বাংলাদেশ রেলওয়ে

বাংলাদেশ রেলওয়ে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬

পদের নাম: উপসহকারী প্রকৌশলী (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (87)

a সোনার তরী
b পূরবী
c বলাকা
d পুনশ্চ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বলাকা ১. কেন সঠিক: - ‘ছবি’ কবিতাটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত কবিতা। - এই কবিতার মূল থিম হলো গতি, পরিবর্তন এবং স্থবিরতা ভেঙে জীবনের প্রবহমানতার জয়গান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর কবিতায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালের অস্থিরতা ও গতির বার্তা প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থের ‘শাহজাহান’ কবিতা। ব্যাখ্যা: এটিও বলাকা কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ও গভীর ভাবসমৃদ্ধ কবিতা। উদাহরণ ২: ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থের ‘সাজাহান’ বা ‘বলাকা’ নামক নামাঙ্কিত কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় বলাকার ডানার ঝাপটায় গতির প্রকাশ ঘটেছে যা পুরো কাব্যগ্রন্থের মূল সুর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনার তরী — এই কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে ‘সোনার তরী’, ‘নিরুদ্দেশ যাত্রা’র মতো বিখ্যাত কবিতা রয়েছে কিন্তু ‘ছবি’ নেই। B) পূরবী — এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত প্রবাসে লেখা রোমান্টিক ও পর্যটন ভাবনার কবিতা সংকলন। D) পুনশ্চ — এটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি গদ্যকবিতার সংকলন যেখানে ‘ছবি’ কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বলাকা মানেই গতির ডানা, আর বলাকার ‘ছবি’ দেখলে মনে গতি আসে। এভাবে ছন্দে ছন্দে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল এবং এর বিখ্যাত কবিতাগুলো বারবার আসে। - কাব্যগ্রন্থভিত্তিক কবিতার নামগুলো আলাদা করে তালিকা করে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a সনাতন হিন্দু
b সহজিয়া বৌদ্ধ
c জৈন
d হরিজ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সহজিয়া বৌদ্ধ কেন সঠিক: ১. চর্যাপদের পদকর্তারা মূলত মহাযান ও বজ্রযান বা সহজিয়া বৌদ্ধ ধর্মের সাধক বা আচার্য ছিলেন। ২. এই পদগুলোতে বৌদ্ধ ধর্মের সহজিয়া সাধনা এবং নাড়ী-নক্ষত্র ও শূন্যতা তত্ত্বের সহজ প্রকাশ ঘটেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন এবং এর মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যের সূচনা হয়েছে। ২. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ৩. চর্যাপদের ভাষা ছিল সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা, যা সহজে বোধগম্য ছিল না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সনাতন হিন্দু — চর্যাপদ হিন্দু ধর্মের সাহিত্য নয়, কারণ এর মূল দর্শন বৌদ্ধ ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত। B) সহজিয়া বৌদ্ধ — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) জৈন — চর্যাপদে জৈন ধর্মের কোনো তত্ত্ব বা প্রভাব খুঁজে পাওয়া যায়নি। D) হরিজ — হরিজন কোনো ধর্মের নাম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ মানেই বৌদ্ধ ধর্মের সহজ সাধনা। চর্যাপদের সাথে বৌদ্ধ ধর্ম ও হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নাম এভাবে মনে রাখবে।
a সিকান্দার আবু জাফর
b আল মাহমুদ
c শামসুর রাহমান
d সৈয়দ শামসুল হক
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: নিরালোকে দিব্যরথ কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত রচনা। এই কাব্যগ্রন্থে কবির পরিপক্ব কাব্যচেতনা, জীবনের গভীর উপলব্ধি এবং সময়ের রূপায়ণ সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আবির্ভূত হওয়া একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি ও সাংবাদিক। তার কবিতায় নাগরিক জীবন, সমকালীন রাজনীতি, দেশপ্রেম এবং মানবীয় আবেগ অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা তার কাব্যিক খ্যাতির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। উদাহরণ ২: রৌদ্র করোটিতে ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিকান্দার আবু জাফর — সিকান্দার আবু জাফর একজন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার হলেও নিরালোকে দিব্যরথ তার লেখা কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। B) আল মাহমুদ — আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থটি তার রচিত নয়। C) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি শামসুর রাহমানেরই লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ। D) সৈয়দ শামসুল হক — সৈয়দ শামসুল হক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও নিরালোকে দিব্যরথ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা তিনি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য তার বিখ্যাত রচনা যেমন প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে এবং রৌদ্র করোটির পাশাপাশি নিরালোকে দিব্যরথ নামটি আলাদা করে চর্চা করতে পারো। পরীক্ষায় কবির নাম ও কাব্যগ্রন্থের মিল করার সময় লেখকের নাগরিক চেতনা ও ভিন্নধর্মী শিরোনামগুলো মনে রাখা সহায়ক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক কবিদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। বিভিন্ন কবির সাহিত্যকর্মের তালিকা তৈরি করে নিয়মিত চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সঠিক উত্তর করা সম্ভব।
a কুমিল্লা
b বরিশাল
c খুলনা
d ঢাকা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরিশাল ১. কেন সঠিক: - বেগম সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশাল জেলার শায়েস্তাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর পৈতৃক নিবাস বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার শাহপুর গ্রামে হলেও তাঁর জন্ম নানাবাড়িতে হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের প্রখ্যাত নারী কবি, সাহিত্যিক ও বিশিষ্ট সমাজসংস্কারক ছিলেন। - তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে সাঁঝের মায়া, মায়া প্রীতি, মন ও জীবন, শান্তি ও প্রার্থনা ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া ব্যাখ্যা: এটি বেগম সুফিয়া কামালের প্রথম ও অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ভূমিকা লিখেছিলেন। উদাহরণ ২: একা জনপদের ডায়রি ব্যাখ্যা: এটি বেগম সুফিয়া কামালের একটি বিখ্যাত গদ্য ও স্মৃতিচারণমূলক রচনা যা তাঁর জীবন ও সময়ের মূল্যবান দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা — কুমিল্লা বেগম সুফিয়া কামালের জন্মস্থান নয়, এটি বাংলাদেশের অন্য একটি ঐতিহাসিক জেলা। B) বরিশাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বরিশালের শায়েস্তাবাদে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। C) খুলনা — খুলনা অঞ্চলের সঙ্গে কবি বেগম সুফিয়া কামালের জন্মস্থানের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। D) ঢাকা — ঢাকা তাঁর কর্মক্ষেত্র ও জীবনের শেষভাগের প্রধান আবাসস্থল হলেও এটি তাঁর জন্মস্থান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুফিয়া কামালের জন্মস্থান মনে রাখার সহজ উপায় হলো তাঁর নানাবাড়ি বরিশাল এবং পৈতৃক নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া এই দুটি স্থান মনে রাখা। - পরীক্ষার প্রশ্নে সাধারণত জন্মস্থান হিসেবে বরিশাল অপশনটিই বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাহিত্যিকদের জন্মস্থান, জন্মসাল এবং পৈতৃক নিবাস সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - লেখক পরিচিতি পড়ার সময় জন্মস্থান ও পৈতৃক নিবাসের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a পাবক
b মারুত
c পবন
d অনিল
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাবক ১. কেন সঠিক: - 'পাবক' শব্দের অর্থ আগুন বা বহ্নি, যা বাতাস শব্দের সমার্থক নয়। - বাতাস শব্দের অর্থ হলো বায়ু, অনিল, মারুত, পবন ইত্যাদি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে সামঞ্জস্য বা মিল থাকে। - বাংলা ভাষায় একই বস্তুর বা ভাবের প্রকাশের জন্য ভিন্ন ভিন্ন শব্দ ব্যবহৃত হয়, যা শব্দের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনল ব্যাখ্যা: অনল শব্দের অর্থ আগুন, এটিও বাতাস শব্দের সমার্থক নয়। উদাহরণ ২: সমীরণ ব্যাখ্যা: সমীরণ শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, এটি বাতাস শব্দের একটি সঠিক সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাবক — এটি আগুন বা বহ্নির সমার্থক শব্দ, তাই বাতাস শব্দের সমার্থক নয়। B) মারুত — এটি বাতাস বা বায়ুর একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। C) পবন — এটি বাতাস বা বায়ুর অপর একটি সমার্থক শব্দ। D) অনিল — এটিও বাতাস বা বায়ুর সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আগুন ও বাতাসের সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে ছক বানিয়ে মুখস্থ করলে পরীক্ষায়ে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। - পাবক, অনল, বহ্নি হলো আগুনের সমার্থক এবং মারুত, পবন, অনিল হলো বাতাসের সমার্থক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আগুন এবং বাতাসের সমার্থক শব্দগুলো মিলিয়ে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - এই ধরনের শব্দ মনে রাখতে শব্দের মূল অর্থ পরিষ্কার করে পড়া উচিত।
a তোমার গোপন কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয়
b দারিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা
c সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল
d সর্ববিষয়ে বাহুল্যতা বর্জন করা উচিত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল ১. কেন সঠিক: সলজ্জিত শব্দটি গঠিত হয়েছে সহ বা স উপসর্গ যুক্ত লজ্জিত শব্দের মাধ্যমে। এখানে সহ বা স শব্দের অর্থ লজ্জাসহ বা লজ্জাযুক্ত, তাই সলজ্জিত হাসি অর্থ লজ্জাযুক্ত হাসি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে শব্দের দ্বিরুক্তি বা বাহুল্য দোষ বর্জন করতে হয়। সলজ্জিত শব্দটিতে স উপসর্গ থাকার কারণে এর সাথে অতিরিক্ত কোনো ব্যাখ্যা বা ভুল প্রত্যয় যুক্ত করা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবান্ধব গ্রামে পৌঁছাল। ব্যাখ্যা: বান্ধবসহ বা বন্ধুদের সাথে অর্থে সবান্ধব শব্দটি শুদ্ধভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: সবিনয়ে নিবেদন করছি। ব্যাখ্যা: বিনয়ের সাথে অর্থে সবিনয় শব্দটি বাক্যে নির্ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তোমার গোপন কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয় — এই বাক্যে গোপন কথা এবং শোনা শব্দগুলোর ব্যবহারে অর্থগত দিক থেকে কিছুটা অস্পষ্টতা রয়েছে, যা প্রমিত বাংলায় অপ্রয়োজনীয়। B) দারিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা — দারিদ্রতা শব্দটি ভুল, এর শুদ্ধ রূপ হবে দারিদ্র্য বা দরিদ্রতা। C) সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল — এই বাক্যটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে এবং এর প্রতিটি পদের প্রয়োগ সঠিক। D) সর্ববিষয়ে বাহুল্যতা বর্জন করা উচিত — বাহুল্যতা শব্দটি ভুল, কারণবহুল শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করে বাহুল্যতা হয় না, শুদ্ধ রূপ হলো বাহুল্য। ৫ মনে রাখার টিপস: দারিদ্র্য এবং বাহুল্য শব্দ দুটির সাথে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করে দারিদ্রতা বা বাহুল্যতা বলা সম্পূর্ণ ভুল। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সবসময় মূল শব্দ বা সঠিক প্রত্যয়যুক্ত রূপ ব্যবহার করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দের গঠন এবং উপসর্গ ব্যবহারের সঠিক নিয়ম জানলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a ক + ষ
b ক + খ
c ক + ষ + ম,
d হ + ম
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক + ষ ১. কেন সঠিক: - ‘ক্ষ’ একটি যুক্তবর্ণ যা দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে গঠিত হয়। - প্রমিত বাংলা বর্ণমালায় ‘ক্ষ’ বর্ণটি ক এবং ষ এর যুক্তরূপ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বর্ণমালায় চারটি মৌলিক যুক্তবর্ণ বা যৌথ ধ্বনি রয়েছে যা বিশেষ প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এই যুক্তবর্ণগুলো হলো ক্ষ, জ্ঞ, ত্র এবং শ্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষমা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ‘ক্ষ’ যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর বিশ্লিষ্ট রূপ হলো ক এবং ষ। উদাহরণ ২: ক্ষতি ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ‘ক্ষ’ যুক্তবর্ণটি রয়েছে যা ক এবং ষ এর যোগফলে গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক + ষ — এটি সঠিক কারণ ‘ক্ষ’ বর্ণটি ক এবং ষ এর সমন্বয়ে গঠিত। B) ক + খ — এটি ভুল কারণ ‘ক্ষ’ বর্ণ গঠনে খ বর্ণটি ব্যবহৃত হয় না। C) ক + ষ + ম — এটি ভুল কারণ ‘ক্ষ’ বর্ণটি তিনটি বর্ণ নিয়ে গঠিত নয়। D) হ + ম — এটি ভুল কারণ হ এবং ম মিলে ‘হ্ম’ যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, ‘ক্ষ’ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্ষ কে ভাঙলে ক এবং ষ পাওয়া যায় তা মনে রাখতে কষকষ শব্দটির সাহায্য নিতে পারো। - যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে শেষের মূর্ধন্য ষ উচ্চারণ ভেদে খ এর মতো শোনা গেলেও এর মূল উপাদান ক এবং ষ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুক্তবর্ণ বিশ্লিষ্ট করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বাংলা ব্যাকরণে যুক্তবর্ণের সঠিক গঠন জানা বানান শুদ্ধির জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a পঞ্চতন্ত্র
b পালামৌ
c দেশে বিদেশে
d চাচা কাহিনী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পালামৌ ১. কেন সঠিক: - পালামৌ ভ্রমণকাহিনীটি বিখ্যাত লেখক সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা, সৈয়দ মুজতবা আলীর নয়। - সৈয়দ মুজতবা আলী মূলত তাঁর রম্যরচনা, ভ্রমণকাহিনী এবং প্রাবন্ধিক পরিচয়ের জন্য বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ মুজতবা আলী বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের এক প্রখ্যাত বাঙালি রম্যলেখক, সাহিত্যিক ও পন্ডিত। - তাঁর উল্লেখযোগ্য ভ্রমণকাহিনী ও রম্যসাহিত্যের মধ্যে দেশে বিদেশে, পঞ্চতন্ত্র এবং চাচা কাহিনী বিশেষভাবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলে ডাঙায় ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি জনপ্রিয় ভ্রমণকাহিনীর বই। উদাহরণ ২: শবনম ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চতন্ত্র — এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি বিখ্যাত রম্যরচনা, তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ নয়। B) পালামৌ — এটি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী, তাই এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনা নয়। C) দেশে বিদেশে — এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভ্রমণকাহিনী, তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ নয়। D) চাচা কাহিনী — এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত একটি জনপ্রিয় রম্যরচনা ও গল্পগ্রন্থ, তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ মুজতবা আলীর ভ্রমণ ও রম্যরচনা মনে রাখতে দেশ, বিদেশ, চাচা ও তন্ত্র শব্দগুলো মাথায় রাখতে পারো। - পালামৌ যে সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা, তা বারবার বিসিএস পরীক্ষায় আসে, তাই এটি আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভ্রমণকাহিনী সাহিত্যের একটি অন্যতম ধারা যেখানে লেখকের নিজ চোখে দেখা কোনো অঞ্চলের বিবরণ থাকে। - লেখক ও সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রে মূল লেখকের নাম না জানা থাকলে অপশনগুলোর রচয়িতাদের নাম মিলিয়ে উত্তর করতে হয়।
a বুদ্ধদেব বসু
b জীবনানন্দ দাশ
c প্রেমেন্দ্র মিত্র
d দীনেশ রঞ্জন দাশ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দীনেশ রঞ্জন দাশ ১. কেন সঠিক: - ‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশ রঞ্জন দাশ এবং তিনি ১৯২৩ সালে পত্রিকাটি প্রকাশ করেন। - বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারা সৃষ্টিতে এই পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রকাশকাল ছিল বাংলা ১৩৩০ সালের বৈশাখ মাস এবং এটি রবীন্দ্রযুগের বিরুদ্ধে এক নতুন সাহিত্য আন্দোলন গড়ে তোলে। - এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগে এবং কল্লোল যুগের সূচনা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত ‘প্রগতি’ পত্রিকা। ব্যাখ্যা: এটি কল্লোল যুগের পরবর্তী সময়ে বাংলা আধুনিক সাহিত্য আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের ‘ধূমকেতু’ পত্রিকা। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী চেতনার মাসিক পত্রিকা ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি ‘কল্লোল’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, তবে এই গোষ্ঠীর একজন অন্যতম প্রধান লেখক ও কবি ছিলেন। B) জীবনানন্দ দাশ — তিনি কল্লোল গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন না। C) প্রেমেন্দ্র মিত্র — তিনি কল্লোল যুগের বিখ্যাত সাহিত্যিক হলেও এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। D) দীনেশ রঞ্জন দাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই ‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - কল্লোল পত্রিকার সম্পাদক দীনেশ রঞ্জন দাশ এটি মনে রাখতে 'দীনেশ ও কল্লোল' এভাবে দুটি ডি অক্ষর একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - অথবা কল্লোলের ঢেউয়ে দীনেশ ভেসেছিলেন এভাবে ছন্দ মিলিয়ে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে এবং এটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার প্রতীক। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
b নিজ বাসভূমে
c সোনালী কাবিন
d লোক-লোকান্তর
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ১. কেন সঠিক: আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রহমানের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে। ১৯৬০ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটির মাধ্যমেই তিনি বাংলা কাব্যাঙ্গনে আত্মপ্রকাশ করেন এবং আধুনিক কবিতার ধারাকে নতুন মাত্রা দেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শামসুর রহমান ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৮ সালের ১৭ আগস্ট ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি নাগরিক জীবনের নান্দনিকতা, একাকীত্ব, দেশপ্রেম ও সমসাময়িক রাজনৈতিক সংকট তাঁর কবিতায় নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রুদেন্ত খোকা ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রহমানের একটি বিখ্যাত কিশোর কবিতাগ্রন্থ যা শিশুসাহিত্যে তাঁর অবদান নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখেন ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রহমানের একটি জনপ্রিয় প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর রাজনৈতিক সচেতনতার পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে — এটি শামসুর রহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এটি ৬০ সালে প্রকাশিত হয়। B) নিজ বাসভূমে — এটি শামসুর রহমানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, তবে প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়। C) সোনালী কাবিন — এটি কবি আল মাহমুদের অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ, শামসুর রহমানের নয়। D) লোক-লোকান্তর — এটি কবি আল মাহমুদের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, শামসুর রহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শামসুর রহমানের প্রথম গান মানেই প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে। বাংলা সাহিত্যে কবির আত্মপ্রকাশের প্রথম কাজটি মনে রাখতে এই নামটির প্রথম অংশটি মূল সূত্র হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও লেখকদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা প্রথম উপন্যাস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। একইভাবে অন্যান্য প্রধান কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ যেমন জসীমউদ্দীনের রাখালী বা আল মাহমুদের লোকলোকান্তর ভালোভাবে পড়তে হবে।
a আশাপূর্ণা দেবী
b সুফিয়া কামাল
c বেগম রোকেয়া
d সেলিনা হোসেন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেগম রোকেয়া ১. কেন সঠিক: - ‘অবরোধবাসিনী’ গ্রন্থটির রচয়িতা বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। - গ্রন্থটি মূলত মুসলিম নারীদের পর্দাপ্রথার নামে অবরুদ্ধ করে রাখার নির্মম সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে এক ব্যঙ্গাত্মক ও বাস্তবধর্মী প্রতিবাদ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও সমাজসংস্কারক। - তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে ‘সুলতানার স্বপ্ন’ (Sultana's Dream), ‘পদ্মরাগ’ ও ‘মতিচূর’। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘সুলতানার স্বপ্ন’ ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার লেখা একটি বিখ্যাত নারীবাদী ও কল্পবিজ্ঞানভিত্তিক ইংরেজি ছোটগল্প, যা পরবর্তীতে বাংলায় অনূদিত হয়। উদাহরণ ২: ‘পদ্মরাগ’ ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যেখানে নারী সমাজের মুক্তি ও শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আশাপূর্ণা দেবী — তিনি ভারতের একজন বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হলেও ‘অবরোধবাসিনী’ তাঁর লেখা নয়। B) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন। C) বেগম রোকেয়া — এই অপশনটি সঠিক এবং গ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে প্রমাণিত। D) সেলিনা হোসেন — তিনি সমকালীন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অবরোধ বা পর্দাপ্রথার নির্মম কড়াকড়ি থেকে মুক্তির কথা বললেই মনে রাখতে হবে নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার নাম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার প্রবন্ধ ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে, তাই তাঁর গ্রন্থগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a কৃষক জীবন
b ধীবর জীবন
c বৈশ্য জীবন
d নারীর জীবন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধীবর জীবন ১. কেন সঠিক: - এই উপন্যাসে পদ্মা নদীর তীরের জেলে বা ধীবর সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনযাত্রা, সংগ্রাম ও পেশাগত সংকটের বাস্তবচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - ধীবর শব্দের অর্থ জেলে বা যারা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন, আর এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুবের একজন জেলে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসটির রচয়িতা বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রাগাধুনিক ও সমাজ বাস্তবতাবাদী আঞ্চলিক উপন্যাস হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুতুল নাচের ইতিকথা। ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে সমৃদ্ধ। উদাহরণ ২: অদ্বৈত মল্লবর্মণের তিতাস একটি নদীর নাম। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও মালো বা জেলে সম্প্রদায়ের মানুষের জীবন ও নদীকেন্দ্রিক সংস্কৃতির নিখুঁত রূপায়ন ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষক জীবন — এই উপন্যাসের মূল বিষয় কৃষক জীবন নয়, কারণ এখানকার চরিত্ররা কৃষিকাজের পরিবর্তে মূলত মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। B) ধীবর জীবন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় এবং এটি জেলেদের জীবনকেই নির্দেশ করে। C) বৈশ্য জীবন — বৈশ্য জীবন বলতে মূলত ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে বোঝানো হয়, যা জেলে বা ধীবর সম্প্রদায়ের জীবনধারার সঙ্গে সম্পূর্ণ আলাদা। D) নারীর জীবন — নারীর জীবন কেন্দ্র করে উপন্যাসটি রচিত হয়নি, বরং এখানে একটি সমগ্র নদীভিত্তিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামগ্রিক জীবন উঠে এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পদ্মা নদীর মাঝি মানেই নদী এবং নদীর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত জেলে বা ধীবর সম্প্রদায়ের জীবন। - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিখ্যাত উপন্যাসটি মনে রাখতে কুবের জেলের নাম ও পদ্মা নদীকে একসঙ্গে স্মরণ করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের মূল চরিত্র কুবের এবং পটভূমি হলো পদ্মা নদীর তীরবর্তী মোতিগঞ্জ ও জানিডাঙ্গা গ্রাম। - এই ধরনের সাহিত্যভিত্তিক প্রশ্নে উপন্যাসের পটভূমি বা মূল থিম ভালো করে মনে রাখলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a ঊধ্র্বতন কর্মকর্তা
b নির্বাহী
c সহযোগী
d ব্যবস্থাপক
