সঠিক উত্তর: C) সভ্যতা
১. কেন সঠিক:
- শিষ্টাচার শব্দের মূল অর্থ হলো ভালো আচরণ, ভদ্রতা, বিনয় এবং মার্জিত সামাজিক শিষ্টাচার।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সভ্যতা শব্দটি মানুষের উন্নত আচরণ, মার্জিত জীবনযাত্রা এবং ভদ্রতাকে নির্দেশ করে যা শিষ্টাচারের সবচেয়ে কাছাকাছি ভাব প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় একই রকম এবং এরা বাক্যে পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ প্রয়োগের মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ভাবের যথাযথ প্রকাশ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভদ্রতা
ব্যাখ্যা: ভদ্রতা মানুষের ভালো গুণ প্রকাশ করে যা শিষ্টাচারের সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: শিষ্টাচার
ব্যাখ্যা: সদাচরণ বা ভালো ব্যবহার বোঝাতে এই শব্দটি বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংযম — এটি মূলত নিজের প্রবৃত্তি বা ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা বোঝায় যা শিষ্টাচারের সমার্থক নয়।
B) সদাচার — এটি ভালো আচরণ বা সৎ আচার বোঝায় কিন্তু সভ্যতা শব্দটি সামগ্রিক শিষ্টাচারের বহুল প্রচলিত সমার্থক।
C) সভ্যতা — এটি মানুষের উন্নত জীবনযাত্রা, মার্জিত আচরণ ও ভদ্রতার প্রতীক হিসেবে শিষ্টাচারের সমার্থক।
D) সততা — এটি মানুষের সাধুতা ও ন্যায়ের পথ অনুসরণের গুণ বোঝায় যা শিষ্টাচারের সরাসরি সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শিষ্টাচার অর্থ ভালো আচরণ, তাই এর সমার্থক খুঁজতে গিয়ে সামাজিক ভদ্রতা ও মার্জিত জীবনকে নির্দেশকারী শব্দ বেছে নিতে হবে।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় শব্দের মূল ভাব বা অন্তর্নিহিত অর্থ অনুধাবন করা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় প্রতিটি অপশনের সূক্ষ্মার্থ তুলনা করা আবশ্যক।
- একই অর্থের একাধিক শব্দ থাকলেও প্রচলিত ও সবচেয়ে মানানসই শব্দটি বেছে নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) জীবনানন্দ দাশ
কেন সঠিক:
- জীবনানন্দ দাশ তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি ও রূপ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছেন।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম রূপসী বাংলা, যা এই উপাধির মূল উৎস।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য কবিদের বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- জীবনানন্দ দাশ বাংলা প্রকৃতিকে আধুনিক কবিতার মাধ্যমে বিশ্বমানের রূপ দিয়েছেন।
- রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থে ধানক্ষেত, নদী, পাখি ও প্রকৃতির নানান রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) জসীমউদ্দীন — ইনি নকশী কাঁথার মাঠ লিখে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।
- B) জীবনানন্দ দাশ — ইনি নিজেই সঠিক উত্তর।
- C) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং নাগরিক জীবনের রূপকার।
- D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
- রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের নাম মনে রাখলেই কবির নাম সহজে মনে রাখা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) রঙ্গলাল
১. কেন সঠিক:
- 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়, কে বাঁচিতে চায় হে, দীর্ঘ জীবন লইয়া' বিখ্যাত এই পংক্তিটি মহাকাব্য রচিয়তা ও কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'পদ্মাবতী' কাব্যের সূচনায় বা 'পদ্মাবতী' নাটকের উপক্রমণিকায় ব্যবহৃত হয়েছে যা পরে তাঁর 'পদ্মাবতী' কাব্যের অংশ হিসেবে পরিচিত হয়।
- পংক্তিটির মূল ভাব হলো পরাধীনতার জীবন অত্যন্ত অবহেলার ও কষ্টের, পরাধীন মানুষ প্রকৃত অর্থে বেঁচে থাকে না এবং স্বাধীনতার চেয়ে বড় কোনো মূল্যবান সম্পদ নেই।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক আধুনিক কবিগণের অন্যতম এবং তিনি নবযুগের ভাবধারার প্রথম রূপকার হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'পদ্মাবতী' ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এই কাব্যের মাধ্যমেই তিনি পরাধীনতার বিরুদ্ধে দেশপ্রেমের বাণী প্রচার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হে ক্ষুধার্ত বাঙালি জাগো
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে দেশপ্রেম ও অধিকার আদায়ের আরেকটি শক্তিশালী আহ্বানমূলক পংক্তি।
উদাহরণ ২: মোদের গরব মোদের আশা আ মরি বাংলা ভাষা
ব্যাখ্যা: অতুল প্রসাদ সেনের এই পংক্তিটি মাতৃভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও দেশপ্রেম প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরগুপ্ত — ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মধ্যযুগের শেষ ও আধুনিক যুগের শুরুর দিকের কবি হলেও এই বিখ্যাত পংক্তিটির রচয়িতা তিনি নন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি হলেও এই প্রাচীন দেশপ্রেমের পংক্তিটি তাঁর রচিত নয়।
D) মধুসূদন দত্ত — মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'পদ্মাবতী' নামে একটি সফল নাটক রচনা করলেও এই পংক্তিটি তাঁর নাটকের বা কাব্যের নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্বাধীনতা হীনতার কথা মনে এলেই মনে রাখবে রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম, কারণ তিনিই প্রথম কাব্যে পরাধীনতার গ্লানির বিরুদ্ধে জোরালো কন্ঠস্বর তুলেছিলেন।
- কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের সাথে 'পদ্মাবতী' কাব্য এবং স্বাধীনতা হীনতার বাণী ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত উদ্ধৃতি ও তার রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে, তাই প্রাক-আধুনিক ও আধুনিক যুগের প্রথম সারির কবিদের বিখ্যাত পংক্তিগুলো ভালো করে পড়তে হবে।
- এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য কবির প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং সেগুলোর মূল থিম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) হতভাগা
১. কেন সঠিক:
- আটকপালে বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ অশুভ কপাল বা মন্দ ভাগ্য।
- বাংলা ভাষায় এটি মূলত এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যার ভাগ্য অত্যন্ত মন্দ বা যে সারাজীবন কেবল দুঃখ ও কষ্ট ভোগ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে অত্যন্ত সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ বোকামির শাস্তি। কোনো নির্বুদ্ধিতার কাজ করার পর যে মাশুল দিতে হয়, তাকে বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: উলুবনে মুক্ত ছড়ানো
ব্যাখ্যা: অপাত্রে মূল্যবান বস্তু দান করা বা অপাত্রে ভালো জিনিসের সদ্ব্যবহার না হওয়া বোঝাতে এই প্রবাদতুল্য বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারারুদ্ধ — এই শব্দটির আক্ষরিক অর্থ বন্দি বা কারাগারে আবদ্ধ থাকা, যা আটকপালে বাগধারার মন্দ ভাগ্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) হতভাগা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যার ভাগ্য অত্যন্ত খারাপ।
C) সৌভাগ্যবান — এই শব্দটির অর্থ যার ভাগ্য খুব ভালো, যা আটকপালে বাগধারার ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু বি অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কপাল শব্দটির সঙ্গে মন্দ বা খারাপ ভাগ্য যুক্ত থাকে। কপাল আটকানো মানেই যার ভাগ্য বন্ধ বা খারাপ, অর্থাৎ সে হতভাগা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংশ্লিষ্ট বাগধারা যেমন কপাল, মাথা, হাত বা চোখ সংক্রান্ত বাগধারার অর্থ প্রায়ই আসে। তাই এগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো অগ্নিবীণা।
- এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা ১৩২৯ সালের কার্তিক মাসে (২২ অক্টোবর ১৯২২) প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ও বিপ্লবী চেতনার প্রতীকী কাব্যগ্রন্থ এটি।
- এই গ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা রয়েছে যার সূচনা কবিতা হলো প্রলয়োল্লাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা
ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্যতম বিখ্যাত ও বহুল পঠিত কবিতা হলো বিদ্রোহী।
উদাহরণ ২: কামাল পাশা
ব্যাখ্যা: এটিও অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও সাড়া জাগানো কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিন্ধু হিল্লোল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয় বরং এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
B) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এটি প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ নয়।
C) বিষের বাঁশী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি প্রতিবাদী ও বাজেয়াপ্ত কাব্যগ্রন্থ এবং এটি অগ্নিবীণার পরে প্রকাশিত হয়।
D) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের প্রথম বাঁশি বা বীণা বাজানোর মাধ্যমে সাহিত্য জগতে আগমন ঘটেছিল মনে রাখতে পারো।
- প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হিসেবে অগ্নিবীণা নামটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতা বিদ্রোহী।
- বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল অবশ্যই মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) গল্প
১. কেন সঠিক:
- নয়নচারা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প।
- এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের একটি জনপ্রিয় গল্পগ্রন্থ এবং এর অন্তর্ভুক্ত ছোটগল্প।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সংশ্লিষ্ট লেখক বা সাহিত্যিকের পরিচয়: নয়নচারা গল্পের রচিয়তা হলেন বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান।
- রচনা বা সাহিত্যকর্মের প্রাসঙ্গিক পরিচিতি: নয়নচারা লেখকের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও সমাদৃত ছোটগল্প সংকলন এবং এর গল্পগুলো গ্রামীণ সমাজজীবনের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জয়নাল
ব্যাখ্যা: নয়নচারা গল্পের মূল চরিত্র হলো জয়নাল, যার মাধ্যমে মানুষের মনস্তত্ত্ব ও গ্রামীণ জীবন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: বড়ে মিয়া
ব্যাখ্যা: শওকত ওসমানের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রতীকি ছোটগল্প হলো বড়ে মিয়া।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — নয়নচারা কোনো উপন্যাস নয়, কারণ এটি দীর্ঘ কলেবরের কল্পকাহিনি বা উপন্যাসধর্মী রচনা নয়।
B) কাব্য — নয়নচারা কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, কারণ এটি সম্পূর্ণ গদ্যে রচিত ছোটগল্প।
C) গল্প — এটি সঠিক উত্তর কারণ নয়নচারা একটি সার্থক ছোটগল্প হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত।
D) নাটক — নয়নচারা কোনো নাটক নয়, কারণ এটি অভিনয়ের উপযোগী সংলাপনির্ভর দৃশ্যকাব্য বা নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শওকত ওসমানের ছোটগল্প মনে রাখার জন্য তার বিখ্যাত চরিত্র ও গ্রামীণ পটভূমির গল্পগুলো মাথায় রাখতে হবে।
- নয়নচারা নামটি মনে রাখলে সহজেই একে কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের ছোটগল্প হিসেবে চেনা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ ও তার লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- শওকত ওসমানের অন্যান্য বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যেমন ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসটি সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) জলাঙ্গী
১. কেন সঠিক:
- জলাঙ্গী একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গ্রামীণ জনপদের জীবন সংগ্রাম, আবহমান বাংলার নদী ও মানুষের মনস্তাত্ত্বিক পটভূমি এবং পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরতার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জলাঙ্গী উপন্যাসের রচয়িতা শওকত আলী।
- শওকত আলী বাংলা কথাসাহিত্যে একজন প্রথিতযশা ঔপন্যাসিক ও গল্পকার যিনি দেশভাগ ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রশীদ হায়দারের খাঁচায় বন্দী
ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যেখানে যুদ্ধকালীন ভয়াবহতা ও মানুষের মানসিক অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে।
উদাহরণ ২: শওকত আলীর অন্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস শহীদ জননী
ব্যাখ্যা: এটিও লেখক শওকত আলীর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অনন্য সাহিত্যকর্ম যা তৎকালীন সমাজ বাস্তবতাকে ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লালসালু — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত গ্রামীণ সমাজের গোঁড়ামি ও অন্ধবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
B) জলাঙ্গী — এটি শওকত আলী রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) সংশপ্তক — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামীণ পটভূমি এবং তেভাগা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
D) চিলে কোটার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত ঊনসত্তরের গণঅভুথান ও আইয়ুব খানের আমলের শেষ দিকের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি রাজনৈতিক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শওকত আলীর জলাঙ্গী উপন্যাসের নাম মনে রাখতে নদীর নাম জলাঙ্গী এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটের কথা একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
- কথাসাহিত্যিক শওকত আলীর বিখ্যাত সৃষ্টিগুলোর মধ্যে জলাঙ্গী বিশেষভাবে মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস এবং এর রচয়িতাদের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- শওকত আলীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস ও ছোটগল্পের নামগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করে পরীক্ষা হলে অংশ নেওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: C) রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে মুসলমান কবিদের সবচেয়ে মৌলিক ও উল্লেখযোগ্য অবদান হলো রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান রচনা করা। আরাকান রাজসভা এবং বাঙালি মুসলিম কবিগণ পারস্য সাহিত্যের অনুসরণে দেশীয় আবহাওয়ায় এসব কাব্য রচনা করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মধ্যযুগের অন্ধকার যুগে বা অবক্ষয়ের সময়ে মুসলিম কবিরা বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারা যোগ করেন। দৌলত কাজীম, সৈয়দ আলাওল, শাহ মুহম্মদ সগির প্রমুখ কবি পারসি ও আরবি কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে এই প্রণয়োপাখ্যানগুলো রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউসুফ জোলেখা
ব্যাখ্যা: শাহ মুহম্মদ সগির রচিত মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: কবি সৈয়দ আলাওল রচিত বিখ্যাত প্রণয়মূলক কাব্যগ্রন্থ যা মধ্যযুগের সাহিত্যিক নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুঁথি সাহিত্য — পুঁথি সাহিত্য মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের দ্বারা রচিত হলেও এটি সামগ্রিকভাবে তাদের একমাত্র বা প্রধান সাহিত্যিক অবদান নয়।
B) মর্সিয়া সাহিত্য — মর্সিয়া সাহিত্য মূলত কারাবালার শোকাবহ ঘটনার ওপর রচিত, যা মধ্যযুগের একটি বিশেষ ধারা হলেও প্রধান অবদান হিসেবে বিবেচিত হয় না।
C) রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এবং মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের সবচেয়ে মৌলিক অবদান।
D) অনুবাদ সাহিত্য — অনুবাদ সাহিত্য মধ্যযুগে হিন্দু ও মুসলিম উভয় কবিরাই সমৃদ্ধ করেছিলেন, তাই এটি এককভাবে মুসলিম কবিদের অবদান নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগে মুসলিম কবিদের প্রধান কীর্তি প্রণয়মূলক কাব্য লেখা। মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো মুসলিম কবিরা প্রণয়োপাখানের রাজা ছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগির এবং শ্রেষ্ঠ কবি সৈয়দ আলাওল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তাদের রচিত কাব্যগুলোর নাম জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: D) অন্নদামঙ্গল কাব্যের
১. কেন সঠিক:
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে' প্রখ্যাত মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বরী পাটুনীর প্রার্থনা উক্তি।
- এখানে সাধারণ মানুষের অন্ন ও বস্ত্রের চিরন্তন চাওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা বাঙালির জীবনসংগ্রাম ও সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান প্রতীক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শেষ ও শ্রেষ্ঠ কবি হলেন ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর যিনি নদিয়া জেলার পেপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- অন্নদামঙ্গল কাব্যটি মূলত তিনটি খণ্ড নিয়ে গঠিত যার মধ্যে বিদ্যাসুন্দর অংশটি বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল এবং এটি মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের নির্দেশেই রচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরী পাটুনী চরিত্র কর্তৃক অন্নপূর্ণা দেবীর কাছে করা একমাত্র পার্থিব প্রার্থনা যা বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে।
উদাহরণ ২: নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়
ব্যাখ্যা: এটিও ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্য থেকে গৃহিত একটি বিখ্যাত প্রবাদতুল্য পঙ্ক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের — শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক নাটকীয় কাব্য এবং এর বিষয়বস্তু ভিন্ন।
B) চট্টীমঙ্গল কাব্যের — বাংলা সাহিত্যে চট্টীমঙ্গল নামে কোনো পরিচিত বা প্রামাণিক মঙ্গলকাব্য বা সাহিত্যকর্ম নেই।
C) মনসামঙ্গল কাব্যের — মনসামঙ্গল কাব্য সর্পদেবী মনসার পূজা প্রচার ও লখিন্দর-বেহুলার কাহিনীর ওপর রচিত যার সঙ্গে এই উক্তির সম্পর্ক নেই।
D) অন্নদামঙ্গল কাব্যের — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই কাব্যেই ঈশ্বরী পাটুনী এই বিখ্যাত প্রার্থনাটি করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- দুধে-ভাতের প্রার্থনা করেন কে, তা মনে রাখতে ঈশ্বরী পাটুনীর নাম মনে রাখবে যিনি অন্নদামঙ্গল কাব্যের একটি অমর চরিত্র।
- ভারতচন্দ্র মানেই অন্নদামঙ্গল এবং অন্নদামঙ্গল মানেই দুধে-ভাতের প্রার্থনা এই সূত্রটি মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উক্তিটি কোন চরিত্রের বা কোন কাব্যের, তা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোর রচয়িতা এবং তাদের বিখ্যাত চরিত্রগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ১৮০১ সালে
১. কেন সঠিক:
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮০০ সালের ৪ মে, কিন্তু এর বাংলা বিভাগ খোলা হয় এবং কার্যক্রম শুরু হয় ১৮০১ সালে।
- এই বিভাগে কেরি সাহেব ও তাঁর সহযোগীদের মাধ্যমে বাংলা ভাষার চর্চা ও পাঠ্যপুস্তক রচনার কাজ শুরু হয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ছিল ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলির উদ্যোগে কলকাতার ময়দানে প্রতিষ্ঠিত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
- বাংলা গদ্যের সূচনা ও বিকাশে এই কলেজের বাংলা বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরির কথা অমৃতকথা প্রকাশ পায়
ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি, যিনি বাংলা গদ্য সাহিত্যকে এগিয়ে নেন।
উদাহরণ ২: রামমৃত্যু বিদ্যালঙ্কার রচিত বাতচিহ্ন বা কথোপকথন
ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতগণ সে সময়ে বাংলা ভাষার পঠন-পাঠনের জন্য উপযোগী বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০০ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলেও বাংলা বিভাগ খোলা হয়নি।
B) ১৮০১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা বিভাগ চালু করা হয়।
C) ১৮০৫ সালে — এই সালে বাংলা বিভাগের কোনো নতুন সূচনা হয়নি, এটি ভুল কালপঞ্জি।
D) ১৮১৫ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের কার্যক্রমের প্রাথমিক যুগ পেরিয়ে গেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কলেজ প্রতিষ্ঠার বছর হলো ১৮০০ আর ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১৮০১ সালে খোলে বাংলা বিভাগ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি এবং প্রথম প্রকাশিত বাংলা গ্রন্থ উইলিয়াম কেরির কথোপকথন।
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যাপতি
১. কেন সঠিক:
ব্রজবুলি কোনো প্রচলিত কথ্য ভাষা নয়, এটি একটি কৃত্রিম কাব্যভাষা যা মূলত মৈথিলি ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে সৃষ্টি হয়েছিল। কবি বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষায় রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক পদ রচনা করলেও বাংলার কবিরা তা আনন্দের সাথে গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে এই কৃত্রিম ভাষায় পদ রচনা শুরু করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীতে তার অবদান অপরিসীম এবং তাকে বাংলা সাহিত্যের আদি ও শ্রেষ্ঠ ব্রজবুলি পদের রচয়িতা হিসেবে গণ্য করা হয়। বাঙালি কবিরা তার অনুকরণে এই ভাষায় পদ রচনা করায় ব্রজবুলি বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ঐতিহ্যবাহী ধারায় পরিণত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যাপতির পদ "আজু রজনী হাম ভাগে পোহায়ব" ব্রজবুলি ভাষায় রচিত বিখ্যাত একটি পদ।
ব্যাখ্যা: এই পদে রাধার জবানীতে কৃষ্ণের মিলনের আনন্দ ও আকুলতা মৈথিলি ও বাংলা মিশ্রিত ব্রজবুলি ভাষায় চমৎকারভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: কবি জ্ঞানদাসের পদ "মরমে পসিল গো বিদ্যাপতি বোল" ব্রজবুলি ভাষার একটি প্রখ্যাত নিদর্শন।
ব্যাখ্যা: পরবর্তী যুগের বাঙালি কবিরা কীভাবে বিদ্যাপতির আদর্শ অনুসরণ করে ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করেছিলেন এই পদটি তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস ব্রজবুলি ভাষার স্রষ্টা নন, তিনি বাংলা ভাষায় সহজ ও সরল দেহতত্ত ও প্রেমের পদ রচনা করেছেন।
B) বিদ্যাপতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মৈথিলি ও বাংলা মিশ্রিত এই বিশেষ কাব্যরীতির সূচনা করেছিলেন।
C) জ্ঞানদাস — জ্ঞানদাস বিদ্যাপতির অনুকরণে ব্রজবুলি পদ রচনা করলেও তিনি এই ভাষার স্রষ্টা বা প্রবর্তক নন।
D) গোবিন্দদাস — গোবিন্দদাস ব্রজবুলি ভাষায় অসামান্য পারদর্শিতা দেখালেও তিনি এই কাব্যরীতির আদি স্রষ্টা বা প্রবক্তা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
ব্রজবুলি ভাষার জনক বা স্রষ্টা বললে সবসময় মৈথিলি কোকিল কবি বিদ্যাপতিকে মনে রাখতে হবে।
বিদ্যাপতির নাম এবং ব্রজবুলি শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে ব্রজবুলি ভাষার প্রধান ব্যবহারকারী ছিলেন গোবিন্দদাস ও জ্ঞানদাস।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ব্রজবুলি কোন দুটি ভাষার মিশ্রণে গঠিত অথবা এর স্রষ্টা কে, তাই এটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) নেপালে
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের মূল পুথিটি নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কৃত হয়।
১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ইতিহাস উন্মোচন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও গানের সংকলন যা সান্ধ্যভাষায় রচিত হয়েছিল।
হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে ১৯১৬ সালে এটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
ব্যাখ্যা: তিনি নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের পুথি এবং ডাকবায়ন ও দোহাকোষ নামক অন্যান্য গ্রন্থ উদ্ধার করেন।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের প্রথম পদকর্তা লুইপা।
ব্যাখ্যা: ডক্টর সুকুমার সেনের মতে চর্যাপদের প্রথম পদটি লুইপার রচনা এবং এটি বাংলা সাহিত্যের সূচনার প্রথম নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোলকাতায় — কোলকাতা বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের অবস্থান হলেও চর্যাপদের মূল পুথি সেখানে পাওয়া যায়নি, বরং সেখান থেকে এটি পরে প্রকাশিত হয়।
B) ঢাকায় — ঢাকা প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের পুথি আবিষ্কারের স্থান নয়, যদিও বাংলা একাডেমিতে প্রাচীন অনেক বাংলা পুথি সংরক্ষিত আছে।
C) ভুটানে — ভুটান থেকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম কোনো নিদর্শন বা চর্যাপদের পুথি আবিষ্কৃত হয়নি।
D) নেপালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকেই চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
নেপাল থেকে নেমেই হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কার করলেন এভাবে মনে রাখতে পারো।
সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে আবিষ্কারক ও স্থানের নাম একসাথে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে সহজ কৌশল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল ১৯০৭ এবং প্রকাশের সাল ১৯১৬ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই ধরনের প্রশ্নে প্রাচীনতম নিদর্শনের আবিষ্কারক ও প্রাপ্তিস্থান প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: A) জাপানি
কেন সঠিক:
- 'রিকশা' শব্দটি সরাসরি জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- জাপানি শব্দ 'জিনরিকশা' থেকে সংক্ষিপ্ত হয়ে বাংলায় 'রিকশা' শব্দটি এসেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ প্রবেশ করেছে, যার মধ্যে জাপানি শব্দও অন্যতম।
- 'জিনরিকশা' শব্দটির অর্থ হলো মানুষের টানে চলে যে যান।
- জাপানি সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত এই যানটি আমাদের দেশে অত্যন্ত পরিচিত একটি শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) জাপানি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- B) তুর্কী — তুর্কি ভাষার শব্দ হলো দারোগা, চাকু, তোপ ইত্যাদি।
- C) আরবি — আরবি ভাষার শব্দ হলো কলম, দোয়াত, খাতা ইত্যাদি।
- D) চীনা — চীনা ভাষার শব্দ হলো চা, চিনি, লিচু ইত্যাদি।
মনে রাখার টিপস:
- রিকশা ও টাইফুন এই দুটি খুব জনপ্রিয় জাপানি শব্দ যা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) ব্যয়কুণ্ঠ
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে যে ব্যক্তি বা যারা ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে, তাকে এক কথায় কী বলে।
- 'ব্যয়' অর্থ খরচ করা এবং 'কুণ্ঠ' অর্থ দ্বিধা বা সংকোচ করা, তাই সঠিক উত্তরটি সরাসরি অর্থের সঙ্গে মিলে যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি প্রশ্ন যেখানে একটি বড় ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়।
- প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে অর্থের সংক্ষিপ্ত প্রকাশ এবং ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য বাক্য সংকোচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা সহজে জয় করা যায় না - দুর্জয়।
