সঠিক উত্তর: B) সন্ন্যাসী
১. কেন সঠিক:
- 'গৃহী' শব্দের অর্থ হলো যে ব্যক্তি পরিবার-পরিজন নিয়ে সংসার বা গৃহধর্ম পালন করেন।
- এর সরাসরি বিপরীতার্থক বা প্রতিকূল অর্থ প্রকাশ করে 'সন্ন্যাসী', যার অর্থ যিনি সংসার জীবন ত্যাগ করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থের ওপর ভিত্তি করে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
- বিশেষ্য পদ হিসেবে 'গৃহী' শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে 'সন্ন্যাসী' একটি উপযুক্ত বিশেষ্য পদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মূক এবং বাচাল
ব্যাখ্যা: মূক শব্দের অর্থ যে কথা বলতে পারে না এবং এর বিপরীত শব্দ বাচাল যার অর্থ যে খুব বেশি কথা বলে।
উদাহরণ ২: স্থাবর এবং জঙ্গম
ব্যাখ্যা: স্থাবর শব্দের অর্থ যা নড়াচড়া করতে পারে না এবং জঙ্গম শব্দের অর্থ যা গতিশীল বা নড়াচড়া করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবাসী — প্রবাসী অর্থ যে ব্যক্তি নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে বা প্রবাসে বসবাস করেন, যা গৃহী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) সন্ন্যাসী — সঠিক উত্তর, কারণ এটি গৃহী শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) পরবাসী — পরবাসী শব্দের অর্থ অন্য বাসস্থানে বা পরদেশে বসবাসকারী ব্যক্তি, যা গৃহী শব্দের বিপরীত নয়।
D) গৃহহীন — গৃহহীন শব্দের অর্থ যার কোনো ঘরবাড়ি বা আশ্রয় নেই, এটি গৃহী শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পরিগণিত হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংসার বা ঘরকন্না করলে তাকে বলা হয় গৃহী এবং সংসার ত্যাগ করলে তাকে বলা হয় সন্ন্যাসী।
- এই দুটি শব্দ জোড়া হিসেবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে দ্রুত সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের অন্তর্নিহিত ভাব এবং পদের ব্যাকরণগত রূপের মিল থাকা জরুরি।
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত প্রচলিত ও প্রমিত বিপরীত শব্দগুলোই বেশি আসে।
সঠিক উত্তর: B) চলে মুসাফির
১. কেন সঠিক:
- কবি জসীমউদ্দীন রচিত ভ্রমণ কাহিনীমূলক গ্রন্থ হলো চলে মুসাফির।
- এই গ্রন্থে লেখকের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও আবেগ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পল্লীকবি জসীমউদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও লোকসাহিত্য সংগ্রাহক।
- তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হোলদে কার্ডের ছায়া
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের লেখা আরেকটি বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনীমূলক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: হলুদ বরণ
ব্যাখ্যা: এটিও কবি জসীমউদ্দীনের একটি চমৎকার ভ্রমণ বিষয়ক রচনা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র — এটি জসীমউদ্দীনের নয়, বরং সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী।
B) চলে মুসাফির — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং জসীমউদ্দীনের ভ্রমণ কাহিনী।
C) বিলেতে সাতশ দিন — এটি প্রমথ চৌধুরীর রচিত একটি জনপ্রিয় ভ্রমণ কাহিনী ও প্রবাস জীবনের স্মৃতিকথা।
D) আমার তুরস্ক — এটি জসীমউদ্দীনের ভ্রমণ কাহিনী নয়, অন্য কোনো লেখকের রচনা।
৫ মনে রাখার টিপস:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ভ্রমণ করতে পছন্দ করতেন এবং মুসাফির বা مسافر শব্দের অর্থ ভ্রমণকারী।
তাই ভ্রমণ সংক্রান্ত চলে মুসাফির গ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে জসীমউদ্দীনকে খুব সহজেই মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভ্রমণ কাহিনী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
তাই বিখ্যাত লেখকদের ভ্রমণ কাহিনী যেমন সৈয়দ মুজতবা আলীর দেশে বিদেশে এবং জসীমউদ্দীনের চলে মুসাফির ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অদ্বৈতমল্ল বর্মন
১. কেন সঠিক:
- 'তিতাস একটি নদীর নাম' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণিক আঞ্চলিক উপন্যাস।
- অদ্বৈতমল্ল বর্মন ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলার তিতাস নদীর তীরবর্তী মালো সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই উপন্যাসে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অদ্বৈতমল্ল বর্মন ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক যিনি মূলত নদীকেন্দ্রিক উপন্যাসের জন্য অমর হয়ে আছেন।
- তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসটি প্রথম ১৯৫৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে ঋত্বিক ঘটক এটি নিয়ে একই নামের বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদ্মা নদীর মাঝি
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত আরেকটি বিখ্যাত নদীকেন্দ্রিক ও প্রমত্তা পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলে সম্প্রদায়ের জীবনভিত্তিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কবি
ব্যাখ্যা: এটি তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত গ্রামীণ সমাজের নিম্নবর্গীয় মানুষের জীবন ও সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তারাশংকর বন্দোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও এই বিখ্যাত উপন্যাসটির রচয়িতা নন।
B) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও এই ক্লাসিক উপন্যাসটি তাঁর রচিত নয়।
C) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — তিনি বিশ শতকের অন্যতম প্রধান বাঙালি ঔপন্যাসিক ও কবি হলেও এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
D) অদ্বৈতমল্ল বর্মন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই কালজয়ী তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসের রচয়িতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নদীর নাম দিয়ে উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হিসেবে অদ্বৈতমল্ল বর্মন ও তিতাস নদী একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
- মালো সম্প্রদায়ের জীবন নিয়ে লেখা একমাত্র মহাকাব্যিক উপন্যাস হিসেবে এটি স্মরণ রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদীকেন্দ্রিক উপন্যাসের রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ঔপন্যাসিকের নাম এবং উপন্যাসের পটভূমি ভালোভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন, যা বাংলা সাহিত্যের আদি যুগ বা প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরানো বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা ধর্মীয় গান, যা সন্ধ্যাভাষায় বা আলো-আঁধারি ভাষায় রচিত হয়েছে।
- ড. সুকুমার সেন এবং ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের রচনাকাল হলো সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কায় তরু পঞ্চ বি ডাল। চঞ্চল চিয়ে পৈঠ কাল।
ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পঙক্তি, যেখানে মানুষের দেহকে একটি গাছের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে যার পাঁচটি ডাল আছে।
উদাহরণ ২: সুপখই পাছিল নেবো তরুরে। ভুসুক বুড়াইল নৌ হিল থিরে।
ব্যাখ্যা: এটি ভুসুকপাদের রচিত একটি পদ, যা চর্যাপদের অন্তর্ভূক্ত এবং এর মাধ্যমে রূপক অর্থে সাধনার কথা বলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন।
B) শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন এবং বরু চণ্ডীদাস রচিত একটি কাব্য, যা আদি নিদর্শন নয়।
C) শূন্য পুরাণ — এটি মধ্যযুগের রামাই পণ্ডিত রচিত একটি ধর্মীয় গ্রন্থ, যা চর্যাপদের পরবর্তী যুগের রচনা।
D) নিরঞ্জনের রুম্মা — এটিও শূন্য পুরাণ গ্রন্থের একটি বিখ্যাত কবিতাংশ, যা ধর্মপূজা পদ্ধতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে চর্যাপদ হলো হাজার বছরের পুরনো বৌদ্ধ গান, যা নেপাল থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে।
- প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন হিসেবে চর নামটি মাথায় রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কার সাল এবং এর পদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন আসে।
- চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর মূল রচয়িতা চব্বিশ জন বা ছাব্বিশ জন পদকর্তা।
সঠিক উত্তর: D) অতিথি
১. কেন সঠিক:
- অতিথি শব্দটির বানান গঠনে কোনো দীর্ঘস্বর বা দীর্ঘ ই কার ব্যবহার করা হয় না, কারণ এটি একটি তৎসম শব্দ যার মূল রূপ রসস্ব ই কার দিয়ে গঠিত।
- এই শব্দের অর্থ হলো যিনি তিথি নক্ষত্র না জেনে হঠাৎ বাড়িতে উপস্থিত হন অর্থাৎ মেহমান বা অভ্যাগত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বানান মূল সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী লিখতে হয়।
- অতিথি শব্দে থ এ রসস্ব ই কার এবং ত এ রসস্ব ই কার বসে, যেখানে কোনো দীর্ঘ ই কার ব্যবহারের বিধান নেই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রতিপত্তি
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ তৎসম শব্দ যেখানে প এর পর ত এ ই কার এবং প এর পর ত এ ই কার ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: মন্ত্রিসভা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ন এ ই কার এবং ত এ ই কার ব্যবহার করে সঠিক তৎসম শব্দের রূপ রক্ষা করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অতিথী — এই অপশনে থ এ দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং প্রমিত বানানরীতির পরিপন্থী।
B) অতীথী — এই অপশনের শুরুতে দীর্ঘ ঈ কার এবং শেষে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ বানান।
C) অথিতি — প্রদত্ত এই অপশনটিতে ত এ ই কারের পরিবর্তে ত এ ই কারের জায়গায় অন্য বর্ণ বা ভুল বিন্যাস রয়েছে, তবে এটি প্রশ্নকর্তার দেওয়া ভুল উত্তর বা মুদ্রণজনিত ত্রুটি নির্দেশ করছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অতিথি শব্দটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এই শব্দের দুইটা বর্ণেই অর্থাৎ থ এবং ত এর সাথে রসস্ব ই কার বসে।
- বাংলা বানানে ছোট ই কার বা রসস্ব ই কারের ব্যবহার সংক্রান্ত সাধারণ নিয়ম চর্চা করলে এই ভুল এড়ানো সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই যেসব তৎসম শব্দের বানানে রসস্ব ই কার এবং দীর্ঘ ঈ কার নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়, অতিথি তার মধ্যে অন্যতম।
- একই ধরনের অন্যান্য শব্দ যেমন প্রতিপত্তি এবং মন্ত্রিসভা বানানের ক্ষেত্রেও রসস্ব ই কারের সঠিক প্রয়োগ মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কবর
১. কেন সঠিক:
ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম সার্থক নাটক হলো মুনীর চৌধورীর কবর। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় মুনীর চৌধুরী এই নাটকটি রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ভাষা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির পর কারাগারে বসে তিনি এই ঐতিহাসিক নাটকটি রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: আর্তনাদ
ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান রচিত ভাষা আন্দোলনের পটভূমির ওপর রচিত অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিঠি — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত কোনো নাটক নয়, এটি ভিন্ন একটি সাহিত্যকর্ম।
B) দণ্ডকারণ্য — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নাটক নয়, এটি অন্য কোনো সাহিত্যিক প্রেক্ষাপটে রচিত।
C) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরীর লেখা ঐতিহাসিক নাটক হলেও এর পটভূমি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন নয়।
D) কবর — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত ও সঠিক নাটক।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের কবরে মুনীর চৌধুরীর নাটক প্রথম স্থান অধিকার করেছিল এভাবে মনে রাখতে পারো। কবর নাটকটি কারাগরে বন্দি অবস্থায় রচিত হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক কোনটি এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় আসে। মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম নাটক হিসেবে বিশেষভাবে স্মরণীয়।
সঠিক উত্তর: D) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থটির রচায়িতা হলেন বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- এই গ্রন্থে তাঁর জীবনের প্রারম্ভিক দিন থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত নানা ঐতিহাসিক ঘটনার প্রামাণ্য বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি এবং একজন প্রখ্যাত আত্মজৈবনিক লেখক।
- তাঁর রচিত অপর দুটি জনপ্রিয় গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কারাগারের রোজনামচা
ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি বিখ্যাত জেলখানা জীবনের দিনলিপিভিত্তিক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়াচীন
ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চীন সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে রচিত একটি প্রামাণ্য ভ্রমণকাহিনি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবুল মনসুর আহমেদ — তিনি একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের লেখক নন।
B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কিন্তু এই আত্মজীবনী তিনি লেখেননি।
C) এ. কে. খোন্দকার — তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর সেক্টর কমান্ডার ও লেখক, এই গ্রন্থের রচায়িতা নন।
D) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালি জাতির অসমাপ্ত আত্মজীবনী লেখা যার হাত ধরে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।
- আত্মজীবনী শব্দটি দেখলে সরাসরি বঙ্গবন্ধুর নাম মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি জাতির ইতিহাসভিত্তিক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বঙ্গবন্ধু রচিত মোট তিনটি গ্রন্থ প্রকাশ পেয়েছে, যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং নাম শুনে কবিতা মনে হলেও এটি মূলত গদ্যে রচিত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত রায় ও লাবণ্য সেন এবং এটি মূলত বাংলা উপন্যাসের ধারাকে ভেঙে নতুন রূপ দেওয়ার জন্য পরিচিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।
- শেষের কবিতা উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে রোমান্টিক প্রেমের মনস্তাত্ত্বিক রূপ ও বুদ্ধিবৃত্তিক দ্বন্দ্ব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোরা
ব্যাখ্যা: গোরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি দীর্ঘ ও বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: যোগাযোগ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি মনস্তাত্ত্বিক ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের ওপর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — এটি সঠিক কারণ শেষের কবিতা একটি গদ্য উপন্যাস এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।
B) নাটক — শেষের কবিতা কোনো নাটক নয়, যদিও এর ভেতরে প্রচুর কাব্যিক সংলাপ ও নাটকীয়তা রয়েছে।
C) ছোটগল্প — এটি ছোটগল্প নয় কারণ এর পরিসর এবং চরিত্রের বিস্তার একটি উপন্যাসের পূর্ণাঙ্গ রূপ ধারণ করেছে।
D) কবিতা — নামের মধ্যে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো পদ্য বা কবিতা নয়, বরং একটি আধুনিক গদ্য উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নামের শেষে কবিতা থাকলেও শেষের কবিতা আসলে একটি উপন্যাস এই কথাটি মনে রাখলেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হবে না।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস মনে রাখার জন্য অমিত ও লাবণ্য জুটির এই নামটি সবার আগে মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভ্রান্ত করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে যেখানে নামের সঙ্গে মিল না থাকা সত্ত্বেও সঠিক genre চিহ্নিত করতে হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ উপন্যাস কোনটি এবং প্রথম উপন্যাস কোনটি, এই তথ্যগুলোও একইভাবে প্রস্তুত রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- 'লালসালু' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যার রচিয়তা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
- উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার, ধর্ম ব্যবসায় এবং মানুষের সরলতার সুযোগ নেওয়ার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিশ শতকের আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কারিগর যিনি মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতা নির্ভর উপন্যাস লিখেছেন।
- 'লালসালু' উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত গ্রামীণ সমাজের মোড়লপ্রথা ও অন্ধবিশ্বাসের এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাঁদের অমাবস্যা
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর আরেকটি জনপ্রিয় ও প্রতীক্ষামূলক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি 'সারেং বউ' ও 'সংশপ্তক' উপন্যাসের লেখক, 'লালসালু'র নন।
B) আকবর হোসেন — তিনি 'অবক্ষয়' ও 'অভিষেক' উপন্যাসের জন্য পরিচিত, 'লালসালু'র সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
C) জহির রায়হান — তিনি 'আরেক ফাল্গুন' ও 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসের রচিয়তা, 'লালসালু' তার নয়।
D) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক অপশন এবং তিনি 'লালসালু' উপন্যাসের লেখক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লালসালু উপন্যাসের লেখক ওয়ালীউল্লাহ মনে রাখতে ওয়ালী শব্দের সঙ্গে সালু শব্দ মিলিয়ে ছড়া মনে রাখা যায়।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম এবং সবচেয়ে আলোচিত উপন্যাস হলো লালসালু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- লালসালু উপন্যাসটির প্রকাশকাল ১৯৪৮ সাল যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ এবং তার ধর্মকে পুঁজি করে টিকে থাকার কৌশল ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কাজী ইমদাদুল হক
১. কেন সঠিক:
- 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের রচয়িতা কাজী ইমদাদুল হক এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।
- বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের মুসলিম সমাজের অন্ধত্ব, কুসংস্কার এবং নৈতিক অবক্ষয়ের চিত্র এই উপন্যাসে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী ইমদাদুল হক একজন প্রথিতযশা সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন যিনি মূলত সমাজ সংস্কারের উদ্দেশ্যে এই উপন্যাসটি রচনা করেছিলেন।
- ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র আবদুল্লাহ তৎকালীন রক্ষণশীল মুসলিম সমাজের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আধুনিক শিক্ষা ও নৈতিকতা অর্জনের চেষ্টা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: মানুষের স্বর্গ
ব্যাখ্যা: কাজী ইমদাদুল হক রচিত অপর একটি উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ গ্রন্থ যা শিক্ষণীয় উপাদানে সমৃদ্ধ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোলাম মোস্তফা — গোলাম মোস্তফা একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও তিনি 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের লেখক নন।
B) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান বিখ্যাত উপন্যাস 'কৃতদাসের হাসি' ও 'জননী' রচনা করেছেন, 'আবদুল্লাহ' তার রচনা নয়।
C) কাজী ইমদাদুল হক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ঔপন্যাসিকই 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসটি সফলভাবে রচনা করেছেন।
D) মীর মশাররফ হোসেন — মীর মশাররফ হোসেন 'বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, তবে 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আবদুল্লাহ নামটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন যে ইমদাদুল হক সাহেবের বিখ্যাত সৃষ্টি হলো এই আবদুল্লাহ চরিত্রটি।
- সামাজিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে কাজী ইমদাদুল হকের নাম এবং তাঁর 'আবদুল্লাহ' একটি অবিকল্প নাম হিসেবে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম সমাজের প্রথম সামাজিক উপন্যাস কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
- লেখকের নাম ও উপন্যাসের প্রকাশকাল মনে রাখা সাহিত্য অংশের প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) প্যারীচাঁদ মিত্র
১. কেন সঠিক:
- প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল রচনার মাধ্যমে বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন।
- এই উপন্যাসে প্রথমবার সাধু ও কথ্য রীতির মিশ্রণে এক নতুন গদ্যশৈলী প্রবর্তিত হয় যা বাংলা উপন্যাসের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্যারীচাঁদ মিত্র ১৮১৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করতেন।
- তাঁর আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং একে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আলালের ঘরের দুলাল
ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস যা ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: অভেদী
ব্যাখ্যা: এটিও প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস যা তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারীচাঁদ মিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সার্থক উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনীর রচিয়তা, তবে প্রথম ঔপন্যাসিক নন।
C) প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায় — তিনি বাংলা ছোটগল্প ও উপন্যাসের একজন প্রখ্যাত লেখক হলেও বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক নন।
D) ঘ)শরন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও তিনি অনেক পরে আবির্ভূত হয়েছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রথম ঔপন্যাসিক মনে রাখার কৌশল হলো পেঁচা অর্থাৎ প্যারীচাঁদ মিত্রের টেকচাঁদ ছদ্মনামের সাথে আলালের ঘরের দুলাল মনে রাখা।
- বঙ্কিমচন্দ্র হলেন সার্থক ঔপন্যাসিক আর প্যারীচাঁদ মিত্র হলেন প্রথম ঔপন্যাসিক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল এবং এর রচিয়তা প্যারীচাঁদ মিত্র বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
- লেখকের প্রকৃত নাম এবং ছদ্মনাম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: A) মেঘনাদবধ
১. কেন সঠিক:
- মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও সার্থক মহাকাব্য হিসেবে সর্বস্বীকৃত।
- মহাকাব্যের ধ্রুপদী লক্ষণ যেমন স্বর্গ বা সর্গ বিভাজন, অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার এবং পৌরাণিক কাহিনীর মহৎ প্রয়োগ এতে নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মহাকাব্যের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে এই অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত কাব্যটি প্রকাশ করেন।
- রামায়ণের কাহিনীর সামান্য পরিবর্তন করে রাবণের পুত্র মেঘনাদ বা ইন্দ্রজিতের বীরত্ব ও ট্র্যাজেডি এতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ নাটক।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেঘনাদবধ — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হওয়ায় প্রশ্নটির সঠিক উত্তর।
B) বৃত্রসংহার — হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি মহাকাব্য হলেও এটি মেঘনাদবধর মতো সার্থক মহাকাব্যের মর্যাদা পায়নি।
C) কুরুক্ষেত্র — হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত আরেকটি মহাকাব্য, যা মেঘনাদবধর সমকক্ষ সার্থক মহাকাব্য হিসেবে বিবেচিত নয়।
D) মহাশ্মশান — কায়কোবাদ রচিত একটি মহাকাব্য, যার মূল বিষয়বস্তু পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য মানেই মেঘনাদবধ এবং এটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য।
- পরীক্ষিৎরা মনে রাখবেন সার্থক মহাকাব্য বললেই মেঘনাদবধ কাব্যের নাম আসবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মেঘনাদবধ কাব্য কয়টি সর্গে বিভক্ত, এই তথ্যটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
- বাংলা সার্থক মহাকাব্যের রচয়িতা এবং প্রকাশের সাল মনে রাখা চাকরির পরীক্ষার জন্য বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: A) বর্মী
কেন সঠিক:
- লুঙ্গি শব্দটি বর্মী ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- বার্মা বা মিয়ানমারের সংস্কৃতির সাথে এই পোশাকটি গভীরভাবে যুক্ত থাকায় এর নামও সেই ভাষা থেকেই এসেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে।
- বর্মী ভাষা থেকে আগত বিদেশি শব্দের মধ্যে লুঙ্গি একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং বহুল ব্যবহৃত শব্দ।
- এই ধরনের শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে আগত বিদেশি শব্দ বা ঋণশব্দ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বর্মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ লুঙ্গি শব্দটি বর্মী ভাষা থেকেই এসেছে।
- B) মালয় — মালয় ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় 'চিনি', 'টুপি', 'রবার' ইত্যাদি শব্দ এসেছে, লুঙ্গি নয়।
- C) চীনা — চীনা ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় 'চা', 'চিনি', 'লুচি' ইত্যাদি শব্দ এসেছে, লুঙ্গি নয়।
- D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় 'দারোগা', 'কোচ', 'তোপ' ইত্যাদি শব্দ এসেছে, লুঙ্গি নয়।
মনে রাখার টিপস:
- বর্মা বা মিয়ানমারের ঐতিহ্যবাহী পোশাক লুঙ্গি, তাই মনে রাখবে লুঙ্গি শব্দটি বর্মী ভাষা থেকে এসেছে।
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ
কেন সঠিক:
১. এই কাব্যগ্রন্থটি কবি জীবনানন্দ দাশের অনন্য সৃষ্টি যা বাংলার প্রকৃতির রূপ ও সৌন্দর্য নিয়ে রচিত।
২. লেখকের মৃত্যুর পর প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে প্রকৃতিভিত্তিক কাব্যের এক শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ প্রকৃতিভিত্তিক এবং দেশপ্রেমমূলক একটি কাব্যগ্রন্থ।
২. এতে রূপসী বাংলার নদী, মাঠ, পাখি এবং লতাপাতার নিখুঁত ও মায়াবী চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. যেমন, এই কাব্যের বিখ্যাত পংক্তিতে বাংলার শালিক, কিশোরী এবং ধানের গন্ধের অসাধারণ রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধদেব বসু — ইনি ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'রূপসী বাংলা' তাঁর কাব্য নয়।
B) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক এবং ক্ল্যাসিক্যাল মননশীল কবিতার জন্য পরিচিত কিন্তু এই কাব্যটির রচয়িতা নন।
C) অমিয় চক্রবর্তী — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি হলেও তাঁর লেখার মূল সুর ভিন্ন।
D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি রূপসী বাংলা কাব্যের একমাত্র রচয়িতা।
মনে রাখার টিপস:
১. রূপসী বাংলা মানেই বাংলার রূপকার কবি জীবনানন্দ দাশ।
২. প্রকৃতির কবি বললেই জীবনানন্দ দাশ এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য রূপসী বাংলা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অনল
১. কেন সঠিক:
'আগুন' শব্দটির একটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত সমার্থক শব্দ হলো অনল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে এটি প্রায়ই আসে এবং এর অর্থ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় আগুন বোঝাতে তৎসম, অর্ধ-তৎসম এবং দেশি শব্দের ব্যবহার রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বহ্নি
ব্যাখ্যা: এটি আগুন শব্দের একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ যা বিভিন্ন কাব্যে পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: পাবক
ব্যাখ্যা: পাবক শব্দের অর্থও আগুন, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে বহুবার এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলোক — এই শব্দটির অর্থ আলো, দীপ্তি বা প্রকাশ, যা আগুন শব্দের সরাসরি সমার্থক নয়।
B) জ্যোতি — জ্যোতি বলতে আলোর প্রভা বা দীপ্তিকে বোঝায়, আগুনকে নয়।
C) কিরণ — কিরণ শব্দের অর্থ রশ্মি বা আলোর আভা, তাই এটি আগুন বোঝায় না।
D) অনল — এটি আগুন শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
আগুনের সমার্থক শব্দগুলো সহজে মনে রাখতে অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন ও অগ্নি এই কয়েকটি শব্দ একসঙ্গে একটি বাক্যে বা ছন্দে বারবার চর্চা করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় আগুন, পানি, আকাশ ও বাতাস এই চারটি প্রাকৃতিক উপাদানের সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই এগুলোর সমার্থক শব্দ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) বিরাগ
