বাংলাদেশ ডাক বিভাগ

বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬

পদের নাম: উপজেলা পোস্টমাস্টার (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (70)

a জাতিসত্তা
b দেশপ্রেম
c স্বজনপ্রীতি
d আত্মপ্রীতি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দেশপ্রেম ১. কেন সঠিক: - মেঘনাদবধ কাব্যে দেশপ্রেম এবং মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভক্তি ও আনুগত্যের প্রবল প্রকাশ ঘটেছে। - মহাকাব্যের রাক্ষস বা লঙ্কাপুরী মূলত কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্বদেশ বা বাংলার রূপক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। - ১৮৬১ সালে প্রকাশিত এই মহাকাব্যে রামায়ণের কাহিনী থাকলেও কবি সেখানে রাবণ ও মেঘনাদকে দেশপ্রেমিক হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন ব্যাখ্যা: এই চরণে কবির মাতৃভূমির প্রতি প্রগাঢ় দেশপ্রেম এবং ভাষার প্রতি অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: ভুলো না এ দাসে, সুமதி রাক্ষসী ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিতে লঙ্কার প্রতি মেঘনাদের অন্তিম অনুরাগ ও দেশপ্রেমের চিত্র ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিসত্তা — কাব্যে জাতিসত্তার কিছু উপাদান থাকলেও মূল চালিকাশক্তি হিসেবে দেশপ্রেমের প্রকাশই সবচেয়ে বেশি প্রবল। B) দেশপ্রেম — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নের মূল চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। C) স্বজনপ্রীতি — কাব্যের মূল প্রতিপাদ্য নীতি বা আদর্শের দ্বন্দ্ব, স্বজনপ্রীতি এখানে মুখ্য কোনো বিষয় নয়। D) আত্মপ্রীতি — এটি অহংকার বা আত্মপ্রেম বোঝায়, যা মেঘনাদের দেশপ্রেম ও বীরত্বের মহিমার বিপরীত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘনাদবধ কাব্য মানেই লঙ্কার প্রতি ভালোবাসা অর্থাৎ দেশপ্রেম। মধুসূদন দত্ত দেশপ্রেমকে মহাকাব্যে অমর করে রেখেছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য এবং এর রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এর উৎস ও চরিত্র নিয়ে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
a প্রথম
b চতুর্থ
c সপ্তম
d নবম
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সপ্তম ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব সপ্তম জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। সংসদীয় গণতন্ত্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এবং মন্ত্রিপরিষদের স্বচ্ছতা বাড়াতে এই বিধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাস এবং সাংবিধানিক অনুশীলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত সরকার সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট প্রশ্নোত্তর পর্ব অন্তর্ভুক্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যুক্তরাজ্য বা ব্রিটিশ পার্লামেন্টের আদলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংসদীয় পদ্ধতিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু রয়েছে। ব্যাখ্যা: সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো কার্যনির্বাহী বিভাগের কাছে সংসদ সদস্যদের প্রশ্ন করার অধিকার এবং প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি জবাবদিহিতা। উদাহরণ ২: বাংলাদেশে সপ্তম জাতীয় সংসদের মেয়াদকাল ছিল ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত। ব্যাখ্যা: এই মেয়াদেই জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধিতে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর উত্তরদানের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম — প্রথম জাতীয় সংসদ স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধচনার আওতায় গঠিত হলেও তখন এই বিশেষ প্রশ্নোত্তর পর্বের প্রচলন ছিল না। B) চতুর্থ — চতুর্থ জাতীয় সংসদ তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি বিতর্কিত নির্বাচন ও ভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) সপ্তম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সংসদেই প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বের সূচনা ঘটেছিল। D) নবম — নবম জাতীয় সংসদ ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর গঠিত হয়, যা সপ্তম সংসদের অনেক পরের ঘটনা। ৫. মনে রাখার টিপস: সপ্তম সংখ্যাটি মনে রাখলে সংসদীয় গণতন্ত্রের একটি বড় সংস্কার অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর চালুর সাল ও সংসদ মনে রাখা সহজ হয়। রাজনীতির ইতিহাসে ১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপায়ণে নানা নতুন নিয়ম চালু করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ সংবিধান ও সংসদীয় ইতিহাস থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। কোন সংসদ কত সালে এবং কোন ঐতিহাসিক কাজের জন্য পরিচিত, তা ভালোভাবে পড়ে রাখতে হবে।
a বিদ্রোহী
b মুক্তি
c রণ সঙ্গীত
d লিচু চোর
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুক্তি ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম মুক্তি। ১৯১৯ সালের বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকায় এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর প্রথম প্রকাশিত সাহিত্যকর্মের মধ্যে এই কবিতাটি বিশেষ সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা যা তাঁকে রাতারাতি খ্যাতি এনে দেয়। উদাহরণ ২: সঞ্চিতা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতার সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্রোহী — এটি নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা নয়, এটি তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি যা ১৯২১ সালে প্রকাশিত হয়। C) রণ সঙ্গীত — এটি নজরুলের একটি দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা, তবে প্রথম প্রকাশিত কবিতা নয়। D) লিচু চোর — এটি নজরুলের একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা, যা তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম লেখার কথাই ছিল মুক্তির আনন্দ, তাই প্রথম প্রকাশিত কবিতা মুক্তি। এটি এভাবে মনে রাখা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রথম রচনা বা প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ প্রায়ই আসে। তাই নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা মুক্তি এবং প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বা গল্প বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ফজলে লোহানী
b ফতেহ লোহানী
c কামাল লোহানী
d জামাল লোহানী
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফতেহ লোহানী ১. কেন সঠিক: - আমেরিকান ঔপন্যাসিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি' এর অত্যন্ত জনপ্রিয় বাংলা অনুবাদ করেছেন বিশিষ্ট অভিনেতা ও পরিচালক ফতেহ লোহানী। - এই অনুবাদটি বাংলা সাহিত্যের অনুবাদ সাহিত্যে একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এটি আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আর্নেস্ট হেমিংওয়ে বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার যিনি ১৯৫৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - 'দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে এবং এর জন্য তিনি পুলিৎজার পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেকসপিয়ারের নাটক 'ম্যাকবেথ'-এর বাংলা অনুবাদ। ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরী শেকসপিয়ারের বিখ্যাত নাটক 'ম্যাকবেথ' বাংলায় অনুবাদ করেন যার নাম দেন 'রক্তাক্ত কবরী'। উদাহরণ ২: আলবেয়ার কামুর উপন্যাস 'দ্য আউটসাইডার'-এর বাংলা অনুবাদ। ব্যাখ্যা: প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক কবীর চৌধুরী ফরাসি এই উপন্যাসের অনবদ্য বাংলা অনুবাদ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফজলে লোহানী — তিনি ফতেহ লোহানীর ভাই এবং প্রখ্যাত সাংবাদিক ও উপস্থাপক হলেও এই উপন্যাসের অনুবাদক নন। B) ফতেহ লোহানী — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি সফলভাবে এই বিশ্বখ্যাত উপন্যাসটি বাংলায় রূপান্তর করেছেন। C) কামাল লোহানী — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিক ছিলেন কিন্তু এই গ্রন্থের অনুবাদক হিসেবে পরিচিত নন। D) জামাল লোহানী — ইনি লোহানী পরিবারের একজন সদস্য হলেও এই সাহিত্যকর্মের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওল্ড ম্যান বা বুড়ো মানুষের সমুদ্রের সাথে লড়াইয়ের ঘটনা মনে রাখতে ফতেহ লোহানীর নামটি মাথায় রাখবে। - লোহানী ভাইয়েদের মধ্যে ফতেহ লোহানী অনুবাদক হিসেবে বেশি খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্বসাহিত্যের বিখ্যাত কোনো অনুবাদগ্রন্থের নাম ও অনুবাদকের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের সময় মূল লেখকের পাশাপাশি অনুবাদকের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c প্যারীচাঁদ মিত্র
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্যারীচাঁদ মিত্র ১. কেন সঠিক: বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা সাহিত্য ধারা বা অনুষঙ্গ হিসেবে পরিচিত 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসের মাধ্যমে প্রথম গদ্যে সহজ ভাষা বা কথ্যরীতির প্রবর্তন করেন। তাঁকে বাংলা উপন্যাসের জনক বা বাংলা সাহিত্য ধারার প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ বলা হয় কারণ তিনি প্রথম কৃত্রিম সাধুভাষা বাদ দিয়ে জনগণের মুখের ভাষাকে সাহিত্যের বাহন করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্যারীচাঁদ মিত্র ছিলেন উনিশ শতকের নবজাগরণের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব এবং টেকচাঁদ ঠাকুর তাঁর চকনাম বা ছদ্মনাম। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'আলালের ঘরের দুলাল' ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয় যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলালের ঘরের দুলাল ব্যাখ্যা: প্যারীচাঁদ মিত্রের এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের চিত্র এবং প্রমথনাথ চরিত্রের মাধ্যমে বাংলা কথ্যরীতির সার্থক প্রয়োগ দেখা যায়। উদাহরণ ২: অভেদী ব্যাখ্যা: এটিও প্যারীচাঁদ মিত্রের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা আধ্যাত্মিক ও সামাজিক সংস্কারমূলক রচনার এক অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি এবং আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান পুরুষ, উপন্যাসের বা গদ্যরীতির প্রতিষ্ঠাতা নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও বিশ্বকবি হলেও উপন্যাসের গদ্যরীতি বা বাংলা সাহিত্য ধারার প্রতিষ্ঠাতা নন। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সার্থক উপন্যাসের জনক ও সম্রাট, তবে প্রথম কথ্যরীতির প্রবর্তক বা প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ নন। ৫. মনে রাখার টিপস: প্যারীচাঁদ মিত্র মানেই কথ্যরীতি এবং আলালের ঘরের দুলাল। সাহিত্য ধারার প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ বললে প্যারীচাঁদ মিত্র এবং উপন্যাসের জনক বললে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর যা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। তাঁর 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসটি কোন রীতির প্রথম সফল প্রয়োগ তা ভালোভাবে মনে রাখবে।
a হাতি/হাতী
b নারি/নারী
c জাতি/জাতী
d দাদি/দাদী
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নারি/নারী ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অতৎসম অর্থাৎ দেশি, বিদেশি ও তদ্ভব শব্দে মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার হয় না, কেবল দন্ত ন ব্যবহৃত হয়। - নারী শব্দটি দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ, যেখানে কোনো বানানের ভিন্নতা নেই এবং সঠিক রূপটি কেবল নারী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তদ্ভব, দেশি, বিদেশি এবং মিশ্র শব্দের বানানে সর্বদা দন্ত ন ব্যবহৃত হয় এবং মূর্ধন্য ণ লেখা ভুল। - বাংলা ভাষায় দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে, যেমন স্ত্রীবাচক শব্দে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়, যার কারণে নারী শব্দটি শুদ্ধ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঙালি ব্যাখ্যা: এটি একটি জাতিবাচক শব্দ এবং দেশি শব্দ হওয়ায় এখানে দন্ত ন ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: মালি ব্যাখ্যা: এটি তদ্ভব শব্দ হওয়ায় এর শেষে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাতি/হাতী — হাতি বানানটি শুদ্ধ হলেও হাতী বানানটি ভুল কারণ হাতি বানানে দীর্ঘ ঈ-কার বা হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয় না, হাতি বানানে ত হয় এবং শেষে ই-কার হয়। B) নারি/নারী — নারি বানানটি ভুল কারণ প্রমিত বানান অনুযায়ী নারী শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়। C) জাতি/জাতী — জাতি বানানটি শুদ্ধ হলেও জাতী বানানটি ভুল কারণ বাংলায় জাতি শব্দে কখনো দীর্ঘ ঈ-কার হয় না। D) দাদি/দাদী — দাদি বানানটি অনেকেই দাদী লেখে, তবে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী দাদি বানানে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করতে হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপ্রধান বা তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে স্ত্রীবাচক শব্দগুলোতে দীর্ঘ ঈ-কার এবং সাধারণ শব্দে হ্রস্ব ই-কার ও দন্ত ন ব্যবহারের নিয়মটি মনে রাখবে। - পরীক্ষাগারে বানানের শুদ্ধ রূপ নির্বাচনে শব্দের উৎস অর্থাৎ তৎসম বা অতৎসম শব্দ বিচার করে উত্তর করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম আয়ত্ত করা অত্যন্ত জরুরি। - এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়শই হ্রস্ব ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার এবং দন্ত ন ও মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার সংক্রান্ত বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়।
a মাঝি
b ঘাটাল
c পাটনী
d কর্ণবার
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাটনী ১. কেন সঠিক: - খেয়া পারাপার বা নদী পার করার কাজে নিয়োজিত বিশেষ সম্প্রদায় বা ব্যক্তিকে এককথায় পাটনী বলা হয়। - বাংলা সাহিত্য এবং লোকসংস্কৃতিতে খেয়া পারাপারের কাজে পাটনী শব্দের ঐতিহ্যগত ব্যবহার রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - দীর্ঘ বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবসংক্ষেপ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা সহজে লভ্য ব্যাখ্যা: একে এককথায় সুলভ বলা হয়, যা প্রাপ্তির সহজতা নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: ইতিহাস রচনা করেন যিনি ব্যাখ্যা: তাকে এককথায় ঐতিহাসিক বলা হয়, যা পেশা বা কাজের পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাঝি — সাধারণ অর্থে নৌকার চালক বা নায়েককে মাঝি বলা হলেও নির্দিষ্টভাবে খেয়া পারাপারকারীর ক্ষেত্রে পাটনী শব্দটি বেশি উপযুক্ত। B) ঘাটাল — এটি কোনো ব্যক্তির পেশা বা এককথার প্রকাশ নয়, বরং ঘাটসংলগ্ন এলাকা বা স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) কর্ণবার — এই শব্দটি মূলত নৌকার চালক বা যিনি নৌকার কর্ণ বা হাল ধরেন তাকে বোঝায়, যা পাটনী থেকে আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: ভারতের অন্নদামঙ্গল কাব্যে ঈশ্বর পাটনী চরিত্রটির কথা মনে রাখলে খেয়া পারকারী হিসেবে পাটনী শব্দটি সহজে স্মরণ রাখা যায়। বাক্য সংকোচন পড়ার সময় পেশাবাচক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়লে পরীক্ষাকেন্দ্রে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পেশাবাচক এককথায় প্রকাশ যেমন ধীবর, চণ্ডাল, পাটনী ইত্যাদি প্রায়ই আসে। নৌকা বা জলপথ সম্পর্কিত শব্দগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বিশেষণের-বিশেষণ
b পদাশ্রিত নির্দেশক
c সমুচ্চয়ী অব্যয়
d অনন্বয়ী অব্যয়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনন্বয়ী অব্যয় ১. কেন সঠিক: - বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনো রকম সম্পর্ক বা অন্বয় না রেখে স্বাধীনভাবে ভাব প্রকাশ করলে তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। - এখানে মরি মরি শব্দগুচ্ছ দ্বারা বক্তার মনের আবেগ, উল্লাস ও বিস্ময় প্রকাশ পেয়েছে এবং এটি বাক্যের অন্যান্য পদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে অব্যয় পদ বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে কখনো আনন্দ, বেদনা, ঘৃণা, ভয়, বিস্ময় ইত্যাদি ভাব প্রকাশ করে, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। - একে আবেগবাচক অব্যয়ও বলা হয় কারণ এটি মানুষের আবেগ প্রকাশে প্রধান ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাহ! কি সুন্দর পাখিটি। ব্যাখ্যা: এখানে বাহ শব্দটির মাধ্যমে মনের আনন্দ ও প্রশংসা প্রকাশ পেয়েছে, যা অনন্বয়ী অব্যয়ের উদাহরণ। উদাহরণ ২: ছি ছি, তুমি এত নিচ! ব্যাখ্যা: এখানে ছি ছি শব্দটির মাধ্যমে ঘৃণা বা লজ্জা প্রকাশ পেয়েছে, যা স্বাধীনভাবে ভাব প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণের-বিশেষণ — বিশেষণের পূর্বে বসে যখন অন্য কোনো বিশেষণকে বিশেষিত করে, তখন তাকে বিশেষণের-বিশেষণ বলে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) পদাশ্রিত নির্দেশক — যা পদের আশ্রয়ে বসে নির্দিষ্টতা প্রকাশ করে, যেমন টা, টি, খানা, খানি এবং এটি এই শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। C) সমুচ্চয়ী অব্যয় — যে অব্যয় পদ একাধিক পদ বা বাক্যকে যুক্ত করে, তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বলে এবং এখানে কোনো সংযোগের কাজ হয়নি। D) অনন্বয়ী অব্যয় — এটি সঠিক কারণ এই পদটি স্বাধীনভাবে মনের আবেগ প্রকাশ করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনের আবেগ যেমন হুররে, বাহ, ছি ছি, মরি মরি বুঝালে চোখ বন্ধ করে অনন্বয়ী অব্যয় দাগাবে। - মনে রাখবে যে অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্কহীন থেকে স্বাধীন ভাব প্রকাশ করে, সেটাই অনন্বয়ী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আবেগ প্রকাশকারী শব্দ বা বাক্যাংশ থাকলে তা সাধারণত অনন্বয়ী অব্যয় হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে বাক্যের অর্থ না বুঝে পদের কার্যকারিতা বা ভাব প্রকাশের মাধ্যমটি খেয়াল করতে হবে।
a মৃন + ময়
b মৃং + ময়
c মৃৎ + ময়
d মৃঃ + ময়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৃৎ + ময় ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে প্রথম পদের অন্তে অবস্থিত ত অথবা দ এর পরে যদি নাসিক্য বর্ণ অর্থাৎ ম থাকে, তবে প্রথম পদের ত বা দ স্থানে অনুস্বার অথবা সেই বর্গের পঞ্চম বর্ণ হয়। - এই নিয়মে মৃৎ শব্দের ত এর সাথে ময় শব্দের ম যুক্ত হয়ে ত স্থানে ন হয়েছে এবং শব্দটি মৃন্ময় রূপে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে পদের অন্তস্থিত ত-বর্গীয় ধ্বনির পরে নাসিক্য ধ্বনি থাকলে তার প্রভাবে পরিবর্তন ঘটে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ত বা দ এর পরে ম থাকলে ত বা দ স্থানে ন হওয়া একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চিৎ + ময় = চিন্ময় ব্যাখ্যা: এখানে ত এর পরে ম থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ন হয়েছে এবং চিন্ময় শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: জগৎ + নাথ = জগন্নাথ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ত এর পরে ন থাকায় নিয়মানুসারে ত পরিবর্তিত হয়ে ন বর্ণে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃন + ময় — মৃন বলে কোনো ব্যাকরণসিদ্ধ শব্দ বাংলায় নেই তাই এই বিচ্ছেদটি সম্পূর্ণ ভুল। B) মৃং + ময় — এখানে অনুস্বার ব্যবহার করা হয়েছে যা এই নির্দিষ্ট ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মের সাথে মিলছে না। D) মৃঃ + ময় — বিসর্গ সন্ধির নিয়মে এই শব্দটি গঠিত হয় না তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ময়যুক্ত ব্যঞ্জনসন্ধি চেনার সময় মনে রাখবে যে অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রথম পদে ত বা দ এবং দ্বিতীয় পদে ময় থাকে। - চিন্ময় ও মৃন্ময় শব্দ দুটি একই নিয়মে সাধিত হয় তাই এদের একসাথে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে যেখানে ত এর সাথে ম যুক্ত হয়ে ন হয়। - একই নিয়মের শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় খুব দ্রুত সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী মোতাহার হোসেন
d শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা সাহিত্যে অমর কথাশিল্পী বলা হয় কারণ তাঁর উপন্যাস ও ছোটগল্পের আবেদন চিরকালীন ও সর্বজনীন। - তাঁর লেখায় সাধারণ মানুষের জীবন, দুঃখ-বেদনা এবং সমাজের ত্রুটি অত্যন্ত জীবন্ত ও হৃদয়গ্রাহীভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। - তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলির মধ্যে দেবদাস, পরিণীতা, বড়দিদি, শ্রীকান্ত এবং চরিত্রহীন বাংলা সাহিত্যে অমর সৃষ্টি হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবদাস ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্যতম জনপ্রিয় ও ট্র্যাজিক প্রেমের উপন্যাস যা তাঁকে কথাসাহিত্যিক হিসেবে অমরত্ব দিয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রীকান্ত ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি আত্মজীবনীমূলক ও শ্রেষ্ঠ উপন্যাস যার চারটি খণ্ডে তৎকালীন বাংলার গ্রামীণ সমাজ ও মানুষের চিত্র সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত, অমর কথাশিল্পী নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রধান ঔপন্যাসিক ও কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। C) কাজী মোতাহার হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি লেখক, বিজ্ঞানী, দাবাড়ু ও বুদ্ধিবাদী চিন্তাবিদ হিসেবে পরিচিত। D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি অমর কথাশিল্পী নামে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎ মানে বসন্তকাল যা চিরকাল আসে এবং মানুষের মনে চিরস্থায়ী হয়, তেমনি শরৎচন্দ্রের লেখা কথা সাহিত্যও অমর। - কথাশিল্পী শব্দটি দেখলে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন লেখকের উপাধি থেকে প্রশ্ন আসে যেমন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - লেখকদের সাহিত্যিক উপাধি ও তাঁদের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষায় উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a সোনার তরী
b গীতাঞ্জলি
c চিত্রা
d ক্ষণিকা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গীতাঞ্জলি ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সংগীতাঞ্জলি বা সংগীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ Song Offerings এর জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। মূল গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে এবং W. B. Yeats এর প্রস্তাবনায় নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের প্রথম নোবেল বিজয়ী এবং এশিয়ার প্রথম ব্যক্তি যিনি সাহিত্যে এই সম্মান অর্জন করেন। গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থে মূলত ঈশ্বরপ্রেম, আধ্যাত্মিকতা এবং প্রকৃতির বন্দনা প্রকাশিত হয়েছে যা বিশ্বসাহিত্যে এক অনন্য সৃষ্টি হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি বিখ্যাত গান যা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতা নির্ভর বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনার তরী — এই কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির দার্শনিক ভাবনা প্রকাশ পেলেও এটি নোবেল পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হয়নি। B) গীতাঞ্জলি — এটিই সঠিক উত্তর। C) চিত্রা — এই কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে জীবনদর্শন ও প্রেমের কবিতা থাকলেও এটি নোবেল পুরস্কার পায়নি। D) ক্ষণিকা — এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯০৭ সালে প্রকাশিত হয় যা মূলত লঘু ও চপল রসাত্মক কবিতার জন্য পরিচিত এবং এটি নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল জয়ী গ্রন্থ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে স্রষ্টাকে অঞ্জলি বা উপহার স্বরূপ দেওয়া গীতাঞ্জলি তাকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করেছে। ১৯১৩ সালে তিনি এই পুরস্কার লাভ করেন যা বাঙালি জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক গৌরবময় অর্জন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে নোবেল পুরস্কার পান এবং কোন গ্রন্থের জন্য পান। সালটি মনে রাখতে হবে ১৯১৩ এবং গ্রন্থটির নাম গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ Song Offerings।
a চাঁপা
b চানা
c চালা
d চাঁটি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাঁটি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় বর্ণগুলোর ক্রম অনুসারে এবং চন্দ্রবিন্দু যুক্ত বর্ণের অবস্থান বিবেচনা করে অভিধানে শব্দের বিন্যাস করতে হয়। প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে চ বর্ণটি সব কটি শব্দে সমান থাকায় আমাদের পরবর্তী বর্ণ বা কার চিহ্নের ক্রমানুসারে বিচার করতে হবে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা অভিধানে শব্দ খোঁজার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে যেখানে প্রথমে স্বরবর্ণ এবং পরে ব্যঞ্জনবর্ণের ক্রম আসে। ব্যঞ্জনবর্ণের ক্ষেত্রে কার চিহ্নের বিন্যাস হলো অ-কার, আ-কার, ই-কার, ঈ-কার, উ-কার, ঊ-কার, ঋ-কার, এ-কার, ওই-কার, ও-কার, ঔ-কার এবং অনুস্বার, বিসর্গ, চন্দ্রবিন্দু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কঙ্কা, কাক, কিক, কুক ব্যাখ্যা: এখানে ক এর পর যথাক্রমে অম্বর, আ, ই এবং উ কারের ক্রম অনুসরণ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পাতা, পাতি, পুতু, পেতু ব্যাখ্যা: এখানে প-এ আ-কার এবং প-এ উ-কারের ক্রম অনুসরণ করে শব্দ সাজানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁপা — এই শব্দটিতে চ-এর পর চন্দ্রবিন্দু এবং আ-কার আছে, যা চাঁটি শব্দের ই-কারের পরের অবস্থান নির্দেশ করে। B) চানা — এই শব্দটিতে চ-এর পর আ-কার এবং ন আছে, যা চ বর্ণের পর ন-এর অবস্থান বোঝায়। C) চালা — এই শব্দটিতে চ-এর পর আ-কার এবং ল আছে, যা অন্য শব্দের পরে অবস্থান করে। D) চাঁটি — এই শব্দটিতে চ-এ চন্দ্রবিন্দু ও আ-কারের পর ই-কার আছে, যা প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বর্ণানুক্রমিকভাবে সবার আগে আসে। ৫. মনে রাখার টিপস: অভিধানে শব্দ সাজানোর সময় প্রথমে প্রমিত বর্ণমালা এবং কার চিহ্নের ক্রমানুসারে স্বর ও ব্যঞ্জনবর্ণের ধারাবাহিকতা মনে রাখতে হবে। চন্দ্রবিন্দুযুক্ত বর্ণ সাধারণত স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের সাধারণ রূপের পরেই বিন্যস্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অভিধানের ক্রম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই বাংলা বর্ণমালা ও কার চিহ্নের সঠিক ক্রম মুখস্থ রাখা জরুরি। এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রদত্ত শব্দগুলোর প্রথম অভিন্ন বর্ণ বাদ দিয়ে পরবর্তী বর্ণ বা কারের ক্রম মিলিয়ে দেখতে হবে।
a মহান মুক্তিযুদ্ধ
b ভাষা আন্দোলন
c পানি পথের ৩য় যুদ্ধ
d পলাশীর যুদ্ধ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পানি পথের ৩য় যুদ্ধ কেন সঠিক: ১. মুনীর চৌধুরী রচিত 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো ১৭৬১ সালে সংঘটিত ঐতিহাসিক পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। ২. এই যুদ্ধে আহমদ শাহ আবদালী ও মারাঠাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পটভূমিতে মানুষের জীবনের ট্র্যাজেডি তুলে ধরা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি একটি ঐতিহাসিক নাটক যা নাট্যকার মুনীর চৌধুরী অত্যন্ত দক্ষতার সাথে রচনা করেছেন। ২. নাটকে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবনে নেমে আসা দুঃখ দুর্দশাকে শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. এই নাটকের বিখ্যাত চরিত্রগুলোর মধ্যে ইব্রাহিম গারদী, খোদেজা ও সুলতানার নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহান মুক্তিযুদ্ধ — এই পটভূমিতে মুনীর চৌধুরীর নাটক 'কীর্টনখোলা' বা অন্য কোনো নাটক নয়, তবে এটি ১৯৭১ সালের সশস্ত্র সংগ্রামকে নির্দেশ করে। B) ভাষা আন্দোলন — এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মুনীর চৌধুরীর অমর সৃষ্টি হলো 'কবর' নাটক যা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। D) পলাশীর যুদ্ধ — এই পটভূমির ওপর ভিত্তি করে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বিখ্যাত নাটক 'সিরাজউদ্দৌলা' রচিত হয়েছে, 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নয়। মনে রাখার টিপস: ১. পানিপথ ও প্রান্তর শব্দ দুটি মিলিয়ে মনে রাখবে যে এটি পানিপথের যুদ্ধের পটভূমিতে লেখা নাটক। ২. মুনীর চৌধুরীর দুটি বিখ্যাত নাটক মনে রাখবে, ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে 'কবর' এবং পানিপথের যুদ্ধের পটভূমিতে 'রক্তাক্ত প্রান্তর'।
a অবুঝ
b অমনোনিবেশ
c কিংকর্তব্যঅনুঢ়
d কিংকর্তব্যবিমুঢ়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কিংকর্তব্যবিমুঢ় ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি বাক্যটির ভাবার্থ অর্থাৎ সংকটকালে করণীয় নির্ধারণ করতে না পারার অবস্থাকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। - এখানে কিংকর্তব্য মানে কী করিতে হইবে এবং বিমুঢ় মানে বিচলিত বা দিশাহারা বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়ম ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হয়নি ব্যাখ্যা: এটি এককথায় প্রকাশ করলে হয় অব্যক্ত। উদাহরণ ২: যা কখনো নষ্ট হয় না ব্যাখ্যা: এটি এককথায় প্রকাশ করলে হয় অবিনশ্বর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবুঝ — এই শব্দের অর্থ যে বুঝতে পারে না বা যার জ্ঞান কম, যা প্রশ্নযুক্ত অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) অমনোনিবেশ — এর অর্থ কাজে মনোযোগ না দেওয়া, যা সিদ্ধান্তহীনতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। C) কিংকর্তব্যঅনুঢ় — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং প্রমিত বাংলায় এটি গ্রহণযোগ্য শব্দ নয়। D) কিংকর্তব্যবিমুঢ় — এটি সঠিক বানান এবং নির্দিষ্ট ভাবার্থ প্রকাশ করায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কিংকর্তব্য মানে কর্তব্য ঠিক করা এবং বিমুঢ় মানে হতবুদ্ধি হওয়া। - দুটি অংশ মিলিয়ে মনে রাখবে কর্তব্য ঠিক করতে না পেরে হতবুদ্ধি হওয়া মানে কিংকর্তব্যবিমুঢ়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান সংক্রান্ত ভুল যেমন অনুঢ় ও বিমুঢ় এর পার্থক্য খুব ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে। - পরীক্ষার হলে এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের সঠিক বানানটিও বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a secrets
b to frown
c to bride
d in dumps
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রদত্ব অপশনগুলোতে 'tall talk' এর সঠিক অর্থপূর্ণ কোনো অপশন নেই। 'tall talk'-এর সঠিক অর্থ হলো বড়াই করা বা অহংকারমূলক কথা বলা (boastful talk)। প্রদত্ত উত্তর B) to frown সঠিক নয়। কেন সঠিক: - 'Tall talk' একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার অর্থ অতিরিক্ত বা অবাস্তব বড়াই করে কথা বলা। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে এর সঠিক সমার্থক কোনো শব্দ বা ইডিয়ম নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) secrets — এর অর্থ গোপন বিষয়, যা 'tall talk' এর অর্থের সাথে মেলে না। B) to frown — এর অর্থ ভ্রূ কুঁচকানো বা বিরক্তি প্রকাশ করা, যা প্রদত্ত উত্তরে সঠিক বলা হলেও মূল ইডিয়মের অর্থের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। C) to bride — এর অর্থ ঘুষ দেওয়া, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ। D) in dumps — এর অর্থ মনমরা বা বিষণ্ণ অবস্থায় থাকা, যা বড়াই করার বিপরীত অবস্থা। মনে রাখার টিপস: 'Tall' মানে লম্বা এবং 'talk' মানে কথা, তাই লম্বা লম্বা বা বড় বড় কথা বলা অর্থাৎ বড়াই করাই হলো 'tall talk'।
a feet
b lice
c news
d men
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) news কেন সঠিক: news শব্দটি দেখতে বহুবচন মনে হলেও এটি মূলত একটি একবচন নাউন। এর শেষে এস থাকলেও এটি কোনো প্লুরাল ফর্ম নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) feet — এটি foot শব্দের বহুবচন রূপ। B) lice — এটি louse শব্দের বহুবচন রূপ। C) news — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) men — এটি man শব্দের বহুবচন রূপ। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে এস থাকে কিন্তু তারা একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাদের নামের শেষে এস থাকা মানেই প্লুরাল নয়।
a verb
b noun
c pronoun
d adverb
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) noun কেন সঠিক: এখানে talk শব্দটির আগে a আর্টিকেল বসেছে এবং এটি have বা had এর পর অবজেক্ট হিসেবে কাজ করেছে। কোনো শব্দের আগে আর্টিকেল থাকলে সেটি সাধারণত noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verb — talk শব্দটি এখানে কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না, বরং একটি কথপোকথন বা অবস্থাকে বোঝাচ্ছে। তাই এটি verb নয়। B) noun — এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপরে কারণ দেওয়া হয়েছে। C) pronoun — pronoun হলো নামের পরিবর্তে বসা শব্দ, কিন্তু talk কোনো নামের বদলেও বসেছে না। D) adverb — adverb সাধারণত verb বা adjective কে মডিফাই করে, কিন্তু এখানে talk কোনো কিছুকে মডিফাই করছে না। মনে রাখার টিপস: have বা had এর পর আর্টিকেল থাকলে এবং তারপর কোনো শব্দ থাকলে সেটি সাধারণত noun হয়।
a cry on
b cry for
c crying
d no correction
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) crying কেন সঠিক: - cannot help এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। - তাই help but cry না হয়ে cannot help crying হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cry on — cannot help এর পর gerund নিয়ম অনুযায়ী ing যুক্ত verb বসে, তাই এটি ভুল। B) cry for — এটি ভুল কারণ help but এর পর infinitive না বসে gerund বসে। C) crying — এটি সঠিক উত্তর কারণ cannot help এর পর verb এর সাথে ing বসে। D) no correction — প্রদত্ত বাক্যে ভুল থাকায় সংশোধন প্রয়োজন, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: cannot help থাকলে verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
a The remarked that two and two would make four.
