বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

১৫ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ১৯৯৩

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a পতিত
b অনুর্বর
c ঊষর
d বন্ধ্যা
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঊষর কেন সঠিক: - যে ভূমিতে প্রাকৃতিকভাবে কোনো ধরনের ফসল বা উদ্ভিদ জন্মায় না, তাকে ঊষর ভূমি বলা হয়। - এটি মূলত উর্বরতার সম্পূর্ণ বিপরীত এবং শুষ্ক বা লবণাক্ত মাটির ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি এককথায় প্রকাশ বা বাকসংক্ষেপের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - বাংলা শব্দভান্ডারে মৃত্তিকা বা ভূমির বিভিন্ন অবস্থার প্রকাশে এই বিশেষ বিশেষণগুলো ব্যবহার করা হয়। - যেমন: উর্বর ভূমির বিপরীত শব্দ হিসেবে ঊষর ভূমি বহুল প্রচলিত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) পতিত — যে জমি দীর্ঘদিন চাষবাস না করে ফেলে রাখা হয় তাকে পতিত জমি বলে। - B) অনুর্বর — যে মাটিতে উর্বরতা শক্তির অভাব রয়েছে এবং ফসল কম জন্মায় তাকে অনুর্বর বলে। - C) ঊষর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে মূল বিকল্প হিসেবে ধরা হয়েছে। - D) বন্ধ্যা — যে নারী সন্তান প্রসব করতে অক্ষম তাকে বন্ধ্যা বলা হয়, যা মূলত জীববিজ্ঞানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: - উ দিয়ে উর্বর আর উ দিয়ে ঊষর মনে রাখবে, যেখানে একটি ফসলে ভরা আর অন্যটি ফসলহীন।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c গোলাম মোস্তফা
d শেখ ফজলুল করিম
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শেখ ফজলুল করিম ১. কেন সঠিক: - উক্ত চরণ দুটি কবি শেখ ফজলুল করিমের অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় একটি কবিতার অংশ। - কবিতায় কবির আত্মিক শুুদ্ধি এবং মানবকল্যাণের প্রার্থনা প্রকাশিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শেখ ফজলুল করিম ছিলেন বিশ শতকের প্রথম দিকের একজন প্রখ্যাত মুসলিম সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক। - তিনি মূলত নীতিমূলক, দেশপ্রেম ও মানবতাবাদী রচনার জন্য পরিচিত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৃষিতের জল দাও, ক্ষুৎপিপাসিতের অন্ন দাও। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিতেও কবির মানবপ্রেম ও কল্যাণকামী মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে যা তার রচনার মূল সুর। উদাহরণ ২: মানুষের সেবা করো, তবেই সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি লাভ হবে। ব্যাখ্যা: এটি শেখ ফজলুল করিমের সাহিত্যধারার একটি অন্যতম প্রধান নৈতিক বার্তা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই চরণ দুটি বিদ্রোহী কবির কোনো কবিতার নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবির কাব্যধারার সঙ্গে এই পঙক্তির সুর ও প্রকাশভঙ্গি মেলে না। C) গোলাম মোস্তফা — তিনি বিখ্যাত হলেও এই নির্দিষ্ট পঙক্তিটি তার রচিত নয়। D) শেখ ফজলুল করিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ চরণ দুটি তারই সাহিত্যকর্ম থেকে নেওয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুন্দর জীবন ও অকল্যাণ দূর করার প্রার্থনা সম্বলিত কল্যাণকামী পঙক্তি দেখলে শেখ ফজলুল করিমের নাম স্মরণ করবে। - তার সাহিত্যকর্মে নৈতিকতা ও মানবতার জয়গান বেশি দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত পঙক্তি কার লেখা তা জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন উত্তরের জন্য কবিদের বিখ্যাত কবিতার মূল বাণী বা উদ্ধৃতিগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
a জ্ঞান
b বুদ্ধি
c মেধা
d প্রজ্ঞা
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রজ্ঞা ১. কেন সঠিক: - Wisdom শব্দের সঠিক ও প্রমিত পারিভাষিক অর্থ হলো প্রজ্ঞা, যা গভীর জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং অন্তর্দৃষ্টির সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চতর মানসিক গুণ। - সাধারণ জ্ঞানের চেয়ে প্রজ্ঞা অনেক বেশি গভীর, যা জীবনকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি পারিভাষিক শব্দের প্রশ্ন, যেখানে ইংরেজি পরিভাষার যথাযথ বাংলা প্রতিশব্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি বা ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ জানতে চাওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Health is wealth. ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রবাদ বাক্য, যেখানে স্বাস্থ্যই সম্পদ বোঝাতে পারিভাষিক শব্দের সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। উদাহরণ ২: Knowledge is power. ব্যাখ্যা: এখানে জ্ঞানের শক্তি প্রকাশ করতে পারিভাষিক শব্দের যথার্থ ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞান — জ্ঞান হলো কেবল তথ্য বা কোনো বিষয়ে জানা, যা Wisdom শব্দের সবচেয়ে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ প্রজ্ঞা অর্থ প্রকাশ করে না। B) বুদ্ধি — বুদ্ধি হলো কোনো কিছু দ্রুত বোঝার বা সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, যা Wisdom বা প্রজ্ঞার মতো গভীর বোধকে পুরোপুরি বোঝায় না। C) মেধা — মেধা হলো মুখস্থ করার বা ধারণ করার অসাধারণ ক্ষমতা, যা Wisdom শব্দের পারিভাষিক অর্থ হিসেবে সঠিক নয়। D) প্রজ্ঞা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রজ্ঞা বলতে সুগভীর জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার আলোকে সঠিক বিচার করার ক্ষমতাকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি Wisdom শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি সাধারণ জ্ঞান নয়, বরং এর উচ্চতর রূপ অর্থাৎ প্রজ্ঞা। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ করার সময় শব্দের গভীরতা বা পরিধি খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ইংরেজি শব্দের পারিভাষিক রূপ নির্ণয়ের সময় বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত অভিধান অনুসরণ করা উচিত।
a সে বই পড়ছে
b সে গভীর চিন্তায় মগ্ন
c সে ঘুমিয়ে আছে
d সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হবে অপশন D) সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না। ১. কেন সঠিক: - সমধাতুজ কর্ম হলো যখন বাক্যের ক্রিয়া এবং কর্মপদ একই ধাতু বা উৎস থেকে গঠিত হয়। এখানে চাল চেলেছে বাক্যের ক্রিয়া চাল ধাতু থেকে এসেছে এবং কর্মপদ চাল বা চালনা একই ধাতু থেকে উৎপন্ন। - সমধাতুজ কর্মকে ধাতুর্ত্তক কর্মও বলা হয় কারণ এটি ধাতু থেকে সৃষ্টি হয় এবং ক্রিয়ার অর্থকে বিশেষভাবে প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমধাতুজ কর্মের সংজ্ঞা হলো বাক্যের সমাপিকা ক্রিয়া যে ধাতু থেকে গঠিত হয়, তার কর্মপদটিও যদি সেই একই ধাতু থেকে গঠিত হয়, তবে তাকে সমধাতুজ কর্ম বলে। যেমন, এমন চমৎকার খেলা খেলেছে যে সবাই মুগ্ধ। - এখানে খেলা হলো কর্মপদ এবং খেলেছে হলো ক্রিয়া, যা খেল ধাতু থেকে উদ্ভূত। বাংলা ব্যাকরণে কারক ও বিভক্তি অধ্যায়ের কর্মকারকের আলোচনায় এই বিশেষ প্রকারের কর্ম নিয়ে বিস্তারিত বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে কি দারুণ ঘুম ঘুমালো। ব্যাখ্যা: এখানে ঘুম হলো সমধাতুজ কর্ম এবং ঘুমালো হলো ক্রিয়া যা একই ঘুম ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশ রক্ষা করার জন্য মোরা এক গান গাইলাম। ব্যাখ্যা: এখানে গান হলো কর্মপদ এবং গাইলাম হলো ক্রিয়া, যা গায় ধাতু থেকে সাধিত হওয়ায় এটি সমধাতুজ কর্মের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সে বই পড়ছে — এখানে বই হলো সাধারণ কর্মপদ কারণ পড়ছে ক্রিয়া এবং বই পদ দুটি ভিন্ন ধাতু থেকে এসেছে। B) সে গভীর চিন্তায় মগ্ন — এখানে কোনো সমধাতুজ কর্ম নেই বরং এটি অধিকরণ কারকের একটি উদাহরণ মাত্র। C) সে ঘুমিয়ে আছে — এখানে ঘুমিয়ে আছে হলো অকর্মক ক্রিয়া কারণ এই বাক্যের কোনো কর্মপদই উপস্থিত নেই। D) সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না — এখানে চাল চেলেছে ক্রিয়ার চাল এবং কর্মপদ একই ধাতু থেকে আসায় এটি সমধাতুজ কর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমধাতুজ কর্ম চেনার সহজ উপায় হলো ক্রিয়া এবং কর্মের মধ্যে মিল খোঁজা। ক্রিয়ার মূল ধাতু এবং কর্মের মূল শব্দ একই হলে তা সমধাতুজ কর্ম হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমধাতুজ কর্ম বা ধাতুর্ত্তক কর্ম থেকে প্রশ্ন আসে। এমন প্রশ্ন দেখলে প্রথমে ক্রিয়া এবং কর্মের মূল ধাতু মিলিয়ে দেখতে হবে।
a ইচ্ছাময়
b ঐচ্ছিক
c ইচ্ছুক
d অনিচ্ছা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইচ্ছাময় ১. কেন সঠিক: - ইচ্ছা বিশেষ্য পদের সঙ্গে ময় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ইচ্ছাময় বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। - ইচ্ছাময় শব্দের অর্থ ইচ্ছা বা পূর্ণ স্বাধীনতা আছে যার, যা বিশেষ্য পদের দোষ গুণ বা ভাব প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করার জন্য বিশেষ্য বা অন্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে বিশেষণ পদ তৈরি করা হয়। - বাংলা ব্যাকরণে ময় প্রত্যয়যুক্ত পদ সাধারণত বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং তা কোনো গুণের আধিক্য বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দয়াময় ব্যাখ্যা: দয়া বিশেষ্য পদের সঙ্গে ময় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দয়াময় বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: শক্তিময় ব্যাখ্যা: শক্তি বিশেষ্য পদের সঙ্গে ময় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শক্তিময় বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইচ্ছাময় - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি ভাববাচক বিশেষণ পদ। B) ঐচ্ছিক - এটি ইচ্ছা শব্দ থেকে গঠিত বিশেষণ হলেও এটি তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত ভিন্ন শব্দ রূপ যার অর্থ ঐচ্ছিক বা বিকল্প। C) ইচ্ছুক - এটি ইচ্ছা শব্দের অন্য একটি রূপ যা মূলত ইচ্ছা প্রকাশকারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর গঠন ভিন্ন। D) অনিচ্ছা - এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ ইচ্ছার অভাব, তাই এটি বিশেষণ পদের নির্দেশক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে ময় থাকলে তা সাধারণত বিশেষণ পদ হয়। - বিশেষ্য পদের সঙ্গে ময় যুক্ত করে সহজে বিশেষণ তৈরি করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পরিবর্তনের নিয়ম প্রায়ই আসে। - প্রত্যয় সাধিত বিশেষণ চেনার জন্য শব্দের মূল রূপ ও প্রত্যয় ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a শৈত্য
b শীতল
c উত্তাপ
d হিম
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শৈত্য ১. কেন সঠিক: 'তাপ' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো শৈত্য কারণ তাপ বিশেষ্য পদের বিপরীতে সমজাতীয় বিশেষ্য পদ ব্যবহার করতে হয়। তাপ শব্দের অর্থ উষ্ণতা বা গরম, অন্যদিকে শৈত্য শব্দের অর্থ শীতলতা বা ঠান্ডা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের ক্ষেত্রে পদের মিল রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ সাধারণত বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ বিশেষণ পদ হয়ে থাকে। তাপ একটি বিশেষ্য পদ এবং এর বিপরীতার্থক শব্দ শৈত্যও একটি বিশেষ্য পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনুরাগ - বিরাগ ব্যাখ্যা: এটি বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দের একটি সঠিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: উন্নত - অবনত ব্যাখ্যা: এটি বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দের একটি সঠিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈত্য - এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাপ শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক বিশেষ্য পদ। B) শীতল - এই অপশনটি ভুল কারণ শীতল একটি বিশেষণ পদ, যা তাপ বিশেষ্যের সরাসরি বিপরীতার্থক বিশেষ্য রূপ নয়। C) উত্তাপ - এই অপশনটি ভুল কারণ উত্তাপ হলো তাপ শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) হিম - এই অপশনটি ভুল কারণ হিম অর্থ বরফ বা তুষার, যা তাপ শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষ্য পদের বিপরীতে বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীতে বিশেষণ পদ নির্বাচন করার নিয়মটি মনে রাখবে। তাপ বিশেষ্য হওয়ায় এর বিপরীত শব্দ হিসেবে শৈত্য বিশেষ্য পদটি বেছে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের ব্যাকরণগত শ্রেণি মিল রেখে বিপরীত শব্দ নির্ণয় করতে হয়। সমার্থক শব্দ এবং বিপরীতার্থক শব্দ গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a দুঃ + লোক
b দিব্ + লোক
c দ্বি + লোক
d দ্বিঃ + লোক
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দিব্ + লোক কেন সঠিক: ১. এটি সংস্করণের নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে। ২. সন্ধির সূত্রানুসারে দিব্ শব্দের সাথে লোক শব্দ যুক্ত হয়ে দ্যুলোক শব্দটি গঠিত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. সংস্করক ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে কিছু শব্দ কোনো সাধারণ নিয়ম ছাড়াই পরিবর্তিত হয়, যাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। ২. দ্যুলোক শব্দটির অর্থ দ্যু বা স্বর্গলোক এবং এটি কাব্যসাহিত্যে আকাশ অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. একই নিয়মে দিব্ + লোক মিলে দ্যুলোক গঠিত হওয়ার কারণে এটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুঃ + লোক — এই নিয়মে বিসর্গ সন্ধি হয় এবং এটি দ্যুলোক শব্দের সঠিক গঠন প্রক্রিয়া সমর্থন করে না। B) দিব্ + লোক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) দ্বি + লোক — দ্বি শব্দের সাথে লোক যুক্ত হলে দ্যুলোক শব্দটি তৈরি হতে পারে না। D) দ্বিঃ + লোক — বিসর্গযুক্ত দ্বিঃ শব্দের সাথে লোক যুক্ত হয়ে এই বিশেষ শব্দটি গঠিত হয় না। মনে রাখার টিপস: ১. দ্যুলোক শব্দটি দেখলে চোখ বন্ধ করে দিব্ + লোক মনে রাখবে। ২. এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হওয়ায় এর কোনো প্রচলিত সূত্র মুখস্থ করার প্রয়োজন নেই।
a মুহুর্মুহু
b মূহুর্মুহু
c র্মুহর্মূহু
d মুহুর্মুহু
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুহুর্মুহু ১. কেন সঠিক: - সঠিক বানানটিতে প্রথম ও তৃতীয় অক্ষরে হ্রস্ব উ-কার (ু) এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ অক্ষরে দীর্ঘ ঊ-কার (ূ) ব্যবহার করা হয়েছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ বারবার বা ঘনঘন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে বিদেশী শব্দ বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই-কার ও হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের নিয়ম প্রযোজ্য হয়। - এই শব্দটিতে বানানের নির্দিষ্ট ছান্দিক বা রূপগত কাঠামোর কারণে প্রথম অংশে হ্রস্ব উ এবং পরের অংশে দীর্ঘ ঊ বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুমূর্ষু ব্যাখ্যা: এই শব্দটির প্রথম ও তৃতীয় অক্ষরে হ্রস্ব উ-কার এবং দ্বিতীয় অক্ষরে দীর্ঘ ঊ-কার বসেছে যা একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বানান। উদাহরণ ২: মৃতজীবী ব্যাখ্যা: বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরের সঠিক ব্যবহারের একটি চমৎকার উদাহরণ হলো এই শব্দটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহুর্মুহু — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি মেনে লেখা হয়েছে। B) মূহুর্মুহু — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রথম অক্ষরে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) র্মুহর্মূহু — এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এর গঠন ও বর্ণের বিন্যাস প্রমিত বানান নিয়ম বহির্ভূত। D) মুহুর্মুহু — এই অপশনটি প্রদত্ত উত্তরে সঠিক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং এটি মূল শব্দের রূপের সাথে মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ কৌশল হলো শব্দটিতে প্রথম হ্রস্ব উ এবং পরে দীর্ঘ ঊ এভাবে ক্রমানুসারে অক্ষরগুলো সাজানো হয়। - বানানটি লেখার সময় মুখস্থ করার চেয়ে উচ্চারণ খেয়াল করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের জটিল ও কাছাকাছি দেখতে বানান প্রায়ই বারবার আসে। - হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরের মিশ্রণযুক্ত শব্দ যেমন মুমূর্ষু ও মুহুর্মুহু ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী আবদুল ওদুদ
c মোহাম্মদ লুৎফর রহমান
d প্রমথ চৌধুরী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী কেন সঠিক: - উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত 'শিক্ষার ফল' বা 'বইপড়া' প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে। - লেখকের মতে প্রকৃত শিক্ষা মানুষ নিজেই অর্জন করে, তাই সুশিক্ষিত মাত্রই স্বশিক্ষিত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক এবং বীরবল ছদ্মনামে পরিচিত। - এই উক্তির মাধ্যমে স্বশিক্ষার গুরুত্ব ও বইপড়ার প্রয়োজনীয়তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - প্রবন্ধ সাহিত্যে প্রমথ চৌধুরীর লেখায় বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা ও শ্লেষাত্মক ভাষার ব্যবহার দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি নোবেলজয়ী কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট উক্তিটির প্রণেতা নন। - B) কাজী আবদুল ওদুদ — তিনি বুদ্ধিমুক্তির আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব কিন্তু এই প্রবাদের রচয়িতা নন। - C) মোহাম্মদ লুৎফর রহমান — তিনি একজন নৈতিকতাবাদী লেখক হলেও এই উক্তিটি তাঁর নয়। - D) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ উক্তিটি তাঁরই প্রবন্ধের অন্তর্ভূক্ত। মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর 'বইপড়া' প্রবন্ধে শিক্ষা ও স্বশিক্ষার বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে।
a কালীপ্রসন্ন সিংহ
b কালীপ্রসন্ন ঘোষ
c কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
d এস ওয়াজেদ আলী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কালীপ্রসন্ন ঘোষ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য অংশের লেখক ও সাহিত্যকর্ম ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। - কালীপ্রসন্ন ঘোষ ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত প্রবন্ধকার ও চিন্তাশীল লেখক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কালীপ্রসন্ন ঘোষ ১৮৫০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯১০ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - তাঁর গদ্যে মূলত নীতিশিক্ষা, ধর্মীয় অনুশাসন ও সমাজসংস্কারের গভীর চিন্তা প্রতিফলিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালীপ্রসন্ন সিংহ — ইনি হুতোম প্যাঁচার নকশা গ্রন্থের রচয়িতা এবং মহাভারত অনুবাদক। B) কালীপ্রসন্ন ঘোষ — এটি সঠিক উত্তর, তিনি প্রভাত চিন্তা গ্রন্থের রচয়িতা। C) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — ইনি সদভাবশত শতক ও ঋতুসংহার কাব্যের লেখক। D) এস ওয়াজেদ আলী — ইনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও ছোটগল্পকার, তাঁর গ্রন্থ ভবিষ্যতের বাঙালি। ৫ মনে রাখার টিপস: - চিন্তা যুক্ত প্রবন্ধ গ্রন্থ দেখলে কালীপ্রসন্ন ঘোষকে মনে রাখবে। - ঘোষ বংশের চিন্তাধারা প্রভাতে ও নিভৃতে প্রকাশিত হয় এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবন্ধ গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখক ও তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়বে।
a বিনয় ঘোষ
b সিকানদার আবু জাফর
c মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
d তফাজ্জল হোসেন
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) সিকানদার আবু জাফর কেন সঠিক: - সিকানদার আবু জাফর ১৯৫৯ সাল থেকে বিখ্যাত 'সমকাল' পত্রিকা সফলভাবে সম্পাদনা ও প্রকাশ করেছিলেন। - তাঁর সম্পাদনায় এই পত্রিকা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমকাল একটি প্রগতিশীল সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক মাসিক পত্রিকা হিসেবে পরিচিত ছিল। - এই পত্রিকা বাংলা ভাষা আন্দোলন ও স্বাধিকার আন্দোলনের পক্ষে জনমত গঠনে বিশেষ অবদান রেখেছিল। - বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে এটি আধুনিক চিন্তা ও চেতনার প্রকাশ ঘটিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) বিনয় ঘোষ — তিনি একজন প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী, গবেষক ও লেখক ছিলেন এবং তিনি 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। - খ) সিকানদার আবু জাফর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, তবে তিনি সমকালের সম্পাদক ছিলেন। - গ) মোহাম্মদ আকরাম খাঁ — তিনি বিখ্যাত সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন এবং মূলত 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন। - ঘ) তফাজ্জল হোসেন — তিনি বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং তিনি বিখ্যাত 'দৈনিক ইত্তেফাক' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: - সমকাল পত্রিকার সাথে সিকানদার আবু জাফরের নাম মনে রাখার জন্য 'স' বর্ণটি মিলিয়ে নিতে পারো, যেমন 'স' তে সমকাল এবং 'স' তে সিকানদার।
a জীবনানুভূতির গভীরতায়
b দৃষ্টিভঙ্গির সূক্ষ্মতায়
c কাহিনীর সরলতা ও জটিলতায়
d ভাষার প্রকারভেদে
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জীবনানুভূতির গভীরতায় ১. কেন সঠিক: ট্রাজেডি, কমেডি এবং ফার্স হলো নাটকের তিনটি ভিন্ন রূপ। এই রূপগুলোর মূল পার্থক্য নিহিত থাকে মানব জীবনের প্রতি লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি এবং জীবনানুভূতির গভীরতার মাত্রার ওপর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ট্রাজেডি নাটকে মানুষের জীবনের গভীর ট্র্যাজেডি, দুঃখ, পতন এবং নিয়তির নির্মম পরিণতি অত্যন্ত গাম্ভীর্যের সঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হয়। অন্যদিকে কমেডি ও ফার্সে জীবনের হালকা দিক, হাস্যরস, লঘু বিনোদন এবং অসঙ্গতিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক ব্যাখ্যা: এটি একটি গম্ভীর নাটক যেখানে ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে গভীর জীবনানুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: সেলিম আল দীনের কীর্তনখোলা নাটক ব্যাখ্যা: এতে মানবজীবনের বহুমুখী জটিলতা ও গভীর দার্শনিক ভাবনার প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানুভূতির গভীরতায় — এটি সঠিক কারণ নাটকের এই রূপগুলো মূলত গভীরতার ওপর ভিত্তি করেই আলাদা হয়। B) দৃষ্টিভঙ্গির সূক্ষ্মতায় — দৃষ্টিভঙ্গি সূক্ষ্ম হতে পারে কিন্তু এটি ট্রাজেডি বা কমেডির মৌলিক পার্থক্যের প্রধান মাপকাঠি নয়। C) কাহিনীর সরলতা ও জটিলতায় — কাহিনী জটিল বা সরল যেকোনো নাটকেই থাকতে পারে, এটি রূপ নির্ধারণের মূল বিষয় নয়। D) ভাষার প্রকারভেদে — ভাষা নাটকভেদে ভিন্ন হতে পারে, তবে তা রূপভেদের প্রধান নির্ণায়ক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নাটকের রূপভেদের মূল চাবিকাঠি হলো গভীরতা, ট্রাজেডি গভীর শোকের আর কমেডি হাসির খোরাক যোগায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসার সময় নাটকের ক্লাসিক্যাল রূপগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য ভালো করে খেয়াল করতে হবে।
a ১৮৬৫ সালে
b ১৮৭২ সালে
c ১৮৭৫ সলে
d ১৮৮১ সালে
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৭২ সালে ১. কেন সঠিক: - বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১২৭৯ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে, যা খ্রিস্টীয় ১৮৭২ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন এবং বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্গদর্শন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাসিক পত্রিকা যা ঊনবিংশ শতকে বাঙালি সমাজে নবজাগরণ ঘটাতে সাহায্য করেছিল। - বঙ্কিমচন্দ্রের সম্পাদনায় পত্রিকাটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা গদ্যের শক্তি ও সৌন্দর্য বিশেষভাবে প্রকাশিত হয় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সহ অনেক নবীন লেখক এতে লেখালেখি করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিষবৃক্ষ উপন্যাসটি প্রথম এই বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: উনবিংশ শতকের জনপ্রিয় উপন্যাসগুলো সাধারণত মাসিক সাহিত্য পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে পাঠকের কাছে পৌঁছাত। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ও কবিতা পরবর্তীকালে সাধনা ও বঙ্গদর্শন (নবপর্যায়) পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের বিকাশ ও প্রচারে এই ধরনের সাহিত্যপত্রিকাগুলোর ভূমিকা অপরিসীম ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬৫ সালে — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম বাংলা উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী প্রকাশিত হয়েছিল, বঙ্গদর্শন পত্রিকা নয়। B) ১৮৭২ সালে — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এই সালেই বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। C) ১৮৭৫ সলে — এই সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রকাশনা সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল এবং এই সালের সঙ্গে পত্রিকার প্রথম প্রকাশের কোনো সম্পর্ক নেই। D) ১৮৮১ সালে — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাসের বহু সংস্করণ প্রকাশিত হলেও এটি বঙ্গদর্শন প্রকাশের সাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের বঙ্গদর্শন ১৮৭২ সালে প্রকাশিত হয়, মনে রাখার জন্য সংখ্যাটি এভাবে মনে রাখতে পারো যে বঙ্কিমবাবু ৭২ বছর বয়সে পত্রিকা বের করেছিলেন যদিও এটি বাস্তব বয়স নয়, কেবল মনে রাখার কৌশল। - বাংলা সাময়িকপত্র মনে রাখার জন্য প্রতিষ্ঠাকাল ও সম্পাদকের নাম জোড়বদ্ধ করে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রকাশকাল ও সম্পাদকের নাম বারবার আসে। - একই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রখ্যাত পত্রিকাগুলোর প্রকাশকাল, প্রথম সম্পাদক এবং প্রতিষ্ঠাতা এক ছকে নোট করে রাখা উচিত।
a আলালের ঘরের দুলাল
b জোহরা
c মৃত্যুক্ষুধা
d হাজার বছর ধরে
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলালের ঘরের দুলাল ১. কেন সঠিক: - ঠক চাচা চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় নেতিবাচক চরিত্র। - এই উপন্যাসে ঠক চাচা হলো একজন লোলুপ প্রতারক চরিত্র যে প্রবঞ্চনার মাধ্যমে মানুষের সর্বস্ব লুটে নেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসটির রচয়িতা টেকচাঁদ ঠাকুর যার আসল নাম পিয়ারিচাঁদ মিত্র এবং এটি ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। - বাংলা উপন্যাসের বিকাশে এই গ্রন্থটি কথ্য বা প্রমিত সাধু রীতির এক অনন্য নিদর্শন স্থাপন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বটো কেষ্ট ও ঠক চাচা ব্যাখ্যা: আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত চরিত্র। উদাহরণ ২: টেকচাঁদ ঠাকুর ব্যাখ্যা: পিয়ারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম যিনি বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলালের ঘরের দুলাল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এতেই ঠক চাচা চরিত্রটি পাওয়া যায়। B) জোহরা — এটি মোহাম্মদ নজীব বাবর রচিত একটি ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাস যেখানে ঠক চাচা চরিত্রটি নেই। C) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যাতে দারিদ্র্য ও ক্ষুধাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। D) হাজার বছর ধরে — এটি জহির রায়হান রচিত একটি বিখ্যাত গ্রামীণ জীবনভিত্তিক উপন্যাস যেখানে গ্রামীণ পটভূমি চিত্রিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঠক চাচা চরিত্রটি পেলেই টেকচাঁদ ঠাকুরের আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসকে মনে রাখতে হবে। - প্রথম সার্থক উপন্যাস মনে রাখার জন্য পিয়ারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর এবং ১৮৫৮ সাল মুখস্থ রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম সার্থক উপন্যাস এবং এর রচয়িতা সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - চরিত্রভিত্তিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য এবং উপন্যাসের নাম ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ
b মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন প্রমুখ
c মোহাম্মদ আকরাম খা, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রমুখ
d কাজী ইমদাদুল হক, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী প্রমুখ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ ১. কেন সঠিক: - ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রধান প্রবক্তা ছিলেন কাজী আবদুল ওদুদ ও আবুল হুসেন। - এই সংগঠনের স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি, যা তৎকালীন সমাজের গোঁড়ামি ও কুসংস্কার দূর করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই সংগঠনটি বাংলার বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন ও মুক্তচিন্তা চর্চার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। - তাদের মুখপত্র হিসেবে ১৯২৭ সালে 'শিখা' নামক বিখ্যাত পত্রিকা প্রকাশিত হয় যার মাধ্যমে মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিখা পত্রিকা ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজের লেখকরা তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও প্রগতিশীল লেখা প্রকাশ করতেন। উদাহরণ ২: সমাজের দর্পণ ব্যাখ্যা: কাজী আবদুল ওদুদের একটি বিখ্যাত গ্রন্থ যা তৎকালীন সমাজের বিভিন্ন কুসংস্কার ও গোঁড়ামির সমালোচনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তারা এই সাহিত্য সমাজের মূল প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান চালিকাশক্তি ছিলেন। B) মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন প্রমুখ — এই লেখকগণ এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও প্রধান প্রতিষ্ঠাতা বা মূল লেখক হিসেবে পরিগণিত হন না। C) মোহাম্মদ আকরাম খা, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রমুখ — মোহাম্মদ আকরাম খা ও মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সমসাময়িক অন্য সাহিত্য ও গবেষণা আন্দোলনের সঙ্গে প্রধানত যুক্ত ছিলেন। D) কাজী ইমদাদুল হক, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী প্রমুখ — কাজী ইমদাদুল হক ও মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী প্রখ্যাত সাহিত্যিক হলেও ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রধান রূপকার ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ মানেই বুদ্ধির মুক্তি এবং এর প্রধান দুই রূপকার হলেন কাজী আবদুল ওদুদ ও আবুল হুসেন। শিখা পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত লেখকদের নাম মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাকাল এবং এর মুখপত্র শিখা পত্রিকার নাম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মূল লক্ষ্য এবং এর প্রতিষ্ঠাতাদের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সুন্দরম
b লোকায়ত
c উত্তরাধিকার
d কিছুধ্বনি
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উত্তরাধিকার ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত প্রখ্যাত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম হলো উত্তরাধিকার। এই পত্রিকাটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের পঠন-পাঠন এবং গবেষণায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের একটি স্বশাসিত জাতীয় প্রতিষ্ঠান যা ভাষা ও সংস্কৃতির উন্নয়নে কাজ করে। বাংলা একাডেমি থেকে উত্তরাধিকার ছাড়াও সমকাল, ধানসিঁড়ি ও বাংলা একাডেমী পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় উত্তরাধিকার নামক সাহিত্য পত্রিকা। ব্যাখ্যা: অনেক শিক্ষার্থী একে বাংলা একাডেমির পরিবর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা মনে করে বিভ্রান্ত হন। উদাহরণ ২: বাংলা একাডেমি থেকে প্রতি বছর অমর একুশে বইমেলা আয়োজন করা হয়। ব্যাখ্যা: এই তথ্যটি বাংলা একাডেমির বহুমুখী সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুন্দরম — এটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত কোনো ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা নয়। এটি অন্যান্য অনিয়মিত বা ভিন্ন প্রকাশনার সঙ্গে সম্পর্কিত। B) লোকায়ত — এটি লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক ভিন্ন একটি প্রকাশনা বা সাময়িকী। এটি বাংলা একাডেমির ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা নয়। C) উত্তরাধিকার — এটি সঠিক উত্তর যা বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত একটি বিখ্যাত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা। এই অপশনটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। D) কিছুধ্বনি — এটি আধুনিক বাংলা কবিতার একটি পরিচিত ও ভিন্ন ধারার সাহিত্য পত্রিকা। এটি বাংলা একাডেমির আনুষ্ঠানিক ত্রৈমাসিক পত্রিকা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা একাডেমি মানেই গবেষণামূলক ও সাহিত্যিক পত্রিকা হিসেবে উত্তরাধিকার নামটি মনে রাখতে হবে। একাডেমির নাম দেখলে উত্তরাধিকার পত্রিকার কথা মাথায় আনতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সাহিত্য পত্রিকা বা গবেষণাপত্র প্রায়ই আসে। যেমন বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপত্র আলাদা করে পড়তে হবে।
a বিসর্জন
b ডাকঘর
c বসন্ত
d অচলায়তন
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বসন্ত ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'বসন্ত' নাটকটি কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন। - তরুণ বিদ্রোহী কবি নজরুলের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসার নিদর্শনস্বরূপ রবীন্দ্রনাথ এই উৎসর্গপত্রটি লিখেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বசிற্ত কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - 'বসন্ত' একটি গীতিনাট্য যা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর উৎসর্গপত্রে নজরুলের নাম যুক্ত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সঞ্চিতা' কাব্যগ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে দুই মহারথীর পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এই উৎসর্গটি বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে কবিদ্বয়ের মধুর সম্পর্কের এক অনন্য ঐতিহাসিক দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিসর্জন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঐতিহাসিক নাটক যা রাজর্ষি উপন্যাসের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত এবং এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি। B) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রতীকধর্মী নাটক যা অমল চরিত্রকে কেন্দ্র করে রচিত এবং এটি অন্য কাউকে উৎসর্গ করা হয়েছে। D) অচলায়তন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সামাজিক ও দার্শনিক নাটক যা কূপমণ্ডূকতা ও অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে রচিত এবং এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে নজরুলের সাহিত্যিক সখ্য মনে রাখতে 'বসন্ত' নাটক ও 'সঞ্চিতা' কাব্যগ্রন্থের উৎসর্গ বিষয়টি একসঙ্গে মনে রাখা যায়। - প্রশ্নটি মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বসন্ত ঋতুতে প্রকৃতি যেমন নতুন রূপ নেয়, তেমনি রবীন্দ্রনাথ তাঁর 'বসন্ত' নাটক তরুণ বিদ্রোহী কবি নজরুলকে উপহার দেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের মধ্যকার পারস্পরিক গ্রন্থ উৎসর্গ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - রবীন্দ্রনাথের নাটক ও নজরুলের কাব্যগ্রন্থের পারস্পরিক উৎসর্গকরণের তথ্যটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a হাসান হাফিজুর রহমান
b আল-মাহমুদ
c হুমায়ুন আজাদ
d শক্তি চট্টোপাধ্যায়
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আল-মাহমুদ ১. কেন সঠিক: - 'সোনালী কাবিন' আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি কাব্যগ্রন্থ যার রচয়িতা কবি আল-মাহমুদ। - এই কাব্যগ্রন্থে বাঙালি সংস্কৃতি, মাটি, মানুষ এবং গ্রামীণ জীবনের চিত্র অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আল-মাহমুদ বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আবির্ভূত একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি ও ঔপন্যাসিক। - 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে এবং এটি তার অন্যতম প্রধান কাব্যিক কীর্তি হিসেবে বিবেচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আল-মাহমুদ রচিত 'লোকটি মিথ্যা কথা বলেনি' একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি কবির গদ্যশিল্পের মুন্সিয়ানা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: আল-মাহমুদ রচিত 'কালের কলস' আরেকটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটিও তার সোনালী কাবিন ধারার কাব্যরীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সম্পাদক হলেও 'সোনালী কাবিন' তার লেখা নয়, তিনি একুশে স্মারকগ্রন্থের সম্পাদক। B) আল-মাহমুদ — এটি সঠিক উত্তর, তাই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) হুমায়ুন আজাদ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট সমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী ও ঔপন্যাসিক হলেও এই কাব্যের রচয়িতা নন। D) শক্তি চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা ভাষার একজন খ্যাতনামা ভারতীয় কবি হলেও এই বাংলাদেশি কাব্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাবিন শব্দটি বিয়ের দেনমোহরের সঙ্গে সম্পর্কিত, আর আল-মাহমুদ তার কবিতায় বাংলার প্রকৃতিকে এভাবেই ভালোবেসেছেন। - কবি আল-মাহমুদ ও তার সোনালী কাবিন প্রকাশের সাল ১৯৭৩ এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা প্রায়ই আসে। - আল-মাহমুদের জন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় এবং তিনি মূলত আঞ্চলিক জীবনের চিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য বিখ্যাত।
