সঠিক উত্তর: A) ১২
১. কেন সঠিক:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ও বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ হলো 'অগ্নিবীণা'।
- এই বিখ্যাত কাব্যটিতে মোট ১২টি কবিতা সংকলিত হয়েছে যা বাংলা কবিতার ধারাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রথম কবিতা 'প্রলয়োল্লাস'।
- এই গ্রন্থে ব্রিটিশ বিরোধী চেতনা, সাম্যবাদ এবং দ্রোহের এক অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে যা বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগের সূচনা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যের দ্বিতীয় ও সবচেয়ে জনপ্রিয় কবিতা হলো বিদ্রোহী যা বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছে।
উদাহরণ ২: কামাল পাশা
ব্যাখ্যা: এটিও অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত কবিতা যা আন্তর্জাতিক বীরত্ব ও জাগরণের বার্তা বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ — এটি সঠিক কারণ অগ্নিবীণা কাব্যের মোট কবিতার সংখ্যা বারোটি।
B) ১৪ — চৌদ্দটি কবিতা অগ্নিবীণা কাব্যে নেই, এটি ভুল তথ্য।
C) ১৯ — উনিশ সংখ্যাটি অগ্নিবীণা কাব্যের কবিতার সংখ্যার সঙ্গে মেলে না।
D) ১৭ — সতেরোটি কবিতা এই কাব্যে ছিল না, তাই এটি ভুল অপশন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্য অগ্নিবীণার প্রথম অক্ষর অ এবং বারো শব্দের শুরুতে ব আছে, এভাবে মনে রাখতে পারো।
- বারোটি মাসের চক্রের মতোই অগ্নিবীণাতে বারোটি শক্তিশালী কবিতা রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নিবীণার প্রকাশকাল এবং উৎসর্গ কার নামে করা হয়েছে তা প্রায়ই আসে।
- অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী সাহিত্যিক বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) পদ্মগোখরা
১. কেন সঠিক:
- 'পদ্মগোখরা' হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ।
- ১৯২০ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটিতে লেখকের বিদ্রোহী চেতনা ও সমাজ সংস্কারের মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও ঔপন্যাসিক।
- তার সাহিত্যকর্মে সাম্যবাদ, মানবতাবাদ ও দ্রোহের সুর স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যথার দান
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: মৃত্যুক্ষুধা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা দরিদ্র মানুষের জীবন সংগ্রাম নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মরাগ — এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলামের নয়।
B) পদ্মপুরাণ — এটি মধ্যযুগের কবি বিজয় গুপ্ত বা মঙ্গলাচরণের কবি নারায়ণ দেব রচিত একটি বিখ্যাত মঙ্গলকাব্য।
D) পদ্মাবতী — এটি ষোড়শ শতাব্দীর কবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত রোমান্টিক কাব্য, যা মালিক মুহম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের বিষের বাঁশি ও পদ্মগোখরা উভয়ই বিখ্যাত গ্রন্থ।
- লেখকের নামের সঙ্গে গল্পের বিষয়বস্তু মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের প্রথম গল্পগ্রন্থ ও উপন্যাস প্রায়ই আসে।
- অন্য লেখকদের বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নাম লেখকের নামের সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) পদাশ্রিত নির্দেশক
১. কেন সঠিক:
- টি, টা, খানা, খানি শব্দগুলো কোনো পদের বা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা বোঝায়।
- ব্যাকরণ অনুযায়ী যে শব্দ বা প্রত্যয় বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে যুক্ত হয়ে সেগুলোকে নির্দিষ্ট করে প্রকাশ করে, তাকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- পদাশ্রিত নির্দেশক হলো এমন কিছু শব্দাংশ যা পদের আশ্রয়ে বসে বচন বা নির্দিষ্টতা নির্দেশ করে।
- বাংলায় পদাশ্রিত নির্দেশকগুলো সাধারণত পদের পরে যুক্ত হয় এবং শব্দের সঙ্গে মিশে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বইটি আমাকে দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে বই শব্দের সাথে টি যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি বইকে বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: কলমটা হারিয়ে গেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে কলম শব্দের সাথে টা যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি কলমকে বোঝাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদাশ্রিত নির্দেশক — এটি সঠিক উত্তর কারণ টি, টা, খানা, খানি নির্দিষ্টতা বোঝাতে পদের পরে বসে।
B) প্রকৃতি — প্রকৃতি হলো শব্দের মূল অংশ, যার সাথে প্রত্যয় বা বিভক্তি যুক্ত হয়।
C) বিভক্তি — বিভক্তি শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বাক্যস্থিত পদের পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
D) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে, পরে বসে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পদাশ্রিত নির্দেশক সবসময় শব্দের পরে বসে নির্দিষ্টতা বোঝায়।
- টি, টা, খানা, খানি, টুকুন, টুকু দেখলে পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচন ও নির্দেশক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- টি এবং টা কেবল একবচনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) দৌলত কাজী
১. কেন সঠিক:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে আরাকান রাজসভার কবি দৌলত কাজী প্রথম লৌকিক বা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার সূচনা করেন।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্য সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী বাংলা সাহিত্যের প্রথম লৌকিক কাহিনীর নিদর্শন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দৌলত কাজী সপ্তদশ শতকের প্রথম অর্ধে আরাকান রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং রোমান্টিক ধারার পথপ্রদর্শক।
- তাঁর অমর সৃষ্টি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্যটি পরবর্তীতে কবি আলাওল অসমাপ্ত অংশ সম্পন্ন করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী
ব্যাখ্যা: এটি দৌলত কাজীর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম লৌকিক প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: এটি কবি আলাওলের রচিত আরাকান রাজসভার অপর একটি বিখ্যাত কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোরেশী মাগন ঠাকুর — তিনি আরাকান রাজসভার একজন বিশিষ্ট কবি এবং মন্ত্রী ছিলেন, যিনি চন্দ্রাবতী কাব্য রচনা করেন।
B) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি যিনি পদ্মাবতী রচনা করেন, তবে লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা নন।
C) সৈয়দ সুলতান — তিনি মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত পুথি সাহিত্যের কবি যিনি নবীবংশ ও শবে মেরাজ কাব্য রচনা করেন।
D) দৌলত কাজী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা হিসেবে দৌলত কাজীর নাম মনে রাখতে দৌলত শব্দটি মাথায় রাখবে।
সতী ময়না কাব্যটির স্রষ্টা হিসেবেও তাঁর নাম পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার সূত্রপাত করেছিলেন দৌলত কাজী।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
- 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' বাংলা গদ্যসাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুবাদ গ্রন্থ।
- ঊনবিংশ শতাব্দীতে সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় অনূদিত এই গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের প্রাথমিক বিকাশ ও গঠনে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি সংস্কৃত হরিনাথ তর্কসিদ্ধান্তের সহায়তায় হিন্দি বেতাল পচিশী অবলম্বনে এটি রচনা করেন।
- ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সফল ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে স্মরণীয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ যা শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত।
উদাহরণ ২: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটক অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত আরেকটি অনবদ্য গদ্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক হলেও 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন গীতিবাদী কবি, গদ্যগ্রন্থের রচয়িতা নন।
C) অক্ষয় কুমার দত্ত — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রবন্ধকার ও তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, বিদ্যাসাগরের এই গ্রন্থের রচয়িতা তিনি নন।
D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থটি তিনিই রচনা ও প্রকাশ করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিদ্যাসাগরের অনুবাদ গ্রন্থগুলো মনে রাখার কৌশল হলো বেতাল ও শকুন্তলা মিলে ভ্রান্তি দূর করতে সীতার বনবাসে গেলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থটি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত মৌলিক বা অনূদিত গদ্যগ্রন্থ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই গ্রন্থের প্রকাশকাল এবং রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
১. কেন সঠিক:
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ঐতিহাসিক উদ্ধৃতি।
- অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের ঈশ্বরী পাটুনির প্রার্থনা থেকে এই পক্তিটি নেওয়া হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের শেষভাগের কবি এবং নদীয়া জেলার পেড়াগাছা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভায় তিনি 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত হন এবং তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হলো অন্নদামঙ্গল কাব্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের লেখা একটি ত্রিখণ্ডক মঙ্গলকাব্য যার তিনটি অংশ হলো অন্নদা মহিমা, বিদ্যাসুন্দর ও মানসিংহ।
উদাহরণ ২: নাগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী
ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যের অন্য বিষয়ের উদাহরণ এবং আলোচ্য প্রশ্নের সঙ্গে এর কোনো সরাসরি সাহিত্যিক সম্পর্ক নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — ইনি মধ্যযুগের ষোড়শ শতকের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত কবি এবং তাঁর বিখ্যাত উপাধি ছিল কবিকঙ্কণ।
B) কানাহরি দত্ত — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের একজন প্রাচীন কবি যিনি পদ্মাপুরাণ বা মনসামঙ্গল রচনা করেছেন।
D) আলাওল — ইনি সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার শ্রেষ্ঠ কবি যিনি পদ্மாவত এবং সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামান রচনা করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বরী পাটুনির এই বিখ্যাত চাওয়ার কথা মনে রাখলে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর নামটি সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারা এবং বিভিন্ন কবির উপাধি যেমন ভারতচন্দ্রের রায়গুণাকর থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) নাত জামাই
১. কেন সঠিক:
- 'নাজ্জামাই' একটি কথ্য বা প্রমিত রূপ পরিবর্তনজনিত শব্দ, যার সন্ধি বা শব্দগঠনগত প্রক্রিয়ায় নাতিন বা নাত শব্দের সঙ্গে জামাই যুক্ত হয়েছে।
- এখানে 'নাত' শব্দের অর্থ পৌত্রী বা নাতনি এবং জামাই শব্দের সঙ্গে মিলে নতুন সামাজিক সম্পর্কের শব্দ তৈরি করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত শব্দের অন্তর্ভুক্ত, যা প্রমিত উচ্চারণের পরিবর্তনের কারণে গঠিত হয়।
- কথ্য রীতিতে দ্রুত উচ্চারণের সময় শব্দের ভেতরের বর্ণে পরিবর্তন বা জোড় বাঁধতে এই ধরনের শব্দ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাঁচকলা
ব্যাখ্যা: কাঁচা এবং কলা শব্দের মিলনে গঠিত হলেও উচ্চারণের সুবিধার্থে কাঁচকলা রূপ নেয়।
উদাহরণ ২: গিন্নি
ব্যাখ্যা: গৃহিণী শব্দের পরিবর্তিত ও সহজ রূপ হলো গিন্নি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাতি জামাই — নাত জামাই শব্দের ক্ষেত্রে প্রমিত গঠনে 'নাতি' ব্যবহৃত হয় না, বরং সংক্ষিপ্ত 'নাত' রূপটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়।
B) নাত জামাই — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি প্রমিত গঠনরীতিকে সমর্থন করে।
C) নাজ + জামাই — নাজ কোনো বাংলা ব্যাকরণসম্মত শব্দ বা প্রত্যয় নয়, তাই এই বিশ্লেষণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) নাতিন + জামাই — নাতিনের সঙ্গে জামাই যুক্ত হলে নাতিনজামাই হতো, কিন্তু প্রমিত কথ্য রূপে 'নাত জামাই' প্রচলিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সামাজিক সম্পর্কের যৌগিক শব্দ মনে রাখার জন্য শব্দের সংক্ষিপ্ত মূল রূপটি খেয়াল রাখতে হবে।
- কথ্য ও প্রমিত বাংলার মিল বা অমিলগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের কথ্য ও প্রমিত শব্দের গঠন থেকে প্রশ্ন আসে।
- শব্দের মূল রূপ ও ব্যবহারের ক্ষেত্র সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকলে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর অপশন এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) ণিজন্ত
১. কেন সঠিক:
যে ক্রিয়াপদ অন্যের দ্বারা পরিচালিত হয় তাকে ণিজন্ত বা প্রযোজক ক্রিয়াপদ বলে। মূল ধাতুর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে ণিজন্ত ক্রিয়াপদ গঠন করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
প্রযোজক কর্তার প্ররোচনা বা চালনায় যখন অন্য কোনো গৌণ কর্তা কোনো কাজ সম্পন্ন করে, তখন সেই ক্রিয়াকে প্রযোজক বা ণিজন্ত ক্রিয়া বলে। বাক্যের মূল কর্তা বা প্রযোজক কর্তা এখানে শিশুকে খাইয়ে দিচ্ছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাখাল গরুকে ঘাস খাওয়াচ্ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে রাখাল মূল কর্তা গরুকে খাওয়ানোর কাজটি অন্যকে দিয়ে করাচ্ছে বা পরিচালনা করছে।
উদাহরণ ২: শিক্ষক ছাত্রকে পড়াচ্ছেন।
ব্যাখ্যা: শিক্ষক নিজে না পড়ে ছাত্রকে পড়াচ্ছেন, যা ণিজন্ত ক্রিয়ার একটি স্পষ্ট উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ণিজন্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে অন্যের দ্বারা পরিচালিত হওয়ার ভাব প্রকাশ পেয়েছে।
B) দ্বিকর্মক — এই অপশনটি ভুল কারণ দ্বিকর্মক ক্রিয়ায় দুটি কর্ম থাকে, কিন্তু এখানে কর্মের সংখ্যার চেয়ে ক্রিয়ার রূপ প্রধান।
C) ধন্যাত্মক — এই অপশনটি ভুল কারণ ধন্যাত্মক ক্রিয়া কোনো ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় না।
D) যৌগিক — এই অপশনটি ভুল কারণ যৌগিক ক্রিয়া একটি সমাপিকা ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া মিলে গঠিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অন্যকে দিয়ে কাজ করানো বোঝালে এবং ধাতুর সঙ্গে 'আ' যুক্ত থাকলে তা ণিজন্ত ক্রিয়া হবে। এই ধরনের বাক্যে মূল কর্তা কাউকে কোনো কাজে নিয়োজিত করেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়াপদের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রযোজক বা ণিজন্ত ক্রিয়া চিনতে মূল কর্তার ভূমিকা এবং অন্যের দ্বারা কাজ সম্পন্ন করার বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) জলদ
১. কেন সঠিক:
- গঠনগত দিক থেকে যেসব শব্দ সমাস বা প্রত্যয় সাধিত হয়ে নির্দিষ্ট কোনো অর্থ প্রকাশ না করে, বুৎপত্তিগত অর্থের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যৌগিক বা রূঢ় শব্দের নিয়ম না মেনে যৌগিক ও রূঢ় উভয় বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে গঠিত যোগরূঢ় শব্দ বলে।
- জলদ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো জল + দা (প্রদান করে যে)। এর শাব্দিক অর্থ জল প্রদান করে যে, কিন্তু যোগরূঢ় নিয়মে এটি নির্দিষ্ট করে মেঘকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে গঠন অনুসারে শব্দ তিন প্রকার: মৌলিক, সাধিত এবং যৌগিক, রূঢ় বা রূঢ়ি এবং যোগরূঢ় শব্দ।
- যোগরূঢ় শব্দগুলো সমাসবদ্ধ হয়ে পদের আসল বা স্বাভাবিক অর্থ বজায় না রেখে প্রচলিত অর্থের বাইরে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পঙ্কজ
ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা (পঙ্ক + জ)। শাব্দিক অর্থে পঙ্কে জন্মায় এমন যেকোনো কিছু বোঝাতে পারে, কিন্তু যোগরূঢ় অর্থে এটি কেবল পদ্মফুলকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: রাজপুত
ব্যাখ্যা: রাজার পুত্র (রাজা + পুত)। এর সাধারণ অর্থ রাজার ছেলে হলেও, যোগরূঢ় অর্থে এটি একটি নির্দিষ্ট জাতি বা সম্প্রদায়কে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি শাব্দিক অর্থের বাইরে গিয়ে যোগরূঢ় নিয়মে নির্দিষ্টভাবে মেঘকে বোঝায়।
B) হস্তী — এটি একটি রূঢ় শব্দ, যার বুৎপত্তিগত অর্থ হস্ত বা হাত আছে যার, কিন্তু প্রচলিত অর্থে এটি একটি বিশেষ পশুকে বোঝায়।
C) সন্দেশ — এটি একটি রূঢ় শব্দ, যা সংবাদ বা বার্তা অর্থ প্রকাশ না করে বর্তমানে এক প্রকার মিষ্টি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) বাঁশি — এটি একটি যৌগিক শব্দ, যা বাঁশ দিয়ে তৈরি যেকোনো বস্তু না বুঝিয়ে বিশেষ এক প্রকার বাদ্যযন্ত্রকে বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যোগরূঢ় শব্দগুলো মূলত বহুব্রীহি বা অন্যান্য সমাসের সাহায্যে গঠিত হয় এবং উৎপত্তি বাদ দিয়ে একটি নির্দিষ্ট বস্তুকে বিশেষ অর্থ প্রদান করে।
- পরীক্ষায় সাধারণত জলদ, পঙ্কজ এবং রাজপুত শব্দগুলোই যোগরূঢ় হিসেবে বেশি আসে, এগুলো ভালোভাবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- যৌগিক, রূঢ় এবং যোগরূঢ় শব্দের পার্থক্য প্রায়ই বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- সমাস বা প্রত্যয় সাধিত হলেও যে শব্দগুলো সম্পূর্ণ নতুন ও নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন
১. কেন সঠিক:
সাক্ষ্য শব্দের অর্থ হলো প্রমাণ বা প্রমান্য বক্তব্য, যা কোনো ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে আদালতে বা সমকক্ষ স্থানে পেশ করা হয়।
বাক্যে অপরাধ বা অভিযোগের বিপরীতে প্রমাণ উপস্থাপন অর্থে সাক্ষ্য শব্দটির সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে।
২. ব্যাকরণ / শুদ্ধ বানান ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় সক্ষ্য বা সাক্ষ প্রদানকারীকে সাক্ষী বলা হলেও প্রমাণের মূল বিশেষ্য পদটি সাক্ষ্য।
বানানরীতির দিক থেকে সাক্ষ্য শব্দটিতে যুক্তবর্ণ ক্ষ (ক+ষ) ব্যবহৃত হয়, যেখানে কোনো অতিরিক্ত খ বা ক্ষ যুক্ত হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মামলার শুনানিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন।
ব্যাখ্যা: এখানে সাক্ষ্য শব্দটি ঘটনার সত্যতা প্রমাণের লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য হিসেবে সঠিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পুলিশ ঘটনার পক্ষে কোনো জোরালো সাক্ষ্য পায়নি।
ব্যাখ্যা: অপরাধের প্রমাণ বা তথ্য বোঝাতে এখানে সাক্ষ্য বিশেষ্য পদটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিলেন — সাক্ষী হলো ব্যক্তি বা প্রবক্তা, যিনি সাক্ষ্য দেন, তাই তিনি সাক্ষী দিতে পারেন না, সাক্ষ্য দিতে পারেন।
B) তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
C) তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষ দিলেন — সাক্ষ বলে বাংলা ভাষায় কোনো প্রমিত শব্দ নেই, এটি বানানগত ও শব্দগতভাবে ভুল।
D) তিনি তোমার বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য দিবেন — স্বাক্ষ্য বানানে অতিরিক্ত খ বা যুক্তবর্ণের ভুল রয়েছে, কারণ সঠিক বানান সাক্ষ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্যক্তি হলো সাক্ষী আর প্রমাণ হলো সাক্ষ্য। মানুষ সাক্ষী দেয় না, মানুষ সাক্ষ্য প্রদান করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পরীক্ষায় প্রায়ই সাক্ষী এবং সাক্ষ্য শব্দের ব্যবহার নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক প্রশ্ন আসে।
মনে রাখতে হবে ব্যক্তি বোঝাতে সাক্ষী এবং প্রমাণ বোঝাতে সাক্ষ্য ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
১. কেন সঠিক:
- বৈড়ায়ি চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- বৈড়ায়ি বা বুড়ি চরিত্রের মধ্য দিয়ে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের অভিসার এবং ঘটিত নানা বিষয়ে ঘটকালি বা মধ্যস্থতার কাজ পরিচালনা করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি প্রাক-চৈতন্যযুগের নিদর্শন যা ১৯০৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কার করেন।
- এই কাব্যের প্রধান তিনটি চরিত্র হলো রাধা, কৃষ্ণ এবং বড়াই বা বৈড়ায়ি যিনি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের ঘটক ও মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী নারী চরিত্র।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বড়াই চরিত্র
ব্যাখ্যা: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের বৈড়ায়ি বা বড়াই চরিত্রটি রাধার মাসি ও প্রেমের সহচরী হিসেবে মধ্যস্থতা করে।
উদাহরণ ২: রাধা ও কৃষ্ণ চরিত্র
ব্যাখ্যা: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের কেন্দ্রীয় এই দুই চরিত্র বৈড়ায়ির মাধ্যমে একে অপরের সান্নিধ্য লাভ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডীমঙ্গল — এই মঙ্গলকাব্যের প্রধান চরিত্র হলো কালকেতু, ফুল্লরা ও লহনা খূল্লনা।
B) অন্নদা মঙ্গল — এই মঙ্গলকাব্যের বিখ্যাত চরিত্র হলো ঈশ্বরী পাটনি ও বিদ্যা সুন্দর।
D) মনসামঙ্গল — এই মঙ্গলকাব্যের প্রধান চরিত্র হলো চাঁদ সওদাগর ও বেহুলা লখিন্দর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মাত্র তিনটি চরিত্র পাওয়া যায় এবং তাদের মধ্যে বুড়ি বা ঘটক চরিত্রটির নাম বড়াই বা বৈড়ায়ি।
- মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোতে বড়াই চরিত্রটির অস্তিত্ব নেই, এটি কেবল শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সঙ্গেই বিশেষভাবে যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের চরিত্র বিশ্লেষণ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- মধ্যযুগের কোন কাব্যে মাত্র তিনটি চরিত্র পাওয়া যায়, এই প্রশ্নটির উত্তরও শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
সঠিক উত্তর: D) ১৮৭২
১. কেন সঠিক:
- বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা 'বঙ্গদর্শন' প্রথম প্রকাশিত হয় বাংলা ১২৭৯ সালের বৈশাখে এবং ইংরেজি ১৮৭২ সালের এপ্রিল মাসে।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন এবং এর মধ্য দিয়ে বাংলা উপন্যাসের ধারা সমৃদ্ধ হয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় এক নতুন যুগের সূচনা ঘটেছিল।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই পত্রিকাকে ঝড়ের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন যা সেকালের বাঙালি সমাজে নবচেতনা ও আধুনিকতার বার্তা নিয়ে এসেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই বিখ্যাত উপন্যাসটি প্রথম 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: কমলাকান্তের দপ্তর
ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্রের এই জনপ্রিয় ব্যঙ্গাত্মক ও মননশীল রচনাটিও 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় প্রকাশিত হতো।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৬৫ — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম বাংলা উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু বঙ্গদর্শন প্রকাশিত হয়নি।
B) ১৮৮২ — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আনন্দমঠ উপন্যাস প্রকাশিত হয় কিন্তু এটি বঙ্গদর্শন প্রকাশের সাল নয়।
C) ১৮৯১ — এই সালে বাংলা ১৩০০ বঙ্গাব্দে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায় বঙ্গদর্শন পত্রিকা দ্বিতীয়বার প্রকাশিত হয় কিন্তু এটি প্রথম প্রকাশের সাল নয়।
D) ১৮৭২ — এটি সঠিক সাল কারণ এই সালেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্রের বয়স যখন চৌত্রিশ বছর, তখন ১৮৭২ সালে তিনি বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রকাশ করেন।
- বঙ্গদর্শন মানে বাংলার দর্শন, যা ১৮৭২ সালের এপ্রিলে প্রথম আলোর মুখ দেখে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কে ছিলেন, যার উত্তর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনাতেও এই পত্রিকা পরে প্রকাশিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) ভিখারিণী
১. কেন সঠিক:
ভিখারিণী হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম রচিত ছোটগল্প। ১২৮৪ বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসে ভারতী পত্রিকায় এই গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক ও প্রধান রূপকার হিসেবে পরিচিত। ভিখারিণী গল্পের মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে আধুনিক ছোটগল্পের ধারা সূচনা করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেনা-পাওনা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা সমাজজীবনের নানা বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: সুভা
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিশ্বখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প হলো সুভা, যার প্রধান চরিত্র একজন বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘাটের কথা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প হলেও এটি তাঁর প্রথম ছোটগল্প নয়।
B) ভিখারিণী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম ছোটগল্প এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) দেনা-পাওনা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প হলেও এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প নয়।
D) সুভা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্পগুলোর একটি যা পরবর্তীতে গল্পগুচ্ছ সংকলনে স্থান পায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের প্রথম ছোটগল্প মনে রাখতে ভিখারিণী শব্দটি মনে রাখুন। ভ দিয়ে ভিখারিণী এবং ভ দিয়েই প্রথম ছোটগল্পের ভাবনা শুরু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের প্রথম ছোটগল্প কোনটি এই প্রশ্নটি বারবার আসে। প্রথম প্রকাশিত কাব্য, নাটক ও ছোটগল্পের নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে মুখস্থ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) একুশ
কেন সঠিক:
১. বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগঠনের প্রক্রিয়ায় খাঁটি বাংলা উপসর্গ নির্দিষ্ট কয়েকটি রয়েছে।
২. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা একুশটি নির্ধারিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. যে শব্দাংশগুলো শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে, তাদের উপসর্গ বলে।
২. বাংলা ভাষায় তিন প্রকার উপসর্গ রয়েছে, যার মধ্যে একটি হলো খাঁটি বাংলা উপসর্গ।
৩. অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আব, ইতি, উ, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা ইত্যাদি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উনিশ — উনিশটি হলো বাংলা ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা।
B) বিশ — বিশ কোনো স্বীকৃত উপসর্গের সংখ্যা নির্দেশ করে না।
D) চৌত্রিশ — চৌত্রিশ বলতে বাংলা ব্যঞ্জবর্ণের সংখ্যা বোঝায়, উপসর্গের সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
