সঠিক উত্তর: C) বিদ্রোহী
১. কেন সঠিক:
উদ্ধৃত লাইন দুটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতার অংশ। এই কবিতায় নিপীড়িত মানুষের মুক্তির আকুতি এবং অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিদ্রোহের সুর ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বাংলা কবিতায় নতুন এক যুগ আনেন। ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে রচিত বিদ্রোহী কবিতাটি তাঁর অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অমর সৃষ্টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বলো বীর, বলো উন্নত মম শির।
ব্যাখ্যা: এটি বিদ্রোহী কবিতার বিখ্যাত প্রারম্ভিক চরণ যা কবির আত্মমর্যাদা ও দ্রোহ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: মহা-বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত আমি সেই দিন হবো শান্ত।
ব্যাখ্যা: এই চরণে কবির সংগ্রামের সমাপ্তি ও সাম্যবাদী চেতনার প্রকাশ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী বা অন্য কোনো বিশেষ ধারার কবিতা নয়, বরং এটি তাঁর সৃষ্টিসুখের উল্লাস কবিতার লাইন।
B) পূজারিণী — এটি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কবিতা যা পূজা ও ভক্তির থিমে রচিত।
D) পথহারা — এটি বিদ্রোহী কবিতার কোনো অংশ নয় এবং এটি কাজী নজরুল ইসলামের এই ঘরানার কবিতা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্রোহী কবিতার শেষাংশে উৎপীড়িতের ক্রন্দন রোল ও অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ শব্দগুলো রয়েছে। অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে বিদ্রোহী নামটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্রোহী কবিতার চরণ ও উৎস প্রায়ই আসে। অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতা বিদ্রোহী।
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
উদ্ধৃত পক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত একটি গীতিবকবিতা বা গানের অংশবিশেষ।
ভোর বা সকালের আগমন এবং হৃদয়ের আনন্দের প্রকাশ ঘটাতে কবি এই পংক্তিটি রচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা, যিনি কবিতা, গান, নাটক ও ছোটগল্পে অনন্য অবদান রেখেছেন।
এই গানটি তাঁর প্রভাত বা সকাল বিষয়ক প্রকৃতির গানগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি বিশেষ সৃষ্টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আজি হতে শতবর্ষ পরে কে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূরবী কাব্যের ১৪ নম্বর কবিতা এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাহিত্যিক উদ্ধৃতি।
উদাহরণ ২: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত যা তাঁর স্বদেশের প্রতি গভীর প্রেমের প্রকাশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি হলেও এই নির্দিষ্ট পংক্তিটি তাঁর কোনো কবিতার অংশ নয়।
B) জীবনানন্দ দাশ — তিনি রূপসী বাংলার কবি হলেও তাঁর লেখার ধরণ ও বিষয়বস্তু এই পংক্তির সঙ্গে মেলে না।
C) অতুল প্রসাদ — তিনি বিখ্যাত গীতিকার ও সুরকার হলেও এই গানটি তাঁর রচিত নয়।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর এবং তাঁর গীতবিতান বা সংশ্লিষ্ট কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
সকাল বা প্রভাত বিষয়ক দার্শনিক ও ভক্তিরসাত্মক গান এবং পংক্তি থাকলে প্রথমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথা চিন্তা করবে।
প্রকৃতি ও সকালের বন্দনা রবীন্দ্রনাথের গানে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত গান ও কবিতার পংক্তিগুলো বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের উদ্ধৃতি আসলে কবির সুর ও প্রকৃতির গানগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- 'পূর্ব-পশ্চিম' উপন্যাসটি বিশিষ্ট সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং বিখ্যাত একটি উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে দেশভাগ, উদ্বাস্তু সমস্যা এবং বাঙালি জীবনের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক পটভূমি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, কবি ও প্রাবন্ধিক।
- 'পূর্ব-পশ্চিম' উপন্যাসটি দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের আবেগ ও ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের রচিত 'প্রথম আলো' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের বাংলার রেনেসাঁ এবং সমাজজীবন নিয়ে রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের রচিত 'সেই সময়' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটির জন্য লেখক সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন এবং এটিও একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নজরুল ইসলাম — তিনি মূলত বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি হলেও 'পূর্ব-পশ্চিম' উপন্যাসটি তার লেখা নয়।
C) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও 'পূর্ব-পশ্চিম' উপন্যাসটির রচয়িতা নন।
D) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় ও বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার জন্য 'পূর্ব-পশ্চিম', 'সেই সময়' এবং 'প্রথম আলো' এই তিনটি নাম একসঙ্গে মনে রাখতে পারেন।
- দেশভাগ ও ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাসের কথা আসলে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'পূর্ব-পশ্চিম' নামটি সবার আগে স্মরণ করবেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- বড় আকারের ঐতিহাসিক উপন্যাস যেমন 'পূর্ব-পশ্চিম' ও 'সেই সময়' এর রচয়িতা হিসেবে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম ভালোভাবে মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
'সঞ্চয়িতা' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রখ্যাত কাব্যসংকলন, যার সংকলক ও লেখক হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১৯৩১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পঞ্চাশোর্ধ্ব বছরের কাব্যরচনা থেকে সেরা কবিতাগুলো নির্বাচন করে এই সংকলনটি প্রকাশ করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা সাহিত্যের একটি মৌলিক কাব্যসংকলন যেখানে কবির বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থ থেকে শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলো একত্রিত করা হয়েছে।
এই গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রায় সব প্রখ্যাত ধারার কবিতার এক অপূর্ব সমাহার দেখতে পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'গীতাঞ্জলি'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশ্বখ্যাত ভক্তিমূলক কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
উদাহরণ ২: 'সোনার তরী'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা রোমান্টিক ধারার কবিতার জন্য বিখ্যাত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও 'সঞ্চয়িতা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই সংকলনটি তার লেখা নয়।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি কবির শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলোর একটি প্রখ্যাত সংকলন।
D) রজনীকান্ত সেন — তিনি প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও গীতিকার হলেও এই গ্রন্থটির সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কবিতার সঞ্চয় বা সংগ্রহ হলো 'সঞ্চয়িতা'।
সংগ্রহ শব্দের 'সঞ্চয়' অংশটি দিয়ে 'সঞ্চয়িতা' এবং রবীন্দ্রনাথের নাম মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
'সঞ্চয়িতা' কাব্যগ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছিল বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক প্রশ্ন।
সঠিক উত্তর: D) এস এম সুলতান
১. কেন সঠিক:
- এস এম সুলতান বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী।
- তিনি গ্রামীণ জনপদের মানুষ ও সংস্কৃতির চিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এস এম সুলতান ১৯২৪ সালে নড়াইলের মাছিমক্ষায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান এবং তিনি বিশ্ববিখ্যাত চিত্রশিল্পীদের অন্যতম একজন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের আরেকজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং শিল্পাচার্য নামে পরিচিত।
উদাহরণ ২: কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ ও চিত্রশিল্পী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আল মাহমুদ — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিক কবি ও কথাসাহিত্যিক, চিত্রশিল্পী নন।
B) আবু ইসহাক — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, যাঁর বিখ্যাত উপন্যাস সূর্য দীঘল বাড়ি।
C) এফ আর খান — তিনি একজন বিশ্বখ্যাত স্থপতি ও প্রকৌশলী, চিত্রশিল্পী নন।
D) এস এম সুলতান — তিনি একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সুলতান শব্দটি শুনলেই মাথায় রাখবে লাল রঙের মাটি ও গ্রামীণ চিত্রশিল্পীর কথা।
- বাংলাদেশের প্রধান চিত্রশিল্পীদের নামের সাথে জয়নুল ও সুলতান নাম দুটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এস এম সুলতানের জন্মস্থান নড়াইল এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত শিশুশিক্ষালয় চারুপীঠ বিখ্যাত।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন এবং এস এম সুলতানের পেশা প্রায়শই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) জহির রায়হান
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও গণহত্যার দৃশ্য নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য চলচ্চিত্র হলো 'Stop Genocide'।
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান এই প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটির মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলমগীর কবির — তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও চলচ্চিত্র সমালোচক হলেও এই প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের পরিচালক নন।
B) জহির রায়হান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) সত্যজিৎ রায় — তিনি ভারতের বরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং 'অপু ট্রিলজি'র পরিচালক, বাংলাদেশের এই প্রামাণ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) তারেক মাসুদ — তিনি পরবর্তী প্রজন্মের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও 'মাটির ময়না' চলচ্চিত্রের পরিচালক, ১৯৭১ সালের এই ছবির সঙ্গে যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সময় জহির রায়হান গণহত্যা থামানোর ডাক দিয়েছিলেন 'Stop Genocide' প্রামাণ্যচিত্র তৈরির মাধ্যমে।
সঠিক উত্তর: D) ১৬
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সংবিধান এ পর্যন্ত মোট ১৬ বার সংশোধিত হয়েছে।
- ২০১৭ সাল পর্যন্ত ১৫ বার সংশোধিত হলেও ২০১৭ সালের জুলাই মাসে ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে এটি ১৬ বার পূর্ণ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ — ১০ বার সংশোধন সঠিক নয় কারণ এই সংখ্যাটি বর্তমান মোট সংশোধনীর সংখ্যার চেয়ে কম।
B) ১৪ — ১৪ বার সংশোধন সঠিক নয় কারণ এটি সংবিধানের চূড়ান্ত সংশোধন সংখ্যা নির্দেশ করে না।
C) ১৫ — ১৫ বার সংশোধন সঠিক নয় কারণ এটি ২০১৭ সালের আগের হিসাব, কিন্তু প্রশ্নটিতে ২০১৭ সাল পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য চাওয়া হয়েছে যেখানে ১৬তম সংশোধনী পাস হয়েছিল।
D) ১৬ — এটি সঠিক কারণ ২০১৭ সালের জুলাই মাসে ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধান মোট ১৬ বার সংশোধিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের সর্বশেষ বা ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়েছিল ২০১৭ সালে, তাই মোট সংশোধনী সংখ্যা ১৬।
সঠিক উত্তর: C) ব্রাসেলস
কেন সঠিক:
- বেলজিয়ামের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হলো ব্রাসেলস, যা দেশটির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র।
- এই শহরটি একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান প্রশাসনিক দপ্তর এবং ন্যাটোর সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিসায়ু — এটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউয়ের রাজধানী, বেলজিয়ামের নয়।
B) ব্রাসিলিয়া — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের রাজধানী, বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস নয়।
C) ব্রাসেলস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বেলজিয়ামের রাজধানী।
D) বুদাপেস্ট — এটি মধ্য ইউরোপের দেশ হাঙ্গেরির রাজধানী, বেলজিয়ামের রাজধানী নয়।
মনে রাখার টিপস:
বেলজিয়াম দেশের নামের প্রথম অক্ষর ব এবং এর রাজধানী ব্রাসেলসের প্রথম অক্ষরও ব, যা সহজে মনে রাখতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: C) কাতার
কেন সঠিক:
- দোহা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারের রাজধানী এবং দেশের সবচেয়ে বড় শহর।
- শহরটি পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত এবং এটি দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তানজানিয়া — তানজানিয়ার রাজধানীর নাম দোডোমা, দোহা নয়।
B) সিরিয়া — সিরিয়ার রাজধানীর নাম দামেস্ক, দোহা নয়।
C) কাতার — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, কারণ দোহা কাতারের রাজধানী।
D) তাজাকিস্তান — তাজিকিস্তানের রাজধানীর নাম দুশানবে, দোহা নয়।
মনে রাখার টিপস:
কাতারের দোহা নামটি মনে রাখতে ক দিয়ে শুরু হওয়া কাতার ও রাজধানী দোহা মিলিয়ে ক-দ মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৩ (নোট: প্রদত্ত সঠিক উত্তর B) ১৯৭৩ সঠিক, তবে এখানে নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলা সংখ্যায় সাল উল্লেখ করা হলো: ১৯৭৩)
কেন সঠিক:
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণীত হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ দেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয়লাভ করে সরকার গঠন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫২ — এটি ভাষা আন্দোলনের বছর, সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।
B) ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) ১৯৭৭ — এই সালে বাংলাদেশে কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, বরং জিয়ার সামরিক শাসন চলাকালে গণভোট হয়েছিল।
