সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী
কেন সঠিক:
১. বাক্যে আষাঢ় শব্দটি দ্বারা বৃষ্টি নামার সময় বা কাল নির্দেশ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কাল বা সময় বোঝালে অধিকরণ কারক হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা আধারকে ব্যাকরণে অধিকরণ কারক বলা হয়।
২. আষাঢ় শব্দের সাথে এ বা ৭মী বিভক্তি যুক্ত হয়ে সময় বোঝাচ্ছে।
৩. যেমন বনে বাঘ থাকে, এটি স্থানের অধিকরণ কারক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় ৭মী — কারণ এখানে বৃষ্টি পড়ার কাজটি সরাসরি আষাঢ় মাস করছে না, বরং এটি সময় বোঝাচ্ছে।
B) কর্মে ৭মী — কারণ যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তা কর্ম কারক নয়, এটি সময় নির্দেশক।
C) অপাদানে ৭মী — কারণ এখানে কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত বা ভীত হওয়া বোঝায়নি।
D) অধিকরণে ৭মী — কারণ এটি সঠিক নিয়মে সময় বা কাল বোঝাচ্ছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের ক্রিয়াকে কখন বা কোথায় দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে অধিকরণ কারক বলে।
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- ফণিমনসা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত কিশোর উপযোগী কাব্যগ্রন্থ।
- ফণিমনসা একটি ক্যাকটাস জাতীয় গাছ, যার নামানুসারে কবি এই নামকরণ করেছেন এবং এর মাধ্যমে কাব্যটির বিষয়বস্তু নির্ধারণ করা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার হিসেবে পরিচিত।
- ফণিমনসা কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত তার শিশুতোষ ও কিশোর উপযোগী রচনার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঝিঙে ফুল
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত প্রকৃতিবিষয়ক কিশোর কবিতা ও কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: সিন্ধু নদ
ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের আরেকটি সুপরিচিত কবিতা যা তার বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যটি তারই রচনা।
B) আহসান হাবিব — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা কবি হলেও এই কাব্যটি তার লেখা নয়।
C) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার হলেও ফণিমনসা কাব্যের রচয়িতা নন।
D) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক, সম্পাদক ও কবি হিসেবে পরিচিত, এই কাব্যের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের শিশুতোষ ও কিশোর উপযোগী কাব্য মনে রাখার জন্য ফণিমনসা এবং ঝিঙে ফুল নাম দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিদের কিশোর উপযোগী কাব্যগ্রন্থ বা নাটক থেকে প্রশ্ন আসে। তাই নজরুলের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
ভানুসিংহ হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছদ্মনাম। তিনি কৈশোরে বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে মৈথিলী বা ব্রজবুলি ভাষায় কিছু পদ রচনা করেছিলেন এবং এই ছদ্মনামে তা প্রচার করতেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ই মে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪১ সালের ৭ই আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনামে লিখেছিলেন।
উদাহরণ ২: বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের দেওয়া উপাধি এবং তাঁর নিজস্ব লেখার বাইরেও লেখকরা অনেক সময় ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও তাঁর ছদ্মনাম ভানুসিংহ নয়।
C) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বীরবল ছদ্মনামে প্রবন্ধ ও লেখালেখি করতেন।
D) টেকচাঁদ ঠাকুর — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম যিনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
রবি ঠাকুরের ভানুসিংহ মনে রাখার সহজ উপায় হলো রবি বা সূর্য থেকে ভানু শব্দটি এসেছে। ভানু অর্থ সূর্য এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামের সঙ্গে এর মিল রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন লেখকের ছদ্মনাম প্রায়ই আসে। যেমন প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এবং প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর।
সঠিক উত্তর: A) একাগ্রচিত্ত
১. কেন সঠিক:
- 'এক বিষয়ে যার চিত্ত নিবিষ্ট' এই বাক্যাংশটির সংকুচিত বা সংক্ষিপ্ত রূপ হলো 'একাগ্রচিত্ত'।
- এখানে 'এক' এবং 'অগ্র' (সম্মুখ বা মূল লক্ষ্য) এবং 'চিত্ত' (মন) শব্দগুলোর সমন্বয়ে নির্দিষ্ট কোনো একটি বিষয়ে মনকে নিবদ্ধ করার ভাব প্রকাশ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাকসংক্ষেপ হলো ব্যাকরণের এমন একটি অংশ, যেখানে একটি বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও জোরালো করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্য দিকে মন যার
ব্যাখ্যা: এটি এককথায় প্রকাশ করলে হয় 'অন্যমনা', যা মনোযোগের অনুপস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: যা বলা হয়নি
ব্যাখ্যা: এটি এককথায় প্রকাশ করলে হয় 'অকথিত', যা অব্যক্ত কোনো বিষয়কে নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একাগ্রচিত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) একমনা — এটি সাধারণ অর্থে একমুখী মনকে বোঝায়, কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে গভীরভাবে চিত্ত নিবিষ্ট থাকা অর্থে 'একাগ্রচিত্ত' বেশি নিখুঁত ও প্রমিত।
C) অন্যমনা — এর অর্থ যার মন অন্য দিকে নিবিষ্ট বা অমনোযোগী, যা মূল প্রশ্নের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) মনোযোগী — এটি একটি সাধারণ বিশেষণ পদ যার অর্থ যে খুব মনোযোগ দিয়ে কাজ করে, কিন্তু এটি নির্দিষ্ট কোনো বাক্যসংক্ষেপের সঠিক এককথায় প্রকাশ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এক বিষয়ে বা এক লক্ষ্যে মন থাকলে তাকে 'একাগ্রচিত্ত' বলা হয় এবং অন্য দিকে মন চলে গেলে তাকে 'অন্যমনা' বলা হয়।
- বাকসংক্ষেপ মুখস্থ করার সময় মূল বাক্যের মূল শব্দ এবং শেষের পদের মেলবন্ধন খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাকসংক্ষেপ বা এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- মানসিক একাগ্রতা বা মনোযোগ সংক্রান্ত শব্দগুলো প্রায়ই কাছাকাছি মনে হয়, তাই অর্থ বুঝে সঠিক শব্দটি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) পণ্ডিতম্মন্য
১. কেন সঠিক:
- নিজেকে নিজে পণ্ডিত মনে করা বা জাহির করা বোঝাতে এককথায় প্রকাশ হিসেবে পণ্ডিতম্মন্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- এখানে মূল কথা হলো আত্মঅহংকার বা নিজে জ্ঞানী এমন ভান করা, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বাক্য সংকোচন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- অনেক বা দীর্ঘ বাকyr ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে এককথায় প্রকাশ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আপনাকে পণ্ডিত মনে করে যে = পণ্ডিতম্মন্য
ব্যাখ্যা: এই বাক্যটির সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ও প্রমিত রূপ হলো পণ্ডিতম্মন্য।
উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি = অদৃষ্টপূর্ব
ব্যাখ্যা: এই বাক্যটির সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করার জন্য অদৃষ্টপূর্ব শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অতিপণ্ডিত - এর অর্থ হলো যে ব্যক্তি খুব বেশি পণ্ডিত, কিন্তু এটি বাক্যটির ভাব পুরোপুরি প্রকাশ করে না।
B) মহাপণ্ডিত - এর অর্থ হলো মহান বা বিশাল জ্ঞানের অধিকারী পণ্ডিত ব্যক্তি, যা আত্মঅহংকার প্রকাশ করে না।
C) পণ্ডিত নেতা - এর অর্থ হলো যিনি পণ্ডিতদের নেতা বা প্রধান, এটি নির্দিষ্ট কোনো এককথায় প্রকাশের সঠিক রূপ নয়।
D) পণ্ডিতম্মন্য - এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নিজেকে পণ্ডিত মনে করার ভাবটি প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মন্য শব্দটির অর্থ হলো মনে করা বা ভাবা।
- নিজের নামের সঙ্গে পণ্ডিত যোগ করে নিজেকে বড় ভাবা এভাবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে।
- অহংকার বা আত্মপ্রীতি বোঝাতে মন্য প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেমন মান্যম্মন্য বা অন্য শব্দগুলো খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) চুরি করা
১. কেন সঠিক:
- চক্ষুদান করা বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ চোখ দান করা হলেও, বিশেষ অর্থে এটি চুরি করা বা আত্মসাৎ করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ভাষায় অনেক বাগধারা তাদের শাব্দিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ রূপক বা ভাবার্থ প্রকাশ করে, এক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
- বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা বাক্য বা বাক्याংশের ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে এবং এর উৎস মূলত মানুষের লোকজীবন ও সমাজের নানা অভিজ্ঞতা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ অপদার্থ বা অকেজো ব্যক্তি, যা সাধারণ অর্থ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভাব প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: ডুমুরের ফুল
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ দুর্লভ বস্তু, যা সহজে দেখা যায় না এমন কিছুকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সচেতন করা — এই অর্থটি চোখের পলক পড়া বা সজাগ হওয়া অর্থে প্রযোজ্য হতে পারে, কিন্তু চক্ষুদান করা বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থ চুরি করা।
B) চক্ষু দান করা — এটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থ, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার শাব্দিক অর্থ গ্রহণযোগ্য নয়, এর ভাবার্থ ধরতে হয়।
D) এর কোনোটিই নয় — যেহেতু সি অপশনে সঠিক উত্তর চুরি করা বিদ্যমান রয়েছে, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চোখ দিয়ে মানুষ দেখে এবং মূল্যবান জিনিস পাহারা দেয়, তাই চোখ বা চক্ষু সংক্রান্ত কোনো কিছু গপচপ করে সরিয়ে ফেলা বা হাতিয়ে নেওয়া মানেই চুরি করা।
- পরীক্ষায় চোখ বা চক্ষু সংক্রান্ত বাগধারা আসলে সেগুলোর বিশেষ অর্থ যেমন চুরি করা বা ধ্বংস করা ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এমন বাগধারা আসে যার আক্ষরিক অর্থ এবং ভাবার্থ সম্পূর্ণ বিপরীত হয়।
- বাগধারার ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থে না গিয়ে সর্বদা তার প্রমিত ও প্রচলিত রূপক অর্থটি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রাচীন
১. কেন সঠিক:
'অর্বাচীন' শব্দের অর্থ হলো আধুনিক, নবীন বা সাম্প্রতিক। এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'প্রাচীন' শব্দটি, যার অর্থ পুরোনো বা প্রাচীনকালের।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন। ভাষার ভাবকে সুন্দর ও সমৃদ্ধ করতে বিপরীত শব্দের ব্যবহার অপরিহার্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অর্বাচীন চিন্তাভাবনা বাদ দিয়ে বাস্তববাদী হতে হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে অর্বাচীন শব্দটি আধুনিক বা অপরিপক্ক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: এটি একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শন।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রাচীন শব্দটি পুরোনো বা বহুদিনের পুরোনো অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিরপরাধ — এই শব্দটির অর্থ যার কোনো অপরাধ নেই এবং এর বিপরীত শব্দ অপরাধী।
B) প্রাচীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অর্বাচীন শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক।
C) অনুজ — এই শব্দটির অর্থ ছোট ভাই এবং এর বিপরীত শব্দ অগ্রজ।
D) অনভ্যাস — এই শব্দটির অর্থ অভ্যাসের অভাব এবং এর বিপরীত শব্দ অভ্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
অর্বাচীন মানে নতুন বা আধুনিক আর প্রাচীন মানে পুরোনো, তাই এরা একে অপরের বিপরীত। বিপরীত শব্দ মনে রাখতে শব্দের মূল অর্থ ও উৎস মনে রাখা সবচেয়ে ভালো উপায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি। একই নিয়মে নবীন শব্দের বিপরীত শব্দ প্রবীণ এবং আধুনিক শব্দের বিপরীত শব্দ প্রাচীন হয়।
সঠিক উত্তর: D) তমসা
১. কেন সঠিক:
- তমসা শব্দের অর্থ হলো অন্ধকার, তিমির কিংবা আঁধার।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে এই শব্দটি প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়ে থাকে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, তদ্ভব এবং দেশি-বিদেশি শব্দের ভাণ্ডার থেকে বিভিন্ন সমার্থক শব্দ তৈরি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিমির
ব্যাখ্যা: তিমির হলো অন্ধকারের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: আঁধার
ব্যাখ্যা: আঁধার হলো অন্ধকারের একটি বহুল প্রচলিত তদ্ভব রূপ বা সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাবক — পাবক শব্দের অর্থ হলো আগুন বা বহ্নি, যা অন্ধকারের সমার্থক শব্দ নয়।
B) মনোজ — মনোজ শব্দের অর্থ হলো যা মন থেকে জন্মায় অর্থাৎ কামদেব বা প্রীতি।
C) ধারাপাত — ধারাপাত হলো অঙ্ক শেখার বা গণিত চর্চার একটি প্রাথমিক বই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নদীর নাম তিমির বা অন্ধকারময় মনে রেখে তমসা শব্দটি সহজে মনে রাখা যায়।
- তমসা মানে অন্ধকার, এটি মনে রাখতে তিমির শব্দটির সাহায্য নিতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অন্ধকার শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দগুলো যেমন তিমির, তমসা, আঁধার এবং তমস ভালো করে মুখস্থ রাখবে।
- প্রতি বছর বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) উৎ + যোগ
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুযায়ী ত-বর্গীয় বা চ-বর্গীয় ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্বে যদি ত অথবা দ থাকে, তবে ত বা দ-এর স্থানে চ বা জ হয়। এখানে 'উদ্যোগ' শব্দটি ভাঙলে উৎ এবং যোগ পাওয়া যায়, যেখানে প্রথম পদের অন্তে থাকা 'ত' এবং দ্বিতীয় পদের আদিতে থাকা 'জ' মিলে জয (জ্জ) রূপ ধারণ করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। ত বা দ-এর পর জ থাকলে ত বা দ-এর স্থানে জ হয়, যা এই শব্দটিতে স্পষ্টভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৎ + জন = সজ্জন
ব্যাখ্যা: এখানে 'ত'-এর পরে 'জ' থাকার কারণে 'ত' পরিবর্তিত হয়ে 'জ' এ পরিণত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বিপদ্ + জাল = বিপজ্জাল
ব্যাখ্যা: এই উদাহরণটিতে 'দ'-এর পরে 'জ' থাকার কারণে 'দ' পরিবর্তিত হয়ে 'জ' এ রূপান্তরিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উদ + যোগ — বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী এই সন্ধিতে 'দ' এর পরিবর্তে 'ত' হওয়ার বিধান রয়েছে, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) উৎ + যোগ — এটি সঠিক অপশন এবং ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল।
C) উদ্যো + গ — 'উদ্যো' কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা উপসর্গ নয়, তাই এই সন্ধিটি অর্থহীন ও ব্যাকরণসিদ্ধ নয়।
D) উত + যোগ — 'উত' এর নিচে হসন্ত না থাকায় এবং প্রমিত বানানরীতি না মানায় এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হিসেবে গণ্য হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
উদ্যোগ শব্দটিতে যেহেতু জ্জ (জ+জ) আছে, তাই প্রথম অংশে 'উৎ' এবং দ্বিতীয় অংশে 'যোগ' বসবে মনে রাখবে। ত-এর পরে জ থাকলে ত স্থানে জ হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি বারবার আসে। ত বা দ এর পর জ বা চ থাকলে প্রথম অংশ পরিবর্তনের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: C) বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
যে সমসে সমস্যমান পদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ করে এবং সমস্ত পদটি একটি বিশেষণ পদে পরিণত হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
আশীবিষ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো আশীতে বিষ যার। এর দ্বারা দাঁতে বিষ আছে এমন কোনো প্রাণীকে বোঝায় না, বরং নির্দিষ্টভাবে সাপকে বোঝানো হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য থাকে না, সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ পায়।
আশীবিষ শব্দটিতে আশী শব্দের অর্থ দাঁত এবং বিষ শব্দের অর্থ গরল। সমস্ত পদে সাপ অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিনা পানিতে যার = বিনা পানি
ব্যাখ্যা: এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যেখানে বীণাপাণি বলতে দেবী সরস্বতীকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: হিরণ্য কশিপু যার = হিরণ্যকশিপু
ব্যাখ্যা: এটিও বহুব্রীহি সমাসের একটি বিশেষ রূপ যা নতুন অর্থ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এই পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে নেই।
C) বহুব্রীহি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অন্য পদকে নির্দেশ করে।
D) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের পূর্বে বসে অব্যয়ীভাব সমাস হয়, যা আশীবিষ শব্দের গঠনে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্যাসবাক্যের শেষে যদি যার, যাতে বা যদ্দ্বারা থাকে এবং সমস্ত পদটি অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে তবে চোখ বন্ধ করে বহুব্রীহি সমাস দাগাবে।
শরীর বা অঙ্গসংক্রান্ত শব্দ যেমন আশী বা দাঁত দিয়ে কোনো প্রাণীকে বোঝালে তা সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
নিয়ম মনে রাখার জন্য খেয়াল রাখবে যে পদের ব্যাসবাক্যে যার বা যাতে থাকে এবং নতুন অর্থ আসে তা বহুব্রীহি।
সঠিক উত্তর: A) অব্যয়ীভাব
১. কেন সঠিক:
অনুতাপ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো তাপের পশ্চাৎ। এখানে পশ্চাৎ অর্থে অনু উপসর্গটি অব্যয় হিসেবে পূর্বে বসে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। এখানে অনু উপসর্গটি পশ্চাৎ বা পেছনে অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ পদকে আচ্ছন্ন করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনুগমন (গমনের পশ্চাৎ)
ব্যাখ্যা: এখানে অনু উপসর্গটি পশ্চাৎ অর্থ প্রকাশ করে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: উপকূল (কুলের সমীপে)
ব্যাখ্যা: এখানে উপ অব্যয়টি সমীপে বা কাছে অর্থে ব্যবহৃত হয়ে অব্যয়ীভাব সমাস সৃষ্টি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব্যয়ীভাব — সঠিক উত্তর কারণ এখানে অনু অব্যয়টি পশ্চাৎ অর্থে যুক্ত হয়ে সমাস সাধন করেছে।
B) তৎপুরুষ — ভুল উত্তর কারণ তৎপুরুষ সমাসে বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) কর্মধারয় — ভুল উত্তর কারণ কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ বা রূপ বোঝায়, যা এখানে নেই।
D) বহুব্রীহি — ভুল উত্তর কারণ বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর বাইরে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যা এখানে ঘটেটনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
অনু, প্রতি, উপ, আ ইত্যাদি অব্যয় দিয়ে যদি কোনো শব্দের ব্যাসবাক্য শুরু হয় এবং তা পশ্চাৎ, সমীপে বা বিপ্সা বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তা অব্যয়ীভাব সমাস দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দ দিয়ে অব্যয়ীভাব সমাসের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই অনু, প্রতি ও উপ উপসাগরের সমাসবদ্ধ রূপগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
সঠিক উত্তর: B) করণ কারকে ৭মী
১. কেন সঠিক:
বাক্যে যার সাহায্যে বা মাধ্যমে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে করণ কারক বলে।
এখানে 'শোকে' শব্দটি দ্বারা শোককে কাতর হওয়ার মাধ্যম বা উপায় হিসেবে বোঝানো হয়েছে এবং শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে যা ৭মী বিভক্তির রূপ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
করণ শব্দের অর্থ সাহায্য, উপায় বা মাধ্যম এবং ক্রিয়ার সঙ্গে যার দ্বারা বা যার মাধ্যমে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা করণ কারক।
বিভক্তির দিক থেকে শব্দের সঙ্গে এ, অ, তে ইত্যাদি যুক্ত থাকলে এবং তা স্থান, কাল বা মাধ্যম বোঝালে তা ৭মী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলমে লেখা ভালো।
ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম কলম হওয়ায় এটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: বন্যায় দেশ প্লাবিত হলো।
ব্যাখ্যা: প্লাবিত হওয়ার মাধ্যম বা কারণ বন্যা হওয়ায় এটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তৃ কারকে ২য়া — বাক্যে ক্রিয়া সম্পাদনকারীকে কর্তৃ কারক বলে এবং কর্মকারক ব্যতিরেকে অন্য কারকে ২য়া বিভক্তি সাধারণত হয় না, তাই এটি ভুল।
B) করণ কারকে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ শোকে শব্দটি কাতর হওয়ার মাধ্যম বা উপায় প্রকাশ করেছে এবং এতে ৭মী বিভক্তি রয়েছে।
C) অপাদান কারকে ৭মী — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা উৎপন্ন হয় তাকে অপাদান কারক বলে, কিন্তু এখানে কোনো বিচ্যুতি বা ভয় বোঝায়নি।
D) অধিকরণ কারকে ৭মী — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে, কিন্তু শোক কোনো স্থান বা সময় নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছু দ্বারা বা মাধ্যম বুঝিয়ে ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ পেলে করণ কারক হয়।
বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে করণ কারক সহজেই চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে যেখানে আবেগ বা মাধ্যমকে কারক হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
শোক, দুঃখ, আনন্দ ইত্যাদি শব্দ বাক্যে ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে করণ বা অপাদান কারক হতে পারে, তাই বাক্যটির অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মনীষা মনজুসা
১. কেন সঠিক:
- মনীষা মনজুসা গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
- এটি তাঁর একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ড. মুহম্মদ এনামুল হক একজন প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ, গবেষক ও ভাষা বিজ্ঞানী।
- তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য এবং ভাষা বিষয়ক গবেষণা বিশেষভাবে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বখতিয়ার খিলজী ও বাংলা সাহিত্য
ব্যাখ্যা: এটি ড. মুহম্মদ এনামুল হকের অপর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক গবেষণা গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: সুফি সাহিত্য
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে সুফি সাধনা ও তার প্রভাব নিয়ে রচিত তাঁর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষার ইতিবৃত্ত — এই গ্রন্থটির রচয়িতা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) আধুনিক ভাষাতত্ত্ব — এই গ্রন্থটি ড. মনিরুজ্জামানের রচিত, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) মনীষা মনজুসা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ড. মুহম্মদ এনামুল হকের রচনা।
D) বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান — এই মহাগ্রন্থটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক সংকলিত ও প্রকাশিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনীষা মনজুসা নামের চমৎকার গবেষণা গ্রন্থটির লেখক এনামুল হক এটি মনে রাখতে নামের মিল বা ছক ব্যবহার করতে পারো।
- গবেষক এনামুল হকের নামের সাথে মনীষা শব্দটি মিলিয়ে এই গ্রন্থটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের গবেষণা গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ড. মুহম্মদ এনামুল হক ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ভাষা বিষয়ক গ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়লে পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত পংক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'সবুজ অভিযান' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- কবির লেখনীতে যৌবনের উদ্দীপনা, প্রাণশক্তি এবং গতিশীলতার প্রতীক হিসেবে 'সবুজ' ও 'কাঁচা' শব্দের অসাধারণ প্রয়োগ ঘটেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যে সবুজ বলতে তারুণ্য, শক্তি এবং নতুন প্রাণের সঞ্চারকে বোঝানো হয়েছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কবিতায় প্রাচীন ও মৃতপ্রায় সংস্কারকে ভেঙে নতুন সমাজ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
- যেমন, এই কবিতায় 'আধ-মরাদের ঘা তুই বাঁচা' বলতে জরাগ্রস্ত ও নিষ্ক্রিয় মানুষদের মধ্যে জীবনের নতুন জোয়ার আনার কথা বলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটি তাঁরই সৃষ্টি।
- B) কাজী নজরুল ইসলাম — এই বিদ্রোহী কবি তারুণ্যের কথা বললেও আলোচ্য পংক্তিটি তাঁর নয়।
- C) গোলাম মোস্তফা — এই কবি মূলত ঐতিহ্য ও ইসলামী সংস্কৃতির গান লিখে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
- D) সুফিয়া কামাল — এই বিশিষ্ট নারী সাহিত্যিক মূলত প্রকৃতি ও মমত্ববোধের কবিতা লিখে পরিচিত হয়েছেন।
মনে রাখার টিপস:
- 'সবুজ', 'কাঁচা' ও 'অবুঝ' শব্দগুলো থাকলে সাধারণত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সবুজ অভিযান' কবিতাকে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রবন্ধগ্রন্থ
১. কেন সঠিক:
- রাজবন্দীর জবানবন্দী কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ।
- এটি মূলত তাঁর রাজনৈতিক বন্দীজীবন ও বিচারালয়ে দেওয়া ঐতিহাসিক জবানবন্দীর সংকলন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্য ও রাজনীতির এক অনন্য ব্যক্তিত্ব।
- তাঁর এই রচনাটি ১৯২৩ সালে কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে বসে লেখা এবং বিচারালয়ে পাঠ করা হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রুদ্রমঙ্গল
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত অপর একটি বিখ্যাত ও প্রতিবাদী প্রবন্ধগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: দুর্দিনের যাত্রী
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের লেখা সমাজ ও রাজনীতিচিন্তামূলক একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বক্তব্য — এটি কোনো সাহিত্যিক রূপ বা গ্রন্থের নাম নয়, বরং জবানবন্দীর একটি মৌখিক ধরন মাত্র।
B) প্রবন্ধগ্রন্থ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) গল্প — গল্প বলতে কল্পিত বা বাস্তবভিত্তিক ছোট পরিসরের কথাসাহিত্য বোঝায়, যা এই গ্রন্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) উপন্যাস — উপন্যাস হলো দীর্ঘ আকৃতির বর্ণনামূলক কথাসাহিত্য, যা রাজবন্দীর জবানবন্দী গ্রন্থের রূপের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের জেলজীবনের প্রতিবাদী বাণী মানেই রাজবন্দীর জবানবন্দী একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
- লেখকের প্রবন্ধগ্রন্থগুলো মনে রাখতে 'রুদ্রমঙ্গল' ও 'দুর্দিনের যাত্রী' নাম দুটি এক সাথে পড়তে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের রাজনৈতিক ও প্রতিবাদী গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- রাজবন্দীর জবানবন্দী কোন ধরনের রচনা, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার এসেছে।
সঠিক উত্তর: D) মামুনুর রশীদ
১. কেন সঠিক:
ওরা কদম আলী নাটকটির রচয়িতা বিশিষ্ট নাট্যকার মামুনুর রশীদ।
এই নাটকটি বাংলাদেশের নাট্যজগতে প্রতিবাদী ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত মঞ্চনাটক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মামুনুর রশীদ বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, অভিনেতা ও নির্দেশক।
তিনি ঢাকা থিয়েটার দলের প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলার লোকসংস্কৃতি ও সমসাময়িক রাজনীতির নানা অসঙ্গতি নিয়ে অসংখ্য নাটক রচনা করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইblis (ইবলিস)
ব্যাখ্যা: এটি মামুনুর রশীদের রচিত অপর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আলোচিত রাজনৈতিক নাটক।
উদাহরণ ২: গিন্নি
ব্যাখ্যা: এটিও মামুনুর রশীদের লেখা নাট্যজগতে সমাদৃত একটি নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও নাট্যকার হলেও ওরা কদম আলী নাটকটি তার লেখা নয়। তার বিখ্যাত নাটক হলো কবর ও রক্তজবা।
B) শওকত ওসমান — তিনি মূলত তার উপন্যাস ও গল্পের জন্য বিখ্যাত, যেমন ক্রীতদাসের হাসি, তবে তিনি এই নাটকটি লেখেননি।
C) আবদুল্লাহ আল মামুন — তিনি প্রখ্যাত নাট্যকার ও নির্দেশক হলেও ওরা কদম আলী নাটকটির রচয়িতা তিনি নন, তার নাটক হলো সুবচন নির্বাসন।
D) মামুনুর রশীদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই নাটকটির রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
ওরা কদম আলী নাটকের রচয়িতা মনে রাখতে কদম আলী চরিত্রের মতো সংগ্রামী নাট্যকার মামুনুর রশীদের নামটি মনে রাখতে পারো।
লোকসংস্কৃতিভিত্তিক ও প্রতিবাদী নাটক বললেই মামুনুর রশীদের নাম সামনে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটক ও নাট্যকারের নাম প্রায়ই আসে।
একই নাট্যকারের অন্যান্য বিখ্যাত নাটক যেমন ইblis বা উত্তরাধিকার নাটকগুলোর নামও ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: C) ক্ষীণজীবী
১. কেন সঠিক:
- সঠিক বানানটিতে 'ক্ষীণ' শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার এবং 'জীবী' প্রত্যয়ে জ-ফলা সহ দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী জীবী (জীবিকা অর্জন করে যে) যুক্ত শব্দে ঈ-কার হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানে ই-কার ও ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে যেখানে জীবী বা গ্রাসীযুক্ত শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার বসে।
- সমাসবদ্ধ বা প্রত্যয়যুক্ত শব্দে শব্দের মূল রূপ ও প্রত্যয়ের সঠিক বানান বজায় রাখা আবশ্যক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মন্ত্রীজীবী
ব্যাখ্যা: এটিও জীবী প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দূরজীবী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও জীবী প্রত্যয় যুক্ত থাকায় দীর্ঘ ঈ-কার বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষীনজীবী — এখানে 'ক্ষীন' বানানে মূর্ধন্য ণ-এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান ভুল।
B) ক্ষিনজীবী — এখানে 'ক্ষিন' বানানে হ্রস্ব ই-কার এবং দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
C) ক্ষীণজীবী — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
D) ক্ষীণজিবি — এখানে 'জিবি' অংশে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার হওয়ার কথা ছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জীবী যুক্ত সমস্ত শব্দে (যেমন:জীবী, মন্ত্রীজীবী) সর্বদা দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়।
- ক্ষীণ শব্দের বানান মনে রাখতে মাথায় রাখতে হবে এখানে মূর্ধন্য ণ এবং দীর্ঘ ঈ-কার বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যুক্ত শব্দের বানান যেমন জীবী বা গ্রাসী প্রায়ই আসে।
- বাংলা বানান শুদ্ধ করার জন্য শব্দটির মূল এবং প্রত্যয়ের রূপ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) শশিভূষণ
১. কেন সঠিক:
শশিভূষণ শব্দটিতে শশি এবং ভূষণ দুটি অংশ রয়েছে। বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এখানে মূর্ধন্য ষ এবং দীর্ঘ ঊ-কার যুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানান নিয়মে তৎসম শব্দে ই, ঈ, উ, ঊ এবং ঋ-কার বা র-ফলা থাকলে তার পরবর্তী ষ মূর্ধন্য হয়। ভূষণ শব্দে ষ এবং দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই ব্যাকরণগত নিয়মটি সঠিকভাবে অনুসৃত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষম
ব্যাখ্যা: ই-কার থাকার কারণে এখানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়েছে যা শুদ্ধ বানানের নিয়ম মেনে চলে।
উদাহরণ ২: ভূমিষ্ঠ
ব্যাখ্যা: উ-কার বা ঋ-কারযুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের মাধ্যমে সঠিক বানান গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শশিভুসন — এখানে ভুসন অংশে ভুল বানান রয়েছে কারণ দন্ত্য স এবং হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
B) শশিভূষণ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
C) শসিভূষন — এখানে প্রথম অংশে তালব্য শ-এর পরিবর্তে দন্ত্য স ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
D) শশিভুসণ — এই অপশনে হ্রস্ব উ-কার এবং মূর্ধন্য ণ ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
শশি এবং ভূষণ শব্দ দুটি আলাদাভাবে লিখে একত্রে সন্ধি বা সমাসবদ্ধ করার সময় দীর্ঘ ঊ এবং মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নত্ব ও ষত্ব বিধান সংক্রান্ত বানানগুলো বেশি আসে। তাই শব্দের মূল রূপ এবং প্রত্যয় বা উপসর্গের গঠন ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Class
কেন সঠিক:
Class শব্দটি দ্বারা একই শ্রেণীর একদল ছাত্রছাত্রীর সমষ্টিকে বোঝায়।
এটি একটি দল বা সমষ্টিবাচক নাম হওয়ায় Collective Noun হিসেবে গণ্য হয়।
তাই এটি সঠিক উত্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bashar — এটি একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম হওয়ায় Proper Noun।
B) Class — এটি সঠিক উত্তর।
C) Youth — এটি সাধারণত একটি অবস্থা বা গুণবাচক ধারণা বোঝায় তাই Common বা Abstract Noun।
D) Island — এটি একটি সাধারণ স্থানের নাম হওয়ায় Common Noun।
মনে রাখার টিপস:
যেকোনো শব্দ যদি একজাতীয় অনেকগুলো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায়, তবে সেটি Collective Noun হবে।
সঠিক উত্তর: A) Collaboration
কেন সঠিক:
এই বানানে ইংরেজি উপসর্গ col এবং labor শব্দমূলের সঠিক সংযোগ ঘটেছে।
সাথে সঠিক noun প্রত্যय ation যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে।
বানানের কোথাও কোনো অতিরিক্ত অক্ষর নেই।
সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Collaboration — এটি সঠিক বানান।
B) Colaboration — এখানে বানানে একটি l কম আছে।
C) Colaboretion — এখানে labor এর জায়গায় boret ভুল অংশ রয়েছে।
D) Collaboretion — এখানে অতিরিক্ত l এবং ভুল boret অংশ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সহযোগিতা অর্থে প্রথমে col, মাঝে labor এবং শেষে ation যোগ করে সহজে বানানটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) Occasion
কেন সঠিক:
- বানানটিতে ডাবল সি (cc) এবং একক এস (s) ব্যবহার করা হয়েছে।
- ইংরেজী বানান রীতি অনুযায়ী সঠিক উচ্চারণ ও গঠন বজায় রাখতে এটি নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ocasion — এখানে একটি সি (c) কম আছে তাই এটি ভুল বানান।
B) Ocation — এখানে সি (c) এবং এস (s) উভয় বর্ণে ভুল রয়েছে।
C) Occasion — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত রূপ।
D) Occassion — এখানে ডাবল এস (ss) ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে মাথায় রাখুন, শব্দটিতে সি হবে দুটি কিন্তু এস হবে একটি।
সঠিক উত্তর: B) Is he known to you?
কেন সঠিক:
১. Present indefinite tense যুক্ত Active voice-কে Passive করার সময় subject-এর পরে am, is, are বসে এবং মূল verb-এর past participle form হয়।
২. Know verb-এর পরে সাধারণত by preposition না বসে to preposition বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Is he know by you? — এখানে know verb-এর past participle form (known) ব্যবহার করা হয়নি এবং সঠিক preposition-এর পরিবর্তে by ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Is he known to you? — এটি সঠিক উত্তর।
C) Dose he known by you? — এখানে auxiliary verb হিসেবে Dose ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং known-এর আগে does বসে না।
D) Is he known with you? — এখানে known verb-এর পরে নিয়ম অনুযায়ী সঠিক preposition (to) না বসিয়ে with ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Know verb-এর পরে সবসময় to preposition বসে, তাই এদের Passive করার সময় by ব্যবহার করা যাবে না।
সঠিক উত্তর: D) Paper
কেন সঠিক:
Paper একটি Material Noun কারণ এটি এমন একটি বস্তু বা উপাদান যা দিয়ে অন্যান্য জিনিস তৈরি করা হয়।
এটি কোনো ব্যক্তি বা স্থানের নাম নয়, বরং একটি অবিচ্ছেদ্য পদার্থের নাম যা পরিমাপ করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Book — এটি Common Noun কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট ধরনের বস্তুর সাধারণ নাম যা গণনা করা যায়।
B) Ring — এটি Common Noun কারণ এটি সোনার বা অন্য কোনো ধাতুর তৈরি একটি নির্দিষ্ট আকারের গয়না বোঝায়।
C) River — এটি Common Noun কারণ এটি যেকোনো নদীর সাধারণ নাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) Paper — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
মনে রাখার টিপস:
যে উপাদান বা বস্তু দিয়ে অন্য কিছু তৈরি হয় এবং যা সাধারণত ওজনে মাপা হয়, তাকে Material Noun বলে।
সঠিক উত্তর: C) Suddenly
কেন সঠিক:
‘All at once’ একটি ইংরেজি প্রবচন বা ইডিয়ম যার বাংলা অর্থ হঠাৎ বা আকস্মিকভাবে।
এর সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘Suddenly’ ব্যবহৃত হয় কারণ এর অর্থও হঠাৎ করে ঘটে যাওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Quickly — এর অর্থ দ্রুত, যা আকস্মিকতার বদলে গতির দ্রুততা বোঝায়।
B) Slowly — এর অর্থ ধীরে ধীরে, যা এই ইডিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) Suddenly — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Gradually — এর অর্থ ক্রমান্বয়ে বা ধীরে ধীরে, যা হঠাৎ ঘটার সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
‘All at once’ দেখলে মাথায় রাখবে এটি এমন কিছু বোঝায় যা কোনো পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া হুট করে ঘটে যায়।
সঠিক উত্তর: A) Cancel
কেন সঠিক:
- Abolish শব্দটির অর্থ বাতিল করা, লোপ করা বা কোনো প্রথা বা আইন আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করা।
- Cancel শব্দের অর্থও কোনো কিছু বাতিল করা বা রদ করা, যা Abolish শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cancel — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বাতিল করা।
B) Perform — এর অর্থ সম্পাদন করা বা কোনো কাজ করা, যা Abolish শব্দের বিপরীত।
C) Create — এর অর্থ সৃষ্টি করা বা তৈরি করা, যা Abolish শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Generate — এর অর্থ উৎপাদন করা বা তৈরি করা, তাই এটি সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Abolish (বাতিল করা) এবং Cancel (বাতিল করা) উভয়ই কোনো কিছু চিরতরে বন্ধ বা রদ করা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) Quiet
কেন সঠিক:
Calm শব্দের বাংলা অর্থ শান্ত বা স্থির। Quiet শব্দটির অর্থও শান্ত, যা এর সঠিক সমার্থক রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Angry — এর অর্থ রাগান্বিত, যা Calm শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Agitated — এর অর্থ উত্তেজিত বা বিরক্ত, যা Calm শব্দের অর্থের সাথে মেলে না।
C) Quiet — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Inflamed — এর অর্থ প্রদাহযুক্ত বা উত্তেজিত, যা শান্ত অবস্থার বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Calm এবং Quiet দুটি শব্দই মানসিক বা পরিবেশগত শান্তি বোঝাতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
বাক্যে ভরসা বা বিশ্বাস করা অর্থে "put faith in" একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রিপজিশনাল ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এখানে "in" বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ এবং নির্ভুল হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — এটি সঠিক উত্তর এবং ফ্রেজ অনুযায়ী এখানে অন্য কোনো প্রিপজিশন বসে না।
B) on — "put faith on" ইংরেজি গ্রামার অনুযায়ী সঠিক ফ্রেজ বা প্রিপজিশন নয়।
C) at — বিশ্বাসের ক্ষেত্রে "at" প্রিপজিশন ব্যবহার করলে অর্থের মিল হয় না।
D) upon — এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর গতিশীল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বাস বা আস্থা রাখা বোঝাতে faith শব্দের পরে সবসময় in প্রিপজিশন বসে।
সঠিক উত্তর: A) at
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট কোনো ভবন, বাড়ি বা বাসভবনে অবস্থান বোঝাতে 'at' প্রিপজিশনটি ব্যবহৃত হয়।
- 'home' শব্দটির পূর্বে নির্দিষ্ট স্থান বোঝাতে 'at home' একটি স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেজ বা প্রিপজিশনাল ব্যবহার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট স্থানে বা বাড়িতে অবস্থান বোঝাতে 'at home' ব্যবহৃত হয়।
B) in — এটি সাধারণত বড় স্থান, শহর বা দেশের নামের পূর্বে বসে, তাই 'in home' ভুল।
C) with — এটি সাধারণত সঙ্গী বা কোনো কিছুর সাথে থাকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) on — এটি কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে অবস্থান করা বা নির্দিষ্ট দিবসের পূর্বে বসে, তাই 'on home' হয় না।
মনে রাখার টিপস:
বাড়ি বা নিজ ঠিকানায় অবস্থান বোঝাতে সবসময় 'at home' ব্যবহার করবে।
গাণিতিক ব্যাখ্যা:
ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%।
শুধুমাত্র ইংরেজিতে ফেল করেছে = (52% - 17%) = 35%
শুধুমাত্র গণিতে ফেল করেছে = (42% - 17%) = 25%
উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = 17%
অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (ইংরেজি, গণিত বা উভয় বিষয়ে) ফেল করেছে মোট = (35% + 25% + 17%) = 77%
সুতরাং, উভয় বিষয়ে পাস করেছে = (100% - 77%) = 23%
উত্তর: 23%
সঠিক উত্তর: B) ২২ বৎসর
প্রদত্ত তথ্য:
৩ বৎসর আগে ক ও খ এর বয়সের গড় ছিল ১৬ বৎসর
গ তাদের সাথে যোগ দেওয়ায় বর্তমান তাদের তিনজনের বয়সের গড় ২০ বৎসর হয়
ধরি,
৩ বৎসর আগে ক ও খ এর বয়সের সমষ্টি = ১৬ × ২ = ৩২ বৎসর
বর্তমান ক ও খ এর বয়সের সমষ্টি = ৩২ + (৩ × ২) = ৩৮ বৎসর
অতএব,
বর্তমান ক, খ ও গ এর বয়সের সমষ্টি = ২০ × ৩ = ৬০ বৎসর
সুতরাং,
গ এর বয়স = ৬০ − ৩৮ = ২২ বৎসর
উত্তর: ২২ বৎসর
সঠিক উত্তর: A) ৫ঃ ২০
প্রদত্ত তথ্য:
কঃ খ = ৫ঃ ৬
খঃ গ = ৩ঃ ১০
ধরি,
প্রথম অনুপাত = কঃ খ = ৫ঃ ৬
দ্বিতীয় অনুপাত = খঃ গ = ৩ঃ ১০
অতএব,
ক এবং খ এর মান = ৫ এবং ৬
খ এবং গ এর মান = ৩ এবং ১০
সুতরাং,
কঃ খঃ গ = (৫ × ৩)ঃ (৬ × ৩)ঃ (৬ × ১০) = ১৫ঃ ১৮ঃ ৬০
উত্তর: কঃ গ = ১৫ঃ ৬০ বা সংক্ষেপে ৫ঃ ২০
সঠিক উত্তর: A) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
a + (১ ÷ a) = ৪
ধরি,
প্রদত্ত রাশি = a² + (১ ÷ a²)
অতএব,
a² + (১ ÷ a²) = a + (১ ÷ a)² − ২ × a × (১ ÷ a)
সুতরাং,
= (৪)² − ২
= ১৬ − ২
উত্তর: ১৪
সঠিক উত্তর: B) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x এর ওপর স্কয়ার + y এর ওপর স্কয়ার সমান ১৮
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x ও y এর গুণফল সমান ৬
ধরি,
আমাদের মান নির্ণয় করতে হবে (x − y) এর ওপর স্কয়ার এর
বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী এটি লেখা যায় (x এর ওপর স্কয়ার + y এর ওপর স্কয়ার) − (২ গুণ x গুণ y)
অতএব,
এখানে প্রথম বন্ধনীর ভেতরের মান হলো ১৮
এবং দ্বিতীয় বন্ধনীর ভেতরের অংশ হলো ২ গুণ ৬ সমান ১২
সুতরাং,
১৮ থেকে ১২ বিয়োগ করলে ফলাফল পাওয়া যায় ৬
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: C) ১৩০ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
একই চাপের উপর দণ্ডায়মান পরিধিস্থ কোণ = ৬৫ ডিগ্রি
ধরি,
কেন্দ্রস্থ কোণ সমান ক ডিগ্রি
পরিধিস্থ কোণ সমান ৬৫ ডিগ্রি
অতএব,
কেন্দ্রস্থ কোণ সমান ২ × পরিধিস্থ কোণ
কেন্দ্রস্থ কোণ সমান ২ × ৬৫ ডিগ্রি
সুতরাং,
ক সমান ১৩০ ডিগ্রি
উত্তর: ১৩০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: C) It is a nice poem
প্রদত্ত তথ্য:
চারটি ইংরেজি বাক্য দেওয়া হয়েছে
সঠিক ব্যাকরণগত বাক্যটি নির্বাচন করতে হবে
বিশ্লেষণ:
বেঞ্চে বসার জায়গার ক্ষেত্রে place না হয়ে space হবে
রুটি গোনার ক্ষেত্রে bread না হয়ে loaf ব্যবহার করতে হবে
ব্যাখ্যা:
বাড়ি ফেরার ক্ষেত্রে my house না হয়ে home হবে
কবিতাটি সুন্দর অর্থে It is a nice poem সম্পূর্ণ শুদ্ধ
সুতরাং,
অপশন সি বাক্যটির ব্যাকরণ এবং অর্থ সম্পূর্ণ সঠিক
উত্তর: C) It is a nice poem
সঠিক উত্তর: C) ১৮
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার সংখ্যাগুলো হলো এক, তিন, চার, সাত, এগারো
ধরি,
প্রথম সংখ্যা ও দ্বিতীয় সংখ্যার যোগফল = ১ + ৩ = ৪
দ্বিতীয় সংখ্যা ও তৃতীয় সংখ্যার যোগফল = ৩ + ৪ = ৭
তৃতীয় সংখ্যা ও চতুর্থ সংখ্যার যোগফল = ৪ + ৭ = ১১
অতএব,
চতুর্থ সংখ্যা ও পঞ্চম সংখ্যার যোগফল = ৭ + ১১ = ১৮
সুতরাং,
ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ১৮
উত্তর: ১৮
সঠিক উত্তর: B) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো এক, তিন, পাঁচ, সাত
এটি একটি সমান্তর ধারা
ধরি,
প্রথম পদ (ক) = ১
সাধারণ অন্তর (ড) = ৩ − ১ = ২
অতএব,
অষ্টম পদ নির্ণয়ের সূত্র = ক + (৮ − ১) × ড
এখানে মান বসিয়ে পাই ১ + ৭ × ২
গুণ করে পাই ১ + ১৪
সুতরাং,
যোগ করে পাই ১৫
উত্তর: ১৫
সঠিক উত্তর: B) ২০%
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রয়মূল্য = ৫০ টাকা
বিক্রয়মূল্য = ৬০ টাকা
ধরি,
লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য
লাভ = ৬০ টাকা − ৫০ টাকা = ১০ টাকা
অতএব,
৫০ টাকায় লাভ হয় ১০ টাকা
১ টাকায় লাভ হয় (১০ ÷ ৫০) টাকা
সুতরাং,
১০০ টাকায় লাভ হয় (১০ × ১০০) ÷ ৫০ টাকা = ২০ টাকা
উত্তর: ২০%
সঠিক উত্তর: C) ২০%
প্রদত্ত তথ্য:
খাসির ক্রয়মূল্য = ১০০০ টাকা
খাসির বিক্রয়মূল্য = ১৮০০ টাকা
ধরি,
লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য
লাভ = ১৮০০ − ১৫০০
লাভ = ৩০০ টাকা
অতএব,
১৫০০ টাকায় লাভ হয় ৩০০ টাকা
১ টাকায় লাভ হয় (৩০০ ÷ ১৫০০) টাকা
১০০ টাকায় লাভ হয় (৩০০ × ১০০) ÷ ১৫০০ টাকা
সুতরাং,
লাভ = ৩০০০০ ÷ ১৫০০
লাভ = ২০%
উত্তর: ২০%
সঠিক উত্তর: B) ৪৯ লি. ১৪ লি.
