সঠিক উত্তর: A) অনিবার্য
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে যা কোনোভাবেই নিবারণ বা রোধ করা যায় না, তার এককথার প্রকাশ।
- নিবারণ শব্দের অর্থ হলো নিবৃত্ত করা, রোধ করা বা বাধা দেওয়া, আর যার কোনো বাধা মানার উপায় নেই তা অনিবার্য।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও সংক্ষেপণ প্রকাশ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনিবার্য মৃত্যু কারও জন্য রোধ করা যায় না।
ব্যাখ্যা: এখানে মৃত্যুর অবধারিত বা অবশ্যম্ভাবী প্রকৃতি বোঝাতে অনিবার্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: এই সংকট এখন আমাদের জন্য অনিবার্য এক পরিণতি।
ব্যাখ্যা: এখানে কোনোভাবেই এড়ানো যায় না এমন পরিস্থিতি বোঝাতে অনিবার্য শব্দটি প্রাসঙ্গিক হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনিবার্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ যা কোনোভাবেই নিবারণ বা রোধ করা যায় না।
B) অনন্যোপায় — এই অপশনের অর্থ যার অন্য কোনো উপায় বা গতি নেই, যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মেলে না।
C) অদম্য — এই অপশনের অর্থ যাকে দমন করা যায় না, যা নিবারণের সমার্থক নয়।
D) অসম্ভব — এই অপশনের অর্থ যা সম্ভব নয় বা যা ঘটে না, যা নির্দিষ্ট নিবারণার্থক শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিবারণ শব্দের সাথে আ যুক্ত হয়ে অনিবার্য গঠিত হয়, যার অর্থ যা বারণ বা রোধ করা যায় না।
- বারণ করা যায় না যা, তা থেকেই অনিবার্য শব্দটি মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- একই ধরনের অন্যান্য শব্দ যেমন অবশ্যম্ভাবী বা অবধারিত শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) শৈবলিনী
১. কেন সঠিক:
- শৈবলিনী শব্দের অর্থ নদী, যার তীরে বা বুকে শৈবাল বা শেওলা জন্মে।
- নদী শব্দটির একটি ঐতিহ্যবাহী ও কাব্যিক প্রতিশব্দ হলো শৈবলিনী।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যাদের বানান ও উচ্চারণ ভিন্ন হলেও অর্থের দিক থেকে মিল থাকে।
- নদীর অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে তরঙ্গিনী, তটিনী, স্রোতস্বিনী, প্রবাহিণী ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তটিনী
ব্যাখ্যা: তটিনী শব্দের অর্থও নদী, কারণ এর দুপাশে তট বা তীর রয়েছে।
উদাহরণ ২: তরঙ্গিনী
ব্যাখ্যা: তরঙ্গিনী হলো নদী শব্দের সমার্থক, কারণ নদীতে প্রায়ই তরঙ্গ বা ঢেউ খেলে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলধি — জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ যেখানে জল ধারণ করা হয়। এটি নদীর সমার্থক নয়।
B) পয়োধি — পয়োধি শব্দের অর্থ সমুদ্র বা মেঘ, কারণ পয়ো বা জল ধারণ করে যে। এটি নদীর সমার্থক নয়।
C) জলধর — জলধর শব্দের অর্থ মেঘ, যার আক্ষরিক অর্থ জল ধারণ করে যে। এটি নদীর সমার্থক নয়।
D) শৈবলিনী — এই অপশনটি সঠিক এবং নদীর সমার্থক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নদীর গায়ে শেওলা বা শৈবাল জন্মায়, তাই শৈবালযুক্ত জলপ্রবাহ বা নদী হলো শৈবলিনী।
- নদীর সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য অন্তে ঈ-কার যুক্ত শব্দ যেমন তটিনী, তরঙ্গিনী, স্রোতস্বিনী মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমুদ্র এবং নদীর সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই এক করে ফেলা হয়, তাই ধধি বা ধরণযুক্ত শব্দ হলো সমুদ্র আর নী বা ইনীযুক্ত শব্দ হলো নদী।
- সমার্থক শব্দ দাগানোর আগে শব্দের মূল উৎস ও আক্ষরিক অর্থ ভালোভাবে বিবেচনা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) পঙ্কিল
১. কেন সঠিক:
- নির্মল শব্দের আভিধানিক অর্থ পবিত্র, পরিষ্কার বা দাগহীন।
- এর সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পঙ্কিল শব্দটি ব্যবহৃত হয় যার অর্থ কর্দমাক্ত বা মলিন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ এবং তদ্ভব শব্দের বিপরীতে তদ্ভব শব্দ ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে।
- নির্মল ও পঙ্কিল দুটি শব্দই মূলত সংস্কৃত বা তৎসম শব্দশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এদের বিপরীত রূপটি ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে বেশি মানানসই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উর্বর ও উষরা
ব্যাখ্যা: উর্বর জমির বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে উষরা বা অনুৎপাদনশীল ভূমি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: প্রকাশ ও গোপন
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু সামনে আনা বা প্রকাশ করার বিপরীত অর্থ বোঝাতে গোপন শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঙ্কিল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্মল শব্দের বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
B) অপরিস্কার — এটি সাধারণ চলিত শব্দ এবং ব্যাকরণগতভাবে মানসম্মত বিপরীত শব্দ হিসেবে পঙ্কিলের চেয়ে কম গ্রহণযোগ্য।
C) নোংরা — এটি একটি দেশি বা কথ্য শব্দ যা তৎসম শব্দ নির্মল এর বিপরীত হিসেবে ব্যাকরণে প্রধান্য পায় না।
D) অনির্মল — এটি উপসর্গযুক্ত বিপরীত শব্দ হলেও সাহিত্যিক ও প্রমিত বাংলায় পঙ্কিল শব্দটিই অধিক স্বীকৃত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নির্মল মানে পরিষ্কার পানি আর পঙ্কিল মানে কাদাভরা পানি, এই তুলনাটি মনে রাখলে বিপরীত শব্দ সহজে মনে রাখা যায়।
- তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্বাচনে সবসময় সমজাতীয় সংস্কৃত শব্দ খোঁজা উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে প্রচলিত ও সাহিত্যিক শব্দগুলোকে প্রাধান্য দিতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) আসন্ন বিপদ
১. কেন সঠিক:
'শিরে-সংক্রান্তি' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ মাথার ওপর সংক্রান্তি বা শেষ দিন উপস্থিত হওয়া।
এর বিশেষ অর্থ হলো আসন্ন বিপদ বা ঘাড়ে এসে উপস্থিত হওয়া অবধারিত সংকট, যা এড়ানো প্রায় অসম্ভব।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা বা ভাবার্থ প্রকাশক শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ তাৎপর্য প্রকাশ করে।
বাক্যে এর ব্যবহার ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরীক্ষা সামনে চলে আসায় শুভর এখন শিরে-সংক্রান্তি অবস্থা।
ব্যাখ্যা: পরীক্ষার সময় ঘিয়ে আসার কারণে যে জরুরি ও সংকটময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যবসায়ে আকস্মিক ধস নামায় করিমের মাথায় এখন শিরে-সংক্রান্তি চেপে বসেছে।
ব্যাখ্যা: হঠাৎ বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে যে আসন্ন বিপদের মুখোমুখি সে হয়েছে, তা এই বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আসন্ন বিপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিরে-সংক্রান্তি বাগধারাটি ঠিক এই অর্থই প্রকাশ করে।
B) মাথাব্যথা — এটি আক্ষরিক বা শরীরের কোনো অসুস্থতা বোঝায়, কিন্তু বাগধারাটির আসল ভাবার্থ ভিন্ন।
C) মহাবিপদ — এটি বড় ধরনের বিপদ বোঝালেও শিরে-সংক্রান্তি বলতে মূলত ঠিক মাথার ওপর এসে উপস্থিত বিপদ বা আসন্ন সংকটকে নির্দেশ করা হয়।
D) মাথার বোঝা — এটি কোনো বস্তুগত বা মানসিক ভারকে বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাথার (শিরে) ওপর বিপদ এসে উপস্থিত হওয়া বা সংক্রান্তির শেষ দিনের মতো ঘনিয়ে আসা সংকট মনে রাখলে এই বাগধারা সহজেই আয়ত্ত করা যায়।
শব্দটির আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে আসন্ন বিপদের মিল খুঁজে নিলেই বিভ্রান্তি দূর হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে সবসময় প্রমিত ভাবার্থ বা অন্তর্নিহিত অর্থটি নির্বাচন করতে হয়।
এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বিকল্প অর্থের সঙ্গে মিলিয়ে বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- এখানে বিশেষ্য পদ বা সাধারণ নাম এবং বিশেষ পদের মাধ্যমে বিশেষ সম্পর্কের তুলনা বা অভিন্নতা বোঝানো হয়েছে।
- ঈগল হলো পাখির একটি বিশেষ নাম, যেখানে ব্যাসবাক্য হয় ঈগল নামের যে পাখি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে বিশেষ্য ও বিশেষণ কিংবা বিশেষ্য ও বিশেষ্য অথবা বিশেষণ ও বিশেষণের সম্পর্ক থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- উপমেয় ও উপমানের অভেদ কল্পনা করা হলে তা রূপক কর্মধারয় সমাস হয়, তবে সাধারণ নামকরণে এটি মধ্যপদলোপী বা সাধারণ কর্মধারয় হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোনাকি পোকা
ব্যাখ্যা: জোনাকি নামের যে পোকা, এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: আলু ভর্তা
ব্যাখ্যা: আলু দিয়ে ভর্তা, এটিও মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) কর্মধারয় — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়মের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
C) বহুব্রীহি — এই সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে হয়নি।
D) অব্যয়ীভাব — পূর্বপদে অব্যয় যোগে গঠিত হয়ে যদি অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যাসবাক্যে যদি নামক বা নামের শব্দ থাকে, তবে সাধারণত তা কর্মধারয় সমাস হয়।
- সমাস নির্ণয়ের সময় পদের পারস্পরিক সম্পর্ক আগে ভালোভাবে যাচাই করে নিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নামবাচক পদের সমাস প্রায়ই আসে।
- সাধারণ কর্মধারয় চেনার জন্য ব্যাসবাক্যের মধ্যের সম্পর্ক লক্ষ করতে হবে।
প্রশ্নের ধরন: সমাস ও সমাস নির্ণয়
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়ীভাব
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নে 'ইত্যাদি' শব্দের ব্যাসবাক্য দেওয়া হয়েছে 'ইতি হতে আদি'। এখানে 'ইতি' শব্দের অর্থ সমাপ্তি এবং 'আদি' শব্দের অর্থ শুরু বা প্রারম্ভ।
- পূর্বপদে 'ইতি' (অব্যয়) যোগ হয়ে এবং তার সঙ্গে 'আদি' পদের সমাস সাধিত হয়ে সমগ্র পদটি যখন অব্যয় পদ হিসেবে অর্থ প্রকাশ করে, তখন তা অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদটি অব্যয় পদ হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- সাধারণত অব্যয় পদের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলনে অব্যয়ীভাব সমাস গঠিত হয় এবং এটি বিশেষণের কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিমরাজি
ব্যাখ্যা: রাজির অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস।
উদাহরণ ২: উপকূল
ব্যাখ্যা: কূলের সমীপে অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়মের আওতাভুক্ত।
B) অব্যয়ীভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পূর্বপদ অব্যয় যোগে নতুন পদ গঠিত হয়েছে।
C) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়নি।
D) বহুব্রীহি — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এখানে অন্য কোনো পদের অর্থ প্রধান না বুঝিয়ে সমাসবদ্ধ পদের নিজস্ব অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যাসবাক্যের শুরুতে 'ইতি', 'আদি', 'অনু', 'প্রতি' বা 'উপ' থাকলে সাধারণত তা অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
- অব্যয় পদ চেনার মাধ্যমে খুব সহজে এই ধরনের সমাস নির্ণয় করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইতিবাচক বা সমাপ্তি সূচক শব্দ দিয়ে গঠিত সমাস প্রায়ই আসে।
- ব্যাকরণ বইয়ের নিয়ম অনুযায়ী অব্যয় পদের ব্যবহার ভালোভাবে চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) পদ্ + হতি
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুযায়ী ত্ বা দ্ এর পরে হ থাকলে ত্ বা দ্ এর জায়গায় দ্ এবং হ এর জায়গায় ধ্ হয়।
এখানে পদ যোগ হতি যুক্ত হয়ে দ্ ও হ্ মিলে ধ্ তৈরি করেছে এবং শব্দটি পদ্ধতি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। নিয়ম অনুযায়ী বর্গের প্রথম বা তৃতীয় বর্ণের পর হ থাকলে হ এর স্থানে পূর্ববর্ণের তৃতীয় বর্ণ এবং হ এর স্থানে তার চতুর্থ বর্ণ হয়।
এই নিয়মে ত্ এর পর হ থাকলে তা পরিবর্তন হয়ে দ্ধ রূপ ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উৎ যোগ হারণ = উদ্ধার
ব্যাখ্যা: এখানে ত্ এর পরে হ থাকায় ত্ বদলে দ্ এবং হ বদলে ধ্ হয়েছে।
উদাহরণ ২: তৎ যোগ হিত = তদ্ধিত
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়ম প্রয়োগ করে ত্ ও হ মিলে দ্ধ তৈরি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্ + হতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর অনুযায়ী এটিই সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
B) পৎ + হতি — এই অপশনে হ এর স্থানে পরিবর্তন দেখানো হয়নি যা সঠিক নিয়ম নয়।
C) পদ্ + ধতি — এখানে সন্ধির আগের অংশেই পরিবর্তিত রূপ দেওয়া হয়েছে যা সঠিক প্রক্রিয়া নয়।
D) পৎ + ধতি — এই অপশনে প্রথম অংশে ত্ এর পরিবর্তে দ্ না থাকা এবং দ্বিতীয় অংশে হ এর বদলে সরাসরি ধ্ থাকা ব্যাকরণসম্মত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
পদ্ধতি শব্দ দেখলে মনে রাখবে ত্ এবং হ মিলে দ্ধ হয়।
উদ্ধার ও তদ্ধিত শব্দ দুটির মতো এটিও ব্যঞ্জনসন্ধির হ-যুক্ত নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হ-যুক্ত ব্যঞ্জনসন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে পদ্ধতি, উদ্ধার ও তদ্ধিত জাতীয় শব্দগুলো সহজে সমাধান করা যাবে।
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে 'অঙ্কে' শব্দটি দ্বারা কোনো বিষয়ে দক্ষতা, নিপুণতা বা পারদর্শিতা প্রকাশ পেয়েছে, যা অধিকরণ কারকের একটি বিশেষ রূপ।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝালে বিষয়াধিকরণ বা ভাবাধিকরণ অনুসারে তা অধিকরণ কারক হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ার আধারকে (সময়, স্থান বা বিষয়) অধিকরণ কারক বলে। স্থান কাল বা বিষয়ে কিছু সংঘটিত হলে তাকে অধিকরণ কারক বলা হয়।
- 'অঙ্কে' শব্দটিতে অঙ্ক মূল শব্দের সঙ্গে সপ্তমী বা এ বিভক্তি যুক্ত রয়েছে, তাই এটি অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যাকরণে তিনি খুব পন্ডিত।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যাকরণে শব্দটি দ্বারা একটি বিষয়ে দক্ষতা বোঝানো হয়েছে, যা অধিকরণে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ছেলেরা খেলায় মগ্ন।
ব্যাখ্যা: খেলায় শব্দটি দ্বারা খেলায় বিশেষ পারদর্শিতা বা নিমগ্নতা প্রকাশ পাওয়ায় এটি অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মে ৭মী — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, এখানে কোনো কর্ম বা প্রাপ্তি নেই।
B) করণে ৭মী — করণ কারক দ্বারা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো উপকরণের সাহায্য বোঝায়নি।
C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক থেকে জাত, বিরত, রক্ষিত বা ভয় পাওয়া বোঝায়, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
D) অধিকরণে ৭মী — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এখানে বিষয়ে দক্ষতা বোঝানো হয়েছে এবং সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত আছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো বিষয়ে ভালো, কাঁচা, পন্ডিত, দক্ষ বা অদক্ষ বোঝালে সেটি সবসময় অধিকরণ কারক হবে।
- এ, তে, য় ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা নিশ্চিতভাবে সপ্তমী বিভক্তি হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দক্ষতা বা পারদর্শিতা সংক্রান্ত কারক নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- এই ধরনের বাক্যে স্থান বা সময় না থাকলেও তা অধিকরণ কারক হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: B) অধীত
১. কেন সঠিক:
- যা অধ্যয়ন করা হয়েছে তাকে এককথায় অধীত বলা হয়।
- অধ্যয়ন করা বোঝাতে অধী ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করে এই বিশেষ্য পদটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণের শব্দার্থ প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করে ভাষা সুন্দর ও সাবলীল করা এর মূল উদ্দেশ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা দমন করা কঠিন — দুর্দমনীয়।
ব্যাখ্যা: দমন করা যায় না বা কঠিন এমন বোঝাতে এই বাক্য সংকোচন ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি — অপূর্ব।
ব্যাখ্যা: সাধারণ অভিজ্ঞতার বাইরের কোনো দৃশ্য বা ঘটনা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঠিত — যা পাঠ করা হয়েছে তাকে পঠিত বলে, যা অধ্যয়ন করা হয়েছে তা বোঝায় না।
C) অধ্যয়িত — ব্যাকরণগত দিক থেকে এই শব্দটি ভুল এবং প্রমিত বাংলায় এর প্রচলন নেই।
D) অধ্যায়িত — এটি একটি অগঠিত ও অপ্রচলিত শব্দ, যা বাংলা ব্যাকরণের নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অধ্যয়ন শব্দের মূল ধাতু হলো অধী, যার সঙ্গে যুক্ত হয়ে অধীত শব্দ গঠিত হয়।
- পাঠ করা মানে পঠিত আর অধ্যয়ন করা মানে অধীত, এই পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় সাধিত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে।
- মূল শব্দের উৎস ও অর্থ মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) হুমায়ুন আহমেদ
১. কেন সঠিক:
‘অয়োময়’ নাটকটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হুমায়ুন আহমেদ।
এটি বিটিভিতে প্রচারিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি একক ও ধারাবাহিক নাটক যা মূলত তাঁরই একই নামের উপন্যাসের নাট্যরূপ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
হুমায়ুন আহমেদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও নাট্যকার।
তাঁর রচিত অন্যান্য বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘কোথাও কেউ নেই’, ‘বহুব্রীহি’ ও ‘নক্ষত্রের রাত’।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোথাও কেউ নেই
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত টেলিভিশন ধারাবাহিক নাটক যার বাকের ভাই চরিত্রটি দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।
উদাহরণ ২: বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত আরেকটি জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক যেখানে ‘তোপখানা রোড’ ও ‘বদিউল আলম’ চরিত্রগুলো স্মরণীয় হয়ে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ুন আহমেদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘অয়োময়’ নাটকটি রচনা করেছেন এবং এটি টেলিভিশনে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছিল।
B) আবদুল্লাহ আল মামুন — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি অন্য নাটকের জন্য বিখ্যাত যেমন ‘এখনই সময়’ ও ‘সংশপ্তক’, ‘অয়োময়’-এর রচয়িতা নন।
C) জহির রায়হান — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মূলত প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন, যেমন ‘আরেক ফাল্গুন’ ও ‘জীবন থেকে নেয়া’।
D) রশীদ হায়দার — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মূলত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য ও সম্পাদক হিসেবে পরিচিত, এই নাটকের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
হুমায়ুন আহমেদের বিখ্যাত টেলিভিশন নাটকগুলো মনে রাখতে ‘অয়োময়, কোথাও কেউ নেই ও বহুব্রীহি’ এই তিনটি নাম একসঙ্গে চর্চা করতে পারো।
নাটক ও উপন্যাসের স্রষ্টা হিসেবে তাঁর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশিবার আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ুন আহমেদের নাটক ও উপন্যাসের চরিত্র থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
কোনো সাহিত্যকর্ম নাটক নাকি উপন্যাস, তা ভালোভাবে খেয়াল করে উত্তর করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) চিলেকোঠার সেপাই
১. কেন সঠিক:
- চিলেকোঠার সেপাই উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসে তৎকালীন ঢাকার গ্রামীণ ও শহুরে জীবনের নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলা কথাসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি তাঁর স্বল্প অথচ অত্যন্ত শক্তিশালী রচনার জন্য পরিচিত।
- তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে খোয়াবনামা অন্যতম যা দেশভাগের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি মাস্টারপিস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খোয়াবনামা
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত দ্বিতীয় ও শেষ উপন্যাস যা তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা।
উদাহরণ ২: অন্য ঘরে অন্য স্বর
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি বিখ্যাত ছোটগল্পের বই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল্লাহ — এই উপন্যাসের রচয়িতা কাজী ইমদাদুল হক যা মুসলিম সমাজের অবক্ষয় ও কুসংস্কার দূর করার উদ্দেশ্যে রচিত।
B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল অপশনের ব্যাখ্যা নেই।
C) দেনাপাওনা — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার প্রধান চরিত্র আল্পনা ও জীবানন্দ।
D) কেরী সাহেবের মুনশী — এই উপন্যাসের রচয়িতা প্রমথনাথ বিশী যা উনিশ শতকের শুরুর দিকের বাংলার সামাজিক চিত্র তুলে ধরে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা বই কম কিন্তু জনপ্রিয়, তাই তাঁর নাম শুনলেই 'চিলেকোঠার সেপাই' ও 'খোয়াবনামা'র কথা মনে রাখতে হবে।
- সেপাই বা সৈনিকরা যেমন চিলেকোঠায় বা ছাদে পাহারা দেয়, তেমনি ইলিয়াস সাহেবের বিখ্যাত উপন্যাসের নাম 'চিলেকোঠার সেপাই'।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তাঁর রচনাসমগ্রের সংখ্যা কম হওয়ায় তাঁর উপন্যাস ও ছোটগল্পগুলোর নাম আলাদাভাবে মুখস্থ রাখা খুবই সহজ ও লাভজনক।
সঠিক উত্তর: D) জসীমউদ্দীন
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত পঙ্ক্তিটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কবর কবিতার অংশ।
- প্রিয়জনের মৃত্যুর পর কবরস্থানে তার একা ঘুমিয়ে থাকার গভীর বেদনা এই পঙ্ক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত পল্লীকবি ও আধুনিক রোমান্টিক ধারার কবি।
- কবর কবিতাটি তার রাখালী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা শোকগাথা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও
ব্যাখ্যা: এটিও জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত নকশী কাঁথার মাঠ বা আসমানী কবিতার অংশ যা গ্রামীণ দুঃখকষ্ট ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: সুজন বাদিনীর ঘাট কতো দূরে আরও
ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীনের সুজন বাদিয়ার ঘাট কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া পল্লী প্রকৃতির এক অনন্য চিত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোজাম্মেল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক হলেও এই অমর শোকগাথার রচয়িতা নন।
B) গোলাম মোস্তফা — তিনি ইসলামী ঐতিহ্যের কবিতা ও বিশ্বনবী সীরতুন্নবী রচনার জন্য বিখ্যাত, এই কবিতার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা নেই।
C) সুফিয়া কামাল — তিনি বিখ্যাত প্রকৃতি ও নারী জাগরণের কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কবিতাটি তার লেখা নয়।
D) জসীমউদ্দীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটি তার কবর কবিতা থেকেই উদ্ধৃত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কবর কবিতা বললেই জসীমউদ্দীনের নাম মনে রাখতে হবে।
- পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের গ্রামীণ আবহ ও মৃত্যুর বেদনাযুক্ত পঙ্ক্তি পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কবর কবিতা কত সালে প্রকাশিত হয় এবং কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত তা জেনে রাখা আবশ্যক।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীমউদ্দীনের কবিতার লাইন প্রায়ই তুলে দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) করণে শূন্য
কেন সঠিক:
- এই বাক্যে অহঙ্কার শব্দটি পতনের মাধ্যম বা উপায় হিসেবে কাজ করেছে।
- শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যার দ্বারা বা যার মাধ্যমে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে করণ কারক বলে।
- অ, আ, এ ইত্যাদি বিভক্তি শব্দের সাথে প্রকাশ না পেলে তাকে শূন্য বিভক্তি বা অ বিভক্তি বলা হয়।
- যেমন: কলমে লেখা যায়, এখানে কলমে করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কর্মে শূন্য — কর্ম কারক হওয়ার জন্য বাক্যে কাউকে বা কিছুকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি এখানে নেই।
- B) করণে শূন্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
- C) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারক হতে হলে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা গৃহিত হওয়ার অর্থ প্রকাশ করতে হয়, যা এখানে নেই।
- D) অধিকরণে শূন্য — অধিকরণ কারক হতে হলে স্থান, কাল বা বিষয় বোঝাতে হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
- কিসের দ্বারা পতন ঘটে প্রশ্নের উত্তর অহঙ্কার হওয়ায় এটি করণ কারক।
- শব্দের শেষে দৃশ্যমান কোনো বিভক্তি না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি।
সঠিক উত্তর: D) স্বায়ত্তশাসন
১. কেন সঠিক:
স্বায়ত্তশাসন শব্দটির সঠিক বানান হলো স্ব-আয়ত্ত + শাসন। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এখানে দন্ত-ন এবং মূর্ধন্য-ষ এর সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি একটি সাধিত শব্দ যা সমাস বা প্রত্যয় সাধিত নিয়মে গঠিত হয়েছে। এখানে শাস ধাতু বা শাসন শব্দের আগে স্বায়ত্ত যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রশাসন
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যেখানে দন্ত-ন ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: अनुशासन (সংস্কৃত)
ব্যাখ্যা: এটি এই শব্দের সমার্থক রূপের প্রমিত বাংলা রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বায়ত্তসাশন — ভুল কারণ এখানে শাসন অংশে দন্ত-স এর পরিবর্তে তালব্য-শ বা ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে।
B) স্বায়ত্তসাশণ — ভুল কারণ এখানে মূর্ধন্য-ণ এবং ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী।
C) স্বায়ত্তশাসণ — ভুল কারণ এখানে শেষাংশে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
D) স্বায়ত্তশাসন — এটি সঠিক কারণ এতে প্রমিত বানানরীতির সব নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে চলা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
মনে রাখবেন স্বায়ত্ত শব্দের শেষে ত আছে এবং শাসন বানানে সবসময় দন্ত-ন ব্যবহৃত হয়। শেষাংশে মূর্ধন্য-ণ বা তালব্য-শ ব্যবহার করা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি প্রায়ই আসে। আত্ম বা স্ব সম্পর্কিত শব্দ লেখার সময় প্রমিত নিয়ম ও বানানের শেষ অংশ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) নিরীক্ষণ
১. কেন সঠিক:
- নিরীক্ষণ শব্দটিতে প্রথম ই-কার এবং ক্ষ-এর পূর্বে দীর্ঘ ঈ-কার ও মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে মূর্ধন্য ণ এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তৎসম শব্দে ই-কার বা উ-কার যুক্ত উপসর্গ থাকার পর মূর্ধন্য ণ হয়।
- নি উপসর্গ এবং ঈক্ষ ধাতু থেকে নিষ্পন্ন শব্দে মূর্ধন্য ণ ও দীর্ঘ ঈ-কার বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরীক্ষা
ব্যাখ্যা: পরি উপসর্গ এবং ঈক্ষা ধাতু মিলে পরীক্ষা শব্দটি গঠিত হয় যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: পরিচ্ছেদ
ব্যাখ্যা: প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী কিছু শব্দে নিয়ম মেনে মূর্ধন্য স ও ণ নির্ধারিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীরিক্ষণ — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
B) নিরীক্ষন — এই অপশনে শেষে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
C) নিরীক্ষণ — এটি প্রমিত বানানরীতির সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যাওয়া সঠিক রূপ।
D) নীরীক্ষণ — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিরীক্ষণ শব্দটির শুরুতে হবে হ্রস্ব ই-কার এবং মাঝে হবে দীর্ঘ ঈ-কার ও শেষে মূর্ধন্য ণ।
- এই ধরনের তৎসম শব্দ লেখার সময় ধাতুর রূপ মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নি উপসর্গযুক্ত বানান যেমন নিরীক্ষণ, পরীক্ষা ও পরীক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ণ এবং দীর্ঘ ঈ-কারের সঠিক অবস্থান ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Anwar exclaimed that he was a great fool.