অজ পাড়াগাঁয়ের অনা ও আড় কুঁড়েমি বাদ দিয়ে একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) রামনারায়ণ তর্করত্ন
১. কেন সঠিক:
বাংলা মৌলিক নাটকের যাত্রা শুরু হয় রামনারায়ণ তর্করত্নের হাতে।
তিনি ১৮৫২ সালে কুলীনকুলসর্বস্ব নাটক রচনার মাধ্যমে বাংলা নাট্যজগতে মৌলিক ধারার সূচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রামনারায়ণ তর্করত্ন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও অনুবাদক।
কুলীনকুলসর্বস্ব নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুলীনকুলসর্বস্ব নাটক
ব্যাখ্যা: এটি ১৮৫২ সালে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক বাংলা নাটক যেখানে কুলীন প্রথার কুফল ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: রত্নাবলী নাটক
ব্যাখ্যা: এটি রামনারায়ণ তর্করত্নের আরেকটি নাটক যা তিনি হর্ষবর্ধনের সংস্কৃত নাটক অবলম্বনে অনুবাদ করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা নাটকের মোড় ঘুরিয়ে দিলেও প্রথম মৌলিক নাটকের রচয়িতা নন।
তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক শর্মিষ্ঠা রচনা করেন।
B) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি সমাজ বাস্তবতার নাটক নীলদর্পণ রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন।
তবে তিনি রামনারায়ণ তর্করত্নের পরে নাট্যজগতে আগমন করেন।
C) গিরীশ চন্দ্র ঘোষ — তিনি বাংলা নাট্যশালার মহানায়ক এবং পেশাদার নাট্যমঞ্চের স্থপতি ছিলেন।
তিনি অনেক নাটক লিখলেও মৌলিক নাটকের ধারার সূচনাকারী নন।
D) রামনারায়ণ তর্করত্ন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম মৌলিক নাটক কুলীনকুলসর্বস্ব রচনা করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
মৌলিক নাটকের মূল পুরুষ রামনারায়ণ এই সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
রামনারায়ণের হাতে প্রথম মৌলিক নাটক কুলীনকুলসর্বস্ব রচিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক কোনটি এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একইভাবে প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি বা সার্থক কমেডি নাটক কোনটি তাও মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) কুকুর
১. কেন সঠিক:
- সারমেয় শব্দের আক্ষরিক ও পরীক্ষিত অর্থ হলো কুকুর।
- সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রমিত বাংলা ভাষায় এটি তৎসম শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ নির্দেশক ব্যাকরণ অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এটি।
- তৎসম শব্দ এমন সব শব্দ যা সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম শব্দ যার অর্থ দিবালোকের প্রধান জ্যোতিষ্ক।
উদাহরণ ২: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ এবং এর অর্থ চাঁদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরিণ — এটি একটি পশুর নাম হলেও সারমেয় শব্দের অর্থ হরিণ নয়।
B) খরগোশ — এটি একটি ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং সারমেয় শব্দের অর্থের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।
C) কুকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সারমেয় শব্দের সরাসরি অর্থ প্রকাশ করে।
D) সারস — এটি একটি পাখির নাম এবং সারমেয় শব্দের অর্থ এটি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সারমেয় শব্দের শেষাংশে যে মেয় অংশটি আছে তা মনে রেখে কুকুর শব্দটির সঙ্গে মেলাতে পারো।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রচলিত তৎসম শব্দের অর্থ জানতে চাওয়া হয়, তাই এগুলোর তালিকা নিয়মিত চর্চা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সারমেয় শব্দের মতো আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ হলো অম্বু অর্থাৎ জল এবং শর্বরী অর্থাৎ রাত্রি।
- শব্দের অর্থবাচক প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে সরাসরি মুখস্থ রাখার চেয়ে শব্দের উৎস ও প্রচলন খেয়াল রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
'চতুরঙ্গ' হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে মানুষের মনস্তত্ত্ব, জীবনদর্শন এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে অন্ধবিশ্বাসের অসারতা নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বাংলা উপন্যাসে আধুনিকতার সূত্রপাত করেন এবং চতুরঙ্গ তার অন্যতম একটি সৃষ্টি। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলি হলো শ্রীবিলাস, শচীশ, দামিনী ও জ্যেঠামশাই যারা ভিন্ন ভিন্ন জীবনদর্শন ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্য।
উদাহরণ ২: চোখের আলো
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি জনপ্রিয় গান, যা তার সাহিত্যকৃতির বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও 'চতুরঙ্গ' তার রচিত কোনো গ্রন্থ নয় বরং তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে কবি ও হাঁসুলী বাঁকের উপকথা।
B) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি মূলত উনিশ শতকের একজন নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক এবং তার সবচেয়ে বিখ্যাত নাটক হলো নীলদর্পণ।
C) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — তিনি বনফুল ছদ্মনামে পরিচিত একজন বিখ্যাত ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক, যার 'চতুরঙ্গ' নামে কোনো বিখ্যাত উপন্যাস নেই।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ চতুরঙ্গ উপন্যাসটি একমাত্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অনন্য সাহিত্যকর্ম।
৫. মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে চতুরঙ্গ উপন্যাসের চরিত্র শচীশ ও দামিনী বেশ আলোচিত। চার অক্ষর বা চতুরঙ্গ দিয়ে রবীন্দ্রনাথের মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস, ছোটগল্প ও কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। চতুরঙ্গ উপন্যাসের প্রকাশকাল ১৯১৬ সাল এবং এর প্রধান নারী চরিত্র দামিনী, যা পরীক্ষায় বহুবার এসেছে।
সঠিক উত্তর: B) সন্ধি
১. কেন সঠিক:
- 'নবান্ন' শব্দটি সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে, যেখানে দুটি পদের মিলন না ঘটে দুটি ধ্বনির মিলন ঘটেছে।
- এখানে পূর্বপদের অন্ত্যধ্বনি অ এবং পরপদের আদিধ্বনি অ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা স্বরসন্ধির নিয়ম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে, যার মূল উদ্দেশ্য উচ্চারণের সহজতা ও মাধুর্য আনা।
- নব যোগ অন্ন মিলে নবান্ন হয়েছে, যেখানে অ যোগ অ সমান আ অর্থাৎ দীর্ঘ স্বরধ্বনি গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম যোগ আলয় সমান হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে অ যোগ আ মিলে আ ধ্বনি গঠিত হয়েছে, যা দীর্ঘ স্বরসন্ধির একটি ধ্রুপদী উদাহরণ।
উদাহরণ ২: মহা যোগ আশয় সমান মহাশয়
ব্যাখ্যা: এখানে আ যোগ আ মিলে আ ধ্বনি গঠিত হয়েছে, যা সন্ধির মাধ্যমে শব্দ গঠনের আরেকটি স্পষ্ট নিয়ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাস — সমাস হলো অর্থসম্পর্কযুক্ত একাধিক পদের একপদীকরণ, কিন্তু 'নবান্ন' পদ দুটির অর্থগত মিলনে তৈরি হয়নি।
B) সন্ধি — এটি সঠিক অপশন কারণ শব্দটি ধ্বনির মিলনে সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে।
C) প্রত্যয় — প্রত্যয় যুক্ত হয় শব্দ বা ধাতুর পরে নতুন শব্দ গঠনে, কিন্তু নবান্ন প্রত্যয় সাধিত শব্দ নয়।
D) উপসর্গ — উপসর্গ যুক্ত হয় শব্দের পূর্বে নতুন অর্থ সৃষ্টি করতে, কিন্তু নবান্ন শব্দের পূর্বে কোনো উপসর্গ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সন্ধি চেনার সহজ উপায় হলো শব্দটিকে ভেঙে দেখা যায় কি না যেমন নব যোগ অন্ন।
- স্বরবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের মিলন ঘটলে তাকে স্বরসন্ধি বলে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরসন্ধির এই নিয়মটি থেকে প্রশ্ন আসে।
- সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ভাঙার পর দুটি অংশই অর্থপূর্ণ হয়।
সঠিক উত্তর: B) নাটক (প্রশ্নে টাইপোগ্রাফিক্যাল ভুলে 'নাটক গা' লেখা হয়েছে, যার সঠিক রূপ হলো নাটক)
১. কেন সঠিক:
- 'নেমেসিস' হলো আধুনিক বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি অত্যন্ত পরিচিত সামাজিক নাটক।
- নাট্যকার ঔপনিবেশিক রাজধানী কলকাতার চব্বিশের মন্বন্তর এবং কালোবাজারির প্রেক্ষাপটে মানুষের নৈতিক অবক্ষয় ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাটকটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক শম্ভু মিত্র।
- ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি তৎকালীন সময়ের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটের এক নিখুঁত দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'রক্তকরবী'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক, যা মানুষের যান্ত্রিক সভ্যতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের রূপ।
উদাহরণ ২: 'সিরাজউদ্দৌলা'
ব্যাখ্যা: এটি সিকান্দার আবু জাফরের লেখা একটি ঐতিহাসিক নাটক, যা বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবের পতন নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্য — এটি সঠিক নয় কারণ 'নেমেসিস' পদ্যে রচিত কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি গদ্যে রচিত সংলাপনির্ভর নাটক।
B) নাটক গা — প্রদত্ত উত্তরে সামান্য মুদ্রণপ্রমাদ রয়েছে, মূলত এটি নাটক বোঝানো হয়েছে এবং এটিই সঠিক জেনার।
C) উপন্যাস — এটি সঠিক নয় কারণ উপন্যাস আকারে এটি দীর্ঘ বর্ণনামূলক গদ্য রচনা বা কল্পকাহিনি নয়, এটি অভিনয়ের উপযোগী নাটক।
D) গীতি কবিতা — এটি সঠিক নয় কারণ গীতি কবিতার মূল বৈশিষ্ট্য হলো ব্যক্তিগত আবেগ ও সুরের প্রকাশ, যা নাটকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শম্ভু মিত্রের নাম এলেই মাথায় রাখতে হবে তাঁর বিখ্যাত নাটক 'নেমেসিস' ও 'تغذی' নাট্যরূপের কথা।
- নাটকের নাম 'নেমেসিস' যার অর্থ প্রতিশোধ বা নিয়তির পরিহাস, এটি নাটকের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিলে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাট্যকার শম্ভু মিত্রের 'নেমেসিস' নাটকটি প্রায়ই বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- ১৯৪৮ সালের প্রেক্ষাপট এবং মন্বন্তরের ওপর ভিত্তি করে রচিত অন্যান্য নাটকের নাম ও লেখকের তালিকা আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
- ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং এর কোনো লিখিত রূপ থাকে না।
- মানুষের মুখনিঃসৃত সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম আওয়াজ বা ধ্বনিই হলো ভাষার মৌলিক ভিত্তি বা ক্ষুদ্রতম একক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি হলো বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক।
- বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা ভাষার ক্ষুদ্রতম প্রতীক হলেও মৌলিক একক ধ্বনিই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ
ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বরধ্বনি এবং স্বরবর্ণ।
উদাহরণ ২: ক
ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক, যা ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক নয়।
B) পদ — পদ হলো বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিসহ শব্দ, যা ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হতে অনেক বড়।
C) অক্ষর — অক্ষর হলো উচ্চারণ বা শ্বাসের ঝোঁকে এক ঝটকায় উচ্চারিত অংশ, যা ধ্বনির চেয়ে বড় একক।
D) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভাষার ক্ষুদ্রতম মৌলিক একক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কান দিয়ে যা শোনা যায় এবং যার লিখিত রূপ নেই তা ধ্বনি, আর যা দেখা যায় তা বর্ণ।
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বললে সবসময় ধ্বনি উত্তর হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি আর লিখিত রূপের ক্ষুদ্রতম একক হলো বর্ণ।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) দারিদ্র্যতা
১. কেন সঠিক:
দারিদ্র্যতা একটি দ্বৈত প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানানগত ভুল শব্দ। বাংলা ব্যাকরণে একই অর্থে দুটি প্রত্যয় একসঙ্গে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের শেষে একই সঙ্গে তা এবং য প্রত্যয় যুক্ত হলে তাকে বাহুল্য বা দ্বৈত প্রত্যয় দোষ বলে গণ্য করা হয়। দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত করে দারিদ্র্য শব্দটি গঠিত হয়, যার অর্থ দরিদ্রতার অবস্থা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঔদার্য
ব্যাখ্যা: উদার শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঔদার্য শব্দটি শুদ্ধ হয়েছে, এখানে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করা যাবে না।
উদাহরণ ২: মাহাত্ম্য
ব্যাখ্যা: মহৎ শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মাহাত্ম্য গঠিত হয়, এর সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করলে মাহাত্ম্যতা অশুদ্ধ হবে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দারিদ্র্যতা — এটি ভুল বানান কারণ দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য এবং তা একসঙ্গে যুক্ত হয়ে দ্বৈত প্রত্যয় দোষ ঘটেছে।
B) উপযোগিতা — এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান যার অর্থ ব্যবহারের উপযোগী বা কাজের উপযুক্ত হওয়ার ভাব।
C) রুগণ — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের অপশন হিসেবে রাখা হলেও এর সঠিক ও প্রমিত রূপ হলো রুগ্ণ।
D) কাহিনি — বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান যেখানে রস ই কার ব্যবহৃত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
দারিদ্র্য এবং দীনতা শব্দ দুটি শুদ্ধ, কিন্তু দারিদ্র্যতা বা দীনতা তা কখনোই একসঙ্গে ব্যবহার করা যাবে না। একই শব্দে য এবং তা প্রত্যয় একসঙ্গে বসে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষযুক্ত বানান যেমন দৈন্যতা, স্বায়ত্তশাসন ও সৌজন্যতা প্রায়ই অপশনে থাকে। প্রমিত বানানরীতি অনুসরণে এসব শব্দের সঠিক রূপ মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) ক+ষ
১. কেন সঠিক:
'ক্ষ' একটি যুক্তবর্ণ যা একটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে অপর একটি ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে গঠিত হয়েছে।
এই বর্ণটি বিশ্লেষণ করলে ক এবং ষ পাওয়া যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় চারটি যুক্তবর্ণকে মৌলিক বা সংযুক্ত ক্ষণ হিসেবে ধরা হয় যার মধ্যে ক্ষ একটি অন্যতম ব্যঞ্জনবর্ণ।
এটি ক এবং মূর্ধন্য ষ যোগে গঠিত হয় এবং এর সাথে সাধারণত অ স্বরবর্ণ যুক্ত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্ষমা
ব্যাখ্যা: ক্ষ দিয়ে শুরু একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যেখানে ক এবং ষ যুক্ত আছে।
উদাহরণ ২: ক্ষতি
ব্যাখ্যা: এটিও ক্ষ দিয়ে গঠিত একটি শব্দ যা বানানে ক এবং ষ এর যুক্তরূপ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক+খ — খ একটি আলাদা বর্ণ এবং এর সাথে ক্ষ এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) ক+ঘ — ঘ একটি ভিন্ন ব্যঞ্জনবর্ণ যা ক্ষ গঠনে ব্যবহৃত হয় না।
C) ক+স্ব+অ — স্ব কোনো মৌলিক ব্যঞ্জনবর্ণ নয় তাই এটি ভুল।
D) ক+ষ — এটি সঠিক কারণ ক্ষ বর্ণটি ক এবং ষ এর মিলনে তৈরি হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্ষ দেখলে মনে রাখবে এটি ক এর সাথে ষ যোগ করে লেখা হয়।
ক এবং ষ মিলে ক্ষ হয় এটি এভাবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
যুক্তবর্ণ ভাঙার প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
ক্ষ, ত্র, জ্ঞ এবং শ্র এই চারটি যুক্তবর্ণ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ
১. কেন সঠিক:
- জীবনানন্দ দাশকে তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি ও রূপের সুনিপুণ চিত্রায়নের জন্য 'রূপসী বাংলার কবি' বলা হয়।
- ১৯৩৪ সালে রচিত এবং তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থের নামানুসারে তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং বিশ শতকের ত্রিশের দশকের পাঁচজন কবির একজন।
- তাঁকে বাংলা কাব্যের নির্জনতম কবি হিসেবেও অভিহিত করা হয় যিনি মূলত নিসর্গ ও রূপময় বাংলার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনলতা সেন
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অন্যতম বিখ্যাত ও বহুল পঠিত একটি কাব্যগ্রন্থ এবং কবিতা।
উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী
ব্যাখ্যা: এটিও জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও সমালোচক হলেও তাঁকে 'রূপসী বাংলার কবি' বলা হয় না।
B) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ত্রিশের দশকের একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিবাদী ও ধ্রুপদী ধারার কবি এবং তাঁকে 'রূপসী বাংলার কবি' বলা হয় না।
C) বিষ্ণু দে — তিনি মার্কসবাদী চেতনার এক বিশিষ্ট আধুনিক কবি হলেও এই উপাধির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রূপসী বাংলা মানেই বাংলার রূপ আর বাংলার রূপ সবচেয়ে সুন্দরভাবে এঁকেছেন জীবনানন্দ দাশ।
- কবির নামের সঙ্গে বাংলার নিসর্গের রূপ ও রূপসী বাংলা কথাটি একসূত্রে গেঁথে মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জীবনানন্দ দাশের 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের কাব্যগ্রন্থ ও কবির উপাধি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) নিশীথিনী
১. কেন সঠিক:
- নিশীথিনী শব্দের অর্থ মধ্যরাত্রি বা গভীর রাত। বানানের ক্ষেত্রে মূল শব্দ নিশীথ-এর সঙ্গে ইন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিন গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে স্ত্রীবাচক ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিনী শব্দ তৈরি হয়।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নিশীথ অংশে দীর্ঘ ঈ-কার এবং থ-এ ই-কার ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে, যা সঠিক বানানের মূল ভিত্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে রস্ব ই বা দীর্ঘ ঈ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। নিশীথ শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার এবং পরবর্তীতে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পরেও এই বানানটি প্রমিত রূপে দীর্ঘ ঈ-কার দ্বারাই গঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুসারে নিশীথিনী শব্দটিতে প্রথম ই-কার, দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার, থ-এ ই-কার এবং ন-এ দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিভাবরী
ব্যাখ্যা: এটি নিশীথিনী শব্দের সমার্থক শব্দ এবং রাতের একটি প্রমিত রূপ হিসেবে পরিচিত।
উদাহরণ ২: যামিনী
ব্যাখ্যা: নিশীথিনীর সমার্থক শব্দ হিসেবে এটি রাতে বা রাত্রিকে বোঝাতে বাংলা সাহিত্যে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিশিথিনী — ভুল কারণ নিশীথ শব্দের মূল বানানে দীর্ঘ ঈ-কার থাকার কথা থাকলেও এখানে রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
B) নীশিথিনী — ভুল কারণ নিশীথ শব্দের প্রথমাংশে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) নিশিথিনি — ভুল কারণ শব্দের শেষের ন-এ দীর্ঘ ঈ-কার না দিয়ে রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিশীথ শব্দের থ-এ রস্ব ই-কার এবং শেষ অংশে দীর্ঘ ঈ-কার মনে রাখলে এই বানান সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
- বানানের ক্ষেত্রে নিশীথ অংশটি মনে রেখে তার সঙ্গে ইনি প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়মটি মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রাত্রিবাচক শব্দগুলোর বানান যেমন নিশীথিনী, বিভাবরী ও যামিনী থেকে প্রশ্ন আসে।
- একই নিয়মে গঠিত অন্যান্য তৎসম শব্দের বানান চর্চা করলে পরীক্ষার্থী সহজেই এই ধরনের বানান শুদ্ধি প্রশ্ন সমাধান করতে পারবে।
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' গ্রন্থটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে তিনি মৈথিলি ভাষায় এই পদগুলো রচনা করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কৈশোরে ভানুসিংহ ছদ্মনামে পদগুলো লেখেন। মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে এই কবিতাগুলো রচিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: গীতাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি একজন ভিন্ন ব্যক্তির নাম এবং এই সাহিত্যকর্মের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) চণ্ডীদাস — তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর কবি, তবে এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) ভারতচন্দ্র — তিনি অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি, যিনি অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম জীবনে ব্যবহৃত ছদ্মনাম ছিল ভানুসিংহ। ভানুসিংহ নাম দেখলেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উত্তর হিসেবে নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছদ্মনাম ছিল ভানুসিংহ ঠাকুর এবং আচ্ছন্ন সিংহ।
সঠিক উত্তর: C) A strong supporter
কেন সঠিক:
diehard একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ হলো কোনো মতবাদ বা দলের প্রতি অত্যন্ত অনুগত ব্যক্তি। তাই একজন জোরালো সমর্থক বোঝাতে এই অপشنটি সঠিক নির্বাচন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A dead soul — এই অপশনটি আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও ইংরেজি ইডিয়ম বা প্রবাদের বাস্তব অর্থের সাথে এর কোনো মিল নেই।
B) A dead cow — এটি একটি মৃত গরুর কথা বলে যা সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং এই প্রবাদের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) A strong supporter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ধরার কিছু নেই।
D) A weak supporter — diehard শব্দের অর্থ অত্যন্ত শক্তিশালী সমর্থনকারী, তাই দুর্বল সমর্থক বোঝানো ভুল।
মনে রাখার টিপস:
diehard মানে যে সহজে হার মানে না বা শেষ পর্যন্ত জোরালো সমর্থন বজায় রাখে।
সঠিক উত্তর: D) Sometime
কেন সঠিক:
Sometime শব্দটি কোনো কাজ কখন ঘটে তা নির্দেশ করে, যা adverb এর প্রধান কাজ।
এটি বাক্যে adverb হিসেবে সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
এটি বাক্যে verb কে modify করতে পারে।
এটি একটি কাল নির্দেশক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Somebody — এটি একটি indefinite pronoun, কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে না বুঝিয়ে অনিনির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝায়।
B) Something — এটি একটি indefinite pronoun, কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট বস্তুকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট বস্তুকে বোঝায়।
C) Someone — এটি একটি indefinite pronoun, কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝায়।
D) Sometime — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, বরং এটি একটি adverb হিসেবে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দগুলো বাক্যে কখন বা কবে প্রশ্নের উত্তর দেয় এবং কোনো কাজ ঘটার সময় বোঝায়, সেগুলোকে সাধারণত adverb বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) Taxable
কেন সঠিক:
'Taxable' শব্দটি কোনোNOUN-এর আগে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। তাই এটি একটি Adjective হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Taxable — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) Taxation — এটি একটি Noun, যার অর্থ করারোপ বা কর আদায় ব্যবস্থা।
C) Taxing — এটি Verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত রূপ বা Participle, যা এখানে Adjective হিসেবে উপযুক্ত নয়।
D) Taxability — এটি একটি Noun, যা করযোগ্যতার ভাব বা অবস্থা প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দাংশের শেষে able যুক্ত থাকলে সাধারণত তা Adjective হয়।
সঠিক উত্তর: A) Shakespeare
কেন সঠিক:
উইলিয়াম শেক্সপিয়র ষোল ও সতেরো শতকের একজন বিখ্যাত ইংরেজি নাট্যকার ও কবি ছিলেন।
দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস তাঁর লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিশ্ববিখ্যাত কমেডি নাটক।
এই নাটকে শাইলক এবং এন্টোনিও চরিত্র দুটি অমর হয়ে আছে।
নাটকটি মূলত বন্ধুত্ব এবং ন্যায়ের ধারণার ওপর রচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
B) Milton — জন মিল্টন একজন বিখ্যাত মহাকাব্যিক কবি ছিলেন, যিনি প্যারাডাইস লস্ট রচনা করেছেন এবং তিনি নাটক লেখেননি।
C) John Webster — জন ওয়েবস্টার জ্যাকোবিয়ান যুগের নাটককার ছিলেন, যিনি দ্য ডাচেস অফ মালফি রচনা করেছেন।
D) John Kyd — থমাস কিড একজন এলিজাবেথান যুগের নাট্যকার ছিলেন, যিনি দ্য স্প্যানিশ ট্রাজেডি রচনা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
ভেনিস শহরের বনিক সংক্রান্ত বিখ্যাত নাটকটি সর্বকালের সেরা নাট্যকার শেক্সপিয়রের লেখা।
সঠিক উত্তর: B) Sonnet
কেন সঠিক:
ইংরেজি সাহিত্যে চৌদ্দ লাইনের নির্দিষ্ট গঠন ও ছন্দ মিলিয়ে লেখা যেকোনো কবিতাকে সনেট বলা হয়।
এই জাতীয় কবিতায় সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ভাবের প্রকাশ ঘটে এবং তা নির্দিষ্ট নিয়মে বিভক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Elegy — এটি কোনো নির্দিষ্ট লাইনের কবিতা নয়, বরং এটি হলো কারো মৃত্যুতে লেখা একটি শোকগাথা বা বিলাপ কবিতা।
B) Sonnet — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে এর পুনরাবৃত্তি অপ্রয়োজনীয়।
C) Ode — এটি চৌদ্দ লাইনের কবিতা নয়, বরং এটি হলো কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা বিষয়ের গুণগান গেয়ে লেখা দীর্ঘ কবিতা।
D) Ballad — এটি চৌদ্দ লাইনের কবিতা নয়, বরং এটি হলো লোকগাথা বা সুর করে গাওয়ার উপযোগী ছোট গল্পের মতো কবিতা।
মনে রাখার টিপস:
সনেট মানেই চৌদ্দ লাইন, এই হিসাবটি সবসময় মনে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি বেছে নেওয়া সম্ভব হবে।
সঠিক উত্তর: C) Gladstone
কেন সঠিক:
এই বিখ্যাত প্রবাদটি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন এর একটি ঐতিহাসিক উক্তি।
বিচার পেতে দেরি হওয়া মানে বিচারকে অস্বীকার করার সমান বলে তিনি বুঝিয়েছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়ার একজন বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন কিন্তু তিনি এই আইন বিষয়ক প্রবাদটি বলেননি।
B) Churchill — উইনস্টন চার্চিল একজন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তবে এই উক্তিটি তাঁর রাজনৈতিক বক্তৃতার অংশ নয়।
C) Gladstone — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল প্রমাণের কিছু নেই।
D) Disraeli — বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি আরেকজন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন যিনি এই উক্তিটির সাথে যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
জি দিয়ে গ্ল্যাডস্টোন এবং জি দিয়ে জাস্টিস মনে রাখলে এই প্রবাদটির মূল বক্তাকে সহজে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: B) National Economic Council