a বিপরীত
b নিকৃষ্ট
c বিকৃত
d অভাব
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিপরীত ১. কেন সঠিক: - 'অপমান' শব্দটিতে 'অপ' উপসর্গটি মূল শব্দ 'মান'-এর পূর্বে যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করেছে। - এখানে 'মান' শব্দের অর্থ সম্মান বা সমাদর, আর 'অপ' যুক্ত হয়ে এর বিপরীত অর্থ অর্থাৎ অসম্মান বা অবমাননা বুঝিয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত না হয়ে শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম উপসর্গ মোট কুড়িটি, যার মধ্যে 'অপ' একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপসংস্কৃতি ব্যাখ্যা: সংস্কৃতি শব্দের পূর্বে 'অপ' উপসর্গ যুক্ত হয়ে এর বিপরীত অর্থ বা বিকৃত সংস্কৃতি বুঝিয়েছে। উদাহরণ ২: অপকর্ম ব্যাখ্যা: কর্ম শব্দের পূর্বে 'অপ' উপসর্গ যুক্ত হয়ে ভালো কাজের বিপরীত অর্থ অর্থাৎ মন্দ কাজ বা অপরাধ বুঝিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপরীত — এটি সঠিক কারণ 'অপ' উপসর্গটি এখানে 'মান' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। B) নিকৃষ্ট — উপসর্গটি নিকৃষ্ট অর্থেও ব্যবহৃত হয়, তবে 'অপমান' শব্দের ক্ষেত্রে এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) বিকৃত — কিছু শব্দে উপসর্গটি বিকৃত অর্থে বসে, যেমন অপাঙ্গে, তবে 'অপমান' শব্দে এটি বিকৃত অর্থে ব্যবহৃত হয়নি। D) অভাব — অভাব অর্থে 'অ' বা 'বি' উপসর্গ বেশি ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'অপ' উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মান মানে সম্মান, তার সাথে অপ যুক্ত হলে সম্মান কমে যায় বা উল্টোটা ঘটে, তাই এটি বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়। - তৎসম উপসর্গের তালিকা মনে রাখার জন্য প্রপ পরা অপ সম নি অব অনু নির দুর্ বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি অপি সু অভি এই ছন্দটি চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে শব্দের অর্থ ও উপসর্গ চিহ্নিতকরণ। - কোনো শব্দের উপসর্গ নির্ণয় করতে হলে প্রথমে মূল শব্দ আলাদা করে দেখতে হবে উপসর্গটি যুক্ত হয়ে অর্থ কী পরিবর্তন করছে।
a তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের ব্যবহারে
b ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
c শব্দের কথ্য ও লেখ্য রূপে
d বাক্যের সরলতা ও জটিলতায়
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে ১. কেন সঠিক: সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য নিহিত রয়েছে মূলত ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত পার্থক্যের মধ্যে। বাক্যের অন্য পদগুলো যেমন বিশেষ্য ও বিশেষণ উভয় রীতিতেই প্রায় অভিন্ন থাকে, কিন্তু ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম রূপ বদলায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ হয় দীর্ঘ ও প্রাচীন এবং চলিত রীতিতে তা হয় সংক্ষিপ্ত ও গতিশীল। যেমন সাধু রীতির করিয়াছি বা তাহারা চলিত রীতিতে করেছি বা তারা রূপে পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধু রীতি: তাহারা কাজটি করিতেছে। ব্যাখ্যা: এখানে তাহারা হলো সর্বনাম পদ এবং করিতেছে হলো ক্রিয়াপদ। উদাহরণ ২: চলিত রীতি: তারা কাজটি করছে। ব্যাখ্যা: এখানে তারা হলো সর্বনাম পদ এবং করছে হলো ক্রিয়াপদ যা চলিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের ব্যবহারে — তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের ব্যবহার সাধু বা চলিত ভাষার মূল পার্থক্যের প্রধান মাপকাঠি নয়। B) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে — এটি সঠিক কারণ এই পদগুলোর রূপের পরিবর্তনের মাধ্যমেই সাধু ও চলিত ভাষা মূলত আলাদা হয়। C) শব্দের কথ্য ও লেখ্য রূপে — চলিত ভাষাও লেখ্য রূপ হিসেবে প্রমিত বাংলা একাডেমিতে স্বীকৃত তাই এটি মূল পার্থক্য নয়। D) বাক্যের সরলতা ও জটিলতায় — ভাষার সরলতা বা জটিলতা রীতির ওপর নির্ভর করে না বরং লেখকের লেখার দক্ষতার ওপর নির্ভর করে। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য মনে রাখার সহজ উপায় হলো সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পরিবর্তন লক্ষ করা। সাধু ভাষার শব্দ সাধারণত ত, হ বা ম যুক্ত বড় হয় এবং চলিত ভাষায় তা ছোট ও সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু থেকে চলিত রূপান্তর বা পদের পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ দেখেই সাধারণত সাধু ও চলিত রীতি চিহ্নিত করতে হয়।
a in
b for
c On
d at
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) at কেন সঠিক: নির্দিষ্ট কোনো ছুটি বা সপ্তাহান্তের নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে preposition হিসেবে at বসে। প্রশ্নটিতে the weekend বুঝানো হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর at হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — সাধারণত বড় সময় যেমন মাস বা বছরের আগে বসে, তাই এখানে ভুল। B) for — উদ্দেশ্য বা ব্যাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) On — নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের আগে বসে, কিন্তু ব্রিটিশ ইংরেজিতে weekend-এর আগে at বসে। D) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, কারণ এটি নির্দিষ্ট সপ্তাহান্ত বোঝায়। মনে রাখার টিপস: সপ্তাহান্ত বা weekend শব্দের আগে সাধারণত at preposition ব্যবহার করতে হয়।
a He was too clever not to miss the point
b He was so clever to miss the point
c He was too clever to miss the point
d He was too clever to grasp the point
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He was too clever to miss the point কেন সঠিক: এখানে "too + adjective + to + verb" গঠন ব্যবহার করা হয়েছে, যার অর্থ এতই চালাক যে সে বিষয়টি বুঝতে ভুল করেনি। বাক্যটির অন্তর্নিহিত অর্থ হলো সে অত্যন্ত চালাক এবং সে কখনোই মূল বিষয়টি মিস বা বাদ দিতে পারে না। এই কাঠামোর মাধ্যমে একটি নেতিবাচক বা বিপরীতার্থক চমৎকার অর্থ প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He was too clever not to miss the point — এখানে 'not' থাকার কারণে বাক্যটির অর্থ উল্টো ও বিভ্রান্তিকর হয়ে যায় যা সঠিক নয়। B) He was so clever to miss the point — 'so' এর সাথে সাধারণত 'that' বসে, তাই এখানে 'to' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) He was too clever to miss the point — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) He was too clever to grasp the point — চালাক ব্যক্তি বিষয়টা ধরতে পারবে, তাই 'grasp' ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। মনে রাখার টিপস: too এর সাথে to থাকলে সাধারণত অতিরিক্ত কিছু বোঝায় এবং বাক্যটির ভাবার্থ বুঝতে সাহায্য করে।
a the best poet of the country
b a winner of the Noble Prize on poetry
c the Court Port England
d a classical poet
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) the Court Port England কেন সঠিক: PoET Laureate হলো ইংল্যান্ডের রাজদরবারের একজন আনুষ্ঠানিক কবি। রাষ্ট্রের যেকোনো বিশেষ উৎসবে কবিতা লেখার জন্য এই পদটি সৃষ্টি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the best poet of the country — এটি দেশের সেরা কবি বোঝায় না, বরং এটি একটি নির্দিষ্ট রাজকীয় সরকারি পদ। B) a winner of the Noble Prize on poetry — এটি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কোনো কবিকে বোঝায় না। C) the Court Port England — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি রাজদরবারের কবি পদটিকে নির্দেশ করে। D) a classical poet — এটি কোনো প্রাচীন বা ক্ল্যাসিক্যাল কবিকে বোঝায় না, এটি আধুনিক রাজকীয় উপাধি। মনে রাখার টিপস: Poet Laureate শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি ইংল্যান্ডের রাজদরবারের সরকারি কবি পদ।
a Comedy of Manners
b Theater of the Absurd
c Heroic Tragedy
d Comedy of Humours
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Comedy of Humours কেন সঠিক: এই সাহিত্য ধারাটি মানব দেহের চারটি শারীরিক তরল বা হিউমার যেমন রক্ত ও কফ এর ধারণার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। এই তরলগুলোর ভারসাম্যহীনতা মানুষের চরিত্রের বিশেষ বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করত। বেন জনসন এই ধারার নাটক লিখে বিখ্যাত হয়েছেন। নাটকে চরিত্রের উদ্ভট আচরণ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Comedy of Manners — এটি মূলত উচ্চবিত্ত সমাজের কৃত্রিম আচরণ ও দোদুল্যমান নৈতিকতা নিয়ে উপহাস করে। B) Theater of the Absurd — এটি মানুষের জীবনের অর্থহীনতা এবং বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের অসারতা তুলে ধরে। C) Heroic Tragedy — এটি বীরত্বপূর্ণ কাজ ও উচ্চ পদের মানুষের মহৎ ট্রাজেডি নিয়ে রচিত হয়। D) সঠিক উত্তর — এটি কোনো ভুল অপশন নয় বরং চিকিৎসাবিদ্যার তত্ত্বের সাথে যুক্ত একমাত্র ধারা। মনে রাখার টিপস: হিউমার শব্দটির সাথে চিকিৎসা বিজ্ঞানের শরীরের রস বা তরলের সম্পর্ক রয়েছে এটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি খুব সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
a Keats
b Donne
c Blake
d Spenser
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Blake কেন সঠিক: উইলিয়াম ব্লেক রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত কবি এবং প্রতিভাবান চিত্রশিল্পী ছিলেন। তিনি তার কবিত1র বই নিজেই হাতে আঁকা ছবি দিয়ে প্রকাশ করতেন। তিনি লেখা এবং আঁকাকে একই সাথে সমান গুরুত্ব দিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Keats — জন কিটস শুধুমাত্র রোমান্টিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি ছিলেন, কোনো চিত্রশিল্পী ছিলেন না। B) Donne — জন ডন মূলত মেটাফিজিক্যাল যুগের একজন কবি এবং ধর্মযাজক ছিলেন, পেইন্টিংয়ের সাথে যুক্ত ছিলেন না। C) Blake — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। D) Spenser — এডমন্ড স্পেন্সার এলিজাবেথান যুগের একজন বিশিষ্ট কবি ছিলেন, কোনো চিত্রশিল্পী ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: ব্লেক মানেই কবি এবং চিত্রশিল্পী একসাথে।
a Unbelievable
b Unthinkable
c unlikely
d Unthinking
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Unbelievable কেন সঠিক: - Incredible শব্দের অর্থ অবিশ্বাস্য, যা কোনো ঘটনা বা বিষয়ের সত্যতা নিয়ে মানুষের ধারণার বাইরে অবস্থান করে। - Unbelievable শব্দটির অর্থও অবিশ্বাস্য বা যা বিশ্বাস করা যায় না, তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unbelievable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল শব্দের সমার্থক হিসেবে শতভাগ উপযুক্ত। B) Unthinkable — এর অর্থ অকল্পনীয়, যা মনে করা বা চিন্তা করা যায় না এমন কিছু বোঝায়। C) unlikely — এর অর্থ অসম্ভাব্য, যা ভবিষ্যতে ঘটার সম্ভাবনা খুব কম তা নির্দেশ করে। D) Unthinking — এর অর্থ অবিবেচক বা চিন্তাভাবনা না করে কোনো কাজ করা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Incredible শব্দের ইন (In) প্রিফিক্সের জায়গায় আন (Un) প্রিফিক্স বসালে Unbelievable হয়, যার অর্থ একই থাকে।
a Opaque
b Illiterate
c Obscure
d Immature
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Obscure কেন সঠিক: Famous শব্দের অর্থ বিখ্যাত বা জনপ্রিয়। Obscure শব্দের অর্থ অখ্যাত বা যা খুব একটা পরিচিত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Opaque — এর অর্থ অস্বচ্ছ বা যা দিয়ে আলো দেখা যায় না। B) Illiterate — এর অর্থ অশিক্ষিত বা নিরক্ষর ব্যক্তি। C) Obscure — এটি সঠিক উত্তর। D) Immature — এর অর্থ অপরিপক্ক বা বয়স ও বুদ্ধিতে কম পাকা। মনে রাখার টিপস: Famous মানে সবার চেনা, আর Obscure মানে একদম অচেনা।
a Medicine
b Technology
c Law
d Politics
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Politics কেন সঠিক: Plebiscite শব্দটি গণভোট বা জনমত যাচাই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি সরাসরি দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Medicine — এই শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞান বা ঔষধ শিল্পের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। B) Technology — এই শব্দটি প্রযুক্তি বা কম্পিউটার বিজ্ঞানের কোনো পরিভাষা নির্দেশ করে না। C) Law — এটি আইন আদালত বা বিচার বিভাগের সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট আইনি পরিভাষা নয়। D) Politics — এই অপشنটি সঠিক কারণ গণভোট একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। মনে রাখার টিপস: Plebiscite মানে গণভোট, আর ভোট বা নির্বাচন সব সময় রাজনীতির সাথেই সম্পর্কিত।
a Shakespeare
b Wordsworth
c Keat
d Eliot
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Keat কেন সঠিক: - উক্তিটি বিখ্যাত রোমান্টিক কবি জন কিটসের 'Ode on a Grecian Urn' কবিতার শেষ অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই লাইনের মাধ্যমে কবি বুঝিয়েছেন যে প্রকৃত সৌন্দর্যই হলো শাশ্বত সত্য এবং এই দুইয়ের মধ্যে কোনো ভেদ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakespeare — তিনি রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি হলেও এই বিখ্যাত দার্শনিক উক্তিটি তাঁর কোনো নাটকের বা সনেটের অংশ নয়। B) Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রকৃতিবাদী কবি হলেও তাঁর লেখার মূল সুর ছিল প্রকৃতির নিসর্গ ও মানুষের সহজ জীবন, এই উক্তিটি তাঁর নয়। C) Keat — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই প্রখ্যাত পঙক্তিটি কবি জন কিটসের ওডে অন এ গ্রেসিয়ান আর্ন কবিতার অন্তর্গত। D) Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের কবি ও সমালোচক, তাই রোমান্টিক ধারার এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তাঁর সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কিটসের নামের শেষ অক্ষর টি এবং ট্রুথ (Truth) শব্দের শুরুতে টি আছে, এভাবেই কিটস ও ট্রুথের সম্পর্ক মনে রাখতে পারো।
a an isles
b an archipelago
c a peninsula
d a continent
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an archipelago কেন সঠিক: আরেকোপেলাগো শব্দের অর্থ হলো দ্বীপপুঞ্জ বা একসাথে অনেকগুলো দ্বীপের সমষ্টি। প্রশ্নটিতে অনেকগুলো দ্বীপ মিলে কী গঠিত হয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে এই অপশনটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই শব্দটি ভৌগোলিক ক্ষেত্রে দ্বীপের গুচ্ছ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an isles — এই শব্দটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ isle নিজে একটি একবচন শব্দ। B) an archipelago — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই অন্য ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) a peninsula — পেনিনসুলা বা উপদ্বীপ হলো এমন ভূখণ্ড যা তিন দিক থেকে জল দ্বারা বেষ্টিত থাকে। D) a continent — মহাদেশ বলতে বিশাল আকারের ভূখণ্ডকে বোঝায় যা দ্বীপপুঞ্জের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: দ্বীপপুঞ্জ বোঝাতে archipelago শব্দটি ব্যবহার করা হয় এবং এটি দ্বীপের গুচ্ছ নির্দেশ করে।
a distribute
b export
c import
d smuggle
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) smuggle কেন সঠিক: Boot leg শব্দটির আক্ষরিক অর্থ জুতার ভেতরে কিছু লুকিয়ে রাখা। এই বিশেষ বাগধারাটি মূলত বেআইনিভাবে বা অবৈধভাবে কোনো পণ্য পাচার করা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। তাই এর সঠিক অর্থ দাঁড়ায় চোরাচালান করা বা smuggle করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) distribute — এই শব্দটির অর্থ বিতরণ করা, যা অবৈধভাবে পণ্য পাচারের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। B) export — এই শব্দটির অর্থ রপ্তানি করা, যা একটি আইনগত ও বৈধ বাণিজ্যিক প্রক্রিয়া নির্দেশ করে। C) import — এই শব্দটির অর্থ আমদানি করা, যা সরকারের নিয়ম মেনে বৈধপথে সম্পন্ন করা হয়। মনে রাখার টিপস: জুতার নিচে বা ভেতরে লুকিয়ে অবৈধ জিনিস আনা-নেওয়া করা হয়, এভাবেই মনে রাখবে Boot leg অর্থ চোরাচালান বা smuggle।
a Adults
b Children
c Old people
d Women
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Children কেন সঠিক: ‘Paediatric’ শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখাকে নির্দেশ করে। এই শাখাটি বিশেষভাবে শিশুদের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সংক্রান্ত। শিশু বিশেষজ্ঞদের ইংরেজিতে পেডিয়াট্রিশিয়ান বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Adults — এটি প্রাপ্তবয়স্কদের চিকিৎসা সম্পর্কিত নয় কারণ এটি শিশুদের জন্য প্রযোজ্য। খ) Children — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) Old people — এটি বয়স্কদের চিকিৎসাকে নির্দেশ করে, যা জেরিয়াট্রিক নামে পরিচিত। ঘ) মহিলা — এটি নারীদের বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা বা গাইনোকোলজিকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: পেডিয়াট্রিক শব্দটি দেখলে শিশু বা বাচ্চাদের চিকিৎসা সেবা মনে রাখবে।
a The letter ‘S’
b Men and women
c Chaos and confusion
d The holding of more than one office at a time
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The holding of more than one office at a time কেন সঠিক: ‘Plurality’ শব্দের একটি বিশেষ অর্থ হলো একই সময়ে একাধিক পদ বা দায়িত্ব ধারণ করা। এটি সাধারণত রাজনীতি বা প্রশাসনিক ক্ষেত্রে একাধিক অফিস বা কাজের দায়িত্বে থাকার অবস্থাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The letter 'S' — এটি কোনো শব্দের বহুবচন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মূল শব্দের অর্থের সাথে এর কোনো মিল নেই। B) Men and women — এটি সাধারণ মানুষ বা পুরুষ ও নারী বোঝায়, যা এই শব্দটির বিশেষ প্রশাসনিক অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Chaos and confusion — এটি বিশৃঙ্খলা ও গোলযোগ বোঝায়, যা ‘plurality’ শব্দের সঠিক সংজ্ঞার সম্পূর্ণ বিপরীত। D) The holding of more than one office at a time — এটি এই প্রশ্নটির ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ‘Plurality’ শব্দটি পেলে মাথায় রাখবে এটি একাধিক দায়িত্ব বা পদের সাথে সম্পর্কিত।
a The final step
b The end of a road
c The last line of a book
d The essential point
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The essential point কেন সঠিক: ‘Bottom line’ একটি idiom বা প্রবাদতুল্য শব্দগুচ্ছ যার অর্থ হলো কোনো বিষয়ের মূল বা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে এটি যেমন মুনাফাকে বোঝায়, তেমনি সাধারণ অর্থে এটি আলোচনার সারসংক্ষেপ বা প্রধান বিষয়কে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The final step — এটি কোনো কাজের একেবারে শেষ ধাপকে বোঝায়, কিন্তু idiom-টির অর্থ ধাপ নয় বরং মূল বিষয়। B) The end of a road — এটি রাস্তার শেষ মাথা বা ভৌগোলিক শেষ সীমানাকে বোঝায়, যার সাথে প্রবাদটির রূপক অর্থের কোনো মিল নেই। C) The last line of a book — এটি কোনো বইয়ের একদম শেষের লাইনকে আক্ষরিক অর্থে বোঝায়, যা রূপক অর্থের সাথে মিলে না। D) The essential point — এটি সঠিক উত্তরের বিকল্প হিসেবে নির্দেশিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হিসাবের খাতার একেবারে নিচের লাইনে লাভ বা ক্ষতির মূল অঙ্কটি থাকে, সেখান থেকেই মনে রাখবে 'bottom line' মানেই হলো মূল কথা বা সারসংক্ষেপ।
a arrogant
b belligerent
c questioning
d fearless
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) fearless কেন সঠিক: - Intrepid শব্দের অর্থ নির্ভীক, সাহসী বা হৃত্সাহসহহীন যা কোনো বিপদকে ভয় পায় না। - Fearless শব্দের অর্থও ভয়হীন বা নির্ভীক, যা মূল শব্দের সমার্থক হিসেবে নিখুঁতভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) arrogant — এর অর্থ অহংকারী বা উদ্ধত, যা নির্ভীকতার সমার্থক নয়। B) belligerent — এর অর্থ যুদ্ধংদেহী বা আক্রমণাত্মক, যা ভিন্ন একটি আচরণ নির্দেশ করে। সি) C) questioning — এর অর্থ প্রশ্নবিদ্ধকারী বা অনুসন্ধিৎসু, যা সাহসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) fearless — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ নির্ভীক। মনে রাখার টিপস: In (ভেতরে) + Trepid (কাঁপুনির ভয়) = যার ভেতরে কোনো কাঁপুনি বা ভয় নেই, সেই হলো intrepid বা fearless।
a The patriots will always be remembered by people
b The patriots are always being remembered
c People are always remembered by the patriots
d The patriots are always remembered by the people
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The patriots are always remembered by the people কেন সঠিক: - Active বাক্যের Subject (People) passive বাক্যে By এর পরে Object হিসেবে বসেছে। - Tense পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী Present Indefinite Tense-এর passive রূপে am, is, are এবং মূল Verb-এর Past Participle বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The patriots will always be remembered by people — এটি Future Tense-এর গঠন, যা মূল বাক্যের Tense-এর সাথে মেলে না। B) The patriots are always being remembered — এটি Continuous Tense-এর গঠন, যা মূল বাক্যের Indefinite Tense-এর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। C) People are always remembered by the patriots — এটি অর্থের দিক থেকে ভুল, কারণ দেশপ্রেমিকরা নয় বরং সাধারণ মানুষ দেশপ্রেমিকদের স্মরণ করে। D) The patriots are always remembered by the people — এটি ব্যাকরণগত ও অর্থগতভাবে সঠিক Passive রূপ। মনে রাখার টিপস: Active থেকে Passive করার সময় Tense পরিবর্তন করা যাবে না এবং Subject ও Object-এর স্থান পরিবর্তন করতে হবে।
a All of them
b Who all
c They all
d All of whom
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All of whom কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগে একটি কমা আছে এবং পরে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া আছে, তাই এটি একটি Non-defining relative clause। এখানে পুত্রদের বোঝাতে relative pronoun হিসেবে whom ব্যবহার করতে হয় এবং তার পূর্বে All বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) All of them — এটি বসালে দুটি ভিন্ন clause কে যুক্ত করার জন্য কোনো conjunction বা relative pronoun থাকে না। B) Who all — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের গঠন সঠিক নয় এবং বাক্যটিকে grammatically acceptable করে তোলে না। C) They all — এটি ব্যবহার করলে একটি বাক্যে দুটি subject বসে যা বাক্যটিকে ভুল বাক্যে পরিণত করে। D) All of whom — এটি সঠিক কারণ whomrelative pronoun হিসেবে কাজ করে এবং দুটি clause কে যুক্ত করে। মনে রাখার টিপস: দুটি clause কমা দিয়ে যুক্ত থাকলে এবং মাঝখানে কোনো conjunction না থাকলে whom যুক্ত relative pronoun ব্যবহার করতে হয়।
a lazak Walton
b Samuel Johnson
c Samuel Butler
d Sir Thomas Browne
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Samuel Johnson কেন সঠিক: ডক্টর স্যামুয়েল জনসন ১৭৫৫ সালে ইংরেজি ভাষার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও প্রামাণিক ডিকশনারি বা অভিধান প্রণয়ন করেন। এটি ইংরেজি সাহিত্য ও ভাষা বিকাশের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ নয় বছর একক পরিশ্রমে তিনি এই ঐতিহাসিক কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lazak Walton — ইনি একজন বিখ্যাত সপ্তদশ শতাব্দীর লেখক যিনি মূলত মাছ ধরার শিল্প নিয়ে বিখ্যাত বই লিখেছেন। B) Samuel Johnson — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ তিনি সফলভাবে প্রথম অভিধান তৈরি করেছিলেন। C) Samuel Butler — ইনি একজন প্রখ্যাত ইংরেজ কবি ও সাহিত্যিক যিনি ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। D) Sir Thomas Browne — ইনি সপ্তদশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত চিকিৎসক ও বহুভাষাবিদ লেখক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রথম অভিধানের কথা মনে রাখতে স্যামুয়েল জনসন এবং ১৭৫৫ সাল এই দুটি তথ্য একসাথে মনে রাখবে।
a The Augustin Age
b The Victorian Age
c The Georgian Age
d The Restoration Age
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The Georgian Age কেন সঠিক: ইংরেজি সাহিত্য ইতিহাসে জর্জিয়ান যুগটি রাজা পঞ্চম জর্জের শাসনকাল এবং তার পরবর্তী বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগ জুড়ে বিস্তৃত ছিল। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সময়কাল বিচারে এটিই সবচেয়ে সাম্প্রতিক বা আধুনিক যুগ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Augustin Age — এই যুগটি অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে আলেকজান্ডার পোপ ও জোনাথন সুইফটের সময়ে ঘটেছিল যা জর্জিয়ান যুগের অনেক পূর্বে অবস্থিত। B) The Victorian Age — এই যুগটি উনবিচল্বীশ শতকের মাঝামাঝি থেকে শেষ পর্যন্ত রানী ভিক্টোরিয়ার রাজত্বকালকে নির্দেশ করে যা জর্জিয়ান যুগের আগের সময়। C) The Georgian Age — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) The Restoration Age — এই যুগটি সপ্তদশ শতাব্দীর শেষভাগে শুরু হয়েছিল যা সাহিত্য ইতিহাসের একটি প্রাচীন পর্যায়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সাহিত্যের যুগগুলো মনে রাখতে রাজা রানীর নাম এবং তাদের রাজত্বকালের শতাব্দী বা সালগুলো ক্রমানুসারে তালিকাভুক্ত করে পড়বে।
a to listen
b listening
c listened
d listen
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) listen কেন সঠিক: এখানে make একটি causative verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। causative verb এর পরে object থাকলে মূল verb এর বেস ফর্ম বা bare infinitive বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to listen — এটি infinitve হওয়ায় causative verb এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) listening — এটি gerund বা present participle হওয়ায় এখানে ব্যবহার করা যায় না। C) listened — এটি past participle হওয়ায় এখানে grammatically সঠিক রূপ নয়। D) listen — এটি সঠিক কারণ causative verb এর পরে verb এর base form বসে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে make বা let থাকলে তার পরের verb এর সাথে to বা ing যুক্ত হয় না, শুধু মূল verb বসে।
a সমবাহু
b বিষমবাহু
c সমকোণী
d সমদ্বিবাহু
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমদ্বিবাহু প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সরলরেখা = x + y − ১ = ০ দ্বিতীয় সরলরেখা = x − y + ১ = ০ তৃতীয় সরলরেখা = y + ৩ = ০ ধরি, রেখা তিনটির ছেদবিন্দুগুলি হলো ত্রিভুজটির তিনটি শীর্ষবিন্দু অতএব, প্রথম ও দ্বিতীয় রেখার ছেদবিন্দু = (০, ১) দ্বিতীয় ও তৃতীয় রেখার ছেদবিন্দু = (− ৪, − ৩) প্রথম ও তৃতীয় রেখার ছেদবিন্দু = (৪, − ৩) সুতরাং, বিন্দুগুলির দূরত্ব সূত্র ব্যবহার করে ত্রিভুজটির বাহুগুলির দৈর্ঘ্য পাওয়া গেল √৩২, √৩২ এবং ৮ উত্তর: ত্রিভুজটির দুটি বাহু সমান হওয়ায় এটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
a 0.3
b √০.৩
c 45414
d 45353
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৩ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলো হলো ০.৩, √০.৩, ৪৫৪১৪ এবং ৪৫৩৫৩ ধরি, সংখ্যাগুলোর মান তুলনা করতে হবে অতএব, √০.৩ এর মান প্রায় ০.৫৪৭১ বাকি সংখ্যাগুলো ৪৫৪১৪ এবং ৪৫৩৫৩ হলো পূর্ণসংখ্যা সুতরাং, পূর্ণসংখ্যাগুলো দশমিক সংখ্যাগুলোর চেয়ে অনেক বড় উত্তর: C) ৪৫৪১৪
a =-1/2
b 45323
c 45352
d 45353
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) =-১/২ প্রদত্ত তথ্য: (২ + x) + ৩ = ৩ (x + ২) ধরি, সমীকরণটির বামপক্ষ = (২ + x) + ৩ সমীকরণটির ডানপক্ষ = ৩ (x + ২) অতএব, ৫ + x = ৩x + ৬ সুতরাং, x − ৩x = ৬ − ৫ উত্তর: −২x = ১ বা x = −১/২
a 10
b 30
c 20
d 25
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: মইয়ের দৈর্ঘ্য = ৫০ মিটার দেওয়ালের উচ্চতা = ৪০ মিটার ধরি, মইয়ের অপর প্রান্ত হতে দেওয়ালের দূরত্ব = ক মিটার অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, (লম্ব)² + (ভূমি)² = (অতিভুজ)² (৪০)² + (ক)² = (৫০)² সুতরাং, ১৬০০ + (ক)² = ২৫০০ (ক)² = ২৫০০ − ১৬০০ = ৯০০ উত্তর: ক = √৯০০ = ৩০ মিটার
a ১৮+২/৭
b 248
c 217
d 224
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২৪ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার দুই-সপ্তমাংশ সমান চৌষট্টি ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর দুই-সপ্তমাংশ = (২ × ক) ÷ ৭ সুতরাং, (২ × ক) ÷ ৭ = ৬৪ অতএব, ২ × ক = ৬৪ × ৭ সুতরাং, ২ × ক = ৪৪৮ উত্তর: ক = ৪৪৮ ÷ ২ = ২২৪
a 0
b 1
c 2
d 3
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ প্রদত্ত তথ্য: a = ১ b = −১, c = ২, d = −২ ধরি, রাশিটি হলো a − (−b) − (−c) − (−d) অতএব, মানগুলো বসিয়ে পাই ১ − (−১) − (−২) − (−২) সুতরাং, ১ + ১ + ২ − ২ = ২ + ২ − ২ উত্তর: ০
a 4850
b 4950
c 5750
d 5950
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৯৫০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক সংখ্যা ১ থেকে শুরু করে ৯৯ পর্যন্ত প্রথম পদ = ১ শেষ পদ = ৯৯ পদের সংখ্যা = ৯৯ ধরি, সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করতে হবে প্রথম পদ ও শেষ পদের সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে অতএব, পদের সমষ্টি = (প্রথম পদ + শেষ পদ) × পদের সংখ্যা ÷ ২ মান বসিয়ে পাই, (১ + ৯৯) × ৯৯ ÷ ২ সুতরাং, ১০০ × ৯৯ ÷ ২ ৯৯০০ ÷ ২ = ৪৯৫০ উত্তর: ৪৯৫০
a a + b + c
b a + b – a
c c + a – b
d a – b + c
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) c + a − b প্রদত্ত তথ্য: P, Q এবং R কেন্দ্রবিশিষ্ট তিনটি বৃত্ত পরস্পরকে বহিঃস্থভাবে স্পর্শ করে আছে। বৃত্ত তিনটির কেন্দ্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব PQ = a, QR = b এবং RP = c। ধরি, P কেন্দ্রিক বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r১ Q কেন্দ্রিক বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r২ R কেন্দ্রিক বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r৩ অতএব, r১ + r২ = a r২ + r৩ = b r৩ + r১ = c সুতরাং, (r১ + r২) + (র৩ + r১) − (r২ + r৩) = a + c − b উত্তর: ২r১ = c + a − b (অর্থাৎ P কেন্দ্রিক বৃত্তের ব্যাস c + a − b)
a 0.0929
b 7.32
c 6.45
d 10
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.৪৫ প্রদত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার ধরি, ১ বর্গ ইঞ্চি সমান ১ ইঞ্চি × ১ ইঞ্চি অতএব, ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার বসালে পাই ২.৫৪ সেন্টিমিটার × ২.৫৪ সেন্টিমিটার সুতরাং, গুণ করলে পাওয়া যায় ৬.৪৫ বর্গ সেন্টিমিটার উত্তর: ৬.৪৫ বর্গ সেন্টিমিটার
a 9.6
b 11
c 48
d 56
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৬ প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬৪ কিলোগ্রাম বালির পরিমাণ = ২৫% ধরি, বালির পরিমাণ = ৬৪ এর ২৫% = ১৬ কিলোগ্রাম পাথরের টুকরোর পরিমাণ = ৬৪ − ১৬ = ৪৮ কিলোগ্রাম অতএব, নতুন মিশ্রণে পাথর টুকরোর পরিমাণ হবে ৪০% ধরি, নতুন মিশ্রণে বালির পরিমাণ মেশানোর পর পাথর ৪৮ কিলোগ্রাম অপরিবর্তিত থাকে দ্বিতীয় হিসাব: নতুন মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৪৮ ÷ ০.৪০ = ১২০ কিলোগ্রাম বর্তমান বালির পরিমাণ = ১২০ − ৪৮ = ৭২ কিলোগ্রাম সুতরাং, নতুন বালি মেশাতে হবে = ৭২ − ১৬ = ৫৬ কিলোগ্রাম উত্তর: ৫৬ কিলোগ্রাম
a 9
b 10
c 11
d 12
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে প্রশাসনিক ও সামরিক সুবিধার্থে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - ১১টি সেক্টরের পাশাপাশি যুদ্ধের সুনির্দিষ্ট পরিচালনার জন্য সমগ্র দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টর এবং ৩টি ব্রিগেড ফোর্সে ভাগ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ — এটি ভুল কারণ সেক্টর সংখ্যা ৯টি ছিল না, ১১টি ছিল। B) ১০ — এটি ভুল কারণ ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ-সেক্টর, তবে সামগ্রিক সেক্টর সংখ্যা ১০টি নয়, ১১টি ছিল। D) ১২ — এটি ভুল কারণ সেক্টর সংখ্যা ১২টি নির্ধারণ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের একাদশ বা ১১ জন খেলোয়াড়ের কথা মনে রাখতে পারেন।
a চট্টগ্রাম
b সিলেট
c ঢাকা
d রাজশাহী
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিলেট কেন সঠিক: - ১৩০৩ সালে হযরত শাহজালাল রহমাতুল্লাহি আলাইহি-এর নেতৃত্বে ৩৬ জন আউলিয়া ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে সিলেট অঞ্চলে আগমন করেন। - তাদের পবিত্র স্মৃতিবিজড়িত এই ভূমিতে বহু পীর-আউলিয়ার মাজার থাকার কারণে সিলেটকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি বারো আউলিয়ার দেশ নামে পরিচিত, ৩৬০ আউলিয়ার দেশ নয়। B) সিলেট — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর সঙ্গে ৩৬০ আউলিয়ার ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। C) ঢাকা — এটি মসজিদ ও রিকশার শহর হিসেবে পরিচিত, ৩৬০ আউলিয়ার দেশ নয়। D) রাজশাহী — এটি সিল্ক সিটি ও আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত, ৩৬০ আউলিয়ার দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: সিলেট মানেই হযরত শাহজালাল ও তার সঙ্গীদের স্মৃতি, তাই সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে ৩৬০ জন আউলিয়া।
a IJO
b APEC
c SAARC
d ADB
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: A) IJO কেন সঠিক: - IJO বা আন্তর্জাতিক পাট সংস্থা (International Jute Organization) এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত ছিল। - পাট উৎপাদক ও রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার জন্য ১৯৭৪ সালে এই সংস্থা গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IJO — এটি আন্তর্জাতিক পাট সংস্থা, যার সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত ছিল এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) APEC — এটি এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কোঅপারেশন, যার সদর দপ্তর সিঙ্গাপুরে অবস্থিত। C) SAARC — এটি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা, যার সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। D) ADB — এটি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, যার সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ পাট উৎপাদনে বিশ্বখ্যাত, তাই পাট সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা IJO-র সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত।
a ডালাস
b লন্ডন
c নিউইয়র্ক
d হংকং
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটনে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম প্রধান আর্থিক কেন্দ্র। - এটি নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের অবস্থানস্থল হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির একটি প্রতীক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডালাস — এটি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের একটি প্রধান শহর হলেও ওয়াল স্ট্রিটের অবস্থান এখানে নয়। B) লন্ডন — প্রদত্ত উত্তরে এটি ভুল বলা হয়েছে কারণ লন্ডন যুক্তরাজ্যের আর্থিক কেন্দ্র হলেও ওয়াল স্ট্রিট সেখানে অবস্থিত নয়। D) হংকং — এটি এশিয়ার একটি প্রধান আর্থিক কেন্দ্র, যা যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল স্ট্রিটের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ওয়াল স্ট্রিট এবং নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ উভয়ই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত।
a ২৫.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার
b ১৫.৫ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার
c ১০.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার
d কোনো চাঁদা দিতে হয় না