ব্যাখ্যা: এখানে জয় করার জটিলতা প্রকাশ করতে একটি মাত্র শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: উপকারের উপকার যে স্বীকার করে - কৃতজ্ঞ।
ব্যাখ্যা: উপকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাবটি এই এককথায় প্রকাশের মাধ্যমে সম্পূর্ণ হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃপণ — কৃপণ অর্থ যে ব্যক্তি অত্যন্ত অসচ্ছলতার কারণে বা স্বভাবগতভাবে অর্থ খরচ করতে চায় না, কিন্তু এটি সরাসরি কুণ্ঠাবোধ করার সমার্থক নয়।
B) ব্যয়কুণ্ঠ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ হলো যে ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে।
C) মিতব্যয়ী — মিতব্যয়ী অর্থ যে বুঝে-শুনে বা পরিমিতভাবে খরচ করে, কৃপণতা বা কুণ্ঠাবোধ এর মূল অর্থ নয়।
D) হিসেবী — হিসেবী অর্থ যে প্রতিটি হিসাব বা রক্ষণাবেক্ষণ করে চলে, কিন্তু কুণ্ঠাবোধ করার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রশ্নের মূল শব্দগুলোর দিকে খেয়াল রাখতে হবে যেমন ব্যয় এবং কুণ্ঠাবোধ, যা অপশনের ব্যয়কুণ্ঠ শব্দের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়।
- বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থ বিশ্লেষণ করলে সঠিক উত্তর সহজেই বের করা সম্ভব হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রায় কাছাকাছি অর্থের শব্দ দেওয়া থাকে, তাই মূল শব্দের ভাবার্থ বুঝতে হবে।
- একই ধরনের অন্যান্য বাক্য সংকোচন নিয়মিত চর্চা করলে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়ানো যায়।
সঠিক উত্তর: B) সান্ত্বনা
১. কেন সঠিক:
বানানটি সঠিক হওয়ার কারণ হলো বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'সান্ত্বনা' শব্দে দ-এর নিচে ব-ফলা যুক্ত হয়েছে এবং এর সাথে ন-ফলা যুক্ত আছে।
সঠিক উচ্চারণ ও প্রমিত বানানরীতি বজায় রাখতে এখানে দ-এর নিচে ব এবং পরে ন সংযুক্ত করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শুদ্ধ বানান ও বাংলা শব্দ গঠন সম্পর্কিত একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অনেক সংস্কৃত তৎসম শব্দের বানান অপরিবর্তিত থাকে এবং যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যার অর্থ প্রবোধ দেওয়া বা প্রবোধবাক্য।
উদাহরণ২: শান্তনা
ব্যাখ্যা: এটি একটি ভুল বানান রূপ কারণ শ-এর ব্যবহার এখানে প্রযোজ্য নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সান্তনা — এই বানানটিতে ব-ফলা বর্জিত হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির নিয়মানুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল।
B) সান্ত্বনা — এটি সঠিক এবং প্রশ্ন অনুযায়ী নির্ধারিত প্রমিত বানান।
C) স্বান্তনা — এই বানানটিতে ব-এর স্থান পরিবর্তন করে ভুলভাবে লেখা হয়েছে যা গ্রহণযোগ্য নয়।
D) সান্তোনা — এই বানানটিতে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের গঠনরীতির পরিপন্থী।
৫. মনে রাখার টিপস:
সান্ত্বনা বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো সান্ত লেখার পর একটি ব-ফলা যুক্ত করে ন-আ যুক্ত করা।
বানানের শেষাংশে ন-ফলা এবং মাঝখানে ব-ফলা মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই শব্দটি বারবার আসে কারণ শিক্ষার্থীরা সাধারণত ব-ফলা বাদ দিয়ে ভুল বানান নির্বাচন করে।
বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের যুক্তবর্ণের শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ২টি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরবর্ণ সাতটি হলেও যৌগিক স্বরবর্ণ বা দ্বিস্বর জ্ঞাপক বর্ণ দুটি।
- এই দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ হলো ঐ এবং ঔ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দুটি স্বরবর্ণ একত্রে মিলিত হয়ে যদি একটি স্বরধ্বনি বা যৌগিক স্বরধ্বনি তৈরি করে, তবে তাকে যৌগিক স্বরবর্ণ বলে।
- বাংলা বর্ণমালায় ঐতিহ্যগতভাবে 'ঐ' এবং 'ঔ' এই দুটিকে যৌগিক স্বরবর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐ
ব্যাখ্যা: অ এবং ই মিলে ঐ ধ্বনি তৈরি হয়, যা একটি যৌগিক স্বরবর্ণ।
উদাহরণ ২: ঔ
ব্যাখ্যা: অ এবং উ মিলে ঔ ধ্বনি তৈরি হয়, যা আরেকটি যৌগিক স্বরবর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরবর্ণ মাত্র দুটি।
B) ৩টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় তিনটি যৌগিক স্বরবর্ণের কোনো অস্তিত্ব নেই।
C) ৪টি — এটি ভুল কারণ চারটি যৌগিক স্বরবর্ণ বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়।
D) ৫টি — এটি ভুল কারণ পাঁচটি যৌগিক স্বরবর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যৌগিক স্বরবর্ণ কয়টি তা মনে রাখতে সংখ্যাটি দুই মনে রাখবে।
- ওই এবং ঔ এই দুটি বর্ণই হলো বাংলা ভাষার যৌগিক স্বরবর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক স্বরধ্বনি এবং যৌগিক স্বরবর্ণের সংখ্যা প্রায়ই কনফিউজ করে।
- মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি এবং যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ষ+ণ
১. কেন সঠিক:
- 'ষ্ণ' একটি যুক্তবর্ণ যা মূলত মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ এর সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে।
- যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণ করার সময় প্রথম বর্ণটি সাধারণত হসন্তযুক্ত বা অর্ধরূপ এবং দ্বিতীয় বর্ণটি পূর্ণরূপ হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণের অংশ এটি। বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ রয়েছে যা একাধিক বর্ণ মিলে তৈরি হয়।
- তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ষ এর সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে এই বিশেষ বর্ণটি গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উষ্ণ
ব্যাখ্যা: উষ্ণ শব্দটিতে মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে 'ষ্ণ' বর্ণটি তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: তৃষ্ণা
ব্যাখ্যা: তৃষ্ণা শব্দটির মধ্যস্থিত যুক্তবর্ণটি ভাঙলেও মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ পাওয়া যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) য+ম — এই দুটি বর্ণ মিলে 'য্ম' যুক্তবর্ণ তৈরি করে, যা 'ষ্ণ' এর সঠিক বিশ্লেষণ নয়।
B) ষ+ন — মূর্ধন্য ষ এর সাথে দন্ত্য ন যুক্ত হলে 'ষ্ণ' হয় না, কারণ প্রমিত নিয়মে এখানে মূর্ধন্য ণ হবে।
C) ষ+ণ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নিয়মানুযায়ী এই দুটি বর্ণ মিলেই 'ষ্ণ' গঠিত হয়।
D) য+হ — এই দুটি বর্ণ মিলে 'হ y' বা অন্য কোনো রূপ হতে পারে, কিন্তু 'ষ্ণ' হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উষ্ণ ও তৃষ্ণা শব্দ দুটি মনে রাখলে সহজেই 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণের উপাদান দুটি অর্থাৎ ষ এবং ণ মনে রাখা যায়।
- যুক্তবর্ণের উচ্চারণ ও গঠন ভালোভাবে লক্ষ্য করলে বানান ভুল হয় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জটিল যুক্তবর্ণের বিশ্লেষণ থেকে প্রশ্ন আসে।
- যুক্তবর্ণ ভাঙার সময় দন্ত্য ন এবং মূর্ধন্য ণ এর পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সুকেশীনী
১. কেন সঠিক:
সুকেশীনী শব্দটি বানানের নিয়মানুযায়ী অশুদ্ধ কারণ এখানে দীর্ঘ ঈ-কার এবং ন-ত্ব বিধানের নিয়ম একসঙ্গে ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
বাংলা ব্যাকরণে কেশ শব্দের সঙ্গে সু উপসর্গ এবং ইন প্রত্যয় যুক্ত করে গঠিত শব্দের স্ত্রীবাচক রূপে দীর্ঘ ঈ-কার বা অতিরিক্ত ন যুক্ত করা হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানান ও প্রত্যয়যুক্ত শব্দ গঠনে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয় যা অনেক সময় প্রার্থীরা গুলিয়ে ফেলেন।
বিশেষণ পদে ইন প্রত্যয়ান্ত শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ গঠনে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত করার সময় মূল শব্দের বানান ও প্রত্যয়ের পরিবর্তন সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুকেশী
ব্যাখ্যা: সুকেশ শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক বিশেষণ রূপ হলো সুকেশী যেখানে অতিরিক্ত কোনো ন ব্যবহৃত হয় না।
উদাহরণ ২: তেজস্বিনী
ব্যাখ্যা: তেজস্বিন শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ তেজস্বিনী হলেও সব ইন প্রত্যয়ান্ত শব্দের ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুকেশী — এটি একটি শুদ্ধ শব্দ এবং সুকেশ শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ।
B) সুকেশা — এটিও কিছু ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং প্রমিত বাংলা রূপ হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
C) সুকেশীনী — এটি অশুদ্ধ কারণ এতে ইন প্রত্যয়ের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ ঈ-কার ও ন যুক্ত হয়েছে।
D) সুকেশিনী — এটি বহুল ব্যবহৃত একটি বানান হলেও বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি পরিহার্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইন প্রত্যয়যুক্ত শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ করার সময় অতিরিক্ত ন এবং দীর্ঘ ঈ-কার একসঙ্গে ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম ভালোভাবে চর্চা করবে।
শুদ্ধ বানান মনে রাখতে মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগের সঠিক নিয়মটি বারবার চর্চা করা উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই স্ত্রীবাচক শব্দ এবং প্রত্যয়জনিত বানান সংশোধনের প্রশ্ন আসে।
এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য শব্দটির উৎপত্তি এবং প্রমিত বানানরীতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অলংকার
১. কেন সঠিক:
- আভরণ শব্দের অর্থ হলো গহনা, ভূষণ বা অলংকার।
- কোনো কিছু সুন্দর করার জন্য বা সাজানোর জন্য যা ব্যবহার করা হয়, তাকে আভরণ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ, যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের ব্যবহারে নানা সমার্থক শব্দ তৈরি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভূষণ
ব্যাখ্যা: ভূষণ শব্দটির অর্থও অলংকার বা আভরণ, যা কোনো কিছুকে সুন্দর করতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: গহনা
ব্যাখ্যা: গহনা হলো আভরণের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ যা দৈনন্দিন কথ্য ও লিখিত ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সূর্য — সূর্য শব্দের সমার্থক হলো রবি, দিবাকর, তপন ইত্যাদি যা আলোর উৎস বোঝায়।
B) পোষাক — পোষাক পরিধান করার বস্তু বোঝায়, যা আভরণ বা অলংকার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
C) রাত্র — রাত্র শব্দের সমার্থক হলো রাত্রি, নিশা, রজনী যা দিনের বিপরীত সময় বোঝায়।
D) অলংকার — অলংকার শব্দের সঠিক অর্থ আভরণ, যা প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আভরণ মানে গহনা বা অলংকার, এই দুটি শব্দ একই গোত্রের হিসেবে মনে রাখা সহজ।
- রূপক অর্থে অলংকার যেমন কাব্যকে সুন্দর করে, তেমনি আভরণ মানুষকে সুন্দর করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই আসে, তাই প্রমিত বাংলা বানান ও অর্থ ভালোভাবে পড়তে হবে।
- সমার্থক শব্দ মুখস্থ না করে শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) হ্যানা ক্যাথেরিন
কেন সঠিক:
- এই গ্রন্থটি ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এর রচয়িতা হিসেবে ম্যাম হানা ক্যাথেরিন ম্যালেন্স এর নাম পাওয়া যায়।
- এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মৌলিক উপন্যাস হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা উপন্যাসের সূচনার ইতিহাসে এই গ্রন্থটির বিশেষ সাহিত্যিক গুরুত্ব রয়েছে।
- এই উপন্যাসের মূল উদ্দেশ্য ছিল খ্রিষ্টধর্মের প্রচার এবং নৈতিক শিক্ষা প্রদান করা।
- ফুলমণি ও করুণা দুটি ভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে সমাজে ভালো ও মন্দের পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) হ্যানা ক্যাথেরিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই এই গ্রন্থের রচয়িতা।
- B) উইলিয়াম কেরি — তিনি শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত ছিলেন, এই উপন্যাসের রচয়িতা নন।
- C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের অন্যতম প্রধান রূপকার হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
- D) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট গীতিকবি, এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
- ফুলমণি ও করুণার বিবরণ উপন্যাসটির লেখিকা একজন নারী, যাঁর নাম হ্যানা ক্যাথেরিন।
- বাংলা উপন্যাসের আদি পর্ব মনে রাখতে ফুলমণি ও করুণা এবং হ্যানা ক্যাথেরিন নামটি একসঙ্গে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সন্ধি
১. কেন সঠিক:
নবান্ন শব্দটি সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। এখানে নব এবং অন্ন শব্দ দুটি মিলিত হয়ে নবান্ন শব্দটি তৈরি করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। নবান্ন শব্দটি স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: অ বা আ এর পর অ বা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয়।
উদাহরণ ২: মহা + আশয় = মহাশয়
ব্যাখ্যা: আ এবং আ মিলে এখানে আ কার যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাস — সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, যা একাধিক পদের একপদীকরণ বোঝায় কিন্তু নবান্ন পদটি সমাসের প্রক্রিয়ায় গঠিত নয়।
C) উপসর্গ — উপসর্গ হলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, যা নবান্ন শব্দে অনুপস্থিত।
D) প্রত্যয় — প্রত্যয় মূল শব্দ বা ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে, যা নবান্ন শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সন্ধি মানে দুই বর্ণের মিলন আর সমাস মানে পদের মিলন। নবান্ন শব্দে বর্ণের মিলন ঘটেছে বলে এটি সন্ধি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নবান্ন শব্দটি প্রায়ই আসে। সন্ধি বিচ্ছেদ করলে হয় নব যোগ অন্ন।
সঠিক উত্তর: B) ধাতু
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। এটি ক্রিয়ার অবিভাজ্য মূল রূপ, যা থেকে কাল ও পুরুষভেদে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে কাল ও পুরুষবাচক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। ধাতুকে ক্রিয়াপদের ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পড় + আ = পড়া
ব্যাখ্যা: এখানে 'পড়' হলো ধাতু এবং এর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: চল + ছ = চলছে
ব্যাখ্যা: এখানে 'চল' হলো ধাতু এবং এর সঙ্গে 'ছ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে বর্তমান কালের ক্রিয়াপদ তৈরি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিভক্তি — এটি শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে পাদে রূপান্তর করে, কিন্তু ক্রিয়াপদের মূল অংশ বোঝায় না।
B) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
C) প্রত্যয় — এটি শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত নতুন শব্দ গঠন করে, যা মূল অংশ নয়।
D) কৃৎ — এটি মূলত কৃৎ-প্রত্যয়কে নির্দেশ করে যা ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়াপদের মূলকে ধাতু বলা হয়, যেমন সোনা বা লোহার মূল উপাদান ধাতু তেমনি ক্রিয়ার মূলও ধাতু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়ার মূল অংশ বা ধাতু সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই ধাতু ও প্রত্যয়ের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আধুনিক রোমান্টিক উপন্যাস।
- নামের মধ্যে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ বা পদ্য নয়, বরং একটি গদ্যধর্মী উপন্যাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসের রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।
- উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য এবং এর কেন্দ্রীয় বার্তা হলো ভালোবাসার স্বাধীনতা ও মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা দাম্পত্য জীবনের জটিলতা নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: চোখের চশমা নয়, চোখের আলো
ব্যাখ্যা: শেষের কবিতা উপন্যাসের বিখ্যাত একটি পঙ্ক্তি যা প্রায়শই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিতা — শেষের কবিতা নামে কোনো দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নেই, এটি মূলত গদ্যে রচিত উপন্যাস।
C) কাব্যনাট্য — কাব্যনাট্য হলো কবিতার আকারে রচিত নাটক, কিন্তু শেষের কবিতা সংলাপভিত্তিক নাটক বা কাব্যনাট্য নয়।
D) গীতিনাট্য — গীতিনাট্য গান ও নাচের সমন্বয়ে মঞ্চস্থ হয়, পক্ষান্তরে শেষের কবিতা একটি পূর্ণাঙ্গ গদ্য উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নামের শেষে কবিতা থাকলেও এটি আসলে উপন্যাস, এই বিভ্রান্তি দূর করতে মনে রাখবে নাম কবিতার হলেও কাজ উপন্যাসের।
- রবীন্দ্রনাথের আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস মনে রাখতে শেষের কবিতা নামটি সবার আগে মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শেষের কবিতা কোন জাতীয় রচনা এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস যেমন নৌকাডুবি, গোরা ও চতুরঙ্গ সম্পর্কেও সম্যক ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) শারীরিক
১. কেন সঠিক:
শারীরিক বানানটিতে 'শরীরের' শব্দের সাথে ইঞ্চ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। বাংলা একাডেমি বানানরীতি অনুযায়ী এর শেষের বর্ণে দীর্ঘ ই-কার এবং প্রথম বর্ণে ই-কার ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বানান লেখার সময় ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। শরীর শব্দের সাথে ইক প্রত্যয় যুক্ত হলে মূল শব্দের শেষের র-এর সাথে দীর্ঘ ই-কার যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক
ব্যাখ্যা: ইতিহাস শব্দের সাথে ইক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঐতিহাসিক বানানটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভৌগোলিক
ব্যাখ্যা: ভূগোল শব্দের সাথে ইক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভৌগোলিক বানানটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শারীরীক — এই বানানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ স্বর ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) শারিরীক — এই বানানে প্রথম বর্ণে ই-কার এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ই-কার থাকলেও মাঝের বর্ণে ভুল ই-কার রয়েছে।
D) শারিরিক — এই বানানে শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির পরিপন্থী।
৫. মনে রাখার টিপস:
শরীরের ভেতরের শক্তি হলো শারীরিক। শরীরে ই-কার এবং শেষে দীর্ঘ ই-কার মনে রাখলে এই বানান ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইক প্রত্যয়যুক্ত বানান প্রায়ই আসে। তাই প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় মূল শব্দের রূপ পরিবর্তনের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) আনন্দময়ীর আগমনে
১. কেন সঠিক:
- কাজী নজরুল ইসলামের 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতার জন্য তাকে রাজদ্রোহের অভিযোগে কারাবণ্ড দেওয়া হয়।
- এই কবিতার মাধ্যমে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন এবং স্বাধীনতার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করায় তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার নজরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান পুরুষ, যিনি কাল কাজী নজরুল ইসলাম নামে পরিচিত।
- 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি তার 'বিষের বাঁশি' সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও বিদ্রোহী কবিতা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যুগবাণী
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধ গ্রন্থ, যা ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে লেখার কারণে বাজোপ্ত করা হয়েছিল।
উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি
ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী গান ও কবিতার সংকলন, যা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্রোহী — এটি নজরুলের সর্বাধিক পরিচিত কবিতা হলেও এর সরাসরি প্রকাশের জন্য তাকে কারাবরণ করতে হয়নি।
B) প্রলয়োল্লাস — এটি 'অগ্নি-বীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা এবং এতে ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির বার্তা থাকলেও এর কারণে সরাসরি জেল হয়নি।
C) মুক্তি — এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত কবিতা তবে এই কবিতার জন্য তাকে কারাবরণ করার ঐতিহাসিক কোনো রেকর্ড নেই।
D) আনন্দময়ীর আগমনে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই কবিতার জন্যই তাকে রাজদ্রোহের মামলায় কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়েছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুলকে জেলে যেতে হয়েছিল আনন্দময়ীর আগমনে কবিতা লিখে। এভাবে মনে রাখতে পারো যে আনন্দ করতে গিয়ে অর্থাৎ ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে কবিতা লিখে তিনি আনন্দময়ী দেবীর নামে জেলে গিয়েছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে নজরুলের কোন গ্রন্থ বা কবিতা বাজেয়াপ্ত হয়েছিল কিংবা কারাদণ্ড হয়েছিল।
- 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতা এবং 'যুগবাণী' ও 'ভাঙ্গার গান' গ্রন্থগুলোর প্রকাশকাল ও বাজেয়াপ্ত হওয়ার ইতিহাস ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) comedy of humours
কেন সঠিক:
বেন জনসন ইংরেজি সাহিত্যে হিউমার বা স্বভাবভিত্তিক কমেডির প্রবক্তা। মানুষের শরীরের নানা রস বা হিউমারের তারতম্যের ওপর ভিত্তি করে তিনি এই ধারা আনেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) allegory — এটি রূপকধর্মী রচনা, যার প্রবক্তা বেন জনসন নন।
B) heroic drama — এটি বীরত্বপূর্ণ নাটক, যা পরবর্তী যুগের সৃষ্টি।
C) comedy of manners — এটি সমাজের আচার-আচরণ নিয়ে লেখা নাটক, যা উইলিয়াম কংগ্রিভ জনপ্রিয় করেন।
D) comedy of humours — এটি বেন জনসনের প্রবর্তित সঠিক ধারা।
মনে রাখার টিপস:
বেন জনসনের নাম আসলেই মাথায় রাখবে তিনি হিউমার বা মানুষের চরিত্রের নানা বৈচিত্র্য নিয়ে কমেডি লিখেছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) a worm out statement
কেন সঠিক:
cliche শব্দটির অর্থ হলো এমন কোনো কথা বা ধারণা যা অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে তার আসল প্রভাব ও আবেদন হারিয়ে ফেলেছে।
তাই অপশন বি তে থাকা worn out statement বা পুরনো ও গতানুগতিক কথা বোঝানোর অর্থটি এই প্রশ্নের জন্য পুরোপুরি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a witty statement — এই অপশনটি ভুল কারণ witty statement বলতে বুদ্ধিদীপ্ত বা চতুর কোনো কথা বোঝায়, যা ক্লিশে এর বিপরীত।
B) a worm out statement — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে আলাদা কোনো ভুল ব্যাখ্যা নেই।
C) tea false evidence — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ মিথ্যা প্রমাণ, যার সাথে ক্লিশে বা গতানুগতিক কথার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) Irish humour — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি আয়ারল্যান্ডের হাস্যরস বোঝায়, যা কোনো পরিচিত বা পুরনো বাক্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ক্লিশে মানেই হলো এমন একঘেয়ে কথা যা বারবার শুনে কান পেকে গেছে এবং যার মধ্যে নতুনত্ব কিছু নেই।
সঠিক উত্তর: C) discrimination
কেন সঠিক:
অ্যাপার্টহাইড বলতে মূলত বর্ণবৈষম্য বা জাতিগত বৈষম্যকে বোঝানো হয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে যে কঠোর বৈষম্যমূলক নীতি ছিল, এটি তার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
এটি মানুষের মধ্যে জাতিগত বিভাজন তৈরি করে।
এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি চরম রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) apart — এটি একটি সাধারণ ইংরেজি শব্দ যার অর্থ আলাদা বা পৃথক হওয়া। তবে এটি নির্দিষ্ট কোনো সামাজিক বা রাজনৈতিক বৈষম্যমূলক নীতিকে বোঝায় না।
B) distance — এর অর্থ দূরত্ব যা ভৌগোলিক বা শারীরিক দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক বৈষম্য বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না।
D) dialogue — এর অর্থ সংলাপ বা কথোপকথন যা মানুষের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম। এটি বৈষম্য বা বর্ণবাদের ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাপার্টহাইড শব্দটি শুনলেই বর্ণবৈষম্য বা মানুষের প্রতি বৈষম্যের কথা মাথায় রাখবে, কারণ এটি দক্ষিণ আফ্রিকার ঐতিহাসিক বৈষম্যমূলক নীতি ছিল।
সঠিক উত্তর: A) Previval of learning
কেন সঠিক:
রেনেসাঁ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ পুনর্জন্ম বা নবজাগরণ। এই সময়ে ইউরোপে প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সাহিত্য এবং সংস্কৃতির নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছিল।
জ্ঞান-বিজ্ঞানের এই পুনরুজ্জীবনই রেনেসাঁ নামে পরিচিত।
এটি মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক চেতনাকে জাগ্রত করেছিল।
এটি মধ্যযুগের অন্ধবিশ্বাস থেকে বের হয়ে আধুনিক শিক্ষার পথ উন্মুক্ত করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Previval of learning — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ শিক্ষার পুনরুজ্জীবন।
B) revival of human rights — এই যুগে মানবাধিকার নয় বরং শিক্ষা ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ ঘটেছিল।
C) revival of life — জীবন বা জীবিকা নয়, মূলত জ্ঞান ও শিক্ষার বিকাশকেই রেনেসাঁ বোঝায়।
D) revival of medieval spirit — এটি ভুল কারণ রেনেসাঁ মধ্যযুগের চেতনা ফিরিয়ে আনেনি, বরং তার অবসান ঘটিয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
রেনেসাঁ মানেই হলো নতুন করে শেখা বা জ্ঞানচর্চার পুনরুজ্জীবন।
সঠিক উত্তর: D) wouldn't have fallen
কেন সঠিক:
এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের অবাস্তব শর্তের বাক্য। প্রথম অংশে হ্যাড প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল থাকায় পরের অংশে উড হ্যাভ প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) didn't fall — এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স, যা থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মের সাথে মিলে না।
B) hadn't fallen — এই অংশটি প্রশ্নেই দেওয়া আছে, তাই বাক্যের অন্য অংশে এটি আবার বসবে না।
C) wouldn't fallen — উড এর পর ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসার আগে হ্যাভ না থাকায় এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) wouldn't have fallen — এটি সঠিক গঠন হলেও অপশন বিন্যাসের ভুলে এখানে উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
থার্ড কন্ডিশনালে ইফ ক্লজে হ্যাড থাকলে অপর ক্লজে উড হ্যাভ এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
সঠিক উত্তর: C) base
কেন সঠিক:
Apex শব্দের বাংলা অর্থ হলো চূড়া বা সর্বোচ্চ বিন্দু।
এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে তল বা ভিত্তি বোঝায় এমন শব্দ দরকার।
base শব্দটির অর্থ হলো ভূমি বা ভিত্তি।
তাই এটিই সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) top — এর অর্থ শীর্ষ বা ওপরের অংশ যা মূল শব্দের সমার্থক।
B) peak — এর অর্থ পর্বতশৃঙ্গ বা চূড়া যা অ্যাপেক্স শব্দের সমার্থক।
C) base — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) pinnacle — এর অর্থ চরম উৎকর্ষ বা চূড়া যা সমার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড়ের চূড়াকে অ্যাপেক্স (Apex) এবং পাহাড়ের নিচের মাটিকে বেস (Base) বলে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) environment
কেন সঠিক:
'Ecological' শব্দটি মূলত বাস্তুতন্ত্র এবং প্রকৃতি সম্পর্কিত বিজ্ঞান বা আলোচনায় ব্যবহার করা হয়।
পরিবেশের উপাদান এবং জীবকুলের পারস্পরিক সম্পর্কের সাথে এটি সরাসরি যুক্ত।
এটি পরিবেশ বিজ্ঞান বা ইকোলজির একটি মূল অংশ।
পরিবেশগত সুরক্ষা ও ভারসাম্য বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) atmosphere — এটি বায়ুমণ্ডল বোঝায় যা পরিবেশের একটি অংশ মাত্র কিন্তু সম্পূর্ণ ইকোলজি নয়।
B) pollution — এটি পরিবেশের দূষণ নির্দেশ করে যা ইকোলজির একটি নেতিবাচক দিক, সমার্থক নয়।
C) environment — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) demography — এটি মানব জনসংখ্যা এবং তার পরিসংখ্যান নিয়ে আলোচনা করে, যা বাস্তুতন্ত্র নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইকো শব্দটি পেলে সবসময় পরিবেশ এবং প্রকৃতির কথা মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) lying
কেন সঠিক:
মূল শব্দ 'lie' যার অর্থ মিথ্যা বলা বা শুয়ে থাকা। এর সাথে ing যোগ করার সময় শেষের 'ie' উঠে গিয়ে 'y' বসে এবং তারপর ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) layeing — এখানে মূল বানান ভুল কারণ 'laye' শব্দটির সাথে সরাসরি ing যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) lieing — এখানে 'lie' শব্দের সাথে সরাসরি ing যুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী সঠিক গঠন নয়।
C) lying — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম মেনে বানানটি গঠিত হয়েছে।
D) lahying — এখানে অতিরিক্ত 'h' অক্ষর যুক্ত করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল বানান।
মনে রাখার টিপস:
ie দিয়ে শেষ হওয়া কোনো verb এর সাথে ing যোগ করার সময় ie বাদ দিয়ে y বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) comfortable
কেন সঠিক:
'Handy' শব্দের মূল অর্থ হলো কোনো কিছু সহজে ব্যবহার করা বা স্বাচ্ছন্দ্য প্রদান করা।
কমফর্টেবল বা আরামদায়ক শব্দটি এই অর্থকে সবচেয়ে ভালোভাবে প্রকাশ করে।
এটি কাজের ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্য ও সুবিধা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
দৈনন্দিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই শব্দটি সমার্থক হিসেবে বেশ মানানসই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) comfortable — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে এবং এটি সরাসরি স্বাচ্ছন্দ্য বোঝায়।
B) useful — এর অর্থ দরকারী, যা 'Handy' শব্দের মূল আরামদায়ক বা স্বাচ্ছন্দ্যময় অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে না।
C) convenient to use — এটি ব্যবহারের সুবিধা বোঝায়, যা আক্ষরিক অর্থে কিছুটা মিললেও প্রধান সমার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) necessary — এর অর্থ প্রয়োজনীয়, যা কোনো জিনিসের অপরিহার্যতা বোঝায় কিন্তু স্বাচ্ছন্দ্য বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
'Handy' মানে যা হাতে কাছে থাকে এবং ব্যবহারে আরাম দেয়।
সঠিক উত্তর: A) from
কেন সঠিক:
refrain শব্দটির পর সবসময় নির্দিষ্ট preposition হিসেবে from বসে। এর অর্থ হলো কোনো কিছু থেকে বিরত থাকা বা নিবৃত থাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী এখানেই বসে।
B) by — দ্বারা বা মাধ্যমে বোঝাতে এটি বসে, তাই এখানে ভুল।
C) of — এর বা এর সাথে সম্পর্কিত বোঝাতে এটি বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) at — কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা দিকের ক্ষেত্রে এটি বসে, যা এখানে অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
refrain বা prevent শব্দের পর সবসময় from ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) What
কেন সঠিক:
এখানে what শব্দটি একটি বিশেষ relative pronoun হিসেবে কাজ করেছে যা বাক্যের শুরুতে বসে একটি noun clause গঠন করেছে।
what now follows পুরো অংশটি বাক্যের subject বা উদ্দেশ্য হিসেবে কাজ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) What — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) There — there বসলে বাক্যের গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয় না কারণ এখানে কোনো স্থানের বা উপস্থিতির কথা বলা হয়নি।
C) It — it বসালে বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ থাকে এবং দুটি verb পরপর বসলে বাক্যটি ভুল হয়।
D) If — if বসালে বাক্যটি শর্তসূচক হয়ে যায় যা এই ধরনের সংবাদের ঘোষণামূলক বাক্যের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে যখন কোনো ঘটনা বা বিষය বোঝাতে হয়, তখন what দিয়ে বাক্য শুরু করা সবচেয়ে নিরাপদ ও সঠিক নিয়ম।
সঠিক উত্তর: C) Sophocles's tragedies are famous
কেন সঠিক:
Sophocles নামটি একটি বিশিষ্ট প্রাচীন গ্রিক নাট্যকারের নাম এবং এটি s দিয়ে শেষ হয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী s দিয়ে শেষ হওয়া এককProper Noun-এর শেষে পজেশন বোঝাতে অ্যাপোস্ট্রোফি এবং আরেকটি s যুক্ত করতে হয়।
তাই Sophocles এর নাট্যকর্ম বোঝাতে সঠিক গঠনটি হবে Sophocles's.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sophocles tragedies are famous — এখানে Sophocles শব্দের পর কোনো অ্যাপোস্ট্রোফি বা possessive sign ব্যবহার করা হয়নি, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Sophocles' tragedies are famous — আধুনিক ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী s দিয়ে শেষ হওয়া একবচন নামের ক্ষেত্রে কেবল অ্যাপোস্ট্রোফি দেওয়া যথেষ্ট নয়।
C) Sophocles's tragedies are famous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) The Sophocles tragedy is famous — এখানে নির্দিষ্ট নাট্যকারের নামকে একক বিশেষণের মতো ব্যবহার করায় অর্থের সঠিক প্রকাশ ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
s দিয়ে শেষ হওয়া সিঙ্গुलर Proper Noun-এর ক্ষেত্রে অ্যাপোস্ট্রোফি দিয়ে আবার s বসানোই আধুনিক ও নিরাপদ নিয়ম।
সঠিক উত্তর: A) Chaucer, Spenser, Shelley, Swinburae
কেন সঠিক:
এই অপশনের কবিরা জন্ম ও সাহিত্যিক যুগের ক্রমানুসারে সঠিকভাবে সাজানো আছেন।
চসারের যুগ থেকে শুরু করে ক্রমান্বয়ে স্পেন্সার, শেলি এবং সুইনবার্ন এসেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক অপশন — এটি প্রশ্নকর্তার মূল সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত আছে।
B) Shakespeare, Chaucer, Eliot, Donne — চসার হলেন প্রাচীন যুগের কবি আর শেক্সপিয়ার এলিজাবেথান যুগের, তাই এদের ক্রম ভুল।
C) Hughes, Eliot, Yeats, Auden — ইয়েটস এবং এলিয়ট আধুনিক যুগের হলেও তাদের সঠিক সাল অনুযায়ী সাজানো হয়নি।
D) Hopkins, Browning, Wordsworth, Marvell — মার্ভেল সপ্তদশ শতকের কবি আর ওয়ার্ডসওয়ার্থ রোমান্টিক যুগের, তাই ক্রম উল্টো হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি সাহিত্যের কবিদের মনে রাখার জন্য তাদের জন্মসাল বা সাহিত্য যুগগুলো ছক করে মুখস্থ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) poem of lamentation
কেন সঠিক:
elegy হলো এমন একটি কবিতা যা মৃত ব্যক্তির স্মরণে শোক প্রকাশ করার জন্য লেখা হয়।
একে ইংরেজিতে দুঃখ বা বিলাপের কবিতা বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hymn — এটি মৃত ব্যক্তির শোকগাথা নয়, বরং ঈশ্বর বা ধর্মের প্রশংসায় গাওয়া বিশেষ ধরনের ভক্তিমূলক গান।
B) limerick — এটি কোনো শোকগাথা নয়, বরং পাঁচ লাইনের একটি অত্যন্ত হাস্যরসাত্মক ও লঘু মেজাজের কবিতা।
C) poem of lamentation — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) satire — এটি শোকের কবিতা নয়, বরং সমাজ বা মানুষের ত্রুটি বিচ্যুতি নিয়ে উপহাস করার সাহিত্যকর্ম।
মনে রাখার টিপস:
elegy শব্দের সাথে 'e' দিয়ে ending বা শেষের মিল মনে রাখতে পারেন, যা মানুষের জীবনের শেষ পরিণতি বা মৃত্যুকে নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: C) He speaks neither English nor French
কেন সঠিক:
এখানে neither...nor একসাথে বসে সঠিক কো-অর্ডিনেটিং কনজাংশন গঠন করেছে।
verb এর ঠিক পরে বসে এটি দুটি ভিন্ন ভাষাকে সমানভাবে যুক্ত করেছে।
ইংরেজি ব্যাকরণের প্যারালাল স্ট্রাকচার নিয়মটি এখানে সঠিকভাবে মানা হয়েছে।
বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিমুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He neither speaks English nor French — neither এর সঠিক অবস্থান না হওয়ায় এটি ভুল হয়েছে।
B) He speaks nor English or French — nor এর সাথে or ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল হয়েছে।
C) C তো সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কিছু নেই।
D) Neither he speaks English nor French — neither বাক্যের শুরুতে বসায় সাবজেক্টের বিন্যাস ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
neither এবং nor সব সময় একই ধরনের পদের আগে বসে এবং এদের সাথে nor কেই জোড়া হিসেবে ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) pay for
কেন সঠিক:
বাক্যে কোনো বস্তু কেনার জন্য মূল্য পরিশোধ করা বোঝালে 'pay for' ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
এখানে 'the book' কেনার দাম দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তাই 'pay for' সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) pay nun — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দগুচ্ছ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) paid — এটি পাস্ট ফর্ম হলেও ডিড (did) এর পর ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে, তাই এটি ভুল।
C) pay for — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) pay on — 'pay on' বলতে কোনো নির্দিষ্ট প্রিপজিশন ভিত্তিক অর্থ এখানে মানায় না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো জিনিস কেনার জন্য টাকা পরিশোধ করা বোঝালে সবসময় 'pay for' ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) bigotry
কেন সঠিক:
Prejudice শব্দের অর্থ হলো কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই কোনো ব্যক্তি বা দলের প্রতি অন্ধ ঘৃণা বা পক্ষপাতিত্ব করা। Bigotry শব্দটির অর্থও কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা ধর্মের প্রতি অন্ধ ও তীব্র গোঁড়ামি প্রকাশ করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) fear — এই শব্দটির অর্থ ভয় বা আতঙ্ক, যা prejudice বা গোঁড়ামির সমার্থক নয়।
B) disease — এই শব্দটির অর্থ রোগ বা ব্যধি, যা মানুষের শারীরিক অসুস্থতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) loneliness — এই শব্দটির অর্থ একাথাকি বা নিঃসঙ্গতা, যা মানুষের মানসিক একাকী অবস্থাকে নির্দেশ করে।
D) bigotry — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিজেই মূল শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Prejudice এবং bigotry উভয় শব্দই মানুষের অন্ধ বিশ্বাস ও গোঁড়ামিপূর্ণ মনোভাব বোঝাতে একসঙ্গে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) lacking
কেন সঠিক:
- বাক্যের অর্থ অনুযায়ী রোগীর ডায়েটে বা খাদ্যতালিকায় ভিটামিন বি এর ঘাটতি ছিল বোঝাতে lacking শব্দটি উপযুক্ত।
- preposition হিসেবে in ব্যবহৃত হয়ে lacking in (ঘাটতি থাকা) ফ্রেজটি গঠন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lacking — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ঘাটতি থাকা এবং preposition in এর সঙ্গে মিলে পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে।
B) absorb — এটি একটি ভার্ব যার অর্থ শোষণ করা, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে ও অর্থের দিক থেকে অসংগত।
C) overly — এটি একটি অ্যাডভার্ব যার অর্থ অতিরিক্ত, যা এখানে শূন্যস্থানে বসলে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না।
D) suffering — এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত রূপ যার অর্থ ভোগান্তি, এর পরে in বসলেও বাক্যের গঠন সঠিক হয় না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছুতে ঘাটতি বোঝাতে lacking in ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) least
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যের অর্থ অনুযায়ী সব বাসগুলোর মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে। নির্দিষ্ট কোনো দলের মধ্যে সবচেয়ে কম খরচে চলাচলের কথা বলতে সুপারলেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) less — এটি কম্পারেটিভ ডিগ্রি, যা দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করতে বসে। কিন্তু এখানে কোনো নির্দিষ্ট দুটির তুলনা নেই।
B) lesser — এটি ভুল রূপ এবং এখানে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়।
C) least — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি নির্দেশ করে।
D) more — এটি তুলনামূলক বেশি বোঝাতে বসে, যা বাক্যের অর্থের সাথে বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে the এবং শেষে whole group বা the way থাকলে সাধারণত সুপারলেটিভ ডিগ্রি least ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) to defrost the fridge
কেন সঠিক:
বাক্যের মূল ক্রিয়া takes এর কাজ কে বা কি সম্পন্ন করছে তা বের করতে হবে। এখানে ফ্রিজ ডিফ্রোস্ট করা কাজটিই হলো সাবজেক্ট বা উদ্দেশ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) fridge — এটি শুধুমাত্র একটি নাউন এবং বাক্যের পুরো ইনফিনিটিভ বাক্যাংশের একটি অংশ মাত্র।
B) to defrost — এটি অসম্পূর্ণ কারণ এর সাথে অবজেক্ট যুক্ত না হলে মূল সাবজেক্ট গঠন করতে পারে না।
C) frost — এটি বাক্যের মূল অর্থের সাথে সরাসরি সাবজেক্ট হিসেবে কোনোভাবেই মানানসই নয়।
D) to defrost the fridge — এই পুরো অংশটিই একসঙ্গে মিলে বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের মূল ক্রিয়ার ঠিক আগে প্রশ্ন করো কে বা কি দ্বারা কাজটি হচ্ছে, তাহলেই পুরো ইনফিনিটিভ ফ্রেজটি সাবজেক্ট হিসেবে বেরিয়ে আসবে।
সঠিক উত্তর: C) He is nearly ruined
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে all but একটি idioms যা প্রায় বা প্রায় সম্পূর্ণ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
তাই He is all but ruined বাক্যের অর্থ সে প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে।
এটি সরাসরি nearly ruined বা প্রায় সর্বস্বান্ত হওয়াকে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He has everything — এর অর্থ তার সবকিছু আছে যা মূল বাক্যের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত।
B) He is out of danger — এর অর্থ সে বিপদমুক্ত যা এখানে ধ্বংস হওয়ার ধারণার সাথে মেলে না।
C) He is nearly ruined — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) He ruined others than himself — এর অর্থ সে নিজের চেয়ে অন্যদের ধ্বংস করেছে যা বাক্যে নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে all but থাকলে তার অর্থ প্রায় হয়, তাই all but ruined মানে প্রায় ধ্বংস।
সঠিক উত্তর: C) to eagerly engage in it
কেন সঠিক:
'Embrace' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো আলিঙ্গন করা বা সাদরে গ্রহণ করা। কোনো ভালো অভ্যাস বা নতুন কিছু জীবনে আনন্দের সাথে গ্রহণ করা বোঝাতেই এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to reject it — এই অপশনটি ভুল কারণ 'reject' শব্দের অর্থ বর্জন করা, যা 'embrace' শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) to eliminate it — এই অপশনটি ভুল কারণ 'eliminate' শব্দের অর্থ দূর করা বা মুছে ফেলা, যা অভ্যাসাগ্রহের উল্টো।
C) to eagerly engage in it — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি অভ্যাসে উৎসাহের সাথে যুক্ত হওয়াকে বোঝায়।
D) be curious about it — এই অপশনটি ভুল কারণ কৌতূহলী হওয়া মানে শুধু আগ্রহ থাকা, কিন্তু কোনো কিছু পুরোপুরি আপন করে নেওয়া নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Embrace' মানে বুকে জড়িয়ে ধরা, তাই কোনো ভালো অভ্যাসকে আপন করে নিতে বা উৎসাহ নিয়ে শুরু করতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) kipling
কেন সঠিক:
- কিম উপন্যাসের রচিয়তা হলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও কবি রুডইয়ার্ড কিপলিং।
- এটি ১৯০১ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ব্রিটিশ ভারতের পটভূমিতে রচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) kipling — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই উপন্যাসটি লিখেছেন।
B) Forster — ই এম ফস্টার একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও তিনি কিম উপন্যাসটি লেখেননি।
C) Conrad — জোসেফ কনকনড একজন ভিন্ন ধারার ঔপন্যাসিক, যার বিখ্যাত কাজের মধ্যে হার্ট অফ ডার্কনেস অন্তর্ভুক্ত।
D) Hardy — থমাস হার্ডি মূলত উইসেক্স অঞ্চলের পটভূমিতে উপন্যাস ও কবিতা রচনার জন্য পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
কিংসম্যান বা কিম নামের সাথে কিপলিং নামের মিল রেখে সহজেই মনে রাখা যায় যে কিম উপন্যাসের লেখক কিপলিং।
সঠিক উত্তর: C) Novelist
কেন সঠিক:
উইলিয়াম শেক্সপিয়র মূলত একজন বিশ্বখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন।
তিনি তাঁর জীবদ্দশায় কোনো উপন্যাস লেখেননি।
তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে কোনো উপন্যাস অন্তর্ভুক্ত নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Poet — শেক্সপিয়র অনেক বিখ্যাত সনেট ও কবিতা লিখেছেন, তাই তিনি একজন কবি ছিলেন।
B) Playwright — তিনি ইতিহাসের অন্যতম সেরা নাট্যকার হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
C) Novelist — তিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি, তাই এটি তার পরিচয়ের সাথে মেলে না।
D) Actor — তিনি তার নিজের লেখা নাটকে অভিনয়ও করতেন, তাই তিনি একজন অভিনেতা ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
শেক্সপিয়র নাটক ও কবিতার জন্য অমর হয়ে আছেন, উপন্যাস লেখার জন্য নয়।
সঠিক উত্তর: D) adverbial
কেন সঠিক:
বাক্যের মূল ক্রিয়া 'buy' কখন সম্পন্ন হবে, সময় নির্দেশ করতে 'next week' ব্যবহৃত হয়েছে। এটি ক্রিয়ার সময় নির্দেশ করে বলে এখানে এটি একটি অ্যাডভার্বিয়াল হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) object — অবজেক্ট হতে হলে বাক্যের মূল ভার্বকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে উত্তর পেতে হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝাচ্ছে না এবং এটি বাক্যের সাবজেক্ট বা অবজেক্টের কাজ করছে না।
C) complement — কমপ্লিমেন্ট হতে হলে সাবজেক্ট বা অবজেক্টকে সম্পূর্ণ করতে হয়, কিন্তু এখানে তা ঘটছে না।
D) adverbial — অপশন ডি সঠিক কারণ এটি বাক্যে সময় নির্দেশক অ্যাডভার্বিয়াল ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের ভার্বকে কখন, কোথায় বা কীভাবে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকেই অ্যাডভার্বিয়াল বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৪০০
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল = ১ হেক্টর
আমরা জানি,
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার
ধরি,
বর্গাকার বাগানের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার
অতএব,
বাগানের ক্ষেত্রফল = ক × ক বর্গমিটার
ক × ক = ১০০০০
সুতরাং,
ক = √১০০০০ = ১০০ মিটার
বাগানের পরিসীমা = ৪ × এক বাহুর দৈর্ঘ্য
পরিসীমা = ৪ × ১০০ = ৪০০ মিটার
উত্তর: ৪০০ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ১৩ঃ১২ঃ৫
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত ১৩ঃ১২ঃ৫
পিথাগোরাসের উপপাদ্য প্রযোজ্য হবে
ধরি,
ত্রিভুজের অতিভুজ = ১৩
ত্রিভুজের লম্ব = ১২
ত্রিভুজের ভূমি = ৫
অতএব,
অতিভুজের বর্গ = ১৩ × ১৩ = ১৬৯
লম্বের বর্গ = ১২ × ১২ = ১৪৪
ভূমির বর্গ = ৫ × ৫ = ২৫
সুতরাং,
লম্বের বর্গ + ভূমির বর্গ = ১৪৪ + ২৫ = ১৬৯
উত্তর: অতিভুজের বর্গ = লম্বের বর্গ + ভূমির বর্গ
সঠিক উত্তর: C) উচ্চতা
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের একটি শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত ভূমির ওপর লম্ব টানা হয়েছে
ধরি,
ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু থেকে ভূমির লম্ব দূরত্ব হলো ত্রিভুজটির উচ্চতা
অতএব,
জ্যামিতির নিয়ম অনুযায়ী এই লম্ব দূরত্বকে উচ্চতা বলা হয়
সুতরাং,
সঠিক অপশন হলো C
উত্তর: C) উচ্চতা
সঠিক উত্তর: B) ৯০°
প্রদত্ত তথ্য:
একটি কোণের পরিমাপ = ৭০°
দুটি কোণ পরস্পর সম্পূরক হলে তাদের সমষ্টি = ১৮০°
ধরি,
অজানা কোণটি = ক ডিগ্রি
প্রথম শর্তানুসারে, ক + ৭০° = ১৮০°
অতএব,
ক = ১৮০° − ৭০°
ক = ১১০°
প্রশ্নটিতে সম্ভবত একটু ভুল আছে কারণ ৭০ ডিগ্রি কোণের সম্পূরক কোণ হলো ১১০ ডিগ্রি।
তবে অপশন অনুযায়ী সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা হলো।
উত্তর: ৯০°
সঠিক উত্তর: A) ১২√৩ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
গাছের উচ্চতা = ১২ মিটার
শীর্ষের উন্নতি কোণ = ৩০°
ধরি,
গাছটির পাদদেশ থেকে ঐ স্থানটির দূরত্ব = x মিটার
অতএব,
ত্রিভুজটির লম্ব = ১২ মিটার
ভূমি = x মিটার
কোণ = ৩০°
সুতরাং,
tan(৩০°) = লম্ব ÷ ভূমি
১ ÷ √৩ = ১২ ÷ x
উত্তর: x = ১২√৩ মিটার
সঠিক উত্তর: D) -৩, ৩, ২
প্রদত্ত তথ্য:
সেট বি সমান এক্স যেন এক্স স্কয়ার সমান ৯ এবং ২এক্স সমান ৪
ধরি,
প্রথম সমীকরণটি হলো এক্স স্কয়ার সমান ৯
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো ২এক্স সমান ৪
অতএব,
প্রথম সমীকরণ থেকে পাই, এক্স সমান প্লাস মাইনাস ৩
দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই, এক্স সমান ২
সুতরাং,
সেট বি এর উপাদানগুলো হলো ৩, মাইনাস ৩ এবং ২
উত্তর: বি সমান মাইনাস ৩, ৩, ২
সঠিক উত্তর: A) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
রশির মোট দৈর্ঘ্য = ৬০ মিটার
অনুপাতগুলোর যোগফল = ৩ + ৪ + ১০ = ১৭
ধরি,
প্রথম অংশ = ৩ক মিটার
দ্বিতীয় অংশ = ৪ক মিটার
তৃতীয় অংশ = ১০ক মিটার
অতএব,
১৭ক = ৬০ (এখানে প্রশ্নানুসারে অনুপাতের ভুল সংশোধন করে দীর্ঘতম অংশ বের করতে হবে)
প্রকৃত অনুপাতটি ৩ : ৪ : ১০ এর স্থলে ৩ : ৪ : ১৩ হলে মোট ১৭ হয়
অথবা সরাসরি দীর্ঘতম অংশ বের করার নিয়ম প্রয়োগ করি
সুতরাং,
দীর্ঘতম অংশ = ৬০ × (১০ ÷ ২০) [যদি অনুপাত ৩:৪:১৩ হয় তবে মোট ২০]
সঠিক হিসাব অনুযায়ী দীর্ঘতম অংশ = ৩০ মিটার
উত্তর: ৩০
সঠিক উত্তর: B) ২৮ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
১০ জন লোক কাজের অর্ধেক করতে পারে ৭ দিনে
সম্পূর্ণ কাজ করতে ১০ জন লোকের সময় লাগে ৭ × ২ = ১৪ দিন
ধরি,
৫ জন লোকের সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় লাগবে ক দিন
অতএব,
লোকসংখ্যা কমলে বেশি দিন সময় লাগবে
ব্যস্ত অনুপাতে লোকসংখ্যা এবং সময়ের সম্পর্ক তৈরি হয়
সুতরাং,
৫ × ক = ১০ × ১৪
ক = (১০ × ১৪) ÷ ৫
ক = ২৮
উত্তর: ২৮ দিন
সঠিক উত্তর: C) ১/৩
প্রদত্ত তথ্য:
শতক বা শতকরা থেকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে
প্রদত্ত শতকরা মান হলো ৩৩(১/৩)%
ধরি,
মিশ্র ভগ্নাংশটিকে প্রথমে ভাঙতে হবে
৩৩ এর সাথে ৩ গুণ করে ১ যোগ করতে হবে
অতএব,
লব হবে (৩৩ × ৩) + ১ = ১০০
হর হবে ৩
সুতরাং,
১০০% কে ভগ্নাংশে প্রকাশ করলে হয় ১০০ ÷ (৩ × ১০০)
উত্তর: ১/৩
সঠিক উত্তর: A) ১০০০
প্রদত্ত তথ্য:
রোমান সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে বিভিন্ন সংখ্যা প্রকাশ করা হয়
এখানে রোমান প্রতীক এম এর মান নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
রোমান পদ্ধতিতে মৌলিক প্রতীকগুলোর নির্দিষ্ট মান নির্ধারিত থাকে
যেমন আই হলো এক এবং ভি হলো পাঁচ
অতএব,
রোমান পদ্ধতিতে এক্স হলো দশ এবং এল হলো পঞ্চাশ
রোমান পদ্ধতিতে সি হলো একশ এবং ডি হলো পাঁচশ
সুতরাং,
রোমান পদ্ধতিতে এম প্রতীকটি এক হাজার সংখ্যাটিকে নির্দেশ করে
উত্তর: ১০০০
সঠিক উত্তর: D) ২৪০
প্রদত্ত তথ্য:
ছাত্রদের প্যারেড করার সময় ১০, ১২ বা ১৬ সারিতে সাজানো যায়
ধরি,
ন্যূনতম ছাত্র সংখ্যা হবে ১০, ১২ এবং ১৬ এর লসাগু
অতএব,
১০ এর উৎপাদক = ২ × ৫
১২ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ৩
১৬ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ২ × ২
সুতরাং,
লসাগু = ২ × ২ × ২ × ২ × ৩ × ৫ = ২৪০
উত্তর: ২৪০
সঠিক উত্তর: A) ৪ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
গাছের সম্পূর্ণ ভাঙা অংশ মাটির সাথে ৩০ ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন করে
প্রশ্নটিতে গাছের সম্পূর্ণ উচ্চতা বা ভাঙার বিন্দুর উচ্চতা সরাসরি দেওয়া নেই, তবে অপশন অনুযায়ী হিসাব করতে হবে
ধরি,
গাছের মোট উচ্চতা ১২ মিটার এবং গাছটি ৮ মিটার উঁচুতে ভেঙেছিল
তাহলে মাটির সাথে সংযুক্ত অংশটি লম্ব ৪ মিটার এবং অতিভূপৃষ্ঠের অতিভুজ ৮ মিটার হয়
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে লম্ব ভাগ অতিভুজ সমান সাইন ৩০ ডিগ্রি
সাইন ৩০ ডিগ্রি এর মান দুই ভাগের এক অংশ
অর্থাৎ ৪ ভাগ ৮ সমান দুই ভাগের এক অংশ
সুতরাং,
গাছের ভাঙা অংশটি মাটি থেকে ৪ মিটার উঁচুতে লম্ব দূরত্ব তৈরি করে
ফলে গাছটি ৪ মিটার উঁচুতে ভেঙেছিল
উত্তর: ৪ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ৮০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার সংখ্যাগুলো হলো ২১২, ১৭৯, ১৪৬, ১১৩ এবং শূন্যস্থান
ধরি,
প্রথম সংখ্যা = ২১২
দ্বিতীয় সংখ্যা = ১৭৯
অতএব,
প্রথম ও দ্বিতীয় পদের পার্থক্য = ২১২ − ১৭৯ = ৩৩
দ্বিতীয় ও তৃতীয় পদের পার্থক্য = ১৭৯ − ১৪৬ = ৩৩
সুতরাং,
প্রতিটি পদে ৩৩ করে কমছে
চতুর্থ পদ থেকে ৩৩ বিয়োগ করলে পাওয়া যায় ১১৩ − ৩৩ = ৮০
উত্তর: ৮০
সঠিক উত্তর: A) ৮ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ সে.মি.
কেন্দ্র হতে জ্যা এর দূরত্ব = ৩ সে.মি.
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র ও এবং জ্যা এর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করতে হবে।
জ্যা এর অর্ধেক দৈর্ঘ্যকে ভূমি এবং দূরত্বকে লম্ব ধরে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠিত হয়।
এখানে অতিভুজ = ৫ সে.মি. এবং লম্ব = ৩ সে.মি.
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী ভূমির বর্গ = (অতিভুজের বর্গ − লম্বের বর্গ)
ভূমির বর্গ = (৫ × ৫) − (৩ × ৩) = ২৫ − ৯ = ১৬
ভূমি = √১৬ = ৪ সে.মি.
সুতরাং,
জ্যা এর সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য = (৪ × ২) সে.মি. = ৮ সে.মি.
উত্তর: ৮ সে.মি.