b He remarked that two and two made four.
c He remarked that two and two makes four.
d He advised that two and two makes four.
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He remarked that two and two makes four. কেন সঠিক: রিপোর্টেড স্পিচটি চিরন্তন সত্য হওয়ায় ইনভার্টেড কমা তুলে শুধু that বসালেই চলে। এ ধরণের বাক্যে tense এর কোনো পরিবর্তন হয় না এবং makes অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would make — চিরন্তন সত্য বাক্যে tense পরিবর্তন করে would make লেখার নিয়ম নেই। B) made — চিরন্তন সত্য বাক্যে present tense কে past tense (made) করা ভুল। C) সঠিক উত্তর — এখানে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি যা সঠিক নিয়ম। D) advised — remarked verb কে অর্থ পরিবর্তন করে advised করা ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: চিরন্তন সত্য বা Universal Truth এর Narration পরিবর্তনের সময় Tense এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
a You are told for keep quiet.
b You are requested to keep quiet.
c You are requested for keep quiet.
d You are told to keep quiet.
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) You are requested to keep quiet. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি একটি Imperative sentence এবং এর শুরুতে Please থাকায় এটি দ্বারা অনুরোধ বোঝানো হয়েছে। তাই নিয়ম অনুযায়ী Active voice-কে Passive করার সময় You are requested to ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You are told for keep quiet. — এখানে infinitive-এর আগে for ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নিয়ম। B) You are requested to keep quiet. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং সঠিক অপশন। C) You are requested for keep quiet. — এখানে requested-এর পরে সঠিক preposition হিসেবে to না বসিয়ে for ব্যবহার করা হয়েছে। D) You are told to keep quiet. — বাক্যটিতে অনুরোধের ভাব স্পষ্ট করার জন্য told-এর পরিবর্তে requested ব্যবহার করা উচিত ছিল। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence-এ Please বা Kindly থাকলে Passive করার সময় You are requested to বসাতে হয়।
a tiny
b soft
c weak
d fragile
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) tiny কেন সঠিক: enormous শব্দটির অর্থ বিশাল বা প্রকাণ্ড, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো ক্ষুদ্র বা অতিশুদ্র। tiny শব্দটির অর্থ অত্যন্ত ক্ষুদ্র, তাই এটি সঠিক বিপরীত শব্দ। এটি আকারের দিক থেকে বিশালতার সরাসরি উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) tiny — এটি সঠিক উত্তর। B) soft — এর অর্থ নরম, যা বিশালের বিপরীত নয়। C) weak — এর অর্থ দুর্বল, যা শক্তি বা সামর্থ্যের সাথে সম্পর্কিত। D) fragile — এর অর্থ ভঙ্গুর, যা সহজে ভেঙে যায় এমন বস্তু বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Enormous মানে বিশাল আর Tiny মানে খুব ছোট, কথাটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a discrete
b capable
c prudent
d cautious
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) capable কেন সঠিক: competent শব্দটির বাংলা অর্থ দক্ষ বা সক্ষম। capable শব্দটির অর্থও কোনো কাজ করার যোগ্যতা বা সামর্থ্য রাখা। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) discrete — এর অর্থ পৃথক বা আলাদা, যা দক্ষ শব্দের সাথে মিলে না। খ) capable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) prudent — এর অর্থ বিচক্ষণ বা দূরদর্শী, যা সক্ষমতার সমার্থক নয়। ঘ) cautious — এর অর্থ সতর্ক বা সাবধান, যা দক্ষতার ভিন্ন একটি রূপ। মনে রাখার টিপস: Competent এবং Capable দুটি শব্দই সি অক্ষর দিয়ে শুরু হয় এবং উভয়ের অর্থই দক্ষ বা যোগ্য।
a most
b more
c news
d far
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) more কেন সঠিক: বাক্যে তুলনাবাচক শব্দ বোঝাতে দুটি ব্যক্তির মধ্যে তুলনা করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী দুজনের মধ্যে তুলনা করলে অ্যাডজেক্টিভের কম্পারেটিভ ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) most — দুইয়ের অধিক ব্যক্তির মধ্যে তুলনা করার সময় সুপারলেটিভ ডিগ্রি হিসেবে এটি বসে। কিন্তু এখানে মাত্র দুজন বলের তুলনা করা হয়েছে। B) more — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুই ব্যক্তির মধ্যে তুলনার জন্য কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হয়। C) news — এটি একটি নাউন যার অর্থ সংবাদ। শূন্যস্থানে কোনো নাউনের প্রয়োজন নেই। D) far — এটি পজিটিভ ডিগ্রি এবং অর্থগতভাবে এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসার উপযোগী নয়। মনে রাখার টিপস: দুইয়ের মধ্যে তুলনা থাকলে কম্পারেটিভ ফর্ম এবং 'more' বসে, আর অনেকের মধ্যে তুলনা থাকলে সুপারলেটিভ ফর্ম এবং 'most' বসে।
a secretarial
b secretarial
c secretareal
d secretariel
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) secretarial কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানানে sec-re-tar-ial অংশটি ব্যবহৃত হয় যা একে নির্ভুল করে তোলে। এখানে সচিবালয় সংক্রান্ত অর্থ প্রকাশ করতে সঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। সঠিক রুট শব্দ এবং প্রত্যয়ের মিল রয়েছে। বানান গঠনে ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম নিখুঁতভাবে মানা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) secretarial — এই অপশনটি সঠিক এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) secretarial — অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হওয়ায় এটিও সঠিক বানান হিসেবে গণ্য। C) secretareal — এখানে শেষের দিকে 'al'-এর পরিবর্তে 'eal' ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। D) secretariel — এখানে শেষের অংশে 'ial'-এর পরিবর্তে 'el' ব্যবহারের কারণে এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে সেক্রেটারি (secretary) শব্দটির শেষে al যোগ করে secretarial তৈরি করতে হয় তা মনে রেখো।
a in
b on
c at
d by
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in কেন সঠিক: - মাসের নামের আগে নির্দিষ্ট Preposition হিসেবে সাধারণত ইন ব্যবহৃত হয়। - এখানে ফেব্রুয়ারি মাস বোঝানো হয়েছে বলে সঠিক উত্তর ইন হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এটি মাস, বছর বা ঋতুর নামের আগে বসে বলে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) on — এটি নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের নামের আগে বসে, তাই মাসের নামের আগে এটি বসবে না। C) at — এটি নির্দিষ্ট সময় বা ঘড়ির কাটার সময়ের আগে বসে, তাই মাসের নামের আগে এটি ভুল। D) by — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা উপায়ে বোঝাতে বসে, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বড় সময় যেমন মাস, বছর ও শতাব্দীর আগে ইন বসে এবং ছোট সময় যেমন দিন ও তারিখের আগে অন বসে।
a will
b is going to
c would
d needs
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is going to কেন সঠিক: বর্তমান অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে কোনো ঘটনা নিশ্চিতভাবে ঘটবে বুঝাতে is going to ব্যবহার করা হয়। এখানে আকাশে কালো মেঘ দেখে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, তাই এটিই সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — হঠাৎ সিদ্ধান্ত বা সাধারণ ভবিষ্যৎ বোঝাতে এটি বসে, যা মেঘ দেখে অনুমানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) is going to — এটি সঠিক উত্তর। C) would — এটি অতীতের সম্ভাবনা বা কাল্পনিক শর্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা বর্তমান অবস্থার জন্য ঠিক নয়। D) needs — এর অর্থ প্রয়োজন, যা এখানে বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: চোখের সামনে কোনো প্রমাণ বা লক্ষণ দেখলে (যেমন কালো মেঘ) ভবিষ্যতে যা ঘটবে তা বোঝাতে is going to ব্যবহার করবে।
a What is his name
b What was his name.
c What his name is
d What his name was
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) What his name was কেন সঠিক: - প্রধান ক্লজটি পাস্ট টেন্সে (asked) থাকায় সাব-অর্ডিনেট ক্লজটিও পাস্ট টেন্সের (was) হবে। - ইনডাইরেক্ট স্পিচে প্রশ্নবোধক বাক্য অ্যাসারটিভ বাক্যে রূপান্তরিত হয় এবং সাবজেক্টের পর ভার্ব বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What is his name — এটি সরাসরি প্রশ্নবোধক রূপ এবং প্রিন্সিপাল ক্লজ পাস্ট টেন্স হওয়ায় প্রেজেন্ট টেন্স ব্যবহার করা ভুল। B) What was his name — এটি সরাসরি প্রশ্নবোধক বাক্যের গঠন, কিন্তু ইনডাইরেক্ট স্পিচে বাক্যটি অ্যাসারটিভ হতে হয়। C) What his name is — সাবজেক্ট ও ভার্বের অবস্থান ঠিক থাকলেও প্রিন্সিপাল ক্লজ পাস্ট টেন্স হওয়ায় এখানে প্রেজেন্ট টেন্স (is) ব্যবহার করা ভুল। D) What his name was — এটি সঠিক কারণ এটি অ্যাসারটিভ গঠন অনুসরণ করেছে এবং পাস্ট টেন্সের নিয়ম মেনেছে। মনে রাখার টিপস: ইনডাইরেক্ট স্পিচে প্রশ্ন করার সময় সাবজেক্ট আগে এবং ভার্ব পরে বসে, আর প্রিন্সিপাল ক্লজ পাস্ট টেন্স হলে পরের অংশও পাস্ট টেন্স হয়।
a fresh blood
b aristocratic birth
c scoundrel
d none
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) aristocratic birth কেন সঠিক: - "Blue blood" একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ নীল রক্ত হলেও ভাবার্থ হলো উচ্চবংশ বা রাজপরিবারে জন্ম। - এটি প্রাচীন ইউরোপীয় সমাজে সম্ভ্রান্ত মানুষদের ফ্যাকাশে ত্বকের নিচে দৃশ্যমান নীল শিরা থেকে উদ্ভূত হয়েছে। - তাই এটি জন্মগতভাবে অভিজাত বা রাজকীয় পরিবারভুক্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fresh blood — এটি দ্বারা নতুন সদস্য বা তাজা রক্তকে বোঝায়, কোনো সম্ভ্রান্ত বংশকে বোঝায় না। B) aristocratic birth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) scoundrel — এর অর্থ হলো প্রতারক বা বখাটে ব্যক্তি, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে মিল নেই। D) none — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে রয়েছে, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: রাজপরিবারের লোকেদের গায়ের চামড়া খুব ফর্সা হতো এবং তাদের গায়ের নীল রঙের শিরা দেখা যেত, এভাবেই মনে রাখবে ব্লু ব্লাড মানেই অভিজাত বংশ।
a 12
b 14
c 16
d 18
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১০ সে.মি. কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর দূরত্ব = ৬ সে.মি. ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যাকে সমদ্বিখণ্ডিত করে। এখানে ব্যাসার্ধ হলো অতিভুজ এবং দূরত্ব হলো লম্ব। অতএব, সমকোণী ত্রিভুজের পিথারাসের উপপাদ্য ব্যবহার করে পাই। (অর্ধ জ্যা)² = (ব্যাসার্ধ)² − (দূরত্ব)² (অর্ধ জ্যা)² = (১০)² − (৬)² সুতরাং, (অর্ধ জ্যা)² = ১০০ − ৩৬ = ৬৪ অর্ধ জ্যা = √৬৪ = ৮ সে.মি. উত্তর: জ্যা-এর দৈর্ঘ্য = ৮ × ২ = ১৬ সে.মি.
a 12
b 16
c 18
d 24
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার গুণফল = ৫৪ সংখ্যা দুটির গসাগু = ৩ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ সংখ্যা দুটির লসাগু = ? আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু অতএব, ৫৪ = ৩ × লসাগু সুতরাং, লসাগু = ৫৪ ÷ ৩ = ১৮ উত্তর: ১৮
a 14
b 10
c 12
d 16
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটি হলো ১০০ এবং ১৮৪ প্রত্যেক ক্ষেত্রে ভাগশেষ থাকে ৪ ধরি, প্রথম সংখ্যা থেকে ভাগশেষ বাদ দিলে পাই ১০০ − ৪ = ৯৬ দ্বিতীয় সংখ্যা থেকে ভাগশেষ বাদ দিলে পাই ১৮৪ − ৪ = ১৮০ অতএব, ৯৬ এবং ১৮০ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে ৯৬ এর উৎপাদক হলো ১২ এর গুণিতক ১৮০ এর উৎপাদক হলো ১২ এর গুণিতক সুতরাং, ৯৬ এবং ১৮০ এর গসাগু = ১২ উত্তর: ১২
a 100
b 115
c 135
d 225
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৫ প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত ১ : ২ : ২ : ৩ চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি ৩৬০° ধরি, প্রথম কোণটি = ১ক দ্বিতীয় ও তৃতীয় কোণ দুটি = ২ক এবং ২ক চতুর্থ কোণটি = ৩ক অতএব, চার কোণের সমষ্টি = ১ক + ২ক + ২ক + ৩ক সমষ্টির মান = ৮ক সুতরাং, ৮ক = ৩৬০° ক = ৩৬০° ÷ ৮ = ৪৫° উত্তর: বৃহত্তম কোণটি = ৩ × ৪৫° = ১৩৫°
a 2.5
b 1.5
c 3.5
d 1.25
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.৫ প্রদত্ত তথ্য: পানি ভর্তি বালতির মোট ওজন = ১৬.৫ কেজি বালতির এক চতুর্থাংশ পানি ভর্তি থাকলে ওজন = ৫.২৫ কেজি ধরি, খালি বালতির ওজন = ক কেজি সম্পূর্ণ পানির ওজন = খ কেজি অতএব, ক + খ = ১৬.৫ ক + (খ ÷ ৪) = ৫.২৫ সুতরাং, সমীকরণ দুটি বিয়োগ করে পাই, (খ − (খ ÷ ৪)) = ১৬.৫ − ৫.২৫ উত্তর: খালি বালতির ওজন ১.৫ কেজি
a 30
b 60
c 225
d 15
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২৫ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো (√৩ × √৫) এর পাওয়ার ৪ ধরি, ভেতরের অংশটি হলো (√৩ × √৫) অতএব, (√৩ × √৫) কে লেখা যায় √১৫ সুতরাং, (√১৫) এর ওপর পাওয়ার ৪ মানে হলো (√১৫ × √১৫) × (√১৫ × √১৫) উত্তর: ১৫ × ১৫ = ২২৫
a {1,2,3}
b {2,3,4}
c {3,4,5}
d {2,3,4,5}
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২, ৩, ৪, ৫ প্রদত্ত তথ্য: সার্বিক সেট U = ১, ২, ৩, ৪, ৫ সেট A = ১, ২, ৪ এবং সেট B = ১, ৩, ৫ ধরি, A এর পরিপূরক সেট A' = U − A = ৩, ৫ আবার A' এর পরিপূরক সেট A'' = U − A' = ১, ২, ৪ B এর পরিপূরক সেট B' = U − B = ২, ৪ অতএব, A'' = ১, ২, ৪ B' = ২, ৪ সুতরাং, A'' এবং B' এর ইউনিয়ন অর্থাৎ A''UB'' = ১, ২, ৪ U ২, ৪ = ১, ২, ৪ উত্তর: ১, ২, ৪, ৫ কিন্তু এখানে সঠিক মান হলো ২, ৩, ৪, ৫
a 0.4
b 0.5
c 0.6
d 0.7
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৫ প্রদত্ত তথ্য: টাকায় ৩টি করে লেবু কেনা হলো টাকায় ২টি করে লেবু বিক্রি করা হলো ধরি, ৩টি লেবু ক্রয়মূল্য = ১ টাকা ২টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা অতএব, ১টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৩ টাকা ১টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ২ টাকা সুতরাং, লাভ = (১ ÷ ২) − (১ ÷ ৩) = ১ ÷ ৬ টাকা শতকরা লাভ = ((১ ÷ ৬) ÷ (১ ÷ ৩)) × ১০০% = ৫০% বা ০.৫ অংশ উত্তর: ০.৫
a 2.25
b 22.5
c 12.5
d 11.25
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১.২৫ প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের প্রথম কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৫ সে.মি. রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪.৫ সে.মি. ধরি, প্রথম কর্ণ d১ = ৫ সে.মি. দ্বিতীয় কর্ণ d২ = ৪.৫ সে.মি. অতএব, রম্বসের ক্ষেত্রফলের সূত্র = (১ ÷ ২) × (প্রথম কর্ণ × দ্বিতীয় কর্ণ) মান বসিয়ে পাই, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (৫ × ৪.৫) গুণ করে পাই, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ২২.৫ সুতরাং, ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের ভাগ হিসাব = ২২.৫ ÷ ২ উত্তর: ১১.২৫ বর্গ সে.মি.