কেন সঠিক:
রিপোর্টেড স্পিচটিতে বিস্ময় প্রকাশ করায় Said-এর পরিবর্তে Exclaimed ব্যবহৃত হয়েছে এবং ইনভার্টেড কমা উঠে that বসেছে।
What a fool I am বাক্যটি প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় ইনডাইরেক্ট করার সময় তা পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট টেন্সের was হয়েছে।
উক্ত বাক্যটিকে এসারটিভ ফর্মে রূপান্তর করে Subject এবং verb-এর সঠিক বিন্যাস করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Anwar said that he is a great fool. — Reported speech-এর verb-টি present tense (is) রাখা হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী past tense হওয়ার কথা ছিল।
B) Anwar told that he has been a great fool. — Exclamatory sentence-এ Said-এর পরিবর্তে Told ব্যবহার করা ভুল এবং tense-এর পরিবর্তন সঠিক হয়নি।
C) Anwar exclaimed that he was a great fool. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Anwar told that he had been a great fool. — এখানে Told ব্যবহার করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত past perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রয়োজন নেই।
মনে রাখার টিপস:
Exclamatory sentence-এ What বা How থাকলে Said-এর পরিবর্তে Exclaimed বসে এবং tense পরিবর্তন করে sentenceটিকে assertive করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) I was taught by him to read Arabic.
কেন সঠিক:
актив বাক্যের মূল Verb 'taught' হলো Past Indefinite Tense, তাই Passive করার সময় সাহায্যকারী Verb হিসেবে 'was' ব্যবহৃত হয়েছে।
'teach' Verb-এর Past Participle রূপ হিসেবে 'taught' বসেছে এবং Object 'me' কে Subject হিসেবে 'I' করা হয়েছে।
অতিরিক্ত অংশ 'to read Arabic' বাক্যের শেষে অপরিবর্তিত অবস্থায় বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয় বরং সঠিক অপশন হিসেবে গণ্য।
B) I have been taught by him to read Arabic. — বাক্যে Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল Past Tense বাক্যের সাথে মেলে না।
C) I had been taught by him to read Arabic. — বাক্যে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নয়।
D) I was being taught by him to read Arabic. — বাক্যে Past Continuous Tense-এর গঠন ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রদত্ত বাক্যের গঠন নয়।
মনে রাখার টিপস:
Active বাক্যে Past Indefinite Tense থাকলে Passive করার সময় subject-এর পরে was বা were বসাতে হয় এবং মূল verb-এর Past Participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) He asked me to wait until he came.
কেন সঠিক:
রিপোর্টিং ভার্বটি পাস্ট টেন্সে থাকায় ইনডাইরেক্ট করার সময় ভেতরের প্রেজেন্ট টেন্সটি পাস্ট টেন্সে পরিবর্তিত হয়।
ইম্পারেটিভ সেন্টেন্সে 'said to' পরিবর্তন হয়ে 'asked' বসে এবং মূল ভার্বের আগে 'to' যুক্ত হয়।
তাই 'come' ভার্বটি পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট ফর্ম 'came' এ রূপান্তর হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
B) 'comes' প্রেজেন্ট টেন্সে রাখা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে এবং ভুল।
C) 'has come' প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
D) 'for wait' গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ইম্পারেটিভ সেন্টেন্সকে ইনডাইরেক্ট করার সময় রিপোর্টিং ভার্ব অনুযায়ী 'asked' বা 'told' বসিয়ে মূল ভার্বের আগে 'to' দিতে হয় এবং টেন্স পরিবর্তন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Agreeable
কেন সঠিক:
১. এই বানানটিতে প্রথমে 'Agree' শব্দটি যুক্ত আছে যার সাথে 'able' প্রত্যয় মিলে সম্পূর্ণ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ইংরেজি বানান বিধিমালার নিয়ম অনুযায়ী এখানে ডাবল 'e' অক্ষরটি অত্যন্ত জরুরি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Agreable — বানানটিতে ডাবল 'e' না থাকার কারণে এটি সঠিক বানান হিসেবে গণ্য হয় না।
B) Agreeable — এটি মূল সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং বানানটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
C) Agreeabel — শেষের অংশটিতে 'le' এর বদলে 'el' ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Agreabel — প্রথম অংশে ডাবল 'e' অনুপস্থিত এবং শেষের অংশেও বানান ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সহজভাবে মনে রাখতে প্রথমে 'Agree' লিখে শেষে 'able' যোগ করে দিলেই সঠিক বানানটি পেয়ে যাবে।
সঠিক উত্তর: B) to
কেন সঠিক:
১. ভিন্নধর্মী দুটি বস্তুর মধ্যে তুলনা বোঝাতে compare এর পর to preposition ব্যবহৃত হয়। রাগের সাথে আগুনের সরাসরি কোনো মিল না থাকায় এখানে to বসবে।
২. সাদৃশ্য বোঝাতে এই নিয়ম প্রযোজ্য।
৩. তাই শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে to।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — একই জাতীয় দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করতে compare এর পর with বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) on — তুলনা বোঝাতে compare এর পর on preposition বসে না।
D) against — তুলনা করার ক্ষেত্রে compare এর পর against preposition ব্যবহার হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ভিন্ন জিনিসের তুলনা করলে to এবং একই জিনিসের তুলনা করলে with বসে।
সঠিক উত্তর: C) on
কেন সঠিক:
Feed someone on something একটি নির্দিষ্ট প্রবচন বা নিয়ম। এর অর্থ হলো কাউকে কোনো বিশেষ খাবার খাইয়ে বেঁচে রাখা বা পুষ্টি দেওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এখানে কোনো স্থান বা দিকে বোঝানো হচ্ছে না তাই এটি ভুল।
B) in — দুধের ভেতরে কিছু প্রবেশ করানোর অর্থ প্রকাশ পায় না তাই এটি হবে না।
C) on — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে আগেই নির্ধারিত হয়েছে।
D) with — খাবার খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মে এই preposition ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে খাবার খাইয়ে পুষ্ট করা বা বাঁচিয়ে রাখার ক্ষেত্রে সবসময় Feed-এর পরে on preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) I took a bath.
কেন সঠিক:
bath শব্দের পূর্বে indefinite article হিসেবে a বসে এবং এই নিয়ম অনুযায়ী phrase গঠন সঠিক হয়।
দৈনন্দিন কাজের ক্ষেত্রে take verb এর সাথে a bath ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
ইংরেজি ভাষায় গোসল করা বোঝাতে take a bath বহুল প্রচলিত ও সঠিক একটি গঠন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I feel unwell. — এই বাক্যটি মূলত ব্যাকরণগতভাবে সঠিক, তবে প্রশ্নকর্তার দেওয়া মূল উত্তর অনুযায়ী এটি সঠিক অপশন হিসেবে ধরা হয়নি।
B) I took a bath. — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) I am somewhat sure. — এই বাক্যটিতে somewhat শব্দের ব্যবহার কিছুটা বেমানান ও অপ্রয়োজনীয় হওয়ায় এটি ভুল ধরা হয়েছে।
D) I sold my furnitures. — furniture একটি uncountable noun হওয়ায় এর সাথে s বা es যুক্ত করে plural করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
অগণনযোগ্য বিশেষ্য যেমন furniture এর সাথে কখনো s বা es যুক্ত হয় না এবং দৈনন্দিন কাজের ক্ষেত্রে সঠিক verb নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Your information is false.
কেন সঠিক:
- Information একটি আনকাউন্টেবল বা অগণনযোগ্য বিশেষ্য, তাই এর সাথে কখনো বহুবচন বা s যুক্ত হয় না।
- এখানে subject এবং verb এর সঠিক Agreement বা মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The cart was laden fully. — laden শব্দের অর্থ বোঝাই করা, এর সাথে অতিরিক্ত fully ব্যবহার করা বাহুল্য বা ভুল।
B) Your information is false. — এটি সঠিক বাক্য কারণ information অপরিবর্তনীয় এবং verb সঠিক।
C) Listen to my advices. — Advice একটি আনকাউন্টেবল নাউন, তাই advices লেখা ভুল, সঠিক রূপ হলো advice।
D) Who brought these news? — News শব্দটি দেখতে বহুবচন মনে হলেও এটি সর্বদা একবচন, তাই these এর পরিবর্তে this হবে।
মনে রাখার টিপস:
Information, advice এবং news শব্দগুলো সর্বদা একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এদের সাথে কদাপি s বা es যুক্ত হয় না।
সঠিক উত্তর: D) Cheerful
কেন সঠিক:
Joyful শব্দটির অর্থ আনন্দদায়ক বা খুশি। Cheerful শব্দটির অর্থও একই রকম খুশি বা প্রফুল্ল ভাব প্রকাশ করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Gloomy — এই শব্দটির অর্থ বিষণ্ণ বা অন্ধকারাচ্ছন্ন, যা Joyful শব্দের বিপরীত।
B) Depressed — এই শব্দটির অর্থ হতোাহত বা অবসাদগ্রস্ত, যা Joyful শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
C) Dull — এই শব্দটির অর্থ নিস্তেজ বা অনুজ্জ্বল, যা Joyful শব্দের সমার্থক হতে পারে না।
D) Cheerful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Joyful এবং Cheerful দুটি শব্দই মানুষের মনের আনন্দ ও হাসিখুশি অবস্থাকে বোঝাতে একসঙ্গে ব্যবহার করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) Blank
কেন সঠিক:
Vacant শব্দের অর্থ হলো খালি বা শূন্য।
Blank শব্দের অর্থও খালি, তাই এটি সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Blank — এটি সঠিক উত্তর এবং Vacant এর সাথে এর অর্থের মিল রয়েছে।
B) Engaged — এর অর্থ ব্যস্ত বা নিয়োজিত, যা Vacant শব্দের বিপরীত।
C) Busy — এর অর্থ ব্যস্ত, যা খালি বা শূন্য শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Employed — এর অর্থ কর্মসংযুক্ত বা চাকরিক্ষত, যা Vacant এর সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
খালি খাতা বা কাগজকে আমরা ব্ল্যাঙ্ক পেপার বলি, তাই Vacant মানেই Blank।
সঠিক উত্তর: A) In writing
কেন সঠিক:
ইন ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ কালো ও সাদার মধ্যে হলেও এর প্রকৃত ভাবার্থ হলো কোনো কিছু লিখিতভাবে প্রকাশ করা।
এটি সাধারণত মৌখিক কথার বিপরীতে দলিলাদি বা লিখিত প্রমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
তাই অপশন এ সঠিক উত্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) In writing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
B) Temporary — এর অর্থ অস্থায়ী, যা মূল ইডিয়মের স্থায়ী বা লিখিত রূপের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) ০ — এটি একটি সংখ্যা এবং এই প্রবাদের অর্থের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) Verbally — এর অর্থ মৌখিকভাবে, কিন্তু মূল ইডিয়মটি লিখিত রূপ বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
সাদা কাগজে কালো কালিতে কিছু লেখা থাকলে তা যেমন লিখিত প্রমাণ হয়, তেমনি ইন ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট অর্থও লিখিতভাবে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) The cliff is being climbed by the man.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি Present Continuous Tense-এ আছে, যার Passive রূপ গঠনে object-এর পরে am, is, are এবং being বসে। মূল verb-এর Past Participle রূপ বসে এবং Subject-টি by-সহ object হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The cliff is climbed by the man. — এটি Present Indefinite Tense-এর Passive রূপ, যা মূল বাক্যের Tense পরিবর্তন করে ফেলে।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) The cliff has been climbed by the man. — এটি Present Perfect Tense-এর Passive রূপ, যা মূল বাক্যের Continuous গঠনকে প্রকাশ করে না।
D) The cliff was being climbed by the man. — এটি Past Continuous Tense-এর Passive রূপ, যেখানে বর্তমান কালের পরিবর্তে অতীত কাল ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Active Voice-এ verb-এর সাথে ing থাকলে Passive Voice করার সময় অবশ্যই be verb-এর সাথে being যোগ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Team
কেন সঠিক:
Team শব্দটি অনেকগুলো খেলোয়াড় বা সদস্য নিয়ে গঠিত একটি নির্দিষ্ট সমিতিকে বোঝায়।
এটি কোনো একক ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে একটি সম্পূর্ণ দলকে নির্দেশ করে।
ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দলবাচক বিশেষ্য হলো Collective Noun।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) June — এটি একটি নির্দিষ্ট মাসের নাম হওয়ায় এটি Proper Noun এর অন্তর্ভুক্ত।
B) Team — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
C) month — এটি কোনো নির্দিষ্ট মাস না বুঝিয়ে সাধারণ একটি সময়কে বোঝায় তাই এটি Common Noun।
D) Envelope — এটি একটি জড় বস্তু এবং একক নাম হওয়ায় এটি Common Noun।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দগুলো কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায়, সেগুলোকে Collective Noun বলে।
সঠিক উত্তর: A) Wood
কেন সঠিক:
- Wood হলো এমন একটি পদার্থ যা দিয়ে অন্যান্য বস্তু তৈরি করা হয় এবং এটি ওজন বা পরিমাপ করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না।
- যে noun দ্বারা কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায় এবং যা শুধু গণনা না করে পরিমাপ করা যায়, তাকে Material Noun বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wood — এটি সঠিক কারণ কাঠ একটি উপাদানবাচক বিশেষ্য বা Material Noun।
B) Mouth — এটি Common Noun কারণ মুখ মানুষের শরীরের একটি গণনাযোগ্য অঙ্গ।
C) Team — এটি Collective Noun কারণ এটি কতগুলো ব্যক্তির সমষ্টিগত দল বোঝায়।
D) Knife — এটি Common Noun কারণ ছুরি একটি গণনাযোগ্য বস্তু।
মনে রাখার টিপস:
যেসব বস্তু ওজন বা পরিমাপ করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না এবং যা কোনো উপাদান দিয়ে তৈরি, সেগুলোই Material Noun।
সঠিক উত্তর: C) Bureaucrat
কেন সঠিক:
এই শব্দটির বানান লেখার সময় প্রথমে Bureau লেখা হয় এবং এর সাথে crat যুক্ত করা হয়।
সঠিক উচ্চারণ ঠিক রাখতে মাঝখানের বানানটি সঠিকভাবে মনে রাখতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Buracrat — এই বানানটিতে বানানের মাঝের অংশ ভুল আছে এবং প্রয়োজনীয় অক্ষর বাদ পড়েছে।
B) Bureaucret — এই বানানের শেষের অংশ crat এর বদলে cret লেখা হয়েছে যা ভুল।
C) Bureaucrat — এটিই একমাত্র সঠিক বানান যা নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে।
D) Buracrate — এই বানানের শেষে অতিরিক্ত e যুক্ত করা হয়েছে যা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Bureau এবং crat এই দুটি অংশ আলাদা করে মুখস্থ করলে বানান ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ = ১৩৫°
ধরি,
বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = ক
বহুভুজটির একটি বহিস্থ কোণ = ১৮০° − ১৩৫° = ৪৫°
অতএব,
আমরা জানি বহুভুজের বহিস্থ কোণগুলোর সমষ্টি = ৩৬০°
বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা ক = ৩৬০° ÷ ৪৫°
সুতরাং,
ক = ৮
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: B) ১০ জন
প্রদত্ত তথ্য:
পদার্থবিদ্যায় পাস করেছে ৮৫% পরীক্ষার্থী
রসায়নশাস্ত্রে পাস করেছে ৮১% পরীক্ষার্থী
উভয় বিষয়ে পাস করেছে ৭৬% পরীক্ষার্থী
ধরি,
মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০%
অতএব,
শুধু পদার্থবিদ্যায় পাস করেছে = ৮৫% − ৭৬% = ৯%
শুধু রসায়নশাস্ত্রে পাস করেছে = ৮১% − ৭৬% = ৫%
উভয় বিষয়ে পাস করেছে = ৭৬%
সুতরাং,
কমপক্ষে একটি বিষয়ে পাস করেছে = ৯% + ৫% + ৭৬% = ৯০%
উত্তর: ১০০% − ৯০% = ১০%
সঠিক উত্তর: A) ২৬
প্রদত্ত তথ্য:
১ হতে ৫১ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যাগুলো হলো ১, ২, ৩, ... ৫১
এখানে প্রথম সংখ্যা = ১ এবং শেষ সংখ্যা = ৫১
ধরি,
মোট পদের সংখ্যা = ৫১
ক্রমিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয়ের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে
অতএব,
সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × পদসংখ্যা ÷ ২
সমষ্টি = (১ + ৫১) × ৫১ ÷ ২
সুতরাং,
সমষ্টি = ৫২ × ৫১ ÷ ২ = ১৩২৬
গড় = সমষ্টি ÷ মোট পদের সংখ্যা = ১৩২৬ ÷ ৫১ = ২৬
উত্তর: ২৬
সঠিক উত্তর: C) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
a − (১ ÷ a) = ৩
ধরি,
প্রদত্ত রাশির মান বের করতে হবে
নির্ণয় করতে হবে a এর ঘন − (১ ÷ a এর ঘন) এর মান
অতএব,
অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই
a এর ঘন − (১ ÷ a এর ঘন) = (a − (১ ÷ a)) এর ঘন + ৩ × a × (১ ÷ a) × (a − (১ ÷ a))
সুতরাং,
মান বসিয়ে পাই ৩ এর ঘন + ৩ × ৩
= ২৭ + ৯
উত্তর: ৩৬
সঠিক উত্তর: B) x+y-1
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো x২ − y২ + ২y − ১
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায়
x২ − (y২ − ২y + ১)
অতএব,
বন্ধনীর ভেতরের অংশ একটি সূত্র হয়
y২ − ২y + ১ = (y − ১)২
সুতরাং,
সম্পূর্ণ রাশিটি দাঁড়ায়
x২ − (y − ১)২
উত্তর: x + y − ১ এবং x − y + ১, যার মধ্যে একটি উৎপাদক হলো x + y − ১
সঠিক উত্তর: D) ০.০০০০০০০৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
০.১ × ০.২ × ০.০০৩০ × ০.০২ × ০.০৩ এর মান নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
সংখ্যাগুলোর দশমিক বাদ দিয়ে স্বাভাবিক সংখ্যাগুলো গুণ করি
১ × ২ × ৩ × ২ × ৩ = ৩৬
অতএব,
প্রথম রাশিতে ১ ঘর, দ্বিতীয় রাশিতে ১ ঘর, তৃতীয় রাশিতে ৪ ঘর, চতুর্থ রাশিতে ২ ঘর এবং পঞ্চম রাশিতে ২ ঘর পরে দশমিক আছে
সুতরাং,
মোট দশমিকের ঘরের সংখ্যা হলো ১ + ১ + ৪ + ২ + ২ = ১০ ঘর
উত্তর: ০.০০০০০০০৩৬
সঠিক উত্তর: A) ১১২
প্রদত্ত তথ্য:
স্রোতের আনুকূলে ১ ঘণ্টায় যায় = ৩ মাইল
স্রোতের প্রতিকূলে বা ফিরতে সময় লাগে = ৩ ঘণ্টা
ধরি,
যাত্রাস্থানের দূরত্ব = ৩ মাইল
মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩ + ৩ = ৬ মাইল
অতএব,
মোট সময় লাগে = ১ + ৩ = ৪ ঘণ্টা
সুতরাং,
গড়বেগ = মোট দূরত্ব ÷ মোট সময় = ৬ ÷ ৪ মাইল প্রতি ঘণ্টা
উত্তর: ১১২ মাইল প্রতি ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: A) ১৩ সেমি
প্রদত্ত তথ্য:
জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ২৪ সেমি
কেন্দ্র হতে জ্যা এর উপর লম্বের দূরত্ব = ৫ সেমি
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র হতে জ্যা এর উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমান দুই ভাগে ভাগ করে
অর্ধ জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ২৪ ÷ ২ = ১২ সেমি
ব্যাসার্ধকে অতিভুজ ধরে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠিত হয়
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = ১২ সেমি
সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = ৫ সেমি
সুতরাং,
ব্যাসার্ধ = √(১২ বর্গ + ৫ বর্গ)
ব্যাসার্ধ = √(১৪৪ + ২৫)
উত্তর: ১৩ সেমি
সঠিক উত্তর: B) ১৪০০
প্রদত্ত তথ্য:
বার্ষিক লোকসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ৬%
বর্ধিত বর্তমান লোকসংখ্যা = ১৪৮৪ জন
ধরি,
পূর্বের লোকসংখ্যা = ১০০ জন
৬% বৃদ্ধিতে বর্তমান লোকসংখ্যা = ১০০ + ৬ = ১০৬ জন
অতএব,
বর্তমান লোকসংখ্যা ১০৬ জন হলে পূর্বের লোকসংখ্যা = ১০০ জন
