা সূচনা সম্পর্কিত।
এটি সাধারণত কোনো কাজের শুরু বা প্রথম অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে প্রারম্ভিক অপশনটি নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রারম্ভিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ Initial শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) বিরাট — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ হলো হিউজ বা লার্জ, যা Initial শব্দের সাথে মিলে না।
C) হ্রদ — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ হলো লেক, তাই এটি Initial শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
D) কান্না — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ হলো ক্রাই, যা Initial শব্দের সাথে সম্পূর্ণ অমিল।
মনে রাখার টিপস:
Initial শব্দের শুরুতেই IN আছে, যা দিয়ে কোনো কিছুর ভেতরে প্রবেশ বা শুরু বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) Critisise
কেন সঠিক:
ইংরেজি বানান রীতি অনুযায়ী শব্দটির মূলে রয়েছে ক্রিটিক শব্দ।
এর সাথে সঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Critisize — এখানে শেষ অংশে এস এর বদলে জেড ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
B) Critisise — এটি সঠিক অপশনের একটি বিকল্প রূপ যা ব্রিটিশ মান অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য।
C) Critiscise — এখানে অতিরিক্ত একটি সি বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে যা বানানের নিয়মবিরুদ্ধ।
D) Critisise — এটি মূল সঠিক বানান হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ক্রিটিক শব্দের শেষে আই এস ই যুক্ত করে এই বানানটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Miscreant
কেন সঠিক:
এই শব্দটির সঠিক বানানে প্রথমে Mis এবং পরে creant বসে।
এর অর্থ হলো দুষ্কৃতকারী বা অপরাধী ব্যক্তি।
বানানটিতে সঠিক ইংরেজি প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Miscreant — এটি সঠিক বানান।
B) Miscrient — বানানের শেষের অংশে ভুল আছে।
C) Miscriant — বানানের মাঝখানে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Miskrient — শুরুর অংশে s এর পরিবর্তে k ব্যবহার করা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটিকে Mis এবং creant এই দুই ভাগে ভাগ করে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) কদাচিৎ
কেন সঠিক:
Seldom একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ হলো কদাচিৎ বা খুব কম সময়ে ঘটে এমন ঘটনা।
এটি একটি নেগেটিভ বা না-সূচক ভাব প্রকাশ করে যা বোঝায় কাজটি প্রায় হয় না বললেই চলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জোরে — জোরে শব্দের ইংরেজি অর্থ লাউডলি বা জোরে, যা সেলডম শব্দের সাথে মেলে না।
B) মহান — মহান শব্দের ইংরেজি অর্থ গ্রেট, যা সেলডম শব্দের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত।
C) বাস্তব — বাস্তব শব্দের ইংরেজি অর্থ রিয়েল, যার সাথে সেলডম শব্দের কোনো মিল নেই।
D) কদাচিৎ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সেলডম মানেই কদাচিৎ বা কদাচিৎ কখনো।
মনে রাখার টিপস:
সেলডম মানে খুব বিরল ঘটনা, তাই এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে কদাচিৎ শব্দটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) জ্বর
কেন সঠিক:
Fever একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ হলো শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া বা জ্বর। সাধারণ চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং দৈনন্দিন জীবনে এই শব্দটি শরীরের উচ্চ তাপমাত্রাকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জ্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ Fever শব্দের মূল অর্থই হলো জ্বর।
B) সাহায্য — এটি ভুল কারণ সাহায্য ইংরেজি শব্দের অর্থ হেল্প বা অ্যাসিস্ট্যান্স।
C) অনুদান — এটি ভুল কারণ অনুদান ইংরেজি শব্দের অর্থ ডোনেশন বা গ্রান্ট।
D) কঠিন — এটি ভুল কারণ কঠিন ইংরেজি শব্দের অর্থ হার্ড বা ডিফিকাল্ট।
মনে রাখার টিপস:
শরীর গরম হয়ে গেলে ফিজিশিয়ান বা চিকিৎসকের কাছে যেতে হয়, এই কথাটি মনে রাখলেই Fever অর্থ জ্বর সহজেই মনে থাকবে।
সঠিক উত্তর: C) অত্যাবশ্যক
কেন সঠিক:
Vital শব্দটির ইংরেজি অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য।
বাংলায় এর সঠিক প্রতিশব্দ হলো অত্যাবশ্যক বা যা ছাড়া চলা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্থায়ী — স্থায়ী শব্দের ইংরেজি অর্থ পার্মানেন্ট বা যা সহজে পরিবর্তন হয় না, তাই এটি ভুল।
B) প্রকাণ্ড — প্রকাণ্ড শব্দের ইংরেজি অর্থ বিশাল বা বিরাট, যা এই শব্দের সাথে মেলে না।
C) অত্যাবশ্যক — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই।
D) উৎফুল্ল — উৎফুল্ল শব্দের ইংরেজি অর্থ আনন্দিত বা প্রফুল্ল, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
ভিটামিন যেমন আমাদের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যক, তেমনি Vital শব্দটির অর্থও খুব জরুরি বা প্রয়োজনীয়।
সঠিক উত্তর: B) smoking
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী cannot help এর পর verb এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়।
- প্রদত্ত বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় আমি ধূমপান না করে থাকতে পারছি না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to smoke — cannot help এর পর infinitive বা to বস0 নিয়ম নেই।
B) smoking — এটি সঠিক কারণ cannot help এর পর gerund ব্যবহৃত হয়।
C) for smoking — preposition এর ব্যবহার এখানে ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) but smoke — cannot but এর পর verb এর base form বসে, কিন্তু cannot help এর পর but বসে না।
মনে রাখার টিপস:
cannot help এর পরে সবসময় verb এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: A) on
কেন সঠিক:
- Insist verb-এর পর সাধারণত উপযুক্ত preposition হিসেবে on বসে যার অর্থ জোরালোভাবে কিছু দাবি করা।
- Insist on-এর পর gerund অর্থাত্ verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun-এর কাজ করে, যেমন leaving।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি সঠিক উত্তর কারণ insist-এর সাথে সবসময় অনড় অবস্থান বোঝাতে on বসে।
B) in — এটি ভুল কারণ insist-এর সাথে সাধারণত in প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয় না।
C) for — এটি ভুল কারণ কোনো কিছুর উদ্দেশ্যে চাওয়া বোঝালেও insist-এর সাথে for বসে না।
D) at — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট স্থান বা দিকে বোঝাতে at ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Insist শব্দের সাথে সবসময় on প্রিপজিশন বসে এবং তারপরে verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: B) to
কেন সঠিক:
এখানে beneficial শব্দের পরে সাধারণত to preposition ব্যবহৃত হয়।
যার অর্থ কোনো কিছুর জন্য উপকারী হওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — beneficial শব্দের সাথে সাধারণত for বসে না।
B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) on — health এর পূর্বে on preposition সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
D) of — health এর সাথে of বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না।
মনে রাখার টিপস:
beneficial শব্দের পরে সাধারণত to preposition বসে।
সঠিক উত্তর: A) into
কেন সঠিক:
look into একটিPhrasal verb যার অর্থ হলো কোনো কিছু গভীরভাবে তদন্ত করা বা অনুসন্ধান করা। পুলিশের কাজ হলো অপরাধ বা কোনো ঘটনা গভীরভাবে তদন্ত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) into — এটি সঠিক কারণ look into অর্থ তদন্ত করা।
B) on — look on অর্থ দর্শক হিসেবে দেখা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
C) to — look to অর্থ কোনো কিছুর দিকে তাকানো বা নির্ভর করা।
D) at — look at অর্থ কেবল সাধারণ দৃষ্টিতে তাকানো।
মনে রাখার টিপস:
পুলিশ যখন কোনো ঘটনা নিয়ে কাজ করে তখন সবসময় look এর সাথে into বসে কারণ এর অর্থ তদন্ত করা।
সঠিক উত্তর: C) about
কেন সঠিক:
talk verb টির পরে about preposition বসে যখন কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করা বোঝায়।
তুমি কী নিয়ে কথা বলছো তা জানতে এই বাক্যটিতে about ব্যবহার করা হয়।
অন্য কোনো preposition এখানে অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — talk on সাধারণত কোনো গম্ভীর বা আনুষ্ঠানিক বিষয়ের ওপরে বক্তৃতা দেওয়া বোঝায়।
B) in — talk in কোনো ভাষার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেমন কথা বলার মাধ্যম বোঝাতে।
C) about — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
D) at — talk at একতরফা কথা বলা বোঝায়, যা এই বাক্যের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
কারо সাথে কোনো বিষয়ে কথা বলা বোঝালে talk এর পরে always about বসে।
সঠিক উত্তর: D) would
কেন সঠিক:
প্রধান ক্লজটি পাস্ট টেন্সে থাকায় ন্যারেশনের নিয়মে ভবিষ্যৎ বোঝাতে will-এর পরিবর্তে would বসে।
এটি পাস্ট টেন্সে ভবিষ্যতের অর্থ প্রকাশ করে।
বাক্যটির অর্থ সে কথা দিয়েছিল যে সে আগামী সোমবার আসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will — প্রধান ক্লজটি পাস্ট টেন্সে থাকায় এখানে প্রেজেন্ট ফর্ম will ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) should — এটি বাধ্যবাধকতা বা উচিত অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রতিশ্রুতির অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
C) can — এটি সামর্থ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে ভবিষ্যৎ প্রতিশ্রুতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) would — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
নরেশনের নিয়মে রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্সে থাকলে রিপোর্টেড স্পিচে will পরিবর্তন হয়ে always would হয়।
সঠিক উত্তর: D) at
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা জায়গার ক্ষেত্রে ইংরেজি Preposition হিসেবে 'at' বসে। এখানে বাংলাদেশের ভেতরে সবচেয়ে দীর্ঘ নদী বোঝাতে নির্দিষ্ট স্থান অর্থে 'at' ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — এটি সাধারণত অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা স্থান নির্দেশ করতে সঠিক নয়।
B) within — এটি সীমানার ভেতরে বোঝাতে বসে, তবে এই বাক্যের কাঠামোর সাথে এটি মানানসই নয়।
C) in — এটি বড় কোনো এলাকা বা দেশের ভেতরে বোঝাতে বসে, কিন্তু এই নির্দিষ্ট বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী এটি বসে না।
D) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি নির্দিষ্ট স্থান নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট কোনো ছোট স্থান বা নির্দিষ্ট জায়গার নাম বোঝাতে সবসময় 'at' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Embarrass
কেন সঠিক:
- এই শব্দটিতে ডাবল 'r' এবং ডাবল 's' রয়েছে যা ইংরেজি বানান রীতি অনুযায়ী সঠিক।
- এর সঠিক উচ্চারণ এবং বানান গঠনে প্রতিটা অক্ষর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Embarras — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে শেষ অক্ষর 's' একটি রয়েছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী ডাবল 's' হবে।
B) Embarass — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে 'r' একটি এবং 's' দুটি রয়েছে, যা সঠিক বানান নয়।
C) Embarrass — এটি সঠিক বানান কারণ এতে ডাবল 'র' এবং ডাবল 'এস' সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Emberrass — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দের শুরুতে 'Em' এর পরিবর্তে 'Em' এর জায়গায় ভুলভাবে 'Embe' এর আগের অংশ পরিবর্তিত হয়েছে এবং প্রথম স্বরবর্ণ ভুল আছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটি মনে রাখতে মনে রাখুন যে এখানে দুটি 'র' (r) এবং দুটি 'এস' (s) একত্রে বসে।
সঠিক উত্তর: C) ৩৬০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার প্রথম পদ = ৩
ধারার দ্বিতীয় পদ = ৬
ধারার তৃতীয় পদ = ১৮
ধারার চতুর্থ পদ = ৭২
ধরি,
প্রথম পদের সাথে গুণক = ২
দ্বিতীয় পদের সাথে গুণক = ৩
তৃতীয় পদের সাথে গুণক = ৪
অতএব,
৩ × ২ = ৬
৬ × ৩ = ১৮
১৮ × ৪ = ৭২
সুতরাং,
পরবর্তী গুণক হবে ৫
উত্তর: ৭২ × ৫ = ৩৬০
সঠিক উত্তর: B) ৬৪০
প্রদত্ত তথ্য:
খ এর দৈনিক আয় ক এর দ্বিগুণ
গ এর দৈনিক আয় খ এর দ্বিগুণ
ধরি,
ক এর দৈনিক আয় = ক টাকা
খ এর দৈনিক আয় = ২ক টাকা
গ এর দৈনিক আয় = ৪ক টাকা
অতএব,
তিনজনের আয়ের যোগফল = ক + ২ক + ৪ক
প্রশ্নমতে, ৭ক = ১১২০
সুতরাং,
ক = ১১২০ ÷ ৭ = ১৬০
গ এর দৈনিক আয় = ৪ × ১৬০
উত্তর: ৬৪০ টাকা
সঠিক উত্তর: C) ২১
