বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬

পদের নাম: ব্যাক্তিগত কর্মকর্তা (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (94)

a সান্ধ্য ভাষা
b মৈথিলি ভাষা
c ব্রজবুলি ভাষা
d অহমিয়া ভাষা
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৈথিলি ভাষা ১. কেন সঠিক: বিদ্যাপতি মিথিলার কবি ছিলেন এবং তিনি তাঁর পদগুলো মূলত মৈথিলি ভাষাতেই রচনা করেছিলেন। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির আদি ও শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে তিনি মৈথিলি ভাষাকেই তাঁর সাহিত্য রচনার মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী পদকর্তা হলেও তিনি বাঙালি ছিলেন না। তিনি ছিলেন বিহারের মিথিলা অঞ্চলের কবি এবং রাজা শিবসিংহের সভাকবি। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি মৈথিলি ভাষায় পদ লিখেও বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সূচনায় বিশেষ অবদান রেখেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদাবলী সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতির মৈথিলি ভাষায় রচিত পদগুলো পরবর্তী সময়ে বাংলা ভাষার কবিরা অনুকরণ করেন। উদাহরণ ২: মৈথিলি কোকিল ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতিকে তাঁর সুমধুর কাব্যের জন্য মৈথিলি কোকিল উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সান্ধ্য ভাষা — চর্যাপদের ভাষাকে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সান্ধ্য ভাষা বলে অভিহিত করেছিলেন। C) ব্রজবুলি ভাষা — এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভাষা নয়, বরং মৈথিলি ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা যা বিদ্যাপতির পদের অনুকরণে পরবর্তীতে কবিরা ব্যবহার করেছিলেন। D) অহমিয়া ভাষা — এটি আসাম অঞ্চলের একটি আঞ্চলিক ভাষা যার সঙ্গে বিদ্যাপতির পদ রচনার কোনো সরাসরি সংযোগ নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্যাপতির আদি ভাষা মৈথিলি এবং বাংলা সাহিত্যে তিনি ব্রজবুলি ভাষার প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। মূল ভাষা মৈথিলি হলেও তাঁর পদের প্রভাবে বাংলায় এক কৃত্রিম ভাষার সৃষ্টি হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্যাপতি কোন ভাষার কবি এবং তাঁকে কী উপাধি দেওয়া হয়েছে, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ব্রজবুলি ভাষার সঙ্গে বিদ্যাপতির নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকলেও তাঁর নিজ ভাষা ছিল মৈথিলি।
a কুলা
b ডাব
c চুলা
d চাবি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাবি ১. কেন সঠিক: চাবি একটি পর্তুগিজ শব্দ, তাই এটি দেশি শব্দ নয়। যেসব শব্দ বাংলাদেশের আদিবাসীদের ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয় এবং চাবি শব্দটি এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস বা উৎপত্তি অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে দেশি শব্দ হলো সেগুলো, যেগুলো প্রাচীনকালে এ দেশের আদিম অধিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুলা ব্যাখ্যা: কুলা একটি দেশি শব্দ, যা প্রাকৃত ও আদি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। উদাহরণ ২: ডাব ব্যাখ্যা: ডাব একটি দেশি শব্দ এবং এটি গ্রামীণ জনপদে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুলা - এটি একটি দেশি শব্দ, যা এ দেশের আদি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে। B) ডাব - এটিও একটি দেশি শব্দ, যা প্রাকৃত বা আঞ্চলিক ভাষা থেকে গৃহিত হয়েছে। C) চুলা - এটি দেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এর উৎস এ অঞ্চলের আদি ভাষা। D) চাবি - এটি পর্তুগিজ ভাষার শব্দ, তাই এটি দেশি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিদেশি শব্দ মনে রাখার একটি সহজ উপায় হলো দৈনন্দিন ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করা। চাবি, বালতি, আলমারি, সাবান ইত্যাদি শব্দগুলো পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেশি ও বিদেশি শব্দের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। কুলা, ডাব, চুলা, কুঁড়ে, গঞ্জ, ঢোল ইত্যাদি হলো প্রচলিত কিছু দেশি শব্দ।
a সাধিত শব্দ
b প্রাদিপাদিক
c নাম শব্দ
d ক্রিয়া
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রাদিপাদিক ১. কেন সঠিক: বিভক্তিহীন নাম পদকে প্রাদিপাদিক বলা হয়। ব্যাকরণের পরিভাষায় প্রাতিপ্রতিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ বা শব্দের মূল রূপ, যার সঙ্গে পরবর্তীতে বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রকৃতি ও প্রত্যয় কিংবা শব্দতত্ত্বে প্রাতিপ্রতিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারণা। বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের মূল রূপকে প্রাতিপ্রতিক বলা হয়, যা কোনো প্রকার বিভক্তি বা অনুসর্গ ছাড়াই স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে সক্ষম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: কলম শব্দটির সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি একটি প্রাতিপ্রতিক। উদাহরণ ২: বই ব্যাখ্যা: বই শব্দটিও কোনো বিভক্তিহীন নাম পদ বা প্রাতিপ্রতিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধিত শব্দ — এক বা একাধিক শব্দের মিলনে বা প্রত্যয়-উপসর্গের সাহায্যে গঠিত শব্দকে সাধিত শব্দ বলে, যা বিভক্তিহীন নাম পদের সংজ্ঞার সঙ্গে সরাসরি মিলে না। B) প্রাদিপাদিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিভক্তিহীন নাম পদকে ব্যাকরণে প্রাদিপাদিক বলা হয়। C) নাম শব্দ — নাম শব্দ বলতে যেকোনো বিশেষ্য বা বিশেষণ পদকে বোঝায়, তবে এর মধ্যে বিভক্তিযুক্ত পদও থাকতে পারে। D) ক্রিয়া — ক্রিয়া হলো এমন পদ যা দ্বারা কোনো কিছু করা, হওয়া বা ঘটা বোঝায়, যা নাম পদের অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিভক্তিহীন নাম পদ দেখলে সঙ্গে সঙ্গে প্রাদিপাদিক বা প্রাতিপ্রতিক কথাটি মনে রাখবে। মনে রাখবে প্রাতিপ্রতিক মানেই হলো বিভক্তিহীন মূল শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ ও পদ প্রকরণ থেকে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। প্রাতিপ্রতিক চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি (যেমন কে, রে, য়) যুক্ত থাকে না।
a শবপোড়া
b শবদাহ
c মড়াদাহ
d শবমড়া
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শবদাহ ১. কেন সঠিক: শবদাহ শব্দটিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে তৎসম শব্দের সঠিক ও স্বাভাবিক মেলবন্ধন ঘটেছে। এখানে কোনো ভাষারীতির মিশ্রণ না থাকায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণে গঠিত শব্দ বা পদের ত্রুটিকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়। তৎসম শব্দের সঙ্গে তৎসম শব্দের এবং দেশি বা বিদেশি শব্দের সঙ্গে তদ্ভব শব্দের ব্যবহার ব্যাকরণসম্মত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শবপোড়া ব্যাখ্যা: শব হলো তৎসম শব্দ এবং পোড়া হলো তদ্ভব শব্দ, তাই এটি গুরুচণ্ডালী দোষযুক্ত। উদাহরণ ২: মুখচন্দ্র ব্যাখ্যা: মুখ ও চন্দ্র দুটিই তৎসম শব্দ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শবপোড়া — শব তৎসম শব্দ এবং পোড়া তদ্ভব শব্দ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট। B) শবদাহ — এটি সঠিক কারণ শব ও দাহ উভয় শব্দই তৎসম শ্রেণীর। C) মড়াদাহ — মড়া তদ্ভব শব্দ এবং দাহ তৎসম শব্দ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষযুক্ত। D) শবমড়া — শব ও মড়া সমার্থক শব্দের দ্বিরুক্তি এবং রীতির মিশ্রণজনিত কারণে এটি ত্রুটিপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দ ব্যবহার করবে এবং খাঁটি বাংলা শব্দের সঙ্গে খাঁটি বাংলা শব্দ ব্যবহার করবে। এতে গুরুচণ্ডালী দোষ এড়ানো সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গুরুচণ্ডালী দোষ সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণের পাশাপাশি শব্দরীতির মিশ্রণের কারণেও ঘটে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম ও তদ্ভব শব্দের মিলনজনিত এই ভুলগুলো বারবার আসে।
a তিনিই সমাজরে মাথা
b মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
c লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল
d মাথা নেই তার মাথা ব্যথা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাথা খাটিয়ে কাজ করবে ১. কেন সঠিক: - 'মাথা' শব্দের একটি রূপক বা বিশেষ অর্থ হলো বুদ্ধি, মেধা বা চিন্তা করার শক্তি। - প্রদত্ত বাক্যে 'মাথা খাটিয়ে' বলতে কোনো কাজ করার সময় বুদ্ধি বা মেধা ব্যবহার করাকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় শরীরের অঙ্গবাচক শব্দ যেমন মাথা, কান, নাক, হাত ইত্যাদি নানা বিশেষ অর্থে বা বাগধারায় ব্যবহৃত হয়। - যখন কোনো অঙ্গবাচক শব্দ তার মূল বা শারীরিক অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো গুণ বা অবস্থাকে নির্দেশ করে, তখন তাকে শব্দার্থের রূপক ব্যবহার বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অংকটি করতে বেশ মাথা ঘামাতে হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'মাথা ঘামাতে হয়েছে' বলতে গভীরভাবে চিন্তা করা বা বুদ্ধি প্রয়োগ করার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: ছেলেটির মাথা খুব পরিষ্কার। ব্যাখ্যা: এখানে 'মাথা পরিষ্কার' বলতে মেধা ভালো বা বুদ্ধিমান হওয়াকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনিই সমাজরে মাথা — এখানে 'মাথা' শব্দটি নেতা বা প্রধান ব্যক্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, বুদ্ধি অর্থে নয়। B) মাথা খাটিয়ে কাজ করবে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা মূল অংশে দেওয়া হয়েছে। C) লজ্জায় মাথা কাটা গেল — এখানে 'মাথা কাটা গেল' একটি বাগধারা, যার অর্থ চরম লজ্জা পাওয়া বা অপমানিত হওয়া। D) মাথা নেই তার মাথা ব্যথা — এখানে প্রথম 'মাথা' শারীরিক অংশ এবং দ্বিতীয় 'মাথা ব্যথা' বলতে অপ্রয়োজনীয় উদ্বেগ বা চিন্তা বোঝানো হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে যখন বুদ্ধি প্রয়োগ বা চিন্তা করার কথা থাকবে, তখন বুঝতে হবে সেখানে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - কাজের ক্ষেত্রে মেধা খাটানোর ব্যাপার থাকলেই উত্তর হিসেবে এই রূপটি নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অঙ্গবাচক শব্দের বিভিন্ন রূপক অর্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দের আভিধানিক অর্থ বাদ দিয়ে বাক্যের সামগ্রিক ভাবার্থ বুঝতে হবে।
a নবীন
b নির্বাচিত
c প্রাচীন
d বোকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাচীন ১. কেন সঠিক: - ‘অর্বাচিন’ শব্দের অর্থ হলো আধুনিক, নতুন বা অল্পবয়স্ক। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো ‘প্রাচীন’, যার অর্থ পুরাতন বা কালপ্রাচীন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা সবচেয়ে জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা একটি অন্যটির ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - সমাসবদ্ধ বা তদ্ভব শব্দের মতো বিপরীত শব্দ গঠনেও অর্থের মিল বা অমিলের ওপর ভিত্তি করে সঠিক শব্দ নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক শব্দের বিপরীত শব্দ প্রাচীন। ব্যাখ্যা: আধুনিক এবং প্রাচীন শব্দ দুটি কালগত দিক থেকে একে অপরের বিপরীত। উদাহরণ ২: তরুণ শব্দের বিপরীত শব্দ বৃদ্ধ। ব্যাখ্যা: তরুণ এবং বৃদ্ধ শব্দ দুটি বয়স বা অবস্থার দিক থেকে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবীন — নবীন শব্দের অর্থ নতুন, যা অর্বাচিন শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, বিপরীতার্থক নয়। B) নির্বাচিত — নির্বাচিত শব্দের অর্থ বাছাই করা, যার সঙ্গে অর্বাচিন বা বয়সের কোনো সম্পর্ক নেই। C) প্রাচীন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্নতা নেই। D) বোকা — বোকা শব্দের অর্থ নির্বোধ, যা অর্বাচিন শব্দের একটি রূপক বা আক্ষরিক অর্থ হতে পারে কিন্তু বিপরীত শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ দিয়ে শুরু অর্বাচিন শব্দের অর্থ নতুন বা আধুনিক, তাই এর বিপরীত হবে পুরাতন বা প্রাচীন। - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - শব্দের উৎস এবং অর্থ ভালোভাবে জানলে কঠিন শব্দগুলোর বিপরীত রূপ সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a চুল
b কুন্তল
c কেশ
d কর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর ১. কেন সঠিক: - ‘চিকুর’ শব্দের অর্থ হলো চুল, কেশ বা কুন্তল। তাই প্রশ্নে যে শব্দগুলো এর সমার্থক হিসেবে দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে 'কর' শব্দটি মেলে না। - 'কর' শব্দের অর্থ হাত, খাজনা বা কিরণ, যা চুল বা চিকুরের সমার্থক নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রশ্ন। - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ, যেগুলো ভিন্ন বানান বা উচ্চারণের হলেও সমার্থক বা একই অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চিকুর ও চুল ব্যাখ্যা: 'চিকুর' হলো চুল বা কেশ বোঝানোর একটি চমৎকার কাব্যিক শব্দ। উদাহরণ ২: কর ও হাত ব্যাখ্যা: 'কর' বলতে মানুষের হাত বা বাহুকে বোঝানো হয়, যা চিকুর শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক বা ভিন্ন অর্থ বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চুল — এই শব্দটি 'চিকুর' শব্দের সরাসরি সমার্থক হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়নি। B) কুন্তল — এই শব্দটি 'চিকুর' বা চুলের সমার্থক শব্দ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তরের অপশন নয়। C) কেশ — এই শব্দটি 'চিকুর' শব্দের অন্যতম প্রধান সমার্থক শব্দ। D) কর — এই শব্দটি হাত বা খাজনা বোঝায়, যা 'চিকুর' শব্দের সমার্থক নয় এবং এটিই কাঙ্ক্ষিত উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - চিকুর, চুল, কেশ ও কুন্তল সব একই পরিবারের শব্দ অর্থাৎ এগুলো মানুষের মাথার চুল বোঝায়। - কর মানে হাত, তাই হাত কখনো চুল হতে পারে না এভাবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দগুলোর উৎসমূল ও ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাব্যিক শব্দের সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
a পতিত
b অনুর্বর
c ঊষর
d বন্ধ্যা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঊষর ১. কেন সঠিক: - 'যে জমিতে ফসল জন্মায় না' এই বাক্যাংশের সঠিক এককথায় প্রকাশ হলো ঊষর। - ঊষর শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো উর্বর নয় এমন, লবণাক্ত বা অনুৎপাদনশীল মাটি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অংশ, যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। - বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার নিয়ম এটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যে জমি চাষ করা হয় না ব্যাখ্যা: একে এককথায় পতিত জমি বলা হয়। উদাহরণ ২: যার উর্বরতা শক্তি নেই ব্যাখ্যা: তাকে এককথায় অনুর্বর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পতিত — পতিত বলতে সাধারণত উর্বর হওয়া সত্ত্বেও চাষাবাদের অভাবে পড়ে থাকা জমিকে বোঝায়। B) অনুর্বর — অনুর্বর বলতে সামগ্রिकভাবে উর্বরতা শক্তির অভাব বোঝায়, যা ঊষরের চেয়ে একটু ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) ঊষর — এটি প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সঠিক এককথায় প্রকাশ। D) বন্ধ্যা — বন্ধ্যা শব্দটি সাধারণত নারী বা প্রাণীর ক্ষেত্রে সন্তান উৎপাদনের অক্ষমতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, জমির ক্ষেত্রে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - লবণাক্ত বা ক্ষারযুক্ত মাটিতে ফসল জন্মায় না, একে ঊষর ভূমি বলা হয়। - জমির অনুৎপাদনশীলতা বোঝাতে ঊষর শব্দটি সবচেয়ে বেশি উপযোগী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জমির অবস্থা সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশ যেমন পতিত, ঊষর, অনুর্বর প্রায়ই আসে। - শব্দের সূক্ষ্মার্থ ও ব্যবহারের ক্ষেত্র ভালোমতো খেয়াল রাখতে হবে।
a বিপরীত
b নিকৃষ্ট
c নিকৃত
d অভাব
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিপরীত কেন সঠিক: - ‘মান’ শব্দের অর্থ সম্মান বা শ্রদ্ধা এবং এর সাথে ‘অপ’ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। - এখানে ‘অপ’ উপসর্গটি মূল শব্দের বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘অপ’ একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা বাংলা ব্যাকরণে বিভিন্ন অর্থে যেমন বিপরীত, মন্দ, অভাব ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়। - ‘মান’ শব্দের সাথে ‘অপ’ উপসর্গ যুক্ত হয়ে ‘অপমান’ গঠিত হয়েছে যার অর্থ অসম্মান বা অমর্যাদা। - অনুরূপভাবে মান শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে অপমান গঠিত হয়েছে যেখানে অপ উপসর্গটি বিপরীত অর্থ নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বিপরীত — এটি সঠিক উত্তর। - B) নিকৃষ্ট — এই অর্থে অপ উপসর্গ ব্যবহৃত হয় অপসংস্কৃতি শব্দে। - C) নিকৃত — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক কোনো উপসর্গযুক্ত অর্থ নয়। - D) অভাব — এই অর্থে অপ উপসর্গ ব্যবহৃত হয় অপারেশন বা অপয়া শব্দে। মনে রাখার টিপস: - ‘অপ’ উপসর্গটি সাধারণত বিপরীত, মন্দ বা অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং মান শব্দের বিপরীত বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
a বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
b শ্রীরামপুর মিশন
c এশিয়াটিক সোসাইটি
d ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কেন সঠিক: - ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। - আবিষ্কারের পর ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে চর্যাপদ গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও সাহিত্যিক নিদর্শন। - এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদ সংকলন। - চর্যাপদের আবিষ্কারক ও প্রথম সম্পাদক হলেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখান থেকেই ১৯১৬ সালে চর্যাপদ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। - B) শ্রীরামপুর মিশন — এটি উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে বাংলা মুদ্রণ ও খ্রিস্টধর্ম প্রচারের সাথে যুক্ত প্রতিষ্ঠান, চর্যাপদ প্রকাশের সাথে নয়। - C) এশিয়াটিক সোসাইটি — এটি প্রাচীন গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান হলেও এখান থেকে চর্যাপদ প্রথম প্রকাশিত হয়নি। - D) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ — এটি ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় মূলত ব্রিটিশ সাহেবদের বাংলা ভাষা শেখানোর জন্য, চর্যাপদ প্রকাশের সাথে এর সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং প্রকাশ করে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ। - প্রকাশের সালটি মনে রাখতে হবে ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দ।
a ব্যবসা
b কৃষি
c শিল্প
d ধর্ম
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষি ১. কেন সঠিক: খনার বচন মূলত আবহাওয়া, কৃষি এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সম্পর্কিত প্রবাদ ও প্রবচন। প্রাচীন বাংলায় কৃষিকাজের সঠিক সময় নির্ধারণ এবং ফলন বৃদ্ধির জন্য এই বচনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: খনার বচন প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। বচনগুলোর মূল রচয়িতা হিসেবে খনা নামক এক বিদূষী নারীর নাম প্রচলিত থাকলেও এর ঐতিহাসিক সত্যতা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধানের ঘরে পোকা হলে, খনার বচন ফলে। ব্যাখ্যা: এটি কৃষিক্ষেত্রে ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ ও তার প্রতিকার সম্পর্কিত একটি প্রবাদ। উদাহরণ ২: যদি বর্ষে শ্যূনে চাষী হব মনে মনে। ব্যাখ্যা: এটি সঠিক সময়ে বৃষ্টির ওপর কৃষিকাজের নির্ভরতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যবসা — খনার বচনে ব্যবসা-বাণিজ্য বা মুনাফা অর্জনের কোনো নির্দেশনা থাকে না। C) শিল্প — এই প্রবাদগুলোতে চারুশিল্প বা কুটিরশিল্পের আলোচনা প্রধান বিষয় নয়। D) ধর্ম — ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বা উপাসনাপদ্ধতি খনার বচনের মূল লক্ষ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: খনার কথা মানেই কৃষির কথা। মাঠের ফসল ও আবহাওয়া মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মেলানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: খনাকে প্রাচীন বাংলার প্রথম নারী জ্যোতিষী বা লোকসাহিত্যিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ধরনের লোকসাহিত্য থেকে প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a নাসির উদ্দীন শাহ
b মুর্শিদ কুলি খাঁ
c শাহ সুজা
d আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য বিকাশে হোসেন শাহী আমলকে স্বর্ণযুগ বলা হয় এবং সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ও তাঁর পুত্র নসরত শাহ এতে পৃষ্ঠপোষকতা করেন। - তাঁর রাজত্বকালে বাংলা ভাষায় ধর্মীয় ও লৌকিক সাহিত্যের প্রচুর অনুবাদ কাজ সম্পন্ন হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ১৫৯৩ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত গৌড়ের সুলতান ছিলেন এবং তিনি বাংলা ভাষার প্রতি অত্যন্ত অনুরাগী ছিলেন। - তাঁর সেনাপতি পরমেশ্বর মহাভারতের একাংশ বাংলায় অনুবাদ করার নির্দেশ পান, যা মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের পথ প্রশস্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার বাংলা অনুবাদ ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যে সংস্কৃত মহাকাব্য ও পুরানের বাংলা রূপান্তর শুরু হয় সুলতানি আমলের পৃষ্ঠপোষকতায়। উদাহরণ ২: কবীন্দ্র মহাভারত ব্যাখ্যা: আলাউদ্দিন হুসেন শাহের সমসাময়িক বা তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় মহাভারতের অংশবিশেষ বাংলায় অনূদিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাসির উদ্দীন শাহ — তিনি বাংলার একজন সুলতান হলেও অনুবাদ সাহিত্যে তাঁর ভূমিকা হুসেন শাহের মতো এত ব্যাপক ছিল না। B) মুর্শিদ কুলি খাঁ — তিনি ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব এবং তাঁর আমল মধ্যযুগের অনেক পরে ছিল। C) শাহ সুজা — তিনি মুঘল রাজপুত্র ও বাংলার সুবেদার ছিলেন, যা মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য রচনার স্বর্ণযুগের পরের সময়। D) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুসেন শাহ মানেই মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের মহান পৃষ্ঠপোষক। - হোসেন শাহী আমলকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অনুবাদ সাহিত্যের উর্বর ক্ষেত্র হিসেবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের সূচনা ও বিকাশ কোন আমলে ঘটেছিল, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - সুলতানি আমলের রাজন্যবর্গের বাংলা ভাষার প্রতি অনুরাগ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a শাহ মুহম্মদ সগীর
b আলাওল
c সৈয়দ সুলতান
d মুহম্মদ কবীর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শাহ মুহম্মদ সগীর ১. কেন সঠিক: - 'ইউসুফ জুলেখা' বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রণয়োপাখ্যান। - সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে কবি শাহ মুহম্মদ সগীর এই কাব্যটি রচনা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সুলতানি আমলের (১৪ শতক) সর্বশ্রেষ্ঠ কবি। - ফারসি কবি জামির 'ইউসুফ ও জুলেখা' কাহিনীর অবলম্বনে তিনি বাংলা ভাষায় এই কাব্য রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রাচীনতম নিদর্শন যা বড়ু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত। উদাহরণ ২: পদ্மாவতী ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য যা কবি আলাওল রচনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহ মুহম্মদ সগীর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ইউসুফ জুলেখা কাব্যের রচিয়তা। B) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হলেও তার বিখ্যাত কাব্য পদ্மாவতী এবং সপ্তপয়কর। C) সৈয়দ সুলতান — তিনি নবী বংশ এবং রসূল বিজয় কাব্যের জন্য বিখ্যাত। D) মুহম্মদ কবীর — তিনি মধুমালতী কাব্যের রচিয়তা। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইউসুফ জুলেখা মানেই শাহ মুহম্মদ সগীরের প্রথম সৃষ্টি। - মধ্যযুগের প্রথম প্রণয়োপাখ্যানের কবি হিসেবে তাকে মনে রাখুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবির নাম প্রায়ই আসে। - প্রণয়োপাখ্যানগুলো কোন ভাষার অনুবাদের ভিত্তিতে রচিত তা মনে রাখা জরুরি।
a চণ্ডীমঙ্গল
b মনসা মঙ্গল
c ধর্ম মঙ্গল
d অন্নদা মঙ্গল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীমঙ্গল ১. কেন সঠিক: - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং তিনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। - কবিকঙ্কণ ছিল তাঁর উপাধি, যা তিনি রাজা মানসিংহের নিকট থেকে লাভ করেছিলেন এবং তাঁর কাব্য কবিকঙ্কণ চণ্ডী নামেও পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী বাংলার গ্রামীণ জীবনের এক নিখুঁত ও বাস্তবধর্মী চিত্র তাঁর কাব্যে ফুটিয়ে তুলেছেন। - চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচার করা হয়েছে এবং এতে দুটি প্রধান আখ্যান বা উপকাহিনি রয়েছে, কালকেতু-ফুল্লরা এবং ধনপতি-খুলনার কাহিনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এই মহাকাব্যে মধ্যযুগের বাঙালি সমাজের খেতমজুর, শিকারি ও বণিক শ্রেণির জীবনাচার এবং সামাজিক বৈষম্যের বাস্তব রূপ ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: দ্বিজ মাধবের চণ্ডীমঙ্গল ব্যাখ্যা: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ছাড়াও মধ্যযুগে চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ধারার আরও কয়েকজন বিখ্যাত কবি ছিলেন, যেমন দ্বিজ মাধব ও মুক্তরাম সেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীমঙ্গল — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী এই ধারার শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে সমগ্র মধ্যযুগের সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। B) মনসা মঙ্গল — এই মঙ্গল কাব্যের ধারার বিখ্যাত কবি হলেন কানহাদা দত্ত, বিজয় গুপ্ত এবং মঙ্গলা চণ্ডীর পদ্মাবতী বা মনসা বিজয়ের রচয়িতাগণ। C) ধর্ম মঙ্গল — ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারার প্রধান কবি রূপরাম চক্রবর্তী এবং সীতারাম দাস, মুকুন্দরাম চক্রবর্তী এই ধারার কবি নন। D) অন্নদা মঙ্গল — অন্নদামঙ্গল কাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও শেষ কবি হলেন অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুকুন্দরাম মানেই চণ্ডীমঙ্গল এবং তাঁর উপাধি কবিকঙ্কণ, এই সূত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষাকেন্দ্রে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের মঙ্গল কাব্য এবং কবিদের নাম প্রায়ই আসে, তাই কোন কবি কোন ধারার তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a আগমনী গীতি
b শোকগীতি
c ধর্মগীতি
d পল্লীগীতি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শোকগীতি ১. কেন সঠিক: - মর্সিয়া শব্দের আক্ষরিক অর্থ শোক প্রকাশ করা বা বিলাপ করা। আরবি মরসাত শব্দ থেকে এই শব্দটি এসেছে। - কারবালার বিষাদময় ঘটনার শহিদদের স্মরণে রচিত শোকগাথা বা শোকগীতিকেই মর্সিয়া বলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মর্সিয়া সাহিত্য মূলত বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সংস্কৃতির প্রভাবে প্রবেশ করা মধ্যযুগীয় ধারার একটি অংশ। - কারবালার যুদ্ধ এবং ইমাম হোসেনের শাহাদাতকে কেন্দ্র করে এই শোকাবহ গীতি ও কাব্য ধারা গড়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত কাজীর আসাদুল্লাহ খাঁ বা মীর মশারফ হোসেনের বিষাদসিন্ধু কাব্যের কিছু অংশ। ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মগুলোতে কারবালার শোকাবহ ঘটনার বিবরণ রয়েছে যা মর্সিয়া ধারার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। উদাহরণ ২: ইসমাইল হোসেন সিরাজীর ঐতিহাসিক উপন্যাস ও কাব্য। ব্যাখ্যা: এগুলোতেও বিষাদময় ঐতিহাসিক ঘটনার শোক প্রকাশ ও মুসলিম ঐতিহ্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগমনী গীতি — এটি দেবী দুর্গার আগমন উপলক্ষে গাওয়া আনন্দমূলক গান, শোক প্রকাশ নয়। B) শোকগীতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ মর্সিয়া মূলত শোক ও বিলাপ প্রকাশ করে। C) ধর্মগীতি — এটি সাধারণ ধর্মীয় উপাসনা বা বন্দনার গান, যা নির্দিষ্টভাবে শোক প্রকাশ করে না। D) পল্লীগীতি — এটি গ্রামীণ জীবনের সুখ-দুঃখের গান, যা মর্সিয়ার শোকগাথার সঙ্গে মিলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - মর্সিয়া মানে মরিয়া বা কাঁদা। কারবালার শোকের ঘটনা মনে রাখলেই শোকগীতি হিসেবে মর্সিয়া সহজেই চেনা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মর্সিয়া শব্দের অর্থ বা এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - মধ্যযুগের মুসলিম সাহিত্য ধারা থেকে আসা এই পদের মূল ভিত্তি হলো কারবালার শোকগাথা।
a আলাওল
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d শাহাদাৎ হোসেন
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগের সংবাদপত্রের যুগ বা যুগসন্ধিক্ষণের অন্যতম প্রধান কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের একটি বিখ্যাত কবিতার অংশ। - কবির নীতিগর্ভ ও উপদেশমূলক কবিতার একটি জনপ্রিয় পঙ্‌ক্তি এটি, যা মানুষের মনে কর্মপ্রেরণা জাগাতে রচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক যিনি যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত। - তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং তার কবিতায় দেশপ্রেম, সমাজসংস্কার ও বাঙালি সংস্কৃতির চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমারি সে ইচ্ছা হলো পূর্ণ অবশেষে ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক ও সমাজসচেতনতামূলক কবিতার অংশ। উদাহরণ ২: বাঁচিতে কে চায় বল শৃঙ্খলের মূলে ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের রচনায় এমন জীবনমুখী ও নীতিমূলক ভাবের প্রকাশ প্রায়শই দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি এবং তার বিখ্যাত সৃষ্টি পদ্মাবতী, যা এই উদ্ধৃতির সঙ্গে মেলে না। B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ উদ্ধৃতিটি তার কোনো একটি নীতিগর্ভ কবিতার পঙ্‌ক্তি। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা এবং মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা, যার লেখার শৈলী ভিন্ন। D) শাহাদাৎ হোসেন — শাহাদাৎ হোসেন আধুনিক যুগের একজন কবি হলেও এই নির্দিষ্ট প্রাচীন বা মধ্যবর্তী ধারার উদ্ধৃতি তার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কর্মপ্রেরণা ও নীতিমূলক উপদেশ শুনলে এবং তা উনিশ শতকের প্রথমার্ধের প্রেক্ষাপট হলে সাধারণত ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে মনে রাখতে হবে। - যুগসন্ধিক্ষণের কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত নীতিমূলক কবিতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বাংলা সাংবাদিকতার অন্যতম পথিকৃত এবং যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। - কবি ও সাহিত্যিকদের বিখ্যাত উদ্ধৃতিগুলো থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে, তাই প্রখ্যাত কবিদের মূল সুর চিনে রাখা জরুরি।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b সত্যেন্দ্র নাত দত্ত
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d কাদের নওয়াজ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এই ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো চরণের শেষে পদের মিল বা অন্ত্যমিল না থাকা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবক্তা ও সনেটের প্রণেতা। তার বিখ্যাত তিলোত্তমা সম্ভব কাব্যগ্রন্থে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা কাব্যে গদ্যছন্দ ও নানা নতুন রূপের প্রবর্তক হলেও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। B) সত্যেন্দ্র নাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর। D) কাদের নওয়াজ — তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কবি হলেও এই ছন্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: মধুসূদন মানেই নতুন ধারা, তাই অমিত্রাক্ষর ছন্দের সঙ্গে মাইকেল মধুসূদন দত্ত নামটি মনে রাখবে। বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর মানেই মাইকেল মধুসূদন দত্তের শ্রেষ্ঠ অবদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমিত্রাক্ষর ছন্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাংলা সনেট ও মহাকাব্যের প্রণেতা হিসেবেও তার নাম মনে রাখা জরুরি।
a জয়নব
b কাসেম
c হোসেন
d কুবের
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুবের ১. কেন সঠিক: - কুবের মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের প্রধান চরিত্র এবং বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। - বিষাদ সিন্ধু ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক উপাখ্যানের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি বিষাদময় উপন্যাস যেখানে কারবালার যুদ্ধ ও তার পেছনের ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের রচয়িতা ঊনবিংশ শতকের বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক মীর মশাররফ হোসেন। - ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে তিন খণ্ডে প্রকাশিত এই মহাকাব্যিক উপন্যাসের মূল আলোচ্য বিষয় হলো ইসলামের ইতিহাসের হাসান ও হোসেনের ট্র্যাজেডি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোবায়দা ব্যাখ্যা: জোবায়দা হলো বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের একটি অন্যতম নারী চরিত্র এবং ইয়াজিদের পক্ষের চরিত্র হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: পারুল ব্যাখ্যা: পারুল হলো পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের একটি গ্রামীণ চরিত্র যা কুবেরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এবং বিষাদ সিন্ধুর সঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নব — জয়নব বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পরিচিত চরিত্র। B) কাসেম — কাসেম ইমাম হাসান ও হোসেনের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের একটি চরিত্র। C) হোসেন — মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর দৌহিত্র এবং বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হযরত হোসেন। D) কুবের — কুবের হলো মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের চরিত্র যা বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিষাদ সিন্ধু মানেই মীর মশাররফ হোসেন এবং কারবালার ইতিহাস যেখানে হোসেন, জয়নব ও কাসেমের নাম জড়িত থাকে। - পদ্মা নদীর মাঝির কুবেরের মতো সাহিত্যিক চরিত্রগুলোকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক উপন্যাসের চরিত্র এবং সামাজিক উপন্যাসের চরিত্র আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ সিন্ধু এবং মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মা নদীর মাঝি বাংলা সাহিত্যের দুটি ভিন্ন ধারার অমর সৃষ্টি।
a ১৮৩৮ খ্রি.