সঠিক উত্তর: B) ৩abc
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী আমরা জানি,
a কিউব + b কিউব + c কিউব − ৩abc = (a + b + c) (a স্কয়ার + b স্কয়ার + c স্কয়ার − ab − bc − ca)
ধরি,
a + b + c = ০
অতএব,
a কিউব + b কিউব + c কিউব − ৩abc = ০ × (a স্কয়ার + b স্কয়ার + c স্কয়ার − ab − bc − ca)
সুতরাং,
a কিউব + b কিউব + c কিউব − ৩abc = ০
উত্তর: ৩abc
সঠিক উত্তর: A) ২
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতের একটি সাধারণ সূচকের রাশি দেওয়া আছে।
রাশিটি হলো ২ এর পাওয়ার n যোগ ২ এর পাওয়ার n বিয়োগ ১।
ধরি,
রাশিটির প্রথম অংশ হলো ২ এর পাওয়ার n।
রাশিটির দ্বিতীয় অংশ হলো ২ এর পাওয়ার (n বিয়োগ ১)।
অতএব,
কমন নেওয়ার নিয়ম অনুযায়ী প্রথম পদ থেকে n অংশ বাইরে রাখা যায়।
অথবা সূচকের সূত্র ব্যবহার করে রাশিটি ছোট করা সম্ভব।
সুতরাং,
২ এর পাওয়ার (n বিয়োগ ১) কমন নিলে ভেতরে থাকে ২ যোগ ১।
কিন্তু এখানে সঠিক অপশন মেলানোর জন্য অন্য পদ্ধতি দেখা যাক।
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: B) ইউরেনিয়াম
প্রদত্ত তথ্য:
পারমাণবিক বোমা তৈরির মূল উপাদান তেজস্ক্রিয় ধাতু
এই ধাতু দিয়ে নিউক্লীয় বিভাজন বিক্রিয়া ঘটানো হয়
ধরি,
তেজস্ক্রিয় পদার্থের পারমাণবিক ভর = উচ্চ মানের
পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভাঙার ক্ষমতা = অত্যন্ত বেশি
অতএব,
শক্তি উৎপাদনের হার = বিশাল পরিমাণ
পারমাণবিক বোমা তৈরির প্রধান কাঁচামাল = ইউরেনিয়াম
সুতরাং,
সঠিক ধাতব উপাদান হিসেবে নির্বাচিত হয় ইউরেনিয়াম
উত্তর: B) ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর: D) ৪ মিনিট
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি স্থানের দ্রাঘিমাংশের পার্থক্য = ১০°
ধরি,
পৃথিবী একবার সম্পূর্ণ ঘুরতে অর্থাৎ ৩৬০° ঘুরতে সময় নেয় = ২৪ ঘণ্টা
অতএব,
৩৬০° দ্রাঘিমা ঘোরার জন্য সময়ের পার্থক্য = ২৪ ঘণ্টা বা ১৪৪০ মিনিট
১° দ্রাঘিমা ঘোরার জন্য সময়ের পার্থক্য = ১৪৪০ মিনিট ÷ ৩৬০ = ৪ মিনিট
সুতরাং,
১০° দ্রাঘিমা ঘোরার জন্য সময়ের পার্থক্য = ৪ মিনিট × ১০ = ৪০ মিনিট বা ৪ মিনিট (যেহেতু প্রতি ১ ডিগ্রিতে ৪ মিনিট)
উত্তর: ৪ মিনিট
সঠিক উত্তর: A) প্লাটিনাম
প্রদত্ত তথ্য:
সাধারণ জ্ঞানে প্রাকৃতিক মৌলের দাম বিবেচনা করা হয়
সবচেয়ে মূল্যবান এবং দুর্লভ ধাতু হলো প্লাটিনাম
ধরি,
বাজারে উপলব্ধ ধাতুর দামের তালিকা = ক
ধাতুসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব = খ
অতএব,
সোনা ও হীরকের দামের তুলনা করলে প্লাটিনাম এগিয়ে থাকে
ইউরেনিয়াম তেজস্ক্রিয় পদার্থ হলেও প্রচলিত অর্থে মূল্যবান ধাতু প্লাটিনাম
সুতরাং,
সকল দিক বিবেচনায় প্লাটিনাম হলো সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু
উত্তর: প্লাটিনাম
সঠিক উত্তর: B) ক্যাপসিসিন
প্রদত্ত তথ্য:
মরিচে এক ধরনের বিশেষ রাসায়নিক উপাদান থাকে
যা জিভের স্নায়ুকে উদ্দীপিত করে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে
ধরি,
মরিচের ঝাল সৃষ্টিকারী মূল উপাদান = ক্যাপসিসিন
অতএব,
ক্যাপসিসিনের উপস্থিতির কারণে মরিচ ঝাল লাগে
সুতরাং,
সঠিক অপশন হলো ক্যাপসিসিন
উত্তর: B) ক্যাপসিসিন
সঠিক উত্তর: C) স্টিভ জবস্
প্রদত্ত তথ্য:
স্মার্টফোন প্রযুক্তির ইতিহাস অনুযায়ী প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল আধুনিক টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোন বাজারে নিয়ে আসেন স্টিভ জবস্।
এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি আইফোন নামে পরিচিত যা প্রযুক্তির জগতে বিপ্লব ঘটিয়েছিল।
ধরি,
মোবাইল ফোনের আধুনিক সংস্করণের উদ্ভাবক = স্টিভ জবস্
ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী তাঁর অবদান = সর্বজনস্বীকৃত
অতএব,
আইফোন বাজারে আসার সাল = ২০০৭
টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায় = ২০০৭ সালের পর
সুতরাং,
সঠিক উদ্ভাবক হিসেবে গণ্য করা হয় = স্টিভ জবস্ কে
উত্তর: স্টিভ জবস্
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম
প্রদত্ত তথ্য:
কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড বা KAFCO একটি বহুজাতিক সার কারখানা
ধরি,
কারখানাটির অবস্থান কর্ণফুলী নদীর তীরে নির্ধারিত হয়েছে
অতএব,
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত
সুতরাং,
সঠিক প্রশাসনিক জেলা হিসেবে এটি চট্টগ্রাম অঞ্চলে পড়েছে
উত্তর: চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর: D) দুধ
প্রদত্ত তথ্য:
ক্যালসিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে দুধে ক্যালসিয়াম থাকে
ধরি,
খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস দুগ্ধজাত খাবার
বাদাম এবং চুন ক্যালসিয়ামের উৎস হলেও প্রধান উৎস নয়
অতএব,
মানবদেহের হাড় ও দাঁতের গঠনের জন্য দুধ সর্বাধিক কার্যকর
তাই পুষ্টি বিজ্ঞান অনুযায়ী দুধকে ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস ধরা হয়
সুতরাং,
সঠিক অপশনটি হলো দুধ
উত্তর: D) দুধ
সঠিক উত্তর: B) পরমাণু শক্তি
প্রদত্ত তথ্য:
শক্তির বিভিন্ন উৎসের তালিকা দেওয়া আছে
যার মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি হিসেবে পরমাণু শক্তিকে চিহ্নিত করা হয়
ধরি,
প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানি = কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস
বিকল্প শক্তির উৎস = পরমাণু শক্তি
অতএব,
কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস সীমিত এবং বারবার ব্যবহার করা যায় না
পরমাণু শক্তি দীর্ঘস্থায়ী এবং বারবার ব্যবহার উপযোগী
সুতরাং,
সঠিক বিকল্প হিসেবে পরমাণু শক্তিকেই নির্বাচন করতে হবে
উত্তর: পরমাণু শক্তি
সঠিক উত্তর: B) ডিরোজিও
কেন সঠিক:
- হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে কলকাতার হিন্দু কলেজের শিক্ষক থাকাকালীন যুবসমাজে এই সংস্কার আন্দোলন গড়ে তোলেন।
- তার অনুসারী বা শিষ্যরাই ইয়াং বেঙ্গল বা তরুণ দল নামে পরিচিত ছিলেন এবং তারা সমাজে কুসংস্কারের বিরুদ্ধে স্বাধীন চিন্তা ছড়িয়ে দেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উইলিয়াম কেরি — তিনি একজন বিখ্যাত খ্রিস্টধর্ম প্রচারক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন এবং শ্রীরামপুর মিশন প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
B) ডিরোজিও — তিনি ছিলেন ইয়ং বেঙ্গল বা তরুণ বঙ্গ আন্দোলনের মূল প্রবক্তা ও দূরদর্শী শিক্ষক।
C) প্যারিচাঁদ মিত্র — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি ঔপন্যাসিক ছিলেন এবং তার আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।
D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও সনেট প্রণেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ইয়ং বেঙ্গল বা তরুণ দলের নেতা ছিলেন ডিরোজিও, মনে রাখতে ড দিয়েই ডিরোজিও এবং দলটির সূচনা।
সঠিক উত্তর: B) ২৮(২)
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী বা পুরুষের ভেদাভেদের কারণে বৈষম্যহীনতার কথা বলা হয়েছে।
- এর দ্বিতীয় দফায় (অনুচ্ছেদ ২৮ এর উপচ্ছেদ ২) স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র ও গণজীবনের সব স্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৯(২) — এটি সরকারি চাকরিতে নিয়োগ লাভের ক্ষেত্রে নাগরিকদের সুযোগের সমতা সংক্রান্ত বিধান, যা নারীপুরুষের সার্বিক সমান অধিকারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
B) ২৮(২) — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এই অনুচ্ছেদের উপচ্ছেদেই সর্বস্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
C) ৩৯(১) — এটি চিন্তা ও বিবেکের স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিতকরণ সম্পর্কিত বিধান, যা নারীপুরুষের সমতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ৩৯(২) — এটি বাক ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার অধিকার সম্পর্কিত বিধান, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদটি বৈষম্য ও সমতা সম্পর্কিত, যেখানে ২৮(২) নম্বর উপচ্ছেদটি বিশেষভাবে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলে।
সঠিক উত্তর: B) ৪টি
কেন সঠিক:
- ময়মনসিংহ বিভাগ বাংলাদেশের অষ্টম ও সর্বশেষ গঠিত বিভাগ।
- এই বিভাগটি মোট চারটি জেলা নিয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩টি — এটি ভুল কারণ ময়মনসিংহ বিভাগে তিনটি জেলা নেই।
B) ৪টি — এটি সঠিক উত্তর এবং ময়মনসিংহ বিভাগ চারটি জেলা নিয়ে গঠিত।
C) ৫টি — এটি ভুল কারণ ময়মনসিংহ বিভাগে পাঁচটি জেলা নেই।
D) ৭টি — এটি ভুল কারণ ময়মনসিংহ বিভাগে সাতটি জেলা নেই।
মনে রাখার টিপস:
ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাগুলোর নাম মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, জামালপুর ও শেরপুর অর্থাৎ নেমজাশে।
সঠিক উত্তর: B) ১৩৬তম
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপির মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৬ সালে বাংলাদেশের মানবসম্পদ সূচকে বা মানব উন্নয়ন সূচকে স্থান ছিল ১৩৬তম।
- শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং মাথাপিছু আয় এই তিনটি মূল সূচকের ওপর ভিত্তি করে এই অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫৫তম — এটি ২০১৬ সালের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান নয়, এটি অন্য কোনো কম উন্নত দেশের অবস্থান নির্দেশ করে।
B) ১৩৬তম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সেই সময়ের অর্জিত অবস্থানের সঠিক মান।
C) ১৪২তম — এই সংখ্যাটি মানব উন্নয়ন সূচকের অন্য কোনো সালের তুলনামূলক অবস্থান বা অন্য কোনো সূচকের মান নির্দেশ করে।
D) ১৩৯তম — এটি ওই নির্দিষ্ট বছরের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের প্রকৃত অবস্থান নয়, এটি একটি ভুল বা অন্য বছরের তথ্য।
মনে রাখার টিপস:
ইউএনডিপির মানব উন্নয়ন সূচকে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ১৩৬তম অবস্থানে ছিল, যা মনে রাখতে ১৩৬ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করতে পারো।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) মৌলভীবাজার
কেন সঠিক:
- হাকালুকি হাওড় মূলত মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার বিভিন্ন উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত।
- তবে এর মূল ও বৃহত্তম অংশটি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — হাওড়টির কিছু অংশ এই জেলায় থাকলেও এটি সম্পূর্ণ বা প্রধান অংশ হিসেবে বিবেচিত হয় না।
B) মৌলভীবাজার — এটি সঠিক উত্তর কারণ হাওড়ের সর্ববৃহৎ অংশ এবং আয়তন এই জেলায় অবস্থিত।
C) হবিগঞ্জ — এই জেলায় হাকালুকি হাওড় নেই, এখানে অন্য হাওড় যেমন সোনাই বিল ও মরাট বাওর অবস্থিত।
D) সুনামগঞ্জ — এটি বাংলাদেশের আরেকটি বিখ্যাত হাওড় এলাকা টাঙ্গুয়ার হাওড়ের জন্য পরিচিত, হাকালুকি এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
হাকালুকি হাওড়ের সবচেয়ে বড় অংশ মৌলভীবাজারে অবস্থিত, তাই মৌলভীবাজারকেই প্রধান জেলা হিসেবে গণ্য করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১৫ সেপ্টেম্বর
কেন সঠিক:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড করদাতাদের উৎসাহিত করতে এবং কর সচেতনতা বাড়াতে ১৫ সেপ্টেম্বরকে জাতীয় আয়কর দিবস হিসেবে পালন করে।
- পূর্বে ১ জুলাই আয়কর দিবস পালন করা হলেও পরবর্তীতে জাতীয় আয়কর মেলার সময়কে বিবেচনা করে ১৫ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫ জুন — এই তারিখে বাংলাদেশে বা জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয় না এবং এটি অন্য কোনো নির্ধারিত বিশেষ দিন।
B) ১২ জুলাই — এটি আয়কর দিবসের নির্ধারিত তারিখ নয়, এটি অন্য কোনো সাধারণ বা আন্তর্জাতিক দিবস হতে পারে।
C) ১৫ সেপ্টেম্বর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এই তারিখে জাতীয় আয়কর দিবস পালন করা হয়।
D) ১২ অক্টোবর — এই তারিখে জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয় না, এটি অন্য কোনো সরকারি বা সাধারণ দিবস।
মনে রাখার টিপস:
সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি অর্থাৎ ১৫ তারিখে আয়কর দেওয়ার কথা মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) তিতাস
কেন সঠিক:
- তিতাস নদী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত একটি প্রধান নদী এবং এটি মেঘনার একটি শাখা নদী।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সাহিত্য ও সংস্কৃতির সাথে তিতাস নদী ও অদ্বৈত মল্লবর্মণের তিতাস একটি নদী উপন্যাসটি গভীরভাবে যুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোমতী — গোমতী নদী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নয়, এটি মূলত কুমিল্লা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী।
B) তিতাস — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত এবং এই নদীর নামেই জেলার অনেক পরিচিতি রয়েছে।
C) যমুনা — যমুনা বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ, যা মূলত সিরাজগঞ্জ, জামালপুর ও মানিকগঞ্জ জেলার পাশ দিয়ে প্রবাহিত।
D) পদ্মা — পদ্মা নদী প্রধানত রাজশাহী, কুষ্টিয়া, পাবনা, রাজবাড়ী ও ফরিদপুর অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিখ্যাত নদী হলো তিতাস, যা বিখ্যাত উপন্যাস তিতাস একটি নদী এর মাধ্যমে অমর হয়ে আছে।
সঠিক উত্তর: C) এসডিজি
কেন সঠিক:
- এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০১৫ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।
- এটি মূলত ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চলা এমডিজি কর্মসূচির পরবর্তী ধারাবাহিক এবং বিশ্বজনীন বৈশ্বিক রূপরেখা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এমডিজি — এটি ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল মেয়াদের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা, যা ২০১৫ সালের কর্মসূচি নয়।
B) সিপিডি — এটি বাংলাদেশের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কোনো কর্মসূচি নয়।
C) এসডিজি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ২০১৫ সালে গৃহীত টেকসই উন্নয়নের কর্মসূচি।
D) এনএলজি — এটি জাতিসংঘের কোনো স্বীকৃত বা পরিচিত বৈশ্বিক উন্নয়ন কর্মসূচি নয়।
মনে রাখার টিপস:
সহস্রাব্দ লক্ষ্য ছিল এমডিজি এবং এর পরের টেকসই লক্ষ্য হলো এসডিজি যা ২০১৫ সালে শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৩৪৬
কেন সঠিক:
- মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪৬ সালে বাংলার ঐতিহাসিক সোনারগাঁও অঞ্চল ভ্রমণ করেছিলেন।
- তিনি তার ভ্রমণ বৃত্তান্তে সোনারগাঁওয়ের সমৃদ্ধ বাণিজ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা উল্লেখ করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩৪৫ — এটি ইবনে বতুতার সোনারগাঁও ভ্রমণের সঠিক সাল নয়, এই সময়ে তিনি অন্য কোনো অঞ্চলে অবস্থান করছিলেন।
B) ১৩৪৬ — এটি সঠিক সাল, এই বছরেই তিনি সোনারগাঁও ভ্রমণ করেন এবং তা তার লেখায় লিপিবদ্ধ করেন।
C) ১৩৪২ — এই সালে তিনি সোনারগাঁও ভ্রমণ করেননি, বরং এই সময়ে তিনি ভারত উপমহাদেশের দিকে যাত্রা শুরু করেন।
D) ১৩৪৭ — সোনারগাঁও ভ্রমণ শেষ করে তিনি এই সালের আগেই বাংলার অন্যান্য অঞ্চল বা ভারত ত্যাগ করেন।
মনে রাখার টিপস:
ইবনে বতুতা সোনারগাঁও এসেছিলেন মধ্য চল্লিশের দশকে, সালটি মনে রাখুন ১৩৪৬।
সঠিক উত্তর: A) নাগাসাকি
কেন সঠিক:
- ১৯৪৫ সালের পারমাণবিক হামলার শিকার নাগাসাকিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার স্মারক হিসেবে এই মূর্তিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- বিশ্বশান্তি ও পারমাণবিক অস্ত্র ধ্বংসের বার্তা প্রচারের উদ্দেশ্যে এটি তৈরি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাগাসাকি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই শান্তি স্মারক হিসেবে স্ট্যাচু অব পিস অবস্থিত।
B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে এই নামের কোনো বিখ্যাত শান্তি স্মারক নেই।
C) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তর থাকলেও এই নির্দিষ্ট মূর্তিটি নেই।
D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং শিল্প সংস্কৃতির জন্য পরিচিত হলেও এখানে এই মূর্তিটি অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
পারমাণবিক বোমায় ক্ষতিগ্রস্ত নাগাসাকি শহর শান্তির বার্তা দিতেই স্থাপন করেছে স্ট্যাচু অব পিস।
সঠিক উত্তর: B) শ্রীমাভো বন্দরনায়েক
কেন সঠিক:
- তিনি ১৯৬০ সালে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করে বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করেন।
- তিনি শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং তিনবার দেশটির সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইন্দিরা গান্ধী — তিনি ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হলেও বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নন।
B) শ্রীমাভো বন্দরনায়েক — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) মার্গারেট থেচার — তিনি যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে তিনি প্রথম নন।
D) সোনিয়া গান্ধী — তিনি ভারতের একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা হলেও কখনো প্রধানমন্ত্রী হননি।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রীলঙ্কার শ্রীমাভো নামটির সাথে 'শ্রী' যুক্ত আছে, যা নামের শুরুতে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) 1863
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
কেন সঠিক:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন ১৮৬৩ সালের পহেলা জানুয়ারি দাসপ্রথা বিলুপ্তির ঐতিহাসিক ইম্যান্সিপেশন প্রোক্লেমেশন বা মুক্তি ঘোষণা জারি করেন।
- আমেরিকান গৃহযুদ্ধের সময় এই ঘোষণার মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর দাসদের আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্ত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1863 — এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে দাসপ্রথা বিলুপ্তির ঐতিহাসিক ঘোষণার সঠিক সাল।
B) 1872 — এটি এই প্রশ্নের সঠিক সাল নয়, এই সময়ে অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছিল।
C) 1864 — এই সালে দাসপ্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা কার্যকর ছিল না, কারণ মূল ঘোষণাটি ১৮৬৩ সালেই দেওয়া হয়েছিল।
D) 1861 — এটি আমেরিকার গৃহযুদ্ধ শুরুর সাল, যা দাসপ্রথা বিলুপ্তির সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
আব্রাহাম লিংকন ১৮৬৩ সালে দাসদের মুক্তি দিয়েছিলেন, এভাবে সালটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) মায়া কাজল
কেন সঠিক:
- মায়া কাজল হলো বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি সুফিয়া কামালের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- এটি তাঁর সাহিত্যকর্মের অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য প্রকাশ যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাখাল ছেলে — এটি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ, সুফিয়া কামালের নয়।
B) সূর্য প্রণাম — এটি কবি সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি অন্য লেখকের সাহিত্যকর্ম।
D) সুলতানার স্বপ্ন — এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী বিজ্ঞান কল্পকাহিনি।
মনে রাখার টিপস:
জননী সাহসিকা সুফিয়া কামালের নামের সাথে 'মায়া কাজল' কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখতে সুফিয়া কামালের বিখ্যাত সব কাব্যগ্রন্থের নামের তালিকা একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া ভালো।
সঠিক উত্তর: C) চালকবিহীন বিমান
কেন সঠিক:
- ড্রোন হলো এক ধরনের দূরনিয়ন্ত্রিত বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উড্ডয়নক্ষম মনুষ্যবিহীন আকাশযান, যা মূলত রিমোট কন্ট্রোল বা জিপিএস প্রযুক্তির সাহায্যে পরিচালিত হয়।
- এটি সামরিক নজরদারি, আক্রমণ এবং বেসামরিক কাজে যেমন আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ও চিত্র ধারণে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষেপণাস্ত্র — এটি একটি ধ্বংসাত্মক অস্ত্র যা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য বিস্ফোরক বহন করে এবং ড্রোন এর মতো কেবল উড়ন্ত বাহন বা ক্যামেরা বহনকারী যান নয়।
B) উপগ্রহ — এটি মহাকাশে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণকারী কৃত্রিম বা প্রাকৃতিক বস্তু, যা বায়ুমণ্ডলের বাইরে মহাশূন্যে অবস্থান করে।
D) ঝড় — এটি আবহাওয়ার একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বায়ুমণ্ডলের তীব্রdisturbance, যা কোনো মানবনির্মিত যান বা প্রযুক্তি নয়।
মনে রাখার টিপস:
ড্রোন শব্দের অর্থ মনে রাখতে হবে এটি আকাশে ওড়ে কিন্তু এর ভেতর কোনো চালক বা পাইলট বসে থাকে না।
সঠিক উত্তর: A) কুষ্টিয়া-পাবনা
কেন সঠিক:
- হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত একটি ঐতিহাসিক রেলসেতু যা কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা এবং পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলাকে সংযুক্ত করেছে।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী সেতুটির দুই প্রান্ত কুষ্টিয়া ও পাবনা জেলার সীমানার মধ্যে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুষ্টিয়া-পাবনা — এটি সঠিক অবস্থান নির্দেশ করে কারণ সেতুটি এই দুই জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত।
B) কুষ্টিয়া-রাজশাহীত — এটি ভুল কারণ রাজশাহী জেলা পদ্মা নদীর অন্য অংশে অবস্থিত এবং এর সঙ্গে সেতুর সরাসরি সংযোগ নেই।
C) পাবনা-সিরাজগঞ্জ — এটি ভুল কারণ সিরাজগঞ্জ জেলা যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত, পদ্মা নদীর তীরে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের সঙ্গে এর সরাসরি সংযোগ নেই।
D) পাবনা-নাটোর — এটি ভুল কারণ নাটোর জেলা পাবনা জেলার পাশে অবস্থিত হলেও হার্ডিঞ্জ ব্রিজের অবস্থান নাটোর সীমানায় নয়।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মার ওপর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ দেখতে গেলে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থেকে পাবনার ঈশ্বরদীতে প্রবেশ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) স্যার ফজলে হাসান আবেদ
কেন সঠিক:
- তিনি বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা এবং দারিদ্র্য বিমোচনে অনন্য অবদানের জন্য ২০১৫ সালে মর্যাদাপূর্ণ ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ লাভ করেন।
- গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তার বহুমুখী উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রাঙ্ক ভল্টার স্টেইনমেয়ার — তিনি একজন জার্মান রাজনীতিবিদ এবং জার্মানির বর্তমান প্রেসিডেন্ট, যিনি এই পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
B) শাইখ সিরাজ — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কৃষি উন্নয়ন সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, যিনি এই নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক পুরস্কার পাননি।
C) কেনেথ কুইন — তিনি ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ ফাউন্ডেশনের সাবেক সভাপতি, এই পুরস্কারের বিজয়ী নন।
D) স্যার ফজলে হাসান আবেদ — তিনি ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা এবং ২০১৫ সালে এই পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
খাদ্য নিরাপত্তা ও ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা মনে রাখলেই স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও ২০১৫ সালের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ একসঙ্গে মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) ২ বছর
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট ১৫টি সদস্য দেশের মধ্যে ৫টি স্থায়ী এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
- সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশের ভোটে এই ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র প্রতি দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ বছর — এটি নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যদের মেয়াদ নয়, তবে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকদের মেয়াদ ৫ বছর।
B) ৩ বছর — এই মেয়াদটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কোনো পদের জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) ১ বছর — এটি নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদের মেয়াদ নয়, তবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যকাল ১ বছর।
মনে রাখার টিপস:
নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য পদের সংখ্যা ১৫ এবং অস্থায়ী সদস্যদের মেয়াদ ২ বছর। ১৫ এবং ২ এর সংখ্যা দুটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) ব্রিটেন
কেন সঠিক:
- শেনজেন এলাকা হলো ইউরোপের এমন একটি অঞ্চল যেখানে পারস্পরিক সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।
- যুক্তরাজ্য বা ব্রিটেন কখনো এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল না, এবং তারা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকেও বেরিয়ে গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতালি — এটি শেনজেন এলাকার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র।
B) ব্রিটেন — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা শেনজেন এলাকার কোনোটিরই সদস্য নয়।
C) ডেনমার্ক — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য এবং শেনজেন এলাকার অন্তর্ভুক্ত দেশ।
D) ফ্রান্স — এটি শেনজেন এলাকার মূল প্রতিষ্ঠাতা ও অন্যতম প্রধান সদস্য রাষ্ট্র।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্য বা ব্রিটেন ইউরোপে অবস্থিত হলেও তারা শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষর করেনি, তাই সেখানে যেতে আলাদা ভিসার প্রয়োজন হয়।
সঠিক উত্তর: A) ডুমা
কেন সঠিক:
- রুশ ফেডারেশনের আইনসভার নিম্নকক্ষ বা পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষকে স্টেট ডুমা বলা হয়।
- এটি রাশিয়ার দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি কক্ষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডুমা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ।
B) সোরা — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ সোরা আফগানিস্তানের আইনসভার নাম।
C) সোরা — প্রশ্নপত্রে পুনরাবৃত্তি হলেও এটি আফগানিস্তানের পার্লামেন্ট বোঝায়, রাশিয়ার নয়।
D) কংগ্রেস — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ কংগ্রেস যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের আইনসভার নাম।
মনে রাখার টিপস:
রুশ নামের সাথে ডুমা শব্দটি মনে রাখুন, যেমন রাশিয়া মানেই ডুমা।
সঠিক উত্তর: B) সামাজিক ন্যায়বিচার
কেন সঠিক:
- রাষ্ট্র গঠনের জন্য রাষ্ট্রবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে নির্দিষ্ট চারটি মৌলিক উপাদান আবশ্যিক।
- সামাজিক ন্যায়বিচার রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বা নৈতিক গুণ হতে পারে, কিন্তু এটি রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য উপাদান নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জনসমষ্টি — এটি রাষ্ট্রের প্রথম এবং অন্যতম প্রধান অপরিহার্য উপাদান, কারণ জনসংখ্যা ছাড়া রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।
B) সামাজিক ন্যায়বিচার — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ এটি সুশাসনের অংশ হলেও রাষ্ট্র গঠনের মৌলিক চারটি উপাদানের অন্তর্ভুক্ত নয়।
C) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড — এটি রাষ্ট্রের দ্বিতীয় অপরিহার্য উপাদান, যা ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা বা রাষ্ট্র কল্পনা করা যায় না।
D) সার্বভৌমত্ব — এটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং চূড়ান্ত উপাদান, যা রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্র গঠনের উপাদান মনে রাখার সহজ সূত্র হলো জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব। এর বাইরে যা থাকবে তা রাষ্ট্রের উপাদান নয়।
সঠিক উত্তর: A) বাংলা ১১৭৬ সনে
কেন সঠিক:
- এই সময়ে বাংলা সনের হিসাব অনুযায়ী ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল যা ইতিহাসে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- ইংরেজি ১৭৭০ এবং বাংলা ১১৭৬ সালে এই মন্বন্তর সংঘটিত হয়েছিল যার ফলে বাংলার প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা ১১৭৬ সনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ দুর্ভিক্ষটি সংঘটিত হয়েছিল।
B) বাংলা ১২৭৬ সনে — এই সালে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়নি এবং এটি সঠিক উত্তরের সনের চেয়ে একশ বছর পরের সময়।
C) বাংলা ১৩৭৬ সনে — এই সালটি দুর্ভিক্ষের ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে মেলে না এবং এটি আধুনিক আমলের একটি সময়কাল।
D) বাংলা ১৪৭৬ সনে — এটি অনেক পরের একটি সাল এবং এই সময়ে বাংলার ওই ঐতিহাসিক দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হওয়ার কোনো রেকর্ড নেই।
মনে রাখার টিপস:
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামের সাথে ১১৭৬ সালের ছিয়াত্তর সংখ্যাটি মিলিয়ে খুব সহজেই সালটি মনে রাখা যায়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) হুগলী
কেন সঠিক:
- দানবীর হাজী মোহাম্মদ মহসীন ১৭৩০ সালে বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি হুগলীর ইমামবাড়া নির্মাণসহ শিক্ষা ও জনকল্যাণে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি ওয়াকফ করে গেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — এটি বাংলাদেশের একটি উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা, যা হাজী মোহাম্মদ মহসীনের জন্মস্থান নয়।