প্রদত্ত তথ্য:
মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬৩ লিটার
এসিড ও পানির অনুপাত = ৭ : ২
ধরি,
অনুপাতের রাশি দুটির যোগফল = ৭ + ২ = ৯
অতএব,
মিশ্রণে এসিডের পরিমাণ = ৬৩ এর (৭ ÷ ৯) লিটার
মিশ্রণে পানির পরিমাণ = ৬৩ এর (২ ÷ ৯) লিটার
সুতরাং,
এসিডের পরিমাণ = ৬৩ × ৭ ÷ ৯ = ৪৯ লিটার
পানির পরিমাণ = ৬৩ × ২ ÷ ৯ = ১৪ লিটার
উত্তর: ৪৯ লি. ১৪ লি.
সঠিক উত্তর: A) Quote this from memory
প্রদত্ত তথ্য:
সঠিক ইংরেজি বাক্য নির্বাচন করতে হবে
ভুল বাক্যগুলোর সঠিক রূপ দেখতে হবে
ধরি,
অপশন বি ভুল কারণ সঠিক শব্দ বোর্ড এবং লজিং
অপশন সি ভুল কারণ সাইন না হয়ে সিগনেচার হবে
অতএব,
অপশন ডি ভুল কারণ সিক না হয়ে ইল হবে
অপশন এ সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বাক্য
সুতরাং,
স্মৃতি থেকে এটি উদ্ধৃত করা অর্থ বোঝায়
উত্তর: A) Quote this from memory
সঠিক উত্তর: D) ৩৫ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
ক ও খ একত্রে কাজটি শেষ করতে পারে = ১০ দিনে
খ একা কাজটি শেষ করতে পারে = ১৪ দিনে
ধরি,
মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে = ১ ÷ ১০ অংশ
খ একা ১ দিনে করে = ১ ÷ ১৪ অংশ
সুতরাং,
ক একা ১ দিনে করে = (১ ÷ ১০) − (১ ÷ ১৪) অংশ
ক একা ১ দিনে করে = (৭ − ৫) ÷ ৭০ অংশ = ২ ÷ ৭০ অংশ = ১ ÷ ৩৫ অংশ
উত্তর: ৩৫ দিন
সঠিক উত্তর: C) ৩৯ ডিগ্রী সে.
প্রদত্ত তথ্য:
সপ্তাহের ৭ দিনের গড় তাপমাত্রা = ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
প্রথম ৩ দিনের গড় তাপমাত্রা = ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
শেষ ৩ দিনের গড় তাপমাত্রা = ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
ধরি,
সপ্তাহের ৭ দিনের মোট তাপমাত্রা = ৭ × ৩০ = ২১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
প্রথম ৩ দিনের মোট তাপমাত্রা = ৩ × ৩০ = ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
শেষ ৩ দিনের মোট তাপমাত্রা = ৩ × ৩০ = ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
অতএব,
প্রথম ৩ দিন এবং শেষ ৩ দিন অর্থাৎ মোট ৬ দিনের তাপমাত্রা = ৯০ + ৯০ = ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
সুতরাং,
চতুর্থ দিনের তাপমাত্রা হবে ৭ দিনের মোট তাপমাত্রা থেকে ৬ দিনের মোট তাপমাত্রার বিয়োগফল
উত্তর: ২১০ − ১৮০ = ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (সঠিক উত্তর অপশন অনুযায়ী ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হবে)
সঠিক উত্তর: D) ৬ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
ক্যাম্পে মোট স্কাউটের সংখ্যা = ৭২ জন
খাদ্য মজুদ আছে = ৬ দিনের
ধরি,
স্কাউট চলে গেল = ১৮ জন
বাকি স্কাউট থাকে = ৭২ − ১৮ = ৫৪ জন
অতএব,
৭২ জন স্কাউটের খাদ্য আছে = ৬ দিনের
১ জন স্কাউটের খাদ্য আছে = ৭২ × ৬ দিনের
সুতরাং,
৫৪ জন স্কাউটের খাদ্য চলবে = ৭২ × ৬ ÷ ৫৪ দিনের
উত্তর: ৮ দিনের খাদ্য চলে, তাই বাকি দিন চলে = ৮ − ২ = ৬ দিন
সঠিক উত্তর: B) Aref said that he had to write a letter.
প্রদত্ত তথ্য:
Direct speech: Aref said, "I must write a letter."
Reporting verb 'said' পাস্ট টেন্সে আছে
ধরি,
Direct speech এর বাক্যটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স
must থাকলে Indirect speech এ সাধারণত had to হয়
অতএব,
Reported speech এর 'I' পরিবর্তিত হয়ে 'he' হবে
'must' পরিবর্তিত হয়ে 'had to' বসবে
সুতরাং,
মূল ভারబ్ write অপরিবর্তিত থাকবে
উত্তর: Aref said that he had to write a letter.
সঠিক উত্তর: A) I was surprised at his behaviour.
প্রদত্ত তথ্য:
Active voice বাক্যের Subject হলো His behaviour
Active voice বাক্যের Object হলো me
ধরি,
Passive voice করার সময় Object টি Subject হবে
Verb এর Past Participle রূপ বসবে
অতএব,
me পরিবর্তিত হয়ে I হবে
Tense অনুযায়ী was বসবে
সুতরাং,
surprised এর পর with না বসে at বসে
সঠিক বাক্যটি হবে I was surprised at his behaviour.
উত্তর: I was surprised at his behaviour.
সঠিক উত্তর: B) Anis bade his father good-bye.
প্রদত্ত তথ্য:
डायरेक्ट স্পিচে বিদায় বা শুভরাত্রি জানানোর বাক্য ছিল
এখানে কাউকে বিদায় জানানোর ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য হয়
ধরি,
রিপোর্টিং ভার্ব said পরিবর্তিত হয়ে bid হবে
রিপোর্টেড স্পিচের ভেতরে থাকা সম্ভাষণ বিদায়সূচক রূপ নেয়
অতএব,
Anis বাক্যের কর্তা হিসেবে অপরিবর্তিত থাকবে
সে তার পিতাকে উদ্দেশ্য করে বিদায় জানিয়েছে
সুতরাং,
সঠিক ন্যারেশনের গঠন অনুযায়ী সঠিক উত্তর হবে
উত্তর: B) Anis bade his father good-bye.
সঠিক উত্তর: C) সৌরজগৎ
কেন সঠিক:
- সূর্য এবং তার চারপাশে ঘূর্ণায়মান গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু ও ধূমকেতু নিয়ে সৌরজগৎ গঠিত।
- মহাকর্ষ বলের প্রভাবে নির্দিষ্ট কক্ষপথে জ্যোতিষ্কগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নক্ষত্র — নক্ষত্র হলো নিজস্ব আলো ও উত্তাপযুক্ত বিশাল গ্যাসীয় গোলক, যা অন্য কিছুকে কেন্দ্র করে ঘোরে না।
B) পৃথিবী — পৃথিবী সৌরজগতের একটি নির্দিষ্ট গ্রহ মাত্র, পুরো জ্যোতিষ্কমণ্ডলীকে পৃথিবী বলা হয় না।
C) সৌরজগৎ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা নেই।
D) বুধ — বুধ হলো সূর্যের সবচেয়ে কাছের একটি গ্রহ, যা সৌরজগতের একটি অংশ মাত্র।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যকে কেন্দ্র করে যা কিছু ঘোরে তাদের সবাইকে নিয়েই সৌরজগৎ গঠিত।
সঠিক উত্তর: A) ফ্যাদোমিটার
কেন সঠিক:
- ফ্যাদোমিটার এমন একটি বিশেষ যন্ত্র যার সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা হয়।
- এই যন্ত্রটি প্রতিধ্বনি বা শব্দতরঙ্গের প্রতিফলনের নীতি ব্যবহার করে পানির গভীরতা নির্ণয় করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্যাদোমিটার — এটি সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত সঠিক যন্ত্র।
B) জাইরো কম্পাস — এটি জাহাজের দিক নির্ণয় বা উত্তর দিক নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) সাবমেরিন — এটি পানির নিচে চলাচলকারী একটি বিশেষ নৌযান, কোনো পরিমাপক যন্ত্র নয়।
D) অ্যানিওমিটার — এটি বাতাসের গতিবেগ ও চাপ পরিমাপ করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
সমুদ্রের গভীরতা মাপার ফ্যাদোমিটার মনে রাখতে ফ্যাদম এককটি মনে রাখতে পারেন, কারণ এক ফ্যাদম সমান ছয় ফুট।
সঠিক উত্তর: A) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- পটুয়া কামরুল হাসান ১৯৭১ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপ ও নকশা তৈরি করেছিলেন।
- তাঁর নকশা করা পতাকাই ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হিসেবে গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কামরুল হাসান - এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত ডিজাইনার ছিলেন।
B) জয়নুল আবেদীন - তিনি বাংলাদেশের শিল্পকলার একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও শিক্ষক, তবে জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
C) হাসেম খান - তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী, যিনি জাতীয় পতাকার ডিজাইনার হিসেবে যুক্ত ছিলেন না।
D) হামিদুর রহমান - তিনি শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
পতাকার কাজ হলো আঁকা, আর পটুয়া কামরুল হাসান ছবি আঁকার সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) পঞ্চগড়
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল
কেন সঠিক:
- পঞ্চগড় জেলা বাংলাদেশের সর্বউত্তরে অবস্থিত এবং এর তেঁতুলিয়া উপজেলা দেশের সর্বউত্তরের ভূখণ্ড।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে বাংলাদেশের সর্বউত্তরের বিন্দু অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঞ্চগড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলাটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরে অবস্থিত।
B) ঠাকুরগাঁও — এটি পঞ্চগড়ের ঠিক দক্ষিণে অবস্থিত একটি জেলা, তাই এটি সর্বউত্তরের উপজেলা বা জেলা নয়।
C) দিনাজপুর — এটি রংপুর বিভাগের একটি জেলা যা পঞ্চগড়ের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
D) লালমনিরহাট — এটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি জেলা, যা পঞ্চগড়ের মতো সর্বউত্তরে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
উত্তরে পঞ্চগড় এবং দক্ষিণে টেকনাফ, এই কথাটি মনে রাখলে বাংলাদেশের সর্বউত্তর ও সর্বদক্ষিণ প্রান্ত সহজে মনে রাখা যায়।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) গোয়ালন্দ
কেন সঠিক:
- উত্তরবঙ্গের প্রধান নদী যমুনা প্রবাহের শেষ প্রান্তে রাজবাড়ੀ জেলার গোয়ালন্দঘাটে এসে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- যমুনা নদী মূলত ব্রহ্মপুত্র নদের নতুন প্রবাহ এবং এটি গোয়ালন্দেই পদ্মার মূল ধারার সঙ্গে মিশেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাঁদপুরে — এটি ভুল কারণ চাঁদপুর হলো এমন একটি স্থান যেখানে পদ্মা এবং মেঘনা নদী মিলিত হয়েছে।
B) সিরাজগঞ্জ — এটি ভুল কারণ সিরাজগঞ্জ যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি জেলা, নদী মিলনের স্থান নয়।
C) গোয়ালন্দ — এটি সঠিক অপশন এবং এখানেই পদ্মা ও যমুনা নদী একত্রে মিলিত হয়েছে।
D) ভোলা — এটি ভুল কারণ ভোলা জেলায় এসে মেঘনা নদী বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা ও যমুনা মিলেছে গোয়ালন্দে (পয-গো), আর পদ্মা-মেঘনার মিলন চাঁদপুরে (পমে-চা)।
সঠিক উত্তর: B) বৃহস্পতি
কেন সঠিক:
- আয়তন ও ভরের দিক থেকে বৃহস্পতি সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে সবচেয়ে বড়।
- এর ভর সৌরজগতের অন্য সব গ্রহের মোট ভরের আড়াই গুণেরও বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পৃথিবী — পৃথিবী সৌরজগতের একটি মাঝারি আকৃতির গ্রহ এবং এটি বৃহস্পতির তুলনায় অনেক ছোট।
B) বৃহস্পতি — এটিই সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক।
C) শনি — শনি গ্রহ সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ, যা বৃহস্পতির চেয়ে আকারে ছোট।
D) বুধ — বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ, তাই এটি বৃহত্তম গ্রহ হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
বৃহস্পতি গ্রহের নাম মনে রাখতে পারেন সব গ্রহের বড় কর্তা বা গুরু হিসেবে, কারণ বৃহস্পতি মানেই হলো বড়।
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির রাজধানী পুণ্ড্রনগর বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত, যা বাংলার প্রাচীনতম নগরী।
- মৌর্য, গুপ্ত ও সেন আমলের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এবং ব্রাহ্মী লিপিতে খোদিত শিলালিপি এখানে পাওয়া গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়নামতি — এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত প্রাচীন সমতট অঞ্চলের একটি বৌদ্ধ সভ্যতার কেন্দ্র।
B) বিক্রমপুর — এটি বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলায় অবস্থিত প্রাচীন সেন ও চন্দ্র রাজবংশের রাজধানী।
C) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত পাল রাজবংশের তৈরি সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
পুণ্ড্রনগর ও মহাস্থানগড় একই স্থান, যা বগুড়ার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) আমাজান
কেন সঠিক:
- দৈর্ঘ্য বিবেচনায় আমাজান নদী পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং এটি দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত।
- পানি প্রবাহের পরিমাণ ও অববাহিকার আয়তনের দিক থেকে এটি পৃথিবীর বৃহত্তম নদী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল — এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী, তাই দ্বিতীয় দীর্ঘতম হিসেবে সঠিক নয়।
B) মিসিসিপি — এটি উত্তর আমেরিকার একটি প্রধান নদী এবং দীর্ঘতম নদীগুলোর তালিকায় এর অবস্থান আরও পরে।
C) আমাজান — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
D) সেন্ট লরেন্স — এটি উত্তর আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী তবে দৈর্ঘ্য বা আয়তনে এটি দ্বিতীয় দীর্ঘতম নয়।
মনে রাখার টিপস:
নদীর দৈর্ঘ্যের রাজা নীল নদ প্রথম, আর ঠিক তার পরেই দ্বিতীয় স্থানে আছে আমাজান নদী।
সঠিক উত্তর: D) চীন
কেন সঠিক:
- চীন বিশ্বে সর্বোচ্চ পরিমাণ কয়লা উৎপাদনকারী দেশ এবং বৈশ্বিক উৎপাদনের সিংহভাগ তাদের দখলে রয়েছে।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প কারখানার জ্বালানি হিসেবে কয়লা ব্যবহারে চীন বিশ্বে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম প্রধান কয়লা উৎপাদনকারী দেশ হলেও চীনের তুলনায় উৎপাদনের পরিমাণ কম।
B) ভারত — ভারত কয়লা উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে থাকলেও চীনের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
C) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া মূলত কয়লা রপ্তানিতে এগিয়ে থাকলেও মোট উৎপাদনের দিক থেকে চীনের পেছনে রয়েছে।
D) চীন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
কয়লা উৎপাদনে চীন চিন চিন করে সবার চেয়ে এগিয়ে আছে।
সঠিক উত্তর: A) হামিদুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও স্থপতি ছিলেন ভাস্কর হামিদুর রহমান।
- তাঁর নকশায় শহীদ মিনারের বেদীতে বাংলা বর্ণমালা এবং ভাষা আন্দোলনের প্রতীকী তাৎপর্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হামিদুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) হামিদুজ্জামান — তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত ভাস্কর হলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি নন।
C) তানভীর কবির — তিনি এই ঐতিহাসিক স্থাপনার নকশা প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
D) অস্কার বাদক — এই নামের কোনো ব্যক্তি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে পরিচিত নন।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ মিনারের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের কথা মনে রাখলেই স্থপতি হামিদুর রহমানের নাম সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) আওরঙ্গবাদ দুর্গ
কেন সঠিক:
- মোঘল সুবাদার প্রিন্স মোহাম্মদ আজম শাহ ১৬৭৮ সালে এই দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন এবং তখন এর নাম রাখা হয় আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- পরবর্তীতে দুর্গের নির্মাণকাজ অসমাপ্ত রেখে তিনি চলে যান এবং শায়েস্তা খাঁ দায়িত্ব গ্রহণ করার পর এর নামকরণ করেন লালবাগ দুর্গ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাহাঙ্গীর দুর্গ — এটি সঠিক নয় কারণ মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুਸারে ঢাকার কোনো প্রধান দুর্গের নামকরণ করা হয়নি।
B) আওরঙ্গবাদ দুর্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সম্রাট আওরঙ্গজেবের নামানুਸারে দুর্গের এই পূর্ব নাম রাখা হয়েছিল।
C) আজম দুর্গ — এটি ভুল কারণ প্রিন্স আজম শাহের নামানুਸারে দুর্গের নাম আজম দুর্গ রাখা হয়নি, বরং তার পিতার নামানুਸারে আওরঙ্গবাদ রাখা হয়েছিল।
D) পরিবিবির দুর্গ — এটি ভুল কারণ পরিবিবির মাজার এই দুর্গের ভেতরে অবস্থিত হলেও এটি দুর্গের পূর্ব নাম ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
সম্রাট আওরঙ্গজেবের নামানুਸারে লালবাগ দুর্গের পূর্ব নাম ছিল আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
সঠিক উত্তর: B) সুবর্ণগ্রাম
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায় যে প্রাচীনকালে সোনারগাঁও এলাকার নাম সুবর্ণগ্রাম ছিল।
- সুবর্ণগ্রাম কথাটির অর্থ সোনা বা স্বর্ণের গ্রাম, যা পরবর্তীকালে পরিবর্তিত হয়ে সোনারগাঁও নামে পরিচিতি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্রদ্বীপ — এটি বর্তমান বরিশাল অঞ্চলের একটি প্রাচীন নাম, সোনারগাঁওয়ের পূর্ব নাম নয়।
B) সুবর্ণগ্রাম — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সোনারগাঁওয়ের ঐতিহাসিক পূর্ব নাম।
C) সুধারাম — এটি নোয়াখালী জেলার মাইজদীর প্রাচীন নাম, যা সোনারগাঁওয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) গৌড় — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক জনপদ ও রাজধানী।
মনে রাখার টিপস:
সুবর্ণ মানে সোনা, তাই সুবর্ণগ্রাম হলো সোনারগাঁও।
সঠিক উত্তর: C) শায়েস্তা খান
কেন সঠিক:
- ১৬৭৬ সালে সুবেদার শায়েস্তা খানের আমলে ঐতিহাসিক চকবাজার ও চক মসজিদ নির্মিত হয়।
- মুঘল আমলে ঢাকার প্রশাসনিক কেন্দ্র ও স্থাপত্য উন্নয়নে শায়েস্তা খানের বিশেষ অবদান ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মীর জুমলা — তিনি বাংলার মুঘল সুবেদার ছিলেন এবং বুড়িগঙ্গার সেতু বা গেণ্ডিয়া সড়ক নির্মাণ করলেও চক মসজিদ নির্মাণ করেননি।
B) ইসলাম খান — তিনি প্রথম ঢাকাকে মুঘল বাংলার রাজধানী করেন এবং লালবাগ কেল্লার আগের জামে মসজিদ বা দুর্গ নির্মাণ করেন, চক মসজিদ নয়।
D) মুরশীল কুলি খান — তিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব ও দেওয়ান ছিলেন এবং রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
মনে রাখার টিপস:
শায়েস্তা খানের আমল মানেই ঢাকায় মুঘল স্থাপত্যের প্রসার, তাই ঢাকার বিখ্যাত চক মসজিদ তার আমলেই নির্মিত।
সঠিক উত্তর: C) ময়নামতিতে
কেন সঠিক:
- অষ্টম শতাব্দীতে দেববংশের রাজা শ্রীভাট্রদেব ময়নামতির লালমাই পাহাড়ে শালবন বিহার নির্মাণ করেন।
- এটি প্রাচীন সমতট অঞ্চলের বৌদ্ধ সভ্যতার অন্যতম প্রধান নিদর্শন ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাহাড়পুরে — এটি অষ্টম শতাব্দীতে পালবংশের রাজা ধর্মপালের প্রতিষ্ঠিত সোমপুর মহাবিহারের অবস্থান, শালবন বিহারের নয়।
B) নাটোরে — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যা নাটোর রাজবাড়ার জন্য বিখ্যাত, প্রাচীন শালবন বিহার এখানে অবস্থিত নয়।
C) ময়নামতিতে — এটি সঠিক উত্তর।
D) রাঙ্গামাটিতে — এটি পাহাড়ি জেলা যা কাপ্তাই হ্রদের জন্য পরিচিত, প্রাচীন শালবন বিহারের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
শালবন বিহার মানেই ময়নামতির লালমাই পাহাড়, যা অষ্টম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) ইয়াংসিকিয়াং
কেন সঠিক:
- ইয়াংসিকিয়াং নদী চীনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এবং এটি এশিয়া মহাদেশের দীর্ঘতম ও বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এই নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ছয় হাজার তিনশো কিলোমিটার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হোয়াংহো — এটি চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং একে পীত নদী বলা হয়, যা এশিয়া মহাদেশের দীর্ঘতম নদী নয়।
B) ইয়াংসিকিয়াং — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) গঙ্গা — এটি বাংলাদেশ ও ভারতের একটি প্রধান নদী, তবে এর দৈর্ঘ্য ইয়াংসিকিয়াং নদীর তুলনায় অনেক কম।
D) সিন্ধু — এটি পাকিস্তান ও ভারতের একটি দীর্ঘ নদী, কিন্তু এশিয়া মহাদেশের দীর্ঘতম নদী হিসেবে এটি বিবেচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার দীর্ঘ মনে রাখতে ইয়াংসিকিয়াং নামের দীর্ঘ উচ্চারণটি মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) খাসির মাংস
কেন সঠিক:
- খাসির মাংসে প্রচুর পরিমাণে ক্ষতিকর চর্বি বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে যা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়।