বর্তমান লোকসংখ্যা ১ জন হলে পূর্বের লোকসংখ্যা = ১০০ ÷ ১০৬ জন
সুতরাং,
বর্তমান লোকসংখ্যা ১৪৮৪ জন হলে পূর্বের লোকসংখ্যা = (১০০ × ১৪৮৪) ÷ ১০৬ = ১৪০০ জন
উত্তর: ১৪০০ জন
সঠিক উত্তর: D) ৬ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
১২ জন শ্রমিক টাকা আয় করে ৪ দিনে
২৮৮০ টাকা আয় করতে সময় লাগে ৪ দিন
ধরি,
১ জন শ্রমিকের ঐ সমপরিমাণ টাকা আয় করতে সময় লাগবে = ১২ × ৪ দিনে
৮ জন শ্রমিকের ঐ সমপরিমাণ টাকা আয় করতে সময় লাগবে = (১২ × ৪) ÷ ৮ দিনে
অতএব,
১ জন শ্রমিকের সময় লাগে = ৪৮ দিনে
সুতরাং,
৮ জন শ্রমিকের সময় লাগে = ৪৮ ÷ ৮ = ৬ দিনে
উত্তর: ৬ দিনে
সঠিক উত্তর: C) ১০ ঘণ্টা
প্রদত্ত তথ্য:
লঞ্চের গতিবেগ = ঘণ্টায় ২০ কিমি
স্রোতের গতিবেগ = ঘণ্টায় ৪ কিমি
দূরত্ব = ৯৬ কিমি
ধরি,
স্রোতের অনুকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ২০ + ৪ = ২৪ কিমি প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের প্রতিকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ২০ − ৪ = ১৬ কিমি প্রতি ঘণ্টা
অতএব,
অনुकূলে ৯৬ কিমি যেতে সময় লাগে = ৯৬ ÷ ২৪ = ৪ ঘণ্টা
প্রতিকূলে ৯৬ কিমি আসতে সময় লাগে = ৯৬ ÷ ১৬ = ৬ ঘণ্টা
সুতরাং,
মোট যাতায়াতের সময় = ৪ + ৬ = ১০ ঘণ্টা
উত্তর: ১০ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: B) ১০ লিটার
প্রদত্ত তথ্য:
মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৩৫ লিটার
পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত = ৪ : ৩
ধরি,
পেট্রোলের পরিমাণ = ৪ক লিটার
অকটেনের পরিমাণ = ৩ক লিটার
অতএব,
৪ক + ৩ক = ৩৫
৭ক = ৩৫ বা ক = ৫
সুতরাং,
পেট্রোলের পরিমাণ = ৪ × ৫ = ২০ লিটার
অকটেনের পরিমাণ = ৩ × ৫ = ১৫ লিটার
উত্তর: নতুন অকটেন মেশাতে হবে = ১০ লিটার
সঠিক উত্তর: C) ৪/৫
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ৩/৪, ১/২, ৪/৫ এবং ৩/৫
ধরি,
হরগুলোর লসাগু বের করে সবগুলোকে সমহর বিশিষ্ট করি
চার, দুই এবং পাঁচ এর লসাগু = ২০
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশ = ১৫/২০
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ১০/২০
তৃতীয় ভগ্নাংশ = ১৬/২০
সুতরাং,
চতুর্থ ভগ্নাংশ = ১২/২০
সবগুলোর লব তুলনা করে পাই ১৬/২০ সবচেয়ে বড়
উত্তর: ৪/৫
সঠিক উত্তর: A) ৬ ভাগের ১ ভাগ
কেন সঠিক:
- চাঁদের অভিকর্ষ বল পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ।
- ওজন অভিকর্ষ ত্বরণের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় চাঁদে বস্তুর ওজন কমে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ ভাগের ১ ভাগ — এটি সঠিক কারণ চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর তুলনায় অনেক কম।
B) চেয়ে কম — এটি সঠিক হলেও অস্পষ্ট, কারণ নির্দিষ্ট পরিমাণ বা অনুপাত উল্লেখ নেই।
C) চেয়ে বেশি — এটি ভুল কারণ চাঁদের আকর্ষণ কম হওয়ায় ওজন বাড়ে না, বরং কমে।
D) সমান — এটি ভুল কারণ ভর অপরিবর্তিত থাকলেও স্থানভেদে অভিকর্ষের কারণে ওজন পরিবর্তিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
পৃথিবীতে ওজন যা হবে, চাঁদে গিয়ে তাকে ৬ দিয়ে ভাগ করলেই সঠিক ওজন পাওয়া যাবে।
সঠিক উত্তর: C) ইনসুলিন
কেন সঠিক:
- বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস রোগে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহান্সের বিটা কোষ থেকে উৎপাদিত ইনসুলিন হরমোন প্রয়োজন হয়।
- ইনসুলিন কোষে গ্লুকোজ প্রবেশে সহায়তা করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এনড্রোজেন — এটি প্রধান পুরুষ হরমোন, যা পুরুষের প্রজনন অঙ্গের বিকাশ ও বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।
B) এস্ট্রোজেন — এটি প্রধান নারী হরমোন, যা নারীদের প্রজনন চক্র ও গৌণ যৌন বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।
C) ইনসুলিন — এটি সঠিক উত্তর, যা কার্বোহাইড্রেট বিপাক ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
D) থাইরক্সিন — এটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন, যা শরীরের বিপাকক্রিয়া বা মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে।
মনে রাখার টিপস:
ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ নিয়ন্ত্রণে মিষ্টি বা গ্লুকোজের শত্রু হিসেবে ইনসুলিন হরমোন কাজ করে।
সঠিক উত্তর: C) ২৫ ভাগ
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও পরিবেশ বিজ্ঞান অনুযায়ী যেকোনো দেশের মোট আয়তনের অন্তত পঁচিশ শতাংশ বনভূমি থাকা আবশ্যক।
- এই পরিমাণ বনভূমি দেশের বাস্তুতন্ত্র রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮ ভাগ — এটি পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য নির্ধারিত আন্তর্জাতিক বা বৈজ্ঞানিক মানদণ্ডের তুলনায় কম।
B) ২২ ভাগ — এটিও দেশের সামগ্রিক পরিবেশের স্থায়িত্ব এবং বাস্তুসংস্থানের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত নয়।
C) ২৫ ভাগ — এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য দেশের মোট আয়তনের শতকরা সঠিক বনভূমির পরিমাণ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
D) ২৯ ভাগ — এটি পরিবেশগত মানদণ্ডের তুলনায় বেশি এবং প্রশ্নানুযায়ী নির্ধারিত সঠিক অনুপাতের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখতে চতুর্থাংশ বা এক চতুর্ভাগ অর্থাৎ পঁচিশ শতাংশ বনভূমি দরকার।
সঠিক উত্তর: B) ৫%
কেন সঠিক:
- একটি আদর্শ মাটিতে খনিজ পদার্থ ৪৫%, বায়ু ২৫%, পানি ২৫% এবং জৈব পদার্থ ৫% থাকে।
- উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান সরবরাহ এবং মাটির উর্বরতা ও গঠন ঠিক রাখতে জৈব পদার্থের এই নির্দিষ্ট পরিমাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪% — এটি আদর্শ মাটির জৈব পদার্থের নির্ধারিত আদর্শ পরিমাণের চেয়ে কম, তাই সঠিক নয়।
B) ৫% — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত আদর্শ মাটির জৈব পদার্থের সঠিক পরিমাণ।
C) ৭% — এটি আদর্শ মাটির জৈব পদার্থের পরিমাণের তুলনায় বেশি, যা সাধারণত সাধারণ মাটিতে থাকে না।
D) ৮% — এটি অতিরিক্ত জৈব পদার্থ নির্দেশ করে যা আদর্শ মাটির গঠন অনুপাতের সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
মাটির উপাদান মনে রাখুন এভাবে: খনিজ ৪৫, বায়ু ২৫, পানি ২৫ এবং জৈব পদার্থ ৫ শতাংশ।
সঠিক উত্তর: D) খ ও গ উভয়ই ঠিক
কেন সঠিক:
- পেট্রোল পানির সাথে মিশে না এবং পানির চেয়ে হালকা হওয়ায় পানির ওপর ভেসে থাকে।
- পানি ঢাললে পেট্রোল ভেসে উঠে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং আগুন আরও বেড়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেট্রোলের সাথে পানি মিশে যায় — এই তথ্যটি ভুল, কারণ পেট্রোল ও পানি অসমসত্ত্ব তরল এবং এরা একে অপরের সাথে দ্রবীভূত হয় না।
B) পেট্রোল পানির সাথে মিশে না — এটি সঠিক হলেও অপশন গ সঠিক থাকায় একা সম্পূর্ণ কারণ প্রকাশ করে না।
setC) পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা — এটি সঠিক হলেও অপশন খ সঠিক থাকায় একা সম্পূর্ণ কারণ প্রকাশ করে না।
D) খ ও গ উভয়ই ঠিক — এই তথ্যটি পুরোপুরি সঠিক কারণ পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা এবং পানির সাথে মিশে না বলেই আগুন নেভানো যায় না।
মনে রাখার টিপস:
পেট্রোল পানিতে ভাসে এবং মেশে না, তাই পেট্রোলের আগুনে পানি দিলে আগুন না নিভে আরও ছড়িয়ে পড়ে।
সঠিক উত্তর: B) লুব্ধক
কেন সঠিক:
লুব্ধক হলো রাতের আকাশে দৃশ্যমান সমস্ত নক্ষত্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল নক্ষত্র। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৮.৬ আলোকবর্ষ দূরে মহাকাশের ক্যানিস মেজর তারকামণ্ডলে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্রুব নক্ষত্র — এটি আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র নয়, তবে এটি উত্তর দিক চেনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
B) লুব্ধক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) সুরনদী — এটি কোনো নক্ষত্র নয়, এটি আকাশগঙ্গা বা মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির বাংলা নাম।
D) প্রক্সিমা সেন্টারাই — এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র, কিন্তু লুব্ধকের মতো রাতের আকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল নয়।
মনে রাখার টিপস:
রাতের আকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল আলো ছড়ায় লুব্ধক নক্ষত্র।
সঠিক উত্তর: B) ৫
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গঠিত হয়েছে মোট পনেরোটি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে, যার মধ্যে পাঁচটি রাষ্ট্র স্থায়ী এবং দশটি রাষ্ট্র অস্থায়ী।
- এই পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং চীন, যাদের ভেটো প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ — এটি সঠিক নয় কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা চারজন নয়, বরং পাঁচটি দেশ এই মর্যাদা ভোগ করে।
B) ৫ — প্রদত্ত এই অপশনটি সঠিক কারণ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ঠিক পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
C) ৬ — এটি সঠিক নয় কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা ছয়টি নয়, সদস্য সংখ্যা সবসময় পাঁচটি নির্দিষ্ট দেশেই সীমাবদ্ধ।
D) ৭ — এটি সঠিক নয় কারণ স্থায়ী সদস্য হিসেবে সাতটি দেশ নেই, স্থায়ী সদস্যের সংখ্যা পাঁচটি এবং অস্থায়ী সদস্যের সংখ্যা দশটি।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী পাঁচ দেশকে মনে রাখতে প্রধান বিশ্বশক্তিগুলোর কথা ভাবুন, যাদের হাতে ভেটো ক্ষমতা আছে।
সঠিক উত্তর: C) ভারত মহাসাগরে
কেন সঠিক:
- সুমাত্রা দ্বীপটি ইন্দোনেশিয়ার অন্তর্ভুক্ত এবং এটি বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম দ্বীপ।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই দ্বীপটি পুরোপুরি ভারত মহাসাগরের জলসীমায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গোপসাগরে — বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের উত্তরপূর্বা অংশ এবং এটি সুমাত্রা দ্বীপের উত্তরপশ্চিম দিকে অবস্থিত, তাই এটি সঠিক নয়।
B) আরব সাগরে — আরব সাগর ভারত মহাসাগরের আরেকটি অংশ যা ভারতের পশ্চিমে অবস্থিত এবং সুমাত্রা দ্বীপ থেকে বহু দূরে অবস্থিত।
C) ভারত মহাসাগরে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সুমাত্রা দ্বীপ সরাসরি এই মহাসাগরের অংশ।
D) প্রশান্ত মহাসাগরে — প্রশান্ত মহাসাগর এই দ্বীপের পূর্বে অবস্থিত, তবে সুমাত্রা দ্বীপের মূল জলসীমা ভারত মহাসাগরের অন্তর্ভুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
সুমাত্রা দ্বীপ ইন্দোনেশিয়ার অংশ এবং ইন্দোনেশিয়া ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
সঠিক উত্তর: D) রবিবার দুপুর ১২টা
কেন সঠিক:
- দ্রাঘিমার প্রতি ১ ডিগ্রির পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান হয় ৪ মিনিট এবং ১৫ ডিগ্রির জন্য হয় ১ ঘণ্টা।
- গ্রীনিচের ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দিকের সময়ের ব্যবধান হিসাব করলে ৯০ কে ৪ দিয়ে গুণ করে ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘণ্টা পাওয়া যায়, যা গ্রীনিচের সময়ের সঙ্গে যোগ হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শনিবার রাত্রি ১২টা — এটি গ্রীনিচের সময়ের সঙ্গে ভুল বিয়োগফল এবং ভুল বারে অবস্থিত।
B) শনিবার সন্ধ্যা ৬টা — ৯০ ডিগ্রি পশ্চিম দিকের দ্রাঘিমার সময় নির্দেশ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) রবিবার সন্ধ্যা ৬টা — এটি পূর্ব দিকের পরিবর্তে ভুল হিসাব অনুযায়ী ১২ ঘণ্টা যোগ করে তৈরি করা হয়েছে।
D) রবিবার দুপুর ১২টা — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী গ্রীনিচের সকাল ৬টার সঙ্গে ৬ ঘণ্টা যোগ করে পাওয়া সঠিক সময়।
মনে রাখার টিপস:
পূর্ব দিকে গেলে সময় বাড়ে এবং প্রতি ১৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য ১ ঘণ্টা সময় যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯
কেন সঠিক:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে, যার ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- এই ঘটনার দুই দিন পর অর্থাৎ ৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনটিতেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল।
B) ১ ডিসেম্বর, ১৯৩৯ — এই তারিখে যুদ্ধ শুরু হয়নি, এটি ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে মিলে না।
C) ১ মার্চ, ১৯৪০ — এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর সঠিক তারিখ নয়, এটি একটি ভুল সাল ও তারিখ।
D) ১ জুন, ১৯৪০ — এই সময়ে যুদ্ধ অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিল, এটি যুদ্ধ শুরুর তারিখ নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে বিশ্বযুদ্ধ শুরু করে, সালটি এভাবে মনে রাখতে পারো ৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর।
সঠিক উত্তর: C) ১৮৩৫
কেন সঠিক:
- লর্ড বেন্টিংক ও লর্ড মেকলের শিক্ষানীতির ফলে ১৮৩৫ সালে সরকারি ও আদালতের ভাষা হিসেবে ফার্সি ভাষার পরিবর্তে ইংরেজি প্রবর্তন করা হয়।
- এই আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ ভারতে ইংরেজি শিক্ষা ও প্রশাসনের ভিত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1765 — এই সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করেছিল, ইংরেজির প্রবর্তন হয়নি।
B) 1824 — এই সালে বার্মায় প্রথম ইঙ্গ-বর্ম যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, যা সরকারি ভাষা প্রবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) 1857 — এই সালে সিপাহি বিদ্রোহ সংঘটিত হয় এবং ব্রিটিশ রাজের সরাসরি শাসন প্রতিষ্ঠার কাছাকাছি সময় ছিল।
মনে রাখার টিপস:
১৮৩৫ সালে মেকলের মিনিটের পর সরকারি ও দাপ্তরিক কাজে ইংরেজির ব্যবহার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৩ সালে
কেন সঠিক:
- পূর্ব বাংলার যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর।
- তৎকালীন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ সরকারের বিরুদ্ধে নির্বাচনে জয়লাভ করতে বিরোধী দলগুলো এই জোট গঠন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৩ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
B) ১৯৫৪ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়নি, বরং এই সালে ঐতিহাসিক প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
C) ১৯৫৫ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৯৫৫ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের পতন ঘটে এবং মূখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকারের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
D) ১৯৫৬ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানে প্রথম সংবিধান প্রণীত হয় এবং আওয়ামী লীগ কেন্দ্রে সরকার গঠন করে।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় ১৯৫৩ সালে আর ঐতিহাসিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ঠিক তার পরের বছর ১৯৫৪ সালে।
সঠিক উত্তর: B) আকবর
কেন সঠিক:
- সম্রাট আকবর ১৫৬৪ খ্রিস্টাব্দে অমুসলিম প্রজাদের ওপর থেকে জিজিয়া কর সম্পূর্ণ রহিত করেন।
- ধর্মীয় সহনশীলতা ও উদার নীতি প্রচারের অংশ হিসেবে তিনি এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ুন — তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবরের পুত্র এবং আকবরের পিতা, যিনি জিজিয়া কর রহিত করেননি।
B) আকবর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) শাহজাহান — তিনি মুঘল সম্রাট হলেও আকবরের মতো জিজিয়া কর রহিত করেননি, বরং তার রাজত্বে শিল্প ও স্থাপত্যের বিকাশ ঘটেছিল।
D) আওরঙ্গজেব — তিনি ১৬৭৯ সালে ভারতে পুনরায় জিজিয়া কর চালু করেছিলেন, তাই তিনি এটি রহিত করেননি।
মনে রাখার টিপস:
জিজিয়া কর রহিত করেছিলেন উদার মনের সম্রাট আকবর, আর এটি পুনরায় চালু করেছিলেন আওরঙ্গজেব।
সঠিক উত্তর: D) ৩০৯টি
কেন সঠিক:
- ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩০৯টি।
- এর মধ্যে মুসলিম আসন ছিল ২৩৭টি এবং অমুসলিম আসন ছিল ৭২টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫০ টি — এটি ভুল কারণ পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের আসন সংখ্যা ২৫০টি ছিল না, ঐতিহাসিক নির্বাচনে মোট আসন ছিল ৩০৯টি।
B) ২৭৫টি — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের মোট আসনের সঠিক হিসাবের সঙ্গে মেলে না।
C) ৩০০টি — এটি ভুল কারণ এটি জাতীয় সংসদের সাধারণ আসনের ধারণার সঙ্গে মিলে গেলেও ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদের মোট আসন ছিল ৩০৯টি।
D) ৩০৯টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নির্বাচনে মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩০৯টি, যা বিভিন্ন সম্প্রদায়ভিত্তিক আসনে বিভক্ত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
১৯৫৪ সালের ঐতিহাসিক যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের কথা মনে রাখলেই পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের ৩০৯টি আসন সংখ্যা সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ৫ম
কেন সঠিক:
- ১৯৮৪ সালের ১৭ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত প্রথম দক্ষিণ এশীয় ফেডারেশন বা সাফ গেমসে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে।
- এই আসরে বাংলাদেশ মোট ২১টি পদক অর্জন করে পঞ্চম স্থান লাভ করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২য় — এই অবস্থানটি প্রথম সাফ গেমসে বাংলাদেশ অর্জন করেনি।
B) ৩য় — এই অবস্থানটি প্রথম সাফ গেমসে বাংলাদেশ অর্জন করেনি।
C) ৪র্থ — এই অবস্থানটি প্রথম সাফ গেমসে বাংলাদেশ অর্জন করেনি।
D) ৫ম — এটি সঠিক অবস্থান কারণ বাংলাদেশ ২১টি পদক পেয়ে পঞ্চম স্থান অধিকার করেছিল।
মনে রাখার টিপস:
১৯৮৪ সালের প্রথম সাফ গেমসে বাংলাদেশ পঞ্চম স্থান অর্জন করেছিল, যেখানে পদক সংখ্যা ছিল একুশটি।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫৩ সালে
কেন সঠিক:
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৫৩ সালের ৬ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের দ্বিতীয় এবং উত্তরবঙ্গের সর্বোচ্চ বিদ্যাশালা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৭ সালে — এই সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
B) ১৯৫০ সালে — এই সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
C) ১৯১৯ সালে — (প্রদত্ত অপশনে সি ছিল, মূল প্রশ্নে সি সঠিক) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য তথ্য প্রযোজ্য নয়।
D) ১৯৫৭ সালে — এই সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
মনে রাখার টিপস:
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পরের বছর অর্থাৎ ১৯৫৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) ইউরিয়া
কেন সঠিক:
- ঘোড়াশাল সার কারখানা বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান রাসায়নিক সার উৎপাদন কেন্দ্র যা মূলত ইউরিয়া সার উৎপাদন করে থাকে।
- এই কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে দেশের কৃষির চাহিদা মেটাতে ইউরিয়া সার উৎপাদন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কারখানাটিতে কেবল ইউরিয়া সারই উৎপাদিত হয়।
