সঠিক উত্তর: B) সুগঠিত
১. কেন সঠিক:
- বিভা শব্দের অর্থ আলো বা কিরণ, আর সুবলিত শব্দের অর্থ সুন্দরভাবে গঠিত বা সুগঠিত।
- প্রশ্নটিতে সমার্থক বা সাদৃশ্যপূর্ণ শব্দের রূপ জানতে চাওয়া হয়েছে যেখানে কিরণ ও সুবলিত শব্দদ্বয়ের ভাবের সঙ্গে সবচেয়ে সংগতিপূর্ণ উত্তর হলো সুগঠিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি মূলত শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দের প্রয়োগভিত্তিক একটি প্রশ্ন।
- বাংলা ব্যাকরণে শব্দের সঠিক অর্থ অনুধাবন করে বাক্য বা পদের ভাব রক্ষা করার জন্য সমার্থক শব্দ জানা আবশ্যক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কনক কুসুম
ব্যাখ্যা: কনক শব্দের অর্থ স্বর্ণ এবং কুসুম শব্দের অর্থ ফুল, যা বিশেষ সৌন্দর্য প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কুহেলি কুয়াশা
ব্যাখ্যা: কুহেলি ও কুয়াশা দুটি প্রায় সমার্থক শব্দ যা একই ভাব প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুবিদিত — সুবিদিত শব্দের অর্থ ভালোভাবে জানা বা পরিচিত, যা কিরণ বা সুবলিত শব্দের সঙ্গে অর্থের দিক থেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) সুগঠিত — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুবলিত শব্দের প্রমিত ও সরাসরি সমার্থক অর্থ হলো সুন্দরভাবে গঠিত।
C) সুবিনীত — সুবিনীত শব্দের অর্থ অত্যন্ত বিনীত বা নম্র, যা আলোর বা কিরণের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মেলে না।
D) বিধিত — বিধিত শব্দের অর্থ বিধান করা হয়েছে বা জ্ঞাত, যা এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য উপযুক্ত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিভা অর্থ আলো এবং সুবলিত অর্থ সুগঠিত বা সুন্দর অবয়ব।
- শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- অপরিচিত শব্দের ক্ষেত্রে মূল শব্দটির উৎস এবং গঠন খেয়াল করে উত্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) জন ক্লার্ক মার্শম্যান
১. কেন সঠিক:
- সমাচার দর্পণ পত্রিকার প্রথম ও অন্যতম প্রধান সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান।
- এই পত্রিকাটি বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমাচার দর্পণ প্রকাশিত হয় ১৮১৮ সালের ২৩ মে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে।
- এটি ছিল বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিগদর্শন
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত শ্রীরামপুর মিশন প্রেসের আরেকটি মাসিক পত্রিকা।
উদাহরণ ২: সংবাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় ১৮৩১ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সংবাদপত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জন ক্লার্ক মার্শম্যান — ইনি সমাচার দর্পণ পত্রিকার সফল সম্পাদক ছিলেন এবং এর প্রকাশনায় মূখ্য ভূমিকা পালন করেন।
B) জর্জ অব্রাহাম মিয়ার্সন — ইনি কোনো বিখ্যাত বাংলা সংবাদপত্রের সম্পাদক ছিলেন না।
C) উইলিয়াম কেরি — ইনি শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বাংলা গদ্যের বিকাশে অবদান রাখেন, তবে সমাচার দর্পণের সম্পাদক ছিলেন না।
D) ডেভিড হেয়ার — ইনি ভারতে ইংরেজি শিক্ষা প্রসারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, বাংলা সংবাদপত্রের সম্পাদক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মার্শম্যান ও সমাচার দর্পণ মনে রাখতে দর্পণের মার্কা শব্দটির সঙ্গে মার্শম্যান মেলাতে পারো।
- শ্রীরামপুর মিশনের পত্রিকাগুলোর সম্পাদক ছিলেন মূলত মার্শম্যান ও উইলিয়াম কেরি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমাচার দর্পণ পত্রিকার প্রকাশকাল এবং সম্পাদকের নাম বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
- বাংলা সংবাদপত্র ও সাময়িকীর প্রথম প্রকাশকাল ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) নম্বর
১. কেন সঠিক:
- নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার এক কথায় প্রকাশ নম্বর। এখানে নড় বা নষ্ট হওয়া ধাতু থেকে এই শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যা ক্ষয় বা নষ্ট হয় তাকে এক কথায় নম্বর বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বড় বাক্য বা ভাবকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করা যায়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং ভাবকে সংহত করার জন্য এই নিয়মগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা সহজে ভেঙে যায় না
ব্যাখ্যা: এটি অভগ্ন বা অলোচ্য হিসেবে প্রকাশ করা হয় তবে সহজে নষ্ট না হওয়ার ক্ষেত্রে অন্য শব্দ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: যা স্থায়ী নয়
ব্যাখ্যা: যা স্থায়ী নয় তাকে অনিত্য বলা হয় এবং এর সাথে নম্বর শব্দের গভীর মিল রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিদাঘ — নিদাঘ শব্দের অর্থ তীব্র গরম বা গ্রীষ্মকাল। এটি নষ্ট হওয়ার স্বভাবের সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
B) নম্বর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ যা নষ্ট হওয়ার স্বভাবের অধিকারী।
C) নষ্টমান — নষ্টমান বলতে যা নষ্ট হচ্ছে এমন বোঝায় কিন্তু এটি ব্যাকরণসম্মত এক কথায় প্রকাশের প্রমিত রূপ নয়।
D) বিনশ্বর — বিনশ্বর শব্দের অর্থ যার বিনাশ বা ধ্বংস আছে কিন্তু নষ্ট হওয়ার স্বভাব বোঝাতে প্রমিত শব্দ হিসেবে নম্বর ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নষ্ট হওয়ার সাথে নম্বর শব্দটি মনে রাখবে কারণ দুটির শুরুতেই ন বর্ণ রয়েছে।
- ব্যাকরণের এক কথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ ও উৎপত্তির দিকে নজর রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দার্থ প্রায়ই আসে তাই প্রমিত রূপগুলো ভালো করে মুখস্থ করতে হবে।
- একই রকম দেখতে শব্দগুলোর অর্থ পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করা পরীক্ষার সাফল্যের চাবিকাঠি।
সঠিক উত্তর: B) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস
১. কেন সঠিক:
- একই বিশেষ্য পদের পারস্পরিক বা দ্বৈত অর্থে যে বহুব্রীহি সমাস হয়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
- লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই, তা নির্দেশ করতে এখানে পারস্পরিক ক্রিয়ার বিনিময় বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদ ও পরপদ একই হয় এবং সাধারণত আ বা ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়ার পারস্পরিক সংঘর্ষ বা বিনিময় প্রকাশ করে।
- এই সমাসে বেশবাক্য সাধারণত লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ এভাবে গঠিত হয় এবং সমস্ত পদে দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চুলে চুলে যে বাঁধাবাঁধি = চুলোচুলি
ব্যাখ্যা: চুলোচুলি শব্দটিতে পারস্পরিক টানাটানি বা মারামারির অর্থ প্রকাশ করায় এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি
ব্যাখ্যা: হাতাহাতি শব্দটিতে দুই পক্ষের মধ্যে হাতের পারস্পরিক ব্যবহারের মাধ্যমে সংঘর্ষ বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ প্রাদি উপসর্গযুক্ত কৃদন্ত পদের সঙ্গে যে সমাস হয় তা প্রাদি সমাস, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়মানুযায়ী পারস্পরিক অর্থ প্রকাশ করায় এটি নির্ধারিত হয়েছে।
C) তৎপুরুষ সমাস — পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে তৎপুরুষ বলে, কিন্তু লাঠালাঠি শব্দে পারস্পরিক অর্থ থাকায় এটি তৎপুরুষ নয়।
D) কর্মধারয় সমাস — বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে যে সমাস হয় তাকে কর্মধারয় বলে, যা লাঠালাঠি শব্দের গঠনের সঙ্গে মিলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পারস্পরিক বোঝাপড়া, মারামারি বা সংঘর্ষ বুঝলে এবং শব্দের শেষে ই কার থাকলে চোখ বন্ধ করে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস দাগাবে।
- লাঠালাঠি, চুলোচুলি, হাতাহাতি এই শব্দগুলো সবসময় এই সমাসের আদর্শ উদাহরণ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সমস্ত পদের শেষে সাধারণত ই কার যুক্ত থাকা এই সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায়।
সঠিক উত্তর: A) বিশেষণের অতিশায়ন
১. কেন সঠিক:
- 'এ মাটি সোনার বাড়া' বাক্যে 'সোনা' শব্দটি মূলত উপাদান না বুঝিয়ে অন্য কোনো বস্তুর তুলনায় তার উৎকর্ষ বা শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- ব্যাকরণের নিয়মে যখন কোনো বিশেষ্য পদ বিশেষণের অর্থ প্রকাশ করে এবং সাধারণ তুলনার চেয়ে বেশি বা অতিশয় মান বোঝায়, তখন তাকে বিশেষণের অতিশায়ন বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে পদ দ্বারা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা, পরিমাণ বা সংখ্যা প্রকাশ পায় তাকে বিশেষণ বলে।
- বিশেষণ পদের যখন তুলনা বা উৎকর্ষ বোঝানো হয়, তখন তাকে বিশেষণের অতিশায়ন বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার অংকটি খাসা হয়েছে
ব্যাখ্যা: এখানে সাধারণ মানের চেয়ে অনেক ভালো বা উৎকর্ষ বোঝাতে বিশেষণের অতিশায়ন ঘটেছে।
উদাহরণ ২: লোকটি বেজায় চালাক
ব্যাখ্যা: এখানে চালাক গুণের মাত্রা বা আধিক্য বোঝাতে বিশেষণের অতিশায়ন ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষণের অতিশায়ন — এটি সঠিক কারণ এখানে সোনার উৎকর্ষ বা তুলনা বোঝানো হয়েছে।
B) রূপবাচক বিশেষণ — রূপ বা বর্ণ বোঝালে রূপবাচক বিশেষণ হয়, কিন্তু এখানে রূপ বোঝানো হয়নি।
C) উপাদানবাচক বিশেষণ — সোনা একটি উপাদান হলেও এখানে উপাদানের চেয়ে উৎকর্ষ বা অতিশায়ন প্রধান।
D) বিধেয় বিশেষণ — বিশেষ্যের পরে বসে বিশেষণটি বিধেয় বিশেষণ হয়, কিন্তু এটি এখানে অতিশায়নের নিয়ম বহন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো বাক্যে সোনা বা রূপা শব্দ দিয়ে যদি সাধারণ উপাদানের পরিবর্তে কোনো কিছুর অতিরিক্ত মান বা উৎকর্ষ বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে বিশেষণের অতিশায়ন দাগাবে।
- তুলনা বা আতিশয্য বুঝলেই তা অতিশায়নের অন্তর্ভুক্ত হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের তুলনামূলক বা অর্থভিত্তিক বিশেষণ প্রায়ই আসে।
- বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝে পদের ধরন নির্ধারণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) মদনমোহন তর্কালংকার
১. কেন সঠিক:
- 'পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল' বিখ্যাত এই পঙ্ক্তিটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক মদনমোহন তর্কালংকার।
- তাঁর রচিত 'শিশুশিক্ষা' প্রথম ভাগ বইটিতে এই পঙ্ক্তিটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা বাংলা শিক্ষার আদি যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মদনমোহন তর্কালংকার ছিলেন উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, লেখক এবং শিক্ষাবিদ।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বন্ধু ও সহকর্মী হিসেবে তিনি বাংলার শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং তাঁর 'শিশুশিক্ষা' বইটি বহু প্রজন্ম ধরে প্রাথমিক শিক্ষার মূল ভিত্তি ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রভাত হইল, ওঠ অরুণ উঠিল
ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালংকারের 'শিশুশিক্ষা' গ্রন্থের একটি জনপ্রিয় পঙ্ক্তি।
উদাহরণ ২: পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল
ব্যাখ্যা: ভোরবেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলার জন্য বাংলা কবিতায় এই চরণটি প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামনারায়ণ তর্করত্ন — তিনি মূলত উনিশ শতকের একজন নাট্যকার হিসেবে পরিচিত এবং কুলীনকুলসর্বস্ব তাঁর বিখ্যাত নাটক।
B) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত একজন বিশিষ্ট গীতিকবি, যাঁর সাধের কদমবালী বিখ্যাত কাব্য।
C) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — তিনি নীতিশিক্ষা মূলক কবিতা রচনার জন্য বিখ্যাত, বিশেষ করে তাঁর 'সদভাবশত শতক' গ্রন্থটি উল্লেখযোগ্য।
D) মদনমোহন তর্কালংকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি শিশুশিক্ষা গ্রন্থে এই পঙ্ক্তিটি রচনা করেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শিশুদের জন্য লেখা বিখ্যাত পঙ্ক্তি বা ছড়ার মতো লাইন দেখলে মদনমোহন তর্কালংকারের শিশুশিক্ষা বইটি স্মরণ করবে।
- ভোরের পাখি বিহারীলাল চক্রবর্তী হলেও পাখির ডাক নিয়ে কবিতা লিখেছিলেন মদনমোহন তর্কালংকার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শিশুশিক্ষা কার লেখা এই প্রশ্নটি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- উনিশ শতকের গোড়ার দিকের লেখকদের অবদান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) জন+এক
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে অ-কার কিংবা আ-কারের পর এ-কার বা ঐ-কার থাকলে উভয় মিলে ঐ-কার হয় এবং তা যুক্তবর্ণ হিসেবে পূর্ববর্তী বর্ণের সঙ্গে বসে।
'জৈনক' শব্দটিতে জন শব্দের অন্তস্থিত অ-কার এবং এক শব্দের আদিস্থ এ-কার মিলে ঐ-কার গঠিত হয়ে জেনোক না হয়ে জৈনক রূপ লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম বা প্রবৃদ্ধি সন্ধির অন্তর্ভুক্ত।
অ কিংবা আ এর পর এ কিংবা ঐ থাকলে উভয় মিলে ঐ-কার হয় এবং ও কিংবা ঔ থাকলে উভয় মিলে ঔ-কার হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তটিন + এক = তটিনৈক
ব্যাখ্যা: অ-কার ও এ-কার মিলে ঐ-কার হওয়ার নিয়ম এখানে অনুসৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মত + এক = মতৈক
ব্যাখ্যা: জন + এক শব্দের মতোই এটি প্রবৃদ্ধি সন্ধির আরেকটি সঠিক প্রয়োগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জন+ইক — ই-কার যুক্ত থাকায় তা সঠিক নিয়ম বা শব্দের অর্থে মেলে না।
B) জন+এক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) জনৈ+এক — জনৈ বলে কোনো প্রমিত শব্দ ব্যাকরণে সিদ্ধ নয়।
D) জন+ ঈক — দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত থাকায় এটি নিয়মের বাইরে ও অশুদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দটির মাঝে যদি ঐ-কার বা ঔ-কার থাকে এবং তা ভাঙলে যদি এক বা ঔকারযুক্ত শব্দ পাওয়া যায়, তবে তা প্রবৃদ্ধি সন্ধি হিসেবে বিবেচনা করবে।
জন যোগ এক সমান জৈনক, এভাবে উচ্চারণ ও বানানের মিল রেখে চর্চা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধি প্রায়ই আসে যেখানে অ বা আ এর সঙ্গে এ বা ঐ যুক্ত হয়।
একই নিয়মে মতৈক্য বা হিতৈষী শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ চর্চা করলে পরীক্ষায় ভালো করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) নিশীথিনী
১. কেন সঠিক:
- নিশীথ শব্দের অর্থ মধ্যরাত বা গভীর রাত। এর সঙ্গে ইনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিনী শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নিশীথ শব্দের প্রথম ধ্বনিতে দীর্ঘীকার এবং থ-এ দীর্ঘীকার ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠনের নিয়মে নিশীথ শব্দের সঙ্গে ইনী প্রত্যয় যুক্ত করে এই বিশেষণ পদটি তৈরি করা হয়েছে।
- দীর্ঘীকারান্ত শব্দের ক্ষেত্রে মূল শব্দের বানান এবং প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পর প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিভাবরী
ব্যাখ্যা: এটি নিশীথিনীর সমার্থক শব্দ যার অর্থ রাত বা রাত্রি।
উদাহরণ ২: যামিনী
ব্যাখ্যা: এটিও রাত বা নিশীথিনীর সমার্থক আরেকটি প্রমিত বাংলা শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিশিথিনী — প্রথম শিকার নিশিথ অংশে হ্রস্বইকার ব্যবহার করার কারণে এই বানানটি ভুল হয়েছে।
B) নিশিথীনি — প্রথম অংশ হ্রস্বইকার এবং শেষের ন-এ দীর্ঘীকার দেওয়ায় এটি সম্পূর্ণ ভুল বানান।
C) নিশীথীনি — প্রথম অংশ ঠিক থাকলেও শেষের ন-এ দীর্ঘীকার ব্যবহার করার কারণে এই বানানটি ভুল হয়েছে।
D) নিশীথিনী — এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ সঠিক বানান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিশীথ বানানটিতে দুটি দীর্ঘীকার থাকে এবং এর সঙ্গে ইনী যুক্ত হলে শেষের ন-এ হ্রস্বইকার হয়।
- মধ্যরাতের গভীরতা বোঝাতে নিশীথ শব্দের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘীকার মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রশিকার ও দীর্ঘীকার ঘটিত বানান প্রায়ই আসে।
- মূল শব্দ চিনে তার সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়ম জানলে এ ধরনের বানান সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) মোসাহেব
কেন সঠিক:
- ঢাকের কাঠি যেমন শুধু পিটিয়ে আওয়াজ তোলার কাজে ব্যবহৃত হয়, তেমনি মোসাহেব ব্যক্তিরাও অপরের কথায় ওঠবস করে।
- এই বাগধারাটি দিয়ে মূলত চাটুকার বা তোষামোদকারী প্রকৃতির মানুষকে বোঝানো হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বিশেষণের অর্থ প্রকাশকারী বাগধারা।
- সাহিত্যে এবং দৈনন্দিন কথোপকথনে তেলবাজ বা চাটুকারিতা করা মানুষদের ক্ষেত্রে এই উপমাটি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন: নেতার পিছু পিছু ঘুরে তার সব কাজের সমর্থন করা লোকটিকে সবাই দলের ঢাক বলে চেনে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কপট ব্যক্তি — এই অর্থের জন্য ভণ্ড সাধু বা বরফ জমাট বাঁধার মতো অন্য বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
- B) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক — এই অর্থ বোঝাতে বুকে টেনে নেওয়া বা ভাতের পোকা জাতীয় বাগধারা প্রযোজ্য।
- C) হতভাগ্য — এই অর্থ প্রকাশের জন্য কপাল পোড়া বা উনুন পোড়া বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
- D) মোসাহেব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্ন অর্থ প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
- ঢাক বাজাতে যেমন কাঠি লাগে, তেমনি কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তিকে খুশি করতে চাটুকার বা মোসাহেবরা সবসময় তাদের তোষামোদ করতে কাঠি হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: A) গ্রহ
১. কেন সঠিক:
- প্রাণদ জল এবং মহীজ শব্দ দুটির মধ্যে যে পারস্পরিক সম্পর্ক নির্দেশ করা হয়েছে, গ্রহ শব্দের সঙ্গেও অন্য কোনো শব্দের বা প্রকৃতির তেমন কোনো বিশেষ মিল বা সম্পর্ক খোঁজা হয়েছে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন সাধারণত শব্দার্থের গভীর জ্ঞান এবং পদ বা প্রকৃতির পারস্পরিক সম্পর্ক যাচাই করার জন্য দেওয়া হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি মূলত শব্দের উৎস, অর্থ এবং শব্দের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা একটি শব্দার্থভিত্তিক প্রশ্ন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দ জোড় মিলানোর প্রশ্নে বাংলা ভাষার বিভিন্ন শব্দের গভীর অর্থ ও তাদের ব্যবহার সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য: আলো
ব্যাখ্যা: সূর্য যেমন আলো প্রদান করে, তেমনি সম্পর্কযুক্ত শব্দ জোড় হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: নদী: স্রোত
ব্যাখ্যা: নদীর যেমন প্রধান বৈশিষ্ট্য স্রোত, তেমনি প্রকৃতির অন্যান্য উপাদানের ক্ষেত্রেও এমন মিল থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রহ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রশ্নের মূল কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
B) সম্বর — সম্বর একটি হরিণ বিশেষ বা এক ধরনের পদের নাম, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে মেলে না।
C) নিঃসর্গ — নিঃসর্গ শব্দের অর্থ প্রকৃতি বা পরিবেশ, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
D) অশ্ব — অশ্ব শব্দের অর্থ ঘোড়া, যা এই শব্দ জোড়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে প্রতিটি শব্দের আক্ষরিক ও গভীর অর্থ ভালোভাবে বুঝে নিতে হবে।
- শব্দগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ করার সময় তাদের মূল উৎস এবং ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ এবং শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রতিদিন প্রমিত বাংলা অভিধানের নতুন শব্দের অর্থ পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) জলধি
১. কেন সঠিক:
- জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, যা জল ধারণ করে এমন একটি জলাধারকে বোঝায়।
- প্রশ্নানুযায়ী জল শব্দের সমার্থক নয় কোনটি তা নির্ণয় করতে হবে, আর জলধি জলের সমার্থক না হয়ে জলের উৎসের সমার্থক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলো একই অর্থ প্রকাশ করে সেগুলোকে সমার্থক শব্দ বলে।
- জল শব্দের সাথে দি বা নিধি যুক্ত হলে তা সমুদ্র বা উৎসের সমার্থক হয়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাথার
ব্যাখ্যা: এটি সমুদ্র বা জলের বিশালতার একটি সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: অর্ণব
ব্যাখ্যা: এটিও সমুদ্র অর্থে ব্যবহৃত হয় যা জলের সমার্থক নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সলিল — এটি জলের সরাসরি সমার্থক শব্দ।
B) উদক — এটি জলের একটি বহুল প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
C) নীর — এটিও পানির অপর নাম এবং জলের সমার্থক।
D) জলধি — এটি সমুদ্রের সমার্থক, তাই জল শব্দের সরাসরি সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জলের সমার্থক শব্দের শেষে দি, ধি বা কর যুক্ত হলে তা সাধারণত সমুদ্র বা মেঘের অর্থ প্রকাশ করে।
- এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলে জল ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দ আলাদা করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জল এবং সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলোর পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে।
- শব্দের শেষেধি বা নিধি থাকলে তা সমুদ্র বোঝায় তা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- এখানে জজ এবং সাহেব দুটি পদের অর্থই প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে এবং জজ ও সাহেব একই ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে।
- সাধারণ কর্মধারয় সমাসের নিয়মে বিশেষ্য ও বিশেষণ কিংবা দুটি বিশেষ্য মিলে একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে কর্মধারয় সমাস হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে বিশেষ্য-বিশেষণ বা বিশেষ্য-বিশেষ্য সম্পর্ক থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- জজ সাহেব এর ব্যাসবাক্য হলো যিনি জজ তিনিই সাহেব, যা মধ্যপদলুপী বা সাধারণ কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ রূপ হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাপুরুষ
ব্যাখ্যা: মহান যে পুরুষ, এখানে মহান বিশেষণ এবং পুরুষ বিশেষ্য মিলে কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: কাঁচকলা
ব্যাখ্যা: কাঁচা যে কলা, এটিও কর্মধারয় সমাসের একটি প্রমিত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিগু — সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাস হয়ে সমাহার বোঝালে দ্বিগু সমাস হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) কর্মধারয় — এটি সঠিক অপশন এবং এর ব্যাখ্যা উপরে প্রদান করা হয়েছে।
C) দ্বন্দ — উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকলে দ্বন্দ সমাস হয়, কিন্তু এখানে জজ ও সাহেব আলাদা কোনো পদের সংযোগ বোঝায় না।
D) বহুব্রীহি — অন্য পদের অর্থ প্রকাশ করলে বহুব্রীহি সমাস হয়, যা এখানে জজ বা সাহেব পদের ক্ষেত্রে ঘটে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে এবং যিনি তিনি দিয়ে ব্যাসবাক্য হলে চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় সমাস দাগাবে।
- উপমান ও উপমিত কর্মধারয়ের ক্ষেত্রে তুলনার বিষয়টি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পেশাবাচক পদের সঙ্গে সাহেব বা বাবু যুক্ত শব্দ প্রায়ই কর্মধারয় সমাস হিসেবে আসে।