b ১৮৩৬ খ্রি.
c ১৮৩৭ খ্রি.
d ১৮৩৯ খ্রি.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮৩৮ খ্রি. ১. কেন সঠিক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে সমাদৃত এবং তিনি ১৮৩৮ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জুন জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মস্থান পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক ছিলেন। তিনি বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশ সাধনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং বঙ্কিম যুগ সৃষ্টি করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কপালকুণ্ডলা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় ও অন্যতম জনপ্রিয় একটি ঐতিহাসিক প্রণয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৩৮ খ্রি. — এই সনটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মসালের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায় এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) ১৮৩৬ খ্রি. — এই সনে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেননি, তাই এটি ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত হবে। C) ১৮৩৭ খ্রি. — এই সনটি লেখকের জন্মের সঠিক সাল নয়, তাই এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল উত্তর। D) ১৮৩৯ খ্রি. — এই সনটিও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রকৃত জন্মসন নয়, তাই এটি সঠিক হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মসাল মনে রাখতে আঠারো শতকের শেষের দিকের কথা মনে রাখতে পারো যেখানে আঠারো শতকের পর আটত্রিশ অর্থাৎ ১৮৩৮ সাল আসে। তাঁর জন্মসাল ১৮৩৮ এবং মৃত্যুসাল ১৮৯৪ মনে রাখলে তাঁর জীবনকাল সহজে স্মরণে রাখা সম্ভব হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা উপন্যাসের জনকের জন্মসাল ও প্রথম উপন্যাসের নাম বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। একইভাবে অন্যান্য বিখ্যাত সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যুসাল ছক আকারে মুখস্থ করলে পরীক্ষায় সহজে নম্বর পাওয়া যায়।
a ঘুম নেই
b রাশিয়ার চিঠি
c যোগাযোগ
d রক্ত কবরী
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঘুম নেই ১. কেন সঠিক: - ঘুম নেই গ্রন্থটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো সাহিত্যকর্ম নয়। এটি মূলত অন্য কোনো লেখকের রচিত একটি গ্রন্থ, তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ও অখ্যাত গ্রন্থের তালিকা থেকে এমন প্রশ্ন করা হয় যা তাঁর রচিত নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা যিনি কবিতা, গান, ছোটগল্প, নাটক, উপন্যাস ও প্রবন্ধ লিখে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। - তাঁর রচিত বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি, উপন্যাস এবং নাটকের মধ্যে রাশিয়ার চিঠি, যোগাযোগ এবং রক্তকবরী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: গীতালি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশিষ্ট কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘুম নেই — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত কোনো গ্রন্থ নয়, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) রাশিয়ার চিঠি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনিমূলক গ্রন্থ যা তিনি রাশিয়া ভ্রমণকালে লিখেছিলেন। C) যোগাযোগ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। D) রক্ত কবরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপকধর্মী ও প্রতিবাদী নাটক যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাস, নাটক এবং ভ্রমণকাহিনির নামগুলো একটি ছক বা নোট খাতায় লিখে বারবার চর্চা করবে। - পরীক্ষার হলে সাধারণত অন্য বিখ্যাত লেখকদের বইয়ের নাম রবীন্দ্রনাথের নামে চালিয়ে অপশন হিসেবে দেওয়া হয়, তাই মৌলিক গ্রন্থগুলো আলাদা করে চিনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর নাম যেমন চোখের আলো, গোরা, যোগাযোগ, শেষের কবিতা ইত্যাদি বারবার বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় আসে। - অন্য লেখকদের বিখ্যাত গ্রন্থের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রন্থের নাম যেন গুলিয়ে না যায়, সে বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে।
a বুদ্ধদেব বসু
b জীবনানন্দ দাশ
c কাজী নজরুল ইসলাম
d অচিন্তকুমার সেনগুপ্ত
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ব্যঙ্গাত্মক লেখা ও রসবোধের প্রকাশ ঘটানোর জন্য 'ব্যাঙাচি' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন লেখকের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের একজন বিদ্রোহী ও জাতীয় কবি, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও সুরকার ছিলেন। - তিনি লেখালেখির ক্ষেত্রে 'ব্যাঙাচি' ছাড়াও 'নূর মোহাম্মদ', 'শামসুল আলম' ইত্যাদি নাম ব্যবহার করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম, যা তিনি মূলত সবুজপত্র পত্রিকায় লেখার সময় ব্যবহার করতেন। উদাহরণ ২: ভনিতা বা কালকুট ব্যাখ্যা: কালকুট ছদ্মনামে প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক সমরেশ বসু আনন্দবাজার পত্রিকায় বিভিন্ন উপন্যাস ও গল্প লিখেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং 'কবিতা' পত্রিকার সম্পাদক, যার কোনো ছদ্মনাম 'ব্যাঙাচি' ছিল না। B) জীবনানন্দ দাশ — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি, যিনি 'ধানসিঁড়ি' বা অন্য কোনো নামে লিখলেও 'ব্যাঙাচি' ব্যবহার করেননি। C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই ছদ্মনামে কিছু বিশেষ রচনা লিখেছেন। D) অচিন্তকুমার সেনগুপ্ত — ইনি কল্লোল যুগের অন্যতম প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি, যার ছদ্মনাম 'নীলাচল বাসী' হলেও 'ব্যাঙাচি' নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের লেখালেখির নানা দিক মনে রাখতে ছদ্মনামের তালিকাটি আলাদা করে নোট করে নিতে পারো। - ব্যাঙাচি মানে ব্যাঙের ছোট অবস্থা, আর বিদ্রোহী কবি মাঝে মাঝে ছদ্মবেশে ছদ্মনামে নানা ব্যঙ্গরচনা লিখেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য একটি আবশ্যিক টপিক। - প্রমথ চৌধুরীর 'বীরবল', বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের 'বনফুল' এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'অনলা দেবী' নামগুলো প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a আল মাহমুদ
b নির্মলেন্দু গুণ
c সৈয়দ শামসুল হক
d রফিক আজাদ
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রফিক আজাদ ১. কেন সঠিক: - চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া গ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি রফিক আজাদ। - আর্কেডিয়া বলতে বোঝায় এক কাল্পনিক আদর্শ বা শান্তিময় স্থান, যার সঙ্গে কবি চুনিয়া গ্রামকে যুক্ত করে এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রফিক আজাদ বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি যিনি ষাট ও সত্তরের দশকের আধুনিক কবিতার ধারায় বিশেষ অবদান রাখেন। - তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া ছাড়াও রয়েছে অসমম্ভব রূপকথা ও হৃদয়ে প্রেমের বাণী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসম্ভব রূপকথা ব্যাখ্যা: এটি কবি রফিক আজাদের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বহুল পঠিত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: হাতে মাত্র কয়েকটি দিন ব্যাখ্যা: এটিও কবি রফিক আজাদের বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা বাংলা কবিতায় বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল মাহমুদ — তিনি বিশ শতকের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি হলেও চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া তার রচিত গ্রন্থ নয়। B) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি কিন্তু এই গ্রন্থটি তার সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়। C) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বহুমুখী প্রতিভাবান সাহিত্যিক হলেও চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া তার কোনো গ্রন্থ নয়। D) রফিক আজাদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া তার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - রফিক আজাদের চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো কবি রফিক আজাদের গ্রামপ্রীতি ও কাল্পনিক আর্কেডিয়া ভাবনার মেলবন্ধন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রখ্যাত কবিদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম থেকে প্রশ্ন আসে। - কবি রফিক আজাদের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত রাখলে এমন প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a আল মাহমুদ
b আহমদ ছফা
c মাহমুদুল হক
d সেলিনা হোসেন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাহমুদুল হক ১. কেন সঠিক: - ‘কালো বরফ’ হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মাহমুদুল হকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত উপন্যাস। - এই উপন্যাসে দেশভাগের ফলে মানুষের জীবনের ট্রাজেডি, মানসিক সংকট এবং শেকড় হারানোর বেদনা অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাহমুদুল হক বাংলা কথাসাহিত্যে তাঁর স্বকীয় শৈলী, ভাষার পরিমিতিবোধ ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে ‘জীবন আমার বোন’, ‘খেলাঘর’ ও ‘অরক্ষিত সময়’ বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাহমুদুল হকের উপন্যাস 'জীবন আমার বোন' ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও তৎকালীন সামাজিক-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি মাস্টারপিস উপন্যাস। উদাহরণ ২: মাহমুদুল হকের উপন্যাস 'খেলাঘর' ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সাধারণ মানুষের জীবনের ওপর তার প্রভাব অত্যন্ত গভীরভাবে চিত্রিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল মাহমুদ — তিনি মূলত আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও তিনি কথাসাহিত্যের জন্য এই বই লেখেননি। B) আহমদ ছফা — তিনি একজন প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও চিন্তক হলেও ‘কালো বরফ’ তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়। D) সেলিনা হোসেন — তিনি বাংলাদেশের বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক হলেও ‘কালো বরফ’ উপন্যাসটি তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকাভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাহমুদুল হকের নামের সাথে ‘কালো বরফ’ এবং ‘জীবন আমার বোন’ উপন্যাস দুটি একসাথে মনে রাখতে পারো। - ছদ্মনাম বা অন্য লেখকের সাথে যেন গুলিয়ে না যায়, সেজন্য লেখকের নামের পাশে তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলো নোট করে রাখো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ ও দেশভাগভিত্তিক উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের লেখকের শ্রেষ্ঠ কাজগুলো আলাদা করে পড়লে পরীক্ষার হলে দ্রুত সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a কাব্যগ্রন্থ
b উপন্যাস
c গল্পগ্রন্থ
d নাটক
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাটক ১. কেন সঠিক: হাত-হদাই বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত নাটক। বিশিষ্ট নাট্যকার ও সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন এই নাটকটির রচয়িতা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সেলিনা হোসেন মূলত কথাসাহিত্যিক হিসেবে অধিক পরিচিত হলেও তিনি কিছু নাটক ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন। হাত-হদাই নাটকে সমাজের প্রান্তিক মানুষের জীবন সংগ্রাম ও বঞ্চনার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চরের মানুষ ব্যাখ্যা: এটি সেলিনা হোসেনের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস যা নদীভাঙা মানুষের জীবন নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: জোনাকী ও অন্যান্য নাটক ব্যাখ্যা: এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি পরিচিত সংকলন যা নাটক পঠন ও মঞ্চায়নে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যগ্রন্থ — হাত-হদাই কোনো পদ্য বা কবিতার সংকলন নয়। এটি গদ্যরীতির একটি নাটক। B) উপন্যাস — হাত-হদাই উপন্যাসের কাঠামুতে রচিত কোনো দীর্ঘ কথাসাহিত্য নয়। এটি নাটক হিসেবে তালিকাভুক্ত। C) গল্পগ্রন্থ — হাত-হদাই ছোটগল্পের সংকলন নয়। এটি দৃশ্যকাব্য বা নাটক হিসেবে রচিত হয়েছে। D) নাটক — এই অপশনটি সঠিক কারণ হাত-হদাই একটি নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: সেলিনা হোসেনের নাটক মনে রাখতে হাত-হদাই নামটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে। কথাসাহিত্যিক হলেও তাঁর নাটকও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ভিন্নধর্মী রচনা যেমন ঔপন্যাসিকের নাটক বা কবির গল্প প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। মূল ধারার বাইরে লেখকের অন্য ধারার সৃষ্টিগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a জাহানারা ইমাম
b সুফিয়া কামাল
c শওকত আলী
d আবু ইসহাক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুফিয়া কামাল ১. কেন সঠিক: - ‘একাত্তরের ডায়েরী’ গ্রন্থটির রচয়িতা বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও জননী সাহসিকা সুফিয়া কামাল। - এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে লেখকের ব্যক্তিগত ডায়রির পাতায় লেখা স্মৃতিকথা ও প্রামাণিক দলিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের নারী জাগরণ, সাহিত্যচর্চা এবং রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক অবিসংবাদিত নেত্রী। - তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে সাঁঝের মায়া, মায়া লিখন, মন ও জীবন এবং একাত্তরের ডায়েরী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহানারা ইমামের ‘একাত্তরের দিনগুলি’ ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধের ওপর লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণিক দিনলিপিভিত্তিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সুফিয়া কামালের ‘সাঁঝের মায়া’ ব্যাখ্যা: এটি কবি সুফিয়া কামালের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাহানারা ইমাম — তিনি ‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থের লেখক, যা মুক্তিযুদ্ধের আরেকটি বিখ্যাত স্মৃতিকথা। B) সুফিয়া কামাল — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি ‘একাত্তরের ডায়েরী’ গ্রন্থের রচয়িতা। C) শওকত আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’। D) আবু ইসহাক — তিনি বিখ্যাত ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’ উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডায়েরী লেখার অভ্যাসের সাথে সুফিয়া কামালের ডায়েরী মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - জননী সাহসিকা সুফিয়া কামালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত কাজ হলো একাত্তরের ডায়েরী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপিভিত্তিক দুটি গুরুত্বপূর্ণ বই হলো সুফিয়া কামালের ‘একাত্তরের ডায়েরী’ এবং জাহানারা ইমামের ‘একাত্তরের দিনগুলি’। - পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে এই দুটি বইয়ের লেখক প্রায়ই উল্টো করে অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়, তাই সতর্ক থাকতে হবে।
a a poem was made recite by her
b she was made to recite a poem
c she was made recited a poem
d a poem was made to be recited
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) she was made to recite a poem কেন সঠিক: - Active বাক্যে make-এর পর bare infinitive (recite) বসে, কিন্তু Passive করার সময় তার আগে to যুক্ত করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যের object (her) কে Subject (she) হিসেবে এনে নিয়ম অনুযায়ী be verb ও made বসানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a poem was made recite by her — এখানে poem-কে subject করা হয়েছে এবং recite-এর আগে आवश्यक to ব্যবহার করা হয়নি। B) she was made to recite a poem — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে passive রূপের নিয়ম এবং to infinitive সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। C) she was made recited a poem — এখানে made-এর পরে V3 (recited) ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) a poem was made to be recited — এখানে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে গেছে এবং এটি গঠনের নিয়ম মেনে হয়নি। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে make-এর পর to উহ্য থাকে, কিন্তু Passive করার সময় সেই to আবার ফিরিয়ে আনতে হয়।
a Robert Frost
b William Wordsworth
c John Keats
d PB Shelley
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) John Keats কেন সঠিক: - উক্তিটি বিখ্যাত ইংরেজ রোমান্টিক কবি জন কিটসের 'Ode on a Grecian Urn' নামক বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই লাইনটির মাধ্যমে কবি কল্পনা ও বাস্তবতার মধ্যকার পার্থক্যের কথা বলেছেন, যেখানে মানুষের কল্পিত সৌন্দর্য বাস্তব সৌন্দর্যের চেয়েও বেশি তীব্র ও স্থায়ী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Robert Frost — তিনি আমেরিকান কবি এবং তার বিখ্যাত কবিতার লাইন হলো 'Miles to go before I sleep', যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মিলে না। B) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের নেচার পোয়েট, যার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'Lyrical Ballads', কিন্তু এই পংক্তিটি তার নয়। C) John Keats — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই পংক্তিটি তার 'Ode on a Grecian Urn' কবিতার অংশ। D) PB Shelley — তিনি রোমান্টিক যুগের আরেকজন বিদ্রোহী কবি, যার বিখ্যাত কবিতা 'Ode to the West Wind', কিন্তু এই লাইনটি তার নয়। মনে রাখার টিপস: 'Keats' এবং 'Urn' শব্দ দুটি মনে রাখলে কিটসের বিখ্যাত ওড কবিতার এই বিখ্যাত লাইনটি সহজেই চেনা যায়।
a give us a surprise
b giving us a surprise
c he gave us a surprise
d be given us a surprise
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) giving us a surprise কেন সঠিক: ইংরেজিতে with a view to একটি প্রিপজিশনাল ফ্রেজ। এর ঠিক পরেই যদি কোনো মূল ভার্ব আসে, তবে তার সাথে ing যোগ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) give us a surprise — with a view to এর পর ভার্বের বেস ফর্ম ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) giving us a surprise — এটি সঠিক কারণ with a view to এর পর gerund ব্যবহৃত হয়েছে। C) he gave us a surprise — এখানে একটি সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্ব ব্যবহার করায় বাক্যটির গঠন সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে। D) be given us a surprise — এখানে প্যাসিভ স্ট্রাকচার ব্যবহার করা হয়েছে যা অর্থ ও ব্যাকরণের নিয়মে ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে with a view to, look forward to, accustomed to ইত্যাদির পর সব সময় ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়।
a when wears a crown
b which wear a crown
c that wears a crown
d who wears a crown
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) that wears a crown কেন সঠিক: এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের হেনরি চতুর্থ নাটক থেকে নেওয়া একটি বিখ্যাত প্রবাদ বাক্য। এখানে মুকুটধারী ব্যক্তির দায়িত্ব ও দুশ্চিন্তার কথা বোঝাতে Relative Pronoun হিসেবে that ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) when wears a crown — when বসালে বাক্যের অর্থ এবং ব্যাকরণগত গঠন সম্পূর্ণ ভুল হয়। B) which wear a crown — crown বা মুকুট অচেতন বস্তু নয়, তাই মানুষের ক্ষেত্রে which বসে না এবং wear ভুল। C) that wears a crown — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) who wears a crown — who সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো মানুষের ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু এখানে প্রবাদের ঐতিহ্যগত নিয়ম অনুযায়ী that সঠিক। মনে রাখার টিপস: শেভপিয়ারের এই বিখ্যাত প্রবাদে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে that wears a crown ব্যবহার করতে হয়।
a we had been meeting
b we were meeting last
c we had met last
d we last met
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) we had met last কেন সঠিক: It was long since গঠনের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম অংশ পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হলে পরের অংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। এখানে শেষের দিকে সময় নির্দেশ করতে এবং কাজটি অতীতে সম্পন্ন বোঝাতে সঠিক গঠন ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) we had been meeting — এখানে পাস্ট পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা এই নির্দিষ্ট বাক্যের গঠনের সাথে মানানসই নয়। B) we were meeting last — এখানে পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়মের সাথে মিলে না। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) we last met — এই অংশে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ার কথা। মনে রাখার টিপস: It was long since এর পূর্বে পাস্ট টেন্স থাকলে পরে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়।
a for him
b to him
c by him
d on him
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) for him কেন সঠিক: এখানে বাক্যটির গঠন হলো too...to এবং এর মাঝে একটি an infinitive clause বসেছে। bag বা ব্যাগটি বহন করার কাজটি কে করবে তা বোঝাতে for preposition এবং object pronoun ব্যবহার করা নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for him — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি infinitive phrase-এর subject বা Doer বোঝাতে একদম নির্ভুলভাবে বসেছে। B) to him — এই preposition-টি এখানে অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে না এবং বাক্যটির ব্যাকরণগত গঠন নষ্ট করে দেয়। C) by him — এই preposition-টি সাধারণত Passive voice-এ ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) on him — এই preposition-টি কোনো কিছুর উপরে অবস্থান বোঝাতে বসে, যা এই শূন্যস্থানের জন্য সম্পূর্ণ অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: too...to কাঠামোর বাক্যে কাজের কর্তা বোঝাতে সর্বদা for-এর সাথে objective pronoun ব্যবহৃত হয়।
a Obediently
b Obedience
c Obedient
d Obselete
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Obedient কেন সঠিক: Obey একটি verb যার অর্থ হলো বাধ্য হওয়া। এর adjective রূপ হলো obedient যা কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর গুণ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Obediently — এটি একটি adverb কারণ এর সাথে ly যুক্ত আছে। B) Obedience — এটি একটি noun কারণ এটি obedience শব্দের ভাববাচক বিশেষ্য। C) Obedient — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল নেই। D) Obselete — এটি একটি ভিন্ন শব্দ যার অর্থ পুরাতন বা অপ্রচলিত। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে ent থাকলে সাধারণত সেটি adjective হয়।
a of
b from
c by him
d under
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) by him কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Passive Voice-এর রূপ, যার Active রূপটি ছিল, He checked the beast in you. - Passive করার সময় সাধারণত Active বাক্যের Subject-টি by preposition-এর সাথে Agent হিসেবে Object অবস্থানে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — এটি বাক্যের অর্থ ও Passive Voice-এর নিয়ম অনুসারে সঠিক Preposition গঠন করে না। B) from — এটি উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের গঠন ও অর্থের সাথে অসংগত। C) by him — এটি সঠিক Agent গঠন করে যা বাক্যটিকে সঠিক Passive Voice-এ রূপান্তর করে। D) under — এটি নিচে বা অধীনে অবস্থান বোঝাতে বসে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: Active থেকে Passive করার সময় বাক্যের ভেতরে লুকিয়ে থাকা স্বভাব বা প্রবৃত্তি বোঝাতে by-এর সাথে সেই ব্যক্তির Subjective Pronoun-এর Objective রূপ ব্যবহৃত হয়।
a Eradicate : get rid of
b Joy : Sorrow
c Joy : Slim
d Conservation : tradition
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Joy : Sorrow কেন সঠিক: প্রশ্নোক্ত শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিমের সম্পর্ক প্রকাশ করে। Beautiful মানে সুন্দর এবং ugly মানে কুৎসিত, যা পরস্পর বিপরীত শব্দ। B অপশনে থাকা Joy মানে আনন্দ এবং Sorrow মানে দুঃখ, যা ঠিক একই রকম বিপরীতার্থক সম্পর্ক বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Eradicate : get rid of — এই শব্দ দুটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না, বরং এদের অর্থ একই বা সমার্থক। B) Joy : Sorrow — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। C) Joy : Slim — Joy অর্থ আনন্দ এবং Slim অর্থ চিকন বা পাতলা, যাদের মধ্যে কোনো যৌক্তিক সম্পর্ক নেই। D) Conservation : tradition — Conservation অর্থ সংরক্ষণ এবং tradition অর্থ প্রথা, যা একে অপরের বিপরীত বা সমার্থক শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দ জোড়ার সম্পর্ক বোঝার জন্য প্রথমে মূল শব্দ দুটির অর্থ এবং তাদের মধ্যকার যোগাযোগ বা বিপরীত ভাব ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a of my appintment
b to my appointments
c my appointments
d about my appointments
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) of my appintment কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী remind verb-এর পর সাধারণত of preposition ব্যবহার করতে হয়। তাই কাউকে কোনো বিষয়ে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে remind-এর সাথে of যুক্ত করা সঠিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of my appintment — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি নির্ভুল। B) to my appointments — remind-এর সাথে preposition হিসেবে to ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) my appointments — এখানে কোনো preposition না থাকায় বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। D) about my appointments — about ব্যবহার করলে অর্থের পুনরাবৃত্তি ঘটে এবং এটি অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়। মনে রাখার টিপস: সবসময় মনে রাখবে যে remind verb-এর সাথে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে of বসে।
a speaks
b is speaking
c is spoken
d has spoken
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) is spoken কেন সঠিক: বাক্যের বিষয় ইংরেজি ভাষা নিজে নিজে কথা বলতে পারে না, তাই এটি Passive Voice হবে। Present Simple Tense এর Passive করার নিয়ম অনুযায়ী 'is' এবং মূল Verb এর Past Participle বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) speaks — এটি Active Voice এবং Singular Subject এর সাথে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ইংরেজি নিজে কথা বলে না। B) is speaking — এটি Present Continuous Tense এর Active গঠন, যা এখানে অর্থহীন। C) is spoken — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) has spoken — এটি Present Perfect Tense এর Active গঠন, যা কর্মবাচ্যের নিয়মের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: subject যদি নিজে কাজ না করতে পারে এবং কাজটি তার উপর করা হয়, তবে verb সবসময় passive voice এ হবে।
a a diary
b a biography
c a play
d an autobiography
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) an autobiography কেন সঠিক: অটোবায়োগ্রাফি শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ অটো যার অর্থ নিজে, বায়ো যার অর্থ জীবন এবং গ্রাফ অর্থ লেখা থেকে। নিজের জীবনের ইতিহাস বা ঘটনা নিজে লিখলে তাকে আত্মজীবনী বা অটোবায়োগ্রাফি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a diary — ডায়েরি হলো প্রতিদিনের ব্যক্তিগত দিনলিপি যা নিয়মিত লেখা হয়, নিজের সম্পূর্ণ জীবনের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস নয়। B) a biography — বায়োগ্রাফি বা জীবনী হলো এমন এক ধরনের লেখা যা অন্য কোনো ব্যক্তির জীবন নিয়ে রচিত হয়। C) a play — প্লে বা নাটক হলো মঞ্চে অভিনয়ের জন্য সংলাপের মাধ্যমে রচিত একটি সাহিত্যকর্ম বা দৃশ্যকাব্য। D) an autobiography — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ একজন মানুষ যখন নিজের জীবন নিয়ে লেখেন, তখন তাকে এই নামেই ডাকা হয়। মনে রাখার টিপস: অটো মানে নিজে এবং বায়োগ্রাফি মানে জীবন কাহিনী, তাই নিজের জীবন নিজে লেখা হলো অটোবায়োগ্রাফি।
a for
b to
c after
d than
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: prefer শব্দটির সাথে তুলনা বোঝাতে সর্বদা to ব্যবহৃত হয়। এখানে মৃত্যুর সাথে অপমানের তুলনার জন্য সঠিক প্রপোজিশন হলো to। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — for সাধারণত উদ্দেশ্য বা উপকারিতা বোঝাতে বসে, তুলনার ক্ষেত্রে বসে না। B) to — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) after — after সাধারণত সময় বা ধারাবাহিকতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) than — adjective এর comparative ডিগ্রির পর than বসে, কিন্তু prefer শব্দের পর than বসে না। মনে রাখার টিপস: prefer বা preferable থাকলে সবসময় than না ভেবে চোখ বন্ধ করে to বসাবে।