D) ১৯৭৯ — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বছর, প্রথম নির্বাচনের বছর নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর পরই দেশ চালাতে প্রথম সংসদ নির্বাচন হয় ১৯৭৩ সালে।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ভুটান
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রথম আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।
- একই দিনে ভারতও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, তবে ভুটান কয়েক ঘণ্টা আগে স্বীকৃতি দেওয়ায় তারা প্রথম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভুটানের পরেই একই দিনে অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
B) ইরাক — মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ১৯৭১ সালের ৮ জুলাই বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
C) সোভিয়েত ইউনিয়ন — পরাশক্তিগুলোর মধ্যে ১৯৭২ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
D) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেওয়া দেশের নাম মনে রাখতে "ভূ" (ভুটান) অক্ষরটি দিয়ে শুরু শব্দটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ১৭৯৩
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- এই ব্যবস্থার মাধ্যমে জমিদারদের নির্দিষ্ট রাজস্বের বিনিময়ে জমির স্থায়ী মালিকানা প্রদান করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৩৫ — এটি ভারত শাসন আইনের সাল, চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।
B) ১৮৯৩ — এই সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
C) ১৭৯৩ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এই সালেই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তিত হয়।
D) ১৭৩৫ — এই সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
মনে রাখার টিপস:
লর্ড কর্নওয়ালিসের নাম এবং ১৭৯৩ সাল মনে রাখতে 'কর্নওয়ালিস ও ১৭৯৩' একসঙ্গে স্মরণ করুন।
সঠিক উত্তর: C) আর্চার কে ব্লাড
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে ঢাকায় কর্মরত মার্কিন কনসাল জেনারেল আর্চার কে ব্লাড পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বর্বরতার কথা উল্লেখ করে ওয়াশিংটনে টেলিগ্রাম পাঠিয়েছিলেন, যা ব্লাড টেলিগ্রাম নামে পরিচিত।
- তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং তার লেখা 'দ্য ক্রুয়েল বার্থ অফ বাংলাদেশ' গ্রন্থে সেই উত্তাল দিনগুলোর প্রামাণ্য চিত্র তুলে ধরেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এস এ করিম — তিনি এই গ্রন্থটির লেখক নন, তবে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থের লেখক।
B) এন্থনি মাসকারেনহাস — তিনি বিখ্যাত 'রেকর্ডস অফ এরেভলিউশন' ও 'বাংলাদেশ: আ ব্লাড স্মারক' বা 'ল অব এরেভলিউশন' এর মতো গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থের লেখক।
C) আর্চার কে ব্লাড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) এডওয়ার্ড কেনেডি — তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পক্ষে জোরালো ভূমিকা পালনকারী মার্কিন সিনেটর ছিলেন, এই গ্রন্থের লেখক নন।
মনে রাখার টিপস:
ব্লাড অর্থ রক্ত, আর ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী জন্মলগ্নের ইতিহাস লিখেছিলেন মার্কিন কূটনীতিক আর্চার কে ব্লাড।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
কেন সঠিক:
- এই দিনে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- এদিন স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয় এবং অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই দিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে, গঠিত হয় না।
B) ৭ মার্চ ১৯৭১ — এই ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন ও স্বাধীনতার রূপরেখা দেন।
C) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল বা ভিন্ন প্রসঙ্গ প্রযোজ্য নয়।
D) ২৫ মার্চ ১৯৭১ — এই রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঢাকাসহ সারাদেশে অপারেশন সার্চলাইট নামে গণহত্যা চালায়।
মনে রাখার টিপস:
গঠন ১০ তারিখে আর শপথ ১৭ তারিখে, এভাবে তারিখ দুটি আলাদা করে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) রুশো
কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত উক্তিটি ফরাসি দার্শনিক জঁ জাক রুশো-র "দ্য সোশ্যাল কন্টাক্ট" গ্রন্থের মূল প্রতিপাদ্য।
- মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন হলেও সমাজের নানা কৃত্রিম শৃঙ্খল ও বৈষম্যের কারণে সে পরাধীন হয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এরিস্টটল — তিনি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক হলেও এই উক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
B) প্লেটো — তিনি আদর্শ রাষ্ট্র ও ন্যায়বিচার নিয়ে তত্ত্ব দিলেও এই বিখ্যাত রাজনৈতিক উক্তিটি তাঁর নয়।
C) মেকিয়াভেলী — তিনি রাজনৈতিক বাস্তববাদ ও ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ে "দ্য প্রিন্স" গ্রন্থ রচনা করেছেন, যা এর বিপরীত।
D) রুশো — তিনি এই প্রখ্যাত উক্তির মাধ্যমে মানুষের স্বাধীনতা ও সামাজিক চুক্তির ধারণা ব্যাখ্যা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার কথা এলেই মনে রাখবে জঁ জাক রুশোর কথা, যিনি বলেছেন মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি (C) ১৯৬৬ ভুল। ঐতিহাসিক সত্য অনুযায়ী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় ১৯৬৮ সালের জানুয়ারি মাসে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৮
কেন সঠিক:
- পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে ১৯৬৮ সালের জানুয়ারি মাসে এই মামলা দায়ের করে।
- এই মামলার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬৯ — এই সালে তীব্র গণঅভিউত্থানের মুখে আইয়ুব খানের পতনের পর আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করা হয় এবং বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়।
B) ১৯৬৮ — এটি সঠিক বছর, কারণ এই বছরের জানুয়ারি মাসে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
C) ১৯৬৬ — এই সালে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়েছিল, আগরতলা মামলা দায়ের করা হয়নি।
D) ১৯৭০ — এই সালে পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা এই মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফা ১৯৬৬ সালে আর আগরতলা মামলা ১৯৬৮ সালে শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: C) উইনস্টন চার্চিল
কেন সঠিক:
- উইনস্টন চার্চিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪০ সালের জুন মাসে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এই বিখ্যাত ভাষণটি দিয়েছিলেন।
- নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে ব্রিটিশ জাতির অটল প্রতিরোধ ও মনোবল ধরে রাখতে চার্চিল এই ঐতিহাসিক উক্তি করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক, এই ব্রিটিশ যুদ্ধকালীন বক্তৃতার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
B) আব্রাহাম লিঙ্কন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং গেটিসবার্গ ভাষণ তার সবচেয়ে বিখ্যাত বক্তৃতা।
C) উইনস্টন চার্চিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে আলাদা কোনো ভুল কারণ নেই।
D) মাও সেতুং — তিনি চীনা বিপ্লবের নেতা ছিলেন এবং সাম্যবাদী মতাদর্শের সঙ্গে তার বিখ্যাত উক্তি ও রচনাবলি যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
সমুদ্র সৈকতে (Beaches) যুদ্ধের কথা বললেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ব্রিটিশ নেতা উইনস্টন চার্চিলের কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) ২০০২
কেন সঠিক:
- এ পি জে আবুল কালাম ভারতের দ্বাদশ রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২০০২ সালের ২৫ জুলাই শপথ গ্রহণ করেন।
- তিনি ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তাকে ভারতের মিস্টার মিসাইল ম্যান বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৯ — এই সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন না, এটি তার রাষ্ট্রপতির মেয়াদকাল নয়।
B) ২০০০ — এই সালে তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হননি।
C) ২০০১ — এই সালটিও তার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার বছর নয়।
D) ২০০২ — এই সালে তিনি ভারতের একাদশ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন এবং সঠিক উত্তর এটি।
মনে রাখার টিপস:
আবুল কালাম আজাদ ২০০২ সালের জুলাই মাসে ভারতের রাষ্ট্রপতি হন, সংখ্যাটি মনে রাখতে ২০০২ সালটি মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) CARE
কেন সঠিক:
- CARE হলো একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি মানবিক সংস্থা বা এনজিও।
- এটি জাতিসংঘের কোনো মূল অঙ্গ বা সহযোগী সংগঠন নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CARE — এটি একটি বেসরকারি সাহায্য সংস্থা হওয়ায় জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন নয়।
B) ILO — আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা জাতিসংঘের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষায়িত অঙ্গ সংগঠন।
C) UNDP — জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধীন একটি প্রধান অঙ্গ সংগঠন।
D) WFP — বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জাতিসংঘের একটি প্রধান খাদ্য সহায়তা শাখা ও অঙ্গ সংগঠন।
মনে রাখার টিপস:
CARE হলো একটি বেসরকারি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা জাতিসংঘের সরাসরি কোনো অংশ নয়।
সঠিক উত্তর: A) নাটক
কেন সঠিক:
- ম্যাকবেথ হলো বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেকসপিয়রের লেখা একটি বিখ্যাত বিয়োগাত্মক নাটক বা ট্রাজেডি।
- এই নাটকটিতে উচ্চাভিলাষ এবং ক্ষমতার লোভের কারণে মানুষের পতনের বিষয়টি অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — এটি সঠিক উত্তর কারণ ম্যাকবেথ একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক।
B) প্রবন্ধ — প্রবন্ধ হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে তথ্য বা মতামতমূলক গদ্য রচনা, যা ম্যাকবেথ নয়।
C) উপন্যাস — উপন্যাসের মতো দীর্ঘ কল্পিত গদ্যকাহিনি এটি নয়, এটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার উপযোগী নাটক।
D) কবিতা — কবিতা হলো পদ্য ছন্দে রচিত সাহিত্যকর্ম, কিন্তু ম্যাকবেথ মূলত নাটক হিসেবে রচিত।
মনে রাখার টিপস:
শেকসপিয়রের অমর ট্রাজেডিগুলোর মধ্যে ম্যাকবেথ, হ্যামলেট এবং ওথেলো হলো বিখ্যাত নাটক।
সঠিক উত্তর: B) প্রাচ্যবাদ
কেন সঠিক:
- ইংরেজি Orientalism শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো প্রাচ্যবাদ, যা এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের সংস্কৃতি ও সমাজ অধ্যয়নকে বোঝায়।
- বিখ্যাত চিন্তাবিদ এডওয়ার্ড সাইদ তার প্রাচ্যবাদ বইটিতে এই ধারণার তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাচীন — প্রাচীন শব্দের অর্থ পুরনো বা কালগত দিক থেকে অতীতের কিছু, যা Orientalism শব্দের ভাষাগত ও তাত্ত্বিক অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) প্রাচ্যবাদ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং Orientalism শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ।
C) পুঁজিবাদ — পুঁজিবাদ একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে উৎপাদন মাধ্যমগুলো ব্যক্তিগত মালিকানাধীন থাকে, এটি Orientalism শব্দের অর্থ নয়।
D) সাম্যবাদ — সাম্যবাদ একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দর্শন যেখানে সব সম্পত্তির ওপর সমাজের যৌথ মালিকানা থাকে, এটি এই শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Orient শব্দের অর্থ প্রাচ্য বা পূর্ব দিক, তাই এর সঙ্গে ism যুক্ত হয়ে Orientalism বা প্রাচ্যবাদ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) প্রত্নতাত্ত্বিক খনন
কেন সঠিক:
- নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলার উয়ারী ও বটেশ্বর গ্রামে প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন পাওয়ার পর এখানে ব্যাপক প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্য চালানো হয়।
- এই খননকাজের মাধ্যমে প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরনো মৌর্য আমল ও তার আগের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাণিজ্য কেন্দ্র — উয়ারী-বটেশ্বর প্রাচীনকালে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল বটে, তবে বর্তমান সময়ে এটি প্রধানত প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও আবিষ্কারের জন্যই আলোচিত।
B) নতুন খনিজ সম্পদ প্রাপ্তি — এখানে মাটি খুঁড়ে কোনো নতুন খনিজ সম্পদ বা আকরিক পাওয়ার জন্য খননকার্য চালানো হয়নি, এটি ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
C) প্রত্নতাত্ত্বিক খনন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
D) সাহিত্য চর্চা কেন্দ্র — এটি কোনো প্রাচীন সাহিত্য বা পঠন-পাঠনের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল না, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
উয়ারী ও বটেশ্বর নাম শুনলেই মাথায় রাখবে প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক খনন এবং মাটি খুঁড়ে পাওয়া হাজার বছরের পুরনো ঐতিহাসিক নিদর্শন।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) অ্যান্টনিও গুতেরেস
কেন সঠিক:
- তিনি জাতিসংঘের নবম এবং বর্তমান মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- তিনি ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে এই পদে কর্মরত আছেন এবং পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বান কি মুন — তিনি জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব ছিলেন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক।
B) পিটার থমসন — তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের একাত্তরতম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন।
D) ব্রাউন — এই নামের কোনো ব্যক্তি জাতিসংঘের মহাসচিব হননি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
মনে রাখার টিপস:
বর্তমান মহাসচিব গুতেরেস নামটির সাথে নয় সংখ্যাটি মনে রাখলে সহজে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যাবে।
