বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬

পদের নাম: উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a করিয়া সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c নির্মলেন্দু গুণ
d আল মাহমুদ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রবর্তক ও ব্যবহারকারী। এই ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো পঙক্তি পরিবর্তনের সময় চরণান্তে মিল না থাকা এবং ভাব ও সুরের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য এবং মেঘনাদবধ কাব্যে প্রথম এই ছন্দের সার্থক প্রয়োগ ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর কীর্তি এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য। উদাহরণ ২: তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এবং এর মাধ্যমেই এই ছন্দের আত্মপ্রকাশ ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করিয়া সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন, তিনি বাংলা কাব্যে ছন্দের জাদুকর ও নানা বৈচিত্র্যময় ছন্দের কারিগর হিসেবে পরিচিত। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা কাব্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তন ও সফল প্রয়োগ করেন। C) নির্মলেন্দু গুণ — নির্মলেন্দু গুণ আধুনিক বাংলা কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি, যিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। D) আল মাহমুদ — আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক, যিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্ত মানেই অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং মেঘনাদবধ কাব্য। পরীক্ষায় অমিত্রাক্ষর ছন্দ এলেই চোখ বন্ধ করে মাইকেল মধুসূদন দত্ত উত্তর নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের উৎস হলো মূলত ইংরেজি ব্ল্যাংক ভার্স বা মিলহীন পদ্য। একই ধরনের প্রশ্নে অনেক সময় মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা কে, এমন প্রশ্নও আসে।
a জসীমউদ্দীন
b সুকান্ত
c বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
d প্রমথ চৌধুরী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'বনফুল' হলো বিখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের প্রখ্যাত ছদ্মনাম। - তিনি মূলত তাঁর ছোটগল্পের জন্য বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ১৯০০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং পেশায় একজন চিকিৎসক ছিলেন। - তিনি মননশীল ছোটগল্প রচনার জন্য বিখ্যাত এবং তাঁর গল্পে বিজ্ঞান ও মানুষের মনের জটিলতা প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুলের বিখ্যাত ছোটগল্প 'মৃতের আত্মহত্যা'। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প। উদাহরণ ২: বনফুলের বিখ্যাত উপন্যাস 'হাতেম আলী' বা 'অগ্নি'। ব্যাখ্যা: তাঁর রচিত এই উপন্যাসগুলো বাংলা কথাসাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জসীমউদ্দীন — ইনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং তাঁর কোনো বিখ্যাত ছদ্মনাম বনফুল নয়। B) সুকান্ত — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য নামে পরিচিত। D) প্রমথ চৌধুরী — ইনি 'বীরবল' ছদ্মনামে বাংলা সাহিত্যে প্রবন্ধ ও লেখালেখি করতেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ফুল ভালোবাসতেন তাই তাঁর ছদ্মনাম ছিল বনফুল। - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এটি মনে রাখলে বিভ্রান্তি দূর হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - সাহিত্যিকদের প্রকৃত নাম ও ছদ্মনাম আলাদা করে মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a 1913
b 1939
c 1941
d 1891
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১৩ ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি তার গীতালিঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য এ সম্মাননা অর্জন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি এশিয়ার প্রথম ব্যক্তি হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের মাধ্যমেই মূলত নোবেল প্রাপ্তি নিশ্চিত হয়। উদাহরণ ২: সং অব অফারিং বা সং অফারিংস প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে। ব্যাখ্যা: এটি গীতাঞ্জলির ইংরেজি রূপ যার জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই তিনি নোবেল পান। B) ১৯৩৯ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ নোবেল পাননি, এটি ভুল সাল। C) ১৯৪১ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনাবসান ঘটে, নোবেল প্রাপ্তির সাল এটি নয়। D) ১৮৯১ — এই সালে তিনি শিলাইদহে জমিদারি দেখাশোনার দায়িত্ব নেন, নোবেল পাওয়ার সাল এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ নোবেল পান ১৯১৩ সালে, যা বিশ্বসাহিত্যে এক অনন্য গৌরব। তার এই সালটি মনে রাখতে ১৯ এবং ১৩ সংখ্যা দুটি পাশাপাশি মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নোবেল বিজයী ও সাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। মনে রাখবে তিনি ইংরেজি অনুবাদের জন্য প্রথম নোবেলজয়ী এশিয়ান লেখক।
a ঢাকা
b মাদ্রাজ
c কোলকাতা
d বোম্বে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঢাকা ১. কেন সঠিক: - দীনবন্ধু মিত্র রচিত বিখ্যাত 'নীলদর্পণ' নাটকটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি প্রকাশের ক্ষেত্রে ঢাকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। - নাটকটির মূল প্রণেতা দীনবন্ধু মিত্র হলেও এটি প্রথম ঢাকা থেকেই মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়েছিল, যা বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে একটি বিশেষ ঘটনা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'নীলদর্পণ' নাটকের রচিয়তা হলেন দীনবন্ধু মিত্র, যিনি উনিশ শতকের অন্যতম বিশিষ্ট নাট্যকার ও সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত। - এই নাটকটি নীলকর সাহেবদের দ্বারা বাংলার সাধারণ কৃষক সমাজের ওপর চালিত নির্মম নির্যাতন ও অত্যাচারের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'নীলদর্পণ' নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন। ব্যাখ্যা: নাটকটির গুরুত্ব অনুধাবন করে এর প্রচারের জন্য মধুসূদন দত্ত 'The Nil Darpan or the Indigo Planting Mirror' নামে ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করেন। উদাহরণ ২: রেভারেন্ড জেমস লং নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদের প্রকাশনা ও অর্থদণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ব্যাখ্যা: নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের দায়ে জেমস লংয়ের অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড হয়েছিল, যা তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বড় প্রভাব ফেলেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটকটি ঢাকা থেকেই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। B) মাদ্রাজ — এটি ভুল অপশন কারণ মাদ্রাজ থেকে এই নাটকের প্রকাশনার কোনো ঐতিহাসিক তথ্য বা যোগসূত্র নেই। C) কোলকাতা — এটি ভুল অপশন কারণ নাটকটি কোলকাতা থেকে অভিনীত বা পরবর্তী সময়ে চর্চা হলেও প্রথম প্রকাশনা ঢাকা থেকেই হয়েছিল। D) বোম্বে — এটি ভুল অপশন কারণ বোম্বে বা বর্তমান মুম্বাই শহরের সঙ্গে এই নাটকের প্রকাশের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - নীলদর্পণ নাটকের প্রকাশস্থান মনে রাখার কৌশল হলো নীলকরদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সূচনা ঢাকা থেকে ঘটেছিল বলে এর প্রকাশও ঢাকা থেকেই হয়েছিল। - নাটকটির লেখক দীনবন্ধু মিত্র এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬০ সালে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য 'নীলদর্পণ' নাটকের রচিয়তা, প্রকাশের সাল এবং ইংরেজি অনুবাদের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের ঐতিহাসিক সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রে প্রথম প্রকাশনা বা অনুবাদের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বিষের বাঁশী
b অগ্নিবীণা
c চক্রবাক
d সাম্যবাদী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবিতাটি জাতীয় কবি কাজী নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা এর অন্তর্ভুক্ত। - ১৯২১ সালের ডিসেম্বরে রচিত এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারা ও যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা সাহিত্যে এটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। - এই কাব্যের প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় বিখ্যাত কবিতা হলো বিদ্রোহী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা এবং এটিও নজরুলের একটি বিখ্যাত বিপ্লবী রচনা। উদাহরণ ২: কামাল পাশা ব্যাখ্যা: এটিও অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উদ্দীপনামূলক কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষের বাঁশী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ভাবাপন্ন কাব্য হলেও এতে বিদ্রোহী কবিতাটি নেই। B) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিদ্রোহী কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থেরই অন্তর্গত। C) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি গজল ও প্রেমের গান সংকলনধর্মী কাব্যগ্রন্থ। D) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্য ও মানবতাবাদী চেতনার ওপর রচিত একটি বিশেষ কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের বিদ্রোহী সুর প্রথম বেজেছিল তাঁর প্রথম কাব্য অগ্নিবীণায়। অগ্নিবীণা কাব্যটি মনে রাখলে এর বিখ্যাত কবিতা বিদ্রোহী সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্রোহী কবিতাটি ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে রচিত হয় এবং ১৯২২ সালে বিজলী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা ও প্রকাশকাল প্রায়ই আসে।
a দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
b সলিল চৌধুরী
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ১. কেন সঠিক: - 'ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' গানটির রচয়িতা বিখ্যাত নাট্যকার ও সুরকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান যা স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও নাট্যকার। - তাঁর রচিত দেশাত্মবোধক গানগুলো মূলত তাঁর 'মহাসিংহ', 'রানা প্রতাপসিংহ' বা অন্যান্য ঐতিহাসিক নাটকের অন্তৰ্গত কিংবা স্বতন্ত্র দেশপ্রেমের গান হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গ আমার জননী আমার ধাতু আমার প্রভূ গো ব্যাখ্যা: এটিও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা একটি জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: আমার দেশ সব দেশের সেরা সে যে আমার জন্মভূমি ব্যাখ্যা: এটিও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ দেশপ্রেমের গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানটির মূল রচয়িতা ও সুরকার তিনিই। B) সলিল চৌধুরী — তিনি আধুনিক যুগের একজন প্রখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক ও গীতিকার হলেও এই গানের রচয়িতা নন। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বহু গান রচনা করলেও এই নির্দিষ্ট গানটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নন। D) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি হলেও এই গানটির রচয়িতা অন্য একজন। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের দেশাত্মবোধক গানগুলোর মধ্যে বসুন্ধরা ও ধানধান্য পুষ্পে ভরা লাইনটি থাকলে বুঝতে হবে সেটি ডি এল রায়ের সৃষ্টি। - ধনধান্য পুষ্পে ভরা গানটির মূল সুরকার ও গীতিকার উভয়ই দ্বিজেন্দ্রলাল রায় নিজে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান ও তার রচয়িতা প্রায়ই আসে। - দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের দেশপ্রেমমূলক গান ও ঐতিহাসিক নাটকগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কায়কোবাদ
d চন্দ্রাবতী
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানাটি আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের শৈশব ও স্মৃতির সাথে গভীরভাবে জড়িত। এখানে তিনি তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় কাটিয়েছিলেন যা তার সাহিত্য সাধনাকে প্রভাবিত করেছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কবিদের জন্মস্থান ও কর্মক্ষেত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। কাজী নজরুল ইসলাম ময়মনসিংহের ত্রিশালের দরিরামপুর হাই স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন এবং এখানকার পরিবেশ তার মনে গভীর রেখাপাত করেছিল। ত্রিশালের নাম এলেই অবধারিতভাবে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাম এবং তার স্মৃতিকথার কথা মনে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ ত্রিশাল তার স্মৃতিবিজড়িত স্থান। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে কুষ্টিয়ার শিলাইদহ, সিরাজুরের শাহজাদপুর ও নাটোরের পতিসরের নাম জড়িত। C) কায়কোবাদ — কবি কায়কোবাদের স্মৃতিবিজড়িত প্রধান অঞ্চল হলো ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার আগলা কসবা গ্রাম। D) চন্দ্রাবতী — মধ্যযুগের প্রথমাংশ কবি চন্দ্রাবতীর স্মৃতিবিজড়িত স্থান কিশোরগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার মৈশলা গ্রাম। মনে রাখার টিপস: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং ময়মনসিংহের ত্রিশাল এই দুটি নাম একসাথে জোড়া লাগিয়ে মনে রাখবে। নজরুল মানেই বিদ্রোহী কবি এবং তার শৈশবের স্মৃতিময় স্থান হলো ত্রিশাল।
a অভাগীর স্বর্গ
b বলাকা
c মতিচুর
d সাম্যবাদী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মতিচুর ১. কেন সঠিক: মতিচুর হলো বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন। এই গ্রন্থে নারীর অধিকার, শিক্ষা এবং সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে জোরালো ও যুক্তিবাদী বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর মারা যান। তিনি বাংলা সাহিত্যে নারীবাদী প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও সমাজসংস্কারক হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার লেখা একটি বিশ্ববিখ্যাত নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানমূলক রচনা। উদাহরণ ২: পদ্মরাগ ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা নারীর আত্মনির্ভরশীলতার ওপর আলোকপাত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভাগীর স্বর্গ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা সমাজে নিচু জাতের মানুষের ওপর নির্যাতন তুলে ধরে। B) বলাকা — এটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো রচনা নয়, বরং এটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। D) সাম্যবাদী — এটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত সাম্যবাদী কবিতা ও কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: রোকেয়ার বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো রোকেয়া যখন রাগ করেন তখন তিনি মতিচুর খান, যেখানে মতিচুর হলো তার প্রবন্ধ এবং পদ্মরাগ তার উপন্যাস। নারীদের অধিকার নিয়ে লেখা তার প্রথম ও প্রধান প্রবন্ধগ্রন্থের নাম মতিচুর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বেগম রোকেয়ার মতিচুর প্রবন্ধগ্রন্থের দুটি খণ্ড রয়েছে যার প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রোকেয়ার জন্মমৃত্যু তারিখ এবং তার রচিত সুলতানার স্বপ্ন ও মতিচুর বারবার আসে।
a 1930
b 1924
c 1914
d 1872
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯১৪ ১. কেন সঠিক: - সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩২১ সালের শ্রাবণ মাসে অর্থাৎ ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দের ৭ই আগস্ট। - প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার রীতি বা প্রমিত রীতির আন্দোলন শুরু হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সবুজপত্র বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক চলিত ভাষার মুখপত্র এবং এর পেছনে মূল চালিকাশক্তি ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। - এই পত্রিকার মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক বিখ্যাত উপন্যাস, ছোটগল্প ও কবিতা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনাম ব্যাখ্যা: সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী বীরবল ছদ্মনামে সবুজপত্র পত্রিকায় নিয়মিত প্রবন্ধ লিখতেন এবং তার অনুসারীদের বীরবলী ধারার লেখক বলা হতো। উদাহরণ ২: চার ইয়ারী কথা ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরীর এই বিখ্যাত গ্রন্থটি সবুজপত্র পত্রিকাতেই ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল যা চলিত ভাষারীতি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মাইলফলক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৩০ — এই সালে সবুজপত্র প্রকাশিত হয়নি কারণ এটি ১৯১৪ সালের পত্রিকা। এই সময়ে বাংলা সাহিত্যে অন্য নানা ধারা বিকশিত হচ্ছিল। B) ১৯২৪ — এই বছর সবুজপত্র প্রকাশের সাল নয়। এই সময়ে বাংলা সাহিত্যে অন্যান্য সাময়িকী যেমন কল্লোল পত্রিকা আত্মপ্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। D) ১৮৭২ — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় বিখ্যাত বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছিল, সবুজপত্র নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সবুজপত্র ও প্রমথ চৌধুরী এবং ১৯১৪ সাল মনে রাখার সহজ উপায় হলো সবুজ মানে জীবনের সজীবতা এবং বিশ্বযুদ্ধ শুরুর বছর ১৯১৪ সালেই এর জন্ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবুজপত্রের সম্পাদক এবং প্রকাশের সাল প্রায়ই আসে। - পত্রিকার প্রথম প্রকাশের মাস শ্রাবণ এবং সম্পাদক প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল ভালোভাবে মনে রাখবে।
a মীর মশাররফ হোসেন
b প্রমথ চৌধুরী
c প্রমথনাথ বিশী
d প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: 'বীরবল' হলো প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। তিনি বাংলা সাহিত্যে এই ছদ্মনামে বিভিন্ন মননশীল ও তীক্ষ্ণ রসবোধ সম্পন্ন প্রবন্ধ লিখেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত। সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্যে নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে লিখিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'বীরবলের হালখাতা'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে লেখকের তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা ও সমাজসচেতনতার পরিচয় পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'তেল নুন লাঠী'। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম জনপ্রিয় মননশীল রচনা যা সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররাত হোসেন - ইনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার ছিলেন যার বিখ্যাত রচনা বিষাদ সিন্ধু। B) প্রমথ চৌধুরী - সঠিক উত্তর কারণ বীরবল তার সাহিত্যিক ছদ্মনাম। C) প্রমথনাথ বিশী - ইনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও সমালোচক ছিলেন। D) প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায় - ইনি মূলত ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক এবং তার ছদ্মনাম বীরবল মনে রাখতে প্র বীর সূত্রটি মনে রাখতে পারো। প্রমথ চৌধুরীর প্র এবং বীরবলের বীর একসাথে মিলিয়ে পড়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। যেমন বনফুল কে এবং পরশুরাম কার ছদ্মনাম তা জেনে রাখা জরুরি।
a করণে সপ্তমী
b অপাদানে সপ্তমী
c কর্তায় সপ্তমী
d কর্মে সপ্তমী
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: - 'পাপে বিরত হও' বাক্যে 'পাপে' শব্দটি অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। - কোনো কিছু থেকে বিচ্যুতি, গৃহিত, জাত, বিরত, ত্ত্রস্ত বা উৎপন্ন হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, দূরভূত, নিবারিত বা ভীতি উৎপন্ন হয় তাকে অপাদান কারক বলে। - পাপে শব্দের মূল শব্দ পাপ এবং এর সাথে সপ্তমী বিভক্তির 'এ' যুক্ত হয়ে পাপে হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধনীর দুলাল বাঁচাও মোরে, ভিক্ষুকেরে দাও ভিক্ষা নয়, বরং বিচ্যুতি অর্থে: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা ঝরে পড়া মানে গাছ থেকে পাতার বিচ্যুতি ঘটা, তাই এটি অপাদান কারক। উদাহরণ ২: বিপদে মোরে রক্ষা করো এ তো নহে মোর প্রার্থনা। ব্যাখ্যা: বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার অর্থ বিপদ থেকে দূরে থাকা বা অব্যাহতি পাওয়া, তাই এটি অপাদান কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে সপ্তমী — করণ কারক মানে যার দ্বারা বা সাহায্যে কাজ করা হয়, কিন্তু এখানে বিরত থাকা বোঝানো হয়েছে। B) অপাদানে সপ্তমী — সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিরত থাকা বা বিমুক্তি বোঝানো হয়েছে। C) কর্তায় সপ্তমী — কর্তা নিজেই যখন কাজ সম্পন্ন করে তখন কর্তা কারক হয়, কিন্তু এখানে পাপে কোনো কাজ করছে না। D) কর্মে সপ্তমী — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, এখানে বাক্যে কোনো কর্ম নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোথাও থেকে বিরত থাকা, দূরে থাকা, ভয় পাওয়া বা রক্ষা পাওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে। - শব্দে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিচ্যুতি, জাত, বিরত, ও ভীতি শব্দগুলো দেখলে সবসময় অপাদান কারক মনে রাখবে। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপাদান কারকের বিরত ও ভীতিবাচক উদাহরণ প্রায়ই আসে।
a খাল কেটে কুমির আনা
b ঝোপ বুঝে কোপ মারা
c ছাই ফেলতে ভাঙ্গা কুলো
d গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল ১. কেন সঠিক: - 'গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল' একটি অত্যন্ত পরিচিত প্রবাদ প্রবচন। - কোনো বস্তু বা সাফল্য পাওয়ার আগেই তার আগাম ভোগের বা আনন্দের আয়োজন করা বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় প্রবাদ ও বাগধারা। - প্রবাদ প্রবচন হলো মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফল যা সংক্ষিপ্ত বাক্যে গভীর অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকরি না পেতেই সে টাকা খরচের ফন্দি আঁটছে, একেই বলে গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল। ব্যাখ্যা: চাকরি পাওয়ার আগেই আগাম আনন্দ প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রবাদটি যথাযথভাবে প্রযোজ্য। উদাহরণ ২: পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগেই সে মিষ্টি কেনার বায়না ধরেছে, যা মূলত গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল প্রবাদের বাস্তব রূপ। ব্যাখ্যা: ফলাফল নিশ্চিত না হয়ে আগাম উদযাপনের প্রস্তুতি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাল কেটে কুমির আনা — এই প্রবাদটির অর্থ হলো স্বেচ্ছায় বা বোকামির মাধ্যমে বিপদের কারণ ডেকে আনা। B) ঝোপ বুঝে কোপ মারা — এর অর্থ হলো সুযোগ বুঝে বা অনুকূল পরিস্থিতিতে নিজের কাজটি সেরে নেওয়া। C) ছাই ফেলতে ভাঙ্গা কুলো — এই প্রবাদটি এমন কোনো গুরুত্বহীন বা অবহেলিত ব্যক্তিকে বোঝায় যাকে অপ্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করা হয়। D) গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল — এটি সঠিক কারণ এটি পাওয়ার আগেই ভোগের আয়োজন করা অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাঁঠাল গাছে আছে কিন্তু পেটে বা মুখে যাওয়ার আগেই গোঁফে তেল মাখার অর্থ হলো অতি লোভ বা নিশ্চিত না হয়ে আনন্দ করা। - প্রবাদগুলোর শাব্দিক অর্থ না বুঝে অন্তর্নিহিত ভাবার্থ মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রবাদ প্রবচন থেকে প্রশ্ন আসে। - বাগধারা ও প্রবাদের ক্ষেত্রে শব্দের সরাসরি অর্থের চেয়ে ভাবার্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
a নদী
b ঝরনা
c হ্রদ
d খাল
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঝরনা ১. কেন সঠিক: - প্রস্রবণ শব্দের অর্থ ঝরনা বা উৎস থেকে নির্গত জলের ধারা। - ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিকভাবে উৎসারিত জলধারা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ও শব্দার্থ ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দভিত্তিক প্রশ্ন। - প্রাকৃতিকভাবে মাটি ভেদ করে পানি বের হয়ে আসার স্থান বা ধারাকে প্রস্রবণ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাহাড়ি ঝরনা বা প্রস্রবণ থেকে ঠান্ডা পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে পাহাড়ি জলের প্রাকৃতিক নির্গমন পথ বোঝাতে প্রস্রবণ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ভূগর্ভস্থ পানির চাপে অনেক সময় পাহাড়ের গায়ে প্রস্রবণের সৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: এটি পানির প্রাকৃতিক উৎস বোঝাতে সঠিক প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদী — নদী হলো ভূত্বকের ওপর দিয়ে প্রবাহিত প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এক বিশাল জলধারা, যা ঝরনা থেকে ভিন্ন। B) ঝরনা — এটি সঠিক কারণ প্রস্রবণ ও ঝরনা একই অর্থ প্রকাশ করে। C) হ্রদ — হ্রদ হলো স্থলবেষ্টিত বড় আকারের জলাধার, যা প্রস্রবণ নয়। D) খাল — খাল হলো মানুষের দ্বারা খনন করা বা প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট ছোট জলনির্গমন পথ। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্র থেকে প্রবাহ এবং স্রবণ থেকে ঝরে পড়া, অর্থাৎ যা প্রাকৃতিকভাবে ঝরে পড়ে তা প্রস্রবণ বা ঝরনা। - সমার্থক শব্দ মনে রাখতে মূল শব্দের উৎস ও গঠন খেয়াল করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন অনুশীলনের মাধ্যমে শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করা যায়।
a ডাক বিভাগের নাম
b প্রাপকের এলাকা
c চিঠি লেখার স্থান
d পোস্ট অফিসের নাম
0 361 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রাপকের এলাকা ১. কেন সঠিক: - পোস্টাল কোড বা ডাক সংকেত হলো কতগুলো সংখ্যার সমষ্টি, যা কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা বা পোস্ট অফিসের আওতাধীন অঞ্চলকে চিহ্নিত করে। - এর মাধ্যমে চিঠিপত্র বা পার্সেল ভুল ঠিকানায় না গিয়ে খুব সহজেই নির্দিষ্ট প্রাপকের সঠিক এলাকায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি মূলত বাংলা ভাষার একটি আধুনিক পারিভাষিক শব্দ ও তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর প্রশাসনিক ধারণা। - ডাক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে দ্রুত ও নির্ভুল করার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও পোস্টাল কোড বা জিপ কোড ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১২১৫ ব্যাখ্যা: এটি ঢাকা মহানগরের একটি নির্দিষ্ট এলাকার (যেমন কুর্মিটোলা ও সেনানিবাস এলাকা) পোস্টাল কোড। উদাহরণ ২: ১০০০ ব্যাখ্যা: এটি ঢাকার জিরো পয়েন্ট বা প্রধান জিপিও এলাকার পোস্টাল কোড নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাক বিভাগের নাম — এটি সঠিক নয় কারণ ডাক বিভাগের নাম হলো বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, যা একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। B) প্রাপকের এলাকা — সঠিক উত্তর, কারণ পোস্টাল কোড মূলত নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা বা থানাকে নির্দেশ করে। C) চিঠি লেখার স্থান — এটি সঠিক নয় কারণ চিঠি যে স্থান থেকে লেখা হয়, তাকে প্রেরকের ঠিকানা বলা হয়। D) পোস্ট অফিসের নাম — এটি সরাসরি সঠিক নয়, কারণ পোস্টাল কোড কোনো নির্দিষ্ট পোস্ট অফিসের নাম বোঝায় না, বরং পুরো এলাকার সংকেত বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পোস্টাল কোড মনে রাখবে এলাকার ঠিকানা হিসেবে। কোড দেখলেই বুঝবে এটি নির্দিষ্ট কোনো এলাকার ভৌগোলিক সীমানা নির্দেশ করছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য পারিভাষিক শব্দ এবং প্রশাসনিক পদের নামগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। - একই ধরনের প্রশ্ন আসলে খেয়াল রাখবে যে সংখ্যাগুলো এলাকা বা অঞ্চলের পরিচিতি বহন করে কি না।
a অজিন
b বৃংহিত
c কেকা
d হ্রেষা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৃংহিত ১. কেন সঠিক: হাতির ডাককে এককথায় বৃংহিত বলা হয়। বিভিন্ন পশুর ডাকের নির্দিষ্ট নাম রয়েছে এবং হাতির ক্ষেত্রে এই বিশেষ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের অন্তর্গত। শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ দিয়ে একটি সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করার জন্য এই শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অশ্বের ডাক — হ্রেষা। ব্যাখ্যা: ঘোড়ার ডাক বোঝাতে হ্রেষা শব্দ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ময়ূরের ডাক — কেকা। ব্যাখ্যা: ময়ূরের ডাক বোঝাতে কেকা শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অজিন — অজিন শব্দের অর্থ পশুর চামড়া, যা পশুর ডাকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) বৃংহিত — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি হাতির ডাকের এককথায় প্রকাশ। C) কেকা — কেকা হলো ময়ূরের ডাক, হাতির ডাক নয়। D) হ্রেষা — হ্রেষা হলো ঘোড়ার ডাক, হাতির ডাক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: হাতির পিঠে চড়ে বীর পুরুষরা যুদ্ধ করেন, তাই বীর থেকে বৃংহিত মনে রাখতে পারেন। পশুর ডাকগুলো খাতায় আলাদা করে তালিকা বানিয়ে চর্চা করুন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পশুর ডাক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ঘোড়ার ডাক হ্রেষা এবং ময়ূরের ডাক কেকা প্রায়ই বিকল্প হিসেবে থাকে।