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নির্বাহী কেন সঠিক: - ইংরেজি Executive শব্দের প্রচলিত ও বাংলা একাডেমী অনুমোদিত পরিভাষা হলো নির্বাহী। - প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারক কার্যক্রমে এই শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পরিভাষা হলো বিশেষ অর্থের প্রকাশে নির্দিষ্ট বাংলা শব্দ। - ইংরেজি প্রশাসনিক পদের ক্ষেত্রে সঠিক প্রতিশব্দ নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি। - যেমন Executive Committee শব্দের বাংলা অর্থ নির্বাহী কমিটি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ঊধ্র্বতন কর্মকর্তা — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Senior Officer। - B) নির্বাহী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। - C) সহযোগী — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Associate। - D) ব্যবস্থাপক — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Manager। মনে রাখার টিপস: - Executive শুনলেই নির্বাহী শব্দটি মনে রাখবে।
a সংক্ষেপ করে
b বিস্তৃত করে
c ভাষারূপ ক্ষুণ্ণ করে
d অর্থবোধক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংক্ষেপ করে ১. কেন সঠিক: - সমাসের প্রধান কাজ হলো একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করে ভাষার প্রকাশকে সংক্ষিপ্ত ও শ্রুতিমধুর করা। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বাক্যে ব্যবহৃত একাধিক পদের মিলন ঘটিয়ে একটিমাত্র পদ তৈরির প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। পরস্পর অর্থসংগতিযুক্ত দুই বা ততোধিক পদ এক পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। - এর ফলে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং বাক্য গঠন সহজ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি পদ মিলে একটি সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর পদ সিংহাসন গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশ ও বিদেশ = দেশবিদেশ ব্যাখ্যা: এখানে দুটি পদ মিলে সংক্ষেপিত হয়ে সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংক্ষেপ করে — এই অপশনটি সঠিক কারণ সমাসের মূল কাজই হলো একাধিক পদকে সংক্ষেপ করা। B) বিস্তৃত করে — সমাস বাক্যকে বিস্তৃত করে না, বরং পদগুলোকে সংক্ষিপ্ত করে। C) ভাষারূপ ক্ষুণ্ণ করে — সমাস ভাষার রূপ নষ্ট করে না, বরং ভাষাকে আরও সুন্দর ও পরিপাটি করে। D) অর্থবোধক — সমাস অর্থ প্রকাশ করে ঠিকই, তবে এর মূল ব্যাকরণগত কাজ হলো সংক্ষিপ্ত করা। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমাস মানেই ছোট করা বা সংক্ষেপ করা। মনে রাখবে সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমাস ও সন্ধির মূল পার্থক্য হলো সন্ধি মিলন ঘটায় বর্ণের সঙ্গে বর্ণের, আর সমাস মিলন ঘটায় পদের সঙ্গে পদের। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
a মুনীর চৌধুরী
b রশীদ করিম
c শওকত ওসমান
d শহীদুল্লা কায়সার
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শহীদুল্লা কায়সার ১. কেন সঠিক: - ‘সংশপ্তক’ বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস যা শহীদুল্লা কায়সার রচনা করেছেন। - সংশপ্তক শব্দের অর্থ এমন যোদ্ধা যে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে এবং মৃতু্যর মুখোমুখি হয়েও পিছপা হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদুল্লা কায়সার ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক যিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। - এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজ জীবন এবং পাকিস্তানি শোষণ ও বৈষম্যের পটভূমিতে মানুষের সংগ্রামের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সারেং বৌ ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল্লা কায়সারের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত উপন্যাস। উদাহরণ ২: পায়েমবার ব্যাখ্যা: এটিও শহীদুল্লা কায়সারের একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম ও উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, সাহিত্যিক ও শহীদ বুদ্ধিজীবী ছিলেন যিনি সংশপ্তক উপন্যাস লেখেননি। B) রশীদ করিম — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও সংশপ্তক তার রচিত উপন্যাস নয়। C) শওকত ওসমান — তিনি বাংলা উপন্যাসের এক দিকপাল হলেও তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো ক্রীতদাসের হাসি ও জননী। D) শহীদুল্লা কায়সার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সংশপ্তক উপন্যাসের রচয়িতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংশপ্তক মানে আজীবন লড়াকু সৈনিক, আর শহীদুল্লা কায়সার এই লড়াকু চরিত্রের উপন্যাসের অমর স্রষ্টা। - শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সারের সেরা সৃষ্টি হলো সংশপ্তক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত উপন্যাসের রচয়িতা জানতে চাওয়া হয়। - শহীদুল্লা কায়সারের সাহিত্যকর্ম হিসেবে সংশপ্তক ও সারেং বৌ নাম দুটি বারবার বিভিন্ন পরীক্ষায় আসে।
a ঈশ্বরগুপ্ত
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
c ভারতচন্দ্র রায়
d আলাওল
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারতচন্দ্র রায় ১. কেন সঠিক: - অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট মধ্যযুগীয় কবি ভারতচন্দ্র রায় তাঁর অসাধারণ কাব্যপ্রতিভার জন্য নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের কাছ থেকে 'রায়গুনাকর' উপাধি লাভ করেন। - তাঁর বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল কাব্যের সাহিত্যিক উৎকর্ষ ও চমৎকার শব্দচয়নের কারণে তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভারতচন্দ্র রায় অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের শেষভাগের কবি এবং মঙ্গলকাব্যের ধারার অন্যতম শেষ কবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর অমর সৃষ্টি অন্নদামঙ্গল কাব্য তিন ভাগে বিভক্ত, যার মধ্যে বিদ্যাসুন্দর অংশটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতচন্দ্র রায় রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের নির্দেশেই রচিত হয়েছিল এবং এতে সমকালীন সমাজের চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: ভারতচন্দ্র রায় রচিত 'সত্যনারায়ণ ব্রতকথা'। ব্যাখ্যা: এটি কবির একটি ছোট ও ধর্মীয় বা লৌকিক কাহিনিভিত্তিক কাব্য রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরগুপ্ত — তিনি আধুনিক যুগের প্রাক-কালের কবি ও সংবাদপত্রের সম্পাদক ছিলেন, যাঁকে 'রায়গুনাকর' উপাধি দেওয়া হয়নি। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক, যিনি এই উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) আলাওল — তিনি সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি, যিনি 'পদ্মাবতী' কাব্যের জন্য বিখ্যাত। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভারতচন্দ্র রায়ের নামের শেষ অংশ রায় এবং উপাধির শুরুতেও রায় শব্দ আছে, যা দিয়ে সহজে মিল পাওয়া যায়। - মনে রাখতে হবে গুণী কবি ভারতচন্দ্রই পেয়েছিলেন রায়গুনাকর উপাধি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মধ্যযুগীয় কবিদের উপাধি এবং তাঁদের পৃষ্ঠপোষক রাজাদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - কবি ভারতচন্দ্র রায় কোন রাজসভার কবি ছিলেন, এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a প্রমথ চৌধুরী
b সিরাজুন ইসলাম চৌধুরী
c মোতাহার হোসেন চৌধুরী
d মুনীর চৌধুরী
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - বীরবল হলো প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত ছদ্মনাম, যা তিনি বাংলা সাহিত্যে গদ্য রচনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতেন। - তাঁর সম্পাদিত সবুজ পত্র পত্রিকায় তিনি এই ছদ্মনামে বিভিন্ন মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য রচনা লিখতেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবক্তা এবং বাংলা ছোটগল্পের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার হিসেবে পরিচিত। - তিনি বাংলা সাহিত্যে বীরবলী বা খেয়ালি গদ্যরীতির প্রবর্তন করেন, যা ছিল অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত ও প্রখর যুক্তিসম্পন্ন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে লিখিত প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ হলো বীরবলের হালখাতা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে লেখকের তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও সমাজের বিভিন্ন দিকের ওপর চমৎকার মননশীল আলোচনা রয়েছে। উদাহরণ ২: তাঁর আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন হলো রায়তের কথা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে কৃষকদের অধিকার ও সমাজব্যবস্থা নিয়ে প্রমথ চৌধুরীর প্রগতিশীল চিন্তার প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বীরবল ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। B) সিরাজুন ইসলাম চৌধুরী — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ, কোনো ছদ্মনাম হিসেবে বীরবল ব্যবহার করেননি। C) মোতাহার হোসেন চৌধুরী — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি একজন প্রাবন্ধিক হলেও তাঁর কোনো বিখ্যাত ছদ্মনাম বীরবল ছিল না। D) মুনীর চৌধুরী — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও সাহিত্যিক, যাঁর পরিচিতি অন্য নামে রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর নামের প্রথম অক্ষর প এবং তাঁর বিখ্যাত পত্রিকার নাম সবুজ পত্র, আর ছদ্মনাম বীরবল। - বীরবল নামটি মনে রাখতে সম্রাট আকবরের সভার বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন বীরবলের কথা স্মরণ করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস সিরাজগঞ্জ হলেও তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
a মুক্তিযুদ্ধ
b ভাষা আন্দোলন
c ঊনসত্তর-এর গণঅভ্যুত্থান
d স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি ভাষা আন্দোলন পটভূমিতে লেখা। - শহীদ বরকত ও অন্যান্য শহীদদের আত্মত্যাগের প্রেক্ষাপটে নাটকটি রচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে কারাবন্দী অবস্থায় নাটকটি রচনা করেন। - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একাঙ্ক নাটক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হানের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত একটি উপন্যাস। উদাহরণ ২: ভাষা আন্দোলনের গান ব্যাখ্যা: আব্দুল গাফফার চৌধুরীর লেখা বিখ্যাত গান আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তিযুদ্ধ — ১৯৭১ সালের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি লেখা নয়। C) ঊনসত্তর-এর গণঅভ্যুত্থান — ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে নাটকটি রচিত হয়নি। D) স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন — স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের বহু পূর্বে নাটকটি রচিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরী কবর লিখেছিলেন জেলে বসে ১৯৫৩ সালে। - ভাষা আন্দোলনের প্রথম সাহিত্যিক ফসল হলো এই কবর নাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নাটকটির রচিয়তা মুনীর চৌধুরী একজন শহীদ বুদ্ধিজীবী। - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক যেকোনো সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রে প্রকাশকাল ও পটভূমি প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
b রজনীকান্ত সেন
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d অতুলপ্রসাদ সেন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা প্রবর্তন করেন। - তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট রীতির আদলে বাংলায় সনেট রচনা করেন এবং এর নাম দেন চতুর্দশপদী কবিতা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা কবিতার জনক এবং মহাকাব্যের প্রবর্তক হিসেবে সমাদৃত। - তাঁর বিখ্যাত সনেট সংকলন হলো চতুর্দশপদী কবিতাবলী, যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপোতাক্ষ নদ ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সনেট। উদাহরণ ২: বঙ্গভাষা ব্যাখ্যা: এটিও কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — তিনি একজন বিখ্যাত নাট্যকার ও গীতিকার ছিলেন, সনেটের প্রবর্তক নন। B) রজনীকান্ত সেন — তিনি মূলত ভক্তিমূলক ও দেশাত্মবোধক গানের জন্য বিখ্যাত, সনেটের প্রবর্তক নন। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর, তাই কোনো ভুল নেই। D) অতুলপ্রসাদ সেন — তিনি একজন বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার ছিলেন, সনেট প্রবর্তনের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধু মানে মিষ্টি, আর সনেটও কবিতার একটি সুমিষ্ট রূপ। এভাবে মনে রাখতে পারো সনেটের প্রবর্তক মধুসূদন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - সনেটে চরণের সংখ্যা থাকে চৌদ্দটি এবং প্রতি চরণে চৌদ্দ অক্ষর থাকে।
a ১৯০৫ সালে
b ১৯১৩ সালে
c ১৯২৩ সালে
d ১৯২৫ সালে
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৩ সালে ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে এই prestigious সম্মান অর্জন করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ই মে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪১ সালের ৭ই আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন। তার 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তাকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডব্লিউ বি ইয়েটস ব্যাখ্যা: তিনি 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখে দিয়েছিলেন। উদাহরণ ২: সং অফারিংস ব্যাখ্যা: এটি 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের মূল ইংরেজি নাম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৫ সালে — এই বছর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়, নোবেল প্রাপ্তির সাল এটি নয়। B) ১৯১৩ সালে — এটি সঠিক উত্তর। C) ১৯২৩ সালে — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পাননি, এটি ভুল সাল। D) ১৯২৫ সালে — এই সালে কোনো নোবেল প্রাপ্তি ঘটেনি, এটি একটি কাল্পনিক সাল। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাপ্তির সাল মনে রাখতে ১৯১৩ সংখ্যাটি মনে রাখুন। তার সাহিত্য সাধনার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ছিল এই বছরটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম বাঙালি ও এশীয় নোবেলজয়ী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার নোবেল প্রাপ্তির সাল এবং গ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে।
a বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি
b বনলতা সেন ও উত্তর ফাল্গুনী
c ঝরা পালক ও রাখালী
d ছাড়পত্র ও বনলতা সেন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি ১. কেন সঠিক: আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের দুটি অত্যন্ত পরিচিত ও মৌলিক কাব্যগ্রন্থ হলো বেলা অবেলা কালবেলা এবং ধূসর পাণ্ডুলিপি। এই দুটি কাব্যগ্রন্থই তাঁর স্বকীয় কাব্যশৈলী, রূপসী বাংলার প্রকৃতি ও অন্তর্মুখী মননশীলতার এক অনন্য নিদর্শন, যা তাঁকে বাংলা সাহিত্যে অমর করে রেখেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এবং আধুনিক বাংলা কবিতার নির্জনতম কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, রূপসী রূপ এবং মানুষের একাকীত্ব ও বিষণ্ণতার সুর গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে, যা বাংলা সাহিত্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা ব্যাখ্যা: এটি কবির প্রকৃতি বন্দনা ও দেশপ্রেমের এক অনন্য কাব্যসমগ্র যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি — এই দুটি কাব্যগ্রন্থই জীবনানন্দ দাশ রচিত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) বনলতা সেন ও উত্তর ফাল্গুনী — বনলতা সেন জীবনানন্দ দাশের কাব্য হলেও উত্তর ফাল্গুনী তাঁর রচনা নয়, এটি একটি চলচ্চিত্র ও উপন্যাস। C) ঝরা পালক ও রাখালী — ঝরা পালক জীবনানন্দ দাশের কাব্য হলেও রাখালী জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। D) ছাড়পত্র ও বনলতা সেন — বনলতা সেন জীবনানন্দ দাশের কাব্য হলেও ছাড়পত্র প্রখ্যাত কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের কাব্য মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো তিনি ধূসর পাণ্ডুলিপিতে লিখে বেলা অবেলা কালবেলা পার করেছেন। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগুলোর মধ্যে বনলতা সেন, মহাপৃথিবী এবং রূপসী বাংলা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং প্রকাশিত সাল জানতে চাওয়া হয়। লেখকদের কাব্যগ্রন্থ আলাদা করার সময় অন্য কবিদের বিখ্যাত গ্রন্থ যেমন সুকান্তের ছাড়পত্র বা জসীমউদ্দীনের রাখালী সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
a ছয়
b সাত
c নয়
d দশ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাত ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি। উচ্চারণের সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে যে ধ্বনিগুলো উচ্চারিত হতে পারে, তাদের স্বরধ্বনি বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। এগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম ব্যাখ্যা: আম শব্দটি উচ্চারণের শুরুতে আ মৌলিক স্বরধ্বনিটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: এক ব্যাখ্যা: এক শব্দটি উচ্চারণের শুরুতে এ মৌলিক স্বরধ্বনিটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছয় — বাংলা মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ছয়টি নয়, কারণ ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এর সংখ্যা সাতটি। B) সাত — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা নির্দিষ্টভাবে সাতটি। C) নয় — বাংলা মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা নয়টি নয়, কারণ ঐতিহ্যগত ও প্রমিত ব্যাকরণে সংখ্যাটি সাত। D) দশ — বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণ দশটি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা দশটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সাত রঙের রামধনু বা সাত দিনের সপ্তাহের সাথে মিলিয়ে সাতটি স্বরধ্বনি মনে রাখা। অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা এই সাতটি ধ্বনি ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। স্বরবর্ণের সংখ্যা এবং মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা প্রায় পরীক্ষার্থী গুলিয়ে ফেলে, তাই এই দুটি পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সাপের খোলস
b হরিণের চামড়া
c বাঘের চামড়া
d কোনোটিই নয়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হরিণের চামড়া কেন সঠিক: - অজিন শব্দের অর্থ মূলত পশুর চামড়া বিশেষ করে হরিণের চামড়া বোঝায়। - প্রাচীনকালে মুনিঋষিরা উপবেশন বা সাধনার সময় হরিণের চামড়া বা অজিন ব্যবহার করতেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি তৎসম শব্দ যা প্রাচীন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃত ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়েছে। - বাংলা সাহিত্যে তপস্বী ও সাধকদের জীবন acharan বোঝাতে এই শব্দের প্রয়োগ দেখা যায়। - উদাহরণস্বরূপ প্রাচীন কাব্যে ঋষিদের পরনে অজিন বা হরিণচর্ম ব্যবহারের উল্লেখ পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সাপের খোলস — সাপের খোলসকে বাংলায় কঞ্চুক বা নির্মোক বলা হয়, অজিন বলা হয় না। - B) হরিণের চামড়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। - C) বাঘের চামড়া — বাঘের চামড়াকে সাধারণত ব্যাঘ্রচর্ম বলা হয়, অজিন নয়। - D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশন বি তে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - অজিন মানে হরিণের চামড়া এটি মনে রাখার জন্য প্রাচীন ঋষিদের সাধনার দৃশ্যের কথা কল্পনা করতে পারো।
a হিন্দি
b পর্তুগিজ
c উর্দু
d গ্রিক
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - আনারস শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজ বণিক ও মিশনারিদের মাধ্যমে বাংলায় বেশ কিছু বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে। - বিভিন্ন বিদেশি দ্রব্য ও সংস্কৃতির নাম হিসেবে এসব শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে স্থায়ীভাবে স্থান করে নিয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎসগত শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়, যথা দেশি ও বিদেশি শব্দ। - পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো মূলত সামুদ্রিক বাণিজ্য, প্রশাসন, ধর্ম এবং দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন উপকরণের সাথে যুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাবি ব্যাখ্যা: চাবি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের একটি বিদেশি শব্দ। উদাহরণ ২: বালতি ব্যাখ্যা: বালতি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে যা গৃহস্থালি কাজে বহুল ব্যবহৃত একটি বিদেশি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় নানা শব্দ এলেও 'আনারস' শব্দটি হিন্দি নয়। B) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। C) উর্দু — উর্দু ভাষা থেকে বেশ কিছু শব্দ বাংলায় এলেও 'আনারস' তার অন্তর্ভুক্ত নয়। D) গ্রিক — গ্রিক ভাষা থেকে কিছু বৈজ্ঞানিক ও পারিভাষিক শব্দ এলেও 'আনারস' গ্রিক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আনারস, চাবি, বালতি, গির্জা, পাদ্রী, কামরা — এই খাবার, বস্তু ও স্থানবাচক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো সাধারণত পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি-ফারসি শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা বানরীতি মেনে এসব শব্দের উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a shines
b has shone
c shine
d was shining
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was shining কেন সঠিক: বাকyটির দুটি অংশের একটি অতীতকালের ঘটনা এবং অন্যটি সেই সময়ে চলমান কাজ বোঝাচ্ছে। তাই প্রথম অংশে Past Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shines — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীতকালের চলমান ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) has shone — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের চলমান কাজ প্রকাশ করে না। C) shine — এটি Verb এর Present Form, যার পূর্বে কোনো উপযুক্ত সাহায্যকারী ভার্ব নেই। D) was shining — এটি সঠিক এবং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: As বা While যুক্ত বাক্যের একটি অংশ Past Continuous Tense হলে অন্য অংশটি সাধারণত Past Indefinite Tense হয়।
a Keats
b Tennyson
c Shakespeare
d Johnson
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shakespeare কেন সঠিক: ম্যাকবেথ নাটকটির রচয়িতা বিশ্বখ্যাত ইংরেজি নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র। এটি তাঁর লেখা অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং ক্লাসিক একটি ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্তক নাটক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Keats — জন কিটস্ একজন বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের কবি, যিনি কোনো নাটক লেখেননি। B) Tennyson — লর্ড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন প্রখ্যাত কবি, নাট্যকার নন। C) Shakespeare — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। D) Johnson — স্যামুয়েল জনসন একজন বিখ্যাত ইংরেজ লেখক ও সমালোচক ছিলেন, এই নাটকের রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: ম্যাকবেথ এবং হ্যামলেট উভয় বিখ্যাত ট্র্যাজেডির রচয়িতা হলেন শেক্সপিয়র।
a indifference
b desire
c aimlessness
d purposelessness
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) desire কেন সঠিক: ambition শব্দের অর্থ হলো উচ্চাশা বা প্রবল ইচ্ছা। desire শব্দের অর্থও তীব্র ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা, যা ambition এর সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) indifference — এর অর্থ উদাসীনতা, যা ambition শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) desire — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) aimlessness — এর অর্থ লক্ষ্যহীনতা, যা উচ্চাশা বা ambition এর সাথে মেলে না। D) purposelessness — এর অর্থ উদ্দেশ্যহীনতা, যা ambition বা সফলতার লক্ষ্যের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: অম্বিশন মানে বড় কিছু পাওয়ার তীব্র ইচ্ছা, আর ডিজায়ার মানেও মনের গভীরের প্রবল চাওয়া।
a quest
b select
c insert
d collect
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) insert কেন সঠিক: Extract শব্দের অর্থ কোনো কিছু টেনে বের করা বা কোনো স্থান থেকে তুলে আনা। অন্যদিকে insert শব্দের অর্থ কোনো কিছু ভেতরে প্রবেশ করানো বা স্থাপন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) quest - এই শব্দের অর্থ অন্বেষণ বা সন্ধান করা, যার সাথে extract শব্দের অর্থের কোনো মিল নেই। B) select - এই শব্দের অর্থ বাছাই করা বা নির্বাচন করা, যা বের করার বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) insert - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) collect - এই শব্দের অর্থ সংগ্রহ করা, যা কোনো কিছু বের করার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Extract অর্থ বের করা এবং Insert অর্থ প্রবেশ করানো। এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত হিসেবে মনে রাখবে।
a Ten
b Twelve
c Twenty
d Fourteen