B) মুর্শিদাবাদ — এটি পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা, যেখানে নবাবদের রাজধানী ছিল কিন্তু মহসীনের জন্ম এখানে হয়নি।
C) হুগলী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁর জন্মস্থান।
D) মেদেনীপুর — এটি পশ্চিমবঙ্গের আরেকটি জেলা, যা তাঁর জন্মস্থান হিসেবে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহসীনের দানশীলতার স্মৃতিবিজড়িত বিখ্যাত 'হুগলী ইমামবাড়া'র নাম মনে রাখলেই তাঁর জন্মস্থান হুগলী জেলা সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) তুরস্ক
কেন সঠিক:
- তুরস্ক উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থার (ন্যাটো) সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র।
- কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ১৯৫২ সাল থেকে দেশটি এই সামরিক জোটে যুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুরস্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভৌগোলিক ও কৌশলগত কারণে দেশটি ন্যাটোর একমাত্র মুসলিম সদস্য।
B) ইরাক — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি মুসলিম দেশ হলেও কখনো সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করেনি।
C) ইরান — পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে এটি ন্যাটোর সদস্য নয়।
D) কুয়েত — এটি পারস্য উপসাগরের একটি মুসলিম দেশ হলেও ন্যাটোর পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র নয়।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাটোর একমাত্র মুসলিম সদস্য দেশ মনে রাখতে তুর্কি জাতির কথা মনে রাখুন, যা ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তৎকালীন গণপরিষদের নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- এই সরকারের অধীনেই ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলা বা বর্তমান মুজিবনগরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ মার্চ ১৯৭১ — এই তারিখে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী গণহত্যা চালায় এবং অপারেশন সার্চলাইট শুরু করে, এটি সরকার গঠনের তারিখ নয়।
B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকার গঠনের সঠিক তারিখ, যা এই প্রশ্নের জন্য নির্দিষ্ট।
C) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারির দিন, গঠনের দিন নয়।
D) ৬ জুন ১৯৭১ — এই তারিখে মুজিবনগর সরকার বা এর কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রধান ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
দশ এপ্রিল গঠন, সতেরো এপ্রিল শপথ এবং পঁচিশ মার্চ গণহত্যা।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল
সঠিক উত্তর: A) ২টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে মাত্র দুটি দেশের সাথে।
- দেশ দুটি হলো পূর্বে ও উত্তরে ভারত এবং পূর্বে মিয়ানমার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২টি — এটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ কেবল ভারত ও মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত ভাগ করে।
B) ৩টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের সাথে তিনটি দেশের কোনো সীমান্ত নেই।
C) ৫টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ পাঁচটি দেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে না।
D) ৪টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ চারটি দেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশকে তিন দিক থেকে ঘিরে রেখেছে ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে মিয়ানমার। তাই বন্ধু দেশ দুটি মনে রাখলেই উত্তর পাওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) ব্যয়কুণ্ঠ
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে যে ব্যক্তি বা যারা ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে, তাকে এক কথায় কী বলে।
- 'ব্যয়' অর্থ খরচ করা এবং 'কুণ্ঠ' অর্থ দ্বিধা বা সংকোচ করা, তাই সঠিক উত্তরটি সরাসরি অর্থের সঙ্গে মিলে যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি প্রশ্ন যেখানে একটি বড় ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়।
- প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে অর্থের সংক্ষিপ্ত প্রকাশ এবং ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য বাক্য সংকোচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা সহজে জয় করা যায় না - দুর্জয়।
ব্যাখ্যা: এখানে জয় করার জটিলতা প্রকাশ করতে একটি মাত্র শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: উপকারের উপকার যে স্বীকার করে - কৃতজ্ঞ।
ব্যাখ্যা: উপকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাবটি এই এককথায় প্রকাশের মাধ্যমে সম্পূর্ণ হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃপণ — কৃপণ অর্থ যে ব্যক্তি অত্যন্ত অসচ্ছলতার কারণে বা স্বভাবগতভাবে অর্থ খরচ করতে চায় না, কিন্তু এটি সরাসরি কুণ্ঠাবোধ করার সমার্থক নয়।
B) ব্যয়কুণ্ঠ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ হলো যে ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে।
C) মিতব্যয়ী — মিতব্যয়ী অর্থ যে বুঝে-শুনে বা পরিমিতভাবে খরচ করে, কৃপণতা বা কুণ্ঠাবোধ এর মূল অর্থ নয়।
D) হিসেবী — হিসেবী অর্থ যে প্রতিটি হিসাব বা রক্ষণাবেক্ষণ করে চলে, কিন্তু কুণ্ঠাবোধ করার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রশ্নের মূল শব্দগুলোর দিকে খেয়াল রাখতে হবে যেমন ব্যয় এবং কুণ্ঠাবোধ, যা অপশনের ব্যয়কুণ্ঠ শব্দের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়।
- বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থ বিশ্লেষণ করলে সঠিক উত্তর সহজেই বের করা সম্ভব হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রায় কাছাকাছি অর্থের শব্দ দেওয়া থাকে, তাই মূল শব্দের ভাবার্থ বুঝতে হবে।
- একই ধরনের অন্যান্য বাক্য সংকোচন নিয়মিত চর্চা করলে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়ানো যায়।
সঠিক উত্তর: C) রঙ্গলাল
১. কেন সঠিক:
- 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়, কে বাঁচিতে চায় হে, দীর্ঘ জীবন লইয়া' বিখ্যাত এই পংক্তিটি মহাকাব্য রচিয়তা ও কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'পদ্মাবতী' কাব্যের সূচনায় বা 'পদ্মাবতী' নাটকের উপক্রমণিকায় ব্যবহৃত হয়েছে যা পরে তাঁর 'পদ্মাবতী' কাব্যের অংশ হিসেবে পরিচিত হয়।
- পংক্তিটির মূল ভাব হলো পরাধীনতার জীবন অত্যন্ত অবহেলার ও কষ্টের, পরাধীন মানুষ প্রকৃত অর্থে বেঁচে থাকে না এবং স্বাধীনতার চেয়ে বড় কোনো মূল্যবান সম্পদ নেই।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক আধুনিক কবিগণের অন্যতম এবং তিনি নবযুগের ভাবধারার প্রথম রূপকার হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'পদ্মাবতী' ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এই কাব্যের মাধ্যমেই তিনি পরাধীনতার বিরুদ্ধে দেশপ্রেমের বাণী প্রচার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হে ক্ষুধার্ত বাঙালি জাগো
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে দেশপ্রেম ও অধিকার আদায়ের আরেকটি শক্তিশালী আহ্বানমূলক পংক্তি।
উদাহরণ ২: মোদের গরব মোদের আশা আ মরি বাংলা ভাষা
ব্যাখ্যা: অতুল প্রসাদ সেনের এই পংক্তিটি মাতৃভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও দেশপ্রেম প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরগুপ্ত — ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মধ্যযুগের শেষ ও আধুনিক যুগের শুরুর দিকের কবি হলেও এই বিখ্যাত পংক্তিটির রচয়িতা তিনি নন।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি হলেও এই প্রাচীন দেশপ্রেমের পংক্তিটি তাঁর রচিত নয়।
D) মধুসূদন দত্ত — মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'পদ্মাবতী' নামে একটি সফল নাটক রচনা করলেও এই পংক্তিটি তাঁর নাটকের বা কাব্যের নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্বাধীনতা হীনতার কথা মনে এলেই মনে রাখবে রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম, কারণ তিনিই প্রথম কাব্যে পরাধীনতার গ্লানির বিরুদ্ধে জোরালো কন্ঠস্বর তুলেছিলেন।
- কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের সাথে 'পদ্মাবতী' কাব্য এবং স্বাধীনতা হীনতার বাণী ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত উদ্ধৃতি ও তার রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে, তাই প্রাক-আধুনিক ও আধুনিক যুগের প্রথম সারির কবিদের বিখ্যাত পংক্তিগুলো ভালো করে পড়তে হবে।
- এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য কবির প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং সেগুলোর মূল থিম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) হতভাগা
১. কেন সঠিক:
- আটকপালে বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ অশুভ কপাল বা মন্দ ভাগ্য।
- বাংলা ভাষায় এটি মূলত এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যার ভাগ্য অত্যন্ত মন্দ বা যে সারাজীবন কেবল দুঃখ ও কষ্ট ভোগ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে অত্যন্ত সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ বোকামির শাস্তি। কোনো নির্বুদ্ধিতার কাজ করার পর যে মাশুল দিতে হয়, তাকে বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: উলুবনে মুক্ত ছড়ানো
ব্যাখ্যা: অপাত্রে মূল্যবান বস্তু দান করা বা অপাত্রে ভালো জিনিসের সদ্ব্যবহার না হওয়া বোঝাতে এই প্রবাদতুল্য বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারারুদ্ধ — এই শব্দটির আক্ষরিক অর্থ বন্দি বা কারাগারে আবদ্ধ থাকা, যা আটকপালে বাগধারার মন্দ ভাগ্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) হতভাগা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ এমন একজন ব্যক্তি যার ভাগ্য অত্যন্ত খারাপ।
C) সৌভাগ্যবান — এই শব্দটির অর্থ যার ভাগ্য খুব ভালো, যা আটকপালে বাগধারার ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু বি অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কপাল শব্দটির সঙ্গে মন্দ বা খারাপ ভাগ্য যুক্ত থাকে। কপাল আটকানো মানেই যার ভাগ্য বন্ধ বা খারাপ, অর্থাৎ সে হতভাগা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংশ্লিষ্ট বাগধারা যেমন কপাল, মাথা, হাত বা চোখ সংক্রান্ত বাগধারার অর্থ প্রায়ই আসে। তাই এগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অগ্নিবীণা
১. কেন সঠিক:
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো অগ্নিবীণা।
- এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা ১৩২৯ সালের কার্তিক মাসে (২২ অক্টোবর ১৯২২) প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ও বিপ্লবী চেতনার প্রতীকী কাব্যগ্রন্থ এটি।
- এই গ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা রয়েছে যার সূচনা কবিতা হলো প্রলয়োল্লাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা
ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্যতম বিখ্যাত ও বহুল পঠিত কবিতা হলো বিদ্রোহী।
উদাহরণ ২: কামাল পাশা
ব্যাখ্যা: এটিও অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও সাড়া জাগানো কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিন্ধু হিল্লোল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয় বরং এটি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
B) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এটি প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ নয়।
C) বিষের বাঁশী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি প্রতিবাদী ও বাজেয়াপ্ত কাব্যগ্রন্থ এবং এটি অগ্নিবীণার পরে প্রকাশিত হয়।
D) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের প্রথম বাঁশি বা বীণা বাজানোর মাধ্যমে সাহিত্য জগতে আগমন ঘটেছিল মনে রাখতে পারো।
- প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হিসেবে অগ্নিবীণা নামটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতা বিদ্রোহী।
- বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল অবশ্যই মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) গল্প
১. কেন সঠিক:
- নয়নচারা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প।
- এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের একটি জনপ্রিয় গল্পগ্রন্থ এবং এর অন্তর্ভুক্ত ছোটগল্প।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সংশ্লিষ্ট লেখক বা সাহিত্যিকের পরিচয়: নয়নচারা গল্পের রচিয়তা হলেন বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান।
- রচনা বা সাহিত্যকর্মের প্রাসঙ্গিক পরিচিতি: নয়নচারা লেখকের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও সমাদৃত ছোটগল্প সংকলন এবং এর গল্পগুলো গ্রামীণ সমাজজীবনের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জয়নাল
ব্যাখ্যা: নয়নচারা গল্পের মূল চরিত্র হলো জয়নাল, যার মাধ্যমে মানুষের মনস্তত্ত্ব ও গ্রামীণ জীবন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: বড়ে মিয়া
ব্যাখ্যা: শওকত ওসমানের আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রতীকি ছোটগল্প হলো বড়ে মিয়া।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — নয়নচারা কোনো উপন্যাস নয়, কারণ এটি দীর্ঘ কলেবরের কল্পকাহিনি বা উপন্যাসধর্মী রচনা নয়।
B) কাব্য — নয়নচারা কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, কারণ এটি সম্পূর্ণ গদ্যে রচিত ছোটগল্প।
C) গল্প — এটি সঠিক উত্তর কারণ নয়নচারা একটি সার্থক ছোটগল্প হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত।
D) নাটক — নয়নচারা কোনো নাটক নয়, কারণ এটি অভিনয়ের উপযোগী সংলাপনির্ভর দৃশ্যকাব্য বা নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শওকত ওসমানের ছোটগল্প মনে রাখার জন্য তার বিখ্যাত চরিত্র ও গ্রামীণ পটভূমির গল্পগুলো মাথায় রাখতে হবে।
- নয়নচারা নামটি মনে রাখলে সহজেই একে কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের ছোটগল্প হিসেবে চেনা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ ও তার লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- শওকত ওসমানের অন্যান্য বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যেমন ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসটি সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) জলাঙ্গী
১. কেন সঠিক:
- জলাঙ্গী একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গ্রামীণ জনপদের জীবন সংগ্রাম, আবহমান বাংলার নদী ও মানুষের মনস্তাত্ত্বিক পটভূমি এবং পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরতার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জলাঙ্গী উপন্যাসের রচয়িতা শওকত আলী।
- শওকত আলী বাংলা কথাসাহিত্যে একজন প্রথিতযশা ঔপন্যাসিক ও গল্পকার যিনি দেশভাগ ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রশীদ হায়দারের খাঁচায় বন্দী
ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যেখানে যুদ্ধকালীন ভয়াবহতা ও মানুষের মানসিক অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে।
উদাহরণ ২: শওকত আলীর অন্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস শহীদ জননী
ব্যাখ্যা: এটিও লেখক শওকত আলীর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অনন্য সাহিত্যকর্ম যা তৎকালীন সমাজ বাস্তবতাকে ধারণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লালসালু — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত গ্রামীণ সমাজের গোঁড়ামি ও অন্ধবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
B) জলাঙ্গী — এটি শওকত আলী রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) সংশপ্তক — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা গ্রামীণ পটভূমি এবং তেভাগা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
D) চিলে কোটার সেপাই — এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত ঊনসত্তরের গণঅভুথান ও আইয়ুব খানের আমলের শেষ দিকের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি রাজনৈতিক উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শওকত আলীর জলাঙ্গী উপন্যাসের নাম মনে রাখতে নদীর নাম জলাঙ্গী এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটের কথা একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
- কথাসাহিত্যিক শওকত আলীর বিখ্যাত সৃষ্টিগুলোর মধ্যে জলাঙ্গী বিশেষভাবে মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস এবং এর রচয়িতাদের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- শওকত আলীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস ও ছোটগল্পের নামগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করে পরীক্ষা হলে অংশ নেওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: C) রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে মুসলমান কবিদের সবচেয়ে মৌলিক ও উল্লেখযোগ্য অবদান হলো রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান রচনা করা। আরাকান রাজসভা এবং বাঙালি মুসলিম কবিগণ পারস্য সাহিত্যের অনুসরণে দেশীয় আবহাওয়ায় এসব কাব্য রচনা করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মধ্যযুগের অন্ধকার যুগে বা অবক্ষয়ের সময়ে মুসলিম কবিরা বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারা যোগ করেন। দৌলত কাজীম, সৈয়দ আলাওল, শাহ মুহম্মদ সগির প্রমুখ কবি পারসি ও আরবি কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে এই প্রণয়োপাখ্যানগুলো রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইউসুফ জোলেখা
ব্যাখ্যা: শাহ মুহম্মদ সগির রচিত মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: কবি সৈয়দ আলাওল রচিত বিখ্যাত প্রণয়মূলক কাব্যগ্রন্থ যা মধ্যযুগের সাহিত্যিক নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুঁথি সাহিত্য — পুঁথি সাহিত্য মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের দ্বারা রচিত হলেও এটি সামগ্রিকভাবে তাদের একমাত্র বা প্রধান সাহিত্যিক অবদান নয়।
B) মর্সিয়া সাহিত্য — মর্সিয়া সাহিত্য মূলত কারাবালার শোকাবহ ঘটনার ওপর রচিত, যা মধ্যযুগের একটি বিশেষ ধারা হলেও প্রধান অবদান হিসেবে বিবেচিত হয় না।
C) রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এবং মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের সবচেয়ে মৌলিক অবদান।
D) অনুবাদ সাহিত্য — অনুবাদ সাহিত্য মধ্যযুগে হিন্দু ও মুসলিম উভয় কবিরাই সমৃদ্ধ করেছিলেন, তাই এটি এককভাবে মুসলিম কবিদের অবদান নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগে মুসলিম কবিদের প্রধান কীর্তি প্রণয়মূলক কাব্য লেখা। মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো মুসলিম কবিরা প্রণয়োপাখানের রাজা ছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগির এবং শ্রেষ্ঠ কবি সৈয়দ আলাওল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তাদের রচিত কাব্যগুলোর নাম জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: D) অন্নদামঙ্গল কাব্যের
১. কেন সঠিক:
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে' প্রখ্যাত মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বরী পাটুনীর প্রার্থনা উক্তি।
- এখানে সাধারণ মানুষের অন্ন ও বস্ত্রের চিরন্তন চাওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা বাঙালির জীবনসংগ্রাম ও সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান প্রতীক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শেষ ও শ্রেষ্ঠ কবি হলেন ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর যিনি নদিয়া জেলার পেপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- অন্নদামঙ্গল কাব্যটি মূলত তিনটি খণ্ড নিয়ে গঠিত যার মধ্যে বিদ্যাসুন্দর অংশটি বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল এবং এটি মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের নির্দেশেই রচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরী পাটুনী চরিত্র কর্তৃক অন্নপূর্ণা দেবীর কাছে করা একমাত্র পার্থিব প্রার্থনা যা বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে।
উদাহরণ ২: নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়
ব্যাখ্যা: এটিও ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্য থেকে গৃহিত একটি বিখ্যাত প্রবাদতুল্য পঙ্ক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের — শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমভিত্তিক নাটকীয় কাব্য এবং এর বিষয়বস্তু ভিন্ন।
B) চট্টীমঙ্গল কাব্যের — বাংলা সাহিত্যে চট্টীমঙ্গল নামে কোনো পরিচিত বা প্রামাণিক মঙ্গলকাব্য বা সাহিত্যকর্ম নেই।
C) মনসামঙ্গল কাব্যের — মনসামঙ্গল কাব্য সর্পদেবী মনসার পূজা প্রচার ও লখিন্দর-বেহুলার কাহিনীর ওপর রচিত যার সঙ্গে এই উক্তির সম্পর্ক নেই।
D) অন্নদামঙ্গল কাব্যের — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই কাব্যেই ঈশ্বরী পাটুনী এই বিখ্যাত প্রার্থনাটি করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- দুধে-ভাতের প্রার্থনা করেন কে, তা মনে রাখতে ঈশ্বরী পাটুনীর নাম মনে রাখবে যিনি অন্নদামঙ্গল কাব্যের একটি অমর চরিত্র।
- ভারতচন্দ্র মানেই অন্নদামঙ্গল এবং অন্নদামঙ্গল মানেই দুধে-ভাতের প্রার্থনা এই সূত্রটি মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উক্তিটি কোন চরিত্রের বা কোন কাব্যের, তা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোর রচয়িতা এবং তাদের বিখ্যাত চরিত্রগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ১৮০১ সালে
১. কেন সঠিক:
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮০০ সালের ৪ মে, কিন্তু এর বাংলা বিভাগ খোলা হয় এবং কার্যক্রম শুরু হয় ১৮০১ সালে।
- এই বিভাগে কেরি সাহেব ও তাঁর সহযোগীদের মাধ্যমে বাংলা ভাষার চর্চা ও পাঠ্যপুস্তক রচনার কাজ শুরু হয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ছিল ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলির উদ্যোগে কলকাতার ময়দানে প্রতিষ্ঠিত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
- বাংলা গদ্যের সূচনা ও বিকাশে এই কলেজের বাংলা বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরির কথা অমৃতকথা প্রকাশ পায়
ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি, যিনি বাংলা গদ্য সাহিত্যকে এগিয়ে নেন।
উদাহরণ ২: রামমৃত্যু বিদ্যালঙ্কার রচিত বাতচিহ্ন বা কথোপকথন
ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতগণ সে সময়ে বাংলা ভাষার পঠন-পাঠনের জন্য উপযোগী বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০০ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলেও বাংলা বিভাগ খোলা হয়নি।
B) ১৮০১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা বিভাগ চালু করা হয়।
C) ১৮০৫ সালে — এই সালে বাংলা বিভাগের কোনো নতুন সূচনা হয়নি, এটি ভুল কালপঞ্জি।
D) ১৮১৫ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের কার্যক্রমের প্রাথমিক যুগ পেরিয়ে গেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কলেজ প্রতিষ্ঠার বছর হলো ১৮০০ আর ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১৮০১ সালে খোলে বাংলা বিভাগ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি এবং প্রথম প্রকাশিত বাংলা গ্রন্থ উইলিয়াম কেরির কথোপকথন।
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যাপতি
১. কেন সঠিক:
ব্রজবুলি কোনো প্রচলিত কথ্য ভাষা নয়, এটি একটি কৃত্রিম কাব্যভাষা যা মূলত মৈথিলি ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে সৃষ্টি হয়েছিল। কবি বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষায় রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক পদ রচনা করলেও বাংলার কবিরা তা আনন্দের সাথে গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে এই কৃত্রিম ভাষায় পদ রচনা শুরু করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীতে তার অবদান অপরিসীম এবং তাকে বাংলা সাহিত্যের আদি ও শ্রেষ্ঠ ব্রজবুলি পদের রচয়িতা হিসেবে গণ্য করা হয়। বাঙালি কবিরা তার অনুকরণে এই ভাষায় পদ রচনা করায় ব্রজবুলি বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ঐতিহ্যবাহী ধারায় পরিণত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যাপতির পদ "আজু রজনী হাম ভাগে পোহায়ব" ব্রজবুলি ভাষায় রচিত বিখ্যাত একটি পদ।
ব্যাখ্যা: এই পদে রাধার জবানীতে কৃষ্ণের মিলনের আনন্দ ও আকুলতা মৈথিলি ও বাংলা মিশ্রিত ব্রজবুলি ভাষায় চমৎকারভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: কবি জ্ঞানদাসের পদ "মরমে পসিল গো বিদ্যাপতি বোল" ব্রজবুলি ভাষার একটি প্রখ্যাত নিদর্শন।
ব্যাখ্যা: পরবর্তী যুগের বাঙালি কবিরা কীভাবে বিদ্যাপতির আদর্শ অনুসরণ করে ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করেছিলেন এই পদটি তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস ব্রজবুলি ভাষার স্রষ্টা নন, তিনি বাংলা ভাষায় সহজ ও সরল দেহতত্ত ও প্রেমের পদ রচনা করেছেন।
B) বিদ্যাপতি — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মৈথিলি ও বাংলা মিশ্রিত এই বিশেষ কাব্যরীতির সূচনা করেছিলেন।
C) জ্ঞানদাস — জ্ঞানদাস বিদ্যাপতির অনুকরণে ব্রজবুলি পদ রচনা করলেও তিনি এই ভাষার স্রষ্টা বা প্রবর্তক নন।
D) গোবিন্দদাস — গোবিন্দদাস ব্রজবুলি ভাষায় অসামান্য পারদর্শিতা দেখালেও তিনি এই কাব্যরীতির আদি স্রষ্টা বা প্রবক্তা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
ব্রজবুলি ভাষার জনক বা স্রষ্টা বললে সবসময় মৈথিলি কোকিল কবি বিদ্যাপতিকে মনে রাখতে হবে।
বিদ্যাপতির নাম এবং ব্রজবুলি শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে ব্রজবুলি ভাষার প্রধান ব্যবহারকারী ছিলেন গোবিন্দদাস ও জ্ঞানদাস।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ব্রজবুলি কোন দুটি ভাষার মিশ্রণে গঠিত অথবা এর স্রষ্টা কে, তাই এটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) নেপালে
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের মূল পুথিটি নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কৃত হয়।
১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ইতিহাস উন্মোচন করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও গানের সংকলন যা সান্ধ্যভাষায় রচিত হয়েছিল।
হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে ১৯১৬ সালে এটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
ব্যাখ্যা: তিনি নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের পুথি এবং ডাকবায়ন ও দোহাকোষ নামক অন্যান্য গ্রন্থ উদ্ধার করেন।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের প্রথম পদকর্তা লুইপা।
ব্যাখ্যা: ডক্টর সুকুমার সেনের মতে চর্যাপদের প্রথম পদটি লুইপার রচনা এবং এটি বাংলা সাহিত্যের সূচনার প্রথম নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোলকাতায় — কোলকাতা বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের অবস্থান হলেও চর্যাপদের মূল পুথি সেখানে পাওয়া যায়নি, বরং সেখান থেকে এটি পরে প্রকাশিত হয়।
B) ঢাকায় — ঢাকা প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের পুথি আবিষ্কারের স্থান নয়, যদিও বাংলা একাডেমিতে প্রাচীন অনেক বাংলা পুথি সংরক্ষিত আছে।
C) ভুটানে — ভুটান থেকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম কোনো নিদর্শন বা চর্যাপদের পুথি আবিষ্কৃত হয়নি।
D) নেপালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকেই চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
নেপাল থেকে নেমেই হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কার করলেন এভাবে মনে রাখতে পারো।
সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে আবিষ্কারক ও স্থানের নাম একসাথে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে সহজ কৌশল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল ১৯০৭ এবং প্রকাশের সাল ১৯১৬ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই ধরনের প্রশ্নে প্রাচীনতম নিদর্শনের আবিষ্কারক ও প্রাপ্তিস্থান প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: A) জাপানি
কেন সঠিক:
- 'রিকশা' শব্দটি সরাসরি জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- জাপানি শব্দ 'জিনরিকশা' থেকে সংক্ষিপ্ত হয়ে বাংলায় 'রিকশা' শব্দটি এসেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ প্রবেশ করেছে, যার মধ্যে জাপানি শব্দও অন্যতম।
- 'জিনরিকশা' শব্দটির অর্থ হলো মানুষের টানে চলে যে যান।
- জাপানি সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত এই যানটি আমাদের দেশে অত্যন্ত পরিচিত একটি শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) জাপানি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- B) তুর্কী — তুর্কি ভাষার শব্দ হলো দারোগা, চাকু, তোপ ইত্যাদি।
- C) আরবি — আরবি ভাষার শব্দ হলো কলম, দোয়াত, খাতা ইত্যাদি।
- D) চীনা — চীনা ভাষার শব্দ হলো চা, চিনি, লিচু ইত্যাদি।
মনে রাখার টিপস:
- রিকশা ও টাইফুন এই দুটি খুব জনপ্রিয় জাপানি শব্দ যা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) সান্ত্বনা
১. কেন সঠিক:
বানানটি সঠিক হওয়ার কারণ হলো বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'সান্ত্বনা' শব্দে দ-এর নিচে ব-ফলা যুক্ত হয়েছে এবং এর সাথে ন-ফলা যুক্ত আছে।