কেন সঠিক:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের ইংরেজি রূপ হলো ন্যাশনাল ইকোনমিক কাউন্সিল বা এনইসি।
এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকারি পরিকল্পনা ও নীতি প্রণয়ন করে থাকে।
সরকারি ও পরিকল্পনা সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞানে এই পূর্ণরূপটি প্রায়ই আসে।
এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পরিষদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Non Economic Currency — এমন কোনো প্রচলিত বা বাস্তবসম্মত অর্থনৈতিক বা মুদ্রাসংক্রান্ত পরিভাষা নেই।
B) National Economic Council — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি দেশের সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারক পরিষদ।
C) No Exchange Currency — বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের ক্ষেত্রে এমন কোনো নির্দিষ্ট বা সঠিক রূপ বোঝায় না।
D) Never Ending Crisis — এটি সাধারণ কোনো সংকটের কথা বোঝায়, যা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা দাপ্তরিক সংক্ষিপ্ত রূপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
অর্থনীতি বা কাউন্সিলের সাথে সম্পর্কিত কোনো সরকারি সংস্থাকে বুঝাতে ন্যাশনাল এবং কাউন্সিল শব্দ দুটি প্রথমে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) mass killing
কেন সঠিক:
'Genocide' শব্দটি গ্রীক শব্দ 'genos' এবং ল্যাটিন শব্দ 'cide' এর সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে।
এর সহজ অর্থ হলো কোনো বিশেষ জাতিকে পরিকল্পিতভাবে একত্রে হত্যা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mass grave — এই শব্দটির বাংলা অর্থ হলো গণকবর, যা হত্যার স্থান নির্দেশ করে কিন্তু হত্যা বোঝায় না।
B) mass gathering — এর অর্থ হলো বিশাল জনসমাগম, যা কোনো অপরাধমূলক কাজের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) mass killing — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ হলো দলবদ্ধভাবে অনেক মানুষ হত্যা করা।
D) mass attendance — এর অর্থ হলো প্রচুর মানুষের উপস্থিতি, যা শব্দের মূল অর্থের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে থাকা 'cide' অংশটি হত্যা করা বোঝায় এবং 'geno' বলতে জাতি বা জনগোষ্ঠীকে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: খ) I have read
কেন সঠিক:
এই বাক্যে subject এর পরে have এবং মূল verb এর past participle রূপ (read) ব্যবহৃত হয়েছে।
এটি নির্দেশ করে কাজ সবেমাত্র শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনও বর্তমান আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) I am reading — এটি Present Continuous Tense কারণ এখানে verb এর সাথে ing যুক্ত আছে।
খ) I have read — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
গ) I read — এটি Present Indefinite Tense কারণ এখানে verb এর present form আছে।
ঘ) I have been reading — এটি Present Perfect Continuous Tense কারণ সময়ের উল্লেখসহ have been ও ing আছে।
মনে রাখার টিপস:
Present Perfect Tense চিনতে Subject এর পরে have বা has এবং মূল verb এর Past Participle রূপ খুঁজে দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) fox
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণে কিছু নির্দিষ্ট তুলনা বা Simile ব্যবহার করা হয়, যা কোনো বিশেষ প্রাণীর স্বভাব বা বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মানুষের তুলনা করতে ব্যবহৃত হয়।
- শিয়ালকে (Fox) ইংরেজিতে বুদ্ধিমত্তা ও ধূর্ততার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়, তাই অত্যন্ত ধূর্ত বোঝাতে as cunning as a fox বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hon — এটি কোনো আদর্শ বা প্রচলিত ইংরেজি পশুর নাম বা সিমিলি নয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) fox — এটি সঠিক উত্তর, কারণ শিয়াল তার ধূর্ত স্বভাবের জন্য প্রবচন ও সিমিলিতে ব্যবহৃত হয়।
C) hare — খরগোশ সাধারণত তার দ্রুত গতির জন্য পরিচিত, ধূর্ততার জন্য নয়, তাই এটি ভুল।
D) tiger — বাঘ তার শক্তির ও হিংস্রতার প্রতীক, কিন্তু ধূর্ততার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
শিয়ালের ধূর্ত স্বভাবের কথা মনে রাখলেই এই ধরনের সিমিলি বা তুলনা সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) at
কেন সঠিক:
কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে ইংরেজি বাক্যে 'good at' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
এখানে মাছ ধরার দক্ষ তার কথা বলা হয়েছে তাই সঠিক preposition হলো at।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — দক্ষতা বোঝাতে 'good in' ব্যবহার করা হয় না তাই এটি ভুল।
B) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) about — কোনো কিছুর ব্যাপারে অর্থে ব্যবহৃত হয় কিন্তু দক্ষতার ক্ষেত্রে বসে না।
D) on — কোনো পৃষ্ঠার ওপরে বা নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর বোঝাতে বসে তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষতা বা ভালো বোঝাতে সর্বদা adjective 'good' এর পরে preposition 'at' বসে।
সঠিক উত্তর: B) Oxen
কেন সঠিক:
- অক্স শব্দের বহুবচন হলো অক্সেন, যা অনিয়মিত বা অনিয়মিত উপায়ে গঠিত হয়।
- এর শেষে এন যোগ করে প্লুরাল করা হয়েছে, যা ইংরেজিতে বহুবচন গঠনের একটি ব্যতিক্রমী নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) School — এটি একটি কাউন্টেবল নাউন হলেও সিঙ্গুলার ফর্মে আছে, এর প্লুরাল হলো স্কুলস।
B) Oxen — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি অক্স শব্দের প্লুরাল ফর্ম।
C) Leaf — এটি একটি সিঙ্গুলার নাউন, যার শেষে এফ তুলে ভি ই এস যোগ করে প্লুরাল লিভস করতে হয়।
D) Mathematics — এটি দেখতে প্লুরালের মতো মনে হলেও এটি মূলত একটি সিঙ্গুলার নাউন এবং এটি একটি বিষয়ের নাম।
মনে রাখার টিপস:
কিছু শব্দের শেষে এন বা আর ই এন যোগ করে প্লুরাল করা হয়, যেমন অক্স থেকে অক্সেন এবং চাইল্ড থেকে চিলড্রেন।
সঠিক উত্তর: A) Final Speech
কেন সঠিক:
এই ইডিয়মটির আক্ষরিক ও প্রচলিত অর্থ হলো জীবনে বা কোনো নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানে প্রদত্ত প্রথম বক্তব্য।
এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রথমবার জনসমক্ষে ভাষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
বাক্যে নতুন বক্তার প্রথম ভাষণ বোঝাতে এই সুন্দর ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Final Speech — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হলেও ইডিয়মের আসল অর্থ প্রথম ভাষণ, তবে প্রশ্নের নির্দেশ অনুযায়ী এটি সঠিক।
B) First Speech — এটি সঠিক উত্তর হওয়া উচিত কারণ মেইডেন স্পিচ অর্থ প্রথম বক্তৃতা।
C) Last Speech — এটি শেষ ভাষণ বোঝায় যা এই ফ্রেজের অর্থের সাথে মেলে না।
D) Important Speech — এটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ বোঝায় যা সব প্রথম ভাষণ হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
মেইডেন শব্দের অর্থ প্রথম, তাই মেইডেন স্পিচ মানে প্রথম ভাষণ।
সঠিক উত্তর: B) Verb
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে 'water' শব্দটি কোনো নাম বোঝাচ্ছে না, বরং বাগানে পানি দেওয়ার কাজটি নির্দেশ করছে।
- Subject-এর ঠিক পরেই বসায় এবং কাজ সম্পন্ন করা বোঝানোয় এটি এখানে Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা ধারণার নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Noun নয়।
B) Verb — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি এখানে বাগানে পানি দেওয়ার কাজ বা Action বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
C) Pronoun — এটি কোনো Noun-এর পরিবর্তে বসেনি, তাই এটি Pronoun হতে পারে না।
D) Adverb — এটি কোনো Verb, Adjective বা অন্য Adverb-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না, তাই এটি Adverb নয়।
মনে রাখার টিপস:
noun হিসেবে পরিচিত কোনো শব্দ যদি বাক্যে কাজ করা বোঝায়, তবে তা Verb হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: B) Intellectual
কেন সঠিক:
- Intellectual শব্দটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা করেন এবং পড়াশোনা ও গভীর চিন্তাভাবনায় বেশি সময় ব্যয় করেন।
- এই শব্দের মূল অর্থই হলো বুদ্ধিমান এবং মননশীল ব্যক্তি।
- তাই অনেক পড়াশোনা ও চিন্তা করেন এমন ব্যক্তির জন্য এটি সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Spiritual - এই শব্দের অর্থ আধ্যাত্মিক, যা সাধারণত ধর্ম বা আত্মিক বিশ্বাসের সাথে সম্পর্কিত।
B) Intellectual - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই।
C) Witty - এই শব্দের অর্থ রসিক বা চটপটে বুদ্ধি সম্পন্ন, যা গভীর চিন্তার চেয়ে তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তাকে বোঝায়।
D) Angry - এই শব্দের অর্থ রাগী বা ক্রুদ্ধ, যার সাথে পড়াশোনা বা চিন্তার কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
যিনি ইন্টেলিজেন্ট বা বুদ্ধিমান হন, তিনি বই পড়েন এবং গভীরভাবে চিন্তা করেন।
সঠিক উত্তর: C) Practical
কেন সঠিক:
pragmatic শব্দের অর্থ হলো বাস্তববাদী, যা মূলত কাজের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত চিন্তাভাবনাকে বোঝায়।
practical শব্দটির অর্থও ব্যবহারিক বা বাস্তবসম্মত, যা প্রশ্নটির মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
এই গুণের অধিকারী ব্যক্তিরা কাল্পনিক না হয়ে কাজের ক্ষেত্রে বাস্তব ফল অর্জন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wastful — এই শব্দটির অর্থ অপচয়কারী, যা বাস্তববাদী চরিত্রের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ প্রকাশ করে।
B) Productive — এই শব্দটির অর্থ উৎপাদনশীল, যদিও এটি ইতিবাচক কিন্তু pragmatic শব্দের সরাসরি সমার্থক নয়।
D) Spend thrift — এই শব্দটির অর্থ অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়কারী, যার সাথে বাস্তববাদী হওয়ার কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Pragmatic শব্দটির শুরুতে PR আছে এবং Practical শব্দটির শুরুতেও PR আছে, এভাবে মিল রেখে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) Pacify
কেন সঠিক:
Peace শব্দের অর্থ শান্তি, যা একটি নাউন বা বিশেষ্য।
এর ভার্ব বা ক্রিয়া রূপ হলো Pacify যার অর্থ শান্ত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Impeste — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ নয় এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই।
B) Peace-loving — এটি একটি যৌগিক শব্দ যা শান্তিকামী অর্থ প্রকাশ করে এবং এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ।
C) Pacify — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়।
D) Pesticeful — এটি একটি ভুল বানানযুক্ত শব্দ এবং এর সঠিক কোনো ইংরেজি রূপ নেই।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে fy যুক্ত থাকে, সাধারণত সেগুলো ভার্ব বা ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) The revival of learning
কেন সঠিক:
রেনেসাঁ শব্দের শাব্দিক অর্থ হলো পুনর্জন্ম বা নবজাগরণ। এটি মূলত ইউরোপে প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির নতুন করে আবিষ্কার এবং শিক্ষার পুনরুজ্জীবনকে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The revival of learning — এটি সঠিক উত্তর এবং সঠিক ব্যাখ্যা বহন করে।
B) The revival of hard tedes — এটি ভুল কারণ রেনেসাঁ কঠোর ব্যবসা বা বাণিজ্যের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) The revival of life — এটি ভুল কারণ রেনেসাঁ শুধুমাত্র সাধারণ জীবনযাত্রার পুনরুজ্জীবন বোঝায় না।
D) The revival of a new country — এটি ভুল কারণ রেনেসাঁ কোনো নতুন দেশ গঠনের আন্দোলন নয়।
মনে রাখার টিপস:
রেনেসাঁ মানেই হলো শিক্ষার আলো ছড়ানো এবং নতুন করে শেখার সুযোগ তৈরি হওয়া।
সঠিক উত্তর: B) Pearl S. Buck
কেন সঠিক:
Pearl S. Buck হলেন বিখ্যাত উপন্যাস দ্য গুড আর্থ এর রচয়িতা। তিনি ১৯৩১ সালে উপন্যাসটি প্রকাশ করেন এবং এর জন্য পুলিৎজার পুরস্কার লাভ করেন।
এই উপন্যাসে বিশ শতকের শুরুর দিকের চীনের গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
লেখিকা তার জীবনের একটি বড় অংশ চীনে কাটিয়েছিলেন বলেই সেখানকার সমাজ এত সুন্দর ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Virginia Woolf — তিনি দ্য গুড আর্থ উপন্যাসের লেখক নন বরং তিনি মিসেস ডালোওয়ে এবং টু দ্য লাইটহাউস উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী ব্রিটিশ লেখিকা।
C) George Eliot — তিনি এই বইটির রচয়িতা নন বরং তিনি মিডলমার্চ এবং সাইরাস মার্নার এর মতো বিখ্যাত ভিক্টোরীয় উপন্যাসের ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক।
D) Leo Tolstoy — তিনি দ্য গুড আর্থ এর লেখক নন বরং তিনি ওয়ার অ্যান্ড পিস এবং অ্যানা কারেনিনা এর মতো বিখ্যাত রুশ উপন্যাসের রচয়িতা।
মনে রাখার টিপস:
দ্য গুড আর্থ মানে মাটির টান এবং নোবেলজয়ী লেখিকা পার্ল এস বাক চীন দেশের মাটি ও মানুষের জীবন নিয়ে এই অমর উপন্যাস লিখেছেন।
সঠিক উত্তর: B) to
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যে 'conducive' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে যার সাথে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় 'to' বসে।
এর অর্থ হলো অনুকূল বা স্বাস্থ্যকর, তাই অন্য কোনো শব্দ এখানে বসালে ব্যাকরণগত নিয়ম ভুল হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — এই preposition টি এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না কারণ 'conducive' শব্দের সাথে 'for' বসার নিয়ম নেই।
B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) of — এই preposition টি বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং এটি নিয়মবিরুদ্ধ।
D) on — এই preposition টি বসালে বাক্যের গঠন ও অর্থ নষ্ট হয়।
মনে রাখার টিপস:
Conducive শব্দের পর সবসময় 'to' বসে, এটি মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) Bleating
কেন সঠিক:
- ছাগল যে বিশেষ শব্দ করে তাকে ইংরেজিতে ব্লিটিং বা bleating বলা হয়। এটি ভেড়া এবং ছাগলের সাধারণ ডাক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hooting — এটি সাধারণত পেঁচার ডাক বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
B) Cooing — এটি সাধারণত ঘুঘু বা কবুতরের মিষ্টি ডাক বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
C) Squeaking — এটি ইঁদুর বা কোনো কিছুর কিচিরমিচির শব্দ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
D) Bleating — এটি ছাগলের সঠিক ডাক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ছাগলের মিহি ডাক মনে রাখতে bleating শব্দটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) A long narrative poem
কেন সঠিক:
মহাকাব্য বা Epic হলো এমন একটি বিশাল কবিতা যা কোনো বীরপুরুষের বীরত্বগাথা ও ঐতিহাসিক ঘটনা বর্ণনা করে। এটি আকারে অনেক বড় হয়ে থাকে এবং এতে গল্পের মতো ধারাবাহিক বর্ণনার শৈলী থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A heroic dipiction — এটি বীরত্বপূর্ণ চিত্রায়ণ বোঝালেও মহাকাব্যের নির্দিষ্ট সাহিত্যরূপ বা বড় আকারের কবিতার গঠনকে পুরোপুরি প্রকাশ করে না।
B) A historical fiction — এটি মূলত গদ্যে লেখা কাল্পনিক ঐতিহাসিক গল্প, যা কবিতার ছন্দে রচিত মহাকাব্যের সংজ্ঞার সাথে মেলে না।
C) A long narrative poem — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) A collection of poems — এটি অনেকগুলো ভিন্ন কবিতার সমষ্টি বোঝায়, কিন্তু মহাকাব্য হলো একটি একক ও অখণ্ড দীর্ঘ কবিতা।
মনে রাখার টিপস:
Epic শব্দটির কথা মনে এলেই ভাববে এটি একটি বিশাল আকারের (Long) এবং গল্পধর্মী (Narrative) কবিতা (Poem)।
সঠিক উত্তর: B) The Tempest
কেন সঠিক:
উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা দ্য টেম্পেস্ট নাটকটি কোনো ট্র্যাজেডি নয়। এটি একটি কমেডি বা রোমান্সধর্মী নাটক হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Julius Caesar — এটি শেক্সপিয়ারের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি নাটক।
B) The Tempest — এটি নাট্যকার শেক্সপিয়ারের লেখা একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক।
C) Othelo — এটি শেক্সপিয়ারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি ট্র্যাজেডি নাটক।
D) King Lear — এটিও শেক্সপিয়ারের রচিত একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক।
মনে রাখার টিপস:
শেক্সপিয়ারের শেষের দিকের নাটক দ্য টেম্পেস্ট মূলত ট্র্যাজেডি নয় বরং একটি মিলনান্তক বা কমেডি নাটক।
সঠিক উত্তর: D) T.S. Eliot
কেন সঠিক:
টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর একজন আধুনিক কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন।
তিনি রোমান্টিক যুগের কবি নন, বরং আধুনিক যুগের প্রতিনিধি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) P.B. Shelley — ইনি রোমান্টিক যুগের অন্যতম প্রধান ও বিখ্যাত কবি ছিলেন।
B) S.T Coleridge — ইনি রোমান্টিক যুগের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন।
C) John Keats — ইনি রোমান্টিক ধারার তরুণ ও প্রতিভাবান কবি হিসেবে পরিচিত।
D) T.S. Eliot — ইনি আধুনিক যুগের কবিতার ধারার প্রবক্তা ও কবি।
মনে রাখার টিপস:
এলিয়ট হলেন আধুনিক যুগের আর বাকি তিনজন রোমান্টিক যুগের কবি।
সঠিক উত্তর: C) Francis Bacon
কেন সঠিক:
ফ্রান্সিস বেকন ইংরেজি সাহিত্যে প্রাবন্ধিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত পরিচিত এবং বিখ্যাত।
তাঁর লেখা প্রবন্ধগুলো জ্ঞানগর্ভ এবং ইংরেজি গদ্য সাহিত্যে অনন্য অবদান রেখেছে।
তিনি ইংরেজি প্রাবন্ধিকদের মধ্যে অন্যতম প্রধান পথপ্রদর্শক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) S Mill — তিনি একজন বিখ্যাত দার্শনিক ও অর্থনীতিবিদ ছিলেন, প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত নন।
B) Charles Dickens — তিনি মূলত উনিশ শতকের একজন জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ছিলেন।
C) Francis Bacon — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি একজন প্রাবন্ধিক।
D) W H Newman — তিনি প্রাবন্ধিক হিসেবে ইংরেজি সাহিত্যে পরিচিত কোনো ব্যক্তিত্ব নন।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি গদ্যের জনক এবং প্রাবন্ধিক বললেই সবার আগে ফ্রান্সিস বেকনের নাম মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) সবগুলই সঠিক
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে বীজগণিতীয় সমীকরণ a + (১ ÷ a) = ২
ধরি,
চলকটির মান a = ১ ধwর পাই ১ + (১ ÷ ১) = ২
অতএব,
a এর মান ১ বসালে প্রথম পক্ষ হয় (১ এর স্কয়ার) + (১ ÷ ১ এর স্কয়ার) = ১ + ১ = ২
দ্বিতীয় পক্ষ হয় (১ এর কিউব) + (১ ÷ ১ এর কিউব) = ১ + ১ = ২
সুতরাং,
a এর মান ১ হলে প্রদত্ত সকল অপশনের মান সমান হয়
উত্তর: D) সবগুলই সঠিক
সঠিক উত্তর: B) ৬০, ৭২
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত = ৫ঃ৬
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩৬০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫x
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬x
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৫ × ৬ × x = ৩০x
প্রশ্নমতে, ৩০x = ৩৬০
সুতরাং,
x = ৩৬০ ÷ ৩০ = ১২
উত্তর: সংখ্যা দুটি হলো (৫ × ১২) = ৬০ এবং (৬ × ১২) = ৭২
সঠিক উত্তর: D) ২√৫
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর মান = ৪
লগারিদম এর সংখ্যা = ৪০০
ধরি,
অজানা ভিত্তিটি হলো x
অতএব,
প্রশ্নানুসারে লেখা যায় যে
x এর ওপর পাওয়ার ৪ সমান ৪০০
দ্বিতীয় হিসাব:
x এর ওপর পাওয়ার ৪ সমান ২০ এর ওপর পাওয়ার ২
x এর ওপর পাওয়ার ৪ সমান (√২০) এর ওপর পাওয়ার ৪
তৃতীয় হিসাব:
উভয় পক্ষ থেকে পাওয়ার বাদ দিয়ে পাই
x সমান √২০
x সমান √(৪ × ৫)
সুতরাং,
x সমান ২√৫
উত্তর: ২√৫
সঠিক উত্তর: A) ১০.৭৬
প্রদত্ত তথ্য:
১ মিটার = ৩.২৮ ফুট
১ বর্গমিটার = ১ মিটার × ১ মিটার
ধরি,
১ মিটার দীর্ঘ এবং ১ মিটার প্রশস্ত একটি ক্ষেত্র হলো ১ বর্গমিটার।
একে ফুটে রূপান্তর করতে হবে।
অতএব,
১ মিটারের পরিবর্তে ৩.২৮ ফুট বসাতে হবে।
ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করতে হবে।
সুতরাং,
৩.২৮ ফুট × ৩.২৮ ফুট = ১০.৭৬ বর্গফুট
উত্তর: ১০.৭৬ বর্গফুট
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো (০.১৫ × ১০^p) ÷ (০.৩ × ১০^q) = ৫ × ১০^৭
ধরি,
সংখ্যাগুলোকে আলাদা করে এবং সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করে সমীকরণটি সমাধান করতে হবে
অতএব,
(০.১৫ ÷ ০.৩) × (১০^p ÷ ১০^q) = ৫ × ১০^৭
০.৫ × ১০^(p−q) = ৫ × ১০^৭
সুতরাং,
৫ × ১০^(−১) × ১০^(p−q) = ৫ × ১০^৭
১০^(p−q−১) = ১০^৭
উত্তর: p − q − ১ = ৭, সুতরাং p − q = ৮
সঠিক উত্তর: A) ৩৩
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও দুই সন্তানের বয়সের গড় ৩৭ বছর
পিতা, মাতা ও দুই সন্তানের বয়সের গড় ৩৬ বছর
ধরি,
পিতা ও দুই সন্তানের মোট বয়স = ৩৭ × ৩ = ১১১ বছর
পিতা, মাতা ও দুই সন্তানের মোট বয়স = ৩৬ × ৪ = ১৪৪ বছর
অতএব,
মাতার বয়স = (পিতা, মাতা ও দুই সন্তানের মোট বয়স) − (পিতা ও দুই সন্তানের মোট বয়স)
মাতার বয়স = ১৪৪ − ১১১
উত্তর: ৩৩ বছর
সঠিক উত্তর: D) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪√২ একক
ধরি,
বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক একক
বর্গের কর্ণের সূত্র = ক√২ একক
অতএব,
ক√২ = ৪√২
ক = ৪ একক
সুতরাং,
বর্গের ক্ষেত্রফল = (বাহু × বাহু)
= ৪ × ৪ = ১৬ বর্গ একক
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: B) ১/৫ গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
ক একটি কাজ সম্পন্ন করতে পারে x দিনে
খ একই কাজ সম্পন্ন করতে পারে ৫x দিনে
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
ক ১ দিনে করতে পারে = ১/x অংশ কাজ
অতএব,
খ ১ দিনে করতে পারে = ১/৫x অংশ কাজ
ক নির্দিষ্ট সময়ে যে কাজ করে = ১/x অংশ
খ একই সময়ে যে কাজ করে = ১/৫ অংশ
সুতরাং,
খ-এর কাজের পরিমাণ = (১/৫x) ÷ (১/x) অংশ
খ-এর কাজের পরিমাণ = ১/৫ অংশ
উত্তর: ১/৫ গুণ
সঠিক উত্তর: A) (-3,0)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রেখার সমীকরণ y = x + 3
দ্বিতীয় রেখার সমীকরণ y = -x - 3
ধরি,
রেখাদ্বয়ের ছেদবিন্দুর স্থানাঙ্ক (x, y)
x এর মান সমান ধরে সমীকরণ দুটি সমাধান করতে হবে
অতএব,
x + 3 = -x - 3
x + x = -3 - 3
সুতরাং,
2x = -6
x = -3
উত্তর: (-3,0)
সঠিক উত্তর: B) x + y = ৪৯
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = x একক
আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ = y একক
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ৯৬ একক
ধরি,
প্রথম শর্ত অনুযায়ী পরিসীমার সূত্র = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ৯৬
দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী দৈর্ঘ্য = ২ × প্রস্থ অর্থাৎ x = ২y
অতএব,
২ × (x + y) = ৯৬
x + y = ৯৬ ÷ ২
সুতরাং,
x + y = ৪৮
উত্তর: ৪৮
সঠিক উত্তর: C) পরিসর
প্রদত্ত তথ্য:
পরিসরের সংজ্ঞা অনুযায়ী উপাত্তের মানের বিস্তার বোঝানো হয়
ধরি,
উপাত্তের সর্বোচ্চ মান = ক
উপাত্তের সর্বনিম্ন মান = খ
অতএব,
সর্বোচ্চ মান থেকে সর্বনিম্ন মান বাদ দিতে হয়
সুতরাং,
পরিসর = ক − খ
উত্তর: পরিসর
সঠিক উত্তর: A) ১
প্রدত্ত তথ্য:
ধারার প্রথম পদ = ১২৮
ধারার দ্বিতীয় পদ = ৬৪
ধারার তৃতীয় পদ = ৩২
ধরি,
প্রথম পদ a = ১২৮
সাধারণ অনুপাত r = ৬৪ ÷ ১২৮ = ১ ÷ ২
পদসংখ্যা n = ৮
অতএব,
গুণোত্তরের সূত্র অনুযায়ী ৮ম পদ = a × (r এর পাওয়ার ৭)
৮ম পদ = ১২৮ × (১ ÷ ২ এর পাওয়ার ৭)
সুতরাং,
৮ম পদ = ১২৮ × (১ ÷ ১২৮)
৮ম পদ = ১
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: C) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
সেটের উপাদান সংখ্যা = ৪
ধরি,
উপসেট বা পাওয়ার সেটের ক্ষেত্রে নিয়ম প্রযোজ্য
অতএব,
পাঞ্জা সেট বলতে পাওয়ার সেট বা শক্তি সেট বোঝানো হয়
সুতরাং,
উপাদান সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো দুই এর পাওয়ার এন
উত্তর: ২ এর ওপর পাওয়ার ৪ সমান ১৬
সঠিক উত্তর: B) √৫/৩
প্রদত্ত তথ্য:
সাইন কোণের মান = ২ ÷ ৩
আমরা জানি, সাইন স্কয়ার এ + কোসাইন স্কয়ার এ = ১
ধরি,
কোসাইন এ = এক্স
সাইন স্কয়ার এ = (২ ÷ ৩) স্কয়ার = ৪ ÷ ৯
অতএব,
কোসাইন স্কয়ার এ = ১ − (৪ ÷ ৯)
কোসাইন স্কয়ার এ = (৯ − ৪) ÷ ৯
কোসাইন স্কয়ার এ = ৫ ÷ ৯
সুতরাং,
এক্স = √৫ ÷ ৩
কোসাইন এ = √৫ ÷ ৩
উত্তর: √৫ ÷ ৩
সঠিক উত্তর: D) ১/১৩
প্রদত্ত তথ্য:
৫২টি তাসের একটি প্যাকেট থেকে ১টি তাস তোলা হলো
মোট তাসের সংখ্যা = ৫২
ধরি,
মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা = ৫২
টেক্কার মোট সংখ্যা = ৪
অতএব,
অনুকূল ফলাফলের সংখ্যা = ৪
সুতরাং,
তাসটি টেক্কা হওয়ার সম্ভাবনা = ৪ ÷ ৫২ = ১ ÷ ১৩
উত্তর: ১/১৩
সঠিক উত্তর: D) ১০০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম বিজোড় সংখ্যাটি হলো ১
দশম বিজোড় সংখ্যাটি হলো ১৯
ধরি,
বিজোড় সংখ্যাগুলোর ধারাটি হলো ১ + ৩ + ৫ + ... + ১৯
অতএব,
প্রথম দশটি বিজোড় সংখ্যার যোগফলের সূত্র হলো পদের সংখ্যার বর্গ
সুতরাং,
এখানে পদের সংখ্যা হলো ১০
উত্তর: ১০ × ১০ = ১০০
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
P সেটটি = (a, b)
Q সেটটি = (b, c)
R সেটটি = (3, 4)
ধরি,
কার্তেসীয় গুণন করতে হবে P এবং Q এর মধ্যে
এখানে উপাদানগুলোর জোড়া তৈরি হবে
অতএব,
P গুণ Q এর উপাদানগুলো হবে (a, b), (a, c), (b, b), (b, c)
এখন এই মানের সাথে ইউনিয়ন করতে হবে R সেটটি
সুতরাং,
(P গুণ Q) ইউনিয়ন R এর মোট উপাদান গণনা করলে দেখা যায় নির্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে ৩
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
যেকোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে একই ক্রমে বর্ধিত করা হলো
উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃস্থ কোণ হলো ক, খ এবং গ
ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণ হলো ক এর বহিঃস্থ কোণ, খ এর বহিঃস্থ কোণ এবং গ এর বহিঃস্থ কোণ
অতএব,
প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − ক
দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − খ
তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − গ
সুতরাং,
তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০° − ক) + (১৮০° − খ) + (১৮০° − গ)
তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = ৫৪০° − (ক + খ + গ)
উত্তর: ৩৬০°
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ = ১৩৫°
ধরি,
বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = ক
বহুভুজটির একটি বহিঃকোণের পরিমাণ = ১৮০° − ১৩৫° = ৪৫°
অতএব,
আমরা জানি, সুষম বহুভুজের বহিঃকোণগুলোর সমষ্টি = ৩৬০°
বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা ক = ৩৬০° ÷ ৪৫°
সুতরাং,
ক = ৮
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো (২৫) এর পাওয়ার (২ক + ৩) সমান ৫ এর পাওয়ার (৩ক + ৬)
ধরি,
২৫ কে লেখা যায় ৫ এর বর্গ ৫ গুণ ৫
অতএব,
৫ এর ওপর (২ গুণ ২ক + ২ গুণ ৩) সমান ৫ এর ওপর (৩ক + ৬)
অর্থাৎ ৫ এর ওপর (৪ক + ৬) সমান ৫ এর ওপর (৩ক + ৬)
সুতরাং,
উভয় পক্ষ থেকে বেজ ৫ বাদ দিলে পাই, ৪ক + ৬ সমান ৩ক + ৬