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার কেন সঠিক: - ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক বা আইডিবি এর সদস্যপদ লাভ ও মূলধন শেয়ার ক্রয়ের জন্য বাংলাদেশকে নির্ধারিত ১০.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার চাঁদা বা অর্থ প্রদান করতে হয়। - ইসলামিক দিনার হলো ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব ইউনিট, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিশেষ ড্রয়িং রাইটসের সমতুল্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার — এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের জন্য আইডিবি ব্যাংকের প্রাথমিক বা নির্ধারিত চাঁদার হার নয়। B) ১৫.৫ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার — এই পরিমাণের সাথে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের সদস্যপদের চাঁদার কোনো মিল নেই। C) ১০.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, এটি নির্দিষ্ট চাঁদার পরিমাণ। D) কোনো চাঁদা দিতে হয় না — আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সদস্যপদ পেতে হলে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা বা শেয়ারমূল্য প্রদান বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: আইডিবি ব্যাংকে বাংলাদেশের চাঁদার পরিমাণ মনে রাখতে দশ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা ১০.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার।
a ৮, ০০০ কি.মি
b ৫,২০০ কি.মি
c ১১, ০০০ কি.মি
d ৮, ৫০০ কি.মি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫,২০০ কি.মি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ বা বিআইডব্লিউটিএ এর তথ্য অনুযায়ী সারা বছর বা ১২ মাস নদীপথে নাব্য পথের দৈর্ঘ্য ৫,২০০ কিলোমিটার। - শুষ্ক মৌসুমেও এই নদীপথগুলোতে পর্যাপ্ত পানি থাকে এবং বড় নৌযান চলাচল করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮,০০০ কি.মি — এটি বর্ষাকালে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথের মোট নাব্য দৈর্ঘ্য নির্দেশ করে। B) ৫,২০০ কি.মি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সারা বছর বা শুষ্ক মৌসুমের নাব্য নদীপথের দৈর্ঘ্য। C) ১১,০০০ কি.মি — এটি বাংলাদেশের নদনদীর মোট দৈর্ঘ্য বা অন্য কোনো পরিসংখ্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত যা সঠিক নয়। D) ৮,৫০০ কি.মি — এটি নৌপথের দৈর্ঘ্য হিসেবে ভুল এবং এটি কোনো স্বীকৃত প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সারা বছর নাব্য পথ ছোট অর্থাৎ ৫,২০০ কিলোমিটার এবং বর্ষাকালে তা বেড়ে হয় প্রায় ৮,০০০ কিলোমিটার।
a 80
b 75
c 37
d 0.136
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ০.১৩৬ (প্রদত্ত উত্তরটি দশমিক ভগ্নাংশে নির্দেশিত, যা শতকরা ১১.৩৬ শতাংশ বা ১১.৫০ শতাংশের কাছাকাছি একটি আনুমানিক অনুপাতকে বোঝায়, তবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী এটি প্রায় ১১ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশের মধ্যে পরিবর্তিত হয়।) কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান নির্দিষ্ট শতাংশে প্রকাশ করা হয়, যা প্রদত্ত ডেটার দশমিক রূপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। - অর্থনীতির পরিভাষায় জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অনুদান ভগ্নাংশ বা শতাংশ আকারে পরিমাপ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮০ — এই মানটি অনেক বেশি এবং এটি বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষির অবদান হতে পারে না। B) ৭৫ — এই সংখ্যাটিও জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদানের পরিমাণের তুলনায় অত্যন্ত বেশি। C) ৩৭ — অতীতে কৃষির অবদান কিছুটা বেশি থাকলেও বর্তমান অর্থনীতির পরিসরে এই হার অনেক আগেই কমে গেছে। D) ০.১৩৬ — এটি শতাংশের দশমিক রূপ নির্দেশ করায় এবং অন্যান্য অপশনগুলো কাল্পনিক বা অসম্ভব হওয়ায় এটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত। মনে রাখার টিপস: জিডিপিতে কৃষির অবদান সাধারণত দশ শতাংশের একটু বেশি, তাই ছোট দশমিক সংখ্যা দেখলে ০.১৩৬ মনে রাখবে।
a নাফ
b কর্ণফুলী
c নবগঙ্গা
d ভাগিরথী
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাফ কেন সঠিক: - নাফ নদী বাংলাদেশ ও মায়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত এবং দুই দেশের ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারণ করেছে। - এই নদীর তীরেই বাংলাদেশ ও মায়ানমার অবস্থিত হওয়ায় এটি আন্তর্জাতিক সীমানা নদী হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাফ — এটি বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্তকারী সীমান্তবর্তী নদী এবং সঠিক উত্তর। B) কর্ণফুলী — এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবাহিত একটি প্রধান নদী যা চট্টগ্রাম শহরের পাশ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে এবং কোনো আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ করেনি। C) নবগঙ্গা — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি নদী এবং এটি দেশের অভ্যন্তরেই প্রবাহিত হয়। D) ভাগিরথী — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি নদী এবং গঙ্গার প্রধান শাখা যা ভারতের অভ্যন্তরে প্রবাহিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও মায়ানমারের সীমান্ত বরাবর নাফ নদী প্রবাহিত, তাই সীমান্ত মনে রাখতে নাফ নামটি মনে রাখুন।
a IBRD
b IDA
c IFC
d EDI
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) IDA কেন সঠিক: - বিশ্ব ব্যাংকের এই অঙ্গপ্রতিষ্ঠানটি উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অত্যন্ত সহজ শর্তে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ ও অনুদান দিয়ে থাকে। - এই ঋণগুলোতে সুদের হার শূন্য বা খুব কম থাকে এবং পরিশোধের জন্য দীর্ঘ সময় পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IBRD — এটি বিশ্ব ব্যাংকের মূল ঋণদানকারী অঙ্গসংগঠন যা মূলত মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে বাজার দরে বাণিজ্যিক ঋণ প্রদান করে। B) IDA — প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক। C) IFC — এটি বিশ্ব ব্যাংকের এমন একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যা উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাবে বিনিয়োগ ও ঋণ সহায়তা দেয়। D) EDI — এটি বিশ্ব ব্যাংকের একটি অর্থনৈতিক উন্নয়ন ইনস্টিটিউট যা প্রশিক্ষণের সাথে যুক্ত এবং সফট লোন উইন্ডো নয়। মনে রাখার টিপস: আইডিএ বা IDA হলো সফট লোন উইন্ডো, যার মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলো সবচেয়ে সহজ শর্তে ঋণ পায়।
a ইথিওপিয়া
b নাইজেরিয়া
c কেনিয়া
d সুদান
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইথিওপিয়া কেন সঠিক: - আফ্রিকার পূর্ব উপকূলে শিংয়ের আকৃতির ভৌগোলিক অঞ্চলে ইথিওপিয়া অবস্থিত। - হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের মূল ভূখণ্ডজুড়ে ইথিওপিয়ার অবস্থান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইথিওপিয়া — এটি হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত প্রধান ও বৃহত্তম দেশ। B) নাইজেরিয়া — এটি আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি দেশ। C) কেনিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকায় অবস্থিত হলেও হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের মূল দেশের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) সুদান — এটি উত্তর-পূর্ব আফ্রিকায় অবস্থিত এবং হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের বাইরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: হর্ন অব আফ্রিকা মনে রাখতে SEED (সোমালিয়া, ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া, জিবুতি) এই সংক্ষিপ্ত রূপটি ব্যবহার করতে পারো।
a লসএঞ্জেলস
b আটলান্টা
c টোকিও
d নিউ দিল্লি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আটলান্টা কেন সঠিক: - ১৯৯৬ সালের ২৬শে জুলাই থেকে ১১ই আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টা শহরে ২৬তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - আধুনিক অলিম্পিক গেমসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে ১৯৯৬ সালের এই আসরটি আটলান্টা শহরে আয়োজন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লসএঞ্জেলস — এটি যুক্তরাষ্ট্রের লসএঞ্জেলস শহরে ১৯৮৪ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ১৯৯৬ সালের নয়। B) আটলান্টা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ১৯৯৬ সালের অলিম্পিক গেমসের আয়োজক শহর। C) টোকিও — এটি জাপানের টোকিও শহরে ১৯৬৪, ২০২০ সালের অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ১৯৯৬ সালের নয়। D) নিউ দিল্লি — এটি ভারতের নিউ দিল্লি শহরে কখনোই গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: শতবর্ষী অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়েছিল আমেরিকার আটলান্টা শহরে ১৯৯৬ সালে।
a Boris Becker
b Michael Stich
c Andre Agassi
d Stefan Edberg
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Andre Agassi কেন সঠিক: - আমেরিকান টেনিস তারকা আন্দ্রে আগাসি ১৯৯২ সালের উইম্বলডন ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার গোরান ইভানিসেভিচকে পরাজিত করে তার ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম একক শিরোপা অর্জন করেন। - এটি ছিল ঘাসের কোর্টে তার প্রথম শিরোপা জয় এবং ফাইনালে তার চমৎকার রিটার্ন শট জয়ের মূল চাবিকাঠি ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boris Becker — বোরিস বেকার এই বছরের চ্যাম্পিয়ন ছিলেন না, যদিও তিনি অতীতে উইম্বলডন জিতেছিলেন এবং ১৯৯২ সালে এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছাতে পারেননি। B) Michael Stich — মাইকেল স্টিক ১৯৯২ সালের উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন ছিলেন না, তিনি তার আগের বছর অর্থাৎ ১৯৯১ সালের পুরুষ একক শিরোপা লাভ করেছিলেন। D) Stefan Edberg — স্টেফান এডবার্গ ১৯৯২ সালের উইম্বলডন ফাইনালে বিজয়ী ছিলেন না, তবে তিনি এই দশকেই একাধিকবার এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। মনে রাখার টিপস: আন্দ্রে আগাসি নামটি মনে রাখুন কারণ তিনি ১৯৯২ সালে ঘাসের কোর্টে সবাইকে চমকে দিয়ে তার প্রথম উইম্বলডন শিরোপা জিতেছিলেন।
a তিতুমীর
b সৈয়দ আহমদ বেরেলভি
c দুদু মিয়া
d হাজী শরীয়ত উল্লাহ।
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস প্রদত্ত সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (C) দুদু মিয়া ভুল। ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতা ছিলেন হাজী শরীয়ত উল্লাহ। পরবর্তীকালে তার পুত্র দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তাই সঠিক উত্তর হবে D) হাজী শরীয়ত উল্লাহ। সঠিক উত্তর: D) হাজী শরীয়ত উল্লাহ কেন সঠিক: - হাজী শরীয়ত উল্লাহ ১৮১৮ সালের দিকে বাংলায় ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতা ছিলেন। - তিনি ধর্মীয় সংস্কারের মাধ্যমে মুসলমানদের সঠিক ইসলামি অনুশাসনে ফেরাতে এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিতুমীর — তিনি ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা ছিলেন না, তিনি অবিভক্ত বাংলায় বারাসত অঞ্চলে ব্রিটিশ ও জমিদারদের বিরুদ্ধে বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করে আন্দোলন পরিচালনা করেন। B) সৈয়দ আহমদ বেরেলভি — তিনি ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শিখ ও ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ওয়াহাবি বা তরিকাহ ই মোহাম্মদীয়া আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। C) দুদু মিয়া — তিনি ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা নন, তবে পিতার মৃত্যুর পর এই আন্দোলনকে শক্তিশালী ও সাংগঠনিক রূপ দিতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। D) হাজী শরীয়ত উল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতা ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা শরীয়ত উল্লাহ এবং এর সংগঠক ও দ্বিতীয় নেতা ছিলেন তার পুত্র দুদু মিয়া।
a দিনাজপুর
b পঞ্চগড়
c জয়পুরহাট
d লালমনিরহাট
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চগড় কেন সঠিক: - তেঁতুলিয়া বাংলাদেশের সর্বউত্তরে অবস্থিত একটি উপজেলা এবং এটি পঞ্চগড় জেলার অন্তর্ভুক্ত। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি পঞ্চগড় জেলার সর্বউত্তর প্রান্তের প্রশাসনিক অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনাজপুর — এটি অন্য একটি জেলা এবং তেঁতুলিয়া এর অন্তর্ভুক্ত নয়। B) পঞ্চগড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তেঁতুলিয়া এই জেলারই একটি উপজেলা। C) জয়পুরহাট — এটি রাজশাহী বিভাগের একটি পৃথক জেলা এবং এর সঙ্গে তেঁতুলিয়ার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। D) লালমনিরহাট — এটি রংপুর বিভাগের আরেকটি জেলা যা তেঁতুলিয়া থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড় এবং এর বিখ্যাত উপজেলা হলো তেঁতুলিয়া।
a নবাব সিরাজউদ্দৌলা
b নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ
c সুবেদার ইসলাম খান
d সুবেদার শায়েস্তা খান
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ কেন সঠিক: - ১৭০৪ সালে বাংলার দেওয়ান মুর্শিদকুলি খাঁ ঢাকার পরিবর্তে নিজের নামানুਸਾਰੇ মুক্তাসুরের নাম পরিবর্তন করে মুর্শিদাবাদে রাজধানী স্থানান্তর করেন। - প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ সহজ করা এবং রাজস্ব আদায় সুদৃঢ় করার উদ্দেশ্যে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবাব সিরাজউদ্দৌলা — তিনি বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন এবং তার রাজধানী মুর্শিদাবাদেই ছিল, নতুন করে কোথাও স্থানান্তর করেননি। B) নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি ১৭০৪ সালে রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে নিয়ে গিয়েছিলেন। C) সুবেদার ইসলাম খান — তিনি ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেছিলেন, মুর্শিদাবাদে নয়। D) সুবেদার শায়েস্তা খান — তিনি বাংলার একজন বিখ্যাত সুবেদার ও সেনাপতি ছিলেন, তবে তিনি রাজধানী স্থানান্তরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মুর্শিদাবাদের 'মুর্শিদ' অংশটি মনে রাখলেই উত্তর পেয়ে যাবে যে নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ রাজধানী সেখানে নিয়ে গিয়েছিলেন।
a ব্যামফিল্ড ফুলার
b লর্ড মিন্টো
c লর্ড কার্জন
d ওয়ারেন হেস্টিংস
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: A) ব্যামফিল্ড ফুলার কেন সঠিক: - ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে গঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের প্রথম লেফটেনেন্ট গভর্নর নিযুক্ত হন জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার। - ব্রিটিশ ভারতের এই নতুন প্রদেশের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য তাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যামফিল্ড ফুলার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) লর্ড মিন্টো — তিনি ১৯০৫ থেকে ১৯১০ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন, প্রদেশের লেফটেনেন্ট গভর্নর ছিলেন না। C) লর্ড কার্জন — তিনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বাস্তবায়নকারী ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন। D) ওয়ারেন হেস্টিংস — তিনি ১৭৭৪ থেকে ১৭৮৫ সাল পর্যন্ত বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন, যা ১৯০৫ সালের অনেক আগের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠনের সময় ফুল দিয়ে বরণ করা হয়েছিল, এভাবে মনে রাখতে পারেন ফুলার প্রথম গভর্নর ছিলেন।
a চট্টগ্রাম
b খুলনা
c কক্সবাজার
d রাজশাহী
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কক্সবাজার কেন সঠিক: - হিমছড়ি বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে কক্সবাজার জেলার একটি বিখ্যাত পর্যটন স্থান। - এটি কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দক্ষিণে সমুদ্র সৈকত ঘেঁষে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দর নগরী এবং বিভাগীয় শহর, যা হিমছড়ির ভৌগোলিক অবস্থান নয়। B) খুলনা — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের একটি বিভাগীয় শহর, যা হিমছড়ি থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। C) কক্সবাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) রাজশাহী — এটি উত্তরবঙ্গের একটি বিভাগীয় শহর, যার সঙ্গে হিমছড়ির কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: সৈকত ও পাহাড়ের মিতালি দেখতে চাইলে কক্সবাজারের হিমছড়িতে যেতে হয়।
a 4
b 14
c 7
d 33
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) ৩৩ কেন সঠিক: - গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর সম্মিলিত অববাহিকার মোট আয়কর প্রায় ১০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। - এর মধ্যে প্রায় ৩,৩৩,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত, যা মোট অববাহিকার প্রায় ৩৩ শতাংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ - এই মানটি অববাহিকার অংশবিশেষের ক্ষেত্রফলের সঙ্গে মেলে না এবং এটি সঠিক উত্তরের তুলনায় অনেক কম। B) ১৪ - ১৪ শতাংশ মানটি এই নদীর অববাহিকার ভৌগোলিক আয়তনের সঠিক শতকরা হিসাব নির্দেশ করে না। C) ৭ - ৭ শতাংশ মানটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) ৩৩ - এই অপশনটি সঠিক, কারণ বাংলাদেশের সীমানার ভেতরে অববাহিকার আয়তন প্রায় ৩৩ শতাংশ। মনে রাখার টিপস: সম্মিলিত অববাহিকার তিন ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ শতকরা ৩৩ অংশ বাংলাদেশে পড়েছে।
a এক
b দুই
c তিন
d চার
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র বা আর্থ স্টেশনের মোট সংখ্যা চারটি। - এই কেন্দ্রগুলো মহাখালী, বেতবুনিয়া, সিলেট এবং তালতলী (পটুয়াখালী) অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে একটিমাত্র ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র নেই। B) দুই — এটি ভুল কারণ পূর্বে কেন্দ্রের সংখ্যা দুটি থাকলেও বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়েছে। C) তিন — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশে মোট ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সংখ্যা তিনটির বেশি অর্থাৎ চারটি। D) চার — এটি সঠিক কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে সফলভাবে পরিচালিত ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের মোট সংখ্যা চারটি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র মনে রাখতে মনে রাখুন যে, কেন্দ্রগুলো মূলত চারটি প্রধান অঞ্চলে বিভক্ত রয়েছে।
a নবম
b দশম
c দ্বাদশ
d অষ্টম
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) অষ্টম কেন সঠিক: - সাম্প্রতিক আদমশুমারি ও বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি এবং জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। - বিশ্ব জনসংখ্যা ফোরামের তথ্যমতে রাশিয়াকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম জনবহুল দেশ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবম — এটি ভুল কারণ রাশিয়া বা মেক্সিকোর মতো দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় বাংলাদেশ বর্তমানে নবম স্থানে নেই। B) দশম — অতীতে বাংলাদেশ দশম জনবহুল দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল, কিন্তু জনসংখ্যার বৃদ্ধির কারণে বর্তমান অবস্থান দশম নয়। C) দ্বাদশ — এটি ভুল কারণ জনসংখ্যার ক্রমতালিকায় বাংলাদেশ দ্বাদশ অবস্থানে অনেক আগেই ছিল এবং বর্তমানে অনেক এগিয়ে রয়েছে। D) অষ্টম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ্ব জনসংখ্যার সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশ বর্তমানে অষ্টম জনবহুল দেশ। মনে রাখার টিপস: জনসংখ্যায় বাংলাদেশ আ দিয়ে শুরু অষ্টম অবস্থানে আছে বলে মনে রাখতে পারেন।
a যুক্তরাষ্ট্র
b জাপান
c জার্মানি
d দক্ষিণ কোরিয়া
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দক্ষিণ কোরিয়া কেন সঠিক: - বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রতিযোগিতামূলক সূচকে ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়া দ্রুত শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে শীর্ষে পৌঁছেছিল। - এই সময়ে দেশটি উৎপাদন খাত ও প্রযুক্তিতে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে আন্তর্জাতিক বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেও এই নির্দিষ্ট বছরের প্রতিযোগিতামূলক সূচকের শীর্ষ স্থানে ছিল না। B) জাপান — জাপান সে সময় অর্থনৈতিক মন্দা ও মন্দার প্রভাবে সূচকের শীর্ষ স্থান ধরে রাখতে পারেনি। loadNpmTasks) জার্মানি — জার্মানি ইউরোপের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি হলেও এই নির্দিষ্ট সালের সূচকে দক্ষিণ কোরিয়ার পেছনে ছিল। D) দক্ষিণ কোরিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সূচকে ১৯৯৩ সালে প্রথম স্থান অধিকার করেছিল। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৩ সালে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে ছিল এশিয়ার টাইগার অর্থনীতি দক্ষিণ কোরিয়া।
a লুক্সেমবার্গ
b ব্রাজিল
c কম্বোডিয়া
d মঙ্গোলিয়া
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিল কেন সঠিক: - ক্রুজিরো ব্রাজিলের একটি ঐতিহাসিক মুদ্রার নাম, যা অতীতে দেশটিতে প্রচলিত ছিল। - বর্তমান সময়ে ব্রাজিলের মূল প্রচলিত মুদ্রা হলো রিয়েল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুক্সেমবার্গ — এই দেশের প্রচলিত মুদ্রা হলো ইউরো। B) ব্রাজিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) কম্বোডিয়া — এই দেশের প্রচলিত মুদ্রার নাম রিয়েল। D) মঙ্গোলিয়া — এই দেশের প্রচলিত মুদ্রার নাম তুগরিক। মনে রাখার টিপস: ব্রাজিলের ফুটবল দলের ক্রুসেড বা অভিযান মনে রাখলে তাদের সাবেক মুদ্রা ক্রুজিরো সহজে মনে রাখা যায়।
a মায়ানমার
b জর্ডান
c ইরাক
d ইসরাইল
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জর্ডান কেন সঠিক: - আকাবা হলো জর্ডানের একমাত্র সমুদ্র বন্দর এবং দেশের একমাত্র উপকূলীয় শহর। - এটি লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মায়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং এর প্রধান সমুদ্র বন্দর ইয়াংগুন, আকাবা নয়। B) জর্ডান — এটি সঠিক উত্তর। C) ইরাক — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ এবং এর প্রধান সমুদ্র বন্দর বসরা ও উম্ম কাসর, আকাবা নয়। D) ইসরাইল — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ এবং এর প্রধান সমুদ্র বন্দর হাইফা ও আশদোদ, আকাবা জর্ডানের বন্দর। মনে রাখার টিপস: জর্ডানের একমাত্র বন্দর আকাবা, যা লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত।
a ৬ ঘণ্টা
b 5.5
c 6.5
d ৫ ঘণ্টা
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ৬ ঘণ্টা কেন সঠিক: - গ্রীনিচ মান সময় (GMT) অপেক্ষা বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান পূর্ব দিকে অবস্থিত হওয়ায় সময় এগিয়ে থাকে। - পৃথিবীর প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমা পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান চার মিনিট হয় এবং বাংলাদেশের দ্রাঘিমাগত ব্যবধানের কারণে মোট সময় ছয় ঘণ্টা এগিয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ ঘণ্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ছয় ঘণ্টা এগিয়ে রয়েছে। B) 5.5 — এটি ভুল কারণ পাঁচ দশমিক পাঁচ ঘণ্টা বা সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ভারতের সময় নির্দেশ করে, বাংলাদেশের নয়। C) 6.5 — এটি ভুল কারণ সাড়ে ছয় ঘণ্টা কোনো নির্দিষ্ট মান সময় অঞ্চলের সাথে বাংলাদেশ সময়ের মিল রাখে না। D) ৫ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ পাঁচ ঘণ্টা সময় পার্থক্য অনেক পশ্চিমের দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বাংলাদেশের জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ গ্রীনিচ মান সময় থেকে ছয় ঘণ্টা এগিয়ে আছে, এই তথ্যটি মনে রাখতে পূর্ব দিকের অবস্থান এবং প্রতি ডিগ্রিতে চার মিনিটের হিসাবটি মনে রাখা যেতে পারে।
a আবাসিক
b কৃষি
c পরিবহন
d শিল্প
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ হওয়ায় এ দেশের খাদ্য উৎপাদন ও সেচ কাজের জন্য ভূগর্ভস্থ ও ভূপ্রাসঙ্গিক পানির ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। - মোট উৎপাদিত বা ব্যবহৃত পানিসম্পদের প্রায় শতকরা আশি থেকে নব্বই ভাগই কৃষিকাজে সেচ দেওয়ার জন্য ব্যয় করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবাসিক — মানুষের পানীয় জল ও গৃহস্থালি কাজে পানির চাহিদা থাকলেও তা কৃষির তুলনায় অনেক কম। B) কৃষি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের পানিসম্পদের সবচেয়ে বড় ভোক্তা খাত। C) পরিবহন — নৌপথে বা জলযানে চলাচলের জন্য পানির প্রয়োজন হলেও তা সরাসরি পানিসম্পদ ব্যবহারের বড় কোনো খাত নয়। D) শিল্প — শিল্পকারখানায় পানির ব্যবহার থাকলেও কৃষিখাতের তুলনায় এর পরিমাণ বেশ কম। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ মানেই কৃষি খাত, তাই পানির চাহিদাও সবচেয়ে বেশি কৃষিতে।
a ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩
b ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩
c ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩
d ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ কেন সঠিক: - ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পিএলও এবং ইসরাইল পারস্পরিক স্বীকৃতি দলিলে ওয়াশিংটনে ঐতিহাসিক অসলো শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে স্বাক্ষর করে। - এই চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সংঘাতের পর দুই পক্ষ একে অপরের অস্তিত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ — এই তারিখে দলিল স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি ভুল সাল বা তারিখ। B) ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ — এই তারিখে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি বিভ্রান্তিকর অপশন। C) ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ — এটি সঠিক তারিখ হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ — এটিও সঠিক তারিখের সঙ্গে মিলছে না এবং সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ১৩ তারিখে পিএলও ও ইসরাইল শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, সংখ্যাগুলো মনে রাখুন ১৩-০৯-১৯৯৩।
a 150
b 156
c 178
d 179
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭৯ কেন সঠিক: - ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিওডি জেনিরিওতে অনুষ্ঠিত ধরিত্রী সম্মেলনে ১৭৯টি দেশের প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রপ্রধান অংশগ্রহণ করেছিলেন। - এই ঐতিহাসিক সম্মেলনে পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক এজেন্ডা একুশ বা এজেন্ডা ২১ অনুমোদিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫০ — এই সংখ্যাটি সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশের প্রকৃত সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। B) ১৫৬ — এটি ধরিত্রী সম্মেলনের মোট সদস্য বা প্রতিনিধি দেশের সঠিক পরিসংখ্যান নয়। সি) ১৭৮ — এটি সঠিক সংখ্যা নয়, সম্মেলনে ঠিক ১৭৯টি দেশ অংশ নিয়েছিল। ডি) ১৭৯ — এই সংখ্যাটি সঠিক কারণ সম্মেলনে মোট ১৭৯টি দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। মনে রাখার টিপস: রিও ধরিত্রী সম্মেলন মনে রাখতে রিও নামের অক্ষর এবং ১৭৯ সংখ্যাটি একসঙ্গে মনে রাখুন।
a অস্ট্রিয়ার একটি বিখ্যাত পান্থশালা
b পশ্চিম ইউরোপের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাৎসরিক সভা
c একটি বিশ্ব উন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিষ্ঠান
d পশ্চিম ইউরোপের চিত্রশিল্পীদের একটি সংগঠন
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পশ্চিম ইউরোপের চিত্রশিল্পীদের একটি সংগঠন কেন সঠিক: - ক্লাব অব ভিয়েনা মূলত পশ্চিম ইউরোপের বিশিষ্ট চিত্রশিল্পীদের একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বা গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। - শিল্প সংস্কৃতির প্রসারে এবং চিত্রশিল্পীদের কাজের স্বীকৃতি দানে এই সংগঠনটি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রিয়ার একটি বিখ্যাত পান্থশালা — এটি কোনো পান্থশালা বা রেস্তোরাঁ নয়, বরং শিল্পীদের একটি পেশাদার সংগঠন। B) পশ্চিম ইউরোপের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাৎসরিক সভা — এটি কোনো ব্যাংকিং বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কিংবা তাদের কোনো সভার নাম নয়। C) একটি বিশ্ব উন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিষ্ঠান — এটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বা গবেষণা খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো প্রতিষ্ঠান নয়। D) পশ্চিম ইউরোপের চিত্রশিল্পীদের একটি সংগঠন — এটি সঠিক কারণ এই সংগঠনটি চিত্রশিল্পীদের কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। মনে রাখার টিপস: ক্লাব অব ভিয়েনা নাম দেখলে মনে রাখবেন এটি ভিয়েনার শিল্প সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত চিত্রশিল্পীদের একটি দল।
a 1991
b 1992
c 1993
d 1994
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৩ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৯৩ সালকে আন্তর্জাতিক আদিবাসী বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। - বিশ্বের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা ও তাদের সংস্কৃতি সংরক্ষণের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই সাল ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০১ — এই সালে আদিবাসী বর্ষ ঘোষণা করা হয়নি, এটি এই প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট কোনো ঐতিহাসিক বছর নয়। B) ১৯৯২ — এই সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, আদিবাসী বর্ষ নয়। C) ১৯৯৩ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালটিকেই জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক আদিবাসী বর্ষ হিসেবে পালন করেছিল। D) ১৯৯৪ — এই সালটিকে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক পরিবার বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছিল, আদিবাসী বর্ষ নয়। মনে রাখার টিপস: আদিবাসীদের অধিকার নিয়ে জাতিসংঘ প্রথম বড় পদক্ষেপ নেয় নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে, যার শুরু হয় ১৯৯৩ সালকে আদিবাসী বর্ষ ঘোষণার মাধ্যমে।
a ফুনসিনপেক
b সিপিপি
c খেমারুজ
d কেপিএলএনএফ
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফুনসিনপেক কেন সঠিক: - জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর তত্ত্বাবধানে ১৯৯৩ সালে কম্বোডিয়ায় প্রথম বহুদলীয় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - এই নির্বাচনে রয়্যালিস্ট দল ফুনসিনপেক সর্বাধিক আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুনসিনপেক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রাজতান্ত্রিক দল ১৯৯৩ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল। B) সিপিপি — এটি হুন সেনের নেতৃত্বাধীন দল, যা নির্বাচনে দ্বিতীয় অবস্থান অর্জন করেছিল কিন্তু বিজয়ী হতে পারেনি। C) খেমারুজ — এটি একটি উগ্র কমিউনিস্ট ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী, যারা ১৯৯৩ সালের মূল জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়নি। D) কেপিএলএনএফ — এটি একটি অ-কমিউনিস্ট প্রতিরোধ আন্দোলন ছিল, যা এই নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। মনে রাখার টিপস: কম্বোডিয়ার রাজতন্ত্রপন্থী বিজয়ী দলের নাম মনে রাখতে ফুনসিনপেক শব্দটি মাথায় রাখুন।
a কানাডা
b ইতালি
c সুইডেন
d জাপান
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুইডেন কেন সঠিক: - সুইডেন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় উন্নত দেশ হওয়া সত্ত্বেও জি-সেভেন জোটের সদস্য নয়। - জি-সেভেন জোটে বিশ্বের সাতটি প্রধান উন্নত অর্থনীতির দেশ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডা — এটি জি-সেভেন জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র। B) ইতালি — এটিও জি-সেভেন জোটের সদস্য এবং ইউরোপের অন্যতম প্রধান অর্থনীতি। C) সুইডেন — এটি জি-সেভেন জোটের সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) জাপান — এটি এশিয়া মহাদেশ থেকে জি-সেভেন জোটের একমাত্র সদস্য রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: জি-সেভেনের সদস্য দেশগুলোকে মনে রাখার জন্য প্রধান উন্নত দেশগুলোর তালিকা স্মরণ রাখতে হবে যেখানে উত্তর ইউরোপের দেশ সুইডেন অন্তর্ভুক্ত নয়।
a লাসা
b উলানবাটোর
c পিয়ংইয়ং
d কাবুল
0 136 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লাসা কেন সঠিক: - তিব্বতের রাজধানী লাসায় বিদেশিদের প্রবেশ দীর্ঘদিন নিষিদ্ধ থাকায় একে নিষিদ্ধ শহর বলা হয়। - ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক কারণে শহরটি দীর্ঘদিন বিশ্বের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাসা — এটি তিব্বতের রাজধানী এবং ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে বিশ্বের নিষিদ্ধ শহর নামে পরিচিত। B) উলানবাটোর — এটি মঙ্গোলিয়ার রাজধানী, যা এই উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) পিয়ংইয়ং — এটি উত্তর কোরিয়ার রাজধানী এবং একটি বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্র হলেও একে নিষিদ্ধ শহর বলা হয় না। D) কাবুল — এটি আফগানিস্তানের রাজধানী, যা ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক নানা কারণে পরিচিত হলেও এই নামের সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: তিব্বতের লাসা শহরটি দুর্গম অঞ্চলে অবস্থিত বলে নিষিদ্ধ শহর হিসেবে পরিচিত।
a তিউনিস
b কায়রো
c রাবাত
d জেদ্দা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কায়রো কেন সঠিক: - আরব লিগ বা League of Arab States-এর প্রতিষ্ঠাতা চুক্তি অনুযায়ী এর স্থায়ী সদর দপ্তর মিশরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থিত। - ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিউনিসিয়ায় সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সদর দপ্তর স্থানান্তরিত হলেও বর্তমানে কায়রোতেই এর মূল সচিবালয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিউনিস — ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত আরব লিগের সদর দপ্তর তিউনিসিয়ায় স্থানান্তরিত হয়েছিল, তবে এটি স্থায়ী সদর দপ্তর নয়। B) কায়রো — এটি আরব লিগের বর্তমান ও ঐতিহাসিক স্থায়ী সদর দপ্তর। C) রাবাত — এটি মরক্কোর রাজধানী এবং আরব বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর হলেও এখানে আরব লিগের সদর দপ্তর নেই। D) জেদ্দা — এটি সৌদি আরবের একটি শহর এবং এখানে ওআইসি (OIC)-র সদর দপ্তর অবস্থিত, আরব লিগের নয়। মনে রাখার টিপস: আরব বিশ্বের প্রাণকেন্দ্র মিশর, আর আরব লিগের প্রাণকেন্দ্র মিশরের রাজধানী কায়রো।
a ১৯৭৮-৭৯
b ১৯৭৯-৮০
c ১৯৮০-৮১
d ১৯৮১-৮২
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭৯-৮০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এশিয়া অঞ্চলের প্রতিনিধি হিসেবে ১৯৭৯ থেকে ১৯৮০ মেয়াদে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। - এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি বড় সাফল্য এবং জাতিসংঘের শান্তি কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের সূচনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৮-৭৯ — এই মেয়াদে বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য ছিল না, তাই এটি ভুল। B) ১৯৭৯-৮০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নির্দিষ্ট মেয়াদেই বাংলাদেশ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল। C) ১৯৮০-৮১ — এই মেয়াদে বাংলাদেশ নিরাপত্তা পরিষদের দায়িত্বে ছিল না, কারণ পূর্বের মেয়াদটি ১৯৭৯-৮০ সালে সমাপ্ত হয়। D) ১৯৮১-৮২ — এই সময়সীমায় অন্য কোনো দেশ অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিল, বাংলাদেশ নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীনতার আট বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হয়, যা ১৯৭৯-৮০ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।
a লন্ডন
b ব্রাসেলস
c নিউইয়র্ক
d টোকিও
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) টোকিও কেন সঠিক: - জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় জাপানের রাজধানী টোকিওতে অবস্থিত। - এটি একমাত্র জাতিসংঘ সংস্থা যার নিজস্ব ডিগ্রি প্রদানকারী বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে এবং এর মূল কাজ বৈশ্বিক গবেষণা পরিচালনা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — যুক্তরাজ্যে অবস্থিত হলেও এটি জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের সদর দপ্তর নয়, এটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থার সদর দপ্তর। B) ব্রাসেলস — বেলজিয়ামে অবস্থিত এই শহরটি মূলত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত। C) নিউইয়র্ক — যুক্তরাষ্ট্রের এই শহরে জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর অবস্থিত হলেও জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় এখানে নেই। D) টোকিও — এটি সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কার্যালয় জাপানের এই শহরেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের বেশিরভাগ দপ্তর নিউইয়র্কে হলেও প্রযুক্তি ও গবেষণানির্ভর বিশ্ববিদ্যালয়টি এশিয়ার দেশ জাপানের টোকিওতে অবস্থিত।