সঠিক উচ্চারণ ও প্রমিত বানানরীতি বজায় রাখতে এখানে দ-এর নিচে ব এবং পরে ন সংযুক্ত করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শুদ্ধ বানান ও বাংলা শব্দ গঠন সম্পর্কিত একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অনেক সংস্কৃত তৎসম শব্দের বানান অপরিবর্তিত থাকে এবং যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যার অর্থ প্রবোধ দেওয়া বা প্রবোধবাক্য।
উদাহরণ২: শান্তনা
ব্যাখ্যা: এটি একটি ভুল বানান রূপ কারণ শ-এর ব্যবহার এখানে প্রযোজ্য নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সান্তনা — এই বানানটিতে ব-ফলা বর্জিত হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির নিয়মানুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল।
B) সান্ত্বনা — এটি সঠিক এবং প্রশ্ন অনুযায়ী নির্ধারিত প্রমিত বানান।
C) স্বান্তনা — এই বানানটিতে ব-এর স্থান পরিবর্তন করে ভুলভাবে লেখা হয়েছে যা গ্রহণযোগ্য নয়।
D) সান্তোনা — এই বানানটিতে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের গঠনরীতির পরিপন্থী।
৫. মনে রাখার টিপস:
সান্ত্বনা বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো সান্ত লেখার পর একটি ব-ফলা যুক্ত করে ন-আ যুক্ত করা।
বানানের শেষাংশে ন-ফলা এবং মাঝখানে ব-ফলা মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই শব্দটি বারবার আসে কারণ শিক্ষার্থীরা সাধারণত ব-ফলা বাদ দিয়ে ভুল বানান নির্বাচন করে।
বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের যুক্তবর্ণের শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) জীবনানন্দ দাশ
কেন সঠিক:
- জীবনানন্দ দাশ তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি ও রূপ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছেন।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম রূপসী বাংলা, যা এই উপাধির মূল উৎস।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য কবিদের বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- জীবনানন্দ দাশ বাংলা প্রকৃতিকে আধুনিক কবিতার মাধ্যমে বিশ্বমানের রূপ দিয়েছেন।
- রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থে ধানক্ষেত, নদী, পাখি ও প্রকৃতির নানান রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) জসীমউদ্দীন — ইনি নকশী কাঁথার মাঠ লিখে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।
- B) জীবনানন্দ দাশ — ইনি নিজেই সঠিক উত্তর।
- C) শামসুর রাহমান — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং নাগরিক জীবনের রূপকার।
- D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
- রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থের নাম মনে রাখলেই কবির নাম সহজে মনে রাখা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) আনন্দময়ীর আগমনে
১. কেন সঠিক:
- কাজী নজরুল ইসলামের 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতার জন্য তাকে রাজদ্রোহের অভিযোগে কারাবণ্ড দেওয়া হয়।
- এই কবিতার মাধ্যমে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন এবং স্বাধীনতার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করায় তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার নজরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান পুরুষ, যিনি কাল কাজী নজরুল ইসলাম নামে পরিচিত।
- 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি তার 'বিষের বাঁশি' সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও বিদ্রোহী কবিতা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যুগবাণী
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধ গ্রন্থ, যা ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে লেখার কারণে বাজোপ্ত করা হয়েছিল।
উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি
ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী গান ও কবিতার সংকলন, যা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্রোহী — এটি নজরুলের সর্বাধিক পরিচিত কবিতা হলেও এর সরাসরি প্রকাশের জন্য তাকে কারাবরণ করতে হয়নি।
B) প্রলয়োল্লাস — এটি 'অগ্নি-বীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা এবং এতে ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির বার্তা থাকলেও এর কারণে সরাসরি জেল হয়নি।
C) মুক্তি — এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত কবিতা তবে এই কবিতার জন্য তাকে কারাবরণ করার ঐতিহাসিক কোনো রেকর্ড নেই।
D) আনন্দময়ীর আগমনে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই কবিতার জন্যই তাকে রাজদ্রোহের মামলায় কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়েছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুলকে জেলে যেতে হয়েছিল আনন্দময়ীর আগমনে কবিতা লিখে। এভাবে মনে রাখতে পারো যে আনন্দ করতে গিয়ে অর্থাৎ ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে কবিতা লিখে তিনি আনন্দময়ী দেবীর নামে জেলে গিয়েছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে নজরুলের কোন গ্রন্থ বা কবিতা বাজেয়াপ্ত হয়েছিল কিংবা কারাদণ্ড হয়েছিল।
- 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতা এবং 'যুগবাণী' ও 'ভাঙ্গার গান' গ্রন্থগুলোর প্রকাশকাল ও বাজেয়াপ্ত হওয়ার ইতিহাস ভালোভাবে পড়ে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) শারীরিক
১. কেন সঠিক:
শারীরিক বানানটিতে 'শরীরের' শব্দের সাথে ইঞ্চ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। বাংলা একাডেমি বানানরীতি অনুযায়ী এর শেষের বর্ণে দীর্ঘ ই-কার এবং প্রথম বর্ণে ই-কার ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বানান লেখার সময় ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। শরীর শব্দের সাথে ইক প্রত্যয় যুক্ত হলে মূল শব্দের শেষের র-এর সাথে দীর্ঘ ই-কার যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক
ব্যাখ্যা: ইতিহাস শব্দের সাথে ইক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঐতিহাসিক বানানটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভৌগোলিক
ব্যাখ্যা: ভূগোল শব্দের সাথে ইক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভৌগোলিক বানানটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শারীরীক — এই বানানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ স্বর ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) শারিরীক — এই বানানে প্রথম বর্ণে ই-কার এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ই-কার থাকলেও মাঝের বর্ণে ভুল ই-কার রয়েছে।
D) শারিরিক — এই বানানে শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির পরিপন্থী।
৫. মনে রাখার টিপস:
শরীরের ভেতরের শক্তি হলো শারীরিক। শরীরে ই-কার এবং শেষে দীর্ঘ ই-কার মনে রাখলে এই বানান ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইক প্রত্যয়যুক্ত বানান প্রায়ই আসে। তাই প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় মূল শব্দের রূপ পরিবর্তনের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আধুনিক রোমান্টিক উপন্যাস।
- নামের মধ্যে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ বা পদ্য নয়, বরং একটি গদ্যধর্মী উপন্যাস।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এই উপন্যাসের রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।
- উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য এবং এর কেন্দ্রীয় বার্তা হলো ভালোবাসার স্বাধীনতা ও মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা দাম্পত্য জীবনের জটিলতা নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: চোখের চশমা নয়, চোখের আলো
ব্যাখ্যা: শেষের কবিতা উপন্যাসের বিখ্যাত একটি পঙ্ক্তি যা প্রায়শই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিতা — শেষের কবিতা নামে কোনো দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নেই, এটি মূলত গদ্যে রচিত উপন্যাস।
C) কাব্যনাট্য — কাব্যনাট্য হলো কবিতার আকারে রচিত নাটক, কিন্তু শেষের কবিতা সংলাপভিত্তিক নাটক বা কাব্যনাট্য নয়।
D) গীতিনাট্য — গীতিনাট্য গান ও নাচের সমন্বয়ে মঞ্চস্থ হয়, পক্ষান্তরে শেষের কবিতা একটি পূর্ণাঙ্গ গদ্য উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নামের শেষে কবিতা থাকলেও এটি আসলে উপন্যাস, এই বিভ্রান্তি দূর করতে মনে রাখবে নাম কবিতার হলেও কাজ উপন্যাসের।
- রবীন্দ্রনাথের আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস মনে রাখতে শেষের কবিতা নামটি সবার আগে মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শেষের কবিতা কোন জাতীয় রচনা এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাস যেমন নৌকাডুবি, গোরা ও চতুরঙ্গ সম্পর্কেও সম্যক ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ধাতু
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। এটি ক্রিয়ার অবিভাজ্য মূল রূপ, যা থেকে কাল ও পুরুষভেদে বিভিন্ন ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে কাল ও পুরুষবাচক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। ধাতুকে ক্রিয়াপদের ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পড় + আ = পড়া
ব্যাখ্যা: এখানে 'পড়' হলো ধাতু এবং এর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: চল + ছ = চলছে
ব্যাখ্যা: এখানে 'চল' হলো ধাতু এবং এর সঙ্গে 'ছ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে বর্তমান কালের ক্রিয়াপদ তৈরি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিভক্তি — এটি শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে পাদে রূপান্তর করে, কিন্তু ক্রিয়াপদের মূল অংশ বোঝায় না।
B) ধাতু — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
C) প্রত্যয় — এটি শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত নতুন শব্দ গঠন করে, যা মূল অংশ নয়।
D) কৃৎ — এটি মূলত কৃৎ-প্রত্যয়কে নির্দেশ করে যা ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়াপদের মূলকে ধাতু বলা হয়, যেমন সোনা বা লোহার মূল উপাদান ধাতু তেমনি ক্রিয়ার মূলও ধাতু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়ার মূল অংশ বা ধাতু সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই ধাতু ও প্রত্যয়ের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) সন্ধি
১. কেন সঠিক:
নবান্ন শব্দটি সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। এখানে নব এবং অন্ন শব্দ দুটি মিলিত হয়ে নবান্ন শব্দটি তৈরি করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। নবান্ন শব্দটি স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: অ বা আ এর পর অ বা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয়।
উদাহরণ ২: মহা + আশয় = মহাশয়
ব্যাখ্যা: আ এবং আ মিলে এখানে আ কার যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাস — সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, যা একাধিক পদের একপদীকরণ বোঝায় কিন্তু নবান্ন পদটি সমাসের প্রক্রিয়ায় গঠিত নয়।
C) উপসর্গ — উপসর্গ হলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, যা নবান্ন শব্দে অনুপস্থিত।
D) প্রত্যয় — প্রত্যয় মূল শব্দ বা ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে, যা নবান্ন শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সন্ধি মানে দুই বর্ণের মিলন আর সমাস মানে পদের মিলন। নবান্ন শব্দে বর্ণের মিলন ঘটেছে বলে এটি সন্ধি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নবান্ন শব্দটি প্রায়ই আসে। সন্ধি বিচ্ছেদ করলে হয় নব যোগ অন্ন।
সঠিক উত্তর: A) হ্যানা ক্যাথেরিন
কেন সঠিক:
- এই গ্রন্থটি ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এর রচয়িতা হিসেবে ম্যাম হানা ক্যাথেরিন ম্যালেন্স এর নাম পাওয়া যায়।
- এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মৌলিক উপন্যাস হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা উপন্যাসের সূচনার ইতিহাসে এই গ্রন্থটির বিশেষ সাহিত্যিক গুরুত্ব রয়েছে।
- এই উপন্যাসের মূল উদ্দেশ্য ছিল খ্রিষ্টধর্মের প্রচার এবং নৈতিক শিক্ষা প্রদান করা।
- ফুলমণি ও করুণা দুটি ভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে সমাজে ভালো ও মন্দের পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) হ্যানা ক্যাথেরিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই এই গ্রন্থের রচয়িতা।
- B) উইলিয়াম কেরি — তিনি শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত ছিলেন, এই উপন্যাসের রচয়িতা নন।
- C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের অন্যতম প্রধান রূপকার হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
- D) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট গীতিকবি, এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
- ফুলমণি ও করুণার বিবরণ উপন্যাসটির লেখিকা একজন নারী, যাঁর নাম হ্যানা ক্যাথেরিন।
- বাংলা উপন্যাসের আদি পর্ব মনে রাখতে ফুলমণি ও করুণা এবং হ্যানা ক্যাথেরিন নামটি একসঙ্গে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অলংকার
১. কেন সঠিক:
- আভরণ শব্দের অর্থ হলো গহনা, ভূষণ বা অলংকার।
- কোনো কিছু সুন্দর করার জন্য বা সাজানোর জন্য যা ব্যবহার করা হয়, তাকে আভরণ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ, যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের ব্যবহারে নানা সমার্থক শব্দ তৈরি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভূষণ
ব্যাখ্যা: ভূষণ শব্দটির অর্থও অলংকার বা আভরণ, যা কোনো কিছুকে সুন্দর করতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: গহনা
ব্যাখ্যা: গহনা হলো আভরণের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ যা দৈনন্দিন কথ্য ও লিখিত ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সূর্য — সূর্য শব্দের সমার্থক হলো রবি, দিবাকর, তপন ইত্যাদি যা আলোর উৎস বোঝায়।
B) পোষাক — পোষাক পরিধান করার বস্তু বোঝায়, যা আভরণ বা অলংকার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
C) রাত্র — রাত্র শব্দের সমার্থক হলো রাত্রি, নিশা, রজনী যা দিনের বিপরীত সময় বোঝায়।
D) অলংকার — অলংকার শব্দের সঠিক অর্থ আভরণ, যা প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আভরণ মানে গহনা বা অলংকার, এই দুটি শব্দ একই গোত্রের হিসেবে মনে রাখা সহজ।
- রূপক অর্থে অলংকার যেমন কাব্যকে সুন্দর করে, তেমনি আভরণ মানুষকে সুন্দর করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই আসে, তাই প্রমিত বাংলা বানান ও অর্থ ভালোভাবে পড়তে হবে।
- সমার্থক শব্দ মুখস্থ না করে শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) সুকেশীনী
১. কেন সঠিক:
সুকেশীনী শব্দটি বানানের নিয়মানুযায়ী অশুদ্ধ কারণ এখানে দীর্ঘ ঈ-কার এবং ন-ত্ব বিধানের নিয়ম একসঙ্গে ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
বাংলা ব্যাকরণে কেশ শব্দের সঙ্গে সু উপসর্গ এবং ইন প্রত্যয় যুক্ত করে গঠিত শব্দের স্ত্রীবাচক রূপে দীর্ঘ ঈ-কার বা অতিরিক্ত ন যুক্ত করা হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানান ও প্রত্যয়যুক্ত শব্দ গঠনে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয় যা অনেক সময় প্রার্থীরা গুলিয়ে ফেলেন।
বিশেষণ পদে ইন প্রত্যয়ান্ত শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ গঠনে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত করার সময় মূল শব্দের বানান ও প্রত্যয়ের পরিবর্তন সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুকেশী
ব্যাখ্যা: সুকেশ শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক বিশেষণ রূপ হলো সুকেশী যেখানে অতিরিক্ত কোনো ন ব্যবহৃত হয় না।
উদাহরণ ২: তেজস্বিনী
ব্যাখ্যা: তেজস্বিন শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ তেজস্বিনী হলেও সব ইন প্রত্যয়ান্ত শব্দের ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুকেশী — এটি একটি শুদ্ধ শব্দ এবং সুকেশ শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ।
B) সুকেশা — এটিও কিছু ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং প্রমিত বাংলা রূপ হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
C) সুকেশীনী — এটি অশুদ্ধ কারণ এতে ইন প্রত্যয়ের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ ঈ-কার ও ন যুক্ত হয়েছে।
D) সুকেশিনী — এটি বহুল ব্যবহৃত একটি বানান হলেও বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি পরিহার্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইন প্রত্যয়যুক্ত শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ করার সময় অতিরিক্ত ন এবং দীর্ঘ ঈ-কার একসঙ্গে ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম ভালোভাবে চর্চা করবে।
শুদ্ধ বানান মনে রাখতে মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগের সঠিক নিয়মটি বারবার চর্চা করা উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই স্ত্রীবাচক শব্দ এবং প্রত্যয়জনিত বানান সংশোধনের প্রশ্ন আসে।
এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য শব্দটির উৎপত্তি এবং প্রমিত বানানরীতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ষ+ণ
১. কেন সঠিক:
- 'ষ্ণ' একটি যুক্তবর্ণ যা মূলত মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ এর সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে।
- যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণ করার সময় প্রথম বর্ণটি সাধারণত হসন্তযুক্ত বা অর্ধরূপ এবং দ্বিতীয় বর্ণটি পূর্ণরূপ হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ সংক্রান্ত ব্যাকরণের অংশ এটি। বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ রয়েছে যা একাধিক বর্ণ মিলে তৈরি হয়।
- তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ষ এর সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে এই বিশেষ বর্ণটি গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উষ্ণ
ব্যাখ্যা: উষ্ণ শব্দটিতে মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে 'ষ্ণ' বর্ণটি তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: তৃষ্ণা
ব্যাখ্যা: তৃষ্ণা শব্দটির মধ্যস্থিত যুক্তবর্ণটি ভাঙলেও মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ পাওয়া যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) য+ম — এই দুটি বর্ণ মিলে 'য্ম' যুক্তবর্ণ তৈরি করে, যা 'ষ্ণ' এর সঠিক বিশ্লেষণ নয়।
B) ষ+ন — মূর্ধন্য ষ এর সাথে দন্ত্য ন যুক্ত হলে 'ষ্ণ' হয় না, কারণ প্রমিত নিয়মে এখানে মূর্ধন্য ণ হবে।
C) ষ+ণ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নিয়মানুযায়ী এই দুটি বর্ণ মিলেই 'ষ্ণ' গঠিত হয়।
D) য+হ — এই দুটি বর্ণ মিলে 'হ y' বা অন্য কোনো রূপ হতে পারে, কিন্তু 'ষ্ণ' হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উষ্ণ ও তৃষ্ণা শব্দ দুটি মনে রাখলে সহজেই 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণের উপাদান দুটি অর্থাৎ ষ এবং ণ মনে রাখা যায়।
- যুক্তবর্ণের উচ্চারণ ও গঠন ভালোভাবে লক্ষ্য করলে বানান ভুল হয় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জটিল যুক্তবর্ণের বিশ্লেষণ থেকে প্রশ্ন আসে।
- যুক্তবর্ণ ভাঙার সময় দন্ত্য ন এবং মূর্ধন্য ণ এর পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ২টি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরবর্ণ সাতটি হলেও যৌগিক স্বরবর্ণ বা দ্বিস্বর জ্ঞাপক বর্ণ দুটি।
- এই দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ হলো ঐ এবং ঔ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দুটি স্বরবর্ণ একত্রে মিলিত হয়ে যদি একটি স্বরধ্বনি বা যৌগিক স্বরধ্বনি তৈরি করে, তবে তাকে যৌগিক স্বরবর্ণ বলে।
- বাংলা বর্ণমালায় ঐতিহ্যগতভাবে 'ঐ' এবং 'ঔ' এই দুটিকে যৌগিক স্বরবর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঐ
ব্যাখ্যা: অ এবং ই মিলে ঐ ধ্বনি তৈরি হয়, যা একটি যৌগিক স্বরবর্ণ।
উদাহরণ ২: ঔ
ব্যাখ্যা: অ এবং উ মিলে ঔ ধ্বনি তৈরি হয়, যা আরেকটি যৌগিক স্বরবর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরবর্ণ মাত্র দুটি।
B) ৩টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় তিনটি যৌগিক স্বরবর্ণের কোনো অস্তিত্ব নেই।
C) ৪টি — এটি ভুল কারণ চারটি যৌগিক স্বরবর্ণ বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়।
D) ৫টি — এটি ভুল কারণ পাঁচটি যৌগিক স্বরবর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যৌগিক স্বরবর্ণ কয়টি তা মনে রাখতে সংখ্যাটি দুই মনে রাখবে।
- ওই এবং ঔ এই দুটি বর্ণই হলো বাংলা ভাষার যৌগিক স্বরবর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক স্বরধ্বনি এবং যৌগিক স্বরবর্ণের সংখ্যা প্রায়ই কনফিউজ করে।
- মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি এবং যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সভ্যতা
১. কেন সঠিক:
- শিষ্টাচার শব্দের মূল অর্থ হলো ভালো আচরণ, ভদ্রতা, বিনয় এবং মার্জিত সামাজিক শিষ্টাচার।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সভ্যতা শব্দটি মানুষের উন্নত আচরণ, মার্জিত জীবনযাত্রা এবং ভদ্রতাকে নির্দেশ করে যা শিষ্টাচারের সবচেয়ে কাছাকাছি ভাব প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় একই রকম এবং এরা বাক্যে পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ প্রয়োগের মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ভাবের যথাযথ প্রকাশ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভদ্রতা
ব্যাখ্যা: ভদ্রতা মানুষের ভালো গুণ প্রকাশ করে যা শিষ্টাচারের সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণ ২: শিষ্টাচার
ব্যাখ্যা: সদাচরণ বা ভালো ব্যবহার বোঝাতে এই শব্দটি বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংযম — এটি মূলত নিজের প্রবৃত্তি বা ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা বোঝায় যা শিষ্টাচারের সমার্থক নয়।
B) সদাচার — এটি ভালো আচরণ বা সৎ আচার বোঝায় কিন্তু সভ্যতা শব্দটি সামগ্রিক শিষ্টাচারের বহুল প্রচলিত সমার্থক।
C) সভ্যতা — এটি মানুষের উন্নত জীবনযাত্রা, মার্জিত আচরণ ও ভদ্রতার প্রতীক হিসেবে শিষ্টাচারের সমার্থক।
D) সততা — এটি মানুষের সাধুতা ও ন্যায়ের পথ অনুসরণের গুণ বোঝায় যা শিষ্টাচারের সরাসরি সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শিষ্টাচার অর্থ ভালো আচরণ, তাই এর সমার্থক খুঁজতে গিয়ে সামাজিক ভদ্রতা ও মার্জিত জীবনকে নির্দেশকারী শব্দ বেছে নিতে হবে।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় শব্দের মূল ভাব বা অন্তর্নিহিত অর্থ অনুধাবন করা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় প্রতিটি অপশনের সূক্ষ্মার্থ তুলনা করা আবশ্যক।
- একই অর্থের একাধিক শব্দ থাকলেও প্রচলিত ও সবচেয়ে মানানসই শব্দটি বেছে নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Chaucer, Spenser, Shelley, Swinburae
কেন সঠিক:
এই অপশনের কবিরা জন্ম ও সাহিত্যিক যুগের ক্রমানুসারে সঠিকভাবে সাজানো আছেন।
চসারের যুগ থেকে শুরু করে ক্রমান্বয়ে স্পেন্সার, শেলি এবং সুইনবার্ন এসেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক অপশন — এটি প্রশ্নকর্তার মূল সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত আছে।
B) Shakespeare, Chaucer, Eliot, Donne — চসার হলেন প্রাচীন যুগের কবি আর শেক্সপিয়ার এলিজাবেথান যুগের, তাই এদের ক্রম ভুল।
C) Hughes, Eliot, Yeats, Auden — ইয়েটস এবং এলিয়ট আধুনিক যুগের হলেও তাদের সঠিক সাল অনুযায়ী সাজানো হয়নি।
D) Hopkins, Browning, Wordsworth, Marvell — মার্ভেল সপ্তদশ শতকের কবি আর ওয়ার্ডসওয়ার্থ রোমান্টিক যুগের, তাই ক্রম উল্টো হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি সাহিত্যের কবিদের মনে রাখার জন্য তাদের জন্মসাল বা সাহিত্য যুগগুলো ছক করে মুখস্থ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) Sophocles's tragedies are famous
কেন সঠিক:
Sophocles নামটি একটি বিশিষ্ট প্রাচীন গ্রিক নাট্যকারের নাম এবং এটি s দিয়ে শেষ হয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী s দিয়ে শেষ হওয়া এককProper Noun-এর শেষে পজেশন বোঝাতে অ্যাপোস্ট্রোফি এবং আরেকটি s যুক্ত করতে হয়।
তাই Sophocles এর নাট্যকর্ম বোঝাতে সঠিক গঠনটি হবে Sophocles's.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sophocles tragedies are famous — এখানে Sophocles শব্দের পর কোনো অ্যাপোস্ট্রোফি বা possessive sign ব্যবহার করা হয়নি, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Sophocles' tragedies are famous — আধুনিক ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী s দিয়ে শেষ হওয়া একবচন নামের ক্ষেত্রে কেবল অ্যাপোস্ট্রোফি দেওয়া যথেষ্ট নয়।
C) Sophocles's tragedies are famous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) The Sophocles tragedy is famous — এখানে নির্দিষ্ট নাট্যকারের নামকে একক বিশেষণের মতো ব্যবহার করায় অর্থের সঠিক প্রকাশ ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
s দিয়ে শেষ হওয়া সিঙ্গुलर Proper Noun-এর ক্ষেত্রে অ্যাপোস্ট্রোফি দিয়ে আবার s বসানোই আধুনিক ও নিরাপদ নিয়ম।
সঠিক উত্তর: A) What
কেন সঠিক:
এখানে what শব্দটি একটি বিশেষ relative pronoun হিসেবে কাজ করেছে যা বাক্যের শুরুতে বসে একটি noun clause গঠন করেছে।
what now follows পুরো অংশটি বাক্যের subject বা উদ্দেশ্য হিসেবে কাজ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) What — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) There — there বসলে বাক্যের গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয় না কারণ এখানে কোনো স্থানের বা উপস্থিতির কথা বলা হয়নি।
C) It — it বসালে বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ থাকে এবং দুটি verb পরপর বসলে বাক্যটি ভুল হয়।
D) If — if বসালে বাক্যটি শর্তসূচক হয়ে যায় যা এই ধরনের সংবাদের ঘোষণামূলক বাক্যের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে যখন কোনো ঘটনা বা বিষය বোঝাতে হয়, তখন what দিয়ে বাক্য শুরু করা সবচেয়ে নিরাপদ ও সঠিক নিয়ম।
সঠিক উত্তর: A) from
কেন সঠিক:
refrain শব্দটির পর সবসময় নির্দিষ্ট preposition হিসেবে from বসে। এর অর্থ হলো কোনো কিছু থেকে বিরত থাকা বা নিবৃত থাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী এখানেই বসে।
B) by — দ্বারা বা মাধ্যমে বোঝাতে এটি বসে, তাই এখানে ভুল।
C) of — এর বা এর সাথে সম্পর্কিত বোঝাতে এটি বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) at — কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা দিকের ক্ষেত্রে এটি বসে, যা এখানে অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
refrain বা prevent শব্দের পর সবসময় from ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) comfortable
কেন সঠিক:
'Handy' শব্দের মূল অর্থ হলো কোনো কিছু সহজে ব্যবহার করা বা স্বাচ্ছন্দ্য প্রদান করা।
কমফর্টেবল বা আরামদায়ক শব্দটি এই অর্থকে সবচেয়ে ভালোভাবে প্রকাশ করে।
এটি কাজের ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্য ও সুবিধা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
দৈনন্দিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই শব্দটি সমার্থক হিসেবে বেশ মানানসই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) comfortable — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে এবং এটি সরাসরি স্বাচ্ছন্দ্য বোঝায়।
B) useful — এর অর্থ দরকারী, যা 'Handy' শব্দের মূল আরামদায়ক বা স্বাচ্ছন্দ্যময় অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে না।
C) convenient to use — এটি ব্যবহারের সুবিধা বোঝায়, যা আক্ষরিক অর্থে কিছুটা মিললেও প্রধান সমার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) necessary — এর অর্থ প্রয়োজনীয়, যা কোনো জিনিসের অপরিহার্যতা বোঝায় কিন্তু স্বাচ্ছন্দ্য বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
'Handy' মানে যা হাতে কাছে থাকে এবং ব্যবহারে আরাম দেয়।
সঠিক উত্তর: C) lying
কেন সঠিক:
মূল শব্দ 'lie' যার অর্থ মিথ্যা বলা বা শুয়ে থাকা। এর সাথে ing যোগ করার সময় শেষের 'ie' উঠে গিয়ে 'y' বসে এবং তারপর ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) layeing — এখানে মূল বানান ভুল কারণ 'laye' শব্দটির সাথে সরাসরি ing যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) lieing — এখানে 'lie' শব্দের সাথে সরাসরি ing যুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী সঠিক গঠন নয়।
C) lying — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম মেনে বানানটি গঠিত হয়েছে।
D) lahying — এখানে অতিরিক্ত 'h' অক্ষর যুক্ত করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল বানান।
মনে রাখার টিপস:
ie দিয়ে শেষ হওয়া কোনো verb এর সাথে ing যোগ করার সময় ie বাদ দিয়ে y বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) environment
কেন সঠিক:
'Ecological' শব্দটি মূলত বাস্তুতন্ত্র এবং প্রকৃতি সম্পর্কিত বিজ্ঞান বা আলোচনায় ব্যবহার করা হয়।
পরিবেশের উপাদান এবং জীবকুলের পারস্পরিক সম্পর্কের সাথে এটি সরাসরি যুক্ত।
এটি পরিবেশ বিজ্ঞান বা ইকোলজির একটি মূল অংশ।
পরিবেশগত সুরক্ষা ও ভারসাম্য বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) atmosphere — এটি বায়ুমণ্ডল বোঝায় যা পরিবেশের একটি অংশ মাত্র কিন্তু সম্পূর্ণ ইকোলজি নয়।
B) pollution — এটি পরিবেশের দূষণ নির্দেশ করে যা ইকোলজির একটি নেতিবাচক দিক, সমার্থক নয়।