১. কেন সঠিক:
- অনুরাগ শব্দটির অর্থ গভীর প্রেম, আসক্তি বা প্রীতি।
- এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে বিরাগ শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ অনীহা বা বিরূপতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- বিশেষ করে তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও অর্থের গভীরতা বিবেচনা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনুরাগ ও বিরাগ
ব্যাখ্যা: কোনো বিষয়ের প্রতি গভীর টানের বিপরীত হলো সেই বিষয়ের প্রতি অনীহা বা বিরাগ।
উদাহরণ ২: আসক্তি ও বিরক্তি
ব্যাখ্যা: আসক্তি শব্দের যেমন বিপরীত শব্দ বিরক্তি, তেমনি অনুরাগ শব্দের বিপরীত হলো বিরাগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুগ্রহ — এই শব্দটির অর্থ কৃপা বা দয়া, যা অনুরাগের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়।
B) অন্তর — এই শব্দটির অর্থ ভেতর বা হৃদয়, যা বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
C) অনুরক্ত — এই শব্দটির অর্থ আসক্ত, যা অনুরাগ শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, বিপরীত নয়।
D) বিরাগ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অনুরাগের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অনুরাগের সাথে বিরাগ মিল রেখে মনে রাখতে পারো।
- অ দিয়ে শুরু শব্দে ব যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক রূপ নেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে পারলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) মারা যাওয়া
১. কেন সঠিক:
- 'অক্কা পাওয়া' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা যার আভিধানিক ও প্রচলিত অর্থ হলো মারা যাওয়া বা প্রাণত্যাগ করা।
- প্রাত্যহিক কথ্য ভাষায় মৃত্যু বোঝাতে এই বিশেষ বাগধারাটির বহুল ব্যবহার দেখা যায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৃদ্ধ লোকটি অবশেষে অক্কা পেলেন।
ব্যাখ্যা: এখানে বৃদ্ধ লোকটির মৃত্যুর ঘটনা বোঝাতে 'অক্কা পেলেন' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: গাড়িটি এত পুরনো যে যেকোনো দিন অক্কা পেতে পারে।
ব্যাখ্যা: এখানে গাড়িটি নষ্ট হয়ে যাওয়া বা অচল হয়ে যাওয়া অর্থে রূপকভাবে 'অক্কা পাওয়া' ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মারা যাওয়া — এটি সঠিক উত্তর এবং বাগধারাটির মূল অর্থ।
B) কঠিন পরীক্ষা — এই অর্থটি বোঝাতে 'অগ্নিপরীক্ষা' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
C) অপদार्थ — এই অর্থটি বোঝাতে 'অগকষষ্ঠী' বা 'অকেজো' শব্দ ব্যবহৃত হয়, অক্কা পাওয়া নয়।
D) দুর্লভ — এই অর্থটি বোঝাতে 'আকাশ কুসুম' বা 'দুর্লভ বস্তু' বলা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অক্কা পাওয়া মানে শেষ হয়ে যাওয়া বা জীবন প্রদীপ নিভে যাওয়া।
- মৃত্যুর সমার্থক অন্যান্য বাগধারার সাথে এটি মিলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৃত্যু বা ধ্বংস বোঝাতে ব্যবহৃত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা ব্যাকরণে বাগধারার সঠিক অর্থ জানা থাকলে এক নম্বর নিশ্চিত করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
১. কেন সঠিক:
বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান সবচেয়ে বেশি কারণ এখানে পাঠ্যপুস্তক রচনার জন্য পন্ডিতদের নিয়োগ করা হয়েছিল।
কলেজের পন্ডিতদের হাত ধরেই বাংলা গদ্য তার দুর্বোধ্য সাধু রূপ থেকে বেরিয়ে এসে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও পঠনযোগ্য রূপ লাভ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১৮০০ সালের ৪ মে তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলশলি কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
এই কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি এবং তার সহযোগী পন্ডিতগণ বাংলা গদ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত প্রথম গদ্যগ্রন্থগুলোর অন্যতম যা বাংলা গদ্যের বিকাশে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের বাতত্রিশ সিংহাসন
ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের রচিত এই গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের প্রাথমিক রূপকে সমৃদ্ধ করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহসীন কলেজ — এটি একটি প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলেও বাংলা গদ্য সাহিত্য বিকাশে এর কোনো সরাসরি বা ঐতিহাসিক ভূমিকা নেই।
B) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গদ্য বিকাশের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত।
C) শ্রীরামপুর মিশন — এটি বাংলা গদ্য ও মুদ্রণ শিল্পের বিকাশে অবদান রাখলেও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের মতো মূল সাহিত্যিক ভিত্তি গড়ার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা দ্বিতীয় পর্যায়ে পড়ে।
D) সংস্কৃত কলেজ — ১৮২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজটি পরবর্তীকালে শিক্ষা বিস্তারে ভূমিকা রাখলেও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের মতো সূচনালগ্নে গদ্য বিকাশে কাজ করেনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলা গদ্যের জন্ম বা বিকাশ বললেই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের নাম মনে রাখবে।
১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজটি বাংলা গদ্যের শৈশবকাল হিসেবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি।
এই কলেজ কেন্দ্রিক লেখকদের মধ্যে রামরাম বসু ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের নাম সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয় সমাস
কেন সঠিক:
- এই সমাসে একটি পদের সম্পূর্ণ বিপরীত বা ভিন্ন অর্থের আরেকটি পদের সাথে মিলন ঘটেছে।
- বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন না হয়ে দুটি বিপরীতধর্মী পদের মাধ্যমে একই বস্তুর দুটি ভিন্ন অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে কর্মধারয় সমাসে একই পদের দুইবার ব্যবহারের মাধ্যমে বিরোধাভাসহীন ভিন্ন অবস্থা বোঝায় তাকে বিশেষ নিয়মসিদ্ধ কর্মধারয় বলে।
- কাঁচা এবং পাকা শব্দ দুটি বিপরীত হলেও এখানে একই সাথে অবস্থান করছে।
- যেমন: ধোয়া-মোছা, দেখেশুনে ইত্যাদি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) দ্বন্দ্ব সমাস — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য নেই এবং মাঝখানে কোনো সংযোজক অব্যয় উহ্য নেই।
- B) কর্মধারয় সমাস — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
- C) দ্বিগু সমাস — এটি ভুল কারণ এর ব্যাসবাক্যে কোনো সংখ্যাবাচক শব্দ থাকে না এবং সমাহার বোঝায় না।
- D) বহুব্রীহি সমাস — এটি ভুল কারণ এখানে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ বজায় না থেকে নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায় না।
মনে রাখার টিপস:
- একই পদের দুটি বিপরীত অবস্থা একসাথে থাকলে কর্মধারয় সমাস হয়।
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ শামসুল হক
১. কেন সঠিক:
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য, যার রচয়িতা সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক।
- নাট্যটিতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের গ্রামীণ জনপদের অবরুদ্ধ পরিবেশ এবং সাধারণ মানুষের সংগ্রাম ও বিজয়ের আবহ অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যে একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক হিসেবে অত্যন্ত পরিচিত।
- কাব্যনাট্যটি মূলত পদ্য বা ছন্দে রচিত নাটক, যা মঞ্চে অভিনীত হওয়ার পাশাপাশি পড়ার জন্যও সমানভাবে উপযোগী।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নূরলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হক রচিত আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য।
উদাহরণ ২: ঈর্ষা
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক ও জনপ্রিয় কাব্যনাট্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই কাব্যনাট্যের রচয়িতা নন।
B) শামসুর রাহমান — তিনি বাংলাদেশের প্রধান নাগরিক কবি ও প্রাবন্ধিক, তবে এই কাব্যনাট্যটি তাঁর লেখা নয়।
C) সানাউল হক — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সরকারি কর্মকর্তা হলেও এই বিখ্যাত কাব্যনাট্যের সঙ্গে যুক্ত নন।
D) সৈয়দ শামসুল হক — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সৈয়দ শামসুল হকের লেখা বিখ্যাত কাব্যনাট্য মনে রাখার কৌশল হলো পায়ের আওয়াজ শুনলেই নূরলদীনকে মনে পড়বে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য বা উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্যগুলো আলাদাভাবে তালিকাভুক্ত করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
'রাজবন্দীর জবানবন্দী' হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক প্রবন্ধ। ১৯২৩ সালের ৭ জানুয়ারি আলীপুর সেন্ট্রাল জেলে বিচারকের সামনে প্রদত্ত এই জবানবন্দীতে তিনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে তার রাজনৈতিক অবস্থান ও সাহিত্যিক আদর্শ তুলে ধরেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রাবন্ধিক। ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতা লেখার অপরাধে তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং এই জবানবন্দীটি তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'যুগবাণী'
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যেখানে সমাজের নানা অসংগতি ও রাজনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য রয়েছে।
উদাহরণ ২: 'ভাঙার গান'
ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত কবিতা ও সংগীত গ্রন্থ, যা তৎকালীন তরুণসমাজকে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে অনুপ্রাণিত করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত, তবে তিনি 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' লেখেননি।
B) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি বাংলা সাহিত্যের মার্ক্সবাদী ও কিশোর কবি হিসেবে পরিচিত এবং কম বয়সে মারা যান, তার কোনো রাজনৈতিক জবানবন্দী গ্রন্থ নেই।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হলেও 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' তার রচিত কোনো প্রবন্ধ বা গ্রন্থ নয়।
D) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জেলখানায় বসে এই ঐতিহাসিক জবানবন্দী প্রদান করেছিলেন যা পরবর্তীতে প্রবন্ধ আকারে প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বিদ্রোহী সত্তা ও জেলের বন্দী জীবন একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। রাজবন্দী মানেই ব্রিটিশদের বন্দশালায় থাকা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই জবানবন্দী প্রদানের সাল বা লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়। মনে রাখবে এটি ১৯২৩ সালে রচিত একটি বিখ্যাত গদ্য সাহিত্যকর্ম।
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো 'মৃত্যুক্ষুধা' বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক সমাজের অবহেলিত ও দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রা এবং তাদের বেঁচে থাকার সংগ্রাম ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক হলেও তিনি মূলত কবিতা ও গানের জন্য বেশি পরিচিত।
- 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসে তৎকালীন সমাজের দারিদ্র্য, মানুষের অনাহার এবং সামাজিক বৈষম্যের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'বাধা নিষেধ'
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত আরও একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।
উদাহরণ ২: 'কুহেলিকা'
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত রাজনৈতিক পটভূমির ওপর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসের রচয়িতা তিনিই।
B) আবু ইসহাক — এই অপশনটি ভুল কারণ আবু ইসহাক 'সূর্যদীঘল বাড়ী' উপন্যাসের জন্য পরিচিত।
C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এই অপশনটি ভুল কারণ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাসের নাম 'লালসালু'।
D) জহির রায়হান — এই অপশনটি ভুল কারণ জহির রায়হান রচিত বিখ্যাত উপন্যাসের নাম 'হাজার বছর ধরে'।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তার তিনটি উপন্যাস বাধার সৃষ্টি করে, যেমন: বাঁধনহারা, বাউণ্ডুলের আত্মকথা এবং মৃত্যুক্ষুধা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নজরুলের মোট উপন্যাসের সংখ্যা তিনটি, যার নাম বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা।
সঠিক উত্তর: B) গুজরাটি
১. কেন সঠিক:
- 'হরতাল' শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক শব্দ।
- গুজরাটি সংস্কৃতি ও ভাষা থেকে বাংলায় আসা খুব সীমিত সংখ্যক শব্দের মধ্যে হরতাল অন্যতম একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দসমূহকে উৎসের ভিত্তিতে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে আরবি, ফার্সি, ইংরেজি ও পর্তুগিজ শব্দের পাশাপাশি অন্যান্য ভাষা যেমন গুজরাটি, পাঞ্জাবি বা চৈনিক ভাষা থেকেও কিছু শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খদ্দর
ব্যাখ্যা: খদ্দর শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে আগত আরেকটি বহুল পরিচিত শব্দ যা বাংলায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: হারিকেন
ব্যাখ্যা: হারিকেন শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে আগত বিদেশি শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় আনাদি, আনারস, পাদ্রী, চাবি ইত্যাদি শব্দ এসেছে, কিন্তু হরতাল পর্তুগিজ শব্দ নয়।
B) গুজরাটি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপযুক্ত ভাষাতাত্ত্বিক প্রমাণ রয়েছে।
C) মারাঠী — মারাঠী ভাষা থেকে বাংলায় বর্গী বা চৌথ শব্দ এসেছে, কিন্তু হরতাল মারাঠী শব্দ নয়।
D) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে ইস্কাপন, হরতন, টেক্কা ইত্যাদি শব্দ এসেছে, কিন্তু হরতাল ওলন্দাজ শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলায় আসা দুটি প্রধান শব্দ মনে রাখার জন্য গু-ক্ষ বা গু-হ কৌশল ব্যবহার করতে পারো, যেমন গুজরাটি থেকে এসেছে হরতাল ও খদ্দর।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে কম প্রচলিত ভাষা যেমন গুজরাটি বা পাঞ্জাবি থেকে আসা শব্দগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) দেশি শব্দ
১. কেন সঠিক:
- উৎপত্তি অনুসারে যে শব্দগুলোর মূল উৎস বা শেকড় অজানা, কিন্তু বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলে যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলে।
- 'ঢেঁকি' শব্দটি অস্ট্রিক বা প্রাচীন বাঙালি আদিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে, যার কোনো সংস্কৃত বা অন্য কোনো বিদেশি ভাষার প্রত্যক্ষ রূপান্তর নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎপত্তি বা উৎস অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, বিদেশি এবং দেশি শব্দ।
- দেশি শব্দ মূলত বাংলাদেশের আদি অধিবাসী যেমন কোল, মুণ্ডা, সাঁওতাল ইত্যাদি জাতির ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুলা
ব্যাখ্যা: কুলা একটি দেশি শব্দ, যা ধান পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর উৎস আদিবাসীদের ভাষা।
উদাহরণ ২: ঢোল
ব্যাখ্যা: ঢোল শব্দটি দেশি শব্দ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত এবং এটি আমাদের প্রাচীন বাদ্যযন্ত্র হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তদ্ভব শব্দ — তদ্ভব শব্দ হলো সেগুলো, যার উৎস প্রাকৃতের মাধ্যমে সংস্কৃত থেকে পরিবর্তিত হয়ে এসেছে কিন্তু ঢেঁকি তদ্ভব নয়।
B) তৎসম শব্দ — তৎসম শব্দ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে কিন্তু ঢেঁকি সংস্কৃত শব্দ নয়।
C) অর্ধ-তৎসম শব্দ — অর্ধ-তৎসম শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে প্রাকৃতের মাধ্যমে এসেছে যা ঢেঁকির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) দেশি শব্দ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ ঢেঁকি একটি আদিবাসী উৎসের দেশি শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দেশি শব্দ মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো কুলা, ঢেঁকি, কুঁড়ে ঘর, গঞ্জ, চুলা, পেট ইত্যাদি দৈনন্দিন ব্যবহারের গ্রামীণ বস্তু।
- এই শব্দগুলোর কোনো নির্দিষ্ট সংস্কৃত মূল পাওয়া যায় না বলে এগুলো দেশি শব্দ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কুলা, ঢেঁকি, গঞ্জ, চোঙা, চুলা ইত্যাদি শব্দ প্রায়ই দেশি শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে বলা হয়।
- উৎসগত শ্রেণির প্রশ্ন সমাধানের সময় শব্দের উৎস অস্ট্রিক বা দ্রাবিড় ভাষা নির্দেশ করলে সাধারণত তা দেশি শব্দ হয়।
সঠিক উত্তর: B) অশুভ দৃষ্টিতে পড়া
কেন সঠিক:
- এই বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ হলো কোনো ক্ষতিকর বা কুদৃষ্টির প্রভাবে আক্রান্ত হওয়া।
- সমাজে প্রচলিত লোকবিশ্বাসে সুন্দর বা ভালো কোনো কিছুর ওপর ক্ষতিকর দৃষ্টি পড়াকেই নজর লাগা বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন বিশেষ প্রয়োগ যা শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।
- লোকসাহিত্য এবং দৈনন্দিন গ্রামীণ জীবনে মানুষের হিংসাত্মক বা লোভী দৃষ্টির কুফল বোঝাতে এই বাগধারার প্রচলন হয়েছে।
- যেমন, ছোট বাচ্চার সুন্দর স্বাস্থ্যের প্রশংসা করার সময় অনেক সময় বলা হয় যেন তার নজর না লাগে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পছন্দ হওয়া — এই অর্থ প্রকাশের জন্য মনে ধরা বা ভালো লাগা বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
- C) মনে ধরা — এর অর্থ হলো কোনো কিছু খুব ভালো লেগে যাওয়া বা চিত্তাকর্ষক হওয়া।
- D) সুদৃষ্টিতে আসা — এর অর্থ হলো কারো কৃপা বা অনুকূল নজরে পড়া, যা নজর লাগার বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
- নজর শব্দের সাথে অমঙ্গল বা কুদৃষ্টির বিষয়টি জড়িত থাকে, তাই এটি অশুভ দৃষ্টির সাথে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: B) were
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে অসম্ভব কল্পনা বা অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছে।
তাই সাবজেক্ট singular হওয়া সত্ত্বেও এখানে were বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) am — present tense হওয়ায় এই বাক্যে বসে না।
B) were — এটি সঠিক উত্তর।
C) was — আধুনিক ইংরেজিতে প্রচলিত থাকলেও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) shall be — ভবিষ্যৎকাল নির্দেশ করায় এখানে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
I wish যুক্ত বাক্যে অসম্ভব ইচ্ছা প্রকাশ পেলে subject যাই হোক না কেন, verb সবসময় were হয়।
সঠিক উত্তর: C) freezes
কেন সঠিক:
এটি একটি চিরন্তন সত্য বা বাস্তব ঘটনা প্রকাশ করছে।
এমন বাক্যে প্রথম অংশে Present Indefinite Tense থাকলে পরের অংশও Present Indefinite Tense হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will freeze — এটি First Conditional এর গঠন, কিন্তু এটি কোনো ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার কথা নয়।
B) would freeze — এটি Second Conditional এর গঠন, যা কাল্পনিক বা অসম্ভব ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) freezes — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) frozen — এটি Past Participle রূপ, যা একা এখানে মূল ভার্ব হিসেবে বসতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
বিজ্ঞানসম্মত সত্য বা চিরন্তন সত্যি বোঝাতে সবসময় Present Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) One third of the students are absent
কেন সঠিক:
- ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে লব একের বেশি হলে হর plural হয় এবং লব এক হলে হর singular থাকে, তবে এর পরের noun টি plural হলে verb ও plural হয়।
- এখানে students plural হওয়ায় verb হিসেবে are ব্যবহৃত হয়েছে এবং One third সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) One thirds of the students are absent — লব ১ হলে হরের সাথে s যুক্ত হয় না, তাই One thirds ভুল।
B) One third of the students are absent — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) One thirds of the student are absent — লবের নিয়মে One thirds ভুল এবং student singular হওয়া সত্ত্বেও are ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) One third of the student is absent — student singular হওয়ায় is সঠিক হলেও মূল প্রশ্নে students plural হওয়ার কারণে এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভগ্নাংশে One এর পর third হবে (thirds নয়) এবং এর পরের noun টি plural হলে verb ও plural হবে।
সঠিক উত্তর: C) amphibians
কেন সঠিক:
অ্যাম্ফিবিয়ান বা উভচর প্রাণী এমন এক ধরনের প্রাণী যাদের জীবনচক্রের কিছু অংশ জলে এবং কিছু অংশ স্থলে অতিবাহিত হয়।
এরা ফুসফুস এবং ত্বক উভয় মাধ্যমেই শ্বাসকার্য চালাতে সক্ষম।
উভচর প্রাণীরা সাধারণত ডিম পাড়ার জন্য জলকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বেছে নেয়।
ব্যাঙ এবং সালামান্ডার এই শ্রেণীর প্রাণীর সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) insectivorous — এই শব্দটির অর্থ হলো কীটভোজী বা পতঙ্গভোজী প্রাণী। এরা মূলত অন্যান্য কীটপতঙ্গ খেয়ে নিজেদের বেঁচে থাকে।
B) dinosaurs — ডাইনোসর হলো প্রাগৈতিহাসিক যুগের বিশাল আকৃতির সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী। বর্তমান যুগে এদের কোনো অস্তিত্ব নেই এবং এরা উভচর নয়।
C) amphibians — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ধরা হয়নি।
D) reptiles — সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী সাধারণত ডাঙায় বসবাস করে এবং বুকে ভর দিয়ে চলে। এরা উভচর প্রাণীর মতো জলে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি অ্যাম্ফি শব্দটির অর্থ হলো উভয় এবং বায়োস শব্দের অর্থ জীবন। তাই যে সকল প্রাণী জল ও স্থল উভয় স্থানেই জীবন ধারণ করতে পারে তাদের উভচর বা অ্যাম্ফিবিয়ান বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) on
কেন সঠিক:
- ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী spend বা খরচ করার পর কোনো জিনিসের পেছনে টাকা ব্যয় করা বোঝালে on preposition ব্যবহৃত হয়।
- এখানে gifts বা উপহারের পেছনে টাকা খরচ করার অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে on বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি সঠিক উত্তর কারণ spend verb এর পর উপহারের ক্ষেত্রে on প্রিপজিশন বসে।
B) by — দ্বারা বা মাধ্যমে বোঝাতে by বসে, যা এখানে অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
C) in — ভেতরে বা মধ্যে বোঝাতে in বসে, যা টাকার ক্ষেত্র বা উপহারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) at — নির্দিষ্ট স্থান বা সময় বোঝাতে at বসে, যা এই শূন্যস্থানের জন্য উপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছু কেনাকাটা বা উপহারের পেছনে টাকা খরচ করা বোঝালে spend শব্দের পরে সবসময় on প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Fanciful schemes
কেন সঠিক:
- Castles in the air একটি ইংরেজি ইডিয়ম, যার অর্থ আকাশকুসুম কল্পনা বা অবাস্তব পরিকল্পনা।
- Fanciful schemes কথাটির অর্থও কাল্পনিক বা অবাস্তব পরিকল্পনা, যা মূল ইডিয়মের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) - Romantic scenery — এটি বাস্তব বা রোমান্টিক কোনো দৃশ্য বোঝায়, যা অবাস্তব কল্পনার ইডিয়মটির সঙ্গে মেলে না।
B) Visionary project — এটি দূরদর্শী বা ভবিষ্যৎমুখী কোনো বাস্তব পরিকল্পনা বোঝায়, যা অবাস্তব কল্পনার বিপরীত।
C) Fanciful schemes — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ অবাস্তব বা কাল্পনিক পরিকল্পনা।
D) Idealistic thinking — এটি আদর্শবাদী চিন্তাভাবনা বোঝায়, যা পুরোপুরি অবাস্তব কাল্পনিক পরিকল্পনা বা ইডিয়মটির সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
আকাশে (Air) কখনো দুর্গ (Castles) তৈরি করা যায় না, তাই এটি একটি অবাস্তব কাল্পনিক পরিকল্পনা বা Fanciful schemes।
সঠিক উত্তর: B) mice
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে কিছু অনিয়মিত নাউনের প্লুরাল করার সময় শেষের অক্ষর না বদলে ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তন করতে হয়।
- এই নিয়মে mouse শব্দটির ভেতরের ou ভাওয়েল পরিবর্তিত হয়ে i এ রূপান্তরিত হয় এবং এর প্লুরাল রূপ mice হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mouses — এটি ভুল কারণ ইংরেজিতে mouse শব্দের শেষে es যোগ করে প্লুরাল করার নিয়ম নেই।
B) mice — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে এটি প্রযোজ্য নয়।
C) mouse — এটি হলো শব্দটির একক বা singular রূপ, যা প্লুরাল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) mices — এটি সম্পূর্ণ ভুল গঠন কারণ আধুনিক ইংরেজিতে এমন কোনো শব্দরূপ নেই।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের ভেতরে vauel পরিবর্তন করে প্লুরাল হওয়া শব্দের ক্ষেত্রে louse এর প্লুরাল lice এবং mouse এর প্লুরাল mice এভাবে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) for
কেন সঠিক:
বিখ্যাত বা পরিচিত বোঝাতে বিখ্যাত কোনো জায়গার পরে সাধারণত preposition হিসেবে for বসে। যেমন ঢাকা রিক্সার জন্য বিখ্যাত, তাই এখানে সঠিক preposition হবে for।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — অধিকার বা উৎস বোঝাতে of বসে কিন্তু বিখ্যাত হওয়ার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায় না।
C) by — সাধারণত মাধ্যম বা কারো দ্বারা কিছু করা বোঝাতে by বসে তাই এখানে এটি বসবে না।
D) at — কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা ছোট জায়গার দিকে নির্দেশ করতে at বসে যা এখানে অর্থসংগত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও কিছু বিখ্যাত বোঝালে Famous শব্দের পরে সবসময় for preposition ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) had finished
কেন সঠিক:
অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, তার ক্ষেত্রে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়। এখানে স্কুল শেষ করা কাজটি আগে ঘটেছে বলে had finished সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) had finished — এটি সঠিক উত্তর।
B) would finish — এটি অতীতের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে বসে, তাই এখানে সঠিক নয়।
C) finished — দুটি ঘটনার ধারাবাহিকতা বোঝাতে শুধু Past Indefinite যথেষ্ট নয়।
D) would have finished — এটি Third Conditional-এর নিয়ম, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে হয়, তার সাথে had এবং verb-এর past participle বসে।
সঠিক উত্তর: B) The girl burst into tears
কেন সঠিক:
কান্না বা আবেগের বহিרপ্রকাশ বোঝাতে ইংরেজি ব্যাকরণে burst into tears সঠিক ধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এখানে into প্রিপজিশনটি কান্নায় ভেঙে পড়ার আকস্মিক পরিবর্তনকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে।
অন্য কোনো প্রিপজিশন এই অর্থের সাথে মানানসই নয়।
তাই ব্যাকরণগত নিয়মে এই গঠনটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The girl burst out of tears — এখানে out of ব্যবহার করা হয়েছে যা কান্নার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল এবং অপ্রাসঙ্গিক।
B) The girl burst into tears — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) The girl burst out with tears — এখানে with ব্যবহারের নিয়ম নেই কারণ burst এর পরে সঠিক প্রিপজিশন into বসে।
D) The girl burst — বাক্যটি অসম্পূর্ণ কারণ এর পরে কোনো উপযুক্ত ভাব বা প্রিপজিশন যুক্ত করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
কান্নায় ভেঙে পড়া বোঝাতে সবসময় burst এর পরে into বসে এবং তারপরে tears লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) He has been waiting for three hours
কেন সঠিক:
বাক্যে নির্দিষ্ট একটি সময় ধরে কোনো কাজ চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করতে হয়।
এখানে তিন ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করার কাজ চলছে বোঝাতে has been waiting সঠিক গঠন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is waiting for three hours — এটি Present Continuous Tense হওয়ায় এখানে দীর্ঘ সময় ধরে চলা কাজের জন্য নিয়মটি সঠিক নয়।
B) He was waiting for three hours — এটি Past Continuous Tense হওয়ায় বর্তমানের কোনো ধারাবাহিক সময় বোঝাতে এটি উপযুক্ত নয়।