প্রদত্ত তথ্য:
একটি কলম ও দুইটি পেন্সিলের একত্রিত মূল্য ৬৮ টাকা
একটি কলমের মূল্য একটি পেন্সিলের মূল্যের চেয়ে ৫ টাকা বেশি
ধরি,
একটি পেন্সিলের মূল্য ক টাকা
তাহলে একটি কলমের মূল্য (ক + ৫) টাকা
অতএব,
প্রশ্নমতে, (ক + ৫) + ২ × ক = ৬৮
বা, ক + ৫ + ২ × ক = ৬৮
সুতরাং,
৩ × ক + ৫ = ৬৮
৩ × ক = ৬৮ − ৫ = ৬৩
উত্তর: ক = ৬৩ ÷ ৩ = ২১ টাকা
সঠিক উত্তর: B) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
এ এবং বি এর মোট বয়স
বি এবং সি এর মোট বয়সের তুলনায় ১৫ বছর বেশি
ধরি,
এ এর বয়স = ক
বি এর বয়স = খ
সি এর বয়স = গ
অতএব,
প্রশ্নানুসারে লেখা যায়
ক + খ = (খ + গ) + ১৫
সুতরাং,
উভয় পাশ থেকে খ বাদ দিলে পাই
ক = গ + ১৫
উত্তর: ১৫
সঠিক উত্তর: D) ৭n + ৩
প্রদত্ত তথ্য:
n একটি জোড় সংখ্যা
ধরি,
n = ২
অতএব,
অপশন A এর মান = ২ এর বর্গ = ৪, যা একটি জোড় সংখ্যা
অপশন B এর মান = ৫ গুণের বন্ধনী শুরু ২ যোগ ২ বন্ধনী শেষ = ২০, যা একটি জোড় সংখ্যা
অপশন C এর মান = ২ গুণ ২ যোগ ২ = ৬, যা একটি জোড় সংখ্যা
সুতরাং,
অপশন D এর মান = ৭ গুণ ২ যোগ ৩ = ১৭, যা একটি বিজোড় সংখ্যা
উত্তর: ৭n + ৩ জোড় সংখ্যা হতে পারে না
গাণিতিক ব্যাখ্যা:
ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%।
শুধুমাত্র গণিতে পাস করেছে = (70% - 40%) = 30%
শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = (60% - 40%) = 20%
উভয় বিষয়ে পাস করেছে = 40%
অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (গণিত, বাংলা বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (30% + 20% + 40%) = 90%
সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = (100% - 90%) = 10%
উত্তর: 10%
সঠিক উত্তর: B) ০.৫
প্রদত্ত তথ্য:
৫০টি কলম বিক্রি করা হলো
লাভ হলো ২৫টি কলমের ক্রয়মূল্যের সমান
ধরি,
একটি কলমের ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
৫০টি কলমের ক্রয়মূল্য = ৫০ টাকা
অতএব,
২৫টি কলমের ক্রয়মূল্য = ২৫ টাকা
মোট লাভ = ২৫ টাকা
সুতরাং,
শতকরা লাভ = (২৫ ÷ ৫০) × ১০০ %
শতকরা লাভ = ০.৫ × ১০০ % = ৫০%
উত্তর: ০.৫
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
ক সংখ্যাটি খ এর চেয়ে বড়
গ সংখ্যাটি ক এর চেয়ে ছোট
ধরি,
খ এর মান = ১০
ক এর মান = ১২
অতএব,
যদি গ এর মান = ১১ হয়, তবে গ খ এর চেয়ে ছোট হয়
আবার যদি গ এর মান = ১৩ হয়, তবে গ খ এর চেয়ে বড় হয়
সুতরাং,
গ সংখ্যাটি খ এর চেয়ে বড় বা ছোট উভয়ই হতে পারে
নির্দিষ্ট করে বলা যায় না
উত্তর: কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: C) কাাবডি
প্রদত্ত তথ্য:
চারটি ভিন্ন খেলা দেওয়া আছে
অপশনগুলোতে বল ব্যবহারের সুযোগ আছে
ধরি,
ফুটবল খেলায় বল ব্যবহৃত হয়
বাস্কেটবল খেলায় বল ব্যবহৃত হয়
ভলিবল খেলায় বল ব্যবহৃত হয়
অতএব,
ফুটবল বল দিয়ে খেলা হয়
বাস্কেটবল বল দিয়ে খেলা হয়
ভলিবল বল দিয়ে খেলা হয়
সুতরাং,
কাবডি খেলায় কোনো বল ব্যবহৃত হয় না
উত্তর: C) কাাবডি
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
অপুর বর্তমান বয়স ৪ বছর
মীরার বয়স অপুর বয়সের ৪ গুণ
ধরি,
অপুর বর্তমান বয়স = ৪ বছর
মীরার বর্তমান বয়স = ৪ × ৪ = ১৬ বছর
মীরার বয়স এবং অপুর বয়সের বয়সের পার্থক্য = ১৬ − ৪ = ১২ বছর
অতএব,
যখন মীরার বয়স অপুর বয়সের দ্বিগুণ হবে
তখন মীরার বয়স হবে অপুর বয়সের বয়সের পার্থক্যের দ্বিগুণ
সুতরাং,
অপুর বয়স হবে ১২ বছর
মীরার বয়স হবে ১২ × ২ = ২৪ বছর
উত্তর: ২৪ বছর
সঠিক উত্তর: D) কর্ণফুলী
কেন সঠিক:
- কর্ণফুলী নদীর ওপর কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ নির্মাণ করে ১৯৬০ সালে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম হ্রদ যা রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত এবং এর নাম কাপ্তাই হ্রদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিস্তা — তিস্তা নদী ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এর ওপর কোনো কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়নি।
B) সুরমা — সুরমা নদী সিলেট অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী, যার ওপর কোনো বাঁধ দিয়ে কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়নি।
C) যমুনা — যমুনা বাংলাদেশের একটি প্রধান ও প্রশস্ত নদী, যার ওপর বাঁধ দিয়ে কোনো কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়নি।
D) কর্ণফুলী — এই নদীর ওপর বাঁধ দিয়েই কাপ্তাই কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
কর্ণফুলী নদীর কাপ্তাই বাঁধ মনে রাখলেই কাপ্তাই কৃত্রিম হ্রদের সঠিক উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ক্যালসিয়াম
কেন সঠিক:
- মানবদেহের অস্থি বা হাড় গঠনের প্রধান উপাদান হলো ক্যালসিয়াম।
- অস্থির স্বাভাবিক বৃদ্ধি, মজবুতি এবং সঠিক গঠনের জন্য ক্যালসিয়ামের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফসফরাস — এটি হাড় গঠনে সহায়তা করলেও প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম।
B) প্রোটিন — এটি পেশি ও সার্বিক দেহ গঠনে কাজ করে, সরাসরি অস্থির বৃদ্ধির প্রধান উপাদান নয়।
C) আয়রন — এটি রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে এবং অক্সিজেন পরিবহনে কাজ করে।
D) ক্যালসিয়াম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
হাড় শক্ত ও মজবুত রাখতে প্রধান উপাদান হিসেবে ক্যালসিয়ামের নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মালদ্বীপ
কেন সঠিক:
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশিয়া তথা সমগ্র এশিয়ার আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে ছোট দেশ।
- দেশটির মোট আয়তন মাত্র প্রায় ৩০০ বর্গকিলোমিটার এবং এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভুটান — ভুটান দক্ষিণ এশিয়ার একটি ছোট দেশ হলেও আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে মালদ্বীপের চেয়ে অনেক বড়।
B) নেপাল — নেপাল একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এর আয়তন মালদ্বীপের তুলনায় বহু গুণ বেশি।
C) শ্রীলংকা — শ্রীলংকা ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, যার আয়তন ও জনসংখ্যা মালদ্বীপের চেয়ে অনেক বেশি।
D) মালদ্বীপ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি এশিয়ার সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার সবচেয়ে ছোট দেশ মনে রাখতে মহাসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপের কথা স্মরণ রাখবে, যা দক্ষিণ এশিয়ারও ক্ষুদ্রতম।
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- রয়টার্স হলো যুক্তরাজ্যের একটি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা বা সংবাদ সংস্থা।
- পল জুলিয়াস রয়টার ১৮৫১ সালে লন্ডনে এই সংবাদ সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ এবং এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ রয়টার্সের মূল কার্যালয় কানাডায় অবস্থিত নয়।
B) ফ্রান্স — ফ্রান্সের প্রধান সংবাদ সংস্থার নাম এএফপি বা এগারেন্স ফ্রান্স প্রেস, রয়টার্স নয়।
সি) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রধান সংবাদ সংস্থা হলো অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস বা এপি, রয়টার্স নয়।
ডি) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বার্তা সংস্থার প্রধান কার্যালয় যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
রয়টার্স ও বিবিসি উভয়ই যুক্তরাজ্য বা লন্ডনের বিখ্যাত সংবাদ মাধ্যম।
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল
সঠিক উত্তর: B) গাজীপুর
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি (A) কক্সবাজার ভুল ছিল। দেশের প্রথম সাফারি পার্ক গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত।
কেন সঠিক:
- গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মৈশাদী গ্রামের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের শালবনের ভেতর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং সর্ববৃহৎ সাফারি পার্ক, যা ২০১৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কক্সবাজার — এটি দেশের প্রথম সাফারি পার্ক নয়, তবে এখানে দেশের প্রথম সামুদ্রিক aquarium এবং মেরিন পার্ক অবস্থিত।
B) গাজীপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই দেশের প্রথম সাফারি পার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
C) ময়মনসিংহ — এটি দেশের প্রথম সাফারি পার্কের অবস্থান নয়, তবে এখানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও মুক্তাগাছার রাজবাড়ি অবস্থিত।
D) রাঙ্গামাটি — এটি পাহাড়ঘেরা জেলা হলেও এখানে দেশের প্রথম সাফারি পার্ক অবস্থিত নয়, এটি ঝুলন্ত সেতুর জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু ও বন দুটিই ব দিয়ে শুরু, আর প্রথম সাফারি পার্ক বনের ভেতরে গাজীপুরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ৩
কেন সঠিক:
- বর্তমানে বাংলাদেশে চালু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংখ্যা তিনটি।
- বিমানবন্দরগুলো হলো ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে চালু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা দুটি নয়, বরং তিনটি।
B) ৩ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বর্তমানে দেশে তিনটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সচল রয়েছে।
C) ৪ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কাজ চললেও এটি এখনও পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে চালু হয়নি।
D) ৫ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে চালু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট সংখ্যা পাঁচটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে বাংলাদেশের প্রধান তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) সাতক্ষীরা
কেন সঠিক:
- ভোমরা স্থলবন্দরটি সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় অবস্থিত এবং এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ।
- এই বন্দরটি দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে স্থলপথে আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনাজপুর — এটি দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত নয়, এই জেলায় হিলি স্থলবন্দর অবস্থিত।
B) সাতক্ষীরা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই জেলাতেই ভোমরা স্থলবন্দরটি অবস্থিত।
C) সুনামগঞ্জ — এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত নয়, এই অঞ্চলে মূলত তাহিরপুর বা চারাগাঁও শুল্ক স্টেশন রয়েছে।
D) আখাউড়া — এটি আখাউড়া স্থলবন্দর যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত, সাতক্ষীরায় নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাতক্ষীরার ভোমরা বন্দর দিয়ে ভারতে পণ্য প্রবেশ করে, এভাবে মনে রাখতে পারেন 'সাতক্ষীরার ভোমরা'।
সঠিক উত্তর: B) গাজীপুর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস রাষ্ট্রীয় মুদ্রা, ডাকটিকিট এবং গুরুত্বপূর্ণ সিকিউরিটি দলিল মুদ্রণের জন্য গাজীপুরের টঙ্গীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্রগ্রাম — এটি দেশের প্রধান বন্দরনগরী এবং বাণিজ্যিক রাজধানী হলেও এখানে সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস অবস্থিত নয়।
B) গাজীপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস অবস্থিত।
C) ময়মনসিংহ — এটি শিক্ষা ও সংস্কৃতির জন্য পরিচিত হলেও এখানে এই মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানটি নেই।
D) খুলনা — এটি শিল্পাঞ্চল হলেও এখানে মূলত পাট ও অন্যান্য ভারী শিল্প রয়েছে, সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস নেই।
মনে রাখার টিপস:
টাকা ও গোপন দলিল ছাপানোর কাজ কঠোর নিরাপত্তায় হয়, যা রাজধানী ঢাকার কাছাকাছি গাজীপুর জেলায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) তাজউদ্দীন আহমদ
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তাজউদ্দীন আহমদ।
- ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) শপথগ্রহণকারী এই সরকারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি প্রথম অস্থায়ী সরকারের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
B) তাজউদ্দীন আহমদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল বা ভিন্ন প্রসঙ্গ প্রযোজ্য নয়।
C) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী — তিনি প্রথম অস্থায়ী সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না।
D) নুরুল কাদের — তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
সরকারের প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ এবং রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
সঠিক উত্তর: B) Audio
কেন সঠিক:
- এমপিথ্রি হলো অডিও ফাইল ফরম্যাট, যা কম্পিউটারে শব্দ বা গান সংরক্ষণের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত এমপেই ওয়ান অডিও লেয়ার থ্রি প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়, যা ফাইলের আকার ছোট রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Video — ভিডিও ফাইলের এক্সটেনশন সাধারণত এমপিফোর, এভিআই বা এমকেভি হয়ে থাকে, তাই এটি সঠিক নয়।
B) Audio — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত।
C) Antivirus — এটি কোনো ফাইল ফরম্যাট নয়, বরং ক্ষতিকর সফটওয়্যার প্রতিরোধের প্রোগ্রাম।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
নামের শেষের থ্রি অংশটি মনে রাখবে যে এটি মূলত সাউন্ড বা অডিও ফাইল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) আলতাফ মাহমুদ
কেন সঠিক:
- অমর একুশের এই গানটির কথা লিখেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী আবদুল গফফার চৌধুরী।
- গানটিতে প্রথম সুর দিয়েছিলে আব্দুল লতিফ, তবে বর্তমানের জনপ্রিয় ও চিরন্তন সুরটি শহীদ বুদ্ধিজীবী আলতাফ মাহমুদের করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলতাফ মাহমুদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গানটির জনপ্রিয় সুরকার।
B) জহির রায়হান — তিনি বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও সাহিত্যিক, এই গানটির সুরকার নন।
C) আপেল মাহমুদ — তিনি একজন বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী ও সুরকার, তবে এই ঐতিহাসিক গানের সুরকার নন।
D) আলাউদ্দীন আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক হলেও এই গানের সুরকার নন।
মনে রাখার টিপস:
কথা আবদুল গফফার চৌধুরীর আর সুর আলতাফ মাহমুদের।
সঠিক উত্তর: B) জুম
কেন সঠিক:
- পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় জনগোষ্ঠী পাহাড়ের ঢাল কেটে জঙ্গল পুড়িয়ে যে বিশেষ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে তাকে জুম চাষ বলা হয়।
- এটি মূলত স্থানান্তরিত বা শিফটিং কাল্টিভেশন নামে পরিচিত এবং পাহাড়ি অঞ্চলের মৃত্তিকা ও ভূপ্রকৃতির সঙ্গে এটি সরাসরি সম্পর্কিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, কারণ কুর বলতে জুম চাষ বোঝায় না।
B) জুম — এটি পাহাড়ি অঞ্চলের উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী চাষপদ্ধতির সঠিক নাম।
C) ঝুম — বানানগত ভিন্নতার কারণে এটি অপশন হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়, সঠিক প্রমিত রূপ হলো জুম।
D) কুম — এটি পাহাড়ি চাষপদ্ধতির কোনো নাম নয় এবং এর সঙ্গে কৃষির কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল পুড়িয়ে চাষ করা হয় বলে একে জুম চাষ বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) ঢাকা
কেন সঠিক:
- ডি এন এ বাঁধ বা ডি এন ডি বাঁধ ঢাকা জেলার যাত্রাবাড়ী, ডেমরা ও নারায়ণগঞ্জ এলাকাকে বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদীর বন্যা থেকে রক্ষা করতে তৈরি করা হয়।
- ১৯৬৮ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজধানী ঢাকাকে পোল্ডারের মাধ্যমে বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে সুরক্ষিত রাখা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাঁধটি রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলকে রক্ষা করার জন্য নির্মিত হয়েছে।
B) কুমিল্লা — কুমিল্লা জেলা গোমতী নদী ও এর বন্যা দ্বারা প্রভাবিত, যেখানে ডি এন ডি বাঁধের কোনো প্রকল্প নেই।
C) বগুড়া — বগুড়া জেলা যমুনা ও বাঙালি নদীর অববাহিকায় অবস্থিত, যা এই বাঁধের আওতাভুক্ত নয়।
D) ফরিদপুর — ফরিদপুর জেলা পদ্মা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত এবং এখানে অন্য বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ডি এন ডি বাঁধ মানে ডেমরা নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা এলাকা রক্ষা করার বাঁধ।
সঠিক উত্তর: D) Esc
কেন সঠিক:
- কম্পিউটার বা এম এস ওয়ার্ডে চলমান কোনো প্রক্রিয়া, ডায়ালগ বক্স বা নির্দেশ বাতিল করার জন্য কিবোর্ডের এসকেপ বা Esc বোতাম ব্যবহার করা হয়।
- এটি মূলত এস্কেপ শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা ব্যবহারকারীকে বর্তমান কাজ থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসতে বা অপারেশন বন্ধ করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Tab — এটি লেখার সময় কার্সারকে নির্দিষ্ট দূরত্বে ডানে সরিয়ে নিতে বা টেবিলের পরবর্তী ঘরে যেতে ব্যবহৃত হয়।
B) Caps lock — এটি ইংরেজি বর্ণমালা লেখার সময় সব অক্ষর বড় হাতের বা ক্যাপিটাল লেটার করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) Ctrl — এটি একা কাজ করে না, বরং অন্য কোনো বোতামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন শর্টকাট কমান্ড বা নির্দেশ execute করতে ব্যবহৃত হয়।
D) Esc — এটি নির্দেশ বাতিল করার সঠিক বোতাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
Esc মানে এস্কেপ বা পালিয়ে যাওয়া, তাই কোনো কাজ থেকে পালিয়ে আসতে বা নির্দেশ বাতিল করতে Esc বোতামে চাপ দিতে হয়।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ২
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে মাত্র দুটি দেশের সাথে, যথা ভারত ও মায়ানমার।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বাংলাদেশের তিন দিক জুড়ে রয়েছে ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রয়েছে মায়ানমার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ — বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত একটি দেশের সাথে নয়, বরং ভারত ও মায়ানমার মিলিয়ে মোট দুটি দেশের সাথে রয়েছে।
B) ২ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ বাংলাদেশের সীমান্ত কেবল ভারত ও মায়ানমারের সাথেই যুক্ত।
C) ৩ — বাংলাদেশের সাথে তিনটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই, ফলে এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
D) ৪ — বাংলাদেশের সাথে চারটি দেশের সীমান্ত নেই, প্রতিবেশী দেশ বেশি হলেও সীমান্ত রয়েছে কেবল দুটির সাথে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশকে তিন দিক থেকে ঘিরে রেখেছে ভারত এবং এক কোণায় রয়েছে মায়ানমার, তাই সীমান্তবর্তী দেশের সংখ্যা মাত্র দুই।
সঠিক উত্তর: B) Crlt + প
কেন সঠিক:
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অন্যান্য ডকুমেন্টে প্রিন্ট করার জন্য কিবোর্ড শর্টকাট হিসেবে কন্ট্রোল ও পি একসাথে ব্যবহার করা হয়।
- প্রদত্ত অপশনে বানান কিছুটা ভুল থাকলেও মূলত প্রিন্ট কমান্ড বোঝাতে এই শর্টকাট কি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Alt + P — এটি সাধারণ প্রিন্ট কমান্ড নয়, এটি সাধারণত কোনো সফটওয়্যারের বিশেষ মেনু বা রিবন ট্যাব ওপেন করতে ব্যবহৃত হয়।
B) Crlt + P — এটি প্রিন্ট কমান্ডের সঠিক কিবোর্ড শর্টকাট, যদিও অপশনে বানানটি একটু ভিন্নভাবে লেখা হয়েছে।
C) Fn + P — এটি ফাংশন কি এর সাথে যুক্ত যা ল্যাপটপের বিশেষ কোনো হার্ডওয়্যার সেটিংস বা ডিসপ্লে পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
D) Alt + Print — এটি প্রিন্ট কমান্ডের কোনো স্ট্যান্ডার্ড কিবোর্ড শর্টকাট নয় এবং এর আলাদা কোনো নির্ধারিত কাজ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
প্রিন্ট শব্দের ইংরেজি শুরুর অক্ষর পি এর সাথে কন্ট্রোল কি যুক্ত করে খুব সহজেই এই কমান্ড মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) বৃহস্পতি
কেন সঠিক:
- বৃহস্পতি সৌরমণ্ডলের সবচেয়ে বড় এবং ভারী গ্রহ, যার ভর অন্য সব গ্রহের মোট ভরের চেয়েও আড়াই গুণ বেশি।
- এটি মূলত গ্যাসীয় দানব গ্রহ, যার প্রধান উপাদান হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম গ্যাস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুধ — এটি সৌরমণ্ডলের সবচেয়ে ছোট গ্রহ এবং সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ।
B) বৃহস্পতি — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) পৃথিবী — এটি সৌরজগতের পঞ্চম বৃহত্তম গ্রহ এবং জীবের বসবাসের একমাত্র উপযোগী গ্রহ।
D) শনি — এটি সৌরমণ্ডলের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ, যার চারপাশে বিখ্যাত বলয় রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বৃহস্পতি হলো বৃহদাকার বা সবচেয়ে বড় গ্রহ, তাই আকারের দিক থেকে এটি সবার শীর্ষে।
সঠিক উত্তর: A) ১৬ অক্টোবর
কেন সঠিক:
- বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্ষুধার বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে এই দিনটি পালন করা হয়।
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) প্রতিষ্ঠার স্মরণে ১৯৪৫ সালের এই দিনটিকে বিশ্ব খাদ্য দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ অক্টোবর — এটি বিশ্ব খাদ্য দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা সঠিক উত্তর।
B) ১৬ নভেম্বর — এটি আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস হিসেবে পালিত হয়, খাদ্য দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৭ অক্টোবর — এটি আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা খাদ্য দিবসের সঙ্গে মিলে না।
D) ১৭ নভেম্বর — এটি আন্তর্জাতিক ছাত্র দিবস হিসেবে পালিত হয়, বিশ্ব খাদ্য দিবসের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
খাদ্য উৎপাদনের মাস অক্টোবর এবং ১৬ তারিখে বিশ্ব খাদ্য দিবস পালন করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) ভারত মহাসাগরে
কেন সঠিক:
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যা ভারত মহাসাগরের ঠিক মধ্যভাগে প্রবাল দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- ভৌগোলিক অবস্থানগতভাবে এটি ভারত মহাসাগরের একটি অত্যন্ত কৌশলগত ও গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক দ্বীপ দেশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত মহাসাগরে — এটি সঠিক কারণ মালদ্বীপ সম্পূর্ণভাবে ভারত মহাসাগরের পানির নিচে অবস্থিত প্রবাল প্রাচীরের ওপর গড়ে উঠেছে।
B) আরব সাগরে — আরব সাগর ভারতের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত হলেও মালদ্বীপ আরও দক্ষিণে ভারত মহাসাগরের মূল অংশে অবস্থিত।
C) বঙ্গোপসাগরে — বঙ্গোপসাগর ভারতের পূর্বে অবস্থিত, যেখানে বাংলাদেশ ও আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ রয়েছে, মালদ্বীপ এখানে অবস্থিত নয়।
D) পারস্য সাগরে — পারস্য সাগর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত তেলসমৃদ্ধ একটি উপসাগর, যার সাথে মালদ্বীপের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
মালদ্বীপ মানেই বিশাল সমুদ্রের মাঝে দ্বীপ, আর এটি এশিয়ার দক্ষিণভাগে ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) Function Key
প্রদত্ত তথ্য:
কিবোর্ডের ওপরের সারিতে থাকে এফ ১ থেকে এফ ১২ পর্যন্ত বোতাম
এই বিশেষ বোতামগুলোকে নির্দিষ্ট কিছু কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়
ধরি,
এফ ১ মানে প্রথম ফাংশন বোতাম
এফ ১২ মানে দ্বাদশ ফাংশন বোতাম
অতএব,
এই বোতামগুলোর সাহায্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন শর্টকাট কাজ করা যায়
তাই এদের সামগ্রিকভাবে বিশেষ নামে ডাকা হয়
সুতরাং,
এই বোতামগুলোর সঠিক নাম ফাংশন কি
উত্তর: Function Key
সঠিক উত্তর: B) চিরন্তন
কেন সঠিক:
- 'সনাতন' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে যার আক্ষরিক অর্থ যা চিরকাল ধরে চলে আসছে।
- এর গভীর অর্থ হলো যা কখনো ধ্বংস হয় না বা যার আদি ও অন্ত নেই।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে এই শব্দটি বিশেষণের রূপ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
- প্রাচীন ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ক্ষেত্রে এই শব্দটি মূলত অবিনাশী বা শাশ্বত অর্থে প্রয়োগ করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায় সনাতন ধর্ম অর্থ এমন এক জীবনব্যবস্থা যার কোনো সূচনা বা শেষ নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) নতুন — এটি 'সনাতন' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ এর অর্থ আধুনিক বা সাম্প্রতিক।
- B) চিরন্তন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
- C) গ্রাম্য — এই শব্দটির অর্থ পল্লী অঞ্চল সংক্রান্ত যা সনাতন শব্দের অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়।
- D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
- সনাতন মানে সনাতন ধর্ম বা শাশ্বত সত্য অর্থাৎ যা চিরকাল ধরে একই রকম আছে।
সঠিক উত্তর: B) আত্মীয়
১. কেন সঠিক:
- ‘কুটুম্ব’ শব্দের মূল অর্থ হলো কুটুম বা আত্মীয়, যার সঙ্গে রক্তের বা বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে।