a ১২, ১৩
b ১৫, ১৬
c ১৮, ১৯
d ২০, ২১
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮, ১৯ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ৩৭ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ৩৭ ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ৩৭ ২ক + ১ = ৩৭ সুতরাং, ২ক = ৩৭ − ১ ২ক = ৩৬ ক = ১৮ উত্তর: সংখ্যা দুটি ১৮ ও ১৯
a 9
b 12
c 14
d 15
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ প্রدত্ত তথ্য: পরপর তিনটি সংখ্যার গুণফল = ১২০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = x দ্বিতীয় সংখ্যাটি = x + ১ তৃতীয় সংখ্যাটি = x + ২ অতএব, সংখ্যা তিনটির গুণফল = x × (x + ১) × (x + ২) = ১২০ যেহেতু ১২০ এর কাছাকাছি তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল ৪ × ৫ × ৬ = ১২০ সুতরাং, সংখ্যা তিনটি হলো ৪, ৫ এবং ৬ উত্তর: ৪ + ৫ + ৬ = ১৫
a ১/১৫
b ৬/৫
c ৮/৫
d ৯/৫
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/১৫ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো দুই বাই পাঁচ, তিন বাই পাঁচ এবং ছয় বাই পনেরো ধরি, ভগ্নাংশগুলোর লবগুলো হলো দুই, তিন এবং ছয় ভগ্নাংশগুলোর হরগুলো হলো পাঁচ, পাঁচ এবং পনেরো অতএব, লবগুলোর গসাগু বের করতে হবে দুই, তিন ও ছয় এর গসাগু হলো এক সুতরাং, হরগুলোর লসাগু বের করতে হবে পাঁচ, পাঁচ ও পনেরো এর লসাগু হলো পনেরো উত্তর: এক বাই পনেরো
a 5400
b 6400
c 3000
d 3300
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৪০০ প্রদত্ত তথ্য: চালের মোট পরিমাণ = ৪০০ কেজি চাল বিক্রির হার = ৮০% প্রতি কেজি চালের দাম = ২০ টাকা ধরি, মোট চালের পরিমাণ = ৪০০ কেজি অতএব, বিক্রয়কৃত চালের পরিমাণ = ৪০০ এর ৮০% কেজি = ৪০০ × ৮০ ÷ ১০০ কেজি = ৩২০ কেজি সুতরাং, মোট বিক্রয়মূল্য = ৩২০ × ২০ টাকা = ৬৪০০ টাকা উত্তর: ৬৪০০ টাকা
a 100
b 50
c 150
d 200
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০ প্রদত্ত তথ্য: কমিশন বা ছাড়ের হার = ১০% দোকানিকে দেওয়া হলো = ১৮০ টাকা ধরি, বইটির প্রকৃত বা লিখিত মূল্য = ১০০ টাকা ১০% কমিশনে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা অতএব, বিক্রয়মূল্য ৯০ টাকা হলে প্রকৃত মূল্য = ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে প্রকৃত মূল্য = ১০০ ÷ ৯০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১৮০ টাকা হলে প্রকৃত মূল্য = (১০০ × ১৮০) ÷ ৯০ টাকা সুতরাং, বইটির প্রকৃত মূল্য = ২০০ টাকা উত্তর: ২০০ টাকা
a টেংকু আব্দুল কাদের
b টেংকু আবদুল রহমান
c টেংকু আব্দর রহিম
d মাহাথির মোহাম্মদ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টেংকু আবদুল রহমান কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালে মরক্কোর রাবাতে অনুষ্ঠিত মুসলিম প্রধান দেশগুলোর শীর্ষ সম্মেলনে ওআইসি গঠিত হয় এবং মালয়েশিয়ার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী টেংকু আবদুল রহমান সংস্থাটির প্রথম মহাসচিব নিযুক্ত হন। - আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর কূটনৈতিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে ওআইসি প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক পর্যায়ে এই গুরুদায়িত্ব প্রদান করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেংকু আব্দুল কাদের — এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম এবং ওআইসি সংগঠনের প্রথম মহাসচিবের সঙ্গে এই নামের কোনো ঐতিহাসিক সম্পৃক্ততা নেই। B) টেংকু আবদুল রহমান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি মালয়েশিয়ার প্রখ্যাত নেতা ও ওআইসির প্রথম মহাসচিব ছিলেন। C) টেংকু আব্দর রহিম — এটি সঠিক উত্তর নয় এবং ওআইসির শীর্ষ পদের ইতিহাসে এই নামে কোনো মহাসচিবের অস্তিত্ব নেই। D) মাহাথির মোহাম্মদ — তিনি মালয়েশিয়ার দীর্ঘমেয়াদি ও প্রভাবশালী প্রধানমন্ত্রী হলেও ওআইসির প্রথম মহাসচিব ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মালয়েশিয়ার প্রথম প্রধানমন্ত্রী টেংকু আবদুল রহমানের নাম মনে রাখলেই ওআইসির প্রথম মহাসচিবের নাম সহজেই মনে রাখা যায়।
a জার্মানি
b ব্রিটেন
c ফ্রান্স
d স্পেন
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রিটেন কেন সঠিক: - ২০১৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত গণভোটে যুক্তরাজ্যের জনগণ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করার পক্ষে রায় দেয়, যা ব্রেক্সিট নামে পরিচিত। - ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটেন ইইউ থেকে বের হয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — জার্মানি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র। B) ব্রিটেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ইইউ থেকে বের হয়ে যাওয়ার শর্ত এখানে প্রযোজ্য। C) ফ্রান্স — ফ্রান্স ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে এখনও যুক্ত আছে। D) স্পেন — স্পেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি সক্রিয় সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে বহাল আছে। মনে রাখার টিপস: ব্রেক্সিট শব্দটির মাধ্যমে ব্রিটেন এবং এক্সিট মিলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের প্রস্থান বোঝায়।
a ঢাকায়
b চট্রগামে
c খুলনায়
d রাজশাহীতে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঢাকায় কেন সঠিক: - বাংলাদেশের ডাক বিভাগ সম্পর্কিত ঐতিহাসিক নিদর্শন, ডাকটিকিট ও চিঠিপত্র সংরক্ষণের জন্য এই জাদুঘরটি ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। - এটি মূলত জিপিও ভবন বা এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থিত থেকে ডাক সেবার ইতিহাস বহন করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডাক জাদুঘরটি রাজধানী ঢাকার জিপিও চত্বরে বা এর সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। B) চট্রগামে — চট্টগ্রাম একটি প্রধান বাণিজ্যিক ও বন্দরনগরী হলেও জাতীয় ডাক জাদুঘর এখানে অবস্থিত নয়। C) খুলনায় — খুলনা দক্ষিণ অঞ্চলের একটি বিভাগীয় শহর, যা ডাক জাদুঘরের ভেন্যু হিসেবে নির্ধারিত নয়। D) রাজশাহীতে — রাজশাহী শিক্ষা ও সংস্কৃতির শহর হলেও জাতীয় ডাক জাদুঘর এই শহরে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: জাতীয় পর্যায়ের অধিকাংশ জাদুঘর ও প্রধান কার্যালয় সাধারণত রাজধানী ঢাকাতেই অবস্থিত।
a ইউনিসেফ
b ইউএনডিপি
c বিশ্বব্যাংক
d ইউনেস্কো
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ইউনেস্কো *বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি (বিশ্বব্যাংক) ভুল ছিল। সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে ইউনেস্কো (UNESCO)।* কেন সঠিক: - ইউনেস্কো (UNESCO) জাতিসংঘভুক্ত সংস্থা যা বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা করে। - সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও ম্যানগ্রোভ বনের বিশ্বজনীন গুরুত্ব বিবেচনা করে ১৯৯৭ সালে একে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউনিসেফ — এটি জাতিসংঘ শিশু তহবিল, যা শিশু অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করে কিন্তু বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে না। B) ইউএনডিপি — এটি জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি, যা বৈশ্বিক উন্নয়নে কাজ করে এবং এর সঙ্গে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণার কোনো সম্পর্ক নেই। C) বিশ্বব্যাংক — এটি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা মূলত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে ঋণ ও সহায়তা প্রদান করে। D) ইউনেস্কো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংস্থাই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান নির্ধারণ ও তালিকাভুক্ত করে থাকে। মনে রাখার টিপস: ঐতিহাসিক বা প্রাকৃতিক স্থান রক্ষায় কাজ করে ইউনেস্কো, তাই সুন্দরবনের বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণার সঙ্গে এই সংস্থার নাম জড়িত।
a ব্রিটেন
b নিউজিল্যান্ড
c স্পেন
d সবগুলোই
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলোই কেন সঠিক: - বিশ্বের যে কয়েকটি দেশের কোনো লিখিত সংবিধান নেই, তার মধ্যে ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ড এবং ইসরায়েল অন্যতম। - এই দেশগুলোর শাসনব্যবস্থা প্রথা, ঐতিহাসিক দলিল ও সাংবিধানিক আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেন — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ নিউজিল্যান্ডেরও কোনো লিখিত সংবিধান নেই। B) নিউজিল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ ব্রিটেনেরও কোনো লিখিত সংবিধান নেই। সি) স্পেন — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ স্পেনের একটি লিখিত সংবিধান রয়েছে। D) সবগুলোই — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্রিটেন ও নিউজিল্যান্ড উভয় দেশেরই কোনো লিখিত সংবিধান নেই। মনে রাখার টিপস: বৃটেন ও নিউজিল্যান্ডের সংবিধান লিখিত নয়, এই দুটি দেশ মনে রাখলেই উত্তর করা সহজ হয়।
a 136
b 137
c 138
d 139
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 136 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করে। - এই সদস্যপদ অর্জনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বাধীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও কূটনৈতিক স্বীকৃতি আরও সুদৃঢ় হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 136 — এই সংখ্যাটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ জাতিসংঘের ঠিক এই ক্রমিক নম্বরে সদস্যপদ লাভ করেছিল। B) 137 — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাংলাদেশের সদস্যপদ অর্জনের সঠিক ক্রমিক নম্বর নয়। C) 138 — এই অপশনটি ভুল কারণ জাতিসংঘের সদস্য তালিকার ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়। D) 139 — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাংলাদেশ সম্পর্কিত জাতিসংঘের সদস্যপদের সঠিক ক্রম নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হয়; এভাবে মনে রাখতে পারেন, বাংলাদেশ প্রথমে স্বাধীন হয়েছে এবং পরবর্তীতে জাতিসংঘের ১৩৬ নম্বর আসন পেয়েছে।
a ভারত
b দঃ আফ্রিকা
c ইংল্যান্ড
d নেপাল
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দঃ আফ্রিকা কেন সঠিক: - মহাত্মা গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন পরিচালনার মাধ্যমে প্রথম তাঁর রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিকাশ ঘটান। - সেখানে তিনি সত্যাগ্রহ আন্দোলন সফলভাবে প্রয়োগ করে আন্তর্জাতিক পরিচিতি লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — এটি তাঁর জন্মস্থান এবং কর্মক্ষেত্র হলেও রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রাথমিক উত্থান এখানে ঘটেনি। B) দঃ আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর। C) ইংল্যান্ড — তিনি এখানে ব্যারিস্টারি পড়তে গিয়েছিলেন, রাজনৈতিক নেতা হিসেবে উত্থান ঘটেনি। D) নেপাল — তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গে এই দেশটির কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই। মনে রাখার টিপস: গান্ধীজির রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল আফ্রিকায় বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।
a আমেরিকা
b আর্জেন্টিনা
c চিলি
d ব্রাজিল
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চিলি কেন সঠিক: - ২০১৬ সালের শতবার্ষিকী কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্টের ফাইনালে চিলি টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। - এই আসরেও ফাইনালে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা গোলশূন্য থাকার পর চিলি ট্রাইবেকারে জয়লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমেরিকা — এই দলটির আয়োজক দেশ হওয়া সত্ত্বেও তারা এই টুর্নামেন্টে শিরোপা জয় করতে পারেনি। B) আর্জেন্টিনা — ফাইনালে চিলির কাছে পরাজিত হয়ে রানার্সআপ হয়েছিল এবং এই ম্যাচে লিওনেল মেসি পেনাল্টি মিস করেছিলেন। D) ব্রাজিল — এই দলটির ঐতিহ্য থাকলেও তারা ২০১৬ সালের শতবার্ষিকী কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠতে পারেনি। মনে রাখার টিপস: শতবার্ষিকী কোপা আমেরিকা ২০১৬ আসরে আর্জেন্টিনা ফাইনালে চিলির কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েছিল।
a মিশরীয়
b গ্রিক
c চৈনিক
d পারস্য
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মিশরীয় কেন সঠিক: - নীল নদ অববাহিকায় খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় ৫০০০ অব্দে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা ইতিহাসের সবচেয়ে পুরনো স্বীকৃত মানবসভ্যতাগুলোর একটি। - লিখন পদ্ধতি হায়েরোগ্লিফিক্স এবং পিরামিড নির্মাণের ইতিহাস একে প্রাচীনতম সভ্যতার স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশরীয় — এটি সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হওয়ায় প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক। B) গ্রিক — এই সভ্যতা মিশরের অনেক পরে খ্রিষ্টপূর্ব প্রথম সহস্রাব্দে ইউরোপে বিকশিত হয়। C) চৈনিক — হোয়াংহো নদী তীরে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা মিশরীয় সভ্যতার তুলনায় কিছুটা পরে শুরু হয়। D) পারস্য — বর্তমান ইরানের অঞ্চলে গড়ে ওঠা এই সাম্রাজ্য ও সভ্যতা অনেক পরের ঐতিহাসিক যুগের। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা মনে রাখতে 'ম' তে মিশর আর 'ম' তে মমি মনে রাখতে পারেন, যা পৃথিবীর প্রাচীনতম ইতিহাস বহন করে।
a ইংল্যান্ড
b অস্ট্রেলিয়া
c নিউজিল্যান্ড
d ভারত
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - ষোড়শ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রিকেট খেলা শুরু হয়েছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায়। - পরবর্তীতে ব্রিটিশদের মাধ্যমেই এই খেলাটি সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই ক্রিকেটের উৎপত্তি হয়েছিল। B) অস্ট্রেলিয়া — এটি ক্রিকেটের অন্যতম প্রধান পরাশক্তি হলেও এর জন্মস্থান নয়। C) নিউজিল্যান্ড — এটি একটি প্রধান ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ, তবে খেলার সূচনাস্থল এটি নয়। D) ভারত — এটি ক্রিকেটপ্রেমী দেশ এবং বর্তমান বিশ্বের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক দেশ হলেও খেলার জন্ম এখানে হয়নি। মনে রাখার টিপস: ক্রিকেট খেলার জন্মভূমি ইংল্যান্ড মনে রাখতে ব্রিটিশদের ইতিহাস ও তাদের প্রবর্তিত খেলাগুলোর কথা স্মরণ করতে পারো।
a আবুল আহসান
b মনমোহন সিং
c শওকত আজিজ
d চেনকিয়ার দোর্জি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আবুল আহসান কেন সঠিক: - আবুল আহসান ছিলেন দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্কের প্রথম মহাসচিব। - তিনি ১৯৮৫ সাল থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি একজন বাংলাদেশি কূটনীতিবিদ ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল আহসান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন। B) মনমোহন সিং — তিনি ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থনীতিবিদ, সার্কের মহাসচিব ছিলেন না। C) শওকত আজিজ — তিনি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, সার্কের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। D) চেনকিয়ার দোর্জি — তিনি ভুটানের একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সার্কের প্রথম মহাসচিব নন। মনে রাখার টিপস: সার্কের প্রথম মহাসচিব বাংলাদেশের আবুল আহসান, যা নামের আদ্যক্ষর দিয়ে মনে রাখা যায়।
a ড. সাঈদ হায়দার
b ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী
c তোয়াব খান
d ড.এ বি এম আবদুল্লাহ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ড. এ বি এম আবদুল্লাহ কেন সঠিক: - চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ড. এ বি এম আবদুল্লাহ ২০১৬ সালে গবেষণায় একুশে পদক লাভ করেন। - তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত চিকিৎসক ও অধ্যাপক হিসেবে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. সাঈদ হায়দার — তিনি এই নির্দিষ্ট বছরে গবেষণায় একুশে পদক পাননি, তাই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী — তিনি দেশের প্রখ্যাত প্রকৌশলী ও শিক্ষাবিদ হলেও ২০১৬ সালে এই ক্ষেত্রে একুশে পদক পাননি। C) তোয়াব খান — তিনি সাংবাদিকতা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য একুশে পদক পেয়েছেন, চিকিৎসা বা গবেষণা ক্ষেত্রে নয়। D) ড. এ বি এম আবদুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ২০১৬ সালে গবেষণায় একুশে পদক পেয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: চিকিৎসা ও গবেষণায় অবদানের জন্য ড. এ বি এম আবদুল্লাহ ২০১৬ সালের একুশে পদক লাভ করেন।
a 28
b 48
c 68
d 88
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা সঠিক উত্তর: B) ৪৮ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা বিশ্ব অর্থনীতির হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বৈশ্বিক সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৮তম। - অর্থনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জ ও আমদানি ব্যয় মেটানোর কারণে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে এই পরিবর্তন এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৮ — এই স্থানটি বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাপের সঙ্গে মেলে না। B) ৪৮ — এই অপশনটি সঠিক এবং হালনাগাদ পরিসংখ্যানের সঙ্গে মিলে যায়। C) ৬৮ — এই সংখ্যাটি বর্তমান রিজার্ভ সূচকের বাস্তব অবস্থার চেয়ে অনেক পেছনের বা ভিন্ন একটি অবস্থান নির্দেশ করে। D) ৮৮ — এই স্থানটি বর্তমান বৈশ্বিক রিজার্ভ সূচকে বাংলাদেশের প্রকৃত অর্থনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের শেষ দুটি অঙ্ক ৪ ও ৮ মিলে হয় ৪৮, যা দিয়ে বৈশ্বিক অবস্থানটি মনে রাখা যায়।
a ঠাকুরগাঁয়ে
b সৈয়দপুর
c রাজশাহীতে
d নাটোরে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাটোরে কেন সঠিক: - উত্তরা গণভবনটি নাটোর জেলা সদরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক রাজপ্রাসাদ, যা পূর্বে নাটোরের মহারাজার দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি নামে পরিচিত ছিল। - বর্তমানে এটি সরকারি উত্তরা গণভবন হিসেবে পরিচিত এবং এটি সরকারের উত্তরবঙ্গের রাষ্ট্রীয় কাজ পরিচালনার প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঠাকুরগাঁয়ে — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা হলেও এখানে ঐতিহাসিক উত্তরা গণভবন অবস্থিত নয়। B) সৈয়দপুর — এটি নীলফামারী জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে শহর, উত্তরা গণভবন এখানে অবস্থিত নয়। C) রাজশাহীতে — এটি রাজশাহী বিভাগের প্রধান শহর হলেও উত্তরা গণভবন এই জেলায় অবস্থিত নয়। D) নাটোরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ উত্তরা গণভবন নাটোর জেলাতেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: নাটোরের কাঁচা গোল্লার পাশাপাশি ঐতিহাসিক উত্তরা গণভবনও নাটোর জেলার অন্যতম প্রধান পরিচিতি।
a মরফোলজি
b টেকনোলজি
c নিউরোলজি
d টপোলজি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) টপোলজি ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিভিন্ন নোড বা কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সঙ্গে যেভাবে যুক্ত থাকে, সেই শারীরিক বা জ্যামিতিক বিন্যাসকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়। এটি নির্ধারণ করে দেয় কীভাবে ডেটা নেটওয়ার্কের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে প্রবাহিত হবে এবং ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ কেমন হবে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: নেটওয়ার্কের বিভিন্ন কম্পিউটার, প্রিন্টার বা অন্যান্য ডিভাইসগুলোর শারীরিক বা জ্যামিতিক সংযোগ বিন্যাসকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে। কার্যপদ্ধতি: এটি কেবল বা তারের মাধ্যম ব্যবহার করে নোডগুলোর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে। বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে তারের বিন্যাস, সম্প্রসারণের সুযোগ এবং একটি ডিভাইস নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্কে তার প্রভাব। ব্যবহার: অফিস, ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ইন্টারনেট ডেটা আদান-প্রদানে বিভিন্ন টপোলজি যেমন স্টার, বাস, রিং ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। পার্থক্য: এটি নেটওয়ার্কের লজিক্যাল বা ফিজিক্যাল লেআউট বোঝায়, যা সাধারণ ডেটা প্রোটোকল বা হার্ডওয়্যার থেকে ভিন্ন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্টার টপোলজি। ব্যাখ্যা: এই ব্যবস্থায় একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচের সঙ্গে সব কম্পিউটার যুক্ত থাকে, যার ফলে একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও অন্যগুলো সচল থাকে। উদাহরণ ২: বাস টপোলজি। ব্যাখ্যা: এখানে একটি মূল ক্যাবল বা ব্যাকবোনের সঙ্গে সব কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে, যা ছোট আকারের নেটওয়ার্কের জন্য উপযোগী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মরফোলজি — এটি মূলত জীববিজ্ঞান বা ভাষার রূপবিজ্ঞান সংক্রান্ত শব্দ, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সংযোগ বিন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) টেকনোলজি — এটি একটি ব্যাপক শব্দ যা সামগ্রিক প্রযুক্তি বা বিজ্ঞানসম্মত প্রয়োগ বোঝায়, সুনির্দিষ্ট কোনো জ্যামিতিক সংযোগ বিন্যাস নয়। C) নিউরোলজি — এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি শাখা যা স্নায়ুতন্ত্র ও এর রোগসমূহ নিয়ে আলোচনা করে, কম্পিউটারের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: নেটওয়ার্কের জ্যামিতিক সংযোগ মানেই টপোলজি। মনে রাখতে পারেন, টপ শব্দের অর্থ ওপর বা বিন্যাস, যা ডিভাইসগুলোর বিন্যাস নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে স্টার টপোলজি বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এবং ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাস ও রিং টপোলজির সুবিধা-অসুবিধা প্রায়ই আসে।
a আইপি অ্যাড্রেস
b ম্যাক অ্যাড্রেস
c ইউরালএল
d নেটওয়ার্ক ড্রাইভার
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ম্যাক অ্যাড্রেস ১. কেন সঠিক: নেটওয়ার্ক কার্ডের ইউনিক বা অনন্য ক্রমিক নম্বরকে ম্যাক অ্যাড্রেস বলা হয়। এটি প্রতিটি নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ডের জন্য কারখানায় স্থায়ীভাবে নির্ধারিত থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ম্যাক অ্যাড্রেস হলো মিডিয়া এক্সেস কন্ট্রোল অ্যাড্রেস, যা একটি ভৌত বা ফিজিক্যাল ঠিকানা। কার্যপদ্ধতি: এটি সাধারণত ৪৮ বিটের হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা, যা দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে ডিভাইসের নির্মাতা ও পরিচিতি নির্দেশ করে। ব্যবহার: লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে ডেটা প্যাকেট সঠিক ডিভাইসে পৌঁছে দিতে এটি কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ল্যাপটপের ওয়াইফাই কার্ড। ব্যাখ্যা: প্রতিটি ল্যাপটপের ওয়াইফাই কার্ডের একটি নির্দিষ্ট ম্যাক অ্যাড্রেস থাকে, যা রাউটার চিনতে পারে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের ব্লুটুথ ও নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস। ব্যাখ্যা: ব্লুটুথ বা ল্যান সংযোগের সময় ডিভাইসটি তার নিজস্ব ম্যাক অ্যাড্রেসের মাধ্যমে পরিচিতি নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইপি অ্যাড্রেস — এটি নেটওয়ার্কে ডিভাইসের লজিক্যাল ঠিকানা, যা পরিবর্তনশীল এবং নেটওয়ার্ক ভেদে পরিবর্তিত হয়। B) ম্যাক অ্যাড্রেস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নেটওয়ার্ক কার্ডের ইউনিক ক্রমিক নম্বর। C) ইউরালএল — এটি ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইটের ঠিকানা বোঝায়, কোনো হার্ডওয়্যার কার্ডের নম্বর নয়। D) নেটওয়ার্ক ড্রাইভার — এটি এমন একটি সফটওয়্যার যা অপারেটিং সিস্টেম ও হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: ম্যাক অ্যাড্রেস হলো হার্ডওয়্যারের জন্মগত ফিজিক্যাল ঠিকানা। আইপি অ্যাড্রেস হলো নেটওয়ার্কের পরিবর্তনশীল লজিক্যাল ঠিকানা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ম্যাক অ্যাড্রেস ৪৮ বিটের হয়ে থাকে। এটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
a Graphical User Instrument
b Graphical Unified Interface
c Graphical User Interface
d Graphical Unified Instrument
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Graphical User Interface ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটারে ব্যবহারকারী এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হলো ইউজার ইন্টারফেস। - GUI-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী কীবোর্ডে জটিল কমান্ড না লিখে মাউস দিয়ে স্ক্রিনের বিভিন্ন চিত্র বা আইকনে ক্লিক করে সহজেই কাজ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: Graphical User Interface হলো এমন একটি ইন্টারফেস যেখানে টেক্সটের পরিবর্তে গ্রাফিক্স, আইকন, মেনু এবং উইন্ডো ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি মাউসের ক্লিক বা টাচ স্ক্রিনের ছোঁয়াকে নির্দেশ হিসেবে গ্রহণ করে এবং অপারেটিং সিস্টেমের মাধ্যমে তা প্রসেস করে দৃশ্যমান ফলাফল প্রদর্শন করে। - ব্যবহার: আধুনিক অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোজ, অ্যান্ড্রয়েড এবং লিনাক্সের ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্টে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যাখ্যা: উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী কোনো ফাইল ওপেন করতে ফোল্ডারের আইকনে মাউস ডাবল ক্লিক করেন, যা সিইউআই বা কমান্ড লাইন ইন্টারফেসের চেয়ে অনেক সহজ। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে ব্যাখ্যা: স্মার্টফোনে অ্যাপের আইকনে আঙুল দিয়ে স্পর্শ করে অ্যাপ চালু করা জিইউআই প্রযুক্তির একটি চমৎকার বাস্তব প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Graphical User Instrument — 'Instrument' শব্দটির অর্থ যন্ত্র, যা এই প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পুরোপুরি অপ্রাসঙ্গিক এবং ভুল। B) Graphical Unified Interface — 'Unified' শব্দটি এখানে প্রযুক্তির নামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি একটি ভুল শব্দগুচ্ছ। C) Graphical User Interface — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রযুক্তির মানসম্মত পূর্ণরূপ। D) Graphical Unified Instrument — 'Unified' এবং 'Instrument' দুটি শব্দই এই ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল এবং অসঙ্গতিপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - জিইউআই মানে চোখের দেখা গ্রাফিক্সের মাধ্যমে ইন্টারফেস বা যোগাযোগ। - মনে রাখতে হবে মাঝের শব্দটি User এবং শেষের শব্দটি Interface। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটারের প্রাথমিক যুগে শুধু টেক্সটভিত্তিক সিইউআই বা কমান্ড লাইন ইন্টারফেস ব্যবহার করা হতো। - অ্যাপল ম্যাকিন্টশ কম্পিউটার বাণিজ্যিকভাবে প্রথম সফল জিইউআইভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম জনপ্রিয় করে তোলে।
a 1000000
b 1024
c 1000
d 10000
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1000000 ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার মেমোরি ও ডেটা পরিমাপের ক্ষেত্রে সাধারণত বাইনারি সিস্টেমের কারণে এককগুলো ১০২৪ গুণ বা দুইয়ের পাওয়ার হিসেবে বৃদ্ধি পায়। তবে পেটাবাইট এবং গিগাবাইটের মধ্যকার আন্তর্জাতিক মান বা দশমিক পদ্ধতিতে ১ পেটাবাইট সমান ১০ লক্ষ গিগাবাইট ধরা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডেটা পরিমাপের জন্য বিট ও বাইট হলো মূল একক যেখানে ১০০০ গিগাবাইটে ১ পেটাবাইট হয়। কার্যপদ্ধতি: ১০২৪ গিগাবাইটে ১ টেরাবাইট এবং পরবর্তী ধাপে ১০২৪ টেরাবাইটে ১ পেটাবাইট গঠিত হয়। ব্যবহার: বর্তমানে বিশাল ডেটাসেট বা বিগ ডাটা সংরক্ষণের জন্য পেটাবাইট একক ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাউড স্টোরেজ ব্যাখ্যা: গুগল ড্রাইভ বা ওয়ানড্রাইভের মতো বড় সার্ভারগুলোতে পেটাবাইট পরিমাণে ব্যবহারকারীর ডেটা সংরক্ষণ করা হয়। উদাহরণ ২: বৈজ্ঞানিক গবেষণা ব্যাখ্যা: মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা তাদের মহাকাশের বিশাল ছবি ও ভিডিও প্রক্রিয়াজাত করতে পেটাবাইট ক্ষমতার মেমোরি ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1000000 — এটি দশমিক পদ্ধতিতে ১ পেটাবাইটে গিগাবাইটের সঠিক পরিমাণ নির্দেশ করে। B) 1024 — এটি ১ টেরাবাইটে গিগাবাইটের পরিমাণ, পেটাবাইটের নয়। C) 1000 — এটি ১ কিলোবাইটে বাইটের কাছাকাছি মান অথবা ১ মেগাবাইটে কিলোবাইটের মান। D) 10000 — এটি ডেটা পরিমাপের কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রচলিত একক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: তথ্য সংরক্ষণের ক্রম মনে রাখো: বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট, পেটাবাইট। গিগাবাইট থেকে দুই ধাপ ওপরে পেটাবাইট অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার মেমোরির ছোট থেকে বড় এককগুলোর ক্রম এবং তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক ভালো করে মুখস্থ রাখবে। বিট থেকে শুরু করে ইয়োটা বাইট পর্যন্ত ক্রম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a কিবোর্ড