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Fourteen কেন সঠিক: সনেট হলো চোদ্দো লাইনের একটি নির্দিষ্ট ছন্দে লেখা কবিতা। এর প্রতি চরণে নির্দিষ্ট মাত্রা ও মিলের বিন্যাস থাকে। এটি মূলত ইংরেজি সাহিত্যে ইতালীয় সনেট থেকে এসেছে। শেক্সপীয়ার এবং মিল্টন এই ধারার বিখ্যাত কবি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ten — এই সংখ্যক লাইনের কোনো প্রথাগত নির্দিষ্ট কবিতার রূপ নেই। B) Twelve — বারো লাইনের কবিতাকে সনেট বলা যায় না। C) Twenty — বিশ লাইনের কোনো ক্লাসিক্যাল কবিতার নাম সনেট নয়। D) Fourteen — এই অপশনটি সঠিক কারণ সনেটের নির্ধারিত লাইন সংখ্যা চোদ্দো। মনে রাখার টিপস: সনেট শব্দ দেখলে মাথায় রাখবে এই কবিতা সবসময় চোদ্দো লাইনের হয়।
a Tsunami
b Sunami
c Suname
d Sunamee
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Tsunami কেন সঠিক: - জাপানি ভাষা থেকে আগত এই শব্দটিতে বানানের শুরুতেই একটি নীরব বা উহ্য টি অক্ষর থাকে। - আন্তর্জাতিক প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক বানানটি হলো টি সুনামি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tsunami - এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। B) Sunami - এই বানানটিতে শুরুতে প্রয়োজনীয় টি অক্ষরটি বাদ দেওয়া হয়েছে যা ভুল। C) Suname - এই অপশনটির শেষের অংশ ভুল এবং এটি কোনো গ্রহণযোগ্য ইংরেজি বানান নয়। D) Sunamee - এই বানানটিতে শেষের দীর্ঘ উচ্চারণ বোঝাতে ভুল ইই ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সুনামি লেখার সময় মাথায় রাখবে যে বানানের শুরুতে একটি নীরব টি অক্ষর যোগ করতে হয়।
a to
b for
c than
d of
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: alternative শব্দের পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় to বসে। তাই নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক উত্তর হবে to। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী বসে। B) for — alternative শব্দের পরে for বসে না। C) than — তুলনামূলক বাক্যে than বসে, কিন্তু এখানে তুলনার কিছু নেই। D) of — এখানে কোনো অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাতে of বসে না। মনে রাখার টিপস: alternative শব্দের পরে সব সময় to ব্যবহার করবে।
a demography
b pollution
c atmosphere
d environment
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) environment কেন সঠিক: - ecological শব্দটি ecology থেকে এসেছে যার অর্থ পরিবেশবিদ্যা বা বাস্তুবিদ্যা। - এটি মূলত জীবজগৎ এবং তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশের পারস্পরিক সম্পর্কের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) demography — এর অর্থ জনমিতি বা জনসংখ্যা গবেষণা, যা মানব জনসংখ্যার পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করে। B) pollution — এর অর্থ দূষণ, যা পরিবেশের একটি নেতিবাচক উপাদান হলেও ecology শব্দের সামগ্রিক অর্থ বহন করে না। C) atmosphere — এর অর্থ বায়ুমণ্ডল, যা পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট অংশ মাত্র কিন্তু পুরো পরিবেশকে বোঝায় না। D) environment — এর অর্থ পরিবেশ, যা জীব ও প্রকৃতির সামগ্রিক অবস্থাকে নির্দেশ করে এবং ecological শব্দের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: Eco শব্দের অর্থ পরিবেশ বা প্রকৃতি, তাই ecological শব্দটি সরাসরি environment বা পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত।
a Paper is made of wood
b Paper is made from wood
c Paper is made by wood
d Paper is made on wood
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Paper is made from wood কেন সঠিক: যখন কোনো বস্তুর উপাদানের রূপান্তর ঘটে এবং মূল উপাদানটি আর চেনা যায় না, তখন made from ব্যবহার করা হয়। কাঠ থেকে কাগজ তৈরি হলে কাঠের আসল রূপটি আর থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Paper is made of wood — উপাদান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে of ব্যবহার করা হয় না, কারণ এতে বোঝায় উপাদানটি অপরিবর্তিত আছে। B) Paper is made from wood — এটি সঠিক কারণ কাঠ রূপান্তরিত হয়ে কাগজে পরিণত হয় এবং কাঠকে আর আগের অবস্থায় পাওয়া যায় না। C) Paper is made by wood — কোনো ব্যক্তি বা এজেন্টের দ্বারা কাজ সম্পন্ন বোঝালে by বসে, তাই এখানে এটি ভুল। D) Paper is made on wood — কোনো কিছুর উপরে অবস্থিত বোঝাতে on বসে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: রূপান্তর ঘটে মূল বস্তু চেনা না গেলে made from এবং রূপান্তর না ঘটে মূল বস্তু চেনা গেলে made of বসে।
a with
b from
c to
d at
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) from কেন সঠিক: - কোনো ব্যক্তি বিশেষ থেকে চিরতরে বিচ্ছিন্ন হওয়া বা সম্পর্কচ্ছেদের ক্ষেত্রে 'part' শব্দের পরে 'from' প্রিপজিশন বসে। - এখানে স্ত্রীর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝানো হয়েছে, তাই 'from' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — কোনো বস্তুর ক্ষেত্রে বা কারো সাথে যৌথভাবে কিছু ছাড়ার ক্ষেত্রে 'part with' ব্যবহৃত হয়, ব্যক্তির ক্ষেত্রে নয়। B) from — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কোনো ব্যক্তি থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝাতে 'part from' বসে। C) to — 'part' শব্দের পরে গন্তব্য বা অন্য কোনো অর্থে 'to' প্রিপজিশন বসে না। D) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা দিকে বোঝাতে 'at' বসে, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির (Person) ক্ষেত্রে 'part from' এবং বস্তুর (Thing) ক্ষেত্রে 'part with' ব্যবহার করবে।
a have been
b had
c has been
d were
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has been কেন সঠিক: - ভগ্নাংশ বা Percentage-এর পরে কোনো uncountable বা singular noun থাকলে verb টি singular হয়। - এখানে the work একটি singular noun হওয়ায় singular verb হিসেবে has been ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have been — এটি plural verb, যা singular subject-এর সাথে বসে না। B) had — বাক্যটি passive voice-এ রয়েছে এবং finished-এর পূর্বে auxiliary verb হিসেবে has been প্রয়োজন। C) has been — এটি সঠিক উত্তর। D) were — এটি plural past verb, যা singular subject এবং present tense-এর সাথে অসংগত। মনে রাখার টিপস: ভগ্নাংশের পর singular noun থাকলে verb singular এবং plural noun থাকলে verb plural হয়।
a It is done by you
b Let it be done
c Let done it by you
d Let be it done (by you)
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Let it be done কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি দিয়ে আদেশ বোঝানো হয়েছে। তাই passive করার নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসে এবং object-এর পর be যুক্ত হয়ে মূল verb-এর Past Participle বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is done by you — Imperative sentence-কে সাধারণ নিয়মে passive করা যায় না। B) Let it be done — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। C) Let done it by you — এখানে be-এর পরিবর্তে সরাসরি done ব্যবহার করায় ব্যাকরণগত ভুল হয়েছে। D) Let be it be done (by you) — এখানে শব্দের ক্রম ভুল রয়েছে কারণ be শব্দটি it-এর পরে বসার কথা ছিল। মনে রাখার টিপস: মূল Verb দিয়ে শুরু হওয়া Imperative Sentence-কে passive করার সময় প্রথমে Let বসাতে হয় এবং মূল Verb-এর আগে অবশ্যই be যোগ করতে হয়।
a raising
b risen
c raised
d rising
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) rising কেন সঠিক: চালের দাম নিজেই বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই এখানে intransitive verb ব্যবহার করতে হবে। বর্তমান সময়ের ধারাবাহিকতা বোঝাতে Present Continuous Tense এর নিয়ম অনুযায়ী rising সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) raising — এটি transitive verb যার পরে অবজেক্ট দরকার হয়, কিন্তু এখানে কোনো অবজেক্ট নেই। B) risen — এটি Past Participle রূপ, যার আগে have বা has না থাকায় এটি একা বসতে পারে না। C) raised — এটি Past Tense রূপ যা বাক্যটির বর্তমান ধারাবাহিক অর্থের সাথে মিলে না। D) rising — এটি সঠিক কারণ এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি পাওয়া বোঝায় এবং গঠনগতভাবে সঠিক। মনে রাখার টিপস: নিজের থেকে যা বাড়ে তার সাথে rising বসে এবং যা অন্য কেউ বাড়ায় তার সাথে raising বসে।
a for
b since
c upto
d more than
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) since কেন সঠিক: নির্দিষ্ট করে কোনো সময়ের শুরুর বিন্দু বা নির্দিষ্ট প্রহর বোঝাতে তার পূর্বে since বসে। এই বাক্যে বৃষ্টির শুরুর নির্দিষ্ট সময় ৭ টা বোঝানো হয়েছে। তাই এখানে সঠিক preposition হবে since। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — নির্দিষ্ট কোনো সময়ের ব্যাপ্তি বা দীর্ঘ সময় বোঝাতে for বসে, যা নির্দিষ্ট প্রহর বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। B) since — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। C) upto — কোনো সীমা বা শেষ পর্যায় বোঝাতে upto ব্যবহৃত হয়, যা সময়ের শুরুর বিন্দু নির্দেশ করতে পারে না। D) more than — এর অর্থ অধিক বা বেশি, যা সময়ের ব্যাপ্তি বোঝাতে ব্যবহূত হলেও এখানে grammatical নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময়ের নাম থাকলে since এবং সময়ের মেয়াদ বা ব্যাপ্তি থাকলে for বসে।
a independence
b sub-ordination
c disbelief
d dependence
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) dependence কেন সঠিক: Reliance শব্দের অর্থ হলো নির্ভরতা বা কারো ওপর ভরসা করা। dependence শব্দের অর্থও ঠিক একই রকম অর্থাৎ নির্ভরতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) independence — এই শব্দটির অর্থ স্বাধীনতা, যা reliance শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। B) sub-ordination — এর অর্থ অধীনতা, যা reliance শব্দের সঠিক সমার্থক নয়। C) disbelief — এই শব্দটির অর্থ অবিশ্বাসী হওয়া বা অবিশ্বাস করা। D) dependence — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ নির্ভরতা। মনে রাখার টিপস: Reliance শব্দে rely ভার্বটি আছে যার অর্থ নির্ভর করা এবং এর নাউন রূপ হলো dependence।
a lady doctor
b doctress
c nurse
d doctorex
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) lady doctor কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে অনেক পেশাবাচক শব্দের নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক রূপ না থাকায় তার পূর্বে lady বা woman যুক্ত করতে হয়। - Doctor শব্দের ক্ষেত্রে প্রচলিত ও সামাজিকভাবে স্বীকৃত স্ত্রীবাচক রূপ হলো lady doctor। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lady doctor — এটি সঠিক কারণ প্রচলিত ইংরেজি ব্যবহারে নারী চিকিৎস বোঝাতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়। B) doctress — এটি ব্যাকরণগতভাবে অপ্রচলিত এবং আধুনিক ইংরেজিতে এই ধরনের প্রত্যয়যুক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয় না। C) nurse — নার্স একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন পেশা, এটি ডক্টরের সমার্থক বা স্ত্রীবাচক রূপ নয়। D) doctorex — এটি একটি সম্পূর্ণ অর্থহীন ও কাল্পনিক শব্দ, ইংরেজি অভিধানে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: কিছু পেশার ক্ষেত্রে স্ত্রীবাচক বোঝাতে শব্দের শেষে পরিবর্তন না করে সামনে lady বসাতে হয়, যেমন lady doctor।
a over
b eye
c egg
d lip
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) egg কেন সঠিক: Oval শব্দের অর্থ ডিম্বাকার এবং এটি মূলত egg শব্দের বিশেষণ রূপ। ল্যাটিন শব্দ ovum থেকে এসেছে যার অর্থ ডিম। ডিম আকৃতির বস্তুকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে egg নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) over — এটি একটি প্রিপজিশন বা অ্যাডভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সাথে আকৃতির কোনো সম্পর্ক নেই। B) eye — এটি একটি নাউন যার অর্থ চোখ এবং এর বিশেষণ রূপ ভিন্ন হয়। C) egg — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) lip — এটি একটি নাউন যার অর্থ ঠোঁট এবং এটিও ডিম্বাকৃতি বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Oval শব্দের অর্থ মনে রাখার জন্য মাথায় ডিমের আকৃতির কথা চিন্তা করতে হবে।
a noun
b Adjective
c verb
d adverb
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adjective কেন সঠিক: - সাধারণত noun-এর শেষে ly যুক্ত হলে তা Adjective হয়, যেমন homely (home + ly)। - এটি কোনো Noun-এর পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি কোনো কিছুর নাম নির্দেশ করে না, তাই noun নয়। B) Adjective — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর গঠনগত নিয়মকে সমর্থন করে। C) verb — এটি কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝায় না, তাই verb নয়। D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কেmodify করে না, তাই adverb নয়। মনে রাখার টিপস: Noun-এর সাথে ly যুক্ত হলে সাধারণত Adjective হয়, আর Adjective-এর সাথে ly যুক্ত হলে Adverb হয়।
a better
b rather
c would rather
d would better
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) would rather কেন সঠিক: - বাক্যে দুটি কাজের মধ্যে তুলনা করতে এবং বরং ভালো বা পছন্দ করা বোঝাতে would rather ব্যবহৃত হয়। - would rather-এর পর সাধারণত than বসে, যা প্রদত্ত বাক্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) better — এটি তুলনামূলক ডিগ্রি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু would ছাড়া একা বসে এই বাক্যের গঠন সম্পূর্ণ করতে পারে না। B) rather — এর আগে would বা অন্য কোনো উপযুক্ত সাহায্যকারী ক্রিয়া না থাকায় এটি grammatically সঠিক কাঠামো তৈরি করে না। C) would rather — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি would rather... than কাঠруп সম্পূর্ণ করে। D) would better — এটি ভুল কারণ ইংরেজিতে would rather প্রচলিত হলেও would better বলে কোনো সঠিক প্রমিত কাঠামো নেই, বরং had better ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে than থাকলে এবং দুটি পছন্দের মধ্যে তুলনা বোঝালে শূন্যস্থানের আগে would rather বসবে।
a without
b but
c that
d beside
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) but কেন সঠিক: এই বাক্যে but শব্দটি except বা ব্যতিরেখ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ হলো আলম ছাড়া আর কেউ রাস্তাটি জানত না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) without — এটি সাধারণত প্রিপজিশন হিসেবে বসে এবং এই শূন্যস্থানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। B) but — এটি এখানে সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) that — এটি কনজাংংশন বা প্রোনাউন হিসেবে বসে, যা এই বাক্যের গঠন অনুযায়ী সঠিক নয়। D) beside — এর অর্থ পাশে, যা এখানে কোনো অর্থ তৈরি করছে না। মনে রাখার টিপস: Nobody বা None এর পর except বা ব্যতিরেখ বোঝাতে but ব্যবহার করতে হয়।
a first speech
b last speech
c female speech
d early speech
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) first speech কেন সঠিক: Maiden Speech একটি ইংরেজি idiom বা বাগধারা। যার আক্ষরিক অর্থ কুমারীর বক্তব্য হলেও এর ভাবার্থ হলো কারও জীবনের প্রথম বক্তৃতা। এটি সাধারণত নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সংসদে দেওয়া প্রথম ভাষণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এই বিশেষ অর্থটি ঐতিহাসিক রীতি থেকে এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) first speech — এটি সঠিক উত্তর কারণ idiom অনুযায়ী এর অর্থ প্রথম বক্তৃতা। B) last speech — এটি ভুল কারণ শেষ বক্তৃতাকে maiden speech বলা হয় না। C) female speech — এটি ভুল কারণ maiden শব্দের আক্ষরিক অর্থ কুমারী হলেও এটি নারীর ভাষণ বোঝায় না। D) early speech — এটি ভুল কারণ প্রারম্ভিক যেকোনো বক্তব্যকে সরাসরি maiden speech বলা যায় না। মনে রাখার টিপস: Maiden শব্দের অর্থ কুমারী বা প্রথম। তাই কোনো ব্যক্তি পেশাগত জীবনে বা সংসদে যে প্রথম ভাষণ দেন, তাকে Maiden Speech বলা হয়।
a face to face
b interview
c examination
d orally
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) interview কেন সঠিক: লাতিন শব্দগুচ্ছ ভাইভা ভয়েস এর শাব্দিক অর্থ মুখে মুখে এবং এটি মূলত চাকরির ক্ষেত্রে মৌখিক সাক্ষাৎকারকে বোঝায়। এই বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে সরাসরি কথা বলে প্রার্থীর যোগ্যতা যাচাই করা হয়। তাই সামগ্রিক অর্থে একে ইন্টারভিউ বা সাক্ষাৎকার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) face to face — এটি দিয়ে মুখোমুখি বোঝায় কিন্তু এটি কোনো নির্দিষ্ট পরীক্ষার নাম নয়। B) interview — এই অপশনটি সঠিক এবং ভাইভা ভয়েস এর সাথে সরাসরি মিলে যায়। C) examination — এটি একটি সাধারণ শব্দ যা যেকোনো পরীক্ষাকে বোঝায় কিন্তু ভাইভা শুধু মৌখিক পরীক্ষা। D) orally — এটি একটি adverb বা ক্রিয়াবিশেষণ যা কাজের ধরন বোঝায় কিন্তু এটি সরাসরি বিশেষ্য পদ নয়। মনে রাখার টিপস: ভাইভা মানেই মুখোমুখি কথা বলে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার।
a to see
b meeting
c to hearing from
d to come
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to hearing from কেন সঠিক: বাক্যে 'look forward to' একটি বিশেষ ফ্রেজ, যার পরে সব সময় ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়। এছাড়াও কারও কাছ থেকে চিঠি বা সাড়া পাওয়ার ক্ষেত্রে 'hearing from you' একটি সঠিক ও বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to see — 'to' এর পর এখানে কেবল বেস ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'seeing' হওয়া উচিত ছিল। B) meeting — এই শব্দের আগে প্রয়োজনীয় 'to' অংশটি না থাকায় এটি বাক্যের অর্থের সাথে ব্যাকরণগতভাবে মেলে না। D) to come — এর অর্থ এই বাক্যের প্রসঙ্গের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এখানে নির্দিষ্ট ফ্রেজের নিয়ম মানা হয়নি। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'look forward to' দেখলে চোখ বন্ধ করে ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত ফর্মটি বসিয়ে দেবে।
a are
b is
c was
d am
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) are কেন সঠিক: বাক্যে 'He' এবং 'I' দুটি ভিন্ন Subject 'and' দ্বারা যুক্ত হয়ে Plural Subject গঠন করেছে। Grammar-এর নিয়ম অনুযায়ী Subject Plural হলে Verb-ও Plural হয়, তাই এখানে are ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের Subject-এর সাথে সঠিকভাবে মিলে গেছে। B) is — এটি Singular Verb হওয়ায় Plural Subject-এর সাথে ব্যবহার করা যায় না। C) was — এটি Singular Past Tense-এর Verb, যা এই Plural Subject-এর জন্য প্রযোজ্য নয়। D) am — এটি শুধু প্রথম পুরুষ 'I'-এর সাথে বসে, তাই এখানে ব্যবহার করা ভুল হবে। মনে রাখার টিপস: একাধিক ব্যক্তি and দ্বারা যুক্ত থাকলে Subject সব সময় Plural হয় এবং Verb-ও Plural বসে।
a ৪৮ টাকা
b ৫০ টাকা
c ৫২ টাকা
d ৪২ টাকা
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৮ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ৩৬ টাকায় জিনিসটি বিক্রি করায় কিছু ক্ষতি হয় ৭২ টাকায় বিক্রি করলে তার দ্বিগুণ লাভ হয় ধরি, জিনিসটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ক্ষতি = (ক − ৩৬) টাকা লাভ = (৭২ − ক) টাকা সুতরাং, লাভের পরিমাণ ক্ষতির দ্বিগুণ হওয়ায় লেখা যায় ৭২ − ক = ২ × (ক − ৩৬) সমাধান করে পাই, ৭২ − ক = ২ক − ৭২ ৭২ + ৭২ = ২ক + ক ৩ক = ১৪৪ ক = ৪৮ উত্তর: ৪৮ টাকা
a 2
b 3
c 4
d 6
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: বক্ররেখার সমীকরণ হলো y = x^2 স্পর্শক আঁকার বিন্দুটি হলো (২, ৩) ধরি, বক্ররেখার যেকোনো বিন্দুতে ঢাল বের করতে প্রথম অন্তরক নির্ণয় করতে হয় এখানে স্বাধীন চলক হলো x এবং অধীন চলক হলো y অতএব, y কে x এর সাপেক্ষে অন্তরীকরণ করে পাই dy/dx = ২x এটি প্রদত্ত বক্ররেখার যেকোনো বিন্দুতে ঢালের সাধারণ রূপ সুতরাং, (২, ৩) বিন্দুতে ঢাল হবে x এর মান ২ বসিয়ে দুই গুণ দুই উত্তর: ৪
a 3
b 4
c 5
d 6
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬ সংখ্যা দুটির লসাগু ১২০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৫ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ক অতএব, সংখ্যা দুটির গসাগু = ক সংখ্যা দুটির লসাগু = ৫ × ৬ × ক = ৩০ক সুতরাং, ৩০ক = ১২০ ক = ১২০ ÷ ৩০ উত্তর: ৪
a 44 log 4
b 10 log 64
c 55 log 2
d log 512
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৫ log ২ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো log ২ + log ৪ + log ৮ + log ১৬ + ...... ধারাটির প্রথম ১০টি পদের সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রথম পদ a = log ২ সাধারণ অন্তর d = log ৪ − log ২ = log (৪ ÷ ২) = log ২ অতএব, প্রথম পদ = log ২ দ্বিতীয় পদ = log ৪ = ২ log ২ তৃতীয় পদ = log ৮ = ৩ log ২ সুতরাং, ধারাটির প্রথম n পদের সমষ্টির সূত্র হলো (n ÷ ২) × ২a + (n − ১)d এখানে পদসংখ্যা n = ১০ উত্তর: (১০ ÷ ২) × ২ log ২ + (১০ − ১) log ২ = ৫ × (২ log ২ + ৯ log ২) = ৫ × ১১ log ২ = ৫৫ log ২
a 4
b 8
c 5
d 7
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল তাদের যোগফলের আট গুণ ধরি, সংখ্যা তিনটি যথাক্রমে ক − ১, ক এবং ক + ১ অতএব, সংখ্যা তিনটির যোগফল = (ক − ১) + ক + (ক + ১) = ৩ক সংখ্যা তিনটির গুণফল = (ক − ১) × ক × (ক + ১) সুতরাং, শর্তমতে, (ক − ১) × ক × (ক + ১) = ৮ × (৩ক) উত্তর: ক এর মান ৫ হওয়ায় সংখ্যা তিনটির গড় ৫
a 1
b 2n-1
c 2n+1
d 3n-1
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২^n+১ (এখানে n পাওয়ার হিসেবে আছে) প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ৩ × ২^n − ৪ × ২^n−২ একে সরল করে সঠিক অপশন বের করতে হবে ধরি, রাশি = ৩ × ২^n − ৪ × ২^n−২ অতএব, ৪ কে লেখা যায় ২ এর স্কয়ার বা ২^২ রাশিটি হয় ৩ × ২^n − ২^২ × ২^n−২ সুতরাং, সূচকের নিয়ম অনুযায়ী গুণের সময় পাওয়ার যোগ হয় ৩ × ২^n − ২^২+n−২ উত্তর: ৩ × ২^n − ২^n = ২ × ২^n = ২^n+১
a -60
b -30
c 5
d 60
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) −৬০ প্রدত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো p² + ৭p + c भाजক হলো p − ৫ ধরি, বহুপদী রাশিটিকে f(p) ধরা যাক f(p) = p² + ৭p + c অতএব, ভাগশেষ উপপাদ্য অনুযায়ী f(৫) = ০ হবে যেহেতু রাশিটি p − ৫ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য সুতরাং, (৫)² + ৭ × ৫ + c = ০ ২৫ + ৩৫ + c = ০ উত্তর: c = −৬০
a 0.03
b 0.06
c 0.05
d ঘ.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঘ. প্রদত্ত তথ্য: আসল ১ = ৪০০ টাকা, সময় ১ = ৮ মাস বা ৮ ভাগ ১২ বছর আসল ২ = ৮০০ টাকা, সময় ২ = ৪ মাস বা ৪ ভাগ ১২ বছর ধরি, সুদের হার = ক % অতএব, প্রথম সুদের পরিমাণ = ৪০০ × ক × (৮ ভাগ ১২) ভাগ ১০০ টাকা প্রথম সুদের পরিমাণ = ৩২ক ভাগ ১২ টাকা দ্বিতীয় সুদের পরিমাণ = ৮০০ × ক × (৪ ভাগ ১২) ভাগ ১০০ টাকা দ্বিতীয় সুদের পরিমাণ = ৩২ক ভাগ ১২ টাকা সুতরাং, উভয় সুদের যোগফল = (৩২ক ভাগ ১২) + (৩২ক ভাগ ১২) = ২৪ টাকা উত্তর: ৬%
a 0.375
b 0.4
c 0.6
d 0.605
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৩৭৫ প্রদত্ত তথ্য: রিক্সাভাড়া বৃদ্ধি পায় = ৬০% ধরি, পূর্বের ভাড়া = ১০০ টাকা নতুন ভাড়া = ১০০ + ৬০ = ১৬০ টাকা অতএব, ভাড়া কমাতে হবে = ১৬০ − ১০০ = ৬০ টাকা ১৬০ টাকায় ভাড়া কমাতে হয় = ৬০ টাকা সুতরাং, ১ টাকায় ভাড়া কমাতে হয় = ৬০ ÷ ১৬০ টাকা ১০০ টাকায় ভাড়া কমাতে হয় = (৬০ × ১০০) ÷ ১৬০ = ৩৭.৫% উত্তর: ৩৭.৫% বা ০.৩৭৫
a ৫ টাকা
b ৯৫ টাকা
c ২০৪ টাকা
d ৪০৮ টাকা
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০৪ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বিলের মোট পরিমাণ = ৪০৮০ টাকা ভ্যাটের হার = ৫% ধরি, ১০০ টাকার বিলে ভ্যাট = ৫ টাকা অতএব, ১ টাকার বিলে ভ্যাট = ৫ ÷ ১০০ টাকা ৪০৮০ টাকার বিলে ভ্যাট = (৫ × ৪০৮০) ÷ ১০০ টাকা সুতরাং, ভ্যাটের পরিমাণ = ২০৪০০ ÷ ১০০ = ২০৪ টাকা উত্তর: ২০৪ টাকা
a ২০ টাকা
b ২১ টাকা
c ১২০ টাকা
d ১২১ টাকা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২১ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল = ১০০ টাকা সুদের হার = ১০% সময় = ২ বৎসর ধরি, চক্রবৃদ্ধি সুদের সূত্র অনুযায়ী হিসাব করতে হবে অতএব, প্রথম বছরের সুদ-আসল = ১০০ + (১০০ এর ১০%) = ১১০ টাকা দ্বিতীয় বছরের মূলধন = ১১০ টাকা সুতরাং, দ্বিতীয় বছরের সুদ-আসল = ১১০ + (১১০ এর ১০%) = ১১০ + ১১ = ১২১ টাকা উত্তর: ১২১ টাকা
a 998
b 988
c 899
d 888
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮৯৯ প্রদত্ত তথ্য: তিন অংকের বৃহত্তম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে তিন অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে ধরি, তিন অংকের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯ তিন অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০ অতএব, সংখ্যা দুটির মধ্যে পার্থক্য বের করতে হবে বৃহত্তম সংখ্যা থেকে ক্ষুদ্রতম সংখ্যা বাদ দিতে হবে সুতরাং, ৯৯৯ − ১০০ = ৮৯৯ উত্তর: ৮৯৯