- প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে অতিথি বা দূর সম্পর্কের আত্মীয় বোঝাতেও এই শব্দের ঐতিহ্যগত ব্যবহার দেখা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত তৎসম বা অর্ধ-তৎসসম শব্দ যা মূলত সম্পর্কের পরিধি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের শব্দের উৎস ও অর্থের রূপান্তর অধ্যায়ের আওতায় এই ধরনের শব্দগুলো পরীক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুখে-দুঃখে কুটুম্বরাই সবার আগে পাশে এসে দাঁড়ায়।
ব্যাখ্যা: এখানে কুটুম্ব বলতে রক্তের সম্পর্কযুক্ত আত্মীয় বা স্বজনদের বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: বিয়ের অনুষ্ঠানে দূরদূরান্ত থেকে অনেক কুটুম্ব বাড়িতে এসেছেন।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কুটুম্ব শব্দটির মাধ্যমে আমন্ত্রিত অতিথি ও আত্মীয় উভয়কেই নির্দেশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কালো — কালো একটি রঙের নাম যা কোনো বর্ণ বা আভা প্রকাশ করে এবং এর সঙ্গে আত্মীয়তার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) প্রতিবিম্ব — প্রতিবিম্ব অর্থ কোনো বস্তুর ছায়া বা প্রতিফলন, যা শব্দের মূল অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) কলরব — কলরব শব্দের অর্থ হলো পাখির কূজন বা মানুষের একসঙ্গে করার কোলাহল বা শোরগোল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কুটুম্ব শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি কু বা পরিবারের সঙ্গে জড়িত, অর্থাৎ কু-টুম্ব বা কুটুম্ব মানেই হলো ঘরের মানুষ বা আত্মীয়।
- শব্দার্থ মনে রাখার জন্য প্রতিদিনের পরিচিত কথ্য ভাষার সঙ্গে এর মিল খুঁজে দেখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাচীন ও প্রচলিত শব্দের সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
- এই ধরনের শব্দার্থ মুখস্থ না করে বাক্যে ব্যবহারের মাধ্যমে আয়ত্ত করলে দীর্ঘসময় মনে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) অরিন্দম
১. কেন সঠিক:
- 'অরিন্দম' শব্দের ব্যাসবাক্য বা অর্থ হলো শত্রুকে দমন করে যে। এখানে 'অরি' শব্দের অর্থ শত্রু এবং 'দমন্' বা 'দম্' ধাতু থেকে এই শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই শব্দটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি প্রায়ই বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো ব্যাকরণের এমন একটি অংশ যেখানে বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল করে তোলে।
- এই ধরনের শব্দ মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর গঠন প্রক্রিয়া ব্যুৎপত্তিগত অর্থের ওপর নির্ভর করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইন্দ্রকে জয় করেছে যে = ইন্দ্রজিৎ
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত এককথায় প্রকাশ যা পৌরাণিক চরিত্র মেঘনাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: যা নিবারণ করা যায় না = অনিবার্য
ব্যাখ্যা: এটি এমন একটি বাক্য সংকোচন যা কোনো অপ্রতিরোধ্য ঘটনা বোঝাতে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শত্রুঘ্ন — এর অর্থ শত্রুকে ধ্বংস করেছে যে, তবে নির্দিষ্ট এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শত্রুকে দমন করে যে অর্থে 'অরিন্দম' শব্দটি সবচেয়ে বেশি প্রমিত ও গ্রহণযোগ্য।
B) অরিন্দম — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা শত্রুকে দমন করে যে অর্থে ব্যবহৃত হয়।
C) অজাতশত্রু — এর অর্থ যার শত্রু জন্মায়নি, যা প্রশ্নদত্ত অর্থের সঙ্গে মিলছে না।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অরিন্দম শব্দের প্রথমে 'অরি' আছে যার অর্থ শত্রু, তাই এটি শত্রুর সঙ্গে সম্পর্কিত এককথায় প্রকাশ হিসেবে খুব সহজেই মনে রাখা যায়।
- পরীক্ষার হলে 'অরি' শব্দ দেখলেই শত্রু দমনকারী বা জয়কারী সম্পর্কিত অর্থটি মাথায় আনতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সামান্য শব্দগত পার্থক্যের কারণে উত্তর পরিবর্তিত হতে পারে, যেমন শত্রু নিধনকারী এবং শত্রু দমনকারী এক নয়।
- বিগত সালের বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্ন ব্যাংক ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের কমন এককথায় প্রকাশগুলো আয়ত্ত করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) শ্বশুর
১. কেন সঠিক:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী স্বামীর পিতাকে বোঝাতে তালব্য শ এবং ব-ফলা যুক্ত শ্বশুর বানানটি শুদ্ধ।
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বানান লেখার সময় মূল সংস্কৃতে যেভাবে ব্যবহৃত হয়, প্রমিত রূপেও তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় বহু তৎসম শব্দে ব-ফলার ব্যবহার রয়েছে যা উচ্চারণের সময় বজায় থাকে বা না থাকলেও বানানে তা লিখতে হয়।
- শ্বশুর শব্দের মূল সংস্কৃতে শ্বশুর রূপটিই ছিল, যা বাংলা ভাষায় অপরিবর্তিতভাবে তৎসম শব্দ হিসেবে প্রবেশ করেছে এবং বানানে তালব্য শ ও ব-ফলা ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শশ্রু
ব্যাখ্যা: এই তৎসম শব্দটিতেও তালব্য শ ও ব-ফলা ব্যবহৃত হয় যার অর্থ দাড়ি বা গোঁফ।
উদাহরণ ২: শ্বাপদ
ব্যাখ্যা: হিংস্র জন্তু বোঝাতে এই তৎসম শব্দটিতেও তালব্য শ এবং ব-ফলা ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্বশুর — এটি সঠিক বানান কারণ এখানে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী তালব্য শ এর সাথে ব-ফলা এবং মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়েছে।
B) শশুর — এই বানানটি ভুল কারণ এখানে প্রথম বর্ণে তালব্য শ এর নিচে ব-ফলা নেই এবং মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত্য স ব্যবহার করা হয়েছে।
C) সশুর — এই বানানটি ভুল কারণ এতে প্রথম বর্ণে তালব্য শ এর পরিবর্তে দন্ত্য স এবং ব-ফলার অনুপস্থিতি রয়েছে।
D) শসুর — এই বানানটি ভুল কারণ এতে ব-ফলা বাদ দেওয়া হয়েছে এবং মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত্য স লেখা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্বামীর পিতাকে মনে রাখার সময় মাথায় রাখবে যে বানানে সর্বদা তালব্য শ এর সাথে ব-ফলা এবং শেষে মূর্ধন্য ষ হবে।
- শ্বশুর বানানটিতে ব-ফলা ও মূর্ধন্য ষ এর সঠিক অবস্থান মনে রাখলে কখনো ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানব সম্পর্কবাচক কিছু জটিল বানান যেমন শ্বশুর, শাশুড়ি প্রায়ই পরীক্ষণে আসে।
- তৎসম শব্দের বানানগুলো মূল সংস্কৃত রূপের সাথে মিল রেখে প্রমিত বানানের নিয়ম মেনে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বিকিরণ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'বিকিরণ' শব্দটিতে 'কি' এবং 'ণ' ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দে ই-কার এবং ণত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- এই শব্দটিতে সংস্কৃতির নিয়ম মেনে রসই-কার এবং মূর্ধন্য ণ প্রয়োগ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিরূপণ
ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ যেখানে একই নিয়মে রসই-কার এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বিবরণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও রসই-কার এবং মূর্ধন্য ণ এর সঠিক প্রয়োগ দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিকিরণ — এটি প্রমিত ও সঠিক বানান।
B) বিকীরণ — ভুল বানানের কারণ এখানে দীর্ঘী-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণসম্মত নয়।
C) বিকিরন — ভুল বানানের কারণ এখানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ হওয়ার কথা ছিল।
D) বীকীরণ — ভুল বানানের কারণ এখানে দীর্ঘী-কার এবং দীর্ঘী-কার উভয়ই ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বি উপসর্গের পর কৃ ধাতু এবং অন প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দে সাধারণত রসই-কার ও মূর্ধন্য ণ হয়।
- বানানটি মনে রাখার জন্য মূল ধাতুর গঠন মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান এবং ণত্ব বিধানের প্রয়োগ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের মূল গঠন এবং প্রত্যয়ের ব্যবহার জানলে এই ধরনের বানান সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) অন্তরীক্ষ
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি আকাশ শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- অন্তরীক্ষ শব্দের অর্থ হলো পৃথিবী ও স্বর্গের মধ্যবর্তী স্থান বা শূন্যস্থান, যা আকাশের সমার্থক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যেগুলো দেখতে আলাদা হলেও অর্থের দিক থেকে একই বা প্রায় একই ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় শব্দের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সমার্থক শব্দের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে, যা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যোম
ব্যাখ্যা: ব্যোম শব্দটি আকাশের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: গগন
ব্যাখ্যা: গগন অর্থ আকাশ বা আসমান, যা একই অর্থে ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রভা — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রভা শব্দের অর্থ আলো বা দীপ্তি, যা আকাশের প্রতিশব্দ নয়।
B) জলদ — এই অপশনটি ভুল কারণ জলদ শব্দের অর্থ মেঘ, যা আকাশ থেকে আলাদা একটি পদার্থ।
C) অন্তরীক্ষ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি আকাশের সমার্থক শব্দ হিসেবে সরাসরি মিলে যায়।
D) সমীর — এই অপশনটি ভুল কারণ সমীর শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, যা আকাশের সমার্থক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আকাশ শব্দটির সমার্থক মনে রাখতে ব্যোম, গগন, আসমান, ও অন্তরীক্ষ এই শব্দগুলো একসাথে চর্চা করতে পারো।
- শূন্য বা ফাঁকা স্থান বোঝায় এমন শব্দগুলো প্রায়শই আকাশের সমার্থক হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিশব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি অর্থ বুঝে পড়া উচিত।
- প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কিত শব্দ যেমন আকাশ, বাতাস, জল ও পৃথিবী এগুলোর সমার্থক শব্দগুলো বারবার চর্চা করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) মুহূর্ত
১. কেন সঠিক:
- মুহূর্ত শব্দটিতে মূর্ধন্য-ষ এবং হ-এর যুক্তবর্ণের গঠন সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে হ-এর নিচে হ্রস্ব-উ কার এবং তার সাথে রেফ যুক্ত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের বানান বিধিমালার নিয়ম মেনে এই শব্দটি গঠিত হওয়ায় অপশন এ সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে উৎস শব্দ এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। তৎসম শব্দে উ এবং ঊ কার ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- হ এবং হ্রস্ব-উ কারের যুক্তরূপ সবসময় হ-এর নিচে বসে, যা এই শব্দে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গৃহী
ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত তৎসম শব্দ যেখানে ঋ-কার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সুধী
ব্যাখ্যা: শব্দের শেষে ই-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি এখানে প্রযোজ্য হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহূর্ত — এটি সঠিক বানান এবং প্রশ্নানুযায়ী কাঙ্ক্ষিত উত্তর।
B) মুহুর্ত — এখানে হ্রস্ব-উ কারের পরিবর্তে দীর্ঘ-উ কার ব্যবহারের ভুল রয়েছে।
C) মূহূর্ত — এখানে হ-এর সাথে ভুলভাবে দীর্ঘ-উ কার যুক্ত করা হয়েছে।
D) মূহুর্ত — এখানে হ্রস্ব-উ এবং দীর্ঘ-উ কারের ভুল প্রয়োগ একসঙ্গে ঘটেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুহূর্ত বানানে সবসময় হ্রস্ব-উ কার ব্যবহার করতে হয় এবং হ-এর নিচে উ কার বসে। মনে রাখার সহজ উপায় হলো মুহূর্ত শব্দটি ছোট, তাই এতে ছোট ই বা উ কার ব্যবহার করা নিরাপদ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হ্রস্ব-উ এবং দীর্ঘ-উ কার সংক্রান্ত বানান ভুলের প্রশ্ন আসে। এই ধরনের শব্দগুলোর ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির বানান অভিধান অনুসরণ করা সবচেয়ে ভালো।
সঠিক উত্তর: A) চন্দ্র
১. কেন সঠিক:
- সুধাকর শব্দের মূল অর্থ হলো চন্দ্র বা চাঁদ।
- সুধা শব্দের অর্থ অমৃত এবং কর শব্দের অর্থ কিরণ, তাই যার কিরণ অমৃতের মতো শীতল ও মধুর তাকে সুধাকর বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বা সমার্থক শব্দের আওতাভুক্ত একটি প্রশ্ন।
- সংস্কৃতে সমাসবদ্ধ বা প্রত্যয়সিদ্ধ অনেক শব্দ বাংলায় সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে শব্দের অংশগুলোর অর্থ বিশ্লেষণ করলে মূল অর্থ স্পষ্ট হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শশধর
ব্যাখ্যা: শশধর শব্দের অর্থ চাঁদ, কারণ এর গায়ে খরগোশের আকৃতির দাগ কল্পনা করা হয়।
উদাহরণ ২: হিমাংশু
ব্যাখ্যা: হিমাংশু শব্দের অর্থ চাঁদ, যার রশ্মি বা অংশু হিম বা শীতল প্রকৃতির।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুধাকর শব্দের সরাসরি অর্থ চাঁদ।