- ব্যাসবাক্য করার সময় যিনি তিনি বা যে সে ব্যবহার করা যায় কি না, তা যাচাই করে সমাস নির্ণয় করবে।
সঠিক উত্তর: C) নাথধর্ম
কেন সঠিক:
- গোরক্ষ বিজয় কাব্যটি মূলত নাথ সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
- এই কাব্যে নাথ ধর্মের গুরু মীননাথ এবং তাঁর শিষ্য গোরক্ষনাথের আধ্যাত্মিক সাধনা ও কাহিনীর বর্ণনা রয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা হলো নাথ সাহিত্য।
- নাথ ধর্মের অনুসারীরা বিশ্বাস করতেন যে কঠোর সাধনার মাধ্যমে অমরত্ব লাভ করা সম্ভব।
- এই কাব্যের মূল বিষয়বস্তু হলো গুরুর যোগভঙ্গ নিবারণ করে শিষ্যের দ্বারা তাঁকে পুনরায় সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) শৈবধর্ম — এই ধর্মমতের সাথে নাথ ধর্মের কিছু মিল থাকলেও গোরক্ষ বিজয় কাব্যটি সরাসরি শৈব ধর্মের নয়।
- B) বৌদ্ধ সহজযান — চর্যাপদ সহজযান বা বৌদ্ধ ধর্মের সাথে যুক্ত, কিন্তু গোরক্ষ বিজয় নাথ ধর্মের কাহিনী অবলম্বনে রচিত।
- C) নাথধর্ম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) কোনোটি নয় — সঠিক উত্তর অপশনে থাকায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
- গোরক্ষনাথ ও মীননাথ নাম দুটি দেখলেই মনে রাখবে এটি নাথধর্ম সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: D) বিশেষণ
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে 'চেনা' শব্দটি 'লোক' বিশেষ্য পদের ঠিক পূর্বে বসে লোকটির পরিচিতি বা গুণ প্রকাশ করেছে।
- কোনো পদ যখন কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে, তখন তাকে বিশেষণ পদ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে পদ দ্বারা বিশেষ্য, সর্বনাম বা ক্রিয়ার দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি নির্দেশ করা হয়, তাকে বিশেষণ পদ বলে।
- বাক্যটিতে 'লোক' একটি বিশেষ্য পদ এবং 'চেনা' শব্দটি এই বিশেষ্যের আগের অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করায় এটি নামপদীয় বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এটি একটি পোড়া কাগজ।
ব্যাখ্যা: এখানে 'পোড়া' শব্দটি 'কাগজ' বিশেষ্যের অবস্থা বোঝাচ্ছে বলে এটি বিশেষণ।
উদাহরণ ২: তাজা ফুল এনে দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে 'তাজা' শব্দটি 'ফুল' বিশেষ্যের গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু 'চেনা' কোনো নাম বোঝাচ্ছে না বরং দোষ-গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
B) অব্যয় — অব্যয় পদের নিজস্ব কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি পদগুলোকে সংযুক্ত বা ভাব প্রকাশ করে, যা 'চেনা' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায়, কিন্তু এখানে 'চেনা' কাজটি সম্পূর্ণ হওয়ার ভাব প্রকাশ না করে বিশেষ্যের গুণ বোঝাচ্ছে।
D) বিশেষণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিশেষ্যের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দ বিশেষ্য পদের আগে বসে যদি কেমন প্রশ্নটির উত্তর দেয়, তবে সেটি সাধারণত বিশেষণ হয়।
- যেমন কেমন লোক উত্তর হলো চেনা লোক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়াবাচক শব্দ যখন বিশেষ্যের আগে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করে, তখন তা কৃৎপ্রত্যয় সাধিত বিশেষণ হিসেবে গণ্য হয়।
- এ ধরনের প্রশ্ন ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই পদের অবস্থান ভালো করে লক্ষ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) শুভেচ্ছা
১. কেন সঠিক:
- শুভেচ্ছা শব্দটি প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি, বরং এটি সন্ধিযোগে গঠিত একটি শব্দ।
- শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ হলো শুভ + ইচ্ছা, যা স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন, আর প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে নতুন শব্দ গঠনের উদ্দেশ্যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত করা।
- শুভেচ্ছা শব্দটিতে কোনো প্রত্যয় যুক্ত না হয়ে দুটি পদের মিলনে সন্ধি সাধিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গবেষণা
ব্যাখ্যা: এটি গো + এষণা মিলে গঠিত সন্ধিবদ্ধ শব্দ, যা প্রত্যয়যোগে গঠিত নয়।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটি রবি + ইন্দ্র মিলে গঠিত সন্ধিবদ্ধ শব্দ, যা স্বরসন্ধির উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সভাসদ — এটি সভা + সদ প্রত্যয়যোগে গঠিত একটি শব্দ। তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না।
B) শুভেচ্ছা — এটি সন্ধিযোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি এবং এটিই সঠিক উত্তর।
C) ফলবান — এটি ফল + বান প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ। তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না।
D) তন্বী — এটি তনু + ঈ প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ। তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যে শব্দগুলোকে ভাঙলে দুটি অর্থপূর্ণ শব্দের সন্ধি পাওয়া যায়, সেগুলো সাধারণত সন্ধিযুক্ত শব্দ।
- প্রত্যয় চেনার জন্য শব্দের শেষে অতিরিক্ত কোনো অংশ যুক্ত আছে কি না তা লক্ষ্য করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সন্ধি এবং প্রত্যয়ের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করার জন্য শব্দের উৎপত্তি ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
- পরীক্ষার হলে শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ করে দেখতে হবে সেটি প্রত্যয় নাকি সন্ধির নিয়ম মেনেছে।
সঠিক উত্তর: A) on my going
কেন সঠিক:
১. Insist verb-এর পর সাধারণত preposition হিসেবে on বসে। তাই এখানে on সঠিক নির্বাচন।
২. Preposition-এর পরের verb-এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
৩. Going-এর আগে pronoun-এর possessive রূপ my বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on my going — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে সব নিয়ম ঠিক আছে।
B) over going — Insist-এর পর over preposition বসে না।
C) is to go — এটি বাক্যটির গঠন ও অর্থ অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল।
D) to go — Insist-এর পর সরাসরি to বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Insist-এর পর હંમેશા on বসে এবং এরপরের verb-এর সাথে ing যোগ হয়।
সঠিক উত্তর: D) dyed
কেন সঠিক:
চুল বা কাপড়ে নতুন রং করার ইংরেজি পরিভাষা হলো ডাই বা dyed।
বাক্যের অর্থ হলো সে তার চুল সুন্দর বাদামী রঙে রাঙিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) colored — সাধারণ অর্থে কোনো কিছুতে রঙ করা বোঝায়, কিন্তু চুল বা কাপড়ের ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়।
B) given — এর অর্থ দেওয়া, যা এই শূন্যস্থানে অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ অমূলক।
C) dried — এর অর্থ শুকানো, যা চুল বাদামী করার প্রক্রিয়ার সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
D) dyed — এটি সঠিক কারণ চুল বা কাপড় রঙ করার ক্ষেত্রে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
চুল বা কাপড় রঙ করার ইংরেজি হলো ডাই (dye), আর সাধারণ রঙ করার ইংরেজি হলো কালার (color)।
সঠিক উত্তর: C) natural
কেন সঠিক:
প্রথম ভাষা বা মাতৃভাষা হলো মানুষের জন্মগত ভাষা যা সে কোনো আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই পরিবেশ থেকে স্বাভাবিকভাবে অর্জন করে। এটি মানুষের জীবনের একেবারে শুরু থেকেই প্রাকৃতিকভাবে মনের ভাব প্রকাশের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) important — কোনো ভাষার গুরুত্ব অনেক থাকতে পারে, তবে প্রথম ভাষা বলতে বোঝায় জন্মগত ও স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে। তাই গুরুত্বপূর্ণ হওয়া প্রথম ভাষার মূল সংজ্ঞা নয়।
B) main — প্রধান ভাষা বলতে দেশের সরকারি বা বহুল ব্যবহৃত ভাষাকে বোঝায়, যা মানুষের জন্মসূত্রে শেখা প্রথম ভাষা হতেও পারে আবার নাও হতে পারে।
C) natural — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি মাতৃভাষার মূল বৈশিষ্ট্যকে প্রকাশ করে।
D) official — সরকারি ভাষা হলো আইনগত ও দাপ্তরিক কাজের ভাষা, যা শেখার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রয়োজন হয় এবং এটি সবার মাতৃভাষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
মায়ের মুখ থেকে শিশু যে ভাষা প্রাকৃতিকভাবে শেখে, সেটাই হলো ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজ বা ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ।
সঠিক উত্তর: A) state
কেন সঠিক:
১. জলবায়ু হলো দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার সামগ্রিক অবস্থা। ইংরেজিতে পরিবেশের কোনো দীর্ঘমেয়াদী অবস্থাকে বোঝাতে state শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. এটি পরিবেশের কোনো বিশেষ মুহূর্তের সাময়িক অবস্থা নির্দেশ করে না।
৩. এটি মূলত প্রকৃতি ও পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট স্থিতাবস্থাকে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) state — এটি সঠিক কারণ জলবায়ু পরিবেশের একটি দীর্ঘমেয়াদী অবস্থা নির্দেশ করে।
B) situation — এটি সাধারণত কোনো সাময়িক পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা জলবায়ুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) rank — এর অর্থ পদমর্যাদা বা ক্রম, যা পরিবেশের উপাদানের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) size — এর অর্থ আকার বা আয়তন, যা জলবায়ু বা পরিবেশের অবস্থার পরিমাপের জন্য সঠিক শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশের দীর্ঘমেয়াদী আবহাওয়ার অবস্থাকে বোঝাতে সবসময় state শব্দটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) is
কেন সঠিক:
- The Arabian Nights দেখতে বহুবচন মনে হলেও এটি একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম, তাই এর পরে একবচন verb বসে।
- দেখতে plural হলেও কোনো গ্রন্থ, দেশ বা বিষয়ের নাম একক বোঝালে সর্বদা singular verb ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has — এখানে possessive বা perfect tense-এর auxiliary verb ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত প্রেক্ষাপট নেই।
B) are — Subject দেখতে plural হলেও মূল subject একটি একক গ্রন্থ হওয়ায় এখানে plural verb বসবে না।
C) is — এই অপশনটি সঠিক কারণ singular subject-এর সঙ্গে singular verb ব্যবহৃত হয়েছে।
D) were — এটি past tense-এর plural verb, যা বর্তমান অবস্থার বাক্য এবং singular subject-এর সঙ্গে সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
নাম দেখতে plural হলেও কোনো বই বা দেশের নাম সর্বদা singular হয়।
সঠিক উত্তর: A) Beauty
কেন সঠিক:
'Beauty' শব্দের শেষে y যুক্ত থাকায় এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য হিসেবে কাজ করে।
সুন্দর গুণ বা সৌন্দর্য বোঝাতে এই শব্দটি বাক্যে নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Beauty — এটি সঠিক উত্তর এবং নিজেই একটি নাউন।
B) Beautify — এই শব্দটির শেষে fy থাকায় এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়াপদ।
C) Beautious — এই শব্দটির শেষে ous থাকায় এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ।
D) Beautifully — এই শব্দটির শেষে ly থাকায় এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়া বিশেষণ।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে ty, ness, tion থাকলে সাধারণত তা নাউন হয়।
সঠিক উত্তর: D) Engine: car
কেন সঠিক:
মূল প্রশ্নটিতে একটি অঙ্গ এবং সম্পূর্ণ শরীরের সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে, যেখানে হার্ট বা হৃদপিণ্ড মানবদেহ সচল রাখতে কাজ করে। একইভাবে একটি ইঞ্জিন গাড়ি সচল রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। এই সাদৃশ্য থেকেই সঠিক উত্তর নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Kitchen: house — রান্নাঘর ঘরের একটি অংশ হলেও এটি পুরো ঘরকে সচল রাখার মূল যন্ত্র বা চালিকাশক্তি নয়।
B) Hand child — হাত মানুষের একটি অঙ্গ কিন্তু এটি কোনো ইঞ্জিন বা চালিকা শক্তির মতো সম্পূর্ণ শরীরকে পরিচালনা করে না।
C) Wall brick — ইটের সাহায্যে দেয়াল তৈরি হয় কিন্তু এখানে অংশ ও সম্পূর্ণের কাঠামোগত সম্পর্ক আছে চালিকাশক্তির নয়।
D) Engine: car — এটি সঠিক উত্তরের অপশন এবং প্রশ্নটির সাথে হুবহু মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
মূল শব্দের জোড়াটি যে সম্পর্কে যুক্ত, অপশনের শব্দ দুটিকেও ঠিক একই রকম কার্যকারণ সম্পর্কে মেলাতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) following
কেন সঠিক:
এখানে blank এর পরে কোনো noun নেই, তাই sentence এর অর্থ সম্পূর্ণ করতে একটি noun প্রয়োজন।
following শব্দটির অর্থ ভক্তকুল বা অনুসারী দল, যা এই শূন্যস্থানে সবচেয়ে মানানসই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) follow on — এটি ক্রিকেট খেলার একটি বিশেষ নিয়ম বা টার্ম, যার অর্থ ফলো-অন করা।
B) fallout — এর অর্থ কোনো ঘটনার ক্ষতিকর পরিণতি বা তেজস্ক্রিয় ধূলিকণা।
C) follow — এটি একটি verb, কিন্তু এখানে একটি noun বসানো প্রয়োজন।
মনে রাখার টিপস:
শূন্যস্থানের আগে article থাকলে এবং পরে noun না থাকলে, blank এ noun বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Nota bene
কেন সঠিক:
ল্যাটিন শব্দ Nota bene-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো এন বি যার অর্থ ভালো করে লক্ষ্য করো বা বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
ইংরেজি লেখায় কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের প্রতি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এই সংক্ষিপ্ত রূপটি ব্যবহার করা হয়।
এটি সাধারণত চিঠিপত্র বা দাপ্তরিক নোটিশে বিশেষ দ্রষ্টব্য বোঝাতে লেখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Note before — এটি কোনো প্রচলিত ল্যাটিন সংক্ষিপ্ত রূপ নয় এবং এর সাথে এন বি শব্দের কোনো মিল নেই।
B) No hay — এটি স্প্যানিশ ভাষা যার অর্থ এখানে কিছু নেই এবং এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) No bearing — এর অর্থ কোনো সম্পর্ক বা প্রভাব নেই যা এই প্রসঙ্গের সাথে সম্পূর্ণ অমিল।
D) Nota bene — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
এন বি দেখলে বুঝবে এটি ল্যাটিন শব্দ নোটা বেনে যার অর্থ বিশেষ দ্রষ্টব্য।
সঠিক উত্তর: B) tolerate
কেন সঠিক:
'Put up with' একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ইডিয়ম, যার অর্থ হলো কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা বিরক্তিকর ব্যক্তিকে ধৈর্য ধরে সহ্য করা।
অপশন বি এর 'tolerate' শব্দটির অর্থও হলো সহ্য করা।
তাই মূল প্রশ্ন এবং সঠিক অপশনের অর্থ হুবহু মিলে যায়।
অন্য কোনো বিকল্প এর সাথে অর্থের দিক থেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) stay together — এর অর্থ একসাথে থাকা, যা এই ইডিয়মের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) tolerate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হচ্ছে না।
C) keep trust — এর অর্থ বিশ্বাস রাখা, যা এই ইডিয়মের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) protect — এর অর্থ রক্ষা করা, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
উপার্জন বা সহ্য করার ক্ষেত্রে 'put up with' ব্যবহার করা হয় যার সহজ অর্থ হলো সহ্য করা।
সঠিক উত্তর: D) constrained
কেন সঠিক:
- বাক্যের অর্থ অনুযায়ী পারিবারিক দায়িত্বের কারণে নারীরা প্রায়ই সীমিত বা বাধাপ্রাপ্ত হন, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ constrained।
- Constrain শব্দের অর্থ কোনো কিছু সীমিত বা সীমাবদ্ধ করা, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) confused — যার অর্থ বিভ্রান্ত, যা বাক্যের ভাবের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
B) controlled — যার অর্থ নিয়ন্ত্রিত, তবে পারিবারিক দায়িত্বের ক্ষেত্রে constrained শব্দটি বেশি উপযুক্ত।
C) contaminated — যার অর্থ দূষিত, যা এখানে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
D) constrained — সঠিক উত্তর হিসেবে নারীর সীমাবদ্ধতাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
পারিবারিক দায়িত্ব মানুষকে বাঁধাধরা অবস্থার মধ্যে রাখে, তাই দায়িত্বের সাথে সীমাবদ্ধতা বোঝাতে constrain শব্দটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) liveliness
কেন সঠিক:
- Hibernate শব্দের অর্থ হলো শীতনিদ্রা, অলসভাবে কাটানো বা নিষ্ক্রিয় থাকা।
- Liveliness শব্দের অর্থ প্রাণবন্ততা বা কর্মচাঞ্চল্য, যা hibernate শব্দের বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) dormancy — এর অর্থ সুপ্তাবস্থা বা নিষ্ক্রিয়তা, যা hibernate শব্দের সমার্থক।
B) sluggishness — এর অর্থ মন্থরতা বা অলসতা, যা hibernate শব্দের সমার্থক।
C) liveliness — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ প্রাণবন্ততা।
D) democred — এটি ইংরেজি ব্যাকরণ বা শব্দভান্ডারে একটি অর্থহীন বা ভুল শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
Hibernate মানে শীতনিদ্রায় অলস থাকা এবং এর বিপরীত Liveliness মানে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর থাকা।
সঠিক উত্তর: A) Victorian
কেন সঠিক:
চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক ছিলেন এবং ডেভিড কপারফিল্ড উপন্যাসটি এই যুগেই প্রকাশিত হয়।
এই উপন্যাসে তৎকালীন শিল্প বিপ্লব পরবর্তী সমাজ ও মানুষের জীবনযাত্রা বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
ভিক্টোরিয়ান যুগের সাহিত্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো বাস্তববাদ এবং সামাজিক সমস্যা তুলে ধরা, যা এই উপন্যাসে বিদ্যমান।
লেখক চার্লস ডিকেন্সের লেখালেখির পুরো সময়কালটিই ছিল ব্রিটিশ ইতিহাসে ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Victorian — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং এটিই গ্রহণযোগ্য।
B) Romantic — রোমান্টিক যুগ মূলত প্রকৃতি ও আবেগ প্রধান ছিল, যা এই উপন্যাসের বাস্তবধর্মী সমাজচিত্রের সাথে মেলে না।
C) Elizabethan — এলিজাবেথান যুগ মূলত নাটক ও কবিতার জন্য বিখ্যাত ছিল, যেখানে এই ধরনের উপন্যাস রচিত হয়নি।
D) Modern — আধুনিক যুগ বিংশ শতাব্দীর শুরুতে শুরু হয়, কিন্তু এই উপন্যাসটি উনবিংশ শতকের মধ্যভাগে লেখা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
চার্লস ডিকেন্সের লেখা মানেই চোখ বন্ধ করে ভিক্টোরিয়ান যুগ বলে দিতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) tempting
কেন সঠিক:
alluring শব্দের অর্থ আকর্ষণীয় বা লোভনীয়, যা মানুষের মন সহজে কেড়ে নেয়।
tempting শব্দটির অর্থও প্রলোভনসঙ্কুল বা আকর্ষণীয়, যা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
নতুন চাকরির প্রস্তাব সবার জন্যই আকর্ষণীয় ও লোভনীয় হতে পারে।
তাই এই বাক্যে tempting শব্দটি সঠিক প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) unexpected — unexpected শব্দের অর্থ অপ্রত্যাশিত, যা alluring বা আকর্ষণীয় শব্দের সাথে মেলে না।
B) disappointing — disappointing শব্দের অর্থ হতাশাজনক, যা alluring শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) tempting — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি।
D) ordinary — ordinary শব্দের অর্থ সাধারণ, যা alluring বা আকর্ষণীয় শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Alluring এবং Tempting উভয় শব্দের অর্থই আকর্ষণীয় বা লোভনীয়।
সঠিক উত্তর: খ) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
২ জন টাইপিস্ট ২ মিনিটে টাইপ করতে পারে = ২ পৃষ্ঠা
১ জন টাইপিস্ট ২ মিনিটে টাইপ করতে পারে = ১ পৃষ্ঠা
ধরি,
প্রয়োজনীয় টাইপিস্টের সংখ্যা = ক
অতএব,
১ জন টাইপিস্ট ১ মিনিটে টাইপ করতে পারে = ১ ÷ ২ পৃষ্ঠা
ক জন টাইপিস্ট ৬ মিনিটে টাইপ করতে পারে = ক × ৬ ÷ ২ পৃষ্ঠা
সুতরাং,
ক × ৬ ÷ ২ = ১৮
ক × ৩ = ১৮
উত্তর: ক = ১৮ ÷ ৩ = ৬
সঠিক উত্তর: B) ১,১
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, a + b = ২
এবং ab = ১
ধরি,
a = ১ এবং b = ১
অতএব,
a + b = ১ + ১ = ২
যা প্রথম শর্ত পূরণ করে
সুতরাং,
ab = ১ × ১ = ১
যা দ্বিতীয় শর্ত পূরণ করে
উত্তর: ১,১
সঠিক উত্তর: D) x = − ১, y = ১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো ৩x − ৭y + ১০ = ০
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো y − ২x − ৩ = ০
ধরি,
প্রথম সমীকরণ হতে পাই, ৩x − ৭y = − ১০
দ্বিতীয় সমীকরণ হতে পাই, − ২x + y = ৩
অতএব,
দ্বিতীয় সমীকরণকে ৭ দ্বারা গুণ করে পাই, − ১৪x + ৭y = ২১
প্রথম ও গুণকৃত সমীকরণ যোগ করি, ৩x − ৭y = − ১০
সুতরাং,
যোগ করে পাই, − ১১x = ১১, সুতরাং x = − ১
উত্তর: x এর মান সমীকরণে বসিয়ে পাই, y = ১
সঠিক উত্তর: B) ৪২৯২৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ১ এর বর্গ + ২ এর বর্গ + ৩ এর বর্গ + ... + ৫০ এর বর্গ
ধরি,
প্রথম পদ = ১
শেষ পদ = ৫০
অতএব,
স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টির সূত্রটি হলো
n গুণ (n + ১) গুণ (২n + ১) ভাগ ৬
সুতরাং,
৫০ গুণ ৫১ গুণ ১০১ ভাগ ৬
= ৪২৯২৫
উত্তর: ৪২৯২৫
সঠিক উত্তর: B) ৭০
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটির সাথে দুই যোগ করতে হবে
যোগফল বারো, আঠারো এবং চব্বিশ দ্বারা বিভাজ্য হবে
ধরি,
নির্ণেয় লঘিষ্ঠ সংখ্যাটি সমান ক
শর্তমতে সংখ্যাটির সাথে দুই যোগ করলে যোগফল হবে ক + ২
অতএব,
বারো, আঠারো এবং চব্বিশ এর লসাগু বের করতে হবে
সংখ্যাগুলোর লসাগু সমান বাহাত্তর
সুতরাং,
ক + ২ সমান বাহাত্তর
ক সমান বাহাত্তর বিয়োগ দুই সমান সত্তর
উত্তর: ৭০
সঠিক উত্তর: B) ৯ গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে
ধরি,
প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
তাহলে প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × r × r
অতএব,
ব্যাস তিনগুণ হলে নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r
নতুন বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × (৩r) × (৩r)
সুতরাং,
নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r)
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: D) ২১৮৭
প্রদত্ত তথ্য:
০, ১, ২ এবং ৩ অঙ্কগুলি দেওয়া আছে
ধরি,
গঠিত চার অঙ্কের সংখ্যাগুলি নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
অঙ্কগুলি দ্বারা গঠিত বৃহত্তম সংখ্যাটি ৩২১০
অঙ্কগুলি দ্বারা গঠিত ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি ১০২৩
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির বিয়োগফল = ৩২১০ − ১০২৩
উত্তর: ২১৮৭
সঠিক উত্তর: A) ২৬০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার গুণফল = ৩৩৮০
সংখ্যা দুটির গসাগু = ১৩
ধরি,
সংখ্যা দুটি ক এবং খ
আমরা জানি, সংখ্যা দুটির গুণফল = লসাগু × গসাগু
অতএব, লসাগু = (সংখ্যা দুটির গুণফল) ÷ (গসাগু)
সুতরাং,
লসাগু = ৩৩৮০ ÷ ১৩
উত্তর: ২৬০
সঠিক উত্তর: B) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ফিবোনাচ্চি ধারা যেখানে প্রতি পদ আগের দুটি পদের যোগফল
ধারাটির প্রথম পদ ১ এবং দ্বিতীয় পদ ১
ধরি,
প্রথম পদ = ১
দ্বিতীয় পদ = ১
অতএব,
তৃতীয় পদ = ১ + ১ = ২
চতুর্থ পদ = ১ + ২ = ৩
পঞ্চম পদ = ২ + ৩ = ৫
সুতরাং,
ষষ্ঠ পদ = ৩ + ৫ = ৮
সপ্তম পদ = ৫ + ৮ = ১৩
অষ্টম পদ = ৮ + ১৩ = ২১
নবম পদ = ১৩ + ২১ = ৩৪
দশম পদ = ২১ + ৩৪ = ৫৫
উত্তর: ৫৫
সঠিক উত্তর: C) সমকোণী
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ১৭ সে.মি., ১৫ সে.মি. এবং ৮ সে.মি.
ধরি,
ত্রিভুজের অতিভুজ = ১৭ সে.মি.
অপর দুটি বাহু যথাক্রমে ১৫ সে.মি. এবং ৮ সে.মি.
