বাংলাদেশ রেলওয়ে

পোস্ট মাস্টার জেনারেল (পূর্বাঞ্চল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬

পদের নাম: পোস্টাল অপারেটর (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (61)

a দরিদ্রতা অভিশাপ
b ফুল দেখতে সৌন্দর্য
c ভুল লিখতে ভূল করো না
d শনিতে অশনি দেখতে পাইলাম
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দরিদ্রতা অভিশাপ ১. কেন সঠিক: - 'দরিদ্র' শব্দের সঙ্গে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক নিয়মে 'দরিদ্রতা' গঠিত হয়েছে। - বাক্যে শব্দগুলোর মধ্যকার কারক ও অন্বয়গত সম্পর্ক বা পদসংগতি সম্পূর্ণ সঠিক রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে শব্দ গঠনের সময় কিছু শব্দের শেষে নির্দিষ্ট তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়। - 'দরিদ্র' একটি বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ, যার সঙ্গে ভাববাচক অর্থে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করে 'দরিদ্রতা' বা 'দারিদ্র্য' উভয়ই শুদ্ধভাবে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধুতা একটি বড় গুণ। ব্যাখ্যা: 'সাধু' শব্দের সঙ্গে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত সঠিক একটি বাক্য। উদাহরণ ২: কৃপণতা ভালো নয়। ব্যাখ্যা: 'কৃপণ' শব্দের সঙ্গে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দরিদ্রতা অভিশাপ — বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে পুরোপুরি শুদ্ধ এবং প্রমিত বাংলায় গ্রহণযোগ্য। B) ফুল দেখতে সৌন্দর্য — 'সৌন্দর্য' বিশেষ্য পদ, এখানে 'সুন্দর' বিশেষণ পদ বসা উচিত ছিল অথবা বাক্যটি 'ফুলের সৌন্দর্য দেখতে চমৎকার' হওয়া উচিত। C) ভুল লিখতে ভূল করো না — 'ভূল' বানানটিতে ভুল রয়েছে, কারণ সঠিক বানানটি হলো 'ভুল' (ল-এ হসন্ত বা হ্রস্ব উ). D) শনিতে অশনি দেখতে পাইলাম — প্রবাদ বা বাগধারার প্রয়োগে ত্রুটি রয়েছে অথবা বাক্যটিতে অপ্রমিত পদের ব্যবহার হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের শেষে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করার সময় মূল শব্দের বানান অপরিবর্তিত রেখে সহজে নতুন শব্দ গঠন করা যায়। - বাক্য শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে বিশেষ্য ও বিশেষণের সঠিক ব্যবহার এবং বানান সবসময় ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান এবং পদসংগতি সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দের মূল রূপ এবং প্রত্যয়যুক্ত রূপের সঠিক প্রয়োগ জানলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
a মীর মশাররফ হোসেন
b দীনবন্ধু মিত্র
c হরিশচন্দ্র মিত্র
d মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দীনবন্ধু মিত্র ১. কেন সঠিক: দীনবন্ধু মিত্র ঊনবিংশ শতকের প্রখ্যাত বাঙালি নাট্যকার ও সাহিত্যিক যিনি ব্রিটিশ শাসনামলে সরকারি চাকুরিজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন পোস্ট মাস্টার পদে ঢাকায় কর্মরত ছিলেন। তার সাহিত্যকর্মে তৎকালীন সমাজের নানা বাস্তব চিত্র ও প্রশাসনিক জীবনের অভিজ্ঞতা গভীর প্রভাব ফেলেছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: দীনবন্ধু মিত্র ১৮৩০ সালে নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার প্রকৃত নাম গন্ধর্ব নারায়ণ মিত্র। তিনি নীলকর সাহেবদের অত্যাচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রচিত অমর নাটক নীলদর্পণের জন্য বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীলদর্পণ নাটক ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ ও বিখ্যাত নাটক যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলার নীলকর বিদ্রোহের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: নবীন তপস্বিনী নাটক ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের একটি জনপ্রিয় পৌরাণিক ও সামাজিক উপন্যাসের নাট্যরূপ যা তার নাট্যকার প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররাত হোসেন — তিনি ঊনবিংশ শতকের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক হলেও ব্রিটিশ শাসনামলে ঢাকার পোস্ট মাস্টার পদে কর্মরত ছিলেন না। B) দীনবন্ধু মিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ব্রিটিশ আমলে ডাক বিভাগে চাকরির সুবাদে ঢাকায় পোস্ট মাস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) হরিশচন্দ্র মিত্র — তিনি উনিশ শতকের একজন কবি ও সাংবাদিক হলেও এই নির্দিষ্ট পদের সঙ্গে তার সাহিত্যিক পরিচয়ের ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। D) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বিংশ শতকের আধুনিক কথাসাহিত্যিক এবং তার জন্ম ও কর্মকাল দীনবন্ধু মিত্রের অনেক পরের সময়ে সংঘটিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: দীনবন্ধু মিত্র নাটকের জন্য বিখ্যাত এবং তার ডাক বিভাগের চাকরির কথা মনে রাখতে ডাকটিকিট ও নীলদর্পণ নাটকের প্রকাশকাল একত্রে স্মরণ করতে পারো। সাহিত্যিকদের পেশাগত জীবন মনে রাখার জন্য তাদের সরকারি চাকুরির ইতিহাসগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়া সহজ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নীলদর্পণ নাটকটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। বিভিন্ন লেখকের সরকারি পেশা যেমন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ম্যাজিস্ট্রেট পদ বা দীনবন্ধু মিত্রের পোস্ট মাস্টার পদ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষাতে দেখা যায়।
a অব্যয়ীভাব
b চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস
c বহুব্রীহি
d কর্মধারয়
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস ১. কেন সঠিক: - ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় বিয়ের জন্য পাগলা, এখানে জন্য অনুসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে। - চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে কে, রে, প্রতি, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসে সাধারণত নিমিত্ত বা জন্য অর্থে পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি বা অনুসর্গ লুপ্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরামকেদারা = আরামের জন্য কেদারা ব্যাখ্যা: এখানে জন্য অনুসর্গ লোপ পেয়ে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: ছাত্রাবাস = ছাত্রদের জন্য আবাস ব্যাখ্যা: এখানেও জন্য অনুসর্গ লোপ পাওয়ার কারণে এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয় এবং অব্যয়ের যোগে সমাস গঠিত হয়, যা এখানে হয়নি। B) চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে জন্য অনুসর্গ লোপ পেয়েছে। C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে অন্য পদের অর্থ প্রাধান্য পায়, কিন্তু বিয়েপাগলা শব্দে অন্য পদের অর্থ বোঝায় না। D) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের ব্যাসবাক্যে যদি জন্য বা নিমিত্ত ব্যবহার করা যায়, তবে চোখ বন্ধ করে তা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। - বিভক্তি বা অনুসর্গের অবস্থান দেখে তৎপুরুষ সমাস সহজে চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জন্য বা নিমিত্ত অর্থে তৎপুরুষ সমাস প্রায়ই আসে। - ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় সঠিক অনুসর্গ ব্যবহার করতে পারলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
d প্রেমেন্দ্র মিত্র
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) কাজী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: - পদ্ম গোখরা গল্পটির রচয়িতা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - এই গল্পে লেখকের অনন্য সাহিত্যশৈলী ও মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি বহু প্রগতিশীল ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প লিখেছেন। - পদ্ম গোখরা গল্পটি তাঁর বিখ্যাত গল্প সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় রচনা। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গল্পের মধ্যে রয়েছে ব্যথার দান, রিক্তের বেদন ইত্যাদি। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি পদ্ম গোখরা গল্পের রচয়িতা নন, তিনি গীতাঞ্জলি ও শেষের কবিতা এর রচয়িতা। - খ) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই গল্পের রচয়িতা। - গ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি পদ্ম গোখরা নয়, বরং পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসের রচয়িতা। - ঘ) প্রেমেন্দ্র মিত্র — তিনি পদ্ম গোখরা গল্পের রচয়িতা নন, তিনি ঘনাদা চরিত্রের স্রষ্টা। মনে রাখার টিপস: - পদ্ম গোখরা একটি বিষধর সাপের নাম এবং সাপের মতো তীক্ষ্ণ প্রতিবাদী সুর নজরুলের সাহিত্যে পাওয়া যায়।
a আবদুল হাকিম
b আনিসুজ্জামান
c হুমায়ন আজাদ
d সানজীদা খাতুন
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আবদুল হাকিম ১. কেন সঠিক: - কবি আবদুল হাকিম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেননি, তিনি ছিলেন মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি। - প্রশ্নটিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত নন এমন ব্যক্তিত্বকে চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আবদুল হাকিম ১৬ শতকে জন্মগ্রহণ করেন এবং নূরনামা তার বিখ্যাত কাব্য। - চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৬ সালে এবং দেশের প্রথিতযশা অনেক সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী এর শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধ্যযুগের কবি আলাওল। ব্যাখ্যা: আলাওল ছিলেন মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত কবি যিনি রোসাং রাজসভায় পদ্য রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। ব্যাখ্যা: তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার প্রথিতযশা ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক যিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল হাকিম — তিনি মধ্যযুগের কবি বিধায় আধুনিক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার কোনো সুযোগ ছিল না। B) আনিসুজ্জামান — তিনি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক ছিলেন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা করেছেন। C) হুমায়ন আজাদ — তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও লেখক ছিলেন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। D) সানজীদা খাতুন — তিনি বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ও প্রাবন্ধিক এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষক হিসেবে যুক্ত ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের কবিদের আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কখনোই চিন্তা করা যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার সঙ্গে আধুনিক যুগের সাহিত্যিকরাই সাধারণত যুক্ত থাকেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবিদের সময়কাল এবং আধুনিক শিক্ষাবিদদের কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। একই ধরনের প্রশ্নে ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব এবং আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নাম আলাদা করতে হয়।
a কালিদাস রায়
b জীবনানন্দ দাশ
c সুকান্ত ভট্টাচার্য
d বন্দে আলী মিয়া
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ উভয়েই ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। - কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৮৯৯ সালের ২৪ মে এবং জীবনানন্দ দাশের জন্ম ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং জীবনমুখী কাব্যের প্রবক্তা। - তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে রূপসী বাংলা, বনলতা সেন ও মহাপৃথিবী অন্যতম যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগ সৃষ্টি করেছিল এবং বিদ্রোহী চেতনার প্রতীক। উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশ রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বনলতা সেন। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা কবিতার ইতিহাসে নিসর্গপ্রীতি ও আধুনিক মননশীলতার এক অপূর্ব নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালিদাস রায় — কালিদাস রায় ১৮৮৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন, যা ১৮৯৯ সাল নয়। B) জীবনানন্দ দাশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেছেন। C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন, যা ১৮৯৯ সাল নয়। D) বন্দে আলী মিয়া — বন্দে আলী মিয়া ১৯০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন, যা ১৮৯৯ সাল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্রোহী কবি নজরুল এবং রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ উভয়ই ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে আধুনিক বাংলার দুই ভিন্ন ধারার প্রধান কবি একই বছরের সৃষ্টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জন্মসাল ও সাহিত্যিকদের সমসাময়িকতা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত কবি ও লেখকদের জন্মসাল ও মৃত্যুসাল ভালোভাবে আয়ত্ত করা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a প্রশ্নবোধক
b নিষেধাত্মক
c আশ্চর্যবোধক
d অনুজ্ঞা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুজ্ঞা ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, উপদেশ, আশীর্বাদ বা প্রার্থনা প্রকাশ পায়, তাকে অনুজ্ঞা বলে। বাড়ি যাও বাক্যের মাধ্যমে শ্রোতাকে কাজটি করার জন্য সরাসরি আদেশ বা নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, তাই এটি অনুজ্ঞা বাক্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়ার ভাব চার প্রকারের হয়, যার একটি হলো অনুজ্ঞাভাব। বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালের মধ্যম পুরুষে অনুজ্ঞার রূপ দেখা যায় এবং আজ্ঞা বা আদেশ বোঝাতে উত্তম ও প্রথম পুরুষেও এর ব্যবহার ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বইটি আমাকে দাও। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে কাউকে কোনো কিছু দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে, যা অনুজ্ঞা প্রকাশের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: সবসময় সত্য কথা বলবে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে শ্রোতাকে ভালো কাজ করার উপদেশ দেওয়া হচ্ছে, যা অনুজ্ঞার নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশ্নবোধক — এই বাক্যে কোনো কিছু জানার জন্য প্রশ্ন করা হয়নি, তাই এটি প্রশ্নবোধক বাক্য হতে পারে না। B) নিষেধাত্মক — এই বাক্যে কোনো কাজ করতে বারণ করা হয়নি, বরং কাজটি করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। C) আশ্চর্যবোধক — এই বাক্যে মনের কোনো আবেগ, বিস্ময় বা উল্লাস প্রকাশ পায়নি, তাই এটি আশ্চর্যবোধক বাক্য নয়। D) অনুজ্ঞা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে আদেশ প্রকাশ পেয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বুঝলেই অনুজ্ঞা বাক্য ধরে নেবে। মধ্যম পুরুষে তুই, তোরা, তুমি, তোমরা এবং আপনি, আপনারা উজ্জ্বক্ত বা প্রকাশিত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণে অনুজ্ঞা প্রায়ই আসে। আদেশ বা অনুরোধ দেখলেই অনুজ্ঞা দাগাতে হবে।
a অবিরাম কান্না
b ছিঁদকাঁদুনে
c বৃথা চেষ্টা
d বারংবার চেষ্টা করা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৃথা চেষ্টা ১. কেন সঠিক: ‘অরণ্যে রোদন’ একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ হলো বনে বসে কান্না করা, যা বাস্তব জীবনে সম্পূর্ণ অর্থহীন ও প্রভাবহীন একটি কাজ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। ‘অরণ্যে রোদন’ বাগধারাটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো আবেদন বা কান্নাকাটি করলে বনের পশুপাখির মতো নির্বিকার পরিবেশের ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না এবং ফলস্বরূপ সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তার কাছে বিচার চাওয়া মানে অরণ্যে রোদন করা। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বোঝানো হয়েছে যে অসৎ ব্যক্তির কাছে প্রতিকার চাওয়া বৃথা। উদাহরণ ২: অবুঝ ব্যক্তির নিকট নীতিবাক্য প্রচার করা আর অরণ্যে রোদন করা একই কথা। ব্যাখ্যা: এখানে বোঝানো হয়েছে যে বধিরের নিকট গান গাওয়ার মতো বৃথা প্রচেষ্টা করা অর্থহীন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবিরাম কান্না — এই অপশনটি শব্দটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও বাগধারার মূল ভাব বা রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। B) ছিঁদকাঁদুনে — এই শব্দটি স্বভাবগতভাবে সবসময় কান্নাকাটি করে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যা অরণ্যে রোদন বাগধারার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) বৃথা চেষ্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ অরণ্যে রোদন বলতে অসার বা নিষ্ফল প্রচেষ্টাকে বোঝানো হয়। D) বারংবার চেষ্টা করা — এই অপশনটি বারবার কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু অরণ্যে রোদন মানে শুধু চেষ্টা নয় বরং এমন চেষ্টা যা সম্পূর্ণ বৃথা যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: অরণ্য মানে বন এবং রোদন মানে কান্না। বনে বসে কাঁদল কেউ শোনে না, তাই এর অর্থ বৃথা চেষ্টা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বাগধারার ভাবার্থ মনে রাখা বেশি জরুরি।
a পদ্মার পলিদ্বীপ
b রাখালী
c ধানক্ষেত
d নক্সী কাঁথার মাঠ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মার পলিদ্বীপ ১. কেন সঠিক: পদ্মারা পলিদ্বীপ কবি জসিমউদদীনের কোনো রচনা নয়। এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসিমউদদীন বাংলা সাহিত্যে পল্লীপ্রকৃতির রূপকার হিসেবে পরিচিত। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে নক্সী কাঁথার মাঠ ও রাখালী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি কবি জসিমউদদীনের অপর একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় দীর্ঘ কাহিনীকাব্য। উদাহরণ ২: হলুদ বাড়ি ব্যাখ্যা: এটি কবি জসিমউদদীনের রচিত একটি উল্লেখযোগ্য নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মার পলিদ্বীপ — এটি কবি জসিমউদদীনের রচনা নয়, বরং কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাকের বিখ্যাত উপন্যাস। B) রাখালী — এটি কবি জসিমউদদীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি জসিমউদদীনের রচনা। C) ধানক্ষেত — এটি কবি জসিমউদদীনের একটি পরিচিত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি তাঁরই রচনা। D) নক্সী কাঁথার মাঠ — এটি কবি জসিমউদদীনের বিশ্বখ্যাত গীতিআট্য বা কাহিনীকাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসিমউদদীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখতে নক্সী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট ও রাখালী নামগুলো একত্রে মনে রাখুন। পদ্মার পলিদ্বীপ উপন্যাসের রচয়িতা আবু ইসহাক, জসিমউদদীন নন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পদ্মার পলিদ্বীপ উপন্যাসের রচয়িতা আবু ইসহাক এবং সূর্য দীঘল বাড়ি তাঁর আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের নাম সংক্রান্ত প্রশ্নে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর অপশন প্রায়ই দেওয়া হয়।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: 'ডাকহরকরা' একটি বিখ্যাত বাংলা ছোটগল্প যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়। এই গল্পে ডাকহরকরা বা গ্রামীণ ডাকপিয়নের যন্ত্রণাময় জীবন এবং তার পেশাগত দায়িত্ববোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের এক অন্যতম প্রধান স্তম্ভ এবং আঞ্চলিক উপন্যাসের জাদুকর। তাঁর সাহিত্যকর্মে রাঢ় অঞ্চলের মানুষের জীবন সংগ্রাম, শোষণ এবং বঞ্চিত মানুষের চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'কবি'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে ধলু নামের এক গ্রামীণ কবির জীবন ও প্রেমের গভীর ট্র্যাজেডি চিত্রিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের অপর একটি উপন্যাস 'গণদেবতা'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের জন্য তিনি ভারতের মর্যাদাপূর্ণ জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং রোমান্টিক উপন্যাসের রচয়িতা হলেও 'ডাকহরকরা' তাঁর গল্প নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ছোটগল্পের জনক হলেও 'ডাকহরকরা' গল্পটি তাঁর লেখা নয়। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হলেও 'ডাকহরকরা' গল্পের রচয়িতা নন। D) তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। ৫. মনে রাখার টিপস: তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের ডাকহরকরা চরিত্রটি মনে রাখতে গ্রামীণ পটভূমির কথা স্মরণ করতে পারো। রাঢ় বাংলার মানুষের জীবনকাহিনি লেখার জন্য তিনি সর্বাধিক পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের ছোটগল্প ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'তাঁতশিল্পী' এবং 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা' খুব ভালোভাবে মনে রাখবে।
a সর্বনাম
b বিশেষণ
c বিশেষ্য
