বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: উপসহকারী পরিচালক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a পিপীলিকা, নির্নিমেষ
b পিপীলিকা, নির্নিমেষ
c পিপিলিকা, নির্নিমেস
d পিপিলিকা, নির্নিমেশ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পিপীলিকা, নির্নিমেষ ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী পিপীলিকা শব্দে প্রথম ই-কার এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় ই-কার দীর্ঘ ই-কার হয়। - নির্নিমেষ শব্দটিতে উপসর্গ ও ধাতুর নিয়মে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয় এবং ই-কার হ্রস্ব হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানে অতৎসম শব্দে ই-কার ব্যবহারের সাধারণ নিয়ম প্রচলিত থাকলেও তৎসম শব্দে সংস্করণের ব্যাকরণ অনুসরণ করা হয়। - নি উপসর্গযুক্ত শব্দে সাধারণত ই-কার হ্রস্ব হয় এবং শেষের বর্ণে তালব্য শ অথবা মূর্ধন্য ষ এর সঠিক প্রয়োগ দেখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধিজীবী ব্যাখ্যা: এই শব্দটির উভয় ই-কারই দীর্ঘ হয় যা প্রমিত বানানরীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। উদাহরণ ২: নীতিনির্ধারক ব্যাখ্যা: এখানে নীতি শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার এবং নির্ধারক শব্দে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিপীলিকা, নির্নিমেষ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং বাংলা একাডেমি বানানরীতি মেনে চলে। B) পিপীলিকা, নির্নিমেষ — এটি মূল উত্তরের অনুরূপ হওয়ায় এটিও সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) পিপিলিকা, নির্নিমেস — এখানে পিপিলিকা শব্দে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে এবং নির্নিমেস বানানে ভুল বর্ণ রয়েছে। D) পিপিলিকা, নির্নিমেশ — এখানে প্রথম শব্দটি ভুল কারণ এতে দীর্ঘ ই-কার ব্যবহার করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - পিপীলিকা বানানে মনে রাখবে পি-পী-লি-কা অর্থাৎ মাঝের অক্ষরটিতে দীর্ঘ ঈ-কার বসে। - নির্নিমেষ বানানে নিমেষ শব্দের আগে নি উপসর্গ যুক্ত হয়ে গঠিত হয় এবং শেষে মূর্ধন্য ষ বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান এবং ই-কার দীর্ঘ ই-কার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a যাত্রা
b দুই সৈনিক
c রাইফেল রোটি আওরাত
d নীল ময়ূরের যৌবন
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নীল ময়ূরের যৌবন ১. কেন সঠিক: - নীল ময়ূরের যৌবন উপন্যাসটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়, বরং এটি মৈমনসিংহ গীতিকার মহুয়ার পালা অবলম্বনে রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো সপ্তদশ শতকের পটভূমিতে গ্রামীণ লোকজীবন, প্রেম এবং তৎকালীন সামাজিক ও ধর্মীয় দ্বন্দ্ব। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসের রচয়িতা ప్రముఖ ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন যিনি বাংলা কথাসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। - এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য না হওয়ায় প্রশ্নানুযায়ী এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দিনলিপি বা স্মৃতিকথা। উদাহরণ ২: রেইনকোট ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি প্রখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যাত্রা — শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। B) দুই সৈনিক — শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত ছোটগল্প। C) রাইফেল রোটি আওরাত — আনোয়ার পাশা রচিত প্রথম প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ইংরেজি উপন্যাস যার বাংলা অনুবাদও রয়েছে। D) নীল ময়ূরের যৌবন — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং ঐতিহাসিক ও লোকগাথাভিত্তিক উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখতে লেখকদের নাম যেমন শওকত ওসমান বা আনোয়ার পাশার যুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে পারো। লোকগাথাভিত্তিক উপন্যাসগুলো সাধারণত মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয় না, তাই সেলিনা হোসেনের এই উপন্যাসটি ব্যতিক্রম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ও অ-মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। লেখকদের ঐতিহাসিক বা লোকগাথাভিত্তিক উপন্যাসের তালিকা আলাদা করে পড়লে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a দৌলত উজির বাহরাম খান
b দোনাগাজী
c আলাওল
d ফকির গরীবুল্লাহ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলাওল ১. কেন সঠিক: - আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কবি ছিলেন যিনি সপ্তদশ শতাব্দীতে রোসাং বা আরাকান রাজসভায় সাহিত্যচর্চা করেছিলেন। - আরাকান রাজসভা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মুসলিম কবিদের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠা একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকেন্দ্র ছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহা কবি আলাওল সপ্তদশ শতাব্দীতে আরাকান রাজসভার মন্ত্রী মাগন ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় তার বিখ্যাত পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন। - তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান, সপ্তপয়কর, তোহফা ও সিকান্দরনামা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত কাজী ব্যাখ্যা: দৌলত কাজীও আরাকান রাজসভার একজন বিশিষ্ট কবি ছিলেন যিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা করেন। উদাহরণ ২: কোরেশী মাগন ঠাকুর ব্যাখ্যা: কোরেশী মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার একজন মন্ত্রী ও কবি ছিলেন যিনি চন্দ্রাবতী কাব্য রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত উজির বাহরাম খান — দৌলত উজির বাহরাম খান মধ্যযুগের একজন কবি হলেও তিনি আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন না, তিনি বাংলার সুলতানি আমলের কবি ছিলেন। B) দোনাগাজী — দোনাগাজী চৌধুরী একজন মধ্যযুগের কবি যিনি সত্যপীরের পুঁথি রচনা করেছিলেন, তবে তিনি আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন না। C) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি আরাকান রাজসভার সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ছিলেন। D) ফকির গরীবুল্লাহ — ফকির গরীবুল্লাহ মধ্যযুগের শেষভাগের কবি যিনি আমীর হামজা কাব্য রচনা করেছিলেন, তবে তিনি আরাকান রাজসভার কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - আরাকান রাজসভার প্রধান কবিদের মনে রাখার সহজ ছন্দ হলো আলাওল, দৌলত কাজী ও কোরেশী মাগন ঠাকুর। - মধ্যযুগের রোসাং রাজসভার সঙ্গে আলাওলের নাম সবচেয়ে বেশি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ্মাবতী কার রচনা বা আরাকান রাজসভার কবি কে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে আরাকান রাজসভার অবদান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ঘরানার প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা যায়।
a কবীন্দ্র পরমেশ্বর
b নিত্যানন্দ আচার্য
c কৃত্তিবাস
d চন্দ্রাবতী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবীন্দ্র পরমেশ্বর ১. কেন সঠিক: - কবীন্দ্র পরমেশ্বর রামায়ণের অনুবাদক নন, তিনি মহাভারতের বাংলা অনুবাদের সঙ্গে যুক্ত। - তিনি শ্রীকর নন্দীর সঙ্গে গৌড়ের পরাগল খানের নির্দেশে মহাভারতের একটি অংশের বঙ্গানুবাদ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রামায়ণ ও মহাভারত অনুবাদ করার একটি ধারা গড়ে উঠেছিল। - বাংলা সাহিত্যের এই অনুবাদ সাহিত্য যুগটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও অনুবাদ সাহিত্য ধারার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃত্তিবাস ওজা ব্যাখ্যা: তিনি বাংলায় রামায়ণের প্রথম ও সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুবাদক, যিনি আদি কৃত্তিবাসী রামায়ণ রচনা করেছেন। উদাহরণ ২: কাশীরাম দাস ব্যাখ্যা: তিনি মধ্যযুগের মহাভারতের শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় অনুবাদক, যা মহাভারত চর্চায় মাইলফলক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবীন্দ্র পরমেশ্বর — তিনি রামায়ণের অনুবাদক নন, বরং তিনি মহাভারতের কিয়দংশ বা পরাগলী মহাভারতের অনুবাদক। B) নিত্যানন্দ আচার্য — তিনি মধ্যযুগের একজন রামায়ণের অনুবাদক হিসেবে পরিচিত, যিনি কৃত্তিবাসী ধারা অনুসরণ করেছিলেন। C) কৃত্তিবাস — তিনি বাংলা সাহিত্যের আদি ও সর্বাধিক পরিচিত রামায়ণের অনুবাদক, তাই এটি উত্তর হবে না। D) চন্দ্রাবতী — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি এবং বিখ্যাত রামায়ণের নারী দৃষ্টিভঙ্গির রচয়িতা, তাই এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কবীন্দ্র পরমেশ্বর ও শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অনুবাদক আর কৃত্তিবাস, চন্দ্রাবতী ও নিত্যানন্দ আচার্য রামায়ণের অনুবাদক। - নামের সঙ্গে যুক্ত গ্রন্থ মনে রাখার জন্য কবিদের পরিচিতি চার্ট আকারে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের কবি এবং তাদের গ্রন্থগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - রামায়ণ ও মহাভারতের প্রধান অনুবাদকদের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a গ্রন্থপঞ্জি
b নির্ঘণ্ট
c ক্রোড়পত্র
d পরিশিষ্ট
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্রোড়পত্র ১. কেন সঠিক: - 'Annexe' বা 'Annex' ইংরেজি শব্দটির প্রমিত বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো 'ক্রোড়পত্র'। - সাধারণত কোনো মূল দলিল, চুক্তি, প্রতিবেদন বা বইয়ের শেষে অতিরিক্ত বা সংযুক্তি হিসেবে যে কাগজ বা অংশ যুক্ত করা হয়, তাকে ক্রোড়পত্র বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ব্যাকরণ অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। - বিদেশি প্রশাসনিক, আইনি, সাহিত্যিক বা প্রাতিষ্ঠানিক শব্দের সঠিক ও সুন্দর বাংলা রূপ তৈরি করার জন্য পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চুক্তির শেষে নতুন শর্তগুলো ক্রোড়পত্র আকারে যুক্ত করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে মূল চুক্তির অতিরিক্ত অংশ বোঝাতে Annexe শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে ক্রোড়পত্র ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: মূল প্রতিবেদনের সঙ্গে একটি বিশদ ক্রোড়পত্র সংযোজিত আছে। ব্যাখ্যা: মূল তথ্যের বাইরে অতিরিক্ত বা পরিপূরক তথ্য বোঝাতে ক্রোড়পত্র শব্দটির ব্যবহার দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রন্থপঞ্জি — এটি ইংরেজি Bibliography শব্দের পরিভাষা, যার অর্থ বইয়ের তালিকা। B) নির্ঘণ্ট — এটি ইংরেজি Index শব্দের পরিভাষা, যার অর্থ বিষয়বস্তুর ক্রমানুসারে সাজানো তালিকা। D) পরিশিষ্ট — এটি ইংরেজি Appendix শব্দের পরিভাষা, যার অর্থ বইয়ের শেষে সংযোজিত অতিরিক্ত অংশ। ৫. মনে রাখার টিপস: - Annexe মানে মূল বিষয়ের সঙ্গে বাড়তি কিছু কোলের বা কাছের মতো জুড়ে দেওয়া, তাই এর পরিভাষা ক্রোড়পত্র। - পরিশিষ্ট হলো Appendix এবং ক্রোড়পত্র হলো Annexe, এই সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক পারিভাষিক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - Appendix এবং Annexe শব্দ দুটির বাংলা পরিভাষা প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই এদের ইংরেজি অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ভারতী
b যুগান্তর
c সবুজপত্র
d সওগাত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সবুজপত্র ১. কেন সঠিক: প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকা হলো সবুজপত্র। বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে এবং গদ্যে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগাতে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অসামান্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবক্তা এবং বীরবল ছদ্মনামের জনক। ১৯১৪ সালের মে মাসে প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকার মাধ্যমে তিনি ও তাঁর অনুসারীরা বাংলা গদ্যে সাধু ভাষার পরিবর্তে চলিত ভাষা ব্যবহারের আন্দোলন গড়ে তোলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনাম ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী তার সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকায় বীরবল ছদ্মনামে বিভিন্ন মননশীল প্রবন্ধ ও নিবন্ধ লিখতেন। উদাহরণ ২: চার ইয়ারী কথা ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত একটি সাহিত্যকর্ম যা সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি চলতি ভাষার অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতী - এই সাহিত্যপত্রিকাটি প্রমথ চৌধুরী দ্বারা সম্পাদিত ছিল না, বরং এটি জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার থেকে প্রকাশিত হতো এবং দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন। B) যুগান্তর - এটি একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক পত্রিকা ও দৈনিক সংবাদপত্র ছিল, যা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় প্রকাশিত হতো এবং এর সাথে প্রমথ চৌধুরীর সম্পৃক্ততা ছিল না। D) সওগাত - এটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সম্পাদিত একটি জনপ্রিয় মুসলিম সাহিত্য পত্রিকা ছিল, যার সাথে প্রমথ চৌধুরীর কোনো সম্পাদনাগত সম্পর্ক ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: সবুজ পাতার প্রমথ চৌধুরী: মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন সবুজ পাতার ওপর প্রমথ চৌধুরী চলিত ভাষার কলম চালিয়েছিলেন। এভাবে খুব সহজেই পত্রিকা ও সম্পাদকের নাম স্মরণে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবক্তা কে এবং তাঁর সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী, বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি অত্যন্ত নিয়মিতভাবে আসে। তাই প্রমথ চৌধুরী ও সবুজপত্র পত্রিকাটি ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a চক্রবাক
b আলেয়া
c মৃত্যুক্ষুধা
d সাম্যবাদী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৃত্যুক্ষুধা ১. কেন সঠিক: - মৃত্যুক্ষুধা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের দরিদ্র মানুষের জীবন সংগ্রাম ও ক্ষুৎপাসার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও তিনি মূলত তিনটি উপন্যাস রচনা করেছেন। - তাঁর রচিত উপন্যাস তিনটি হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম পত্রোপন্যাসের আঙ্গিকে রচিত উপন্যাস। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি রাজনৈতিক পটভূমির উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস নয়। B) আলেয়া — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গীতি নাট্য বা নৃত্যনাট্য। D) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সমতা ও মানবতাবাদের বাণী সংবলিত একটি বিখ্যাত কবিতাগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের তিনটি উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বাঁধনে মৃত্যু হলো কুহেলিকার। এখানে বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা এই তিনটি উপন্যাস বোঝানো হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের নাম মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তাই উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদাভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
a সমক্ষ
b প্রত্যক্ষ
c নিরপেক্ষ
d পরোক্ষ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমক্ষ ১. কেন সঠিক: অক্ষির সমীপে এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো সমক্ষ। এখানে অক্ষি শব্দের অর্থ চোখ এবং সমীপে শব্দের অর্থ নিকটে বা সামনে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়ম ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষির সামনে এই বাক্যাংশের সংক্ষেপণ প্রত্যক্ষ। এটি ইন্দ্রিয়ের গোচরীভূত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: চোখের সামনে যা অবস্থিত তা বোঝাতে প্রত্যক্ষ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: অক্ষির অগোচরে এই বাক্যাংশের সংক্ষেপণ পরোক্ষ। এটি চোখের সামনে নেই এমন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: যা চোখের আড়ালে ঘটে তা নির্দেশ করতে পরোক্ষ শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমক্ষ — এটি অক্ষির সমীপে বাক্যাংশের সঠিক এককথায় প্রকাশ। তাই এটি সঠিক উত্তর। B) প্রত্যক্ষ — এই শব্দটির অর্থ যা অক্ষির বা চোখের সামনে বর্তমান। এটি অক্ষির সমীপে-এর সরাসরি এককথায় প্রকাশ নয়। C) নিরপেক্ষ — এই শব্দটির অর্থ যার কোনো পক্ষ বা পক্ষপাত নেই। এটি অক্ষির সমীপে বাক্যাংশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) পরোক্ষ — এই শব্দটির অর্থ যা চোখের অগোচরে বা আড়ালে অবস্থিত। এটি অক্ষির সমীপে-এর বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: অক্ষি শব্দের অর্থ চোখ এবং সমীপে মানে সামনে বা নিকটে। চোখ বা অক্ষির সঙ্গে সমীপে যুক্ত থাকলে সমক্ষ শব্দটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এককথায় প্রকাশ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অক্ষি সম্পর্কিত শব্দ যেমন সমক্ষ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রায়ই পরীক্ষাতে একসঙ্গে অপশনে থাকে, তাই এদের অর্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a অরণ্য
b পর্বত
c সমুদ্র
d স্থাবর
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্থাবর ১. কেন সঠিক: - 'জঙ্গম' শব্দের অর্থ যা গতিশীল বা যা নড়াচড়া করতে পারে। এর বিপরীতে যে বস্তু বা প্রাণী স্থির থাকে বা নড়াচড়া করতে পারে না তাকে বোঝাতে 'স্থাবর' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে এই দুটি শব্দ প্রায়শই পরীক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের জন্য নির্বাচন করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে পরস্পরবিরোধী অর্থ প্রকাশকারী শব্দকে বোঝায়। বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে এই ধরনের বিপরীত শব্দ বেশি দেখা যায়। - 'জঙ্গম' এবং 'স্থাবর' উভয় শব্দই মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এগুলো পারিভাষিক ও সাধু প্রকৃতির শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সচল এর বিপরীতার্থক শব্দ অচল। ব্যাখ্যা: সচল বলতে গতিশীল অবস্থাকে বোঝায় এবং অচল বলতে স্থির অবস্থাকে নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: চেতন এর বিপরীতার্থক শব্দ অচেতন। ব্যাখ্যা: চেতন হলো জীবনের বা বুদ্ধির উপস্থিতি এবং অচেতন হলো তার সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অরণ্য — অরণ্য শব্দের অর্থ বন বা জঙ্গল, যা জঙ্গম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) পর্বত — পর্বত শব্দের অর্থ পাহাড়, যা একটি ভৌগোলিক শব্দ এবং এর বিপরীতার্থক এটি নয়। C) সমুদ্র — সমুদ্র শব্দের অর্থ সাগর, যা জলরাশি সংক্রান্ত শব্দ এবং এর কোনো বিপরীত সম্পর্ক নেই। D) স্থাবর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা জঙ্গম শব্দের অর্থগত দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - জ দিয়ে শুরু জঙ্গম অর্থ গতিশীল এবং স্থাবর অর্থ স্থির, এভাবে জ এবং স এর বিপরীত সম্পর্ক মনে রাখা যায়। - পরীক্ষায় স্থাবর সম্পত্তি ও অস্থাবর সম্পত্তির ধারণার সঙ্গে মিলিয়ে এই বিপরীত শব্দ সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - স্থাবর ও জঙ্গম জোড়টি আইনগত এবং প্রশাসনিক বাংলাতেও বহুবার ব্যবহৃত হয়েছে।
a নাটক
b উপন্যাস
c ছোটগল্প
d কবিতা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - 'শেষের কবিতা' একটি উপন্যাস হওয়া সত্ত্বেও এর নামের মধ্যে 'কবিতা' শব্দটি থাকায় পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই এটিকে কাব্যগ্রন্থ বা কবিতা ভেবে ভুল করে থাকেন। - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পরীক্ষামূলক উপন্যাস, যেখানে প্রচলিত উপন্যাসের ধারা ভেঙে ভিন্নধর্মী গদ্যশৈলী ও কাব্যিক রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - ১৯২৯ সালে প্রকাশিত 'শেষের কবিতা' উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য সেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'নষ্টনীড়' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প, যা অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় 'চারুলতা' চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন। উদাহরণ ২: 'চোখের বালি' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — শেষের কবিতা কোনো নাটক নয়, এটি একটি গদ্য উপন্যাস যার মধ্যে প্রচুর কাব্যিক সংলাপ ও কবিতা রয়েছে। B) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও অনন্য উপন্যাস। C) ছোটগল্প — এটি কোনো ছোটগল্প নয়, বরং পরিপূর্ণ একটি উপন্যাস যার কলেবর ছোটগল্পের চেয়ে অনেক বড়। D) কবিতা — নামের শেষে কবিতা থাকলেও এটি কোনো কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি একটি উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও 'শেষের কবিতা' আসলে একটি উপন্যাস। - অমিত ও লাবণ্য চরিত্রের নাম মনে রাখলে এটি উপন্যাস হিসেবে সহজে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নামের সঙ্গে মিল না থাকা সত্ত্বেও উপন্যাসের ধরন নির্ণয় করার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে।
a শ্রীকান্ত
b গৃহদাহ
c পথের দাবী
d শেষ প্রশ্ন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পথের দাবী ১. কেন সঠিক: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'পথের দাবী' উপন্যাসটি ব্রিটিশ সরকার ১৯২৬ সালে বাজেয়াপ্ত করেছিল। - উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল বিপ্লববাদ ও ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, যা তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৈরি করতে পারে এই আশায় তা নিষিদ্ধ করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, যিনি সমাজ সংস্কার ও মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ে বহু উপন্যাস রচনা করেছেন। - 'পথের দাবী' তার একটি রাজনৈতিক উপন্যাস, যেখানে প্রধান চরিত্র হিসেবে আমরা অপূর্বর পাশাপাশি বিপ্লবী চরিত্র সব্যসাচীকে দেখতে পাই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুলের 'বিষের বাঁশি' কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী সুর থাকার কারণে নজরুলের এই কাব্যগ্রন্থটিও এক সময় বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের 'বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও ধ্রুপদী উপন্যাস, যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীকান্ত — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস, যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় হলেও ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। B) গৃহদাহ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা মূলত ত্রিকোণ প্রেমের সম্পর্কের ওপর আবর্তিত এবং এটি বাজেয়াপ্ত হয়নি। C) পথের দাবী — এই উপন্যাসটি ব্রিটিশ বিরোধী রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত হওয়ায় তৎকালীন সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করেছিল এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) শেষ প্রশ্ন — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি প্রগতিশীল রোমান্টিক উপন্যাস, যা নারী স্বাধীনতা ও প্রেমের নতুন সংজ্ঞা তুলে ধরে এবং এটি বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: বিপ্লবীদের নিয়ে লেখা শরৎচন্দ্রের একমাত্র রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' এবং ব্রিটিশ সরকার বিপ্লবকে ভয় পেয়ে সবার আগে এই বইটাই বাজেয়াপ্ত করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ব্রিটিশ সরকারের আমলে বাজেয়াপ্ত হওয়া বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম কোনটি, তাই শরৎচন্দ্রের 'পথের দাবী' এবং নজরুলের 'বিষের বাঁশি' বা 'ভাঙার গান' ভালোভাবে মনে রাখবে।
a কালকূট
b মজলুম আদিব
c অনিলা দেবী
d মৈনাক
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কালকূট কেন সঠিক: - বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ বসু বাংলা সাহিত্যে কালকূট ছদ্মনামে বহু জনপ্রিয় উপন্যাস ও ভ্রমণকাহিনি রচনা করেছেন। - তাঁর কালকূট ছদ্মনামে লেখা উপন্যাসগুলোর মধ্যে অগ্নগর্ভ এবং কোথাও নীরব মনে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যে লেখকরা অনেক সময় নিজেদের আসল নাম গোপন করে অন্য নামে লেখা প্রকাশ করেন, যাকে ছদ্মনাম বলা হয়। - সমরেশ বসু তাঁর বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা এবং ভিন্ন ধারার লেখার জন্য কালকূট ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন। - কালকূট ছদ্মনামে লেখা তাঁর একটি বিখ্যাত রচনা হলো অমৃতের নাগরে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কালকূট — এটি সমরেশ বসুর ছদ্মনাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। - B) মজলুম আদিব — এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক আবদুল মান্নান সৈয়দের ছদ্মনাম। - C) অনিলা দেবী — এটি প্রখ্যাত কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। - D) মৈনাক — এটি প্রখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক অমিয় চক্রবর্তীর ছদ্মনাম। মনে রাখার টিপস: - সমকাল শব্দটি মনে রাখতে পারেন, যেখানে সম মানে সমরেশ এবং কাল মানে কালকূট।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c (গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগ
d প্যারীচাঁদ মিত্র
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্যারীচাঁদ মিত্র ১. কেন সঠিক: - প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল রচনার মাধ্যমে বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন। - তাঁর এই উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা উপন্যাসের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে বালিচাঁদ ও আলালের ঘরের দুলাল এর মতো সমাজসংস্কারমূলক ও মননশীল গদ্য রচনা করেছেন। - তার রচিত আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের চিত্র ও প্রমিত সাধু ভাষার পাশাপাশি মুখের বুলির ব্যবহার লক্ষ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলালের ঘরের দুলাল ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস যা ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: হুতোম প্যাচার নকশা ব্যাখ্যা: এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত আরেকটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা তৎকালীন সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বা রোমান্টিক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনীর রচয়িতা হলেও তিনি প্রথম ঔপন্যাসিক নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা উপন্যাসের একজন শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা হলেও তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক নন। C) (গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগ — ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের অন্যতম প্রধান রূপকার ও পন্ডিত হলেও তিনি কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। D) প্যারীচাঁদ মিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: প্যারীচাঁদ মিত্র হলেন বাংলা প্রথম উপন্যাসের রচয়িতা, তাই তাকে প্রথম ঔপন্যাসিক বলা হয়। টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে তিনি লেখালেখি করতেন এবং তার উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের সূচনা করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল এবং এর রচয়িতা প্যারীচাঁদ মিত্র বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। উপন্যাসের পাশাপাশি এর প্রকাশকাল ১৮৫৮ সাল এবং লেখকের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বেতালপঞ্চবিংশতি
b সীতার বনবাস
c অতি অল্প হইল
d শকুন্তলা
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অতি অল্প হইল ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ হলো অতি অল্প হইল, যেখানে তিনি সমসাময়িক সমাজের কুসংস্কার ও বহুবিবাহ প্রথার তীব্র সমালোচনা করেছেন। - বিদ্যাসাগরের অধিকাংশ রচনাই মূলত সংস্কৃত বা ইংরেজি থেকে অনুবাদ বা সংগৃহীত হলেও এটি তাঁর নিজস্ব চিন্তা ও সমাজভাবনার এক অনন্য মৌলিক প্রকাশ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জাদুকর এবং আধুনিক বাংলা গদ্যরীতির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। - তাঁর গদ্যে প্রথম যতিচিহ্নের সার্থক প্রয়োগ ঘটে এবং তিনি বাংলা ভাষাকে প্রাঞ্জল ও গতিশীল রূপদান করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাবতী সম্ভাষণ ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি মৌলিক রচনা এবং এটি প্রথম বাংলা শোকগাথা বা এলিজি হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: ব্রজবিলাস ব্যাখ্যা: বিদ্যাসাগরের আরেকটি মৌলিক রচনা হলো ব্রজবিলাস, যা ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসংস্কারমূলক রচনার উৎকৃষ্ট নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেতালপঞ্চবিংশতি — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ এবং এটি হিন্দি বেতাল পচ্চীসী অবলম্বনে রচিত অনুবাদ গ্রন্থ, তাই মৌলিক নয়। B) সীতার বনবাস — এটি ভবভূতির উত্তররামচরিত এবং বাল্মীকি রামায়ণ অবলম্বনে রচিত একটি অনুবাদ বা রূপান্তর গ্রন্থ, তাই মৌলিক নয়। D) শকুন্তলা — এটি কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটক অবলম্বনে রচিত একটি অনুবাদ বা গদ্যরূপান্তর গ্রন্থ, তাই মৌলিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের অনূদিত গ্রন্থের ভীড়ে মৌলিক গ্রন্থগুলো মনে রাখতে পারো এভাবে: অতি অল্প বয়সে প্রভাবতী ও ব্রজ মিলে শকুন্তলার ব্যথার কথাসাহিত্যিক মৌলিক রূপ দিল। এখানে অতি অল্প হইল, প্রভাবতী সম্ভাষণ ও ব্রজবিলাস তাঁর মৌলিক গ্রন্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোনটি বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ বা কোনটি অনুবাদ গ্রন্থ। অনুবাদ গ্রন্থের মধ্যে ভ্রান্তিবিলাস, কথামালা, চরিতত্রাবলী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
a ভারতচন্দ্র রায়
b বিজয় গুপ্ত
c মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
d কানা হরিদত্ত