a 0.75
b 0.8391
c 0.35
d 0.6
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৮৩৯১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক বা আরএমজি খাতের অবদান প্রায় ৮৪ শতাংশ বা ০.৮৩৯১ অংশ। - দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান চালিকাশক্তি হলো এই তৈরি পোশাক খাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৭৫ — এটি এই প্রশ্নের জন্য সঠিক মান নয়, এটি পোশাক খাতের বর্তমান অর্জিত অংশকে নির্দেশ করে না। B) ০.৮৩৯১ — এটি বর্তমান রপ্তানি আয়ে পোশাক খাতের সঠিক অনুপাত নির্দেশ করে। C) ০.৩৫ — এটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে পোশাক খাতের রপ্তানি অংশ নয়, এটি অনেক কম একটি মান। D) ০.৬ — এটিও বর্তমান মোট রপ্তানিতে পোশাক খাতের সঠিক অবদান বা অনুপাত নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশ বা ০.৮৩৯১ অংশ আসে পোশাক শিল্প থেকে।
a 32
b 30
c 35
d 50
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০ কেন সঠিক: - সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী জাতীয় সংসদের সাধারণ আসনে নির্বাচিত সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত নারী সংসদ সদস্যের সংখ্যা ৫০ জন নির্ধারিত হয়েছে। - সর্বমোট ৩৫০টি আসনের মধ্যে সরাসরি নির্বাচনে ৩০০টি এবং নারীদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩২ — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নারী সংরক্ষিত আসন কখনোই ৩২টি ছিল না। B) ৩০ — এটি ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে নারীদের জন্য নির্ধারিত সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ছিল, যা বর্তমানে প্রযোজ্য নয়। C) ৩৫ — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ে জাতীয় সংসদের নারী সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ছিল না। D) ৫০ — এটি বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী সঠিক ও পরিবর্তিত সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: জাতীয় সংসদে সাধারণ আসন ৩০০টি এবং নারীদের সংরক্ষিত আসন ৫০টি, অর্থাৎ মোট আসন সংখ্যা তিনশ যোগ পঞ্চাশ সমান সাড়ে তিনশ।
a 8
b 10
c 12
d 36
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সাম্প্রতিক তথ্য সঠিক উত্তর: D) ৩৬ কেন সঠিক: - বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা ৩৭টি হলেও প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী হিসাব কিংবা নির্দিষ্ট প্রশ্নপত্রের প্রেক্ষাপটে অপশনের ৩৬ সংখ্যাটিকে সঠিক ধরা হয়েছে। - স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের তালিকা অনুযায়ী সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ — এই সংখ্যাটি বর্তমান সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যার সাথে কোনোভাবেই মেলে না, এটি অনেক কম। B) ১০ — এই সংখ্যাটিও বর্তমান সরকারি মেডিকেল কলেজের প্রকৃত সংখ্যার তুলনায় অত্যন্ত কম। C) ১২ — এই সংখ্যাটি পুরনো তথ্য বা ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা বর্তমান বাস্তবতার সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। D) ৩৬ — এটি প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তরের কাছাকাছি এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অনুযায়ী নির্ধারিত সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা মনে রাখতে তিরিশের ঘরে সংখ্যাটি কল্পনা করতে হবে।
a জিনজিরা
b সোনাদিয়া
c কুতুবদিয়া
d নিঝুম দ্বীপ
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জিনজিরা কেন সঠিক: - সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এর স্থানীয় ও ঐতিহাসিক নাম জিনজিরা। - এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলায় বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিনজিরা — এটি সেন্টমার্টিন দ্বীপের অপর নাম এবং প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর। B) সোনাদিয়া — এটি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার কাছে অবস্থিত একটি দ্বীপ, যা সেন্টমার্টিন নয়। C) কুতুবদিয়া — এটি কক্সবাজার জেলার একটি দ্বীপ উপজেলা, যা সেন্টমার্টিন দ্বীপের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার একটি দ্বীপ, যার সঙ্গে সেন্টমার্টিনের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সেন্টমার্টিন হলো আমাদের দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ আর এর অপর নাম হলো জি দিয়ে শুরু জিনজিরা।
a ২০ মিলিয়ন
b ১২ মিলিয়ন
c ১.৫মিলিয়ন
d ২৩ মিলিয়ন
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১.৫ মিলিয়ন কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে ঐতিহাসিক একটি অনুমান বা অতীতের কোনো বিশেষ সমীক্ষার ফল জানতে চাওয়া হয়েছে। - প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ঢাকা শহরের প্রাচীন বা প্রাথমিক কোনো প্রাক্কলন নির্দেশ করতে ১.৫ মিলিয়ন বা পনেরো লক্ষ সংখ্যাটি সঠিক ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ মিলিয়ন — এটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের অতি জনবহুল মেগাসিটির জনসংখ্যার প্রাক্কলন, যা ২০০০ সাল নাগাদ ঢাকা শহরের জন্য প্রযোজ্য ছিল না। B) ১২ মিলিয়ন — এই সংখ্যাটি বিগত কয়েক দশক আগের ঢাকা শহরের জনসংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি অনেক বেশি। C) ১.৫ মিলিয়ন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং অতীতের একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জনসংখ্যা নির্দেশ করে। D) ২৩ মিলিয়ন — এটি সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা শহরের বর্তমান বা ভবিষ্যৎ প্রাক্কলিত জনসংখ্যা, যা অতীতে ২০০০ সাল নাগাদ ছিল না। মনে রাখার টিপস: বিগত শতকের মাঝামাঝি বা শুরুর দিকের প্রাক্কলন মনে রাখতে ছোট সংখ্যা তথা ১.৫ মিলিয়ন মাথায় রাখবে।
a নীল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি বলে
b নীল সমুদ্রের প্রতিফলনের ফলে
c নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
d নীল আলোর প্রতিফলন বেশি বলে
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে ১. কেন সঠিক: - সূর্য থেকে আসা আলো বায়ুমণ্ডলের অণুগুলোর সাথে ধাক্কা খেয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, একে আলোর বিক্ষেপণ বলে। - দৃশ্যমান আলোর মধ্যে নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম থাকায় এর বিক্ষেপণ বা ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বিজ্ঞানী লর্ড রেলি আবিষ্কার করেন যে আলোর বিক্ষেপণ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের চতুর্থ ঘাতের ব্যস্তানুপাতিক। - কার্যপ্রণালি: সূর্য থেকে আসা সাদা আলো বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় কণা, ধূলিকণা ও জলীয় বাষ্পের ওপর পড়লে স্বল্প তরঙ্গদৈর্ঘ্যের নীল আলো চারদিকে বেশি ছড়িয়ে পড়ে। - কারণ ও ফলাফল: আমাদের চোখ নীল আলোর প্রতি বেশি সংবেদনশীল এবং ছড়িয়ে পড়া এই নীল আলো আমাদের চোখে ধরা পড়ায় আকাশ নীল দেখায়। - বাস্তব প্রয়োগ: সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয়ের সময় আলো অনেক বেশি পথ অতিক্রম করায় নীল আলো আগেই ছড়িয়ে হারিয়ে যায় এবং কেবল লাল বা কম বিক্ষিপ্ত আলো আমাদের চোখে পৌঁছায় বলে আকাশ লাল দেখায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রিজমের ভেতর দিয়ে সাদা আলো যাওয়ার ঘটনা। ব্যাখ্যা: প্রিজমের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় আলোর প্রতিসরণের কারণে বিভিন্ন রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ভিন্নতার জন্য আলো সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে যায়। উদাহরণ ২: ট্রাফিক সিগন্যালে লাল আলোর ব্যবহার। ব্যাখ্যা: লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি হওয়ায় কুয়াশা বা ধুলার ভেতর দিয়ে এটি কম বিক্ষিপ্ত হয়ে অনেক দূর থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি বলে — নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম বরং লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি। B) নীল সমুদ্রের প্রতিফলনের ফলে — সমুদ্র নীল দেখায় মূলত পানির অণু কর্তৃক লাল আলো শোষিত হওয়ার কারণে, আকাশের নীল রঙের প্রতিফলনের ফলে নয়। C) নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে — এটি সঠিক কারণ কারণ কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কারণে নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়। D) নীল আলোর প্রতিফলন বেশি বলে — বায়ুমণ্ডলে আলো প্রতিফলিত হয় না, বরং বিক্ষিপ্ত বা ছড়িয়ে পড়ে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম, তার বিক্ষেপণ বেশি। নীল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই এর বিক্ষেপণ বেশি হয় এবং আকাশ নীল দেখায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রেলি Scattering বা বিক্ষেপণ সংক্রান্ত সূত্রটি আলো ও তরঙ্গ অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে কেন মহাশূন্যে বা বায়ুমণ্ডল না থাকলে আকাশ কালো দেখায়।
a হৃৎপিণ্ডের সজোরে সংকোচন বা বন্ধ হয়ে যাওয়া
b মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা
c হৃৎপিণ্ডের অংশবিশেষের অসাড়তা
d ফুসফুস হঠাৎ বিকল হয়ে যাওয়া
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা ১. কেন সঠিক: - স্ট্রোক হলো এমন একটি চিকিৎসা জরুরি অবস্থা, যা ঘটে যখন মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত সরবরাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় বা কমে যায়। - এর ফলে মস্তিষ্কের কোষগুলো প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি পায় না এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে কোষগুলো মারা যেতে শুরু করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: স্ট্রোক বা সেরোপ্রোভাসকুলার অ্যাক্সিডেন্ট হলো মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহের ব্যাঘাত ঘটার কারণে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা সাময়িক বা স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়া। - কার্যপ্রণালি: এটি প্রধানত দুইভাবে ঘটে, রক্তনালী ছিঁড়ে গিয়ে মস্তিষ্কের ভেতরে রক্তক্ষরণ হওয়া বা রক্তনালীতে রক্ত জমাট বেঁধে রক্ত প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হওয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মস্তিষ্কের রক্তনালীতে চর্বি জমে রক্ত চলাচলের পথ শুরু হয়ে যাওয়া এবং রক্তপ্রবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে স্ট্রোক ঘটা। ব্যাখ্যা: এটি ইস্কেমিক স্ট্রোকের একটি বাস্তব উদাহরণ যেখানে রক্তনালীতে বাধা সৃষ্টির ফলে মস্তিষ্কের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উদাহরণ ২: উচ্চ রক্তচাপের কারণে মস্তিষ্কের দুর্বল রক্তনালী ফেটে গিয়ে রক্তক্ষরণ হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি হেমোরেজিক স্ট্রোকের উদাহরণ যা আকস্মিক অজ্ঞান বা মৃত্যুর প্রধান কারণ হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হৃৎপিণ্ডের সজোরে সংকোচন বা বন্ধ হয়ে যাওয়া — এটি কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা স্ট্রোক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি হৃদরোগজনিত সমস্যা। B) মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা — এটি স্ট্রোকের সঠিক বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা এবং এটি মস্তিষ্কের রক্তনালীর সমস্যার কারণে ঘটে। C) হৃৎপিণ্ডের অংশবিশেষের অসাড়তা — হৃৎপিণ্ডের পেশিতে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হলে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাক হয়, মস্তিষ্কের স্ট্রোক নয়। D) ফুসফুস হঠাৎ বিকল হয়ে যাওয়া — ফুসফুস হঠাৎ বিকল হওয়া বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যাকে রেসপিরেটরি ফেইলিওর বলা হয়, যা স্ট্রোকের সরাসরি কারণ বা সংজ্ঞা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হার্ট অ্যাটাক হলো হৃৎপিণ্ডের রোগ আর স্ট্রোক হলো মস্তিষ্কের রোগ। - মনে রাখার জন্য ফাস্ট বা FAST শব্দ ব্যবহার করা হয়, যেখানে এফ মানে মুখের পক্ষাঘাত, এ মানে হাতের দুর্বলতা, এস মানে কথা বলায় সমস্যা এবং টি মানে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়ার সময়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - মস্তিষ্কের রক্তনালীর ব্লকেজ বা রক্তক্ষরণ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার সময় সর্বদা স্নায়ুতন্ত্র বা মস্তিষ্কের সংশ্লিষ্টতা মনে রাখতে হবে।
a কলা (Tissue) হতে ফুসফুসে বজ্য পদার্থ বহন করা
b ক্ষুদ্রান্ত্র হতে কলাতে খাদ্যের সারবস্তু বহন করা
c হরমোন বিতরণ করা
d জারক রস (enzyme) বিতরণ করা
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জারক রস (enzyme) বিতরণ করা ১. কেন সঠিক: রক্ত মানবদেহে অক্সিজেন, পুষ্টি উপাদান, হরমোন এবং বর্জ্য পদার্থ পরিবহন করে থাকে। কিন্তু জারক রস বা এনজাইম রক্ত দ্বারা পরিবাহিত হয় না, বরং এটি পরিপাক গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়ে নালীর মাধ্যমে পরিপাক নালীতে আসে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: রক্ত হলো এক ধরনের তরল যোজক কলা যা প্রধানত প্লাজমা এবং রক্তকণিকা নিয়ে গঠিত। কার্যপ্রণালি: রক্তের কাজ হলো বিভিন্ন কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করা এবং সেখান থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালা সরাসরি মুখের ভেতর খাদ্য পরিপাকে অংশ নেয়, যা রক্ত বহন করে না। ব্যাখ্যা: জারক রস বা এনজাইম রক্তনালীর মাধ্যমে পরিবাহিত না হয়ে নালিকা কিংবা সরাসরি নির্দিষ্ট অঙ্গে কাজ করে। উদাহরণ ২: পাকস্থলী থেকে নিঃসৃত পেপসিন নামক জারক রস সরাসরি খাদ্য পরিপাক করে। ব্যাখ্যা: এই এনজাইমগুলো রক্তে মিশে সারা দেহে বিতরণ হয় না, পরিপাক তন্ত্রের নির্দিষ্ট স্থানেই এদের কার্যকারিতা সীমাবদ্ধ থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলা (Tissue) হতে ফুসফুসে বজ্য পদার্থ বহন করা — এটি রক্তের অন্যতম প্রধান কাজ কারণ বিপাকীয় ক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন কার্বন ডাইঅ্যাক্সাইড রক্ত ফুসফুসে নিয়ে আসে। B) ক্ষুদ্রান্ত্র হতে কলাতে খাদ্যের সারবস্তু বহন করা — পরিপাক হওয়ার পর গ্লুকোজ, অ্যামিনো অ্যাসিড প্রভৃতি পুষ্টি উপাদান রক্তের মাধ্যমে সারা দেহের কোষে পৌঁছায়। C) হরমোন বিতরণ করা — অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সরাসরি রক্তে মিশে লক্ষ্য অঙ্গে পরিবাহিত হয়। D) জারক রস (enzyme) বিতরণ করা — এটি রক্তের কাজ নয় কারণ জারক রস রক্তে মিশে পরিবাহিত হয় না, এটি পরিপাকতন্ত্রের গ্রন্থি থেকে উৎপাদিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রক্ত পরিবহনতন্ত্রের অংশ হিসেবে পুষ্টি, গ্যাস ও হরমোন বহন করে। তবে পরিপাকের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম বা জারক রস পরিপাক নালীতে সরাসরি কাজ করে, রক্তে ছড়ায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তের প্রধান উপাদান প্লাজমা এবং এর মাধ্যমেই মূলত হরমোন, ভিটামিন ও বর্জ্য পদার্থ পরিবাহিত হয়। এই টপিক থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রক্তের কাজ এবং কাজ নয় এমন বিষয়গুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a এলইডি
b সিলিকন চিপ
c এলসিডি
d আইসি
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এলসিডি ১. কেন সঠিক: ডিজিটাল ঘড়ি বা ক্যালকুলেটরে কালচে অনুজ্জ্বল লেখা প্রদর্শনের জন্য এলসিডি বা লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়। এটি তরল স্ফটিকের ওপর তড়িৎ ক্ষেত্র প্রয়োগ করে আলোর স্বচ্ছতা পরিবর্তন করার মাধ্যমে অক্ষর বা সংখ্যা ফুটিয়ে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এলসিডি হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে তরল স্ফটিক বা লিকুইড ক্রিস্টাল ব্যবহার করে দৃশ্যমান চিত্র বা লেখা তৈরি করা হয়। কার্যপ্রণালি: বৈদ্যুতিক সংকেত প্রয়োগ করলে তরল স্ফটিকগুলোর বিন্যাস পরিবর্তিত হয় এবং ব্যাকলাইট বা প্রতিফলিত আলোকে আটকে দিয়ে বা পথ পরিবর্তন করে কালচে অনুজ্জ্বল লেখা দৃশ্যমান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পকেটের সাধারণ ক্যালকুলেটর। ব্যাখ্যা: এর স্ক্রিনে যে সংখ্যাগুলো দেখা যায় তা এলসিডি প্রযুক্তির সাহায্যে কম বিদ্যুৎ খরচ করে প্রদর্শিত হয়। উদাহরণ ২: ডিজিটাল টেবিল ঘড়ি। ব্যাখ্যা: এই ঘড়িগুলোর পর্দায় সময় প্রদর্শনের জন্য এলসিডি প্যানেল ব্যবহার করা হয় যা ব্যাটারির চার্জ দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এলইডি — এটি লাইট ইমিটিং ডায়োড নির্দেশ করে যা নিজে আলো ছড়ায়, যেমন আধুনিক টেলিভিশন বা বিজ্ঞাপনের রঙিন বড় পর্দা। B) সিলিকন চিপ — এটি ডেটা প্রক্রিয়াজাতকরণ ও হিসাব-নিকাশের কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোপ্রসেসর বা আইসি তৈরিতে প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) এলসিডি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ডিজিটাল ঘড়ি বা ক্যালকুলেটরে কালচে অনুজ্জ্বল লেখা ফুটিয়ে তুলতে কাজ করে। D) আইসি — ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি হলো একটি ক্ষুদ্র চিপ যার মধ্যে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর ও ইলেকট্রনিক সার্কিট একসঙ্গে সংযুক্ত থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: ডিজিটাল ঘড়ির লেখা বা ক্যালকুলেটরের স্ক্রিন মানেই তরল স্ফটিক বা এলসিডি প্রযুক্তি। কম বিদ্যুৎ খরচে স্বল্প পরিসরে সংখ্যা দেখানোর জন্য এলসিডি সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিসপ্লেসংক্রান্ত প্রশ্নে এলসিডি এবং এলইডির পার্থক্য প্রায়ই আসে। এলসিডি কাজ করার জন্য সাধারণত বাহ্যিক আলোর ওপর নির্ভর করে অথবা নিচে ছোট আলোর উৎস ব্যবহার করে।
a সরাসরি মাটিতে মিশ্রিত হয়ে জৈব বস্তু প্রস্তুত করে
b ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে উদ্ভিদের গ্রহণ উপযোগী বস্তু প্রস্তুত করে
c পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার ফলে
d মাটির অজৈব লবণকে পরিবর্তিত করে
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে উদ্ভিদের গ্রহণ উপযোগী বস্তু প্রস্তুত করে ১. কেন সঠিক: বাতাসের নাইট্রোজেন সরাসরি উদ্ভিদ গ্রহণ করতে পারে না, তাই মাটিতে থাকা নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া একে অ্যামোনিয়াম ও নাইট্রেটে রূপান্তর করে। এই নাইট্রোজেন সংবদ্ধকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ মাটি থেকে পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে উর্বরতা বৃদ্ধি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রোজেনকে উদ্ভিদের উপযোগী যৌগে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া হলো নাইট্রোজেন ফিক্সেশন বা সংবন্ধন। কার্যপ্রণালি: রাইজোবিয়াম নামক ব্যাকটেরিয়া সিম্বিওটিক বা সহাবস্থান প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের মূলে নডিউল তৈরি করে নাইট্রোজেন স্থির করে। কারণ ও ফলাফল: মুক্ত বাতাস থেকে নাইট্রোজেন মাটিতে এসে রাসায়নিকভাবে পরিবর্তিত হয়ে উদ্ভিদের প্রোটিন ও ডিএনএ তৈরিতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিম জাতীয় উদ্ভিদের মূলে রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি। ব্যাখ্যা: এই ব্যাকটেরিয়া বাতাস থেকে নাইট্রোজেন এনে মাটিতে নাইট্রেট লবণ তৈরি করে মাটির পুষ্টি বাড়ায়। উদাহরণ ২: বজ্রপাতের সময় বৃষ্টির পানির সাথে নাইট্রোজেনের মাটিতে মিশে যাওয়া। ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ চমকানোর ফলে নাইট্রোজেন অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে যা পরবর্তীতে মাটিতে মিশে উর্বরতা বাড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরাসরি মাটিতে মিশ্রিত হয়ে জৈব বস্তু প্রস্তুত করে — বাতাস থেকে নাইট্রোজেন সরাসরি জৈব বস্তু প্রস্তুত করতে পারে না, এর জন্য ব্যাকটেরিয়ার সাহায্য প্রয়োজন। C) পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার ফলে — পানিতে সামান্য নাইট্রোজেন মিশলেও তা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির প্রধান ও প্রত্যক্ষ জৈবিক প্রক্রিয়া নয়। D) মাটির অজৈব লবণকে পরিবর্তিত করে — বাতাস থেকে আসা নাইট্রোজেন মাটির পূর্বের অজৈব লবণকে সরাসরি পরিবর্তন করে না, বরং নতুন যৌগ তৈরি করে। ৫ মনে রাখার টিপস: মাটিতে নাইট্রোজেনের ভাণ্ডার বাড়াতে ব্যাকটেরিয়া সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে। রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া মানেই গাছের বন্ধু এবং মাটির উর্বরতার চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাতাসে নাইট্রোজেনের পরিমাণ ৭৮.০৯% হলেও উদ্ভিদ সরাসরি তা ব্যবহার করতে পারে না। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়শই নাইট্রোজেন সংবদ্ধকরণকারী ব্যাকটেরিয়া যেমন রাইজোবিয়াম বা নস্টক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
b নিমভূমি নিমজ্জিত হবে
c সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
d সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিমভূমি নিমজ্জিত হবে ১. কেন সঠিক: গ্রীন হাউজ ইফেক্ট বা গ্রীনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলে বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটে এবং মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক ও নিচু বদ্বীপ অঞ্চল হওয়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে এর উপকূলীয় ও নিম্নাঞ্চল সমুদ্রের পানিতে তলিয়ে যাওয়ার মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও অন্যান্য গ্রীনহাউস গ্যাসের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্রীন হাউজ ইফেক্ট বলে। কার্যপ্রণালি: বায়ুমণ্ডলে আটকে থাকা অতিরিক্ত তাপ পৃথিবীর মেরু অঞ্চলের হিমবাহ ও বরফ গলিয়ে সমুদ্রে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। কারণ ও ফলাফল: তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের পানির তাপীয় প্রসারণ ঘটে এবং বরফ গলে পানির আয়তন বৃদ্ধি পায়, যার ফলে উপকূলীয় নিমভূমি প্লাবিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবন অঞ্চলের ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। ব্যাখ্যা: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সুন্দরবনের মতো নিচু উপকূলীয় অঞ্চল লবণাক্ত পানিতে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। উদাহরণ ২: গঙ্গা ও ব্রক্ষ্মপুত্র অববাহিকার ডেল্টীয় এলাকা। ব্যাখ্যা: নদীর মোহনা ও উপকূলবর্তী জনপদগুলো সমুদ্রের পানি বৃদ্ধির ফলে ধীরে ধীরে নিমজ্জিত হতে শুরু করবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে — উত্তাপ বৃদ্ধি পেলেও এটি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের একটি প্রাথমিক প্রভাব, কিন্তু ভৌগোলিক দিক থেকে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে মারাত্মক প্রত্যক্ষ ও স্থায়ী ভৌগোলিক ক্ষতি হলো নিমভূমি নিমজ্জিত হওয়া। B) নিমভূমি নিমজ্জিত হবে — এটি সঠিক উত্তর কারণ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় নিচু এলাকাগুলো স্থায়ীভাবে পানির নিচে তলিয়ে যাবে। C) সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে — সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়ে সত্য, কিন্তু এটি গ্রীনহাউস প্রতিক্রিয়ার একটি পরোক্ষ ও জলবায়ুজনিত ফল, যা দেশের সবচেয়ে বড় প্রত্যক্ষ ও স্থায়ী ভৌগোলিক ক্ষতি নয়। D) সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে — অপশনটি পুনরাবৃত্তিমূলক এবং এটি গ্রীনহাউস গ্যাসের প্রভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের একটি আনুষঙ্গিক ফলাফল মাত্র। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রীনহাউস ইফেক্ট মানেই তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি মানেই বরফ গলা ও সমুদ্রের পানি বেড়ে নিচু ভূমি তলিয়ে যাওয়া। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান নিচু হওয়ায় এর সবচেয়ে বড় দৃশ্যমান ও ভয়াবহ পরিণতি হলো নিমভূমির নিমজ্জন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গ্রীনহাউস গ্যাসের জন্য প্রধানত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস দায়ী। এ ধরনের পরিবেশগত পরিবর্তন থেকে বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই বৈশ্বিক উষ্ণতা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a ফুসফুসে রোগ সৃষ্টি করে
b গ্রীন হাউজ ইফেক্টে অবদান রাখে
c ওজোন স্তরে ফুটো সৃষ্টি করে
d দাহ্য বলে অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাবনা ঘটায়
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওজোন স্তরে ফুটো সৃষ্টি করে ১. কেন সঠিক: সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বন গ্যাস বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফেয়ারে পৌঁছে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ভেঙে যায় এবং ক্লোরিন পরমাণু মুক্ত করে। এই মুক্ত ক্লোরিন পরমাণু ওজোন অণুকে ভেঙে অক্সিজেনে পরিণত করে, যার ফলে ওজোন স্তরের ক্ষয় ঘটে বা ফুটো সৃষ্টি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সিএফসি হলো কার্বন, ক্লোরিন এবং ফ্লোরিনের একটি কৃত্রিম যৌগ যা অত্যন্ত স্থিতিশীল এবং সহজে নষ্ট হয় না। রাসায়নিক বিক্রিয়া: সিএফসি থেকে মুক্ত হওয়া ক্লোরিন পরমাণু একটি চেইন বিক্রিয়ার মাধ্যমে হাজার হাজার ওজোন অণুকে ধ্বংস করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনারে কুলিং এজেন্ট হিসেবে অতীতে সিএফসি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হতো। ব্যাখ্যা: এসব যন্ত্রের লিকেজ বা পুরনো যন্ত্র নষ্ট হওয়ার সময় সিএফসি গ্যাস বায়ুমণ্ডলে মিশে ওজোন স্তরের ক্ষতি করত। উদাহরণ ২: হেয়ার স্প্রে বা বডি স্প্রে এরোসল ক্যানে প্রপেলান্ট হিসেবে সিএফসি ব্যবহার করা হতো। ব্যাখ্যা: স্প্রে ব্যবহারের সময় এই গ্যাস সরাসরি বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে এবং ওজোন স্তরে পৌঁছে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুসফুসে রোগ সৃষ্টি করে — ফুসফুসের রোগ প্রধানত ধূমপান, বায়ু দূষণ, ধূলিকণা বা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়, সরাসরি সিএফসি এর জন্য নয়। B) গ্রীন হাউজ ইফেক্টে অবদান রাখে — যদিও সিএফসি একটি গ্রীন হাউজ গ্যাস, তবে এর প্রধান ক্ষতিকর দিক হলো ওজোন স্তর ধ্বংস করা। C) ওজোন স্তরে ফুটো সৃষ্টি করে — এটি সঠিক কারণ সিএফসি অণুর ক্লোরিন ওজোন স্তরকে ভেঙে ক্ষয় করে। D) দাহ্য বলে অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাবনা ঘটায় — সিএফসি সাধারণত অদাহ্য এবং বিষহীন হওয়ায় এটি অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: সিএফসি মানে ক্লোরোফ্লোরোকার্বন, যেখানে থাকা ক্লোরিন অক্ষরটি মনে রাখবে ওজোন স্তরের ছিদ্র বা ক্লোরিন চক্রের সঙ্গে যুক্ত। পরিবেশবিজ্ঞানের প্রশ্নে সিএফসি দেখলেই চোখ বন্ধ করে ওজোন স্তর ক্ষয় বা মন্ট্রিল প্রটোকলের কথা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ওজোন স্তর রক্ষার্থে সিএফসি ব্যবহারের বিরুদ্ধে ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত হয় ঐতিহাসিক মন্ট্রিল প্রটোকল। বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে ওজোন স্তর থাকে এবং তা ক্ষয়কারী প্রধান উপাদান কী, এই দুই তথ্য বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a নতুন ধরনের এক্সরে
b ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দের দ্বারা ইমেজিং
c শরীরের অভ্যন্তরের শব্দ বিশ্লেষণ
d শক্তিশালী শব্দ দিয়ে পিত্তপাথর বিচূর্ণীকরণ
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দের দ্বারা ইমেজিং ১. কেন সঠিক: - আলট্রাসনোগ্রাফিতে উচ্চ কম্পাংকের এবং খুব ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করা হয় যা মানবদেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে বিভিন্ন টিস্যু থেকে প্রতিফলিত হয়ে ছবি তৈরি করে। - এটি ক্ষতিকর এক্সরে বা তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছাড়াই শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নিখুঁত প্রতিচ্ছবি বা সোনোগ্রাফি তৈরি করতে সক্ষম। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলট্রাসনোগ্রাফি বা সোনোগ্রাফি হলো এমন একটি মেডিকেল ইমেজিং প্রযুক্তি যা শব্দ তরঙ্গের প্রতিধ্বনি বা ইকো ব্যবহার করে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গের ছবি তোলে। - কার্যপ্রণালি: ট্রান্সডুসার নামক যন্ত্রের মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ শরীরে পাঠানো হয়, যা অঙ্গের সীমানা থেকে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে এবং কম্পিউটারের সাহায্যে মনিটরে প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ, হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা দেখা এবং যকৃত বা কিডনির রোগ নির্ণয়ে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গর্ভবতী মায়ের পেটে আলট্রাসনোগ্রাফি করা। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে চিকিৎসকরা জরায়ুর ভেତরে ভ্রূণের স্বাভাবিক বিকাশ, হৃদস্পন্দন এবং সম্ভাব্য কোনো জটিলতা নিরাপদে পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। উদাহরণ ২: পিত্তথলিতে পাথর নির্ণয়। ব্যাখ্যা: শব্দ তরঙ্গ পিত্তথলিতে থাকা পাথরের গায়ে বাধা পেয়ে ফিরে আসে, ফলে মনিটরে পাথরের অবস্থান স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নতুন ধরনের এক্সরে — এক্সরেতে আইনয়নকারী তেজস্ক্রিয় রশ্মি ব্যবহার করা হয়, কিন্তু আলট্রাসনোগ্রাফিতে কোনো এক্সরে বা বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না বরং এটি শব্দ তরঙ্গভিত্তিক। B) ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দের দ্বারা ইমেজিং — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এতে উচ্চ কম্পাংক ও ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দ ব্যবহার করে ইমেজিং করা হয়। C) শরীরের অভ্যন্তরের শব্দ বিশ্লেষণ — এটি ভুল কারণ শরীর নিজে শব্দ তৈরি করে না, বরং বাইরে থেকে শব্দ তরঙ্গ পাঠিয়ে তার প্রতিধ্বনি বিশ্লেষণ করা হয়। D) শক্তিশালী শব্দ দিয়ে পিত্তপাথর বিচূর্ণীকরণ — এই অপশনটি লিথোট্রিপসি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত, যা শব্দ তরঙ্গ দিয়ে পাথর ভাঙার কাজ করে কিন্তু আলট্রাসনোগ্রাফি শুধু ছবি তোলার জন্য ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আলট্রাসনোগ্রাফি শব্দটির সঙ্গে শব্দ বা সাউন্ড শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে হবে কারণ এটি সম্পূর্ণভাবে শব্দ তরঙ্গের প্রতিধ্বনি বা ইকো নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। - এক্সরের সঙ্গে একে গুলিয়ে ফেলা যাবে না কারণ এক্সরে তেজস্ক্রিয় রশ্মি আর আলট্রাসনোগ্রাফি নিরাপদ শব্দ তরঙ্গ নিয়ে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আলট্রাসনোগ্রাফিতে ব্যবহৃত শব্দ তরঙ্গের কম্পাংক মানুষের শ্রবণ সীমার চেয়ে অনেক বেশি হয় যা সাধারণ কান শুনতে পায় না। - এই প্রযুক্তি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ইকোকার্ডিওগ্রাফি এবং সোনোগ্রাফির মতো বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
a প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার বন্ধ হয়
b প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ একক দৈর্ঘ্য অতিক্রম করে
c প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায়
d প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার ওঠানামা করে
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায় ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো আমাদের গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ প্রবাহটি হলো পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বা অলটারনেটিং কারেন্ট। - এই ধরণের বিদ্যুৎ নির্দিষ্ট সময় পর পর তার প্রবাহের দিক পরিবর্তন করে এবং চক্র সম্পন্ন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তড়িৎ কম্পাঙ্ক হলো প্রতি সেকেন্ডে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ কতবার তার পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করে তার পরিমাপ। - কার্যপ্রণালি: ৫০ হার্জ কম্পাঙ্কের অর্থ হলো বিদ্যুৎ প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করে এবং প্রতি চক্রে দুইবার দিক বদলায়। - কারণ ও ফলাফল: পূর্ণ চক্রে দুইবার দিক বদলানোর কারণে ৫০ হার্জ কম্পাঙ্কে বিদ্যুৎ প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে মোট একশ বার দিক পরিবর্তন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের দেশের বাসা বাড়িতে চালিত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন ফ্যান বা বাল্ব এই কম্পাঙ্কে খুব দ্রুত দিক বদলের মাধ্যমে সচল থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক পাখা ব্যাখ্যা: পাখা বা ফ্যান চললে যে বিদ্যুৎ সরবরাহ হয় তা প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার দিক বদলায়, যা পরিবর্তী প্রবাহের মূল বৈশিষ্ট্য। উদাহরণ ২: এসি বাল্বের আলো ব্যাখ্যা: বৈদ্যুতিক বাল্ব প্রতি সেকেন্ডে একশ বার জ্বলে ও নেভে, যা মানুষের চোখ ধরতে পারে না কিন্তু এর কম্পাঙ্কের ফল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার বন্ধ হয় — বিদ্যুৎ প্রবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয় না, বরং এর দিক পরিবর্তিত হয়। B) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ একক দৈর্ঘ্য অতিক্রম করে — কম্পাঙ্ক কোনো দৈর্ঘ্য নির্দেশ করে না, এটি সময়ের সাথে সম্পর্কিত। C) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায় — এটি সঠিক কারণ কম্পাঙ্কের সংজ্ঞা অনুযায়ী প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার পূর্ণ সাইকেল সম্পন্ন হয়। D) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার ওঠানামা করে — ওঠানামা বলতে শুধু মান পরিবর্তন বোঝায়, কিন্তু কম্পাঙ্ক মূলত দিক পরিবর্তনের পূর্ণ চক্রকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কম্পাঙ্ক বা ফ্রিকোয়েন্সি শব্দ দেখলে বুঝতে হবে এটি প্রতি সেকেন্ডে ঘটিত কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি। - ৫০ হার্জ মানে সেকেন্ডে ৫০ বার পূর্ণ সাইকেল বা দিক বদল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার স্ট্যান্ডার্ড কম্পাঙ্ক ৫০ হার্জ এবং উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতে এটি ৬০ হার্জ। - ডিরেক্ট কারেন্ট বা ডিসি বিদ্যুতের কম্পাঙ্ক শূন্য কারণ এটি কখনো দিক বদলায় না।
a যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
b নদী স্রোতের সুকৌশল ব্যবহারে
c গুণ টানার সময় টানটি সামনের দিকে রেখে
d পাল ব্যবহার করে
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে ১. কেন সঠিক: নৌকার গুণ টানার সময় তীর থেকে বল প্রয়োগ করা হয় যা নৌকাকে বাঁকা পথে টেনে নিতে চায়। এই অবস্থায় মাঝি হাল যথাযথভাবে ঘুরিয়ে নদীর স্রোত এবং গুণ টানার বলের মধ্যে একটি লব্ধি বল তৈরি করেন যা নৌকাকে মাঝ নদীতে রেখে সামনে এগিয়ে নেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভেক্টরের সাম্যবস্থা এবং বলের উপাংশ বিভাজন। কার্যপ্রণালি: গুণ টানার ফলে নৌকার ওপর তির্যকভাবে বল প্রযুক্ত হয় এবং হালের সাহায্যে পানির বাধাকে কাজে লাগিয়ে নৌকাকে নির্দিষ্ট গতিপথে রাখা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পালতোলা নৌকা বাতাসকে আড়ভাবে কেটে বিপরীত দিকে এগিয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি ভেক্টরের উপাংশ বিভাজনের মাধ্যমে বলের অভিমুখ পরিবর্তনের একটি চমৎকার বাস্তব প্রয়োগ। উদাহরণ ২: বিমানের ডানা বা এয়ারফয়েল বায়ুর প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে উড্ডয়ন করে। ব্যাখ্যা: এটি তরল বা বায়ুর গতিশীলতার বলকে সুকৌশল ব্যবহারের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে — এই অপশনটি প্রশ্নে সঠিক বলা হলেও পদার্থবিজ্ঞানের গতিবিদ্যা ও বলের উপাংশ অনুযায়ী এটি আংশিক বা অসম্পূর্ণ, কারণ মূলত গুণ টানার বল এবং হালের যৌথ ক্রিয়ায় এটি ঘটে। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলিত উত্তর হিসেবে এটি গৃহীত। B) নদী স্রোতের সুকৌশল ব্যবহারে — নদী স্রোত একা নৌকাকে সামনে নিতে পারে না যদি না হালের মাধ্যমে দিক নিয়ন্ত্রণ করা হয়। C) গুণ টানার সময় টানটি সামনের দিকে রেখে — তীরের সাপেক্ষে গুণ সব সময় নির্দিষ্ট কোণে টানা হয়, একে সরাসরি সামনের দিকে রাখা সম্ভব নয়। D) পাল ব্যবহার করে — গুণ টানা নৌকায় সাধারণত পাল ব্যবহৃত হয় না, এখানে তীরের বল ও হালের ভূমিকা প্রধান। ৫ মনে রাখার টিপস: নৌকা সোজা রাখতে হালের কাজ সবার আগে মনে রাখবে। গুণ টানার বল আর হালের দিক মিলেই নৌকা চলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বলের লব্ধি এবং দিক পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। একই ধারণা থেকে ভেক্টরের উপাংশ ও সাম্যবস্থা সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

মোট প্রশ্ন (20)

a তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের ব্যবহারে
b ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
c শব্দের কথ্য ও লেখ্য রূপে
d বাক্যের সরলতা ও জটিলতায়
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে ১. কেন সঠিক: সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য নিহিত রয়েছে মূলত ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত পার্থক্যের মধ্যে। বাক্যের অন্য পদগুলো যেমন বিশেষ্য ও বিশেষণ উভয় রীতিতেই প্রায় অভিন্ন থাকে, কিন্তু ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম রূপ বদলায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ হয় দীর্ঘ ও প্রাচীন এবং চলিত রীতিতে তা হয় সংক্ষিপ্ত ও গতিশীল। যেমন সাধু রীতির করিয়াছি বা তাহারা চলিত রীতিতে করেছি বা তারা রূপে পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধু রীতি: তাহারা কাজটি করিতেছে। ব্যাখ্যা: এখানে তাহারা হলো সর্বনাম পদ এবং করিতেছে হলো ক্রিয়াপদ। উদাহরণ ২: চলিত রীতি: তারা কাজটি করছে। ব্যাখ্যা: এখানে তারা হলো সর্বনাম পদ এবং করছে হলো ক্রিয়াপদ যা চলিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের ব্যবহারে — তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের ব্যবহার সাধু বা চলিত ভাষার মূল পার্থক্যের প্রধান মাপকাঠি নয়। B) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে — এটি সঠিক কারণ এই পদগুলোর রূপের পরিবর্তনের মাধ্যমেই সাধু ও চলিত ভাষা মূলত আলাদা হয়। C) শব্দের কথ্য ও লেখ্য রূপে — চলিত ভাষাও লেখ্য রূপ হিসেবে প্রমিত বাংলা একাডেমিতে স্বীকৃত তাই এটি মূল পার্থক্য নয়। D) বাক্যের সরলতা ও জটিলতায় — ভাষার সরলতা বা জটিলতা রীতির ওপর নির্ভর করে না বরং লেখকের লেখার দক্ষতার ওপর নির্ভর করে। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য মনে রাখার সহজ উপায় হলো সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পরিবর্তন লক্ষ করা। সাধু ভাষার শব্দ সাধারণত ত, হ বা ম যুক্ত বড় হয় এবং চলিত ভাষায় তা ছোট ও সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু থেকে চলিত রূপান্তর বা পদের পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ দেখেই সাধারণত সাধু ও চলিত রীতি চিহ্নিত করতে হয়।
a জ্ঞান
b বুদ্ধি
c মেধা
d প্রজ্ঞা
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রজ্ঞা ১. কেন সঠিক: - Wisdom শব্দের সঠিক ও প্রমিত পারিভাষিক অর্থ হলো প্রজ্ঞা, যা গভীর জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং অন্তর্দৃষ্টির সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চতর মানসিক গুণ। - সাধারণ জ্ঞানের চেয়ে প্রজ্ঞা অনেক বেশি গভীর, যা জীবনকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি পারিভাষিক শব্দের প্রশ্ন, যেখানে ইংরেজি পরিভাষার যথাযথ বাংলা প্রতিশব্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি বা ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ জানতে চাওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Health is wealth. ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রবাদ বাক্য, যেখানে স্বাস্থ্যই সম্পদ বোঝাতে পারিভাষিক শব্দের সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। উদাহরণ ২: Knowledge is power. ব্যাখ্যা: এখানে জ্ঞানের শক্তি প্রকাশ করতে পারিভাষিক শব্দের যথার্থ ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞান — জ্ঞান হলো কেবল তথ্য বা কোনো বিষয়ে জানা, যা Wisdom শব্দের সবচেয়ে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ প্রজ্ঞা অর্থ প্রকাশ করে না। B) বুদ্ধি — বুদ্ধি হলো কোনো কিছু দ্রুত বোঝার বা সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, যা Wisdom বা প্রজ্ঞার মতো গভীর বোধকে পুরোপুরি বোঝায় না। C) মেধা — মেধা হলো মুখস্থ করার বা ধারণ করার অসাধারণ ক্ষমতা, যা Wisdom শব্দের পারিভাষিক অর্থ হিসেবে সঠিক নয়। D) প্রজ্ঞা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রজ্ঞা বলতে সুগভীর জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার আলোকে সঠিক বিচার করার ক্ষমতাকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি Wisdom শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি সাধারণ জ্ঞান নয়, বরং এর উচ্চতর রূপ অর্থাৎ প্রজ্ঞা। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ করার সময় শব্দের গভীরতা বা পরিধি খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ইংরেজি শব্দের পারিভাষিক রূপ নির্ণয়ের সময় বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত অভিধান অনুসরণ করা উচিত।
a সে বই পড়ছে
b সে গভীর চিন্তায় মগ্ন
c সে ঘুমিয়ে আছে
d সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হবে অপশন D) সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না। ১. কেন সঠিক: - সমধাতুজ কর্ম হলো যখন বাক্যের ক্রিয়া এবং কর্মপদ একই ধাতু বা উৎস থেকে গঠিত হয়। এখানে চাল চেলেছে বাক্যের ক্রিয়া চাল ধাতু থেকে এসেছে এবং কর্মপদ চাল বা চালনা একই ধাতু থেকে উৎপন্ন। - সমধাতুজ কর্মকে ধাতুর্ত্তক কর্মও বলা হয় কারণ এটি ধাতু থেকে সৃষ্টি হয় এবং ক্রিয়ার অর্থকে বিশেষভাবে প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমধাতুজ কর্মের সংজ্ঞা হলো বাক্যের সমাপিকা ক্রিয়া যে ধাতু থেকে গঠিত হয়, তার কর্মপদটিও যদি সেই একই ধাতু থেকে গঠিত হয়, তবে তাকে সমধাতুজ কর্ম বলে। যেমন, এমন চমৎকার খেলা খেলেছে যে সবাই মুগ্ধ। - এখানে খেলা হলো কর্মপদ এবং খেলেছে হলো ক্রিয়া, যা খেল ধাতু থেকে উদ্ভূত। বাংলা ব্যাকরণে কারক ও বিভক্তি অধ্যায়ের কর্মকারকের আলোচনায় এই বিশেষ প্রকারের কর্ম নিয়ে বিস্তারিত বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে কি দারুণ ঘুম ঘুমালো। ব্যাখ্যা: এখানে ঘুম হলো সমধাতুজ কর্ম এবং ঘুমালো হলো ক্রিয়া যা একই ঘুম ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশ রক্ষা করার জন্য মোরা এক গান গাইলাম। ব্যাখ্যা: এখানে গান হলো কর্মপদ এবং গাইলাম হলো ক্রিয়া, যা গায় ধাতু থেকে সাধিত হওয়ায় এটি সমধাতুজ কর্মের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সে বই পড়ছে — এখানে বই হলো সাধারণ কর্মপদ কারণ পড়ছে ক্রিয়া এবং বই পদ দুটি ভিন্ন ধাতু থেকে এসেছে। B) সে গভীর চিন্তায় মগ্ন — এখানে কোনো সমধাতুজ কর্ম নেই বরং এটি অধিকরণ কারকের একটি উদাহরণ মাত্র। C) সে ঘুমিয়ে আছে — এখানে ঘুমিয়ে আছে হলো অকর্মক ক্রিয়া কারণ এই বাক্যের কোনো কর্মপদই উপস্থিত নেই। D) সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না — এখানে চাল চেলেছে ক্রিয়ার চাল এবং কর্মপদ একই ধাতু থেকে আসায় এটি সমধাতুজ কর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমধাতুজ কর্ম চেনার সহজ উপায় হলো ক্রিয়া এবং কর্মের মধ্যে মিল খোঁজা। ক্রিয়ার মূল ধাতু এবং কর্মের মূল শব্দ একই হলে তা সমধাতুজ কর্ম হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমধাতুজ কর্ম বা ধাতুর্ত্তক কর্ম থেকে প্রশ্ন আসে। এমন প্রশ্ন দেখলে প্রথমে ক্রিয়া এবং কর্মের মূল ধাতু মিলিয়ে দেখতে হবে।
a ইচ্ছাময়
b ঐচ্ছিক
c ইচ্ছুক
d অনিচ্ছা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইচ্ছাময় ১. কেন সঠিক: - ইচ্ছা বিশেষ্য পদের সঙ্গে ময় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ইচ্ছাময় বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। - ইচ্ছাময় শব্দের অর্থ ইচ্ছা বা পূর্ণ স্বাধীনতা আছে যার, যা বিশেষ্য পদের দোষ গুণ বা ভাব প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদকে বিশেষিত করার জন্য বিশেষ্য বা অন্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে বিশেষণ পদ তৈরি করা হয়। - বাংলা ব্যাকরণে ময় প্রত্যয়যুক্ত পদ সাধারণত বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং তা কোনো গুণের আধিক্য বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দয়াময় ব্যাখ্যা: দয়া বিশেষ্য পদের সঙ্গে ময় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দয়াময় বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: শক্তিময় ব্যাখ্যা: শক্তি বিশেষ্য পদের সঙ্গে ময় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শক্তিময় বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইচ্ছাময় - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি ভাববাচক বিশেষণ পদ। B) ঐচ্ছিক - এটি ইচ্ছা শব্দ থেকে গঠিত বিশেষণ হলেও এটি তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত ভিন্ন শব্দ রূপ যার অর্থ ঐচ্ছিক বা বিকল্প। C) ইচ্ছুক - এটি ইচ্ছা শব্দের অন্য একটি রূপ যা মূলত ইচ্ছা প্রকাশকারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর গঠন ভিন্ন। D) অনিচ্ছা - এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ ইচ্ছার অভাব, তাই এটি বিশেষণ পদের নির্দেশক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে ময় থাকলে তা সাধারণত বিশেষণ পদ হয়। - বিশেষ্য পদের সঙ্গে ময় যুক্ত করে সহজে বিশেষণ তৈরি করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পরিবর্তনের নিয়ম প্রায়ই আসে। - প্রত্যয় সাধিত বিশেষণ চেনার জন্য শব্দের মূল রূপ ও প্রত্যয় ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a শৈত্য
b শীতল
c উত্তাপ
d হিম
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শৈত্য ১. কেন সঠিক: 'তাপ' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো শৈত্য কারণ তাপ বিশেষ্য পদের বিপরীতে সমজাতীয় বিশেষ্য পদ ব্যবহার করতে হয়। তাপ শব্দের অর্থ উষ্ণতা বা গরম, অন্যদিকে শৈত্য শব্দের অর্থ শীতলতা বা ঠান্ডা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের ক্ষেত্রে পদের মিল রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ সাধারণত বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ বিশেষণ পদ হয়ে থাকে। তাপ একটি বিশেষ্য পদ এবং এর বিপরীতার্থক শব্দ শৈত্যও একটি বিশেষ্য পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনুরাগ - বিরাগ ব্যাখ্যা: এটি বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দের একটি সঠিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: উন্নত - অবনত ব্যাখ্যা: এটি বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দের একটি সঠিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈত্য - এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাপ শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক বিশেষ্য পদ। B) শীতল - এই অপশনটি ভুল কারণ শীতল একটি বিশেষণ পদ, যা তাপ বিশেষ্যের সরাসরি বিপরীতার্থক বিশেষ্য রূপ নয়। C) উত্তাপ - এই অপশনটি ভুল কারণ উত্তাপ হলো তাপ শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) হিম - এই অপশনটি ভুল কারণ হিম অর্থ বরফ বা তুষার, যা তাপ শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষ্য পদের বিপরীতে বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীতে বিশেষণ পদ নির্বাচন করার নিয়মটি মনে রাখবে। তাপ বিশেষ্য হওয়ায় এর বিপরীত শব্দ হিসেবে শৈত্য বিশেষ্য পদটি বেছে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের ব্যাকরণগত শ্রেণি মিল রেখে বিপরীত শব্দ নির্ণয় করতে হয়। সমার্থক শব্দ এবং বিপরীতার্থক শব্দ গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a দুঃ + লোক
b দিব্ + লোক
c দ্বি + লোক
d দ্বিঃ + লোক
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দিব্ + লোক কেন সঠিক: ১. এটি সংস্করণের নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে। ২. সন্ধির সূত্রানুসারে দিব্ শব্দের সাথে লোক শব্দ যুক্ত হয়ে দ্যুলোক শব্দটি গঠিত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. সংস্করক ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে কিছু শব্দ কোনো সাধারণ নিয়ম ছাড়াই পরিবর্তিত হয়, যাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। ২. দ্যুলোক শব্দটির অর্থ দ্যু বা স্বর্গলোক এবং এটি কাব্যসাহিত্যে আকাশ অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. একই নিয়মে দিব্ + লোক মিলে দ্যুলোক গঠিত হওয়ার কারণে এটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুঃ + লোক — এই নিয়মে বিসর্গ সন্ধি হয় এবং এটি দ্যুলোক শব্দের সঠিক গঠন প্রক্রিয়া সমর্থন করে না। B) দিব্ + লোক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) দ্বি + লোক — দ্বি শব্দের সাথে লোক যুক্ত হলে দ্যুলোক শব্দটি তৈরি হতে পারে না। D) দ্বিঃ + লোক — বিসর্গযুক্ত দ্বিঃ শব্দের সাথে লোক যুক্ত হয়ে এই বিশেষ শব্দটি গঠিত হয় না। মনে রাখার টিপস: ১. দ্যুলোক শব্দটি দেখলে চোখ বন্ধ করে দিব্ + লোক মনে রাখবে। ২. এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হওয়ায় এর কোনো প্রচলিত সূত্র মুখস্থ করার প্রয়োজন নেই।
a মুহুর্মুহু
b মূহুর্মুহু
c র্মুহর্মূহু
d মুহুর্মুহু
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুহুর্মুহু ১. কেন সঠিক: - সঠিক বানানটিতে প্রথম ও তৃতীয় অক্ষরে হ্রস্ব উ-কার (ু) এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ অক্ষরে দীর্ঘ ঊ-কার (ূ) ব্যবহার করা হয়েছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ বারবার বা ঘনঘন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে বিদেশী শব্দ বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই-কার ও হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের নিয়ম প্রযোজ্য হয়। - এই শব্দটিতে বানানের নির্দিষ্ট ছান্দিক বা রূপগত কাঠামোর কারণে প্রথম অংশে হ্রস্ব উ এবং পরের অংশে দীর্ঘ ঊ বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুমূর্ষু ব্যাখ্যা: এই শব্দটির প্রথম ও তৃতীয় অক্ষরে হ্রস্ব উ-কার এবং দ্বিতীয় অক্ষরে দীর্ঘ ঊ-কার বসেছে যা একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বানান। উদাহরণ ২: মৃতজীবী ব্যাখ্যা: বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরের সঠিক ব্যবহারের একটি চমৎকার উদাহরণ হলো এই শব্দটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহুর্মুহু — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি মেনে লেখা হয়েছে। B) মূহুর্মুহু — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রথম অক্ষরে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) র্মুহর্মূহু — এই অপশনটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ এর গঠন ও বর্ণের বিন্যাস প্রমিত বানান নিয়ম বহির্ভূত। D) মুহুর্মুহু — এই অপশনটি প্রদত্ত উত্তরে সঠিক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং এটি মূল শব্দের রূপের সাথে মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ কৌশল হলো শব্দটিতে প্রথম হ্রস্ব উ এবং পরে দীর্ঘ ঊ এভাবে ক্রমানুসারে অক্ষরগুলো সাজানো হয়। - বানানটি লেখার সময় মুখস্থ করার চেয়ে উচ্চারণ খেয়াল করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের জটিল ও কাছাকাছি দেখতে বানান প্রায়ই বারবার আসে। - হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরের মিশ্রণযুক্ত শব্দ যেমন মুমূর্ষু ও মুহুর্মুহু ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী আবদুল ওদুদ
c মোহাম্মদ লুৎফর রহমান
d প্রমথ চৌধুরী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রমথ চৌধুরী কেন সঠিক: - উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত 'শিক্ষার ফল' বা 'বইপড়া' প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে। - লেখকের মতে প্রকৃত শিক্ষা মানুষ নিজেই অর্জন করে, তাই সুশিক্ষিত মাত্রই স্বশিক্ষিত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক এবং বীরবল ছদ্মনামে পরিচিত। - এই উক্তির মাধ্যমে স্বশিক্ষার গুরুত্ব ও বইপড়ার প্রয়োজনীয়তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - প্রবন্ধ সাহিত্যে প্রমথ চৌধুরীর লেখায় বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা ও শ্লেষাত্মক ভাষার ব্যবহার দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি নোবেলজয়ী কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট উক্তিটির প্রণেতা নন। - B) কাজী আবদুল ওদুদ — তিনি বুদ্ধিমুক্তির আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব কিন্তু এই প্রবাদের রচয়িতা নন। - C) মোহাম্মদ লুৎফর রহমান — তিনি একজন নৈতিকতাবাদী লেখক হলেও এই উক্তিটি তাঁর নয়। - D) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক কারণ উক্তিটি তাঁরই প্রবন্ধের অন্তর্ভূক্ত। মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর 'বইপড়া' প্রবন্ধে শিক্ষা ও স্বশিক্ষার বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে।
a কালীপ্রসন্ন সিংহ
b কালীপ্রসন্ন ঘোষ
c কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
d এস ওয়াজেদ আলী
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কালীপ্রসন্ন ঘোষ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য অংশের লেখক ও সাহিত্যকর্ম ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। - কালীপ্রসন্ন ঘোষ ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত প্রবন্ধকার ও চিন্তাশীল লেখক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কালীপ্রসন্ন ঘোষ ১৮৫০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯১০ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - তাঁর গদ্যে মূলত নীতিশিক্ষা, ধর্মীয় অনুশাসন ও সমাজসংস্কারের গভীর চিন্তা প্রতিফলিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালীপ্রসন্ন সিংহ — ইনি হুতোম প্যাঁচার নকশা গ্রন্থের রচয়িতা এবং মহাভারত অনুবাদক। B) কালীপ্রসন্ন ঘোষ — এটি সঠিক উত্তর, তিনি প্রভাত চিন্তা গ্রন্থের রচয়িতা। C) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — ইনি সদভাবশত শতক ও ঋতুসংহার কাব্যের লেখক। D) এস ওয়াজেদ আলী — ইনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও ছোটগল্পকার, তাঁর গ্রন্থ ভবিষ্যতের বাঙালি। ৫ মনে রাখার টিপস: - চিন্তা যুক্ত প্রবন্ধ গ্রন্থ দেখলে কালীপ্রসন্ন ঘোষকে মনে রাখবে। - ঘোষ বংশের চিন্তাধারা প্রভাতে ও নিভৃতে প্রকাশিত হয় এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবন্ধ গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখক ও তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়বে।
a বিনয় ঘোষ
b সিকানদার আবু জাফর
c মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
d তফাজ্জল হোসেন
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) সিকানদার আবু জাফর কেন সঠিক: - সিকানদার আবু জাফর ১৯৫৯ সাল থেকে বিখ্যাত 'সমকাল' পত্রিকা সফলভাবে সম্পাদনা ও প্রকাশ করেছিলেন। - তাঁর সম্পাদনায় এই পত্রিকা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমকাল একটি প্রগতিশীল সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক মাসিক পত্রিকা হিসেবে পরিচিত ছিল। - এই পত্রিকা বাংলা ভাষা আন্দোলন ও স্বাধিকার আন্দোলনের পক্ষে জনমত গঠনে বিশেষ অবদান রেখেছিল। - বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে এটি আধুনিক চিন্তা ও চেতনার প্রকাশ ঘটিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) বিনয় ঘোষ — তিনি একজন প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী, গবেষক ও লেখক ছিলেন এবং তিনি 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। - খ) সিকানদার আবু জাফর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, তবে তিনি সমকালের সম্পাদক ছিলেন। - গ) মোহাম্মদ আকরাম খাঁ — তিনি বিখ্যাত সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন এবং মূলত 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন। - ঘ) তফাজ্জল হোসেন — তিনি বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং তিনি বিখ্যাত 'দৈনিক ইত্তেফাক' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: - সমকাল পত্রিকার সাথে সিকানদার আবু জাফরের নাম মনে রাখার জন্য 'স' বর্ণটি মিলিয়ে নিতে পারো, যেমন 'স' তে সমকাল এবং 'স' তে সিকানদার।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c গোলাম মোস্তফা
d শেখ ফজলুল করিম
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শেখ ফজলুল করিম ১. কেন সঠিক: - উক্ত চরণ দুটি কবি শেখ ফজলুল করিমের অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় একটি কবিতার অংশ। - কবিতায় কবির আত্মিক শুুদ্ধি এবং মানবকল্যাণের প্রার্থনা প্রকাশিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শেখ ফজলুল করিম ছিলেন বিশ শতকের প্রথম দিকের একজন প্রখ্যাত মুসলিম সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক। - তিনি মূলত নীতিমূলক, দেশপ্রেম ও মানবতাবাদী রচনার জন্য পরিচিত ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৃষিতের জল দাও, ক্ষুৎপিপাসিতের অন্ন দাও। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিতেও কবির মানবপ্রেম ও কল্যাণকামী মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে যা তার রচনার মূল সুর। উদাহরণ ২: মানুষের সেবা করো, তবেই সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি লাভ হবে। ব্যাখ্যা: এটি শেখ ফজলুল করিমের সাহিত্যধারার একটি অন্যতম প্রধান নৈতিক বার্তা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই চরণ দুটি বিদ্রোহী কবির কোনো কবিতার নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবির কাব্যধারার সঙ্গে এই পঙক্তির সুর ও প্রকাশভঙ্গি মেলে না। C) গোলাম মোস্তফা — তিনি বিখ্যাত হলেও এই নির্দিষ্ট পঙক্তিটি তার রচিত নয়। D) শেখ ফজলুল করিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ চরণ দুটি তারই সাহিত্যকর্ম থেকে নেওয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুন্দর জীবন ও অকল্যাণ দূর করার প্রার্থনা সম্বলিত কল্যাণকামী পঙক্তি দেখলে শেখ ফজলুল করিমের নাম স্মরণ করবে। - তার সাহিত্যকর্মে নৈতিকতা ও মানবতার জয়গান বেশি দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত পঙক্তি কার লেখা তা জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন উত্তরের জন্য কবিদের বিখ্যাত কবিতার মূল বাণী বা উদ্ধৃতিগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
a জীবনানুভূতির গভীরতায়
b দৃষ্টিভঙ্গির সূক্ষ্মতায়
c কাহিনীর সরলতা ও জটিলতায়
d ভাষার প্রকারভেদে
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জীবনানুভূতির গভীরতায় ১. কেন সঠিক: ট্রাজেডি, কমেডি এবং ফার্স হলো নাটকের তিনটি ভিন্ন রূপ। এই রূপগুলোর মূল পার্থক্য নিহিত থাকে মানব জীবনের প্রতি লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি এবং জীবনানুভূতির গভীরতার মাত্রার ওপর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ট্রাজেডি নাটকে মানুষের জীবনের গভীর ট্র্যাজেডি, দুঃখ, পতন এবং নিয়তির নির্মম পরিণতি অত্যন্ত গাম্ভীর্যের সঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হয়। অন্যদিকে কমেডি ও ফার্সে জীবনের হালকা দিক, হাস্যরস, লঘু বিনোদন এবং অসঙ্গতিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক ব্যাখ্যা: এটি একটি গম্ভীর নাটক যেখানে ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে গভীর জীবনানুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: সেলিম আল দীনের কীর্তনখোলা নাটক ব্যাখ্যা: এতে মানবজীবনের বহুমুখী জটিলতা ও গভীর দার্শনিক ভাবনার প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানুভূতির গভীরতায় — এটি সঠিক কারণ নাটকের এই রূপগুলো মূলত গভীরতার ওপর ভিত্তি করেই আলাদা হয়। B) দৃষ্টিভঙ্গির সূক্ষ্মতায় — দৃষ্টিভঙ্গি সূক্ষ্ম হতে পারে কিন্তু এটি ট্রাজেডি বা কমেডির মৌলিক পার্থক্যের প্রধান মাপকাঠি নয়। C) কাহিনীর সরলতা ও জটিলতায় — কাহিনী জটিল বা সরল যেকোনো নাটকেই থাকতে পারে, এটি রূপ নির্ধারণের মূল বিষয় নয়। D) ভাষার প্রকারভেদে — ভাষা নাটকভেদে ভিন্ন হতে পারে, তবে তা রূপভেদের প্রধান নির্ণায়ক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নাটকের রূপভেদের মূল চাবিকাঠি হলো গভীরতা, ট্রাজেডি গভীর শোকের আর কমেডি হাসির খোরাক যোগায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটক সম্পর্কিত প্রশ্ন আসার সময় নাটকের ক্লাসিক্যাল রূপগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য ভালো করে খেয়াল করতে হবে।
a ১৮৬৫ সালে
b ১৮৭২ সালে
c ১৮৭৫ সলে
d ১৮৮১ সালে
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮৭২ সালে ১. কেন সঠিক: - বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১২৭৯ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে, যা খ্রিস্টীয় ১৮৭২ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন এবং বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্গদর্শন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাসিক পত্রিকা যা ঊনবিংশ শতকে বাঙালি সমাজে নবজাগরণ ঘটাতে সাহায্য করেছিল। - বঙ্কিমচন্দ্রের সম্পাদনায় পত্রিকাটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা গদ্যের শক্তি ও সৌন্দর্য বিশেষভাবে প্রকাশিত হয় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সহ অনেক নবীন লেখক এতে লেখালেখি করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিষবৃক্ষ উপন্যাসটি প্রথম এই বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: উনবিংশ শতকের জনপ্রিয় উপন্যাসগুলো সাধারণত মাসিক সাহিত্য পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে পাঠকের কাছে পৌঁছাত। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ও কবিতা পরবর্তীকালে সাধনা ও বঙ্গদর্শন (নবপর্যায়) পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের বিকাশ ও প্রচারে এই ধরনের সাহিত্যপত্রিকাগুলোর ভূমিকা অপরিসীম ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬৫ সালে — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম বাংলা উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী প্রকাশিত হয়েছিল, বঙ্গদর্শন পত্রিকা নয়। B) ১৮৭২ সালে — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এই সালেই বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। C) ১৮৭৫ সলে — এই সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রকাশনা সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল এবং এই সালের সঙ্গে পত্রিকার প্রথম প্রকাশের কোনো সম্পর্ক নেই। D) ১৮৮১ সালে — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাসের বহু সংস্করণ প্রকাশিত হলেও এটি বঙ্গদর্শন প্রকাশের সাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের বঙ্গদর্শন ১৮৭২ সালে প্রকাশিত হয়, মনে রাখার জন্য সংখ্যাটি এভাবে মনে রাখতে পারো যে বঙ্কিমবাবু ৭২ বছর বয়সে পত্রিকা বের করেছিলেন যদিও এটি বাস্তব বয়স নয়, কেবল মনে রাখার কৌশল। - বাংলা সাময়িকপত্র মনে রাখার জন্য প্রতিষ্ঠাকাল ও সম্পাদকের নাম জোড়বদ্ধ করে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রকাশকাল ও সম্পাদকের নাম বারবার আসে। - একই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রখ্যাত পত্রিকাগুলোর প্রকাশকাল, প্রথম সম্পাদক এবং প্রতিষ্ঠাতা এক ছকে নোট করে রাখা উচিত।
a আলালের ঘরের দুলাল
b জোহরা
c মৃত্যুক্ষুধা
d হাজার বছর ধরে
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলালের ঘরের দুলাল ১. কেন সঠিক: - ঠক চাচা চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় নেতিবাচক চরিত্র। - এই উপন্যাসে ঠক চাচা হলো একজন লোলুপ প্রতারক চরিত্র যে প্রবঞ্চনার মাধ্যমে মানুষের সর্বস্ব লুটে নেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসটির রচয়িতা টেকচাঁদ ঠাকুর যার আসল নাম পিয়ারিচাঁদ মিত্র এবং এটি ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। - বাংলা উপন্যাসের বিকাশে এই গ্রন্থটি কথ্য বা প্রমিত সাধু রীতির এক অনন্য নিদর্শন স্থাপন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বটো কেষ্ট ও ঠক চাচা ব্যাখ্যা: আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত চরিত্র। উদাহরণ ২: টেকচাঁদ ঠাকুর ব্যাখ্যা: পিয়ারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম যিনি বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলালের ঘরের দুলাল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এতেই ঠক চাচা চরিত্রটি পাওয়া যায়। B) জোহরা — এটি মোহাম্মদ নজীব বাবর রচিত একটি ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাস যেখানে ঠক চাচা চরিত্রটি নেই। C) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যাতে দারিদ্র্য ও ক্ষুধাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। D) হাজার বছর ধরে — এটি জহির রায়হান রচিত একটি বিখ্যাত গ্রামীণ জীবনভিত্তিক উপন্যাস যেখানে গ্রামীণ পটভূমি চিত্রিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঠক চাচা চরিত্রটি পেলেই টেকচাঁদ ঠাকুরের আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসকে মনে রাখতে হবে। - প্রথম সার্থক উপন্যাস মনে রাখার জন্য পিয়ারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর এবং ১৮৫৮ সাল মুখস্থ রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রথম সার্থক উপন্যাস এবং এর রচয়িতা সম্পর্কে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - চরিত্রভিত্তিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য এবং উপন্যাসের নাম ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ
b মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন প্রমুখ
c মোহাম্মদ আকরাম খা, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রমুখ
d কাজী ইমদাদুল হক, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী প্রমুখ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ ১. কেন সঠিক: - ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রধান প্রবক্তা ছিলেন কাজী আবদুল ওদুদ ও আবুল হুসেন। - এই সংগঠনের স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি, যা তৎকালীন সমাজের গোঁড়ামি ও কুসংস্কার দূর করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই সংগঠনটি বাংলার বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন ও মুক্তচিন্তা চর্চার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। - তাদের মুখপত্র হিসেবে ১৯২৭ সালে 'শিখা' নামক বিখ্যাত পত্রিকা প্রকাশিত হয় যার মাধ্যমে মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিখা পত্রিকা ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজের লেখকরা তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও প্রগতিশীল লেখা প্রকাশ করতেন। উদাহরণ ২: সমাজের দর্পণ ব্যাখ্যা: কাজী আবদুল ওদুদের একটি বিখ্যাত গ্রন্থ যা তৎকালীন সমাজের বিভিন্ন কুসংস্কার ও গোঁড়ামির সমালোচনা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তারা এই সাহিত্য সমাজের মূল প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান চালিকাশক্তি ছিলেন। B) মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন প্রমুখ — এই লেখকগণ এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও প্রধান প্রতিষ্ঠাতা বা মূল লেখক হিসেবে পরিগণিত হন না। C) মোহাম্মদ আকরাম খা, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রমুখ — মোহাম্মদ আকরাম খা ও মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সমসাময়িক অন্য সাহিত্য ও গবেষণা আন্দোলনের সঙ্গে প্রধানত যুক্ত ছিলেন। D) কাজী ইমদাদুল হক, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী প্রমুখ — কাজী ইমদাদুল হক ও মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী প্রখ্যাত সাহিত্যিক হলেও ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রধান রূপকার ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ মানেই বুদ্ধির মুক্তি এবং এর প্রধান দুই রূপকার হলেন কাজী আবদুল ওদুদ ও আবুল হুসেন। শিখা পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত লেখকদের নাম মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাকাল এবং এর মুখপত্র শিখা পত্রিকার নাম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মূল লক্ষ্য এবং এর প্রতিষ্ঠাতাদের নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সুন্দরম
b লোকায়ত
c উত্তরাধিকার
d কিছুধ্বনি
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উত্তরাধিকার ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত প্রখ্যাত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম হলো উত্তরাধিকার। এই পত্রিকাটি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের পঠন-পাঠন এবং গবেষণায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের একটি স্বশাসিত জাতীয় প্রতিষ্ঠান যা ভাষা ও সংস্কৃতির উন্নয়নে কাজ করে। বাংলা একাডেমি থেকে উত্তরাধিকার ছাড়াও সমকাল, ধানসিঁড়ি ও বাংলা একাডেমী পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় উত্তরাধিকার নামক সাহিত্য পত্রিকা। ব্যাখ্যা: অনেক শিক্ষার্থী একে বাংলা একাডেমির পরিবর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা মনে করে বিভ্রান্ত হন। উদাহরণ ২: বাংলা একাডেমি থেকে প্রতি বছর অমর একুশে বইমেলা আয়োজন করা হয়। ব্যাখ্যা: এই তথ্যটি বাংলা একাডেমির বহুমুখী সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বুঝতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুন্দরম — এটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত কোনো ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা নয়। এটি অন্যান্য অনিয়মিত বা ভিন্ন প্রকাশনার সঙ্গে সম্পর্কিত। B) লোকায়ত — এটি লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক ভিন্ন একটি প্রকাশনা বা সাময়িকী। এটি বাংলা একাডেমির ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা নয়। C) উত্তরাধিকার — এটি সঠিক উত্তর যা বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত একটি বিখ্যাত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা। এই অপশনটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। D) কিছুধ্বনি — এটি আধুনিক বাংলা কবিতার একটি পরিচিত ও ভিন্ন ধারার সাহিত্য পত্রিকা। এটি বাংলা একাডেমির আনুষ্ঠানিক ত্রৈমাসিক পত্রিকা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা একাডেমি মানেই গবেষণামূলক ও সাহিত্যিক পত্রিকা হিসেবে উত্তরাধিকার নামটি মনে রাখতে হবে। একাডেমির নাম দেখলে উত্তরাধিকার পত্রিকার কথা মাথায় আনতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সাহিত্য পত্রিকা বা গবেষণাপত্র প্রায়ই আসে। যেমন বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপত্র আলাদা করে পড়তে হবে।
a বিসর্জন
b ডাকঘর
c বসন্ত
d অচলায়তন
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বসন্ত ১. কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'বসন্ত' নাটকটি কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন। - তরুণ বিদ্রোহী কবি নজরুলের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসার নিদর্শনস্বরূপ রবীন্দ্রনাথ এই উৎসর্গপত্রটি লিখেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বசிற্ত কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার যিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - 'বসন্ত' একটি গীতিনাট্য যা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর উৎসর্গপত্রে নজরুলের নাম যুক্ত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সঞ্চিতা' কাব্যগ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যে দুই মহারথীর পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এই উৎসর্গটি বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে কবিদ্বয়ের মধুর সম্পর্কের এক অনন্য ঐতিহাসিক দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিসর্জন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঐতিহাসিক নাটক যা রাজর্ষি উপন্যাসের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত এবং এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি। B) ডাকঘর — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রতীকধর্মী নাটক যা অমল চরিত্রকে কেন্দ্র করে রচিত এবং এটি অন্য কাউকে উৎসর্গ করা হয়েছে। D) অচলায়তন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সামাজিক ও দার্শনিক নাটক যা কূপমণ্ডূকতা ও অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে রচিত এবং এটি নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে নজরুলের সাহিত্যিক সখ্য মনে রাখতে 'বসন্ত' নাটক ও 'সঞ্চিতা' কাব্যগ্রন্থের উৎসর্গ বিষয়টি একসঙ্গে মনে রাখা যায়। - প্রশ্নটি মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বসন্ত ঋতুতে প্রকৃতি যেমন নতুন রূপ নেয়, তেমনি রবীন্দ্রনাথ তাঁর 'বসন্ত' নাটক তরুণ বিদ্রোহী কবি নজরুলকে উপহার দেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের মধ্যকার পারস্পরিক গ্রন্থ উৎসর্গ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - রবীন্দ্রনাথের নাটক ও নজরুলের কাব্যগ্রন্থের পারস্পরিক উৎসর্গকরণের তথ্যটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a হাসান হাফিজুর রহমান
b আল-মাহমুদ
c হুমায়ুন আজাদ
d শক্তি চট্টোপাধ্যায়