উত্তর: ক এর মান হলো ০
সঠিক উত্তর: A) ১৭৭০
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলা ১৩৭৬ সালের মন্বন্তর একটি ঐতিহাসিক দুর্ভিক্ষ
ইংরেজি ১৭৭০ সালে এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়েছিল
ধরি,
বাংলা সন গণনার সময়কাল = বঙ্গাব্দ ১২০০ সাল থেকে
ইংরেজ শাসনের সূচনার পরের সময়কাল = ১৭৫৭ থেকে ১৭৭০ সাল
অতএব,
বাংলা সাল থেকে ৫৯৩ বছর যোগ করলে ইংরেজি সাল পাওয়া যায়
১৩৭৬ থেকে ৫৯৩ বিয়োগ করলে ১৭৭০ হয়
সুতরাং,
বাংলার ৭৬ এর মন্বন্তর হলো ইংরেজি ১৭৭০ সালের ঘটনা
উত্তর: ১৭৭০
সঠিক উত্তর: A) সমতট
কেন সঠিক:
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে সমতট অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল বর্তমান নোয়াখালী ও কুমিল্লা জেলা।
- মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত এই অঞ্চলটি প্রাচীনকালে নিচু ও সমতল ভূমি হিসেবে পরিচিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমতট — এটি সঠিক উত্তর কারণ নোয়াখালী ও কুমিল্লা প্রাচীনকালে সমতট জনপদের অংশ ছিল।
B) বাংলা — বাংলা একটি আধুনিক বা পরবর্তীকালের ঐতিহাসিক নাম, যা প্রাচীন জনপদের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়।
C) চন্দ্রদ্বীপ — এটি বর্তমান বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলের প্রাচীন নাম, নোয়াখালী বা কুমিল্লা নয়।
D) হরিকেল — এটি বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রাচীন জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
কুমিল্লা ও নোয়াখালীর সমতল ভূমির সাথে সমতট নামটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) সম্রাট হুমায়ুন
কেন সঠিক:
- সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ সালে সাময়িকভাবে বাংলা দখল করলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শের শাহ সুরির প্রতিরোধের কারণে সেখানে স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হন।
- ১৫৩৯ সালের চৌসা ও ১৫৪০ সালের কনৌজের যুদ্ধে শের শাহ সুরির কাছে পরাজিত হয়ে তাকে ভারত ত্যাগ করতে হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সম্রাট হুমায়ুন — তিনি বাংলায় সাময়িকভাবে প্রবেশ করলেও রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও শের শাহের শক্তির কারণে স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি।
B) সম্রাট আকবর — তার সেনাপতি মানসিংহ ও অন্যান্যদের মাধ্যমে বারো ভূঁইয়াদের দমন করে বাংলায় মুঘল শাসন সফলভাবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
C) সম্রাট জাহাঙ্গীর — তার আমলেও বাংলায় মুঘল শাসন অব্যাহত ছিল এবং সুবেদার ইসলাম খান চিশতি বাংলার বিদ্রোহী ভূঁইয়াদের সম্পূর্ণ দমন করেন।
D) সম্রাট আওরঙ্গজেব — তার সুদীর্ঘ শাসনকালে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্থায়ী প্রদেশ হিসেবে শাসিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
যিনি ভারতের হারিয়ে যাওয়া সাম্রাজ্য পুনরুদ্ধারে ব্যস্ত ছিলেন, সেই হুমায়ুনের পক্ষেই বাংলায় স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি।
সঠিক উত্তর: B) জাপানে
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
কেন সঠিক:
- হোক্কাইডো হলো জাপানের চারটি প্রধান দ্বীপের মধ্যে আয়তনের দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং সবচেয়ে উত্তরের দ্বীপ।
- জাপানের প্রশাসনিক অঞ্চলের অধীনে এই দ্বীপটি একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল ও প্রিফেকচার হিসেবে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীনে — এটি চীনের অংশ নয়, কারণ চীন পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং হোক্কাইডো জাপানের ভূগোলের সাথে যুক্ত।
B) জাপানে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ হোক্কাইডো দ্বীপটি জাপানের মূল ভূখণ্ডের উত্তরভাগে অবস্থিত একটি প্রধান দ্বীপ।
C) ফিলিপাইনে — এটি ফিলিপাইনের ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ ফিলিপাইন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র যা লুজন ও মিন্দানাও দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
D) ইন্দোনেশিয়ায় — এটি ইন্দোনেশিয়ার অংশ নয়, কারণ ইন্দোনেশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র যা জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
মনে রাখার টিপস:
জাপানের সবচেয়ে উত্তর দিকের প্রধান দ্বীপটির নাম হোক্কাইডো।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনে এই দিনটিকে পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্বজুড়ে পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ মার্চ — এই তারিখে পরিবেশ দিবস সংক্রান্ত কোনো আন্তর্জাতিক বা ঐতিহাসিক বিশেষ দিবস পালিত হয় না।
B) ৪ এপ্রিল — এই তারিখে আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি একটি সাধারণ দিন।
২৭ এপ্রিল — এই তারিখেও আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি পরিবেশগত দিক থেকে নির্ধারিত দিন নয়।
D) ৫ জুন — এই অপশনটি সঠিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে পরিবেশ দিবস হিসেবে নির্ধারিত।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশ রক্ষার জন্য পাঁচ জুন দিনটি মনে রাখতে পারো পাঁচ আঙুলের মতো পরিবেশকে চারপাশ থেকে আগলে রাখার কথা ভেবে।
সঠিক উত্তর: A) থাইল্যান্ড
কেন সঠিক:
- থাইল্যান্ডে প্রচুর পরিমাণে সাদা রঙের হাতি দেখতে পাওয়া যায়, যা দেশটিতে অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয়।
- প্রাচীনকাল থেকেই থাইল্যান্ডের রাজারা এই সাদা হাতিগুলোকে রাজকীয় ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে লালন-পালন করে আসছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থাইল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে শ্বেত হস্তীর দেশ বলা হয়।
B) সিংগাপুর — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং একে মূলত সাগরের সিংহ বলা হয়, শ্বেত হস্তী নয়।
C) কাপুচিয়া — এটি কম্বোডিয়ার ঐতিহাসিক নাম, যা অ্যাংকর ভাট মন্দিরের জন্য বিখ্যাত কিন্তু শ্বেত হস্তীর দেশ নয়।
D) ইন্দোনেশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র এবং হাজার দ্বীপের দেশ হিসেবে পরিচিত, শ্বেত হস্তীর দেশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
থাইল্যান্ডের রাজারা পবিত্র মনে করে সাদা হাতি পোষেন, তাই থাইল্যান্ড হলো শ্বেত হস্তীর দেশ।
সঠিক উত্তর: B) কল্যাণ অর্থনীতি
কেন সঠিক:
- অমর্ত্য সেন দারিদ্র্য, দুর্ভিক্ষ ও মানুষের কল্যাণ সম্পর্কিত অর্থনীতি নিয়ে কাজ করার জন্য ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- সমাজে প্রতিটি মানুষের সুযোগ ও কল্যাণ নিশ্চিত করার ওপর তাঁর তাত্ত্বিক অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্নয়ন অর্থনীতি — এটি তাঁর গবেষণার একটি বড় ক্ষেত্র হলেও তিনি নোবেল পুরস্কার পান মূলত জনকল্যাণ ও সামাজিক পছন্দ সংক্রান্ত তত্ত্বের জন্য।
B) কল্যাণ অর্থনীতি — এই ক্ষেত্রে অবদানের জন্যই তাঁকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
C) আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তত্ত্ব — এটি অর্থনীতির একটি শাখা হলেও অমর্ত্য সেনের নোবেল প্রাপ্তির মূল বিষয় এটি ছিল না।
D) মজুরি তত্ত্ব — এটি শ্রম অর্থনীতির অংশ, যার সঙ্গে তাঁর নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
অমর্ত্য সেন মানুষের কল্যাণ নিয়ে ভেবেছেন, তাই তাঁর নোবেল কল্যাণ অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত।
**প্রশ্নের ধরন:** ভূগোল ও পরিবেশ
**সঠিক উত্তর যাচাই:** প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি (A) ৬ ঘণ্টা ভুল। বাংলাদেশ ও গ্রিনিচ মান সময়ের পার্থক্য ৬ ঘণ্টা নয়, বরং ৫ ঘণ্টা। সঠিক উত্তর হবে (D) ৫ ঘণ্টার।
সঠিক উত্তর: D) ৫ ঘণ্টার
কেন সঠিক:
- গ্রিনিচ মান সময় থেকে বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ৬ ঘণ্টা নয়, বরং ৫ ঘণ্টা এগিয়ে রয়েছে।
- পৃথিবীর প্রতি ১৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান হয় ১ ঘণ্টা। বাংলাদেশের দ্রাঘিমা ৯০ ডিগ্রি পূর্ব হওয়ায় গ্রিনিচ থেকে সময়ের ব্যবধান ৫ ঘণ্টা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ গ্রিনিচ সময়ের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের ব্যবধান ৬ ঘণ্টা নয়।
B) ৮ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ এই সময়ের ব্যবধানের সঙ্গে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের মিল নেই।
C) ১০ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ এত বেশি সময়ের ব্যবধান বাংলাদেশের দ্রাঘিমার জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) ৫ ঘণ্টার — এটি সঠিক কারণ গ্রিনিচ মান সময় থেকে বাংলাদেশের সময় ৫ ঘণ্টা এগিয়ে থাকে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের দ্রাঘিমা ৯০ ডিগ্রি পূর্বকে ১৫ দিয়ে ভাগ করলে ৬ না হয়ে ৬ এর পরিবর্তে ৫ ঘণ্টা পাওয়া যায়, কারণ ৯০ দ্রাঘিমার জন্য সঠিক হিসাব হলো ৯০ ভাগ ১৫ সমান ৫ ঘণ্টা।
সঠিক উত্তর: C) সম্রাট আকবর
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
কেন সঠিক:
- সম্রাট আকবর ১৫৫৬ থেকে ১৬০৫ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল সাম্রাজ্য শাসন করেন।
- তিনি রাজস্ব আদায় সহজ করতে ফসলি সন ও বাংলা সনের প্রবর্তন করেন, যা ১লা বৈশাখ থেকে শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ — তিনি বাংলার স্বাধীন সুলতান ছিলেন, বাংলা সন চালুর সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
B) ইলিয়াস শাহ — তিনি সমগ্র বাংলা জয় করে স্বাধীন ইলিয়াস শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, বাংলা প্রবর্তক নন।
D) শের শাহ — তিনি আফগান শাসক ছিলেন এবং ভারতে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড ও রূপার মুদ্রা প্রচলন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
আকবর মানেই বাংলা সন, ফসলি সন চালুর মহানায়ক।
সঠিক উত্তর: D) নিল আর্মস্ট্রং
কেন সঠিক:
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই অ্যাপোলো ১১ মহাকাশযানে চন্দ্রে প্রথম পা রাখেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের এই মহাকাশচারী চন্দ্রপৃষ্ঠে পদার্পণকারী মানবজাতির ইতিহাসে প্রথম ব্যক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্যাগারিন — তিনি মহাকাশে গমনকারী প্রথম মানব হলেও চাঁদে প্রথম অবতরণ করেননি।
B) রিচার্ড এনড্রিন — তিনি চন্দ্রে অবতরণকারী কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তি নন, এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম।
C) জন প্লেন — এই নামের কোনো বিখ্যাত মহাকাশচারী চন্দ্রে অবতরণ করেননি।
D) নিল আর্মস্ট্রং — তিনি চন্দ্রে অবতরণকারী প্রথম মানুষ হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদে প্রথম পা রাখেন নিল আর্মস্ট্রং, নামের আদ্যক্ষর মনে রাখুন নীল আকাশ বা চাঁদ হিসেবে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) কামরুল হাসান
উত্তর সংশোধন: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর বি (হামিদুর রহমান) দেওয়া হয়েছে, যা ভুল। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মূল ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।
কেন সঠিক:
- শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষে জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি চূড়ান্ত করেন।
- ১৯৭০ সালের ৬ জুন কামরুল হাসান ও শিবলী নোমানের নেতৃত্বে পতাকার প্রাথমিক রূপ তৈরি হয়েছিল এবং পরে তা পরিমার্জন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদিন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিউটের প্রতিষ্ঠাতা, কিন্তু জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
B) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, তবে জাতীয় পতাকার নকশা করার সাথে যুক্ত ছিলেন না।
C) কামরুল হাসান — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপদাতা ও ডিজাইনার হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) হাশেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপ দেয়ার কাজে কামরুল হাসানকে সহায়তা করেছিলেন, কিন্তু মূল ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
পতাকা মানেই নকশা আর পটুখাদা কামরুল হাসান, যিনি পতাকার বর্তমান রূপের ডিজাইনার।
সঠিক উত্তর: B) মেসোপটেমিয়া
কেন সঠিক:
- টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা মেসোপটেমিয়া সভ্যতাকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ সহাব্দের দিকে এখানে সুমেরীয় সভ্যতার হাত ধরে বিশ্বের প্রথম নগরকেন্দ্রিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রিস — এটি প্রাচীন একটি বিশিষ্ট সভ্যতা হলেও মেসোপটেমিয়ার মতো বিশ্বের প্রথম প্রাচীনতম সভ্যতা নয়।
B) মেসোপটেমিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এটি ভুল নয়।
C) রোম — রোমান সভ্যতা মেসোপটেমীয় সভ্যতার অনেক পরে খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দীতে গড়ে উঠেছিল।
D) ভারত — ভারতের প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতা মেসোপটেমিয়ার সুমেরীয় সভ্যতার কিছু পরে বিকশিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতার ক্ষেত্রে নদীর তীরবর্তী মেসোপটেমিয়া বা সুমেরীয় সভ্যতাকে সবার আগে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ উর্বর পলিমাটি এবং নদীমাতৃক ভূমির কারণে সবুজ শ্যামল এক দেশ, যা বিশ্বজুড়ে সোনার দেশ বা সোনালী দেশ হিসেবে পরিচিত।
- এদেশের প্রধান কৃষিপণ্য পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয় এবং অর্থনীতির বড় অংশ একসময় স্বর্ণালী ফসলের ওপর নির্ভরশীল ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — এটি বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম দেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম রাষ্ট্র, যা সোনালী দেশ নামে পরিচিত নয়।
B) শ্রীলংকা — এটি ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং পূর্বে সিংহল নামে পরিচিত ছিল, সোনালী দেশ নয়।
C) পাকিস্তান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি মুসলিম রাষ্ট্র এবং ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হয়, যা এই নামের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) বাংলাদেশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর উর্বর ভূমি এবং কৃষিপণ্যের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জন্য একে সোনালী দেশ বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশকে সোনালী দেশ মনে রাখতে এর সোনালী আঁশ পাটের কথা স্মরণ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) এশিয়া
কেন সঠিক:
- এশিয়া পৃথিবীর ক্ষেত্রফল ও জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই সর্ববৃহৎ মহাদেশ।
- বিশ্বের মোট স্থলভাগের প্রায় ত্রিশ শতাংশ এই মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফ্রিকা — এটি ক্ষেত্রফল ও জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ।
B) ইউরেশিয়া — এটি এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশ নিয়ে গঠিত একটি ভূখণ্ড, যা এককভাবে কোনো স্বাধীন বা একক মহাদেশ নয়।
C) এশিয়া — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ।
D) উত্তর আমেরিকা — এটি ক্ষেত্রফল ও জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ।
মনে রাখার টিপস:
আকার ও জনসংখ্যায় সবার সেরা, মহাদেশে এশিয়া সবার আগে।
সঠিক উত্তর: A) ইংল্যান্ড
কেন সঠিক:
- অষ্টাদশ শতাব্দীর ষাট ও সত্তরের দশকে ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্পবিপ্লব শুরু হয়।
- পর্যাপ্ত কয়লা ও লোহা খনির প্রাচুর্য এবং ঔপনিবেশিক বাজার থাকায় ইংল্যান্ড এই বিপ্লবে নেতৃত্ব দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইংল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই প্রথম বাষ্পীয় ইঞ্জিন ও আধুনিক কারখানার ব্যবহার শুরু হয়।
B) জার্মানি — এটি পরবর্তী সময়ে শিল্পায়নে দ্রুত এগিয়ে এলেও প্রথম শিল্পবিপ্লব এখানে শুরু হয়নি।
C) যুক্তরাষ্ট্র — এটি ১৯ শতকের শেষের দিকে শিল্প উৎপাদনে এগিয়ে যায়, তবে বিপ্লবের সূতিকাগার এটি নয়।
D) ফ্রান্স — রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ফ্রান্সে শিল্পবিপ্লব ইংল্যান্ডের তুলনায় বেশ পরে শুরু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
শিল্পে এগিয়ে সবার সেরা, বিপ্লব শুরু হলো যে খেরা (ইংল্যান্ড)।
সঠিক উত্তর: A) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায়
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রথম ঔষধ পার্ক বা অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস পার্ক মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়ায় অবস্থিত।
- ঔষধ শিল্পে কাঁচামাল আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং দেশেই মানসম্মত কাঁচামাল উৎপাদনে এই পার্ক স্থাপন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় — এটি বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র ঔষধ পার্কের সঠিক অবস্থান।
B) গাজীপুরের কালিয়াকৈরে — এটি হাইটেক পার্ক বা সিলিকন সিটির জন্য পরিচিত, ঔষধ পার্ক নয়।
C) সাভারের কোনাবাড়ীতে — এটি কোনো সরকারি ঔষধ পার্কের অবস্থান নয়, শিল্প এলাকা।
D) ময়মনসিংহের ভালুকায় — এটি একটি শিল্পাঞ্চল হলেও প্রথম ঔষধ পার্ক এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ওষুধ পার্কের গ দিয়ে গজারিয়া এবং গ দিয়ে গাজীপুর মনে না রেখে প্রথম অক্ষর গ মিলিয়ে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) সেবাখাত
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সেবাখাত বা খাতের অবদান জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি এবং এর হার প্রায় ৫১% এর উপরে।
- পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা পরিবহন এবং অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রম এই খাতের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেবাখাত — এটি বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপিতে সর্বোচ্চ অবদান রাখা প্রধান খাত।
B) কৃষিখাত — এক সময় প্রধান হলেও বর্তমানে জিডিপিতে এর অবদান দ্বিতীয় বা তৃতীয় অবস্থানে নেমে এসেছে।
C) শিল্পখাত — জিডিপিতে এই খাতের অবদান দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এবং এটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
D) অন্যান্য — এই অপশনটি কোনো প্রধান বা নির্দিষ্ট খাত হিসেবে জিডিপিতে সর্বোচ্চ অবদান রাখে না।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের জিডিপিতে অবদানের দিক থেকে মনে রাখবে সেবা প্রথম শিল্প দ্বিতীয় এবং কৃষি তৃতীয়।
সঠিক উত্তর: D) অগ্রহায়ণ-পৌষে
কেন সঠিক:
- রোপা আমন ধান সাধারণত বর্ষাকালে রোপণ করা হয় এবং শীতকালের শুরুতে অর্থাৎ অগ্রহায়ণ থেকে পৌষ মাসের মধ্যে পাকা ধান কাটা হয়।
- এটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান মৌসুমি ফসল যার পরিপক্বতা লাভ করতে এই সময়টিই উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আষাঢ়-শ্রাবণে — এই সময়ে রোপা আমন ধান কাটা হয় না, বরং জমিতে চারা রোপণ করা হয়।
B) ভাদ্র-আশ্বিনে — এই সময়ে আমন ধান সাধারণত বৃদ্ধি পায় ও শিষ বের হয়, কাটার সময় হয় না।
C) কার্তিক-অগ্রহায়ণে — এই সময়ের শেষের দিকে কিছু আগাম জাত কাটা হলেও মূল আমন কাটা হয় পরের সময়ে।
D) অগ্রহায়ণ-পৌষে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
আমন ধানের ক্ষেত্রে মনে রাখবে, বর্ষায় রোপণ আর শীতের শুরুতে অগ্রহায়ণ-পৌষে কর্তন করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) আপেল মাহমুদ
কেন সঠিক:
- আপেল মাহমুদ ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে গানটির প্রথম সুর করেন এবং প্রথম কণ্ঠে ধারণ করেন।
- গোবিন্দ হালদারের লেখা এই গানটি মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের মনে অসীম সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্দুল জব্বার — তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের একজন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হলেও এই গানটির প্রথম রেকর্ডকারী নন।
B) আপেল মাহমুদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই ঐতিহাসিক গানটির প্রথম সুরকার ও প্রথম কণ্ঠশিল্পী।
C) আবদুল হাদী — তিনি বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী হলেও এই গানটি প্রথম রেকর্ড বা পরিবেশন করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
D) মাহমুদুন্নবী — তিনি বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হলেও এই নির্দিষ্ট গানটির প্রথম রেকর্ডিংয়ের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
মনে রাখার টিপস:
ফুলকে বাঁচানোর লড়াইয়ে প্রথম মুখ খুলেছিলেন আপেল মাহমুদ।
সঠিক উত্তর: B) ইরাক
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সবার আগে ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই ইরাক বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।
- একই সঙ্গে যুদ্ধবিধ্বস্ত নবগঠিত রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী প্রথম মধ্যপ্রাচ্যের দেশও ছিল ইরাক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌদি আরব — সৌদি আরব বাংলাদেশকে দেরিতে স্বীকৃতি দেয় এবং দীর্ঘ সময় পর ১৯৭৬ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
B) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বর্তমানে কোনো ভুল নেই এবং এটিই প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ।
C) কুয়েত — কুয়েত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও তা ইরাকের পরে ১৯৭৩ সালে প্রদান করেছিল।
D) UAE — সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, যা ইরাকের পর সংঘটিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম বন্ধু ইরাক, স্বীকৃতি দিল সবার আগে ১৯৭২ সালে।
সঠিক উত্তর: A) ৮নং থিয়েটার রোড, কলকাতা
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রম এই ঠিকানা থেকেই পরিচালিত হতো।
- ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকারের সচিবালয় ও সদর দপ্তর হিসেবে এই ভবনটি ব্যবহৃত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮নং থিয়েটার রোড, কলকাতা — এটি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
B) মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলায় — এটি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনের ঐতিহাসিক স্থান।
C) নয়াদিল্লিতে — এটি ভারতের রাজধানী এবং তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশের পক্ষে কূটনৈতিক তৎপরতার কেন্দ্র হলেও সদর দপ্তর ছিল না।
D) আগরতলায় — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় সীমান্তবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাম্প ও শরণার্থী ব্যবস্থাপনার কেন্দ্র ছিল।
মনে রাখার টিপস:
সদর দপ্তর মানেই কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড এবং শপথস্থান মানেই মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলা।
সঠিক উত্তর: B) লাহোর
কেন সঠিক:
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — ৬ দফা দাবি প্রথম এখানে উত্থাপিত না হলেও পরে বাংলার মাটিতে এর প্রচার ও আন্দোলন জোরদার করা হয়।
C) ইসলামাবাদ — এটি তৎকালীন পাকিস্তানের রাজধানী হলেও ঐতিহাসিক ৬ দফা এখানে উত্থাপিত হয়নি।
D) কাগমারী — ১৯৫৭ সালে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী কাগমারী সম্মেলন করেছিলেন, যা ৬ দফার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
লাহোরে বসে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফা ঘোষণা করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষার স্বীকৃতি দেয়া
কেন সঠিক:
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক নির্বাচনের ২১ দফায় ভাষা আন্দোলন ও শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিকে ১ নম্বর দফায় রাখা হয়েছিল।
- তৎকালীন পূর্ব বাংলার বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলন এবং স্বাতন্ত্র্য রক্ষার প্রধান প্রতীক ছিল মাতৃভাষা বাংলা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষার স্বীকৃতি দেয়া — এটি ২১ দফার প্রথম দাবি হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) সকল রাজবন্দীর মুক্তিদাবি — এটি ২১ দফার একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলেও প্রথম দফা ছিল না।
সি) পূর্ব বাংলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ — এটি যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্তর্ভুক্ত হলেও ১ নম্বর দফা ছিল না।
ডি) পশ্চিম পাকিস্তানের সম্পদের উপর বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠা — এটি অর্থনৈতিক মুক্তির দাবিগুলোর একটি হলেও প্রথম দফা হিসেবে নির্ধারিত ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার প্রথম দাবি ছিল ভাষা নিয়ে, তাই মনে রাখবেন ভাষা আন্দোলন ছিল তাদের তালিকার সবার উপরে।
সঠিক উত্তর: D) কোনটি না
প্রদত্ত তথ্য:
লাহোর প্রস্তাব পেশ করা হয় ১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ এ কে ফজলুল হকের মাধ্যমে
এই প্রস্তাবে ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলো নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়
ধরি,
একটি দেশের পরিবর্তে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছিল
কারণ সেখানে একটির বেশি মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়েছিল
অতএব,
অপশন এ তে একটি দেশ গঠনের কথা বলা হয়েছে যা ভুল
অপশন বি তে শুধুমাত্র একটি মুসলিম দেশের কথা বলা হয়েছে যা ভুল
অপশন সি তে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে যা সঠিক নয়
সুতরাং,
সঠিক উত্তরটি উপরের অপশনগুলোর কোনোটির সাথেই মিলছে না
উত্তর: D) কোনটি না
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: A) লর্ড কার্জন
কেন সঠিক:
- ১৯০৫ সালে তৎকালীন ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলে বাংলা বিভাজনের পরিকল্পনা করেন এবং এর সুপারিশ করেন।
- তাঁর এই সুপারিশের ভিত্তিতেই ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লর্ড কার্জন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনিই বঙ্গভঙ্গ বাস্তবায়নের মূল সুপারিশ ও পরিকল্পনা করেছিলেন।
B) লর্ড হার্ডিঞ্জ — তিনি ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করেছিলেন, বঙ্গভঙ্গ করার সুপারিশ তিনি করেননি।
C) লর্ড রিপন — তিনি ব্রিটিশ ভারতের একজন উদার মানসিকতার ভাইসরয় ছিলেন এবং স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন আইন প্রবর্তন করেন, বঙ্গভঙ্গের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না।
D) লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন — তিনি ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন এবং ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান বিভাজনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গভঙ্গ করেছিলেন যিনি, কার্জন সাহেব নাম তাঁর তিনি।
সঠিক উত্তর: A) ১২