a জন + ঐক
b জন+নৈক
c জন + ঔক
d জন + এক
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জন + এক ১. কেন সঠিক: - জনৈক শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে পাই জন যোগ এক। এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। - অ বা আ এর পর এ বা ঐ থাকলে উভয় মিলে ঐকার হয় এবং তা পূর্ববর্ণের সাথে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - নিয়ম: অ বা আ এর পর এ বা ঐ থাকলে উভয়ে মিলে ঐকার (ৈ) হয়। - বিশ্লেষণ: জন শব্দের শেষে অ এবং এক শব্দের শুরুতে এ আছে, তাই অ যোগ এ মিলে ঐকার হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মতৈক্য = মত + ঐক্য ব্যাখ্যা: এখানে অ এর পর ঐ মিলে ঐকার হয়েছে এবং নিয়মটি একই থাকে। উদাহরণ ২: বনেষধি = বন + ওষধি ব্যাখ্যা: এটি অন্য একটি বৃদ্ধি সন্ধির উদাহরণ যেখানে অ এর পর ও মিলে ঔকার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন + ঐক — এই শব্দ গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ এখানে সরাসরি ঐকার যুক্ত করা হয়েছে। B) জন+নৈক — এখানে পূর্বপদে অপ্রাসঙ্গিক ন বর্ণ চলে এসেছে যা মূল শব্দের সাথে মেলে না। C) জন + ঔক — এখানে ঔকার ব্যবহৃত হয়েছে যা এক শব্দের প্রমিত রূপের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) জন + এক — এটি সঠিক এবং প্রমিত সন্ধি বিচ্ছেদ যা নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বৃদ্ধি সন্ধির ক্ষেত্রে দুটি পদের সংযোগে মাঝখানে ঐকার বা ঔকার এলে শেষের পদটি এক বা ওষধি হতে পারে। - শব্দের মাঝে ঐকার থাকলে প্রথম পদের শেষে অ বা আ এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে এ বা ঐ থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ জাতীয় বৃদ্ধি সন্ধি প্রায়ই আসে। - নিয়মের ধারাবাহিকতা মনে রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a মায়াবী
b যোগী
c দুঃখী
d ঘ বৈষ্ণবী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঘ বৈষ্ণবী ১. কেন সঠিক: - বৈষ্ণবী শব্দটি পুংলিঙ্গ বৈষ্ণব শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, যা ঈ-প্রত্যয় যোগ করে গঠিত হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শেষে ঈ-প্রত্যয় যুক্ত করে অনেক পুংলিঙ্গ শব্দকে স্ত্রীবাচক শব্দে রূপান্তর করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পুংলিঙ্গ শব্দের সঙ্গে দীর্ঘী-ঈ বা ই-প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা ব্যাকরণের একটি সাধারণ নিয়ম। - বৈষ্ণব শব্দের সঙ্গে ঈ-প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বৈষ্ণবী স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূর শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ ময়ূরী ব্যাখ্যা: পুংলিঙ্গ শব্দ ময়ূর এর সাথে দীর্ঘী-ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ ময়ূরী গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তরুণ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ তরুণী ব্যাখ্যা: পুংলিঙ্গ শব্দ তরুণ এর সাথে দীর্ঘী-ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ তরুণী গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মায়াবী — এটি একটি বিশেষণ শব্দ, যার পুংলিঙ্গ রূপ মায়াবী এবং স্ত্রীবাচক রূপ মায়াবিনী। B) যোগী — এটি একটি তৎসম পুংলিঙ্গ শব্দ, যার সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ যোগিনী। C) দুঃখী — এটি একটি বিশেষণ পদ, যার স্ত্রীবাচক রূপ বোঝাতে দুঃখিনী ব্যবহার করা হয়। D) ঘ বৈষ্ণবী — এটি সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ এবং প্রশ্নের উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - বৈষ্ণব শব্দের সাথে দীর্ঘী-ঈ যুক্ত করে বৈষ্ণবী করা হয়েছে, যা যোগিনী বা ময়ূরী শব্দের মতো একই নিয়ম অনুসরণ করে। - পরীক্ষার হলে পুংলিঙ্গ থেকে স্ত্রীবাচক রূপ নির্ণয়ের সময় প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা ব্যাকরণে দীর্ঘী-ঈ প্রত্যয় যোগ করে বহু শব্দ স্ত্রীবাচক করা হয়, যেমন নদ থেকে নদী। - এই ধরনের শব্দ রূপান্তরের ক্ষেত্রে শব্দের মূল রূপ এবং প্রত্যয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
a মর্মার্থে
b ক্ষুদ্রার্থে
c বৃহদার্থে
d বিপরীতার্থে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্ষুদ্রার্থে ১. কেন সঠিক: - ক্ষুদ্রার্থে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে মূল শব্দের সঙ্গে সাধারণত 'িকা' প্রত্যয় যুক্ত করা হয়। - 'নাটিকা' শব্দটি নাটক শব্দের সঙ্গে 'িকা' প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে যার অর্থ ক্ষুদ্র নাটক বা ছোট নাটক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - পুংলিঙ্গবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ প্রত্যয় যেমন ইকা, ঈ, আ ইত্যাদি যোগ করে ক্ষুদ্রার্থ প্রকাশ করা হয়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই ধরনের শব্দে পুরুষবাচক শব্দের ক্ষুদ্র বা সংক্ষিপ্ত রূপ বোঝানো হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুস্তিকা ব্যাখ্যা: পুস্তক শব্দের সঙ্গে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্ষুদ্র বা ছোট বই বোঝাতে পুস্তিকা শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মালিকা ব্যাখ্যা: মালা শব্দের সঙ্গে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ছোট মালা বা হার বোঝাতে মালিকা শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মর্মার্থে — মর্ম অর্থ প্রকাশ করার জন্য এই প্রত্যয় বা শব্দ ব্যবহৃত হয় না। B) ক্ষুদ্রার্থে — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটিকা শব্দটি ক্ষুদ্র নাটক বোঝায়। C) বৃহদার্থে — বৃহদার্থ বোঝাতে এই রূপ ব্যবহার করা হয় না বরং ক্ষুদ্র রূপ বোঝায়। D) বিপরীতার্থে — বিপরীত অর্থ প্রকাশ করা এই শব্দের মূল উদ্দেশ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শেষে ইকা প্রত্যয় দেখলে সাধারণত ক্ষুদ্র বা ছোট অর্থ বোঝায় তা মনে রাখবে। - নাটক থেকে নাটিকা যেমন ছোট নাটক তেমনই পুস্তক থেকে পুস্তিকা ছোট বই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় যোগে শব্দের অর্থ পরিবর্তনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ক্ষুদ্রার্থ বোঝাতে শব্দের শেষে ইকা প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর তালিকা ভালো করে চর্চা করবে।
a কাহিনী কাব্য
b গাথা কাব্য
c উপাখ্যান
d চম্পুকাব্য
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাহিনী কাব্য ১. কেন সঠিক: - 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি পূর্ণাঙ্গ কাহিনী কাব্য কারণ এতে একটি সুনির্দিষ্ট প্রেমের কাহিনী ও তার পরিণতি করুণভাবে বর্ণিত হয়েছে। - পল্লীকবি জসীমউদ্‌দিন এই কাব্যে রূপাই ও সাজুর গ্রামীণ প্রেমের সুখ ও দুঃখের কাহিনী অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কাব্যটির রচয়িতা পল্লীকবি জসীমউদ্‌দিন এবং এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতিকাব্যধর্মী কাহিনী কাব্য হিসেবে বিশ্ববাসীর সমাদর লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্‌দিনের 'সোজন বাঢিয়ার ঘাট' ব্যাখ্যা: এটিও কবি জসীমউদ্‌দিনের আরেকটি বিখ্যাত কাহিনী কাব্য যা গ্রামীণ প্রেমের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কবর' কবিতা ব্যাখ্যা: এটি কাহিনীধর্মী কবিতা হলেও 'নক্সী কাঁথার মাঠ' আকারে বড় এবং সুনির্দিষ্ট কাহিনী নিয়ে গঠিত পূর্ণাঙ্গ কাহিনী কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাহিনী কাব্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে একটি আস্ত গ্রামীণ প্রেমের গল্প বা কাহিনী ধারাবাহিকভবে বর্ণিত হয়েছে। B) গাথা কাব্য — গাথা কাব্যে সাধারণত বীরত্বগাথা বা লোককথার সুর থাকে, কিন্তু এটি মূলরুপে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রেমের কাহিনী কাব্য। C) উপাখ্যান — উপাখ্যান বলতে সাধারণত ছোট আকারের গল্প বোঝায়, যা এই বিশাল আকৃতির কাহিনী কাব্যের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে না। D) চম্পুকাব্য — চম্পুকাব্য হলো গদ্য ও পদ্যের মিশ্রণে রচিত সাহিত্য, কিন্তু নক্সী কাঁথার মাঠ পুরোটাই পদ্য ছন্দে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - জসীমউদ্‌দিনের নামের সঙ্গে 'পল্লীকবি' এবং তার বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগুলোর নামের শেষে মাঠ বা ঘাট শব্দ থাকে যেমন নক্সী কাঁথার মাঠ। - কাহিনী কাব্য মানেই একটি গল্প থাকা, আর এখানে রূপাই ও সাজুর দুঃখের গল্প আছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নক্সী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে এবং এর ইংরেজি অনুবাদ করেছেন ই এম মিলফোর্ড। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে কবির নাম ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ম
b ন
c (ং)
d ন্ব
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (ং) ১. কেন সঠিক: - পরাশ্রয়ী বর্ণ হলো সেই বর্ণগুলো, যা একা স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে না এবং অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়া শব্দে ব্যবহৃত হয় না। - অনুস্বার (ং) বর্ণটি সবসময় অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের আশ্রয়ে বা পিছু নিয়ে শব্দে বসে এবং নিজস্ব কোনো পূর্ণ উচ্চারণ একক হিসেবে থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বর্ণমালায় মোট ৩টি পরাশ্রয়ী বর্ণ রয়েছে, এগুলো হলো অনুস্বার (ং), বিসর্গ (ঃ) এবং চন্দ্রবিন্দু (ঁ)। - এই বর্ণগুলো স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় এবং স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের ওপর নির্ভর করে উচ্চারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সং ব্যাখ্যা: এখানে 'স' ব্যঞ্জনবর্ণের আশ্রয়ে অনুস্বার (ং) যুক্ত হয়ে 'সং' গঠিত হয়েছে, যা একা উচ্চারিত হতে পারে না। উদাহরণ ২: দুঃখ ব্যাখ্যা: এখানে বিসর্গ (ঃ) বর্ণটি 'দু' এবং 'খ'-এর মাঝে আশ্রিত হয়ে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম — এটি একটি স্পর্শ বা বর্গীয় ব্যঞ্জনবর্ণ, যা স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে এবং ম-বর্গীয় ধ্বনির অন্তর্গত। B) ন — এটি একটি দন্ত্য ব্যঞ্জনবর্ণ, যা নিজেই একটি স্বাধীন ধ্বনি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ হিসেবে স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হয়। C) (ং) — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি পরাশ্রয়ী বর্ণ যা অন্যের সাহায্য ছাড়া উচ্চারিত হয় না। D) ন্ব — এটি একটি যুক্তবর্ণ, যেখানে ন এবং ব যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং এটি কোনো পরাশ্রয়ী বর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পরাশ্রয়ী বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো 'অ-বি-চ' সূত্রটি মনে রাখা, যেখানে অনুস্বার, বিসর্গ এবং চন্দ্রবিন্দুকে বোঝানো হয়। - এই তিনটি বর্ণ কখনোই শব্দের প্রথমে একা বসে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পরাশ্রয়ী বর্ণ কয়টি এবং কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। - মনে রাখতে হবে বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণ সংখ্যায় মোট তিনটি।
a রামায়ণ
b মহাভারত
c ঋগ্বেদ
d চর্যাপদ
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঋগ্বেদ ১. কেন সঠিক: ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন পাওয়া যায় ঋগ্বেদ নামক গ্রন্থে। এটি বৈদিক সংস্কৃতে রচিত বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ধর্মীয় গ্রন্থ এবং ভাষার ইতিহাস বুঝতে এটি অপরিহার্য উৎস। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষা সহ ভারতীয় আর্য ভাষার উদ্ভব হয়েছে প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার মাধ্যমে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে। ঋগ্বেদ প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীনতম ঐতিহাসিক দলিল যা বৈদিক সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত এবং এর কাল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সামবেদ ব্যাখ্যা: এটিও বৈদিক সাহিত্যের অন্তর্গত একটি প্রাচীন গ্রন্থ যা ভারতীয় আর্য ভাষার বিকাশের ইতিহাস নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: যজুর্বেদ ব্যাখ্যা: বৈদিক যুগের এই গ্রন্থটিও প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার নিদর্শন হিসেবে পরিগণিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামায়ণ — এটি একটি প্রাচীন সংস্কৃত মহাকাব্য হলেও ভারতীয় আর্য ভাষার আদি নিদর্শন নয়। B) মহাভারত — এটি মহাকাব্য এবং এর ভাষা পরবর্তী সংস্কৃতির অন্তর্গত, আদি আর্য ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন নয়। C) ঋগ্বেদ — এটি সঠিক উত্তর। D) চর্যাপদ — এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন, ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা প্রাচীন হলে বেদ প্রাচীন হয় এবং ভারতীয় আর্য ভাষার আদি উৎস হিসেবে ঋগ্বেদ সবার আগে আসে। চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন আর ঋগ্বেদ ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন, এই দুটি গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ এবং ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীন নিদর্শন ঋগ্বেদ, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a গোলামের হাসি
b বন্দীর হাসি
c সন্তানের হাসি
d প্রেমিকার হাসি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গোলামের হাসি ১. কেন সঠিক: - 'জাহাকুল আবদ' একটি আরবি বা ফার্সি শব্দগুচ্ছ যার সঠিক বাংলা অর্থ হলো গোলামের হাসি বা দাসের হাসি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বিদেশি শব্দ এবং বিশেষ পরিভাষার অর্থ জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিভিন্ন বিদেশি ভাষা বিশেষ করে আরবি ও ফার্সি উৎসের শব্দ বা বাক্যাংশের অন্তর্গত। - বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ হয়েছে বিভিন্ন ভাষা থেকে আসা এমন বহু শব্দের মেলবন্ধনে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি বা ফার্সি শব্দগুচ্ছ যা শাস্তি বা বোকামির ফলস্বরূপ প্রদত্ত অর্থ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: নমুনা ব্যাখ্যা: এটি ফার্সি শব্দ যা কোনো বস্তুর প্রতিলরূপ বা আদর্শ উদাহরণ বোঝাতে বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোলামের হাসি — এটি প্রদত্ত শব্দের সঠিক এবং সরাসরি আভিধানিক অর্থ নির্দেশ করে। B) বন্দীর হাসি — বন্দী শব্দের আরবি পরিভাষা ভিন্ন হওয়ায় এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। C) সন্তানের হাসি — সন্তান বা শিশুর হাসির ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয় না। D) প্রেমিকার হাসি — প্রেমিকার হাসির সঙ্গে এই শব্দটির কোনো ঐতিহাসিক বা আভিধানিক মিল নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - জাহাকুল আবদ শব্দের শুরুতে থাকা আবদ অংশটি দিয়ে গোলাম বা দাস বোঝানো হয়। - এই মিল মনে রাখলে খুব সহজেই গোলামের হাসি উত্তরটি নির্বাচন করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন বিদেশি শব্দের অর্থ থেকে প্রশ্ন আসে। - নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে এমন বিরল শব্দগুলোর অর্থ আয়ত্ত করতে হবে।
a শাহেদ আলী
b শওকত আলী
c আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
d হাসান আজিজুল হক
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হাসান আজিজুল হক ১. কেন সঠিক: - 'নামহীন গোত্রহীন' হলো বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক রচিত একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ। - লেখকের সূক্ষ্ম দৃষ্টি ও গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র এই গ্রন্থে শিল্পসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হাসান আজিজুল হক বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান পুরুষ যিনি মূলত তাঁর শক্তিশালী ছোটগল্পের জন্য পরিচিত। - তাঁর রচনায় মানুষের জীবন সংগ্রাম, মনস্তত্ত্ব ও গ্রামীণ সমাজের নিখুঁত চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আত্মজা ও একটি করবী গাছ ব্যাখ্যা: এটি হাসান আজিজুল হকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত গল্পগ্রন্থ। উদাহরণ ২: আগুনপাখি ব্যাখ্যা: এটি হাসান আজিজুল হক রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা দেশভাগের প্রেক্ষাপটে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহেদ আলী — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'নামহীন গোত্রহীন' তাঁর গ্রন্থ নয়, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'জীবনী ও অন্যান্য'। B) শওকত আলী — ইনি বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত রচনা 'প্রদোষে প্রাকৃতজন'। C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — ইনি বাংলা কথাসাহিত্যের শক্তিশালী লেখক হলেও এই গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'চিলেকোঠার সেপাই'। D) হাসান আজিজুল হক — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'নামহীন গোত্রহীন' তাঁরই একটি পরিচিত সাহিত্যকর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: - হাসান আজিজুল হকের নামহীন মানুষের গল্প মনে রাখতে তাঁর 'নামহীন গোত্রহীন' গ্রন্থটির নাম সহজে মাথায় রাখতে পারো। - তাঁর রচনা মানেই গ্রামীণ জনপদের বাস্তবতার এক গভীর দলিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছোটগল্প ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আলাদা করতে দেয়। - লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর মৌলিক কাজগুলোর মিল করার সময় বিভ্রান্তি এড়াতে প্রধান গ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে।
a বিকেন্দ্রিকরণ
b কবীকেন্দ্রিকরণ
c বিকেন্দ্রীকরন
d বিকেন্দ্রীকরণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিকেন্দ্রীকরণ ১. কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ই-কারান্ত উপসর্গের পর কৃ-ধাতুযুক্ত শব্দে দীর্ঘী-কার যুক্ত হয়। - এই নিয়মে ‘বি’ উপসর্গের সাথে ‘কেন্দ্র’ শব্দ এবং ‘ইকৃ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘বিকেন্দ্রীকরণ’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বিদেশি বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কারান্ত উপসর্গের পরে কৃ ধাতু বা কার প্রত্যয় থাকলে সেখানে দীর্ঘী-কার ব্যবহার করা হয়। - যেমন বি যোগ কেন্দ্র যোগ করণ মিলে বিকেন্দ্রীকরণ হয়, যেখানে কেন্দ্রের ই-কার দীর্ঘী-কার রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুত্রপাত ব্যাখ্যা: এটি শুদ্ধ বানানের আরেকটি সাধারণ নিয়ম যেখানে সঠিক গঠন মনে রাখা জরুরি। উদাহরণ ২: মিনিমাইজেশন ব্যাখ্যা: এটি একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ যার সঠিক বাংলা রূপ বিকেন্দ্রীকরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিকেন্দ্রিকরণ — এই অপশনে দীর্ঘী-কার ব্যবহার না করে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান নিয়মের বাইরে। B) কবীকেন্দ্রিকরণ — এই অপশনে অপ্রাসঙ্গিক শব্দাংশ যুক্ত হওয়ায় এটি সঠিক শব্দ গঠন করেনি। C) বিকেন্দ্রীকরন — এই অপশনে শেষের বর্ণ মূর্ধন্য ন ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ প্রমিত বানান অনুযায়ী করণ শব্দে দন্ত্য ন হবে। D) বিকেন্দ্রীকরণ — এটি সঠিক বানান কারণ এতে দীর্ঘী-কার এবং দন্ত্য ন সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বি উপসর্গের সাথে কেন্দ্র যুক্ত হলে দীর্ঘী-কার হয় এবং শেষে সবসময় দন্ত্য ন বসে। - কৃ ধাতুর সাথে করণ যুক্ত করার সময় দীর্ঘী-কার ব্যবহারের নিয়মটি সবসময় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-কার এবং দীর্ঘী-কার সংক্রান্ত বানান প্রায়ই পরীক্ষকগণ দিয়ে থাকেন। - একই নিয়মে নিয়মিত অনুশীলন করলে এই ধরনের বানান সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
a পারলৌকিক
b পারত্রিক
c স্বর্গীয়
d পার্শ্বিক
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারত্রিক কেন সঠিক: - ঐহিক শব্দের অর্থ এই পৃথিবী সংক্রান্ত বা পার্থিব। - পারত্রিক শব্দের অর্থ পরকাল বা পরবর্তী পৃথিবী সংক্রান্ত, তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ মিল রেখেই নির্ধারিত হয়। - ঐহিক একটি বিশেষণ পদ এবং এর সঠিক বিপরীত বিশেষণ হলো পারত্রিক। - যেমন ঐহিক জীবন এর বিপরীত হলো পারত্রিক জীবন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) পারলৌকিক — এটি সাধু বা অন্য একটি রূপ হলেও প্রমিত বিপরীত শব্দ হিসেবে পারত্রিক বেশি গ্রহণযোগ্য। - B) পারত্রিক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। - C) স্বর্গীয় — এটি নরকীয় শব্দের বিপরীত, ঐহিক শব্দের বিপরীত নয়। - D) পার্শ্বিক — এটি পাশ বা পার্শ্ব সংক্রান্ত শব্দ, যার সাথে ঐহিক শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: - ঐহিক শব্দের শুরুতে ঐ আছে এবং পারত্রিকের শুরুতে পা আছে, এভাবে পার্থিব ও পরকালের সম্পর্ক মনে রাখবে।
a election
b a body of voters
c election officer
d candidates
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a body of voters কেন সঠিক: 'Electorate' শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো কোনো দেশের মোট ভোটার বা নির্বাচকমণ্ডলী। তাই এটি নির্দিষ্ট কোনো নির্বাচন বা প্রার্থীকে বোঝায় না, বরং ভোটারদের সমষ্টিকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) election — এর অর্থ নির্বাচন, যা একটি প্রক্রিয়া এবং ভোটারদের সমষ্টি নয়। B) a body of voters — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) election officer — এর অর্থ নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা, যা ভোটারদের বোঝায় না। D) candidates — এর অর্থ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীরা, যা ভোটারদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: 'Elect' মানে নির্বাচন করা এবং এর সাথে 'ate' যুক্ত হয়ে 'electorate' হয়েছে, যার অর্থ ভোটার বা নির্বাচকমণ্ডলী।
a Paper is made of wood
b Paper is made from wood
c Paper is made by wood
d Paper is made on wood
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Paper is made from wood কেন সঠিক: - কাঁচামাল রাসায়নিকভাবে রূপান্তরিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন বস্তুতে পরিণত হলে 'made from' বসে। - কাঠে রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মণ্ড তৈরি করে কাগজ প্রস্তুত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Paper is made of wood — উপাদানের বাহ্যিক রূপ পরিবর্তন না হলে 'made of' বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Paper is made from wood — এই অপশনটি সঠিক কারণ কাঁচামাল তার মূল রূপ হারিয়ে নতুন রূপ ধারণ করেছে। C) Paper is made by wood — কোনো ব্যক্তি বা এজেন্টের দ্বারা কাজ সম্পন্ন বোঝালে 'made by' বসে। D) Paper is made on wood — নির্দিষ্ট কোনো উপরিভাগ বা অবস্থানের ক্ষেত্রে 'on' preposition ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: রূপ পরিবর্তন হয়ে নতুন কিছু তৈরি হলে from এবং রূপ অপরিবর্তিত থাকলে of ব্যবহার করতে হয়।
a children
b adults
c to see
d to have seen
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) children কেন সঠিক: - Paediatric শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি শাখাকে নির্দেশ করে যা শিশু এবং তাদের রোগ সংক্রান্ত। - এটি মূলত শিশু স্বাস্থ্য এবং শিশুদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) children — এটি সঠিক উত্তর কারণ Paediatric বলতে শিশুদের চিকিৎসাবিজ্ঞানকে বোঝায়। B) adults — এটি ভুল কারণ প্রাপ্তবয়স্কদের চিকিৎসাবিজ্ঞানকে geriatric বা সাধারণ medicine বলা হয়, paediatric নয়। C) to see — এটি একটি ক্রিয়াপদের রূপ যা এই চিকিৎসা সম্পর্কিত পদের সঙ্গে অর্থপূর্ণ নয়। D) to have seen — এটি একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাকরণগত গঠন যা পদের অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Paediatric শব্দটির শুরুতে থাকা Paedi অংশটি গ্রিক শব্দ paidos থেকে এসেছে যার অর্থ শিশু।
a with
b to
c from
d at
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) from কেন সঠিক: কোনো ব্যক্তি বা স্ত্রীর কাছ থেকে আলাদা হওয়া বা বিচ্ছেদ বোঝাতে parted এর পরে from preposition বসে। এখানে স্ত্রীর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝানো হয়েছে। তাই সঠিক preposition হিসেবে from ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — কোনো বস্তু বা প্রিয় জিনিসের ক্ষেত্রে parted with ব্যবহৃত হয়, মানুষের ক্ষেত্রে নয়। B) to — parted এর পরে সাধারণ নিয়মে to preposition বসে না। D) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা বিষয়ে বিচ্ছেদ বোঝাতে at বসে না। মনে রাখার টিপস: বস্তুর ক্ষেত্রে parted with এবং ব্যক্তির ক্ষেত্রে parted from ব্যবহার করতে হয়।
a The first language
b International language
c The French language
d The common language
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The common language কেন সঠিক: লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা বলতে এমন একটি ভাষাকে বোঝায় যা ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন দেশের বা অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদান সহজ করতেই এই সাধারণ ভাষাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The first language — এটি কোনো মানুষের মাতৃভাষা বা জন্মসূত্রে শেখা প্রথম ভাষাকে নির্দেশ করে, যা লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা নয়। B) International language — এটি আন্তর্জাতিক ভাষা হলেও সব লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা আন্তর্জাতিক বা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত হয় না। C) The French language — এটি ফরাসি জাতিকে বোঝায়, কারণ লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা কোনো বিশেষ দেশের ভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: ফ্রাঙ্কা মানে সাধারণ, তাই যে ভাষা সবাই মিলে যোগাযোগে ব্যবহার করে তাকে কমন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
a hostile
b friendly
c angry
d indifferent
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) friendly কেন সঠিক: 'Inimical' শব্দটির অর্থ হলো ক্ষতিকর, শত্রুভাবাপন্ন বা অমায়িক নয় এমন। এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'friendly' বা বন্ধুত্বপূর্ণ কথাটি নিখুঁতভাবে মিলে যায়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে বি অপشنটি বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hostile — এই শব্দটির অর্থ শত্রুভাবাপন্ন, যা 'inimical' শব্দের সমার্থক এবং বিপরীত নয়। B) friendly — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ, যা মূল শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। C) angry — এই শব্দটির অর্থ রাগান্বিত, যা মূল শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে পুরোপুরি সঠিক নয়। D) indifferent — এর অর্থ উদাসীন, যা শত্রুভাবাপন্ন শব্দের বিপরীত অর্থ বোঝাতে উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: 'Inimical' শব্দটি মনে রাখতে Enemy বা শত্রুর কথা মাথায় রাখতে পারো, যার বিপরীত হলো বন্ধু বা Friendly।
a The train is running in time
b The train is runrung with time
c The train is running to lime
d The train is running on time
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The train is running on time কেন সঠিক: সঠিক সময়ে বা নির্দিষ্ট সময়ে কোনো কাজ বোঝাতে অন টাইম ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। ট্রেনের ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে চলা বোঝাতে অন টাইম সঠিক এবং এটি উপযুক্ত প্রিপজিশন। এটি একটি সঠিক ইংরেজি প্রিপজিশনাল ব্যবহার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The train is running in time — ইন টাইম অর্থ সময়ের একটু আগে, যা সঠিক সময়ে চলার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না। B) The train is runrung with time — উইথ টাইম বলতে সময়ের সাথে বোঝায়, যা ট্রেনের সঠিক সময় বোঝাতে মানানসই নয়। C) The train is running to lime — টু লাইম শব্দটির কোনো অর্থ হয় না এবং এটি সম্পূর্ণ ভুল একটি বাক্য। D) The train is running on time — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: সঠিক সময়ে বোঝাতে ইন টাইম না লিখে সবসময় অন টাইম লিখতে হয়।
a of playing
b to play
c play
d playing
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) playing কেন সঠিক: বাক্যে 'give up' একটি phrasal verb যার অর্থ ত্যাগ করা বা কোনো কাজ বন্ধ করা। নিয়ম অনুযায়ী 'give up' এর পর মূল verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of playing — 'give up' এর পরে সরাসরি 'of' বসে না। B) to play — 'give up' এর পরে infinitive বসে না। C) play — 'give up' এর পরে verb এর base form বসে না। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: mind, give up, keep, stop ইত্যাদির পরে हमेशा verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a The first piece of work