সঠিক উত্তর: B) হেনরি ডুনান্ট
কেন সঠিক:
- জিনভা কনভেনশন এবং রেডক্রস আন্দোলনের প্রবক্তা জ্যঁ হেনরি ডুনান্ট ১৮৬৩ সালে রেডক্রস প্রতিষ্ঠা করেন।
- যুদ্ধাহত সৈনিকদের সেবা ও মানবিক সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে তিনি আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি গঠন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রেডরিক প্যাসে — তিনি ফরাসি অর্থনীতিবিদ এবং প্রথম নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী, রেডক্রসের প্রতিষ্ঠাতা নন।
B) হেনরি ডুনান্ট — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) ফ্রেডরিখ এঞ্জেলস — তিনি বিখ্যাত দার্শনিক এবং কার্ল মার্কসের সহকর্মী ছিলেন, যা রেডক্রস সম্পর্কিত নয়।
D) লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল — তিনি স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা, রেডক্রস প্রতিষ্ঠার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
রেডক্রস মানে মানবতা এবং হেনরি ডুনান্ট হলেন মানবতার সেবায় রেডক্রসের প্রতিষ্ঠাতা।
সঠিক উত্তর: B) জানুয়ারি ২০১৬
কেন সঠিক:
- টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি ২০৩০ এজেন্ডার অংশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ১ জানুয়ারি ২০১৬ সাল থেকে কার্যকর হয়।
- ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন শীর্ষ সম্মেলনে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এসডিজি অনুমোদিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জানুয়ারি ২০১৫ — এই সময়ে এমডিজি বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার শেষ পর্যায় চলছিল এবং এসডিজি তখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি।
B) জানুয়ারি ২০১৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখ থেকেই এসডিজি আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়ন শুরু হয়।
C) ফেব্রুয়ারি ২০১৭ — এটি এসডিজি শুরুর কোনো সঠিক সাল বা মাস নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) মার্চ ২০১৭ — এই সময়ে এসডিজির কার্যক্রম অনেকদূর এগিয়ে গেলেও এটি শুরুর তারিখ নয়।
মনে রাখার টিপস:
এমডিজি শেষ হয় ২০১৫ সালে আর এসডিজি শুরু হয় পরের বছর অর্থাৎ ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৭ সাল (প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী: B) 1997)
কেন সঠিক:
- এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তৎকালীন সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং শান্তি বাহিনীর পক্ষে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (শন্তু লারমা) এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1996 — এই সালে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি তৎকালীন বিএনপি সরকারের শেষ বছর ছিল।
B) 1997 — এই সালেই ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
C) 1998 — এই সালটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পরের বছর, তাই এটি সঠিক নয়।
D) 1999 — এই সালে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি চুক্তির পরবর্তী সময়কাল।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার ২৬ বছর পর ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) অ্যাডাম স্মিথ
কেন সঠিক:
- অ্যাডাম স্মিথ ১৭৭৬ সালে প্রকাশিত 'দ্য ওয়েলথ অফ নেশনস' গ্রন্থের মাধ্যমে আধুনিক অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপন করেন।
- তাকে অর্থনীতির জনক বলা হয় এবং এই গ্রন্থটি ক্লাসিক্যাল অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রচনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ্যাডাম স্মিথ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই বিখ্যাত অর্থনৈতিক গ্রন্থের রচয়িতা।
B) কার্ল মার্কস — তিনি 'দাস Kapital' এবং 'কমিউনিস্ট ইশতেহার' গ্রন্থের রচয়িতা, 'দ্য ওয়েলথ অফ নেশনস' এর নয়।
C) জ্যাঁ জ্যাক রুশো — তিনি বিখ্যাত রাজনৈতিক দার্শনিক এবং 'দ্য সোশ্যাল কন্টাক্ট' গ্রন্থের রচয়িতা।
D) থমাস হবস — তিনি রাজনৈতিক দর্শনের সাথে যুক্ত এবং 'লেভিয়াথান' গ্রন্থের রচয়িতা।
মনে রাখার টিপস:
সম্পদের জনক বা স্মিথ মানেই ওয়েলথ অফ নেশনস।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) রাজশাহী
কেন সঠিক:
- ভারতের গঙ্গাসভা থেকে উৎপন্ন প্রধান শাখা পদ্মা নদী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে অনেক সময় ধরা হয়, তবে ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক রেকর্ডে এটি রাজশাহী জেলার সীমানা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এই নদীটি পরবর্তীতে কুষ্টিয়ার কাছে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে অগ্রসর হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খুলনা — খুলনা দক্ষিণ অঞ্চলের একটি জেলা এবং এটি পদ্মা নদীর প্রবেশস্থল নয়, বরং উপকূলীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
B) রাজশাহী — প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটি সঠিক এবং নদীটি এই অঞ্চলের ওপর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
C) কুষ্টিয়া — কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদী প্রবেশ করেনি, বরং এই জেলার পাশ দিয়ে প্রবহমান হয়ে দক্ষিণ দিকে চলে গেছে।
D) দিনাজপুর — দিনাজপুর উত্তর অঞ্চলের একটি জেলা এবং এর ওপর দিয়ে পদ্মা নদী প্রবাহিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা নদী বাংলাদেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে রাজশাহী জেলার নামটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ১১ মার্চ ১৯৪৮
কেন সঠিক:
- ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদার দাবিতে প্রথম সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয় ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ।
- এই কর্মসূচির মাধ্যমে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম সফল রাজনৈতিক ও ছাত্র আন্দোলন গড়ে ওঠে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ মার্চ ১৯৫৭ — এই সালের এই তারিখে ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ধর্মঘটের ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই।
B) ১১ মার্চ ১৯৪৭ — এই তারিখে বাংলা ভাষayı রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে কোনো আনুষ্ঠানিক ধর্মঘট পালিত হয়নি।
D) ১৭ মার্চ ১৯৪৯ — এই দিনটি ভাষা আন্দোলনের প্রথম ধর্মঘটের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়, এটি অন্য একটি সময়কাল।
মনে রাখার টিপস:
আটচল্লিশের এগারোই মার্চ, প্রথম ধর্মঘট হলো সার্চ।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪০
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ ভারতের মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে ২৩ মার্চ এই ঐতিহাসিক প্রস্তাব গৃহীত হয়।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এই প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন এবং এতে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলো নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৩৭ — এই সালে ভারতের প্রদেশগুলোতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা লাহোর প্রস্তাবের সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) ১৯৪০ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
C) ১৯৪১ — এই সালে মুসলিম লীগের মাদ্রাজ অধিবেশনে লাহোর প্রস্তাবের মূল আদর্শ দলের লক্ষ্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
D) ১৯৪২ — এই সালে ভারতে ক্রিপস মিশন এসেছিল, যা লাহোর প্রস্তাব গ্রহণের পরের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
লাহোর প্রস্তাব পাস হয় ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ, আর ১৯৭১ সালের এই ২৩ মার্চই পাকিস্তান বাহিনী বাঙালি নিধন শুরু করেছিল।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত একটি ঐতিহাসিক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় তিনি এই কারাগারের রোজনামচা লিখেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক — তিনি বিখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থটির লেখক নন।
B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
সি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক গুরু হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) আবুল মনসুর আহমদ — তিনি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ হলেও এই বইটির লেখক নন।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর জেল জীবনের ডায়েরি মানেই কারাগারের রোজনামচা।
সঠিক উত্তর: B) আমাজন (প্রশ্নে আমজান লেখা থাকলেও সঠিক উত্তর আমাজন)
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত আমাজন বন বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিবহুল ও ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনাঞ্চল।
- এই বন পৃথিবীর ফুসফুস নামে পরিচিত কারণ এটি বিপুল পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুন্দরবন — এটি বিশ্বের বৃহত্তম একক ম্যানগ্রোভ বা লবণাক্ত বন, বৃষ্টিপ্রধান ক্রান্তীয় রেইনফরেস্ট নয়।
B) আমজান — এটি মূল প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান বনাঞ্চল।
C) কঙ্গো — এটি আফ্রিকার বৃহত্তম রেইনফরেস্ট হলেও আমাজনের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম।
D) সুভানা — এটি মূলত তৃণভূমি অঞ্চল, কোনো বৃষ্টিপ্রধান ঘন বন নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান বন মনে রাখতে আমাজন নামটির সাথে বৃষ্টি ও দক্ষিণ আমেরিকার কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) নীল
কেন সঠিক:
- মিশরের রাজধানী কায়রো বিশ্বের দীর্ঘতম নদী নীল নদের তীরে অবস্থিত।
- প্রাচীন সভ্যতাগুলো সাধারণত নদীর তীরেই গড়ে উঠেছিল এবং নীল নদ অববাহিকায় প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা বিকশিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টাইগ্রিস — এটি ইরাকের একটি নদী, যার তীরে দেশটির রাজধানী বাগদাদ অবস্থিত।
B) সিন্ধ — এটি পাকিস্তান ও ভারতের একটি প্রধান নদী, যা আরব সাগরে পতিত হয়েছে।
C) নীল — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
D) ইউফ্রেটিস — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি ঐতিহাসিক নদী, যা টাইগ্রিস নদীর সাথে মিলিত হয়ে শাতুল আরব গঠন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
কায়রো ও নীল নদ মনে রাখতে মনে রাখুন, মিশরের প্রাণকেন্দ্র কায়রো নীল নদের তীরে অবস্থিত।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও অর্থনীতি
সঠিক উত্তর: D) ওয়াশিংটন ডিসি
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (নিউইয়র্ক) ভুল ছিল। আইএমএফ বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত হলেও তা নিউইয়র্ক নয়, বরং ওয়াশিংটন ডিসি।
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ ১৯৪৫ সালে কার্যক্রম শুরু করার পর থেকেই ওয়াশিংটন ডিসি থেকে এর দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
- বিশ্বব্যাংকের মতো এই আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ও একই শহরে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে আইএমএফের সদর দপ্তর নেই।
B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ডব্লিউটিও-এর মতো সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে।
setC) নিউইয়র্ক — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর, আইএমএফের নয়।
D) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং আইএমএফের মূল সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস: অর্থ ও মুদ্রার হিসাব রাখার বড় বড় ব্যাংক ও তহবিলের সদর দপ্তর সাধারণত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতেই থাকে।
সঠিক উত্তর: B) জাপান
কেন সঠিক:
- অলিম্পিক ২০২০ গেমসের নির্ধারিত স্বাগতিক দেশ ছিল জাপান এবং এর রাজধানী টোকিওতে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়।
- কোভিড মহামারীর কারণে এক বছর পিছিয়ে ২০২০ সালের পরিবর্তে অলিম্পিক ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হলেও এটি টোকিও ২০২০ অলিম্পিক নামেই পরিচিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রাজিল — রিও ডি জেনেরিও ২০১৬ সালের অলিম্পিক গেমসের স্বাগতিক শহর ছিল।
B) জাপান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ২০২০ সালের অলিম্পিকের আয়োজক দেশ।
C) চীন — বেইজিং শহর ২০০৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক এবং ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিক আয়োজন করেছিল।
D) অস্ট্রেলিয়া — সিডনি ২০০০ সালের অলিম্পিক গেমসের স্বাগতিক শহর ছিল এবং ২০৩২ সালের আয়োজক হবে ব্রিসবেন।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যোদয়ের দেশ জাপানের রাজধানী টোকিওতে ২০২০ সালের অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) প্রফসর মোহাম্মদ ইব্রাহিম
কেন সঠিক:
- প্রফসর মোহাম্মদ ইব্রাহিম ১৯৫৩ সালে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার হাত ধরেই ১৯৫৬ সালে বারডেম হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তিনি ডায়াবেটিস রোগীদের সেবা ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্রটি গড়ে তোলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডা. এম আর খান — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন এবং শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নে অবদান রেখেছেন, বারডেম হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা নন।
B) প্রফসর মোহাম্মদ ইব্রাহিম — এটি সঠিক উত্তর।
C) ডা. নূরুল ইসলাম — তিনি দেশের একজন খ্যাতনামা চিকিৎসক ও অধ্যাপক ছিলেন, তবে বারডেম হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা নন।
D) ডা. গোলাম রসুল — তিনি চিকিৎসা জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তি হলেও বারডেম হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসার কথা মনে এলে প্রফসর মোহাম্মদ ইব্রাহিম এবং বারডেম হাসপাতালের নাম একসঙ্গে মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ মাইনুল হোসেন
কেন সঠিক:
- স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল নকশা প্রণয়ন করেছিলেন।
- ১৯৭৮ সালে জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা আহ্বান করা হলে তার নকশা চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুই আই কান — তিনি জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি হিসেবে বিশ্বখ্যাত।
B) নিতুন কুণ্ডু — তিনি একজন খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর এবং স্মৃতিসৌধের বিভিন্ন ভাস্কর্যের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
C) মাযহারুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্যশিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ এবং প্রথিতযশা স্থপতি।
D) সৈয়দ মাইনুল হোসেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
স্মৃতিসৌধের মাইনুল ইসলাম না হয়ে মাইনুল হোসেন হবে, এভাবে নামের শেষ অংশ মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) বান্দরবান
কেন সঠিক:
- চিম্বুক পাহাড় বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চল বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- এটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি দর্শনীয় স্থান এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম উঁচু পাহাড়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাঙ্গামাটি — এটি রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত নয়, কারণ রাঙ্গামাটিতে সাজেক বা কেওক্রাডাটার মতো অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে।
B) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) খাগড়াছড়ি — এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত নয়, কারণ খাগড়াছড়িতে আলুটিলা বা রিছাং ঝরনা অবস্থিত।
D) সিলেট — এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত নয়, কারণ সিলেট চায়ের বাগান ও হযরত শাহজালালের মাজারের জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
বান্দরবানের বিখ্যাত পর্যটন স্থান মনে রাখতে 'চিম্বুক' শব্দটি মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) নাফ
কেন সঠিক:
- নাফ নদী বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যকার প্রাকৃতিক সীমান্ত হিসেবে কাজ করে।
- এই নদীর তীরেই বাংলাদেশ ও মায়ানমারের ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাফ — এটি বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে পৃথককারী প্রধান নদী এবং সঠিক উত্তর।
B) কর্ণফুলী — এটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান নদী, কোনো আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ করেনি।
C) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর একটি এবং ভারতের সাথে এর সংযোগ রয়েছে।
D) হালদা — এটি কর্ণফুলী নদীর একটি বিখ্যাত উপনদী এবং মাছের প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
মায়ানমারের সাথে নাফ নদী দিয়ে বর্ডার সাফ।
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: C) মজনু শাহ
কেন সঠিক:
- মজনু শাহ ছিলেন ফকির আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী নেতা, যিনি ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।
- তিনি উত্তরবঙ্গ ও মওহা অঞ্চলে ব্রিটিশ কোম্পানি ও তাদের দেশীয় দোসরদের বিরুদ্ধে সফলভাবে ফকির বিদ্রোহ পরিচালনা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাজী শরীয়ত উল্লাহ — তিনি বাংলার ফরায়েজি আন্দোলনের প্রবক্তা ও সংস্কারক ছিলেন, ফকির আন্দোলনের নেতা নন।
B) মোহসীন উদ্দীন দুখু মিয়া — তিনি দুদু মিঞা নামে পরিচিত এবং ফরায়েজি আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন।
D) মাওলানা ভাসানী — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও মজলুম জননেতা ছিলেন, ঐতিহাসিক ফকির আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
ফকির মজনু শাহ মনে রাখুন, কারণ ফকির আন্দোলনের সঙ্গে মজনু শাহ নামটি বিশেষভাবে জড়িত।
সঠিক উত্তর: A) চীনের দার্শনিক
কেন সঠিক:
- কনফুসিয়াস প্রাচীন চীনের একজন বিশ্বখ্যাত দার্শনিক, শিক্ষক এবং রাজনৈতিক তাত্ত্বিক ছিলেন।
- তার দর্শন মূলত নৈতিকতা, সামাজিক প্রথা এবং মানবীয় সম্পর্কের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীনের দার্শনিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি চীনের প্রাচীনকালের অন্যতম প্রধান চিন্তাবিদ ছিলেন।
B) জাপানের কবি — কনফুসিয়াস কবি ছিলেন না এবং তার জন্ম ও কর্মক্ষেত্র জাপান নয়, চীন।
C) ফরাসি বৈজ্ঞানিক — তিনি বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করেননি এবং ফরাসি সংস্কৃতির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) ভারতের সমাজতাত্ত্বিক — তিনি ভারতের মানুষ নন এবং সমাজতত্ত্ব আধুনিক একটি বিষয়, যা তার প্রাচীন যুগের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
কনফুসিয়াসের নাম শুনলেই মনে রাখবে তিনি প্রাচীন চীনের বিখ্যাত নৈতিক দার্শনিক ও শিক্ষক।
সঠিক উত্তর: B) ইংল্যান্ড
কেন সঠিক:
- ২০১৯ সালের দ্বাদশ পুরুষ একদিবসীয় ক্রিকেট বিশ্বকাপ ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ড দল প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ২০১৫ এবং এর আগে বহুবার বিশ্বকাপ আয়োজন করলেও ২০১৯ সালের আয়োজক ছিল না।
B) ইংল্যান্ড — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ২০১৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের মূল আয়োজক দেশ।
C) ফ্রান্স — ফ্রান্স ক্রিকেট খেলুড়ে প্রধান দেশ নয় এবং তারা কখনো পুরুষদের ক্রিকেট বিশ্বকাপ আয়োজন করেনি।
D) ভারত — ভারত ২০২৩ সালের পুরুষ একদিবসীয় ক্রিকেট বিশ্বকাপের মূল আয়োজক দেশ ছিল।
মনে রাখার টিপস:
ক্রিকেট খেলার জন্মস্থান ইংল্যান্ড, তাই ২০১৯ সালের বিশ্বকাপও সেখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
কেন সঠিক:
- সিলিকন ভ্যালি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ফ্রান্সিসকো বে এলাকার দক্ষিণে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র এবং এখানে অ্যাপল ও গুগলের মতো বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সিলিকন ভ্যালি এই দেশেই অবস্থিত।
B) কানাডা — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ হলেও এখানে সিলিকন ভ্যালি অবস্থিত নয়।
C) যুক্তরাজ্য — এটি ইউরোপের একটি দেশ যেখানে বিশ্বের বিখ্যাত প্রযুক্তি কেন্দ্র সিলিকন ভ্যালি অবস্থিত নয়।
D) জার্মানি — এটি ইউরোপের একটি শিল্পপ্রধান দেশ হলেও সিলিকন ভ্যালির ভৌগোলিক অবস্থান এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিলিকন ভ্যালি মানেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্য এবং বিশ্বখ্যাত সব প্রযুক্তির রাজধানী।
সঠিক উত্তর: C) জগদীশচন্দ্র বসু
কেন সঠিক:
- আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু সংবেদনশীল উদ্ভিদের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে প্রমাণ করেন যে গাছেরও প্রাণ ও অনুভূতি আছে।
- তিনি ক্রেসকোগ্রাফ নামক যন্ত্র আবিষ্কার করে গাছের বৃদ্ধি নিখুঁতভাবে পরিমাপ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইনস্টাইন — তিনি আপেক্ষিকতার তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী, উদ্ভিদের প্রাণ আবিষ্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
B) নিউটন — তিনি গতির সূত্র ও মহাকর্ষ সূত্র আবিষ্কার করেছেন, যা উদ্ভিদ বিজ্ঞানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) জগদীশচন্দ্র বসু — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) ডারউইন — তিনি বিবর্তনবাদ ও প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদের প্রবক্তা, গাছের প্রাণ আবিষ্কারক নন।
মনে রাখার টিপস:
গাছের প্রাণ আছে তা আবিষ্কার করেছেন বাঙালি বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু, আর তার যন্ত্রের নাম ক্রেসকোগ্রাফ।
সঠিক উত্তর: C) হল্যান্ড
কেন সঠিক:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের মূল ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক সংজ্ঞা অনুসারে সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- হল্যান্ড বা নেদারল্যান্ডস পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ, যা স্ক্যান্ডিনেভীয় অঞ্চলের অংশ নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুইডেন — এটি স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপে অবস্থিত একটি প্রধান স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশ।
B) নরওয়ে — এটিও স্ক্যান্ডিনেভীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত একটি দেশ এবং এর উত্তরে এর অবস্থান।
C) হল্যান্ড — এটি পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ এবং ভৌগোলিকভাবে স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশ নয়।
D) ডেনমার্ক — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার ঐতিহ্যগত ও রাজনৈতিকভাবে অন্তর্ভুক্ত একটি প্রধান দেশ।
মনে রাখার টিপস:
স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মূল দেশ মূলত তিনটি সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক; এর বাইরে থাকা হল্যান্ড স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশ নয়।
সঠিক উত্তর: A) আব্রাহাম লিংকন
কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ষোড়শ প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর তাঁর বিখ্যাত গেটিসবার্গ ভাষণে গণতন্ত্রের এই ধ্রুপদী সংজ্ঞা প্রদান করেন।
- এই সংজ্ঞায় রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের সর্বময় ক্ষমতা ও অধিকারের কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্রাহাম লিংকন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি গেটিসবার্গ ভাষণে গণতন্ত্রের এই সংজ্ঞাটি দিয়েছিলেন।
B) উইনস্টন চার্চিল — তিনি যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং গণতন্ত্র সম্পর্কে ভিন্ন উক্তি করেছেন যেমন গণতন্ত্র হলো সরকারের সবচেয়ে খারাপ রূপ।
C) জন এফ কেনেডি — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন কিন্তু এই ঐতিহাসিক উক্তির সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন।
D) প্লেটো — তিনি প্রাচীন গ্রিসের প্রখ্যাত দার্শনিক ছিলেন এবং তিনি মূলত গণতন্ত্রের পরিবর্তে দার্শনিক রাজার শাসনের প্রবক্তা ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
গণতন্ত্রের বিখ্যাত এই সংজ্ঞাটি লিংকনের গেটিসবার্গ ভাষণের সঙ্গে যুক্ত, যেখানে তিনটি 'অফ, বাই, ফর' শব্দ রয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৫
কেন সঠিক:
- চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৫ সালের ৩১শে আগস্ট।
- ১৯৭৫ সালের শেষের দিকে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ — এই সালে চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি, বরং জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভে ভেটো প্রদান করেছিল।
B) ১৯৭৪ — এই সালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কোনো স্বীকৃতির ঘটনা ঘটেনি।
C) ১৯৭৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই চীন বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
D) ১৯৭৬ — এই সালটি সঠিক নয় কারণ এর আগেই ১৯৭৫ সালে চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার চার বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৫ সালে চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: D) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
কেন সঠিক:
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৪৭ সালের দেশভাগের আগে অবিভক্ত বাংলার শেষ প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টির পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি এই পদে বহাল ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খাজা নাজিমুদ্দিন — তিনি অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না, তবে পরবর্তীতে তিনি পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
B) এ কে ফজলুল হক — তিনি ১৯৩৭ সালে বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, শেষ মুখ্যমন্ত্রী নন।
C) আবু হোসেন সরকার — তিনি ১৯৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী নন।
D) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
শেষ মানে সমাপ্তি, আর সোহরাওয়ার্দীর মাধ্যমেই ১৯৪৭ সালে বাংলার মুখ্যমন্ত্রিত্বের সমাপ্তি ঘটেছিল।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) কমনওয়েলথ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল ব্রিটিশ উপনিবেশগুলোর জোট কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য হিসেবে পদ লাভ করে।
- এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ অর্জন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওআইসি — বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়ে এই সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
B) এফএও — বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ১২ নভেম্বর জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
D) ন্যাম — বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্স ন্যাম শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে এই জোটের সদস্যপদ লাভ করে।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ছিল বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সদস্যপদ প্রাপ্তির ঘটনা।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
সঠিক উত্তর: B) ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৫ — এই তারিখে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবসের চতুর্থ বছর পূর্তির সাল।
B) ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, এই দিন বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
C) ১৪ নভেম্বর ১৯৭৩ — এই তারিখে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার দিন।
D) ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি ভিন্ন একটি সাল।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয় এবং ঠিক আট দিন পর ২৫ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেন।
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
