সঠিক উত্তর: A) নিখুঁত
১. কেন সঠিক:
অনিন্দ্য শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো যার কোনো নিন্দা বা ত্রুটি নেই অর্থাৎ নিখুঁত। এই শব্দটি মূলত কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা গুণের এমন এক উৎকর্ষ বোঝাতে ব্যবহার করা হয় যা সমস্ত সমালোচনা বা দোষত্রুটির ঊর্ধ্বে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি একটি শব্দার্থ ও এককথায় প্রকাশ বিষয়ক প্রশ্ন যেখানে একটি শব্দের উৎস ও সঠিক অর্থ নির্ধারণ করতে হয়। বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত তৎসম শব্দ রয়েছে যা তাদের মূল অর্থ এবং ব্যুৎপত্তিগত তাৎপর্য বজায় রেখে আধুনিক বাংলাতেও একইভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনিন্দ্য সুন্দর মুখাবয়ব
ব্যাখ্যা: এখানে মুখাবয়বের সৌন্দর্য এতটাই নিখুঁত যে তার কোনো নিন্দা করা যায় না অর্থে অনিন্দ্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: অনিন্দ্য চরিত্র
ব্যাখ্যা: এই উদাহরণটিতে ব্যক্তির চরিত্র এতটাই নির্দোষ ও প্রশংসনীয় তা বোঝাতে নিখুঁত অর্থে অনিন্দ্য বিশেষণটি বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিখুঁত — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং অনিন্দ্য শব্দের সমার্থক বা এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
B) নিন্দনীয় — এটি অনিন্দ্য শব্দের ঠিক বিপরীত বা বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
C) আনন্দ — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ যার অর্থ খুশি বা উল্লাস।
D) দুঃখ — এটিও একটি ভিন্নার্থক শব্দ যার অর্থ বেদনা বা কষ্ট।
৫. মনে রাখার টিপস:
নিন্দা নেই যার = অনিন্দ্য। এভাবে ব্যাসবাক্যের সাহায্যে মনে রাখতে পারো যে নিন্দার অভাব যেখানে, সেটাই হলো নিখুঁত বা অনিন্দ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দ ও এককথায় প্রকাশ থেকে এমন প্রশ্ন আসে। তাই সংস্কৃত উৎসের শব্দগুলোর গঠন ও অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) দীনবন্ধু মিত্র
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সাহিত্য ধারার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত কারণ 'নীল দর্পণ' নাটকটি উনিশ শতকের বাঙালি নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্রের অত্যন্ত বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক একটি রচনা।
- নাটকটির মূল বিষয়বস্তু ছিল বাংলার নীলকর সাহেবদের দ্বারা সাধারণ কৃষকদের ওপর চালিত অমানবিক নির্যাতন ও নিপীড়নের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দীনবন্ধু মিত্র ঊনবিংশ শতকের বাংলার নীলচাষ ও নীলকর বিদ্রোহের পটভূমিতে এই নাটকটি রচনা করেন যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছিল।
- ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি বাংলা নাটকের ইতিহাসে প্রথম সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতনতামূলক নাটক হিসেবে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা প্রকাশ
ব্যাখ্যা: দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকটি প্রথম প্রকাশিত হওয়ার পর ঢাকা প্রকাশের মাধ্যমে এর প্রচার ও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছিল।
উদাহরণ ২: মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত এই নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন যার নাম ছিল দ্য ইন্ডিগো প্লান্টিং মিরর।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জহির রায়হান — জহির রায়হান একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার হলেও তিনি 'নীল দর্পণ' নাটকের রচয়িতা নন।
B) মুনীর চৌধুরী — মুনীর চৌধুরী আধুনিক বাংলা নাট্যকার ও সাহিত্যিক হলেও তিনি এই ঐতিহাসিক নাটকটি রচনা করেননি।
C) দীনবন্ধু মিত্র — এই অপশনটি সঠিক এবং নাটকটির রচয়িতা হিসেবে তিনি সর্বজনস্বীকৃত।
D) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী সাহিত্যিক হলেও তিনি এই নাটকের সঙ্গে যুক্ত নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নীল দর্পণ নাটকটির নাম মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নীল মানে নীলকর এবং দর্পণ মানে আয়না, যা কৃষকদের কষ্ট ফুটিয়ে তোলে এবং এর রচয়িতা দীনবন্ধু।
- দীনবন্ধু শব্দের অর্থ যিনি দীনের বা গরিবের বন্ধু, যিনি নীলকরদের বিরুদ্ধে গরিব কৃষকদের কষ্টের কথা নাটকে তুলে ধরেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'নীল দর্পণ' নাটকের প্রকাশকাল এবং ইংরেজি অনুবাদক কে ছিলেন সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- বাংলা নাটকের ইতিহাসে সামাজিক নাটক চেনার ক্ষেত্রে নীল দর্পণ নাটকটিকে আদর্শ উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) অনভিজ্ঞতা
১. কেন সঠিক:
- 'মূঢ়তা' শব্দের মূল ধাতু হলো 'মূঢ়', যার অর্থ বোকা, অজ্ঞ, অবুঝ বা অনভিজ্ঞ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের প্রচলিত ও প্রমিত অর্থ বিবেচনা করে 'অনভিজ্ঞতা' বা অজ্ঞতাকেই সঠিক হিসেবে ধরা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন যা বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে।
- এই ধরনের শব্দ মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ হিসেবে প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তার মূঢ়তা দেখে সবাই অবাক হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে মূঢ়তা শব্দটি অজ্ঞতা বা বোকামি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মূঢ়তার বশে সে ভুল সিদ্ধান্ত নিল।
ব্যাখ্যা: এখানে মূঢ়তা বলতে বাস্তবজ্ঞানহীনতা বা অনভিজ্ঞতাকে বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৃঢ়তা — দৃঢ়তা শব্দের অর্থ হলো শক্ত ভাব বা অবিচলতা, যা মূঢ়তার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) গোপনীয়তা — গোপনীয়তা শব্দের অর্থ লুকিয়ে রাখার ভাব, যা মূঢ়তা শব্দের অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
C) অনভিজ্ঞতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূঢ়তা এবং অনভিজ্ঞতা কাছাকাছি ভাব প্রকাশ করে।
D) বাস্তবতা — বাস্তবতা শব্দের অর্থ সত্য বা বাস্তব অবস্থা, যা মূঢ়তা শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মূঢ় মানে বোকা বা অজ্ঞ, তাই মূঢ়তা মানে অজ্ঞতা বা অনভিজ্ঞতা।
- বিপরীতার্থক শব্দ মনে রেখেও সঠিক শব্দার্থ বের করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শব্দার্থ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল রূপ বা প্রাকৃত অর্থ খুঁজে বের করতে হবে।
- এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) শিহরণ
১. কেন সঠিক:
- শিহরণ শব্দটি সঠিক কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে ই-কার এবং মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করা হয়।
- রোমাঞ্চ বা ভয়ে শরীরের লোম খাড়া হয়ে যাওয়া অর্থে এই বিশেষ্য পদটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে তৎসম ও অতৎসম শব্দের কিছু নির্দিষ্ট নিয়মে ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য হয়।
- শিহরণ শব্দটিতে ঋ-কার বা ঋ-কারান্ত শব্দের প্রভাবে ন-ত্ব বা ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুসরণ করে মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিহরণ
ব্যাখ্যা: নিহরণ শব্দটিতেও একইভাবে প্রথম বর্ণে ই-কার এবং শেষ বর্ণে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: বিচূর্ণ
ব্যাখ্যা: বিচূর্ণ শব্দটিতেও নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শীহরণ — এই বানানটি ভুল কারণ এতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির পরিপন্থী।
B) শিহরন — এই বানানটি ভুল কারণ এর শেষাংশে মূর্ধন্য-ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য-ন ব্যবহার করা হয়েছে।
C) শীহরন — এই বানানটি ভুল কারণ এতে দীর্ঘ ঈ-কার এবং দন্ত্য-ন উভয়ই ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
D) শিহরণ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানান নিয়ম মেনে গঠিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শিহরণ বানানটি মনে রাখতে মাথায় রাখুন প্রথমে হ্রস্ব ই-কার এবং শেষে মূর্ধন্য-ণ হবে।
- ই-কার ও মূর্ধন্য-ণ এর এই যৌথ রূপটি অনেক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শুদ্ধ বানান হিসেবে আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা বানানের ক্ষেত্রে ই-কার এবং উ-কার ব্যবহারের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
- এই ধরনের শব্দ শুদ্ধীকরণের প্রশ্নে প্রায়শই দীর্ঘ স্বরবর্ণের ভুল প্রয়োগ করা হয় যা সতর্কতার সঙ্গে এড়াতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) দুষ্কৃতিকারী
১. কেন সঠিক:
- দুষ্কৃতিকারীর সঙ্গে ই-প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দে দীর্ঘী ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী কৃৎ বা প্রত্যয়যুক্ত শব্দের শেষে ই-কার প্রমিত রীতিতে নির্ধারিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শেষে ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক শর্ত রয়েছে।
- দুষ্কৃত শব্দের সঙ্গে কার যোগ করে গঠিত শব্দে প্রত্যয় যুক্ত হলে দীর্ঘী যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপকারী
ব্যাখ্যা: উপকার শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রমিত বানানে দীর্ঘী যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অংশীদারি
ব্যাখ্যা: অংশীদার শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শুদ্ধ বানান গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুষ্কৃতকারি — এই বানানে শেষের ই-কার হ্রস্ব ই হওয়ায় তা প্রমিত বানানরীতির সঙ্গে মেলে না।
B) দুষ্কৃতিকারী — এই বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত।
C) দুষ্কৃতকারী — এই বানানে শেষের কারচিহ্ন ও প্রত্যয়ের ব্যবহারে প্রমিত নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে।
D) দুষ্কৃতিকারি — এই বানানে শেষের অংশ ভুল এবং অগ্রহণযোগ্য ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দুষ্কৃতিকারী বানানে সবসময় দীর্ঘী ব্যবহার করবে।
- প্রত্যয়যুক্ত এমন শব্দের শেষে দীর্ঘী হয় তা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রত্যয়যুক্ত বানান প্রায়ই আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) মোড়ক
১. কেন সঠিক:
'লেফাফা' একটি আরবি শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ হলো খাম, ঢাকনা বা মোড়ক।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও অর্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই ধরনের বিদেশি শব্দ প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি শব্দ অন্যতম একটি উৎস।
আরবি ভাষা থেকে বিভিন্ন প্রশাসনিক, ধর্মীয় ও দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আইন আদালত সম্পর্কিত আরবি শব্দ যেমন কলম, দোয়াত, খাতা ও কাগজ।
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো আমাদের প্রাত্যহিক লেখালেখি ও দাপ্তরিক কাজে বহুল ব্যবহৃত আরবি শব্দ।
উদাহরণ ২: সমাজ ও ধর্ম সম্পর্কিত আরবি শব্দ যেমন আল্লাহ, ইসলাম, ইমান ও রোজা।
ব্যাখ্যা: বাঙালি মুসলমান সমাজের সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে মিশে থাকা অপরিহার্য আরবি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বালতি — বালতি একটি পর্তুগিজ শব্দ, যা জল বা তরল পদার্থ বহনের পাত্র বোঝায় এবং লেফাফা শব্দের অর্থ নয়।
B) মোড়ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ লেফাফা শব্দের অর্থ কোনো কিছু ঢেকে রাখার খাম বা মোড়ক।
C) শাবল — শাবল একটি দেশি শব্দ যা মাটি খোঁড়ার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং লেফাফা শব্দের সঙ্গে এর মিল নেই।
D) চিঠি — চিঠি একটি ফারসি শব্দ যা সংবাদ আদানপ্রদানের মাধ্যম বোঝায়, যদিও লেফাফা খামের ভেতরে চিঠি থাকে কিন্তু লেফাফার অর্থ চিঠি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
লেফাফা মানে মোড়ক বা খাম, এটি মনে রাখতে লেফাফাদুরস্ত বাগধারার সাহায্য নিতে পারো যার অর্থ বাহ্যিক দিক দিয়ে পরিপাটি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্য প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে তাই বিদেশি শব্দের উৎস ভালোভাবে পড়তে হবে।
একই ধরনের শব্দ যেমন কলম, দোয়াত ও খাতা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই অধ্যায়ের নম্বর পাওয়া সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: A) বিপদ
১. কেন সঠিক:
- প্রমাদ শব্দটির মূল অর্থ হলো ভুল, প্রমাদ, প্রমাদবশত ঘটা অনভিপ্রেত ঘটনা বা বিপদ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দটির প্রমিত ও প্রচলিত অর্থ হিসেবে বিপদ বা ভুল বোঝানো হয়ে থাকে।
- বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দার্থের বিচারে এই শব্দটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং এর সঠিক অর্থ মনে রাখা জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ প্রমাদ, ভুল, প্রমাদজনিত বিপদ বা অনর্থ।
- শব্দার্থের দিক থেকে এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর বহুমুখী ব্যবহারের কারণে বাক্যের kontekst অনুযায়ী এর অর্থ নির্ধারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাবধানে চলো, নতুবা বড় ধরনের প্রমাদ ঘটতে পারে।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রমাদ শব্দটি বিপদ বা অনর্থ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সামান্য ভুলে এমন প্রমাদ দেখা দেবে তা ভাবিনি।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রমাদ বলতে ভুল বা ত্রুটি থেকে উদ্ভূত সংকটকে বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিপদ — সঠিক উত্তর হিসেবে এটি নির্দেশ করে প্রমাদ শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি ভাব।
B) আরাম — আরাম শব্দের অর্থ স্বস্তি বা শান্তি, যা প্রমাদ শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) অতিরিক্ত — অতিরিক্ত শব্দের অর্থ প্রয়োজনের অতিরিক্ত বা বেশি, যা প্রমাদ শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
D) উজ্জ্বল — উজ্জ্বল শব্দের অর্থ দীপ্তিময় বা প্রকাশ্য, যা প্রমাদ শব্দের অর্থকে সমর্থন করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রমাদ শব্দটির সঙ্গে প্রমাদবশত শব্দটি মিলিয়ে পড়তে পারো। ভুল বা প্রমাদ থেকেই সাধারণত বিপদ বা অনর্থের সৃষ্টি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় শব্দার্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সমার্থক বা বিশেষ শব্দের সঠিক অর্থ জানা থাকলে এক নম্বরের জন্য নিশ্চিত থাকা যায়।
সঠিক উত্তর: B) অভ্যন্তরীণ
১. কেন সঠিক:
অভ্যন্তর শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অভ্যন্তরীণ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হবে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের মধ্যে ঋ, র, ষ এর পরে ন ধ্বনি মূর্ধন্য ণ হয়।
অভ্যন্তর শব্দে র ধ্বনি থাকার কারণে এর পরের ন ধ্বনিটি মূর্ধন্য ণ তে রূপান্তরিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপরাহ্ন
ব্যাখ্যা: প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এখানে হ এর নিচে ন যুক্ত হয়ে হ্ন গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: সংবৎসরের পরিবর্তে বৎসর
ব্যাখ্যা: শব্দের সঠিক রূপ নির্ধারণে প্রমিত বানান অনুসরণ করা আবশ্যক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অভ্যন্তরীন — ভুল বানানে দীর্ঘী ব্যবহৃত হয়েছে যা প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী।
C) আভ্যন্তরীণ — শব্দের মূল রূপ অভ্যন্তর থেকে পরিবর্তিত হয়ে আ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় এই বানানটি ভুল।
D) আভ্যন্তরীন — আদি স্বরের পরিবর্তন এবং ভুল প্রত্যয়ের ব্যবহারের কারণে এই বানানটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
অভ্যন্তর শব্দের শেষে র থাকার কারণে এর সঙ্গে যুক্ত বর্ণ সবসময় মূর্ধন্য ণ হবে।
বানানের শেষে কখনোই দীর্ঘী হয় না, বরং সবসময় হ্রস্ব ই ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত বানান সংশোধনে এই নিয়মটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় বানানের পরিবর্তনগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অপরকে অন্ধ অনুসরণ
১. কেন সঠিক:
'গড্ডলিকা প্রবাহ' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে সমাজের প্রচলিত ভুল ধারা বা অন্যের দেখাদেখি বিচার বিবেচনা না করে অন্ধভাবে চলার অবস্থাকে বোঝানো হয়।
গড্ডলিকা শব্দের অর্থ হলো ভেড়ার দল এবং প্রবাহ অর্থ স্রোত, অর্থাৎ ভেড়ার দল যেমন পেছনে পেছনে অন্ধভাবে চলে, তেমনি মানুষের অন্ধ অনুসরণকে এটি প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা বা প্রবাদ জাতীয় শব্দসমষ্টি, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে।
শব্দের উৎপত্তিগত দিক থেকে গড্ডলিকা শব্দের সঙ্গে অন্ধ অনুকরণ বা অন্ধ দলীয় প্রথার গভীর সংযোগ রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমসাময়িক ফ্যাশনের ক্ষেত্রে অনেকেই গড্ডলিকা প্রবাহে ভেসে যান।
ব্যাখ্যা: নিজের রুচি বা প্রয়োজন না ভেবে অন্যের দেখাদেখি কিছু করাকে বোঝাতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশের সব তরুণ চাকরি খুঁজছে বলেই আমিও সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার পেছনে ছুটব, একেই বলে গড্ডলিকা প্রবাহ।
ব্যাখ্যা: নিজের স্বকীয়তা বা যোগ্যতা না ভেবে অন্য দশজনের অন্ধ অনুকরণে চলার প্রবৃত্তি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপরকে অন্ধ অনুসরণ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি গড্ডলিকা প্রবাহ বাগধারার প্রকৃত ও রূপক অর্থকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলে।