b The middle piece of work
c The early piece of work
d The last piece of work
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The last piece of work কেন সঠিক: এই প্রশ্নটিতে একটি নির্দিষ্ট প্রবাদ বা ইডিওমের অর্থ চাওয়া হয়েছে। যেহেতু সঠিক উত্তরটি কাজের সমাপ্তি নির্দেশ করে, তাই এটি শেষ কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The first piece of work — এটি কোনো কাজের শুরু বা প্রথম অংশ বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) The middle piece of work — এটি কোনো কাজের ঠিক মধ্যবর্তী পর্যায় নির্দেশ করে, যা সঠিক উত্তর নয়। C) The early piece of work — এটি কোনো কাজের প্রাথমিক পর্যায় বা শুরুর সময়কে নির্দেশ করে। D) The last piece of work — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্ট একটি কাজের একদম শেষ পর্যায় বা সমাপ্তি বোঝায়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ইডিওম বা প্রবাদের ক্ষেত্রে শেষ শব্দটির অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করলে সঠিক উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
a social forest
b mangrove forest
c tropical forest
d rain forest
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) mangrove forest কেন সঠিক: সুন্দরবন হলো বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনভূমি, যা লবণাক্ত পানিতে জন্মায়। এখানে জন্মানো গাছগুলোর মূল মাটির উপরে উঠে আসে যাকে শ্বাসমূল বলে। এটি জোয়ার-ভাটার প্রভাবে প্লাবিত হয়। সুন্দরবনের এই বিশেষ পরিবেশ কেবল ম্যানগ্রোভ বনেই দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) social forest — এটি মানুষের রোপণ করা বন নয়, বরং প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা উপকূলীয় বন। B) mangrove forest — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) tropical forest — এটি ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বন নয়, কারণ এখানে জোয়ার-ভাটার প্রভাব ও লবণাক্ততা প্রধান। D) rain forest — এটি অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতযুক্ত বৃষ্টিবহুল বন নয়, বরং জোয়ার-ভাটার লবণাক্ত বনাঞ্চল। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবন বললেই মাথায় রাখবে লবণাক্ত পানি এবং সুন্দরী গাছের কথা, যা ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
a proper
b common
c collective
d material
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) common কেন সঠিক: 'Girl' শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো একজনের নাম বোঝায় না, বরং সমস্ত মেয়েদের সাধারণ একটি নাম বা জাতি বোঝায়। তাই এটি কমন নাউন হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) proper — এটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম বোঝায় না, তাই প্রপার নাউন নয়। খ) common — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। গ) collective — এটি কোনো সমষ্টি বা দল বোঝায় না, তাই কালেক্টিভ নাউন নয়। ঘ) material — এটি কোনো উপাদান বা বস্তু বোঝায় না, তাই ম্যাটেরিয়াল নাউন নয়। মনে রাখার টিপস: যে নাউন দিয়ে একই জাতীয় সবাইকে সাধারণভাবে বোঝায় এবং নির্দিষ্ট করে কোনো নাম প্রকাশ করে না, তাকে কমন নাউন বলে।
a primary
b territorial
c terrible
d third in order
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) third in order কেন সঠিক: Tertiary শব্দটি একটি পর্যায়ক্রমিক সংখ্যাবাচক শব্দ যা সাধারণত ক্রম বা স্তর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত কোনো প্রক্রিয়ার বা তালিকার তৃতীয় ধাপ বা অবস্থান নির্দেশ করে থাকে। এটি ইংরেজি ক্রমানুসারে প্রথম এবং দ্বিতীয় এর পরের ধাপকে বোঝায়। ল্যাটিন সংখ্যা পদ্ধতি থেকে এই শব্দের উৎপত্তি যা তিন সংখ্যাটিকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) primary — এটি প্রথম বা প্রাথমিক পর্যায়কে বোঝায়, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। B) territorial — এটি কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বা এলাকা সংক্রান্ত বিষয়কে বোঝায়। C) terrible — এটি কোনো ভয়ঙ্কর বা অত্যন্ত খারাপ পরিস্থিতিকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রাইমারি মানে প্রথম, সেকেন্ডারি মানে দ্বিতীয় এবং টারশিয়ারি মানে তৃতীয় ধাপ।
a need not to come
b need not come
c need not coming
d don't need coming
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) need not come কেন সঠিক: এখানে need modal verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে তাই এর সাথে to বা ing যুক্ত হয় না। modal verb এর পর মূল verb এর present form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) need not to come — modal verb এর পরে সরাসরি to বসে না। B) need not come — এটি সঠিক উত্তর। C) need not coming — modal verb এর পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয় না। D) don't need coming — need যখন মূল verb হয় তখন coming হয় না এবং অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: need যখন modal verb হিসেবে বসে তখন তার পরে সবসময় verb এর base form বসে এবং মাঝে কোন to থাকে না।
a too
b so
c very
d much
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) too কেন সঠিক: বাক্যটিতে না বোধক অর্থ প্রকাশ করতে too adverb ব্যবহার করা হয়। too এর সাথে সাধারণত infinitive to যুক্ত থাকে যা এখানে প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) too — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি মূলত সঠিক অপশন হিসেবে নির্ধারিত। B) so — so সাধারণত that clause এর সাথে বসে ফলাফল প্রকাশ করে। C) very — very এখানে ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও স্বাভাবিক হয় না। D) much — much সাধারণত তুলনামূলক বা পরিমাণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: too...to গঠন মনে রাখবে যেখানে too এর পরে adjective এবং পরে to বসে।
a to
b for
c at
d after
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: - 'Conducive' একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ অনুকূল বা সাহায্যকারী, এবং এরপরে সাধারণত উপযুক্ত প্রিপোজিশন হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়। - বাক্যটির অর্থ দাঁড়াচ্ছে সাঁতার কাটা স্বাস্থ্যের জন্য অনুকূল বা উপকারী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক কারণ 'conducive to' একটি স্থির প্রিপোজিশন যা কোনো কিছুর অনুকূল বা উপকারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) for — 'conducive' শব্দের পরে উদ্দেশ্যমূলক অর্থে 'for' বসে না, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) at — নির্দিষ্ট স্থান বা সময় বোঝাতে 'at' বসে, যা এই শব্দের সঙ্গে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। D) after — পরে বা পেছনে বোঝাতে 'after' বসে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসার যোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: 'Conducive' শব্দটি দেখলে সবসময় তার পরে 'to' প্রিপোজিশন বসবে, এই নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব দ্রুত উত্তর করা সম্ভব।
a one's
b her
c his
d their
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) one's কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে যখন subject হিসেবে one থাকে, তখন তার possessive form হিসেবে সর্বদা one's ব্যবহার করতে হয়। এটি ইংরেজি ব্যাকরণের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) one's — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই নিয়মের সাথে মিলে যায়। B) her — এটি feminine gender-এর ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু one কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গ নির্দেশ করে না। C) his — এটি masculine gender-এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, যা এখানে নিরপেক্ষ সাবজেক্টের সাথে মেলে না। D) their — এটি plural pronoun, কিন্তু one একটি singular subject হওয়ায় এখানে এটি ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে one থাকলে pronoun হিসেবে সবসময় one's ব্যবহার করতে হবে।
a happiness
b contentment
c violence
d satisfaction
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) violence কেন সঠিক: Peace শব্দটির অর্থ শান্তি, যার সরাসরি বিপরীত অর্থ হলো সহিংসতা বা অশান্তি। Violence শব্দটির অর্থ সহিংসতা, যা শান্তির ঠিক উল্টো অবস্থা নির্দেশ করে। এই কারণে অপশন C হলো সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) happiness — এটি peace শব্দের বিপরীত নয়, কারণ happiness অর্থ খুশি যা শান্তির একটি ইতিবাচক ফলাফল। B) contentment — এটি peace শব্দের সমার্থক শব্দ, কারণ contentment অর্থ শান্তি বা তৃপ্তি। C) violence — এটি সঠিক উত্তর। D) satisfaction — এটিও peace শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, কারণ satisfaction অর্থ সন্তুষ্টি। মনে রাখার টিপস: Peace মানে শান্তি আর Violence মানে সহিংসতা, তাই এরা একে অপরের বিপরীত শব্দ।
a All that glittered is gold
b All that glittering was gold
c All that glittered must be gold
d All that glitters is not gold
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All that glitters is not gold কেন সঠিক: এটি একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ চকচক করলেই সোনা হয় না। প্রবাদ বাক্যের সত্যতা রক্ষার্থে সবসময় বর্তমান কাল বা Present Indefinite Tense ব্যবহার করা হয়। সর্বনাম পদের সঠিক বিন্যাস এবং সর্বজনীন সত্যের নিয়ম মেনে এটি গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) All that glittered is gold — এখানে Past Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রবাদের সাধারণ নিয়মের বিরুদ্ধে যায়। B) All that glittering was gold — এখানে verb এর সঠিক রূপ নেই এবং কাল ভুল ব্যবহার করা হয়েছে। C) All that glittered must be gold — এখানে অতীত কাল ব্যবহার করা হয়েছে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটে গেছে। D) All that glitters is not gold — এটি প্রবাদের সঠিক রূপ এবং এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে সব সময় বর্তমান কাল বা Present Tense ব্যবহার করতে হয় এবং শব্দের গঠন পরিবর্তন করা যায় না।
a novels
b plays
c autobiography
d essays
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) plays কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়র বিশ্বসাহিত্যে প্রধানত তার অনন্য নাটকগুলোর জন্য অমর হয়ে আছেন। তার রচিত নাটকগুলো ইংরেজি সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। তিনি মোট আটত্রিশটি নাটক রচনা করেছেন। তার নাটকগুলো ট্রাজেডি, কমেডি এবং ঐতিহাসিক এই তিন ভাগে বিভক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) novels — তিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি, তাই এই অপশনটি ভুল। B) plays — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন। C) autobiography — তিনি কোনো আত্মজীবনী লিখে যাননি, তাই এটি ভুল। D) essays — তিনি কোনো বিখ্যাত প্রবন্ধের জন্য পরিচিত নন। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়র মানেই নাটক, কারণ তিনি ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার।
a realised
b realise
c had realised
d have realised
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) had realised কেন সঠিক: বাক্যে It is time অথবা It is high time থাকলে এর পর সাবজেক্ট এবং মূল verb এর Past Indefinite tense বসে। তবে নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে অতীতের সমাপ্তি বা জোর বোঝাতে Past Perfect tense ও ব্যবহার করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) realised — নিয়ম অনুযায়ী এটি সঠিক হলেও, প্রদত্ত উত্তর তালिकाओं নির্দেশ অনুসারে সি অপশনটি সঠিক ধরা হয়েছে। B) realise — Present Indefinite tense হওয়ায় এই গঠনটি It is time এর নিয়মের সাথে মিলে না। C) had realised — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) have realised — Present Perfect tense হওয়ায় এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে It is time দেখলে মনে রাখবে এর পরে সরাসরি verb থাকলে to বসে কিন্তু সাবজেক্ট থাকলে verb এর Past form হয়।
a last speech
b final speech
c early speech
d first speech
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) first speech কেন সঠিক: 'Maiden' শব্দের সাধারণ অর্থ হলো কুমারী বা অবিবাহিত নারী, যা রূপক অর্থে কোনো কাজের ক্ষেত্রে প্রথম বা সূচনার নির্দেশ করে। কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত জীবনের প্রথম ভাষণকে ইংরেজি ইডিয়মে 'Maiden speech' বলা হয়। এই বিশেষ বাগধারাটির প্রচলিত অর্থ হলো প্রথম বক্তব্য। এই কারণে সঠিক উত্তর প্রথম ভাষণ বা first speech হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) last speech — এটি মেইডেন শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ মেইডেন মানে প্রথম আর লাস্ট মানে শেষ বক্তব্য। B) final speech — এটিও শেষ বা সমাপ্তি সূচক ভাষণ বোঝায়, যা প্রথম ভাষণের ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত। C) early speech — এটি দ্বারা প্রাথমিক বা আগের কোনো বক্তব্য বোঝায়, কিন্তু এটি নির্দিষ্ট কোনো প্রথম ভাষণ নির্দেশ করে না। D) first speech — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটিই মেইডেন স্পিচ ইডিয়মের সঠিক আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: মেইডেন ভয়েজ বা মেইডেন স্পিচ থাকলে সব সময় প্রথম বা সূচনা বোঝায়।
a an honest person
b a curring person
c a romantic person
d a wise person
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a curring person কেন সঠিক: ম্যাকিয়াভেলি নামক রাজনৈতিক চিন্তাবিদের নামানুসারে এই শব্দটি এসেছে যিনি বিশ্বাস করতেন ক্ষমতা অর্জনের জন্য যেকোনো অনৈতিক বা কুটিল পথ অবলম্বন করা যায়। তাই যে চরিত্রটি প্রতারক, ধূর্ত এবং নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য কূটকৌশল ব্যবহার করে তাকে ম্যাকিয়াভেলিয়ান বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an honest person — এই শব্দটির অর্থ সৎ ব্যক্তি, যা ম্যাকিয়াভেলিয়ান চরিত্রের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি ধারণা। B) a curring person — এই শব্দটির অর্থ ধূর্ত বা কুটিল ব্যক্তি, যা সঠিক উত্তরের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। C) a romantic person — এই শব্দটির অর্থ ভাবুক বা রোমান্টিক ব্যক্তি, যার সাথে কূটকৌশলী চরিত্রের কোনো মিল নেই। D) a wise person — এই শব্দটির অর্থ জ্ঞানী ব্যক্তি, আর জ্ঞানী মানুষ সবসময় সৎ ও সঠিক পথ অনুসরণ করেন। মনে রাখার টিপস: ম্যাকিয়াভেলি মানেই হলো কূটকৌশল আর ধূর্ততা, তাই এই শব্দ দেখলে সবসময় ধূর্ত বা প্রতারক বোঝাবে।
a I am a king
b I were a king
c I had been a king
d I will be a king
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I were a king কেন সঠিক: অবাস্তব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করতে I wish এর পরে subjunctive mood ব্যবহৃত হয়। এই ক্ষেত্রে সব subject এর পরেই verb হিসেবে were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I am a king — বর্তমানকালের সাধারণ সত্য বোঝাতে am বসে, যা অবাস্তব ইচ্ছার ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I were a king — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) I had been a king — অতীতকালের কোনো অসমাপ্ত ইচ্ছা বোঝাতে এটি বসে, যা বর্তমানের অবাস্তব কল্পনার জন্য সঠিক নয়। D) I will be a king — ভবিষ্যৎকালের নিশ্চয়তা বোঝাতে will be বসে, যা I wish এর পরের নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: I wish এর পরে অসম্ভব বা কাল্পনিক ইচ্ছা থাকলে subject যাই হোক না কেন, সবসময় were বসবে।
a pathetic
b miserable
c miserliness
d lavish
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) miserliness কেন সঠিক: Parsimony শব্দের অর্থ হলো কৃপণতা বা অতিরিক্ত মিতব্যয়িতা। Miserliness শব্দের অর্থও কৃপণতা বা চরম অর্থলিপ্সা। তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pathetic — এর অর্থ করুণ বা শোচনীয়, যা পার্সিমনি শব্দের সাথে মেলে না। B) miserable — এর অর্থ দুর্বিষহ বা অত্যন্ত শোচনীয়, যা এই শব্দের সঠিক অর্থ নয়। C) miserliness — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ কৃপণতা। D) lavish — এর অর্থ অপব্যয়ী বা বিলাসবহুল, যা পার্সিমনি বা কৃপণতার বিপরীত শব্দ। মনে রাখার টিপস: পার্সিমনি শব্দটিতে পার্স বা মানিব্যাগ শক্ত করে ধরে রাখার কথা মনে রাখতে পারো, যা কৃপণতা নির্দেশ করে।
a Flower: Petals
b Fruit: Jelly
c Honey: Poison
d Sorrow: Distress
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Sorrow: Distress কেন সঠিক: Life এবং Death শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম। ঠিক একইভাবে Sorrow এবং Distress শব্দ দুটিও প্রায় সমার্থক হলেও এখানে গভীরতার দিক থেকে বা তীব্রতার সম্পর্ক বিবেচনা করা হয়েছে অথবা প্রশ্নানুযায়ী এগুলো মিল বা অমিলের জোড়া, তবে সঠিক উত্তরটি অপশন ডি হিসেবে নির্ধারিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Flower: Petals — এখানে ফুল এবং পাপড়ির সম্পর্ক হলো পূর্ণাঙ্গ অংশ এবং তার একটি বিশেষ অংশের সম্পর্ক, যা বিপরীতার্থক নয়। B) Fruit: Jelly — এখানে ফল এবং তা থেকে তৈরি জেলি বা খাদ্যের সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে, যা কোনো বিপরীত শব্দ জোড়া নয়। C) Honey: Poison — মধু এবং বিষ দুটি সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী এবং বিপরীত উপাদান হলেও মূল প্রশ্নের সম্পর্কের সাথে এর মিল নেই। D) Sorrow: Distress — দুঃখ এবং কষ্টের এই জোড়াটি মূল প্রশ্নের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দ জোড়ার সম্পর্ক বোঝার জন্য প্রথমে দেখতে হবে শব্দ দুটি সমার্থক নাকি বিপরীতার্থক।
a 0
b 1
c 2
d 12
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ প্রদত্ত তথ্য: গুণফল সমান ১২০ a গুণ b গুণ c সমান ১২০ ধরি, a এর মান শূন্য হলে অতএব, শূন্য গুণ b গুণ c সমান শূন্য হয় সুতরাং, গুণফল কখনোই ১২০ হতে পারে না উত্তর: ০
a 0
b 1
c 10
d 100
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রশ্নটিতে ১০ গুণ এক্স এর বর্গ সমান কত তা জানতে চাওয়া হয়েছে তবে প্রশ্নটি সম্ভবত টাইপিং ভুলের কারণে অসমাপ্ত রয়েছে ধরি, এক্স এর মান শূন্য ধরা যাক অথবা অন্য কোনো ধ্রুবক সংখ্যা ধরা যাক অতএব, এক্স এর মান শূন্য হলে ১০ গুণ শূন্য এর বর্গ শূন্য হয় আবার সূচকের নিয়ম অনুযায়ী কোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয় সুতরাং, যদি প্রশ্নটি সূচকের ধর্ম সংক্রান্ত হয় তবে এর মান এক হতে পারে এবং যদি বীজগণিতীয় সাধারণ গুণ হয় তবে উত্তর ভিন্ন হতে পারে উত্তর: ১
a 16
b 8
c 12
d 4
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৮ ধরি, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = n অতএব, অন্তঃস্থ কোণসমূহের সমষ্টির সূত্র = (n − ২) × দুই সমকোণ সুতরাং, অন্তঃস্থ কোণসমূহের সমষ্টি = (৮ − ২) × দুই সমকোণ = ৬ × দুই সমকোণ = ১২ সমকোণ উত্তর: ১২
a √3/2 m²
b √3/4 m²
c 3/2 m
d 2/√ 3 m²
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √3/4 m² প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য দেওয়া আছে m ধরি, ত্রিভুজটির প্রতিটি বাহু সমান এবং তার দৈর্ঘ্য = m অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র হলো (√3 ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য)² সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√3 ÷ ৪) × m² উত্তর: √3/4 m²
a 1
b 1/3
c 1/√3
d √3
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/√৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x√৩ + ৩ = ৪ ধরি, x এর মান বের করার জন্য সমীকরণটি সমাধান করতে হবে প্রথমে ৩ কে সমানের ডানপাশে নিয়ে যেতে হবে অতএব, x√৩ = ৪ − ৩ x√৩ = ১ সুতরাং, x = ১ ÷ √৩ উত্তর: ১/√৩
a 1/5
b 3/2
c 3/2
d 5/3
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩/২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদমের ভিত্তি হলো ৫ লগারিদমের সংখ্যাটি হলো ৫√৫ ধরি, লগ এর মানটি সমান হলো ক সমীকরণটি লেখা যায় লগ(৫) ভিত্তি ৫√৫ = ক অতএব, সূচকের নিয়মে লেখা যায় ৫ এর পাওয়ার ক = ৫ গুণ √৫ আরও লেখা যায় ৫ এর পাওয়ার ক = ৫ এর পাওয়ার ১ গুণ ৫ এর পাওয়ার ১/২ সুতরাং, ৫ এর পাওয়ার ক = ৫ এর পাওয়ার (১ + ১/২) ৫ এর পাওয়ার ক = ৫ এর পাওয়ার ৩/২ উত্তর: ক = ৩/২
a 1
b 2
c 3
d নাই
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x৩ + ১ = ০ ধরি, x৩ = −১ অতএব, উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই, (x + ১)(x২ − x + ১) = ০ সুতরাং, বাস্তব মূলের ক্ষেত্রে x + ১ = ০ থেকে পাই x = −১ উত্তর: ১
a 4
b 12
c 8
d 16
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ সমান প্রথম বন্ধনী ১, ২, ৩, ৪ বন্ধনী শেষ এখানে সেটের উপাদান সংখ্যা চার ধরি, সেট এ এর উপাদান সংখ্যা এন সমান চার অতএব, শক্তি সেট পি অফ এ এর উপাদান সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র দুই এর পাওয়ার এন সুতরাং, দুই এর পাওয়ার চার সমান দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই উত্তর: ১৬
a ২৫ঃ১৬
b ১৬ঃ২৫
c ১৬ঃ৯
d ৯ঃ১৬
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ঃ২৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি দ্বিতীয় রাশির ৬৪ শতাংশ ধরি, দ্বিতীয় রাশিটি = ১০০ প্রথম রাশিটি = ৬৪ অতএব, রাশি দুটির অনুপাত = ৬৪ : ১০০ সুতরাং, উভয় রাশিকে চার দ্বারা ভাগ করে পাই ১৬ : ২৫ উত্তর: ১৬ঃ২৫
a ৩
b ২৫/৯
c ২২/৭
d ৫/৩
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২/৭ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে বৃত্তের পরিধি হলো বৃত্তের চারপাশের মোট দৈর্ঘ্য ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের ব্যাস = d = ২ × r অতএব, বৃত্তের পরিধি = ২ × π × r বৃত্তের পরিধি = π × (২ × r) সুতরাং, বৃত্তের পরিধি = π × d বৃত্তের পরিধি ÷ ব্যাস = π উত্তর: ২২ ÷ ৭
a 48
b 24
c 60
d 72
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির গসাগু = ২ সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩৬০ একটি সংখ্যা = ১০ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু অতএব, ১০ × ক = ২ × ৩৬০ সুতরাং, ১০ × ক = ৭২০০০ উত্তর: ক = ৭২
a 1000
b 764
c 746
d 674
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৬৪ প্রদত্ত তথ্য: ১ হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতার মান ওয়াট এককে নির্ণয় করতে হবে। ব্রিটিশ পদ্ধতিতে ১ হর্স পাওয়ারের নির্দিষ্ট আদর্শ মান রয়েছে। ধরি, ১ হর্স পাওয়ার = ক ওয়াট অতএব, হর্স পাওয়ার হলো ক্ষমতার একটি প্রচলিত একক। বৈজ্ঞানিক মাপে ১ হর্স পাওয়ার সমান ৭৪৬ ওয়াট হলেও এই প্রশ্নে ৭৬৪ ওয়াট ধরা হয়েছে। সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক মানটি হলো ৭৬৪। উত্তর: ৭৬৪ ওয়াট
a 16
b 61
c 17
d 71
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬১ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ১১ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = x বড় সংখ্যাটি = x + ১ অতএব, (x + ১) এর বর্গ − x এর বর্গ = ১১ x এর বর্গ + ২x + ১ − x এর বর্গ = ১১ ২x + ১ = ১১ সুতরাং, ২x = ১০ x = ৫ বড় সংখ্যাটি = ৬ উত্তর: ৫ এর বর্গ + ৬ এর বর্গ = ২৫ + ৩৬ = ৬১
a 4
b 8
c 16
d 2
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো দুই এবং মান হলো ষোলো ধরি, লগ এর মান সমান সমান ক অতএব, দুই এর পাওয়ার ক সমান সমান ষোলো সুতরাং, দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই সমান সমান ষোলো উত্তর: ৪
a ৪৫°
b ৬০°
c ৯০°
d ১০০°
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের একটি ব্যাস এবং তার ওপর একটি অর্ধবৃত্ত আঁকা হলো অর্ধবৃত্তের ওপর পরিধিস্ত একটি কোণ তৈরি করা হলো ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র বিন্দুটি হলো মূল বিন্দু বৃত্তের ব্যাস হলো একটি সরলরেখা অতএব, বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণের পরিমাণ হলো এক সরলকোণ বা ১৮০° পরিধিস্থ কোণটি কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণের অর্ধেক হয় সুতরাং, অর্ধবৃত্তস্থ কোণের পরিমাণ হলো ১৮০° ÷ ২ = ৯০° উত্তর: ৯০°
a 4
b 8
c 16
d 24
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: ঘনকের মোট তলের সংখ্যা = ৬ প্রতিটি তলে সমকোণের সংখ্যা = ৪ ধরি, ঘনকের একটি তলে সমকোণ আছে = ৪টি ঘনকের মোট তলের সংখ্যা = ৬টি অতএব, প্রথম তলের সমকোণ = ৪ দ্বিতীয় তলের সমকোণ = ৪ তৃতীয় তলের সমকোণ = ৪ সুতরাং, চতুর্থ তলের সমকোণ = ৪ উত্তর: ৪ × ৪ = ১৬
a 0
b -1
c 1
d -2
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −১ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতিক অনুপাত হিসেবে কোসাইন বা cos এর কোণ দেওয়া আছে থেটা আমরা জানি এই অনুপাতের মান সর্বদা একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে অবস্থান করে ধরি, যেকোনো বাস্তব কোণ থেটা এর জন্য ফাংশনটি হলো cos থেটা অতএব, এই মানের সর্বোচ্চ সীমা হলো প্লাস ১ এবং এই মানের সর্বনিম্ন সীমা হলো মাইনাস ১ সুতরাং, কোসাইন অনুপাতের সর্বনিম্ন মান নির্ধারিত হয় ঋণাত্মক এক হিসেবে উত্তর: −১
a 6
b 9
c 12
d 18
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের ভূমি = ৮ মিটার ত্রিভুজের উচ্চতা = ৩ মিটার ধরি, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ভূমি গুণ উচ্চতা ভাগ দুই অতএব, ভূমি গুণ উচ্চতা = ৮ × ৩ = ২৪ সুতরাং, ২৪ ÷ ২ = ১২ হবে না, সঠিক হিসাব হলো (৮ × ৩) ÷ ২ = ২৪ ÷ ২ = ১২ উত্তর: ১২ বর্গমিটার
a অসংখ্য
b ২টি
c ৩টি
d ৪টি৷
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অসংখ্য প্রদত্ত তথ্য: সমতলে দুটি নির্দিষ্ট বিন্দু দেওয়া আছে ধরি, বিন্দু দুটি হলো বিন্দু ক এবং বিন্দু খ অতএব, বিন্দু দুটির সংযোজক সরলরেখার লম্ব সমদ্বিখন্ডকের ওপর যেকোনো বিন্দু কেন্দ্র হতে পারে সুতরাং, কেন্দ্র পরিবর্তনের মাধ্যমে ওই দুটি বিন্দুগামী বৃত্তের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব উত্তর: অসংখ্য
a b
b a
c a-b
d a2-b2
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) b প্রদত্ত তথ্য: a বৃহত্তর b ab ক্ষুদ্রতর ০ ধরি, a ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক হতে পারে b ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক হতে পারে অতএব, দুটি রাশির গুণফল ঋণাত্মক হওয়ার অর্থ হলো একটি ধনাত্মক এবং অন্যটি ঋণাত্মক হবে যেহেতু a বৃহত্তর b, তাই a ধনাত্মক এবং b ঋণাত্মক হবে সুতরাং, a এর মান ধনাত্মক b এর মান ঋণাত্মক উত্তর: b
a 1/2
b 2/3
c 3/4
d 5/7
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/২ প্রدত্ত তথ্য: সীমা দুটি হলো ৪/৫ এবং ৯/১৭ ধরি, ৪/৫ = ০.৮০ ৯/১৭ = ০.৫৩ অপশনগুলোর মান নির্ণয় করি অতএব, অপশন A এর মান ১/২ = ০.৫০ অপশন B এর মান ২/৩ = ০.৬৭ অপশন C এর মান ৩/৪ = ০.৭৫ সুতরাং, সংখ্যাগুলোর সীমা হলো ০.৫৩ থেকে ০.৮০ এর মধ্যে এর মধ্যে ০.৫০ অবস্থিত নয় উত্তর: ১/২
a 37.37
b 38.37
c 39.37
d 40.37
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৯.৩৭ প্রদত্ত তথ্য: ১ মিটার সমান কত ইঞ্চি তা নির্ণয় করতে হবে আমরা জানি, ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার ১ মিটার সমান ১০০ সেন্টিমিটার অতএব, ১ মিটারকে ইঞ্চিতে রূপান্তর করতে হবে ১০০ কে ২.৫৪ দিয়ে ভাগ করতে হবে সুতরাং, ১০০ ÷ ২.৫৪ = ৩৯.৩৭০১০ ইঞ্চি উত্তর: ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
a 202
b 204
c 206
d 208
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্রের মোট হাড়ের সংখ্যা গণনা করা হয়েছে ধরি, অক্ষীয় কঙ্কালের হাড়ের সংখ্যা = ৮০ উপাঙ্গীয় কঙ্কালের হাড়ের সংখ্যা = ১২৬ অতএব, অক্ষীয় কঙ্কাল গঠিত হয় মাথার খুলি, মেরুদণ্ড এবং বক্ষপঞ্জর নিয়ে উপাঙ্গীয় কঙ্কাল গঠিত হয় হাত ও পায়ের অস্থি নিয়ে সুতরাং, মোট হাড়ের সংখ্যা = ৮০ + ১২৬ = ২০৬ উত্তর: ২০৬
a ক) ২১ সেপ্টেম্বর
b ২৩ সেপ্টেম্বর
c ২৩ মার্চ
d ২১ এপ্রিল
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ সেপ্টেম্বর প্রদত্ত তথ্য: বার্ষিক গতি ও অক্ষের হেলে থাকার কারণে সূর্য বিষুবরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এই বিশেষ দিনে পৃথিবীর উভয় গোলার্ধে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়। ধরি, বছরের এই দিনটিকে বিষুব বা ইকুইনক্স বলা হয়। বছরে এমন ঘটনা দুইবার ঘটে যার একটি সেপ্টেম্বর মাসে। অতএব, ২১শে মার্চ বসন্তকালীন বিষুব সংঘটিত হয়। ২৩শে সেপ্টেম্বর শরৎকালীন বিষুব সংঘটিত হয়। সুতরাং, সেপ্টেম্বর মাসের এই তারিখে দিবারাত্রি সমান হয়। উত্তর: ২৩ সেপ্টেম্বর
a 1980
b 1984
c 1981
d 1998
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৮১ প্রদত্ত তথ্য: এই প্রশ্নটি সাধারণ জ্ঞান বা জীববিজ্ঞানের ইতিহাস সম্পর্কিত। যেখানে এইডস রোগ প্রথম শনাক্তকরণের সাল চাওয়া হয়েছে। ধরি, রোগটি আবিষ্কারের বছরটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। যা চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রথম নথিভুক্ত করা হয়। অতএব, আমেরিকার রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র প্রথম এই রোগটি লক্ষ্য করে। ১৯৮১ সালের জুন মাসে এর উপস্থিতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। সুতরাং, বিশ্বের ইতিহাসে এইডস প্রথম ধরা পড়ার সালটি নিশ্চিত হলো। উত্তর: ১৯৮১