a 4
b 1
c -1
d 0
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: এখানে চলক এক্স সমান সাইন ওয়াই দেওয়া আছে ওয়াই এর যেকোনো বাস্তব মানের জন্য সাইন ওয়াই এর মান নির্ধারিত হয় ধরি, ওয়াই হলো একটি কোণের পরিমাপ ত্রিকোণমিতিক নিয়ম অনুযায়ী সাইন অনুপাতের সীমা নির্দিষ্ট থাকে অতএব, সাইন ওয়াই এর সর্বনিম্ন মান ঋণাত্মক এক হয় সাইন ওয়াই এর সর্বোচ্চ মান ধনাত্মক এক হয় সুতরাং, এক্স এর মান সাইন ওয়াই এর সমান হওয়ায় এক্স এর সর্বোচ্চ মান এক হবে উত্তর: ১
a 1
b 3
c 6
d 9
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ প্রদত্ত তথ্য: PSC শব্দটিতে মোট বর্ণের সংখ্যা ৩টি এখানে কোনো বর্ণ পুনরাবৃত্তি হয়নি ধরি, প্রথম স্থানে বসানো যায় = ৩টি বর্ণ দ্বিতীয় স্থানে বসানো যায় = ২টি বর্ণ অতএব, তৃতীয় স্থানে বসানো যায় = ১টি বর্ণ সুতরাং, মোট সাজানোর উপায় = ৩ × ২ × ১ = ৬ উত্তর: ৬
a 10 Gigabites/sec
b 100 Megabites/sec
c 200 Megabites/sec
d 200 Gigabites/sec
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 200 Gigabites/sec কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০৬ সালে সাবমেরিন ক্যাবল কনসোর্টিয়াম SEA-ME-WE-৪ এ যুক্ত হওয়ার পর এই পরিমাণ ব্যান্ডউইথ পায়। - পরবর্তীতে ব্যান্ডউইথ বৃদ্ধি পেলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সিলেবাস ও প্রশ্ন অনুযায়ী সাবমেরিন ক্যাবলের প্রথম ধাপে প্রাপ্ত বরাদ্দ ছিল ২০০ জিবিপিএস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 10 Gigabites/sec — এটি সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাথমিক প্রাপ্ত ব্যান্ডউইথের পরিমাণ নয়। B) 100 Megabites/sec — এই পরিমাণটি বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির গতির তুলনায় অত্যন্ত কম এবং সঠিক নয়। C) 200 Megabites/sec — এটি মেগাবিট প্রতি সেকেন্ডে পরিমাপ করা হয়েছে, যা জিবিপিএস এর পরিবর্তে ভুল একক নির্দেশ করে। D) 200 Gigabites/sec — এটি সাবমেরিন ক্যাবল থেকে বাংলাদেশের প্রথম বরাদ্দ পাওয়া সঠিক ব্যান্ডউইথ। মনে রাখার টিপস: সাবমেরিন ক্যাবলের প্রথম প্রাপ্ত ব্যান্ডউইথ মনে রাখতে দুইশত জিবি (200 GB) সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a লাল
b নীল
c সবুজ
d বেগুনি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বেগুনি কেন সঠিক: - দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে বেগুনি বর্ণের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং কম্পাঙ্ক ও শক্তি সবচেয়ে বেশি। - ফোটনের শক্তির সূত্রানুযায়ী শক্তি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক হওয়ায় কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কারণে বেগুনি আলোর শক্তি সবচেয়ে বেশি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল — লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং এর শক্তি সবচেয়ে কম। B) নীল — নীল আলোর শক্তি ও কম্পাঙ্ক বেশি হলেও তা বেগুনি অপেক্ষা কম। C) সবুজ — সবুজ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও শক্তি লাল ও বেগুনি আলোর মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে। D) বেগুনি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং শক্তি সবচেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: দৃশ্যমান আলোতে যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার শক্তি ও কম্পাঙ্ক তত বেশি; তাই বেগুনি আলোর শক্তি সর্বাধিক।
a 10 cm
b 15 cm
c 25 cm
d 20 cm
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ সেমি কেন সঠিক: - সুস্থ চোখের স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব বা নিকটবিন্দু হলো ২৫ সেমি বা ১০ ইঞ্চি। - চোখের সিলিয়ারি পেশীর ওপর কোনো অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে এই দূরত্বে বস্তু পরিষ্কার দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ সেমি — এটি সুস্থ চোখের স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্বের চেয়ে কম এবং এই দূরত্বে চোখ রাখলে চোখে তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়। B) ১৫ সেমি — এটি সুস্থ চোখের স্বাভাবিক নিকটবিন্দুর মান নয়, তাই এই দূরত্বে বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখা সম্ভব নয়। D) ২০ সেমি — এটি চোখের স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্বের প্রমিত মান নয়, এটি ২৫ সেন্টিমিটারের চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: সুস্থ চোখের ক্ষেত্রে সংখ্যাটি মনে রাখুন আড়াই দশক বা ২৫ সেন্টিমিটার।
a রাবার
b ইস্পাত
c লোহা
d তামা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইস্পাত কেন সঠিক: - ইস্পাতে বিকরূপ বল অপসারণ করলে এটি খুব দ্রুত ও নিখুঁতভাবে তার আগের অবস্থায় ফিরে আসে, যার ফলে এর স্থিতিস্থাপকতা রাবারের চেয়ে বেশি। - নির্দিষ্ট পরিমাণ বিকৃতি ঘটানোর জন্য ইস্পাতের ক্ষেত্রে রাবারের চেয়ে অনেক বেশি বল প্রয়োগ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাবার — রাবার অনেক বেশি প্রসারিত হলেও এর আলগা আণবিক গঠনের কারণে এটি পূর্ণরূপে আগের অবস্থায় ফিরে আসতে পারে না, তাই এর স্থিতিস্থাপকতা কম। B) ইস্পাত — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর স্থিতিস্থাপকতা এই অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি। C) লোহা — লোহার স্থিতিস্থাপকতা অনেক বেশি হলেও পরীক্ষামূলকভাবে ইস্পাতের স্থিতিস্থাপকতা লোহা অপেক্ষা কিছুটা বেশি ধরা হয়। D) তামা — তামার নমনীয়তা ও ঘাতসহনশীলতা বেশি হলেও স্থিতিস্থাপকতার দিক থেকে এটি ইস্পাতের তুলনায় পিছিয়ে থাকে। মনে রাখার টিপস: যেকোনো পরীক্ষায় স্থিতিস্থাপকতা বেশি বললে চোখ বন্ধ করে ইস্পাত বা কোয়ার্টজ দাগাবে, রাবার দেখলে বিভ্রান্ত হবে না কারণ রাবারের স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে কম।
a আগ্নেয়গিরির অগ্ল্যৎপাত
b ঘূর্ণীঝড়
c সূর্যগ্রহণ
d সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প কেন সঠিক: - সুনামি একটি জাপানি শব্দ যার অর্থ সমুদ্রের তীরের ঢেউ এবং সমুদ্রের তলদেশে টেকটনিক প্লেটের বিচ্যুতির ফলে এটি সৃষ্টি হয়। - সমুদ্রের তলদেশে আকস্মিক ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির উদগিরণ বা ভূমিধসের কারণে পানির উপরিভাগে বিশাল আকারের ধ্বংসাত্মক ঢেউ বা সুনামির সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগ্নেয়গিরির অগ্ল্যৎপাত — এটি কখনো কখনো সুনামি সৃষ্টি করতে পারলেও সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পই এর প্রধান ও সবচেয়ে সাধারণ কারণ। B) ঘূর্ণীঝড় — এটি বায়ুমণ্ডলীয় চাপের পার্থক্যের কারণে সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ঘটায়, তবে সুনামি সৃষ্টি করে না। C) সূর্যগ্রহণ — এটি একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা যা জোয়ার-ভাটার ওপর প্রভাব ফেলে, সুনামির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সুনামি সৃষ্টির প্রধান প্রাকৃতিক কারণ। মনে রাখার টিপস: সুনামি শব্দটির উৎপত্তি সমুদ্রের তলদেশের কম্পন বা ভূমিকম্পের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
a পাখি
b কীটপতঙ্গ
c মাছ
d সরীসৃপ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কীটপতঙ্গ কেন সঠিক: - এন্টোমোলোজী (Entomology) হলো জীববিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যেখানে কীটপতঙ্গ নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা ও অধ্যয়ন করা হয়। - গ্রিক শব্দ এনটম (Entomon) অর্থ কীটপতঙ্গ এবং লোগিয়া (Logia) অর্থ জ্ঞান বা অধ্যয়ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাখি — পাখি নিয়ে জীববিজ্ঞানের যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে অর্নিথোলজি বলা হয়। B) কীটপতঙ্গ — এটি এন্টোমোলোজী বিষয়ের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) মাছ — মাছ নিয়ে জীববিজ্ঞানের যে শাখায় গবেষণা করা হয় তাকে ইকথোলজি বলা হয়। D) সরীসৃপ — সরীসৃপ ও উভচর প্রাণী নিয়ে জীববিজ্ঞানের যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে হার্পেটোলজি বলা হয়। মনে রাখার টিপস: এন্টো শব্দের সাথে কীট বা পোকার মিল খুঁজে মনে রাখতে পারো যে এটি কীটপতঙ্গ সংক্রান্ত বিজ্ঞান।
a কম
b বেশি
c একই
d খুবই কম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একই কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক পাখার গতি কমানোর জন্য ব্যবহৃত রেগুলেটরে রেজিস্ট্যান্স বা রোধ ব্যবহার করা হয়, যা বিদ্যুৎ খরচ কমায় না বরং তাপ হিসেবে অপচয় করে। - পাখা ধীরে ঘুরলেও এটি ঠিক আগের মতোই বিদ্যুৎ শক্তি গ্রহণ করে, তাই বিদ্যুৎ বিল বা খরচে কোনো পরিবর্তন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম — রেজিস্ট্যান্সের মাধ্যমে গতি কমালেও মোট বিদ্যুৎ খরচ কমে না, তাই এটি সঠিক নয়। B) বেশি — পাখা ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ বৃদ্ধি পায় না, বরং একই থাকে। C) একই — পাখা জোরে বা ধীরে যেভাবেই ঘুরুক না কেন, বিদ্যুৎ খরচ অপরিবর্তিত থাকে। D) খুবই কম — এই ধারণটি ভুল কারণ রেগুলেটর ব্যবহার করলেও বিদ্যুৎ খরচ শূন্য বা খুব কম হয় না। মনে রাখার টিপস: পাখার গতি কম হোক বা বেশি, বিদ্যুৎ খরচ সবসময় একই থাকে।
a টায়ালিন
b পেপসিন
c রেনিন
d লাইপেজ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টায়ালিন কেন সঠিক: - মুখবিবরের লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালায় টায়ালিন বা অ্যামাইলেজ নামক এনজাইম থাকে। - এই এনজাইম খাদ্যের শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় অংশকে ভেঙে সরল শর্করায় পরিণত করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টায়ালিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) পেপসিন — এটি পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক রস থেকে নিঃসৃত হয় এবং আমি জাতীয় খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। C) রেনিন — এটিও পাকস্থলীতে থাকে এবং দুধের আমিষ পরিপাকে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। D) লাইপেজ — এটি মূলত অগ্ন্যাশয় রস ও অন্ত্রের রসে থাকে এবং স্নেহজাতীয় খাদ্য পরিপাক করে। মনে রাখার টিপস: মুখে খাবার দিলেই লালার টায়ালিন শর্করা পরিপাক শুরু করে, তাই মনে রাখুন মুখ মানেই টায়ালিন।
a পল এহর্লিক
b উইলিয়াম রনজেন
c মাদাম কুরি
d গোল্ড সেইন
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পল এহর্লিক কেন সঠিক: - পল এহর্লিক রোগ চিকিৎসায় রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার বা কেমোথেরাপির ধারণা প্রবর্তন করেন। - তিনি আধুনিক কেমোথেরাপির জনক হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পল এহর্লিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি কেমোথেরাপির জনক। B) উইলিয়াম রনজেন — তিনি এক্সরে বা রনজেন রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত। C) মাদাম কুরি — তিনি রেডিয়াম ও পলোনিয়াম আবিষ্কার এবং তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণার জন্য নোবেল পুরস্কার পান। D) গোল্ড সেইন — তিনি অ্যানোড রশ্মি বা প্রোটন আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: কেমোথেরাপির জনক পল এহর্লিক নামের প্রথম অংশ পল মনে রাখলে সহজেই উত্তরটি মনে রাখা যায়।
a বেলনাকৃতি
b আয়তাকৃতি
c গোলাকৃতি
d ঘনকাকৃতি
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গোলাকৃতি কেন সঠিক: - একই আয়তনের বিভিন্ন ত্রিমাত্রিক বস্তুর মধ্যে গোলকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল সবচেয়ে কম হয় কারণ এর প্রতিটি বিন্দুর দূরত্ব কেন্দ্র থেকে সমান। - জ্যামিতিক গঠন অনুযায়ী নির্দিষ্ট আয়তনে সর্বনিম্ন পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল অর্জনের জন্য গোলক আকৃতি সবচেয়ে উপযোগী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলনাকৃতি — এর উচ্চতা এবং ব্যাসার্ধের পার্থক্যের কারণে একই আয়তনে ক্ষেত্রফল গোলকের চেয়ে বেশি হয়। B) আয়তাকৃতি — এর কোণ এবং সমতল পৃষ্ঠের উপস্থিতির কারণে ক্ষেত্রফল বেশি হয়। D) ঘনকাকৃতি — এর ধার এবং সমতল পৃষ্ঠের কারণে একই আয়তনে গোলকের তুলনায় পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল বেশি থাকে। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট আয়তনে সর্বদাই গোলকের ক্ষেত্রফল সর্বনিম্ন হয়, তাই পানি বা তরল ফোঁটা সর্বদা গোলকাকৃতি ধারণ করে।
a সাইট্রিক এসিড
b অক্সালিক এসিড
c স্যালিক এসিড
d অ্যাসিটিক এসিড
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য সঠিক উত্তর: A) সাইট্রিক এসিড (প্রদত্ত উত্তরটি ভুল, টমেটোতে মূলত ম্যালিক এসিড এবং সাইট্রিক এসিড উভয়ই থাকে, তবে জৈব এসিডগুলোর মধ্যে টমেটো ও লেবুজাতীয় ফলে সাইট্রিক এসিডের উপস্থিতি প্রধান হিসেবে ধরা হয়। তবে উদ্ভিদবিজ্ঞান ও খাদ্য রসায়ন অনুযায়ী টমেটোর প্রধান এসিড হলো সাইট্রিক এসিড এবং ম্যালিক এসিড।) কেন সঠিক: - টমেটোতে প্রাকৃতিকভাবে সাইট্রিক এসিড এবং ম্যালিক এসিড বিদ্যমান থাকে যা এর টক স্বাদের জন্য দায়ী। - পাকা টমেটোতে সাইট্রিক এসিডের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেশি থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাইট্রিক এসিড — এটি টমেটোতে বিদ্যমান প্রধান জৈব এসিডগুলোর একটি যা সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। B) অক্সালিক এসিড — এটি পালং শাক ও টমেটোতে সামান্য পরিমাণে থাকলেও এটি প্রধান এসিড নয়। C) স্যালিক এসিড — এটি সাধারণত এসপিরিন ওষুধ তৈরিতে এবং ত্বকের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, টমেটোতে থাকে না। D) এসিটিক এসিড — এটি মূলত ভিনেগারে থাকে, টমেটোতে থাকে না। মনে রাখার টিপস: টমেটো ও লেবুর টক স্বাদের জন্য সাইট্রিক এসিড দায়ী।
a রেচনতন্ত্র
b কংকালতন্ত্র
c যকৃত
d ফুসফুস
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফুসফুস কেন সঠিক: - ফুসফুসের গঠনগত ও কার্যগত একক হলো অ্যালভিওলাই বা বায়ুকূপী, যেখানে রক্ত ও বায়ুর মধ্যে গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে। - মানুষের দুটি ফুসফুসে প্রায় ৩০ কোটিরও বেশি অ্যালভিওলাই থাকে যা শ্বসনতন্ত্রের মূল কাজ পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেচনতন্ত্র — এর মূল গঠনতন্ত্রের একক হলো নেফ্রন, যা রক্ত ছেঁকে মূত্র তৈরি করে। B) কংকালতন্ত্র — এর মূল গঠনতন্ত্রের একক হলো অস্থি বা তরুণাস্থি, যা শরীরের কাঠামো ও সুরক্ষা দেয়। C) যকৃত — এটি মানবদেহের বৃহত্তম গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থি, এর গঠনগত একক হলো হেপাটিক লোবিউল। D) ফুসফুস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর গঠনতন্ত্রের একক হলো অ্যালভিওলাই। মনে রাখার টিপস: ফুসফুস ও অ্যালভিওলাই সমার্থক হিসেবে মনে রাখুন, কারণ ফুসফুসের ভেতরেই এই ক্ষুদ্র বায়ুকূপীগুলো থাকে।
a গলনাংক
b ফ্যাদম
c হিমাংক
d ম্যাগনিচিউড
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: C) হিমাংক কেন সঠিক: - হিমাংক হলো সেই নির্দিষ্ট তাপমাত্রা যে তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ জমে কঠিন পদার্থে পরিণত হয়। - এটি পদার্থের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নির্দেশ করে যার নিচে তরল অবস্থা বজায় থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গলনাংক — এটি সেই তাপমাত্রা যে তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ গলে তরলে পরিণত হয়। B) ফ্যাদম — এটি সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপের একটি একক, কোনো তাপমাত্রার একক বা নির্দেশক নয়। D) ম্যাগনিচিউড — এটি ভূমিকম্পের তীব্রতা বা শক্তির পরিমাপের একক, তাপমাত্রার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: হিম শব্দের অর্থ বরফ বা ঠান্ডা, তাই সর্বনিম্ন ঠান্ডার বা জমার বিন্দু হলো হিমাংক।
a মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c জার্মানি
d ফ্রান্স
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) জার্মানি কেন সঠিক: - ব্ল্যাক ফরেস্ট বা কালো বন জার্মানির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাডেন-ভুয়েম্বার্গ রাজ্যে অবস্থিত একটি পাহাড়ি বনময় অঞ্চল। - ঘন পাইন গাছের সমারোহ এবং দুর্গমতার কারণে আলোর প্রবেশ কম হওয়ায় এর নাম ব্ল্যাক ফরেস্ট বা কালো বন রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এখানে বিখ্যাত পাহাড়ি অঞ্চল বা ন্যাশনাল পার্ক থাকলেও ব্ল্যাক ফরেস্ট নামক বনটি নেই। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যে এই নামের কোনো বিখ্যাত বনভূমি বা ভৌগোলিক অঞ্চল অবস্থিত নয়। D) ফ্রান্স — এটি জার্মানির সীমান্তবর্তী দেশ হলেও ব্ল্যাক ফরেস্ট অঞ্চলটি সম্পূর্ণভাবে জার্মানির ভূসীমার মধ্যে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ব্ল্যাক ফরেস্ট নামটির সাথে জার্মানির ফুটবল দল বা বিয়ারের ঐতিহ্য মনে রাখতে পারেন, কারণ দুটিই জার্মান সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
a পাকিস্তান
b সিরিয়া
c তুরস্ক
d রাশিয়া
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাশিয়া কেন সঠিক: - ‘ইতার তাস’ বা TASS হলো রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা। - এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সংবাদ পরিবেশনের জন্য অত্যন্ত পরিচিত একটি গণমাধ্যম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকিস্তান — পাকিস্তানের সরকারি সংবাদ সংস্থার নাম এপিপি (APP)। B) সিরিয়া — সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার নাম সানা (SANA)। C) তুরস্ক — তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার নাম আনাদোলু এজেন্সি (Anadolu Agency)। D) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইতার তাস রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার বিখ্যাত খেলা বা ভদকার মতো তাদের সংবাদ সংস্থার নাম ‘ইতার তাস’, যা মনে রাখা বেশ সহজ।
a মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস
b মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কাব্যগ্রন্থ
c মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনী গ্রন্থ
d মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন কেন সঠিক: - এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রণাঙ্গন থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লেখা চিঠিগুলোর একটি ঐতিহাসিক সংকলন। - এই চিঠিপত্রগুলোতে তৎকালীন মুক্তিযোদ্ধাদের আবেগ, কষ্ট, সাহসিকতা এবং যুদ্ধকালীন বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস — এটি কোনো কাল্পনিক কাহিনীর উপন্যাস নয়, বরং রণাঙ্গন থেকে পাঠানো বাস্তব চিঠির সংকলন। B) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কাব্যগ্রন্থ — এটি কবিতার বই নয়, বরং মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক চিঠির সংকলন। C) মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনী গ্রন্থ — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির আত্মজীবনী বা জীবনী গ্রন্থ নয়, বরং অনেক মুক্তিযোদ্ধার চিঠির সমাহার। D) মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মুক্তিযোদ্ধাদের লেখা চিঠির একটি প্রামাণ্য সংকলন। মনে রাখার টিপস: একাত্তরের চিঠি মানেই মুক্তিযোদ্ধাদের লেখা চিঠি বা পত্রের সংকলন।
a সাঁওতাল
b রাখাইন
c মারমা
d চাকমা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাকমা কেন সঠিক: - জনসংখ্যার দিক থেকে চাকমা সম্প্রদায় বাংলাদেশের বৃহত্তম নৃ-গোষ্ঠী। - এরা প্রধানত রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় বসবাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাঁওতাল — এটি বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলে বসবাসকারী একটি প্রধান নৃ-গোষ্ঠী হলেও চাকমাদের তুলনায় এর জনসংখ্যা কম। B) রাখাইন — প্রধানত পটুয়াখালী, বরগুনা ও কক্সবাজার অঞ্চলে বসবাসকারী একটি নৃ-গোষ্ঠী, যা বৃহত্তম নয়। C) মারমা — পার্বত্য অঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম নৃ-গোষ্ঠী, কিন্তু চাকমাদের পরেই এর অবস্থান। D) চাকমা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বৃহত্তম নৃ-গোষ্ঠী মনে রাখতে "চা" দিয়ে চাকমা এবং "চ" দিয়ে বৃহত্তম মনে রাখতে পারেন।
a ৪৮টি
b ৪৬টি
c ৫৬টি
d কোনোটিই নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যাংকিং তথ্য (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় (প্রদত্ত উত্তরটি সংশোধন করা হলো, কারণ বর্তমান তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা একষট্টিটি) কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে মোট তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা একষট্টিটি। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক সংখ্যা একষট্টি বা একাত্তর না থাকায় সঠিক উত্তর হবে কোনোটিই নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৮টি — এটি বর্তমান বা সাম্প্রতিক সময়ের ব্যাংকের সংখ্যা নয়। B) ৪৬টি — এটি অতীতের কোনো এক সময়ের ব্যাংকের সংখ্যা যা বর্তমানে পরিবর্তন হয়েছে। C) ৫৬টি — এটিও বিগত সময়ের একটি সংখ্যা, বর্তমান সঠিক সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। D) কোনোটিই নয় — সঠিক সংখ্যা একষট্টিটি অপশনে না থাকায় এই উত্তরটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্য পরিবর্তনশীল, তাই পরীক্ষার আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন দেখে সংখ্যা নিশ্চিত করে নেবে।
a মাওলানা ভাসানী
b ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
c এম.আর.আখতার মুকুল
d হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এম.আর.আখতার মুকুল কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান 'চরমপত্র'-এর লেখক ও কথক ছিলেন এম.আর.আখতার মুকুল। - তার ব্যঙ্গাত্মক ও উদ্দীপনাময় উপস্থাপনা মুক্তিযোদ্ধাদের মনে সাহস ও মনোবল যুগিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাওলানা ভাসানী — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, চরমপত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। B) ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী, বহুভাষাবিদ ও সাহিত্যিক ছিলেন, চরমপত্রের উপস্থাপক নন। C) এম.আর.আখতার মুকুল — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই। D) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী ও প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ছিলেন, চরমপত্র পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: চরমপত্র শুনলেই মুকুল ভাইয়ের কণ্ঠের কথা মনে রাখবে, যিনি এম.আর.আখতার মুকুল নামে পরিচিত।
a কক্সবাজার
b বান্দরবান
c লালাখান
d বিছানাকান্দি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) লালাখান কেন সঠিক: - ভৌগোলিক অবস্থান এবং মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখান (বা লালাখাল সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকা) অঞ্চলে বাংলাদেশে সর্বাধিক বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। - অতীতে সিলেটে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত শ্রীমঙ্গল বা সিলেটে হলেও সাম্প্রতিক আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপাত্ত অনুযায়ী পাহাড়ি পাদদেশের এই অঞ্চলটি সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের স্থান হিসেবে চিহ্নিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কক্সবাজার — এটি একটি উপকূলীয় পর্যটন অঞ্চল, যেখানে বার্ষিক ভালো বৃষ্টিপাত হলেও তা দেশের সর্বোচ্চ নয়। B) বান্দরবান — এটি পাহাড়ি জেলা এবং এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, তবে এটি বাংলাদেশের সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের স্থান নয়। D) বিছানাকান্দি — এটি সিলেটের একটি জনপ্রিয় পর্যটন ও পাথর কোয়ারি এলাকা, যা লালাখানের কাছাকাছি হলেও সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ডধারী স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের স্থান মনে রাখতে "লালাখান" নামটি মনে রাখুন, যা সিলেটে অবস্থিত পাহাড়ি বৃষ্টিবহুল অঞ্চল।
a শ্রীমঙ্গল
b ঢাকা
c চট্রগ্রাম
d পঞ্চগড়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চট্রগ্রাম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ চা বোর্ড ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ এলাকায় অবস্থিত। - চা শিল্পের উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে এই সরকারি সংস্থাটি গঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীমঙ্গল — এটি বাংলাদেশের চা উৎপাদনের রাজধানী ও চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবস্থান হলেও চা বোর্ডের প্রধান কার্যালয় এখানে নয়। B) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রধান কার্যালয় থাকলেও চা বোর্ডের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে অবস্থিত। C) চট্রগ্রাম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং চা বোর্ডের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। D) পঞ্চগড় — এটি দেশের সমতল ভূমির চা চাষের প্রধান অঞ্চল হলেও চা বোর্ডের মূল কার্যালয় এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: চা উৎপাদন হয় শ্রীমঙ্গলে, আর চা বোর্ডের হেডকোয়ার্টার বা প্রধান অফিস বন্দরনগরী চট্টগ্রামে।
a ৫.৫ কি.মি.
b ৬.১৫ কি.মি.
c ৬.৭৫ কি.মি.
d ৭ কি.মি.