B) স্বেচ্ছায় প্রবাহিত হওয়া — এই অপশনটি ভুল, কারণ স্বেচ্ছায় প্রবাহিত হওয়া বলতে নিজের ইচ্ছায় কোনো স্রোতে চলা বোঝায়, যা অন্ধ অনুকরণ নয়।
C) অতিরিক্ত ব্যয় করা — এই অপশনটি ভুল, কারণ অতিরিক্ত ব্যয় করার সঙ্গে গড্ডলিকা প্রবাহ বাগধারার কোনো মিল নেই এবং এটি অপব্যয় বোঝায়।
D) আশ্রয়স্থল ত্যাগ — এই অপশনটি ভুল, কারণ আশ্রয়স্থল ত্যাগ করা বলতে কোনো নিরাপদ স্থান ছেড়ে চলে যাওয়া বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গড্ডলিকা শব্দের মধ্যে ভেড়ার দলের মতো অন্ধভাবে চলার একটি অন্তর্নিহিত অর্থ লুকিয়ে আছে।
পরীক্ষায় এই প্রশ্ন আসলে ভেড়ার দলের অন্ধভাবে নদী পার হওয়ার রূপক চিত্রটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস ও প্রমিত অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বাগধারার অন্তর্নিহিত রূপক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অহংকারী
কেন সঠিক:
১. বাংলায় পায়াভারি বাগধারাটি মানুষের অহংকার বা গরিমা প্রকাশ করতে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. কারো চালচলন বা আচরণে অতিরিক্ত গর্ভ প্রকাশ পেলে তাকে এই বাগধারার মাধ্যমে বোঝানো হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত বিশিষ্টার্থক শব্দগুচ্ছ বা বাগধারা।
২. বাংলা সাহিত্য ও কথ্য ভাষায় মানুষের নেতিবাচক অহংকারী ভাব প্রকাশে এর রূপক অর্থে প্রয়োগ ঘটে।
৩. যেমন, পরীক্ষায় ভালো ফল করার পর তার চলাফেরা দেখে মনে হয় তার পায়াভারি ভাব বেড়ে গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কপট লোক — কপট বা প্রতারক চরিত্রের মানুষের জন্য ভণ্ড বা তেঁতুলপাতার মতো অন্য বাগধারা রয়েছে।
B) প্রবীণ — অভিজ্ঞ বা বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের বোঝাতে প্রাচীন বা গুরুজন শব্দ ব্যবহার করা হয়।
C) পদস্থ ব্যক্তি — উচ্চপদস্থ বা ক্ষমতাশালী কর্মকর্তা বোঝাতে এই বাগধারাটি কোনোভাবেই প্রযোজ্য নয়।
D) অহংকারী — এই অপশনটি সঠিক কারণ পায়াভারি কথাটির মূল অর্থই হলো অহংকার প্রকাশ পাওয়া।
মনে রাখার টিপস:
১. পায়ে ভারী ভাব মানে অহংকারে পা মাটিতে না পড়া।
২. এই কৌশলটি মনে রাখলে পায়াভারি দেখলে অহংকার শব্দটি সহজে মনে আসবে।
সঠিক উত্তর: C) অপলক
১. কেন সঠিক:
- 'নির্নিমেষ' শব্দটির আক্ষরিক ও কাব্যিক অর্থ হলো পলকহীন বা চোখের পাতা না ফেলে কোনো কিছু দেখা।
- বাংলা ভাষায় এককথায় প্রকাশ বা শব্দার্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- নি উপসর্গ যোগে এবং নিমেষ শব্দের অর্থ চোখের পলক, এর সাথে যুক্ত হয়ে পলকহীন ভাব প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা।
ব্যাখ্যা: এখানে অপলক বা নির্নিমেষ অর্থ একই প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: নির্নিমেষ নয়নে মেঘের দিকে চেয়ে রইল।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে নির্নিমেষ শব্দটির মাধ্যমে একটানা বা পলকহীন তাকিয়ে থাকার ভাব বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমিষ — এটি নিরামিষ শব্দের বিপরীত শব্দ এবং এর অর্থ মাছ, মাংস ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্য।
B) কঠিন — এটি এমন একটি অবস্থার নাম যা সহজে ভাঙে না বা নরম নয়, এর সাথে দেখার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) অপলক — এটি নির্নিমেষ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং প্রশ্নের চাহিদার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) হৃদয়হীন — এটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যার মনে দয়া বা মায়া নেই, যা শব্দের অর্থের সাথে সম্পর্কহীন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নি উপসর্গ মানে না বা নিষেধ অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং নিমেষ মানে চোখের পলক।
- তাই নির্নিমেষ মানে যার চোখের পলক পড়ে না অর্থাৎ অপলক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ ও শব্দার্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- এ ধরনের শব্দ শেখার সময় মূল শব্দের উৎস এবং উপসর্গ বা প্রত্যয়ের অর্থ খেয়াল রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) কিংকর্তব্যবিমূঢ়
১. কেন সঠিক:
- 'কি করতে হবে ভেবে পায় না' এই অবস্থাকে এককথায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলা হয়।
- কিংকর্তব্যবিমূঢ় শব্দের অর্থ হলো কি কর্তব্য বা কি করা উচিত তা ঠিক করতে না পেরে বিভ্রান্ত হওয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
- একাধিক পদের ভাবকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করাকে বাক্য সংকোচন বলে, যা ভাষাকে সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা বলা হয়নি
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অব্যক্ত বলা হয়।
উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো হয়নি
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অভূতপূর্ব বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিস্মিত — যার অর্থ অবাক হওয়া, কিন্তু এখানে সিদ্ধান্তহীনতার ভাব প্রকাশ পায়নি।
B) কিংকর্তব্যবিমূঢ় — এটি সঠিক উত্তর।
C) সুভাষিত — যার অর্থ সুন্দরভাবে ওিত কথা বা বচন, যা প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না।
D) লজ্জিত — যার অর্থ লজ্জাবোধ করা, যা মানসিক বিভ্রান্তির সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কিংকর্তব্যবিমূঢ় শব্দটি ভাঙলে পাওয়া যায় কি + কর্তব্য + বিমূঢ়, অর্থাৎ কী কাজ করবে তা নিয়ে যার মোহ বা বিমূঢ়তা তৈরি হয়েছে।
- পরীক্ষার হলে সিদ্ধান্তহীনতা বোঝালে এই শব্দটি উত্তর হিসেবে নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানসিক অবস্থা বা সিদ্ধান্তহীনতা নির্দেশক এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে।
- এ ধরনের শব্দ মুখস্থ রাখার পাশাপাশি শব্দের গঠন ও অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি দ্বিজ চণ্ডীদাসের রচনা।
- পঙক্তিটির মাধ্যমে মানবতাবাদ এবং মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি চণ্ডীদাস সহজ সরল ভাষায় মানবপ্রেমের বাণী প্রচার করেছেন।
- তার এই অমিয় বাণী বাংলা সাহিত্যের মানবতাবাদী চেতনার সবচেয়ে উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবে মাত্র মহা মহা রথীগণ
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের কাব্যে মানুষের মহত্ত্ব প্রকাশ করতে এই ধরনের পদ ব্যবহার করা হতো।
উদাহরণ ২: মানুষ ভজিলে সোনার মানুষ হবি
ব্যাখ্যা: মানবপ্রেমের জয়গান গাওয়ার ক্ষেত্রে বাউল ও মধ্যযুগের পদাবলিতে এই ভাবধারা পাওয়া যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত বিখ্যাত পঙক্তিটি চণ্ডীদাসের পদ থেকে নেওয়া হয়েছে।
B) বিবেকানন্দ — স্বামী বিবেকানন্দ আধুনিক যুগের ভারতের একজন বিখ্যাত দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক সাধক ছিলেন, কিন্তু এই পঙক্তিটির রচয়িতা তিনি নন।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যের কবি হলেও এই লাইনটি তার নয়।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক, তবে এই প্রাচীন পঙক্তিটি তাঁর রচনা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সবার উপরে মানুষ সত্য এই বিখ্যাত মানবতাবাদী লাইনটি দেখলে মধ্যযুগের পদাবলীর আদি কবি চণ্ডীদাসকে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবিদের বিখ্যাত উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে, তাই চণ্ডীদাসের এই লাইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) সম্ভার
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ নির্দেশক। এখানে 'চয়ন' শব্দের অভিধানিক অর্থ নির্বাচন, সংগ্রহ বা সম্ভার বোঝানো হয়েছে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা বানান এবং শব্দের বহুভিত্তিক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
২. শব্দের উৎস ও অর্থ:
- 'চয়ন' একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার মূল অর্থ হলো ফুল বা পাতা তোলা, চয়ন করা বা সংগ্রহ করা।
- বাংলা ভাষায় এই শব্দটি বিশেষ অর্থে কোনো কিছু সংগ্রহ করা বা উপচার বা সম্ভার বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম 'চয়নিকা'।
ব্যাখ্যা: এখানে 'চয়নিকা' শব্দের অর্থ নির্বাচিত কবিতা বা রচনার সংগ্রহ।
উদাহরণ ২: ফুল চয়ন করা আমাদের শখের কাজ।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'চয়ন' শব্দের অর্থ ফুল তোলা বা সংগ্রহ করা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কঠিন — এই অপশনটি ভুল কারণ 'কঠিন' শব্দের অর্থ যা ভেদ করা বা ভাঙা সহজ নয় কিংবা যা শক্ত।
B) স্বপ্ন — এই অপশনটি ভুল কারণ 'স্বপ্ন' বলতে ঘুমন্ত অবস্থায় মনে মনে কাল্পনিক ঘটনার অভিজ্ঞতা বোঝায়।
C) সুন্দর — এই অপশনটি ভুল কারণ 'সুন্দর' শব্দের অর্থ যা দেখতে মনোরম বা আকর্ষণীয়।
D) সম্ভার — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'চয়ন' শব্দের অর্থ হিসেবে নির্দিষ্ট সংকলন বা সংগ্রহকে নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ফুল চয়ন করা মানে ফুল সংগ্রহ করা, আর অনেক কিছু সংগ্রহ করলে তা একটি সম্ভার বা সংগ্রহে পরিণত হয়। এভাবে শব্দটির অর্থ সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর একাধিক অর্থ পড়ে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) দুর্বিষহ
১. কেন সঠিক:
দুর্বিষহ শব্দটিতে প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধির নিয়ম এবং ই-কার প্রয়োগ করা হয়েছে।
এই শব্দটির অর্থ যা সহ্য করা কঠিন বা যা বহন করা অসম্ভব।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বিসর্গের পর শ, ষ, স থাকলে বিসর্গ স্থানে যথাক্রমে শ, ষ, স হয় অথবা বিসর্গ অপরাজিত থাকে।
দুর্বিষহ শব্দে দূর উপসর্গের পর বিসর্গ এবং তার সাথে সহ যুক্ত হয়ে এই রূপ লাভ করেছে যেখানে ষ ব্যবহার করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুষ্কার্য
ব্যাখ্যা: প্রমিত বানানরীতিতে এটি দুষ্কার্য লেখা হয় যেখানে বিসর্গের নিয়ম কার্যকর হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিস্তব্ধ
ব্যাখ্যা: নিস উপসর্গের সাথে স্তব্ধ যুক্ত হয়ে নিস্তব্ধ গঠিত হয় যা সঠিক বানানের আরেকটি উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্বিসহ — এই অপশনটি ভুল কারণ শেষের বর্ণে হ-এ ই-কার দেওয়া হয়েছে কিন্তু প্রমিত বানানে দীর্ঘ ঈ-কার বা হ-এর সাথে ই-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভুল রয়েছে।
B) দূর্বিষহ — এই অপশনটি ভুল কারণ শুরুর বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে অথচ প্রমিত বানানে হ্রস্ব উ-কার হবে।
C) দুর্বিষহ — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
D) দূর্বিসহ — এই অপশনটিতে দীর্ঘ ঊ-কার এবং ভুল ই-কার উভয়ই একসাথে ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
দুর্বিষহ বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখবে যে শুরুতে সবসময় হ্রস্ব উ-কার এবং শেষে হ-এ ই-কার হবে।
বিসর্গ সন্ধির এই শব্দটিতে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়, দন্ত স নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শুদ্ধ বানান প্রায়ই আসে তাই দূর এবং নিস উপসর্গযুক্ত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে হ্রস্ব স্বরবর্ণ এবং দীর্ঘ স্বরবর্ণের সঠিক ব্যবহার জানা জরুরি।
সঠিক উত্তর: খ) with
কেন সঠিক:
কোনো ব্যক্তির ওপর বিরক্ত হওয়া বোঝালে ইংরেজিতে annoyed শব্দের পরে with preposition বসে।
এখানে me একটি ব্যক্তিবাচক অবজেক্ট হওয়ায় সঠিক preposition হবে with।
বাক্যের অর্থ হলো তাহের আমার ওপর বিরক্ত।
ব্যক্তির সাথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই নিয়মটি প্রযোজ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) on — ব্যক্তির সাথে অন প্রিপজিশন বসে না। এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
খ) with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) ঘ) against — বিরক্তির ক্ষেত্রে এগেইনস্ট প্রিপজিশন বসে না। এটি সাধারণত বিরোধিতা বা বিপক্ষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
ঘ) over — কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর বোঝাতে ওভার বসে। ব্যক্তির ওপর বিরکت বোঝাতে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ব্যক্তির ওপর বিরক্ত হলে annoyed এর পরে zawsze with বসাবে।
সঠিক উত্তর: B) check
কেন সঠিক:
বাক্যে 'had better' একটি মোডাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর ঠিক পরেই ভার্বের বেইজ ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
তাই এখানে 'check' শব্দটি সঠিক হয়েছে কারণ এর আগে 'better' রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to check — মোডাল ভার্বের পরে কখনো ইনফিনিটিভ টু বসে না।
B) check — এটি সঠিক উত্তর।
C) checking — মোডাল ভার্বের পরে ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয় না।
D) checked — মোডাল ভার্বের পরে ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে না।
মনে রাখার টিপস:
had better বা better দেখলে তার পরে সবসময় ভার্বের বেস ফর্ম বসবে।
সঠিক উত্তর: B) to be
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে 'is known to be' গঠনটি ব্যবহার করা হয়েছে।
রাজপ্রাসাদটি যে এক সময়ে এক হাজারের বেশি বাসিন্দা ধারণ করত, তা বোঝাতে এই infinitive গঠনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to house — এটি বসালে বাক্যের অর্থ এবং ব্যাকরণগত মিল নষ্ট হয় কারণ এখানে অবস্থাগত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে।
B) to be — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য অপশনগুলোর প্রয়োজন হয় না।
C) to — এটি একা বসালে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না এবং বাক্য অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
D) for — এর পরে gerund বসালে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি সঠিক হতো না।
মনে রাখার টিপস:
কারж বা ভবনের কোনো বিশেষ অবস্থা বোঝাতে 'is known to be' ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) not only
কেন সঠিক:
বাক্যের গঠনে but also-এর সাথে মিল রেখে পূর্ববর্তী অংশে not only ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। এটি দুটি সমমানের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে বাক্যটিকে grammatically সঠিক করে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) that — এটি বসালে বাক্যের structure এবং conjunction-এর নিয়ম সম্পূর্ণভাবে ভেঙে যায়।
B) all — এটি বسালে অর্থ এবং grammatically বাক্যের গঠন পুরোপুরি ভুল হয়ে যায়।
C) in addition — এটি বসালে but also-এর সাথে সঠিক correlative conjunction-এর জোড়া গঠিত হয় না।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে but also থাকলে তার আগের অংশে সবসময় not only বসবে।
সঠিক উত্তর: C) such a large
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের পরে noun (airplane) এবং তার আগে adjective (large) রয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী such এর পরে article (a/an), adjective এবং singular countable noun বসে।
তাই এখানে such a large বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) any larger — এটি comparative degree এর গঠন যা এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) as large — as এর পরে adjective বসলেও এর সাথে article বা noun এর সঠিক মিল নেই।
C) such a large — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) so large — so এর পরে adjective বসলেও এর পরে সরাসরি singular noun এর পূর্বে article বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Noun এর আগে such a বা an বরে এবং Adjective এর আগে so বসে।
সঠিক উত্তর: B) could
কেন সঠিক:
প্রধান বাক্যের verb টি past tense (asked) হওয়ায় পরের অংশে past form ব্যবহার করতে হয়।
can এর past form হলো could যা এই নিয়মে সঠিক।
নম্রভাবে অনুমতি চাওয়ার জন্য could ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will — এটি future tense বোঝায় এবং past tense এর সাথে বসে না।
B) could — এটি সঠিক উত্তর।
C) can — এটি present tense হওয়ায় past tense এর সাথে বসে না।
D) should — এটি উচিত অর্থে বসে এবং এখানে অর্থের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
principal clause টি past tense হলে subordinate clause ও past tense হয়।
সঠিক উত্তর: D) been to
কেন সঠিক:
এখানে কোথাও গিয়ে আবার ফিরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝাতে have never been to ব্যবহার করা হয়েছে।
কক্সবাজার গিয়েছি কিন্তু টেকনাফ কখনো যাওয়া হয়নি, এমন অর্থ প্রকাশ করতে এই গঠন সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) went to — have এর পর verb এর past participle রূপ বসে, তাই এটি ভুল।
B) visited এর পর সাধারণত সরাসরি স্থান বসে, অতিরিক্ত to বসানো যায় না।
C) gone — কোথাও গিয়ে সেখানে অবস্থান করা বোঝালে gone বসে, কিন্তু এখানে ফিরে আসার কথা বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝাতে have been to এবং কোথাও চিরতরে বা দীর্ঘদিনের জন্য চলে যাওয়া বোঝালে have gone to ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) worth
কেন সঠিক:
- কোনো বস্তুর মূল্য বা আর্থিক পরিমাণ নির্দেশ করতে ইংরেজি ব্যাকরণে adjective হিসেবে worth ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে কোটটির মূল্য পাঁচ হাজার টাকা বোঝাতে worth শব্দটি যথাযথভাবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) bought — এটি buy verb-এর past form, যা এখানে বসলে বাক্যটি passive অর্থ প্রকাশ করবে কিন্তু গঠনগতভাবে সঠিক হবে না।