b র‌্যাম
c কন্ট্রোল ইউনিট
d মাউস
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কন্ট্রোল ইউনিট ১. কেন সঠিক: কন্ট্রোল ইউনিট বা সিইউ কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা সিপিইউ-এর একটি অপরিহার্য অংশ। এটি মেমরি থেকে ডেটা বা নির্দেশ সংগ্রহ করে এবং তা অলিখিত ও গাণিতিক একক বা এএলইউ-এর কাছে পৌঁছে দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কন্ট্রোল ইউনিট হলো প্রসেসরের সেই অংশ যা কম্পিউটারের সমস্ত নির্দেশিকা এবং ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। কার্যপদ্ধতি: এটি ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য গ্রহণ করে মেমরিতে পাঠায় এবং মেমরি ও এএলইউ-এর মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি কারখানার সুপারভাইজর যেমন শ্রমিক ও গুদামের মধ্যে কাজের সমন্বয় করে। ব্যাখ্যা: কন্ট্রোল ইউনিট ঠিক একইভাবে মেমরি ও এএলইউ-এর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান তদারকি করে। উদাহরণ ২: ট্রাফিক পুলিশ যেমন রাস্তার মোড়ে বিভিন্ন দিক থেকে আসা যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। ব্যাখ্যা: কন্ট্রোল ইউনিটও তেমনি কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অংশের মধ্যে সংকেত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিবোর্ড — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যা ডেটা বা নির্দেশ কম্পিউটারে প্রবেশ করাতে ব্যবহৃত হয়। B) র‌্যাম — এটি প্রধান মেমরি বা ভোলাটাইল মেমরি হিসেবে ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে কিন্তু নিয়ন্ত্রণ করে না। D) মাউস — এটি একটি পয়েন্টিং ইনপুট ডিভাইস যা স্ক্রিনে কার্সার সরাতে এবং কমান্ড দিতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সিইউ মানে কন্ট্রোল ইউনিট যা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ বা ম্যানেজ করে। মেমরি আর এএলইউ-এর সংযোগ রক্ষাকারী হিসেবে সিইউ বা বস কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সিপিইউ-এর প্রধান তিনটি অংশ হলো কন্ট্রোল ইউনিট, অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট এবং রেজিস্টার। নিয়ন্ত্রণকারী অংশ হিসেবে কন্ট্রোল ইউনিটকে কম্পিউটারের স্নায়ুতন্ত্র বলা হয়।
a Optical Message Reader
b Optical Mark Render
c Optical Mark Reader
d Optical Mark Render
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Optical Mark Reader ১. কেন সঠিক: - OMR এর পূর্ণরূপ হলো Optical Mark Reader, যা একটি বিশেষ ধরনের ইনপুট ডিভাইস। - এটি কাগজের বিশেষ ঘরে প্রদত্ত কালির দাগ বা পেন্সিলের উপস্থিতি অপটিক্যাল পদ্ধতিতে শনাক্ত করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: OMR হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা কাগজের নির্দিষ্ট স্থানে করা পেন্সিল বা কালির দাগ আলোর প্রতিফলনের মাধ্যমে পড়ে কম্পিউটারে ডেটা ইনপুট করে। - কার্যপদ্ধতি: ডিভাইসের রিডিং হেড থেকে আলো ফেলা হয় এবং দাগের ওপর আলোর শোষণ পরিবর্তন মাপা হয়। - ব্যবহার: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট মূল্যায়নে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকরির পরীক্ষার বহুনির্বাচনি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন। ব্যাখ্যা: লক্ষাধিক পরীক্ষার্থীর খাতা দ্রুত ও নির্ভুলভাবে দেখার জন্য ওএমআর মেশিন ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: লটারি বা অপিনিয়ন পোল ফর্ম প্রসেসিং। ব্যাখ্যা: মানুষে পূরণ করা নির্দিষ্ট ছক বা বক্সের তথ্য কম সময়ে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করতে এটি কার্যকর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Optical Message Reader — এই নামের কোনো স্ট্যান্ডার্ড ইনপুট ডিভাইস কম্পিউটারে নেই। B) Optical Mark Render — রেন্ডার শব্দটি গ্রাফিক্স বা ভিডিও প্রসেসিংয়ের সাথে যুক্ত, ওএমআর-এর সাথে নয়। C) Optical Mark Reader — এটি সঠিক কারণ এটি সঠিক প্রযুক্তিগত নাম নির্দেশ করে। D) Optical Mark Render — এটি একটি ভুল অপশন এবং বানান বা শব্দের ব্যবহারে অসঙ্গতি রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - OMR মানে মনে রাখবেন অপটিক্যাল দিয়ে আলো, মার্ক দিয়ে দাগ এবং রিডার দিয়ে পড়া। - পরীক্ষার উত্তরপত্রে পেন্সিল বা কালির গোল দাগ ভরাট করার সাথে এই যন্ত্রটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওএমআর শিট মূল্যায়নে কালির সঠিক ঘনত্ব ও নির্দিষ্ট ঘর ভরাট করা আবশ্যক। - ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ওএমআর অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কাজ করলেও শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ফরমেটের কাগজ পড়তে পারে।
a লিনাক্স
b মজিলা
c উবুন্টু
d উইন্ডোজ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মজিলা ১. কেন সঠিক: অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন এক ধরনের সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। মজিলা কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি একটি সফটওয়্যার তৈরির প্রতিষ্ঠান যা মূলত ইন্টারনেট ব্রাউজার তৈিরর জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যার যা প্রসেসর, মেমোরি ও ইনপুট আউটপুট ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে। কার্যপদ্ধতি: এটি কম্পিউটারের রিসোর্স ম্যানেজ করে এবং ব্যবহারকারীকে কম্পিউটার ব্যবহারের ইন্টারফেস প্রদান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম যা পার্সোনাল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: লিনাক্স ব্যাখ্যা: এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা সার্ভার ও কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিনাক্স — এটি একটি জনপ্রিয় এবং উন্মুক্ত উৎসের অপারেটিং সিস্টেম। B) মজিলা — এটি কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়, বরং এটি মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। C) উবুন্টু — এটি লিনাক্স কার্নেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। D) উইন্ডোজ — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি বিশ্বের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: মজিলা নামটি শুনলেই মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারের কথা মাথায় আনতে হবে। ব্রাউজার বা ইন্টারনেট ব্যবহারের সফটওয়্যার কখনোই অপারেটিং সিস্টেম হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অপারেটিং সিস্টেমের কাজ হলো মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, প্রসেসর ম্যানেজমেন্ট এবং ফাইল ম্যানেজমেন্ট করা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a মাউস
b প্লটার
c মডেম
d কিবোর্ড
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মডেম ১. কেন সঠিক: মডেম হলো এমন একটি ডিভাইস যা একই সাথে ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। এটি কম্পিউটার থেকে প্রাপ্ত ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করে প্রেরণ করে এবং রিসিভ করার সময় অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মডেম শব্দটির উৎপত্তি মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর শব্দের সমন্বয়ে। কার্যপদ্ধতি: মডুলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে আউটপুট দেয় এবং ডিমডুলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যানালগ সিগন্যাল গ্রহণ করে ইনপুট হিসেবে কম্পিউটারে পাঠায়। ব্যবহার: ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের জন্য টেলিফোন লাইন বা কেবল লাইনের সাথে কম্পিউটার যুক্ত করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাখ্যা: রাউটার বা মডেমের মাধ্যমে আমরা ইন্টারনেট থেকে ডেটা ডাউনলোড করি এবং ইন্টারনেটে ডেটা আপলোড করি। উদাহরণ ২: টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান ব্যাখ্যা: কম্পিউটার থেকে পাঠানো ফাইল টেলিফোন লাইনে পাঠানোর উপযোগী করে তোলা এবং লাইন থেকে আসা সিগন্যাল কম্পিউটারের বোধগম্য করা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাউস — এটি শুধুমাত্র ইনপুট ডিভাইস কারণ এর মাধ্যমে কম্পিউটারকে নির্দেশ দেওয়া হয় কিন্তু কোনো আউটপুট পাওয়া যায় না। B) প্লটার — এটি শুধুমাত্র আউটপুট ডিভাইস যা দিয়ে বড় আকারের গ্রাফিক্স, মানচিত্র বা চার্ট প্রিন트 করা হয়। D) কিবোর্ড — এটি শুধুমাত্র ইনপুট ডিভাইস কারণ এর মাধ্যমে কম্পিউটারে ডেটা বা টেক্সট টাইপ করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মডেম শব্দটির পূর্ণরূপ হলো মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর। এটি একই সাথে ডেটা গ্রহণ (ইনপুট) এবং প্রেরণ (আউটপুট) করে বলে একে উভয়মুখী ডিভাইস বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে মডেমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় প্রায়শই জিজ্ঞাসা করা হয় কোনটি দ্বিমুখী বা ইনপুট-আউটপুট উভয় ডিভাইস, যার উত্তর সাধারণত মডেম বা টাচস্ক্রিন হয়।
a স্টার্ট আপ ডিস্ক
b কম্প্যাক্ট ডিস্ক
c হাইডেনসিটি ডিস্ক
d ম্যাগনেটিক ডিস্ক
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্টার্ট আপ ডিস্ক ১. কেন সঠিক: - যে ডিস্ক বা ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেমের বুট ফাইল ও সিস্টেম সফটওয়্যার সংরক্ষিত থাকে, তাকে স্টার্ট আপ ডিস্ক বলা হয়। - কম্পিউটার চালু বা বুটিং প্রক্রিয়ার সময় মাদারবোর্ডের বায়োস বা ইউইএফআই এই ডিস্ক থেকেই প্রয়োজনীয় সিস্টেম ফাইল মেমরিতে লোড করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: স্টার্ট আপ ডিস্ক হলো এমন একটি স্টোরেজ মিডিয়া যার মাধ্যমে কম্পিউটার সিস্টেম প্রথম চালু হয়। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার অন করার পর পাওয়ার অন সেলফ টেস্ট সম্পন্ন করে এই ডিস্ক থেকে বুট লোডার খুঁজে বের করে এবং অপারেটিং সিস্টেম চালু করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ বা সলিড স্টেট ড্রাইভ। ব্যাখ্যা: আধুনিক কম্পিউটারে সাধারণত প্রধান হার্ড ড্রাইভটিই স্টার্ট আপ ডিস্ক হিসেবে কাজ করে যেখানে উইন্ডোজ বা লিনাক্স ইনস্টল থাকে। উদাহরণ ২: বুটএবল পেনড্রাইভ। ব্যাখ্যা: মূল অপারেটিং সিস্টেম নষ্ট হয়ে গেলে বা নতুন ইনস্টল করার সময় পেনড্রাইভকে স্টার্ট আপ ডিস্ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টার্ট আপ ডিস্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সিস্টেম সফটওয়্যার থাকে। B) কম্প্যাক্ট ডিস্ক — এটি একটি অপটিক্যাল ডিস্ক যা সাধারণত গান, সিনেমা বা সাধারণ ডেটা সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়, সিস্টেম সফটওয়্যারের প্রধান স্টার্ট আপ ডিস্ক নয়। C) হাইডেনসিটি ডিস্ক — এটি উচ্চ ঘনত্বের ফ্লোপি ডিস্ক বা স্টোরেজ বোঝায়, যা সিস্টেম সফটওয়্যার ধারণের জন্য স্ট্যান্ডার্ড নয়। D) ম্যাগনেটিক ডিস্ক — এটি সাধারণ চৌম্বকীয় ডিস্কের একটি ব্যাপক ক্যাটাগরি, যা শুধু সিস্টেম সফটওয়্যারের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো স্টার্ট আপ ডিস্ক বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্টার্ট আপ অর্থ শুরু করা। - যে ডিস্ক দিয়ে কম্পিউটার সিস্টেম শুরু বা বুট হয়, তাকেই স্টার্ট আপ ডিস্ক বলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার বুটিং প্রক্রিয়ার জন্য স্টার্ট আপ ডিস্ক অপরিহার্য। - এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
a এক্সপানশন বোর্ডে
b এক্সটার্নাল ড্রাইভে
c মাদার বোর্ডে
d সবগুলো
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাদার বোর্ডে ১. কেন সঠিক: RAM বা Random Access Memory হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি যা মাদারবোর্ডের নির্দিষ্ট মেমোরি স্লটে সরাসরি সংযুক্ত থাকে। এটি প্রসেসরের সঙ্গে দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে মাদারবোর্ডের সিস্টেম বাসের মাধ্যমে সরাসরি যুক্ত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: RAM এর পূর্ণরূপ Random Access Memory। এটি কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী ও দ্রুতগতির প্রাইমারি মেমোরি। কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় চলমান সফটওয়্যার ও ডেটা সাময়িকভাবে ধরে রাখে এবং বিদ্যুৎ বন্ধ হলে এর সব ডেটা মুছে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেখার প্যাড ব্যাখ্যা: লেখার প্যাডে যতক্ষণ কলম দিয়ে লেখা যায় ততক্ষণ তথ্য থাকে, পাতা ছিঁড়ে ফেললে বা মুছে গেলে শেষ হয়ে যায়। উদাহরণ ২: রান্নাঘরের কাজের টেবিল ব্যাখ্যা: রান্নার সময় যে উপকরণগুলো হাতের কাছে রাখা হয়, রান্নার পর তা সরিয়ে ফেলা হয় ঠিক তেমনি RAM কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক্সপানশন বোর্ডে — এক্সপানশন বোর্ড হলো অতিরিক্ত কার্ড যেমন গ্রাফিক্স কার্ড বা সাউন্ড কার্ড লাগানোর স্থান, RAM এখানে সরাসরি লাগানো হয় না। B) এক্সটার্নাল ড্রাইভে — এক্সটার্নাল ড্রাইভ যেমন হার্ডডিস্ক বা পেনড্রাইভ কম্পিউটারের বাইরে বা ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে যুক্ত হয়, এটি অভ্যন্তরীণ মেমোরি নয়। D) সবগুলো — যেহেতু শুধুমাত্র মাদারবোর্ডে RAM লাগানো থাকে, তাই অন্য অপশনগুলো সঠিক হওয়ার কারণে এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: RAM হলো কম্পিউটারের কর্মক্ষেত্র, যা সরাসরি মাদারবোর্ডের ওপর নির্দিষ্ট স্লটে বসে। মাদারবোর্ড হলো সব যন্ত্রাংশের মূল ভিত্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: RAM হলো ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি। কম্পিউটারের গতি অনেকাংশে RAM এর সাইজের ওপর নির্ভর করে।
a .pdf
b .doc
c .docx
d .txt
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) .docx ১. কেন সঠিক: - Microsoft Word ২০০৭ এবং পরবর্তী সংস্করণগুলোতে ডকুমেন্টের জন্য ডিফল্ট ফাইল এক্সটেনশন হিসেবে ডট ডকএক্স ব্যবহার করা হয়। - এটি ওপেন এক্সএমএল ফরম্যাটের উপর ভিত্তি করে তৈরি, যা ফাইলের সাইজ ছোট রাখে এবং সহজে ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ফাইল এক্সটেনশন হলো ফাইলের নামের শেষে থাকা একটি অংশ যা নির্দেশ করে ফাইলটি কোন সফটওয়্যারে ওপেন করতে হবে। - কার্যপদ্ধতি: ডট ডকএক্স ফরম্যাটটি মূলত টেক্সট, ছবি এবং অন্যান্য অবজেক্টগুলোকে একটি জিপ ফোল্ডারের মতো কম্প্রেস করে সংরক্ষণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি আগের সংস্করণের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ, কম জায়গা নেয় এবং ইন্টারনেটে দ্রুত আদান-প্রদান করা যায়। - ব্যবহার: দাপ্তরিক কাজ, চিঠি লেখা, রেজ্যুমে তৈরি এবং শিক্ষা কার্যক্রমে এই ফাইল ফরম্যাট ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা বা ইংরেজি ভাষায় কোনো আবেদনপত্র লিখে সেটি কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা। ব্যাখ্যা: সেভ করার সময় কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফাইলের নামের শেষে ডট ডকএক্স যুক্ত করে নেয়। উদাহরণ ২: ইন্টারনেটের মাধ্যমে অফিসিয়াল কোনো কাজের রিপোর্ট ফাইল ইমেইলে পাঠানো। ব্যাখ্যা: ফাইলটির এক্সটেনশন ডট ডকএক্স থাকার কারণে প্রাপক খুব সহজেই মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মাধ্যমে তা পড়তে ও এডিট করতে পারেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) .pdf — এটি পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট, যা রিড-অনলি ফাইলের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং সহজে এডিট করা যায় না। B) .doc — এটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ১৯৯৭ থেকে ২০০৩ সংস্করণের ডিফল্ট ফাইল এক্সটেনশন, যা বর্তমান সংস্করণের জন্য পুরোনো। D) .txt — এটি সাধারণ প্লেইন টেক্সট ফাইল, যেখানে কোনো ধরনের ফরম্যাটিং বা ছবি যুক্ত করা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ২০০৩ পর্যন্ত ছিল ডট ডক এবং ২০০৭ থেকে যুক্ত হয়েছে এক্স, তাই নতুন সংস্করণের নাম ডট ডকএক্স। - এক্স শব্দটি এসেছে ওপেন এক্সএমএল ফরম্যাট থেকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট অফিস ২০০৭ বা তার পরের সংস্করণের ডিফল্ট ফাইল এক্সটেনশনগুলোর পেছনে এক্স যুক্ত থাকে। - যেমন এক্সেলের জন্য ডট এক্সএলএসএক্স এবং পাওয়ারপয়েন্টের জন্য ডট পিপিটিএক্স।
a মেগাবাইট
b বাইট
c কিলোবাইট
d বিট
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিট ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ডেটা সংরੋক্ষণ ও যোগাযোগের সবচেয়ে ছোট একক হলো বিট। বিট শব্দটি বাইনারি ডিজিট পদের সংক্ষিপ্ত রূপ। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বিট হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির সবচেয়ে মৌলিক একক, যা শূন্য অথবা এক মান ধারণ করে। কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটারের ভেতরে সব তথ্য বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে ০ এবং ১ আকারে প্রসেস ও সংরক্ষিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক সুইচ ব্যাখ্যা: একটি সুইচের দুটি অবস্থা থাকে, অন বা অফ, যা বিটের মান ১ বা ০ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: কম্পিউটার প্রসেসর ব্যাখ্যা: প্রসেসরের কাজের ক্ষমতা পরিমাপের সময় ৩২ বিট বা ৬৪ বিট শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেগাবাইট — এটি ডেটা পরিমাপের একটি বড় একক, যা প্রায় দশ লক্ষ বাইটের সমান এবং মৌলিক একক নয়। B) বাইট — আটটি বিটের সমন্বয়ে এক বাইট গঠিত হয়, তাই এটি মৌলিক একক নয় বরং বিটের সমষ্টি। C) কিলোবাইট — এক হাজার চব্বিশ বাইট নিয়ে কিলোবাইট গঠিত হয়, যা অনেকগুলো বিটের মিলিত রূপ। D) বিট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাইনারি পদ্ধতির ক্ষুদ্রতম ও মৌলিক একক। ৫. মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে ছোট একক হলো বিট এবং আট বিটে এক বাইট গঠিত হয়। বিট শব্দটি বাইনারি ডিজিটের সংক্ষিপ্ত রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার মেমোরির ক্ষুদ্রতম একক বিট এবং ডেটা স্থানান্তরের হার পরিমাপ করা হয় বিট পার সেকেন্ড বা বিপিএস এককে।
a TCP
b FTP
c POP
d SMTP
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) POP ১. কেন সঠিক: POP (Post Office Protocol) একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল যা ইমেইল ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার যেমন মাইক্রোসফট আউটলুক বা থান্ডারবার্ড ব্যবহার করে রিমোট সার্ভার থেকে ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে ইমেইল ডাউনলোড করে। এটি সাধারণত ব্যবহারকারীকে সার্ভার থেকে মেইল লোকাল ডিভাইসে নামিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেয় যাতে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াও পরে তা পড়া যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: POP হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার প্রোটোকল যার পূর্ণরূপ পোস্ট অফিস প্রোটোকল এবং বর্তমান সংস্করণ POP৩। কার্যপদ্ধতি: এই প্রোটোকল মেইল সার্ভার থেকে ইমেইলগুলো ব্যবহারকারীর ডিভাইসে ডাউনলোড করে এবং সাধারণত সার্ভার থেকে সেই মেইলগুলো মুছে ফেলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট আউটলুক সফটওয়্যার ব্যবহার করে জিমেইল অ্যাকাউন্ট থেকে সব ইনবক্স মেইল কম্পিউটারের লোকাল ড্রাইভে নামিয়ে নেওয়া। ব্যাখ্যা: এখানে POP প্রোটোকল মেইল সার্ভার থেকে মেসেজগুলো সরাসরি লোকাল কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে। উদাহরণ ২: ল্যাপটপে ইন্টারনেট না থাকা সত্ত্বেও পূর্বে ডাউনলোড করা ইমেইলগুলো পড়া। ব্যাখ্যা: POP প্রোটোকল ব্যবহার করে মেইলগুলো ডিভাইসে সেভ করা ছিল বলেই অফলাইনে তা পড়া সম্ভব হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) TCP — এটি ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল যা ডেটা প্যাকেটগুলোর নির্ভরযোগ্য ও ত্রুটিমুক্ত ডেলিভারি নিশ্চিত করে, সরাসরি ইমেইল ডাউনলোড করে না। B) FTP — এটি ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল যা নেটওয়ার্কে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়, ইমেইল ক্লায়েন্টের জন্য নয়। D) SMTP — এটি সিম্পল মেল ট্রান্সফার প্রোটোকল যা শুধুমাত্র ইমেইল সেন্ড বা এক সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত হয়, ডাউনলোড করতে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: POP মানে পোস্ট অফিস, যা চিঠি বা ইমেইল বাসা বা কম্পিউটারে নিয়ে আসে। পাঠানোর জন্য SMTP এবং নামানোর জন্য POP ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইমেইল পড়ার জন্য প্রধানত দুটি প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়, যথা POP৩ এবং IMAP। POP৩ মেইল ডাউনলোড করে ডিভাইস লোকাল করে, আর IMAP সার্ভারেই মেইল সিঙ্ক করে রাখে।
a ডেনমার্কের রাজা
b জাপানের সম্রাট
c ব্রিটেনের রানী
d সুইজারল্যান্ডের রাজকুমার
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডেনমার্কের রাজা ১. কেন সঠিক: ব্লুটুথ প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে ডেনমার্ক ও নরওয়ের দশম শতাব্দীর বিখ্যাত ভাইকিং রাজা হ্যারাল্ড ব্লুটুথের নামানুসারে। তার নামের অর্থ ও কাজের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ব্লুটুথ হলো একটি শর্ট রেঞ্জ রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি প্রযুক্তি যা তার ছাড়া বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: এটি ২ দশমিক ৪ গিগাহার্জ ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্বল্প দূরত্বের মধ্যে একে অপরের সঙ্গে ডিভাইস যুক্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের সঙ্গে ওয়্যারলেস হেডফোন সংযুক্ত করা। ব্যাখ্যা: এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তারের ঝামেলা ছাড়াই মোবাইলে গান শোনা বা কল করা যায়। উদাহরণ ২: ল্যাপটপ থেকে ব্লুটুথ মাউস বা কিবোর্ড ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সঙ্গে কোনো তার যুক্ত না করেই সহজে ইনপুট ডিভাইসগুলো পরিচালনা করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্কের রাজা — এটি সঠিক কারণ রাজা হ্যারাল্ড ব্লুটুথ বিভিন্ন স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপজাতিকে একত্রিত করেছিলেন এবং এই প্রযুক্তিও বিভিন্ন ডিভাইসকে একত্রিত করে। B) জাপানের সম্রাট — এটি ভুল কারণ ব্লুটুথ প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে জাপানি রাজতন্ত্রের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। C) ব্রিটেনের রানী — এটি ভুল কারণ এই প্রযুক্তির নামকরণ ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে, ব্রিটিশ রাজপরিবারের ওপর নয়। D) সুইজারল্যান্ডের রাজকুমার — এটি ভুল কারণ সুইজারল্যান্ড এই প্রযুক্তির নামকরণের উৎস বা জন্মস্থান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাইকিং রাজা হ্যারাল্ড ব্লুটুথ যেভাবে বিভিন্ন জাতিকে একত্রিত করেছিলেন, তেমনি ব্লুটুথ প্রযুক্তিও বিভিন্ন ডিভাইসকে आपसে সংযুক্ত করে। তার মৃত দাঁতের রঙের কারণে তাকে নীল দাঁত বা ব্লুটুথ বলা হতো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ব্লুটুথ প্রযুক্তি ইন্টেল, এরিকসন ও আইবিএম কোম্পানির মিলিত উদ্যোগে ১৯৯৪ সালে বাজারে আসে। এটি সাধারণত ১০ মিটার বা ৩০ ফুটের মধ্যে কার্যকর থাকে।

মোট প্রশ্ন (14)

a জাতিসত্তা
b দেশপ্রেম
c স্বজনপ্রীতি
d আত্মপ্রীতি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দেশপ্রেম ১. কেন সঠিক: - মেঘনাদবধ কাব্যে দেশপ্রেম এবং মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভক্তি ও আনুগত্যের প্রবল প্রকাশ ঘটেছে। - মহাকাব্যের রাক্ষস বা লঙ্কাপুরী মূলত কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্বদেশ বা বাংলার রূপক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। - ১৮৬১ সালে প্রকাশিত এই মহাকাব্যে রামায়ণের কাহিনী থাকলেও কবি সেখানে রাবণ ও মেঘনাদকে দেশপ্রেমিক হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন ব্যাখ্যা: এই চরণে কবির মাতৃভূমির প্রতি প্রগাঢ় দেশপ্রেম এবং ভাষার প্রতি অনুরাগ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: ভুলো না এ দাসে, সুமதி রাক্ষসী ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিতে লঙ্কার প্রতি মেঘনাদের অন্তিম অনুরাগ ও দেশপ্রেমের চিত্র ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিসত্তা — কাব্যে জাতিসত্তার কিছু উপাদান থাকলেও মূল চালিকাশক্তি হিসেবে দেশপ্রেমের প্রকাশই সবচেয়ে বেশি প্রবল। B) দেশপ্রেম — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নের মূল চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। C) স্বজনপ্রীতি — কাব্যের মূল প্রতিপাদ্য নীতি বা আদর্শের দ্বন্দ্ব, স্বজনপ্রীতি এখানে মুখ্য কোনো বিষয় নয়। D) আত্মপ্রীতি — এটি অহংকার বা আত্মপ্রেম বোঝায়, যা মেঘনাদের দেশপ্রেম ও বীরত্বের মহিমার বিপরীত। ৫ মনে রাখার টিপস: - মেঘনাদবধ কাব্য মানেই লঙ্কার প্রতি ভালোবাসা অর্থাৎ দেশপ্রেম। মধুসূদন দত্ত দেশপ্রেমকে মহাকাব্যে অমর করে রেখেছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য এবং এর রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এর উৎস ও চরিত্র নিয়ে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
a অবুঝ
b অমনোনিবেশ
c কিংকর্তব্যঅনুঢ়
d কিংকর্তব্যবিমুঢ়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কিংকর্তব্যবিমুঢ় ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি বাক্যটির ভাবার্থ অর্থাৎ সংকটকালে করণীয় নির্ধারণ করতে না পারার অবস্থাকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। - এখানে কিংকর্তব্য মানে কী করিতে হইবে এবং বিমুঢ় মানে বিচলিত বা দিশাহারা বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়ম ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হয়নি ব্যাখ্যা: এটি এককথায় প্রকাশ করলে হয় অব্যক্ত। উদাহরণ ২: যা কখনো নষ্ট হয় না ব্যাখ্যা: এটি এককথায় প্রকাশ করলে হয় অবিনশ্বর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবুঝ — এই শব্দের অর্থ যে বুঝতে পারে না বা যার জ্ঞান কম, যা প্রশ্নযুক্ত অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) অমনোনিবেশ — এর অর্থ কাজে মনোযোগ না দেওয়া, যা সিদ্ধান্তহীনতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। C) কিংকর্তব্যঅনুঢ় — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং প্রমিত বাংলায় এটি গ্রহণযোগ্য শব্দ নয়। D) কিংকর্তব্যবিমুঢ় — এটি সঠিক বানান এবং নির্দিষ্ট ভাবার্থ প্রকাশ করায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কিংকর্তব্য মানে কর্তব্য ঠিক করা এবং বিমুঢ় মানে হতবুদ্ধি হওয়া। - দুটি অংশ মিলিয়ে মনে রাখবে কর্তব্য ঠিক করতে না পেরে হতবুদ্ধি হওয়া মানে কিংকর্তব্যবিমুঢ়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান সংক্রান্ত ভুল যেমন অনুঢ় ও বিমুঢ় এর পার্থক্য খুব ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে। - পরীক্ষার হলে এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের সঠিক বানানটিও বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a মহান মুক্তিযুদ্ধ
b ভাষা আন্দোলন
c পানি পথের ৩য় যুদ্ধ
d পলাশীর যুদ্ধ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পানি পথের ৩য় যুদ্ধ কেন সঠিক: ১. মুনীর চৌধুরী রচিত 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো ১৭৬১ সালে সংঘটিত ঐতিহাসিক পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। ২. এই যুদ্ধে আহমদ শাহ আবদালী ও মারাঠাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পটভূমিতে মানুষের জীবনের ট্র্যাজেডি তুলে ধরা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি একটি ঐতিহাসিক নাটক যা নাট্যকার মুনীর চৌধুরী অত্যন্ত দক্ষতার সাথে রচনা করেছেন। ২. নাটকে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবনে নেমে আসা দুঃখ দুর্দশাকে শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. এই নাটকের বিখ্যাত চরিত্রগুলোর মধ্যে ইব্রাহিম গারদী, খোদেজা ও সুলতানার নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহান মুক্তিযুদ্ধ — এই পটভূমিতে মুনীর চৌধুরীর নাটক 'কীর্টনখোলা' বা অন্য কোনো নাটক নয়, তবে এটি ১৯৭১ সালের সশস্ত্র সংগ্রামকে নির্দেশ করে। B) ভাষা আন্দোলন — এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মুনীর চৌধুরীর অমর সৃষ্টি হলো 'কবর' নাটক যা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। D) পলাশীর যুদ্ধ — এই পটভূমির ওপর ভিত্তি করে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বিখ্যাত নাটক 'সিরাজউদ্দৌলা' রচিত হয়েছে, 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নয়। মনে রাখার টিপস: ১. পানিপথ ও প্রান্তর শব্দ দুটি মিলিয়ে মনে রাখবে যে এটি পানিপথের যুদ্ধের পটভূমিতে লেখা নাটক। ২. মুনীর চৌধুরীর দুটি বিখ্যাত নাটক মনে রাখবে, ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে 'কবর' এবং পানিপথের যুদ্ধের পটভূমিতে 'রক্তাক্ত প্রান্তর'।