অতএব,
অতিভুজের ওপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্র = ১৭ × ১৭ = ২৮৯
অন্য দুই বাহুর ওপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রদ্বয়ের যোগফল = (১৫ × ১৫) + (৮ × ৮)
সুতরাং,
১৫ × ১৫ = ২২৫ এবং ৮ × ৮ = ৬৪
২২৫ + ৬৪ = ২৮৯
উত্তর: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
সঠিক উত্তর: A) সেন্টমার্টিন
কেন সঠিক:
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের সমুদ্র সৈকত বিপন্ন প্রজাতির জলপাই রঙের সামুদ্রিক কচ্ছপ বা অলিভ রিডলি কচ্ছপের ডিম পাড়ার অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক আবাসস্থল।
- এই দ্বীপে রাতের বেলা কচ্ছপ বালুচরে ডিম পাড়তে আসে এবং পরিবেশ অনুকূল থাকায় এটি তাদের প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং অলিভ টারটল বা সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রধান প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
B) রাঙাবালি — এটি পটুয়াখালী জেলার একটি উপজেলা ও চর এলাকা, যা কচ্ছপের প্রজননের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত নয়।
C) চর আলেকজান্ডার — এটি নোয়াখালী জেলার রামগঞ্জ বা কমলনগর অঞ্চলের একটি উপকূলীয় এলাকা, যেখানে এই প্রজাতির কচ্ছপের নিয়মিত উপস্থিতি নেই।
D) ছেড়াদ্বীপ — এটি সেন্টমার্টিনের দক্ষিণের একটি বিচ্ছিন্ন প্রবাল দ্বীপ হলেও মূলত মূল সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর সংলগ্ন সৈকত এলাকাতেই অলিভ টারটলের ডিম পাড়ার ঘটনা বেশি দেখা যায়।
মনে রাখার টিপস:
সামুদ্রিক কচ্ছপ বা অলিভ টারটলের ডিম পাড়ার নিরাপদ স্থান হলো দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন।
সঠিক উত্তর: A) হেস
কেন সঠিক:
- অস্ট্রীয় পদার্থবিজ্ঞানী ভিক্টর হেস ১৯১২ সালে বেলুনে চড়ে বায়ুমণ্ডলে উচ্চতায় উঠে পরীক্ষা চালিয়ে মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- মহাশূন্য থেকে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন চার্জযুক্ত কণা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করার এই ঘটনা আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেস — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯১২ সালে বেলুনে পরীক্ষা চালিয়ে মহাশূন্য থেকে আসা এই রশ্মি প্রথম আবিষ্কার করেন।
B) আইনস্টাইন — তিনি আপেক্ষিকতার তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত হলেও মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন।
C) টলেমি — তিনি প্রাচীন গ্রিক জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ ছিলেন এবং ভূকেন্দ্রিক মতবাদের জন্য পরিচিত।
D) হাবল — এডউইন হাবল মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ ও গ্যালাক্সি সংক্রান্ত গবেষণার জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
মহাজাগতিক রশ্মি আকাশে উড়ে বেলুনে চড়ে আবিষ্কার করেছিলেন বিজ্ঞানী হেস।
সঠিক উত্তর: D) উন্নত জাতের নাম গমের নাম
কেন সঠিক:
- সোনালিকা ও আকবর হলো বাংলাদেশে চাষকৃত উচ্চ ফলনশীল গমের জনপ্রিয় দুটি জাত।
- এই জাতগুলো একসময় দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণে কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্নত ও কৃষি যন্ত্রপাতির নাম — সোনালিকা ও আকবর কোনো যন্ত্র নয়, এগুলো ফসলের বীজ বা জাত।
B) উন্নত জাতের ধানের নাম — ধান নয়, এগুলো বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বা প্রবর্তিত গমের জাত।
C) দুটি কৃষি বিষয়ক বেসরকারি সংস্থার নাম — এগুলো কোনো বেসরকারি বা সরকারি সংস্থা নয়, কৃষিপণ্যের জাত।
D) উন্নত জাতের নাম গমের নাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ সোনালিকা ও আকবর উভয়ই গমের জাত।
মনে রাখার টিপস:
গমের ক্ষেতে সোনা ফলে, তাই গম থেকে 'সোনালিকা' এবং ইতিহাসে বাদশাহ আকবরের নাম অনুসারে 'আকবর' গমের জাত মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
কেন সঠিক:
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে যাওয়ার সময় সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয়ে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে।
- এই নীতির কারণে আলো ফাইবার টিউবের ভেতর দিয়েই বারবার প্রতিফলিত হয়ে কোনো অপচয় ছাড়াই দূরদূরান্তে দ্রুত স্থানান্তরিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রতিসরণ — আলোর প্রতিসরণ মাধ্যম পরিবর্তনের সময় দিক পরিবর্তন করে, যা অপটিক্যাল ফাইবারের মূল কার্যপদ্ধতি নয় বরং এর ভেতরে অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে।
B) বিচ্ছুরণ — সাদা আলো বর্ণালীতে বিভক্ত হওয়ার ঘটনা হলো বিচ্ছুরণ, যা অপটিক্যাল ফাইবারের ডেটা পরিবহনের প্রধান নীতি নয়।
সি) অপবর্তন — কোনো প্রতিবন্ধক বা জালের ধার ঘেঁষে আলোর বেঁকে যাওয়ার ঘটনা হলো অপবর্তন, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
ডি) অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — এটিই সঠিক কারণ অপটিক্যাল ফাইবারের মূল কর্মপদ্ধতি হলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলো বা সিগন্যাল পরিবহন করা।
মনে রাখার টিপস:
অপটিক্যাল ফাইবার মানেই আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন, যার মাধ্যমে ইন্টারনেট ও টেলিকমিউনিকেশনের সিগন্যাল দ্রুত বাহিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্রতল দেশের ভূমিকম্প
কেন সঠিক:
- সমুদ্রের তলদেশে আকস্মিক ভূকম্পন বা প্লেটের বিচ্যুতির ফলে বিশাল পরিমাণ জলের উপরিভাগে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
- এই আলোড়ন থেকে উৎপন্ন অত্যন্ত শক্তিশালী ও দীর্ঘ তরঙ্গ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসে, যা সুনামি নামে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত — এটি কিছু ক্ষেত্রে সুনামি ঘটাতে পারলেও মূল ও সর্বাধিক সাধারণ কারণ হলো সমুদ্রতলের ভূমিকম্প।
B) ঘূর্ণিঝড় — ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাস বা তীব্র জোয়ার সৃষ্টি করতে পারে, কিন্তু সুনামি তৈরির জন্য এটি সরাসরি দায়ী নয়।
C) চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ — এই আকর্ষণ জোয়ারভাটা সৃষ্টির প্রধান কারণ, যা সুনামির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) সমুদ্রতল দেশের ভূমিকম্প — এটি সঠিক কারণ হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সুনামি মানেই সমুদ্রের নিচে ভূকম্পন বা টেকটনিক প্লেটের নড়াচড়া।
সঠিক উত্তর: B) ০.১ সেকেন্ড
কেন সঠিক:
- মানব মস্তিষ্কে শব্দের রেশ বা স্থায়িত্বকাল প্রায় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
- একে কানের শ্রবণ স্থায়িত্বকাল বলা হয়, যার কারণে পরপর দুটি শব্দের মাঝে অন্তত ০.১ সেকেন্ড ব্যবধান না থাকলে আমরা শব্দ দুটি আলাদাভাবে শুনতে পাই না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ সেকেন্ড — এটি অনেক বেশি সময় এবং শব্দের রেশ এত দীর্ঘস্থায়ী হয় না।
B) ০.১ সেকেন্ড — এটি সঠিক উত্তর এবং মানব মস্তিষ্কে শব্দের স্থায়িত্বকালের প্রামাণ্য মান।
C) ০.০১৭ সেকেন্ড — এটি দৃষ্টির স্থায়িত্বকাল বা চোখের রেটিনায় প্রতিচ্ছবি থাকার সময়, শব্দের জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) ০.০০১ সেকেন্ড — এটি অত্যন্ত কম সময়, যা মানুষের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকালের চেয়ে অনেক কম।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের রেশ মনে থাকে ০.১ সেকেন্ড আর চোখের পলকে আলোর রেশ থাকে ০.১ সেকেন্ডের কম সময়ে, তাই দুটিই ০.১ সংখ্যাটি মনে রাখলে সহজে মেলানো যায়।
সঠিক উত্তর: B) কসমিক ইয়ার
কেন সঠিক:
- আমাদের সূর্যসহ সৌরজগতের যেকোনো বস্তু গ্যালাক্সি বা ছায়াপথের কেন্দ্রকে একবার প্রদক্ষিণ করতে যে সময় নেয় তাকে কসমিক ইয়ার বলা হয়।
- মিল্কিওয়ে বা আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্র ঘুরে আসতে সূর্যের প্রায় ২২ কোটি থেকে ২৫ কোটি বছর সময় লাগে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌর বছর — পৃথিবী সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে যে সময় নেয় তাকে সৌর বছর বলে, যা ছায়াপথ ঘোরার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) কসমিক ইয়ার — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে নতুন কোনো ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই।
C) আলোকবর্ষ — আলোকবর্ষ হলো দূরত্বের একক, সময়ের একক নয়; এটি আলো এক বছরে যতটা দূরত্ব অতিক্রম করে তা নির্দেশ করে।
D) পালসার — পালসার হলো অত্যন্ত দ্রুত ঘূর্ণায়মান এক ধরনের নিউট্রন তারা, যা ছায়াপথ পরিক্রমার সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহাবিশ্বের মহাজাগতিক সময় মাপার একক হলো কসমিক ইয়ার, যা ছায়াপথ পরিক্রমার সঙ্গে যুক্ত।
সঠিক উত্তর: B) মেলানিন
কেন সঠিক:
- মেলানিন হলো এক ধরনের প্রাকৃতিক রঞ্জক পদার্থ যা মানুষের ত্বক, চুল ও চোখের রঙের জন্য দায়ী।
- মানবদেহের ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ যত বেশি থাকে, সেই ব্যক্তির গায়ের রং তত বেশি অন্ধকার বা কালো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থায়ামিন — এটি একটি ভিটামিন বি এক, যা খাদ্য হজম ও স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতায় সাহায্য করে কিন্তু গায়ের রঙের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) মেলানিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) ক্যারোটিন — এটি গাজর ও শাকসবজিতে থাকা এক ধরনের হলুদ বা কমলা রঞ্জক পদার্থ যা ত্বকের রঙে সামান্য প্রভাব ফেললেও প্রধান নিয়ন্ত্রক নয়।
D) হিমোগ্লোবিন — এটি রক্তের লাল কণিকার প্রোটিন যা অক্সিজেন পরিবহন করে, যা ত্বকের লালচে আভা তৈরি করলেও মূল গায়ের রঙের জন্য দায়ী নয়।
মনে রাখার টিপস:
ত্বকের রঙের জন্য দায়ী মেলা নামের রঞ্জক পদার্থ, যা থেকে মেলানিন কথাটি এসেছে।
সঠিক উত্তর: A) ৩০ জানুয়ারি ১৯৫২
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি বারের দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার লাইব্রেরিতে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুব এই নতুন পরিষদের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন এবং রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনকে আরও গতিশীল করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩০ জানুয়ারি ১৯৫২ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়েছিল।
B) ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সভা অনুষ্ঠিত হয় কিন্তু পরিষদ গঠিত হয়নি।
C) ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল যা ভাষা আন্দোলনের একটি পরের ঘটনা।
D) ২০ শে জানুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে ঐতিহাসিক ছাত্রসভা অনুষ্ঠিত হয় এবং আসাদুজ্জামানের শহীদ হওয়ার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই কারণ তিনি ১৯৬৯ সালের শহীদ।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারি হলেও সর্বদলীয় পরিষদ গঠিত হয়েছিল তার ঠিক আগের দিন অর্থাৎ ৩০ জানুয়ারি ১৯৫২ তারিখে।
সঠিক উত্তর: A) প্যাথোজেনিক
কেন সঠিক:
- প্যাথোজেন হলো এমন সব রোগ সৃষ্টকারী অণুজীব বা উপাদান যেমন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস।
- প্যাথোজেনিক বলতে সেই রোগ সৃষ্টির ক্ষমতা বা বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন অনুজীব বা কারণকে বোঝানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যাথোজেনিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রোগ সৃষ্টিকারী অনুজীবের বৈশিষ্ট্য বোঝায়।
B) ইনফেকশন — এটি কোনো অনুজীব নয়, বরং শরীরে রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর সংক্রমণের অবস্থাকে বোঝায়।
C) টক্সিন — এটি অনুজীবের তৈরি কোনো জীবন্ত সত্তা নয়, বরং এটি কেবল একটি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ।
D) জীবাণু — এটি একটি সাধারণ বাংলা শব্দ, তবে প্যাথোজেনিক হলো বিশেষ একটি বৈজ্ঞানিক পরিভাষা।
মনে রাখার টিপস:
প্যাথোজেন মানে রোগ সৃষ্টিকারী উপাদান, আর প্যাথোজেনিক হলো সেই উপাদানের রোগ সৃষ্টির গুণ বা বৈশিষ্ট্য।
সঠিক উত্তর: B) বেশি হয়
কেন সঠিক:
- প্রেসার কুকারের ভেতরে ঢাকনা আটকে রাখার কারণে উচ্চ চাপের সৃষ্টি হয়, যার ফলে পানির স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায়।
- চাপ বাড়লে তরলের স্ফুটনাঙ্ক বা ফোটার তাপমাত্রা বাড়ে, তাই এখানে পানি সাধারণ তাপমাত্রার চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় ফোটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম হয় — সাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ফুটন্ত পানির ক্ষেত্রে স্ফুটনাঙ্ক নির্দিষ্ট থাকে, কিন্তু চাপ বাড়লে তা কমে না বরং বাড়ে।
B) বেশি হয় — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক সত্য, কারণ উচ্চ চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়।
C) ঠিক থাকে — চাপের তারতম্য ঘটলে স্ফুটনাঙ্ক কখনো একই বা স্থির থাকে না, চাপ বাড়লে স্ফুটনাঙ্কও পরিবর্তিত হয়ে বাড়ে।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রেসার মানে চাপ, আর চাপ বাড়লে স্ফুটনাঙ্ক বা তাপমাত্রা বেশি হয়।
সঠিক উত্তর: C) চীন
কেন সঠিক:
- বিশ্বজুড়ে মোট গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনে চীন বর্তমানে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
- শিল্পায়ন, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জনবহুলতার কারণে তাদের সামগ্রিক নিঃসরণ সর্বোচ্চ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাশিয়া — রাশিয়া মোট নির্গমনে শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে থাকলেও চীনের চেয়ে পরিমাণে অনেক কম নির্গমন করে।
B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক ও মাথাপিছু নির্গমনে এগিয়ে থাকলেও বর্তমান মোট বার্ষিক নির্গমনে চীনের পেছনে রয়েছে।
D) জার্মানি — জার্মানি ইউরোপের অন্যতম প্রধান অর্থনীতি হলেও বৈশ্বিক মোট নির্গমনে চীন বা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছে।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বে মোট গ্রীনহাউস গ্যাস উৎপাদনে চীন এক নম্বরে রয়েছে।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: D) বায়ু দূষণ
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বায়ু দূষণ বিশ্বব্যাপী মানুষের অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান পরিবেশগত কারণ।
- এটি স্ট্রোক, হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসকষ্টজনিত রোগের সৃষ্টি করে মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সড়ক দুর্ঘটনা — এটি বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর একটি বড় কারণ হলেও প্রশ্নানুযায়ী পরিবেশগত বৃহত্তর বৈশ্বিক আপদ হিসেবে বায়ু দূষণকে বোঝানো হয়েছে।
B) তামাক ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ — এটি মৃত্যুর প্রধান কারণগুলোর একটি হলেও এটি পরিবেশগত কোনো আপদ বা হ্যাজার্ড নয়, বরং ব্যক্তিগত ক্ষতিকর অভ্যাস।
C) ক্যান্সার — এটি একটি রোগ, যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে; কিন্তু বায়ু দূষণ হলো সেই রোগ সৃষ্টির একটি প্রধান পরিবেশগত কারণ বা আপদ।
D) বায়ু দূষণ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বিশ্বজুড়ে মানুষের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান পরিবেশগত কারণ।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশগত আপদ হিসেবে বায়ু দূষণ নিঃশ্বাসের মাধ্যমে সরাসরি শরীরে প্রবেশ করে মৃত্যুর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বাড়ায়।
সঠিক উত্তর: C) পাঙন
কেন সঠিক:
- পাঙন সম্প্রদায় বাংলাদেশের মনিপুরী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর একটি অংশ যারা সনাতন ধর্মের পরিবর্তে ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করে।
- এরা মূলত মণিপুর থেকে এসে বাংলাদেশের মৌলভীবাজার ও সিলেট অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাখাইন — রাখাইন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের মূল ধর্ম বৌদ্ধধর্ম এবং তারা প্রধানত পটুয়াখালী ও কক্সবাজার অঞ্চলে বসবাস করে।
B) মারমা — মারমা সম্প্রদায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং তাদের প্রধান ধর্ম বৌদ্ধধর্ম।
C) পাঙন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই।
D) খিয়াং — খিয়াং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের প্রধান ধর্ম বৌদ্ধধর্ম এবং এরা মূলত বান্দরবান জেলায় বসবাস করে।
মনে রাখার টিপস:
মণিপুরী উপজাতির মধ্যে একমাত্র পাঙন সম্প্রদায় ইসলাম ধর্ম পালন করে।
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রিক
কেন সঠিক:
- নৃতাত্ত্বিক ইতিহাস অনুযায়ী বাঙালি জাতির প্রধান অংশ মূল অস্ট্রিক বা নিষাদ জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- বাঙালি সংস্কৃতির কৃষিভিত্তিক সমাজ এবং নদীমাতৃক জীবনের শেকড় মূলত অস্ট্রিক সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্রাবিড় — দ্রাবিড়রা প্রাচীন ভারতের অন্যতম প্রধান জনগোষ্ঠী হলেও বাঙালি জাতির প্রধান অংশ এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) নেগ্রিটো — নেগ্রিটো একটি আদিম নৃগোষ্ঠী, যাদের শারীরিক বৈশিষ্ট্য বাঙালি জাতির প্রধান অংশে দেখা যায় না।
C) ভোটচীন — ভোটচীন বা মঙ্গলয়েড জনগোষ্ঠীর রক্তমিশ্রণ বাঙালি জাতির কিছু অংশে থাকলেও তা প্রধান অংশ নয়।
D) অস্ট্রিক — এটিই সঠিক উত্তর কারণ বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠনের ভিত্তি গড়ে উঠেছে এই অস্ট্রিক গোষ্ঠীর ওপর।
মনে রাখার টিপস:
বাঙালি মানেই আদি শেকড় অস্ট্রিক, যা মনে রাখতে অ দিয়ে বাঙালি এবং অ দিয়ে অস্ট্রিক মিলিয়ে পড়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) সুশাসন
কেন সঠিক:
- সুশাসন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের মধ্যে নিবিড় ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
- এটি সরকারের জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে রাষ্ট্র পরিচালনার কার্যক্রমকে জনকল্যাণমুখী করে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুশাসন — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ এটি জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও কার্যকর প্রত্যয় হিসেবে কাজ করে।
B) আইনের শাসন — এটি সমাজে আইনের সমান প্রয়োগ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার সাথে সম্পর্কিত, যা সুশাসনের একটি অংশ মাত্র।
C) রাজনীতি — এটি মূলত ক্ষমতা দখল ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি ও কৌশল সম্পর্কিত বিষয়, যা জনগণ ও প্রশাসনের সামগ্রিক সম্পর্ককে পুরোপুরি প্রকাশ করে না।
D) মানবাধিকার — এটি মানুষের মৌলিক স্বাধীনতা ও অধিকার সংরক্ষণের সাথে সম্পর্কিত, যা সুশাসনের একটি নির্দিষ্ট দিক মাত্র।
মনে রাখার টিপস:
জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসন এই তিনটি উপাদান একত্রিত হলেই কেবল একটি কার্যকর সুশাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী পন্থা
কেন সঠিক:
সুপ্রসিদ্ধ দার্শনিক অ্যারিস্টটলের নীতিশাস্ত্র অনুযায়ী দুটি চরম বা বিপরীত অবস্থার ঠিক মাঝখানের ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থাকে সুবর্ণ মধ্যক বলা হয়। এটি আমাদের জীবনে বাড়াবাড়ি বা ছাড়াছাড়ি এড়িয়ে চলার শিক্ষা দেয়। চরমপন্থার বর্জন করে সবসময় মধ্যপন্থা অবলম্বন করাই এর মূল শিক্ষা। নৈতিকতার বিচারে এটি একটি অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য আচরণবিধি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাণিতিক সমাধান — এটি কোনো গাণিতিক সমস্যা সমাধানের উপায় নয় বরং একটি দার্শনিক ও নৈতিক ধারণা।
B) দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী পন্থা — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো অবকাশ নেই।
C) সম্ভাব্য সব ধরনের কাজের মধ্যমা — এটি পরিসংখ্যানের কোনো মধ্যক বা গাণিতিক পরিমাপ নির্দেশ করে না।
D) একটি দার্শনিক সম্প্রদায়ের নাম — এটি কোনো নির্দিষ্ট দার্শনিক দলের নাম নয়, বরং একটি জীবনদর্শনের নাম।
মনে রাখার টিপস:
সুবর্ণ মানে সোনা বা ভালো, আর মধ্যক মানে মাঝের পথ। তাই দুটি চরম অবস্থার মাঝের ভালো পথটিই হলো সুবর্ণ মধ্যক।
সঠিক উত্তর: C) জনকল্যাণ
কেন সঠিক:
- জনপ্রশাসনের মূল লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।
- আধুনিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্রে জনসেবা ও কল্যাণ সাধনই যেকোনো সরকারি কর্মকর্তার সর্বপ্রধান নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাধীনতা — এটি রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক একটি মৌলিক অধিকার বা ধারণা, যা সরাসরি জনপ্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সেবা প্রদানের মৌলিক মূল্যবোধ নয়।
B) ক্ষমতা — ক্ষমতা প্রশাসনের কাজের একটি আইনি হাতিয়ার বা মাধ্যম হতে পারে, কিন্তু এটি জনপ্রশাসনের কোনো জনবান্ধব মৌলিক মূল্যবোধ নয়।
C) জনকল্যাণ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা জনগণের সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনপ্রশাসনের মূল আদর্শকে নির্দেশ করে।
D) কর্ম দক্ষতা — এটি জনপ্রশাসন পরিচালনার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার বা গুণ, তবে এটি জনকল্যাণের মতো সরাসরি প্রশাসনের মৌলিক মূল্যবোধ বা অন্তিম লক্ষ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
জনপ্রশাসনের প্রধান কাজ হলো জনগণের সেবা করা, তাই এর মৌলিক মূল্যবোধ হলো জনকল্যাণ।
**প্রশ্নের ধরন:** আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) পূর্ব এশিয়া
কেন সঠিক:
- ডমিনো তত্ত্বটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ছিল, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করতে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- এই তত্ত্ব অনুযায়ী একটি দেশে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠা হলে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতেও তা তাসের ঘরের মতো হুড়মুড় করে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পূর্ব এশিয়া — এই অঞ্চলের ভিয়েতনাম ও অন্যান্য দেশে কমিউনিজম ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করেছিল।
B) পূর্ব আফ্রিকা — এই অঞ্চলটি স্নায়ুযুদ্ধের সময় ডমিনো তত্ত্বের মূল ভূরাজনৈতিক লক্ষ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
