প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (কর্ণফুলী) ২০১২

পদের নাম: সহকারী শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a সরল
b  বিনয়
c শান্ত
d বিনীত
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিনয় ১. কেন সঠিক: - ঔদ্ধত্য শব্দের অর্থ অহংকার, উদ্ধত ভাব বা অহমিকা। এর সরাসরি বিপরীত শব্দ হলো বিনয়, যার অর্থ নম্রতা বা ভদ্রতা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ্য পদের বিপরীতে বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীতে বিশেষণ পদ নির্বাচন করতে হয়। ঔদ্ধত্য একটি বিশেষ্য পদ এবং এর সঠিক বিপরীত বিশেষ্য পদ হলো বিনয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে পদের মিল রক্ষা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ সবসময় বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ বিশেষণ পদ হয়ে থাকে। - এখানে ঔদ্ধত্য শব্দটি উদ্ধত শব্দের ভাববাচক বিশেষ্য রূপ, যার বিপরীত ভাববাচক বিশেষ্য হলো বিনয়। ব্যাকরণগত ও অর্থগত সংগতি বজায় রেখেই এই বিপরীত শব্দ নির্ধারিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহংকার শব্দের বিপরীত শব্দ নিরহংকার বা বিনম্র। ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তির স্বভাবের বিপরীত বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: মুরুব্বিয়ানা শব্দের বিপরীত অনুগত বা শিষ্টাচার। ব্যাখ্যা: আচরণগত দিক থেকে বিপরীত অর্থ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — এটি কুটিল বা গরল শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ঔদ্ধত্য শব্দের সরাসরি বিপরীত নয়। B) বিনয় — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ঔদ্ধত্য শব্দের উপযুক্ত বিপরীতার্থক শব্দ। C) শান্ত — এটি চঞ্চল বা উগ্র শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, অহংকারের বিপরীত নয়। D) বিনীত — এটি বিশেষণ পদ, কিন্তু ঔদ্ধত্য বিশেষ্য পদ হওয়ায় এর বিপরীত শব্দ হিসেবে বিনয় বেশি উপযুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - অহংকারী মানুষের মধ্যে ঔদ্ধত্য থাকে, আর ভালো মানুষের মধ্যে থাকে বিনয়। এভাবে গুণ ও স্বভাবের তুলনা করে বিপরীত শব্দ মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশেষ্য পদের বিপরীতে বিশেষ্য এবং বিশেষণ পদের বিপরীতে বিশেষণ বসানোর নিয়মটি জানা থাকলে বিপরীতার্থক শব্দের ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a  পসারিণী
b পসারিনি
c পসারিনী
d পসারীনী
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পসারিণী ১. কেন সঠিক: - 'পসারিণী' বানানটি সঠিক কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এর শেষের দীর্ঘ-ঈ কার যুক্ত হয়েছে। - পসার শব্দের সঙ্গে ইন্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীলিঙ্গ গঠিত হওয়ার সময় রস্র-ই কারের পরিবর্তে দীর্ঘ-ঈ কার ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় ও স্ত্রীলিঙ্গ সাধনের নিয়মের অন্তর্ভুক্ত একটি শব্দ। - পসার শব্দের অর্থ দোকানের মালপত্র বা পসরা, এবং পসারিণী অর্থ যিনি পসরা সাজিয়ে বসেন বা নারী বিক্রেতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চক্রবর্তিণী ব্যাখ্যা: চক্রবর্তী শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ গঠনে শেষে দীর্ঘ-ঈ কার যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: মায়াবিণী ব্যাখ্যা: মায়াবী শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ গঠনে প্রত্যয় যোগের মাধ্যমে দীর্ঘ-ঈ কার ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পসারিণী — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতিসম্মত। B) পসারিনি — এই অপশনটি ভুল কারণ এর শেষের বর্ণ ন-এ রস্র-ই কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) পসারিনী — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে মধ্যের র-এ রস্র-ই কার এবং শেষের ন-এ দীর্ঘ-ঈ কার রয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। D) পসারীনী — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে র-এর সঙ্গে দীর্ঘ-ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের গঠন অনুযায়ী সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পসার শব্দের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়টি দীর্ঘ-ঈ কারান্ত হয়, তাই পসারিণী বানানে সবসময় দীর্ঘ-ঈ কার ব্যবহার করতে হবে। - স্ত্রীবাচক অনেক শব্দের শেষে দীর্ঘ-ঈ কার বসে, এই নিয়মটি চর্চা করলে বানান ভুল কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যুক্ত স্ত্রীবাচক শব্দের বানান প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগের সময় কারচিহ্ন কোথায় পরিবর্তন হয় তা খেয়াল রাখতে হবে।
a  আনুষঙ্গিক
b আনুসাঙ্গিক
c অনুষঙ্গিক
d আনূষঙ্গিক