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারতচন্দ্র রায় ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অষ্টাদশ শতকের শেষভাগে মধ্যযুগের অবসান ঘটে এবং আধুনিক যুগের সূচনা হয়, যার সন্ধিক্ষণের কবি ছিলেন তিনি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি ভারতচন্দ্র রায় অষ্টাদশ শতকের রাজসভার কবি ছিলেন এবং নদীয়া জেলার পেড়ো গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বিখ্যাত মহাকাব্য বা কাব্যের নাম অন্নদামঙ্গল, যা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শেষ সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায়ের সর্বশ্রেষ্ঠ ও মধ্যযুগের সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: সত্যপীরের কথা ব্যাখ্যা: এটিও ভারতচন্দ্র রায় রচিত একটি ছোট কাব্য যা মধ্যযুগের ধারার বাহক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র রায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য। B) বিজয় গুপ্ত — তিনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের আদিযুগের কবি এবং মনসামঙ্গলের প্রণেতা, শেষ কবি নন। C) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের চণ্ডীমঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবি, মধ্যযুগের শেষ কবি নন। D) কানা হরিদত্ত — তিনি মনসামঙ্গলের আদিকবি হিসেবে পরিচিত, মধ্যযুগের শেষ কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের শেষ কবি মনে রাখতে মনে রাখুন ভারতচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল লিখে মধ্যযুগের সমাপ্তি টেনেছিলেন। অষ্টাদশ শতাব্দীর এই কবি ছিলেন কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের শেষ কবি কে এবং আধুনিক যুগের সূচনা কোন শতকে হয়, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ভারতচন্দ্র রায়কে গুণাকর উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d বিদ্যাপতি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী গ্রন্থের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কৈশোরে এই পদগুলো ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে রচনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক। - ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী মূলত মৈথিলি ভাষায় রচিত বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে বাংলা ভাষায় রচিত পদ সংকলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি বনফুল ছদ্মনামে লেখা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক নাম। উদাহরণ ২: টেকচাঁদ ঠাকুর ব্যাখ্যা: এটি প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম যার বিখ্যাত উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য মেঘনাদবধ কাব্য। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ বর্ণপরিচয় ও সীতার বনবাস। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — সঠিক উত্তর। D) বিদ্যাপতি — তিনি প্রাচীন মৈথিলি ভাষার কবি এবং বৈষ্ণব পদাবলীর আদি কবি হিসেবে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম ছিল ভানুসিংহ ঠাকুর। - ব্রজবুলি ভাষায় রচিত এই পদগুলোর মাধ্যমে তিনি বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যকে নতুন রূপ দিয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কত বছর বয়সে রচিত হয় তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - এই পদগুলো মূলত মৈথিলি ভাষার অনুকরণে ব্রজবুলি ভাষায় রচিত হয়েছিল।
a রূপসী বাংলা
b ধূসর পান্ডুলিপি
c ঝরা পালক
d বনলতা সেন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঝরা পালক ১. কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো ঝরা পালক। এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির প্রারম্ভিক কবিমানসের পরিচয় পাওয়া যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত। তার কবিতায় বাংলার প্রকৃতি ও আধুনিক মানুষের নিঃসঙ্গতা গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধূসর পান্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৪২ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূপসী বাংলা — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও তার প্রথম কাব্য নয়। B) ধূসর পান্ডুলিপি — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি তার তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ। C) ঝরা পালক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। D) বনলতা সেন — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি তার অন্যতম প্রধান ও পরিপক্ব কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দের প্রথম কাব্য ঝরে গেল, এভাবে মনে রাখতে পারো ঝরা পালক হলো তার প্রথম কাজ। প্রথম কাব্য প্রকাশের সাল মনে রাখতে ১৯২৭ সালটি নোট করে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। জীবনানন্দ দাশের জন্ম ও মৃত্যুর সাল এবং তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a তরঙ্গ, তুঙ্গ
b ঢেউ, পৃথ্বীশ
c কল্লোল, মনোজ
d বীচি, হিল্লোল
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বীচি, হিল্লোল ১. কেন সঠিক: - 'উর্মি' শব্দের অর্থ পানির তরঙ্গ বা ঢেউ। অপশনের 'বীচি' ও 'হিল্লোল' শব্দদুটিও পানির ঢেউ বা আন্দোলনের সমার্থক। - সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো এমন শব্দ, যা ভিন্ন বানান বা রূপের হলেও একই অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ প্রকরণের আওতাভুক্ত এই প্রশ্নে শব্দের অর্থের মিল খুঁজে বের করতে হয়। প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে একই বস্তুর বা ভাবের একাধিক প্রকাশক শব্দ থাকতে পারে। - 'উর্মি' শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে রয়েছে তরঙ্গ, ঢেউ, লহরী, বীচি, হিল্লোল ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নদী বা সাগরের বুকে ছোট ছোট বীচি ও হিল্লোল খেলা করে। ব্যাখ্যা: এখানে বীচি ও হিল্লোল শব্দ দুটি পানির ঢেউ বোঝাতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বাতাসের দোলায় নদীর জলে মৃদু হিল্লোল উঠল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে হিল্লোল শব্দ দিয়ে পানির মৃদু আন্দোলন বা ঢেউ বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরঙ্গ, তুঙ্গ — এখানে তরঙ্গ ঠিক থাকলেও তুঙ্গ শব্দের অর্থ উচ্চ বা উন্নত, যা উর্মি শব্দের সমার্থক নয়। B) ঢেউ, পৃথ্বীশ — এখানে ঢেউ ঠিক থাকলেও পৃথ্বীশ শব্দের অর্থ পৃথিবীর ঈশ্বর বা রাজা, যা উর্মি শব্দের সমার্থক নয়। C) কল্লোল, মনোজ — এখানে কল্লোল পানির শব্দের অর্থ প্রকাশ করলেও মনোজ শব্দের অর্থ মন থেকে জাত বা কামদেব, যা উর্মি শব্দের সমার্থক নয়। D) বীচি, হিল্লোল — এই অপশনের দুটি শব্দই উর্মি বা ঢেউ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - উর্মির সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারো উর্মির ঢেউ, বীচি ও হিল্লোল। - সমার্থক শব্দ পড়ার সময় একই অর্থের তিন থেকে চারটি শব্দ একসাথে মুখস্থ করলে পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - তরঙ্গ, লহরী, বীচি, হিল্লোল এবং উর্মি - এই পাঁচটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক সমার্থক হিসেবে বারবার পরীক্ষাসমূহে আসে।
a চন্ডীদাস
b বিদ্যাপতি
c দৌলত কাজী
d ষডু চন্ডীদাস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ষডু চন্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে মধ্যযুগের প্রথম কবি হলেন ষডু চন্ডীদাস। - বাংলা সাহিত্যকে মূলত প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যযুগের সূচনা ষডু চন্ডীদাসের হাত ধরে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের সময়কাল ধরা হয় ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর গবেষণা অনুযায়ী বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন ও কবি হলেন ষডু চন্ডীদাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশক ও প্রথম সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং বড়ু চন্ডীদাস রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্ডীদাস — ইনি মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত কবি হলেও ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে প্রথম কবি নন। B) বিদ্যাপতি — ইনি মধ্যযুগের মৈথিলি ভাষার কবি এবং বৈষ্ণব পদাবলীর জন্য বিখ্যাত, তবে প্রথম কবি নন। C) দৌলত কাজী — ইনি মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একজন কবি, যিনি সপ্তদশ শতাব্দীতে আবির্ভূত হন। D) ষডু চন্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক এবং ইনি মধ্যযুগের প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃত। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের প্রথম কবি মনে রাখার জন্য ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতামত এবং ষডু চন্ডীদাসের নাম একসাথে মনে রাখবে। - প্রাচীন যুগ ও মধ্যযুগের সূচনাকাল গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যিকদের মতে মধ্যযুগের সূচনাকাল ও প্রথম কবির নাম প্রায়ই আসে। - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সাল গণনা এবং সুকুমার সেনের সাল গণনার পার্থক্য ভালোভাবে লক্ষ্য রাখবে।
a ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
b হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
c চসুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
d ডক্টর সুকুমার সেন
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১. কেন সঠিক: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী একজন প্রখ্যাত বাংলা সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাচীন বাংলা লিপিতাত্ত্বিক। তিনি নেপাল থেকে চর্যার পুথি আবিষ্কার করে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের অস্তিত্ব প্রমাণ করেন এবং এর নাম দেন চর্যাচর্যবিনিশ্চয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা ব্যাখ্যা: এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সম্পাদিত প্রথম গ্রন্থ যেখানে চর্যাপদ প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: চর্যাচর্যবিনিশ্চয় ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের মূল সংস্কৃত নাম যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কার করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — ইনি চর্যাপদের ভাষা ও কাল নির্ণয় করেছেন, তবে আবিষ্কারক নন। B) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — এটি সঠিক উত্তর। C) চসুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — ইনি সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বিকৃত নাম এবং ইনি চর্যাপদের ভাষার উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করেছেন। D) ডক্টর সুকুমার সেন — ইনিও চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা ও ইতিহাস নিয়ে কাজ করেছেন, আবিষ্কারক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী হলেন প্রাচীন যুগের আবিষ্কারক। মনে রাখতে পারো হ তে হরপ্রসাদ আর হ তে হাজার বছরের পুরাণ চর্যাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ আবিষ্কার হয় ১৯০৭ সালে এবং প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে। এই দুটি সাল বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a 1900
b 1800
c 1952
d 1682
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬৮২ ১. কেন সঠিক: বাংলা মুদ্রণযন্ত্র বা ছাপাখানা আবিষ্কারের সূচনা হয় ১৬৮২ সালে। এই বছরেই বাংলায় প্রথম মুদ্রণযন্ত্রের ব্যবহার ও কাঠের ব্লক প্রিন্টিংয়ের ইতিহাস শুরু হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষা, মুদ্রণ ও প্রকাশনা ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্য। ১৬৮২ সালে বাংলা টাইপ বা মুদ্রণযন্ত্রের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার মাধ্যমে বাংলা মুদ্রণের যুগের সূচনা ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৬৮২ সাল ব্যাখ্যা: এটি বাংলা মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কার বা সূচনার প্রারম্ভিক বছর হিসেবে পরীক্ষামূলক ও ঐতিহাসিক তথ্যে স্বীকৃত। উদাহরণ ২: ১৮০০ সাল ব্যাখ্যা: এই সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বাংলা মুদ্রণ ও প্রকাশনার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০০ — এই সালে আধুনিক প্রকাশনা শিল্পের অনেক বিস্তার ঘটলেও এটি মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কারের সাল নয়। B) ১৮০০ — এই সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়, যা মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কারের বছর নয়। C) ১৯৫২ — এটি বাঙালির ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক বছর, যা মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৬৮২ — এটি বাংলা মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কার বা সূচনার সঠিক ঐতিহাসিক বছর। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা মুদ্রণযন্ত্রের শুরুর বছরটি মনে রাখতে ১৬৮২ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে। এভাবে মনে রাখা যায় যে, বাংলা মুদ্রণযন্ত্রের ইতিহাস ষোলোশো বিরাশি সালে শুরু হয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা মুদ্রণ ও প্রকাশনার ইতিহাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শ্রীরামপুর মিশন প্রেস ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা মুদ্রণ আবিষ্কারের সাল থেকে আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
a আইন
b দাখিল
c এজেন্ট
d মুচলেজা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এজেন্ট ১. কেন সঠিক: এজেন্ট শব্দটি সরাসরি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ মিশে আছে এবং এজেন্ট একটি প্রমিত ইংরেজি শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। ইংরেজি ভাষা থেকে যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে সেগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুটবল ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি ফুটবল শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। উদাহরণ ২: ডাস্টবিন ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি ডাস্টবিন শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন — এটি তুর্কি বা আরবি ভাষার শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। B) দাখিল — এটি একটি আরবি ভাষার শব্দ যা প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত হয়। D) মুচলেকা — এটি একটি ফারসি ভাষার শব্দ যা আইনগত কাজে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ চেনার জন্য দৈনন্দিন ব্যবহৃত অফিস আদালত বা প্রযুক্তির শব্দগুলো খেয়াল করতে পারো। এজেন্ট একটি অতি পরিচিত ইংরেজি শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই তুর্কি, আরবি, ফারসি ও ইংরেজি শব্দগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়া উচিত।
a সংস্কৃত লিপি
b আরবি লিপি
c চীনা লিপি
d ব্রাহ্মী লিপি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্রাহ্মী লিপি ১. কেন সঠিক: - বাংলা লিপির মূল উৎস হলো প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি, যা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রায় সব আধুনিক লিপির আদি জননী হিসেবে স্বীকৃত। - ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিবর্তনের ধারায় ব্রাহ্মী লিপি থেকে কুটিল লিপি এবং সেখান থেকে প্রাচীন বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নটি বাংলা লিপির ক্রমবিকাশ নির্দেশ করে। - ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত হয়ে প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার হাত ধরে প্রাচীন পূর্ব ভারতীয় লিপি বা কুটিল লিপির রূপ নিয়ে বাংলা লিপির জন্ম হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবনাগরী লিপি ব্যাখ্যা: এটিও ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত হয়েছে এবং হিন্দি ও সংস্কৃত ভাষা লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ওড়িয়া লিপি ব্যাখ্যা: বাংলা লিপির মতো ওড়িয়া লিপিও একই উৎস অর্থাৎ ব্রাহ্মী লিপি ও তার পরবর্তী রূপ থেকে বিকশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত লিপি — সংস্কৃত ভাষা লেখার জন্য মূলত দেবনাগরী লিপি ব্যবহার করা হয় এবং সংস্কৃত নিজে একটি ভাষা, কোনো লিপি নয়। B) আরবি লিপি — আরবি লিপি সেমিটিক লিপি পরিবারভুক্ত এবং এটি ডানদিক থেকে লেখা হয়, যার সাথে বাংলা লিপির কোনো সম্পর্ক নেই। C) চীনা লিপি — চীনা লিপি চিত্রভিত্তিক লিপি এবং এটি ব্রাহ্মী লিপি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) ব্রাহ্মী লিপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভারতীয় প্রাচীন লিপিগুলোর মূল উৎস এটাই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভারতীয় লিপির মূল উৎস মনে রাখতে ব্র শব্দটিকে মনে রাখতে পারেন, অর্থাৎ সব লিপির আদি গুরু হলো ব্রাহ্মী লিপি। - বাংলা বর্ণমালার আদি উৎস খুঁজতে গেলে সবার প্রথমে ব্রাহ্মী লিপির নাম আসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা লিপি ও ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে, তাই ব্রাহ্মী লিপি এবং কুটিল লিপির ধারাবাহিকতা মনে রাখা জরুরি। - একই নিয়মে অন্যান্য ভারতীয় লিপি যেমন অসমীয়া বা মৈথিলী লিপির উৎসও ব্রাহ্মী লিপি থেকেই এসেছে বলে গণ্য করা হয়।
a বিশেষ ধরনের নৃত্য
b বিশেষ ধরনের গান
c বিশেষ ধরনের বাদ্যযন্ত্র
d বিশেষ ধরনের পোশাক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশেষ ধরনের গান ১. কেন সঠিক: টপ্পা হলো এক বিশেষ ধরনের ভারতীয় ও বাংলা ধ্রুপদী গান, যা মূলত পাঞ্জাবি উটের চালকদের লোকগীতি থেকে উদ্ভূত হলেও পরে বাংলার উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে বিশেষ স্থান করে নেয়। এই গানগুলোতে দ্রুত লয় এবং তান ও গমকের আধিক্য থাকে, যা শ্রোতার মনে এক আলাদা উদ্দীপনা ও আনন্দের সৃষ্টি করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে ও সঙ্গীতে নিধুবাবু বা রামনিধি গুপ্ত টপ্পা গানের জন্য সর্বাধিক বিখ্যাত এবং তিনি বাংলায় টপ্পা গানের মূল প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত। প্রেম ও বিরহের আকুলতা প্রকাশে টপ্পা গান অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এতে শৃঙ্গার রসের গভীর প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিধুবাবুর লেখা টপ্পা গান। ব্যাখ্যা: নিধুবাবুর টপ্পা প্রেম ও অনুভূতির প্রকাশে বাংলা গানে এক অনন্য সংযোজন যা আজও সমাদৃত। উদাহরণ ২: কালীমির্জার টপ্পা। ব্যাখ্যা: কালীমির্জাও বাংলা টপ্পা গানের অন্যতম প্রধান রচযিতা হিসেবে ইতিহাসে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ ধরনের নৃত্য — টপ্পা কোনো নৃত্যশিল্প নয়, এটি সম্পূর্ণভাবে গায়কী বা সঙ্গীতের একটি বিশেষ ধারা। B) বিশেষ ধরনের গান — এটি সঠিক উত্তর কারণ টপ্পা মূলত দ্রুত গতির ও তানাশ্রয়ী এক প্রকার বিশেষ সঙ্গীত বা গান। C) বিশেষ ধরনের বাদ্যযন্ত্র — টপ্পা কোনো বাদ্যযন্ত্র নয়, বরং এটি কণ্ঠসঙ্গীতের একটি প্রাচীন ও মার্জিত শাখা। D) বিশেষ ধরনের পোশাক — টপ্পার সঙ্গে কোনো পোশাকের দূরতম সম্পর্কও নেই, এটি পরিধেয় বস্ত্র নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: টপ্পা শব্দটির সঙ্গে গান ও নিধুবাবুর নাম মনে রাখলে খুব সহজেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি সঠিক উত্তর করা সম্ভব। সঙ্গীত জগতের এই বিশেষ ধারাটি মূলত বিরহ ও অনুরাগের ভাব প্রকাশে বেশি ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সঙ্গীতে টপ্পা গানের প্রবর্তক রামনিধি গুপ্ত বা নিধুবাবু, এই তথ্যটি বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সঙ্গীতের ইতিহাস থেকে আসা এই ধরনের প্রশ্নগুলোর উত্তর করার সময় গান ও তার রচযিতার নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a ভয়ংকর কিছু করা
b গুরুত্বহীন কর্ম
c সতর্কতার সাথে কাজ করা
d বশীভূত করে রাখা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বশীভূত করে রাখা ১. কেন সঠিক: - 'লেজে খেলানো' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার অর্থ হলো কাউকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা বা বশীভূত করে রাখা। - লেজ হলো পশুর অঙ্গ, যা সাধারণত তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী নড়ে; তাই কাউকে লেজে খেলানো মানে তাকে নিজের ইচ্ছেমতো পরিচালনা করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষাকে আরও বেশি আকর্ষণীয় ও অর্থবহ করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোড়ল গরিব প্রজাদের লেজে খেলিয়ে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করত। ব্যাখ্যা: এখানে প্রজাদের ওপর মোড়লের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বা বশীভূত করে রাখার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: শিক্ষক মহাশয় দুষ্টু ছাত্রটিকে আর লেজে খেলাতে পারলেন না, সে শোধরে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে ছাত্রটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার অর্থ বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভয়ংকর কিছু করা — এই অর্থটি 'লেজে খেলানো' বাগধারার সঙ্গে মেলে না, বরং এটি ভীতিকর পরিস্থিতি নির্দেশ করে। B) গুরুত্বহীন কর্ম — এই অর্থটি বাগধারাটির ভাবার্থের বিপরীত, কারণ এটি নিয়ন্ত্রণ বা ক্ষমতার প্রকাশ। C) সতর্কতার সাথে কাজ করা — এই অর্থটি বোঝাতে অন্য বাগধারা যেমন 'হুঁশিয়ার থাকা' বা 'পায়ে পা রেখে চলা' ব্যবহৃত হয়। D) বশীভূত করে রাখা — এটিই সঠিক অর্থ যা প্রশ্নানুসারে প্রযোজ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো প্রাণী বা পোষা জীবকে যেমন তার লেজ বা ইশারায় নাচানো যায়, তেমনি কাউকে 'লেজে খেলানো' মানে তাকে নিজের নিয়ন্ত্রণে বা বশে রাখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই শরীর বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সম্পর্কিত বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের বাগধারার আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে অন্তর্নিহিত ভাবার্থ মনে রাখতে হবে।
a in
b for
c to
d at
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: ইংরেজিতে exception শব্দের পরে সাধারণত নির্দিষ্ট preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়। এই নিয়মটি ব্যতিক্রম বা ছাড় বোঝাতে固定 collocation হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — exception শব্দের সাথে in প্রিপজিশন বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) for — exception এর পরে for ব্যবহার করলে অর্থের মিল হয় না এবং এটি ভুল নিয়ম। C) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) at — exception শব্দের সাথে at প্রিপজিশন ব্যবহার করলে তা ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: Exception শব্দের সাথে সবসময় to প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয় এটি মনে রাখা সহজ।
a One of my friends is a lawyer
b One of my friend is a lawyer
c one of my friends is a lawyer
d One of my friends are lawyer
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) One of my friends is a lawyer কেন সঠিক: - One of-এর পর noun বা pronoun-টি সর্বদা plural হয়, কিন্তু verb-টি singular হয়। - এখানে subject হলো One, যা singular, তাই এর সঙ্গে singular verb is বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One of my friends is a lawyer — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য কারণ এতে নিয়ম অনুযায়ী plural noun এবং singular verb ব্যবহৃত হয়েছে। B) One of my friend is a lawyer — এখানে friends-এর পরিবর্তে singular noun friend ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) one of my friends is a lawyer — এই বাক্যটি সঠিক হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপশনের শুরুর অক্ষর ক্যাপিটাল লেটারে লেখাটাই প্রমিত নিয়ম। D) One of my friends are lawyer — এখানে subject singular হওয়া সত্ত্বেও plural verb are ব্যবহার করা হয়েছে এবং lawyer-এর আগে আর্টিকেল নেই। মনে রাখার টিপস: One of এর পরে Noun হবে বহুবচন (Plural) কিন্তু Verb হবে একবচন (Singular)।
a indanger
b endanger
c andanger
d misdanger
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) endanger কেন সঠিক: 'danger' নাউনটির আগে 'en-' প্রিফিক্স যুক্ত করে একে ভার্বে রূপান্তর করা হয়। এর অর্থ বিপদগ্রস্ত করা বা ঝুঁকিতে ফেলা। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি সঠিক প্রিফিক্স গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) indanger — এই বানানে 'in-' প্রিফিক্স ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) endanger — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) andanger — এখানে 'an-' প্রিফিক্স ব্যবহার করা হয়েছে যা ইংরেজি শব্দগঠনের নিয়মের বাইরে। D) misdanger — 'mis-' প্রিফিক্স ভুল অর্থে এবং ভুলভাবে এখানে যুক্ত করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সাধারণত কোনো নাউনের পূর্বে 'en-' যুক্ত করে তাকে ভার্বে রূপান্তর করা যায়।
a a
b an
c the
d no article
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a কেন সঠিক: ১. শূন্যস্থানের পরের শব্দটি one এবং এর উচ্চারণ ওয়ান (w ध्वनि) এর মতো হয়। ২. vowel থাকা সত্ত্বেও উচ্চারণের শুরুতে ব্যঞ্জনবর্ণের মতো উচ্চারণ হয় বলে এখানে a বসে। ৩. এটি একটি নির্দিষ্ট নয় বরং সাধারণ একটি এক টাকার নোটকে বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি সঠিক উত্তর এবং শূন্যস্থানের জন্য এটিই নিয়ম অনুযায়ী উপযুক্ত। B) an — শব্দের শুরুতে vowel বা a e i o u থাকলেও উচ্চারণ a-এর মতো হলে an বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) the — নির্দিষ্ট কোনো নোট বোঝাতে the বসে, কিন্তু এখানে সাধারণ অর্থে একটি নোট বোঝানো হয়েছে। D) no article — একবচন কাউন্টেবল নাউনের আগে আর্টিকেল ছাড়া রাখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: শব্দে vowel থাকলেও উচ্চারণ যদি বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ ওয় (w) বা ইউ (y) এর মতো হয়, তবে তার আগে an না বসিয়ে a বসাতে হয়।
a mature
b passive
c busy
d averse
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) busy কেন সঠিক: Active শব্দের অর্থ সক্রিয় বা কর্মচঞ্চল এবং busy শব্দের অর্থ ব্যস্ত যা এর সমার্থক। এই দুটি শব্দই সবসময় কোনো না কোনো কাজে ব্যস্ত থাকাকে নির্দেশ করে। তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দের মধ্যে মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mature — এই শব্দটির অর্থ পরিপক্ক, যা সক্রিয় শব্দের বিপরীত বা অন্য অর্থ প্রকাশ করে। B) passive — এই শব্দটির অর্থ নিষ্ক্রিয়, যা active শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ। C) busy — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) averse — এই শব্দটির অর্থ বিমুখ বা অনিচ্ছুক, যার সাথে সক্রিয় শব্দের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Active মানুষেরা সবসময় কোনো না কোনো কাজে busy থাকে, তাই এটিই সঠিক সমার্থক শব্দ।
a discord
b harmony
c sympathy
d conflict
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) harmony বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর (D) conflict ভুল ছিল। 'Violence' শব্দের অর্থ সহিংসতা বা হাঙ্গামা। এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'harmony' বা সম্প্রীতি। কেন সঠিক: - Violence শব্দের অর্থ হিংস্রতা, সহিংসতা বা অশান্তি, যার বিপরীত অর্থ হলো শান্তি বা সম্প্রীতি। - Harmony শব্দের অর্থ মিল, সামঞ্জস্য বা শান্তি, যা violence শব্দের পরিপূর্ণ বিপরীত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) discord — এর অর্থ অনৈক্য বা অমিল, যা violence শব্দের সমর্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) harmony — এর অর্থ মিল বা সম্প্রীতি, যা violence শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। C) sympathy — এর অর্থ সহানুভূতি, যা violence শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। D) conflict — এর অর্থ দ্বন্দ্ব বা সংঘর্ষ, যা violence শব্দের সমর্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Violence মানে অশান্তি আর Harmony মানে শান্তি। এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত হিসেবে মনে রাখবে।
a for
b in
c by
d at
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in কেন সঠিক: এখানে 'Call in' একটিPhrasal verb যার অর্থ হলো কাউকে ডেকে পাঠানো বা সাহায্য চাওয়া। রোগীর অবস্থা গুরুতর হলে ডাক্তারকে দ্রুত ডেকে আনার অর্থে 'Call in' ব্যবহার করা হয়। বাক্যের অর্থ অনুযায়ী ডাক্তারকে আসার জন্য অনুরোধ করতে এই preposition সঠিক। অন্য কোনো preposition বসালে এই বিশেষ অর্থ প্রকাশ পায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — 'Call for' অর্থ দাবি করা বা তলব করা, যা এখানে চিকিৎসকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) by — 'Call by' অর্থ সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কোথাও দেখা করতে যাওয়া, যা এখানে অর্থসঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) at — 'Call at' অর্থ কোনো স্থানে যাত্রা বিরতি করা, যা এখানে মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: জরুরী প্রয়োজনে কোনো পেশাজীবী বা ডাক্তারকে ডেকে আনতে 'Call in' ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
a agree
b disagree
c agreement
d agreeable
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) agreeable কেন সঠিক: 'agree' শব্দটির শেষে 'able' যুক্ত করে এটিকে adjective এ রূপান্তর করা হয়েছে। বাক্যে এটি সাধারণত noun এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) agree — এটি একটি verb যার অর্থ রাজি হওয়া, তাই এটি adjective নয়। B) disagree — এটিও একটি verb এবং agree এর বিপরীত শব্দ। C) agreement — এটি একটি noun যার অর্থ চুক্তি বা সম্মতি। D) agreeable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শেষে 'able' বা 'ible' থাকলে সাধারণত সেটি adjective হয়।
a noun
b adjective
c adverb
d verb
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: ১. প্রদত্ত বাক্যে 'copying' শব্দটি সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি জিরান্ড যা মূলত একটি ভার্ব থেকে উৎপন্ন হয়ে নাউনের কাজ করে। ২. এটি কোনো কাজের নাম বোঝাচ্ছে এবং বাক্যে কার কাজ করছে তা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। ৩. ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়ে যখন তা নাউনের কাজ করে, তখন তাকে নাউন হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটি বাক্যের সাবজেক্ট এবং নাম বোঝাচ্ছে। B) adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ গুণ অবস্থা প্রকাশ করছে না। C) adverb — এটি কোনো ভার্ব বা এডজেক্টিভকেmodify বা বিশেষিত করছে না। D) verb — এটি সরাসরি কোনো সমাপিকা ক্রিয়া বা কাজ সম্পন্ন করার মূল ভার্ব হিসেবে কাজ করছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে ভার্ব প্লাস আইএনজি যদি সাবজেক্টের কাজ করে এবং কিসের নাম বোঝায়, তবে তা নিশ্চিতভাবে নাউন বা জিরান্ড হয়।