B) সূর্য — সূর্যের সমার্থক শব্দ হলো রবি, ভাস্কর বা দিবাকর, সুধাকর নয়।
C) মধু — মধুর সমার্থক শব্দ হলো মধু বা পুষ্পরস, যা সুধাকরের সঙ্গে মেলে না।
D) মিষ্টি — মিষ্টি বা সুস্বাদু বোঝাতে মধুর বা মিষ্ট শব্দ ব্যবহৃত হয়, সুধাকর অর্থ মিষ্টি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কর শব্দের অর্থ হাত বা কিরণ এবং সুধা অর্থ অমৃত, তাই যার অমৃতময় কিরণ আছে তিনি হলেন চন্দ্র।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চন্দ্র ও সূর্যের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষাকেন্দ্রে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই সুধাকর ও দিবাকরের মতো শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ঈপ্সা
১. কেন সঠিক:
পাওয়ার বা লাভের ইচ্ছাকে এককথায় ঈপ্সা বলা হয়। এটি একটি অতি পরিচিত বাক্য সংকোচন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন বলতে বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করাকে বোঝায়। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জয় করার ইচ্ছা = জিগীষা
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু জয় করার তীব্র বাসনাকে এককথায় জিগীষা বলা হয়।
উদাহরণ ২: খাওয়ার ইচ্ছা = বুভুক্ষা
ব্যাখ্যা: খাদ্যের বা আহারের প্রতি তীব্র ক্ষুধাকে এককথায় বুভুক্ষা বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিগীষা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ জয় করার ইচ্ছা, পাওয়ার ইচ্ছা নয়।
B) ঈপ্সা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ পাওয়ার বা লাভের ইচ্ছা।
C) বুভুক্ষা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ খাওয়ার বা আহারের ইচ্ছা, পাওয়ার ইচ্ছা নয়।
D) লিপ্সা — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ভোগের ইচ্ছা বা লোভ, সাধারণ পাওয়ার ইচ্ছা এর সঠিক প্রতিশব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঈপ্সা শব্দটিতে পাওয়া বা লাভের ভাব প্রকাশ পায়। ই দিয়ে ঈপ্সা এবং ই দিয়ে ইচ্ছা মনে রাখলে সহজে আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে ইচ্ছা সম্পর্কিত বাক্য সংকোচনগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) পাখি
১. কেন সঠিক:
বিহঙ্গ একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যার অর্থ পক্ষী বা পাখি।
বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার অংশে এই ধরনের শব্দের সরাসরি অর্থ মুখস্থ রাখতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন।
সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলো অপরিবর্তিত বা হুবহু বাংলা ভাষায় এসেছে সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খগ
ব্যাখ্যা: এটি বিহঙ্গ শব্দের একটি সমার্থক শব্দ যার অর্থ পাখি।
উদাহরণ ২: খেচর
ব্যাখ্যা: আকাশে চরে যে তাকে খেচর বলা হয় এবং এটিও পাখির সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পর্বত — এই অপশনটি ভুল কারণ পর্বত শব্দের অর্থ পাহাড় বা গিরি।
B) নদী — এই অপশনটি ভুল কারণ নদী শব্দের অর্থ তটিনী বা প্রবাহিণী।
C) পাখি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) সমুদ্র — এই অপশনটি ভুল কারণ সমুদ্র শব্দের অর্থ সাগর বা পারাবার।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিহঙ্গ শব্দটিতে বিহ অর্থ আকাশ এবং গ অর্থ গমনকারী, অর্থাৎ আকাশে গমন করে যে।
এইভাবে শব্দটির গঠন মনে রাখলে এর অর্থ সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
পাখির অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন পক্ষা, পতত্রী এবং পক্ষী ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) একই সময়ে
১. কেন সঠিক:
- যুগপৎ শব্দের অর্থ একই সাথে বা একই সময়ে ঘটে এমন ঘটনা।
- এটি একটি তৎসম শব্দ যা সাধারণত কোনো কাজ বা ঘটনা একসঙ্গে ঘটার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ ও শব্দভান্ডার সংক্রান্ত প্রশ্ন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশে বিজলি চমকালো এবং যুগপৎ গর্জন হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে বিজলি চমকানো ও গর্জন একই সময়ে ঘটার অর্থে শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দুটি ঘটনা যুগপৎ ঘটায় সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল।
ব্যাখ্যা: একই সময়ে একাধিক ঘটনা ঘটার ভাব প্রকাশ করতে এই উদাহরণটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্ত পথ — এটি শব্দের ধ্বনিগত মিল বা অপভ্রংশ থেকে তৈরি একটি ভুল অর্থ, যা মূল শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) একই সময়ে — এটি সঠিক উত্তর এবং শব্দের অর্থর সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) এক যুগের পর — যুগ শব্দের সঙ্গে যুগপৎ শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে موجود রয়েছে, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যুগপৎ শব্দের শেষে থাকা পৎ অংশটি গতি বা যুগপৎ ভাব প্রকাশ করে।
- পরীক্ষার হলে একই সঙ্গে দুটি কাজ বোঝাতে এই শব্দটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কঠিন শব্দের সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
- প্রমিত বাংলা শব্দার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) সাহেবান
১. কেন সঠিক:
- ফার্সি ভাষা থেকে আগত বিশেষ বিশেষ প্রাণবাচক শব্দের সঙ্গে বহুবচন বোঝাতে ফার্সি বহুবচন বোধক অনুসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়।
- সাহেবান শব্দটিতে সাহেব শব্দের সঙ্গে ফার্সি বহুবচন বোধক 'বান' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বহুবচন গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ করে বিদেশি বিশেষ্য পদের ক্ষেত্রে ফার্সি নিয়ম অনুযায়ী বহুবচন সাধিত হয়।
- বাংলা ভাষায় বচন ভেদে বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের সংখ্যা বোঝানো হয় এবং প্রাণবাচক শব্দের বহুবচনে গণ, কুল, বৃন্দ, বর্গ, মণ্ডলী ইত্যাদি ব্যবহৃত হলেও বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে অনেক সময় তাদের নিজস্ব ভাষার নিয়মও অনুসৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুজুর্গ থেকে বুজুর্গান
ব্যাখ্যা: বুজুর্গ একটি ফার্সি শব্দ এবং এর সঙ্গে 'আন' বা 'বান' যুক্ত হয়ে ফার্সি নিয়মে বহুবচন সাহেবান শব্দের মতো বুজুর্গান গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: খান থেকে খান্দান বা মরমী শব্দের বহুবচনে বিশেষ নিয়ম
ব্যাখ্যা: ফার্সি উৎসের প্রাণবাচক শব্দের ক্ষেত্রে বাংলা ভাষার নিজস্ব প্রত্যয়ের পরিবর্তে ফার্সি বহুবচন বোধক প্রত্যয় প্রয়োগ করার এটি একটি প্রচলিত ব্যাকরণগত নিয়ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাহেবগণ — সাহেব একটি বিদেশি শব্দ হওয়ায় এর সঙ্গে দেশি বা তৎসম বহুবচন বোধক গণ প্রত্যয় যুক্ত করে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে সাধারণত সাহেবান এর পরিবর্তে সাহেবগণ বহুবচন হিসেবে কম গ্রহণযোগ্য।
B) সাহেবান — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফার্সি নিয়ম অনুসারে সাহেব শব্দের বহুবচন সাহেবান ই প্রমিত ও ব্যাকরণগতভাবে স্বীকৃত।
C) সাহেব — এটি একবচন নির্দেশ করে, তাই এটি বহুবচনের রূপ হতে পারে না।
D) সাহেব সকল — সাহেব শব্দের সঙ্গে সকল প্রত্যয় ব্যবহার করলে অর্থের দিক থেকে প্রমিত বা শ্রুতিমধুর শোনায় না এবং এটি ব্যাকরণসিদ্ধ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ফার্সি শব্দ যেমন সাহেব, বুজুর্গ ইত্যাদির বহুবচন তৈরিতে শেষে আন বা বান যুক্ত হয়।
- সাহেবান শব্দের শেষাংশের দিকে লক্ষ রাখলেই এটি সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের বহুবচন গঠনের নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ফার্সি ও আরবি শব্দের বহুবচন গঠনের ভিন্নতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অন্ধকার
কেন সঠিক:
১. তিমির শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো গভীর অন্ধকার বা আলোর অনুপস্থিতি।
২. বাংলা কাব্যে এবং পদ্যে অন্ধকার বোঝাতে প্রায়শই এই তৎসম শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. তিমির একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
২. বাংলা সাহিত্যে রাতের বেলা বা আলোর অভাব বোঝাতে এই বিশেষ শব্দটির প্রচলন রয়েছে।
৩. যেমন, তিমিরবিনাশী কথার অর্থ হলো যিনি অন্ধকার নাশ করেন বা দূর করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপলাপ — অপলাপ শব্দটির অর্থ হলো অস্বীকার করা বা লুকিয়ে ফেলা, যা অন্ধকারের সমার্থক নয়।
B) দহন — দহন শব্দের অর্থ হলো পুড়িয়ে ফেলা বা জ্বালা, যা আলোর সাথে সম্পর্কিত কিন্তু অন্ধকার নয়।
C) গগণ — গগণ শব্দের অর্থ হলো আকাশ বা আসমান, যা তিমির বা অন্ধকারের বিপরীত একটি ধারণা।
D) অন্ধকার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটিই তিমিরের সঠিক অর্থ।
মনে রাখার টিপস:
১. তিমির শব্দের সাথে আমরা তিমিরবিনাশী শব্দটি মনে রাখতে পারি।
২. যার অর্থ দাঁড়ায় অন্ধকার দূরকারী, এভাবে খুব সহজেই অর্থটি মনে রাখা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১. কেন সঠিক:
'লালসালু' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
উপন্যাসটিতে গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা এবং সহজ-সরল মানুষের ওপর ধর্মের অপব্যবহারের চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিশ শতকের মধ্যভাগের অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।
১৯৪৮ সালে প্রকাশিত 'লালসালু' উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি বাংলা কথাসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতাভিত্তিক ধারার সূচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাঁদের অমাবস্যা
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত আরেকটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর তৃতীয় ও শেষ উপন্যাস যা অস্তিত্ববাদী দর্শনের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — ইনিই 'লালসালু' উপন্যাসের সফল ও প্রামাণিক রচয়িতা।
B) শামসুর রহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি ও প্রাবন্ধিক, কোনো উপন্যাস রচয়িতা নন।
C) জহির রায়হান — ইনি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার, তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস 'হাজার বছর ধরে'।
D) শহীদুল্লা কায়সার — ইনি প্রখ্যাত সাংবাদিক ও ঔপন্যাসিক, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'সারেং বউ'।
৫. মনে রাখার টিপস:
ওয়ালীউল্লাহর নামের সাথে লালসালু মনে রাখতে 'ওয়ালীউল্লাহর লালসালু' এভাবে একটি ছন্দ বা জোড় তৈরি করতে পারো।
তাঁর উপন্যাসের সংখ্যা কম হলেও প্রতিটি বাংলা সাহিত্যে অনন্য স্থান দখল করে আছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
লালসালু উপন্যাসটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
মাজুবিবি, খালেক ব্যাপারী এবং মাজেদ এই উপন্যাসের প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
সঠিক উত্তর: C) সম্পূর্ণ
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো সম্পূর্ণ, কারণ বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
- সংস্কৃত তৎসম শব্দে ট বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে সবসময় মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়, যা এই বানানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নত্ব বিধান নিয়ম অনুযায়ী রি, র, ষ বর্ণের পরে তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়।
- সম্পূর্ণ শব্দটিতে র-ফলা থাকার কারণে এর সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে, যা নত্ব বিধানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কর্ণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে র-ফলা থাকার কারণে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে, যা নত্ব বিধানের সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত।
উদাহরণ ২: বর্ণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও র-ফলা যুক্ত হওয়ার কারণে দন্ত্য ন না হয়ে মূর্ধন্য ণ বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সম্পুর্ণ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বানানের শেষে মূর্ধন্য ণ এর সাথে ভুলভাবে চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করা হয়েছে।
B) সম্পুর্ন — এই অপশনটি ভুল কারণ এর শেষাংশে ভুল বানানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে।
C) সম্পূর্ণ — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী পুরোপুরি নির্ভুল একটি রূপ।