a in the long run
b on the long run
c after the long run
d before the long run
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in the long run কেন সঠিক: পরিণামে বা অবশেষে অর্থে ইংরেজি প্রবচনে নির্দিষ্ট একটি ধারা ব্যবহার করা হয়। তাই এই বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক ধারাটি বসালে অর্থ পূর্ণ হয়। পাপীকে পরিণামে অবশ্যই কষ্ট ভোগ করতে হবে। এই ভাব প্রকাশ করতেই সঠিক উত্তরটি বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in the long run — এটি একটি সঠিক এবং প্রচলিত বাগধারা যা পরিণামে অর্থ প্রকাশ করে। B) on the long run — ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে prepositions ভুল ব্যবহার করা হয়েছে। C) after the long run — এই ধরনের কোনো গ্রহণযোগ্য ইংরেজি idiomatic phrase বা প্রবাদ নেই। D) before the long run — এটি সময়ের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না এবং ইংরেজি ব্যবহারের নিয়মবিরোধী। মনে রাখার টিপস: অবশেষে বা পরিণামে বোঝাতে সবসময় in the long run ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
a What you said
b If you say so
c Because of saying so
d What did you say
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) What you said কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পরে বাক্যের মূল verb এর past form আছে, তাই সাবজেক্ট হিসেবে একটি noun clause দরকার। What you said একটি সম্পূর্ণ noun clause যা এখানে সাবজেক্ট হিসেবে বসেছে। এটি বাক্যের অর্থকে সম্পূর্ণ করে। এটি ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What you said — এটি সঠিক উত্তর। B) If you say so — এটি একটি conditional clause, যা এখানে সাবজেক্ট হতে পারে না। C) Because of saying so — এটি prepositional phrase, যা বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করতে পারে না। D) What did you say — এটি একটি interrogative sentence, যা বাক্যের মাঝে সাবজেক্ট হিসেবে বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে সাবজেক্ট হিসেবে প্রশ্নবোধক বাক্য বা ফ্রেজ না বসে সাধারণত noun clause বসে।
a Gerund
b Noun
c Present participle
d Adjective
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Present participle কেন সঠিক: এখানে opening শব্দটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে একই সাথে কাজ করার ভাব প্রকাশ করেছে। এটি noun এর কাজ না করে একটি adjective এর মতো detective সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — এটি noun এর কাজ করে না এবং বাক্যে subject বা object হিসেবে বসেনি। B) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না বরং কাজের ধারাবাহিকতা প্রকাশ করছে। C) Present participle — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Adjective — যদিও এটি adjective এর মতো কাজ করে, কিন্তু এর মূল রূপটি participle হিসেবে ধরা হয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে ing যুক্ত verb যদি একসাথে আরেকটি কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, তবে তা সবসময় present participle হয়।
a be
b being
c was
d having
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) being কেন সঠিক: এখানে বাক্যটির দুটি অংশের সাবজেক্ট আলাদা হওয়ায় প্রথম অংশে Absolute Phrase ব্যবহৃত হয়েছে। তাই মূল verb এর সাথে ing যুক্ত করে Participial Phrase গঠন করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) be — এটি verb এর বেস ফর্ম হওয়ায় এখানে একা বসে কোনো Grammatical Structure তৈরি করতে পারে না। B) being — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে Participial Phrase হিসেবে এটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে। C) was — এখানে কোনো Conjunction না থাকায় দুটি Finite Verb একসাথে বসতে পারে না। D) having — এটি Perfect Participle হলেও এখানে অবস্থা বোঝাতে being এর ব্যবহারই বেশি উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: বাক্যের দুটি অংশের সাবজেক্ট আলাদা থাকলে এবং কোনো Conjunction না থাকলে, প্রথম অংশে verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
a does he
b doesn't he
c can he
d don't they
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) don't they কেন সঠিক: Everybody বা Everyone জাতীয় indefinite pronoun থাকলে ট্যাগ কোশ্চেনের সময় সাবজেক্ট হিসেবে they বসে। বাক্যটি হাবুবাচক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি নাবুবাচক হবে এবং মূল verb Present Indefinite Tense-এ থাকায় auxiliary verb don't ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) does he — এখানে he ব্যবহারের ফলে মূল সাবজেক্ট Everybody-র বহুবচন রূপের সাথে মিলছে না এবং এটি হাবুবাচক হয়েছে। B) doesn't he — এখানে he ব্যবহারের নিয়ম ভুল কারণ Everybody-র পরিবর্তে সবসময় they বসে এবং tense অনুযায়ী doesn't হয় না। C) can he — এখানে modal auxiliary verb 'can' ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই এবং he ব্যবহারের নিয়ম ভুল। D) don't they — এটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং নির্দিষ্ট উত্তর হিসেবে গণ্য। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে Everybody বা Everyone থাকলে ট্যাগ কোশ্চেনে সবসময় don't they বা aren't they ব্যবহার করতে হয়।
a I have
b have I
c am I
d I am
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) have I কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে and so এর পরে inversion বা সাহায্যকারী ভার্ব প্রথমে বসে। প্রথম অংশে present perfect tense থাকায় দ্বিতীয় অংশেও have ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I have — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব আগে বসেনি বলে নিয়মের বাইরে চলে গেছে। B) have I — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় প্রযোজ্য নয়। C) am I — মূল বাক্যে present perfect tense থাকায় am ব্যবহার করা ভুল। D) I am — এখানে টেন্স ও ইনভার্শন উভয়ের নিয়মই ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: and so এর পরে সাহায্যকারী ভার্ব এবং সাবজেক্ট বসে।
a Foe
b Hatred
c Condemer
d Misanthrope
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Misanthrope কেন সঠিক: Misanthrope শব্দটির অর্থ মানবদ্বেষী বা যে মানুষ জাতিকে ঘৃণা করে। প্রশ্নানুসারে মানবজাতিকে ঘৃণা করে এমন ব্যক্তিকে এককথায় Misanthrope বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Foe — এর অর্থ শত্রু বা বৈরী, যা সাধারণ শত্রুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। B) Hatred — এটি একটি নাউন যার অর্থ ঘৃণা, কিন্তু এটি কোনো মানুষকে বোঝায় না। C) Condemer — এর অর্থ নিন্দুক বা যে দোষ ধরে, কিন্তু সে মানবজাতিকে ঘৃণা করে না। D) Misanthrope — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: Mis- শব্দের অর্থ ঘৃণা করা এবং Anthrope- শব্দের অর্থ মানুষ, তাই দুটি মিলে Misanthrope মানে মানবদ্বেষী হয়।
a If he were sincere
b If he had study
c If he studied regularly
d Had he studied regularly
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Had he studied regularly কেন সঠিক: মূল বাক্যের পরের অংশে would have succeeded থাকায় এটি থার্ড কন্ডিশনাল। থার্ড কন্ডিশনালে ইফ যুক্ত অংশটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। Had দিয়ে শুরু হওয়া বাক্য পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের অর্থ প্রকাশ করে। এখানে সাবজেক্টের আগে Had বসে ইফ এর কাজ করেছে। এটি একটি সঠিক পাস্ট পারফেক্ট কন্ডিশনাল স্ট্রাকচার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) If he were sincere — এই অপশনটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল নির্দেশ করে যা মূল অংশের সাথে মেলে না। B) If he had study — এখানে had এর পরে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম নেই তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) If he studied regularly — এই অপশনটি ফার্স্ট বা সেকেন্ড কন্ডিশনালের নিয়মে পড়েছে যা থার্ড কন্ডিশনালে বসে না। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: মূল বাক্যে would have থাকলে আগের অংশে had এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসবে।
a put up with
b put off
c put out
d put down
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) put up with কেন সঠিক: 'Put up with' একটিPhrasal verb যার বাংলা অর্থ হলো সহ্য করা বা বরদাস্ত করা। প্রশ্ন চাওয়া হয়েছে 'to tolerate' বা সহ্য করার সমার্থক ফ্রেজ কোনটি, তাই অপশন এ সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) put up with — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সহ্য করা। B) put off — এই Phrasal verb টির অর্থ হলো মূলত কোনো কিছু স্থগিত রাখা বা বাতিল করা। C) put out — এই Phrasal verb টির অর্থ হলো আগুন নেভানো বা কাউকে বিব্রত করা। D) put down — এই Phrasal verb টির অর্থ হলো কোনো কিছু নিচে নামিয়ে রাখা বা লিখে নেওয়া। মনে রাখার টিপস: সহ্য করা ইংরেজি জানতে চাইলে 'Put up with' ফ্রেজটি মনে রাখবে।
a experimental
b bookish
c logical
d impractical
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) experimental কেন সঠিক: theoretical শব্দের অর্থ তাত্ত্বিক বা যা শুধু ধারণার ওপর নির্ভর করে। এর বিপরীত শব্দ হলো experimental যার অর্থ পরীক্ষামূলক বা বাস্তব প্রমাণভিত্তিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) experimental — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তাত্ত্বিকের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) bookish — এই শব্দটির অর্থ পন্ডিতী বা বইসর্বস্ব যা theoretical শব্দের সমার্থক। C) logical — এই শব্দটির অর্থ যৌক্তিক যা এই প্রশ্নের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক নয়। D) impractical — এই শব্দটির অর্থ অবাস্তব যা theoretical শব্দের কাছাকাছি একটি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: তাত্ত্বিক বা খাতার লেখার বিপরীত হলো পরীক্ষা করে দেখা। তাই theoretical এর উল্টো শব্দ হলো experimental।
a have
b is
c were
d are
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is কেন সঠিক: বাক্যের মূল Subject হলো the man যা singular এবং along with দ্বারা যুক্ত পরের অংশ Subject হিসেবে গণ্য হয় না। তাই নিয়ম অনুযায়ী verb টি singular হবে এবং सही উত্তর is নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have — Subject singular হওয়ায় plural verb ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। B) is — এটি সঠিক উত্তর। C) were — Subject singular হওয়ায় plural past tense ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। D) are — Subject singular হওয়ায় plural present verb ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: along with বা together with দ্বারা দুটি Subject যুক্ত থাকলে প্রথম Subject অনুസാരে verb নির্ধারিত হয়।
a It is quarter to eleven
b It is a quarter to eleven
c It is a quarter of eleven
d It is a quarter past eleven
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) It is a quarter to eleven কেন সঠিক: ঘড়ির সময় বলার সময় কোনো পদের আগে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। তাই সঠিক প্রকাশের ক্ষেত্রে সরাসরি quarter শব্দটি ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is quarter to eleven — এই বাক্যটি সঠিক কারণ এতে অতিরিক্ত কোনো আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি। B) It is a quarter to eleven — এই বাক্যটি ভুল কারণ quarter শব্দের আগে অতিরিক্ত a ব্যবহার করা হয়েছে। C) It is a quarter of eleven — এই বাক্যটি সঠিক কারণ নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের ইংরেজিতে of ব্যবহার করা বৈধ। D) It is a quarter past eleven — এই বাক্যটি সঠিক কারণ এটি সাড়ে এগারোটার পর পনেরো মিনিট পার হওয়ার সঠিক প্রকাশ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সময় বলার সময় quarter শব্দের আগে সাধারণত কোনো আর্টিকেল বসে না।
a 16
b 14
c 12
d 8
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ২৭, ৪০ ও ৬৫ অবশিষ্ট থাকে যথাক্রমে ৩, ৪ ও ৫ ধরি, প্রথম সংখ্যা থেকে বাদ = ২৭ − ৩ = ২৪ দ্বিতীয় সংখ্যা থেকে বাদ = ৪০ − ৪ = ৩৬ তৃতীয় সংখ্যা থেকে বাদ = ৬৫ − ৫ = ৬০ অতএব, ২৪ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৩, ৪, ৬, ৮, ১২, ২৪ ৩৬ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৩, ৪, ৬, ৯, ১২, ১৮, ৩৬ ৬০ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ১০, ১২, ১৫, ২০, ৩০, ৬০ সুতরাং, ২৪, ৩৬ ও ৬০ এর গসাগু হবে নির্ণেয় বৃহত্তম সংখ্যা উত্তর: ১২
a ৭৫০ টাকা
b ৭০০ টাকা
c ৭৭৫ টাকা
d ৭২০ টাকা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭২০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: চালের মূল্য কমে যাওয়ার হার = ১২% মোট টাকার পরিমাণ = ৬০০০ টাকা চাল বেশি পাওয়া যায় = ১ কুইন্টাল ধরি, পূর্বের চালের দাম ছিল প্রতি কুইন্টাল ক টাকা বর্তমান চালের দাম প্রতি কুইন্টাল (ক − ১২% ক) টাকা অতএব, ১২% কমে যাওয়ার কারণে ৬০০০ টাকার ওপর সাশ্রয় হয় ৬০০০ টাকার ১২% = ৭২০ টাকা সুতরাং, ৭২০ টাকায় পাওয়া যায় ১ কুইন্টাল চাল বর্তমান ১ কুইন্টাল চালের দাম ৭২০ টাকা উত্তর: ৭২০ টাকা
a 86
b 87
c 88
d 89
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮৯ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম তিনটি খেলায় রান যথাক্রমে ৮২, ৮৫ ও ৯২ চতুর্থ খেলায় রান করতে হবে কত তা নির্ণয় করতে হবে ধরি, চারটি খেলার মোট রান হবে চার গুণ সাঁতাশি চার গুণ সাঁতাশি সমান তিনশত আটচল্লিশ অতএব, প্রথম তিনটি খেলার মোট রান যোগ করতে হবে বায়ান্নর সাথে পঁচাশি ও বিরানব্বই যোগ করলে হয় দুইশো উনষাট সুতরাং, চতুর্থ খেলার রান পেতে মোট রান থেকে প্রথম তিন খেলার রান বিয়োগ করতে হবে তিনশত আটচল্লিশ থেকে দুইশো উনষাট বিয়োগ করলে হয় উননব্বই উত্তর: ৮৯
a 1000
b 820
c 800
d 720
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যার ১২% সমান ৯৬ ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ১২% = ৯৬ ক × (১২ ÷ ১০০) = ৯৬ সুতরাং, ক = (৯৬ × ১০০) ÷ ১২ ক = ৯৬০০ ÷ ১২ উত্তর: ৮০০
a (x-1) (x-2) (x-3)
b (x+1) (x-2) (x+3)
c (x-1) (x + 2) (x + 3)
d (x - 2)
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (x-1) (x-2) (x-3) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = x২ − 3x + 2 দ্বিতীয় রাশি = x২ − 5x + 6 ধরি, প্রথম রাশির উৎপাদক বিশ্লেষণ = x২ − 2x − x + 2 দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক বিশ্লেষণ = x২ − 3x − 2x + 6 অতএব, প্রথম রাশি = x(x − 2) − 1(x − 2) = (x − 1) (x − 2) দ্বিতীয় রাশি = x(x − 3) − 2(x − 3) = (x − 2) (x − 3) সুতরাং, নির্ণেয় লঘু সাধারণ গুণিতক বা ল.সা.গু. = (x − 1) (x − 2) (x − 3) উত্তর: A) (x-1) (x-2) (x-3)
a 8
b 10
c 13
d 25
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ধনাত্মক সংখ্যার বর্গের অন্তর ৮ সংখ্যা দুটির গুণফল ৩ ধরি, বড় সংখ্যাটি = x এবং ছোট সংখ্যাটি = y বর্গের অন্তর = x² − y² = ৮ গুণফল = xy = ৩ অতএব, আমরা জানি, (x² + y²)² = (x² − y²)² + (৪ × x² × y²) (x² + y²)² = (x² − y²)² + [৪ × (xy)²] সুতরাং, (x² + y²)² = (৮)² + [৪ × (৩)²] (x² + y²)² = ৬৪ + [৪ × ৯] = ৬৪ + ৩৬ = ১০০ উত্তর: x² + y² = √১০০ = ১০
a 16
b 18
c 24
d 32
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার গুণফল = ১৫৩৬ সংখ্যা দুটির ল.সা.গু. = ৯৬ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ সংখ্যা দুটির ল.সা.গু. × গ.সা.গু. = সংখ্যা দুটির গুণফল এখানে ল.সা.গু. এর মান ৯৬ এবং গুণফল ১৫৩৬ অতএব, ৯৬ × গ.সা.গু. = ১৫৩৬ গ.সা.গু. = ১৫৩৬ ÷ ৯৬ ভাগ করে পাই গ.সা.গু. এর মান সুতরাং, গ.সা.গু. = ১৬ উত্তর: ১৬
a 0
b 3
c 4
d 5
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ প্রদত্ত তথ্য: মূল বিন্দু থেকে প্রথম বিন্দুর দূরত্ব এবং মূল বিন্দু থেকে দ্বিতীয় বিন্দুর দূরত্ব সমান ধরি, মূল বিন্দু হলো (০, ০) প্রথম বিন্দু হলো (−৫, ৫) দ্বিতীয় বিন্দু হলো (৫, k) অতএব, মূল বিন্দু থেকে প্রথম বিন্দুর দূরত্বের বর্গ = ((−৫ − ০) এর বর্গ) + ((৫ − ০) এর বর্গ) মূল বিন্দু থেকে প্রথম বিন্দুর দূরত্বের বর্গ = ২৫ + ২৫ মূল বিন্দু থেকে প্রথম বিন্দুর দূরত্বের বর্গ = ৫০ অতএব, মূল বিন্দু থেকে দ্বিতীয় বিন্দুর দূরত্বের বর্গ = ((৫ − ০) এর বর্গ) + ((k − ০) এর বর্গ) মূল বিন্দু থেকে দ্বিতীয় বিন্দুর দূরত্বের বর্গ = ২৫ + (k এর বর্গ) শর্তানুসারে, ২৫ + (k এর বর্গ) = ৫০ সুতরাং, k এর বর্গ = ৫০ − ২৫ k এর বর্গ = ২৫ উত্তর: k = ৫
a 120 মিটার
b 160 মিটার
c 180 মিটার
d 220 মিটার
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল = ২০২৫ বর্গমিটার ধরি, বর্গাকার বাগানের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার ক্ষেত্রফল = ক × ক বর্গমিটার অতএব, ক × ক = ২০২৫ ক = √২০২৫ ক = ৪৫ সুতরাং, বাগানের পরিসীমা বা বেড়ার মোট দৈর্ঘ্য = ৪ × ৪৫ মিটার = ১৮০ মিটার উত্তর: ১৮০ মিটার
a 50
b 60
c 64
d 62
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: ১০টি সংখ্যার যোগফল = ৪৬২ প্রথম ৪টি সংখ্যার গড় = ৫২ শেষ ৫টি সংখ্যার গড় = ৩৮ ধরি, প্রথম ৪টি সংখ্যার যোগফল = ৪ × ৫২ = ২০৮ শেষ ৫টি সংখ্যার যোগফল = ৫ × ৩৮ = ১৯০ অতএব, প্রথম ৪টি ও শেষ ৫টি অর্থাৎ মোট ৯টি সংখ্যার যোগফল = ২০৮ + ১৯০ = ৩৯৮ সুতরাং, পঞ্চম সংখ্যাটি হলো মোট ১০টি সংখ্যার যোগফল থেকে ৯টি সংখ্যার যোগফলের বিয়োগফল উত্তর: ৪৬২ − ৩৯৮ = ৬৪
a রাশিয়া
b ভারত
c ভুটান
d জাপান
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভুটান কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে। - ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও ভুটানের স্বীকৃতি সরকারিভাবে কয়েক ঘণ্টা আগে নথিভুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি, যা প্রথম নয়। B) ভারত — ভুটানের পর ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর রাতেই ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। D) জাপান — জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় পাহাড় ঘেরা ছোট দেশ ভুটান ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর।
a ঘোড়া
b হাতি
c পিপঁড়া
d গাধা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পিপঁড়া কেন সঠিক: - পিপঁড়া তার নিজের ওজনের চেয়ে প্রায় পঞ্চাশ থেকে একশ গুণ বেশি ওজন বহন করতে সক্ষম। - তাদের পেশীর গঠন অত্যন্ত শক্তিশালী হওয়ায় তারা এই অভাবনীয় শারীরিক শক্তি প্রদর্শন করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘোড়া — ঘোড়া নিজের ওজনের চেয়ে বেশি ভারী বস্তু টানতে পারলেও শরীরের ওজনের তুলনায় পঞ্চাশ গুণ বেশি বস্তু বহন করতে পারে না। B) হাতি — হাতি পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী স্থলচর প্রাণী হলেও নিজের শরীরের ওজনের তুলনায় পঞ্চাশ গুণ বেশি ওজন তুলতে পারে না। C) পিপঁড়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ ক্ষুদ্র আকৃতির এই প্রাণীটি নিজের ওজনের তুলনায় বহুগুণ বেশি ভার বহন করতে পারে। D) গাধা — গাধা সাধারণত নিজের ওজনের প্রায় অর্ধেক বা তার কাছাকাছি ভার বহন করতে পারে, যা পঞ্চাশ গুণের তুলনায় অনেক কম। মনে রাখার টিপস: ক্ষুদ্রতম প্রাণী পিপঁড়াই হলো সবচেয়ে শক্তিশালী বাহক, যা নিজের ওজনের পঞ্চাশ গুণ ভার বহন করে।
a ব্র্যাক ব্যাংক
b এশিয়াটিক সোসাইটি
c বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
d গ্রামীণ ব্যাংক
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কেন সঠিক: - বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র বাংলাদেশের একটি প্রখ্যাত সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান যা আলোকিত মানুষ গড়ার প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। - অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ১৯৭৮ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর মাধ্যমে সারাদেশে বইপড়া কর্মসূচি পরিচালনা করছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্র্যাক ব্যাংক — এটি একটি বাণিজ্যিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা মূলত ক্ষুদ্র, মাঝারি ও সাধারণ ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে। B) এশিয়াটিক সোসাইটি — এটি দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও গবেষণাভিত্তিক একটি প্রাচীন প্রতিষ্ঠান, আলোকিত মানুষ তৈরির কর্মসূচি এর কাজ নয়। C) বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ প্রতিষ্ঠানটির মূল স্লোগান হলো আলোকিত মানুষ চাই। D) গ্রামীণ ব্যাংক — এটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান, যা মূলত দরিদ্র নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: আলোকিত মানুষ গড়ার প্রধান মাধ্যম হলো বই পড়া, আর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি ও বইপড়ার আন্দোলন পরিচালনা করে।
a চাকমা
b সাওতাল
c মারমা
d মুরং
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাকমা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট আদিবাসী জনসংখ্যার মধ্যে চাকমা সম্প্রদায় সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি। - এরা প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাকমা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। B) সাওতাল — জনসংখ্যার দিক থেকে এটি দেশের অন্যতম প্রধান আদিবাসী হলেও চাকমাদের চেয়ে সংখ্যায় কম এবং প্রধানত উত্তরবঙ্গে বাস করে। C) মারমা — এরা জনসংখ্যার দিক থেকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী গোষ্ঠী, তাই সবচেয়ে বেশি আদিবাসী হিসেবে এটি সঠিক নয়। D) মুরং — এরা পাহ অঞ্চলের একটি ক্ষুদ্র আদিবাসী গোষ্ঠী এবং চাকমাদের তুলনায় এদের জনসংখ্যা অনেক কম। মনে রাখার টিপস: চাকমা মানেই প্রথমে থাকা, তাই বাংলাদেশে বসবাসকারী আদিবাসীদের মধ্যে সংখ্যায় প্রথম বা সবচেয়ে বেশি হলো চাকমা।
a ফসফরাস
b লৌহ
c সোডিয়াম
d ম্যাগনেসিয়াম
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফসফরাস কেন সঠিক: - ফসফরাস মানবদেহের হাড় ও দাঁতের গঠন এবং দৃঢ়তা বজায় রাখতে ক্যালসিয়ামের সাথে প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে। - এটি কোষের পর্দা বা প্লাজমা মেমব্রেনের অন্যতম প্রধান উপাদান ফসফোলিপিড তৈরিতে সরাসরি অংশ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফসফরাস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা হাড়, দাঁত গঠন ও ফসফোলিপিড তৈরিতে কাজ করে। B) লৌহ — এটি রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে এবং দেহে অক্সিজেন পরিবহনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে, হাড় বা ফসফোলিপিড গঠনে নয়। C) সোডিয়াম — এটি স্নায়ু উদ্দীপনা ও শরীরের পানির সমতা বজায় রাখতে কাজ করে, যা হাড় বা ফসফোলিপিড গঠনের মূল উপাদান নয়। D) ম্যাগনেসিয়াম — এটি স্নায়ু ও পেশির স্বাভাবিক কার্যকারিতায় সহায়তা করে, তবে এটি ফসফোলিপিড বা হাড়ের প্রধান গাঠনিক উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: হাড়, দাঁত ও লিপিডের মূলে আছে ফসফরাস।
a ৯.৭৯ নিউটন
b ৯.৭৮ নিউটন
c ৯.৮১ নিউটন
d ৯. ৮৩ নিউটন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯.৭৮ নিউটন কেন সঠিক: - পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোল নয়, বরং বিষুবীয় অঞ্চলে কিছুটা স্ফীত এবং মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা। - কেন্দ্র থেকে বিষুবীয় অঞ্চলের দূরত্ব বেশি হওয়ায় মহাকর্ষীয় বলের মান কম হয়, ফলে এই অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ এবং একক ভরের বস্তুর ওজন সর্বনিম্ন হয় ৯.৭৮ নিউটন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯.৭৯ নিউটন — এই মানটি বিষুবীয় অঞ্চল ও মেরু অঞ্চলের মধ্যবর্তী কোনো নির্দিষ্ট অক্ষাংশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বিষুবীয় অঞ্চলের জন্য সঠিক নয়। B) ৯.৭৮ নিউটন — এটি একক ভরের বস্তুর জন্য বিষুবীয় অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) ৯.৮১ নিউটন — এটি পৃথিবীতে অভিকর্ষজ ত্বরণের আদর্শ বা প্রমাণ মান, যা ৪৫ ডিগ্রি অক্ষাংশে বা সমগ্র পৃথিবীর গড় হিসেবে ধরা হয়। D) ৯. ৮৩ নিউটন — এটি পৃথিবীর মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের সর্বোচ্চ মান, কারণ সেখানে কেন্দ্র থেকে দূরত্ব সবচেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: বিষুব অঞ্চলে দূরত্ব বেশি তাই ওজন কম অর্থাৎ ৯.৭৮ নিউটন, আর মেরুতে দূরত্ব কম তাই ওজন বেশি অর্থাৎ ৯.৮৩ নিউটন।
a অভিকর্ষজ ত্বরণ
b মাধ্যাকর্ষণ বল
c আপেক্ষিক বল
d সমান্তরাল বল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাধ্যাকর্ষণ বল কেন সঠিক: - পৃথিবী ও স্যাটেলাইটের মধ্যকার মহাকর্ষ বল বা মাধ্যাকর্ষণ বল কেন্দ্রমুখী বল হিসেবে কাজ করে, যা স্যাটেলাইটকে তার কক্ষপথে ধরে রাখে। - এই বলের টানেই স্যাটেলাইট মহাকাশে সোজা চলে না গিয়ে পৃথিবীর চারদিকে বৃত্তাকার বা উপবৃত্তাকার পথে ঘুরতে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভিকর্ষজ ত্বরণ — এটি হলো অভিকর্ষের প্রভাবে মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হার, কোনো বল নয়। B) মাধ্যাকর্ষণ বল — এটি সঠিক কারণ এই বলই স্যাটেলাইটকে কক্ষপথে ধরে রেখে ঘোড়ায়। C) আপেক্ষিক বল — পদার্থবিজ্ঞানে এই নামে কোনো মৌলিক বল বা স্যাটেলাইট ঘূর্ণনের নির্দিষ্ট বল নেই। D) সমান্তরাল বল — এটি সমান্তরালভাবে প্রযুক্ত বলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা স্যাটেলাইটের ঘূর্ণনের কারণ নয়। মনে রাখার টিপস: মহাকাশে স্যাটেলাইটকে ধরে রেখে ঘোরানোর মূল চালিকাশক্তি হলো পৃথিবীর টান বা মাধ্যাকর্ষণ বল।
a 0.71
b 0.73
c ‘৭৪%
d 0.79
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 0.79 কেন সঠিক: - সিদ্ধ চালে শ্বেতসার বা কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ প্রায় উনআশি শতাংশ বা শূন্য দশমিক সাত নয় অংশ থাকে। - সিদ্ধ প্রক্রিয়ায় চালের পুষ্টিমান ও শ্বেতসারের মাত্রা অপরিশোধিত চালের তুলনায় সামান্য পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.71 — এই মানটি সিদ্ধ চালে বিদ্যমান শ্বেতসারের সঠিক অনুপাতের সাথে মিলে না। B) 0.73 — এটি সিদ্ধ চালের শ্বেতসার পরিমাপের সঠিক পরিসংখ্যান নয়। C) ৭৪% — এই মানটি অন্য কোনো খাদ্য উপাদানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে কিন্তু সিদ্ধ চালের শ্বেতসার নয়। D) 0.79 — এটি সিদ্ধ চালে শ্বেতসারের সঠিক অনুপাত নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: সিদ্ধ চালে শ্বেতসারের পরিমাণ মনে রাখতে শূন্য দশমিক সাত নয় বা উনআশি শতাংশ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a উত্তর মেরুর জমাট বাঁধা বরফ
b গ্রিনল্যান্ডের জমাট বাঁধা বরফ
c শীতল সমুদ্র স্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফ খণ্ড
d হিমালয়ের চূড়ায় জমাট বাঁধা বরফ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শীতল সমুদ্র স্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফ খণ্ড কেন সঠিক: - হিমশৈল হলো মূলত বিশাল আকৃতির বরফখণ্ড যা মূল হিমবাহ থেকে ভেঙে সাগরে ভেসে বেড়ায়। - এগুলি সমুদ্রের শীতল স্রোতের টানে উপকূল থেকে দূরে গভীর সমুদ্রে পরিভ্রমণ করে এবং এর প্রায় ৯০ শতাংশ অংশ পানির নিচে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তর মেরুর জমাট বাঁধা বরফ — এটি সাধারণ বরফ বা আর্কটিকের সামুদ্রিক বরফ নির্দেশ করে, নির্দিষ্ট কোনো চলমান বিশাল হিমখণ্ড বোঝায় না। B) গ্রিনল্যান্ডের জমাট বাঁধা বরফ — এটি গ্রিনল্যান্ডের মূল ভূখণ্ডের আইস শিট বা বরফ চাদর বোঝায়, সমুদ্রে ভেসে চলা খণ্ডিত অংশ নয়। C) শীতল সমুদ্র স্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফ খণ্ড — এটি সঠিক কারণ হিমশৈল সাধারণত শীতল স্রোতের মাধ্যমে ভেসে চলে। D) হিমালয়ের চূড়ায় জমাট বাঁধা বরফ — এটি পর্বতের বরফ বা পাহাড়ি হিমবাহ, যা সমুদ্রের পানির সাথে সম্পর্কিত হিমশৈল নয়। মনে রাখার টিপস: হিমশৈল মানেই সাগরে ভেসে বেড়ানো বরফের পাহাড়, যা পানির নিচে বড় অংশ লুকিয়ে রাখে।
a বায়োটেকনোলজি
b ন্যানোটেকনোলজি
c বায়োমেট্রিক্স
d জেনিটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ন্যানোটেকনোলজি কেন সঠিক: - ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহার করে অত্যন্ত ক্ষুদ্র কণার সাহায্যে খাদ্যপণ্যের মোড়ক বা প্যাকেটের ভেতরে অদৃশ্য প্রতিরক্ষামূলক প্রলেপ তৈরি করা হয়। - এই প্রলেপ খাদ্যদ্রব্যের গুণগত মান অক্ষুণ্ণ রাখতে বাতাস, আর্দ্রতা এবং ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করতে বাধা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়োটেকনোলজি — এটি জীবপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র, যা উদ্ভিদ বা প্রাণীর জিনগত পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয় কিন্তু প্যাকেজিংয়ের প্রলেপে সরাসরি কাজ করে না। B) ন্যানোটেকনোলজি — এটিই একমাত্র প্রযুক্তি যা আণবিক বা পারমাণবিক স্কেলে খাদ্য প্যাকেজিংয়ের গুণগত মান রক্ষায় প্রলেপ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। C) বায়োমেট্রিক্স — এটি মানুষের শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য শনাক্তকরণের প্রযুক্তি, যা খাদ্য প্যাকেজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) জেনিটিক ইঞ্জিনিয়ারিং — এটি জীবের জিন পরিবর্তন বা পরিমার্জন করার প্রযুক্তি, যা খাদ্য সংরক্ষণের প্যাকেজিং প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: খাদ্য প্যাকেজিংয়ের মান রক্ষায় ক্ষুদ্রাতিহক্ষুদ্র কণার প্রলেপ মানেই ন্যানোটেকনোলজি।