B) টিএসপি — টিএসপি বা ট্রিপল সুপার ফসফেট আলাদা সার কারখানা যেমন চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার বা টিএসপি কমপ্লেক্সে উৎপাদিত হয়, ঘোড়াশালে নয়।
C) অ্যামোনিয়া — অ্যামোনিয়া হলো ইউরিয়া সার উৎপাদনের একটি মধ্যবর্তী কাঁচামাল, যা সরাসরি উৎপাদিত মূল সার হিসেবে বাজারে বিক্রি হয় না।
D) সালফেট — অ্যামোনিয়াম সালফেট অন্য প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত হয় এবং এটি ঘোড়াশাল সার কারখানার প্রধান উৎপাদিত পণ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঘোড়াশাল নামটি শুনলেই মাথায় রাখতে হবে এটি দেশের সবচেয়ে বড় ইউরিয়া সার উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর একটি।
সঠিক উত্তর: B) গিগাবাইট
কেন সঠিক:
- হার্ডডিস্ক বা কম্পিউটারের সেকেন্ডারি স্টোরেজের ধারণক্ষমতা পরিমাপের একটি অন্যতম প্রচলিত একক হলো গিগাবাইট।
- বর্তমান ও পূর্ববর্তী কম্পিউটার সিস্টেমে ফাইলের আকার এবং ড্রাইভের ক্ষমতা প্রকাশ করতে এই একক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেগাবাইট — এটি সাধারণত ছোট ফাইল, ছবি বা মিউজিকের আকার মাপার একক, হার্ডডিস্কের বিশাল ধারণক্ষমতা মাপার জন্য এটি অনেক ছোট একক।
B) গিগাবাইট — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি হার্ডডিস্ক বা মেমরির ধারণক্ষমতা প্রকাশের একটি আদর্শ ও প্রচলিত একক।
C) কিলোবাইট — এটি কম্পিউটারের অত্যন্ত ক্ষুদ্র ডেটা বা টেক্সট ফাইলের আকার পরিমাপের একক।
D) টেরাবাইট — যদিও এটি হার্ডডিস্ক মাপার একটি আধুনিক ও বড় একক, তবে ঐতিহ্যগত ও সাধারণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে গিগাবাইটকে প্রধান উত্তর হিসেবে ধরা হয়।
মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে বিশাল পরিমাণের ডেটা বা গেমস রাখতে হয়, যা গিগাবাইট বা জিবি মাপে হিসাব করা সবচেয়ে সহজ।
সঠিক উত্তর: A) সোডা ওয়াটার
কেন সঠিক:
- উচ্চ চাপে পানিতে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস দ্রবীভূত করে সোডা ওয়াটার তৈরি করা হয়।
- এটি মূলত কার্বনিক এসিড মিশ্রিত পানীয় যা কোমল পানীয় তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোডা ওয়াটার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পানিতে কার্বন ডাই অক্সাইডের দ্রবণ।
B) মিল্ক অব লাইম — এটি ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের জলীয় দ্রবণ, কার্বন ডাই অক্সাইডের দ্রবণ নয়।
C) ওয়াটার গ্যাস — এটি কার্বন মনোক্সাইড ও হাইড্রোজেনের গ্যাসীয় মিশ্রণ, পানিতে দ্রবণ নয়।
D) মার্ক পারহাইড্রল — এটি হাইড্রোজেন পারক্সাইডের ত্রিশ শতাংশ জলীয় দ্রবণ।
মনে রাখার টিপস:
সোডা ওয়াটার মানেই কোমল পানীয়, যার মূল উপাদান পানিতে দ্রবীভূত কার্বন ডাই অক্সাইড।
সঠিক উত্তর: D) পারদ
কেন সঠিক:
- পারদ একমাত্র ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে এবং এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত কম অর্থাৎ মাইনাস উনচল্লিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- অন্যান্য ধাতুর তুলনায় এর আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল দুর্বল হওয়ায় এটি খুব কম তাপমাত্রাতেই গলে তরলে পরিণত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দস্তা — এটি একটি কঠিন ধাতু এবং এর গলনাঙ্ক অনেক বেশি অর্থাৎ চারশো উনিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
B) সীসা — এটিও কঠিন ধাতু এবং এর গলনাঙ্ক তিনশো সাতাশ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা পারদের চেয়ে অনেক বেশি।
C) লোহা — এটি অত্যন্ত শক্ত ধাতু এবং এর গলনাঙ্ক পনেরোশো আটত্রিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
D) পারদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর গলনাঙ্ক সব ধাতুর মধ্যে সবচেয়ে কম।
মনে রাখার টিপস:
পারদ থার্মোমিটারে থাকে কারণ এটি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে, অর্থাৎ এর গলনাঙ্ক সবচেয়ে কম।
সঠিক উত্তর: A) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
কেন সঠিক:
- ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে অদ্রবণীয় একটি কঠিন যৌগ, যা সাধারণত চক বা চুনাপাথর হিসেবে পরিচিত।
- এটি পানিতে মিশ্রিত করলে দ্রবীভূত না হয়ে পাত্রের তলায় থিতিয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যালসিয়াম কার্বনেট — এটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) সোডিয়াম ক্লোরাইড — এটি সাধারণ লবণ, যা পানিতে খুব সহজে দ্রবীভূত হয়।
C) চিনি — এটি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে স্বচ্ছ দ্রবণ তৈরি করে।
D) সালফিউরিক এসিড — এটি একটি শক্তিশালী এসিড, যা পানির সাথে যেকোনো অনুপাতে সম্পূর্ণ দ্রবণীয়।
মনে রাখার টিপস:
চক বা চুনাপাথর (ক্যালসিয়াম কার্বনেট) পানিতে গলে না, পানিতে দিলে নিচে জমে থাকে।
সঠিক উত্তর: A) লোহায় মরিচা ধরা
কেন সঠিক:
- লোহা বাতাসের অক্সিজেন এবং আর্দ্রতার সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে সম্পূর্ণ নতুন পদার্থ ফেরিক অক্সাইড বা মরিচা উৎপন্ন করে।
- রাসায়নিক পরিবর্তনে পদার্থের মূল গঠন বদলে যায় এবং একে সহজে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লোহায় মরিচা ধরা — এটি একটি স্থায়ী রাসায়নিক পরিবর্তন যেখানে নতুন পদার্থ সৃষ্টি হয়।
B) তাপ দ্বারা মোম গলানো — এটি ভৌত পরিবর্তন কারণ তাপ সরিয়ে নিলে মোম আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে।
C) বরফ গলে পানি হওয়া — এটি শুধুমাত্র অবস্থার পরিবর্তন বা ভৌত পরিবর্তন, যার রাসায়নিক গঠন একই থাকে।
D) লবণ পানিতে দ্রবীভূত হওয়া — এটি একটি ভৌত প্রক্রিয়া, যেখানে বাষ্পীভূত করলে লবণ আবার ফিরে পাওয়া যায়।
মনে রাখার টিপস:
যেই পরিবর্তনে নতুন পদার্থ তৈরি হয় এবং আগের অবস্থায় ফেরা যায় না, সেটাই রাসায়নিক পরিবর্তন যেমন মরিচা পড়া।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯৪
কেন সঠিক:
- ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা ইয়াসির আরাফাত মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার অবদানের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিমন পেরেজের সাথে যৌথভাবে এই পুরস্কার অর্জন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1993 — এই সালে ঐতিহাসিক অসলো শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও ইয়াসির আরাফাত নোবেল পুরস্কার পাননি।
B) ১৯৯৪ — এই সালেই ইয়াসির আরাফাত নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
C) 1995 — এই সালে ইয়াসির আরাফাত নোবেল পুরস্কার পাননি, তবে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ার অন্যান্য কার্যক্রম অব্যাহত ছিল।
D) 1996 — এই সালটি ইয়াসির আরাফাতের নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি চুক্তির বছর ১৯৯৩ হলেও এর পরের বছর অর্থাৎ ১৯৯৪ সালে তারা যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
সঠিক উত্তর: C) নীল আর্মস্ট্রং
কেন সঠিক:
- মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার অ্যাপোলো ১১ অভিযানের মাধ্যমে তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই চাঁদের মাটিতে প্রথম পদার্পণ করেন।
- তাঁর ঐতিহাসিক এই পদার্পণের সময় তিনি বিখ্যাত উক্তিটি করেছিলেন যা মানব ইতিহাসের অন্যতম সেরা অর্জন হিসেবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল কলিন্স — তিনি অ্যাপোলো ১১ মিশনের অংশ ছিলেন এবং মূল কমান্ড মডিউলে চাঁদের কক্ষপথে অবস্থান করেছিলেন, চাঁদে নামেননি।
B) ইউরি গ্যাগারিন — তিনি মহাকাশে ভ্রমণকারী বিশ্বের প্রথম মানব হলেও চাঁদে পা রাখেননি, তিনি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেছিলেন।
C) নীল আর্মস্ট্রং — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) এডুইন অলড্রিন — তিনি নীল আর্মস্ট্রংয়ের পরে চাঁদের মাটিতে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে পা রেখেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদে প্রথম পা রেখেছিলেন নীল, তাই নামের প্রথম অংশ মনে রাখলেই উত্তর নিশ্চিত করা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) আমিষ
কেন সঠিক:
- আমিষ বা আমিষজাত খাদ্যের প্রধান উপাদান প্রোটিন রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সরাসরি সাহায্য করে।
- হিমোগ্লোবিনের মূল উপাদান হলো প্রোটিনের অংশ গ্লোবিন এবং আয়রন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমিষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে থাকা প্রোটিন হিমোগ্লোবিন গঠনে ভূমিকা রাখে।
B) শর্করা — এটি শরীরের শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে, হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সরাসরি অংশ নেয় না।
C) স্নেহ — এটি শরীরে তাপ ও শক্তি উৎপন্ন করে এবং খাদ্যকে সুস্বাদু করে, হিমোগ্লোবিন তৈরি করে না।
D) ভিটামিন — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সাহায্য করে, সরাসরি হিমোগ্লোবিন তৈরি করে না।
মনে রাখার টিপস:
রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়াতে আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাবার জরুরি, কারণ হিমোগ্লোবিনের একটি অংশ প্রোটিন।
সঠিক উত্তর: B) নাইট্রোজেন
কেন সঠিক:
- প্রোটিন হলো কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের জটিল জৈব যৌগ।
- অন্যান্য জৈব উপাদানের সঙ্গে নাইট্রোজেনের উপস্থিতি প্রোটিনকে শর্করা ও লিপিড থেকে আলাদা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন — এটি প্রোটিনের অন্যতম উপাদান হলেও এর মূল বা অনন্য বৈশিষ্ট্য নির্ধারণকারী উপাদান নয়।
B) নাইট্রোজেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ নাইট্রোজেনের উপস্থিতি প্রোটিনের প্রধান শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য।
C) হাইড্রোজেন — এটি প্রোটিনের গঠনে থাকে কিন্তু এটি এর প্রধান বা বিশেষ উপাদান নয়।
D) কার্বন — এটি সকল জৈব যৌগের মূল উপাদান হলেও প্রোটিনের নিজস্ব বিশেষত্ব নাইট্রোজেনের ওপর নির্ভর করে।
মনে রাখার টিপস:
প্রোটিনের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর প এর সঙ্গে নাইট্রোজেনের না মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন প্রোটিনের প্রাণ হলো নাইট্রোজেন।
সঠিক উত্তর: C) ভাইরাস
কেন সঠিক:
- এইচআইভি হলো হিউম্যান ইমিউনোডেফিশিয়েন্সি ভাইরাস, যা মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে।
- এটি কেবল জীবন্ত কোষের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে এবং এটি কোনো এককোষী বা বহুকোষী জীব নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাকটেরিয়া — এটি এককোষী অণুজীব হলেও এইচআইভি কোনো ব্যাকটেরিয়া নয় এবং এটি অ্যান্টিবায়োট্রিকে ধ্বংস হয় না।
B) সায়ানো ব্যাকটেরিয়া — এটি সালোকসংশ্লেষণে সক্ষম একধরনের নীল-সবুজ ব্যাকটেরিয়া, যার সঙ্গে এইচআইভির কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ভাইরাস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এইচআইভি একটি সংক্রামক রোগ সৃষ্টকারী ভাইরাস।
D) ছত্রাক — এটি মৃতজীবী বা পরজীবী উদ্ভিদজাতীয় জীব, আর এইচআইভি কোনো ছত্রাক সংক্রমণ ঘটায় না।
মনে রাখার টিপস:
নামেই পরিচয় আছে, এইচআইভি শব্দের শেষে থাকা ভি (V) অক্ষরটি ভাইরাস শব্দটিকে নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: A) অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা
কেন সঠিক:
- বয়ঃসন্ধিকাল ও তরুণ বয়সে সাধারণত কৌতূহল এবং ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ বেশি দেখা যায়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সচেতনতার অভাব ও অপর্যাপ্ত সুরক্ষার কারণে এই বয়সীরা বেশি ঝুঁকিতে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা — সঠিক উত্তর হিসেবে এটি প্রযোজ্য কারণ স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব এবং ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের প্রবণতা এই গ্রুপে বেশি।
B) অল্পবয়সী মেয়েরা — এটি অসম্পূর্ণ কারণ এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি কেবল মেয়েদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, ছেলেদের মধ্যেও সমানভাবে বিদ্যমান।
C) অল্পবয়সী ছেলেরা — এটিও অসম্পূর্ণ কারণ একপেশেভাবে শুধু ছেলেদের ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না, উভয় লিঙ্গই এর অন্তর্ভুক্ত।
D) বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা — এটি ভুল কারণ এই বয়সের মানুষের মধ্যে সাধারণত এই ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকি বা সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা কম থাকে।
মনে রাখার টিপস:
সচেতনতার অভাব ও কৌতূহল বেশি থাকায় তরুণ বা অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা এই রোগে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন ‘ডি’
কেন সঠিক:
- ভিটামিন ডি শরীরের ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ বাড়াতে সাহায্য করে, যার অভাবে শিশুদের হাড় নরম হয়ে রিকেটস রোগ হয়।
- এই ভিটামিনের অভাবে হাড়ের গঠন দুর্বল ও বিকৃত হয়ে যায়, যা সাধারণত সূর্যের আলো থেকে পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন ‘বি’ — এটি স্নায়ুতন্ত্র ও শক্তি উৎপাদনে কাজ করে, এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়, রিকেটস নয়।
B) ভিটামিন ‘সি’ — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়, যা রিকেটসের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) ভিটামিন ‘ডি’ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা শিশুদের হাড়ের সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।
D) ভিটামিন ‘কে’ — এটি রক্তের তঞ্চন বা জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, এর অভাবে রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা হয়।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়, আর র-তে রোদ এবং র-তে রিকেটস, যা হাড়ের রোগ।
সঠিক উত্তর: D) ভিটামিন
কেন সঠিক:
- মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- এতে অন্যান্য পুষ্টির পাশাপাশি ভিটামিনের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি থাকায় এটি ভিটামিন সমৃদ্ধ খাদ্য হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্বেতসার — শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য হলো চাল, গম ও আলু, যা মিষ্টি কুমড়ার প্রধান পুষ্টি উপাদান নয়।
B) আমিষ — আমিষ জাতীয় খাদ্য হলো মাছ, মাংস ও ডাল, যা দেহের ক্ষয়পূরণ করে এবং মিষ্টি কুমড়া আমিষের উৎস নয়।
সি) স্নেহ — স্নেহ বা ফ্যাট জাতীয় খাদ্য হলো তেল ও ঘি, যা মিষ্টি কুমড়ায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে থাকে না।
D) ভিটামিন — এই অপশনটি সঠিক কারণ মিষ্টি কুমড়া ভিটামিন বিশেষ করে ভিটামিন এ এর একটি চমৎকার উৎস।
মনে রাখার টিপস:
মিষ্টি কুমড়ার রঙ হলুদ বা কমলা হয়, আর রঙিন সবজিতে প্রচুর ভিটামিন থাকে।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: B) আমিষ
কেন সঠিক:
- আমিষ বা প্রোটিন শরীরের ক্ষয়পূরণ, কোষ গঠন এবং নতুন টিস্যু বৃদ্ধির প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে।
- দেহের সার্বিক বৃদ্ধি ও শারীরিক গঠনে আমিষের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্বেতসার — এটি প্রধানত শরীরে শক্তি সরবরাহ করে, কোষ গঠন বা ক্ষয়পূরণে কাজ করে না।
B) আমিষ — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) স্নেহ — এটি শরীরে তাপ ও শক্তি উৎপন্ন করে এবং চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন শোষণ করতে সাহায্য করে।
D) খনিজ লবণ — এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ নানা জৈবিক কাজ ও বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, প্রধানত ক্ষয়পূরণ করে না।
মনে রাখার টিপস:
দেহ গড়ি আমিষ দিয়ে, শক্তি পাই শ্বেতসার খেয়ে।
সঠিক উত্তর: A) ২ী
কেন সঠিক:
- মঙ্গল গ্রহের মোট দুটি প্রাকৃতিক উপগ্রহ বা চাঁদ রয়েছে।
- এই উপগ্রহ দুটির নাম ফোবোস এবং ডেইমোস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ মঙ্গল গ্রহের ঠিক দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
B) ৩ী — এটি ভুল কারণ মঙ্গল গ্রহের তিনটি উপগ্রহ নেই।
C) ৪ী — এটি ভুল কারণ মঙ্গল গ্রহের চারটি উপগ্রহ নেই।
D) কোন উপগ্রহ নাই — এটি ভুল কারণ বুধ ও শুক্র গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই, কিন্তু মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহ দুটি মনে রাখতে ফ (ফোবোস) ও ড (ডেইমোস) এই অক্ষর দুটি মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) ২০০২ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ সংরক্ষণের অংশ হিসেবে ১ মার্চ ২০০২ থেকে পলিথিন শপিং ব্যাগের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে আইন পাস করে।
- পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ধারা ৬ এর ক বলে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় এবং এর উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশ দূষণ রোধ করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৮ সালে — এই সালে পলিথিন নিষিদ্ধের কোনো আইন প্রণয়ন করা হয়নি, যদিও তখন পরিবেশ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা শুরু হয়েছিল।
B) ২০০০ সালে — এটি সঠিক বছর নয় কারণ এর দুই বছর পর ২০০২ সালে পলিথিন ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর আইন পাস করা হয়।
C) ২০০২ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই সালেই পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার আনুষ্ঠানিক আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন শুরু হয়।
D) ২০০৪ সালে — এটি ভুল উত্তর কারণ আইনটি এর আগেই ২০০২ সালে প্রণয়ন করা হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশ রক্ষায় আইন এলো জোড়া জোড়া, তাই ২০০২ সালকে মনে রাখো পলিথিন নিষিদ্ধের মোক্ষম জোড় হিসেবে।
সঠিক উত্তর: D) জসীমউদ্দীন
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত পঙ্ক্তিটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কবর কবিতার অংশ।
- প্রিয়জনের মৃত্যুর পর কবরস্থানে তার একা ঘুমিয়ে থাকার গভীর বেদনা এই পঙ্ক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত পল্লীকবি ও আধুনিক রোমান্টিক ধারার কবি।
- কবর কবিতাটি তার রাখালী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা শোকগাথা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও
ব্যাখ্যা: এটিও জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত নকশী কাঁথার মাঠ বা আসমানী কবিতার অংশ যা গ্রামীণ দুঃখকষ্ট ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: সুজন বাদিনীর ঘাট কতো দূরে আরও
ব্যাখ্যা: জসীমউদ্দীনের সুজন বাদিয়ার ঘাট কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া পল্লী প্রকৃতির এক অনন্য চিত্র।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মোজাম্মেল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক হলেও এই অমর শোকগাথার রচয়িতা নন।