D) সম্পূর্ন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বানানের শুরুতে অনুস্বার ব্যবহারের পরিবর্তে ভুলভাবে ম ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তৎসম শব্দে র-ফলা বা রেফ থাকলে তার সাথে সাধারণত মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়, এই নিয়মটি মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
- সম্পূর্ণ শব্দটি লেখার সময় সবসময় মাথায় রাখবে যে এর শেষে ণ এবং রেফ যুক্ত ধ্বনি রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নত্ব বিধানের বানান প্রায়ই আসে, তাই র-ফলাযুক্ত শব্দগুলোর ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
- একই নিয়মে গঠিত অন্যান্য শব্দ যেমন অর্পণ, তর্পণ এবং বর্ণ শব্দগুলোর বানানও একইভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) প্রারম্ভিক
কেন সঠিক:
Initial ইংরেজি শব্দটির বাংলা অর্থ হলো প্রারম্ভিক বা সূচনা সম্পর্কিত।
এটি সাধারণত কোনো কাজের শুরু বা প্রথম অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে প্রারম্ভিক অপশনটি নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রারম্ভিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ Initial শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
B) বিরাট — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ হলো হিউজ বা লার্জ, যা Initial শব্দের সাথে মিলে না।
C) হ্রদ — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ হলো লেক, তাই এটি Initial শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
D) কান্না — এই শব্দের ইংরেজি অর্থ হলো ক্রাই, যা Initial শব্দের সাথে সম্পূর্ণ অমিল।
মনে রাখার টিপস:
Initial শব্দের শুরুতেই IN আছে, যা দিয়ে কোনো কিছুর ভেতরে প্রবেশ বা শুরু বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) কান্না
কেন সঠিক:
Weep শব্দটির অর্থ হলো সশব্দে বা নীরবে চোখের জল ফেলা।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ক্রিয়া পদ যার বাংলা অর্থ কান্না করা।
এর সমার্থক শব্দ হিসেবে ক্রাই বা সোব ব্যবহার করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঝেড়ে ফেলা — এই অর্থটি শেড বা ব্রাশ শব্দের সাথে সম্পর্কিত।
B) তাড়াতাড়ি — এই অর্থটি কুইকলি বা ফাস্ট শব্দের সাথে মিলে যায়।
C) প্রাবন্ধিক — এই অর্থটি এসেইস্ট বা লেখকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
D) কান্না — এটি সঠিক অর্থ হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Weep শব্দের সাথে উইপ উইপ কান্নার শব্দ মিলিয়ে খুব সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) কদাচিৎ
কেন সঠিক:
Seldom একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ হলো কদাচিৎ বা খুব কম সময়ে ঘটে এমন ঘটনা।
এটি একটি নেগেটিভ বা না-সূচক ভাব প্রকাশ করে যা বোঝায় কাজটি প্রায় হয় না বললেই চলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জোরে — জোরে শব্দের ইংরেজি অর্থ লাউডলি বা জোরে, যা সেলডম শব্দের সাথে মেলে না।
B) মহান — মহান শব্দের ইংরেজি অর্থ গ্রেট, যা সেলডম শব্দের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত।
C) বাস্তব — বাস্তব শব্দের ইংরেজি অর্থ রিয়েল, যার সাথে সেলডম শব্দের কোনো মিল নেই।
D) কদাচিৎ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সেলডম মানেই কদাচিৎ বা কদাচিৎ কখনো।
মনে রাখার টিপস:
সেলডম মানে খুব বিরল ঘটনা, তাই এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে কদাচিৎ শব্দটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) জ্বর
কেন সঠিক:
Fever একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ হলো শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া বা জ্বর। সাধারণ চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং দৈনন্দিন জীবনে এই শব্দটি শরীরের উচ্চ তাপমাত্রাকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জ্বর — এটি সঠিক উত্তর কারণ Fever শব্দের মূল অর্থই হলো জ্বর।
B) সাহায্য — এটি ভুল কারণ সাহায্য ইংরেজি শব্দের অর্থ হেল্প বা অ্যাসিস্ট্যান্স।
C) অনুদান — এটি ভুল কারণ অনুদান ইংরেজি শব্দের অর্থ ডোনেশন বা গ্রান্ট।
D) কঠিন — এটি ভুল কারণ কঠিন ইংরেজি শব্দের অর্থ হার্ড বা ডিফিকাল্ট।
মনে রাখার টিপস:
শরীর গরম হয়ে গেলে ফিজিশিয়ান বা চিকিৎসকের কাছে যেতে হয়, এই কথাটি মনে রাখলেই Fever অর্থ জ্বর সহজেই মনে থাকবে।
সঠিক উত্তর: C) অত্যাবশ্যক
কেন সঠিক:
Vital শব্দটির ইংরেজি অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য।
বাংলায় এর সঠিক প্রতিশব্দ হলো অত্যাবশ্যক বা যা ছাড়া চলা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্থায়ী — স্থায়ী শব্দের ইংরেজি অর্থ পার্মানেন্ট বা যা সহজে পরিবর্তন হয় না, তাই এটি ভুল।
B) প্রকাণ্ড — প্রকাণ্ড শব্দের ইংরেজি অর্থ বিশাল বা বিরাট, যা এই শব্দের সাথে মেলে না।
C) অত্যাবশ্যক — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই।
D) উৎফুল্ল — উৎফুল্ল শব্দের ইংরেজি অর্থ আনন্দিত বা প্রফুল্ল, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
ভিটামিন যেমন আমাদের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যক, তেমনি Vital শব্দটির অর্থও খুব জরুরি বা প্রয়োজনীয়।
সঠিক উত্তর: B) smoking
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী cannot help এর পর verb এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়।
- প্রদত্ত বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় আমি ধূমপান না করে থাকতে পারছি না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to smoke — cannot help এর পর infinitive বা to বস0 নিয়ম নেই।
B) smoking — এটি সঠিক কারণ cannot help এর পর gerund ব্যবহৃত হয়।
C) for smoking — preposition এর ব্যবহার এখানে ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) but smoke — cannot but এর পর verb এর base form বসে, কিন্তু cannot help এর পর but বসে না।
মনে রাখার টিপস:
cannot help এর পরে সবসময় verb এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: A) on
কেন সঠিক:
- Insist verb-এর পর সাধারণত উপযুক্ত preposition হিসেবে on বসে যার অর্থ জোরালোভাবে কিছু দাবি করা।
- Insist on-এর পর gerund অর্থাত্ verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun-এর কাজ করে, যেমন leaving।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি সঠিক উত্তর কারণ insist-এর সাথে সবসময় অনড় অবস্থান বোঝাতে on বসে।
B) in — এটি ভুল কারণ insist-এর সাথে সাধারণত in প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয় না।
C) for — এটি ভুল কারণ কোনো কিছুর উদ্দেশ্যে চাওয়া বোঝালেও insist-এর সাথে for বসে না।
D) at — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট স্থান বা দিকে বোঝাতে at ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Insist শব্দের সাথে সবসময় on প্রিপজিশন বসে এবং তারপরে verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: B) to
কেন সঠিক:
এখানে beneficial শব্দের পরে সাধারণত to preposition ব্যবহৃত হয়।
যার অর্থ কোনো কিছুর জন্য উপকারী হওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — beneficial শব্দের সাথে সাধারণত for বসে না।
B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) on — health এর পূর্বে on preposition সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
D) of — health এর সাথে of বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না।
মনে রাখার টিপস:
beneficial শব্দের পরে সাধারণত to preposition বসে।
সঠিক উত্তর: A) into
কেন সঠিক:
look into একটিPhrasal verb যার অর্থ হলো কোনো কিছু গভীরভাবে তদন্ত করা বা অনুসন্ধান করা। পুলিশের কাজ হলো অপরাধ বা কোনো ঘটনা গভীরভাবে তদন্ত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) into — এটি সঠিক কারণ look into অর্থ তদন্ত করা।
B) on — look on অর্থ দর্শক হিসেবে দেখা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
C) to — look to অর্থ কোনো কিছুর দিকে তাকানো বা নির্ভর করা।
D) at — look at অর্থ কেবল সাধারণ দৃষ্টিতে তাকানো।
মনে রাখার টিপস:
পুলিশ যখন কোনো ঘটনা নিয়ে কাজ করে তখন সবসময় look এর সাথে into বসে কারণ এর অর্থ তদন্ত করা।
সঠিক উত্তর: C) about
কেন সঠিক:
talk verb টির পরে about preposition বসে যখন কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করা বোঝায়।
তুমি কী নিয়ে কথা বলছো তা জানতে এই বাক্যটিতে about ব্যবহার করা হয়।
অন্য কোনো preposition এখানে অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — talk on সাধারণত কোনো গম্ভীর বা আনুষ্ঠানিক বিষয়ের ওপরে বক্তৃতা দেওয়া বোঝায়।
B) in — talk in কোনো ভাষার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেমন কথা বলার মাধ্যম বোঝাতে।
C) about — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
D) at — talk at একতরফা কথা বলা বোঝায়, যা এই বাক্যের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
কারо সাথে কোনো বিষয়ে কথা বলা বোঝালে talk এর পরে always about বসে।
সঠিক উত্তর: D) would
কেন সঠিক:
প্রধান ক্লজটি পাস্ট টেন্সে থাকায় ন্যারেশনের নিয়মে ভবিষ্যৎ বোঝাতে will-এর পরিবর্তে would বসে।
এটি পাস্ট টেন্সে ভবিষ্যতের অর্থ প্রকাশ করে।
বাক্যটির অর্থ সে কথা দিয়েছিল যে সে আগামী সোমবার আসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will — প্রধান ক্লজটি পাস্ট টেন্সে থাকায় এখানে প্রেজেন্ট ফর্ম will ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) should — এটি বাধ্যবাধকতা বা উচিত অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রতিশ্রুতির অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
C) can — এটি সামর্থ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে ভবিষ্যৎ প্রতিশ্রুতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) would — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
নরেশনের নিয়মে রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্সে থাকলে রিপোর্টেড স্পিচে will পরিবর্তন হয়ে always would হয়।
সঠিক উত্তর: D) at
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা জায়গার ক্ষেত্রে ইংরেজি Preposition হিসেবে 'at' বসে। এখানে বাংলাদেশের ভেতরে সবচেয়ে দীর্ঘ নদী বোঝাতে নির্দিষ্ট স্থান অর্থে 'at' ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — এটি সাধারণত অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা স্থান নির্দেশ করতে সঠিক নয়।
B) within — এটি সীমানার ভেতরে বোঝাতে বসে, তবে এই বাক্যের কাঠামোর সাথে এটি মানানসই নয়।
C) in — এটি বড় কোনো এলাকা বা দেশের ভেতরে বোঝাতে বসে, কিন্তু এই নির্দিষ্ট বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী এটি বসে না।
D) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি নির্দিষ্ট স্থান নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট কোনো ছোট স্থান বা নির্দিষ্ট জায়গার নাম বোঝাতে সবসময় 'at' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Embarrass
কেন সঠিক:
- এই শব্দটিতে ডাবল 'r' এবং ডাবল 's' রয়েছে যা ইংরেজি বানান রীতি অনুযায়ী সঠিক।
- এর সঠিক উচ্চারণ এবং বানান গঠনে প্রতিটা অক্ষর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Embarras — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে শেষ অক্ষর 's' একটি রয়েছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী ডাবল 's' হবে।
B) Embarass — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে 'r' একটি এবং 's' দুটি রয়েছে, যা সঠিক বানান নয়।
C) Embarrass — এটি সঠিক বানান কারণ এতে ডাবল 'র' এবং ডাবল 'এস' সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Emberrass — এই অপশনটি ভুল কারণ শব্দের শুরুতে 'Em' এর পরিবর্তে 'Em' এর জায়গায় ভুলভাবে 'Embe' এর আগের অংশ পরিবর্তিত হয়েছে এবং প্রথম স্বরবর্ণ ভুল আছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটি মনে রাখতে মনে রাখুন যে এখানে দুটি 'র' (r) এবং দুটি 'এস' (s) একত্রে বসে।
সঠিক উত্তর: D) Critisise
কেন সঠিক:
ইংরেজি বানান রীতি অনুযায়ী শব্দটির মূলে রয়েছে ক্রিটিক শব্দ।
এর সাথে সঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Critisize — এখানে শেষ অংশে এস এর বদলে জেড ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
B) Critisise — এটি সঠিক অপশনের একটি বিকল্প রূপ যা ব্রিটিশ মান অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য।
C) Critiscise — এখানে অতিরিক্ত একটি সি বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে যা বানানের নিয়মবিরুদ্ধ।
D) Critisise — এটি মূল সঠিক বানান হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ক্রিটিক শব্দের শেষে আই এস ই যুক্ত করে এই বানানটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Miscreant