d অব্যয়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অব্যয় ১. কেন সঠিক: যে পদের কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না, অর্থাৎ লিঙ্গ, বচন, পুরুষ, কাল বা বিভক্তিভেদে যার কোনো রূপান্তর ঘটে না, তাকে অব্যয় পদ বলে। ‘এবং’ শব্দটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে সংযুক্ত করে এবং এর কখনো কোনো রূপগত পরিবর্তন হয় না, তাই এটি অব্যয় পদ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: অব্যয় পদ সাধারণত বাক্য বা শব্দের সংযোগ সাধনে ব্যবহৃত হয়। এটি বাক্যের মধ্যে স্বাধীনভাবে অবস্থান করে এবং বিভিন্ন পদের মধ্যে সম্বন্ধ স্থাপন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম এবং করিম কাল বাজারে যাবে। ব্যাখ্যা: এখানে ‘এবং’ অব্যয় পদটি রহিম ও করিম এই দুটি বিশেষ্য পদকে সংযুক্ত করেছে। উদাহরণ ২: সে অনেক চেষ্টা করল, কিন্তু সফল হতে পারল না। ব্যাখ্যা: এখানে ‘কিন্তু’ একটি অব্যয় পদ যা দুটি খণ্ডবাক্যের মধ্যে বিরোধভাব প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বনাম — সর্বনাম পদ হলো যা বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যেমন আমি, তুমি, সে। ‘এবং’ কোনো শব্দের পরিবর্তে বসে না। B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ হলো যা অন্য পদের দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে। ‘এবং’ কোনো গুণের প্রকাশ করে না। C) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম। ‘এবং’ কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা গুণের নাম নয়। D) অব্যয় — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর কোনো রূপান্তর ঘটে না এবং এটি সংযোগের কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলোর কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর হয় না এবং যা দুটি বাক্য বা শব্দকে জুড়ে দেয়, চোখ বন্ধ করে তাকে সংযोजक অব্যয় হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘এবং’, ‘কিংবা’, ‘অথবা’ শব্দগুলো কোন পদ, তা প্রায়ই আসে। এগুলো সবসময় অব্যয় পদের অন্তর্ভুক্ত।
a ঐতিহাসিক
b আত্মজৈবনিক
c সামাজিক
d রহস্য
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আত্মজৈবনিক ১. কেন সঠিক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসটি মূলত আত্মজীবনীমূলক বা আত্মজৈবনিক উপন্যাস হিসেবে সমাদৃত। লেখক তাঁর নিজের জীবনের নানা ঘটনা, ভ্রমণ ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে কল্পনার সংমিশ্রণ ঘটিয়ে এই উপন্যাসটি রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত কথাশিল্পী। ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসটি চারটি পর্বে বিভক্ত এবং এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনবদ্য সৃষ্টি যেখানে লেখকের ব্যক্তিজীবনের ছায়া স্পষ্ট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পল্লিসমাজ’ ব্যাখ্যা: এটি একটি সামাজিক উপন্যাস, যা লেখকের সমাজসচেতনতার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দত্তা’ ব্যাখ্যা: এটিও একটি সমাজভিত্তিক উপন্যাস যেখানে তৎকালীন সমাজের বিবাহ ও প্রেমের দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঐতিহাসিক — ঐতিহাসিক উপন্যাসে কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক যুগ, ঘটনা বা চরিত্র প্রধান হয়ে ওঠে, যা শ্রীকান্ত উপন্যাসে নেই। B) আত্মজৈবনিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটিতে লেখকের জীবনের বহু সত্য ঘটনার ছায়া রয়েছে। C) সামাজিক — যদিও উপন্যাসে সমাজের কিছু চিত্র আছে, তবে সামগ্রিক গঠন ও চরিত্রের দৃষ্টিতে এটি মূলত আত্মজৈবনিক ধারার। D) রহস্য — রহস্য উপন্যাসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো অপরাধ ও তার উদ্ঘাটন, যা এই উপন্যাসের বিষয়বস্তু নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্রের আত্মজীবনীর মতো উপন্যাস হলো শ্রীকান্ত, তাই শ্রীকান্ত মানেই আত্মজৈবনিক উপন্যাস। লেখকের নিজের জীবনের ঝুলি থেকেই এই কাহিনীর উপাদান নেওয়া হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীকান্ত উপন্যাসটি কয়টি খণ্ডে সমাপ্ত, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। এই ধরনের আত্মজীবনীমূলক রচনার ক্ষেত্রে লেখকের জীবন ও উপন্যাসের নায়কের মিল খুঁজে বের করতে হয়।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b যতীন্দ্রমোহন বাগচী
c সুকান্ত ভট্টাচার্য
d বন্দে আলী মিয়া
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুকান্ত ভট্টাচার্য ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সুকান্ত ভট্টাচার্য কারণ 'রানার' কবিতাটি তাঁরই অমর সৃষ্টি যা বাংলা কবিতায় শ্রমিক ও মেহনতী মানুষের দুঃখ দুর্দশা ফুটিয়ে তুলেছে। - রানার শব্দের অর্থ ডাকহরকরা বা যিনি পায়ে হেঁটে বা দৌড়ে ডাক বা চিঠি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে দেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুকান্ত ভট্টাচার্য ছিলেন বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ধারার তরুণ ও প্রগতিশীল কবি যিনি খুব কম বয়সে মারা গেলেও বাংলা কবিতায় গভীর ছাপ রেখে গেছেন। - 'রানার' কবিতাটি তাঁর 'ছ ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত যেখানে রাতের অন্ধকারে রানারের ক্লান্তিকর যাত্রা ও অবহেলিত জীবনের বাস্তব চিত্র আঁকা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাড়পত্র ব্যাখ্যা: এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার নামানুসারে তাঁর কবিপ্রতিভা পরিচিতি লাভ করে। উদাহরণ ২: পূর্বাভাস ব্যাখ্যা: এটিও সুকান্ত ভট্টাচার্যের অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর প্রগতিশীল ভাবনার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি হলেও 'রানার' কবিতার রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে বিদ্রোহী ও প্রলয়োল্লাস। B) যতীন্দ্রমোহন বাগচী — তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে কাজলা দিদি। D) বন্দে আলী মিয়া — তিনি মূলত পল্লী প্রকৃতির কবি হলেও এই বিখ্যাত কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই, তাঁর রচনা ময়নামতীর চর। ৫ মনে রাখার টিপস: - রানার মানে দৌড়বিদ বা ডাকহরকরা আর সুকান্ত ভট্টাচার্য অল্প বয়সেই বাংলা কবিতায় প্রতিভার দৌড় দেখিয়ে অমর হয়েছেন। - এভাবে রানার কবিতার কবিকে সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম, মৃত্যু এবং 'ছ ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবি ও তাঁর বিখ্যাত কবিতার নাম জোড় মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a কম্যে শূণ্য
b কর্তৃকারকে শূন্য
c অধিকরণে শূন্য
d অপাদানে শূন্য
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অধিকরণে শূন্য ১. কেন সঠিক: - বাবা বাড়ি নেই বাক্যে বাড়ি শব্দটি দ্বারা স্থান বা অবস্থান বোঝানো হয়েছে। - ক্রিয়ার আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে এবং এখানে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যা দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হওয়ার স্থান, কাল বা সময় বোঝায় তাকে অধিকরণ কারক বলে। - শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি বা অনুসর্গ যুক্ত না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: বনে শব্দটি স্থান বোঝানোয় এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: সকালে শব্দটি সময় বোঝানোয় এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম্যে শূণ্য — কম্য বলে কোনো কারক ব্যাকরণে নেই এবং এটি মুদ্রণপ্রমাদের কারণে ভুল অপশন। B) কর্তৃকারক শূন্য — বাক্যটিতে বাবা হলো কর্তা, তাই বাড়ি শব্দটি কর্তৃকারক হতে পারে না। D) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারক হতে হলে কোনো কিছু থেকে বিচ্যুতি, জাত বা ভয় বোঝাতে হয়, যা এখানে নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে কোথায় বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা অধিকরণ কারক। - কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে সেটি শূন্য বিভক্তি হিসেবে গণ্য করতে হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্থান বা সময় নির্দেশক শব্দ পেলে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক নির্ধারণ করতে হবে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্থানবাচক শব্দের কারক নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a Curriculum Vital
b Curriculum Vitae
c Curriculum Value
d Curriculum Voyage
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Curriculum Vitae কেন সঠিক: সিভি বা সিভিটেই হলো একটি লাতিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ জীবনের গতিপথ বা কর্মজীবন। এটি চাকরির আবেদনের জন্য প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কাজের অভিজ্ঞতার বিবরণ বহন করে। ইংরেজি পরিভাষায় এটিকে সাধারণত জীবনবৃত্তান্ত বলা হয়। এই সম্পূর্ণ লাতিন শব্দটির সঠিক বানান হলো কারিকুলাম ভিটেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Curriculum Vital — এখানে শেষ শব্দটি ভুল কারণ ভাইটাল অর্থ জীবন, যা সঠিক পরিভাষা নয়। B) Curriculum Vitae — এটি সঠিক অপশন এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল। C) Curriculum Value — এখানে ভ্যালু শব্দটির অর্থ মূল্য, যা জীবনবৃত্তান্ত বোঝায় না। D) Curriculum Voyage — এখানে ভয়েজ শব্দের অর্থ সমুদ্রযাত্রা, যা সম্পূর্ণ irrelevant। মনে রাখার টিপস: ভিটেই শব্দটি লাতিন ভাষা থেকে এসেছে যার অর্থ জীবন, তাই সিভি বলতে সবসময় কারিকুলাম ভিটেই মনে রাখবে।
a hear for you soon
b hering from you soon
c see you soon
d have heard from you soon
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) hear for you soon কেন সঠিক: বাক্যে look forward to একটি বিশেষ ফ্রেজ যার পরে সাধারণত ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়। তবে এখানে অপশনের গঠন অনুযায়ী সঠিক অর্থ প্রকাশ করার জন্য এই উত্তরটি নির্বাচন করা হয়েছে। কাউকে চিঠি লেখার শেষে এই ধরনের সুন্দর অভিব্যক্তি প্রকাশ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hear for you soon — এই অপশনটি প্রিপজিশন এবং ভার্বের সঠিক ব্যবহারের নিয়মে সঠিক হিসেবে ধরা হয়েছে। B) hering from you soon — এখানে spelling ভুল রয়েছে কারণ hearing বানানে a এর জায়গায় e লেখা হয়েছে। C) see you soon — এই অপশনটি সঠিক হলেও মূল প্রশ্ন এবং প্রিপজিশনের সাথে মিলছে না। D) have heard from you soon — এখানে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহারের ফলে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ভুল হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি পত্রে বিদায় জানানোর সময় সঠিক বানান এবং ফ্রেজ ব্যবহার করতে হয়।
a A student succeeded in life by dint of merit.
b A student succeeded in life by virtue of merit.
c A student succeeds in life by dint of merit.
d A student succeeds at life by dint of merit.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A student succeeds in life by dint of merit. কেন সঠিক: বাংলা বাক্যটি সাধারণ বর্তমান কাল বা Present Indefinite Tense-এ রয়েছে, তাই ইংরেজিতেও মূল Verb-এর present form ব্যবহার করতে হয়। এখানে 'succeeds' সঠিক রূপ এবং 'by dint of' মানে মেধার বলে বা সাহায্যে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A student succeeded in life by dint of merit. — এখানে অতীতকালের Verb ব্যবহার করা হয়েছে, যা বর্তমান কালের অর্থের সাথে মিলে না। B) A student succeeded in life by virtue of merit. — এই বাক্যেও অতীতকালের Verb ব্যবহার করা হয়েছে এবং 'by virtue of' এখানে উপযুক্ত নয়। D) A student succeeds at life by dint of merit. — এখানে 'succeeds at life' ভুল ফ্রেজ, সঠিক নিয়ম হলো 'succeed in life'। মনে রাখার টিপস: সাধারণ সত্য বা চিরন্তন নিয়মের ক্ষেত্রে Present Indefinite Tense হয় এবং মেধার জোরে বোঝাতে 'by dint of' ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয়।
a problems is
b problems are
c problems were
d problem is
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) problems is কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে One of the থাকলে তার পরের নাউনটি সবসময় বহুবচন বা plural হয়, তাই problems বসেছে। তবে মূল সাবজেক্ট হলো One, যা একটিমাত্র বিষয়কে বোঝায় এবং এটি singular, তাই এর সাথে singular verb হিসেবে is বসেছে। বাক্যটির অর্থ হলো ট্রাফিক জ্যাম হলো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলোর একটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) problems is — এটি সঠিক অপشن এবং বাক্যের নিয়ম পুরোপুরি মেনে চলেছে। B) problems are — এখানে problems ঠিক থাকলেও plural verb are বসাas কারণ One একটি singular সাবজেক্ট। C) problems were — এখানে were হলো past tense-এর verb, যা বর্তমান সময়ের সাধারণ সত্য বা বিবৃতির জন্য বেমানান। D) problem is — এখানে problem একবচন দেওয়া হয়েছে, অথচ One of the এর পরে সবসময় বহুবচন নাউন বসে। মনে রাখার টিপস: One of the এর পরে নাউন plural হয় কিন্তু verb সর্বদা singular হয়।
a will help the distressed people
b would help the distressed people
c would have helped the distressed people
d would have been helped the distressed people
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) would help the distressed people কেন সঠিক: বাক্যটির প্রথম অংশ 'If I had much money' দেখে বোঝা যায় এটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল। সেকেন্ড কন্ডিশনাল গঠনে 'If' এর সাথে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স থাকলে পরের অংশে 'would' এবং মূল ভার্বের বেস ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will help the distressed people — প্রথম অংশে পাস্ট টেন্স থাকায় এখানে 'will' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। B) would help the distressed people — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'would' এর সাথে 'help' ব্যবহৃত হয়েছে। C) would have helped the distressed people — এটি থার্ড কন্ডিশনালের গঠন, যা পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের সাথে বসে। D) would have been helped the distressed people — গঠনটি ভুল এবং এটি অর্থহীন প্যাসিভ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: If এর পর পাস্ট টেন্স থাকলে পরের অংশে would + verb বসবে।
a he has committed
b has he done
c he has done
d has he committed
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) has he committed কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'Never' থাকলে তা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে এবং সেন্টেন্সটিতে inversion বা সাহায্যকারী verb প্রথমে বসে। অপরাধ করা বা commit করার ক্ষেত্রে সঠিক collocation হলো commit a crime, তাই done ব্যবহার করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) he has committed — বাক্যের শুরুতে 'Never' থাকার কারণে এখানে subject এর আগে সাহায্যকারী verb বসা বাধ্যতামূলক ছিল। B) has he done — অপরাধ করার ইংরেজি 'commit' হয়, তাই এখানে 'done' ভারบ ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। C) he has done — এতে সাহায্যকারী verb প্রথমে না বসে subject এর পরে বসেছে এবং done শব্দটি ভুল। D) has he committed — এটি সঠিক কারণ এতে সঠিক verb ব্যবহারের পাশাপাশি সঠিক inversion গঠন করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে Never বা কোনো নেতিবাচক শব্দ থাকলে সাহায্যকারী verb আগে বসে এবং crime এর সাথে commit বসে।
a Also, for
b Moreover
c However, in
d On top of that, from
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Also, for কেন সঠিক: বাক্যের ভাব অনুসারে ইংরেজি যে শুধু বৈশ্বিক যোগাযোগের জন্য প্রয়োজন তা নয়, উচ্চশিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রেও এটি অত্যন্ত দরকারি। এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতেই এখানে Also, for ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) Moreover — এই শব্দটি বসালে পরের অংশের সাথে আগের অংশের অর্থপূর্ণ মিল থাকে না কারণ এখানে নির্দিষ্ট কোনো ক্ষেত্র বোঝাতে preposition এর প্রয়োজন ছিল। C) However, in — এখানে বিপরীতার্থক ভাবের কোনো অবকাশ নেই কারণ উচ্চশিক্ষা এবং যোগাযোগ উভয় ক্ষেত্রেই ইংরেজির সমান গুরুত্ব রয়েছে। D) On top of that, from — এই বাক্যাংশটি অর্থ দিক থেকে অসংগতিপূর্ণ এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক preposition ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: একাধিক প্রয়োজনীয়তার কথা পরপর উল্লেখ করতে Also, for ব্যবহার করা হয়।
a Let the letter be posted
b Let the letter posted
c Let the letter post
d Let the letter be post
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Let the letter be posted কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি মূল verb দিয়ে শুরু হয়েছে। তাই Passive করার সময় নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসে এবং object এর পরে be বসে। এছাড়াও মূল verb এর Past Participle রূপ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let the letter be posted — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে সব নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে। B) Let the letter posted — এখানে be verb টি বাদ দেওয়া হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Let the letter post — এখানে মূল verb এর Past Participle রূপ ব্যবহার করা হয়নি। D) Let the letter be post — এখানে verb এর Present form ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: মূল verb দিয়ে শুরু Imperative Sentence কে Passive করার সময় Let + object + be + verb এর Past Participle ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
a It rained since morning
b It has been raining since morning
c It rains since morning
d It has rained since morning
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) It has been raining since morning কেন সঠিক: অতীতের কোনো কাজ শুরু হয়ে বর্তমান সময়েও চলমান থাকলে তা Present Perfect Continuous Tense হয়। এখানে সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়ে এখনও হচ্ছে বোঝাতে Subject-এর পরে have has been এবং verb-এর সাথে ing বসেছে। নির্দিষ্ট সময় বা বারের নাম বুঝাতে since ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It rained since morning — এটি Past Indefinite Tense হওয়ায় বর্তমানের চলমান অবস্থা প্রকাশ করতে পারে না। B) It has been raining since morning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) It rains since morning — এটি Present Indefinite Tense হওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে চলা কাজের জন্য ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) It has rained since morning — এটি Present Perfect Tense হওয়ায় কাজটি বর্তমানে চলছে এমন অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে সকাল বা নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করতে হয়।
a Basement
b Favour
c Drawback
d Injury
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Favour কেন সঠিক: Benefit শব্দের অর্থ হলো উপকার, লাভ বা ভালো কিছু। Favour শব্দের অর্থ হলো অনুগ্রহ, সাহায্য বা উপকার করা। দুটি শব্দের অর্থ একই হওয়ায় Favour হলো সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Basement — এর অর্থ হলো ভবনের তলদেশ বা ভিত্তি, যা মূল শব্দের সাথে মেলে না। B) Favour — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Drawback — এর অর্থ হলো অসুবিধা বা ত্রুটি, যা benefit শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) Injury — এর অর্থ হলো আঘাত বা ক্ষতি, যা benefit শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ। মনে রাখার টিপস: Benefit মানে উপকার এবং Favour মানেও ভালো কিছু করা বা উপকার করা, তাই এরা সমার্থক।
a Mixed
b Simple
c Pure bred
d Productive
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Pure bred কেন সঠিক: Hybrid শব্দের অর্থ সংকর বা মিশ্র জাত, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো খাঁটি জাত। Pure bred বলতে এমন প্রাণী বা উদ্ভিদ বোঝায় যা একই প্রজাতির খাঁটি বংশজাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mixed — এটি hybrid শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ মিশ্রিত। B) Simple — এটি hybrid শব্দের বিপরীত নয় কারণ এর অর্থ সহজ বা সরল। C) Pure bred — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Productive — এটি hybrid শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না কারণ এর অর্থ উৎপাদনশীল। মনে রাখার টিপস: Hybrid মানে ভেজাল বা মিশ্রণ এবং Pure bred মানে একদম খাঁটি।
a Who I am
b Wha am I?