১. কেন সঠিক:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ও বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ হলো 'অগ্নিবীণা'।
- এই বিখ্যাত কাব্যটিতে মোট ১২টি কবিতা সংকলিত হয়েছে যা বাংলা কবিতার ধারাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রথম কবিতা 'প্রলয়োল্লাস'।
- এই গ্রন্থে ব্রিটিশ বিরোধী চেতনা, সাম্যবাদ এবং দ্রোহের এক অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে যা বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগের সূচনা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যের দ্বিতীয় ও সবচেয়ে জনপ্রিয় কবিতা হলো বিদ্রোহী যা বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছে।
উদাহরণ ২: কামাল পাশা
ব্যাখ্যা: এটিও অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত কবিতা যা আন্তর্জাতিক বীরত্ব ও জাগরণের বার্তা বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ — এটি সঠিক কারণ অগ্নিবীণা কাব্যের মোট কবিতার সংখ্যা বারোটি।
B) ১৪ — চৌদ্দটি কবিতা অগ্নিবীণা কাব্যে নেই, এটি ভুল তথ্য।
C) ১৯ — উনিশ সংখ্যাটি অগ্নিবীণা কাব্যের কবিতার সংখ্যার সঙ্গে মেলে না।
D) ১৭ — সতেরোটি কবিতা এই কাব্যে ছিল না, তাই এটি ভুল অপশন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্য অগ্নিবীণার প্রথম অক্ষর অ এবং বারো শব্দের শুরুতে ব আছে, এভাবে মনে রাখতে পারো।
- বারোটি মাসের চক্রের মতোই অগ্নিবীণাতে বারোটি শক্তিশালী কবিতা রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নিবীণার প্রকাশকাল এবং উৎসর্গ কার নামে করা হয়েছে তা প্রায়ই আসে।
- অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী সাহিত্যিক বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) পদ্মগোখরা
১. কেন সঠিক:
- 'পদ্মগোখরা' হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ।
- ১৯২০ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটিতে লেখকের বিদ্রোহী চেতনা ও সমাজ সংস্কারের মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও ঔপন্যাসিক।
- তার সাহিত্যকর্মে সাম্যবাদ, মানবতাবাদ ও দ্রোহের সুর স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যথার দান
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: মৃত্যুক্ষুধা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা দরিদ্র মানুষের জীবন সংগ্রাম নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মরাগ — এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, কাজী নজরুল ইসলামের নয়।
B) পদ্মপুরাণ — এটি মধ্যযুগের কবি বিজয় গুপ্ত বা মঙ্গলাচরণের কবি নারায়ণ দেব রচিত একটি বিখ্যাত মঙ্গলকাব্য।
D) পদ্মাবতী — এটি ষোড়শ শতাব্দীর কবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত রোমান্টিক কাব্য, যা মালিক মুহম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের বিষের বাঁশি ও পদ্মগোখরা উভয়ই বিখ্যাত গ্রন্থ।
- লেখকের নামের সঙ্গে গল্পের বিষয়বস্তু মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের প্রথম গল্পগ্রন্থ ও উপন্যাস প্রায়ই আসে।
- অন্য লেখকদের বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নাম লেখকের নামের সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) পদাশ্রিত নির্দেশক
১. কেন সঠিক:
- টি, টা, খানা, খানি শব্দগুলো কোনো পদের বা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা বোঝায়।
- ব্যাকরণ অনুযায়ী যে শব্দ বা প্রত্যয় বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে যুক্ত হয়ে সেগুলোকে নির্দিষ্ট করে প্রকাশ করে, তাকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- পদাশ্রিত নির্দেশক হলো এমন কিছু শব্দাংশ যা পদের আশ্রয়ে বসে বচন বা নির্দিষ্টতা নির্দেশ করে।
- বাংলায় পদাশ্রিত নির্দেশকগুলো সাধারণত পদের পরে যুক্ত হয় এবং শব্দের সঙ্গে মিশে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বইটি আমাকে দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে বই শব্দের সাথে টি যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি বইকে বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: কলমটা হারিয়ে গেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে কলম শব্দের সাথে টা যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি কলমকে বোঝাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদাশ্রিত নির্দেশক — এটি সঠিক উত্তর কারণ টি, টা, খানা, খানি নির্দিষ্টতা বোঝাতে পদের পরে বসে।
B) প্রকৃতি — প্রকৃতি হলো শব্দের মূল অংশ, যার সাথে প্রত্যয় বা বিভক্তি যুক্ত হয়।
C) বিভক্তি — বিভক্তি শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বাক্যস্থিত পদের পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
D) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে, পরে বসে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পদাশ্রিত নির্দেশক সবসময় শব্দের পরে বসে নির্দিষ্টতা বোঝায়।
- টি, টা, খানা, খানি, টুকুন, টুকু দেখলে পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচন ও নির্দেশক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- টি এবং টা কেবল একবচনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) দৌলত কাজী
১. কেন সঠিক:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে আরাকান রাজসভার কবি দৌলত কাজী প্রথম লৌকিক বা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার সূচনা করেন।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্য সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী বাংলা সাহিত্যের প্রথম লৌকিক কাহিনীর নিদর্শন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দৌলত কাজী সপ্তদশ শতকের প্রথম অর্ধে আরাকান রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং রোমান্টিক ধারার পথপ্রদর্শক।
- তাঁর অমর সৃষ্টি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্যটি পরবর্তীতে কবি আলাওল অসমাপ্ত অংশ সম্পন্ন করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী
ব্যাখ্যা: এটি দৌলত কাজীর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম লৌকিক প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী
ব্যাখ্যা: এটি কবি আলাওলের রচিত আরাকান রাজসভার অপর একটি বিখ্যাত কাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোরেশী মাগন ঠাকুর — তিনি আরাকান রাজসভার একজন বিশিষ্ট কবি এবং মন্ত্রী ছিলেন, যিনি চন্দ্রাবতী কাব্য রচনা করেন।
B) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি যিনি পদ্মাবতী রচনা করেন, তবে লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা নন।
C) সৈয়দ সুলতান — তিনি মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত পুথি সাহিত্যের কবি যিনি নবীবংশ ও শবে মেরাজ কাব্য রচনা করেন।
D) দৌলত কাজী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
৫ মনে রাখার টিপস:
লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা হিসেবে দৌলত কাজীর নাম মনে রাখতে দৌলত শব্দটি মাথায় রাখবে।
সতী ময়না কাব্যটির স্রষ্টা হিসেবেও তাঁর নাম পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার সূত্রপাত করেছিলেন দৌলত কাজী।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
- 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' বাংলা গদ্যসাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনুবাদ গ্রন্থ।
- ঊনবিংশ শতাব্দীতে সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় অনূদিত এই গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের প্রাথমিক বিকাশ ও গঠনে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি সংস্কৃত হরিনাথ তর্কসিদ্ধান্তের সহায়তায় হিন্দি বেতাল পচিশী অবলম্বনে এটি রচনা করেন।
- ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সফল ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে স্মরণীয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ যা শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত।
উদাহরণ ২: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটক অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত আরেকটি অনবদ্য গদ্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক হলেও 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন গীতিবাদী কবি, গদ্যগ্রন্থের রচয়িতা নন।
C) অক্ষয় কুমার দত্ত — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রবন্ধকার ও তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, বিদ্যাসাগরের এই গ্রন্থের রচয়িতা তিনি নন।
D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থটি তিনিই রচনা ও প্রকাশ করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিদ্যাসাগরের অনুবাদ গ্রন্থগুলো মনে রাখার কৌশল হলো বেতাল ও শকুন্তলা মিলে ভ্রান্তি দূর করতে সীতার বনবাসে গেলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থটি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত মৌলিক বা অনূদিত গদ্যগ্রন্থ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই গ্রন্থের প্রকাশকাল এবং রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
১. কেন সঠিক:
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ঐতিহাসিক উদ্ধৃতি।
- অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর রচিত 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের ঈশ্বরী পাটুনির প্রার্থনা থেকে এই পক্তিটি নেওয়া হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের শেষভাগের কবি এবং নদীয়া জেলার পেড়াগাছা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভায় তিনি 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত হন এবং তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হলো অন্নদামঙ্গল কাব্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের লেখা একটি ত্রিখণ্ডক মঙ্গলকাব্য যার তিনটি অংশ হলো অন্নদা মহিমা, বিদ্যাসুন্দর ও মানসিংহ।
উদাহরণ ২: নাগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী
ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যের অন্য বিষয়ের উদাহরণ এবং আলোচ্য প্রশ্নের সঙ্গে এর কোনো সরাসরি সাহিত্যিক সম্পর্ক নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — ইনি মধ্যযুগের ষোড়শ শতকের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের বিখ্যাত কবি এবং তাঁর বিখ্যাত উপাধি ছিল কবিকঙ্কণ।
B) কানাহরি দত্ত — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যের একজন প্রাচীন কবি যিনি পদ্মাপুরাণ বা মনসামঙ্গল রচনা করেছেন।
D) আলাওল — ইনি সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক ধারার শ্রেষ্ঠ কবি যিনি পদ্மாவত এবং সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামান রচনা করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
অন্নদামঙ্গল কাব্যের ঈশ্বরী পাটুনির এই বিখ্যাত চাওয়ার কথা মনে রাখলে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর নামটি সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারা এবং বিভিন্ন কবির উপাধি যেমন ভারতচন্দ্রের রায়গুণাকর থেকে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) নাত জামাই
১. কেন সঠিক:
- 'নাজ্জামাই' একটি কথ্য বা প্রমিত রূপ পরিবর্তনজনিত শব্দ, যার সন্ধি বা শব্দগঠনগত প্রক্রিয়ায় নাতিন বা নাত শব্দের সঙ্গে জামাই যুক্ত হয়েছে।
- এখানে 'নাত' শব্দের অর্থ পৌত্রী বা নাতনি এবং জামাই শব্দের সঙ্গে মিলে নতুন সামাজিক সম্পর্কের শব্দ তৈরি করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত শব্দের অন্তর্ভুক্ত, যা প্রমিত উচ্চারণের পরিবর্তনের কারণে গঠিত হয়।
- কথ্য রীতিতে দ্রুত উচ্চারণের সময় শব্দের ভেতরের বর্ণে পরিবর্তন বা জোড় বাঁধতে এই ধরনের শব্দ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাঁচকলা
ব্যাখ্যা: কাঁচা এবং কলা শব্দের মিলনে গঠিত হলেও উচ্চারণের সুবিধার্থে কাঁচকলা রূপ নেয়।
উদাহরণ ২: গিন্নি
ব্যাখ্যা: গৃহিণী শব্দের পরিবর্তিত ও সহজ রূপ হলো গিন্নি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাতি জামাই — নাত জামাই শব্দের ক্ষেত্রে প্রমিত গঠনে 'নাতি' ব্যবহৃত হয় না, বরং সংক্ষিপ্ত 'নাত' রূপটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়।
B) নাত জামাই — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি প্রমিত গঠনরীতিকে সমর্থন করে।
C) নাজ + জামাই — নাজ কোনো বাংলা ব্যাকরণসম্মত শব্দ বা প্রত্যয় নয়, তাই এই বিশ্লেষণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) নাতিন + জামাই — নাতিনের সঙ্গে জামাই যুক্ত হলে নাতিনজামাই হতো, কিন্তু প্রমিত কথ্য রূপে 'নাত জামাই' প্রচলিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সামাজিক সম্পর্কের যৌগিক শব্দ মনে রাখার জন্য শব্দের সংক্ষিপ্ত মূল রূপটি খেয়াল রাখতে হবে।
- কথ্য ও প্রমিত বাংলার মিল বা অমিলগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের কথ্য ও প্রমিত শব্দের গঠন থেকে প্রশ্ন আসে।
- শব্দের মূল রূপ ও ব্যবহারের ক্ষেত্র সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকলে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর অপশন এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) ণিজন্ত
১. কেন সঠিক:
যে ক্রিয়াপদ অন্যের দ্বারা পরিচালিত হয় তাকে ণিজন্ত বা প্রযোজক ক্রিয়াপদ বলে। মূল ধাতুর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে ণিজন্ত ক্রিয়াপদ গঠন করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
প্রযোজক কর্তার প্ররোচনা বা চালনায় যখন অন্য কোনো গৌণ কর্তা কোনো কাজ সম্পন্ন করে, তখন সেই ক্রিয়াকে প্রযোজক বা ণিজন্ত ক্রিয়া বলে। বাক্যের মূল কর্তা বা প্রযোজক কর্তা এখানে শিশুকে খাইয়ে দিচ্ছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাখাল গরুকে ঘাস খাওয়াচ্ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে রাখাল মূল কর্তা গরুকে খাওয়ানোর কাজটি অন্যকে দিয়ে করাচ্ছে বা পরিচালনা করছে।
উদাহরণ ২: শিক্ষক ছাত্রকে পড়াচ্ছেন।
ব্যাখ্যা: শিক্ষক নিজে না পড়ে ছাত্রকে পড়াচ্ছেন, যা ণিজন্ত ক্রিয়ার একটি স্পষ্ট উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ণিজন্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে অন্যের দ্বারা পরিচালিত হওয়ার ভাব প্রকাশ পেয়েছে।
B) দ্বিকর্মক — এই অপশনটি ভুল কারণ দ্বিকর্মক ক্রিয়ায় দুটি কর্ম থাকে, কিন্তু এখানে কর্মের সংখ্যার চেয়ে ক্রিয়ার রূপ প্রধান।
C) ধন্যাত্মক — এই অপশনটি ভুল কারণ ধন্যাত্মক ক্রিয়া কোনো ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় না।
D) যৌগিক — এই অপশনটি ভুল কারণ যৌগিক ক্রিয়া একটি সমাপিকা ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া মিলে গঠিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অন্যকে দিয়ে কাজ করানো বোঝালে এবং ধাতুর সঙ্গে 'আ' যুক্ত থাকলে তা ণিজন্ত ক্রিয়া হবে। এই ধরনের বাক্যে মূল কর্তা কাউকে কোনো কাজে নিয়োজিত করেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়াপদের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রযোজক বা ণিজন্ত ক্রিয়া চিনতে মূল কর্তার ভূমিকা এবং অন্যের দ্বারা কাজ সম্পন্ন করার বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) জলদ
১. কেন সঠিক:
- গঠনগত দিক থেকে যেসব শব্দ সমাস বা প্রত্যয় সাধিত হয়ে নির্দিষ্ট কোনো অর্থ প্রকাশ না করে, বুৎপত্তিগত অর্থের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যৌগিক বা রূঢ় শব্দের নিয়ম না মেনে যৌগিক ও রূঢ় উভয় বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে গঠিত যোগরূঢ় শব্দ বলে।
- জলদ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো জল + দা (প্রদান করে যে)। এর শাব্দিক অর্থ জল প্রদান করে যে, কিন্তু যোগরূঢ় নিয়মে এটি নির্দিষ্ট করে মেঘকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে গঠন অনুসারে শব্দ তিন প্রকার: মৌলিক, সাধিত এবং যৌগিক, রূঢ় বা রূঢ়ি এবং যোগরূঢ় শব্দ।
- যোগরূঢ় শব্দগুলো সমাসবদ্ধ হয়ে পদের আসল বা স্বাভাবিক অর্থ বজায় না রেখে প্রচলিত অর্থের বাইরে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পঙ্কজ
ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা (পঙ্ক + জ)। শাব্দিক অর্থে পঙ্কে জন্মায় এমন যেকোনো কিছু বোঝাতে পারে, কিন্তু যোগরূঢ় অর্থে এটি কেবল পদ্মফুলকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: রাজপুত
ব্যাখ্যা: রাজার পুত্র (রাজা + পুত)। এর সাধারণ অর্থ রাজার ছেলে হলেও, যোগরূঢ় অর্থে এটি একটি নির্দিষ্ট জাতি বা সম্প্রদায়কে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি শাব্দিক অর্থের বাইরে গিয়ে যোগরূঢ় নিয়মে নির্দিষ্টভাবে মেঘকে বোঝায়।
B) হস্তী — এটি একটি রূঢ় শব্দ, যার বুৎপত্তিগত অর্থ হস্ত বা হাত আছে যার, কিন্তু প্রচলিত অর্থে এটি একটি বিশেষ পশুকে বোঝায়।
C) সন্দেশ — এটি একটি রূঢ় শব্দ, যা সংবাদ বা বার্তা অর্থ প্রকাশ না করে বর্তমানে এক প্রকার মিষ্টি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) বাঁশি — এটি একটি যৌগিক শব্দ, যা বাঁশ দিয়ে তৈরি যেকোনো বস্তু না বুঝিয়ে বিশেষ এক প্রকার বাদ্যযন্ত্রকে বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যোগরূঢ় শব্দগুলো মূলত বহুব্রীহি বা অন্যান্য সমাসের সাহায্যে গঠিত হয় এবং উৎপত্তি বাদ দিয়ে একটি নির্দিষ্ট বস্তুকে বিশেষ অর্থ প্রদান করে।
- পরীক্ষায় সাধারণত জলদ, পঙ্কজ এবং রাজপুত শব্দগুলোই যোগরূঢ় হিসেবে বেশি আসে, এগুলো ভালোভাবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- যৌগিক, রূঢ় এবং যোগরূঢ় শব্দের পার্থক্য প্রায়ই বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- সমাস বা প্রত্যয় সাধিত হলেও যে শব্দগুলো সম্পূর্ণ নতুন ও নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন
১. কেন সঠিক:
সাক্ষ্য শব্দের অর্থ হলো প্রমাণ বা প্রমান্য বক্তব্য, যা কোনো ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে আদালতে বা সমকক্ষ স্থানে পেশ করা হয়।
বাক্যে অপরাধ বা অভিযোগের বিপরীতে প্রমাণ উপস্থাপন অর্থে সাক্ষ্য শব্দটির সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে।
২. ব্যাকরণ / শুদ্ধ বানান ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় সক্ষ্য বা সাক্ষ প্রদানকারীকে সাক্ষী বলা হলেও প্রমাণের মূল বিশেষ্য পদটি সাক্ষ্য।
বানানরীতির দিক থেকে সাক্ষ্য শব্দটিতে যুক্তবর্ণ ক্ষ (ক+ষ) ব্যবহৃত হয়, যেখানে কোনো অতিরিক্ত খ বা ক্ষ যুক্ত হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মামলার শুনানিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন।
ব্যাখ্যা: এখানে সাক্ষ্য শব্দটি ঘটনার সত্যতা প্রমাণের লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য হিসেবে সঠিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: পুলিশ ঘটনার পক্ষে কোনো জোরালো সাক্ষ্য পায়নি।
ব্যাখ্যা: অপরাধের প্রমাণ বা তথ্য বোঝাতে এখানে সাক্ষ্য বিশেষ্য পদটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিলেন — সাক্ষী হলো ব্যক্তি বা প্রবক্তা, যিনি সাক্ষ্য দেন, তাই তিনি সাক্ষী দিতে পারেন না, সাক্ষ্য দিতে পারেন।
B) তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং বাক্যের অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
C) তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষ দিলেন — সাক্ষ বলে বাংলা ভাষায় কোনো প্রমিত শব্দ নেই, এটি বানানগত ও শব্দগতভাবে ভুল।
D) তিনি তোমার বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য দিবেন — স্বাক্ষ্য বানানে অতিরিক্ত খ বা যুক্তবর্ণের ভুল রয়েছে, কারণ সঠিক বানান সাক্ষ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্যক্তি হলো সাক্ষী আর প্রমাণ হলো সাক্ষ্য। মানুষ সাক্ষী দেয় না, মানুষ সাক্ষ্য প্রদান করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পরীক্ষায় প্রায়ই সাক্ষী এবং সাক্ষ্য শব্দের ব্যবহার নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক প্রশ্ন আসে।
মনে রাখতে হবে ব্যক্তি বোঝাতে সাক্ষী এবং প্রমাণ বোঝাতে সাক্ষ্য ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
১. কেন সঠিক:
- বৈড়ায়ি চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- বৈড়ায়ি বা বুড়ি চরিত্রের মধ্য দিয়ে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের অভিসার এবং ঘটিত নানা বিষয়ে ঘটকালি বা মধ্যস্থতার কাজ পরিচালনা করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি প্রাক-চৈতন্যযুগের নিদর্শন যা ১৯০৯ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কার করেন।
- এই কাব্যের প্রধান তিনটি চরিত্র হলো রাধা, কৃষ্ণ এবং বড়াই বা বৈড়ায়ি যিনি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের ঘটক ও মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী নারী চরিত্র।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বড়াই চরিত্র
ব্যাখ্যা: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের বৈড়ায়ি বা বড়াই চরিত্রটি রাধার মাসি ও প্রেমের সহচরী হিসেবে মধ্যস্থতা করে।
উদাহরণ ২: রাধা ও কৃষ্ণ চরিত্র
ব্যাখ্যা: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের কেন্দ্রীয় এই দুই চরিত্র বৈড়ায়ির মাধ্যমে একে অপরের সান্নিধ্য লাভ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডীমঙ্গল — এই মঙ্গলকাব্যের প্রধান চরিত্র হলো কালকেতু, ফুল্লরা ও লহনা খূল্লনা।
B) অন্নদা মঙ্গল — এই মঙ্গলকাব্যের বিখ্যাত চরিত্র হলো ঈশ্বরী পাটনি ও বিদ্যা সুন্দর।
D) মনসামঙ্গল — এই মঙ্গলকাব্যের প্রধান চরিত্র হলো চাঁদ সওদাগর ও বেহুলা লখিন্দর।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মাত্র তিনটি চরিত্র পাওয়া যায় এবং তাদের মধ্যে বুড়ি বা ঘটক চরিত্রটির নাম বড়াই বা বৈড়ায়ি।
- মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোতে বড়াই চরিত্রটির অস্তিত্ব নেই, এটি কেবল শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সঙ্গেই বিশেষভাবে যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের চরিত্র বিশ্লেষণ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- মধ্যযুগের কোন কাব্যে মাত্র তিনটি চরিত্র পাওয়া যায়, এই প্রশ্নটির উত্তরও শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
সঠিক উত্তর: D) ১৮৭২
১. কেন সঠিক:
- বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা 'বঙ্গদর্শন' প্রথম প্রকাশিত হয় বাংলা ১২৭৯ সালের বৈশাখে এবং ইংরেজি ১৮৭২ সালের এপ্রিল মাসে।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন এবং এর মধ্য দিয়ে বাংলা উপন্যাসের ধারা সমৃদ্ধ হয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় এক নতুন যুগের সূচনা ঘটেছিল।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই পত্রিকাকে ঝড়ের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন যা সেকালের বাঙালি সমাজে নবচেতনা ও আধুনিকতার বার্তা নিয়ে এসেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই বিখ্যাত উপন্যাসটি প্রথম 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: কমলাকান্তের দপ্তর
ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্রের এই জনপ্রিয় ব্যঙ্গাত্মক ও মননশীল রচনাটিও 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় প্রকাশিত হতো।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮৬৫ — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম বাংলা উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু বঙ্গদর্শন প্রকাশিত হয়নি।
B) ১৮৮২ — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আনন্দমঠ উপন্যাস প্রকাশিত হয় কিন্তু এটি বঙ্গদর্শন প্রকাশের সাল নয়।
C) ১৮৯১ — এই সালে বাংলা ১৩০০ বঙ্গাব্দে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায় বঙ্গদর্শন পত্রিকা দ্বিতীয়বার প্রকাশিত হয় কিন্তু এটি প্রথম প্রকাশের সাল নয়।
D) ১৮৭২ — এটি সঠিক সাল কারণ এই সালেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিমচন্দ্রের বয়স যখন চৌত্রিশ বছর, তখন ১৮৭২ সালে তিনি বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রকাশ করেন।
- বঙ্গদর্শন মানে বাংলার দর্শন, যা ১৮৭২ সালের এপ্রিলে প্রথম আলোর মুখ দেখে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কে ছিলেন, যার উত্তর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনাতেও এই পত্রিকা পরে প্রকাশিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) ভিখারিণী
১. কেন সঠিক:
ভিখারিণী হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম রচিত ছোটগল্প। ১২৮৪ বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসে ভারতী পত্রিকায় এই গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক ও প্রধান রূপকার হিসেবে পরিচিত। ভিখারিণী গল্পের মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে আধুনিক ছোটগল্পের ধারা সূচনা করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেনা-পাওনা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা সমাজজীবনের নানা বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।
উদাহরণ ২: সুভা
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিশ্বখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প হলো সুভা, যার প্রধান চরিত্র একজন বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘাটের কথা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প হলেও এটি তাঁর প্রথম ছোটগল্প নয়।
B) ভিখারিণী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম ছোটগল্প এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) দেনা-পাওনা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প হলেও এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প নয়।
D) সুভা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্পগুলোর একটি যা পরবর্তীতে গল্পগুচ্ছ সংকলনে স্থান পায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের প্রথম ছোটগল্প মনে রাখতে ভিখারিণী শব্দটি মনে রাখুন। ভ দিয়ে ভিখারিণী এবং ভ দিয়েই প্রথম ছোটগল্পের ভাবনা শুরু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের প্রথম ছোটগল্প কোনটি এই প্রশ্নটি বারবার আসে। প্রথম প্রকাশিত কাব্য, নাটক ও ছোটগল্পের নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে মুখস্থ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
- ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং এর কোনো লিখিত রূপ থাকে না।
- মানুষের মুখনিঃসৃত সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম আওয়াজ বা ধ্বনিই হলো ভাষার মৌলিক ভিত্তি বা ক্ষুদ্রতম একক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি হলো বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক।
- বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা ভাষার ক্ষুদ্রতম প্রতীক হলেও মৌলিক একক ধ্বনিই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ
ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বরধ্বনি এবং স্বরবর্ণ।
উদাহরণ ২: ক
ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক, যা ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক নয়।