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আনুষঙ্গিক ১. কেন সঠিক: - অনু শব্দের সঙ্গে ঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আনুষঙ্গিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এখানে মূল শব্দ অনুসঙ্গের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণে প্রথম বর্ণে পরিবর্তন ঘটে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠনের নিয়মে অনুসঙ্গ যোগ ঠিক প্রত্যয় যুক্ত হলে আনুষঙ্গিক হয়। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার সঠিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা: ইতিহাস শব্দের সঙ্গে ঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঐতিহাসিক গঠিত হয়। উদাহরণ ২: ব্যবহারিক ব্যাখ্যা: ব্যবহার শব্দের সঙ্গে ঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ব্যবহারিক গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনুষঙ্গিক — এই বানানটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। B) আনুসাঙ্গিক — এখানে স এর জায়গায় সা ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) অনুষঙ্গিক — এখানে আদি স্বরধ্বনিতে আ না থাকায় এটি মূল শব্দের সঠিক প্রত্যয়জাত রূপ নয়। D) আনূষঙ্গিক — এখানে দীর্ঘ ঊ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান নিয়মের পরিপন্থী। ৫. মনে রাখার টিপস: - আনুষঙ্গিক বানানটিতে প্রথমে আ এবং পরে মূর্ধন্য ষ এর সঙ্গে যুক্ত ই কার থাকে। - মূল শব্দ অনুসঙ্গ মনে রাখলে এই বানান সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যুক্ত শব্দ থেকে প্রায়ই বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগের নিয়ম ভালোভাবে চর্চা করলে এই ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
a করণে শূন্য
b অধিকরণে শূন্য
c  কর্মে শূন্য
d অপাদানে শূন্য
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মে শূন্য কেন সঠিক: - বাক্যের ক্রিয়াকে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে কর্মকারক বলে। - এখানে খালেদ কী পড়ে উত্তর বই, তাই বই শব্দটি কর্মকারক। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কর্মকারকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি যুক্ত হয়েছে কারণ বই শব্দের সাথে অতিরিক্ত কোনো বিভক্তি চিহ্ন যুক্ত নেই। - বাক্যের মূল উদ্দেশ্য বা কর্ম যখন সরাসরি প্রকাশ পায়, তখন তাকে কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি বলা হয়। - যেমন বাবা আমাকে কলম দিলেন বাক্যে কলম কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) করণে শূন্য — যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে করণ কারক বলে, এখানে পড়ার উপকরণ বই নয় বরং বই নিজেই কর্ম। - B) অধিকরণে শূন্য — ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে, কিন্তু বই কোনো স্থান বা সময় বোঝাচ্ছে না। - C) কর্মে শূন্য — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। - D) অপাদানে শূন্য — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত বা তর্জিত হয় তাকে অপাদান কারক বলে, কিন্তু বই এখানে কোনো উৎস বোঝাচ্ছে না। মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়ার কাছে কী বা কাকে প্রশ্ন করে যদি সরাসরি বস্তুবাচক উত্তর পাও, তবে তা নিশ্চিতভাবে কর্মকারক হবে।
a করণে ৭মী
b কর্মে ৭মী
c অপাদানে ৭মী
d অধিকরণে ৭মী
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) করণে ৭মী ১. কেন সঠিক: বাক্যে যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে করণ কারক বলা হয়। এখানে ব্যায়াম হলো শরীর ভালো রাখার মাধ্যম বা উপায়, তাই এটি করণ কারক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সাহায্য বা উপায়। বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক হয়। ব্যায়ামে শব্দে ব্যায়াম যোগ এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যেখানে এ হলো সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তির রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলমে লেখা যায়। ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম কলম হওয়ায় এটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি। উদাহরণ ২: মদাস্ত্রে শত্রু নিহত হলো। ব্যাখ্যা: শত্রু নিহত হওয়ার উপায় মদাস্ত্র, তাই এটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্যায়াম হলো শরীর ভালো রাখার মাধ্যম। B) কর্মে ৭মী — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, এখানে ব্যায়াম কর্ম নয়। C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা উৎপন্ন হয়, এখানে তা বোঝাচ্ছে না। D) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক হলো ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা স্থান, এখানে ব্যায়াম কোনো স্থান বা সময় নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কি দ্বারা বা কি উপায়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রশ্ন করলে যদি মাধ্যম বা উপায় বোঝায়, তবে তা করণ কারক হবে। শব্দটির সঙ্গে এ, য়, তে যুক্ত থাকলে সপ্তমী বিভক্তি ধরতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাধ্যম বা উপায় বোঝালে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা একে অধিকরণ বা কর্ম ভেবে ভুল করে। তাই ক্রিয়ার সঙ্গে কিসের দ্বারা প্রশ্ন করে উত্তর পেলে নিশ্চিতভাবে তা করণ কারক দাগাতে হবে।