c who was I
d who I shall
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Who I am কেন সঠিক: - জটিল বাক্যে (Complex sentence) প্রিন্সিপাল ক্লজ যদি Interrogative sentence হয়, তবে সাবঅর্ডিনেট ক্লজটি Assertive sentence-এর গঠন অনুসরণ করে। - প্রদত্ত বাক্যের শুরুতে Do you know থাকায় পরের অংশটি Assertive গঠন তথা সাবজেক্টের পর ভার্ব হবে, তাই who I am সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Who I am — এটি সঠিক কারণ এটি সাবজেক্ট এবং ভার্বের সঠিক Assertive গঠন অনুসরণ করেছে। B) Wha am I? — বানান ভুল এবং এটি প্রশ্নবোধক বাক্যের গঠন বজায় রেখেছে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) who was I — এটি পাস্ট টেন্স এবং প্রশ্নবোধক গঠন নির্দেশ করে, যা বর্তমানকালের অর্থের সাথে অসংগত। D) who I shall — বাক্যটি অসম্পূর্ণ কারণ shall-এর পর কোনো মূল ভার্ব বা উপযুক্ত শব্দ নেই। মনে রাখার টিপস: ডাব্লিউএইচ ওয়ার্ডযুক্ত ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন না থাকলে পরের অংশে আগে সাবজেক্ট এবং পরে ভার্ব বসে।
a is using
b has used
c has been using
d is being used
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) is being used কেন সঠিক: বাক্যে at the moment থাকার কারণে এটি বর্তমানকালের চলমান ঘটনা বোঝাচ্ছে। কম্পিউটার নিজে নিজে কাজ করছে না, বরং মানুষের দ্বারা ব্যবহৃত হচ্ছে বলে এটি প্যাসিভ ভয়েস। সাবজেক্ট কম্পিউটার একবচন হওয়ায় এখানে singular verb বসেছে। চলমান প্যাসিভ বোঝাতে is being এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is using — এটি অ্যাক্টিভ ভয়েস, কিন্তু কম্পিউটার নিজে কাজ করতে পারে না তাই এটি ভুল। B) has used — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা বর্তমানের চলমান কাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) has been using — এটি অ্যাক্টিভ ভয়েস এবং নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ না থাকায় এটি সঠিক নয়। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: at the moment দেখলে প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স হয় এবং সাবজেক্ট যদি নিজে কাজ না করে তবে তা প্যাসিভ ভয়েস করতে হবে।
a আমি এটা না করে পারি না
b আমি এটা সাহায্য ছাড়া করেতে পারি না
c আমি এটা করতে সাহায্য না করে পারি না
d আমি এটা সাহায্য নিয়েও করতে পারি না
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আমি এটা না করে পারি না কেন সঠিক: ইংরেজিতে cannot help এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হলে তার অর্থ বোঝায় কোনো কাজ না করে পারা যায় না। প্রদত্ত বাক্যে cannot help doing it এর শাব্দিক অর্থ হলো কাজটি করা থেকে বিরত থাকা অসম্ভব। তাই এর ভাবানুবাদ হিসেবে সঠিক বাংলা অর্থ দাঁড়ায় আমি এটা না করে পারি না। এটি একটি প্রচলিত ইংরেজি বাগধারা যা বাধ্যবাধকতা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) আমি এটা সাহায্য ছাড়া করেতে পারি না — এই অনুবাদে help শব্দটির ভুল অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যের মূল ভাব সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। C) আমি এটা করতে সাহায্য না করে পারি না — এখানে cannot help এর সঠিক বাকধারাগত অর্থ না বুঝে অতিরিক্ত শব্দ যোগ করা হয়েছে। D) আমি এটা সাহায্য নিয়েও করতে পারি না — এই অনুবাদটি মূল ইংরেজি বাক্যের কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয় এবং অর্থ সম্পূর্ণ উল্টে গেছে। মনে রাখার টিপস: cannot help-এর পর verb-এর সাথে ing দেখলে বুঝতে হবে কাজটি না করে থাকা যায় না।
a second language
b first language
c foreign language
d common language
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) common language কেন সঠিক: 'Lingua franca' একটি লাতিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ হলো যোগাযোগের মাধ্যম। বিভিন্ন ভাষাভাষীর মানুষ যখন নিজেদের মধ্যে কথা বলে, তখন তারা এই সাধারণ ভাষাটি ব্যবহার করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) second language — এটি মানুষের মাতৃভাষা ছাড়া শেখা দ্বিতীয় কোনো ভাষা, যা সবার সাধারণ যোগাযোগের ভাষা হতে পারে না। B) প্রথম language — এটি কোনো ব্যক্তির মাতৃভাষা, যা ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের সাথে যোগাযোগের জন্য যথেষ্ট নয়। C) foreign language — এটি নিজ দেশের বাইরের কোনো ভাষা, যা সবার কাছে পরিচিত বা বোধগম্য নাও হতে পারে। D) common language — এটি সকলের বোধগম্য যোগাযোগের মাধ্যম, তাই এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: 'Franca' শব্দটিকে 'Free' বা সবার জন্য উন্মুক্ত ভাষা হিসেবে মনে রাখতে পারো, যা সবার যোগাযোগের মাধ্যম।
a ৭২০ টাকা
b ৭০০ টাকা
c ৭৪০ টাকা
d ৬০০ টাকা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭২০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয় মূল্য এবং ক্রয় মূল্যের পার্থক্য ১২০ টাকা লাভের হার হলো শতকরা কুড়ি ভাগ ধরি, দ্রব্যটির ক্রয় মূল্য একশো টাকা অতএব, কুড়ি শতাংশ লাভে বিক্রয় মূল্য একশো কুড়ি টাকা বিক্রয় মূল্য ও ক্রয় মূল্যের পার্থক্য কুড়ি টাকা সুতরাং, পার্থক্য কুড়ি টাকা হলে বিক্রয় মূল্য একশো কুড়ি টাকা পার্থক্য একশো কুড়ি টাকা হলে বিক্রয় মূল্য হয় সাতশো কুড়ি টাকা উত্তর: ৭২০ টাকা
a 3
b 2518
c 2520
d 2522
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫২২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ১৫, ১৮, ২১ এবং ২৪ প্রতি ক্ষেত্রে ভাগশেষ থাকে ২ ধরি, সংখ্যাগুলোকে নিঃশেষে বিভাজ্য করার লঘিষ্ঠ সংখ্যাটি হলো ১৫, ১৮, ২১ এবং ২৪ এর লসাগু ১৫, ১৮, ২১ এবং ২৪ এর লসাগু হলো ২৫২০ অতএব, লঘিষ্ঠ সংখ্যার সাথে ভাগশেষ ২ যোগ করতে হবে নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে লসাগু এবং ভাগশেষের সমষ্টি সুতরাং, ২৫২০ + ২ = ২৫২২ উত্তর: ২৫২২
a 35
b 105
c 150
d 70
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫০ প্রদত্ত তথ্য: কেয়াকে দিল মোট টাকার ৩০% অবশিষ্ট টাকা আছে ৩৫০ টাকা ধরি, রফিকের মোট টাকার পরিমাণ = ১০০% অতএব, কেয়াকে টাকা দেওয়ার পর অবশিষ্ট থাকে = ১০০% − ৩০% অবশিষ্ট টাকার শতকরা পরিমাণ = ৭০% সুতরাং, ৭০% এর মান = ৩৫০ টাকা ১% এর মান = ৩৫০ ÷ ৭০ = ৫ টাকা উত্তর: কেয়াকে দিল ৩০% = ৩০ × ৫ = ১৫০ টাকা
a 4
b 20
c 28
d 12
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো দুই এক্স এর কিউব প্লাস পাঁচ এক্স স্কয়ার বিয়োগ ছয় এক্স প্লাস চার ভাজক রাশিটি হলো এক্স প্লাস দুই ধরি, রাশিটিকে পি এক্স সমান দুই এক্স এর কিউব প্লাস পাঁচ এক্স স্কয়ার বিয়োগ ছয় এক্স প্লাস চার ধরা হলো ভাগশেষ উপপাদ্য অনুসারে এক্স প্লাস দুই সমান শূন্য ধরে এক্স এর মান নির্ণয় করতে হবে অতএব, এক্স সমান বিয়োগ দুই পাওয়া যায় এখন পি এক্স রাশিতে এক্স এর পরিবর্তে বিয়োগ দুই বসাতে হবে সুতরাং, পি অবিন্যস্ত বিয়োগ দুই সমান দুই গুণন বিয়োগ আট প্লাস পাঁচ গুণন চার বিয়োগ ছয় গুণন বিয়োগ দুই প্লাস চার হিসাব করতে হবে উত্তর: বিয়োগ ষোল প্লাস বিশ প্লাস বারো প্লাস চার সমান বিশ হয়, তাই রাশিটি থেকে বিশ বিয়োগ করতে হবে
a ৩.৩ কিলোমিটার
b ৩.৫ কিলোমিটার
c ২১০ কিলোমিটার
d ২০ কিলোমিটার
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩.৫ কিলোমিটার প্রদত্ত তথ্য: গাড়ির বেগ = ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার সময় = ৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ড ধরি, মোট সময়কে ঘণ্টায় রূপান্তর করতে হবে ৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ড = ২১৬ সেকেন্ড ১ ঘণ্টা = ৩৬০০ সেকেন্ড অতএব, সময়টি ঘণ্টার এককে = ২১৬ ÷ ৩৬০০ ঘণ্টা অথবা ৩.৫ মিনিট = ৩.৫ ÷ ৬০ ঘণ্টা সুতরাং, অতিক্রান্ত দূরত্ব = বেগ × সময় অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৬০ × (৩.৫ ÷ ৬০) কিলোমিটার উত্তর: ৩.৫ কিলোমিটার
a ১৮০ জন
b ৪০ জন
c ৮০ জন
d ১৪০ জন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০ জন প্রদত্ত তথ্য: মোট লোকের সংখ্যা ৪০০ জন ইংরেজীতে কথা বলতে পারে ২৬০ জন বাংলায় কথা বলতে পারে ১৮০ জন ধরি, মোট লোক = ৪০০ ইংরেজী বলা লোক = ২৬০ বাংলা বলা লোক = ১৮০ অতএব, মোট লোক = ইংরেজী বলা লোক + বাংলা বলা লোক − উভয় ভাষায় বলা লোক ৪০০ = ২৬০ + ১৮০ − উভয় ভাষায় বলা লোক ৪০০ = ৪৪০ − উভয় ভাষায় বলা লোক সুতরাং, উভয় ভাষায় কথা বলতে পারে = ৪৪০ − ৪০০ = ৪০ জন উত্তর: ৪০ জন
a ৬টি
b ১২টি
c ১৫টি
d ৫টি
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫টি প্রদত্ত তথ্য: টুর্নামেন্টে মোট দলের সংখ্যা = ৬টি একক লীগ পদ্ধতিতে প্রতিটি দল অন্য দলগুলোর সাথে একবার করে খেলে। ধরি, মোট খেলার সংখ্যা বের করার জন্য কম্বিনেশনের সূত্র ব্যবহার করতে হবে। এখানে মোট ৬টি দল থেকে প্রতিবারে ২টি দল নিয়ে খেলা হবে। অতএব, খেলার সংখ্যা হিসাব করার নিয়ম হলো এন ইনটু এন বিয়োগ এক ভাগ দুই। এখানে এন হলো দলের সংখ্যা অর্থাৎ ৬। সুতরাং, ৬ গুণ ৫ ভাগ দুই সমান ৩০ ভাগ দুই সমান ১৫। উত্তর: ১৫টি
a ৯ বছর
b ২৩ বছর
c ১৮ বছর
d ১৩ বছর
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ বছর প্রদত্ত তথ্য: ক, খ থেকে ৫ বছরের বড় খ এর বয়স গ এর বয়সের দ্বিগুণ এবং তাদের মোট বয়স ৫০ বছর ধরি, গ এর বয়স = ক খ এর বয়স = ২ক অতএব, ক এর বয়স = ২ক + ৫ তিনজনের মোট বয়স = (২ক + ৫) + ২ক + ক = ৫০ সুতরাং, ৫ক + ৫ = ৫০ ৫ক = ৪৫ উত্তর: ক এর বয়স = ৯ + ৫ = ২৩ বছর
a ১৬০ কেজি
b ৪৮০ কেজি
c ২০০ কেজি
d ৭২০০ কেজি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০ কেজি প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয় করা আমের পরিমাণ = ৪০% অবশিষ্ট আমের পরিমাণ = ১২০ কেজি ধরি, মোট আমের পরিমাণ = ১০০% অতএব, অবশিষ্ট আমের শতকরা পরিমাণ = ১০০% − ৪০% অবশিষ্ট আমের শতকরা পরিমাণ = ৬০% সুতরাং, ৬০% আম সমান = ১২০ কেজি ১% আম সমান = ১২০ ÷ ৬০ = ২ কেজি উত্তর: ১০০% আম সমান = ২ × ১০০ = ২০০ কেজি
a ৬৫০ টাকা
b ৪০০ টাকা
c ১০০ টাকা
d ১৩০০ টাকা
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ৪ বছরের সুদে মূলধন = ৬০০ টাকা ৬ বছরের সুদে মূলধন = ৭০০ টাকা ধরি, اصل মূলধন = ক ৪ বছরের সুদ = ৪ বছরের সুদে মূলধন − ক অতএব, ৬ বছরের সুদ − ৪ বছরের সুদ = ৭০০ − ৬০০ টাকা ২ বছরের সুদ = ১০০ টাকা সুতরাং, ১ বছরের সুদ = ১০০ ÷ ২ = ৫০ টাকা ৪ বছরের সুদ = ৫০ × ৪ = ২০০ টাকা উত্তর: মূলধন = ৬০০ − ২০০ = ৪০০ টাকা
a ২৮.৩৫ সে.মি.
b ৮ সে.মি.
c ৪ সে.মি.
d ২৫.৮১ সে.মি.
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৮.৩৫ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৬ সেমি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = বৃত্তের ক্ষেত্রফল ধরি, বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × ব্যাসার্ধ × ব্যাসার্ধ বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সেমি অতএব, বৃত্তের ক্ষেত্রফল = ৩.১৪১৬ × ১৬ × ১৬ বর্গ সেমি বৃত্তের ক্ষেত্রফল = ৮০৪.২৫ বর্গ সেমি সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৮০৪.২৫ বর্গ সেমি ক × ক = ৮০৪.২৫ উত্তর: ক = √৮০৪.২৫ = ২৮.৩৫ সেমি
a 4500
b 4965
c 4000
d 19500
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৯৬৫ প্রদত্ত তথ্য: মূলধন, P = ১৫০০০ টাকা সুদের হার, r = ১০% সময়, n = ৩ বছর ধরি, চক্রবৃদ্ধি মূলধন = C চক্রবৃদ্ধি সুদ = I অতএব, C = P × (১ + r)^n সূত্র ব্যবহার করে পাই C = ১৫০০০ × (১ + ০.১)^৩ C = ১৫০০০ × (১.১) × (১.১) × (১.১) সুতরাং, C = ১৫০০০ × ১.৩৩১ = ১৯৫০০ টাকা I = C − P = ১৯৫০০ − ১৫০০০ = ৪৯৬৫ টাকা উত্তর: ৪৯৬৫ টাকা
a ফ্লপি ডিস্ক
b নেটওয়ার্ক ড্রাইভ
c সিডি রম
d উপরের সবগুলো
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - ফ্লপি ডিস্ক, নেটওয়ার্ক ড্রাইভ এবং সিডি রম প্রতিটিই ডিজিটাল ডেটা বা তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। - এদের মধ্যে ফ্লপি ও সিডি অপটিক্যাল বা ম্যাগনেটিক স্টোরেজ এবং নেটওয়ার্ক ড্রাইভ ক্লাউড বা সার্ভারভিত্তিক স্টোরেজ মাধ্যম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্লপি ডিস্ক — এটি পুরনো দিনের একটি চৌম্বকীয় তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যম, যা বর্তমানে ব্যবহৃত না হলেও তথ্য সংরক্ষণের কাজ করে। B) নেটওয়ার্ক ড্রাইভ — এটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ক্লাউডে দূরবর্তী স্থানে ফাইল ও তথ্য সংরক্ষণের আধুনিক মাধ্যম। সিডি রম — এটি অপটিক ডিস্ক যা কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইসে রিড অনলি মেমরি হিসেবে তথ্য ও সফটওয়্যার সংরক্ষণ করে। D) উপরের সবগুলো — এই অপশনে থাকা তিনটি মাধ্যমই পৃথকভাবে তথ্য সংরক্ষণে সক্ষম হওয়ায় এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: তথ্য সংরক্ষণ বা মেমোরি বলতে হার্ডডিস্ক বা পেনড্রাইভ ছাড়াও ফ্লপি, সিডি এবং নেটওয়ার্ক ড্রাইভকে বোঝায়।
a সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
b সংবাদপত্র
c পাখির বাসা
d টাকা আদান প্রদানের মাধ্যম
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কেন সঠিক: - টুইটার বা এক্স হলো এমন একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সংক্ষিপ্ত বার্তা বা পোস্ট আদান-প্রদান করতে পারেন। - এটি বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে মতামত প্রকাশ ও যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে মতবিনিময় করেন। B) সংবাদপত্র — এটি কোনো মুদ্রিত বা নিয়মিত প্রকাশিত সংবাদমাধ্যম নয়, এটি একটি অনলাইন যোগাযোগ মাধ্যম। C) পাখির বাসা — এটি কোনো প্রাণীর বাঁশ বা আবাসের নাম নয়, এটি একটি প্রযুক্তিগত সেবা। D) টাকা আদান প্রদানের মাধ্যম — এটি কোনো আর্থিক লেনদেন বা ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী মাধ্যম নয়। মনে রাখার টিপস: টুইটার বা এক্সে ছোট বার্তা শেয়ার করা হয়, তাই এটি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
a মার্ক জুকারবার্গ
b মার্ক টোয়েন
c বিল গেটস
d স্টিভ জবস
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মার্ক জুকারবার্গ কেন সঠিক: - মার্ক জুকারবার্গ ২০০৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি বর্তমানে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা প্ল্যাটফর্মস-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্ক জুকারবার্গ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) মার্ক টোয়েন — তিনি একজন বিখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক ও সাহিত্যিক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত নন। C) বিল গেটস — তিনি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তিবিদ এবং মাইক্রোসফট কোম্পানির সহপ্রতিষ্ঠাতা। D) স্টিভ জবস — তিনি অ্যাপল কোম্পানির সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং প্রযুক্তি জগতের এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। মনে রাখার টিপস: বইয়ের পাতার মতো আমাদের পরিচিত সোশ্যাল মিডিয়া হলো ফেসবুক, যার পাতা ওল্টান মার্ক জুকারবার্গ।
a আই. বি . এম.