C) দক্ষিণ-পূর্ব আফ্রিকা — এই ভূখণ্ডে তৎকালীন সময়ে এই বিশেষ তত্ত্বের কোনো সরাসরি ঐতিহাসিক প্রয়োগ ঘটেনি।
D) পূর্ব ইউরোপ — এখানে ওয়ারশ চুক্তি ও সোভিয়েত প্রভাবের বিস্তার ঘটেছিল, যা ডমিনো তত্ত্বের পূর্ব এশিয়া কেন্দ্রিক ধারণার সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
ডমিনো মানে তাসের ঘর পতন, আর স্নায়ুযুযুদ্ধের সময় এশিয়ায় কমিউনিজম আটকাতে যুক্তরাষ্ট্র এই তত্ত্ব পূর্ব এশিয়ায় প্রয়োগ করেছিল।
সঠিক উত্তর: D) পুলিশ ব্যবস্থা
কেন সঠিক:
- লর্ড ক্যানিং ১৮৬১ সালের পুলিশ অ্যাক্ট পাসের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে আধুনিক পুলিশ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- এই আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ ভারতের প্রতিটি প্রদেশে একটি সুসংগঠিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা — রবার্ট ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে বাংলায় দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা চালু করেছিলেন, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
B) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা — লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিলেন, যা লর্ড ক্যানিংয়ের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) সতীদাহ নিبرণ ব্যবস্থা — লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা বাতিল বা নিবারণ করেছিলেন, যা লর্ড ক্যানিংয়ের অনেক আগের ঘটনা।
D) পুলিশ ব্যবস্থা — এটি লর্ড ক্যানিং কর্তৃক প্রবর্তিত হয়েছিল বিধায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
মনে রাখার টিপস:
ক্যানিং ও পুলিশ উভয়ের নামেই ইংরেজি অক্ষর 'সি' (C) ও 'পি' (P) আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে ক্যানিং পুলিশ ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) OTTO
কেন সঠিক:
- আয়নায় প্রতিফলিত হওয়ার পর কোনো শব্দের বর্ণগুলো যদি উল্টে যাওয়ার পরও একই থাকে, তবে তার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- OTTO শব্দটির মাঝের উলম্ব রেখা বরাবর প্রতিসাম্য বা সিমেট্রি রয়েছে, তাই এটি আয়নায় অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) OPT — এই শব্দটিতে প্রতিসাম্য বর্ণ নেই, তাই আয়নায় প্রতিফলিত হলে বর্ণগুলো উল্টে যায় এবং শব্দটির পরিবর্তন ঘটে।
B) NOON — এই শব্দটিও আয়নায় অপরিবর্তিত থাকে কারণ এটি একটি প্যালিনড্রোম এবং প্রতিসম, তবে প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর OTTO নির্ধারণ করা হয়েছে।
C) SOS — এই শব্দটিও আয়নায় অপরিবর্তিত থাকে কারণ এর বর্ণগুলোর উভয় পাশের রূপ একই থাকে, তবে নির্দিষ্ট অপশন হিসেবে সঠিক উত্তর OTTO।
D) OTTO — এই শব্দটি আয়নায় প্রতিফলিত হলে এর বর্ণগুলোর অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি হুবহু একই থাকে।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের মাঝখানে আয়না ধরলে বা উল্টালেও একই দেখায়, যেমন OTTO, সেই শব্দগুলোর কোনো পরিবর্তন হয় না।
সঠিক উত্তর: A) ভারত ও নেপাল
কেন সঠিক:
- কালাপানি হলো হিমালয় অঞ্চলের একটি কৌশলগত ভূখণ্ড, যা ভারত ও নেপালের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক বিরোধ রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত ও নেপাল — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ কালাপানি এই দুটি দেশের মধ্যকার একটি অমীমাংসিত সীমান্ত অঞ্চল।
B) পাকিস্তান ও চীন — এই দুই রাষ্ট্রের মধ্যে আকসাই চিন এবং কাশ্মীর অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ে বিরোধ রয়েছে, কালাপানি নয়।
C) ভুটান ও ভারত — ভুটান ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক বিদ্যমান এবং তাদের মধ্যে এই ধরনের কোনো উল্লেখযোগ্য ভূখণ্ডগত বিরোধ নেই।
D) বাংলাদেশ ও ভারত — বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সীমান্ত সমস্যা যেমন ছিটমহল ও সমুদ্রসীমা বিরোধ দীর্ঘদিন আগে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কালাপানি সীমান্ত বিরোধ মনে রাখতে ভারত ও নেপালের হিমালয় সংলগ্ন সীমান্ত এলাকার কথা মাথায় রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কিশোরগঞ্জ
কেন সঠিক:
- কিশোরগঞ্জ জেলা হাওড়বেষ্টিত হওয়ায় এখানে নিচু ভূমির পরিমাণ বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় সবচেয়ে বেশি।
- এ জেলার বিশাল অংশজুড়ে বিস্তীর্ণ জলরাশি ও নিচু প্লাবনভূমি রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হবিগঞ্জ — এটি হাওড়প্রধান জেলা হলেও এখানে কিশোরগঞ্জের তুলনায় নিচু ভূমির পরিমাণ কম।
B) গোপালগঞ্জ — এটি বিল ও জলাভূমিপ্রধান অঞ্চল হলেও নিচু ভূমির দিক থেকে কিশোরগঞ্জের পরেই এর অবস্থান।
D) মুন্সীগঞ্জ — এটি মূলত নদীমাতৃক ও প্লাবনভূমি এলাকা হলেও কিশোরগঞ্জের মতো এত বিশাল নিচু ভূমি বা হাওড় এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বেশি নিচু ভূমি বা হাওড় মনে রাখতে কিশোরগঞ্জ নামটিকে প্রধান হিসেবে মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) হাইড্রোজেন
কেন সঠিক:
- যে পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক পদার্থ বলে, কিন্তু হাইড্রোজেন সাধারণত ইলেকট্রন ত্যাগ করে।
- অধাতু হওয়া সত্ত্বেও হাইড্রোজেন ইলেকট্রন বর্জন করে ক্যাটায়ন গঠন করে, তাই এটি বিজারক পদার্থ হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন — এটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে বিজারক হিসেবে কাজ করে, তাই এটি জারক পদার্থ নয়।
B) ক্লোরিন — এটি সহজে ইলেকট্রন গ্রহণ করতে পারে এবং এটি একটি শক্তিশালী হ্যালোজেন জারক পদার্থ।
সি) অক্সিজেন — এটি অত্যন্ত সক্রিয় অধাতু এবং দহন বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন গ্রহণ করে শক্তিশালী জারক হিসেবে কাজ করে।
ডি) ব্রোমিন — এটি একটি হ্যালোজেন এবং সহজেই ইলেকট্রন গ্রহণ করায় এটি একটি শক্তিশালী জারক পদার্থ।
মনে রাখার টিপস:
হাইড্রোজেন একটি বিজারক পদার্থ, আর হ্যালোজেন পরিবার তথা ক্লোরিন, অক্সিজেন ও ব্রোমিন হলো শক্তিশালী জারক পদার্থ।
সঠিক উত্তর: B) ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
কেন সঠিক:
- চা পাতায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, বিশেষ করে ভিটামিন বি-২ বা রিবোফ্লাভিন পানিতে দ্রবণীয় অবস্থায় থাকে।
- চা পানের মাধ্যমে মানবদেহে এই ভিটামিনের চাহিদা কিছুটা পূরণ হয় এবং এটি কোষের বিপাক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন 'ই' — এটি মূলত চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা সাধারণত উদ্ভিজ্জ তেল, বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবারে পাওয়া যায়, চা পাতায় এর পরিমাণ উল্লেখযোগ্য নয়।
B) ভিটামিন বি কমপ্লেক্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ চা পাতায় পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন বি গ্রুপের বিভিন্ন উপাদান বিদ্যমান থাকে।
C) ভিটামিন 'কে' — এটি মূলত রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং সবুজ শাকসবজি ও কলিজায় বেশি থাকে, যা চা পাতার প্রধান ভিটামিন নয়।
D) ভিটামিন 'এ' — এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় সাহায্য করে এবং গাজর, মিষ্টি আলু ও মাখনে পাওয়া যায়, চা পাতায় এর উপস্থিতি প্রধান নয়।
মনে রাখার টিপস:
চা পান করলে শরীরে শক্তির জোগান বা মেটাবলিজম বাড়ে, আর শক্তি উৎপাদনের সাথে বি ভিটামিন সরাসরি জড়িত।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ১১১টি
কেন সঠিক:
- ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ঐতিহাসিক ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে ভারতের অভ্যন্তরে থাকা বাংলাদেশের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এই ছিটমহল বিনিময়ের ফলে দীর্ঘদিনের নাগরিকত্বহীন লাখো মানুষ তাদের নিজ রাষ্ট্রে পূর্ণ নাগরিক অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬২টি — এটি দুই দেশের মোট ছিটমহলের সংখ্যা নির্দেশ করে, যার মধ্যে ভারতের অভ্যন্তরে থাকা বাংলাদেশের ছিটমহল ছিল ১১১টি।
B) ১১১টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ভারতের অভ্যন্তরে থাকা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত ছিটমহলের সঠিক সংখ্যা।
C) ৫১টি — এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা ভারতের ছিটমহলের সংখ্যা, যা বিনিময় করে ভারতকে হস্তান্তর করা হয়েছিল।
D) ১০১২ — এটি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত বা প্রাসঙ্গিক কোনো সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ পেল ১১১টি আর ভারতকে দিল ৫১টি ছিটমহল।
সঠিক উত্তর: B) ১৮৬৯
কেন সঠিক:
- সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে ১৭ই নভেম্বর ১৮৬৯ সালে সামুদ্রিক চলাচলের জন্য উন্মুক্ত বা চালু করা হয়।
- এই কৃত্রিম খালের মাধ্যমে ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর যুক্ত হয়েছে, যা ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যকার সামুদ্রিক দূরত্ব কমিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯০৩ — এই সালে সুয়েজ খাল চালু হয়নি, বরং এটি সুয়েজ খাল চালুর অনেক পরের একটি বছর।
B) ১৮৬৯ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে নৌচলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
C) ১৮৮৯ — এই সালটি সুয়েজ খাল চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি খালের উদ্বোধনের প্রায় ২০ বছর পরের একটি বছর।
D) ১৮৫৪ — এই সালে ফরাসি প্রকৌশলী ফার্ডিন্যান্ড ডি লেসেপস সুয়েজ খাল খননের অনুমতি পান, কিন্তু খাল চালু হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সুয়েজ খাল চালুর সাল মনে রাখতে শেষের দুটি অঙ্ক উউল্টো করে মনে রাখতে পারেন, অর্থাৎ ১৮৬৯ সালের ৬৯ সংখ্যাটি খال চালুর প্রতীক।
সঠিক উত্তর: A) পাগ-মার্ক
কেন সঠিক:
- সুন্দরবনের বাঘ গণনার ঐতিহ্যগত ও প্রচলিত পদ্ধতি হলো পাগ-মার্ক বা পায়ের ছাপ পদ্ধতি।
- বাঘের পায়ের ছাপের পরিমাপ ও নকশা বিশ্লেষণ করে তাদের সংখ্যা ও উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাগ-মার্ক — এটি সঠিক কারণ পায়ের ছাপ পরীক্ষা করে বাঘ গণনা করা হয়।
B) ফুটমার্ক — এটি সাধারণ মানুষের হাঁটার বা পায়ের ছাপ বোঝায়, বাঘ গণনার বৈজ্ঞানিক পরিভাষা নয়।
C) GIS — এটি ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা, যা মানচিত্র তৈরি ও ডেটা বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয় বাঘ গণনার সরাসরি পদ্ধতি নয়।
D) কোয়ার্ডবেট — এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বৈজ্ঞানিক বা শুমারির পদ্ধতি নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাঘের গণনা মানেই পায়ের ছাপ বা পাগ-মার্ক পদ্ধতি।
সঠিক উত্তর: A) স্নায়ুতন্ত্রের অঙ্গ
কেন সঠিক:
- মস্তিষ্ক কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে সমস্ত শারীরিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি শরীর থেকে সংকেত গ্রহণ করে এবং তার প্রতিপাদ্য প্রতিক্রিয়া তৈরি করে সমগ্র স্নায়ুতন্ত্রকে পরিচালনা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্নায়ুতন্ত্রের অঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
B) রেচন তন্ত্রের — রেচন তন্ত্রের মূল কাজ হলো শরীরের বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করা, যার সাথে মস্তিষ্কের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
C) পরিপাক তন্ত্রের — পরিপাক তন্ত্রের কাজ হলো খাদ্য হজম ও পুষ্টি শোষণ করা, যা স্নায়ুতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) শ্বাস তন্ত্রের — শ্বাস তন্ত্র অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগের কাজ করে, যা মস্তিষ্কের প্রধান গঠনগত কাজ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মস্তিষ্ক হলো আমাদের শরীরের প্রধান কম্পিউটার, যা পুরো স্নায়ুতন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ করে।
সঠিক উত্তর: A) ডিজেল
কেন সঠিক:
- ডিজেলে সালফারের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি পোড়ানোর ফলে সালফার ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয় এবং বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।
- এই সালফার ডাই অক্সাইড বাতাসে জলীয় বাষ্পের সঙ্গে বিক্রিয়া করে এসিড বৃষ্টি সৃষ্টি করে যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডিজেল — সঠিক উত্তর কারণ এতে সালফারের মাত্রা বেশি থাকে।
B) পেট্রোল — এতে সাধারণত সালফারের পরিমাণ অনেক কম থাকে তাই এটি প্রধান উৎস নয়।
C) অকتن — এটি পরিশোধিত জ্বালানি হওয়ায় এতে সালফার থাকে না বললেই চলে।
D) সিএনজি — এটি পরিবেশবান্ধব গ্যাস জ্বালানি হওয়ায় এতে সালফার ডাই অক্সাইড নির্গত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ভারী যানবহনের কালো ধোঁয়া অর্থাৎ ডিজেল থেকেই মূলত বাতাসে বেশি সালফার ডাই অক্সাইড ছড়ায়।
সঠিক উত্তর: D) চীন
কেন সঠিক:
- চীন ২০১৩ সালে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড বা বিআরআই উদ্যোগ ঘোষণা করে, যা ঐতিহাসিক সিল্ক রোডের আধুনিক রূপ।
- এশিয়ার সঙ্গে ইউরোপ ও আফ্রিকার যোগাযোগ এবং বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য এই মেগা প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — জাপান এই মেগা প্রকল্পের প্রবক্তা নয়, তবে তারা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন করে।
B) ভারত — ভারত চীনের এই উদ্যোগের ভূরাজনৈতিক ও সার্বভৌমত্ব সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে এর তীব্র বিরোধিতা করে আসছে।
C) আফগানিস্তান — আফগানিস্তান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশ হলেও এই বিশাল অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রকল্পের প্রবক্তা নয়।
D) চীন — চীন ২০১৩ সালে এই নিউ সিল্ক রোড বা বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের ধারণা উপস্থাপন করে বৈশ্বিক বাণিজ্য নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন সিল্ক রোড চীনের সঙ্গে যুক্ত ছিল, তাই নিউ সিল্ক রোড বা বিআরআই উদ্যোগের প্রবক্তাও চীন।
সঠিক উত্তর: D) জোয়ার-ভাটার স্রোতের কারণে নদীখাত গভীর হয়
কেন সঠিক:
- জোয়ার ও ভাটার সময় নদীর পানি বেগে আসা-যাওয়া করে এবং তলদেশের পলি ও বালি অপসারিত করে।
- পানির এই ক্রমাগত ঘর্ষণ ও টানের ফলে নদীর তলদেশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে গভীরতা বৃদ্ধি পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমুদ্রস্রোত — এটি মূলত সমুদ্রের পানি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করায় ভূমিকা রাখে, নদীখাত গভীর করার সরাসরি কারণ নয়।
B) নদী স্রোত — সাধারণ নদী স্রোত পলি বহন করে আনে এবং অনেক সময় নদীর তলদেশে পলি জমা করে, যা নদীখাতকে গভীর করার চেয়ে ভরাট করতে পারে।
C) বানের স্রোত — বন্যা বা বানের স্রোত আকস্মিক ও সাময়িক হলেও তা নদীর দুকুল প্লাবিত করে, কিন্তু স্থায়ীভাবে নদীখাত গভীর করে জোয়ার-ভাটার স্রোত।
D) জোয়ার-ভাটার স্রোতের কারণে নদীখাত গভীর হয় — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তরের অপশন, তাই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
জোয়ার-ভাটার টানে নদীর তলদেশের পলি সরে যায়, তাই জোয়ার-ভাটা মানেই নদীখাত গভীর হওয়া।
সঠিক উত্তর: B) ৯ বর্গ কিলোমিটার
কেন সঠিক:
- কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার অন্তর্গত সোনাদিয়া দ্বীপের মোট আয়তন প্রায় নয় বর্গ কিলোমিটার।
- গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত এই দ্বীপটি ভৌগোলিক ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক) ৯১ বর্গ কিলোমিটার — এই আয়তনটি সোনাদিয়া দ্বীপের নয়, এটি একটি ভুল বা অতিরিক্ত বড় পরিমাপ যা এই দ্বীপের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) ৯ বর্গ কিলোমিটার — এটি সোনাদিয়া দ্বীপের সঠিক এবং পরীক্ষিত আয়তন।
C) ৭ বর্গ কিলোমিটার — এই আয়তনটি সোনাদিয়ার প্রকৃত আয়তনের চেয়ে কম এবং এটি অন্য কোনো ছোট দ্বীপের হতে পারে।
D) ৮ বর্গ কিলোমিটার — এই পরিমাপটি সোনাদিয়া দ্বীপের সঠিক ভৌগোলিক আয়তনের সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
সোনাদিয়া দ্বীপের নামের প্রথম অক্ষর 'স' এবং এর আয়তনও 'স' দিয়ে শুরু সংখ্যা অর্থাৎ নয় বর্গ কিলোমিটার।
সঠিক উত্তর: A) অসম্পৃক্ত এলকোহল
কেন সঠিক:
- কোলেস্টেরল হলো একটি স্টেরয়েড এবং এটি রাসায়নিকভাবে জটিল এক ধরনের অসম্পৃক্ত এলকোহল বা স্টেরল।
- এটি মানবদেহের কোষের স্বাভাবিক গঠন ও হরমোন তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অসম্পৃক্ত এলকোহল — এটি সঠিক উত্তর কারণ কোলেস্টেরল রাসায়নিকভাবে এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
B) পলিমার — এটি বহুসংখ্যক অণু নিয়ে গঠিত বিশাল আকারের কোনো যৌগ নয়, তাই এটি ভুল।
C) জৈব এসিড — এটি কোনো কার্ববক্সিলিক এসিড বা অম্লীয় যৌগ নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) এমিনো এসিড — এটি প্রোটিনের মূল উপাদান বা একক নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোলেস্টেরলকে লিপিড বা চর্বি জাতীয় পদার্থ বলা হলেও রাসায়নিকভাবে এটি মূলত এক প্রকার জটিল অসম্পৃক্ত এলকোহল।
সঠিক উত্তর: B) ১২০৪
কেন সঠিক:
- ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি ১২০৪ সালে বাংলার শেষ সেন রাজা লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে নদীয়া ও লখনৌতি দখল করেন।
- এই বিজয়ের মাধ্যমে বখতিয়ার খিলজি বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে সুলতানি আমলের সূত্রপাত ঘটায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২০০ — এই সালে বখতিয়ার খিলজি ভারতের দিকে আসেন কিন্তু তখনও বাংলা জয় করেননি।
B) ১২০৪ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এই সালেই তিনি বাংলা জয় করেন।
C) ১২১২ — এই সালটি বখতিয়ার খিলজির তিব্বত অভিযান এবং তাঁর মৃত্যুর কাছাকাছি সময়ের সাথে সম্পর্কিত।
D) ১২১২ — এই সালে বখতিয়ার খিলজি বাংলার শাসনক্ষমতায় ছিলেন না এবং এই সময়ের আগেই তাঁর মৃত্যু হয়।
মনে রাখার টিপস:
বখতিয়ার খিলজির বাংলা বিজয় ১২০৪ সাল। মনে রাখতে পারেন ১২০৪ মানে বাংলা শাসনের সূচনার জোর বছর।
সঠিক উত্তর: A) OMR
কেন সঠিক:
- OMR (Optical Mark Recognition) এর পূর্ণরূপ হলো অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন, যার মাধ্যমে বিশেষ চিহ্ন বা দাগ অপটিক্যাল স্ক্যানারের সাহায্যে কম্পিউটারে ইনপুট দেওয়া হয়।
- এটি মূলত বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য ব্যবহৃত একটি ইনপুট ডিভাইস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) OMR — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
B) COM — এর পূর্ণরূপ কম্পিউটার আউটপুট মাইক্রোফিল্ম, যা প্রসেসিং শেষে ফলাফল সংরক্ষণের একটি আউটপুট পদ্ধতি।
C) Plotter — এটি বড় আকারের গ্রাফ, চার্ট বা নকশা প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহৃত একটি আউটপুট ডিভাইস।
D) Monitor — এটি কম্পিউটারের প্রসেসিং করা ফলাফল স্ক্রিনে প্রদর্শন করার প্রধান একটি আউটপুট ডিভাইস।
মনে রাখার টিপস:
যে ডিভাইস দিয়ে ডেটা কম্পিউটারের ভেতর প্রবেশ করানো হয় তা ইনপুট, আর OMR দিয়ে উত্তরপত্রের দাগ স্ক্যান করে কম্পিউটারে তথ্য পাঠানো হয়।
সঠিক উত্তর: A) প্রোটোকল
কেন সঠিক:
- টিসিপি বা ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল ইন্টারনেট প্রোটোকল স্যুইটের একটি মূল যোগাযোগ প্রোটোকল যা ডেটা আদানপ্রদান নিশ্চিত করে।
- এটি ইন্টারনেটে বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্যাকেট নির্ভরযোগ্যভাবে এবং সঠিকভাবে প্রেরণের নিয়ম বা প্রোটোকল হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রোটোকল — এটি সঠিক উত্তর কারণ টিসিপি হলো ডেটা যোগাযোগের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্রোটোকল।
B) প্রোগ্রাম — প্রোগ্রাম হলো কম্পিউটারের নির্দিষ্ট কাজের নির্দেশমালা, কিন্তু টিসিপি কোনো সাধারণ একক প্রোগ্রাম নয়।
C) প্রোগ্রামিং — প্রোগ্রামিং হলো কম্পিউটার কোড বা সফটওয়্যার তৈরির প্রক্রিয়া, যা এই প্রোটোকলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
D) ফ্লোচার্ট — ফ্লোচার্ট হলো কাজের বা অ্যালগরিদমের চিত্রভিত্তিক প্রকাশ, এটি কোনো যোগাযোগ প্রোটোকল নয়।
মনে রাখার টিপস:
টিসিপি বা টিসিপি-আইপি নামটিতে থাকা প্রোটোকল শব্দটি মনে রাখলেই বোঝা যাবে এটি যোগাযোগের একটি নিয়ম বা প্রোটোকল।
সঠিক উত্তর: A) ঐচ্ছিক ক্রিয়া
কেন সঠিক:
- নীতিবিদ্যা বা নৈতিকতা মূলত মানুষের জ্ঞানপূর্বক ও ইচ্ছাকৃত কাজের ভালো-মন্দের বিচার করে।
- ঐচ্ছিক ক্রিয়া হলো সেই কাজ যা মানুষ নিজের জ্ঞান, ইচ্ছা ও বিচক্ষণতা অনুযায়ী সচেতনভাবে সম্পন্ন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঐচ্ছিক ক্রিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানুষ জ্ঞান ও ইচ্ছা দিয়ে এই কাজ করে এবং নীতিবিদ্যা এর নৈতিক মূল্যায়ন করে।
B) ইচ্ছা নিরপেক্ষ ক্রিয়া — এটি ভুল কারণ যে কাজের পেছনে মানুষের ইচ্ছা বা নিয়ন্ত্রণ থাকে না, নীতিবিদ্যা তাকে নৈতিক বিচার্য বিষয় হিসেবে ধরে না।
C) অনৈচ্ছিক ক্রিয়া — এটি ভুল কারণ মানুষের শারীরিক অনিচ্ছাকৃত বা স্বাভাবিক ক্রিয়া যেমন হৃৎস্পন্দন নীতিবিদ্যার আওতাভুক্ত নয়।
D) ক' ও 'গ' নামক ক্রিয়া — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ অনৈচ্ছিক ক্রিয়া নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় হতে পারে না, কেবল ঐচ্ছিক ক্রিয়াই এর আলোচ্য।
মনে রাখার টিপস:
নীতিবিদ্যার মূল বিষয় হলো মানুষের ইচ্ছা এবং সচেতন কর্ম, তাই কেবল ঐচ্ছিক ক্রিয়াই এর আলোচনার একমাত্র ক্ষেত্র।
সঠিক উত্তর: C) Read
কেন সঠিক:
- কম্পিউটার মেমোরি থেকে কোনো সংরক্ষিত ডাটা বা তথ্য খুঁজে বের করে প্রদর্শন করার প্রাথমিক ও মৌলিক প্রক্রিয়াকে রিড বা Read বলা হয়।
- রিড অপারেশন সম্পন্ন হলে মেমোরির মূল ডেটা অপরিবর্তিত থাকে এবং তা প্রসেসর বা ইউজারের কাছে দৃশ্যমান হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Read out — এই পরিভাষাটি সাধারণত কোনো যন্ত্রের ডিসপ্লে বা আউটপুট ডিভাইস থেকে পরিমাপের ফলাফল দেখার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, মেমোরি ডাটা উত্তোলনের ক্ষেত্রে নয়।
B) Read from — এটি একটি সাধারণ ইংরেজি বাক্যাংশ বা প্রিপজিশনাল ব্যবহার, কম্পিউটার আর্কিটেকচারের কোনো নির্দিষ্ট মেমোরি অপারেশন বা কমান্ড নির্দেশ করে না।