C) He will be waiting for three hours — এটি Future Continuous Tense হওয়ায় অতীতে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলা কাজ বোঝাতে এটি ব্যবহার করা যায় না।
D) He has been waiting for three hours — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে ধরে বা যাবৎ বোঝাতে for এবং থেকে বা হতে বোঝাতে since এর সাথে Present Perfect Continuous Tense বসে।
সঠিক উত্তর: D) architect
কেন সঠিক:
- "Architect" শব্দের অর্থ স্থপতি বা নির্মাতা, যা মানুষের ভাগ্য গড়ার রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- "Man is the architect of his own fate" একটি বহুল ব্যবহৃত প্রবাদ, যার অর্থ মানুষ তার নিজের ভাগ্যের নির্মাতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Projector — এর অর্থ প্রজেক্টর বা অভিক্ষেপ যন্ত্র, যা প্রবাদের অর্থের সাথে মিলে না।
B) novator — এটি ভুল বা অপ্রচলিত শব্দ, প্রবাদের অর্থে এর কোনো ভিত্তি নেই।
C) pioneer — এর অর্থ অগ্রপথিক, তবে নির্দিষ্ট এই প্রবাদের ক্ষেত্রে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না।
D) architect — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা প্রবাদের প্রচলিত রূপের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
ভাগ্য গড়ার সাথে স্থপতি বা নির্মাতা অর্থাৎ architect শব্দটি যুক্ত থাকে, কারণ মানুষ নিজেই তার জীবন ও ভাগ্য নির্মাণ করে।
সঠিক উত্তর: B) Man is not immortal
কেন সঠিক:
নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করার সময় মূল বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রাখতে হয় এবং বিপরীত শব্দের আগে 'not' বসাতে হয়। 'mortal' শব্দের বিপরীত শব্দ 'immortal' ব্যবহার করে সঠিক অর্থ বজায় রাখা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Man is not mortal — এটি সঠিক নয় কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় মানুষ মরণশীল নয়, যা বাস্তব সত্যের বিপরীত।
B) Man is not immortal — এটি সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রাখা হয়েছে।
C) Man is immortal — এটি একটি এফারমেটিভ বা ইতিবাচক বাক্য, যা নেতিবাচক রূপান্তরের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
D) Man is never mortal — এটি ভুল কারণ 'never' ব্যবহার করার কারণে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাফারমেটিভ থেকে নেতিবাচক করার সময় মূল শব্দের বিপরীত শব্দ বসিয়ে তার আগে নট ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) of
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে কারো সম্পর্কে মন্দ বলা বা নিন্দা করা বোঝাতে speak ill of এই নির্দিষ্ট ফ্রেস বা প্রবাদতুল্য ব্যবহার করা হয়।
এখানে অপশন সি এর অব প্রেপজিশনটি অন্য কারো বিরুদ্ধে কথা বলার অর্থ প্রকাশ করতে নিখুঁতভাবে মিলে যায়।
বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় অন্যের নিন্দা করো না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — টু প্রেপজিশনটি সাধারণত কোনো কিছুর দিকে বা প্রাপক বোঝাতে বসে যা এখানে অর্থসংগত নয়।
B) for — ফর প্রেপজিশনটি সাধারণত কোনো উদ্দেশ্যে বা কারো জন্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
D) with — উইথ প্রেপজিশনটি সাধারণত সাথে বা কোনো কিছু দ্বারা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এই বাক্যের সাথে যায় না।
মনে রাখার টিপস:
কারো নিন্দা করার ক্ষেত্রে সবসময় স্পিক ইল অব ফ্রেসটি মনে রাখবে যেখানে অব প্রেপজিশন বসে।
সঠিক উত্তর: D) are spotted frogs
কেন সঠিক:
বাক্যটির শুরুতে negative word 'Rarely' থাকায় এখানে Inversion বা verb-এর উল্টো ব্যবহার হয়েছে।
তাই মূল verb বা auxiliary verb 'are' সাবজেক্টের আগে বসেছে এবং সঠিক গঠন তৈরি করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) spotted frogs — এখানে কোনো verb নেই, তাই বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
B) spotted frogs have — এখানে সাবজেক্টের পরে verb আছে কিন্তু সঠিক প্রশ্নবোধক গঠন হয়নি।
C) have spotted frogs — এখানে অর্থ এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বিন্যাস হয়নি।
D) are spotted frogs — এটি সঠিক কারণ Negative Adverb-এর পর সাহায্যকারী verb আগে বসে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে rarely জাতীয় negative শব্দ থাকলে প্রথমে সাহায্যকারী verb এবং পরে subject বসে।
সঠিক উত্তর: A) strengthen
কেন সঠিক:
strength শব্দটির অর্থ শক্তি এবং এর ভারப் রূপ হলো strengthen যার অর্থ শক্তিশালী করা। ইংরেজি ব্যাকরণে সাধারণত শব্দের শেষে en যোগ করে ভার্ব গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) strengthen — এটি সঠিক কারণ এটি strength শব্দের মূল ভার্ব রূপ।
B) strong — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ শক্তিশালী এবং এটি কোনো ভার্ব নয়।
C) stronger — এটি অ্যাডজেক্টিভের কম্পারেটিভ ডিগ্রি যার অর্থ আরও শক্তিশালী।
D) strengthening — এটি ভার্বের প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জেরান্ড রূপ যা মূল ভার্বের সাথে ing যুক্ত করে গঠিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে শেষে en যোগ করে সাধারণত নাউন বা অ্যাডজেক্টিভ থেকে ভার্ব তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) definite
কেন সঠিক:
Ambiguous শব্দের অর্থ অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থক, যার একাধিক অর্থ হতে পারে।
অন্যদিকে definite শব্দের অর্থ নির্দিষ্ট বা স্পষ্ট, যা Ambiguous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) obscure — এই শব্দটির অর্থ অস্পষ্ট, যা Ambiguous শব্দের সমার্থক।
B) equivocal — এই শব্দের অর্থ দ্ব্যর্থক, যা Ambiguous শব্দের কাছাকাছি অর্থ দেয়।
C) opaque — এই শব্দের অর্থ অস্বচ্ছ বা যা দিয়ে দেখা যায় না, যা সঠিক বিপরীতার্থক নয়।
D) definite — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে আগেই নির্ধারিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Ambiguous মানে গোলমেলে বা অস্পষ্ট আর definite মানে একদম পরিষ্কার ও নির্দিষ্ট।
সঠিক উত্তর: A) to carry
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Subject + verb + adjective + enough + infinitive (to + verb) গঠন ব্যবহৃত হয়।
- এখানে load (বোঝা) বহন করার যোগ্য অর্থে to carry সঠিক infinitive হিসেবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to carry - এটি সঠিক উত্তর কারণ বোঝা বহন করার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
B) to handle - এটি ভুল কারণ load-এর ক্ষেত্রে সাধারণত handle বা পরিচালনা করা বোঝায় না, বহন করা বোঝায়।
C) to measure - এটি ভুল কারণ বোঝা মাপার চেয়ে বহনের বিষয়টি এখানে প্রাসঙ্গিক।
D) to feel - এটি ভুল কারণ বোঝা অনুভব করার সঙ্গে বাক্যটির অর্থের মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
enough-এর পরে সর্বদা to + verb (infinitive) বসে, তাই এই ধরনের বাক্যে carry-র মতো উপযুক্ত ভার্ব নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Exclamatory sentence
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে মানুষের মনের তীব্র আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করা হয়েছে এবং শেষে একটি বিস্ময়সূচক চিহ্ন (! আছে। এটি কোনো প্রশ্ন নয়, প্রার্থনা নয় এবং আদেশও নয়, তাই এটি সরাসরি আবেগসূচক বাক্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Interrogative sentence — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটি দিয়ে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি এবং এর শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই।
B) Optative sentence — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটিতে কোনো ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ করা হয়নি।
C) Imperative sentence — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটি দিয়ে কোনো আদেশ, নিষেধ বা উপদেশ বোঝায়নি।
D) Exclamatory sentence — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে আবেগ প্রকাশ পেয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) থাকে এবং মনের হঠাৎ আনন্দ বা দুঃখ প্রকাশ পায়, তাকে Exclamatory sentence বলে।
সঠিক উত্তর: B) a noun
কেন সঠিক:
শব্দটির শেষে ty যুক্ত থাকায় এটি সাধারণত নাউন হিসেবে কাজ করে।
এটি দিয়ে কোনো কিছু বা অবস্থাকে বোঝানো হয়, যা নাউনের কাজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a pronoun — এটি কোনো প্রোনাউন নয় কারণ এটি কোনো নামের পরিবর্তে বসে না।
C) a verb — এটি কোনো কাজ বোঝায় না তাই এটি ভার্ব হতে পারে না।
D) an adjective — এটি কোনো দোষ বা গুণ প্রকাশ করে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটি শেষে ty বা ity দেখলে সাধারণত সেটিকে নাউন হিসেবে চিনে নেওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) nine
কেন সঠিক:
এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবচন বা প্রবাদ বাক্য যার অর্থ সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়।
এই প্রবাদের মূল ভাব হলো সঠিক সময়ে ছোট একটি পদক্ষেপ নিলে ভবিষ্যতে বড় বিপদ এড়ানো যায়।
প্রবাদটির ঐতিহ্যগত ও আভিধানিক রূপ বজায় রাখতে শেষে নাইন শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
এটি বাক্যটির ছন্দ এবং সঠিক অর্থ পূর্ণতা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ten — প্রবাদ বাক্যটির প্রচলিত নিয়মে টেন শব্দটির ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) five — প্রবাদের মূল কাঠামো অনুযায়ী ফাইভ শব্দটি বসালে এর আসল অর্থ নষ্ট হয়ে যায়।
C) সাত — সেভেন বসালে এই নির্দিষ্ট ইংরেজি প্রবাদের ঐতিহ্যগত মিল ও ভাবার্থ বজায় থাকে না।
D) নয় — এটি সঠিক শব্দ হওয়ায় প্রবাদটি পূর্ণতা পায় এবং অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের ক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছেমতো শব্দ পরিবর্তন করা যায় না, তাই সঠিক প্রবাদটি মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) summer
কেন সঠিক:
- এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ একটিমাত্র ভালো ঘটনা বা লক্ষণ দেখে সার্বিক অবস্থা বা ভালো দিন আসার নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।
- প্রবাদটির পূর্ণরূপ হলো একটিমাত্র চড়ুই পাখি দেখলেই যেমন গ্রীষ্মকাল শুরু হয়েছে বলে ধরা যায় না, তেমনি একটিমাত্র শুভ লক্ষণকেও গ্রীষ্মের আগমনী বার্তা হিসেবে ধরে নেওয়া ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) quarrel — এটি প্রবাদের অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় কারণ প্রবাদটি ঝগড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) summer — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং প্রবাদের সঙ্গে মিলে যায়।
C) autumn — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ প্রবাদটিতে শরৎকালের পরিবর্তে গ্রীষ্মকালের কথা বলা হয়েছে।
D) treaty — এটি একটি চুক্তি এবং প্রবাদের ভাবার্থ বা শব্দের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের শুরুতে চড়ুই পাখি বা swallow থাকে এবং এর সঙ্গে ঋতু হিসেবে গ্রীষ্ম বা summer যুক্ত থাকে, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: B) won't you?
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যের মূল অংশটি হা-বোধক (You'll remember...) হওয়ায়, এর ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক হতে হবে।
এখানে মূল verb-এর auxiliary হিসেবে will ব্যবহৃত হয়েছে, তাই নেতিবাচক ট্যাগ হবে won't এবং সাবজেক্ট হবে you।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will you? — মূল বাক্যটি হা-বোধক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক হওয়া বাধ্যতামূলক, তাই এটি ভুল।
B) won't you? — এটি সঠিক উত্তর।
C) would you? — বাক্যের মূল টেন্স ভবিষ্যৎ নির্দেশক (will), তাই এখানে would ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) wouldn't you? — মূল বাক্যে would না থাকায় এবং টেন্সের মিল না থাকায় এই অপটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
মূল বাক্য হা-বোধক হলে ট্যাগ কোশ্চেন না-বোধক হয় এবং মূল বাক্য না-বোধক হলে ট্যাগ কোশ্চেন হা-বোধক হয়।
সঠিক উত্তর: C) I am sure of success
কেন সঠিক:
adjectives যেমন sure এর পর সাধারণত of preposition ব্যবহৃত হয়।
এটি নিশ্চিত কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে সঠিক গ্রামাটিক্যাল স্ট্রাকচার তৈরি করে।
সঠিক preposition ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী এটি নিখুঁত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I am sure for success — এখানে for preposition ব্যবহার করা ভুল কারণ sure এর সাথে for বসে না।
B) I am sure about success — about ব্যবহার করা গেলেও surety বোঝাতে of সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য ও প্রমিত।
C) I am sure of success — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) I am sure to success — to এর পর verb এর base form বসে, কিন্তু এখানে success হলো noun।
মনে রাখার টিপস:
sure শব্দের পর সব সময় of preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) আয়তক্ষেত্র
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ভেতরে একটি সামান্তরিক আঁকা হয়েছে
ধরি,
সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলো সমান এবং পরস্পর সম্পূরক
অতএব,
সামান্তরিকের প্রতিটি কোণ সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি হয়
সুতরাং,
যে সামান্তরিকের সব কোণ সমকোণ তাকে আয়তক্ষেত্র বলে
উত্তর: আয়তক্ষেত্র
সঠিক উত্তর: B) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
কোনো সংখ্যার অর্ধেক অংশের সাথে ছয় যোগ করলে সংখ্যাটির দুই তৃতীয়াংশ হয়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
সংখ্যাটির অর্ধেক অংশ = ক ÷ ২
সংখ্যাটির দুই তৃতীয়াংশ = (২ × ক) ÷ ৩
সুতরাং,
(ক ÷ ২) + ৬ = (২ × ক) ÷ ৩
উত্তর: ৩৬
সঠিক উত্তর: B) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
কোনো সংখ্যার অর্ধাংশের সাথে ছয় যোগ করলে তার দুই-তৃতীয়াংশ হয়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি = ক
সংখ্যার অর্ধেক = ক ÷ ২
সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ = (ক × ২) ÷ ৩
অতএব,
প্রশ্নানুসারে সমীকরণটি হলো,
(ক ÷ ২) + ৬ = (ক × ২) ÷ ৩
সুতরাং,
পক্ষান্তর করে পাই,
৬ = (২ক ÷ ৩) − (ক ÷ ২)
উত্তর:
সমাধান করে পাই, ক = ৩৬
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
a + b = ৫
a − b = ৩
ধরি,
আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী ab এর মান নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
ab এর অনুসিদ্ধান্ত হলো (a + b) ÷ ২ এর হোল স্কয়ার বিয়োগ (a − b) ÷ ২ এর হোল স্কয়ার
সুতরাং,
(৫ ÷ ২) স্কয়ার বিয়োগ (৩ ÷ ২) স্কয়ার সমান ২৫ ÷ ৪ বিয়োগ ৯ ÷ ৪ সমান ১৬ ÷ ৪ সমান ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: B) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে
ধরি,
বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r
নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r
অতএব,
আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r
নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৩r) × (৩r)
সুতরাং,
নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r)
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: A) আয়তক্ষেত্র
প্রদত্ত তথ্য:
সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান এবং সমান্তরাল
সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান
ধরি,
ABCD একটি সামান্তরিক
এর কর্ণ দুটি হলো AC এবং BD
অতএব,
প্রশ্নানুসারে AC = BD
সামান্তরিকের কোণগুলো সমকোণ হয়
সুতরাং,
কর্ণ সমান হওয়ায় এটি একটি আয়তক্ষেত্র
উত্তর: A) আয়তক্ষেত্র
সঠিক উত্তর: B) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো চার গুণ এক্স স্কয়ার বিয়োগ এ গুণ এক্স যোগ নয়
পূর্ণবর্গ রাশির রূপটি হলো
এ স্কয়ার যোগ দুই গুণ এ গুণ বি যোগ বি স্কয়ার
অথবা এ স্কয়ার বিয়োগ দুই গুণ এ গুণ বি যোগ বি স্কয়ার
ধরি,
প্রথম পদ চার গুণ এক্স স্কয়ার এর বর্গমূল হলো দুই গুণ এক্স
শেষ পদ নয় এর বর্গমূল হলো তিন
অতএব,
মাঝের পদটি হবে দুই গুণ প্রথম পদ গুণ দ্বিতীয় পদ
অর্থাৎ দুই গুণ দুই গুণ এক্স গুণ তিন
সুতরাং,
মাঝের পদটি হিসাব করে পাই বারো গুণ এক্স
উত্তর: বারো
সঠিক উত্তর: C) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
মূলধন ১০ বছরে দ্বিগুণ হয়
ঐ মূলধন তিনগুণ হবে কত বছরে তা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
আসল = ক টাকা
১০ বছরে মুনাফা-আসল = ২ক টাকা
অতএব,
১০ বছরের মুনাফা = ২ক − ক = ক টাকা
মুনাফা-আসল তিনগুণ হলে = ৩ক টাকা
সুতরাং,
৩গুণ হতে মুনাফা লাগবে = ৩ক − ক = ২ক টাকা
ক টাকা মুনাফা হয় ১০ বছরে
উত্তর: ২ক টাকা মুনাফা হতে সময় লাগবে ১০ × ২ = ২০ বছর
সঠিক উত্তর: C) ৪১ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৭ বছর
পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর
ধরি,
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৭ × ৩ = ১১১ বছর
পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৫ × ২ = ৭০ বছর
অতএব,
মাতার বয়স বের করতে হলে তিনজনের বয়সের সমষ্টি থেকে দুইজনের বয়সের সমষ্টি বিয়োগ করতে হবে
মাতার বয়স = ১১১ বছর − ৭০ বছর
সুতরাং,
মাতার বয়স = ৪১ বছর
উত্তর: ৪১ বছর
সঠিক উত্তর: C) ৭১
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটির প্রথম সংখ্যাটি ১১
ধারাটির দ্বিতীয় সংখ্যাটি ১৫
ধারাটির তৃতীয় সংখ্যাটি ২৩
ধারাটির চতুর্থ সংখ্যাটি ৩৯
ধরি,
প্রথম পদের সাথে যোগ হবে ৪
দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ হবে ৮
তৃতীয় পদের সাথে যোগ হবে ১৬
অতএব,
প্রথম পার্থক্য = ১৫ − ১১ = ৪
দ্বিতীয় পার্থক্য = ২৩ − ১৫ = ৮
তৃতীয় পার্থক্য = ৩৯ − ২৩ = ১৬
সুতরাং,
চতুর্থ পার্থক্য হবে ১৬ এর দ্বিগুণ অর্থাৎ ৩২
পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ৩৯ + ৩২ = ৭১
উত্তর: ৭১
সঠিক উত্তর: A) ৪৯
প্রদত্ত তথ্য:
x − y = ৩
xy = ১০
ধরি,
বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করতে হবে
অতএব,
(x + y)² এর সূত্র হলো (x − y)² + ৪xy
সুতরাং,
(x − y)² এর মান হলো ৩ এর বর্গ অর্থাৎ ৯
এবং ৪xy এর মান হলো ৪ × ১০ অর্থাৎ ৪০
উত্তর: ৯ + ৪০ = ৪৯
সঠিক উত্তর: B) ৭৬
প্রদত্ত তথ্য:
a − (১ ÷ a) = ৪
ধরি,
প্রদত্ত রাশির মান নির্ণয় করতে হবে
এখানে বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
a³ − (১ ÷ a³) এর অনুসিদ্ধান্ত হলো
(a − (১ ÷ a))³ + ৩ × a × (১ ÷ a) × (a − (১ ÷ a))
সুতরাং,
মান বসিয়ে পাই (৪)³ + ৩ × ৪
= ৬৪ + ১২
উত্তর: ৭৬
সঠিক উত্তর: D) থাইল্যান্ড
কেন সঠিক:
- ১৯৩৯ সালের আগে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের ঐতিহাসিক নাম ছিল শ্যামদেশ বা সিয়াম।
- ১৯৩৯ সালের ২৪ জুন দেশটির নাম পরিবর্তন করে আনুষ্ঠানিকভাবে থাইল্যান্ড রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিশর — মিশরের প্রাচীন ঐতিহাসিক নাম ছিল মিসর বা আরব প্রজাতন্ত্রের পূর্বনাম এবং এটি উত্তর আফ্রিকার দেশ।
B) ইরান — ইরানের প্রাচীন ঐতিহাসিক ও পরিচিত নাম ছিল পারস্য বা পারসিয়া, যা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত।
C) ইরাক — ইরাকের প্রাচীন ঐতিহাসিক নাম ছিল মেসোপটেমিয়া, যা বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ।
D) থাইল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় দেশটির পুরোনো নাম হিসেবে সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
থাইল্যান্ডের থ এবং শ্যামদেশের শ দিয়ে মনে রাখতে পারেন থাইল্যান্ডের পুরোনো নাম শ্যামদেশ।
সঠিক উত্তর: B) সাদা
কেন সঠিক:
- সাদা রং প্রায় সব আলোক ও তাপের আলোকরশ্মি প্রতিফলিত করে।
- তাপ শোষণ না করার কারণে সাদা বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হলুদ — হলুদের তাপ শোষণ ক্ষমতা সাদা রঙের চেয়ে বেশি কিন্তু কালোর চেয়ে কম।
B) সাদা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাদা রং তাপ শোষণ না করে প্রতিফলিত করে।
C) কালো — কালো রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি কারণ এটি সব আলো শোষণ করে।
D) বেগুনি — বেগুনির তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ায় এটি সাদা রঙের চেয়ে বেশি তাপ শোষণ করে।
মনে রাখার টিপস:
সাদা পোশাক গরমে আরামদায়ক কারণ এটি তাপ প্রতিফলিত করে এবং কালো পোশাক তাপ শোষণ করে।
সঠিক উত্তর: B) বাঙ্গালী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ একটি জাতিরাষ্ট্র এবং এই ভূখণ্ডের பெரும்பানি মানুষ বাঙালি জাতিগোষ্ঠীভুক্ত।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকদের জাতিগত পরিচয় বাঙালি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবাসী — এটি একটি আঞ্চলিক শব্দ যা সাধারণত বাংলার অধিবাসীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি রাষ্ট্রীয় বা জাতিগত পরিচয় হিসেবে সাংবিধানিক শব্দ নয়।
B) বাঙ্গালী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ভৌগোলিক ও জাতিগতভাবে এ দেশের মানুষ বাঙালি বা বাঙ্গালী নামে পরিচিত।
C) বাঙ্গাল — এটি একটি আঞ্চলিক অপপ্রয়োগ বা উপভাষিক শব্দ, যা প্রায়শই কথ্য ভাষায় ব্যবহৃত হয় কিন্তু জাতিগত বা দাপ্তরিক নাম নয়।
D) বাংলাদেশ — এটি এই স্বাধীন রাষ্ট্রের নাম, কোনো জাতিগোষ্ঠীর নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীন দেশের মানুষের জাতিগত পরিচয় হলো বাঙালি এবং দেশের নাম হলো বাংলাদেশ।
সঠিক উত্তর: C) বীরশ্রেষ্ঠ
কেন সঠিক:
- বীরশ্রেষ্ঠ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সামরিক খেতাব।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সাতজন বীর সেনানিকে এই খেতাবে ভূষিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বীর উত্তম — এটি মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব।
B) বীর বিক্রম — এটি মুক্তিযুদ্ধে সাহস ও বীরত্বের জন্য প্রদত্ত তৃতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব।
C) বীরশ্রেষ্ঠ — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি নিজেই সঠিক হওয়ায় এই অপশনে অন্য কোনো ভুল বা অসংগতি নেই।
D) বীর প্রতীক — এটি মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য প্রদত্ত চতুর্থ ও সর্বনিম্ন রাষ্ট্রীয় খেতাব।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের খেতাবগুলো মনে রাখার সহজ ক্রম হলো শ্রেষ্ঠ, উত্তম, বিক্রম ও প্রতীক।
সঠিক উত্তর: D) কক্সবাজার
কেন সঠিক:
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত।
- এটি মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপ এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের একটি দ্বীপ জেলা হলেও সেন্টমার্টিন দ্বীপ এই জেলার অধীনে অবস্থিত নয়।
B) নোয়াখালী — নোয়াখালী জেলা মূল ভূখণ্ডের উপকূলে অবস্থিত এবং এর অধীনে কোনো প্রবাল দ্বীপ নেই।
সি) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম একটি প্রধান বন্দর ও বিভাগীয় জেলা হলেও সেন্টমার্টিন দ্বীপ এর ভৌগোলিক সীমানার আওতাধীন নয়।
D) কক্সবাজার — এটি সঠিক উত্তর কারণ সেন্টমার্টিন দ্বীপ প্রশাসনিকভাবে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
সেন্টমার্টিন দ্বীপ দেখতে যেতে হলে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হয়ে ট্রলারে বা জাহাজে যেতে হয়।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) নেলসন ম্যান্ডেলা
কেন সঠিক:
- মাদিবা হলো দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার উপজাতীয় বা ক্লাবের নামভিত্তিক ডাকনাম।
- দক্ষিণ আফ্রিকার থেম্বু রাজপরিবারে জন্ম নেওয়ার কারণে তাকে শ্রদ্ধার সাথে এই নামে ডাকা হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিদেল কাস্ট্রো — কিউবার এই বিপ্লবী নেতার ডাকনাম বা পরিচিতি মাদিবা নয়, তিনি কিউবার বিপ্লবের প্রধান নেতা ছিলেন।
B) মাহাথির মোহাম্মদ — মালয়েশিয়ার এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ডাকনাম মাদিবা নয়, তিনি দেশটির আধুনিক উন্নয়নের রূপকার হিসেবে পরিচিত।
C) ওবামা — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার ডাকনাম মাদিবা নয়, এটি দক্ষিণ আফ্রিকার সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত।
D) নেলসন ম্যান্ডেলা — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাদিবা দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণের কাছে তার শ্রদ্ধাবোধের প্রতীকী নাম।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলার ক্ষেত্রে ম অক্ষরটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে ম্যান্ডেলার ডাকনাম মাদিবা।
সঠিক উত্তর: C) নাফ
কেন সঠিক:
- নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের (তৎকালীন বার্মা) সীমান্ত বরাবর প্রবহমান একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক নদী।
- এই নদীটি বাংলাদেশের টেকনাফ উপজেলা এবং মিয়ানমারের মংডু শহরের মাঝখানে সীমানা নির্ধারণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্ণফুলী — এটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার প্রধান নদী এবং এর সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্তের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) গোমতী — এটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী।
D) মেঘনা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান অভ্যন্তরীণ নদী ব্যবস্থা যা দেশের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ও বার্মার (মিয়ানমার) সীমান্ত নির্ধারণকারী নদীর নাম মনে রাখতে টেকনাফ উপজেলার নামের সঙ্গে মিলিয়ে নাফ নদী মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।
সঠিক উত্তর: C) UNESCO
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এবং ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে এটি পালিত হয়ে আসছে।
- বাংলাদেশ ও কানাডার উদ্যোগ এবং রফিকুল ইসলাম ও আব্দুস সালামের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ইউনেস্কো এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) BOUNDP — এটি কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা নয় এবং এই স্বীকৃতির সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) UNICEF — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল, যা শিশুদের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করে এবং মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়নি।
C) UNESCO — এটি সঠিক উত্তর, কারণ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করা এই সংস্থাটি ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দিয়েছে।
D) UNCTAD — এটি জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংক্রান্ত সংস্থা, যা মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি প্রদানের সাথে জড়িত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা ও সংস্কৃতির সাথে যুক্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো ইউনেস্কো, তাই ভাষার স্বীকৃতিও ইউনেস্কোই দিয়েছে।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
কেন সঠিক:
- এই তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে (বর্তমান মুজিবনগর) এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ মার্চ ১৯৭১ — এই দিনে রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এই দিনে বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে এবং পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।
C) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
D) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস: ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা এবং ঠিক তার পনেরো দিন পর অর্থাৎ ১০ এপ্রিল অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) আমিষ
কেন সঠিক:
- ডাল উদ্ভিজ্জ আমিষ বা প্রোটিনের অন্যতম প্রধান এবং সহজলভ্য উৎস।
- মানবদেহের বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও পুষ্টির জন্য ডালের আমিষ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শর্করা — ডালে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে, তবে এর প্রধান খাদ্য উপাদান আমিষ।
B) তেল — ডালে স্নেহপদার্থ বা তেলের পরিমাণ খুবই সামান্য থাকে।
D) খনিজ লবণ — ডালে কিছু খনিজ লবণ ও ভিটামিন থাকলেও প্রধান উপাদান আমিষ।
মনে রাখার টিপস:
ডাল মানেই আমিষ, যা মাছ ও মাংসের উদ্ভিজ্জ বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: C) চাঁদপুর
কেন সঠিক:
- মেঘনা, পদ্মা ও ডাকাতিয়া নদীর মোহনায় অবস্থিত হওয়ায় চাঁদপুর জেলায় প্রচুর ইলিশ পাওয়া যায় এবং নদীপথে যোগাযোগের কারণে এটি ইলিশের প্রধান ব্যবসায়িক কেন্দ্র।
- ভৌগোলিক অবস্থান ও ইলিশের অন্যতম প্রধান উৎপত্তিস্থল ও বিপণন কেন্দ্র হওয়ার কারণে একে ইলিশের বাড়ি বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভোলা — ভোলা জেলায় সবচেয়ে বেশি ইলিশ উৎপাদিত হলেও একে ইলিশের উৎপাদন জেলা বলা হয়, ইলিশের বাড়ি হিসেবে চাঁদপুর ব্র্যান্ডেড।
B) বরিশাল — বরিশাল ইলিশের জন্য বিখ্যাত একটি অঞ্চল হলেও সরকারিভাবে বা ভৌগোলিক ব্র্যান্ডিংয়ে একে ইলিশের বাড়ি বলা হয় না।
C) চাঁদপুর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ইলিশের বাড়ি হিসেবে পরিচিত।
D) রাজবাড়ী — রাজবাড়ী জেলা পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত হলেও এটি ইলিশের জন্য প্রধান পরিচিতি লাভ করেনি।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদপুর নদীমাতৃক বন্দর ও মেঘনার মোহনায় অবস্থিত বলে এটিকে ইলিশের বাড়ি বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) হাইড্রোজেন
কেন সঠিক:
- সাধারণ হাইড্রোজেনের পরমাণুতে কেবল একটি প্রোটন ও একটি ইলেকট্রন থাকে, কোনো নিউট্রন থাকে না।
- এটি একমাত্র মৌল যার নিউক্লিয়াসে কোনো নিউট্রন কণা অনুপস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর নিউক্লিয়াসে কোনো নিউট্রন নেই।
B) অক্সিজেন — এর পরমাণুতে আটটি প্রোটন ও আটটি নিউট্রন থাকে, তাই এটি সঠিক নয়।
C) কার্বন — এর পরমাণুতে ছয়টি প্রোটন ও সাধারণত ছয়টি নিউট্রন থাকে, তাই এটি সঠিক নয়।
D) ক্লোরিন — এর পরমাণুতে সতেরোটি প্রোটন এবং আঠারো বা কুড়িটি নিউট্রন থাকে, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
পর্যায় সারণীর প্রথম মৌল হাইড্রোজেনের প্রোটন সংখ্যা ১ এবং ভর সংখ্যা ১ হওয়ায় এতে কোনো নিউট্রন থাকে না।
সঠিক উত্তর: B) রেশম চাষ
কেন সঠিক:
- সেরিকালচার বলতে মূলত রেশম পোকা পালন এবং তা থেকে রেশম সুতা উৎপাদনের বাণিজ্যিক প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
- এটি কৃষিভিত্তিক শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা তুঁত গাছের পাতার সাহায্যে রেশম পোকা লালন-পালন করে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাখি পালন বিদ্যা — পাখি পালন বিদ্যাকে অ্যাভিকালচার বলা হয়, যা রেশম চাষের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) রেশম চাষ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
C) মৌমাছি পালন বিজ্ঞান — মৌমাছি পালন বিজ্ঞানকে অ্যাপিকালচার বলা হয়, যা মধু ও মোম উৎপাদনের জন্য করা হয়।
D) উদ্যান বিদ্যা — উদ্যান বিদ্যা বা হর্টিকালচার হলো ফল, ফুল ও শাকসবজির চাষসংক্রান্ত বিজ্ঞান।
মনে রাখার টিপস:
রেশম চাষের ইংরেজি শব্দ সেরিকালচার মনে রাখতে সিল্ক বা রেশমের সঙ্গে মিল রেখে প্রথম অক্ষর বা উচ্চারণটি খেয়াল রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) তথ্য আদান প্রদানের যন্ত্র
কেন সঠিক:
- মডেম হলো মডুলেটর ও ডিমডুলেটর এর সংক্ষিপ্ত রূপ যা ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ এবং অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটালে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তরের মাধ্যমে কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইসের মধ্যে টেলিফোন লাইন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করা সম্ভব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সহায়ক স্মৃতি — এটি হার্ডডিস্ক, পেনড্রাইভ বা সিডি এর মতো তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যমকে বোঝায়, মডেম সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় না।
B) সিপিইউ এর অংশ — সিপিইউ হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক যার অংশ হলো অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট এবং কন্ট্রোল ইউনিট, মডেম এর অংশ নয়।
C) তথ্য আদান প্রদানের যন্ত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ মডেম নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে তথ্য পাঠায় ও গ্রহণ করে।
D) উন্নতমানের প্রিন্টার — প্রিন্টার হলো আউটপুট ডিভাইস যা কাগজে লেখা বা ছবি ছাপায়, মডেমের কাজ মুদ্রণ করা নয়।
মনে রাখার টিপস:
মডেম শব্দটির প্রথম অংশ মডুলেটর এবং শেষ অংশ ডিমডুলেটর থেকে এসেছে, যার মূল কাজ হলো নেটওয়ার্কে ডেটা বা তথ্য আদান প্রদান করা।
সঠিক উত্তর: B) প্রোটিনের জন্য
কেন সঠিক:
- দুধের মধ্যে কেসিন নামক এক প্রকার প্রোটিন থাকে যা আলো প্রতিফলিত করে দুধকে সাদা দেখায়।
- এছাড়াও দুধের প্রোটিন কণাগুলোর গঠন এমন হয় যা সব রঙের আলোকে সমানভাবে ছড়িয়ে দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শর্করার জন্য — দুধের শর্করা বা ল্যাকটোজ তরলকে মিষ্টি করে কিন্তু রঙের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) প্রোটিনের জন্য — এটি সঠিক কারণ কেসিন প্রোটিনের উপস্থিতির কারণে দুধের রঙ সাদা হয়।
C) চর্বির জন্য — ফ্যাট বা চর্বি দুধের ঘনত্ব ও ক্রিমের ভাব বাড়ায় তবে মূল সাদা রঙে এর প্রধান ভূমিকা প্রোটিনের।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
দুধের সাদা রঙের রহস্য লুকিয়ে আছে তার প্রোটিনের মধ্যে, তাই কেসিন প্রোটিনের নাম মনে রাখলেই উত্তর সহজ হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: B) রিকটার স্কেল
কেন সঠিক:
- রিকটার স্কেল হলো ভূমিকম্পের মাত্রা বা তীব্রতা পরিমাপের একটি গাণিতিক একক।
- আমেরিকান ভূকম্পবিদ চার্লস রিকটার ১৯৩৫ সালে এই স্কেল আবিষ্কার করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভার্নিয়ার স্কেল — এটি দিয়ে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে দৈর্ঘ্য বা দূরত্ব মাপা হয়, ভূমিকম্প মাপা হয় না।
B) রিকটার স্কেল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি দিয়ে ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয়।
C) মিটার স্কেল — এটি সাধারণ দৈর্ঘ্য পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত একটি একক বা যন্ত্র।
D) ডিজোষ্টার স্কেল — এটি দুর্যোগ বা বিপর্যয় পরিমাপের কোনো প্রমিত বা পরিচিত বৈজ্ঞানিক স্কেল নয়।
মনে রাখার টিপস:
কম্পন বা রিকটার, মিলে যায় দুটো অক্ষর।
সঠিক উত্তর: A) শ্বসন
কেন সঠিক:
- প্রাণীদেহে খাদ্যর সাথে অক্সিজেনের বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপাদিত হয় এবং উপজাত হিসেবে কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরি হয়।
- শ্বসন প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ জারিত হয়ে শক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন করে যা পরে দেহ থেকে নির্গত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্বসন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
B) রেচন — এটি দেহ থেকে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের জৈবিক প্রক্রিয়া, কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপাদনে এর সরাসরি ভূমিকা নেই।
C) ব্যাপন — এটি উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে অণুর ছড়িয়ে পড়ার একটি ভৌত প্রক্রিয়া মাত্র।
D) অভিস্রবন — এটি বৈষম্যভেদ্য পর্দা ভেদ করে দ্রাবক অণুর কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে বেশি ঘনত্বের দ্রবণের দিকে যাওয়ার প্রক্রিয়া।
মনে রাখার টিপস:
প্রাণী অক্সিজেন গ্রহণ করে শক্তি তৈরির জন্য শ্বসন চালায় এবং উপজাত হিসেবে কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে।
সঠিক উত্তর: A) ফাইবার ব্রাস্ট
কেন সঠিক:
- পাটের সোনালী আঁশ মূলত উদ্ভিদের কাণ্ডের ফ্লোয়েম টিস্যুর সাথে যুক্ত ফাইবার ব্রাস্ট বা ভ্যাসকুলার বান্ডেলের ফাইবার থেকে পাওয়া যায়।
- এটি উদ্ভিদের কাণ্ডকে দৃঢ়তা দেয় এবং বাণিজ্যিক পাটের মূল উপাদান হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফাইবার ব্রাস্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাট উদ্ভিদের ফ্লোয়েম অঞ্চলের এই ফাইবার থেকেই সোনালী আঁশ সংগ্রহ করা হয়।
B) ক্লোয়েম তত্ত্ব — এটি কোনো নির্দিষ্ট আঁশ নয়, বরং উদ্ভিদ বিজ্ঞানের ফ্লোয়েম টিস্যু সম্পর্কিত ভুল বা বিভ্রান্তিকর রূপ।
C) কোলেন কাইমা — এটি উদ্ভিদের এক প্রকার জীবিত যান্ত্রিক টিস্যু যা নমনীয়তা প্রদান করে, পাটের আঁশ উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা রাখে না।
D) স্কেরেন কাইমা — এটি মৃত ও শক্ত কোষ নিয়ে গঠিত যান্ত্রিক টিস্যু, যা সরাসরি পাটের মূল সোনালী আঁশ হিসেবে আহরণ করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
পাটের আঁশ সংগ্রহের উৎস মনে রাখতে ফাইবার ব্রাস্ট কথাটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের রণসঙ্গীত হিসেবে ব্যবহৃত চল চল চল উর্ধ্ব গগণে বাজা মাদল গানটির রচয়িতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এবং পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে এই গানটিকে বাংলাদেশের রণসঙ্গীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা হলেও রণসঙ্গীতের রচয়িতা নন।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই ঐতিহাসিক গানটির রচয়িতা।
C) শাহ আব্দুল করিম — তিনি একজন বিখ্যাত বাউল শিল্পী ও গীতিকার হলেও রণসঙ্গীতের রচয়িতা নন।
D) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লি কবি হিসেবে পরিচিত এবং বিভিন্ন পল্লিগীতির রচয়িতা হলেও রণসঙ্গীতের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় সঙ্গীত লিখেছে রবি ঠাকুর, আর রণসঙ্গীত লিখেছে বিদ্রোহী কবি নজরুল।
সঠিক উত্তর: C) ৮টি
কেন সঠিক:
- সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর এবং এর বর্তমান সদস্য দেশ সংখ্যা আটটি।
- সর্বশেষ ২০০৭ সালে আফগানিস্তান যুক্ত হওয়ার পর এর সদস্য সংখ্যা সাত থেকে বৃদ্ধি পেয়ে আটটিতে উন্নীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭টি — এটি সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা এবং আফগানিস্তান যুক্ত হওয়ার আগের হিসাব।
B) ৯টি — সার্কের সদস্য সংখ্যা কখনো নয়টি ছিল না, এটি একটি ভুল তথ্য।
D) ৬টি — দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান দেশগুলোর হিসাবের সাথে এই সংখ্যাটি মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
আটটি সদস্য মনে রাখার শব্দ সংকেত হলো এমবিবিএস পিন (MBBS PIN), যেখানে আটটি দেশের নামের প্রথম অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) কুষ্টিয়া
কেন সঠিক:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে জমিদার হিসেবে অবস্থান করেছিলেন এবং তাঁর বিখ্যাত অনেক সাহিত্যকর্ম এখানে রচনা করেন।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই ঐতিহাসিক কুঠিবাড়িটি বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — এটি একটি বিভাগ ও জেলা হলেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারি বা স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ এখানে অবস্থিত নয়।
B) কুষ্টিয়া — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানেই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহাসিক শিলাইদহ কুঠিবাড়ি অবস্থিত।
C) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী এবং সাহিত্যিকদের আনাগোনা থাকলেও শিলাইদহ এলাকাটি এই জেলায় অবস্থিত নয়।
D) কুমিল্লা — এটি একটি প্রাচীন জেলা ও ময়নামতির ঐতিহাসিক স্থান হলেও শিলাইদহ এলাকাটি এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের শিলাইদহ কুঠিবাড়ি মনে রাখতে কুষ্টিয়ার 'কু' এবং কুঠিবাড়ির 'কু' অক্ষর দুটি মিলিয়ে নিতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) মেহেরপুর
কেন সঠিক:
- মুজিবনগর বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের রাজধানী, যা তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলায় অবস্থিত ছিল।
- বর্তমান প্রশাসনিক বিন্যাসে মেহেরপুর একটি স্বাধীন জেলা এবং এর অধীনেই ঐতিহাসিক মুজিবনগর উপজেলা অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যশোহর সালাহলাও — এটি কোনো সঠিক জেলা নয় এবং মুজিবনগর ঐতিহাসিক স্থানের সাথে এর ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
B) চুয়াডাঙ্গা — এটি মেহেরপুর জেলার পাশের একটি জেলা হলেও ঐতিহাসিক মুজিবনগর এর ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত নয়।
D) দিনাজপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি সীমান্তবর্তী জেলা এবং ১৯৭১ সালের মুজিবনগর সরকারের অবস্থানের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থান বৈদ্যনাথতলা বর্তমানে মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত, এটি মনে রাখলেই উত্তর নিশ্চিত করা যায়।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) লিবিয়া
কেন সঠিক:
- ২০১৭ সালের জুন মাসে কাতারকে সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে লিভিয়া দেশটির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল।
- উপসাগরীয় অঞ্চলের রাজনৈতিক সংকটের অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশ কাতারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন বা অবনমিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিবিয়া — ২০১৭ সালে কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা দেশগুলোর মধ্যে লিভিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সরকারও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
B) জর্ডান — জর্ডান কাতারের সাথে সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করেনি, বরং তাদের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের মাত্রা কিছুটা হ্রাস করেছিল।
C) ইরান — ইরান কাতারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেনি, বরং উপসাগরীয় সংকটের সময় কাতারকে খাদ্য ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করেছিল।
D) বাহরাইন — বাহরাইন ২০১৭ সালে কাতারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলেও এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে বিবিধ পরীক্ষায় লিভিয়ার প্রসঙ্গেই বেশি আলোচিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
২০১৭ সালের কূটনৈতিক সংকটে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার যে কয়েকটি দেশ কাতারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল, তাদের মধ্যে লিভিয়া অন্যতম।
সঠিক উত্তর: B) কানাডা
কেন সঠিক:
- কমনওয়েলথভুক্ত ৫৬টি দেশের মধ্যে ১৫টি দেশ যুক্তরাজ্যের রাজাকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান বা সাংবিধানিক রাজা হিসেবে মেনে চলে।
- কানাডা একটি স্বাধীন দেশ হওয়া সত্ত্বেও তাদের সাংবিধানিক রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ব্রিটিশ রাজা বা রানিকে স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাইপ্রাস — সাইপ্রাস কমনওয়েলথভুক্ত একটি প্রজাতন্ত্র দেশ, যা ব্রিটিশ রাজাকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকার করে না।
B) কানাডা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া কমনওয়েলথভুক্ত হলেও ব্রিটিশ রাজাকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া সত্ত্বেও প্রশ্নে কানাডা নির্দিষ্টভাবে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। (নোট: অস্ট্রেলিয়াও ব্রিটিশ রাজাকে মানে, তবে প্রচলিত বিসিএস প্রশ্নের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কানাডা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।)
D) মরিসাস — মরিসাস কমনওয়েলথভুক্ত একটি প্রজাতন্ত্র দেশ, যার নিজস্ব প্রেসিডেন্ট রয়েছে এবং এটি ব্রিটিশ রাজাকে রাষ্ট্রপ্রধান মানে না।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের রাজাকে রাষ্ট্রপ্রধান মানে এমন কমনওয়েলথ দেশগুলোকে রিয়েলম বলা হয়, যার মধ্যে উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডা অন্যতম।
সঠিক উত্তর: C) চীন
কেন সঠিক:
- চীন বিশ্বের সর্বাধিক গম উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং ঐতিহ্যগতভাবে তারা শীর্ষে অবস্থান করছে।
- অনুকূল আবহাওয়া ও বিশাল কৃষিজমির কারণে গম উৎপাদনে দেশটি বিশ্ববাজারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — কানাডা গম উৎপাদনে বিশ্বে অগ্রগণ্য হলেও এটি সর্বাপেক্ষা বেশি উৎপাদনকারী দেশ নয়।
B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম প্রধান গম উৎপাদনকারী হলেও উৎপাদনের পরিমাণের দিক থেকে চীনের পরে অবস্থান করে।
D) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যে পরিমিত পরিমাণে গম উৎপাদিত হলেও তা বৈশ্বিক শীর্ষ উৎপাদনের তুলনায় অনেক কম।
মনে রাখার টিপস:
গম উৎপাদনে চীন চিন করে সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
বিষয়: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: B) রোমান সম্রাট হিসেবে
কেন সঠিক:
- জুলিয়াস সীজার প্রাচীন রোমের একজন বিখ্যাত সেনাপতি, একনায়ক ও রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, যিনি রোমান প্রজাতন্ত্রকে সাম্রাজ্যে রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
- তিনি রোমান সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটিয়েছিলেন এবং ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী শাসক হিসেবে পরিচিত লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রিটেনের রাজা হিসেবে — জুলিয়াস সীজার ব্রিটেনের রাজা ছিলেন না, তিনি প্রাচীন রোমের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা ছিলেন।
B) রোমান সম্রাট হিসেবে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি রোমান সাম্রাজ্যের একনায়ক বা শীর্ষ শাসক ছিলেন।
C) বর্ণবাদ বিরোধী হিসেবে — বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন আধুনিক যুগের ঘটনা, জুলিয়াস সীজারের সাথে এর কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
D) ঘ) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে — আমেরিকা মহাদেশ আবিষ্কৃত হয় সীজারের মৃত্যুর বহু শতাব্দী পর, তাই তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার প্রশ্নই আসে না।
মনে রাখার টিপস:
জুলিয়াস সীজার নামটির সাথে প্রাচীন রোম এবং রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা
কেন সঠিক:
- রেডক্রস একটি আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা যার আন্তর্জাতিক কমিটির সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- ১৮৬৩ সালে হেনরি ডুনান্ট এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর প্রধান কার্যালয় জেনেভাতেই স্থাপন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী হলেও রেডক্রসের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর এখানে থাকলেও রেডক্রসের নেই।
C) জেনেভা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সুইজারল্যান্ডের এই শহরেই রেডক্রসের সদর দপ্তর অবস্থিত।
D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান শহর এবং জাতিসংঘের সদর দপ্তর এখানে থাকলেও রেডক্রসের নয়।
মনে রাখার টিপস:
রেডক্রস মানেই মানবিক সেবা আর সেবার শহর হিসেবে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা বিখ্যাত।
সঠিক উত্তর: C) সোনা অনেকটা নিষ্ক্রিয় ধাতু
কেন সঠিক:
- সোনা রাসায়নিকভাবে অত্যন্ত কম সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয় ধাতু, তাই এটি বাতাস বা জলের অক্সিজেনের সাথে সহজে বিক্রিয়া করে না।
- এর বাইরের শক্তিস্তরে ইলেকট্রন বিন্যাস অত্যন্ত সুস্থিত হওয়ায় এটি সহজে অন্য পদার্থের সাথে যৌগ গঠন করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোনা সক্রিয় ধাতু — এটি ভুল, কারণ সোনা সোডিয়াম বা পটাশিয়ামের মতো সক্রিয় ধাতু নয়, বরং এটি একটি নিষ্ক্রিয় বা নোবল ধাতু।
B) সোনা উজ্জ্বল ধাতু — এর উজ্জ্বলতা সত্য, তবে উজ্জ্বলতার কারণে মরিচা না ধরার মূল রাসায়নিক কারণ ব্যাখ্যা করা যায় না।
C) সোনা অনেকটা নিষ্ক্রিয় ধাতু — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর নিষ্ক্রিয়তার জন্যই এতে সহজে মরিচা বা জারণ ঘটে না।
D) সোনা মূল্যবান ধাতু — এর মূল্য বেশি হলেও উচ্চ মূল্যের কারণে মরিচা ধরে না, বরং রাসায়নিক নিষ্ক্রিয়তাই এর মূল কারণ।
মনে রাখার টিপস:
সোনা হলো নোবল বা নিষ্ক্রিয় ধাতু, তাই এটি বাতাস ও জলের সাথে বিক্রিয়া করে মরিচা তৈরি করে না।
সঠিক উত্তর: B) ২৬ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- এই দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের জাতীয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস, জাতীয় দিবস নয়।
B) ২৬ মার্চ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবস।
C) ৭ মার্চ — এটি ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিবস, জাতীয় দিবস নয়।
D) ১৭ এপ্রিল — এটি ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস, জাতীয় দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয় ২৬ মার্চ, তাই ২৬ মার্চ হলো আমাদের জাতীয় দিবস।
বিষয়ের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য
সঠিক উত্তর: B) মারকানা, ব্রাজিল
সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল ছিল। ইডেন গার্ডেন বিশ্বের বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম নয়, এটি ক্রিকেটের বিখ্যাত স্টেডিয়াম। সঠিক উত্তর হবে মারকানা স্টেডিয়াম, ব্রাজিল।
কেন সঠিক:
- ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অবস্থিত মারকানা স্টেডিয়াম ঐতিহাসিক ও ধারণক্ষমতার দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম হিসেবে পরিচিত।
- অতীতে এই স্টেডিয়ামে প্রায় দুই লক্ষ দর্শকের সমাগম হয়েছিল, যা ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ দর্শকের একটি রেকর্ড।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেইজিং, চীন — এটি মূলত অলিম্পিক গেমসের জন্য নির্মিত বার্ডস নেস্ট স্টেডিয়াম এবং এটি বিশ্বের বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম নয়।
B) মারকানা, ব্রাজিল — এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম এবং এখানেই সঠিক উত্তর অবস্থিত।
C) ইডেন গার্ডেন, কলকাতা — এটি ফুটবল নয়, বরং ভারতের একটি ঐতিহাসিক ও অত্যন্ত জনপ্রিয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
D) আজটেক, মেক্সিকো — এটি মেক্সিকোর একটি বিখ্যাত ফুটবল স্টেডিয়াম হলেও মারকানার মতো এটি বিশ্বের বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়ামের স্বীকৃতি পায় না।
মনে রাখার টিপস:
ফুটবলের রাজারা যেমন ব্রাজিলে জন্মায়, তেমনি বিশ্বের বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম মারকানা ও ব্রাজিলে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) জেরুজালেম
কেন সঠিক:
- আল আকসা মসজিদ ফিলিস্তিনের জেরুজালেম শহরের ঐতিহাসিক পুরনো শহরে অবস্থিত।
- এটি ইসলাম ধর্মের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান এবং মুসলমানদের প্রথম قبلة বা কিবলা ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যালেস্টাইন — প্যালেস্টাইন বা ফিলিস্তিন হলো সমগ্র দেশটির নাম, যা মসজিদের শহর জেরুজালেমের চেয়ে অনেক বড় একটি ভূখণ্ড।
B) জেরুজালেম — এই অপশনটি সঠিক কারণ মসজিদটি এই ঐতিহাসিক ও পবিত্র শহরেই অবস্থিত।
C) গাজা উপত্যকা — এটি ফিলিস্তিনের একটি ভূখণ্ড যা জেরুজালেম থেকে ভৌগোলিকভাবে সম্পূর্ণ আলাদা এবং সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত।
D) ঘজর্ডান সীমান্ত — জর্ডান একটি স্বাধীন দেশ এবং এর সীমান্ত জেরুজালেম থেকে দূরে অবস্থিত, যদিও জর্ডান এই মসজিদের তত্ত্বাবধানে যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
আল আকসা মসজিদ মানেই পবিত্র জেরুজালেম শহর, যা ফিলিস্তিনের ঐতিহাসিক রাজধানী।
সঠিক উত্তর: D) চিংড়ি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়, যা খনিজ সম্পদের মতো মূল্যবান।
- উজ্জ্বল সাদা রঙের কারণে এবং উচ্চ অর্থনৈতিক মূল্যের জন্য চিংড়িকে হোয়াইট গোল্ড বা সাদা সোনা বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইলিশ — ইলিশ আমাদের জাতীয় মাছ এবং এটিকে বাংলাদেশের সিলভার হার্ভেস্ট বা রুপালি ইলিশ বলা হয়, হোয়াইট গোল্ড নয়।
B) রূপচাঁদা — রূপচাঁদা একটি সামুদ্রিক সুস্বাদু মাছ হলেও এটি দেশের প্রধান অর্থনৈতিক রপ্তানি পণ্য বা হোয়াইট গোল্ড হিসেবে পরিচিত নয়।
C) পাবদা — পাবদা বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় দেশীয় মিঠাপানির মাছ, যা হোয়াইট গোল্ড উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) চিংড়ি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটিই হোয়াইট গোল্ড নামে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
সাদা রঙের সামুদ্রিক বা উপকূলীয় যে প্রাণী রপ্তানি করে সোনা বা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়, সেটিই চিংড়ি বা হোয়াইট গোল্ড।
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কেন সঠিক:
- অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- এর স্থপতি বিশিষ্ট ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ জহির এবং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় — এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি অবস্থিত নয়।
B) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় — এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত, যেখানে এই ভাস্কর্যটি নেই।
C) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় — এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) প্রত্নস্থস্থান
কেন সঠিক:
- উয়ারি-বটেশ্বর নরসিংদী জেলায় অবস্থিত একটি অত্যন্ত প্রাচীন দুর্গনগরী ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।
- এখানে প্রাচীন মুদ্রা, পোড়ামাটির ফলক এবং হস্তাঞ্চল সভ্যতার বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মন্দির — উয়ারি-বটেশ্বর কোনো একক মন্দির বা ধর্মীয় উপাসনালয় নয়, এটি একটি প্রাচীন জনপদ ও প্রত্নস্থস্থান।
B) প্রত্নস্থস্থান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বাংলার প্রাচীনতম সভ্যতার বহু প্রত্ননিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে।
C) প্রাচীন বিহার — এটি বৌদ্ধ বিহার বা শিক্ষাকেন্দ্র নয়, বরং মৌর্য আমলের আগের একটি সমৃদ্ধ প্রাচীন নগরসভ্যতা।
D) মসজিদ — এটি মুসলিম আমলের কোনো মসজিদ বা ইসলামিক স্থাপনা নয়, কারণ এর ইতিহাস প্রাক-মুসলিম যুগের।
মনে রাখার টিপস:
উয়ারি-বটেশ্বর মানেই প্রাচীন নরসিংদীর মাটি খুঁড়ে বের করা অমূল্য প্রত্নস্থস্থান।
সঠিক উত্তর: C) সিলেট
কেন সঠিক:
- প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং নাগরিকদের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সিলেটকে বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল শহর হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- তথ্যপ্রযুক্তির অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ই-সেবা চালুর ক্ষেত্রে এই শহরটি দেশজুড়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কিশোরগঞ্জ — এটি হাওড় অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা হলেও প্রথম ডিজিটাল শহরের মর্যাদা লাভ করেনি।
B) ফরিদপুর — এটি দেশের একটি প্রাচীন জেলা হলেও ডিজিটাল শহরের তালিকায় এটি প্রথম স্থান অর্জন করেনি।
C) সিলেট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রথম ডিজিটাল শহর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত।
D) পাবনা — এটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে পরিচিত হলেও প্রথম ডিজিটাল শহর নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিলেট মানেই চা বাগান আর প্রযুক্তির ছোঁয়ায় গড়া দেশের প্রথম ডিজিটাল শহর।
সঠিক উত্তর: D) বিরাগ
১. কেন সঠিক:
- অনুরাগ শব্দটির অর্থ গভীর প্রেম, আসক্তি বা প্রীতি।
- এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে বিরাগ শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ অনীহা বা বিরূপতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- বিশেষ করে তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও অর্থের গভীরতা বিবেচনা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনুরাগ ও বিরাগ
ব্যাখ্যা: কোনো বিষয়ের প্রতি গভীর টানের বিপরীত হলো সেই বিষয়ের প্রতি অনীহা বা বিরাগ।
উদাহরণ ২: আসক্তি ও বিরক্তি
ব্যাখ্যা: আসক্তি শব্দের যেমন বিপরীত শব্দ বিরক্তি, তেমনি অনুরাগ শব্দের বিপরীত হলো বিরাগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুগ্রহ — এই শব্দটির অর্থ কৃপা বা দয়া, যা অনুরাগের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়।
B) অন্তর — এই শব্দটির অর্থ ভেতর বা হৃদয়, যা বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