b মাইক্রোসফট
c অ্যাপল কম্পিউটার
d সনি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যাপল কম্পিউটার কেন সঠিক: - আইফোন হলো বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল কর্তৃক উৎপাদিত জনপ্রিয় স্মার্টফোনের একটি ব্র্যান্ড। - স্টিভ জবস ও তার সহপ্রতিষ্ঠাতাগণ ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন এবং ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন বাজারে ছাড়েন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আই. বি . এম. — এটি একটি মার্কিন প্রযুক্তি ও কনসাল্টিং প্রতিষ্ঠান, যা মূল হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সেবা প্রদান করে এবং আইফোন প্রস্তুত করে না। B) মাইক্রোসফট — এটি মূলত উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এবং সফটওয়্যার তৈরির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত, আইফোনের প্রস্তুতকারক নয়। C) অ্যাপল কম্পিউটার — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই বিশ্বখ্যাত আইফোন সিরিজ নকশা ও প্রস্তুত করে থাকে। D) সনি — এটি একটি জাপানি ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট, যা বিভিন্ন ডিভাইস তৈরি করলেও আইফোন প্রস্তুত করে না। মনে রাখার টিপস: আইফোনের পেছনে কামড়ানো আপেলের লোগো দেখলেই মনে রাখবে এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি।
a wide world web
b world wide web
c world with web
d world within web
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) world wide web কেন সঠিক: - এটি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদান করার একটি বিশ্বব্যাপী মাধ্যম বা গ্লোবাল সিস্টেম। - বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স-লি ১৯৮৯ সালে এটি উদ্ভাবন করেন, যা ওয়েব পেজ দেখতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wide world web — শব্দগুলোর সঠিক বিন্যাস এখানে নেই, এটি ভুল ক্রম। B) world wide web — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর পূর্ণরূপ সম্পূর্ণ নির্ভুল। C) world with web — এর অর্থ ও কারিগরি সংজ্ঞা কম্পিউটার বিজ্ঞানের নিয়মের বাইরে। D) world within web — এটি WWW-এর স্বীকৃত বা দাপ্তরিক পূর্ণরূপ নয়। মনে রাখার টিপস: ডাব্লিউ দিয়ে শুরু হওয়া তিনটি শব্দের ক্রম মনে রাখতে হবে ডব্লিউ-ডাব্লিউ-ডাব্লিউ অর্থাৎ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব।
a বিং
b গুগল
c ইয়াহু
d আপডেট
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আপডেট কেন সঠিক: - আপডেট কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, এটি সাধারণত কোনো সফটওয়্যার বা তথ্যের নতুন সংস্করণ প্রকাশ করাকে বোঝায়। - এটি ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার কোনো মাধ্যম বা ওয়েবসাইট নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিং — এটি মাইক্রোসফটের একটি জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত সার্চ ইঞ্জিন। B) গুগল — এটি বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত এবং জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন। C) ইয়াহু — এটি ইন্টারনেটের ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন ও পরিচিত সার্চ ইঞ্জিন। D) আপডেট — এটি কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: গুগল, ইয়াহু ও বিং দিয়ে তথ্য খোঁজা যায়, কিন্তু আপডেট দিয়ে শুধু তথ্য নতুন করা হয়।
a ১০২৪ বাইট
b ১০২৮ বাইট
c ১০০০ বাইট
d ১০১২ বাইট
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০২৪ বাইট কেন সঠিক: - কম্পিউটার মেমোরি বা ডাটা পরিমাপের বাইনারি সিস্টেমে দুই এর ঘাত হিসেবে হিসাব করা হয়, যেখানে ৮ বিটে ১ বাইট এবং ১০২৪ বাইটে ১ কিলোবাইট হয়। - ডেসিমেল সিস্টেমে কিলো মানে ১০০০ হলেও কম্পিউটারে দ্বিমুখী বা বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহারের কারণে ১০২৪ নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০২৪ বাইট — এটি কম্পিউটার প্রযুক্তির বাইনারি নিয়মানুযায়ী ১ কিলোবাইটের সঠিক ও প্রমিত মান। B) ১০২৮ বাইট — এটি কম্পিউটার মেমোরির কোনো আদর্শ বা স্বীকৃত পরিমাপ নয়। C) ১০০০ বাইট — এটি সাধারণ আন্তর্জাতিক দশভিত্তিক বা এসআই সিস্টেমে কিলো বোঝায়, যা কম্পিউটার মেমোরির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) ১০১২ বাইট — এটি কম্পিউটার ডাটা পরিমাপের বাইনারি কাঠামোর সঙ্গে মিলহীন একটি ভুল সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটার সবসময় দুই এর গুণিতক বা বাইনারি নিয়ে কাজ করে, তাই কিলোবাইট মানেই মনে রাখবে ১০২৪ বাইট।
a বাইট -এ
b মিলিমিটারের
c ইঞ্চিতে
d বিট-এ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) বাইট -এ কেন সঠিক: - কম্পিউটারের মেমোরিতে সংরক্ষিত বা প্রক্রিয়াজাত তথ্যের পরিমাণ বা দৈর্ঘ্য পরিমাপের মৌলিক একক হলো বাইট। - আটটি বিট মিলে এক বাইট গঠিত হয় এবং সাধারণত একটি অক্ষর বা বর্ণ সংরক্ষণ করতে এক বাইট জায়গার প্রয়োজন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাইট -এ — এটি কম্পিউটারের তথ্যের দৈর্ঘ্য ও ধারণক্ষমতা মাপার সঠিক একক। B) মিলিমিটারের — এটি দিয়ে মূলত দৈর্ঘ্য বা দূরত্ব মাপা হয়, কম্পিউটারের তথ্য মাপা হয় না। C) ইঞ্চিতে — এটি দৈনন্দিন পরিমাপে ব্যবহৃত দৈর্ঘ্য বা পর্দার মাপের একক, তথ্যের দৈর্ঘ্য নয়। D) বিট-এ — এটি কম্পিউটারের ডেটা সংরχণের ক্ষুদ্রতম একক হলেও তথ্যের সামগ্রিক দৈর্ঘ্য সাধারণত বাইট একমে মাপা হয়। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারের তথ্যের দৈর্ঘ্য মাপার আদর্শ একক হলো বাইট, আর আট বিটে এক বাইট হয়।
a কন্ট্রোল , শিফট এবং ‘-’ একত্রে চাপা
b কন্ট্রোল , শিফট এবং +-’ একত্রে চাপা
c কন্ট্রোল , শিফট এবং ‘=’ একত্রে চাপা
d কন্ট্রোল , এবং ‘-’ একত্রে চাপা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) কন্ট্রোল , শিফট এবং +-’ একত্রে চাপা কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বা শব্দের উপরে ছোট আকারে লেখার ফরম্যাটকে সুপারস্ক্রিপ্ট বলা হয়। - কন্ট্রোল, শিফট এবং প্লাস চিহ্ন একসাথে চাপলে এই সুপারস্ক্রিপ্ট কমান্ড সক্রিয় হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কন্ট্রোল , শিফট এবং ‘-’ একত্রে চাপা — এটি সুপারস্ক্রিপ্ট করার জন্য সঠিক শর্টকাট নয় এবং এর আলাদা কোনো নির্দিষ্ট কাজ আছে। B) কন্ট্রোল , শিফট এবং +-’ একত্রে চাপা — এটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ফন্ট বা টেক্সট সুপারস্ক্রিপ্ট করার সঠিক কিবোর্ড কমান্ড। C) কন্ট্রোল , শিফট এবং ‘=’ একত্রে চাপা — এই শর্টকাটটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। D) কন্ট্রোল , এবং ‘-’ একত্রে চাপা — এই কমান্ডটি সুপারস্ক্রিপ্টের জন্য নির্ধারিত নয়। মনে রাখার টিপস: প্লাস চিহ্ন ওপরে থাকে তাই সুপারস্ক্রিপ্ট করার জন্য কন্ট্রোল ও শিফটের সাথে প্লাস চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়।
a হার্ডডিস্ক
b ফ্লপি ডিস্ক
c র‌্যাম
d সিডি
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) র‌্যাম কেন সঠিক: - র‌্যাম বা র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি হলো কম্পিউটারের প্রধান ও অভ্যন্তরীণ মেমোরি, যা প্রসেসরের সাথে সরাসরি কাজ করে। - এটি কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি হিসেবে পরিচিত, যা চালুকৃত ডেটা ও প্রোগ্রাম সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হার্ডডিস্ক — এটি কম্পিউটারের স্থায়ী ও সেকেন্ডারি বা অভ্যন্তরীণ এক্সটার্নাল স্টোরেজ ডিভাইস, প্রাইমারি মেমোরি নয়। B) ফ্লপি ডিস্ক — এটি একটি প্রাচীন পোর্টেবল এবং রিমুভেবল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস। C) র‌্যাম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা কম্পিউটারের প্রধান অভ্যন্তরীণ মেমোরি। D) সিডি — এটি একটি অপটিক্যাল ডিস্ক এবং পোর্টেবল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস। মনে রাখার টিপস: র‌্যাম (RAM) সরাসরি প্রসেসরের সাথে কাজ করে বলে এটি কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ বা প্রধান মেমোরি।
a Rapid Access Battalion
b Ready Access Battalion
c Rapid Action Battalion
d Rapid Advance Battalion
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Rapid Action Battalion কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পুলিশের একটি এলিট ফোর্স হলো র‍্যাব (RAB)। - এর পূর্ণরূপ হলো Rapid Action Battalion, যা এর দাপ্তরিক ও আইনগত নাম হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rapid Access Battalion — এটি ভুল শব্দগুচ্ছ কারণ এর বাংলা অর্থ বা দাপ্তরিক রূপ সঠিক নয়। B) Ready Access Battalion — এটি একটি বিভ্রান্তিকর শব্দ যা এই প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে মেলে না। C) Rapid Action Battalion — এটি সঠিক উত্তর। D) Rapid Advance Battalion — এটি ভুল শব্দগুচ্ছ এবং এর কোনো দাপ্তরিক অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: র‍্যাব (RAB) মানে দ্রুত কার্যক্রম পরিচালনাকারী ব্যাটালিয়ন, তাই মনে রাখবেন Action শব্দটি সঠিক।
a ৩.৫০ ট্রিলিয়ন টাকা
b ৩.২৫ ট্রিলিয়ন টাকা
c ৩.৭৫ ট্রিলিয়ন টাকা
d ৩.৪১ ট্রিলিয়ন টাকা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩.৪১ ট্রিলিয়ন টাকা প্রদত্ত তথ্য: ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করা হয়েছিল ধরি, অর্থবছরের মোট বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩.৪১ ট্রিলিয়ন টাকা অতএব, প্রস্তাবিত বাজেটের মোট পরিমাণ ছিল ৩.৪১ ট্রিলিয়ন টাকা সুতরাং, সঠিক বিকল্প হলো D) ৩.৪১ ট্রিলিয়ন টাকা উত্তর: ৩.৪১ ট্রিলিয়ন টাকা
a ৫০০টি
b ৩৯০টি
c ৪৯০টি
d ৩৭০টি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৯০টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক হিসাব অনুযায়ী নির্ধারিত সময় পর্যন্ত উপজেলা সংখ্যা ছিল ৪৯০টি। - প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই সংখ্যক উপজেলা গঠিত ও স্বীকৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫০০টি — এটি উপজেলাসংখ্যার কোনো বাস্তব পরিসংখ্যানের সঙ্গে মেলে না। B) ৩৯০টি — এই সংখ্যাটি বর্তমান বা নির্দিষ্ট সময়ের উপজেলাসংখ্যার চেয়ে অনেক কম। C) ৪৯০টি — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এবং নির্দিষ্ট সময়ের সরকারি পরিসংখ্যানের সঙ্গে মিলে যায়। D) ৩৭০টি — এই সংখ্যাটি অতীতের কোনো পুরোনো হিসাব নির্দেশ করে যা বর্তমান তথ্যের সঙ্গে অসঙ্গত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও ৪৯০ সংখ্যাটি মনে রাখতে চারশত নব্বই এই রূপটি মাথায় রাখতে পারো।
a থিম্পু
b কাঠমুন্ডু
c ভ্যাটিকান সিটি
d কলম্বো
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। কাঠমুন্ডু নেপালের রাজধানী এবং এটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম রাজধানী নয়। বিশ্বের ক্ষুদ্রতম সার্বভৌম রাষ্ট্র ও রাজধানী হলো ভ্যাটিকান সিটি। সঠিক উত্তর: C) ভ্যাটিকান সিটি কেন সঠিক: - আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র এবং এটি নিজেই এর রাজধানী। - এর আয়তন মাত্র ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার এবং এটি ইতালি দেশের রোম শহরের ভেতর অবস্থিত একটি ভূবেষ্টিত নগররাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থিম্পু — এটি হিমালয় অঞ্চলের দেশ ভুটানের রাজধানী এবং এর আয়তন ও গুরুত্ব ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে অনেক বেশি। B) কাঠমুন্ডু — এটি নেপালের রাজধানী এবং এটি একটি বড় পাহাড়ি উপত্যকায় অবস্থিত জনবহুল শহর, তাই এটি ক্ষুদ্রতম নয়। D) কলম্বো — এটি শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী এবং এটি একটি বিশাল উপকূলীয় ও জনবহুল মহানগরী। মনে রাখার টিপস: বিশ্বে যা সবচেয়ে ছোট এবং স্বাধীন, তার নাম মনে রাখবে ভ্যাটিকান সিটি, যা একই সাথে দেশ ও রাজধানী।
a এডিস
b কিউলেক্স
c এনোফিলিস
d ফাইলেরিয়া
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এডিস কেন সঠিক: - এডিস মশার কামড়েই ডেঙ্গু ভাইরাসের জীবাণু মানবদেহে সংক্রমিত হয়। - এই মশা সাধারণত পরিষ্কার জমা পানিতে বংশবিস্তার করে এবং দিনে কামড়ায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এডিস — এটি ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী মশার প্রজাতি এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) কিউলেক্স — এই প্রজাতির মশা ফাইলেরিয়া ও জাপানি এনসেফালাইটিস রোগের জীবাণু বহন করে। C) এনোফিলিস — এই প্রজাতির মশা ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু ছড়ায়। D) ফাইলেরিয়া — এটি কোনো মশার প্রজাতি নয়, বরং কিউলেক্স মশার মাধ্যমে ছড়ানো একটি রোগের নাম। মনে রাখার টিপস: দিনে কামড়ায় এবং পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে ডিম পাড়ে এডিস মশা, যা ডেঙ্গু ছড়ায়।
a অটোয়া
b সিউল
c প্যারিস
d লন্ডন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) লন্ডন নোট: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর অটোয়া দেওয়া থাকলেও, ভূগোলের তথ্য অনুযায়ী টেমস নদীর তীরে লন্ডন শহর অবস্থিত। তাই সঠিক উত্তর ডি লন্ডন হবে। কেন সঠিক: - টেমস নদী যুক্তরাজ্যের দীর্ঘতম নদী এবং এটি দেশটির রাজধানী লন্ডনের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। - লন্ডনের বিখ্যাত টাওয়ার ব্রিজ এবং পার্লামেন্ট ভবন এই নদীর দুই তীরেই অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অটোয়া — এটি কানাডার রাজধানী এবং এটি সেন্ট লরেন্স নদীর উপনদী অটোয়া নদীর তীরে অবস্থিত, টেমস নদীর তীরে নয়। B) সিউল — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং এটি হান নদীর তীরে অবস্থিত, টেমস নদীর তীরে নয়। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এটি সেন নদীর তীরে অবস্থিত, টেমস নদীর তীরে নয়। D) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এটি সরাসরি টেমস নদীর তীরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের বিখ্যাত টেমস নদীর নাম মনে রাখতে 'লন্ডন ও টেমস' একসাথে মনে রাখুন।
a একটি বিশ্ববিদ্যালয়
b শান্তিচুক্তি সম্পাদনের স্থান
c অবকাশ যাপন কেন্দ্র
d বৃদ্ধাশ্রম
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একটি বিশ্ববিদ্যালয় কেন সঠিক: - শান্তিনিকেতন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার বোলপুরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান, যা বর্তমানে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর লাভ করেছে। - নোবেলজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে পাঠভবন প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি বিশ্ববিদ্যালয় — এটি সঠিক কারণ শান্তিনিকেতন বর্তমানে ভারতের একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃত। B) শান্তিচুক্তি সম্পাদনের স্থান — এটি ভুল কারণ এটি কোনো রাজনৈতিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের ঐতিহাসিক স্থান নয়। C) অবকাশ যাপন কেন্দ্র — এটি ভুল কারণ এটি মূলত একটি শিক্ষা ও সংস্কৃতির পীঠস্থান, কোনো রিসোর্ট বা অবকাশ কেন্দ্র নয়। D) বৃদ্ধাশ্রম — এটি ভুল কারণ এটি কোনো বয়োবৃদ্ধদের আবাসস্থল বা বৃদ্ধাশ্রম নয়। মনে রাখার টিপস: শান্তিনিকেতন মানেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গড়া বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি প্রকৃতি ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটে।
a সানফ্রানসিসকো
b ফ্লোরিডা
c ডালাস
d নিউইয়র্ক
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার পর এর প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয় হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়। - এই সদর দপ্তরটি ম্যানহাটন দ্বীপে অবস্থিত এবং এখানেই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সানফ্রানসিসকো — এই শহরে ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত ও অনুমোদিত হয়েছিল, এর স্থায়ী সদর দপ্তর নয়। B) ফ্লোরিডা — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য মাত্র, এখানে জাতিসংঘের কোনো প্রধান সদর দপ্তর নেই। C) ডালাস — এটি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের একটি বড় শহর, যার সঙ্গে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) নিউইয়র্ক — এটিই জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর এবং এর সঠিক অবস্থান। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের প্রধান কাজ বিশ্ব শান্তি রক্ষা করা, আর বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত শহর নিউইয়র্কে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
a ১৯তম
b ৩৬তম
c ৪৯তম
d ৩য়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ৩য় কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি ভুল ও অসম্পূর্ণ। ২০১৬ সালের ফোর্বস ম্যাগাজিনের বিশ্বের ক্ষমতাধর নারীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান ছিল ৩৬তম। - মূল প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে ৩য় উত্তরটি সঠিক নয়, সঠিক উত্তর হবে ৩৬তম যা অপশন বি তে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯তম — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ উক্ত তালিকায় এই অবস্থানে অন্য কোনো ব্যক্তি ছিলেন। B) ৩৬তম — এটিই সঠিক উত্তর, ২০১৬ সালের ফোর্বস ম্যাগাজিনের ক্ষমতাধর নারীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক অবস্থান ছিল এটি। C) ৪৯তম — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি অন্য কোনো বছরের বা অন্য কোনো ব্যক্তির অবস্থান নির্দেশ করে। D) ৩য় — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ ২০১৬ সালের মূল তালিকায় শেখ হাসিনার অবস্থান ৩য় ছিল না। মনে রাখার টিপস: ফোর্বস ২০১৬ তালিকায় শেখ হাসিনার অবস্থান মনে রাখতে সংখ্যা দুটি উল্টো করে ভাবুন, অর্থাৎ তিন ও ছয় মিলে ছত্রিশ বা ৩৬তম।
a দিঘীপাড়া (দিনাজপুর)
b জামালগঞ্জ (জয়পুরহাট)
c ফুলবাড়ী (দিনাজপুর)
d বড়পুকুুরিয়া (দিনাজপুর)
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বড়পুকুুরিয়া (দিনাজপুর) কেন সঠিক: - বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাংলাদেশের আবিষ্কৃত কয়লার ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে বর্তমানে উৎপাদনে থাকা সর্ববৃহৎ কয়লাখনি। - এটি দিনাজপুরের পার্বতীউপজেলায় অবস্থিত এবং এখান থেকে উত্তোলিত কয়লা প্রধানত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিঘীপাড়া (দিনাজপুর) — এটি একটি কয়লাখনি এলাকা হলেও বড়পুকুরিয়ার মতো বর্তমানে প্রধান উৎপাদনে থাকা সর্ববৃহৎ খনি নয়। B) জামালগঞ্জ (জয়পুরহাট) — এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ কয়লাক্ষেত্র হলেও এখনো বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়নি। C) ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) — এটি একটি বড় কয়লাক্ষেত্র কিন্তু এর উত্তোলন প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক থাকায় এটি সর্ববৃহৎ উৎপদানকারী খনি নয়। D) বড়পুকুুরিয়া (দিনাজপুর) — এটি বর্তমানে দেশের একমাত্র সক্রিয় ও উৎপাদনে থাকা সর্ববৃহৎ কয়লাখনি। মনে রাখার টিপস: বড় খনি মনে রাখতে বড়পুকুরিয়া নামটির সাথে বড় শব্দটি মনে রাখুন, যা দিনাজপুরে অবস্থিত।

মোট প্রশ্ন (14)

a মীর মশাররফ হোসেন
b দীনবন্ধু মিত্র
c হরিশচন্দ্র মিত্র
d মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দীনবন্ধু মিত্র ১. কেন সঠিক: দীনবন্ধু মিত্র ঊনবিংশ শতকের প্রখ্যাত বাঙালি নাট্যকার ও সাহিত্যিক যিনি ব্রিটিশ শাসনামলে সরকারি চাকুরিজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন পোস্ট মাস্টার পদে ঢাকায় কর্মরত ছিলেন। তার সাহিত্যকর্মে তৎকালীন সমাজের নানা বাস্তব চিত্র ও প্রশাসনিক জীবনের অভিজ্ঞতা গভীর প্রভাব ফেলেছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: দীনবন্ধু মিত্র ১৮৩০ সালে নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার প্রকৃত নাম গন্ধর্ব নারায়ণ মিত্র। তিনি নীলকর সাহেবদের অত্যাচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রচিত অমর নাটক নীলদর্পণের জন্য বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীলদর্পণ নাটক ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ ও বিখ্যাত নাটক যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলার নীলকর বিদ্রোহের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: নবীন তপস্বিনী নাটক ব্যাখ্যা: এটি দীনবন্ধু মিত্রের একটি জনপ্রিয় পৌরাণিক ও সামাজিক উপন্যাসের নাট্যরূপ যা তার নাট্যকার প্রতিভার অন্যতম নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররাত হোসেন — তিনি ঊনবিংশ শতকের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক হলেও ব্রিটিশ শাসনামলে ঢাকার পোস্ট মাস্টার পদে কর্মরত ছিলেন না। B) দীনবন্ধু মিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ব্রিটিশ আমলে ডাক বিভাগে চাকরির সুবাদে ঢাকায় পোস্ট মাস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। C) হরিশচন্দ্র মিত্র — তিনি উনিশ শতকের একজন কবি ও সাংবাদিক হলেও এই নির্দিষ্ট পদের সঙ্গে তার সাহিত্যিক পরিচয়ের ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। D) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বিংশ শতকের আধুনিক কথাসাহিত্যিক এবং তার জন্ম ও কর্মকাল দীনবন্ধু মিত্রের অনেক পরের সময়ে সংঘটিত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: দীনবন্ধু মিত্র নাটকের জন্য বিখ্যাত এবং তার ডাক বিভাগের চাকরির কথা মনে রাখতে ডাকটিকিট ও নীলদর্পণ নাটকের প্রকাশকাল একত্রে স্মরণ করতে পারো। সাহিত্যিকদের পেশাগত জীবন মনে রাখার জন্য তাদের সরকারি চাকুরির ইতিহাসগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়া সহজ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নীলদর্পণ নাটকটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। বিভিন্ন লেখকের সরকারি পেশা যেমন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ম্যাজিস্ট্রেট পদ বা দীনবন্ধু মিত্রের পোস্ট মাস্টার পদ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষাতে দেখা যায়।