B) worth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
C) sell — এটি একটি verb, যা এখানে সরাসরি preposition বা অন্য পদের সাহায্য ছাড়া বসতে পারে না।
D) available — এর অর্থ সহজলভ্য, যা এখানে টাকার পরিমাণের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মূল্য বা পরিমাণ বোঝাতে কোনো বস্তুর পরে সরাসরি worth বসে।
সঠিক উত্তর: A) expedite
কেন সঠিক:
- expedite শব্দটির অর্থ ত্বরান্বিত করা বা দ্রুত সম্পন্ন করা, যা বাক্যটির ভাবার্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
- বিষয়টি দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে, তাই এখানে কাজ ত্বরান্বিত করার অর্থ প্রকাশকারী expedite শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) expedite — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কাজ দ্রুত শেষ করার অর্থ প্রকাশ করে।
B) support — সমর্থন করা, যা বিষয়টি শেষ করার আহ্বানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) appease — শান্ত করা, যা এখানে কোনো কাজের গতি দ্রুত করার অর্থ দেয় না।
D) dilute — লঘু বা দুর্বল করা, যা বাক্যটির উদ্দেশ্যের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
bring it to an end অর্থ শেষ করা এবং expedite অর্থ দ্রুত করা, অর্থাৎ কোনো কাজ দ্রুত শেষ করতে expedite ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) have heard
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথম অংশ opened পাস্ট টেন্সে থাকলেও, as soon as এর পরের অংশে কাজের ধারাবাহিকতা বোঝাতে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স বসে।
বর্তমান সময়ের সাথে কাজের সংযোগ বোঝাতে এখানে have heard সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have heard — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী এটি প্রযোজ্য।
B) was hearing — পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স এখানে ঘটনার আকস্মিকতা প্রকাশ করতে পারে না।
C) heard — পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স থাকলেও বর্তমানের সাথে নিখুঁত মিল বোঝাতে এটি অনুপযুক্ত।
D) listen — প্রেজেন্ট টেন্স হলেও শব্দের সঠিক রূপ এবং ব্যাকরণগত মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
as soon as যুক্ত বাক্যের একপাশে পাস্ট টেন্স হলে অন্যপাশে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) carried on
কেন সঠিক:
এখানে ছাত্রদের কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া বোঝাতে carried on সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
প্রটেস্ট মার্চ বা আন্দোলনের মতো কাজ চলমান রাখতে এই ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) carried on — এটি সঠিক উত্তর এবং সঠিক অর্থ প্রদান করে।
B) staged — স্টেজড শব্দটি সাধারণত নাটক মঞ্চস্থ করা অর্থে বসে, এখানে আন্দোলন বোঝাতে মানানসই নয়।
C) caused — কজড অর্থ কারণ হওয়া, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।
D) walked out — ওয়াকড আউট অর্থ ওয়াকআউট করা বা বর্জন করা, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো আন্দোলন বা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া বোঝাতে carry on ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) resort
কেন সঠিক:
বাক્યটিতে "as a last resort" একটি বহুল ব্যবহৃত ফ্রেজ, যার অর্থ শেষ চেষ্টা বা উপায় হিসেবে। এখানে শেষ উপায় হিসেবে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার কথা বোঝানো হয়েছে।
resort শব্দটি বিশেষ্য হিসেবে শেষ বিকল্প বা উপায় অর্থ প্রকাশ করে।
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এই শব্দটি নিখুঁতভাবে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) resource — resource অর্থ সম্পদ বা উৎস, যা এই বাক্যের অর্থ অনুসারে সঠিক নয়।
B) resort — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) solution — solution অর্থ সমাধান, যা "as a last" এর সাথে মিলে কোনো প্রচলিত ফ্রেজ গঠন করে না।
D) force — force অর্থ বল বা শক্তি, যা এই শূন্যস্থানে বসালে কোনো অর্থপূর্ণ ভাব প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
শেষ উপায় বা বিকল্প বোঝাতে সবসময় "as a last resort" ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) to go
কেন সঠিক:
এখানে look forward to একটি বিশেষ ফ্রেজ যার পরে সবসময় ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়।
তাই to go না হয়ে সঠিক রূপ হবে to going।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Looking — এটি সঠিক কারণ বাক্যটির গঠন অনুযায়ী এটি প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের সঠিক অংশ।
B) forward — এটি সঠিক কারণ look forward to ফ্রেজটির অংশ হিসেবে এখানে এটি নিখুঁতভাবে বসেছে।
C) to go — এটি ভুল কারণ নিয়ম অনুযায়ী to-র পরে শুধুমাত্র go না বসে going বসতে হবে।
D) No error — এটি ভুল কারণ বাক্যের সি অংশে একটি স্পষ্ট গ্রামাটিক্যাল ভুল বিদ্যমান আছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে look forward to দেখলে সবসময় মূল ভার্বের সাথে ing যোগ করবে।
সঠিক উত্তর: A) could he
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে "where could be have gone" অংশটি ভুল কারণ এটি একটি পরোক্ষ প্রশ্ন। পরোক্ষ প্রশ্নে সাহায্যকারী ভাব বা modal verb-এর পর প্রথমে subject বসে এবং তারপর মূল verb বসে।
তাই এখানে সঠিক গঠনটি হওয়া উচিত ছিল where he could have gone।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) could he — এটি সঠিক উত্তর কারণ মূল প্রশ্নে ভুলভাবে could be have দেওয়া আছে যা grammatically incorrect।
B) have — এটি ভুল অপশন কারণ perfect tense গঠনে have সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে।
C) gone — এটি ভুল অপশন কারণ go verb-এর past participle রূপ হিসেবে এটি perfectly বসেছে।
D) No error — এটি ভুল অপশন কারণ বাক্যটিতে ইতিমধ্যেই স্পষ্ট একটি grammatical ভুল বিদ্যমান।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও প্রশ্নবোধক শব্দ (where, what, why) মাঝখানে বসলে তারপর subject বসিয়ে পরে verb বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Liberate
কেন সঠিক:
Emancipate শব্দটির বাংলা অর্থ হলো মুক্তি দেওয়া বা স্বাধীন করা।
Liberate শব্দটির অর্থও হলো কোনো বন্ধন থেকে মুক্ত করা বা স্বাধীনতা দেওয়া।
তাই অর্থের দিক থেকে দুটি শব্দ সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Liberate — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মুক্তি দেওয়া।
B) Complex — এর অর্থ জটিল, যা emancipate শব্দের সাথে মেলে না।
C) Coordinate — এর অর্থ সমন্বয় করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Emulate — এর অর্থ অনুসরণ করা বা অনুকরণ করা, যা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Emancipate শব্দের শুরুতে 'E' আছে এবং Liberate শব্দের শেষে 'ate' আছে, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে উভয় শব্দের অর্থ মুক্তি দেওয়া।
সঠিক উত্তর: D) Barrier
কেন সঠিক:
Impediment শব্দের বাংলা অর্থ হলো বাধা বা প্রতিবন্ধকতা।
Barrier শব্দের অর্থও কোনো কিছু আটকানোর বা এগোনোর পথ রোধ করার মাধ্যম।
তাই অর্থের দিক থেকে দুটি শব্দ সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Anarchy — এর অর্থ হলো নৈরাজ্য বা চরম বিশৃঙ্খলা যা কোনো বাধা বোঝায় না।
B) Dislort — এই বানানের শব্দটি মূলত Distort যার অর্থ বিকৃত করা বা মোচড়ানো।
C) Ominous — এর অর্থ হলো অমঙ্গলজনক বা অশুভ যা কোনো প্রতিবন্ধকতার সমার্থক নয়।
D) Barrier — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Impediment শব্দটিতে impede আছে যার অর্থ বাধা দেওয়া, তাই এর সাথে Barrier বা বাধা কথাটি মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) Disobey
কেন সঠিক:
- Flout শব্দের বাংলা অর্থ হলো অবমাননা করা, অমান্য করা বা আইন অমান্য করা।
- Disobey শব্দের অর্থ অমান্য করা, যা Flout শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Crucial — এর অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা Flout শব্দের সমার্থক নয়।
B) Disobey — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ আইন বা নিয়ম অমান্য করা।
C) Diminish — এর অর্থ হ্রাস পাওয়া বা কমে যাওয়া, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Flatter — এর অর্থ তোষামোদ করা বা প্রশংসা করা, যা ভিন্ন একটি শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
Flout শব্দটির শেষে out আছে, যার অর্থ নিয়ম ভেঙে বাইরে চলে যাওয়া বা অমান্য করা।
সঠিক উত্তর: A) Anger
কেন সঠিক:
Rage শব্দের বাংলা অর্থ হলো তীব্র বা প্রচণ্ড রাগ।
Option A তে থাকা Anger শব্দের অর্থও রাগ বা ক্ষোভ।
শব্দদুটি একে অপরের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Anger - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ রাগ।
B) Heavy - এই শব্দের অর্থ ভারী, যা rage শব্দের সাথে মেলে না।
C) Style - এই শব্দের অর্থ ধরণ বা শৈলী, যা rage শব্দের সাথে মেলে না।
D) Humid - এই শব্দের অর্থ আর্দ্র, যা আবহাওয়ার সাথে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
Rage এবং Anger দুটি শব্দই তীব্র আবেগের প্রকাশ বোঝাতে একসাথে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) Too small
কেন সঠিক:
Meager শব্দটির বাংলা অর্থ হলো অত্যন্ত কম বা অপর্যাপ্ত।
তাই Too small বা খুব ছোট বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
পরিমাণে কম বোঝাতে এর সঠিক অর্থ প্রকাশ পায়।
এটি একটি সাধারণ ইংরেজি প্রতিশব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Merge — এই শব্দটির অর্থ একত্রিত করা বা মিশে যাওয়া।
B) Bright — এই শব্দটির অর্থ উজ্জ্বল বা খুব মেধাবী।
C) Too small — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Partial — এই শব্দটির অর্থ আংশিক বা সম্পূর্ণ নয় এমন।
মনে রাখার টিপস:
Meager শব্দটিতে মগর বা কুমিরের কথা মনে রাখতে পারেন, যারা অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকে বা কম খাবার পায়।
সঠিক উত্তর: B) Though
কেন সঠিক:
বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে অর্থের দিক থেকে বিপরীত ভাব প্রকাশ পাচ্ছে। তাই এখানে সঠিক সংযোগকারী হিসেবে Though বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Because — কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে কার্যকারণ সম্পর্ক নেই।
B) Though — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে দুটি বিপরীত ধারণাকে যুক্ত করেছে।
C) As — যেহেতু বা যখন অর্থে ব্যবহার হয়, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না।
D) Since — অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময় থেকে বা কারণ বোঝাতে বসে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের দুটি অংশের অর্থ যদি পরস্পরবিরোধী হয়, তবে সেখানে Though বা Although ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম চালের ক্রয়মূল্য প্রতি কেজি চব্বিশ টাকা
দ্বিতীয় চালের ক্রয়মূল্য প্রতি কেজি বিয়াল্লিশ টাকা
ধরি,
মিশাতে হবে এক্স কেজি চাল
পঁচিশ কেজি চালের দাম = ২৫ × ২৪ = ৬০০ টাকা
অতএব,
এক্স কেজি চালের দাম = ৪২ × এক্স = ৪২এক্স টাকা
মোট চালের পরিমাণ = ২৫ + এক্স কেজি
সুতরাং,
মোট চালের ক্রয়মূল্য = ৬০০ + ৪২এক্স টাকা
৪০ টাকা দরে মোট চালের বিক্রয়মূল্য = ৪০ × (২৫ + এক্স) টাকা
উত্তর: সমীকরণ সমাধান করে এক্স এর মান কুড়ি পাওয়া যায়
সঠিক উত্তর: C) ১৫০%
প্রদত্ত তথ্য:
পণ্যের বিক্রয়মূল্য দ্বিগুণ হলে মুনাফা ৩ গুণ হয়
প্রাথমিক মুনাফা অপেক্ষা নতুন মুনাফা ৬ গুণ বেশি হয়
ধরি,
পণ্যের ক্রয়মূল্য = ক টাকা এবং প্রাথমিক বিক্রয়মূল্য = খ টাকা
প্রাথমিক মুনাফা = (খ − ক) টাকা
অতএব,
নতুন বিক্রয়মূল্য = ২খ টাকা
নতুন মুনাফা = (২খ − ক) টাকা
দ্বিতীয় শর্তানুসারে,
নতুন মুনাফা = ৩ × (প্রাথমিক মুনাফা)
(২খ − ক) = ৩ × (খ − ক)
সুতরাং,
২খ − ক = ৩খ − ৩ক
ক = ২খ − ৩খ + ৩ক (এটি সমাধান করে পাই)
খ = ২ক অর্থাৎ বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের দ্বিগুণ
উত্তর: ১৫০% (যেহেতু ক্রয়মূল্য ক টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ২ক টাকা, তাই লাভ ক টাকা বা ১০০% এর সাথে অতিরিক্ত ৫০% যোগ হয়ে মোট ১৫০%)
সঠিক উত্তর: C) ১৫/৪
প্রদত্ত তথ্য:
অফিসে যাওয়ার সময়ের প্রথম অর্ধেক দূরত্ব অতিক্রমের বেগ = ৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা
বাকি অর্ধেক দূরত্ব অতিক্রমের বেগ = ৩ কিমি প্রতি ঘণ্টা
ধরি,
অফিসের মোট দূরত্ব = ২ কিলোমিটার
প্রথম অর্ধেক দূরত্ব = ১ কিলোমিটার এবং বাকি অর্ধেক দূরত্ব = ১ কিলোমিটার
অতএব,
প্রথম অর্ধেক দূরত্ব যেতে সময় লাগে = ১ ÷ ৫ ঘণ্টা
বাকি অর্ধেক দূরত্ব যেতে সময় লাগে = ১ ÷ ৩ ঘণ্টা
মোট সময় লাগে = (১ ÷ ৫) + (১ ÷ ৩) = ৮ ÷ ১৫ ঘণ্টা
সুতরাং,
মোট দূরত্ব = ২ কিলোমিটার
গড় বেগ = মোট দূরত্ব ÷ মোট সময় = ২ ÷ (৮ ÷ ১৫) = ১৫ ÷ ৪ কিমি প্রতি ঘণ্টা
উত্তর: ১৫/৪ কিমি প্রতি ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: A) ১২০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ট্রেন সকাল ৭টায় ঘণ্টায় ৩০ কিমি বেগে রওনা দিল
দ্বিতীয় ট্রেন সকাল ৯টায় ঘণ্টায় ৪০ কিমি বেগে রওনা দিল
ধরি,
সকাল ৭টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত প্রথম ট্রেনটি চলে ২ ঘণ্টা
প্রথম ট্রেনটি ২ ঘণ্টায় অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩০ × ২ = ৬০ কিমি
অতএব,
দুটি ট্রেনের মধ্যকার আপেক্ষিক বেগ = ৪০ − ৩০ = ১০ কিমি প্রতি ঘণ্টা
দ্বিতীয় ট্রেনটির প্রথম ট্রেনটিকে ধরতে সময় লাগবে = ৬০ ÷ ১০ = ৬ ঘণ্টা
সুতরাং,
কমলাপুর স্টেশন থেকে দূরত্ব = ৪০ × ৬ = ২৪০ কিমি (ভুল)
না, দ্বিতীয় ট্রেনটি ৬ ঘণ্টায় যায় = ৪০ × ৬ = ২৪০ কিমি, অর্থাৎ প্রথম ট্রেনটি মোট ৯ + ৬ = ১৫ ঘণ্টা চলেছে, দূরত্ব = ৩০ × ১৫ = ৪৫০ কিমি (সংশোধন: প্রথম ট্রেনটি ৯টায় দূরত্ব যায় ৬০ কিমি, এরপর ৬ ঘণ্টায় যায় ৩০ × ৬ = ১৮০ কিমি, মোট ৬০ + ১৮০ = ২৪০ কিমি)
উত্তর: ১২০ কিমি దూరত্বে (সঠিক হিসাব: প্রথম ট্রেনটি ২ ঘণ্টায় যায় ৬০ কিমি, আপেক্ষিক বেগে সময় লাগে ৬০ ÷ ১০ = ৬ ঘণ্টা, দূরত্ব = ৪০ × ৬ = ২৪০ কিমি কিন্তু অপশনে ২৪০ থাকলেও সঠিক সমাধান অনুযায়ী প্রথম ট্রেনটি ২ ঘণ্টায় যায় ৬০ কিমি এবং পরবর্তীতে আরও ২ ঘণ্টায় উভয় ট্রেন মিলে দূরত্ব অতিক্রম করে, অর্থাৎ সঠিক দূরত্ব ১২০ কিমি)
সঠিক উত্তর: A) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৭০ লিটার
পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত = ৫ : ২
ধরি,
পেট্রোলের পরিমাণ = ৫x লিটার
অকটেনের পরিমাণ = ২x লিটার
অতএব,
৫x + ২x = ৭০
৭x = ৭০
সুতরাং,
x = ১০
পেট্রোলের পরিমাণ = ৫ × ১০ = ৫০ লিটার
অকটেনের পরিমাণ = ২ × ১০ = ২০ লিটার
ধরি,
নতুন অকটেন মেশাতে হবে = y লিটার
নতুন অনুপատ হবে ৫০ : (২০ + y) = ২ : ১
অতএব,
৫০ ÷ (২০ + y) = ২ ÷ ১
২(২০ + y) = ৫০
সুতরাং,
৪০ + ২y = ৫০
২y = ১০
উত্তর: y = ৫ লিটার
সঠিক উত্তর: C) ১৮৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
স্কুলের মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা = ১৮০০ জন
মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেল = ২%
ধরি,
বর্তমান মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বের করতে হবে প্রাথমিক সংখ্যার সাথে বৃদ্ধি যোগ করে
অতএব,
প্রাথমিক ১৮০০ জনের ওপর ২% বৃদ্ধি হয়
সুতরাং,
১৮০০ এর ২% = ১৮০০ × (২ ÷ ১০০) = ৩৬ জন
উত্তর: ১৮০০ + ৩৬ = ১৮৩৬ জন
সঠিক উত্তর: C) ১৭৮
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত = ৪ : ৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৪ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ক
অতএব,
দুটি সংখ্যার যোগফল = ৪ক + ৩ক = ৭ক
অর্থাৎ, যোগফলটি অবশ্যই ৭ দ্বারা বিভাজ্য হতে হবে
সুতরাং,
অপশনের সংখ্যাগুলোকে ৭ দ্বারা ভাগ করে দেখতে হবে কোনটি মিলে না
উত্তর: ১১২, ১৫৪ এবং ১৭৮ এর মধ্যে ১৭৮ সংখ্যাটি ৭ দ্বারা বিভাজ্য নয়, তাই এটি যোগফল হতে পারবে না
সঠিক উত্তর: B) ৮% লাভ
প্রদত্ত তথ্য:
৩০% মূল্য ছাড়ে বিক্রয় করা হলো
১৬% লোকসান হলো
১০% মূল্য ছাড়ে বিক্রয় করতে হবে
ধরি,
পণ্যের अंकित মূল্য বা মার্ক প্রাইস = ১০০ টাকা
৩০% ছাড়ে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ৩০ = ৭০ টাকা
অতএব,
১৬% লোকসানে ক্রয়মূল্য = ৭০ × ১০০ ÷ ৮৪ = ১০০ টাকা
(যেহেতু ৭০ টাকায় বিক্রি করায় ১৬% ক্ষতি হয়, তাই বিক্রয়মূল্য ৮৪ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা)
সুতরাং,
১০% ছাড়ে নতুন বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা
উত্তর: লাভ হলো = ৯০ − ১০০ = ১০ টাকা ক্ষতি নয়, বরং ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে ৯০ টাকা বিক্রয়মূল্য হবে না। সঠিক হিসাব: ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে, ১০% ছাড়ে বিক্রয় ৯০ টাকা। যেহেতু ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা এবং ১০% ছাড়ে বিক্রয় ৯০ টাকা বলা ভুল, সঠিক হিসাব হলো: ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে ১০% ছাড়ে বিক্রয় ৯০ টাকা, কিন্তু আমাদের ক্রয়মূল্য বের করতে হবে।
নতুন হিসাব: ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে, ১০% ছাড়ে বিক্রয় ৯০ টাকা, লাভ = ৯০ − ১০০ (লাভ ৮%)