C) অনুরক্ত — এই শব্দটির অর্থ আসক্ত, যা অনুরাগ শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, বিপরীত নয়।
D) বিরাগ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অনুরাগের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অনুরাগের সাথে বিরাগ মিল রেখে মনে রাখতে পারো।
- অ দিয়ে শুরু শব্দে ব যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক রূপ নেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে পারলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) চলে মুসাফির
১. কেন সঠিক:
- কবি জসীমউদ্দীন রচিত ভ্রমণ কাহিনীমূলক গ্রন্থ হলো চলে মুসাফির।
- এই গ্রন্থে লেখকের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও আবেগ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পল্লীকবি জসীমউদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও লোকসাহিত্য সংগ্রাহক।
- তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হোলদে কার্ডের ছায়া
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের লেখা আরেকটি বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনীমূলক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: হলুদ বরণ
ব্যাখ্যা: এটিও কবি জসীমউদ্দীনের একটি চমৎকার ভ্রমণ বিষয়ক রচনা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র — এটি জসীমউদ্দীনের নয়, বরং সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী।
B) চলে মুসাফির — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং জসীমউদ্দীনের ভ্রমণ কাহিনী।
C) বিলেতে সাতশ দিন — এটি প্রমথ চৌধুরীর রচিত একটি জনপ্রিয় ভ্রমণ কাহিনী ও প্রবাস জীবনের স্মৃতিকথা।
D) আমার তুরস্ক — এটি জসীমউদ্দীনের ভ্রমণ কাহিনী নয়, অন্য কোনো লেখকের রচনা।
৫ মনে রাখার টিপস:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ভ্রমণ করতে পছন্দ করতেন এবং মুসাফির বা مسافر শব্দের অর্থ ভ্রমণকারী।
তাই ভ্রমণ সংক্রান্ত চলে মুসাফির গ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে জসীমউদ্দীনকে খুব সহজেই মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভ্রমণ কাহিনী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
তাই বিখ্যাত লেখকদের ভ্রমণ কাহিনী যেমন সৈয়দ মুজতবা আলীর দেশে বিদেশে এবং জসীমউদ্দীনের চলে মুসাফির ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অদ্বৈতমল্ল বর্মন
১. কেন সঠিক:
- 'তিতাস একটি নদীর নাম' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রামাণিক আঞ্চলিক উপন্যাস।
- অদ্বৈতমল্ল বর্মন ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলার তিতাস নদীর তীরবর্তী মালো সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই উপন্যাসে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অদ্বৈতমল্ল বর্মন ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক যিনি মূলত নদীকেন্দ্রিক উপন্যাসের জন্য অমর হয়ে আছেন।
- তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসটি প্রথম ১৯৫৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে ঋত্বিক ঘটক এটি নিয়ে একই নামের বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পদ্মা নদীর মাঝি
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত আরেকটি বিখ্যাত নদীকেন্দ্রিক ও প্রমত্তা পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলে সম্প্রদায়ের জীবনভিত্তিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কবি
ব্যাখ্যা: এটি তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত গ্রামীণ সমাজের নিম্নবর্গীয় মানুষের জীবন ও সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তারাশংকর বন্দোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও এই বিখ্যাত উপন্যাসটির রচয়িতা নন।
B) হুমায়ূন আহমেদ — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও এই ক্লাসিক উপন্যাসটি তাঁর রচিত নয়।
C) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — তিনি বিশ শতকের অন্যতম প্রধান বাঙালি ঔপন্যাসিক ও কবি হলেও এই উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
D) অদ্বৈতমল্ল বর্মন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই কালজয়ী তিতাস একটি নদীর নাম উপন্যাসের রচয়িতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নদীর নাম দিয়ে উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হিসেবে অদ্বৈতমল্ল বর্মন ও তিতাস নদী একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
- মালো সম্প্রদায়ের জীবন নিয়ে লেখা একমাত্র মহাকাব্যিক উপন্যাস হিসেবে এটি স্মরণ রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদীকেন্দ্রিক উপন্যাসের রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ঔপন্যাসিকের নাম এবং উপন্যাসের পটভূমি ভালোভাবে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপদ
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন, যা বাংলা সাহিত্যের আদি যুগ বা প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরানো বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা ধর্মীয় গান, যা সন্ধ্যাভাষায় বা আলো-আঁধারি ভাষায় রচিত হয়েছে।
- ড. সুকুমার সেন এবং ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের রচনাকাল হলো সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কায় তরু পঞ্চ বি ডাল। চঞ্চল চিয়ে পৈঠ কাল।
ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পঙক্তি, যেখানে মানুষের দেহকে একটি গাছের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে যার পাঁচটি ডাল আছে।
উদাহরণ ২: সুপখই পাছিল নেবো তরুরে। ভুসুক বুড়াইল নৌ হিল থিরে।
ব্যাখ্যা: এটি ভুসুকপাদের রচিত একটি পদ, যা চর্যাপদের অন্তর্ভূক্ত এবং এর মাধ্যমে রূপক অর্থে সাধনার কথা বলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চর্যাপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন।
B) শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন এবং বরু চণ্ডীদাস রচিত একটি কাব্য, যা আদি নিদর্শন নয়।
C) শূন্য পুরাণ — এটি মধ্যযুগের রামাই পণ্ডিত রচিত একটি ধর্মীয় গ্রন্থ, যা চর্যাপদের পরবর্তী যুগের রচনা।
D) নিরঞ্জনের রুম্মা — এটিও শূন্য পুরাণ গ্রন্থের একটি বিখ্যাত কবিতাংশ, যা ধর্মপূজা পদ্ধতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে চর্যাপদ হলো হাজার বছরের পুরনো বৌদ্ধ গান, যা নেপাল থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে।
- প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন হিসেবে চর নামটি মাথায় রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কার সাল এবং এর পদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন আসে।
- চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর মূল রচয়িতা চব্বিশ জন বা ছাব্বিশ জন পদকর্তা।
সঠিক উত্তর: D) অতিথি
১. কেন সঠিক:
- অতিথি শব্দটির বানান গঠনে কোনো দীর্ঘস্বর বা দীর্ঘ ই কার ব্যবহার করা হয় না, কারণ এটি একটি তৎসম শব্দ যার মূল রূপ রসস্ব ই কার দিয়ে গঠিত।
- এই শব্দের অর্থ হলো যিনি তিথি নক্ষত্র না জেনে হঠাৎ বাড়িতে উপস্থিত হন অর্থাৎ মেহমান বা অভ্যাগত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বানান মূল সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী লিখতে হয়।
- অতিথি শব্দে থ এ রসস্ব ই কার এবং ত এ রসস্ব ই কার বসে, যেখানে কোনো দীর্ঘ ই কার ব্যবহারের বিধান নেই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রতিপত্তি
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ তৎসম শব্দ যেখানে প এর পর ত এ ই কার এবং প এর পর ত এ ই কার ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: মন্ত্রিসভা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ন এ ই কার এবং ত এ ই কার ব্যবহার করে সঠিক তৎসম শব্দের রূপ রক্ষা করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অতিথী — এই অপশনে থ এ দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং প্রমিত বানানরীতির পরিপন্থী।
B) অতীথী — এই অপশনের শুরুতে দীর্ঘ ঈ কার এবং শেষে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ বানান।
C) অথিতি — প্রদত্ত এই অপশনটিতে ত এ ই কারের পরিবর্তে ত এ ই কারের জায়গায় অন্য বর্ণ বা ভুল বিন্যাস রয়েছে, তবে এটি প্রশ্নকর্তার দেওয়া ভুল উত্তর বা মুদ্রণজনিত ত্রুটি নির্দেশ করছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অতিথি শব্দটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এই শব্দের দুইটা বর্ণেই অর্থাৎ থ এবং ত এর সাথে রসস্ব ই কার বসে।
- বাংলা বানানে ছোট ই কার বা রসস্ব ই কারের ব্যবহার সংক্রান্ত সাধারণ নিয়ম চর্চা করলে এই ভুল এড়ানো সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই যেসব তৎসম শব্দের বানানে রসস্ব ই কার এবং দীর্ঘ ঈ কার নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়, অতিথি তার মধ্যে অন্যতম।
- একই ধরনের অন্যান্য শব্দ যেমন প্রতিপত্তি এবং মন্ত্রিসভা বানানের ক্ষেত্রেও রসস্ব ই কারের সঠিক প্রয়োগ মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কবর
১. কেন সঠিক:
ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম সার্থক নাটক হলো মুনীর চৌধورীর কবর। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে কারাগারে বন্দि থাকা অবস্থায় মুনীর চৌধুরী এই নাটকটি রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ভাষা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির পর কারাগারে বসে তিনি এই ঐতিহাসিক নাটকটি রচনা করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: আর্তনাদ
ব্যাখ্যা: শওকত ওসমান রচিত ভাষা আন্দোলনের পটভূমির ওপর রচিত অপর একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিঠি — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত কোনো নাটক নয়, এটি ভিন্ন একটি সাহিত্যকর্ম।
B) দণ্ডকারণ্য — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নাটক নয়, এটি অন্য কোনো সাহিত্যিক প্রেক্ষাপটে রচিত।
C) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরীর লেখা ঐতিহাসিক নাটক হলেও এর পটভূমি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন নয়।
D) কবর — এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত ও সঠিক নাটক।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের কবরে মুনীর চৌধুরীর নাটক প্রথম স্থান অধিকার করেছিল এভাবে মনে রাখতে পারো। কবর নাটকটি কারাগরে বন্দি অবস্থায় রচিত হয়েছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক কোনটি এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতায় আসে। মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম নাটক হিসেবে বিশেষভাবে স্মরণীয়।
সঠিক উত্তর: D) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১. কেন সঠিক:
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থটির রচায়িতা হলেন বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- এই গ্রন্থে তাঁর জীবনের প্রারম্ভিক দিন থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত নানা ঐতিহাসিক ঘটনার প্রামাণ্য বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি এবং একজন প্রখ্যাত আত্মজৈবনিক লেখক।
- তাঁর রচিত অপর দুটি জনপ্রিয় গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কারাগারের রোজনামচা
ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি বিখ্যাত জেলখানা জীবনের দিনলিপিভিত্তিক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: আমার দেখা নয়াচীন
ব্যাখ্যা: এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চীন সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে রচিত একটি প্রামাণ্য ভ্রমণকাহিনি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবুল মনসুর আহমেদ — তিনি একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের লেখক নন।
B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কিন্তু এই আত্মজীবনী তিনি লেখেননি।
C) এ. কে. খোন্দকার — তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর সেক্টর কমান্ডার ও লেখক, এই গ্রন্থের রচায়িতা নন।
D) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালি জাতির অসমাপ্ত আত্মজীবনী লেখা যার হাত ধরে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।
- আত্মজীবনী শব্দটি দেখলে সরাসরি বঙ্গবন্ধুর নাম মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি জাতির ইতিহাসভিত্তিক গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বঙ্গবন্ধু রচিত মোট তিনটি গ্রন্থ প্রকাশ পেয়েছে, যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং নাম শুনে কবিতা মনে হলেও এটি মূলত গদ্যে রচিত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত রায় ও লাবণ্য সেন এবং এটি মূলত বাংলা উপন্যাসের ধারাকে ভেঙে নতুন রূপ দেওয়ার জন্য পরিচিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।
- শেষের কবিতা উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে রোমান্টিক প্রেমের মনস্তাত্ত্বিক রূপ ও বুদ্ধিবৃত্তিক দ্বন্দ্ব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোরা
ব্যাখ্যা: গোরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি দীর্ঘ ও বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস, যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: যোগাযোগ
ব্যাখ্যা: যোগাযোগ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি মনস্তাত্ত্বিক ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের ওপর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — এটি সঠিক কারণ শেষের কবিতা একটি গদ্য উপন্যাস এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।
B) নাটক — শেষের কবিতা কোনো নাটক নয়, যদিও এর ভেতরে প্রচুর কাব্যিক সংলাপ ও নাটকীয়তা রয়েছে।
C) ছোটগল্প — এটি ছোটগল্প নয় কারণ এর পরিসর এবং চরিত্রের বিস্তার একটি উপন্যাসের পূর্ণাঙ্গ রূপ ধারণ করেছে।
D) কবিতা — নামের মধ্যে কবিতা শব্দ থাকলেও এটি কোনো পদ্য বা কবিতা নয়, বরং একটি আধুনিক গদ্য উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নামের শেষে কবিতা থাকলেও শেষের কবিতা আসলে একটি উপন্যাস এই কথাটি মনে রাখলেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হবে না।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস মনে রাখার জন্য অমিত ও লাবণ্য জুটির এই নামটি সবার আগে মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভ্রান্ত করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে যেখানে নামের সঙ্গে মিল না থাকা সত্ত্বেও সঠিক genre চিহ্নিত করতে হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ উপন্যাস কোনটি এবং প্রথম উপন্যাস কোনটি, এই তথ্যগুলোও একইভাবে প্রস্তুত রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- 'লালসালু' বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যার রচিয়তা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
- উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার, ধর্ম ব্যবসায় এবং মানুষের সরলতার সুযোগ নেওয়ার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিশ শতকের আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কারিগর যিনি মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতা নির্ভর উপন্যাস লিখেছেন।
- 'লালসালু' উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত গ্রামীণ সমাজের মোড়লপ্রথা ও অন্ধবিশ্বাসের এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাঁদের অমাবস্যা
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাঁদো নদী কাঁদো
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর আরেকটি জনপ্রিয় ও প্রতীক্ষামূলক উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি 'সারেং বউ' ও 'সংশপ্তক' উপন্যাসের লেখক, 'লালসালু'র নন।
B) আকবর হোসেন — তিনি 'অবক্ষয়' ও 'অভিষেক' উপন্যাসের জন্য পরিচিত, 'লালসালু'র সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
C) জহির রায়হান — তিনি 'আরেক ফাল্গুন' ও 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসের রচিয়তা, 'লালসালু' তার নয়।
D) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক অপশন এবং তিনি 'লালসালু' উপন্যাসের লেখক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লালসালু উপন্যাসের লেখক ওয়ালীউল্লাহ মনে রাখতে ওয়ালী শব্দের সঙ্গে সালু শব্দ মিলিয়ে ছড়া মনে রাখা যায়।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম এবং সবচেয়ে আলোচিত উপন্যাস হলো লালসালু।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- লালসালু উপন্যাসটির প্রকাশকাল ১৯৪৮ সাল যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ এবং তার ধর্মকে পুঁজি করে টিকে থাকার কৌশল ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কাজী ইমদাদুল হক
১. কেন সঠিক:
- 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের রচয়িতা কাজী ইমদাদুল হক এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।
- বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের মুসলিম সমাজের অন্ধত্ব, কুসংস্কার এবং নৈতিক অবক্ষয়ের চিত্র এই উপন্যাসে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী ইমদাদুল হক একজন প্রথিতযশা সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন যিনি মূলত সমাজ সংস্কারের উদ্দেশ্যে এই উপন্যাসটি রচনা করেছিলেন।
- ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র আবদুল্লাহ তৎকালীন রক্ষণশীল মুসলিম সমাজের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আধুনিক শিক্ষা ও নৈতিকতা অর্জনের চেষ্টা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: মানুষের স্বর্গ
ব্যাখ্যা: কাজী ইমদাদুল হক রচিত অপর একটি উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ গ্রন্থ যা শিক্ষণীয় উপাদানে সমৃদ্ধ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোলাম মোস্তফা — গোলাম মোস্তফা একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও তিনি 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের লেখক নন।
B) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান বিখ্যাত উপন্যাস 'কৃতদাসের হাসি' ও 'জননী' রচনা করেছেন, 'আবদুল্লাহ' তার রচনা নয়।
C) কাজী ইমদাদুল হক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ঔপন্যাসিকই 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসটি সফলভাবে রচনা করেছেন।
D) মীর মশাররফ হোসেন — মীর মশাররফ হোসেন 'বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, তবে 'আবদুল্লাহ' উপন্যাসের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আবদুল্লাহ নামটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন যে ইমদাদুল হক সাহেবের বিখ্যাত সৃষ্টি হলো এই আবদুল্লাহ চরিত্রটি।
- সামাজিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে কাজী ইমদাদুল হকের নাম এবং তাঁর 'আবদুল্লাহ' একটি অবিকল্প নাম হিসেবে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম সমাজের প্রথম সামাজিক উপন্যাস কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
- লেখকের নাম ও উপন্যাসের প্রকাশকাল মনে রাখা সাহিত্য অংশের প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) প্যারীচাঁদ মিত্র
১. কেন সঠিক:
- প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল রচনার মাধ্যমে বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন।
- এই উপন্যাসে প্রথমবার সাধু ও কথ্য রীতির মিশ্রণে এক নতুন গদ্যশৈলী প্রবর্তিত হয় যা বাংলা উপন্যাসের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্যারীচাঁদ মিত্র ১৮১৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করতেন।
- তাঁর আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং একে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আলালের ঘরের দুলাল
ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস যা ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়।
উদাহরণ ২: অভেদী
ব্যাখ্যা: এটিও প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস যা তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারীচাঁদ মিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সার্থক উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনীর রচিয়তা, তবে প্রথম ঔপন্যাসিক নন।
C) প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায় — তিনি বাংলা ছোটগল্প ও উপন্যাসের একজন প্রখ্যাত লেখক হলেও বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক নন।
D) ঘ)শরন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও তিনি অনেক পরে আবির্ভূত হয়েছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রথম ঔপন্যাসিক মনে রাখার কৌশল হলো পেঁচা অর্থাৎ প্যারীচাঁদ মিত্রের টেকচাঁদ ছদ্মনামের সাথে আলালের ঘরের দুলাল মনে রাখা।
- বঙ্কিমচন্দ্র হলেন সার্থক ঔপন্যাসিক আর প্যারীচাঁদ মিত্র হলেন প্রথম ঔপন্যাসিক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল এবং এর রচিয়তা প্যারীচাঁদ মিত্র বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
- লেখকের প্রকৃত নাম এবং ছদ্মনাম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) সন্ন্যাসী
১. কেন সঠিক:
- 'গৃহী' শব্দের অর্থ হলো যে ব্যক্তি পরিবার-পরিজন নিয়ে সংসার বা গৃহধর্ম পালন করেন।
- এর সরাসরি বিপরীতার্থক বা প্রতিকূল অর্থ প্রকাশ করে 'সন্ন্যাসী', যার অর্থ যিনি সংসার জীবন ত্যাগ করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থের ওপর ভিত্তি করে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
- বিশেষ্য পদ হিসেবে 'গৃহী' শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে 'সন্ন্যাসী' একটি উপযুক্ত বিশেষ্য পদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মূক এবং বাচাল
ব্যাখ্যা: মূক শব্দের অর্থ যে কথা বলতে পারে না এবং এর বিপরীত শব্দ বাচাল যার অর্থ যে খুব বেশি কথা বলে।
উদাহরণ ২: স্থাবর এবং জঙ্গম
ব্যাখ্যা: স্থাবর শব্দের অর্থ যা নড়াচড়া করতে পারে না এবং জঙ্গম শব্দের অর্থ যা গতিশীল বা নড়াচড়া করতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রবাসী — প্রবাসী অর্থ যে ব্যক্তি নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে বা প্রবাসে বসবাস করেন, যা গৃহী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) সন্ন্যাসী — সঠিক উত্তর, কারণ এটি গৃহী শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) পরবাসী — পরবাসী শব্দের অর্থ অন্য বাসস্থানে বা পরদেশে বসবাসকারী ব্যক্তি, যা গৃহী শব্দের বিপরীত নয়।
D) গৃহহীন — গৃহহীন শব্দের অর্থ যার কোনো ঘরবাড়ি বা আশ্রয় নেই, এটি গৃহী শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পরিগণিত হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংসার বা ঘরকন্না করলে তাকে বলা হয় গৃহী এবং সংসার ত্যাগ করলে তাকে বলা হয় সন্ন্যাসী।
- এই দুটি শব্দ জোড়া হিসেবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে দ্রুত সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের অন্তর্নিহিত ভাব এবং পদের ব্যাকরণগত রূপের মিল থাকা জরুরি।
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত প্রচলিত ও প্রমিত বিপরীত শব্দগুলোই বেশি আসে।
সঠিক উত্তর: D) অনল
১. কেন সঠিক:
'আগুন' শব্দটির একটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত সমার্থক শব্দ হলো অনল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে এটি প্রায়ই আসে এবং এর অর্থ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় আগুন বোঝাতে তৎসম, অর্ধ-তৎসম এবং দেশি শব্দের ব্যবহার রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বহ্নি
ব্যাখ্যা: এটি আগুন শব্দের একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ যা বিভিন্ন কাব্যে পাওয়া যায়।
উদাহরণ ২: পাবক
ব্যাখ্যা: পাবক শব্দের অর্থও আগুন, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে বহুবার এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলোক — এই শব্দটির অর্থ আলো, দীপ্তি বা প্রকাশ, যা আগুন শব্দের সরাসরি সমার্থক নয়।
B) জ্যোতি — জ্যোতি বলতে আলোর প্রভা বা দীপ্তিকে বোঝায়, আগুনকে নয়।
C) কিরণ — কিরণ শব্দের অর্থ রশ্মি বা আলোর আভা, তাই এটি আগুন বোঝায় না।
D) অনল — এটি আগুন শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
আগুনের সমার্থক শব্দগুলো সহজে মনে রাখতে অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন ও অগ্নি এই কয়েকটি শব্দ একসঙ্গে একটি বাক্যে বা ছন্দে বারবার চর্চা করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় আগুন, পানি, আকাশ ও বাতাস এই চারটি প্রাকৃতিক উপাদানের সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই এগুলোর সমার্থক শব্দ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মেঘনাদবধ
১. কেন সঠিক:
- মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও সার্থক মহাকাব্য হিসেবে সর্বস্বীকৃত।
- মহাকাব্যের ধ্রুপদী লক্ষণ যেমন স্বর্গ বা সর্গ বিভাজন, অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার এবং পৌরাণিক কাহিনীর মহৎ প্রয়োগ এতে নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মহাকাব্যের রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে এই অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত কাব্যটি প্রকাশ করেন।
- রামায়ণের কাহিনীর সামান্য পরিবর্তন করে রাবণের পুত্র মেঘনাদ বা ইন্দ্রজিতের বীরত্ব ও ট্র্যাজেডি এতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ নাটক।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেঘনাদবধ — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হওয়ায় প্রশ্নটির সঠিক উত্তর।
B) বৃত্রসংহার — হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি মহাকাব্য হলেও এটি মেঘনাদবধর মতো সার্থক মহাকাব্যের মর্যাদা পায়নি।
C) কুরুক্ষেত্র — হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত আরেকটি মহাকাব্য, যা মেঘনাদবধর সমকক্ষ সার্থক মহাকাব্য হিসেবে বিবেচিত নয়।
D) মহাশ্মশান — কায়কোবাদ রচিত একটি মহাকাব্য, যার মূল বিষয়বস্তু পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য মানেই মেঘনাদবধ এবং এটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য।
- পরীক্ষিৎরা মনে রাখবেন সার্থক মহাকাব্য বললেই মেঘনাদবধ কাব্যের নাম আসবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মেঘনাদবধ কাব্য কয়টি সর্গে বিভক্ত, এই তথ্যটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
- বাংলা সার্থক মহাকাব্যের রচয়িতা এবং প্রকাশের সাল মনে রাখা চাকরির পরীক্ষার জন্য বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: A) মারা যাওয়া
১. কেন সঠিক:
- 'অক্কা পাওয়া' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা যার আভিধানিক ও প্রচলিত অর্থ হলো মারা যাওয়া বা প্রাণত্যাগ করা।
- প্রাত্যহিক কথ্য ভাষায় মৃত্যু বোঝাতে এই বিশেষ বাগধারাটির বহুল ব্যবহার দেখা যায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৃদ্ধ লোকটি অবশেষে অক্কা পেলেন।
ব্যাখ্যা: এখানে বৃদ্ধ লোকটির মৃত্যুর ঘটনা বোঝাতে 'অক্কা পেলেন' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: গাড়িটি এত পুরনো যে যেকোনো দিন অক্কা পেতে পারে।
ব্যাখ্যা: এখানে গাড়িটি নষ্ট হয়ে যাওয়া বা অচল হয়ে যাওয়া অর্থে রূপকভাবে 'অক্কা পাওয়া' ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মারা যাওয়া — এটি সঠিক উত্তর এবং বাগধারাটির মূল অর্থ।
B) কঠিন পরীক্ষা — এই অর্থটি বোঝাতে 'অগ্নিপরীক্ষা' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
C) অপদार्थ — এই অর্থটি বোঝাতে 'অগকষষ্ঠী' বা 'অকেজো' শব্দ ব্যবহৃত হয়, অক্কা পাওয়া নয়।
D) দুর্লভ — এই অর্থটি বোঝাতে 'আকাশ কুসুম' বা 'দুর্লভ বস্তু' বলা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অক্কা পাওয়া মানে শেষ হয়ে যাওয়া বা জীবন প্রদীপ নিভে যাওয়া।
- মৃত্যুর সমার্থক অন্যান্য বাগধারার সাথে এটি মিলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৃত্যু বা ধ্বংস বোঝাতে ব্যবহৃত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা ব্যাকরণে বাগধারার সঠিক অর্থ জানা থাকলে এক নম্বর নিশ্চিত করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
১. কেন সঠিক:
বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান সবচেয়ে বেশি কারণ এখানে পাঠ্যপুস্তক রচনার জন্য পন্ডিতদের নিয়োগ করা হয়েছিল।