a I shall buy two breads
b I shall buy two loaves of breads
c I shall buy two bread
d I shall buy two pieces of bread
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I shall buy two pieces of bread কেন সঠিক: - Bread একটি আনকাউন্টেবল বা গণনাসহিষ্ণু নয় এমন নাউন, তাই এর সঙ্গে সরাসরি সংখ্যা বা বহুবচন রূপ যোগ করা যায় না। - আনকাউন্টেবল নাউনকে নির্দিষ্ট করে গণনা করতে এর আগে a piece of বা pieces of ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I shall buy two breads — Bread একটি আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর সঙ্গে সরাসরি s বা es যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না। B) I shall buy two loaves of breads — Loaf শব্দটির বহুবচন loaves সঠিক হলেও bread শব্দের সঙ্গে s যুক্ত করে ভুল করা হয়েছে কারণ bread অপরিবর্তিত থাকে। C) I shall buy two bread — সংখ্যাবাচক শব্দ দুই এর পরে আনকাউন্টেবল নাউন একবচনে রাখা যায় না এবং সরাসরি সংখ্যা ব্যবহার করা ভুল। D) I shall buy two pieces of bread — এটি সঠিক কারণ আনকাউন্টেবল নাউন গণনা করতে pieces of ব্যবহার করা হয়েছে এবং bread অপরিবর্তিত আছে। মনে রাখার টিপস: Bread, information, advice ইত্যাদি আনকাউন্টেবল নাউনের বহুবচন করতে এদের আগে piece of বা pieces of যুক্ত করতে হয়।
a ২৬ মার্চ, ১৯৭২
b ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
c ১ জুলাই, ১৯৭২
d ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। - একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের তারিখ, সংবিধান গ্রহণের তারিখ নয়। B) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণের তারিখ এবং মুজিবনগর দিবসের দিন। C) ১ জুলাই, ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা পিএসসি গঠিত হয়। D) ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই গণপরিষদে সংবিধান পাস ও গৃহীত হয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার বছরেই ৪ নভেম্বর সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে তা কার্যকর করা হয়।
a থিয়েটার রোড, কলকাতা
b পার্ক স্ট্রীট, কলকাতা
c ডালহৌসি স্ট্রীট, কলকাতা
d কলেজ স্ট্রীট, কলকাতা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) থিয়েটার রোড, কলকাতা কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সচিবালয় কলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে অবস্থিত ছিল। - এই ভবন থেকেই মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময় প্রশাসনিক কার্যক্রম, যুদ্ধ পরিচালনা এবং কূটনৈতিক তৎপরতা সফলভাবে পরিচালিত হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থিয়েটার রোড, কলকাতা — এই স্থানটি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সচিবালয় ও সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। B) পার্ক স্ট্রীট, কলকাতা — এটি কলকাতার একটি বিখ্যাত বাণিজ্যিক ও আবাসন এলাকা হলেও মুক্তিযুদ্ধের সচিবালয় এখানে ছিল না। C) ডালহৌসি স্ট্রীট, কলকাতা — এটি কলকাতার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র বা ব্যবসায়িক এলাকা, যা মুক্তিযুদ্ধের সরকারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) কলেজ স্ট্রীট, কলকাতা — এটি কলকাতার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাঙ্গন ও বইয়ের বাজার এলাকা, যা প্রবাসী সরকারের কার্যালয় ছিল না। মনে রাখার টিপস: সরকার পরিচালনার জন্য থিয়েটারে নাটক নয়, দরকার হয় একটি সচিবালয়ের; আর তাই মুজিবনগর সরকারের সচিবালয় ছিল কলকাতার থিয়েটার রোডে।
a মোরশেদুল ইসলাম
b নাসির উদ্দিন ইউসুফ
c তানভীর মোকাম্মেল
d আবু সায়ীদ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাসির উদ্দিন ইউসুফ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত বিখ্যাত চলচ্চিত্র 'একাত্তরের যীশু' এর পরিচালক ও নির্মাতা নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু। - শাহরিয়ার কবিরের একই নামের উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে ১৯৯৩ সালে এই চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোরশেদুল ইসলাম — তিনি একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও 'একাত্তরের যীশু' পরিচালনা করেননি, তার বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র হলো 'দীপু নাম্বার টু' বা 'চাকা'। B) নাসির উদ্দিন ইউসুফ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো অতিরিক্ত কারণ প্রযোজ্য নয়। C) তানভীর মোকাম্মেল — তিনি বিশিষ্ট প্রামাণ্যচিত্র ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও এই চলচ্চিত্রের নির্মাতা নন, তার পরিচালিত চলচ্চিত্র 'নদীর নাম চিত্রা'। D) আবু সায়ীদ — তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত একজন পরিচালক হলেও 'একাত্তরের যীশু' চলচ্চিত্রটি তিনি নির্মাণ করেননি। মনে রাখার টিপস: যীশু মানে যিশু খ্রিস্ট আর নাসির অর্থ সাহায্যকারী; নাট্যব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ একাত্তরের গল্প নিয়ে এই চলচ্চিত্র বানিয়েছেন।
a কর্নেল (অব.) এম এ জি ওসমানী
b মেজর খালেদ মোশাররফ
c গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
d কর্নেল (অব.) এম এ রব
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্নেল (অব.) এম এ রব কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত বাংলাদেশ ফোর্সেস-এর চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব পালন করেছিলেন কর্নেল (অব.) এম এ রব। - সেনাপ্রধান বা চিফ অব স্টাফ হিসেবে তিনি মুক্তিবাহিনীর অপারেশনাল পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্নেল (অব.) এম এ জি ওসমানী — তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ ফোর্সেস-এর প্রধান সেনাপতি বা কম্যান্ডার-ইন-চিফ ছিলেন, চিফ অব স্টাফ ছিলেন না। B) মেজর খালেদ মোশাররফ — তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার এবং পরবর্তীতে কে ফোর্স-এর অধিনায়ক ছিলেন। C) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার — তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এবং উপ-প্রধান সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) কর্নেল (অব.) এম এ রব — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ওসমানী ছিলেন প্রধান সেনাপতি আর এম এ রব ছিলেন তাঁর চিফ অব স্টাফ।
a মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
b স্পিকার
c মহামান্য রাষ্ট্রপতি
d প্রধান বিচারপতি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহামান্য রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ১ দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন। - প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, prorogue বা মূলতবি এবং ভেঙে দিতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী অধিবেশন আহ্বান করতে পারেন না, তবে তিনি রাষ্ট্রপতিকে অধিবেশন আহ্বানের পরামর্শ দিতে পারেন। B) স্পিকার — স্পিকার সংসদের কার্য পরিচালনা করেন, কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন আহ্বান করার সাংবিধানিক ক্ষমতা তার নেই। C) মহামান্য রাষ্ট্রপতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) প্রধান বিচারপতি — প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের প্রধান এবং সংসদের অধিবেশন আহ্বানের সাথে তার কোনো সাংবিধানিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সংসদের অধিবেশন ডাকেন দেশের প্রধান অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি।
a ওয়েবসাইট
b সার্চ ইঞ্জিন
c অভিধান
d এনসাইক্লোপিডিয়া
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সার্চ ইঞ্জিন কেন সঠিক: - গুগল হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীদের তথ্য খুঁজতে সাহায্য করে। - এটি ইন্টারনেটে থাকা কোটি কোটি ওয়েব পেজ থেকে নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডের ভিত্তিতে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক তথ্য খুঁজে বের করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়েবসাইট — গুগল একটি সার্চ ইঞ্জিন এবং বহুসেবামূলক প্ল্যাটফর্ম, যা একক কোনো সাধারণ ওয়েবসাইট নয়। B) সার্চ ইঞ্জিন — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ গুগল একটি প্রধান ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন। C) অভিধান — অভিধান হলো শব্দের অর্থ ও বানান জানার মাধ্যম, যা গুগলের মূল কাজ নয়। D) এনসাইক্লোপিডিয়া — এনসাইক্লোপিডিয়া বিশ্বকোষ হলেও গুগল হলো তথ্য খোঁজার একটি সামগ্রিক সার্চ ইঞ্জিন। মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেটে কিছু খোঁজার জন্য আমরা যে প্রধান মাধ্যম ব্যবহার করি, তাকে সার্চ ইঞ্জিন বলে এবং গুগল তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ।
a যুক্তরাজ্যে
b মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে
c জাপানে
d দক্ষিণ কোরিয়ায়
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কেন সঠিক: - সিলিকন ভ্যালি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ফ্রান্সিসকো বে এলাকার দক্ষিণাংশে অবস্থিত। - এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন কেন্দ্র, যেখানে অ্যাপল এবং গুগলের মতো বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্যে — সিলিকন ভ্যালি যুক্তরাজ্যে অবস্থিত নয়, যুক্তরাজ্যে প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে লন্ডন বা কেমব্রিজ পরিচিত। B) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ সিলিকন ভ্যালি ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত। C) জাপানে — জাপানে কোনো সিলিকন ভ্যালি নেই, জাপানের প্রযুক্তির জন্য টোকিও বা সুকুবা শহর বিখ্যাত। D) দক্ষিণ কোরিয়ায় — দক্ষিণ কোরিয়ায় সিলিকন ভ্যালি নেই, দেশটির প্রধান প্রযুক্তি কেন্দ্র হলো সিউল ও পাংগিও টেকনো ভ্যালি। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বেশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অবস্থিত, তাই সিলিকন ভ্যালি বললেই যুক্তরাষ্ট্রকে মনে রাখতে হবে।
a মূলধনী কর
b প্রত্যক্ষ কর
c পরোক্ষ কর
d সম্পদ কর
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পরোক্ষ কর কেন সঠিক: - মূসক বা ভ্যাট এমন একটি কর যা উৎপাদনের স্তর থেকে ভোক্তার পর্যায় পর্যন্ত ধাপে ধাপে আদায় করা হয় এবং এর আর্থিক বোঝা প্রত্যক্ষভাবে চূড়ান্ত ভোক্তার ওপর বর্তায়। - করদাতা ও করভার বহনকারী ব্যক্তি ভিন্ন হওয়ার কারণে এবং কর সরাসরি সরকারের কাছে জমা না দিয়ে মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে পরিশোধিত হওয়ায় এটি পরোক্ষ কর হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূলধনী কর — মূলধনী সম্পত্তি বা লভ্যাংশ বিক্রির ওপর এই কর ধার্প করা হয়, যা মূসকের সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে না। B) প্রত্যক্ষ কর — এই ধরনের করের বোঝা অন্য কারও ওপর স্থানান্তর করা যায় না এবং করদাতা নিজেই সরাসরি সরকারের পরিশোধ করেন, যেমন আয়কর। C) পরোক্ষ কর — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূসক বা ভ্যাট হলো এমন একটি কর যার বোঝা ক্রেতা বা ভোক্তার ওপর বর্তায়। D) সম্পদ কর — ব্যক্তির নিট সম্পদের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তা সম্পদ কর, যা দৈনন্দিন কেনাকাটার মূসক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: যে করের বোঝা সরাসরি নিজের ওপর পড়ে তা প্রত্যক্ষ কর, আর যে করের বোঝা কেনাকাটার মাধ্যমে অন্যের (ভোক্তার) ওপর চালিয়ে দেওয়া যায় তা পরোক্ষ কর (যেমন মূসক)।
a মিলন কুন্তেরা
b অরুন্ধতী রায়
c গ্রন্টার গ্রাস
d সভেতলানা আলেক্সিভিচ
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সভেতলানা আলেক্সিভিচ কেন সঠিক: - তিনি ২০১৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তার সাহিত্যকর্ম বহুমাত্রিক কণ্ঠস্বর ধারণ করে যা আমাদের যুগের কষ্ট এবং সাহসিকতার একটি স্মৃতিস্তম্ভ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিলন কুন্তেরা — তিনি বিখ্যাত চেক ঔপন্যাসিক হলেও ২০১৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পাননি। B) অরুন্ধতী রায় — তিনি একজন ভারতীয় লেখক ও রাজনৈতিক কর্মী, যিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেননি। C) গ্রন্টার গ্রাস — তিনি একজন বিখ্যাত জার্মান সাহিত্যিক এবং ১৯৯৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। D) সভেতলানা আলেক্সিভিচ — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি ২০১৫ সালের নোবেল বিজয়ী। মনে রাখার টিপস: সভেতলানা আলেক্সিভিচের নাম মনে রাখতে মাথায় রাখুন যে তিনি ২০১৫ সালের নোবেল বিজয়ী বেলারুশীয় সাংবাদিক ও লেখক।
a পানামা
b জিব্রাল্টার
c মালাক্কা
d বেরিং
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জিব্রাল্টার কেন সঠিক: - জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপের স্পেনকে আফ্রিকার মরক্কোর থেকে আলাদা করেছে এবং ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে যুক্ত করেছে। - এটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ যা দুই মহাদেশের মাঝে প্রাকৃতিক সীমানা তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানামা — পানামা প্রণালী উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে সংযুক্ত করেছে এবং আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে আলাদা করেছে। B) জিব্রাল্টার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় আফ্রিকাকে ইউরোপ থেকে আলাদা করার সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে। C) মালাক্কা — মালাক্কা প্রণালী এশিয়ার মালয় উপদ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপের মাঝে অবস্থিত এবং ভারত মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সাথে যুক্ত করেছে। D) বেরিং — বেরিং প্রণালী এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে আর্টিক মহাসাগর থেকে আলাদা করেছে। মনে রাখার টিপস: ইউরোপ ও আফ্রিকার মাঝে জিরাফ দৌড়ায়, আর এই জিরাফ থেকেই মনে রাখতে পারেন জিব্রাল্টার প্রণালী।
a দিনাজপুর
b যশোর
c ব্রাহ্মণবাড়ীয়া
d সাতক্ষীরা
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাতক্ষীরা কেন সঠিক: - ভোমরা স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত। - এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনাজপুর — এখানে হিলি স্থলবন্দর অবস্থিত, ভোমরা স্থলবন্দর নয়। B) যশোর — এখানে বেনাপোল স্থলবন্দর অবস্থিত, ভোমরা স্থলবন্দর নয়। C) ব্রাহ্মণবাড়ীয়া — এখানে আখাউড়া স্থলবন্দর অবস্থিত, ভোমরা স্থলবন্দর নয়। D) সাতক্ষীরা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভোমরা স্থলবন্দর এখানেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সাতক্ষীরার ভোমরা বন্দর দিয়ে ভারতে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে এই নামটি মনে রাখা যায়।
a ফ্রান্স
b ইংল্যান্ড
c ইটালি
d গ্রীস
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইটালি কেন সঠিক: - সনেট কবিতার আদি জন্মস্থান ইটালি এবং ত্রয়োদশ শতাব্দীতে কবি পেত্রার্ক এটি প্রথম প্রচলন করেন। - ইটালিয়ান কবি দান্তে এবং পেত্রার্কের হাতে সনেটের সার্থক রূপ লাভ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — ফ্রান্সে সনেট পরবর্তীতে প্রবেশ করে এবং পিয়েরে দ্য রনসার ফরাসি ভাষায় সনেট প্রবর্তন করেন। B) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ডে রেনেসাঁর যুগে স্যার থমাস ওয়াট ইটালিয়ান সনেট অনুবাদ করে প্রচলন করেন। D) গ্রীস — গ্রীস প্রাচীন সভ্যতার কেন্দ্র হলেও সনেটের উৎপত্তির সঙ্গে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সনেট মানেই ইটালির পেত্রার্ক, যিনি সনেটের জনক হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে পরিচিত।
a সিতাকুণ্ড
b হিমালয়
c তাজিনডং
d চেরাপুঞ্জী
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তাজিনডং প্রশ্নের ধরন ও বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল। কেন সঠিক: - তাজিনডং বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় অবস্থিত সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। - এর উচ্চতা প্রায় এক হাজার দুইশো আটাশিত মিটার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিতাকুণ্ড — এটি চট্টগ্রামের একটি পাহাড়ি অঞ্চল এবং চন্দ্রনাথ পাহাড় এখানে অবস্থিত, যা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ নয়। B) হিমালয় — এটি পৃথিবীর বৃহত্তম পর্বতমালা, যা মূলত ভারত, নেপাল, চীন ও ভুটানজুড়ে বিস্তৃত এবং এটি বাংলাদেশের অংশ নয়। C) তাজিনডং — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। D) চেরাপুঞ্জী — এটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত এবং এটি সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের জন্য পরিচিত, কোনো পর্বতশৃঙ্গ নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মনে রাখতে তা-তে তাজিনডং অর্থাৎ ত দিয়ে শুরু এই নামটি মাথায় রাখবে।
a Food
b Find
c Fight
d Feed
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Feed কেন সঠিক: - Feed হলো একটি দলভুক্ত নিয়মিত বা অনিয়মিত ভার্ব যার পাস্ট বা অতীত রূপ হলো Fed। - ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো ভার্বের পাস্ট ফর্ম নির্ণয় করার সময় তার মূল বা প্রেজেন্ট রূপের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Food — এটি একটি বিশেষ্য বা নাউন যার অর্থ খাবার, তাই এটি কোনো ভার্বের পাস্ট ফর্ম হতে পারে না। B) Find — এটি একটি ভার্ব যার অর্থ খোঁজা এবং এর পাস্ট রূপ হলো Found। C) Fight — এটি একটি ভার্ব যার অর্থ যুদ্ধ করা এবং এর পাস্ট রূপ হলো Fought। D) Feed — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই রয়েছে এবং এর পাস্ট ফর্ম হলো Fed। মনে রাখার টিপস: ডাবল ইযুক্ত প্রেজেন্ট ভার্ব Feed-এর পাস্ট ফর্ম লেখার সময় একটি ই বাদ দিয়ে Fed লিখতে হয়।
a পাহাড়পুর
b ময়নামতি
c মহাস্থানগড়
d সোনারগাঁও
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড় কেন সঠিক: - প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড়ের প্রাচীন নাম। - এটি মৌর্য, গুপ্ত ও পাল আমলের পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির রাজধানী হিসেবে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত পাল আমলের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার, পুণ্ড্রবর্ধন শহরের মূল অবস্থান নয়। B) ময়নামতি — এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত প্রাচীন সমতট অঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। C) মহাস্থানগড় — এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন শহরের মূল অবস্থান হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) সোনারগাঁও — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলায় অবস্থিত মধ্যযুগের মুসলিম আমলের একটি প্রাচীন প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র। মনে রাখার টিপস: পুন্ড্রবর্ধন মানেই বগুড়ার প্রাচীন মহাস্থানগড়, যা বাংলার প্রথম ও প্রাচীনতম নগরী।
a 2.45
b 2.64
c 2.54
d 2.46
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2.54 কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ১ ইঞ্চি ঠিক ২.৫৪ সেন্টিমিটারের সমান। - ব্রিটিশ ও মেট্রিক একক ব্যবস্থার রূপান্তর অনুসারে এই মান নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2.45 — এই মানটি সঠিক রূপান্তরের সঙ্গে মেলে না এবং এটি একটি ভুল সংখ্যা। B) 2.64 — এটি ১ ইঞ্চির সঠিক পরিমাপ নয়, এটি রূপান্তর গণনায় একটি ভ্রান্ত মান। C) 2.54 — এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সঠিক পরিমাপ এবং এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর। D) 2.46 — এটিও ভুল মান এবং মেট্রিক পদ্ধতির সঠিক হিসাবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: ইঞ্চি থেকে সেন্টিমিটার করার সময় মনে রাখুন এক ইঞ্চিতে দুই দশমিক পাঁচ চার সেন্টিমিটার থাকে।
a আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল
b হুমায়ূন আহমেদ
c ফজলে খোদা
d কে জি মোস্তফা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল কেন সঠিক: - 'সব কটা জানালা খুলে দাও না' গানটির সুরকার প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এই দেশাত্মবোধক গানটির গীতিকার ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাবু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই জনপ্রিয় গানটির সুর করেছেন। B) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হলেও এই গানের সুরকার নন। C) ফজলে খোদা — তিনি একজন গীতিকার হলেও এই নির্দিষ্ট গানটির সুরকার হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। D) কে জি মোস্তফা — তিনি বিখ্যাত সাংবাদিক ও গীতিকার, তবে এই গানটির রচয়িতা বা সুরকার নন। মনে রাখার টিপস: জানালার বুলবুল মনে রাখলে গানটির সুরকার আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুলকে সহজে মনে রাখা যায়।
a সেবাখাত
b শিল্পখাত শীত
c কৃষিখাত
d অন্যান্য
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেবাখাত কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদনে সেবাখাতের অবদান সবোর্চ্চ এবং এটি অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। - দেশের মোট জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান প্রায় পঞ্চাশ শতাংশের বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেবাখাত — এটি বাংলাদেশের জিডিপির প্রধান খাত হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) শিল্পখাত শীত — এটি জিডিপির দ্বিতীয় প্রধান খাত এবং এখানে মুদ্রণজনিত ভুল বা অতিরিক্ত শব্দ যুক্ত রয়েছে। C) কৃষিখাত — একসময় প্রধান খাত হলেও বর্তমানে এটি জিডিপির তৃতীয় প্রধান খাতে পরিণত হয়েছে। D) অন্যান্য — এটি কোনো নির্দিষ্ট বা প্রধান অর্থনৈতিক খাত নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জিডিপির ক্ষেত্রে সেবা প্রথম, শিল্প দ্বিতীয় এবং কৃষি তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
a সোনাদিয়া
b কলাপাড়া
c পায়রা
d আন্ধারমানিক
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) পায়রা কেন সঠিক: - পায়রা সমুদ্রবন্দরটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর হিসেবে ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর চাপ কমানো এবং দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে এটি নির্মাণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনাদিয়া — এটি একটি প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্রবন্দর এলাকা হলেও এখনো তা বাস্তবায়িত বা সমুদ্রবন্দর হিসেবে চালু হয়নি। B) কলাপাড়া — এটি একটি উপজেলার নাম, যার ভেতরে পায়রা সমুদ্রবন্দর অবস্থিত, তাই এটি বন্দর নয়। C) পায়রা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বন্দর হিসেবে গণ্য। D) আন্ধারমানিক — এটি কলাপাড়ার একটি নদীর নাম, যার তীরঘেঁষে পায়রা বন্দর অবস্থিত কিন্তু এটি নিজে কোনো বন্দর নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রথম চট্টগ্রাম, দ্বিতীয় মংলা এবং তৃতীয় সমুদ্রবন্দর হলো পায়রা।
a ৫ বছর
b ৬ বছর।
c ৪ বছর
d ৭ বছর
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ বছর কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অনুচ্ছেদ দুই অনুযায়ী দেশটির রাষ্ট্রপতির মেয়াদ চার বছর নির্ধারিত আছে। - যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে বা আট বছর ক্ষমতায় থাকতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ বছর — মার্কিন রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর নয়, এটি সাধারণত ফ্রান্স বা অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। B) ৬ বছর — ছয় বছর মেয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, এটি মেক্সিকো বা অন্যান্য পদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। C) ৪ বছর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) ৭ বছর — সাত বছর মেয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির জন্য সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের ৪ অক্ষর এবং রাষ্ট্রপতির মেয়াদও ৪ বছর, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
a 0.05
b 1
c 0.005
d 0.02
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: গণিত ও সাধারণ হিসাব প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (B) ১ ভুল। ১.২৫ এর মান সরাসরি ১ হতে পারে না। এটি মূলত ১ সমস্ত চারভাগের এক ভাগ বা দশমিক সংখ্যা ১.২৫। তবে এখানে প্রশ্ন বা অপশনে মুদ্রণজনিত ত্রুটি থাকতে পারে। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী ১.২৫ এর সঠিক মান ১.২৫-ই হবে। সঠিক উত্তর: B) ১.২৫ (প্রদত্ত উত্তর সংশোধন করা হলো) কেন সঠিক: - দশমিক ভগ্নাংশ ১.২৫ কে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করলে পাঁচ বাই চার বা এক সমস্ত চারভাগের এক ভাগ পাওয়া যায়। - এটি একটি নির্দিষ্ট ধনাত্মক দশমিক সংখ্যা যার পূর্ণ অংশ এক এবং দশমিক অংশ পঁচিশ শতক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.০৫ — এটি দশমিকের পরে পাঁচ শতক নির্দেশ করে, যা মূল সংখ্যার মানের সমান নয়। B) ১ — এটি একটি পূর্ণ সংখ্যা এবং ১.২৫ এর সমান নয়, কারণ অতিরিক্ত দশমিক পঁচিশ অংশ বাদ পড়েছে। C) ০.০০৫ — এটি পাঁচ হাজার ভাগের পাঁচ ভাগ নির্দেশ করে, যা প্রদত্ত সংখ্যার চেয়ে অনেক ছোট। D) ০.০২ — এটি দুই শতক নির্দেশ করে, যা ১.২৫ এর মানের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: দশমিক সংখ্যার পূর্ণ সংখ্যা অংশ এবং দশমিকের পরের অংশ আলাদাভাবে বিবেচনা করলে সঠিক মান সহজে বোঝা যায়।
a New country
b Temple
c Mosque
d Holy place
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Holy place কেন সঠিক: - Pilgrim শব্দের অর্থ তীর্থযাত্রী, যিনি কোনো পবিত্র স্থানে ধর্মীয় উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। - Holy place হলো সেই পবিত্র স্থান, যার দিকে তীর্থযাত্রী তার যাত্রা পরিচালনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) New country — তীর্থযাত্রার মূল উদ্দেশ্য নতুন দেশ ভ্রমণ নয়, বরং ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক স্থান পরিদর্শন করা। B) Temple — এটি একটি নির্দিষ্ট পবিত্র স্থান হতে পারে, তবে Pilgrim কেবল মন্দিরে যান না, মসজিদ বা গির্জার মতো অন্যান্য পবিত্র স্থানেও যান। C) Mosque — এটিও একটি বিশেষ পবিত্র স্থান, কিন্তু pilgrim শব্দের সাধারণ অর্থ কেবল মসজিদের সঙ্গে সীমাবদ্ধ নয়। D) Holy place — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সব ধরনের পবিত্র স্থানকে নির্দেশ করে যেখানে তীর্থযাত্রীরা যান। মনে রাখার টিপস: Pilgrim শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি পবিত্র স্থান বা Holy place এর সঙ্গে সম্পর্কিত যাত্রা।
a কায়কোবাদ
b সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
c ঈশ্বরগুপ্ত
d গোবিন্দ দাস
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গোবিন্দ দাস কেন সঠিক: - গোবিন্দ দাস তাঁর সহজ-সরল ও স্বভাবসুলভ কাব্যপ্রতভার জন্য 'স্বভাব কবি' উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। - তাঁর কবিতায় কৃত্রিমতার চেয়ে গ্রামীণ প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন সহজভাবে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কায়কোবাদ — ইনি বাংলা মহাকাব্যের কবি এবং মহাশ্মশান কাব্যের জন্য বিখ্যাত, স্বভাব কবি নন। B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি বাংলা সাহিত্যের 'ছন্দের জাদুকর' হিসেবে পরিচিত, স্বভাব কবি নন। C) ঈশ্বরগুপ্ত — ইনি যুগসন্ধিক্ষণের কবি এবং সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে পরিচিত, স্বভাব কবি নন। D) গোবিন্দ দাস — ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সাহিত্যজগতে 'স্বভাব কবি' নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: গোবিন্দ দাসের স্বভাব ছিল খুবই সহজ ও সুন্দর, তাই তিনি 'স্বভাব কবি'।
a ১০০টি
b ৫০টি
c ৭৫টি
d ৪০টি
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০টি কেন সঠিক: - সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৫০টি। - এই আসনগুলো সরাসরি নির্বাচনের পরিবর্তে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত আসনসংখ্যার অনুপাতে বণ্টন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০টি — এটি ভুল কারণ সংসদীয় ইতিহাসে কখনো সংরক্ষিত নারী আসন একশটি ছিল না। B) ৫০টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ভুল অপশন নয়। C) ৭৫টি — এটি ভুল কারণ স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের সংবিধানে নারী আসন পনেরোটি ছিল, যা পরবর্তীতে বৃদ্ধি পেয়ে বিভিন্ন সময়ে ত্রিশ, পঞ্চাশ এবং বর্তমানে পঞ্চাশটিতে নির্ধারিত হয়েছে কিন্তু পঁচাত্তরটি কখনো ছিল না। D) ৪০টি — এটি ভুল কারণ কোনো সংবিধানেই নারী আসন চল্লিশটি নির্ধারণ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: জাতীয় সংসদের মোট আসন তিনশোটি এবং এর ছয় ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ পঞ্চাশটি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত।