- লাল মাংসে উচ্চমাত্রায় কোলেস্টেরল থাকায় হৃদরোগের ঝুঁকি এড়াতে এটি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলে মাছ — এটি সামুদ্রিক বা দেশীয় ছোট মাছ হওয়ায় এতে ক্ষতিকর চর্বি বা কোলেস্টেরল থাকে না, তাই এটি খাওয়া যায়।
B) পালংশাক — এটি শাকসবজি এবং এতে কোনো কোলেস্টেরল থাকে না, বরং এটি শরীরের জন্য উপকারী ফাইবার ও খনিজ সরবরাহ করে।
C) খাসির মাংস — এটি অতিরিক্ত মাত্রায় চর্বিযুক্ত লাল মাংস হওয়ায় রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) মুরগীর মাংস — এর মাংসে চর্বির পরিমাণ খাসির মাংসের তুলনায় অনেক কম থাকে এবং এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যায়।
মনে রাখার টিপস:
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে লাল মাংস বা খাসির মাংস এড়িয়ে চলুন এবং শাকসবজি ও চর্বিহীন মাছ বা মুরগির মাংস বেছে নিন।
সঠিক উত্তর: A) সূর্যগ্রহণ
কেন সঠিক:
- সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চন্দ্র সোজাসুজি অবস্থান করলে চাঁদের ছায়া পৃথিবীর ওপর পড়ে।
- এই অবস্থানের কারণে পৃথিবী থেকে সূর্য সাময়িকভাবে ঢাকা পড়ে যায়, যা সূর্যগ্রহণ নামে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সূর্যগ্রহণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই অবস্থানে সূর্য ঢাকা পড়ে।
B) চন্দ্রগ্রহণ — এটি ভুল কারণ চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্য ও চন্দ্রের মাঝে পৃথিবী অবস্থান করে।
C) অমাবস্যা — এটি তিথির নাম, যদিও সূর্যগ্রহণের দিন অমাবস্যা হয় তবে এটি সরাসরি এই ভৌত অবস্থানের প্রধান ফল নয়।
D) কোনোটিই নয় — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান।
মনে রাখার টিপস:
মাঝখানে চন্দ্র থাকলে সূর্যগ্রহণ এবং মাঝখানে পৃথিবী থাকলে চন্দ্রগ্রহণ হয়।
সঠিক উত্তর: A) হিসাবকারী যন্ত্র
কেন সঠিক:
- কম্পিউটার শব্দটি এসেছে ইংরেজি কম্পিউট শব্দ থেকে যার অর্থ গণনা করা বা হিসাব করা।
- প্রাচীনকালে মূলত গাণিতিক হিসাব-নিকাশ দ্রুত করার জন্যই কম্পিউটার আবিষ্কার করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিসাবকারী যন্ত্র — এই উত্তরটি সঠিক কারণ কম্পিউটারের মূল কাজ হলো ডেটা প্রসেসিং বা হিসাব নিকাশ করা।
B) সিদ্ধান্ত গ্রহণের যন্ত্র — কম্পিউটার নিজে থেকে কোনো স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, মানুষের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে।
C) সমস্যা সমাধানের যন্ত্র — এটি নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও কম্পিউটার মূলত একটি অতি দ্রুত হিসাব করার ইলেকট্রনিক যন্ত্র।
D) হিসাব পরীক্ষার যন্ত্র — এটি কম্পিউটারের কোনো নির্দিষ্ট বা প্রাথমিক সংজ্ঞা নয়, এটি কাজের একটি অংশ মাত্র।
মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটার শব্দটির উৎপত্তি হিসাব করা থেকে, তাই এটি মূলত একটি হিসাবকারী যন্ত্র।
সঠিক উত্তর: C) ট্যাকোমিটার
কেন সঠিক:
- ট্যাকোমিটার হলো এমন একটি যন্ত্র যা কোনো যানের, বিশেষ করে উড়োজাহাজ বা মোটর গাড়ির ইঞ্জিন প্রতি মিনিটে কতবার ঘোরে তা পরিমাপ করে।
- এর মাধ্যমে ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি বা আরপিএম নিখুঁতভাবে জানা যায়, যা উড়োজাহাজ চালানোর সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রনোমিটার — এটি অত্যন্ত নিখুঁত সময় পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত এক ধরণের বিশেষ ঘড়ি, যা সমুদ্রের মাঝে জাহাজের দ্রাঘিমা নির্ণয়ে কাজে লাগে।
B) ওডোমিটার — এটি মোটর গাড়ি বা অন্যান্য যানের চাকার ঘূর্ণন গণনা করে অতিক্রান্ত মোট দূরত্ব পরিমাপ করে।
D) ক্রেসকোগ্রাফ — এটি জগদীশ চন্দ্র বসু কর্তৃক উদ্ভাবিত উদ্ভিদ বা গাছের বৃদ্ধির হার নিখুঁতভাবে পরিমাপ করার যন্ত্র।
মনে রাখার টিপস:
ট্যাকো শব্দটির সাথে গতি বা ঘূর্ণনের সম্পর্ক আছে, তাই উড়োজাহাজের গতি বা ইঞ্জিনের ঘূর্ণন মাপতে ট্যাকোমিটার ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
কেন সঠিক:
- বায়ুতে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান নিজ নিজ রাসায়নিক ধর্ম বজায় রেখে মিশে থাকে।
- উপাদানগুলো নির্দিষ্ট কোনো অনুপাতে রাসায়নিকভাবে যুক্ত হয় না বলে বায়ুকে মিশ্র পদার্থ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ — যৌগিক পদার্থে উপাদানগুলো নির্দিষ্ট অনুপাতে রাসায়নিক বন্ধনে আবদ্ধ থাকে, যা বায়ুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ — মৌলিক পদার্থ কেবল একটিমাত্র উপাদান দিয়ে গঠিত হয়, কিন্তু বায়ুতে একাধিক ভিন্ন গ্যাস থাকে।
C) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ — প্রদত্ত উত্তর সঠিক হওয়ায় এটি সঠিক অপশন হিসেবে গণ্য।
D) উপরের কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
যৌগে উপাদানগুলো রাসায়নিকভাবে আটক থাকে, আর মিশ্রণে উপাদানগুলো শুধু পাশাপাশি মিশে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) খাগড়াছড়ি
কেন সঠিক:
- হালদা নদী চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এবং এর অববাহিকা বা উপত্যকাটি খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক অবস্থান ও পাহাড়ি উপত্যকার বিন্যাস অনুযায়ী এই অঞ্চলটি খাগড়াছড়ি জেলার অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাঙ্গামাটি — এটি রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত নয়, কারণ রাঙ্গামাটির প্রধান নদী হলো কর্ণফুলী ও মাইনী।
B) খাগড়াছড়ি — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই জেলার ভৌগোলিক সীমার ভেতরে অবস্থিত।
C) বান্দরবান — এটি বান্দরবান জেলার অংশ নয়, বান্দরবানের প্রধান নদী মাতামুহুরী ও সাঙ্গু।
D) সন্দ্বীপ — এটি কোনো পাহাড়ি উপত্যকা নয়, বরং এটি চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপকূলীয় দ্বীপ।
মনে রাখার টিপস:
হালদা নদী পাহাড়ি অঞ্চলের যে জেলায় বেশি বিস্তৃত, তার নাম মনে রাখতে "হালদা ভ্যালী মানেই খাগড়াছড়ি" এই মিলটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) বেশি হয়
কেন সঠিক:
- প্রেসার কুকারের ভেতরে বায়ু রুদ্ধ করে চাপ বৃদ্ধি করা হয়, ফলে উচ্চ চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায়।
- পানির স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পাওয়ায় খাবার দ্রুত সিদ্ধ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম হয় — চাপ কমলে স্ফুটনাঙ্ক কমে, কিন্তু প্রেসার কুকারে চাপ বেশি থাকে।
B) বেশি হয় — এটি সঠিক কারণ, উচ্চ চাপের কারণে এখানে পানির স্ফুটনাঙ্ক সাধারণ অবস্থার চেয়ে বেশি হয়।
C) ঠিক থাকে — চাপ পরিবর্তনের ফলে স্ফুটনাঙ্ক কখনো ঠিক থাকে না, বরং পরিবর্তিত হয়।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রেসার মানে চাপ বেশি, তাই স্ফুটনাঙ্ক ও রান্নার গতিও বেশি।
সঠিক উত্তর: C) শীতকালীন শস্য
কেন সঠিক:
- রবিশস্য বলতে কার্তিক থেকে মাঘ মাসের মধ্যে উৎপাদিত কৃষিপণ্যকে বোঝায়।
- শীতকালে এই ফসল চাষ করা হয় এবং বসন্তকালের শেষের দিকে এগুলো সংগ্রহ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রীষ্মকালীন শস্য — গ্রীষ্মকালে উৎপাদিত ফসলকে রবিশস্য বলা হয় না, এগুলোকে খরিফ শস্য বলা হয়।
B) বর্ষাকালীন শস্য — বর্ষাকালে উৎপাদিত ফসল রবিশস্য নয়, এটি খরিফ শস্যের অন্তর্ভুক্ত।
C) শীতকালীন শস্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ রবিশস্য বলতে প্রধানত শীতকালীন ফসলকেই বোঝানো হয়।
D) যে কোনো সময়ের শস্য — রবিশস্য নির্দিষ্ট একটি মৌসুমের ফসল, এটি সারা বছর উৎপাদিত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
রবি মানে সূর্য, শীতকালে মিষ্টি রোদের আলোয় এই ফসল চাষ হয় বলে একে রবিশস্য বলে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) ফুসফুস
কেন সঠিক:
- নিউমোনিয়া হলো এক ধরনের ফুসফুসের সংক্রমণ যা ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের কারণে ঘটে।
- এই রোগে ফুসফুসের বায়ুথলিগুলো তরল বা পুজে পূর্ণ হয়ে যায়, ফলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুসফুস — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউমোনিয়া সরাসরি ফুসফুসকে আক্রমণ করে।
B) কিডনি — এটি রক্ত ফিল্টার করে মূত্র তৈরি করে, যা নিউমোনিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) যকৃত — এটি মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি এবং বিপাক ক্রিয়ায় অংশ নেয়, যা নিউমোনিয়া আক্রান্ত করে না।
D) প্লীহা — এটি লসিকাতন্ত্রের অংশ এবং রক্ত ফিল্টার করে, ফুসফুসের সংক্রমণের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
নিউমোনিয়া মানেই ফুসফুসের রোগ, মনে রাখবেন নিশ্বাস বা ফুসফুসের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) হাম
কেন সঠিক:
- হাম একটি অতি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ যা আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি ও কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।
- এটি মূলত বায়ুর মাধ্যমে সুস্থ মানুষের শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডায়রিয়া — এটি মূলত খাদ্য ও পানির মাধ্যমে ছড়ানো একটি জলবাহিত রোগ, বায়ুবাহিত নয়।
B) কলেরা — এটি পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়, যা জলবাহিত ও খাদ্যবাহিত ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ।
C) হাম — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) জন্ডিস — এটি সাধারণত দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে বা রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়, বায়ুর মাধ্যমে নয়।
মনে রাখার টিপস:
সর্দি, কাশি এবং হাম বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়, তাই এগুলো বায়ুবাহিত রোগ।
সঠিক উত্তর: A) আলো
কেন সঠিক:
- পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, ওজন ও স্থান দখল করার ক্ষমতা থাকে, কিন্তু আলোর কোনো ভর বা ওজন নেই এবং এটি স্থান দখল করে না।
- আলো হলো শক্তির একটি রূপ, যা চোখে অনুভূতির সৃষ্টি করে কিন্তু নিজে কোনো জড় পদার্থ নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলো — এটি শক্তির একটি রূপ এবং এর কোনো ভর বা ওজন নেই, তাই এটি পদার্থ নয়।
B) অক্সিজেন — এটি একটি গ্যাসীয় মৌলিক পদার্থ, যার নির্দিষ্ট ভর ও স্থান দখল করার ক্ষমতা রয়েছে।
C) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের একটি প্রধান গ্যাসীয় পদার্থ, যার ওজন এবং আয়তন রয়েছে।
D) পানি — এটি একটি রাসায়নিক যৌগ এবং তরল পদার্থ, যা নির্দিষ্ট স্থান দখল করে ও যার ভর আছে।
মনে রাখার টিপস:
যার ওজন আছে এবং জায়গা দখল করে সে পদার্থ, আর আলো হলো শক্তি যা পদার্থ নয়।
সঠিক উত্তর: B) কালো
কেন সঠিক:
- কালো রঙের বস্তু দৃশ্যমান আলোর প্রায় সব অংশই শোষণ করে নেয় এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করে না।
- আলো শোষণের ফলে বস্তুর ভেতরে তাপশক্তি জমা হয়, তাই কালো বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাদা — সাদা রঙের বস্তু প্রায় সব আলোই প্রতিফলিত করে, তাই এর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম।
B) কালো — এটি সঠিক উত্তর কারণ কালো রঙ আলো প্রতিফলিত না করে সম্পূর্ণ শোষণ করে।
C) বেগুনি — বেগুনি রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম এবং এটি সাদা বা কালোর মতো চরম তাপ শোষণকারী নয়।
D) লাল — লাল রঙের বস্তু মূলত লাল আলো প্রতিফলিত করে এবং অন্যান্য রঙের আলো শোষণ করে, যা কালোর মতো সম্পূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাদা রঙ আলো ফিরিয়ে দেয় তাই গরম কম লাগে, আর কালো রঙ আলো গিলে খায় তাই তাপ বেশি শোষণ করে।
সঠিক উত্তর: A) অ্যালুমিনিয়াম
কেন সঠিক:
- ভূ-পৃষ্ঠে বা ভূত্ওয়াকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা ধাতু হলো অ্যালুমিনিয়াম, যার পরিমাণ প্রায় আট শতাংশ।
- সামগ্রिकভাবে ভূত্ওয়াকে সবচেয়ে বেশি মৌল অক্সিজেন ও সিলিকন থাকার পরও ধাতু হিসেবে অ্যালুমিনিয়াম প্রথম স্থানে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ্যালুমিনিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভূ-পৃষ্ঠে এর পরিমাণ অন্যান্য ধাতুর তুলনায় সবচেয়ে বেশি।
B) তামা — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাতু হলেও ভূ-পৃষ্ঠে এর পরিমাণ অ্যালুমিনিয়ামের তুলনায় অনেক কম।
C) সীসা — এটি একটি ভারী ধাতু এবং ভূ-ত্বকে এর প্রাচুর্য অ্যালুমিনিয়ামের তুলনায় খুবই নগণ্য।
D) দস্তা — এটি ভূ-পৃষ্ঠে প্রাপ্ত একটি সাধারণ ধাতু হলেও অ্যালুমিনিয়ামের মতো এত বেশি পরিমাণে থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
ভূত্সারের ধাতুতে আ দিয়ে অ্যালুমিনিয়াম মনে রাখুন, যা তালিকার শীর্ষে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) বালি
কেন সঠিক:
- কাচ উৎপাদনের প্রধান ও মূল কাঁচামাল হলো সিলিকা বা বালি।
- বালির সাথে সোডা অ্যাশ ও চুনাপাথর মিশিয়ে উচ্চ তাপমাত্রায় গলিয়ে কাচ তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চুনাপাথর — এটি কাচ তৈরির অন্যতম উপাদান হলেও প্রধান কাঁচামাল বালি।
B) জিপসাম — এটি প্রধানত সিমেন্ট শিল্প ও প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, কাচে নয়।
C) বালি — এটি সঠিক উত্তর।
D) সাজি মাটি — এটি একসময় সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হতো, কাচ তৈরিতে নয়।
মনে রাখার টিপস:
কাচের মূল উপাদান হলো বালি, মনে রাখতে বালুর সাথে সোডা মিশিয়ে কাচ তৈরি হয়।
সঠিক উত্তর: B) লাল আলোতে
কেন সঠিক:
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ক্লোরোফিল দৃশ্যমান আলোর লাল এবং নীল অংশ সবচেয়ে বেশি শোষণ করে।
- লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণের হার সবচেয়ে বেশি এবং সবুজ আলোতে সবচেয়ে কম হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবুজ আলোতে — ক্লোরোফিল সবুজ আলো শোষণ না করে তা প্রতিফলিত করে, তাই এ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম হয়।
B) লাল আলোতে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) নীল আলোতে — নীল আলোতেও সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয়, তবে লাল আলোর তুলনায় এর পরিমাণ কিছুটা কম।
D) বেগুনি আলোতে — বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম থাকায় এই আলোতে সালোকসংশ্লেষণের হার লাল বা নীল আলোর মতো বেশি হয় না।
মনে রাখার টিপস:
লাল রঙে রস বেশি, তাই সালোকসংশ্লেষণ লাল আলোতে বেশি হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৮ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালনের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- নারীর অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দিতে এই দিনটি নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ মার্চ — এই দিনটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের সঙ্গে জড়িত, আন্তর্জাতিক নারী দিবস নয়।
B) ৮ মার্চ — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত সঠিক দিন।
C) ৯ মার্চ — এই তারিখের সঙ্গে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) ১০ মার্চ — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মাস মার্চ এবং তারিখটি ৮, যা বছরের তৃতীয় মাসের প্রথম আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) হৃৎপিণ্ডের সংকোচন চাপ
কেন সঠিক:
- সিস্টোলিক চাপ হলো রক্তচাপ পরিমাপের সময় ওপরের সংখ্যাটি, যা হৃৎপিণ্ডের নিলয়ের সংকোচনের সময় ধমনীতে তৈরি হয়।
- এই সংকোচনের ফলে হৃৎপিণ্ড থেকে সারা শরীরে রক্ত জোরালোভাবে পাম্প হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হৃৎপিণ্ডের সংকোচন চাপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সিস্টোলিক চাপ হৃৎপিণ্ডের সংকোচনের অবস্থাকে নির্দেশ করে।
B) হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ চাপ — এটি ভুল কারণ হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ চাপকে ডায়াস্টোলিক চাপ বলা হয়।
C) হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণ চাপ — এটি ভুল কারণ সংকোচন ও প্রসারণ চাপ একসাথে বোঝাতে ব্লাড প্রেশারের পূর্ণাঙ্গ মান বোঝায়, একে এককভাবে সিস্টোলিক বলা যায় না।
D) কোনোটিই নয় — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সিস্টোলিক মানে সংকোচন বা ওপরে থাকা বড় সংখ্যাটি, আর ডায়াস্টোলিক মানে প্রসারণ বা নিচে থাকা ছোট সংখ্যাটি।
সঠিক উত্তর: C) বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
যে সমসে সমস্যমান পদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ করে এবং সমস্ত পদটি একটি বিশেষণ পদে পরিণত হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
আশীবিষ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো আশীতে বিষ যার। এর দ্বারা দাঁতে বিষ আছে এমন কোনো প্রাণীকে বোঝায় না, বরং নির্দিষ্টভাবে সাপকে বোঝানো হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য থাকে না, সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ পায়।
আশীবিষ শব্দটিতে আশী শব্দের অর্থ দাঁত এবং বিষ শব্দের অর্থ গরল। সমস্ত পদে সাপ অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিনা পানিতে যার = বিনা পানি
ব্যাখ্যা: এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যেখানে বীণাপাণি বলতে দেবী সরস্বতীকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: হিরণ্য কশিপু যার = হিরণ্যকশিপু
ব্যাখ্যা: এটিও বহুব্রীহি সমাসের একটি বিশেষ রূপ যা নতুন অর্থ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এই পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে নেই।
C) বহুব্রীহি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অন্য পদকে নির্দেশ করে।
D) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের পূর্বে বসে অব্যয়ীভাব সমাস হয়, যা আশীবিষ শব্দের গঠনে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্যাসবাক্যের শেষে যদি যার, যাতে বা যদ্দ্বারা থাকে এবং সমস্ত পদটি অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে তবে চোখ বন্ধ করে বহুব্রীহি সমাস দাগাবে।
শরীর বা অঙ্গসংক্রান্ত শব্দ যেমন আশী বা দাঁত দিয়ে কোনো প্রাণীকে বোঝালে তা সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্রীহি সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
নিয়ম মনে রাখার জন্য খেয়াল রাখবে যে পদের ব্যাসবাক্যে যার বা যাতে থাকে এবং নতুন অর্থ আসে তা বহুব্রীহি।
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম
১. কেন সঠিক:
- ফণিমনসা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত কিশোর উপযোগী কাব্যগ্রন্থ।
- ফণিমনসা একটি ক্যাকটাস জাতীয় গাছ, যার নামানুসারে কবি এই নামকরণ করেছেন এবং এর মাধ্যমে কাব্যটির বিষয়বস্তু নির্ধারণ করা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার হিসেবে পরিচিত।
- ফণিমনসা কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত তার শিশুতোষ ও কিশোর উপযোগী রচনার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঝিঙে ফুল
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত প্রকৃতিবিষয়ক কিশোর কবিতা ও কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: সিন্ধু নদ
ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের আরেকটি সুপরিচিত কবিতা যা তার বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যটি তারই রচনা।
B) আহসান হাবিব — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা কবি হলেও এই কাব্যটি তার লেখা নয়।
C) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার হলেও ফণিমনসা কাব্যের রচয়িতা নন।
D) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক, সম্পাদক ও কবি হিসেবে পরিচিত, এই কাব্যের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের শিশুতোষ ও কিশোর উপযোগী কাব্য মনে রাখার জন্য ফণিমনসা এবং ঝিঙে ফুল নাম দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিদের কিশোর উপযোগী কাব্যগ্রন্থ বা নাটক থেকে প্রশ্ন আসে। তাই নজরুলের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
ভানুসিংহ হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছদ্মনাম। তিনি কৈশোরে বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে মৈথিলী বা ব্রজবুলি ভাষায় কিছু পদ রচনা করেছিলেন এবং এই ছদ্মনামে তা প্রচার করতেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ই মে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪১ সালের ৭ই আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনামে লিখেছিলেন।
উদাহরণ ২: বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের দেওয়া উপাধি এবং তাঁর নিজস্ব লেখার বাইরেও লেখকরা অনেক সময় ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও তাঁর ছদ্মনাম ভানুসিংহ নয়।
C) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বীরবল ছদ্মনামে প্রবন্ধ ও লেখালেখি করতেন।
D) টেকচাঁদ ঠাকুর — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম যিনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
রবি ঠাকুরের ভানুসিংহ মনে রাখার সহজ উপায় হলো রবি বা সূর্য থেকে ভানু শব্দটি এসেছে। ভানু অর্থ সূর্য এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামের সঙ্গে এর মিল রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন লেখকের ছদ্মনাম প্রায়ই আসে। যেমন প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এবং প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর।
সঠিক উত্তর: A) একাগ্রচিত্ত
১. কেন সঠিক:
- 'এক বিষয়ে যার চিত্ত নিবিষ্ট' এই বাক্যাংশটির সংকুচিত বা সংক্ষিপ্ত রূপ হলো 'একাগ্রচিত্ত'।
- এখানে 'এক' এবং 'অগ্র' (সম্মুখ বা মূল লক্ষ্য) এবং 'চিত্ত' (মন) শব্দগুলোর সমন্বয়ে নির্দিষ্ট কোনো একটি বিষয়ে মনকে নিবদ্ধ করার ভাব প্রকাশ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাকসংক্ষেপ হলো ব্যাকরণের এমন একটি অংশ, যেখানে একটি বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও জোরালো করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্য দিকে মন যার
ব্যাখ্যা: এটি এককথায় প্রকাশ করলে হয় 'অন্যমনা', যা মনোযোগের অনুপস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: যা বলা হয়নি
ব্যাখ্যা: এটি এককথায় প্রকাশ করলে হয় 'অকথিত', যা অব্যক্ত কোনো বিষয়কে নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একাগ্রচিত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) একমনা — এটি সাধারণ অর্থে একমুখী মনকে বোঝায়, কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে গভীরভাবে চিত্ত নিবিষ্ট থাকা অর্থে 'একাগ্রচিত্ত' বেশি নিখুঁত ও প্রমিত।
C) অন্যমনা — এর অর্থ যার মন অন্য দিকে নিবিষ্ট বা অমনোযোগী, যা মূল প্রশ্নের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) মনোযোগী — এটি একটি সাধারণ বিশেষণ পদ যার অর্থ যে খুব মনোযোগ দিয়ে কাজ করে, কিন্তু এটি নির্দিষ্ট কোনো বাক্যসংক্ষেপের সঠিক এককথায় প্রকাশ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- এক বিষয়ে বা এক লক্ষ্যে মন থাকলে তাকে 'একাগ্রচিত্ত' বলা হয় এবং অন্য দিকে মন চলে গেলে তাকে 'অন্যমনা' বলা হয়।
- বাকসংক্ষেপ মুখস্থ করার সময় মূল বাক্যের মূল শব্দ এবং শেষের পদের মেলবন্ধন খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাকসংক্ষেপ বা এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- মানসিক একাগ্রতা বা মনোযোগ সংক্রান্ত শব্দগুলো প্রায়ই কাছাকাছি মনে হয়, তাই অর্থ বুঝে সঠিক শব্দটি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) পণ্ডিতম্মন্য
১. কেন সঠিক:
- নিজেকে নিজে পণ্ডিত মনে করা বা জাহির করা বোঝাতে এককথায় প্রকাশ হিসেবে পণ্ডিতম্মন্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- এখানে মূল কথা হলো আত্মঅহংকার বা নিজে জ্ঞানী এমন ভান করা, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বাক্য সংকোচন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- অনেক বা দীর্ঘ বাকyr ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে এককথায় প্রকাশ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আপনাকে পণ্ডিত মনে করে যে = পণ্ডিতম্মন্য
ব্যাখ্যা: এই বাক্যটির সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ও প্রমিত রূপ হলো পণ্ডিতম্মন্য।
উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি = অদৃষ্টপূর্ব
ব্যাখ্যা: এই বাক্যটির সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করার জন্য অদৃষ্টপূর্ব শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অতিপণ্ডিত - এর অর্থ হলো যে ব্যক্তি খুব বেশি পণ্ডিত, কিন্তু এটি বাক্যটির ভাব পুরোপুরি প্রকাশ করে না।
B) মহাপণ্ডিত - এর অর্থ হলো মহান বা বিশাল জ্ঞানের অধিকারী পণ্ডিত ব্যক্তি, যা আত্মঅহংকার প্রকাশ করে না।
C) পণ্ডিত নেতা - এর অর্থ হলো যিনি পণ্ডিতদের নেতা বা প্রধান, এটি নির্দিষ্ট কোনো এককথায় প্রকাশের সঠিক রূপ নয়।
D) পণ্ডিতম্মন্য - এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নিজেকে পণ্ডিত মনে করার ভাবটি প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মন্য শব্দটির অর্থ হলো মনে করা বা ভাবা।
- নিজের নামের সঙ্গে পণ্ডিত যোগ করে নিজেকে বড় ভাবা এভাবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে।
- অহংকার বা আত্মপ্রীতি বোঝাতে মন্য প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেমন মান্যম্মন্য বা অন্য শব্দগুলো খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) চুরি করা
১. কেন সঠিক:
- চক্ষুদান করা বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ চোখ দান করা হলেও, বিশেষ অর্থে এটি চুরি করা বা আত্মসাৎ করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ভাষায় অনেক বাগধারা তাদের শাব্দিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ রূপক বা ভাবার্থ প্রকাশ করে, এক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
- বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা বাক্য বা বাক्याংশের ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে এবং এর উৎস মূলত মানুষের লোকজীবন ও সমাজের নানা অভিজ্ঞতা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ অপদার্থ বা অকেজো ব্যক্তি, যা সাধারণ অর্থ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভাব প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: ডুমুরের ফুল
ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ দুর্লভ বস্তু, যা সহজে দেখা যায় না এমন কিছুকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সচেতন করা — এই অর্থটি চোখের পলক পড়া বা সজাগ হওয়া অর্থে প্রযোজ্য হতে পারে, কিন্তু চক্ষুদান করা বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থ চুরি করা।
B) চক্ষু দান করা — এটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থ, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার শাব্দিক অর্থ গ্রহণযোগ্য নয়, এর ভাবার্থ ধরতে হয়।
D) এর কোনোটিই নয় — যেহেতু সি অপশনে সঠিক উত্তর চুরি করা বিদ্যমান রয়েছে, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চোখ দিয়ে মানুষ দেখে এবং মূল্যবান জিনিস পাহারা দেয়, তাই চোখ বা চক্ষু সংক্রান্ত কোনো কিছু গপচপ করে সরিয়ে ফেলা বা হাতিয়ে নেওয়া মানেই চুরি করা।
- পরীক্ষায় চোখ বা চক্ষু সংক্রান্ত বাগধারা আসলে সেগুলোর বিশেষ অর্থ যেমন চুরি করা বা ধ্বংস করা ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এমন বাগধারা আসে যার আক্ষরিক অর্থ এবং ভাবার্থ সম্পূর্ণ বিপরীত হয়।
- বাগধারার ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থে না গিয়ে সর্বদা তার প্রমিত ও প্রচলিত রূপক অর্থটি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রাচীন
১. কেন সঠিক:
'অর্বাচীন' শব্দের অর্থ হলো আধুনিক, নবীন বা সাম্প্রতিক। এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'প্রাচীন' শব্দটি, যার অর্থ পুরোনো বা প্রাচীনকালের।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন। ভাষার ভাবকে সুন্দর ও সমৃদ্ধ করতে বিপরীত শব্দের ব্যবহার অপরিহার্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অর্বাচীন চিন্তাভাবনা বাদ দিয়ে বাস্তববাদী হতে হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে অর্বাচীন শব্দটি আধুনিক বা অপরিপক্ক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: এটি একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শন।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রাচীন শব্দটি পুরোনো বা বহুদিনের পুরোনো অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিরপরাধ — এই শব্দটির অর্থ যার কোনো অপরাধ নেই এবং এর বিপরীত শব্দ অপরাধী।
B) প্রাচীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অর্বাচীন শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক।
C) অনুজ — এই শব্দটির অর্থ ছোট ভাই এবং এর বিপরীত শব্দ অগ্রজ।
D) অনভ্যাস — এই শব্দটির অর্থ অভ্যাসের অভাব এবং এর বিপরীত শব্দ অভ্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
অর্বাচীন মানে নতুন বা আধুনিক আর প্রাচীন মানে পুরোনো, তাই এরা একে অপরের বিপরীত। বিপরীত শব্দ মনে রাখতে শব্দের মূল অর্থ ও উৎস মনে রাখা সবচেয়ে ভালো উপায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি। একই নিয়মে নবীন শব্দের বিপরীত শব্দ প্রবীণ এবং আধুনিক শব্দের বিপরীত শব্দ প্রাচীন হয়।
সঠিক উত্তর: D) তমসা
১. কেন সঠিক:
- তমসা শব্দের অর্থ হলো অন্ধকার, তিমির কিংবা আঁধার।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে এই শব্দটি প্রায়ই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়ে থাকে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম, তদ্ভব এবং দেশি-বিদেশি শব্দের ভাণ্ডার থেকে বিভিন্ন সমার্থক শব্দ তৈরি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিমির
ব্যাখ্যা: তিমির হলো অন্ধকারের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: আঁধার
ব্যাখ্যা: আঁধার হলো অন্ধকারের একটি বহুল প্রচলিত তদ্ভব রূপ বা সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাবক — পাবক শব্দের অর্থ হলো আগুন বা বহ্নি, যা অন্ধকারের সমার্থক শব্দ নয়।
B) মনোজ — মনোজ শব্দের অর্থ হলো যা মন থেকে জন্মায় অর্থাৎ কামদেব বা প্রীতি।
C) ধারাপাত — ধারাপাত হলো অঙ্ক শেখার বা গণিত চর্চার একটি প্রাথমিক বই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নদীর নাম তিমির বা অন্ধকারময় মনে রেখে তমসা শব্দটি সহজে মনে রাখা যায়।
- তমসা মানে অন্ধকার, এটি মনে রাখতে তিমির শব্দটির সাহায্য নিতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অন্ধকার শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দগুলো যেমন তিমির, তমসা, আঁধার এবং তমস ভালো করে মুখস্থ রাখবে।
- প্রতি বছর বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) উৎ + যোগ
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুযায়ী ত-বর্গীয় বা চ-বর্গীয় ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্বে যদি ত অথবা দ থাকে, তবে ত বা দ-এর স্থানে চ বা জ হয়। এখানে 'উদ্যোগ' শব্দটি ভাঙলে উৎ এবং যোগ পাওয়া যায়, যেখানে প্রথম পদের অন্তে থাকা 'ত' এবং দ্বিতীয় পদের আদিতে থাকা 'জ' মিলে জয (জ্জ) রূপ ধারণ করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। ত বা দ-এর পর জ থাকলে ত বা দ-এর স্থানে জ হয়, যা এই শব্দটিতে স্পষ্টভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৎ + জন = সজ্জন
ব্যাখ্যা: এখানে 'ত'-এর পরে 'জ' থাকার কারণে 'ত' পরিবর্তিত হয়ে 'জ' এ পরিণত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বিপদ্ + জাল = বিপজ্জাল
ব্যাখ্যা: এই উদাহরণটিতে 'দ'-এর পরে 'জ' থাকার কারণে 'দ' পরিবর্তিত হয়ে 'জ' এ রূপান্তরিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উদ + যোগ — বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী এই সন্ধিতে 'দ' এর পরিবর্তে 'ত' হওয়ার বিধান রয়েছে, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) উৎ + যোগ — এটি সঠিক অপশন এবং ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল।
C) উদ্যো + গ — 'উদ্যো' কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা উপসর্গ নয়, তাই এই সন্ধিটি অর্থহীন ও ব্যাকরণসিদ্ধ নয়।
D) উত + যোগ — 'উত' এর নিচে হসন্ত না থাকায় এবং প্রমিত বানানরীতি না মানায় এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হিসেবে গণ্য হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
উদ্যোগ শব্দটিতে যেহেতু জ্জ (জ+জ) আছে, তাই প্রথম অংশে 'উৎ' এবং দ্বিতীয় অংশে 'যোগ' বসবে মনে রাখবে। ত-এর পরে জ থাকলে ত স্থানে জ হয়, এই সূত্রটি মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি বারবার আসে। ত বা দ এর পর জ বা চ থাকলে প্রথম অংশ পরিবর্তনের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত পংক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'সবুজ অভিযান' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- কবির লেখনীতে যৌবনের উদ্দীপনা, প্রাণশক্তি এবং গতিশীলতার প্রতীক হিসেবে 'সবুজ' ও 'কাঁচা' শব্দের অসাধারণ প্রয়োগ ঘটেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যে সবুজ বলতে তারুণ্য, শক্তি এবং নতুন প্রাণের সঞ্চারকে বোঝানো হয়েছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কবিতায় প্রাচীন ও মৃতপ্রায় সংস্কারকে ভেঙে নতুন সমাজ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
- যেমন, এই কবিতায় 'আধ-মরাদের ঘা তুই বাঁচা' বলতে জরাগ্রস্ত ও নিষ্ক্রিয় মানুষদের মধ্যে জীবনের নতুন জোয়ার আনার কথা বলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটি তাঁরই সৃষ্টি।
- B) কাজী নজরুল ইসলাম — এই বিদ্রোহী কবি তারুণ্যের কথা বললেও আলোচ্য পংক্তিটি তাঁর নয়।
- C) গোলাম মোস্তফা — এই কবি মূলত ঐতিহ্য ও ইসলামী সংস্কৃতির গান লিখে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
- D) সুফিয়া কামাল — এই বিশিষ্ট নারী সাহিত্যিক মূলত প্রকৃতি ও মমত্ববোধের কবিতা লিখে পরিচিত হয়েছেন।
মনে রাখার টিপস:
- 'সবুজ', 'কাঁচা' ও 'অবুঝ' শব্দগুলো থাকলে সাধারণত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সবুজ অভিযান' কবিতাকে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অব্যয়ীভাব
১. কেন সঠিক:
অনুতাপ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো তাপের পশ্চাৎ। এখানে পশ্চাৎ অর্থে অনু উপসর্গটি অব্যয় হিসেবে পূর্বে বসে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। এখানে অনু উপসর্গটি পশ্চাৎ বা পেছনে অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ পদকে আচ্ছন্ন করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনুগমন (গমনের পশ্চাৎ)
ব্যাখ্যা: এখানে অনু উপসর্গটি পশ্চাৎ অর্থ প্রকাশ করে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: উপকূল (কুলের সমীপে)
ব্যাখ্যা: এখানে উপ অব্যয়টি সমীপে বা কাছে অর্থে ব্যবহৃত হয়ে অব্যয়ীভাব সমাস সৃষ্টি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব্যয়ীভাব — সঠিক উত্তর কারণ এখানে অনু অব্যয়টি পশ্চাৎ অর্থে যুক্ত হয়ে সমাস সাধন করেছে।
B) তৎপুরুষ — ভুল উত্তর কারণ তৎপুরুষ সমাসে বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) কর্মধারয় — ভুল উত্তর কারণ কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ বা রূপ বোঝায়, যা এখানে নেই।
D) বহুব্রীহি — ভুল উত্তর কারণ বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর বাইরে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যা এখানে ঘটেটনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
অনু, প্রতি, উপ, আ ইত্যাদি অব্যয় দিয়ে যদি কোনো শব্দের ব্যাসবাক্য শুরু হয় এবং তা পশ্চাৎ, সমীপে বা বিপ্সা বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তা অব্যয়ীভাব সমাস দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দ দিয়ে অব্যয়ীভাব সমাসের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই অনু, প্রতি ও উপ উপসাগরের সমাসবদ্ধ রূপগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী
কেন সঠিক:
১. বাক্যে আষাঢ় শব্দটি দ্বারা বৃষ্টি নামার সময় বা কাল নির্দেশ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কাল বা সময় বোঝালে অধিকরণ কারক হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা আধারকে ব্যাকরণে অধিকরণ কারক বলা হয়।
২. আষাঢ় শব্দের সাথে এ বা ৭মী বিভক্তি যুক্ত হয়ে সময় বোঝাচ্ছে।
৩. যেমন বনে বাঘ থাকে, এটি স্থানের অধিকরণ কারক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় ৭মী — কারণ এখানে বৃষ্টি পড়ার কাজটি সরাসরি আষাঢ় মাস করছে না, বরং এটি সময় বোঝাচ্ছে।
B) কর্মে ৭মী — কারণ যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তা কর্ম কারক নয়, এটি সময় নির্দেশক।
C) অপাদানে ৭মী — কারণ এখানে কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত বা ভীত হওয়া বোঝায়নি।
D) অধিকরণে ৭মী — কারণ এটি সঠিক নিয়মে সময় বা কাল বোঝাচ্ছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের ক্রিয়াকে কখন বা কোথায় দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে অধিকরণ কারক বলে।
সঠিক উত্তর: B) করণ কারকে ৭মী
১. কেন সঠিক:
বাক্যে যার সাহায্যে বা মাধ্যমে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে করণ কারক বলে।
এখানে 'শোকে' শব্দটি দ্বারা শোককে কাতর হওয়ার মাধ্যম বা উপায় হিসেবে বোঝানো হয়েছে এবং শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে যা ৭মী বিভক্তির রূপ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
করণ শব্দের অর্থ সাহায্য, উপায় বা মাধ্যম এবং ক্রিয়ার সঙ্গে যার দ্বারা বা যার মাধ্যমে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা করণ কারক।
বিভক্তির দিক থেকে শব্দের সঙ্গে এ, অ, তে ইত্যাদি যুক্ত থাকলে এবং তা স্থান, কাল বা মাধ্যম বোঝালে তা ৭মী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলমে লেখা ভালো।
ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম কলম হওয়ায় এটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: বন্যায় দেশ প্লাবিত হলো।
ব্যাখ্যা: প্লাবিত হওয়ার মাধ্যম বা কারণ বন্যা হওয়ায় এটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তৃ কারকে ২য়া — বাক্যে ক্রিয়া সম্পাদনকারীকে কর্তৃ কারক বলে এবং কর্মকারক ব্যতিরেকে অন্য কারকে ২য়া বিভক্তি সাধারণত হয় না, তাই এটি ভুল।
B) করণ কারকে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ শোকে শব্দটি কাতর হওয়ার মাধ্যম বা উপায় প্রকাশ করেছে এবং এতে ৭মী বিভক্তি রয়েছে।
C) অপাদান কারকে ৭মী — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা উৎপন্ন হয় তাকে অপাদান কারক বলে, কিন্তু এখানে কোনো বিচ্যুতি বা ভয় বোঝায়নি।