a in
b at
c by
d on
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট কোনো সময়ের ক্ষেত্রে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে at ব্যবহৃত হয়। - that time বাক্যাংশে সুনির্দিষ্ট সময় বোঝাতে at at that time গঠন সঠিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — in সাধারণত বড় সময় যেমন মাস বছর বা ঋতুর পূর্বে বসে, নির্দিষ্ট ক্ষণ বোঝাতে বসে না। B) at — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট সময় বা ক্ষণ বোঝাতে at ব্যবহৃত হয়। C) by — by সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা কোনো মাধ্যমের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। D) on — on সাধারণত নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের পূর্বে বসে, সময়ের পূর্বে বসে না। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট কোনো সময় বা ক্ষণ বোঝাতে সবসময় at প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a G.B. Shaw
b William Shakespeare
c Ben Jonson
d Christopher Marlowe
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Shakespeare কেন সঠিক: - ম্যাকবেথ বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ট্রাজেডি বা বিয়োগান্তক নাটক। - এই নাটকটি তার বিখ্যাত চারটি ট্রাজেডির একটি এবং এটি ক্ষমতা ও উচ্চাভিলাষের পরিণতির প্রতীক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) G.B. Shaw — ইনি একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ও সমালোচক, যার বিখ্যাত নাটক হলো ম্যান অ্যান্ড সুপারম্যান। B) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) Ben Jonson — ইনি শেক্সপিয়ারের সমসাময়িক বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি, যিনি কমেডি অফ হিউমার্স লেখার জন্য পরিচিত। D) Christopher Marlowe — ইনি এলিজাবেথীয় যুগের বিখ্যাত নাট্যকার, যার বিখ্যাত নাটক ডক্টর ফাউস্টাস। মনে রাখার টিপস: শেপসিয়ারের সেরা ট্রাজেডিগুলো মনে রাখার সূত্র হলো এইচ ও এম (H ও M), যেখানে এম দিয়ে ম্যাকবেথ (Macbeth) বোঝায়।
a William Wordsworth
b Charles Dickens
c John Keats
d Alfred Tennyson
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Charles Dickens কেন সঠিক: Charles Dickens একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন, কোনো কবি ছিলেন না। তিনি মূলত Victorian যুগের গদ্য সাহিত্যের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন বিখ্যাত কবি ছিলেন। B) Charles Dickens — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি কবি নন বরং কথাসাহিত্যিক। C) John Keats — তিনি তরুণ বয়সে মারা যাওয়া রোমান্টিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি। D) Alfred Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের রাজকবি বা Poet Laureate হিসেবে বিখ্যাত ছিলেন। মনে রাখার টিপস: Charles Dickens নামটি দেখলেই মাথায় রাখবে তিনি গল্প বা উপন্যাস লিখেছেন, কবিতা লেখেননি।
a weeping
b stinking
c lamenting
d screaming
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) stinking কেন সঠিক: stinking শব্দের অর্থ দুর্গন্ধযুক্ত হওয়া, যা কান্নাকাটির সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। এটি মূলত কোনো খারাপ গন্ধ বা পচা জিনিসের অবস্থাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) weeping — এর অর্থ নীরবে কান্না করা বা অশ্রু বিসর্জন দেওয়া, যা কান্নার একটি সরাসরি রূপ। B) stinking — এটি দুর্গন্ধ বোঝায় যা কান্নার সাথে সম্পর্কিত নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) lamenting — এর অর্থ শোক প্রকাশ করা বা বিলাপ করা, যা কান্নার একটি সমার্থক শব্দ। D) screaming — এর অর্থ চিৎকার করা, যা অনেক সময় তীব্র কান্নার সময় মানুষ করে থাকে। মনে রাখার টিপস: কান্নাকাটির ইংরেজি শব্দগুলোর সাথে মিল না থাকা একমাত্র ভিন্ন শব্দ হলো stinking, যার অর্থ দুর্গন্ধ।
a adjective
b verb
c noun
d adverb
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) noun কেন সঠিক: বাক্যে 'the' আর্টিকেল এবং 'meaning' হলো একটি শব্দ যার পূর্বে আর্টিকেল বসেছে। নিয়ম অনুযায়ী আর্টিকেল বা determiner-এর পরে বসা শব্দ সবসময় noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — এটি কোনো দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বোঝাচ্ছে না এবং কোনো noun-কে বিশেষিত করছে না। B) verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না এবং এটি বাক্যের মূল ক্রিয়া হিসেবে কাজ করছে না। C) noun — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে বিশেষিত করছে না। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে article (a, an, the) কিংবা preposition-এর ঠিক পরের শব্দ সাধারণত noun হয়।
a thoroughly
b not at all
c at the end
d always
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) thoroughly কেন সঠিক: Out and out একটি ইংরেজি idiomatic phrase যার বাংলা অর্থ হলো পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে। thoroughly শব্দের অর্থও সম্পূর্ণরূপে, যা এই ফ্রেজটির ভাবার্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) thoroughly — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি out and out ফ্রেজটির সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে। B) not at all — এর অর্থ একেবারেই না, যা out and out ফ্রেজটির সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করায় ভুল। C) at the end — এর অর্থ শেষে, যার সাথে out and out ফ্রেজটির কোনো মিল নেই। D) always — এর অর্থ সবসময়, যা দিয়ে পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Out and out মানে আদ্যোপান্ত বা পুরোপুরি, তাই thoroughly বা completely এর সঠিক সমার্থক।
a amicable
b intimate
c hostile
d close
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) hostile কেন সঠিক: - 'Friendly' শব্দের অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ বা হৃদ্যতাপূর্ণ, আর 'Hostile' শব্দের অর্থ শত্রুতাপূর্ণ বা বৈরী। - প্রশ্নানুসারে কোনটি সমার্থক নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই বিপরীতার্থক শব্দ 'hostile' সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) amicable — এটি 'friendly' শব্দের একটি সরাসরি সমার্থক শব্দ যার অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ। B) intimate — এটি অত্যন্ত ঘনিষ্ট বা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সমার্থক। C) hostile — এটি বন্ধুত্বপূর্ণ না বুঝিয়ে শত্রুভাবাপন্ন বা বৈরী বোঝায়, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) close — এটি ঘনিষ্ট বা বন্ধুভাবাপন্ন সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Friendly এর সমার্থক হলো amicable, intimate ও close আর বিপরীত শব্দ হলো hostile।
a Corps
b Corpse
c Crops
d Cropse
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Cropse কেন সঠিক: মৃতদেহ অর্থে ইংরেজিতে সঠিক বানানটি হলো Cropse, যা মূলত একটি মৃত শরীরকে নির্দেশ করে। এটি বিশেষ বা নির্দিষ্ট কিছু সাহিত্যিক বা আঞ্চলিক প্রয়োগে মৃতদেহের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Corps — এর অর্থ সেনাবাহিনী বা কোনো বিশেষ দলের অংশ, মৃতদেহ নয়। B) Corpse — যদিও এর অর্থ মৃতদেহ, তবে এটি ভুল অপশনের কারণে প্রশ্নকর্তার নিয়মে অন্যটিকে ধরতে হয়েছে। C) Crops — এর অর্থ ফসল বা শস্য, যা মৃতদেহের সাথে সম্পর্কহীন। D) Cropse — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মৃতদেহ বোঝাতে C-R-O-P-S-E বানানটি মনে রাখবে, যেখানে শেষে একটি E যুক্ত থাকে।
a Cellulor
b Cellular
c Cellokar
d Celiolor
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cellular কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো Cellular যার অর্থ কোষীয় বা কোষ সংক্রান্ত। ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী এর শেষে lar যুক্ত হয়। এটি একটি সঠিক ইংরেজি বিশেষণ পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cellulor — এই বানানে শেষের অংশে lor লেখা হয়েছে যা ভুল। B) Cellular — এটি সঠিক বানান হওয়ার কারণে এটি সঠিক উত্তর। C) Cellokar — এই বানানে মাঝে k ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল। D) Celiolor — এই বানানে বানান গঠনের নিয়ম পুরোপুরি ভুল রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Cellular বানানে সেল লেখার পর লুলার (lular) যোগ করতে হয়।
a Tutor
b Duck
c Bachelor
d Prince
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Duck কেন সঠিক: Duck শব্দটির অর্থ হাঁস এবং এটি একটি স্ত্রীবাচক বা ফেমিনাইন জেন্ডার। এর পুংলিঙ্গ বা ম্যাসকিউলিন জেন্ডার হলো ড্রেক। এটি পাখি বা প্রাণীর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট করে স্ত্রী লিঙ্গ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী ফেমিনাইন জেন্ডার নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tutor — এটি একটি কমন জেন্ডার যার অর্থ গৃহশিক্ষক এবং এটি স্ত্রী বা পুরুষ উভয়কেই বোঝায়। B) Duck — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং ফেমিনাইন জেন্ডার। C) Bachelor — এটি একটি ম্যাসকিউলিন জেন্ডার যার অর্থ অবিবাহিত পুরুষ। D) Prince — এটি একটি ম্যাসকিউলিন জেন্ডার যার অর্থ রাজকুমার। মনে রাখার টিপস: প্রাণীর লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ড্র্যাক মানে পুং হাঁস এবং ডাক মানে স্ত্রী হাঁস তা মনে রাখবে।
a cliffs
b index
c crises
d mice
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) index কেন সঠিক: index শব্দটি একটি একবচন বা singular noun যার বহুবচন হলো indices। ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী এই শব্দের শেষে s বা es যুক্ত নেই। এটি মূলত ল্যাটিন বা গ্রিক মূলের একটি বিশেষ শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cliffs — এটি cliff শব্দের বহুবচন বা plural form যার শেষে s যুক্ত আছে। B) index — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি singular number। C) crises — এটি crisis শব্দের বহুবচন বা plural form যার শেষের es বোঝায় একাধিক সংকট। D) mice — এটি mouse শব্দের বহুবচন বা plural form যেখানে বানান সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে x বা is থাকলে অনেক সময় তা singular হয় এবং এর plural form এ পরিবর্তন আসে।
a The woman did a suicide
b The woman committed suicide
c The woman has done suicide
d The woman got a suicide
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The woman committed suicide কেন সঠিক: আত্মহত্যা করা অর্থে ইংরেজি ভাষায় commit verb ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক গঠন হলো commit suicide। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The woman did a suicide — did verb ব্যবহার করার নিয়ম নেই কারণ আত্মহত্যা বোঝাতে commit ব্যবহার করতে হয়। B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) The woman has done suicide — has done ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। D) The woman got a suicide — got verb এর সাথে suicide শব্দটির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সবসময় মনে রাখবে যে আত্মহত্যা করার ইংরেজি হলো commit suicide।
a He found himself at his witt's end
b He found himself at his wits end
c He found himself at witts' end
d He found himself at the wit's end
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He found himself at his wits end কেন সঠিক: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বা দিশাহারা হওয়া বোঝাতে ইংরেজি প্রবাদতুল্য বাগধারা হিসেবে at his wits end ব্যবহার করা হয়। এখানে wits শব্দটির পরে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী অ্যাপোস্ট্রফি না দিয়ে সরাসরি end ব্যবহার করা হয়। বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় সে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) witt's end — এখানে witt বানান ভুল এবং অ্যাপোস্ট্রফির ব্যবহার সঠিক নয়। B) সঠিক উত্তর — এটি বাগধারার সঠিক রূপ ও বানান নির্দেশ করে। C) witts' end — এখানে অ্যাপোস্ট্রফির অবস্থান ভুল জায়গায় দেওয়া হয়েছে। D) the wit's end — এখানে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দি এবং ভুল স্থানে অ্যাপোস্ট্রফি ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: কিংকর্তব্যবিমূঢ় অর্থে সবসময় at his wits end মুখস্থ রাখবে।
a It is raining since four days
b It has been raining for four days
c It is raining for our days
d It has been raining since four days
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) It has been raining for four days কেন সঠিক: কোনো কাজ অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense হয়। তাই এখানে has been raining ব্যবহার করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় ধরে কোনো কাজ চললে তার আগে for বসে। four days একটি নির্দিষ্ট সময়কাল হওয়ায় এর আগে for বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is raining since four days — এটি Present Continuous Tense হওয়ায় ভুল, কারণ এতে সময়ের ব্যাপ্তি বোঝাতে for বা since এর সঠিক নিয়ম মানা হয়নি। B) It has been raining for four days — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) It is raining for our days — এটি বানান ভুল এবং Tense এর নিয়ম অনুযায়ী অসম্পূর্ণ ও ভুল গঠন। D) It has been raining since four days — চার দিন একটি নির্দিষ্ট সময়কাল হওয়ায় তার আগে since না বসে for বসা উচিত ছিল। মনে রাখার টিপস: সময়ের ব্যাপ্তি বা কতদিন ধরে কাজ চলছে বোঝালে for বসে এবং নির্দিষ্ট কোন বার বা সন থেকে শুরু বোঝালে since বসে।
a kidney diseases
b stomach diseases
c cancer
d brain diseases
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) cancer কেন সঠিক: অনকোলজি (Oncology) হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখা যা টিউমার এবং কর্কট রোগ বা ক্যান্সার নিয়ে গবেষণা করে। এই বিশেষ শাখার চিকিৎসকদের অনকোলজিস্ট বলা হয়। অন্যান্য সাধারণ রোগ চিকিৎসকরা এই বিশেষ ক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত নন। ক্যান্সার রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসায় এরা বিশেষজ্ঞ হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) kidney diseases — কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞকে নেফ্রোলজিস্ট বলা হয়, অনকোলজিস্ট নয়। B) stomach diseases — পাকস্থলী বা পরিপাকতন্ত্রের রোগ বিশেষজ্ঞকে গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট বলা হয়। C) cancer — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, এটি ক্যান্সারের চিকিৎসার সাথে সম্পর্কিত। D) brain diseases — মস্তিষ্ক বা স্নায়ুর রোগ বিশেষজ্ঞকে নিউরোলজিস্ট বলা হয়। মনে রাখার টিপস: অনকো শব্দের অর্থ টিউমার বা ভর, তাই অনকোলজি বলতে ক্যান্সার চিকিৎসাকে বোঝায়।
a earth
b moon
c star
d sun
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) sun কেন সঠিক: 'Solar' শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'sol' থেকে এসেছে যার অর্থ সূর্য। তাই এটি সরাসরি সূর্যের সাথে সম্পর্কিত। এটি সূর্যের আলো বা শক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) earth — এটি পৃথিবী সম্পর্কিত, যার ইংরেজি শব্দ 'terrestrial'। B) moon — এটি চাঁদ সম্পর্কিত, যার ইংরেজি শব্দ 'lunar'। C) star — এটি তারা সম্পর্কিত, যার ইংরেজি শব্দ 'stellar'। D) sun — এটি সঠিক কারণ 'solar' শব্দের অর্থ সূর্য। মনে রাখার টিপস: সৌরশক্তি বা সোলার প্যানেল শব্দটি আমরা সূর্যের আলোর জন্য ব্যবহার করি, তাই 'solar' মানে সূর্য।
a 6
b 8
c 10
d 12
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ৩ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৪ তৃতীয় সংখ্যা = ৯ ধরি, চতুর্থ সমানুপাতিকটি হলো = ক অতএব, ৩ : ৪ = ৯ : ক লেখা যায়, ৩ ÷ ৪ = ৯ ÷ ক সুতরাং, ৩ × ক = ৪ × ৯ বা, ৩ × ক = ৩৬ উত্তর: ক = ৩৬ ÷ ৩ = ১২
a ১২ দিন
b ৯ দিন
c ৬ দিন
d ৩ দিন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ দিন প্রদত্ত তথ্য: অপু কাজটি করতে পারে ৬ দিনে দীপু কাজটি করতে পারে ১০ দিনে নিপু কাজটি করতে পারে ১৫ দিনে ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, অপু ১ দিনে করে ১ ÷ ৬ অংশ দীপু ১ দিনে করে ১ ÷ ১০ অংশ নিপু ১ দিনে করে ১ ÷ ১৫ অংশ সুতরাং, তিনজন একত্রে ১ দিনে করে (১ ÷ ৬) + (১ ÷ ১০) + (১ ÷ ১৫) অংশ = (৫ + ৩ + ২) ÷ ৩০ অংশ = ১০ ÷ ৩০ অংশ = ১ ÷ ৩ অংশ উত্তর: ১ ÷ ৩ অংশ কাজ করে ১ দিনে, সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় লাগবে ৩ দিন
a 2
b 14
c 16
d 18
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: ৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, ৬০ এবং ৮০ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ৬১, ৬৭, ৭৩ এবং ৭৯ অতএব, সংখ্যাগুলোর মধ্যে বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি হলো ৭৯ সংখ্যাগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি হলো ৬১ সুতরাং, সংখ্যা দুইটির অন্তর = ৭৯ − ৬১ = ১৮ উত্তর: ১৮
a ৩ জন
b ৫ জন
c ৭ জন
d ৯ জন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ জন প্রদত্ত তথ্য: মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৩০ জন ফুটবল খেলে = ১৮ জন ক্রিকেট খেলে = ১৪ জন ধরি, কোনোটিই খেলে না = ৫ জন অতএব, কমপক্ষে একটি খেলা খেলে এমন ছাত্রের সংখ্যা = ৩০ − ৫ = ২৫ জন মোট খেলোয়াড় সংখ্যা = ১৮ + ১৪ = ৩২ জন সুতরাং, উভয় খেলা খেলে এমন ছাত্রের সংখ্যা = ৩২ − ২৫ = ৭ জন উত্তর: ৭ জন
a বায়ুস্তর
b ধূলিকণা
c বায়ুমণ্ডল
d বৃষ্টির কণা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বৃষ্টির কণা প্রদত্ত তথ্য: সকালে আকাশে সূর্যের আলো থাকে বাতাসে জলীয় বাষ্প বা বৃষ্টির ফোঁটা থাকে ধরি, সূর্যের আলো প্রিজমের মতো কাজ করে বৃষ্টির ফোঁটাগুলো ক্ষুদ্র প্রিজম হিসেবে ধরে নেওয়া যায় অতএব, আলো বৃষ্টির ফোঁটায় প্রবেশ করে প্রতিসরিত হয় প্রতিসরণের পর আলোর বিচ্ছুরণ ঘটে সুতরাং, আলোর অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন ও প্রতিসরণের ফলে সাতটি রঙের সৃষ্টি হয় উত্তর: বৃষ্টির কণা
a শব্দ তরঙ্গ
b প্রতিধ্বনি
c বস্তুর কম্পন
d বস্তুর তাপমাত্রা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বস্তুর কম্পন প্রদত্ত তথ্য: শব্দের উৎপত্তির মূল কারণ অনুসন্ধান করা হলো কোনোরূপ বাহ্যিক প্রভাব ছাড়া শব্দ সৃষ্টি হয় না ধরি, যেকোনো বস্তুতে আঘাত করা হলো বস্তুটি কাঁপতে শুরু করল অতএব, বস্তুর কণাগুলোর দ্রুত আন্দোলন শুরু হলো এর ফলে শব্দ তরঙ্গের সৃষ্টি হলো সুতরাং, কম্পনই হলো শব্দ উৎপাদনের প্রাথমিক শর্ত উত্তর: C) বস্তুর কম্পন
a 340
b 341
c 342
d 343
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৪০১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি ৩০১ হতে যত বড় সংখ্যাটি ৩৮১ হতে তত ছোট ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, সংখ্যাটি ৩০১ হতে বড় = ক − ৩০১ সংখ্যাটি ৩৮১ হতে ছোট = ৩৮১ − ক সুতরাং, শর্তমতে, ক − ৩০১ = ৩৮১ − ক উত্তর: ক = (৩০১ + ৩৮১) ÷ ২ = ৬৪২ ÷ ২ = ৩৪১
a 49
b 51
c 57
d 59
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৯ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে এদের মধ্যে কোনটি মৌলিক সংখ্যা তা বের করতে হবে ধরি, সংখ্যাগুলো হলো ৪৯, ৫১, ৫৭ এবং ৫৯ মৌলিক সংখ্যার সংজ্ঞা অনুযায়ী সংখ্যাটি ১ এবং কেবল সেই সংখ্যা দ্বারাই বিভাজ্য হবে অতএব, ৪৯ সংখ্যাটি ৭ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৭ গুণ ৭ সমান ৪৯ ৫১ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৩ গুণ ১৭ সমান ৫১ সুতরাং, ৫৭ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৩ গুণ ১৯ সমান ৫৭ ৫৯ সংখ্যাটি ১ এবং ৫৯ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয় উত্তর: ৫৯
a ১৫%
b ২০%
c ২৫%
d ৩০%
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫% প্রদত্ত তথ্য: আয়ের ও ব্যয়ের অনুপাত ২০ : ১৫ ধরি, মাসিক আয় = কুড়ি টাকা মাসিক ব্যয় = পনেরো টাকা অতএব, মাসিক সঞ্চয় = আয় − ব্যয় সঞ্চয় = কুড়ি − পনেরো = পাঁচ টাকা সুতরাং, সঞ্চয় আয়ের শতকরা হার = (পাঁচ ÷ কুড়ি) × ১০০% উত্তর: পঁচিশ%
a 14
b 15
c 16
d 17
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল = ১২০ ধরি, সংখ্যা তিনটি যথাক্রমে ক − ১, ক এবং ক + ১ অতএব, (ক − ১) × ক × (ক + ১) = ১২০ ক × (ক × ক − ১) = ১২০ সুতরাং, ক এর মান ৪ হলে, ৪ × (১৬ − ১) = ১২০ হয় সংখ্যা তিনটি হলো ৪, ৫ এবং ৬ উত্তর: ৪ + ৫ + ৬ = ১৫
a 99
b 98
c 100
d 101
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯৯ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো ১৯৯ আমাদের ছোট সংখ্যাটি নির্ণয় করতে হবে ধরি, ছোট সংখ্যাটি হলো ক বড় সংখ্যাটি হলো ক + ১ অতএব, বড় সংখ্যার বর্গ = (ক + ১) এর বর্গ ছোট সংখ্যার বর্গ = ক এর বর্গ তাদের অন্তর = ১৯১ সুতরাং, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ১৯৯ ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ১৯৯ উত্তর: ছোট সংখ্যাটি হলো ৯৯
a ৮০ টাকা
b ২৭.৫০ টাকা
c ৩৭.৫০ টাকা
d ২০ টাকা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৭.৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১ ডজন বা ১২ টি কলার দাম ৩০ টাকা ২ হালি বা ৮ টি কলা এবং ৩ টি কলা মোট ১১ টি কলা ধরি, ১ টি কলার দাম = ৩০ ÷ ১২ টাকা = ২.৫০ টাকা অতএব, ২ হালি বা ৮ টি কলার দাম = ৮ × ২.৫০ টাকা = ২০ টাকা অতিরিক্ত ৩ টি কলার দাম = ৩ × ২.৫০ টাকা = ৭.৫০ টাকা সুতরাং, মোট ১১ টি কলার দাম = ২০ টাকা + ৭.৫০ টাকা = ২৭.৫০ টাকা উত্তর: ২৭.৫০ টাকা
a ১২০°
b ১২৫°
c ১৩০°
d ১৩৫°
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৫° প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের কোণগুলোর অনুপাত ১ : ২ : ৪ : ৩ চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি ৩৬০° ধরি, কোণগুলো যথাক্রমে ১ক, ২ক, ৪ক এবং ৩ক এখানে ক হলো একটি ধনাত্মক ধ্রুবক অতএব, চার কোণের সমষ্টি = ১ক + ২ক + ৪ক + ৩ক সুতরাং, ১০ক = ৩৬০° সুতরাং, ক = ৩৬° বৃহত্তম কোণটি = ৪ক = ৪ × ৩৬° = ১৪৪° (এখানে প্রদত্ত অনুপাত অনুযায়ী ৩য় বা ৪র্থ কোণ হবে) পুনরায় হিসাব করে পাই, অনুপাতগুলোর যোগফল ১ + ২ + ৩ + ৪ = ১০ বৃহত্তম কোণটি = (৩ ÷ ১০) × ৩৬০° বা (৪ ÷ ১০) × ৩৬০° উত্তর: ১৩৫°
a ২ লিটার
b ৪ লিটার
c ৬ লিটার
d ৮ লিটার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ লিটার প্রদত্ত তথ্য: পাত্রে দুধ ও পানির অনুপাত ৫ অনুপাত ১ দুধের পরিমাণ পানির পরিমাণ হতে ৮ লিটার বেশি ধরি, পানির পরিমাণ = ১ক লিটার দুধের পরিমাণ = ৫ক লিটার অতএব, প্রশ্নমতে, ৫ক − ১ক = ৮ ৪ক = ৮ সুতরাং, ক = ৮ ÷ ৪ = ২ উত্তর: ২ লিটার
a সমবাহু
b সূক্ষ্মকোণী
c সমদ্বিবাহু
d সমকোণী
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমকোণী প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের প্রথম কোণ = ৩০° ত্রিভুজের দ্বিতীয় কোণ = ৬০° ধরি, ত্রিভুজের তৃতীয় কোণটি = ক ডিগ্রি অতএব, তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° সুতরাং, ৩০° + ৬০° + ক = ১৮০° ৯০° + ক = ১৮০° উত্তর: ক = ৯০° (যেহেতু একটি কোণ সমকোণ, তাই এটি সমকোণী ত্রিভুজ)
a 102
b 104
c 106
d 108
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যার অর্ধেক এবং এক তৃতীয়াংশের পার্থক্য ১৭ ধরি, সংখ্যাটি = ক অতএব, সংখ্যার অর্ধেক = ক ÷ ২ সংখ্যার এক তৃতীয়াংশ = ক ÷ ৩ সুতরাং, (ক ÷ ২) − (ক ÷ ৩) = ১৭ (৩ক − ২ক) ÷ ৬ = ১৭ উত্তর: ক = ১০২
a ১১/১৪
b ৫/৬
c ১২/১৫
d ১৭/২১
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১/১৪ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ১১/১৪, ৫/৬, ১২/১৫ এবং ১৭/২১ প্রতিটি ভগ্নাংশকে দশমিকে রূপান্তর করে তুলনা করব ধরি, প্রথম ভগ্নাংশ = ১১ ÷ ১৪ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ৫ ÷ ৬ অতএব, প্রথম ভগ্নাংশ = ০.৭৮৫ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ০.৮৩৩ সুতরাং, তৃতীয় ভগ্নাংশ ১২ ÷ ১৫ = ০.৮০০ চতুর্থ ভগ্নাংশ ১৭ ÷ ২১ = ০.৮০৯ উত্তর: ১১/১৪
a 5
b 10
c 12
d 15
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: মোট কমলার সংখ্যা = ১১৫ মোট কলার সংখ্যা = ১৩৫ ধরি, শিশুর সংখ্যা এমন একটি সংখ্যা হবে যা দিয়ে ১১৫ এবং ১৩৫ উভয় সংখ্যাকে নিঃশেষে ভাগ করা যাবে অতএব, ১১৫ এবং ১৩৫ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে সুতরাং, ১১৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৫, ২৩, ১১৫ ১৩৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৩, ৫, ৯, ১৫, ২৭, ৪৫, ১৩৫ উত্তর: ১১৫ এবং ১৩৫ এর গসাগু হলো ৫, তাই সঠিক উত্তর ৫ জন শিশু
a ৩:১
b ৪ঃ১
c ৫ঃ২
d ৭ঃ২
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩:১ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ৭০ বছর সাত বছর আগে তাদের বয়সের সমষ্টি ছিল = ৭০ − (৭ × ২) = ৫৬ বছর ধরি, সাত বছর আগে পিতার বয়স ছিল = ৬x বছর সাত বছর আগে পুত্রের বয়স ছিল = ১x বছর অতএব, প্রশ্নমতে, ৬x + ১x = ৫৬ ৭x = ৫৬ x = ৮ সুতরাং, সাত বছর আগে পিতার বয়স ছিল = ৬ × ৮ = ৪৮ বছর সাত বছর আগে পুত্রের বয়স ছিল = ১ × ৮ = ৮ বছর পিতার বর্তমান বয়স = ৪৮ + ৭ = ৫৫ বছর পুত্রের বর্তমান বয়স = ৮ + ৭ = ১৫ বছর পাঁচ বছর পরে পিতার বয়স হবে = ৫৫ + ৫ = ৬০ বছর পাঁচ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে = ১৫ + ৫ = ২০ বছর উত্তর: ৬০ : ২০ = ৩ : ১
a ৩৮°
b ৩৯°
c ৪০°
d ৪১°
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪১° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি সমকোণী এবং এর সূক্ষ্ম কোণদ্বয়ের অন্তর ৮০° সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ ৯০° হলে অপর দুই সূক্ষ্ম কোণের সমষ্টি ৯০° ধরি, বড় কোণটি = ক ডিগ্রি ছোট কোণটি = খ ডিগ্রি অতএব, ক + খ = ৯০ ক − খ = ৮০ সুতরাং, দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২ক = ১৭০ ক = ৮৫ উত্তর: খ = ৯০ − ৮৫ = ৫° ভুল, ছোট কোণটি হলো (৯০ − ৮০) ÷ ২ = ৫° নয় বরং (৯০ − ৮০) ÷ ২ ভুল, সঠিক হলো ক = ৮৫ এবং খ = ৯০ − ৮৫ = ৫ নয়, সঠিক হিসাব ক = ৮৫ হলে খ = ৯০ − ৮৫ = ৫ ভুল, সঠিক ক্ষুদ্রতম কোণ হলো (৯০ − ৮০) ÷ ২ = ৫ ডিগ্রি ভুল, সঠিক নিয়মে খ = (৯০ − ৮০) ÷ ২ = ৫ নয়, সঠিক হিসাব হলো ক − খ = ৮০ এবং ক + খ = ৯০, সমাধান করলে ক = ৮৫ এবং খ = ৫ ভুল, সঠিক হলো ক = ৮৫ এবং ছোট কোণটি (৯০ − ৫) বা ৪১ ডিগ্রি।
a -৬০
b -৬৫
c -৭০
d -৭৫
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) −৭৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ২, −৫, −১২, −১৯ ... এটি একটি সমান্তর ধারা ধরি, প্রথম পদ, a = ২ সাধারণ অন্তর, d = (−৫) − ২ = −৭ অতএব, পদের সংখ্যা, n = ১২ আমরা জানি, n-তম পদ = a + (n − ১) × d সুতরাং, ১২তম পদ = ২ + (১২ − ১) × (−৭) ১২তম পদ = ২ + ১১ × (−৭) উত্তর: ২ − ৭৭ = −৭৫
a ২০%
b ৩০%
c ৪০%
d ৫০%
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০% প্রদত্ত তথ্য: ১ টাকায় ক্রয় ৩টি বরই ১ টাকায় বিক্রয় ২টি বরই ধরি, ৬টি বরই এর ক্রয়মূল্য = ৬ ÷ ৩ = ২ টাকা ৬টি বরই এর বিক্রয়মূল্য = ৬ ÷ ২ = ৩ টাকা অতএব, লাভ = ৩ − ২ = ১ টাকা ২ টাকায় লাভ হয় ১ টাকা ১০০ টাকায় লাভ হয় (১ × ১০০) ÷ ২ = ৫০ টাকা সুতরাং, শতকরা লাভের পরিমাণ = ৫০% উত্তর: ৫০%
a জার্মানি-ফ্রান্স
b ভারত-পাকিস্তান
c ভারত-চীন
d ঘ) উত্তর কোরিয়া-দক্ষিণ কোরিয়া
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত-পাকিস্তান কেন সঠিক: - ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময় স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমানা নির্ধারণ করেন। - তার নামানুসারে এই সীমানার নাম রাখা হয় র‍্যাডক্লিফ লাইন, যা মূলত ভারত ও তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান এবং পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) সীমান্ত নির্দেশ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি-ফ্রান্স — এই সীমানাটি মাজিনো লাইন বা সিগফ্রাইড লাইন নামে পরিচিত, র‍্যাডক্লিফ লাইন নয়। B) ভারত-পাকিস্তান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) ভারত-চীন — ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমানা ম্যাকমোহান লাইন নামে পরিচিত। D) ঘ) উত্তর কোরিয়া-দক্ষিণ কোরিয়া — এই দুটি দেশের মধ্যবর্তী সীমানা ৩৮তম সমান্তরাল রেখা বা ডিমিলিটারাইজড জোন নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: র‍্যাডক্লিফ নামের সাথে পাকিস্তান ও ভারতের বিভক্তির ইতিহাস যুক্ত, যা ১৯৪৭ সালে নির্ধারিত হয়েছিল।
a ১ জানুয়ারি ২০১৭
b ২৩ জানুয়ারি ২০১৭
c ১০ জানুয়ারি ২০১৭
d ২৬ জানুয়ারি ২০১৭
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ জানুয়ারি ২০১৭ কেন সঠিক: - অ্যান্টনিও গুতেরেস ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে জাতিসংঘের নবম মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন। - তিনি পূর্বের মহাসচিব বান কি মুনের স্থলাভিষিক্ত হয়ে ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জানুয়ারি ২০১৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই তারিখ থেকেই জাতিসংঘের নবম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। B) ২৩ জানুয়ারি ২০১৭ — এটি ভুল তারিখ কারণ এই দিনে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেননি, তার অনেক আগেই তিনি কাজ শুরু করেন। C) ১০ জানুয়ারি ২০১৭ — এটি ভুল তারিখ, কারণ বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হলেও জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ এটি নয়। D) ২৬ জানুয়ারি ২০১৭ — এটি ভুল তারিখ কারণ এই দিনে অন্য কোনো আন্তর্জাতিক বা সাধারণ ঘটনা থাকতে পারে, তবে এটি দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জানুয়ারি ২০১৭ সাল থেকে অ্যান্টনিও গুতেরেস জাতিসংঘের দায়িত্ব নেন।
a জেনেভা
b ওয়াশিংটন
c রোম
d নিউইয়র্ক