কলেজের পন্ডিতদের হাত ধরেই বাংলা গদ্য তার দুর্বোধ্য সাধু রূপ থেকে বেরিয়ে এসে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও পঠনযোগ্য রূপ লাভ করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১৮০০ সালের ৪ মে তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলশলি কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
এই কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি এবং তার সহযোগী পন্ডিতগণ বাংলা গদ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত প্রথম গদ্যগ্রন্থগুলোর অন্যতম যা বাংলা গদ্যের বিকাশে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের বাতত্রিশ সিংহাসন
ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের রচিত এই গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের প্রাথমিক রূপকে সমৃদ্ধ করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহসীন কলেজ — এটি একটি প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলেও বাংলা গদ্য সাহিত্য বিকাশে এর কোনো সরাসরি বা ঐতিহাসিক ভূমিকা নেই।
B) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গদ্য বিকাশের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত।
C) শ্রীরামপুর মিশন — এটি বাংলা গদ্য ও মুদ্রণ শিল্পের বিকাশে অবদান রাখলেও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের মতো মূল সাহিত্যিক ভিত্তি গড়ার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা দ্বিতীয় পর্যায়ে পড়ে।
D) সংস্কৃত কলেজ — ১৮২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজটি পরবর্তীকালে শিক্ষা বিস্তারে ভূমিকা রাখলেও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের মতো সূচনালগ্নে গদ্য বিকাশে কাজ করেনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলা গদ্যের জন্ম বা বিকাশ বললেই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের নাম মনে রাখবে।
১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজটি বাংলা গদ্যের শৈশবকাল হিসেবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি।
এই কলেজ কেন্দ্রিক লেখকদের মধ্যে রামরাম বসু ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের নাম সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয় সমাস
কেন সঠিক:
- এই সমাসে একটি পদের সম্পূর্ণ বিপরীত বা ভিন্ন অর্থের আরেকটি পদের সাথে মিলন ঘটেছে।
- বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন না হয়ে দুটি বিপরীতধর্মী পদের মাধ্যমে একই বস্তুর দুটি ভিন্ন অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে কর্মধারয় সমাসে একই পদের দুইবার ব্যবহারের মাধ্যমে বিরোধাভাসহীন ভিন্ন অবস্থা বোঝায় তাকে বিশেষ নিয়মসিদ্ধ কর্মধারয় বলে।
- কাঁচা এবং পাকা শব্দ দুটি বিপরীত হলেও এখানে একই সাথে অবস্থান করছে।
- যেমন: ধোয়া-মোছা, দেখেশুনে ইত্যাদি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) দ্বন্দ্ব সমাস — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য নেই এবং মাঝখানে কোনো সংযোজক অব্যয় উহ্য নেই।
- B) কর্মধারয় সমাস — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
- C) দ্বিগু সমাস — এটি ভুল কারণ এর ব্যাসবাক্যে কোনো সংখ্যাবাচক শব্দ থাকে না এবং সমাহার বোঝায় না।
- D) বহুব্রীহি সমাস — এটি ভুল কারণ এখানে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ বজায় না থেকে নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায় না।
মনে রাখার টিপস:
- একই পদের দুটি বিপরীত অবস্থা একসাথে থাকলে কর্মধারয় সমাস হয়।
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ শামসুল হক
১. কেন সঠিক:
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' হলো বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য, যার রচয়িতা সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক।
- নাট্যটিতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের গ্রামীণ জনপদের অবরুদ্ধ পরিবেশ এবং সাধারণ মানুষের সংগ্রাম ও বিজয়ের আবহ অত্যন্ত শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যে একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক হিসেবে অত্যন্ত পরিচিত।
- কাব্যনাট্যটি মূলত পদ্য বা ছন্দে রচিত নাটক, যা মঞ্চে অভিনীত হওয়ার পাশাপাশি পড়ার জন্যও সমানভাবে উপযোগী।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নূরলদীনের সারাজীবন
ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হক রচিত আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক কাব্যনাট্য।
উদাহরণ ২: ঈর্ষা
ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক ও জনপ্রিয় কাব্যনাট্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই কাব্যনাট্যের রচয়িতা নন।
B) শামসুর রাহমান — তিনি বাংলাদেশের প্রধান নাগরিক কবি ও প্রাবন্ধিক, তবে এই কাব্যনাট্যটি তাঁর লেখা নয়।
C) সানাউল হক — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সরকারি কর্মকর্তা হলেও এই বিখ্যাত কাব্যনাট্যের সঙ্গে যুক্ত নন।
D) সৈয়দ শামসুল হক — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সৈয়দ শামসুল হকের লেখা বিখ্যাত কাব্যনাট্য মনে রাখার কৌশল হলো পায়ের আওয়াজ শুনলেই নূরলদীনকে মনে পড়বে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য বা উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্যগুলো আলাদাভাবে তালিকাভুক্ত করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
'রাজবন্দীর জবানবন্দী' হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক প্রবন্ধ। ১৯২৩ সালের ৭ জানুয়ারি আলীপুর সেন্ট্রাল জেলে বিচারকের সামনে প্রদত্ত এই জবানবন্দীতে তিনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে তার রাজনৈতিক অবস্থান ও সাহিত্যিক আদর্শ তুলে ধরেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রাবন্ধিক। ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতা লেখার অপরাধে তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং এই জবানবন্দীটি তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার এক অনন্য দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'যুগবাণী'
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যেখানে সমাজের নানা অসংগতি ও রাজনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য রয়েছে।
উদাহরণ ২: 'ভাঙার গান'
ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত কবিতা ও সংগীত গ্রন্থ, যা তৎকালীন তরুণসমাজকে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে অনুপ্রাণিত করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত, তবে তিনি 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' লেখেননি।
B) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি বাংলা সাহিত্যের মার্ক্সবাদী ও কিশোর কবি হিসেবে পরিচিত এবং কম বয়সে মারা যান, তার কোনো রাজনৈতিক জবানবন্দী গ্রন্থ নেই।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি এবং নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হলেও 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' তার রচিত কোনো প্রবন্ধ বা গ্রন্থ নয়।
D) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জেলখানায় বসে এই ঐতিহাসিক জবানবন্দী প্রদান করেছিলেন যা পরবর্তীতে প্রবন্ধ আকারে প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের বিদ্রোহী সত্তা ও জেলের বন্দী জীবন একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। রাজবন্দী মানেই ব্রিটিশদের বন্দশালায় থাকা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই জবানবন্দী প্রদানের সাল বা লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়। মনে রাখবে এটি ১৯২৩ সালে রচিত একটি বিখ্যাত গদ্য সাহিত্যকর্ম।
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করার কারণ হলো 'মৃত্যুক্ষুধা' বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক সমাজের অবহেলিত ও দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রা এবং তাদের বেঁচে থাকার সংগ্রাম ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক হলেও তিনি মূলত কবিতা ও গানের জন্য বেশি পরিচিত।
- 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসে তৎকালীন সমাজের দারিদ্র্য, মানুষের অনাহার এবং সামাজিক বৈষম্যের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'বাধা নিষেধ'
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত আরও একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।
উদাহরণ ২: 'কুহেলিকা'
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত রাজনৈতিক পটভূমির ওপর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসের রচয়িতা তিনিই।
B) আবু ইসহাক — এই অপশনটি ভুল কারণ আবু ইসহাক 'সূর্যদীঘল বাড়ী' উপন্যাসের জন্য পরিচিত।
C) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এই অপশনটি ভুল কারণ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাসের নাম 'লালসালু'।
D) জহির রায়হান — এই অপশনটি ভুল কারণ জহির রায়হান রচিত বিখ্যাত উপন্যাসের নাম 'হাজার বছর ধরে'।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তার তিনটি উপন্যাস বাধার সৃষ্টি করে, যেমন: বাঁধনহারা, বাউণ্ডুলের আত্মকথা এবং মৃত্যুক্ষুধা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। নজরুলের মোট উপন্যাসের সংখ্যা তিনটি, যার নাম বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা।
সঠিক উত্তর: B) গুজরাটি
১. কেন সঠিক:
- 'হরতাল' শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক শব্দ।
- গুজরাটি সংস্কৃতি ও ভাষা থেকে বাংলায় আসা খুব সীমিত সংখ্যক শব্দের মধ্যে হরতাল অন্যতম একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দসমূহকে উৎসের ভিত্তিতে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে আরবি, ফার্সি, ইংরেজি ও পর্তুগিজ শব্দের পাশাপাশি অন্যান্য ভাষা যেমন গুজরাটি, পাঞ্জাবি বা চৈনিক ভাষা থেকেও কিছু শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খদ্দর
ব্যাখ্যা: খদ্দর শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে আগত আরেকটি বহুল পরিচিত শব্দ যা বাংলায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: হারিকেন
ব্যাখ্যা: হারিকেন শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে আগত বিদেশি শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় আনাদি, আনারস, পাদ্রী, চাবি ইত্যাদি শব্দ এসেছে, কিন্তু হরতাল পর্তুগিজ শব্দ নয়।
B) গুজরাটি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপযুক্ত ভাষাতাত্ত্বিক প্রমাণ রয়েছে।
C) মারাঠী — মারাঠী ভাষা থেকে বাংলায় বর্গী বা চৌথ শব্দ এসেছে, কিন্তু হরতাল মারাঠী শব্দ নয়।
D) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে ইস্কাপন, হরতন, টেক্কা ইত্যাদি শব্দ এসেছে, কিন্তু হরতাল ওলন্দাজ শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলায় আসা দুটি প্রধান শব্দ মনে রাখার জন্য গু-ক্ষ বা গু-হ কৌশল ব্যবহার করতে পারো, যেমন গুজরাটি থেকে এসেছে হরতাল ও খদ্দর।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে কম প্রচলিত ভাষা যেমন গুজরাটি বা পাঞ্জাবি থেকে আসা শব্দগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) দেশি শব্দ
১. কেন সঠিক:
- উৎপত্তি অনুসারে যে শব্দগুলোর মূল উৎস বা শেকড় অজানা, কিন্তু বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলে যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলে।
- 'ঢেঁকি' শব্দটি অস্ট্রিক বা প্রাচীন বাঙালি আদিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে, যার কোনো সংস্কৃত বা অন্য কোনো বিদেশি ভাষার প্রত্যক্ষ রূপান্তর নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎপত্তি বা উৎস অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, বিদেশি এবং দেশি শব্দ।
- দেশি শব্দ মূলত বাংলাদেশের আদি অধিবাসী যেমন কোল, মুণ্ডা, সাঁওতাল ইত্যাদি জাতির ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুলা
ব্যাখ্যা: কুলা একটি দেশি শব্দ, যা ধান পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর উৎস আদিবাসীদের ভাষা।
উদাহরণ ২: ঢোল
ব্যাখ্যা: ঢোল শব্দটি দেশি শব্দ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত এবং এটি আমাদের প্রাচীন বাদ্যযন্ত্র হিসেবে পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তদ্ভব শব্দ — তদ্ভব শব্দ হলো সেগুলো, যার উৎস প্রাকৃতের মাধ্যমে সংস্কৃত থেকে পরিবর্তিত হয়ে এসেছে কিন্তু ঢেঁকি তদ্ভব নয়।
B) তৎসম শব্দ — তৎসম শব্দ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে কিন্তু ঢেঁকি সংস্কৃত শব্দ নয়।
C) অর্ধ-তৎসম শব্দ — অর্ধ-তৎসম শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে প্রাকৃতের মাধ্যমে এসেছে যা ঢেঁকির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) দেশি শব্দ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ ঢেঁকি একটি আদিবাসী উৎসের দেশি শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দেশি শব্দ মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো কুলা, ঢেঁকি, কুঁড়ে ঘর, গঞ্জ, চুলা, পেট ইত্যাদি দৈনন্দিন ব্যবহারের গ্রামীণ বস্তু।
- এই শব্দগুলোর কোনো নির্দিষ্ট সংস্কৃত মূল পাওয়া যায় না বলে এগুলো দেশি শব্দ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কুলা, ঢেঁকি, গঞ্জ, চোঙা, চুলা ইত্যাদি শব্দ প্রায়ই দেশি শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে বলা হয়।
- উৎসগত শ্রেণির প্রশ্ন সমাধানের সময় শব্দের উৎস অস্ট্রিক বা দ্রাবিড় ভাষা নির্দেশ করলে সাধারণত তা দেশি শব্দ হয়।
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ
কেন সঠিক:
১. এই কাব্যগ্রন্থটি কবি জীবনানন্দ দাশের অনন্য সৃষ্টি যা বাংলার প্রকৃতির রূপ ও সৌন্দর্য নিয়ে রচিত।
২. লেখকের মৃত্যুর পর প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে প্রকৃতিভিত্তিক কাব্যের এক শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ প্রকৃতিভিত্তিক এবং দেশপ্রেমমূলক একটি কাব্যগ্রন্থ।
২. এতে রূপসী বাংলার নদী, মাঠ, পাখি এবং লতাপাতার নিখুঁত ও মায়াবী চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. যেমন, এই কাব্যের বিখ্যাত পংক্তিতে বাংলার শালিক, কিশোরী এবং ধানের গন্ধের অসাধারণ রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুদ্ধদেব বসু — ইনি ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'রূপসী বাংলা' তাঁর কাব্য নয়।
B) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক এবং ক্ল্যাসিক্যাল মননশীল কবিতার জন্য পরিচিত কিন্তু এই কাব্যটির রচয়িতা নন।
C) অমিয় চক্রবর্তী — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন বিশিষ্ট কবি হলেও তাঁর লেখার মূল সুর ভিন্ন।
D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি রূপসী বাংলা কাব্যের একমাত্র রচয়িতা।
মনে রাখার টিপস:
১. রূপসী বাংলা মানেই বাংলার রূপকার কবি জীবনানন্দ দাশ।
২. প্রকৃতির কবি বললেই জীবনানন্দ দাশ এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য রূপসী বাংলা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অশুভ দৃষ্টিতে পড়া
কেন সঠিক:
- এই বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ হলো কোনো ক্ষতিকর বা কুদৃষ্টির প্রভাবে আক্রান্ত হওয়া।
- সমাজে প্রচলিত লোকবিশ্বাসে সুন্দর বা ভালো কোনো কিছুর ওপর ক্ষতিকর দৃষ্টি পড়াকেই নজর লাগা বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন বিশেষ প্রয়োগ যা শব্দের সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।
- লোকসাহিত্য এবং দৈনন্দিন গ্রামীণ জীবনে মানুষের হিংসাত্মক বা লোভী দৃষ্টির কুফল বোঝাতে এই বাগধারার প্রচলন হয়েছে।
- যেমন, ছোট বাচ্চার সুন্দর স্বাস্থ্যের প্রশংসা করার সময় অনেক সময় বলা হয় যেন তার নজর না লাগে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পছন্দ হওয়া — এই অর্থ প্রকাশের জন্য মনে ধরা বা ভালো লাগা বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
- C) মনে ধরা — এর অর্থ হলো কোনো কিছু খুব ভালো লেগে যাওয়া বা চিত্তাকর্ষক হওয়া।
- D) সুদৃষ্টিতে আসা — এর অর্থ হলো কারো কৃপা বা অনুকূল নজরে পড়া, যা নজর লাগার বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
- নজর শব্দের সাথে অমঙ্গল বা কুদৃষ্টির বিষয়টি জড়িত থাকে, তাই এটি অশুভ দৃষ্টির সাথে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: A) বর্মী
কেন সঠিক:
- লুঙ্গি শব্দটি বর্মী ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- বার্মা বা মিয়ানমারের সংস্কৃতির সাথে এই পোশাকটি গভীরভাবে যুক্ত থাকায় এর নামও সেই ভাষা থেকেই এসেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে।
- বর্মী ভাষা থেকে আগত বিদেশি শব্দের মধ্যে লুঙ্গি একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং বহুল ব্যবহৃত শব্দ।
- এই ধরনের শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে আগত বিদেশি শব্দ বা ঋণশব্দ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বর্মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ লুঙ্গি শব্দটি বর্মী ভাষা থেকেই এসেছে।
- B) মালয় — মালয় ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় 'চিনি', 'টুপি', 'রবার' ইত্যাদি শব্দ এসেছে, লুঙ্গি নয়।
- C) চীনা — চীনা ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় 'চা', 'চিনি', 'লুচি' ইত্যাদি শব্দ এসেছে, লুঙ্গি নয়।
- D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় 'দারোগা', 'কোচ', 'তোপ' ইত্যাদি শব্দ এসেছে, লুঙ্গি নয়।
মনে রাখার টিপস:
- বর্মা বা মিয়ানমারের ঐতিহ্যবাহী পোশাক লুঙ্গি, তাই মনে রাখবে লুঙ্গি শব্দটি বর্মী ভাষা থেকে এসেছে।
সঠিক উত্তর: B) summer
কেন সঠিক:
- এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ একটিমাত্র ভালো ঘটনা বা লক্ষণ দেখে সার্বিক অবস্থা বা ভালো দিন আসার নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।
- প্রবাদটির পূর্ণরূপ হলো একটিমাত্র চড়ুই পাখি দেখলেই যেমন গ্রীষ্মকাল শুরু হয়েছে বলে ধরা যায় না, তেমনি একটিমাত্র শুভ লক্ষণকেও গ্রীষ্মের আগমনী বার্তা হিসেবে ধরে নেওয়া ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) quarrel — এটি প্রবাদের অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় কারণ প্রবাদটি ঝগড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) summer — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং প্রবাদের সঙ্গে মিলে যায়।
C) autumn — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ প্রবাদটিতে শরৎকালের পরিবর্তে গ্রীষ্মকালের কথা বলা হয়েছে।
D) treaty — এটি একটি চুক্তি এবং প্রবাদের ভাবার্থ বা শব্দের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের শুরুতে চড়ুই পাখি বা swallow থাকে এবং এর সঙ্গে ঋতু হিসেবে গ্রীষ্ম বা summer যুক্ত থাকে, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: B) The girl burst into tears
কেন সঠিক:
কান্না বা আবেগের বহিרপ্রকাশ বোঝাতে ইংরেজি ব্যাকরণে burst into tears সঠিক ধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এখানে into প্রিপজিশনটি কান্নায় ভেঙে পড়ার আকস্মিক পরিবর্তনকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে।
অন্য কোনো প্রিপজিশন এই অর্থের সাথে মানানসই নয়।
তাই ব্যাকরণগত নিয়মে এই গঠনটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The girl burst out of tears — এখানে out of ব্যবহার করা হয়েছে যা কান্নার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল এবং অপ্রাসঙ্গিক।
B) The girl burst into tears — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) The girl burst out with tears — এখানে with ব্যবহারের নিয়ম নেই কারণ burst এর পরে সঠিক প্রিপজিশন into বসে।
D) The girl burst — বাক্যটি অসম্পূর্ণ কারণ এর পরে কোনো উপযুক্ত ভাব বা প্রিপজিশন যুক্ত করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
কান্নায় ভেঙে পড়া বোঝাতে সবসময় burst এর পরে into বসে এবং তারপরে tears লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) He has been waiting for three hours
কেন সঠিক:
বাক্যে নির্দিষ্ট একটি সময় ধরে কোনো কাজ চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করতে হয়।
এখানে তিন ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করার কাজ চলছে বোঝাতে has been waiting সঠিক গঠন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is waiting for three hours — এটি Present Continuous Tense হওয়ায় এখানে দীর্ঘ সময় ধরে চলা কাজের জন্য নিয়মটি সঠিক নয়।
B) He was waiting for three hours — এটি Past Continuous Tense হওয়ায় বর্তমানের কোনো ধারাবাহিক সময় বোঝাতে এটি উপযুক্ত নয়।
C) He will be waiting for three hours — এটি Future Continuous Tense হওয়ায় অতীতে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলা কাজ বোঝাতে এটি ব্যবহার করা যায় না।
D) He has been waiting for three hours — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে ধরে বা যাবৎ বোঝাতে for এবং থেকে বা হতে বোঝাতে since এর সাথে Present Perfect Continuous Tense বসে।
সঠিক উত্তর: D) architect
কেন সঠিক:
- "Architect" শব্দের অর্থ স্থপতি বা নির্মাতা, যা মানুষের ভাগ্য গড়ার রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- "Man is the architect of his own fate" একটি বহুল ব্যবহৃত প্রবাদ, যার অর্থ মানুষ তার নিজের ভাগ্যের নির্মাতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Projector — এর অর্থ প্রজেক্টর বা অভিক্ষেপ যন্ত্র, যা প্রবাদের অর্থের সাথে মিলে না।
B) novator — এটি ভুল বা অপ্রচলিত শব্দ, প্রবাদের অর্থে এর কোনো ভিত্তি নেই।
C) pioneer — এর অর্থ অগ্রপথিক, তবে নির্দিষ্ট এই প্রবাদের ক্ষেত্রে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না।
D) architect — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা প্রবাদের প্রচলিত রূপের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
ভাগ্য গড়ার সাথে স্থপতি বা নির্মাতা অর্থাৎ architect শব্দটি যুক্ত থাকে, কারণ মানুষ নিজেই তার জীবন ও ভাগ্য নির্মাণ করে।
সঠিক উত্তর: B) Man is not immortal
কেন সঠিক:
নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করার সময় মূল বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রাখতে হয় এবং বিপরীত শব্দের আগে 'not' বসাতে হয়। 'mortal' শব্দের বিপরীত শব্দ 'immortal' ব্যবহার করে সঠিক অর্থ বজায় রাখা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Man is not mortal — এটি সঠিক নয় কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় মানুষ মরণশীল নয়, যা বাস্তব সত্যের বিপরীত।
B) Man is not immortal — এটি সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রাখা হয়েছে।
C) Man is immortal — এটি একটি এফারমেটিভ বা ইতিবাচক বাক্য, যা নেতিবাচক রূপান্তরের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
D) Man is never mortal — এটি ভুল কারণ 'never' ব্যবহার করার কারণে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাফারমেটিভ থেকে নেতিবাচক করার সময় মূল শব্দের বিপরীত শব্দ বসিয়ে তার আগে নট ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) of
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে কারো সম্পর্কে মন্দ বলা বা নিন্দা করা বোঝাতে speak ill of এই নির্দিষ্ট ফ্রেস বা প্রবাদতুল্য ব্যবহার করা হয়।
এখানে অপশন সি এর অব প্রেপজিশনটি অন্য কারো বিরুদ্ধে কথা বলার অর্থ প্রকাশ করতে নিখুঁতভাবে মিলে যায়।
বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় অন্যের নিন্দা করো না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — টু প্রেপজিশনটি সাধারণত কোনো কিছুর দিকে বা প্রাপক বোঝাতে বসে যা এখানে অর্থসংগত নয়।
B) for — ফর প্রেপজিশনটি সাধারণত কোনো উদ্দেশ্যে বা কারো জন্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
D) with — উইথ প্রেপজিশনটি সাধারণত সাথে বা কোনো কিছু দ্বারা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এই বাক্যের সাথে যায় না।
মনে রাখার টিপস:
কারো নিন্দা করার ক্ষেত্রে সবসময় স্পিক ইল অব ফ্রেসটি মনে রাখবে যেখানে অব প্রেপজিশন বসে।
সঠিক উত্তর: D) are spotted frogs
কেন সঠিক:
বাক্যটির শুরুতে negative word 'Rarely' থাকায় এখানে Inversion বা verb-এর উল্টো ব্যবহার হয়েছে।
তাই মূল verb বা auxiliary verb 'are' সাবজেক্টের আগে বসেছে এবং সঠিক গঠন তৈরি করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) spotted frogs — এখানে কোনো verb নেই, তাই বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
B) spotted frogs have — এখানে সাবজেক্টের পরে verb আছে কিন্তু সঠিক প্রশ্নবোধক গঠন হয়নি।
C) have spotted frogs — এখানে অর্থ এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বিন্যাস হয়নি।
D) are spotted frogs — এটি সঠিক কারণ Negative Adverb-এর পর সাহায্যকারী verb আগে বসে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে rarely জাতীয় negative শব্দ থাকলে প্রথমে সাহায্যকারী verb এবং পরে subject বসে।
সঠিক উত্তর: A) strengthen
কেন সঠিক:
strength শব্দটির অর্থ শক্তি এবং এর ভারப் রূপ হলো strengthen যার অর্থ শক্তিশালী করা। ইংরেজি ব্যাকরণে সাধারণত শব্দের শেষে en যোগ করে ভার্ব গঠন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) strengthen — এটি সঠিক কারণ এটি strength শব্দের মূল ভার্ব রূপ।
B) strong — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ শক্তিশালী এবং এটি কোনো ভার্ব নয়।
C) stronger — এটি অ্যাডজেক্টিভের কম্পারেটিভ ডিগ্রি যার অর্থ আরও শক্তিশালী।
D) strengthening — এটি ভার্বের প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জেরান্ড রূপ যা মূল ভার্বের সাথে ing যুক্ত করে গঠিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে শেষে en যোগ করে সাধারণত নাউন বা অ্যাডজেক্টিভ থেকে ভার্ব তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) had finished
কেন সঠিক:
অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, তার ক্ষেত্রে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়। এখানে স্কুল শেষ করা কাজটি আগে ঘটেছে বলে had finished সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) had finished — এটি সঠিক উত্তর।
B) would finish — এটি অতীতের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে বসে, তাই এখানে সঠিক নয়।
C) finished — দুটি ঘটনার ধারাবাহিকতা বোঝাতে শুধু Past Indefinite যথেষ্ট নয়।
D) would have finished — এটি Third Conditional-এর নিয়ম, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে হয়, তার সাথে had এবং verb-এর past participle বসে।
সঠিক উত্তর: D) definite
কেন সঠিক:
Ambiguous শব্দের অর্থ অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থক, যার একাধিক অর্থ হতে পারে।
অন্যদিকে definite শব্দের অর্থ নির্দিষ্ট বা স্পষ্ট, যা Ambiguous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) obscure — এই শব্দটির অর্থ অস্পষ্ট, যা Ambiguous শব্দের সমার্থক।
B) equivocal — এই শব্দের অর্থ দ্ব্যর্থক, যা Ambiguous শব্দের কাছাকাছি অর্থ দেয়।
C) opaque — এই শব্দের অর্থ অস্বচ্ছ বা যা দিয়ে দেখা যায় না, যা সঠিক বিপরীতার্থক নয়।
D) definite — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে আগেই নির্ধারিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Ambiguous মানে গোলমেলে বা অস্পষ্ট আর definite মানে একদম পরিষ্কার ও নির্দিষ্ট।
সঠিক উত্তর: C) I am sure of success
কেন সঠিক:
adjectives যেমন sure এর পর সাধারণত of preposition ব্যবহৃত হয়।
এটি নিশ্চিত কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে সঠিক গ্রামাটিক্যাল স্ট্রাকচার তৈরি করে।
সঠিক preposition ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী এটি নিখুঁত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I am sure for success — এখানে for preposition ব্যবহার করা ভুল কারণ sure এর সাথে for বসে না।
B) I am sure about success — about ব্যবহার করা গেলেও surety বোঝাতে of সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য ও প্রমিত।
C) I am sure of success — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) I am sure to success — to এর পর verb এর base form বসে, কিন্তু এখানে success হলো noun।
মনে রাখার টিপস:
sure শব্দের পর সব সময় of preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) won't you?