D) অধিকরণ কারকে ৭মী — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে, কিন্তু শোক কোনো স্থান বা সময় নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছু দ্বারা বা মাধ্যম বুঝিয়ে ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ পেলে করণ কারক হয়।
বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে করণ কারক সহজেই চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে যেখানে আবেগ বা মাধ্যমকে কারক হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
শোক, দুঃখ, আনন্দ ইত্যাদি শব্দ বাক্যে ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে করণ বা অপাদান কারক হতে পারে, তাই বাক্যটির অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মনীষা মনজুসা
১. কেন সঠিক:
- মনীষা মনজুসা গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
- এটি তাঁর একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ড. মুহম্মদ এনামুল হক একজন প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ, গবেষক ও ভাষা বিজ্ঞানী।
- তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য এবং ভাষা বিষয়ক গবেষণা বিশেষভাবে সমাদৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বখতিয়ার খিলজী ও বাংলা সাহিত্য
ব্যাখ্যা: এটি ড. মুহম্মদ এনামুল হকের অপর একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক গবেষণা গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: সুফি সাহিত্য
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে সুফি সাধনা ও তার প্রভাব নিয়ে রচিত তাঁর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষার ইতিবৃত্ত — এই গ্রন্থটির রচয়িতা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) আধুনিক ভাষাতত্ত্ব — এই গ্রন্থটি ড. মনিরুজ্জামানের রচিত, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) মনীষা মনজুসা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ড. মুহম্মদ এনামুল হকের রচনা।
D) বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান — এই মহাগ্রন্থটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক সংকলিত ও প্রকাশিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মনীষা মনজুসা নামের চমৎকার গবেষণা গ্রন্থটির লেখক এনামুল হক এটি মনে রাখতে নামের মিল বা ছক ব্যবহার করতে পারো।
- গবেষক এনামুল হকের নামের সাথে মনীষা শব্দটি মিলিয়ে এই গ্রন্থটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের গবেষণা গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ড. মুহম্মদ এনামুল হক ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ভাষা বিষয়ক গ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়লে পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) শশিভূষণ
১. কেন সঠিক:
শশিভূষণ শব্দটিতে শশি এবং ভূষণ দুটি অংশ রয়েছে। বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এখানে মূর্ধন্য ষ এবং দীর্ঘ ঊ-কার যুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানান নিয়মে তৎসম শব্দে ই, ঈ, উ, ঊ এবং ঋ-কার বা র-ফলা থাকলে তার পরবর্তী ষ মূর্ধন্য হয়। ভূষণ শব্দে ষ এবং দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই ব্যাকরণগত নিয়মটি সঠিকভাবে অনুসৃত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষম
ব্যাখ্যা: ই-কার থাকার কারণে এখানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়েছে যা শুদ্ধ বানানের নিয়ম মেনে চলে।
উদাহরণ ২: ভূমিষ্ঠ
ব্যাখ্যা: উ-কার বা ঋ-কারযুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের মাধ্যমে সঠিক বানান গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শশিভুসন — এখানে ভুসন অংশে ভুল বানান রয়েছে কারণ দন্ত্য স এবং হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
B) শশিভূষণ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
C) শসিভূষন — এখানে প্রথম অংশে তালব্য শ-এর পরিবর্তে দন্ত্য স ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
D) শশিভুসণ — এই অপশনে হ্রস্ব উ-কার এবং মূর্ধন্য ণ ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
শশি এবং ভূষণ শব্দ দুটি আলাদাভাবে লিখে একত্রে সন্ধি বা সমাসবদ্ধ করার সময় দীর্ঘ ঊ এবং মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নত্ব ও ষত্ব বিধান সংক্রান্ত বানানগুলো বেশি আসে। তাই শব্দের মূল রূপ এবং প্রত্যয় বা উপসর্গের গঠন ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ক্ষীণজীবী
১. কেন সঠিক:
- সঠিক বানানটিতে 'ক্ষীণ' শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার এবং 'জীবী' প্রত্যয়ে জ-ফলা সহ দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী জীবী (জীবিকা অর্জন করে যে) যুক্ত শব্দে ঈ-কার হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানে ই-কার ও ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে যেখানে জীবী বা গ্রাসীযুক্ত শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার বসে।
- সমাসবদ্ধ বা প্রত্যয়যুক্ত শব্দে শব্দের মূল রূপ ও প্রত্যয়ের সঠিক বানান বজায় রাখা আবশ্যক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মন্ত্রীজীবী
ব্যাখ্যা: এটিও জীবী প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দূরজীবী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও জীবী প্রত্যয় যুক্ত থাকায় দীর্ঘ ঈ-কার বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষীনজীবী — এখানে 'ক্ষীন' বানানে মূর্ধন্য ণ-এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান ভুল।
B) ক্ষিনজীবী — এখানে 'ক্ষিন' বানানে হ্রস্ব ই-কার এবং দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
C) ক্ষীণজীবী — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
D) ক্ষীণজিবি — এখানে 'জিবি' অংশে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী দীর্ঘ ঈ-কার হওয়ার কথা ছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জীবী যুক্ত সমস্ত শব্দে (যেমন:জীবী, মন্ত্রীজীবী) সর্বদা দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করতে হয়।
- ক্ষীণ শব্দের বানান মনে রাখতে মাথায় রাখতে হবে এখানে মূর্ধন্য ণ এবং দীর্ঘ ঈ-কার বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যুক্ত শব্দের বানান যেমন জীবী বা গ্রাসী প্রায়ই আসে।
- বাংলা বানান শুদ্ধ করার জন্য শব্দটির মূল এবং প্রত্যয়ের রূপ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মামুনুর রশীদ
১. কেন সঠিক:
ওরা কদম আলী নাটকটির রচয়িতা বিশিষ্ট নাট্যকার মামুনুর রশীদ।
এই নাটকটি বাংলাদেশের নাট্যজগতে প্রতিবাদী ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত মঞ্চনাটক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মামুনুর রশীদ বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, অভিনেতা ও নির্দেশক।
তিনি ঢাকা থিয়েটার দলের প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলার লোকসংস্কৃতি ও সমসাময়িক রাজনীতির নানা অসঙ্গতি নিয়ে অসংখ্য নাটক রচনা করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইblis (ইবলিস)
ব্যাখ্যা: এটি মামুনুর রশীদের রচিত অপর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আলোচিত রাজনৈতিক নাটক।
উদাহরণ ২: গিন্নি
ব্যাখ্যা: এটিও মামুনুর রশীদের লেখা নাট্যজগতে সমাদৃত একটি নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও নাট্যকার হলেও ওরা কদম আলী নাটকটি তার লেখা নয়। তার বিখ্যাত নাটক হলো কবর ও রক্তজবা।
B) শওকত ওসমান — তিনি মূলত তার উপন্যাস ও গল্পের জন্য বিখ্যাত, যেমন ক্রীতদাসের হাসি, তবে তিনি এই নাটকটি লেখেননি।
C) আবদুল্লাহ আল মামুন — তিনি প্রখ্যাত নাট্যকার ও নির্দেশক হলেও ওরা কদম আলী নাটকটির রচয়িতা তিনি নন, তার নাটক হলো সুবচন নির্বাসন।
D) মামুনুর রশীদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই এই নাটকটির রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
ওরা কদম আলী নাটকের রচয়িতা মনে রাখতে কদম আলী চরিত্রের মতো সংগ্রামী নাট্যকার মামুনুর রশীদের নামটি মনে রাখতে পারো।
লোকসংস্কৃতিভিত্তিক ও প্রতিবাদী নাটক বললেই মামুনুর রশীদের নাম সামনে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটক ও নাট্যকারের নাম প্রায়ই আসে।
একই নাট্যকারের অন্যান্য বিখ্যাত নাটক যেমন ইblis বা উত্তরাধিকার নাটকগুলোর নামও ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: B) প্রবন্ধগ্রন্থ
১. কেন সঠিক:
- রাজবন্দীর জবানবন্দী কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ।
- এটি মূলত তাঁর রাজনৈতিক বন্দীজীবন ও বিচারালয়ে দেওয়া ঐতিহাসিক জবানবন্দীর সংকলন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্য ও রাজনীতির এক অনন্য ব্যক্তিত্ব।
- তাঁর এই রচনাটি ১৯২৩ সালে কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে বসে লেখা এবং বিচারালয়ে পাঠ করা হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রুদ্রমঙ্গল
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত অপর একটি বিখ্যাত ও প্রতিবাদী প্রবন্ধগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: দুর্দিনের যাত্রী
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের লেখা সমাজ ও রাজনীতিচিন্তামূলক একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বক্তব্য — এটি কোনো সাহিত্যিক রূপ বা গ্রন্থের নাম নয়, বরং জবানবন্দীর একটি মৌখিক ধরন মাত্র।
B) প্রবন্ধগ্রন্থ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) গল্প — গল্প বলতে কল্পিত বা বাস্তবভিত্তিক ছোট পরিসরের কথাসাহিত্য বোঝায়, যা এই গ্রন্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) উপন্যাস — উপন্যাস হলো দীর্ঘ আকৃতির বর্ণনামূলক কথাসাহিত্য, যা রাজবন্দীর জবানবন্দী গ্রন্থের রূপের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের জেলজীবনের প্রতিবাদী বাণী মানেই রাজবন্দীর জবানবন্দী একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
- লেখকের প্রবন্ধগ্রন্থগুলো মনে রাখতে 'রুদ্রমঙ্গল' ও 'দুর্দিনের যাত্রী' নাম দুটি এক সাথে পড়তে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের রাজনৈতিক ও প্রতিবাদী গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- রাজবন্দীর জবানবন্দী কোন ধরনের রচনা, এই প্রশ্নটি বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার এসেছে।
সঠিক উত্তর: D) Paper
কেন সঠিক:
Paper একটি Material Noun কারণ এটি এমন একটি বস্তু বা উপাদান যা দিয়ে অন্যান্য জিনিস তৈরি করা হয়।
এটি কোনো ব্যক্তি বা স্থানের নাম নয়, বরং একটি অবিচ্ছেদ্য পদার্থের নাম যা পরিমাপ করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Book — এটি Common Noun কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট ধরনের বস্তুর সাধারণ নাম যা গণনা করা যায়।
B) Ring — এটি Common Noun কারণ এটি সোনার বা অন্য কোনো ধাতুর তৈরি একটি নির্দিষ্ট আকারের গয়না বোঝায়।
C) River — এটি Common Noun কারণ এটি যেকোনো নদীর সাধারণ নাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) Paper — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
মনে রাখার টিপস:
যে উপাদান বা বস্তু দিয়ে অন্য কিছু তৈরি হয় এবং যা সাধারণত ওজনে মাপা হয়, তাকে Material Noun বলে।
সঠিক উত্তর: B) Class
কেন সঠিক:
Class শব্দটি দ্বারা একই শ্রেণীর একদল ছাত্রছাত্রীর সমষ্টিকে বোঝায়।
এটি একটি দল বা সমষ্টিবাচক নাম হওয়ায় Collective Noun হিসেবে গণ্য হয়।
তাই এটি সঠিক উত্তর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bashar — এটি একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম হওয়ায় Proper Noun।
B) Class — এটি সঠিক উত্তর।
C) Youth — এটি সাধারণত একটি অবস্থা বা গুণবাচক ধারণা বোঝায় তাই Common বা Abstract Noun।
D) Island — এটি একটি সাধারণ স্থানের নাম হওয়ায় Common Noun।
মনে রাখার টিপস:
যেকোনো শব্দ যদি একজাতীয় অনেকগুলো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায়, তবে সেটি Collective Noun হবে।
সঠিক উত্তর: A) Collaboration
কেন সঠিক:
এই বানানে ইংরেজি উপসর্গ col এবং labor শব্দমূলের সঠিক সংযোগ ঘটেছে।
সাথে সঠিক noun প্রত্যय ation যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে।
বানানের কোথাও কোনো অতিরিক্ত অক্ষর নেই।
সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Collaboration — এটি সঠিক বানান।
B) Colaboration — এখানে বানানে একটি l কম আছে।
C) Colaboretion — এখানে labor এর জায়গায় boret ভুল অংশ রয়েছে।
D) Collaboretion — এখানে অতিরিক্ত l এবং ভুল boret অংশ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সহযোগিতা অর্থে প্রথমে col, মাঝে labor এবং শেষে ation যোগ করে সহজে বানানটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) Occasion
কেন সঠিক:
- বানানটিতে ডাবল সি (cc) এবং একক এস (s) ব্যবহার করা হয়েছে।
- ইংরেজী বানান রীতি অনুযায়ী সঠিক উচ্চারণ ও গঠন বজায় রাখতে এটি নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ocasion — এখানে একটি সি (c) কম আছে তাই এটি ভুল বানান।
B) Ocation — এখানে সি (c) এবং এস (s) উভয় বর্ণে ভুল রয়েছে।
C) Occasion — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত রূপ।
D) Occassion — এখানে ডাবল এস (ss) ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে মাথায় রাখুন, শব্দটিতে সি হবে দুটি কিন্তু এস হবে একটি।
সঠিক উত্তর: B) Is he known to you?
কেন সঠিক:
১. Present indefinite tense যুক্ত Active voice-কে Passive করার সময় subject-এর পরে am, is, are বসে এবং মূল verb-এর past participle form হয়।
২. Know verb-এর পরে সাধারণত by preposition না বসে to preposition বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Is he know by you? — এখানে know verb-এর past participle form (known) ব্যবহার করা হয়নি এবং সঠিক preposition-এর পরিবর্তে by ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Is he known to you? — এটি সঠিক উত্তর।
C) Dose he known by you? — এখানে auxiliary verb হিসেবে Dose ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং known-এর আগে does বসে না।
D) Is he known with you? — এখানে known verb-এর পরে নিয়ম অনুযায়ী সঠিক preposition (to) না বসিয়ে with ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Know verb-এর পরে সবসময় to preposition বসে, তাই এদের Passive করার সময় by ব্যবহার করা যাবে না।
সঠিক উত্তর: A) at
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট কোনো ভবন, বাড়ি বা বাসভবনে অবস্থান বোঝাতে 'at' প্রিপজিশনটি ব্যবহৃত হয়।
- 'home' শব্দটির পূর্বে নির্দিষ্ট স্থান বোঝাতে 'at home' একটি স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেজ বা প্রিপজিশনাল ব্যবহার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট স্থানে বা বাড়িতে অবস্থান বোঝাতে 'at home' ব্যবহৃত হয়।
B) in — এটি সাধারণত বড় স্থান, শহর বা দেশের নামের পূর্বে বসে, তাই 'in home' ভুল।
C) with — এটি সাধারণত সঙ্গী বা কোনো কিছুর সাথে থাকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) on — এটি কোনো তলের ওপর স্পর্শ করে অবস্থান করা বা নির্দিষ্ট দিবসের পূর্বে বসে, তাই 'on home' হয় না।
মনে রাখার টিপস:
বাড়ি বা নিজ ঠিকানায় অবস্থান বোঝাতে সবসময় 'at home' ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
বাক্যে ভরসা বা বিশ্বাস করা অর্থে "put faith in" একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রিপজিশনাল ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এখানে "in" বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ এবং নির্ভুল হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — এটি সঠিক উত্তর এবং ফ্রেজ অনুযায়ী এখানে অন্য কোনো প্রিপজিশন বসে না।
B) on — "put faith on" ইংরেজি গ্রামার অনুযায়ী সঠিক ফ্রেজ বা প্রিপজিশন নয়।
C) at — বিশ্বাসের ক্ষেত্রে "at" প্রিপজিশন ব্যবহার করলে অর্থের মিল হয় না।
D) upon — এটি সাধারণত কোনো কিছুর ওপর গতিশীল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বাস বা আস্থা রাখা বোঝাতে faith শব্দের পরে সবসময় in প্রিপজিশন বসে।
সঠিক উত্তর: C) Quiet
কেন সঠিক:
Calm শব্দের বাংলা অর্থ শান্ত বা স্থির। Quiet শব্দটির অর্থও শান্ত, যা এর সঠিক সমার্থক রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Angry — এর অর্থ রাগান্বিত, যা Calm শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Agitated — এর অর্থ উত্তেজিত বা বিরক্ত, যা Calm শব্দের অর্থের সাথে মেলে না।
C) Quiet — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Inflamed — এর অর্থ প্রদাহযুক্ত বা উত্তেজিত, যা শান্ত অবস্থার বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Calm এবং Quiet দুটি শব্দই মানসিক বা পরিবেশগত শান্তি বোঝাতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) Cancel
কেন সঠিক:
- Abolish শব্দটির অর্থ বাতিল করা, লোপ করা বা কোনো প্রথা বা আইন আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করা।
- Cancel শব্দের অর্থও কোনো কিছু বাতিল করা বা রদ করা, যা Abolish শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cancel — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বাতিল করা।
B) Perform — এর অর্থ সম্পাদন করা বা কোনো কাজ করা, যা Abolish শব্দের বিপরীত।
C) Create — এর অর্থ সৃষ্টি করা বা তৈরি করা, যা Abolish শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Generate — এর অর্থ উৎপাদন করা বা তৈরি করা, তাই এটি সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Abolish (বাতিল করা) এবং Cancel (বাতিল করা) উভয়ই কোনো কিছু চিরতরে বন্ধ বা রদ করা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) Suddenly
কেন সঠিক:
‘All at once’ একটি ইংরেজি প্রবচন বা ইডিয়ম যার বাংলা অর্থ হঠাৎ বা আকস্মিকভাবে।
এর সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘Suddenly’ ব্যবহৃত হয় কারণ এর অর্থও হঠাৎ করে ঘটে যাওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Quickly — এর অর্থ দ্রুত, যা আকস্মিকতার বদলে গতির দ্রুততা বোঝায়।
B) Slowly — এর অর্থ ধীরে ধীরে, যা এই ইডিয়মের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) Suddenly — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Gradually — এর অর্থ ক্রমান্বয়ে বা ধীরে ধীরে, যা হঠাৎ ঘটার সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
‘All at once’ দেখলে মাথায় রাখবে এটি এমন কিছু বোঝায় যা কোনো পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া হুট করে ঘটে যায়।
সঠিক উত্তর: B) ৪৯ লি. ১৪ লি.
প্রদত্ত তথ্য:
মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬৩ লিটার
এসিড ও পানির অনুপাত = ৭ : ২
ধরি,
অনুপাতের রাশি দুটির যোগফল = ৭ + ২ = ৯
অতএব,
মিশ্রণে এসিডের পরিমাণ = ৬৩ এর (৭ ÷ ৯) লিটার
মিশ্রণে পানির পরিমাণ = ৬৩ এর (২ ÷ ৯) লিটার
সুতরাং,
এসিডের পরিমাণ = ৬৩ × ৭ ÷ ৯ = ৪৯ লিটার
পানির পরিমাণ = ৬৩ × ২ ÷ ৯ = ১৪ লিটার
উত্তর: ৪৯ লি. ১৪ লি.