C) environment — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) demography — এটি মানব জনসংখ্যা এবং তার পরিসংখ্যান নিয়ে আলোচনা করে, যা বাস্তুতন্ত্র নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইকো শব্দটি পেলে সবসময় পরিবেশ এবং প্রকৃতির কথা মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) base
কেন সঠিক:
Apex শব্দের বাংলা অর্থ হলো চূড়া বা সর্বোচ্চ বিন্দু।
এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে তল বা ভিত্তি বোঝায় এমন শব্দ দরকার।
base শব্দটির অর্থ হলো ভূমি বা ভিত্তি।
তাই এটিই সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) top — এর অর্থ শীর্ষ বা ওপরের অংশ যা মূল শব্দের সমার্থক।
B) peak — এর অর্থ পর্বতশৃঙ্গ বা চূড়া যা অ্যাপেক্স শব্দের সমার্থক।
C) base — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) pinnacle — এর অর্থ চরম উৎকর্ষ বা চূড়া যা সমার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
পাহাড়ের চূড়াকে অ্যাপেক্স (Apex) এবং পাহাড়ের নিচের মাটিকে বেস (Base) বলে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) wouldn't have fallen
কেন সঠিক:
এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের অবাস্তব শর্তের বাক্য। প্রথম অংশে হ্যাড প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল থাকায় পরের অংশে উড হ্যাভ প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) didn't fall — এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স, যা থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মের সাথে মিলে না।
B) hadn't fallen — এই অংশটি প্রশ্নেই দেওয়া আছে, তাই বাক্যের অন্য অংশে এটি আবার বসবে না।
C) wouldn't fallen — উড এর পর ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসার আগে হ্যাভ না থাকায় এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) wouldn't have fallen — এটি সঠিক গঠন হলেও অপশন বিন্যাসের ভুলে এখানে উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
থার্ড কন্ডিশনালে ইফ ক্লজে হ্যাড থাকলে অপর ক্লজে উড হ্যাভ এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
সঠিক উত্তর: A) Previval of learning
কেন সঠিক:
রেনেসাঁ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ পুনর্জন্ম বা নবজাগরণ। এই সময়ে ইউরোপে প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সাহিত্য এবং সংস্কৃতির নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছিল।
জ্ঞান-বিজ্ঞানের এই পুনরুজ্জীবনই রেনেসাঁ নামে পরিচিত।
এটি মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক চেতনাকে জাগ্রত করেছিল।
এটি মধ্যযুগের অন্ধবিশ্বাস থেকে বের হয়ে আধুনিক শিক্ষার পথ উন্মুক্ত করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Previval of learning — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ শিক্ষার পুনরুজ্জীবন।
B) revival of human rights — এই যুগে মানবাধিকার নয় বরং শিক্ষা ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ ঘটেছিল।
C) revival of life — জীবন বা জীবিকা নয়, মূলত জ্ঞান ও শিক্ষার বিকাশকেই রেনেসাঁ বোঝায়।
D) revival of medieval spirit — এটি ভুল কারণ রেনেসাঁ মধ্যযুগের চেতনা ফিরিয়ে আনেনি, বরং তার অবসান ঘটিয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
রেনেসাঁ মানেই হলো নতুন করে শেখা বা জ্ঞানচর্চার পুনরুজ্জীবন।
সঠিক উত্তর: C) discrimination
কেন সঠিক:
অ্যাপার্টহাইড বলতে মূলত বর্ণবৈষম্য বা জাতিগত বৈষম্যকে বোঝানো হয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে যে কঠোর বৈষম্যমূলক নীতি ছিল, এটি তার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
এটি মানুষের মধ্যে জাতিগত বিভাজন তৈরি করে।
এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি চরম রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) apart — এটি একটি সাধারণ ইংরেজি শব্দ যার অর্থ আলাদা বা পৃথক হওয়া। তবে এটি নির্দিষ্ট কোনো সামাজিক বা রাজনৈতিক বৈষম্যমূলক নীতিকে বোঝায় না।
B) distance — এর অর্থ দূরত্ব যা ভৌগোলিক বা শারীরিক দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক বৈষম্য বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না।
D) dialogue — এর অর্থ সংলাপ বা কথোপকথন যা মানুষের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম। এটি বৈষম্য বা বর্ণবাদের ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাপার্টহাইড শব্দটি শুনলেই বর্ণবৈষম্য বা মানুষের প্রতি বৈষম্যের কথা মাথায় রাখবে, কারণ এটি দক্ষিণ আফ্রিকার ঐতিহাসিক বৈষম্যমূলক নীতি ছিল।
সঠিক উত্তর: B) a worm out statement
কেন সঠিক:
cliche শব্দটির অর্থ হলো এমন কোনো কথা বা ধারণা যা অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে তার আসল প্রভাব ও আবেদন হারিয়ে ফেলেছে।
তাই অপশন বি তে থাকা worn out statement বা পুরনো ও গতানুগতিক কথা বোঝানোর অর্থটি এই প্রশ্নের জন্য পুরোপুরি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a witty statement — এই অপশনটি ভুল কারণ witty statement বলতে বুদ্ধিদীপ্ত বা চতুর কোনো কথা বোঝায়, যা ক্লিশে এর বিপরীত।
B) a worm out statement — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে আলাদা কোনো ভুল ব্যাখ্যা নেই।
C) tea false evidence — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ মিথ্যা প্রমাণ, যার সাথে ক্লিশে বা গতানুগতিক কথার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) Irish humour — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি আয়ারল্যান্ডের হাস্যরস বোঝায়, যা কোনো পরিচিত বা পুরনো বাক্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ক্লিশে মানেই হলো এমন একঘেয়ে কথা যা বারবার শুনে কান পেকে গেছে এবং যার মধ্যে নতুনত্ব কিছু নেই।
সঠিক উত্তর: D) comedy of humours
কেন সঠিক:
বেন জনসন ইংরেজি সাহিত্যে হিউমার বা স্বভাবভিত্তিক কমেডির প্রবক্তা। মানুষের শরীরের নানা রস বা হিউমারের তারতম্যের ওপর ভিত্তি করে তিনি এই ধারা আনেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) allegory — এটি রূপকধর্মী রচনা, যার প্রবক্তা বেন জনসন নন।
B) heroic drama — এটি বীরত্বপূর্ণ নাটক, যা পরবর্তী যুগের সৃষ্টি।
C) comedy of manners — এটি সমাজের আচার-আচরণ নিয়ে লেখা নাটক, যা উইলিয়াম কংগ্রিভ জনপ্রিয় করেন।
D) comedy of humours — এটি বেন জনসনের প্রবর্তित সঠিক ধারা।
মনে রাখার টিপস:
বেন জনসনের নাম আসলেই মাথায় রাখবে তিনি হিউমার বা মানুষের চরিত্রের নানা বৈচিত্র্য নিয়ে কমেডি লিখেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) He speaks neither English nor French
কেন সঠিক:
এখানে neither...nor একসাথে বসে সঠিক কো-অর্ডিনেটিং কনজাংশন গঠন করেছে।
verb এর ঠিক পরে বসে এটি দুটি ভিন্ন ভাষাকে সমানভাবে যুক্ত করেছে।
ইংরেজি ব্যাকরণের প্যারালাল স্ট্রাকচার নিয়মটি এখানে সঠিকভাবে মানা হয়েছে।
বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিমুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He neither speaks English nor French — neither এর সঠিক অবস্থান না হওয়ায় এটি ভুল হয়েছে।
B) He speaks nor English or French — nor এর সাথে or ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল হয়েছে।
C) C তো সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কিছু নেই।
D) Neither he speaks English nor French — neither বাক্যের শুরুতে বসায় সাবজেক্টের বিন্যাস ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
neither এবং nor সব সময় একই ধরনের পদের আগে বসে এবং এদের সাথে nor কেই জোড়া হিসেবে ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) poem of lamentation
কেন সঠিক:
elegy হলো এমন একটি কবিতা যা মৃত ব্যক্তির স্মরণে শোক প্রকাশ করার জন্য লেখা হয়।
একে ইংরেজিতে দুঃখ বা বিলাপের কবিতা বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hymn — এটি মৃত ব্যক্তির শোকগাথা নয়, বরং ঈশ্বর বা ধর্মের প্রশংসায় গাওয়া বিশেষ ধরনের ভক্তিমূলক গান।
B) limerick — এটি কোনো শোকগাথা নয়, বরং পাঁচ লাইনের একটি অত্যন্ত হাস্যরসাত্মক ও লঘু মেজাজের কবিতা।
C) poem of lamentation — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) satire — এটি শোকের কবিতা নয়, বরং সমাজ বা মানুষের ত্রুটি বিচ্যুতি নিয়ে উপহাস করার সাহিত্যকর্ম।
মনে রাখার টিপস:
elegy শব্দের সাথে 'e' দিয়ে ending বা শেষের মিল মনে রাখতে পারেন, যা মানুষের জীবনের শেষ পরিণতি বা মৃত্যুকে নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: C) Novelist
কেন সঠিক:
উইলিয়াম শেক্সপিয়র মূলত একজন বিশ্বখ্যাত নাট্যকার ও কবি ছিলেন।
তিনি তাঁর জীবদ্দশায় কোনো উপন্যাস লেখেননি।
তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে কোনো উপন্যাস অন্তর্ভুক্ত নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Poet — শেক্সপিয়র অনেক বিখ্যাত সনেট ও কবিতা লিখেছেন, তাই তিনি একজন কবি ছিলেন।
B) Playwright — তিনি ইতিহাসের অন্যতম সেরা নাট্যকার হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
C) Novelist — তিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি, তাই এটি তার পরিচয়ের সাথে মেলে না।
D) Actor — তিনি তার নিজের লেখা নাটকে অভিনয়ও করতেন, তাই তিনি একজন অভিনেতা ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
শেক্সপিয়র নাটক ও কবিতার জন্য অমর হয়ে আছেন, উপন্যাস লেখার জন্য নয়।
সঠিক উত্তর: A) kipling
কেন সঠিক:
- কিম উপন্যাসের রচিয়তা হলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও কবি রুডইয়ার্ড কিপলিং।
- এটি ১৯০১ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ব্রিটিশ ভারতের পটভূমিতে রচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) kipling — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই উপন্যাসটি লিখেছেন।
B) Forster — ই এম ফস্টার একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও তিনি কিম উপন্যাসটি লেখেননি।
C) Conrad — জোসেফ কনকনড একজন ভিন্ন ধারার ঔপন্যাসিক, যার বিখ্যাত কাজের মধ্যে হার্ট অফ ডার্কনেস অন্তর্ভুক্ত।
D) Hardy — থমাস হার্ডি মূলত উইসেক্স অঞ্চলের পটভূমিতে উপন্যাস ও কবিতা রচনার জন্য পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
কিংসম্যান বা কিম নামের সাথে কিপলিং নামের মিল রেখে সহজেই মনে রাখা যায় যে কিম উপন্যাসের লেখক কিপলিং।
সঠিক উত্তর: C) to eagerly engage in it
কেন সঠিক:
'Embrace' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো আলিঙ্গন করা বা সাদরে গ্রহণ করা। কোনো ভালো অভ্যাস বা নতুন কিছু জীবনে আনন্দের সাথে গ্রহণ করা বোঝাতেই এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to reject it — এই অপশনটি ভুল কারণ 'reject' শব্দের অর্থ বর্জন করা, যা 'embrace' শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) to eliminate it — এই অপশনটি ভুল কারণ 'eliminate' শব্দের অর্থ দূর করা বা মুছে ফেলা, যা অভ্যাসাগ্রহের উল্টো।
C) to eagerly engage in it — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি অভ্যাসে উৎসাহের সাথে যুক্ত হওয়াকে বোঝায়।
D) be curious about it — এই অপশনটি ভুল কারণ কৌতূহলী হওয়া মানে শুধু আগ্রহ থাকা, কিন্তু কোনো কিছু পুরোপুরি আপন করে নেওয়া নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Embrace' মানে বুকে জড়িয়ে ধরা, তাই কোনো ভালো অভ্যাসকে আপন করে নিতে বা উৎসাহ নিয়ে শুরু করতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) He is nearly ruined
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে all but একটি idioms যা প্রায় বা প্রায় সম্পূর্ণ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
তাই He is all but ruined বাক্যের অর্থ সে প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে।
এটি সরাসরি nearly ruined বা প্রায় সর্বস্বান্ত হওয়াকে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He has everything — এর অর্থ তার সবকিছু আছে যা মূল বাক্যের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত।
B) He is out of danger — এর অর্থ সে বিপদমুক্ত যা এখানে ধ্বংস হওয়ার ধারণার সাথে মেলে না।
C) He is nearly ruined — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) He ruined others than himself — এর অর্থ সে নিজের চেয়ে অন্যদের ধ্বংস করেছে যা বাক্যে নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে all but থাকলে তার অর্থ প্রায় হয়, তাই all but ruined মানে প্রায় ধ্বংস।
সঠিক উত্তর: D) adverbial
কেন সঠিক:
বাক্যের মূল ক্রিয়া 'buy' কখন সম্পন্ন হবে, সময় নির্দেশ করতে 'next week' ব্যবহৃত হয়েছে। এটি ক্রিয়ার সময় নির্দেশ করে বলে এখানে এটি একটি অ্যাডভার্বিয়াল হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) object — অবজেক্ট হতে হলে বাক্যের মূল ভার্বকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করে উত্তর পেতে হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝাচ্ছে না এবং এটি বাক্যের সাবজেক্ট বা অবজেক্টের কাজ করছে না।
C) complement — কমপ্লিমেন্ট হতে হলে সাবজেক্ট বা অবজেক্টকে সম্পূর্ণ করতে হয়, কিন্তু এখানে তা ঘটছে না।
D) adverbial — অপশন ডি সঠিক কারণ এটি বাক্যে সময় নির্দেশক অ্যাডভার্বিয়াল ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের ভার্বকে কখন, কোথায় বা কীভাবে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকেই অ্যাডভার্বিয়াল বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) to defrost the fridge
কেন সঠিক:
বাক্যের মূল ক্রিয়া takes এর কাজ কে বা কি সম্পন্ন করছে তা বের করতে হবে। এখানে ফ্রিজ ডিফ্রোস্ট করা কাজটিই হলো সাবজেক্ট বা উদ্দেশ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) fridge — এটি শুধুমাত্র একটি নাউন এবং বাক্যের পুরো ইনফিনিটিভ বাক্যাংশের একটি অংশ মাত্র।
B) to defrost — এটি অসম্পূর্ণ কারণ এর সাথে অবজেক্ট যুক্ত না হলে মূল সাবজেক্ট গঠন করতে পারে না।
C) frost — এটি বাক্যের মূল অর্থের সাথে সরাসরি সাবজেক্ট হিসেবে কোনোভাবেই মানানসই নয়।
D) to defrost the fridge — এই পুরো অংশটিই একসঙ্গে মিলে বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের মূল ক্রিয়ার ঠিক আগে প্রশ্ন করো কে বা কি দ্বারা কাজটি হচ্ছে, তাহলেই পুরো ইনফিনিটিভ ফ্রেজটি সাবজেক্ট হিসেবে বেরিয়ে আসবে।
সঠিক উত্তর: C) least
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যের অর্থ অনুযায়ী সব বাসগুলোর মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে। নির্দিষ্ট কোনো দলের মধ্যে সবচেয়ে কম খরচে চলাচলের কথা বলতে সুপারলেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) less — এটি কম্পারেটিভ ডিগ্রি, যা দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করতে বসে। কিন্তু এখানে কোনো নির্দিষ্ট দুটির তুলনা নেই।
B) lesser — এটি ভুল রূপ এবং এখানে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়।
C) least — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি নির্দেশ করে।
D) more — এটি তুলনামূলক বেশি বোঝাতে বসে, যা বাক্যের অর্থের সাথে বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে the এবং শেষে whole group বা the way থাকলে সাধারণত সুপারলেটিভ ডিগ্রি least ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) lacking
কেন সঠিক:
- বাক্যের অর্থ অনুযায়ী রোগীর ডায়েটে বা খাদ্যতালিকায় ভিটামিন বি এর ঘাটতি ছিল বোঝাতে lacking শব্দটি উপযুক্ত।
- preposition হিসেবে in ব্যবহৃত হয়ে lacking in (ঘাটতি থাকা) ফ্রেজটি গঠন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lacking — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ঘাটতি থাকা এবং preposition in এর সঙ্গে মিলে পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে।
B) absorb — এটি একটি ভার্ব যার অর্থ শোষণ করা, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে ও অর্থের দিক থেকে অসংগত।
C) overly — এটি একটি অ্যাডভার্ব যার অর্থ অতিরিক্ত, যা এখানে শূন্যস্থানে বসলে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না।
D) suffering — এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত রূপ যার অর্থ ভোগান্তি, এর পরে in বসলেও বাক্যের গঠন সঠিক হয় না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছুতে ঘাটতি বোঝাতে lacking in ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) bigotry
কেন সঠিক:
Prejudice শব্দের অর্থ হলো কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই কোনো ব্যক্তি বা দলের প্রতি অন্ধ ঘৃণা বা পক্ষপাতিত্ব করা। Bigotry শব্দটির অর্থও কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা ধর্মের প্রতি অন্ধ ও তীব্র গোঁড়ামি প্রকাশ করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) fear — এই শব্দটির অর্থ ভয় বা আতঙ্ক, যা prejudice বা গোঁড়ামির সমার্থক নয়।
B) disease — এই শব্দটির অর্থ রোগ বা ব্যধি, যা মানুষের শারীরিক অসুস্থতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) loneliness — এই শব্দটির অর্থ একাথাকি বা নিঃসঙ্গতা, যা মানুষের মানসিক একাকী অবস্থাকে নির্দেশ করে।
D) bigotry — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিজেই মূল শব্দের সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Prejudice এবং bigotry উভয় শব্দই মানুষের অন্ধ বিশ্বাস ও গোঁড়ামিপূর্ণ মনোভাব বোঝাতে একসঙ্গে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) pay for
কেন সঠিক:
বাক্যে কোনো বস্তু কেনার জন্য মূল্য পরিশোধ করা বোঝালে 'pay for' ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
এখানে 'the book' কেনার দাম দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তাই 'pay for' সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) pay nun — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দগুচ্ছ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) paid — এটি পাস্ট ফর্ম হলেও ডিড (did) এর পর ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে, তাই এটি ভুল।
C) pay for — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) pay on — 'pay on' বলতে কোনো নির্দিষ্ট প্রিপজিশন ভিত্তিক অর্থ এখানে মানায় না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো জিনিস কেনার জন্য টাকা পরিশোধ করা বোঝালে সবসময় 'pay for' ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) ৮ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ সে.মি.
কেন্দ্র হতে জ্যা এর দূরত্ব = ৩ সে.মি.
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র ও এবং জ্যা এর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করতে হবে।
জ্যা এর অর্ধেক দৈর্ঘ্যকে ভূমি এবং দূরত্বকে লম্ব ধরে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠিত হয়।
এখানে অতিভুজ = ৫ সে.মি. এবং লম্ব = ৩ সে.মি.
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী ভূমির বর্গ = (অতিভুজের বর্গ − লম্বের বর্গ)
ভূমির বর্গ = (৫ × ৫) − (৩ × ৩) = ২৫ − ৯ = ১৬
ভূমি = √১৬ = ৪ সে.মি.
সুতরাং,
জ্যা এর সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য = (৪ × ২) সে.মি. = ৮ সে.মি.
উত্তর: ৮ সে.মি.
সঠিক উত্তর: A) ৪ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
গাছের সম্পূর্ণ ভাঙা অংশ মাটির সাথে ৩০ ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন করে
প্রশ্নটিতে গাছের সম্পূর্ণ উচ্চতা বা ভাঙার বিন্দুর উচ্চতা সরাসরি দেওয়া নেই, তবে অপশন অনুযায়ী হিসাব করতে হবে
ধরি,
গাছের মোট উচ্চতা ১২ মিটার এবং গাছটি ৮ মিটার উঁচুতে ভেঙেছিল
তাহলে মাটির সাথে সংযুক্ত অংশটি লম্ব ৪ মিটার এবং অতিভূপৃষ্ঠের অতিভুজ ৮ মিটার হয়
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে লম্ব ভাগ অতিভুজ সমান সাইন ৩০ ডিগ্রি
সাইন ৩০ ডিগ্রি এর মান দুই ভাগের এক অংশ
অর্থাৎ ৪ ভাগ ৮ সমান দুই ভাগের এক অংশ
সুতরাং,
গাছের ভাঙা অংশটি মাটি থেকে ৪ মিটার উঁচুতে লম্ব দূরত্ব তৈরি করে
ফলে গাছটি ৪ মিটার উঁচুতে ভেঙেছিল
উত্তর: ৪ মিটার
সঠিক উত্তর: B) পরমাণু শক্তি
প্রদত্ত তথ্য:
শক্তির বিভিন্ন উৎসের তালিকা দেওয়া আছে
যার মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি হিসেবে পরমাণু শক্তিকে চিহ্নিত করা হয়
ধরি,
প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানি = কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস
বিকল্প শক্তির উৎস = পরমাণু শক্তি
অতএব,
কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস সীমিত এবং বারবার ব্যবহার করা যায় না
পরমাণু শক্তি দীর্ঘস্থায়ী এবং বারবার ব্যবহার উপযোগী
সুতরাং,
সঠিক বিকল্প হিসেবে পরমাণু শক্তিকেই নির্বাচন করতে হবে
উত্তর: পরমাণু শক্তি
সঠিক উত্তর: D) দুধ
প্রদত্ত তথ্য:
ক্যালসিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে দুধে ক্যালসিয়াম থাকে
ধরি,
খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস দুগ্ধজাত খাবার
বাদাম এবং চুন ক্যালসিয়ামের উৎস হলেও প্রধান উৎস নয়
অতএব,
মানবদেহের হাড় ও দাঁতের গঠনের জন্য দুধ সর্বাধিক কার্যকর
তাই পুষ্টি বিজ্ঞান অনুযায়ী দুধকে ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস ধরা হয়
সুতরাং,
সঠিক অপশনটি হলো দুধ
উত্তর: D) দুধ
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম
প্রদত্ত তথ্য:
কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড বা KAFCO একটি বহুজাতিক সার কারখানা
ধরি,
কারখানাটির অবস্থান কর্ণফুলী নদীর তীরে নির্ধারিত হয়েছে
অতএব,
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত
সুতরাং,
সঠিক প্রশাসনিক জেলা হিসেবে এটি চট্টগ্রাম অঞ্চলে পড়েছে
উত্তর: চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর: C) স্টিভ জবস্
প্রদত্ত তথ্য:
স্মার্টফোন প্রযুক্তির ইতিহাস অনুযায়ী প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল আধুনিক টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোন বাজারে নিয়ে আসেন স্টিভ জবস্।
এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি আইফোন নামে পরিচিত যা প্রযুক্তির জগতে বিপ্লব ঘটিয়েছিল।
ধরি,
মোবাইল ফোনের আধুনিক সংস্করণের উদ্ভাবক = স্টিভ জবস্
ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী তাঁর অবদান = সর্বজনস্বীকৃত
অতএব,
আইফোন বাজারে আসার সাল = ২০০৭
টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায় = ২০০৭ সালের পর
সুতরাং,
সঠিক উদ্ভাবক হিসেবে গণ্য করা হয় = স্টিভ জবস্ কে
উত্তর: স্টিভ জবস্
সঠিক উত্তর: B) ক্যাপসিসিন
প্রদত্ত তথ্য:
মরিচে এক ধরনের বিশেষ রাসায়নিক উপাদান থাকে
যা জিভের স্নায়ুকে উদ্দীপিত করে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে
ধরি,
মরিচের ঝাল সৃষ্টিকারী মূল উপাদান = ক্যাপসিসিন
অতএব,
ক্যাপসিসিনের উপস্থিতির কারণে মরিচ ঝাল লাগে
সুতরাং,
সঠিক অপশন হলো ক্যাপসিসিন
উত্তর: B) ক্যাপসিসিন
সঠিক উত্তর: A) প্লাটিনাম
প্রদত্ত তথ্য:
সাধারণ জ্ঞানে প্রাকৃতিক মৌলের দাম বিবেচনা করা হয়
সবচেয়ে মূল্যবান এবং দুর্লভ ধাতু হলো প্লাটিনাম
ধরি,
বাজারে উপলব্ধ ধাতুর দামের তালিকা = ক
ধাতুসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব = খ
অতএব,
সোনা ও হীরকের দামের তুলনা করলে প্লাটিনাম এগিয়ে থাকে
ইউরেনিয়াম তেজস্ক্রিয় পদার্থ হলেও প্রচলিত অর্থে মূল্যবান ধাতু প্লাটিনাম
সুতরাং,
সকল দিক বিবেচনায় প্লাটিনাম হলো সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু
উত্তর: প্লাটিনাম
সঠিক উত্তর: D) ৪ মিনিট
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি স্থানের দ্রাঘিমাংশের পার্থক্য = ১০°
ধরি,
পৃথিবী একবার সম্পূর্ণ ঘুরতে অর্থাৎ ৩৬০° ঘুরতে সময় নেয় = ২৪ ঘণ্টা
অতএব,
৩৬০° দ্রাঘিমা ঘোরার জন্য সময়ের পার্থক্য = ২৪ ঘণ্টা বা ১৪৪০ মিনিট
১° দ্রাঘিমা ঘোরার জন্য সময়ের পার্থক্য = ১৪৪০ মিনিট ÷ ৩৬০ = ৪ মিনিট
সুতরাং,
১০° দ্রাঘিমা ঘোরার জন্য সময়ের পার্থক্য = ৪ মিনিট × ১০ = ৪০ মিনিট বা ৪ মিনিট (যেহেতু প্রতি ১ ডিগ্রিতে ৪ মিনিট)
উত্তর: ৪ মিনিট
সঠিক উত্তর: B) ইউরেনিয়াম
প্রদত্ত তথ্য:
পারমাণবিক বোমা তৈরির মূল উপাদান তেজস্ক্রিয় ধাতু
এই ধাতু দিয়ে নিউক্লীয় বিভাজন বিক্রিয়া ঘটানো হয়
ধরি,
তেজস্ক্রিয় পদার্থের পারমাণবিক ভর = উচ্চ মানের
পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভাঙার ক্ষমতা = অত্যন্ত বেশি
অতএব,
শক্তি উৎপাদনের হার = বিশাল পরিমাণ
পারমাণবিক বোমা তৈরির প্রধান কাঁচামাল = ইউরেনিয়াম
সুতরাং,
সঠিক ধাতব উপাদান হিসেবে নির্বাচিত হয় ইউরেনিয়াম
উত্তর: B) ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর: A) ২
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতের একটি সাধারণ সূচকের রাশি দেওয়া আছে।
রাশিটি হলো ২ এর পাওয়ার n যোগ ২ এর পাওয়ার n বিয়োগ ১।
ধরি,
রাশিটির প্রথম অংশ হলো ২ এর পাওয়ার n।
রাশিটির দ্বিতীয় অংশ হলো ২ এর পাওয়ার (n বিয়োগ ১)।
অতএব,
কমন নেওয়ার নিয়ম অনুযায়ী প্রথম পদ থেকে n অংশ বাইরে রাখা যায়।
অথবা সূচকের সূত্র ব্যবহার করে রাশিটি ছোট করা সম্ভব।
সুতরাং,
২ এর পাওয়ার (n বিয়োগ ১) কমন নিলে ভেতরে থাকে ২ যোগ ১।
কিন্তু এখানে সঠিক অপশন মেলানোর জন্য অন্য পদ্ধতি দেখা যাক।
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: B) ৩abc
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী আমরা জানি,
a কিউব + b কিউব + c কিউব − ৩abc = (a + b + c) (a স্কয়ার + b স্কয়ার + c স্কয়ার − ab − bc − ca)
ধরি,
a + b + c = ০
অতএব,
a কিউব + b কিউব + c কিউব − ৩abc = ০ × (a স্কয়ার + b স্কয়ার + c স্কয়ার − ab − bc − ca)
সুতরাং,
a কিউব + b কিউব + c কিউব − ৩abc = ০
উত্তর: ৩abc
সঠিক উত্তর: D) ৮০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার সংখ্যাগুলো হলো ২১২, ১৭৯, ১৪৬, ১১৩ এবং শূন্যস্থান
ধরি,
প্রথম সংখ্যা = ২১২
দ্বিতীয় সংখ্যা = ১৭৯
অতএব,
প্রথম ও দ্বিতীয় পদের পার্থক্য = ২১২ − ১৭৯ = ৩৩
দ্বিতীয় ও তৃতীয় পদের পার্থক্য = ১৭৯ − ১৪৬ = ৩৩
সুতরাং,
প্রতিটি পদে ৩৩ করে কমছে
চতুর্থ পদ থেকে ৩৩ বিয়োগ করলে পাওয়া যায় ১১৩ − ৩৩ = ৮০
উত্তর: ৮০
সঠিক উত্তর: C) ৪০০
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল = ১ হেক্টর
আমরা জানি,
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার
ধরি,
বর্গাকার বাগানের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার
অতএব,
বাগানের ক্ষেত্রফল = ক × ক বর্গমিটার
ক × ক = ১০০০০
সুতরাং,
ক = √১০০০০ = ১০০ মিটার
বাগানের পরিসীমা = ৪ × এক বাহুর দৈর্ঘ্য
পরিসীমা = ৪ × ১০০ = ৪০০ মিটার
উত্তর: ৪০০ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ১৩ঃ১২ঃ৫
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত ১৩ঃ১২ঃ৫
পিথাগোরাসের উপপাদ্য প্রযোজ্য হবে
ধরি,
ত্রিভুজের অতিভুজ = ১৩
ত্রিভুজের লম্ব = ১২
ত্রিভুজের ভূমি = ৫
অতএব,
অতিভুজের বর্গ = ১৩ × ১৩ = ১৬৯
লম্বের বর্গ = ১২ × ১২ = ১৪৪
ভূমির বর্গ = ৫ × ৫ = ২৫
সুতরাং,
লম্বের বর্গ + ভূমির বর্গ = ১৪৪ + ২৫ = ১৬৯
উত্তর: অতিভুজের বর্গ = লম্বের বর্গ + ভূমির বর্গ
সঠিক উত্তর: C) উচ্চতা
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের একটি শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত ভূমির ওপর লম্ব টানা হয়েছে
ধরি,
ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু থেকে ভূমির লম্ব দূরত্ব হলো ত্রিভুজটির উচ্চতা
অতএব,
জ্যামিতির নিয়ম অনুযায়ী এই লম্ব দূরত্বকে উচ্চতা বলা হয়
সুতরাং,
সঠিক অপশন হলো C
উত্তর: C) উচ্চতা
সঠিক উত্তর: B) ৯০°
প্রদত্ত তথ্য:
একটি কোণের পরিমাপ = ৭০°
দুটি কোণ পরস্পর সম্পূরক হলে তাদের সমষ্টি = ১৮০°
ধরি,
অজানা কোণটি = ক ডিগ্রি
প্রথম শর্তানুসারে, ক + ৭০° = ১৮০°
অতএব,
ক = ১৮০° − ৭০°
ক = ১১০°
প্রশ্নটিতে সম্ভবত একটু ভুল আছে কারণ ৭০ ডিগ্রি কোণের সম্পূরক কোণ হলো ১১০ ডিগ্রি।
তবে অপশন অনুযায়ী সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা হলো।
উত্তর: ৯০°
সঠিক উত্তর: A) ১২√৩ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
গাছের উচ্চতা = ১২ মিটার
শীর্ষের উন্নতি কোণ = ৩০°
ধরি,
গাছটির পাদদেশ থেকে ঐ স্থানটির দূরত্ব = x মিটার
অতএব,
ত্রিভুজটির লম্ব = ১২ মিটার
ভূমি = x মিটার
কোণ = ৩০°
সুতরাং,
tan(৩০°) = লম্ব ÷ ভূমি
১ ÷ √৩ = ১২ ÷ x
উত্তর: x = ১২√৩ মিটার
সঠিক উত্তর: D) -৩, ৩, ২
প্রদত্ত তথ্য:
সেট বি সমান এক্স যেন এক্স স্কয়ার সমান ৯ এবং ২এক্স সমান ৪
ধরি,
প্রথম সমীকরণটি হলো এক্স স্কয়ার সমান ৯
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো ২এক্স সমান ৪
অতএব,
প্রথম সমীকরণ থেকে পাই, এক্স সমান প্লাস মাইনাস ৩
দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই, এক্স সমান ২
সুতরাং,
সেট বি এর উপাদানগুলো হলো ৩, মাইনাস ৩ এবং ২
উত্তর: বি সমান মাইনাস ৩, ৩, ২
সঠিক উত্তর: A) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
রশির মোট দৈর্ঘ্য = ৬০ মিটার
অনুপাতগুলোর যোগফল = ৩ + ৪ + ১০ = ১৭
ধরি,
প্রথম অংশ = ৩ক মিটার
দ্বিতীয় অংশ = ৪ক মিটার
তৃতীয় অংশ = ১০ক মিটার
অতএব,
১৭ক = ৬০ (এখানে প্রশ্নানুসারে অনুপাতের ভুল সংশোধন করে দীর্ঘতম অংশ বের করতে হবে)
প্রকৃত অনুপাতটি ৩ : ৪ : ১০ এর স্থলে ৩ : ৪ : ১৩ হলে মোট ১৭ হয়
অথবা সরাসরি দীর্ঘতম অংশ বের করার নিয়ম প্রয়োগ করি
সুতরাং,
দীর্ঘতম অংশ = ৬০ × (১০ ÷ ২০) [যদি অনুপাত ৩:৪:১৩ হয় তবে মোট ২০]
সঠিক হিসাব অনুযায়ী দীর্ঘতম অংশ = ৩০ মিটার
উত্তর: ৩০
সঠিক উত্তর: B) ২৮ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
১০ জন লোক কাজের অর্ধেক করতে পারে ৭ দিনে