a ক্যাপসিসিন
b ভিটামিন
c ভিটামিন-ই
d ভিটামিন-এ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্যাপসিসিন কেন সঠিক: - মরিচের ভেতরে থাকা ক্যাপসিসিন নামক রাসায়নিক পদার্থের কারণে মুখে ঝাল বা জ্বালাপোড়ার অনুভূতি হয়। - এটি মূলত মরিচের প্ল্যাসেন্টা বা বীজযুক্ত অংশে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যাপসিসিন — এটি মরিচের ঝাল লাগার মূল রাসায়নিক উপাদান তাই এটি সঠিক উত্তর। B) ভিটামিন — এটি কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিক বা ঝাল সৃষ্টিকারী উপাদান নয় বরং শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। C) ভিটামিন-ই — এটি চর্বিতে দ্রবণীয় একটি ভিটামিন যা ত্বকের স্বাস্থ্য ও কোষ সুরক্ষায় কাজ করে, ঝালের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ভিটামিন-এ — এটি দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য জরুরি একটি পুষ্টি উপাদান, মরিচের ঝালের জন্য দায়ী নয়। মনে রাখার টিপস: মরিচ কাটলে হাতে জ্বালা ধরে ক্যাপসিসিনের কারণে।
a কার্বন ডাইঅক্সাইড
b অক্সিজেন
c মিথেন
d নাইট্রোজেন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিথেন কেন সঠিক: - বায়োগ্যাসে প্রধানত মিথেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস থাকে যার মধ্যে মিথেন গ্যাস দাহ্য হওয়ায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - বায়োগ্যাসে মিথেনের পরিমাণ প্রায় ষাট থেকে সত্তর শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্বন ডাইঅক্সাইড — এটি বায়োগ্যাসে থাকলেও এটি অদাঢ্য গ্যাস এবং জ্বালানির কাজে লাগে না। B) অক্সিজেন — এটি দহনে সাহায্য করলেও বায়োগ্যাসের মূল জ্বালানি উপাদান নয়। D) নাইট্রোজেন — এটি বায়োগ্যাসের একটি নিষ্ক্রিয় উপাদান যা জ্বালানি হিসেবে কোনো ভূমিকা রাখে না। মনে রাখার টিপস: বায়োগ্যাসের মূল জ্বালানি উপাদান হলো মিথেন, ঠিক যেমন প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদানও মিথেন।
a মেঘের পানির কণা খুবই উত্তপ্ত হয়ে যায়
b মেঘে পানি কণার চেয়ে ক্লোরিনের পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে
c মেঘের পানির কণার সাথে বাতাসের ভাসমান রাসায়নিক পদার্থের বিক্রিয়ার ফলে
d মেঘের পানির কণা খুব ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ায়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মেঘের পানির কণা খুব ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ায় কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগের অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রার কারণে মেঘের জলীয় বাষ্প বা পানির কণা বরফ কণায় পরিণত হয়। - এই বরফ কণাগুলো নিচে নামার সময় আরও পানির কণা যুক্ত হয়ে ভারী শিলাখণ্ডে রূপ নিয়ে মাটিতে ঝরে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘের পানির কণা খুবই উত্তপ্ত হয়ে যায় — পানির কণা উত্তপ্ত হলে তা বাষ্প হয়ে ওপরে ওঠে, শিলাবৃষ্টির মতো কঠিন বরফ তৈরি হতে পারে না। B) মেঘে পানি কণার চেয়ে ক্লোরিনের পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে — ক্লোরিন গ্যাসের সাথে শিলাবৃষ্টির কোনো সম্পর্ক নেই, এটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। C) মেঘের পানির কণার সাথে বাতাসের ভাসমান রাসায়নিক পদার্থের বিক্রিয়ার ফলে — শিলাবৃষ্টি কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফল নয়, এটি সম্পূর্ণ একটি প্রাকৃতিক আবহাওয়ার রূপান্তর। D) মেঘের পানির কণা খুব ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ায় — এই অপশনটি সঠিক, কারণ অতিরিক্ত ঠান্ডায় পানির কণা জমে বরফে পরিণত হয়। মনে রাখার টিপস: উপরিভাগের অতিরিক্ত ঠান্ডা বায়ুর প্রভাবে মেঘের পানির কণা জমে বরফ বা শিলায় পরিণত হয়, একেই শিলাবৃষ্টি বলে।
a ৯৭ তম
b ৯৬ তম
c ৯৫ তম
d ৯৪ তম
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৬ তম কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। - জন্মসাল ১৯২০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত গণনা করলে দেখা যায় ২০১৬ সালের ১৭ মার্চ তাঁর ৯৬তম জন্মবার্ষিকী পূর্ণ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯৭ তম — এটি ২০১৭ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ছিল, ২০১৬ সালের জন্য সঠিক নয়। B) ৯৬ তম — হিসাব অনুযায়ী এটি ২০১৬ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর সঠিক জন্মবার্ষিকী। C) ৯৫ তম — এটি ২০১৫ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ছিল, ২০১৬ সালের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) ৯৪ তম — এটি ২০১৪ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ছিল, ২০১৬ সালের জন্য এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্ম সাল ১৯২০ থেকে যে সালের জন্মবার্ষিকী বের করতে হবে সেই সাল বিয়োগ করে এক যোগ করলেই কাঙ্ক্ষিত জন্মবার্ষিকী পাওয়া যাবে। যেমন ২০১৬ বিয়োগ ১৯২০ সমান ৯৬।
a সার্ভিস
b কৃষি
c শিল্প
d কোনোটিই নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সার্ভিস কেন সঠিক: - বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সেবা খাত বা সার্ভিস খাতের অবদান সর্বাধিক প্রায় ৫১% থেকে ৫৩% এর কাছাকাছি। - পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা, পরিবহন, আবাসন এবং আর্থিক সেবা এই খাতের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এর অবদান সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সার্ভিস — এটি জিডিপিতে সর্বাধিক অবদান রাখা খাত হিসেবে সঠিক। B) কৃষি — কৃষির অবদান বর্তমানে প্রায় ১১% থেকে ১২% এর মতো, তাই এটি সর্বোচ্চ নয়। C) শিল্প — শিল্পের অবদান প্রায় ৩৭% এর কাছাকাছি, যা সেবা খাতের চেয়ে কম। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সার্ভিস সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান মনে রাখার সহজ ক্রম হলো সেবা, শিল্প এবং কৃষি।
a ঢাকা
b ইসলামাবাদ
c নয়াদিল্লী
d কাঠমান্ডু
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাঠমান্ডু কেন সঠিক: - সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার আনুষ্ঠানিক সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। - ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি এই সচিবালয় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর কার্যক্রম শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি সার্কের প্রতিষ্ঠাতা প্রস্তাবকারী দেশের রাজধানী হলেও এখানে সচিবালয় অবস্থিত নয়। B) ইসলামাবাদ — এটি সার্কের সদস্য দেশ পাকিস্তানের রাজধানী, কিন্তু এখানে সচিবালয় অবস্থিত নয়। C) নয়াদিল্লী — এটি সার্কের সদস্য দেশ ভারতের রাজধানী, তবে এখানে সচিবালয় নেই। D) কাঠমান্ডু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই সার্কের স্থায়ী সচিবালয় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সদস্য দেশগুলোর মধ্যে নেপাল পাহাড় ঘেরা দেশ, আর সার্কের সচিবালয়টি পাহাড় ঘেরা সেই কাঠমান্ডু শহরেই অবস্থিত।
a ১ জানুয়ারি
b ১১ জাুনয়ারি
c ৮ মার্চ
d ৫ অক্টোবর
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ মার্চ কেন সঠিক: - ১৯০৮ সালে আমেরিকার নিউইয়র্কে নারী শ্রমিকের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের স্মরণে এই দিনটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়। - জাতিসংঘ ১৯৭৭ সাল থেকে ৮ মার্চকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জানুয়ারি — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস নয়, বরং এটি ইংরেজি নববর্ষের দিন। B) ১১ জাুনয়ারি — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক দিন নয়। C) ৮ মার্চ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক। D) ৫ অক্টোবর — এটি বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে পালিত হয়, নারী দিবস নয়। মনে রাখার টিপস: মার্চ মাসের আট তারিখে নারী দিবস পালন করা হয়, এটি মনে রাখতে মাসের নাম ও তারিখের সংখ্যাটি জোড়া মনে রাখুন।
a জ্যা পল সাত্রে
b ক্লডে সিমোন
c ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
d কেউ নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড কেন সঠিক: - ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড ছিলেন একমাত্র বিদেশী খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা যিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখেন। - তিনি একজন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক ও বাটা কোম্পানির তৎকালীন কর্মকর্তা ছিলেন, যিনি পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে গোতথ্য সরবরাহ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্যা পল সাত্রে — ইনি একজন ফরাসি দার্শনিক ও সাহিত্যিক ছিলেন, যিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনে ভূমিকা রাখলেও কোনো সামরিক খেতাব পাননি। B) ক্লডে সিমোন — ইনি একজন ফরাসি ঔপন্যাসিক ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক ছিলেন, যাঁর সঙ্গে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সামরিক অবদানের কোনো সম্পর্ক নেই। C) ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে ভিন্ন কোনো ভুল প্রযোজ্য নয়। D) কেউ নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন সি তে উপস্থিত রয়েছে, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বিদেশী বীরপ্রতীক মানেই ওডারল্যান্ড এবং তিনি ছিলেন একজন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক।
a যুক্তরাজ্য
b যুক্তরাষ্ট
c জাপান
d ব্রাজিল
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্রাজিল কেন সঠিক: - বাংলাদেশ থেকে উৎপাদিত ঔষধ বিশ্বের দেড় শতাধিক দেশে রপ্তানি হলেও একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি ঔষধ ব্রাজিলে রপ্তানি করা হয়। - বর্তমান বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশি ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের গুণগত মান ও কম দামের কারণে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ঔষধ রপ্তানিদারক দেশ হলেও এককভাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় না। B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান বাজার হলেও ঔষধের ক্ষেত্রে শীর্ষস্থান দখল করে নেই। C) জাপান — এই দেশটিতে কিছু পরিমাণে ঔষধ রপ্তানি হলেও তা শীর্ষ রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে ব্রাজিলের পরে অবস্থান করে। D) ব্রাজিল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি ঔষধ আমদানিকারক দেশ। মনে রাখার টিপস: ব্রাজিল ফুটবল খেলায় যেমন সবার উপরে থাকে, তেমনি বাংলাদেশ থেকে ঔষধ রপ্তানিতেও ব্রাজিল শীর্ষে অবস্থান করে।
a ১১ জন
b ১৬ জন
c ৭ জন
d ৩ জন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ জন কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ এই উপাধি প্রদান করা হয়। - বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ এই খেতাবে ভূষিত হয়েছেন মোট ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ জন — ১১ জন হলো মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ১ থেকে ১১ পর্যন্ত সেক্টরের সংখ্যা, বীরশ্রেষ্ঠের সংখ্যা নয়। B) ১৬ জন — ১৬ জন কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক বীরত্বসূচক খেতাবে ভূষিত ব্যক্তির সংখ্যা নয়। D) ৩ জন — ৩ জন হলো বীরশ্রেষ্ঠের পরের উপাধি অর্থাৎ বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের খেতাবগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ হলো বীরশ্রেষ্ঠ এবং এর সংখ্যা মাত্র ৭ জন।
a আফ্রিকা
b ইউরোপ
c অস্ট্রেলিয়া
d কোনটি নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আফ্রিকা কেন সঠিক: - লোহিত সাগর ও কৃত্রিম সুয়েজ খাল এশিয়া মহাদেশকে ভৌগোলিকভাবে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে আলাদা করেছে। - সুয়েজ খালটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে এবং এশিয়া ও আফ্রিকার মধ্যবর্তী সীমানা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল এই মহাদেশকে এশিয়া থেকে পৃথক করেছে। B) ইউরোপ — এটি ভুল কারণ ইউরোপ এশিয়া থেকে ইউরাল পর্বতমালা ও কাস্পিয়ান সাগর দ্বারা বিচ্ছিন্ন। C) অস্ট্রেলিয়া — এটি ভুল কারণ অস্ট্রেলিয়া একটি পৃথক ও মহাসাগর দ্বারা বিচ্ছিন্ন মহাদেশ। D) কোনটি নয় — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি অপশন এ তে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকা ও এশিয়াকে আলাদা করেছে সুয়েজ খাল ও লোহিত সাগর।
a 0.22
b 0.29
c 0.33
d কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় (প্রকৃত মান প্রায় ২১%) কেন সঠিক: - বাতাসে অক্সিজেনের প্রকৃত পরিমাণ প্রায় ২০.৭১% বা শতকরা প্রায় ২১ ভাগ। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক মান না থাকায় সঠিক উত্তরটি কোনোটিই নয় হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.22 — এটি মোটের ওপর ২২% নির্দেশ করে, যা বাতাসে অক্সিজেনের সঠিক পরিমাণের চেয়ে বেশি। B) 0.29 — এটি ২৯% নির্দেশ করে, যা বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণের সঙ্গে মেলে না। C) 0.33 — এটি ৩৩% নির্দেশ করে, যা বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেন স্তরের সঠিক অনুপাত নয়। D) কোনোটিই নয় — সঠিক মান ২১% অপশনে না থাকায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন প্রায় ৭৮% এবং অক্সিজেন প্রায় ২১% থাকে।
a 14
b 12
c 10
d 8
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ কেন সঠিক: - সনেটের মোট চৌদ্দ লাইনকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয় যার প্রথম অংশকে অষ্টক বা অক্টেভ বলা হয়। - ইতালীয় বা পেত্রার্কীয় সনেটের প্রথম আট লাইনে ভাবের প্রবর্তনা থাকে এবং এতে আট লাইন নির্ধারিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪ — এটি সনেটের প্রথম ভাগ নয় বরং একটি পূর্ণাঙ্গ সনেটের মোট লাইনের সংখ্যা। B) ১২ — সনেটের কোনো অংশে ১২ লাইন থাকে না এবং এটি ভুল মাপের একটি সংখ্যা। C) ১০ — সনেটের কোনো ভাগে ১০ লাইন থাকে না কারণ এটি সনেটের কাঠামোর সাথে মিলে না। D) ৮ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সনেটের প্রথম ভাগে আট লাইন থাকে। মনে রাখার টিপস: সনেটের মোট চৌদ্দ লাইনকে আট ও ছয় এই দুই ভাগে ভাগ করা হয় যেখানে প্রথম ভাগ আট লাইনের হয়।
a ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ
b ২৫ বৈশাখ ১২৯৮ বঙ্গাব্দ
c ২৫ বৈশাখ ১২৭৬ বঙ্গাব্দ
d কোনোটিই নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: A) ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে এবং বাংলা ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। - বাংলা সন অনুযায়ী তাঁর জন্মতারিখ ২৫ বৈশাখ হওয়ায় প্রতি বছর এই দিনে তাঁর জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ — এটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঠিক জন্মতারিখ এবং বঙ্গাব্দ। B) ২৫ বৈশাখ ১২৯৮ বঙ্গাব্দ — এই সালের সঙ্গে কবির জন্মকালের মিল নেই, কারণ ১২৯৮ বঙ্গাব্দে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বয়স ত্রিশ বছর ছিল। C) ২৫ বৈশাখ ১২৭৬ বঙ্গাব্দ — এটি কবির জন্মসাল নয় এবং এই সালের সঙ্গে তাঁর জন্ম তারিখের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ তে সঠিক উত্তরটি বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মসাল মনে রাখতে মনে রাখুন তিনি সিপাহী বিদ্রোহের চার বছর পর অর্থাৎ ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) জন্মগ্রহণ করেন।
a বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চল
b কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল
c ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চল
d বৃহত্তম সিলেট অঞ্চল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে সমতট ছিল অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ একটি জনপদ। - বর্তমান কুমিল্লার ময়নামতি এবং এর আশপাশের অঞ্চল নিয়ে প্রাচীন সমতট জনপদ গঠিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চল — এই এলাকা প্রাচীনকালে পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, সমতট নয়। B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল — এটিই প্রাচীন সমতট জনপদের সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান। C) ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চল — এই অঞ্চল প্রাচীনকালে বঙ্গ জনপদের অংশ হিসেবে পরিচিত ছিল। D) বৃহত্তম সিলেট অঞ্চল — এই এলাকা প্রাচীনকালে হরিকেল জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। মনে রাখার টিপস: সমতট মানে কুমিল্লা অঞ্চল, আর পুণ্ড্র মানে বগুড়া অঞ্চল।
a সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
b মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে
c ঢাকা সেনানিবাসে
d মুজিবনগরে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা সেনানিবাসে কেন সঠিক: - শিখা অনির্বাণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদ বীর সেনাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত একটি শিখা। - এটি রাজধানী ঢাকার ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এবং এখানে নিয়মিত রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে — এটি ঐতিহাসিক স্থান হলেও এখানে স্বাধীনতা স্তম্ভ ও শিখা চিরন্তন অবস্থিত। B) মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত কবরস্থান, শিখা অনির্বাণ এখানে নয়। C) ঢাকা সেনানিবাসে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে শিখা অনির্বাণ অবস্থিত। D) মুজিবনগরে — এটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণের ঐতিহাসিক স্থান, শিখা অনির্বাণ এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: সেনাবাহিনীর হেডকোয়ার্টার বা সেনানিবাসে বীর সেনাদের স্মরণে 'শিখা অনির্বাণ' প্রজ্জ্বলিত থাকে, যা ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত।
a ১ টি
b ২ টি
c ৩ টি
d ৪ টি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি (ভূগোল ও নদনদী) সঠিক উত্তর: D) ৪ টি কেন সঠিক: - পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার (WARPO) ভূপ্রাকৃতিক নদী সংজ্ঞা অনুযায়ী বাংলাদেশে নদের সংখ্যা মাত্র ৪ টি। - পুরুষবাচক নাম সম্পন্ন নদগুলো হলো ব্রহ্মপুত্র, কপোতাক্ষ, মেঘনা এবং কর্ণফুলী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ টি — বাংলাদেশের নদনদীর মোট সংখ্যা চার হাজারের বেশি হলেও পুরুষবাচক নামধারী নদ মাত্র চারটি। B) ২ টি — প্রচলিত ধারণার চেয়ে নদের সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক সংখ্যাটি ভিন্ন হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়। C) ৩ টি — বাংলাদেশের নদ হিসেবে তিনটি সঠিক নয় কারণ পুরুষবাচক নামধারী প্রধান নদ নির্দিষ্টভাবে চারটি। D) ৪ টি — এটি সঠিক কারণ ভৌগোলিক ও প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে নদীর পুরুষবাচক বা নদের সংখ্যা ৪ টি। মনে রাখার টিপস: নদ চেনার সহজ উপায় হলো পুরুষবাচক নাম এবং এর সংখ্যা মনে রাখা, যার পরিমাণ ঠিক চারটি।
a ২৬ মার্চ ১৯৭২
b ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
c ২৬ মার্চ ১৯৭১
d ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এটি কার্যকর করা হয়। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১৪ নভেম্বর সংবিধানে স্বাক্ষর করেন এবং তা ১৬ ডিসেম্বর থেকে বলবৎ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম বার্ষিকী এবং এই তারিখে সংবিধান কার্যকর হয়নি। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখ থেকেই বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর করা হয়। C) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ও মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনার তারিখ। D) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হওয়ার ঐতিহাসিক দিন, সংবিধান কার্যকরের দিন নয়। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের দিনই উপহার: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হয় এবং ঠিক তার এক বছর পর ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর সংবিধান কার্যকর করা হয়।
a ওয়াশিংটন
b নিউইয়র্ক
c ফিলিপাইন
d রোম
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওয়াশিংটন কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক ১৯৪৪ সালে গঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি সি শহরে অবস্থিত। - আন্তর্জাতিক এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি যুদ্ধবিধ্বস্ত ও উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ঋণ প্রদান করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন — এটি বিশ্বব্যাংকের সঠিক প্রধান কার্যালয়। B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, বিশ্বব্যাংকের নয়। C) ফিলিপাইন — এটি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (ADB) প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, বিশ্বব্যাংকের নয়। D) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, বিশ্বব্যাংকের নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বকে টাকা বা ব্যাংক ঋণ দিতে হলে বড় শক্তির রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে যেতে হয়।
a উচ্চ রক্তচাপ
b অনেক জ্বর
c মাড়িতে রক্তক্ষরণ
d খিচুনি ধরা
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: C) মাড়িতে রক্তক্ষরণ কেন সঠিক: - ইবোলা একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ যা মানুষের রক্তনালীর ক্ষতি করে এবং রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা নষ্ট করে। - এর ফলে রোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানসহ মাড়িতে তীব্র রক্তক্ষরণ দেখা দেয়, যা এই রোগের একটি প্রধান ও বিশেষ লক্ষণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উচ্চ রক্তচাপ — ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সাধারণত উচ্চ রক্তচাপের পরিবর্তে রক্তচাপ মারাত্মকভাবে কমে যায় এবং রোগী শকে চলে যায়। B) অনেক জ্বর — অনেক জ্বর ইবোলার প্রাথমিক লক্ষণ হলেও এটি একমাত্র বা চূড়ান্ত রোগ নির্ধারণকারী বৈশিষ্ট্য নয়, বরং রক্তক্ষরণই এর প্রধান রূপ। D) খিচুনি ধরা — খিচুনি ধরা সাধারণত স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতা বা অন্য কোনো রোগের লক্ষণ, এটি ইবোলার প্রধান বা সাধারণ কোনো বৈশিষ্ট্য নয়। মনে রাখার টিপস: ইবোলা ভাইরাস মনে রাখলেই মাথায় রাখতে হবে রক্তক্ষরণ, কারণ এই ভাইরাসের অপর নাম হেমোরজিক ফিভার বা রক্তক্ষরণজনিত জ্বর।
a নিউইয়র্ক
b জেনেভা
c ভিয়েনা
d অসলো
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত অঙ্গসংস্থা। - সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর এবং ইউনিসেফ এর কার্যালয় অবস্থিত, কিন্তু WHO এর নয়। B) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর এবং এখানেই সঠিক উত্তর অবস্থিত। C) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি এজেন্সি বা IAEA এর সদর দপ্তর অবস্থিত। D) অসলো — এটি নরওয়ের রাজধানী এবং এখানে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান কমিটি অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: স্বাস্থ্য বা Health সম্পর্কিত বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
a সিলেট
b খুলনা
c কুষ্টিয়া
d চাপাইনবাবগঞ্জ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাপাইনবাবগঞ্জ কেন সঠিক: - প্রাচীন গৌড় নগরীর ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক অবস্থান বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলা জুড়ে বিস্তৃত ছিল। - সুলতানি আমলে গৌড় ছিল বাংলার রাজধানী এবং এর কিছু অংশ বর্তমানে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — এটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রাচীন অঞ্চল হলেও প্রাচীন গৌড় নগরীর অংশবিশেষ এখানে অবস্থিত নয়। B) খুলনা — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি বিভাগ ও জেলা যা প্রাচীন গৌড় রাজ্যের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে অবস্থিত। C) কুষ্টিয়া — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা যা মূলত নদীমাতৃক ও উত্তর অঞ্চলের ইতিহাসের অংশ নয়। D) চাপাইনবাবগঞ্জ — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রাচীন গৌড় নগরীর ধ্বংসাবশেষ ও অংশবিশেষ এই জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: গৌড় মানেই নবাবগঞ্জ অর্থাৎ চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কারণ ঐতিহাসিক গৌড় সভ্যতার মূল অংশ এই জেলায় রয়েছে।
a Computer Dise Run Only Memory
b Computer Drive Read Only Memory
c Computer Dise Read Only Memory
d Computer Driver Run Only Memory
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: C) Computer Dise Read Only Memory কেন সঠিক: - CD-ROM হলো অপটিক্যাল ডিস্কের একটি রূপ যার পূর্ণরূপ হলো কম্প্যাক্ট ডিস্ক রিড অনলি মেমরি। - এই মেমরি থেকে শুধুমাত্র ডেটা পড়া যায় কিন্তু নতুন করে কোনো ডেটা লেখা বা মুছে ফেলা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Computer Dise Run Only Memory — এখানে Read শব্দের পরিবর্তে ভুল শব্দ Run ব্যবহার করা হয়েছে। B) Computer Drive Read Only Memory — এখানে Dise শব্দের পরিবর্তে ভুল শব্দ Drive ব্যবহার করা হয়েছে। C) Computer Dise Read Only Memory — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর প্রতিটি শব্দের বানান ও রূপ সঠিক। D) Computer Driver Run Only Memory — এখানে Dise এবং Read শব্দের জায়গায় ভুল শব্দ Driver এবং Run ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সিডি-রম এর পূর্ণরূপ মনে রাখতে সিডি মানে কম্প্যাক্ট ডিস্ক বা ডিজ এবং রম মানে রিড অনলি মেমরি এই সূত্রটি মনে রাখবে।
a টোকিও
b দুবাই
c জোহানেসবাগ
d সৌদি আরব
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জোহানেসবার্গ কেন সঠিক: - দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ শহরটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্বর্ণ খনি অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। - এখান থেকে বিশ্বের মোট উৎপাদিত স্বর্ণের একটি বিশাল অংশ উত্তোলন করা হয় বলে একে স্বর্ণের শহর বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র, কিন্তু স্বর্ণের খনির জন্য বিখ্যাত নয়। B) দুবাই — এটি মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্যিক ও পর্যটন কেন্দ্র এবং স্বর্ণের ব্যবসার জন্য বিখ্যাত হলেও এখানে কোনো প্রাকৃতিক স্বর্ণের খনি নেই। D) সৌদি আরব — এটি খনিজ তেল উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত, স্বর্ণের খনির জন্য এটি প্রধান পরিচিত স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: সোনার খনি মানেই দক্ষিণ আফ্রিকা এবং এই দেশটির প্রধান শহর জোহানেসবার্গ।

মোট প্রশ্ন (25)

a সান্ধ্য ভাষা
b মৈথিলি ভাষা
c ব্রজবুলি ভাষা
d অহমিয়া ভাষা
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৈথিলি ভাষা ১. কেন সঠিক: বিদ্যাপতি মিথিলার কবি ছিলেন এবং তিনি তাঁর পদগুলো মূলত মৈথিলি ভাষাতেই রচনা করেছিলেন। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির আদি ও শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে তিনি মৈথিলি ভাষাকেই তাঁর সাহিত্য রচনার মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী পদকর্তা হলেও তিনি বাঙালি ছিলেন না। তিনি ছিলেন বিহারের মিথিলা অঞ্চলের কবি এবং রাজা শিবসিংহের সভাকবি। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি মৈথিলি ভাষায় পদ লিখেও বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সূচনায় বিশেষ অবদান রেখেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদাবলী সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতির মৈথিলি ভাষায় রচিত পদগুলো পরবর্তী সময়ে বাংলা ভাষার কবিরা অনুকরণ করেন। উদাহরণ ২: মৈথিলি কোকিল ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতিকে তাঁর সুমধুর কাব্যের জন্য মৈথিলি কোকিল উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সান্ধ্য ভাষা — চর্যাপদের ভাষাকে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সান্ধ্য ভাষা বলে অভিহিত করেছিলেন। C) ব্রজবুলি ভাষা — এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভাষা নয়, বরং মৈথিলি ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা যা বিদ্যাপতির পদের অনুকরণে পরবর্তীতে কবিরা ব্যবহার করেছিলেন। D) অহমিয়া ভাষা — এটি আসাম অঞ্চলের একটি আঞ্চলিক ভাষা যার সঙ্গে বিদ্যাপতির পদ রচনার কোনো সরাসরি সংযোগ নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্যাপতির আদি ভাষা মৈথিলি এবং বাংলা সাহিত্যে তিনি ব্রজবুলি ভাষার প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। মূল ভাষা মৈথিলি হলেও তাঁর পদের প্রভাবে বাংলায় এক কৃত্রিম ভাষার সৃষ্টি হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্যাপতি কোন ভাষার কবি এবং তাঁকে কী উপাধি দেওয়া হয়েছে, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ব্রজবুলি ভাষার সঙ্গে বিদ্যাপতির নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকলেও তাঁর নিজ ভাষা ছিল মৈথিলি।
a জাহানারা ইমাম
b সুফিয়া কামাল
c শওকত আলী