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬.১৫ কি.মি. কেন সঠিক: - পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং সংযোগ সেতু সহ মোট দৈর্ঘ্য ৯.৮৩ কিলোমিটার। - এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু এবং দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সাথে যোগাযোগের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫.৫ কি.মি. — এটি পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য নয়, এটি অন্য কোনো সেতুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। B) ৬.১৫ কি.মি. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ৬.৭৫ কি.মি. — এই মাপের কোনো তথ্য পদ্মা সেতুর সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ৭ কি.মি. — এটি পদ্মা সেতুর সঠিক দৈর্ঘ্যকে নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ছয় দশমিক পনেরো কিলোমিটার।
a তাইওয়ান
b জাপান
c ব্রাজিল
d ইসরায়েল
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তাইওয়ান কেন সঠিক: - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ হলো পাঁচটি যথা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। - তাইওয়ান জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য তো দূরের কথা, বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবেই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাইওয়ান — এটি জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য নয় এবং বর্তমানে জাতিসংঘের কোনো সদস্য রাষ্ট্রও নয়। B) জাপান — এটি জাতিসংঘের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র এবং নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার জন্য দাবিদার একটি দেশ। C) ব্রাজিল — এটি জাতিসংঘের সাধারণ সদস্য রাষ্ট্র এবং নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদের অন্যতম প্রধান দাবিদার। D) ইসраয়েল — এটি জাতিসংঘের একটি পূর্ণাঙ্গ সদস্য রাষ্ট্র, তবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য দেশ মাত্র পাঁচটি, যাদের মনে রাখার সহজ শব্দ হলো ফ্রেঞ্চ বা ফাইভ পাওয়ার (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন)।
a ৮টি গরিব দেশ
b ৮টি ধনী দেশ
c ৮টি পরিবেশ দূষনকারী দেশ
d ৮টি শিল্পোন্নত দেশ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ৮টি পরিবেশ দূষনকারী দেশ কেন সঠিক: - ই-৮ বলতে বিশ্বের সর্বাধিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী এবং পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী আটটি উন্নয়নশীল দেশকে বোঝায়। - এই দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, চীন, মিশর, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান ও ব্রাজিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮টি গরিব দেশ — এই অপশনটি ভুল কারণ অর্থনৈতিক অবস্থা যেমনই হোক, এই নামের মূল ভিত্তি পরিবেশ দূষণ ও কার্বন নির্গমন। B) ৮টি ধনী দেশ — এই অপশনটি ভুল কারণ জি-৮ বা শিল্পোন্নত ধনী দেশের ধারণার সঙ্গে পরিবেশ দূষণকারী ই-৮ দেশগুলোর তালিকা এক নয়। C) ৮টি পরিবেশ দূষনকারী দেশ — এটি সঠিক কারণ এই আটটি দেশ বিশ্বের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এবং সর্বোচ্চ পরিবেশ দূষণকারী হিসেবে পরিচিত। D) ৮টি শিল্পোন্নত দেশ — এই অপশনটি ভুল কারণ এই তালিকায় থাকা বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের মতো দেশগুলো পুরোপুরি শিল্পোন্নত নয়। মনে রাখার টিপস: ই-এইট বলতে পরিবেশের ক্ষতি বা দূষণের সঙ্গে যুক্ত আটটি জনবহুল উন্নয়নশীল দেশকে মনে রাখবে।
a রুজভেল্ট
b ‘এডলফ হিটলার
c ট্রু ম্যান
d উড্রো উইলসন
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এডলফ হিটলার কেন সঠিক: - ‘মেইন ক্যাম্প’ বা ‘মেইন কাম্ফ’ (Mein Kampf) হলো জার্মানির নাৎসি পার্টির নেতা এডলফ হিটলারের লেখা একটি আত্মজীবনীমূলক রাজনৈতিক গ্রন্থ। - ১৯২৫ এবং ১৯২৬ সালে প্রকাশিত এই বইটিতে হিটলার তার উগ্র জাতীয়তাবাদী ও ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক মতবাদ তুলে ধরেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুজভেল্ট — ইনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং তার কোনো বিখ্যাত গ্রন্থ ‘মেইন ক্যাম্প’ নয়। B) এডলফ হিটলার — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) ট্রু ম্যান — ইনিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং এই বইটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। D) উড্রো উইলসন — ইনিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৪ দফা দাবির জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: হিটলারের উগ্র ও নাৎসি মতবাদ প্রচারের ক্যাম্প বা শিবির থেকে মনে রাখতে পারেন ‘মেইন ক্যাম্প’ বইটি এডলফ হিটলারের লেখা।

মোট প্রশ্ন (24)

a মুনীর চৌধুরী
b রশীদ করিম
c শওকত ওসমান
d শহীদুল্লা কায়সার
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শহীদুল্লা কায়সার ১. কেন সঠিক: - ‘সংশপ্তক’ বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস যা শহীদুল্লা কায়সার রচনা করেছেন। - সংশপ্তক শব্দের অর্থ এমন যোদ্ধা যে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে এবং মৃতু্যর মুখোমুখি হয়েও পিছপা হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শহীদুল্লা কায়সার ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক যিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। - এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজ জীবন এবং পাকিস্তানি শোষণ ও বৈষম্যের পটভূমিতে মানুষের সংগ্রামের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সারেং বৌ ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল্লা কায়সারের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত উপন্যাস। উদাহরণ ২: পায়েমবার ব্যাখ্যা: এটিও শহীদুল্লা কায়সারের একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম ও উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, সাহিত্যিক ও শহীদ বুদ্ধিজীবী ছিলেন যিনি সংশপ্তক উপন্যাস লেখেননি। B) রশীদ করিম — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেও সংশপ্তক তার রচিত উপন্যাস নয়। C) শওকত ওসমান — তিনি বাংলা উপন্যাসের এক দিকপাল হলেও তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো ক্রীতদাসের হাসি ও জননী। D) শহীদুল্লা কায়সার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সংশপ্তক উপন্যাসের রচয়িতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংশপ্তক মানে আজীবন লড়াকু সৈনিক, আর শহীদুল্লা কায়সার এই লড়াকু চরিত্রের উপন্যাসের অমর স্রষ্টা। - শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সারের সেরা সৃষ্টি হলো সংশপ্তক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত উপন্যাসের রচয়িতা জানতে চাওয়া হয়। - শহীদুল্লা কায়সারের সাহিত্যকর্ম হিসেবে সংশপ্তক ও সারেং বৌ নাম দুটি বারবার বিভিন্ন পরীক্ষায় আসে।
a সিকান্দার আবু জাফর
b আল মাহমুদ
c শামসুর রাহমান
d সৈয়দ শামসুল হক
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: নিরালোকে দিব্যরথ কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত রচনা। এই কাব্যগ্রন্থে কবির পরিপক্ব কাব্যচেতনা, জীবনের গভীর উপলব্ধি এবং সময়ের রূপায়ণ সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শামসুর রাহমান বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আবির্ভূত হওয়া একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি ও সাংবাদিক। তার কবিতায় নাগরিক জীবন, সমকালীন রাজনীতি, দেশপ্রেম এবং মানবীয় আবেগ অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা তার কাব্যিক খ্যাতির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। উদাহরণ ২: রৌদ্র করোটিতে ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের একটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিকান্দার আবু জাফর — সিকান্দার আবু জাফর একজন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার হলেও নিরালোকে দিব্যরথ তার লেখা কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। B) আল মাহমুদ — আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থটি তার রচিত নয়। C) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি শামসুর রাহমানেরই লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ। D) সৈয়দ শামসুল হক — সৈয়দ শামসুল হক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও নিরালোকে দিব্যরথ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা তিনি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য তার বিখ্যাত রচনা যেমন প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে এবং রৌদ্র করোটির পাশাপাশি নিরালোকে দিব্যরথ নামটি আলাদা করে চর্চা করতে পারো। পরীক্ষায় কবির নাম ও কাব্যগ্রন্থের মিল করার সময় লেখকের নাগরিক চেতনা ও ভিন্নধর্মী শিরোনামগুলো মনে রাখা সহায়ক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক কবিদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। বিভিন্ন কবির সাহিত্যকর্মের তালিকা তৈরি করে নিয়মিত চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সঠিক উত্তর করা সম্ভব।
a কুমিল্লা
b বরিশাল
c খুলনা
d ঢাকা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরিশাল ১. কেন সঠিক: - বেগম সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশাল জেলার শায়েস্তাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর পৈতৃক নিবাস বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার শাহপুর গ্রামে হলেও তাঁর জন্ম নানাবাড়িতে হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের প্রখ্যাত নারী কবি, সাহিত্যিক ও বিশিষ্ট সমাজসংস্কারক ছিলেন। - তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে সাঁঝের মায়া, মায়া প্রীতি, মন ও জীবন, শান্তি ও প্রার্থনা ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া ব্যাখ্যা: এটি বেগম সুফিয়া কামালের প্রথম ও অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ভূমিকা লিখেছিলেন। উদাহরণ ২: একা জনপদের ডায়রি ব্যাখ্যা: এটি বেগম সুফিয়া কামালের একটি বিখ্যাত গদ্য ও স্মৃতিচারণমূলক রচনা যা তাঁর জীবন ও সময়ের মূল্যবান দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা — কুমিল্লা বেগম সুফিয়া কামালের জন্মস্থান নয়, এটি বাংলাদেশের অন্য একটি ঐতিহাসিক জেলা। B) বরিশাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বরিশালের শায়েস্তাবাদে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। C) খুলনা — খুলনা অঞ্চলের সঙ্গে কবি বেগম সুফিয়া কামালের জন্মস্থানের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। D) ঢাকা — ঢাকা তাঁর কর্মক্ষেত্র ও জীবনের শেষভাগের প্রধান আবাসস্থল হলেও এটি তাঁর জন্মস্থান নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুফিয়া কামালের জন্মস্থান মনে রাখার সহজ উপায় হলো তাঁর নানাবাড়ি বরিশাল এবং পৈতৃক নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া এই দুটি স্থান মনে রাখা। - পরীক্ষার প্রশ্নে সাধারণত জন্মস্থান হিসেবে বরিশাল অপশনটিই বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাহিত্যিকদের জন্মস্থান, জন্মসাল এবং পৈতৃক নিবাস সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - লেখক পরিচিতি পড়ার সময় জন্মস্থান ও পৈতৃক নিবাসের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a পাবক
b মারুত
c পবন
d অনিল
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পাবক ১. কেন সঠিক: - 'পাবক' শব্দের অর্থ আগুন বা বহ্নি, যা বাতাস শব্দের সমার্থক নয়। - বাতাস শব্দের অর্থ হলো বায়ু, অনিল, মারুত, পবন ইত্যাদি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে সামঞ্জস্য বা মিল থাকে। - বাংলা ভাষায় একই বস্তুর বা ভাবের প্রকাশের জন্য ভিন্ন ভিন্ন শব্দ ব্যবহৃত হয়, যা শব্দের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনল ব্যাখ্যা: অনল শব্দের অর্থ আগুন, এটিও বাতাস শব্দের সমার্থক নয়। উদাহরণ ২: সমীরণ ব্যাখ্যা: সমীরণ শব্দের অর্থ বাতাস বা বায়ু, এটি বাতাস শব্দের একটি সঠিক সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাবক — এটি আগুন বা বহ্নির সমার্থক শব্দ, তাই বাতাস শব্দের সমার্থক নয়। B) মারুত — এটি বাতাস বা বায়ুর একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। C) পবন — এটি বাতাস বা বায়ুর অপর একটি সমার্থক শব্দ। D) অনিল — এটিও বাতাস বা বায়ুর সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আগুন ও বাতাসের সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে ছক বানিয়ে মুখস্থ করলে পরীক্ষায়ে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। - পাবক, অনল, বহ্নি হলো আগুনের সমার্থক এবং মারুত, পবন, অনিল হলো বাতাসের সমার্থক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আগুন এবং বাতাসের সমার্থক শব্দগুলো মিলিয়ে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - এই ধরনের শব্দ মনে রাখতে শব্দের মূল অর্থ পরিষ্কার করে পড়া উচিত।
a তোমার গোপন কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয়
b দারিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা
c সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল
d সর্ববিষয়ে বাহুল্যতা বর্জন করা উচিত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল ১. কেন সঠিক: সলজ্জিত শব্দটি গঠিত হয়েছে সহ বা স উপসর্গ যুক্ত লজ্জিত শব্দের মাধ্যমে। এখানে সহ বা স শব্দের অর্থ লজ্জাসহ বা লজ্জাযুক্ত, তাই সলজ্জিত হাসি অর্থ লজ্জাযুক্ত হাসি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে শব্দের দ্বিরুক্তি বা বাহুল্য দোষ বর্জন করতে হয়। সলজ্জিত শব্দটিতে স উপসর্গ থাকার কারণে এর সাথে অতিরিক্ত কোনো ব্যাখ্যা বা ভুল প্রত্যয় যুক্ত করা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবান্ধব গ্রামে পৌঁছাল। ব্যাখ্যা: বান্ধবসহ বা বন্ধুদের সাথে অর্থে সবান্ধব শব্দটি শুদ্ধভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: সবিনয়ে নিবেদন করছি। ব্যাখ্যা: বিনয়ের সাথে অর্থে সবিনয় শব্দটি বাক্যে নির্ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তোমার গোপন কথা শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয় — এই বাক্যে গোপন কথা এবং শোনা শব্দগুলোর ব্যবহারে অর্থগত দিক থেকে কিছুটা অস্পষ্টতা রয়েছে, যা প্রমিত বাংলায় অপ্রয়োজনীয়। B) দারিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা — দারিদ্রতা শব্দটি ভুল, এর শুদ্ধ রূপ হবে দারিদ্র্য বা দরিদ্রতা। C) সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল — এই বাক্যটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে এবং এর প্রতিটি পদের প্রয়োগ সঠিক। D) সর্ববিষয়ে বাহুল্যতা বর্জন করা উচিত — বাহুল্যতা শব্দটি ভুল, কারণবহুল শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করে বাহুল্যতা হয় না, শুদ্ধ রূপ হলো বাহুল্য। ৫ মনে রাখার টিপস: দারিদ্র্য এবং বাহুল্য শব্দ দুটির সাথে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করে দারিদ্রতা বা বাহুল্যতা বলা সম্পূর্ণ ভুল। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সবসময় মূল শব্দ বা সঠিক প্রত্যয়যুক্ত রূপ ব্যবহার করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দের গঠন এবং উপসর্গ ব্যবহারের সঠিক নিয়ম জানলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a ক + ষ
b ক + খ
c ক + ষ + ম,
d হ + ম
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক + ষ ১. কেন সঠিক: - ‘ক্ষ’ একটি যুক্তবর্ণ যা দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে গঠিত হয়। - প্রমিত বাংলা বর্ণমালায় ‘ক্ষ’ বর্ণটি ক এবং ষ এর যুক্তরূপ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বর্ণমালায় চারটি মৌলিক যুক্তবর্ণ বা যৌথ ধ্বনি রয়েছে যা বিশেষ প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এই যুক্তবর্ণগুলো হলো ক্ষ, জ্ঞ, ত্র এবং শ্র। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষমা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ‘ক্ষ’ যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর বিশ্লিষ্ট রূপ হলো ক এবং ষ। উদাহরণ ২: ক্ষতি ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ‘ক্ষ’ যুক্তবর্ণটি রয়েছে যা ক এবং ষ এর যোগফলে গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক + ষ — এটি সঠিক কারণ ‘ক্ষ’ বর্ণটি ক এবং ষ এর সমন্বয়ে গঠিত। B) ক + খ — এটি ভুল কারণ ‘ক্ষ’ বর্ণ গঠনে খ বর্ণটি ব্যবহৃত হয় না। C) ক + ষ + ম — এটি ভুল কারণ ‘ক্ষ’ বর্ণটি তিনটি বর্ণ নিয়ে গঠিত নয়। D) হ + ম — এটি ভুল কারণ হ এবং ম মিলে ‘হ্ম’ যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, ‘ক্ষ’ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্ষ কে ভাঙলে ক এবং ষ পাওয়া যায় তা মনে রাখতে কষকষ শব্দটির সাহায্য নিতে পারো। - যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে শেষের মূর্ধন্য ষ উচ্চারণ ভেদে খ এর মতো শোনা গেলেও এর মূল উপাদান ক এবং ষ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুক্তবর্ণ বিশ্লিষ্ট করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বাংলা ব্যাকরণে যুক্তবর্ণের সঠিক গঠন জানা বানান শুদ্ধির জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a পঞ্চতন্ত্র
b পালামৌ
c দেশে বিদেশে
d চাচা কাহিনী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পালামৌ ১. কেন সঠিক: - পালামৌ ভ্রমণকাহিনীটি বিখ্যাত লেখক সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা, সৈয়দ মুজতবা আলীর নয়। - সৈয়দ মুজতবা আলী মূলত তাঁর রম্যরচনা, ভ্রমণকাহিনী এবং প্রাবন্ধিক পরিচয়ের জন্য বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ মুজতবা আলী বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের এক প্রখ্যাত বাঙালি রম্যলেখক, সাহিত্যিক ও পন্ডিত। - তাঁর উল্লেখযোগ্য ভ্রমণকাহিনী ও রম্যসাহিত্যের মধ্যে দেশে বিদেশে, পঞ্চতন্ত্র এবং চাচা কাহিনী বিশেষভাবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলে ডাঙায় ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি জনপ্রিয় ভ্রমণকাহিনীর বই। উদাহরণ ২: শবনম ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চতন্ত্র — এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি বিখ্যাত রম্যরচনা, তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ নয়। B) পালামৌ — এটি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী, তাই এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনা নয়। C) দেশে বিদেশে — এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভ্রমণকাহিনী, তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ নয়। D) চাচা কাহিনী — এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত একটি জনপ্রিয় রম্যরচনা ও গল্পগ্রন্থ, তাই এটি সঠিক উত্তরের অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ মুজতবা আলীর ভ্রমণ ও রম্যরচনা মনে রাখতে দেশ, বিদেশ, চাচা ও তন্ত্র শব্দগুলো মাথায় রাখতে পারো। - পালামৌ যে সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা, তা বারবার বিসিএস পরীক্ষায় আসে, তাই এটি আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভ্রমণকাহিনী সাহিত্যের একটি অন্যতম ধারা যেখানে লেখকের নিজ চোখে দেখা কোনো অঞ্চলের বিবরণ থাকে। - লেখক ও সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রে মূল লেখকের নাম না জানা থাকলে অপশনগুলোর রচয়িতাদের নাম মিলিয়ে উত্তর করতে হয়।
a বুদ্ধদেব বসু
b জীবনানন্দ দাশ
c প্রেমেন্দ্র মিত্র
d দীনেশ রঞ্জন দাশ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দীনেশ রঞ্জন দাশ ১. কেন সঠিক: - ‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশ রঞ্জন দাশ এবং তিনি ১৯২৩ সালে পত্রিকাটি প্রকাশ করেন। - বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারা সৃষ্টিতে এই পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রকাশকাল ছিল বাংলা ১৩৩০ সালের বৈশাখ মাস এবং এটি রবীন্দ্রযুগের বিরুদ্ধে এক নতুন সাহিত্য আন্দোলন গড়ে তোলে। - এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগে এবং কল্লোল যুগের সূচনা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত ‘প্রগতি’ পত্রিকা। ব্যাখ্যা: এটি কল্লোল যুগের পরবর্তী সময়ে বাংলা আধুনিক সাহিত্য আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের ‘ধূমকেতু’ পত্রিকা। ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী চেতনার মাসিক পত্রিকা ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি ‘কল্লোল’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, তবে এই গোষ্ঠীর একজন অন্যতম প্রধান লেখক ও কবি ছিলেন। B) জীবনানন্দ দাশ — তিনি কল্লোল গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন না। C) প্রেমেন্দ্র মিত্র — তিনি কল্লোল যুগের বিখ্যাত সাহিত্যিক হলেও এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। D) দীনেশ রঞ্জন দাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই ‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - কল্লোল পত্রিকার সম্পাদক দীনেশ রঞ্জন দাশ এটি মনে রাখতে 'দীনেশ ও কল্লোল' এভাবে দুটি ডি অক্ষর একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। - অথবা কল্লোলের ঢেউয়ে দীনেশ ভেসেছিলেন এভাবে ছন্দ মিলিয়ে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে এবং এটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার প্রতীক। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
b নিজ বাসভূমে
c সোনালী কাবিন
d লোক-লোকান্তর
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ১. কেন সঠিক: আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রহমানের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে। ১৯৬০ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটির মাধ্যমেই তিনি বাংলা কাব্যাঙ্গনে আত্মপ্রকাশ করেন এবং আধুনিক কবিতার ধারাকে নতুন মাত্রা দেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শামসুর রহমান ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৮ সালের ১৭ আগস্ট ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি নাগরিক জীবনের নান্দনিকতা, একাকীত্ব, দেশপ্রেম ও সমসাময়িক রাজনৈতিক সংকট তাঁর কবিতায় নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রুদেন্ত খোকা ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রহমানের একটি বিখ্যাত কিশোর কবিতাগ্রন্থ যা শিশুসাহিত্যে তাঁর অবদান নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখেন ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রহমানের একটি জনপ্রিয় প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর রাজনৈতিক সচেতনতার পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে — এটি শামসুর রহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এটি ৬০ সালে প্রকাশিত হয়। B) নিজ বাসভূমে — এটি শামসুর রহমানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, তবে প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়। C) সোনালী কাবিন — এটি কবি আল মাহমুদের অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ, শামসুর রহমানের নয়। D) লোক-লোকান্তর — এটি কবি আল মাহমুদের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, শামসুর রহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শামসুর রহমানের প্রথম গান মানেই প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে। বাংলা সাহিত্যে কবির আত্মপ্রকাশের প্রথম কাজটি মনে রাখতে এই নামটির প্রথম অংশটি মূল সূত্র হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও লেখকদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা প্রথম উপন্যাস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। একইভাবে অন্যান্য প্রধান কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ যেমন জসীমউদ্দীনের রাখালী বা আল মাহমুদের লোকলোকান্তর ভালোভাবে পড়তে হবে।
a আশাপূর্ণা দেবী
b সুফিয়া কামাল
c বেগম রোকেয়া
d সেলিনা হোসেন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেগম রোকেয়া ১. কেন সঠিক: - ‘অবরোধবাসিনী’ গ্রন্থটির রচয়িতা বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। - গ্রন্থটি মূলত মুসলিম নারীদের পর্দাপ্রথার নামে অবরুদ্ধ করে রাখার নির্মম সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে এক ব্যঙ্গাত্মক ও বাস্তবধর্মী প্রতিবাদ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও সমাজসংস্কারক। - তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে ‘সুলতানার স্বপ্ন’ (Sultana's Dream), ‘পদ্মরাগ’ ও ‘মতিচূর’। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘সুলতানার স্বপ্ন’ ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার লেখা একটি বিখ্যাত নারীবাদী ও কল্পবিজ্ঞানভিত্তিক ইংরেজি ছোটগল্প, যা পরবর্তীতে বাংলায় অনূদিত হয়। উদাহরণ ২: ‘পদ্মরাগ’ ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যেখানে নারী সমাজের মুক্তি ও শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আশাপূর্ণা দেবী — তিনি ভারতের একজন বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হলেও ‘অবরোধবাসিনী’ তাঁর লেখা নয়। B) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন। C) বেগম রোকেয়া — এই অপশনটি সঠিক এবং গ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে প্রমাণিত। D) সেলিনা হোসেন — তিনি সমকালীন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অবরোধ বা পর্দাপ্রথার নির্মম কড়াকড়ি থেকে মুক্তির কথা বললেই মনে রাখতে হবে নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার নাম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার প্রবন্ধ ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে, তাই তাঁর গ্রন্থগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a কৃষক জীবন
b ধীবর জীবন
c বৈশ্য জীবন
d নারীর জীবন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধীবর জীবন ১. কেন সঠিক: - এই উপন্যাসে পদ্মা নদীর তীরের জেলে বা ধীবর সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনযাত্রা, সংগ্রাম ও পেশাগত সংকটের বাস্তবচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - ধীবর শব্দের অর্থ জেলে বা যারা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন, আর এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুবের একজন জেলে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসটির রচয়িতা বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রাগাধুনিক ও সমাজ বাস্তবতাবাদী আঞ্চলিক উপন্যাস হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুতুল নাচের ইতিকথা। ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামীণ সমাজের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে সমৃদ্ধ। উদাহরণ ২: অদ্বৈত মল্লবর্মণের তিতাস একটি নদীর নাম। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও মালো বা জেলে সম্প্রদায়ের মানুষের জীবন ও নদীকেন্দ্রিক সংস্কৃতির নিখুঁত রূপায়ন ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষক জীবন — এই উপন্যাসের মূল বিষয় কৃষক জীবন নয়, কারণ এখানকার চরিত্ররা কৃষিকাজের পরিবর্তে মূলত মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। B) ধীবর জীবন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় এবং এটি জেলেদের জীবনকেই নির্দেশ করে। C) বৈশ্য জীবন — বৈশ্য জীবন বলতে মূলত ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে বোঝানো হয়, যা জেলে বা ধীবর সম্প্রদায়ের জীবনধারার সঙ্গে সম্পূর্ণ আলাদা। D) নারীর জীবন — নারীর জীবন কেন্দ্র করে উপন্যাসটি রচিত হয়নি, বরং এখানে একটি সমগ্র নদীভিত্তিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামগ্রিক জীবন উঠে এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পদ্মা নদীর মাঝি মানেই নদী এবং নদীর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত জেলে বা ধীবর সম্প্রদায়ের জীবন। - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিখ্যাত উপন্যাসটি মনে রাখতে কুবের জেলের নাম ও পদ্মা নদীকে একসঙ্গে স্মরণ করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের মূল চরিত্র কুবের এবং পটভূমি হলো পদ্মা নদীর তীরবর্তী মোতিগঞ্জ ও জানিডাঙ্গা গ্রাম। - এই ধরনের সাহিত্যভিত্তিক প্রশ্নে উপন্যাসের পটভূমি বা মূল থিম ভালো করে মনে রাখলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a ঊধ্র্বতন কর্মকর্তা
b নির্বাহী
c সহযোগী
d ব্যবস্থাপক
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নির্বাহী কেন সঠিক: - ইংরেজি Executive শব্দের প্রচলিত ও বাংলা একাডেমী অনুমোদিত পরিভাষা হলো নির্বাহী। - প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারক কার্যক্রমে এই শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পরিভাষা হলো বিশেষ অর্থের প্রকাশে নির্দিষ্ট বাংলা শব্দ। - ইংরেজি প্রশাসনিক পদের ক্ষেত্রে সঠিক প্রতিশব্দ নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি। - যেমন Executive Committee শব্দের বাংলা অর্থ নির্বাহী কমিটি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ঊধ্র্বতন কর্মকর্তা — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Senior Officer। - B) নির্বাহী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। - C) সহযোগী — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Associate। - D) ব্যবস্থাপক — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Manager। মনে রাখার টিপস: - Executive শুনলেই নির্বাহী শব্দটি মনে রাখবে।
a সনাতন হিন্দু
b সহজিয়া বৌদ্ধ
c জৈন