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যের মূল অংশটি হা-বোধক (You'll remember...) হওয়ায়, এর ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক হতে হবে।
এখানে মূল verb-এর auxiliary হিসেবে will ব্যবহৃত হয়েছে, তাই নেতিবাচক ট্যাগ হবে won't এবং সাবজেক্ট হবে you।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will you? — মূল বাক্যটি হা-বোধক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি না-বোধক হওয়া বাধ্যতামূলক, তাই এটি ভুল।
B) won't you? — এটি সঠিক উত্তর।
C) would you? — বাক্যের মূল টেন্স ভবিষ্যৎ নির্দেশক (will), তাই এখানে would ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) wouldn't you? — মূল বাক্যে would না থাকায় এবং টেন্সের মিল না থাকায় এই অপটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
মূল বাক্য হা-বোধক হলে ট্যাগ কোশ্চেন না-বোধক হয় এবং মূল বাক্য না-বোধক হলে ট্যাগ কোশ্চেন হা-বোধক হয়।
সঠিক উত্তর: C) freezes
কেন সঠিক:
এটি একটি চিরন্তন সত্য বা বাস্তব ঘটনা প্রকাশ করছে।
এমন বাক্যে প্রথম অংশে Present Indefinite Tense থাকলে পরের অংশও Present Indefinite Tense হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will freeze — এটি First Conditional এর গঠন, কিন্তু এটি কোনো ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার কথা নয়।
B) would freeze — এটি Second Conditional এর গঠন, যা কাল্পনিক বা অসম্ভব ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) freezes — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) frozen — এটি Past Participle রূপ, যা একা এখানে মূল ভার্ব হিসেবে বসতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
বিজ্ঞানসম্মত সত্য বা চিরন্তন সত্যি বোঝাতে সবসময় Present Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) nine
কেন সঠিক:
এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবচন বা প্রবাদ বাক্য যার অর্থ সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়।
এই প্রবাদের মূল ভাব হলো সঠিক সময়ে ছোট একটি পদক্ষেপ নিলে ভবিষ্যতে বড় বিপদ এড়ানো যায়।
প্রবাদটির ঐতিহ্যগত ও আভিধানিক রূপ বজায় রাখতে শেষে নাইন শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
এটি বাক্যটির ছন্দ এবং সঠিক অর্থ পূর্ণতা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ten — প্রবাদ বাক্যটির প্রচলিত নিয়মে টেন শব্দটির ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) five — প্রবাদের মূল কাঠামো অনুযায়ী ফাইভ শব্দটি বসালে এর আসল অর্থ নষ্ট হয়ে যায়।
C) সাত — সেভেন বসালে এই নির্দিষ্ট ইংরেজি প্রবাদের ঐতিহ্যগত মিল ও ভাবার্থ বজায় থাকে না।
D) নয় — এটি সঠিক শব্দ হওয়ায় প্রবাদটি পূর্ণতা পায় এবং অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের ক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছেমতো শব্দ পরিবর্তন করা যায় না, তাই সঠিক প্রবাদটি মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) a noun
কেন সঠিক:
শব্দটির শেষে ty যুক্ত থাকায় এটি সাধারণত নাউন হিসেবে কাজ করে।
এটি দিয়ে কোনো কিছু বা অবস্থাকে বোঝানো হয়, যা নাউনের কাজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a pronoun — এটি কোনো প্রোনাউন নয় কারণ এটি কোনো নামের পরিবর্তে বসে না।
C) a verb — এটি কোনো কাজ বোঝায় না তাই এটি ভার্ব হতে পারে না।
D) an adjective — এটি কোনো দোষ বা গুণ প্রকাশ করে না, তাই এটি অ্যাডজেক্টিভ নয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটি শেষে ty বা ity দেখলে সাধারণত সেটিকে নাউন হিসেবে চিনে নেওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) Exclamatory sentence
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে মানুষের মনের তীব্র আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করা হয়েছে এবং শেষে একটি বিস্ময়সূচক চিহ্ন (! আছে। এটি কোনো প্রশ্ন নয়, প্রার্থনা নয় এবং আদেশও নয়, তাই এটি সরাসরি আবেগসূচক বাক্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Interrogative sentence — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটি দিয়ে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি এবং এর শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন নেই।
B) Optative sentence — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটিতে কোনো ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ করা হয়নি।
C) Imperative sentence — এই অপশনটি ভুল কারণ বাক্যটি দিয়ে কোনো আদেশ, নিষেধ বা উপদেশ বোঝায়নি।
D) Exclamatory sentence — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে আবেগ প্রকাশ পেয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) থাকে এবং মনের হঠাৎ আনন্দ বা দুঃখ প্রকাশ পায়, তাকে Exclamatory sentence বলে।
সঠিক উত্তর: A) to carry
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Subject + verb + adjective + enough + infinitive (to + verb) গঠন ব্যবহৃত হয়।
- এখানে load (বোঝা) বহন করার যোগ্য অর্থে to carry সঠিক infinitive হিসেবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to carry - এটি সঠিক উত্তর কারণ বোঝা বহন করার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
B) to handle - এটি ভুল কারণ load-এর ক্ষেত্রে সাধারণত handle বা পরিচালনা করা বোঝায় না, বহন করা বোঝায়।
C) to measure - এটি ভুল কারণ বোঝা মাপার চেয়ে বহনের বিষয়টি এখানে প্রাসঙ্গিক।
D) to feel - এটি ভুল কারণ বোঝা অনুভব করার সঙ্গে বাক্যটির অর্থের মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
enough-এর পরে সর্বদা to + verb (infinitive) বসে, তাই এই ধরনের বাক্যে carry-র মতো উপযুক্ত ভার্ব নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) were
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে অসম্ভব কল্পনা বা অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছে।
তাই সাবজেক্ট singular হওয়া সত্ত্বেও এখানে were বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) am — present tense হওয়ায় এই বাক্যে বসে না।
B) were — এটি সঠিক উত্তর।
C) was — আধুনিক ইংরেজিতে প্রচলিত থাকলেও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) shall be — ভবিষ্যৎকাল নির্দেশ করায় এখানে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
I wish যুক্ত বাক্যে অসম্ভব ইচ্ছা প্রকাশ পেলে subject যাই হোক না কেন, verb সবসময় were হয়।
সঠিক উত্তর: B) for
কেন সঠিক:
বিখ্যাত বা পরিচিত বোঝাতে বিখ্যাত কোনো জায়গার পরে সাধারণত preposition হিসেবে for বসে। যেমন ঢাকা রিক্সার জন্য বিখ্যাত, তাই এখানে সঠিক preposition হবে for।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — অধিকার বা উৎস বোঝাতে of বসে কিন্তু বিখ্যাত হওয়ার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায় না।
C) by — সাধারণত মাধ্যম বা কারো দ্বারা কিছু করা বোঝাতে by বসে তাই এখানে এটি বসবে না।
D) at — কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা ছোট জায়গার দিকে নির্দেশ করতে at বসে যা এখানে অর্থসংগত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও কিছু বিখ্যাত বোঝালে Famous শব্দের পরে সবসময় for preposition ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) mice
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ব্যাকরণে কিছু অনিয়মিত নাউনের প্লুরাল করার সময় শেষের অক্ষর না বদলে ভেতরের ভাওয়েল পরিবর্তন করতে হয়।
- এই নিয়মে mouse শব্দটির ভেতরের ou ভাওয়েল পরিবর্তিত হয়ে i এ রূপান্তরিত হয় এবং এর প্লুরাল রূপ mice হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mouses — এটি ভুল কারণ ইংরেজিতে mouse শব্দের শেষে es যোগ করে প্লুরাল করার নিয়ম নেই।
B) mice — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে এটি প্রযোজ্য নয়।
C) mouse — এটি হলো শব্দটির একক বা singular রূপ, যা প্লুরাল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) mices — এটি সম্পূর্ণ ভুল গঠন কারণ আধুনিক ইংরেজিতে এমন কোনো শব্দরূপ নেই।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের ভেতরে vauel পরিবর্তন করে প্লুরাল হওয়া শব্দের ক্ষেত্রে louse এর প্লুরাল lice এবং mouse এর প্লুরাল mice এভাবে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) Fanciful schemes
কেন সঠিক:
- Castles in the air একটি ইংরেজি ইডিয়ম, যার অর্থ আকাশকুসুম কল্পনা বা অবাস্তব পরিকল্পনা।
- Fanciful schemes কথাটির অর্থও কাল্পনিক বা অবাস্তব পরিকল্পনা, যা মূল ইডিয়মের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) - Romantic scenery — এটি বাস্তব বা রোমান্টিক কোনো দৃশ্য বোঝায়, যা অবাস্তব কল্পনার ইডিয়মটির সঙ্গে মেলে না।
B) Visionary project — এটি দূরদর্শী বা ভবিষ্যৎমুখী কোনো বাস্তব পরিকল্পনা বোঝায়, যা অবাস্তব কল্পনার বিপরীত।
C) Fanciful schemes — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ অবাস্তব বা কাল্পনিক পরিকল্পনা।
D) Idealistic thinking — এটি আদর্শবাদী চিন্তাভাবনা বোঝায়, যা পুরোপুরি অবাস্তব কাল্পনিক পরিকল্পনা বা ইডিয়মটির সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
আকাশে (Air) কখনো দুর্গ (Castles) তৈরি করা যায় না, তাই এটি একটি অবাস্তব কাল্পনিক পরিকল্পনা বা Fanciful schemes।
সঠিক উত্তর: A) on
কেন সঠিক:
- ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী spend বা খরচ করার পর কোনো জিনিসের পেছনে টাকা ব্যয় করা বোঝালে on preposition ব্যবহৃত হয়।
- এখানে gifts বা উপহারের পেছনে টাকা খরচ করার অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে on বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি সঠিক উত্তর কারণ spend verb এর পর উপহারের ক্ষেত্রে on প্রিপজিশন বসে।
B) by — দ্বারা বা মাধ্যমে বোঝাতে by বসে, যা এখানে অর্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
C) in — ভেতরে বা মধ্যে বোঝাতে in বসে, যা টাকার ক্ষেত্র বা উপহারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) at — নির্দিষ্ট স্থান বা সময় বোঝাতে at বসে, যা এই শূন্যস্থানের জন্য উপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছু কেনাকাটা বা উপহারের পেছনে টাকা খরচ করা বোঝালে spend শব্দের পরে সবসময় on প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) amphibians
কেন সঠিক:
অ্যাম্ফিবিয়ান বা উভচর প্রাণী এমন এক ধরনের প্রাণী যাদের জীবনচক্রের কিছু অংশ জলে এবং কিছু অংশ স্থলে অতিবাহিত হয়।
এরা ফুসফুস এবং ত্বক উভয় মাধ্যমেই শ্বাসকার্য চালাতে সক্ষম।
উভচর প্রাণীরা সাধারণত ডিম পাড়ার জন্য জলকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বেছে নেয়।
ব্যাঙ এবং সালামান্ডার এই শ্রেণীর প্রাণীর সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) insectivorous — এই শব্দটির অর্থ হলো কীটভোজী বা পতঙ্গভোজী প্রাণী। এরা মূলত অন্যান্য কীটপতঙ্গ খেয়ে নিজেদের বেঁচে থাকে।
B) dinosaurs — ডাইনোসর হলো প্রাগৈতিহাসিক যুগের বিশাল আকৃতির সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী। বর্তমান যুগে এদের কোনো অস্তিত্ব নেই এবং এরা উভচর নয়।
C) amphibians — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ধরা হয়নি।
D) reptiles — সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী সাধারণত ডাঙায় বসবাস করে এবং বুকে ভর দিয়ে চলে। এরা উভচর প্রাণীর মতো জলে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি অ্যাম্ফি শব্দটির অর্থ হলো উভয় এবং বায়োস শব্দের অর্থ জীবন। তাই যে সকল প্রাণী জল ও স্থল উভয় স্থানেই জীবন ধারণ করতে পারে তাদের উভচর বা অ্যাম্ফিবিয়ান বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) One third of the students are absent
কেন সঠিক:
- ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে লব একের বেশি হলে হর plural হয় এবং লব এক হলে হর singular থাকে, তবে এর পরের noun টি plural হলে verb ও plural হয়।
- এখানে students plural হওয়ায় verb হিসেবে are ব্যবহৃত হয়েছে এবং One third সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) One thirds of the students are absent — লব ১ হলে হরের সাথে s যুক্ত হয় না, তাই One thirds ভুল।
B) One third of the students are absent — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) One thirds of the student are absent — লবের নিয়মে One thirds ভুল এবং student singular হওয়া সত্ত্বেও are ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) One third of the student is absent — student singular হওয়ায় is সঠিক হলেও মূল প্রশ্নে students plural হওয়ার কারণে এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভগ্নাংশে One এর পর third হবে (thirds নয়) এবং এর পরের noun টি plural হলে verb ও plural হবে।
সঠিক উত্তর: B) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
কোনো সংখ্যার অর্ধেক অংশের সাথে ছয় যোগ করলে সংখ্যাটির দুই তৃতীয়াংশ হয়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
সংখ্যাটির অর্ধেক অংশ = ক ÷ ২
সংখ্যাটির দুই তৃতীয়াংশ = (২ × ক) ÷ ৩
সুতরাং,
(ক ÷ ২) + ৬ = (২ × ক) ÷ ৩
উত্তর: ৩৬
সঠিক উত্তর: B) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
কোনো সংখ্যার অর্ধাংশের সাথে ছয় যোগ করলে তার দুই-তৃতীয়াংশ হয়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি = ক
সংখ্যার অর্ধেক = ক ÷ ২
সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ = (ক × ২) ÷ ৩
অতএব,
প্রশ্নানুসারে সমীকরণটি হলো,
(ক ÷ ২) + ৬ = (ক × ২) ÷ ৩
সুতরাং,
পক্ষান্তর করে পাই,
৬ = (২ক ÷ ৩) − (ক ÷ ২)
উত্তর:
সমাধান করে পাই, ক = ৩৬
সঠিক উত্তর: D) আয়তক্ষেত্র
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ভেতরে একটি সামান্তরিক আঁকা হয়েছে
ধরি,
সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলো সমান এবং পরস্পর সম্পূরক
অতএব,
সামান্তরিকের প্রতিটি কোণ সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি হয়
সুতরাং,
যে সামান্তরিকের সব কোণ সমকোণ তাকে আয়তক্ষেত্র বলে
উত্তর: আয়তক্ষেত্র
সঠিক উত্তর: B) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে
ধরি,
বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r
নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r
অতএব,
আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r
নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৩r) × (৩r)
সুতরাং,
নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r)
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: A) আয়তক্ষেত্র
প্রদত্ত তথ্য:
সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান এবং সমান্তরাল
সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান
ধরি,
ABCD একটি সামান্তরিক
এর কর্ণ দুটি হলো AC এবং BD
অতএব,
প্রশ্নানুসারে AC = BD
সামান্তরিকের কোণগুলো সমকোণ হয়
সুতরাং,
কর্ণ সমান হওয়ায় এটি একটি আয়তক্ষেত্র
উত্তর: A) আয়তক্ষেত্র
সঠিক উত্তর: C) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
মূলধন ১০ বছরে দ্বিগুণ হয়
ঐ মূলধন তিনগুণ হবে কত বছরে তা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
আসল = ক টাকা
১০ বছরে মুনাফা-আসল = ২ক টাকা
অতএব,
১০ বছরের মুনাফা = ২ক − ক = ক টাকা
মুনাফা-আসল তিনগুণ হলে = ৩ক টাকা
সুতরাং,
৩গুণ হতে মুনাফা লাগবে = ৩ক − ক = ২ক টাকা
ক টাকা মুনাফা হয় ১০ বছরে
উত্তর: ২ক টাকা মুনাফা হতে সময় লাগবে ১০ × ২ = ২০ বছর
সঠিক উত্তর: C) ৪১ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৭ বছর
পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর
ধরি,
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৭ × ৩ = ১১১ বছর
পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৫ × ২ = ৭০ বছর
অতএব,
মাতার বয়স বের করতে হলে তিনজনের বয়সের সমষ্টি থেকে দুইজনের বয়সের সমষ্টি বিয়োগ করতে হবে
মাতার বয়স = ১১১ বছর − ৭০ বছর
সুতরাং,
মাতার বয়স = ৪১ বছর
উত্তর: ৪১ বছর
সঠিক উত্তর: C) ৭১
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটির প্রথম সংখ্যাটি ১১
ধারাটির দ্বিতীয় সংখ্যাটি ১৫
ধারাটির তৃতীয় সংখ্যাটি ২৩
ধারাটির চতুর্থ সংখ্যাটি ৩৯
ধরি,
প্রথম পদের সাথে যোগ হবে ৪
দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ হবে ৮
তৃতীয় পদের সাথে যোগ হবে ১৬
অতএব,
প্রথম পার্থক্য = ১৫ − ১১ = ৪
দ্বিতীয় পার্থক্য = ২৩ − ১৫ = ৮
তৃতীয় পার্থক্য = ৩৯ − ২৩ = ১৬
সুতরাং,
চতুর্থ পার্থক্য হবে ১৬ এর দ্বিগুণ অর্থাৎ ৩২
পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ৩৯ + ৩২ = ৭১
উত্তর: ৭১
সঠিক উত্তর: A) ৪৯
প্রদত্ত তথ্য:
x − y = ৩
xy = ১০
ধরি,
বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করতে হবে
অতএব,
(x + y)² এর সূত্র হলো (x − y)² + ৪xy
সুতরাং,
(x − y)² এর মান হলো ৩ এর বর্গ অর্থাৎ ৯
এবং ৪xy এর মান হলো ৪ × ১০ অর্থাৎ ৪০
উত্তর: ৯ + ৪০ = ৪৯
সঠিক উত্তর: B) ৭৬
প্রদত্ত তথ্য:
a − (১ ÷ a) = ৪
ধরি,
প্রদত্ত রাশির মান নির্ণয় করতে হবে
এখানে বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
a³ − (১ ÷ a³) এর অনুসিদ্ধান্ত হলো
(a − (১ ÷ a))³ + ৩ × a × (১ ÷ a) × (a − (১ ÷ a))
সুতরাং,
মান বসিয়ে পাই (৪)³ + ৩ × ৪
= ৬৪ + ১২
উত্তর: ৭৬
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
a + b = ৫
a − b = ৩
ধরি,
আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী ab এর মান নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
ab এর অনুসিদ্ধান্ত হলো (a + b) ÷ ২ এর হোল স্কয়ার বিয়োগ (a − b) ÷ ২ এর হোল স্কয়ার
সুতরাং,
(৫ ÷ ২) স্কয়ার বিয়োগ (৩ ÷ ২) স্কয়ার সমান ২৫ ÷ ৪ বিয়োগ ৯ ÷ ৪ সমান ১৬ ÷ ৪ সমান ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: B) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো চার গুণ এক্স স্কয়ার বিয়োগ এ গুণ এক্স যোগ নয়
পূর্ণবর্গ রাশির রূপটি হলো
এ স্কয়ার যোগ দুই গুণ এ গুণ বি যোগ বি স্কয়ার
অথবা এ স্কয়ার বিয়োগ দুই গুণ এ গুণ বি যোগ বি স্কয়ার
ধরি,
প্রথম পদ চার গুণ এক্স স্কয়ার এর বর্গমূল হলো দুই গুণ এক্স
শেষ পদ নয় এর বর্গমূল হলো তিন
অতএব,
মাঝের পদটি হবে দুই গুণ প্রথম পদ গুণ দ্বিতীয় পদ
অর্থাৎ দুই গুণ দুই গুণ এক্স গুণ তিন
সুতরাং,
মাঝের পদটি হিসাব করে পাই বারো গুণ এক্স
উত্তর: বারো
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা
কেন সঠিক:
- রেডক্রস একটি আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা যার আন্তর্জাতিক কমিটির সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- ১৮৬৩ সালে হেনরি ডুনান্ট এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর প্রধান কার্যালয় জেনেভাতেই স্থাপন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী হলেও রেডক্রসের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
B) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর এখানে থাকলেও রেডক্রসের নেই।
C) জেনেভা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সুইজারল্যান্ডের এই শহরেই রেডক্রসের সদর দপ্তর অবস্থিত।
D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান শহর এবং জাতিসংঘের সদর দপ্তর এখানে থাকলেও রেডক্রসের নয়।
মনে রাখার টিপস:
রেডক্রস মানেই মানবিক সেবা আর সেবার শহর হিসেবে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা বিখ্যাত।
সঠিক উত্তর: C) সিলেট
কেন সঠিক:
- প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং নাগরিকদের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সিলেটকে বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল শহর হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- তথ্যপ্রযুক্তির অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ই-সেবা চালুর ক্ষেত্রে এই শহরটি দেশজুড়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কিশোরগঞ্জ — এটি হাওড় অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা হলেও প্রথম ডিজিটাল শহরের মর্যাদা লাভ করেনি।
B) ফরিদপুর — এটি দেশের একটি প্রাচীন জেলা হলেও ডিজিটাল শহরের তালিকায় এটি প্রথম স্থান অর্জন করেনি।
C) সিলেট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রথম ডিজিটাল শহর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত।
D) পাবনা — এটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে পরিচিত হলেও প্রথম ডিজিটাল শহর নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিলেট মানেই চা বাগান আর প্রযুক্তির ছোঁয়ায় গড়া দেশের প্রথম ডিজিটাল শহর।
সঠিক উত্তর: B) প্রত্নস্থস্থান
কেন সঠিক:
- উয়ারি-বটেশ্বর নরসিংদী জেলায় অবস্থিত একটি অত্যন্ত প্রাচীন দুর্গনগরী ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।
- এখানে প্রাচীন মুদ্রা, পোড়ামাটির ফলক এবং হস্তাঞ্চল সভ্যতার বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মন্দির — উয়ারি-বটেশ্বর কোনো একক মন্দির বা ধর্মীয় উপাসনালয় নয়, এটি একটি প্রাচীন জনপদ ও প্রত্নস্থস্থান।
B) প্রত্নস্থস্থান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বাংলার প্রাচীনতম সভ্যতার বহু প্রত্ননিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে।
C) প্রাচীন বিহার — এটি বৌদ্ধ বিহার বা শিক্ষাকেন্দ্র নয়, বরং মৌর্য আমলের আগের একটি সমৃদ্ধ প্রাচীন নগরসভ্যতা।
D) মসজিদ — এটি মুসলিম আমলের কোনো মসজিদ বা ইসলামিক স্থাপনা নয়, কারণ এর ইতিহাস প্রাক-মুসলিম যুগের।
মনে রাখার টিপস:
উয়ারি-বটেশ্বর মানেই প্রাচীন নরসিংদীর মাটি খুঁড়ে বের করা অমূল্য প্রত্নস্থস্থান।
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কেন সঠিক:
- অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- এর স্থপতি বিশিষ্ট ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ জহির এবং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় — এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি অবস্থিত নয়।
B) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় — এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত, যেখানে এই ভাস্কর্যটি নেই।
C) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় — এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) চিংড়ি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়, যা খনিজ সম্পদের মতো মূল্যবান।
- উজ্জ্বল সাদা রঙের কারণে এবং উচ্চ অর্থনৈতিক মূল্যের জন্য চিংড়িকে হোয়াইট গোল্ড বা সাদা সোনা বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইলিশ — ইলিশ আমাদের জাতীয় মাছ এবং এটিকে বাংলাদেশের সিলভার হার্ভেস্ট বা রুপালি ইলিশ বলা হয়, হোয়াইট গোল্ড নয়।
B) রূপচাঁদা — রূপচাঁদা একটি সামুদ্রিক সুস্বাদু মাছ হলেও এটি দেশের প্রধান অর্থনৈতিক রপ্তানি পণ্য বা হোয়াইট গোল্ড হিসেবে পরিচিত নয়।
C) পাবদা — পাবদা বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় দেশীয় মিঠাপানির মাছ, যা হোয়াইট গোল্ড উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) চিংড়ি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটিই হোয়াইট গোল্ড নামে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
সাদা রঙের সামুদ্রিক বা উপকূলীয় যে প্রাণী রপ্তানি করে সোনা বা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়, সেটিই চিংড়ি বা হোয়াইট গোল্ড।
সঠিক উত্তর: B) জেরুজালেম
কেন সঠিক:
- আল আকসা মসজিদ ফিলিস্তিনের জেরুজালেম শহরের ঐতিহাসিক পুরনো শহরে অবস্থিত।
- এটি ইসলাম ধর্মের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান এবং মুসলমানদের প্রথম قبلة বা কিবলা ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যালেস্টাইন — প্যালেস্টাইন বা ফিলিস্তিন হলো সমগ্র দেশটির নাম, যা মসজিদের শহর জেরুজালেমের চেয়ে অনেক বড় একটি ভূখণ্ড।
B) জেরুজালেম — এই অপশনটি সঠিক কারণ মসজিদটি এই ঐতিহাসিক ও পবিত্র শহরেই অবস্থিত।
C) গাজা উপত্যকা — এটি ফিলিস্তিনের একটি ভূখণ্ড যা জেরুজালেম থেকে ভৌগোলিকভাবে সম্পূর্ণ আলাদা এবং সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত।
D) ঘজর্ডান সীমান্ত — জর্ডান একটি স্বাধীন দেশ এবং এর সীমান্ত জেরুজালেম থেকে দূরে অবস্থিত, যদিও জর্ডান এই মসজিদের তত্ত্বাবধানে যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
আল আকসা মসজিদ মানেই পবিত্র জেরুজালেম শহর, যা ফিলিস্তিনের ঐতিহাসিক রাজধানী।
বিষয়ের ধরন: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য
সঠিক উত্তর: B) মারকানা, ব্রাজিল
সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি ভুল ছিল। ইডেন গার্ডেন বিশ্বের বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম নয়, এটি ক্রিকেটের বিখ্যাত স্টেডিয়াম। সঠিক উত্তর হবে মারকানা স্টেডিয়াম, ব্রাজিল।
কেন সঠিক:
- ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অবস্থিত মারকানা স্টেডিয়াম ঐতিহাসিক ও ধারণক্ষমতার দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম হিসেবে পরিচিত।
- অতীতে এই স্টেডিয়ামে প্রায় দুই লক্ষ দর্শকের সমাগম হয়েছিল, যা ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ দর্শকের একটি রেকর্ড।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেইজিং, চীন — এটি মূলত অলিম্পিক গেমসের জন্য নির্মিত বার্ডস নেস্ট স্টেডিয়াম এবং এটি বিশ্বের বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম নয়।
B) মারকানা, ব্রাজিল — এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম এবং এখানেই সঠিক উত্তর অবস্থিত।
C) ইডেন গার্ডেন, কলকাতা — এটি ফুটবল নয়, বরং ভারতের একটি ঐতিহাসিক ও অত্যন্ত জনপ্রিয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
D) আজটেক, মেক্সিকো — এটি মেক্সিকোর একটি বিখ্যাত ফুটবল স্টেডিয়াম হলেও মারকানার মতো এটি বিশ্বের বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়ামের স্বীকৃতি পায় না।
মনে রাখার টিপস:
ফুটবলের রাজারা যেমন ব্রাজিলে জন্মায়, তেমনি বিশ্বের বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম মারকানা ও ব্রাজিলে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ২৬ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- এই দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের জাতীয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস, জাতীয় দিবস নয়।
B) ২৬ মার্চ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবস।
C) ৭ মার্চ — এটি ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিবস, জাতীয় দিবস নয়।
D) ১৭ এপ্রিল — এটি ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস, জাতীয় দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয় ২৬ মার্চ, তাই ২৬ মার্চ হলো আমাদের জাতীয় দিবস।
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের রণসঙ্গীত হিসেবে ব্যবহৃত চল চল চল উর্ধ্ব গগণে বাজা মাদল গানটির রচয়িতা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এবং পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে এই গানটিকে বাংলাদেশের রণসঙ্গীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা হলেও রণসঙ্গীতের রচয়িতা নন।
B) কাজী নজরুল ইসলাম — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই ঐতিহাসিক গানটির রচয়িতা।
C) শাহ আব্দুল করিম — তিনি একজন বিখ্যাত বাউল শিল্পী ও গীতিকার হলেও রণসঙ্গীতের রচয়িতা নন।
D) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লি কবি হিসেবে পরিচিত এবং বিভিন্ন পল্লিগীতির রচয়িতা হলেও রণসঙ্গীতের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
জাতীয় সঙ্গীত লিখেছে রবি ঠাকুর, আর রণসঙ্গীত লিখেছে বিদ্রোহী কবি নজরুল।
সঠিক উত্তর: C) চাঁদপুর
কেন সঠিক:
- মেঘনা, পদ্মা ও ডাকাতিয়া নদীর মোহনায় অবস্থিত হওয়ায় চাঁদপুর জেলায় প্রচুর ইলিশ পাওয়া যায় এবং নদীপথে যোগাযোগের কারণে এটি ইলিশের প্রধান ব্যবসায়িক কেন্দ্র।