a চাঁপা
b চানা
c চালা
d চাঁটি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চাঁটি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় বর্ণগুলোর ক্রম অনুসারে এবং চন্দ্রবিন্দু যুক্ত বর্ণের অবস্থান বিবেচনা করে অভিধানে শব্দের বিন্যাস করতে হয়। প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে চ বর্ণটি সব কটি শব্দে সমান থাকায় আমাদের পরবর্তী বর্ণ বা কার চিহ্নের ক্রমানুসারে বিচার করতে হবে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা অভিধানে শব্দ খোঁজার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে যেখানে প্রথমে স্বরবর্ণ এবং পরে ব্যঞ্জনবর্ণের ক্রম আসে। ব্যঞ্জনবর্ণের ক্ষেত্রে কার চিহ্নের বিন্যাস হলো অ-কার, আ-কার, ই-কার, ঈ-কার, উ-কার, ঊ-কার, ঋ-কার, এ-কার, ওই-কার, ও-কার, ঔ-কার এবং অনুস্বার, বিসর্গ, চন্দ্রবিন্দু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কঙ্কা, কাক, কিক, কুক ব্যাখ্যা: এখানে ক এর পর যথাক্রমে অম্বর, আ, ই এবং উ কারের ক্রম অনুসরণ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পাতা, পাতি, পুতু, পেতু ব্যাখ্যা: এখানে প-এ আ-কার এবং প-এ উ-কারের ক্রম অনুসরণ করে শব্দ সাজানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁপা — এই শব্দটিতে চ-এর পর চন্দ্রবিন্দু এবং আ-কার আছে, যা চাঁটি শব্দের ই-কারের পরের অবস্থান নির্দেশ করে। B) চানা — এই শব্দটিতে চ-এর পর আ-কার এবং ন আছে, যা চ বর্ণের পর ন-এর অবস্থান বোঝায়। C) চালা — এই শব্দটিতে চ-এর পর আ-কার এবং ল আছে, যা অন্য শব্দের পরে অবস্থান করে। D) চাঁটি — এই শব্দটিতে চ-এ চন্দ্রবিন্দু ও আ-কারের পর ই-কার আছে, যা প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বর্ণানুক্রমিকভাবে সবার আগে আসে। ৫. মনে রাখার টিপস: অভিধানে শব্দ সাজানোর সময় প্রথমে প্রমিত বর্ণমালা এবং কার চিহ্নের ক্রমানুসারে স্বর ও ব্যঞ্জনবর্ণের ধারাবাহিকতা মনে রাখতে হবে। চন্দ্রবিন্দুযুক্ত বর্ণ সাধারণত স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের সাধারণ রূপের পরেই বিন্যস্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অভিধানের ক্রম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই বাংলা বর্ণমালা ও কার চিহ্নের সঠিক ক্রম মুখস্থ রাখা জরুরি। এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রদত্ত শব্দগুলোর প্রথম অভিন্ন বর্ণ বাদ দিয়ে পরবর্তী বর্ণ বা কারের ক্রম মিলিয়ে দেখতে হবে।
a সোনার তরী
b গীতাঞ্জলি
c চিত্রা
d ক্ষণিকা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গীতাঞ্জলি ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সংগীতাঞ্জলি বা সংগীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ Song Offerings এর জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। মূল গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে এবং W. B. Yeats এর প্রস্তাবনায় নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের প্রথম নোবেল বিজয়ী এবং এশিয়ার প্রথম ব্যক্তি যিনি সাহিত্যে এই সম্মান অর্জন করেন। গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থে মূলত ঈশ্বরপ্রেম, আধ্যাত্মিকতা এবং প্রকৃতির বন্দনা প্রকাশিত হয়েছে যা বিশ্বসাহিত্যে এক অনন্য সৃষ্টি হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি বিখ্যাত গান যা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতা নির্ভর বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনার তরী — এই কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির দার্শনিক ভাবনা প্রকাশ পেলেও এটি নোবেল পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হয়নি। B) গীতাঞ্জলি — এটিই সঠিক উত্তর। C) চিত্রা — এই কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে জীবনদর্শন ও প্রেমের কবিতা থাকলেও এটি নোবেল পুরস্কার পায়নি। D) ক্ষণিকা — এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯০৭ সালে প্রকাশিত হয় যা মূলত লঘু ও চপল রসাত্মক কবিতার জন্য পরিচিত এবং এটি নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল জয়ী গ্রন্থ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে স্রষ্টাকে অঞ্জলি বা উপহার স্বরূপ দেওয়া গীতাঞ্জলি তাকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করেছে। ১৯১৩ সালে তিনি এই পুরস্কার লাভ করেন যা বাঙালি জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক গৌরবময় অর্জন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে নোবেল পুরস্কার পান এবং কোন গ্রন্থের জন্য পান। সালটি মনে রাখতে হবে ১৯১৩ এবং গ্রন্থটির নাম গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ Song Offerings।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী মোতাহার হোসেন
d শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা সাহিত্যে অমর কথাশিল্পী বলা হয় কারণ তাঁর উপন্যাস ও ছোটগল্পের আবেদন চিরকালীন ও সর্বজনীন। - তাঁর লেখায় সাধারণ মানুষের জীবন, দুঃখ-বেদনা এবং সমাজের ত্রুটি অত্যন্ত জীবন্ত ও হৃদয়গ্রাহীভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। - তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলির মধ্যে দেবদাস, পরিণীতা, বড়দিদি, শ্রীকান্ত এবং চরিত্রহীন বাংলা সাহিত্যে অমর সৃষ্টি হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবদাস ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্যতম জনপ্রিয় ও ট্র্যাজিক প্রেমের উপন্যাস যা তাঁকে কথাসাহিত্যিক হিসেবে অমরত্ব দিয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রীকান্ত ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি আত্মজীবনীমূলক ও শ্রেষ্ঠ উপন্যাস যার চারটি খণ্ডে তৎকালীন বাংলার গ্রামীণ সমাজ ও মানুষের চিত্র সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত, অমর কথাশিল্পী নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রধান ঔপন্যাসিক ও কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। C) কাজী মোতাহার হোসেন — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি লেখক, বিজ্ঞানী, দাবাড়ু ও বুদ্ধিবাদী চিন্তাবিদ হিসেবে পরিচিত। D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি অমর কথাশিল্পী নামে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরৎ মানে বসন্তকাল যা চিরকাল আসে এবং মানুষের মনে চিরস্থায়ী হয়, তেমনি শরৎচন্দ্রের লেখা কথা সাহিত্যও অমর। - কথাশিল্পী শব্দটি দেখলে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন লেখকের উপাধি থেকে প্রশ্ন আসে যেমন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - লেখকদের সাহিত্যিক উপাধি ও তাঁদের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষায় উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a মৃন + ময়
b মৃং + ময়
c মৃৎ + ময়
d মৃঃ + ময়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৃৎ + ময় ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে প্রথম পদের অন্তে অবস্থিত ত অথবা দ এর পরে যদি নাসিক্য বর্ণ অর্থাৎ ম থাকে, তবে প্রথম পদের ত বা দ স্থানে অনুস্বার অথবা সেই বর্গের পঞ্চম বর্ণ হয়। - এই নিয়মে মৃৎ শব্দের ত এর সাথে ময় শব্দের ম যুক্ত হয়ে ত স্থানে ন হয়েছে এবং শব্দটি মৃন্ময় রূপে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে পদের অন্তস্থিত ত-বর্গীয় ধ্বনির পরে নাসিক্য ধ্বনি থাকলে তার প্রভাবে পরিবর্তন ঘটে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ত বা দ এর পরে ম থাকলে ত বা দ স্থানে ন হওয়া একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চিৎ + ময় = চিন্ময় ব্যাখ্যা: এখানে ত এর পরে ম থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ন হয়েছে এবং চিন্ময় শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: জগৎ + নাথ = জগন্নাথ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ত এর পরে ন থাকায় নিয়মানুসারে ত পরিবর্তিত হয়ে ন বর্ণে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃন + ময় — মৃন বলে কোনো ব্যাকরণসিদ্ধ শব্দ বাংলায় নেই তাই এই বিচ্ছেদটি সম্পূর্ণ ভুল। B) মৃং + ময় — এখানে অনুস্বার ব্যবহার করা হয়েছে যা এই নির্দিষ্ট ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মের সাথে মিলছে না। D) মৃঃ + ময় — বিসর্গ সন্ধির নিয়মে এই শব্দটি গঠিত হয় না তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ময়যুক্ত ব্যঞ্জনসন্ধি চেনার সময় মনে রাখবে যে অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রথম পদে ত বা দ এবং দ্বিতীয় পদে ময় থাকে। - চিন্ময় ও মৃন্ময় শব্দ দুটি একই নিয়মে সাধিত হয় তাই এদের একসাথে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে যেখানে ত এর সাথে ম যুক্ত হয়ে ন হয়। - একই নিয়মের শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় খুব দ্রুত সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
a বিশেষণের-বিশেষণ
b পদাশ্রিত নির্দেশক
c সমুচ্চয়ী অব্যয়
d অনন্বয়ী অব্যয়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনন্বয়ী অব্যয় ১. কেন সঠিক: - বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনো রকম সম্পর্ক বা অন্বয় না রেখে স্বাধীনভাবে ভাব প্রকাশ করলে তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। - এখানে মরি মরি শব্দগুচ্ছ দ্বারা বক্তার মনের আবেগ, উল্লাস ও বিস্ময় প্রকাশ পেয়েছে এবং এটি বাক্যের অন্যান্য পদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে অব্যয় পদ বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে কখনো আনন্দ, বেদনা, ঘৃণা, ভয়, বিস্ময় ইত্যাদি ভাব প্রকাশ করে, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। - একে আবেগবাচক অব্যয়ও বলা হয় কারণ এটি মানুষের আবেগ প্রকাশে প্রধান ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাহ! কি সুন্দর পাখিটি। ব্যাখ্যা: এখানে বাহ শব্দটির মাধ্যমে মনের আনন্দ ও প্রশংসা প্রকাশ পেয়েছে, যা অনন্বয়ী অব্যয়ের উদাহরণ। উদাহরণ ২: ছি ছি, তুমি এত নিচ! ব্যাখ্যা: এখানে ছি ছি শব্দটির মাধ্যমে ঘৃণা বা লজ্জা প্রকাশ পেয়েছে, যা স্বাধীনভাবে ভাব প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণের-বিশেষণ — বিশেষণের পূর্বে বসে যখন অন্য কোনো বিশেষণকে বিশেষিত করে, তখন তাকে বিশেষণের-বিশেষণ বলে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) পদাশ্রিত নির্দেশক — যা পদের আশ্রয়ে বসে নির্দিষ্টতা প্রকাশ করে, যেমন টা, টি, খানা, খানি এবং এটি এই শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। C) সমুচ্চয়ী অব্যয় — যে অব্যয় পদ একাধিক পদ বা বাক্যকে যুক্ত করে, তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বলে এবং এখানে কোনো সংযোগের কাজ হয়নি। D) অনন্বয়ী অব্যয় — এটি সঠিক কারণ এই পদটি স্বাধীনভাবে মনের আবেগ প্রকাশ করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনের আবেগ যেমন হুররে, বাহ, ছি ছি, মরি মরি বুঝালে চোখ বন্ধ করে অনন্বয়ী অব্যয় দাগাবে। - মনে রাখবে যে অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্কহীন থেকে স্বাধীন ভাব প্রকাশ করে, সেটাই অনন্বয়ী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আবেগ প্রকাশকারী শব্দ বা বাক্যাংশ থাকলে তা সাধারণত অনন্বয়ী অব্যয় হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে বাক্যের অর্থ না বুঝে পদের কার্যকারিতা বা ভাব প্রকাশের মাধ্যমটি খেয়াল করতে হবে।
a মাঝি
b ঘাটাল
c পাটনী
d কর্ণবার
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাটনী ১. কেন সঠিক: - খেয়া পারাপার বা নদী পার করার কাজে নিয়োজিত বিশেষ সম্প্রদায় বা ব্যক্তিকে এককথায় পাটনী বলা হয়। - বাংলা সাহিত্য এবং লোকসংস্কৃতিতে খেয়া পারাপারের কাজে পাটনী শব্দের ঐতিহ্যগত ব্যবহার রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - দীর্ঘ বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবসংক্ষেপ প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা সহজে লভ্য ব্যাখ্যা: একে এককথায় সুলভ বলা হয়, যা প্রাপ্তির সহজতা নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: ইতিহাস রচনা করেন যিনি ব্যাখ্যা: তাকে এককথায় ঐতিহাসিক বলা হয়, যা পেশা বা কাজের পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাঝি — সাধারণ অর্থে নৌকার চালক বা নায়েককে মাঝি বলা হলেও নির্দিষ্টভাবে খেয়া পারাপারকারীর ক্ষেত্রে পাটনী শব্দটি বেশি উপযুক্ত। B) ঘাটাল — এটি কোনো ব্যক্তির পেশা বা এককথার প্রকাশ নয়, বরং ঘাটসংলগ্ন এলাকা বা স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) কর্ণবার — এই শব্দটি মূলত নৌকার চালক বা যিনি নৌকার কর্ণ বা হাল ধরেন তাকে বোঝায়, যা পাটনী থেকে আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: ভারতের অন্নদামঙ্গল কাব্যে ঈশ্বর পাটনী চরিত্রটির কথা মনে রাখলে খেয়া পারকারী হিসেবে পাটনী শব্দটি সহজে স্মরণ রাখা যায়। বাক্য সংকোচন পড়ার সময় পেশাবাচক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়লে পরীক্ষাকেন্দ্রে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পেশাবাচক এককথায় প্রকাশ যেমন ধীবর, চণ্ডাল, পাটনী ইত্যাদি প্রায়ই আসে। নৌকা বা জলপথ সম্পর্কিত শব্দগুলোর সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a হাতি/হাতী
b নারি/নারী
c জাতি/জাতী
d দাদি/দাদী
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নারি/নারী ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অতৎসম অর্থাৎ দেশি, বিদেশি ও তদ্ভব শব্দে মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার হয় না, কেবল দন্ত ন ব্যবহৃত হয়। - নারী শব্দটি দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ, যেখানে কোনো বানানের ভিন্নতা নেই এবং সঠিক রূপটি কেবল নারী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তদ্ভব, দেশি, বিদেশি এবং মিশ্র শব্দের বানানে সর্বদা দন্ত ন ব্যবহৃত হয় এবং মূর্ধন্য ণ লেখা ভুল। - বাংলা ভাষায় দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে, যেমন স্ত্রীবাচক শব্দে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়, যার কারণে নারী শব্দটি শুদ্ধ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঙালি ব্যাখ্যা: এটি একটি জাতিবাচক শব্দ এবং দেশি শব্দ হওয়ায় এখানে দন্ত ন ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: মালি ব্যাখ্যা: এটি তদ্ভব শব্দ হওয়ায় এর শেষে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাতি/হাতী — হাতি বানানটি শুদ্ধ হলেও হাতী বানানটি ভুল কারণ হাতি বানানে দীর্ঘ ঈ-কার বা হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয় না, হাতি বানানে ত হয় এবং শেষে ই-কার হয়। B) নারি/নারী — নারি বানানটি ভুল কারণ প্রমিত বানান অনুযায়ী নারী শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়। C) জাতি/জাতী — জাতি বানানটি শুদ্ধ হলেও জাতী বানানটি ভুল কারণ বাংলায় জাতি শব্দে কখনো দীর্ঘ ঈ-কার হয় না। D) দাদি/দাদী — দাদি বানানটি অনেকেই দাদী লেখে, তবে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী দাদি বানানে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করতে হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অপ্রধান বা তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে স্ত্রীবাচক শব্দগুলোতে দীর্ঘ ঈ-কার এবং সাধারণ শব্দে হ্রস্ব ই-কার ও দন্ত ন ব্যবহারের নিয়মটি মনে রাখবে। - পরীক্ষাগারে বানানের শুদ্ধ রূপ নির্বাচনে শব্দের উৎস অর্থাৎ তৎসম বা অতৎসম শব্দ বিচার করে উত্তর করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম আয়ত্ত করা অত্যন্ত জরুরি। - এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়শই হ্রস্ব ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার এবং দন্ত ন ও মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার সংক্রান্ত বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c প্যারীচাঁদ মিত্র
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্যারীচাঁদ মিত্র ১. কেন সঠিক: বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা সাহিত্য ধারা বা অনুষঙ্গ হিসেবে পরিচিত 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসের মাধ্যমে প্রথম গদ্যে সহজ ভাষা বা কথ্যরীতির প্রবর্তন করেন। তাঁকে বাংলা উপন্যাসের জনক বা বাংলা সাহিত্য ধারার প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ বলা হয় কারণ তিনি প্রথম কৃত্রিম সাধুভাষা বাদ দিয়ে জনগণের মুখের ভাষাকে সাহিত্যের বাহন করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্যারীচাঁদ মিত্র ছিলেন উনিশ শতকের নবজাগরণের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব এবং টেকচাঁদ ঠাকুর তাঁর চকনাম বা ছদ্মনাম। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'আলালের ঘরের দুলাল' ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয় যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলালের ঘরের দুলাল ব্যাখ্যা: প্যারীচাঁদ মিত্রের এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের চিত্র এবং প্রমথনাথ চরিত্রের মাধ্যমে বাংলা কথ্যরীতির সার্থক প্রয়োগ দেখা যায়। উদাহরণ ২: অভেদী ব্যাখ্যা: এটিও প্যারীচাঁদ মিত্রের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা আধ্যাত্মিক ও সামাজিক সংস্কারমূলক রচনার এক অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি এবং আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান পুরুষ, উপন্যাসের বা গদ্যরীতির প্রতিষ্ঠাতা নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও বিশ্বকবি হলেও উপন্যাসের গদ্যরীতি বা বাংলা সাহিত্য ধারার প্রতিষ্ঠাতা নন। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সার্থক উপন্যাসের জনক ও সম্রাট, তবে প্রথম কথ্যরীতির প্রবর্তক বা প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ নন। ৫. মনে রাখার টিপস: প্যারীচাঁদ মিত্র মানেই কথ্যরীতি এবং আলালের ঘরের দুলাল। সাহিত্য ধারার প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ বললে প্যারীচাঁদ মিত্র এবং উপন্যাসের জনক বললে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর যা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। তাঁর 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসটি কোন রীতির প্রথম সফল প্রয়োগ তা ভালোভাবে মনে রাখবে।
a ফজলে লোহানী
b ফতেহ লোহানী
c কামাল লোহানী
d জামাল লোহানী
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফতেহ লোহানী ১. কেন সঠিক: - আমেরিকান ঔপন্যাসিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি' এর অত্যন্ত জনপ্রিয় বাংলা অনুবাদ করেছেন বিশিষ্ট অভিনেতা ও পরিচালক ফতেহ লোহানী। - এই অনুবাদটি বাংলা সাহিত্যের অনুবাদ সাহিত্যে একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এটি আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আর্নেস্ট হেমিংওয়ে বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত মার্কিন ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার যিনি ১৯৫৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - 'দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে এবং এর জন্য তিনি পুলিৎজার পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেকসপিয়ারের নাটক 'ম্যাকবেথ'-এর বাংলা অনুবাদ। ব্যাখ্যা: মুনীর চৌধুরী শেকসপিয়ারের বিখ্যাত নাটক 'ম্যাকবেথ' বাংলায় অনুবাদ করেন যার নাম দেন 'রক্তাক্ত কবরী'। উদাহরণ ২: আলবেয়ার কামুর উপন্যাস 'দ্য আউটসাইডার'-এর বাংলা অনুবাদ। ব্যাখ্যা: প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক কবীর চৌধুরী ফরাসি এই উপন্যাসের অনবদ্য বাংলা অনুবাদ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফজলে লোহানী — তিনি ফতেহ লোহানীর ভাই এবং প্রখ্যাত সাংবাদিক ও উপস্থাপক হলেও এই উপন্যাসের অনুবাদক নন। B) ফতেহ লোহানী — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি সফলভাবে এই বিশ্বখ্যাত উপন্যাসটি বাংলায় রূপান্তর করেছেন। C) কামাল লোহানী — তিনি একজন প্রখ্যাত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিক ছিলেন কিন্তু এই গ্রন্থের অনুবাদক হিসেবে পরিচিত নন। D) জামাল লোহানী — ইনি লোহানী পরিবারের একজন সদস্য হলেও এই সাহিত্যকর্মের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওল্ড ম্যান বা বুড়ো মানুষের সমুদ্রের সাথে লড়াইয়ের ঘটনা মনে রাখতে ফতেহ লোহানীর নামটি মাথায় রাখবে। - লোহানী ভাইয়েদের মধ্যে ফতেহ লোহানী অনুবাদক হিসেবে বেশি খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্বসাহিত্যের বিখ্যাত কোনো অনুবাদগ্রন্থের নাম ও অনুবাদকের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের সময় মূল লেখকের পাশাপাশি অনুবাদকের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
a বিদ্রোহী
b মুক্তি
c রণ সঙ্গীত
d লিচু চোর
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুক্তি ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম মুক্তি। ১৯১৯ সালের বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকায় এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর প্রথম প্রকাশিত সাহিত্যকর্মের মধ্যে এই কবিতাটি বিশেষ সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা যা তাঁকে রাতারাতি খ্যাতি এনে দেয়। উদাহরণ ২: সঞ্চিতা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতার সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্রোহী — এটি নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা নয়, এটি তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি যা ১৯২১ সালে প্রকাশিত হয়। C) রণ সঙ্গীত — এটি নজরুলের একটি দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা, তবে প্রথম প্রকাশিত কবিতা নয়। D) লিচু চোর — এটি নজরুলের একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা, যা তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম লেখার কথাই ছিল মুক্তির আনন্দ, তাই প্রথম প্রকাশিত কবিতা মুক্তি। এটি এভাবে মনে রাখা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রথম রচনা বা প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ প্রায়ই আসে। তাই নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা মুক্তি এবং প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বা গল্প বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a প্রথম
b চতুর্থ
c সপ্তম
d নবম
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সপ্তম ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব সপ্তম জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। সংসদীয় গণতন্ত্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এবং মন্ত্রিপরিষদের স্বচ্ছতা বাড়াতে এই বিধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশ সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাস এবং সাংবিধানিক অনুশীলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত সরকার সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট প্রশ্নোত্তর পর্ব অন্তর্ভুক্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যুক্তরাজ্য বা ব্রিটিশ পার্লামেন্টের আদলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংসদীয় পদ্ধতিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু রয়েছে। ব্যাখ্যা: সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো কার্যনির্বাহী বিভাগের কাছে সংসদ সদস্যদের প্রশ্ন করার অধিকার এবং প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি জবাবদিহিতা। উদাহরণ ২: বাংলাদেশে সপ্তম জাতীয় সংসদের মেয়াদকাল ছিল ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত। ব্যাখ্যা: এই মেয়াদেই জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধিতে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর উত্তরদানের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম — প্রথম জাতীয় সংসদ স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধচনার আওতায় গঠিত হলেও তখন এই বিশেষ প্রশ্নোত্তর পর্বের প্রচলন ছিল না। B) চতুর্থ — চতুর্থ জাতীয় সংসদ তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি বিতর্কিত নির্বাচন ও ভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) সপ্তম — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সংসদেই প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বের সূচনা ঘটেছিল। D) নবম — নবম জাতীয় সংসদ ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর গঠিত হয়, যা সপ্তম সংসদের অনেক পরের ঘটনা। ৫. মনে রাখার টিপস: সপ্তম সংখ্যাটি মনে রাখলে সংসদীয় গণতন্ত্রের একটি বড় সংস্কার অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর চালুর সাল ও সংসদ মনে রাখা সহজ হয়। রাজনীতির ইতিহাসে ১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপায়ণে নানা নতুন নিয়ম চালু করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ সংবিধান ও সংসদীয় ইতিহাস থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। কোন সংসদ কত সালে এবং কোন ঐতিহাসিক কাজের জন্য পরিচিত, তা ভালোভাবে পড়ে রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (14)

a fresh blood
b aristocratic birth
c scoundrel
d none
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) aristocratic birth কেন সঠিক: - "Blue blood" একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ নীল রক্ত হলেও ভাবার্থ হলো উচ্চবংশ বা রাজপরিবারে জন্ম। - এটি প্রাচীন ইউরোপীয় সমাজে সম্ভ্রান্ত মানুষদের ফ্যাকাশে ত্বকের নিচে দৃশ্যমান নীল শিরা থেকে উদ্ভূত হয়েছে। - তাই এটি জন্মগতভাবে অভিজাত বা রাজকীয় পরিবারভুক্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fresh blood — এটি দ্বারা নতুন সদস্য বা তাজা রক্তকে বোঝায়, কোনো সম্ভ্রান্ত বংশকে বোঝায় না। B) aristocratic birth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) scoundrel — এর অর্থ হলো প্রতারক বা বখাটে ব্যক্তি, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে মিল নেই। D) none — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে রয়েছে, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: রাজপরিবারের লোকেদের গায়ের চামড়া খুব ফর্সা হতো এবং তাদের গায়ের নীল রঙের শিরা দেখা যেত, এভাবেই মনে রাখবে ব্লু ব্লাড মানেই অভিজাত বংশ।
a cry on
b cry for
c crying
d no correction
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) crying কেন সঠিক: - cannot help এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। - তাই help but cry না হয়ে cannot help crying হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cry on — cannot help এর পর gerund নিয়ম অনুযায়ী ing যুক্ত verb বসে, তাই এটি ভুল। B) cry for — এটি ভুল কারণ help but এর পর infinitive না বসে gerund বসে। C) crying — এটি সঠিক উত্তর কারণ cannot help এর পর verb এর সাথে ing বসে। D) no correction — প্রদত্ত বাক্যে ভুল থাকায় সংশোধন প্রয়োজন, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: cannot help থাকলে verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
a discrete
b capable
c prudent
d cautious
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) capable কেন সঠিক: competent শব্দটির বাংলা অর্থ দক্ষ বা সক্ষম। capable শব্দটির অর্থও কোনো কাজ করার যোগ্যতা বা সামর্থ্য রাখা। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) discrete — এর অর্থ পৃথক বা আলাদা, যা দক্ষ শব্দের সাথে মিলে না। খ) capable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) prudent — এর অর্থ বিচক্ষণ বা দূরদর্শী, যা সক্ষমতার সমার্থক নয়। ঘ) cautious — এর অর্থ সতর্ক বা সাবধান, যা দক্ষতার ভিন্ন একটি রূপ। মনে রাখার টিপস: Competent এবং Capable দুটি শব্দই সি অক্ষর দিয়ে শুরু হয় এবং উভয়ের অর্থই দক্ষ বা যোগ্য।
a tiny
b soft
c weak
d fragile
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) tiny কেন সঠিক: enormous শব্দটির অর্থ বিশাল বা প্রকাণ্ড, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো ক্ষুদ্র বা অতিশুদ্র। tiny শব্দটির অর্থ অত্যন্ত ক্ষুদ্র, তাই এটি সঠিক বিপরীত শব্দ। এটি আকারের দিক থেকে বিশালতার সরাসরি উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) tiny — এটি সঠিক উত্তর। B) soft — এর অর্থ নরম, যা বিশালের বিপরীত নয়। C) weak — এর অর্থ দুর্বল, যা শক্তি বা সামর্থ্যের সাথে সম্পর্কিত। D) fragile — এর অর্থ ভঙ্গুর, যা সহজে ভেঙে যায় এমন বস্তু বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Enormous মানে বিশাল আর Tiny মানে খুব ছোট, কথাটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a You are told for keep quiet.