C) Read — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ কম্পিউটার বিজ্ঞানে মেমোরি থেকে ডাটা রিট্রাইভ বা পড়ার নির্দেশকে সরাসরি Read বলা হয়।
D) উপরের সবগুলোই — যেহেতু বাকি অপশনগুলো কম্পিউটার মেমোরি অপারেশন হিসেবে সঠিক নয়, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটার মেমোরিতে তথ্য রাখা হলো রাইট বা Write আর মেমোরি থেকে তথ্য পড়া বা তোলা হলো রিড বা Read।
সঠিক উত্তর: A) Input
কেন সঠিক:
- স্ক্যানার কোনো ডকুমেন্ট বা ছবিকে ডিজিটাল উপাত্তে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রবেশ করায়।
- ব্যবহারকারী বা বাহ্যিক উৎস থেকে তথ্য কম্পিউটারের ভেতরে প্রেরণের মাধ্যম হওয়ায় এটি একটি ইনপুট ডিভাইস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Input — এটি সঠিক উত্তর কারণ যন্ত্রটি তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে।
B) Output — আউটপুট ডিভাইস কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াজাত তথ্য ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে, যা স্ক্যানারের কাজের বিপরীত।
C) উভয়ই — স্ক্যানার শুধু তথ্য গ্রহণ ও প্রেরণ করে, কোনো তথ্য প্রদর্শন বা প্রক্রিয়াজাত করে আউটপুট দেয় না বিধви এটি সঠিক নয়।
D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব যন্ত্র দিয়ে কম্পিউটারে তথ্য প্রবেশ করানো হয়, যেমন কীবোর্ড, মাউস ও স্ক্যানার, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) জন ক্লার্ক মার্শম্যান
১. কেন সঠিক:
- সমাচার দর্পণ পত্রিকার প্রথম ও অন্যতম প্রধান সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান।
- এই পত্রিকাটি বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমাচার দর্পণ প্রকাশিত হয় ১৮১৮ সালের ২৩ মে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে।
- এটি ছিল বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিগদর্শন
ব্যাখ্যা: এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত শ্রীরামপুর মিশন প্রেসের আরেকটি মাসিক পত্রিকা।
উদাহরণ ২: সংবাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় ১৮৩১ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সংবাদপত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জন ক্লার্ক মার্শম্যান — ইনি সমাচার দর্পণ পত্রিকার সফল সম্পাদক ছিলেন এবং এর প্রকাশনায় মূখ্য ভূমিকা পালন করেন।
B) জর্জ অব্রাহাম মিয়ার্সন — ইনি কোনো বিখ্যাত বাংলা সংবাদপত্রের সম্পাদক ছিলেন না।
C) উইলিয়াম কেরি — ইনি শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বাংলা গদ্যের বিকাশে অবদান রাখেন, তবে সমাচার দর্পণের সম্পাদক ছিলেন না।
D) ডেভিড হেয়ার — ইনি ভারতে ইংরেজি শিক্ষা প্রসারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, বাংলা সংবাদপত্রের সম্পাদক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মার্শম্যান ও সমাচার দর্পণ মনে রাখতে দর্পণের মার্কা শব্দটির সঙ্গে মার্শম্যান মেলাতে পারো।
- শ্রীরামপুর মিশনের পত্রিকাগুলোর সম্পাদক ছিলেন মূলত মার্শম্যান ও উইলিয়াম কেরি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমাচার দর্পণ পত্রিকার প্রকাশকাল এবং সম্পাদকের নাম বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
- বাংলা সংবাদপত্র ও সাময়িকীর প্রথম প্রকাশকাল ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সুগঠিত
১. কেন সঠিক:
- বিভা শব্দের অর্থ আলো বা কিরণ, আর সুবলিত শব্দের অর্থ সুন্দরভাবে গঠিত বা সুগঠিত।
- প্রশ্নটিতে সমার্থক বা সাদৃশ্যপূর্ণ শব্দের রূপ জানতে চাওয়া হয়েছে যেখানে কিরণ ও সুবলিত শব্দদ্বয়ের ভাবের সঙ্গে সবচেয়ে সংগতিপূর্ণ উত্তর হলো সুগঠিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি মূলত শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দের প্রয়োগভিত্তিক একটি প্রশ্ন।
- বাংলা ব্যাকরণে শব্দের সঠিক অর্থ অনুধাবন করে বাক্য বা পদের ভাব রক্ষা করার জন্য সমার্থক শব্দ জানা আবশ্যক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কনক কুসুম
ব্যাখ্যা: কনক শব্দের অর্থ স্বর্ণ এবং কুসুম শব্দের অর্থ ফুল, যা বিশেষ সৌন্দর্য প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কুহেলি কুয়াশা
ব্যাখ্যা: কুহেলি ও কুয়াশা দুটি প্রায় সমার্থক শব্দ যা একই ভাব প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুবিদিত — সুবিদিত শব্দের অর্থ ভালোভাবে জানা বা পরিচিত, যা কিরণ বা সুবলিত শব্দের সঙ্গে অর্থের দিক থেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) সুগঠিত — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুবলিত শব্দের প্রমিত ও সরাসরি সমার্থক অর্থ হলো সুন্দরভাবে গঠিত।
C) সুবিনীত — সুবিনীত শব্দের অর্থ অত্যন্ত বিনীত বা নম্র, যা আলোর বা কিরণের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মেলে না।
D) বিধিত — বিধিত শব্দের অর্থ বিধান করা হয়েছে বা জ্ঞাত, যা এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য উপযুক্ত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিভা অর্থ আলো এবং সুবলিত অর্থ সুগঠিত বা সুন্দর অবয়ব।
- শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ মনে রাখলে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- অপরিচিত শব্দের ক্ষেত্রে মূল শব্দটির উৎস এবং গঠন খেয়াল করে উত্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) শুভেচ্ছা
১. কেন সঠিক:
- শুভেচ্ছা শব্দটি প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি, বরং এটি সন্ধিযোগে গঠিত একটি শব্দ।
- শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ হলো শুভ + ইচ্ছা, যা স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন, আর প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে নতুন শব্দ গঠনের উদ্দেশ্যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত করা।
- শুভেচ্ছা শব্দটিতে কোনো প্রত্যয় যুক্ত না হয়ে দুটি পদের মিলনে সন্ধি সাধিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গবেষণা
ব্যাখ্যা: এটি গো + এষণা মিলে গঠিত সন্ধিবদ্ধ শব্দ, যা প্রত্যয়যোগে গঠিত নয়।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্র
ব্যাখ্যা: এটি রবি + ইন্দ্র মিলে গঠিত সন্ধিবদ্ধ শব্দ, যা স্বরসন্ধির উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সভাসদ — এটি সভা + সদ প্রত্যয়যোগে গঠিত একটি শব্দ। তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না।
B) শুভেচ্ছা — এটি সন্ধিযোগে গঠিত শব্দ, তাই এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি এবং এটিই সঠিক উত্তর।
C) ফলবান — এটি ফল + বান প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ। তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না।
D) তন্বী — এটি তনু + ঈ প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ। তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যে শব্দগুলোকে ভাঙলে দুটি অর্থপূর্ণ শব্দের সন্ধি পাওয়া যায়, সেগুলো সাধারণত সন্ধিযুক্ত শব্দ।
- প্রত্যয় চেনার জন্য শব্দের শেষে অতিরিক্ত কোনো অংশ যুক্ত আছে কি না তা লক্ষ্য করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সন্ধি এবং প্রত্যয়ের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করার জন্য শব্দের উৎপত্তি ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
- পরীক্ষার হলে শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ করে দেখতে হবে সেটি প্রত্যয় নাকি সন্ধির নিয়ম মেনেছে।
সঠিক উত্তর: D) বিশেষণ
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে 'চেনা' শব্দটি 'লোক' বিশেষ্য পদের ঠিক পূর্বে বসে লোকটির পরিচিতি বা গুণ প্রকাশ করেছে।
- কোনো পদ যখন কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে, তখন তাকে বিশেষণ পদ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে পদ দ্বারা বিশেষ্য, সর্বনাম বা ক্রিয়ার দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি নির্দেশ করা হয়, তাকে বিশেষণ পদ বলে।
- বাক্যটিতে 'লোক' একটি বিশেষ্য পদ এবং 'চেনা' শব্দটি এই বিশেষ্যের আগের অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করায় এটি নামপদীয় বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এটি একটি পোড়া কাগজ।
ব্যাখ্যা: এখানে 'পোড়া' শব্দটি 'কাগজ' বিশেষ্যের অবস্থা বোঝাচ্ছে বলে এটি বিশেষণ।
উদাহরণ ২: তাজা ফুল এনে দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে 'তাজা' শব্দটি 'ফুল' বিশেষ্যের গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু 'চেনা' কোনো নাম বোঝাচ্ছে না বরং দোষ-গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
B) অব্যয় — অব্যয় পদের নিজস্ব কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি পদগুলোকে সংযুক্ত বা ভাব প্রকাশ করে, যা 'চেনা' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায়, কিন্তু এখানে 'চেনা' কাজটি সম্পূর্ণ হওয়ার ভাব প্রকাশ না করে বিশেষ্যের গুণ বোঝাচ্ছে।
D) বিশেষণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিশেষ্যের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দ বিশেষ্য পদের আগে বসে যদি কেমন প্রশ্নটির উত্তর দেয়, তবে সেটি সাধারণত বিশেষণ হয়।
- যেমন কেমন লোক উত্তর হলো চেনা লোক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্রিয়াবাচক শব্দ যখন বিশেষ্যের আগে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করে, তখন তা কৃৎপ্রত্যয় সাধিত বিশেষণ হিসেবে গণ্য হয়।
- এ ধরনের প্রশ্ন ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই পদের অবস্থান ভালো করে লক্ষ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) নাথধর্ম
কেন সঠিক:
- গোরক্ষ বিজয় কাব্যটি মূলত নাথ সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
- এই কাব্যে নাথ ধর্মের গুরু মীননাথ এবং তাঁর শিষ্য গোরক্ষনাথের আধ্যাত্মিক সাধনা ও কাহিনীর বর্ণনা রয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা হলো নাথ সাহিত্য।
- নাথ ধর্মের অনুসারীরা বিশ্বাস করতেন যে কঠোর সাধনার মাধ্যমে অমরত্ব লাভ করা সম্ভব।
- এই কাব্যের মূল বিষয়বস্তু হলো গুরুর যোগভঙ্গ নিবারণ করে শিষ্যের দ্বারা তাঁকে পুনরায় সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) শৈবধর্ম — এই ধর্মমতের সাথে নাথ ধর্মের কিছু মিল থাকলেও গোরক্ষ বিজয় কাব্যটি সরাসরি শৈব ধর্মের নয়।
- B) বৌদ্ধ সহজযান — চর্যাপদ সহজযান বা বৌদ্ধ ধর্মের সাথে যুক্ত, কিন্তু গোরক্ষ বিজয় নাথ ধর্মের কাহিনী অবলম্বনে রচিত।
- C) নাথধর্ম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) কোনোটি নয় — সঠিক উত্তর অপশনে থাকায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
- গোরক্ষনাথ ও মীননাথ নাম দুটি দেখলেই মনে রাখবে এটি নাথধর্ম সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- এখানে জজ এবং সাহেব দুটি পদের অর্থই প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে এবং জজ ও সাহেব একই ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে।
- সাধারণ কর্মধারয় সমাসের নিয়মে বিশেষ্য ও বিশেষণ কিংবা দুটি বিশেষ্য মিলে একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে কর্মধারয় সমাস হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে বিশেষ্য-বিশেষণ বা বিশেষ্য-বিশেষ্য সম্পর্ক থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- জজ সাহেব এর ব্যাসবাক্য হলো যিনি জজ তিনিই সাহেব, যা মধ্যপদলুপী বা সাধারণ কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ রূপ হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাপুরুষ
ব্যাখ্যা: মহান যে পুরুষ, এখানে মহান বিশেষণ এবং পুরুষ বিশেষ্য মিলে কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: কাঁচকলা
ব্যাখ্যা: কাঁচা যে কলা, এটিও কর্মধারয় সমাসের একটি প্রমিত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিগু — সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাস হয়ে সমাহার বোঝালে দ্বিগু সমাস হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) কর্মধারয় — এটি সঠিক অপশন এবং এর ব্যাখ্যা উপরে প্রদান করা হয়েছে।
C) দ্বন্দ — উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকলে দ্বন্দ সমাস হয়, কিন্তু এখানে জজ ও সাহেব আলাদা কোনো পদের সংযোগ বোঝায় না।
D) বহুব্রীহি — অন্য পদের অর্থ প্রকাশ করলে বহুব্রীহি সমাস হয়, যা এখানে জজ বা সাহেব পদের ক্ষেত্রে ঘটে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে এবং যিনি তিনি দিয়ে ব্যাসবাক্য হলে চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় সমাস দাগাবে।
- উপমান ও উপমিত কর্মধারয়ের ক্ষেত্রে তুলনার বিষয়টি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পেশাবাচক পদের সঙ্গে সাহেব বা বাবু যুক্ত শব্দ প্রায়ই কর্মধারয় সমাস হিসেবে আসে।
- ব্যাসবাক্য করার সময় যিনি তিনি বা যে সে ব্যবহার করা যায় কি না, তা যাচাই করে সমাস নির্ণয় করবে।
সঠিক উত্তর: D) জলধি
১. কেন সঠিক:
- জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, যা জল ধারণ করে এমন একটি জলাধারকে বোঝায়।
- প্রশ্নানুযায়ী জল শব্দের সমার্থক নয় কোনটি তা নির্ণয় করতে হবে, আর জলধি জলের সমার্থক না হয়ে জলের উৎসের সমার্থক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলো একই অর্থ প্রকাশ করে সেগুলোকে সমার্থক শব্দ বলে।
- জল শব্দের সাথে দি বা নিধি যুক্ত হলে তা সমুদ্র বা উৎসের সমার্থক হয়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাথার
ব্যাখ্যা: এটি সমুদ্র বা জলের বিশালতার একটি সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: অর্ণব
ব্যাখ্যা: এটিও সমুদ্র অর্থে ব্যবহৃত হয় যা জলের সমার্থক নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সলিল — এটি জলের সরাসরি সমার্থক শব্দ।
B) উদক — এটি জলের একটি বহুল প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
C) নীর — এটিও পানির অপর নাম এবং জলের সমার্থক।
D) জলধি — এটি সমুদ্রের সমার্থক, তাই জল শব্দের সরাসরি সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জলের সমার্থক শব্দের শেষে দি, ধি বা কর যুক্ত হলে তা সাধারণত সমুদ্র বা মেঘের অর্থ প্রকাশ করে।
- এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলে জল ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দ আলাদা করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জল এবং সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলোর পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে।
- শব্দের শেষেধি বা নিধি থাকলে তা সমুদ্র বোঝায় তা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গ্রহ
১. কেন সঠিক:
- প্রাণদ জল এবং মহীজ শব্দ দুটির মধ্যে যে পারস্পরিক সম্পর্ক নির্দেশ করা হয়েছে, গ্রহ শব্দের সঙ্গেও অন্য কোনো শব্দের বা প্রকৃতির তেমন কোনো বিশেষ মিল বা সম্পর্ক খোঁজা হয়েছে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন সাধারণত শব্দার্থের গভীর জ্ঞান এবং পদ বা প্রকৃতির পারস্পরিক সম্পর্ক যাচাই করার জন্য দেওয়া হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি মূলত শব্দের উৎস, অর্থ এবং শব্দের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা একটি শব্দার্থভিত্তিক প্রশ্ন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দ জোড় মিলানোর প্রশ্নে বাংলা ভাষার বিভিন্ন শব্দের গভীর অর্থ ও তাদের ব্যবহার সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য: আলো
ব্যাখ্যা: সূর্য যেমন আলো প্রদান করে, তেমনি সম্পর্কযুক্ত শব্দ জোড় হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: নদী: স্রোত
ব্যাখ্যা: নদীর যেমন প্রধান বৈশিষ্ট্য স্রোত, তেমনি প্রকৃতির অন্যান্য উপাদানের ক্ষেত্রেও এমন মিল থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রহ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রশ্নের মূল কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
B) সম্বর — সম্বর একটি হরিণ বিশেষ বা এক ধরনের পদের নাম, যা এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে মেলে না।
C) নিঃসর্গ — নিঃসর্গ শব্দের অর্থ প্রকৃতি বা পরিবেশ, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
D) অশ্ব — অশ্ব শব্দের অর্থ ঘোড়া, যা এই শব্দ জোড়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে প্রতিটি শব্দের আক্ষরিক ও গভীর অর্থ ভালোভাবে বুঝে নিতে হবে।
- শব্দগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ করার সময় তাদের মূল উৎস এবং ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ এবং শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রতিদিন প্রমিত বাংলা অভিধানের নতুন শব্দের অর্থ পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মোসাহেব
কেন সঠিক:
- ঢাকের কাঠি যেমন শুধু পিটিয়ে আওয়াজ তোলার কাজে ব্যবহৃত হয়, তেমনি মোসাহেব ব্যক্তিরাও অপরের কথায় ওঠবস করে।
- এই বাগধারাটি দিয়ে মূলত চাটুকার বা তোষামোদকারী প্রকৃতির মানুষকে বোঝানো হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বিশেষণের অর্থ প্রকাশকারী বাগধারা।
- সাহিত্যে এবং দৈনন্দিন কথোপকথনে তেলবাজ বা চাটুকারিতা করা মানুষদের ক্ষেত্রে এই উপমাটি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন: নেতার পিছু পিছু ঘুরে তার সব কাজের সমর্থন করা লোকটিকে সবাই দলের ঢাক বলে চেনে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কপট ব্যক্তি — এই অর্থের জন্য ভণ্ড সাধু বা বরফ জমাট বাঁধার মতো অন্য বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
- B) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক — এই অর্থ বোঝাতে বুকে টেনে নেওয়া বা ভাতের পোকা জাতীয় বাগধারা প্রযোজ্য।
- C) হতভাগ্য — এই অর্থ প্রকাশের জন্য কপাল পোড়া বা উনুন পোড়া বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
- D) মোসাহেব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্ন অর্থ প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
- ঢাক বাজাতে যেমন কাঠি লাগে, তেমনি কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তিকে খুশি করতে চাটুকার বা মোসাহেবরা সবসময় তাদের তোষামোদ করতে কাঠি হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: D) নিশীথিনী
১. কেন সঠিক:
- নিশীথ শব্দের অর্থ মধ্যরাত বা গভীর রাত। এর সঙ্গে ইনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিনী শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নিশীথ শব্দের প্রথম ধ্বনিতে দীর্ঘীকার এবং থ-এ দীর্ঘীকার ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠনের নিয়মে নিশীথ শব্দের সঙ্গে ইনী প্রত্যয় যুক্ত করে এই বিশেষণ পদটি তৈরি করা হয়েছে।
- দীর্ঘীকারান্ত শব্দের ক্ষেত্রে মূল শব্দের বানান এবং প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পর প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিভাবরী
ব্যাখ্যা: এটি নিশীথিনীর সমার্থক শব্দ যার অর্থ রাত বা রাত্রি।
উদাহরণ ২: যামিনী
ব্যাখ্যা: এটিও রাত বা নিশীথিনীর সমার্থক আরেকটি প্রমিত বাংলা শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিশিথিনী — প্রথম শিকার নিশিথ অংশে হ্রস্বইকার ব্যবহার করার কারণে এই বানানটি ভুল হয়েছে।
B) নিশিথীনি — প্রথম অংশ হ্রস্বইকার এবং শেষের ন-এ দীর্ঘীকার দেওয়ায় এটি সম্পূর্ণ ভুল বানান।
C) নিশীথীনি — প্রথম অংশ ঠিক থাকলেও শেষের ন-এ দীর্ঘীকার ব্যবহার করার কারণে এই বানানটি ভুল হয়েছে।
D) নিশীথিনী — এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ সঠিক বানান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিশীথ বানানটিতে দুটি দীর্ঘীকার থাকে এবং এর সঙ্গে ইনী যুক্ত হলে শেষের ন-এ হ্রস্বইকার হয়।
- মধ্যরাতের গভীরতা বোঝাতে নিশীথ শব্দের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘীকার মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রশিকার ও দীর্ঘীকার ঘটিত বানান প্রায়ই আসে।
- মূল শব্দ চিনে তার সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়ম জানলে এ ধরনের বানান সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) জন+এক
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে অ-কার কিংবা আ-কারের পর এ-কার বা ঐ-কার থাকলে উভয় মিলে ঐ-কার হয় এবং তা যুক্তবর্ণ হিসেবে পূর্ববর্তী বর্ণের সঙ্গে বসে।
'জৈনক' শব্দটিতে জন শব্দের অন্তস্থিত অ-কার এবং এক শব্দের আদিস্থ এ-কার মিলে ঐ-কার গঠিত হয়ে জেনোক না হয়ে জৈনক রূপ লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম বা প্রবৃদ্ধি সন্ধির অন্তর্ভুক্ত।
অ কিংবা আ এর পর এ কিংবা ঐ থাকলে উভয় মিলে ঐ-কার হয় এবং ও কিংবা ঔ থাকলে উভয় মিলে ঔ-কার হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তটিন + এক = তটিনৈক
ব্যাখ্যা: অ-কার ও এ-কার মিলে ঐ-কার হওয়ার নিয়ম এখানে অনুসৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মত + এক = মতৈক
ব্যাখ্যা: জন + এক শব্দের মতোই এটি প্রবৃদ্ধি সন্ধির আরেকটি সঠিক প্রয়োগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জন+ইক — ই-কার যুক্ত থাকায় তা সঠিক নিয়ম বা শব্দের অর্থে মেলে না।
B) জন+এক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) জনৈ+এক — জনৈ বলে কোনো প্রমিত শব্দ ব্যাকরণে সিদ্ধ নয়।
D) জন+ ঈক — দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত থাকায় এটি নিয়মের বাইরে ও অশুদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দটির মাঝে যদি ঐ-কার বা ঔ-কার থাকে এবং তা ভাঙলে যদি এক বা ঔকারযুক্ত শব্দ পাওয়া যায়, তবে তা প্রবৃদ্ধি সন্ধি হিসেবে বিবেচনা করবে।
জন যোগ এক সমান জৈনক, এভাবে উচ্চারণ ও বানানের মিল রেখে চর্চা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধি প্রায়ই আসে যেখানে অ বা আ এর সঙ্গে এ বা ঐ যুক্ত হয়।
একই নিয়মে মতৈক্য বা হিতৈষী শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ চর্চা করলে পরীক্ষায় ভালো করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) মদনমোহন তর্কালংকার
১. কেন সঠিক:
- 'পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল' বিখ্যাত এই পঙ্ক্তিটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক মদনমোহন তর্কালংকার।