d হরিজ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সহজিয়া বৌদ্ধ কেন সঠিক: ১. চর্যাপদের পদকর্তারা মূলত মহাযান ও বজ্রযান বা সহজিয়া বৌদ্ধ ধর্মের সাধক বা আচার্য ছিলেন। ২. এই পদগুলোতে বৌদ্ধ ধর্মের সহজিয়া সাধনা এবং নাড়ী-নক্ষত্র ও শূন্যতা তত্ত্বের সহজ প্রকাশ ঘটেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন এবং এর মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যের সূচনা হয়েছে। ২. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ৩. চর্যাপদের ভাষা ছিল সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা, যা সহজে বোধগম্য ছিল না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সনাতন হিন্দু — চর্যাপদ হিন্দু ধর্মের সাহিত্য নয়, কারণ এর মূল দর্শন বৌদ্ধ ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত। B) সহজিয়া বৌদ্ধ — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) জৈন — চর্যাপদে জৈন ধর্মের কোনো তত্ত্ব বা প্রভাব খুঁজে পাওয়া যায়নি। D) হরিজ — হরিজন কোনো ধর্মের নাম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ মানেই বৌদ্ধ ধর্মের সহজ সাধনা। চর্যাপদের সাথে বৌদ্ধ ধর্ম ও হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নাম এভাবে মনে রাখবে।
a সংক্ষেপ করে
b বিস্তৃত করে
c ভাষারূপ ক্ষুণ্ণ করে
d অর্থবোধক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংক্ষেপ করে ১. কেন সঠিক: - সমাসের প্রধান কাজ হলো একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করে ভাষার প্রকাশকে সংক্ষিপ্ত ও শ্রুতিমধুর করা। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বাক্যে ব্যবহৃত একাধিক পদের মিলন ঘটিয়ে একটিমাত্র পদ তৈরির প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। পরস্পর অর্থসংগতিযুক্ত দুই বা ততোধিক পদ এক পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। - এর ফলে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং বাক্য গঠন সহজ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি পদ মিলে একটি সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর পদ সিংহাসন গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশ ও বিদেশ = দেশবিদেশ ব্যাখ্যা: এখানে দুটি পদ মিলে সংক্ষেপিত হয়ে সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংক্ষেপ করে — এই অপশনটি সঠিক কারণ সমাসের মূল কাজই হলো একাধিক পদকে সংক্ষেপ করা। B) বিস্তৃত করে — সমাস বাক্যকে বিস্তৃত করে না, বরং পদগুলোকে সংক্ষিপ্ত করে। C) ভাষারূপ ক্ষুণ্ণ করে — সমাস ভাষার রূপ নষ্ট করে না, বরং ভাষাকে আরও সুন্দর ও পরিপাটি করে। D) অর্থবোধক — সমাস অর্থ প্রকাশ করে ঠিকই, তবে এর মূল ব্যাকরণগত কাজ হলো সংক্ষিপ্ত করা। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমাস মানেই ছোট করা বা সংক্ষেপ করা। মনে রাখবে সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমাস ও সন্ধির মূল পার্থক্য হলো সন্ধি মিলন ঘটায় বর্ণের সঙ্গে বর্ণের, আর সমাস মিলন ঘটায় পদের সঙ্গে পদের। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
a হিন্দি
b পর্তুগিজ
c উর্দু
d গ্রিক
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - আনারস শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজ বণিক ও মিশনারিদের মাধ্যমে বাংলায় বেশ কিছু বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে। - বিভিন্ন বিদেশি দ্রব্য ও সংস্কৃতির নাম হিসেবে এসব শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে স্থায়ীভাবে স্থান করে নিয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দের উৎসগত শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়, যথা দেশি ও বিদেশি শব্দ। - পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো মূলত সামুদ্রিক বাণিজ্য, প্রশাসন, ধর্ম এবং দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন উপকরণের সাথে যুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাবি ব্যাখ্যা: চাবি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের একটি বিদেশি শব্দ। উদাহরণ ২: বালতি ব্যাখ্যা: বালতি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে যা গৃহস্থালি কাজে বহুল ব্যবহৃত একটি বিদেশি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় নানা শব্দ এলেও 'আনারস' শব্দটি হিন্দি নয়। B) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। C) উর্দু — উর্দু ভাষা থেকে বেশ কিছু শব্দ বাংলায় এলেও 'আনারস' তার অন্তর্ভুক্ত নয়। D) গ্রিক — গ্রিক ভাষা থেকে কিছু বৈজ্ঞানিক ও পারিভাষিক শব্দ এলেও 'আনারস' গ্রিক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আনারস, চাবি, বালতি, গির্জা, পাদ্রী, কামরা — এই খাবার, বস্তু ও স্থানবাচক গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো সাধারণত পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি-ফারসি শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা বানরীতি মেনে এসব শব্দের উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সাপের খোলস
b হরিণের চামড়া
c বাঘের চামড়া
d কোনোটিই নয়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হরিণের চামড়া কেন সঠিক: - অজিন শব্দের অর্থ মূলত পশুর চামড়া বিশেষ করে হরিণের চামড়া বোঝায়। - প্রাচীনকালে মুনিঋষিরা উপবেশন বা সাধনার সময় হরিণের চামড়া বা অজিন ব্যবহার করতেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি তৎসম শব্দ যা প্রাচীন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃত ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়েছে। - বাংলা সাহিত্যে তপস্বী ও সাধকদের জীবন acharan বোঝাতে এই শব্দের প্রয়োগ দেখা যায়। - উদাহরণস্বরূপ প্রাচীন কাব্যে ঋষিদের পরনে অজিন বা হরিণচর্ম ব্যবহারের উল্লেখ পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সাপের খোলস — সাপের খোলসকে বাংলায় কঞ্চুক বা নির্মোক বলা হয়, অজিন বলা হয় না। - B) হরিণের চামড়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। - C) বাঘের চামড়া — বাঘের চামড়াকে সাধারণত ব্যাঘ্রচর্ম বলা হয়, অজিন নয়। - D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশন বি তে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - অজিন মানে হরিণের চামড়া এটি মনে রাখার জন্য প্রাচীন ঋষিদের সাধনার দৃশ্যের কথা কল্পনা করতে পারো।
a ছয়
b সাত
c নয়
d দশ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাত ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা সাতটি। উচ্চারণের সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে যে ধ্বনিগুলো উচ্চারিত হতে পারে, তাদের স্বরধ্বনি বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। এগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আম ব্যাখ্যা: আম শব্দটি উচ্চারণের শুরুতে আ মৌলিক স্বরধ্বনিটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: এক ব্যাখ্যা: এক শব্দটি উচ্চারণের শুরুতে এ মৌলিক স্বরধ্বনিটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছয় — বাংলা মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ছয়টি নয়, কারণ ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এর সংখ্যা সাতটি। B) সাত — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা নির্দিষ্টভাবে সাতটি। C) নয় — বাংলা মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা নয়টি নয়, কারণ ঐতিহ্যগত ও প্রমিত ব্যাকরণে সংখ্যাটি সাত। D) দশ — বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণ দশটি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা দশটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সাত রঙের রামধনু বা সাত দিনের সপ্তাহের সাথে মিলিয়ে সাতটি স্বরধ্বনি মনে রাখা। অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা এই সাতটি ধ্বনি ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। স্বরবর্ণের সংখ্যা এবং মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা প্রায় পরীক্ষার্থী গুলিয়ে ফেলে, তাই এই দুটি পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি
b বনলতা সেন ও উত্তর ফাল্গুনী
c ঝরা পালক ও রাখালী
d ছাড়পত্র ও বনলতা সেন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি ১. কেন সঠিক: আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের দুটি অত্যন্ত পরিচিত ও মৌলিক কাব্যগ্রন্থ হলো বেলা অবেলা কালবেলা এবং ধূসর পাণ্ডুলিপি। এই দুটি কাব্যগ্রন্থই তাঁর স্বকীয় কাব্যশৈলী, রূপসী বাংলার প্রকৃতি ও অন্তর্মুখী মননশীলতার এক অনন্য নিদর্শন, যা তাঁকে বাংলা সাহিত্যে অমর করে রেখেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এবং আধুনিক বাংলা কবিতার নির্জনতম কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, রূপসী রূপ এবং মানুষের একাকীত্ব ও বিষণ্ণতার সুর গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে, যা বাংলা সাহিত্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা ব্যাখ্যা: এটি কবির প্রকৃতি বন্দনা ও দেশপ্রেমের এক অনন্য কাব্যসমগ্র যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি — এই দুটি কাব্যগ্রন্থই জীবনানন্দ দাশ রচিত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) বনলতা সেন ও উত্তর ফাল্গুনী — বনলতা সেন জীবনানন্দ দাশের কাব্য হলেও উত্তর ফাল্গুনী তাঁর রচনা নয়, এটি একটি চলচ্চিত্র ও উপন্যাস। C) ঝরা পালক ও রাখালী — ঝরা পালক জীবনানন্দ দাশের কাব্য হলেও রাখালী জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। D) ছাড়পত্র ও বনলতা সেন — বনলতা সেন জীবনানন্দ দাশের কাব্য হলেও ছাড়পত্র প্রখ্যাত কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের কাব্য মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো তিনি ধূসর পাণ্ডুলিপিতে লিখে বেলা অবেলা কালবেলা পার করেছেন। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগুলোর মধ্যে বনলতা সেন, মহাপৃথিবী এবং রূপসী বাংলা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং প্রকাশিত সাল জানতে চাওয়া হয়। লেখকদের কাব্যগ্রন্থ আলাদা করার সময় অন্য কবিদের বিখ্যাত গ্রন্থ যেমন সুকান্তের ছাড়পত্র বা জসীমউদ্দীনের রাখালী সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
a ১৯০৫ সালে
b ১৯১৩ সালে
c ১৯২৩ সালে
d ১৯২৫ সালে
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৩ সালে ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে এই prestigious সম্মান অর্জন করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ই মে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪১ সালের ৭ই আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন। তার 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তাকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডব্লিউ বি ইয়েটস ব্যাখ্যা: তিনি 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখে দিয়েছিলেন। উদাহরণ ২: সং অফারিংস ব্যাখ্যা: এটি 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের মূল ইংরেজি নাম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৫ সালে — এই বছর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়, নোবেল প্রাপ্তির সাল এটি নয়। B) ১৯১৩ সালে — এটি সঠিক উত্তর। C) ১৯২৩ সালে — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পাননি, এটি ভুল সাল। D) ১৯২৫ সালে — এই সালে কোনো নোবেল প্রাপ্তি ঘটেনি, এটি একটি কাল্পনিক সাল। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের নোবেল প্রাপ্তির সাল মনে রাখতে ১৯১৩ সংখ্যাটি মনে রাখুন। তার সাহিত্য সাধনার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ছিল এই বছরটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম বাঙালি ও এশীয় নোবেলজয়ী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার নোবেল প্রাপ্তির সাল এবং গ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে।
a দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
b রজনীকান্ত সেন
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d অতুলপ্রসাদ সেন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা প্রবর্তন করেন। - তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট রীতির আদলে বাংলায় সনেট রচনা করেন এবং এর নাম দেন চতুর্দশপদী কবিতা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা কবিতার জনক এবং মহাকাব্যের প্রবর্তক হিসেবে সমাদৃত। - তাঁর বিখ্যাত সনেট সংকলন হলো চতুর্দশপদী কবিতাবলী, যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপোতাক্ষ নদ ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সনেট। উদাহরণ ২: বঙ্গভাষা ব্যাখ্যা: এটিও কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — তিনি একজন বিখ্যাত নাট্যকার ও গীতিকার ছিলেন, সনেটের প্রবর্তক নন। B) রজনীকান্ত সেন — তিনি মূলত ভক্তিমূলক ও দেশাত্মবোধক গানের জন্য বিখ্যাত, সনেটের প্রবর্তক নন। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর, তাই কোনো ভুল নেই। D) অতুলপ্রসাদ সেন — তিনি একজন বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার ছিলেন, সনেট প্রবর্তনের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধু মানে মিষ্টি, আর সনেটও কবিতার একটি সুমিষ্ট রূপ। এভাবে মনে রাখতে পারো সনেটের প্রবর্তক মধুসূদন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - সনেটে চরণের সংখ্যা থাকে চৌদ্দটি এবং প্রতি চরণে চৌদ্দ অক্ষর থাকে।
a মুক্তিযুদ্ধ
b ভাষা আন্দোলন
c ঊনসত্তর-এর গণঅভ্যুত্থান
d স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি ভাষা আন্দোলন পটভূমিতে লেখা। - শহীদ বরকত ও অন্যান্য শহীদদের আত্মত্যাগের প্রেক্ষাপটে নাটকটি রচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে কারাবন্দী অবস্থায় নাটকটি রচনা করেন। - এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একাঙ্ক নাটক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হানের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত একটি উপন্যাস। উদাহরণ ২: ভাষা আন্দোলনের গান ব্যাখ্যা: আব্দুল গাফফার চৌধুরীর লেখা বিখ্যাত গান আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তিযুদ্ধ — ১৯৭১ সালের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি লেখা নয়। C) ঊনসত্তর-এর গণঅভ্যুত্থান — ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে নাটকটি রচিত হয়নি। D) স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন — স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের বহু পূর্বে নাটকটি রচিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরী কবর লিখেছিলেন জেলে বসে ১৯৫৩ সালে। - ভাষা আন্দোলনের প্রথম সাহিত্যিক ফসল হলো এই কবর নাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নাটকটির রচিয়তা মুনীর চৌধুরী একজন শহীদ বুদ্ধিজীবী। - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক যেকোনো সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রে প্রকাশকাল ও পটভূমি প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a প্রমথ চৌধুরী
b সিরাজুন ইসলাম চৌধুরী
c মোতাহার হোসেন চৌধুরী
d মুনীর চৌধুরী
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - বীরবল হলো প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত ছদ্মনাম, যা তিনি বাংলা সাহিত্যে গদ্য রচনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতেন। - তাঁর সম্পাদিত সবুজ পত্র পত্রিকায় তিনি এই ছদ্মনামে বিভিন্ন মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য রচনা লিখতেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবক্তা এবং বাংলা ছোটগল্পের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার হিসেবে পরিচিত। - তিনি বাংলা সাহিত্যে বীরবলী বা খেয়ালি গদ্যরীতির প্রবর্তন করেন, যা ছিল অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত ও প্রখর যুক্তিসম্পন্ন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে লিখিত প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ হলো বীরবলের হালখাতা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে লেখকের তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও সমাজের বিভিন্ন দিকের ওপর চমৎকার মননশীল আলোচনা রয়েছে। উদাহরণ ২: তাঁর আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন হলো রায়তের কথা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে কৃষকদের অধিকার ও সমাজব্যবস্থা নিয়ে প্রমথ চৌধুরীর প্রগতিশীল চিন্তার প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বীরবল ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। B) সিরাজুন ইসলাম চৌধুরী — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ, কোনো ছদ্মনাম হিসেবে বীরবল ব্যবহার করেননি। C) মোতাহার হোসেন চৌধুরী — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি একজন প্রাবন্ধিক হলেও তাঁর কোনো বিখ্যাত ছদ্মনাম বীরবল ছিল না। D) মুনীর চৌধুরী — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও সাহিত্যিক, যাঁর পরিচিতি অন্য নামে রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর নামের প্রথম অক্ষর প এবং তাঁর বিখ্যাত পত্রিকার নাম সবুজ পত্র, আর ছদ্মনাম বীরবল। - বীরবল নামটি মনে রাখতে সম্রাট আকবরের সভার বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন বীরবলের কথা স্মরণ করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস সিরাজগঞ্জ হলেও তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
a ঈশ্বরগুপ্ত
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
c ভারতচন্দ্র রায়
d আলাওল
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভারতচন্দ্র রায় ১. কেন সঠিক: - অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট মধ্যযুগীয় কবি ভারতচন্দ্র রায় তাঁর অসাধারণ কাব্যপ্রতিভার জন্য নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের কাছ থেকে 'রায়গুনাকর' উপাধি লাভ করেন। - তাঁর বিখ্যাত কাব্য অন্নদামঙ্গল কাব্যের সাহিত্যিক উৎকর্ষ ও চমৎকার শব্দচয়নের কারণে তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভারতচন্দ্র রায় অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের শেষভাগের কবি এবং মঙ্গলকাব্যের ধারার অন্যতম শেষ কবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর অমর সৃষ্টি অন্নদামঙ্গল কাব্য তিন ভাগে বিভক্ত, যার মধ্যে বিদ্যাসুন্দর অংশটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতচন্দ্র রায় রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যটি রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের নির্দেশেই রচিত হয়েছিল এবং এতে সমকালীন সমাজের চিত্র ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: ভারতচন্দ্র রায় রচিত 'সত্যনারায়ণ ব্রতকথা'। ব্যাখ্যা: এটি কবির একটি ছোট ও ধর্মীয় বা লৌকিক কাহিনিভিত্তিক কাব্য রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরগুপ্ত — তিনি আধুনিক যুগের প্রাক-কালের কবি ও সংবাদপত্রের সম্পাদক ছিলেন, যাঁকে 'রায়গুনাকর' উপাধি দেওয়া হয়নি। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক, যিনি এই উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) আলাওল — তিনি সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি, যিনি 'পদ্মাবতী' কাব্যের জন্য বিখ্যাত। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভারতচন্দ্র রায়ের নামের শেষ অংশ রায় এবং উপাধির শুরুতেও রায় শব্দ আছে, যা দিয়ে সহজে মিল পাওয়া যায়। - মনে রাখতে হবে গুণী কবি ভারতচন্দ্রই পেয়েছিলেন রায়গুনাকর উপাধি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মধ্যযুগীয় কবিদের উপাধি এবং তাঁদের পৃষ্ঠপোষক রাজাদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - কবি ভারতচন্দ্র রায় কোন রাজসভার কবি ছিলেন, এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a সোনার তরী
b পূরবী
c বলাকা
d পুনশ্চ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বলাকা ১. কেন সঠিক: - ‘ছবি’ কবিতাটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত একটি বিখ্যাত কবিতা। - এই কবিতার মূল থিম হলো গতি, পরিবর্তন এবং স্থবিরতা ভেঙে জীবনের প্রবহমানতার জয়গান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর কবিতায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালের অস্থিরতা ও গতির বার্তা প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থের ‘শাহজাহান’ কবিতা। ব্যাখ্যা: এটিও বলাকা কাব্যগ্রন্থের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ও গভীর ভাবসমৃদ্ধ কবিতা। উদাহরণ ২: ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থের ‘সাজাহান’ বা ‘বলাকা’ নামক নামাঙ্কিত কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় বলাকার ডানার ঝাপটায় গতির প্রকাশ ঘটেছে যা পুরো কাব্যগ্রন্থের মূল সুর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনার তরী — এই কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে ‘সোনার তরী’, ‘নিরুদ্দেশ যাত্রা’র মতো বিখ্যাত কবিতা রয়েছে কিন্তু ‘ছবি’ নেই। B) পূরবী — এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত প্রবাসে লেখা রোমান্টিক ও পর্যটন ভাবনার কবিতা সংকলন। D) পুনশ্চ — এটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি গদ্যকবিতার সংকলন যেখানে ‘ছবি’ কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বলাকা মানেই গতির ডানা, আর বলাকার ‘ছবি’ দেখলে মনে গতি আসে। এভাবে ছন্দে ছন্দে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল এবং এর বিখ্যাত কবিতাগুলো বারবার আসে। - কাব্যগ্রন্থভিত্তিক কবিতার নামগুলো আলাদা করে তালিকা করে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

মোট প্রশ্ন (24)

a shines
b has shone
c shine
d was shining
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was shining কেন সঠিক: বাকyটির দুটি অংশের একটি অতীতকালের ঘটনা এবং অন্যটি সেই সময়ে চলমান কাজ বোঝাচ্ছে। তাই প্রথম অংশে Past Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shines — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীতকালের চলমান ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) has shone — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের চলমান কাজ প্রকাশ করে না। C) shine — এটি Verb এর Present Form, যার পূর্বে কোনো উপযুক্ত সাহায্যকারী ভার্ব নেই। D) was shining — এটি সঠিক এবং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: As বা While যুক্ত বাক্যের একটি অংশ Past Continuous Tense হলে অন্য অংশটি সাধারণত Past Indefinite Tense হয়।
a It is done by you
b Let it be done
c Let done it by you
d Let be it done (by you)
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Let it be done কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি দিয়ে আদেশ বোঝানো হয়েছে। তাই passive করার নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসে এবং object-এর পর be যুক্ত হয়ে মূল verb-এর Past Participle বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is done by you — Imperative sentence-কে সাধারণ নিয়মে passive করা যায় না। B) Let it be done — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। C) Let done it by you — এখানে be-এর পরিবর্তে সরাসরি done ব্যবহার করায় ব্যাকরণগত ভুল হয়েছে। D) Let be it be done (by you) — এখানে শব্দের ক্রম ভুল রয়েছে কারণ be শব্দটি it-এর পরে বসার কথা ছিল। মনে রাখার টিপস: মূল Verb দিয়ে শুরু হওয়া Imperative Sentence-কে passive করার সময় প্রথমে Let বসাতে হয় এবং মূল Verb-এর আগে অবশ্যই be যোগ করতে হয়।
a have been
b had
c has been
d were
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has been কেন সঠিক: - ভগ্নাংশ বা Percentage-এর পরে কোনো uncountable বা singular noun থাকলে verb টি singular হয়। - এখানে the work একটি singular noun হওয়ায় singular verb হিসেবে has been ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have been — এটি plural verb, যা singular subject-এর সাথে বসে না। B) had — বাক্যটি passive voice-এ রয়েছে এবং finished-এর পূর্বে auxiliary verb হিসেবে has been প্রয়োজন। C) has been — এটি সঠিক উত্তর। D) were — এটি plural past verb, যা singular subject এবং present tense-এর সাথে অসংগত। মনে রাখার টিপস: ভগ্নাংশের পর singular noun থাকলে verb singular এবং plural noun থাকলে verb plural হয়।
a with
b from
c to
d at
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) from কেন সঠিক: - কোনো ব্যক্তি বিশেষ থেকে চিরতরে বিচ্ছিন্ন হওয়া বা সম্পর্কচ্ছেদের ক্ষেত্রে 'part' শব্দের পরে 'from' প্রিপজিশন বসে। - এখানে স্ত্রীর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝানো হয়েছে, তাই 'from' সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — কোনো বস্তুর ক্ষেত্রে বা কারো সাথে যৌথভাবে কিছু ছাড়ার ক্ষেত্রে 'part with' ব্যবহৃত হয়, ব্যক্তির ক্ষেত্রে নয়। B) from — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কোনো ব্যক্তি থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝাতে 'part from' বসে। C) to — 'part' শব্দের পরে গন্তব্য বা অন্য কোনো অর্থে 'to' প্রিপজিশন বসে না। D) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা দিকে বোঝাতে 'at' বসে, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির (Person) ক্ষেত্রে 'part from' এবং বস্তুর (Thing) ক্ষেত্রে 'part with' ব্যবহার করবে।
a Paper is made of wood
b Paper is made from wood
c Paper is made by wood
d Paper is made on wood
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Paper is made from wood কেন সঠিক: যখন কোনো বস্তুর উপাদানের রূপান্তর ঘটে এবং মূল উপাদানটি আর চেনা যায় না, তখন made from ব্যবহার করা হয়। কাঠ থেকে কাগজ তৈরি হলে কাঠের আসল রূপটি আর থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Paper is made of wood — উপাদান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে of ব্যবহার করা হয় না, কারণ এতে বোঝায় উপাদানটি অপরিবর্তিত আছে। B) Paper is made from wood — এটি সঠিক কারণ কাঠ রূপান্তরিত হয়ে কাগজে পরিণত হয় এবং কাঠকে আর আগের অবস্থায় পাওয়া যায় না। C) Paper is made by wood — কোনো ব্যক্তি বা এজেন্টের দ্বারা কাজ সম্পন্ন বোঝালে by বসে, তাই এখানে এটি ভুল। D) Paper is made on wood — কোনো কিছুর উপরে অবস্থিত বোঝাতে on বসে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: রূপান্তর ঘটে মূল বস্তু চেনা না গেলে made from এবং রূপান্তর না ঘটে মূল বস্তু চেনা গেলে made of বসে।
a demography
b pollution
c atmosphere
d environment
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) environment কেন সঠিক: - ecological শব্দটি ecology থেকে এসেছে যার অর্থ পরিবেশবিদ্যা বা বাস্তুবিদ্যা। - এটি মূলত জীবজগৎ এবং তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশের পারস্পরিক সম্পর্কের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) demography — এর অর্থ জনমিতি বা জনসংখ্যা গবেষণা, যা মানব জনসংখ্যার পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করে। B) pollution — এর অর্থ দূষণ, যা পরিবেশের একটি নেতিবাচক উপাদান হলেও ecology শব্দের সামগ্রিক অর্থ বহন করে না। C) atmosphere — এর অর্থ বায়ুমণ্ডল, যা পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট অংশ মাত্র কিন্তু পুরো পরিবেশকে বোঝায় না। D) environment — এর অর্থ পরিবেশ, যা জীব ও প্রকৃতির সামগ্রিক অবস্থাকে নির্দেশ করে এবং ecological শব্দের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: Eco শব্দের অর্থ পরিবেশ বা প্রকৃতি, তাই ecological শব্দটি সরাসরি environment বা পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত।
a to
b for
c than
d of
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: alternative শব্দের পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় to বসে। তাই নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক উত্তর হবে to। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী বসে। B) for — alternative শব্দের পরে for বসে না। C) than — তুলনামূলক বাক্যে than বসে, কিন্তু এখানে তুলনার কিছু নেই। D) of — এখানে কোনো অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাতে of বসে না। মনে রাখার টিপস: alternative শব্দের পরে সব সময় to ব্যবহার করবে।
a Tsunami
b Sunami
c Suname
d Sunamee
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Tsunami কেন সঠিক: - জাপানি ভাষা থেকে আগত এই শব্দটিতে বানানের শুরুতেই একটি নীরব বা উহ্য টি অক্ষর থাকে। - আন্তর্জাতিক প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক বানানটি হলো টি সুনামি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tsunami - এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। B) Sunami - এই বানানটিতে শুরুতে প্রয়োজনীয় টি অক্ষরটি বাদ দেওয়া হয়েছে যা ভুল। C) Suname - এই অপশনটির শেষের অংশ ভুল এবং এটি কোনো গ্রহণযোগ্য ইংরেজি বানান নয়। D) Sunamee - এই বানানটিতে শেষের দীর্ঘ উচ্চারণ বোঝাতে ভুল ইই ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সুনামি লেখার সময় মাথায় রাখবে যে বানানের শুরুতে একটি নীরব টি অক্ষর যোগ করতে হয়।
a Ten
b Twelve
c Twenty
d Fourteen
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Fourteen কেন সঠিক: সনেট হলো চোদ্দো লাইনের একটি নির্দিষ্ট ছন্দে লেখা কবিতা। এর প্রতি চরণে নির্দিষ্ট মাত্রা ও মিলের বিন্যাস থাকে। এটি মূলত ইংরেজি সাহিত্যে ইতালীয় সনেট থেকে এসেছে। শেক্সপীয়ার এবং মিল্টন এই ধারার বিখ্যাত কবি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ten — এই সংখ্যক লাইনের কোনো প্রথাগত নির্দিষ্ট কবিতার রূপ নেই। B) Twelve — বারো লাইনের কবিতাকে সনেট বলা যায় না। C) Twenty — বিশ লাইনের কোনো ক্লাসিক্যাল কবিতার নাম সনেট নয়। D) Fourteen — এই অপশনটি সঠিক কারণ সনেটের নির্ধারিত লাইন সংখ্যা চোদ্দো। মনে রাখার টিপস: সনেট শব্দ দেখলে মাথায় রাখবে এই কবিতা সবসময় চোদ্দো লাইনের হয়।
a quest
b select
c insert
d collect