b You are requested to keep quiet.
c You are requested for keep quiet.
d You are told to keep quiet.
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) You are requested to keep quiet. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি একটি Imperative sentence এবং এর শুরুতে Please থাকায় এটি দ্বারা অনুরোধ বোঝানো হয়েছে। তাই নিয়ম অনুযায়ী Active voice-কে Passive করার সময় You are requested to ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You are told for keep quiet. — এখানে infinitive-এর আগে for ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নিয়ম। B) You are requested to keep quiet. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং সঠিক অপশন। C) You are requested for keep quiet. — এখানে requested-এর পরে সঠিক preposition হিসেবে to না বসিয়ে for ব্যবহার করা হয়েছে। D) You are told to keep quiet. — বাক্যটিতে অনুরোধের ভাব স্পষ্ট করার জন্য told-এর পরিবর্তে requested ব্যবহার করা উচিত ছিল। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence-এ Please বা Kindly থাকলে Passive করার সময় You are requested to বসাতে হয়।
a The remarked that two and two would make four.
b He remarked that two and two made four.
c He remarked that two and two makes four.
d He advised that two and two makes four.
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He remarked that two and two makes four. কেন সঠিক: রিপোর্টেড স্পিচটি চিরন্তন সত্য হওয়ায় ইনভার্টেড কমা তুলে শুধু that বসালেই চলে। এ ধরণের বাক্যে tense এর কোনো পরিবর্তন হয় না এবং makes অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would make — চিরন্তন সত্য বাক্যে tense পরিবর্তন করে would make লেখার নিয়ম নেই। B) made — চিরন্তন সত্য বাক্যে present tense কে past tense (made) করা ভুল। C) সঠিক উত্তর — এখানে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি যা সঠিক নিয়ম। D) advised — remarked verb কে অর্থ পরিবর্তন করে advised করা ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: চিরন্তন সত্য বা Universal Truth এর Narration পরিবর্তনের সময় Tense এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
a secrets
b to frown
c to bride
d in dumps
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রদত্ব অপশনগুলোতে 'tall talk' এর সঠিক অর্থপূর্ণ কোনো অপশন নেই। 'tall talk'-এর সঠিক অর্থ হলো বড়াই করা বা অহংকারমূলক কথা বলা (boastful talk)। প্রদত্ত উত্তর B) to frown সঠিক নয়। কেন সঠিক: - 'Tall talk' একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার অর্থ অতিরিক্ত বা অবাস্তব বড়াই করে কথা বলা। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে এর সঠিক সমার্থক কোনো শব্দ বা ইডিয়ম নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) secrets — এর অর্থ গোপন বিষয়, যা 'tall talk' এর অর্থের সাথে মেলে না। B) to frown — এর অর্থ ভ্রূ কুঁচকানো বা বিরক্তি প্রকাশ করা, যা প্রদত্ত উত্তরে সঠিক বলা হলেও মূল ইডিয়মের অর্থের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। C) to bride — এর অর্থ ঘুষ দেওয়া, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ। D) in dumps — এর অর্থ মনমরা বা বিষণ্ণ অবস্থায় থাকা, যা বড়াই করার বিপরীত অবস্থা। মনে রাখার টিপস: 'Tall' মানে লম্বা এবং 'talk' মানে কথা, তাই লম্বা লম্বা বা বড় বড় কথা বলা অর্থাৎ বড়াই করাই হলো 'tall talk'।
a verb
b noun
c pronoun
d adverb
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) noun কেন সঠিক: এখানে talk শব্দটির আগে a আর্টিকেল বসেছে এবং এটি have বা had এর পর অবজেক্ট হিসেবে কাজ করেছে। কোনো শব্দের আগে আর্টিকেল থাকলে সেটি সাধারণত noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verb — talk শব্দটি এখানে কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না, বরং একটি কথপোকথন বা অবস্থাকে বোঝাচ্ছে। তাই এটি verb নয়। B) noun — এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপরে কারণ দেওয়া হয়েছে। C) pronoun — pronoun হলো নামের পরিবর্তে বসা শব্দ, কিন্তু talk কোনো নামের বদলেও বসেছে না। D) adverb — adverb সাধারণত verb বা adjective কে মডিফাই করে, কিন্তু এখানে talk কোনো কিছুকে মডিফাই করছে না। মনে রাখার টিপস: have বা had এর পর আর্টিকেল থাকলে এবং তারপর কোনো শব্দ থাকলে সেটি সাধারণত noun হয়।
a feet
b lice
c news
d men
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) news কেন সঠিক: news শব্দটি দেখতে বহুবচন মনে হলেও এটি মূলত একটি একবচন নাউন। এর শেষে এস থাকলেও এটি কোনো প্লুরাল ফর্ম নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) feet — এটি foot শব্দের বহুবচন রূপ। B) lice — এটি louse শব্দের বহুবচন রূপ। C) news — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) men — এটি man শব্দের বহুবচন রূপ। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে এস থাকে কিন্তু তারা একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাদের নামের শেষে এস থাকা মানেই প্লুরাল নয়।
a most
b more
c news
d far
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) more কেন সঠিক: বাক্যে তুলনাবাচক শব্দ বোঝাতে দুটি ব্যক্তির মধ্যে তুলনা করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী দুজনের মধ্যে তুলনা করলে অ্যাডজেক্টিভের কম্পারেটিভ ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) most — দুইয়ের অধিক ব্যক্তির মধ্যে তুলনা করার সময় সুপারলেটিভ ডিগ্রি হিসেবে এটি বসে। কিন্তু এখানে মাত্র দুজন বলের তুলনা করা হয়েছে। B) more — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুই ব্যক্তির মধ্যে তুলনার জন্য কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হয়। C) news — এটি একটি নাউন যার অর্থ সংবাদ। শূন্যস্থানে কোনো নাউনের প্রয়োজন নেই। D) far — এটি পজিটিভ ডিগ্রি এবং অর্থগতভাবে এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসার উপযোগী নয়। মনে রাখার টিপস: দুইয়ের মধ্যে তুলনা থাকলে কম্পারেটিভ ফর্ম এবং 'more' বসে, আর অনেকের মধ্যে তুলনা থাকলে সুপারলেটিভ ফর্ম এবং 'most' বসে।
a secretarial
b secretarial
c secretareal
d secretariel
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) secretarial কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানানে sec-re-tar-ial অংশটি ব্যবহৃত হয় যা একে নির্ভুল করে তোলে। এখানে সচিবালয় সংক্রান্ত অর্থ প্রকাশ করতে সঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। সঠিক রুট শব্দ এবং প্রত্যয়ের মিল রয়েছে। বানান গঠনে ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম নিখুঁতভাবে মানা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) secretarial — এই অপশনটি সঠিক এবং এর বানান সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) secretarial — অপশনটি সঠিক উত্তরের অনুরূপ হওয়ায় এটিও সঠিক বানান হিসেবে গণ্য। C) secretareal — এখানে শেষের দিকে 'al'-এর পরিবর্তে 'eal' ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। D) secretariel — এখানে শেষের অংশে 'ial'-এর পরিবর্তে 'el' ব্যবহারের কারণে এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে সেক্রেটারি (secretary) শব্দটির শেষে al যোগ করে secretarial তৈরি করতে হয় তা মনে রেখো।
a in
b on
c at
d by
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in কেন সঠিক: - মাসের নামের আগে নির্দিষ্ট Preposition হিসেবে সাধারণত ইন ব্যবহৃত হয়। - এখানে ফেব্রুয়ারি মাস বোঝানো হয়েছে বলে সঠিক উত্তর ইন হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এটি মাস, বছর বা ঋতুর নামের আগে বসে বলে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) on — এটি নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের নামের আগে বসে, তাই মাসের নামের আগে এটি বসবে না। C) at — এটি নির্দিষ্ট সময় বা ঘড়ির কাটার সময়ের আগে বসে, তাই মাসের নামের আগে এটি ভুল। D) by — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা উপায়ে বোঝাতে বসে, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বড় সময় যেমন মাস, বছর ও শতাব্দীর আগে ইন বসে এবং ছোট সময় যেমন দিন ও তারিখের আগে অন বসে।
a will
b is going to
c would
d needs
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is going to কেন সঠিক: বর্তমান অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে কোনো ঘটনা নিশ্চিতভাবে ঘটবে বুঝাতে is going to ব্যবহার করা হয়। এখানে আকাশে কালো মেঘ দেখে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, তাই এটিই সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — হঠাৎ সিদ্ধান্ত বা সাধারণ ভবিষ্যৎ বোঝাতে এটি বসে, যা মেঘ দেখে অনুমানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) is going to — এটি সঠিক উত্তর। C) would — এটি অতীতের সম্ভাবনা বা কাল্পনিক শর্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা বর্তমান অবস্থার জন্য ঠিক নয়। D) needs — এর অর্থ প্রয়োজন, যা এখানে বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: চোখের সামনে কোনো প্রমাণ বা লক্ষণ দেখলে (যেমন কালো মেঘ) ভবিষ্যতে যা ঘটবে তা বোঝাতে is going to ব্যবহার করবে।
a What is his name
b What was his name.
c What his name is
d What his name was
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) What his name was কেন সঠিক: - প্রধান ক্লজটি পাস্ট টেন্সে (asked) থাকায় সাব-অর্ডিনেট ক্লজটিও পাস্ট টেন্সের (was) হবে। - ইনডাইরেক্ট স্পিচে প্রশ্নবোধক বাক্য অ্যাসারটিভ বাক্যে রূপান্তরিত হয় এবং সাবজেক্টের পর ভার্ব বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What is his name — এটি সরাসরি প্রশ্নবোধক রূপ এবং প্রিন্সিপাল ক্লজ পাস্ট টেন্স হওয়ায় প্রেজেন্ট টেন্স ব্যবহার করা ভুল। B) What was his name — এটি সরাসরি প্রশ্নবোধক বাক্যের গঠন, কিন্তু ইনডাইরেক্ট স্পিচে বাক্যটি অ্যাসারটিভ হতে হয়। C) What his name is — সাবজেক্ট ও ভার্বের অবস্থান ঠিক থাকলেও প্রিন্সিপাল ক্লজ পাস্ট টেন্স হওয়ায় এখানে প্রেজেন্ট টেন্স (is) ব্যবহার করা ভুল। D) What his name was — এটি সঠিক কারণ এটি অ্যাসারটিভ গঠন অনুসরণ করেছে এবং পাস্ট টেন্সের নিয়ম মেনেছে। মনে রাখার টিপস: ইনডাইরেক্ট স্পিচে প্রশ্ন করার সময় সাবজেক্ট আগে এবং ভার্ব পরে বসে, আর প্রিন্সিপাল ক্লজ পাস্ট টেন্স হলে পরের অংশও পাস্ট টেন্স হয়।

মোট প্রশ্ন (14)

a 100
b 50
c 150
d 200
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০ প্রদত্ত তথ্য: কমিশন বা ছাড়ের হার = ১০% দোকানিকে দেওয়া হলো = ১৮০ টাকা ধরি, বইটির প্রকৃত বা লিখিত মূল্য = ১০০ টাকা ১০% কমিশনে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা অতএব, বিক্রয়মূল্য ৯০ টাকা হলে প্রকৃত মূল্য = ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে প্রকৃত মূল্য = ১০০ ÷ ৯০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১৮০ টাকা হলে প্রকৃত মূল্য = (১০০ × ১৮০) ÷ ৯০ টাকা সুতরাং, বইটির প্রকৃত মূল্য = ২০০ টাকা উত্তর: ২০০ টাকা
a 5400
b 6400
c 3000
d 3300
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৪০০ প্রদত্ত তথ্য: চালের মোট পরিমাণ = ৪০০ কেজি চাল বিক্রির হার = ৮০% প্রতি কেজি চালের দাম = ২০ টাকা ধরি, মোট চালের পরিমাণ = ৪০০ কেজি অতএব, বিক্রয়কৃত চালের পরিমাণ = ৪০০ এর ৮০% কেজি = ৪০০ × ৮০ ÷ ১০০ কেজি = ৩২০ কেজি সুতরাং, মোট বিক্রয়মূল্য = ৩২০ × ২০ টাকা = ৬৪০০ টাকা উত্তর: ৬৪০০ টাকা
a ১/১৫
b ৬/৫
c ৮/৫
d ৯/৫
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/১৫ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো দুই বাই পাঁচ, তিন বাই পাঁচ এবং ছয় বাই পনেরো ধরি, ভগ্নাংশগুলোর লবগুলো হলো দুই, তিন এবং ছয় ভগ্নাংশগুলোর হরগুলো হলো পাঁচ, পাঁচ এবং পনেরো অতএব, লবগুলোর গসাগু বের করতে হবে দুই, তিন ও ছয় এর গসাগু হলো এক সুতরাং, হরগুলোর লসাগু বের করতে হবে পাঁচ, পাঁচ ও পনেরো এর লসাগু হলো পনেরো উত্তর: এক বাই পনেরো
a 9
b 12
c 14
d 15
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ প্রدত্ত তথ্য: পরপর তিনটি সংখ্যার গুণফল = ১২০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = x দ্বিতীয় সংখ্যাটি = x + ১ তৃতীয় সংখ্যাটি = x + ২ অতএব, সংখ্যা তিনটির গুণফল = x × (x + ১) × (x + ২) = ১২০ যেহেতু ১২০ এর কাছাকাছি তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল ৪ × ৫ × ৬ = ১২০ সুতরাং, সংখ্যা তিনটি হলো ৪, ৫ এবং ৬ উত্তর: ৪ + ৫ + ৬ = ১৫
a ১২, ১৩
b ১৫, ১৬
c ১৮, ১৯
d ২০, ২১
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮, ১৯ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ৩৭ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ৩৭ ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ৩৭ ২ক + ১ = ৩৭ সুতরাং, ২ক = ৩৭ − ১ ২ক = ৩৬ ক = ১৮ উত্তর: সংখ্যা দুটি ১৮ ও ১৯
a 2.25
b 22.5
c 12.5
d 11.25
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১.২৫ প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের প্রথম কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৫ সে.মি. রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪.৫ সে.মি. ধরি, প্রথম কর্ণ d১ = ৫ সে.মি. দ্বিতীয় কর্ণ d২ = ৪.৫ সে.মি. অতএব, রম্বসের ক্ষেত্রফলের সূত্র = (১ ÷ ২) × (প্রথম কর্ণ × দ্বিতীয় কর্ণ) মান বসিয়ে পাই, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (৫ × ৪.৫) গুণ করে পাই, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ২২.৫ সুতরাং, ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের ভাগ হিসাব = ২২.৫ ÷ ২ উত্তর: ১১.২৫ বর্গ সে.মি.
a 0.4
b 0.5
c 0.6
d 0.7
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৫ প্রদত্ত তথ্য: টাকায় ৩টি করে লেবু কেনা হলো টাকায় ২টি করে লেবু বিক্রি করা হলো ধরি, ৩টি লেবু ক্রয়মূল্য = ১ টাকা ২টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা অতএব, ১টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৩ টাকা ১টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ২ টাকা সুতরাং, লাভ = (১ ÷ ২) − (১ ÷ ৩) = ১ ÷ ৬ টাকা শতকরা লাভ = ((১ ÷ ৬) ÷ (১ ÷ ৩)) × ১০০% = ৫০% বা ০.৫ অংশ উত্তর: ০.৫
a 100
b 115
c 135
d 225
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৫ প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত ১ : ২ : ২ : ৩ চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি ৩৬০° ধরি, প্রথম কোণটি = ১ক দ্বিতীয় ও তৃতীয় কোণ দুটি = ২ক এবং ২ক চতুর্থ কোণটি = ৩ক অতএব, চার কোণের সমষ্টি = ১ক + ২ক + ২ক + ৩ক সমষ্টির মান = ৮ক সুতরাং, ৮ক = ৩৬০° ক = ৩৬০° ÷ ৮ = ৪৫° উত্তর: বৃহত্তম কোণটি = ৩ × ৪৫° = ১৩৫°
a 12
b 14
c 16
d 18
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১০ সে.মি. কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর দূরত্ব = ৬ সে.মি. ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যাকে সমদ্বিখণ্ডিত করে। এখানে ব্যাসার্ধ হলো অতিভুজ এবং দূরত্ব হলো লম্ব। অতএব, সমকোণী ত্রিভুজের পিথারাসের উপপাদ্য ব্যবহার করে পাই। (অর্ধ জ্যা)² = (ব্যাসার্ধ)² − (দূরত্ব)² (অর্ধ জ্যা)² = (১০)² − (৬)² সুতরাং, (অর্ধ জ্যা)² = ১০০ − ৩৬ = ৬৪ অর্ধ জ্যা = √৬৪ = ৮ সে.মি. উত্তর: জ্যা-এর দৈর্ঘ্য = ৮ × ২ = ১৬ সে.মি.