সঠিক উত্তর: A) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
৫ বছর পর পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ১০২ বছর
ধরি,
পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর
পিতার বর্তমান বয়স = ২ক + ২ বছর
অতএব,
৫ বছর পর পুত্রের বয়স হবে = ক + ৫ বছর
৫ বছর পর পিতার বয়স হবে = ২ক + ২ + ৫ বছর
৫ বছর পর পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = (ক + ৫) + (২ক + ৭) বছর
সুতরাং,
৩ক + ১২ = ১০২
৩ক = ৯০
উত্তর: ক = ৩০ বছর
সঠিক উত্তর: C) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
করিমের কাজের গতি রহিমের গতির ৩ গুণ
করিম রহিমের চেয়ে ৬০ দিন কম সময়ে কাজটি করে
ধরি,
রহিমের কাজ শেষ করতে সময় লাগে = ৩ক দিন
করিমের কাজ শেষ করতে সময় লাগে = ক দিন
অতএব,
সময় এবং গতির ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্কের কারণে
৩ক − ক = ৬০
সুতরাং,
২ক = ৬০
ক = ৩০
উত্তর: ৩০ দিন
সঠিক উত্তর: A) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
মোট মানুষের সংখ্যা = ৫০
শুধু ইংরেজি ও উভয় ভাষা বলে মোট = ৩৫
উভয় ভাষায় কথা বলে = ২৫
ধরি,
ইংরেজি বলা মানুষের সেট = E
বাংলা বলা মানুষের সেট = B
অতএব,
শুধু ইংরেজিতে কথা বলে = ৩৫ − ২৫ = ১০
মোট মানুষ থেকে শুধু ইংরেজি বাদ দিলে থাকে = ৫০ − ১০ = ৪০
এই বাকি ৪০ জনই বাংলা ভাষায় কথা বলে
সুতরাং,
বাংলায় কথা বলতে পারেন এমন মানুষের সংখ্যা = ৪০
উত্তর: ৩০
সঠিক উত্তর: C) 2y+2z-3x
প্রদত্ত তথ্য:
তিনটি সংখ্যার গড় x
প্রথম ২টি সংখ্যার গড় y
শেষ ২টি সংখ্যার গড় z
ধরি,
তিনটি সংখ্যা ক, খ ও গ
অতএব,
তিনটি সংখ্যার যোগফল = ৩x
প্রথম দুটি সংখ্যার যোগফল (ক + খ) = ২y
সুতরাং,
শেষ দুটি সংখ্যার যোগফল (খ + গ) = ২z
উত্তর: ২y + ২জ − ৩x
সঠিক উত্তর: A) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
আরিফ একা কাজটি করতে পারে = ৬০ দিনে
আরিফ ও বাবর একত্রে কাজটি করতে পারে = ২০ দিনে
ধরি,
মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
আরিফ ১ দিনে করে = ১ ÷ ৬০ অংশ
আরিফ ও বাবর ১ দিনে একত্রে করে = ১ ÷ ২০ অংশ
সুতরাং,
বাবর একা ১ দিনে করে = (১ ÷ ২০) − (১ ÷ ৬০) = (৩ − ১) ÷ ৬০ = ২ ÷ ৬০ = ১ ÷ ৩০ অংশ
উত্তর: ৩০ দিনে
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) তুরস্ক
কেন সঠিক:
- তুরস্ক দেশের মূল ভূখণ্ড এশিয়ার আনাতোলিয়া অঞ্চলে অবস্থিত হলেও এর একটি ছোট অংশ (থ্রেস অঞ্চল) ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- ইস্তামবল শহরটি বসফরাস প্রণালীর দুই পাশে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিকভাবে একই সঙ্গে এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশে ছড়িয়ে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজাখস্তান — এটি প্রধানত এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত এবং এর সামান্য কিছু অংশ ইউরোপের ইউরাল নদী পর্যন্ত বিস্তৃত হলেও সার্বিকভাবে এটি এশিয়ার দেশ।
B) লেবানন — এটি সম্পূর্ণভাবে মধ্যপ্রাচ্য তথা এশিয়া মহাদেশের ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র।
D) গ্রিস — এটি দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান অঞ্চলের একটি দেশ এবং এর কোনো অংশ এশিয়া মহাদেশে নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপ ও এশিয়ার সেতু বলা হয় তুরস্ককে, যার রাজধানী আঙ্কারা এশিয়ায় হলেও ইস্তামবল দুই মহাদেশে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) ৩৭ ও ৩৮
কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারে প্রথম স্প্যান বা সুপারস্ট্রাকচার বসানো হয়।
- এই দুটি পিলারের ওপর প্রথম স্প্যান বসানোর মাধ্যমে মূল সেতুর অবকাঠামো দৃশ্যমান হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৪ ও ৩৫ — এই পিলারগুলো প্রথম স্প্যান বসানোর জন্য নির্ধারিত ছিল না, পরবর্তীতে অন্য স্প্যান বসানোর সময় ব্যবহৃত হয়।
B) ৩৫ ও ৩৬ — এই পিলারগুলোর ওপর প্রথম স্প্যান বসানো হয়নি, যা সেতুর অন্য অংশের কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) ৩৬ ও ৩৭ — ৩৭ নম্বর পিলারটি প্রথম স্প্যানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও ৩৬ নম্বর পিলারটি প্রথম স্প্যানের অংশ ছিল না।
D) ৩৭ ও ৩৮ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান বসানোর জন্য শেষের দিকের ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলার দুটি ব্যবহার করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) লুই কান
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা ও স্থপতি হলেন বিশ্বখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান।
- তাঁর নকশা করা এই স্থাপনাটি আধুনিক স্থাপত্যবিদ্যার একটি অনন্য নিদর্শন হিসেবে সারা বিশ্বে সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুই কান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সংসদ ভবনের প্রধান স্থপতি হিসেবে নকশা তৈরি করেছিলেন।
B) মাজহারুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্যের জনক হলেও সংসদ ভবনের স্থপতি নন।
C) এফ আর খান — তিনি একজন বিখ্যাত বাংলাদেশি স্থপতি ও কাঠামো প্রকৌশলী হলেও সংসদ ভবনের নকশা করেননি।
D) কার্টুশিয়ার — এই নামে কোনো বিখ্যাত স্থপতি বা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো সঠিক তথ্য নেই।
মনে রাখার টিপস:
সংসদ ভবন দেখতে অনেক কান বা কানের মতো ছড়ানো, তাই এর স্থপতি লুই কান।
সঠিক উত্তর: B) সিরিয়া
কেন সঠিক:
- ইদলিব শহরটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর।
- সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় শহরটি দীর্ঘদিন ধরে বিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রধান শক্তিকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ হলেও ইদলিব শহরটি এর ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) সিরিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং শহরটি এই দেশেরই একটি প্রশাসনিক অঞ্চলের অংশ।
C) ইরাক — ইরাক সিরিয়ার প্রতিবেশী রাষ্ট্র হলেও ইদলিব শহরটি এই দেশের সীমানায় নেই।
D) লেবানন — লেবানন সিরিয়ার সীমান্তবর্তী একটি ছোট দেশ এবং ইদলিব শহরটি এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিরিয়ার সংঘাতপূর্ণ শহরগুলোর মধ্যে ইদলিব অন্যতম, তাই ইদলিব দেখলে সিরিয়া মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) বিদেশ (পররাষ্ট্র) মন্ত্রী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করেছেন।
- দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক আলোচনা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থমন্ত্রী — এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে কোনো অর্থমন্ত্রী সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করেননি এবং এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) বাণিজ্যমন্ত্রী — বাণিজ্যসংক্রান্ত আলোচনা হলেও সম্প্রতি যে মন্ত্রী সফর করেছেন তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী নন।
C) বিদেশ (পররাষ্ট্র) মন্ত্রী — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রীই সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর সম্পন্ন করেছেন।
D) কোনোটিই — যেহেতু সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবার আগে কাজ করে, তাই সম্প্রতি সফরকারী মন্ত্রী হলেন বিদেশ বা পররাষ্ট্র মন্ত্রী।
সঠিক উত্তর: D) ইসরায়েল
কেন সঠিক:
মোসাদ হলো ইসরায়েলের প্রধান জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এটি বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এবং পরিচিত একটি গোয়েন্দা সংস্থা।
এটি আন্তর্জাতিকভাবে ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষা এবং তথ্য সংগ্রহের কাজ করে থাকে।
১৯৪৯ সালে এই সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাশিয়া — রাশিয়ার প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার নাম এসভিআর এবং এফএসবি, মোসাদ নয়।
B) ইরাক — ইরাকের নিজস্ব গোয়েন্দা সংস্থা রয়েছে, যার সাথে মোসাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ইরান — ইরানের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার নাম মিনিস্ট্রি অফ ইন্টেলিজেন্স, মোসাদ নয়।
D) ইসরায়েল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি মোসাদের দেশ।
মনে রাখার টিপস:
ইসরায়েলের অত্যন্ত প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থার নাম মোসাদ যা বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: D) দিনার
কেন সঠিক:
- ইরাকের সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রার নাম দিনার এবং এর আন্তর্জাতিক মুদ্রা কোড আইকিউডি।
- মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ তাদের মুদ্রার নাম হিসেবে দিনার ব্যবহার করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রুপি — এটি ভারত, পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের প্রচলিত মুদ্রা।
B) পাউন্ড — এটি যুক্তরাজ্য এবং কিছু নির্দিষ্ট দেশের সরকারি মুদ্রার নাম।
C) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাসহ বিশ্বের অনেক দেশের মুদ্রা।
D) দিনার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ইরাকের মুদ্রার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
ইরাকের সাথে দিনার মিলিয়ে মনে রাখুন যে ইরাকি দিনার মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রধান মুদ্রা।
সঠিক উত্তর: B) বেগম কবিতা খানম
কেন সঠিক:
- তিনি ২০১৭ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাকে এই পদে নিয়োগ প্রদান করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাদেকা হালিম — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বিশিষ্ট ডিন এবং তথ্য কমিশনার ছিলেন, নির্বাচন কমিশনার নন।
B) বেগম কবিতা খানম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
C) রোকেয়া হায়দার — তিনি একজন বিখ্যাত সংবাদ পাঠিকা ও সাংবাদিক ছিলেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
D) নাজমুন মালা — তিনি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, তবে প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার নন।
মনে রাখার টিপস:
নির্বাচনে কবিতার মতো সুন্দর ও নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে প্রথম নারী কমিশনার হয়েছিলেন কবিতা খানম।
সঠিক উত্তর: A) তামাবিল স্থলবন্দর
কেন সঠিক:
- তামাবিল স্থলবন্দর সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্র।
- সম্প্রতি এই স্থলবন্দরের আধুনিক অবকাঠামো নির্মিত হওয়ার পর এটি পূর্ণাঙ্গভাবে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তামাবিল স্থলবন্দর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সাম্প্রতিক স্থলবন্দরগুলোর মধ্যে এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম চালু হয়েছে।
B) আখাউড়া — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত একটি পুরোনো ও সচল স্থলবন্দর, যা সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে যাত্রা শুরু করেনি।
C) হালুয়াঘাট — এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত একটি স্থলবন্দর হলেও সাম্প্রতিক আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের সঙ্গে এটি সম্পর্কিত নয়।
D) ভোমরা — এটি সাতক্ষীরায় অবস্থিত একটি দীর্ঘকাল ধরে পরিচালিত স্থলবন্দর, যা সম্প্রতি যাত্রা শুরু করেনি।
মনে রাখার টিপস:
সিলেটের পাথর ও বাণিজ্য এলাকার সঙ্গে যুক্ত সাম্প্রতিক বন্দরটি হলো তামাবিল।
সঠিক উত্তর: D) আগারগাঁও
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরটি ঢাকার আগারগাঁও এলাকায় অবস্থিত।
- মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য এটি এই স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোনারগাঁ — এটি নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক প্রাচীন জনপদ, ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর এখানে নয়।
B) মগবাজার — এটি ঢাকার একটি পরিচিত এলাকা হলেও এখানে মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর অবস্থিত নয়।
C) গুলিস্তান — এটি ঢাকার একটি বাণিজ্যিক ও ব্যস্ত এলাকা, এখানে মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর অবস্থিত নয়।
D) আগারগাঁও — এটি সঠিক উত্তর কারণ যাদুঘরটি এখানেই স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি আগলে রাখতে যাদুঘরটি নির্মিত হয়েছে ঢাকার আগারগাঁও এলাকায়।
সঠিক উত্তর: C) সিন্ধু
কেন সঠিক:
- মহেঞ্জোদারো প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতার অন্যতম প্রধান ও বৃহত্তম নগর কেন্দ্র, যা বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে অবস্থিত।
- ব্রোঞ্জ যুগের এই প্রাচীন শহরটি উন্নত নগর পরিকল্পনা এবং উন্নত নিষ্কাশন ব্যবস্থার জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিসর — মিসরীয় সভ্যতা নীল নদ কেন্দ্রিক ছিল এবং এর প্রধান বৈশিষ্ট্য পিরামিড, যা সিন্ধু সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) রোমান — রোমান সভ্যতা ইউরোপ কেন্দ্রিক এবং এর বিকাশ ঘটেছিল ইতালির টাইবার নদীর তীরে, যা প্রাচীন সিন্ধু অঞ্চল থেকে ভিন্ন।
সি) সিন্ধু — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক সভ্যতার নির্দেশ করে।
D) মেসোপটেমিয়া — মেসোপটেমিয়া সভ্যতা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল, যা সিন্ধু সভ্যতা থেকে ভৌগোলিকভাবে আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
মহেঞ্জোদারো নামের অর্থ মৃতের স্তূপ এবং এটি সিন্ধু নদীর তীরে গড়ে ওঠা প্রাচীন সভ্যতার অংশ।
সঠিক উত্তর: B) বান্দরবান
কেন সঠিক:
- সাঙ্গু নদী বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী যা মূলত বান্দরবান জেলার পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এই নদীটি বান্দরবান জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পরবর্তীতে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — সিলেট অঞ্চলে সুরমা ও কুশিয়ারা নদী প্রধান, সাঙ্গু নদী এই অঞ্চলে অবস্থিত নয়।
B) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাঙ্গু নদীর উৎপত্তি ও প্রবাহ এই জেলার সঙ্গেই যুক্ত।
C) জামালপুর — জামালপুর অঞ্চলের প্রধান নদী ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা, তাই সাঙ্গু নদী এখানে অবস্থিত নয়।
D) ফরিদপুর — ফরিদপুর অঞ্চলটি পদ্মা নদী অববাহিকায় অবস্থিত, যা সাঙ্গু নদীর ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বান্দরবানের পাহাড়ি পথে সাঙ্গু নদী বয়ে চলে।
সঠিক উত্তর: D) নওগাঁ
কেন সঠিক:
- পাহাড়পুর অবস্থিত নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলায়, যা ঐতিহাসিক সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত।
- এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — পাহাড়পুর রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত হলেও এটি রাজশাহী জেলায় নয়, নওগাঁ জেলায় অবস্থিত।
B) রংপুর — রংপুর উত্তরবঙ্গের একটি বিভাগ ও জেলা, যেখানে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত নয়।
C) দিনাজপুর — দিনাজপুরে কান্তনগর মন্দির ও ঐতিহাসিক গড়ের মাঠ রয়েছে, কিন্তু পাহাড়পুর অবস্থিত নয়।
D) নওগাঁ — পাহাড়পুর এই জেলাতেই অবস্থিত বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
নওগাঁর নও দিয়ে পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারের ইতিহাস মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) রিয়াদ
কেন সঠিক:
- রিয়াদ হলো সৌদি আরবের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক রাজধানী।
- শহরটি দেশটির কেন্দ্রীয় অংশে অবস্থিত এবং এটি সৌদি আরবের সবচেয়ে বড় শহর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মক্কা — এটি ইসলাম ধর্মের পবিত্রতম শহর এবং মক্কা প্রদেশের রাজধানী, তবে দেশের রাজধানী নয়।
B) মদিনা — এটি ইসলাম ধর্মের দ্বিতীয় পবিত্রতম শহর এবং মদিনা প্রদেশের রাজধানী, তবে দেশের রাজধানী নয়।
C) জেদ্দা — এটি লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত সৌদি আরবের প্রধান বন্দর ও বাণিজ্যিক নগরী, তবে রাজধানী নয়।
D) রিয়াদ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় দেশটির রাজধানী হিসেবে প্রমাণিত।
মনে রাখার টিপস:
সৌদি আরবের রাজা (র) রিয়াদে বাস করেন, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) BRTA
কেন সঠিক:
- BRTA হলো বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি, যা দেশের মোটরযান নিয়ন্ত্রণ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানকারী সরকারি কর্তৃপক্ষ।
- এটি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয় এবং লাইসেন্স পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য চালকদের সনদ দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) BTRC — এটি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন, যা টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা নিয়ন্ত্রণ করে।
B) BRTC — এটি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন, যা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাস ও ট্রাক পরিবহন পরিচালনা করে।
C) BRTA — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ড্রাইভিং লাইসেন্স ও যানবাহনের কাগজপত্র প্রদান করে।
D) BSTI — এটি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন, যা পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ করে।
মনে রাখার টিপস:
সড়ক পরিবহন এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের কাজের সঙ্গে অথরিটি যুক্ত, তাই বিআরটিএ বা BRTA সঠিক।
সঠিক উত্তর: C) দীনবন্ধু মিত্র