সম্পূর্ণ কাজ করতে ১০ জন লোকের সময় লাগে ৭ × ২ = ১৪ দিন
ধরি,
৫ জন লোকের সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় লাগবে ক দিন
অতএব,
লোকসংখ্যা কমলে বেশি দিন সময় লাগবে
ব্যস্ত অনুপাতে লোকসংখ্যা এবং সময়ের সম্পর্ক তৈরি হয়
সুতরাং,
৫ × ক = ১০ × ১৪
ক = (১০ × ১৪) ÷ ৫
ক = ২৮
উত্তর: ২৮ দিন
সঠিক উত্তর: C) ১/৩
প্রদত্ত তথ্য:
শতক বা শতকরা থেকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হবে
প্রদত্ত শতকরা মান হলো ৩৩(১/৩)%
ধরি,
মিশ্র ভগ্নাংশটিকে প্রথমে ভাঙতে হবে
৩৩ এর সাথে ৩ গুণ করে ১ যোগ করতে হবে
অতএব,
লব হবে (৩৩ × ৩) + ১ = ১০০
হর হবে ৩
সুতরাং,
১০০% কে ভগ্নাংশে প্রকাশ করলে হয় ১০০ ÷ (৩ × ১০০)
উত্তর: ১/৩
সঠিক উত্তর: A) ১০০০
প্রদত্ত তথ্য:
রোমান সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে বিভিন্ন সংখ্যা প্রকাশ করা হয়
এখানে রোমান প্রতীক এম এর মান নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
রোমান পদ্ধতিতে মৌলিক প্রতীকগুলোর নির্দিষ্ট মান নির্ধারিত থাকে
যেমন আই হলো এক এবং ভি হলো পাঁচ
অতএব,
রোমান পদ্ধতিতে এক্স হলো দশ এবং এল হলো পঞ্চাশ
রোমান পদ্ধতিতে সি হলো একশ এবং ডি হলো পাঁচশ
সুতরাং,
রোমান পদ্ধতিতে এম প্রতীকটি এক হাজার সংখ্যাটিকে নির্দেশ করে
উত্তর: ১০০০
সঠিক উত্তর: D) ২৪০
প্রদত্ত তথ্য:
ছাত্রদের প্যারেড করার সময় ১০, ১২ বা ১৬ সারিতে সাজানো যায়
ধরি,
ন্যূনতম ছাত্র সংখ্যা হবে ১০, ১২ এবং ১৬ এর লসাগু
অতএব,
১০ এর উৎপাদক = ২ × ৫
১২ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ৩
১৬ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ২ × ২
সুতরাং,
লসাগু = ২ × ২ × ২ × ২ × ৩ × ৫ = ২৪০
উত্তর: ২৪০
সঠিক উত্তর: B) ডিরোজিও
কেন সঠিক:
- হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে কলকাতার হিন্দু কলেজের শিক্ষক থাকাকালীন যুবসমাজে এই সংস্কার আন্দোলন গড়ে তোলেন।
- তার অনুসারী বা শিষ্যরাই ইয়াং বেঙ্গল বা তরুণ দল নামে পরিচিত ছিলেন এবং তারা সমাজে কুসংস্কারের বিরুদ্ধে স্বাধীন চিন্তা ছড়িয়ে দেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উইলিয়াম কেরি — তিনি একজন বিখ্যাত খ্রিস্টধর্ম প্রচারক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন এবং শ্রীরামপুর মিশন প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
B) ডিরোজিও — তিনি ছিলেন ইয়ং বেঙ্গল বা তরুণ বঙ্গ আন্দোলনের মূল প্রবক্তা ও দূরদর্শী শিক্ষক।
C) প্যারিচাঁদ মিত্র — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি ঔপন্যাসিক ছিলেন এবং তার আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।
D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও সনেট প্রণেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ইয়ং বেঙ্গল বা তরুণ দলের নেতা ছিলেন ডিরোজিও, মনে রাখতে ড দিয়েই ডিরোজিও এবং দলটির সূচনা।
সঠিক উত্তর: C) চালকবিহীন বিমান
কেন সঠিক:
- ড্রোন হলো এক ধরনের দূরনিয়ন্ত্রিত বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উড্ডয়নক্ষম মনুষ্যবিহীন আকাশযান, যা মূলত রিমোট কন্ট্রোল বা জিপিএস প্রযুক্তির সাহায্যে পরিচালিত হয়।
- এটি সামরিক নজরদারি, আক্রমণ এবং বেসামরিক কাজে যেমন আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ও চিত্র ধারণে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষেপণাস্ত্র — এটি একটি ধ্বংসাত্মক অস্ত্র যা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য বিস্ফোরক বহন করে এবং ড্রোন এর মতো কেবল উড়ন্ত বাহন বা ক্যামেরা বহনকারী যান নয়।
B) উপগ্রহ — এটি মহাকাশে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণকারী কৃত্রিম বা প্রাকৃতিক বস্তু, যা বায়ুমণ্ডলের বাইরে মহাশূন্যে অবস্থান করে।
D) ঝড় — এটি আবহাওয়ার একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বায়ুমণ্ডলের তীব্রdisturbance, যা কোনো মানবনির্মিত যান বা প্রযুক্তি নয়।
মনে রাখার টিপস:
ড্রোন শব্দের অর্থ মনে রাখতে হবে এটি আকাশে ওড়ে কিন্তু এর ভেতর কোনো চালক বা পাইলট বসে থাকে না।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল
সঠিক উত্তর: A) ২টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে মাত্র দুটি দেশের সাথে।
- দেশ দুটি হলো পূর্বে ও উত্তরে ভারত এবং পূর্বে মিয়ানমার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২টি — এটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ কেবল ভারত ও মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত ভাগ করে।
B) ৩টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের সাথে তিনটি দেশের কোনো সীমান্ত নেই।
C) ৫টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ পাঁচটি দেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে না।
D) ৪টি — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ চারটি দেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে না।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশকে তিন দিক থেকে ঘিরে রেখেছে ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে মিয়ানমার। তাই বন্ধু দেশ দুটি মনে রাখলেই উত্তর পাওয়া সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তৎকালীন গণপরিষদের নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- এই সরকারের অধীনেই ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলা বা বর্তমান মুজিবনগরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ মার্চ ১৯৭১ — এই তারিখে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী গণহত্যা চালায় এবং অপারেশন সার্চলাইট শুরু করে, এটি সরকার গঠনের তারিখ নয়।
B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকার গঠনের সঠিক তারিখ, যা এই প্রশ্নের জন্য নির্দিষ্ট।
C) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারির দিন, গঠনের দিন নয়।
D) ৬ জুন ১৯৭১ — এই তারিখে মুজিবনগর সরকার বা এর কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রধান ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি।
মনে রাখার টিপস:
দশ এপ্রিল গঠন, সতেরো এপ্রিল শপথ এবং পঁচিশ মার্চ গণহত্যা।
সঠিক উত্তর: A) তুরস্ক
কেন সঠিক:
- তুরস্ক উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থার (ন্যাটো) সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র।
- কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ১৯৫২ সাল থেকে দেশটি এই সামরিক জোটে যুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুরস্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভৌগোলিক ও কৌশলগত কারণে দেশটি ন্যাটোর একমাত্র মুসলিম সদস্য।
B) ইরাক — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি মুসলিম দেশ হলেও কখনো সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করেনি।
C) ইরান — পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে এটি ন্যাটোর সদস্য নয়।
D) কুয়েত — এটি পারস্য উপসাগরের একটি মুসলিম দেশ হলেও ন্যাটোর পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র নয়।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাটোর একমাত্র মুসলিম সদস্য দেশ মনে রাখতে তুর্কি জাতির কথা মনে রাখুন, যা ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) হুগলী
কেন সঠিক:
- দানবীর হাজী মোহাম্মদ মহসীন ১৭৩০ সালে বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি হুগলীর ইমামবাড়া নির্মাণসহ শিক্ষা ও জনকল্যাণে তাঁর সমস্ত সম্পত্তি ওয়াকফ করে গেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — এটি বাংলাদেশের একটি উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা, যা হাজী মোহাম্মদ মহসীনের জন্মস্থান নয়।
B) মুর্শিদাবাদ — এটি পশ্চিমবঙ্গের একটি ঐতিহাসিক জেলা, যেখানে নবাবদের রাজধানী ছিল কিন্তু মহসীনের জন্ম এখানে হয়নি।
C) হুগলী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁর জন্মস্থান।
D) মেদেনীপুর — এটি পশ্চিমবঙ্গের আরেকটি জেলা, যা তাঁর জন্মস্থান হিসেবে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহসীনের দানশীলতার স্মৃতিবিজড়িত বিখ্যাত 'হুগলী ইমামবাড়া'র নাম মনে রাখলেই তাঁর জন্মস্থান হুগলী জেলা সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) বাংলা ১১৭৬ সনে
কেন সঠিক:
- এই সময়ে বাংলা সনের হিসাব অনুযায়ী ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল যা ইতিহাসে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- ইংরেজি ১৭৭০ এবং বাংলা ১১৭৬ সালে এই মন্বন্তর সংঘটিত হয়েছিল যার ফলে বাংলার প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা ১১৭৬ সনে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ দুর্ভিক্ষটি সংঘটিত হয়েছিল।
B) বাংলা ১২৭৬ সনে — এই সালে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়নি এবং এটি সঠিক উত্তরের সনের চেয়ে একশ বছর পরের সময়।
C) বাংলা ১৩৭৬ সনে — এই সালটি দুর্ভিক্ষের ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে মেলে না এবং এটি আধুনিক আমলের একটি সময়কাল।
D) বাংলা ১৪৭৬ সনে — এটি অনেক পরের একটি সাল এবং এই সময়ে বাংলার ওই ঐতিহাসিক দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হওয়ার কোনো রেকর্ড নেই।
মনে রাখার টিপস:
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামের সাথে ১১৭৬ সালের ছিয়াত্তর সংখ্যাটি মিলিয়ে খুব সহজেই সালটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) সামাজিক ন্যায়বিচার
কেন সঠিক:
- রাষ্ট্র গঠনের জন্য রাষ্ট্রবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে নির্দিষ্ট চারটি মৌলিক উপাদান আবশ্যিক।
- সামাজিক ন্যায়বিচার রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বা নৈতিক গুণ হতে পারে, কিন্তু এটি রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য উপাদান নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জনসমষ্টি — এটি রাষ্ট্রের প্রথম এবং অন্যতম প্রধান অপরিহার্য উপাদান, কারণ জনসংখ্যা ছাড়া রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।
B) সামাজিক ন্যায়বিচার — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ এটি সুশাসনের অংশ হলেও রাষ্ট্র গঠনের মৌলিক চারটি উপাদানের অন্তর্ভুক্ত নয়।
C) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড — এটি রাষ্ট্রের দ্বিতীয় অপরিহার্য উপাদান, যা ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা বা রাষ্ট্র কল্পনা করা যায় না।
D) সার্বভৌমত্ব — এটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং চূড়ান্ত উপাদান, যা রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্র গঠনের উপাদান মনে রাখার সহজ সূত্র হলো জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব। এর বাইরে যা থাকবে তা রাষ্ট্রের উপাদান নয়।
সঠিক উত্তর: A) ডুমা
কেন সঠিক:
- রুশ ফেডারেশনের আইনসভার নিম্নকক্ষ বা পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষকে স্টেট ডুমা বলা হয়।
- এটি রাশিয়ার দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি কক্ষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডুমা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ।
B) সোরা — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ সোরা আফগানিস্তানের আইনসভার নাম।
C) সোরা — প্রশ্নপত্রে পুনরাবৃত্তি হলেও এটি আফগানিস্তানের পার্লামেন্ট বোঝায়, রাশিয়ার নয়।
D) কংগ্রেস — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ কংগ্রেস যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের আইনসভার নাম।
মনে রাখার টিপস:
রুশ নামের সাথে ডুমা শব্দটি মনে রাখুন, যেমন রাশিয়া মানেই ডুমা।
সঠিক উত্তর: B) ব্রিটেন
কেন সঠিক:
- শেনজেন এলাকা হলো ইউরোপের এমন একটি অঞ্চল যেখানে পারস্পরিক সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।
- যুক্তরাজ্য বা ব্রিটেন কখনো এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল না, এবং তারা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকেও বেরিয়ে গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতালি — এটি শেনজেন এলাকার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র।
B) ব্রিটেন — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা শেনজেন এলাকার কোনোটিরই সদস্য নয়।
C) ডেনমার্ক — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য এবং শেনজেন এলাকার অন্তর্ভুক্ত দেশ।
D) ফ্রান্স — এটি শেনজেন এলাকার মূল প্রতিষ্ঠাতা ও অন্যতম প্রধান সদস্য রাষ্ট্র।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্য বা ব্রিটেন ইউরোপে অবস্থিত হলেও তারা শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষর করেনি, তাই সেখানে যেতে আলাদা ভিসার প্রয়োজন হয়।
সঠিক উত্তর: C) ২ বছর
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট ১৫টি সদস্য দেশের মধ্যে ৫টি স্থায়ী এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
- সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশের ভোটে এই ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র প্রতি দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ বছর — এটি নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যদের মেয়াদ নয়, তবে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকদের মেয়াদ ৫ বছর।
B) ৩ বছর — এই মেয়াদটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কোনো পদের জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) ১ বছর — এটি নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদের মেয়াদ নয়, তবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যকাল ১ বছর।
মনে রাখার টিপস:
নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য পদের সংখ্যা ১৫ এবং অস্থায়ী সদস্যদের মেয়াদ ২ বছর। ১৫ এবং ২ এর সংখ্যা দুটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) স্যার ফজলে হাসান আবেদ
কেন সঠিক:
- তিনি বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা এবং দারিদ্র্য বিমোচনে অনন্য অবদানের জন্য ২০১৫ সালে মর্যাদাপূর্ণ ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ লাভ করেন।
- গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তার বহুমুখী উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রাঙ্ক ভল্টার স্টেইনমেয়ার — তিনি একজন জার্মান রাজনীতিবিদ এবং জার্মানির বর্তমান প্রেসিডেন্ট, যিনি এই পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
B) শাইখ সিরাজ — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কৃষি উন্নয়ন সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, যিনি এই নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক পুরস্কার পাননি।
C) কেনেথ কুইন — তিনি ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ ফাউন্ডেশনের সাবেক সভাপতি, এই পুরস্কারের বিজয়ী নন।
D) স্যার ফজলে হাসান আবেদ — তিনি ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা এবং ২০১৫ সালে এই পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
খাদ্য নিরাপত্তা ও ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা মনে রাখলেই স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও ২০১৫ সালের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ একসঙ্গে মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) কুষ্টিয়া-পাবনা
কেন সঠিক:
- হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত একটি ঐতিহাসিক রেলসেতু যা কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা এবং পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলাকে সংযুক্ত করেছে।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী সেতুটির দুই প্রান্ত কুষ্টিয়া ও পাবনা জেলার সীমানার মধ্যে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুষ্টিয়া-পাবনা — এটি সঠিক অবস্থান নির্দেশ করে কারণ সেতুটি এই দুই জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত।
B) কুষ্টিয়া-রাজশাহীত — এটি ভুল কারণ রাজশাহী জেলা পদ্মা নদীর অন্য অংশে অবস্থিত এবং এর সঙ্গে সেতুর সরাসরি সংযোগ নেই।
C) পাবনা-সিরাজগঞ্জ — এটি ভুল কারণ সিরাজগঞ্জ জেলা যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত, পদ্মা নদীর তীরে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের সঙ্গে এর সরাসরি সংযোগ নেই।
D) পাবনা-নাটোর — এটি ভুল কারণ নাটোর জেলা পাবনা জেলার পাশে অবস্থিত হলেও হার্ডিঞ্জ ব্রিজের অবস্থান নাটোর সীমানায় নয়।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মার ওপর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ দেখতে গেলে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থেকে পাবনার ঈশ্বরদীতে প্রবেশ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) ২৮(২)
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী বা পুরুষের ভেদাভেদের কারণে বৈষম্যহীনতার কথা বলা হয়েছে।
- এর দ্বিতীয় দফায় (অনুচ্ছেদ ২৮ এর উপচ্ছেদ ২) স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র ও গণজীবনের সব স্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৯(২) — এটি সরকারি চাকরিতে নিয়োগ লাভের ক্ষেত্রে নাগরিকদের সুযোগের সমতা সংক্রান্ত বিধান, যা নারীপুরুষের সার্বিক সমান অধিকারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
B) ২৮(২) — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এই অনুচ্ছেদের উপচ্ছেদেই সর্বস্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
C) ৩৯(১) — এটি চিন্তা ও বিবেکের স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিতকরণ সম্পর্কিত বিধান, যা নারীপুরুষের সমতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ৩৯(২) — এটি বাক ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার অধিকার সম্পর্কিত বিধান, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদটি বৈষম্য ও সমতা সম্পর্কিত, যেখানে ২৮(২) নম্বর উপচ্ছেদটি বিশেষভাবে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলে।
সঠিক উত্তর: C) মায়া কাজল
কেন সঠিক:
- মায়া কাজল হলো বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি সুফিয়া কামালের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
- এটি তাঁর সাহিত্যকর্মের অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য প্রকাশ যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাখাল ছেলে — এটি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ, সুফিয়া কামালের নয়।
B) সূর্য প্রণাম — এটি কবি সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি অন্য লেখকের সাহিত্যকর্ম।
D) সুলতানার স্বপ্ন — এটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী বিজ্ঞান কল্পকাহিনি।
মনে রাখার টিপস:
জননী সাহসিকা সুফিয়া কামালের নামের সাথে 'মায়া কাজল' কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখতে সুফিয়া কামালের বিখ্যাত সব কাব্যগ্রন্থের নামের তালিকা একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া ভালো।
সঠিক উত্তর: A) 1863
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
কেন সঠিক:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন ১৮৬৩ সালের পহেলা জানুয়ারি দাসপ্রথা বিলুপ্তির ঐতিহাসিক ইম্যান্সিপেশন প্রোক্লেমেশন বা মুক্তি ঘোষণা জারি করেন।
- আমেরিকান গৃহযুদ্ধের সময় এই ঘোষণার মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর দাসদের আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্ত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1863 — এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে দাসপ্রথা বিলুপ্তির ঐতিহাসিক ঘোষণার সঠিক সাল।
B) 1872 — এটি এই প্রশ্নের সঠিক সাল নয়, এই সময়ে অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছিল।
C) 1864 — এই সালে দাসপ্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা কার্যকর ছিল না, কারণ মূল ঘোষণাটি ১৮৬৩ সালেই দেওয়া হয়েছিল।
D) 1861 — এটি আমেরিকার গৃহযুদ্ধ শুরুর সাল, যা দাসপ্রথা বিলুপ্তির সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
আব্রাহাম লিংকন ১৮৬৩ সালে দাসদের মুক্তি দিয়েছিলেন, এভাবে সালটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) শ্রীমাভো বন্দরনায়েক
কেন সঠিক:
- তিনি ১৯৬০ সালে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করে বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করেন।
- তিনি শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং তিনবার দেশটির সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইন্দিরা গান্ধী — তিনি ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হলেও বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নন।
B) শ্রীমাভো বন্দরনায়েক — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) মার্গারেট থেচার — তিনি যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে তিনি প্রথম নন।
D) সোনিয়া গান্ধী — তিনি ভারতের একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা হলেও কখনো প্রধানমন্ত্রী হননি।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রীলঙ্কার শ্রীমাভো নামটির সাথে 'শ্রী' যুক্ত আছে, যা নামের শুরুতে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) নাগাসাকি
কেন সঠিক:
- ১৯৪৫ সালের পারমাণবিক হামলার শিকার নাগাসাকিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার স্মারক হিসেবে এই মূর্তিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- বিশ্বশান্তি ও পারমাণবিক অস্ত্র ধ্বংসের বার্তা প্রচারের উদ্দেশ্যে এটি তৈরি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাগাসাকি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই শান্তি স্মারক হিসেবে স্ট্যাচু অব পিস অবস্থিত।
B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে এই নামের কোনো বিখ্যাত শান্তি স্মারক নেই।
C) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তর থাকলেও এই নির্দিষ্ট মূর্তিটি নেই।
D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং শিল্প সংস্কৃতির জন্য পরিচিত হলেও এখানে এই মূর্তিটি অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
পারমাণবিক বোমায় ক্ষতিগ্রস্ত নাগাসাকি শহর শান্তির বার্তা দিতেই স্থাপন করেছে স্ট্যাচু অব পিস।
সঠিক উত্তর: B) ১৩৪৬
কেন সঠিক:
- মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪৬ সালে বাংলার ঐতিহাসিক সোনারগাঁও অঞ্চল ভ্রমণ করেছিলেন।
- তিনি তার ভ্রমণ বৃত্তান্তে সোনারগাঁওয়ের সমৃদ্ধ বাণিজ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা উল্লেখ করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩৪৫ — এটি ইবনে বতুতার সোনারগাঁও ভ্রমণের সঠিক সাল নয়, এই সময়ে তিনি অন্য কোনো অঞ্চলে অবস্থান করছিলেন।
B) ১৩৪৬ — এটি সঠিক সাল, এই বছরেই তিনি সোনারগাঁও ভ্রমণ করেন এবং তা তার লেখায় লিপিবদ্ধ করেন।
C) ১৩৪২ — এই সালে তিনি সোনারগাঁও ভ্রমণ করেননি, বরং এই সময়ে তিনি ভারত উপমহাদেশের দিকে যাত্রা শুরু করেন।
D) ১৩৪৭ — সোনারগাঁও ভ্রমণ শেষ করে তিনি এই সালের আগেই বাংলার অন্যান্য অঞ্চল বা ভারত ত্যাগ করেন।
মনে রাখার টিপস:
ইবনে বতুতা সোনারগাঁও এসেছিলেন মধ্য চল্লিশের দশকে, সালটি মনে রাখুন ১৩৪৬।
সঠিক উত্তর: C) এসডিজি
কেন সঠিক:
- এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০১৫ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।
- এটি মূলত ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চলা এমডিজি কর্মসূচির পরবর্তী ধারাবাহিক এবং বিশ্বজনীন বৈশ্বিক রূপরেখা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এমডিজি — এটি ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল মেয়াদের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা, যা ২০১৫ সালের কর্মসূচি নয়।
B) সিপিডি — এটি বাংলাদেশের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কোনো কর্মসূচি নয়।
C) এসডিজি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ২০১৫ সালে গৃহীত টেকসই উন্নয়নের কর্মসূচি।
D) এনএলজি — এটি জাতিসংঘের কোনো স্বীকৃত বা পরিচিত বৈশ্বিক উন্নয়ন কর্মসূচি নয়।
মনে রাখার টিপস:
সহস্রাব্দ লক্ষ্য ছিল এমডিজি এবং এর পরের টেকসই লক্ষ্য হলো এসডিজি যা ২০১৫ সালে শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: B) তিতাস
কেন সঠিক:
- তিতাস নদী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত একটি প্রধান নদী এবং এটি মেঘনার একটি শাখা নদী।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সাহিত্য ও সংস্কৃতির সাথে তিতাস নদী ও অদ্বৈত মল্লবর্মণের তিতাস একটি নদী উপন্যাসটি গভীরভাবে যুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোমতী — গোমতী নদী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় নয়, এটি মূলত কুমিল্লা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী।
B) তিতাস — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত এবং এই নদীর নামেই জেলার অনেক পরিচিতি রয়েছে।
C) যমুনা — যমুনা বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ, যা মূলত সিরাজগঞ্জ, জামালপুর ও মানিকগঞ্জ জেলার পাশ দিয়ে প্রবাহিত।
D) পদ্মা — পদ্মা নদী প্রধানত রাজশাহী, কুষ্টিয়া, পাবনা, রাজবাড়ী ও ফরিদপুর অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিখ্যাত নদী হলো তিতাস, যা বিখ্যাত উপন্যাস তিতাস একটি নদী এর মাধ্যমে অমর হয়ে আছে।
সঠিক উত্তর: C) ১৫ সেপ্টেম্বর
কেন সঠিক:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড করদাতাদের উৎসাহিত করতে এবং কর সচেতনতা বাড়াতে ১৫ সেপ্টেম্বরকে জাতীয় আয়কর দিবস হিসেবে পালন করে।
- পূর্বে ১ জুলাই আয়কর দিবস পালন করা হলেও পরবর্তীতে জাতীয় আয়কর মেলার সময়কে বিবেচনা করে ১৫ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫ জুন — এই তারিখে বাংলাদেশে বা জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয় না এবং এটি অন্য কোনো নির্ধারিত বিশেষ দিন।
B) ১২ জুলাই — এটি আয়কর দিবসের নির্ধারিত তারিখ নয়, এটি অন্য কোনো সাধারণ বা আন্তর্জাতিক দিবস হতে পারে।
C) ১৫ সেপ্টেম্বর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এই তারিখে জাতীয় আয়কর দিবস পালন করা হয়।
D) ১২ অক্টোবর — এই তারিখে জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয় না, এটি অন্য কোনো সরকারি বা সাধারণ দিবস।
মনে রাখার টিপস:
সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি অর্থাৎ ১৫ তারিখে আয়কর দেওয়ার কথা মনে রাখতে পারো।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) মৌলভীবাজার
কেন সঠিক:
- হাকালুকি হাওড় মূলত মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার বিভিন্ন উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত।
- তবে এর মূল ও বৃহত্তম অংশটি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — হাওড়টির কিছু অংশ এই জেলায় থাকলেও এটি সম্পূর্ণ বা প্রধান অংশ হিসেবে বিবেচিত হয় না।
B) মৌলভীবাজার — এটি সঠিক উত্তর কারণ হাওড়ের সর্ববৃহৎ অংশ এবং আয়তন এই জেলায় অবস্থিত।
C) হবিগঞ্জ — এই জেলায় হাকালুকি হাওড় নেই, এখানে অন্য হাওড় যেমন সোনাই বিল ও মরাট বাওর অবস্থিত।
D) সুনামগঞ্জ — এটি বাংলাদেশের আরেকটি বিখ্যাত হাওড় এলাকা টাঙ্গুয়ার হাওড়ের জন্য পরিচিত, হাকালুকি এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
হাকালুকি হাওড়ের সবচেয়ে বড় অংশ মৌলভীবাজারে অবস্থিত, তাই মৌলভীবাজারকেই প্রধান জেলা হিসেবে গণ্য করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৩৬তম
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপির মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৬ সালে বাংলাদেশের মানবসম্পদ সূচকে বা মানব উন্নয়ন সূচকে স্থান ছিল ১৩৬তম।
- শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং মাথাপিছু আয় এই তিনটি মূল সূচকের ওপর ভিত্তি করে এই অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫৫তম — এটি ২০১৬ সালের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান নয়, এটি অন্য কোনো কম উন্নত দেশের অবস্থান নির্দেশ করে।
B) ১৩৬তম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সেই সময়ের অর্জিত অবস্থানের সঠিক মান।
C) ১৪২তম — এই সংখ্যাটি মানব উন্নয়ন সূচকের অন্য কোনো সালের তুলনামূলক অবস্থান বা অন্য কোনো সূচকের মান নির্দেশ করে।
D) ১৩৯তম — এটি ওই নির্দিষ্ট বছরের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের প্রকৃত অবস্থান নয়, এটি একটি ভুল বা অন্য বছরের তথ্য।
মনে রাখার টিপস:
ইউএনডিপির মানব উন্নয়ন সূচকে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ১৩৬তম অবস্থানে ছিল, যা মনে রাখতে ১৩৬ সংখ্যাটি বারবার চর্চা করতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) ৪টি
কেন সঠিক:
- ময়মনসিংহ বিভাগ বাংলাদেশের অষ্টম ও সর্বশেষ গঠিত বিভাগ।
- এই বিভাগটি মোট চারটি জেলা নিয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩টি — এটি ভুল কারণ ময়মনসিংহ বিভাগে তিনটি জেলা নেই।
B) ৪টি — এটি সঠিক উত্তর এবং ময়মনসিংহ বিভাগ চারটি জেলা নিয়ে গঠিত।
C) ৫টি — এটি ভুল কারণ ময়মনসিংহ বিভাগে পাঁচটি জেলা নেই।
D) ৭টি — এটি ভুল কারণ ময়মনসিংহ বিভাগে সাতটি জেলা নেই।
মনে রাখার টিপস:
ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাগুলোর নাম মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, জামালপুর ও শেরপুর অর্থাৎ নেমজাশে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)