a 14
b 10
c 12
d 16
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটি হলো ১০০ এবং ১৮৪ প্রত্যেক ক্ষেত্রে ভাগশেষ থাকে ৪ ধরি, প্রথম সংখ্যা থেকে ভাগশেষ বাদ দিলে পাই ১০০ − ৪ = ৯৬ দ্বিতীয় সংখ্যা থেকে ভাগশেষ বাদ দিলে পাই ১৮৪ − ৪ = ১৮০ অতএব, ৯৬ এবং ১৮০ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে ৯৬ এর উৎপাদক হলো ১২ এর গুণিতক ১৮০ এর উৎপাদক হলো ১২ এর গুণিতক সুতরাং, ৯৬ এবং ১৮০ এর গসাগু = ১২ উত্তর: ১২
a 12
b 16
c 18
d 24
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার গুণফল = ৫৪ সংখ্যা দুটির গসাগু = ৩ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ সংখ্যা দুটির লসাগু = ? আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু অতএব, ৫৪ = ৩ × লসাগু সুতরাং, লসাগু = ৫৪ ÷ ৩ = ১৮ উত্তর: ১৮
a 2.5
b 1.5
c 3.5
d 1.25
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.৫ প্রদত্ত তথ্য: পানি ভর্তি বালতির মোট ওজন = ১৬.৫ কেজি বালতির এক চতুর্থাংশ পানি ভর্তি থাকলে ওজন = ৫.২৫ কেজি ধরি, খালি বালতির ওজন = ক কেজি সম্পূর্ণ পানির ওজন = খ কেজি অতএব, ক + খ = ১৬.৫ ক + (খ ÷ ৪) = ৫.২৫ সুতরাং, সমীকরণ দুটি বিয়োগ করে পাই, (খ − (খ ÷ ৪)) = ১৬.৫ − ৫.২৫ উত্তর: খালি বালতির ওজন ১.৫ কেজি
a 30
b 60
c 225
d 15
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২৫ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো (√৩ × √৫) এর পাওয়ার ৪ ধরি, ভেতরের অংশটি হলো (√৩ × √৫) অতএব, (√৩ × √৫) কে লেখা যায় √১৫ সুতরাং, (√১৫) এর ওপর পাওয়ার ৪ মানে হলো (√১৫ × √১৫) × (√১৫ × √১৫) উত্তর: ১৫ × ১৫ = ২২৫
a {1,2,3}
b {2,3,4}
c {3,4,5}
d {2,3,4,5}
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২, ৩, ৪, ৫ প্রদত্ত তথ্য: সার্বিক সেট U = ১, ২, ৩, ৪, ৫ সেট A = ১, ২, ৪ এবং সেট B = ১, ৩, ৫ ধরি, A এর পরিপূরক সেট A' = U − A = ৩, ৫ আবার A' এর পরিপূরক সেট A'' = U − A' = ১, ২, ৪ B এর পরিপূরক সেট B' = U − B = ২, ৪ অতএব, A'' = ১, ২, ৪ B' = ২, ৪ সুতরাং, A'' এবং B' এর ইউনিয়ন অর্থাৎ A''UB'' = ১, ২, ৪ U ২, ৪ = ১, ২, ৪ উত্তর: ১, ২, ৪, ৫ কিন্তু এখানে সঠিক মান হলো ২, ৩, ৪, ৫

মোট প্রশ্ন (14)

a জার্মানি
b ব্রিটেন
c ফ্রান্স
d স্পেন
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রিটেন কেন সঠিক: - ২০১৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত গণভোটে যুক্তরাজ্যের জনগণ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করার পক্ষে রায় দেয়, যা ব্রেক্সিট নামে পরিচিত। - ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটেন ইইউ থেকে বের হয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি — জার্মানি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র। B) ব্রিটেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ইইউ থেকে বের হয়ে যাওয়ার শর্ত এখানে প্রযোজ্য। C) ফ্রান্স — ফ্রান্স ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে এখনও যুক্ত আছে। D) স্পেন — স্পেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি সক্রিয় সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে বহাল আছে। মনে রাখার টিপস: ব্রেক্সিট শব্দটির মাধ্যমে ব্রিটেন এবং এক্সিট মিলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের প্রস্থান বোঝায়।
a ঢাকায়
b চট্রগামে
c খুলনায়
d রাজশাহীতে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঢাকায় কেন সঠিক: - বাংলাদেশের ডাক বিভাগ সম্পর্কিত ঐতিহাসিক নিদর্শন, ডাকটিকিট ও চিঠিপত্র সংরক্ষণের জন্য এই জাদুঘরটি ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। - এটি মূলত জিপিও ভবন বা এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থিত থেকে ডাক সেবার ইতিহাস বহন করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ ডাক জাদুঘরটি রাজধানী ঢাকার জিপিও চত্বরে বা এর সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। B) চট্রগামে — চট্টগ্রাম একটি প্রধান বাণিজ্যিক ও বন্দরনগরী হলেও জাতীয় ডাক জাদুঘর এখানে অবস্থিত নয়। C) খুলনায় — খুলনা দক্ষিণ অঞ্চলের একটি বিভাগীয় শহর, যা ডাক জাদুঘরের ভেন্যু হিসেবে নির্ধারিত নয়। D) রাজশাহীতে — রাজশাহী শিক্ষা ও সংস্কৃতির শহর হলেও জাতীয় ডাক জাদুঘর এই শহরে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: জাতীয় পর্যায়ের অধিকাংশ জাদুঘর ও প্রধান কার্যালয় সাধারণত রাজধানী ঢাকাতেই অবস্থিত।
a ইউনিসেফ
b ইউএনডিপি
c বিশ্বব্যাংক
d ইউনেস্কো
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ইউনেস্কো *বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি (বিশ্বব্যাংক) ভুল ছিল। সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে ইউনেস্কো (UNESCO)।* কেন সঠিক: - ইউনেস্কো (UNESCO) জাতিসংঘভুক্ত সংস্থা যা বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা করে। - সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও ম্যানগ্রোভ বনের বিশ্বজনীন গুরুত্ব বিবেচনা করে ১৯৯৭ সালে একে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউনিসেফ — এটি জাতিসংঘ শিশু তহবিল, যা শিশু অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করে কিন্তু বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে না। B) ইউএনডিপি — এটি জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি, যা বৈশ্বিক উন্নয়নে কাজ করে এবং এর সঙ্গে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণার কোনো সম্পর্ক নেই। C) বিশ্বব্যাংক — এটি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা মূলত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে ঋণ ও সহায়তা প্রদান করে। D) ইউনেস্কো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংস্থাই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান নির্ধারণ ও তালিকাভুক্ত করে থাকে। মনে রাখার টিপস: ঐতিহাসিক বা প্রাকৃতিক স্থান রক্ষায় কাজ করে ইউনেস্কো, তাই সুন্দরবনের বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণার সঙ্গে এই সংস্থার নাম জড়িত।
a ব্রিটেন
b নিউজিল্যান্ড
c স্পেন
d সবগুলোই
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলোই কেন সঠিক: - বিশ্বের যে কয়েকটি দেশের কোনো লিখিত সংবিধান নেই, তার মধ্যে ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ড এবং ইসরায়েল অন্যতম। - এই দেশগুলোর শাসনব্যবস্থা প্রথা, ঐতিহাসিক দলিল ও সাংবিধানিক আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেন — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ নিউজিল্যান্ডেরও কোনো লিখিত সংবিধান নেই। B) নিউজিল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ ব্রিটেনেরও কোনো লিখিত সংবিধান নেই। সি) স্পেন — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ স্পেনের একটি লিখিত সংবিধান রয়েছে। D) সবগুলোই — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্রিটেন ও নিউজিল্যান্ড উভয় দেশেরই কোনো লিখিত সংবিধান নেই। মনে রাখার টিপস: বৃটেন ও নিউজিল্যান্ডের সংবিধান লিখিত নয়, এই দুটি দেশ মনে রাখলেই উত্তর করা সহজ হয়।
a টেংকু আব্দুল কাদের
b টেংকু আবদুল রহমান
c টেংকু আব্দর রহিম
d মাহাথির মোহাম্মদ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টেংকু আবদুল রহমান কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালে মরক্কোর রাবাতে অনুষ্ঠিত মুসলিম প্রধান দেশগুলোর শীর্ষ সম্মেলনে ওআইসি গঠিত হয় এবং মালয়েশিয়ার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী টেংকু আবদুল রহমান সংস্থাটির প্রথম মহাসচিব নিযুক্ত হন। - আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর কূটনৈতিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে ওআইসি প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক পর্যায়ে এই গুরুদায়িত্ব প্রদান করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেংকু আব্দুল কাদের — এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম এবং ওআইসি সংগঠনের প্রথম মহাসচিবের সঙ্গে এই নামের কোনো ঐতিহাসিক সম্পৃক্ততা নেই। B) টেংকু আবদুল রহমান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি মালয়েশিয়ার প্রখ্যাত নেতা ও ওআইসির প্রথম মহাসচিব ছিলেন। C) টেংকু আব্দর রহিম — এটি সঠিক উত্তর নয় এবং ওআইসির শীর্ষ পদের ইতিহাসে এই নামে কোনো মহাসচিবের অস্তিত্ব নেই। D) মাহাথির মোহাম্মদ — তিনি মালয়েশিয়ার দীর্ঘমেয়াদি ও প্রভাবশালী প্রধানমন্ত্রী হলেও ওআইসির প্রথম মহাসচিব ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মালয়েশিয়ার প্রথম প্রধানমন্ত্রী টেংকু আবদুল রহমানের নাম মনে রাখলেই ওআইসির প্রথম মহাসচিবের নাম সহজেই মনে রাখা যায়।
a 136
b 137
c 138
d 139
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 136 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করে। - এই সদস্যপদ অর্জনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বাধীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও কূটনৈতিক স্বীকৃতি আরও সুদৃঢ় হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 136 — এই সংখ্যাটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ জাতিসংঘের ঠিক এই ক্রমিক নম্বরে সদস্যপদ লাভ করেছিল। B) 137 — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাংলাদেশের সদস্যপদ অর্জনের সঠিক ক্রমিক নম্বর নয়। C) 138 — এই অপশনটি ভুল কারণ জাতিসংঘের সদস্য তালিকার ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়। D) 139 — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাংলাদেশ সম্পর্কিত জাতিসংঘের সদস্যপদের সঠিক ক্রম নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হয়; এভাবে মনে রাখতে পারেন, বাংলাদেশ প্রথমে স্বাধীন হয়েছে এবং পরবর্তীতে জাতিসংঘের ১৩৬ নম্বর আসন পেয়েছে।
a ভারত
b দঃ আফ্রিকা
c ইংল্যান্ড
d নেপাল
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দঃ আফ্রিকা কেন সঠিক: - মহাত্মা গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন পরিচালনার মাধ্যমে প্রথম তাঁর রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিকাশ ঘটান। - সেখানে তিনি সত্যাগ্রহ আন্দোলন সফলভাবে প্রয়োগ করে আন্তর্জাতিক পরিচিতি লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — এটি তাঁর জন্মস্থান এবং কর্মক্ষেত্র হলেও রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রাথমিক উত্থান এখানে ঘটেনি। B) দঃ আফ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর। C) ইংল্যান্ড — তিনি এখানে ব্যারিস্টারি পড়তে গিয়েছিলেন, রাজনৈতিক নেতা হিসেবে উত্থান ঘটেনি। D) নেপাল — তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গে এই দেশটির কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই। মনে রাখার টিপস: গান্ধীজির রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল আফ্রিকায় বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।
a ইংল্যান্ড
b অস্ট্রেলিয়া
c নিউজিল্যান্ড
d ভারত
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - ষোড়শ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রিকেট খেলা শুরু হয়েছিল বলে ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায়। - পরবর্তীতে ব্রিটিশদের মাধ্যমেই এই খেলাটি সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই ক্রিকেটের উৎপত্তি হয়েছিল। B) অস্ট্রেলিয়া — এটি ক্রিকেটের অন্যতম প্রধান পরাশক্তি হলেও এর জন্মস্থান নয়। C) নিউজিল্যান্ড — এটি একটি প্রধান ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ, তবে খেলার সূচনাস্থল এটি নয়। D) ভারত — এটি ক্রিকেটপ্রেমী দেশ এবং বর্তমান বিশ্বের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক দেশ হলেও খেলার জন্ম এখানে হয়নি। মনে রাখার টিপস: ক্রিকেট খেলার জন্মভূমি ইংল্যান্ড মনে রাখতে ব্রিটিশদের ইতিহাস ও তাদের প্রবর্তিত খেলাগুলোর কথা স্মরণ করতে পারো।
a আমেরিকা
b আর্জেন্টিনা
c চিলি
d ব্রাজিল
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চিলি কেন সঠিক: - ২০১৬ সালের শতবার্ষিকী কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্টের ফাইনালে চিলি টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। - এই আসরেও ফাইনালে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা গোলশূন্য থাকার পর চিলি ট্রাইবেকারে জয়লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমেরিকা — এই দলটির আয়োজক দেশ হওয়া সত্ত্বেও তারা এই টুর্নামেন্টে শিরোপা জয় করতে পারেনি। B) আর্জেন্টিনা — ফাইনালে চিলির কাছে পরাজিত হয়ে রানার্সআপ হয়েছিল এবং এই ম্যাচে লিওনেল মেসি পেনাল্টি মিস করেছিলেন। D) ব্রাজিল — এই দলটির ঐতিহ্য থাকলেও তারা ২০১৬ সালের শতবার্ষিকী কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠতে পারেনি। মনে রাখার টিপস: শতবার্ষিকী কোপা আমেরিকা ২০১৬ আসরে আর্জেন্টিনা ফাইনালে চিলির কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েছিল।
a মিশরীয়
b গ্রিক
c চৈনিক
d পারস্য
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মিশরীয় কেন সঠিক: - নীল নদ অববাহিকায় খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় ৫০০০ অব্দে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা ইতিহাসের সবচেয়ে পুরনো স্বীকৃত মানবসভ্যতাগুলোর একটি। - লিখন পদ্ধতি হায়েরোগ্লিফিক্স এবং পিরামিড নির্মাণের ইতিহাস একে প্রাচীনতম সভ্যতার স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশরীয় — এটি সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হওয়ায় প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক। B) গ্রিক — এই সভ্যতা মিশরের অনেক পরে খ্রিষ্টপূর্ব প্রথম সহস্রাব্দে ইউরোপে বিকশিত হয়। C) চৈনিক — হোয়াংহো নদী তীরে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা মিশরীয় সভ্যতার তুলনায় কিছুটা পরে শুরু হয়। D) পারস্য — বর্তমান ইরানের অঞ্চলে গড়ে ওঠা এই সাম্রাজ্য ও সভ্যতা অনেক পরের ঐতিহাসিক যুগের। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা মনে রাখতে 'ম' তে মিশর আর 'ম' তে মমি মনে রাখতে পারেন, যা পৃথিবীর প্রাচীনতম ইতিহাস বহন করে।
a আবুল আহসান
b মনমোহন সিং
c শওকত আজিজ
d চেনকিয়ার দোর্জি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আবুল আহসান কেন সঠিক: - আবুল আহসান ছিলেন দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্কের প্রথম মহাসচিব। - তিনি ১৯৮৫ সাল থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি একজন বাংলাদেশি কূটনীতিবিদ ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল আহসান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন। B) মনমোহন সিং — তিনি ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থনীতিবিদ, সার্কের মহাসচিব ছিলেন না। C) শওকত আজিজ — তিনি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, সার্কের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। D) চেনকিয়ার দোর্জি — তিনি ভুটানের একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সার্কের প্রথম মহাসচিব নন। মনে রাখার টিপস: সার্কের প্রথম মহাসচিব বাংলাদেশের আবুল আহসান, যা নামের আদ্যক্ষর দিয়ে মনে রাখা যায়।
a ড. সাঈদ হায়দার
b ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী
c তোয়াব খান
d ড.এ বি এম আবদুল্লাহ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ড. এ বি এম আবদুল্লাহ কেন সঠিক: - চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ড. এ বি এম আবদুল্লাহ ২০১৬ সালে গবেষণায় একুশে পদক লাভ করেন। - তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত চিকিৎসক ও অধ্যাপক হিসেবে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. সাঈদ হায়দার — তিনি এই নির্দিষ্ট বছরে গবেষণায় একুশে পদক পাননি, তাই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। B) ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী — তিনি দেশের প্রখ্যাত প্রকৌশলী ও শিক্ষাবিদ হলেও ২০১৬ সালে এই ক্ষেত্রে একুশে পদক পাননি। C) তোয়াব খান — তিনি সাংবাদিকতা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য একুশে পদক পেয়েছেন, চিকিৎসা বা গবেষণা ক্ষেত্রে নয়। D) ড. এ বি এম আবদুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ২০১৬ সালে গবেষণায় একুশে পদক পেয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: চিকিৎসা ও গবেষণায় অবদানের জন্য ড. এ বি এম আবদুল্লাহ ২০১৬ সালের একুশে পদক লাভ করেন।
a 28
b 48
c 68
d 88
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা সঠিক উত্তর: B) ৪৮ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা বিশ্ব অর্থনীতির হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বৈশ্বিক সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৮তম। - অর্থনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জ ও আমদানি ব্যয় মেটানোর কারণে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে এই পরিবর্তন এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৮ — এই স্থানটি বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাপের সঙ্গে মেলে না। B) ৪৮ — এই অপশনটি সঠিক এবং হালনাগাদ পরিসংখ্যানের সঙ্গে মিলে যায়। C) ৬৮ — এই সংখ্যাটি বর্তমান রিজার্ভ সূচকের বাস্তব অবস্থার চেয়ে অনেক পেছনের বা ভিন্ন একটি অবস্থান নির্দেশ করে। D) ৮৮ — এই স্থানটি বর্তমান বৈশ্বিক রিজার্ভ সূচকে বাংলাদেশের প্রকৃত অর্থনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের শেষ দুটি অঙ্ক ৪ ও ৮ মিলে হয় ৪৮, যা দিয়ে বৈশ্বিক অবস্থানটি মনে রাখা যায়।
a ঠাকুরগাঁয়ে
b সৈয়দপুর
c রাজশাহীতে
d নাটোরে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাটোরে কেন সঠিক: - উত্তরা গণভবনটি নাটোর জেলা সদরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক রাজপ্রাসাদ, যা পূর্বে নাটোরের মহারাজার দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি নামে পরিচিত ছিল। - বর্তমানে এটি সরকারি উত্তরা গণভবন হিসেবে পরিচিত এবং এটি সরকারের উত্তরবঙ্গের রাষ্ট্রীয় কাজ পরিচালনার প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঠাকুরগাঁয়ে — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা হলেও এখানে ঐতিহাসিক উত্তরা গণভবন অবস্থিত নয়। B) সৈয়দপুর — এটি নীলফামারী জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে শহর, উত্তরা গণভবন এখানে অবস্থিত নয়। C) রাজশাহীতে — এটি রাজশাহী বিভাগের প্রধান শহর হলেও উত্তরা গণভবন এই জেলায় অবস্থিত নয়। D) নাটোরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ উত্তরা গণভবন নাটোর জেলাতেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: নাটোরের কাঁচা গোল্লার পাশাপাশি ঐতিহাসিক উত্তরা গণভবনও নাটোর জেলার অন্যতম প্রধান পরিচিতি।

মোট প্রশ্ন (14)

a ডেনমার্কের রাজা
b জাপানের সম্রাট
c ব্রিটেনের রানী
d সুইজারল্যান্ডের রাজকুমার
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডেনমার্কের রাজা ১. কেন সঠিক: ব্লুটুথ প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে ডেনমার্ক ও নরওয়ের দশম শতাব্দীর বিখ্যাত ভাইকিং রাজা হ্যারাল্ড ব্লুটুথের নামানুসারে। তার নামের অর্থ ও কাজের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ব্লুটুথ হলো একটি শর্ট রেঞ্জ রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি প্রযুক্তি যা তার ছাড়া বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। কার্যপদ্ধতি: এটি ২ দশমিক ৪ গিগাহার্জ ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্বল্প দূরত্বের মধ্যে একে অপরের সঙ্গে ডিভাইস যুক্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্মার্টফোনের সঙ্গে ওয়্যারলেস হেডফোন সংযুক্ত করা। ব্যাখ্যা: এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তারের ঝামেলা ছাড়াই মোবাইলে গান শোনা বা কল করা যায়। উদাহরণ ২: ল্যাপটপ থেকে ব্লুটুথ মাউস বা কিবোর্ড ব্যবহার করা। ব্যাখ্যা: কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সঙ্গে কোনো তার যুক্ত না করেই সহজে ইনপুট ডিভাইসগুলো পরিচালনা করা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেনমার্কের রাজা — এটি সঠিক কারণ রাজা হ্যারাল্ড ব্লুটুথ বিভিন্ন স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপজাতিকে একত্রিত করেছিলেন এবং এই প্রযুক্তিও বিভিন্ন ডিভাইসকে একত্রিত করে। B) জাপানের সম্রাট — এটি ভুল কারণ ব্লুটুথ প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে জাপানি রাজতন্ত্রের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। C) ব্রিটেনের রানী — এটি ভুল কারণ এই প্রযুক্তির নামকরণ ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে, ব্রিটিশ রাজপরিবারের ওপর নয়। D) সুইজারল্যান্ডের রাজকুমার — এটি ভুল কারণ সুইজারল্যান্ড এই প্রযুক্তির নামকরণের উৎস বা জন্মস্থান নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাইকিং রাজা হ্যারাল্ড ব্লুটুথ যেভাবে বিভিন্ন জাতিকে একত্রিত করেছিলেন, তেমনি ব্লুটুথ প্রযুক্তিও বিভিন্ন ডিভাইসকে आपसে সংযুক্ত করে। তার মৃত দাঁতের রঙের কারণে তাকে নীল দাঁত বা ব্লুটুথ বলা হতো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ব্লুটুথ প্রযুক্তি ইন্টেল, এরিকসন ও আইবিএম কোম্পানির মিলিত উদ্যোগে ১৯৯৪ সালে বাজারে আসে। এটি সাধারণত ১০ মিটার বা ৩০ ফুটের মধ্যে কার্যকর থাকে।
a মরফোলজি
b টেকনোলজি
c নিউরোলজি
d টপোলজি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) টপোলজি ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিভিন্ন নোড বা কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সঙ্গে যেভাবে যুক্ত থাকে, সেই শারীরিক বা জ্যামিতিক বিন্যাসকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়। এটি নির্ধারণ করে দেয় কীভাবে ডেটা নেটওয়ার্কের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে প্রবাহিত হবে এবং ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ কেমন হবে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: নেটওয়ার্কের বিভিন্ন কম্পিউটার, প্রিন্টার বা অন্যান্য ডিভাইসগুলোর শারীরিক বা জ্যামিতিক সংযোগ বিন্যাসকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে। কার্যপদ্ধতি: এটি কেবল বা তারের মাধ্যম ব্যবহার করে নোডগুলোর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে। বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে তারের বিন্যাস, সম্প্রসারণের সুযোগ এবং একটি ডিভাইস নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্কে তার প্রভাব। ব্যবহার: অফিস, ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ইন্টারনেট ডেটা আদান-প্রদানে বিভিন্ন টপোলজি যেমন স্টার, বাস, রিং ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। পার্থক্য: এটি নেটওয়ার্কের লজিক্যাল বা ফিজিক্যাল লেআউট বোঝায়, যা সাধারণ ডেটা প্রোটোকল বা হার্ডওয়্যার থেকে ভিন্ন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্টার টপোলজি। ব্যাখ্যা: এই ব্যবস্থায় একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচের সঙ্গে সব কম্পিউটার যুক্ত থাকে, যার ফলে একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও অন্যগুলো সচল থাকে। উদাহরণ ২: বাস টপোলজি। ব্যাখ্যা: এখানে একটি মূল ক্যাবল বা ব্যাকবোনের সঙ্গে সব কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে, যা ছোট আকারের নেটওয়ার্কের জন্য উপযোগী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মরফোলজি — এটি মূলত জীববিজ্ঞান বা ভাষার রূপবিজ্ঞান সংক্রান্ত শব্দ, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সংযোগ বিন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) টেকনোলজি — এটি একটি ব্যাপক শব্দ যা সামগ্রিক প্রযুক্তি বা বিজ্ঞানসম্মত প্রয়োগ বোঝায়, সুনির্দিষ্ট কোনো জ্যামিতিক সংযোগ বিন্যাস নয়। C) নিউরোলজি — এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি শাখা যা স্নায়ুতন্ত্র ও এর রোগসমূহ নিয়ে আলোচনা করে, কম্পিউটারের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: নেটওয়ার্কের জ্যামিতিক সংযোগ মানেই টপোলজি। মনে রাখতে পারেন, টপ শব্দের অর্থ ওপর বা বিন্যাস, যা ডিভাইসগুলোর বিন্যাস নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে স্টার টপোলজি বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এবং ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাস ও রিং টপোলজির সুবিধা-অসুবিধা প্রায়ই আসে।
a আইপি অ্যাড্রেস
b ম্যাক অ্যাড্রেস
c ইউরালএল
d নেটওয়ার্ক ড্রাইভার
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ম্যাক অ্যাড্রেস ১. কেন সঠিক: নেটওয়ার্ক কার্ডের ইউনিক বা অনন্য ক্রমিক নম্বরকে ম্যাক অ্যাড্রেস বলা হয়। এটি প্রতিটি নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ডের জন্য কারখানায় স্থায়ীভাবে নির্ধারিত থাকে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ম্যাক অ্যাড্রেস হলো মিডিয়া এক্সেস কন্ট্রোল অ্যাড্রেস, যা একটি ভৌত বা ফিজিক্যাল ঠিকানা। কার্যপদ্ধতি: এটি সাধারণত ৪৮ বিটের হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা, যা দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে ডিভাইসের নির্মাতা ও পরিচিতি নির্দেশ করে। ব্যবহার: লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে ডেটা প্যাকেট সঠিক ডিভাইসে পৌঁছে দিতে এটি কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ল্যাপটপের ওয়াইফাই কার্ড। ব্যাখ্যা: প্রতিটি ল্যাপটপের ওয়াইফাই কার্ডের একটি নির্দিষ্ট ম্যাক অ্যাড্রেস থাকে, যা রাউটার চিনতে পারে। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের ব্লুটুথ ও নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস। ব্যাখ্যা: ব্লুটুথ বা ল্যান সংযোগের সময় ডিভাইসটি তার নিজস্ব ম্যাক অ্যাড্রেসের মাধ্যমে পরিচিতি নিশ্চিত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইপি অ্যাড্রেস — এটি নেটওয়ার্কে ডিভাইসের লজিক্যাল ঠিকানা, যা পরিবর্তনশীল এবং নেটওয়ার্ক ভেদে পরিবর্তিত হয়। B) ম্যাক অ্যাড্রেস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নেটওয়ার্ক কার্ডের ইউনিক ক্রমিক নম্বর। C) ইউরালএল — এটি ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইটের ঠিকানা বোঝায়, কোনো হার্ডওয়্যার কার্ডের নম্বর নয়। D) নেটওয়ার্ক ড্রাইভার — এটি এমন একটি সফটওয়্যার যা অপারেটিং সিস্টেম ও হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে। ৫. মনে রাখার টিপস: ম্যাক অ্যাড্রেস হলো হার্ডওয়্যারের জন্মগত ফিজিক্যাল ঠিকানা। আইপি অ্যাড্রেস হলো নেটওয়ার্কের পরিবর্তনশীল লজিক্যাল ঠিকানা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ম্যাক অ্যাড্রেস ৪৮ বিটের হয়ে থাকে। এটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