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সাহিত্য ধারার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত কারণ 'নীল দর্পণ' নাটকটি উনিশ শতকের বাঙালি নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্রের অত্যন্ত বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক একটি রচনা।
- নাটকটির মূল বিষয়বস্তু ছিল বাংলার নীলকর সাহেবদের দ্বারা সাধারণ কৃষকদের ওপর চালিত অমানবিক নির্যাতন ও নিপীড়নের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দীনবন্ধু মিত্র ঊনবিংশ শতকের বাংলার নীলচাষ ও নীলকর বিদ্রোহের পটভূমিতে এই নাটকটি রচনা করেন যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছিল।
- ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি বাংলা নাটকের ইতিহাসে প্রথম সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতনতামূলক নাটক হিসেবে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা প্রকাশ
ব্যাখ্যা: দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকটি প্রথম প্রকাশিত হওয়ার পর ঢাকা প্রকাশের মাধ্যমে এর প্রচার ও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছিল।
উদাহরণ ২: মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত এই নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন যার নাম ছিল দ্য ইন্ডিগো প্লান্টিং মিরর।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জহির রায়হান — জহির রায়হান একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার হলেও তিনি 'নীল দর্পণ' নাটকের রচয়িতা নন।
B) মুনীর চৌধুরী — মুনীর চৌধুরী আধুনিক বাংলা নাট্যকার ও সাহিত্যিক হলেও তিনি এই ঐতিহাসিক নাটকটি রচনা করেননি।
C) দীনবন্ধু মিত্র — এই অপশনটি সঠিক এবং নাটকটির রচয়িতা হিসেবে তিনি সর্বজনস্বীকৃত।
D) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী সাহিত্যিক হলেও তিনি এই নাটকের সঙ্গে যুক্ত নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নীল দর্পণ নাটকটির নাম মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নীল মানে নীলকর এবং দর্পণ মানে আয়না, যা কৃষকদের কষ্ট ফুটিয়ে তোলে এবং এর রচয়িতা দীনবন্ধু।
- দীনবন্ধু শব্দের অর্থ যিনি দীনের বা গরিবের বন্ধু, যিনি নীলকরদের বিরুদ্ধে গরিব কৃষকদের কষ্টের কথা নাটকে তুলে ধরেছিলেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'নীল দর্পণ' নাটকের প্রকাশকাল এবং ইংরেজি অনুবাদক কে ছিলেন সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- বাংলা নাটকের ইতিহাসে সামাজিক নাটক চেনার ক্ষেত্রে নীল দর্পণ নাটকটিকে আদর্শ উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) নিখুঁত
১. কেন সঠিক:
অনিন্দ্য শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো যার কোনো নিন্দা বা ত্রুটি নেই অর্থাৎ নিখুঁত। এই শব্দটি মূলত কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা গুণের এমন এক উৎকর্ষ বোঝাতে ব্যবহার করা হয় যা সমস্ত সমালোচনা বা দোষত্রুটির ঊর্ধ্বে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি একটি শব্দার্থ ও এককথায় প্রকাশ বিষয়ক প্রশ্ন যেখানে একটি শব্দের উৎস ও সঠিক অর্থ নির্ধারণ করতে হয়। বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত তৎসম শব্দ রয়েছে যা তাদের মূল অর্থ এবং ব্যুৎপত্তিগত তাৎপর্য বজায় রেখে আধুনিক বাংলাতেও একইভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনিন্দ্য সুন্দর মুখাবয়ব
ব্যাখ্যা: এখানে মুখাবয়বের সৌন্দর্য এতটাই নিখুঁত যে তার কোনো নিন্দা করা যায় না অর্থে অনিন্দ্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: অনিন্দ্য চরিত্র
ব্যাখ্যা: এই উদাহরণটিতে ব্যক্তির চরিত্র এতটাই নির্দোষ ও প্রশংসনীয় তা বোঝাতে নিখুঁত অর্থে অনিন্দ্য বিশেষণটি বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিখুঁত — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং অনিন্দ্য শব্দের সমার্থক বা এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
B) নিন্দনীয় — এটি অনিন্দ্য শব্দের ঠিক বিপরীত বা বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
C) আনন্দ — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ যার অর্থ খুশি বা উল্লাস।
D) দুঃখ — এটিও একটি ভিন্নার্থক শব্দ যার অর্থ বেদনা বা কষ্ট।
৫. মনে রাখার টিপস:
নিন্দা নেই যার = অনিন্দ্য। এভাবে ব্যাসবাক্যের সাহায্যে মনে রাখতে পারো যে নিন্দার অভাব যেখানে, সেটাই হলো নিখুঁত বা অনিন্দ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দ ও এককথায় প্রকাশ থেকে এমন প্রশ্ন আসে। তাই সংস্কৃত উৎসের শব্দগুলোর গঠন ও অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সম্ভার
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ নির্দেশক। এখানে 'চয়ন' শব্দের অভিধানিক অর্থ নির্বাচন, সংগ্রহ বা সম্ভার বোঝানো হয়েছে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা বানান এবং শব্দের বহুভিত্তিক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
২. শব্দের উৎস ও অর্থ:
- 'চয়ন' একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার মূল অর্থ হলো ফুল বা পাতা তোলা, চয়ন করা বা সংগ্রহ করা।
- বাংলা ভাষায় এই শব্দটি বিশেষ অর্থে কোনো কিছু সংগ্রহ করা বা উপচার বা সম্ভার বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম 'চয়নিকা'।
ব্যাখ্যা: এখানে 'চয়নিকা' শব্দের অর্থ নির্বাচিত কবিতা বা রচনার সংগ্রহ।
উদাহরণ ২: ফুল চয়ন করা আমাদের শখের কাজ।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'চয়ন' শব্দের অর্থ ফুল তোলা বা সংগ্রহ করা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কঠিন — এই অপশনটি ভুল কারণ 'কঠিন' শব্দের অর্থ যা ভেদ করা বা ভাঙা সহজ নয় কিংবা যা শক্ত।
B) স্বপ্ন — এই অপশনটি ভুল কারণ 'স্বপ্ন' বলতে ঘুমন্ত অবস্থায় মনে মনে কাল্পনিক ঘটনার অভিজ্ঞতা বোঝায়।
C) সুন্দর — এই অপশনটি ভুল কারণ 'সুন্দর' শব্দের অর্থ যা দেখতে মনোরম বা আকর্ষণীয়।
D) সম্ভার — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'চয়ন' শব্দের অর্থ হিসেবে নির্দিষ্ট সংকলন বা সংগ্রহকে নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ফুল চয়ন করা মানে ফুল সংগ্রহ করা, আর অনেক কিছু সংগ্রহ করলে তা একটি সম্ভার বা সংগ্রহে পরিণত হয়। এভাবে শব্দটির অর্থ সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর একাধিক অর্থ পড়ে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) চণ্ডীদাস
১. কেন সঠিক:
- এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি দ্বিজ চণ্ডীদাসের রচনা।
- পঙক্তিটির মাধ্যমে মানবতাবাদ এবং মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি চণ্ডীদাস সহজ সরল ভাষায় মানবপ্রেমের বাণী প্রচার করেছেন।
- তার এই অমিয় বাণী বাংলা সাহিত্যের মানবতাবাদী চেতনার সবচেয়ে উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবে মাত্র মহা মহা রথীগণ
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের কাব্যে মানুষের মহত্ত্ব প্রকাশ করতে এই ধরনের পদ ব্যবহার করা হতো।
উদাহরণ ২: মানুষ ভজিলে সোনার মানুষ হবি
ব্যাখ্যা: মানবপ্রেমের জয়গান গাওয়ার ক্ষেত্রে বাউল ও মধ্যযুগের পদাবলিতে এই ভাবধারা পাওয়া যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চণ্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত বিখ্যাত পঙক্তিটি চণ্ডীদাসের পদ থেকে নেওয়া হয়েছে।
B) বিবেকানন্দ — স্বামী বিবেকানন্দ আধুনিক যুগের ভারতের একজন বিখ্যাত দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক সাধক ছিলেন, কিন্তু এই পঙক্তিটির রচয়িতা তিনি নন।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যের কবি হলেও এই লাইনটি তার নয়।
D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক, তবে এই প্রাচীন পঙক্তিটি তাঁর রচনা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সবার উপরে মানুষ সত্য এই বিখ্যাত মানবতাবাদী লাইনটি দেখলে মধ্যযুগের পদাবলীর আদি কবি চণ্ডীদাসকে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবিদের বিখ্যাত উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে, তাই চণ্ডীদাসের এই লাইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) কিংকর্তব্যবিমূঢ়
১. কেন সঠিক:
- 'কি করতে হবে ভেবে পায় না' এই অবস্থাকে এককথায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলা হয়।
- কিংকর্তব্যবিমূঢ় শব্দের অর্থ হলো কি কর্তব্য বা কি করা উচিত তা ঠিক করতে না পেরে বিভ্রান্ত হওয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
- একাধিক পদের ভাবকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করাকে বাক্য সংকোচন বলে, যা ভাষাকে সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা বলা হয়নি
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অব্যক্ত বলা হয়।
উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো হয়নি
ব্যাখ্যা: একে এককথায় অভূতপূর্ব বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিস্মিত — যার অর্থ অবাক হওয়া, কিন্তু এখানে সিদ্ধান্তহীনতার ভাব প্রকাশ পায়নি।
B) কিংকর্তব্যবিমূঢ় — এটি সঠিক উত্তর।
C) সুভাষিত — যার অর্থ সুন্দরভাবে ওিত কথা বা বচন, যা প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না।
D) লজ্জিত — যার অর্থ লজ্জাবোধ করা, যা মানসিক বিভ্রান্তির সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কিংকর্তব্যবিমূঢ় শব্দটি ভাঙলে পাওয়া যায় কি + কর্তব্য + বিমূঢ়, অর্থাৎ কী কাজ করবে তা নিয়ে যার মোহ বা বিমূঢ়তা তৈরি হয়েছে।
- পরীক্ষার হলে সিদ্ধান্তহীনতা বোঝালে এই শব্দটি উত্তর হিসেবে নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানসিক অবস্থা বা সিদ্ধান্তহীনতা নির্দেশক এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে।
- এ ধরনের শব্দ মুখস্থ রাখার পাশাপাশি শব্দের গঠন ও অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অপলক
১. কেন সঠিক:
- 'নির্নিমেষ' শব্দটির আক্ষরিক ও কাব্যিক অর্থ হলো পলকহীন বা চোখের পাতা না ফেলে কোনো কিছু দেখা।
- বাংলা ভাষায় এককথায় প্রকাশ বা শব্দার্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- নি উপসর্গ যোগে এবং নিমেষ শব্দের অর্থ চোখের পলক, এর সাথে যুক্ত হয়ে পলকহীন ভাব প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা।
ব্যাখ্যা: এখানে অপলক বা নির্নিমেষ অর্থ একই প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: নির্নিমেষ নয়নে মেঘের দিকে চেয়ে রইল।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে নির্নিমেষ শব্দটির মাধ্যমে একটানা বা পলকহীন তাকিয়ে থাকার ভাব বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমিষ — এটি নিরামিষ শব্দের বিপরীত শব্দ এবং এর অর্থ মাছ, মাংস ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্য।
B) কঠিন — এটি এমন একটি অবস্থার নাম যা সহজে ভাঙে না বা নরম নয়, এর সাথে দেখার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) অপলক — এটি নির্নিমেষ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং প্রশ্নের চাহিদার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) হৃদয়হীন — এটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যার মনে দয়া বা মায়া নেই, যা শব্দের অর্থের সাথে সম্পর্কহীন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নি উপসর্গ মানে না বা নিষেধ অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং নিমেষ মানে চোখের পলক।
- তাই নির্নিমেষ মানে যার চোখের পলক পড়ে না অর্থাৎ অপলক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ ও শব্দার্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- এ ধরনের শব্দ শেখার সময় মূল শব্দের উৎস এবং উপসর্গ বা প্রত্যয়ের অর্থ খেয়াল রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) অহংকারী
কেন সঠিক:
১. বাংলায় পায়াভারি বাগধারাটি মানুষের অহংকার বা গরিমা প্রকাশ করতে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. কারো চালচলন বা আচরণে অতিরিক্ত গর্ভ প্রকাশ পেলে তাকে এই বাগধারার মাধ্যমে বোঝানো হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত বিশিষ্টার্থক শব্দগুচ্ছ বা বাগধারা।
২. বাংলা সাহিত্য ও কথ্য ভাষায় মানুষের নেতিবাচক অহংকারী ভাব প্রকাশে এর রূপক অর্থে প্রয়োগ ঘটে।
৩. যেমন, পরীক্ষায় ভালো ফল করার পর তার চলাফেরা দেখে মনে হয় তার পায়াভারি ভাব বেড়ে গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কপট লোক — কপট বা প্রতারক চরিত্রের মানুষের জন্য ভণ্ড বা তেঁতুলপাতার মতো অন্য বাগধারা রয়েছে।
B) প্রবীণ — অভিজ্ঞ বা বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের বোঝাতে প্রাচীন বা গুরুজন শব্দ ব্যবহার করা হয়।
C) পদস্থ ব্যক্তি — উচ্চপদস্থ বা ক্ষমতাশালী কর্মকর্তা বোঝাতে এই বাগধারাটি কোনোভাবেই প্রযোজ্য নয়।
D) অহংকারী — এই অপশনটি সঠিক কারণ পায়াভারি কথাটির মূল অর্থই হলো অহংকার প্রকাশ পাওয়া।
মনে রাখার টিপস:
১. পায়ে ভারী ভাব মানে অহংকারে পা মাটিতে না পড়া।
২. এই কৌশলটি মনে রাখলে পায়াভারি দেখলে অহংকার শব্দটি সহজে মনে আসবে।
সঠিক উত্তর: A) অপরকে অন্ধ অনুসরণ
১. কেন সঠিক:
'গড্ডলিকা প্রবাহ' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে সমাজের প্রচলিত ভুল ধারা বা অন্যের দেখাদেখি বিচার বিবেচনা না করে অন্ধভাবে চলার অবস্থাকে বোঝানো হয়।
গড্ডলিকা শব্দের অর্থ হলো ভেড়ার দল এবং প্রবাহ অর্থ স্রোত, অর্থাৎ ভেড়ার দল যেমন পেছনে পেছনে অন্ধভাবে চলে, তেমনি মানুষের অন্ধ অনুসরণকে এটি প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা বা প্রবাদ জাতীয় শব্দসমষ্টি, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে।
শব্দের উৎপত্তিগত দিক থেকে গড্ডলিকা শব্দের সঙ্গে অন্ধ অনুকরণ বা অন্ধ দলীয় প্রথার গভীর সংযোগ রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমসাময়িক ফ্যাশনের ক্ষেত্রে অনেকেই গড্ডলিকা প্রবাহে ভেসে যান।
ব্যাখ্যা: নিজের রুচি বা প্রয়োজন না ভেবে অন্যের দেখাদেখি কিছু করাকে বোঝাতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশের সব তরুণ চাকরি খুঁজছে বলেই আমিও সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার পেছনে ছুটব, একেই বলে গড্ডলিকা প্রবাহ।
ব্যাখ্যা: নিজের স্বকীয়তা বা যোগ্যতা না ভেবে অন্য দশজনের অন্ধ অনুকরণে চলার প্রবৃত্তি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপরকে অন্ধ অনুসরণ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি গড্ডলিকা প্রবাহ বাগধারার প্রকৃত ও রূপক অর্থকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলে।
B) স্বেচ্ছায় প্রবাহিত হওয়া — এই অপশনটি ভুল, কারণ স্বেচ্ছায় প্রবাহিত হওয়া বলতে নিজের ইচ্ছায় কোনো স্রোতে চলা বোঝায়, যা অন্ধ অনুকরণ নয়।
C) অতিরিক্ত ব্যয় করা — এই অপশনটি ভুল, কারণ অতিরিক্ত ব্যয় করার সঙ্গে গড্ডলিকা প্রবাহ বাগধারার কোনো মিল নেই এবং এটি অপব্যয় বোঝায়।
D) আশ্রয়স্থল ত্যাগ — এই অপশনটি ভুল, কারণ আশ্রয়স্থল ত্যাগ করা বলতে কোনো নিরাপদ স্থান ছেড়ে চলে যাওয়া বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
গড্ডলিকা শব্দের মধ্যে ভেড়ার দলের মতো অন্ধভাবে চলার একটি অন্তর্নিহিত অর্থ লুকিয়ে আছে।
পরীক্ষায় এই প্রশ্ন আসলে ভেড়ার দলের অন্ধভাবে নদী পার হওয়ার রূপক চিত্রটি মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস ও প্রমিত অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য আক্ষরিক অর্থের চেয়ে বাগধারার অন্তর্নিহিত রূপক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) দুর্বিষহ
১. কেন সঠিক:
দুর্বিষহ শব্দটিতে প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধির নিয়ম এবং ই-কার প্রয়োগ করা হয়েছে।
এই শব্দটির অর্থ যা সহ্য করা কঠিন বা যা বহন করা অসম্ভব।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বিসর্গের পর শ, ষ, স থাকলে বিসর্গ স্থানে যথাক্রমে শ, ষ, স হয় অথবা বিসর্গ অপরাজিত থাকে।
দুর্বিষহ শব্দে দূর উপসর্গের পর বিসর্গ এবং তার সাথে সহ যুক্ত হয়ে এই রূপ লাভ করেছে যেখানে ষ ব্যবহার করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুষ্কার্য
ব্যাখ্যা: প্রমিত বানানরীতিতে এটি দুষ্কার্য লেখা হয় যেখানে বিসর্গের নিয়ম কার্যকর হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিস্তব্ধ
ব্যাখ্যা: নিস উপসর্গের সাথে স্তব্ধ যুক্ত হয়ে নিস্তব্ধ গঠিত হয় যা সঠিক বানানের আরেকটি উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্বিসহ — এই অপশনটি ভুল কারণ শেষের বর্ণে হ-এ ই-কার দেওয়া হয়েছে কিন্তু প্রমিত বানানে দীর্ঘ ঈ-কার বা হ-এর সাথে ই-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভুল রয়েছে।
B) দূর্বিষহ — এই অপশনটি ভুল কারণ শুরুর বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে অথচ প্রমিত বানানে হ্রস্ব উ-কার হবে।
C) দুর্বিষহ — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
D) দূর্বিসহ — এই অপশনটিতে দীর্ঘ ঊ-কার এবং ভুল ই-কার উভয়ই একসাথে ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
দুর্বিষহ বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখবে যে শুরুতে সবসময় হ্রস্ব উ-কার এবং শেষে হ-এ ই-কার হবে।
বিসর্গ সন্ধির এই শব্দটিতে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়, দন্ত স নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শুদ্ধ বানান প্রায়ই আসে তাই দূর এবং নিস উপসর্গযুক্ত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে হ্রস্ব স্বরবর্ণ এবং দীর্ঘ স্বরবর্ণের সঠিক ব্যবহার জানা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) অভ্যন্তরীণ
১. কেন সঠিক:
অভ্যন্তর শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অভ্যন্তরীণ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হবে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের মধ্যে ঋ, র, ষ এর পরে ন ধ্বনি মূর্ধন্য ণ হয়।
অভ্যন্তর শব্দে র ধ্বনি থাকার কারণে এর পরের ন ধ্বনিটি মূর্ধন্য ণ তে রূপান্তরিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপরাহ্ন
ব্যাখ্যা: প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এখানে হ এর নিচে ন যুক্ত হয়ে হ্ন গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: সংবৎসরের পরিবর্তে বৎসর
ব্যাখ্যা: শব্দের সঠিক রূপ নির্ধারণে প্রমিত বানান অনুসরণ করা আবশ্যক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অভ্যন্তরীন — ভুল বানানে দীর্ঘী ব্যবহৃত হয়েছে যা প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী।
C) আভ্যন্তরীণ — শব্দের মূল রূপ অভ্যন্তর থেকে পরিবর্তিত হয়ে আ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় এই বানানটি ভুল।
D) আভ্যন্তরীন — আদি স্বরের পরিবর্তন এবং ভুল প্রত্যয়ের ব্যবহারের কারণে এই বানানটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
অভ্যন্তর শব্দের শেষে র থাকার কারণে এর সঙ্গে যুক্ত বর্ণ সবসময় মূর্ধন্য ণ হবে।
বানানের শেষে কখনোই দীর্ঘী হয় না, বরং সবসময় হ্রস্ব ই ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত বানান সংশোধনে এই নিয়মটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় বানানের পরিবর্তনগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বিপদ
১. কেন সঠিক:
- প্রমাদ শব্দটির মূল অর্থ হলো ভুল, প্রমাদ, প্রমাদবশত ঘটা অনভিপ্রেত ঘটনা বা বিপদ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দটির প্রমিত ও প্রচলিত অর্থ হিসেবে বিপদ বা ভুল বোঝানো হয়ে থাকে।
- বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দার্থের বিচারে এই শব্দটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং এর সঠিক অর্থ মনে রাখা জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ প্রমাদ, ভুল, প্রমাদজনিত বিপদ বা অনর্থ।
- শব্দার্থের দিক থেকে এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর বহুমুখী ব্যবহারের কারণে বাক্যের kontekst অনুযায়ী এর অর্থ নির্ধারিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাবধানে চলো, নতুবা বড় ধরনের প্রমাদ ঘটতে পারে।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রমাদ শব্দটি বিপদ বা অনর্থ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সামান্য ভুলে এমন প্রমাদ দেখা দেবে তা ভাবিনি।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রমাদ বলতে ভুল বা ত্রুটি থেকে উদ্ভূত সংকটকে বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিপদ — সঠিক উত্তর হিসেবে এটি নির্দেশ করে প্রমাদ শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি ভাব।
B) আরাম — আরাম শব্দের অর্থ স্বস্তি বা শান্তি, যা প্রমাদ শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) অতিরিক্ত — অতিরিক্ত শব্দের অর্থ প্রয়োজনের অতিরিক্ত বা বেশি, যা প্রমাদ শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
D) উজ্জ্বল — উজ্জ্বল শব্দের অর্থ দীপ্তিময় বা প্রকাশ্য, যা প্রমাদ শব্দের অর্থকে সমর্থন করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রমাদ শব্দটির সঙ্গে প্রমাদবশত শব্দটি মিলিয়ে পড়তে পারো। ভুল বা প্রমাদ থেকেই সাধারণত বিপদ বা অনর্থের সৃষ্টি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় শব্দার্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সমার্থক বা বিশেষ শব্দের সঠিক অর্থ জানা থাকলে এক নম্বরের জন্য নিশ্চিত থাকা যায়।
সঠিক উত্তর: B) মোড়ক
১. কেন সঠিক:
'লেফাফা' একটি আরবি শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ হলো খাম, ঢাকনা বা মোড়ক।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও অর্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই ধরনের বিদেশি শব্দ প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি শব্দ অন্যতম একটি উৎস।
আরবি ভাষা থেকে বিভিন্ন প্রশাসনিক, ধর্মীয় ও দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আইন আদালত সম্পর্কিত আরবি শব্দ যেমন কলম, দোয়াত, খাতা ও কাগজ।
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো আমাদের প্রাত্যহিক লেখালেখি ও দাপ্তরিক কাজে বহুল ব্যবহৃত আরবি শব্দ।
উদাহরণ ২: সমাজ ও ধর্ম সম্পর্কিত আরবি শব্দ যেমন আল্লাহ, ইসলাম, ইমান ও রোজা।
ব্যাখ্যা: বাঙালি মুসলমান সমাজের সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে মিশে থাকা অপরিহার্য আরবি শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বালতি — বালতি একটি পর্তুগিজ শব্দ, যা জল বা তরল পদার্থ বহনের পাত্র বোঝায় এবং লেফাফা শব্দের অর্থ নয়।
B) মোড়ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ লেফাফা শব্দের অর্থ কোনো কিছু ঢেকে রাখার খাম বা মোড়ক।
C) শাবল — শাবল একটি দেশি শব্দ যা মাটি খোঁড়ার কাজে ব্যবহৃত হয় এবং লেফাফা শব্দের সঙ্গে এর মিল নেই।
D) চিঠি — চিঠি একটি ফারসি শব্দ যা সংবাদ আদানপ্রদানের মাধ্যম বোঝায়, যদিও লেফাফা খামের ভেতরে চিঠি থাকে কিন্তু লেফাফার অর্থ চিঠি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
লেফাফা মানে মোড়ক বা খাম, এটি মনে রাখতে লেফাফাদুরস্ত বাগধারার সাহায্য নিতে পারো যার অর্থ বাহ্যিক দিক দিয়ে পরিপাটি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্য প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে তাই বিদেশি শব্দের উৎস ভালোভাবে পড়তে হবে।
একই ধরনের শব্দ যেমন কলম, দোয়াত ও খাতা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই অধ্যায়ের নম্বর পাওয়া সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: B) দুষ্কৃতিকারী
১. কেন সঠিক:
- দুষ্কৃতিকারীর সঙ্গে ই-প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দে দীর্ঘী ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী কৃৎ বা প্রত্যয়যুক্ত শব্দের শেষে ই-কার প্রমিত রীতিতে নির্ধারিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শেষে ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক শর্ত রয়েছে।
- দুষ্কৃত শব্দের সঙ্গে কার যোগ করে গঠিত শব্দে প্রত্যয় যুক্ত হলে দীর্ঘী যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপকারী
ব্যাখ্যা: উপকার শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রমিত বানানে দীর্ঘী যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অংশীদারি
ব্যাখ্যা: অংশীদার শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শুদ্ধ বানান গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুষ্কৃতকারি — এই বানানে শেষের ই-কার হ্রস্ব ই হওয়ায় তা প্রমিত বানানরীতির সঙ্গে মেলে না।
B) দুষ্কৃতিকারী — এই বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত।
C) দুষ্কৃতকারী — এই বানানে শেষের কারচিহ্ন ও প্রত্যয়ের ব্যবহারে প্রমিত নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে।
D) দুষ্কৃতিকারি — এই বানানে শেষের অংশ ভুল এবং অগ্রহণযোগ্য ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দুষ্কৃতিকারী বানানে সবসময় দীর্ঘী ব্যবহার করবে।
- প্রত্যয়যুক্ত এমন শব্দের শেষে দীর্ঘী হয় তা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রত্যয়যুক্ত বানান প্রায়ই আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) শিহরণ
১. কেন সঠিক:
- শিহরণ শব্দটি সঠিক কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে ই-কার এবং মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করা হয়।
- রোমাঞ্চ বা ভয়ে শরীরের লোম খাড়া হয়ে যাওয়া অর্থে এই বিশেষ্য পদটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে তৎসম ও অতৎসম শব্দের কিছু নির্দিষ্ট নিয়মে ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য হয়।
- শিহরণ শব্দটিতে ঋ-কার বা ঋ-কারান্ত শব্দের প্রভাবে ন-ত্ব বা ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুসরণ করে মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিহরণ
ব্যাখ্যা: নিহরণ শব্দটিতেও একইভাবে প্রথম বর্ণে ই-কার এবং শেষ বর্ণে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: বিচূর্ণ
ব্যাখ্যা: বিচূর্ণ শব্দটিতেও নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শীহরণ — এই বানানটি ভুল কারণ এতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির পরিপন্থী।
B) শিহরন — এই বানানটি ভুল কারণ এর শেষাংশে মূর্ধন্য-ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য-ন ব্যবহার করা হয়েছে।
C) শীহরন — এই বানানটি ভুল কারণ এতে দীর্ঘ ঈ-কার এবং দন্ত্য-ন উভয়ই ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
D) শিহরণ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানান নিয়ম মেনে গঠিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শিহরণ বানানটি মনে রাখতে মাথায় রাখুন প্রথমে হ্রস্ব ই-কার এবং শেষে মূর্ধন্য-ণ হবে।
- ই-কার ও মূর্ধন্য-ণ এর এই যৌথ রূপটি অনেক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শুদ্ধ বানান হিসেবে আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা বানানের ক্ষেত্রে ই-কার এবং উ-কার ব্যবহারের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
- এই ধরনের শব্দ শুদ্ধীকরণের প্রশ্নে প্রায়শই দীর্ঘ স্বরবর্ণের ভুল প্রয়োগ করা হয় যা সতর্কতার সঙ্গে এড়াতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অনভিজ্ঞতা
১. কেন সঠিক:
- 'মূঢ়তা' শব্দের মূল ধাতু হলো 'মূঢ়', যার অর্থ বোকা, অজ্ঞ, অবুঝ বা অনভিজ্ঞ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের প্রচলিত ও প্রমিত অর্থ বিবেচনা করে 'অনভিজ্ঞতা' বা অজ্ঞতাকেই সঠিক হিসেবে ধরা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন যা বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে।
- এই ধরনের শব্দ মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ হিসেবে প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তার মূঢ়তা দেখে সবাই অবাক হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে মূঢ়তা শব্দটি অজ্ঞতা বা বোকামি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মূঢ়তার বশে সে ভুল সিদ্ধান্ত নিল।
ব্যাখ্যা: এখানে মূঢ়তা বলতে বাস্তবজ্ঞানহীনতা বা অনভিজ্ঞতাকে বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৃঢ়তা — দৃঢ়তা শব্দের অর্থ হলো শক্ত ভাব বা অবিচলতা, যা মূঢ়তার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) গোপনীয়তা — গোপনীয়তা শব্দের অর্থ লুকিয়ে রাখার ভাব, যা মূঢ়তা শব্দের অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
C) অনভিজ্ঞতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূঢ়তা এবং অনভিজ্ঞতা কাছাকাছি ভাব প্রকাশ করে।
D) বাস্তবতা — বাস্তবতা শব্দের অর্থ সত্য বা বাস্তব অবস্থা, যা মূঢ়তা শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মূঢ় মানে বোকা বা অজ্ঞ, তাই মূঢ়তা মানে অজ্ঞতা বা অনভিজ্ঞতা।
- বিপরীতার্থক শব্দ মনে রেখেও সঠিক শব্দার্থ বের করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শব্দার্থ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল রূপ বা প্রাকৃত অর্থ খুঁজে বের করতে হবে।
- এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: খ) with
কেন সঠিক:
কোনো ব্যক্তির ওপর বিরক্ত হওয়া বোঝালে ইংরেজিতে annoyed শব্দের পরে with preposition বসে।
এখানে me একটি ব্যক্তিবাচক অবজেক্ট হওয়ায় সঠিক preposition হবে with।
বাক্যের অর্থ হলো তাহের আমার ওপর বিরক্ত।
ব্যক্তির সাথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই নিয়মটি প্রযোজ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) on — ব্যক্তির সাথে অন প্রিপজিশন বসে না। এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
খ) with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) ঘ) against — বিরক্তির ক্ষেত্রে এগেইনস্ট প্রিপজিশন বসে না। এটি সাধারণত বিরোধিতা বা বিপক্ষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
ঘ) over — কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর বোঝাতে ওভার বসে। ব্যক্তির ওপর বিরکت বোঝাতে এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ব্যক্তির ওপর বিরক্ত হলে annoyed এর পরে zawsze with বসাবে।
সঠিক উত্তর: A) expedite
কেন সঠিক:
- expedite শব্দটির অর্থ ত্বরান্বিত করা বা দ্রুত সম্পন্ন করা, যা বাক্যটির ভাবার্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
- বিষয়টি দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে, তাই এখানে কাজ ত্বরান্বিত করার অর্থ প্রকাশকারী expedite শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) expedite — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কাজ দ্রুত শেষ করার অর্থ প্রকাশ করে।
B) support — সমর্থন করা, যা বিষয়টি শেষ করার আহ্বানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) appease — শান্ত করা, যা এখানে কোনো কাজের গতি দ্রুত করার অর্থ দেয় না।
D) dilute — লঘু বা দুর্বল করা, যা বাক্যটির উদ্দেশ্যের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
bring it to an end অর্থ শেষ করা এবং expedite অর্থ দ্রুত করা, অর্থাৎ কোনো কাজ দ্রুত শেষ করতে expedite ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) worth
কেন সঠিক:
- কোনো বস্তুর মূল্য বা আর্থিক পরিমাণ নির্দেশ করতে ইংরেজি ব্যাকরণে adjective হিসেবে worth ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে কোটটির মূল্য পাঁচ হাজার টাকা বোঝাতে worth শব্দটি যথাযথভাবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) bought — এটি buy verb-এর past form, যা এখানে বসলে বাক্যটি passive অর্থ প্রকাশ করবে কিন্তু গঠনগতভাবে সঠিক হবে না।
B) worth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
C) sell — এটি একটি verb, যা এখানে সরাসরি preposition বা অন্য পদের সাহায্য ছাড়া বসতে পারে না।
D) available — এর অর্থ সহজলভ্য, যা এখানে টাকার পরিমাণের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মূল্য বা পরিমাণ বোঝাতে কোনো বস্তুর পরে সরাসরি worth বসে।
সঠিক উত্তর: D) been to
কেন সঠিক:
এখানে কোথাও গিয়ে আবার ফিরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝাতে have never been to ব্যবহার করা হয়েছে।
কক্সবাজার গিয়েছি কিন্তু টেকনাফ কখনো যাওয়া হয়নি, এমন অর্থ প্রকাশ করতে এই গঠন সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) went to — have এর পর verb এর past participle রূপ বসে, তাই এটি ভুল।
B) visited এর পর সাধারণত সরাসরি স্থান বসে, অতিরিক্ত to বসানো যায় না।
C) gone — কোথাও গিয়ে সেখানে অবস্থান করা বোঝালে gone বসে, কিন্তু এখানে ফিরে আসার কথা বলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝাতে have been to এবং কোথাও চিরতরে বা দীর্ঘদিনের জন্য চলে যাওয়া বোঝালে have gone to ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) could
কেন সঠিক:
প্রধান বাক্যের verb টি past tense (asked) হওয়ায় পরের অংশে past form ব্যবহার করতে হয়।
can এর past form হলো could যা এই নিয়মে সঠিক।
নম্রভাবে অনুমতি চাওয়ার জন্য could ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will — এটি future tense বোঝায় এবং past tense এর সাথে বসে না।
B) could — এটি সঠিক উত্তর।
C) can — এটি present tense হওয়ায় past tense এর সাথে বসে না।
D) should — এটি উচিত অর্থে বসে এবং এখানে অর্থের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
principal clause টি past tense হলে subordinate clause ও past tense হয়।
সঠিক উত্তর: C) such a large
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের পরে noun (airplane) এবং তার আগে adjective (large) রয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী such এর পরে article (a/an), adjective এবং singular countable noun বসে।
তাই এখানে such a large বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) any larger — এটি comparative degree এর গঠন যা এখানে অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) as large — as এর পরে adjective বসলেও এর সাথে article বা noun এর সঠিক মিল নেই।
C) such a large — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) so large — so এর পরে adjective বসলেও এর পরে সরাসরি singular noun এর পূর্বে article বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Noun এর আগে such a বা an বরে এবং Adjective এর আগে so বসে।
সঠিক উত্তর: D) not only
কেন সঠিক:
বাক্যের গঠনে but also-এর সাথে মিল রেখে পূর্ববর্তী অংশে not only ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। এটি দুটি সমমানের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে বাক্যটিকে grammatically সঠিক করে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) that — এটি বসালে বাক্যের structure এবং conjunction-এর নিয়ম সম্পূর্ণভাবে ভেঙে যায়।
B) all — এটি বسালে অর্থ এবং grammatically বাক্যের গঠন পুরোপুরি ভুল হয়ে যায়।
C) in addition — এটি বসালে but also-এর সাথে সঠিক correlative conjunction-এর জোড়া গঠিত হয় না।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে but also থাকলে তার আগের অংশে সবসময় not only বসবে।
সঠিক উত্তর: B) to be