B) গোলাম মোস্তফা — তিনি ইসলামী ঐতিহ্যের কবিতা ও বিশ্বনবী সীরতুন্নবী রচনার জন্য বিখ্যাত, এই কবিতার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা নেই।
C) সুফিয়া কামাল — তিনি বিখ্যাত প্রকৃতি ও নারী জাগরণের কবি হলেও এই নির্দিষ্ট কবিতাটি তার লেখা নয়।
D) জসীমউদ্দীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটি তার কবর কবিতা থেকেই উদ্ধৃত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কবর কবিতা বললেই জসীমউদ্দীনের নাম মনে রাখতে হবে।
- পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের গ্রামীণ আবহ ও মৃত্যুর বেদনাযুক্ত পঙ্ক্তি পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কবর কবিতা কত সালে প্রকাশিত হয় এবং কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত তা জেনে রাখা আবশ্যক।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীমউদ্দীনের কবিতার লাইন প্রায়ই তুলে দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) চিলেকোঠার সেপাই
১. কেন সঠিক:
- চিলেকোঠার সেপাই উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসে তৎকালীন ঢাকার গ্রামীণ ও শহুরে জীবনের নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলা কথাসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র যিনি তাঁর স্বল্প অথচ অত্যন্ত শক্তিশালী রচনার জন্য পরিচিত।
- তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে খোয়াবনামা অন্যতম যা দেশভাগের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি মাস্টারপিস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খোয়াবনামা
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত দ্বিতীয় ও শেষ উপন্যাস যা তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা।
উদাহরণ ২: অন্য ঘরে অন্য স্বর
ব্যাখ্যা: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটি বিখ্যাত ছোটগল্পের বই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবদুল্লাহ — এই উপন্যাসের রচয়িতা কাজী ইমদাদুল হক যা মুসলিম সমাজের অবক্ষয় ও কুসংস্কার দূর করার উদ্দেশ্যে রচিত।
B) চিলেকোঠার সেপাই — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল অপশনের ব্যাখ্যা নেই।
C) দেনাপাওনা — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার প্রধান চরিত্র আল্পনা ও জীবানন্দ।
D) কেরী সাহেবের মুনশী — এই উপন্যাসের রচয়িতা প্রমথনাথ বিশী যা উনিশ শতকের শুরুর দিকের বাংলার সামাজিক চিত্র তুলে ধরে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা বই কম কিন্তু জনপ্রিয়, তাই তাঁর নাম শুনলেই 'চিলেকোঠার সেপাই' ও 'খোয়াবনামা'র কথা মনে রাখতে হবে।
- সেপাই বা সৈনিকরা যেমন চিলেকোঠায় বা ছাদে পাহারা দেয়, তেমনি ইলিয়াস সাহেবের বিখ্যাত উপন্যাসের নাম 'চিলেকোঠার সেপাই'।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তাঁর রচনাসমগ্রের সংখ্যা কম হওয়ায় তাঁর উপন্যাস ও ছোটগল্পগুলোর নাম আলাদাভাবে মুখস্থ রাখা খুবই সহজ ও লাভজনক।
সঠিক উত্তর: A) হুমায়ুন আহমেদ
১. কেন সঠিক:
‘অয়োময়’ নাটকটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার হুমায়ুন আহমেদ।
এটি বিটিভিতে প্রচারিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি একক ও ধারাবাহিক নাটক যা মূলত তাঁরই একই নামের উপন্যাসের নাট্যরূপ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
হুমায়ুন আহমেদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও নাট্যকার।
তাঁর রচিত অন্যান্য বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘কোথাও কেউ নেই’, ‘বহুব্রীহি’ ও ‘নক্ষত্রের রাত’।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোথাও কেউ নেই
ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আহমেদ রচিত একটি বিখ্যাত টেলিভিশন ধারাবাহিক নাটক যার বাকের ভাই চরিত্রটি দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।
উদাহরণ ২: বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত আরেকটি জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক যেখানে ‘তোপখানা রোড’ ও ‘বদিউল আলম’ চরিত্রগুলো স্মরণীয় হয়ে আছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ুন আহমেদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘অয়োময়’ নাটকটি রচনা করেছেন এবং এটি টেলিভিশনে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছিল।
B) আবদুল্লাহ আল মামুন — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি অন্য নাটকের জন্য বিখ্যাত যেমন ‘এখনই সময়’ ও ‘সংশপ্তক’, ‘অয়োময়’-এর রচয়িতা নন।
C) জহির রায়হান — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মূলত প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন, যেমন ‘আরেক ফাল্গুন’ ও ‘জীবন থেকে নেয়া’।
D) রশীদ হায়দার — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মূলত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য ও সম্পাদক হিসেবে পরিচিত, এই নাটকের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
হুমায়ুন আহমেদের বিখ্যাত টেলিভিশন নাটকগুলো মনে রাখতে ‘অয়োময়, কোথাও কেউ নেই ও বহুব্রীহি’ এই তিনটি নাম একসঙ্গে চর্চা করতে পারো।
নাটক ও উপন্যাসের স্রষ্টা হিসেবে তাঁর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশিবার আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ুন আহমেদের নাটক ও উপন্যাসের চরিত্র থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
কোনো সাহিত্যকর্ম নাটক নাকি উপন্যাস, তা ভালোভাবে খেয়াল করে উত্তর করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অনিবার্য
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে যা কোনোভাবেই নিবারণ বা রোধ করা যায় না, তার এককথার প্রকাশ।
- নিবারণ শব্দের অর্থ হলো নিবৃত্ত করা, রোধ করা বা বাধা দেওয়া, আর যার কোনো বাধা মানার উপায় নেই তা অনিবার্য।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও সংক্ষেপণ প্রকাশ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনিবার্য মৃত্যু কারও জন্য রোধ করা যায় না।
ব্যাখ্যা: এখানে মৃত্যুর অবধারিত বা অবশ্যম্ভাবী প্রকৃতি বোঝাতে অনিবার্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: এই সংকট এখন আমাদের জন্য অনিবার্য এক পরিণতি।
ব্যাখ্যা: এখানে কোনোভাবেই এড়ানো যায় না এমন পরিস্থিতি বোঝাতে অনিবার্য শব্দটি প্রাসঙ্গিক হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনিবার্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ যা কোনোভাবেই নিবারণ বা রোধ করা যায় না।
B) অনন্যোপায় — এই অপশনের অর্থ যার অন্য কোনো উপায় বা গতি নেই, যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মেলে না।
C) অদম্য — এই অপশনের অর্থ যাকে দমন করা যায় না, যা নিবারণের সমার্থক নয়।
D) অসম্ভব — এই অপশনের অর্থ যা সম্ভব নয় বা যা ঘটে না, যা নির্দিষ্ট নিবারণার্থক শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিবারণ শব্দের সাথে আ যুক্ত হয়ে অনিবার্য গঠিত হয়, যার অর্থ যা বারণ বা রোধ করা যায় না।
- বারণ করা যায় না যা, তা থেকেই অনিবার্য শব্দটি মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- একই ধরনের অন্যান্য শব্দ যেমন অবশ্যম্ভাবী বা অবধারিত শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অধীত
১. কেন সঠিক:
- যা অধ্যয়ন করা হয়েছে তাকে এককথায় অধীত বলা হয়।
- অধ্যয়ন করা বোঝাতে অধী ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করে এই বিশেষ্য পদটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণের শব্দার্থ প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করে ভাষা সুন্দর ও সাবলীল করা এর মূল উদ্দেশ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা দমন করা কঠিন — দুর্দমনীয়।
ব্যাখ্যা: দমন করা যায় না বা কঠিন এমন বোঝাতে এই বাক্য সংকোচন ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি — অপূর্ব।
ব্যাখ্যা: সাধারণ অভিজ্ঞতার বাইরের কোনো দৃশ্য বা ঘটনা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঠিত — যা পাঠ করা হয়েছে তাকে পঠিত বলে, যা অধ্যয়ন করা হয়েছে তা বোঝায় না।
C) অধ্যয়িত — ব্যাকরণগত দিক থেকে এই শব্দটি ভুল এবং প্রমিত বাংলায় এর প্রচলন নেই।
D) অধ্যায়িত — এটি একটি অগঠিত ও অপ্রচলিত শব্দ, যা বাংলা ব্যাকরণের নিয়মের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অধ্যয়ন শব্দের মূল ধাতু হলো অধী, যার সঙ্গে যুক্ত হয়ে অধীত শব্দ গঠিত হয়।
- পাঠ করা মানে পঠিত আর অধ্যয়ন করা মানে অধীত, এই পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় সাধিত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে।
- মূল শব্দের উৎস ও অর্থ মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) নিরীক্ষণ
১. কেন সঠিক:
- নিরীক্ষণ শব্দটিতে প্রথম ই-কার এবং ক্ষ-এর পূর্বে দীর্ঘ ঈ-কার ও মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে মূর্ধন্য ণ এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তৎসম শব্দে ই-কার বা উ-কার যুক্ত উপসর্গ থাকার পর মূর্ধন্য ণ হয়।
- নি উপসর্গ এবং ঈক্ষ ধাতু থেকে নিষ্পন্ন শব্দে মূর্ধন্য ণ ও দীর্ঘ ঈ-কার বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরীক্ষা
ব্যাখ্যা: পরি উপসর্গ এবং ঈক্ষা ধাতু মিলে পরীক্ষা শব্দটি গঠিত হয় যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: পরিচ্ছেদ
ব্যাখ্যা: প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী কিছু শব্দে নিয়ম মেনে মূর্ধন্য স ও ণ নির্ধারিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীরিক্ষণ — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
B) নিরীক্ষন — এই অপশনে শেষে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
C) নিরীক্ষণ — এটি প্রমিত বানানরীতির সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যাওয়া সঠিক রূপ।
D) নীরীক্ষণ — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিরীক্ষণ শব্দটির শুরুতে হবে হ্রস্ব ই-কার এবং মাঝে হবে দীর্ঘ ঈ-কার ও শেষে মূর্ধন্য ণ।
- এই ধরনের তৎসম শব্দ লেখার সময় ধাতুর রূপ মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নি উপসর্গযুক্ত বানান যেমন নিরীক্ষণ, পরীক্ষা ও পরীক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ণ এবং দীর্ঘ ঈ-কারের সঠিক অবস্থান ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) স্বায়ত্তশাসন
১. কেন সঠিক:
স্বায়ত্তশাসন শব্দটির সঠিক বানান হলো স্ব-আয়ত্ত + শাসন। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এখানে দন্ত-ন এবং মূর্ধন্য-ষ এর সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি একটি সাধিত শব্দ যা সমাস বা প্রত্যয় সাধিত নিয়মে গঠিত হয়েছে। এখানে শাস ধাতু বা শাসন শব্দের আগে স্বায়ত্ত যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রশাসন
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যেখানে দন্ত-ন ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: अनुशासन (সংস্কৃত)
ব্যাখ্যা: এটি এই শব্দের সমার্থক রূপের প্রমিত বাংলা রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বায়ত্তসাশন — ভুল কারণ এখানে শাসন অংশে দন্ত-স এর পরিবর্তে তালব্য-শ বা ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে।
B) স্বায়ত্তসাশণ — ভুল কারণ এখানে মূর্ধন্য-ণ এবং ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী।
C) স্বায়ত্তশাসণ — ভুল কারণ এখানে শেষাংশে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
D) স্বায়ত্তশাসন — এটি সঠিক কারণ এতে প্রমিত বানানরীতির সব নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে চলা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
মনে রাখবেন স্বায়ত্ত শব্দের শেষে ত আছে এবং শাসন বানানে সবসময় দন্ত-ন ব্যবহৃত হয়। শেষাংশে মূর্ধন্য-ণ বা তালব্য-শ ব্যবহার করা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি প্রায়ই আসে। আত্ম বা স্ব সম্পর্কিত শব্দ লেখার সময় প্রমিত নিয়ম ও বানানের শেষ অংশ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) করণে শূন্য
কেন সঠিক:
- এই বাক্যে অহঙ্কার শব্দটি পতনের মাধ্যম বা উপায় হিসেবে কাজ করেছে।
- শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যার দ্বারা বা যার মাধ্যমে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে করণ কারক বলে।
- অ, আ, এ ইত্যাদি বিভক্তি শব্দের সাথে প্রকাশ না পেলে তাকে শূন্য বিভক্তি বা অ বিভক্তি বলা হয়।
- যেমন: কলমে লেখা যায়, এখানে কলমে করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কর্মে শূন্য — কর্ম কারক হওয়ার জন্য বাক্যে কাউকে বা কিছুকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি এখানে নেই।
- B) করণে শূন্য — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
- C) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারক হতে হলে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা গৃহিত হওয়ার অর্থ প্রকাশ করতে হয়, যা এখানে নেই।
- D) অধিকরণে শূন্য — অধিকরণ কারক হতে হলে স্থান, কাল বা বিষয় বোঝাতে হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
- কিসের দ্বারা পতন ঘটে প্রশ্নের উত্তর অহঙ্কার হওয়ায় এটি করণ কারক।
- শব্দের শেষে দৃশ্যমান কোনো বিভক্তি না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি।
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে 'অঙ্কে' শব্দটি দ্বারা কোনো বিষয়ে দক্ষতা, নিপুণতা বা পারদর্শিতা প্রকাশ পেয়েছে, যা অধিকরণ কারকের একটি বিশেষ রূপ।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝালে বিষয়াধিকরণ বা ভাবাধিকরণ অনুসারে তা অধিকরণ কারক হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ার আধারকে (সময়, স্থান বা বিষয়) অধিকরণ কারক বলে। স্থান কাল বা বিষয়ে কিছু সংঘটিত হলে তাকে অধিকরণ কারক বলা হয়।
- 'অঙ্কে' শব্দটিতে অঙ্ক মূল শব্দের সঙ্গে সপ্তমী বা এ বিভক্তি যুক্ত রয়েছে, তাই এটি অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যাকরণে তিনি খুব পন্ডিত।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যাকরণে শব্দটি দ্বারা একটি বিষয়ে দক্ষতা বোঝানো হয়েছে, যা অধিকরণে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ছেলেরা খেলায় মগ্ন।
ব্যাখ্যা: খেলায় শব্দটি দ্বারা খেলায় বিশেষ পারদর্শিতা বা নিমগ্নতা প্রকাশ পাওয়ায় এটি অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মে ৭মী — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, এখানে কোনো কর্ম বা প্রাপ্তি নেই।
B) করণে ৭মী — করণ কারক দ্বারা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো উপকরণের সাহায্য বোঝায়নি।
C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক থেকে জাত, বিরত, রক্ষিত বা ভয় পাওয়া বোঝায়, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
D) অধিকরণে ৭মী — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এখানে বিষয়ে দক্ষতা বোঝানো হয়েছে এবং সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত আছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো বিষয়ে ভালো, কাঁচা, পন্ডিত, দক্ষ বা অদক্ষ বোঝালে সেটি সবসময় অধিকরণ কারক হবে।
- এ, তে, য় ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা নিশ্চিতভাবে সপ্তমী বিভক্তি হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দক্ষতা বা পারদর্শিতা সংক্রান্ত কারক নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- এই ধরনের বাক্যে স্থান বা সময় না থাকলেও তা অধিকরণ কারক হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: A) পদ্ + হতি
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুযায়ী ত্ বা দ্ এর পরে হ থাকলে ত্ বা দ্ এর জায়গায় দ্ এবং হ এর জায়গায় ধ্ হয়।
এখানে পদ যোগ হতি যুক্ত হয়ে দ্ ও হ্ মিলে ধ্ তৈরি করেছে এবং শব্দটি পদ্ধতি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। নিয়ম অনুযায়ী বর্গের প্রথম বা তৃতীয় বর্ণের পর হ থাকলে হ এর স্থানে পূর্ববর্ণের তৃতীয় বর্ণ এবং হ এর স্থানে তার চতুর্থ বর্ণ হয়।
এই নিয়মে ত্ এর পর হ থাকলে তা পরিবর্তন হয়ে দ্ধ রূপ ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উৎ যোগ হারণ = উদ্ধার
ব্যাখ্যা: এখানে ত্ এর পরে হ থাকায় ত্ বদলে দ্ এবং হ বদলে ধ্ হয়েছে।
উদাহরণ ২: তৎ যোগ হিত = তদ্ধিত
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়ম প্রয়োগ করে ত্ ও হ মিলে দ্ধ তৈরি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্ + হতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর অনুযায়ী এটিই সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
B) পৎ + হতি — এই অপশনে হ এর স্থানে পরিবর্তন দেখানো হয়নি যা সঠিক নিয়ম নয়।
C) পদ্ + ধতি — এখানে সন্ধির আগের অংশেই পরিবর্তিত রূপ দেওয়া হয়েছে যা সঠিক প্রক্রিয়া নয়।
D) পৎ + ধতি — এই অপশনে প্রথম অংশে ত্ এর পরিবর্তে দ্ না থাকা এবং দ্বিতীয় অংশে হ এর বদলে সরাসরি ধ্ থাকা ব্যাকরণসম্মত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
পদ্ধতি শব্দ দেখলে মনে রাখবে ত্ এবং হ মিলে দ্ধ হয়।
উদ্ধার ও তদ্ধিত শব্দ দুটির মতো এটিও ব্যঞ্জনসন্ধির হ-যুক্ত নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হ-যুক্ত ব্যঞ্জনসন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে পদ্ধতি, উদ্ধার ও তদ্ধিত জাতীয় শব্দগুলো সহজে সমাধান করা যাবে।
প্রশ্নের ধরন: সমাস ও সমাস নির্ণয়
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়ীভাব
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নে 'ইত্যাদি' শব্দের ব্যাসবাক্য দেওয়া হয়েছে 'ইতি হতে আদি'। এখানে 'ইতি' শব্দের অর্থ সমাপ্তি এবং 'আদি' শব্দের অর্থ শুরু বা প্রারম্ভ।
- পূর্বপদে 'ইতি' (অব্যয়) যোগ হয়ে এবং তার সঙ্গে 'আদি' পদের সমাস সাধিত হয়ে সমগ্র পদটি যখন অব্যয় পদ হিসেবে অর্থ প্রকাশ করে, তখন তা অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদটি অব্যয় পদ হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- সাধারণত অব্যয় পদের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলনে অব্যয়ীভাব সমাস গঠিত হয় এবং এটি বিশেষণের কাজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিমরাজি
ব্যাখ্যা: রাজির অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস।
উদাহরণ ২: উপকূল
ব্যাখ্যা: কূলের সমীপে অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়মের আওতাভুক্ত।
B) অব্যয়ীভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পূর্বপদ অব্যয় যোগে নতুন পদ গঠিত হয়েছে।
C) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়নি।
D) বহুব্রীহি — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এখানে অন্য কোনো পদের অর্থ প্রধান না বুঝিয়ে সমাসবদ্ধ পদের নিজস্ব অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যাসবাক্যের শুরুতে 'ইতি', 'আদি', 'অনু', 'প্রতি' বা 'উপ' থাকলে সাধারণত তা অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
- অব্যয় পদ চেনার মাধ্যমে খুব সহজে এই ধরনের সমাস নির্ণয় করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইতিবাচক বা সমাপ্তি সূচক শব্দ দিয়ে গঠিত সমাস প্রায়ই আসে।