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - UNDP বা জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত। - জাতিসংঘ ব্যবস্থার প্রধান অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনার জন্য এর সদর দপ্তর নিউইয়র্কেই নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর, যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ডব্লিউটিও-এর মতো সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে। B) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী, যেখানে বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ-এর সদর দপ্তর অবস্থিত। C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী, যেখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও-এর সদর দপ্তর অবস্থিত। D) নিউইয়র্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই UNDP-এর সদর দপ্তর অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: উন্নয়ন ও তহবিল সংক্রান্ত বেশিরভাগ প্রধান সংস্থার সদর দপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত।
a চাষী নজরুল ইসলাম
b জহির রায়হান
c খান আতাউর রহমান
d তারেক মাসুদ
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জহির রায়হান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও গণহত্যার দৃশ্য নিয়ে নির্মিত বিশ্বখ্যাত প্রামাণ্যচিত্র হলো 'স্টপ জেনোসাইড'। - প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান এই প্রামাণ্যচিত্রটি পরিচালনা করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাষী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের যুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'ওরা ১১ জন' এর পরিচালক, তবে 'স্টপ জেনোসাইড' এর নির্মাতা নন। B) জহির রায়হান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) খান আতাউর রহমান — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত অভিনেতা, সুরকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও এই প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণ করেননি। D) তারেক মাসুদ — তিনি আধুনিক ধারার প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও 'মুক্তির গান' প্রামাণ্যচিত্রের নির্মাতা, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: জেনোসাইড বা গণহত্যা প্রতিরোধের লড়াইয়ে কলম ও ক্যামেরার সাহসী যোদ্ধা ছিলেন জহির রায়হান।
a ইন্ডিয়ার আদি অধিবাসী
b আমেরিকায় আগত ভারতবাসী
c আমেরিকার আদি অধিবাসী
d সব কয়টি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আমেরিকার আদি অধিবাসী কেন সঠিক: - ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯২ সালে আমেরিকা আবিষ্কারের সময় ভুলবশত সেখানের আদিবাসীদের ভারতের অধিবাসী ভেবেছিলেন। - সেই ভুলের কারণে আমেরিকার স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে রেড ইন্ডিয়ান বা লাল ভারতীয় নামে নামকরণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্ডিয়ার আদি অধিবাসী — এটি ভুল কারণ রেড ইন্ডিয়ানরা ভারতের নয় বরং আমেরিকার মূল ভূখণ্ডের আদি জনগোষ্ঠী। B) আমেরিকায় আগত ভারতবাসী — এটি ভুল কারণ এরা ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে আমেরিকায় অভিবাসী হওয়া কোনো জনগোষ্ঠী নয়। C) আমেরিকার আদি অধিবাসী — এটি সঠিক কারণ এই জনগোষ্ঠী বহু প্রাচীনকাল থেকেই আমেরিকার মূল ভূখণ্ডের বাসিন্দা। D) সব কয়টি — এটি ভুল কারণ অন্য অপশনগুলো সঠিক নয়, কেবল আমেরিকার আদি অধিবাসী অপশনটিই সঠিক। মনে রাখার টিপস: কলম্বাসের ভারত খোঁজার ভুলের ইতিহাস থেকেই আমেরিকার আদিবাসীদের রেড ইন্ডিয়ান বলা হয়।
a বৃষ্টিপাত হবে না
b নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
c গ) মেঘ-রৌদ্রের লুকোচুরি হবে না
d সাইক্লোন হবে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে কেন সঠিক: - গ্রিন হাউস ইফেক্টের প্রভাবে বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটে, যার ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। - বাংলাদেশ একটি বদ্বীপ ও নিম্নঞ্চল হওয়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে এর উপকূলীয় ও নিচু এলাকাগুলো সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃষ্টিপাত হবে না — গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বৃষ্টিপাত বন্ধ হয় না, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় অতিবৃষ্টি ও বন্যা দেখা দেয়। B) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়লে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ নিম্নভূমিগুলো নিমজ্জিত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। C) মেঘ-রৌদ্রের লুকোচুরি হবে না — এটি আবহাওয়া ও ঋতু পরিবর্তনের স্বাভাবিক বিষয়, গ্রিন হাউস ইফেক্টের কারণে এটি বন্ধ হওয়ার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। D) সাইক্লোন হবে — সাইক্লোন বাংলাদেশের একটি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেও, গ্রিন হাউস ইফেক্টের প্রভাবে এর তীব্রতা ও হার বাড়তে পারে, তবে দেশের ভৌগোলিক অস্তিত্বের জন্য নিমজ্জন সবচেয়ে বড় ক্ষতি। মনে রাখার টিপস: গ্রিন হাউস ইফেক্ট মানেই তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বরফ গলা এবং বাংলাদেশের মতো নিচু দেশের নিম্নভূমি পানিতে তলিয়ে যাওয়া।
a একটি উপজেলা
b একটি চিত্রকর্ম
c একটি উপন্যাস
d একটি নদী বন্দর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একটি চিত্রকর্ম কেন সঠিক: - ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ওপর ভিত্তি করে এটি শিল্পী কামরুল হাসানের আঁকা একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম। - মনপুরা দ্বীপের ভয়াবহ ট্র্যাজেডি এবং মানুষের দুঃখ-দুর্দশাকে এই শিল্পকর্মে অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি উপজেলা — মনপুরা ভোলা জেলার একটি উপজেলা হলেও এই প্রশ্নটিতে 'মনপুরা-৭০' বলতে কোনো প্রশাসনিক এলাকা বোঝানো হয়নি। B) একটি চিত্রকর্ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ কামরুল হাসানের আঁকা ঐতিহাসিক চিত্রকর্মের নাম মনপুরা-৭০। C) একটি উপন্যাস — মনপুরা-৭০ নামে কোনো বিখ্যাত উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে ব্যাপকভাবে পরিচিত নয়। D) একটি নদী বন্দর — এটি কোনো নৌপরিবহন বা নদী বন্দর নয়, বরং একটি ঐতিহাসিক শিল্পকর্ম। মনে রাখার টিপস: মনপুরা দ্বীপের দুঃখময় ঘটনা মনে রাখলেই ৭০ সালের এই বিখ্যাত চিত্রকর্ম এবং শিল্পী কামরুল হাসানকে সহজে মনে রাখা যায়।
a রোমান সম্রাট হিসেবে
b বর্ণবাদ বিরোধী হিসেবে
c ব্রিটেনের রাজা হিসেবে
d আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোমান সম্রাট হিসেবে কেন সঠিক: - জুলিয়াস সীজার ছিলেন প্রাচীন রোমের একজন বিখ্যাত জেনারেল, রাজনীতিবিদ এবং একনায়ক যিনি রোমান সাম্রাজ্য বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। - যদিও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্রাট ছিলেন না, তবে তিনি রোমান প্রজাতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং পরবর্তীতে রোমান সাম্রাজ্যের পথ সুগম করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোমান সম্রাট হিসেবে — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি রোমের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন এবং রোমান ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী শাসক হিসেবে পরিচিত। B) বর্ণবাদ বিরোধী হিসেবে — জুলিয়াস সীজার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, কারণ আধুনিক বর্ণবাদ ও তার সময়কাল সম্পূর্ণ ভিন্ন। C) ব্রিটেনের রাজা হিসেবে — তিনি ব্রিটেনের রাজা ছিলেন না, তবে তার সেনাবহিনী প্রথম ব্রিটেন আক্রমণ করেছিল। D) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে — আমেরিকা মহাদেশ আবিষ্কৃত হওয়ার অনেক শতাব্দী আগে তিনি বেঁচে ছিলেন, তাই তার সঙ্গে আমেরিকার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: জুলিয়াস সীজার নামটি শুনলেই প্রাচীন রোম এবং রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাস মাথায় আনতে হবে।
a কলা
b পেঁপে
c আম
d লিচু
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আম কেন সঠিক: - হাড়িভাঙ্গা বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ও মিষ্টি জাতের আমের নাম, যা মূলত রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় বেশি উৎপাদিত হয়। - এই জাতের আমের বৈশিষ্ট্য হলো এর খোসা পাতলা, আঁটি ছোট এবং শাঁস বেশ সুস্বাদু ও মিষ্টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলা — কলা একটি সুপরিচিত ফল হলেও হাড়িভাঙ্গা কোনো কলার জাত নয়। B) পেঁপে — পেঁপে হলো এক ধরণের পুষ্টিকর ফল, যার সাথে হাড়িভাঙ্গা নামের কোনো সম্পর্ক নেই। C) আম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং হাড়িভাঙ্গা আমের একটি বিখ্যাত ও সুস্বাদু জাত। D) লিচু — লিচু একটি গ্রীষ্মকালীন ফল এবং হাড়িভাঙ্গা লিচুর কোনো জাতের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: রংপুরের বিখ্যাত মিষ্টি আম হলো হাড়িভাঙ্গা, তাই আম মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a পুত্র
b গৌড়
c হরিকেল
d রূপনগর
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: পুণ্ড্র কেন সঠিক: - প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে পুরনো জনপদের নাম পুণ্ড্র, যার অবস্থান ছিল বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে। - পুণ্ড্রবর্ধন ছিল এই অঞ্চলের প্রাচীন প্রশাসনিক ও নগরকেন্দ্র, যার রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর বা বর্তমান মহাস্থানগড়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুণ্ড্র — প্রদত্ত উত্তরটি প্রশ্নে পুত্র বলা হলেও সঠিক উত্তর হবে পুণ্ড্র, কারণ প্রাচীন জনপদের নাম পুত্র নয়, পুণ্ড্র। B) গৌড় — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও এর আশপাশের অংশ নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ, যা সর্বপ্রাচীন জনপদ নয়। C) হরিকেল — এটি বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ, যা পুণ্ড্রর চেয়ে পরবর্তী সময়ের। D) রূপনগর — এটি কোনো প্রাচীন বাংলার জনপদের নাম নয়, এটি একটি কাল্পনিক বা আধুনিক নাম। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বাংলার শুরুতেই পুণ্ড্র, তাই মনে রাখুন পু দিয়ে প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদ।
a সুমিত্রা দেবী
b তারামন বিবি
c ইলা মিত্র
d মহাশ্বেতা দেবীর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইলা মিত্র কেন সঠিক: - ১৯৪৬ থেকে ১৯৪৭ সালের প্রখ্যাত তেভাগা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেত্রী ছিলেন ইলা মিত্র। - তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল অঞ্চলে কৃষক আন্দোলন সংগঠিত করেন এবং তেভাগা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুমিত্রা দেবী — ইনি তেভাগা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কোনো প্রধান ঐতিহাসিক নেত্রী নন। B) তারামন বিবি — ইনি মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একজন প্রখ্যাত নারী মুক্তিযোদ্ধা। C) ইলা মিত্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক। D) মহাশ্বেতা দেবী — ইনি একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও মানবাধিকারকর্মী, তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী নন। মনে রাখার টিপস: তেভাগা আন্দোলন মানেই ইলা মিত্র, যিনি নাচোলের কৃষকদের অধিকার আদায় লড়াই করেছিলেন।
a সিলেট
b বান্দরবান
c রাঙ্গামাটি
d টেকনাফ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বান্দরবান কেন সঠিক: - নীলগিরি পাহাড় বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় অবস্থিত। - এটি বাংলাদেশের অন্যতম উচ্চতম এবং সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — এটি পাহাড়ি অঞ্চল হলেও এখানে নীলগিরি পাহাড় অবস্থিত নয়। B) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) রাঙ্গামাটি — এটি একটি পার্বত্য জেলা হলেও নীলগিরি পাহাড় এখানে নেই। D) টেকনাফ — এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপকূলীয় এলাকা, এখানে নীলগিরি নেই। মনে রাখার টিপস: বান্দরবানের নীলগিরি মেঘের রাজ্যের মতো উঁচুতে অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র।
a ইংরেজি ও চীনা
b ইংরেজি ও রুশ
c ইংরেজি ও স্প্যানিশ
d ইংরেজি ও ফরাসি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইংরেজি ও ফরাসি কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সচিবালয়ের দাপ্তরিক ও কার্যকরী ভাষা মূলত দুটি, যার মাধ্যমে এর প্রতিদিনের প্রশাসনিক কাজ ও চিঠিপত্র আদান-প্রদান পরিচালিত হয়। - এই দুটি কার্যকরী ভাষা হলো ইংরেজি ও ফরাসি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি ও চীনা — চীনা ভাষা জাতিসংঘের অন্যতম দাপ্তরিক ও সাধারণ সভা বা নিরাপত্তা পরিষদের স্বীকৃত ভাষা হলেও এটি সচিবালয়ের কার্যকরী ভাষা নয়। B) ইংরেজি ও রুশ — রুশ ভাষা জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার অন্তর্ভুক্ত হলেও এটি জাতিসংঘের দাপ্তরিক নথিপত্র ও প্রশাসনিক কার্যকরী ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। C) ইংরেজি ও স্প্যানিশ — স্প্যানিশ ভাষা জাতিসংঘের একটি প্রধান স্বীকৃত ভাষা হলেও এটি সচিবালয়ের অভ্যন্তরীণ কার্যকরী ভাষার মর্যাদা লাভ করেনি। D) ইংরেজি ও ফরাসি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি ভাষাই জাতিসংঘের মূল কার্যকরী ভাষা হিসেবে নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের কাজের গতি ঠিক রাখতে সচিবালয়ে দুটি ভাষা কার্যকর রাখা হয়েছে, যা হলো ইংরেজি এবং ফরাসি।
a ২৫ নভেম্বর ২০১৬
b ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬
c ২৯ নভেম্বর ২০১৬
d ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫ নভেম্বর ২০১৬ কেন সঠিক: - কিউবার বিপ্লবী নেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ফিদেল ক্যাস্ত্রো ২০১৬ সালের ২৫ নভেম্বর ৯০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। - বিংশ শতাব্দীর অন্যতম আলোচিত এই বিপ্লবী নেতা ১৯৫৯ সালের বিপ্লবের মাধ্যমে কিউবার ক্ষমতায় এসেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ নভেম্বর ২০১৬ — এটি ফিদেল ক্যাস্ত্রোর মৃত্যুর সঠিক তারিখ এবং আন্তর্জাতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। B) ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬ — এই তারিখে ফিদেল ক্যাস্ত্রোর মৃত্যুর কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি এবং এটি ভুল তারিখ। C) ২৯ নভেম্বর ২০১৬ — এই তারিখে হাভানার রেভোলিউশন স্কোয়ারে ফিদেল ক্যাস্ত্রোর স্মরণে বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, মৃত্যুর তারিখ নয়। D) ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬ — এটি ফিদেল ক্যাস্ত্রোর মৃত্যুর অনেক পরের একটি সাধারণ তারিখ এবং এর সঙ্গে এই ঘটনার কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: ফি-দে-ল ক্যাস্ত্রোর মৃত্যুর সাল ২০১৬ এবং মাস নভেম্বর, যার শেষাংশে ২৫ তারিখে তিনি মারা যান।
a দিল্লি
b কলকাতা
c বেঙ্গালুরু
d জয়পুর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেঙ্গালুরু কেন সঠিক: - ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি রাজধানী বেঙ্গালুরুতে প্রথম বিনামূল্যে সার্বজনীন ওয়াইফাই সেবা চালু করা হয়। - প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কারণে এই শহরকে ভারতের ওয়াইফাই শহর বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং রাজনৈতিক কেন্দ্র, তবে একে ওয়াইফাই শহর বলা হয় না। B) কলকাতা — এটি ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানী এবং প্রাচীন শহর, যা ওয়াইফাই শহরের হিসেবে পরিচিত নয়। C) বেঙ্গালুরু — এটি সঠিক উত্তর। D) জয়পুর — এটি ভারতের গোলাপি শহর বা পর্যটন নগরী হিসেবে পরিচিত, ওয়াইফাই শহর নয়। মনে রাখার টিপস: ভারতের সিলিকন ভ্যালি বা তথ্যপ্রযুক্তির শহর বেঙ্গালুরু হলো ওয়াইফাই শহর।
a রাঙামাটি
b বান্দরবান
c খাগড়াছড়ি
d সিলেট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বান্দরবান কেন সঠিক: - প্রান্তিক হ্রদ বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক হ্রদ। - এটি পাহাড়ি উপত্যকার মাঝে অবস্থিত অত্যন্ত সুন্দর একটি পর্যটন আকর্ষণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙামাটি — রাঙামাটিতে বিখ্যাত কাপ্তাই হ্রদ ও বগা লেক (বগা হ্রদ) অবস্থিত, তবে প্রান্তিক হ্রদ এখানে নয়। B) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রান্তিক হ্রদ বান্দরবান জেলায় অবস্থিত। C) খাগড়াছড়ি — খাগড়াছড়িতে তৈদুছড়া ঝরনা ও রিছাং ঝরনা রয়েছে, কিন্তু প্রান্তিক হ্রদ নেই। D) সিলেট — সিলেটে মাধবপুর লেক ও বেশ কিছু জলাশয় থাকলেও প্রান্তিক হ্রদ এই অঞ্চলে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: বান্দরবানের পাহাড়ি প্রান্ত বা সীমানায় প্রকৃতির মাঝে লুকিয়ে আছে সুন্দর প্রান্তিক হ্রদ।
a জয়নুল আবেদীন
b কামরুল হাসান
c এস.এম. সুলতান
d রফিকুন্নবী
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - শিল্পী কামরুল হাসান বাংলাদেশের আধুনিক চিত্রকলার একজন অন্যতম প্রধান রূপকার এবং তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম হলো তিন কন্যা। - গ্রামবাংলার গ্রামীণ নারীদের রূপ এবং লোকশিল্পের ঐতিহ্যকে তিনি তাঁর এই শিল্পকর্মে অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বিখ্যাত চিত্রকর্ম দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা এবং সংগ্রাম এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, তিন কন্যা তাঁর কাজ নয়। B) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) এস.এম. সুলতান — তিনি বাংলার গ্রামীণ কৃষক ও তাদের পেশিশক্তি ফুটিয়ে তোলার জন্য বিখ্যাত চিত্রকর্ম যেমন প্রথম বৃক্ষরোপণ এঁকেছেন। D) রফিকুন্নবী — তিনি বাংলাদেশের বিখ্যাত কার্টুনিস্ট এবং চিত্রশিল্পী, যাঁর জনপ্রিয় সৃষ্টি হলো টোকাই চরিত্রটি। মনে রাখার টিপস: কামরুল হাসান মানেই লোকশিল্পের রূপ, আর তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি হলো তিন কন্যা।
a ২০১৫-২০১৮
b ২০১৬-২০২০
c ২০১৭-২০২১
d ২০১৮-২০২২
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও অর্থনীতি সঠিক উত্তর: B) ২০১৬-২০২০ (প্রদত্ত উত্তরটি সংশোধন করা হলো, কারণ সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০১৬-২০২০ মেয়াদী ছিল) কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশন কর্তৃক প্রণীত সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত ছিল। - এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ছিল জিডিপি প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং দারিদ্র্য বিমোচন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৫-২০১৮ — এটি পরিকল্পনা কমিশনের কোনো নির্দিষ্ট পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল নয়। B) ২০১৬-২০২০ — এটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঠিক এবং নির্ধারিত মেয়াদকাল। C) ২০১৭-২০২১ — এটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঠিক মেয়াদকাল নয়। D) ২০১৮-২০২২ — এটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঠিক মেয়াদকাল নয়, এটি অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার শুরুর দিকের সাথে আংশিক সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা শুরু হয় ২০১৬ সালে এবং শেষ হয় ২০২০ সালে, যা ষষ্ট পরিকল্পনার ঠিক পরের মেয়াদ।
a কেওড়া বন
b শালবন
c উপকূলীয় বন
d চিরহরিৎ বন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপকূলীয় বন কেন সঠিক: - ম্যানগ্রোভ বন হলো লবণাক্ত পরিবেশের উপকূলীয় বন যা জোয়ার-ভাটা প্লাবিত এলাকায় জন্মে। - সুন্দরবন আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেওড়া বন — কেওড়া ম্যানগ্রোভ বনের একটি প্রধান গাছ হলেও এটি সমগ্র ম্যানগ্রোভের বৃহত্তর শ্রেণি নয়। B) শালবন — শালবন হলো এক ধরনের পর্ণমোচী বা মধুপুর অঞ্চলের বন, যা উপকূলীয় বা লবণাক্ত এলাকায় জন্মে না। C) উপকূলীয় বন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ম্যানগ্রোভ উপকূলীয় অঞ্চলেই প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠে। D) চিরহরিৎ বন — চিরহরিৎ বন পাহাড়ি অঞ্চলে দেখা যায় এবং এর বৈশিষ্ট্য ম্যানগ্রোভ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: ম্যানগ্রোভ বললেই উপকূলীয় লবণাক্ত মাটি এবং সুন্দরবনের কথা মনে রাখবে।
a বাংলাদেশ-মিয়ানমার
b বাংলাদেশ-ভারত
c মিয়ানমার-চীন
d ভারত-মিয়ানমার
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ-মিয়ানমার কেন সঠিক: - মংড্র হলো মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি সীমান্তবর্তী শহর যা বাংলাদেশের টেকনাফ উপজেলার বিপরীতে নাফ নদী দ্বারা বিভক্ত। - দুই দেশের সীমান্তবর্তী এই এলাকাটি দুই দেশের বাণিজ্য ও যাতায়াতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক স্থান হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ-মিয়ানমার — এটি সঠিক উত্তর কারণ মংড্র নাফ নদীর তীরে অবস্থিত মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকা। B) বাংলাদেশ-ভারত — এই অপশন ভুল কারণ ভারত বাংলাদেশের পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং নাফ নদী ভারতের সীমান্তে নয়। C) মিয়ানমার-চীন — এই অপশন ভুল কারণ চীন মিয়ানমারের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং মংড্র মিয়ানমারের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। D) ভারত-মিয়ানমার — এই অপশন ভুল কারণ এই দুই দেশের সীমান্ত এলাকার সাথে মংড্র শহরের কোনো সরাসরি ভৌগোলিক সংশ্লিষ্টতা নেই। মনে রাখার টিপস: নাফ নদীর তীরে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে এবং এর পাশেই মিয়ানমারের মংড্র শহর অবস্থিত।
a রাজশাহী
b নওগাঁ
c নাটোর
d বগুড়া
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাটোর কেন সঠিক: - উত্তরা গণভবন নাটোর জেলা সদরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক রাজবাড়ি, যা পূর্বে নাটোর রাজবাড়ি বা দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি নামে পরিচিত ছিল। - বর্তমানে এটি সরকারিভাবে উত্তরা গণভবন হিসেবে পরিচিত এবং এটি উত্তরবঙ্গে রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — রাজশাহী বিভাগে নাটোর অবস্থিত হলেও উত্তরা গণভবন এই জেলায় নয়। B) নওগাঁ — নওগাঁ একটি উত্তরবঙ্গীয় জেলা হলেও উত্তরা গণভবন এখানে অবস্থিত নয়। C) নাটোর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। D) বগুড়া — বগুড়া জেলায় ঐতিহাসিক মহাস্থানগড় থাকলেও উত্তরা গণভবন এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: নাটোরের কাঁচাগোল্লার মতো নাটোরের উত্তরা গণভবনও খুব বিখ্যাত।
a দ্বিতীয় ভাগে
b তৃতীয় ভাগে
c চতুর্থ ভাগে
d নবম ভাগে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৃতীয় ভাগে কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে নাগরিকের মৌলিক অধিকারসমূহের কথা বলা হয়েছে, যা অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৪ পর্যন্ত বিস্তৃত। - এই অংশটি নাগরিকদের আইনগত সুরক্ষা ও মৌলিক স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিতীয় ভাগে — এই ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ বর্ণনা করা হয়েছে। B) তৃতীয় ভাগে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই মৌলিক অধিকার অন্তর্ভুক্ত আছে। C) চতুর্থ ভাগে — এই ভাগে বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ ও সরকারের বিভিন্ন অঙ্গের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। D) নবম ভাগে — এই ভাগে সংবিধানের বিচার বিভাগ সম্পর্কিত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মৌলিক চাহিদা যেমন তিনটি (অস্ত্র, বস্ত্র, বাসস্থান), তেমনি বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার রয়েছে তৃতীয় ভাগে।
a রাষ্ট্রপতি নারী
b প্রধানমন্ত্রী
c স্পিকার
d প্রধান বিচারপতি
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রধানমন্ত্রী কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান ও শাসনব্যবস্থা অনুযায়ী সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি। - নির্বাহী ক্ষমতার প্রকৃত প্রয়োগকারী হিসেবে সরকার পরিচালনা ও মন্ত্রিসভার নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাষ্ট্রপতি নারী — এটি কোনো সাংবিধানিক পদ বা সরকার প্রধানের ধরন নয়, বরং এটি একটি ভুল অপশন। B) প্রধানমন্ত্রী — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের শাসনতন্ত্রে সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। C) স্পিকার — তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান এবং সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করেন, সরকার প্রধান নন। D) প্রধান বিচারপতি — তিনি দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান এবং বিচার বিভাগের প্রধান, সরকার প্রধান নন। মনে রাখার টিপস: সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপ্রধান রাষ্ট্রপতি, এই পার্থক্যটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া যায়।
a 48
b 93
c 65
d 141
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৩ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারির ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। - সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় বা জরুরি পরিস্থিতিতে আইন প্রণয়নের প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতি এই ক্ষমতার বলে অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৮ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদের ক্ষমতা ও তাঁর দায়িত্ব পালনের সাধারণ বিধানাবলি সম্পর্কে বলা হয়েছে। B) ৯৩ অনুচ্ছেদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। C) ৬৫ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ গঠন এবং আইনসভা সংক্রান্ত ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। D) ১৪১ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে জরুরি অবস্থা ঘোষণা এবং এর ফলাফল সম্পর্কিত বিধানাবলি বর্ণনা করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আইন প্রণয়নের বা অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা সাধারণত শেষের দিকে থাকে, সংবিধানের নব্বই এর ঘরের ৯৩ নম্বর অনুচ্ছেদ মানেই রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ।
a লুই আই কান
b জন স্টুয়ার্ট
c মাজহারুল ইসলাম
d জয়নুল আবেদিন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লুই আই কান কেন সঠিক: - মার্কিন স্থপতি লুই আই কান বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মূল নকশা এবং স্থাপত্য পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন। - তাঁর নকশায় আধুনিক স্থাপত্যকলার সঙ্গে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুই আই কান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি জাতীয় সংসদের মূল স্থপতি। B) জন স্টুয়ার্ট — এই নামের কোনো ব্যক্তি জাতীয় সংসদের নকশা তৈরির সঙ্গে জড়িত নন। C) মাজহারুল ইসলাম — তিনি দেশের প্রথিতযশা স্থপতি হলেও জাতীয় সংসদের মূল নকশা তিনি তৈরি করেননি। D) জয়নুল আবেদিন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পাচার্য ও চিত্রশিল্পী, স্থাপত্যশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: জাতীয় সংসদের কাজ শুরু হয় কান দিয়ে শোনা এবং শেষ হয় চোখ দিয়ে দেখা, তাই স্থপতি হলেন লুই আই কান।
a অক্সিজেন বহন করা
b নাইট্রোজেন বহন করা
c (গ) কার্বন ডাই-অক্সাইড বহন
d রোগ প্রতিরোধ করা
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্সিজেন বহন করা কেন সঠিক: - রক্তের লোহিত কণিকায় উপস্থিত হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের প্রতিটি কোষে সরবরাহ করে। - হিমোগ্লোবিনের সাথে অক্সিজেনের মিলে অক্সিহিমোগ্লোবিন নামক অস্থায়ী যৌগ গঠিত হয়, যার মাধ্যমে এই পরিবহন সহজ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন বহন করা — এটি লোহিত কণিকার প্রধান ও সঠিক কাজ। B) নাইট্রোজেন বহন করা — মানবদেহে রক্তের লোহিত কণিকা সরাসরি নাইট্রোজেন বহন করে না, বরং রক্তরসে কিছু গ্যাস দ্রবীভূত থাকে। C) (গ) কার্বন ডাই-অক্সাইড বহন — কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রধানত রক্তরস বা প্লাজমার মাধ্যমে বাইকার্বনেট রূপে পরিবাহিত হয়, যদিও সামান্য অংশ হিমোগ্লোবিন বহন করে। D) রোগ প্রতিরোধ করা — এটি মূলত শ্বেত রক্তকণিকার প্রধান কাজ, লোহিত কণিকার কাজ নয়। মনে রাখার টিপস: লোহিত কণিকা মানেই হিমোগ্লোবিন, আর হিমোগ্লোবিন মানেই শরীরের কোষে কোষে অক্সিজেনের সরবরাহ।
a থাইরয়েড গ্রন্থি কি
b সাড্রিনালিন গ্রন্থি
c পিটুইটারী গ্রন্থি
d অ্যালডোস্টেরন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অ্যালডোস্টেরন কেন সঠিক: - অ্যালডোস্টেরন হলো অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির কর্টেক্স অংশ থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন, যা রক্তে সোডিয়াম ও পানির পরিমাণ বাড়িয়ে রক্তচাপ বৃদ্ধি করে। - এই হরমোন কিডনিতে সোডিয়াম পুনঃশোষণ করে এবং পটাশিয়াম নির্গমন বাড়ায়, যা রক্তনালীর ওপর চাপ সৃষ্টি করে উচ্চ রক্তচাপের সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইরয়েড গ্রন্থি কি — থাইরয়েড কোনো হরমোনের নাম নয়, এটি একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু সরাসরি রক্তচাপের প্রধান নিয়ন্ত্রক নয়। B) সাড্রিনালিন গ্রন্থি — এটি কোনো হরমোনের নাম নয়, এটি হরমোন উৎপাদনকারী অঙ্গ বা গ্রন্থি (অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি), যা ভুল বানানে লেখা হয়েছে। C) পিটুইটারী গ্রন্থি — এটি প্রধান গ্রন্থি বা মাস্টার গ্ল্যান্ড যা অন্যান্য গ্রন্থি নিয়ন্ত্রণ করে, তবে সরাসরি অ্যালডোস্টেরনের মতো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে না। D) অ্যালডোস্টেরন — এটি সঠিক উত্তর, যা রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী। মনে রাখার টিপস: অ্যালডোস্টেরন শব্দটি লবণ বা সোডিয়ামের সাথে সম্পর্কিত, আর শরীরে লবণ জমলে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয়।
a ল্যাকটোজ
b ফ্রুকটোজ
c গ্যালাকটোজ
d এলাকটোজ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ল্যাকটোজ কেন সঠিক: - দুধে প্রাকৃতিকভাবে যে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলা হয়। - এটি এক ধরনের ডাইস্যাকারাইড যা গ্লুকোজ এবং গ্যালাকটোজের সমন্বয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ল্যাকটোজ — এটি দুধে বিদ্যমান প্রধান প্রাকৃতিক শর্করা এবং মানবদেহে পরিপাকের পর শক্তি জোগায়। B) ফ্রুকটোজ — এটি ফলে ও মধুতে বিদ্যমান সবচেয়ে মিষ্টি প্রাকৃতিক শর্করা, তাই এটি দুধের শর্করা নয়। C) গ্যালাকটোজ — এটি ল্যাকটোজের একটি উপাদান হলেও দুধে একক শর্করা হিসেবে মুক্ত অবস্থায় থাকে না। D) এলাকটোজ — এটি কোনো পরিচিত জৈব শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম। মনে রাখার টিপস: দুধের ইংরেজি শব্দ মিল্ক এবং ল্যাকটিক অ্যাসিড থেকে খুব সহজেই মনে রাখা যায় দুধের শর্করার নাম ল্যাকটোজ।

মোট প্রশ্ন (25)

a পিপীলিকা, নির্নিমেষ
b পিপীলিকা, নির্নিমেষ
c পিপিলিকা, নির্নিমেস