মোট প্রশ্ন (25)

a ডাক বিভাগের নাম
b প্রাপকের এলাকা
c চিঠি লেখার স্থান
d পোস্ট অফিসের নাম
0 361 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রাপকের এলাকা ১. কেন সঠিক: - পোস্টাল কোড বা ডাক সংকেত হলো কতগুলো সংখ্যার সমষ্টি, যা কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা বা পোস্ট অফিসের আওতাধীন অঞ্চলকে চিহ্নিত করে। - এর মাধ্যমে চিঠিপত্র বা পার্সেল ভুল ঠিকানায় না গিয়ে খুব সহজেই নির্দিষ্ট প্রাপকের সঠিক এলাকায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি মূলত বাংলা ভাষার একটি আধুনিক পারিভাষিক শব্দ ও তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর প্রশাসনিক ধারণা। - ডাক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে দ্রুত ও নির্ভুল করার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও পোস্টাল কোড বা জিপ কোড ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১২১৫ ব্যাখ্যা: এটি ঢাকা মহানগরের একটি নির্দিষ্ট এলাকার (যেমন কুর্মিটোলা ও সেনানিবাস এলাকা) পোস্টাল কোড। উদাহরণ ২: ১০০০ ব্যাখ্যা: এটি ঢাকার জিরো পয়েন্ট বা প্রধান জিপিও এলাকার পোস্টাল কোড নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাক বিভাগের নাম — এটি সঠিক নয় কারণ ডাক বিভাগের নাম হলো বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, যা একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। B) প্রাপকের এলাকা — সঠিক উত্তর, কারণ পোস্টাল কোড মূলত নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা বা থানাকে নির্দেশ করে। C) চিঠি লেখার স্থান — এটি সঠিক নয় কারণ চিঠি যে স্থান থেকে লেখা হয়, তাকে প্রেরকের ঠিকানা বলা হয়। D) পোস্ট অফিসের নাম — এটি সরাসরি সঠিক নয়, কারণ পোস্টাল কোড কোনো নির্দিষ্ট পোস্ট অফিসের নাম বোঝায় না, বরং পুরো এলাকার সংকেত বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পোস্টাল কোড মনে রাখবে এলাকার ঠিকানা হিসেবে। কোড দেখলেই বুঝবে এটি নির্দিষ্ট কোনো এলাকার ভৌগোলিক সীমানা নির্দেশ করছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য পারিভাষিক শব্দ এবং প্রশাসনিক পদের নামগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। - একই ধরনের প্রশ্ন আসলে খেয়াল রাখবে যে সংখ্যাগুলো এলাকা বা অঞ্চলের পরিচিতি বহন করে কি না।
a 1913
b 1939
c 1941
d 1891
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯১৩ ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি তার গীতালিঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য এ সম্মাননা অর্জন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি এশিয়ার প্রথম ব্যক্তি হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের মাধ্যমেই মূলত নোবেল প্রাপ্তি নিশ্চিত হয়। উদাহরণ ২: সং অব অফারিং বা সং অফারিংস প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে। ব্যাখ্যা: এটি গীতাঞ্জলির ইংরেজি রূপ যার জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই তিনি নোবেল পান। B) ১৯৩৯ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ নোবেল পাননি, এটি ভুল সাল। C) ১৯৪১ — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনাবসান ঘটে, নোবেল প্রাপ্তির সাল এটি নয়। D) ১৮৯১ — এই সালে তিনি শিলাইদহে জমিদারি দেখাশোনার দায়িত্ব নেন, নোবেল পাওয়ার সাল এটি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ নোবেল পান ১৯১৩ সালে, যা বিশ্বসাহিত্যে এক অনন্য গৌরব। তার এই সালটি মনে রাখতে ১৯ এবং ১৩ সংখ্যা দুটি পাশাপাশি মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নোবেল বিজයী ও সাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। মনে রাখবে তিনি ইংরেজি অনুবাদের জন্য প্রথম নোবেলজয়ী এশিয়ান লেখক।
a ঢাকা
b মাদ্রাজ
c কোলকাতা
d বোম্বে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঢাকা ১. কেন সঠিক: - দীনবন্ধু মিত্র রচিত বিখ্যাত 'নীলদর্পণ' নাটকটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি প্রকাশের ক্ষেত্রে ঢাকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। - নাটকটির মূল প্রণেতা দীনবন্ধু মিত্র হলেও এটি প্রথম ঢাকা থেকেই মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়েছিল, যা বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে একটি বিশেষ ঘটনা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'নীলদর্পণ' নাটকের রচিয়তা হলেন দীনবন্ধু মিত্র, যিনি উনিশ শতকের অন্যতম বিশিষ্ট নাট্যকার ও সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত। - এই নাটকটি নীলকর সাহেবদের দ্বারা বাংলার সাধারণ কৃষক সমাজের ওপর চালিত নির্মম নির্যাতন ও অত্যাচারের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'নীলদর্পণ' নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন। ব্যাখ্যা: নাটকটির গুরুত্ব অনুধাবন করে এর প্রচারের জন্য মধুসূদন দত্ত 'The Nil Darpan or the Indigo Planting Mirror' নামে ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করেন। উদাহরণ ২: রেভারেন্ড জেমস লং নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদের প্রকাশনা ও অর্থদণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ব্যাখ্যা: নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের দায়ে জেমস লংয়ের অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড হয়েছিল, যা তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বড় প্রভাব ফেলেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাটকটি ঢাকা থেকেই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। B) মাদ্রাজ — এটি ভুল অপশন কারণ মাদ্রাজ থেকে এই নাটকের প্রকাশনার কোনো ঐতিহাসিক তথ্য বা যোগসূত্র নেই। C) কোলকাতা — এটি ভুল অপশন কারণ নাটকটি কোলকাতা থেকে অভিনীত বা পরবর্তী সময়ে চর্চা হলেও প্রথম প্রকাশনা ঢাকা থেকেই হয়েছিল। D) বোম্বে — এটি ভুল অপশন কারণ বোম্বে বা বর্তমান মুম্বাই শহরের সঙ্গে এই নাটকের প্রকাশের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - নীলদর্পণ নাটকের প্রকাশস্থান মনে রাখার কৌশল হলো নীলকরদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সূচনা ঢাকা থেকে ঘটেছিল বলে এর প্রকাশও ঢাকা থেকেই হয়েছিল। - নাটকটির লেখক দীনবন্ধু মিত্র এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬০ সালে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য 'নীলদর্পণ' নাটকের রচিয়তা, প্রকাশের সাল এবং ইংরেজি অনুবাদের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের ঐতিহাসিক সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রে প্রথম প্রকাশনা বা অনুবাদের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বিষের বাঁশী
b অগ্নিবীণা
c চক্রবাক
d সাম্যবাদী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবিতাটি জাতীয় কবি কাজী নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা এর অন্তর্ভুক্ত। - ১৯২১ সালের ডিসেম্বরে রচিত এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারা ও যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা সাহিত্যে এটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। - এই কাব্যের প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় বিখ্যাত কবিতা হলো বিদ্রোহী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা এবং এটিও নজরুলের একটি বিখ্যাত বিপ্লবী রচনা। উদাহরণ ২: কামাল পাশা ব্যাখ্যা: এটিও অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উদ্দীপনামূলক কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষের বাঁশী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ভাবাপন্ন কাব্য হলেও এতে বিদ্রোহী কবিতাটি নেই। B) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিদ্রোহী কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থেরই অন্তর্গত। C) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি গজল ও প্রেমের গান সংকলনধর্মী কাব্যগ্রন্থ। D) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্য ও মানবতাবাদী চেতনার ওপর রচিত একটি বিশেষ কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের বিদ্রোহী সুর প্রথম বেজেছিল তাঁর প্রথম কাব্য অগ্নিবীণায়। অগ্নিবীণা কাব্যটি মনে রাখলে এর বিখ্যাত কবিতা বিদ্রোহী সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্রোহী কবিতাটি ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে রচিত হয় এবং ১৯২২ সালে বিজলী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নিবীণা কাব্যের প্রথম কবিতা ও প্রকাশকাল প্রায়ই আসে।
a দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
b সলিল চৌধুরী
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ১. কেন সঠিক: - 'ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' গানটির রচয়িতা বিখ্যাত নাট্যকার ও সুরকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান যা স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও নাট্যকার। - তাঁর রচিত দেশাত্মবোধক গানগুলো মূলত তাঁর 'মহাসিংহ', 'রানা প্রতাপসিংহ' বা অন্যান্য ঐতিহাসিক নাটকের অন্তৰ্গত কিংবা স্বতন্ত্র দেশপ্রেমের গান হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গ আমার জননী আমার ধাতু আমার প্রভূ গো ব্যাখ্যা: এটিও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা একটি জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান। উদাহরণ ২: আমার দেশ সব দেশের সেরা সে যে আমার জন্মভূমি ব্যাখ্যা: এটিও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ দেশপ্রেমের গান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানটির মূল রচয়িতা ও সুরকার তিনিই। B) সলিল চৌধুরী — তিনি আধুনিক যুগের একজন প্রখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক ও গীতিকার হলেও এই গানের রচয়িতা নন। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বহু গান রচনা করলেও এই নির্দিষ্ট গানটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নন। D) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি হলেও এই গানটির রচয়িতা অন্য একজন। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের দেশাত্মবোধক গানগুলোর মধ্যে বসুন্ধরা ও ধানধান্য পুষ্পে ভরা লাইনটি থাকলে বুঝতে হবে সেটি ডি এল রায়ের সৃষ্টি। - ধনধান্য পুষ্পে ভরা গানটির মূল সুরকার ও গীতিকার উভয়ই দ্বিজেন্দ্রলাল রায় নিজে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান ও তার রচয়িতা প্রায়ই আসে। - দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের দেশপ্রেমমূলক গান ও ঐতিহাসিক নাটকগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কায়কোবাদ
d চন্দ্রাবতী
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানাটি আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের শৈশব ও স্মৃতির সাথে গভীরভাবে জড়িত। এখানে তিনি তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় কাটিয়েছিলেন যা তার সাহিত্য সাধনাকে প্রভাবিত করেছিল। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কবিদের জন্মস্থান ও কর্মক্ষেত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। কাজী নজরুল ইসলাম ময়মনসিংহের ত্রিশালের দরিরামপুর হাই স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন এবং এখানকার পরিবেশ তার মনে গভীর রেখাপাত করেছিল। ত্রিশালের নাম এলেই অবধারিতভাবে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাম এবং তার স্মৃতিকথার কথা মনে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ ত্রিশাল তার স্মৃতিবিজড়িত স্থান। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে কুষ্টিয়ার শিলাইদহ, সিরাজুরের শাহজাদপুর ও নাটোরের পতিসরের নাম জড়িত। C) কায়কোবাদ — কবি কায়কোবাদের স্মৃতিবিজড়িত প্রধান অঞ্চল হলো ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার আগলা কসবা গ্রাম। D) চন্দ্রাবতী — মধ্যযুগের প্রথমাংশ কবি চন্দ্রাবতীর স্মৃতিবিজড়িত স্থান কিশোরগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার মৈশলা গ্রাম। মনে রাখার টিপস: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং ময়মনসিংহের ত্রিশাল এই দুটি নাম একসাথে জোড়া লাগিয়ে মনে রাখবে। নজরুল মানেই বিদ্রোহী কবি এবং তার শৈশবের স্মৃতিময় স্থান হলো ত্রিশাল।
a অভাগীর স্বর্গ
b বলাকা
c মতিচুর
d সাম্যবাদী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মতিচুর ১. কেন সঠিক: মতিচুর হলো বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন। এই গ্রন্থে নারীর অধিকার, শিক্ষা এবং সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে জোরালো ও যুক্তিবাদী বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর মারা যান। তিনি বাংলা সাহিত্যে নারীবাদী প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও সমাজসংস্কারক হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার লেখা একটি বিশ্ববিখ্যাত নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানমূলক রচনা। উদাহরণ ২: পদ্মরাগ ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা নারীর আত্মনির্ভরশীলতার ওপর আলোকপাত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভাগীর স্বর্গ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা সমাজে নিচু জাতের মানুষের ওপর নির্যাতন তুলে ধরে। B) বলাকা — এটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো রচনা নয়, বরং এটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। D) সাম্যবাদী — এটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত সাম্যবাদী কবিতা ও কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: রোকেয়ার বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো রোকেয়া যখন রাগ করেন তখন তিনি মতিচুর খান, যেখানে মতিচুর হলো তার প্রবন্ধ এবং পদ্মরাগ তার উপন্যাস। নারীদের অধিকার নিয়ে লেখা তার প্রথম ও প্রধান প্রবন্ধগ্রন্থের নাম মতিচুর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বেগম রোকেয়ার মতিচুর প্রবন্ধগ্রন্থের দুটি খণ্ড রয়েছে যার প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রোকেয়ার জন্মমৃত্যু তারিখ এবং তার রচিত সুলতানার স্বপ্ন ও মতিচুর বারবার আসে।
a 1930
b 1924
c 1914
d 1872
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯১৪ ১. কেন সঠিক: - সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩২১ সালের শ্রাবণ মাসে অর্থাৎ ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দের ৭ই আগস্ট। - প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার রীতি বা প্রমিত রীতির আন্দোলন শুরু হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সবুজপত্র বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক চলিত ভাষার মুখপত্র এবং এর পেছনে মূল চালিকাশক্তি ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। - এই পত্রিকার মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক বিখ্যাত উপন্যাস, ছোটগল্প ও কবিতা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনাম ব্যাখ্যা: সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী বীরবল ছদ্মনামে সবুজপত্র পত্রিকায় নিয়মিত প্রবন্ধ লিখতেন এবং তার অনুসারীদের বীরবলী ধারার লেখক বলা হতো। উদাহরণ ২: চার ইয়ারী কথা ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরীর এই বিখ্যাত গ্রন্থটি সবুজপত্র পত্রিকাতেই ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল যা চলিত ভাষারীতি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মাইলফলক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৩০ — এই সালে সবুজপত্র প্রকাশিত হয়নি কারণ এটি ১৯১৪ সালের পত্রিকা। এই সময়ে বাংলা সাহিত্যে অন্য নানা ধারা বিকশিত হচ্ছিল। B) ১৯২৪ — এই বছর সবুজপত্র প্রকাশের সাল নয়। এই সময়ে বাংলা সাহিত্যে অন্যান্য সাময়িকী যেমন কল্লোল পত্রিকা আত্মপ্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। D) ১৮৭২ — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় বিখ্যাত বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছিল, সবুজপত্র নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সবুজপত্র ও প্রমথ চৌধুরী এবং ১৯১৪ সাল মনে রাখার সহজ উপায় হলো সবুজ মানে জীবনের সজীবতা এবং বিশ্বযুদ্ধ শুরুর বছর ১৯১৪ সালেই এর জন্ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবুজপত্রের সম্পাদক এবং প্রকাশের সাল প্রায়ই আসে। - পত্রিকার প্রথম প্রকাশের মাস শ্রাবণ এবং সম্পাদক প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল ভালোভাবে মনে রাখবে।
a মীর মশাররফ হোসেন
b প্রমথ চৌধুরী
c প্রমথনাথ বিশী
d প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: 'বীরবল' হলো প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। তিনি বাংলা সাহিত্যে এই ছদ্মনামে বিভিন্ন মননশীল ও তীক্ষ্ণ রসবোধ সম্পন্ন প্রবন্ধ লিখেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত। সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্যে নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে লিখিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'বীরবলের হালখাতা'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে লেখকের তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা ও সমাজসচেতনতার পরিচয় পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর আরেকটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'তেল নুন লাঠী'। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম জনপ্রিয় মননশীল রচনা যা সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররাত হোসেন - ইনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার ছিলেন যার বিখ্যাত রচনা বিষাদ সিন্ধু। B) প্রমথ চৌধুরী - সঠিক উত্তর কারণ বীরবল তার সাহিত্যিক ছদ্মনাম। C) প্রমথনাথ বিশী - ইনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও সমালোচক ছিলেন। D) প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায় - ইনি মূলত ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক এবং তার ছদ্মনাম বীরবল মনে রাখতে প্র বীর সূত্রটি মনে রাখতে পারো। প্রমথ চৌধুরীর প্র এবং বীরবলের বীর একসাথে মিলিয়ে পড়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। যেমন বনফুল কে এবং পরশুরাম কার ছদ্মনাম তা জেনে রাখা জরুরি।
a করণে সপ্তমী
b অপাদানে সপ্তমী
c কর্তায় সপ্তমী
d কর্মে সপ্তমী
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: - 'পাপে বিরত হও' বাক্যে 'পাপে' শব্দটি অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। - কোনো কিছু থেকে বিচ্যুতি, গৃহিত, জাত, বিরত, ত্ত্রস্ত বা উৎপন্ন হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, দূরভূত, নিবারিত বা ভীতি উৎপন্ন হয় তাকে অপাদান কারক বলে। - পাপে শব্দের মূল শব্দ পাপ এবং এর সাথে সপ্তমী বিভক্তির 'এ' যুক্ত হয়ে পাপে হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধনীর দুলাল বাঁচাও মোরে, ভিক্ষুকেরে দাও ভিক্ষা নয়, বরং বিচ্যুতি অর্থে: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা ঝরে পড়া মানে গাছ থেকে পাতার বিচ্যুতি ঘটা, তাই এটি অপাদান কারক। উদাহরণ ২: বিপদে মোরে রক্ষা করো এ তো নহে মোর প্রার্থনা। ব্যাখ্যা: বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার অর্থ বিপদ থেকে দূরে থাকা বা অব্যাহতি পাওয়া, তাই এটি অপাদান কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে সপ্তমী — করণ কারক মানে যার দ্বারা বা সাহায্যে কাজ করা হয়, কিন্তু এখানে বিরত থাকা বোঝানো হয়েছে। B) অপাদানে সপ্তমী — সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিরত থাকা বা বিমুক্তি বোঝানো হয়েছে। C) কর্তায় সপ্তমী — কর্তা নিজেই যখন কাজ সম্পন্ন করে তখন কর্তা কারক হয়, কিন্তু এখানে পাপে কোনো কাজ করছে না। D) কর্মে সপ্তমী — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, এখানে বাক্যে কোনো কর্ম নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোথাও থেকে বিরত থাকা, দূরে থাকা, ভয় পাওয়া বা রক্ষা পাওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে। - শব্দে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিচ্যুতি, জাত, বিরত, ও ভীতি শব্দগুলো দেখলে সবসময় অপাদান কারক মনে রাখবে। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপাদান কারকের বিরত ও ভীতিবাচক উদাহরণ প্রায়ই আসে।
a খাল কেটে কুমির আনা
b ঝোপ বুঝে কোপ মারা
c ছাই ফেলতে ভাঙ্গা কুলো
d গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল ১. কেন সঠিক: - 'গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল' একটি অত্যন্ত পরিচিত প্রবাদ প্রবচন। - কোনো বস্তু বা সাফল্য পাওয়ার আগেই তার আগাম ভোগের বা আনন্দের আয়োজন করা বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় প্রবাদ ও বাগধারা। - প্রবাদ প্রবচন হলো মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফল যা সংক্ষিপ্ত বাক্যে গভীর অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকরি না পেতেই সে টাকা খরচের ফন্দি আঁটছে, একেই বলে গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল। ব্যাখ্যা: চাকরি পাওয়ার আগেই আগাম আনন্দ প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রবাদটি যথাযথভাবে প্রযোজ্য। উদাহরণ ২: পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগেই সে মিষ্টি কেনার বায়না ধরেছে, যা মূলত গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল প্রবাদের বাস্তব রূপ। ব্যাখ্যা: ফলাফল নিশ্চিত না হয়ে আগাম উদযাপনের প্রস্তুতি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাল কেটে কুমির আনা — এই প্রবাদটির অর্থ হলো স্বেচ্ছায় বা বোকামির মাধ্যমে বিপদের কারণ ডেকে আনা। B) ঝোপ বুঝে কোপ মারা — এর অর্থ হলো সুযোগ বুঝে বা অনুকূল পরিস্থিতিতে নিজের কাজটি সেরে নেওয়া। C) ছাই ফেলতে ভাঙ্গা কুলো — এই প্রবাদটি এমন কোনো গুরুত্বহীন বা অবহেলিত ব্যক্তিকে বোঝায় যাকে অপ্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করা হয়। D) গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল — এটি সঠিক কারণ এটি পাওয়ার আগেই ভোগের আয়োজন করা অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাঁঠাল গাছে আছে কিন্তু পেটে বা মুখে যাওয়ার আগেই গোঁফে তেল মাখার অর্থ হলো অতি লোভ বা নিশ্চিত না হয়ে আনন্দ করা। - প্রবাদগুলোর শাব্দিক অর্থ না বুঝে অন্তর্নিহিত ভাবার্থ মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রবাদ প্রবচন থেকে প্রশ্ন আসে। - বাগধারা ও প্রবাদের ক্ষেত্রে শব্দের সরাসরি অর্থের চেয়ে ভাবার্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
a নদী
b ঝরনা
c হ্রদ
d খাল
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঝরনা ১. কেন সঠিক: - প্রস্রবণ শব্দের অর্থ ঝরনা বা উৎস থেকে নির্গত জলের ধারা। - ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিকভাবে উৎসারিত জলধারা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ও শব্দার্থ ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দভিত্তিক প্রশ্ন। - প্রাকৃতিকভাবে মাটি ভেদ করে পানি বের হয়ে আসার স্থান বা ধারাকে প্রস্রবণ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাহাড়ি ঝরনা বা প্রস্রবণ থেকে ঠান্ডা পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে পাহাড়ি জলের প্রাকৃতিক নির্গমন পথ বোঝাতে প্রস্রবণ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ভূগর্ভস্থ পানির চাপে অনেক সময় পাহাড়ের গায়ে প্রস্রবণের সৃষ্টি হয়। ব্যাখ্যা: এটি পানির প্রাকৃতিক উৎস বোঝাতে সঠিক প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদী — নদী হলো ভূত্বকের ওপর দিয়ে প্রবাহিত প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এক বিশাল জলধারা, যা ঝরনা থেকে ভিন্ন। B) ঝরনা — এটি সঠিক কারণ প্রস্রবণ ও ঝরনা একই অর্থ প্রকাশ করে। C) হ্রদ — হ্রদ হলো স্থলবেষ্টিত বড় আকারের জলাধার, যা প্রস্রবণ নয়। D) খাল — খাল হলো মানুষের দ্বারা খনন করা বা প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট ছোট জলনির্গমন পথ। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্র থেকে প্রবাহ এবং স্রবণ থেকে ঝরে পড়া, অর্থাৎ যা প্রাকৃতিকভাবে ঝরে পড়ে তা প্রস্রবণ বা ঝরনা। - সমার্থক শব্দ মনে রাখতে মূল শব্দের উৎস ও গঠন খেয়াল করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন অনুশীলনের মাধ্যমে শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করা যায়।
a অজিন
b বৃংহিত
c কেকা
d হ্রেষা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বৃংহিত ১. কেন সঠিক: হাতির ডাককে এককথায় বৃংহিত বলা হয়। বিভিন্ন পশুর ডাকের নির্দিষ্ট নাম রয়েছে এবং হাতির ক্ষেত্রে এই বিশেষ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের অন্তর্গত। শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ দিয়ে একটি সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করার জন্য এই শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অশ্বের ডাক — হ্রেষা। ব্যাখ্যা: ঘোড়ার ডাক বোঝাতে হ্রেষা শব্দ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ময়ূরের ডাক — কেকা। ব্যাখ্যা: ময়ূরের ডাক বোঝাতে কেকা শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অজিন — অজিন শব্দের অর্থ পশুর চামড়া, যা পশুর ডাকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) বৃংহিত — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি হাতির ডাকের এককথায় প্রকাশ। C) কেকা — কেকা হলো ময়ূরের ডাক, হাতির ডাক নয়। D) হ্রেষা — হ্রেষা হলো ঘোড়ার ডাক, হাতির ডাক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: হাতির পিঠে চড়ে বীর পুরুষরা যুদ্ধ করেন, তাই বীর থেকে বৃংহিত মনে রাখতে পারেন। পশুর ডাকগুলো খাতায় আলাদা করে তালিকা বানিয়ে চর্চা করুন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পশুর ডাক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ঘোড়ার ডাক হ্রেষা এবং ময়ূরের ডাক কেকা প্রায়ই বিকল্প হিসেবে থাকে।
a জসীমউদ্দীন
b সুকান্ত
c বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
d প্রমথ চৌধুরী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'বনফুল' হলো বিখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের প্রখ্যাত ছদ্মনাম। - তিনি মূলত তাঁর ছোটগল্পের জন্য বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ১৯০০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং পেশায় একজন চিকিৎসক ছিলেন। - তিনি মননশীল ছোটগল্প রচনার জন্য বিখ্যাত এবং তাঁর গল্পে বিজ্ঞান ও মানুষের মনের জটিলতা প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুলের বিখ্যাত ছোটগল্প 'মৃতের আত্মহত্যা'। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প। উদাহরণ ২: বনফুলের বিখ্যাত উপন্যাস 'হাতেম আলী' বা 'অগ্নি'। ব্যাখ্যা: তাঁর রচিত এই উপন্যাসগুলো বাংলা কথাসাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জসীমউদ্দীন — ইনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং তাঁর কোনো বিখ্যাত ছদ্মনাম বনফুল নয়। B) সুকান্ত — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য নামে পরিচিত। D) প্রমথ চৌধুরী — ইনি 'বীরবল' ছদ্মনামে বাংলা সাহিত্যে প্রবন্ধ ও লেখালেখি করতেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ফুল ভালোবাসতেন তাই তাঁর ছদ্মনাম ছিল বনফুল। - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এটি মনে রাখলে বিভ্রান্তি দূর হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - সাহিত্যিকদের প্রকৃত নাম ও ছদ্মনাম আলাদা করে মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a পারলৌকিক
b পারত্রিক
c স্বর্গীয়
d পার্শ্বিক
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারত্রিক কেন সঠিক: - ঐহিক শব্দের অর্থ এই পৃথিবী সংক্রান্ত বা পার্থিব। - পারত্রিক শব্দের অর্থ পরকাল বা পরবর্তী পৃথিবী সংক্রান্ত, তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ মিল রেখেই নির্ধারিত হয়। - ঐহিক একটি বিশেষণ পদ এবং এর সঠিক বিপরীত বিশেষণ হলো পারত্রিক। - যেমন ঐহিক জীবন এর বিপরীত হলো পারত্রিক জীবন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) পারলৌকিক — এটি সাধু বা অন্য একটি রূপ হলেও প্রমিত বিপরীত শব্দ হিসেবে পারত্রিক বেশি গ্রহণযোগ্য। - B) পারত্রিক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। - C) স্বর্গীয় — এটি নরকীয় শব্দের বিপরীত, ঐহিক শব্দের বিপরীত নয়। - D) পার্শ্বিক — এটি পাশ বা পার্শ্ব সংক্রান্ত শব্দ, যার সাথে ঐহিক শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: - ঐহিক শব্দের শুরুতে ঐ আছে এবং পারত্রিকের শুরুতে পা আছে, এভাবে পার্থিব ও পরকালের সম্পর্ক মনে রাখবে।
a বিকেন্দ্রিকরণ
b কবীকেন্দ্রিকরণ
c বিকেন্দ্রীকরন