- ব্যাকরণ বইয়ের নিয়ম অনুযায়ী অব্যয় পদের ব্যবহার ভালোভাবে চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- এখানে বিশেষ্য পদ বা সাধারণ নাম এবং বিশেষ পদের মাধ্যমে বিশেষ সম্পর্কের তুলনা বা অভিন্নতা বোঝানো হয়েছে।
- ঈগল হলো পাখির একটি বিশেষ নাম, যেখানে ব্যাসবাক্য হয় ঈগল নামের যে পাখি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে বিশেষ্য ও বিশেষণ কিংবা বিশেষ্য ও বিশেষ্য অথবা বিশেষণ ও বিশেষণের সম্পর্ক থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- উপমেয় ও উপমানের অভেদ কল্পনা করা হলে তা রূপক কর্মধারয় সমাস হয়, তবে সাধারণ নামকরণে এটি মধ্যপদলোপী বা সাধারণ কর্মধারয় হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জোনাকি পোকা
ব্যাখ্যা: জোনাকি নামের যে পোকা, এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: আলু ভর্তা
ব্যাখ্যা: আলু দিয়ে ভর্তা, এটিও মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) কর্মধারয় — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়মের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
C) বহুব্রীহি — এই সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে হয়নি।
D) অব্যয়ীভাব — পূর্বপদে অব্যয় যোগে গঠিত হয়ে যদি অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যাসবাক্যে যদি নামক বা নামের শব্দ থাকে, তবে সাধারণত তা কর্মধারয় সমাস হয়।
- সমাস নির্ণয়ের সময় পদের পারস্পরিক সম্পর্ক আগে ভালোভাবে যাচাই করে নিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নামবাচক পদের সমাস প্রায়ই আসে।
- সাধারণ কর্মধারয় চেনার জন্য ব্যাসবাক্যের মধ্যের সম্পর্ক লক্ষ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) আসন্ন বিপদ
১. কেন সঠিক:
'শিরে-সংক্রান্তি' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ মাথার ওপর সংক্রান্তি বা শেষ দিন উপস্থিত হওয়া।
এর বিশেষ অর্থ হলো আসন্ন বিপদ বা ঘাড়ে এসে উপস্থিত হওয়া অবধারিত সংকট, যা এড়ানো প্রায় অসম্ভব।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা বা ভাবার্থ প্রকাশক শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ তাৎপর্য প্রকাশ করে।
বাক্যে এর ব্যবহার ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরীক্ষা সামনে চলে আসায় শুভর এখন শিরে-সংক্রান্তি অবস্থা।
ব্যাখ্যা: পরীক্ষার সময় ঘিয়ে আসার কারণে যে জরুরি ও সংকটময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যবসায়ে আকস্মিক ধস নামায় করিমের মাথায় এখন শিরে-সংক্রান্তি চেপে বসেছে।
ব্যাখ্যা: হঠাৎ বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে যে আসন্ন বিপদের মুখোমুখি সে হয়েছে, তা এই বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আসন্ন বিপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ শিরে-সংক্রান্তি বাগধারাটি ঠিক এই অর্থই প্রকাশ করে।
B) মাথাব্যথা — এটি আক্ষরিক বা শরীরের কোনো অসুস্থতা বোঝায়, কিন্তু বাগধারাটির আসল ভাবার্থ ভিন্ন।
C) মহাবিপদ — এটি বড় ধরনের বিপদ বোঝালেও শিরে-সংক্রান্তি বলতে মূলত ঠিক মাথার ওপর এসে উপস্থিত বিপদ বা আসন্ন সংকটকে নির্দেশ করা হয়।
D) মাথার বোঝা — এটি কোনো বস্তুগত বা মানসিক ভারকে বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
মাথার (শিরে) ওপর বিপদ এসে উপস্থিত হওয়া বা সংক্রান্তির শেষ দিনের মতো ঘনিয়ে আসা সংকট মনে রাখলে এই বাগধারা সহজেই আয়ত্ত করা যায়।
শব্দটির আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে আসন্ন বিপদের মিল খুঁজে নিলেই বিভ্রান্তি দূর হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে সবসময় প্রমিত ভাবার্থ বা অন্তর্নিহিত অর্থটি নির্বাচন করতে হয়।
এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বিকল্প অর্থের সঙ্গে মিলিয়ে বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: D) শৈবলিনী
১. কেন সঠিক:
- শৈবলিনী শব্দের অর্থ নদী, যার তীরে বা বুকে শৈবাল বা শেওলা জন্মে।
- নদী শব্দটির একটি ঐতিহ্যবাহী ও কাব্যিক প্রতিশব্দ হলো শৈবলিনী।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যাদের বানান ও উচ্চারণ ভিন্ন হলেও অর্থের দিক থেকে মিল থাকে।
- নদীর অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে তরঙ্গিনী, তটিনী, স্রোতস্বিনী, প্রবাহিণী ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তটিনী
ব্যাখ্যা: তটিনী শব্দের অর্থও নদী, কারণ এর দুপাশে তট বা তীর রয়েছে।
উদাহরণ ২: তরঙ্গিনী
ব্যাখ্যা: তরঙ্গিনী হলো নদী শব্দের সমার্থক, কারণ নদীতে প্রায়ই তরঙ্গ বা ঢেউ খেলে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলধি — জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ যেখানে জল ধারণ করা হয়। এটি নদীর সমার্থক নয়।
B) পয়োধি — পয়োধি শব্দের অর্থ সমুদ্র বা মেঘ, কারণ পয়ো বা জল ধারণ করে যে। এটি নদীর সমার্থক নয়।
C) জলধর — জলধর শব্দের অর্থ মেঘ, যার আক্ষরিক অর্থ জল ধারণ করে যে। এটি নদীর সমার্থক নয়।
D) শৈবলিনী — এই অপশনটি সঠিক এবং নদীর সমার্থক।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নদীর গায়ে শেওলা বা শৈবাল জন্মায়, তাই শৈবালযুক্ত জলপ্রবাহ বা নদী হলো শৈবলিনী।
- নদীর সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য অন্তে ঈ-কার যুক্ত শব্দ যেমন তটিনী, তরঙ্গিনী, স্রোতস্বিনী মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমুদ্র এবং নদীর সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই এক করে ফেলা হয়, তাই ধধি বা ধরণযুক্ত শব্দ হলো সমুদ্র আর নী বা ইনীযুক্ত শব্দ হলো নদী।
- সমার্থক শব্দ দাগানোর আগে শব্দের মূল উৎস ও আক্ষরিক অর্থ ভালোভাবে বিবেচনা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) পঙ্কিল
১. কেন সঠিক:
- নির্মল শব্দের আভিধানিক অর্থ পবিত্র, পরিষ্কার বা দাগহীন।
- এর সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পঙ্কিল শব্দটি ব্যবহৃত হয় যার অর্থ কর্দমাক্ত বা মলিন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ এবং তদ্ভব শব্দের বিপরীতে তদ্ভব শব্দ ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে।
- নির্মল ও পঙ্কিল দুটি শব্দই মূলত সংস্কৃত বা তৎসম শব্দশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এদের বিপরীত রূপটি ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে বেশি মানানসই।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উর্বর ও উষরা
ব্যাখ্যা: উর্বর জমির বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে উষরা বা অনুৎপাদনশীল ভূমি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: প্রকাশ ও গোপন
ব্যাখ্যা: কোনো কিছু সামনে আনা বা প্রকাশ করার বিপরীত অর্থ বোঝাতে গোপন শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঙ্কিল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্মল শব্দের বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
B) অপরিস্কার — এটি সাধারণ চলিত শব্দ এবং ব্যাকরণগতভাবে মানসম্মত বিপরীত শব্দ হিসেবে পঙ্কিলের চেয়ে কম গ্রহণযোগ্য।
C) নোংরা — এটি একটি দেশি বা কথ্য শব্দ যা তৎসম শব্দ নির্মল এর বিপরীত হিসেবে ব্যাকরণে প্রধান্য পায় না।
D) অনির্মল — এটি উপসর্গযুক্ত বিপরীত শব্দ হলেও সাহিত্যিক ও প্রমিত বাংলায় পঙ্কিল শব্দটিই অধিক স্বীকৃত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নির্মল মানে পরিষ্কার পানি আর পঙ্কিল মানে কাদাভরা পানি, এই তুলনাটি মনে রাখলে বিপরীত শব্দ সহজে মনে রাখা যায়।
- তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্বাচনে সবসময় সমজাতীয় সংস্কৃত শব্দ খোঁজা উচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে প্রচলিত ও সাহিত্যিক শব্দগুলোকে প্রাধান্য দিতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Agreeable
কেন সঠিক:
১. এই বানানটিতে প্রথমে 'Agree' শব্দটি যুক্ত আছে যার সাথে 'able' প্রত্যয় মিলে সম্পূর্ণ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ইংরেজি বানান বিধিমালার নিয়ম অনুযায়ী এখানে ডাবল 'e' অক্ষরটি অত্যন্ত জরুরি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Agreable — বানানটিতে ডাবল 'e' না থাকার কারণে এটি সঠিক বানান হিসেবে গণ্য হয় না।
B) Agreeable — এটি মূল সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং বানানটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
C) Agreeabel — শেষের অংশটিতে 'le' এর বদলে 'el' ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Agreabel — প্রথম অংশে ডাবল 'e' অনুপস্থিত এবং শেষের অংশেও বানান ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সহজভাবে মনে রাখতে প্রথমে 'Agree' লিখে শেষে 'able' যোগ করে দিলেই সঠিক বানানটি পেয়ে যাবে।
সঠিক উত্তর: C) Bureaucrat
কেন সঠিক:
এই শব্দটির বানান লেখার সময় প্রথমে Bureau লেখা হয় এবং এর সাথে crat যুক্ত করা হয়।
সঠিক উচ্চারণ ঠিক রাখতে মাঝখানের বানানটি সঠিকভাবে মনে রাখতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Buracrat — এই বানানটিতে বানানের মাঝের অংশ ভুল আছে এবং প্রয়োজনীয় অক্ষর বাদ পড়েছে।
B) Bureaucret — এই বানানের শেষের অংশ crat এর বদলে cret লেখা হয়েছে যা ভুল।
C) Bureaucrat — এটিই একমাত্র সঠিক বানান যা নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে।
D) Buracrate — এই বানানের শেষে অতিরিক্ত e যুক্ত করা হয়েছে যা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Bureau এবং crat এই দুটি অংশ আলাদা করে মুখস্থ করলে বানান ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: A) Wood
কেন সঠিক:
- Wood হলো এমন একটি পদার্থ যা দিয়ে অন্যান্য বস্তু তৈরি করা হয় এবং এটি ওজন বা পরিমাপ করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না।
- যে noun দ্বারা কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায় এবং যা শুধু গণনা না করে পরিমাপ করা যায়, তাকে Material Noun বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wood — এটি সঠিক কারণ কাঠ একটি উপাদানবাচক বিশেষ্য বা Material Noun।
B) Mouth — এটি Common Noun কারণ মুখ মানুষের শরীরের একটি গণনাযোগ্য অঙ্গ।
C) Team — এটি Collective Noun কারণ এটি কতগুলো ব্যক্তির সমষ্টিগত দল বোঝায়।
D) Knife — এটি Common Noun কারণ ছুরি একটি গণনাযোগ্য বস্তু।
মনে রাখার টিপস:
যেসব বস্তু ওজন বা পরিমাপ করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না এবং যা কোনো উপাদান দিয়ে তৈরি, সেগুলোই Material Noun।
সঠিক উত্তর: B) Team
কেন সঠিক:
Team শব্দটি অনেকগুলো খেলোয়াড় বা সদস্য নিয়ে গঠিত একটি নির্দিষ্ট সমিতিকে বোঝায়।
এটি কোনো একক ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে একটি সম্পূর্ণ দলকে নির্দেশ করে।
ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দলবাচক বিশেষ্য হলো Collective Noun।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) June — এটি একটি নির্দিষ্ট মাসের নাম হওয়ায় এটি Proper Noun এর অন্তর্ভুক্ত।
B) Team — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
C) month — এটি কোনো নির্দিষ্ট মাস না বুঝিয়ে সাধারণ একটি সময়কে বোঝায় তাই এটি Common Noun।
D) Envelope — এটি একটি জড় বস্তু এবং একক নাম হওয়ায় এটি Common Noun।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দগুলো কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায়, সেগুলোকে Collective Noun বলে।
সঠিক উত্তর: B) The cliff is being climbed by the man.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি Present Continuous Tense-এ আছে, যার Passive রূপ গঠনে object-এর পরে am, is, are এবং being বসে। মূল verb-এর Past Participle রূপ বসে এবং Subject-টি by-সহ object হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The cliff is climbed by the man. — এটি Present Indefinite Tense-এর Passive রূপ, যা মূল বাক্যের Tense পরিবর্তন করে ফেলে।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) The cliff has been climbed by the man. — এটি Present Perfect Tense-এর Passive রূপ, যা মূল বাক্যের Continuous গঠনকে প্রকাশ করে না।
D) The cliff was being climbed by the man. — এটি Past Continuous Tense-এর Passive রূপ, যেখানে বর্তমান কালের পরিবর্তে অতীত কাল ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Active Voice-এ verb-এর সাথে ing থাকলে Passive Voice করার সময় অবশ্যই be verb-এর সাথে being যোগ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) I was taught by him to read Arabic.
কেন সঠিক:
актив বাক্যের মূল Verb 'taught' হলো Past Indefinite Tense, তাই Passive করার সময় সাহায্যকারী Verb হিসেবে 'was' ব্যবহৃত হয়েছে।
'teach' Verb-এর Past Participle রূপ হিসেবে 'taught' বসেছে এবং Object 'me' কে Subject হিসেবে 'I' করা হয়েছে।
অতিরিক্ত অংশ 'to read Arabic' বাক্যের শেষে অপরিবর্তিত অবস্থায় বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয় বরং সঠিক অপশন হিসেবে গণ্য।
B) I have been taught by him to read Arabic. — বাক্যে Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল Past Tense বাক্যের সাথে মেলে না।
C) I had been taught by him to read Arabic. — বাক্যে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নয়।
D) I was being taught by him to read Arabic. — বাক্যে Past Continuous Tense-এর গঠন ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রদত্ত বাক্যের গঠন নয়।
মনে রাখার টিপস:
Active বাক্যে Past Indefinite Tense থাকলে Passive করার সময় subject-এর পরে was বা were বসাতে হয় এবং মূল verb-এর Past Participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) He asked me to wait until he came.
কেন সঠিক:
রিপোর্টিং ভার্বটি পাস্ট টেন্সে থাকায় ইনডাইরেক্ট করার সময় ভেতরের প্রেজেন্ট টেন্সটি পাস্ট টেন্সে পরিবর্তিত হয়।
ইম্পারেটিভ সেন্টেন্সে 'said to' পরিবর্তন হয়ে 'asked' বসে এবং মূল ভার্বের আগে 'to' যুক্ত হয়।
তাই 'come' ভার্বটি পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট ফর্ম 'came' এ রূপান্তর হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
B) 'comes' প্রেজেন্ট টেন্সে রাখা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে এবং ভুল।
C) 'has come' প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
D) 'for wait' গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ইম্পারেটিভ সেন্টেন্সকে ইনডাইরেক্ট করার সময় রিপোর্টিং ভার্ব অনুযায়ী 'asked' বা 'told' বসিয়ে মূল ভার্বের আগে 'to' দিতে হয় এবং টেন্স পরিবর্তন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Anwar exclaimed that he was a great fool.
কেন সঠিক:
রিপোর্টেড স্পিচটিতে বিস্ময় প্রকাশ করায় Said-এর পরিবর্তে Exclaimed ব্যবহৃত হয়েছে এবং ইনভার্টেড কমা উঠে that বসেছে।
What a fool I am বাক্যটি প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় ইনডাইরেক্ট করার সময় তা পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট টেন্সের was হয়েছে।
উক্ত বাক্যটিকে এসারটিভ ফর্মে রূপান্তর করে Subject এবং verb-এর সঠিক বিন্যাস করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Anwar said that he is a great fool. — Reported speech-এর verb-টি present tense (is) রাখা হয়েছে, যা নিয়ম অনুযায়ী past tense হওয়ার কথা ছিল।
B) Anwar told that he has been a great fool. — Exclamatory sentence-এ Said-এর পরিবর্তে Told ব্যবহার করা ভুল এবং tense-এর পরিবর্তন সঠিক হয়নি।
C) Anwar exclaimed that he was a great fool. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Anwar told that he had been a great fool. — এখানে Told ব্যবহার করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত past perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রয়োজন নেই।
মনে রাখার টিপস:
Exclamatory sentence-এ What বা How থাকলে Said-এর পরিবর্তে Exclaimed বসে এবং tense পরিবর্তন করে sentenceটিকে assertive করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) to
কেন সঠিক:
১. ভিন্নধর্মী দুটি বস্তুর মধ্যে তুলনা বোঝাতে compare এর পর to preposition ব্যবহৃত হয়। রাগের সাথে আগুনের সরাসরি কোনো মিল না থাকায় এখানে to বসবে।
২. সাদৃশ্য বোঝাতে এই নিয়ম প্রযোজ্য।
৩. তাই শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে to।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — একই জাতীয় দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করতে compare এর পর with বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) on — তুলনা বোঝাতে compare এর পর on preposition বসে না।
D) against — তুলনা করার ক্ষেত্রে compare এর পর against preposition ব্যবহার হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ভিন্ন জিনিসের তুলনা করলে to এবং একই জিনিসের তুলনা করলে with বসে।
সঠিক উত্তর: C) on
কেন সঠিক:
Feed someone on something একটি নির্দিষ্ট প্রবচন বা নিয়ম। এর অর্থ হলো কাউকে কোনো বিশেষ খাবার খাইয়ে বেঁচে রাখা বা পুষ্টি দেওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এখানে কোনো স্থান বা দিকে বোঝানো হচ্ছে না তাই এটি ভুল।
B) in — দুধের ভেতরে কিছু প্রবেশ করানোর অর্থ প্রকাশ পায় না তাই এটি হবে না।
C) on — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে আগেই নির্ধারিত হয়েছে।
D) with — খাবার খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মে এই preposition ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে খাবার খাইয়ে পুষ্ট করা বা বাঁচিয়ে রাখার ক্ষেত্রে সবসময় Feed-এর পরে on preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) I took a bath.
কেন সঠিক:
bath শব্দের পূর্বে indefinite article হিসেবে a বসে এবং এই নিয়ম অনুযায়ী phrase গঠন সঠিক হয়।
দৈনন্দিন কাজের ক্ষেত্রে take verb এর সাথে a bath ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
ইংরেজি ভাষায় গোসল করা বোঝাতে take a bath বহুল প্রচলিত ও সঠিক একটি গঠন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I feel unwell. — এই বাক্যটি মূলত ব্যাকরণগতভাবে সঠিক, তবে প্রশ্নকর্তার দেওয়া মূল উত্তর অনুযায়ী এটি সঠিক অপশন হিসেবে ধরা হয়নি।
B) I took a bath. — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) I am somewhat sure. — এই বাক্যটিতে somewhat শব্দের ব্যবহার কিছুটা বেমানান ও অপ্রয়োজনীয় হওয়ায় এটি ভুল ধরা হয়েছে।
D) I sold my furnitures. — furniture একটি uncountable noun হওয়ায় এর সাথে s বা es যুক্ত করে plural করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
অগণনযোগ্য বিশেষ্য যেমন furniture এর সাথে কখনো s বা es যুক্ত হয় না এবং দৈনন্দিন কাজের ক্ষেত্রে সঠিক verb নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Your information is false.
কেন সঠিক:
- Information একটি আনকাউন্টেবল বা অগণনযোগ্য বিশেষ্য, তাই এর সাথে কখনো বহুবচন বা s যুক্ত হয় না।
- এখানে subject এবং verb এর সঠিক Agreement বা মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The cart was laden fully. — laden শব্দের অর্থ বোঝাই করা, এর সাথে অতিরিক্ত fully ব্যবহার করা বাহুল্য বা ভুল।
B) Your information is false. — এটি সঠিক বাক্য কারণ information অপরিবর্তনীয় এবং verb সঠিক।
C) Listen to my advices. — Advice একটি আনকাউন্টেবল নাউন, তাই advices লেখা ভুল, সঠিক রূপ হলো advice।
D) Who brought these news? — News শব্দটি দেখতে বহুবচন মনে হলেও এটি সর্বদা একবচন, তাই these এর পরিবর্তে this হবে।
মনে রাখার টিপস:
Information, advice এবং news শব্দগুলো সর্বদা একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এদের সাথে কদাপি s বা es যুক্ত হয় না।
সঠিক উত্তর: D) Cheerful
কেন সঠিক:
Joyful শব্দটির অর্থ আনন্দদায়ক বা খুশি। Cheerful শব্দটির অর্থও একই রকম খুশি বা প্রফুল্ল ভাব প্রকাশ করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Gloomy — এই শব্দটির অর্থ বিষণ্ণ বা অন্ধকারাচ্ছন্ন, যা Joyful শব্দের বিপরীত।
B) Depressed — এই শব্দটির অর্থ হতোাহত বা অবসাদগ্রস্ত, যা Joyful শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
C) Dull — এই শব্দটির অর্থ নিস্তেজ বা অনুজ্জ্বল, যা Joyful শব্দের সমার্থক হতে পারে না।
D) Cheerful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Joyful এবং Cheerful দুটি শব্দই মানুষের মনের আনন্দ ও হাসিখুশি অবস্থাকে বোঝাতে একসঙ্গে ব্যবহার করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) Blank
কেন সঠিক:
Vacant শব্দের অর্থ হলো খালি বা শূন্য।
Blank শব্দের অর্থও খালি, তাই এটি সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Blank — এটি সঠিক উত্তর এবং Vacant এর সাথে এর অর্থের মিল রয়েছে।
B) Engaged — এর অর্থ ব্যস্ত বা নিয়োজিত, যা Vacant শব্দের বিপরীত।
C) Busy — এর অর্থ ব্যস্ত, যা খালি বা শূন্য শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Employed — এর অর্থ কর্মসংযুক্ত বা চাকরিক্ষত, যা Vacant এর সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
খালি খাতা বা কাগজকে আমরা ব্ল্যাঙ্ক পেপার বলি, তাই Vacant মানেই Blank।
সঠিক উত্তর: A) In writing
কেন সঠিক:
ইন ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম। এর শাব্দিক অর্থ কালো ও সাদার মধ্যে হলেও এর প্রকৃত ভাবার্থ হলো কোনো কিছু লিখিতভাবে প্রকাশ করা।
এটি সাধারণত মৌখিক কথার বিপরীতে দলিলাদি বা লিখিত প্রমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
তাই অপশন এ সঠিক উত্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) In writing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
B) Temporary — এর অর্থ অস্থায়ী, যা মূল ইডিয়মের স্থায়ী বা লিখিত রূপের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) ০ — এটি একটি সংখ্যা এবং এই প্রবাদের অর্থের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
D) Verbally — এর অর্থ মৌখিকভাবে, কিন্তু মূল ইডিয়মটি লিখিত রূপ বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
সাদা কাগজে কালো কালিতে কিছু লেখা থাকলে তা যেমন লিখিত প্রমাণ হয়, তেমনি ইন ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট অর্থও লিখিতভাবে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) ৬ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
১২ জন শ্রমিক টাকা আয় করে ৪ দিনে
২৮৮০ টাকা আয় করতে সময় লাগে ৪ দিন
ধরি,
১ জন শ্রমিকের ঐ সমপরিমাণ টাকা আয় করতে সময় লাগবে = ১২ × ৪ দিনে
৮ জন শ্রমিকের ঐ সমপরিমাণ টাকা আয় করতে সময় লাগবে = (১২ × ৪) ÷ ৮ দিনে
অতএব,
১ জন শ্রমিকের সময় লাগে = ৪৮ দিনে
সুতরাং,
৮ জন শ্রমিকের সময় লাগে = ৪৮ ÷ ৮ = ৬ দিনে
উত্তর: ৬ দিনে
সঠিক উত্তর: C) ১০ ঘণ্টা
প্রদত্ত তথ্য:
লঞ্চের গতিবেগ = ঘণ্টায় ২০ কিমি
স্রোতের গতিবেগ = ঘণ্টায় ৪ কিমি
দূরত্ব = ৯৬ কিমি
ধরি,
স্রোতের অনুকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ২০ + ৪ = ২৪ কিমি প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের প্রতিকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ২০ − ৪ = ১৬ কিমি প্রতি ঘণ্টা
অতএব,
অনुकূলে ৯৬ কিমি যেতে সময় লাগে = ৯৬ ÷ ২৪ = ৪ ঘণ্টা
প্রতিকূলে ৯৬ কিমি আসতে সময় লাগে = ৯৬ ÷ ১৬ = ৬ ঘণ্টা
সুতরাং,
মোট যাতায়াতের সময় = ৪ + ৬ = ১০ ঘণ্টা
উত্তর: ১০ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: B) ১০ লিটার
প্রদত্ত তথ্য:
মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৩৫ লিটার
পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত = ৪ : ৩
ধরি,
পেট্রোলের পরিমাণ = ৪ক লিটার
অকটেনের পরিমাণ = ৩ক লিটার
অতএব,
৪ক + ৩ক = ৩৫
৭ক = ৩৫ বা ক = ৫
সুতরাং,
পেট্রোলের পরিমাণ = ৪ × ৫ = ২০ লিটার
অকটেনের পরিমাণ = ৩ × ৫ = ১৫ লিটার
উত্তর: নতুন অকটেন মেশাতে হবে = ১০ লিটার
সঠিক উত্তর: C) ৪/৫
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ৩/৪, ১/২, ৪/৫ এবং ৩/৫
ধরি,
হরগুলোর লসাগু বের করে সবগুলোকে সমহর বিশিষ্ট করি
চার, দুই এবং পাঁচ এর লসাগু = ২০
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশ = ১৫/২০
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ১০/২০
তৃতীয় ভগ্নাংশ = ১৬/২০
সুতরাং,
চতুর্থ ভগ্নাংশ = ১২/২০
সবগুলোর লব তুলনা করে পাই ১৬/২০ সবচেয়ে বড়
উত্তর: ৪/৫
সঠিক উত্তর: B) ১৪০০
প্রদত্ত তথ্য:
বার্ষিক লোকসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ৬%
বর্ধিত বর্তমান লোকসংখ্যা = ১৪৮৪ জন
ধরি,
পূর্বের লোকসংখ্যা = ১০০ জন
৬% বৃদ্ধিতে বর্তমান লোকসংখ্যা = ১০০ + ৬ = ১০৬ জন
অতএব,
বর্তমান লোকসংখ্যা ১০৬ জন হলে পূর্বের লোকসংখ্যা = ১০০ জন
বর্তমান লোকসংখ্যা ১ জন হলে পূর্বের লোকসংখ্যা = ১০০ ÷ ১০৬ জন
সুতরাং,
বর্তমান লোকসংখ্যা ১৪৮৪ জন হলে পূর্বের লোকসংখ্যা = (১০০ × ১৪৮৪) ÷ ১০৬ = ১৪০০ জন
উত্তর: ১৪০০ জন
সঠিক উত্তর: A) ১৩ সেমি
প্রদত্ত তথ্য:
জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ২৪ সেমি
কেন্দ্র হতে জ্যা এর উপর লম্বের দূরত্ব = ৫ সেমি
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র হতে জ্যা এর উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমান দুই ভাগে ভাগ করে
অর্ধ জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ২৪ ÷ ২ = ১২ সেমি
ব্যাসার্ধকে অতিভুজ ধরে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠিত হয়
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = ১২ সেমি
সমকোণী ত্রিভুজের লম্ব = ৫ সেমি
সুতরাং,
ব্যাসার্ধ = √(১২ বর্গ + ৫ বর্গ)
ব্যাসার্ধ = √(১৪৪ + ২৫)
উত্তর: ১৩ সেমি
সঠিক উত্তর: C) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ = ১৩৫°
ধরি,
বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = ক
বহুভুজটির একটি বহিস্থ কোণ = ১৮০° − ১৩৫° = ৪৫°
অতএব,
আমরা জানি বহুভুজের বহিস্থ কোণগুলোর সমষ্টি = ৩৬০°
বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা ক = ৩৬০° ÷ ৪৫°
সুতরাং,
ক = ৮
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: B) ১০ জন
প্রদত্ত তথ্য:
পদার্থবিদ্যায় পাস করেছে ৮৫% পরীক্ষার্থী
রসায়নশাস্ত্রে পাস করেছে ৮১% পরীক্ষার্থী
উভয় বিষয়ে পাস করেছে ৭৬% পরীক্ষার্থী
ধরি,
মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০%
অতএব,
শুধু পদার্থবিদ্যায় পাস করেছে = ৮৫% − ৭৬% = ৯%
শুধু রসায়নশাস্ত্রে পাস করেছে = ৮১% − ৭৬% = ৫%
উভয় বিষয়ে পাস করেছে = ৭৬%
সুতরাং,
কমপক্ষে একটি বিষয়ে পাস করেছে = ৯% + ৫% + ৭৬% = ৯০%
উত্তর: ১০০% − ৯০% = ১০%
সঠিক উত্তর: A) ২৬
প্রদত্ত তথ্য:
১ হতে ৫১ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যাগুলো হলো ১, ২, ৩, ... ৫১
এখানে প্রথম সংখ্যা = ১ এবং শেষ সংখ্যা = ৫১
ধরি,
মোট পদের সংখ্যা = ৫১
ক্রমিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয়ের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে
অতএব,
সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × পদসংখ্যা ÷ ২
সমষ্টি = (১ + ৫১) × ৫১ ÷ ২
সুতরাং,
সমষ্টি = ৫২ × ৫১ ÷ ২ = ১৩২৬
গড় = সমষ্টি ÷ মোট পদের সংখ্যা = ১৩২৬ ÷ ৫১ = ২৬
উত্তর: ২৬
সঠিক উত্তর: C) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
a − (১ ÷ a) = ৩
ধরি,
প্রদত্ত রাশির মান বের করতে হবে
নির্ণয় করতে হবে a এর ঘন − (১ ÷ a এর ঘন) এর মান
অতএব,
অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই
a এর ঘন − (১ ÷ a এর ঘন) = (a − (১ ÷ a)) এর ঘন + ৩ × a × (১ ÷ a) × (a − (১ ÷ a))
সুতরাং,
মান বসিয়ে পাই ৩ এর ঘন + ৩ × ৩
= ২৭ + ৯
উত্তর: ৩৬
সঠিক উত্তর: B) x+y-1
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো x২ − y২ + ২y − ১
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায়
x২ − (y২ − ২y + ১)
অতএব,
বন্ধনীর ভেতরের অংশ একটি সূত্র হয়
y২ − ২y + ১ = (y − ১)২
সুতরাং,
সম্পূর্ণ রাশিটি দাঁড়ায়
x২ − (y − ১)২
উত্তর: x + y − ১ এবং x − y + ১, যার মধ্যে একটি উৎপাদক হলো x + y − ১
সঠিক উত্তর: D) ০.০০০০০০০৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
০.১ × ০.২ × ০.০০৩০ × ০.০২ × ০.০৩ এর মান নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
সংখ্যাগুলোর দশমিক বাদ দিয়ে স্বাভাবিক সংখ্যাগুলো গুণ করি
১ × ২ × ৩ × ২ × ৩ = ৩৬
অতএব,
প্রথম রাশিতে ১ ঘর, দ্বিতীয় রাশিতে ১ ঘর, তৃতীয় রাশিতে ৪ ঘর, চতুর্থ রাশিতে ২ ঘর এবং পঞ্চম রাশিতে ২ ঘর পরে দশমিক আছে
সুতরাং,
মোট দশমিকের ঘরের সংখ্যা হলো ১ + ১ + ৪ + ২ + ২ = ১০ ঘর
উত্তর: ০.০০০০০০০৩৬
সঠিক উত্তর: A) ১১২
প্রদত্ত তথ্য:
স্রোতের আনুকূলে ১ ঘণ্টায় যায় = ৩ মাইল
স্রোতের প্রতিকূলে বা ফিরতে সময় লাগে = ৩ ঘণ্টা
ধরি,
যাত্রাস্থানের দূরত্ব = ৩ মাইল
মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩ + ৩ = ৬ মাইল
অতএব,
মোট সময় লাগে = ১ + ৩ = ৪ ঘণ্টা
সুতরাং,
গড়বেগ = মোট দূরত্ব ÷ মোট সময় = ৬ ÷ ৪ মাইল প্রতি ঘণ্টা
উত্তর: ১১২ মাইল প্রতি ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: A) ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯
কেন সঠিক:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে, যার ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- এই ঘটনার দুই দিন পর অর্থাৎ ৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনটিতেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল।
B) ১ ডিসেম্বর, ১৯৩৯ — এই তারিখে যুদ্ধ শুরু হয়নি, এটি ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে মিলে না।
C) ১ মার্চ, ১৯৪০ — এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর সঠিক তারিখ নয়, এটি একটি ভুল সাল ও তারিখ।
D) ১ জুন, ১৯৪০ — এই সময়ে যুদ্ধ অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিল, এটি যুদ্ধ শুরুর তারিখ নয়।
মনে রাখার টিপস:
১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে বিশ্বযুদ্ধ শুরু করে, সালটি এভাবে মনে রাখতে পারো ৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর।
সঠিক উত্তর: C) ইনসুলিন
কেন সঠিক:
- বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস রোগে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহান্সের বিটা কোষ থেকে উৎপাদিত ইনসুলিন হরমোন প্রয়োজন হয়।
- ইনসুলিন কোষে গ্লুকোজ প্রবেশে সহায়তা করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এনড্রোজেন — এটি প্রধান পুরুষ হরমোন, যা পুরুষের প্রজনন অঙ্গের বিকাশ ও বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।
B) এস্ট্রোজেন — এটি প্রধান নারী হরমোন, যা নারীদের প্রজনন চক্র ও গৌণ যৌন বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।
C) ইনসুলিন — এটি সঠিক উত্তর, যা কার্বোহাইড্রেট বিপাক ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
D) থাইরক্সিন — এটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন, যা শরীরের বিপাকক্রিয়া বা মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে।
মনে রাখার টিপস:
ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ নিয়ন্ত্রণে মিষ্টি বা গ্লুকোজের শত্রু হিসেবে ইনসুলিন হরমোন কাজ করে।
সঠিক উত্তর: C) ২৫ ভাগ
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও পরিবেশ বিজ্ঞান অনুযায়ী যেকোনো দেশের মোট আয়তনের অন্তত পঁচিশ শতাংশ বনভূমি থাকা আবশ্যক।
- এই পরিমাণ বনভূমি দেশের বাস্তুতন্ত্র রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮ ভাগ — এটি পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য নির্ধারিত আন্তর্জাতিক বা বৈজ্ঞানিক মানদণ্ডের তুলনায় কম।
B) ২২ ভাগ — এটিও দেশের সামগ্রিক পরিবেশের স্থায়িত্ব এবং বাস্তুসংস্থানের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত নয়।
C) ২৫ ভাগ — এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য দেশের মোট আয়তনের শতকরা সঠিক বনভূমির পরিমাণ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
D) ২৯ ভাগ — এটি পরিবেশগত মানদণ্ডের তুলনায় বেশি এবং প্রশ্নানুযায়ী নির্ধারিত সঠিক অনুপাতের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখতে চতুর্থাংশ বা এক চতুর্ভাগ অর্থাৎ পঁচিশ শতাংশ বনভূমি দরকার।
সঠিক উত্তর: B) ৫%
কেন সঠিক:
- একটি আদর্শ মাটিতে খনিজ পদার্থ ৪৫%, বায়ু ২৫%, পানি ২৫% এবং জৈব পদার্থ ৫% থাকে।
- উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান সরবরাহ এবং মাটির উর্বরতা ও গঠন ঠিক রাখতে জৈব পদার্থের এই নির্দিষ্ট পরিমাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪% — এটি আদর্শ মাটির জৈব পদার্থের নির্ধারিত আদর্শ পরিমাণের চেয়ে কম, তাই সঠিক নয়।
B) ৫% — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত আদর্শ মাটির জৈব পদার্থের সঠিক পরিমাণ।
C) ৭% — এটি আদর্শ মাটির জৈব পদার্থের পরিমাণের তুলনায় বেশি, যা সাধারণত সাধারণ মাটিতে থাকে না।
D) ৮% — এটি অতিরিক্ত জৈব পদার্থ নির্দেশ করে যা আদর্শ মাটির গঠন অনুপাতের সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
মাটির উপাদান মনে রাখুন এভাবে: খনিজ ৪৫, বায়ু ২৫, পানি ২৫ এবং জৈব পদার্থ ৫ শতাংশ।
সঠিক উত্তর: D) খ ও গ উভয়ই ঠিক
কেন সঠিক:
- পেট্রোল পানির সাথে মিশে না এবং পানির চেয়ে হালকা হওয়ায় পানির ওপর ভেসে থাকে।
- পানি ঢাললে পেট্রোল ভেসে উঠে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং আগুন আরও বেড়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেট্রোলের সাথে পানি মিশে যায় — এই তথ্যটি ভুল, কারণ পেট্রোল ও পানি অসমসত্ত্ব তরল এবং এরা একে অপরের সাথে দ্রবীভূত হয় না।
B) পেট্রোল পানির সাথে মিশে না — এটি সঠিক হলেও অপশন গ সঠিক থাকায় একা সম্পূর্ণ কারণ প্রকাশ করে না।
setC) পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা — এটি সঠিক হলেও অপশন খ সঠিক থাকায় একা সম্পূর্ণ কারণ প্রকাশ করে না।
D) খ ও গ উভয়ই ঠিক — এই তথ্যটি পুরোপুরি সঠিক কারণ পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা এবং পানির সাথে মিশে না বলেই আগুন নেভানো যায় না।
মনে রাখার টিপস:
পেট্রোল পানিতে ভাসে এবং মেশে না, তাই পেট্রোলের আগুনে পানি দিলে আগুন না নিভে আরও ছড়িয়ে পড়ে।
সঠিক উত্তর: B) লুব্ধক
কেন সঠিক:
লুব্ধক হলো রাতের আকাশে দৃশ্যমান সমস্ত নক্ষত্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল নক্ষত্র। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৮.৬ আলোকবর্ষ দূরে মহাকাশের ক্যানিস মেজর তারকামণ্ডলে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্রুব নক্ষত্র — এটি আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র নয়, তবে এটি উত্তর দিক চেনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
B) লুব্ধক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
C) সুরনদী — এটি কোনো নক্ষত্র নয়, এটি আকাশগঙ্গা বা মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির বাংলা নাম।
D) প্রক্সিমা সেন্টারাই — এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র, কিন্তু লুব্ধকের মতো রাতের আকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল নয়।
মনে রাখার টিপস:
রাতের আকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল আলো ছড়ায় লুব্ধক নক্ষত্র।
সঠিক উত্তর: A) ৬ ভাগের ১ ভাগ
কেন সঠিক:
- চাঁদের অভিকর্ষ বল পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ।
- ওজন অভিকর্ষ ত্বরণের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় চাঁদে বস্তুর ওজন কমে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬ ভাগের ১ ভাগ — এটি সঠিক কারণ চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর তুলনায় অনেক কম।
B) চেয়ে কম — এটি সঠিক হলেও অস্পষ্ট, কারণ নির্দিষ্ট পরিমাণ বা অনুপাত উল্লেখ নেই।
C) চেয়ে বেশি — এটি ভুল কারণ চাঁদের আকর্ষণ কম হওয়ায় ওজন বাড়ে না, বরং কমে।
D) সমান — এটি ভুল কারণ ভর অপরিবর্তিত থাকলেও স্থানভেদে অভিকর্ষের কারণে ওজন পরিবর্তিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
পৃথিবীতে ওজন যা হবে, চাঁদে গিয়ে তাকে ৬ দিয়ে ভাগ করলেই সঠিক ওজন পাওয়া যাবে।
সঠিক উত্তর: C) ভারত মহাসাগরে
কেন সঠিক:
- সুমাত্রা দ্বীপটি ইন্দোনেশিয়ার অন্তর্ভুক্ত এবং এটি বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম দ্বীপ।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই দ্বীপটি পুরোপুরি ভারত মহাসাগরের জলসীমায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গোপসাগরে — বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের উত্তরপূর্বা অংশ এবং এটি সুমাত্রা দ্বীপের উত্তরপশ্চিম দিকে অবস্থিত, তাই এটি সঠিক নয়।
B) আরব সাগরে — আরব সাগর ভারত মহাসাগরের আরেকটি অংশ যা ভারতের পশ্চিমে অবস্থিত এবং সুমাত্রা দ্বীপ থেকে বহু দূরে অবস্থিত।
C) ভারত মহাসাগরে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সুমাত্রা দ্বীপ সরাসরি এই মহাসাগরের অংশ।
D) প্রশান্ত মহাসাগরে — প্রশান্ত মহাসাগর এই দ্বীপের পূর্বে অবস্থিত, তবে সুমাত্রা দ্বীপের মূল জলসীমা ভারত মহাসাগরের অন্তর্ভুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
সুমাত্রা দ্বীপ ইন্দোনেশিয়ার অংশ এবং ইন্দোনেশিয়া ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
সঠিক উত্তর: D) রবিবার দুপুর ১২টা
কেন সঠিক:
- দ্রাঘিমার প্রতি ১ ডিগ্রির পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান হয় ৪ মিনিট এবং ১৫ ডিগ্রির জন্য হয় ১ ঘণ্টা।
- গ্রীনিচের ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দিকের সময়ের ব্যবধান হিসাব করলে ৯০ কে ৪ দিয়ে গুণ করে ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘণ্টা পাওয়া যায়, যা গ্রীনিচের সময়ের সঙ্গে যোগ হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শনিবার রাত্রি ১২টা — এটি গ্রীনিচের সময়ের সঙ্গে ভুল বিয়োগফল এবং ভুল বারে অবস্থিত।
B) শনিবার সন্ধ্যা ৬টা — ৯০ ডিগ্রি পশ্চিম দিকের দ্রাঘিমার সময় নির্দেশ করে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) রবিবার সন্ধ্যা ৬টা — এটি পূর্ব দিকের পরিবর্তে ভুল হিসাব অনুযায়ী ১২ ঘণ্টা যোগ করে তৈরি করা হয়েছে।
D) রবিবার দুপুর ১২টা — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী গ্রীনিচের সকাল ৬টার সঙ্গে ৬ ঘণ্টা যোগ করে পাওয়া সঠিক সময়।
মনে রাখার টিপস:
পূর্ব দিকে গেলে সময় বাড়ে এবং প্রতি ১৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য ১ ঘণ্টা সময় যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) গিগাবাইট
কেন সঠিক:
- হার্ডডিস্ক বা কম্পিউটারের সেকেন্ডারি স্টোরেজের ধারণক্ষমতা পরিমাপের একটি অন্যতম প্রচলিত একক হলো গিগাবাইট।
- বর্তমান ও পূর্ববর্তী কম্পিউটার সিস্টেমে ফাইলের আকার এবং ড্রাইভের ক্ষমতা প্রকাশ করতে এই একক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেগাবাইট — এটি সাধারণত ছোট ফাইল, ছবি বা মিউজিকের আকার মাপার একক, হার্ডডিস্কের বিশাল ধারণক্ষমতা মাপার জন্য এটি অনেক ছোট একক।
B) গিগাবাইট — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি হার্ডডিস্ক বা মেমরির ধারণক্ষমতা প্রকাশের একটি আদর্শ ও প্রচলিত একক।
C) কিলোবাইট — এটি কম্পিউটারের অত্যন্ত ক্ষুদ্র ডেটা বা টেক্সট ফাইলের আকার পরিমাপের একক।
D) টেরাবাইট — যদিও এটি হার্ডডিস্ক মাপার একটি আধুনিক ও বড় একক, তবে ঐতিহ্যগত ও সাধারণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে গিগাবাইটকে প্রধান উত্তর হিসেবে ধরা হয়।
মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে বিশাল পরিমাণের ডেটা বা গেমস রাখতে হয়, যা গিগাবাইট বা জিবি মাপে হিসাব করা সবচেয়ে সহজ।
সঠিক উত্তর: C) ১৮৩৫
কেন সঠিক:
- লর্ড বেন্টিংক ও লর্ড মেকলের শিক্ষানীতির ফলে ১৮৩৫ সালে সরকারি ও আদালতের ভাষা হিসেবে ফার্সি ভাষার পরিবর্তে ইংরেজি প্রবর্তন করা হয়।
- এই আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ ভারতে ইংরেজি শিক্ষা ও প্রশাসনের ভিত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1765 — এই সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করেছিল, ইংরেজির প্রবর্তন হয়নি।
B) 1824 — এই সালে বার্মায় প্রথম ইঙ্গ-বর্ম যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, যা সরকারি ভাষা প্রবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) 1857 — এই সালে সিপাহি বিদ্রোহ সংঘটিত হয় এবং ব্রিটিশ রাজের সরাসরি শাসন প্রতিষ্ঠার কাছাকাছি সময় ছিল।
মনে রাখার টিপস:
১৮৩৫ সালে মেকলের মিনিটের পর সরকারি ও দাপ্তরিক কাজে ইংরেজির ব্যবহার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৫৩ সালে
কেন সঠিক:
- পূর্ব বাংলার যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর।
- তৎকালীন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ সরকারের বিরুদ্ধে নির্বাচনে জয়লাভ করতে বিরোধী দলগুলো এই জোট গঠন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৩ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
B) ১৯৫৪ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়নি, বরং এই সালে ঐতিহাসিক প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
C) ১৯৫৫ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৯৫৫ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের পতন ঘটে এবং মূখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকারের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