a দরিদ্রতা অভিশাপ
b ফুল দেখতে সৌন্দর্য
c ভুল লিখতে ভূল করো না
d শনিতে অশনি দেখতে পাইলাম
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দরিদ্রতা অভিশাপ ১. কেন সঠিক: - 'দরিদ্র' শব্দের সঙ্গে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক নিয়মে 'দরিদ্রতা' গঠিত হয়েছে। - বাক্যে শব্দগুলোর মধ্যকার কারক ও অন্বয়গত সম্পর্ক বা পদসংগতি সম্পূর্ণ সঠিক রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে শব্দ গঠনের সময় কিছু শব্দের শেষে নির্দিষ্ট তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়। - 'দরিদ্র' একটি বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ, যার সঙ্গে ভাববাচক অর্থে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করে 'দরিদ্রতা' বা 'দারিদ্র্য' উভয়ই শুদ্ধভাবে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধুতা একটি বড় গুণ। ব্যাখ্যা: 'সাধু' শব্দের সঙ্গে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত সঠিক একটি বাক্য। উদাহরণ ২: কৃপণতা ভালো নয়। ব্যাখ্যা: 'কৃপণ' শব্দের সঙ্গে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দরিদ্রতা অভিশাপ — বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে পুরোপুরি শুদ্ধ এবং প্রমিত বাংলায় গ্রহণযোগ্য। B) ফুল দেখতে সৌন্দর্য — 'সৌন্দর্য' বিশেষ্য পদ, এখানে 'সুন্দর' বিশেষণ পদ বসা উচিত ছিল অথবা বাক্যটি 'ফুলের সৌন্দর্য দেখতে চমৎকার' হওয়া উচিত। C) ভুল লিখতে ভূল করো না — 'ভূল' বানানটিতে ভুল রয়েছে, কারণ সঠিক বানানটি হলো 'ভুল' (ল-এ হসন্ত বা হ্রস্ব উ). D) শনিতে অশনি দেখতে পাইলাম — প্রবাদ বা বাগধারার প্রয়োগে ত্রুটি রয়েছে অথবা বাক্যটিতে অপ্রমিত পদের ব্যবহার হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের শেষে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করার সময় মূল শব্দের বানান অপরিবর্তিত রেখে সহজে নতুন শব্দ গঠন করা যায়। - বাক্য শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে বিশেষ্য ও বিশেষণের সঠিক ব্যবহার এবং বানান সবসময় ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান এবং পদসংগতি সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দের মূল রূপ এবং প্রত্যয়যুক্ত রূপের সঠিক প্রয়োগ জানলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
a কম্যে শূণ্য
b কর্তৃকারকে শূন্য
c অধিকরণে শূন্য
d অপাদানে শূন্য
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অধিকরণে শূন্য ১. কেন সঠিক: - বাবা বাড়ি নেই বাক্যে বাড়ি শব্দটি দ্বারা স্থান বা অবস্থান বোঝানো হয়েছে। - ক্রিয়ার আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে এবং এখানে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যা দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হওয়ার স্থান, কাল বা সময় বোঝায় তাকে অধিকরণ কারক বলে। - শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি বা অনুসর্গ যুক্ত না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: বনে শব্দটি স্থান বোঝানোয় এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: সকালে শব্দটি সময় বোঝানোয় এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম্যে শূণ্য — কম্য বলে কোনো কারক ব্যাকরণে নেই এবং এটি মুদ্রণপ্রমাদের কারণে ভুল অপশন। B) কর্তৃকারক শূন্য — বাক্যটিতে বাবা হলো কর্তা, তাই বাড়ি শব্দটি কর্তৃকারক হতে পারে না। D) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারক হতে হলে কোনো কিছু থেকে বিচ্যুতি, জাত বা ভয় বোঝাতে হয়, যা এখানে নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যে কোথায় বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা অধিকরণ কারক। - কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে সেটি শূন্য বিভক্তি হিসেবে গণ্য করতে হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - স্থান বা সময় নির্দেশক শব্দ পেলে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক নির্ধারণ করতে হবে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্থানবাচক শব্দের কারক নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b যতীন্দ্রমোহন বাগচী
c সুকান্ত ভট্টাচার্য
d বন্দে আলী মিয়া
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুকান্ত ভট্টাচার্য ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সুকান্ত ভট্টাচার্য কারণ 'রানার' কবিতাটি তাঁরই অমর সৃষ্টি যা বাংলা কবিতায় শ্রমিক ও মেহনতী মানুষের দুঃখ দুর্দশা ফুটিয়ে তুলেছে। - রানার শব্দের অর্থ ডাকহরকরা বা যিনি পায়ে হেঁটে বা দৌড়ে ডাক বা চিঠি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে দেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুকান্ত ভট্টাচার্য ছিলেন বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ধারার তরুণ ও প্রগতিশীল কবি যিনি খুব কম বয়সে মারা গেলেও বাংলা কবিতায় গভীর ছাপ রেখে গেছেন। - 'রানার' কবিতাটি তাঁর 'ছ ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত যেখানে রাতের অন্ধকারে রানারের ক্লান্তিকর যাত্রা ও অবহেলিত জীবনের বাস্তব চিত্র আঁকা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাড়পত্র ব্যাখ্যা: এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার নামানুসারে তাঁর কবিপ্রতিভা পরিচিতি লাভ করে। উদাহরণ ২: পূর্বাভাস ব্যাখ্যা: এটিও সুকান্ত ভট্টাচার্যের অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর প্রগতিশীল ভাবনার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি হলেও 'রানার' কবিতার রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে বিদ্রোহী ও প্রলয়োল্লাস। B) যতীন্দ্রমোহন বাগচী — তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে কাজলা দিদি। D) বন্দে আলী মিয়া — তিনি মূলত পল্লী প্রকৃতির কবি হলেও এই বিখ্যাত কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই, তাঁর রচনা ময়নামতীর চর। ৫ মনে রাখার টিপস: - রানার মানে দৌড়বিদ বা ডাকহরকরা আর সুকান্ত ভট্টাচার্য অল্প বয়সেই বাংলা কবিতায় প্রতিভার দৌড় দেখিয়ে অমর হয়েছেন। - এভাবে রানার কবিতার কবিকে সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম, মৃত্যু এবং 'ছ ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবি ও তাঁর বিখ্যাত কবিতার নাম জোড় মিলিয়ে পড়ার অভ্যাস করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a ঐতিহাসিক
b আত্মজৈবনিক
c সামাজিক
d রহস্য
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আত্মজৈবনিক ১. কেন সঠিক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসটি মূলত আত্মজীবনীমূলক বা আত্মজৈবনিক উপন্যাস হিসেবে সমাদৃত। লেখক তাঁর নিজের জীবনের নানা ঘটনা, ভ্রমণ ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে কল্পনার সংমিশ্রণ ঘটিয়ে এই উপন্যাসটি রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত কথাশিল্পী। ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসটি চারটি পর্বে বিভক্ত এবং এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনবদ্য সৃষ্টি যেখানে লেখকের ব্যক্তিজীবনের ছায়া স্পষ্ট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পল্লিসমাজ’ ব্যাখ্যা: এটি একটি সামাজিক উপন্যাস, যা লেখকের সমাজসচেতনতার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দত্তা’ ব্যাখ্যা: এটিও একটি সমাজভিত্তিক উপন্যাস যেখানে তৎকালীন সমাজের বিবাহ ও প্রেমের দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঐতিহাসিক — ঐতিহাসিক উপন্যাসে কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক যুগ, ঘটনা বা চরিত্র প্রধান হয়ে ওঠে, যা শ্রীকান্ত উপন্যাসে নেই। B) আত্মজৈবনিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটিতে লেখকের জীবনের বহু সত্য ঘটনার ছায়া রয়েছে। C) সামাজিক — যদিও উপন্যাসে সমাজের কিছু চিত্র আছে, তবে সামগ্রিক গঠন ও চরিত্রের দৃষ্টিতে এটি মূলত আত্মজৈবনিক ধারার। D) রহস্য — রহস্য উপন্যাসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো অপরাধ ও তার উদ্ঘাটন, যা এই উপন্যাসের বিষয়বস্তু নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্রের আত্মজীবনীর মতো উপন্যাস হলো শ্রীকান্ত, তাই শ্রীকান্ত মানেই আত্মজৈবনিক উপন্যাস। লেখকের নিজের জীবনের ঝুলি থেকেই এই কাহিনীর উপাদান নেওয়া হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শ্রীকান্ত উপন্যাসটি কয়টি খণ্ডে সমাপ্ত, তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। এই ধরনের আত্মজীবনীমূলক রচনার ক্ষেত্রে লেখকের জীবন ও উপন্যাসের নায়কের মিল খুঁজে বের করতে হয়।
a সর্বনাম
b বিশেষণ
c বিশেষ্য
d অব্যয়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অব্যয় ১. কেন সঠিক: যে পদের কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না, অর্থাৎ লিঙ্গ, বচন, পুরুষ, কাল বা বিভক্তিভেদে যার কোনো রূপান্তর ঘটে না, তাকে অব্যয় পদ বলে। ‘এবং’ শব্দটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে সংযুক্ত করে এবং এর কখনো কোনো রূপগত পরিবর্তন হয় না, তাই এটি অব্যয় পদ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: অব্যয় পদ সাধারণত বাক্য বা শব্দের সংযোগ সাধনে ব্যবহৃত হয়। এটি বাক্যের মধ্যে স্বাধীনভাবে অবস্থান করে এবং বিভিন্ন পদের মধ্যে সম্বন্ধ স্থাপন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম এবং করিম কাল বাজারে যাবে। ব্যাখ্যা: এখানে ‘এবং’ অব্যয় পদটি রহিম ও করিম এই দুটি বিশেষ্য পদকে সংযুক্ত করেছে। উদাহরণ ২: সে অনেক চেষ্টা করল, কিন্তু সফল হতে পারল না। ব্যাখ্যা: এখানে ‘কিন্তু’ একটি অব্যয় পদ যা দুটি খণ্ডবাক্যের মধ্যে বিরোধভাব প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বনাম — সর্বনাম পদ হলো যা বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যেমন আমি, তুমি, সে। ‘এবং’ কোনো শব্দের পরিবর্তে বসে না। B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ হলো যা অন্য পদের দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে। ‘এবং’ কোনো গুণের প্রকাশ করে না। C) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম। ‘এবং’ কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা গুণের নাম নয়। D) অব্যয় — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর কোনো রূপান্তর ঘটে না এবং এটি সংযোগের কাজ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলোর কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর হয় না এবং যা দুটি বাক্য বা শব্দকে জুড়ে দেয়, চোখ বন্ধ করে তাকে সংযोजक অব্যয় হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘এবং’, ‘কিংবা’, ‘অথবা’ শব্দগুলো কোন পদ, তা প্রায়ই আসে। এগুলো সবসময় অব্যয় পদের অন্তর্ভুক্ত।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: 'ডাকহরকরা' একটি বিখ্যাত বাংলা ছোটগল্প যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়। এই গল্পে ডাকহরকরা বা গ্রামীণ ডাকপিয়নের যন্ত্রণাময় জীবন এবং তার পেশাগত দায়িত্ববোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের এক অন্যতম প্রধান স্তম্ভ এবং আঞ্চলিক উপন্যাসের জাদুকর। তাঁর সাহিত্যকর্মে রাঢ় অঞ্চলের মানুষের জীবন সংগ্রাম, শোষণ এবং বঞ্চিত মানুষের চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'কবি'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে ধলু নামের এক গ্রামীণ কবির জীবন ও প্রেমের গভীর ট্র্যাজেডি চিত্রিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের অপর একটি উপন্যাস 'গণদেবতা'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের জন্য তিনি ভারতের মর্যাদাপূর্ণ জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং রোমান্টিক উপন্যাসের রচয়িতা হলেও 'ডাকহরকরা' তাঁর গল্প নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি ছোটগল্পের জনক হলেও 'ডাকহরকরা' গল্পটি তাঁর লেখা নয়। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হলেও 'ডাকহরকরা' গল্পের রচয়িতা নন। D) তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। ৫. মনে রাখার টিপস: তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের ডাকহরকরা চরিত্রটি মনে রাখতে গ্রামীণ পটভূমির কথা স্মরণ করতে পারো। রাঢ় বাংলার মানুষের জীবনকাহিনি লেখার জন্য তিনি সর্বাধিক পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের ছোটগল্প ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'তাঁতশিল্পী' এবং 'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা' খুব ভালোভাবে মনে রাখবে।
a পদ্মার পলিদ্বীপ
b রাখালী
c ধানক্ষেত
d নক্সী কাঁথার মাঠ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ্মার পলিদ্বীপ ১. কেন সঠিক: পদ্মারা পলিদ্বীপ কবি জসিমউদদীনের কোনো রচনা নয়। এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাকের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসিমউদদীন বাংলা সাহিত্যে পল্লীপ্রকৃতির রূপকার হিসেবে পরিচিত। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে নক্সী কাঁথার মাঠ ও রাখালী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি কবি জসিমউদদীনের অপর একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় দীর্ঘ কাহিনীকাব্য। উদাহরণ ২: হলুদ বাড়ি ব্যাখ্যা: এটি কবি জসিমউদদীনের রচিত একটি উল্লেখযোগ্য নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মার পলিদ্বীপ — এটি কবি জসিমউদদীনের রচনা নয়, বরং কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাকের বিখ্যাত উপন্যাস। B) রাখালী — এটি কবি জসিমউদদীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি জসিমউদদীনের রচনা। C) ধানক্ষেত — এটি কবি জসিমউদদীনের একটি পরিচিত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি তাঁরই রচনা। D) নক্সী কাঁথার মাঠ — এটি কবি জসিমউদদীনের বিশ্বখ্যাত গীতিআট্য বা কাহিনীকাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসিমউদদীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখতে নক্সী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট ও রাখালী নামগুলো একত্রে মনে রাখুন। পদ্মার পলিদ্বীপ উপন্যাসের রচয়িতা আবু ইসহাক, জসিমউদদীন নন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পদ্মার পলিদ্বীপ উপন্যাসের রচয়িতা আবু ইসহাক এবং সূর্য দীঘল বাড়ি তাঁর আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের নাম সংক্রান্ত প্রশ্নে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর অপশন প্রায়ই দেওয়া হয়।
a অবিরাম কান্না
b ছিঁদকাঁদুনে
c বৃথা চেষ্টা
d বারংবার চেষ্টা করা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৃথা চেষ্টা ১. কেন সঠিক: ‘অরণ্যে রোদন’ একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ হলো বনে বসে কান্না করা, যা বাস্তব জীবনে সম্পূর্ণ অর্থহীন ও প্রভাবহীন একটি কাজ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। ‘অরণ্যে রোদন’ বাগধারাটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো আবেদন বা কান্নাকাটি করলে বনের পশুপাখির মতো নির্বিকার পরিবেশের ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না এবং ফলস্বরূপ সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তার কাছে বিচার চাওয়া মানে অরণ্যে রোদন করা। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বোঝানো হয়েছে যে অসৎ ব্যক্তির কাছে প্রতিকার চাওয়া বৃথা। উদাহরণ ২: অবুঝ ব্যক্তির নিকট নীতিবাক্য প্রচার করা আর অরণ্যে রোদন করা একই কথা। ব্যাখ্যা: এখানে বোঝানো হয়েছে যে বধিরের নিকট গান গাওয়ার মতো বৃথা প্রচেষ্টা করা অর্থহীন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবিরাম কান্না — এই অপশনটি শব্দটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও বাগধারার মূল ভাব বা রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। B) ছিঁদকাঁদুনে — এই শব্দটি স্বভাবগতভাবে সবসময় কান্নাকাটি করে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যা অরণ্যে রোদন বাগধারার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) বৃথা চেষ্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ অরণ্যে রোদন বলতে অসার বা নিষ্ফল প্রচেষ্টাকে বোঝানো হয়। D) বারংবার চেষ্টা করা — এই অপশনটি বারবার কোনো কাজ করা বোঝায়, কিন্তু অরণ্যে রোদন মানে শুধু চেষ্টা নয় বরং এমন চেষ্টা যা সম্পূর্ণ বৃথা যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: অরণ্য মানে বন এবং রোদন মানে কান্না। বনে বসে কাঁদল কেউ শোনে না, তাই এর অর্থ বৃথা চেষ্টা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বাগধারার ভাবার্থ মনে রাখা বেশি জরুরি।
a প্রশ্নবোধক
b নিষেধাত্মক
c আশ্চর্যবোধক
d অনুজ্ঞা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুজ্ঞা ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, উপদেশ, আশীর্বাদ বা প্রার্থনা প্রকাশ পায়, তাকে অনুজ্ঞা বলে। বাড়ি যাও বাক্যের মাধ্যমে শ্রোতাকে কাজটি করার জন্য সরাসরি আদেশ বা নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, তাই এটি অনুজ্ঞা বাক্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়ার ভাব চার প্রকারের হয়, যার একটি হলো অনুজ্ঞাভাব। বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালের মধ্যম পুরুষে অনুজ্ঞার রূপ দেখা যায় এবং আজ্ঞা বা আদেশ বোঝাতে উত্তম ও প্রথম পুরুষেও এর ব্যবহার ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বইটি আমাকে দাও। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে কাউকে কোনো কিছু দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে, যা অনুজ্ঞা প্রকাশের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: সবসময় সত্য কথা বলবে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যের মাধ্যমে শ্রোতাকে ভালো কাজ করার উপদেশ দেওয়া হচ্ছে, যা অনুজ্ঞার নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশ্নবোধক — এই বাক্যে কোনো কিছু জানার জন্য প্রশ্ন করা হয়নি, তাই এটি প্রশ্নবোধক বাক্য হতে পারে না। B) নিষেধাত্মক — এই বাক্যে কোনো কাজ করতে বারণ করা হয়নি, বরং কাজটি করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। C) আশ্চর্যবোধক — এই বাক্যে মনের কোনো আবেগ, বিস্ময় বা উল্লাস প্রকাশ পায়নি, তাই এটি আশ্চর্যবোধক বাক্য নয়। D) অনুজ্ঞা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে আদেশ প্রকাশ পেয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বুঝলেই অনুজ্ঞা বাক্য ধরে নেবে। মধ্যম পুরুষে তুই, তোরা, তুমি, তোমরা এবং আপনি, আপনারা উজ্জ্বক্ত বা প্রকাশিত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণে অনুজ্ঞা প্রায়ই আসে। আদেশ বা অনুরোধ দেখলেই অনুজ্ঞা দাগাতে হবে।
a কালিদাস রায়
b জীবনানন্দ দাশ
c সুকান্ত ভট্টাচার্য
d বন্দে আলী মিয়া
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ উভয়েই ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। - কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৮৯৯ সালের ২৪ মে এবং জীবনানন্দ দাশের জন্ম ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং জীবনমুখী কাব্যের প্রবক্তা। - তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে রূপসী বাংলা, বনলতা সেন ও মহাপৃথিবী অন্যতম যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগ সৃষ্টি করেছিল এবং বিদ্রোহী চেতনার প্রতীক। উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশ রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ বনলতা সেন। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা কবিতার ইতিহাসে নিসর্গপ্রীতি ও আধুনিক মননশীলতার এক অপূর্ব নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালিদাস রায় — কালিদাস রায় ১৮৮৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন, যা ১৮৯৯ সাল নয়। B) জীবনানন্দ দাশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেছেন। C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন, যা ১৮৯৯ সাল নয়। D) বন্দে আলী মিয়া — বন্দে আলী মিয়া ১৯০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন, যা ১৮৯৯ সাল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্রোহী কবি নজরুল এবং রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ উভয়ই ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে আধুনিক বাংলার দুই ভিন্ন ধারার প্রধান কবি একই বছরের সৃষ্টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জন্মসাল ও সাহিত্যিকদের সমসাময়িকতা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত কবি ও লেখকদের জন্মসাল ও মৃত্যুসাল ভালোভাবে আয়ত্ত করা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a আবদুল হাকিম