- ভৌগোলিক অবস্থান ও ইলিশের অন্যতম প্রধান উৎপত্তিস্থল ও বিপণন কেন্দ্র হওয়ার কারণে একে ইলিশের বাড়ি বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভোলা — ভোলা জেলায় সবচেয়ে বেশি ইলিশ উৎপাদিত হলেও একে ইলিশের উৎপাদন জেলা বলা হয়, ইলিশের বাড়ি হিসেবে চাঁদপুর ব্র্যান্ডেড।
B) বরিশাল — বরিশাল ইলিশের জন্য বিখ্যাত একটি অঞ্চল হলেও সরকারিভাবে বা ভৌগোলিক ব্র্যান্ডিংয়ে একে ইলিশের বাড়ি বলা হয় না।
C) চাঁদপুর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ইলিশের বাড়ি হিসেবে পরিচিত।
D) রাজবাড়ী — রাজবাড়ী জেলা পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত হলেও এটি ইলিশের জন্য প্রধান পরিচিতি লাভ করেনি।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদপুর নদীমাতৃক বন্দর ও মেঘনার মোহনায় অবস্থিত বলে এটিকে ইলিশের বাড়ি বলা হয়।
বিষয়: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: B) রোমান সম্রাট হিসেবে
কেন সঠিক:
- জুলিয়াস সীজার প্রাচীন রোমের একজন বিখ্যাত সেনাপতি, একনায়ক ও রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, যিনি রোমান প্রজাতন্ত্রকে সাম্রাজ্যে রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
- তিনি রোমান সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটিয়েছিলেন এবং ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী শাসক হিসেবে পরিচিত লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রিটেনের রাজা হিসেবে — জুলিয়াস সীজার ব্রিটেনের রাজা ছিলেন না, তিনি প্রাচীন রোমের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা ছিলেন।
B) রোমান সম্রাট হিসেবে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি রোমান সাম্রাজ্যের একনায়ক বা শীর্ষ শাসক ছিলেন।
C) বর্ণবাদ বিরোধী হিসেবে — বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন আধুনিক যুগের ঘটনা, জুলিয়াস সীজারের সাথে এর কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
D) ঘ) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে — আমেরিকা মহাদেশ আবিষ্কৃত হয় সীজারের মৃত্যুর বহু শতাব্দী পর, তাই তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার প্রশ্নই আসে না।
মনে রাখার টিপস:
জুলিয়াস সীজার নামটির সাথে প্রাচীন রোম এবং রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
সঠিক উত্তর: C) চীন
কেন সঠিক:
- চীন বিশ্বের সর্বাধিক গম উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং ঐতিহ্যগতভাবে তারা শীর্ষে অবস্থান করছে।
- অনুকূল আবহাওয়া ও বিশাল কৃষিজমির কারণে গম উৎপাদনে দেশটি বিশ্ববাজারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — কানাডা গম উৎপাদনে বিশ্বে অগ্রগণ্য হলেও এটি সর্বাপেক্ষা বেশি উৎপাদনকারী দেশ নয়।
B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম প্রধান গম উৎপাদনকারী হলেও উৎপাদনের পরিমাণের দিক থেকে চীনের পরে অবস্থান করে।
D) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্যে পরিমিত পরিমাণে গম উৎপাদিত হলেও তা বৈশ্বিক শীর্ষ উৎপাদনের তুলনায় অনেক কম।
মনে রাখার টিপস:
গম উৎপাদনে চীন চিন করে সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) কানাডা
কেন সঠিক:
- কমনওয়েলথভুক্ত ৫৬টি দেশের মধ্যে ১৫টি দেশ যুক্তরাজ্যের রাজাকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান বা সাংবিধানিক রাজা হিসেবে মেনে চলে।
- কানাডা একটি স্বাধীন দেশ হওয়া সত্ত্বেও তাদের সাংবিধানিক রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ব্রিটিশ রাজা বা রানিকে স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাইপ্রাস — সাইপ্রাস কমনওয়েলথভুক্ত একটি প্রজাতন্ত্র দেশ, যা ব্রিটিশ রাজাকে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকার করে না।
B) কানাডা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া কমনওয়েলথভুক্ত হলেও ব্রিটিশ রাজাকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া সত্ত্বেও প্রশ্নে কানাডা নির্দিষ্টভাবে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। (নোট: অস্ট্রেলিয়াও ব্রিটিশ রাজাকে মানে, তবে প্রচলিত বিসিএস প্রশ্নের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কানাডা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।)
D) মরিসাস — মরিসাস কমনওয়েলথভুক্ত একটি প্রজাতন্ত্র দেশ, যার নিজস্ব প্রেসিডেন্ট রয়েছে এবং এটি ব্রিটিশ রাজাকে রাষ্ট্রপ্রধান মানে না।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের রাজাকে রাষ্ট্রপ্রধান মানে এমন কমনওয়েলথ দেশগুলোকে রিয়েলম বলা হয়, যার মধ্যে উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডা অন্যতম।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) লিবিয়া
কেন সঠিক:
- ২০১৭ সালের জুন মাসে কাতারকে সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে লিভিয়া দেশটির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল।
- উপসাগরীয় অঞ্চলের রাজনৈতিক সংকটের অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশ কাতারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন বা অবনমিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিবিয়া — ২০১৭ সালে কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা দেশগুলোর মধ্যে লিভিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সরকারও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
B) জর্ডান — জর্ডান কাতারের সাথে সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করেনি, বরং তাদের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের মাত্রা কিছুটা হ্রাস করেছিল।
C) ইরান — ইরান কাতারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেনি, বরং উপসাগরীয় সংকটের সময় কাতারকে খাদ্য ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করেছিল।
D) বাহরাইন — বাহরাইন ২০১৭ সালে কাতারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলেও এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে বিবিধ পরীক্ষায় লিভিয়ার প্রসঙ্গেই বেশি আলোচিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
২০১৭ সালের কূটনৈতিক সংকটে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার যে কয়েকটি দেশ কাতারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল, তাদের মধ্যে লিভিয়া অন্যতম।
সঠিক উত্তর: C) মেহেরপুর
কেন সঠিক:
- মুজিবনগর বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের রাজধানী, যা তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলায় অবস্থিত ছিল।
- বর্তমান প্রশাসনিক বিন্যাসে মেহেরপুর একটি স্বাধীন জেলা এবং এর অধীনেই ঐতিহাসিক মুজিবনগর উপজেলা অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যশোহর সালাহলাও — এটি কোনো সঠিক জেলা নয় এবং মুজিবনগর ঐতিহাসিক স্থানের সাথে এর ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
B) চুয়াডাঙ্গা — এটি মেহেরপুর জেলার পাশের একটি জেলা হলেও ঐতিহাসিক মুজিবনগর এর ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত নয়।
D) দিনাজপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি সীমান্তবর্তী জেলা এবং ১৯৭১ সালের মুজিবনগর সরকারের অবস্থানের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থান বৈদ্যনাথতলা বর্তমানে মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত, এটি মনে রাখলেই উত্তর নিশ্চিত করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) কুষ্টিয়া
কেন সঠিক:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে জমিদার হিসেবে অবস্থান করেছিলেন এবং তাঁর বিখ্যাত অনেক সাহিত্যকর্ম এখানে রচনা করেন।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই ঐতিহাসিক কুঠিবাড়িটি বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — এটি একটি বিভাগ ও জেলা হলেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারি বা স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ এখানে অবস্থিত নয়।
B) কুষ্টিয়া — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানেই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহাসিক শিলাইদহ কুঠিবাড়ি অবস্থিত।
C) ঢাকা — এটি বাংলাদেশের রাজধানী এবং সাহিত্যিকদের আনাগোনা থাকলেও শিলাইদহ এলাকাটি এই জেলায় অবস্থিত নয়।
D) কুমিল্লা — এটি একটি প্রাচীন জেলা ও ময়নামতির ঐতিহাসিক স্থান হলেও শিলাইদহ এলাকাটি এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের শিলাইদহ কুঠিবাড়ি মনে রাখতে কুষ্টিয়ার 'কু' এবং কুঠিবাড়ির 'কু' অক্ষর দুটি মিলিয়ে নিতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) ৮টি
কেন সঠিক:
- সার্ক বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর এবং এর বর্তমান সদস্য দেশ সংখ্যা আটটি।
- সর্বশেষ ২০০৭ সালে আফগানিস্তান যুক্ত হওয়ার পর এর সদস্য সংখ্যা সাত থেকে বৃদ্ধি পেয়ে আটটিতে উন্নীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭টি — এটি সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা এবং আফগানিস্তান যুক্ত হওয়ার আগের হিসাব।
B) ৯টি — সার্কের সদস্য সংখ্যা কখনো নয়টি ছিল না, এটি একটি ভুল তথ্য।
D) ৬টি — দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান দেশগুলোর হিসাবের সাথে এই সংখ্যাটি মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
আটটি সদস্য মনে রাখার শব্দ সংকেত হলো এমবিবিএস পিন (MBBS PIN), যেখানে আটটি দেশের নামের প্রথম অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) থাইল্যান্ড
কেন সঠিক:
- ১৯৩৯ সালের আগে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের ঐতিহাসিক নাম ছিল শ্যামদেশ বা সিয়াম।
- ১৯৩৯ সালের ২৪ জুন দেশটির নাম পরিবর্তন করে আনুষ্ঠানিকভাবে থাইল্যান্ড রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিশর — মিশরের প্রাচীন ঐতিহাসিক নাম ছিল মিসর বা আরব প্রজাতন্ত্রের পূর্বনাম এবং এটি উত্তর আফ্রিকার দেশ।
B) ইরান — ইরানের প্রাচীন ঐতিহাসিক ও পরিচিত নাম ছিল পারস্য বা পারসিয়া, যা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত।
C) ইরাক — ইরাকের প্রাচীন ঐতিহাসিক নাম ছিল মেসোপটেমিয়া, যা বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ।
D) থাইল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় দেশটির পুরোনো নাম হিসেবে সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
থাইল্যান্ডের থ এবং শ্যামদেশের শ দিয়ে মনে রাখতে পারেন থাইল্যান্ডের পুরোনো নাম শ্যামদেশ।
সঠিক উত্তর: C) আমিষ
কেন সঠিক:
- ডাল উদ্ভিজ্জ আমিষ বা প্রোটিনের অন্যতম প্রধান এবং সহজলভ্য উৎস।
- মানবদেহের বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও পুষ্টির জন্য ডালের আমিষ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শর্করা — ডালে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে, তবে এর প্রধান খাদ্য উপাদান আমিষ।
B) তেল — ডালে স্নেহপদার্থ বা তেলের পরিমাণ খুবই সামান্য থাকে।
D) খনিজ লবণ — ডালে কিছু খনিজ লবণ ও ভিটামিন থাকলেও প্রধান উপাদান আমিষ।
মনে রাখার টিপস:
ডাল মানেই আমিষ, যা মাছ ও মাংসের উদ্ভিজ্জ বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: A) ফাইবার ব্রাস্ট
কেন সঠিক:
- পাটের সোনালী আঁশ মূলত উদ্ভিদের কাণ্ডের ফ্লোয়েম টিস্যুর সাথে যুক্ত ফাইবার ব্রাস্ট বা ভ্যাসকুলার বান্ডেলের ফাইবার থেকে পাওয়া যায়।
- এটি উদ্ভিদের কাণ্ডকে দৃঢ়তা দেয় এবং বাণিজ্যিক পাটের মূল উপাদান হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফাইবার ব্রাস্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাট উদ্ভিদের ফ্লোয়েম অঞ্চলের এই ফাইবার থেকেই সোনালী আঁশ সংগ্রহ করা হয়।
B) ক্লোয়েম তত্ত্ব — এটি কোনো নির্দিষ্ট আঁশ নয়, বরং উদ্ভিদ বিজ্ঞানের ফ্লোয়েম টিস্যু সম্পর্কিত ভুল বা বিভ্রান্তিকর রূপ।
C) কোলেন কাইমা — এটি উদ্ভিদের এক প্রকার জীবিত যান্ত্রিক টিস্যু যা নমনীয়তা প্রদান করে, পাটের আঁশ উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা রাখে না।
D) স্কেরেন কাইমা — এটি মৃত ও শক্ত কোষ নিয়ে গঠিত যান্ত্রিক টিস্যু, যা সরাসরি পাটের মূল সোনালী আঁশ হিসেবে আহরণ করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
পাটের আঁশ সংগ্রহের উৎস মনে রাখতে ফাইবার ব্রাস্ট কথাটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) শ্বসন
কেন সঠিক:
- প্রাণীদেহে খাদ্যর সাথে অক্সিজেনের বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপাদিত হয় এবং উপজাত হিসেবে কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরি হয়।
- শ্বসন প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ জারিত হয়ে শক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন করে যা পরে দেহ থেকে নির্গত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্বসন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
B) রেচন — এটি দেহ থেকে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের জৈবিক প্রক্রিয়া, কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপাদনে এর সরাসরি ভূমিকা নেই।
C) ব্যাপন — এটি উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে অণুর ছড়িয়ে পড়ার একটি ভৌত প্রক্রিয়া মাত্র।
D) অভিস্রবন — এটি বৈষম্যভেদ্য পর্দা ভেদ করে দ্রাবক অণুর কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে বেশি ঘনত্বের দ্রবণের দিকে যাওয়ার প্রক্রিয়া।
মনে রাখার টিপস:
প্রাণী অক্সিজেন গ্রহণ করে শক্তি তৈরির জন্য শ্বসন চালায় এবং উপজাত হিসেবে কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে।
সঠিক উত্তর: B) রিকটার স্কেল
কেন সঠিক:
- রিকটার স্কেল হলো ভূমিকম্পের মাত্রা বা তীব্রতা পরিমাপের একটি গাণিতিক একক।
- আমেরিকান ভূকম্পবিদ চার্লস রিকটার ১৯৩৫ সালে এই স্কেল আবিষ্কার করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভার্নিয়ার স্কেল — এটি দিয়ে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে দৈর্ঘ্য বা দূরত্ব মাপা হয়, ভূমিকম্প মাপা হয় না।
B) রিকটার স্কেল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি দিয়ে ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয়।
C) মিটার স্কেল — এটি সাধারণ দৈর্ঘ্য পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত একটি একক বা যন্ত্র।
D) ডিজোষ্টার স্কেল — এটি দুর্যোগ বা বিপর্যয় পরিমাপের কোনো প্রমিত বা পরিচিত বৈজ্ঞানিক স্কেল নয়।
মনে রাখার টিপস:
কম্পন বা রিকটার, মিলে যায় দুটো অক্ষর।
সঠিক উত্তর: B) প্রোটিনের জন্য
কেন সঠিক:
- দুধের মধ্যে কেসিন নামক এক প্রকার প্রোটিন থাকে যা আলো প্রতিফলিত করে দুধকে সাদা দেখায়।
- এছাড়াও দুধের প্রোটিন কণাগুলোর গঠন এমন হয় যা সব রঙের আলোকে সমানভাবে ছড়িয়ে দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শর্করার জন্য — দুধের শর্করা বা ল্যাকটোজ তরলকে মিষ্টি করে কিন্তু রঙের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) প্রোটিনের জন্য — এটি সঠিক কারণ কেসিন প্রোটিনের উপস্থিতির কারণে দুধের রঙ সাদা হয়।
C) চর্বির জন্য — ফ্যাট বা চর্বি দুধের ঘনত্ব ও ক্রিমের ভাব বাড়ায় তবে মূল সাদা রঙে এর প্রধান ভূমিকা প্রোটিনের।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
দুধের সাদা রঙের রহস্য লুকিয়ে আছে তার প্রোটিনের মধ্যে, তাই কেসিন প্রোটিনের নাম মনে রাখলেই উত্তর সহজ হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: C) তথ্য আদান প্রদানের যন্ত্র
কেন সঠিক:
- মডেম হলো মডুলেটর ও ডিমডুলেটর এর সংক্ষিপ্ত রূপ যা ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ এবং অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটালে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তরের মাধ্যমে কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইসের মধ্যে টেলিফোন লাইন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করা সম্ভব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সহায়ক স্মৃতি — এটি হার্ডডিস্ক, পেনড্রাইভ বা সিডি এর মতো তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যমকে বোঝায়, মডেম সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় না।
B) সিপিইউ এর অংশ — সিপিইউ হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক যার অংশ হলো অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট এবং কন্ট্রোল ইউনিট, মডেম এর অংশ নয়।
C) তথ্য আদান প্রদানের যন্ত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ মডেম নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে তথ্য পাঠায় ও গ্রহণ করে।
D) উন্নতমানের প্রিন্টার — প্রিন্টার হলো আউটপুট ডিভাইস যা কাগজে লেখা বা ছবি ছাপায়, মডেমের কাজ মুদ্রণ করা নয়।
মনে রাখার টিপস:
মডেম শব্দটির প্রথম অংশ মডুলেটর এবং শেষ অংশ ডিমডুলেটর থেকে এসেছে, যার মূল কাজ হলো নেটওয়ার্কে ডেটা বা তথ্য আদান প্রদান করা।
সঠিক উত্তর: B) রেশম চাষ
কেন সঠিক:
- সেরিকালচার বলতে মূলত রেশম পোকা পালন এবং তা থেকে রেশম সুতা উৎপাদনের বাণিজ্যিক প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
- এটি কৃষিভিত্তিক শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা তুঁত গাছের পাতার সাহায্যে রেশম পোকা লালন-পালন করে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাখি পালন বিদ্যা — পাখি পালন বিদ্যাকে অ্যাভিকালচার বলা হয়, যা রেশম চাষের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) রেশম চাষ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
C) মৌমাছি পালন বিজ্ঞান — মৌমাছি পালন বিজ্ঞানকে অ্যাপিকালচার বলা হয়, যা মধু ও মোম উৎপাদনের জন্য করা হয়।
D) উদ্যান বিদ্যা — উদ্যান বিদ্যা বা হর্টিকালচার হলো ফল, ফুল ও শাকসবজির চাষসংক্রান্ত বিজ্ঞান।
মনে রাখার টিপস:
রেশম চাষের ইংরেজি শব্দ সেরিকালচার মনে রাখতে সিল্ক বা রেশমের সঙ্গে মিল রেখে প্রথম অক্ষর বা উচ্চারণটি খেয়াল রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) হাইড্রোজেন
কেন সঠিক:
- সাধারণ হাইড্রোজেনের পরমাণুতে কেবল একটি প্রোটন ও একটি ইলেকট্রন থাকে, কোনো নিউট্রন থাকে না।
- এটি একমাত্র মৌল যার নিউক্লিয়াসে কোনো নিউট্রন কণা অনুপস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর নিউক্লিয়াসে কোনো নিউট্রন নেই।
B) অক্সিজেন — এর পরমাণুতে আটটি প্রোটন ও আটটি নিউট্রন থাকে, তাই এটি সঠিক নয়।
C) কার্বন — এর পরমাণুতে ছয়টি প্রোটন ও সাধারণত ছয়টি নিউট্রন থাকে, তাই এটি সঠিক নয়।
D) ক্লোরিন — এর পরমাণুতে সতেরোটি প্রোটন এবং আঠারো বা কুড়িটি নিউট্রন থাকে, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
পর্যায় সারণীর প্রথম মৌল হাইড্রোজেনের প্রোটন সংখ্যা ১ এবং ভর সংখ্যা ১ হওয়ায় এতে কোনো নিউট্রন থাকে না।
সঠিক উত্তর: B) সাদা
কেন সঠিক:
- সাদা রং প্রায় সব আলোক ও তাপের আলোকরশ্মি প্রতিফলিত করে।
- তাপ শোষণ না করার কারণে সাদা বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হলুদ — হলুদের তাপ শোষণ ক্ষমতা সাদা রঙের চেয়ে বেশি কিন্তু কালোর চেয়ে কম।
B) সাদা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাদা রং তাপ শোষণ না করে প্রতিফলিত করে।
C) কালো — কালো রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি কারণ এটি সব আলো শোষণ করে।
D) বেগুনি — বেগুনির তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ায় এটি সাদা রঙের চেয়ে বেশি তাপ শোষণ করে।
মনে রাখার টিপস:
সাদা পোশাক গরমে আরামদায়ক কারণ এটি তাপ প্রতিফলিত করে এবং কালো পোশাক তাপ শোষণ করে।
সঠিক উত্তর: C) সোনা অনেকটা নিষ্ক্রিয় ধাতু
কেন সঠিক:
- সোনা রাসায়নিকভাবে অত্যন্ত কম সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয় ধাতু, তাই এটি বাতাস বা জলের অক্সিজেনের সাথে সহজে বিক্রিয়া করে না।
- এর বাইরের শক্তিস্তরে ইলেকট্রন বিন্যাস অত্যন্ত সুস্থিত হওয়ায় এটি সহজে অন্য পদার্থের সাথে যৌগ গঠন করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোনা সক্রিয় ধাতু — এটি ভুল, কারণ সোনা সোডিয়াম বা পটাশিয়ামের মতো সক্রিয় ধাতু নয়, বরং এটি একটি নিষ্ক্রিয় বা নোবল ধাতু।
B) সোনা উজ্জ্বল ধাতু — এর উজ্জ্বলতা সত্য, তবে উজ্জ্বলতার কারণে মরিচা না ধরার মূল রাসায়নিক কারণ ব্যাখ্যা করা যায় না।
C) সোনা অনেকটা নিষ্ক্রিয় ধাতু — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর নিষ্ক্রিয়তার জন্যই এতে সহজে মরিচা বা জারণ ঘটে না।
D) সোনা মূল্যবান ধাতু — এর মূল্য বেশি হলেও উচ্চ মূল্যের কারণে মরিচা ধরে না, বরং রাসায়নিক নিষ্ক্রিয়তাই এর মূল কারণ।
মনে রাখার টিপস:
সোনা হলো নোবল বা নিষ্ক্রিয় ধাতু, তাই এটি বাতাস ও জলের সাথে বিক্রিয়া করে মরিচা তৈরি করে না।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
কেন সঠিক:
- এই তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে (বর্তমান মুজিবনগর) এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ মার্চ ১৯৭১ — এই দিনে রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এই দিনে বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে এবং পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।
C) ২৬ মার্চ ১৯৭১ — এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
D) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিনেই অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস: ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা এবং ঠিক তার পনেরো দিন পর অর্থাৎ ১০ এপ্রিল অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) UNESCO
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এবং ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে এটি পালিত হয়ে আসছে।
- বাংলাদেশ ও কানাডার উদ্যোগ এবং রফিকুল ইসলাম ও আব্দুস সালামের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ইউনেস্কো এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) BOUNDP — এটি কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা নয় এবং এই স্বীকৃতির সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) UNICEF — এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল, যা শিশুদের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করে এবং মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়নি।
C) UNESCO — এটি সঠিক উত্তর, কারণ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করা এই সংস্থাটি ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দিয়েছে।
D) UNCTAD — এটি জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংক্রান্ত সংস্থা, যা মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি প্রদানের সাথে জড়িত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা ও সংস্কৃতির সাথে যুক্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো ইউনেস্কো, তাই ভাষার স্বীকৃতিও ইউনেস্কোই দিয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) নাফ
কেন সঠিক:
- নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের (তৎকালীন বার্মা) সীমান্ত বরাবর প্রবহমান একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক নদী।
- এই নদীটি বাংলাদেশের টেকনাফ উপজেলা এবং মিয়ানমারের মংডু শহরের মাঝখানে সীমানা নির্ধারণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্ণফুলী — এটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার প্রধান নদী এবং এর সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্তের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) গোমতী — এটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী।
D) মেঘনা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান অভ্যন্তরীণ নদী ব্যবস্থা যা দেশের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ও বার্মার (মিয়ানমার) সীমান্ত নির্ধারণকারী নদীর নাম মনে রাখতে টেকনাফ উপজেলার নামের সঙ্গে মিলিয়ে নাফ নদী মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) নেলসন ম্যান্ডেলা
কেন সঠিক:
- মাদিবা হলো দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার উপজাতীয় বা ক্লাবের নামভিত্তিক ডাকনাম।
- দক্ষিণ আফ্রিকার থেম্বু রাজপরিবারে জন্ম নেওয়ার কারণে তাকে শ্রদ্ধার সাথে এই নামে ডাকা হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিদেল কাস্ট্রো — কিউবার এই বিপ্লবী নেতার ডাকনাম বা পরিচিতি মাদিবা নয়, তিনি কিউবার বিপ্লবের প্রধান নেতা ছিলেন।
B) মাহাথির মোহাম্মদ — মালয়েশিয়ার এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ডাকনাম মাদিবা নয়, তিনি দেশটির আধুনিক উন্নয়নের রূপকার হিসেবে পরিচিত।
C) ওবামা — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার ডাকনাম মাদিবা নয়, এটি দক্ষিণ আফ্রিকার সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত।
D) নেলসন ম্যান্ডেলা — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাদিবা দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণের কাছে তার শ্রদ্ধাবোধের প্রতীকী নাম।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলার ক্ষেত্রে ম অক্ষরটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে ম্যান্ডেলার ডাকনাম মাদিবা।
সঠিক উত্তর: D) কক্সবাজার
কেন সঠিক:
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত।
- এটি মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপ এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের একটি দ্বীপ জেলা হলেও সেন্টমার্টিন দ্বীপ এই জেলার অধীনে অবস্থিত নয়।
B) নোয়াখালী — নোয়াখালী জেলা মূল ভূখণ্ডের উপকূলে অবস্থিত এবং এর অধীনে কোনো প্রবাল দ্বীপ নেই।
সি) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম একটি প্রধান বন্দর ও বিভাগীয় জেলা হলেও সেন্টমার্টিন দ্বীপ এর ভৌগোলিক সীমানার আওতাধীন নয়।
D) কক্সবাজার — এটি সঠিক উত্তর কারণ সেন্টমার্টিন দ্বীপ প্রশাসনিকভাবে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
সেন্টমার্টিন দ্বীপ দেখতে যেতে হলে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হয়ে ট্রলারে বা জাহাজে যেতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) বীরশ্রেষ্ঠ
কেন সঠিক:
- বীরশ্রেষ্ঠ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সামরিক খেতাব।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সাতজন বীর সেনানিকে এই খেতাবে ভূষিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বীর উত্তম — এটি মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব।
B) বীর বিক্রম — এটি মুক্তিযুদ্ধে সাহস ও বীরত্বের জন্য প্রদত্ত তৃতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব।
C) বীরশ্রেষ্ঠ — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি নিজেই সঠিক হওয়ায় এই অপশনে অন্য কোনো ভুল বা অসংগতি নেই।
D) বীর প্রতীক — এটি মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য প্রদত্ত চতুর্থ ও সর্বনিম্ন রাষ্ট্রীয় খেতাব।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের খেতাবগুলো মনে রাখার সহজ ক্রম হলো শ্রেষ্ঠ, উত্তম, বিক্রম ও প্রতীক।
সঠিক উত্তর: B) বাঙ্গালী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ একটি জাতিরাষ্ট্র এবং এই ভূখণ্ডের பெரும்பানি মানুষ বাঙালি জাতিগোষ্ঠীভুক্ত।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকদের জাতিগত পরিচয় বাঙালি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবাসী — এটি একটি আঞ্চলিক শব্দ যা সাধারণত বাংলার অধিবাসীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি রাষ্ট্রীয় বা জাতিগত পরিচয় হিসেবে সাংবিধানিক শব্দ নয়।
B) বাঙ্গালী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ভৌগোলিক ও জাতিগতভাবে এ দেশের মানুষ বাঙালি বা বাঙ্গালী নামে পরিচিত।
C) বাঙ্গাল — এটি একটি আঞ্চলিক অপপ্রয়োগ বা উপভাষিক শব্দ, যা প্রায়শই কথ্য ভাষায় ব্যবহৃত হয় কিন্তু জাতিগত বা দাপ্তরিক নাম নয়।
D) বাংলাদেশ — এটি এই স্বাধীন রাষ্ট্রের নাম, কোনো জাতিগোষ্ঠীর নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীন দেশের মানুষের জাতিগত পরিচয় হলো বাঙালি এবং দেশের নাম হলো বাংলাদেশ।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)