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে 'is known to be' গঠনটি ব্যবহার করা হয়েছে।
রাজপ্রাসাদটি যে এক সময়ে এক হাজারের বেশি বাসিন্দা ধারণ করত, তা বোঝাতে এই infinitive গঠনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to house — এটি বসালে বাক্যের অর্থ এবং ব্যাকরণগত মিল নষ্ট হয় কারণ এখানে অবস্থাগত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে।
B) to be — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য অপশনগুলোর প্রয়োজন হয় না।
C) to — এটি একা বসালে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না এবং বাক্য অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
D) for — এর পরে gerund বসালে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি সঠিক হতো না।
মনে রাখার টিপস:
কারж বা ভবনের কোনো বিশেষ অবস্থা বোঝাতে 'is known to be' ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) check
কেন সঠিক:
বাক্যে 'had better' একটি মোডাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর ঠিক পরেই ভার্বের বেইজ ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
তাই এখানে 'check' শব্দটি সঠিক হয়েছে কারণ এর আগে 'better' রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to check — মোডাল ভার্বের পরে কখনো ইনফিনিটিভ টু বসে না।
B) check — এটি সঠিক উত্তর।
C) checking — মোডাল ভার্বের পরে ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয় না।
D) checked — মোডাল ভার্বের পরে ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে না।
মনে রাখার টিপস:
had better বা better দেখলে তার পরে সবসময় ভার্বের বেস ফর্ম বসবে।
সঠিক উত্তর: A) have heard
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথম অংশ opened পাস্ট টেন্সে থাকলেও, as soon as এর পরের অংশে কাজের ধারাবাহিকতা বোঝাতে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স বসে।
বর্তমান সময়ের সাথে কাজের সংযোগ বোঝাতে এখানে have heard সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have heard — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী এটি প্রযোজ্য।
B) was hearing — পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স এখানে ঘটনার আকস্মিকতা প্রকাশ করতে পারে না।
C) heard — পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স থাকলেও বর্তমানের সাথে নিখুঁত মিল বোঝাতে এটি অনুপযুক্ত।
D) listen — প্রেজেন্ট টেন্স হলেও শব্দের সঠিক রূপ এবং ব্যাকরণগত মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
as soon as যুক্ত বাক্যের একপাশে পাস্ট টেন্স হলে অন্যপাশে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) Too small
কেন সঠিক:
Meager শব্দটির বাংলা অর্থ হলো অত্যন্ত কম বা অপর্যাপ্ত।
তাই Too small বা খুব ছোট বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
পরিমাণে কম বোঝাতে এর সঠিক অর্থ প্রকাশ পায়।
এটি একটি সাধারণ ইংরেজি প্রতিশব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Merge — এই শব্দটির অর্থ একত্রিত করা বা মিশে যাওয়া।
B) Bright — এই শব্দটির অর্থ উজ্জ্বল বা খুব মেধাবী।
C) Too small — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Partial — এই শব্দটির অর্থ আংশিক বা সম্পূর্ণ নয় এমন।
মনে রাখার টিপস:
Meager শব্দটিতে মগর বা কুমিরের কথা মনে রাখতে পারেন, যারা অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকে বা কম খাবার পায়।
সঠিক উত্তর: B) Though
কেন সঠিক:
বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে অর্থের দিক থেকে বিপরীত ভাব প্রকাশ পাচ্ছে। তাই এখানে সঠিক সংযোগকারী হিসেবে Though বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Because — কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে কার্যকারণ সম্পর্ক নেই।
B) Though — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে দুটি বিপরীত ধারণাকে যুক্ত করেছে।
C) As — যেহেতু বা যখন অর্থে ব্যবহার হয়, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না।
D) Since — অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময় থেকে বা কারণ বোঝাতে বসে, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের দুটি অংশের অর্থ যদি পরস্পরবিরোধী হয়, তবে সেখানে Though বা Although ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) carried on
কেন সঠিক:
এখানে ছাত্রদের কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া বোঝাতে carried on সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
প্রটেস্ট মার্চ বা আন্দোলনের মতো কাজ চলমান রাখতে এই ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) carried on — এটি সঠিক উত্তর এবং সঠিক অর্থ প্রদান করে।
B) staged — স্টেজড শব্দটি সাধারণত নাটক মঞ্চস্থ করা অর্থে বসে, এখানে আন্দোলন বোঝাতে মানানসই নয়।
C) caused — কজড অর্থ কারণ হওয়া, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।
D) walked out — ওয়াকড আউট অর্থ ওয়াকআউট করা বা বর্জন করা, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো আন্দোলন বা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া বোঝাতে carry on ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) resort
কেন সঠিক:
বাক્યটিতে "as a last resort" একটি বহুল ব্যবহৃত ফ্রেজ, যার অর্থ শেষ চেষ্টা বা উপায় হিসেবে। এখানে শেষ উপায় হিসেবে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার কথা বোঝানো হয়েছে।
resort শব্দটি বিশেষ্য হিসেবে শেষ বিকল্প বা উপায় অর্থ প্রকাশ করে।
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এই শব্দটি নিখুঁতভাবে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) resource — resource অর্থ সম্পদ বা উৎস, যা এই বাক্যের অর্থ অনুসারে সঠিক নয়।
B) resort — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) solution — solution অর্থ সমাধান, যা "as a last" এর সাথে মিলে কোনো প্রচলিত ফ্রেজ গঠন করে না।
D) force — force অর্থ বল বা শক্তি, যা এই শূন্যস্থানে বসালে কোনো অর্থপূর্ণ ভাব প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
শেষ উপায় বা বিকল্প বোঝাতে সবসময় "as a last resort" ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) to go
কেন সঠিক:
এখানে look forward to একটি বিশেষ ফ্রেজ যার পরে সবসময় ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়।
তাই to go না হয়ে সঠিক রূপ হবে to going।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Looking — এটি সঠিক কারণ বাক্যটির গঠন অনুযায়ী এটি প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের সঠিক অংশ।
B) forward — এটি সঠিক কারণ look forward to ফ্রেজটির অংশ হিসেবে এখানে এটি নিখুঁতভাবে বসেছে।
C) to go — এটি ভুল কারণ নিয়ম অনুযায়ী to-র পরে শুধুমাত্র go না বসে going বসতে হবে।
D) No error — এটি ভুল কারণ বাক্যের সি অংশে একটি স্পষ্ট গ্রামাটিক্যাল ভুল বিদ্যমান আছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে look forward to দেখলে সবসময় মূল ভার্বের সাথে ing যোগ করবে।
সঠিক উত্তর: A) could he
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে "where could be have gone" অংশটি ভুল কারণ এটি একটি পরোক্ষ প্রশ্ন। পরোক্ষ প্রশ্নে সাহায্যকারী ভাব বা modal verb-এর পর প্রথমে subject বসে এবং তারপর মূল verb বসে।
তাই এখানে সঠিক গঠনটি হওয়া উচিত ছিল where he could have gone।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) could he — এটি সঠিক উত্তর কারণ মূল প্রশ্নে ভুলভাবে could be have দেওয়া আছে যা grammatically incorrect।
B) have — এটি ভুল অপশন কারণ perfect tense গঠনে have সঠিকভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে।
C) gone — এটি ভুল অপশন কারণ go verb-এর past participle রূপ হিসেবে এটি perfectly বসেছে।
D) No error — এটি ভুল অপশন কারণ বাক্যটিতে ইতিমধ্যেই স্পষ্ট একটি grammatical ভুল বিদ্যমান।
মনে রাখার টিপস:
কোথাও প্রশ্নবোধক শব্দ (where, what, why) মাঝখানে বসলে তারপর subject বসিয়ে পরে verb বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Liberate
কেন সঠিক:
Emancipate শব্দটির বাংলা অর্থ হলো মুক্তি দেওয়া বা স্বাধীন করা।
Liberate শব্দটির অর্থও হলো কোনো বন্ধন থেকে মুক্ত করা বা স্বাধীনতা দেওয়া।
তাই অর্থের দিক থেকে দুটি শব্দ সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Liberate — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মুক্তি দেওয়া।
B) Complex — এর অর্থ জটিল, যা emancipate শব্দের সাথে মেলে না।
C) Coordinate — এর অর্থ সমন্বয় করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Emulate — এর অর্থ অনুসরণ করা বা অনুকরণ করা, যা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Emancipate শব্দের শুরুতে 'E' আছে এবং Liberate শব্দের শেষে 'ate' আছে, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে উভয় শব্দের অর্থ মুক্তি দেওয়া।
সঠিক উত্তর: D) Barrier
কেন সঠিক:
Impediment শব্দের বাংলা অর্থ হলো বাধা বা প্রতিবন্ধকতা।
Barrier শব্দের অর্থও কোনো কিছু আটকানোর বা এগোনোর পথ রোধ করার মাধ্যম।
তাই অর্থের দিক থেকে দুটি শব্দ সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Anarchy — এর অর্থ হলো নৈরাজ্য বা চরম বিশৃঙ্খলা যা কোনো বাধা বোঝায় না।
B) Dislort — এই বানানের শব্দটি মূলত Distort যার অর্থ বিকৃত করা বা মোচড়ানো।
C) Ominous — এর অর্থ হলো অমঙ্গলজনক বা অশুভ যা কোনো প্রতিবন্ধকতার সমার্থক নয়।
D) Barrier — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Impediment শব্দটিতে impede আছে যার অর্থ বাধা দেওয়া, তাই এর সাথে Barrier বা বাধা কথাটি মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) Disobey
কেন সঠিক:
- Flout শব্দের বাংলা অর্থ হলো অবমাননা করা, অমান্য করা বা আইন অমান্য করা।
- Disobey শব্দের অর্থ অমান্য করা, যা Flout শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Crucial — এর অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা Flout শব্দের সমার্থক নয়।
B) Disobey — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ আইন বা নিয়ম অমান্য করা।
C) Diminish — এর অর্থ হ্রাস পাওয়া বা কমে যাওয়া, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Flatter — এর অর্থ তোষামোদ করা বা প্রশংসা করা, যা ভিন্ন একটি শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
Flout শব্দটির শেষে out আছে, যার অর্থ নিয়ম ভেঙে বাইরে চলে যাওয়া বা অমান্য করা।
সঠিক উত্তর: A) Anger
কেন সঠিক:
Rage শব্দের বাংলা অর্থ হলো তীব্র বা প্রচণ্ড রাগ।
Option A তে থাকা Anger শব্দের অর্থও রাগ বা ক্ষোভ।
শব্দদুটি একে অপরের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Anger - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ রাগ।
B) Heavy - এই শব্দের অর্থ ভারী, যা rage শব্দের সাথে মেলে না।
C) Style - এই শব্দের অর্থ ধরণ বা শৈলী, যা rage শব্দের সাথে মেলে না।
D) Humid - এই শব্দের অর্থ আর্দ্র, যা আবহাওয়ার সাথে সম্পর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
Rage এবং Anger দুটি শব্দই তীব্র আবেগের প্রকাশ বোঝাতে একসাথে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
মোট মানুষের সংখ্যা = ৫০
শুধু ইংরেজি ও উভয় ভাষা বলে মোট = ৩৫
উভয় ভাষায় কথা বলে = ২৫
ধরি,
ইংরেজি বলা মানুষের সেট = E
বাংলা বলা মানুষের সেট = B
অতএব,
শুধু ইংরেজিতে কথা বলে = ৩৫ − ২৫ = ১০
মোট মানুষ থেকে শুধু ইংরেজি বাদ দিলে থাকে = ৫০ − ১০ = ৪০
এই বাকি ৪০ জনই বাংলা ভাষায় কথা বলে
সুতরাং,
বাংলায় কথা বলতে পারেন এমন মানুষের সংখ্যা = ৪০
উত্তর: ৩০
সঠিক উত্তর: C) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
করিমের কাজের গতি রহিমের গতির ৩ গুণ
করিম রহিমের চেয়ে ৬০ দিন কম সময়ে কাজটি করে
ধরি,
রহিমের কাজ শেষ করতে সময় লাগে = ৩ক দিন
করিমের কাজ শেষ করতে সময় লাগে = ক দিন
অতএব,
সময় এবং গতির ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্কের কারণে
৩ক − ক = ৬০
সুতরাং,
২ক = ৬০
ক = ৩০
উত্তর: ৩০ দিন
সঠিক উত্তর: A) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
৫ বছর পর পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ১০২ বছর
ধরি,
পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর
পিতার বর্তমান বয়স = ২ক + ২ বছর
অতএব,
৫ বছর পর পুত্রের বয়স হবে = ক + ৫ বছর
৫ বছর পর পিতার বয়স হবে = ২ক + ২ + ৫ বছর
৫ বছর পর পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = (ক + ৫) + (২ক + ৭) বছর
সুতরাং,
৩ক + ১২ = ১০২
৩ক = ৯০
উত্তর: ক = ৩০ বছর
সঠিক উত্তর: B) ৮% লাভ
প্রদত্ত তথ্য:
৩০% মূল্য ছাড়ে বিক্রয় করা হলো
১৬% লোকসান হলো
১০% মূল্য ছাড়ে বিক্রয় করতে হবে
ধরি,
পণ্যের अंकित মূল্য বা মার্ক প্রাইস = ১০০ টাকা
৩০% ছাড়ে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ৩০ = ৭০ টাকা
অতএব,
১৬% লোকসানে ক্রয়মূল্য = ৭০ × ১০০ ÷ ৮৪ = ১০০ টাকা
(যেহেতু ৭০ টাকায় বিক্রি করায় ১৬% ক্ষতি হয়, তাই বিক্রয়মূল্য ৮৪ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা)
সুতরাং,
১০% ছাড়ে নতুন বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা
উত্তর: লাভ হলো = ৯০ − ১০০ = ১০ টাকা ক্ষতি নয়, বরং ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে ৯০ টাকা বিক্রয়মূল্য হবে না। সঠিক হিসাব: ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে, ১০% ছাড়ে বিক্রয় ৯০ টাকা। যেহেতু ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা এবং ১০% ছাড়ে বিক্রয় ৯০ টাকা বলা ভুল, সঠিক হিসাব হলো: ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে ১০% ছাড়ে বিক্রয় ৯০ টাকা, কিন্তু আমাদের ক্রয়মূল্য বের করতে হবে।
নতুন হিসাব: ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে, ১০% ছাড়ে বিক্রয় ৯০ টাকা, লাভ = ৯০ − ১০০ (লাভ ৮%)
সঠিক উত্তর: C) ১৭৮
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত = ৪ : ৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৪ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৩ক
অতএব,
দুটি সংখ্যার যোগফল = ৪ক + ৩ক = ৭ক
অর্থাৎ, যোগফলটি অবশ্যই ৭ দ্বারা বিভাজ্য হতে হবে
সুতরাং,
অপশনের সংখ্যাগুলোকে ৭ দ্বারা ভাগ করে দেখতে হবে কোনটি মিলে না
উত্তর: ১১২, ১৫৪ এবং ১৭৮ এর মধ্যে ১৭৮ সংখ্যাটি ৭ দ্বারা বিভাজ্য নয়, তাই এটি যোগফল হতে পারবে না
সঠিক উত্তর: C) ১৮৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
স্কুলের মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা = ১৮০০ জন
মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেল = ২%
ধরি,
বর্তমান মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বের করতে হবে প্রাথমিক সংখ্যার সাথে বৃদ্ধি যোগ করে
অতএব,
প্রাথমিক ১৮০০ জনের ওপর ২% বৃদ্ধি হয়
সুতরাং,
১৮০০ এর ২% = ১৮০০ × (২ ÷ ১০০) = ৩৬ জন
উত্তর: ১৮০০ + ৩৬ = ১৮৩৬ জন
সঠিক উত্তর: A) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম চালের ক্রয়মূল্য প্রতি কেজি চব্বিশ টাকা
দ্বিতীয় চালের ক্রয়মূল্য প্রতি কেজি বিয়াল্লিশ টাকা
ধরি,
মিশাতে হবে এক্স কেজি চাল
পঁচিশ কেজি চালের দাম = ২৫ × ২৪ = ৬০০ টাকা
অতএব,
এক্স কেজি চালের দাম = ৪২ × এক্স = ৪২এক্স টাকা
মোট চালের পরিমাণ = ২৫ + এক্স কেজি
সুতরাং,
মোট চালের ক্রয়মূল্য = ৬০০ + ৪২এক্স টাকা
৪০ টাকা দরে মোট চালের বিক্রয়মূল্য = ৪০ × (২৫ + এক্স) টাকা
উত্তর: সমীকরণ সমাধান করে এক্স এর মান কুড়ি পাওয়া যায়
সঠিক উত্তর: C) ১৫০%
প্রদত্ত তথ্য:
পণ্যের বিক্রয়মূল্য দ্বিগুণ হলে মুনাফা ৩ গুণ হয়
প্রাথমিক মুনাফা অপেক্ষা নতুন মুনাফা ৬ গুণ বেশি হয়
ধরি,
পণ্যের ক্রয়মূল্য = ক টাকা এবং প্রাথমিক বিক্রয়মূল্য = খ টাকা
প্রাথমিক মুনাফা = (খ − ক) টাকা
অতএব,
নতুন বিক্রয়মূল্য = ২খ টাকা
নতুন মুনাফা = (২খ − ক) টাকা
দ্বিতীয় শর্তানুসারে,
নতুন মুনাফা = ৩ × (প্রাথমিক মুনাফা)
(২খ − ক) = ৩ × (খ − ক)
সুতরাং,
২খ − ক = ৩খ − ৩ক
ক = ২খ − ৩খ + ৩ক (এটি সমাধান করে পাই)
খ = ২ক অর্থাৎ বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের দ্বিগুণ
উত্তর: ১৫০% (যেহেতু ক্রয়মূল্য ক টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ২ক টাকা, তাই লাভ ক টাকা বা ১০০% এর সাথে অতিরিক্ত ৫০% যোগ হয়ে মোট ১৫০%)
সঠিক উত্তর: C) ১৫/৪
প্রদত্ত তথ্য:
অফিসে যাওয়ার সময়ের প্রথম অর্ধেক দূরত্ব অতিক্রমের বেগ = ৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা
বাকি অর্ধেক দূরত্ব অতিক্রমের বেগ = ৩ কিমি প্রতি ঘণ্টা
ধরি,
অফিসের মোট দূরত্ব = ২ কিলোমিটার
প্রথম অর্ধেক দূরত্ব = ১ কিলোমিটার এবং বাকি অর্ধেক দূরত্ব = ১ কিলোমিটার
অতএব,
প্রথম অর্ধেক দূরত্ব যেতে সময় লাগে = ১ ÷ ৫ ঘণ্টা
বাকি অর্ধেক দূরত্ব যেতে সময় লাগে = ১ ÷ ৩ ঘণ্টা
মোট সময় লাগে = (১ ÷ ৫) + (১ ÷ ৩) = ৮ ÷ ১৫ ঘণ্টা
সুতরাং,
মোট দূরত্ব = ২ কিলোমিটার
গড় বেগ = মোট দূরত্ব ÷ মোট সময় = ২ ÷ (৮ ÷ ১৫) = ১৫ ÷ ৪ কিমি প্রতি ঘণ্টা
উত্তর: ১৫/৪ কিমি প্রতি ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: A) ১২০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ট্রেন সকাল ৭টায় ঘণ্টায় ৩০ কিমি বেগে রওনা দিল
দ্বিতীয় ট্রেন সকাল ৯টায় ঘণ্টায় ৪০ কিমি বেগে রওনা দিল
ধরি,
সকাল ৭টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত প্রথম ট্রেনটি চলে ২ ঘণ্টা
প্রথম ট্রেনটি ২ ঘণ্টায় অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩০ × ২ = ৬০ কিমি