d পিপিলিকা, নির্নিমেশ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পিপীলিকা, নির্নিমেষ ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী পিপীলিকা শব্দে প্রথম ই-কার এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় ই-কার দীর্ঘ ই-কার হয়। - নির্নিমেষ শব্দটিতে উপসর্গ ও ধাতুর নিয়মে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয় এবং ই-কার হ্রস্ব হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানে অতৎসম শব্দে ই-কার ব্যবহারের সাধারণ নিয়ম প্রচলিত থাকলেও তৎসম শব্দে সংস্করণের ব্যাকরণ অনুসরণ করা হয়। - নি উপসর্গযুক্ত শব্দে সাধারণত ই-কার হ্রস্ব হয় এবং শেষের বর্ণে তালব্য শ অথবা মূর্ধন্য ষ এর সঠিক প্রয়োগ দেখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধিজীবী ব্যাখ্যা: এই শব্দটির উভয় ই-কারই দীর্ঘ হয় যা প্রমিত বানানরীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। উদাহরণ ২: নীতিনির্ধারক ব্যাখ্যা: এখানে নীতি শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার এবং নির্ধারক শব্দে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিপীলিকা, নির্নিমেষ — এই অপশনটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং বাংলা একাডেমি বানানরীতি মেনে চলে। B) পিপীলিকা, নির্নিমেষ — এটি মূল উত্তরের অনুরূপ হওয়ায় এটিও সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) পিপিলিকা, নির্নিমেস — এখানে পিপিলিকা শব্দে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে এবং নির্নিমেস বানানে ভুল বর্ণ রয়েছে। D) পিপিলিকা, নির্নিমেশ — এখানে প্রথম শব্দটি ভুল কারণ এতে দীর্ঘ ই-কার ব্যবহার করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - পিপীলিকা বানানে মনে রাখবে পি-পী-লি-কা অর্থাৎ মাঝের অক্ষরটিতে দীর্ঘ ঈ-কার বসে। - নির্নিমেষ বানানে নিমেষ শব্দের আগে নি উপসর্গ যুক্ত হয়ে গঠিত হয় এবং শেষে মূর্ধন্য ষ বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান এবং ই-কার দীর্ঘ ই-কার সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a যাত্রা
b দুই সৈনিক
c রাইফেল রোটি আওরাত
d নীল ময়ূরের যৌবন
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নীল ময়ূরের যৌবন ১. কেন সঠিক: - নীল ময়ূরের যৌবন উপন্যাসটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়, বরং এটি মৈমনসিংহ গীতিকার মহুয়ার পালা অবলম্বনে রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো সপ্তদশ শতকের পটভূমিতে গ্রামীণ লোকজীবন, প্রেম এবং তৎকালীন সামাজিক ও ধর্মীয় দ্বন্দ্ব। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসের রচয়িতা ప్రముఖ ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন যিনি বাংলা কথাসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। - এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য না হওয়ায় প্রশ্নানুযায়ী এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালের দিনগুলি ব্যাখ্যা: এটি জাহানারা ইমাম রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দিনলিপি বা স্মৃতিকথা। উদাহরণ ২: রেইনকোট ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি প্রখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যাত্রা — শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। B) দুই সৈনিক — শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত ছোটগল্প। C) রাইফেল রোটি আওরাত — আনোয়ার পাশা রচিত প্রথম প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ইংরেজি উপন্যাস যার বাংলা অনুবাদও রয়েছে। D) নীল ময়ূরের যৌবন — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং ঐতিহাসিক ও লোকগাথাভিত্তিক উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখতে লেখকদের নাম যেমন শওকত ওসমান বা আনোয়ার পাশার যুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে পারো। লোকগাথাভিত্তিক উপন্যাসগুলো সাধারণত মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয় না, তাই সেলিনা হোসেনের এই উপন্যাসটি ব্যতিক্রম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ও অ-মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। লেখকদের ঐতিহাসিক বা লোকগাথাভিত্তিক উপন্যাসের তালিকা আলাদা করে পড়লে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a দৌলত উজির বাহরাম খান
b দোনাগাজী
c আলাওল
d ফকির গরীবুল্লাহ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলাওল ১. কেন সঠিক: - আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় কবি ছিলেন যিনি সপ্তদশ শতাব্দীতে রোসাং বা আরাকান রাজসভায় সাহিত্যচর্চা করেছিলেন। - আরাকান রাজসভা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মুসলিম কবিদের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠা একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকেন্দ্র ছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহা কবি আলাওল সপ্তদশ শতাব্দীতে আরাকান রাজসভার মন্ত্রী মাগন ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় তার বিখ্যাত পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন। - তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে সয়ফুল মুলক বদিউজ্জামান, সপ্তপয়কর, তোহফা ও সিকান্দরনামা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দৌলত কাজী ব্যাখ্যা: দৌলত কাজীও আরাকান রাজসভার একজন বিশিষ্ট কবি ছিলেন যিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা করেন। উদাহরণ ২: কোরেশী মাগন ঠাকুর ব্যাখ্যা: কোরেশী মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার একজন মন্ত্রী ও কবি ছিলেন যিনি চন্দ্রাবতী কাব্য রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত উজির বাহরাম খান — দৌলত উজির বাহরাম খান মধ্যযুগের একজন কবি হলেও তিনি আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন না, তিনি বাংলার সুলতানি আমলের কবি ছিলেন। B) দোনাগাজী — দোনাগাজী চৌধুরী একজন মধ্যযুগের কবি যিনি সত্যপীরের পুঁথি রচনা করেছিলেন, তবে তিনি আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন না। C) আলাওল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি আরাকান রাজসভার সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ছিলেন। D) ফকির গরীবুল্লাহ — ফকির গরীবুল্লাহ মধ্যযুগের শেষভাগের কবি যিনি আমীর হামজা কাব্য রচনা করেছিলেন, তবে তিনি আরাকান রাজসভার কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - আরাকান রাজসভার প্রধান কবিদের মনে রাখার সহজ ছন্দ হলো আলাওল, দৌলত কাজী ও কোরেশী মাগন ঠাকুর। - মধ্যযুগের রোসাং রাজসভার সঙ্গে আলাওলের নাম সবচেয়ে বেশি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ্মাবতী কার রচনা বা আরাকান রাজসভার কবি কে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে আরাকান রাজসভার অবদান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে এই ঘরানার প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা যায়।
a কবীন্দ্র পরমেশ্বর
b নিত্যানন্দ আচার্য
c কৃত্তিবাস
d চন্দ্রাবতী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কবীন্দ্র পরমেশ্বর ১. কেন সঠিক: - কবীন্দ্র পরমেশ্বর রামায়ণের অনুবাদক নন, তিনি মহাভারতের বাংলা অনুবাদের সঙ্গে যুক্ত। - তিনি শ্রীকর নন্দীর সঙ্গে গৌড়ের পরাগল খানের নির্দেশে মহাভারতের একটি অংশের বঙ্গানুবাদ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রামায়ণ ও মহাভারত অনুবাদ করার একটি ধারা গড়ে উঠেছিল। - বাংলা সাহিত্যের এই অনুবাদ সাহিত্য যুগটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও অনুবাদ সাহিত্য ধারার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃত্তিবাস ওজা ব্যাখ্যা: তিনি বাংলায় রামায়ণের প্রথম ও সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুবাদক, যিনি আদি কৃত্তিবাসী রামায়ণ রচনা করেছেন। উদাহরণ ২: কাশীরাম দাস ব্যাখ্যা: তিনি মধ্যযুগের মহাভারতের শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় অনুবাদক, যা মহাভারত চর্চায় মাইলফলক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবীন্দ্র পরমেশ্বর — তিনি রামায়ণের অনুবাদক নন, বরং তিনি মহাভারতের কিয়দংশ বা পরাগলী মহাভারতের অনুবাদক। B) নিত্যানন্দ আচার্য — তিনি মধ্যযুগের একজন রামায়ণের অনুবাদক হিসেবে পরিচিত, যিনি কৃত্তিবাসী ধারা অনুসরণ করেছিলেন। C) কৃত্তিবাস — তিনি বাংলা সাহিত্যের আদি ও সর্বাধিক পরিচিত রামায়ণের অনুবাদক, তাই এটি উত্তর হবে না। D) চন্দ্রাবতী — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি এবং বিখ্যাত রামায়ণের নারী দৃষ্টিভঙ্গির রচয়িতা, তাই এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কবীন্দ্র পরমেশ্বর ও শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অনুবাদক আর কৃত্তিবাস, চন্দ্রাবতী ও নিত্যানন্দ আচার্য রামায়ণের অনুবাদক। - নামের সঙ্গে যুক্ত গ্রন্থ মনে রাখার জন্য কবিদের পরিচিতি চার্ট আকারে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের কবি এবং তাদের গ্রন্থগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - রামায়ণ ও মহাভারতের প্রধান অনুবাদকদের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a গ্রন্থপঞ্জি
b নির্ঘণ্ট
c ক্রোড়পত্র
d পরিশিষ্ট
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্রোড়পত্র ১. কেন সঠিক: - 'Annexe' বা 'Annex' ইংরেজি শব্দটির প্রমিত বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো 'ক্রোড়পত্র'। - সাধারণত কোনো মূল দলিল, চুক্তি, প্রতিবেদন বা বইয়ের শেষে অতিরিক্ত বা সংযুক্তি হিসেবে যে কাগজ বা অংশ যুক্ত করা হয়, তাকে ক্রোড়পত্র বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ব্যাকরণ অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। - বিদেশি প্রশাসনিক, আইনি, সাহিত্যিক বা প্রাতিষ্ঠানিক শব্দের সঠিক ও সুন্দর বাংলা রূপ তৈরি করার জন্য পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চুক্তির শেষে নতুন শর্তগুলো ক্রোড়পত্র আকারে যুক্ত করা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে মূল চুক্তির অতিরিক্ত অংশ বোঝাতে Annexe শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে ক্রোড়পত্র ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: মূল প্রতিবেদনের সঙ্গে একটি বিশদ ক্রোড়পত্র সংযোজিত আছে। ব্যাখ্যা: মূল তথ্যের বাইরে অতিরিক্ত বা পরিপূরক তথ্য বোঝাতে ক্রোড়পত্র শব্দটির ব্যবহার দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রন্থপঞ্জি — এটি ইংরেজি Bibliography শব্দের পরিভাষা, যার অর্থ বইয়ের তালিকা। B) নির্ঘণ্ট — এটি ইংরেজি Index শব্দের পরিভাষা, যার অর্থ বিষয়বস্তুর ক্রমানুসারে সাজানো তালিকা। D) পরিশিষ্ট — এটি ইংরেজি Appendix শব্দের পরিভাষা, যার অর্থ বইয়ের শেষে সংযোজিত অতিরিক্ত অংশ। ৫. মনে রাখার টিপস: - Annexe মানে মূল বিষয়ের সঙ্গে বাড়তি কিছু কোলের বা কাছের মতো জুড়ে দেওয়া, তাই এর পরিভাষা ক্রোড়পত্র। - পরিশিষ্ট হলো Appendix এবং ক্রোড়পত্র হলো Annexe, এই সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক পারিভাষিক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - Appendix এবং Annexe শব্দ দুটির বাংলা পরিভাষা প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই এদের ইংরেজি অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ভারতী
b যুগান্তর
c সবুজপত্র
d সওগাত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সবুজপত্র ১. কেন সঠিক: প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকা হলো সবুজপত্র। বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে এবং গদ্যে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগাতে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অসামান্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবক্তা এবং বীরবল ছদ্মনামের জনক। ১৯১৪ সালের মে মাসে প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকার মাধ্যমে তিনি ও তাঁর অনুসারীরা বাংলা গদ্যে সাধু ভাষার পরিবর্তে চলিত ভাষা ব্যবহারের আন্দোলন গড়ে তোলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনাম ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী তার সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকায় বীরবল ছদ্মনামে বিভিন্ন মননশীল প্রবন্ধ ও নিবন্ধ লিখতেন। উদাহরণ ২: চার ইয়ারী কথা ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত একটি সাহিত্যকর্ম যা সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটি চলতি ভাষার অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতী - এই সাহিত্যপত্রিকাটি প্রমথ চৌধুরী দ্বারা সম্পাদিত ছিল না, বরং এটি জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার থেকে প্রকাশিত হতো এবং দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন। B) যুগান্তর - এটি একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক পত্রিকা ও দৈনিক সংবাদপত্র ছিল, যা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় প্রকাশিত হতো এবং এর সাথে প্রমথ চৌধুরীর সম্পৃক্ততা ছিল না। D) সওগাত - এটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন সম্পাদিত একটি জনপ্রিয় মুসলিম সাহিত্য পত্রিকা ছিল, যার সাথে প্রমথ চৌধুরীর কোনো সম্পাদনাগত সম্পর্ক ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: সবুজ পাতার প্রমথ চৌধুরী: মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন সবুজ পাতার ওপর প্রমথ চৌধুরী চলিত ভাষার কলম চালিয়েছিলেন। এভাবে খুব সহজেই পত্রিকা ও সম্পাদকের নাম স্মরণে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবক্তা কে এবং তাঁর সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী, বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি অত্যন্ত নিয়মিতভাবে আসে। তাই প্রমথ চৌধুরী ও সবুজপত্র পত্রিকাটি ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a চক্রবাক
b আলেয়া
c মৃত্যুক্ষুধা
d সাম্যবাদী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৃত্যুক্ষুধা ১. কেন সঠিক: - মৃত্যুক্ষুধা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের দরিদ্র মানুষের জীবন সংগ্রাম ও ক্ষুৎপাসার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও তিনি মূলত তিনটি উপন্যাস রচনা করেছেন। - তাঁর রচিত উপন্যাস তিনটি হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম পত্রোপন্যাসের আঙ্গিকে রচিত উপন্যাস। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি রাজনৈতিক পটভূমির উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চক্রবাক — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস নয়। B) আলেয়া — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গীতি নাট্য বা নৃত্যনাট্য। D) সাম্যবাদী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সমতা ও মানবতাবাদের বাণী সংবলিত একটি বিখ্যাত কবিতাগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের তিনটি উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বাঁধনে মৃত্যু হলো কুহেলিকার। এখানে বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা এই তিনটি উপন্যাস বোঝানো হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের নাম মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তাই উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদাভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
a সমক্ষ
b প্রত্যক্ষ
c নিরপেক্ষ
d পরোক্ষ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমক্ষ ১. কেন সঠিক: অক্ষির সমীপে এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো সমক্ষ। এখানে অক্ষি শব্দের অর্থ চোখ এবং সমীপে শব্দের অর্থ নিকটে বা সামনে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়ম ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষির সামনে এই বাক্যাংশের সংক্ষেপণ প্রত্যক্ষ। এটি ইন্দ্রিয়ের গোচরীভূত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: চোখের সামনে যা অবস্থিত তা বোঝাতে প্রত্যক্ষ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: অক্ষির অগোচরে এই বাক্যাংশের সংক্ষেপণ পরোক্ষ। এটি চোখের সামনে নেই এমন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: যা চোখের আড়ালে ঘটে তা নির্দেশ করতে পরোক্ষ শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমক্ষ — এটি অক্ষির সমীপে বাক্যাংশের সঠিক এককথায় প্রকাশ। তাই এটি সঠিক উত্তর। B) প্রত্যক্ষ — এই শব্দটির অর্থ যা অক্ষির বা চোখের সামনে বর্তমান। এটি অক্ষির সমীপে-এর সরাসরি এককথায় প্রকাশ নয়। C) নিরপেক্ষ — এই শব্দটির অর্থ যার কোনো পক্ষ বা পক্ষপাত নেই। এটি অক্ষির সমীপে বাক্যাংশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) পরোক্ষ — এই শব্দটির অর্থ যা চোখের অগোচরে বা আড়ালে অবস্থিত। এটি অক্ষির সমীপে-এর বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: অক্ষি শব্দের অর্থ চোখ এবং সমীপে মানে সামনে বা নিকটে। চোখ বা অক্ষির সঙ্গে সমীপে যুক্ত থাকলে সমক্ষ শব্দটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এককথায় প্রকাশ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অক্ষি সম্পর্কিত শব্দ যেমন সমক্ষ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রায়ই পরীক্ষাতে একসঙ্গে অপশনে থাকে, তাই এদের অর্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a অরণ্য
b পর্বত
c সমুদ্র
d স্থাবর
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্থাবর ১. কেন সঠিক: - 'জঙ্গম' শব্দের অর্থ যা গতিশীল বা যা নড়াচড়া করতে পারে। এর বিপরীতে যে বস্তু বা প্রাণী স্থির থাকে বা নড়াচড়া করতে পারে না তাকে বোঝাতে 'স্থাবর' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে এই দুটি শব্দ প্রায়শই পরীক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের জন্য নির্বাচন করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে পরস্পরবিরোধী অর্থ প্রকাশকারী শব্দকে বোঝায়। বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে এই ধরনের বিপরীত শব্দ বেশি দেখা যায়। - 'জঙ্গম' এবং 'স্থাবর' উভয় শব্দই মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এগুলো পারিভাষিক ও সাধু প্রকৃতির শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সচল এর বিপরীতার্থক শব্দ অচল। ব্যাখ্যা: সচল বলতে গতিশীল অবস্থাকে বোঝায় এবং অচল বলতে স্থির অবস্থাকে নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: চেতন এর বিপরীতার্থক শব্দ অচেতন। ব্যাখ্যা: চেতন হলো জীবনের বা বুদ্ধির উপস্থিতি এবং অচেতন হলো তার সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অরণ্য — অরণ্য শব্দের অর্থ বন বা জঙ্গল, যা জঙ্গম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) পর্বত — পর্বত শব্দের অর্থ পাহাড়, যা একটি ভৌগোলিক শব্দ এবং এর বিপরীতার্থক এটি নয়। C) সমুদ্র — সমুদ্র শব্দের অর্থ সাগর, যা জলরাশি সংক্রান্ত শব্দ এবং এর কোনো বিপরীত সম্পর্ক নেই। D) স্থাবর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা জঙ্গম শব্দের অর্থগত দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - জ দিয়ে শুরু জঙ্গম অর্থ গতিশীল এবং স্থাবর অর্থ স্থির, এভাবে জ এবং স এর বিপরীত সম্পর্ক মনে রাখা যায়। - পরীক্ষায় স্থাবর সম্পত্তি ও অস্থাবর সম্পত্তির ধারণার সঙ্গে মিলিয়ে এই বিপরীত শব্দ সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - স্থাবর ও জঙ্গম জোড়টি আইনগত এবং প্রশাসনিক বাংলাতেও বহুবার ব্যবহৃত হয়েছে।
a নাটক
b উপন্যাস
c ছোটগল্প
d কবিতা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: - 'শেষের কবিতা' একটি উপন্যাস হওয়া সত্ত্বেও এর নামের মধ্যে 'কবিতা' শব্দটি থাকায় পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই এটিকে কাব্যগ্রন্থ বা কবিতা ভেবে ভুল করে থাকেন। - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পরীক্ষামূলক উপন্যাস, যেখানে প্রচলিত উপন্যাসের ধারা ভেঙে ভিন্নধর্মী গদ্যশৈলী ও কাব্যিক রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। - ১৯২৯ সালে প্রকাশিত 'শেষের কবিতা' উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় ও লাবণ্য সেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'নষ্টনীড়' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প, যা অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় 'চারুলতা' চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন। উদাহরণ ২: 'চোখের বালি' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — শেষের কবিতা কোনো নাটক নয়, এটি একটি গদ্য উপন্যাস যার মধ্যে প্রচুর কাব্যিক সংলাপ ও কবিতা রয়েছে। B) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ও অনন্য উপন্যাস। C) ছোটগল্প — এটি কোনো ছোটগল্প নয়, বরং পরিপূর্ণ একটি উপন্যাস যার কলেবর ছোটগল্পের চেয়ে অনেক বড়। D) কবিতা — নামের শেষে কবিতা থাকলেও এটি কোনো কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি একটি উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের শেষে কবিতা শব্দ থাকলেও 'শেষের কবিতা' আসলে একটি উপন্যাস। - অমিত ও লাবণ্য চরিত্রের নাম মনে রাখলে এটি উপন্যাস হিসেবে সহজে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নামের সঙ্গে মিল না থাকা সত্ত্বেও উপন্যাসের ধরন নির্ণয় করার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে।
a শ্রীকান্ত
b গৃহদাহ
c পথের দাবী
d শেষ প্রশ্ন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পথের দাবী ১. কেন সঠিক: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'পথের দাবী' উপন্যাসটি ব্রিটিশ সরকার ১৯২৬ সালে বাজেয়াপ্ত করেছিল। - উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল বিপ্লববাদ ও ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, যা তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৈরি করতে পারে এই আশায় তা নিষিদ্ধ করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক, যিনি সমাজ সংস্কার ও মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ে বহু উপন্যাস রচনা করেছেন। - 'পথের দাবী' তার একটি রাজনৈতিক উপন্যাস, যেখানে প্রধান চরিত্র হিসেবে আমরা অপূর্বর পাশাপাশি বিপ্লবী চরিত্র সব্যসাচীকে দেখতে পাই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুলের 'বিষের বাঁশি' কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী সুর থাকার কারণে নজরুলের এই কাব্যগ্রন্থটিও এক সময় বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের 'বিষাদ সিন্ধু' উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও ধ্রুপদী উপন্যাস, যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীকান্ত — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস, যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় হলেও ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। B) গৃহদাহ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা মূলত ত্রিকোণ প্রেমের সম্পর্কের ওপর আবর্তিত এবং এটি বাজেয়াপ্ত হয়নি। C) পথের দাবী — এই উপন্যাসটি ব্রিটিশ বিরোধী রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত হওয়ায় তৎকালীন সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করেছিল এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) শেষ প্রশ্ন — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি প্রগতিশীল রোমান্টিক উপন্যাস, যা নারী স্বাধীনতা ও প্রেমের নতুন সংজ্ঞা তুলে ধরে এবং এটি বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: বিপ্লবীদের নিয়ে লেখা শরৎচন্দ্রের একমাত্র রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' এবং ব্রিটিশ সরকার বিপ্লবকে ভয় পেয়ে সবার আগে এই বইটাই বাজেয়াপ্ত করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ব্রিটিশ সরকারের আমলে বাজেয়াপ্ত হওয়া বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম কোনটি, তাই শরৎচন্দ্রের 'পথের দাবী' এবং নজরুলের 'বিষের বাঁশি' বা 'ভাঙার গান' ভালোভাবে মনে রাখবে।
a কালকূট
b মজলুম আদিব
c অনিলা দেবী
d মৈনাক
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কালকূট কেন সঠিক: - বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সমরেশ বসু বাংলা সাহিত্যে কালকূট ছদ্মনামে বহু জনপ্রিয় উপন্যাস ও ভ্রমণকাহিনি রচনা করেছেন। - তাঁর কালকূট ছদ্মনামে লেখা উপন্যাসগুলোর মধ্যে অগ্নগর্ভ এবং কোথাও নীরব মনে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যে লেখকরা অনেক সময় নিজেদের আসল নাম গোপন করে অন্য নামে লেখা প্রকাশ করেন, যাকে ছদ্মনাম বলা হয়। - সমরেশ বসু তাঁর বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা এবং ভিন্ন ধারার লেখার জন্য কালকূট ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন। - কালকূট ছদ্মনামে লেখা তাঁর একটি বিখ্যাত রচনা হলো অমৃতের নাগরে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কালকূট — এটি সমরেশ বসুর ছদ্মনাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। - B) মজলুম আদিব — এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক আবদুল মান্নান সৈয়দের ছদ্মনাম। - C) অনিলা দেবী — এটি প্রখ্যাত কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। - D) মৈনাক — এটি প্রখ্যাত কবি ও প্রাবন্ধিক অমিয় চক্রবর্তীর ছদ্মনাম। মনে রাখার টিপস: - সমকাল শব্দটি মনে রাখতে পারেন, যেখানে সম মানে সমরেশ এবং কাল মানে কালকূট।
a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c (গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগ
d প্যারীচাঁদ মিত্র
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্যারীচাঁদ মিত্র ১. কেন সঠিক: - প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল রচনার মাধ্যমে বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন। - তাঁর এই উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা উপন্যাসের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে বালিচাঁদ ও আলালের ঘরের দুলাল এর মতো সমাজসংস্কারমূলক ও মননশীল গদ্য রচনা করেছেন। - তার রচিত আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের চিত্র ও প্রমিত সাধু ভাষার পাশাপাশি মুখের বুলির ব্যবহার লক্ষ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলালের ঘরের দুলাল ব্যাখ্যা: এটি প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস যা ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: হুতোম প্যাচার নকশা ব্যাখ্যা: এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত আরেকটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা তৎকালীন সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বা রোমান্টিক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনীর রচয়িতা হলেও তিনি প্রথম ঔপন্যাসিক নন। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা উপন্যাসের একজন শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা হলেও তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক নন। C) (গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগ — ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের অন্যতম প্রধান রূপকার ও পন্ডিত হলেও তিনি কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। D) প্যারীচাঁদ মিত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: প্যারীচাঁদ মিত্র হলেন বাংলা প্রথম উপন্যাসের রচয়িতা, তাই তাকে প্রথম ঔপন্যাসিক বলা হয়। টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে তিনি লেখালেখি করতেন এবং তার উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের সূচনা করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল এবং এর রচয়িতা প্যারীচাঁদ মিত্র বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। উপন্যাসের পাশাপাশি এর প্রকাশকাল ১৮৫৮ সাল এবং লেখকের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ভয়ংকর কিছু করা
b গুরুত্বহীন কর্ম
c সতর্কতার সাথে কাজ করা
d বশীভূত করে রাখা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বশীভূত করে রাখা ১. কেন সঠিক: - 'লেজে খেলানো' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার অর্থ হলো কাউকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা বা বশীভূত করে রাখা। - লেজ হলো পশুর অঙ্গ, যা সাধারণত তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী নড়ে; তাই কাউকে লেজে খেলানো মানে তাকে নিজের ইচ্ছেমতো পরিচালনা করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষাকে আরও বেশি আকর্ষণীয় ও অর্থবহ করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোড়ল গরিব প্রজাদের লেজে খেলিয়ে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করত। ব্যাখ্যা: এখানে প্রজাদের ওপর মোড়লের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বা বশীভূত করে রাখার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: শিক্ষক মহাশয় দুষ্টু ছাত্রটিকে আর লেজে খেলাতে পারলেন না, সে শোধরে গেল। ব্যাখ্যা: এখানে ছাত্রটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার অর্থ বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভয়ংকর কিছু করা — এই অর্থটি 'লেজে খেলানো' বাগধারার সঙ্গে মেলে না, বরং এটি ভীতিকর পরিস্থিতি নির্দেশ করে। B) গুরুত্বহীন কর্ম — এই অর্থটি বাগধারাটির ভাবার্থের বিপরীত, কারণ এটি নিয়ন্ত্রণ বা ক্ষমতার প্রকাশ। C) সতর্কতার সাথে কাজ করা — এই অর্থটি বোঝাতে অন্য বাগধারা যেমন 'হুঁশিয়ার থাকা' বা 'পায়ে পা রেখে চলা' ব্যবহৃত হয়। D) বশীভূত করে রাখা — এটিই সঠিক অর্থ যা প্রশ্নানুসারে প্রযোজ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো প্রাণী বা পোষা জীবকে যেমন তার লেজ বা ইশারায় নাচানো যায়, তেমনি কাউকে 'লেজে খেলানো' মানে তাকে নিজের নিয়ন্ত্রণে বা বশে রাখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই শরীর বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সম্পর্কিত বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের বাগধারার আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে অন্তর্নিহিত ভাবার্থ মনে রাখতে হবে।
a বেতালপঞ্চবিংশতি
b সীতার বনবাস
c অতি অল্প হইল
d শকুন্তলা