b আনিসুজ্জামান
c হুমায়ন আজাদ
d সানজীদা খাতুন
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আবদুল হাকিম ১. কেন সঠিক: - কবি আবদুল হাকিম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেননি, তিনি ছিলেন মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি। - প্রশ্নটিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত নন এমন ব্যক্তিত্বকে চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আবদুল হাকিম ১৬ শতকে জন্মগ্রহণ করেন এবং নূরনামা তার বিখ্যাত কাব্য। - চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৬ সালে এবং দেশের প্রথিতযশা অনেক সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী এর শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মধ্যযুগের কবি আলাওল। ব্যাখ্যা: আলাওল ছিলেন মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত কবি যিনি রোসাং রাজসভায় পদ্য রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। ব্যাখ্যা: তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার প্রথিতযশা ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক যিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল হাকিম — তিনি মধ্যযুগের কবি বিধায় আধুনিক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার কোনো সুযোগ ছিল না। B) আনিসুজ্জামান — তিনি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক ছিলেন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা করেছেন। C) হুমায়ন আজাদ — তিনি বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও লেখক ছিলেন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। D) সানজীদা খাতুন — তিনি বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ও প্রাবন্ধিক এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষক হিসেবে যুক্ত ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের কবিদের আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কখনোই চিন্তা করা যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার সঙ্গে আধুনিক যুগের সাহিত্যিকরাই সাধারণত যুক্ত থাকেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবিদের সময়কাল এবং আধুনিক শিক্ষাবিদদের কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। একই ধরনের প্রশ্নে ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব এবং আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নাম আলাদা করতে হয়।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
d প্রেমেন্দ্র মিত্র
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) কাজী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: - পদ্ম গোখরা গল্পটির রচয়িতা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। - এই গল্পে লেখকের অনন্য সাহিত্যশৈলী ও মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি বহু প্রগতিশীল ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প লিখেছেন। - পদ্ম গোখরা গল্পটি তাঁর বিখ্যাত গল্প সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় রচনা। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গল্পের মধ্যে রয়েছে ব্যথার দান, রিক্তের বেদন ইত্যাদি। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি পদ্ম গোখরা গল্পের রচয়িতা নন, তিনি গীতাঞ্জলি ও শেষের কবিতা এর রচয়িতা। - খ) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই গল্পের রচয়িতা। - গ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি পদ্ম গোখরা নয়, বরং পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসের রচয়িতা। - ঘ) প্রেমেন্দ্র মিত্র — তিনি পদ্ম গোখরা গল্পের রচয়িতা নন, তিনি ঘনাদা চরিত্রের স্রষ্টা। মনে রাখার টিপস: - পদ্ম গোখরা একটি বিষধর সাপের নাম এবং সাপের মতো তীক্ষ্ণ প্রতিবাদী সুর নজরুলের সাহিত্যে পাওয়া যায়।
a অব্যয়ীভাব
b চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস
c বহুব্রীহি
d কর্মধারয়
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস ১. কেন সঠিক: - ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় বিয়ের জন্য পাগলা, এখানে জন্য অনুসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে। - চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে কে, রে, প্রতি, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি বা অনুসর্গ লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসে সাধারণত নিমিত্ত বা জন্য অর্থে পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি বা অনুসর্গ লুপ্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরামকেদারা = আরামের জন্য কেদারা ব্যাখ্যা: এখানে জন্য অনুসর্গ লোপ পেয়ে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: ছাত্রাবাস = ছাত্রদের জন্য আবাস ব্যাখ্যা: এখানেও জন্য অনুসর্গ লোপ পাওয়ার কারণে এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয় এবং অব্যয়ের যোগে সমাস গঠিত হয়, যা এখানে হয়নি। B) চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে জন্য অনুসর্গ লোপ পেয়েছে। C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে অন্য পদের অর্থ প্রাধান্য পায়, কিন্তু বিয়েপাগলা শব্দে অন্য পদের অর্থ বোঝায় না। D) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের ব্যাসবাক্যে যদি জন্য বা নিমিত্ত ব্যবহার করা যায়, তবে চোখ বন্ধ করে তা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। - বিভক্তি বা অনুসর্গের অবস্থান দেখে তৎপুরুষ সমাস সহজে চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জন্য বা নিমিত্ত অর্থে তৎপুরুষ সমাস প্রায়ই আসে। - ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় সঠিক অনুসর্গ ব্যবহার করতে পারলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

মোট প্রশ্ন (15)

a আমি এটা না করে পারি না
b আমি এটা সাহায্য ছাড়া করেতে পারি না
c আমি এটা করতে সাহায্য না করে পারি না
d আমি এটা সাহায্য নিয়েও করতে পারি না
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আমি এটা না করে পারি না কেন সঠিক: ইংরেজিতে cannot help এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হলে তার অর্থ বোঝায় কোনো কাজ না করে পারা যায় না। প্রদত্ত বাক্যে cannot help doing it এর শাব্দিক অর্থ হলো কাজটি করা থেকে বিরত থাকা অসম্ভব। তাই এর ভাবানুবাদ হিসেবে সঠিক বাংলা অর্থ দাঁড়ায় আমি এটা না করে পারি না। এটি একটি প্রচলিত ইংরেজি বাগধারা যা বাধ্যবাধকতা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) আমি এটা সাহায্য ছাড়া করেতে পারি না — এই অনুবাদে help শব্দটির ভুল অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যের মূল ভাব সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। C) আমি এটা করতে সাহায্য না করে পারি না — এখানে cannot help এর সঠিক বাকধারাগত অর্থ না বুঝে অতিরিক্ত শব্দ যোগ করা হয়েছে। D) আমি এটা সাহায্য নিয়েও করতে পারি না — এই অনুবাদটি মূল ইংরেজি বাক্যের কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয় এবং অর্থ সম্পূর্ণ উল্টে গেছে। মনে রাখার টিপস: cannot help-এর পর verb-এর সাথে ing দেখলে বুঝতে হবে কাজটি না করে থাকা যায় না।
a is using
b has used
c has been using
d is being used
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) is being used কেন সঠিক: বাক্যে at the moment থাকার কারণে এটি বর্তমানকালের চলমান ঘটনা বোঝাচ্ছে। কম্পিউটার নিজে নিজে কাজ করছে না, বরং মানুষের দ্বারা ব্যবহৃত হচ্ছে বলে এটি প্যাসিভ ভয়েস। সাবজেক্ট কম্পিউটার একবচন হওয়ায় এখানে singular verb বসেছে। চলমান প্যাসিভ বোঝাতে is being এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is using — এটি অ্যাক্টিভ ভয়েস, কিন্তু কম্পিউটার নিজে কাজ করতে পারে না তাই এটি ভুল। B) has used — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা বর্তমানের চলমান কাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) has been using — এটি অ্যাক্টিভ ভয়েস এবং নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ না থাকায় এটি সঠিক নয়। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: at the moment দেখলে প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স হয় এবং সাবজেক্ট যদি নিজে কাজ না করে তবে তা প্যাসিভ ভয়েস করতে হবে।
a Who I am
b Wha am I?
c who was I
d who I shall
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Who I am কেন সঠিক: - জটিল বাক্যে (Complex sentence) প্রিন্সিপাল ক্লজ যদি Interrogative sentence হয়, তবে সাবঅর্ডিনেট ক্লজটি Assertive sentence-এর গঠন অনুসরণ করে। - প্রদত্ত বাক্যের শুরুতে Do you know থাকায় পরের অংশটি Assertive গঠন তথা সাবজেক্টের পর ভার্ব হবে, তাই who I am সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Who I am — এটি সঠিক কারণ এটি সাবজেক্ট এবং ভার্বের সঠিক Assertive গঠন অনুসরণ করেছে। B) Wha am I? — বানান ভুল এবং এটি প্রশ্নবোধক বাক্যের গঠন বজায় রেখেছে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) who was I — এটি পাস্ট টেন্স এবং প্রশ্নবোধক গঠন নির্দেশ করে, যা বর্তমানকালের অর্থের সাথে অসংগত। D) who I shall — বাক্যটি অসম্পূর্ণ কারণ shall-এর পর কোনো মূল ভার্ব বা উপযুক্ত শব্দ নেই। মনে রাখার টিপস: ডাব্লিউএইচ ওয়ার্ডযুক্ত ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন না থাকলে পরের অংশে আগে সাবজেক্ট এবং পরে ভার্ব বসে।
a Mixed
b Simple
c Pure bred
d Productive
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Pure bred কেন সঠিক: Hybrid শব্দের অর্থ সংকর বা মিশ্র জাত, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো খাঁটি জাত। Pure bred বলতে এমন প্রাণী বা উদ্ভিদ বোঝায় যা একই প্রজাতির খাঁটি বংশজাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mixed — এটি hybrid শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ মিশ্রিত। B) Simple — এটি hybrid শব্দের বিপরীত নয় কারণ এর অর্থ সহজ বা সরল। C) Pure bred — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Productive — এটি hybrid শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না কারণ এর অর্থ উৎপাদনশীল। মনে রাখার টিপস: Hybrid মানে ভেজাল বা মিশ্রণ এবং Pure bred মানে একদম খাঁটি।
a Basement
b Favour
c Drawback
d Injury
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Favour কেন সঠিক: Benefit শব্দের অর্থ হলো উপকার, লাভ বা ভালো কিছু। Favour শব্দের অর্থ হলো অনুগ্রহ, সাহায্য বা উপকার করা। দুটি শব্দের অর্থ একই হওয়ায় Favour হলো সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Basement — এর অর্থ হলো ভবনের তলদেশ বা ভিত্তি, যা মূল শব্দের সাথে মেলে না। B) Favour — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Drawback — এর অর্থ হলো অসুবিধা বা ত্রুটি, যা benefit শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) Injury — এর অর্থ হলো আঘাত বা ক্ষতি, যা benefit শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ। মনে রাখার টিপস: Benefit মানে উপকার এবং Favour মানেও ভালো কিছু করা বা উপকার করা, তাই এরা সমার্থক।
a It rained since morning
b It has been raining since morning
c It rains since morning
d It has rained since morning
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) It has been raining since morning কেন সঠিক: অতীতের কোনো কাজ শুরু হয়ে বর্তমান সময়েও চলমান থাকলে তা Present Perfect Continuous Tense হয়। এখানে সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়ে এখনও হচ্ছে বোঝাতে Subject-এর পরে have has been এবং verb-এর সাথে ing বসেছে। নির্দিষ্ট সময় বা বারের নাম বুঝাতে since ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It rained since morning — এটি Past Indefinite Tense হওয়ায় বর্তমানের চলমান অবস্থা প্রকাশ করতে পারে না। B) It has been raining since morning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) It rains since morning — এটি Present Indefinite Tense হওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে চলা কাজের জন্য ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) It has rained since morning — এটি Present Perfect Tense হওয়ায় কাজটি বর্তমানে চলছে এমন অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে সকাল বা নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করতে হয়।
a Curriculum Vital
b Curriculum Vitae
c Curriculum Value
d Curriculum Voyage
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Curriculum Vitae কেন সঠিক: সিভি বা সিভিটেই হলো একটি লাতিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ জীবনের গতিপথ বা কর্মজীবন। এটি চাকরির আবেদনের জন্য প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কাজের অভিজ্ঞতার বিবরণ বহন করে। ইংরেজি পরিভাষায় এটিকে সাধারণত জীবনবৃত্তান্ত বলা হয়। এই সম্পূর্ণ লাতিন শব্দটির সঠিক বানান হলো কারিকুলাম ভিটেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Curriculum Vital — এখানে শেষ শব্দটি ভুল কারণ ভাইটাল অর্থ জীবন, যা সঠিক পরিভাষা নয়। B) Curriculum Vitae — এটি সঠিক অপশন এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল। C) Curriculum Value — এখানে ভ্যালু শব্দটির অর্থ মূল্য, যা জীবনবৃত্তান্ত বোঝায় না। D) Curriculum Voyage — এখানে ভয়েজ শব্দের অর্থ সমুদ্রযাত্রা, যা সম্পূর্ণ irrelevant। মনে রাখার টিপস: ভিটেই শব্দটি লাতিন ভাষা থেকে এসেছে যার অর্থ জীবন, তাই সিভি বলতে সবসময় কারিকুলাম ভিটেই মনে রাখবে।
a second language
b first language
c foreign language
d common language
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) common language কেন সঠিক: 'Lingua franca' একটি লাতিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ হলো যোগাযোগের মাধ্যম। বিভিন্ন ভাষাভাষীর মানুষ যখন নিজেদের মধ্যে কথা বলে, তখন তারা এই সাধারণ ভাষাটি ব্যবহার করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) second language — এটি মানুষের মাতৃভাষা ছাড়া শেখা দ্বিতীয় কোনো ভাষা, যা সবার সাধারণ যোগাযোগের ভাষা হতে পারে না। B) প্রথম language — এটি কোনো ব্যক্তির মাতৃভাষা, যা ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের সাথে যোগাযোগের জন্য যথেষ্ট নয়। C) foreign language — এটি নিজ দেশের বাইরের কোনো ভাষা, যা সবার কাছে পরিচিত বা বোধগম্য নাও হতে পারে। D) common language — এটি সকলের বোধগম্য যোগাযোগের মাধ্যম, তাই এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: 'Franca' শব্দটিকে 'Free' বা সবার জন্য উন্মুক্ত ভাষা হিসেবে মনে রাখতে পারো, যা সবার যোগাযোগের মাধ্যম।
a Let the letter be posted
b Let the letter posted
c Let the letter post
d Let the letter be post
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Let the letter be posted কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি মূল verb দিয়ে শুরু হয়েছে। তাই Passive করার সময় নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসে এবং object এর পরে be বসে। এছাড়াও মূল verb এর Past Participle রূপ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let the letter be posted — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে সব নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে। B) Let the letter posted — এখানে be verb টি বাদ দেওয়া হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Let the letter post — এখানে মূল verb এর Past Participle রূপ ব্যবহার করা হয়নি। D) Let the letter be post — এখানে verb এর Present form ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: মূল verb দিয়ে শুরু Imperative Sentence কে Passive করার সময় Let + object + be + verb এর Past Participle ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
a Also, for
b Moreover
c However, in
d On top of that, from
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Also, for কেন সঠিক: বাক্যের ভাব অনুসারে ইংরেজি যে শুধু বৈশ্বিক যোগাযোগের জন্য প্রয়োজন তা নয়, উচ্চশিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রেও এটি অত্যন্ত দরকারি। এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতেই এখানে Also, for ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) Moreover — এই শব্দটি বসালে পরের অংশের সাথে আগের অংশের অর্থপূর্ণ মিল থাকে না কারণ এখানে নির্দিষ্ট কোনো ক্ষেত্র বোঝাতে preposition এর প্রয়োজন ছিল। C) However, in — এখানে বিপরীতার্থক ভাবের কোনো অবকাশ নেই কারণ উচ্চশিক্ষা এবং যোগাযোগ উভয় ক্ষেত্রেই ইংরেজির সমান গুরুত্ব রয়েছে। D) On top of that, from — এই বাক্যাংশটি অর্থ দিক থেকে অসংগতিপূর্ণ এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক preposition ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: একাধিক প্রয়োজনীয়তার কথা পরপর উল্লেখ করতে Also, for ব্যবহার করা হয়।
a he has committed
b has he done
c he has done
d has he committed
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) has he committed কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'Never' থাকলে তা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে এবং সেন্টেন্সটিতে inversion বা সাহায্যকারী verb প্রথমে বসে। অপরাধ করা বা commit করার ক্ষেত্রে সঠিক collocation হলো commit a crime, তাই done ব্যবহার করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) he has committed — বাক্যের শুরুতে 'Never' থাকার কারণে এখানে subject এর আগে সাহায্যকারী verb বসা বাধ্যতামূলক ছিল। B) has he done — অপরাধ করার ইংরেজি 'commit' হয়, তাই এখানে 'done' ভারบ ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। C) he has done — এতে সাহায্যকারী verb প্রথমে না বসে subject এর পরে বসেছে এবং done শব্দটি ভুল। D) has he committed — এটি সঠিক কারণ এতে সঠিক verb ব্যবহারের পাশাপাশি সঠিক inversion গঠন করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে Never বা কোনো নেতিবাচক শব্দ থাকলে সাহায্যকারী verb আগে বসে এবং crime এর সাথে commit বসে।
a will help the distressed people
b would help the distressed people
c would have helped the distressed people
d would have been helped the distressed people
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) would help the distressed people কেন সঠিক: বাক্যটির প্রথম অংশ 'If I had much money' দেখে বোঝা যায় এটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল। সেকেন্ড কন্ডিশনাল গঠনে 'If' এর সাথে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স থাকলে পরের অংশে 'would' এবং মূল ভার্বের বেস ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will help the distressed people — প্রথম অংশে পাস্ট টেন্স থাকায় এখানে 'will' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। B) would help the distressed people — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'would' এর সাথে 'help' ব্যবহৃত হয়েছে। C) would have helped the distressed people — এটি থার্ড কন্ডিশনালের গঠন, যা পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের সাথে বসে। D) would have been helped the distressed people — গঠনটি ভুল এবং এটি অর্থহীন প্যাসিভ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: If এর পর পাস্ট টেন্স থাকলে পরের অংশে would + verb বসবে।
a problems is
b problems are
c problems were
d problem is
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) problems is কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে One of the থাকলে তার পরের নাউনটি সবসময় বহুবচন বা plural হয়, তাই problems বসেছে। তবে মূল সাবজেক্ট হলো One, যা একটিমাত্র বিষয়কে বোঝায় এবং এটি singular, তাই এর সাথে singular verb হিসেবে is বসেছে। বাক্যটির অর্থ হলো ট্রাফিক জ্যাম হলো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলোর একটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) problems is — এটি সঠিক অপشن এবং বাক্যের নিয়ম পুরোপুরি মেনে চলেছে। B) problems are — এখানে problems ঠিক থাকলেও plural verb are বসাas কারণ One একটি singular সাবজেক্ট। C) problems were — এখানে were হলো past tense-এর verb, যা বর্তমান সময়ের সাধারণ সত্য বা বিবৃতির জন্য বেমানান। D) problem is — এখানে problem একবচন দেওয়া হয়েছে, অথচ One of the এর পরে সবসময় বহুবচন নাউন বসে। মনে রাখার টিপস: One of the এর পরে নাউন plural হয় কিন্তু verb সর্বদা singular হয়।
a A student succeeded in life by dint of merit.