B) পদ — পদ হলো বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিসহ শব্দ, যা ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হতে অনেক বড়।
C) অক্ষর — অক্ষর হলো উচ্চারণ বা শ্বাসের ঝোঁকে এক ঝটকায় উচ্চারিত অংশ, যা ধ্বনির চেয়ে বড় একক।
D) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভাষার ক্ষুদ্রতম মৌলিক একক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কান দিয়ে যা শোনা যায় এবং যার লিখিত রূপ নেই তা ধ্বনি, আর যা দেখা যায় তা বর্ণ।
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক বললে সবসময় ধ্বনি উত্তর হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি আর লিখিত রূপের ক্ষুদ্রতম একক হলো বর্ণ।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) একুশ
কেন সঠিক:
১. বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগঠনের প্রক্রিয়ায় খাঁটি বাংলা উপসর্গ নির্দিষ্ট কয়েকটি রয়েছে।
২. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা একুশটি নির্ধারিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. যে শব্দাংশগুলো শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে, তাদের উপসর্গ বলে।
২. বাংলা ভাষায় তিন প্রকার উপসর্গ রয়েছে, যার মধ্যে একটি হলো খাঁটি বাংলা উপসর্গ।
৩. অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আব, ইতি, উ, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা ইত্যাদি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উনিশ — উনিশটি হলো বাংলা ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা।
B) বিশ — বিশ কোনো স্বীকৃত উপসর্গের সংখ্যা নির্দেশ করে না।
D) চৌত্রিশ — চৌত্রিশ বলতে বাংলা ব্যঞ্জবর্ণের সংখ্যা বোঝায়, উপসর্গের সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
অজ পাড়াগাঁয়ের অনা ও আড় কুঁড়েমি বাদ দিয়ে একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) রামনারায়ণ তর্করত্ন
১. কেন সঠিক:
বাংলা মৌলিক নাটকের যাত্রা শুরু হয় রামনারায়ণ তর্করত্নের হাতে।
তিনি ১৮৫২ সালে কুলীনকুলসর্বস্ব নাটক রচনার মাধ্যমে বাংলা নাট্যজগতে মৌলিক ধারার সূচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রামনারায়ণ তর্করত্ন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও অনুবাদক।
কুলীনকুলসর্বস্ব নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুলীনকুলসর্বস্ব নাটক
ব্যাখ্যা: এটি ১৮৫২ সালে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক বাংলা নাটক যেখানে কুলীন প্রথার কুফল ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: রত্নাবলী নাটক
ব্যাখ্যা: এটি রামনারায়ণ তর্করত্নের আরেকটি নাটক যা তিনি হর্ষবর্ধনের সংস্কৃত নাটক অবলম্বনে অনুবাদ করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা নাটকের মোড় ঘুরিয়ে দিলেও প্রথম মৌলিক নাটকের রচয়িতা নন।
তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক শর্মিষ্ঠা রচনা করেন।
B) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি সমাজ বাস্তবতার নাটক নীলদর্পণ রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন।
তবে তিনি রামনারায়ণ তর্করত্নের পরে নাট্যজগতে আগমন করেন।
C) গিরীশ চন্দ্র ঘোষ — তিনি বাংলা নাট্যশালার মহানায়ক এবং পেশাদার নাট্যমঞ্চের স্থপতি ছিলেন।
তিনি অনেক নাটক লিখলেও মৌলিক নাটকের ধারার সূচনাকারী নন।
D) রামনারায়ণ তর্করত্ন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম মৌলিক নাটক কুলীনকুলসর্বস্ব রচনা করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
মৌলিক নাটকের মূল পুরুষ রামনারায়ণ এই সূত্রটি মনে রাখতে পারো।
রামনারায়ণের হাতে প্রথম মৌলিক নাটক কুলীনকুলসর্বস্ব রচিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক কোনটি এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
একইভাবে প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি বা সার্থক কমেডি নাটক কোনটি তাও মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) কুকুর
১. কেন সঠিক:
- সারমেয় শব্দের আক্ষরিক ও পরীক্ষিত অর্থ হলো কুকুর।
- সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রমিত বাংলা ভাষায় এটি তৎসম শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ নির্দেশক ব্যাকরণ অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এটি।
- তৎসম শব্দ এমন সব শব্দ যা সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম শব্দ যার অর্থ দিবালোকের প্রধান জ্যোতিষ্ক।
উদাহরণ ২: চন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ এবং এর অর্থ চাঁদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরিণ — এটি একটি পশুর নাম হলেও সারমেয় শব্দের অর্থ হরিণ নয়।
B) খরগোশ — এটি একটি ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং সারমেয় শব্দের অর্থের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।
C) কুকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সারমেয় শব্দের সরাসরি অর্থ প্রকাশ করে।
D) সারস — এটি একটি পাখির নাম এবং সারমেয় শব্দের অর্থ এটি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সারমেয় শব্দের শেষাংশে যে মেয় অংশটি আছে তা মনে রেখে কুকুর শব্দটির সঙ্গে মেলাতে পারো।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রচলিত তৎসম শব্দের অর্থ জানতে চাওয়া হয়, তাই এগুলোর তালিকা নিয়মিত চর্চা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সারমেয় শব্দের মতো আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ হলো অম্বু অর্থাৎ জল এবং শর্বরী অর্থাৎ রাত্রি।
- শব্দের অর্থবাচক প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে সরাসরি মুখস্থ রাখার চেয়ে শব্দের উৎস ও প্রচলন খেয়াল রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
'চতুরঙ্গ' হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে মানুষের মনস্তত্ত্ব, জীবনদর্শন এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে অন্ধবিশ্বাসের অসারতা নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বাংলা উপন্যাসে আধুনিকতার সূত্রপাত করেন এবং চতুরঙ্গ তার অন্যতম একটি সৃষ্টি। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলি হলো শ্রীবিলাস, শচীশ, দামিনী ও জ্যেঠামশাই যারা ভিন্ন ভিন্ন জীবনদর্শন ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্য।
উদাহরণ ২: চোখের আলো
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি জনপ্রিয় গান, যা তার সাহিত্যকৃতির বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও 'চতুরঙ্গ' তার রচিত কোনো গ্রন্থ নয় বরং তার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে কবি ও হাঁসুলী বাঁকের উপকথা।
B) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি মূলত উনিশ শতকের একজন নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক এবং তার সবচেয়ে বিখ্যাত নাটক হলো নীলদর্পণ।
C) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় — তিনি বনফুল ছদ্মনামে পরিচিত একজন বিখ্যাত ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক, যার 'চতুরঙ্গ' নামে কোনো বিখ্যাত উপন্যাস নেই।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ চতুরঙ্গ উপন্যাসটি একমাত্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অনন্য সাহিত্যকর্ম।
৫. মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে চতুরঙ্গ উপন্যাসের চরিত্র শচীশ ও দামিনী বেশ আলোচিত। চার অক্ষর বা চতুরঙ্গ দিয়ে রবীন্দ্রনাথের মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস, ছোটগল্প ও কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। চতুরঙ্গ উপন্যাসের প্রকাশকাল ১৯১৬ সাল এবং এর প্রধান নারী চরিত্র দামিনী, যা পরীক্ষায় বহুবার এসেছে।
সঠিক উত্তর: B) সন্ধি
১. কেন সঠিক:
- 'নবান্ন' শব্দটি সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে, যেখানে দুটি পদের মিলন না ঘটে দুটি ধ্বনির মিলন ঘটেছে।
- এখানে পূর্বপদের অন্ত্যধ্বনি অ এবং পরপদের আদিধ্বনি অ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা স্বরসন্ধির নিয়ম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে, যার মূল উদ্দেশ্য উচ্চারণের সহজতা ও মাধুর্য আনা।
- নব যোগ অন্ন মিলে নবান্ন হয়েছে, যেখানে অ যোগ অ সমান আ অর্থাৎ দীর্ঘ স্বরধ্বনি গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম যোগ আলয় সমান হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে অ যোগ আ মিলে আ ধ্বনি গঠিত হয়েছে, যা দীর্ঘ স্বরসন্ধির একটি ধ্রুপদী উদাহরণ।
উদাহরণ ২: মহা যোগ আশয় সমান মহাশয়
ব্যাখ্যা: এখানে আ যোগ আ মিলে আ ধ্বনি গঠিত হয়েছে, যা সন্ধির মাধ্যমে শব্দ গঠনের আরেকটি স্পষ্ট নিয়ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাস — সমাস হলো অর্থসম্পর্কযুক্ত একাধিক পদের একপদীকরণ, কিন্তু 'নবান্ন' পদ দুটির অর্থগত মিলনে তৈরি হয়নি।
B) সন্ধি — এটি সঠিক অপশন কারণ শব্দটি ধ্বনির মিলনে সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে।
C) প্রত্যয় — প্রত্যয় যুক্ত হয় শব্দ বা ধাতুর পরে নতুন শব্দ গঠনে, কিন্তু নবান্ন প্রত্যয় সাধিত শব্দ নয়।
D) উপসর্গ — উপসর্গ যুক্ত হয় শব্দের পূর্বে নতুন অর্থ সৃষ্টি করতে, কিন্তু নবান্ন শব্দের পূর্বে কোনো উপসর্গ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সন্ধি চেনার সহজ উপায় হলো শব্দটিকে ভেঙে দেখা যায় কি না যেমন নব যোগ অন্ন।
- স্বরবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের মিলন ঘটলে তাকে স্বরসন্ধি বলে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বরসন্ধির এই নিয়মটি থেকে প্রশ্ন আসে।
- সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ভাঙার পর দুটি অংশই অর্থপূর্ণ হয়।
সঠিক উত্তর: B) নাটক (প্রশ্নে টাইপোগ্রাফিক্যাল ভুলে 'নাটক গা' লেখা হয়েছে, যার সঠিক রূপ হলো নাটক)
১. কেন সঠিক:
- 'নেমেসিস' হলো আধুনিক বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি অত্যন্ত পরিচিত সামাজিক নাটক।
- নাট্যকার ঔপনিবেশিক রাজধানী কলকাতার চব্বিশের মন্বন্তর এবং কালোবাজারির প্রেক্ষাপটে মানুষের নৈতিক অবক্ষয় ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- নাটকটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক শম্ভু মিত্র।
- ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি তৎকালীন সময়ের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটের এক নিখুঁত দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'রক্তকরবী'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রতীকধর্মী নাটক, যা মানুষের যান্ত্রিক সভ্যতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের রূপ।
উদাহরণ ২: 'সিরাজউদ্দৌলা'
ব্যাখ্যা: এটি সিকান্দার আবু জাফরের লেখা একটি ঐতিহাসিক নাটক, যা বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবের পতন নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্য — এটি সঠিক নয় কারণ 'নেমেসিস' পদ্যে রচিত কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি গদ্যে রচিত সংলাপনির্ভর নাটক।
B) নাটক গা — প্রদত্ত উত্তরে সামান্য মুদ্রণপ্রমাদ রয়েছে, মূলত এটি নাটক বোঝানো হয়েছে এবং এটিই সঠিক জেনার।
C) উপন্যাস — এটি সঠিক নয় কারণ উপন্যাস আকারে এটি দীর্ঘ বর্ণনামূলক গদ্য রচনা বা কল্পকাহিনি নয়, এটি অভিনয়ের উপযোগী নাটক।
D) গীতি কবিতা — এটি সঠিক নয় কারণ গীতি কবিতার মূল বৈশিষ্ট্য হলো ব্যক্তিগত আবেগ ও সুরের প্রকাশ, যা নাটকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শম্ভু মিত্রের নাম এলেই মাথায় রাখতে হবে তাঁর বিখ্যাত নাটক 'নেমেসিস' ও 'تغذی' নাট্যরূপের কথা।
- নাটকের নাম 'নেমেসিস' যার অর্থ প্রতিশোধ বা নিয়তির পরিহাস, এটি নাটকের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিলে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাট্যকার শম্ভু মিত্রের 'নেমেসিস' নাটকটি প্রায়ই বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- ১৯৪৮ সালের প্রেক্ষাপট এবং মন্বন্তরের ওপর ভিত্তি করে রচিত অন্যান্য নাটকের নাম ও লেখকের তালিকা আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' গ্রন্থটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে তিনি মৈথিলি ভাষায় এই পদগুলো রচনা করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কৈশোরে ভানুসিংহ ছদ্মনামে পদগুলো লেখেন। মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে এই কবিতাগুলো রচিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: গীতাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি একজন ভিন্ন ব্যক্তির নাম এবং এই সাহিত্যকর্মের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) চণ্ডীদাস — তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর কবি, তবে এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) ভারতচন্দ্র — তিনি অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি, যিনি অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম জীবনে ব্যবহৃত ছদ্মনাম ছিল ভানুসিংহ। ভানুসিংহ নাম দেখলেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উত্তর হিসেবে নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছদ্মনাম ছিল ভানুসিংহ ঠাকুর এবং আচ্ছন্ন সিংহ।
সঠিক উত্তর: C) নিশীথিনী
১. কেন সঠিক:
- নিশীথিনী শব্দের অর্থ মধ্যরাত্রি বা গভীর রাত। বানানের ক্ষেত্রে মূল শব্দ নিশীথ-এর সঙ্গে ইন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিন গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে স্ত্রীবাচক ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিনী শব্দ তৈরি হয়।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নিশীথ অংশে দীর্ঘ ঈ-কার এবং থ-এ ই-কার ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে, যা সঠিক বানানের মূল ভিত্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে রস্ব ই বা দীর্ঘ ঈ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। নিশীথ শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার এবং পরবর্তীতে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পরেও এই বানানটি প্রমিত রূপে দীর্ঘ ঈ-কার দ্বারাই গঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুসারে নিশীথিনী শব্দটিতে প্রথম ই-কার, দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার, থ-এ ই-কার এবং ন-এ দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিভাবরী
ব্যাখ্যা: এটি নিশীথিনী শব্দের সমার্থক শব্দ এবং রাতের একটি প্রমিত রূপ হিসেবে পরিচিত।
উদাহরণ ২: যামিনী
ব্যাখ্যা: নিশীথিনীর সমার্থক শব্দ হিসেবে এটি রাতে বা রাত্রিকে বোঝাতে বাংলা সাহিত্যে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিশিথিনী — ভুল কারণ নিশীথ শব্দের মূল বানানে দীর্ঘ ঈ-কার থাকার কথা থাকলেও এখানে রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
B) নীশিথিনী — ভুল কারণ নিশীথ শব্দের প্রথমাংশে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) নিশিথিনি — ভুল কারণ শব্দের শেষের ন-এ দীর্ঘ ঈ-কার না দিয়ে রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিশীথ শব্দের থ-এ রস্ব ই-কার এবং শেষ অংশে দীর্ঘ ঈ-কার মনে রাখলে এই বানান সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
- বানানের ক্ষেত্রে নিশীথ অংশটি মনে রেখে তার সঙ্গে ইনি প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়মটি মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রাত্রিবাচক শব্দগুলোর বানান যেমন নিশীথিনী, বিভাবরী ও যামিনী থেকে প্রশ্ন আসে।
- একই নিয়মে গঠিত অন্যান্য তৎসম শব্দের বানান চর্চা করলে পরীক্ষার্থী সহজেই এই ধরনের বানান শুদ্ধি প্রশ্ন সমাধান করতে পারবে।
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ
১. কেন সঠিক:
- জীবনানন্দ দাশকে তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি ও রূপের সুনিপুণ চিত্রায়নের জন্য 'রূপসী বাংলার কবি' বলা হয়।
- ১৯৩৪ সালে রচিত এবং তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থের নামানুসারে তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং বিশ শতকের ত্রিশের দশকের পাঁচজন কবির একজন।
- তাঁকে বাংলা কাব্যের নির্জনতম কবি হিসেবেও অভিহিত করা হয় যিনি মূলত নিসর্গ ও রূপময় বাংলার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনলতা সেন
ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অন্যতম বিখ্যাত ও বহুল পঠিত একটি কাব্যগ্রন্থ এবং কবিতা।
উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী
ব্যাখ্যা: এটিও জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও সমালোচক হলেও তাঁকে 'রূপসী বাংলার কবি' বলা হয় না।
B) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ত্রিশের দশকের একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিবাদী ও ধ্রুপদী ধারার কবি এবং তাঁকে 'রূপসী বাংলার কবি' বলা হয় না।
C) বিষ্ণু দে — তিনি মার্কসবাদী চেতনার এক বিশিষ্ট আধুনিক কবি হলেও এই উপাধির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রূপসী বাংলা মানেই বাংলার রূপ আর বাংলার রূপ সবচেয়ে সুন্দরভাবে এঁকেছেন জীবনানন্দ দাশ।
- কবির নামের সঙ্গে বাংলার নিসর্গের রূপ ও রূপসী বাংলা কথাটি একসূত্রে গেঁথে মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- জীবনানন্দ দাশের 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের কাব্যগ্রন্থ ও কবির উপাধি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) ক+ষ
১. কেন সঠিক:
'ক্ষ' একটি যুক্তবর্ণ যা একটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে অপর একটি ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে গঠিত হয়েছে।
এই বর্ণটি বিশ্লেষণ করলে ক এবং ষ পাওয়া যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় চারটি যুক্তবর্ণকে মৌলিক বা সংযুক্ত ক্ষণ হিসেবে ধরা হয় যার মধ্যে ক্ষ একটি অন্যতম ব্যঞ্জনবর্ণ।
এটি ক এবং মূর্ধন্য ষ যোগে গঠিত হয় এবং এর সাথে সাধারণত অ স্বরবর্ণ যুক্ত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্ষমা
ব্যাখ্যা: ক্ষ দিয়ে শুরু একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যেখানে ক এবং ষ যুক্ত আছে।
উদাহরণ ২: ক্ষতি
ব্যাখ্যা: এটিও ক্ষ দিয়ে গঠিত একটি শব্দ যা বানানে ক এবং ষ এর যুক্তরূপ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক+খ — খ একটি আলাদা বর্ণ এবং এর সাথে ক্ষ এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) ক+ঘ — ঘ একটি ভিন্ন ব্যঞ্জনবর্ণ যা ক্ষ গঠনে ব্যবহৃত হয় না।
C) ক+স্ব+অ — স্ব কোনো মৌলিক ব্যঞ্জনবর্ণ নয় তাই এটি ভুল।
D) ক+ষ — এটি সঠিক কারণ ক্ষ বর্ণটি ক এবং ষ এর মিলনে তৈরি হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্ষ দেখলে মনে রাখবে এটি ক এর সাথে ষ যোগ করে লেখা হয়।
ক এবং ষ মিলে ক্ষ হয় এটি এভাবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
যুক্তবর্ণ ভাঙার প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
ক্ষ, ত্র, জ্ঞ এবং শ্র এই চারটি যুক্তবর্ণ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) দারিদ্র্যতা
১. কেন সঠিক:
দারিদ্র্যতা একটি দ্বৈত প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানানগত ভুল শব্দ। বাংলা ব্যাকরণে একই অর্থে দুটি প্রত্যয় একসঙ্গে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের শেষে একই সঙ্গে তা এবং য প্রত্যয় যুক্ত হলে তাকে বাহুল্য বা দ্বৈত প্রত্যয় দোষ বলে গণ্য করা হয়। দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত করে দারিদ্র্য শব্দটি গঠিত হয়, যার অর্থ দরিদ্রতার অবস্থা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঔদার্য
ব্যাখ্যা: উদার শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঔদার্য শব্দটি শুদ্ধ হয়েছে, এখানে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করা যাবে না।
উদাহরণ ২: মাহাত্ম্য
ব্যাখ্যা: মহৎ শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মাহাত্ম্য গঠিত হয়, এর সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করলে মাহাত্ম্যতা অশুদ্ধ হবে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দারিদ্র্যতা — এটি ভুল বানান কারণ দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য এবং তা একসঙ্গে যুক্ত হয়ে দ্বৈত প্রত্যয় দোষ ঘটেছে।
B) উপযোগিতা — এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান যার অর্থ ব্যবহারের উপযোগী বা কাজের উপযুক্ত হওয়ার ভাব।
C) রুগণ — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের অপশন হিসেবে রাখা হলেও এর সঠিক ও প্রমিত রূপ হলো রুগ্ণ।
D) কাহিনি — বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান যেখানে রস ই কার ব্যবহৃত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
দারিদ্র্য এবং দীনতা শব্দ দুটি শুদ্ধ, কিন্তু দারিদ্র্যতা বা দীনতা তা কখনোই একসঙ্গে ব্যবহার করা যাবে না। একই শব্দে য এবং তা প্রত্যয় একসঙ্গে বসে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষযুক্ত বানান যেমন দৈন্যতা, স্বায়ত্তশাসন ও সৌজন্যতা প্রায়ই অপশনে থাকে। প্রমিত বানানরীতি অনুসরণে এসব শব্দের সঠিক রূপ মুখস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) Intellectual
কেন সঠিক:
- Intellectual শব্দটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা করেন এবং পড়াশোনা ও গভীর চিন্তাভাবনায় বেশি সময় ব্যয় করেন।
- এই শব্দের মূল অর্থই হলো বুদ্ধিমান এবং মননশীল ব্যক্তি।
- তাই অনেক পড়াশোনা ও চিন্তা করেন এমন ব্যক্তির জন্য এটি সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Spiritual - এই শব্দের অর্থ আধ্যাত্মিক, যা সাধারণত ধর্ম বা আত্মিক বিশ্বাসের সাথে সম্পর্কিত।
B) Intellectual - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই।
C) Witty - এই শব্দের অর্থ রসিক বা চটপটে বুদ্ধি সম্পন্ন, যা গভীর চিন্তার চেয়ে তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তাকে বোঝায়।
D) Angry - এই শব্দের অর্থ রাগী বা ক্রুদ্ধ, যার সাথে পড়াশোনা বা চিন্তার কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
যিনি ইন্টেলিজেন্ট বা বুদ্ধিমান হন, তিনি বই পড়েন এবং গভীরভাবে চিন্তা করেন।
সঠিক উত্তর: A) Taxable
কেন সঠিক:
'Taxable' শব্দটি কোনোNOUN-এর আগে বসে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে। তাই এটি একটি Adjective হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Taxable — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) Taxation — এটি একটি Noun, যার অর্থ করারোপ বা কর আদায় ব্যবস্থা।
C) Taxing — এটি Verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত রূপ বা Participle, যা এখানে Adjective হিসেবে উপযুক্ত নয়।
D) Taxability — এটি একটি Noun, যা করযোগ্যতার ভাব বা অবস্থা প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দাংশের শেষে able যুক্ত থাকলে সাধারণত তা Adjective হয়।
সঠিক উত্তর: A) Shakespeare
কেন সঠিক:
উইলিয়াম শেক্সপিয়র ষোল ও সতেরো শতকের একজন বিখ্যাত ইংরেজি নাট্যকার ও কবি ছিলেন।
দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস তাঁর লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিশ্ববিখ্যাত কমেডি নাটক।
এই নাটকে শাইলক এবং এন্টোনিও চরিত্র দুটি অমর হয়ে আছে।
নাটকটি মূলত বন্ধুত্ব এবং ন্যায়ের ধারণার ওপর রচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
B) Milton — জন মিল্টন একজন বিখ্যাত মহাকাব্যিক কবি ছিলেন, যিনি প্যারাডাইস লস্ট রচনা করেছেন এবং তিনি নাটক লেখেননি।
C) John Webster — জন ওয়েবস্টার জ্যাকোবিয়ান যুগের নাটককার ছিলেন, যিনি দ্য ডাচেস অফ মালফি রচনা করেছেন।
D) John Kyd — থমাস কিড একজন এলিজাবেথান যুগের নাট্যকার ছিলেন, যিনি দ্য স্প্যানিশ ট্রাজেডি রচনা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
ভেনিস শহরের বনিক সংক্রান্ত বিখ্যাত নাটকটি সর্বকালের সেরা নাট্যকার শেক্সপিয়রের লেখা।
সঠিক উত্তর: B) Sonnet
কেন সঠিক:
ইংরেজি সাহিত্যে চৌদ্দ লাইনের নির্দিষ্ট গঠন ও ছন্দ মিলিয়ে লেখা যেকোনো কবিতাকে সনেট বলা হয়।
এই জাতীয় কবিতায় সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ভাবের প্রকাশ ঘটে এবং তা নির্দিষ্ট নিয়মে বিভক্ত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Elegy — এটি কোনো নির্দিষ্ট লাইনের কবিতা নয়, বরং এটি হলো কারো মৃত্যুতে লেখা একটি শোকগাথা বা বিলাপ কবিতা।
B) Sonnet — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে এর পুনরাবৃত্তি অপ্রয়োজনীয়।
C) Ode — এটি চৌদ্দ লাইনের কবিতা নয়, বরং এটি হলো কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা বিষয়ের গুণগান গেয়ে লেখা দীর্ঘ কবিতা।
D) Ballad — এটি চৌদ্দ লাইনের কবিতা নয়, বরং এটি হলো লোকগাথা বা সুর করে গাওয়ার উপযোগী ছোট গল্পের মতো কবিতা।
মনে রাখার টিপস:
সনেট মানেই চৌদ্দ লাইন, এই হিসাবটি সবসময় মনে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি বেছে নেওয়া সম্ভব হবে।
সঠিক উত্তর: C) Gladstone
কেন সঠিক:
এই বিখ্যাত প্রবাদটি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন এর একটি ঐতিহাসিক উক্তি।
বিচার পেতে দেরি হওয়া মানে বিচারকে অস্বীকার করার সমান বলে তিনি বুঝিয়েছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়ার একজন বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন কিন্তু তিনি এই আইন বিষয়ক প্রবাদটি বলেননি।
B) Churchill — উইনস্টন চার্চিল একজন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তবে এই উক্তিটি তাঁর রাজনৈতিক বক্তৃতার অংশ নয়।
C) Gladstone — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল প্রমাণের কিছু নেই।
D) Disraeli — বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি আরেকজন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন যিনি এই উক্তিটির সাথে যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
জি দিয়ে গ্ল্যাডস্টোন এবং জি দিয়ে জাস্টিস মনে রাখলে এই প্রবাদটির মূল বক্তাকে সহজে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: B) National Economic Council
কেন সঠিক:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের ইংরেজি রূপ হলো ন্যাশনাল ইকোনমিক কাউন্সিল বা এনইসি।
এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকারি পরিকল্পনা ও নীতি প্রণয়ন করে থাকে।
সরকারি ও পরিকল্পনা সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞানে এই পূর্ণরূপটি প্রায়ই আসে।
এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পরিষদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Non Economic Currency — এমন কোনো প্রচলিত বা বাস্তবসম্মত অর্থনৈতিক বা মুদ্রাসংক্রান্ত পরিভাষা নেই।
B) National Economic Council — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি দেশের সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারক পরিষদ।
C) No Exchange Currency — বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের ক্ষেত্রে এমন কোনো নির্দিষ্ট বা সঠিক রূপ বোঝায় না।