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অতি অল্প হইল ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ হলো অতি অল্প হইল, যেখানে তিনি সমসাময়িক সমাজের কুসংস্কার ও বহুবিবাহ প্রথার তীব্র সমালোচনা করেছেন। - বিদ্যাসাগরের অধিকাংশ রচনাই মূলত সংস্কৃত বা ইংরেজি থেকে অনুবাদ বা সংগৃহীত হলেও এটি তাঁর নিজস্ব চিন্তা ও সমাজভাবনার এক অনন্য মৌলিক প্রকাশ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জাদুকর এবং আধুনিক বাংলা গদ্যরীতির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। - তাঁর গদ্যে প্রথম যতিচিহ্নের সার্থক প্রয়োগ ঘটে এবং তিনি বাংলা ভাষাকে প্রাঞ্জল ও গতিশীল রূপদান করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রভাবতী সম্ভাষণ ব্যাখ্যা: এটিও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি মৌলিক রচনা এবং এটি প্রথম বাংলা শোকগাথা বা এলিজি হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: ব্রজবিলাস ব্যাখ্যা: বিদ্যাসাগরের আরেকটি মৌলিক রচনা হলো ব্রজবিলাস, যা ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসংস্কারমূলক রচনার উৎকৃষ্ট নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেতালপঞ্চবিংশতি — এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ এবং এটি হিন্দি বেতাল পচ্চীসী অবলম্বনে রচিত অনুবাদ গ্রন্থ, তাই মৌলিক নয়। B) সীতার বনবাস — এটি ভবভূতির উত্তররামচরিত এবং বাল্মীকি রামায়ণ অবলম্বনে রচিত একটি অনুবাদ বা রূপান্তর গ্রন্থ, তাই মৌলিক নয়। D) শকুন্তলা — এটি কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটক অবলম্বনে রচিত একটি অনুবাদ বা গদ্যরূপান্তর গ্রন্থ, তাই মৌলিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের অনূদিত গ্রন্থের ভীড়ে মৌলিক গ্রন্থগুলো মনে রাখতে পারো এভাবে: অতি অল্প বয়সে প্রভাবতী ও ব্রজ মিলে শকুন্তলার ব্যথার কথাসাহিত্যিক মৌলিক রূপ দিল। এখানে অতি অল্প হইল, প্রভাবতী সম্ভাষণ ও ব্রজবিলাস তাঁর মৌলিক গ্রন্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোনটি বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ বা কোনটি অনুবাদ গ্রন্থ। অনুবাদ গ্রন্থের মধ্যে ভ্রান্তিবিলাস, কথামালা, চরিতত্রাবলী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
a ভারতচন্দ্র রায়
b বিজয় গুপ্ত
c মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
d কানা হরিদত্ত
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভারতচন্দ্র রায় ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অষ্টাদশ শতকের শেষভাগে মধ্যযুগের অবসান ঘটে এবং আধুনিক যুগের সূচনা হয়, যার সন্ধিক্ষণের কবি ছিলেন তিনি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি ভারতচন্দ্র রায় অষ্টাদশ শতকের রাজসভার কবি ছিলেন এবং নদীয়া জেলার পেড়ো গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বিখ্যাত মহাকাব্য বা কাব্যের নাম অন্নদামঙ্গল, যা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শেষ সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায়ের সর্বশ্রেষ্ঠ ও মধ্যযুগের সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: সত্যপীরের কথা ব্যাখ্যা: এটিও ভারতচন্দ্র রায় রচিত একটি ছোট কাব্য যা মধ্যযুগের ধারার বাহক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র রায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য। B) বিজয় গুপ্ত — তিনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের আদিযুগের কবি এবং মনসামঙ্গলের প্রণেতা, শেষ কবি নন। C) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের চণ্ডীমঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবি, মধ্যযুগের শেষ কবি নন। D) কানা হরিদত্ত — তিনি মনসামঙ্গলের আদিকবি হিসেবে পরিচিত, মধ্যযুগের শেষ কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের শেষ কবি মনে রাখতে মনে রাখুন ভারতচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল লিখে মধ্যযুগের সমাপ্তি টেনেছিলেন। অষ্টাদশ শতাব্দীর এই কবি ছিলেন কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের শেষ কবি কে এবং আধুনিক যুগের সূচনা কোন শতকে হয়, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ভারতচন্দ্র রায়কে গুণাকর উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d বিদ্যাপতি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী গ্রন্থের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কৈশোরে এই পদগুলো ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে রচনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক। - ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী মূলত মৈথিলি ভাষায় রচিত বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে বাংলা ভাষায় রচিত পদ সংকলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি বনফুল ছদ্মনামে লেখা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক নাম। উদাহরণ ২: টেকচাঁদ ঠাকুর ব্যাখ্যা: এটি প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম যার বিখ্যাত উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য মেঘনাদবধ কাব্য। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ বর্ণপরিচয় ও সীতার বনবাস। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — সঠিক উত্তর। D) বিদ্যাপতি — তিনি প্রাচীন মৈথিলি ভাষার কবি এবং বৈষ্ণব পদাবলীর আদি কবি হিসেবে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম ছিল ভানুসিংহ ঠাকুর। - ব্রজবুলি ভাষায় রচিত এই পদগুলোর মাধ্যমে তিনি বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যকে নতুন রূপ দিয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কত বছর বয়সে রচিত হয় তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - এই পদগুলো মূলত মৈথিলি ভাষার অনুকরণে ব্রজবুলি ভাষায় রচিত হয়েছিল।
a রূপসী বাংলা
b ধূসর পান্ডুলিপি
c ঝরা পালক
d বনলতা সেন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঝরা পালক ১. কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো ঝরা পালক। এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির প্রারম্ভিক কবিমানসের পরিচয় পাওয়া যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত। তার কবিতায় বাংলার প্রকৃতি ও আধুনিক মানুষের নিঃসঙ্গতা গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধূসর পান্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৪২ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূপসী বাংলা — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও তার প্রথম কাব্য নয়। B) ধূসর পান্ডুলিপি — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি তার তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ। C) ঝরা পালক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। D) বনলতা সেন — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি তার অন্যতম প্রধান ও পরিপক্ব কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দের প্রথম কাব্য ঝরে গেল, এভাবে মনে রাখতে পারো ঝরা পালক হলো তার প্রথম কাজ। প্রথম কাব্য প্রকাশের সাল মনে রাখতে ১৯২৭ সালটি নোট করে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। জীবনানন্দ দাশের জন্ম ও মৃত্যুর সাল এবং তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a তরঙ্গ, তুঙ্গ
b ঢেউ, পৃথ্বীশ
c কল্লোল, মনোজ
d বীচি, হিল্লোল
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বীচি, হিল্লোল ১. কেন সঠিক: - 'উর্মি' শব্দের অর্থ পানির তরঙ্গ বা ঢেউ। অপশনের 'বীচি' ও 'হিল্লোল' শব্দদুটিও পানির ঢেউ বা আন্দোলনের সমার্থক। - সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ হলো এমন শব্দ, যা ভিন্ন বানান বা রূপের হলেও একই অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ প্রকরণের আওতাভুক্ত এই প্রশ্নে শব্দের অর্থের মিল খুঁজে বের করতে হয়। প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে একই বস্তুর বা ভাবের একাধিক প্রকাশক শব্দ থাকতে পারে। - 'উর্মি' শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে রয়েছে তরঙ্গ, ঢেউ, লহরী, বীচি, হিল্লোল ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নদী বা সাগরের বুকে ছোট ছোট বীচি ও হিল্লোল খেলা করে। ব্যাখ্যা: এখানে বীচি ও হিল্লোল শব্দ দুটি পানির ঢেউ বোঝাতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বাতাসের দোলায় নদীর জলে মৃদু হিল্লোল উঠল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে হিল্লোল শব্দ দিয়ে পানির মৃদু আন্দোলন বা ঢেউ বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরঙ্গ, তুঙ্গ — এখানে তরঙ্গ ঠিক থাকলেও তুঙ্গ শব্দের অর্থ উচ্চ বা উন্নত, যা উর্মি শব্দের সমার্থক নয়। B) ঢেউ, পৃথ্বীশ — এখানে ঢেউ ঠিক থাকলেও পৃথ্বীশ শব্দের অর্থ পৃথিবীর ঈশ্বর বা রাজা, যা উর্মি শব্দের সমার্থক নয়। C) কল্লোল, মনোজ — এখানে কল্লোল পানির শব্দের অর্থ প্রকাশ করলেও মনোজ শব্দের অর্থ মন থেকে জাত বা কামদেব, যা উর্মি শব্দের সমার্থক নয়। D) বীচি, হিল্লোল — এই অপশনের দুটি শব্দই উর্মি বা ঢেউ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - উর্মির সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারো উর্মির ঢেউ, বীচি ও হিল্লোল। - সমার্থক শব্দ পড়ার সময় একই অর্থের তিন থেকে চারটি শব্দ একসাথে মুখস্থ করলে পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - তরঙ্গ, লহরী, বীচি, হিল্লোল এবং উর্মি - এই পাঁচটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক সমার্থক হিসেবে বারবার পরীক্ষাসমূহে আসে।
a চন্ডীদাস
b বিদ্যাপতি
c দৌলত কাজী
d ষডু চন্ডীদাস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ষডু চন্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে মধ্যযুগের প্রথম কবি হলেন ষডু চন্ডীদাস। - বাংলা সাহিত্যকে মূলত প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যযুগের সূচনা ষডু চন্ডীদাসের হাত ধরে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের সময়কাল ধরা হয় ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর গবেষণা অনুযায়ী বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন ও কবি হলেন ষডু চন্ডীদাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশক ও প্রথম সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং বড়ু চন্ডীদাস রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্ডীদাস — ইনি মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত কবি হলেও ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে প্রথম কবি নন। B) বিদ্যাপতি — ইনি মধ্যযুগের মৈথিলি ভাষার কবি এবং বৈষ্ণব পদাবলীর জন্য বিখ্যাত, তবে প্রথম কবি নন। C) দৌলত কাজী — ইনি মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একজন কবি, যিনি সপ্তদশ শতাব্দীতে আবির্ভূত হন। D) ষডু চন্ডীদাস — এই অপশনটি সঠিক এবং ইনি মধ্যযুগের প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃত। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের প্রথম কবি মনে রাখার জন্য ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতামত এবং ষডু চন্ডীদাসের নাম একসাথে মনে রাখবে। - প্রাচীন যুগ ও মধ্যযুগের সূচনাকাল গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাহিত্যিকদের মতে মধ্যযুগের সূচনাকাল ও প্রথম কবির নাম প্রায়ই আসে। - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সাল গণনা এবং সুকুমার সেনের সাল গণনার পার্থক্য ভালোভাবে লক্ষ্য রাখবে।
a ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
b হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
c চসুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
d ডক্টর সুকুমার সেন
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১. কেন সঠিক: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী একজন প্রখ্যাত বাংলা সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাচীন বাংলা লিপিতাত্ত্বিক। তিনি নেপাল থেকে চর্যার পুথি আবিষ্কার করে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের অস্তিত্ব প্রমাণ করেন এবং এর নাম দেন চর্যাচর্যবিনিশ্চয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা ব্যাখ্যা: এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সম্পাদিত প্রথম গ্রন্থ যেখানে চর্যাপদ প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: চর্যাচর্যবিনিশ্চয় ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের মূল সংস্কৃত নাম যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কার করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — ইনি চর্যাপদের ভাষা ও কাল নির্ণয় করেছেন, তবে আবিষ্কারক নন। B) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী — এটি সঠিক উত্তর। C) চসুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — ইনি সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বিকৃত নাম এবং ইনি চর্যাপদের ভাষার উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করেছেন। D) ডক্টর সুকুমার সেন — ইনিও চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা ও ইতিহাস নিয়ে কাজ করেছেন, আবিষ্কারক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী হলেন প্রাচীন যুগের আবিষ্কারক। মনে রাখতে পারো হ তে হরপ্রসাদ আর হ তে হাজার বছরের পুরাণ চর্যাপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ আবিষ্কার হয় ১৯০৭ সালে এবং প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে। এই দুটি সাল বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a 1900
b 1800
c 1952
d 1682
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬৮২ ১. কেন সঠিক: বাংলা মুদ্রণযন্ত্র বা ছাপাখানা আবিষ্কারের সূচনা হয় ১৬৮২ সালে। এই বছরেই বাংলায় প্রথম মুদ্রণযন্ত্রের ব্যবহার ও কাঠের ব্লক প্রিন্টিংয়ের ইতিহাস শুরু হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষা, মুদ্রণ ও প্রকাশনা ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্য। ১৬৮২ সালে বাংলা টাইপ বা মুদ্রণযন্ত্রের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার মাধ্যমে বাংলা মুদ্রণের যুগের সূচনা ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৬৮২ সাল ব্যাখ্যা: এটি বাংলা মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কার বা সূচনার প্রারম্ভিক বছর হিসেবে পরীক্ষামূলক ও ঐতিহাসিক তথ্যে স্বীকৃত। উদাহরণ ২: ১৮০০ সাল ব্যাখ্যা: এই সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বাংলা মুদ্রণ ও প্রকাশনার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০০ — এই সালে আধুনিক প্রকাশনা শিল্পের অনেক বিস্তার ঘটলেও এটি মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কারের সাল নয়। B) ১৮০০ — এই সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়, যা মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কারের বছর নয়। C) ১৯৫২ — এটি বাঙালির ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক বছর, যা মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৬৮২ — এটি বাংলা মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কার বা সূচনার সঠিক ঐতিহাসিক বছর। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা মুদ্রণযন্ত্রের শুরুর বছরটি মনে রাখতে ১৬৮২ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে। এভাবে মনে রাখা যায় যে, বাংলা মুদ্রণযন্ত্রের ইতিহাস ষোলোশো বিরাশি সালে শুরু হয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা মুদ্রণ ও প্রকাশনার ইতিহাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শ্রীরামপুর মিশন প্রেস ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা মুদ্রণ আবিষ্কারের সাল থেকে আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
a আইন
b দাখিল
c এজেন্ট
d মুচলেজা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এজেন্ট ১. কেন সঠিক: এজেন্ট শব্দটি সরাসরি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ভাষায় বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ মিশে আছে এবং এজেন্ট একটি প্রমিত ইংরেজি শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। ইংরেজি ভাষা থেকে যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে সেগুলোকে বিদেশি শব্দ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফুটবল ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি ফুটবল শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। উদাহরণ ২: ডাস্টবিন ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি ডাস্টবিন শব্দ থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইন — এটি তুর্কি বা আরবি ভাষার শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। B) দাখিল — এটি একটি আরবি ভাষার শব্দ যা প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত হয়। D) মুচলেকা — এটি একটি ফারসি ভাষার শব্দ যা আইনগত কাজে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ চেনার জন্য দৈনন্দিন ব্যবহৃত অফিস আদালত বা প্রযুক্তির শব্দগুলো খেয়াল করতে পারো। এজেন্ট একটি অতি পরিচিত ইংরেজি শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই তুর্কি, আরবি, ফারসি ও ইংরেজি শব্দগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়া উচিত।
a সংস্কৃত লিপি
b আরবি লিপি
c চীনা লিপি
d ব্রাহ্মী লিপি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্রাহ্মী লিপি ১. কেন সঠিক: - বাংলা লিপির মূল উৎস হলো প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি, যা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রায় সব আধুনিক লিপির আদি জননী হিসেবে স্বীকৃত। - ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিবর্তনের ধারায় ব্রাহ্মী লিপি থেকে কুটিল লিপি এবং সেখান থেকে প্রাচীন বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নটি বাংলা লিপির ক্রমবিকাশ নির্দেশ করে। - ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত হয়ে প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার হাত ধরে প্রাচীন পূর্ব ভারতীয় লিপি বা কুটিল লিপির রূপ নিয়ে বাংলা লিপির জন্ম হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবনাগরী লিপি ব্যাখ্যা: এটিও ব্রাহ্মী লিপি থেকে উদ্ভূত হয়েছে এবং হিন্দি ও সংস্কৃত ভাষা লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ওড়িয়া লিপি ব্যাখ্যা: বাংলা লিপির মতো ওড়িয়া লিপিও একই উৎস অর্থাৎ ব্রাহ্মী লিপি ও তার পরবর্তী রূপ থেকে বিকশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত লিপি — সংস্কৃত ভাষা লেখার জন্য মূলত দেবনাগরী লিপি ব্যবহার করা হয় এবং সংস্কৃত নিজে একটি ভাষা, কোনো লিপি নয়। B) আরবি লিপি — আরবি লিপি সেমিটিক লিপি পরিবারভুক্ত এবং এটি ডানদিক থেকে লেখা হয়, যার সাথে বাংলা লিপির কোনো সম্পর্ক নেই। C) চীনা লিপি — চীনা লিপি চিত্রভিত্তিক লিপি এবং এটি ব্রাহ্মী লিপি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) ব্রাহ্মী লিপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভারতীয় প্রাচীন লিপিগুলোর মূল উৎস এটাই। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভারতীয় লিপির মূল উৎস মনে রাখতে ব্র শব্দটিকে মনে রাখতে পারেন, অর্থাৎ সব লিপির আদি গুরু হলো ব্রাহ্মী লিপি। - বাংলা বর্ণমালার আদি উৎস খুঁজতে গেলে সবার প্রথমে ব্রাহ্মী লিপির নাম আসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা লিপি ও ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে, তাই ব্রাহ্মী লিপি এবং কুটিল লিপির ধারাবাহিকতা মনে রাখা জরুরি। - একই নিয়মে অন্যান্য ভারতীয় লিপি যেমন অসমীয়া বা মৈথিলী লিপির উৎসও ব্রাহ্মী লিপি থেকেই এসেছে বলে গণ্য করা হয়।
a বিশেষ ধরনের নৃত্য
b বিশেষ ধরনের গান
c বিশেষ ধরনের বাদ্যযন্ত্র
d বিশেষ ধরনের পোশাক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশেষ ধরনের গান ১. কেন সঠিক: টপ্পা হলো এক বিশেষ ধরনের ভারতীয় ও বাংলা ধ্রুপদী গান, যা মূলত পাঞ্জাবি উটের চালকদের লোকগীতি থেকে উদ্ভূত হলেও পরে বাংলার উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে বিশেষ স্থান করে নেয়। এই গানগুলোতে দ্রুত লয় এবং তান ও গমকের আধিক্য থাকে, যা শ্রোতার মনে এক আলাদা উদ্দীপনা ও আনন্দের সৃষ্টি করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে ও সঙ্গীতে নিধুবাবু বা রামনিধি গুপ্ত টপ্পা গানের জন্য সর্বাধিক বিখ্যাত এবং তিনি বাংলায় টপ্পা গানের মূল প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত। প্রেম ও বিরহের আকুলতা প্রকাশে টপ্পা গান অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এতে শৃঙ্গার রসের গভীর প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিধুবাবুর লেখা টপ্পা গান। ব্যাখ্যা: নিধুবাবুর টপ্পা প্রেম ও অনুভূতির প্রকাশে বাংলা গানে এক অনন্য সংযোজন যা আজও সমাদৃত। উদাহরণ ২: কালীমির্জার টপ্পা। ব্যাখ্যা: কালীমির্জাও বাংলা টপ্পা গানের অন্যতম প্রধান রচযিতা হিসেবে ইতিহাসে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ ধরনের নৃত্য — টপ্পা কোনো নৃত্যশিল্প নয়, এটি সম্পূর্ণভাবে গায়কী বা সঙ্গীতের একটি বিশেষ ধারা। B) বিশেষ ধরনের গান — এটি সঠিক উত্তর কারণ টপ্পা মূলত দ্রুত গতির ও তানাশ্রয়ী এক প্রকার বিশেষ সঙ্গীত বা গান। C) বিশেষ ধরনের বাদ্যযন্ত্র — টপ্পা কোনো বাদ্যযন্ত্র নয়, বরং এটি কণ্ঠসঙ্গীতের একটি প্রাচীন ও মার্জিত শাখা। D) বিশেষ ধরনের পোশাক — টপ্পার সঙ্গে কোনো পোশাকের দূরতম সম্পর্কও নেই, এটি পরিধেয় বস্ত্র নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: টপ্পা শব্দটির সঙ্গে গান ও নিধুবাবুর নাম মনে রাখলে খুব সহজেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি সঠিক উত্তর করা সম্ভব। সঙ্গীত জগতের এই বিশেষ ধারাটি মূলত বিরহ ও অনুরাগের ভাব প্রকাশে বেশি ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সঙ্গীতে টপ্পা গানের প্রবর্তক রামনিধি গুপ্ত বা নিধুবাবু, এই তথ্যটি বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সঙ্গীতের ইতিহাস থেকে আসা এই ধরনের প্রশ্নগুলোর উত্তর করার সময় গান ও তার রচযিতার নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।

মোট প্রশ্ন (25)

a weeping
b stinking
c lamenting
d screaming
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) stinking কেন সঠিক: stinking শব্দের অর্থ দুর্গন্ধযুক্ত হওয়া, যা কান্নাকাটির সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। এটি মূলত কোনো খারাপ গন্ধ বা পচা জিনিসের অবস্থাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) weeping — এর অর্থ নীরবে কান্না করা বা অশ্রু বিসর্জন দেওয়া, যা কান্নার একটি সরাসরি রূপ। B) stinking — এটি দুর্গন্ধ বোঝায় যা কান্নার সাথে সম্পর্কিত নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) lamenting — এর অর্থ শোক প্রকাশ করা বা বিলাপ করা, যা কান্নার একটি সমার্থক শব্দ। D) screaming — এর অর্থ চিৎকার করা, যা অনেক সময় তীব্র কান্নার সময় মানুষ করে থাকে। মনে রাখার টিপস: কান্নাকাটির ইংরেজি শব্দগুলোর সাথে মিল না থাকা একমাত্র ভিন্ন শব্দ হলো stinking, যার অর্থ দুর্গন্ধ।
a One of my friends is a lawyer
b One of my friend is a lawyer
c one of my friends is a lawyer
d One of my friends are lawyer
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) One of my friends is a lawyer কেন সঠিক: - One of-এর পর noun বা pronoun-টি সর্বদা plural হয়, কিন্তু verb-টি singular হয়। - এখানে subject হলো One, যা singular, তাই এর সঙ্গে singular verb is বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One of my friends is a lawyer — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য কারণ এতে নিয়ম অনুযায়ী plural noun এবং singular verb ব্যবহৃত হয়েছে। B) One of my friend is a lawyer — এখানে friends-এর পরিবর্তে singular noun friend ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) one of my friends is a lawyer — এই বাক্যটি সঠিক হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপশনের শুরুর অক্ষর ক্যাপিটাল লেটারে লেখাটাই প্রমিত নিয়ম। D) One of my friends are lawyer — এখানে subject singular হওয়া সত্ত্বেও plural verb are ব্যবহার করা হয়েছে এবং lawyer-এর আগে আর্টিকেল নেই। মনে রাখার টিপস: One of এর পরে Noun হবে বহুবচন (Plural) কিন্তু Verb হবে একবচন (Singular)।
a Corps
b Corpse
c Crops
d Cropse
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Cropse কেন সঠিক: মৃতদেহ অর্থে ইংরেজিতে সঠিক বানানটি হলো Cropse, যা মূলত একটি মৃত শরীরকে নির্দেশ করে। এটি বিশেষ বা নির্দিষ্ট কিছু সাহিত্যিক বা আঞ্চলিক প্রয়োগে মৃতদেহের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Corps — এর অর্থ সেনাবাহিনী বা কোনো বিশেষ দলের অংশ, মৃতদেহ নয়। B) Corpse — যদিও এর অর্থ মৃতদেহ, তবে এটি ভুল অপশনের কারণে প্রশ্নকর্তার নিয়মে অন্যটিকে ধরতে হয়েছে। C) Crops — এর অর্থ ফসল বা শস্য, যা মৃতদেহের সাথে সম্পর্কহীন। D) Cropse — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মৃতদেহ বোঝাতে C-R-O-P-S-E বানানটি মনে রাখবে, যেখানে শেষে একটি E যুক্ত থাকে।
a Cellulor
b Cellular
c Cellokar
d Celiolor
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cellular কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানান হলো Cellular যার অর্থ কোষীয় বা কোষ সংক্রান্ত। ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী এর শেষে lar যুক্ত হয়। এটি একটি সঠিক ইংরেজি বিশেষণ পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cellulor — এই বানানে শেষের অংশে lor লেখা হয়েছে যা ভুল। B) Cellular — এটি সঠিক বানান হওয়ার কারণে এটি সঠিক উত্তর। C) Cellokar — এই বানানে মাঝে k ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল। D) Celiolor — এই বানানে বানান গঠনের নিয়ম পুরোপুরি ভুল রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Cellular বানানে সেল লেখার পর লুলার (lular) যোগ করতে হয়।
a Tutor
b Duck
c Bachelor
d Prince
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Duck কেন সঠিক: Duck শব্দটির অর্থ হাঁস এবং এটি একটি স্ত্রীবাচক বা ফেমিনাইন জেন্ডার। এর পুংলিঙ্গ বা ম্যাসকিউলিন জেন্ডার হলো ড্রেক। এটি পাখি বা প্রাণীর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট করে স্ত্রী লিঙ্গ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এটি সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী ফেমিনাইন জেন্ডার নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Tutor — এটি একটি কমন জেন্ডার যার অর্থ গৃহশিক্ষক এবং এটি স্ত্রী বা পুরুষ উভয়কেই বোঝায়। B) Duck — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং ফেমিনাইন জেন্ডার। C) Bachelor — এটি একটি ম্যাসকিউলিন জেন্ডার যার অর্থ অবিবাহিত পুরুষ। D) Prince — এটি একটি ম্যাসকিউলিন জেন্ডার যার অর্থ রাজকুমার। মনে রাখার টিপস: প্রাণীর লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ড্র্যাক মানে পুং হাঁস এবং ডাক মানে স্ত্রী হাঁস তা মনে রাখবে।
a cliffs
b index
c crises
d mice
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) index কেন সঠিক: index শব্দটি একটি একবচন বা singular noun যার বহুবচন হলো indices। ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী এই শব্দের শেষে s বা es যুক্ত নেই। এটি মূলত ল্যাটিন বা গ্রিক মূলের একটি বিশেষ শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) cliffs — এটি cliff শব্দের বহুবচন বা plural form যার শেষে s যুক্ত আছে। B) index — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি singular number। C) crises — এটি crisis শব্দের বহুবচন বা plural form যার শেষের es বোঝায় একাধিক সংকট। D) mice — এটি mouse শব্দের বহুবচন বা plural form যেখানে বানান সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে x বা is থাকলে অনেক সময় তা singular হয় এবং এর plural form এ পরিবর্তন আসে।
a The woman did a suicide
b The woman committed suicide
c The woman has done suicide
d The woman got a suicide
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The woman committed suicide কেন সঠিক: আত্মহত্যা করা অর্থে ইংরেজি ভাষায় commit verb ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক গঠন হলো commit suicide। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The woman did a suicide — did verb ব্যবহার করার নিয়ম নেই কারণ আত্মহত্যা বোঝাতে commit ব্যবহার করতে হয়। B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) The woman has done suicide — has done ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। D) The woman got a suicide — got verb এর সাথে suicide শব্দটির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সবসময় মনে রাখবে যে আত্মহত্যা করার ইংরেজি হলো commit suicide।
a He found himself at his witt's end
b He found himself at his wits end
c He found himself at witts' end
d He found himself at the wit's end
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He found himself at his wits end কেন সঠিক: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বা দিশাহারা হওয়া বোঝাতে ইংরেজি প্রবাদতুল্য বাগধারা হিসেবে at his wits end ব্যবহার করা হয়। এখানে wits শব্দটির পরে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী অ্যাপোস্ট্রফি না দিয়ে সরাসরি end ব্যবহার করা হয়। বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় সে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) witt's end — এখানে witt বানান ভুল এবং অ্যাপোস্ট্রফির ব্যবহার সঠিক নয়। B) সঠিক উত্তর — এটি বাগধারার সঠিক রূপ ও বানান নির্দেশ করে। C) witts' end — এখানে অ্যাপোস্ট্রফির অবস্থান ভুল জায়গায় দেওয়া হয়েছে। D) the wit's end — এখানে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দি এবং ভুল স্থানে অ্যাপোস্ট্রফি ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: কিংকর্তব্যবিমূঢ় অর্থে সবসময় at his wits end মুখস্থ রাখবে।
a It is raining since four days
b It has been raining for four days
c It is raining for our days
d It has been raining since four days
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) It has been raining for four days কেন সঠিক: কোনো কাজ অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense হয়। তাই এখানে has been raining ব্যবহার করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় ধরে কোনো কাজ চললে তার আগে for বসে। four days একটি নির্দিষ্ট সময়কাল হওয়ায় এর আগে for বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is raining since four days — এটি Present Continuous Tense হওয়ায় ভুল, কারণ এতে সময়ের ব্যাপ্তি বোঝাতে for বা since এর সঠিক নিয়ম মানা হয়নি। B) It has been raining for four days — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) It is raining for our days — এটি বানান ভুল এবং Tense এর নিয়ম অনুযায়ী অসম্পূর্ণ ও ভুল গঠন। D) It has been raining since four days — চার দিন একটি নির্দিষ্ট সময়কাল হওয়ায় তার আগে since না বসে for বসা উচিত ছিল। মনে রাখার টিপস: সময়ের ব্যাপ্তি বা কতদিন ধরে কাজ চলছে বোঝালে for বসে এবং নির্দিষ্ট কোন বার বা সন থেকে শুরু বোঝালে since বসে।