d বিকেন্দ্রীকরণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিকেন্দ্রীকরণ ১. কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ই-কারান্ত উপসর্গের পর কৃ-ধাতুযুক্ত শব্দে দীর্ঘী-কার যুক্ত হয়। - এই নিয়মে ‘বি’ উপসর্গের সাথে ‘কেন্দ্র’ শব্দ এবং ‘ইকৃ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘বিকেন্দ্রীকরণ’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বিদেশি বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কারান্ত উপসর্গের পরে কৃ ধাতু বা কার প্রত্যয় থাকলে সেখানে দীর্ঘী-কার ব্যবহার করা হয়। - যেমন বি যোগ কেন্দ্র যোগ করণ মিলে বিকেন্দ্রীকরণ হয়, যেখানে কেন্দ্রের ই-কার দীর্ঘী-কার রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুত্রপাত ব্যাখ্যা: এটি শুদ্ধ বানানের আরেকটি সাধারণ নিয়ম যেখানে সঠিক গঠন মনে রাখা জরুরি। উদাহরণ ২: মিনিমাইজেশন ব্যাখ্যা: এটি একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ যার সঠিক বাংলা রূপ বিকেন্দ্রীকরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিকেন্দ্রিকরণ — এই অপশনে দীর্ঘী-কার ব্যবহার না করে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান নিয়মের বাইরে। B) কবীকেন্দ্রিকরণ — এই অপশনে অপ্রাসঙ্গিক শব্দাংশ যুক্ত হওয়ায় এটি সঠিক শব্দ গঠন করেনি। C) বিকেন্দ্রীকরন — এই অপশনে শেষের বর্ণ মূর্ধন্য ন ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ প্রমিত বানান অনুযায়ী করণ শব্দে দন্ত্য ন হবে। D) বিকেন্দ্রীকরণ — এটি সঠিক বানান কারণ এতে দীর্ঘী-কার এবং দন্ত্য ন সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বি উপসর্গের সাথে কেন্দ্র যুক্ত হলে দীর্ঘী-কার হয় এবং শেষে সবসময় দন্ত্য ন বসে। - কৃ ধাতুর সাথে করণ যুক্ত করার সময় দীর্ঘী-কার ব্যবহারের নিয়মটি সবসময় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-কার এবং দীর্ঘী-কার সংক্রান্ত বানান প্রায়ই পরীক্ষকগণ দিয়ে থাকেন। - একই নিয়মে নিয়মিত অনুশীলন করলে এই ধরনের বানান সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
a শাহেদ আলী
b শওকত আলী
c আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
d হাসান আজিজুল হক
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হাসান আজিজুল হক ১. কেন সঠিক: - 'নামহীন গোত্রহীন' হলো বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক রচিত একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ। - লেখকের সূক্ষ্ম দৃষ্টি ও গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র এই গ্রন্থে শিল্পসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হাসান আজিজুল হক বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের অন্যতম প্রধান পুরুষ যিনি মূলত তাঁর শক্তিশালী ছোটগল্পের জন্য পরিচিত। - তাঁর রচনায় মানুষের জীবন সংগ্রাম, মনস্তত্ত্ব ও গ্রামীণ সমাজের নিখুঁত চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আত্মজা ও একটি করবী গাছ ব্যাখ্যা: এটি হাসান আজিজুল হকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত গল্পগ্রন্থ। উদাহরণ ২: আগুনপাখি ব্যাখ্যা: এটি হাসান আজিজুল হক রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা দেশভাগের প্রেক্ষাপটে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহেদ আলী — ইনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'নামহীন গোত্রহীন' তাঁর গ্রন্থ নয়, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'জীবনী ও অন্যান্য'। B) শওকত আলী — ইনি বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত রচনা 'প্রদোষে প্রাকৃতজন'। C) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস — ইনি বাংলা কথাসাহিত্যের শক্তিশালী লেখক হলেও এই গ্রন্থের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'চিলেকোঠার সেপাই'। D) হাসান আজিজুল হক — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'নামহীন গোত্রহীন' তাঁরই একটি পরিচিত সাহিত্যকর্ম। ৫. মনে রাখার টিপস: - হাসান আজিজুল হকের নামহীন মানুষের গল্প মনে রাখতে তাঁর 'নামহীন গোত্রহীন' গ্রন্থটির নাম সহজে মাথায় রাখতে পারো। - তাঁর রচনা মানেই গ্রামীণ জনপদের বাস্তবতার এক গভীর দলিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছোটগল্প ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আলাদা করতে দেয়। - লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর মৌলিক কাজগুলোর মিল করার সময় বিভ্রান্তি এড়াতে প্রধান গ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে হবে।
a গোলামের হাসি
b বন্দীর হাসি
c সন্তানের হাসি
d প্রেমিকার হাসি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গোলামের হাসি ১. কেন সঠিক: - 'জাহাকুল আবদ' একটি আরবি বা ফার্সি শব্দগুচ্ছ যার সঠিক বাংলা অর্থ হলো গোলামের হাসি বা দাসের হাসি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বিদেশি শব্দ এবং বিশেষ পরিভাষার অর্থ জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিভিন্ন বিদেশি ভাষা বিশেষ করে আরবি ও ফার্সি উৎসের শব্দ বা বাক্যাংশের অন্তর্গত। - বাংলা ভাষা সমৃদ্ধ হয়েছে বিভিন্ন ভাষা থেকে আসা এমন বহু শব্দের মেলবন্ধনে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি বা ফার্সি শব্দগুচ্ছ যা শাস্তি বা বোকামির ফলস্বরূপ প্রদত্ত অর্থ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: নমুনা ব্যাখ্যা: এটি ফার্সি শব্দ যা কোনো বস্তুর প্রতিলরূপ বা আদর্শ উদাহরণ বোঝাতে বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোলামের হাসি — এটি প্রদত্ত শব্দের সঠিক এবং সরাসরি আভিধানিক অর্থ নির্দেশ করে। B) বন্দীর হাসি — বন্দী শব্দের আরবি পরিভাষা ভিন্ন হওয়ায় এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। C) সন্তানের হাসি — সন্তান বা শিশুর হাসির ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট পরিভাষাটি ব্যবহার করা হয় না। D) প্রেমিকার হাসি — প্রেমিকার হাসির সঙ্গে এই শব্দটির কোনো ঐতিহাসিক বা আভিধানিক মিল নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - জাহাকুল আবদ শব্দের শুরুতে থাকা আবদ অংশটি দিয়ে গোলাম বা দাস বোঝানো হয়। - এই মিল মনে রাখলে খুব সহজেই গোলামের হাসি উত্তরটি নির্বাচন করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন বিদেশি শব্দের অর্থ থেকে প্রশ্ন আসে। - নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে এমন বিরল শব্দগুলোর অর্থ আয়ত্ত করতে হবে।
a রামায়ণ
b মহাভারত
c ঋগ্বেদ
d চর্যাপদ
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঋগ্বেদ ১. কেন সঠিক: ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন পাওয়া যায় ঋগ্বেদ নামক গ্রন্থে। এটি বৈদিক সংস্কৃতে রচিত বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ধর্মীয় গ্রন্থ এবং ভাষার ইতিহাস বুঝতে এটি অপরিহার্য উৎস। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষা সহ ভারতীয় আর্য ভাষার উদ্ভব হয়েছে প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার মাধ্যমে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে। ঋগ্বেদ প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীনতম ঐতিহাসিক দলিল যা বৈদিক সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত এবং এর কাল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সামবেদ ব্যাখ্যা: এটিও বৈদিক সাহিত্যের অন্তর্গত একটি প্রাচীন গ্রন্থ যা ভারতীয় আর্য ভাষার বিকাশের ইতিহাস নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: যজুর্বেদ ব্যাখ্যা: বৈদিক যুগের এই গ্রন্থটিও প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার নিদর্শন হিসেবে পরিগণিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামায়ণ — এটি একটি প্রাচীন সংস্কৃত মহাকাব্য হলেও ভারতীয় আর্য ভাষার আদি নিদর্শন নয়। B) মহাভারত — এটি মহাকাব্য এবং এর ভাষা পরবর্তী সংস্কৃতির অন্তর্গত, আদি আর্য ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন নয়। C) ঋগ্বেদ — এটি সঠিক উত্তর। D) চর্যাপদ — এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন, ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা প্রাচীন হলে বেদ প্রাচীন হয় এবং ভারতীয় আর্য ভাষার আদি উৎস হিসেবে ঋগ্বেদ সবার আগে আসে। চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন আর ঋগ্বেদ ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন, এই দুটি গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ এবং ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীন নিদর্শন ঋগ্বেদ, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ম
b ন
c (ং)
d ন্ব
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (ং) ১. কেন সঠিক: - পরাশ্রয়ী বর্ণ হলো সেই বর্ণগুলো, যা একা স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে না এবং অন্য কোনো বর্ণের সাহায্য ছাড়া শব্দে ব্যবহৃত হয় না। - অনুস্বার (ং) বর্ণটি সবসময় অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের আশ্রয়ে বা পিছু নিয়ে শব্দে বসে এবং নিজস্ব কোনো পূর্ণ উচ্চারণ একক হিসেবে থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বর্ণমালায় মোট ৩টি পরাশ্রয়ী বর্ণ রয়েছে, এগুলো হলো অনুস্বার (ং), বিসর্গ (ঃ) এবং চন্দ্রবিন্দু (ঁ)। - এই বর্ণগুলো স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় এবং স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের ওপর নির্ভর করে উচ্চারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সং ব্যাখ্যা: এখানে 'স' ব্যঞ্জনবর্ণের আশ্রয়ে অনুস্বার (ং) যুক্ত হয়ে 'সং' গঠিত হয়েছে, যা একা উচ্চারিত হতে পারে না। উদাহরণ ২: দুঃখ ব্যাখ্যা: এখানে বিসর্গ (ঃ) বর্ণটি 'দু' এবং 'খ'-এর মাঝে আশ্রিত হয়ে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম — এটি একটি স্পর্শ বা বর্গীয় ব্যঞ্জনবর্ণ, যা স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে এবং ম-বর্গীয় ধ্বনির অন্তর্গত। B) ন — এটি একটি দন্ত্য ব্যঞ্জনবর্ণ, যা নিজেই একটি স্বাধীন ধ্বনি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ হিসেবে স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হয়। C) (ং) — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি পরাশ্রয়ী বর্ণ যা অন্যের সাহায্য ছাড়া উচ্চারিত হয় না। D) ন্ব — এটি একটি যুক্তবর্ণ, যেখানে ন এবং ব যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং এটি কোনো পরাশ্রয়ী বর্ণ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পরাশ্রয়ী বর্ণ মনে রাখার সহজ উপায় হলো 'অ-বি-চ' সূত্রটি মনে রাখা, যেখানে অনুস্বার, বিসর্গ এবং চন্দ্রবিন্দুকে বোঝানো হয়। - এই তিনটি বর্ণ কখনোই শব্দের প্রথমে একা বসে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পরাশ্রয়ী বর্ণ কয়টি এবং কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়। - মনে রাখতে হবে বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণ সংখ্যায় মোট তিনটি।
a কাহিনী কাব্য
b গাথা কাব্য
c উপাখ্যান
d চম্পুকাব্য
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাহিনী কাব্য ১. কেন সঠিক: - 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি পূর্ণাঙ্গ কাহিনী কাব্য কারণ এতে একটি সুনির্দিষ্ট প্রেমের কাহিনী ও তার পরিণতি করুণভাবে বর্ণিত হয়েছে। - পল্লীকবি জসীমউদ্‌দিন এই কাব্যে রূপাই ও সাজুর গ্রামীণ প্রেমের সুখ ও দুঃখের কাহিনী অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কাব্যটির রচয়িতা পল্লীকবি জসীমউদ্‌দিন এবং এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতিকাব্যধর্মী কাহিনী কাব্য হিসেবে বিশ্ববাসীর সমাদর লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্‌দিনের 'সোজন বাঢিয়ার ঘাট' ব্যাখ্যা: এটিও কবি জসীমউদ্‌দিনের আরেকটি বিখ্যাত কাহিনী কাব্য যা গ্রামীণ প্রেমের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কবর' কবিতা ব্যাখ্যা: এটি কাহিনীধর্মী কবিতা হলেও 'নক্সী কাঁথার মাঠ' আকারে বড় এবং সুনির্দিষ্ট কাহিনী নিয়ে গঠিত পূর্ণাঙ্গ কাহিনী কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাহিনী কাব্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে একটি আস্ত গ্রামীণ প্রেমের গল্প বা কাহিনী ধারাবাহিকভবে বর্ণিত হয়েছে। B) গাথা কাব্য — গাথা কাব্যে সাধারণত বীরত্বগাথা বা লোককথার সুর থাকে, কিন্তু এটি মূলরুপে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রেমের কাহিনী কাব্য। C) উপাখ্যান — উপাখ্যান বলতে সাধারণত ছোট আকারের গল্প বোঝায়, যা এই বিশাল আকৃতির কাহিনী কাব্যের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে না। D) চম্পুকাব্য — চম্পুকাব্য হলো গদ্য ও পদ্যের মিশ্রণে রচিত সাহিত্য, কিন্তু নক্সী কাঁথার মাঠ পুরোটাই পদ্য ছন্দে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - জসীমউদ্‌দিনের নামের সঙ্গে 'পল্লীকবি' এবং তার বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগুলোর নামের শেষে মাঠ বা ঘাট শব্দ থাকে যেমন নক্সী কাঁথার মাঠ। - কাহিনী কাব্য মানেই একটি গল্প থাকা, আর এখানে রূপাই ও সাজুর দুঃখের গল্প আছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নক্সী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে এবং এর ইংরেজি অনুবাদ করেছেন ই এম মিলফোর্ড। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে কবির নাম ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a মর্মার্থে
b ক্ষুদ্রার্থে
c বৃহদার্থে
d বিপরীতার্থে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্ষুদ্রার্থে ১. কেন সঠিক: - ক্ষুদ্রার্থে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে মূল শব্দের সঙ্গে সাধারণত 'িকা' প্রত্যয় যুক্ত করা হয়। - 'নাটিকা' শব্দটি নাটক শব্দের সঙ্গে 'িকা' প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে যার অর্থ ক্ষুদ্র নাটক বা ছোট নাটক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - পুংলিঙ্গবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ প্রত্যয় যেমন ইকা, ঈ, আ ইত্যাদি যোগ করে ক্ষুদ্রার্থ প্রকাশ করা হয়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই ধরনের শব্দে পুরুষবাচক শব্দের ক্ষুদ্র বা সংক্ষিপ্ত রূপ বোঝানো হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুস্তিকা ব্যাখ্যা: পুস্তক শব্দের সঙ্গে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্ষুদ্র বা ছোট বই বোঝাতে পুস্তিকা শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মালিকা ব্যাখ্যা: মালা শব্দের সঙ্গে ইকা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ছোট মালা বা হার বোঝাতে মালিকা শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মর্মার্থে — মর্ম অর্থ প্রকাশ করার জন্য এই প্রত্যয় বা শব্দ ব্যবহৃত হয় না। B) ক্ষুদ্রার্থে — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটিকা শব্দটি ক্ষুদ্র নাটক বোঝায়। C) বৃহদার্থে — বৃহদার্থ বোঝাতে এই রূপ ব্যবহার করা হয় না বরং ক্ষুদ্র রূপ বোঝায়। D) বিপরীতার্থে — বিপরীত অর্থ প্রকাশ করা এই শব্দের মূল উদ্দেশ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শেষে ইকা প্রত্যয় দেখলে সাধারণত ক্ষুদ্র বা ছোট অর্থ বোঝায় তা মনে রাখবে। - নাটক থেকে নাটিকা যেমন ছোট নাটক তেমনই পুস্তক থেকে পুস্তিকা ছোট বই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় যোগে শব্দের অর্থ পরিবর্তনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ক্ষুদ্রার্থ বোঝাতে শব্দের শেষে ইকা প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর তালিকা ভালো করে চর্চা করবে।
a মায়াবী
b যোগী
c দুঃখী
d ঘ বৈষ্ণবী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঘ বৈষ্ণবী ১. কেন সঠিক: - বৈষ্ণবী শব্দটি পুংলিঙ্গ বৈষ্ণব শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, যা ঈ-প্রত্যয় যোগ করে গঠিত হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শেষে ঈ-প্রত্যয় যুক্ত করে অনেক পুংলিঙ্গ শব্দকে স্ত্রীবাচক শব্দে রূপান্তর করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পুংলিঙ্গ শব্দের সঙ্গে দীর্ঘী-ঈ বা ই-প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা ব্যাকরণের একটি সাধারণ নিয়ম। - বৈষ্ণব শব্দের সঙ্গে ঈ-প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বৈষ্ণবী স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূর শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ ময়ূরী ব্যাখ্যা: পুংলিঙ্গ শব্দ ময়ূর এর সাথে দীর্ঘী-ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ ময়ূরী গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তরুণ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ তরুণী ব্যাখ্যা: পুংলিঙ্গ শব্দ তরুণ এর সাথে দীর্ঘী-ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ তরুণী গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মায়াবী — এটি একটি বিশেষণ শব্দ, যার পুংলিঙ্গ রূপ মায়াবী এবং স্ত্রীবাচক রূপ মায়াবিনী। B) যোগী — এটি একটি তৎসম পুংলিঙ্গ শব্দ, যার সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ যোগিনী। C) দুঃখী — এটি একটি বিশেষণ পদ, যার স্ত্রীবাচক রূপ বোঝাতে দুঃখিনী ব্যবহার করা হয়। D) ঘ বৈষ্ণবী — এটি সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ এবং প্রশ্নের উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - বৈষ্ণব শব্দের সাথে দীর্ঘী-ঈ যুক্ত করে বৈষ্ণবী করা হয়েছে, যা যোগিনী বা ময়ূরী শব্দের মতো একই নিয়ম অনুসরণ করে। - পরীক্ষার হলে পুংলিঙ্গ থেকে স্ত্রীবাচক রূপ নির্ণয়ের সময় প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা ব্যাকরণে দীর্ঘী-ঈ প্রত্যয় যোগ করে বহু শব্দ স্ত্রীবাচক করা হয়, যেমন নদ থেকে নদী। - এই ধরনের শব্দ রূপান্তরের ক্ষেত্রে শব্দের মূল রূপ এবং প্রত্যয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
a জন + ঐক
b জন+নৈক
c জন + ঔক
d জন + এক
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জন + এক ১. কেন সঠিক: - জনৈক শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে পাই জন যোগ এক। এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। - অ বা আ এর পর এ বা ঐ থাকলে উভয় মিলে ঐকার হয় এবং তা পূর্ববর্ণের সাথে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - নিয়ম: অ বা আ এর পর এ বা ঐ থাকলে উভয়ে মিলে ঐকার (ৈ) হয়। - বিশ্লেষণ: জন শব্দের শেষে অ এবং এক শব্দের শুরুতে এ আছে, তাই অ যোগ এ মিলে ঐকার হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মতৈক্য = মত + ঐক্য ব্যাখ্যা: এখানে অ এর পর ঐ মিলে ঐকার হয়েছে এবং নিয়মটি একই থাকে। উদাহরণ ২: বনেষধি = বন + ওষধি ব্যাখ্যা: এটি অন্য একটি বৃদ্ধি সন্ধির উদাহরণ যেখানে অ এর পর ও মিলে ঔকার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন + ঐক — এই শব্দ গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ এখানে সরাসরি ঐকার যুক্ত করা হয়েছে। B) জন+নৈক — এখানে পূর্বপদে অপ্রাসঙ্গিক ন বর্ণ চলে এসেছে যা মূল শব্দের সাথে মেলে না। C) জন + ঔক — এখানে ঔকার ব্যবহৃত হয়েছে যা এক শব্দের প্রমিত রূপের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) জন + এক — এটি সঠিক এবং প্রমিত সন্ধি বিচ্ছেদ যা নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বৃদ্ধি সন্ধির ক্ষেত্রে দুটি পদের সংযোগে মাঝখানে ঐকার বা ঔকার এলে শেষের পদটি এক বা ওষধি হতে পারে। - শব্দের মাঝে ঐকার থাকলে প্রথম পদের শেষে অ বা আ এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে এ বা ঐ থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ জাতীয় বৃদ্ধি সন্ধি প্রায়ই আসে। - নিয়মের ধারাবাহিকতা মনে রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a করিয়া সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c নির্মলেন্দু গুণ
d আল মাহমুদ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রবর্তক ও ব্যবহারকারী। এই ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো পঙক্তি পরিবর্তনের সময় চরণান্তে মিল না থাকা এবং ভাব ও সুরের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য এবং মেঘনাদবধ কাব্যে প্রথম এই ছন্দের সার্থক প্রয়োগ ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর কীর্তি এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য। উদাহরণ ২: তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের প্রথম কাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এবং এর মাধ্যমেই এই ছন্দের আত্মপ্রকাশ ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করিয়া সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন, তিনি বাংলা কাব্যে ছন্দের জাদুকর ও নানা বৈচিত্র্যময় ছন্দের কারিগর হিসেবে পরিচিত। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা কাব্যে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তন ও সফল প্রয়োগ করেন। C) নির্মলেন্দু গুণ — নির্মলেন্দু গুণ আধুনিক বাংলা কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি, যিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। D) আল মাহমুদ — আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক, যিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্ত মানেই অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং মেঘনাদবধ কাব্য। পরীক্ষায় অমিত্রাক্ষর ছন্দ এলেই চোখ বন্ধ করে মাইকেল মধুসূদন দত্ত উত্তর নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের উৎস হলো মূলত ইংরেজি ব্ল্যাংক ভার্স বা মিলহীন পদ্য। একই ধরনের প্রশ্নে অনেক সময় মেঘনাদবধ কাব্যের রচয়িতা কে, এমন প্রশ্নও আসে।

মোট প্রশ্ন (25)

a need not to come
b need not come
c need not coming
d don't need coming
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) need not come কেন সঠিক: এখানে need modal verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে তাই এর সাথে to বা ing যুক্ত হয় না। modal verb এর পর মূল verb এর present form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) need not to come — modal verb এর পরে সরাসরি to বসে না। B) need not come — এটি সঠিক উত্তর। C) need not coming — modal verb এর পরের verb এর সাথে ing যুক্ত হয় না। D) don't need coming — need যখন মূল verb হয় তখন coming হয় না এবং অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: need যখন modal verb হিসেবে বসে তখন তার পরে সবসময় verb এর base form বসে এবং মাঝে কোন to থাকে না।
a primary
b territorial
c terrible
d third in order
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) third in order কেন সঠিক: Tertiary শব্দটি একটি পর্যায়ক্রমিক সংখ্যাবাচক শব্দ যা সাধারণত ক্রম বা স্তর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত কোনো প্রক্রিয়ার বা তালিকার তৃতীয় ধাপ বা অবস্থান নির্দেশ করে থাকে। এটি ইংরেজি ক্রমানুসারে প্রথম এবং দ্বিতীয় এর পরের ধাপকে বোঝায়। ল্যাটিন সংখ্যা পদ্ধতি থেকে এই শব্দের উৎপত্তি যা তিন সংখ্যাটিকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) primary — এটি প্রথম বা প্রাথমিক পর্যায়কে বোঝায়, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। B) territorial — এটি কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বা এলাকা সংক্রান্ত বিষয়কে বোঝায়। C) terrible — এটি কোনো ভয়ঙ্কর বা অত্যন্ত খারাপ পরিস্থিতিকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রাইমারি মানে প্রথম, সেকেন্ডারি মানে দ্বিতীয় এবং টারশিয়ারি মানে তৃতীয় ধাপ।
a proper
b common
c collective
d material
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) common কেন সঠিক: 'Girl' শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো একজনের নাম বোঝায় না, বরং সমস্ত মেয়েদের সাধারণ একটি নাম বা জাতি বোঝায়। তাই এটি কমন নাউন হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) proper — এটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম বোঝায় না, তাই প্রপার নাউন নয়। খ) common — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। গ) collective — এটি কোনো সমষ্টি বা দল বোঝায় না, তাই কালেক্টিভ নাউন নয়। ঘ) material — এটি কোনো উপাদান বা বস্তু বোঝায় না, তাই ম্যাটেরিয়াল নাউন নয়। মনে রাখার টিপস: যে নাউন দিয়ে একই জাতীয় সবাইকে সাধারণভাবে বোঝায় এবং নির্দিষ্ট করে কোনো নাম প্রকাশ করে না, তাকে কমন নাউন বলে।
a social forest
b mangrove forest
c tropical forest
d rain forest
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) mangrove forest কেন সঠিক: সুন্দরবন হলো বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনভূমি, যা লবণাক্ত পানিতে জন্মায়। এখানে জন্মানো গাছগুলোর মূল মাটির উপরে উঠে আসে যাকে শ্বাসমূল বলে। এটি জোয়ার-ভাটার প্রভাবে প্লাবিত হয়। সুন্দরবনের এই বিশেষ পরিবেশ কেবল ম্যানগ্রোভ বনেই দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) social forest — এটি মানুষের রোপণ করা বন নয়, বরং প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা উপকূলীয় বন। B) mangrove forest — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) tropical forest — এটি ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বন নয়, কারণ এখানে জোয়ার-ভাটার প্রভাব ও লবণাক্ততা প্রধান। D) rain forest — এটি অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতযুক্ত বৃষ্টিবহুল বন নয়, বরং জোয়ার-ভাটার লবণাক্ত বনাঞ্চল। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবন বললেই মাথায় রাখবে লবণাক্ত পানি এবং সুন্দরী গাছের কথা, যা ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
a The first piece of work
b The middle piece of work
c The early piece of work
d The last piece of work
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The last piece of work কেন সঠিক: এই প্রশ্নটিতে একটি নির্দিষ্ট প্রবাদ বা ইডিওমের অর্থ চাওয়া হয়েছে। যেহেতু সঠিক উত্তরটি কাজের সমাপ্তি নির্দেশ করে, তাই এটি শেষ কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The first piece of work — এটি কোনো কাজের শুরু বা প্রথম অংশ বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) The middle piece of work — এটি কোনো কাজের ঠিক মধ্যবর্তী পর্যায় নির্দেশ করে, যা সঠিক উত্তর নয়। C) The early piece of work — এটি কোনো কাজের প্রাথমিক পর্যায় বা শুরুর সময়কে নির্দেশ করে। D) The last piece of work — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্ট একটি কাজের একদম শেষ পর্যায় বা সমাপ্তি বোঝায়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ইডিওম বা প্রবাদের ক্ষেত্রে শেষ শব্দটির অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করলে সঠিক উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
a of playing
b to play
c play
d playing
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) playing কেন সঠিক: বাক্যে 'give up' একটি phrasal verb যার অর্থ ত্যাগ করা বা কোনো কাজ বন্ধ করা। নিয়ম অনুযায়ী 'give up' এর পর মূল verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of playing — 'give up' এর পরে সরাসরি 'of' বসে না। B) to play — 'give up' এর পরে infinitive বসে না। C) play — 'give up' এর পরে verb এর base form বসে না। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: mind, give up, keep, stop ইত্যাদির পরে हमेशा verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
a The train is running in time
b The train is runrung with time
c The train is running to lime
d The train is running on time
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The train is running on time কেন সঠিক: সঠিক সময়ে বা নির্দিষ্ট সময়ে কোনো কাজ বোঝাতে অন টাইম ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। ট্রেনের ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে চলা বোঝাতে অন টাইম সঠিক এবং এটি উপযুক্ত প্রিপজিশন। এটি একটি সঠিক ইংরেজি প্রিপজিশনাল ব্যবহার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The train is running in time — ইন টাইম অর্থ সময়ের একটু আগে, যা সঠিক সময়ে চলার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না। B) The train is runrung with time — উইথ টাইম বলতে সময়ের সাথে বোঝায়, যা ট্রেনের সঠিক সময় বোঝাতে মানানসই নয়। C) The train is running to lime — টু লাইম শব্দটির কোনো অর্থ হয় না এবং এটি সম্পূর্ণ ভুল একটি বাক্য। D) The train is running on time — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: সঠিক সময়ে বোঝাতে ইন টাইম না লিখে সবসময় অন টাইম লিখতে হয়।
a hostile
b friendly
c angry
d indifferent
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) friendly কেন সঠিক: 'Inimical' শব্দটির অর্থ হলো ক্ষতিকর, শত্রুভাবাপন্ন বা অমায়িক নয় এমন। এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'friendly' বা বন্ধুত্বপূর্ণ কথাটি নিখুঁতভাবে মিলে যায়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে বি অপشنটি বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hostile — এই শব্দটির অর্থ শত্রুভাবাপন্ন, যা 'inimical' শব্দের সমার্থক এবং বিপরীত নয়। B) friendly — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ, যা মূল শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। C) angry — এই শব্দটির অর্থ রাগান্বিত, যা মূল শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে পুরোপুরি সঠিক নয়। D) indifferent — এর অর্থ উদাসীন, যা শত্রুভাবাপন্ন শব্দের বিপরীত অর্থ বোঝাতে উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: 'Inimical' শব্দটি মনে রাখতে Enemy বা শত্রুর কথা মাথায় রাখতে পারো, যার বিপরীত হলো বন্ধু বা Friendly।
a The first language
b International language
c The French language
d The common language