কেন সঠিক:
এই শব্দটির সঠিক বানানে প্রথমে Mis এবং পরে creant বসে।
এর অর্থ হলো দুষ্কৃতকারী বা অপরাধী ব্যক্তি।
বানানটিতে সঠিক ইংরেজি প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Miscreant — এটি সঠিক বানান।
B) Miscrient — বানানের শেষের অংশে ভুল আছে।
C) Miscriant — বানানের মাঝখানে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Miskrient — শুরুর অংশে s এর পরিবর্তে k ব্যবহার করা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটিকে Mis এবং creant এই দুই ভাগে ভাগ করে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ৩৬০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার প্রথম পদ = ৩
ধারার দ্বিতীয় পদ = ৬
ধারার তৃতীয় পদ = ১৮
ধারার চতুর্থ পদ = ৭২
ধরি,
প্রথম পদের সাথে গুণক = ২
দ্বিতীয় পদের সাথে গুণক = ৩
তৃতীয় পদের সাথে গুণক = ৪
অতএব,
৩ × ২ = ৬
৬ × ৩ = ১৮
১৮ × ৪ = ৭২
সুতরাং,
পরবর্তী গুণক হবে ৫
উত্তর: ৭২ × ৫ = ৩৬০
সঠিক উত্তর: B) ৬৪০
প্রদত্ত তথ্য:
খ এর দৈনিক আয় ক এর দ্বিগুণ
গ এর দৈনিক আয় খ এর দ্বিগুণ
ধরি,
ক এর দৈনিক আয় = ক টাকা
খ এর দৈনিক আয় = ২ক টাকা
গ এর দৈনিক আয় = ৪ক টাকা
অতএব,
তিনজনের আয়ের যোগফল = ক + ২ক + ৪ক
প্রশ্নমতে, ৭ক = ১১২০
সুতরাং,
ক = ১১২০ ÷ ৭ = ১৬০
গ এর দৈনিক আয় = ৪ × ১৬০
উত্তর: ৬৪০ টাকা
সঠিক উত্তর: C) ২১
প্রদত্ত তথ্য:
একটি কলম ও দুইটি পেন্সিলের একত্রিত মূল্য ৬৮ টাকা
একটি কলমের মূল্য একটি পেন্সিলের মূল্যের চেয়ে ৫ টাকা বেশি
ধরি,
একটি পেন্সিলের মূল্য ক টাকা
তাহলে একটি কলমের মূল্য (ক + ৫) টাকা
অতএব,
প্রশ্নমতে, (ক + ৫) + ২ × ক = ৬৮
বা, ক + ৫ + ২ × ক = ৬৮
সুতরাং,
৩ × ক + ৫ = ৬৮
৩ × ক = ৬৮ − ৫ = ৬৩
উত্তর: ক = ৬৩ ÷ ৩ = ২১ টাকা
সঠিক উত্তর: B) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
এ এবং বি এর মোট বয়স
বি এবং সি এর মোট বয়সের তুলনায় ১৫ বছর বেশি
ধরি,
এ এর বয়স = ক
বি এর বয়স = খ
সি এর বয়স = গ
অতএব,
প্রশ্নানুসারে লেখা যায়
ক + খ = (খ + গ) + ১৫
সুতরাং,
উভয় পাশ থেকে খ বাদ দিলে পাই
ক = গ + ১৫
উত্তর: ১৫
সঠিক উত্তর: D) ৭n + ৩
প্রদত্ত তথ্য:
n একটি জোড় সংখ্যা
ধরি,
n = ২
অতএব,
অপশন A এর মান = ২ এর বর্গ = ৪, যা একটি জোড় সংখ্যা
অপশন B এর মান = ৫ গুণের বন্ধনী শুরু ২ যোগ ২ বন্ধনী শেষ = ২০, যা একটি জোড় সংখ্যা
অপশন C এর মান = ২ গুণ ২ যোগ ২ = ৬, যা একটি জোড় সংখ্যা
সুতরাং,
অপশন D এর মান = ৭ গুণ ২ যোগ ৩ = ১৭, যা একটি বিজোড় সংখ্যা
উত্তর: ৭n + ৩ জোড় সংখ্যা হতে পারে না
গাণিতিক ব্যাখ্যা:
ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%।
শুধুমাত্র গণিতে পাস করেছে = (70% - 40%) = 30%
শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = (60% - 40%) = 20%
উভয় বিষয়ে পাস করেছে = 40%
অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (গণিত, বাংলা বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (30% + 20% + 40%) = 90%
সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = (100% - 90%) = 10%
উত্তর: 10%
সঠিক উত্তর: B) ০.৫
প্রদত্ত তথ্য:
৫০টি কলম বিক্রি করা হলো
লাভ হলো ২৫টি কলমের ক্রয়মূল্যের সমান
ধরি,
একটি কলমের ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
৫০টি কলমের ক্রয়মূল্য = ৫০ টাকা
অতএব,
২৫টি কলমের ক্রয়মূল্য = ২৫ টাকা
মোট লাভ = ২৫ টাকা
সুতরাং,
শতকরা লাভ = (২৫ ÷ ৫০) × ১০০ %
শতকরা লাভ = ০.৫ × ১০০ % = ৫০%
উত্তর: ০.৫
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
ক সংখ্যাটি খ এর চেয়ে বড়
গ সংখ্যাটি ক এর চেয়ে ছোট
ধরি,
খ এর মান = ১০
ক এর মান = ১২
অতএব,
যদি গ এর মান = ১১ হয়, তবে গ খ এর চেয়ে ছোট হয়
আবার যদি গ এর মান = ১৩ হয়, তবে গ খ এর চেয়ে বড় হয়
সুতরাং,
গ সংখ্যাটি খ এর চেয়ে বড় বা ছোট উভয়ই হতে পারে
নির্দিষ্ট করে বলা যায় না
উত্তর: কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: C) কাাবডি
প্রদত্ত তথ্য:
চারটি ভিন্ন খেলা দেওয়া আছে
অপশনগুলোতে বল ব্যবহারের সুযোগ আছে
ধরি,
ফুটবল খেলায় বল ব্যবহৃত হয়
বাস্কেটবল খেলায় বল ব্যবহৃত হয়
ভলিবল খেলায় বল ব্যবহৃত হয়
অতএব,
ফুটবল বল দিয়ে খেলা হয়
বাস্কেটবল বল দিয়ে খেলা হয়
ভলিবল বল দিয়ে খেলা হয়
সুতরাং,
কাবডি খেলায় কোনো বল ব্যবহৃত হয় না
উত্তর: C) কাাবডি
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
অপুর বর্তমান বয়স ৪ বছর
মীরার বয়স অপুর বয়সের ৪ গুণ
ধরি,
অপুর বর্তমান বয়স = ৪ বছর
মীরার বর্তমান বয়স = ৪ × ৪ = ১৬ বছর
মীরার বয়স এবং অপুর বয়সের বয়সের পার্থক্য = ১৬ − ৪ = ১২ বছর
অতএব,
যখন মীরার বয়স অপুর বয়সের দ্বিগুণ হবে
তখন মীরার বয়স হবে অপুর বয়সের বয়সের পার্থক্যের দ্বিগুণ
সুতরাং,
অপুর বয়স হবে ১২ বছর
মীরার বয়স হবে ১২ × ২ = ২৪ বছর
উত্তর: ২৪ বছর
সঠিক উত্তর: B) জুম
কেন সঠিক:
- পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় জনগোষ্ঠী পাহাড়ের ঢাল কেটে জঙ্গল পুড়িয়ে যে বিশেষ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে তাকে জুম চাষ বলা হয়।
- এটি মূলত স্থানান্তরিত বা শিফটিং কাল্টিভেশন নামে পরিচিত এবং পাহাড়ি অঞ্চলের মৃত্তিকা ও ভূপ্রকৃতির সঙ্গে এটি সরাসরি সম্পর্কিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, কারণ কুর বলতে জুম চাষ বোঝায় না।
B) জুম — এটি পাহাড়ি অঞ্চলের উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী চাষপদ্ধতির সঠিক নাম।
C) ঝুম — বানানগত ভিন্নতার কারণে এটি অপশন হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়, সঠিক প্রমিত রূপ হলো জুম।
D) কুম — এটি পাহাড়ি চাষপদ্ধতির কোনো নাম নয় এবং এর সঙ্গে কৃষির কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল পুড়িয়ে চাষ করা হয় বলে একে জুম চাষ বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) Crlt + প
কেন সঠিক:
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অন্যান্য ডকুমেন্টে প্রিন্ট করার জন্য কিবোর্ড শর্টকাট হিসেবে কন্ট্রোল ও পি একসাথে ব্যবহার করা হয়।
- প্রদত্ত অপশনে বানান কিছুটা ভুল থাকলেও মূলত প্রিন্ট কমান্ড বোঝাতে এই শর্টকাট কি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Alt + P — এটি সাধারণ প্রিন্ট কমান্ড নয়, এটি সাধারণত কোনো সফটওয়্যারের বিশেষ মেনু বা রিবন ট্যাব ওপেন করতে ব্যবহৃত হয়।
B) Crlt + P — এটি প্রিন্ট কমান্ডের সঠিক কিবোর্ড শর্টকাট, যদিও অপশনে বানানটি একটু ভিন্নভাবে লেখা হয়েছে।
C) Fn + P — এটি ফাংশন কি এর সাথে যুক্ত যা ল্যাপটপের বিশেষ কোনো হার্ডওয়্যার সেটিংস বা ডিসপ্লে পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
D) Alt + Print — এটি প্রিন্ট কমান্ডের কোনো স্ট্যান্ডার্ড কিবোর্ড শর্টকাট নয় এবং এর আলাদা কোনো নির্ধারিত কাজ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
প্রিন্ট শব্দের ইংরেজি শুরুর অক্ষর পি এর সাথে কন্ট্রোল কি যুক্ত করে খুব সহজেই এই কমান্ড মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) বৃহস্পতি
কেন সঠিক:
- বৃহস্পতি সৌরমণ্ডলের সবচেয়ে বড় এবং ভারী গ্রহ, যার ভর অন্য সব গ্রহের মোট ভরের চেয়েও আড়াই গুণ বেশি।
- এটি মূলত গ্যাসীয় দানব গ্রহ, যার প্রধান উপাদান হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম গ্যাস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুধ — এটি সৌরমণ্ডলের সবচেয়ে ছোট গ্রহ এবং সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ।
B) বৃহস্পতি — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) পৃথিবী — এটি সৌরজগতের পঞ্চম বৃহত্তম গ্রহ এবং জীবের বসবাসের একমাত্র উপযোগী গ্রহ।
D) শনি — এটি সৌরমণ্ডলের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ, যার চারপাশে বিখ্যাত বলয় রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বৃহস্পতি হলো বৃহদাকার বা সবচেয়ে বড় গ্রহ, তাই আকারের দিক থেকে এটি সবার শীর্ষে।
সঠিক উত্তর: A) ১৬ অক্টোবর
কেন সঠিক:
- বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্ষুধার বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে এই দিনটি পালন করা হয়।
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) প্রতিষ্ঠার স্মরণে ১৯৪৫ সালের এই দিনটিকে বিশ্ব খাদ্য দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ অক্টোবর — এটি বিশ্ব খাদ্য দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা সঠিক উত্তর।
B) ১৬ নভেম্বর — এটি আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস হিসেবে পালিত হয়, খাদ্য দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৭ অক্টোবর — এটি আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা খাদ্য দিবসের সঙ্গে মিলে না।
D) ১৭ নভেম্বর — এটি আন্তর্জাতিক ছাত্র দিবস হিসেবে পালিত হয়, বিশ্ব খাদ্য দিবসের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
খাদ্য উৎপাদনের মাস অক্টোবর এবং ১৬ তারিখে বিশ্ব খাদ্য দিবস পালন করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) ভারত মহাসাগরে
কেন সঠিক:
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যা ভারত মহাসাগরের ঠিক মধ্যভাগে প্রবাল দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- ভৌগোলিক অবস্থানগতভাবে এটি ভারত মহাসাগরের একটি অত্যন্ত কৌশলগত ও গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক দ্বীপ দেশ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত মহাসাগরে — এটি সঠিক কারণ মালদ্বীপ সম্পূর্ণভাবে ভারত মহাসাগরের পানির নিচে অবস্থিত প্রবাল প্রাচীরের ওপর গড়ে উঠেছে।
B) আরব সাগরে — আরব সাগর ভারতের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত হলেও মালদ্বীপ আরও দক্ষিণে ভারত মহাসাগরের মূল অংশে অবস্থিত।
C) বঙ্গোপসাগরে — বঙ্গোপসাগর ভারতের পূর্বে অবস্থিত, যেখানে বাংলাদেশ ও আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ রয়েছে, মালদ্বীপ এখানে অবস্থিত নয়।
D) পারস্য সাগরে — পারস্য সাগর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত তেলসমৃদ্ধ একটি উপসাগর, যার সাথে মালদ্বীপের কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
মালদ্বীপ মানেই বিশাল সমুদ্রের মাঝে দ্বীপ, আর এটি এশিয়ার দক্ষিণভাগে ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) Function Key
প্রদত্ত তথ্য:
কিবোর্ডের ওপরের সারিতে থাকে এফ ১ থেকে এফ ১২ পর্যন্ত বোতাম
এই বিশেষ বোতামগুলোকে নির্দিষ্ট কিছু কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়
ধরি,
এফ ১ মানে প্রথম ফাংশন বোতাম
এফ ১২ মানে দ্বাদশ ফাংশন বোতাম
অতএব,
এই বোতামগুলোর সাহায্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন শর্টকাট কাজ করা যায়
তাই এদের সামগ্রিকভাবে বিশেষ নামে ডাকা হয়
সুতরাং,
এই বোতামগুলোর সঠিক নাম ফাংশন কি
উত্তর: Function Key
সঠিক উত্তর: A) আলতাফ মাহমুদ
কেন সঠিক:
- অমর একুশের এই গানটির কথা লিখেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী আবদুল গফফার চৌধুরী।
- গানটিতে প্রথম সুর দিয়েছিলে আব্দুল লতিফ, তবে বর্তমানের জনপ্রিয় ও চিরন্তন সুরটি শহীদ বুদ্ধিজীবী আলতাফ মাহমুদের করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলতাফ মাহমুদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গানটির জনপ্রিয় সুরকার।
B) জহির রায়হান — তিনি বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও সাহিত্যিক, এই গানটির সুরকার নন।
C) আপেল মাহমুদ — তিনি একজন বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী ও সুরকার, তবে এই ঐতিহাসিক গানের সুরকার নন।
D) আলাউদ্দীন আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক হলেও এই গানের সুরকার নন।
মনে রাখার টিপস:
কথা আবদুল গফফার চৌধুরীর আর সুর আলতাফ মাহমুদের।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ২
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে মাত্র দুটি দেশের সাথে, যথা ভারত ও মায়ানমার।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বাংলাদেশের তিন দিক জুড়ে রয়েছে ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রয়েছে মায়ানমার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ — বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত একটি দেশের সাথে নয়, বরং ভারত ও মায়ানমার মিলিয়ে মোট দুটি দেশের সাথে রয়েছে।
B) ২ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ বাংলাদেশের সীমান্ত কেবল ভারত ও মায়ানমারের সাথেই যুক্ত।
C) ৩ — বাংলাদেশের সাথে তিনটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই, ফলে এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