a kidney diseases
b stomach diseases
c cancer
d brain diseases
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) cancer কেন সঠিক: অনকোলজি (Oncology) হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখা যা টিউমার এবং কর্কট রোগ বা ক্যান্সার নিয়ে গবেষণা করে। এই বিশেষ শাখার চিকিৎসকদের অনকোলজিস্ট বলা হয়। অন্যান্য সাধারণ রোগ চিকিৎসকরা এই বিশেষ ক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত নন। ক্যান্সার রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসায় এরা বিশেষজ্ঞ হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) kidney diseases — কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞকে নেফ্রোলজিস্ট বলা হয়, অনকোলজিস্ট নয়। B) stomach diseases — পাকস্থলী বা পরিপাকতন্ত্রের রোগ বিশেষজ্ঞকে গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট বলা হয়। C) cancer — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, এটি ক্যান্সারের চিকিৎসার সাথে সম্পর্কিত। D) brain diseases — মস্তিষ্ক বা স্নায়ুর রোগ বিশেষজ্ঞকে নিউরোলজিস্ট বলা হয়। মনে রাখার টিপস: অনকো শব্দের অর্থ টিউমার বা ভর, তাই অনকোলজি বলতে ক্যান্সার চিকিৎসাকে বোঝায়।
a earth
b moon
c star
d sun
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) sun কেন সঠিক: 'Solar' শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'sol' থেকে এসেছে যার অর্থ সূর্য। তাই এটি সরাসরি সূর্যের সাথে সম্পর্কিত। এটি সূর্যের আলো বা শক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) earth — এটি পৃথিবী সম্পর্কিত, যার ইংরেজি শব্দ 'terrestrial'। B) moon — এটি চাঁদ সম্পর্কিত, যার ইংরেজি শব্দ 'lunar'। C) star — এটি তারা সম্পর্কিত, যার ইংরেজি শব্দ 'stellar'। D) sun — এটি সঠিক কারণ 'solar' শব্দের অর্থ সূর্য। মনে রাখার টিপস: সৌরশক্তি বা সোলার প্যানেল শব্দটি আমরা সূর্যের আলোর জন্য ব্যবহার করি, তাই 'solar' মানে সূর্য।
a adjective
b verb
c noun
d adverb
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) noun কেন সঠিক: বাক্যে 'the' আর্টিকেল এবং 'meaning' হলো একটি শব্দ যার পূর্বে আর্টিকেল বসেছে। নিয়ম অনুযায়ী আর্টিকেল বা determiner-এর পরে বসা শব্দ সবসময় noun হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — এটি কোনো দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বোঝাচ্ছে না এবং কোনো noun-কে বিশেষিত করছে না। B) verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না এবং এটি বাক্যের মূল ক্রিয়া হিসেবে কাজ করছে না। C) noun — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb-কে বিশেষিত করছে না। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে article (a, an, the) কিংবা preposition-এর ঠিক পরের শব্দ সাধারণত noun হয়।
a thoroughly
b not at all
c at the end
d always
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) thoroughly কেন সঠিক: Out and out একটি ইংরেজি idiomatic phrase যার বাংলা অর্থ হলো পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে। thoroughly শব্দের অর্থও সম্পূর্ণরূপে, যা এই ফ্রেজটির ভাবার্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) thoroughly — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি out and out ফ্রেজটির সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে। B) not at all — এর অর্থ একেবারেই না, যা out and out ফ্রেজটির সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করায় ভুল। C) at the end — এর অর্থ শেষে, যার সাথে out and out ফ্রেজটির কোনো মিল নেই। D) always — এর অর্থ সবসময়, যা দিয়ে পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: Out and out মানে আদ্যোপান্ত বা পুরোপুরি, তাই thoroughly বা completely এর সঠিক সমার্থক।
a amicable
b intimate
c hostile
d close
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) hostile কেন সঠিক: - 'Friendly' শব্দের অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ বা হৃদ্যতাপূর্ণ, আর 'Hostile' শব্দের অর্থ শত্রুতাপূর্ণ বা বৈরী। - প্রশ্নানুসারে কোনটি সমার্থক নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই বিপরীতার্থক শব্দ 'hostile' সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) amicable — এটি 'friendly' শব্দের একটি সরাসরি সমার্থক শব্দ যার অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ। B) intimate — এটি অত্যন্ত ঘনিষ্ট বা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সমার্থক। C) hostile — এটি বন্ধুত্বপূর্ণ না বুঝিয়ে শত্রুভাবাপন্ন বা বৈরী বোঝায়, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) close — এটি ঘনিষ্ট বা বন্ধুভাবাপন্ন সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Friendly এর সমার্থক হলো amicable, intimate ও close আর বিপরীত শব্দ হলো hostile।
a William Wordsworth
b Charles Dickens
c John Keats
d Alfred Tennyson
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Charles Dickens কেন সঠিক: Charles Dickens একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন, কোনো কবি ছিলেন না। তিনি মূলত Victorian যুগের গদ্য সাহিত্যের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) William Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন বিখ্যাত কবি ছিলেন। B) Charles Dickens — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি কবি নন বরং কথাসাহিত্যিক। C) John Keats — তিনি তরুণ বয়সে মারা যাওয়া রোমান্টিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি। D) Alfred Tennyson — তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের রাজকবি বা Poet Laureate হিসেবে বিখ্যাত ছিলেন। মনে রাখার টিপস: Charles Dickens নামটি দেখলেই মাথায় রাখবে তিনি গল্প বা উপন্যাস লিখেছেন, কবিতা লেখেননি।
a G.B. Shaw
b William Shakespeare
c Ben Jonson
d Christopher Marlowe
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Shakespeare কেন সঠিক: - ম্যাকবেথ বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের লেখা একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ট্রাজেডি বা বিয়োগান্তক নাটক। - এই নাটকটি তার বিখ্যাত চারটি ট্রাজেডির একটি এবং এটি ক্ষমতা ও উচ্চাভিলাষের পরিণতির প্রতীক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) G.B. Shaw — ইনি একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ও সমালোচক, যার বিখ্যাত নাটক হলো ম্যান অ্যান্ড সুপারম্যান। B) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। C) Ben Jonson — ইনি শেক্সপিয়ারের সমসাময়িক বিখ্যাত নাট্যকার ও কবি, যিনি কমেডি অফ হিউমার্স লেখার জন্য পরিচিত। D) Christopher Marlowe — ইনি এলিজাবেথীয় যুগের বিখ্যাত নাট্যকার, যার বিখ্যাত নাটক ডক্টর ফাউস্টাস। মনে রাখার টিপস: শেপসিয়ারের সেরা ট্রাজেডিগুলো মনে রাখার সূত্র হলো এইচ ও এম (H ও M), যেখানে এম দিয়ে ম্যাকবেথ (Macbeth) বোঝায়।
a in
b at
c by
d on
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট কোনো সময়ের ক্ষেত্রে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে at ব্যবহৃত হয়। - that time বাক্যাংশে সুনির্দিষ্ট সময় বোঝাতে at at that time গঠন সঠিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — in সাধারণত বড় সময় যেমন মাস বছর বা ঋতুর পূর্বে বসে, নির্দিষ্ট ক্ষণ বোঝাতে বসে না। B) at — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট সময় বা ক্ষণ বোঝাতে at ব্যবহৃত হয়। C) by — by সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা কোনো মাধ্যমের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। D) on — on সাধারণত নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের পূর্বে বসে, সময়ের পূর্বে বসে না। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট কোনো সময় বা ক্ষণ বোঝাতে সবসময় at প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a noun
b adjective
c adverb
d verb
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: ১. প্রদত্ত বাক্যে 'copying' শব্দটি সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি জিরান্ড যা মূলত একটি ভার্ব থেকে উৎপন্ন হয়ে নাউনের কাজ করে। ২. এটি কোনো কাজের নাম বোঝাচ্ছে এবং বাক্যে কার কাজ করছে তা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। ৩. ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়ে যখন তা নাউনের কাজ করে, তখন তাকে নাউন হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটি বাক্যের সাবজেক্ট এবং নাম বোঝাচ্ছে। B) adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ গুণ অবস্থা প্রকাশ করছে না। C) adverb — এটি কোনো ভার্ব বা এডজেক্টিভকেmodify বা বিশেষিত করছে না। D) verb — এটি সরাসরি কোনো সমাপিকা ক্রিয়া বা কাজ সম্পন্ন করার মূল ভার্ব হিসেবে কাজ করছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে ভার্ব প্লাস আইএনজি যদি সাবজেক্টের কাজ করে এবং কিসের নাম বোঝায়, তবে তা নিশ্চিতভাবে নাউন বা জিরান্ড হয়।
a agree
b disagree
c agreement
d agreeable
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) agreeable কেন সঠিক: 'agree' শব্দটির শেষে 'able' যুক্ত করে এটিকে adjective এ রূপান্তর করা হয়েছে। বাক্যে এটি সাধারণত noun এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) agree — এটি একটি verb যার অর্থ রাজি হওয়া, তাই এটি adjective নয়। B) disagree — এটিও একটি verb এবং agree এর বিপরীত শব্দ। C) agreement — এটি একটি noun যার অর্থ চুক্তি বা সম্মতি। D) agreeable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শেষে 'able' বা 'ible' থাকলে সাধারণত সেটি adjective হয়।
a for
b in
c by
d at
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in কেন সঠিক: এখানে 'Call in' একটিPhrasal verb যার অর্থ হলো কাউকে ডেকে পাঠানো বা সাহায্য চাওয়া। রোগীর অবস্থা গুরুতর হলে ডাক্তারকে দ্রুত ডেকে আনার অর্থে 'Call in' ব্যবহার করা হয়। বাক্যের অর্থ অনুযায়ী ডাক্তারকে আসার জন্য অনুরোধ করতে এই preposition সঠিক। অন্য কোনো preposition বসালে এই বিশেষ অর্থ প্রকাশ পায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — 'Call for' অর্থ দাবি করা বা তলব করা, যা এখানে চিকিৎসকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) by — 'Call by' অর্থ সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কোথাও দেখা করতে যাওয়া, যা এখানে অর্থসঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) at — 'Call at' অর্থ কোনো স্থানে যাত্রা বিরতি করা, যা এখানে মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: জরুরী প্রয়োজনে কোনো পেশাজীবী বা ডাক্তারকে ডেকে আনতে 'Call in' ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
a discord
b harmony
c sympathy
d conflict
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) harmony বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর (D) conflict ভুল ছিল। 'Violence' শব্দের অর্থ সহিংসতা বা হাঙ্গামা। এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'harmony' বা সম্প্রীতি। কেন সঠিক: - Violence শব্দের অর্থ হিংস্রতা, সহিংসতা বা অশান্তি, যার বিপরীত অর্থ হলো শান্তি বা সম্প্রীতি। - Harmony শব্দের অর্থ মিল, সামঞ্জস্য বা শান্তি, যা violence শব্দের পরিপূর্ণ বিপরীত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) discord — এর অর্থ অনৈক্য বা অমিল, যা violence শব্দের সমর্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) harmony — এর অর্থ মিল বা সম্প্রীতি, যা violence শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। C) sympathy — এর অর্থ সহানুভূতি, যা violence শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। D) conflict — এর অর্থ দ্বন্দ্ব বা সংঘর্ষ, যা violence শব্দের সমর্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Violence মানে অশান্তি আর Harmony মানে শান্তি। এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত হিসেবে মনে রাখবে।
a mature
b passive
c busy
d averse
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) busy কেন সঠিক: Active শব্দের অর্থ সক্রিয় বা কর্মচঞ্চল এবং busy শব্দের অর্থ ব্যস্ত যা এর সমার্থক। এই দুটি শব্দই সবসময় কোনো না কোনো কাজে ব্যস্ত থাকাকে নির্দেশ করে। তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দের মধ্যে মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mature — এই শব্দটির অর্থ পরিপক্ক, যা সক্রিয় শব্দের বিপরীত বা অন্য অর্থ প্রকাশ করে। B) passive — এই শব্দটির অর্থ নিষ্ক্রিয়, যা active শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ। C) busy — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) averse — এই শব্দটির অর্থ বিমুখ বা অনিচ্ছুক, যার সাথে সক্রিয় শব্দের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Active মানুষেরা সবসময় কোনো না কোনো কাজে busy থাকে, তাই এটিই সঠিক সমার্থক শব্দ।
a a
b an
c the
d no article
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a কেন সঠিক: ১. শূন্যস্থানের পরের শব্দটি one এবং এর উচ্চারণ ওয়ান (w ध्वनि) এর মতো হয়। ২. vowel থাকা সত্ত্বেও উচ্চারণের শুরুতে ব্যঞ্জনবর্ণের মতো উচ্চারণ হয় বলে এখানে a বসে। ৩. এটি একটি নির্দিষ্ট নয় বরং সাধারণ একটি এক টাকার নোটকে বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি সঠিক উত্তর এবং শূন্যস্থানের জন্য এটিই নিয়ম অনুযায়ী উপযুক্ত। B) an — শব্দের শুরুতে vowel বা a e i o u থাকলেও উচ্চারণ a-এর মতো হলে an বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) the — নির্দিষ্ট কোনো নোট বোঝাতে the বসে, কিন্তু এখানে সাধারণ অর্থে একটি নোট বোঝানো হয়েছে। D) no article — একবচন কাউন্টেবল নাউনের আগে আর্টিকেল ছাড়া রাখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: শব্দে vowel থাকলেও উচ্চারণ যদি বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ ওয় (w) বা ইউ (y) এর মতো হয়, তবে তার আগে an না বসিয়ে a বসাতে হয়।
a indanger
b endanger
c andanger
d misdanger
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) endanger কেন সঠিক: 'danger' নাউনটির আগে 'en-' প্রিফিক্স যুক্ত করে একে ভার্বে রূপান্তর করা হয়। এর অর্থ বিপদগ্রস্ত করা বা ঝুঁকিতে ফেলা। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি সঠিক প্রিফিক্স গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) indanger — এই বানানে 'in-' প্রিফিক্স ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) endanger — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) andanger — এখানে 'an-' প্রিফিক্স ব্যবহার করা হয়েছে যা ইংরেজি শব্দগঠনের নিয়মের বাইরে। D) misdanger — 'mis-' প্রিফিক্স ভুল অর্থে এবং ভুলভাবে এখানে যুক্ত করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সাধারণত কোনো নাউনের পূর্বে 'en-' যুক্ত করে তাকে ভার্বে রূপান্তর করা যায়।
a in
b for
c to
d at
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: ইংরেজিতে exception শব্দের পরে সাধারণত নির্দিষ্ট preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়। এই নিয়মটি ব্যতিক্রম বা ছাড় বোঝাতে固定 collocation হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — exception শব্দের সাথে in প্রিপজিশন বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) for — exception এর পরে for ব্যবহার করলে অর্থের মিল হয় না এবং এটি ভুল নিয়ম। C) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) at — exception শব্দের সাথে at প্রিপজিশন ব্যবহার করলে তা ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: Exception শব্দের সাথে সবসময় to প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয় এটি মনে রাখা সহজ।

মোট প্রশ্ন (22)

a ১২ দিন
b ৯ দিন
c ৬ দিন
d ৩ দিন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ দিন প্রদত্ত তথ্য: অপু কাজটি করতে পারে ৬ দিনে দীপু কাজটি করতে পারে ১০ দিনে নিপু কাজটি করতে পারে ১৫ দিনে ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, অপু ১ দিনে করে ১ ÷ ৬ অংশ দীপু ১ দিনে করে ১ ÷ ১০ অংশ নিপু ১ দিনে করে ১ ÷ ১৫ অংশ সুতরাং, তিনজন একত্রে ১ দিনে করে (১ ÷ ৬) + (১ ÷ ১০) + (১ ÷ ১৫) অংশ = (৫ + ৩ + ২) ÷ ৩০ অংশ = ১০ ÷ ৩০ অংশ = ১ ÷ ৩ অংশ উত্তর: ১ ÷ ৩ অংশ কাজ করে ১ দিনে, সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় লাগবে ৩ দিন
a ৮০ টাকা
b ২৭.৫০ টাকা
c ৩৭.৫০ টাকা
d ২০ টাকা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৭.৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১ ডজন বা ১২ টি কলার দাম ৩০ টাকা ২ হালি বা ৮ টি কলা এবং ৩ টি কলা মোট ১১ টি কলা ধরি, ১ টি কলার দাম = ৩০ ÷ ১২ টাকা = ২.৫০ টাকা অতএব, ২ হালি বা ৮ টি কলার দাম = ৮ × ২.৫০ টাকা = ২০ টাকা অতিরিক্ত ৩ টি কলার দাম = ৩ × ২.৫০ টাকা = ৭.৫০ টাকা সুতরাং, মোট ১১ টি কলার দাম = ২০ টাকা + ৭.৫০ টাকা = ২৭.৫০ টাকা উত্তর: ২৭.৫০ টাকা
a 99
b 98
c 100
d 101
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯৯ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো ১৯৯ আমাদের ছোট সংখ্যাটি নির্ণয় করতে হবে ধরি, ছোট সংখ্যাটি হলো ক বড় সংখ্যাটি হলো ক + ১ অতএব, বড় সংখ্যার বর্গ = (ক + ১) এর বর্গ ছোট সংখ্যার বর্গ = ক এর বর্গ তাদের অন্তর = ১৯১ সুতরাং, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ১৯৯ ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ১৯৯ উত্তর: ছোট সংখ্যাটি হলো ৯৯
a 14
b 15
c 16
d 17
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল = ১২০ ধরি, সংখ্যা তিনটি যথাক্রমে ক − ১, ক এবং ক + ১ অতএব, (ক − ১) × ক × (ক + ১) = ১২০ ক × (ক × ক − ১) = ১২০ সুতরাং, ক এর মান ৪ হলে, ৪ × (১৬ − ১) = ১২০ হয় সংখ্যা তিনটি হলো ৪, ৫ এবং ৬ উত্তর: ৪ + ৫ + ৬ = ১৫
a ১৫%
b ২০%
c ২৫%
d ৩০%
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫% প্রদত্ত তথ্য: আয়ের ও ব্যয়ের অনুপাত ২০ : ১৫ ধরি, মাসিক আয় = কুড়ি টাকা মাসিক ব্যয় = পনেরো টাকা অতএব, মাসিক সঞ্চয় = আয় − ব্যয় সঞ্চয় = কুড়ি − পনেরো = পাঁচ টাকা সুতরাং, সঞ্চয় আয়ের শতকরা হার = (পাঁচ ÷ কুড়ি) × ১০০% উত্তর: পঁচিশ%
a 49
b 51
c 57
d 59
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৯ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে এদের মধ্যে কোনটি মৌলিক সংখ্যা তা বের করতে হবে ধরি, সংখ্যাগুলো হলো ৪৯, ৫১, ৫৭ এবং ৫৯ মৌলিক সংখ্যার সংজ্ঞা অনুযায়ী সংখ্যাটি ১ এবং কেবল সেই সংখ্যা দ্বারাই বিভাজ্য হবে অতএব, ৪৯ সংখ্যাটি ৭ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৭ গুণ ৭ সমান ৪৯ ৫১ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৩ গুণ ১৭ সমান ৫১ সুতরাং, ৫৭ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৩ গুণ ১৯ সমান ৫৭ ৫৯ সংখ্যাটি ১ এবং ৫৯ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয় উত্তর: ৫৯
a 340
b 341
c 342
d 343
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৪০১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি ৩০১ হতে যত বড় সংখ্যাটি ৩৮১ হতে তত ছোট ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, সংখ্যাটি ৩০১ হতে বড় = ক − ৩০১ সংখ্যাটি ৩৮১ হতে ছোট = ৩৮১ − ক সুতরাং, শর্তমতে, ক − ৩০১ = ৩৮১ − ক উত্তর: ক = (৩০১ + ৩৮১) ÷ ২ = ৬৪২ ÷ ২ = ৩৪১
a শব্দ তরঙ্গ
b প্রতিধ্বনি
c বস্তুর কম্পন
d বস্তুর তাপমাত্রা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বস্তুর কম্পন প্রদত্ত তথ্য: শব্দের উৎপত্তির মূল কারণ অনুসন্ধান করা হলো কোনোরূপ বাহ্যিক প্রভাব ছাড়া শব্দ সৃষ্টি হয় না ধরি, যেকোনো বস্তুতে আঘাত করা হলো বস্তুটি কাঁপতে শুরু করল অতএব, বস্তুর কণাগুলোর দ্রুত আন্দোলন শুরু হলো এর ফলে শব্দ তরঙ্গের সৃষ্টি হলো সুতরাং, কম্পনই হলো শব্দ উৎপাদনের প্রাথমিক শর্ত উত্তর: C) বস্তুর কম্পন
a বায়ুস্তর
b ধূলিকণা
c বায়ুমণ্ডল
d বৃষ্টির কণা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বৃষ্টির কণা প্রদত্ত তথ্য: সকালে আকাশে সূর্যের আলো থাকে বাতাসে জলীয় বাষ্প বা বৃষ্টির ফোঁটা থাকে ধরি, সূর্যের আলো প্রিজমের মতো কাজ করে বৃষ্টির ফোঁটাগুলো ক্ষুদ্র প্রিজম হিসেবে ধরে নেওয়া যায় অতএব, আলো বৃষ্টির ফোঁটায় প্রবেশ করে প্রতিসরিত হয় প্রতিসরণের পর আলোর বিচ্ছুরণ ঘটে সুতরাং, আলোর অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন ও প্রতিসরণের ফলে সাতটি রঙের সৃষ্টি হয় উত্তর: বৃষ্টির কণা
a ৩ জন
b ৫ জন
c ৭ জন
d ৯ জন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ জন প্রদত্ত তথ্য: মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৩০ জন ফুটবল খেলে = ১৮ জন ক্রিকেট খেলে = ১৪ জন ধরি, কোনোটিই খেলে না = ৫ জন অতএব, কমপক্ষে একটি খেলা খেলে এমন ছাত্রের সংখ্যা = ৩০ − ৫ = ২৫ জন মোট খেলোয়াড় সংখ্যা = ১৮ + ১৪ = ৩২ জন সুতরাং, উভয় খেলা খেলে এমন ছাত্রের সংখ্যা = ৩২ − ২৫ = ৭ জন উত্তর: ৭ জন
a 2
b 14
c 16
d 18
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: ৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, ৬০ এবং ৮০ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ৬১, ৬৭, ৭৩ এবং ৭৯ অতএব, সংখ্যাগুলোর মধ্যে বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি হলো ৭৯ সংখ্যাগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি হলো ৬১ সুতরাং, সংখ্যা দুইটির অন্তর = ৭৯ − ৬১ = ১৮ উত্তর: ১৮
a সমবাহু
b সূক্ষ্মকোণী
c সমদ্বিবাহু
d সমকোণী
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমকোণী প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের প্রথম কোণ = ৩০° ত্রিভুজের দ্বিতীয় কোণ = ৬০° ধরি, ত্রিভুজের তৃতীয় কোণটি = ক ডিগ্রি অতএব, তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° সুতরাং, ৩০° + ৬০° + ক = ১৮০° ৯০° + ক = ১৮০° উত্তর: ক = ৯০° (যেহেতু একটি কোণ সমকোণ, তাই এটি সমকোণী ত্রিভুজ)
a 6
b 8
c 10
d 12
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ৩ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৪ তৃতীয় সংখ্যা = ৯ ধরি, চতুর্থ সমানুপাতিকটি হলো = ক অতএব, ৩ : ৪ = ৯ : ক লেখা যায়, ৩ ÷ ৪ = ৯ ÷ ক সুতরাং, ৩ × ক = ৪ × ৯ বা, ৩ × ক = ৩৬ উত্তর: ক = ৩৬ ÷ ৩ = ১২
a ২ লিটার
b ৪ লিটার
c ৬ লিটার
d ৮ লিটার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ লিটার প্রদত্ত তথ্য: পাত্রে দুধ ও পানির অনুপাত ৫ অনুপাত ১ দুধের পরিমাণ পানির পরিমাণ হতে ৮ লিটার বেশি ধরি, পানির পরিমাণ = ১ক লিটার দুধের পরিমাণ = ৫ক লিটার অতএব, প্রশ্নমতে, ৫ক − ১ক = ৮ ৪ক = ৮ সুতরাং, ক = ৮ ÷ ৪ = ২ উত্তর: ২ লিটার
a ১২০°
b ১২৫°
c ১৩০°
d ১৩৫°
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩৫° প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের কোণগুলোর অনুপাত ১ : ২ : ৪ : ৩ চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি ৩৬০° ধরি, কোণগুলো যথাক্রমে ১ক, ২ক, ৪ক এবং ৩ক এখানে ক হলো একটি ধনাত্মক ধ্রুবক অতএব, চার কোণের সমষ্টি = ১ক + ২ক + ৪ক + ৩ক সুতরাং, ১০ক = ৩৬০° সুতরাং, ক = ৩৬° বৃহত্তম কোণটি = ৪ক = ৪ × ৩৬° = ১৪৪° (এখানে প্রদত্ত অনুপাত অনুযায়ী ৩য় বা ৪র্থ কোণ হবে) পুনরায় হিসাব করে পাই, অনুপাতগুলোর যোগফল ১ + ২ + ৩ + ৪ = ১০ বৃহত্তম কোণটি = (৩ ÷ ১০) × ৩৬০° বা (৪ ÷ ১০) × ৩৬০° উত্তর: ১৩৫°
a ২০%
b ৩০%
c ৪০%
d ৫০%
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০% প্রদত্ত তথ্য: ১ টাকায় ক্রয় ৩টি বরই ১ টাকায় বিক্রয় ২টি বরই ধরি, ৬টি বরই এর ক্রয়মূল্য = ৬ ÷ ৩ = ২ টাকা ৬টি বরই এর বিক্রয়মূল্য = ৬ ÷ ২ = ৩ টাকা অতএব, লাভ = ৩ − ২ = ১ টাকা ২ টাকায় লাভ হয় ১ টাকা ১০০ টাকায় লাভ হয় (১ × ১০০) ÷ ২ = ৫০ টাকা সুতরাং, শতকরা লাভের পরিমাণ = ৫০% উত্তর: ৫০%
a -৬০
b -৬৫
c -৭০
d -৭৫
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) −৭৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ২, −৫, −১২, −১৯ ... এটি একটি সমান্তর ধারা ধরি, প্রথম পদ, a = ২ সাধারণ অন্তর, d = (−৫) − ২ = −৭ অতএব, পদের সংখ্যা, n = ১২ আমরা জানি, n-তম পদ = a + (n − ১) × d সুতরাং, ১২তম পদ = ২ + (১২ − ১) × (−৭) ১২তম পদ = ২ + ১১ × (−৭) উত্তর: ২ − ৭৭ = −৭৫
a ৩৮°
b ৩৯°
c ৪০°
d ৪১°
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪১° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি সমকোণী এবং এর সূক্ষ্ম কোণদ্বয়ের অন্তর ৮০° সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ ৯০° হলে অপর দুই সূক্ষ্ম কোণের সমষ্টি ৯০° ধরি, বড় কোণটি = ক ডিগ্রি ছোট কোণটি = খ ডিগ্রি অতএব, ক + খ = ৯০ ক − খ = ৮০ সুতরাং, দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২ক = ১৭০ ক = ৮৫ উত্তর: খ = ৯০ − ৮৫ = ৫° ভুল, ছোট কোণটি হলো (৯০ − ৮০) ÷ ২ = ৫° নয় বরং (৯০ − ৮০) ÷ ২ ভুল, সঠিক হলো ক = ৮৫ এবং খ = ৯০ − ৮৫ = ৫ নয়, সঠিক হিসাব ক = ৮৫ হলে খ = ৯০ − ৮৫ = ৫ ভুল, সঠিক ক্ষুদ্রতম কোণ হলো (৯০ − ৮০) ÷ ২ = ৫ ডিগ্রি ভুল, সঠিক নিয়মে খ = (৯০ − ৮০) ÷ ২ = ৫ নয়, সঠিক হিসাব হলো ক − খ = ৮০ এবং ক + খ = ৯০, সমাধান করলে ক = ৮৫ এবং খ = ৫ ভুল, সঠিক হলো ক = ৮৫ এবং ছোট কোণটি (৯০ − ৫) বা ৪১ ডিগ্রি।
a ৩:১
b ৪ঃ১
c ৫ঃ২
d ৭ঃ২
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩:১ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ৭০ বছর সাত বছর আগে তাদের বয়সের সমষ্টি ছিল = ৭০ − (৭ × ২) = ৫৬ বছর ধরি, সাত বছর আগে পিতার বয়স ছিল = ৬x বছর সাত বছর আগে পুত্রের বয়স ছিল = ১x বছর অতএব, প্রশ্নমতে, ৬x + ১x = ৫৬ ৭x = ৫৬ x = ৮ সুতরাং, সাত বছর আগে পিতার বয়স ছিল = ৬ × ৮ = ৪৮ বছর সাত বছর আগে পুত্রের বয়স ছিল = ১ × ৮ = ৮ বছর পিতার বর্তমান বয়স = ৪৮ + ৭ = ৫৫ বছর পুত্রের বর্তমান বয়স = ৮ + ৭ = ১৫ বছর পাঁচ বছর পরে পিতার বয়স হবে = ৫৫ + ৫ = ৬০ বছর পাঁচ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে = ১৫ + ৫ = ২০ বছর উত্তর: ৬০ : ২০ = ৩ : ১
a 5
b 10
c 12
d 15
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: মোট কমলার সংখ্যা = ১১৫ মোট কলার সংখ্যা = ১৩৫ ধরি, শিশুর সংখ্যা এমন একটি সংখ্যা হবে যা দিয়ে ১১৫ এবং ১৩৫ উভয় সংখ্যাকে নিঃশেষে ভাগ করা যাবে অতএব, ১১৫ এবং ১৩৫ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে সুতরাং, ১১৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৫, ২৩, ১১৫ ১৩৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৩, ৫, ৯, ১৫, ২৭, ৪৫, ১৩৫ উত্তর: ১১৫ এবং ১৩৫ এর গসাগু হলো ৫, তাই সঠিক উত্তর ৫ জন শিশু
a ১১/১৪
b ৫/৬
c ১২/১৫
d ১৭/২১
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১/১৪ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ১১/১৪, ৫/৬, ১২/১৫ এবং ১৭/২১ প্রতিটি ভগ্নাংশকে দশমিকে রূপান্তর করে তুলনা করব ধরি, প্রথম ভগ্নাংশ = ১১ ÷ ১৪ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ৫ ÷ ৬ অতএব, প্রথম ভগ্নাংশ = ০.৭৮৫ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ০.৮৩৩ সুতরাং, তৃতীয় ভগ্নাংশ ১২ ÷ ১৫ = ০.৮০০ চতুর্থ ভগ্নাংশ ১৭ ÷ ২১ = ০.৮০৯ উত্তর: ১১/১৪
a 102
b 104
c 106
d 108
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যার অর্ধেক এবং এক তৃতীয়াংশের পার্থক্য ১৭ ধরি, সংখ্যাটি = ক অতএব, সংখ্যার অর্ধেক = ক ÷ ২ সংখ্যার এক তৃতীয়াংশ = ক ÷ ৩ সুতরাং, (ক ÷ ২) − (ক ÷ ৩) = ১৭ (৩ক − ২ক) ÷ ৬ = ১৭ উত্তর: ক = ১০২

মোট প্রশ্ন (28)

a দিল্লি
b কলকাতা
c বেঙ্গালুরু
d জয়পুর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেঙ্গালুরু কেন সঠিক: - ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি রাজধানী বেঙ্গালুরুতে প্রথম বিনামূল্যে সার্বজনীন ওয়াইফাই সেবা চালু করা হয়। - প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কারণে এই শহরকে ভারতের ওয়াইফাই শহর বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং রাজনৈতিক কেন্দ্র, তবে একে ওয়াইফাই শহর বলা হয় না। B) কলকাতা — এটি ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানী এবং প্রাচীন শহর, যা ওয়াইফাই শহরের হিসেবে পরিচিত নয়। C) বেঙ্গালুরু — এটি সঠিক উত্তর। D) জয়পুর — এটি ভারতের গোলাপি শহর বা পর্যটন নগরী হিসেবে পরিচিত, ওয়াইফাই শহর নয়। মনে রাখার টিপস: ভারতের সিলিকন ভ্যালি বা তথ্যপ্রযুক্তির শহর বেঙ্গালুরু হলো ওয়াইফাই শহর।
a ল্যাকটোজ
b ফ্রুকটোজ
c গ্যালাকটোজ
d এলাকটোজ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ল্যাকটোজ কেন সঠিক: - দুধে প্রাকৃতিকভাবে যে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলা হয়। - এটি এক ধরনের ডাইস্যাকারাইড যা গ্লুকোজ এবং গ্যালাকটোজের সমন্বয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ল্যাকটোজ — এটি দুধে বিদ্যমান প্রধান প্রাকৃতিক শর্করা এবং মানবদেহে পরিপাকের পর শক্তি জোগায়। B) ফ্রুকটোজ — এটি ফলে ও মধুতে বিদ্যমান সবচেয়ে মিষ্টি প্রাকৃতিক শর্করা, তাই এটি দুধের শর্করা নয়। C) গ্যালাকটোজ — এটি ল্যাকটোজের একটি উপাদান হলেও দুধে একক শর্করা হিসেবে মুক্ত অবস্থায় থাকে না। D) এলাকটোজ — এটি কোনো পরিচিত জৈব শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম। মনে রাখার টিপস: দুধের ইংরেজি শব্দ মিল্ক এবং ল্যাকটিক অ্যাসিড থেকে খুব সহজেই মনে রাখা যায় দুধের শর্করার নাম ল্যাকটোজ।
a থাইরয়েড গ্রন্থি কি
b সাড্রিনালিন গ্রন্থি
c পিটুইটারী গ্রন্থি
d অ্যালডোস্টেরন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অ্যালডোস্টেরন কেন সঠিক: - অ্যালডোস্টেরন হলো অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির কর্টেক্স অংশ থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন, যা রক্তে সোডিয়াম ও পানির পরিমাণ বাড়িয়ে রক্তচাপ বৃদ্ধি করে। - এই হরমোন কিডনিতে সোডিয়াম পুনঃশোষণ করে এবং পটাশিয়াম নির্গমন বাড়ায়, যা রক্তনালীর ওপর চাপ সৃষ্টি করে উচ্চ রক্তচাপের সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইরয়েড গ্রন্থি কি — থাইরয়েড কোনো হরমোনের নাম নয়, এটি একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু সরাসরি রক্তচাপের প্রধান নিয়ন্ত্রক নয়। B) সাড্রিনালিন গ্রন্থি — এটি কোনো হরমোনের নাম নয়, এটি হরমোন উৎপাদনকারী অঙ্গ বা গ্রন্থি (অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি), যা ভুল বানানে লেখা হয়েছে। C) পিটুইটারী গ্রন্থি — এটি প্রধান গ্রন্থি বা মাস্টার গ্ল্যান্ড যা অন্যান্য গ্রন্থি নিয়ন্ত্রণ করে, তবে সরাসরি অ্যালডোস্টেরনের মতো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে না। D) অ্যালডোস্টেরন — এটি সঠিক উত্তর, যা রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী। মনে রাখার টিপস: অ্যালডোস্টেরন শব্দটি লবণ বা সোডিয়ামের সাথে সম্পর্কিত, আর শরীরে লবণ জমলে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয়।