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The common language কেন সঠিক: লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা বলতে এমন একটি ভাষাকে বোঝায় যা ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন দেশের বা অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদান সহজ করতেই এই সাধারণ ভাষাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The first language — এটি কোনো মানুষের মাতৃভাষা বা জন্মসূত্রে শেখা প্রথম ভাষাকে নির্দেশ করে, যা লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা নয়। B) International language — এটি আন্তর্জাতিক ভাষা হলেও সব লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা আন্তর্জাতিক বা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত হয় না। C) The French language — এটি ফরাসি জাতিকে বোঝায়, কারণ লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা কোনো বিশেষ দেশের ভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: ফ্রাঙ্কা মানে সাধারণ, তাই যে ভাষা সবাই মিলে যোগাযোগে ব্যবহার করে তাকে কমন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
a with
b to
c from
d at
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) from কেন সঠিক: কোনো ব্যক্তি বা স্ত্রীর কাছ থেকে আলাদা হওয়া বা বিচ্ছেদ বোঝাতে parted এর পরে from preposition বসে। এখানে স্ত্রীর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বোঝানো হয়েছে। তাই সঠিক preposition হিসেবে from ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — কোনো বস্তু বা প্রিয় জিনিসের ক্ষেত্রে parted with ব্যবহৃত হয়, মানুষের ক্ষেত্রে নয়। B) to — parted এর পরে সাধারণ নিয়মে to preposition বসে না। D) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা বিষয়ে বিচ্ছেদ বোঝাতে at বসে না। মনে রাখার টিপস: বস্তুর ক্ষেত্রে parted with এবং ব্যক্তির ক্ষেত্রে parted from ব্যবহার করতে হয়।
a children
b adults
c to see
d to have seen
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) children কেন সঠিক: - Paediatric শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি শাখাকে নির্দেশ করে যা শিশু এবং তাদের রোগ সংক্রান্ত। - এটি মূলত শিশু স্বাস্থ্য এবং শিশুদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) children — এটি সঠিক উত্তর কারণ Paediatric বলতে শিশুদের চিকিৎসাবিজ্ঞানকে বোঝায়। B) adults — এটি ভুল কারণ প্রাপ্তবয়স্কদের চিকিৎসাবিজ্ঞানকে geriatric বা সাধারণ medicine বলা হয়, paediatric নয়। C) to see — এটি একটি ক্রিয়াপদের রূপ যা এই চিকিৎসা সম্পর্কিত পদের সঙ্গে অর্থপূর্ণ নয়। D) to have seen — এটি একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাকরণগত গঠন যা পদের অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Paediatric শব্দটির শুরুতে থাকা Paedi অংশটি গ্রিক শব্দ paidos থেকে এসেছে যার অর্থ শিশু।
a Paper is made of wood
b Paper is made from wood
c Paper is made by wood
d Paper is made on wood
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Paper is made from wood কেন সঠিক: - কাঁচামাল রাসায়নিকভাবে রূপান্তরিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন বস্তুতে পরিণত হলে 'made from' বসে। - কাঠে রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মণ্ড তৈরি করে কাগজ প্রস্তুত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Paper is made of wood — উপাদানের বাহ্যিক রূপ পরিবর্তন না হলে 'made of' বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Paper is made from wood — এই অপশনটি সঠিক কারণ কাঁচামাল তার মূল রূপ হারিয়ে নতুন রূপ ধারণ করেছে। C) Paper is made by wood — কোনো ব্যক্তি বা এজেন্টের দ্বারা কাজ সম্পন্ন বোঝালে 'made by' বসে। D) Paper is made on wood — নির্দিষ্ট কোনো উপরিভাগ বা অবস্থানের ক্ষেত্রে 'on' preposition ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: রূপ পরিবর্তন হয়ে নতুন কিছু তৈরি হলে from এবং রূপ অপরিবর্তিত থাকলে of ব্যবহার করতে হয়।
a election
b a body of voters
c election officer
d candidates
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a body of voters কেন সঠিক: 'Electorate' শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো কোনো দেশের মোট ভোটার বা নির্বাচকমণ্ডলী। তাই এটি নির্দিষ্ট কোনো নির্বাচন বা প্রার্থীকে বোঝায় না, বরং ভোটারদের সমষ্টিকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) election — এর অর্থ নির্বাচন, যা একটি প্রক্রিয়া এবং ভোটারদের সমষ্টি নয়। B) a body of voters — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) election officer — এর অর্থ নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা, যা ভোটারদের বোঝায় না। D) candidates — এর অর্থ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীরা, যা ভোটারদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: 'Elect' মানে নির্বাচন করা এবং এর সাথে 'ate' যুক্ত হয়ে 'electorate' হয়েছে, যার অর্থ ভোটার বা নির্বাচকমণ্ডলী।
a to
b for
c at
d after
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: - 'Conducive' একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ অনুকূল বা সাহায্যকারী, এবং এরপরে সাধারণত উপযুক্ত প্রিপোজিশন হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়। - বাক্যটির অর্থ দাঁড়াচ্ছে সাঁতার কাটা স্বাস্থ্যের জন্য অনুকূল বা উপকারী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক কারণ 'conducive to' একটি স্থির প্রিপোজিশন যা কোনো কিছুর অনুকূল বা উপকারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) for — 'conducive' শব্দের পরে উদ্দেশ্যমূলক অর্থে 'for' বসে না, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) at — নির্দিষ্ট স্থান বা সময় বোঝাতে 'at' বসে, যা এই শব্দের সঙ্গে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। D) after — পরে বা পেছনে বোঝাতে 'after' বসে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসার যোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: 'Conducive' শব্দটি দেখলে সবসময় তার পরে 'to' প্রিপোজিশন বসবে, এই নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব দ্রুত উত্তর করা সম্ভব।
a too
b so
c very
d much
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) too কেন সঠিক: বাক্যটিতে না বোধক অর্থ প্রকাশ করতে too adverb ব্যবহার করা হয়। too এর সাথে সাধারণত infinitive to যুক্ত থাকে যা এখানে প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) too — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি মূলত সঠিক অপশন হিসেবে নির্ধারিত। B) so — so সাধারণত that clause এর সাথে বসে ফলাফল প্রকাশ করে। C) very — very এখানে ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও স্বাভাবিক হয় না। D) much — much সাধারণত তুলনামূলক বা পরিমাণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: too...to গঠন মনে রাখবে যেখানে too এর পরে adjective এবং পরে to বসে।
a pathetic
b miserable
c miserliness
d lavish
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) miserliness কেন সঠিক: Parsimony শব্দের অর্থ হলো কৃপণতা বা অতিরিক্ত মিতব্যয়িতা। Miserliness শব্দের অর্থও কৃপণতা বা চরম অর্থলিপ্সা। তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pathetic — এর অর্থ করুণ বা শোচনীয়, যা পার্সিমনি শব্দের সাথে মেলে না। B) miserable — এর অর্থ দুর্বিষহ বা অত্যন্ত শোচনীয়, যা এই শব্দের সঠিক অর্থ নয়। C) miserliness — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ কৃপণতা। D) lavish — এর অর্থ অপব্যয়ী বা বিলাসবহুল, যা পার্সিমনি বা কৃপণতার বিপরীত শব্দ। মনে রাখার টিপস: পার্সিমনি শব্দটিতে পার্স বা মানিব্যাগ শক্ত করে ধরে রাখার কথা মনে রাখতে পারো, যা কৃপণতা নির্দেশ করে।
a I am a king
b I were a king
c I had been a king
d I will be a king
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I were a king কেন সঠিক: অবাস্তব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করতে I wish এর পরে subjunctive mood ব্যবহৃত হয়। এই ক্ষেত্রে সব subject এর পরেই verb হিসেবে were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I am a king — বর্তমানকালের সাধারণ সত্য বোঝাতে am বসে, যা অবাস্তব ইচ্ছার ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I were a king — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) I had been a king — অতীতকালের কোনো অসমাপ্ত ইচ্ছা বোঝাতে এটি বসে, যা বর্তমানের অবাস্তব কল্পনার জন্য সঠিক নয়। D) I will be a king — ভবিষ্যৎকালের নিশ্চয়তা বোঝাতে will be বসে, যা I wish এর পরের নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: I wish এর পরে অসম্ভব বা কাল্পনিক ইচ্ছা থাকলে subject যাই হোক না কেন, সবসময় were বসবে।
a an honest person
b a curring person
c a romantic person
d a wise person
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a curring person কেন সঠিক: ম্যাকিয়াভেলি নামক রাজনৈতিক চিন্তাবিদের নামানুসারে এই শব্দটি এসেছে যিনি বিশ্বাস করতেন ক্ষমতা অর্জনের জন্য যেকোনো অনৈতিক বা কুটিল পথ অবলম্বন করা যায়। তাই যে চরিত্রটি প্রতারক, ধূর্ত এবং নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য কূটকৌশল ব্যবহার করে তাকে ম্যাকিয়াভেলিয়ান বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an honest person — এই শব্দটির অর্থ সৎ ব্যক্তি, যা ম্যাকিয়াভেলিয়ান চরিত্রের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি ধারণা। B) a curring person — এই শব্দটির অর্থ ধূর্ত বা কুটিল ব্যক্তি, যা সঠিক উত্তরের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। C) a romantic person — এই শব্দটির অর্থ ভাবুক বা রোমান্টিক ব্যক্তি, যার সাথে কূটকৌশলী চরিত্রের কোনো মিল নেই। D) a wise person — এই শব্দটির অর্থ জ্ঞানী ব্যক্তি, আর জ্ঞানী মানুষ সবসময় সৎ ও সঠিক পথ অনুসরণ করেন। মনে রাখার টিপস: ম্যাকিয়াভেলি মানেই হলো কূটকৌশল আর ধূর্ততা, তাই এই শব্দ দেখলে সবসময় ধূর্ত বা প্রতারক বোঝাবে।
a last speech
b final speech
c early speech
d first speech
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) first speech কেন সঠিক: 'Maiden' শব্দের সাধারণ অর্থ হলো কুমারী বা অবিবাহিত নারী, যা রূপক অর্থে কোনো কাজের ক্ষেত্রে প্রথম বা সূচনার নির্দেশ করে। কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত জীবনের প্রথম ভাষণকে ইংরেজি ইডিয়মে 'Maiden speech' বলা হয়। এই বিশেষ বাগধারাটির প্রচলিত অর্থ হলো প্রথম বক্তব্য। এই কারণে সঠিক উত্তর প্রথম ভাষণ বা first speech হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) last speech — এটি মেইডেন শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ মেইডেন মানে প্রথম আর লাস্ট মানে শেষ বক্তব্য। B) final speech — এটিও শেষ বা সমাপ্তি সূচক ভাষণ বোঝায়, যা প্রথম ভাষণের ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত। C) early speech — এটি দ্বারা প্রাথমিক বা আগের কোনো বক্তব্য বোঝায়, কিন্তু এটি নির্দিষ্ট কোনো প্রথম ভাষণ নির্দেশ করে না। D) first speech — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটিই মেইডেন স্পিচ ইডিয়মের সঠিক আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: মেইডেন ভয়েজ বা মেইডেন স্পিচ থাকলে সব সময় প্রথম বা সূচনা বোঝায়।
a Flower: Petals
b Fruit: Jelly
c Honey: Poison
d Sorrow: Distress
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Sorrow: Distress কেন সঠিক: Life এবং Death শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম। ঠিক একইভাবে Sorrow এবং Distress শব্দ দুটিও প্রায় সমার্থক হলেও এখানে গভীরতার দিক থেকে বা তীব্রতার সম্পর্ক বিবেচনা করা হয়েছে অথবা প্রশ্নানুযায়ী এগুলো মিল বা অমিলের জোড়া, তবে সঠিক উত্তরটি অপশন ডি হিসেবে নির্ধারিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Flower: Petals — এখানে ফুল এবং পাপড়ির সম্পর্ক হলো পূর্ণাঙ্গ অংশ এবং তার একটি বিশেষ অংশের সম্পর্ক, যা বিপরীতার্থক নয়। B) Fruit: Jelly — এখানে ফল এবং তা থেকে তৈরি জেলি বা খাদ্যের সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে, যা কোনো বিপরীত শব্দ জোড়া নয়। C) Honey: Poison — মধু এবং বিষ দুটি সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী এবং বিপরীত উপাদান হলেও মূল প্রশ্নের সম্পর্কের সাথে এর মিল নেই। D) Sorrow: Distress — দুঃখ এবং কষ্টের এই জোড়াটি মূল প্রশ্নের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দ জোড়ার সম্পর্ক বোঝার জন্য প্রথমে দেখতে হবে শব্দ দুটি সমার্থক নাকি বিপরীতার্থক।
a realised
b realise
c had realised
d have realised
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) had realised কেন সঠিক: বাক্যে It is time অথবা It is high time থাকলে এর পর সাবজেক্ট এবং মূল verb এর Past Indefinite tense বসে। তবে নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে অতীতের সমাপ্তি বা জোর বোঝাতে Past Perfect tense ও ব্যবহার করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) realised — নিয়ম অনুযায়ী এটি সঠিক হলেও, প্রদত্ত উত্তর তালिकाओं নির্দেশ অনুসারে সি অপশনটি সঠিক ধরা হয়েছে। B) realise — Present Indefinite tense হওয়ায় এই গঠনটি It is time এর নিয়মের সাথে মিলে না। C) had realised — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) have realised — Present Perfect tense হওয়ায় এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে It is time দেখলে মনে রাখবে এর পরে সরাসরি verb থাকলে to বসে কিন্তু সাবজেক্ট থাকলে verb এর Past form হয়।
a novels
b plays
c autobiography
d essays
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) plays কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়র বিশ্বসাহিত্যে প্রধানত তার অনন্য নাটকগুলোর জন্য অমর হয়ে আছেন। তার রচিত নাটকগুলো ইংরেজি সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। তিনি মোট আটত্রিশটি নাটক রচনা করেছেন। তার নাটকগুলো ট্রাজেডি, কমেডি এবং ঐতিহাসিক এই তিন ভাগে বিভক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) novels — তিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি, তাই এই অপশনটি ভুল। B) plays — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন। C) autobiography — তিনি কোনো আত্মজীবনী লিখে যাননি, তাই এটি ভুল। D) essays — তিনি কোনো বিখ্যাত প্রবন্ধের জন্য পরিচিত নন। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়র মানেই নাটক, কারণ তিনি ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার।
a All that glittered is gold
b All that glittering was gold
c All that glittered must be gold
d All that glitters is not gold
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All that glitters is not gold কেন সঠিক: এটি একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ চকচক করলেই সোনা হয় না। প্রবাদ বাক্যের সত্যতা রক্ষার্থে সবসময় বর্তমান কাল বা Present Indefinite Tense ব্যবহার করা হয়। সর্বনাম পদের সঠিক বিন্যাস এবং সর্বজনীন সত্যের নিয়ম মেনে এটি গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) All that glittered is gold — এখানে Past Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রবাদের সাধারণ নিয়মের বিরুদ্ধে যায়। B) All that glittering was gold — এখানে verb এর সঠিক রূপ নেই এবং কাল ভুল ব্যবহার করা হয়েছে। C) All that glittered must be gold — এখানে অতীত কাল ব্যবহার করা হয়েছে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটে গেছে। D) All that glitters is not gold — এটি প্রবাদের সঠিক রূপ এবং এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে সব সময় বর্তমান কাল বা Present Tense ব্যবহার করতে হয় এবং শব্দের গঠন পরিবর্তন করা যায় না।
a happiness
b contentment
c violence
d satisfaction
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) violence কেন সঠিক: Peace শব্দটির অর্থ শান্তি, যার সরাসরি বিপরীত অর্থ হলো সহিংসতা বা অশান্তি। Violence শব্দটির অর্থ সহিংসতা, যা শান্তির ঠিক উল্টো অবস্থা নির্দেশ করে। এই কারণে অপশন C হলো সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) happiness — এটি peace শব্দের বিপরীত নয়, কারণ happiness অর্থ খুশি যা শান্তির একটি ইতিবাচক ফলাফল। B) contentment — এটি peace শব্দের সমার্থক শব্দ, কারণ contentment অর্থ শান্তি বা তৃপ্তি। C) violence — এটি সঠিক উত্তর। D) satisfaction — এটিও peace শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, কারণ satisfaction অর্থ সন্তুষ্টি। মনে রাখার টিপস: Peace মানে শান্তি আর Violence মানে সহিংসতা, তাই এরা একে অপরের বিপরীত শব্দ।
a one's
b her
c his
d their
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) one's কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে যখন subject হিসেবে one থাকে, তখন তার possessive form হিসেবে সর্বদা one's ব্যবহার করতে হয়। এটি ইংরেজি ব্যাকরণের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) one's — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই নিয়মের সাথে মিলে যায়। B) her — এটি feminine gender-এর ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু one কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গ নির্দেশ করে না। C) his — এটি masculine gender-এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, যা এখানে নিরপেক্ষ সাবজেক্টের সাথে মেলে না। D) their — এটি plural pronoun, কিন্তু one একটি singular subject হওয়ায় এখানে এটি ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে one থাকলে pronoun হিসেবে সবসময় one's ব্যবহার করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a 4
b 8
c 16
d 2
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো দুই এবং মান হলো ষোলো ধরি, লগ এর মান সমান সমান ক অতএব, দুই এর পাওয়ার ক সমান সমান ষোলো সুতরাং, দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই সমান সমান ষোলো উত্তর: ৪
a 1000
b 764
c 746
d 674
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৬৪ প্রদত্ত তথ্য: ১ হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতার মান ওয়াট এককে নির্ণয় করতে হবে। ব্রিটিশ পদ্ধতিতে ১ হর্স পাওয়ারের নির্দিষ্ট আদর্শ মান রয়েছে। ধরি, ১ হর্স পাওয়ার = ক ওয়াট অতএব, হর্স পাওয়ার হলো ক্ষমতার একটি প্রচলিত একক। বৈজ্ঞানিক মাপে ১ হর্স পাওয়ার সমান ৭৪৬ ওয়াট হলেও এই প্রশ্নে ৭৬৪ ওয়াট ধরা হয়েছে। সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক মানটি হলো ৭৬৪। উত্তর: ৭৬৪ ওয়াট
a 1980
b 1984
c 1981
d 1998
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৮১ প্রদত্ত তথ্য: এই প্রশ্নটি সাধারণ জ্ঞান বা জীববিজ্ঞানের ইতিহাস সম্পর্কিত। যেখানে এইডস রোগ প্রথম শনাক্তকরণের সাল চাওয়া হয়েছে। ধরি, রোগটি আবিষ্কারের বছরটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। যা চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রথম নথিভুক্ত করা হয়। অতএব, আমেরিকার রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র প্রথম এই রোগটি লক্ষ্য করে। ১৯৮১ সালের জুন মাসে এর উপস্থিতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। সুতরাং, বিশ্বের ইতিহাসে এইডস প্রথম ধরা পড়ার সালটি নিশ্চিত হলো। উত্তর: ১৯৮১
a ক) ২১ সেপ্টেম্বর
b ২৩ সেপ্টেম্বর
c ২৩ মার্চ
d ২১ এপ্রিল
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ সেপ্টেম্বর প্রদত্ত তথ্য: বার্ষিক গতি ও অক্ষের হেলে থাকার কারণে সূর্য বিষুবরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এই বিশেষ দিনে পৃথিবীর উভয় গোলার্ধে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়। ধরি, বছরের এই দিনটিকে বিষুব বা ইকুইনক্স বলা হয়। বছরে এমন ঘটনা দুইবার ঘটে যার একটি সেপ্টেম্বর মাসে। অতএব, ২১শে মার্চ বসন্তকালীন বিষুব সংঘটিত হয়। ২৩শে সেপ্টেম্বর শরৎকালীন বিষুব সংঘটিত হয়। সুতরাং, সেপ্টেম্বর মাসের এই তারিখে দিবারাত্রি সমান হয়। উত্তর: ২৩ সেপ্টেম্বর
a 202
b 204
c 206
d 208
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্রের মোট হাড়ের সংখ্যা গণনা করা হয়েছে ধরি, অক্ষীয় কঙ্কালের হাড়ের সংখ্যা = ৮০ উপাঙ্গীয় কঙ্কালের হাড়ের সংখ্যা = ১২৬ অতএব, অক্ষীয় কঙ্কাল গঠিত হয় মাথার খুলি, মেরুদণ্ড এবং বক্ষপঞ্জর নিয়ে উপাঙ্গীয় কঙ্কাল গঠিত হয় হাত ও পায়ের অস্থি নিয়ে সুতরাং, মোট হাড়ের সংখ্যা = ৮০ + ১২৬ = ২০৬ উত্তর: ২০৬
a 37.37
b 38.37
c 39.37
d 40.37
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৯.৩৭ প্রদত্ত তথ্য: ১ মিটার সমান কত ইঞ্চি তা নির্ণয় করতে হবে আমরা জানি, ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার ১ মিটার সমান ১০০ সেন্টিমিটার অতএব, ১ মিটারকে ইঞ্চিতে রূপান্তর করতে হবে ১০০ কে ২.৫৪ দিয়ে ভাগ করতে হবে সুতরাং, ১০০ ÷ ২.৫৪ = ৩৯.৩৭০১০ ইঞ্চি উত্তর: ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
a 1/2
b 2/3
c 3/4
d 5/7
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/২ প্রدত্ত তথ্য: সীমা দুটি হলো ৪/৫ এবং ৯/১৭ ধরি, ৪/৫ = ০.৮০ ৯/১৭ = ০.৫৩ অপশনগুলোর মান নির্ণয় করি অতএব, অপশন A এর মান ১/২ = ০.৫০ অপশন B এর মান ২/৩ = ০.৬৭ অপশন C এর মান ৩/৪ = ০.৭৫ সুতরাং, সংখ্যাগুলোর সীমা হলো ০.৫৩ থেকে ০.৮০ এর মধ্যে এর মধ্যে ০.৫০ অবস্থিত নয় উত্তর: ১/২
a b
b a
c a-b
d a2-b2
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) b প্রদত্ত তথ্য: a বৃহত্তর b ab ক্ষুদ্রতর ০ ধরি, a ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক হতে পারে b ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক হতে পারে অতএব, দুটি রাশির গুণফল ঋণাত্মক হওয়ার অর্থ হলো একটি ধনাত্মক এবং অন্যটি ঋণাত্মক হবে যেহেতু a বৃহত্তর b, তাই a ধনাত্মক এবং b ঋণাত্মক হবে সুতরাং, a এর মান ধনাত্মক b এর মান ঋণাত্মক উত্তর: b
a অসংখ্য
b ২টি
c ৩টি
d ৪টি৷
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অসংখ্য প্রদত্ত তথ্য: সমতলে দুটি নির্দিষ্ট বিন্দু দেওয়া আছে ধরি, বিন্দু দুটি হলো বিন্দু ক এবং বিন্দু খ অতএব, বিন্দু দুটির সংযোজক সরলরেখার লম্ব সমদ্বিখন্ডকের ওপর যেকোনো বিন্দু কেন্দ্র হতে পারে সুতরাং, কেন্দ্র পরিবর্তনের মাধ্যমে ওই দুটি বিন্দুগামী বৃত্তের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব উত্তর: অসংখ্য
a 6
b 9
c 12
d 18
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের ভূমি = ৮ মিটার ত্রিভুজের উচ্চতা = ৩ মিটার ধরি, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ভূমি গুণ উচ্চতা ভাগ দুই অতএব, ভূমি গুণ উচ্চতা = ৮ × ৩ = ২৪ সুতরাং, ২৪ ÷ ২ = ১২ হবে না, সঠিক হিসাব হলো (৮ × ৩) ÷ ২ = ২৪ ÷ ২ = ১২ উত্তর: ১২ বর্গমিটার
a 0
b -1
c 1
d -2
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −১ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতিক অনুপাত হিসেবে কোসাইন বা cos এর কোণ দেওয়া আছে থেটা আমরা জানি এই অনুপাতের মান সর্বদা একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে অবস্থান করে ধরি, যেকোনো বাস্তব কোণ থেটা এর জন্য ফাংশনটি হলো cos থেটা অতএব, এই মানের সর্বোচ্চ সীমা হলো প্লাস ১ এবং এই মানের সর্বনিম্ন সীমা হলো মাইনাস ১ সুতরাং, কোসাইন অনুপাতের সর্বনিম্ন মান নির্ধারিত হয় ঋণাত্মক এক হিসেবে উত্তর: −১
a 4
b 8
c 16
d 24
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: ঘনকের মোট তলের সংখ্যা = ৬ প্রতিটি তলে সমকোণের সংখ্যা = ৪ ধরি, ঘনকের একটি তলে সমকোণ আছে = ৪টি ঘনকের মোট তলের সংখ্যা = ৬টি অতএব, প্রথম তলের সমকোণ = ৪ দ্বিতীয় তলের সমকোণ = ৪ তৃতীয় তলের সমকোণ = ৪ সুতরাং, চতুর্থ তলের সমকোণ = ৪ উত্তর: ৪ × ৪ = ১৬
a ৪৫°
b ৬০°
c ৯০°
d ১০০°
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের একটি ব্যাস এবং তার ওপর একটি অর্ধবৃত্ত আঁকা হলো অর্ধবৃত্তের ওপর পরিধিস্ত একটি কোণ তৈরি করা হলো ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র বিন্দুটি হলো মূল বিন্দু বৃত্তের ব্যাস হলো একটি সরলরেখা অতএব, বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণের পরিমাণ হলো এক সরলকোণ বা ১৮০° পরিধিস্থ কোণটি কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণের অর্ধেক হয় সুতরাং, অর্ধবৃত্তস্থ কোণের পরিমাণ হলো ১৮০° ÷ ২ = ৯০° উত্তর: ৯০°
a 16
b 61
c 17
d 71
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬১ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ১১ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = x বড় সংখ্যাটি = x + ১ অতএব, (x + ১) এর বর্গ − x এর বর্গ = ১১ x এর বর্গ + ২x + ১ − x এর বর্গ = ১১ ২x + ১ = ১১ সুতরাং, ২x = ১০ x = ৫ বড় সংখ্যাটি = ৬ উত্তর: ৫ এর বর্গ + ৬ এর বর্গ = ২৫ + ৩৬ = ৬১
a 0
b 1
c 2
d 12
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ প্রদত্ত তথ্য: গুণফল সমান ১২০ a গুণ b গুণ c সমান ১২০ ধরি, a এর মান শূন্য হলে অতএব, শূন্য গুণ b গুণ c সমান শূন্য হয় সুতরাং, গুণফল কখনোই ১২০ হতে পারে না উত্তর: ০
a 0
b 1
c 10
d 100
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রশ্নটিতে ১০ গুণ এক্স এর বর্গ সমান কত তা জানতে চাওয়া হয়েছে তবে প্রশ্নটি সম্ভবত টাইপিং ভুলের কারণে অসমাপ্ত রয়েছে ধরি, এক্স এর মান শূন্য ধরা যাক অথবা অন্য কোনো ধ্রুবক সংখ্যা ধরা যাক অতএব, এক্স এর মান শূন্য হলে ১০ গুণ শূন্য এর বর্গ শূন্য হয় আবার সূচকের নিয়ম অনুযায়ী কোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয় সুতরাং, যদি প্রশ্নটি সূচকের ধর্ম সংক্রান্ত হয় তবে এর মান এক হতে পারে এবং যদি বীজগণিতীয় সাধারণ গুণ হয় তবে উত্তর ভিন্ন হতে পারে উত্তর: ১
a 16
b 8
c 12
d 4
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ৮ ধরি, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = n অতএব, অন্তঃস্থ কোণসমূহের সমষ্টির সূত্র = (n − ২) × দুই সমকোণ সুতরাং, অন্তঃস্থ কোণসমূহের সমষ্টি = (৮ − ২) × দুই সমকোণ = ৬ × দুই সমকোণ = ১২ সমকোণ উত্তর: ১২
a √3/2 m²
b √3/4 m²
c 3/2 m
d 2/√ 3 m²
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √3/4 m² প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য দেওয়া আছে m ধরি, ত্রিভুজটির প্রতিটি বাহু সমান এবং তার দৈর্ঘ্য = m অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র হলো (√3 ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য)² সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√3 ÷ ৪) × m² উত্তর: √3/4 m²
a 1
b 1/3
c 1/√3
d √3
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/√৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x√৩ + ৩ = ৪ ধরি, x এর মান বের করার জন্য সমীকরণটি সমাধান করতে হবে প্রথমে ৩ কে সমানের ডানপাশে নিয়ে যেতে হবে অতএব, x√৩ = ৪ − ৩ x√৩ = ১ সুতরাং, x = ১ ÷ √৩ উত্তর: ১/√৩
a 1/5
b 3/2
c 3/2
d 5/3
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩/২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদমের ভিত্তি হলো ৫ লগারিদমের সংখ্যাটি হলো ৫√৫ ধরি, লগ এর মানটি সমান হলো ক সমীকরণটি লেখা যায় লগ(৫) ভিত্তি ৫√৫ = ক অতএব, সূচকের নিয়মে লেখা যায় ৫ এর পাওয়ার ক = ৫ গুণ √৫ আরও লেখা যায় ৫ এর পাওয়ার ক = ৫ এর পাওয়ার ১ গুণ ৫ এর পাওয়ার ১/২ সুতরাং, ৫ এর পাওয়ার ক = ৫ এর পাওয়ার (১ + ১/২) ৫ এর পাওয়ার ক = ৫ এর পাওয়ার ৩/২ উত্তর: ক = ৩/২
a 1
b 2
c 3
d নাই
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x৩ + ১ = ০ ধরি, x৩ = −১ অতএব, উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই, (x + ১)(x২ − x + ১) = ০ সুতরাং, বাস্তব মূলের ক্ষেত্রে x + ১ = ০ থেকে পাই x = −১ উত্তর: ১
a 4
b 12
c 8
d 16
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: সেট এ সমান প্রথম বন্ধনী ১, ২, ৩, ৪ বন্ধনী শেষ এখানে সেটের উপাদান সংখ্যা চার ধরি, সেট এ এর উপাদান সংখ্যা এন সমান চার অতএব, শক্তি সেট পি অফ এ এর উপাদান সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র দুই এর পাওয়ার এন সুতরাং, দুই এর পাওয়ার চার সমান দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই উত্তর: ১৬
a ২৫ঃ১৬
b ১৬ঃ২৫
c ১৬ঃ৯
d ৯ঃ১৬
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ঃ২৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি দ্বিতীয় রাশির ৬৪ শতাংশ ধরি, দ্বিতীয় রাশিটি = ১০০ প্রথম রাশিটি = ৬৪ অতএব, রাশি দুটির অনুপাত = ৬৪ : ১০০ সুতরাং, উভয় রাশিকে চার দ্বারা ভাগ করে পাই ১৬ : ২৫ উত্তর: ১৬ঃ২৫
a ৩
b ২৫/৯
c ২২/৭
d ৫/৩
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২/৭ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে বৃত্তের পরিধি হলো বৃত্তের চারপাশের মোট দৈর্ঘ্য ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের ব্যাস = d = ২ × r অতএব, বৃত্তের পরিধি = ২ × π × r বৃত্তের পরিধি = π × (২ × r) সুতরাং, বৃত্তের পরিধি = π × d বৃত্তের পরিধি ÷ ব্যাস = π উত্তর: ২২ ÷ ৭
a 48
b 24