d আবু ইসহাক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুফিয়া কামাল ১. কেন সঠিক: - ‘একাত্তরের ডায়েরী’ গ্রন্থটির রচয়িতা বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও জননী সাহসিকা সুফিয়া কামাল। - এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে লেখকের ব্যক্তিগত ডায়রির পাতায় লেখা স্মৃতিকথা ও প্রামাণিক দলিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের নারী জাগরণ, সাহিত্যচর্চা এবং রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক অবিসংবাদিত নেত্রী। - তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে সাঁঝের মায়া, মায়া লিখন, মন ও জীবন এবং একাত্তরের ডায়েরী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জাহানারা ইমামের ‘একাত্তরের দিনগুলি’ ব্যাখ্যা: এটিও মুক্তিযুদ্ধের ওপর লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণিক দিনলিপিভিত্তিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সুফিয়া কামালের ‘সাঁঝের মায়া’ ব্যাখ্যা: এটি কবি সুফিয়া কামালের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাহানারা ইমাম — তিনি ‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থের লেখক, যা মুক্তিযুদ্ধের আরেকটি বিখ্যাত স্মৃতিকথা। B) সুফিয়া কামাল — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি ‘একাত্তরের ডায়েরী’ গ্রন্থের রচয়িতা। C) শওকত আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও গল্পকার, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’। D) আবু ইসহাক — তিনি বিখ্যাত ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’ উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - ডায়েরী লেখার অভ্যাসের সাথে সুফিয়া কামালের ডায়েরী মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - জননী সাহসিকা সুফিয়া কামালের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত কাজ হলো একাত্তরের ডায়েরী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপিভিত্তিক দুটি গুরুত্বপূর্ণ বই হলো সুফিয়া কামালের ‘একাত্তরের ডায়েরী’ এবং জাহানারা ইমামের ‘একাত্তরের দিনগুলি’। - পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে এই দুটি বইয়ের লেখক প্রায়ই উল্টো করে অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়, তাই সতর্ক থাকতে হবে।
a কাব্যগ্রন্থ
b উপন্যাস
c গল্পগ্রন্থ
d নাটক
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাটক ১. কেন সঠিক: হাত-হদাই বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত নাটক। বিশিষ্ট নাট্যকার ও সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন এই নাটকটির রচয়িতা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সেলিনা হোসেন মূলত কথাসাহিত্যিক হিসেবে অধিক পরিচিত হলেও তিনি কিছু নাটক ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন। হাত-হদাই নাটকে সমাজের প্রান্তিক মানুষের জীবন সংগ্রাম ও বঞ্চনার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চরের মানুষ ব্যাখ্যা: এটি সেলিনা হোসেনের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস যা নদীভাঙা মানুষের জীবন নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: জোনাকী ও অন্যান্য নাটক ব্যাখ্যা: এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি পরিচিত সংকলন যা নাটক পঠন ও মঞ্চায়নে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্যগ্রন্থ — হাত-হদাই কোনো পদ্য বা কবিতার সংকলন নয়। এটি গদ্যরীতির একটি নাটক। B) উপন্যাস — হাত-হদাই উপন্যাসের কাঠামুতে রচিত কোনো দীর্ঘ কথাসাহিত্য নয়। এটি নাটক হিসেবে তালিকাভুক্ত। C) গল্পগ্রন্থ — হাত-হদাই ছোটগল্পের সংকলন নয়। এটি দৃশ্যকাব্য বা নাটক হিসেবে রচিত হয়েছে। D) নাটক — এই অপশনটি সঠিক কারণ হাত-হদাই একটি নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: সেলিনা হোসেনের নাটক মনে রাখতে হাত-হদাই নামটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে। কথাসাহিত্যিক হলেও তাঁর নাটকও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ভিন্নধর্মী রচনা যেমন ঔপন্যাসিকের নাটক বা কবির গল্প প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। মূল ধারার বাইরে লেখকের অন্য ধারার সৃষ্টিগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a আল মাহমুদ
b আহমদ ছফা
c মাহমুদুল হক
d সেলিনা হোসেন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাহমুদুল হক ১. কেন সঠিক: - ‘কালো বরফ’ হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মাহমুদুল হকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত উপন্যাস। - এই উপন্যাসে দেশভাগের ফলে মানুষের জীবনের ট্রাজেডি, মানসিক সংকট এবং শেকড় হারানোর বেদনা অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাহমুদুল হক বাংলা কথাসাহিত্যে তাঁর স্বকীয় শৈলী, ভাষার পরিমিতিবোধ ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। - তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে ‘জীবন আমার বোন’, ‘খেলাঘর’ ও ‘অরক্ষিত সময়’ বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাহমুদুল হকের উপন্যাস 'জীবন আমার বোন' ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও তৎকালীন সামাজিক-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি মাস্টারপিস উপন্যাস। উদাহরণ ২: মাহমুদুল হকের উপন্যাস 'খেলাঘর' ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সাধারণ মানুষের জীবনের ওপর তার প্রভাব অত্যন্ত গভীরভাবে চিত্রিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল মাহমুদ — তিনি মূলত আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও তিনি কথাসাহিত্যের জন্য এই বই লেখেননি। B) আহমদ ছফা — তিনি একজন প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও চিন্তক হলেও ‘কালো বরফ’ তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়। D) সেলিনা হোসেন — তিনি বাংলাদেশের বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক হলেও ‘কালো বরফ’ উপন্যাসটি তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকাভুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাহমুদুল হকের নামের সাথে ‘কালো বরফ’ এবং ‘জীবন আমার বোন’ উপন্যাস দুটি একসাথে মনে রাখতে পারো। - ছদ্মনাম বা অন্য লেখকের সাথে যেন গুলিয়ে না যায়, সেজন্য লেখকের নামের পাশে তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলো নোট করে রাখো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ ও দেশভাগভিত্তিক উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের লেখকের শ্রেষ্ঠ কাজগুলো আলাদা করে পড়লে পরীক্ষার হলে দ্রুত সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a আল মাহমুদ
b নির্মলেন্দু গুণ
c সৈয়দ শামসুল হক
d রফিক আজাদ
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রফিক আজাদ ১. কেন সঠিক: - চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া গ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি রফিক আজাদ। - আর্কেডিয়া বলতে বোঝায় এক কাল্পনিক আদর্শ বা শান্তিময় স্থান, যার সঙ্গে কবি চুনিয়া গ্রামকে যুক্ত করে এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রফিক আজাদ বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি যিনি ষাট ও সত্তরের দশকের আধুনিক কবিতার ধারায় বিশেষ অবদান রাখেন। - তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া ছাড়াও রয়েছে অসমম্ভব রূপকথা ও হৃদয়ে প্রেমের বাণী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসম্ভব রূপকথা ব্যাখ্যা: এটি কবি রফিক আজাদের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বহুল পঠিত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: হাতে মাত্র কয়েকটি দিন ব্যাখ্যা: এটিও কবি রফিক আজাদের বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা বাংলা কবিতায় বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল মাহমুদ — তিনি বিশ শতকের অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি হলেও চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া তার রচিত গ্রন্থ নয়। B) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি কিন্তু এই গ্রন্থটি তার সাহিত্যকর্মের অন্তর্ভুক্ত নয়। C) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বহুমুখী প্রতিভাবান সাহিত্যিক হলেও চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া তার কোনো গ্রন্থ নয়। D) রফিক আজাদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া তার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - রফিক আজাদের চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো কবি রফিক আজাদের গ্রামপ্রীতি ও কাল্পনিক আর্কেডিয়া ভাবনার মেলবন্ধন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রখ্যাত কবিদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম থেকে প্রশ্ন আসে। - কবি রফিক আজাদের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত রাখলে এমন প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a বুদ্ধদেব বসু
b জীবনানন্দ দাশ
c কাজী নজরুল ইসলাম
d অচিন্তকুমার সেনগুপ্ত
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ব্যঙ্গাত্মক লেখা ও রসবোধের প্রকাশ ঘটানোর জন্য 'ব্যাঙাচি' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন লেখকের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের একজন বিদ্রোহী ও জাতীয় কবি, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও সুরকার ছিলেন। - তিনি লেখালেখির ক্ষেত্রে 'ব্যাঙাচি' ছাড়াও 'নূর মোহাম্মদ', 'শামসুল আলম' ইত্যাদি নাম ব্যবহার করতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম, যা তিনি মূলত সবুজপত্র পত্রিকায় লেখার সময় ব্যবহার করতেন। উদাহরণ ২: ভনিতা বা কালকুট ব্যাখ্যা: কালকুট ছদ্মনামে প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক সমরেশ বসু আনন্দবাজার পত্রিকায় বিভিন্ন উপন্যাস ও গল্প লিখেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং 'কবিতা' পত্রিকার সম্পাদক, যার কোনো ছদ্মনাম 'ব্যাঙাচি' ছিল না। B) জীবনানন্দ দাশ — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি, যিনি 'ধানসিঁড়ি' বা অন্য কোনো নামে লিখলেও 'ব্যাঙাচি' ব্যবহার করেননি। C) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই ছদ্মনামে কিছু বিশেষ রচনা লিখেছেন। D) অচিন্তকুমার সেনগুপ্ত — ইনি কল্লোল যুগের অন্যতম প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি, যার ছদ্মনাম 'নীলাচল বাসী' হলেও 'ব্যাঙাচি' নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের লেখালেখির নানা দিক মনে রাখতে ছদ্মনামের তালিকাটি আলাদা করে নোট করে নিতে পারো। - ব্যাঙাচি মানে ব্যাঙের ছোট অবস্থা, আর বিদ্রোহী কবি মাঝে মাঝে ছদ্মবেশে ছদ্মনামে নানা ব্যঙ্গরচনা লিখেছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য একটি আবশ্যিক টপিক। - প্রমথ চৌধুরীর 'বীরবল', বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের 'বনফুল' এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'অনলা দেবী' নামগুলো প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a ঘুম নেই
b রাশিয়ার চিঠি
c যোগাযোগ
d রক্ত কবরী
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঘুম নেই ১. কেন সঠিক: - ঘুম নেই গ্রন্থটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো সাহিত্যকর্ম নয়। এটি মূলত অন্য কোনো লেখকের রচিত একটি গ্রন্থ, তাই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ও অখ্যাত গ্রন্থের তালিকা থেকে এমন প্রশ্ন করা হয় যা তাঁর রচিত নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা যিনি কবিতা, গান, ছোটগল্প, নাটক, উপন্যাস ও প্রবন্ধ লিখে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। - তাঁর রচিত বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি, উপন্যাস এবং নাটকের মধ্যে রাশিয়ার চিঠি, যোগাযোগ এবং রক্তকবরী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: গীতালি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশিষ্ট কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘুম নেই — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত কোনো গ্রন্থ নয়, তাই এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) রাশিয়ার চিঠি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনিমূলক গ্রন্থ যা তিনি রাশিয়া ভ্রমণকালে লিখেছিলেন। C) যোগাযোগ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। D) রক্ত কবরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপকধর্মী ও প্রতিবাদী নাটক যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাস, নাটক এবং ভ্রমণকাহিনির নামগুলো একটি ছক বা নোট খাতায় লিখে বারবার চর্চা করবে। - পরীক্ষার হলে সাধারণত অন্য বিখ্যাত লেখকদের বইয়ের নাম রবীন্দ্রনাথের নামে চালিয়ে অপশন হিসেবে দেওয়া হয়, তাই মৌলিক গ্রন্থগুলো আলাদা করে চিনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর নাম যেমন চোখের আলো, গোরা, যোগাযোগ, শেষের কবিতা ইত্যাদি বারবার বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় আসে। - অন্য লেখকদের বিখ্যাত গ্রন্থের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রন্থের নাম যেন গুলিয়ে না যায়, সে বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে।
a ১৮৩৮ খ্রি.
b ১৮৩৬ খ্রি.
c ১৮৩৭ খ্রি.
d ১৮৩৯ খ্রি.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮৩৮ খ্রি. ১. কেন সঠিক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে সমাদৃত এবং তিনি ১৮৩৮ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জুন জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মস্থান পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক ছিলেন। তিনি বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশ সাধনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং বঙ্কিম যুগ সৃষ্টি করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কপালকুণ্ডলা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় ও অন্যতম জনপ্রিয় একটি ঐতিহাসিক প্রণয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৩৮ খ্রি. — এই সনটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মসালের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায় এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) ১৮৩৬ খ্রি. — এই সনে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেননি, তাই এটি ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত হবে। C) ১৮৩৭ খ্রি. — এই সনটি লেখকের জন্মের সঠিক সাল নয়, তাই এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল উত্তর। D) ১৮৩৯ খ্রি. — এই সনটিও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রকৃত জন্মসন নয়, তাই এটি সঠিক হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মসাল মনে রাখতে আঠারো শতকের শেষের দিকের কথা মনে রাখতে পারো যেখানে আঠারো শতকের পর আটত্রিশ অর্থাৎ ১৮৩৮ সাল আসে। তাঁর জন্মসাল ১৮৩৮ এবং মৃত্যুসাল ১৮৯৪ মনে রাখলে তাঁর জীবনকাল সহজে স্মরণে রাখা সম্ভব হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা উপন্যাসের জনকের জন্মসাল ও প্রথম উপন্যাসের নাম বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। একইভাবে অন্যান্য বিখ্যাত সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যুসাল ছক আকারে মুখস্থ করলে পরীক্ষায় সহজে নম্বর পাওয়া যায়।
a জয়নব
b কাসেম
c হোসেন
d কুবের
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুবের ১. কেন সঠিক: - কুবের মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের প্রধান চরিত্র এবং বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। - বিষাদ সিন্ধু ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক উপাখ্যানের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি বিষাদময় উপন্যাস যেখানে কারবালার যুদ্ধ ও তার পেছনের ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের রচয়িতা ঊনবিংশ শতকের বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক মীর মশাররফ হোসেন। - ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে তিন খণ্ডে প্রকাশিত এই মহাকাব্যিক উপন্যাসের মূল আলোচ্য বিষয় হলো ইসলামের ইতিহাসের হাসান ও হোসেনের ট্র্যাজেডি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোবায়দা ব্যাখ্যা: জোবায়দা হলো বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের একটি অন্যতম নারী চরিত্র এবং ইয়াজিদের পক্ষের চরিত্র হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: পারুল ব্যাখ্যা: পারুল হলো পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের একটি গ্রামীণ চরিত্র যা কুবেরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এবং বিষাদ সিন্ধুর সঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নব — জয়নব বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পরিচিত চরিত্র। B) কাসেম — কাসেম ইমাম হাসান ও হোসেনের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের একটি চরিত্র। C) হোসেন — মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর দৌহিত্র এবং বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হযরত হোসেন। D) কুবের — কুবের হলো মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের চরিত্র যা বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিষাদ সিন্ধু মানেই মীর মশাররফ হোসেন এবং কারবালার ইতিহাস যেখানে হোসেন, জয়নব ও কাসেমের নাম জড়িত থাকে। - পদ্মা নদীর মাঝির কুবেরের মতো সাহিত্যিক চরিত্রগুলোকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক উপন্যাসের চরিত্র এবং সামাজিক উপন্যাসের চরিত্র আলাদা করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ সিন্ধু এবং মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মা নদীর মাঝি বাংলা সাহিত্যের দুটি ভিন্ন ধারার অমর সৃষ্টি।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b সত্যেন্দ্র নাত দত্ত
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d কাদের নওয়াজ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। এই ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো চরণের শেষে পদের মিল বা অন্ত্যমিল না থাকা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবক্তা ও সনেটের প্রণেতা। তার বিখ্যাত তিলোত্তমা সম্ভব কাব্যগ্রন্থে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: তিলোত্তমা সম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা কাব্যে গদ্যছন্দ ও নানা নতুন রূপের প্রবর্তক হলেও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। B) সত্যেন্দ্র নাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর। D) কাদের নওয়াজ — তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কবি হলেও এই ছন্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: মধুসূদন মানেই নতুন ধারা, তাই অমিত্রাক্ষর ছন্দের সঙ্গে মাইকেল মধুসূদন দত্ত নামটি মনে রাখবে। বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর মানেই মাইকেল মধুসূদন দত্তের শ্রেষ্ঠ অবদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমিত্রাক্ষর ছন্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাংলা সনেট ও মহাকাব্যের প্রণেতা হিসেবেও তার নাম মনে রাখা জরুরি।
a আলাওল
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d শাহাদাৎ হোসেন
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম যুগের সংবাদপত্রের যুগ বা যুগসন্ধিক্ষণের অন্যতম প্রধান কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের একটি বিখ্যাত কবিতার অংশ। - কবির নীতিগর্ভ ও উপদেশমূলক কবিতার একটি জনপ্রিয় পঙ্‌ক্তি এটি, যা মানুষের মনে কর্মপ্রেরণা জাগাতে রচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক যিনি যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচিত। - তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং তার কবিতায় দেশপ্রেম, সমাজসংস্কার ও বাঙালি সংস্কৃতির চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমারি সে ইচ্ছা হলো পূর্ণ অবশেষে ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের একটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক ও সমাজসচেতনতামূলক কবিতার অংশ। উদাহরণ ২: বাঁচিতে কে চায় বল শৃঙ্খলের মূলে ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের রচনায় এমন জীবনমুখী ও নীতিমূলক ভাবের প্রকাশ প্রায়শই দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাওল — আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি এবং তার বিখ্যাত সৃষ্টি পদ্মাবতী, যা এই উদ্ধৃতির সঙ্গে মেলে না। B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ উদ্ধৃতিটি তার কোনো একটি নীতিগর্ভ কবিতার পঙ্‌ক্তি। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবক্তা এবং মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা, যার লেখার শৈলী ভিন্ন। D) শাহাদাৎ হোসেন — শাহাদাৎ হোসেন আধুনিক যুগের একজন কবি হলেও এই নির্দিষ্ট প্রাচীন বা মধ্যবর্তী ধারার উদ্ধৃতি তার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কর্মপ্রেরণা ও নীতিমূলক উপদেশ শুনলে এবং তা উনিশ শতকের প্রথমার্ধের প্রেক্ষাপট হলে সাধারণত ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে মনে রাখতে হবে। - যুগসন্ধিক্ষণের কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত নীতিমূলক কবিতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বাংলা সাংবাদিকতার অন্যতম পথিকৃত এবং যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। - কবি ও সাহিত্যিকদের বিখ্যাত উদ্ধৃতিগুলো থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে, তাই প্রখ্যাত কবিদের মূল সুর চিনে রাখা জরুরি।
a আগমনী গীতি
b শোকগীতি
c ধর্মগীতি
d পল্লীগীতি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শোকগীতি ১. কেন সঠিক: - মর্সিয়া শব্দের আক্ষরিক অর্থ শোক প্রকাশ করা বা বিলাপ করা। আরবি মরসাত শব্দ থেকে এই শব্দটি এসেছে। - কারবালার বিষাদময় ঘটনার শহিদদের স্মরণে রচিত শোকগাথা বা শোকগীতিকেই মর্সিয়া বলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মর্সিয়া সাহিত্য মূলত বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সংস্কৃতির প্রভাবে প্রবেশ করা মধ্যযুগীয় ধারার একটি অংশ। - কারবালার যুদ্ধ এবং ইমাম হোসেনের শাহাদাতকে কেন্দ্র করে এই শোকাবহ গীতি ও কাব্য ধারা গড়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত কাজীর আসাদুল্লাহ খাঁ বা মীর মশারফ হোসেনের বিষাদসিন্ধু কাব্যের কিছু অংশ। ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মগুলোতে কারবালার শোকাবহ ঘটনার বিবরণ রয়েছে যা মর্সিয়া ধারার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। উদাহরণ ২: ইসমাইল হোসেন সিরাজীর ঐতিহাসিক উপন্যাস ও কাব্য। ব্যাখ্যা: এগুলোতেও বিষাদময় ঐতিহাসিক ঘটনার শোক প্রকাশ ও মুসলিম ঐতিহ্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আগমনী গীতি — এটি দেবী দুর্গার আগমন উপলক্ষে গাওয়া আনন্দমূলক গান, শোক প্রকাশ নয়। B) শোকগীতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ মর্সিয়া মূলত শোক ও বিলাপ প্রকাশ করে। C) ধর্মগীতি — এটি সাধারণ ধর্মীয় উপাসনা বা বন্দনার গান, যা নির্দিষ্টভাবে শোক প্রকাশ করে না। D) পল্লীগীতি — এটি গ্রামীণ জীবনের সুখ-দুঃখের গান, যা মর্সিয়ার শোকগাথার সঙ্গে মিলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - মর্সিয়া মানে মরিয়া বা কাঁদা। কারবালার শোকের ঘটনা মনে রাখলেই শোকগীতি হিসেবে মর্সিয়া সহজেই চেনা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মর্সিয়া শব্দের অর্থ বা এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - মধ্যযুগের মুসলিম সাহিত্য ধারা থেকে আসা এই পদের মূল ভিত্তি হলো কারবালার শোকগাথা।
a চণ্ডীমঙ্গল
b মনসা মঙ্গল
c ধর্ম মঙ্গল
d অন্নদা মঙ্গল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীমঙ্গল ১. কেন সঠিক: - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং তিনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। - কবিকঙ্কণ ছিল তাঁর উপাধি, যা তিনি রাজা মানসিংহের নিকট থেকে লাভ করেছিলেন এবং তাঁর কাব্য কবিকঙ্কণ চণ্ডী নামেও পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী বাংলার গ্রামীণ জীবনের এক নিখুঁত ও বাস্তবধর্মী চিত্র তাঁর কাব্যে ফুটিয়ে তুলেছেন। - চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচার করা হয়েছে এবং এতে দুটি প্রধান আখ্যান বা উপকাহিনি রয়েছে, কালকেতু-ফুল্লরা এবং ধনপতি-খুলনার কাহিনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এই মহাকাব্যে মধ্যযুগের বাঙালি সমাজের খেতমজুর, শিকারি ও বণিক শ্রেণির জীবনাচার এবং সামাজিক বৈষম্যের বাস্তব রূপ ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: দ্বিজ মাধবের চণ্ডীমঙ্গল ব্যাখ্যা: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ছাড়াও মধ্যযুগে চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ধারার আরও কয়েকজন বিখ্যাত কবি ছিলেন, যেমন দ্বিজ মাধব ও মুক্তরাম সেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীমঙ্গল — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী এই ধারার শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে সমগ্র মধ্যযুগের সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। B) মনসা মঙ্গল — এই মঙ্গল কাব্যের ধারার বিখ্যাত কবি হলেন কানহাদা দত্ত, বিজয় গুপ্ত এবং মঙ্গলা চণ্ডীর পদ্মাবতী বা মনসা বিজয়ের রচয়িতাগণ। C) ধর্ম মঙ্গল — ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারার প্রধান কবি রূপরাম চক্রবর্তী এবং সীতারাম দাস, মুকুন্দরাম চক্রবর্তী এই ধারার কবি নন। D) অন্নদা মঙ্গল — অন্নদামঙ্গল কাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও শেষ কবি হলেন অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুকুন্দরাম মানেই চণ্ডীমঙ্গল এবং তাঁর উপাধি কবিকঙ্কণ, এই সূত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষাকেন্দ্রে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের মঙ্গল কাব্য এবং কবিদের নাম প্রায়ই আসে, তাই কোন কবি কোন ধারার তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a কুলা
b ডাব
c চুলা
d চাবি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাবি ১. কেন সঠিক: চাবি একটি পর্তুগিজ শব্দ, তাই এটি দেশি শব্দ নয়। যেসব শব্দ বাংলাদেশের আদিবাসীদের ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয় এবং চাবি শব্দটি এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস বা উৎপত্তি অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে দেশি শব্দ হলো সেগুলো, যেগুলো প্রাচীনকালে এ দেশের আদিম অধিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুলা ব্যাখ্যা: কুলা একটি দেশি শব্দ, যা প্রাকৃত ও আদি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। উদাহরণ ২: ডাব ব্যাখ্যা: ডাব একটি দেশি শব্দ এবং এটি গ্রামীণ জনপদে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুলা - এটি একটি দেশি শব্দ, যা এ দেশের আদি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে। B) ডাব - এটিও একটি দেশি শব্দ, যা প্রাকৃত বা আঞ্চলিক ভাষা থেকে গৃহিত হয়েছে। C) চুলা - এটি দেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এর উৎস এ অঞ্চলের আদি ভাষা। D) চাবি - এটি পর্তুগিজ ভাষার শব্দ, তাই এটি দেশি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিদেশি শব্দ মনে রাখার একটি সহজ উপায় হলো দৈনন্দিন ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করা। চাবি, বালতি, আলমারি, সাবান ইত্যাদি শব্দগুলো পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দেশি ও বিদেশি শব্দের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। কুলা, ডাব, চুলা, কুঁড়ে, গঞ্জ, ঢোল ইত্যাদি হলো প্রচলিত কিছু দেশি শব্দ।
a শাহ মুহম্মদ সগীর
b আলাওল
c সৈয়দ সুলতান
d মুহম্মদ কবীর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শাহ মুহম্মদ সগীর ১. কেন সঠিক: - 'ইউসুফ জুলেখা' বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রণয়োপাখ্যান। - সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে কবি শাহ মুহম্মদ সগীর এই কাব্যটি রচনা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সুলতানি আমলের (১৪ শতক) সর্বশ্রেষ্ঠ কবি। - ফারসি কবি জামির 'ইউসুফ ও জুলেখা' কাহিনীর অবলম্বনে তিনি বাংলা ভাষায় এই কাব্য রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রাচীনতম নিদর্শন যা বড়ু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত। উদাহরণ ২: পদ্மாவতী ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য যা কবি আলাওল রচনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহ মুহম্মদ সগীর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ইউসুফ জুলেখা কাব্যের রচিয়তা। B) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হলেও তার বিখ্যাত কাব্য পদ্மாவতী এবং সপ্তপয়কর। C) সৈয়দ সুলতান — তিনি নবী বংশ এবং রসূল বিজয় কাব্যের জন্য বিখ্যাত। D) মুহম্মদ কবীর — তিনি মধুমালতী কাব্যের রচিয়তা। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইউসুফ জুলেখা মানেই শাহ মুহম্মদ সগীরের প্রথম সৃষ্টি। - মধ্যযুগের প্রথম প্রণয়োপাখ্যানের কবি হিসেবে তাকে মনে রাখুন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবির নাম প্রায়ই আসে। - প্রণয়োপাখ্যানগুলো কোন ভাষার অনুবাদের ভিত্তিতে রচিত তা মনে রাখা জরুরি।
a নাসির উদ্দীন শাহ
b মুর্শিদ কুলি খাঁ
c শাহ সুজা
d আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য বিকাশে হোসেন শাহী আমলকে স্বর্ণযুগ বলা হয় এবং সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ও তাঁর পুত্র নসরত শাহ এতে পৃষ্ঠপোষকতা করেন। - তাঁর রাজত্বকালে বাংলা ভাষায় ধর্মীয় ও লৌকিক সাহিত্যের প্রচুর অনুবাদ কাজ সম্পন্ন হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ১৫৯৩ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত গৌড়ের সুলতান ছিলেন এবং তিনি বাংলা ভাষার প্রতি অত্যন্ত অনুরাগী ছিলেন। - তাঁর সেনাপতি পরমেশ্বর মহাভারতের একাংশ বাংলায় অনুবাদ করার নির্দেশ পান, যা মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের পথ প্রশস্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার বাংলা অনুবাদ ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যে সংস্কৃত মহাকাব্য ও পুরানের বাংলা রূপান্তর শুরু হয় সুলতানি আমলের পৃষ্ঠপোষকতায়। উদাহরণ ২: কবীন্দ্র মহাভারত ব্যাখ্যা: আলাউদ্দিন হুসেন শাহের সমসাময়িক বা তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় মহাভারতের অংশবিশেষ বাংলায় অনূদিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাসির উদ্দীন শাহ — তিনি বাংলার একজন সুলতান হলেও অনুবাদ সাহিত্যে তাঁর ভূমিকা হুসেন শাহের মতো এত ব্যাপক ছিল না। B) মুর্শিদ কুলি খাঁ — তিনি ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব এবং তাঁর আমল মধ্যযুগের অনেক পরে ছিল। C) শাহ সুজা — তিনি মুঘল রাজপুত্র ও বাংলার সুবেদার ছিলেন, যা মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য রচনার স্বর্ণযুগের পরের সময়। D) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুসেন শাহ মানেই মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের মহান পৃষ্ঠপোষক। - হোসেন শাহী আমলকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অনুবাদ সাহিত্যের উর্বর ক্ষেত্র হিসেবে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের সূচনা ও বিকাশ কোন আমলে ঘটেছিল, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - সুলতানি আমলের রাজন্যবর্গের বাংলা ভাষার প্রতি অনুরাগ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
a ব্যবসা
b কৃষি
c শিল্প
d ধর্ম
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষি ১. কেন সঠিক: খনার বচন মূলত আবহাওয়া, কৃষি এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সম্পর্কিত প্রবাদ ও প্রবচন। প্রাচীন বাংলায় কৃষিকাজের সঠিক সময় নির্ধারণ এবং ফলন বৃদ্ধির জন্য এই বচনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: খনার বচন প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। বচনগুলোর মূল রচয়িতা হিসেবে খনা নামক এক বিদূষী নারীর নাম প্রচলিত থাকলেও এর ঐতিহাসিক সত্যতা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধানের ঘরে পোকা হলে, খনার বচন ফলে। ব্যাখ্যা: এটি কৃষিক্ষেত্রে ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ ও তার প্রতিকার সম্পর্কিত একটি প্রবাদ। উদাহরণ ২: যদি বর্ষে শ্যূনে চাষী হব মনে মনে। ব্যাখ্যা: এটি সঠিক সময়ে বৃষ্টির ওপর কৃষিকাজের নির্ভরতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যবসা — খনার বচনে ব্যবসা-বাণিজ্য বা মুনাফা অর্জনের কোনো নির্দেশনা থাকে না। C) শিল্প — এই প্রবাদগুলোতে চারুশিল্প বা কুটিরশিল্পের আলোচনা প্রধান বিষয় নয়। D) ধর্ম — ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বা উপাসনাপদ্ধতি খনার বচনের মূল লক্ষ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: খনার কথা মানেই কৃষির কথা। মাঠের ফসল ও আবহাওয়া মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মেলানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: খনাকে প্রাচীন বাংলার প্রথম নারী জ্যোতিষী বা লোকসাহিত্যিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ধরনের লোকসাহিত্য থেকে প্রায়ই বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
b শ্রীরামপুর মিশন
c এশিয়াটিক সোসাইটি
d ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কেন সঠিক: - ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। - আবিষ্কারের পর ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে চর্যাপদ গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও সাহিত্যিক নিদর্শন। - এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদ সংকলন। - চর্যাপদের আবিষ্কারক ও প্রথম সম্পাদক হলেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখান থেকেই ১৯১৬ সালে চর্যাপদ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। - B) শ্রীরামপুর মিশন — এটি উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে বাংলা মুদ্রণ ও খ্রিস্টধর্ম প্রচারের সাথে যুক্ত প্রতিষ্ঠান, চর্যাপদ প্রকাশের সাথে নয়। - C) এশিয়াটিক সোসাইটি — এটি প্রাচীন গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান হলেও এখান থেকে চর্যাপদ প্রথম প্রকাশিত হয়নি। - D) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ — এটি ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় মূলত ব্রিটিশ সাহেবদের বাংলা ভাষা শেখানোর জন্য, চর্যাপদ প্রকাশের সাথে এর সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং প্রকাশ করে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ। - প্রকাশের সালটি মনে রাখতে হবে ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দ।
a বিপরীত
b নিকৃষ্ট
c নিকৃত
d অভাব
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিপরীত কেন সঠিক: - ‘মান’ শব্দের অর্থ সম্মান বা শ্রদ্ধা এবং এর সাথে ‘অপ’ যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। - এখানে ‘অপ’ উপসর্গটি মূল শব্দের বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘অপ’ একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা বাংলা ব্যাকরণে বিভিন্ন অর্থে যেমন বিপরীত, মন্দ, অভাব ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়। - ‘মান’ শব্দের সাথে ‘অপ’ উপসর্গ যুক্ত হয়ে ‘অপমান’ গঠিত হয়েছে যার অর্থ অসম্মান বা অমর্যাদা। - অনুরূপভাবে মান শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে অপমান গঠিত হয়েছে যেখানে অপ উপসর্গটি বিপরীত অর্থ নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বিপরীত — এটি সঠিক উত্তর। - B) নিকৃষ্ট — এই অর্থে অপ উপসর্গ ব্যবহৃত হয় অপসংস্কৃতি শব্দে। - C) নিকৃত — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক কোনো উপসর্গযুক্ত অর্থ নয়। - D) অভাব — এই অর্থে অপ উপসর্গ ব্যবহৃত হয় অপারেশন বা অপয়া শব্দে। মনে রাখার টিপস: - ‘অপ’ উপসর্গটি সাধারণত বিপরীত, মন্দ বা অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং মান শব্দের বিপরীত বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
a পতিত
b অনুর্বর
c ঊষর
d বন্ধ্যা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঊষর ১. কেন সঠিক: - 'যে জমিতে ফসল জন্মায় না' এই বাক্যাংশের সঠিক এককথায় প্রকাশ হলো ঊষর। - ঊষর শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো উর্বর নয় এমন, লবণাক্ত বা অনুৎপাদনশীল মাটি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অংশ, যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। - বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার নিয়ম এটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যে জমি চাষ করা হয় না ব্যাখ্যা: একে এককথায় পতিত জমি বলা হয়। উদাহরণ ২: যার উর্বরতা শক্তি নেই ব্যাখ্যা: তাকে এককথায় অনুর্বর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পতিত — পতিত বলতে সাধারণত উর্বর হওয়া সত্ত্বেও চাষাবাদের অভাবে পড়ে থাকা জমিকে বোঝায়। B) অনুর্বর — অনুর্বর বলতে সামগ্রिकভাবে উর্বরতা শক্তির অভাব বোঝায়, যা ঊষরের চেয়ে একটু ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) ঊষর — এটি প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সঠিক এককথায় প্রকাশ। D) বন্ধ্যা — বন্ধ্যা শব্দটি সাধারণত নারী বা প্রাণীর ক্ষেত্রে সন্তান উৎপাদনের অক্ষমতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, জমির ক্ষেত্রে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - লবণাক্ত বা ক্ষারযুক্ত মাটিতে ফসল জন্মায় না, একে ঊষর ভূমি বলা হয়। - জমির অনুৎপাদনশীলতা বোঝাতে ঊষর শব্দটি সবচেয়ে বেশি উপযোগী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জমির অবস্থা সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশ যেমন পতিত, ঊষর, অনুর্বর প্রায়ই আসে। - শব্দের সূক্ষ্মার্থ ও ব্যবহারের ক্ষেত্র ভালোমতো খেয়াল রাখতে হবে।
a চুল
b কুন্তল
c কেশ
d কর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর ১. কেন সঠিক: - ‘চিকুর’ শব্দের অর্থ হলো চুল, কেশ বা কুন্তল। তাই প্রশ্নে যে শব্দগুলো এর সমার্থক হিসেবে দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে 'কর' শব্দটি মেলে না। - 'কর' শব্দের অর্থ হাত, খাজনা বা কিরণ, যা চুল বা চিকুরের সমার্থক নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রশ্ন। - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ, যেগুলো ভিন্ন বানান বা উচ্চারণের হলেও সমার্থক বা একই অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চিকুর ও চুল ব্যাখ্যা: 'চিকুর' হলো চুল বা কেশ বোঝানোর একটি চমৎকার কাব্যিক শব্দ। উদাহরণ ২: কর ও হাত ব্যাখ্যা: 'কর' বলতে মানুষের হাত বা বাহুকে বোঝানো হয়, যা চিকুর শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক বা ভিন্ন অর্থ বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চুল — এই শব্দটি 'চিকুর' শব্দের সরাসরি সমার্থক হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়নি। B) কুন্তল — এই শব্দটি 'চিকুর' বা চুলের সমার্থক শব্দ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তরের অপশন নয়। C) কেশ — এই শব্দটি 'চিকুর' শব্দের অন্যতম প্রধান সমার্থক শব্দ। D) কর — এই শব্দটি হাত বা খাজনা বোঝায়, যা 'চিকুর' শব্দের সমার্থক নয় এবং এটিই কাঙ্ক্ষিত উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - চিকুর, চুল, কেশ ও কুন্তল সব একই পরিবারের শব্দ অর্থাৎ এগুলো মানুষের মাথার চুল বোঝায়। - কর মানে হাত, তাই হাত কখনো চুল হতে পারে না এভাবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দগুলোর উৎসমূল ও ব্যবহার খেয়াল রাখতে হবে। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাব্যিক শব্দের সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
a নবীন
b নির্বাচিত
c প্রাচীন
d বোকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাচীন ১. কেন সঠিক: - ‘অর্বাচিন’ শব্দের অর্থ হলো আধুনিক, নতুন বা অল্পবয়স্ক। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো ‘প্রাচীন’, যার অর্থ পুরাতন বা কালপ্রাচীন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা সবচেয়ে জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা একটি অন্যটির ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - সমাসবদ্ধ বা তদ্ভব শব্দের মতো বিপরীত শব্দ গঠনেও অর্থের মিল বা অমিলের ওপর ভিত্তি করে সঠিক শব্দ নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আধুনিক শব্দের বিপরীত শব্দ প্রাচীন। ব্যাখ্যা: আধুনিক এবং প্রাচীন শব্দ দুটি কালগত দিক থেকে একে অপরের বিপরীত। উদাহরণ ২: তরুণ শব্দের বিপরীত শব্দ বৃদ্ধ। ব্যাখ্যা: তরুণ এবং বৃদ্ধ শব্দ দুটি বয়স বা অবস্থার দিক থেকে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবীন — নবীন শব্দের অর্থ নতুন, যা অর্বাচিন শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, বিপরীতার্থক নয়। B) নির্বাচিত — নির্বাচিত শব্দের অর্থ বাছাই করা, যার সঙ্গে অর্বাচিন বা বয়সের কোনো সম্পর্ক নেই। C) প্রাচীন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্নতা নেই। D) বোকা — বোকা শব্দের অর্থ নির্বোধ, যা অর্বাচিন শব্দের একটি রূপক বা আক্ষরিক অর্থ হতে পারে কিন্তু বিপরীত শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ দিয়ে শুরু অর্বাচিন শব্দের অর্থ নতুন বা আধুনিক, তাই এর বিপরীত হবে পুরাতন বা প্রাচীন। - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - শব্দের উৎস এবং অর্থ ভালোভাবে জানলে কঠিন শব্দগুলোর বিপরীত রূপ সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a তিনিই সমাজরে মাথা
b মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
c লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল
d মাথা নেই তার মাথা ব্যথা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাথা খাটিয়ে কাজ করবে ১. কেন সঠিক: - 'মাথা' শব্দের একটি রূপক বা বিশেষ অর্থ হলো বুদ্ধি, মেধা বা চিন্তা করার শক্তি। - প্রদত্ত বাক্যে 'মাথা খাটিয়ে' বলতে কোনো কাজ করার সময় বুদ্ধি বা মেধা ব্যবহার করাকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় শরীরের অঙ্গবাচক শব্দ যেমন মাথা, কান, নাক, হাত ইত্যাদি নানা বিশেষ অর্থে বা বাগধারায় ব্যবহৃত হয়। - যখন কোনো অঙ্গবাচক শব্দ তার মূল বা শারীরিক অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো গুণ বা অবস্থাকে নির্দেশ করে, তখন তাকে শব্দার্থের রূপক ব্যবহার বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অংকটি করতে বেশ মাথা ঘামাতে হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'মাথা ঘামাতে হয়েছে' বলতে গভীরভাবে চিন্তা করা বা বুদ্ধি প্রয়োগ করার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: ছেলেটির মাথা খুব পরিষ্কার। ব্যাখ্যা: এখানে 'মাথা পরিষ্কার' বলতে মেধা ভালো বা বুদ্ধিমান হওয়াকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনিই সমাজরে মাথা — এখানে 'মাথা' শব্দটি নেতা বা প্রধান ব্যক্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, বুদ্ধি অর্থে নয়। B) মাথা খাটিয়ে কাজ করবে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা মূল অংশে দেওয়া হয়েছে। C) লজ্জায় মাথা কাটা গেল — এখানে 'মাথা কাটা গেল' একটি বাগধারা, যার অর্থ চরম লজ্জা পাওয়া বা অপমানিত হওয়া। D) মাথা নেই তার মাথা ব্যথা — এখানে প্রথম 'মাথা' শারীরিক অংশ এবং দ্বিতীয় 'মাথা ব্যথা' বলতে অপ্রয়োজনীয় উদ্বেগ বা চিন্তা বোঝানো হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে যখন বুদ্ধি প্রয়োগ বা চিন্তা করার কথা থাকবে, তখন বুঝতে হবে সেখানে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - কাজের ক্ষেত্রে মেধা খাটানোর ব্যাপার থাকলেই উত্তর হিসেবে এই রূপটি নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অঙ্গবাচক শব্দের বিভিন্ন রূপক অর্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দের আভিধানিক অর্থ বাদ দিয়ে বাক্যের সামগ্রিক ভাবার্থ বুঝতে হবে।
a শবপোড়া
b শবদাহ
c মড়াদাহ
d শবমড়া
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শবদাহ ১. কেন সঠিক: শবদাহ শব্দটিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে তৎসম শব্দের সঠিক ও স্বাভাবিক মেলবন্ধন ঘটেছে। এখানে কোনো ভাষারীতির মিশ্রণ না থাকায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণে গঠিত শব্দ বা পদের ত্রুটিকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়। তৎসম শব্দের সঙ্গে তৎসম শব্দের এবং দেশি বা বিদেশি শব্দের সঙ্গে তদ্ভব শব্দের ব্যবহার ব্যাকরণসম্মত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শবপোড়া ব্যাখ্যা: শব হলো তৎসম শব্দ এবং পোড়া হলো তদ্ভব শব্দ, তাই এটি গুরুচণ্ডালী দোষযুক্ত। উদাহরণ ২: মুখচন্দ্র ব্যাখ্যা: মুখ ও চন্দ্র দুটিই তৎসম শব্দ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শবপোড়া — শব তৎসম শব্দ এবং পোড়া তদ্ভব শব্দ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট। B) শবদাহ — এটি সঠিক কারণ শব ও দাহ উভয় শব্দই তৎসম শ্রেণীর। C) মড়াদাহ — মড়া তদ্ভব শব্দ এবং দাহ তৎসম শব্দ হওয়ায় এটি গুরুচণ্ডালী দোষযুক্ত। D) শবমড়া — শব ও মড়া সমার্থক শব্দের দ্বিরুক্তি এবং রীতির মিশ্রণজনিত কারণে এটি ত্রুটিপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দ ব্যবহার করবে এবং খাঁটি বাংলা শব্দের সঙ্গে খাঁটি বাংলা শব্দ ব্যবহার করবে। এতে গুরুচণ্ডালী দোষ এড়ানো সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গুরুচণ্ডালী দোষ সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণের পাশাপাশি শব্দরীতির মিশ্রণের কারণেও ঘটে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম ও তদ্ভব শব্দের মিলনজনিত এই ভুলগুলো বারবার আসে।
a সাধিত শব্দ
b প্রাদিপাদিক
c নাম শব্দ
d ক্রিয়া
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রাদিপাদিক ১. কেন সঠিক: বিভক্তিহীন নাম পদকে প্রাদিপাদিক বলা হয়। ব্যাকরণের পরিভাষায় প্রাতিপ্রতিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ বা শব্দের মূল রূপ, যার সঙ্গে পরবর্তীতে বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রকৃতি ও প্রত্যয় কিংবা শব্দতত্ত্বে প্রাতিপ্রতিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারণা। বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের মূল রূপকে প্রাতিপ্রতিক বলা হয়, যা কোনো প্রকার বিভক্তি বা অনুসর্গ ছাড়াই স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে সক্ষম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: কলম শব্দটির সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি একটি প্রাতিপ্রতিক। উদাহরণ ২: বই ব্যাখ্যা: বই শব্দটিও কোনো বিভক্তিহীন নাম পদ বা প্রাতিপ্রতিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধিত শব্দ — এক বা একাধিক শব্দের মিলনে বা প্রত্যয়-উপসর্গের সাহায্যে গঠিত শব্দকে সাধিত শব্দ বলে, যা বিভক্তিহীন নাম পদের সংজ্ঞার সঙ্গে সরাসরি মিলে না। B) প্রাদিপাদিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিভক্তিহীন নাম পদকে ব্যাকরণে প্রাদিপাদিক বলা হয়। C) নাম শব্দ — নাম শব্দ বলতে যেকোনো বিশেষ্য বা বিশেষণ পদকে বোঝায়, তবে এর মধ্যে বিভক্তিযুক্ত পদও থাকতে পারে। D) ক্রিয়া — ক্রিয়া হলো এমন পদ যা দ্বারা কোনো কিছু করা, হওয়া বা ঘটা বোঝায়, যা নাম পদের অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিভক্তিহীন নাম পদ দেখলে সঙ্গে সঙ্গে প্রাদিপাদিক বা প্রাতিপ্রতিক কথাটি মনে রাখবে। মনে রাখবে প্রাতিপ্রতিক মানেই হলো বিভক্তিহীন মূল শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ ও পদ প্রকরণ থেকে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। প্রাতিপ্রতিক চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি (যেমন কে, রে, য়) যুক্ত থাকে না।

মোট প্রশ্ন (25)

a What you said
b If you say so
c Because of saying so
d What did you say
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) What you said কেন সঠিক: শূন্যস্থানের পরে বাক্যের মূল verb এর past form আছে, তাই সাবজেক্ট হিসেবে একটি noun clause দরকার। What you said একটি সম্পূর্ণ noun clause যা এখানে সাবজেক্ট হিসেবে বসেছে। এটি বাক্যের অর্থকে সম্পূর্ণ করে। এটি ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What you said — এটি সঠিক উত্তর। B) If you say so — এটি একটি conditional clause, যা এখানে সাবজেক্ট হতে পারে না। C) Because of saying so — এটি prepositional phrase, যা বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করতে পারে না। D) What did you say — এটি একটি interrogative sentence, যা বাক্যের মাঝে সাবজেক্ট হিসেবে বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে সাবজেক্ট হিসেবে প্রশ্নবোধক বাক্য বা ফ্রেজ না বসে সাধারণত noun clause বসে।
a give us a surprise
b giving us a surprise
c he gave us a surprise
d be given us a surprise
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) giving us a surprise কেন সঠিক: ইংরেজিতে with a view to একটি প্রিপজিশনাল ফ্রেজ। এর ঠিক পরেই যদি কোনো মূল ভার্ব আসে, তবে তার সাথে ing যোগ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) give us a surprise — with a view to এর পর ভার্বের বেস ফর্ম ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) giving us a surprise — এটি সঠিক কারণ with a view to এর পর gerund ব্যবহৃত হয়েছে। C) he gave us a surprise — এখানে একটি সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্ব ব্যবহার করায় বাক্যটির গঠন সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে। D) be given us a surprise — এখানে প্যাসিভ স্ট্রাকচার ব্যবহার করা হয়েছে যা অর্থ ও ব্যাকরণের নিয়মে ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে with a view to, look forward to, accustomed to ইত্যাদির পর সব সময় ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়।
a when wears a crown
b which wear a crown
c that wears a crown
d who wears a crown
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) that wears a crown কেন সঠিক: এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের হেনরি চতুর্থ নাটক থেকে নেওয়া একটি বিখ্যাত প্রবাদ বাক্য। এখানে মুকুটধারী ব্যক্তির দায়িত্ব ও দুশ্চিন্তার কথা বোঝাতে Relative Pronoun হিসেবে that ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) when wears a crown — when বসালে বাক্যের অর্থ এবং ব্যাকরণগত গঠন সম্পূর্ণ ভুল হয়। B) which wear a crown — crown বা মুকুট অচেতন বস্তু নয়, তাই মানুষের ক্ষেত্রে which বসে না এবং wear ভুল। C) that wears a crown — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) who wears a crown — who সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো মানুষের ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু এখানে প্রবাদের ঐতিহ্যগত নিয়ম অনুযায়ী that সঠিক। মনে রাখার টিপস: শেভপিয়ারের এই বিখ্যাত প্রবাদে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে that wears a crown ব্যবহার করতে হয়।
a we had been meeting
b we were meeting last
c we had met last
d we last met
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) we had met last কেন সঠিক: It was long since গঠনের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম অংশ পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হলে পরের অংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। এখানে শেষের দিকে সময় নির্দেশ করতে এবং কাজটি অতীতে সম্পন্ন বোঝাতে সঠিক গঠন ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) we had been meeting — এখানে পাস্ট পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা এই নির্দিষ্ট বাক্যের গঠনের সাথে মানানসই নয়। B) we were meeting last — এখানে পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়মের সাথে মিলে না। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) we last met — এই অংশে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ নিয়ম অনুযায়ী পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ার কথা। মনে রাখার টিপস: It was long since এর পূর্বে পাস্ট টেন্স থাকলে পরে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়।
a for him
b to him
c by him
d on him
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) for him কেন সঠিক: এখানে বাক্যটির গঠন হলো too...to এবং এর মাঝে একটি an infinitive clause বসেছে। bag বা ব্যাগটি বহন করার কাজটি কে করবে তা বোঝাতে for preposition এবং object pronoun ব্যবহার করা নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for him — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি infinitive phrase-এর subject বা Doer বোঝাতে একদম নির্ভুলভাবে বসেছে। B) to him — এই preposition-টি এখানে অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে না এবং বাক্যটির ব্যাকরণগত গঠন নষ্ট করে দেয়। C) by him — এই preposition-টি সাধারণত Passive voice-এ ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) on him — এই preposition-টি কোনো কিছুর উপরে অবস্থান বোঝাতে বসে, যা এই শূন্যস্থানের জন্য সম্পূর্ণ অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: too...to কাঠামোর বাক্যে কাজের কর্তা বোঝাতে সর্বদা for-এর সাথে objective pronoun ব্যবহৃত হয়।
a Obediently
b Obedience
c Obedient
d Obselete
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Obedient কেন সঠিক: Obey একটি verb যার অর্থ হলো বাধ্য হওয়া। এর adjective রূপ হলো obedient যা কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর গুণ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Obediently — এটি একটি adverb কারণ এর সাথে ly যুক্ত আছে। B) Obedience — এটি একটি noun কারণ এটি obedience শব্দের ভাববাচক বিশেষ্য। C) Obedient — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল নেই। D) Obselete — এটি একটি ভিন্ন শব্দ যার অর্থ পুরাতন বা অপ্রচলিত। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে ent থাকলে সাধারণত সেটি adjective হয়।
a of
b from
c by him
d under
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) by him কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Passive Voice-এর রূপ, যার Active রূপটি ছিল, He checked the beast in you. - Passive করার সময় সাধারণত Active বাক্যের Subject-টি by preposition-এর সাথে Agent হিসেবে Object অবস্থানে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — এটি বাক্যের অর্থ ও Passive Voice-এর নিয়ম অনুসারে সঠিক Preposition গঠন করে না। B) from — এটি উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের গঠন ও অর্থের সাথে অসংগত। C) by him — এটি সঠিক Agent গঠন করে যা বাক্যটিকে সঠিক Passive Voice-এ রূপান্তর করে। D) under — এটি নিচে বা অধীনে অবস্থান বোঝাতে বসে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: Active থেকে Passive করার সময় বাক্যের ভেতরে লুকিয়ে থাকা স্বভাব বা প্রবৃত্তি বোঝাতে by-এর সাথে সেই ব্যক্তির Subjective Pronoun-এর Objective রূপ ব্যবহৃত হয়।
a Eradicate : get rid of
b Joy : Sorrow
c Joy : Slim
d Conservation : tradition
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Joy : Sorrow কেন সঠিক: প্রশ্নোক্ত শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিমের সম্পর্ক প্রকাশ করে। Beautiful মানে সুন্দর এবং ugly মানে কুৎসিত, যা পরস্পর বিপরীত শব্দ। B অপশনে থাকা Joy মানে আনন্দ এবং Sorrow মানে দুঃখ, যা ঠিক একই রকম বিপরীতার্থক সম্পর্ক বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Eradicate : get rid of — এই শব্দ দুটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না, বরং এদের অর্থ একই বা সমার্থক। B) Joy : Sorrow — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না। C) Joy : Slim — Joy অর্থ আনন্দ এবং Slim অর্থ চিকন বা পাতলা, যাদের মধ্যে কোনো যৌক্তিক সম্পর্ক নেই। D) Conservation : tradition — Conservation অর্থ সংরক্ষণ এবং tradition অর্থ প্রথা, যা একে অপরের বিপরীত বা সমার্থক শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দ জোড়ার সম্পর্ক বোঝার জন্য প্রথমে মূল শব্দ দুটির অর্থ এবং তাদের মধ্যকার যোগাযোগ বা বিপরীত ভাব ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a of my appintment
b to my appointments
c my appointments
d about my appointments
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) of my appintment কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী remind verb-এর পর সাধারণত of preposition ব্যবহার করতে হয়। তাই কাউকে কোনো বিষয়ে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে remind-এর সাথে of যুক্ত করা সঠিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of my appintment — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি নির্ভুল। B) to my appointments — remind-এর সাথে preposition হিসেবে to ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) my appointments — এখানে কোনো preposition না থাকায় বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। D) about my appointments — about ব্যবহার করলে অর্থের পুনরাবৃত্তি ঘটে এবং এটি অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়। মনে রাখার টিপস: সবসময় মনে রাখবে যে remind verb-এর সাথে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে of বসে।
a speaks
b is speaking
c is spoken
d has spoken
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) is spoken কেন সঠিক: বাক্যের বিষয় ইংরেজি ভাষা নিজে নিজে কথা বলতে পারে না, তাই এটি Passive Voice হবে। Present Simple Tense এর Passive করার নিয়ম অনুযায়ী 'is' এবং মূল Verb এর Past Participle বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) speaks — এটি Active Voice এবং Singular Subject এর সাথে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ইংরেজি নিজে কথা বলে না। B) is speaking — এটি Present Continuous Tense এর Active গঠন, যা এখানে অর্থহীন। C) is spoken — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) has spoken — এটি Present Perfect Tense এর Active গঠন, যা কর্মবাচ্যের নিয়মের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: subject যদি নিজে কাজ না করতে পারে এবং কাজটি তার উপর করা হয়, তবে verb সবসময় passive voice এ হবে।
a a diary
b a biography
c a play
d an autobiography
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) an autobiography কেন সঠিক: অটোবায়োগ্রাফি শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ অটো যার অর্থ নিজে, বায়ো যার অর্থ জীবন এবং গ্রাফ অর্থ লেখা থেকে। নিজের জীবনের ইতিহাস বা ঘটনা নিজে লিখলে তাকে আত্মজীবনী বা অটোবায়োগ্রাফি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a diary — ডায়েরি হলো প্রতিদিনের ব্যক্তিগত দিনলিপি যা নিয়মিত লেখা হয়, নিজের সম্পূর্ণ জীবনের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস নয়। B) a biography — বায়োগ্রাফি বা জীবনী হলো এমন এক ধরনের লেখা যা অন্য কোনো ব্যক্তির জীবন নিয়ে রচিত হয়। C) a play — প্লে বা নাটক হলো মঞ্চে অভিনয়ের জন্য সংলাপের মাধ্যমে রচিত একটি সাহিত্যকর্ম বা দৃশ্যকাব্য। D) an autobiography — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ একজন মানুষ যখন নিজের জীবন নিয়ে লেখেন, তখন তাকে এই নামেই ডাকা হয়। মনে রাখার টিপস: অটো মানে নিজে এবং বায়োগ্রাফি মানে জীবন কাহিনী, তাই নিজের জীবন নিজে লেখা হলো অটোবায়োগ্রাফি।