উদ্ধৃত পক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত একটি গীতিবকবিতা বা গানের অংশবিশেষ।
ভোর বা সকালের আগমন এবং হৃদয়ের আনন্দের প্রকাশ ঘটাতে কবি এই পংক্তিটি রচনা করেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা, যিনি কবিতা, গান, নাটক ও ছোটগল্পে অনন্য অবদান রেখেছেন।
এই গানটি তাঁর প্রভাত বা সকাল বিষয়ক প্রকৃতির গানগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি বিশেষ সৃষ্টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আজি হতে শতবর্ষ পরে কে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূরবী কাব্যের ১৪ নম্বর কবিতা এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাহিত্যিক উদ্ধৃতি।
উদাহরণ ২: আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত যা তাঁর স্বদেশের প্রতি গভীর প্রেমের প্রকাশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি হলেও এই নির্দিষ্ট পংক্তিটি তাঁর কোনো কবিতার অংশ নয়।
B) জীবনানন্দ দাশ — তিনি রূপসী বাংলার কবি হলেও তাঁর লেখার ধরণ ও বিষয়বস্তু এই পংক্তির সঙ্গে মেলে না।
C) অতুল প্রসাদ — তিনি বিখ্যাত গীতিকার ও সুরকার হলেও এই গানটি তাঁর রচিত নয়।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর এবং তাঁর গীতবিতান বা সংশ্লিষ্ট কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
সকাল বা প্রভাত বিষয়ক দার্শনিক ও ভক্তিরসাত্মক গান এবং পংক্তি থাকলে প্রথমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথা চিন্তা করবে।
প্রকৃতি ও সকালের বন্দনা রবীন্দ্রনাথের গানে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত গান ও কবিতার পংক্তিগুলো বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের উদ্ধৃতি আসলে কবির সুর ও প্রকৃতির গানগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) বিদ্রোহী
১. কেন সঠিক:
উদ্ধৃত লাইন দুটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতার অংশ। এই কবিতায় নিপীড়িত মানুষের মুক্তির আকুতি এবং অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিদ্রোহের সুর ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বাংলা কবিতায় নতুন এক যুগ আনেন। ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে রচিত বিদ্রোহী কবিতাটি তাঁর অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অমর সৃষ্টি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বলো বীর, বলো উন্নত মম শির।
ব্যাখ্যা: এটি বিদ্রোহী কবিতার বিখ্যাত প্রারম্ভিক চরণ যা কবির আত্মমর্যাদা ও দ্রোহ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: মহা-বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত আমি সেই দিন হবো শান্ত।
ব্যাখ্যা: এই চরণে কবির সংগ্রামের সমাপ্তি ও সাম্যবাদী চেতনার প্রকাশ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী বা অন্য কোনো বিশেষ ধারার কবিতা নয়, বরং এটি তাঁর সৃষ্টিসুখের উল্লাস কবিতার লাইন।
B) পূজারিণী — এটি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কবিতা যা পূজা ও ভক্তির থিমে রচিত।
D) পথহারা — এটি বিদ্রোহী কবিতার কোনো অংশ নয় এবং এটি কাজী নজরুল ইসলামের এই ঘরানার কবিতা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্রোহী কবিতার শেষাংশে উৎপীড়িতের ক্রন্দন রোল ও অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ শব্দগুলো রয়েছে। অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে বিদ্রোহী নামটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্রোহী কবিতার চরণ ও উৎস প্রায়ই আসে। অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতা বিদ্রোহী।
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
'সঞ্চয়িতা' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রখ্যাত কাব্যসংকলন, যার সংকলক ও লেখক হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১৯৩১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পঞ্চাশোর্ধ্ব বছরের কাব্যরচনা থেকে সেরা কবিতাগুলো নির্বাচন করে এই সংকলনটি প্রকাশ করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা সাহিত্যের একটি মৌলিক কাব্যসংকলন যেখানে কবির বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থ থেকে শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলো একত্রিত করা হয়েছে।
এই গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রায় সব প্রখ্যাত ধারার কবিতার এক অপূর্ব সমাহার দেখতে পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'গীতাঞ্জলি'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিশ্বখ্যাত ভক্তিমূলক কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
উদাহরণ ২: 'সোনার তরী'
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা রোমান্টিক ধারার কবিতার জন্য বিখ্যাত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও 'সঞ্চয়িতা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই সংকলনটি তার লেখা নয়।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি কবির শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলোর একটি প্রখ্যাত সংকলন।
D) রজনীকান্ত সেন — তিনি প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও গীতিকার হলেও এই গ্রন্থটির সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কবিতার সঞ্চয় বা সংগ্রহ হলো 'সঞ্চয়িতা'।
সংগ্রহ শব্দের 'সঞ্চয়' অংশটি দিয়ে 'সঞ্চয়িতা' এবং রবীন্দ্রনাথের নাম মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
'সঞ্চয়িতা' কাব্যগ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছিল বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক প্রশ্ন।
সঠিক উত্তর: D) এস এম সুলতান
১. কেন সঠিক:
- এস এম সুলতান বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী।
- তিনি গ্রামীণ জনপদের মানুষ ও সংস্কৃতির চিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এস এম সুলতান ১৯২৪ সালে নড়াইলের মাছিমক্ষায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান এবং তিনি বিশ্ববিখ্যাত চিত্রশিল্পীদের অন্যতম একজন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের আরেকজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং শিল্পাচার্য নামে পরিচিত।
উদাহরণ ২: কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ ও চিত্রশিল্পী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আল মাহমুদ — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিক কবি ও কথাসাহিত্যিক, চিত্রশিল্পী নন।
B) আবু ইসহাক — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, যাঁর বিখ্যাত উপন্যাস সূর্য দীঘল বাড়ি।
C) এফ আর খান — তিনি একজন বিশ্বখ্যাত স্থপতি ও প্রকৌশলী, চিত্রশিল্পী নন।
D) এস এম সুলতান — তিনি একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সুলতান শব্দটি শুনলেই মাথায় রাখবে লাল রঙের মাটি ও গ্রামীণ চিত্রশিল্পীর কথা।
- বাংলাদেশের প্রধান চিত্রশিল্পীদের নামের সাথে জয়নুল ও সুলতান নাম দুটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এস এম সুলতানের জন্মস্থান নড়াইল এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত শিশুশিক্ষালয় চারুপীঠ বিখ্যাত।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন এবং এস এম সুলতানের পেশা প্রায়শই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- 'পূর্ব-পশ্চিম' উপন্যাসটি বিশিষ্ট সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং বিখ্যাত একটি উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে দেশভাগ, উদ্বাস্তু সমস্যা এবং বাঙালি জীবনের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক পটভূমি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, কবি ও প্রাবন্ধিক।
- 'পূর্ব-পশ্চিম' উপন্যাসটি দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের আবেগ ও ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের রচিত 'প্রথম আলো' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের বাংলার রেনেসাঁ এবং সমাজজীবন নিয়ে রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের রচিত 'সেই সময়' উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটির জন্য লেখক সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন এবং এটিও একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নজরুল ইসলাম — তিনি মূলত বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি হলেও 'পূর্ব-পশ্চিম' উপন্যাসটি তার লেখা নয়।
C) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও 'পূর্ব-পশ্চিম' উপন্যাসটির রচয়িতা নন।
D) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় ও বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার জন্য 'পূর্ব-পশ্চিম', 'সেই সময়' এবং 'প্রথম আলো' এই তিনটি নাম একসঙ্গে মনে রাখতে পারেন।
- দেশভাগ ও ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাসের কথা আসলে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'পূর্ব-পশ্চিম' নামটি সবার আগে স্মরণ করবেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- বড় আকারের ঐতিহাসিক উপন্যাস যেমন 'পূর্ব-পশ্চিম' ও 'সেই সময়' এর রচয়িতা হিসেবে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম ভালোভাবে মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: D) ২০০২
কেন সঠিক:
- এ পি জে আবুল কালাম ভারতের দ্বাদশ রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২০০২ সালের ২৫ জুলাই শপথ গ্রহণ করেন।
- তিনি ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তাকে ভারতের মিস্টার মিসাইল ম্যান বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৯ — এই সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন না, এটি তার রাষ্ট্রপতির মেয়াদকাল নয়।
B) ২০০০ — এই সালে তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হননি।
C) ২০০১ — এই সালটিও তার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার বছর নয়।
D) ২০০২ — এই সালে তিনি ভারতের একাদশ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন এবং সঠিক উত্তর এটি।
মনে রাখার টিপস:
আবুল কালাম আজাদ ২০০২ সালের জুলাই মাসে ভারতের রাষ্ট্রপতি হন, সংখ্যাটি মনে রাখতে ২০০২ সালটি মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) জহির রায়হান
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও গণহত্যার দৃশ্য নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য চলচ্চিত্র হলো 'Stop Genocide'।
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান এই প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটির মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলমগীর কবির — তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও চলচ্চিত্র সমালোচক হলেও এই প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের পরিচালক নন।
B) জহির রায়হান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) সত্যজিৎ রায় — তিনি ভারতের বরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং 'অপু ট্রিলজি'র পরিচালক, বাংলাদেশের এই প্রামাণ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) তারেক মাসুদ — তিনি পরবর্তী প্রজন্মের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও 'মাটির ময়না' চলচ্চিত্রের পরিচালক, ১৯৭১ সালের এই ছবির সঙ্গে যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সময় জহির রায়হান গণহত্যা থামানোর ডাক দিয়েছিলেন 'Stop Genocide' প্রামাণ্যচিত্র তৈরির মাধ্যমে।
সঠিক উত্তর: C) ব্রাসেলস
কেন সঠিক:
- বেলজিয়ামের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হলো ব্রাসেলস, যা দেশটির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র।
- এই শহরটি একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান প্রশাসনিক দপ্তর এবং ন্যাটোর সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিসায়ু — এটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউয়ের রাজধানী, বেলজিয়ামের নয়।
B) ব্রাসিলিয়া — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের রাজধানী, বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস নয়।
C) ব্রাসেলস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বেলজিয়ামের রাজধানী।
D) বুদাপেস্ট — এটি মধ্য ইউরোপের দেশ হাঙ্গেরির রাজধানী, বেলজিয়ামের রাজধানী নয়।
মনে রাখার টিপস:
বেলজিয়াম দেশের নামের প্রথম অক্ষর ব এবং এর রাজধানী ব্রাসেলসের প্রথম অক্ষরও ব, যা সহজে মনে রাখতে সাহায্য করে।
সঠিক উত্তর: C) কাতার
কেন সঠিক:
- দোহা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারের রাজধানী এবং দেশের সবচেয়ে বড় শহর।
- শহরটি পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত এবং এটি দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তানজানিয়া — তানজানিয়ার রাজধানীর নাম দোডোমা, দোহা নয়।
B) সিরিয়া — সিরিয়ার রাজধানীর নাম দামেস্ক, দোহা নয়।
C) কাতার — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, কারণ দোহা কাতারের রাজধানী।
D) তাজাকিস্তান — তাজিকিস্তানের রাজধানীর নাম দুশানবে, দোহা নয়।
মনে রাখার টিপস:
কাতারের দোহা নামটি মনে রাখতে ক দিয়ে শুরু হওয়া কাতার ও রাজধানী দোহা মিলিয়ে ক-দ মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৩ (নোট: প্রদত্ত সঠিক উত্তর B) ১৯৭৩ সঠিক, তবে এখানে নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলা সংখ্যায় সাল উল্লেখ করা হলো: ১৯৭৩)
কেন সঠিক:
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণীত হওয়ার পর ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ দেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয়লাভ করে সরকার গঠন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫২ — এটি ভাষা আন্দোলনের বছর, সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।
B) ১৯৭৩ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) ১৯৭৭ — এই সালে বাংলাদেশে কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, বরং জিয়ার সামরিক শাসন চলাকালে গণভোট হয়েছিল।