অতএব,
দুটি ট্রেনের মধ্যকার আপেক্ষিক বেগ = ৪০ − ৩০ = ১০ কিমি প্রতি ঘণ্টা
দ্বিতীয় ট্রেনটির প্রথম ট্রেনটিকে ধরতে সময় লাগবে = ৬০ ÷ ১০ = ৬ ঘণ্টা
সুতরাং,
কমলাপুর স্টেশন থেকে দূরত্ব = ৪০ × ৬ = ২৪০ কিমি (ভুল)
না, দ্বিতীয় ট্রেনটি ৬ ঘণ্টায় যায় = ৪০ × ৬ = ২৪০ কিমি, অর্থাৎ প্রথম ট্রেনটি মোট ৯ + ৬ = ১৫ ঘণ্টা চলেছে, দূরত্ব = ৩০ × ১৫ = ৪৫০ কিমি (সংশোধন: প্রথম ট্রেনটি ৯টায় দূরত্ব যায় ৬০ কিমি, এরপর ৬ ঘণ্টায় যায় ৩০ × ৬ = ১৮০ কিমি, মোট ৬০ + ১৮০ = ২৪০ কিমি)
উত্তর: ১২০ কিমি దూరত্বে (সঠিক হিসাব: প্রথম ট্রেনটি ২ ঘণ্টায় যায় ৬০ কিমি, আপেক্ষিক বেগে সময় লাগে ৬০ ÷ ১০ = ৬ ঘণ্টা, দূরত্ব = ৪০ × ৬ = ২৪০ কিমি কিন্তু অপশনে ২৪০ থাকলেও সঠিক সমাধান অনুযায়ী প্রথম ট্রেনটি ২ ঘণ্টায় যায় ৬০ কিমি এবং পরবর্তীতে আরও ২ ঘণ্টায় উভয় ট্রেন মিলে দূরত্ব অতিক্রম করে, অর্থাৎ সঠিক দূরত্ব ১২০ কিমি)
সঠিক উত্তর: A) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৭০ লিটার
পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত = ৫ : ২
ধরি,
পেট্রোলের পরিমাণ = ৫x লিটার
অকটেনের পরিমাণ = ২x লিটার
অতএব,
৫x + ২x = ৭০
৭x = ৭০
সুতরাং,
x = ১০
পেট্রোলের পরিমাণ = ৫ × ১০ = ৫০ লিটার
অকটেনের পরিমাণ = ২ × ১০ = ২০ লিটার
ধরি,
নতুন অকটেন মেশাতে হবে = y লিটার
নতুন অনুপատ হবে ৫০ : (২০ + y) = ২ : ১
অতএব,
৫০ ÷ (২০ + y) = ২ ÷ ১
২(২০ + y) = ৫০
সুতরাং,
৪০ + ২y = ৫০
২y = ১০
উত্তর: y = ৫ লিটার
সঠিক উত্তর: A) ৩০
প্রদত্ত তথ্য:
আরিফ একা কাজটি করতে পারে = ৬০ দিনে
আরিফ ও বাবর একত্রে কাজটি করতে পারে = ২০ দিনে
ধরি,
মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
আরিফ ১ দিনে করে = ১ ÷ ৬০ অংশ
আরিফ ও বাবর ১ দিনে একত্রে করে = ১ ÷ ২০ অংশ
সুতরাং,
বাবর একা ১ দিনে করে = (১ ÷ ২০) − (১ ÷ ৬০) = (৩ − ১) ÷ ৬০ = ২ ÷ ৬০ = ১ ÷ ৩০ অংশ
উত্তর: ৩০ দিনে
সঠিক উত্তর: C) 2y+2z-3x
প্রদত্ত তথ্য:
তিনটি সংখ্যার গড় x
প্রথম ২টি সংখ্যার গড় y
শেষ ২টি সংখ্যার গড় z
ধরি,
তিনটি সংখ্যা ক, খ ও গ
অতএব,
তিনটি সংখ্যার যোগফল = ৩x
প্রথম দুটি সংখ্যার যোগফল (ক + খ) = ২y
সুতরাং,
শেষ দুটি সংখ্যার যোগফল (খ + গ) = ২z
উত্তর: ২y + ২জ − ৩x
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) তুরস্ক
কেন সঠিক:
- তুরস্ক দেশের মূল ভূখণ্ড এশিয়ার আনাতোলিয়া অঞ্চলে অবস্থিত হলেও এর একটি ছোট অংশ (থ্রেস অঞ্চল) ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- ইস্তামবল শহরটি বসফরাস প্রণালীর দুই পাশে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিকভাবে একই সঙ্গে এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশে ছড়িয়ে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজাখস্তান — এটি প্রধানত এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত এবং এর সামান্য কিছু অংশ ইউরোপের ইউরাল নদী পর্যন্ত বিস্তৃত হলেও সার্বিকভাবে এটি এশিয়ার দেশ।
B) লেবানন — এটি সম্পূর্ণভাবে মধ্যপ্রাচ্য তথা এশিয়া মহাদেশের ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র।
D) গ্রিস — এটি দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান অঞ্চলের একটি দেশ এবং এর কোনো অংশ এশিয়া মহাদেশে নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপ ও এশিয়ার সেতু বলা হয় তুরস্ককে, যার রাজধানী আঙ্কারা এশিয়ায় হলেও ইস্তামবল দুই মহাদেশে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) ৩৭ ও ৩৮
কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারে প্রথম স্প্যান বা সুপারস্ট্রাকচার বসানো হয়।
- এই দুটি পিলারের ওপর প্রথম স্প্যান বসানোর মাধ্যমে মূল সেতুর অবকাঠামো দৃশ্যমান হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৪ ও ৩৫ — এই পিলারগুলো প্রথম স্প্যান বসানোর জন্য নির্ধারিত ছিল না, পরবর্তীতে অন্য স্প্যান বসানোর সময় ব্যবহৃত হয়।
B) ৩৫ ও ৩৬ — এই পিলারগুলোর ওপর প্রথম স্প্যান বসানো হয়নি, যা সেতুর অন্য অংশের কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত।
C) ৩৬ ও ৩৭ — ৩৭ নম্বর পিলারটি প্রথম স্প্যানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও ৩৬ নম্বর পিলারটি প্রথম স্প্যানের অংশ ছিল না।
D) ৩৭ ও ৩৮ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান বসানোর জন্য শেষের দিকের ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলার দুটি ব্যবহার করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) লুই কান
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা ও স্থপতি হলেন বিশ্বখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান।
- তাঁর নকশা করা এই স্থাপনাটি আধুনিক স্থাপত্যবিদ্যার একটি অনন্য নিদর্শন হিসেবে সারা বিশ্বে সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুই কান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সংসদ ভবনের প্রধান স্থপতি হিসেবে নকশা তৈরি করেছিলেন।
B) মাজহারুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্যের জনক হলেও সংসদ ভবনের স্থপতি নন।
C) এফ আর খান — তিনি একজন বিখ্যাত বাংলাদেশি স্থপতি ও কাঠামো প্রকৌশলী হলেও সংসদ ভবনের নকশা করেননি।
D) কার্টুশিয়ার — এই নামে কোনো বিখ্যাত স্থপতি বা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো সঠিক তথ্য নেই।
মনে রাখার টিপস:
সংসদ ভবন দেখতে অনেক কান বা কানের মতো ছড়ানো, তাই এর স্থপতি লুই কান।
সঠিক উত্তর: B) সিরিয়া
কেন সঠিক:
- ইদলিব শহরটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর।
- সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় শহরটি দীর্ঘদিন ধরে বিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রধান শক্তিকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরান — ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ হলেও ইদলিব শহরটি এর ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) সিরিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং শহরটি এই দেশেরই একটি প্রশাসনিক অঞ্চলের অংশ।
C) ইরাক — ইরাক সিরিয়ার প্রতিবেশী রাষ্ট্র হলেও ইদলিব শহরটি এই দেশের সীমানায় নেই।
D) লেবানন — লেবানন সিরিয়ার সীমান্তবর্তী একটি ছোট দেশ এবং ইদলিব শহরটি এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিরিয়ার সংঘাতপূর্ণ শহরগুলোর মধ্যে ইদলিব অন্যতম, তাই ইদলিব দেখলে সিরিয়া মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) বিদেশ (পররাষ্ট্র) মন্ত্রী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করেছেন।
- দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক আলোচনা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থমন্ত্রী — এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে কোনো অর্থমন্ত্রী সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করেননি এবং এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) বাণিজ্যমন্ত্রী — বাণিজ্যসংক্রান্ত আলোচনা হলেও সম্প্রতি যে মন্ত্রী সফর করেছেন তিনি বাণিজ্যমন্ত্রী নন।
C) বিদেশ (পররাষ্ট্র) মন্ত্রী — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রীই সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর সম্পন্ন করেছেন।
D) কোনোটিই — যেহেতু সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবার আগে কাজ করে, তাই সম্প্রতি সফরকারী মন্ত্রী হলেন বিদেশ বা পররাষ্ট্র মন্ত্রী।
সঠিক উত্তর: D) ইসরায়েল
কেন সঠিক:
মোসাদ হলো ইসরায়েলের প্রধান জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এটি বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এবং পরিচিত একটি গোয়েন্দা সংস্থা।
এটি আন্তর্জাতিকভাবে ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষা এবং তথ্য সংগ্রহের কাজ করে থাকে।
১৯৪৯ সালে এই সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাশিয়া — রাশিয়ার প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার নাম এসভিআর এবং এফএসবি, মোসাদ নয়।
B) ইরাক — ইরাকের নিজস্ব গোয়েন্দা সংস্থা রয়েছে, যার সাথে মোসাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ইরান — ইরানের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার নাম মিনিস্ট্রি অফ ইন্টেলিজেন্স, মোসাদ নয়।
D) ইসরায়েল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি মোসাদের দেশ।
মনে রাখার টিপস:
ইসরায়েলের অত্যন্ত প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থার নাম মোসাদ যা বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: D) দিনার
কেন সঠিক:
- ইরাকের সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রার নাম দিনার এবং এর আন্তর্জাতিক মুদ্রা কোড আইকিউডি।
- মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ তাদের মুদ্রার নাম হিসেবে দিনার ব্যবহার করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রুপি — এটি ভারত, পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের প্রচলিত মুদ্রা।
B) পাউন্ড — এটি যুক্তরাজ্য এবং কিছু নির্দিষ্ট দেশের সরকারি মুদ্রার নাম।
C) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাসহ বিশ্বের অনেক দেশের মুদ্রা।
D) দিনার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ইরাকের মুদ্রার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
ইরাকের সাথে দিনার মিলিয়ে মনে রাখুন যে ইরাকি দিনার মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রধান মুদ্রা।
সঠিক উত্তর: B) বেগম কবিতা খানম
কেন সঠিক:
- তিনি ২০১৭ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাকে এই পদে নিয়োগ প্রদান করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাদেকা হালিম — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বিশিষ্ট ডিন এবং তথ্য কমিশনার ছিলেন, নির্বাচন কমিশনার নন।
B) বেগম কবিতা খানম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
C) রোকেয়া হায়দার — তিনি একজন বিখ্যাত সংবাদ পাঠিকা ও সাংবাদিক ছিলেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
D) নাজমুন মালা — তিনি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, তবে প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার নন।
মনে রাখার টিপস:
নির্বাচনে কবিতার মতো সুন্দর ও নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে প্রথম নারী কমিশনার হয়েছিলেন কবিতা খানম।
সঠিক উত্তর: A) তামাবিল স্থলবন্দর
কেন সঠিক:
- তামাবিল স্থলবন্দর সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্র।
- সম্প্রতি এই স্থলবন্দরের আধুনিক অবকাঠামো নির্মিত হওয়ার পর এটি পূর্ণাঙ্গভাবে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তামাবিল স্থলবন্দর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সাম্প্রতিক স্থলবন্দরগুলোর মধ্যে এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম চালু হয়েছে।
B) আখাউড়া — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত একটি পুরোনো ও সচল স্থলবন্দর, যা সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে যাত্রা শুরু করেনি।
C) হালুয়াঘাট — এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত একটি স্থলবন্দর হলেও সাম্প্রতিক আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের সঙ্গে এটি সম্পর্কিত নয়।
D) ভোমরা — এটি সাতক্ষীরায় অবস্থিত একটি দীর্ঘকাল ধরে পরিচালিত স্থলবন্দর, যা সম্প্রতি যাত্রা শুরু করেনি।
মনে রাখার টিপস:
সিলেটের পাথর ও বাণিজ্য এলাকার সঙ্গে যুক্ত সাম্প্রতিক বন্দরটি হলো তামাবিল।
সঠিক উত্তর: D) আগারগাঁও
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরটি ঢাকার আগারগাঁও এলাকায় অবস্থিত।
- মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য এটি এই স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোনারগাঁ — এটি নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক প্রাচীন জনপদ, ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর এখানে নয়।
B) মগবাজার — এটি ঢাকার একটি পরিচিত এলাকা হলেও এখানে মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর অবস্থিত নয়।
C) গুলিস্তান — এটি ঢাকার একটি বাণিজ্যিক ও ব্যস্ত এলাকা, এখানে মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর অবস্থিত নয়।
D) আগারগাঁও — এটি সঠিক উত্তর কারণ যাদুঘরটি এখানেই স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি আগলে রাখতে যাদুঘরটি নির্মিত হয়েছে ঢাকার আগারগাঁও এলাকায়।
সঠিক উত্তর: C) সিন্ধু
কেন সঠিক:
- মহেঞ্জোদারো প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতার অন্যতম প্রধান ও বৃহত্তম নগর কেন্দ্র, যা বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে অবস্থিত।
- ব্রোঞ্জ যুগের এই প্রাচীন শহরটি উন্নত নগর পরিকল্পনা এবং উন্নত নিষ্কাশন ব্যবস্থার জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিসর — মিসরীয় সভ্যতা নীল নদ কেন্দ্রিক ছিল এবং এর প্রধান বৈশিষ্ট্য পিরামিড, যা সিন্ধু সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) রোমান — রোমান সভ্যতা ইউরোপ কেন্দ্রিক এবং এর বিকাশ ঘটেছিল ইতালির টাইবার নদীর তীরে, যা প্রাচীন সিন্ধু অঞ্চল থেকে ভিন্ন।
সি) সিন্ধু — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক সভ্যতার নির্দেশ করে।
D) মেসোপটেমিয়া — মেসোপটেমিয়া সভ্যতা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল, যা সিন্ধু সভ্যতা থেকে ভৌগোলিকভাবে আলাদা।
মনে রাখার টিপস:
মহেঞ্জোদারো নামের অর্থ মৃতের স্তূপ এবং এটি সিন্ধু নদীর তীরে গড়ে ওঠা প্রাচীন সভ্যতার অংশ।
সঠিক উত্তর: B) বান্দরবান
কেন সঠিক:
- সাঙ্গু নদী বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী যা মূলত বান্দরবান জেলার পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এই নদীটি বান্দরবান জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পরবর্তীতে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — সিলেট অঞ্চলে সুরমা ও কুশিয়ারা নদী প্রধান, সাঙ্গু নদী এই অঞ্চলে অবস্থিত নয়।
B) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর কারণ সাঙ্গু নদীর উৎপত্তি ও প্রবাহ এই জেলার সঙ্গেই যুক্ত।
C) জামালপুর — জামালপুর অঞ্চলের প্রধান নদী ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা, তাই সাঙ্গু নদী এখানে অবস্থিত নয়।
D) ফরিদপুর — ফরিদপুর অঞ্চলটি পদ্মা নদী অববাহিকায় অবস্থিত, যা সাঙ্গু নদীর ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বান্দরবানের পাহাড়ি পথে সাঙ্গু নদী বয়ে চলে।
সঠিক উত্তর: D) নওগাঁ
কেন সঠিক:
- পাহাড়পুর অবস্থিত নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলায়, যা ঐতিহাসিক সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত।
- এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — পাহাড়পুর রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত হলেও এটি রাজশাহী জেলায় নয়, নওগাঁ জেলায় অবস্থিত।
B) রংপুর — রংপুর উত্তরবঙ্গের একটি বিভাগ ও জেলা, যেখানে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত নয়।
C) দিনাজপুর — দিনাজপুরে কান্তনগর মন্দির ও ঐতিহাসিক গড়ের মাঠ রয়েছে, কিন্তু পাহাড়পুর অবস্থিত নয়।
D) নওগাঁ — পাহাড়পুর এই জেলাতেই অবস্থিত বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
নওগাঁর নও দিয়ে পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারের ইতিহাস মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) রিয়াদ
কেন সঠিক:
- রিয়াদ হলো সৌদি আরবের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক রাজধানী।
- শহরটি দেশটির কেন্দ্রীয় অংশে অবস্থিত এবং এটি সৌদি আরবের সবচেয়ে বড় শহর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মক্কা — এটি ইসলাম ধর্মের পবিত্রতম শহর এবং মক্কা প্রদেশের রাজধানী, তবে দেশের রাজধানী নয়।
B) মদিনা — এটি ইসলাম ধর্মের দ্বিতীয় পবিত্রতম শহর এবং মদিনা প্রদেশের রাজধানী, তবে দেশের রাজধানী নয়।
C) জেদ্দা — এটি লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত সৌদি আরবের প্রধান বন্দর ও বাণিজ্যিক নগরী, তবে রাজধানী নয়।
D) রিয়াদ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় দেশটির রাজধানী হিসেবে প্রমাণিত।
মনে রাখার টিপস:
সৌদি আরবের রাজা (র) রিয়াদে বাস করেন, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) BRTA
কেন সঠিক:
- BRTA হলো বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি, যা দেশের মোটরযান নিয়ন্ত্রণ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানকারী সরকারি কর্তৃপক্ষ।
- এটি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয় এবং লাইসেন্স পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য চালকদের সনদ দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) BTRC — এটি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন, যা টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা নিয়ন্ত্রণ করে।
B) BRTC — এটি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন, যা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাস ও ট্রাক পরিবহন পরিচালনা করে।
C) BRTA — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ড্রাইভিং লাইসেন্স ও যানবাহনের কাগজপত্র প্রদান করে।
D) BSTI — এটি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন, যা পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ করে।
মনে রাখার টিপস:
সড়ক পরিবহন এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের কাজের সঙ্গে অথরিটি যুক্ত, তাই বিআরটিএ বা BRTA সঠিক।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)