- তাঁর রচিত 'শিশুশিক্ষা' প্রথম ভাগ বইটিতে এই পঙ্ক্তিটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা বাংলা শিক্ষার আদি যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মদনমোহন তর্কালংকার ছিলেন উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, লেখক এবং শিক্ষাবিদ।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বন্ধু ও সহকর্মী হিসেবে তিনি বাংলার শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং তাঁর 'শিশুশিক্ষা' বইটি বহু প্রজন্ম ধরে প্রাথমিক শিক্ষার মূল ভিত্তি ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রভাত হইল, ওঠ অরুণ উঠিল
ব্যাখ্যা: এটিও মদনমোহন তর্কালংকারের 'শিশুশিক্ষা' গ্রন্থের একটি জনপ্রিয় পঙ্ক্তি।
উদাহরণ ২: পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল
ব্যাখ্যা: ভোরবেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলার জন্য বাংলা কবিতায় এই চরণটি প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামনারায়ণ তর্করত্ন — তিনি মূলত উনিশ শতকের একজন নাট্যকার হিসেবে পরিচিত এবং কুলীনকুলসর্বস্ব তাঁর বিখ্যাত নাটক।
B) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত একজন বিশিষ্ট গীতিকবি, যাঁর সাধের কদমবালী বিখ্যাত কাব্য।
C) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — তিনি নীতিশিক্ষা মূলক কবিতা রচনার জন্য বিখ্যাত, বিশেষ করে তাঁর 'সদভাবশত শতক' গ্রন্থটি উল্লেখযোগ্য।
D) মদনমোহন তর্কালংকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি শিশুশিক্ষা গ্রন্থে এই পঙ্ক্তিটি রচনা করেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শিশুদের জন্য লেখা বিখ্যাত পঙ্ক্তি বা ছড়ার মতো লাইন দেখলে মদনমোহন তর্কালংকারের শিশুশিক্ষা বইটি স্মরণ করবে।
- ভোরের পাখি বিহারীলাল চক্রবর্তী হলেও পাখির ডাক নিয়ে কবিতা লিখেছিলেন মদনমোহন তর্কালংকার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শিশুশিক্ষা কার লেখা এই প্রশ্নটি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- উনিশ শতকের গোড়ার দিকের লেখকদের অবদান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বিশেষণের অতিশায়ন
১. কেন সঠিক:
- 'এ মাটি সোনার বাড়া' বাক্যে 'সোনা' শব্দটি মূলত উপাদান না বুঝিয়ে অন্য কোনো বস্তুর তুলনায় তার উৎকর্ষ বা শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- ব্যাকরণের নিয়মে যখন কোনো বিশেষ্য পদ বিশেষণের অর্থ প্রকাশ করে এবং সাধারণ তুলনার চেয়ে বেশি বা অতিশয় মান বোঝায়, তখন তাকে বিশেষণের অতিশায়ন বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে পদ দ্বারা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা, পরিমাণ বা সংখ্যা প্রকাশ পায় তাকে বিশেষণ বলে।
- বিশেষণ পদের যখন তুলনা বা উৎকর্ষ বোঝানো হয়, তখন তাকে বিশেষণের অতিশায়ন বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার অংকটি খাসা হয়েছে
ব্যাখ্যা: এখানে সাধারণ মানের চেয়ে অনেক ভালো বা উৎকর্ষ বোঝাতে বিশেষণের অতিশায়ন ঘটেছে।
উদাহরণ ২: লোকটি বেজায় চালাক
ব্যাখ্যা: এখানে চালাক গুণের মাত্রা বা আধিক্য বোঝাতে বিশেষণের অতিশায়ন ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষণের অতিশায়ন — এটি সঠিক কারণ এখানে সোনার উৎকর্ষ বা তুলনা বোঝানো হয়েছে।
B) রূপবাচক বিশেষণ — রূপ বা বর্ণ বোঝালে রূপবাচক বিশেষণ হয়, কিন্তু এখানে রূপ বোঝানো হয়নি।
C) উপাদানবাচক বিশেষণ — সোনা একটি উপাদান হলেও এখানে উপাদানের চেয়ে উৎকর্ষ বা অতিশায়ন প্রধান।
D) বিধেয় বিশেষণ — বিশেষ্যের পরে বসে বিশেষণটি বিধেয় বিশেষণ হয়, কিন্তু এটি এখানে অতিশায়নের নিয়ম বহন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো বাক্যে সোনা বা রূপা শব্দ দিয়ে যদি সাধারণ উপাদানের পরিবর্তে কোনো কিছুর অতিরিক্ত মান বা উৎকর্ষ বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে বিশেষণের অতিশায়ন দাগাবে।
- তুলনা বা আতিশয্য বুঝলেই তা অতিশায়নের অন্তর্ভুক্ত হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের তুলনামূলক বা অর্থভিত্তিক বিশেষণ প্রায়ই আসে।
- বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝে পদের ধরন নির্ধারণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস
১. কেন সঠিক:
- একই বিশেষ্য পদের পারস্পরিক বা দ্বৈত অর্থে যে বহুব্রীহি সমাস হয়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
- লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই, তা নির্দেশ করতে এখানে পারস্পরিক ক্রিয়ার বিনিময় বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদ ও পরপদ একই হয় এবং সাধারণত আ বা ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়ার পারস্পরিক সংঘর্ষ বা বিনিময় প্রকাশ করে।
- এই সমাসে বেশবাক্য সাধারণত লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ এভাবে গঠিত হয় এবং সমস্ত পদে দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চুলে চুলে যে বাঁধাবাঁধি = চুলোচুলি
ব্যাখ্যা: চুলোচুলি শব্দটিতে পারস্পরিক টানাটানি বা মারামারির অর্থ প্রকাশ করায় এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি
ব্যাখ্যা: হাতাহাতি শব্দটিতে দুই পক্ষের মধ্যে হাতের পারস্পরিক ব্যবহারের মাধ্যমে সংঘর্ষ বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ প্রাদি উপসর্গযুক্ত কৃদন্ত পদের সঙ্গে যে সমাস হয় তা প্রাদি সমাস, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়মানুযায়ী পারস্পরিক অর্থ প্রকাশ করায় এটি নির্ধারিত হয়েছে।
C) তৎপুরুষ সমাস — পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে তৎপুরুষ বলে, কিন্তু লাঠালাঠি শব্দে পারস্পরিক অর্থ থাকায় এটি তৎপুরুষ নয়।
D) কর্মধারয় সমাস — বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে যে সমাস হয় তাকে কর্মধারয় বলে, যা লাঠালাঠি শব্দের গঠনের সঙ্গে মিলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পারস্পরিক বোঝাপড়া, মারামারি বা সংঘর্ষ বুঝলে এবং শব্দের শেষে ই কার থাকলে চোখ বন্ধ করে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস দাগাবে।
- লাঠালাঠি, চুলোচুলি, হাতাহাতি এই শব্দগুলো সবসময় এই সমাসের আদর্শ উদাহরণ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সমস্ত পদের শেষে সাধারণত ই কার যুক্ত থাকা এই সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায়।
সঠিক উত্তর: B) নম্বর
১. কেন সঠিক:
- নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার এক কথায় প্রকাশ নম্বর। এখানে নড় বা নষ্ট হওয়া ধাতু থেকে এই শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যা ক্ষয় বা নষ্ট হয় তাকে এক কথায় নম্বর বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বড় বাক্য বা ভাবকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করা যায়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং ভাবকে সংহত করার জন্য এই নিয়মগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা সহজে ভেঙে যায় না
ব্যাখ্যা: এটি অভগ্ন বা অলোচ্য হিসেবে প্রকাশ করা হয় তবে সহজে নষ্ট না হওয়ার ক্ষেত্রে অন্য শব্দ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: যা স্থায়ী নয়
ব্যাখ্যা: যা স্থায়ী নয় তাকে অনিত্য বলা হয় এবং এর সাথে নম্বর শব্দের গভীর মিল রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিদাঘ — নিদাঘ শব্দের অর্থ তীব্র গরম বা গ্রীষ্মকাল। এটি নষ্ট হওয়ার স্বভাবের সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
B) নম্বর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ যা নষ্ট হওয়ার স্বভাবের অধিকারী।
C) নষ্টমান — নষ্টমান বলতে যা নষ্ট হচ্ছে এমন বোঝায় কিন্তু এটি ব্যাকরণসম্মত এক কথায় প্রকাশের প্রমিত রূপ নয়।
D) বিনশ্বর — বিনশ্বর শব্দের অর্থ যার বিনাশ বা ধ্বংস আছে কিন্তু নষ্ট হওয়ার স্বভাব বোঝাতে প্রমিত শব্দ হিসেবে নম্বর ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নষ্ট হওয়ার সাথে নম্বর শব্দটি মনে রাখবে কারণ দুটির শুরুতেই ন বর্ণ রয়েছে।
- ব্যাকরণের এক কথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ ও উৎপত্তির দিকে নজর রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দার্থ প্রায়ই আসে তাই প্রমিত রূপগুলো ভালো করে মুখস্থ করতে হবে।
- একই রকম দেখতে শব্দগুলোর অর্থ পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করা পরীক্ষার সাফল্যের চাবিকাঠি।
সঠিক উত্তর: C) tempting
কেন সঠিক:
alluring শব্দের অর্থ আকর্ষণীয় বা লোভনীয়, যা মানুষের মন সহজে কেড়ে নেয়।
tempting শব্দটির অর্থও প্রলোভনসঙ্কুল বা আকর্ষণীয়, যা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
নতুন চাকরির প্রস্তাব সবার জন্যই আকর্ষণীয় ও লোভনীয় হতে পারে।
তাই এই বাক্যে tempting শব্দটি সঠিক প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) unexpected — unexpected শব্দের অর্থ অপ্রত্যাশিত, যা alluring বা আকর্ষণীয় শব্দের সাথে মেলে না।
B) disappointing — disappointing শব্দের অর্থ হতাশাজনক, যা alluring শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) tempting — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি।
D) ordinary — ordinary শব্দের অর্থ সাধারণ, যা alluring বা আকর্ষণীয় শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Alluring এবং Tempting উভয় শব্দের অর্থই আকর্ষণীয় বা লোভনীয়।
সঠিক উত্তর: A) Victorian
কেন সঠিক:
চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক ছিলেন এবং ডেভিড কপারফিল্ড উপন্যাসটি এই যুগেই প্রকাশিত হয়।
এই উপন্যাসে তৎকালীন শিল্প বিপ্লব পরবর্তী সমাজ ও মানুষের জীবনযাত্রা বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
ভিক্টোরিয়ান যুগের সাহিত্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো বাস্তববাদ এবং সামাজিক সমস্যা তুলে ধরা, যা এই উপন্যাসে বিদ্যমান।
লেখক চার্লস ডিকেন্সের লেখালেখির পুরো সময়কালটিই ছিল ব্রিটিশ ইতিহাসে ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Victorian — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং এটিই গ্রহণযোগ্য।
B) Romantic — রোমান্টিক যুগ মূলত প্রকৃতি ও আবেগ প্রধান ছিল, যা এই উপন্যাসের বাস্তবধর্মী সমাজচিত্রের সাথে মেলে না।
C) Elizabethan — এলিজাবেথান যুগ মূলত নাটক ও কবিতার জন্য বিখ্যাত ছিল, যেখানে এই ধরনের উপন্যাস রচিত হয়নি।
D) Modern — আধুনিক যুগ বিংশ শতাব্দীর শুরুতে শুরু হয়, কিন্তু এই উপন্যাসটি উনবিংশ শতকের মধ্যভাগে লেখা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
চার্লস ডিকেন্সের লেখা মানেই চোখ বন্ধ করে ভিক্টোরিয়ান যুগ বলে দিতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) on my going
কেন সঠিক:
১. Insist verb-এর পর সাধারণত preposition হিসেবে on বসে। তাই এখানে on সঠিক নির্বাচন।
২. Preposition-এর পরের verb-এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
৩. Going-এর আগে pronoun-এর possessive রূপ my বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on my going — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে সব নিয়ম ঠিক আছে।
B) over going — Insist-এর পর over preposition বসে না।
C) is to go — এটি বাক্যটির গঠন ও অর্থ অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল।
D) to go — Insist-এর পর সরাসরি to বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Insist-এর পর હંમેશા on বসে এবং এরপরের verb-এর সাথে ing যোগ হয়।
সঠিক উত্তর: C) liveliness
কেন সঠিক:
- Hibernate শব্দের অর্থ হলো শীতনিদ্রা, অলসভাবে কাটানো বা নিষ্ক্রিয় থাকা।
- Liveliness শব্দের অর্থ প্রাণবন্ততা বা কর্মচাঞ্চল্য, যা hibernate শব্দের বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) dormancy — এর অর্থ সুপ্তাবস্থা বা নিষ্ক্রিয়তা, যা hibernate শব্দের সমার্থক।
B) sluggishness — এর অর্থ মন্থরতা বা অলসতা, যা hibernate শব্দের সমার্থক।
C) liveliness — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ প্রাণবন্ততা।
D) democred — এটি ইংরেজি ব্যাকরণ বা শব্দভান্ডারে একটি অর্থহীন বা ভুল শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
Hibernate মানে শীতনিদ্রায় অলস থাকা এবং এর বিপরীত Liveliness মানে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর থাকা।
সঠিক উত্তর: D) constrained
কেন সঠিক:
- বাক্যের অর্থ অনুযায়ী পারিবারিক দায়িত্বের কারণে নারীরা প্রায়ই সীমিত বা বাধাপ্রাপ্ত হন, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ constrained।
- Constrain শব্দের অর্থ কোনো কিছু সীমিত বা সীমাবদ্ধ করা, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) confused — যার অর্থ বিভ্রান্ত, যা বাক্যের ভাবের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
B) controlled — যার অর্থ নিয়ন্ত্রিত, তবে পারিবারিক দায়িত্বের ক্ষেত্রে constrained শব্দটি বেশি উপযুক্ত।
C) contaminated — যার অর্থ দূষিত, যা এখানে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
D) constrained — সঠিক উত্তর হিসেবে নারীর সীমাবদ্ধতাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
পারিবারিক দায়িত্ব মানুষকে বাঁধাধরা অবস্থার মধ্যে রাখে, তাই দায়িত্বের সাথে সীমাবদ্ধতা বোঝাতে constrain শব্দটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) tolerate
কেন সঠিক:
'Put up with' একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ইডিয়ম, যার অর্থ হলো কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা বিরক্তিকর ব্যক্তিকে ধৈর্য ধরে সহ্য করা।
অপশন বি এর 'tolerate' শব্দটির অর্থও হলো সহ্য করা।
তাই মূল প্রশ্ন এবং সঠিক অপশনের অর্থ হুবহু মিলে যায়।
অন্য কোনো বিকল্প এর সাথে অর্থের দিক থেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) stay together — এর অর্থ একসাথে থাকা, যা এই ইডিয়মের অর্থ প্রকাশ করে না।
B) tolerate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হচ্ছে না।
C) keep trust — এর অর্থ বিশ্বাস রাখা, যা এই ইডিয়মের সাথে সম্পর্কিত নয়।
D) protect — এর অর্থ রক্ষা করা, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
উপার্জন বা সহ্য করার ক্ষেত্রে 'put up with' ব্যবহার করা হয় যার সহজ অর্থ হলো সহ্য করা।
সঠিক উত্তর: D) Nota bene
কেন সঠিক:
ল্যাটিন শব্দ Nota bene-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো এন বি যার অর্থ ভালো করে লক্ষ্য করো বা বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
ইংরেজি লেখায় কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের প্রতি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এই সংক্ষিপ্ত রূপটি ব্যবহার করা হয়।
এটি সাধারণত চিঠিপত্র বা দাপ্তরিক নোটিশে বিশেষ দ্রষ্টব্য বোঝাতে লেখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Note before — এটি কোনো প্রচলিত ল্যাটিন সংক্ষিপ্ত রূপ নয় এবং এর সাথে এন বি শব্দের কোনো মিল নেই।
B) No hay — এটি স্প্যানিশ ভাষা যার অর্থ এখানে কিছু নেই এবং এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) No bearing — এর অর্থ কোনো সম্পর্ক বা প্রভাব নেই যা এই প্রসঙ্গের সাথে সম্পূর্ণ অমিল।
D) Nota bene — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
এন বি দেখলে বুঝবে এটি ল্যাটিন শব্দ নোটা বেনে যার অর্থ বিশেষ দ্রষ্টব্য।
সঠিক উত্তর: D) following
কেন সঠিক:
এখানে blank এর পরে কোনো noun নেই, তাই sentence এর অর্থ সম্পূর্ণ করতে একটি noun প্রয়োজন।
following শব্দটির অর্থ ভক্তকুল বা অনুসারী দল, যা এই শূন্যস্থানে সবচেয়ে মানানসই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) follow on — এটি ক্রিকেট খেলার একটি বিশেষ নিয়ম বা টার্ম, যার অর্থ ফলো-অন করা।
B) fallout — এর অর্থ কোনো ঘটনার ক্ষতিকর পরিণতি বা তেজস্ক্রিয় ধূলিকণা।
C) follow — এটি একটি verb, কিন্তু এখানে একটি noun বসানো প্রয়োজন।
মনে রাখার টিপস:
শূন্যস্থানের আগে article থাকলে এবং পরে noun না থাকলে, blank এ noun বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Engine: car
কেন সঠিক:
মূল প্রশ্নটিতে একটি অঙ্গ এবং সম্পূর্ণ শরীরের সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে, যেখানে হার্ট বা হৃদপিণ্ড মানবদেহ সচল রাখতে কাজ করে। একইভাবে একটি ইঞ্জিন গাড়ি সচল রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। এই সাদৃশ্য থেকেই সঠিক উত্তর নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Kitchen: house — রান্নাঘর ঘরের একটি অংশ হলেও এটি পুরো ঘরকে সচল রাখার মূল যন্ত্র বা চালিকাশক্তি নয়।
B) Hand child — হাত মানুষের একটি অঙ্গ কিন্তু এটি কোনো ইঞ্জিন বা চালিকা শক্তির মতো সম্পূর্ণ শরীরকে পরিচালনা করে না।
C) Wall brick — ইটের সাহায্যে দেয়াল তৈরি হয় কিন্তু এখানে অংশ ও সম্পূর্ণের কাঠামোগত সম্পর্ক আছে চালিকাশক্তির নয়।
D) Engine: car — এটি সঠিক উত্তরের অপশন এবং প্রশ্নটির সাথে হুবহু মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
মূল শব্দের জোড়াটি যে সম্পর্কে যুক্ত, অপশনের শব্দ দুটিকেও ঠিক একই রকম কার্যকারণ সম্পর্কে মেলাতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Beauty
কেন সঠিক:
'Beauty' শব্দের শেষে y যুক্ত থাকায় এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য হিসেবে কাজ করে।
সুন্দর গুণ বা সৌন্দর্য বোঝাতে এই শব্দটি বাক্যে নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Beauty — এটি সঠিক উত্তর এবং নিজেই একটি নাউন।
B) Beautify — এই শব্দটির শেষে fy থাকায় এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়াপদ।
C) Beautious — এই শব্দটির শেষে ous থাকায় এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ।
D) Beautifully — এই শব্দটির শেষে ly থাকায় এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়া বিশেষণ।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে ty, ness, tion থাকলে সাধারণত তা নাউন হয়।
সঠিক উত্তর: C) is
কেন সঠিক:
- The Arabian Nights দেখতে বহুবচন মনে হলেও এটি একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম, তাই এর পরে একবচন verb বসে।
- দেখতে plural হলেও কোনো গ্রন্থ, দেশ বা বিষয়ের নাম একক বোঝালে সর্বদা singular verb ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has — এখানে possessive বা perfect tense-এর auxiliary verb ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত প্রেক্ষাপট নেই।
B) are — Subject দেখতে plural হলেও মূল subject একটি একক গ্রন্থ হওয়ায় এখানে plural verb বসবে না।
C) is — এই অপশনটি সঠিক কারণ singular subject-এর সঙ্গে singular verb ব্যবহৃত হয়েছে।
D) were — এটি past tense-এর plural verb, যা বর্তমান অবস্থার বাক্য এবং singular subject-এর সঙ্গে সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
নাম দেখতে plural হলেও কোনো বই বা দেশের নাম সর্বদা singular হয়।
সঠিক উত্তর: A) state
কেন সঠিক:
১. জলবায়ু হলো দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার সামগ্রিক অবস্থা। ইংরেজিতে পরিবেশের কোনো দীর্ঘমেয়াদী অবস্থাকে বোঝাতে state শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. এটি পরিবেশের কোনো বিশেষ মুহূর্তের সাময়িক অবস্থা নির্দেশ করে না।
৩. এটি মূলত প্রকৃতি ও পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট স্থিতাবস্থাকে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) state — এটি সঠিক কারণ জলবায়ু পরিবেশের একটি দীর্ঘমেয়াদী অবস্থা নির্দেশ করে।
B) situation — এটি সাধারণত কোনো সাময়িক পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা জলবায়ুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) rank — এর অর্থ পদমর্যাদা বা ক্রম, যা পরিবেশের উপাদানের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) size — এর অর্থ আকার বা আয়তন, যা জলবায়ু বা পরিবেশের অবস্থার পরিমাপের জন্য সঠিক শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশের দীর্ঘমেয়াদী আবহাওয়ার অবস্থাকে বোঝাতে সবসময় state শব্দটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) natural
কেন সঠিক:
প্রথম ভাষা বা মাতৃভাষা হলো মানুষের জন্মগত ভাষা যা সে কোনো আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই পরিবেশ থেকে স্বাভাবিকভাবে অর্জন করে। এটি মানুষের জীবনের একেবারে শুরু থেকেই প্রাকৃতিকভাবে মনের ভাব প্রকাশের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) important — কোনো ভাষার গুরুত্ব অনেক থাকতে পারে, তবে প্রথম ভাষা বলতে বোঝায় জন্মগত ও স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে। তাই গুরুত্বপূর্ণ হওয়া প্রথম ভাষার মূল সংজ্ঞা নয়।
B) main — প্রধান ভাষা বলতে দেশের সরকারি বা বহুল ব্যবহৃত ভাষাকে বোঝায়, যা মানুষের জন্মসূত্রে শেখা প্রথম ভাষা হতেও পারে আবার নাও হতে পারে।
C) natural — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি মাতৃভাষার মূল বৈশিষ্ট্যকে প্রকাশ করে।
D) official — সরকারি ভাষা হলো আইনগত ও দাপ্তরিক কাজের ভাষা, যা শেখার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রয়োজন হয় এবং এটি সবার মাতৃভাষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
মায়ের মুখ থেকে শিশু যে ভাষা প্রাকৃতিকভাবে শেখে, সেটাই হলো ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজ বা ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ।
সঠিক উত্তর: D) dyed
কেন সঠিক:
চুল বা কাপড়ে নতুন রং করার ইংরেজি পরিভাষা হলো ডাই বা dyed।
বাক্যের অর্থ হলো সে তার চুল সুন্দর বাদামী রঙে রাঙিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) colored — সাধারণ অর্থে কোনো কিছুতে রঙ করা বোঝায়, কিন্তু চুল বা কাপড়ের ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়।
B) given — এর অর্থ দেওয়া, যা এই শূন্যস্থানে অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ অমূলক।
C) dried — এর অর্থ শুকানো, যা চুল বাদামী করার প্রক্রিয়ার সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
D) dyed — এটি সঠিক কারণ চুল বা কাপড় রঙ করার ক্ষেত্রে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
চুল বা কাপড় রঙ করার ইংরেজি হলো ডাই (dye), আর সাধারণ রঙ করার ইংরেজি হলো কালার (color)।
সঠিক উত্তর: C) সমকোণী
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ১৭ সে.মি., ১৫ সে.মি. এবং ৮ সে.মি.
ধরি,
ত্রিভুজের অতিভুজ = ১৭ সে.মি.
অপর দুটি বাহু যথাক্রমে ১৫ সে.মি. এবং ৮ সে.মি.