D) ১৯৭৯ — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বছর, প্রথম নির্বাচনের বছর নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর পরই দেশ চালাতে প্রথম সংসদ নির্বাচন হয় ১৯৭৩ সালে।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ভুটান
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রথম আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।
- একই দিনে ভারতও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, তবে ভুটান কয়েক ঘণ্টা আগে স্বীকৃতি দেওয়ায় তারা প্রথম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভুটানের পরেই একই দিনে অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
B) ইরাক — মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ১৯৭১ সালের ৮ জুলাই বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
C) সোভিয়েত ইউনিয়ন — পরাশক্তিগুলোর মধ্যে ১৯৭২ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
D) ভুটান — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেওয়া দেশের নাম মনে রাখতে "ভূ" (ভুটান) অক্ষরটি দিয়ে শুরু শব্দটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ১৭৯৩
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- এই ব্যবস্থার মাধ্যমে জমিদারদের নির্দিষ্ট রাজস্বের বিনিময়ে জমির স্থায়ী মালিকানা প্রদান করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৩৫ — এটি ভারত শাসন আইনের সাল, চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।
B) ১৮৯৩ — এই সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
C) ১৭৯৩ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, এই সালেই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তিত হয়।
D) ১৭৩৫ — এই সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
মনে রাখার টিপস:
লর্ড কর্নওয়ালিসের নাম এবং ১৭৯৩ সাল মনে রাখতে 'কর্নওয়ালিস ও ১৭৯৩' একসঙ্গে স্মরণ করুন।
সঠিক উত্তর: C) আর্চার কে ব্লাড
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে ঢাকায় কর্মরত মার্কিন কনসাল জেনারেল আর্চার কে ব্লাড পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বর্বরতার কথা উল্লেখ করে ওয়াশিংটনে টেলিগ্রাম পাঠিয়েছিলেন, যা ব্লাড টেলিগ্রাম নামে পরিচিত।
- তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং তার লেখা 'দ্য ক্রুয়েল বার্থ অফ বাংলাদেশ' গ্রন্থে সেই উত্তাল দিনগুলোর প্রামাণ্য চিত্র তুলে ধরেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এস এ করিম — তিনি এই গ্রন্থটির লেখক নন, তবে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি বিখ্যাত জীবনীগ্রন্থের লেখক।
B) এন্থনি মাসকারেনহাস — তিনি বিখ্যাত 'রেকর্ডস অফ এরেভলিউশন' ও 'বাংলাদেশ: আ ব্লাড স্মারক' বা 'ল অব এরেভলিউশন' এর মতো গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থের লেখক।
C) আর্চার কে ব্লাড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) এডওয়ার্ড কেনেডি — তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পক্ষে জোরালো ভূমিকা পালনকারী মার্কিন সিনেটর ছিলেন, এই গ্রন্থের লেখক নন।
মনে রাখার টিপস:
ব্লাড অর্থ রক্ত, আর ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী জন্মলগ্নের ইতিহাস লিখেছিলেন মার্কিন কূটনীতিক আর্চার কে ব্লাড।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
কেন সঠিক:
- এই দিনে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- এদিন স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয় এবং অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই দিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে, গঠিত হয় না।
B) ৭ মার্চ ১৯৭১ — এই ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন ও স্বাধীনতার রূপরেখা দেন।
C) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল বা ভিন্ন প্রসঙ্গ প্রযোজ্য নয়।
D) ২৫ মার্চ ১৯৭১ — এই রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঢাকাসহ সারাদেশে অপারেশন সার্চলাইট নামে গণহত্যা চালায়।
মনে রাখার টিপস:
গঠন ১০ তারিখে আর শপথ ১৭ তারিখে, এভাবে তারিখ দুটি আলাদা করে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) রুশো
কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত উক্তিটি ফরাসি দার্শনিক জঁ জাক রুশো-র "দ্য সোশ্যাল কন্টাক্ট" গ্রন্থের মূল প্রতিপাদ্য।
- মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন হলেও সমাজের নানা কৃত্রিম শৃঙ্খল ও বৈষম্যের কারণে সে পরাধীন হয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এরিস্টটল — তিনি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক হলেও এই উক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
B) প্লেটো — তিনি আদর্শ রাষ্ট্র ও ন্যায়বিচার নিয়ে তত্ত্ব দিলেও এই বিখ্যাত রাজনৈতিক উক্তিটি তাঁর নয়।
C) মেকিয়াভেলী — তিনি রাজনৈতিক বাস্তববাদ ও ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ে "দ্য প্রিন্স" গ্রন্থ রচনা করেছেন, যা এর বিপরীত।
D) রুশো — তিনি এই প্রখ্যাত উক্তির মাধ্যমে মানুষের স্বাধীনতা ও সামাজিক চুক্তির ধারণা ব্যাখ্যা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার কথা এলেই মনে রাখবে জঁ জাক রুশোর কথা, যিনি বলেছেন মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
প্রদত্ত উত্তর যাচাই: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি (C) ১৯৬৬ ভুল। ঐতিহাসিক সত্য অনুযায়ী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় ১৯৬৮ সালের জানুয়ারি মাসে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৮
কেন সঠিক:
- পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে ১৯৬৮ সালের জানুয়ারি মাসে এই মামলা দায়ের করে।
- এই মামলার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৬৯ — এই সালে তীব্র গণঅভিউত্থানের মুখে আইয়ুব খানের পতনের পর আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করা হয় এবং বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়।
B) ১৯৬৮ — এটি সঠিক বছর, কারণ এই বছরের জানুয়ারি মাসে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
C) ১৯৬৬ — এই সালে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়েছিল, আগরতলা মামলা দায়ের করা হয়নি।
D) ১৯৭০ — এই সালে পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা এই মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফা ১৯৬৬ সালে আর আগরতলা মামলা ১৯৬৮ সালে শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: C) উইনস্টন চার্চিল
কেন সঠিক:
- উইনস্টন চার্চিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪০ সালের জুন মাসে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এই বিখ্যাত ভাষণটি দিয়েছিলেন।
- নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে ব্রিটিশ জাতির অটল প্রতিরোধ ও মনোবল ধরে রাখতে চার্চিল এই ঐতিহাসিক উক্তি করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক, এই ব্রিটিশ যুদ্ধকালীন বক্তৃতার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
B) আব্রাহাম লিঙ্কন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং গেটিসবার্গ ভাষণ তার সবচেয়ে বিখ্যাত বক্তৃতা।
C) উইনস্টন চার্চিল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে আলাদা কোনো ভুল কারণ নেই।
D) মাও সেতুং — তিনি চীনা বিপ্লবের নেতা ছিলেন এবং সাম্যবাদী মতাদর্শের সঙ্গে তার বিখ্যাত উক্তি ও রচনাবলি যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
সমুদ্র সৈকতে (Beaches) যুদ্ধের কথা বললেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ব্রিটিশ নেতা উইনস্টন চার্চিলের কথা মনে রাখবে।
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: C) মজনু শাহ
কেন সঠিক:
- মজনু শাহ ছিলেন ফকির আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী নেতা, যিনি ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।
- তিনি উত্তরবঙ্গ ও মওহা অঞ্চলে ব্রিটিশ কোম্পানি ও তাদের দেশীয় দোসরদের বিরুদ্ধে সফলভাবে ফকির বিদ্রোহ পরিচালনা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাজী শরীয়ত উল্লাহ — তিনি বাংলার ফরায়েজি আন্দোলনের প্রবক্তা ও সংস্কারক ছিলেন, ফকির আন্দোলনের নেতা নন।
B) মোহসীন উদ্দীন দুখু মিয়া — তিনি দুদু মিঞা নামে পরিচিত এবং ফরায়েজি আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন।
D) মাওলানা ভাসানী — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও মজলুম জননেতা ছিলেন, ঐতিহাসিক ফকির আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
ফকির মজনু শাহ মনে রাখুন, কারণ ফকির আন্দোলনের সঙ্গে মজনু শাহ নামটি বিশেষভাবে জড়িত।
সঠিক উত্তর: A) CARE
কেন সঠিক:
- CARE হলো একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি মানবিক সংস্থা বা এনজিও।
- এটি জাতিসংঘের কোনো মূল অঙ্গ বা সহযোগী সংগঠন নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CARE — এটি একটি বেসরকারি সাহায্য সংস্থা হওয়ায় জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন নয়।
B) ILO — আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা জাতিসংঘের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষায়িত অঙ্গ সংগঠন।
C) UNDP — জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধীন একটি প্রধান অঙ্গ সংগঠন।
D) WFP — বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জাতিসংঘের একটি প্রধান খাদ্য সহায়তা শাখা ও অঙ্গ সংগঠন।
মনে রাখার টিপস:
CARE হলো একটি বেসরকারি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা জাতিসংঘের সরাসরি কোনো অংশ নয়।
সঠিক উত্তর: A) নাটক
কেন সঠিক:
- ম্যাকবেথ হলো বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেকসপিয়রের লেখা একটি বিখ্যাত বিয়োগাত্মক নাটক বা ট্রাজেডি।
- এই নাটকটিতে উচ্চাভিলাষ এবং ক্ষমতার লোভের কারণে মানুষের পতনের বিষয়টি অত্যন্ত নাটকীয়ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — এটি সঠিক উত্তর কারণ ম্যাকবেথ একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক।
B) প্রবন্ধ — প্রবন্ধ হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে তথ্য বা মতামতমূলক গদ্য রচনা, যা ম্যাকবেথ নয়।
C) উপন্যাস — উপন্যাসের মতো দীর্ঘ কল্পিত গদ্যকাহিনি এটি নয়, এটি মঞ্চে অভিনীত হওয়ার উপযোগী নাটক।
D) কবিতা — কবিতা হলো পদ্য ছন্দে রচিত সাহিত্যকর্ম, কিন্তু ম্যাকবেথ মূলত নাটক হিসেবে রচিত।
মনে রাখার টিপস:
শেকসপিয়রের অমর ট্রাজেডিগুলোর মধ্যে ম্যাকবেথ, হ্যামলেট এবং ওথেলো হলো বিখ্যাত নাটক।
সঠিক উত্তর: B) প্রাচ্যবাদ
কেন সঠিক:
- ইংরেজি Orientalism শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো প্রাচ্যবাদ, যা এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের সংস্কৃতি ও সমাজ অধ্যয়নকে বোঝায়।
- বিখ্যাত চিন্তাবিদ এডওয়ার্ড সাইদ তার প্রাচ্যবাদ বইটিতে এই ধারণার তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাচীন — প্রাচীন শব্দের অর্থ পুরনো বা কালগত দিক থেকে অতীতের কিছু, যা Orientalism শব্দের ভাষাগত ও তাত্ত্বিক অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) প্রাচ্যবাদ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং Orientalism শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ।
C) পুঁজিবাদ — পুঁজিবাদ একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে উৎপাদন মাধ্যমগুলো ব্যক্তিগত মালিকানাধীন থাকে, এটি Orientalism শব্দের অর্থ নয়।
D) সাম্যবাদ — সাম্যবাদ একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দর্শন যেখানে সব সম্পত্তির ওপর সমাজের যৌথ মালিকানা থাকে, এটি এই শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Orient শব্দের অর্থ প্রাচ্য বা পূর্ব দিক, তাই এর সঙ্গে ism যুক্ত হয়ে Orientalism বা প্রাচ্যবাদ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) প্রত্নতাত্ত্বিক খনন
কেন সঠিক:
- নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলার উয়ারী ও বটেশ্বর গ্রামে প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন পাওয়ার পর এখানে ব্যাপক প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্য চালানো হয়।
- এই খননকাজের মাধ্যমে প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরনো মৌর্য আমল ও তার আগের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাণিজ্য কেন্দ্র — উয়ারী-বটেশ্বর প্রাচীনকালে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল বটে, তবে বর্তমান সময়ে এটি প্রধানত প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও আবিষ্কারের জন্যই আলোচিত।
B) নতুন খনিজ সম্পদ প্রাপ্তি — এখানে মাটি খুঁড়ে কোনো নতুন খনিজ সম্পদ বা আকরিক পাওয়ার জন্য খননকার্য চালানো হয়নি, এটি ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
C) প্রত্নতাত্ত্বিক খনন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
D) সাহিত্য চর্চা কেন্দ্র — এটি কোনো প্রাচীন সাহিত্য বা পঠন-পাঠনের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল না, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
উয়ারী ও বটেশ্বর নাম শুনলেই মাথায় রাখবে প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক খনন এবং মাটি খুঁড়ে পাওয়া হাজার বছরের পুরনো ঐতিহাসিক নিদর্শন।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) অ্যান্টনিও গুতেরেস
কেন সঠিক:
- তিনি জাতিসংঘের নবম এবং বর্তমান মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- তিনি ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে এই পদে কর্মরত আছেন এবং পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বান কি মুন — তিনি জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব ছিলেন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক।
B) পিটার থমসন — তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের একাত্তরতম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন।
D) ব্রাউন — এই নামের কোনো ব্যক্তি জাতিসংঘের মহাসচিব হননি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
মনে রাখার টিপস:
বর্তমান মহাসচিব গুতেরেস নামটির সাথে নয় সংখ্যাটি মনে রাখলে সহজে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যাবে।
সঠিক উত্তর: B) হেনরি ডুনান্ট