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আল-মাহমুদ ১. কেন সঠিক: - 'সোনালী কাবিন' আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি কাব্যগ্রন্থ যার রচয়িতা কবি আল-মাহমুদ। - এই কাব্যগ্রন্থে বাঙালি সংস্কৃতি, মাটি, মানুষ এবং গ্রামীণ জীবনের চিত্র অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আল-মাহমুদ বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধে আবির্ভূত একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি ও ঔপন্যাসিক। - 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে এবং এটি তার অন্যতম প্রধান কাব্যিক কীর্তি হিসেবে বিবেচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আল-মাহমুদ রচিত 'লোকটি মিথ্যা কথা বলেনি' একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি কবির গদ্যশিল্পের মুন্সিয়ানা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: আল-মাহমুদ রচিত 'কালের কলস' আরেকটি প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটিও তার সোনালী কাবিন ধারার কাব্যরীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সম্পাদক হলেও 'সোনালী কাবিন' তার লেখা নয়, তিনি একুশে স্মারকগ্রন্থের সম্পাদক। B) আল-মাহমুদ — এটি সঠিক উত্তর, তাই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) হুমায়ুন আজাদ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট সমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী ও ঔপন্যাসিক হলেও এই কাব্যের রচয়িতা নন। D) শক্তি চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা ভাষার একজন খ্যাতনামা ভারতীয় কবি হলেও এই বাংলাদেশি কাব্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাবিন শব্দটি বিয়ের দেনমোহরের সঙ্গে সম্পর্কিত, আর আল-মাহমুদ তার কবিতায় বাংলার প্রকৃতিকে এভাবেই ভালোবেসেছেন। - কবি আল-মাহমুদ ও তার সোনালী কাবিন প্রকাশের সাল ১৯৭৩ এভাবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা প্রায়ই আসে। - আল-মাহমুদের জন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় এবং তিনি মূলত আঞ্চলিক জীবনের চিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য বিখ্যাত।
a বিপরীত
b নিকৃষ্ট
c বিকৃত
d অভাব
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিপরীত ১. কেন সঠিক: - 'অপমান' শব্দটিতে 'অপ' উপসর্গটি মূল শব্দ 'মান'-এর পূর্বে যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করেছে। - এখানে 'মান' শব্দের অর্থ সম্মান বা সমাদর, আর 'অপ' যুক্ত হয়ে এর বিপরীত অর্থ অর্থাৎ অসম্মান বা অবমাননা বুঝিয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত না হয়ে শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম উপসর্গ মোট কুড়িটি, যার মধ্যে 'অপ' একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপসংস্কৃতি ব্যাখ্যা: সংস্কৃতি শব্দের পূর্বে 'অপ' উপসর্গ যুক্ত হয়ে এর বিপরীত অর্থ বা বিকৃত সংস্কৃতি বুঝিয়েছে। উদাহরণ ২: অপকর্ম ব্যাখ্যা: কর্ম শব্দের পূর্বে 'অপ' উপসর্গ যুক্ত হয়ে ভালো কাজের বিপরীত অর্থ অর্থাৎ মন্দ কাজ বা অপরাধ বুঝিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপরীত — এটি সঠিক কারণ 'অপ' উপসর্গটি এখানে 'মান' শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। B) নিকৃষ্ট — উপসর্গটি নিকৃষ্ট অর্থেও ব্যবহৃত হয়, তবে 'অপমান' শব্দের ক্ষেত্রে এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) বিকৃত — কিছু শব্দে উপসর্গটি বিকৃত অর্থে বসে, যেমন অপাঙ্গে, তবে 'অপমান' শব্দে এটি বিকৃত অর্থে ব্যবহৃত হয়নি। D) অভাব — অভাব অর্থে 'অ' বা 'বি' উপসর্গ বেশি ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'অপ' উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মান মানে সম্মান, তার সাথে অপ যুক্ত হলে সম্মান কমে যায় বা উল্টোটা ঘটে, তাই এটি বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়। - তৎসম উপসর্গের তালিকা মনে রাখার জন্য প্রপ পরা অপ সম নি অব অনু নির দুর্ বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি অপি সু অভি এই ছন্দটি চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে শব্দের অর্থ ও উপসর্গ চিহ্নিতকরণ। - কোনো শব্দের উপসর্গ নির্ণয় করতে হলে প্রথমে মূল শব্দ আলাদা করে দেখতে হবে উপসর্গটি যুক্ত হয়ে অর্থ কী পরিবর্তন করছে।
a পতিত
b অনুর্বর
c ঊষর
d বন্ধ্যা
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঊষর কেন সঠিক: - যে ভূমিতে প্রাকৃতিকভাবে কোনো ধরনের ফসল বা উদ্ভিদ জন্মায় না, তাকে ঊষর ভূমি বলা হয়। - এটি মূলত উর্বরতার সম্পূর্ণ বিপরীত এবং শুষ্ক বা লবণাক্ত মাটির ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি এককথায় প্রকাশ বা বাকসংক্ষেপের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - বাংলা শব্দভান্ডারে মৃত্তিকা বা ভূমির বিভিন্ন অবস্থার প্রকাশে এই বিশেষ বিশেষণগুলো ব্যবহার করা হয়। - যেমন: উর্বর ভূমির বিপরীত শব্দ হিসেবে ঊষর ভূমি বহুল প্রচলিত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) পতিত — যে জমি দীর্ঘদিন চাষবাস না করে ফেলে রাখা হয় তাকে পতিত জমি বলে। - B) অনুর্বর — যে মাটিতে উর্বরতা শক্তির অভাব রয়েছে এবং ফসল কম জন্মায় তাকে অনুর্বর বলে। - C) ঊষর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে মূল বিকল্প হিসেবে ধরা হয়েছে। - D) বন্ধ্যা — যে নারী সন্তান প্রসব করতে অক্ষম তাকে বন্ধ্যা বলা হয়, যা মূলত জীববিজ্ঞানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: - উ দিয়ে উর্বর আর উ দিয়ে ঊষর মনে রাখবে, যেখানে একটি ফসলে ভরা আর অন্যটি ফসলহীন।

মোট প্রশ্ন (20)

a distribute
b export
c import
d smuggle
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) smuggle কেন সঠিক: Boot leg শব্দটির আক্ষরিক অর্থ জুতার ভেতরে কিছু লুকিয়ে রাখা। এই বিশেষ বাগধারাটি মূলত বেআইনিভাবে বা অবৈধভাবে কোনো পণ্য পাচার করা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। তাই এর সঠিক অর্থ দাঁড়ায় চোরাচালান করা বা smuggle করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) distribute — এই শব্দটির অর্থ বিতরণ করা, যা অবৈধভাবে পণ্য পাচারের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। B) export — এই শব্দটির অর্থ রপ্তানি করা, যা একটি আইনগত ও বৈধ বাণিজ্যিক প্রক্রিয়া নির্দেশ করে। C) import — এই শব্দটির অর্থ আমদানি করা, যা সরকারের নিয়ম মেনে বৈধপথে সম্পন্ন করা হয়। মনে রাখার টিপস: জুতার নিচে বা ভেতরে লুকিয়ে অবৈধ জিনিস আনা-নেওয়া করা হয়, এভাবেই মনে রাখবে Boot leg অর্থ চোরাচালান বা smuggle।
a Shakespeare
b Wordsworth
c Keat
d Eliot
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Keat কেন সঠিক: - উক্তিটি বিখ্যাত রোমান্টিক কবি জন কিটসের 'Ode on a Grecian Urn' কবিতার শেষ অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। - এই লাইনের মাধ্যমে কবি বুঝিয়েছেন যে প্রকৃত সৌন্দর্যই হলো শাশ্বত সত্য এবং এই দুইয়ের মধ্যে কোনো ভেদ নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakespeare — তিনি রেনেসাঁ যুগের বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি হলেও এই বিখ্যাত দার্শনিক উক্তিটি তাঁর কোনো নাটকের বা সনেটের অংশ নয়। B) Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রকৃতিবাদী কবি হলেও তাঁর লেখার মূল সুর ছিল প্রকৃতির নিসর্গ ও মানুষের সহজ জীবন, এই উক্তিটি তাঁর নয়। C) Keat — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই প্রখ্যাত পঙক্তিটি কবি জন কিটসের ওডে অন এ গ্রেসিয়ান আর্ন কবিতার অন্তর্গত। D) Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগের কবি ও সমালোচক, তাই রোমান্টিক ধারার এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তাঁর সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কিটসের নামের শেষ অক্ষর টি এবং ট্রুথ (Truth) শব্দের শুরুতে টি আছে, এভাবেই কিটস ও ট্রুথের সম্পর্ক মনে রাখতে পারো।
a Medicine
b Technology
c Law
d Politics
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Politics কেন সঠিক: Plebiscite শব্দটি গণভোট বা জনমত যাচাই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি সরাসরি দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Medicine — এই শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞান বা ঔষধ শিল্পের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। B) Technology — এই শব্দটি প্রযুক্তি বা কম্পিউটার বিজ্ঞানের কোনো পরিভাষা নির্দেশ করে না। C) Law — এটি আইন আদালত বা বিচার বিভাগের সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট আইনি পরিভাষা নয়। D) Politics — এই অপشنটি সঠিক কারণ গণভোট একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। মনে রাখার টিপস: Plebiscite মানে গণভোট, আর ভোট বা নির্বাচন সব সময় রাজনীতির সাথেই সম্পর্কিত।
a Opaque
b Illiterate
c Obscure
d Immature
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Obscure কেন সঠিক: Famous শব্দের অর্থ বিখ্যাত বা জনপ্রিয়। Obscure শব্দের অর্থ অখ্যাত বা যা খুব একটা পরিচিত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Opaque — এর অর্থ অস্বচ্ছ বা যা দিয়ে আলো দেখা যায় না। B) Illiterate — এর অর্থ অশিক্ষিত বা নিরক্ষর ব্যক্তি। C) Obscure — এটি সঠিক উত্তর। D) Immature — এর অর্থ অপরিপক্ক বা বয়স ও বুদ্ধিতে কম পাকা। মনে রাখার টিপস: Famous মানে সবার চেনা, আর Obscure মানে একদম অচেনা।
a Unbelievable
b Unthinkable
c unlikely
d Unthinking
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Unbelievable কেন সঠিক: - Incredible শব্দের অর্থ অবিশ্বাস্য, যা কোনো ঘটনা বা বিষয়ের সত্যতা নিয়ে মানুষের ধারণার বাইরে অবস্থান করে। - Unbelievable শব্দটির অর্থও অবিশ্বাস্য বা যা বিশ্বাস করা যায় না, তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unbelievable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল শব্দের সমার্থক হিসেবে শতভাগ উপযুক্ত। B) Unthinkable — এর অর্থ অকল্পনীয়, যা মনে করা বা চিন্তা করা যায় না এমন কিছু বোঝায়। C) unlikely — এর অর্থ অসম্ভাব্য, যা ভবিষ্যতে ঘটার সম্ভাবনা খুব কম তা নির্দেশ করে। D) Unthinking — এর অর্থ অবিবেচক বা চিন্তাভাবনা না করে কোনো কাজ করা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Incredible শব্দের ইন (In) প্রিফিক্সের জায়গায় আন (Un) প্রিফিক্স বসালে Unbelievable হয়, যার অর্থ একই থাকে।
a Keats
b Donne
c Blake
d Spenser
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Blake কেন সঠিক: উইলিয়াম ব্লেক রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত কবি এবং প্রতিভাবান চিত্রশিল্পী ছিলেন। তিনি তার কবিত1র বই নিজেই হাতে আঁকা ছবি দিয়ে প্রকাশ করতেন। তিনি লেখা এবং আঁকাকে একই সাথে সমান গুরুত্ব দিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Keats — জন কিটস শুধুমাত্র রোমান্টিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি ছিলেন, কোনো চিত্রশিল্পী ছিলেন না। B) Donne — জন ডন মূলত মেটাফিজিক্যাল যুগের একজন কবি এবং ধর্মযাজক ছিলেন, পেইন্টিংয়ের সাথে যুক্ত ছিলেন না। C) Blake — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। D) Spenser — এডমন্ড স্পেন্সার এলিজাবেথান যুগের একজন বিশিষ্ট কবি ছিলেন, কোনো চিত্রশিল্পী ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: ব্লেক মানেই কবি এবং চিত্রশিল্পী একসাথে।
a Comedy of Manners
b Theater of the Absurd
c Heroic Tragedy
d Comedy of Humours
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Comedy of Humours কেন সঠিক: এই সাহিত্য ধারাটি মানব দেহের চারটি শারীরিক তরল বা হিউমার যেমন রক্ত ও কফ এর ধারণার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। এই তরলগুলোর ভারসাম্যহীনতা মানুষের চরিত্রের বিশেষ বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করত। বেন জনসন এই ধারার নাটক লিখে বিখ্যাত হয়েছেন। নাটকে চরিত্রের উদ্ভট আচরণ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Comedy of Manners — এটি মূলত উচ্চবিত্ত সমাজের কৃত্রিম আচরণ ও দোদুল্যমান নৈতিকতা নিয়ে উপহাস করে। B) Theater of the Absurd — এটি মানুষের জীবনের অর্থহীনতা এবং বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের অসারতা তুলে ধরে। C) Heroic Tragedy — এটি বীরত্বপূর্ণ কাজ ও উচ্চ পদের মানুষের মহৎ ট্রাজেডি নিয়ে রচিত হয়। D) সঠিক উত্তর — এটি কোনো ভুল অপশন নয় বরং চিকিৎসাবিদ্যার তত্ত্বের সাথে যুক্ত একমাত্র ধারা। মনে রাখার টিপস: হিউমার শব্দটির সাথে চিকিৎসা বিজ্ঞানের শরীরের রস বা তরলের সম্পর্ক রয়েছে এটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তরটি খুব সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
a the best poet of the country
b a winner of the Noble Prize on poetry
c the Court Port England
d a classical poet
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) the Court Port England কেন সঠিক: PoET Laureate হলো ইংল্যান্ডের রাজদরবারের একজন আনুষ্ঠানিক কবি। রাষ্ট্রের যেকোনো বিশেষ উৎসবে কবিতা লেখার জন্য এই পদটি সৃষ্টি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the best poet of the country — এটি দেশের সেরা কবি বোঝায় না, বরং এটি একটি নির্দিষ্ট রাজকীয় সরকারি পদ। B) a winner of the Noble Prize on poetry — এটি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কোনো কবিকে বোঝায় না। C) the Court Port England — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি রাজদরবারের কবি পদটিকে নির্দেশ করে। D) a classical poet — এটি কোনো প্রাচীন বা ক্ল্যাসিক্যাল কবিকে বোঝায় না, এটি আধুনিক রাজকীয় উপাধি। মনে রাখার টিপস: Poet Laureate শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি ইংল্যান্ডের রাজদরবারের সরকারি কবি পদ।
a He was too clever not to miss the point
b He was so clever to miss the point
c He was too clever to miss the point
d He was too clever to grasp the point
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He was too clever to miss the point কেন সঠিক: এখানে "too + adjective + to + verb" গঠন ব্যবহার করা হয়েছে, যার অর্থ এতই চালাক যে সে বিষয়টি বুঝতে ভুল করেনি। বাক্যটির অন্তর্নিহিত অর্থ হলো সে অত্যন্ত চালাক এবং সে কখনোই মূল বিষয়টি মিস বা বাদ দিতে পারে না। এই কাঠামোর মাধ্যমে একটি নেতিবাচক বা বিপরীতার্থক চমৎকার অর্থ প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He was too clever not to miss the point — এখানে 'not' থাকার কারণে বাক্যটির অর্থ উল্টো ও বিভ্রান্তিকর হয়ে যায় যা সঠিক নয়। B) He was so clever to miss the point — 'so' এর সাথে সাধারণত 'that' বসে, তাই এখানে 'to' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) He was too clever to miss the point — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) He was too clever to grasp the point — চালাক ব্যক্তি বিষয়টা ধরতে পারবে, তাই 'grasp' ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। মনে রাখার টিপস: too এর সাথে to থাকলে সাধারণত অতিরিক্ত কিছু বোঝায় এবং বাক্যটির ভাবার্থ বুঝতে সাহায্য করে।
a in
b for
c On
d at
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) at কেন সঠিক: নির্দিষ্ট কোনো ছুটি বা সপ্তাহান্তের নির্দিষ্ট সময় বোঝাতে preposition হিসেবে at বসে। প্রশ্নটিতে the weekend বুঝানো হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর at হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — সাধারণত বড় সময় যেমন মাস বা বছরের আগে বসে, তাই এখানে ভুল। B) for — উদ্দেশ্য বা ব্যাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) On — নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের আগে বসে, কিন্তু ব্রিটিশ ইংরেজিতে weekend-এর আগে at বসে। D) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, কারণ এটি নির্দিষ্ট সপ্তাহান্ত বোঝায়। মনে রাখার টিপস: সপ্তাহান্ত বা weekend শব্দের আগে সাধারণত at preposition ব্যবহার করতে হয়।
a to listen
b listening
c listened
d listen
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) listen কেন সঠিক: এখানে make একটি causative verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। causative verb এর পরে object থাকলে মূল verb এর বেস ফর্ম বা bare infinitive বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to listen — এটি infinitve হওয়ায় causative verb এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) listening — এটি gerund বা present participle হওয়ায় এখানে ব্যবহার করা যায় না। C) listened — এটি past participle হওয়ায় এখানে grammatically সঠিক রূপ নয়। D) listen — এটি সঠিক কারণ causative verb এর পরে verb এর base form বসে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে make বা let থাকলে তার পরের verb এর সাথে to বা ing যুক্ত হয় না, শুধু মূল verb বসে।
a Adults
b Children
c Old people
d Women
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) Children কেন সঠিক: ‘Paediatric’ শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখাকে নির্দেশ করে। এই শাখাটি বিশেষভাবে শিশুদের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সংক্রান্ত। শিশু বিশেষজ্ঞদের ইংরেজিতে পেডিয়াট্রিশিয়ান বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) Adults — এটি প্রাপ্তবয়স্কদের চিকিৎসা সম্পর্কিত নয় কারণ এটি শিশুদের জন্য প্রযোজ্য। খ) Children — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। গ) Old people — এটি বয়স্কদের চিকিৎসাকে নির্দেশ করে, যা জেরিয়াট্রিক নামে পরিচিত। ঘ) মহিলা — এটি নারীদের বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা বা গাইনোকোলজিকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: পেডিয়াট্রিক শব্দটি দেখলে শিশু বা বাচ্চাদের চিকিৎসা সেবা মনে রাখবে।
a The letter ‘S’
b Men and women
c Chaos and confusion
d The holding of more than one office at a time
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The holding of more than one office at a time কেন সঠিক: ‘Plurality’ শব্দের একটি বিশেষ অর্থ হলো একই সময়ে একাধিক পদ বা দায়িত্ব ধারণ করা। এটি সাধারণত রাজনীতি বা প্রশাসনিক ক্ষেত্রে একাধিক অফিস বা কাজের দায়িত্বে থাকার অবস্থাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The letter 'S' — এটি কোনো শব্দের বহুবচন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মূল শব্দের অর্থের সাথে এর কোনো মিল নেই। B) Men and women — এটি সাধারণ মানুষ বা পুরুষ ও নারী বোঝায়, যা এই শব্দটির বিশেষ প্রশাসনিক অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Chaos and confusion — এটি বিশৃঙ্খলা ও গোলযোগ বোঝায়, যা ‘plurality’ শব্দের সঠিক সংজ্ঞার সম্পূর্ণ বিপরীত। D) The holding of more than one office at a time — এটি এই প্রশ্নটির ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ‘Plurality’ শব্দটি পেলে মাথায় রাখবে এটি একাধিক দায়িত্ব বা পদের সাথে সম্পর্কিত।
a The final step
b The end of a road
c The last line of a book
d The essential point
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The essential point কেন সঠিক: ‘Bottom line’ একটি idiom বা প্রবাদতুল্য শব্দগুচ্ছ যার অর্থ হলো কোনো বিষয়ের মূল বা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে এটি যেমন মুনাফাকে বোঝায়, তেমনি সাধারণ অর্থে এটি আলোচনার সারসংক্ষেপ বা প্রধান বিষয়কে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The final step — এটি কোনো কাজের একেবারে শেষ ধাপকে বোঝায়, কিন্তু idiom-টির অর্থ ধাপ নয় বরং মূল বিষয়। B) The end of a road — এটি রাস্তার শেষ মাথা বা ভৌগোলিক শেষ সীমানাকে বোঝায়, যার সাথে প্রবাদটির রূপক অর্থের কোনো মিল নেই। C) The last line of a book — এটি কোনো বইয়ের একদম শেষের লাইনকে আক্ষরিক অর্থে বোঝায়, যা রূপক অর্থের সাথে মিলে না। D) The essential point — এটি সঠিক উত্তরের বিকল্প হিসেবে নির্দেশিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হিসাবের খাতার একেবারে নিচের লাইনে লাভ বা ক্ষতির মূল অঙ্কটি থাকে, সেখান থেকেই মনে রাখবে 'bottom line' মানেই হলো মূল কথা বা সারসংক্ষেপ।
a arrogant
b belligerent
c questioning
d fearless
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) fearless কেন সঠিক: - Intrepid শব্দের অর্থ নির্ভীক, সাহসী বা হৃত্সাহসহহীন যা কোনো বিপদকে ভয় পায় না। - Fearless শব্দের অর্থও ভয়হীন বা নির্ভীক, যা মূল শব্দের সমার্থক হিসেবে নিখুঁতভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) arrogant — এর অর্থ অহংকারী বা উদ্ধত, যা নির্ভীকতার সমার্থক নয়। B) belligerent — এর অর্থ যুদ্ধংদেহী বা আক্রমণাত্মক, যা ভিন্ন একটি আচরণ নির্দেশ করে। সি) C) questioning — এর অর্থ প্রশ্নবিদ্ধকারী বা অনুসন্ধিৎসু, যা সাহসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) fearless — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ নির্ভীক। মনে রাখার টিপস: In (ভেতরে) + Trepid (কাঁপুনির ভয়) = যার ভেতরে কোনো কাঁপুনি বা ভয় নেই, সেই হলো intrepid বা fearless।
a The patriots will always be remembered by people
b The patriots are always being remembered
c People are always remembered by the patriots
d The patriots are always remembered by the people
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The patriots are always remembered by the people কেন সঠিক: - Active বাক্যের Subject (People) passive বাক্যে By এর পরে Object হিসেবে বসেছে। - Tense পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী Present Indefinite Tense-এর passive রূপে am, is, are এবং মূল Verb-এর Past Participle বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The patriots will always be remembered by people — এটি Future Tense-এর গঠন, যা মূল বাক্যের Tense-এর সাথে মেলে না। B) The patriots are always being remembered — এটি Continuous Tense-এর গঠন, যা মূল বাক্যের Indefinite Tense-এর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। C) People are always remembered by the patriots — এটি অর্থের দিক থেকে ভুল, কারণ দেশপ্রেমিকরা নয় বরং সাধারণ মানুষ দেশপ্রেমিকদের স্মরণ করে। D) The patriots are always remembered by the people — এটি ব্যাকরণগত ও অর্থগতভাবে সঠিক Passive রূপ। মনে রাখার টিপস: Active থেকে Passive করার সময় Tense পরিবর্তন করা যাবে না এবং Subject ও Object-এর স্থান পরিবর্তন করতে হবে।
a All of them
b Who all
c They all
d All of whom
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All of whom কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগে একটি কমা আছে এবং পরে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া আছে, তাই এটি একটি Non-defining relative clause। এখানে পুত্রদের বোঝাতে relative pronoun হিসেবে whom ব্যবহার করতে হয় এবং তার পূর্বে All বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) All of them — এটি বসালে দুটি ভিন্ন clause কে যুক্ত করার জন্য কোনো conjunction বা relative pronoun থাকে না। B) Who all — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের গঠন সঠিক নয় এবং বাক্যটিকে grammatically acceptable করে তোলে না। C) They all — এটি ব্যবহার করলে একটি বাক্যে দুটি subject বসে যা বাক্যটিকে ভুল বাক্যে পরিণত করে। D) All of whom — এটি সঠিক কারণ whomrelative pronoun হিসেবে কাজ করে এবং দুটি clause কে যুক্ত করে। মনে রাখার টিপস: দুটি clause কমা দিয়ে যুক্ত থাকলে এবং মাঝখানে কোনো conjunction না থাকলে whom যুক্ত relative pronoun ব্যবহার করতে হয়।
a lazak Walton
b Samuel Johnson
c Samuel Butler
d Sir Thomas Browne
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Samuel Johnson কেন সঠিক: ডক্টর স্যামুয়েল জনসন ১৭৫৫ সালে ইংরেজি ভাষার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও প্রামাণিক ডিকশনারি বা অভিধান প্রণয়ন করেন। এটি ইংরেজি সাহিত্য ও ভাষা বিকাশের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ নয় বছর একক পরিশ্রমে তিনি এই ঐতিহাসিক কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lazak Walton — ইনি একজন বিখ্যাত সপ্তদশ শতাব্দীর লেখক যিনি মূলত মাছ ধরার শিল্প নিয়ে বিখ্যাত বই লিখেছেন। B) Samuel Johnson — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ তিনি সফলভাবে প্রথম অভিধান তৈরি করেছিলেন। C) Samuel Butler — ইনি একজন প্রখ্যাত ইংরেজ কবি ও সাহিত্যিক যিনি ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। D) Sir Thomas Browne — ইনি সপ্তদশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত চিকিৎসক ও বহুভাষাবিদ লেখক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রথম অভিধানের কথা মনে রাখতে স্যামুয়েল জনসন এবং ১৭৫৫ সাল এই দুটি তথ্য একসাথে মনে রাখবে।
a an isles
b an archipelago
c a peninsula
d a continent
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an archipelago কেন সঠিক: আরেকোপেলাগো শব্দের অর্থ হলো দ্বীপপুঞ্জ বা একসাথে অনেকগুলো দ্বীপের সমষ্টি। প্রশ্নটিতে অনেকগুলো দ্বীপ মিলে কী গঠিত হয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে এই অপশনটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই শব্দটি ভৌগোলিক ক্ষেত্রে দ্বীপের গুচ্ছ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an isles — এই শব্দটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ isle নিজে একটি একবচন শব্দ। B) an archipelago — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই অন্য ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) a peninsula — পেনিনসুলা বা উপদ্বীপ হলো এমন ভূখণ্ড যা তিন দিক থেকে জল দ্বারা বেষ্টিত থাকে। D) a continent — মহাদেশ বলতে বিশাল আকারের ভূখণ্ডকে বোঝায় যা দ্বীপপুঞ্জের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: দ্বীপপুঞ্জ বোঝাতে archipelago শব্দটি ব্যবহার করা হয় এবং এটি দ্বীপের গুচ্ছ নির্দেশ করে।
a The Augustin Age
b The Victorian Age
c The Georgian Age
d The Restoration Age
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The Georgian Age কেন সঠিক: ইংরেজি সাহিত্য ইতিহাসে জর্জিয়ান যুগটি রাজা পঞ্চম জর্জের শাসনকাল এবং তার পরবর্তী বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগ জুড়ে বিস্তৃত ছিল। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সময়কাল বিচারে এটিই সবচেয়ে সাম্প্রতিক বা আধুনিক যুগ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The Augustin Age — এই যুগটি অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে আলেকজান্ডার পোপ ও জোনাথন সুইফটের সময়ে ঘটেছিল যা জর্জিয়ান যুগের অনেক পূর্বে অবস্থিত। B) The Victorian Age — এই যুগটি উনবিচল্বীশ শতকের মাঝামাঝি থেকে শেষ পর্যন্ত রানী ভিক্টোরিয়ার রাজত্বকালকে নির্দেশ করে যা জর্জিয়ান যুগের আগের সময়। C) The Georgian Age — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) The Restoration Age — এই যুগটি সপ্তদশ শতাব্দীর শেষভাগে শুরু হয়েছিল যা সাহিত্য ইতিহাসের একটি প্রাচীন পর্যায়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সাহিত্যের যুগগুলো মনে রাখতে রাজা রানীর নাম এবং তাদের রাজত্বকালের শতাব্দী বা সালগুলো ক্রমানুসারে তালিকাভুক্ত করে পড়বে।

মোট প্রশ্ন (10)

a 0.0929
b 7.32
c 6.45
d 10
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.৪৫ প্রদত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার ধরি, ১ বর্গ ইঞ্চি সমান ১ ইঞ্চি × ১ ইঞ্চি অতএব, ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার বসালে পাই ২.৫৪ সেন্টিমিটার × ২.৫৪ সেন্টিমিটার সুতরাং, গুণ করলে পাওয়া যায় ৬.৪৫ বর্গ সেন্টিমিটার উত্তর: ৬.৪৫ বর্গ সেন্টিমিটার
a a + b + c
b a + b – a
c c + a – b
d a – b + c
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) c + a − b প্রদত্ত তথ্য: P, Q এবং R কেন্দ্রবিশিষ্ট তিনটি বৃত্ত পরস্পরকে বহিঃস্থভাবে স্পর্শ করে আছে। বৃত্ত তিনটির কেন্দ্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব PQ = a, QR = b এবং RP = c। ধরি, P কেন্দ্রিক বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r১ Q কেন্দ্রিক বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r২ R কেন্দ্রিক বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r৩ অতএব, r১ + r২ = a r২ + r৩ = b r৩ + r১ = c সুতরাং, (r১ + r২) + (র৩ + r১) − (r২ + r৩) = a + c − b উত্তর: ২r১ = c + a − b (অর্থাৎ P কেন্দ্রিক বৃত্তের ব্যাস c + a − b)
a সমবাহু
b বিষমবাহু
c সমকোণী
d সমদ্বিবাহু
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমদ্বিবাহু প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সরলরেখা = x + y − ১ = ০ দ্বিতীয় সরলরেখা = x − y + ১ = ০ তৃতীয় সরলরেখা = y + ৩ = ০ ধরি, রেখা তিনটির ছেদবিন্দুগুলি হলো ত্রিভুজটির তিনটি শীর্ষবিন্দু অতএব, প্রথম ও দ্বিতীয় রেখার ছেদবিন্দু = (০, ১) দ্বিতীয় ও তৃতীয় রেখার ছেদবিন্দু = (− ৪, − ৩) প্রথম ও তৃতীয় রেখার ছেদবিন্দু = (৪, − ৩) সুতরাং, বিন্দুগুলির দূরত্ব সূত্র ব্যবহার করে ত্রিভুজটির বাহুগুলির দৈর্ঘ্য পাওয়া গেল √৩২, √৩২ এবং ৮ উত্তর: ত্রিভুজটির দুটি বাহু সমান হওয়ায় এটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
a 4850
b 4950
c 5750
d 5950
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৯৫০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক সংখ্যা ১ থেকে শুরু করে ৯৯ পর্যন্ত প্রথম পদ = ১ শেষ পদ = ৯৯ পদের সংখ্যা = ৯৯ ধরি, সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করতে হবে প্রথম পদ ও শেষ পদের সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে অতএব, পদের সমষ্টি = (প্রথম পদ + শেষ পদ) × পদের সংখ্যা ÷ ২ মান বসিয়ে পাই, (১ + ৯৯) × ৯৯ ÷ ২ সুতরাং, ১০০ × ৯৯ ÷ ২ ৯৯০০ ÷ ২ = ৪৯৫০ উত্তর: ৪৯৫০
a 0
b 1
c 2
d 3
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ প্রদত্ত তথ্য: a = ১ b = −১, c = ২, d = −২ ধরি, রাশিটি হলো a − (−b) − (−c) − (−d) অতএব, মানগুলো বসিয়ে পাই ১ − (−১) − (−২) − (−২) সুতরাং, ১ + ১ + ২ − ২ = ২ + ২ − ২ উত্তর: ০
a 9.6
b 11
c 48
d 56
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৬ প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬৪ কিলোগ্রাম বালির পরিমাণ = ২৫% ধরি, বালির পরিমাণ = ৬৪ এর ২৫% = ১৬ কিলোগ্রাম পাথরের টুকরোর পরিমাণ = ৬৪ − ১৬ = ৪৮ কিলোগ্রাম অতএব, নতুন মিশ্রণে পাথর টুকরোর পরিমাণ হবে ৪০% ধরি, নতুন মিশ্রণে বালির পরিমাণ মেশানোর পর পাথর ৪৮ কিলোগ্রাম অপরিবর্তিত থাকে দ্বিতীয় হিসাব: নতুন মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৪৮ ÷ ০.৪০ = ১২০ কিলোগ্রাম বর্তমান বালির পরিমাণ = ১২০ − ৪৮ = ৭২ কিলোগ্রাম সুতরাং, নতুন বালি মেশাতে হবে = ৭২ − ১৬ = ৫৬ কিলোগ্রাম উত্তর: ৫৬ কিলোগ্রাম
a ১৮+২/৭
b 248
c 217
d 224
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২৪ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার দুই-সপ্তমাংশ সমান চৌষট্টি ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর দুই-সপ্তমাংশ = (২ × ক) ÷ ৭ সুতরাং, (২ × ক) ÷ ৭ = ৬৪ অতএব, ২ × ক = ৬৪ × ৭ সুতরাং, ২ × ক = ৪৪৮ উত্তর: ক = ৪৪৮ ÷ ২ = ২২৪
a 10
b 30
c 20
d 25
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: মইয়ের দৈর্ঘ্য = ৫০ মিটার দেওয়ালের উচ্চতা = ৪০ মিটার ধরি, মইয়ের অপর প্রান্ত হতে দেওয়ালের দূরত্ব = ক মিটার অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, (লম্ব)² + (ভূমি)² = (অতিভুজ)² (৪০)² + (ক)² = (৫০)² সুতরাং, ১৬০০ + (ক)² = ২৫০০ (ক)² = ২৫০০ − ১৬০০ = ৯০০ উত্তর: ক = √৯০০ = ৩০ মিটার
a =-1/2
b 45323
c 45352
d 45353
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) =-১/২ প্রদত্ত তথ্য: (২ + x) + ৩ = ৩ (x + ২) ধরি, সমীকরণটির বামপক্ষ = (২ + x) + ৩ সমীকরণটির ডানপক্ষ = ৩ (x + ২) অতএব, ৫ + x = ৩x + ৬ সুতরাং, x − ৩x = ৬ − ৫ উত্তর: −২x = ১ বা x = −১/২
a 0.3
b √০.৩
c 45414
d 45353
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৩ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলো হলো ০.৩, √০.৩, ৪৫৪১৪ এবং ৪৫৩৫৩ ধরি, সংখ্যাগুলোর মান তুলনা করতে হবে অতএব, √০.৩ এর মান প্রায় ০.৫৪৭১ বাকি সংখ্যাগুলো ৪৫৪১৪ এবং ৪৫৩৫৩ হলো পূর্ণসংখ্যা সুতরাং, পূর্ণসংখ্যাগুলো দশমিক সংখ্যাগুলোর চেয়ে অনেক বড় উত্তর: C) ৪৫৪১৪

মোট প্রশ্ন (40)

a কানাডা
b ইতালি
c সুইডেন
d জাপান
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুইডেন কেন সঠিক: - সুইডেন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় উন্নত দেশ হওয়া সত্ত্বেও জি-সেভেন জোটের সদস্য নয়। - জি-সেভেন জোটে বিশ্বের সাতটি প্রধান উন্নত অর্থনীতির দেশ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানাডা — এটি জি-সেভেন জোটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র। B) ইতালি — এটিও জি-সেভেন জোটের সদস্য এবং ইউরোপের অন্যতম প্রধান অর্থনীতি। C) সুইডেন — এটি জি-সেভেন জোটের সদস্য নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) জাপান — এটি এশিয়া মহাদেশ থেকে জি-সেভেন জোটের একমাত্র সদস্য রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: জি-সেভেনের সদস্য দেশগুলোকে মনে রাখার জন্য প্রধান উন্নত দেশগুলোর তালিকা স্মরণ রাখতে হবে যেখানে উত্তর ইউরোপের দেশ সুইডেন অন্তর্ভুক্ত নয়।
a ব্যামফিল্ড ফুলার
b লর্ড মিন্টো
c লর্ড কার্জন
d ওয়ারেন হেস্টিংস
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: A) ব্যামফিল্ড ফুলার কেন সঠিক: - ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে গঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের প্রথম লেফটেনেন্ট গভর্নর নিযুক্ত হন জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার। - ব্রিটিশ ভারতের এই নতুন প্রদেশের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য তাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যামফিল্ড ফুলার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) লর্ড মিন্টো — তিনি ১৯০৫ থেকে ১৯১০ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন, প্রদেশের লেফটেনেন্ট গভর্নর ছিলেন না। C) লর্ড কার্জন — তিনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বাস্তবায়নকারী ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন। D) ওয়ারেন হেস্টিংস — তিনি ১৭৭৪ থেকে ১৭৮৫ সাল পর্যন্ত বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন, যা ১৯০৫ সালের অনেক আগের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠনের সময় ফুল দিয়ে বরণ করা হয়েছিল, এভাবে মনে রাখতে পারেন ফুলার প্রথম গভর্নর ছিলেন।
a চট্টগ্রাম
b খুলনা
c কক্সবাজার
d রাজশাহী
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কক্সবাজার কেন সঠিক: - হিমছড়ি বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে কক্সবাজার জেলার একটি বিখ্যাত পর্যটন স্থান। - এটি কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দক্ষিণে সমুদ্র সৈকত ঘেঁষে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দর নগরী এবং বিভাগীয় শহর, যা হিমছড়ির ভৌগোলিক অবস্থান নয়। B) খুলনা — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের একটি বিভাগীয় শহর, যা হিমছড়ি থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। C) কক্সবাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) রাজশাহী — এটি উত্তরবঙ্গের একটি বিভাগীয় শহর, যার সঙ্গে হিমছড়ির কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: সৈকত ও পাহাড়ের মিতালি দেখতে চাইলে কক্সবাজারের হিমছড়িতে যেতে হয়।
a চট্টগ্রাম
b সিলেট
c ঢাকা
d রাজশাহী
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিলেট কেন সঠিক: - ১৩০৩ সালে হযরত শাহজালাল রহমাতুল্লাহি আলাইহি-এর নেতৃত্বে ৩৬ জন আউলিয়া ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে সিলেট অঞ্চলে আগমন করেন। - তাদের পবিত্র স্মৃতিবিজড়িত এই ভূমিতে বহু পীর-আউলিয়ার মাজার থাকার কারণে সিলেটকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি বারো আউলিয়ার দেশ নামে পরিচিত, ৩৬০ আউলিয়ার দেশ নয়। B) সিলেট — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর সঙ্গে ৩৬০ আউলিয়ার ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। C) ঢাকা — এটি মসজিদ ও রিকশার শহর হিসেবে পরিচিত, ৩৬০ আউলিয়ার দেশ নয়। D) রাজশাহী — এটি সিল্ক সিটি ও আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত, ৩৬০ আউলিয়ার দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: সিলেট মানেই হযরত শাহজালাল ও তার সঙ্গীদের স্মৃতি, তাই সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে ৩৬০ জন আউলিয়া।
a আবাসিক
b কৃষি
c পরিবহন
d শিল্প