অতএব,
অতিভুজের ওপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্র = ১৭ × ১৭ = ২৮৯
অন্য দুই বাহুর ওপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রদ্বয়ের যোগফল = (১৫ × ১৫) + (৮ × ৮)
সুতরাং,
১৫ × ১৫ = ২২৫ এবং ৮ × ৮ = ৬৪
২২৫ + ৬৪ = ২৮৯
উত্তর: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
সঠিক উত্তর: A) ২৬০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার গুণফল = ৩৩৮০
সংখ্যা দুটির গসাগু = ১৩
ধরি,
সংখ্যা দুটি ক এবং খ
আমরা জানি, সংখ্যা দুটির গুণফল = লসাগু × গসাগু
অতএব, লসাগু = (সংখ্যা দুটির গুণফল) ÷ (গসাগু)
সুতরাং,
লসাগু = ৩৩৮০ ÷ ১৩
উত্তর: ২৬০
সঠিক উত্তর: D) ২১৮৭
প্রদত্ত তথ্য:
০, ১, ২ এবং ৩ অঙ্কগুলি দেওয়া আছে
ধরি,
গঠিত চার অঙ্কের সংখ্যাগুলি নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
অঙ্কগুলি দ্বারা গঠিত বৃহত্তম সংখ্যাটি ৩২১০
অঙ্কগুলি দ্বারা গঠিত ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি ১০২৩
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির বিয়োগফল = ৩২১০ − ১০২৩
উত্তর: ২১৮৭
সঠিক উত্তর: B) ৯ গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে
ধরি,
প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
তাহলে প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × r × r
অতএব,
ব্যাস তিনগুণ হলে নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r
নতুন বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × (৩r) × (৩r)
সুতরাং,
নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r)
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: B) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ফিবোনাচ্চি ধারা যেখানে প্রতি পদ আগের দুটি পদের যোগফল
ধারাটির প্রথম পদ ১ এবং দ্বিতীয় পদ ১
ধরি,
প্রথম পদ = ১
দ্বিতীয় পদ = ১
অতএব,
তৃতীয় পদ = ১ + ১ = ২
চতুর্থ পদ = ১ + ২ = ৩
পঞ্চম পদ = ২ + ৩ = ৫
সুতরাং,
ষষ্ঠ পদ = ৩ + ৫ = ৮
সপ্তম পদ = ৫ + ৮ = ১৩
অষ্টম পদ = ৮ + ১৩ = ২১
নবম পদ = ১৩ + ২১ = ৩৪
দশম পদ = ২১ + ৩৪ = ৫৫
উত্তর: ৫৫
সঠিক উত্তর: B) ৭০
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটির সাথে দুই যোগ করতে হবে
যোগফল বারো, আঠারো এবং চব্বিশ দ্বারা বিভাজ্য হবে
ধরি,
নির্ণেয় লঘিষ্ঠ সংখ্যাটি সমান ক
শর্তমতে সংখ্যাটির সাথে দুই যোগ করলে যোগফল হবে ক + ২
অতএব,
বারো, আঠারো এবং চব্বিশ এর লসাগু বের করতে হবে
সংখ্যাগুলোর লসাগু সমান বাহাত্তর
সুতরাং,
ক + ২ সমান বাহাত্তর
ক সমান বাহাত্তর বিয়োগ দুই সমান সত্তর
উত্তর: ৭০
সঠিক উত্তর: B) ৪২৯২৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ১ এর বর্গ + ২ এর বর্গ + ৩ এর বর্গ + ... + ৫০ এর বর্গ
ধরি,
প্রথম পদ = ১
শেষ পদ = ৫০
অতএব,
স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টির সূত্রটি হলো
n গুণ (n + ১) গুণ (২n + ১) ভাগ ৬
সুতরাং,
৫০ গুণ ৫১ গুণ ১০১ ভাগ ৬
= ৪২৯২৫
উত্তর: ৪২৯২৫
সঠিক উত্তর: D) x = − ১, y = ১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো ৩x − ৭y + ১০ = ০
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো y − ২x − ৩ = ০
ধরি,
প্রথম সমীকরণ হতে পাই, ৩x − ৭y = − ১০
দ্বিতীয় সমীকরণ হতে পাই, − ২x + y = ৩
অতএব,
দ্বিতীয় সমীকরণকে ৭ দ্বারা গুণ করে পাই, − ১৪x + ৭y = ২১
প্রথম ও গুণকৃত সমীকরণ যোগ করি, ৩x − ৭y = − ১০
সুতরাং,
যোগ করে পাই, − ১১x = ১১, সুতরাং x = − ১
উত্তর: x এর মান সমীকরণে বসিয়ে পাই, y = ১
সঠিক উত্তর: B) ১,১
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, a + b = ২
এবং ab = ১
ধরি,
a = ১ এবং b = ১
অতএব,
a + b = ১ + ১ = ২
যা প্রথম শর্ত পূরণ করে
সুতরাং,
ab = ১ × ১ = ১
যা দ্বিতীয় শর্ত পূরণ করে
উত্তর: ১,১
সঠিক উত্তর: খ) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
২ জন টাইপিস্ট ২ মিনিটে টাইপ করতে পারে = ২ পৃষ্ঠা
১ জন টাইপিস্ট ২ মিনিটে টাইপ করতে পারে = ১ পৃষ্ঠা
ধরি,
প্রয়োজনীয় টাইপিস্টের সংখ্যা = ক
অতএব,
১ জন টাইপিস্ট ১ মিনিটে টাইপ করতে পারে = ১ ÷ ২ পৃষ্ঠা
ক জন টাইপিস্ট ৬ মিনিটে টাইপ করতে পারে = ক × ৬ ÷ ২ পৃষ্ঠা
সুতরাং,
ক × ৬ ÷ ২ = ১৮
ক × ৩ = ১৮
উত্তর: ক = ১৮ ÷ ৩ = ৬
সঠিক উত্তর: B) বেশি হয়
কেন সঠিক:
- প্রেসার কুকারের ভেতরে ঢাকনা আটকে রাখার কারণে উচ্চ চাপের সৃষ্টি হয়, যার ফলে পানির স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায়।
- চাপ বাড়লে তরলের স্ফুটনাঙ্ক বা ফোটার তাপমাত্রা বাড়ে, তাই এখানে পানি সাধারণ তাপমাত্রার চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় ফোটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম হয় — সাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ফুটন্ত পানির ক্ষেত্রে স্ফুটনাঙ্ক নির্দিষ্ট থাকে, কিন্তু চাপ বাড়লে তা কমে না বরং বাড়ে।
B) বেশি হয় — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক সত্য, কারণ উচ্চ চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়।
C) ঠিক থাকে — চাপের তারতম্য ঘটলে স্ফুটনাঙ্ক কখনো একই বা স্থির থাকে না, চাপ বাড়লে স্ফুটনাঙ্কও পরিবর্তিত হয়ে বাড়ে।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রেসার মানে চাপ, আর চাপ বাড়লে স্ফুটনাঙ্ক বা তাপমাত্রা বেশি হয়।
সঠিক উত্তর: A) হেস
কেন সঠিক:
- অস্ট্রীয় পদার্থবিজ্ঞানী ভিক্টর হেস ১৯১২ সালে বেলুনে চড়ে বায়ুমণ্ডলে উচ্চতায় উঠে পরীক্ষা চালিয়ে মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- মহাশূন্য থেকে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন চার্জযুক্ত কণা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করার এই ঘটনা আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হেস — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯১২ সালে বেলুনে পরীক্ষা চালিয়ে মহাশূন্য থেকে আসা এই রশ্মি প্রথম আবিষ্কার করেন।
B) আইনস্টাইন — তিনি আপেক্ষিকতার তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত হলেও মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন।
C) টলেমি — তিনি প্রাচীন গ্রিক জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ ছিলেন এবং ভূকেন্দ্রিক মতবাদের জন্য পরিচিত।
D) হাবল — এডউইন হাবল মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ ও গ্যালাক্সি সংক্রান্ত গবেষণার জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
মহাজাগতিক রশ্মি আকাশে উড়ে বেলুনে চড়ে আবিষ্কার করেছিলেন বিজ্ঞানী হেস।
সঠিক উত্তর: D) উন্নত জাতের নাম গমের নাম
কেন সঠিক:
- সোনালিকা ও আকবর হলো বাংলাদেশে চাষকৃত উচ্চ ফলনশীল গমের জনপ্রিয় দুটি জাত।
- এই জাতগুলো একসময় দেশের খাদ্য চাহিদা পূরণে কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্নত ও কৃষি যন্ত্রপাতির নাম — সোনালিকা ও আকবর কোনো যন্ত্র নয়, এগুলো ফসলের বীজ বা জাত।
B) উন্নত জাতের ধানের নাম — ধান নয়, এগুলো বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বা প্রবর্তিত গমের জাত।
C) দুটি কৃষি বিষয়ক বেসরকারি সংস্থার নাম — এগুলো কোনো বেসরকারি বা সরকারি সংস্থা নয়, কৃষিপণ্যের জাত।
D) উন্নত জাতের নাম গমের নাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ সোনালিকা ও আকবর উভয়ই গমের জাত।
মনে রাখার টিপস:
গমের ক্ষেতে সোনা ফলে, তাই গম থেকে 'সোনালিকা' এবং ইতিহাসে বাদশাহ আকবরের নাম অনুসারে 'আকবর' গমের জাত মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
কেন সঠিক:
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে যাওয়ার সময় সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয়ে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে।
- এই নীতির কারণে আলো ফাইবার টিউবের ভেতর দিয়েই বারবার প্রতিফলিত হয়ে কোনো অপচয় ছাড়াই দূরদূরান্তে দ্রুত স্থানান্তরিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রতিসরণ — আলোর প্রতিসরণ মাধ্যম পরিবর্তনের সময় দিক পরিবর্তন করে, যা অপটিক্যাল ফাইবারের মূল কার্যপদ্ধতি নয় বরং এর ভেতরে অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে।
B) বিচ্ছুরণ — সাদা আলো বর্ণালীতে বিভক্ত হওয়ার ঘটনা হলো বিচ্ছুরণ, যা অপটিক্যাল ফাইবারের ডেটা পরিবহনের প্রধান নীতি নয়।
সি) অপবর্তন — কোনো প্রতিবন্ধক বা জালের ধার ঘেঁষে আলোর বেঁকে যাওয়ার ঘটনা হলো অপবর্তন, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
ডি) অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — এটিই সঠিক কারণ অপটিক্যাল ফাইবারের মূল কর্মপদ্ধতি হলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলো বা সিগন্যাল পরিবহন করা।
মনে রাখার টিপস:
অপটিক্যাল ফাইবার মানেই আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন, যার মাধ্যমে ইন্টারনেট ও টেলিকমিউনিকেশনের সিগন্যাল দ্রুত বাহিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্রতল দেশের ভূমিকম্প
কেন সঠিক:
- সমুদ্রের তলদেশে আকস্মিক ভূকম্পন বা প্লেটের বিচ্যুতির ফলে বিশাল পরিমাণ জলের উপরিভাগে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
- এই আলোড়ন থেকে উৎপন্ন অত্যন্ত শক্তিশালী ও দীর্ঘ তরঙ্গ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসে, যা সুনামি নামে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত — এটি কিছু ক্ষেত্রে সুনামি ঘটাতে পারলেও মূল ও সর্বাধিক সাধারণ কারণ হলো সমুদ্রতলের ভূমিকম্প।
B) ঘূর্ণিঝড় — ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাস বা তীব্র জোয়ার সৃষ্টি করতে পারে, কিন্তু সুনামি তৈরির জন্য এটি সরাসরি দায়ী নয়।
C) চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ — এই আকর্ষণ জোয়ারভাটা সৃষ্টির প্রধান কারণ, যা সুনামির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) সমুদ্রতল দেশের ভূমিকম্প — এটি সঠিক কারণ হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সুনামি মানেই সমুদ্রের নিচে ভূকম্পন বা টেকটনিক প্লেটের নড়াচড়া।
সঠিক উত্তর: B) ০.১ সেকেন্ড
কেন সঠিক:
- মানব মস্তিষ্কে শব্দের রেশ বা স্থায়িত্বকাল প্রায় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
- একে কানের শ্রবণ স্থায়িত্বকাল বলা হয়, যার কারণে পরপর দুটি শব্দের মাঝে অন্তত ০.১ সেকেন্ড ব্যবধান না থাকলে আমরা শব্দ দুটি আলাদাভাবে শুনতে পাই না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ সেকেন্ড — এটি অনেক বেশি সময় এবং শব্দের রেশ এত দীর্ঘস্থায়ী হয় না।
B) ০.১ সেকেন্ড — এটি সঠিক উত্তর এবং মানব মস্তিষ্কে শব্দের স্থায়িত্বকালের প্রামাণ্য মান।
C) ০.০১৭ সেকেন্ড — এটি দৃষ্টির স্থায়িত্বকাল বা চোখের রেটিনায় প্রতিচ্ছবি থাকার সময়, শব্দের জন্য প্রযোজ্য নয়।
D) ০.০০১ সেকেন্ড — এটি অত্যন্ত কম সময়, যা মানুষের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকালের চেয়ে অনেক কম।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের রেশ মনে থাকে ০.১ সেকেন্ড আর চোখের পলকে আলোর রেশ থাকে ০.১ সেকেন্ডের কম সময়ে, তাই দুটিই ০.১ সংখ্যাটি মনে রাখলে সহজে মেলানো যায়।
সঠিক উত্তর: B) কসমিক ইয়ার
কেন সঠিক:
- আমাদের সূর্যসহ সৌরজগতের যেকোনো বস্তু গ্যালাক্সি বা ছায়াপথের কেন্দ্রকে একবার প্রদক্ষিণ করতে যে সময় নেয় তাকে কসমিক ইয়ার বলা হয়।
- মিল্কিওয়ে বা আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্র ঘুরে আসতে সূর্যের প্রায় ২২ কোটি থেকে ২৫ কোটি বছর সময় লাগে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌর বছর — পৃথিবী সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে যে সময় নেয় তাকে সৌর বছর বলে, যা ছায়াপথ ঘোরার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) কসমিক ইয়ার — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে নতুন কোনো ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই।
C) আলোকবর্ষ — আলোকবর্ষ হলো দূরত্বের একক, সময়ের একক নয়; এটি আলো এক বছরে যতটা দূরত্ব অতিক্রম করে তা নির্দেশ করে।
D) পালসার — পালসার হলো অত্যন্ত দ্রুত ঘূর্ণায়মান এক ধরনের নিউট্রন তারা, যা ছায়াপথ পরিক্রমার সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহাবিশ্বের মহাজাগতিক সময় মাপার একক হলো কসমিক ইয়ার, যা ছায়াপথ পরিক্রমার সঙ্গে যুক্ত।
সঠিক উত্তর: B) মেলানিন
কেন সঠিক:
- মেলানিন হলো এক ধরনের প্রাকৃতিক রঞ্জক পদার্থ যা মানুষের ত্বক, চুল ও চোখের রঙের জন্য দায়ী।
- মানবদেহের ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ যত বেশি থাকে, সেই ব্যক্তির গায়ের রং তত বেশি অন্ধকার বা কালো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থায়ামিন — এটি একটি ভিটামিন বি এক, যা খাদ্য হজম ও স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতায় সাহায্য করে কিন্তু গায়ের রঙের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) মেলানিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) ক্যারোটিন — এটি গাজর ও শাকসবজিতে থাকা এক ধরনের হলুদ বা কমলা রঞ্জক পদার্থ যা ত্বকের রঙে সামান্য প্রভাব ফেললেও প্রধান নিয়ন্ত্রক নয়।
D) হিমোগ্লোবিন — এটি রক্তের লাল কণিকার প্রোটিন যা অক্সিজেন পরিবহন করে, যা ত্বকের লালচে আভা তৈরি করলেও মূল গায়ের রঙের জন্য দায়ী নয়।
মনে রাখার টিপস:
ত্বকের রঙের জন্য দায়ী মেলা নামের রঞ্জক পদার্থ, যা থেকে মেলানিন কথাটি এসেছে।
সঠিক উত্তর: A) ৩০ জানুয়ারি ১৯৫২
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি বারের দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার লাইব্রেরিতে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুব এই নতুন পরিষদের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন এবং রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনকে আরও গতিশীল করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩০ জানুয়ারি ১৯৫২ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়েছিল।
B) ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সভা অনুষ্ঠিত হয় কিন্তু পরিষদ গঠিত হয়নি।
C) ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল যা ভাষা আন্দোলনের একটি পরের ঘটনা।
D) ২০ শে জানুয়ারি ১৯৫২ — এই তারিখে ঐতিহাসিক ছাত্রসভা অনুষ্ঠিত হয় এবং আসাদুজ্জামানের শহীদ হওয়ার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই কারণ তিনি ১৯৬৯ সালের শহীদ।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারি হলেও সর্বদলীয় পরিষদ গঠিত হয়েছিল তার ঠিক আগের দিন অর্থাৎ ৩০ জানুয়ারি ১৯৫২ তারিখে।
সঠিক উত্তর: A) প্যাথোজেনিক
কেন সঠিক:
- প্যাথোজেন হলো এমন সব রোগ সৃষ্টকারী অণুজীব বা উপাদান যেমন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস।
- প্যাথোজেনিক বলতে সেই রোগ সৃষ্টির ক্ষমতা বা বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন অনুজীব বা কারণকে বোঝানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যাথোজেনিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রোগ সৃষ্টিকারী অনুজীবের বৈশিষ্ট্য বোঝায়।
B) ইনফেকশন — এটি কোনো অনুজীব নয়, বরং শরীরে রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর সংক্রমণের অবস্থাকে বোঝায়।
C) টক্সিন — এটি অনুজীবের তৈরি কোনো জীবন্ত সত্তা নয়, বরং এটি কেবল একটি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ।
D) জীবাণু — এটি একটি সাধারণ বাংলা শব্দ, তবে প্যাথোজেনিক হলো বিশেষ একটি বৈজ্ঞানিক পরিভাষা।
মনে রাখার টিপস:
প্যাথোজেন মানে রোগ সৃষ্টিকারী উপাদান, আর প্যাথোজেনিক হলো সেই উপাদানের রোগ সৃষ্টির গুণ বা বৈশিষ্ট্য।
সঠিক উত্তর: A) সেন্টমার্টিন
কেন সঠিক:
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের সমুদ্র সৈকত বিপন্ন প্রজাতির জলপাই রঙের সামুদ্রিক কচ্ছপ বা অলিভ রিডলি কচ্ছপের ডিম পাড়ার অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক আবাসস্থল।
- এই দ্বীপে রাতের বেলা কচ্ছপ বালুচরে ডিম পাড়তে আসে এবং পরিবেশ অনুকূল থাকায় এটি তাদের প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং অলিভ টারটল বা সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রধান প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
B) রাঙাবালি — এটি পটুয়াখালী জেলার একটি উপজেলা ও চর এলাকা, যা কচ্ছপের প্রজননের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত নয়।
C) চর আলেকজান্ডার — এটি নোয়াখালী জেলার রামগঞ্জ বা কমলনগর অঞ্চলের একটি উপকূলীয় এলাকা, যেখানে এই প্রজাতির কচ্ছপের নিয়মিত উপস্থিতি নেই।
D) ছেড়াদ্বীপ — এটি সেন্টমার্টিনের দক্ষিণের একটি বিচ্ছিন্ন প্রবাল দ্বীপ হলেও মূলত মূল সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর সংলগ্ন সৈকত এলাকাতেই অলিভ টারটলের ডিম পাড়ার ঘটনা বেশি দেখা যায়।
মনে রাখার টিপস:
সামুদ্রিক কচ্ছপ বা অলিভ টারটলের ডিম পাড়ার নিরাপদ স্থান হলো দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন।
সঠিক উত্তর: C) চীন
কেন সঠিক:
- বিশ্বজুড়ে মোট গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনে চীন বর্তমানে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
- শিল্পায়ন, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জনবহুলতার কারণে তাদের সামগ্রিক নিঃসরণ সর্বোচ্চ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাশিয়া — রাশিয়া মোট নির্গমনে শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে থাকলেও চীনের চেয়ে পরিমাণে অনেক কম নির্গমন করে।
B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক ও মাথাপিছু নির্গমনে এগিয়ে থাকলেও বর্তমান মোট বার্ষিক নির্গমনে চীনের পেছনে রয়েছে।
D) জার্মানি — জার্মানি ইউরোপের অন্যতম প্রধান অর্থনীতি হলেও বৈশ্বিক মোট নির্গমনে চীন বা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছে।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বে মোট গ্রীনহাউস গ্যাস উৎপাদনে চীন এক নম্বরে রয়েছে।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: D) বায়ু দূষণ
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বায়ু দূষণ বিশ্বব্যাপী মানুষের অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান পরিবেশগত কারণ।
- এটি স্ট্রোক, হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসকষ্টজনিত রোগের সৃষ্টি করে মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সড়ক দুর্ঘটনা — এটি বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর একটি বড় কারণ হলেও প্রশ্নানুযায়ী পরিবেশগত বৃহত্তর বৈশ্বিক আপদ হিসেবে বায়ু দূষণকে বোঝানো হয়েছে।
B) তামাক ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ — এটি মৃত্যুর প্রধান কারণগুলোর একটি হলেও এটি পরিবেশগত কোনো আপদ বা হ্যাজার্ড নয়, বরং ব্যক্তিগত ক্ষতিকর অভ্যাস।
C) ক্যান্সার — এটি একটি রোগ, যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে; কিন্তু বায়ু দূষণ হলো সেই রোগ সৃষ্টির একটি প্রধান পরিবেশগত কারণ বা আপদ।
D) বায়ু দূষণ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বিশ্বজুড়ে মানুষের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান পরিবেশগত কারণ।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশগত আপদ হিসেবে বায়ু দূষণ নিঃশ্বাসের মাধ্যমে সরাসরি শরীরে প্রবেশ করে মৃত্যুর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বাড়ায়।
সঠিক উত্তর: C) পাঙন
কেন সঠিক:
- পাঙন সম্প্রদায় বাংলাদেশের মনিপুরী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর একটি অংশ যারা সনাতন ধর্মের পরিবর্তে ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করে।
- এরা মূলত মণিপুর থেকে এসে বাংলাদেশের মৌলভীবাজার ও সিলেট অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাখাইন — রাখাইন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের মূল ধর্ম বৌদ্ধধর্ম এবং তারা প্রধানত পটুয়াখালী ও কক্সবাজার অঞ্চলে বসবাস করে।
B) মারমা — মারমা সম্প্রদায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এবং তাদের প্রধান ধর্ম বৌদ্ধধর্ম।
C) পাঙন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই।
D) খিয়াং — খিয়াং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের প্রধান ধর্ম বৌদ্ধধর্ম এবং এরা মূলত বান্দরবান জেলায় বসবাস করে।
মনে রাখার টিপস:
মণিপুরী উপজাতির মধ্যে একমাত্র পাঙন সম্প্রদায় ইসলাম ধর্ম পালন করে।
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রিক
কেন সঠিক:
- নৃতাত্ত্বিক ইতিহাস অনুযায়ী বাঙালি জাতির প্রধান অংশ মূল অস্ট্রিক বা নিষাদ জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- বাঙালি সংস্কৃতির কৃষিভিত্তিক সমাজ এবং নদীমাতৃক জীবনের শেকড় মূলত অস্ট্রিক সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্রাবিড় — দ্রাবিড়রা প্রাচীন ভারতের অন্যতম প্রধান জনগোষ্ঠী হলেও বাঙালি জাতির প্রধান অংশ এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) নেগ্রিটো — নেগ্রিটো একটি আদিম নৃগোষ্ঠী, যাদের শারীরিক বৈশিষ্ট্য বাঙালি জাতির প্রধান অংশে দেখা যায় না।
C) ভোটচীন — ভোটচীন বা মঙ্গলয়েড জনগোষ্ঠীর রক্তমিশ্রণ বাঙালি জাতির কিছু অংশে থাকলেও তা প্রধান অংশ নয়।
D) অস্ট্রিক — এটিই সঠিক উত্তর কারণ বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠনের ভিত্তি গড়ে উঠেছে এই অস্ট্রিক গোষ্ঠীর ওপর।
মনে রাখার টিপস:
বাঙালি মানেই আদি শেকড় অস্ট্রিক, যা মনে রাখতে অ দিয়ে বাঙালি এবং অ দিয়ে অস্ট্রিক মিলিয়ে পড়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) সুশাসন
কেন সঠিক:
- সুশাসন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের মধ্যে নিবিড় ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
- এটি সরকারের জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে রাষ্ট্র পরিচালনার কার্যক্রমকে জনকল্যাণমুখী করে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুশাসন — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর কারণ এটি জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও কার্যকর প্রত্যয় হিসেবে কাজ করে।
B) আইনের শাসন — এটি সমাজে আইনের সমান প্রয়োগ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার সাথে সম্পর্কিত, যা সুশাসনের একটি অংশ মাত্র।
C) রাজনীতি — এটি মূলত ক্ষমতা দখল ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি ও কৌশল সম্পর্কিত বিষয়, যা জনগণ ও প্রশাসনের সামগ্রিক সম্পর্ককে পুরোপুরি প্রকাশ করে না।
D) মানবাধিকার — এটি মানুষের মৌলিক স্বাধীনতা ও অধিকার সংরক্ষণের সাথে সম্পর্কিত, যা সুশাসনের একটি নির্দিষ্ট দিক মাত্র।
মনে রাখার টিপস:
জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসন এই তিনটি উপাদান একত্রিত হলেই কেবল একটি কার্যকর সুশাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী পন্থা
কেন সঠিক:
সুপ্রসিদ্ধ দার্শনিক অ্যারিস্টটলের নীতিশাস্ত্র অনুযায়ী দুটি চরম বা বিপরীত অবস্থার ঠিক মাঝখানের ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থাকে সুবর্ণ মধ্যক বলা হয়। এটি আমাদের জীবনে বাড়াবাড়ি বা ছাড়াছাড়ি এড়িয়ে চলার শিক্ষা দেয়। চরমপন্থার বর্জন করে সবসময় মধ্যপন্থা অবলম্বন করাই এর মূল শিক্ষা। নৈতিকতার বিচারে এটি একটি অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য আচরণবিধি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাণিতিক সমাধান — এটি কোনো গাণিতিক সমস্যা সমাধানের উপায় নয় বরং একটি দার্শনিক ও নৈতিক ধারণা।
B) দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী পন্থা — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো অবকাশ নেই।
C) সম্ভাব্য সব ধরনের কাজের মধ্যমা — এটি পরিসংখ্যানের কোনো মধ্যক বা গাণিতিক পরিমাপ নির্দেশ করে না।
D) একটি দার্শনিক সম্প্রদায়ের নাম — এটি কোনো নির্দিষ্ট দার্শনিক দলের নাম নয়, বরং একটি জীবনদর্শনের নাম।
মনে রাখার টিপস:
সুবর্ণ মানে সোনা বা ভালো, আর মধ্যক মানে মাঝের পথ। তাই দুটি চরম অবস্থার মাঝের ভালো পথটিই হলো সুবর্ণ মধ্যক।
সঠিক উত্তর: C) জনকল্যাণ
কেন সঠিক:
- জনপ্রশাসনের মূল লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।
- আধুনিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্রে জনসেবা ও কল্যাণ সাধনই যেকোনো সরকারি কর্মকর্তার সর্বপ্রধান নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাধীনতা — এটি রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক একটি মৌলিক অধিকার বা ধারণা, যা সরাসরি জনপ্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সেবা প্রদানের মৌলিক মূল্যবোধ নয়।
B) ক্ষমতা — ক্ষমতা প্রশাসনের কাজের একটি আইনি হাতিয়ার বা মাধ্যম হতে পারে, কিন্তু এটি জনপ্রশাসনের কোনো জনবান্ধব মৌলিক মূল্যবোধ নয়।
C) জনকল্যাণ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা জনগণের সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনপ্রশাসনের মূল আদর্শকে নির্দেশ করে।
D) কর্ম দক্ষতা — এটি জনপ্রশাসন পরিচালনার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার বা গুণ, তবে এটি জনকল্যাণের মতো সরাসরি প্রশাসনের মৌলিক মূল্যবোধ বা অন্তিম লক্ষ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