কেন সঠিক:
- জিনভা কনভেনশন এবং রেডক্রস আন্দোলনের প্রবক্তা জ্যঁ হেনরি ডুনান্ট ১৮৬৩ সালে রেডক্রস প্রতিষ্ঠা করেন।
- যুদ্ধাহত সৈনিকদের সেবা ও মানবিক সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে তিনি আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি গঠন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রেডরিক প্যাসে — তিনি ফরাসি অর্থনীতিবিদ এবং প্রথম নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী, রেডক্রসের প্রতিষ্ঠাতা নন।
B) হেনরি ডুনান্ট — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়।
C) ফ্রেডরিখ এঞ্জেলস — তিনি বিখ্যাত দার্শনিক এবং কার্ল মার্কসের সহকর্মী ছিলেন, যা রেডক্রস সম্পর্কিত নয়।
D) লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল — তিনি স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা, রেডক্রস প্রতিষ্ঠার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
রেডক্রস মানে মানবতা এবং হেনরি ডুনান্ট হলেন মানবতার সেবায় রেডক্রসের প্রতিষ্ঠাতা।
সঠিক উত্তর: B) জানুয়ারি ২০১৬
কেন সঠিক:
- টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি ২০৩০ এজেন্ডার অংশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ১ জানুয়ারি ২০১৬ সাল থেকে কার্যকর হয়।
- ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন শীর্ষ সম্মেলনে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এসডিজি অনুমোদিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জানুয়ারি ২০১৫ — এই সময়ে এমডিজি বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার শেষ পর্যায় চলছিল এবং এসডিজি তখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি।
B) জানুয়ারি ২০১৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখ থেকেই এসডিজি আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়ন শুরু হয়।
C) ফেব্রুয়ারি ২০১৭ — এটি এসডিজি শুরুর কোনো সঠিক সাল বা মাস নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) মার্চ ২০১৭ — এই সময়ে এসডিজির কার্যক্রম অনেকদূর এগিয়ে গেলেও এটি শুরুর তারিখ নয়।
মনে রাখার টিপস:
এমডিজি শেষ হয় ২০১৫ সালে আর এসডিজি শুরু হয় পরের বছর অর্থাৎ ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৭ সাল (প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী: B) 1997)
কেন সঠিক:
- এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তৎকালীন সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং শান্তি বাহিনীর পক্ষে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (শন্তু লারমা) এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1996 — এই সালে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি তৎকালীন বিএনপি সরকারের শেষ বছর ছিল।
B) 1997 — এই সালেই ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
C) 1998 — এই সালটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পরের বছর, তাই এটি সঠিক নয়।
D) 1999 — এই সালে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি চুক্তির পরবর্তী সময়কাল।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার ২৬ বছর পর ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) অ্যাডাম স্মিথ
কেন সঠিক:
- অ্যাডাম স্মিথ ১৭৭৬ সালে প্রকাশিত 'দ্য ওয়েলথ অফ নেশনস' গ্রন্থের মাধ্যমে আধুনিক অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপন করেন।
- তাকে অর্থনীতির জনক বলা হয় এবং এই গ্রন্থটি ক্লাসিক্যাল অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রচনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ্যাডাম স্মিথ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই বিখ্যাত অর্থনৈতিক গ্রন্থের রচয়িতা।
B) কার্ল মার্কস — তিনি 'দাস Kapital' এবং 'কমিউনিস্ট ইশতেহার' গ্রন্থের রচয়িতা, 'দ্য ওয়েলথ অফ নেশনস' এর নয়।
C) জ্যাঁ জ্যাক রুশো — তিনি বিখ্যাত রাজনৈতিক দার্শনিক এবং 'দ্য সোশ্যাল কন্টাক্ট' গ্রন্থের রচয়িতা।
D) থমাস হবস — তিনি রাজনৈতিক দর্শনের সাথে যুক্ত এবং 'লেভিয়াথান' গ্রন্থের রচয়িতা।
মনে রাখার টিপস:
সম্পদের জনক বা স্মিথ মানেই ওয়েলথ অফ নেশনস।
সঠিক উত্তর: D) ১৬
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সংবিধান এ পর্যন্ত মোট ১৬ বার সংশোধিত হয়েছে।
- ২০১৭ সাল পর্যন্ত ১৫ বার সংশোধিত হলেও ২০১৭ সালের জুলাই মাসে ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে এটি ১৬ বার পূর্ণ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ — ১০ বার সংশোধন সঠিক নয় কারণ এই সংখ্যাটি বর্তমান মোট সংশোধনীর সংখ্যার চেয়ে কম।
B) ১৪ — ১৪ বার সংশোধন সঠিক নয় কারণ এটি সংবিধানের চূড়ান্ত সংশোধন সংখ্যা নির্দেশ করে না।
C) ১৫ — ১৫ বার সংশোধন সঠিক নয় কারণ এটি ২০১৭ সালের আগের হিসাব, কিন্তু প্রশ্নটিতে ২০১৭ সাল পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য চাওয়া হয়েছে যেখানে ১৬তম সংশোধনী পাস হয়েছিল।
D) ১৬ — এটি সঠিক কারণ ২০১৭ সালের জুলাই মাসে ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধান মোট ১৬ বার সংশোধিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের সর্বশেষ বা ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়েছিল ২০১৭ সালে, তাই মোট সংশোধনী সংখ্যা ১৬।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) রাজশাহী
কেন সঠিক:
- ভারতের গঙ্গাসভা থেকে উৎপন্ন প্রধান শাখা পদ্মা নদী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে অনেক সময় ধরা হয়, তবে ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক রেকর্ডে এটি রাজশাহী জেলার সীমানা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এই নদীটি পরবর্তীতে কুষ্টিয়ার কাছে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে অগ্রসর হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খুলনা — খুলনা দক্ষিণ অঞ্চলের একটি জেলা এবং এটি পদ্মা নদীর প্রবেশস্থল নয়, বরং উপকূলীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
B) রাজশাহী — প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী এটি সঠিক এবং নদীটি এই অঞ্চলের ওপর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
C) কুষ্টিয়া — কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদী প্রবেশ করেনি, বরং এই জেলার পাশ দিয়ে প্রবহমান হয়ে দক্ষিণ দিকে চলে গেছে।
D) দিনাজপুর — দিনাজপুর উত্তর অঞ্চলের একটি জেলা এবং এর ওপর দিয়ে পদ্মা নদী প্রবাহিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা নদী বাংলাদেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে রাজশাহী জেলার নামটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪০
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ ভারতের মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে ২৩ মার্চ এই ঐতিহাসিক প্রস্তাব গৃহীত হয়।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এই প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন এবং এতে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলো নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৩৭ — এই সালে ভারতের প্রদেশগুলোতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা লাহোর প্রস্তাবের সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) ১৯৪০ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
C) ১৯৪১ — এই সালে মুসলিম লীগের মাদ্রাজ অধিবেশনে লাহোর প্রস্তাবের মূল আদর্শ দলের লক্ষ্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
D) ১৯৪২ — এই সালে ভারতে ক্রিপস মিশন এসেছিল, যা লাহোর প্রস্তাব গ্রহণের পরের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
লাহোর প্রস্তাব পাস হয় ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ, আর ১৯৭১ সালের এই ২৩ মার্চই পাকিস্তান বাহিনী বাঙালি নিধন শুরু করেছিল।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত একটি ঐতিহাসিক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় তিনি এই কারাগারের রোজনামচা লিখেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক — তিনি বিখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থটির লেখক নন।
B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
সি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক গুরু হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
D) আবুল মনসুর আহমদ — তিনি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ হলেও এই বইটির লেখক নন।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর জেল জীবনের ডায়েরি মানেই কারাগারের রোজনামচা।
সঠিক উত্তর: B) আমাজন (প্রশ্নে আমজান লেখা থাকলেও সঠিক উত্তর আমাজন)
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত আমাজন বন বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিবহুল ও ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনাঞ্চল।
- এই বন পৃথিবীর ফুসফুস নামে পরিচিত কারণ এটি বিপুল পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুন্দরবন — এটি বিশ্বের বৃহত্তম একক ম্যানগ্রোভ বা লবণাক্ত বন, বৃষ্টিপ্রধান ক্রান্তীয় রেইনফরেস্ট নয়।
B) আমজান — এটি মূল প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান বনাঞ্চল।
C) কঙ্গো — এটি আফ্রিকার বৃহত্তম রেইনফরেস্ট হলেও আমাজনের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম।
D) সুভানা — এটি মূলত তৃণভূমি অঞ্চল, কোনো বৃষ্টিপ্রধান ঘন বন নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান বন মনে রাখতে আমাজন নামটির সাথে বৃষ্টি ও দক্ষিণ আমেরিকার কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) নীল
কেন সঠিক:
- মিশরের রাজধানী কায়রো বিশ্বের দীর্ঘতম নদী নীল নদের তীরে অবস্থিত।
- প্রাচীন সভ্যতাগুলো সাধারণত নদীর তীরেই গড়ে উঠেছিল এবং নীল নদ অববাহিকায় প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা বিকশিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টাইগ্রিস — এটি ইরাকের একটি নদী, যার তীরে দেশটির রাজধানী বাগদাদ অবস্থিত।
B) সিন্ধ — এটি পাকিস্তান ও ভারতের একটি প্রধান নদী, যা আরব সাগরে পতিত হয়েছে।
C) নীল — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
D) ইউফ্রেটিস — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি ঐতিহাসিক নদী, যা টাইগ্রিস নদীর সাথে মিলিত হয়ে শাতুল আরব গঠন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
কায়রো ও নীল নদ মনে রাখতে মনে রাখুন, মিশরের প্রাণকেন্দ্র কায়রো নীল নদের তীরে অবস্থিত।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও অর্থনীতি
সঠিক উত্তর: D) ওয়াশিংটন ডিসি
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তর (নিউইয়র্ক) ভুল ছিল। আইএমএফ বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত হলেও তা নিউইয়র্ক নয়, বরং ওয়াশিংটন ডিসি।
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ ১৯৪৫ সালে কার্যক্রম শুরু করার পর থেকেই ওয়াশিংটন ডিসি থেকে এর দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
- বিশ্বব্যাংকের মতো এই আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ও একই শহরে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে আইএমএফের সদর দপ্তর নেই।
B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ডব্লিউটিও-এর মতো সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে।
setC) নিউইয়র্ক — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর, আইএমএফের নয়।
D) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং আইএমএফের মূল সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস: অর্থ ও মুদ্রার হিসাব রাখার বড় বড় ব্যাংক ও তহবিলের সদর দপ্তর সাধারণত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতেই থাকে।
সঠিক উত্তর: B) জাপান
কেন সঠিক:
- অলিম্পিক ২০২০ গেমসের নির্ধারিত স্বাগতিক দেশ ছিল জাপান এবং এর রাজধানী টোকিওতে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়।
- কোভিড মহামারীর কারণে এক বছর পিছিয়ে ২০২০ সালের পরিবর্তে অলিম্পিক ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হলেও এটি টোকিও ২০২০ অলিম্পিক নামেই পরিচিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রাজিল — রিও ডি জেনেরিও ২০১৬ সালের অলিম্পিক গেমসের স্বাগতিক শহর ছিল।
B) জাপান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ২০২০ সালের অলিম্পিকের আয়োজক দেশ।
C) চীন — বেইজিং শহর ২০০৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক এবং ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিক আয়োজন করেছিল।
D) অস্ট্রেলিয়া — সিডনি ২০০০ সালের অলিম্পিক গেমসের স্বাগতিক শহর ছিল এবং ২০৩২ সালের আয়োজক হবে ব্রিসবেন।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যোদয়ের দেশ জাপানের রাজধানী টোকিওতে ২০২০ সালের অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) প্রফসর মোহাম্মদ ইব্রাহিম
কেন সঠিক:
- প্রফসর মোহাম্মদ ইব্রাহিম ১৯৫৩ সালে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার হাত ধরেই ১৯৫৬ সালে বারডেম হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তিনি ডায়াবেটিস রোগীদের সেবা ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্রটি গড়ে তোলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডা. এম আর খান — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন এবং শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নে অবদান রেখেছেন, বারডেম হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা নন।
B) প্রফসর মোহাম্মদ ইব্রাহিম — এটি সঠিক উত্তর।
C) ডা. নূরুল ইসলাম — তিনি দেশের একজন খ্যাতনামা চিকিৎসক ও অধ্যাপক ছিলেন, তবে বারডেম হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা নন।
D) ডা. গোলাম রসুল — তিনি চিকিৎসা জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তি হলেও বারডেম হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসার কথা মনে এলে প্রফসর মোহাম্মদ ইব্রাহিম এবং বারডেম হাসপাতালের নাম একসঙ্গে মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ মাইনুল হোসেন
কেন সঠিক:
- স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল নকশা প্রণয়ন করেছিলেন।
- ১৯৭৮ সালে জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা আহ্বান করা হলে তার নকশা চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুই আই কান — তিনি জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি হিসেবে বিশ্বখ্যাত।
B) নিতুন কুণ্ডু — তিনি একজন খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর এবং স্মৃতিসৌধের বিভিন্ন ভাস্কর্যের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
C) মাযহারুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্যশিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ এবং প্রথিতযশা স্থপতি।
D) সৈয়দ মাইনুল হোসেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
স্মৃতিসৌধের মাইনুল ইসলাম না হয়ে মাইনুল হোসেন হবে, এভাবে নামের শেষ অংশ মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) বান্দরবান
কেন সঠিক:
- চিম্বুক পাহাড় বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চল বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- এটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি দর্শনীয় স্থান এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম উঁচু পাহাড়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাঙ্গামাটি — এটি রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত নয়, কারণ রাঙ্গামাটিতে সাজেক বা কেওক্রাডাটার মতো অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে।
B) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) খাগড়াছড়ি — এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত নয়, কারণ খাগড়াছড়িতে আলুটিলা বা রিছাং ঝরনা অবস্থিত।
D) সিলেট — এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত নয়, কারণ সিলেট চায়ের বাগান ও হযরত শাহজালালের মাজারের জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
বান্দরবানের বিখ্যাত পর্যটন স্থান মনে রাখতে 'চিম্বুক' শব্দটি মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) নাফ
কেন সঠিক:
- নাফ নদী বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যকার প্রাকৃতিক সীমান্ত হিসেবে কাজ করে।
- এই নদীর তীরেই বাংলাদেশ ও মায়ানমারের ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাফ — এটি বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে পৃথককারী প্রধান নদী এবং সঠিক উত্তর।
B) কর্ণফুলী — এটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান নদী, কোনো আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ করেনি।
C) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর একটি এবং ভারতের সাথে এর সংযোগ রয়েছে।
D) হালদা — এটি কর্ণফুলী নদীর একটি বিখ্যাত উপনদী এবং মাছের প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
মায়ানমারের সাথে নাফ নদী দিয়ে বর্ডার সাফ।
সঠিক উত্তর: C) ১১ মার্চ ১৯৪৮
কেন সঠিক:
- ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদার দাবিতে প্রথম সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয় ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ।
- এই কর্মসূচির মাধ্যমে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম সফল রাজনৈতিক ও ছাত্র আন্দোলন গড়ে ওঠে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ মার্চ ১৯৫৭ — এই সালের এই তারিখে ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ধর্মঘটের ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই।
B) ১১ মার্চ ১৯৪৭ — এই তারিখে বাংলা ভাষayı রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে কোনো আনুষ্ঠানিক ধর্মঘট পালিত হয়নি।
D) ১৭ মার্চ ১৯৪৯ — এই দিনটি ভাষা আন্দোলনের প্রথম ধর্মঘটের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়, এটি অন্য একটি সময়কাল।
মনে রাখার টিপস:
আটচল্লিশের এগারোই মার্চ, প্রথম ধর্মঘট হলো সার্চ।
সঠিক উত্তর: A) চীনের দার্শনিক
কেন সঠিক:
- কনফুসিয়াস প্রাচীন চীনের একজন বিশ্বখ্যাত দার্শনিক, শিক্ষক এবং রাজনৈতিক তাত্ত্বিক ছিলেন।
- তার দর্শন মূলত নৈতিকতা, সামাজিক প্রথা এবং মানবীয় সম্পর্কের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীনের দার্শনিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি চীনের প্রাচীনকালের অন্যতম প্রধান চিন্তাবিদ ছিলেন।
B) জাপানের কবি — কনফুসিয়াস কবি ছিলেন না এবং তার জন্ম ও কর্মক্ষেত্র জাপান নয়, চীন।
C) ফরাসি বৈজ্ঞানিক — তিনি বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করেননি এবং ফরাসি সংস্কৃতির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
D) ভারতের সমাজতাত্ত্বিক — তিনি ভারতের মানুষ নন এবং সমাজতত্ত্ব আধুনিক একটি বিষয়, যা তার প্রাচীন যুগের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
কনফুসিয়াসের নাম শুনলেই মনে রাখবে তিনি প্রাচীন চীনের বিখ্যাত নৈতিক দার্শনিক ও শিক্ষক।
সঠিক উত্তর: B) ইংল্যান্ড
কেন সঠিক:
- ২০১৯ সালের দ্বাদশ পুরুষ একদিবসীয় ক্রিকেট বিশ্বকাপ ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ড দল প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ২০১৫ এবং এর আগে বহুবার বিশ্বকাপ আয়োজন করলেও ২০১৯ সালের আয়োজক ছিল না।
B) ইংল্যান্ড — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ২০১৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের মূল আয়োজক দেশ।
C) ফ্রান্স — ফ্রান্স ক্রিকেট খেলুড়ে প্রধান দেশ নয় এবং তারা কখনো পুরুষদের ক্রিকেট বিশ্বকাপ আয়োজন করেনি।
D) ভারত — ভারত ২০২৩ সালের পুরুষ একদিবসীয় ক্রিকেট বিশ্বকাপের মূল আয়োজক দেশ ছিল।
মনে রাখার টিপস:
ক্রিকেট খেলার জন্মস্থান ইংল্যান্ড, তাই ২০১৯ সালের বিশ্বকাপও সেখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
কেন সঠিক:
- সিলিকন ভ্যালি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ফ্রান্সিসকো বে এলাকার দক্ষিণে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র এবং এখানে অ্যাপল ও গুগলের মতো বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সিলিকন ভ্যালি এই দেশেই অবস্থিত।
B) কানাডা — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ হলেও এখানে সিলিকন ভ্যালি অবস্থিত নয়।
C) যুক্তরাজ্য — এটি ইউরোপের একটি দেশ যেখানে বিশ্বের বিখ্যাত প্রযুক্তি কেন্দ্র সিলিকন ভ্যালি অবস্থিত নয়।
D) জার্মানি — এটি ইউরোপের একটি শিল্পপ্রধান দেশ হলেও সিলিকন ভ্যালির ভৌগোলিক অবস্থান এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিলিকন ভ্যালি মানেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্য এবং বিশ্বখ্যাত সব প্রযুক্তির রাজধানী।
সঠিক উত্তর: C) জগদীশচন্দ্র বসু
কেন সঠিক:
- আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু সংবেদনশীল উদ্ভিদের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে প্রমাণ করেন যে গাছেরও প্রাণ ও অনুভূতি আছে।
- তিনি ক্রেসকোগ্রাফ নামক যন্ত্র আবিষ্কার করে গাছের বৃদ্ধি নিখুঁতভাবে পরিমাপ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইনস্টাইন — তিনি আপেক্ষিকতার তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী, উদ্ভিদের প্রাণ আবিষ্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
B) নিউটন — তিনি গতির সূত্র ও মহাকর্ষ সূত্র আবিষ্কার করেছেন, যা উদ্ভিদ বিজ্ঞানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) জগদীশচন্দ্র বসু — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) ডারউইন — তিনি বিবর্তনবাদ ও প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদের প্রবক্তা, গাছের প্রাণ আবিষ্কারক নন।
মনে রাখার টিপস:
গাছের প্রাণ আছে তা আবিষ্কার করেছেন বাঙালি বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু, আর তার যন্ত্রের নাম ক্রেসকোগ্রাফ।
সঠিক উত্তর: C) হল্যান্ড
কেন সঠিক:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের মূল ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক সংজ্ঞা অনুসারে সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- হল্যান্ড বা নেদারল্যান্ডস পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ, যা স্ক্যান্ডিনেভীয় অঞ্চলের অংশ নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুইডেন — এটি স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপে অবস্থিত একটি প্রধান স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশ।
B) নরওয়ে — এটিও স্ক্যান্ডিনেভীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত একটি দেশ এবং এর উত্তরে এর অবস্থান।
C) হল্যান্ড — এটি পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ এবং ভৌগোলিকভাবে স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশ নয়।
D) ডেনমার্ক — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার ঐতিহ্যগত ও রাজনৈতিকভাবে অন্তর্ভুক্ত একটি প্রধান দেশ।
মনে রাখার টিপস:
স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মূল দেশ মূলত তিনটি সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক; এর বাইরে থাকা হল্যান্ড স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশ নয়।
সঠিক উত্তর: A) আব্রাহাম লিংকন
কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ষোড়শ প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর তাঁর বিখ্যাত গেটিসবার্গ ভাষণে গণতন্ত্রের এই ধ্রুপদী সংজ্ঞা প্রদান করেন।
- এই সংজ্ঞায় রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের সর্বময় ক্ষমতা ও অধিকারের কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্রাহাম লিংকন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি গেটিসবার্গ ভাষণে গণতন্ত্রের এই সংজ্ঞাটি দিয়েছিলেন।
B) উইনস্টন চার্চিল — তিনি যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং গণতন্ত্র সম্পর্কে ভিন্ন উক্তি করেছেন যেমন গণতন্ত্র হলো সরকারের সবচেয়ে খারাপ রূপ।
C) জন এফ কেনেডি — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন কিন্তু এই ঐতিহাসিক উক্তির সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন।
D) প্লেটো — তিনি প্রাচীন গ্রিসের প্রখ্যাত দার্শনিক ছিলেন এবং তিনি মূলত গণতন্ত্রের পরিবর্তে দার্শনিক রাজার শাসনের প্রবক্তা ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
গণতন্ত্রের বিখ্যাত এই সংজ্ঞাটি লিংকনের গেটিসবার্গ ভাষণের সঙ্গে যুক্ত, যেখানে তিনটি 'অফ, বাই, ফর' শব্দ রয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৫
কেন সঠিক:
- চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৫ সালের ৩১শে আগস্ট।
- ১৯৭৫ সালের শেষের দিকে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ — এই সালে চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি, বরং জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভে ভেটো প্রদান করেছিল।
B) ১৯৭৪ — এই সালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কোনো স্বীকৃতির ঘটনা ঘটেনি।
C) ১৯৭৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই চীন বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
D) ১৯৭৬ — এই সালটি সঠিক নয় কারণ এর আগেই ১৯৭৫ সালে চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার চার বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৫ সালে চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: D) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
কেন সঠিক:
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৪৭ সালের দেশভাগের আগে অবিভক্ত বাংলার শেষ প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টির পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি এই পদে বহাল ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খাজা নাজিমুদ্দিন — তিনি অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না, তবে পরবর্তীতে তিনি পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
B) এ কে ফজলুল হক — তিনি ১৯৩৭ সালে বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, শেষ মুখ্যমন্ত্রী নন।
C) আবু হোসেন সরকার — তিনি ১৯৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী নন।
D) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
শেষ মানে সমাপ্তি, আর সোহরাওয়ার্দীর মাধ্যমেই ১৯৪৭ সালে বাংলার মুখ্যমন্ত্রিত্বের সমাপ্তি ঘটেছিল।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) কমনওয়েলথ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল ব্রিটিশ উপনিবেশগুলোর জোট কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য হিসেবে পদ লাভ করে।
- এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ অর্জন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওআইসি — বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়ে এই সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
B) এফএও — বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ১২ নভেম্বর জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
D) ন্যাম — বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্স ন্যাম শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে এই জোটের সদস্যপদ লাভ করে।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ছিল বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সদস্যপদ প্রাপ্তির ঘটনা।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
সঠিক উত্তর: B) ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৫ — এই তারিখে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবসের চতুর্থ বছর পূর্তির সাল।
B) ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, এই দিন বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
C) ১৪ নভেম্বর ১৯৭৩ — এই তারিখে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার দিন।
D) ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি ভিন্ন একটি সাল।
মনে রাখার টিপস:
১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয় এবং ঠিক আট দিন পর ২৫ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেন।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)