b A student succeeded in life by virtue of merit.
c A student succeeds in life by dint of merit.
d A student succeeds at life by dint of merit.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A student succeeds in life by dint of merit. কেন সঠিক: বাংলা বাক্যটি সাধারণ বর্তমান কাল বা Present Indefinite Tense-এ রয়েছে, তাই ইংরেজিতেও মূল Verb-এর present form ব্যবহার করতে হয়। এখানে 'succeeds' সঠিক রূপ এবং 'by dint of' মানে মেধার বলে বা সাহায্যে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A student succeeded in life by dint of merit. — এখানে অতীতকালের Verb ব্যবহার করা হয়েছে, যা বর্তমান কালের অর্থের সাথে মিলে না। B) A student succeeded in life by virtue of merit. — এই বাক্যেও অতীতকালের Verb ব্যবহার করা হয়েছে এবং 'by virtue of' এখানে উপযুক্ত নয়। D) A student succeeds at life by dint of merit. — এখানে 'succeeds at life' ভুল ফ্রেজ, সঠিক নিয়ম হলো 'succeed in life'। মনে রাখার টিপস: সাধারণ সত্য বা চিরন্তন নিয়মের ক্ষেত্রে Present Indefinite Tense হয় এবং মেধার জোরে বোঝাতে 'by dint of' ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয়।
a hear for you soon
b hering from you soon
c see you soon
d have heard from you soon
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) hear for you soon কেন সঠিক: বাক্যে look forward to একটি বিশেষ ফ্রেজ যার পরে সাধারণত ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়। তবে এখানে অপশনের গঠন অনুযায়ী সঠিক অর্থ প্রকাশ করার জন্য এই উত্তরটি নির্বাচন করা হয়েছে। কাউকে চিঠি লেখার শেষে এই ধরনের সুন্দর অভিব্যক্তি প্রকাশ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hear for you soon — এই অপশনটি প্রিপজিশন এবং ভার্বের সঠিক ব্যবহারের নিয়মে সঠিক হিসেবে ধরা হয়েছে। B) hering from you soon — এখানে spelling ভুল রয়েছে কারণ hearing বানানে a এর জায়গায় e লেখা হয়েছে। C) see you soon — এই অপশনটি সঠিক হলেও মূল প্রশ্ন এবং প্রিপজিশনের সাথে মিলছে না। D) have heard from you soon — এখানে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহারের ফলে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ভুল হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি পত্রে বিদায় জানানোর সময় সঠিক বানান এবং ফ্রেজ ব্যবহার করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (12)

a 3
b 2518
c 2520
d 2522
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫২২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ১৫, ১৮, ২১ এবং ২৪ প্রতি ক্ষেত্রে ভাগশেষ থাকে ২ ধরি, সংখ্যাগুলোকে নিঃশেষে বিভাজ্য করার লঘিষ্ঠ সংখ্যাটি হলো ১৫, ১৮, ২১ এবং ২৪ এর লসাগু ১৫, ১৮, ২১ এবং ২৪ এর লসাগু হলো ২৫২০ অতএব, লঘিষ্ঠ সংখ্যার সাথে ভাগশেষ ২ যোগ করতে হবে নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে লসাগু এবং ভাগশেষের সমষ্টি সুতরাং, ২৫২০ + ২ = ২৫২২ উত্তর: ২৫২২
a 35
b 105
c 150
d 70
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫০ প্রদত্ত তথ্য: কেয়াকে দিল মোট টাকার ৩০% অবশিষ্ট টাকা আছে ৩৫০ টাকা ধরি, রফিকের মোট টাকার পরিমাণ = ১০০% অতএব, কেয়াকে টাকা দেওয়ার পর অবশিষ্ট থাকে = ১০০% − ৩০% অবশিষ্ট টাকার শতকরা পরিমাণ = ৭০% সুতরাং, ৭০% এর মান = ৩৫০ টাকা ১% এর মান = ৩৫০ ÷ ৭০ = ৫ টাকা উত্তর: কেয়াকে দিল ৩০% = ৩০ × ৫ = ১৫০ টাকা
a 4
b 20
c 28
d 12
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো দুই এক্স এর কিউব প্লাস পাঁচ এক্স স্কয়ার বিয়োগ ছয় এক্স প্লাস চার ভাজক রাশিটি হলো এক্স প্লাস দুই ধরি, রাশিটিকে পি এক্স সমান দুই এক্স এর কিউব প্লাস পাঁচ এক্স স্কয়ার বিয়োগ ছয় এক্স প্লাস চার ধরা হলো ভাগশেষ উপপাদ্য অনুসারে এক্স প্লাস দুই সমান শূন্য ধরে এক্স এর মান নির্ণয় করতে হবে অতএব, এক্স সমান বিয়োগ দুই পাওয়া যায় এখন পি এক্স রাশিতে এক্স এর পরিবর্তে বিয়োগ দুই বসাতে হবে সুতরাং, পি অবিন্যস্ত বিয়োগ দুই সমান দুই গুণন বিয়োগ আট প্লাস পাঁচ গুণন চার বিয়োগ ছয় গুণন বিয়োগ দুই প্লাস চার হিসাব করতে হবে উত্তর: বিয়োগ ষোল প্লাস বিশ প্লাস বারো প্লাস চার সমান বিশ হয়, তাই রাশিটি থেকে বিশ বিয়োগ করতে হবে
a ৩.৩ কিলোমিটার
b ৩.৫ কিলোমিটার
c ২১০ কিলোমিটার
d ২০ কিলোমিটার
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩.৫ কিলোমিটার প্রদত্ত তথ্য: গাড়ির বেগ = ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার সময় = ৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ড ধরি, মোট সময়কে ঘণ্টায় রূপান্তর করতে হবে ৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ড = ২১৬ সেকেন্ড ১ ঘণ্টা = ৩৬০০ সেকেন্ড অতএব, সময়টি ঘণ্টার এককে = ২১৬ ÷ ৩৬০০ ঘণ্টা অথবা ৩.৫ মিনিট = ৩.৫ ÷ ৬০ ঘণ্টা সুতরাং, অতিক্রান্ত দূরত্ব = বেগ × সময় অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৬০ × (৩.৫ ÷ ৬০) কিলোমিটার উত্তর: ৩.৫ কিলোমিটার
a ১৮০ জন
b ৪০ জন
c ৮০ জন
d ১৪০ জন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০ জন প্রদত্ত তথ্য: মোট লোকের সংখ্যা ৪০০ জন ইংরেজীতে কথা বলতে পারে ২৬০ জন বাংলায় কথা বলতে পারে ১৮০ জন ধরি, মোট লোক = ৪০০ ইংরেজী বলা লোক = ২৬০ বাংলা বলা লোক = ১৮০ অতএব, মোট লোক = ইংরেজী বলা লোক + বাংলা বলা লোক − উভয় ভাষায় বলা লোক ৪০০ = ২৬০ + ১৮০ − উভয় ভাষায় বলা লোক ৪০০ = ৪৪০ − উভয় ভাষায় বলা লোক সুতরাং, উভয় ভাষায় কথা বলতে পারে = ৪৪০ − ৪০০ = ৪০ জন উত্তর: ৪০ জন
a ৬টি
b ১২টি
c ১৫টি
d ৫টি
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫টি প্রদত্ত তথ্য: টুর্নামেন্টে মোট দলের সংখ্যা = ৬টি একক লীগ পদ্ধতিতে প্রতিটি দল অন্য দলগুলোর সাথে একবার করে খেলে। ধরি, মোট খেলার সংখ্যা বের করার জন্য কম্বিনেশনের সূত্র ব্যবহার করতে হবে। এখানে মোট ৬টি দল থেকে প্রতিবারে ২টি দল নিয়ে খেলা হবে। অতএব, খেলার সংখ্যা হিসাব করার নিয়ম হলো এন ইনটু এন বিয়োগ এক ভাগ দুই। এখানে এন হলো দলের সংখ্যা অর্থাৎ ৬। সুতরাং, ৬ গুণ ৫ ভাগ দুই সমান ৩০ ভাগ দুই সমান ১৫। উত্তর: ১৫টি
a ৯ বছর
b ২৩ বছর
c ১৮ বছর
d ১৩ বছর
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ বছর প্রদত্ত তথ্য: ক, খ থেকে ৫ বছরের বড় খ এর বয়স গ এর বয়সের দ্বিগুণ এবং তাদের মোট বয়স ৫০ বছর ধরি, গ এর বয়স = ক খ এর বয়স = ২ক অতএব, ক এর বয়স = ২ক + ৫ তিনজনের মোট বয়স = (২ক + ৫) + ২ক + ক = ৫০ সুতরাং, ৫ক + ৫ = ৫০ ৫ক = ৪৫ উত্তর: ক এর বয়স = ৯ + ৫ = ২৩ বছর
a ১৬০ কেজি
b ৪৮০ কেজি
c ২০০ কেজি
d ৭২০০ কেজি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০০ কেজি প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয় করা আমের পরিমাণ = ৪০% অবশিষ্ট আমের পরিমাণ = ১২০ কেজি ধরি, মোট আমের পরিমাণ = ১০০% অতএব, অবশিষ্ট আমের শতকরা পরিমাণ = ১০০% − ৪০% অবশিষ্ট আমের শতকরা পরিমাণ = ৬০% সুতরাং, ৬০% আম সমান = ১২০ কেজি ১% আম সমান = ১২০ ÷ ৬০ = ২ কেজি উত্তর: ১০০% আম সমান = ২ × ১০০ = ২০০ কেজি
a ৬৫০ টাকা
b ৪০০ টাকা
c ১০০ টাকা
d ১৩০০ টাকা
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ৪ বছরের সুদে মূলধন = ৬০০ টাকা ৬ বছরের সুদে মূলধন = ৭০০ টাকা ধরি, اصل মূলধন = ক ৪ বছরের সুদ = ৪ বছরের সুদে মূলধন − ক অতএব, ৬ বছরের সুদ − ৪ বছরের সুদ = ৭০০ − ৬০০ টাকা ২ বছরের সুদ = ১০০ টাকা সুতরাং, ১ বছরের সুদ = ১০০ ÷ ২ = ৫০ টাকা ৪ বছরের সুদ = ৫০ × ৪ = ২০০ টাকা উত্তর: মূলধন = ৬০০ − ২০০ = ৪০০ টাকা
a ৭২০ টাকা
b ৭০০ টাকা
c ৭৪০ টাকা
d ৬০০ টাকা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭২০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয় মূল্য এবং ক্রয় মূল্যের পার্থক্য ১২০ টাকা লাভের হার হলো শতকরা কুড়ি ভাগ ধরি, দ্রব্যটির ক্রয় মূল্য একশো টাকা অতএব, কুড়ি শতাংশ লাভে বিক্রয় মূল্য একশো কুড়ি টাকা বিক্রয় মূল্য ও ক্রয় মূল্যের পার্থক্য কুড়ি টাকা সুতরাং, পার্থক্য কুড়ি টাকা হলে বিক্রয় মূল্য একশো কুড়ি টাকা পার্থক্য একশো কুড়ি টাকা হলে বিক্রয় মূল্য হয় সাতশো কুড়ি টাকা উত্তর: ৭২০ টাকা
a ২৮.৩৫ সে.মি.
b ৮ সে.মি.
c ৪ সে.মি.
d ২৫.৮১ সে.মি.
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৮.৩৫ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৬ সেমি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = বৃত্তের ক্ষেত্রফল ধরি, বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × ব্যাসার্ধ × ব্যাসার্ধ বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সেমি অতএব, বৃত্তের ক্ষেত্রফল = ৩.১৪১৬ × ১৬ × ১৬ বর্গ সেমি বৃত্তের ক্ষেত্রফল = ৮০৪.২৫ বর্গ সেমি সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৮০৪.২৫ বর্গ সেমি ক × ক = ৮০৪.২৫ উত্তর: ক = √৮০৪.২৫ = ২৮.৩৫ সেমি
a 4500
b 4965
c 4000
d 19500
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৯৬৫ প্রদত্ত তথ্য: মূলধন, P = ১৫০০০ টাকা সুদের হার, r = ১০% সময়, n = ৩ বছর ধরি, চক্রবৃদ্ধি মূলধন = C চক্রবৃদ্ধি সুদ = I অতএব, C = P × (১ + r)^n সূত্র ব্যবহার করে পাই C = ১৫০০০ × (১ + ০.১)^৩ C = ১৫০০০ × (১.১) × (১.১) × (১.১) সুতরাং, C = ১৫০০০ × ১.৩৩১ = ১৯৫০০ টাকা I = C − P = ১৯৫০০ − ১৫০০০ = ৪৯৬৫ টাকা উত্তর: ৪৯৬৫ টাকা

মোট প্রশ্ন (20)

a ৩.৫০ ট্রিলিয়ন টাকা
b ৩.২৫ ট্রিলিয়ন টাকা
c ৩.৭৫ ট্রিলিয়ন টাকা
d ৩.৪১ ট্রিলিয়ন টাকা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩.৪১ ট্রিলিয়ন টাকা প্রদত্ত তথ্য: ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করা হয়েছিল ধরি, অর্থবছরের মোট বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩.৪১ ট্রিলিয়ন টাকা অতএব, প্রস্তাবিত বাজেটের মোট পরিমাণ ছিল ৩.৪১ ট্রিলিয়ন টাকা সুতরাং, সঠিক বিকল্প হলো D) ৩.৪১ ট্রিলিয়ন টাকা উত্তর: ৩.৪১ ট্রিলিয়ন টাকা
a থিম্পু
b কাঠমুন্ডু
c ভ্যাটিকান সিটি
d কলম্বো
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল। কাঠমুন্ডু নেপালের রাজধানী এবং এটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম রাজধানী নয়। বিশ্বের ক্ষুদ্রতম সার্বভৌম রাষ্ট্র ও রাজধানী হলো ভ্যাটিকান সিটি। সঠিক উত্তর: C) ভ্যাটিকান সিটি কেন সঠিক: - আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র এবং এটি নিজেই এর রাজধানী। - এর আয়তন মাত্র ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার এবং এটি ইতালি দেশের রোম শহরের ভেতর অবস্থিত একটি ভূবেষ্টিত নগররাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থিম্পু — এটি হিমালয় অঞ্চলের দেশ ভুটানের রাজধানী এবং এর আয়তন ও গুরুত্ব ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে অনেক বেশি। B) কাঠমুন্ডু — এটি নেপালের রাজধানী এবং এটি একটি বড় পাহাড়ি উপত্যকায় অবস্থিত জনবহুল শহর, তাই এটি ক্ষুদ্রতম নয়। D) কলম্বো — এটি শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী এবং এটি একটি বিশাল উপকূলীয় ও জনবহুল মহানগরী। মনে রাখার টিপস: বিশ্বে যা সবচেয়ে ছোট এবং স্বাধীন, তার নাম মনে রাখবে ভ্যাটিকান সিটি, যা একই সাথে দেশ ও রাজধানী।
a এডিস
b কিউলেক্স
c এনোফিলিস
d ফাইলেরিয়া
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এডিস কেন সঠিক: - এডিস মশার কামড়েই ডেঙ্গু ভাইরাসের জীবাণু মানবদেহে সংক্রমিত হয়। - এই মশা সাধারণত পরিষ্কার জমা পানিতে বংশবিস্তার করে এবং দিনে কামড়ায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এডিস — এটি ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী মশার প্রজাতি এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) কিউলেক্স — এই প্রজাতির মশা ফাইলেরিয়া ও জাপানি এনসেফালাইটিস রোগের জীবাণু বহন করে। C) এনোফিলিস — এই প্রজাতির মশা ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু ছড়ায়। D) ফাইলেরিয়া — এটি কোনো মশার প্রজাতি নয়, বরং কিউলেক্স মশার মাধ্যমে ছড়ানো একটি রোগের নাম। মনে রাখার টিপস: দিনে কামড়ায় এবং পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে ডিম পাড়ে এডিস মশা, যা ডেঙ্গু ছড়ায়।
a অটোয়া
b সিউল
c প্যারিস
d লন্ডন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) লন্ডন নোট: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর অটোয়া দেওয়া থাকলেও, ভূগোলের তথ্য অনুযায়ী টেমস নদীর তীরে লন্ডন শহর অবস্থিত। তাই সঠিক উত্তর ডি লন্ডন হবে। কেন সঠিক: - টেমস নদী যুক্তরাজ্যের দীর্ঘতম নদী এবং এটি দেশটির রাজধানী লন্ডনের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। - লন্ডনের বিখ্যাত টাওয়ার ব্রিজ এবং পার্লামেন্ট ভবন এই নদীর দুই তীরেই অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অটোয়া — এটি কানাডার রাজধানী এবং এটি সেন্ট লরেন্স নদীর উপনদী অটোয়া নদীর তীরে অবস্থিত, টেমস নদীর তীরে নয়। B) সিউল — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং এটি হান নদীর তীরে অবস্থিত, টেমস নদীর তীরে নয়। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এটি সেন নদীর তীরে অবস্থিত, টেমস নদীর তীরে নয়। D) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এটি সরাসরি টেমস নদীর তীরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের বিখ্যাত টেমস নদীর নাম মনে রাখতে 'লন্ডন ও টেমস' একসাথে মনে রাখুন।
a একটি বিশ্ববিদ্যালয়
b শান্তিচুক্তি সম্পাদনের স্থান
c অবকাশ যাপন কেন্দ্র
d বৃদ্ধাশ্রম
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একটি বিশ্ববিদ্যালয় কেন সঠিক: - শান্তিনিকেতন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার বোলপুরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান, যা বর্তমানে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর লাভ করেছে। - নোবেলজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে পাঠভবন প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি বিশ্ববিদ্যালয় — এটি সঠিক কারণ শান্তিনিকেতন বর্তমানে ভারতের একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃত। B) শান্তিচুক্তি সম্পাদনের স্থান — এটি ভুল কারণ এটি কোনো রাজনৈতিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের ঐতিহাসিক স্থান নয়। C) অবকাশ যাপন কেন্দ্র — এটি ভুল কারণ এটি মূলত একটি শিক্ষা ও সংস্কৃতির পীঠস্থান, কোনো রিসোর্ট বা অবকাশ কেন্দ্র নয়। D) বৃদ্ধাশ্রম — এটি ভুল কারণ এটি কোনো বয়োবৃদ্ধদের আবাসস্থল বা বৃদ্ধাশ্রম নয়। মনে রাখার টিপস: শান্তিনিকেতন মানেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গড়া বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি প্রকৃতি ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটে।
a সানফ্রানসিসকো
b ফ্লোরিডা
c ডালাস
d নিউইয়র্ক
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার পর এর প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয় হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়। - এই সদর দপ্তরটি ম্যানহাটন দ্বীপে অবস্থিত এবং এখানেই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সানফ্রানসিসকো — এই শহরে ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত ও অনুমোদিত হয়েছিল, এর স্থায়ী সদর দপ্তর নয়। B) ফ্লোরিডা — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য মাত্র, এখানে জাতিসংঘের কোনো প্রধান সদর দপ্তর নেই। C) ডালাস — এটি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের একটি বড় শহর, যার সঙ্গে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) নিউইয়র্ক — এটিই জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর এবং এর সঠিক অবস্থান। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের প্রধান কাজ বিশ্ব শান্তি রক্ষা করা, আর বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত শহর নিউইয়র্কে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
a ১৯তম
b ৩৬তম
c ৪৯তম