a Graphical User Instrument
b Graphical Unified Interface
c Graphical User Interface
d Graphical Unified Instrument
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Graphical User Interface ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটারে ব্যবহারকারী এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হলো ইউজার ইন্টারফেস। - GUI-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী কীবোর্ডে জটিল কমান্ড না লিখে মাউস দিয়ে স্ক্রিনের বিভিন্ন চিত্র বা আইকনে ক্লিক করে সহজেই কাজ করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: Graphical User Interface হলো এমন একটি ইন্টারফেস যেখানে টেক্সটের পরিবর্তে গ্রাফিক্স, আইকন, মেনু এবং উইন্ডো ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: এটি মাউসের ক্লিক বা টাচ স্ক্রিনের ছোঁয়াকে নির্দেশ হিসেবে গ্রহণ করে এবং অপারেটিং সিস্টেমের মাধ্যমে তা প্রসেস করে দৃশ্যমান ফলাফল প্রদর্শন করে। - ব্যবহার: আধুনিক অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোজ, অ্যান্ড্রয়েড এবং লিনাক্সের ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্টে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যাখ্যা: উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী কোনো ফাইল ওপেন করতে ফোল্ডারের আইকনে মাউস ডাবল ক্লিক করেন, যা সিইউআই বা কমান্ড লাইন ইন্টারফেসের চেয়ে অনেক সহজ। উদাহরণ ২: স্মার্টফোনের টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে ব্যাখ্যা: স্মার্টফোনে অ্যাপের আইকনে আঙুল দিয়ে স্পর্শ করে অ্যাপ চালু করা জিইউআই প্রযুক্তির একটি চমৎকার বাস্তব প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Graphical User Instrument — 'Instrument' শব্দটির অর্থ যন্ত্র, যা এই প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পুরোপুরি অপ্রাসঙ্গিক এবং ভুল। B) Graphical Unified Interface — 'Unified' শব্দটি এখানে প্রযুক্তির নামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি একটি ভুল শব্দগুচ্ছ। C) Graphical User Interface — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রযুক্তির মানসম্মত পূর্ণরূপ। D) Graphical Unified Instrument — 'Unified' এবং 'Instrument' দুটি শব্দই এই ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল এবং অসঙ্গতিপূর্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - জিইউআই মানে চোখের দেখা গ্রাফিক্সের মাধ্যমে ইন্টারফেস বা যোগাযোগ। - মনে রাখতে হবে মাঝের শব্দটি User এবং শেষের শব্দটি Interface। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটারের প্রাথমিক যুগে শুধু টেক্সটভিত্তিক সিইউআই বা কমান্ড লাইন ইন্টারফেস ব্যবহার করা হতো। - অ্যাপল ম্যাকিন্টশ কম্পিউটার বাণিজ্যিকভাবে প্রথম সফল জিইউআইভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম জনপ্রিয় করে তোলে।
a 1000000
b 1024
c 1000
d 10000
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1000000 ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার মেমোরি ও ডেটা পরিমাপের ক্ষেত্রে সাধারণত বাইনারি সিস্টেমের কারণে এককগুলো ১০২৪ গুণ বা দুইয়ের পাওয়ার হিসেবে বৃদ্ধি পায়। তবে পেটাবাইট এবং গিগাবাইটের মধ্যকার আন্তর্জাতিক মান বা দশমিক পদ্ধতিতে ১ পেটাবাইট সমান ১০ লক্ষ গিগাবাইট ধরা হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ডেটা পরিমাপের জন্য বিট ও বাইট হলো মূল একক যেখানে ১০০০ গিগাবাইটে ১ পেটাবাইট হয়। কার্যপদ্ধতি: ১০২৪ গিগাবাইটে ১ টেরাবাইট এবং পরবর্তী ধাপে ১০২৪ টেরাবাইটে ১ পেটাবাইট গঠিত হয়। ব্যবহার: বর্তমানে বিশাল ডেটাসেট বা বিগ ডাটা সংরক্ষণের জন্য পেটাবাইট একক ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্লাউড স্টোরেজ ব্যাখ্যা: গুগল ড্রাইভ বা ওয়ানড্রাইভের মতো বড় সার্ভারগুলোতে পেটাবাইট পরিমাণে ব্যবহারকারীর ডেটা সংরক্ষণ করা হয়। উদাহরণ ২: বৈজ্ঞানিক গবেষণা ব্যাখ্যা: মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা তাদের মহাকাশের বিশাল ছবি ও ভিডিও প্রক্রিয়াজাত করতে পেটাবাইট ক্ষমতার মেমোরি ব্যবহার করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1000000 — এটি দশমিক পদ্ধতিতে ১ পেটাবাইটে গিগাবাইটের সঠিক পরিমাণ নির্দেশ করে। B) 1024 — এটি ১ টেরাবাইটে গিগাবাইটের পরিমাণ, পেটাবাইটের নয়। C) 1000 — এটি ১ কিলোবাইটে বাইটের কাছাকাছি মান অথবা ১ মেগাবাইটে কিলোবাইটের মান। D) 10000 — এটি ডেটা পরিমাপের কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রচলিত একক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: তথ্য সংরক্ষণের ক্রম মনে রাখো: বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট, পেটাবাইট। গিগাবাইট থেকে দুই ধাপ ওপরে পেটাবাইট অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার মেমোরির ছোট থেকে বড় এককগুলোর ক্রম এবং তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক ভালো করে মুখস্থ রাখবে। বিট থেকে শুরু করে ইয়োটা বাইট পর্যন্ত ক্রম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a কিবোর্ড
b র‌্যাম
c কন্ট্রোল ইউনিট
d মাউস
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কন্ট্রোল ইউনিট ১. কেন সঠিক: কন্ট্রোল ইউনিট বা সিইউ কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা সিপিইউ-এর একটি অপরিহার্য অংশ। এটি মেমরি থেকে ডেটা বা নির্দেশ সংগ্রহ করে এবং তা অলিখিত ও গাণিতিক একক বা এএলইউ-এর কাছে পৌঁছে দেয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: কন্ট্রোল ইউনিট হলো প্রসেসরের সেই অংশ যা কম্পিউটারের সমস্ত নির্দেশিকা এবং ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। কার্যপদ্ধতি: এটি ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য গ্রহণ করে মেমরিতে পাঠায় এবং মেমরি ও এএলইউ-এর মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি কারখানার সুপারভাইজর যেমন শ্রমিক ও গুদামের মধ্যে কাজের সমন্বয় করে। ব্যাখ্যা: কন্ট্রোল ইউনিট ঠিক একইভাবে মেমরি ও এএলইউ-এর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান তদারকি করে। উদাহরণ ২: ট্রাফিক পুলিশ যেমন রাস্তার মোড়ে বিভিন্ন দিক থেকে আসা যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। ব্যাখ্যা: কন্ট্রোল ইউনিটও তেমনি কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অংশের মধ্যে সংকেত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিবোর্ড — এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যা ডেটা বা নির্দেশ কম্পিউটারে প্রবেশ করাতে ব্যবহৃত হয়। B) র‌্যাম — এটি প্রধান মেমরি বা ভোলাটাইল মেমরি হিসেবে ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে কিন্তু নিয়ন্ত্রণ করে না। D) মাউস — এটি একটি পয়েন্টিং ইনপুট ডিভাইস যা স্ক্রিনে কার্সার সরাতে এবং কমান্ড দিতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সিইউ মানে কন্ট্রোল ইউনিট যা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ বা ম্যানেজ করে। মেমরি আর এএলইউ-এর সংযোগ রক্ষাকারী হিসেবে সিইউ বা বস কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সিপিইউ-এর প্রধান তিনটি অংশ হলো কন্ট্রোল ইউনিট, অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট এবং রেজিস্টার। নিয়ন্ত্রণকারী অংশ হিসেবে কন্ট্রোল ইউনিটকে কম্পিউটারের স্নায়ুতন্ত্র বলা হয়।
a Optical Message Reader
b Optical Mark Render
c Optical Mark Reader
d Optical Mark Render
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Optical Mark Reader ১. কেন সঠিক: - OMR এর পূর্ণরূপ হলো Optical Mark Reader, যা একটি বিশেষ ধরনের ইনপুট ডিভাইস। - এটি কাগজের বিশেষ ঘরে প্রদত্ত কালির দাগ বা পেন্সিলের উপস্থিতি অপটিক্যাল পদ্ধতিতে শনাক্ত করতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: OMR হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা কাগজের নির্দিষ্ট স্থানে করা পেন্সিল বা কালির দাগ আলোর প্রতিফলনের মাধ্যমে পড়ে কম্পিউটারে ডেটা ইনপুট করে। - কার্যপদ্ধতি: ডিভাইসের রিডিং হেড থেকে আলো ফেলা হয় এবং দাগের ওপর আলোর শোষণ পরিবর্তন মাপা হয়। - ব্যবহার: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট মূল্যায়নে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকরির পরীক্ষার বহুনির্বাচনি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন। ব্যাখ্যা: লক্ষাধিক পরীক্ষার্থীর খাতা দ্রুত ও নির্ভুলভাবে দেখার জন্য ওএমআর মেশিন ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: লটারি বা অপিনিয়ন পোল ফর্ম প্রসেসিং। ব্যাখ্যা: মানুষে পূরণ করা নির্দিষ্ট ছক বা বক্সের তথ্য কম সময়ে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করতে এটি কার্যকর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Optical Message Reader — এই নামের কোনো স্ট্যান্ডার্ড ইনপুট ডিভাইস কম্পিউটারে নেই। B) Optical Mark Render — রেন্ডার শব্দটি গ্রাফিক্স বা ভিডিও প্রসেসিংয়ের সাথে যুক্ত, ওএমআর-এর সাথে নয়। C) Optical Mark Reader — এটি সঠিক কারণ এটি সঠিক প্রযুক্তিগত নাম নির্দেশ করে। D) Optical Mark Render — এটি একটি ভুল অপশন এবং বানান বা শব্দের ব্যবহারে অসঙ্গতি রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - OMR মানে মনে রাখবেন অপটিক্যাল দিয়ে আলো, মার্ক দিয়ে দাগ এবং রিডার দিয়ে পড়া। - পরীক্ষার উত্তরপত্রে পেন্সিল বা কালির গোল দাগ ভরাট করার সাথে এই যন্ত্রটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওএমআর শিট মূল্যায়নে কালির সঠিক ঘনত্ব ও নির্দিষ্ট ঘর ভরাট করা আবশ্যক। - ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ওএমআর অত্যন্ত দ্রুত গতিতে কাজ করলেও শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ফরমেটের কাগজ পড়তে পারে।
a লিনাক্স
b মজিলা
c উবুন্টু
d উইন্ডোজ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মজিলা ১. কেন সঠিক: অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন এক ধরনের সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। মজিলা কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি একটি সফটওয়্যার তৈরির প্রতিষ্ঠান যা মূলত ইন্টারনেট ব্রাউজার তৈিরর জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যার যা প্রসেসর, মেমোরি ও ইনপুট আউটপুট ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে। কার্যপদ্ধতি: এটি কম্পিউটারের রিসোর্স ম্যানেজ করে এবং ব্যবহারকারীকে কম্পিউটার ব্যবহারের ইন্টারফেস প্রদান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ব্যাখ্যা: এটি একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম যা পার্সোনাল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: লিনাক্স ব্যাখ্যা: এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা সার্ভার ও কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিনাক্স — এটি একটি জনপ্রিয় এবং উন্মুক্ত উৎসের অপারেটিং সিস্টেম। B) মজিলা — এটি কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়, বরং এটি মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। C) উবুন্টু — এটি লিনাক্স কার্নেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। D) উইন্ডোজ — এটি মাইক্রোসফটের তৈরি বিশ্বের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম। ৫. মনে রাখার টিপস: মজিলা নামটি শুনলেই মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারের কথা মাথায় আনতে হবে। ব্রাউজার বা ইন্টারনেট ব্যবহারের সফটওয়্যার কখনোই অপারেটিং সিস্টেম হতে পারে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অপারেটিং সিস্টেমের কাজ হলো মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, প্রসেসর ম্যানেজমেন্ট এবং ফাইল ম্যানেজমেন্ট করা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়।
a মাউস
b প্লটার
c মডেম
d কিবোর্ড
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মডেম ১. কেন সঠিক: মডেম হলো এমন একটি ডিভাইস যা একই সাথে ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। এটি কম্পিউটার থেকে প্রাপ্ত ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করে প্রেরণ করে এবং রিসিভ করার সময় অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মডেম শব্দটির উৎপত্তি মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর শব্দের সমন্বয়ে। কার্যপদ্ধতি: মডুলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে আউটপুট দেয় এবং ডিমডুলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যানালগ সিগন্যাল গ্রহণ করে ইনপুট হিসেবে কম্পিউটারে পাঠায়। ব্যবহার: ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের জন্য টেলিফোন লাইন বা কেবল লাইনের সাথে কম্পিউটার যুক্ত করতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাখ্যা: রাউটার বা মডেমের মাধ্যমে আমরা ইন্টারনেট থেকে ডেটা ডাউনলোড করি এবং ইন্টারনেটে ডেটা আপলোড করি। উদাহরণ ২: টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান ব্যাখ্যা: কম্পিউটার থেকে পাঠানো ফাইল টেলিফোন লাইনে পাঠানোর উপযোগী করে তোলা এবং লাইন থেকে আসা সিগন্যাল কম্পিউটারের বোধগম্য করা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাউস — এটি শুধুমাত্র ইনপুট ডিভাইস কারণ এর মাধ্যমে কম্পিউটারকে নির্দেশ দেওয়া হয় কিন্তু কোনো আউটপুট পাওয়া যায় না। B) প্লটার — এটি শুধুমাত্র আউটপুট ডিভাইস যা দিয়ে বড় আকারের গ্রাফিক্স, মানচিত্র বা চার্ট প্রিন트 করা হয়। D) কিবোর্ড — এটি শুধুমাত্র ইনপুট ডিভাইস কারণ এর মাধ্যমে কম্পিউটারে ডেটা বা টেক্সট টাইপ করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মডেম শব্দটির পূর্ণরূপ হলো মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর। এটি একই সাথে ডেটা গ্রহণ (ইনপুট) এবং প্রেরণ (আউটপুট) করে বলে একে উভয়মুখী ডিভাইস বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে মডেমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় প্রায়শই জিজ্ঞাসা করা হয় কোনটি দ্বিমুখী বা ইনপুট-আউটপুট উভয় ডিভাইস, যার উত্তর সাধারণত মডেম বা টাচস্ক্রিন হয়।
a স্টার্ট আপ ডিস্ক
b কম্প্যাক্ট ডিস্ক
c হাইডেনসিটি ডিস্ক
d ম্যাগনেটিক ডিস্ক
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্টার্ট আপ ডিস্ক ১. কেন সঠিক: - যে ডিস্ক বা ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেমের বুট ফাইল ও সিস্টেম সফটওয়্যার সংরক্ষিত থাকে, তাকে স্টার্ট আপ ডিস্ক বলা হয়। - কম্পিউটার চালু বা বুটিং প্রক্রিয়ার সময় মাদারবোর্ডের বায়োস বা ইউইএফআই এই ডিস্ক থেকেই প্রয়োজনীয় সিস্টেম ফাইল মেমরিতে লোড করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: স্টার্ট আপ ডিস্ক হলো এমন একটি স্টোরেজ মিডিয়া যার মাধ্যমে কম্পিউটার সিস্টেম প্রথম চালু হয়। - কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার অন করার পর পাওয়ার অন সেলফ টেস্ট সম্পন্ন করে এই ডিস্ক থেকে বুট লোডার খুঁজে বের করে এবং অপারেটিং সিস্টেম চালু করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ বা সলিড স্টেট ড্রাইভ। ব্যাখ্যা: আধুনিক কম্পিউটারে সাধারণত প্রধান হার্ড ড্রাইভটিই স্টার্ট আপ ডিস্ক হিসেবে কাজ করে যেখানে উইন্ডোজ বা লিনাক্স ইনস্টল থাকে। উদাহরণ ২: বুটএবল পেনড্রাইভ। ব্যাখ্যা: মূল অপারেটিং সিস্টেম নষ্ট হয়ে গেলে বা নতুন ইনস্টল করার সময় পেনড্রাইভকে স্টার্ট আপ ডিস্ক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টার্ট আপ ডিস্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সিস্টেম সফটওয়্যার থাকে। B) কম্প্যাক্ট ডিস্ক — এটি একটি অপটিক্যাল ডিস্ক যা সাধারণত গান, সিনেমা বা সাধারণ ডেটা সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়, সিস্টেম সফটওয়্যারের প্রধান স্টার্ট আপ ডিস্ক নয়। C) হাইডেনসিটি ডিস্ক — এটি উচ্চ ঘনত্বের ফ্লোপি ডিস্ক বা স্টোরেজ বোঝায়, যা সিস্টেম সফটওয়্যার ধারণের জন্য স্ট্যান্ডার্ড নয়। D) ম্যাগনেটিক ডিস্ক — এটি সাধারণ চৌম্বকীয় ডিস্কের একটি ব্যাপক ক্যাটাগরি, যা শুধু সিস্টেম সফটওয়্যারের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো স্টার্ট আপ ডিস্ক বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্টার্ট আপ অর্থ শুরু করা। - যে ডিস্ক দিয়ে কম্পিউটার সিস্টেম শুরু বা বুট হয়, তাকেই স্টার্ট আপ ডিস্ক বলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার বুটিং প্রক্রিয়ার জন্য স্টার্ট আপ ডিস্ক অপরিহার্য। - এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
a এক্সপানশন বোর্ডে
b এক্সটার্নাল ড্রাইভে
c মাদার বোর্ডে
d সবগুলো
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাদার বোর্ডে ১. কেন সঠিক: RAM বা Random Access Memory হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি যা মাদারবোর্ডের নির্দিষ্ট মেমোরি স্লটে সরাসরি সংযুক্ত থাকে। এটি প্রসেসরের সঙ্গে দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে মাদারবোর্ডের সিস্টেম বাসের মাধ্যমে সরাসরি যুক্ত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: RAM এর পূর্ণরূপ Random Access Memory। এটি কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী ও দ্রুতগতির প্রাইমারি মেমোরি। কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় চলমান সফটওয়্যার ও ডেটা সাময়িকভাবে ধরে রাখে এবং বিদ্যুৎ বন্ধ হলে এর সব ডেটা মুছে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লেখার প্যাড ব্যাখ্যা: লেখার প্যাডে যতক্ষণ কলম দিয়ে লেখা যায় ততক্ষণ তথ্য থাকে, পাতা ছিঁড়ে ফেললে বা মুছে গেলে শেষ হয়ে যায়। উদাহরণ ২: রান্নাঘরের কাজের টেবিল ব্যাখ্যা: রান্নার সময় যে উপকরণগুলো হাতের কাছে রাখা হয়, রান্নার পর তা সরিয়ে ফেলা হয় ঠিক তেমনি RAM কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক্সপানশন বোর্ডে — এক্সপানশন বোর্ড হলো অতিরিক্ত কার্ড যেমন গ্রাফিক্স কার্ড বা সাউন্ড কার্ড লাগানোর স্থান, RAM এখানে সরাসরি লাগানো হয় না। B) এক্সটার্নাল ড্রাইভে — এক্সটার্নাল ড্রাইভ যেমন হার্ডডিস্ক বা পেনড্রাইভ কম্পিউটারের বাইরে বা ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে যুক্ত হয়, এটি অভ্যন্তরীণ মেমোরি নয়। D) সবগুলো — যেহেতু শুধুমাত্র মাদারবোর্ডে RAM লাগানো থাকে, তাই অন্য অপশনগুলো সঠিক হওয়ার কারণে এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: RAM হলো কম্পিউটারের কর্মক্ষেত্র, যা সরাসরি মাদারবোর্ডের ওপর নির্দিষ্ট স্লটে বসে। মাদারবোর্ড হলো সব যন্ত্রাংশের মূল ভিত্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: RAM হলো ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি। কম্পিউটারের গতি অনেকাংশে RAM এর সাইজের ওপর নির্ভর করে।
a .pdf
b .doc
c .docx
d .txt
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) .docx ১. কেন সঠিক: - Microsoft Word ২০০৭ এবং পরবর্তী সংস্করণগুলোতে ডকুমেন্টের জন্য ডিফল্ট ফাইল এক্সটেনশন হিসেবে ডট ডকএক্স ব্যবহার করা হয়। - এটি ওপেন এক্সএমএল ফরম্যাটের উপর ভিত্তি করে তৈরি, যা ফাইলের সাইজ ছোট রাখে এবং সহজে ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: ফাইল এক্সটেনশন হলো ফাইলের নামের শেষে থাকা একটি অংশ যা নির্দেশ করে ফাইলটি কোন সফটওয়্যারে ওপেন করতে হবে। - কার্যপদ্ধতি: ডট ডকএক্স ফরম্যাটটি মূলত টেক্সট, ছবি এবং অন্যান্য অবজেক্টগুলোকে একটি জিপ ফোল্ডারের মতো কম্প্রেস করে সংরক্ষণ করে। - বৈশিষ্ট্য: এটি আগের সংস্করণের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ, কম জায়গা নেয় এবং ইন্টারনেটে দ্রুত আদান-প্রদান করা যায়। - ব্যবহার: দাপ্তরিক কাজ, চিঠি লেখা, রেজ্যুমে তৈরি এবং শিক্ষা কার্যক্রমে এই ফাইল ফরম্যাট ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা বা ইংরেজি ভাষায় কোনো আবেদনপত্র লিখে সেটি কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা। ব্যাখ্যা: সেভ করার সময় কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফাইলের নামের শেষে ডট ডকএক্স যুক্ত করে নেয়। উদাহরণ ২: ইন্টারনেটের মাধ্যমে অফিসিয়াল কোনো কাজের রিপোর্ট ফাইল ইমেইলে পাঠানো। ব্যাখ্যা: ফাইলটির এক্সটেনশন ডট ডকএক্স থাকার কারণে প্রাপক খুব সহজেই মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মাধ্যমে তা পড়তে ও এডিট করতে পারেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) .pdf — এটি পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট, যা রিড-অনলি ফাইলের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং সহজে এডিট করা যায় না। B) .doc — এটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ১৯৯৭ থেকে ২০০৩ সংস্করণের ডিফল্ট ফাইল এক্সটেনশন, যা বর্তমান সংস্করণের জন্য পুরোনো। D) .txt — এটি সাধারণ প্লেইন টেক্সট ফাইল, যেখানে কোনো ধরনের ফরম্যাটিং বা ছবি যুক্ত করা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ২০০৩ পর্যন্ত ছিল ডট ডক এবং ২০০৭ থেকে যুক্ত হয়েছে এক্স, তাই নতুন সংস্করণের নাম ডট ডকএক্স। - এক্স শব্দটি এসেছে ওপেন এক্সএমএল ফরম্যাট থেকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মাইক্রোসফট অফিস ২০০৭ বা তার পরের সংস্করণের ডিফল্ট ফাইল এক্সটেনশনগুলোর পেছনে এক্স যুক্ত থাকে। - যেমন এক্সেলের জন্য ডট এক্সএলএসএক্স এবং পাওয়ারপয়েন্টের জন্য ডট পিপিটিএক্স।
a মেগাবাইট
b বাইট
c কিলোবাইট
d বিট
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিট ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ডেটা সংরੋক্ষণ ও যোগাযোগের সবচেয়ে ছোট একক হলো বিট। বিট শব্দটি বাইনারি ডিজিট পদের সংক্ষিপ্ত রূপ। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: বিট হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির সবচেয়ে মৌলিক একক, যা শূন্য অথবা এক মান ধারণ করে। কার্যপদ্ধতি: কম্পিউটারের ভেতরে সব তথ্য বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে ০ এবং ১ আকারে প্রসেস ও সংরক্ষিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৈদ্যুতিক সুইচ ব্যাখ্যা: একটি সুইচের দুটি অবস্থা থাকে, অন বা অফ, যা বিটের মান ১ বা ০ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: কম্পিউটার প্রসেসর ব্যাখ্যা: প্রসেসরের কাজের ক্ষমতা পরিমাপের সময় ৩২ বিট বা ৬৪ বিট শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেগাবাইট — এটি ডেটা পরিমাপের একটি বড় একক, যা প্রায় দশ লক্ষ বাইটের সমান এবং মৌলিক একক নয়। B) বাইট — আটটি বিটের সমন্বয়ে এক বাইট গঠিত হয়, তাই এটি মৌলিক একক নয় বরং বিটের সমষ্টি। C) কিলোবাইট — এক হাজার চব্বিশ বাইট নিয়ে কিলোবাইট গঠিত হয়, যা অনেকগুলো বিটের মিলিত রূপ। D) বিট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাইনারি পদ্ধতির ক্ষুদ্রতম ও মৌলিক একক। ৫. মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে ছোট একক হলো বিট এবং আট বিটে এক বাইট গঠিত হয়। বিট শব্দটি বাইনারি ডিজিটের সংক্ষিপ্ত রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার মেমোরির ক্ষুদ্রতম একক বিট এবং ডেটা স্থানান্তরের হার পরিমাপ করা হয় বিট পার সেকেন্ড বা বিপিএস এককে।
a TCP
b FTP
c POP
d SMTP
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) POP ১. কেন সঠিক: POP (Post Office Protocol) একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল যা ইমেইল ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার যেমন মাইক্রোসফট আউটলুক বা থান্ডারবার্ড ব্যবহার করে রিমোট সার্ভার থেকে ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে ইমেইল ডাউনলোড করে। এটি সাধারণত ব্যবহারকারীকে সার্ভার থেকে মেইল লোকাল ডিভাইসে নামিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেয় যাতে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াও পরে তা পড়া যায়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: POP হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার প্রোটোকল যার পূর্ণরূপ পোস্ট অফিস প্রোটোকল এবং বর্তমান সংস্করণ POP৩। কার্যপদ্ধতি: এই প্রোটোকল মেইল সার্ভার থেকে ইমেইলগুলো ব্যবহারকারীর ডিভাইসে ডাউনলোড করে এবং সাধারণত সার্ভার থেকে সেই মেইলগুলো মুছে ফেলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট আউটলুক সফটওয়্যার ব্যবহার করে জিমেইল অ্যাকাউন্ট থেকে সব ইনবক্স মেইল কম্পিউটারের লোকাল ড্রাইভে নামিয়ে নেওয়া। ব্যাখ্যা: এখানে POP প্রোটোকল মেইল সার্ভার থেকে মেসেজগুলো সরাসরি লোকাল কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে। উদাহরণ ২: ল্যাপটপে ইন্টারনেট না থাকা সত্ত্বেও পূর্বে ডাউনলোড করা ইমেইলগুলো পড়া। ব্যাখ্যা: POP প্রোটোকল ব্যবহার করে মেইলগুলো ডিভাইসে সেভ করা ছিল বলেই অফলাইনে তা পড়া সম্ভব হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) TCP — এটি ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল যা ডেটা প্যাকেটগুলোর নির্ভরযোগ্য ও ত্রুটিমুক্ত ডেলিভারি নিশ্চিত করে, সরাসরি ইমেইল ডাউনলোড করে না। B) FTP — এটি ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল যা নেটওয়ার্কে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়, ইমেইল ক্লায়েন্টের জন্য নয়। D) SMTP — এটি সিম্পল মেল ট্রান্সফার প্রোটোকল যা শুধুমাত্র ইমেইল সেন্ড বা এক সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত হয়, ডাউনলোড করতে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: POP মানে পোস্ট অফিস, যা চিঠি বা ইমেইল বাসা বা কম্পিউটারে নিয়ে আসে। পাঠানোর জন্য SMTP এবং নামানোর জন্য POP ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ইমেইল পড়ার জন্য প্রধানত দুটি প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়, যথা POP৩ এবং IMAP। POP৩ মেইল ডাউনলোড করে ডিভাইস লোকাল করে, আর IMAP সার্ভারেই মেইল সিঙ্ক করে রাখে।