c 60
d 72
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির গসাগু = ২ সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩৬০ একটি সংখ্যা = ১০ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু অতএব, ১০ × ক = ২ × ৩৬০ সুতরাং, ১০ × ক = ৭২০০০ উত্তর: ক = ৭২

মোট প্রশ্ন (25)

a I shall buy two breads
b I shall buy two loaves of breads
c I shall buy two bread
d I shall buy two pieces of bread
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I shall buy two pieces of bread কেন সঠিক: - Bread একটি আনকাউন্টেবল বা গণনাসহিষ্ণু নয় এমন নাউন, তাই এর সঙ্গে সরাসরি সংখ্যা বা বহুবচন রূপ যোগ করা যায় না। - আনকাউন্টেবল নাউনকে নির্দিষ্ট করে গণনা করতে এর আগে a piece of বা pieces of ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I shall buy two breads — Bread একটি আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর সঙ্গে সরাসরি s বা es যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না। B) I shall buy two loaves of breads — Loaf শব্দটির বহুবচন loaves সঠিক হলেও bread শব্দের সঙ্গে s যুক্ত করে ভুল করা হয়েছে কারণ bread অপরিবর্তিত থাকে। C) I shall buy two bread — সংখ্যাবাচক শব্দ দুই এর পরে আনকাউন্টেবল নাউন একবচনে রাখা যায় না এবং সরাসরি সংখ্যা ব্যবহার করা ভুল। D) I shall buy two pieces of bread — এটি সঠিক কারণ আনকাউন্টেবল নাউন গণনা করতে pieces of ব্যবহার করা হয়েছে এবং bread অপরিবর্তিত আছে। মনে রাখার টিপস: Bread, information, advice ইত্যাদি আনকাউন্টেবল নাউনের বহুবচন করতে এদের আগে piece of বা pieces of যুক্ত করতে হয়।
a সিতাকুণ্ড
b হিমালয়
c তাজিনডং
d চেরাপুঞ্জী
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তাজিনডং প্রশ্নের ধরন ও বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল। কেন সঠিক: - তাজিনডং বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় অবস্থিত সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। - এর উচ্চতা প্রায় এক হাজার দুইশো আটাশিত মিটার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিতাকুণ্ড — এটি চট্টগ্রামের একটি পাহাড়ি অঞ্চল এবং চন্দ্রনাথ পাহাড় এখানে অবস্থিত, যা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ নয়। B) হিমালয় — এটি পৃথিবীর বৃহত্তম পর্বতমালা, যা মূলত ভারত, নেপাল, চীন ও ভুটানজুড়ে বিস্তৃত এবং এটি বাংলাদেশের অংশ নয়। C) তাজিনডং — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো প্রেক্ষাপট প্রযোজ্য নয়। D) চেরাপুঞ্জী — এটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত এবং এটি সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের জন্য পরিচিত, কোনো পর্বতশৃঙ্গ নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মনে রাখতে তা-তে তাজিনডং অর্থাৎ ত দিয়ে শুরু এই নামটি মাথায় রাখবে।
a ১০০টি
b ৫০টি
c ৭৫টি
d ৪০টি
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০টি কেন সঠিক: - সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৫০টি। - এই আসনগুলো সরাসরি নির্বাচনের পরিবর্তে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত আসনসংখ্যার অনুপাতে বণ্টন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০টি — এটি ভুল কারণ সংসদীয় ইতিহাসে কখনো সংরক্ষিত নারী আসন একশটি ছিল না। B) ৫০টি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ভুল অপশন নয়। C) ৭৫টি — এটি ভুল কারণ স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের সংবিধানে নারী আসন পনেরোটি ছিল, যা পরবর্তীতে বৃদ্ধি পেয়ে বিভিন্ন সময়ে ত্রিশ, পঞ্চাশ এবং বর্তমানে পঞ্চাশটিতে নির্ধারিত হয়েছে কিন্তু পঁচাত্তরটি কখনো ছিল না। D) ৪০টি — এটি ভুল কারণ কোনো সংবিধানেই নারী আসন চল্লিশটি নির্ধারণ করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: জাতীয় সংসদের মোট আসন তিনশোটি এবং এর ছয় ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ পঞ্চাশটি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত।
a কায়কোবাদ
b সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
c ঈশ্বরগুপ্ত
d গোবিন্দ দাস
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গোবিন্দ দাস কেন সঠিক: - গোবিন্দ দাস তাঁর সহজ-সরল ও স্বভাবসুলভ কাব্যপ্রতভার জন্য 'স্বভাব কবি' উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। - তাঁর কবিতায় কৃত্রিমতার চেয়ে গ্রামীণ প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন সহজভাবে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কায়কোবাদ — ইনি বাংলা মহাকাব্যের কবি এবং মহাশ্মশান কাব্যের জন্য বিখ্যাত, স্বভাব কবি নন। B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি বাংলা সাহিত্যের 'ছন্দের জাদুকর' হিসেবে পরিচিত, স্বভাব কবি নন। C) ঈশ্বরগুপ্ত — ইনি যুগসন্ধিক্ষণের কবি এবং সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে পরিচিত, স্বভাব কবি নন। D) গোবিন্দ দাস — ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সাহিত্যজগতে 'স্বভাব কবি' নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: গোবিন্দ দাসের স্বভাব ছিল খুবই সহজ ও সুন্দর, তাই তিনি 'স্বভাব কবি'।
a New country
b Temple
c Mosque
d Holy place
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Holy place কেন সঠিক: - Pilgrim শব্দের অর্থ তীর্থযাত্রী, যিনি কোনো পবিত্র স্থানে ধর্মীয় উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। - Holy place হলো সেই পবিত্র স্থান, যার দিকে তীর্থযাত্রী তার যাত্রা পরিচালনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) New country — তীর্থযাত্রার মূল উদ্দেশ্য নতুন দেশ ভ্রমণ নয়, বরং ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক স্থান পরিদর্শন করা। B) Temple — এটি একটি নির্দিষ্ট পবিত্র স্থান হতে পারে, তবে Pilgrim কেবল মন্দিরে যান না, মসজিদ বা গির্জার মতো অন্যান্য পবিত্র স্থানেও যান। C) Mosque — এটিও একটি বিশেষ পবিত্র স্থান, কিন্তু pilgrim শব্দের সাধারণ অর্থ কেবল মসজিদের সঙ্গে সীমাবদ্ধ নয়। D) Holy place — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সব ধরনের পবিত্র স্থানকে নির্দেশ করে যেখানে তীর্থযাত্রীরা যান। মনে রাখার টিপস: Pilgrim শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি পবিত্র স্থান বা Holy place এর সঙ্গে সম্পর্কিত যাত্রা।
a 0.05
b 1
c 0.005
d 0.02
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: গণিত ও সাধারণ হিসাব প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (B) ১ ভুল। ১.২৫ এর মান সরাসরি ১ হতে পারে না। এটি মূলত ১ সমস্ত চারভাগের এক ভাগ বা দশমিক সংখ্যা ১.২৫। তবে এখানে প্রশ্ন বা অপশনে মুদ্রণজনিত ত্রুটি থাকতে পারে। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী ১.২৫ এর সঠিক মান ১.২৫-ই হবে। সঠিক উত্তর: B) ১.২৫ (প্রদত্ত উত্তর সংশোধন করা হলো) কেন সঠিক: - দশমিক ভগ্নাংশ ১.২৫ কে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করলে পাঁচ বাই চার বা এক সমস্ত চারভাগের এক ভাগ পাওয়া যায়। - এটি একটি নির্দিষ্ট ধনাত্মক দশমিক সংখ্যা যার পূর্ণ অংশ এক এবং দশমিক অংশ পঁচিশ শতক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.০৫ — এটি দশমিকের পরে পাঁচ শতক নির্দেশ করে, যা মূল সংখ্যার মানের সমান নয়। B) ১ — এটি একটি পূর্ণ সংখ্যা এবং ১.২৫ এর সমান নয়, কারণ অতিরিক্ত দশমিক পঁচিশ অংশ বাদ পড়েছে। C) ০.০০৫ — এটি পাঁচ হাজার ভাগের পাঁচ ভাগ নির্দেশ করে, যা প্রদত্ত সংখ্যার চেয়ে অনেক ছোট। D) ০.০২ — এটি দুই শতক নির্দেশ করে, যা ১.২৫ এর মানের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: দশমিক সংখ্যার পূর্ণ সংখ্যা অংশ এবং দশমিকের পরের অংশ আলাদাভাবে বিবেচনা করলে সঠিক মান সহজে বোঝা যায়।
a ৫ বছর
b ৬ বছর।
c ৪ বছর
d ৭ বছর
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ বছর কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অনুচ্ছেদ দুই অনুযায়ী দেশটির রাষ্ট্রপতির মেয়াদ চার বছর নির্ধারিত আছে। - যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে বা আট বছর ক্ষমতায় থাকতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ বছর — মার্কিন রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর নয়, এটি সাধারণত ফ্রান্স বা অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। B) ৬ বছর — ছয় বছর মেয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, এটি মেক্সিকো বা অন্যান্য পদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। C) ৪ বছর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। D) ৭ বছর — সাত বছর মেয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির জন্য সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের ৪ অক্ষর এবং রাষ্ট্রপতির মেয়াদও ৪ বছর, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
a সোনাদিয়া
b কলাপাড়া
c পায়রা
d আন্ধারমানিক
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) পায়রা কেন সঠিক: - পায়রা সমুদ্রবন্দরটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর হিসেবে ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর চাপ কমানো এবং দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে এটি নির্মাণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনাদিয়া — এটি একটি প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্রবন্দর এলাকা হলেও এখনো তা বাস্তবায়িত বা সমুদ্রবন্দর হিসেবে চালু হয়নি। B) কলাপাড়া — এটি একটি উপজেলার নাম, যার ভেতরে পায়রা সমুদ্রবন্দর অবস্থিত, তাই এটি বন্দর নয়। C) পায়রা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বন্দর হিসেবে গণ্য। D) আন্ধারমানিক — এটি কলাপাড়ার একটি নদীর নাম, যার তীরঘেঁষে পায়রা বন্দর অবস্থিত কিন্তু এটি নিজে কোনো বন্দর নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রথম চট্টগ্রাম, দ্বিতীয় মংলা এবং তৃতীয় সমুদ্রবন্দর হলো পায়রা।
a সেবাখাত
b শিল্পখাত শীত
c কৃষিখাত
d অন্যান্য
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেবাখাত কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদনে সেবাখাতের অবদান সবোর্চ্চ এবং এটি অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। - দেশের মোট জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান প্রায় পঞ্চাশ শতাংশের বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেবাখাত — এটি বাংলাদেশের জিডিপির প্রধান খাত হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) শিল্পখাত শীত — এটি জিডিপির দ্বিতীয় প্রধান খাত এবং এখানে মুদ্রণজনিত ভুল বা অতিরিক্ত শব্দ যুক্ত রয়েছে। C) কৃষিখাত — একসময় প্রধান খাত হলেও বর্তমানে এটি জিডিপির তৃতীয় প্রধান খাতে পরিণত হয়েছে। D) অন্যান্য — এটি কোনো নির্দিষ্ট বা প্রধান অর্থনৈতিক খাত নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জিডিপির ক্ষেত্রে সেবা প্রথম, শিল্প দ্বিতীয় এবং কৃষি তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
a আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল
b হুমায়ূন আহমেদ
c ফজলে খোদা
d কে জি মোস্তফা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল কেন সঠিক: - 'সব কটা জানালা খুলে দাও না' গানটির সুরকার প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এই দেশাত্মবোধক গানটির গীতিকার ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাবু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুল — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই জনপ্রিয় গানটির সুর করেছেন। B) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হলেও এই গানের সুরকার নন। C) ফজলে খোদা — তিনি একজন গীতিকার হলেও এই নির্দিষ্ট গানটির সুরকার হিসেবে যুক্ত ছিলেন না। D) কে জি মোস্তফা — তিনি বিখ্যাত সাংবাদিক ও গীতিকার, তবে এই গানটির রচয়িতা বা সুরকার নন। মনে রাখার টিপস: জানালার বুলবুল মনে রাখলে গানটির সুরকার আহমদ ইমতিয়াজ বুলবুলকে সহজে মনে রাখা যায়।
a 2.45
b 2.64
c 2.54
d 2.46
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 2.54 কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ১ ইঞ্চি ঠিক ২.৫৪ সেন্টিমিটারের সমান। - ব্রিটিশ ও মেট্রিক একক ব্যবস্থার রূপান্তর অনুসারে এই মান নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 2.45 — এই মানটি সঠিক রূপান্তরের সঙ্গে মেলে না এবং এটি একটি ভুল সংখ্যা। B) 2.64 — এটি ১ ইঞ্চির সঠিক পরিমাপ নয়, এটি রূপান্তর গণনায় একটি ভ্রান্ত মান। C) 2.54 — এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সঠিক পরিমাপ এবং এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর। D) 2.46 — এটিও ভুল মান এবং মেট্রিক পদ্ধতির সঠিক হিসাবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: ইঞ্চি থেকে সেন্টিমিটার করার সময় মনে রাখুন এক ইঞ্চিতে দুই দশমিক পাঁচ চার সেন্টিমিটার থাকে।
a পাহাড়পুর
b ময়নামতি
c মহাস্থানগড়
d সোনারগাঁও
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড় কেন সঠিক: - প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড়ের প্রাচীন নাম। - এটি মৌর্য, গুপ্ত ও পাল আমলের পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির রাজধানী হিসেবে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত পাল আমলের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার, পুণ্ড্রবর্ধন শহরের মূল অবস্থান নয়। B) ময়নামতি — এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত প্রাচীন সমতট অঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। C) মহাস্থানগড় — এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন শহরের মূল অবস্থান হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) সোনারগাঁও — এটি নারায়ণগঞ্জ জেলায় অবস্থিত মধ্যযুগের মুসলিম আমলের একটি প্রাচীন প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র। মনে রাখার টিপস: পুন্ড্রবর্ধন মানেই বগুড়ার প্রাচীন মহাস্থানগড়, যা বাংলার প্রথম ও প্রাচীনতম নগরী।
a Food
b Find
c Fight
d Feed
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Feed কেন সঠিক: - Feed হলো একটি দলভুক্ত নিয়মিত বা অনিয়মিত ভার্ব যার পাস্ট বা অতীত রূপ হলো Fed। - ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো ভার্বের পাস্ট ফর্ম নির্ণয় করার সময় তার মূল বা প্রেজেন্ট রূপের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Food — এটি একটি বিশেষ্য বা নাউন যার অর্থ খাবার, তাই এটি কোনো ভার্বের পাস্ট ফর্ম হতে পারে না। B) Find — এটি একটি ভার্ব যার অর্থ খোঁজা এবং এর পাস্ট রূপ হলো Found। C) Fight — এটি একটি ভার্ব যার অর্থ যুদ্ধ করা এবং এর পাস্ট রূপ হলো Fought। D) Feed — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনেই রয়েছে এবং এর পাস্ট ফর্ম হলো Fed। মনে রাখার টিপস: ডাবল ইযুক্ত প্রেজেন্ট ভার্ব Feed-এর পাস্ট ফর্ম লেখার সময় একটি ই বাদ দিয়ে Fed লিখতে হয়।
a ২৬ মার্চ, ১৯৭২
b ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
c ১ জুলাই, ১৯৭২
d ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। - একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের তারিখ, সংবিধান গ্রহণের তারিখ নয়। B) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণের তারিখ এবং মুজিবনগর দিবসের দিন। C) ১ জুলাই, ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা পিএসসি গঠিত হয়। D) ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই গণপরিষদে সংবিধান পাস ও গৃহীত হয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার বছরেই ৪ নভেম্বর সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে তা কার্যকর করা হয়।
a ফ্রান্স
b ইংল্যান্ড
c ইটালি
d গ্রীস
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইটালি কেন সঠিক: - সনেট কবিতার আদি জন্মস্থান ইটালি এবং ত্রয়োদশ শতাব্দীতে কবি পেত্রার্ক এটি প্রথম প্রচলন করেন। - ইটালিয়ান কবি দান্তে এবং পেত্রার্কের হাতে সনেটের সার্থক রূপ লাভ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — ফ্রান্সে সনেট পরবর্তীতে প্রবেশ করে এবং পিয়েরে দ্য রনসার ফরাসি ভাষায় সনেট প্রবর্তন করেন। B) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ডে রেনেসাঁর যুগে স্যার থমাস ওয়াট ইটালিয়ান সনেট অনুবাদ করে প্রচলন করেন। D) গ্রীস — গ্রীস প্রাচীন সভ্যতার কেন্দ্র হলেও সনেটের উৎপত্তির সঙ্গে এর কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সনেট মানেই ইটালির পেত্রার্ক, যিনি সনেটের জনক হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে পরিচিত।
a দিনাজপুর
b যশোর
c ব্রাহ্মণবাড়ীয়া
d সাতক্ষীরা
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাতক্ষীরা কেন সঠিক: - ভোমরা স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত। - এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনাজপুর — এখানে হিলি স্থলবন্দর অবস্থিত, ভোমরা স্থলবন্দর নয়। B) যশোর — এখানে বেনাপোল স্থলবন্দর অবস্থিত, ভোমরা স্থলবন্দর নয়। C) ব্রাহ্মণবাড়ীয়া — এখানে আখাউড়া স্থলবন্দর অবস্থিত, ভোমরা স্থলবন্দর নয়। D) সাতক্ষীরা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভোমরা স্থলবন্দর এখানেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সাতক্ষীরার ভোমরা বন্দর দিয়ে ভারতে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে এই নামটি মনে রাখা যায়।
a পানামা
b জিব্রাল্টার
c মালাক্কা
d বেরিং
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জিব্রাল্টার কেন সঠিক: - জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপের স্পেনকে আফ্রিকার মরক্কোর থেকে আলাদা করেছে এবং ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে যুক্ত করেছে। - এটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ যা দুই মহাদেশের মাঝে প্রাকৃতিক সীমানা তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানামা — পানামা প্রণালী উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে সংযুক্ত করেছে এবং আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে আলাদা করেছে। B) জিব্রাল্টার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় আফ্রিকাকে ইউরোপ থেকে আলাদা করার সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে। C) মালাক্কা — মালাক্কা প্রণালী এশিয়ার মালয় উপদ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপের মাঝে অবস্থিত এবং ভারত মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সাথে যুক্ত করেছে। D) বেরিং — বেরিং প্রণালী এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে আর্টিক মহাসাগর থেকে আলাদা করেছে। মনে রাখার টিপস: ইউরোপ ও আফ্রিকার মাঝে জিরাফ দৌড়ায়, আর এই জিরাফ থেকেই মনে রাখতে পারেন জিব্রাল্টার প্রণালী।
a মিলন কুন্তেরা
b অরুন্ধতী রায়
c গ্রন্টার গ্রাস
d সভেতলানা আলেক্সিভিচ
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সভেতলানা আলেক্সিভিচ কেন সঠিক: - তিনি ২০১৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - তার সাহিত্যকর্ম বহুমাত্রিক কণ্ঠস্বর ধারণ করে যা আমাদের যুগের কষ্ট এবং সাহসিকতার একটি স্মৃতিস্তম্ভ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিলন কুন্তেরা — তিনি বিখ্যাত চেক ঔপন্যাসিক হলেও ২০১৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পাননি। B) অরুন্ধতী রায় — তিনি একজন ভারতীয় লেখক ও রাজনৈতিক কর্মী, যিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেননি। C) গ্রন্টার গ্রাস — তিনি একজন বিখ্যাত জার্মান সাহিত্যিক এবং ১৯৯৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। D) সভেতলানা আলেক্সিভিচ — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি ২০১৫ সালের নোবেল বিজয়ী। মনে রাখার টিপস: সভেতলানা আলেক্সিভিচের নাম মনে রাখতে মাথায় রাখুন যে তিনি ২০১৫ সালের নোবেল বিজয়ী বেলারুশীয় সাংবাদিক ও লেখক।
a মূলধনী কর
b প্রত্যক্ষ কর
c পরোক্ষ কর
d সম্পদ কর
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পরোক্ষ কর কেন সঠিক: - মূসক বা ভ্যাট এমন একটি কর যা উৎপাদনের স্তর থেকে ভোক্তার পর্যায় পর্যন্ত ধাপে ধাপে আদায় করা হয় এবং এর আর্থিক বোঝা প্রত্যক্ষভাবে চূড়ান্ত ভোক্তার ওপর বর্তায়। - করদাতা ও করভার বহনকারী ব্যক্তি ভিন্ন হওয়ার কারণে এবং কর সরাসরি সরকারের কাছে জমা না দিয়ে মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে পরিশোধিত হওয়ায় এটি পরোক্ষ কর হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূলধনী কর — মূলধনী সম্পত্তি বা লভ্যাংশ বিক্রির ওপর এই কর ধার্প করা হয়, যা মূসকের সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে না। B) প্রত্যক্ষ কর — এই ধরনের করের বোঝা অন্য কারও ওপর স্থানান্তর করা যায় না এবং করদাতা নিজেই সরাসরি সরকারের পরিশোধ করেন, যেমন আয়কর। C) পরোক্ষ কর — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূসক বা ভ্যাট হলো এমন একটি কর যার বোঝা ক্রেতা বা ভোক্তার ওপর বর্তায়। D) সম্পদ কর — ব্যক্তির নিট সম্পদের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তা সম্পদ কর, যা দৈনন্দিন কেনাকাটার মূসক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: যে করের বোঝা সরাসরি নিজের ওপর পড়ে তা প্রত্যক্ষ কর, আর যে করের বোঝা কেনাকাটার মাধ্যমে অন্যের (ভোক্তার) ওপর চালিয়ে দেওয়া যায় তা পরোক্ষ কর (যেমন মূসক)।
a যুক্তরাজ্যে
b মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে
c জাপানে
d দক্ষিণ কোরিয়ায়
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কেন সঠিক: - সিলিকন ভ্যালি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ফ্রান্সিসকো বে এলাকার দক্ষিণাংশে অবস্থিত। - এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন কেন্দ্র, যেখানে অ্যাপল এবং গুগলের মতো বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্যে — সিলিকন ভ্যালি যুক্তরাজ্যে অবস্থিত নয়, যুক্তরাজ্যে প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে লন্ডন বা কেমব্রিজ পরিচিত। B) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ সিলিকন ভ্যালি ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত। C) জাপানে — জাপানে কোনো সিলিকন ভ্যালি নেই, জাপানের প্রযুক্তির জন্য টোকিও বা সুকুবা শহর বিখ্যাত। D) দক্ষিণ কোরিয়ায় — দক্ষিণ কোরিয়ায় সিলিকন ভ্যালি নেই, দেশটির প্রধান প্রযুক্তি কেন্দ্র হলো সিউল ও পাংগিও টেকনো ভ্যালি। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বেশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অবস্থিত, তাই সিলিকন ভ্যালি বললেই যুক্তরাষ্ট্রকে মনে রাখতে হবে।
a ওয়েবসাইট
b সার্চ ইঞ্জিন
c অভিধান
d এনসাইক্লোপিডিয়া
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সার্চ ইঞ্জিন কেন সঠিক: - গুগল হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীদের তথ্য খুঁজতে সাহায্য করে। - এটি ইন্টারনেটে থাকা কোটি কোটি ওয়েব পেজ থেকে নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডের ভিত্তিতে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক তথ্য খুঁজে বের করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়েবসাইট — গুগল একটি সার্চ ইঞ্জিন এবং বহুসেবামূলক প্ল্যাটফর্ম, যা একক কোনো সাধারণ ওয়েবসাইট নয়। B) সার্চ ইঞ্জিন — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ গুগল একটি প্রধান ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন। C) অভিধান — অভিধান হলো শব্দের অর্থ ও বানান জানার মাধ্যম, যা গুগলের মূল কাজ নয়। D) এনসাইক্লোপিডিয়া — এনসাইক্লোপিডিয়া বিশ্বকোষ হলেও গুগল হলো তথ্য খোঁজার একটি সামগ্রিক সার্চ ইঞ্জিন। মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেটে কিছু খোঁজার জন্য আমরা যে প্রধান মাধ্যম ব্যবহার করি, তাকে সার্চ ইঞ্জিন বলে এবং গুগল তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ।
a মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
b স্পিকার
c মহামান্য রাষ্ট্রপতি
d প্রধান বিচারপতি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহামান্য রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ১ দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন। - প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, prorogue বা মূলতবি এবং ভেঙে দিতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী অধিবেশন আহ্বান করতে পারেন না, তবে তিনি রাষ্ট্রপতিকে অধিবেশন আহ্বানের পরামর্শ দিতে পারেন। B) স্পিকার — স্পিকার সংসদের কার্য পরিচালনা করেন, কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন আহ্বান করার সাংবিধানিক ক্ষমতা তার নেই। C) মহামান্য রাষ্ট্রপতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) প্রধান বিচারপতি — প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের প্রধান এবং সংসদের অধিবেশন আহ্বানের সাথে তার কোনো সাংবিধানিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সংসদের অধিবেশন ডাকেন দেশের প্রধান অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি।
a কর্নেল (অব.) এম এ জি ওসমানী
b মেজর খালেদ মোশাররফ
c গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
d কর্নেল (অব.) এম এ রব
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্নেল (অব.) এম এ রব কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত বাংলাদেশ ফোর্সেস-এর চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব পালন করেছিলেন কর্নেল (অব.) এম এ রব। - সেনাপ্রধান বা চিফ অব স্টাফ হিসেবে তিনি মুক্তিবাহিনীর অপারেশনাল পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্নেল (অব.) এম এ জি ওসমানী — তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ ফোর্সেস-এর প্রধান সেনাপতি বা কম্যান্ডার-ইন-চিফ ছিলেন, চিফ অব স্টাফ ছিলেন না। B) মেজর খালেদ মোশাররফ — তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার এবং পরবর্তীতে কে ফোর্স-এর অধিনায়ক ছিলেন। C) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার — তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এবং উপ-প্রধান সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) কর্নেল (অব.) এম এ রব — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ওসমানী ছিলেন প্রধান সেনাপতি আর এম এ রব ছিলেন তাঁর চিফ অব স্টাফ।
a মোরশেদুল ইসলাম
b নাসির উদ্দিন ইউসুফ
c তানভীর মোকাম্মেল
d আবু সায়ীদ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাসির উদ্দিন ইউসুফ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত বিখ্যাত চলচ্চিত্র 'একাত্তরের যীশু' এর পরিচালক ও নির্মাতা নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু। - শাহরিয়ার কবিরের একই নামের উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে ১৯৯৩ সালে এই চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোরশেদুল ইসলাম — তিনি একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও 'একাত্তরের যীশু' পরিচালনা করেননি, তার বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র হলো 'দীপু নাম্বার টু' বা 'চাকা'। B) নাসির উদ্দিন ইউসুফ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো অতিরিক্ত কারণ প্রযোজ্য নয়। C) তানভীর মোকাম্মেল — তিনি বিশিষ্ট প্রামাণ্যচিত্র ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও এই চলচ্চিত্রের নির্মাতা নন, তার পরিচালিত চলচ্চিত্র 'নদীর নাম চিত্রা'। D) আবু সায়ীদ — তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত একজন পরিচালক হলেও 'একাত্তরের যীশু' চলচ্চিত্রটি তিনি নির্মাণ করেননি। মনে রাখার টিপস: যীশু মানে যিশু খ্রিস্ট আর নাসির অর্থ সাহায্যকারী; নাট্যব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ একাত্তরের গল্প নিয়ে এই চলচ্চিত্র বানিয়েছেন।
a থিয়েটার রোড, কলকাতা
b পার্ক স্ট্রীট, কলকাতা
c ডালহৌসি স্ট্রীট, কলকাতা
d কলেজ স্ট্রীট, কলকাতা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) থিয়েটার রোড, কলকাতা কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সচিবালয় কলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে অবস্থিত ছিল। - এই ভবন থেকেই মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময় প্রশাসনিক কার্যক্রম, যুদ্ধ পরিচালনা এবং কূটনৈতিক তৎপরতা সফলভাবে পরিচালিত হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থিয়েটার রোড, কলকাতা — এই স্থানটি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সচিবালয় ও সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। B) পার্ক স্ট্রীট, কলকাতা — এটি কলকাতার একটি বিখ্যাত বাণিজ্যিক ও আবাসন এলাকা হলেও মুক্তিযুদ্ধের সচিবালয় এখানে ছিল না। C) ডালহৌসি স্ট্রীট, কলকাতা — এটি কলকাতার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র বা ব্যবসায়িক এলাকা, যা মুক্তিযুদ্ধের সরকারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) কলেজ স্ট্রীট, কলকাতা — এটি কলকাতার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাঙ্গন ও বইয়ের বাজার এলাকা, যা প্রবাসী সরকারের কার্যালয় ছিল না। মনে রাখার টিপস: সরকার পরিচালনার জন্য থিয়েটারে নাটক নয়, দরকার হয় একটি সচিবালয়ের; আর তাই মুজিবনগর সরকারের সচিবালয় ছিল কলকাতার থিয়েটার রোডে।