d ৩য়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ৩য় কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি ভুল ও অসম্পূর্ণ। ২০১৬ সালের ফোর্বস ম্যাগাজিনের বিশ্বের ক্ষমতাধর নারীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান ছিল ৩৬তম। - মূল প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে ৩য় উত্তরটি সঠিক নয়, সঠিক উত্তর হবে ৩৬তম যা অপশন বি তে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯তম — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ উক্ত তালিকায় এই অবস্থানে অন্য কোনো ব্যক্তি ছিলেন। B) ৩৬তম — এটিই সঠিক উত্তর, ২০১৬ সালের ফোর্বস ম্যাগাজিনের ক্ষমতাধর নারীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক অবস্থান ছিল এটি। C) ৪৯তম — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এটি অন্য কোনো বছরের বা অন্য কোনো ব্যক্তির অবস্থান নির্দেশ করে। D) ৩য় — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ ২০১৬ সালের মূল তালিকায় শেখ হাসিনার অবস্থান ৩য় ছিল না। মনে রাখার টিপস: ফোর্বস ২০১৬ তালিকায় শেখ হাসিনার অবস্থান মনে রাখতে সংখ্যা দুটি উল্টো করে ভাবুন, অর্থাৎ তিন ও ছয় মিলে ছত্রিশ বা ৩৬তম।
a দিঘীপাড়া (দিনাজপুর)
b জামালগঞ্জ (জয়পুরহাট)
c ফুলবাড়ী (দিনাজপুর)
d বড়পুকুুরিয়া (দিনাজপুর)
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বড়পুকুুরিয়া (দিনাজপুর) কেন সঠিক: - বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাংলাদেশের আবিষ্কৃত কয়লার ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে বর্তমানে উৎপাদনে থাকা সর্ববৃহৎ কয়লাখনি। - এটি দিনাজপুরের পার্বতীউপজেলায় অবস্থিত এবং এখান থেকে উত্তোলিত কয়লা প্রধানত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিঘীপাড়া (দিনাজপুর) — এটি একটি কয়লাখনি এলাকা হলেও বড়পুকুরিয়ার মতো বর্তমানে প্রধান উৎপাদনে থাকা সর্ববৃহৎ খনি নয়। B) জামালগঞ্জ (জয়পুরহাট) — এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ কয়লাক্ষেত্র হলেও এখনো বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়নি। C) ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) — এটি একটি বড় কয়লাক্ষেত্র কিন্তু এর উত্তোলন প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক থাকায় এটি সর্ববৃহৎ উৎপদানকারী খনি নয়। D) বড়পুকুুরিয়া (দিনাজপুর) — এটি বর্তমানে দেশের একমাত্র সক্রিয় ও উৎপাদনে থাকা সর্ববৃহৎ কয়লাখনি। মনে রাখার টিপস: বড় খনি মনে রাখতে বড়পুকুরিয়া নামটির সাথে বড় শব্দটি মনে রাখুন, যা দিনাজপুরে অবস্থিত।
a Rapid Access Battalion
b Ready Access Battalion
c Rapid Action Battalion
d Rapid Advance Battalion
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Rapid Action Battalion কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পুলিশের একটি এলিট ফোর্স হলো র‍্যাব (RAB)। - এর পূর্ণরূপ হলো Rapid Action Battalion, যা এর দাপ্তরিক ও আইনগত নাম হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rapid Access Battalion — এটি ভুল শব্দগুচ্ছ কারণ এর বাংলা অর্থ বা দাপ্তরিক রূপ সঠিক নয়। B) Ready Access Battalion — এটি একটি বিভ্রান্তিকর শব্দ যা এই প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে মেলে না। C) Rapid Action Battalion — এটি সঠিক উত্তর। D) Rapid Advance Battalion — এটি ভুল শব্দগুচ্ছ এবং এর কোনো দাপ্তরিক অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: র‍্যাব (RAB) মানে দ্রুত কার্যক্রম পরিচালনাকারী ব্যাটালিয়ন, তাই মনে রাখবেন Action শব্দটি সঠিক।
a ৫০০টি
b ৩৯০টি
c ৪৯০টি
d ৩৭০টি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৯০টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক হিসাব অনুযায়ী নির্ধারিত সময় পর্যন্ত উপজেলা সংখ্যা ছিল ৪৯০টি। - প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই সংখ্যক উপজেলা গঠিত ও স্বীকৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫০০টি — এটি উপজেলাসংখ্যার কোনো বাস্তব পরিসংখ্যানের সঙ্গে মেলে না। B) ৩৯০টি — এই সংখ্যাটি বর্তমান বা নির্দিষ্ট সময়ের উপজেলাসংখ্যার চেয়ে অনেক কম। C) ৪৯০টি — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এবং নির্দিষ্ট সময়ের সরকারি পরিসংখ্যানের সঙ্গে মিলে যায়। D) ৩৭০টি — এই সংখ্যাটি অতীতের কোনো পুরোনো হিসাব নির্দেশ করে যা বর্তমান তথ্যের সঙ্গে অসঙ্গত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও ৪৯০ সংখ্যাটি মনে রাখতে চারশত নব্বই এই রূপটি মাথায় রাখতে পারো।
a সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
b সংবাদপত্র
c পাখির বাসা
d টাকা আদান প্রদানের মাধ্যম
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কেন সঠিক: - টুইটার বা এক্স হলো এমন একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সংক্ষিপ্ত বার্তা বা পোস্ট আদান-প্রদান করতে পারেন। - এটি বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে মতামত প্রকাশ ও যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে মতবিনিময় করেন। B) সংবাদপত্র — এটি কোনো মুদ্রিত বা নিয়মিত প্রকাশিত সংবাদমাধ্যম নয়, এটি একটি অনলাইন যোগাযোগ মাধ্যম। C) পাখির বাসা — এটি কোনো প্রাণীর বাঁশ বা আবাসের নাম নয়, এটি একটি প্রযুক্তিগত সেবা। D) টাকা আদান প্রদানের মাধ্যম — এটি কোনো আর্থিক লেনদেন বা ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী মাধ্যম নয়। মনে রাখার টিপস: টুইটার বা এক্সে ছোট বার্তা শেয়ার করা হয়, তাই এটি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
a ফ্লপি ডিস্ক
b নেটওয়ার্ক ড্রাইভ
c সিডি রম
d উপরের সবগুলো
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো কেন সঠিক: - ফ্লপি ডিস্ক, নেটওয়ার্ক ড্রাইভ এবং সিডি রম প্রতিটিই ডিজিটাল ডেটা বা তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। - এদের মধ্যে ফ্লপি ও সিডি অপটিক্যাল বা ম্যাগনেটিক স্টোরেজ এবং নেটওয়ার্ক ড্রাইভ ক্লাউড বা সার্ভারভিত্তিক স্টোরেজ মাধ্যম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্লপি ডিস্ক — এটি পুরনো দিনের একটি চৌম্বকীয় তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যম, যা বর্তমানে ব্যবহৃত না হলেও তথ্য সংরক্ষণের কাজ করে। B) নেটওয়ার্ক ড্রাইভ — এটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ক্লাউডে দূরবর্তী স্থানে ফাইল ও তথ্য সংরক্ষণের আধুনিক মাধ্যম। সিডি রম — এটি অপটিক ডিস্ক যা কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইসে রিড অনলি মেমরি হিসেবে তথ্য ও সফটওয়্যার সংরক্ষণ করে। D) উপরের সবগুলো — এই অপশনে থাকা তিনটি মাধ্যমই পৃথকভাবে তথ্য সংরক্ষণে সক্ষম হওয়ায় এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: তথ্য সংরক্ষণ বা মেমোরি বলতে হার্ডডিস্ক বা পেনড্রাইভ ছাড়াও ফ্লপি, সিডি এবং নেটওয়ার্ক ড্রাইভকে বোঝায়।
a হার্ডডিস্ক
b ফ্লপি ডিস্ক
c র‌্যাম
d সিডি
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) র‌্যাম কেন সঠিক: - র‌্যাম বা র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি হলো কম্পিউটারের প্রধান ও অভ্যন্তরীণ মেমোরি, যা প্রসেসরের সাথে সরাসরি কাজ করে। - এটি কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি হিসেবে পরিচিত, যা চালুকৃত ডেটা ও প্রোগ্রাম সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হার্ডডিস্ক — এটি কম্পিউটারের স্থায়ী ও সেকেন্ডারি বা অভ্যন্তরীণ এক্সটার্নাল স্টোরেজ ডিভাইস, প্রাইমারি মেমোরি নয়। B) ফ্লপি ডিস্ক — এটি একটি প্রাচীন পোর্টেবল এবং রিমুভেবল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস। C) র‌্যাম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা কম্পিউটারের প্রধান অভ্যন্তরীণ মেমোরি। D) সিডি — এটি একটি অপটিক্যাল ডিস্ক এবং পোর্টেবল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস। মনে রাখার টিপস: র‌্যাম (RAM) সরাসরি প্রসেসরের সাথে কাজ করে বলে এটি কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ বা প্রধান মেমোরি।
a কন্ট্রোল , শিফট এবং ‘-’ একত্রে চাপা
b কন্ট্রোল , শিফট এবং +-’ একত্রে চাপা
c কন্ট্রোল , শিফট এবং ‘=’ একত্রে চাপা
d কন্ট্রোল , এবং ‘-’ একত্রে চাপা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) কন্ট্রোল , শিফট এবং +-’ একত্রে চাপা কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বা শব্দের উপরে ছোট আকারে লেখার ফরম্যাটকে সুপারস্ক্রিপ্ট বলা হয়। - কন্ট্রোল, শিফট এবং প্লাস চিহ্ন একসাথে চাপলে এই সুপারস্ক্রিপ্ট কমান্ড সক্রিয় হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কন্ট্রোল , শিফট এবং ‘-’ একত্রে চাপা — এটি সুপারস্ক্রিপ্ট করার জন্য সঠিক শর্টকাট নয় এবং এর আলাদা কোনো নির্দিষ্ট কাজ আছে। B) কন্ট্রোল , শিফট এবং +-’ একত্রে চাপা — এটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ফন্ট বা টেক্সট সুপারস্ক্রিপ্ট করার সঠিক কিবোর্ড কমান্ড। C) কন্ট্রোল , শিফট এবং ‘=’ একত্রে চাপা — এই শর্টকাটটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। D) কন্ট্রোল , এবং ‘-’ একত্রে চাপা — এই কমান্ডটি সুপারস্ক্রিপ্টের জন্য নির্ধারিত নয়। মনে রাখার টিপস: প্লাস চিহ্ন ওপরে থাকে তাই সুপারস্ক্রিপ্ট করার জন্য কন্ট্রোল ও শিফটের সাথে প্লাস চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়।
a বাইট -এ
b মিলিমিটারের
c ইঞ্চিতে
d বিট-এ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) বাইট -এ কেন সঠিক: - কম্পিউটারের মেমোরিতে সংরক্ষিত বা প্রক্রিয়াজাত তথ্যের পরিমাণ বা দৈর্ঘ্য পরিমাপের মৌলিক একক হলো বাইট। - আটটি বিট মিলে এক বাইট গঠিত হয় এবং সাধারণত একটি অক্ষর বা বর্ণ সংরক্ষণ করতে এক বাইট জায়গার প্রয়োজন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাইট -এ — এটি কম্পিউটারের তথ্যের দৈর্ঘ্য ও ধারণক্ষমতা মাপার সঠিক একক। B) মিলিমিটারের — এটি দিয়ে মূলত দৈর্ঘ্য বা দূরত্ব মাপা হয়, কম্পিউটারের তথ্য মাপা হয় না। C) ইঞ্চিতে — এটি দৈনন্দিন পরিমাপে ব্যবহৃত দৈর্ঘ্য বা পর্দার মাপের একক, তথ্যের দৈর্ঘ্য নয়। D) বিট-এ — এটি কম্পিউটারের ডেটা সংরχণের ক্ষুদ্রতম একক হলেও তথ্যের সামগ্রিক দৈর্ঘ্য সাধারণত বাইট একমে মাপা হয়। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারের তথ্যের দৈর্ঘ্য মাপার আদর্শ একক হলো বাইট, আর আট বিটে এক বাইট হয়।
a ১০২৪ বাইট
b ১০২৮ বাইট
c ১০০০ বাইট
d ১০১২ বাইট
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০২৪ বাইট কেন সঠিক: - কম্পিউটার মেমোরি বা ডাটা পরিমাপের বাইনারি সিস্টেমে দুই এর ঘাত হিসেবে হিসাব করা হয়, যেখানে ৮ বিটে ১ বাইট এবং ১০২৪ বাইটে ১ কিলোবাইট হয়। - ডেসিমেল সিস্টেমে কিলো মানে ১০০০ হলেও কম্পিউটারে দ্বিমুখী বা বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহারের কারণে ১০২৪ নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০২৪ বাইট — এটি কম্পিউটার প্রযুক্তির বাইনারি নিয়মানুযায়ী ১ কিলোবাইটের সঠিক ও প্রমিত মান। B) ১০২৮ বাইট — এটি কম্পিউটার মেমোরির কোনো আদর্শ বা স্বীকৃত পরিমাপ নয়। C) ১০০০ বাইট — এটি সাধারণ আন্তর্জাতিক দশভিত্তিক বা এসআই সিস্টেমে কিলো বোঝায়, যা কম্পিউটার মেমোরির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) ১০১২ বাইট — এটি কম্পিউটার ডাটা পরিমাপের বাইনারি কাঠামোর সঙ্গে মিলহীন একটি ভুল সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটার সবসময় দুই এর গুণিতক বা বাইনারি নিয়ে কাজ করে, তাই কিলোবাইট মানেই মনে রাখবে ১০২৪ বাইট।
a বিং
b গুগল
c ইয়াহু
d আপডেট
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আপডেট কেন সঠিক: - আপডেট কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, এটি সাধারণত কোনো সফটওয়্যার বা তথ্যের নতুন সংস্করণ প্রকাশ করাকে বোঝায়। - এটি ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার কোনো মাধ্যম বা ওয়েবসাইট নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিং — এটি মাইক্রোসফটের একটি জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত সার্চ ইঞ্জিন। B) গুগল — এটি বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত এবং জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন। C) ইয়াহু — এটি ইন্টারনেটের ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন ও পরিচিত সার্চ ইঞ্জিন। D) আপডেট — এটি কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: গুগল, ইয়াহু ও বিং দিয়ে তথ্য খোঁজা যায়, কিন্তু আপডেট দিয়ে শুধু তথ্য নতুন করা হয়।
a wide world web
b world wide web
c world with web
d world within web
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) world wide web কেন সঠিক: - এটি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদান করার একটি বিশ্বব্যাপী মাধ্যম বা গ্লোবাল সিস্টেম। - বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স-লি ১৯৮৯ সালে এটি উদ্ভাবন করেন, যা ওয়েব পেজ দেখতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wide world web — শব্দগুলোর সঠিক বিন্যাস এখানে নেই, এটি ভুল ক্রম। B) world wide web — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর পূর্ণরূপ সম্পূর্ণ নির্ভুল। C) world with web — এর অর্থ ও কারিগরি সংজ্ঞা কম্পিউটার বিজ্ঞানের নিয়মের বাইরে। D) world within web — এটি WWW-এর স্বীকৃত বা দাপ্তরিক পূর্ণরূপ নয়। মনে রাখার টিপস: ডাব্লিউ দিয়ে শুরু হওয়া তিনটি শব্দের ক্রম মনে রাখতে হবে ডব্লিউ-ডাব্লিউ-ডাব্লিউ অর্থাৎ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব।
a আই. বি . এম.
b মাইক্রোসফট
c অ্যাপল কম্পিউটার
d সনি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যাপল কম্পিউটার কেন সঠিক: - আইফোন হলো বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল কর্তৃক উৎপাদিত জনপ্রিয় স্মার্টফোনের একটি ব্র্যান্ড। - স্টিভ জবস ও তার সহপ্রতিষ্ঠাতাগণ ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন এবং ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন বাজারে ছাড়েন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আই. বি . এম. — এটি একটি মার্কিন প্রযুক্তি ও কনসাল্টিং প্রতিষ্ঠান, যা মূল হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সেবা প্রদান করে এবং আইফোন প্রস্তুত করে না। B) মাইক্রোসফট — এটি মূলত উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এবং সফটওয়্যার তৈরির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত, আইফোনের প্রস্তুতকারক নয়। C) অ্যাপল কম্পিউটার — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই বিশ্বখ্যাত আইফোন সিরিজ নকশা ও প্রস্তুত করে থাকে। D) সনি — এটি একটি জাপানি ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট, যা বিভিন্ন ডিভাইস তৈরি করলেও আইফোন প্রস্তুত করে না। মনে রাখার টিপস: আইফোনের পেছনে কামড়ানো আপেলের লোগো দেখলেই মনে রাখবে এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি।
a মার্ক জুকারবার্গ
b মার্ক টোয়েন
c বিল গেটস
d স্টিভ জবস
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মার্ক জুকারবার্গ কেন সঠিক: - মার্ক জুকারবার্গ ২০০৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি বর্তমানে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা প্ল্যাটফর্মস-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্ক জুকারবার্গ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) মার্ক টোয়েন — তিনি একজন বিখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক ও সাহিত্যিক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত নন। C) বিল গেটস — তিনি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তিবিদ এবং মাইক্রোসফট কোম্পানির সহপ্রতিষ্ঠাতা। D) স্টিভ জবস — তিনি অ্যাপল কোম্পানির সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং প্রযুক্তি জগতের এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। মনে রাখার টিপস: বইয়ের পাতার মতো আমাদের পরিচিত সোশ্যাল মিডিয়া হলো ফেসবুক, যার পাতা ওল্টান মার্ক জুকারবার্গ।