সঠিক উত্তর: A) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
a + (১ ÷ a) = ৪
ধরি,
প্রদত্ত রাশি = a² + (১ ÷ a²)
অতএব,
a² + (১ ÷ a²) = a + (১ ÷ a)² − ২ × a × (১ ÷ a)
সুতরাং,
= (৪)² − ২
= ১৬ − ২
উত্তর: ১৪
সঠিক উত্তর: B) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x এর ওপর স্কয়ার + y এর ওপর স্কয়ার সমান ১৮
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x ও y এর গুণফল সমান ৬
ধরি,
আমাদের মান নির্ণয় করতে হবে (x − y) এর ওপর স্কয়ার এর
বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী এটি লেখা যায় (x এর ওপর স্কয়ার + y এর ওপর স্কয়ার) − (২ গুণ x গুণ y)
অতএব,
এখানে প্রথম বন্ধনীর ভেতরের মান হলো ১৮
এবং দ্বিতীয় বন্ধনীর ভেতরের অংশ হলো ২ গুণ ৬ সমান ১২
সুতরাং,
১৮ থেকে ১২ বিয়োগ করলে ফলাফল পাওয়া যায় ৬
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: C) ১৩০ ডিগ্রি
প্রদত্ত তথ্য:
একই চাপের উপর দণ্ডায়মান পরিধিস্থ কোণ = ৬৫ ডিগ্রি
ধরি,
কেন্দ্রস্থ কোণ সমান ক ডিগ্রি
পরিধিস্থ কোণ সমান ৬৫ ডিগ্রি
অতএব,
কেন্দ্রস্থ কোণ সমান ২ × পরিধিস্থ কোণ
কেন্দ্রস্থ কোণ সমান ২ × ৬৫ ডিগ্রি
সুতরাং,
ক সমান ১৩০ ডিগ্রি
উত্তর: ১৩০ ডিগ্রি
গাণিতিক ব্যাখ্যা:
ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%।
শুধুমাত্র ইংরেজিতে ফেল করেছে = (52% - 17%) = 35%
শুধুমাত্র গণিতে ফেল করেছে = (42% - 17%) = 25%
উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = 17%
অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (ইংরেজি, গণিত বা উভয় বিষয়ে) ফেল করেছে মোট = (35% + 25% + 17%) = 77%
সুতরাং, উভয় বিষয়ে পাস করেছে = (100% - 77%) = 23%
উত্তর: 23%
সঠিক উত্তর: C) ১৮
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার সংখ্যাগুলো হলো এক, তিন, চার, সাত, এগারো
ধরি,
প্রথম সংখ্যা ও দ্বিতীয় সংখ্যার যোগফল = ১ + ৩ = ৪
দ্বিতীয় সংখ্যা ও তৃতীয় সংখ্যার যোগফল = ৩ + ৪ = ৭
তৃতীয় সংখ্যা ও চতুর্থ সংখ্যার যোগফল = ৪ + ৭ = ১১
অতএব,
চতুর্থ সংখ্যা ও পঞ্চম সংখ্যার যোগফল = ৭ + ১১ = ১৮
সুতরাং,
ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ১৮
উত্তর: ১৮
সঠিক উত্তর: B) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো এক, তিন, পাঁচ, সাত
এটি একটি সমান্তর ধারা
ধরি,
প্রথম পদ (ক) = ১
সাধারণ অন্তর (ড) = ৩ − ১ = ২
অতএব,
অষ্টম পদ নির্ণয়ের সূত্র = ক + (৮ − ১) × ড
এখানে মান বসিয়ে পাই ১ + ৭ × ২
গুণ করে পাই ১ + ১৪
সুতরাং,
যোগ করে পাই ১৫
উত্তর: ১৫
সঠিক উত্তর: B) ২০%
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রয়মূল্য = ৫০ টাকা
বিক্রয়মূল্য = ৬০ টাকা
ধরি,
লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য
লাভ = ৬০ টাকা − ৫০ টাকা = ১০ টাকা
অতএব,
৫০ টাকায় লাভ হয় ১০ টাকা
১ টাকায় লাভ হয় (১০ ÷ ৫০) টাকা
সুতরাং,
১০০ টাকায় লাভ হয় (১০ × ১০০) ÷ ৫০ টাকা = ২০ টাকা
উত্তর: ২০%
সঠিক উত্তর: C) ২০%
প্রদত্ত তথ্য:
খাসির ক্রয়মূল্য = ১০০০ টাকা
খাসির বিক্রয়মূল্য = ১৮০০ টাকা
ধরি,
লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য
লাভ = ১৮০০ − ১৫০০
লাভ = ৩০০ টাকা
অতএব,
১৫০০ টাকায় লাভ হয় ৩০০ টাকা
১ টাকায় লাভ হয় (৩০০ ÷ ১৫০০) টাকা
১০০ টাকায় লাভ হয় (৩০০ × ১০০) ÷ ১৫০০ টাকা
সুতরাং,
লাভ = ৩০০০০ ÷ ১৫০০
লাভ = ২০%
উত্তর: ২০%
সঠিক উত্তর: D) ৩৫ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
ক ও খ একত্রে কাজটি শেষ করতে পারে = ১০ দিনে
খ একা কাজটি শেষ করতে পারে = ১৪ দিনে
ধরি,
মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে = ১ ÷ ১০ অংশ
খ একা ১ দিনে করে = ১ ÷ ১৪ অংশ
সুতরাং,
ক একা ১ দিনে করে = (১ ÷ ১০) − (১ ÷ ১৪) অংশ
ক একা ১ দিনে করে = (৭ − ৫) ÷ ৭০ অংশ = ২ ÷ ৭০ অংশ = ১ ÷ ৩৫ অংশ
উত্তর: ৩৫ দিন
সঠিক উত্তর: A) Quote this from memory
প্রদত্ত তথ্য:
সঠিক ইংরেজি বাক্য নির্বাচন করতে হবে
ভুল বাক্যগুলোর সঠিক রূপ দেখতে হবে
ধরি,
অপশন বি ভুল কারণ সঠিক শব্দ বোর্ড এবং লজিং
অপশন সি ভুল কারণ সাইন না হয়ে সিগনেচার হবে
অতএব,
অপশন ডি ভুল কারণ সিক না হয়ে ইল হবে
অপশন এ সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বাক্য
সুতরাং,
স্মৃতি থেকে এটি উদ্ধৃত করা অর্থ বোঝায়
উত্তর: A) Quote this from memory
সঠিক উত্তর: C) It is a nice poem
প্রদত্ত তথ্য:
চারটি ইংরেজি বাক্য দেওয়া হয়েছে
সঠিক ব্যাকরণগত বাক্যটি নির্বাচন করতে হবে
বিশ্লেষণ:
বেঞ্চে বসার জায়গার ক্ষেত্রে place না হয়ে space হবে
রুটি গোনার ক্ষেত্রে bread না হয়ে loaf ব্যবহার করতে হবে
ব্যাখ্যা:
বাড়ি ফেরার ক্ষেত্রে my house না হয়ে home হবে
কবিতাটি সুন্দর অর্থে It is a nice poem সম্পূর্ণ শুদ্ধ
সুতরাং,
অপশন সি বাক্যটির ব্যাকরণ এবং অর্থ সম্পূর্ণ সঠিক
উত্তর: C) It is a nice poem
সঠিক উত্তর: B) Aref said that he had to write a letter.
প্রদত্ত তথ্য:
Direct speech: Aref said, "I must write a letter."
Reporting verb 'said' পাস্ট টেন্সে আছে
ধরি,
Direct speech এর বাক্যটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স
must থাকলে Indirect speech এ সাধারণত had to হয়
অতএব,
Reported speech এর 'I' পরিবর্তিত হয়ে 'he' হবে
'must' পরিবর্তিত হয়ে 'had to' বসবে
সুতরাং,
মূল ভারబ్ write অপরিবর্তিত থাকবে
উত্তর: Aref said that he had to write a letter.
সঠিক উত্তর: B) Anis bade his father good-bye.
প্রদত্ত তথ্য:
डायरेक्ट স্পিচে বিদায় বা শুভরাত্রি জানানোর বাক্য ছিল
এখানে কাউকে বিদায় জানানোর ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য হয়
ধরি,
রিপোর্টিং ভার্ব said পরিবর্তিত হয়ে bid হবে
রিপোর্টেড স্পিচের ভেতরে থাকা সম্ভাষণ বিদায়সূচক রূপ নেয়
অতএব,
Anis বাক্যের কর্তা হিসেবে অপরিবর্তিত থাকবে
সে তার পিতাকে উদ্দেশ্য করে বিদায় জানিয়েছে
সুতরাং,
সঠিক ন্যারেশনের গঠন অনুযায়ী সঠিক উত্তর হবে
উত্তর: B) Anis bade his father good-bye.
সঠিক উত্তর: A) I was surprised at his behaviour.
প্রদত্ত তথ্য:
Active voice বাক্যের Subject হলো His behaviour
Active voice বাক্যের Object হলো me
ধরি,
Passive voice করার সময় Object টি Subject হবে
Verb এর Past Participle রূপ বসবে
অতএব,
me পরিবর্তিত হয়ে I হবে
Tense অনুযায়ী was বসবে
সুতরাং,
surprised এর পর with না বসে at বসে
সঠিক বাক্যটি হবে I was surprised at his behaviour.
উত্তর: I was surprised at his behaviour.
সঠিক উত্তর: A) ৫ঃ ২০
প্রদত্ত তথ্য:
কঃ খ = ৫ঃ ৬
খঃ গ = ৩ঃ ১০
ধরি,
প্রথম অনুপাত = কঃ খ = ৫ঃ ৬
দ্বিতীয় অনুপাত = খঃ গ = ৩ঃ ১০
অতএব,
ক এবং খ এর মান = ৫ এবং ৬
খ এবং গ এর মান = ৩ এবং ১০
সুতরাং,
কঃ খঃ গ = (৫ × ৩)ঃ (৬ × ৩)ঃ (৬ × ১০) = ১৫ঃ ১৮ঃ ৬০
উত্তর: কঃ গ = ১৫ঃ ৬০ বা সংক্ষেপে ৫ঃ ২০
সঠিক উত্তর: B) ২২ বৎসর
প্রদত্ত তথ্য:
৩ বৎসর আগে ক ও খ এর বয়সের গড় ছিল ১৬ বৎসর
গ তাদের সাথে যোগ দেওয়ায় বর্তমান তাদের তিনজনের বয়সের গড় ২০ বৎসর হয়
ধরি,
৩ বৎসর আগে ক ও খ এর বয়সের সমষ্টি = ১৬ × ২ = ৩২ বৎসর
বর্তমান ক ও খ এর বয়সের সমষ্টি = ৩২ + (৩ × ২) = ৩৮ বৎসর
অতএব,
বর্তমান ক, খ ও গ এর বয়সের সমষ্টি = ২০ × ৩ = ৬০ বৎসর
সুতরাং,
গ এর বয়স = ৬০ − ৩৮ = ২২ বৎসর
উত্তর: ২২ বৎসর
সঠিক উত্তর: C) ৩৯ ডিগ্রী সে.
প্রদত্ত তথ্য:
সপ্তাহের ৭ দিনের গড় তাপমাত্রা = ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
প্রথম ৩ দিনের গড় তাপমাত্রা = ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
শেষ ৩ দিনের গড় তাপমাত্রা = ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
ধরি,
সপ্তাহের ৭ দিনের মোট তাপমাত্রা = ৭ × ৩০ = ২১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
প্রথম ৩ দিনের মোট তাপমাত্রা = ৩ × ৩০ = ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
শেষ ৩ দিনের মোট তাপমাত্রা = ৩ × ৩০ = ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
অতএব,
প্রথম ৩ দিন এবং শেষ ৩ দিন অর্থাৎ মোট ৬ দিনের তাপমাত্রা = ৯০ + ৯০ = ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
সুতরাং,
চতুর্থ দিনের তাপমাত্রা হবে ৭ দিনের মোট তাপমাত্রা থেকে ৬ দিনের মোট তাপমাত্রার বিয়োগফল
উত্তর: ২১০ − ১৮০ = ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (সঠিক উত্তর অপশন অনুযায়ী ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হবে)
সঠিক উত্তর: D) ৬ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
ক্যাম্পে মোট স্কাউটের সংখ্যা = ৭২ জন
খাদ্য মজুদ আছে = ৬ দিনের
ধরি,
স্কাউট চলে গেল = ১৮ জন
বাকি স্কাউট থাকে = ৭২ − ১৮ = ৫৪ জন
অতএব,
৭২ জন স্কাউটের খাদ্য আছে = ৬ দিনের
১ জন স্কাউটের খাদ্য আছে = ৭২ × ৬ দিনের
সুতরাং,
৫৪ জন স্কাউটের খাদ্য চলবে = ৭২ × ৬ ÷ ৫৪ দিনের
উত্তর: ৮ দিনের খাদ্য চলে, তাই বাকি দিন চলে = ৮ − ২ = ৬ দিন
সঠিক উত্তর: A) হিসাবকারী যন্ত্র
কেন সঠিক:
- কম্পিউটার শব্দটি এসেছে ইংরেজি কম্পিউট শব্দ থেকে যার অর্থ গণনা করা বা হিসাব করা।
- প্রাচীনকালে মূলত গাণিতিক হিসাব-নিকাশ দ্রুত করার জন্যই কম্পিউটার আবিষ্কার করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিসাবকারী যন্ত্র — এই উত্তরটি সঠিক কারণ কম্পিউটারের মূল কাজ হলো ডেটা প্রসেসিং বা হিসাব নিকাশ করা।
B) সিদ্ধান্ত গ্রহণের যন্ত্র — কম্পিউটার নিজে থেকে কোনো স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, মানুষের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে।
C) সমস্যা সমাধানের যন্ত্র — এটি নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও কম্পিউটার মূলত একটি অতি দ্রুত হিসাব করার ইলেকট্রনিক যন্ত্র।
D) হিসাব পরীক্ষার যন্ত্র — এটি কম্পিউটারের কোনো নির্দিষ্ট বা প্রাথমিক সংজ্ঞা নয়, এটি কাজের একটি অংশ মাত্র।
মনে রাখার টিপস:
কম্পিউটার শব্দটির উৎপত্তি হিসাব করা থেকে, তাই এটি মূলত একটি হিসাবকারী যন্ত্র।
সঠিক উত্তর: B) ইয়াংসিকিয়াং
কেন সঠিক:
- ইয়াংসিকিয়াং নদী চীনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এবং এটি এশিয়া মহাদেশের দীর্ঘতম ও বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এই নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ছয় হাজার তিনশো কিলোমিটার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হোয়াংহো — এটি চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং একে পীত নদী বলা হয়, যা এশিয়া মহাদেশের দীর্ঘতম নদী নয়।
B) ইয়াংসিকিয়াং — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) গঙ্গা — এটি বাংলাদেশ ও ভারতের একটি প্রধান নদী, তবে এর দৈর্ঘ্য ইয়াংসিকিয়াং নদীর তুলনায় অনেক কম।
D) সিন্ধু — এটি পাকিস্তান ও ভারতের একটি দীর্ঘ নদী, কিন্তু এশিয়া মহাদেশের দীর্ঘতম নদী হিসেবে এটি বিবেচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
এশিয়ার দীর্ঘ মনে রাখতে ইয়াংসিকিয়াং নামের দীর্ঘ উচ্চারণটি মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ময়নামতিতে
কেন সঠিক:
- অষ্টম শতাব্দীতে দেববংশের রাজা শ্রীভাট্রদেব ময়নামতির লালমাই পাহাড়ে শালবন বিহার নির্মাণ করেন।
- এটি প্রাচীন সমতট অঞ্চলের বৌদ্ধ সভ্যতার অন্যতম প্রধান নিদর্শন ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাহাড়পুরে — এটি অষ্টম শতাব্দীতে পালবংশের রাজা ধর্মপালের প্রতিষ্ঠিত সোমপুর মহাবিহারের অবস্থান, শালবন বিহারের নয়।
B) নাটোরে — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যা নাটোর রাজবাড়ার জন্য বিখ্যাত, প্রাচীন শালবন বিহার এখানে অবস্থিত নয়।
C) ময়নামতিতে — এটি সঠিক উত্তর।
D) রাঙ্গামাটিতে — এটি পাহাড়ি জেলা যা কাপ্তাই হ্রদের জন্য পরিচিত, প্রাচীন শালবন বিহারের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
শালবন বিহার মানেই ময়নামতির লালমাই পাহাড়, যা অষ্টম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) শায়েস্তা খান
কেন সঠিক:
- ১৬৭৬ সালে সুবেদার শায়েস্তা খানের আমলে ঐতিহাসিক চকবাজার ও চক মসজিদ নির্মিত হয়।
- মুঘল আমলে ঢাকার প্রশাসনিক কেন্দ্র ও স্থাপত্য উন্নয়নে শায়েস্তা খানের বিশেষ অবদান ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মীর জুমলা — তিনি বাংলার মুঘল সুবেদার ছিলেন এবং বুড়িগঙ্গার সেতু বা গেণ্ডিয়া সড়ক নির্মাণ করলেও চক মসজিদ নির্মাণ করেননি।
B) ইসলাম খান — তিনি প্রথম ঢাকাকে মুঘল বাংলার রাজধানী করেন এবং লালবাগ কেল্লার আগের জামে মসজিদ বা দুর্গ নির্মাণ করেন, চক মসজিদ নয়।
D) মুরশীল কুলি খান — তিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব ও দেওয়ান ছিলেন এবং রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
মনে রাখার টিপস:
শায়েস্তা খানের আমল মানেই ঢাকায় মুঘল স্থাপত্যের প্রসার, তাই ঢাকার বিখ্যাত চক মসজিদ তার আমলেই নির্মিত।
সঠিক উত্তর: B) সুবর্ণগ্রাম
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায় যে প্রাচীনকালে সোনারগাঁও এলাকার নাম সুবর্ণগ্রাম ছিল।
- সুবর্ণগ্রাম কথাটির অর্থ সোনা বা স্বর্ণের গ্রাম, যা পরবর্তীকালে পরিবর্তিত হয়ে সোনারগাঁও নামে পরিচিতি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্রদ্বীপ — এটি বর্তমান বরিশাল অঞ্চলের একটি প্রাচীন নাম, সোনারগাঁওয়ের পূর্ব নাম নয়।
B) সুবর্ণগ্রাম — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সোনারগাঁওয়ের ঐতিহাসিক পূর্ব নাম।
C) সুধারাম — এটি নোয়াখালী জেলার মাইজদীর প্রাচীন নাম, যা সোনারগাঁওয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) গৌড় — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক জনপদ ও রাজধানী।
মনে রাখার টিপস:
সুবর্ণ মানে সোনা, তাই সুবর্ণগ্রাম হলো সোনারগাঁও।
সঠিক উত্তর: B) আওরঙ্গবাদ দুর্গ
কেন সঠিক:
- মোঘল সুবাদার প্রিন্স মোহাম্মদ আজম শাহ ১৬৭৮ সালে এই দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন এবং তখন এর নাম রাখা হয় আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- পরবর্তীতে দুর্গের নির্মাণকাজ অসমাপ্ত রেখে তিনি চলে যান এবং শায়েস্তা খাঁ দায়িত্ব গ্রহণ করার পর এর নামকরণ করেন লালবাগ দুর্গ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাহাঙ্গীর দুর্গ — এটি সঠিক নয় কারণ মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুਸারে ঢাকার কোনো প্রধান দুর্গের নামকরণ করা হয়নি।
B) আওরঙ্গবাদ দুর্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সম্রাট আওরঙ্গজেবের নামানুਸারে দুর্গের এই পূর্ব নাম রাখা হয়েছিল।
C) আজম দুর্গ — এটি ভুল কারণ প্রিন্স আজম শাহের নামানুਸারে দুর্গের নাম আজম দুর্গ রাখা হয়নি, বরং তার পিতার নামানুਸারে আওরঙ্গবাদ রাখা হয়েছিল।
D) পরিবিবির দুর্গ — এটি ভুল কারণ পরিবিবির মাজার এই দুর্গের ভেতরে অবস্থিত হলেও এটি দুর্গের পূর্ব নাম ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
সম্রাট আওরঙ্গজেবের নামানুਸারে লালবাগ দুর্গের পূর্ব নাম ছিল আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
সঠিক উত্তর: A) হামিদুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও স্থপতি ছিলেন ভাস্কর হামিদুর রহমান।
- তাঁর নকশায় শহীদ মিনারের বেদীতে বাংলা বর্ণমালা এবং ভাষা আন্দোলনের প্রতীকী তাৎপর্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হামিদুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
B) হামিদুজ্জামান — তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত ভাস্কর হলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি নন।
C) তানভীর কবির — তিনি এই ঐতিহাসিক স্থাপনার নকশা প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
D) অস্কার বাদক — এই নামের কোনো ব্যক্তি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে পরিচিত নন।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ মিনারের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের কথা মনে রাখলেই স্থপতি হামিদুর রহমানের নাম সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) চীন
কেন সঠিক:
- চীন বিশ্বে সর্বোচ্চ পরিমাণ কয়লা উৎপাদনকারী দেশ এবং বৈশ্বিক উৎপাদনের সিংহভাগ তাদের দখলে রয়েছে।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প কারখানার জ্বালানি হিসেবে কয়লা ব্যবহারে চীন বিশ্বে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম প্রধান কয়লা উৎপাদনকারী দেশ হলেও চীনের তুলনায় উৎপাদনের পরিমাণ কম।
B) ভারত — ভারত কয়লা উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে থাকলেও চীনের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
C) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া মূলত কয়লা রপ্তানিতে এগিয়ে থাকলেও মোট উৎপাদনের দিক থেকে চীনের পেছনে রয়েছে।
D) চীন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
কয়লা উৎপাদনে চীন চিন চিন করে সবার চেয়ে এগিয়ে আছে।
সঠিক উত্তর: C) আমাজান
কেন সঠিক:
- দৈর্ঘ্য বিবেচনায় আমাজান নদী পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং এটি দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত।
- পানি প্রবাহের পরিমাণ ও অববাহিকার আয়তনের দিক থেকে এটি পৃথিবীর বৃহত্তম নদী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল — এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী, তাই দ্বিতীয় দীর্ঘতম হিসেবে সঠিক নয়।
B) মিসিসিপি — এটি উত্তর আমেরিকার একটি প্রধান নদী এবং দীর্ঘতম নদীগুলোর তালিকায় এর অবস্থান আরও পরে।
C) আমাজান — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
D) সেন্ট লরেন্স — এটি উত্তর আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী তবে দৈর্ঘ্য বা আয়তনে এটি দ্বিতীয় দীর্ঘতম নয়।
মনে রাখার টিপস:
নদীর দৈর্ঘ্যের রাজা নীল নদ প্রথম, আর ঠিক তার পরেই দ্বিতীয় স্থানে আছে আমাজান নদী।
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির রাজধানী পুণ্ড্রনগর বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত, যা বাংলার প্রাচীনতম নগরী।
- মৌর্য, গুপ্ত ও সেন আমলের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এবং ব্রাহ্মী লিপিতে খোদিত শিলালিপি এখানে পাওয়া গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়নামতি — এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত প্রাচীন সমতট অঞ্চলের একটি বৌদ্ধ সভ্যতার কেন্দ্র।
B) বিক্রমপুর — এটি বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলায় অবস্থিত প্রাচীন সেন ও চন্দ্র রাজবংশের রাজধানী।
C) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত পাল রাজবংশের তৈরি সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখার টিপস:
পুণ্ড্রনগর ও মহাস্থানগড় একই স্থান, যা বগুড়ার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) বৃহস্পতি
কেন সঠিক:
- আয়তন ও ভরের দিক থেকে বৃহস্পতি সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে সবচেয়ে বড়।
- এর ভর সৌরজগতের অন্য সব গ্রহের মোট ভরের আড়াই গুণেরও বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পৃথিবী — পৃথিবী সৌরজগতের একটি মাঝারি আকৃতির গ্রহ এবং এটি বৃহস্পতির তুলনায় অনেক ছোট।
B) বৃহস্পতি — এটিই সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক।
C) শনি — শনি গ্রহ সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ, যা বৃহস্পতির চেয়ে আকারে ছোট।
D) বুধ — বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ, তাই এটি বৃহত্তম গ্রহ হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
বৃহস্পতি গ্রহের নাম মনে রাখতে পারেন সব গ্রহের বড় কর্তা বা গুরু হিসেবে, কারণ বৃহস্পতি মানেই হলো বড়।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) গোয়ালন্দ
কেন সঠিক:
- উত্তরবঙ্গের প্রধান নদী যমুনা প্রবাহের শেষ প্রান্তে রাজবাড়ੀ জেলার গোয়ালন্দঘাটে এসে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- যমুনা নদী মূলত ব্রহ্মপুত্র নদের নতুন প্রবাহ এবং এটি গোয়ালন্দেই পদ্মার মূল ধারার সঙ্গে মিশেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাঁদপুরে — এটি ভুল কারণ চাঁদপুর হলো এমন একটি স্থান যেখানে পদ্মা এবং মেঘনা নদী মিলিত হয়েছে।