D) ১৯৫৬ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানে প্রথম সংবিধান প্রণীত হয় এবং আওয়ামী লীগ কেন্দ্রে সরকার গঠন করে।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় ১৯৫৩ সালে আর ঐতিহাসিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ঠিক তার পরের বছর ১৯৫৪ সালে।
সঠিক উত্তর: B) আকবর
কেন সঠিক:
- সম্রাট আকবর ১৫৬৪ খ্রিস্টাব্দে অমুসলিম প্রজাদের ওপর থেকে জিজিয়া কর সম্পূর্ণ রহিত করেন।
- ধর্মীয় সহনশীলতা ও উদার নীতি প্রচারের অংশ হিসেবে তিনি এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ুন — তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবরের পুত্র এবং আকবরের পিতা, যিনি জিজিয়া কর রহিত করেননি।
B) আকবর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) শাহজাহান — তিনি মুঘল সম্রাট হলেও আকবরের মতো জিজিয়া কর রহিত করেননি, বরং তার রাজত্বে শিল্প ও স্থাপত্যের বিকাশ ঘটেছিল।
D) আওরঙ্গজেব — তিনি ১৬৭৯ সালে ভারতে পুনরায় জিজিয়া কর চালু করেছিলেন, তাই তিনি এটি রহিত করেননি।
মনে রাখার টিপস:
জিজিয়া কর রহিত করেছিলেন উদার মনের সম্রাট আকবর, আর এটি পুনরায় চালু করেছিলেন আওরঙ্গজেব।
সঠিক উত্তর: D) ৩০৯টি
কেন সঠিক:
- ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩০৯টি।
- এর মধ্যে মুসলিম আসন ছিল ২৩৭টি এবং অমুসলিম আসন ছিল ৭২টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫০ টি — এটি ভুল কারণ পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের আসন সংখ্যা ২৫০টি ছিল না, ঐতিহাসিক নির্বাচনে মোট আসন ছিল ৩০৯টি।
B) ২৭৫টি — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের মোট আসনের সঠিক হিসাবের সঙ্গে মেলে না।
C) ৩০০টি — এটি ভুল কারণ এটি জাতীয় সংসদের সাধারণ আসনের ধারণার সঙ্গে মিলে গেলেও ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদের মোট আসন ছিল ৩০৯টি।
D) ৩০৯টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নির্বাচনে মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩০৯টি, যা বিভিন্ন সম্প্রদায়ভিত্তিক আসনে বিভক্ত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
১৯৫৪ সালের ঐতিহাসিক যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের কথা মনে রাখলেই পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের ৩০৯টি আসন সংখ্যা সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ৫ম
কেন সঠিক:
- ১৯৮৪ সালের ১৭ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত প্রথম দক্ষিণ এশীয় ফেডারেশন বা সাফ গেমসে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে।
- এই আসরে বাংলাদেশ মোট ২১টি পদক অর্জন করে পঞ্চম স্থান লাভ করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২য় — এই অবস্থানটি প্রথম সাফ গেমসে বাংলাদেশ অর্জন করেনি।
B) ৩য় — এই অবস্থানটি প্রথম সাফ গেমসে বাংলাদেশ অর্জন করেনি।
C) ৪র্থ — এই অবস্থানটি প্রথম সাফ গেমসে বাংলাদেশ অর্জন করেনি।
D) ৫ম — এটি সঠিক অবস্থান কারণ বাংলাদেশ ২১টি পদক পেয়ে পঞ্চম স্থান অধিকার করেছিল।
মনে রাখার টিপস:
১৯৮৪ সালের প্রথম সাফ গেমসে বাংলাদেশ পঞ্চম স্থান অর্জন করেছিল, যেখানে পদক সংখ্যা ছিল একুশটি।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫৩ সালে
কেন সঠিক:
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৫৩ সালের ৬ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের দ্বিতীয় এবং উত্তরবঙ্গের সর্বোচ্চ বিদ্যাশালা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৭ সালে — এই সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
B) ১৯৫০ সালে — এই সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
C) ১৯১৯ সালে — (প্রদত্ত অপশনে সি ছিল, মূল প্রশ্নে সি সঠিক) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য তথ্য প্রযোজ্য নয়।
D) ১৯৫৭ সালে — এই সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
মনে রাখার টিপস:
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পরের বছর অর্থাৎ ১৯৫৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) ইউরিয়া
কেন সঠিক:
- ঘোড়াশাল সার কারখানা বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান রাসায়নিক সার উৎপাদন কেন্দ্র যা মূলত ইউরিয়া সার উৎপাদন করে থাকে।
- এই কারখানায় প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে দেশের কৃষির চাহিদা মেটাতে ইউরিয়া সার উৎপাদন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কারখানাটিতে কেবল ইউরিয়া সারই উৎপাদিত হয়।
B) টিএসপি — টিএসপি বা ট্রিপল সুপার ফসফেট আলাদা সার কারখানা যেমন চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার বা টিএসপি কমপ্লেক্সে উৎপাদিত হয়, ঘোড়াশালে নয়।
C) অ্যামোনিয়া — অ্যামোনিয়া হলো ইউরিয়া সার উৎপাদনের একটি মধ্যবর্তী কাঁচামাল, যা সরাসরি উৎপাদিত মূল সার হিসেবে বাজারে বিক্রি হয় না।
D) সালফেট — অ্যামোনিয়াম সালফেট অন্য প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত হয় এবং এটি ঘোড়াশাল সার কারখানার প্রধান উৎপাদিত পণ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঘোড়াশাল নামটি শুনলেই মাথায় রাখতে হবে এটি দেশের সবচেয়ে বড় ইউরিয়া সার উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর একটি।
সঠিক উত্তর: A) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
কেন সঠিক:
- ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে অদ্রবণীয় একটি কঠিন যৌগ, যা সাধারণত চক বা চুনাপাথর হিসেবে পরিচিত।
- এটি পানিতে মিশ্রিত করলে দ্রবীভূত না হয়ে পাত্রের তলায় থিতিয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যালসিয়াম কার্বনেট — এটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) সোডিয়াম ক্লোরাইড — এটি সাধারণ লবণ, যা পানিতে খুব সহজে দ্রবীভূত হয়।
C) চিনি — এটি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে স্বচ্ছ দ্রবণ তৈরি করে।
D) সালফিউরিক এসিড — এটি একটি শক্তিশালী এসিড, যা পানির সাথে যেকোনো অনুপাতে সম্পূর্ণ দ্রবণীয়।
মনে রাখার টিপস:
চক বা চুনাপাথর (ক্যালসিয়াম কার্বনেট) পানিতে গলে না, পানিতে দিলে নিচে জমে থাকে।
সঠিক উত্তর: A) সোডা ওয়াটার
কেন সঠিক:
- উচ্চ চাপে পানিতে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস দ্রবীভূত করে সোডা ওয়াটার তৈরি করা হয়।
- এটি মূলত কার্বনিক এসিড মিশ্রিত পানীয় যা কোমল পানীয় তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোডা ওয়াটার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি পানিতে কার্বন ডাই অক্সাইডের দ্রবণ।
B) মিল্ক অব লাইম — এটি ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের জলীয় দ্রবণ, কার্বন ডাই অক্সাইডের দ্রবণ নয়।
C) ওয়াটার গ্যাস — এটি কার্বন মনোক্সাইড ও হাইড্রোজেনের গ্যাসীয় মিশ্রণ, পানিতে দ্রবণ নয়।
D) মার্ক পারহাইড্রল — এটি হাইড্রোজেন পারক্সাইডের ত্রিশ শতাংশ জলীয় দ্রবণ।
মনে রাখার টিপস:
সোডা ওয়াটার মানেই কোমল পানীয়, যার মূল উপাদান পানিতে দ্রবীভূত কার্বন ডাই অক্সাইড।
সঠিক উত্তর: D) পারদ
কেন সঠিক:
- পারদ একমাত্র ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে এবং এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত কম অর্থাৎ মাইনাস উনচল্লিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- অন্যান্য ধাতুর তুলনায় এর আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল দুর্বল হওয়ায় এটি খুব কম তাপমাত্রাতেই গলে তরলে পরিণত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দস্তা — এটি একটি কঠিন ধাতু এবং এর গলনাঙ্ক অনেক বেশি অর্থাৎ চারশো উনিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
B) সীসা — এটিও কঠিন ধাতু এবং এর গলনাঙ্ক তিনশো সাতাশ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা পারদের চেয়ে অনেক বেশি।
C) লোহা — এটি অত্যন্ত শক্ত ধাতু এবং এর গলনাঙ্ক পনেরোশো আটত্রিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
D) পারদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর গলনাঙ্ক সব ধাতুর মধ্যে সবচেয়ে কম।
মনে রাখার টিপস:
পারদ থার্মোমিটারে থাকে কারণ এটি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে, অর্থাৎ এর গলনাঙ্ক সবচেয়ে কম।
সঠিক উত্তর: B) ৫
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গঠিত হয়েছে মোট পনেরোটি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে, যার মধ্যে পাঁচটি রাষ্ট্র স্থায়ী এবং দশটি রাষ্ট্র অস্থায়ী।
- এই পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং চীন, যাদের ভেটো প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ — এটি সঠিক নয় কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা চারজন নয়, বরং পাঁচটি দেশ এই মর্যাদা ভোগ করে।
B) ৫ — প্রদত্ত এই অপশনটি সঠিক কারণ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ঠিক পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
C) ৬ — এটি সঠিক নয় কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা ছয়টি নয়, সদস্য সংখ্যা সবসময় পাঁচটি নির্দিষ্ট দেশেই সীমাবদ্ধ।
D) ৭ — এটি সঠিক নয় কারণ স্থায়ী সদস্য হিসেবে সাতটি দেশ নেই, স্থায়ী সদস্যের সংখ্যা পাঁচটি এবং অস্থায়ী সদস্যের সংখ্যা দশটি।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী পাঁচ দেশকে মনে রাখতে প্রধান বিশ্বশক্তিগুলোর কথা ভাবুন, যাদের হাতে ভেটো ক্ষমতা আছে।
সঠিক উত্তর: C) ২০০২ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ সংরক্ষণের অংশ হিসেবে ১ মার্চ ২০০২ থেকে পলিথিন শপিং ব্যাগের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে আইন পাস করে।
- পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ধারা ৬ এর ক বলে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় এবং এর উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশ দূষণ রোধ করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৮ সালে — এই সালে পলিথিন নিষিদ্ধের কোনো আইন প্রণয়ন করা হয়নি, যদিও তখন পরিবেশ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা শুরু হয়েছিল।
B) ২০০০ সালে — এটি সঠিক বছর নয় কারণ এর দুই বছর পর ২০০২ সালে পলিথিন ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর আইন পাস করা হয়।
C) ২০০২ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই সালেই পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার আনুষ্ঠানিক আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন শুরু হয়।
D) ২০০৪ সালে — এটি ভুল উত্তর কারণ আইনটি এর আগেই ২০০২ সালে প্রণয়ন করা হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশ রক্ষায় আইন এলো জোড়া জোড়া, তাই ২০০২ সালকে মনে রাখো পলিথিন নিষিদ্ধের মোক্ষম জোড় হিসেবে।
সঠিক উত্তর: A) ২ী
কেন সঠিক:
- মঙ্গল গ্রহের মোট দুটি প্রাকৃতিক উপগ্রহ বা চাঁদ রয়েছে।
- এই উপগ্রহ দুটির নাম ফোবোস এবং ডেইমোস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ী — এটি সঠিক উত্তর কারণ মঙ্গল গ্রহের ঠিক দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
B) ৩ী — এটি ভুল কারণ মঙ্গল গ্রহের তিনটি উপগ্রহ নেই।
C) ৪ী — এটি ভুল কারণ মঙ্গল গ্রহের চারটি উপগ্রহ নেই।
D) কোন উপগ্রহ নাই — এটি ভুল কারণ বুধ ও শুক্র গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই, কিন্তু মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহ দুটি মনে রাখতে ফ (ফোবোস) ও ড (ডেইমোস) এই অক্ষর দুটি মনে রাখতে পারো।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: B) আমিষ
কেন সঠিক:
- আমিষ বা প্রোটিন শরীরের ক্ষয়পূরণ, কোষ গঠন এবং নতুন টিস্যু বৃদ্ধির প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে।
- দেহের সার্বিক বৃদ্ধি ও শারীরিক গঠনে আমিষের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্বেতসার — এটি প্রধানত শরীরে শক্তি সরবরাহ করে, কোষ গঠন বা ক্ষয়পূরণে কাজ করে না।
B) আমিষ — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) স্নেহ — এটি শরীরে তাপ ও শক্তি উৎপন্ন করে এবং চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন শোষণ করতে সাহায্য করে।
D) খনিজ লবণ — এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ নানা জৈবিক কাজ ও বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, প্রধানত ক্ষয়পূরণ করে না।
মনে রাখার টিপস:
দেহ গড়ি আমিষ দিয়ে, শক্তি পাই শ্বেতসার খেয়ে।
সঠিক উত্তর: D) ভিটামিন
কেন সঠিক:
- মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
- এতে অন্যান্য পুষ্টির পাশাপাশি ভিটামিনের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি থাকায় এটি ভিটামিন সমৃদ্ধ খাদ্য হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্বেতসার — শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য হলো চাল, গম ও আলু, যা মিষ্টি কুমড়ার প্রধান পুষ্টি উপাদান নয়।
B) আমিষ — আমিষ জাতীয় খাদ্য হলো মাছ, মাংস ও ডাল, যা দেহের ক্ষয়পূরণ করে এবং মিষ্টি কুমড়া আমিষের উৎস নয়।
সি) স্নেহ — স্নেহ বা ফ্যাট জাতীয় খাদ্য হলো তেল ও ঘি, যা মিষ্টি কুমড়ায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে থাকে না।
D) ভিটামিন — এই অপশনটি সঠিক কারণ মিষ্টি কুমড়া ভিটামিন বিশেষ করে ভিটামিন এ এর একটি চমৎকার উৎস।
মনে রাখার টিপস:
মিষ্টি কুমড়ার রঙ হলুদ বা কমলা হয়, আর রঙিন সবজিতে প্রচুর ভিটামিন থাকে।
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন ‘ডি’
কেন সঠিক:
- ভিটামিন ডি শরীরের ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ বাড়াতে সাহায্য করে, যার অভাবে শিশুদের হাড় নরম হয়ে রিকেটস রোগ হয়।
- এই ভিটামিনের অভাবে হাড়ের গঠন দুর্বল ও বিকৃত হয়ে যায়, যা সাধারণত সূর্যের আলো থেকে পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন ‘বি’ — এটি স্নায়ুতন্ত্র ও শক্তি উৎপাদনে কাজ করে, এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়, রিকেটস নয়।
B) ভিটামিন ‘সি’ — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়, যা রিকেটসের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) ভিটামিন ‘ডি’ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা শিশুদের হাড়ের সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।
D) ভিটামিন ‘কে’ — এটি রক্তের তঞ্চন বা জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, এর অভাবে রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা হয়।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়, আর র-তে রোদ এবং র-তে রিকেটস, যা হাড়ের রোগ।
সঠিক উত্তর: A) অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা
কেন সঠিক:
- বয়ঃসন্ধিকাল ও তরুণ বয়সে সাধারণত কৌতূহল এবং ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ বেশি দেখা যায়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সচেতনতার অভাব ও অপর্যাপ্ত সুরক্ষার কারণে এই বয়সীরা বেশি ঝুঁকিতে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা — সঠিক উত্তর হিসেবে এটি প্রযোজ্য কারণ স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব এবং ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের প্রবণতা এই গ্রুপে বেশি।
B) অল্পবয়সী মেয়েরা — এটি অসম্পূর্ণ কারণ এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি কেবল মেয়েদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, ছেলেদের মধ্যেও সমানভাবে বিদ্যমান।
C) অল্পবয়সী ছেলেরা — এটিও অসম্পূর্ণ কারণ একপেশেভাবে শুধু ছেলেদের ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না, উভয় লিঙ্গই এর অন্তর্ভুক্ত।
D) বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা — এটি ভুল কারণ এই বয়সের মানুষের মধ্যে সাধারণত এই ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকি বা সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা কম থাকে।
মনে রাখার টিপস:
সচেতনতার অভাব ও কৌতূহল বেশি থাকায় তরুণ বা অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা এই রোগে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) ভাইরাস
কেন সঠিক:
- এইচআইভি হলো হিউম্যান ইমিউনোডেফিশিয়েন্সি ভাইরাস, যা মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে।
- এটি কেবল জীবন্ত কোষের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে এবং এটি কোনো এককোষী বা বহুকোষী জীব নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাকটেরিয়া — এটি এককোষী অণুজীব হলেও এইচআইভি কোনো ব্যাকটেরিয়া নয় এবং এটি অ্যান্টিবায়োট্রিকে ধ্বংস হয় না।
B) সায়ানো ব্যাকটেরিয়া — এটি সালোকসংশ্লেষণে সক্ষম একধরনের নীল-সবুজ ব্যাকটেরিয়া, যার সঙ্গে এইচআইভির কোনো সম্পর্ক নেই।
C) ভাইরাস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এইচআইভি একটি সংক্রামক রোগ সৃষ্টকারী ভাইরাস।
D) ছত্রাক — এটি মৃতজীবী বা পরজীবী উদ্ভিদজাতীয় জীব, আর এইচআইভি কোনো ছত্রাক সংক্রমণ ঘটায় না।
মনে রাখার টিপস:
নামেই পরিচয় আছে, এইচআইভি শব্দের শেষে থাকা ভি (V) অক্ষরটি ভাইরাস শব্দটিকে নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: B) নাইট্রোজেন
কেন সঠিক:
- প্রোটিন হলো কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের জটিল জৈব যৌগ।
- অন্যান্য জৈব উপাদানের সঙ্গে নাইট্রোজেনের উপস্থিতি প্রোটিনকে শর্করা ও লিপিড থেকে আলাদা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন — এটি প্রোটিনের অন্যতম উপাদান হলেও এর মূল বা অনন্য বৈশিষ্ট্য নির্ধারণকারী উপাদান নয়।
B) নাইট্রোজেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ নাইট্রোজেনের উপস্থিতি প্রোটিনের প্রধান শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য।
C) হাইড্রোজেন — এটি প্রোটিনের গঠনে থাকে কিন্তু এটি এর প্রধান বা বিশেষ উপাদান নয়।
D) কার্বন — এটি সকল জৈব যৌগের মূল উপাদান হলেও প্রোটিনের নিজস্ব বিশেষত্ব নাইট্রোজেনের ওপর নির্ভর করে।
মনে রাখার টিপস:
প্রোটিনের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর প এর সঙ্গে নাইট্রোজেনের না মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন প্রোটিনের প্রাণ হলো নাইট্রোজেন।
সঠিক উত্তর: A) আমিষ
কেন সঠিক:
- আমিষ বা আমিষজাত খাদ্যের প্রধান উপাদান প্রোটিন রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সরাসরি সাহায্য করে।
- হিমোগ্লোবিনের মূল উপাদান হলো প্রোটিনের অংশ গ্লোবিন এবং আয়রন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমিষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে থাকা প্রোটিন হিমোগ্লোবিন গঠনে ভূমিকা রাখে।
B) শর্করা — এটি শরীরের শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে, হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সরাসরি অংশ নেয় না।
C) স্নেহ — এটি শরীরে তাপ ও শক্তি উৎপন্ন করে এবং খাদ্যকে সুস্বাদু করে, হিমোগ্লোবিন তৈরি করে না।
D) ভিটামিন — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সাহায্য করে, সরাসরি হিমোগ্লোবিন তৈরি করে না।
মনে রাখার টিপস:
রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়াতে আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাবার জরুরি, কারণ হিমোগ্লোবিনের একটি অংশ প্রোটিন।
সঠিক উত্তর: C) নীল আর্মস্ট্রং
কেন সঠিক:
- মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার অ্যাপোলো ১১ অভিযানের মাধ্যমে তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই চাঁদের মাটিতে প্রথম পদার্পণ করেন।
- তাঁর ঐতিহাসিক এই পদার্পণের সময় তিনি বিখ্যাত উক্তিটি করেছিলেন যা মানব ইতিহাসের অন্যতম সেরা অর্জন হিসেবে স্বীকৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল কলিন্স — তিনি অ্যাপোলো ১১ মিশনের অংশ ছিলেন এবং মূল কমান্ড মডিউলে চাঁদের কক্ষপথে অবস্থান করেছিলেন, চাঁদে নামেননি।
B) ইউরি গ্যাগারিন — তিনি মহাকাশে ভ্রমণকারী বিশ্বের প্রথম মানব হলেও চাঁদে পা রাখেননি, তিনি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেছিলেন।
C) নীল আর্মস্ট্রং — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) এডুইন অলড্রিন — তিনি নীল আর্মস্ট্রংয়ের পরে চাঁদের মাটিতে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে পা রেখেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদে প্রথম পা রেখেছিলেন নীল, তাই নামের প্রথম অংশ মনে রাখলেই উত্তর নিশ্চিত করা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯৪
কেন সঠিক:
- ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা ইয়াসির আরাফাত মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার অবদানের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিমন পেরেজের সাথে যৌথভাবে এই পুরস্কার অর্জন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1993 — এই সালে ঐতিহাসিক অসলো শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও ইয়াসির আরাফাত নোবেল পুরস্কার পাননি।
B) ১৯৯৪ — এই সালেই ইয়াসির আরাফাত নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
C) 1995 — এই সালে ইয়াসির আরাফাত নোবেল পুরস্কার পাননি, তবে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ার অন্যান্য কার্যক্রম অব্যাহত ছিল।
D) 1996 — এই সালটি ইয়াসির আরাফাতের নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি চুক্তির বছর ১৯৯৩ হলেও এর পরের বছর অর্থাৎ ১৯৯৪ সালে তারা যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
সঠিক উত্তর: A) লোহায় মরিচা ধরা
কেন সঠিক:
- লোহা বাতাসের অক্সিজেন এবং আর্দ্রতার সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে সম্পূর্ণ নতুন পদার্থ ফেরিক অক্সাইড বা মরিচা উৎপন্ন করে।
- রাসায়নিক পরিবর্তনে পদার্থের মূল গঠন বদলে যায় এবং একে সহজে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লোহায় মরিচা ধরা — এটি একটি স্থায়ী রাসায়নিক পরিবর্তন যেখানে নতুন পদার্থ সৃষ্টি হয়।
B) তাপ দ্বারা মোম গলানো — এটি ভৌত পরিবর্তন কারণ তাপ সরিয়ে নিলে মোম আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে।
C) বরফ গলে পানি হওয়া — এটি শুধুমাত্র অবস্থার পরিবর্তন বা ভৌত পরিবর্তন, যার রাসায়নিক গঠন একই থাকে।
D) লবণ পানিতে দ্রবীভূত হওয়া — এটি একটি ভৌত প্রক্রিয়া, যেখানে বাষ্পীভূত করলে লবণ আবার ফিরে পাওয়া যায়।
মনে রাখার টিপস:
যেই পরিবর্তনে নতুন পদার্থ তৈরি হয় এবং আগের অবস্থায় ফেরা যায় না, সেটাই রাসায়নিক পরিবর্তন যেমন মরিচা পড়া।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)