জনপ্রশাসনের প্রধান কাজ হলো জনগণের সেবা করা, তাই এর মৌলিক মূল্যবোধ হলো জনকল্যাণ।
**প্রশ্নের ধরন:** আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) পূর্ব এশিয়া
কেন সঠিক:
- ডমিনো তত্ত্বটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ছিল, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করতে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- এই তত্ত্ব অনুযায়ী একটি দেশে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠা হলে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতেও তা তাসের ঘরের মতো হুড়মুড় করে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পূর্ব এশিয়া — এই অঞ্চলের ভিয়েতনাম ও অন্যান্য দেশে কমিউনিজম ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করেছিল।
B) পূর্ব আফ্রিকা — এই অঞ্চলটি স্নায়ুযুদ্ধের সময় ডমিনো তত্ত্বের মূল ভূরাজনৈতিক লক্ষ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
C) দক্ষিণ-পূর্ব আফ্রিকা — এই ভূখণ্ডে তৎকালীন সময়ে এই বিশেষ তত্ত্বের কোনো সরাসরি ঐতিহাসিক প্রয়োগ ঘটেনি।
D) পূর্ব ইউরোপ — এখানে ওয়ারশ চুক্তি ও সোভিয়েত প্রভাবের বিস্তার ঘটেছিল, যা ডমিনো তত্ত্বের পূর্ব এশিয়া কেন্দ্রিক ধারণার সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
ডমিনো মানে তাসের ঘর পতন, আর স্নায়ুযুযুদ্ধের সময় এশিয়ায় কমিউনিজম আটকাতে যুক্তরাষ্ট্র এই তত্ত্ব পূর্ব এশিয়ায় প্রয়োগ করেছিল।
সঠিক উত্তর: D) পুলিশ ব্যবস্থা
কেন সঠিক:
- লর্ড ক্যানিং ১৮৬১ সালের পুলিশ অ্যাক্ট পাসের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে আধুনিক পুলিশ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- এই আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ ভারতের প্রতিটি প্রদেশে একটি সুসংগঠিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা — রবার্ট ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে বাংলায় দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা চালু করেছিলেন, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
B) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা — লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিলেন, যা লর্ড ক্যানিংয়ের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) সতীদাহ নিبرণ ব্যবস্থা — লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা বাতিল বা নিবারণ করেছিলেন, যা লর্ড ক্যানিংয়ের অনেক আগের ঘটনা।
D) পুলিশ ব্যবস্থা — এটি লর্ড ক্যানিং কর্তৃক প্রবর্তিত হয়েছিল বিধায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
মনে রাখার টিপস:
ক্যানিং ও পুলিশ উভয়ের নামেই ইংরেজি অক্ষর 'সি' (C) ও 'পি' (P) আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে ক্যানিং পুলিশ ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) জোয়ার-ভাটার স্রোতের কারণে নদীখাত গভীর হয়
কেন সঠিক:
- জোয়ার ও ভাটার সময় নদীর পানি বেগে আসা-যাওয়া করে এবং তলদেশের পলি ও বালি অপসারিত করে।
- পানির এই ক্রমাগত ঘর্ষণ ও টানের ফলে নদীর তলদেশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে গভীরতা বৃদ্ধি পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমুদ্রস্রোত — এটি মূলত সমুদ্রের পানি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করায় ভূমিকা রাখে, নদীখাত গভীর করার সরাসরি কারণ নয়।
B) নদী স্রোত — সাধারণ নদী স্রোত পলি বহন করে আনে এবং অনেক সময় নদীর তলদেশে পলি জমা করে, যা নদীখাতকে গভীর করার চেয়ে ভরাট করতে পারে।
C) বানের স্রোত — বন্যা বা বানের স্রোত আকস্মিক ও সাময়িক হলেও তা নদীর দুকুল প্লাবিত করে, কিন্তু স্থায়ীভাবে নদীখাত গভীর করে জোয়ার-ভাটার স্রোত।
D) জোয়ার-ভাটার স্রোতের কারণে নদীখাত গভীর হয় — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তরের অপশন, তাই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
জোয়ার-ভাটার টানে নদীর তলদেশের পলি সরে যায়, তাই জোয়ার-ভাটা মানেই নদীখাত গভীর হওয়া।
সঠিক উত্তর: C) কিশোরগঞ্জ
কেন সঠিক:
- কিশোরগঞ্জ জেলা হাওড়বেষ্টিত হওয়ায় এখানে নিচু ভূমির পরিমাণ বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় সবচেয়ে বেশি।
- এ জেলার বিশাল অংশজুড়ে বিস্তীর্ণ জলরাশি ও নিচু প্লাবনভূমি রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হবিগঞ্জ — এটি হাওড়প্রধান জেলা হলেও এখানে কিশোরগঞ্জের তুলনায় নিচু ভূমির পরিমাণ কম।
B) গোপালগঞ্জ — এটি বিল ও জলাভূমিপ্রধান অঞ্চল হলেও নিচু ভূমির দিক থেকে কিশোরগঞ্জের পরেই এর অবস্থান।
D) মুন্সীগঞ্জ — এটি মূলত নদীমাতৃক ও প্লাবনভূমি এলাকা হলেও কিশোরগঞ্জের মতো এত বিশাল নিচু ভূমি বা হাওড় এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বেশি নিচু ভূমি বা হাওড় মনে রাখতে কিশোরগঞ্জ নামটিকে প্রধান হিসেবে মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) হাইড্রোজেন
কেন সঠিক:
- যে পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক পদার্থ বলে, কিন্তু হাইড্রোজেন সাধারণত ইলেকট্রন ত্যাগ করে।
- অধাতু হওয়া সত্ত্বেও হাইড্রোজেন ইলেকট্রন বর্জন করে ক্যাটায়ন গঠন করে, তাই এটি বিজারক পদার্থ হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন — এটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে বিজারক হিসেবে কাজ করে, তাই এটি জারক পদার্থ নয়।
B) ক্লোরিন — এটি সহজে ইলেকট্রন গ্রহণ করতে পারে এবং এটি একটি শক্তিশালী হ্যালোজেন জারক পদার্থ।
সি) অক্সিজেন — এটি অত্যন্ত সক্রিয় অধাতু এবং দহন বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন গ্রহণ করে শক্তিশালী জারক হিসেবে কাজ করে।
ডি) ব্রোমিন — এটি একটি হ্যালোজেন এবং সহজেই ইলেকট্রন গ্রহণ করায় এটি একটি শক্তিশালী জারক পদার্থ।
মনে রাখার টিপস:
হাইড্রোজেন একটি বিজারক পদার্থ, আর হ্যালোজেন পরিবার তথা ক্লোরিন, অক্সিজেন ও ব্রোমিন হলো শক্তিশালী জারক পদার্থ।
সঠিক উত্তর: B) ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
কেন সঠিক:
- চা পাতায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, বিশেষ করে ভিটামিন বি-২ বা রিবোফ্লাভিন পানিতে দ্রবণীয় অবস্থায় থাকে।
- চা পানের মাধ্যমে মানবদেহে এই ভিটামিনের চাহিদা কিছুটা পূরণ হয় এবং এটি কোষের বিপাক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন 'ই' — এটি মূলত চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা সাধারণত উদ্ভিজ্জ তেল, বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবারে পাওয়া যায়, চা পাতায় এর পরিমাণ উল্লেখযোগ্য নয়।
B) ভিটামিন বি কমপ্লেক্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ চা পাতায় পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন বি গ্রুপের বিভিন্ন উপাদান বিদ্যমান থাকে।
C) ভিটামিন 'কে' — এটি মূলত রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং সবুজ শাকসবজি ও কলিজায় বেশি থাকে, যা চা পাতার প্রধান ভিটামিন নয়।
D) ভিটামিন 'এ' — এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় সাহায্য করে এবং গাজর, মিষ্টি আলু ও মাখনে পাওয়া যায়, চা পাতায় এর উপস্থিতি প্রধান নয়।
মনে রাখার টিপস:
চা পান করলে শরীরে শক্তির জোগান বা মেটাবলিজম বাড়ে, আর শক্তি উৎপাদনের সাথে বি ভিটামিন সরাসরি জড়িত।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ১১১টি
কেন সঠিক:
- ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ঐতিহাসিক ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে ভারতের অভ্যন্তরে থাকা বাংলাদেশের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এই ছিটমহল বিনিময়ের ফলে দীর্ঘদিনের নাগরিকত্বহীন লাখো মানুষ তাদের নিজ রাষ্ট্রে পূর্ণ নাগরিক অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬২টি — এটি দুই দেশের মোট ছিটমহলের সংখ্যা নির্দেশ করে, যার মধ্যে ভারতের অভ্যন্তরে থাকা বাংলাদেশের ছিটমহল ছিল ১১১টি।
B) ১১১টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ভারতের অভ্যন্তরে থাকা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত ছিটমহলের সঠিক সংখ্যা।
C) ৫১টি — এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা ভারতের ছিটমহলের সংখ্যা, যা বিনিময় করে ভারতকে হস্তান্তর করা হয়েছিল।
D) ১০১২ — এটি এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত বা প্রাসঙ্গিক কোনো সংখ্যা নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ পেল ১১১টি আর ভারতকে দিল ৫১টি ছিটমহল।
সঠিক উত্তর: B) ১৮৬৯
কেন সঠিক:
- সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে ১৭ই নভেম্বর ১৮৬৯ সালে সামুদ্রিক চলাচলের জন্য উন্মুক্ত বা চালু করা হয়।
- এই কৃত্রিম খালের মাধ্যমে ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর যুক্ত হয়েছে, যা ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যকার সামুদ্রিক দূরত্ব কমিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯০৩ — এই সালে সুয়েজ খাল চালু হয়নি, বরং এটি সুয়েজ খাল চালুর অনেক পরের একটি বছর।
B) ১৮৬৯ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে নৌচলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
C) ১৮৮৯ — এই সালটি সুয়েজ খাল চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি খালের উদ্বোধনের প্রায় ২০ বছর পরের একটি বছর।
D) ১৮৫৪ — এই সালে ফরাসি প্রকৌশলী ফার্ডিন্যান্ড ডি লেসেপস সুয়েজ খাল খননের অনুমতি পান, কিন্তু খাল চালু হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সুয়েজ খাল চালুর সাল মনে রাখতে শেষের দুটি অঙ্ক উউল্টো করে মনে রাখতে পারেন, অর্থাৎ ১৮৬৯ সালের ৬৯ সংখ্যাটি খال চালুর প্রতীক।
সঠিক উত্তর: A) পাগ-মার্ক
কেন সঠিক:
- সুন্দরবনের বাঘ গণনার ঐতিহ্যগত ও প্রচলিত পদ্ধতি হলো পাগ-মার্ক বা পায়ের ছাপ পদ্ধতি।
- বাঘের পায়ের ছাপের পরিমাপ ও নকশা বিশ্লেষণ করে তাদের সংখ্যা ও উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাগ-মার্ক — এটি সঠিক কারণ পায়ের ছাপ পরীক্ষা করে বাঘ গণনা করা হয়।
B) ফুটমার্ক — এটি সাধারণ মানুষের হাঁটার বা পায়ের ছাপ বোঝায়, বাঘ গণনার বৈজ্ঞানিক পরিভাষা নয়।
C) GIS — এটি ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা, যা মানচিত্র তৈরি ও ডেটা বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয় বাঘ গণনার সরাসরি পদ্ধতি নয়।
D) কোয়ার্ডবেট — এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বৈজ্ঞানিক বা শুমারির পদ্ধতি নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাঘের গণনা মানেই পায়ের ছাপ বা পাগ-মার্ক পদ্ধতি।
সঠিক উত্তর: A) স্নায়ুতন্ত্রের অঙ্গ
কেন সঠিক:
- মস্তিষ্ক কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে সমস্ত শারীরিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি শরীর থেকে সংকেত গ্রহণ করে এবং তার প্রতিপাদ্য প্রতিক্রিয়া তৈরি করে সমগ্র স্নায়ুতন্ত্রকে পরিচালনা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্নায়ুতন্ত্রের অঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
B) রেচন তন্ত্রের — রেচন তন্ত্রের মূল কাজ হলো শরীরের বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করা, যার সাথে মস্তিষ্কের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
C) পরিপাক তন্ত্রের — পরিপাক তন্ত্রের কাজ হলো খাদ্য হজম ও পুষ্টি শোষণ করা, যা স্নায়ুতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত নয়।
D) শ্বাস তন্ত্রের — শ্বাস তন্ত্র অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগের কাজ করে, যা মস্তিষ্কের প্রধান গঠনগত কাজ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মস্তিষ্ক হলো আমাদের শরীরের প্রধান কম্পিউটার, যা পুরো স্নায়ুতন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ করে।
সঠিক উত্তর: A) ডিজেল
কেন সঠিক:
- ডিজেলে সালফারের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি পোড়ানোর ফলে সালফার ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয় এবং বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।
- এই সালফার ডাই অক্সাইড বাতাসে জলীয় বাষ্পের সঙ্গে বিক্রিয়া করে এসিড বৃষ্টি সৃষ্টি করে যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডিজেল — সঠিক উত্তর কারণ এতে সালফারের মাত্রা বেশি থাকে।
B) পেট্রোল — এতে সাধারণত সালফারের পরিমাণ অনেক কম থাকে তাই এটি প্রধান উৎস নয়।
C) অকتن — এটি পরিশোধিত জ্বালানি হওয়ায় এতে সালফার থাকে না বললেই চলে।
D) সিএনজি — এটি পরিবেশবান্ধব গ্যাস জ্বালানি হওয়ায় এতে সালফার ডাই অক্সাইড নির্গত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ভারী যানবহনের কালো ধোঁয়া অর্থাৎ ডিজেল থেকেই মূলত বাতাসে বেশি সালফার ডাই অক্সাইড ছড়ায়।
সঠিক উত্তর: D) OTTO
কেন সঠিক:
- আয়নায় প্রতিফলিত হওয়ার পর কোনো শব্দের বর্ণগুলো যদি উল্টে যাওয়ার পরও একই থাকে, তবে তার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- OTTO শব্দটির মাঝের উলম্ব রেখা বরাবর প্রতিসাম্য বা সিমেট্রি রয়েছে, তাই এটি আয়নায় অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) OPT — এই শব্দটিতে প্রতিসাম্য বর্ণ নেই, তাই আয়নায় প্রতিফলিত হলে বর্ণগুলো উল্টে যায় এবং শব্দটির পরিবর্তন ঘটে।
B) NOON — এই শব্দটিও আয়নায় অপরিবর্তিত থাকে কারণ এটি একটি প্যালিনড্রোম এবং প্রতিসম, তবে প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর OTTO নির্ধারণ করা হয়েছে।
C) SOS — এই শব্দটিও আয়নায় অপরিবর্তিত থাকে কারণ এর বর্ণগুলোর উভয় পাশের রূপ একই থাকে, তবে নির্দিষ্ট অপশন হিসেবে সঠিক উত্তর OTTO।
D) OTTO — এই শব্দটি আয়নায় প্রতিফলিত হলে এর বর্ণগুলোর অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি হুবহু একই থাকে।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের মাঝখানে আয়না ধরলে বা উল্টালেও একই দেখায়, যেমন OTTO, সেই শব্দগুলোর কোনো পরিবর্তন হয় না।
সঠিক উত্তর: A) ভারত ও নেপাল
কেন সঠিক:
- কালাপানি হলো হিমালয় অঞ্চলের একটি কৌশলগত ভূখণ্ড, যা ভারত ও নেপালের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক বিরোধ রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত ও নেপাল — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ কালাপানি এই দুটি দেশের মধ্যকার একটি অমীমাংসিত সীমান্ত অঞ্চল।
B) পাকিস্তান ও চীন — এই দুই রাষ্ট্রের মধ্যে আকসাই চিন এবং কাশ্মীর অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ে বিরোধ রয়েছে, কালাপানি নয়।
C) ভুটান ও ভারত — ভুটান ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক বিদ্যমান এবং তাদের মধ্যে এই ধরনের কোনো উল্লেখযোগ্য ভূখণ্ডগত বিরোধ নেই।
D) বাংলাদেশ ও ভারত — বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সীমান্ত সমস্যা যেমন ছিটমহল ও সমুদ্রসীমা বিরোধ দীর্ঘদিন আগে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কালাপানি সীমান্ত বিরোধ মনে রাখতে ভারত ও নেপালের হিমালয় সংলগ্ন সীমান্ত এলাকার কথা মাথায় রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ৯ বর্গ কিলোমিটার
কেন সঠিক:
- কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার অন্তর্গত সোনাদিয়া দ্বীপের মোট আয়তন প্রায় নয় বর্গ কিলোমিটার।
- গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত এই দ্বীপটি ভৌগোলিক ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক) ৯১ বর্গ কিলোমিটার — এই আয়তনটি সোনাদিয়া দ্বীপের নয়, এটি একটি ভুল বা অতিরিক্ত বড় পরিমাপ যা এই দ্বীপের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) ৯ বর্গ কিলোমিটার — এটি সোনাদিয়া দ্বীপের সঠিক এবং পরীক্ষিত আয়তন।
C) ৭ বর্গ কিলোমিটার — এই আয়তনটি সোনাদিয়ার প্রকৃত আয়তনের চেয়ে কম এবং এটি অন্য কোনো ছোট দ্বীপের হতে পারে।
D) ৮ বর্গ কিলোমিটার — এই পরিমাপটি সোনাদিয়া দ্বীপের সঠিক ভৌগোলিক আয়তনের সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
সোনাদিয়া দ্বীপের নামের প্রথম অক্ষর 'স' এবং এর আয়তনও 'স' দিয়ে শুরু সংখ্যা অর্থাৎ নয় বর্গ কিলোমিটার।
সঠিক উত্তর: A) অসম্পৃক্ত এলকোহল
কেন সঠিক:
- কোলেস্টেরল হলো একটি স্টেরয়েড এবং এটি রাসায়নিকভাবে জটিল এক ধরনের অসম্পৃক্ত এলকোহল বা স্টেরল।
- এটি মানবদেহের কোষের স্বাভাবিক গঠন ও হরমোন তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অসম্পৃক্ত এলকোহল — এটি সঠিক উত্তর কারণ কোলেস্টেরল রাসায়নিকভাবে এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
B) পলিমার — এটি বহুসংখ্যক অণু নিয়ে গঠিত বিশাল আকারের কোনো যৌগ নয়, তাই এটি ভুল।
C) জৈব এসিড — এটি কোনো কার্ববক্সিলিক এসিড বা অম্লীয় যৌগ নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) এমিনো এসিড — এটি প্রোটিনের মূল উপাদান বা একক নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোলেস্টেরলকে লিপিড বা চর্বি জাতীয় পদার্থ বলা হলেও রাসায়নিকভাবে এটি মূলত এক প্রকার জটিল অসম্পৃক্ত এলকোহল।
সঠিক উত্তর: B) ১২০৪
কেন সঠিক:
- ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি ১২০৪ সালে বাংলার শেষ সেন রাজা লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে নদীয়া ও লখনৌতি দখল করেন।
- এই বিজয়ের মাধ্যমে বখতিয়ার খিলজি বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে সুলতানি আমলের সূত্রপাত ঘটায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২০০ — এই সালে বখতিয়ার খিলজি ভারতের দিকে আসেন কিন্তু তখনও বাংলা জয় করেননি।
B) ১২০৪ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এই সালেই তিনি বাংলা জয় করেন।
C) ১২১২ — এই সালটি বখতিয়ার খিলজির তিব্বত অভিযান এবং তাঁর মৃত্যুর কাছাকাছি সময়ের সাথে সম্পর্কিত।
D) ১২১২ — এই সালে বখতিয়ার খিলজি বাংলার শাসনক্ষমতায় ছিলেন না এবং এই সময়ের আগেই তাঁর মৃত্যু হয়।
মনে রাখার টিপস:
বখতিয়ার খিলজির বাংলা বিজয় ১২০৪ সাল। মনে রাখতে পারেন ১২০৪ মানে বাংলা শাসনের সূচনার জোর বছর।
সঠিক উত্তর: A) OMR
কেন সঠিক:
- OMR (Optical Mark Recognition) এর পূর্ণরূপ হলো অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন, যার মাধ্যমে বিশেষ চিহ্ন বা দাগ অপটিক্যাল স্ক্যানারের সাহায্যে কম্পিউটারে ইনপুট দেওয়া হয়।
- এটি মূলত বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য ব্যবহৃত একটি ইনপুট ডিভাইস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) OMR — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
B) COM — এর পূর্ণরূপ কম্পিউটার আউটপুট মাইক্রোফিল্ম, যা প্রসেসিং শেষে ফলাফল সংরক্ষণের একটি আউটপুট পদ্ধতি।
C) Plotter — এটি বড় আকারের গ্রাফ, চার্ট বা নকশা প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহৃত একটি আউটপুট ডিভাইস।
D) Monitor — এটি কম্পিউটারের প্রসেসিং করা ফলাফল স্ক্রিনে প্রদর্শন করার প্রধান একটি আউটপুট ডিভাইস।
মনে রাখার টিপস:
যে ডিভাইস দিয়ে ডেটা কম্পিউটারের ভেতর প্রবেশ করানো হয় তা ইনপুট, আর OMR দিয়ে উত্তরপত্রের দাগ স্ক্যান করে কম্পিউটারে তথ্য পাঠানো হয়।
সঠিক উত্তর: A) প্রোটোকল
কেন সঠিক:
- টিসিপি বা ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল ইন্টারনেট প্রোটোকল স্যুইটের একটি মূল যোগাযোগ প্রোটোকল যা ডেটা আদানপ্রদান নিশ্চিত করে।
- এটি ইন্টারনেটে বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্যাকেট নির্ভরযোগ্যভাবে এবং সঠিকভাবে প্রেরণের নিয়ম বা প্রোটোকল হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রোটোকল — এটি সঠিক উত্তর কারণ টিসিপি হলো ডেটা যোগাযোগের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্রোটোকল।
B) প্রোগ্রাম — প্রোগ্রাম হলো কম্পিউটারের নির্দিষ্ট কাজের নির্দেশমালা, কিন্তু টিসিপি কোনো সাধারণ একক প্রোগ্রাম নয়।
C) প্রোগ্রামিং — প্রোগ্রামিং হলো কম্পিউটার কোড বা সফটওয়্যার তৈরির প্রক্রিয়া, যা এই প্রোটোকলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
D) ফ্লোচার্ট — ফ্লোচার্ট হলো কাজের বা অ্যালগরিদমের চিত্রভিত্তিক প্রকাশ, এটি কোনো যোগাযোগ প্রোটোকল নয়।
মনে রাখার টিপস:
টিসিপি বা টিসিপি-আইপি নামটিতে থাকা প্রোটোকল শব্দটি মনে রাখলেই বোঝা যাবে এটি যোগাযোগের একটি নিয়ম বা প্রোটোকল।
সঠিক উত্তর: A) ঐচ্ছিক ক্রিয়া
কেন সঠিক:
- নীতিবিদ্যা বা নৈতিকতা মূলত মানুষের জ্ঞানপূর্বক ও ইচ্ছাকৃত কাজের ভালো-মন্দের বিচার করে।
- ঐচ্ছিক ক্রিয়া হলো সেই কাজ যা মানুষ নিজের জ্ঞান, ইচ্ছা ও বিচক্ষণতা অনুযায়ী সচেতনভাবে সম্পন্ন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঐচ্ছিক ক্রিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানুষ জ্ঞান ও ইচ্ছা দিয়ে এই কাজ করে এবং নীতিবিদ্যা এর নৈতিক মূল্যায়ন করে।
B) ইচ্ছা নিরপেক্ষ ক্রিয়া — এটি ভুল কারণ যে কাজের পেছনে মানুষের ইচ্ছা বা নিয়ন্ত্রণ থাকে না, নীতিবিদ্যা তাকে নৈতিক বিচার্য বিষয় হিসেবে ধরে না।
C) অনৈচ্ছিক ক্রিয়া — এটি ভুল কারণ মানুষের শারীরিক অনিচ্ছাকৃত বা স্বাভাবিক ক্রিয়া যেমন হৃৎস্পন্দন নীতিবিদ্যার আওতাভুক্ত নয়।
D) ক' ও 'গ' নামক ক্রিয়া — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ অনৈচ্ছিক ক্রিয়া নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় হতে পারে না, কেবল ঐচ্ছিক ক্রিয়াই এর আলোচ্য।
মনে রাখার টিপস:
নীতিবিদ্যার মূল বিষয় হলো মানুষের ইচ্ছা এবং সচেতন কর্ম, তাই কেবল ঐচ্ছিক ক্রিয়াই এর আলোচনার একমাত্র ক্ষেত্র।
সঠিক উত্তর: C) Read
কেন সঠিক:
- কম্পিউটার মেমোরি থেকে কোনো সংরক্ষিত ডাটা বা তথ্য খুঁজে বের করে প্রদর্শন করার প্রাথমিক ও মৌলিক প্রক্রিয়াকে রিড বা Read বলা হয়।
- রিড অপারেশন সম্পন্ন হলে মেমোরির মূল ডেটা অপরিবর্তিত থাকে এবং তা প্রসেসর বা ইউজারের কাছে দৃশ্যমান হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Read out — এই পরিভাষাটি সাধারণত কোনো যন্ত্রের ডিসপ্লে বা আউটপুট ডিভাইস থেকে পরিমাপের ফলাফল দেখার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, মেমোরি ডাটা উত্তোলনের ক্ষেত্রে নয়।
B) Read from — এটি একটি সাধারণ ইংরেজি বাক্যাংশ বা প্রিপজিশনাল ব্যবহার, কম্পিউটার আর্কিটেকচারের কোনো নির্দিষ্ট মেমোরি অপারেশন বা কমান্ড নির্দেশ করে না।
C) Read — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ কম্পিউটার বিজ্ঞানে মেমোরি থেকে ডাটা রিট্রাইভ বা পড়ার নির্দেশকে সরাসরি Read বলা হয়।
D) উপরের সবগুলোই — যেহেতু বাকি অপশনগুলো কম্পিউটার মেমোরি অপারেশন হিসেবে সঠিক নয়, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটার মেমোরিতে তথ্য রাখা হলো রাইট বা Write আর মেমোরি থেকে তথ্য পড়া বা তোলা হলো রিড বা Read।
সঠিক উত্তর: A) Input
কেন সঠিক:
- স্ক্যানার কোনো ডকুমেন্ট বা ছবিকে ডিজিটাল উপাত্তে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রবেশ করায়।
- ব্যবহারকারী বা বাহ্যিক উৎস থেকে তথ্য কম্পিউটারের ভেতরে প্রেরণের মাধ্যম হওয়ায় এটি একটি ইনপুট ডিভাইস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Input — এটি সঠিক উত্তর কারণ যন্ত্রটি তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে।
B) Output — আউটপুট ডিভাইস কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াজাত তথ্য ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে, যা স্ক্যানারের কাজের বিপরীত।
C) উভয়ই — স্ক্যানার শুধু তথ্য গ্রহণ ও প্রেরণ করে, কোনো তথ্য প্রদর্শন বা প্রক্রিয়াজাত করে আউটপুট দেয় না বিধви এটি সঠিক নয়।
D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব যন্ত্র দিয়ে কম্পিউটারে তথ্য প্রবেশ করানো হয়, যেমন কীবোর্ড, মাউস ও স্ক্যানার, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) চীন
কেন সঠিক:
- চীন ২০১৩ সালে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড বা বিআরআই উদ্যোগ ঘোষণা করে, যা ঐতিহাসিক সিল্ক রোডের আধুনিক রূপ।
- এশিয়ার সঙ্গে ইউরোপ ও আফ্রিকার যোগাযোগ এবং বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য এই মেগা প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — জাপান এই মেগা প্রকল্পের প্রবক্তা নয়, তবে তারা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন করে।
B) ভারত — ভারত চীনের এই উদ্যোগের ভূরাজনৈতিক ও সার্বভৌমত্ব সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে এর তীব্র বিরোধিতা করে আসছে।
C) আফগানিস্তান — আফগানিস্তান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশ হলেও এই বিশাল অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রকল্পের প্রবক্তা নয়।
D) চীন — চীন ২০১৩ সালে এই নিউ সিল্ক রোড বা বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের ধারণা উপস্থাপন করে বৈশ্বিক বাণিজ্য নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন সিল্ক রোড চীনের সঙ্গে যুক্ত ছিল, তাই নিউ সিল্ক রোড বা বিআরআই উদ্যোগের প্রবক্তাও চীন।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)