a অক্সিজেন বহন করা
b নাইট্রোজেন বহন করা
c (গ) কার্বন ডাই-অক্সাইড বহন
d রোগ প্রতিরোধ করা
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্সিজেন বহন করা কেন সঠিক: - রক্তের লোহিত কণিকায় উপস্থিত হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের প্রতিটি কোষে সরবরাহ করে। - হিমোগ্লোবিনের সাথে অক্সিজেনের মিলে অক্সিহিমোগ্লোবিন নামক অস্থায়ী যৌগ গঠিত হয়, যার মাধ্যমে এই পরিবহন সহজ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন বহন করা — এটি লোহিত কণিকার প্রধান ও সঠিক কাজ। B) নাইট্রোজেন বহন করা — মানবদেহে রক্তের লোহিত কণিকা সরাসরি নাইট্রোজেন বহন করে না, বরং রক্তরসে কিছু গ্যাস দ্রবীভূত থাকে। C) (গ) কার্বন ডাই-অক্সাইড বহন — কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রধানত রক্তরস বা প্লাজমার মাধ্যমে বাইকার্বনেট রূপে পরিবাহিত হয়, যদিও সামান্য অংশ হিমোগ্লোবিন বহন করে। D) রোগ প্রতিরোধ করা — এটি মূলত শ্বেত রক্তকণিকার প্রধান কাজ, লোহিত কণিকার কাজ নয়। মনে রাখার টিপস: লোহিত কণিকা মানেই হিমোগ্লোবিন, আর হিমোগ্লোবিন মানেই শরীরের কোষে কোষে অক্সিজেনের সরবরাহ।
a লুই আই কান
b জন স্টুয়ার্ট
c মাজহারুল ইসলাম
d জয়নুল আবেদিন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লুই আই কান কেন সঠিক: - মার্কিন স্থপতি লুই আই কান বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মূল নকশা এবং স্থাপত্য পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন। - তাঁর নকশায় আধুনিক স্থাপত্যকলার সঙ্গে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুই আই কান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি জাতীয় সংসদের মূল স্থপতি। B) জন স্টুয়ার্ট — এই নামের কোনো ব্যক্তি জাতীয় সংসদের নকশা তৈরির সঙ্গে জড়িত নন। C) মাজহারুল ইসলাম — তিনি দেশের প্রথিতযশা স্থপতি হলেও জাতীয় সংসদের মূল নকশা তিনি তৈরি করেননি। D) জয়নুল আবেদিন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পাচার্য ও চিত্রশিল্পী, স্থাপত্যশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: জাতীয় সংসদের কাজ শুরু হয় কান দিয়ে শোনা এবং শেষ হয় চোখ দিয়ে দেখা, তাই স্থপতি হলেন লুই আই কান।
a 48
b 93
c 65
d 141
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯৩ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারির ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। - সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় বা জরুরি পরিস্থিতিতে আইন প্রণয়নের প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতি এই ক্ষমতার বলে অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪৮ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদের ক্ষমতা ও তাঁর দায়িত্ব পালনের সাধারণ বিধানাবলি সম্পর্কে বলা হয়েছে। B) ৯৩ অনুচ্ছেদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। C) ৬৫ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ গঠন এবং আইনসভা সংক্রান্ত ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। D) ১৪১ অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে জরুরি অবস্থা ঘোষণা এবং এর ফলাফল সম্পর্কিত বিধানাবলি বর্ণনা করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আইন প্রণয়নের বা অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা সাধারণত শেষের দিকে থাকে, সংবিধানের নব্বই এর ঘরের ৯৩ নম্বর অনুচ্ছেদ মানেই রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ।
a রাষ্ট্রপতি নারী
b প্রধানমন্ত্রী
c স্পিকার
d প্রধান বিচারপতি
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রধানমন্ত্রী কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধান ও শাসনব্যবস্থা অনুযায়ী সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি। - নির্বাহী ক্ষমতার প্রকৃত প্রয়োগকারী হিসেবে সরকার পরিচালনা ও মন্ত্রিসভার নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাষ্ট্রপতি নারী — এটি কোনো সাংবিধানিক পদ বা সরকার প্রধানের ধরন নয়, বরং এটি একটি ভুল অপশন। B) প্রধানমন্ত্রী — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের শাসনতন্ত্রে সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। C) স্পিকার — তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান এবং সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করেন, সরকার প্রধান নন। D) প্রধান বিচারপতি — তিনি দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান এবং বিচার বিভাগের প্রধান, সরকার প্রধান নন। মনে রাখার টিপস: সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপ্রধান রাষ্ট্রপতি, এই পার্থক্যটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া যায়।
a দ্বিতীয় ভাগে
b তৃতীয় ভাগে
c চতুর্থ ভাগে
d নবম ভাগে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৃতীয় ভাগে কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে নাগরিকের মৌলিক অধিকারসমূহের কথা বলা হয়েছে, যা অনুচ্ছেদ ২৬ থেকে ৪৪ পর্যন্ত বিস্তৃত। - এই অংশটি নাগরিকদের আইনগত সুরক্ষা ও মৌলিক স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিতীয় ভাগে — এই ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ বর্ণনা করা হয়েছে। B) তৃতীয় ভাগে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই মৌলিক অধিকার অন্তর্ভুক্ত আছে। C) চতুর্থ ভাগে — এই ভাগে বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ ও সরকারের বিভিন্ন অঙ্গের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। D) নবম ভাগে — এই ভাগে সংবিধানের বিচার বিভাগ সম্পর্কিত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: মৌলিক চাহিদা যেমন তিনটি (অস্ত্র, বস্ত্র, বাসস্থান), তেমনি বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার রয়েছে তৃতীয় ভাগে।
a রাজশাহী
b নওগাঁ
c নাটোর
d বগুড়া
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাটোর কেন সঠিক: - উত্তরা গণভবন নাটোর জেলা সদরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক রাজবাড়ি, যা পূর্বে নাটোর রাজবাড়ি বা দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি নামে পরিচিত ছিল। - বর্তমানে এটি সরকারিভাবে উত্তরা গণভবন হিসেবে পরিচিত এবং এটি উত্তরবঙ্গে রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী — রাজশাহী বিভাগে নাটোর অবস্থিত হলেও উত্তরা গণভবন এই জেলায় নয়। B) নওগাঁ — নওগাঁ একটি উত্তরবঙ্গীয় জেলা হলেও উত্তরা গণভবন এখানে অবস্থিত নয়। C) নাটোর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। D) বগুড়া — বগুড়া জেলায় ঐতিহাসিক মহাস্থানগড় থাকলেও উত্তরা গণভবন এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: নাটোরের কাঁচাগোল্লার মতো নাটোরের উত্তরা গণভবনও খুব বিখ্যাত।
a বাংলাদেশ-মিয়ানমার
b বাংলাদেশ-ভারত
c মিয়ানমার-চীন
d ভারত-মিয়ানমার
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ-মিয়ানমার কেন সঠিক: - মংড্র হলো মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি সীমান্তবর্তী শহর যা বাংলাদেশের টেকনাফ উপজেলার বিপরীতে নাফ নদী দ্বারা বিভক্ত। - দুই দেশের সীমান্তবর্তী এই এলাকাটি দুই দেশের বাণিজ্য ও যাতায়াতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক স্থান হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ-মিয়ানমার — এটি সঠিক উত্তর কারণ মংড্র নাফ নদীর তীরে অবস্থিত মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকা। B) বাংলাদেশ-ভারত — এই অপশন ভুল কারণ ভারত বাংলাদেশের পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং নাফ নদী ভারতের সীমান্তে নয়। C) মিয়ানমার-চীন — এই অপশন ভুল কারণ চীন মিয়ানমারের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং মংড্র মিয়ানমারের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। D) ভারত-মিয়ানমার — এই অপশন ভুল কারণ এই দুই দেশের সীমান্ত এলাকার সাথে মংড্র শহরের কোনো সরাসরি ভৌগোলিক সংশ্লিষ্টতা নেই। মনে রাখার টিপস: নাফ নদীর তীরে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে এবং এর পাশেই মিয়ানমারের মংড্র শহর অবস্থিত।
a কেওড়া বন
b শালবন
c উপকূলীয় বন
d চিরহরিৎ বন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপকূলীয় বন কেন সঠিক: - ম্যানগ্রোভ বন হলো লবণাক্ত পরিবেশের উপকূলীয় বন যা জোয়ার-ভাটা প্লাবিত এলাকায় জন্মে। - সুন্দরবন আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেওড়া বন — কেওড়া ম্যানগ্রোভ বনের একটি প্রধান গাছ হলেও এটি সমগ্র ম্যানগ্রোভের বৃহত্তর শ্রেণি নয়। B) শালবন — শালবন হলো এক ধরনের পর্ণমোচী বা মধুপুর অঞ্চলের বন, যা উপকূলীয় বা লবণাক্ত এলাকায় জন্মে না। C) উপকূলীয় বন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ম্যানগ্রোভ উপকূলীয় অঞ্চলেই প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠে। D) চিরহরিৎ বন — চিরহরিৎ বন পাহাড়ি অঞ্চলে দেখা যায় এবং এর বৈশিষ্ট্য ম্যানগ্রোভ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: ম্যানগ্রোভ বললেই উপকূলীয় লবণাক্ত মাটি এবং সুন্দরবনের কথা মনে রাখবে।
a ২০১৫-২০১৮
b ২০১৬-২০২০
c ২০১৭-২০২১
d ২০১৮-২০২২
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও অর্থনীতি সঠিক উত্তর: B) ২০১৬-২০২০ (প্রদত্ত উত্তরটি সংশোধন করা হলো, কারণ সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০১৬-২০২০ মেয়াদী ছিল) কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশন কর্তৃক প্রণীত সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত ছিল। - এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ছিল জিডিপি প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং দারিদ্র্য বিমোচন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৫-২০১৮ — এটি পরিকল্পনা কমিশনের কোনো নির্দিষ্ট পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল নয়। B) ২০১৬-২০২০ — এটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঠিক এবং নির্ধারিত মেয়াদকাল। C) ২০১৭-২০২১ — এটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঠিক মেয়াদকাল নয়। D) ২০১৮-২০২২ — এটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঠিক মেয়াদকাল নয়, এটি অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার শুরুর দিকের সাথে আংশিক সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা শুরু হয় ২০১৬ সালে এবং শেষ হয় ২০২০ সালে, যা ষষ্ট পরিকল্পনার ঠিক পরের মেয়াদ।
a জয়নুল আবেদীন
b কামরুল হাসান
c এস.এম. সুলতান
d রফিকুন্নবী
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কামরুল হাসান কেন সঠিক: - শিল্পী কামরুল হাসান বাংলাদেশের আধুনিক চিত্রকলার একজন অন্যতম প্রধান রূপকার এবং তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম হলো তিন কন্যা। - গ্রামবাংলার গ্রামীণ নারীদের রূপ এবং লোকশিল্পের ঐতিহ্যকে তিনি তাঁর এই শিল্পকর্মে অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদীন — তিনি বিখ্যাত চিত্রকর্ম দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা এবং সংগ্রাম এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, তিন কন্যা তাঁর কাজ নয়। B) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) এস.এম. সুলতান — তিনি বাংলার গ্রামীণ কৃষক ও তাদের পেশিশক্তি ফুটিয়ে তোলার জন্য বিখ্যাত চিত্রকর্ম যেমন প্রথম বৃক্ষরোপণ এঁকেছেন। D) রফিকুন্নবী — তিনি বাংলাদেশের বিখ্যাত কার্টুনিস্ট এবং চিত্রশিল্পী, যাঁর জনপ্রিয় সৃষ্টি হলো টোকাই চরিত্রটি। মনে রাখার টিপস: কামরুল হাসান মানেই লোকশিল্পের রূপ, আর তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি হলো তিন কন্যা।
a রাঙামাটি
b বান্দরবান
c খাগড়াছড়ি
d সিলেট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বান্দরবান কেন সঠিক: - প্রান্তিক হ্রদ বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক হ্রদ। - এটি পাহাড়ি উপত্যকার মাঝে অবস্থিত অত্যন্ত সুন্দর একটি পর্যটন আকর্ষণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙামাটি — রাঙামাটিতে বিখ্যাত কাপ্তাই হ্রদ ও বগা লেক (বগা হ্রদ) অবস্থিত, তবে প্রান্তিক হ্রদ এখানে নয়। B) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রান্তিক হ্রদ বান্দরবান জেলায় অবস্থিত। C) খাগড়াছড়ি — খাগড়াছড়িতে তৈদুছড়া ঝরনা ও রিছাং ঝরনা রয়েছে, কিন্তু প্রান্তিক হ্রদ নেই। D) সিলেট — সিলেটে মাধবপুর লেক ও বেশ কিছু জলাশয় থাকলেও প্রান্তিক হ্রদ এই অঞ্চলে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: বান্দরবানের পাহাড়ি প্রান্ত বা সীমানায় প্রকৃতির মাঝে লুকিয়ে আছে সুন্দর প্রান্তিক হ্রদ।
a ১ জানুয়ারি ২০১৭
b ২৩ জানুয়ারি ২০১৭
c ১০ জানুয়ারি ২০১৭
d ২৬ জানুয়ারি ২০১৭
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ জানুয়ারি ২০১৭ কেন সঠিক: - অ্যান্টনিও গুতেরেস ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে জাতিসংঘের নবম মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন। - তিনি পূর্বের মহাসচিব বান কি মুনের স্থলাভিষিক্ত হয়ে ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জানুয়ারি ২০১৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই তারিখ থেকেই জাতিসংঘের নবম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। B) ২৩ জানুয়ারি ২০১৭ — এটি ভুল তারিখ কারণ এই দিনে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেননি, তার অনেক আগেই তিনি কাজ শুরু করেন। C) ১০ জানুয়ারি ২০১৭ — এটি ভুল তারিখ, কারণ বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হলেও জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ এটি নয়। D) ২৬ জানুয়ারি ২০১৭ — এটি ভুল তারিখ কারণ এই দিনে অন্য কোনো আন্তর্জাতিক বা সাধারণ ঘটনা থাকতে পারে, তবে এটি দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জানুয়ারি ২০১৭ সাল থেকে অ্যান্টনিও গুতেরেস জাতিসংঘের দায়িত্ব নেন।
a জার্মানি-ফ্রান্স
b ভারত-পাকিস্তান
c ভারত-চীন
d ঘ) উত্তর কোরিয়া-দক্ষিণ কোরিয়া
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত-পাকিস্তান কেন সঠিক: - ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময় স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমানা নির্ধারণ করেন। - তার নামানুসারে এই সীমানার নাম রাখা হয় র‍্যাডক্লিফ লাইন, যা মূলত ভারত ও তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান এবং পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) সীমান্ত নির্দেশ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জার্মানি-ফ্রান্স — এই সীমানাটি মাজিনো লাইন বা সিগফ্রাইড লাইন নামে পরিচিত, র‍্যাডক্লিফ লাইন নয়। B) ভারত-পাকিস্তান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) ভারত-চীন — ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমানা ম্যাকমোহান লাইন নামে পরিচিত। D) ঘ) উত্তর কোরিয়া-দক্ষিণ কোরিয়া — এই দুটি দেশের মধ্যবর্তী সীমানা ৩৮তম সমান্তরাল রেখা বা ডিমিলিটারাইজড জোন নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: র‍্যাডক্লিফ নামের সাথে পাকিস্তান ও ভারতের বিভক্তির ইতিহাস যুক্ত, যা ১৯৪৭ সালে নির্ধারিত হয়েছিল।
a জেনেভা
b ওয়াশিংটন
c রোম
d নিউইয়র্ক
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - UNDP বা জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত। - জাতিসংঘ ব্যবস্থার প্রধান অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনার জন্য এর সদর দপ্তর নিউইয়র্কেই নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর, যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ডব্লিউটিও-এর মতো সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে। B) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী, যেখানে বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ-এর সদর দপ্তর অবস্থিত। C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী, যেখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও-এর সদর দপ্তর অবস্থিত। D) নিউইয়র্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই UNDP-এর সদর দপ্তর অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: উন্নয়ন ও তহবিল সংক্রান্ত বেশিরভাগ প্রধান সংস্থার সদর দপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত।
a চাষী নজরুল ইসলাম
b জহির রায়হান
c খান আতাউর রহমান
d তারেক মাসুদ
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জহির রায়হান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ও গণহত্যার দৃশ্য নিয়ে নির্মিত বিশ্বখ্যাত প্রামাণ্যচিত্র হলো 'স্টপ জেনোসাইড'। - প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান এই প্রামাণ্যচিত্রটি পরিচালনা করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাষী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের যুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'ওরা ১১ জন' এর পরিচালক, তবে 'স্টপ জেনোসাইড' এর নির্মাতা নন। B) জহির রায়হান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) খান আতাউর রহমান — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত অভিনেতা, সুরকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হলেও এই প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণ করেননি। D) তারেক মাসুদ — তিনি আধুনিক ধারার প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও 'মুক্তির গান' প্রামাণ্যচিত্রের নির্মাতা, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: জেনোসাইড বা গণহত্যা প্রতিরোধের লড়াইয়ে কলম ও ক্যামেরার সাহসী যোদ্ধা ছিলেন জহির রায়হান।
a ইন্ডিয়ার আদি অধিবাসী
b আমেরিকায় আগত ভারতবাসী
c আমেরিকার আদি অধিবাসী
d সব কয়টি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আমেরিকার আদি অধিবাসী কেন সঠিক: - ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯২ সালে আমেরিকা আবিষ্কারের সময় ভুলবশত সেখানের আদিবাসীদের ভারতের অধিবাসী ভেবেছিলেন। - সেই ভুলের কারণে আমেরিকার স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে রেড ইন্ডিয়ান বা লাল ভারতীয় নামে নামকরণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্ডিয়ার আদি অধিবাসী — এটি ভুল কারণ রেড ইন্ডিয়ানরা ভারতের নয় বরং আমেরিকার মূল ভূখণ্ডের আদি জনগোষ্ঠী। B) আমেরিকায় আগত ভারতবাসী — এটি ভুল কারণ এরা ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে আমেরিকায় অভিবাসী হওয়া কোনো জনগোষ্ঠী নয়। C) আমেরিকার আদি অধিবাসী — এটি সঠিক কারণ এই জনগোষ্ঠী বহু প্রাচীনকাল থেকেই আমেরিকার মূল ভূখণ্ডের বাসিন্দা। D) সব কয়টি — এটি ভুল কারণ অন্য অপশনগুলো সঠিক নয়, কেবল আমেরিকার আদি অধিবাসী অপশনটিই সঠিক। মনে রাখার টিপস: কলম্বাসের ভারত খোঁজার ভুলের ইতিহাস থেকেই আমেরিকার আদিবাসীদের রেড ইন্ডিয়ান বলা হয়।
a বৃষ্টিপাত হবে না
b নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
c গ) মেঘ-রৌদ্রের লুকোচুরি হবে না
d সাইক্লোন হবে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে কেন সঠিক: - গ্রিন হাউস ইফেক্টের প্রভাবে বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটে, যার ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। - বাংলাদেশ একটি বদ্বীপ ও নিম্নঞ্চল হওয়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে এর উপকূলীয় ও নিচু এলাকাগুলো সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃষ্টিপাত হবে না — গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বৃষ্টিপাত বন্ধ হয় না, বরং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় অতিবৃষ্টি ও বন্যা দেখা দেয়। B) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়লে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ নিম্নভূমিগুলো নিমজ্জিত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। C) মেঘ-রৌদ্রের লুকোচুরি হবে না — এটি আবহাওয়া ও ঋতু পরিবর্তনের স্বাভাবিক বিষয়, গ্রিন হাউস ইফেক্টের কারণে এটি বন্ধ হওয়ার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। D) সাইক্লোন হবে — সাইক্লোন বাংলাদেশের একটি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেও, গ্রিন হাউস ইফেক্টের প্রভাবে এর তীব্রতা ও হার বাড়তে পারে, তবে দেশের ভৌগোলিক অস্তিত্বের জন্য নিমজ্জন সবচেয়ে বড় ক্ষতি। মনে রাখার টিপস: গ্রিন হাউস ইফেক্ট মানেই তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বরফ গলা এবং বাংলাদেশের মতো নিচু দেশের নিম্নভূমি পানিতে তলিয়ে যাওয়া।
a একটি উপজেলা
b একটি চিত্রকর্ম
c একটি উপন্যাস
d একটি নদী বন্দর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একটি চিত্রকর্ম কেন সঠিক: - ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ওপর ভিত্তি করে এটি শিল্পী কামরুল হাসানের আঁকা একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম। - মনপুরা দ্বীপের ভয়াবহ ট্র্যাজেডি এবং মানুষের দুঃখ-দুর্দশাকে এই শিল্পকর্মে অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি উপজেলা — মনপুরা ভোলা জেলার একটি উপজেলা হলেও এই প্রশ্নটিতে 'মনপুরা-৭০' বলতে কোনো প্রশাসনিক এলাকা বোঝানো হয়নি। B) একটি চিত্রকর্ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ কামরুল হাসানের আঁকা ঐতিহাসিক চিত্রকর্মের নাম মনপুরা-৭০। C) একটি উপন্যাস — মনপুরা-৭০ নামে কোনো বিখ্যাত উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে ব্যাপকভাবে পরিচিত নয়। D) একটি নদী বন্দর — এটি কোনো নৌপরিবহন বা নদী বন্দর নয়, বরং একটি ঐতিহাসিক শিল্পকর্ম। মনে রাখার টিপস: মনপুরা দ্বীপের দুঃখময় ঘটনা মনে রাখলেই ৭০ সালের এই বিখ্যাত চিত্রকর্ম এবং শিল্পী কামরুল হাসানকে সহজে মনে রাখা যায়।
a রোমান সম্রাট হিসেবে
b বর্ণবাদ বিরোধী হিসেবে
c ব্রিটেনের রাজা হিসেবে
d আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোমান সম্রাট হিসেবে কেন সঠিক: - জুলিয়াস সীজার ছিলেন প্রাচীন রোমের একজন বিখ্যাত জেনারেল, রাজনীতিবিদ এবং একনায়ক যিনি রোমান সাম্রাজ্য বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। - যদিও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্রাট ছিলেন না, তবে তিনি রোমান প্রজাতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং পরবর্তীতে রোমান সাম্রাজ্যের পথ সুগম করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোমান সম্রাট হিসেবে — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি রোমের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন এবং রোমান ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী শাসক হিসেবে পরিচিত। B) বর্ণবাদ বিরোধী হিসেবে — জুলিয়াস সীজার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, কারণ আধুনিক বর্ণবাদ ও তার সময়কাল সম্পূর্ণ ভিন্ন। C) ব্রিটেনের রাজা হিসেবে — তিনি ব্রিটেনের রাজা ছিলেন না, তবে তার সেনাবহিনী প্রথম ব্রিটেন আক্রমণ করেছিল। D) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে — আমেরিকা মহাদেশ আবিষ্কৃত হওয়ার অনেক শতাব্দী আগে তিনি বেঁচে ছিলেন, তাই তার সঙ্গে আমেরিকার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: জুলিয়াস সীজার নামটি শুনলেই প্রাচীন রোম এবং রোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাস মাথায় আনতে হবে।
a কলা
b পেঁপে
c আম
d লিচু
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আম কেন সঠিক: - হাড়িভাঙ্গা বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ও মিষ্টি জাতের আমের নাম, যা মূলত রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় বেশি উৎপাদিত হয়। - এই জাতের আমের বৈশিষ্ট্য হলো এর খোসা পাতলা, আঁটি ছোট এবং শাঁস বেশ সুস্বাদু ও মিষ্টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলা — কলা একটি সুপরিচিত ফল হলেও হাড়িভাঙ্গা কোনো কলার জাত নয়। B) পেঁপে — পেঁপে হলো এক ধরণের পুষ্টিকর ফল, যার সাথে হাড়িভাঙ্গা নামের কোনো সম্পর্ক নেই। C) আম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং হাড়িভাঙ্গা আমের একটি বিখ্যাত ও সুস্বাদু জাত। D) লিচু — লিচু একটি গ্রীষ্মকালীন ফল এবং হাড়িভাঙ্গা লিচুর কোনো জাতের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: রংপুরের বিখ্যাত মিষ্টি আম হলো হাড়িভাঙ্গা, তাই আম মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a পুত্র
b গৌড়
c হরিকেল
d রূপনগর
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: পুণ্ড্র কেন সঠিক: - প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে পুরনো জনপদের নাম পুণ্ড্র, যার অবস্থান ছিল বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে। - পুণ্ড্রবর্ধন ছিল এই অঞ্চলের প্রাচীন প্রশাসনিক ও নগরকেন্দ্র, যার রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর বা বর্তমান মহাস্থানগড়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুণ্ড্র — প্রদত্ত উত্তরটি প্রশ্নে পুত্র বলা হলেও সঠিক উত্তর হবে পুণ্ড্র, কারণ প্রাচীন জনপদের নাম পুত্র নয়, পুণ্ড্র। B) গৌড় — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও এর আশপাশের অংশ নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ, যা সর্বপ্রাচীন জনপদ নয়। C) হরিকেল — এটি বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ, যা পুণ্ড্রর চেয়ে পরবর্তী সময়ের। D) রূপনগর — এটি কোনো প্রাচীন বাংলার জনপদের নাম নয়, এটি একটি কাল্পনিক বা আধুনিক নাম। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বাংলার শুরুতেই পুণ্ড্র, তাই মনে রাখুন পু দিয়ে প্রাচীন পুণ্ড্র জনপদ।
a সুমিত্রা দেবী
b তারামন বিবি
c ইলা মিত্র
d মহাশ্বেতা দেবীর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইলা মিত্র কেন সঠিক: - ১৯৪৬ থেকে ১৯৪৭ সালের প্রখ্যাত তেভাগা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেত্রী ছিলেন ইলা মিত্র। - তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল অঞ্চলে কৃষক আন্দোলন সংগঠিত করেন এবং তেভাগা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুমিত্রা দেবী — ইনি তেভাগা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কোনো প্রধান ঐতিহাসিক নেত্রী নন। B) তারামন বিবি — ইনি মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একজন প্রখ্যাত নারী মুক্তিযোদ্ধা। C) ইলা মিত্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক। D) মহাশ্বেতা দেবী — ইনি একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও মানবাধিকারকর্মী, তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী নন। মনে রাখার টিপস: তেভাগা আন্দোলন মানেই ইলা মিত্র, যিনি নাচোলের কৃষকদের অধিকার আদায় লড়াই করেছিলেন।
a সিলেট
b বান্দরবান
c রাঙ্গামাটি
d টেকনাফ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বান্দরবান কেন সঠিক: - নীলগিরি পাহাড় বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় অবস্থিত। - এটি বাংলাদেশের অন্যতম উচ্চতম এবং সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — এটি পাহাড়ি অঞ্চল হলেও এখানে নীলগিরি পাহাড় অবস্থিত নয়। B) বান্দরবান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) রাঙ্গামাটি — এটি একটি পার্বত্য জেলা হলেও নীলগিরি পাহাড় এখানে নেই। D) টেকনাফ — এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপকূলীয় এলাকা, এখানে নীলগিরি নেই। মনে রাখার টিপস: বান্দরবানের নীলগিরি মেঘের রাজ্যের মতো উঁচুতে অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র।
a ইংরেজি ও চীনা
b ইংরেজি ও রুশ
c ইংরেজি ও স্প্যানিশ
d ইংরেজি ও ফরাসি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইংরেজি ও ফরাসি কেন সঠিক: - জাতিসংঘের সচিবালয়ের দাপ্তরিক ও কার্যকরী ভাষা মূলত দুটি, যার মাধ্যমে এর প্রতিদিনের প্রশাসনিক কাজ ও চিঠিপত্র আদান-প্রদান পরিচালিত হয়। - এই দুটি কার্যকরী ভাষা হলো ইংরেজি ও ফরাসি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি ও চীনা — চীনা ভাষা জাতিসংঘের অন্যতম দাপ্তরিক ও সাধারণ সভা বা নিরাপত্তা পরিষদের স্বীকৃত ভাষা হলেও এটি সচিবালয়ের কার্যকরী ভাষা নয়। B) ইংরেজি ও রুশ — রুশ ভাষা জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার অন্তর্ভুক্ত হলেও এটি জাতিসংঘের দাপ্তরিক নথিপত্র ও প্রশাসনিক কার্যকরী ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। C) ইংরেজি ও স্প্যানিশ — স্প্যানিশ ভাষা জাতিসংঘের একটি প্রধান স্বীকৃত ভাষা হলেও এটি সচিবালয়ের অভ্যন্তরীণ কার্যকরী ভাষার মর্যাদা লাভ করেনি। D) ইংরেজি ও ফরাসি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি ভাষাই জাতিসংঘের মূল কার্যকরী ভাষা হিসেবে নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের কাজের গতি ঠিক রাখতে সচিবালয়ে দুটি ভাষা কার্যকর রাখা হয়েছে, যা হলো ইংরেজি এবং ফরাসি।
a ২৫ নভেম্বর ২০১৬
b ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬
c ২৯ নভেম্বর ২০১৬
d ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫ নভেম্বর ২০১৬ কেন সঠিক: - কিউবার বিপ্লবী নেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ফিদেল ক্যাস্ত্রো ২০১৬ সালের ২৫ নভেম্বর ৯০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। - বিংশ শতাব্দীর অন্যতম আলোচিত এই বিপ্লবী নেতা ১৯৫৯ সালের বিপ্লবের মাধ্যমে কিউবার ক্ষমতায় এসেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ নভেম্বর ২০১৬ — এটি ফিদেল ক্যাস্ত্রোর মৃত্যুর সঠিক তারিখ এবং আন্তর্জাতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। B) ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬ — এই তারিখে ফিদেল ক্যাস্ত্রোর মৃত্যুর কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি এবং এটি ভুল তারিখ। C) ২৯ নভেম্বর ২০১৬ — এই তারিখে হাভানার রেভোলিউশন স্কোয়ারে ফিদেল ক্যাস্ত্রোর স্মরণে বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, মৃত্যুর তারিখ নয়। D) ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬ — এটি ফিদেল ক্যাস্ত্রোর মৃত্যুর অনেক পরের একটি সাধারণ তারিখ এবং এর সঙ্গে এই ঘটনার কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: ফি-দে-ল ক্যাস্ত্রোর মৃত্যুর সাল ২০১৬ এবং মাস নভেম্বর, যার শেষাংশে ২৫ তারিখে তিনি মারা যান।