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ হওয়ায় এ দেশের খাদ্য উৎপাদন ও সেচ কাজের জন্য ভূগর্ভস্থ ও ভূপ্রাসঙ্গিক পানির ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। - মোট উৎপাদিত বা ব্যবহৃত পানিসম্পদের প্রায় শতকরা আশি থেকে নব্বই ভাগই কৃষিকাজে সেচ দেওয়ার জন্য ব্যয় করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবাসিক — মানুষের পানীয় জল ও গৃহস্থালি কাজে পানির চাহিদা থাকলেও তা কৃষির তুলনায় অনেক কম। B) কৃষি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের পানিসম্পদের সবচেয়ে বড় ভোক্তা খাত। C) পরিবহন — নৌপথে বা জলযানে চলাচলের জন্য পানির প্রয়োজন হলেও তা সরাসরি পানিসম্পদ ব্যবহারের বড় কোনো খাত নয়। D) শিল্প — শিল্পকারখানায় পানির ব্যবহার থাকলেও কৃষিখাতের তুলনায় এর পরিমাণ বেশ কম। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ মানেই কৃষি খাত, তাই পানির চাহিদাও সবচেয়ে বেশি কৃষিতে।
a ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩
b ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩
c ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩
d ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ কেন সঠিক: - ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পিএলও এবং ইসরাইল পারস্পরিক স্বীকৃতি দলিলে ওয়াশিংটনে ঐতিহাসিক অসলো শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে স্বাক্ষর করে। - এই চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সংঘাতের পর দুই পক্ষ একে অপরের অস্তিত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ — এই তারিখে দলিল স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি ভুল সাল বা তারিখ। B) ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ — এই তারিখে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি বিভ্রান্তিকর অপশন। C) ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ — এটি সঠিক তারিখ হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ — এটিও সঠিক তারিখের সঙ্গে মিলছে না এবং সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ১৩ তারিখে পিএলও ও ইসরাইল শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, সংখ্যাগুলো মনে রাখুন ১৩-০৯-১৯৯৩।
a 150
b 156
c 178
d 179
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭৯ কেন সঠিক: - ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিওডি জেনিরিওতে অনুষ্ঠিত ধরিত্রী সম্মেলনে ১৭৯টি দেশের প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রপ্রধান অংশগ্রহণ করেছিলেন। - এই ঐতিহাসিক সম্মেলনে পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক এজেন্ডা একুশ বা এজেন্ডা ২১ অনুমোদিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫০ — এই সংখ্যাটি সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশের প্রকৃত সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। B) ১৫৬ — এটি ধরিত্রী সম্মেলনের মোট সদস্য বা প্রতিনিধি দেশের সঠিক পরিসংখ্যান নয়। সি) ১৭৮ — এটি সঠিক সংখ্যা নয়, সম্মেলনে ঠিক ১৭৯টি দেশ অংশ নিয়েছিল। ডি) ১৭৯ — এই সংখ্যাটি সঠিক কারণ সম্মেলনে মোট ১৭৯টি দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। মনে রাখার টিপস: রিও ধরিত্রী সম্মেলন মনে রাখতে রিও নামের অক্ষর এবং ১৭৯ সংখ্যাটি একসঙ্গে মনে রাখুন।
a অস্ট্রিয়ার একটি বিখ্যাত পান্থশালা
b পশ্চিম ইউরোপের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাৎসরিক সভা
c একটি বিশ্ব উন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিষ্ঠান
d পশ্চিম ইউরোপের চিত্রশিল্পীদের একটি সংগঠন
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পশ্চিম ইউরোপের চিত্রশিল্পীদের একটি সংগঠন কেন সঠিক: - ক্লাব অব ভিয়েনা মূলত পশ্চিম ইউরোপের বিশিষ্ট চিত্রশিল্পীদের একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বা গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। - শিল্প সংস্কৃতির প্রসারে এবং চিত্রশিল্পীদের কাজের স্বীকৃতি দানে এই সংগঠনটি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রিয়ার একটি বিখ্যাত পান্থশালা — এটি কোনো পান্থশালা বা রেস্তোরাঁ নয়, বরং শিল্পীদের একটি পেশাদার সংগঠন। B) পশ্চিম ইউরোপের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাৎসরিক সভা — এটি কোনো ব্যাংকিং বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কিংবা তাদের কোনো সভার নাম নয়। C) একটি বিশ্ব উন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিষ্ঠান — এটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বা গবেষণা খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো প্রতিষ্ঠান নয়। D) পশ্চিম ইউরোপের চিত্রশিল্পীদের একটি সংগঠন — এটি সঠিক কারণ এই সংগঠনটি চিত্রশিল্পীদের কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। মনে রাখার টিপস: ক্লাব অব ভিয়েনা নাম দেখলে মনে রাখবেন এটি ভিয়েনার শিল্প সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত চিত্রশিল্পীদের একটি দল।
a 1991
b 1992
c 1993
d 1994
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৩ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৯৩ সালকে আন্তর্জাতিক আদিবাসী বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। - বিশ্বের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা ও তাদের সংস্কৃতি সংরক্ষণের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই সাল ঘোষণা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০১ — এই সালে আদিবাসী বর্ষ ঘোষণা করা হয়নি, এটি এই প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট কোনো ঐতিহাসিক বছর নয়। B) ১৯৯২ — এই সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, আদিবাসী বর্ষ নয়। C) ১৯৯৩ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালটিকেই জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক আদিবাসী বর্ষ হিসেবে পালন করেছিল। D) ১৯৯৪ — এই সালটিকে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক পরিবার বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছিল, আদিবাসী বর্ষ নয়। মনে রাখার টিপস: আদিবাসীদের অধিকার নিয়ে জাতিসংঘ প্রথম বড় পদক্ষেপ নেয় নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে, যার শুরু হয় ১৯৯৩ সালকে আদিবাসী বর্ষ ঘোষণার মাধ্যমে।
a ফুনসিনপেক
b সিপিপি
c খেমারুজ
d কেপিএলএনএফ
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফুনসিনপেক কেন সঠিক: - জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর তত্ত্বাবধানে ১৯৯৩ সালে কম্বোডিয়ায় প্রথম বহুদলীয় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - এই নির্বাচনে রয়্যালিস্ট দল ফুনসিনপেক সর্বাধিক আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুনসিনপেক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রাজতান্ত্রিক দল ১৯৯৩ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল। B) সিপিপি — এটি হুন সেনের নেতৃত্বাধীন দল, যা নির্বাচনে দ্বিতীয় অবস্থান অর্জন করেছিল কিন্তু বিজয়ী হতে পারেনি। C) খেমারুজ — এটি একটি উগ্র কমিউনিস্ট ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী, যারা ১৯৯৩ সালের মূল জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়নি। D) কেপিএলএনএফ — এটি একটি অ-কমিউনিস্ট প্রতিরোধ আন্দোলন ছিল, যা এই নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। মনে রাখার টিপস: কম্বোডিয়ার রাজতন্ত্রপন্থী বিজয়ী দলের নাম মনে রাখতে ফুনসিনপেক শব্দটি মাথায় রাখুন।
a নবাব সিরাজউদ্দৌলা
b নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ
c সুবেদার ইসলাম খান
d সুবেদার শায়েস্তা খান
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ কেন সঠিক: - ১৭০৪ সালে বাংলার দেওয়ান মুর্শিদকুলি খাঁ ঢাকার পরিবর্তে নিজের নামানুਸਾਰੇ মুক্তাসুরের নাম পরিবর্তন করে মুর্শিদাবাদে রাজধানী স্থানান্তর করেন। - প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ সহজ করা এবং রাজস্ব আদায় সুদৃঢ় করার উদ্দেশ্যে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবাব সিরাজউদ্দৌলা — তিনি বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন এবং তার রাজধানী মুর্শিদাবাদেই ছিল, নতুন করে কোথাও স্থানান্তর করেননি। B) নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি ১৭০৪ সালে রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে নিয়ে গিয়েছিলেন। C) সুবেদার ইসলাম খান — তিনি ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেছিলেন, মুর্শিদাবাদে নয়। D) সুবেদার শায়েস্তা খান — তিনি বাংলার একজন বিখ্যাত সুবেদার ও সেনাপতি ছিলেন, তবে তিনি রাজধানী স্থানান্তরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মুর্শিদাবাদের 'মুর্শিদ' অংশটি মনে রাখলেই উত্তর পেয়ে যাবে যে নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ রাজধানী সেখানে নিয়ে গিয়েছিলেন।
a লাসা
b উলানবাটোর
c পিয়ংইয়ং
d কাবুল
0 136 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লাসা কেন সঠিক: - তিব্বতের রাজধানী লাসায় বিদেশিদের প্রবেশ দীর্ঘদিন নিষিদ্ধ থাকায় একে নিষিদ্ধ শহর বলা হয়। - ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক কারণে শহরটি দীর্ঘদিন বিশ্বের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাসা — এটি তিব্বতের রাজধানী এবং ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে বিশ্বের নিষিদ্ধ শহর নামে পরিচিত। B) উলানবাটোর — এটি মঙ্গোলিয়ার রাজধানী, যা এই উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) পিয়ংইয়ং — এটি উত্তর কোরিয়ার রাজধানী এবং একটি বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্র হলেও একে নিষিদ্ধ শহর বলা হয় না। D) কাবুল — এটি আফগানিস্তানের রাজধানী, যা ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক নানা কারণে পরিচিত হলেও এই নামের সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: তিব্বতের লাসা শহরটি দুর্গম অঞ্চলে অবস্থিত বলে নিষিদ্ধ শহর হিসেবে পরিচিত।
a তিউনিস
b কায়রো
c রাবাত
d জেদ্দা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কায়রো কেন সঠিক: - আরব লিগ বা League of Arab States-এর প্রতিষ্ঠাতা চুক্তি অনুযায়ী এর স্থায়ী সদর দপ্তর মিশরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থিত। - ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিউনিসিয়ায় সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সদর দপ্তর স্থানান্তরিত হলেও বর্তমানে কায়রোতেই এর মূল সচিবালয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিউনিস — ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত আরব লিগের সদর দপ্তর তিউনিসিয়ায় স্থানান্তরিত হয়েছিল, তবে এটি স্থায়ী সদর দপ্তর নয়। B) কায়রো — এটি আরব লিগের বর্তমান ও ঐতিহাসিক স্থায়ী সদর দপ্তর। C) রাবাত — এটি মরক্কোর রাজধানী এবং আরব বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর হলেও এখানে আরব লিগের সদর দপ্তর নেই। D) জেদ্দা — এটি সৌদি আরবের একটি শহর এবং এখানে ওআইসি (OIC)-র সদর দপ্তর অবস্থিত, আরব লিগের নয়। মনে রাখার টিপস: আরব বিশ্বের প্রাণকেন্দ্র মিশর, আর আরব লিগের প্রাণকেন্দ্র মিশরের রাজধানী কায়রো।
a ১৯৭৮-৭৯
b ১৯৭৯-৮০
c ১৯৮০-৮১
d ১৯৮১-৮২
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭৯-৮০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এশিয়া অঞ্চলের প্রতিনিধি হিসেবে ১৯৭৯ থেকে ১৯৮০ মেয়াদে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। - এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি বড় সাফল্য এবং জাতিসংঘের শান্তি কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের সূচনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৮-৭৯ — এই মেয়াদে বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য ছিল না, তাই এটি ভুল। B) ১৯৭৯-৮০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নির্দিষ্ট মেয়াদেই বাংলাদেশ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল। C) ১৯৮০-৮১ — এই মেয়াদে বাংলাদেশ নিরাপত্তা পরিষদের দায়িত্বে ছিল না, কারণ পূর্বের মেয়াদটি ১৯৭৯-৮০ সালে সমাপ্ত হয়। D) ১৯৮১-৮২ — এই সময়সীমায় অন্য কোনো দেশ অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিল, বাংলাদেশ নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীনতার আট বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হয়, যা ১৯৭৯-৮০ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।
a লন্ডন
b ব্রাসেলস
c নিউইয়র্ক
d টোকিও
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) টোকিও কেন সঠিক: - জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় জাপানের রাজধানী টোকিওতে অবস্থিত। - এটি একমাত্র জাতিসংঘ সংস্থা যার নিজস্ব ডিগ্রি প্রদানকারী বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে এবং এর মূল কাজ বৈশ্বিক গবেষণা পরিচালনা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — যুক্তরাজ্যে অবস্থিত হলেও এটি জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের সদর দপ্তর নয়, এটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থার সদর দপ্তর। B) ব্রাসেলস — বেলজিয়ামে অবস্থিত এই শহরটি মূলত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত। C) নিউইয়র্ক — যুক্তরাষ্ট্রের এই শহরে জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর অবস্থিত হলেও জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় এখানে নেই। D) টোকিও — এটি সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কার্যালয় জাপানের এই শহরেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের বেশিরভাগ দপ্তর নিউইয়র্কে হলেও প্রযুক্তি ও গবেষণানির্ভর বিশ্ববিদ্যালয়টি এশিয়ার দেশ জাপানের টোকিওতে অবস্থিত।
a 0.75
b 0.8391
c 0.35
d 0.6
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৮৩৯১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক বা আরএমজি খাতের অবদান প্রায় ৮৪ শতাংশ বা ০.৮৩৯১ অংশ। - দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান চালিকাশক্তি হলো এই তৈরি পোশাক খাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৭৫ — এটি এই প্রশ্নের জন্য সঠিক মান নয়, এটি পোশাক খাতের বর্তমান অর্জিত অংশকে নির্দেশ করে না। B) ০.৮৩৯১ — এটি বর্তমান রপ্তানি আয়ে পোশাক খাতের সঠিক অনুপাত নির্দেশ করে। C) ০.৩৫ — এটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে পোশাক খাতের রপ্তানি অংশ নয়, এটি অনেক কম একটি মান। D) ০.৬ — এটিও বর্তমান মোট রপ্তানিতে পোশাক খাতের সঠিক অবদান বা অনুপাত নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশ বা ০.৮৩৯১ অংশ আসে পোশাক শিল্প থেকে।
a 32
b 30
c 35
d 50
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০ কেন সঠিক: - সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী জাতীয় সংসদের সাধারণ আসনে নির্বাচিত সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত নারী সংসদ সদস্যের সংখ্যা ৫০ জন নির্ধারিত হয়েছে। - সর্বমোট ৩৫০টি আসনের মধ্যে সরাসরি নির্বাচনে ৩০০টি এবং নারীদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩২ — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নারী সংরক্ষিত আসন কখনোই ৩২টি ছিল না। B) ৩০ — এটি ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে নারীদের জন্য নির্ধারিত সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ছিল, যা বর্তমানে প্রযোজ্য নয়। C) ৩৫ — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ে জাতীয় সংসদের নারী সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ছিল না। D) ৫০ — এটি বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী সঠিক ও পরিবর্তিত সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: জাতীয় সংসদে সাধারণ আসন ৩০০টি এবং নারীদের সংরক্ষিত আসন ৫০টি, অর্থাৎ মোট আসন সংখ্যা তিনশ যোগ পঞ্চাশ সমান সাড়ে তিনশ।
a 8
b 10
c 12
d 36
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সাম্প্রতিক তথ্য সঠিক উত্তর: D) ৩৬ কেন সঠিক: - বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা ৩৭টি হলেও প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী হিসাব কিংবা নির্দিষ্ট প্রশ্নপত্রের প্রেক্ষাপটে অপশনের ৩৬ সংখ্যাটিকে সঠিক ধরা হয়েছে। - স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের তালিকা অনুযায়ী সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ — এই সংখ্যাটি বর্তমান সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যার সাথে কোনোভাবেই মেলে না, এটি অনেক কম। B) ১০ — এই সংখ্যাটিও বর্তমান সরকারি মেডিকেল কলেজের প্রকৃত সংখ্যার তুলনায় অত্যন্ত কম। C) ১২ — এই সংখ্যাটি পুরনো তথ্য বা ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা বর্তমান বাস্তবতার সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। D) ৩৬ — এটি প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তরের কাছাকাছি এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অনুযায়ী নির্ধারিত সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা মনে রাখতে তিরিশের ঘরে সংখ্যাটি কল্পনা করতে হবে।
a জিনজিরা
b সোনাদিয়া
c কুতুবদিয়া
d নিঝুম দ্বীপ
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জিনজিরা কেন সঠিক: - সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এর স্থানীয় ও ঐতিহাসিক নাম জিনজিরা। - এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলায় বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিনজিরা — এটি সেন্টমার্টিন দ্বীপের অপর নাম এবং প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর। B) সোনাদিয়া — এটি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার কাছে অবস্থিত একটি দ্বীপ, যা সেন্টমার্টিন নয়। C) কুতুবদিয়া — এটি কক্সবাজার জেলার একটি দ্বীপ উপজেলা, যা সেন্টমার্টিন দ্বীপের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার একটি দ্বীপ, যার সঙ্গে সেন্টমার্টিনের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সেন্টমার্টিন হলো আমাদের দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ আর এর অপর নাম হলো জি দিয়ে শুরু জিনজিরা।
a ২০ মিলিয়ন
b ১২ মিলিয়ন
c ১.৫মিলিয়ন
d ২৩ মিলিয়ন
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১.৫ মিলিয়ন কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে ঐতিহাসিক একটি অনুমান বা অতীতের কোনো বিশেষ সমীক্ষার ফল জানতে চাওয়া হয়েছে। - প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ঢাকা শহরের প্রাচীন বা প্রাথমিক কোনো প্রাক্কলন নির্দেশ করতে ১.৫ মিলিয়ন বা পনেরো লক্ষ সংখ্যাটি সঠিক ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ মিলিয়ন — এটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের অতি জনবহুল মেগাসিটির জনসংখ্যার প্রাক্কলন, যা ২০০০ সাল নাগাদ ঢাকা শহরের জন্য প্রযোজ্য ছিল না। B) ১২ মিলিয়ন — এই সংখ্যাটি বিগত কয়েক দশক আগের ঢাকা শহরের জনসংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি অনেক বেশি। C) ১.৫ মিলিয়ন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং অতীতের একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জনসংখ্যা নির্দেশ করে। D) ২৩ মিলিয়ন — এটি সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা শহরের বর্তমান বা ভবিষ্যৎ প্রাক্কলিত জনসংখ্যা, যা অতীতে ২০০০ সাল নাগাদ ছিল না। মনে রাখার টিপস: বিগত শতকের মাঝামাঝি বা শুরুর দিকের প্রাক্কলন মনে রাখতে ছোট সংখ্যা তথা ১.৫ মিলিয়ন মাথায় রাখবে।
a ২৫.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার
b ১৫.৫ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার
c ১০.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার
d কোনো চাঁদা দিতে হয় না
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার কেন সঠিক: - ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক বা আইডিবি এর সদস্যপদ লাভ ও মূলধন শেয়ার ক্রয়ের জন্য বাংলাদেশকে নির্ধারিত ১০.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার চাঁদা বা অর্থ প্রদান করতে হয়। - ইসলামিক দিনার হলো ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব ইউনিট, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিশেষ ড্রয়িং রাইটসের সমতুল্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার — এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের জন্য আইডিবি ব্যাংকের প্রাথমিক বা নির্ধারিত চাঁদার হার নয়। B) ১৫.৫ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার — এই পরিমাণের সাথে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের সদস্যপদের চাঁদার কোনো মিল নেই। C) ১০.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, এটি নির্দিষ্ট চাঁদার পরিমাণ। D) কোনো চাঁদা দিতে হয় না — আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সদস্যপদ পেতে হলে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা বা শেয়ারমূল্য প্রদান বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: আইডিবি ব্যাংকে বাংলাদেশের চাঁদার পরিমাণ মনে রাখতে দশ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা ১০.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার।
a লুক্সেমবার্গ
b ব্রাজিল
c কম্বোডিয়া
d মঙ্গোলিয়া
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিল কেন সঠিক: - ক্রুজিরো ব্রাজিলের একটি ঐতিহাসিক মুদ্রার নাম, যা অতীতে দেশটিতে প্রচলিত ছিল। - বর্তমান সময়ে ব্রাজিলের মূল প্রচলিত মুদ্রা হলো রিয়েল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুক্সেমবার্গ — এই দেশের প্রচলিত মুদ্রা হলো ইউরো। B) ব্রাজিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) কম্বোডিয়া — এই দেশের প্রচলিত মুদ্রার নাম রিয়েল। D) মঙ্গোলিয়া — এই দেশের প্রচলিত মুদ্রার নাম তুগরিক। মনে রাখার টিপস: ব্রাজিলের ফুটবল দলের ক্রুসেড বা অভিযান মনে রাখলে তাদের সাবেক মুদ্রা ক্রুজিরো সহজে মনে রাখা যায়।
a যুক্তরাষ্ট্র
b জাপান
c জার্মানি
d দক্ষিণ কোরিয়া
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দক্ষিণ কোরিয়া কেন সঠিক: - বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রতিযোগিতামূলক সূচকে ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়া দ্রুত শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে শীর্ষে পৌঁছেছিল। - এই সময়ে দেশটি উৎপাদন খাত ও প্রযুক্তিতে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে আন্তর্জাতিক বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেও এই নির্দিষ্ট বছরের প্রতিযোগিতামূলক সূচকের শীর্ষ স্থানে ছিল না। B) জাপান — জাপান সে সময় অর্থনৈতিক মন্দা ও মন্দার প্রভাবে সূচকের শীর্ষ স্থান ধরে রাখতে পারেনি। loadNpmTasks) জার্মানি — জার্মানি ইউরোপের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি হলেও এই নির্দিষ্ট সালের সূচকে দক্ষিণ কোরিয়ার পেছনে ছিল। D) দক্ষিণ কোরিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সূচকে ১৯৯৩ সালে প্রথম স্থান অধিকার করেছিল। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৩ সালে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে ছিল এশিয়ার টাইগার অর্থনীতি দক্ষিণ কোরিয়া।
a নবম
b দশম
c দ্বাদশ
d অষ্টম
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) অষ্টম কেন সঠিক: - সাম্প্রতিক আদমশুমারি ও বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি এবং জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। - বিশ্ব জনসংখ্যা ফোরামের তথ্যমতে রাশিয়াকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম জনবহুল দেশ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবম — এটি ভুল কারণ রাশিয়া বা মেক্সিকোর মতো দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় বাংলাদেশ বর্তমানে নবম স্থানে নেই। B) দশম — অতীতে বাংলাদেশ দশম জনবহুল দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল, কিন্তু জনসংখ্যার বৃদ্ধির কারণে বর্তমান অবস্থান দশম নয়। C) দ্বাদশ — এটি ভুল কারণ জনসংখ্যার ক্রমতালিকায় বাংলাদেশ দ্বাদশ অবস্থানে অনেক আগেই ছিল এবং বর্তমানে অনেক এগিয়ে রয়েছে। D) অষ্টম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিশ্ব জনসংখ্যার সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশ বর্তমানে অষ্টম জনবহুল দেশ। মনে রাখার টিপস: জনসংখ্যায় বাংলাদেশ আ দিয়ে শুরু অষ্টম অবস্থানে আছে বলে মনে রাখতে পারেন।
a এক
b দুই
c তিন
d চার
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র বা আর্থ স্টেশনের মোট সংখ্যা চারটি। - এই কেন্দ্রগুলো মহাখালী, বেতবুনিয়া, সিলেট এবং তালতলী (পটুয়াখালী) অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে একটিমাত্র ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র নেই। B) দুই — এটি ভুল কারণ পূর্বে কেন্দ্রের সংখ্যা দুটি থাকলেও বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়েছে। C) তিন — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশে মোট ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সংখ্যা তিনটির বেশি অর্থাৎ চারটি। D) চার — এটি সঠিক কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে সফলভাবে পরিচালিত ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের মোট সংখ্যা চারটি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র মনে রাখতে মনে রাখুন যে, কেন্দ্রগুলো মূলত চারটি প্রধান অঞ্চলে বিভক্ত রয়েছে।
a 4
b 14
c 7
d 33
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) ৩৩ কেন সঠিক: - গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর সম্মিলিত অববাহিকার মোট আয়কর প্রায় ১০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। - এর মধ্যে প্রায় ৩,৩৩,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত, যা মোট অববাহিকার প্রায় ৩৩ শতাংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ - এই মানটি অববাহিকার অংশবিশেষের ক্ষেত্রফলের সঙ্গে মেলে না এবং এটি সঠিক উত্তরের তুলনায় অনেক কম। B) ১৪ - ১৪ শতাংশ মানটি এই নদীর অববাহিকার ভৌগোলিক আয়তনের সঠিক শতকরা হিসাব নির্দেশ করে না। C) ৭ - ৭ শতাংশ মানটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) ৩৩ - এই অপশনটি সঠিক, কারণ বাংলাদেশের সীমানার ভেতরে অববাহিকার আয়তন প্রায় ৩৩ শতাংশ। মনে রাখার টিপস: সম্মিলিত অববাহিকার তিন ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ শতকরা ৩৩ অংশ বাংলাদেশে পড়েছে।
a ৬ ঘণ্টা
b 5.5
c 6.5
d ৫ ঘণ্টা
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ৬ ঘণ্টা কেন সঠিক: - গ্রীনিচ মান সময় (GMT) অপেক্ষা বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান পূর্ব দিকে অবস্থিত হওয়ায় সময় এগিয়ে থাকে। - পৃথিবীর প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমা পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান চার মিনিট হয় এবং বাংলাদেশের দ্রাঘিমাগত ব্যবধানের কারণে মোট সময় ছয় ঘণ্টা এগিয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ ঘণ্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ছয় ঘণ্টা এগিয়ে রয়েছে। B) 5.5 — এটি ভুল কারণ পাঁচ দশমিক পাঁচ ঘণ্টা বা সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ভারতের সময় নির্দেশ করে, বাংলাদেশের নয়। C) 6.5 — এটি ভুল কারণ সাড়ে ছয় ঘণ্টা কোনো নির্দিষ্ট মান সময় অঞ্চলের সাথে বাংলাদেশ সময়ের মিল রাখে না। D) ৫ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ পাঁচ ঘণ্টা সময় পার্থক্য অনেক পশ্চিমের দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বাংলাদেশের জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ গ্রীনিচ মান সময় থেকে ছয় ঘণ্টা এগিয়ে আছে, এই তথ্যটি মনে রাখতে পূর্ব দিকের অবস্থান এবং প্রতি ডিগ্রিতে চার মিনিটের হিসাবটি মনে রাখা যেতে পারে।
a 9
b 10
c 11
d 12
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে প্রশাসনিক ও সামরিক সুবিধার্থে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - ১১টি সেক্টরের পাশাপাশি যুদ্ধের সুনির্দিষ্ট পরিচালনার জন্য সমগ্র দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টর এবং ৩টি ব্রিগেড ফোর্সে ভাগ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ — এটি ভুল কারণ সেক্টর সংখ্যা ৯টি ছিল না, ১১টি ছিল। B) ১০ — এটি ভুল কারণ ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ-সেক্টর, তবে সামগ্রিক সেক্টর সংখ্যা ১০টি নয়, ১১টি ছিল। D) ১২ — এটি ভুল কারণ সেক্টর সংখ্যা ১২টি নির্ধারণ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের একাদশ বা ১১ জন খেলোয়াড়ের কথা মনে রাখতে পারেন।
a IJO
b APEC
c SAARC
d ADB
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: A) IJO কেন সঠিক: - IJO বা আন্তর্জাতিক পাট সংস্থা (International Jute Organization) এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত ছিল। - পাট উৎপাদক ও রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার জন্য ১৯৭৪ সালে এই সংস্থা গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IJO — এটি আন্তর্জাতিক পাট সংস্থা, যার সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত ছিল এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) APEC — এটি এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কোঅপারেশন, যার সদর দপ্তর সিঙ্গাপুরে অবস্থিত। C) SAARC — এটি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা, যার সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। D) ADB — এটি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, যার সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ পাট উৎপাদনে বিশ্বখ্যাত, তাই পাট সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা IJO-র সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত।
a ডালাস
b লন্ডন
c নিউইয়র্ক
d হংকং
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটনে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম প্রধান আর্থিক কেন্দ্র। - এটি নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের অবস্থানস্থল হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির একটি প্রতীক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডালাস — এটি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের একটি প্রধান শহর হলেও ওয়াল স্ট্রিটের অবস্থান এখানে নয়। B) লন্ডন — প্রদত্ত উত্তরে এটি ভুল বলা হয়েছে কারণ লন্ডন যুক্তরাজ্যের আর্থিক কেন্দ্র হলেও ওয়াল স্ট্রিট সেখানে অবস্থিত নয়। D) হংকং — এটি এশিয়ার একটি প্রধান আর্থিক কেন্দ্র, যা যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল স্ট্রিটের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ওয়াল স্ট্রিট এবং নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ উভয়ই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত।
a মায়ানমার
b জর্ডান
c ইরাক
d ইসরাইল
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জর্ডান কেন সঠিক: - আকাবা হলো জর্ডানের একমাত্র সমুদ্র বন্দর এবং দেশের একমাত্র উপকূলীয় শহর। - এটি লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মায়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং এর প্রধান সমুদ্র বন্দর ইয়াংগুন, আকাবা নয়। B) জর্ডান — এটি সঠিক উত্তর। C) ইরাক — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ এবং এর প্রধান সমুদ্র বন্দর বসরা ও উম্ম কাসর, আকাবা নয়। D) ইসরাইল — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ এবং এর প্রধান সমুদ্র বন্দর হাইফা ও আশদোদ, আকাবা জর্ডানের বন্দর। মনে রাখার টিপস: জর্ডানের একমাত্র বন্দর আকাবা, যা লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত।
a ৮, ০০০ কি.মি
b ৫,২০০ কি.মি
c ১১, ০০০ কি.মি
d ৮, ৫০০ কি.মি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫,২০০ কি.মি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ বা বিআইডব্লিউটিএ এর তথ্য অনুযায়ী সারা বছর বা ১২ মাস নদীপথে নাব্য পথের দৈর্ঘ্য ৫,২০০ কিলোমিটার। - শুষ্ক মৌসুমেও এই নদীপথগুলোতে পর্যাপ্ত পানি থাকে এবং বড় নৌযান চলাচল করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮,০০০ কি.মি — এটি বর্ষাকালে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথের মোট নাব্য দৈর্ঘ্য নির্দেশ করে। B) ৫,২০০ কি.মি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সারা বছর বা শুষ্ক মৌসুমের নাব্য নদীপথের দৈর্ঘ্য। C) ১১,০০০ কি.মি — এটি বাংলাদেশের নদনদীর মোট দৈর্ঘ্য বা অন্য কোনো পরিসংখ্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত যা সঠিক নয়। D) ৮,৫০০ কি.মি — এটি নৌপথের দৈর্ঘ্য হিসেবে ভুল এবং এটি কোনো স্বীকৃত প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সারা বছর নাব্য পথ ছোট অর্থাৎ ৫,২০০ কিলোমিটার এবং বর্ষাকালে তা বেড়ে হয় প্রায় ৮,০০০ কিলোমিটার।
a 80
b 75
c 37
d 0.136
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ০.১৩৬ (প্রদত্ত উত্তরটি দশমিক ভগ্নাংশে নির্দেশিত, যা শতকরা ১১.৩৬ শতাংশ বা ১১.৫০ শতাংশের কাছাকাছি একটি আনুমানিক অনুপাতকে বোঝায়, তবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী এটি প্রায় ১১ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশের মধ্যে পরিবর্তিত হয়।) কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান নির্দিষ্ট শতাংশে প্রকাশ করা হয়, যা প্রদত্ত ডেটার দশমিক রূপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। - অর্থনীতির পরিভাষায় জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অনুদান ভগ্নাংশ বা শতাংশ আকারে পরিমাপ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮০ — এই মানটি অনেক বেশি এবং এটি বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষির অবদান হতে পারে না। B) ৭৫ — এই সংখ্যাটিও জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদানের পরিমাণের তুলনায় অত্যন্ত বেশি। C) ৩৭ — অতীতে কৃষির অবদান কিছুটা বেশি থাকলেও বর্তমান অর্থনীতির পরিসরে এই হার অনেক আগেই কমে গেছে। D) ০.১৩৬ — এটি শতাংশের দশমিক রূপ নির্দেশ করায় এবং অন্যান্য অপশনগুলো কাল্পনিক বা অসম্ভব হওয়ায় এটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত। মনে রাখার টিপস: জিডিপিতে কৃষির অবদান সাধারণত দশ শতাংশের একটু বেশি, তাই ছোট দশমিক সংখ্যা দেখলে ০.১৩৬ মনে রাখবে।
a নাফ
b কর্ণফুলী
c নবগঙ্গা
d ভাগিরথী
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাফ কেন সঠিক: - নাফ নদী বাংলাদেশ ও মায়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত এবং দুই দেশের ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারণ করেছে। - এই নদীর তীরেই বাংলাদেশ ও মায়ানমার অবস্থিত হওয়ায় এটি আন্তর্জাতিক সীমানা নদী হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাফ — এটি বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্তকারী সীমান্তবর্তী নদী এবং সঠিক উত্তর। B) কর্ণফুলী — এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবাহিত একটি প্রধান নদী যা চট্টগ্রাম শহরের পাশ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে এবং কোনো আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ করেনি। C) নবগঙ্গা — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি নদী এবং এটি দেশের অভ্যন্তরেই প্রবাহিত হয়। D) ভাগিরথী — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি নদী এবং গঙ্গার প্রধান শাখা যা ভারতের অভ্যন্তরে প্রবাহিত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও মায়ানমারের সীমান্ত বরাবর নাফ নদী প্রবাহিত, তাই সীমান্ত মনে রাখতে নাফ নামটি মনে রাখুন।
a IBRD
b IDA
c IFC
d EDI
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) IDA কেন সঠিক: - বিশ্ব ব্যাংকের এই অঙ্গপ্রতিষ্ঠানটি উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অত্যন্ত সহজ শর্তে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ ও অনুদান দিয়ে থাকে। - এই ঋণগুলোতে সুদের হার শূন্য বা খুব কম থাকে এবং পরিশোধের জন্য দীর্ঘ সময় পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IBRD — এটি বিশ্ব ব্যাংকের মূল ঋণদানকারী অঙ্গসংগঠন যা মূলত মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে বাজার দরে বাণিজ্যিক ঋণ প্রদান করে। B) IDA — প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক। C) IFC — এটি বিশ্ব ব্যাংকের এমন একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যা উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাবে বিনিয়োগ ও ঋণ সহায়তা দেয়। D) EDI — এটি বিশ্ব ব্যাংকের একটি অর্থনৈতিক উন্নয়ন ইনস্টিটিউট যা প্রশিক্ষণের সাথে যুক্ত এবং সফট লোন উইন্ডো নয়। মনে রাখার টিপস: আইডিএ বা IDA হলো সফট লোন উইন্ডো, যার মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলো সবচেয়ে সহজ শর্তে ঋণ পায়।
a ইথিওপিয়া
b নাইজেরিয়া
c কেনিয়া
d সুদান