D) Never Ending Crisis — এটি সাধারণ কোনো সংকটের কথা বোঝায়, যা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা দাপ্তরিক সংক্ষিপ্ত রূপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
অর্থনীতি বা কাউন্সিলের সাথে সম্পর্কিত কোনো সরকারি সংস্থাকে বুঝাতে ন্যাশনাল এবং কাউন্সিল শব্দ দুটি প্রথমে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) mass killing
কেন সঠিক:
'Genocide' শব্দটি গ্রীক শব্দ 'genos' এবং ল্যাটিন শব্দ 'cide' এর সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে।
এর সহজ অর্থ হলো কোনো বিশেষ জাতিকে পরিকল্পিতভাবে একত্রে হত্যা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mass grave — এই শব্দটির বাংলা অর্থ হলো গণকবর, যা হত্যার স্থান নির্দেশ করে কিন্তু হত্যা বোঝায় না।
B) mass gathering — এর অর্থ হলো বিশাল জনসমাগম, যা কোনো অপরাধমূলক কাজের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) mass killing — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ হলো দলবদ্ধভাবে অনেক মানুষ হত্যা করা।
D) mass attendance — এর অর্থ হলো প্রচুর মানুষের উপস্থিতি, যা শব্দের মূল অর্থের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে থাকা 'cide' অংশটি হত্যা করা বোঝায় এবং 'geno' বলতে জাতি বা জনগোষ্ঠীকে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: খ) I have read
কেন সঠিক:
এই বাক্যে subject এর পরে have এবং মূল verb এর past participle রূপ (read) ব্যবহৃত হয়েছে।
এটি নির্দেশ করে কাজ সবেমাত্র শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনও বর্তমান আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) I am reading — এটি Present Continuous Tense কারণ এখানে verb এর সাথে ing যুক্ত আছে।
খ) I have read — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
গ) I read — এটি Present Indefinite Tense কারণ এখানে verb এর present form আছে।
ঘ) I have been reading — এটি Present Perfect Continuous Tense কারণ সময়ের উল্লেখসহ have been ও ing আছে।
মনে রাখার টিপস:
Present Perfect Tense চিনতে Subject এর পরে have বা has এবং মূল verb এর Past Participle রূপ খুঁজে দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) fox
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণে কিছু নির্দিষ্ট তুলনা বা Simile ব্যবহার করা হয়, যা কোনো বিশেষ প্রাণীর স্বভাব বা বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মানুষের তুলনা করতে ব্যবহৃত হয়।
- শিয়ালকে (Fox) ইংরেজিতে বুদ্ধিমত্তা ও ধূর্ততার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়, তাই অত্যন্ত ধূর্ত বোঝাতে as cunning as a fox বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hon — এটি কোনো আদর্শ বা প্রচলিত ইংরেজি পশুর নাম বা সিমিলি নয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) fox — এটি সঠিক উত্তর, কারণ শিয়াল তার ধূর্ত স্বভাবের জন্য প্রবচন ও সিমিলিতে ব্যবহৃত হয়।
C) hare — খরগোশ সাধারণত তার দ্রুত গতির জন্য পরিচিত, ধূর্ততার জন্য নয়, তাই এটি ভুল।
D) tiger — বাঘ তার শক্তির ও হিংস্রতার প্রতীক, কিন্তু ধূর্ততার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
শিয়ালের ধূর্ত স্বভাবের কথা মনে রাখলেই এই ধরনের সিমিলি বা তুলনা সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) at
কেন সঠিক:
কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে ইংরেজি বাক্যে 'good at' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
এখানে মাছ ধরার দক্ষ তার কথা বলা হয়েছে তাই সঠিক preposition হলো at।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — দক্ষতা বোঝাতে 'good in' ব্যবহার করা হয় না তাই এটি ভুল।
B) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) about — কোনো কিছুর ব্যাপারে অর্থে ব্যবহৃত হয় কিন্তু দক্ষতার ক্ষেত্রে বসে না।
D) on — কোনো পৃষ্ঠার ওপরে বা নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর বোঝাতে বসে তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষতা বা ভালো বোঝাতে সর্বদা adjective 'good' এর পরে preposition 'at' বসে।
সঠিক উত্তর: B) Oxen
কেন সঠিক:
- অক্স শব্দের বহুবচন হলো অক্সেন, যা অনিয়মিত বা অনিয়মিত উপায়ে গঠিত হয়।
- এর শেষে এন যোগ করে প্লুরাল করা হয়েছে, যা ইংরেজিতে বহুবচন গঠনের একটি ব্যতিক্রমী নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) School — এটি একটি কাউন্টেবল নাউন হলেও সিঙ্গুলার ফর্মে আছে, এর প্লুরাল হলো স্কুলস।
B) Oxen — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি অক্স শব্দের প্লুরাল ফর্ম।
C) Leaf — এটি একটি সিঙ্গুলার নাউন, যার শেষে এফ তুলে ভি ই এস যোগ করে প্লুরাল লিভস করতে হয়।
D) Mathematics — এটি দেখতে প্লুরালের মতো মনে হলেও এটি মূলত একটি সিঙ্গুলার নাউন এবং এটি একটি বিষয়ের নাম।
মনে রাখার টিপস:
কিছু শব্দের শেষে এন বা আর ই এন যোগ করে প্লুরাল করা হয়, যেমন অক্স থেকে অক্সেন এবং চাইল্ড থেকে চিলড্রেন।
সঠিক উত্তর: A) Final Speech
কেন সঠিক:
এই ইডিয়মটির আক্ষরিক ও প্রচলিত অর্থ হলো জীবনে বা কোনো নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানে প্রদত্ত প্রথম বক্তব্য।
এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রথমবার জনসমক্ষে ভাষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
বাক্যে নতুন বক্তার প্রথম ভাষণ বোঝাতে এই সুন্দর ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Final Speech — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হলেও ইডিয়মের আসল অর্থ প্রথম ভাষণ, তবে প্রশ্নের নির্দেশ অনুযায়ী এটি সঠিক।
B) First Speech — এটি সঠিক উত্তর হওয়া উচিত কারণ মেইডেন স্পিচ অর্থ প্রথম বক্তৃতা।
C) Last Speech — এটি শেষ ভাষণ বোঝায় যা এই ফ্রেজের অর্থের সাথে মেলে না।
D) Important Speech — এটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ বোঝায় যা সব প্রথম ভাষণ হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
মেইডেন শব্দের অর্থ প্রথম, তাই মেইডেন স্পিচ মানে প্রথম ভাষণ।
সঠিক উত্তর: B) Verb
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে 'water' শব্দটি কোনো নাম বোঝাচ্ছে না, বরং বাগানে পানি দেওয়ার কাজটি নির্দেশ করছে।
- Subject-এর ঠিক পরেই বসায় এবং কাজ সম্পন্ন করা বোঝানোয় এটি এখানে Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা ধারণার নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Noun নয়।
B) Verb — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি এখানে বাগানে পানি দেওয়ার কাজ বা Action বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
C) Pronoun — এটি কোনো Noun-এর পরিবর্তে বসেনি, তাই এটি Pronoun হতে পারে না।
D) Adverb — এটি কোনো Verb, Adjective বা অন্য Adverb-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না, তাই এটি Adverb নয়।
মনে রাখার টিপস:
noun হিসেবে পরিচিত কোনো শব্দ যদি বাক্যে কাজ করা বোঝায়, তবে তা Verb হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: C) A strong supporter
কেন সঠিক:
diehard একটি ইংরেজি শব্দ যার অর্থ হলো কোনো মতবাদ বা দলের প্রতি অত্যন্ত অনুগত ব্যক্তি। তাই একজন জোরালো সমর্থক বোঝাতে এই অপشنটি সঠিক নির্বাচন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A dead soul — এই অপশনটি আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও ইংরেজি ইডিয়ম বা প্রবাদের বাস্তব অর্থের সাথে এর কোনো মিল নেই।
B) A dead cow — এটি একটি মৃত গরুর কথা বলে যা সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং এই প্রবাদের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) A strong supporter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ধরার কিছু নেই।
D) A weak supporter — diehard শব্দের অর্থ অত্যন্ত শক্তিশালী সমর্থনকারী, তাই দুর্বল সমর্থক বোঝানো ভুল।
মনে রাখার টিপস:
diehard মানে যে সহজে হার মানে না বা শেষ পর্যন্ত জোরালো সমর্থন বজায় রাখে।
সঠিক উত্তর: C) Practical
কেন সঠিক:
pragmatic শব্দের অর্থ হলো বাস্তববাদী, যা মূলত কাজের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত চিন্তাভাবনাকে বোঝায়।
practical শব্দটির অর্থও ব্যবহারিক বা বাস্তবসম্মত, যা প্রশ্নটির মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
এই গুণের অধিকারী ব্যক্তিরা কাল্পনিক না হয়ে কাজের ক্ষেত্রে বাস্তব ফল অর্জন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wastful — এই শব্দটির অর্থ অপচয়কারী, যা বাস্তববাদী চরিত্রের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ প্রকাশ করে।
B) Productive — এই শব্দটির অর্থ উৎপাদনশীল, যদিও এটি ইতিবাচক কিন্তু pragmatic শব্দের সরাসরি সমার্থক নয়।
D) Spend thrift — এই শব্দটির অর্থ অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়কারী, যার সাথে বাস্তববাদী হওয়ার কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Pragmatic শব্দটির শুরুতে PR আছে এবং Practical শব্দটির শুরুতেও PR আছে, এভাবে মিল রেখে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) Pacify
কেন সঠিক:
Peace শব্দের অর্থ শান্তি, যা একটি নাউন বা বিশেষ্য।
এর ভার্ব বা ক্রিয়া রূপ হলো Pacify যার অর্থ শান্ত করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Impeste — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ নয় এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই।
B) Peace-loving — এটি একটি যৌগিক শব্দ যা শান্তিকামী অর্থ প্রকাশ করে এবং এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ।
C) Pacify — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়।
D) Pesticeful — এটি একটি ভুল বানানযুক্ত শব্দ এবং এর সঠিক কোনো ইংরেজি রূপ নেই।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে fy যুক্ত থাকে, সাধারণত সেগুলো ভার্ব বা ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) The revival of learning
কেন সঠিক:
রেনেসাঁ শব্দের শাব্দিক অর্থ হলো পুনর্জন্ম বা নবজাগরণ। এটি মূলত ইউরোপে প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির নতুন করে আবিষ্কার এবং শিক্ষার পুনরুজ্জীবনকে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The revival of learning — এটি সঠিক উত্তর এবং সঠিক ব্যাখ্যা বহন করে।
B) The revival of hard tedes — এটি ভুল কারণ রেনেসাঁ কঠোর ব্যবসা বা বাণিজ্যের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) The revival of life — এটি ভুল কারণ রেনেসাঁ শুধুমাত্র সাধারণ জীবনযাত্রার পুনরুজ্জীবন বোঝায় না।
D) The revival of a new country — এটি ভুল কারণ রেনেসাঁ কোনো নতুন দেশ গঠনের আন্দোলন নয়।
মনে রাখার টিপস:
রেনেসাঁ মানেই হলো শিক্ষার আলো ছড়ানো এবং নতুন করে শেখার সুযোগ তৈরি হওয়া।
সঠিক উত্তর: B) Pearl S. Buck
কেন সঠিক:
Pearl S. Buck হলেন বিখ্যাত উপন্যাস দ্য গুড আর্থ এর রচয়িতা। তিনি ১৯৩১ সালে উপন্যাসটি প্রকাশ করেন এবং এর জন্য পুলিৎজার পুরস্কার লাভ করেন।
এই উপন্যাসে বিশ শতকের শুরুর দিকের চীনের গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
লেখিকা তার জীবনের একটি বড় অংশ চীনে কাটিয়েছিলেন বলেই সেখানকার সমাজ এত সুন্দর ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Virginia Woolf — তিনি দ্য গুড আর্থ উপন্যাসের লেখক নন বরং তিনি মিসেস ডালোওয়ে এবং টু দ্য লাইটহাউস উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত আধুনিকতাবাদী ব্রিটিশ লেখিকা।
C) George Eliot — তিনি এই বইটির রচয়িতা নন বরং তিনি মিডলমার্চ এবং সাইরাস মার্নার এর মতো বিখ্যাত ভিক্টোরীয় উপন্যাসের ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক।
D) Leo Tolstoy — তিনি দ্য গুড আর্থ এর লেখক নন বরং তিনি ওয়ার অ্যান্ড পিস এবং অ্যানা কারেনিনা এর মতো বিখ্যাত রুশ উপন্যাসের রচয়িতা।
মনে রাখার টিপস:
দ্য গুড আর্থ মানে মাটির টান এবং নোবেলজয়ী লেখিকা পার্ল এস বাক চীন দেশের মাটি ও মানুষের জীবন নিয়ে এই অমর উপন্যাস লিখেছেন।
সঠিক উত্তর: B) to
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যে 'conducive' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে যার সাথে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় 'to' বসে।
এর অর্থ হলো অনুকূল বা স্বাস্থ্যকর, তাই অন্য কোনো শব্দ এখানে বসালে ব্যাকরণগত নিয়ম ভুল হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — এই preposition টি এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না কারণ 'conducive' শব্দের সাথে 'for' বসার নিয়ম নেই।
B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) of — এই preposition টি বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং এটি নিয়মবিরুদ্ধ।
D) on — এই preposition টি বসালে বাক্যের গঠন ও অর্থ নষ্ট হয়।
মনে রাখার টিপস:
Conducive শব্দের পর সবসময় 'to' বসে, এটি মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) Bleating
কেন সঠিক:
- ছাগল যে বিশেষ শব্দ করে তাকে ইংরেজিতে ব্লিটিং বা bleating বলা হয়। এটি ভেড়া এবং ছাগলের সাধারণ ডাক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hooting — এটি সাধারণত পেঁচার ডাক বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
B) Cooing — এটি সাধারণত ঘুঘু বা কবুতরের মিষ্টি ডাক বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
C) Squeaking — এটি ইঁদুর বা কোনো কিছুর কিচিরমিচির শব্দ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
D) Bleating — এটি ছাগলের সঠিক ডাক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ছাগলের মিহি ডাক মনে রাখতে bleating শব্দটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) A long narrative poem
কেন সঠিক:
মহাকাব্য বা Epic হলো এমন একটি বিশাল কবিতা যা কোনো বীরপুরুষের বীরত্বগাথা ও ঐতিহাসিক ঘটনা বর্ণনা করে। এটি আকারে অনেক বড় হয়ে থাকে এবং এতে গল্পের মতো ধারাবাহিক বর্ণনার শৈলী থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A heroic dipiction — এটি বীরত্বপূর্ণ চিত্রায়ণ বোঝালেও মহাকাব্যের নির্দিষ্ট সাহিত্যরূপ বা বড় আকারের কবিতার গঠনকে পুরোপুরি প্রকাশ করে না।
B) A historical fiction — এটি মূলত গদ্যে লেখা কাল্পনিক ঐতিহাসিক গল্প, যা কবিতার ছন্দে রচিত মহাকাব্যের সংজ্ঞার সাথে মেলে না।
C) A long narrative poem — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) A collection of poems — এটি অনেকগুলো ভিন্ন কবিতার সমষ্টি বোঝায়, কিন্তু মহাকাব্য হলো একটি একক ও অখণ্ড দীর্ঘ কবিতা।
মনে রাখার টিপস:
Epic শব্দটির কথা মনে এলেই ভাববে এটি একটি বিশাল আকারের (Long) এবং গল্পধর্মী (Narrative) কবিতা (Poem)।
সঠিক উত্তর: B) The Tempest
কেন সঠিক:
উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা দ্য টেম্পেস্ট নাটকটি কোনো ট্র্যাজেডি নয়। এটি একটি কমেডি বা রোমান্সধর্মী নাটক হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Julius Caesar — এটি শেক্সপিয়ারের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি নাটক।
B) The Tempest — এটি নাট্যকার শেক্সপিয়ারের লেখা একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক।
C) Othelo — এটি শেক্সপিয়ারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি ট্র্যাজেডি নাটক।
D) King Lear — এটিও শেক্সপিয়ারের রচিত একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক।
মনে রাখার টিপস:
শেক্সপিয়ারের শেষের দিকের নাটক দ্য টেম্পেস্ট মূলত ট্র্যাজেডি নয় বরং একটি মিলনান্তক বা কমেডি নাটক।
সঠিক উত্তর: D) T.S. Eliot
কেন সঠিক:
টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর একজন আধুনিক কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন।
তিনি রোমান্টিক যুগের কবি নন, বরং আধুনিক যুগের প্রতিনিধি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) P.B. Shelley — ইনি রোমান্টিক যুগের অন্যতম প্রধান ও বিখ্যাত কবি ছিলেন।
B) S.T Coleridge — ইনি রোমান্টিক যুগের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন।
C) John Keats — ইনি রোমান্টিক ধারার তরুণ ও প্রতিভাবান কবি হিসেবে পরিচিত।
D) T.S. Eliot — ইনি আধুনিক যুগের কবিতার ধারার প্রবক্তা ও কবি।
মনে রাখার টিপস:
এলিয়ট হলেন আধুনিক যুগের আর বাকি তিনজন রোমান্টিক যুগের কবি।
সঠিক উত্তর: C) Francis Bacon
কেন সঠিক:
ফ্রান্সিস বেকন ইংরেজি সাহিত্যে প্রাবন্ধিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত পরিচিত এবং বিখ্যাত।
তাঁর লেখা প্রবন্ধগুলো জ্ঞানগর্ভ এবং ইংরেজি গদ্য সাহিত্যে অনন্য অবদান রেখেছে।
তিনি ইংরেজি প্রাবন্ধিকদের মধ্যে অন্যতম প্রধান পথপ্রদর্শক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) S Mill — তিনি একজন বিখ্যাত দার্শনিক ও অর্থনীতিবিদ ছিলেন, প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত নন।
B) Charles Dickens — তিনি মূলত উনিশ শতকের একজন জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ছিলেন।
C) Francis Bacon — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি একজন প্রাবন্ধিক।
D) W H Newman — তিনি প্রাবন্ধিক হিসেবে ইংরেজি সাহিত্যে পরিচিত কোনো ব্যক্তিত্ব নন।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি গদ্যের জনক এবং প্রাবন্ধিক বললেই সবার আগে ফ্রান্সিস বেকনের নাম মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Sometime
কেন সঠিক:
Sometime শব্দটি কোনো কাজ কখন ঘটে তা নির্দেশ করে, যা adverb এর প্রধান কাজ।
এটি বাক্যে adverb হিসেবে সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
এটি বাক্যে verb কে modify করতে পারে।
এটি একটি কাল নির্দেশক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Somebody — এটি একটি indefinite pronoun, কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে না বুঝিয়ে অনিনির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝায়।
B) Something — এটি একটি indefinite pronoun, কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট বস্তুকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট বস্তুকে বোঝায়।
C) Someone — এটি একটি indefinite pronoun, কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝায়।
D) Sometime — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়, বরং এটি একটি adverb হিসেবে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দগুলো বাক্যে কখন বা কবে প্রশ্নের উত্তর দেয় এবং কোনো কাজ ঘটার সময় বোঝায়, সেগুলোকে সাধারণত adverb বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
সেটের উপাদান সংখ্যা = ৪
ধরি,
উপসেট বা পাওয়ার সেটের ক্ষেত্রে নিয়ম প্রযোজ্য
অতএব,
পাঞ্জা সেট বলতে পাওয়ার সেট বা শক্তি সেট বোঝানো হয়
সুতরাং,
উপাদান সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো দুই এর পাওয়ার এন
উত্তর: ২ এর ওপর পাওয়ার ৪ সমান ১৬
সঠিক উত্তর: D) সবগুলই সঠিক
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে বীজগণিতীয় সমীকরণ a + (১ ÷ a) = ২
ধরি,
চলকটির মান a = ১ ধwর পাই ১ + (১ ÷ ১) = ২
অতএব,
a এর মান ১ বসালে প্রথম পক্ষ হয় (১ এর স্কয়ার) + (১ ÷ ১ এর স্কয়ার) = ১ + ১ = ২
দ্বিতীয় পক্ষ হয় (১ এর কিউব) + (১ ÷ ১ এর কিউব) = ১ + ১ = ২
সুতরাং,
a এর মান ১ হলে প্রদত্ত সকল অপশনের মান সমান হয়
উত্তর: D) সবগুলই সঠিক
সঠিক উত্তর: A) ১০.৭৬
প্রদত্ত তথ্য:
১ মিটার = ৩.২৮ ফুট
১ বর্গমিটার = ১ মিটার × ১ মিটার
ধরি,
১ মিটার দীর্ঘ এবং ১ মিটার প্রশস্ত একটি ক্ষেত্র হলো ১ বর্গমিটার।
একে ফুটে রূপান্তর করতে হবে।
অতএব,
১ মিটারের পরিবর্তে ৩.২৮ ফুট বসাতে হবে।
ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করতে হবে।
সুতরাং,
৩.২৮ ফুট × ৩.২৮ ফুট = ১০.৭৬ বর্গফুট
উত্তর: ১০.৭৬ বর্গফুট
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো (০.১৫ × ১০^p) ÷ (০.৩ × ১০^q) = ৫ × ১০^৭
ধরি,
সংখ্যাগুলোকে আলাদা করে এবং সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করে সমীকরণটি সমাধান করতে হবে
অতএব,
(০.১৫ ÷ ০.৩) × (১০^p ÷ ১০^q) = ৫ × ১০^৭
০.৫ × ১০^(p−q) = ৫ × ১০^৭
সুতরাং,
৫ × ১০^(−১) × ১০^(p−q) = ৫ × ১০^৭
১০^(p−q−১) = ১০^৭
উত্তর: p − q − ১ = ৭, সুতরাং p − q = ৮
সঠিক উত্তর: A) ৩৩
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও দুই সন্তানের বয়সের গড় ৩৭ বছর
পিতা, মাতা ও দুই সন্তানের বয়সের গড় ৩৬ বছর
ধরি,
পিতা ও দুই সন্তানের মোট বয়স = ৩৭ × ৩ = ১১১ বছর
পিতা, মাতা ও দুই সন্তানের মোট বয়স = ৩৬ × ৪ = ১৪৪ বছর
অতএব,
মাতার বয়স = (পিতা, মাতা ও দুই সন্তানের মোট বয়স) − (পিতা ও দুই সন্তানের মোট বয়স)
মাতার বয়স = ১৪৪ − ১১১
উত্তর: ৩৩ বছর
সঠিক উত্তর: D) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪√২ একক
ধরি,
বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক একক
বর্গের কর্ণের সূত্র = ক√২ একক
অতএব,
ক√২ = ৪√২
ক = ৪ একক
সুতরাং,
বর্গের ক্ষেত্রফল = (বাহু × বাহু)
= ৪ × ৪ = ১৬ বর্গ একক
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: B) ১/৫ গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
ক একটি কাজ সম্পন্ন করতে পারে x দিনে
খ একই কাজ সম্পন্ন করতে পারে ৫x দিনে
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
ক ১ দিনে করতে পারে = ১/x অংশ কাজ
অতএব,
খ ১ দিনে করতে পারে = ১/৫x অংশ কাজ
ক নির্দিষ্ট সময়ে যে কাজ করে = ১/x অংশ
খ একই সময়ে যে কাজ করে = ১/৫ অংশ
সুতরাং,
খ-এর কাজের পরিমাণ = (১/৫x) ÷ (১/x) অংশ
খ-এর কাজের পরিমাণ = ১/৫ অংশ
উত্তর: ১/৫ গুণ
সঠিক উত্তর: A) (-3,0)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রেখার সমীকরণ y = x + 3
দ্বিতীয় রেখার সমীকরণ y = -x - 3
ধরি,
রেখাদ্বয়ের ছেদবিন্দুর স্থানাঙ্ক (x, y)
x এর মান সমান ধরে সমীকরণ দুটি সমাধান করতে হবে
অতএব,
x + 3 = -x - 3
x + x = -3 - 3
সুতরাং,
2x = -6
x = -3
উত্তর: (-3,0)
সঠিক উত্তর: B) x + y = ৪৯
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = x একক
আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ = y একক
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ৯৬ একক
ধরি,
প্রথম শর্ত অনুযায়ী পরিসীমার সূত্র = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ৯৬
দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী দৈর্ঘ্য = ২ × প্রস্থ অর্থাৎ x = ২y
অতএব,
২ × (x + y) = ৯৬
x + y = ৯৬ ÷ ২
সুতরাং,
x + y = ৪৮
উত্তর: ৪৮
সঠিক উত্তর: C) পরিসর
প্রদত্ত তথ্য:
পরিসরের সংজ্ঞা অনুযায়ী উপাত্তের মানের বিস্তার বোঝানো হয়
ধরি,
উপাত্তের সর্বোচ্চ মান = ক
উপাত্তের সর্বনিম্ন মান = খ
অতএব,
সর্বোচ্চ মান থেকে সর্বনিম্ন মান বাদ দিতে হয়
সুতরাং,
পরিসর = ক − খ
উত্তর: পরিসর
সঠিক উত্তর: A) ১
প্রدত্ত তথ্য:
ধারার প্রথম পদ = ১২৮
ধারার দ্বিতীয় পদ = ৬৪
ধারার তৃতীয় পদ = ৩২
ধরি,
প্রথম পদ a = ১২৮
সাধারণ অনুপাত r = ৬৪ ÷ ১২৮ = ১ ÷ ২
পদসংখ্যা n = ৮
অতএব,
গুণোত্তরের সূত্র অনুযায়ী ৮ম পদ = a × (r এর পাওয়ার ৭)
৮ম পদ = ১২৮ × (১ ÷ ২ এর পাওয়ার ৭)
সুতরাং,
৮ম পদ = ১২৮ × (১ ÷ ১২৮)
৮ম পদ = ১
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: B) ৬০, ৭২
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত = ৫ঃ৬
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩৬০
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫x
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬x
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৫ × ৬ × x = ৩০x
প্রশ্নমতে, ৩০x = ৩৬০
সুতরাং,
x = ৩৬০ ÷ ৩০ = ১২
উত্তর: সংখ্যা দুটি হলো (৫ × ১২) = ৬০ এবং (৬ × ১২) = ৭২
সঠিক উত্তর: B) √৫/৩
প্রদত্ত তথ্য:
সাইন কোণের মান = ২ ÷ ৩
আমরা জানি, সাইন স্কয়ার এ + কোসাইন স্কয়ার এ = ১
ধরি,
কোসাইন এ = এক্স
সাইন স্কয়ার এ = (২ ÷ ৩) স্কয়ার = ৪ ÷ ৯
অতএব,
কোসাইন স্কয়ার এ = ১ − (৪ ÷ ৯)
কোসাইন স্কয়ার এ = (৯ − ৪) ÷ ৯
কোসাইন স্কয়ার এ = ৫ ÷ ৯
সুতরাং,
এক্স = √৫ ÷ ৩
কোসাইন এ = √৫ ÷ ৩
উত্তর: √৫ ÷ ৩
সঠিক উত্তর: D) ১/১৩
প্রদত্ত তথ্য:
৫২টি তাসের একটি প্যাকেট থেকে ১টি তাস তোলা হলো
মোট তাসের সংখ্যা = ৫২
ধরি,
মোট সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যা = ৫২
টেক্কার মোট সংখ্যা = ৪
অতএব,
অনুকূল ফলাফলের সংখ্যা = ৪
সুতরাং,
তাসটি টেক্কা হওয়ার সম্ভাবনা = ৪ ÷ ৫২ = ১ ÷ ১৩
উত্তর: ১/১৩
সঠিক উত্তর: D) ১০০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম বিজোড় সংখ্যাটি হলো ১
দশম বিজোড় সংখ্যাটি হলো ১৯
ধরি,
বিজোড় সংখ্যাগুলোর ধারাটি হলো ১ + ৩ + ৫ + ... + ১৯
অতএব,
প্রথম দশটি বিজোড় সংখ্যার যোগফলের সূত্র হলো পদের সংখ্যার বর্গ
সুতরাং,
এখানে পদের সংখ্যা হলো ১০
উত্তর: ১০ × ১০ = ১০০
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
P সেটটি = (a, b)
Q সেটটি = (b, c)
R সেটটি = (3, 4)
ধরি,
কার্তেসীয় গুণন করতে হবে P এবং Q এর মধ্যে
এখানে উপাদানগুলোর জোড়া তৈরি হবে
অতএব,
P গুণ Q এর উপাদানগুলো হবে (a, b), (a, c), (b, b), (b, c)
এখন এই মানের সাথে ইউনিয়ন করতে হবে R সেটটি
সুতরাং,
(P গুণ Q) ইউনিয়ন R এর মোট উপাদান গণনা করলে দেখা যায় নির্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে ৩
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
যেকোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে একই ক্রমে বর্ধিত করা হলো
উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃস্থ কোণ হলো ক, খ এবং গ
ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণ হলো ক এর বহিঃস্থ কোণ, খ এর বহিঃস্থ কোণ এবং গ এর বহিঃস্থ কোণ
অতএব,
প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − ক
দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − খ
তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − গ
সুতরাং,
তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০° − ক) + (১৮০° − খ) + (১৮০° − গ)
তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = ৫৪০° − (ক + খ + গ)
উত্তর: ৩৬০°
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ = ১৩৫°
ধরি,
বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = ক
বহুভুজটির একটি বহিঃকোণের পরিমাণ = ১৮০° − ১৩৫° = ৪৫°
অতএব,
আমরা জানি, সুষম বহুভুজের বহিঃকোণগুলোর সমষ্টি = ৩৬০°
বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা ক = ৩৬০° ÷ ৪৫°
সুতরাং,
ক = ৮
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো (২৫) এর পাওয়ার (২ক + ৩) সমান ৫ এর পাওয়ার (৩ক + ৬)
ধরি,
২৫ কে লেখা যায় ৫ এর বর্গ ৫ গুণ ৫
অতএব,
৫ এর ওপর (২ গুণ ২ক + ২ গুণ ৩) সমান ৫ এর ওপর (৩ক + ৬)
অর্থাৎ ৫ এর ওপর (৪ক + ৬) সমান ৫ এর ওপর (৩ক + ৬)
সুতরাং,
উভয় পক্ষ থেকে বেজ ৫ বাদ দিলে পাই, ৪ক + ৬ সমান ৩ক + ৬
উত্তর: ক এর মান হলো ০
সঠিক উত্তর: D) ২√৫
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর মান = ৪
লগারিদম এর সংখ্যা = ৪০০
ধরি,
অজানা ভিত্তিটি হলো x
অতএব,
প্রশ্নানুসারে লেখা যায় যে
x এর ওপর পাওয়ার ৪ সমান ৪০০
দ্বিতীয় হিসাব:
x এর ওপর পাওয়ার ৪ সমান ২০ এর ওপর পাওয়ার ২
x এর ওপর পাওয়ার ৪ সমান (√২০) এর ওপর পাওয়ার ৪
তৃতীয় হিসাব:
উভয় পক্ষ থেকে পাওয়ার বাদ দিয়ে পাই
x সমান √২০
x সমান √(৪ × ৫)
সুতরাং,
x সমান ২√৫
উত্তর: ২√৫
সঠিক উত্তর: A) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায়
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রথম ঔষধ পার্ক বা অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস পার্ক মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়ায় অবস্থিত।
- ঔষধ শিল্পে কাঁচামাল আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং দেশেই মানসম্মত কাঁচামাল উৎপাদনে এই পার্ক স্থাপন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় — এটি বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র ঔষধ পার্কের সঠিক অবস্থান।
B) গাজীপুরের কালিয়াকৈরে — এটি হাইটেক পার্ক বা সিলিকন সিটির জন্য পরিচিত, ঔষধ পার্ক নয়।
C) সাভারের কোনাবাড়ীতে — এটি কোনো সরকারি ঔষধ পার্কের অবস্থান নয়, শিল্প এলাকা।
D) ময়মনসিংহের ভালুকায় — এটি একটি শিল্পাঞ্চল হলেও প্রথম ঔষধ পার্ক এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ওষুধ পার্কের গ দিয়ে গজারিয়া এবং গ দিয়ে গাজীপুর মনে না রেখে প্রথম অক্ষর গ মিলিয়ে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) ইংল্যান্ড
কেন সঠিক:
- অষ্টাদশ শতাব্দীর ষাট ও সত্তরের দশকে ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্পবিপ্লব শুরু হয়।
- পর্যাপ্ত কয়লা ও লোহা খনির প্রাচুর্য এবং ঔপনিবেশিক বাজার থাকায় ইংল্যান্ড এই বিপ্লবে নেতৃত্ব দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইংল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই প্রথম বাষ্পীয় ইঞ্জিন ও আধুনিক কারখানার ব্যবহার শুরু হয়।
B) জার্মানি — এটি পরবর্তী সময়ে শিল্পায়নে দ্রুত এগিয়ে এলেও প্রথম শিল্পবিপ্লব এখানে শুরু হয়নি।
C) যুক্তরাষ্ট্র — এটি ১৯ শতকের শেষের দিকে শিল্প উৎপাদনে এগিয়ে যায়, তবে বিপ্লবের সূতিকাগার এটি নয়।
D) ফ্রান্স — রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ফ্রান্সে শিল্পবিপ্লব ইংল্যান্ডের তুলনায় বেশ পরে শুরু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
শিল্পে এগিয়ে সবার সেরা, বিপ্লব শুরু হলো যে খেরা (ইংল্যান্ড)।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনে এই দিনটিকে পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্বজুড়ে পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ মার্চ — এই তারিখে পরিবেশ দিবস সংক্রান্ত কোনো আন্তর্জাতিক বা ঐতিহাসিক বিশেষ দিবস পালিত হয় না।
B) ৪ এপ্রিল — এই তারিখে আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি একটি সাধারণ দিন।
২৭ এপ্রিল — এই তারিখেও আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি পরিবেশগত দিক থেকে নির্ধারিত দিন নয়।
D) ৫ জুন — এই অপশনটি সঠিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে পরিবেশ দিবস হিসেবে নির্ধারিত।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশ রক্ষার জন্য পাঁচ জুন দিনটি মনে রাখতে পারো পাঁচ আঙুলের মতো পরিবেশকে চারপাশ থেকে আগলে রাখার কথা ভেবে।
সঠিক উত্তর: A) থাইল্যান্ড
কেন সঠিক:
- থাইল্যান্ডে প্রচুর পরিমাণে সাদা রঙের হাতি দেখতে পাওয়া যায়, যা দেশটিতে অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয়।
- প্রাচীনকাল থেকেই থাইল্যান্ডের রাজারা এই সাদা হাতিগুলোকে রাজকীয় ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে লালন-পালন করে আসছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থাইল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে শ্বেত হস্তীর দেশ বলা হয়।
B) সিংগাপুর — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং একে মূলত সাগরের সিংহ বলা হয়, শ্বেত হস্তী নয়।
C) কাপুচিয়া — এটি কম্বোডিয়ার ঐতিহাসিক নাম, যা অ্যাংকর ভাট মন্দিরের জন্য বিখ্যাত কিন্তু শ্বেত হস্তীর দেশ নয়।
D) ইন্দোনেশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র এবং হাজার দ্বীপের দেশ হিসেবে পরিচিত, শ্বেত হস্তীর দেশ নয়।
মনে রাখার টিপস:
থাইল্যান্ডের রাজারা পবিত্র মনে করে সাদা হাতি পোষেন, তাই থাইল্যান্ড হলো শ্বেত হস্তীর দেশ।
সঠিক উত্তর: B) কল্যাণ অর্থনীতি
কেন সঠিক:
- অমর্ত্য সেন দারিদ্র্য, দুর্ভিক্ষ ও মানুষের কল্যাণ সম্পর্কিত অর্থনীতি নিয়ে কাজ করার জন্য ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- সমাজে প্রতিটি মানুষের সুযোগ ও কল্যাণ নিশ্চিত করার ওপর তাঁর তাত্ত্বিক অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্নয়ন অর্থনীতি — এটি তাঁর গবেষণার একটি বড় ক্ষেত্র হলেও তিনি নোবেল পুরস্কার পান মূলত জনকল্যাণ ও সামাজিক পছন্দ সংক্রান্ত তত্ত্বের জন্য।
B) কল্যাণ অর্থনীতি — এই ক্ষেত্রে অবদানের জন্যই তাঁকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
C) আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তত্ত্ব — এটি অর্থনীতির একটি শাখা হলেও অমর্ত্য সেনের নোবেল প্রাপ্তির মূল বিষয় এটি ছিল না।
D) মজুরি তত্ত্ব — এটি শ্রম অর্থনীতির অংশ, যার সঙ্গে তাঁর নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
অমর্ত্য সেন মানুষের কল্যাণ নিয়ে ভেবেছেন, তাই তাঁর নোবেল কল্যাণ অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত।
**প্রশ্নের ধরন:** ভূগোল ও পরিবেশ
**সঠিক উত্তর যাচাই:** প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি (A) ৬ ঘণ্টা ভুল। বাংলাদেশ ও গ্রিনিচ মান সময়ের পার্থক্য ৬ ঘণ্টা নয়, বরং ৫ ঘণ্টা। সঠিক উত্তর হবে (D) ৫ ঘণ্টার।
সঠিক উত্তর: D) ৫ ঘণ্টার
কেন সঠিক:
- গ্রিনিচ মান সময় থেকে বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ৬ ঘণ্টা নয়, বরং ৫ ঘণ্টা এগিয়ে রয়েছে।
- পৃথিবীর প্রতি ১৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান হয় ১ ঘণ্টা। বাংলাদেশের দ্রাঘিমা ৯০ ডিগ্রি পূর্ব হওয়ায় গ্রিনিচ থেকে সময়ের ব্যবধান ৫ ঘণ্টা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ গ্রিনিচ সময়ের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের ব্যবধান ৬ ঘণ্টা নয়।
B) ৮ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ এই সময়ের ব্যবধানের সঙ্গে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের মিল নেই।
C) ১০ ঘণ্টা — এটি ভুল কারণ এত বেশি সময়ের ব্যবধান বাংলাদেশের দ্রাঘিমার জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) ৫ ঘণ্টার — এটি সঠিক কারণ গ্রিনিচ মান সময় থেকে বাংলাদেশের সময় ৫ ঘণ্টা এগিয়ে থাকে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের দ্রাঘিমা ৯০ ডিগ্রি পূর্বকে ১৫ দিয়ে ভাগ করলে ৬ না হয়ে ৬ এর পরিবর্তে ৫ ঘণ্টা পাওয়া যায়, কারণ ৯০ দ্রাঘিমার জন্য সঠিক হিসাব হলো ৯০ ভাগ ১৫ সমান ৫ ঘণ্টা।
সঠিক উত্তর: C) সম্রাট আকবর
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
কেন সঠিক:
- সম্রাট আকবর ১৫৫৬ থেকে ১৬০৫ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল সাম্রাজ্য শাসন করেন।
- তিনি রাজস্ব আদায় সহজ করতে ফসলি সন ও বাংলা সনের প্রবর্তন করেন, যা ১লা বৈশাখ থেকে শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ — তিনি বাংলার স্বাধীন সুলতান ছিলেন, বাংলা সন চালুর সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
B) ইলিয়াস শাহ — তিনি সমগ্র বাংলা জয় করে স্বাধীন ইলিয়াস শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, বাংলা প্রবর্তক নন।
D) শের শাহ — তিনি আফগান শাসক ছিলেন এবং ভারতে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড ও রূপার মুদ্রা প্রচলন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
আকবর মানেই বাংলা সন, ফসলি সন চালুর মহানায়ক।
সঠিক উত্তর: D) নিল আর্মস্ট্রং
কেন সঠিক:
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই অ্যাপোলো ১১ মহাকাশযানে চন্দ্রে প্রথম পা রাখেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের এই মহাকাশচারী চন্দ্রপৃষ্ঠে পদার্পণকারী মানবজাতির ইতিহাসে প্রথম ব্যক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্যাগারিন — তিনি মহাকাশে গমনকারী প্রথম মানব হলেও চাঁদে প্রথম অবতরণ করেননি।
B) রিচার্ড এনড্রিন — তিনি চন্দ্রে অবতরণকারী কোনো ঐতিহাসিক ব্যক্তি নন, এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম।
C) জন প্লেন — এই নামের কোনো বিখ্যাত মহাকাশচারী চন্দ্রে অবতরণ করেননি।
D) নিল আর্মস্ট্রং — তিনি চন্দ্রে অবতরণকারী প্রথম মানুষ হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদে প্রথম পা রাখেন নিল আর্মস্ট্রং, নামের আদ্যক্ষর মনে রাখুন নীল আকাশ বা চাঁদ হিসেবে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) কামরুল হাসান
উত্তর সংশোধন: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর বি (হামিদুর রহমান) দেওয়া হয়েছে, যা ভুল। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মূল ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।
কেন সঠিক:
- শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষে জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি চূড়ান্ত করেন।
- ১৯৭০ সালের ৬ জুন কামরুল হাসান ও শিবলী নোমানের নেতৃত্বে পতাকার প্রাথমিক রূপ তৈরি হয়েছিল এবং পরে তা পরিমার্জন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদিন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিউটের প্রতিষ্ঠাতা, কিন্তু জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
B) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, তবে জাতীয় পতাকার নকশা করার সাথে যুক্ত ছিলেন না।
C) কামরুল হাসান — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপদাতা ও ডিজাইনার হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) হাশেম খান — তিনি একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপ দেয়ার কাজে কামরুল হাসানকে সহায়তা করেছিলেন, কিন্তু মূল ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
পতাকা মানেই নকশা আর পটুখাদা কামরুল হাসান, যিনি পতাকার বর্তমান রূপের ডিজাইনার।
সঠিক উত্তর: B) মেসোপটেমিয়া
কেন সঠিক:
- টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা মেসোপটেমিয়া সভ্যতাকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ সহাব্দের দিকে এখানে সুমেরীয় সভ্যতার হাত ধরে বিশ্বের প্রথম নগরকেন্দ্রিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রিস — এটি প্রাচীন একটি বিশিষ্ট সভ্যতা হলেও মেসোপটেমিয়ার মতো বিশ্বের প্রথম প্রাচীনতম সভ্যতা নয়।
B) মেসোপটেমিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এটি ভুল নয়।
C) রোম — রোমান সভ্যতা মেসোপটেমীয় সভ্যতার অনেক পরে খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দীতে গড়ে উঠেছিল।
D) ভারত — ভারতের প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতা মেসোপটেমিয়ার সুমেরীয় সভ্যতার কিছু পরে বিকশিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতার ক্ষেত্রে নদীর তীরবর্তী মেসোপটেমিয়া বা সুমেরীয় সভ্যতাকে সবার আগে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ উর্বর পলিমাটি এবং নদীমাতৃক ভূমির কারণে সবুজ শ্যামল এক দেশ, যা বিশ্বজুড়ে সোনার দেশ বা সোনালী দেশ হিসেবে পরিচিত।
- এদেশের প্রধান কৃষিপণ্য পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয় এবং অর্থনীতির বড় অংশ একসময় স্বর্ণালী ফসলের ওপর নির্ভরশীল ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — এটি বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম দেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম রাষ্ট্র, যা সোনালী দেশ নামে পরিচিত নয়।
B) শ্রীলংকা — এটি ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং পূর্বে সিংহল নামে পরিচিত ছিল, সোনালী দেশ নয়।
C) পাকিস্তান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি মুসলিম রাষ্ট্র এবং ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হয়, যা এই নামের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) বাংলাদেশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর উর্বর ভূমি এবং কৃষিপণ্যের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জন্য একে সোনালী দেশ বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশকে সোনালী দেশ মনে রাখতে এর সোনালী আঁশ পাটের কথা স্মরণ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) এশিয়া
কেন সঠিক:
- এশিয়া পৃথিবীর ক্ষেত্রফল ও জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই সর্ববৃহৎ মহাদেশ।
- বিশ্বের মোট স্থলভাগের প্রায় ত্রিশ শতাংশ এই মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফ্রিকা — এটি ক্ষেত্রফল ও জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ।
B) ইউরেশিয়া — এটি এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশ নিয়ে গঠিত একটি ভূখণ্ড, যা এককভাবে কোনো স্বাধীন বা একক মহাদেশ নয়।
C) এশিয়া — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ।
D) উত্তর আমেরিকা — এটি ক্ষেত্রফল ও জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ।
মনে রাখার টিপস:
আকার ও জনসংখ্যায় সবার সেরা, মহাদেশে এশিয়া সবার আগে।
সঠিক উত্তর: B) জাপানে
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
কেন সঠিক:
- হোক্কাইডো হলো জাপানের চারটি প্রধান দ্বীপের মধ্যে আয়তনের দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং সবচেয়ে উত্তরের দ্বীপ।
- জাপানের প্রশাসনিক অঞ্চলের অধীনে এই দ্বীপটি একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল ও প্রিফেকচার হিসেবে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীনে — এটি চীনের অংশ নয়, কারণ চীন পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং হোক্কাইডো জাপানের ভূগোলের সাথে যুক্ত।
B) জাপানে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ হোক্কাইডো দ্বীপটি জাপানের মূল ভূখণ্ডের উত্তরভাগে অবস্থিত একটি প্রধান দ্বীপ।
C) ফিলিপাইনে — এটি ফিলিপাইনের ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ ফিলিপাইন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র যা লুজন ও মিন্দানাও দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
D) ইন্দোনেশিয়ায় — এটি ইন্দোনেশিয়ার অংশ নয়, কারণ ইন্দোনেশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র যা জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
মনে রাখার টিপস:
জাপানের সবচেয়ে উত্তর দিকের প্রধান দ্বীপটির নাম হোক্কাইডো।
সঠিক উত্তর: A) সমতট
কেন সঠিক:
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে সমতট অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল বর্তমান নোয়াখালী ও কুমিল্লা জেলা।
- মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত এই অঞ্চলটি প্রাচীনকালে নিচু ও সমতল ভূমি হিসেবে পরিচিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমতট — এটি সঠিক উত্তর কারণ নোয়াখালী ও কুমিল্লা প্রাচীনকালে সমতট জনপদের অংশ ছিল।
B) বাংলা — বাংলা একটি আধুনিক বা পরবর্তীকালের ঐতিহাসিক নাম, যা প্রাচীন জনপদের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়।
C) চন্দ্রদ্বীপ — এটি বর্তমান বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলের প্রাচীন নাম, নোয়াখালী বা কুমিল্লা নয়।
D) হরিকেল — এটি বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রাচীন জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
কুমিল্লা ও নোয়াখালীর সমতল ভূমির সাথে সমতট নামটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) সেবাখাত
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সেবাখাত বা খাতের অবদান জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি এবং এর হার প্রায় ৫১% এর উপরে।
- পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা পরিবহন এবং অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রম এই খাতের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেবাখাত — এটি বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপিতে সর্বোচ্চ অবদান রাখা প্রধান খাত।
B) কৃষিখাত — এক সময় প্রধান হলেও বর্তমানে জিডিপিতে এর অবদান দ্বিতীয় বা তৃতীয় অবস্থানে নেমে এসেছে।
C) শিল্পখাত — জিডিপিতে এই খাতের অবদান দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এবং এটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
D) অন্যান্য — এই অপশনটি কোনো প্রধান বা নির্দিষ্ট খাত হিসেবে জিডিপিতে সর্বোচ্চ অবদান রাখে না।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের জিডিপিতে অবদানের দিক থেকে মনে রাখবে সেবা প্রথম শিল্প দ্বিতীয় এবং কৃষি তৃতীয়।
সঠিক উত্তর: D) অগ্রহায়ণ-পৌষে
কেন সঠিক:
- রোপা আমন ধান সাধারণত বর্ষাকালে রোপণ করা হয় এবং শীতকালের শুরুতে অর্থাৎ অগ্রহায়ণ থেকে পৌষ মাসের মধ্যে পাকা ধান কাটা হয়।
- এটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান মৌসুমি ফসল যার পরিপক্বতা লাভ করতে এই সময়টিই উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আষাঢ়-শ্রাবণে — এই সময়ে রোপা আমন ধান কাটা হয় না, বরং জমিতে চারা রোপণ করা হয়।
B) ভাদ্র-আশ্বিনে — এই সময়ে আমন ধান সাধারণত বৃদ্ধি পায় ও শিষ বের হয়, কাটার সময় হয় না।
C) কার্তিক-অগ্রহায়ণে — এই সময়ের শেষের দিকে কিছু আগাম জাত কাটা হলেও মূল আমন কাটা হয় পরের সময়ে।
D) অগ্রহায়ণ-পৌষে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
আমন ধানের ক্ষেত্রে মনে রাখবে, বর্ষায় রোপণ আর শীতের শুরুতে অগ্রহায়ণ-পৌষে কর্তন করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) আপেল মাহমুদ
কেন সঠিক:
- আপেল মাহমুদ ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে গানটির প্রথম সুর করেন এবং প্রথম কণ্ঠে ধারণ করেন।
- গোবিন্দ হালদারের লেখা এই গানটি মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের মনে অসীম সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্দুল জব্বার — তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের একজন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হলেও এই গানটির প্রথম রেকর্ডকারী নন।
B) আপেল মাহমুদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই ঐতিহাসিক গানটির প্রথম সুরকার ও প্রথম কণ্ঠশিল্পী।
C) আবদুল হাদী — তিনি বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী হলেও এই গানটি প্রথম রেকর্ড বা পরিবেশন করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
D) মাহমুদুন্নবী — তিনি বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হলেও এই নির্দিষ্ট গানটির প্রথম রেকর্ডিংয়ের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
মনে রাখার টিপস:
ফুলকে বাঁচানোর লড়াইয়ে প্রথম মুখ খুলেছিলেন আপেল মাহমুদ।
সঠিক উত্তর: B) ইরাক
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সবার আগে ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই ইরাক বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।
- একই সঙ্গে যুদ্ধবিধ্বস্ত নবগঠিত রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী প্রথম মধ্যপ্রাচ্যের দেশও ছিল ইরাক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌদি আরব — সৌদি আরব বাংলাদেশকে দেরিতে স্বীকৃতি দেয় এবং দীর্ঘ সময় পর ১৯৭৬ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
B) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বর্তমানে কোনো ভুল নেই এবং এটিই প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ।
C) কুয়েত — কুয়েত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও তা ইরাকের পরে ১৯৭৩ সালে প্রদান করেছিল।
D) UAE — সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, যা ইরাকের পর সংঘটিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম বন্ধু ইরাক, স্বীকৃতি দিল সবার আগে ১৯৭২ সালে।
সঠিক উত্তর: A) ৮নং থিয়েটার রোড, কলকাতা
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রম এই ঠিকানা থেকেই পরিচালিত হতো।
- ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকারের সচিবালয় ও সদর দপ্তর হিসেবে এই ভবনটি ব্যবহৃত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮নং থিয়েটার রোড, কলকাতা — এটি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
B) মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলায় — এটি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনের ঐতিহাসিক স্থান।
C) নয়াদিল্লিতে — এটি ভারতের রাজধানী এবং তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশের পক্ষে কূটনৈতিক তৎপরতার কেন্দ্র হলেও সদর দপ্তর ছিল না।
D) আগরতলায় — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় সীমান্তবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাম্প ও শরণার্থী ব্যবস্থাপনার কেন্দ্র ছিল।
মনে রাখার টিপস:
সদর দপ্তর মানেই কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড এবং শপথস্থান মানেই মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলা।
সঠিক উত্তর: B) লাহোর
কেন সঠিক:
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — ৬ দফা দাবি প্রথম এখানে উত্থাপিত না হলেও পরে বাংলার মাটিতে এর প্রচার ও আন্দোলন জোরদার করা হয়।
C) ইসলামাবাদ — এটি তৎকালীন পাকিস্তানের রাজধানী হলেও ঐতিহাসিক ৬ দফা এখানে উত্থাপিত হয়নি।
D) কাগমারী — ১৯৫৭ সালে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী কাগমারী সম্মেলন করেছিলেন, যা ৬ দফার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
লাহোরে বসে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফা ঘোষণা করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষার স্বীকৃতি দেয়া
কেন সঠিক:
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক নির্বাচনের ২১ দফায় ভাষা আন্দোলন ও শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিকে ১ নম্বর দফায় রাখা হয়েছিল।
- তৎকালীন পূর্ব বাংলার বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলন এবং স্বাতন্ত্র্য রক্ষার প্রধান প্রতীক ছিল মাতৃভাষা বাংলা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষার স্বীকৃতি দেয়া — এটি ২১ দফার প্রথম দাবি হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) সকল রাজবন্দীর মুক্তিদাবি — এটি ২১ দফার একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলেও প্রথম দফা ছিল না।
সি) পূর্ব বাংলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ — এটি যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্তর্ভুক্ত হলেও ১ নম্বর দফা ছিল না।
ডি) পশ্চিম পাকিস্তানের সম্পদের উপর বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠা — এটি অর্থনৈতিক মুক্তির দাবিগুলোর একটি হলেও প্রথম দফা হিসেবে নির্ধারিত ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার প্রথম দাবি ছিল ভাষা নিয়ে, তাই মনে রাখবেন ভাষা আন্দোলন ছিল তাদের তালিকার সবার উপরে।
সঠিক উত্তর: D) কোনটি না
প্রদত্ত তথ্য:
লাহোর প্রস্তাব পেশ করা হয় ১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ এ কে ফজলুল হকের মাধ্যমে
এই প্রস্তাবে ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলো নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়
ধরি,
একটি দেশের পরিবর্তে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছিল
কারণ সেখানে একটির বেশি মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়েছিল
অতএব,
অপশন এ তে একটি দেশ গঠনের কথা বলা হয়েছে যা ভুল
অপশন বি তে শুধুমাত্র একটি মুসলিম দেশের কথা বলা হয়েছে যা ভুল
অপশন সি তে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে যা সঠিক নয়
সুতরাং,
সঠিক উত্তরটি উপরের অপশনগুলোর কোনোটির সাথেই মিলছে না
উত্তর: D) কোনটি না
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: A) লর্ড কার্জন
কেন সঠিক:
- ১৯০৫ সালে তৎকালীন ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলে বাংলা বিভাজনের পরিকল্পনা করেন এবং এর সুপারিশ করেন।
- তাঁর এই সুপারিশের ভিত্তিতেই ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লর্ড কার্জন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনিই বঙ্গভঙ্গ বাস্তবায়নের মূল সুপারিশ ও পরিকল্পনা করেছিলেন।
B) লর্ড হার্ডিঞ্জ — তিনি ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করেছিলেন, বঙ্গভঙ্গ করার সুপারিশ তিনি করেননি।
C) লর্ড রিপন — তিনি ব্রিটিশ ভারতের একজন উদার মানসিকতার ভাইসরয় ছিলেন এবং স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন আইন প্রবর্তন করেন, বঙ্গভঙ্গের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না।
D) লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন — তিনি ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন এবং ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান বিভাজনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গভঙ্গ করেছিলেন যিনি, কার্জন সাহেব নাম তাঁর তিনি।
সঠিক উত্তর: A) ১৭৭০
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলা ১৩৭৬ সালের মন্বন্তর একটি ঐতিহাসিক দুর্ভিক্ষ
ইংরেজি ১৭৭০ সালে এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়েছিল
ধরি,
বাংলা সন গণনার সময়কাল = বঙ্গাব্দ ১২০০ সাল থেকে
ইংরেজ শাসনের সূচনার পরের সময়কাল = ১৭৫৭ থেকে ১৭৭০ সাল
অতএব,
বাংলা সাল থেকে ৫৯৩ বছর যোগ করলে ইংরেজি সাল পাওয়া যায়
১৩৭৬ থেকে ৫৯৩ বিয়োগ করলে ১৭৭০ হয়
সুতরাং,
বাংলার ৭৬ এর মন্বন্তর হলো ইংরেজি ১৭৭০ সালের ঘটনা
উত্তর: ১৭৭০
সঠিক উত্তর: A) সম্রাট হুমায়ুন
কেন সঠিক:
- সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ সালে সাময়িকভাবে বাংলা দখল করলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শের শাহ সুরির প্রতিরোধের কারণে সেখানে স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হন।
- ১৫৩৯ সালের চৌসা ও ১৫৪০ সালের কনৌজের যুদ্ধে শের শাহ সুরির কাছে পরাজিত হয়ে তাকে ভারত ত্যাগ করতে হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সম্রাট হুমায়ুন — তিনি বাংলায় সাময়িকভাবে প্রবেশ করলেও রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও শের শাহের শক্তির কারণে স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি।
B) সম্রাট আকবর — তার সেনাপতি মানসিংহ ও অন্যান্যদের মাধ্যমে বারো ভূঁইয়াদের দমন করে বাংলায় মুঘল শাসন সফলভাবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
C) সম্রাট জাহাঙ্গীর — তার আমলেও বাংলায় মুঘল শাসন অব্যাহত ছিল এবং সুবেদার ইসলাম খান চিশতি বাংলার বিদ্রোহী ভূঁইয়াদের সম্পূর্ণ দমন করেন।
D) সম্রাট আওরঙ্গজেব — তার সুদীর্ঘ শাসনকালে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্থায়ী প্রদেশ হিসেবে শাসিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
যিনি ভারতের হারিয়ে যাওয়া সাম্রাজ্য পুনরুদ্ধারে ব্যস্ত ছিলেন, সেই হুমায়ুনের পক্ষেই বাংলায় স্থায়ী শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)