a for
b to
c after
d than
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: prefer শব্দটির সাথে তুলনা বোঝাতে সর্বদা to ব্যবহৃত হয়। এখানে মৃত্যুর সাথে অপমানের তুলনার জন্য সঠিক প্রপোজিশন হলো to। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — for সাধারণত উদ্দেশ্য বা উপকারিতা বোঝাতে বসে, তুলনার ক্ষেত্রে বসে না। B) to — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। C) after — after সাধারণত সময় বা ধারাবাহিকতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) than — adjective এর comparative ডিগ্রির পর than বসে, কিন্তু prefer শব্দের পর than বসে না। মনে রাখার টিপস: prefer বা preferable থাকলে সবসময় than না ভেবে চোখ বন্ধ করে to বসাবে।
a in the long run
b on the long run
c after the long run
d before the long run
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in the long run কেন সঠিক: পরিণামে বা অবশেষে অর্থে ইংরেজি প্রবচনে নির্দিষ্ট একটি ধারা ব্যবহার করা হয়। তাই এই বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক ধারাটি বসালে অর্থ পূর্ণ হয়। পাপীকে পরিণামে অবশ্যই কষ্ট ভোগ করতে হবে। এই ভাব প্রকাশ করতেই সঠিক উত্তরটি বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in the long run — এটি একটি সঠিক এবং প্রচলিত বাগধারা যা পরিণামে অর্থ প্রকাশ করে। B) on the long run — ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে prepositions ভুল ব্যবহার করা হয়েছে। C) after the long run — এই ধরনের কোনো গ্রহণযোগ্য ইংরেজি idiomatic phrase বা প্রবাদ নেই। D) before the long run — এটি সময়ের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না এবং ইংরেজি ব্যবহারের নিয়মবিরোধী। মনে রাখার টিপস: অবশেষে বা পরিণামে বোঝাতে সবসময় in the long run ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
a Robert Frost
b William Wordsworth
c John Keats
d PB Shelley
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) John Keats কেন সঠিক: - উক্তিটি বিখ্যাত ইংরেজ রোমান্টিক কবি জন কিটসের 'Ode on a Grecian Urn' নামক বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই লাইনটির মাধ্যমে কবি কল্পনা ও বাস্তবতার মধ্যকার পার্থক্যের কথা বলেছেন, যেখানে মানুষের কল্পিত সৌন্দর্য বাস্তব সৌন্দর্যের চেয়েও বেশি তীব্র ও স্থায়ী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Robert Frost — তিনি আমেরিকান কবি এবং তার বিখ্যাত কবিতার লাইন হলো 'Miles to go before I sleep', যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মিলে না। B) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের নেচার পোয়েট, যার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'Lyrical Ballads', কিন্তু এই পংক্তিটি তার নয়। C) John Keats — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই পংক্তিটি তার 'Ode on a Grecian Urn' কবিতার অংশ। D) PB Shelley — তিনি রোমান্টিক যুগের আরেকজন বিদ্রোহী কবি, যার বিখ্যাত কবিতা 'Ode to the West Wind', কিন্তু এই লাইনটি তার নয়। মনে রাখার টিপস: 'Keats' এবং 'Urn' শব্দ দুটি মনে রাখলে কিটসের বিখ্যাত ওড কবিতার এই বিখ্যাত লাইনটি সহজেই চেনা যায়।
a Gerund
b Noun
c Present participle
d Adjective
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Present participle কেন সঠিক: এখানে opening শব্দটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে একই সাথে কাজ করার ভাব প্রকাশ করেছে। এটি noun এর কাজ না করে একটি adjective এর মতো detective সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — এটি noun এর কাজ করে না এবং বাক্যে subject বা object হিসেবে বসেনি। B) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না বরং কাজের ধারাবাহিকতা প্রকাশ করছে। C) Present participle — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Adjective — যদিও এটি adjective এর মতো কাজ করে, কিন্তু এর মূল রূপটি participle হিসেবে ধরা হয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে ing যুক্ত verb যদি একসাথে আরেকটি কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, তবে তা সবসময় present participle হয়।
a be
b being
c was
d having
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) being কেন সঠিক: এখানে বাক্যটির দুটি অংশের সাবজেক্ট আলাদা হওয়ায় প্রথম অংশে Absolute Phrase ব্যবহৃত হয়েছে। তাই মূল verb এর সাথে ing যুক্ত করে Participial Phrase গঠন করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) be — এটি verb এর বেস ফর্ম হওয়ায় এখানে একা বসে কোনো Grammatical Structure তৈরি করতে পারে না। B) being — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে Participial Phrase হিসেবে এটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে। C) was — এখানে কোনো Conjunction না থাকায় দুটি Finite Verb একসাথে বসতে পারে না। D) having — এটি Perfect Participle হলেও এখানে অবস্থা বোঝাতে being এর ব্যবহারই বেশি উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: বাক্যের দুটি অংশের সাবজেক্ট আলাদা থাকলে এবং কোনো Conjunction না থাকলে, প্রথম অংশে verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
a does he
b doesn't he
c can he
d don't they
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) don't they কেন সঠিক: Everybody বা Everyone জাতীয় indefinite pronoun থাকলে ট্যাগ কোশ্চেনের সময় সাবজেক্ট হিসেবে they বসে। বাক্যটি হাবুবাচক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি নাবুবাচক হবে এবং মূল verb Present Indefinite Tense-এ থাকায় auxiliary verb don't ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) does he — এখানে he ব্যবহারের ফলে মূল সাবজেক্ট Everybody-র বহুবচন রূপের সাথে মিলছে না এবং এটি হাবুবাচক হয়েছে। B) doesn't he — এখানে he ব্যবহারের নিয়ম ভুল কারণ Everybody-র পরিবর্তে সবসময় they বসে এবং tense অনুযায়ী doesn't হয় না। C) can he — এখানে modal auxiliary verb 'can' ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই এবং he ব্যবহারের নিয়ম ভুল। D) don't they — এটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং নির্দিষ্ট উত্তর হিসেবে গণ্য। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে Everybody বা Everyone থাকলে ট্যাগ কোশ্চেনে সবসময় don't they বা aren't they ব্যবহার করতে হয়।
a I have
b have I
c am I
d I am
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) have I কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে and so এর পরে inversion বা সাহায্যকারী ভার্ব প্রথমে বসে। প্রথম অংশে present perfect tense থাকায় দ্বিতীয় অংশেও have ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I have — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব আগে বসেনি বলে নিয়মের বাইরে চলে গেছে। B) have I — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় প্রযোজ্য নয়। C) am I — মূল বাক্যে present perfect tense থাকায় am ব্যবহার করা ভুল। D) I am — এখানে টেন্স ও ইনভার্শন উভয়ের নিয়মই ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: and so এর পরে সাহায্যকারী ভার্ব এবং সাবজেক্ট বসে।
a Foe
b Hatred
c Condemer
d Misanthrope
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Misanthrope কেন সঠিক: Misanthrope শব্দটির অর্থ মানবদ্বেষী বা যে মানুষ জাতিকে ঘৃণা করে। প্রশ্নানুসারে মানবজাতিকে ঘৃণা করে এমন ব্যক্তিকে এককথায় Misanthrope বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Foe — এর অর্থ শত্রু বা বৈরী, যা সাধারণ শত্রুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। B) Hatred — এটি একটি নাউন যার অর্থ ঘৃণা, কিন্তু এটি কোনো মানুষকে বোঝায় না। C) Condemer — এর অর্থ নিন্দুক বা যে দোষ ধরে, কিন্তু সে মানবজাতিকে ঘৃণা করে না। D) Misanthrope — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: Mis- শব্দের অর্থ ঘৃণা করা এবং Anthrope- শব্দের অর্থ মানুষ, তাই দুটি মিলে Misanthrope মানে মানবদ্বেষী হয়।
a If he were sincere
b If he had study
c If he studied regularly
d Had he studied regularly
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Had he studied regularly কেন সঠিক: মূল বাক্যের পরের অংশে would have succeeded থাকায় এটি থার্ড কন্ডিশনাল। থার্ড কন্ডিশনালে ইফ যুক্ত অংশটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়। Had দিয়ে শুরু হওয়া বাক্য পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের অর্থ প্রকাশ করে। এখানে সাবজেক্টের আগে Had বসে ইফ এর কাজ করেছে। এটি একটি সঠিক পাস্ট পারফেক্ট কন্ডিশনাল স্ট্রাকচার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) If he were sincere — এই অপশনটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল নির্দেশ করে যা মূল অংশের সাথে মেলে না। B) If he had study — এখানে had এর পরে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম নেই তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) If he studied regularly — এই অপশনটি ফার্স্ট বা সেকেন্ড কন্ডিশনালের নিয়মে পড়েছে যা থার্ড কন্ডিশনালে বসে না। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: মূল বাক্যে would have থাকলে আগের অংশে had এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসবে।
a put up with
b put off
c put out
d put down
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) put up with কেন সঠিক: 'Put up with' একটিPhrasal verb যার বাংলা অর্থ হলো সহ্য করা বা বরদাস্ত করা। প্রশ্ন চাওয়া হয়েছে 'to tolerate' বা সহ্য করার সমার্থক ফ্রেজ কোনটি, তাই অপশন এ সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) put up with — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সহ্য করা। B) put off — এই Phrasal verb টির অর্থ হলো মূলত কোনো কিছু স্থগিত রাখা বা বাতিল করা। C) put out — এই Phrasal verb টির অর্থ হলো আগুন নেভানো বা কাউকে বিব্রত করা। D) put down — এই Phrasal verb টির অর্থ হলো কোনো কিছু নিচে নামিয়ে রাখা বা লিখে নেওয়া। মনে রাখার টিপস: সহ্য করা ইংরেজি জানতে চাইলে 'Put up with' ফ্রেজটি মনে রাখবে।
a experimental
b bookish
c logical
d impractical
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) experimental কেন সঠিক: theoretical শব্দের অর্থ তাত্ত্বিক বা যা শুধু ধারণার ওপর নির্ভর করে। এর বিপরীত শব্দ হলো experimental যার অর্থ পরীক্ষামূলক বা বাস্তব প্রমাণভিত্তিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) experimental — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তাত্ত্বিকের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) bookish — এই শব্দটির অর্থ পন্ডিতী বা বইসর্বস্ব যা theoretical শব্দের সমার্থক। C) logical — এই শব্দটির অর্থ যৌক্তিক যা এই প্রশ্নের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক নয়। D) impractical — এই শব্দটির অর্থ অবাস্তব যা theoretical শব্দের কাছাকাছি একটি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: তাত্ত্বিক বা খাতার লেখার বিপরীত হলো পরীক্ষা করে দেখা। তাই theoretical এর উল্টো শব্দ হলো experimental।
a have
b is
c were
d are
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is কেন সঠিক: বাক্যের মূল Subject হলো the man যা singular এবং along with দ্বারা যুক্ত পরের অংশ Subject হিসেবে গণ্য হয় না। তাই নিয়ম অনুযায়ী verb টি singular হবে এবং सही উত্তর is নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have — Subject singular হওয়ায় plural verb ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। B) is — এটি সঠিক উত্তর। C) were — Subject singular হওয়ায় plural past tense ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। D) are — Subject singular হওয়ায় plural present verb ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: along with বা together with দ্বারা দুটি Subject যুক্ত থাকলে প্রথম Subject অনুസാരে verb নির্ধারিত হয়।
a It is quarter to eleven
b It is a quarter to eleven
c It is a quarter of eleven
d It is a quarter past eleven
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) It is a quarter to eleven কেন সঠিক: ঘড়ির সময় বলার সময় কোনো পদের আগে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। তাই সঠিক প্রকাশের ক্ষেত্রে সরাসরি quarter শব্দটি ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is quarter to eleven — এই বাক্যটি সঠিক কারণ এতে অতিরিক্ত কোনো আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি। B) It is a quarter to eleven — এই বাক্যটি ভুল কারণ quarter শব্দের আগে অতিরিক্ত a ব্যবহার করা হয়েছে। C) It is a quarter of eleven — এই বাক্যটি সঠিক কারণ নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের ইংরেজিতে of ব্যবহার করা বৈধ। D) It is a quarter past eleven — এই বাক্যটি সঠিক কারণ এটি সাড়ে এগারোটার পর পনেরো মিনিট পার হওয়ার সঠিক প্রকাশ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সময় বলার সময় quarter শব্দের আগে সাধারণত কোনো আর্টিকেল বসে না।
a a poem was made recite by her
b she was made to recite a poem
c she was made recited a poem
d a poem was made to be recited
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) she was made to recite a poem কেন সঠিক: - Active বাক্যে make-এর পর bare infinitive (recite) বসে, কিন্তু Passive করার সময় তার আগে to যুক্ত করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যের object (her) কে Subject (she) হিসেবে এনে নিয়ম অনুযায়ী be verb ও made বসানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a poem was made recite by her — এখানে poem-কে subject করা হয়েছে এবং recite-এর আগে आवश्यक to ব্যবহার করা হয়নি। B) she was made to recite a poem — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে passive রূপের নিয়ম এবং to infinitive সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। C) she was made recited a poem — এখানে made-এর পরে V3 (recited) ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) a poem was made to be recited — এখানে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে গেছে এবং এটি গঠনের নিয়ম মেনে হয়নি। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে make-এর পর to উহ্য থাকে, কিন্তু Passive করার সময় সেই to আবার ফিরিয়ে আনতে হয়।

মোট প্রশ্ন (10)

a ৭৫০ টাকা
b ৭০০ টাকা
c ৭৭৫ টাকা
d ৭২০ টাকা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭২০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: চালের মূল্য কমে যাওয়ার হার = ১২% মোট টাকার পরিমাণ = ৬০০০ টাকা চাল বেশি পাওয়া যায় = ১ কুইন্টাল ধরি, পূর্বের চালের দাম ছিল প্রতি কুইন্টাল ক টাকা বর্তমান চালের দাম প্রতি কুইন্টাল (ক − ১২% ক) টাকা অতএব, ১২% কমে যাওয়ার কারণে ৬০০০ টাকার ওপর সাশ্রয় হয় ৬০০০ টাকার ১২% = ৭২০ টাকা সুতরাং, ৭২০ টাকায় পাওয়া যায় ১ কুইন্টাল চাল বর্তমান ১ কুইন্টাল চালের দাম ৭২০ টাকা উত্তর: ৭২০ টাকা
a 86
b 87
c 88
d 89
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮৯ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম তিনটি খেলায় রান যথাক্রমে ৮২, ৮৫ ও ৯২ চতুর্থ খেলায় রান করতে হবে কত তা নির্ণয় করতে হবে ধরি, চারটি খেলার মোট রান হবে চার গুণ সাঁতাশি চার গুণ সাঁতাশি সমান তিনশত আটচল্লিশ অতএব, প্রথম তিনটি খেলার মোট রান যোগ করতে হবে বায়ান্নর সাথে পঁচাশি ও বিরানব্বই যোগ করলে হয় দুইশো উনষাট সুতরাং, চতুর্থ খেলার রান পেতে মোট রান থেকে প্রথম তিন খেলার রান বিয়োগ করতে হবে তিনশত আটচল্লিশ থেকে দুইশো উনষাট বিয়োগ করলে হয় উননব্বই উত্তর: ৮৯
a 16
b 14
c 12
d 8
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ২৭, ৪০ ও ৬৫ অবশিষ্ট থাকে যথাক্রমে ৩, ৪ ও ৫ ধরি, প্রথম সংখ্যা থেকে বাদ = ২৭ − ৩ = ২৪ দ্বিতীয় সংখ্যা থেকে বাদ = ৪০ − ৪ = ৩৬ তৃতীয় সংখ্যা থেকে বাদ = ৬৫ − ৫ = ৬০ অতএব, ২৪ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৩, ৪, ৬, ৮, ১২, ২৪ ৩৬ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৩, ৪, ৬, ৯, ১২, ১৮, ৩৬ ৬০ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ১০, ১২, ১৫, ২০, ৩০, ৬০ সুতরাং, ২৪, ৩৬ ও ৬০ এর গসাগু হবে নির্ণেয় বৃহত্তম সংখ্যা উত্তর: ১২
a 1000
b 820
c 800
d 720
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যার ১২% সমান ৯৬ ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ১২% = ৯৬ ক × (১২ ÷ ১০০) = ৯৬ সুতরাং, ক = (৯৬ × ১০০) ÷ ১২ ক = ৯৬০০ ÷ ১২ উত্তর: ৮০০
a (x-1) (x-2) (x-3)
b (x+1) (x-2) (x+3)
c (x-1) (x + 2) (x + 3)
d (x - 2)
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (x-1) (x-2) (x-3) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = x২ − 3x + 2 দ্বিতীয় রাশি = x২ − 5x + 6 ধরি, প্রথম রাশির উৎপাদক বিশ্লেষণ = x২ − 2x − x + 2 দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক বিশ্লেষণ = x২ − 3x − 2x + 6 অতএব, প্রথম রাশি = x(x − 2) − 1(x − 2) = (x − 1) (x − 2) দ্বিতীয় রাশি = x(x − 3) − 2(x − 3) = (x − 2) (x − 3) সুতরাং, নির্ণেয় লঘু সাধারণ গুণিতক বা ল.সা.গু. = (x − 1) (x − 2) (x − 3) উত্তর: A) (x-1) (x-2) (x-3)
a 8
b 10
c 13
d 25
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ধনাত্মক সংখ্যার বর্গের অন্তর ৮ সংখ্যা দুটির গুণফল ৩ ধরি, বড় সংখ্যাটি = x এবং ছোট সংখ্যাটি = y বর্গের অন্তর = x² − y² = ৮ গুণফল = xy = ৩ অতএব, আমরা জানি, (x² + y²)² = (x² − y²)² + (৪ × x² × y²) (x² + y²)² = (x² − y²)² + [৪ × (xy)²] সুতরাং, (x² + y²)² = (৮)² + [৪ × (৩)²] (x² + y²)² = ৬৪ + [৪ × ৯] = ৬৪ + ৩৬ = ১০০ উত্তর: x² + y² = √১০০ = ১০
a 16
b 18
c 24
d 32
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার গুণফল = ১৫৩৬ সংখ্যা দুটির ল.সা.গু. = ৯৬ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ সংখ্যা দুটির ল.সা.গু. × গ.সা.গু. = সংখ্যা দুটির গুণফল এখানে ল.সা.গু. এর মান ৯৬ এবং গুণফল ১৫৩৬ অতএব, ৯৬ × গ.সা.গু. = ১৫৩৬ গ.সা.গু. = ১৫৩৬ ÷ ৯৬ ভাগ করে পাই গ.সা.গু. এর মান সুতরাং, গ.সা.গু. = ১৬ উত্তর: ১৬
a 0
b 3
c 4
d 5
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ প্রদত্ত তথ্য: মূল বিন্দু থেকে প্রথম বিন্দুর দূরত্ব এবং মূল বিন্দু থেকে দ্বিতীয় বিন্দুর দূরত্ব সমান ধরি, মূল বিন্দু হলো (০, ০) প্রথম বিন্দু হলো (−৫, ৫) দ্বিতীয় বিন্দু হলো (৫, k) অতএব, মূল বিন্দু থেকে প্রথম বিন্দুর দূরত্বের বর্গ = ((−৫ − ০) এর বর্গ) + ((৫ − ০) এর বর্গ) মূল বিন্দু থেকে প্রথম বিন্দুর দূরত্বের বর্গ = ২৫ + ২৫ মূল বিন্দু থেকে প্রথম বিন্দুর দূরত্বের বর্গ = ৫০ অতএব, মূল বিন্দু থেকে দ্বিতীয় বিন্দুর দূরত্বের বর্গ = ((৫ − ০) এর বর্গ) + ((k − ০) এর বর্গ) মূল বিন্দু থেকে দ্বিতীয় বিন্দুর দূরত্বের বর্গ = ২৫ + (k এর বর্গ) শর্তানুসারে, ২৫ + (k এর বর্গ) = ৫০ সুতরাং, k এর বর্গ = ৫০ − ২৫ k এর বর্গ = ২৫ উত্তর: k = ৫
a 120 মিটার
b 160 মিটার
c 180 মিটার
d 220 মিটার
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল = ২০২৫ বর্গমিটার ধরি, বর্গাকার বাগানের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার ক্ষেত্রফল = ক × ক বর্গমিটার অতএব, ক × ক = ২০২৫ ক = √২০২৫ ক = ৪৫ সুতরাং, বাগানের পরিসীমা বা বেড়ার মোট দৈর্ঘ্য = ৪ × ৪৫ মিটার = ১৮০ মিটার উত্তর: ১৮০ মিটার
a 50
b 60
c 64
d 62
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: ১০টি সংখ্যার যোগফল = ৪৬২ প্রথম ৪টি সংখ্যার গড় = ৫২ শেষ ৫টি সংখ্যার গড় = ৩৮ ধরি, প্রথম ৪টি সংখ্যার যোগফল = ৪ × ৫২ = ২০৮ শেষ ৫টি সংখ্যার যোগফল = ৫ × ৩৮ = ১৯০ অতএব, প্রথম ৪টি ও শেষ ৫টি অর্থাৎ মোট ৯টি সংখ্যার যোগফল = ২০৮ + ১৯০ = ৩৯৮ সুতরাং, পঞ্চম সংখ্যাটি হলো মোট ১০টি সংখ্যার যোগফল থেকে ৯টি সংখ্যার যোগফলের বিয়োগফল উত্তর: ৪৬২ − ৩৯৮ = ৬৪

মোট প্রশ্ন (34)

a 14
b 12
c 10
d 8
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ কেন সঠিক: - সনেটের মোট চৌদ্দ লাইনকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয় যার প্রথম অংশকে অষ্টক বা অক্টেভ বলা হয়। - ইতালীয় বা পেত্রার্কীয় সনেটের প্রথম আট লাইনে ভাবের প্রবর্তনা থাকে এবং এতে আট লাইন নির্ধারিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪ — এটি সনেটের প্রথম ভাগ নয় বরং একটি পূর্ণাঙ্গ সনেটের মোট লাইনের সংখ্যা। B) ১২ — সনেটের কোনো অংশে ১২ লাইন থাকে না এবং এটি ভুল মাপের একটি সংখ্যা। C) ১০ — সনেটের কোনো ভাগে ১০ লাইন থাকে না কারণ এটি সনেটের কাঠামোর সাথে মিলে না। D) ৮ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সনেটের প্রথম ভাগে আট লাইন থাকে। মনে রাখার টিপস: সনেটের মোট চৌদ্দ লাইনকে আট ও ছয় এই দুই ভাগে ভাগ করা হয় যেখানে প্রথম ভাগ আট লাইনের হয়।
a সার্ভিস
b কৃষি
c শিল্প
d কোনোটিই নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সার্ভিস কেন সঠিক: - বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সেবা খাত বা সার্ভিস খাতের অবদান সর্বাধিক প্রায় ৫১% থেকে ৫৩% এর কাছাকাছি। - পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা, পরিবহন, আবাসন এবং আর্থিক সেবা এই খাতের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এর অবদান সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সার্ভিস — এটি জিডিপিতে সর্বাধিক অবদান রাখা খাত হিসেবে সঠিক। B) কৃষি — কৃষির অবদান বর্তমানে প্রায় ১১% থেকে ১২% এর মতো, তাই এটি সর্বোচ্চ নয়। C) শিল্প — শিল্পের অবদান প্রায় ৩৭% এর কাছাকাছি, যা সেবা খাতের চেয়ে কম। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সার্ভিস সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান মনে রাখার সহজ ক্রম হলো সেবা, শিল্প এবং কৃষি।
a ঢাকা
b ইসলামাবাদ
c নয়াদিল্লী
d কাঠমান্ডু
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কাঠমান্ডু কেন সঠিক: - সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার আনুষ্ঠানিক সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। - ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি এই সচিবালয় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর কার্যক্রম শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি সার্কের প্রতিষ্ঠাতা প্রস্তাবকারী দেশের রাজধানী হলেও এখানে সচিবালয় অবস্থিত নয়। B) ইসলামাবাদ — এটি সার্কের সদস্য দেশ পাকিস্তানের রাজধানী, কিন্তু এখানে সচিবালয় অবস্থিত নয়। C) নয়াদিল্লী — এটি সার্কের সদস্য দেশ ভারতের রাজধানী, তবে এখানে সচিবালয় নেই। D) কাঠমান্ডু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই সার্কের স্থায়ী সচিবালয় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সদস্য দেশগুলোর মধ্যে নেপাল পাহাড় ঘেরা দেশ, আর সার্কের সচিবালয়টি পাহাড় ঘেরা সেই কাঠমান্ডু শহরেই অবস্থিত।
a ১ জানুয়ারি
b ১১ জাুনয়ারি
c ৮ মার্চ
d ৫ অক্টোবর
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ মার্চ কেন সঠিক: - ১৯০৮ সালে আমেরিকার নিউইয়র্কে নারী শ্রমিকের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের স্মরণে এই দিনটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়। - জাতিসংঘ ১৯৭৭ সাল থেকে ৮ মার্চকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জানুয়ারি — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস নয়, বরং এটি ইংরেজি নববর্ষের দিন। B) ১১ জাুনয়ারি — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক দিন নয়। C) ৮ মার্চ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক। D) ৫ অক্টোবর — এটি বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে পালিত হয়, নারী দিবস নয়। মনে রাখার টিপস: মার্চ মাসের আট তারিখে নারী দিবস পালন করা হয়, এটি মনে রাখতে মাসের নাম ও তারিখের সংখ্যাটি জোড়া মনে রাখুন।
a জ্যা পল সাত্রে
b ক্লডে সিমোন
c ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
d কেউ নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড কেন সঠিক: - ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড ছিলেন একমাত্র বিদেশী খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা যিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখেন। - তিনি একজন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক ও বাটা কোম্পানির তৎকালীন কর্মকর্তা ছিলেন, যিনি পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে গোতথ্য সরবরাহ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্যা পল সাত্রে — ইনি একজন ফরাসি দার্শনিক ও সাহিত্যিক ছিলেন, যিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনে ভূমিকা রাখলেও কোনো সামরিক খেতাব পাননি। B) ক্লডে সিমোন — ইনি একজন ফরাসি ঔপন্যাসিক ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক ছিলেন, যাঁর সঙ্গে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সামরিক অবদানের কোনো সম্পর্ক নেই। C) ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে ভিন্ন কোনো ভুল প্রযোজ্য নয়। D) কেউ নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন সি তে উপস্থিত রয়েছে, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বিদেশী বীরপ্রতীক মানেই ওডারল্যান্ড এবং তিনি ছিলেন একজন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক।
a যুক্তরাজ্য
b যুক্তরাষ্ট
c জাপান
d ব্রাজিল
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্রাজিল কেন সঠিক: - বাংলাদেশ থেকে উৎপাদিত ঔষধ বিশ্বের দেড় শতাধিক দেশে রপ্তানি হলেও একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি ঔষধ ব্রাজিলে রপ্তানি করা হয়। - বর্তমান বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশি ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের গুণগত মান ও কম দামের কারণে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্য — এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ঔষধ রপ্তানিদারক দেশ হলেও এককভাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় না। B) যুক্তরাষ্ট্র — এটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান বাজার হলেও ঔষধের ক্ষেত্রে শীর্ষস্থান দখল করে নেই। C) জাপান — এই দেশটিতে কিছু পরিমাণে ঔষধ রপ্তানি হলেও তা শীর্ষ রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে ব্রাজিলের পরে অবস্থান করে। D) ব্রাজিল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি ঔষধ আমদানিকারক দেশ। মনে রাখার টিপস: ব্রাজিল ফুটবল খেলায় যেমন সবার উপরে থাকে, তেমনি বাংলাদেশ থেকে ঔষধ রপ্তানিতেও ব্রাজিল শীর্ষে অবস্থান করে।
a ১১ জন
b ১৬ জন
c ৭ জন
d ৩ জন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ জন কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ এই উপাধি প্রদান করা হয়। - বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর সর্বোচ্চ এই খেতাবে ভূষিত হয়েছেন মোট ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ জন — ১১ জন হলো মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ১ থেকে ১১ পর্যন্ত সেক্টরের সংখ্যা, বীরশ্রেষ্ঠের সংখ্যা নয়। B) ১৬ জন — ১৬ জন কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক বীরত্বসূচক খেতাবে ভূষিত ব্যক্তির সংখ্যা নয়। D) ৩ জন — ৩ জন হলো বীরশ্রেষ্ঠের পরের উপাধি অর্থাৎ বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের খেতাবগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ হলো বীরশ্রেষ্ঠ এবং এর সংখ্যা মাত্র ৭ জন।
a আফ্রিকা
b ইউরোপ
c অস্ট্রেলিয়া
d কোনটি নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আফ্রিকা কেন সঠিক: - লোহিত সাগর ও কৃত্রিম সুয়েজ খাল এশিয়া মহাদেশকে ভৌগোলিকভাবে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে আলাদা করেছে। - সুয়েজ খালটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে এবং এশিয়া ও আফ্রিকার মধ্যবর্তী সীমানা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল এই মহাদেশকে এশিয়া থেকে পৃথক করেছে। B) ইউরোপ — এটি ভুল কারণ ইউরোপ এশিয়া থেকে ইউরাল পর্বতমালা ও কাস্পিয়ান সাগর দ্বারা বিচ্ছিন্ন। C) অস্ট্রেলিয়া — এটি ভুল কারণ অস্ট্রেলিয়া একটি পৃথক ও মহাসাগর দ্বারা বিচ্ছিন্ন মহাদেশ। D) কোনটি নয় — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তরটি অপশন এ তে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকা ও এশিয়াকে আলাদা করেছে সুয়েজ খাল ও লোহিত সাগর।
a 0.22
b 0.29
c 0.33
d কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় (প্রকৃত মান প্রায় ২১%) কেন সঠিক: - বাতাসে অক্সিজেনের প্রকৃত পরিমাণ প্রায় ২০.৭১% বা শতকরা প্রায় ২১ ভাগ। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক মান না থাকায় সঠিক উত্তরটি কোনোটিই নয় হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.22 — এটি মোটের ওপর ২২% নির্দেশ করে, যা বাতাসে অক্সিজেনের সঠিক পরিমাণের চেয়ে বেশি। B) 0.29 — এটি ২৯% নির্দেশ করে, যা বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণের সঙ্গে মেলে না। C) 0.33 — এটি ৩৩% নির্দেশ করে, যা বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেন স্তরের সঠিক অনুপাত নয়। D) কোনোটিই নয় — সঠিক মান ২১% অপশনে না থাকায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন প্রায় ৭৮% এবং অক্সিজেন প্রায় ২১% থাকে।
a বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চল
b কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল
c ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চল
d বৃহত্তম সিলেট অঞ্চল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে সমতট ছিল অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ একটি জনপদ। - বর্তমান কুমিল্লার ময়নামতি এবং এর আশপাশের অঞ্চল নিয়ে প্রাচীন সমতট জনপদ গঠিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চল — এই এলাকা প্রাচীনকালে পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, সমতট নয়। B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল — এটিই প্রাচীন সমতট জনপদের সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান। C) ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চল — এই অঞ্চল প্রাচীনকালে বঙ্গ জনপদের অংশ হিসেবে পরিচিত ছিল। D) বৃহত্তম সিলেট অঞ্চল — এই এলাকা প্রাচীনকালে হরিকেল জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। মনে রাখার টিপস: সমতট মানে কুমিল্লা অঞ্চল, আর পুণ্ড্র মানে বগুড়া অঞ্চল।
a ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ
b ২৫ বৈশাখ ১২৯৮ বঙ্গাব্দ
c ২৫ বৈশাখ ১২৭৬ বঙ্গাব্দ
d কোনোটিই নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: A) ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ কেন সঠিক: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে এবং বাংলা ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। - বাংলা সন অনুযায়ী তাঁর জন্মতারিখ ২৫ বৈশাখ হওয়ায় প্রতি বছর এই দিনে তাঁর জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দ — এটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঠিক জন্মতারিখ এবং বঙ্গাব্দ। B) ২৫ বৈশাখ ১২৯৮ বঙ্গাব্দ — এই সালের সঙ্গে কবির জন্মকালের মিল নেই, কারণ ১২৯৮ বঙ্গাব্দে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বয়স ত্রিশ বছর ছিল। C) ২৫ বৈশাখ ১২৭৬ বঙ্গাব্দ — এটি কবির জন্মসাল নয় এবং এই সালের সঙ্গে তাঁর জন্ম তারিখের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ তে সঠিক উত্তরটি বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মসাল মনে রাখতে মনে রাখুন তিনি সিপাহী বিদ্রোহের চার বছর পর অর্থাৎ ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) জন্মগ্রহণ করেন।
a ৯৭ তম
b ৯৬ তম
c ৯৫ তম
d ৯৪ তম
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৬ তম কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। - জন্মসাল ১৯২০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত গণনা করলে দেখা যায় ২০১৬ সালের ১৭ মার্চ তাঁর ৯৬তম জন্মবার্ষিকী পূর্ণ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯৭ তম — এটি ২০১৭ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ছিল, ২০১৬ সালের জন্য সঠিক নয়। B) ৯৬ তম — হিসাব অনুযায়ী এটি ২০১৬ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর সঠিক জন্মবার্ষিকী। C) ৯৫ তম — এটি ২০১৫ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ছিল, ২০১৬ সালের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) ৯৪ তম — এটি ২০১৪ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ছিল, ২০১৬ সালের জন্য এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্ম সাল ১৯২০ থেকে যে সালের জন্মবার্ষিকী বের করতে হবে সেই সাল বিয়োগ করে এক যোগ করলেই কাঙ্ক্ষিত জন্মবার্ষিকী পাওয়া যাবে। যেমন ২০১৬ বিয়োগ ১৯২০ সমান ৯৬।
a সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
b মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে
c ঢাকা সেনানিবাসে
d মুজিবনগরে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা সেনানিবাসে কেন সঠিক: - শিখা অনির্বাণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদ বীর সেনাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত একটি শিখা। - এটি রাজধানী ঢাকার ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এবং এখানে নিয়মিত রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে — এটি ঐতিহাসিক স্থান হলেও এখানে স্বাধীনতা স্তম্ভ ও শিখা চিরন্তন অবস্থিত। B) মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত কবরস্থান, শিখা অনির্বাণ এখানে নয়। C) ঢাকা সেনানিবাসে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে শিখা অনির্বাণ অবস্থিত। D) মুজিবনগরে — এটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণের ঐতিহাসিক স্থান, শিখা অনির্বাণ এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: সেনাবাহিনীর হেডকোয়ার্টার বা সেনানিবাসে বীর সেনাদের স্মরণে 'শিখা অনির্বাণ' প্রজ্জ্বলিত থাকে, যা ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত।
a ১ টি
b ২ টি
c ৩ টি
d ৪ টি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি (ভূগোল ও নদনদী) সঠিক উত্তর: D) ৪ টি কেন সঠিক: - পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার (WARPO) ভূপ্রাকৃতিক নদী সংজ্ঞা অনুযায়ী বাংলাদেশে নদের সংখ্যা মাত্র ৪ টি। - পুরুষবাচক নাম সম্পন্ন নদগুলো হলো ব্রহ্মপুত্র, কপোতাক্ষ, মেঘনা এবং কর্ণফুলী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ টি — বাংলাদেশের নদনদীর মোট সংখ্যা চার হাজারের বেশি হলেও পুরুষবাচক নামধারী নদ মাত্র চারটি। B) ২ টি — প্রচলিত ধারণার চেয়ে নদের সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক সংখ্যাটি ভিন্ন হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়। C) ৩ টি — বাংলাদেশের নদ হিসেবে তিনটি সঠিক নয় কারণ পুরুষবাচক নামধারী প্রধান নদ নির্দিষ্টভাবে চারটি। D) ৪ টি — এটি সঠিক কারণ ভৌগোলিক ও প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে নদীর পুরুষবাচক বা নদের সংখ্যা ৪ টি। মনে রাখার টিপস: নদ চেনার সহজ উপায় হলো পুরুষবাচক নাম এবং এর সংখ্যা মনে রাখা, যার পরিমাণ ঠিক চারটি।
a ২৬ মার্চ ১৯৭২
b ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
c ২৬ মার্চ ১৯৭১
d ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এটি কার্যকর করা হয়। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১৪ নভেম্বর সংবিধানে স্বাক্ষর করেন এবং তা ১৬ ডিসেম্বর থেকে বলবৎ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম বার্ষিকী এবং এই তারিখে সংবিধান কার্যকর হয়নি। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখ থেকেই বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর করা হয়। C) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ও মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনার তারিখ। D) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হওয়ার ঐতিহাসিক দিন, সংবিধান কার্যকরের দিন নয়। মনে রাখার টিপস: বিজয়ের দিনই উপহার: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হয় এবং ঠিক তার এক বছর পর ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর সংবিধান কার্যকর করা হয়।
a ওয়াশিংটন
b নিউইয়র্ক
c ফিলিপাইন
d রোম
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওয়াশিংটন কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক ১৯৪৪ সালে গঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি সি শহরে অবস্থিত। - আন্তর্জাতিক এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি যুদ্ধবিধ্বস্ত ও উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ঋণ প্রদান করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন — এটি বিশ্বব্যাংকের সঠিক প্রধান কার্যালয়। B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, বিশ্বব্যাংকের নয়। C) ফিলিপাইন — এটি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (ADB) প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, বিশ্বব্যাংকের নয়। D) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, বিশ্বব্যাংকের নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বকে টাকা বা ব্যাংক ঋণ দিতে হলে বড় শক্তির রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে যেতে হয়।
a উচ্চ রক্তচাপ
b অনেক জ্বর
c মাড়িতে রক্তক্ষরণ
d খিচুনি ধরা
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: C) মাড়িতে রক্তক্ষরণ কেন সঠিক: - ইবোলা একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ যা মানুষের রক্তনালীর ক্ষতি করে এবং রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা নষ্ট করে। - এর ফলে রোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানসহ মাড়িতে তীব্র রক্তক্ষরণ দেখা দেয়, যা এই রোগের একটি প্রধান ও বিশেষ লক্ষণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উচ্চ রক্তচাপ — ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সাধারণত উচ্চ রক্তচাপের পরিবর্তে রক্তচাপ মারাত্মকভাবে কমে যায় এবং রোগী শকে চলে যায়। B) অনেক জ্বর — অনেক জ্বর ইবোলার প্রাথমিক লক্ষণ হলেও এটি একমাত্র বা চূড়ান্ত রোগ নির্ধারণকারী বৈশিষ্ট্য নয়, বরং রক্তক্ষরণই এর প্রধান রূপ। D) খিচুনি ধরা — খিচুনি ধরা সাধারণত স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতা বা অন্য কোনো রোগের লক্ষণ, এটি ইবোলার প্রধান বা সাধারণ কোনো বৈশিষ্ট্য নয়। মনে রাখার টিপস: ইবোলা ভাইরাস মনে রাখলেই মাথায় রাখতে হবে রক্তক্ষরণ, কারণ এই ভাইরাসের অপর নাম হেমোরজিক ফিভার বা রক্তক্ষরণজনিত জ্বর।
a চাকমা
b সাওতাল
c মারমা
d মুরং
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাকমা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট আদিবাসী জনসংখ্যার মধ্যে চাকমা সম্প্রদায় সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি। - এরা প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাকমা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। B) সাওতাল — জনসংখ্যার দিক থেকে এটি দেশের অন্যতম প্রধান আদিবাসী হলেও চাকমাদের চেয়ে সংখ্যায় কম এবং প্রধানত উত্তরবঙ্গে বাস করে। C) মারমা — এরা জনসংখ্যার দিক থেকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী গোষ্ঠী, তাই সবচেয়ে বেশি আদিবাসী হিসেবে এটি সঠিক নয়। D) মুরং — এরা পাহ অঞ্চলের একটি ক্ষুদ্র আদিবাসী গোষ্ঠী এবং চাকমাদের তুলনায় এদের জনসংখ্যা অনেক কম। মনে রাখার টিপস: চাকমা মানেই প্রথমে থাকা, তাই বাংলাদেশে বসবাসকারী আদিবাসীদের মধ্যে সংখ্যায় প্রথম বা সবচেয়ে বেশি হলো চাকমা।
a কার্বন ডাইঅক্সাইড
b অক্সিজেন
c মিথেন
d নাইট্রোজেন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মিথেন কেন সঠিক: - বায়োগ্যাসে প্রধানত মিথেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস থাকে যার মধ্যে মিথেন গ্যাস দাহ্য হওয়ায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - বায়োগ্যাসে মিথেনের পরিমাণ প্রায় ষাট থেকে সত্তর শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্বন ডাইঅক্সাইড — এটি বায়োগ্যাসে থাকলেও এটি অদাঢ্য গ্যাস এবং জ্বালানির কাজে লাগে না। B) অক্সিজেন — এটি দহনে সাহায্য করলেও বায়োগ্যাসের মূল জ্বালানি উপাদান নয়। D) নাইট্রোজেন — এটি বায়োগ্যাসের একটি নিষ্ক্রিয় উপাদান যা জ্বালানি হিসেবে কোনো ভূমিকা রাখে না। মনে রাখার টিপস: বায়োগ্যাসের মূল জ্বালানি উপাদান হলো মিথেন, ঠিক যেমন প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদানও মিথেন।
a ক্যাপসিসিন
b ভিটামিন
c ভিটামিন-ই
d ভিটামিন-এ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্যাপসিসিন কেন সঠিক: - মরিচের ভেতরে থাকা ক্যাপসিসিন নামক রাসায়নিক পদার্থের কারণে মুখে ঝাল বা জ্বালাপোড়ার অনুভূতি হয়। - এটি মূলত মরিচের প্ল্যাসেন্টা বা বীজযুক্ত অংশে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যাপসিসিন — এটি মরিচের ঝাল লাগার মূল রাসায়নিক উপাদান তাই এটি সঠিক উত্তর। B) ভিটামিন — এটি কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিক বা ঝাল সৃষ্টিকারী উপাদান নয় বরং শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। C) ভিটামিন-ই — এটি চর্বিতে দ্রবণীয় একটি ভিটামিন যা ত্বকের স্বাস্থ্য ও কোষ সুরক্ষায় কাজ করে, ঝালের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ভিটামিন-এ — এটি দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য জরুরি একটি পুষ্টি উপাদান, মরিচের ঝালের জন্য দায়ী নয়। মনে রাখার টিপস: মরিচ কাটলে হাতে জ্বালা ধরে ক্যাপসিসিনের কারণে।
a বায়োটেকনোলজি
b ন্যানোটেকনোলজি
c বায়োমেট্রিক্স
d জেনিটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ন্যানোটেকনোলজি কেন সঠিক: - ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহার করে অত্যন্ত ক্ষুদ্র কণার সাহায্যে খাদ্যপণ্যের মোড়ক বা প্যাকেটের ভেতরে অদৃশ্য প্রতিরক্ষামূলক প্রলেপ তৈরি করা হয়। - এই প্রলেপ খাদ্যদ্রব্যের গুণগত মান অক্ষুণ্ণ রাখতে বাতাস, আর্দ্রতা এবং ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করতে বাধা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়োটেকনোলজি — এটি জীবপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র, যা উদ্ভিদ বা প্রাণীর জিনগত পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয় কিন্তু প্যাকেজিংয়ের প্রলেপে সরাসরি কাজ করে না। B) ন্যানোটেকনোলজি — এটিই একমাত্র প্রযুক্তি যা আণবিক বা পারমাণবিক স্কেলে খাদ্য প্যাকেজিংয়ের গুণগত মান রক্ষায় প্রলেপ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। C) বায়োমেট্রিক্স — এটি মানুষের শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য শনাক্তকরণের প্রযুক্তি, যা খাদ্য প্যাকেজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) জেনিটিক ইঞ্জিনিয়ারিং — এটি জীবের জিন পরিবর্তন বা পরিমার্জন করার প্রযুক্তি, যা খাদ্য সংরক্ষণের প্যাকেজিং প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: খাদ্য প্যাকেজিংয়ের মান রক্ষায় ক্ষুদ্রাতিহক্ষুদ্র কণার প্রলেপ মানেই ন্যানোটেকনোলজি।
a উত্তর মেরুর জমাট বাঁধা বরফ
b গ্রিনল্যান্ডের জমাট বাঁধা বরফ
c শীতল সমুদ্র স্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফ খণ্ড
d হিমালয়ের চূড়ায় জমাট বাঁধা বরফ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শীতল সমুদ্র স্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফ খণ্ড কেন সঠিক: - হিমশৈল হলো মূলত বিশাল আকৃতির বরফখণ্ড যা মূল হিমবাহ থেকে ভেঙে সাগরে ভেসে বেড়ায়। - এগুলি সমুদ্রের শীতল স্রোতের টানে উপকূল থেকে দূরে গভীর সমুদ্রে পরিভ্রমণ করে এবং এর প্রায় ৯০ শতাংশ অংশ পানির নিচে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তর মেরুর জমাট বাঁধা বরফ — এটি সাধারণ বরফ বা আর্কটিকের সামুদ্রিক বরফ নির্দেশ করে, নির্দিষ্ট কোনো চলমান বিশাল হিমখণ্ড বোঝায় না। B) গ্রিনল্যান্ডের জমাট বাঁধা বরফ — এটি গ্রিনল্যান্ডের মূল ভূখণ্ডের আইস শিট বা বরফ চাদর বোঝায়, সমুদ্রে ভেসে চলা খণ্ডিত অংশ নয়। C) শীতল সমুদ্র স্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফ খণ্ড — এটি সঠিক কারণ হিমশৈল সাধারণত শীতল স্রোতের মাধ্যমে ভেসে চলে। D) হিমালয়ের চূড়ায় জমাট বাঁধা বরফ — এটি পর্বতের বরফ বা পাহাড়ি হিমবাহ, যা সমুদ্রের পানির সাথে সম্পর্কিত হিমশৈল নয়। মনে রাখার টিপস: হিমশৈল মানেই সাগরে ভেসে বেড়ানো বরফের পাহাড়, যা পানির নিচে বড় অংশ লুকিয়ে রাখে।
a 0.71
b 0.73
c ‘৭৪%
d 0.79
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 0.79 কেন সঠিক: - সিদ্ধ চালে শ্বেতসার বা কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ প্রায় উনআশি শতাংশ বা শূন্য দশমিক সাত নয় অংশ থাকে। - সিদ্ধ প্রক্রিয়ায় চালের পুষ্টিমান ও শ্বেতসারের মাত্রা অপরিশোধিত চালের তুলনায় সামান্য পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.71 — এই মানটি সিদ্ধ চালে বিদ্যমান শ্বেতসারের সঠিক অনুপাতের সাথে মিলে না। B) 0.73 — এটি সিদ্ধ চালের শ্বেতসার পরিমাপের সঠিক পরিসংখ্যান নয়। C) ৭৪% — এই মানটি অন্য কোনো খাদ্য উপাদানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে কিন্তু সিদ্ধ চালের শ্বেতসার নয়। D) 0.79 — এটি সিদ্ধ চালে শ্বেতসারের সঠিক অনুপাত নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: সিদ্ধ চালে শ্বেতসারের পরিমাণ মনে রাখতে শূন্য দশমিক সাত নয় বা উনআশি শতাংশ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
a অভিকর্ষজ ত্বরণ
b মাধ্যাকর্ষণ বল
c আপেক্ষিক বল
d সমান্তরাল বল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাধ্যাকর্ষণ বল কেন সঠিক: - পৃথিবী ও স্যাটেলাইটের মধ্যকার মহাকর্ষ বল বা মাধ্যাকর্ষণ বল কেন্দ্রমুখী বল হিসেবে কাজ করে, যা স্যাটেলাইটকে তার কক্ষপথে ধরে রাখে। - এই বলের টানেই স্যাটেলাইট মহাকাশে সোজা চলে না গিয়ে পৃথিবীর চারদিকে বৃত্তাকার বা উপবৃত্তাকার পথে ঘুরতে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভিকর্ষজ ত্বরণ — এটি হলো অভিকর্ষের প্রভাবে মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হার, কোনো বল নয়। B) মাধ্যাকর্ষণ বল — এটি সঠিক কারণ এই বলই স্যাটেলাইটকে কক্ষপথে ধরে রেখে ঘোড়ায়। C) আপেক্ষিক বল — পদার্থবিজ্ঞানে এই নামে কোনো মৌলিক বল বা স্যাটেলাইট ঘূর্ণনের নির্দিষ্ট বল নেই। D) সমান্তরাল বল — এটি সমান্তরালভাবে প্রযুক্ত বলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা স্যাটেলাইটের ঘূর্ণনের কারণ নয়। মনে রাখার টিপস: মহাকাশে স্যাটেলাইটকে ধরে রেখে ঘোরানোর মূল চালিকাশক্তি হলো পৃথিবীর টান বা মাধ্যাকর্ষণ বল।
a ৯.৭৯ নিউটন
b ৯.৭৮ নিউটন
c ৯.৮১ নিউটন
d ৯. ৮৩ নিউটন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯.৭৮ নিউটন কেন সঠিক: - পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোল নয়, বরং বিষুবীয় অঞ্চলে কিছুটা স্ফীত এবং মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা। - কেন্দ্র থেকে বিষুবীয় অঞ্চলের দূরত্ব বেশি হওয়ায় মহাকর্ষীয় বলের মান কম হয়, ফলে এই অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ এবং একক ভরের বস্তুর ওজন সর্বনিম্ন হয় ৯.৭৮ নিউটন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯.৭৯ নিউটন — এই মানটি বিষুবীয় অঞ্চল ও মেরু অঞ্চলের মধ্যবর্তী কোনো নির্দিষ্ট অক্ষাংশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বিষুবীয় অঞ্চলের জন্য সঠিক নয়। B) ৯.৭৮ নিউটন — এটি একক ভরের বস্তুর জন্য বিষুবীয় অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) ৯.৮১ নিউটন — এটি পৃথিবীতে অভিকর্ষজ ত্বরণের আদর্শ বা প্রমাণ মান, যা ৪৫ ডিগ্রি অক্ষাংশে বা সমগ্র পৃথিবীর গড় হিসেবে ধরা হয়। D) ৯. ৮৩ নিউটন — এটি পৃথিবীর মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের সর্বোচ্চ মান, কারণ সেখানে কেন্দ্র থেকে দূরত্ব সবচেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: বিষুব অঞ্চলে দূরত্ব বেশি তাই ওজন কম অর্থাৎ ৯.৭৮ নিউটন, আর মেরুতে দূরত্ব কম তাই ওজন বেশি অর্থাৎ ৯.৮৩ নিউটন।
a ফসফরাস
b লৌহ
c সোডিয়াম
d ম্যাগনেসিয়াম
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফসফরাস কেন সঠিক: - ফসফরাস মানবদেহের হাড় ও দাঁতের গঠন এবং দৃঢ়তা বজায় রাখতে ক্যালসিয়ামের সাথে প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে। - এটি কোষের পর্দা বা প্লাজমা মেমব্রেনের অন্যতম প্রধান উপাদান ফসফোলিপিড তৈরিতে সরাসরি অংশ নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফসফরাস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা হাড়, দাঁত গঠন ও ফসফোলিপিড তৈরিতে কাজ করে। B) লৌহ — এটি রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে এবং দেহে অক্সিজেন পরিবহনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে, হাড় বা ফসফোলিপিড গঠনে নয়। C) সোডিয়াম — এটি স্নায়ু উদ্দীপনা ও শরীরের পানির সমতা বজায় রাখতে কাজ করে, যা হাড় বা ফসফোলিপিড গঠনের মূল উপাদান নয়। D) ম্যাগনেসিয়াম — এটি স্নায়ু ও পেশির স্বাভাবিক কার্যকারিতায় সহায়তা করে, তবে এটি ফসফোলিপিড বা হাড়ের প্রধান গাঠনিক উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: হাড়, দাঁত ও লিপিডের মূলে আছে ফসফরাস।
a মেঘের পানির কণা খুবই উত্তপ্ত হয়ে যায়
b মেঘে পানি কণার চেয়ে ক্লোরিনের পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে
c মেঘের পানির কণার সাথে বাতাসের ভাসমান রাসায়নিক পদার্থের বিক্রিয়ার ফলে
d মেঘের পানির কণা খুব ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ায়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মেঘের পানির কণা খুব ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ায় কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগের অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রার কারণে মেঘের জলীয় বাষ্প বা পানির কণা বরফ কণায় পরিণত হয়। - এই বরফ কণাগুলো নিচে নামার সময় আরও পানির কণা যুক্ত হয়ে ভারী শিলাখণ্ডে রূপ নিয়ে মাটিতে ঝরে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘের পানির কণা খুবই উত্তপ্ত হয়ে যায় — পানির কণা উত্তপ্ত হলে তা বাষ্প হয়ে ওপরে ওঠে, শিলাবৃষ্টির মতো কঠিন বরফ তৈরি হতে পারে না। B) মেঘে পানি কণার চেয়ে ক্লোরিনের পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে — ক্লোরিন গ্যাসের সাথে শিলাবৃষ্টির কোনো সম্পর্ক নেই, এটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়। C) মেঘের পানির কণার সাথে বাতাসের ভাসমান রাসায়নিক পদার্থের বিক্রিয়ার ফলে — শিলাবৃষ্টি কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফল নয়, এটি সম্পূর্ণ একটি প্রাকৃতিক আবহাওয়ার রূপান্তর। D) মেঘের পানির কণা খুব ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ায় — এই অপশনটি সঠিক, কারণ অতিরিক্ত ঠান্ডায় পানির কণা জমে বরফে পরিণত হয়। মনে রাখার টিপস: উপরিভাগের অতিরিক্ত ঠান্ডা বায়ুর প্রভাবে মেঘের পানির কণা জমে বরফ বা শিলায় পরিণত হয়, একেই শিলাবৃষ্টি বলে।
a ব্র্যাক ব্যাংক
b এশিয়াটিক সোসাইটি
c বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
d গ্রামীণ ব্যাংক
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কেন সঠিক: - বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র বাংলাদেশের একটি প্রখ্যাত সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান যা আলোকিত মানুষ গড়ার প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। - অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ১৯৭৮ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর মাধ্যমে সারাদেশে বইপড়া কর্মসূচি পরিচালনা করছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্র্যাক ব্যাংক — এটি একটি বাণিজ্যিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা মূলত ক্ষুদ্র, মাঝারি ও সাধারণ ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে। B) এশিয়াটিক সোসাইটি — এটি দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও গবেষণাভিত্তিক একটি প্রাচীন প্রতিষ্ঠান, আলোকিত মানুষ তৈরির কর্মসূচি এর কাজ নয়। C) বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ প্রতিষ্ঠানটির মূল স্লোগান হলো আলোকিত মানুষ চাই। D) গ্রামীণ ব্যাংক — এটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান, যা মূলত দরিদ্র নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: আলোকিত মানুষ গড়ার প্রধান মাধ্যম হলো বই পড়া, আর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি ও বইপড়ার আন্দোলন পরিচালনা করে।
a রাশিয়া
b ভারত
c ভুটান
d জাপান
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভুটান কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে। - ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও ভুটানের স্বীকৃতি সরকারিভাবে কয়েক ঘণ্টা আগে নথিভুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি, যা প্রথম নয়। B) ভারত — ভুটানের পর ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর রাতেই ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। D) জাপান — জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় পাহাড় ঘেরা ছোট দেশ ভুটান ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর।
a ঘোড়া
b হাতি
c পিপঁড়া
d গাধা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পিপঁড়া কেন সঠিক: - পিপঁড়া তার নিজের ওজনের চেয়ে প্রায় পঞ্চাশ থেকে একশ গুণ বেশি ওজন বহন করতে সক্ষম। - তাদের পেশীর গঠন অত্যন্ত শক্তিশালী হওয়ায় তারা এই অভাবনীয় শারীরিক শক্তি প্রদর্শন করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘোড়া — ঘোড়া নিজের ওজনের চেয়ে বেশি ভারী বস্তু টানতে পারলেও শরীরের ওজনের তুলনায় পঞ্চাশ গুণ বেশি বস্তু বহন করতে পারে না। B) হাতি — হাতি পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী স্থলচর প্রাণী হলেও নিজের শরীরের ওজনের তুলনায় পঞ্চাশ গুণ বেশি ওজন তুলতে পারে না। C) পিপঁড়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ ক্ষুদ্র আকৃতির এই প্রাণীটি নিজের ওজনের তুলনায় বহুগুণ বেশি ভার বহন করতে পারে। D) গাধা — গাধা সাধারণত নিজের ওজনের প্রায় অর্ধেক বা তার কাছাকাছি ভার বহন করতে পারে, যা পঞ্চাশ গুণের তুলনায় অনেক কম। মনে রাখার টিপস: ক্ষুদ্রতম প্রাণী পিপঁড়াই হলো সবচেয়ে শক্তিশালী বাহক, যা নিজের ওজনের পঞ্চাশ গুণ ভার বহন করে।
a টোকিও
b দুবাই
c জোহানেসবাগ
d সৌদি আরব
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জোহানেসবার্গ কেন সঠিক: - দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ শহরটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্বর্ণ খনি অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। - এখান থেকে বিশ্বের মোট উৎপাদিত স্বর্ণের একটি বিশাল অংশ উত্তোলন করা হয় বলে একে স্বর্ণের শহর বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র, কিন্তু স্বর্ণের খনির জন্য বিখ্যাত নয়। B) দুবাই — এটি মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্যিক ও পর্যটন কেন্দ্র এবং স্বর্ণের ব্যবসার জন্য বিখ্যাত হলেও এখানে কোনো প্রাকৃতিক স্বর্ণের খনি নেই। D) সৌদি আরব — এটি খনিজ তেল উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত, স্বর্ণের খনির জন্য এটি প্রধান পরিচিত স্থান নয়। মনে রাখার টিপস: সোনার খনি মানেই দক্ষিণ আফ্রিকা এবং এই দেশটির প্রধান শহর জোহানেসবার্গ।
a Computer Dise Run Only Memory
b Computer Drive Read Only Memory
c Computer Dise Read Only Memory
d Computer Driver Run Only Memory
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: C) Computer Dise Read Only Memory কেন সঠিক: - CD-ROM হলো অপটিক্যাল ডিস্কের একটি রূপ যার পূর্ণরূপ হলো কম্প্যাক্ট ডিস্ক রিড অনলি মেমরি। - এই মেমরি থেকে শুধুমাত্র ডেটা পড়া যায় কিন্তু নতুন করে কোনো ডেটা লেখা বা মুছে ফেলা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Computer Dise Run Only Memory — এখানে Read শব্দের পরিবর্তে ভুল শব্দ Run ব্যবহার করা হয়েছে। B) Computer Drive Read Only Memory — এখানে Dise শব্দের পরিবর্তে ভুল শব্দ Drive ব্যবহার করা হয়েছে। C) Computer Dise Read Only Memory — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর প্রতিটি শব্দের বানান ও রূপ সঠিক। D) Computer Driver Run Only Memory — এখানে Dise এবং Read শব্দের জায়গায় ভুল শব্দ Driver এবং Run ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সিডি-রম এর পূর্ণরূপ মনে রাখতে সিডি মানে কম্প্যাক্ট ডিস্ক বা ডিজ এবং রম মানে রিড অনলি মেমরি এই সূত্রটি মনে রাখবে।
a সিলেট
b খুলনা
c কুষ্টিয়া
d চাপাইনবাবগঞ্জ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাপাইনবাবগঞ্জ কেন সঠিক: - প্রাচীন গৌড় নগরীর ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক অবস্থান বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলা জুড়ে বিস্তৃত ছিল। - সুলতানি আমলে গৌড় ছিল বাংলার রাজধানী এবং এর কিছু অংশ বর্তমানে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — এটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রাচীন অঞ্চল হলেও প্রাচীন গৌড় নগরীর অংশবিশেষ এখানে অবস্থিত নয়। B) খুলনা — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি বিভাগ ও জেলা যা প্রাচীন গৌড় রাজ্যের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে অবস্থিত। C) কুষ্টিয়া — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা যা মূলত নদীমাতৃক ও উত্তর অঞ্চলের ইতিহাসের অংশ নয়। D) চাপাইনবাবগঞ্জ — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রাচীন গৌড় নগরীর ধ্বংসাবশেষ ও অংশবিশেষ এই জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: গৌড় মানেই নবাবগঞ্জ অর্থাৎ চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কারণ ঐতিহাসিক গৌড় সভ্যতার মূল অংশ এই জেলায় রয়েছে।
a নিউইয়র্ক
b জেনেভা
c ভিয়েনা
d অসলো
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত অঙ্গসংস্থা। - সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর এবং ইউনিসেফ এর কার্যালয় অবস্থিত, কিন্তু WHO এর নয়। B) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর এবং এখানেই সঠিক উত্তর অবস্থিত। C) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং এখানে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি এজেন্সি বা IAEA এর সদর দপ্তর অবস্থিত। D) অসলো — এটি নরওয়ের রাজধানী এবং এখানে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান কমিটি অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: স্বাস্থ্য বা Health সম্পর্কিত বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।