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) insert কেন সঠিক: Extract শব্দের অর্থ কোনো কিছু টেনে বের করা বা কোনো স্থান থেকে তুলে আনা। অন্যদিকে insert শব্দের অর্থ কোনো কিছু ভেতরে প্রবেশ করানো বা স্থাপন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) quest - এই শব্দের অর্থ অন্বেষণ বা সন্ধান করা, যার সাথে extract শব্দের অর্থের কোনো মিল নেই। B) select - এই শব্দের অর্থ বাছাই করা বা নির্বাচন করা, যা বের করার বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) insert - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) collect - এই শব্দের অর্থ সংগ্রহ করা, যা কোনো কিছু বের করার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Extract অর্থ বের করা এবং Insert অর্থ প্রবেশ করানো। এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত হিসেবে মনে রাখবে।
a indifference
b desire
c aimlessness
d purposelessness
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) desire কেন সঠিক: ambition শব্দের অর্থ হলো উচ্চাশা বা প্রবল ইচ্ছা। desire শব্দের অর্থও তীব্র ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা, যা ambition এর সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) indifference — এর অর্থ উদাসীনতা, যা ambition শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) desire — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) aimlessness — এর অর্থ লক্ষ্যহীনতা, যা উচ্চাশা বা ambition এর সাথে মেলে না। D) purposelessness — এর অর্থ উদ্দেশ্যহীনতা, যা ambition বা সফলতার লক্ষ্যের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: অম্বিশন মানে বড় কিছু পাওয়ার তীব্র ইচ্ছা, আর ডিজায়ার মানেও মনের গভীরের প্রবল চাওয়া।
a Keats
b Tennyson
c Shakespeare
d Johnson
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shakespeare কেন সঠিক: ম্যাকবেথ নাটকটির রচয়িতা বিশ্বখ্যাত ইংরেজি নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র। এটি তাঁর লেখা অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং ক্লাসিক একটি ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্তক নাটক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Keats — জন কিটস্ একজন বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের কবি, যিনি কোনো নাটক লেখেননি। B) Tennyson — লর্ড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন প্রখ্যাত কবি, নাট্যকার নন। C) Shakespeare — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। D) Johnson — স্যামুয়েল জনসন একজন বিখ্যাত ইংরেজ লেখক ও সমালোচক ছিলেন, এই নাটকের রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: ম্যাকবেথ এবং হ্যামলেট উভয় বিখ্যাত ট্র্যাজেডির রচয়িতা হলেন শেক্সপিয়র।
a independence
b sub-ordination
c disbelief
d dependence
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) dependence কেন সঠিক: Reliance শব্দের অর্থ হলো নির্ভরতা বা কারো ওপর ভরসা করা। dependence শব্দের অর্থও ঠিক একই রকম অর্থাৎ নির্ভরতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) independence — এই শব্দটির অর্থ স্বাধীনতা, যা reliance শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। B) sub-ordination — এর অর্থ অধীনতা, যা reliance শব্দের সঠিক সমার্থক নয়। C) disbelief — এই শব্দটির অর্থ অবিশ্বাসী হওয়া বা অবিশ্বাস করা। D) dependence — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ নির্ভরতা। মনে রাখার টিপস: Reliance শব্দে rely ভার্বটি আছে যার অর্থ নির্ভর করা এবং এর নাউন রূপ হলো dependence।
a for
b since
c upto
d more than
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) since কেন সঠিক: নির্দিষ্ট করে কোনো সময়ের শুরুর বিন্দু বা নির্দিষ্ট প্রহর বোঝাতে তার পূর্বে since বসে। এই বাক্যে বৃষ্টির শুরুর নির্দিষ্ট সময় ৭ টা বোঝানো হয়েছে। তাই এখানে সঠিক preposition হবে since। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — নির্দিষ্ট কোনো সময়ের ব্যাপ্তি বা দীর্ঘ সময় বোঝাতে for বসে, যা নির্দিষ্ট প্রহর বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। B) since — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। C) upto — কোনো সীমা বা শেষ পর্যায় বোঝাতে upto ব্যবহৃত হয়, যা সময়ের শুরুর বিন্দু নির্দেশ করতে পারে না। D) more than — এর অর্থ অধিক বা বেশি, যা সময়ের ব্যাপ্তি বোঝাতে ব্যবহূত হলেও এখানে grammatical নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময়ের নাম থাকলে since এবং সময়ের মেয়াদ বা ব্যাপ্তি থাকলে for বসে।
a raising
b risen
c raised
d rising
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) rising কেন সঠিক: চালের দাম নিজেই বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই এখানে intransitive verb ব্যবহার করতে হবে। বর্তমান সময়ের ধারাবাহিকতা বোঝাতে Present Continuous Tense এর নিয়ম অনুযায়ী rising সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) raising — এটি transitive verb যার পরে অবজেক্ট দরকার হয়, কিন্তু এখানে কোনো অবজেক্ট নেই। B) risen — এটি Past Participle রূপ, যার আগে have বা has না থাকায় এটি একা বসতে পারে না। C) raised — এটি Past Tense রূপ যা বাক্যটির বর্তমান ধারাবাহিক অর্থের সাথে মিলে না। D) rising — এটি সঠিক কারণ এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি পাওয়া বোঝায় এবং গঠনগতভাবে সঠিক। মনে রাখার টিপস: নিজের থেকে যা বাড়ে তার সাথে rising বসে এবং যা অন্য কেউ বাড়ায় তার সাথে raising বসে।
a are
b is
c was
d am
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) are কেন সঠিক: বাক্যে 'He' এবং 'I' দুটি ভিন্ন Subject 'and' দ্বারা যুক্ত হয়ে Plural Subject গঠন করেছে। Grammar-এর নিয়ম অনুযায়ী Subject Plural হলে Verb-ও Plural হয়, তাই এখানে are ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) are — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের Subject-এর সাথে সঠিকভাবে মিলে গেছে। B) is — এটি Singular Verb হওয়ায় Plural Subject-এর সাথে ব্যবহার করা যায় না। C) was — এটি Singular Past Tense-এর Verb, যা এই Plural Subject-এর জন্য প্রযোজ্য নয়। D) am — এটি শুধু প্রথম পুরুষ 'I'-এর সাথে বসে, তাই এখানে ব্যবহার করা ভুল হবে। মনে রাখার টিপস: একাধিক ব্যক্তি and দ্বারা যুক্ত থাকলে Subject সব সময় Plural হয় এবং Verb-ও Plural বসে।
a to see
b meeting
c to hearing from
d to come
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to hearing from কেন সঠিক: বাক্যে 'look forward to' একটি বিশেষ ফ্রেজ, যার পরে সব সময় ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়। এছাড়াও কারও কাছ থেকে চিঠি বা সাড়া পাওয়ার ক্ষেত্রে 'hearing from you' একটি সঠিক ও বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to see — 'to' এর পর এখানে কেবল বেস ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'seeing' হওয়া উচিত ছিল। B) meeting — এই শব্দের আগে প্রয়োজনীয় 'to' অংশটি না থাকায় এটি বাক্যের অর্থের সাথে ব্যাকরণগতভাবে মেলে না। D) to come — এর অর্থ এই বাক্যের প্রসঙ্গের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এখানে নির্দিষ্ট ফ্রেজের নিয়ম মানা হয়নি। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'look forward to' দেখলে চোখ বন্ধ করে ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত ফর্মটি বসিয়ে দেবে।
a face to face
b interview
c examination
d orally
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) interview কেন সঠিক: লাতিন শব্দগুচ্ছ ভাইভা ভয়েস এর শাব্দিক অর্থ মুখে মুখে এবং এটি মূলত চাকরির ক্ষেত্রে মৌখিক সাক্ষাৎকারকে বোঝায়। এই বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে সরাসরি কথা বলে প্রার্থীর যোগ্যতা যাচাই করা হয়। তাই সামগ্রিক অর্থে একে ইন্টারভিউ বা সাক্ষাৎকার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) face to face — এটি দিয়ে মুখোমুখি বোঝায় কিন্তু এটি কোনো নির্দিষ্ট পরীক্ষার নাম নয়। B) interview — এই অপশনটি সঠিক এবং ভাইভা ভয়েস এর সাথে সরাসরি মিলে যায়। C) examination — এটি একটি সাধারণ শব্দ যা যেকোনো পরীক্ষাকে বোঝায় কিন্তু ভাইভা শুধু মৌখিক পরীক্ষা। D) orally — এটি একটি adverb বা ক্রিয়াবিশেষণ যা কাজের ধরন বোঝায় কিন্তু এটি সরাসরি বিশেষ্য পদ নয়। মনে রাখার টিপস: ভাইভা মানেই মুখোমুখি কথা বলে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার।
a first speech
b last speech
c female speech
d early speech
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) first speech কেন সঠিক: Maiden Speech একটি ইংরেজি idiom বা বাগধারা। যার আক্ষরিক অর্থ কুমারীর বক্তব্য হলেও এর ভাবার্থ হলো কারও জীবনের প্রথম বক্তৃতা। এটি সাধারণত নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সংসদে দেওয়া প্রথম ভাষণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এই বিশেষ অর্থটি ঐতিহাসিক রীতি থেকে এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) first speech — এটি সঠিক উত্তর কারণ idiom অনুযায়ী এর অর্থ প্রথম বক্তৃতা। B) last speech — এটি ভুল কারণ শেষ বক্তৃতাকে maiden speech বলা হয় না। C) female speech — এটি ভুল কারণ maiden শব্দের আক্ষরিক অর্থ কুমারী হলেও এটি নারীর ভাষণ বোঝায় না। D) early speech — এটি ভুল কারণ প্রারম্ভিক যেকোনো বক্তব্যকে সরাসরি maiden speech বলা যায় না। মনে রাখার টিপস: Maiden শব্দের অর্থ কুমারী বা প্রথম। তাই কোনো ব্যক্তি পেশাগত জীবনে বা সংসদে যে প্রথম ভাষণ দেন, তাকে Maiden Speech বলা হয়।
a without
b but
c that
d beside
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) but কেন সঠিক: এই বাক্যে but শব্দটি except বা ব্যতিরেখ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ হলো আলম ছাড়া আর কেউ রাস্তাটি জানত না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) without — এটি সাধারণত প্রিপজিশন হিসেবে বসে এবং এই শূন্যস্থানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। B) but — এটি এখানে সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) that — এটি কনজাংংশন বা প্রোনাউন হিসেবে বসে, যা এই বাক্যের গঠন অনুযায়ী সঠিক নয়। D) beside — এর অর্থ পাশে, যা এখানে কোনো অর্থ তৈরি করছে না। মনে রাখার টিপস: Nobody বা None এর পর except বা ব্যতিরেখ বোঝাতে but ব্যবহার করতে হয়।
a better
b rather
c would rather
d would better
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) would rather কেন সঠিক: - বাক্যে দুটি কাজের মধ্যে তুলনা করতে এবং বরং ভালো বা পছন্দ করা বোঝাতে would rather ব্যবহৃত হয়। - would rather-এর পর সাধারণত than বসে, যা প্রদত্ত বাক্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) better — এটি তুলনামূলক ডিগ্রি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু would ছাড়া একা বসে এই বাক্যের গঠন সম্পূর্ণ করতে পারে না। B) rather — এর আগে would বা অন্য কোনো উপযুক্ত সাহায্যকারী ক্রিয়া না থাকায় এটি grammatically সঠিক কাঠামো তৈরি করে না। C) would rather — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি would rather... than কাঠруп সম্পূর্ণ করে। D) would better — এটি ভুল কারণ ইংরেজিতে would rather প্রচলিত হলেও would better বলে কোনো সঠিক প্রমিত কাঠামো নেই, বরং had better ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে than থাকলে এবং দুটি পছন্দের মধ্যে তুলনা বোঝালে শূন্যস্থানের আগে would rather বসবে।
a noun
b Adjective
c verb
d adverb
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adjective কেন সঠিক: - সাধারণত noun-এর শেষে ly যুক্ত হলে তা Adjective হয়, যেমন homely (home + ly)। - এটি কোনো Noun-এর পূর্বে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি কোনো কিছুর নাম নির্দেশ করে না, তাই noun নয়। B) Adjective — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর গঠনগত নিয়মকে সমর্থন করে। C) verb — এটি কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝায় না, তাই verb নয়। D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কেmodify করে না, তাই adverb নয়। মনে রাখার টিপস: Noun-এর সাথে ly যুক্ত হলে সাধারণত Adjective হয়, আর Adjective-এর সাথে ly যুক্ত হলে Adverb হয়।
a over
b eye
c egg
d lip
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) egg কেন সঠিক: Oval শব্দের অর্থ ডিম্বাকার এবং এটি মূলত egg শব্দের বিশেষণ রূপ। ল্যাটিন শব্দ ovum থেকে এসেছে যার অর্থ ডিম। ডিম আকৃতির বস্তুকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে egg নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) over — এটি একটি প্রিপজিশন বা অ্যাডভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সাথে আকৃতির কোনো সম্পর্ক নেই। B) eye — এটি একটি নাউন যার অর্থ চোখ এবং এর বিশেষণ রূপ ভিন্ন হয়। C) egg — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) lip — এটি একটি নাউন যার অর্থ ঠোঁট এবং এটিও ডিম্বাকৃতি বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Oval শব্দের অর্থ মনে রাখার জন্য মাথায় ডিমের আকৃতির কথা চিন্তা করতে হবে।
a lady doctor
b doctress
c nurse
d doctorex
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) lady doctor কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে অনেক পেশাবাচক শব্দের নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক রূপ না থাকায় তার পূর্বে lady বা woman যুক্ত করতে হয়। - Doctor শব্দের ক্ষেত্রে প্রচলিত ও সামাজিকভাবে স্বীকৃত স্ত্রীবাচক রূপ হলো lady doctor। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lady doctor — এটি সঠিক কারণ প্রচলিত ইংরেজি ব্যবহারে নারী চিকিৎস বোঝাতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়। B) doctress — এটি ব্যাকরণগতভাবে অপ্রচলিত এবং আধুনিক ইংরেজিতে এই ধরনের প্রত্যয়যুক্ত শব্দ ব্যবহার করা হয় না। C) nurse — নার্স একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন পেশা, এটি ডক্টরের সমার্থক বা স্ত্রীবাচক রূপ নয়। D) doctorex — এটি একটি সম্পূর্ণ অর্থহীন ও কাল্পনিক শব্দ, ইংরেজি অভিধানে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: কিছু পেশার ক্ষেত্রে স্ত্রীবাচক বোঝাতে শব্দের শেষে পরিবর্তন না করে সামনে lady বসাতে হয়, যেমন lady doctor।

মোট প্রশ্ন (14)

a ৪৮ টাকা
b ৫০ টাকা
c ৫২ টাকা
d ৪২ টাকা
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৮ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ৩৬ টাকায় জিনিসটি বিক্রি করায় কিছু ক্ষতি হয় ৭২ টাকায় বিক্রি করলে তার দ্বিগুণ লাভ হয় ধরি, জিনিসটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ক্ষতি = (ক − ৩৬) টাকা লাভ = (৭২ − ক) টাকা সুতরাং, লাভের পরিমাণ ক্ষতির দ্বিগুণ হওয়ায় লেখা যায় ৭২ − ক = ২ × (ক − ৩৬) সমাধান করে পাই, ৭২ − ক = ২ক − ৭২ ৭২ + ৭২ = ২ক + ক ৩ক = ১৪৪ ক = ৪৮ উত্তর: ৪৮ টাকা
a 3
b 4
c 5
d 6
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬ সংখ্যা দুটির লসাগু ১২০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৫ক দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ক অতএব, সংখ্যা দুটির গসাগু = ক সংখ্যা দুটির লসাগু = ৫ × ৬ × ক = ৩০ক সুতরাং, ৩০ক = ১২০ ক = ১২০ ÷ ৩০ উত্তর: ৪
a 44 log 4
b 10 log 64
c 55 log 2
d log 512
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৫ log ২ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো log ২ + log ৪ + log ৮ + log ১৬ + ...... ধারাটির প্রথম ১০টি পদের সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রথম পদ a = log ২ সাধারণ অন্তর d = log ৪ − log ২ = log (৪ ÷ ২) = log ২ অতএব, প্রথম পদ = log ২ দ্বিতীয় পদ = log ৪ = ২ log ২ তৃতীয় পদ = log ৮ = ৩ log ২ সুতরাং, ধারাটির প্রথম n পদের সমষ্টির সূত্র হলো (n ÷ ২) × ২a + (n − ১)d এখানে পদসংখ্যা n = ১০ উত্তর: (১০ ÷ ২) × ২ log ২ + (১০ − ১) log ২ = ৫ × (২ log ২ + ৯ log ২) = ৫ × ১১ log ২ = ৫৫ log ২
a 4
b 8
c 5
d 7
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল তাদের যোগফলের আট গুণ ধরি, সংখ্যা তিনটি যথাক্রমে ক − ১, ক এবং ক + ১ অতএব, সংখ্যা তিনটির যোগফল = (ক − ১) + ক + (ক + ১) = ৩ক সংখ্যা তিনটির গুণফল = (ক − ১) × ক × (ক + ১) সুতরাং, শর্তমতে, (ক − ১) × ক × (ক + ১) = ৮ × (৩ক) উত্তর: ক এর মান ৫ হওয়ায় সংখ্যা তিনটির গড় ৫
a 1
b 2n-1
c 2n+1
d 3n-1
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২^n+১ (এখানে n পাওয়ার হিসেবে আছে) প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ৩ × ২^n − ৪ × ২^n−২ একে সরল করে সঠিক অপশন বের করতে হবে ধরি, রাশি = ৩ × ২^n − ৪ × ২^n−২ অতএব, ৪ কে লেখা যায় ২ এর স্কয়ার বা ২^২ রাশিটি হয় ৩ × ২^n − ২^২ × ২^n−২ সুতরাং, সূচকের নিয়ম অনুযায়ী গুণের সময় পাওয়ার যোগ হয় ৩ × ২^n − ২^২+n−২ উত্তর: ৩ × ২^n − ২^n = ২ × ২^n = ২^n+১
a -60
b -30
c 5
d 60
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) −৬০ প্রدত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো p² + ৭p + c भाजক হলো p − ৫ ধরি, বহুপদী রাশিটিকে f(p) ধরা যাক f(p) = p² + ৭p + c অতএব, ভাগশেষ উপপাদ্য অনুযায়ী f(৫) = ০ হবে যেহেতু রাশিটি p − ৫ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য সুতরাং, (৫)² + ৭ × ৫ + c = ০ ২৫ + ৩৫ + c = ০ উত্তর: c = −৬০
a 0.03
b 0.06
c 0.05
d ঘ.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঘ. প্রদত্ত তথ্য: আসল ১ = ৪০০ টাকা, সময় ১ = ৮ মাস বা ৮ ভাগ ১২ বছর আসল ২ = ৮০০ টাকা, সময় ২ = ৪ মাস বা ৪ ভাগ ১২ বছর ধরি, সুদের হার = ক % অতএব, প্রথম সুদের পরিমাণ = ৪০০ × ক × (৮ ভাগ ১২) ভাগ ১০০ টাকা প্রথম সুদের পরিমাণ = ৩২ক ভাগ ১২ টাকা দ্বিতীয় সুদের পরিমাণ = ৮০০ × ক × (৪ ভাগ ১২) ভাগ ১০০ টাকা দ্বিতীয় সুদের পরিমাণ = ৩২ক ভাগ ১২ টাকা সুতরাং, উভয় সুদের যোগফল = (৩২ক ভাগ ১২) + (৩২ক ভাগ ১২) = ২৪ টাকা উত্তর: ৬%
a 0.375
b 0.4
c 0.6
d 0.605
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৩৭৫ প্রদত্ত তথ্য: রিক্সাভাড়া বৃদ্ধি পায় = ৬০% ধরি, পূর্বের ভাড়া = ১০০ টাকা নতুন ভাড়া = ১০০ + ৬০ = ১৬০ টাকা অতএব, ভাড়া কমাতে হবে = ১৬০ − ১০০ = ৬০ টাকা ১৬০ টাকায় ভাড়া কমাতে হয় = ৬০ টাকা সুতরাং, ১ টাকায় ভাড়া কমাতে হয় = ৬০ ÷ ১৬০ টাকা ১০০ টাকায় ভাড়া কমাতে হয় = (৬০ × ১০০) ÷ ১৬০ = ৩৭.৫% উত্তর: ৩৭.৫% বা ০.৩৭৫
a ৫ টাকা
b ৯৫ টাকা
c ২০৪ টাকা
d ৪০৮ টাকা
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০৪ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বিলের মোট পরিমাণ = ৪০৮০ টাকা ভ্যাটের হার = ৫% ধরি, ১০০ টাকার বিলে ভ্যাট = ৫ টাকা অতএব, ১ টাকার বিলে ভ্যাট = ৫ ÷ ১০০ টাকা ৪০৮০ টাকার বিলে ভ্যাট = (৫ × ৪০৮০) ÷ ১০০ টাকা সুতরাং, ভ্যাটের পরিমাণ = ২০৪০০ ÷ ১০০ = ২০৪ টাকা উত্তর: ২০৪ টাকা
a ২০ টাকা
b ২১ টাকা
c ১২০ টাকা
d ১২১ টাকা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২১ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল = ১০০ টাকা সুদের হার = ১০% সময় = ২ বৎসর ধরি, চক্রবৃদ্ধি সুদের সূত্র অনুযায়ী হিসাব করতে হবে অতএব, প্রথম বছরের সুদ-আসল = ১০০ + (১০০ এর ১০%) = ১১০ টাকা দ্বিতীয় বছরের মূলধন = ১১০ টাকা সুতরাং, দ্বিতীয় বছরের সুদ-আসল = ১১০ + (১১০ এর ১০%) = ১১০ + ১১ = ১২১ টাকা উত্তর: ১২১ টাকা
a 998
b 988
c 899
d 888
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮৯৯ প্রদত্ত তথ্য: তিন অংকের বৃহত্তম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে তিন অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে ধরি, তিন অংকের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯ তিন অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০ অতএব, সংখ্যা দুটির মধ্যে পার্থক্য বের করতে হবে বৃহত্তম সংখ্যা থেকে ক্ষুদ্রতম সংখ্যা বাদ দিতে হবে সুতরাং, ৯৯৯ − ১০০ = ৮৯৯ উত্তর: ৮৯৯
a 4
b 1
c -1
d 0
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: এখানে চলক এক্স সমান সাইন ওয়াই দেওয়া আছে ওয়াই এর যেকোনো বাস্তব মানের জন্য সাইন ওয়াই এর মান নির্ধারিত হয় ধরি, ওয়াই হলো একটি কোণের পরিমাপ ত্রিকোণমিতিক নিয়ম অনুযায়ী সাইন অনুপাতের সীমা নির্দিষ্ট থাকে অতএব, সাইন ওয়াই এর সর্বনিম্ন মান ঋণাত্মক এক হয় সাইন ওয়াই এর সর্বোচ্চ মান ধনাত্মক এক হয় সুতরাং, এক্স এর মান সাইন ওয়াই এর সমান হওয়ায় এক্স এর সর্বোচ্চ মান এক হবে উত্তর: ১
a 1
b 3
c 6
d 9
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ প্রদত্ত তথ্য: PSC শব্দটিতে মোট বর্ণের সংখ্যা ৩টি এখানে কোনো বর্ণ পুনরাবৃত্তি হয়নি ধরি, প্রথম স্থানে বসানো যায় = ৩টি বর্ণ দ্বিতীয় স্থানে বসানো যায় = ২টি বর্ণ অতএব, তৃতীয় স্থানে বসানো যায় = ১টি বর্ণ সুতরাং, মোট সাজানোর উপায় = ৩ × ২ × ১ = ৬ উত্তর: ৬
a 2
b 3
c 4
d 6
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: বক্ররেখার সমীকরণ হলো y = x^2 স্পর্শক আঁকার বিন্দুটি হলো (২, ৩) ধরি, বক্ররেখার যেকোনো বিন্দুতে ঢাল বের করতে প্রথম অন্তরক নির্ণয় করতে হয় এখানে স্বাধীন চলক হলো x এবং অধীন চলক হলো y অতএব, y কে x এর সাপেক্ষে অন্তরীকরণ করে পাই dy/dx = ২x এটি প্রদত্ত বক্ররেখার যেকোনো বিন্দুতে ঢালের সাধারণ রূপ সুতরাং, (২, ৩) বিন্দুতে ঢাল হবে x এর মান ২ বসিয়ে দুই গুণ দুই উত্তর: ৪

মোট প্রশ্ন (25)

a 10 Gigabites/sec
b 100 Megabites/sec
c 200 Megabites/sec
d 200 Gigabites/sec
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 200 Gigabites/sec কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ২০০৬ সালে সাবমেরিন ক্যাবল কনসোর্টিয়াম SEA-ME-WE-৪ এ যুক্ত হওয়ার পর এই পরিমাণ ব্যান্ডউইথ পায়। - পরবর্তীতে ব্যান্ডউইথ বৃদ্ধি পেলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সিলেবাস ও প্রশ্ন অনুযায়ী সাবমেরিন ক্যাবলের প্রথম ধাপে প্রাপ্ত বরাদ্দ ছিল ২০০ জিবিপিএস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 10 Gigabites/sec — এটি সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাথমিক প্রাপ্ত ব্যান্ডউইথের পরিমাণ নয়। B) 100 Megabites/sec — এই পরিমাণটি বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির গতির তুলনায় অত্যন্ত কম এবং সঠিক নয়। C) 200 Megabites/sec — এটি মেগাবিট প্রতি সেকেন্ডে পরিমাপ করা হয়েছে, যা জিবিপিএস এর পরিবর্তে ভুল একক নির্দেশ করে। D) 200 Gigabites/sec — এটি সাবমেরিন ক্যাবল থেকে বাংলাদেশের প্রথম বরাদ্দ পাওয়া সঠিক ব্যান্ডউইথ। মনে রাখার টিপস: সাবমেরিন ক্যাবলের প্রথম প্রাপ্ত ব্যান্ডউইথ মনে রাখতে দুইশত জিবি (200 GB) সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস
b মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কাব্যগ্রন্থ
c মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনী গ্রন্থ
d মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন কেন সঠিক: - এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রণাঙ্গন থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লেখা চিঠিগুলোর একটি ঐতিহাসিক সংকলন। - এই চিঠিপত্রগুলোতে তৎকালীন মুক্তিযোদ্ধাদের আবেগ, কষ্ট, সাহসিকতা এবং যুদ্ধকালীন বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস — এটি কোনো কাল্পনিক কাহিনীর উপন্যাস নয়, বরং রণাঙ্গন থেকে পাঠানো বাস্তব চিঠির সংকলন। B) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কাব্যগ্রন্থ — এটি কবিতার বই নয়, বরং মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক চিঠির সংকলন। C) মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনী গ্রন্থ — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির আত্মজীবনী বা জীবনী গ্রন্থ নয়, বরং অনেক মুক্তিযোদ্ধার চিঠির সমাহার। D) মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মুক্তিযোদ্ধাদের লেখা চিঠির একটি প্রামাণ্য সংকলন। মনে রাখার টিপস: একাত্তরের চিঠি মানেই মুক্তিযোদ্ধাদের লেখা চিঠি বা পত্রের সংকলন।
a সাঁওতাল
b রাখাইন
c মারমা
d চাকমা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাকমা কেন সঠিক: - জনসংখ্যার দিক থেকে চাকমা সম্প্রদায় বাংলাদেশের বৃহত্তম নৃ-গোষ্ঠী। - এরা প্রধানত রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় বসবাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাঁওতাল — এটি বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলে বসবাসকারী একটি প্রধান নৃ-গোষ্ঠী হলেও চাকমাদের তুলনায় এর জনসংখ্যা কম। B) রাখাইন — প্রধানত পটুয়াখালী, বরগুনা ও কক্সবাজার অঞ্চলে বসবাসকারী একটি নৃ-গোষ্ঠী, যা বৃহত্তম নয়। C) মারমা — পার্বত্য অঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম নৃ-গোষ্ঠী, কিন্তু চাকমাদের পরেই এর অবস্থান। D) চাকমা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বৃহত্তম নৃ-গোষ্ঠী মনে রাখতে "চা" দিয়ে চাকমা এবং "চ" দিয়ে বৃহত্তম মনে রাখতে পারেন।
a ৪৮টি
b ৪৬টি
c ৫৬টি
d কোনোটিই নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যাংকিং তথ্য (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় (প্রদত্ত উত্তরটি সংশোধন করা হলো, কারণ বর্তমান তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা একষট্টিটি) কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে মোট তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা একষট্টিটি। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক সংখ্যা একষট্টি বা একাত্তর না থাকায় সঠিক উত্তর হবে কোনোটিই নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৮টি — এটি বর্তমান বা সাম্প্রতিক সময়ের ব্যাংকের সংখ্যা নয়। B) ৪৬টি — এটি অতীতের কোনো এক সময়ের ব্যাংকের সংখ্যা যা বর্তমানে পরিবর্তন হয়েছে। C) ৫৬টি — এটিও বিগত সময়ের একটি সংখ্যা, বর্তমান সঠিক সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। D) কোনোটিই নয় — সঠিক সংখ্যা একষট্টিটি অপশনে না থাকায় এই উত্তরটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্য পরিবর্তনশীল, তাই পরীক্ষার আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন দেখে সংখ্যা নিশ্চিত করে নেবে।
a মাওলানা ভাসানী
b ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
c এম.আর.আখতার মুকুল
d হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এম.আর.আখতার মুকুল কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান 'চরমপত্র'-এর লেখক ও কথক ছিলেন এম.আর.আখতার মুকুল। - তার ব্যঙ্গাত্মক ও উদ্দীপনাময় উপস্থাপনা মুক্তিযোদ্ধাদের মনে সাহস ও মনোবল যুগিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাওলানা ভাসানী — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, চরমপত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। B) ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী, বহুভাষাবিদ ও সাহিত্যিক ছিলেন, চরমপত্রের উপস্থাপক নন। C) এম.আর.আখতার মুকুল — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই। D) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী ও প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ছিলেন, চরমপত্র পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: চরমপত্র শুনলেই মুকুল ভাইয়ের কণ্ঠের কথা মনে রাখবে, যিনি এম.আর.আখতার মুকুল নামে পরিচিত।
a কক্সবাজার
b বান্দরবান
c লালাখান
d বিছানাকান্দি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) লালাখান কেন সঠিক: - ভৌগোলিক অবস্থান এবং মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখান (বা লালাখাল সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকা) অঞ্চলে বাংলাদেশে সর্বাধিক বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। - অতীতে সিলেটে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত শ্রীমঙ্গল বা সিলেটে হলেও সাম্প্রতিক আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপাত্ত অনুযায়ী পাহাড়ি পাদদেশের এই অঞ্চলটি সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের স্থান হিসেবে চিহ্নিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কক্সবাজার — এটি একটি উপকূলীয় পর্যটন অঞ্চল, যেখানে বার্ষিক ভালো বৃষ্টিপাত হলেও তা দেশের সর্বোচ্চ নয়। B) বান্দরবান — এটি পাহাড়ি জেলা এবং এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, তবে এটি বাংলাদেশের সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের স্থান নয়। D) বিছানাকান্দি — এটি সিলেটের একটি জনপ্রিয় পর্যটন ও পাথর কোয়ারি এলাকা, যা লালাখানের কাছাকাছি হলেও সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ডধারী স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের স্থান মনে রাখতে "লালাখান" নামটি মনে রাখুন, যা সিলেটে অবস্থিত পাহাড়ি বৃষ্টিবহুল অঞ্চল।
a শ্রীমঙ্গল
b ঢাকা
c চট্রগ্রাম
d পঞ্চগড়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চট্রগ্রাম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ চা বোর্ড ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ এলাকায় অবস্থিত। - চা শিল্পের উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে এই সরকারি সংস্থাটি গঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীমঙ্গল — এটি বাংলাদেশের চা উৎপাদনের রাজধানী ও চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবস্থান হলেও চা বোর্ডের প্রধান কার্যালয় এখানে নয়। B) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রধান কার্যালয় থাকলেও চা বোর্ডের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে অবস্থিত। C) চট্রগ্রাম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং চা বোর্ডের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। D) পঞ্চগড় — এটি দেশের সমতল ভূমির চা চাষের প্রধান অঞ্চল হলেও চা বোর্ডের মূল কার্যালয় এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: চা উৎপাদন হয় শ্রীমঙ্গলে, আর চা বোর্ডের হেডকোয়ার্টার বা প্রধান অফিস বন্দরনগরী চট্টগ্রামে।
a ৫.৫ কি.মি.