B) সিরাজগঞ্জ — এটি ভুল কারণ সিরাজগঞ্জ যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি জেলা, নদী মিলনের স্থান নয়।
C) গোয়ালন্দ — এটি সঠিক অপশন এবং এখানেই পদ্মা ও যমুনা নদী একত্রে মিলিত হয়েছে।
D) ভোলা — এটি ভুল কারণ ভোলা জেলায় এসে মেঘনা নদী বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা ও যমুনা মিলেছে গোয়ালন্দে (পয-গো), আর পদ্মা-মেঘনার মিলন চাঁদপুরে (পমে-চা)।
সঠিক উত্তর: A) পঞ্চগড়
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল
কেন সঠিক:
- পঞ্চগড় জেলা বাংলাদেশের সর্বউত্তরে অবস্থিত এবং এর তেঁতুলিয়া উপজেলা দেশের সর্বউত্তরের ভূখণ্ড।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে বাংলাদেশের সর্বউত্তরের বিন্দু অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঞ্চগড় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলাটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরে অবস্থিত।
B) ঠাকুরগাঁও — এটি পঞ্চগড়ের ঠিক দক্ষিণে অবস্থিত একটি জেলা, তাই এটি সর্বউত্তরের উপজেলা বা জেলা নয়।
C) দিনাজপুর — এটি রংপুর বিভাগের একটি জেলা যা পঞ্চগড়ের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
D) লালমনিরহাট — এটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি জেলা, যা পঞ্চগড়ের মতো সর্বউত্তরে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
উত্তরে পঞ্চগড় এবং দক্ষিণে টেকনাফ, এই কথাটি মনে রাখলে বাংলাদেশের সর্বউত্তর ও সর্বদক্ষিণ প্রান্ত সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- পটুয়া কামরুল হাসান ১৯৭১ সালে বর্তমান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপ ও নকশা তৈরি করেছিলেন।
- তাঁর নকশা করা পতাকাই ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হিসেবে গৃহীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কামরুল হাসান - এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত ডিজাইনার ছিলেন।
B) জয়নুল আবেদীন - তিনি বাংলাদেশের শিল্পকলার একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও শিক্ষক, তবে জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
C) হাসেম খান - তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী, যিনি জাতীয় পতাকার ডিজাইনার হিসেবে যুক্ত ছিলেন না।
D) হামিদুর রহমান - তিনি শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, জাতীয় পতাকার ডিজাইনার নন।
মনে রাখার টিপস:
পতাকার কাজ হলো আঁকা, আর পটুয়া কামরুল হাসান ছবি আঁকার সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) সৌরজগৎ
কেন সঠিক:
- সূর্য এবং তার চারপাশে ঘূর্ণায়মান গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু ও ধূমকেতু নিয়ে সৌরজগৎ গঠিত।
- মহাকর্ষ বলের প্রভাবে নির্দিষ্ট কক্ষপথে জ্যোতিষ্কগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নক্ষত্র — নক্ষত্র হলো নিজস্ব আলো ও উত্তাপযুক্ত বিশাল গ্যাসীয় গোলক, যা অন্য কিছুকে কেন্দ্র করে ঘোরে না।
B) পৃথিবী — পৃথিবী সৌরজগতের একটি নির্দিষ্ট গ্রহ মাত্র, পুরো জ্যোতিষ্কমণ্ডলীকে পৃথিবী বলা হয় না।
C) সৌরজগৎ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা নেই।
D) বুধ — বুধ হলো সূর্যের সবচেয়ে কাছের একটি গ্রহ, যা সৌরজগতের একটি অংশ মাত্র।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যকে কেন্দ্র করে যা কিছু ঘোরে তাদের সবাইকে নিয়েই সৌরজগৎ গঠিত।
সঠিক উত্তর: A) সূর্যগ্রহণ
কেন সঠিক:
- সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চন্দ্র সোজাসুজি অবস্থান করলে চাঁদের ছায়া পৃথিবীর ওপর পড়ে।
- এই অবস্থানের কারণে পৃথিবী থেকে সূর্য সাময়িকভাবে ঢাকা পড়ে যায়, যা সূর্যগ্রহণ নামে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সূর্যগ্রহণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই অবস্থানে সূর্য ঢাকা পড়ে।
B) চন্দ্রগ্রহণ — এটি ভুল কারণ চন্দ্রগ্রহণের সময় সূর্য ও চন্দ্রের মাঝে পৃথিবী অবস্থান করে।
C) অমাবস্যা — এটি তিথির নাম, যদিও সূর্যগ্রহণের দিন অমাবস্যা হয় তবে এটি সরাসরি এই ভৌত অবস্থানের প্রধান ফল নয়।
D) কোনোটিই নয় — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান।
মনে রাখার টিপস:
মাঝখানে চন্দ্র থাকলে সূর্যগ্রহণ এবং মাঝখানে পৃথিবী থাকলে চন্দ্রগ্রহণ হয়।
সঠিক উত্তর: A) আলো
কেন সঠিক:
- পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, ওজন ও স্থান দখল করার ক্ষমতা থাকে, কিন্তু আলোর কোনো ভর বা ওজন নেই এবং এটি স্থান দখল করে না।
- আলো হলো শক্তির একটি রূপ, যা চোখে অনুভূতির সৃষ্টি করে কিন্তু নিজে কোনো জড় পদার্থ নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলো — এটি শক্তির একটি রূপ এবং এর কোনো ভর বা ওজন নেই, তাই এটি পদার্থ নয়।
B) অক্সিজেন — এটি একটি গ্যাসীয় মৌলিক পদার্থ, যার নির্দিষ্ট ভর ও স্থান দখল করার ক্ষমতা রয়েছে।
C) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের একটি প্রধান গ্যাসীয় পদার্থ, যার ওজন এবং আয়তন রয়েছে।
D) পানি — এটি একটি রাসায়নিক যৌগ এবং তরল পদার্থ, যা নির্দিষ্ট স্থান দখল করে ও যার ভর আছে।
মনে রাখার টিপস:
যার ওজন আছে এবং জায়গা দখল করে সে পদার্থ, আর আলো হলো শক্তি যা পদার্থ নয়।
সঠিক উত্তর: C) ট্যাকোমিটার
কেন সঠিক:
- ট্যাকোমিটার হলো এমন একটি যন্ত্র যা কোনো যানের, বিশেষ করে উড়োজাহাজ বা মোটর গাড়ির ইঞ্জিন প্রতি মিনিটে কতবার ঘোরে তা পরিমাপ করে।
- এর মাধ্যমে ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি বা আরপিএম নিখুঁতভাবে জানা যায়, যা উড়োজাহাজ চালানোর সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রনোমিটার — এটি অত্যন্ত নিখুঁত সময় পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত এক ধরণের বিশেষ ঘড়ি, যা সমুদ্রের মাঝে জাহাজের দ্রাঘিমা নির্ণয়ে কাজে লাগে।
B) ওডোমিটার — এটি মোটর গাড়ি বা অন্যান্য যানের চাকার ঘূর্ণন গণনা করে অতিক্রান্ত মোট দূরত্ব পরিমাপ করে।
D) ক্রেসকোগ্রাফ — এটি জগদীশ চন্দ্র বসু কর্তৃক উদ্ভাবিত উদ্ভিদ বা গাছের বৃদ্ধির হার নিখুঁতভাবে পরিমাপ করার যন্ত্র।
মনে রাখার টিপস:
ট্যাকো শব্দটির সাথে গতি বা ঘূর্ণনের সম্পর্ক আছে, তাই উড়োজাহাজের গতি বা ইঞ্জিনের ঘূর্ণন মাপতে ট্যাকোমিটার ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) ফ্যাদোমিটার
কেন সঠিক:
- ফ্যাদোমিটার এমন একটি বিশেষ যন্ত্র যার সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা হয়।
- এই যন্ত্রটি প্রতিধ্বনি বা শব্দতরঙ্গের প্রতিফলনের নীতি ব্যবহার করে পানির গভীরতা নির্ণয় করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্যাদোমিটার — এটি সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত সঠিক যন্ত্র।
B) জাইরো কম্পাস — এটি জাহাজের দিক নির্ণয় বা উত্তর দিক নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) সাবমেরিন — এটি পানির নিচে চলাচলকারী একটি বিশেষ নৌযান, কোনো পরিমাপক যন্ত্র নয়।
D) অ্যানিওমিটার — এটি বাতাসের গতিবেগ ও চাপ পরিমাপ করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
সমুদ্রের গভীরতা মাপার ফ্যাদোমিটার মনে রাখতে ফ্যাদম এককটি মনে রাখতে পারেন, কারণ এক ফ্যাদম সমান ছয় ফুট।
সঠিক উত্তর: C) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
কেন সঠিক:
- বায়ুতে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান নিজ নিজ রাসায়নিক ধর্ম বজায় রেখে মিশে থাকে।
- উপাদানগুলো নির্দিষ্ট কোনো অনুপাতে রাসায়নিকভাবে যুক্ত হয় না বলে বায়ুকে মিশ্র পদার্থ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ — যৌগিক পদার্থে উপাদানগুলো নির্দিষ্ট অনুপাতে রাসায়নিক বন্ধনে আবদ্ধ থাকে, যা বায়ুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ — মৌলিক পদার্থ কেবল একটিমাত্র উপাদান দিয়ে গঠিত হয়, কিন্তু বায়ুতে একাধিক ভিন্ন গ্যাস থাকে।
C) বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ — প্রদত্ত উত্তর সঠিক হওয়ায় এটি সঠিক অপশন হিসেবে গণ্য।
D) উপরের কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
যৌগে উপাদানগুলো রাসায়নিকভাবে আটক থাকে, আর মিশ্রণে উপাদানগুলো শুধু পাশাপাশি মিশে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) বেশি হয়
কেন সঠিক:
- প্রেসার কুকারের ভেতরে বায়ু রুদ্ধ করে চাপ বৃদ্ধি করা হয়, ফলে উচ্চ চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায়।
- পানির স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পাওয়ায় খাবার দ্রুত সিদ্ধ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম হয় — চাপ কমলে স্ফুটনাঙ্ক কমে, কিন্তু প্রেসার কুকারে চাপ বেশি থাকে।
B) বেশি হয় — এটি সঠিক কারণ, উচ্চ চাপের কারণে এখানে পানির স্ফুটনাঙ্ক সাধারণ অবস্থার চেয়ে বেশি হয়।
C) ঠিক থাকে — চাপ পরিবর্তনের ফলে স্ফুটনাঙ্ক কখনো ঠিক থাকে না, বরং পরিবর্তিত হয়।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রেসার মানে চাপ বেশি, তাই স্ফুটনাঙ্ক ও রান্নার গতিও বেশি।
সঠিক উত্তর: B) খাগড়াছড়ি
কেন সঠিক:
- হালদা নদী চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এবং এর অববাহিকা বা উপত্যকাটি খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক অবস্থান ও পাহাড়ি উপত্যকার বিন্যাস অনুযায়ী এই অঞ্চলটি খাগড়াছড়ি জেলার অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাঙ্গামাটি — এটি রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত নয়, কারণ রাঙ্গামাটির প্রধান নদী হলো কর্ণফুলী ও মাইনী।
B) খাগড়াছড়ি — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই জেলার ভৌগোলিক সীমার ভেতরে অবস্থিত।
C) বান্দরবান — এটি বান্দরবান জেলার অংশ নয়, বান্দরবানের প্রধান নদী মাতামুহুরী ও সাঙ্গু।
D) সন্দ্বীপ — এটি কোনো পাহাড়ি উপত্যকা নয়, বরং এটি চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপকূলীয় দ্বীপ।
মনে রাখার টিপস:
হালদা নদী পাহাড়ি অঞ্চলের যে জেলায় বেশি বিস্তৃত, তার নাম মনে রাখতে "হালদা ভ্যালী মানেই খাগড়াছড়ি" এই মিলটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) খাসির মাংস
কেন সঠিক:
- খাসির মাংসে প্রচুর পরিমাণে ক্ষতিকর চর্বি বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে যা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়।
- লাল মাংসে উচ্চমাত্রায় কোলেস্টেরল থাকায় হৃদরোগের ঝুঁকি এড়াতে এটি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেলে মাছ — এটি সামুদ্রিক বা দেশীয় ছোট মাছ হওয়ায় এতে ক্ষতিকর চর্বি বা কোলেস্টেরল থাকে না, তাই এটি খাওয়া যায়।
B) পালংশাক — এটি শাকসবজি এবং এতে কোনো কোলেস্টেরল থাকে না, বরং এটি শরীরের জন্য উপকারী ফাইবার ও খনিজ সরবরাহ করে।
C) খাসির মাংস — এটি অতিরিক্ত মাত্রায় চর্বিযুক্ত লাল মাংস হওয়ায় রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) মুরগীর মাংস — এর মাংসে চর্বির পরিমাণ খাসির মাংসের তুলনায় অনেক কম থাকে এবং এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যায়।
মনে রাখার টিপস:
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে লাল মাংস বা খাসির মাংস এড়িয়ে চলুন এবং শাকসবজি ও চর্বিহীন মাছ বা মুরগির মাংস বেছে নিন।
সঠিক উত্তর: C) শীতকালীন শস্য
কেন সঠিক:
- রবিশস্য বলতে কার্তিক থেকে মাঘ মাসের মধ্যে উৎপাদিত কৃষিপণ্যকে বোঝায়।
- শীতকালে এই ফসল চাষ করা হয় এবং বসন্তকালের শেষের দিকে এগুলো সংগ্রহ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রীষ্মকালীন শস্য — গ্রীষ্মকালে উৎপাদিত ফসলকে রবিশস্য বলা হয় না, এগুলোকে খরিফ শস্য বলা হয়।
B) বর্ষাকালীন শস্য — বর্ষাকালে উৎপাদিত ফসল রবিশস্য নয়, এটি খরিফ শস্যের অন্তর্ভুক্ত।
C) শীতকালীন শস্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ রবিশস্য বলতে প্রধানত শীতকালীন ফসলকেই বোঝানো হয়।
D) যে কোনো সময়ের শস্য — রবিশস্য নির্দিষ্ট একটি মৌসুমের ফসল, এটি সারা বছর উৎপাদিত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
রবি মানে সূর্য, শীতকালে মিষ্টি রোদের আলোয় এই ফসল চাষ হয় বলে একে রবিশস্য বলে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) ফুসফুস
কেন সঠিক:
- নিউমোনিয়া হলো এক ধরনের ফুসফুসের সংক্রমণ যা ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের কারণে ঘটে।
- এই রোগে ফুসফুসের বায়ুথলিগুলো তরল বা পুজে পূর্ণ হয়ে যায়, ফলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুসফুস — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউমোনিয়া সরাসরি ফুসফুসকে আক্রমণ করে।
B) কিডনি — এটি রক্ত ফিল্টার করে মূত্র তৈরি করে, যা নিউমোনিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) যকৃত — এটি মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি এবং বিপাক ক্রিয়ায় অংশ নেয়, যা নিউমোনিয়া আক্রান্ত করে না।
D) প্লীহা — এটি লসিকাতন্ত্রের অংশ এবং রক্ত ফিল্টার করে, ফুসফুসের সংক্রমণের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
নিউমোনিয়া মানেই ফুসফুসের রোগ, মনে রাখবেন নিশ্বাস বা ফুসফুসের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) হাম
কেন সঠিক:
- হাম একটি অতি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ যা আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি ও কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।
- এটি মূলত বায়ুর মাধ্যমে সুস্থ মানুষের শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডায়রিয়া — এটি মূলত খাদ্য ও পানির মাধ্যমে ছড়ানো একটি জলবাহিত রোগ, বায়ুবাহিত নয়।
B) কলেরা — এটি পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়, যা জলবাহিত ও খাদ্যবাহিত ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ।
C) হাম — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) জন্ডিস — এটি সাধারণত দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে বা রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়, বায়ুর মাধ্যমে নয়।
মনে রাখার টিপস:
সর্দি, কাশি এবং হাম বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়, তাই এগুলো বায়ুবাহিত রোগ।
সঠিক উত্তর: A) হৃৎপিণ্ডের সংকোচন চাপ
কেন সঠিক:
- সিস্টোলিক চাপ হলো রক্তচাপ পরিমাপের সময় ওপরের সংখ্যাটি, যা হৃৎপিণ্ডের নিলয়ের সংকোচনের সময় ধমনীতে তৈরি হয়।
- এই সংকোচনের ফলে হৃৎপিণ্ড থেকে সারা শরীরে রক্ত জোরালোভাবে পাম্প হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হৃৎপিণ্ডের সংকোচন চাপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সিস্টোলিক চাপ হৃৎপিণ্ডের সংকোচনের অবস্থাকে নির্দেশ করে।
B) হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ চাপ — এটি ভুল কারণ হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ চাপকে ডায়াস্টোলিক চাপ বলা হয়।
C) হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণ চাপ — এটি ভুল কারণ সংকোচন ও প্রসারণ চাপ একসাথে বোঝাতে ব্লাড প্রেশারের পূর্ণাঙ্গ মান বোঝায়, একে এককভাবে সিস্টোলিক বলা যায় না।
D) কোনোটিই নয় — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সিস্টোলিক মানে সংকোচন বা ওপরে থাকা বড় সংখ্যাটি, আর ডায়াস্টোলিক মানে প্রসারণ বা নিচে থাকা ছোট সংখ্যাটি।
সঠিক উত্তর: B) ৮ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালনের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- নারীর অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দিতে এই দিনটি নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ মার্চ — এই দিনটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের সঙ্গে জড়িত, আন্তর্জাতিক নারী দিবস নয়।
B) ৮ মার্চ — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত সঠিক দিন।
C) ৯ মার্চ — এই তারিখের সঙ্গে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) ১০ মার্চ — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মাস মার্চ এবং তারিখটি ৮, যা বছরের তৃতীয় মাসের প্রথম আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) লাল আলোতে
কেন সঠিক:
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ক্লোরোফিল দৃশ্যমান আলোর লাল এবং নীল অংশ সবচেয়ে বেশি শোষণ করে।
- লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণের হার সবচেয়ে বেশি এবং সবুজ আলোতে সবচেয়ে কম হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবুজ আলোতে — ক্লোরোফিল সবুজ আলো শোষণ না করে তা প্রতিফলিত করে, তাই এ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম হয়।
B) লাল আলোতে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) নীল আলোতে — নীল আলোতেও সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয়, তবে লাল আলোর তুলনায় এর পরিমাণ কিছুটা কম।
D) বেগুনি আলোতে — বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম থাকায় এই আলোতে সালোকসংশ্লেষণের হার লাল বা নীল আলোর মতো বেশি হয় না।
মনে রাখার টিপস:
লাল রঙে রস বেশি, তাই সালোকসংশ্লেষণ লাল আলোতে বেশি হয়।
সঠিক উত্তর: C) বালি
কেন সঠিক:
- কাচ উৎপাদনের প্রধান ও মূল কাঁচামাল হলো সিলিকা বা বালি।
- বালির সাথে সোডা অ্যাশ ও চুনাপাথর মিশিয়ে উচ্চ তাপমাত্রায় গলিয়ে কাচ তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চুনাপাথর — এটি কাচ তৈরির অন্যতম উপাদান হলেও প্রধান কাঁচামাল বালি।
B) জিপসাম — এটি প্রধানত সিমেন্ট শিল্প ও প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, কাচে নয়।
C) বালি — এটি সঠিক উত্তর।
D) সাজি মাটি — এটি একসময় সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত হতো, কাচ তৈরিতে নয়।
মনে রাখার টিপস:
কাচের মূল উপাদান হলো বালি, মনে রাখতে বালুর সাথে সোডা মিশিয়ে কাচ তৈরি হয়।
সঠিক উত্তর: A) অ্যালুমিনিয়াম
কেন সঠিক:
- ভূ-পৃষ্ঠে বা ভূত্ওয়াকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা ধাতু হলো অ্যালুমিনিয়াম, যার পরিমাণ প্রায় আট শতাংশ।
- সামগ্রिकভাবে ভূত্ওয়াকে সবচেয়ে বেশি মৌল অক্সিজেন ও সিলিকন থাকার পরও ধাতু হিসেবে অ্যালুমিনিয়াম প্রথম স্থানে রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ্যালুমিনিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভূ-পৃষ্ঠে এর পরিমাণ অন্যান্য ধাতুর তুলনায় সবচেয়ে বেশি।
B) তামা — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাতু হলেও ভূ-পৃষ্ঠে এর পরিমাণ অ্যালুমিনিয়ামের তুলনায় অনেক কম।
C) সীসা — এটি একটি ভারী ধাতু এবং ভূ-ত্বকে এর প্রাচুর্য অ্যালুমিনিয়ামের তুলনায় খুবই নগণ্য।
D) দস্তা — এটি ভূ-পৃষ্ঠে প্রাপ্ত একটি সাধারণ ধাতু হলেও অ্যালুমিনিয়ামের মতো এত বেশি পরিমাণে থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
ভূত্সারের ধাতুতে আ দিয়ে অ্যালুমিনিয়াম মনে রাখুন, যা তালিকার শীর্ষে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) কালো
কেন সঠিক:
- কালো রঙের বস্তু দৃশ্যমান আলোর প্রায় সব অংশই শোষণ করে নেয় এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করে না।
- আলো শোষণের ফলে বস্তুর ভেতরে তাপশক্তি জমা হয়, তাই কালো বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাদা — সাদা রঙের বস্তু প্রায় সব আলোই প্রতিফলিত করে, তাই এর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম।
B) কালো — এটি সঠিক উত্তর কারণ কালো রঙ আলো প্রতিফলিত না করে সম্পূর্ণ শোষণ করে।
C) বেগুনি — বেগুনি রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম এবং এটি সাদা বা কালোর মতো চরম তাপ শোষণকারী নয়।
D) লাল — লাল রঙের বস্তু মূলত লাল আলো প্রতিফলিত করে এবং অন্যান্য রঙের আলো শোষণ করে, যা কালোর মতো সম্পূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাদা রঙ আলো ফিরিয়ে দেয় তাই গরম কম লাগে, আর কালো রঙ আলো গিলে খায় তাই তাপ বেশি শোষণ করে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)