D) ৪ — বাংলাদেশের সাথে চারটি দেশের সীমান্ত নেই, প্রতিবেশী দেশ বেশি হলেও সীমান্ত রয়েছে কেবল দুটির সাথে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশকে তিন দিক থেকে ঘিরে রেখেছে ভারত এবং এক কোণায় রয়েছে মায়ানমার, তাই সীমান্তবর্তী দেশের সংখ্যা মাত্র দুই।
সঠিক উত্তর: D) Esc
কেন সঠিক:
- কম্পিউটার বা এম এস ওয়ার্ডে চলমান কোনো প্রক্রিয়া, ডায়ালগ বক্স বা নির্দেশ বাতিল করার জন্য কিবোর্ডের এসকেপ বা Esc বোতাম ব্যবহার করা হয়।
- এটি মূলত এস্কেপ শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা ব্যবহারকারীকে বর্তমান কাজ থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসতে বা অপারেশন বন্ধ করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Tab — এটি লেখার সময় কার্সারকে নির্দিষ্ট দূরত্বে ডানে সরিয়ে নিতে বা টেবিলের পরবর্তী ঘরে যেতে ব্যবহৃত হয়।
B) Caps lock — এটি ইংরেজি বর্ণমালা লেখার সময় সব অক্ষর বড় হাতের বা ক্যাপিটাল লেটার করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) Ctrl — এটি একা কাজ করে না, বরং অন্য কোনো বোতামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন শর্টকাট কমান্ড বা নির্দেশ execute করতে ব্যবহৃত হয়।
D) Esc — এটি নির্দেশ বাতিল করার সঠিক বোতাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
Esc মানে এস্কেপ বা পালিয়ে যাওয়া, তাই কোনো কাজ থেকে পালিয়ে আসতে বা নির্দেশ বাতিল করতে Esc বোতামে চাপ দিতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) ঢাকা
কেন সঠিক:
- ডি এন এ বাঁধ বা ডি এন ডি বাঁধ ঢাকা জেলার যাত্রাবাড়ী, ডেমরা ও নারায়ণগঞ্জ এলাকাকে বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদীর বন্যা থেকে রক্ষা করতে তৈরি করা হয়।
- ১৯৬৮ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজধানী ঢাকাকে পোল্ডারের মাধ্যমে বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে সুরক্ষিত রাখা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বাঁধটি রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলকে রক্ষা করার জন্য নির্মিত হয়েছে।
B) কুমিল্লা — কুমিল্লা জেলা গোমতী নদী ও এর বন্যা দ্বারা প্রভাবিত, যেখানে ডি এন ডি বাঁধের কোনো প্রকল্প নেই।
C) বগুড়া — বগুড়া জেলা যমুনা ও বাঙালি নদীর অববাহিকায় অবস্থিত, যা এই বাঁধের আওতাভুক্ত নয়।
D) ফরিদপুর — ফরিদপুর জেলা পদ্মা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত এবং এখানে অন্য বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ডি এন ডি বাঁধ মানে ডেমরা নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা এলাকা রক্ষা করার বাঁধ।
সঠিক উত্তর: D) ক্যালসিয়াম
কেন সঠিক:
- মানবদেহের অস্থি বা হাড় গঠনের প্রধান উপাদান হলো ক্যালসিয়াম।
- অস্থির স্বাভাবিক বৃদ্ধি, মজবুতি এবং সঠিক গঠনের জন্য ক্যালসিয়ামের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফসফরাস — এটি হাড় গঠনে সহায়তা করলেও প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম।
B) প্রোটিন — এটি পেশি ও সার্বিক দেহ গঠনে কাজ করে, সরাসরি অস্থির বৃদ্ধির প্রধান উপাদান নয়।
C) আয়রন — এটি রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে এবং অক্সিজেন পরিবহনে কাজ করে।
D) ক্যালসিয়াম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
হাড় শক্ত ও মজবুত রাখতে প্রধান উপাদান হিসেবে ক্যালসিয়ামের নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কর্ণফুলী
কেন সঠিক:
- কর্ণফুলী নদীর ওপর কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ নির্মাণ করে ১৯৬০ সালে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম হ্রদ যা রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত এবং এর নাম কাপ্তাই হ্রদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিস্তা — তিস্তা নদী ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এর ওপর কোনো কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়নি।
B) সুরমা — সুরমা নদী সিলেট অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী, যার ওপর কোনো বাঁধ দিয়ে কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়নি।
C) যমুনা — যমুনা বাংলাদেশের একটি প্রধান ও প্রশস্ত নদী, যার ওপর বাঁধ দিয়ে কোনো কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়নি।
D) কর্ণফুলী — এই নদীর ওপর বাঁধ দিয়েই কাপ্তাই কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
কর্ণফুলী নদীর কাপ্তাই বাঁধ মনে রাখলেই কাপ্তাই কৃত্রিম হ্রদের সঠিক উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) Audio
কেন সঠিক:
- এমপিথ্রি হলো অডিও ফাইল ফরম্যাট, যা কম্পিউটারে শব্দ বা গান সংরক্ষণের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত এমপেই ওয়ান অডিও লেয়ার থ্রি প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়, যা ফাইলের আকার ছোট রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Video — ভিডিও ফাইলের এক্সটেনশন সাধারণত এমপিফোর, এভিআই বা এমকেভি হয়ে থাকে, তাই এটি সঠিক নয়।
B) Audio — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত।
C) Antivirus — এটি কোনো ফাইল ফরম্যাট নয়, বরং ক্ষতিকর সফটওয়্যার প্রতিরোধের প্রোগ্রাম।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
নামের শেষের থ্রি অংশটি মনে রাখবে যে এটি মূলত সাউন্ড বা অডিও ফাইল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) তাজউদ্দীন আহমদ
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তাজউদ্দীন আহমদ।
- ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) শপথগ্রহণকারী এই সরকারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি প্রথম অস্থায়ী সরকারের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
B) তাজউদ্দীন আহমদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল বা ভিন্ন প্রসঙ্গ প্রযোজ্য নয়।
C) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী — তিনি প্রথম অস্থায়ী সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না।
D) নুরুল কাদের — তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
সরকারের প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ এবং রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
সঠিক উত্তর: B) গাজীপুর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস রাষ্ট্রীয় মুদ্রা, ডাকটিকিট এবং গুরুত্বপূর্ণ সিকিউরিটি দলিল মুদ্রণের জন্য গাজীপুরের টঙ্গীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্রগ্রাম — এটি দেশের প্রধান বন্দরনগরী এবং বাণিজ্যিক রাজধানী হলেও এখানে সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস অবস্থিত নয়।
B) গাজীপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস অবস্থিত।
C) ময়মনসিংহ — এটি শিক্ষা ও সংস্কৃতির জন্য পরিচিত হলেও এখানে এই মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানটি নেই।
D) খুলনা — এটি শিল্পাঞ্চল হলেও এখানে মূলত পাট ও অন্যান্য ভারী শিল্প রয়েছে, সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস নেই।
মনে রাখার টিপস:
টাকা ও গোপন দলিল ছাপানোর কাজ কঠোর নিরাপত্তায় হয়, যা রাজধানী ঢাকার কাছাকাছি গাজীপুর জেলায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) সাতক্ষীরা
কেন সঠিক:
- ভোমরা স্থলবন্দরটি সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় অবস্থিত এবং এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ।
- এই বন্দরটি দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে স্থলপথে আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনাজপুর — এটি দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত নয়, এই জেলায় হিলি স্থলবন্দর অবস্থিত।
B) সাতক্ষীরা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই জেলাতেই ভোমরা স্থলবন্দরটি অবস্থিত।
C) সুনামগঞ্জ — এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত নয়, এই অঞ্চলে মূলত তাহিরপুর বা চারাগাঁও শুল্ক স্টেশন রয়েছে।
D) আখাউড়া — এটি আখাউড়া স্থলবন্দর যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত, সাতক্ষীরায় নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাতক্ষীরার ভোমরা বন্দর দিয়ে ভারতে পণ্য প্রবেশ করে, এভাবে মনে রাখতে পারেন 'সাতক্ষীরার ভোমরা'।
সঠিক উত্তর: B) ৩
কেন সঠিক:
- বর্তমানে বাংলাদেশে চালু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংখ্যা তিনটি।
- বিমানবন্দরগুলো হলো ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে চালু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা দুটি নয়, বরং তিনটি।
B) ৩ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বর্তমানে দেশে তিনটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সচল রয়েছে।
C) ৪ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কাজ চললেও এটি এখনও পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে চালু হয়নি।
D) ৫ — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে চালু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট সংখ্যা পাঁচটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে বাংলাদেশের প্রধান তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অবস্থিত।
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল
সঠিক উত্তর: B) গাজীপুর
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি (A) কক্সবাজার ভুল ছিল। দেশের প্রথম সাফারি পার্ক গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত।
কেন সঠিক:
- গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মৈশাদী গ্রামের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের শালবনের ভেতর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং সর্ববৃহৎ সাফারি পার্ক, যা ২০১৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কক্সবাজার — এটি দেশের প্রথম সাফারি পার্ক নয়, তবে এখানে দেশের প্রথম সামুদ্রিক aquarium এবং মেরিন পার্ক অবস্থিত।
B) গাজীপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই দেশের প্রথম সাফারি পার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
C) ময়মনসিংহ — এটি দেশের প্রথম সাফারি পার্কের অবস্থান নয়, তবে এখানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও মুক্তাগাছার রাজবাড়ি অবস্থিত।
D) রাঙ্গামাটি — এটি পাহাড়ঘেরা জেলা হলেও এখানে দেশের প্রথম সাফারি পার্ক অবস্থিত নয়, এটি ঝুলন্ত সেতুর জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধু ও বন দুটিই ব দিয়ে শুরু, আর প্রথম সাফারি পার্ক বনের ভেতরে গাজীপুরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাজ্য
কেন সঠিক:
- রয়টার্স হলো যুক্তরাজ্যের একটি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা বা সংবাদ সংস্থা।
- পল জুলিয়াস রয়টার ১৮৫১ সালে লন্ডনে এই সংবাদ সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ এবং এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ রয়টার্সের মূল কার্যালয় কানাডায় অবস্থিত নয়।
B) ফ্রান্স — ফ্রান্সের প্রধান সংবাদ সংস্থার নাম এএফপি বা এগারেন্স ফ্রান্স প্রেস, রয়টার্স নয়।
সি) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রধান সংবাদ সংস্থা হলো অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস বা এপি, রয়টার্স নয়।
ডি) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বার্তা সংস্থার প্রধান কার্যালয় যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
রয়টার্স ও বিবিসি উভয়ই যুক্তরাজ্য বা লন্ডনের বিখ্যাত সংবাদ মাধ্যম।
সঠিক উত্তর: D) মালদ্বীপ
কেন সঠিক:
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশিয়া তথা সমগ্র এশিয়ার আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে ছোট দেশ।
- দেশটির মোট আয়তন মাত্র প্রায় ৩০০ বর্গকিলোমিটার এবং এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভুটান — ভুটান দক্ষিণ এশিয়ার একটি ছোট দেশ হলেও আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে মালদ্বীপের চেয়ে অনেক বড়।
B) নেপাল — নেপাল একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এর আয়তন মালদ্বীপের তুলনায় বহু গুণ বেশি।
C) শ্রীলংকা — শ্রীলংকা ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, যার আয়তন ও জনসংখ্যা মালদ্বীপের চেয়ে অনেক বেশি।
D) মালদ্বীপ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি এশিয়ার সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার সবচেয়ে ছোট দেশ মনে রাখতে মহাসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপের কথা স্মরণ রাখবে, যা দক্ষিণ এশিয়ারও ক্ষুদ্রতম।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)