b ৬.১৫ কি.মি.
c ৬.৭৫ কি.মি.
d ৭ কি.মি.
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬.১৫ কি.মি. কেন সঠিক: - পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং সংযোগ সেতু সহ মোট দৈর্ঘ্য ৯.৮৩ কিলোমিটার। - এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু এবং দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সাথে যোগাযোগের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫.৫ কি.মি. — এটি পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য নয়, এটি অন্য কোনো সেতুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। B) ৬.১৫ কি.মি. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ৬.৭৫ কি.মি. — এই মাপের কোনো তথ্য পদ্মা সেতুর সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ৭ কি.মি. — এটি পদ্মা সেতুর সঠিক দৈর্ঘ্যকে নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ছয় দশমিক পনেরো কিলোমিটার।
a তাইওয়ান
b জাপান
c ব্রাজিল
d ইসরায়েল
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তাইওয়ান কেন সঠিক: - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ হলো পাঁচটি যথা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। - তাইওয়ান জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য তো দূরের কথা, বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবেই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাইওয়ান — এটি জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য নয় এবং বর্তমানে জাতিসংঘের কোনো সদস্য রাষ্ট্রও নয়। B) জাপান — এটি জাতিসংঘের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র এবং নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার জন্য দাবিদার একটি দেশ। C) ব্রাজিল — এটি জাতিসংঘের সাধারণ সদস্য রাষ্ট্র এবং নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদের অন্যতম প্রধান দাবিদার। D) ইসраয়েল — এটি জাতিসংঘের একটি পূর্ণাঙ্গ সদস্য রাষ্ট্র, তবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য দেশ মাত্র পাঁচটি, যাদের মনে রাখার সহজ শব্দ হলো ফ্রেঞ্চ বা ফাইভ পাওয়ার (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন)।
a ৮টি গরিব দেশ
b ৮টি ধনী দেশ
c ৮টি পরিবেশ দূষনকারী দেশ
d ৮টি শিল্পোন্নত দেশ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ৮টি পরিবেশ দূষনকারী দেশ কেন সঠিক: - ই-৮ বলতে বিশ্বের সর্বাধিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী এবং পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী আটটি উন্নয়নশীল দেশকে বোঝায়। - এই দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, চীন, মিশর, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান ও ব্রাজিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮টি গরিব দেশ — এই অপশনটি ভুল কারণ অর্থনৈতিক অবস্থা যেমনই হোক, এই নামের মূল ভিত্তি পরিবেশ দূষণ ও কার্বন নির্গমন। B) ৮টি ধনী দেশ — এই অপশনটি ভুল কারণ জি-৮ বা শিল্পোন্নত ধনী দেশের ধারণার সঙ্গে পরিবেশ দূষণকারী ই-৮ দেশগুলোর তালিকা এক নয়। C) ৮টি পরিবেশ দূষনকারী দেশ — এটি সঠিক কারণ এই আটটি দেশ বিশ্বের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এবং সর্বোচ্চ পরিবেশ দূষণকারী হিসেবে পরিচিত। D) ৮টি শিল্পোন্নত দেশ — এই অপশনটি ভুল কারণ এই তালিকায় থাকা বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের মতো দেশগুলো পুরোপুরি শিল্পোন্নত নয়। মনে রাখার টিপস: ই-এইট বলতে পরিবেশের ক্ষতি বা দূষণের সঙ্গে যুক্ত আটটি জনবহুল উন্নয়নশীল দেশকে মনে রাখবে।
a রুজভেল্ট
b ‘এডলফ হিটলার
c ট্রু ম্যান
d উড্রো উইলসন
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এডলফ হিটলার কেন সঠিক: - ‘মেইন ক্যাম্প’ বা ‘মেইন কাম্ফ’ (Mein Kampf) হলো জার্মানির নাৎসি পার্টির নেতা এডলফ হিটলারের লেখা একটি আত্মজীবনীমূলক রাজনৈতিক গ্রন্থ। - ১৯২৫ এবং ১৯২৬ সালে প্রকাশিত এই বইটিতে হিটলার তার উগ্র জাতীয়তাবাদী ও ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক মতবাদ তুলে ধরেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুজভেল্ট — ইনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং তার কোনো বিখ্যাত গ্রন্থ ‘মেইন ক্যাম্প’ নয়। B) এডলফ হিটলার — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) ট্রু ম্যান — ইনিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং এই বইটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। D) উড্রো উইলসন — ইনিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৪ দফা দাবির জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: হিটলারের উগ্র ও নাৎসি মতবাদ প্রচারের ক্যাম্প বা শিবির থেকে মনে রাখতে পারেন ‘মেইন ক্যাম্প’ বইটি এডলফ হিটলারের লেখা।
a মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c জার্মানি
d ফ্রান্স
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) জার্মানি কেন সঠিক: - ব্ল্যাক ফরেস্ট বা কালো বন জার্মানির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাডেন-ভুয়েম্বার্গ রাজ্যে অবস্থিত একটি পাহাড়ি বনময় অঞ্চল। - ঘন পাইন গাছের সমারোহ এবং দুর্গমতার কারণে আলোর প্রবেশ কম হওয়ায় এর নাম ব্ল্যাক ফরেস্ট বা কালো বন রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এখানে বিখ্যাত পাহাড়ি অঞ্চল বা ন্যাশনাল পার্ক থাকলেও ব্ল্যাক ফরেস্ট নামক বনটি নেই। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যে এই নামের কোনো বিখ্যাত বনভূমি বা ভৌগোলিক অঞ্চল অবস্থিত নয়। D) ফ্রান্স — এটি জার্মানির সীমান্তবর্তী দেশ হলেও ব্ল্যাক ফরেস্ট অঞ্চলটি সম্পূর্ণভাবে জার্মানির ভূসীমার মধ্যে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ব্ল্যাক ফরেস্ট নামটির সাথে জার্মানির ফুটবল দল বা বিয়ারের ঐতিহ্য মনে রাখতে পারেন, কারণ দুটিই জার্মান সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
a পাকিস্তান
b সিরিয়া
c তুরস্ক
d রাশিয়া
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাশিয়া কেন সঠিক: - ‘ইতার তাস’ বা TASS হলো রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা। - এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সংবাদ পরিবেশনের জন্য অত্যন্ত পরিচিত একটি গণমাধ্যম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকিস্তান — পাকিস্তানের সরকারি সংবাদ সংস্থার নাম এপিপি (APP)। B) সিরিয়া — সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার নাম সানা (SANA)। C) তুরস্ক — তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার নাম আনাদোলু এজেন্সি (Anadolu Agency)। D) রাশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইতার তাস রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার বিখ্যাত খেলা বা ভদকার মতো তাদের সংবাদ সংস্থার নাম ‘ইতার তাস’, যা মনে রাখা বেশ সহজ।
a লাল
b নীল
c সবুজ
d বেগুনি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বেগুনি কেন সঠিক: - দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে বেগুনি বর্ণের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং কম্পাঙ্ক ও শক্তি সবচেয়ে বেশি। - ফোটনের শক্তির সূত্রানুযায়ী শক্তি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক হওয়ায় কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কারণে বেগুনি আলোর শক্তি সবচেয়ে বেশি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল — লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং এর শক্তি সবচেয়ে কম। B) নীল — নীল আলোর শক্তি ও কম্পাঙ্ক বেশি হলেও তা বেগুনি অপেক্ষা কম। C) সবুজ — সবুজ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও শক্তি লাল ও বেগুনি আলোর মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে। D) বেগুনি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং শক্তি সবচেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: দৃশ্যমান আলোতে যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার শক্তি ও কম্পাঙ্ক তত বেশি; তাই বেগুনি আলোর শক্তি সর্বাধিক।
a গলনাংক
b ফ্যাদম
c হিমাংক
d ম্যাগনিচিউড
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: C) হিমাংক কেন সঠিক: - হিমাংক হলো সেই নির্দিষ্ট তাপমাত্রা যে তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ জমে কঠিন পদার্থে পরিণত হয়। - এটি পদার্থের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নির্দেশ করে যার নিচে তরল অবস্থা বজায় থাকে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গলনাংক — এটি সেই তাপমাত্রা যে তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ গলে তরলে পরিণত হয়। B) ফ্যাদম — এটি সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপের একটি একক, কোনো তাপমাত্রার একক বা নির্দেশক নয়। D) ম্যাগনিচিউড — এটি ভূমিকম্পের তীব্রতা বা শক্তির পরিমাপের একক, তাপমাত্রার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: হিম শব্দের অর্থ বরফ বা ঠান্ডা, তাই সর্বনিম্ন ঠান্ডার বা জমার বিন্দু হলো হিমাংক।
a রেচনতন্ত্র
b কংকালতন্ত্র
c যকৃত
d ফুসফুস
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ফুসফুস কেন সঠিক: - ফুসফুসের গঠনগত ও কার্যগত একক হলো অ্যালভিওলাই বা বায়ুকূপী, যেখানে রক্ত ও বায়ুর মধ্যে গ্যাসীয় বিনিময় ঘটে। - মানুষের দুটি ফুসফুসে প্রায় ৩০ কোটিরও বেশি অ্যালভিওলাই থাকে যা শ্বসনতন্ত্রের মূল কাজ পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেচনতন্ত্র — এর মূল গঠনতন্ত্রের একক হলো নেফ্রন, যা রক্ত ছেঁকে মূত্র তৈরি করে। B) কংকালতন্ত্র — এর মূল গঠনতন্ত্রের একক হলো অস্থি বা তরুণাস্থি, যা শরীরের কাঠামো ও সুরক্ষা দেয়। C) যকৃত — এটি মানবদেহের বৃহত্তম গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থি, এর গঠনগত একক হলো হেপাটিক লোবিউল। D) ফুসফুস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর গঠনতন্ত্রের একক হলো অ্যালভিওলাই। মনে রাখার টিপস: ফুসফুস ও অ্যালভিওলাই সমার্থক হিসেবে মনে রাখুন, কারণ ফুসফুসের ভেতরেই এই ক্ষুদ্র বায়ুকূপীগুলো থাকে।
a সাইট্রিক এসিড
b অক্সালিক এসিড
c স্যালিক এসিড
d অ্যাসিটিক এসিড
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য সঠিক উত্তর: A) সাইট্রিক এসিড (প্রদত্ত উত্তরটি ভুল, টমেটোতে মূলত ম্যালিক এসিড এবং সাইট্রিক এসিড উভয়ই থাকে, তবে জৈব এসিডগুলোর মধ্যে টমেটো ও লেবুজাতীয় ফলে সাইট্রিক এসিডের উপস্থিতি প্রধান হিসেবে ধরা হয়। তবে উদ্ভিদবিজ্ঞান ও খাদ্য রসায়ন অনুযায়ী টমেটোর প্রধান এসিড হলো সাইট্রিক এসিড এবং ম্যালিক এসিড।) কেন সঠিক: - টমেটোতে প্রাকৃতিকভাবে সাইট্রিক এসিড এবং ম্যালিক এসিড বিদ্যমান থাকে যা এর টক স্বাদের জন্য দায়ী। - পাকা টমেটোতে সাইট্রিক এসিডের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেশি থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাইট্রিক এসিড — এটি টমেটোতে বিদ্যমান প্রধান জৈব এসিডগুলোর একটি যা সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। B) অক্সালিক এসিড — এটি পালং শাক ও টমেটোতে সামান্য পরিমাণে থাকলেও এটি প্রধান এসিড নয়। C) স্যালিক এসিড — এটি সাধারণত এসপিরিন ওষুধ তৈরিতে এবং ত্বকের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, টমেটোতে থাকে না। D) এসিটিক এসিড — এটি মূলত ভিনেগারে থাকে, টমেটোতে থাকে না। মনে রাখার টিপস: টমেটো ও লেবুর টক স্বাদের জন্য সাইট্রিক এসিড দায়ী।
a বেলনাকৃতি
b আয়তাকৃতি
c গোলাকৃতি
d ঘনকাকৃতি
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গোলাকৃতি কেন সঠিক: - একই আয়তনের বিভিন্ন ত্রিমাত্রিক বস্তুর মধ্যে গোলকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল সবচেয়ে কম হয় কারণ এর প্রতিটি বিন্দুর দূরত্ব কেন্দ্র থেকে সমান। - জ্যামিতিক গঠন অনুযায়ী নির্দিষ্ট আয়তনে সর্বনিম্ন পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল অর্জনের জন্য গোলক আকৃতি সবচেয়ে উপযোগী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলনাকৃতি — এর উচ্চতা এবং ব্যাসার্ধের পার্থক্যের কারণে একই আয়তনে ক্ষেত্রফল গোলকের চেয়ে বেশি হয়। B) আয়তাকৃতি — এর কোণ এবং সমতল পৃষ্ঠের উপস্থিতির কারণে ক্ষেত্রফল বেশি হয়। D) ঘনকাকৃতি — এর ধার এবং সমতল পৃষ্ঠের কারণে একই আয়তনে গোলকের তুলনায় পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল বেশি থাকে। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট আয়তনে সর্বদাই গোলকের ক্ষেত্রফল সর্বনিম্ন হয়, তাই পানি বা তরল ফোঁটা সর্বদা গোলকাকৃতি ধারণ করে।
a পল এহর্লিক
b উইলিয়াম রনজেন
c মাদাম কুরি
d গোল্ড সেইন
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পল এহর্লিক কেন সঠিক: - পল এহর্লিক রোগ চিকিৎসায় রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার বা কেমোথেরাপির ধারণা প্রবর্তন করেন। - তিনি আধুনিক কেমোথেরাপির জনক হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পল এহর্লিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি কেমোথেরাপির জনক। B) উইলিয়াম রনজেন — তিনি এক্সরে বা রনজেন রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত। C) মাদাম কুরি — তিনি রেডিয়াম ও পলোনিয়াম আবিষ্কার এবং তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণার জন্য নোবেল পুরস্কার পান। D) গোল্ড সেইন — তিনি অ্যানোড রশ্মি বা প্রোটন আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত। মনে রাখার টিপস: কেমোথেরাপির জনক পল এহর্লিক নামের প্রথম অংশ পল মনে রাখলে সহজেই উত্তরটি মনে রাখা যায়।
a টায়ালিন
b পেপসিন
c রেনিন
d লাইপেজ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টায়ালিন কেন সঠিক: - মুখবিবরের লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালায় টায়ালিন বা অ্যামাইলেজ নামক এনজাইম থাকে। - এই এনজাইম খাদ্যের শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় অংশকে ভেঙে সরল শর্করায় পরিণত করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টায়ালিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) পেপসিন — এটি পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক রস থেকে নিঃসৃত হয় এবং আমি জাতীয় খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। C) রেনিন — এটিও পাকস্থলীতে থাকে এবং দুধের আমিষ পরিপাকে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। D) লাইপেজ — এটি মূলত অগ্ন্যাশয় রস ও অন্ত্রের রসে থাকে এবং স্নেহজাতীয় খাদ্য পরিপাক করে। মনে রাখার টিপস: মুখে খাবার দিলেই লালার টায়ালিন শর্করা পরিপাক শুরু করে, তাই মনে রাখুন মুখ মানেই টায়ালিন।
a কম
b বেশি
c একই
d খুবই কম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একই কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক পাখার গতি কমানোর জন্য ব্যবহৃত রেগুলেটরে রেজিস্ট্যান্স বা রোধ ব্যবহার করা হয়, যা বিদ্যুৎ খরচ কমায় না বরং তাপ হিসেবে অপচয় করে। - পাখা ধীরে ঘুরলেও এটি ঠিক আগের মতোই বিদ্যুৎ শক্তি গ্রহণ করে, তাই বিদ্যুৎ বিল বা খরচে কোনো পরিবর্তন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম — রেজিস্ট্যান্সের মাধ্যমে গতি কমালেও মোট বিদ্যুৎ খরচ কমে না, তাই এটি সঠিক নয়। B) বেশি — পাখা ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ বৃদ্ধি পায় না, বরং একই থাকে। C) একই — পাখা জোরে বা ধীরে যেভাবেই ঘুরুক না কেন, বিদ্যুৎ খরচ অপরিবর্তিত থাকে। D) খুবই কম — এই ধারণটি ভুল কারণ রেগুলেটর ব্যবহার করলেও বিদ্যুৎ খরচ শূন্য বা খুব কম হয় না। মনে রাখার টিপস: পাখার গতি কম হোক বা বেশি, বিদ্যুৎ খরচ সবসময় একই থাকে।
a পাখি
b কীটপতঙ্গ
c মাছ
d সরীসৃপ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কীটপতঙ্গ কেন সঠিক: - এন্টোমোলোজী (Entomology) হলো জীববিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যেখানে কীটপতঙ্গ নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা ও অধ্যয়ন করা হয়। - গ্রিক শব্দ এনটম (Entomon) অর্থ কীটপতঙ্গ এবং লোগিয়া (Logia) অর্থ জ্ঞান বা অধ্যয়ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাখি — পাখি নিয়ে জীববিজ্ঞানের যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে অর্নিথোলজি বলা হয়। B) কীটপতঙ্গ — এটি এন্টোমোলোজী বিষয়ের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) মাছ — মাছ নিয়ে জীববিজ্ঞানের যে শাখায় গবেষণা করা হয় তাকে ইকথোলজি বলা হয়। D) সরীসৃপ — সরীসৃপ ও উভচর প্রাণী নিয়ে জীববিজ্ঞানের যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে হার্পেটোলজি বলা হয়। মনে রাখার টিপস: এন্টো শব্দের সাথে কীট বা পোকার মিল খুঁজে মনে রাখতে পারো যে এটি কীটপতঙ্গ সংক্রান্ত বিজ্ঞান।
a আগ্নেয়গিরির অগ্ল্যৎপাত
b ঘূর্ণীঝড়
c সূর্যগ্রহণ
d সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প কেন সঠিক: - সুনামি একটি জাপানি শব্দ যার অর্থ সমুদ্রের তীরের ঢেউ এবং সমুদ্রের তলদেশে টেকটনিক প্লেটের বিচ্যুতির ফলে এটি সৃষ্টি হয়। - সমুদ্রের তলদেশে আকস্মিক ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির উদগিরণ বা ভূমিধসের কারণে পানির উপরিভাগে বিশাল আকারের ধ্বংসাত্মক ঢেউ বা সুনামির সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগ্নেয়গিরির অগ্ল্যৎপাত — এটি কখনো কখনো সুনামি সৃষ্টি করতে পারলেও সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পই এর প্রধান ও সবচেয়ে সাধারণ কারণ। B) ঘূর্ণীঝড় — এটি বায়ুমণ্ডলীয় চাপের পার্থক্যের কারণে সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ঘটায়, তবে সুনামি সৃষ্টি করে না। C) সূর্যগ্রহণ — এটি একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা যা জোয়ার-ভাটার ওপর প্রভাব ফেলে, সুনামির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সুনামি সৃষ্টির প্রধান প্রাকৃতিক কারণ। মনে রাখার টিপস: সুনামি শব্দটির উৎপত্তি সমুদ্রের তলদেশের কম্পন বা ভূমিকম্পের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
a রাবার
b ইস্পাত
c লোহা
d তামা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইস্পাত কেন সঠিক: - ইস্পাতে বিকরূপ বল অপসারণ করলে এটি খুব দ্রুত ও নিখুঁতভাবে তার আগের অবস্থায় ফিরে আসে, যার ফলে এর স্থিতিস্থাপকতা রাবারের চেয়ে বেশি। - নির্দিষ্ট পরিমাণ বিকৃতি ঘটানোর জন্য ইস্পাতের ক্ষেত্রে রাবারের চেয়ে অনেক বেশি বল প্রয়োগ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাবার — রাবার অনেক বেশি প্রসারিত হলেও এর আলগা আণবিক গঠনের কারণে এটি পূর্ণরূপে আগের অবস্থায় ফিরে আসতে পারে না, তাই এর স্থিতিস্থাপকতা কম। B) ইস্পাত — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর স্থিতিস্থাপকতা এই অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি। C) লোহা — লোহার স্থিতিস্থাপকতা অনেক বেশি হলেও পরীক্ষামূলকভাবে ইস্পাতের স্থিতিস্থাপকতা লোহা অপেক্ষা কিছুটা বেশি ধরা হয়। D) তামা — তামার নমনীয়তা ও ঘাতসহনশীলতা বেশি হলেও স্থিতিস্থাপকতার দিক থেকে এটি ইস্পাতের তুলনায় পিছিয়ে থাকে। মনে রাখার টিপস: যেকোনো পরীক্ষায় স্থিতিস্থাপকতা বেশি বললে চোখ বন্ধ করে ইস্পাত বা কোয়ার্টজ দাগাবে, রাবার দেখলে বিভ্রান্ত হবে না কারণ রাবারের স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে কম।
a 10 cm
b 15 cm
c 25 cm
d 20 cm
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ সেমি কেন সঠিক: - সুস্থ চোখের স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব বা নিকটবিন্দু হলো ২৫ সেমি বা ১০ ইঞ্চি। - চোখের সিলিয়ারি পেশীর ওপর কোনো অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে এই দূরত্বে বস্তু পরিষ্কার দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ সেমি — এটি সুস্থ চোখের স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্বের চেয়ে কম এবং এই দূরত্বে চোখ রাখলে চোখে তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়। B) ১৫ সেমি — এটি সুস্থ চোখের স্বাভাবিক নিকটবিন্দুর মান নয়, তাই এই দূরত্বে বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখা সম্ভব নয়। D) ২০ সেমি — এটি চোখের স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্বের প্রমিত মান নয়, এটি ২৫ সেন্টিমিটারের চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: সুস্থ চোখের ক্ষেত্রে সংখ্যাটি মনে রাখুন আড়াই দশক বা ২৫ সেন্টিমিটার।