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইথিওপিয়া কেন সঠিক: - আফ্রিকার পূর্ব উপকূলে শিংয়ের আকৃতির ভৌগোলিক অঞ্চলে ইথিওপিয়া অবস্থিত। - হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের মূল ভূখণ্ডজুড়ে ইথিওপিয়ার অবস্থান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইথিওপিয়া — এটি হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত প্রধান ও বৃহত্তম দেশ। B) নাইজেরিয়া — এটি আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি দেশ। C) কেনিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকায় অবস্থিত হলেও হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের মূল দেশের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) সুদান — এটি উত্তর-পূর্ব আফ্রিকায় অবস্থিত এবং হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের বাইরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: হর্ন অব আফ্রিকা মনে রাখতে SEED (সোমালিয়া, ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া, জিবুতি) এই সংক্ষিপ্ত রূপটি ব্যবহার করতে পারো।
a লসএঞ্জেলস
b আটলান্টা
c টোকিও
d নিউ দিল্লি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আটলান্টা কেন সঠিক: - ১৯৯৬ সালের ২৬শে জুলাই থেকে ১১ই আগস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টা শহরে ২৬তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - আধুনিক অলিম্পিক গেমসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে ১৯৯৬ সালের এই আসরটি আটলান্টা শহরে আয়োজন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লসএঞ্জেলস — এটি যুক্তরাষ্ট্রের লসএঞ্জেলস শহরে ১৯৮৪ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ১৯৯৬ সালের নয়। B) আটলান্টা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ১৯৯৬ সালের অলিম্পিক গেমসের আয়োজক শহর। C) টোকিও — এটি জাপানের টোকিও শহরে ১৯৬৪, ২০২০ সালের অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ১৯৯৬ সালের নয়। D) নিউ দিল্লি — এটি ভারতের নিউ দিল্লি শহরে কখনোই গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: শতবর্ষী অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়েছিল আমেরিকার আটলান্টা শহরে ১৯৯৬ সালে।
a Boris Becker
b Michael Stich
c Andre Agassi
d Stefan Edberg
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Andre Agassi কেন সঠিক: - আমেরিকান টেনিস তারকা আন্দ্রে আগাসি ১৯৯২ সালের উইম্বলডন ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার গোরান ইভানিসেভিচকে পরাজিত করে তার ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম একক শিরোপা অর্জন করেন। - এটি ছিল ঘাসের কোর্টে তার প্রথম শিরোপা জয় এবং ফাইনালে তার চমৎকার রিটার্ন শট জয়ের মূল চাবিকাঠি ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boris Becker — বোরিস বেকার এই বছরের চ্যাম্পিয়ন ছিলেন না, যদিও তিনি অতীতে উইম্বলডন জিতেছিলেন এবং ১৯৯২ সালে এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছাতে পারেননি। B) Michael Stich — মাইকেল স্টিক ১৯৯২ সালের উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন ছিলেন না, তিনি তার আগের বছর অর্থাৎ ১৯৯১ সালের পুরুষ একক শিরোপা লাভ করেছিলেন। D) Stefan Edberg — স্টেফান এডবার্গ ১৯৯২ সালের উইম্বলডন ফাইনালে বিজয়ী ছিলেন না, তবে তিনি এই দশকেই একাধিকবার এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। মনে রাখার টিপস: আন্দ্রে আগাসি নামটি মনে রাখুন কারণ তিনি ১৯৯২ সালে ঘাসের কোর্টে সবাইকে চমকে দিয়ে তার প্রথম উইম্বলডন শিরোপা জিতেছিলেন।
a তিতুমীর
b সৈয়দ আহমদ বেরেলভি
c দুদু মিয়া
d হাজী শরীয়ত উল্লাহ।
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস প্রদত্ত সঠিক উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (C) দুদু মিয়া ভুল। ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতা ছিলেন হাজী শরীয়ত উল্লাহ। পরবর্তীকালে তার পুত্র দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তাই সঠিক উত্তর হবে D) হাজী শরীয়ত উল্লাহ। সঠিক উত্তর: D) হাজী শরীয়ত উল্লাহ কেন সঠিক: - হাজী শরীয়ত উল্লাহ ১৮১৮ সালের দিকে বাংলায় ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতা ছিলেন। - তিনি ধর্মীয় সংস্কারের মাধ্যমে মুসলমানদের সঠিক ইসলামি অনুশাসনে ফেরাতে এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিতুমীর — তিনি ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা ছিলেন না, তিনি অবিভক্ত বাংলায় বারাসত অঞ্চলে ব্রিটিশ ও জমিদারদের বিরুদ্ধে বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করে আন্দোলন পরিচালনা করেন। B) সৈয়দ আহমদ বেরেলভি — তিনি ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শিখ ও ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ওয়াহাবি বা তরিকাহ ই মোহাম্মদীয়া আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। C) দুদু মিয়া — তিনি ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা নন, তবে পিতার মৃত্যুর পর এই আন্দোলনকে শক্তিশালী ও সাংগঠনিক রূপ দিতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। D) হাজী শরীয়ত উল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতা ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ফরায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা শরীয়ত উল্লাহ এবং এর সংগঠক ও দ্বিতীয় নেতা ছিলেন তার পুত্র দুদু মিয়া।
a দিনাজপুর
b পঞ্চগড়
c জয়পুরহাট
d লালমনিরহাট
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চগড় কেন সঠিক: - তেঁতুলিয়া বাংলাদেশের সর্বউত্তরে অবস্থিত একটি উপজেলা এবং এটি পঞ্চগড় জেলার অন্তর্ভুক্ত। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি পঞ্চগড় জেলার সর্বউত্তর প্রান্তের প্রশাসনিক অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনাজপুর — এটি অন্য একটি জেলা এবং তেঁতুলিয়া এর অন্তর্ভুক্ত নয়। B) পঞ্চগড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তেঁতুলিয়া এই জেলারই একটি উপজেলা। C) জয়পুরহাট — এটি রাজশাহী বিভাগের একটি পৃথক জেলা এবং এর সঙ্গে তেঁতুলিয়ার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। D) লালমনিরহাট — এটি রংপুর বিভাগের আরেকটি জেলা যা তেঁতুলিয়া থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড় এবং এর বিখ্যাত উপজেলা হলো তেঁতুলিয়া।

মোট প্রশ্ন (10)

a নীল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি বলে
b নীল সমুদ্রের প্রতিফলনের ফলে
c নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
d নীল আলোর প্রতিফলন বেশি বলে
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে ১. কেন সঠিক: - সূর্য থেকে আসা আলো বায়ুমণ্ডলের অণুগুলোর সাথে ধাক্কা খেয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, একে আলোর বিক্ষেপণ বলে। - দৃশ্যমান আলোর মধ্যে নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম থাকায় এর বিক্ষেপণ বা ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: বিজ্ঞানী লর্ড রেলি আবিষ্কার করেন যে আলোর বিক্ষেপণ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের চতুর্থ ঘাতের ব্যস্তানুপাতিক। - কার্যপ্রণালি: সূর্য থেকে আসা সাদা আলো বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় কণা, ধূলিকণা ও জলীয় বাষ্পের ওপর পড়লে স্বল্প তরঙ্গদৈর্ঘ্যের নীল আলো চারদিকে বেশি ছড়িয়ে পড়ে। - কারণ ও ফলাফল: আমাদের চোখ নীল আলোর প্রতি বেশি সংবেদনশীল এবং ছড়িয়ে পড়া এই নীল আলো আমাদের চোখে ধরা পড়ায় আকাশ নীল দেখায়। - বাস্তব প্রয়োগ: সূর্যাস্ত বা সূর্যোদয়ের সময় আলো অনেক বেশি পথ অতিক্রম করায় নীল আলো আগেই ছড়িয়ে হারিয়ে যায় এবং কেবল লাল বা কম বিক্ষিপ্ত আলো আমাদের চোখে পৌঁছায় বলে আকাশ লাল দেখায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রিজমের ভেতর দিয়ে সাদা আলো যাওয়ার ঘটনা। ব্যাখ্যা: প্রিজমের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় আলোর প্রতিসরণের কারণে বিভিন্ন রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ভিন্নতার জন্য আলো সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে যায়। উদাহরণ ২: ট্রাফিক সিগন্যালে লাল আলোর ব্যবহার। ব্যাখ্যা: লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি হওয়ায় কুয়াশা বা ধুলার ভেতর দিয়ে এটি কম বিক্ষিপ্ত হয়ে অনেক দূর থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি বলে — নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম বরং লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি। B) নীল সমুদ্রের প্রতিফলনের ফলে — সমুদ্র নীল দেখায় মূলত পানির অণু কর্তৃক লাল আলো শোষিত হওয়ার কারণে, আকাশের নীল রঙের প্রতিফলনের ফলে নয়। C) নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে — এটি সঠিক কারণ কারণ কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কারণে নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়। D) নীল আলোর প্রতিফলন বেশি বলে — বায়ুমণ্ডলে আলো প্রতিফলিত হয় না, বরং বিক্ষিপ্ত বা ছড়িয়ে পড়ে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম, তার বিক্ষেপণ বেশি। নীল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই এর বিক্ষেপণ বেশি হয় এবং আকাশ নীল দেখায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রেলি Scattering বা বিক্ষেপণ সংক্রান্ত সূত্রটি আলো ও তরঙ্গ অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে কেন মহাশূন্যে বা বায়ুমণ্ডল না থাকলে আকাশ কালো দেখায়।
a হৃৎপিণ্ডের সজোরে সংকোচন বা বন্ধ হয়ে যাওয়া
b মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা
c হৃৎপিণ্ডের অংশবিশেষের অসাড়তা
d ফুসফুস হঠাৎ বিকল হয়ে যাওয়া
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা ১. কেন সঠিক: - স্ট্রোক হলো এমন একটি চিকিৎসা জরুরি অবস্থা, যা ঘটে যখন মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত সরবরাহ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় বা কমে যায়। - এর ফলে মস্তিষ্কের কোষগুলো প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি পায় না এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে কোষগুলো মারা যেতে শুরু করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: স্ট্রোক বা সেরোপ্রোভাসকুলার অ্যাক্সিডেন্ট হলো মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহের ব্যাঘাত ঘটার কারণে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা সাময়িক বা স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়া। - কার্যপ্রণালি: এটি প্রধানত দুইভাবে ঘটে, রক্তনালী ছিঁড়ে গিয়ে মস্তিষ্কের ভেতরে রক্তক্ষরণ হওয়া বা রক্তনালীতে রক্ত জমাট বেঁধে রক্ত প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হওয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মস্তিষ্কের রক্তনালীতে চর্বি জমে রক্ত চলাচলের পথ শুরু হয়ে যাওয়া এবং রক্তপ্রবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে স্ট্রোক ঘটা। ব্যাখ্যা: এটি ইস্কেমিক স্ট্রোকের একটি বাস্তব উদাহরণ যেখানে রক্তনালীতে বাধা সৃষ্টির ফলে মস্তিষ্কের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উদাহরণ ২: উচ্চ রক্তচাপের কারণে মস্তিষ্কের দুর্বল রক্তনালী ফেটে গিয়ে রক্তক্ষরণ হওয়া। ব্যাখ্যা: এটি হেমোরেজিক স্ট্রোকের উদাহরণ যা আকস্মিক অজ্ঞান বা মৃত্যুর প্রধান কারণ হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হৃৎপিণ্ডের সজোরে সংকোচন বা বন্ধ হয়ে যাওয়া — এটি কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা স্ট্রোক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি হৃদরোগজনিত সমস্যা। B) মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা — এটি স্ট্রোকের সঠিক বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা এবং এটি মস্তিষ্কের রক্তনালীর সমস্যার কারণে ঘটে। C) হৃৎপিণ্ডের অংশবিশেষের অসাড়তা — হৃৎপিণ্ডের পেশিতে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হলে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাক হয়, মস্তিষ্কের স্ট্রোক নয়। D) ফুসফুস হঠাৎ বিকল হয়ে যাওয়া — ফুসফুস হঠাৎ বিকল হওয়া বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যাকে রেসপিরেটরি ফেইলিওর বলা হয়, যা স্ট্রোকের সরাসরি কারণ বা সংজ্ঞা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হার্ট অ্যাটাক হলো হৃৎপিণ্ডের রোগ আর স্ট্রোক হলো মস্তিষ্কের রোগ। - মনে রাখার জন্য ফাস্ট বা FAST শব্দ ব্যবহার করা হয়, যেখানে এফ মানে মুখের পক্ষাঘাত, এ মানে হাতের দুর্বলতা, এস মানে কথা বলায় সমস্যা এবং টি মানে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়ার সময়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - মস্তিষ্কের রক্তনালীর ব্লকেজ বা রক্তক্ষরণ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার সময় সর্বদা স্নায়ুতন্ত্র বা মস্তিষ্কের সংশ্লিষ্টতা মনে রাখতে হবে।
a কলা (Tissue) হতে ফুসফুসে বজ্য পদার্থ বহন করা
b ক্ষুদ্রান্ত্র হতে কলাতে খাদ্যের সারবস্তু বহন করা
c হরমোন বিতরণ করা
d জারক রস (enzyme) বিতরণ করা
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জারক রস (enzyme) বিতরণ করা ১. কেন সঠিক: রক্ত মানবদেহে অক্সিজেন, পুষ্টি উপাদান, হরমোন এবং বর্জ্য পদার্থ পরিবহন করে থাকে। কিন্তু জারক রস বা এনজাইম রক্ত দ্বারা পরিবাহিত হয় না, বরং এটি পরিপাক গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়ে নালীর মাধ্যমে পরিপাক নালীতে আসে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: রক্ত হলো এক ধরনের তরল যোজক কলা যা প্রধানত প্লাজমা এবং রক্তকণিকা নিয়ে গঠিত। কার্যপ্রণালি: রক্তের কাজ হলো বিভিন্ন কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করা এবং সেখান থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালা সরাসরি মুখের ভেতর খাদ্য পরিপাকে অংশ নেয়, যা রক্ত বহন করে না। ব্যাখ্যা: জারক রস বা এনজাইম রক্তনালীর মাধ্যমে পরিবাহিত না হয়ে নালিকা কিংবা সরাসরি নির্দিষ্ট অঙ্গে কাজ করে। উদাহরণ ২: পাকস্থলী থেকে নিঃসৃত পেপসিন নামক জারক রস সরাসরি খাদ্য পরিপাক করে। ব্যাখ্যা: এই এনজাইমগুলো রক্তে মিশে সারা দেহে বিতরণ হয় না, পরিপাক তন্ত্রের নির্দিষ্ট স্থানেই এদের কার্যকারিতা সীমাবদ্ধ থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলা (Tissue) হতে ফুসফুসে বজ্য পদার্থ বহন করা — এটি রক্তের অন্যতম প্রধান কাজ কারণ বিপাকীয় ক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন কার্বন ডাইঅ্যাক্সাইড রক্ত ফুসফুসে নিয়ে আসে। B) ক্ষুদ্রান্ত্র হতে কলাতে খাদ্যের সারবস্তু বহন করা — পরিপাক হওয়ার পর গ্লুকোজ, অ্যামিনো অ্যাসিড প্রভৃতি পুষ্টি উপাদান রক্তের মাধ্যমে সারা দেহের কোষে পৌঁছায়। C) হরমোন বিতরণ করা — অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সরাসরি রক্তে মিশে লক্ষ্য অঙ্গে পরিবাহিত হয়। D) জারক রস (enzyme) বিতরণ করা — এটি রক্তের কাজ নয় কারণ জারক রস রক্তে মিশে পরিবাহিত হয় না, এটি পরিপাকতন্ত্রের গ্রন্থি থেকে উৎপাদিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রক্ত পরিবহনতন্ত্রের অংশ হিসেবে পুষ্টি, গ্যাস ও হরমোন বহন করে। তবে পরিপাকের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম বা জারক রস পরিপাক নালীতে সরাসরি কাজ করে, রক্তে ছড়ায় না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তের প্রধান উপাদান প্লাজমা এবং এর মাধ্যমেই মূলত হরমোন, ভিটামিন ও বর্জ্য পদার্থ পরিবাহিত হয়। এই টপিক থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রক্তের কাজ এবং কাজ নয় এমন বিষয়গুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a এলইডি
b সিলিকন চিপ
c এলসিডি
d আইসি
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এলসিডি ১. কেন সঠিক: ডিজিটাল ঘড়ি বা ক্যালকুলেটরে কালচে অনুজ্জ্বল লেখা প্রদর্শনের জন্য এলসিডি বা লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়। এটি তরল স্ফটিকের ওপর তড়িৎ ক্ষেত্র প্রয়োগ করে আলোর স্বচ্ছতা পরিবর্তন করার মাধ্যমে অক্ষর বা সংখ্যা ফুটিয়ে তোলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: এলসিডি হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে তরল স্ফটিক বা লিকুইড ক্রিস্টাল ব্যবহার করে দৃশ্যমান চিত্র বা লেখা তৈরি করা হয়। কার্যপ্রণালি: বৈদ্যুতিক সংকেত প্রয়োগ করলে তরল স্ফটিকগুলোর বিন্যাস পরিবর্তিত হয় এবং ব্যাকলাইট বা প্রতিফলিত আলোকে আটকে দিয়ে বা পথ পরিবর্তন করে কালচে অনুজ্জ্বল লেখা দৃশ্যমান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পকেটের সাধারণ ক্যালকুলেটর। ব্যাখ্যা: এর স্ক্রিনে যে সংখ্যাগুলো দেখা যায় তা এলসিডি প্রযুক্তির সাহায্যে কম বিদ্যুৎ খরচ করে প্রদর্শিত হয়। উদাহরণ ২: ডিজিটাল টেবিল ঘড়ি। ব্যাখ্যা: এই ঘড়িগুলোর পর্দায় সময় প্রদর্শনের জন্য এলসিডি প্যানেল ব্যবহার করা হয় যা ব্যাটারির চার্জ দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এলইডি — এটি লাইট ইমিটিং ডায়োড নির্দেশ করে যা নিজে আলো ছড়ায়, যেমন আধুনিক টেলিভিশন বা বিজ্ঞাপনের রঙিন বড় পর্দা। B) সিলিকন চিপ — এটি ডেটা প্রক্রিয়াজাতকরণ ও হিসাব-নিকাশের কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোপ্রসেসর বা আইসি তৈরিতে প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) এলসিডি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ডিজিটাল ঘড়ি বা ক্যালকুলেটরে কালচে অনুজ্জ্বল লেখা ফুটিয়ে তুলতে কাজ করে। D) আইসি — ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি হলো একটি ক্ষুদ্র চিপ যার মধ্যে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর ও ইলেকট্রনিক সার্কিট একসঙ্গে সংযুক্ত থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: ডিজিটাল ঘড়ির লেখা বা ক্যালকুলেটরের স্ক্রিন মানেই তরল স্ফটিক বা এলসিডি প্রযুক্তি। কম বিদ্যুৎ খরচে স্বল্প পরিসরে সংখ্যা দেখানোর জন্য এলসিডি সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিসপ্লেসংক্রান্ত প্রশ্নে এলসিডি এবং এলইডির পার্থক্য প্রায়ই আসে। এলসিডি কাজ করার জন্য সাধারণত বাহ্যিক আলোর ওপর নির্ভর করে অথবা নিচে ছোট আলোর উৎস ব্যবহার করে।
a সরাসরি মাটিতে মিশ্রিত হয়ে জৈব বস্তু প্রস্তুত করে
b ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে উদ্ভিদের গ্রহণ উপযোগী বস্তু প্রস্তুত করে
c পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার ফলে
d মাটির অজৈব লবণকে পরিবর্তিত করে
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে উদ্ভিদের গ্রহণ উপযোগী বস্তু প্রস্তুত করে ১. কেন সঠিক: বাতাসের নাইট্রোজেন সরাসরি উদ্ভিদ গ্রহণ করতে পারে না, তাই মাটিতে থাকা নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া একে অ্যামোনিয়াম ও নাইট্রেটে রূপান্তর করে। এই নাইট্রোজেন সংবদ্ধকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ মাটি থেকে পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে উর্বরতা বৃদ্ধি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রোজেনকে উদ্ভিদের উপযোগী যৌগে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া হলো নাইট্রোজেন ফিক্সেশন বা সংবন্ধন। কার্যপ্রণালি: রাইজোবিয়াম নামক ব্যাকটেরিয়া সিম্বিওটিক বা সহাবস্থান প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের মূলে নডিউল তৈরি করে নাইট্রোজেন স্থির করে। কারণ ও ফলাফল: মুক্ত বাতাস থেকে নাইট্রোজেন মাটিতে এসে রাসায়নিকভাবে পরিবর্তিত হয়ে উদ্ভিদের প্রোটিন ও ডিএনএ তৈরিতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিম জাতীয় উদ্ভিদের মূলে রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি। ব্যাখ্যা: এই ব্যাকটেরিয়া বাতাস থেকে নাইট্রোজেন এনে মাটিতে নাইট্রেট লবণ তৈরি করে মাটির পুষ্টি বাড়ায়। উদাহরণ ২: বজ্রপাতের সময় বৃষ্টির পানির সাথে নাইট্রোজেনের মাটিতে মিশে যাওয়া। ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ চমকানোর ফলে নাইট্রোজেন অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে যা পরবর্তীতে মাটিতে মিশে উর্বরতা বাড়ায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরাসরি মাটিতে মিশ্রিত হয়ে জৈব বস্তু প্রস্তুত করে — বাতাস থেকে নাইট্রোজেন সরাসরি জৈব বস্তু প্রস্তুত করতে পারে না, এর জন্য ব্যাকটেরিয়ার সাহায্য প্রয়োজন। C) পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার ফলে — পানিতে সামান্য নাইট্রোজেন মিশলেও তা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির প্রধান ও প্রত্যক্ষ জৈবিক প্রক্রিয়া নয়। D) মাটির অজৈব লবণকে পরিবর্তিত করে — বাতাস থেকে আসা নাইট্রোজেন মাটির পূর্বের অজৈব লবণকে সরাসরি পরিবর্তন করে না, বরং নতুন যৌগ তৈরি করে। ৫ মনে রাখার টিপস: মাটিতে নাইট্রোজেনের ভাণ্ডার বাড়াতে ব্যাকটেরিয়া সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে। রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া মানেই গাছের বন্ধু এবং মাটির উর্বরতার চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাতাসে নাইট্রোজেনের পরিমাণ ৭৮.০৯% হলেও উদ্ভিদ সরাসরি তা ব্যবহার করতে পারে না। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়শই নাইট্রোজেন সংবদ্ধকরণকারী ব্যাকটেরিয়া যেমন রাইজোবিয়াম বা নস্টক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
b নিমভূমি নিমজ্জিত হবে
c সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
d সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিমভূমি নিমজ্জিত হবে ১. কেন সঠিক: গ্রীন হাউজ ইফেক্ট বা গ্রীনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলে বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটে এবং মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক ও নিচু বদ্বীপ অঞ্চল হওয়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে এর উপকূলীয় ও নিম্নাঞ্চল সমুদ্রের পানিতে তলিয়ে যাওয়ার মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও অন্যান্য গ্রীনহাউস গ্যাসের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্রীন হাউজ ইফেক্ট বলে। কার্যপ্রণালি: বায়ুমণ্ডলে আটকে থাকা অতিরিক্ত তাপ পৃথিবীর মেরু অঞ্চলের হিমবাহ ও বরফ গলিয়ে সমুদ্রে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। কারণ ও ফলাফল: তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের পানির তাপীয় প্রসারণ ঘটে এবং বরফ গলে পানির আয়তন বৃদ্ধি পায়, যার ফলে উপকূলীয় নিমভূমি প্লাবিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুন্দরবন অঞ্চলের ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। ব্যাখ্যা: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সুন্দরবনের মতো নিচু উপকূলীয় অঞ্চল লবণাক্ত পানিতে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। উদাহরণ ২: গঙ্গা ও ব্রক্ষ্মপুত্র অববাহিকার ডেল্টীয় এলাকা। ব্যাখ্যা: নদীর মোহনা ও উপকূলবর্তী জনপদগুলো সমুদ্রের পানি বৃদ্ধির ফলে ধীরে ধীরে নিমজ্জিত হতে শুরু করবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে — উত্তাপ বৃদ্ধি পেলেও এটি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের একটি প্রাথমিক প্রভাব, কিন্তু ভৌগোলিক দিক থেকে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে মারাত্মক প্রত্যক্ষ ও স্থায়ী ভৌগোলিক ক্ষতি হলো নিমভূমি নিমজ্জিত হওয়া। B) নিমভূমি নিমজ্জিত হবে — এটি সঠিক উত্তর কারণ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় নিচু এলাকাগুলো স্থায়ীভাবে পানির নিচে তলিয়ে যাবে। C) সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে — সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়ে সত্য, কিন্তু এটি গ্রীনহাউস প্রতিক্রিয়ার একটি পরোক্ষ ও জলবায়ুজনিত ফল, যা দেশের সবচেয়ে বড় প্রত্যক্ষ ও স্থায়ী ভৌগোলিক ক্ষতি নয়। D) সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে — অপশনটি পুনরাবৃত্তিমূলক এবং এটি গ্রীনহাউস গ্যাসের প্রভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের একটি আনুষঙ্গিক ফলাফল মাত্র। ৫. মনে রাখার টিপস: গ্রীনহাউস ইফেক্ট মানেই তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি মানেই বরফ গলা ও সমুদ্রের পানি বেড়ে নিচু ভূমি তলিয়ে যাওয়া। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান নিচু হওয়ায় এর সবচেয়ে বড় দৃশ্যমান ও ভয়াবহ পরিণতি হলো নিমভূমির নিমজ্জন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গ্রীনহাউস গ্যাসের জন্য প্রধানত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস দায়ী। এ ধরনের পরিবেশগত পরিবর্তন থেকে বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই বৈশ্বিক উষ্ণতা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
a ফুসফুসে রোগ সৃষ্টি করে
b গ্রীন হাউজ ইফেক্টে অবদান রাখে
c ওজোন স্তরে ফুটো সৃষ্টি করে
d দাহ্য বলে অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাবনা ঘটায়
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওজোন স্তরে ফুটো সৃষ্টি করে ১. কেন সঠিক: সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বন গ্যাস বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফেয়ারে পৌঁছে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ভেঙে যায় এবং ক্লোরিন পরমাণু মুক্ত করে। এই মুক্ত ক্লোরিন পরমাণু ওজোন অণুকে ভেঙে অক্সিজেনে পরিণত করে, যার ফলে ওজোন স্তরের ক্ষয় ঘটে বা ফুটো সৃষ্টি হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: সিএফসি হলো কার্বন, ক্লোরিন এবং ফ্লোরিনের একটি কৃত্রিম যৌগ যা অত্যন্ত স্থিতিশীল এবং সহজে নষ্ট হয় না। রাসায়নিক বিক্রিয়া: সিএফসি থেকে মুক্ত হওয়া ক্লোরিন পরমাণু একটি চেইন বিক্রিয়ার মাধ্যমে হাজার হাজার ওজোন অণুকে ধ্বংস করতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনারে কুলিং এজেন্ট হিসেবে অতীতে সিএফসি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হতো। ব্যাখ্যা: এসব যন্ত্রের লিকেজ বা পুরনো যন্ত্র নষ্ট হওয়ার সময় সিএফসি গ্যাস বায়ুমণ্ডলে মিশে ওজোন স্তরের ক্ষতি করত। উদাহরণ ২: হেয়ার স্প্রে বা বডি স্প্রে এরোসল ক্যানে প্রপেলান্ট হিসেবে সিএফসি ব্যবহার করা হতো। ব্যাখ্যা: স্প্রে ব্যবহারের সময় এই গ্যাস সরাসরি বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে এবং ওজোন স্তরে পৌঁছে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুসফুসে রোগ সৃষ্টি করে — ফুসফুসের রোগ প্রধানত ধূমপান, বায়ু দূষণ, ধূলিকণা বা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়, সরাসরি সিএফসি এর জন্য নয়। B) গ্রীন হাউজ ইফেক্টে অবদান রাখে — যদিও সিএফসি একটি গ্রীন হাউজ গ্যাস, তবে এর প্রধান ক্ষতিকর দিক হলো ওজোন স্তর ধ্বংস করা। C) ওজোন স্তরে ফুটো সৃষ্টি করে — এটি সঠিক কারণ সিএফসি অণুর ক্লোরিন ওজোন স্তরকে ভেঙে ক্ষয় করে। D) দাহ্য বলে অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাবনা ঘটায় — সিএফসি সাধারণত অদাহ্য এবং বিষহীন হওয়ায় এটি অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: সিএফসি মানে ক্লোরোফ্লোরোকার্বন, যেখানে থাকা ক্লোরিন অক্ষরটি মনে রাখবে ওজোন স্তরের ছিদ্র বা ক্লোরিন চক্রের সঙ্গে যুক্ত। পরিবেশবিজ্ঞানের প্রশ্নে সিএফসি দেখলেই চোখ বন্ধ করে ওজোন স্তর ক্ষয় বা মন্ট্রিল প্রটোকলের কথা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ওজোন স্তর রক্ষার্থে সিএফসি ব্যবহারের বিরুদ্ধে ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত হয় ঐতিহাসিক মন্ট্রিল প্রটোকল। বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে ওজোন স্তর থাকে এবং তা ক্ষয়কারী প্রধান উপাদান কী, এই দুই তথ্য বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় বারবার আসে।
a নতুন ধরনের এক্সরে
b ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দের দ্বারা ইমেজিং
c শরীরের অভ্যন্তরের শব্দ বিশ্লেষণ
d শক্তিশালী শব্দ দিয়ে পিত্তপাথর বিচূর্ণীকরণ
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দের দ্বারা ইমেজিং ১. কেন সঠিক: - আলট্রাসনোগ্রাফিতে উচ্চ কম্পাংকের এবং খুব ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করা হয় যা মানবদেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে বিভিন্ন টিস্যু থেকে প্রতিফলিত হয়ে ছবি তৈরি করে। - এটি ক্ষতিকর এক্সরে বা তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছাড়াই শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নিখুঁত প্রতিচ্ছবি বা সোনোগ্রাফি তৈরি করতে সক্ষম। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলট্রাসনোগ্রাফি বা সোনোগ্রাফি হলো এমন একটি মেডিকেল ইমেজিং প্রযুক্তি যা শব্দ তরঙ্গের প্রতিধ্বনি বা ইকো ব্যবহার করে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গের ছবি তোলে। - কার্যপ্রণালি: ট্রান্সডুসার নামক যন্ত্রের মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ শরীরে পাঠানো হয়, যা অঙ্গের সীমানা থেকে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে এবং কম্পিউটারের সাহায্যে মনিটরে প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। - বাস্তব প্রয়োগ: গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ, হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা দেখা এবং যকৃত বা কিডনির রোগ নির্ণয়ে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গর্ভবতী মায়ের পেটে আলট্রাসনোগ্রাফি করা। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে চিকিৎসকরা জরায়ুর ভেତরে ভ্রূণের স্বাভাবিক বিকাশ, হৃদস্পন্দন এবং সম্ভাব্য কোনো জটিলতা নিরাপদে পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। উদাহরণ ২: পিত্তথলিতে পাথর নির্ণয়। ব্যাখ্যা: শব্দ তরঙ্গ পিত্তথলিতে থাকা পাথরের গায়ে বাধা পেয়ে ফিরে আসে, ফলে মনিটরে পাথরের অবস্থান স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নতুন ধরনের এক্সরে — এক্সরেতে আইনয়নকারী তেজস্ক্রিয় রশ্মি ব্যবহার করা হয়, কিন্তু আলট্রাসনোগ্রাফিতে কোনো এক্সরে বা বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না বরং এটি শব্দ তরঙ্গভিত্তিক। B) ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দের দ্বারা ইমেজিং — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এতে উচ্চ কম্পাংক ও ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দ ব্যবহার করে ইমেজিং করা হয়। C) শরীরের অভ্যন্তরের শব্দ বিশ্লেষণ — এটি ভুল কারণ শরীর নিজে শব্দ তৈরি করে না, বরং বাইরে থেকে শব্দ তরঙ্গ পাঠিয়ে তার প্রতিধ্বনি বিশ্লেষণ করা হয়। D) শক্তিশালী শব্দ দিয়ে পিত্তপাথর বিচূর্ণীকরণ — এই অপশনটি লিথোট্রিপসি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত, যা শব্দ তরঙ্গ দিয়ে পাথর ভাঙার কাজ করে কিন্তু আলট্রাসনোগ্রাফি শুধু ছবি তোলার জন্য ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আলট্রাসনোগ্রাফি শব্দটির সঙ্গে শব্দ বা সাউন্ড শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে হবে কারণ এটি সম্পূর্ণভাবে শব্দ তরঙ্গের প্রতিধ্বনি বা ইকো নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। - এক্সরের সঙ্গে একে গুলিয়ে ফেলা যাবে না কারণ এক্সরে তেজস্ক্রিয় রশ্মি আর আলট্রাসনোগ্রাফি নিরাপদ শব্দ তরঙ্গ নিয়ে কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আলট্রাসনোগ্রাফিতে ব্যবহৃত শব্দ তরঙ্গের কম্পাংক মানুষের শ্রবণ সীমার চেয়ে অনেক বেশি হয় যা সাধারণ কান শুনতে পায় না। - এই প্রযুক্তি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ইকোকার্ডিওগ্রাফি এবং সোনোগ্রাফির মতো বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
a প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার বন্ধ হয়
b প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ একক দৈর্ঘ্য অতিক্রম করে
c প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায়
d প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার ওঠানামা করে
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায় ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো আমাদের গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ প্রবাহটি হলো পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বা অলটারনেটিং কারেন্ট। - এই ধরণের বিদ্যুৎ নির্দিষ্ট সময় পর পর তার প্রবাহের দিক পরিবর্তন করে এবং চক্র সম্পন্ন করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তড়িৎ কম্পাঙ্ক হলো প্রতি সেকেন্ডে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ কতবার তার পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করে তার পরিমাপ। - কার্যপ্রণালি: ৫০ হার্জ কম্পাঙ্কের অর্থ হলো বিদ্যুৎ প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করে এবং প্রতি চক্রে দুইবার দিক বদলায়। - কারণ ও ফলাফল: পূর্ণ চক্রে দুইবার দিক বদলানোর কারণে ৫০ হার্জ কম্পাঙ্কে বিদ্যুৎ প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে মোট একশ বার দিক পরিবর্তন করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের দেশের বাসা বাড়িতে চালিত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন ফ্যান বা বাল্ব এই কম্পাঙ্কে খুব দ্রুত দিক বদলের মাধ্যমে সচল থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক পাখা ব্যাখ্যা: পাখা বা ফ্যান চললে যে বিদ্যুৎ সরবরাহ হয় তা প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার দিক বদলায়, যা পরিবর্তী প্রবাহের মূল বৈশিষ্ট্য। উদাহরণ ২: এসি বাল্বের আলো ব্যাখ্যা: বৈদ্যুতিক বাল্ব প্রতি সেকেন্ডে একশ বার জ্বলে ও নেভে, যা মানুষের চোখ ধরতে পারে না কিন্তু এর কম্পাঙ্কের ফল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার বন্ধ হয় — বিদ্যুৎ প্রবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয় না, বরং এর দিক পরিবর্তিত হয়। B) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ একক দৈর্ঘ্য অতিক্রম করে — কম্পাঙ্ক কোনো দৈর্ঘ্য নির্দেশ করে না, এটি সময়ের সাথে সম্পর্কিত। C) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায় — এটি সঠিক কারণ কম্পাঙ্কের সংজ্ঞা অনুযায়ী প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার পূর্ণ সাইকেল সম্পন্ন হয়। D) প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার ওঠানামা করে — ওঠানামা বলতে শুধু মান পরিবর্তন বোঝায়, কিন্তু কম্পাঙ্ক মূলত দিক পরিবর্তনের পূর্ণ চক্রকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কম্পাঙ্ক বা ফ্রিকোয়েন্সি শব্দ দেখলে বুঝতে হবে এটি প্রতি সেকেন্ডে ঘটিত কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি। - ৫০ হার্জ মানে সেকেন্ডে ৫০ বার পূর্ণ সাইকেল বা দিক বদল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার স্ট্যান্ডার্ড কম্পাঙ্ক ৫০ হার্জ এবং উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতে এটি ৬০ হার্জ। - ডিরেক্ট কারেন্ট বা ডিসি বিদ্যুতের কম্পাঙ্ক শূন্য কারণ এটি কখনো দিক বদলায় না।
a যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
b নদী স্রোতের সুকৌশল ব্যবহারে
c গুণ টানার সময় টানটি সামনের দিকে রেখে
d পাল ব্যবহার করে
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে ১. কেন সঠিক: নৌকার গুণ টানার সময় তীর থেকে বল প্রয়োগ করা হয় যা নৌকাকে বাঁকা পথে টেনে নিতে চায়। এই অবস্থায় মাঝি হাল যথাযথভাবে ঘুরিয়ে নদীর স্রোত এবং গুণ টানার বলের মধ্যে একটি লব্ধি বল তৈরি করেন যা নৌকাকে মাঝ নদীতে রেখে সামনে এগিয়ে নেয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ভেক্টরের সাম্যবস্থা এবং বলের উপাংশ বিভাজন। কার্যপ্রণালি: গুণ টানার ফলে নৌকার ওপর তির্যকভাবে বল প্রযুক্ত হয় এবং হালের সাহায্যে পানির বাধাকে কাজে লাগিয়ে নৌকাকে নির্দিষ্ট গতিপথে রাখা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পালতোলা নৌকা বাতাসকে আড়ভাবে কেটে বিপরীত দিকে এগিয়ে যায়। ব্যাখ্যা: এটি ভেক্টরের উপাংশ বিভাজনের মাধ্যমে বলের অভিমুখ পরিবর্তনের একটি চমৎকার বাস্তব প্রয়োগ। উদাহরণ ২: বিমানের ডানা বা এয়ারফয়েল বায়ুর প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে উড্ডয়ন করে। ব্যাখ্যা: এটি তরল বা বায়ুর গতিশীলতার বলকে সুকৌশল ব্যবহারের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে — এই অপশনটি প্রশ্নে সঠিক বলা হলেও পদার্থবিজ্ঞানের গতিবিদ্যা ও বলের উপাংশ অনুযায়ী এটি আংশিক বা অসম্পূর্ণ, কারণ মূলত গুণ টানার বল এবং হালের যৌথ ক্রিয়ায় এটি ঘটে। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রচলিত উত্তর হিসেবে এটি গৃহীত। B) নদী স্রোতের সুকৌশল ব্যবহারে — নদী স্রোত একা নৌকাকে সামনে নিতে পারে না যদি না হালের মাধ্যমে দিক নিয়ন্ত্রণ করা হয়। C) গুণ টানার সময় টানটি সামনের দিকে রেখে — তীরের সাপেক্ষে গুণ সব সময় নির্দিষ্ট কোণে টানা হয়, একে সরাসরি সামনের দিকে রাখা সম্ভব নয়। D) পাল ব্যবহার করে — গুণ টানা নৌকায় সাধারণত পাল ব্যবহৃত হয় না, এখানে তীরের বল ও হালের ভূমিকা প্রধান। ৫ মনে রাখার টিপস: নৌকা সোজা রাখতে হালের কাজ সবার আগে মনে রাখবে। গুণ টানার বল আর হালের দিক মিলেই নৌকা চলে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বলের লব্ধি এবং দিক পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। একই ধারণা থেকে ভেক্টরের উপাংশ ও সাম্যবস্থা সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।