a দুৎ + লোক
b  দিব্‌ + লোক
c দুঃ লোক
d দুত + লোক
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দিব্‌ + লোক ১. কেন সঠিক: - দ্যুলোক শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো দিব্‌ যোগ লোক, যা স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মের বাইরে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির অন্তর্ভুক্ত। - দিব শব্দের প বর্গের অন্ত্য বর্ণ ব হসন্ত এবং লোক শব্দের ল মিলে এই বিশেষ সন্ধি সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো সেই সন্ধি যা কোনো সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না, বরং প্রীতি বা ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষায়ে সিদ্ধ হয়েছে। - সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দিব শব্দের স্থানে দ্যু এবং পরবর্তী লোক শব্দের সঙ্গে মিলে দ্যুলোক গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহরহ = অহঃ + অহ ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিপাতনে সিদ্ধ উদাহরণ যা কোনো সাধারণ নিয়ম মানে না। উদাহরণ ২: পরস্পর = পরি + পর ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম না মেনে নিপাতনে সিদ্ধ হয়ে গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুৎ + লোক — দুৎ নামে কোনো শব্দ বা উপসর্গ সন্ধির নিয়মে এখানে প্রযোজ্য নয় তাই এটি ভুল। C) দুঃ লোক — বিসর্গ সন্ধির কোনো নিয়ম এখানে খাপ খায় না কারণ সঠিক রূপ দিব্‌ থেকে এসেছে। D) দুত + লোক — দুত কোনো মূল শব্দ বা ধাতু নয় যা দ্যুলোক গঠনে সাহায্য করতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: - দ্যুলোক শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর মূল অংশ দিব্‌ মনে রাখতে হবে। - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - দ্যুলোক শব্দের পাশাপাশি বৃহস্পতি ও পতঞ্জলি শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদও ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a তৎপুরুষ
b অব্যয়ীভাব
c  কর্মধারয়
d দ্বিগু
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - মৌমাছি শব্দটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত কারণ এখানে মৌ বা মধু সংগ্রহকারী মাছি বোঝানো হয়েছে। - মধ্যপদলপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সম্পূর্ণ লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যস্থিত পদ বা পদগুলো সমস্তপদে লোপ পায় তাকে মধ্যপদলপী কর্মধারয় সমাস বলে। - মৌমাছি শব্দের ব্যাসবাক্য হলো মৌ সংগ্রহকারী মাছি, যেখানে মধ্যের সংগ্রহকারী পদটি সমস্তপদে লোপ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে চিহ্নিত পদটি মাঝখান থেকে লোপ পেয়ে মধ্যপদলপী কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে। উদাহরণ ২: পল মিশ্রিত অম্ল = জলাশয় বা পলান্ন ব্যাখ্যা: পল মিশ্রিত অম্ল সমান পলান্ন, যেখানে মিশ্রিত শব্দটি লোপ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয়ে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয় যা এই শব্দের ক্ষেত্রে মেলে না। C) কর্মধারয় — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি মধ্যপদলপী কর্মধারয় সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে থাকে যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যের মাঝে যদি কোনো কাজের বা ব্যাখ্যার অতিরিক্ত পদ থাকে এবং সমস্তপদে তা উধাও হয়ে যায়, তবে তা মধ্যপদলপী কর্মধারয় সমাস। - মৌমাছি মানে মৌ সংগ্রহকারী মাছি, মাঝের অংশ বাদ গেলেই কর্মধারয় নিশ্চিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলপী কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - গায়ে হলুদ, পলান্ন, বাষ্পীয় রথ ইত্যাদি শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য চর্চা করলে এই নিয়মের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a স্নান
b প্রক্ষালন
c  অবগাহন
d পদধৌত
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অবগাহন ১. কেন সঠিক: ‘অবগাহন’ শব্দের সাধারণ অর্থ হলো জলে নেমে সর্বাঙ্গ ডুবিয়ে স্নান করা বা নিমগ্ন হওয়া। প্রশ্নে বলা হয়েছে ‘আবক্ষ জলে নেমে স্নান’, যার অর্থ বুক পর্যন্ত জলে নেমে স্নান করা, যা অবগাহন শব্দের ভাবার্থকে পুরোপুরি প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বাক্যের অর্থকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য এককথায় প্রকাশের ব্যবহার করা হয়, যা ভাষা ও ভাবকে সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গঙ্গায় অবগাহন করা পুণ্যকর্ম বলে অনেকে মনে করেন। ব্যাখ্যা: এখানে গঙ্গায় জলে নেমে স্নান করার অর্থে অবগাহন শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সারাদিন রোদে ঘুরে পুকুরে অবগাহন করে শরীর জুড়াল। ব্যাখ্যা: পুকুরের জলে সম্পূর্ণ বা বুক পর্যন্ত নেমে স্নান করার ভাবটি এখানে প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্নান — এটি সাধারণ অর্থে গোসল করা বোঝায়, কিন্তু বুক পর্যন্ত জলে নেমে স্নান করার বিশেষ ভাবটি এতে প্রকাশ পায় না। B) প্রক্ষালন — এর অর্থ ভালোভাবে ধৌত করা বা ধোয়া, যেমন হাত বা পা প্রক্ষালন করা, যা স্নানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) অবগাহন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে প্রযোজ্য। D) পদধৌত — এর অর্থ পা ধোয়া, যা সম্পূর্ণ শরীরের জলে নেমে স্নানের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বুক বা গলা পর্যন্ত জলে নেমে স্নান করা বোঝালে এককথায় প্রক্ষালন বা সাধারণ স্নান না বলে সবসময় অবগাহন বলতে হবে। জলে ডুব দিয়ে বা জলে নেমে স্নান করার সঙ্গে অবগাহন শব্দটি বিশেষভাবে যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই শব্দার্থ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক। নদী, পুকুর বা জলাশয়ে নেমে স্নান করার ক্ষেত্রে অবগাহন শব্দটি সবচেয়ে প্রমিত ও সঠিক নির্বাচন।
a গিরিশ চন্দ্র ঘোষ
b কায়কোবাদ
c  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d সৈয়দ শামসুল হক
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: রক্তকরবী নাটকটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত রূপক ও সাংকেতিক নাটক, যেখানে যন্ত্রসভ্যতা ও পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে মানুষের প্রাণশক্তির জয়গান গাওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক যুগপুরুষ যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক, উপন্যাস ও প্রবন্ধসহ সাহিত্যের সকল শাখায় মুন্শিয়ানা দেখিয়েছেন। ১৯১৩ সালে তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং রক্তকরবী নাটকটি বাংলা ১৩৩১ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অচলায়তন ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত নাটক যা সমাজ ও শিক্ষার জড়তা ভাঙার বার্তা দেয়। উদাহরণ ২: রাজা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপক নাটক যেখানে মানুষের অন্তরাত্মার অনুসন্ধান করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গিরিশ চন্দ্র ঘোষ — তিনি বাংলা নাট্যশালার অন্যতম স্থপতি ও নাট্যকার হলেও রক্তকরবী নাটকটি তার রচনা নয়। B) কায়কোবাদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন মহাকাব্যিক কবি যিনি মহাশ্মশান মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত, কোনো নাটক নয়। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ রক্তকরবী নাটকটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সৃষ্টি। D) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কবি ও নাট্যকার হলেও এই বিখ্যাত রূপক নাটকের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রক্তের রঙ লাল আর রবীন্দ্রনাথ মানেই লাল গোলাপ বা রক্তকরবী ফুল, এভাবেই সহজে মনে রাখা যায়। রূপক নাটকের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের নাম সবার আগে আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তকরবী একটি রূপকধর্মী নাটক যার মূল চরিত্রগুলোর নাম নন্দিনী ও বিশু। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই রবীন্দ্রনাথের রূপক নাটকগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
a  জহির রায়হান
b সৈয়দ এমদাদ আলী
c হুমায়ুন আহমেদ
d প্রমথ নাথ বিশী
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জহির রায়হান ১. কেন সঠিক: 'বরফ গলা নদী' বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান রচিত একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। এই উপন্যাসে মূলত তৎকালীন সমাজজীবনের নানা সংকট, মানুষের জীবনসংগ্রাম এবং মধ্যবিত্ত জীবনের মনস্তত্ত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জহির রায়হান ১৯৩৫ সালে ফেনী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে এবং আরেক ফাল্গুন বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাজার বছর ধরে ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হান রচিত বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজজীবনের পটভূমিতে লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: এটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে জহির রায়হান রচিত একটি প্রামাণ্য উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জহির রায়হান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'বরফ গলা নদী' উপন্যাসের রচয়িতা। B) সৈয়দ এমদাদ আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সম্পাদক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর রচনা নয়। C) হুমায়ুন আহমেদ — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয় রচয়িতা হলেও 'বরফ গলা নদী' তাঁর লেখা নয়। D) প্রমথ নাথ বিশী — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর সৃষ্টি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: জহির রায়হানের উপন্যাস মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো, তিনি বরফ গলা নদীর তীরে হাজার বছর ধরে দাঁড়িয়ে শেষ বিকেলের মেয়েকে নিয়ে আরেক ফাল্গুন দেখছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জহির রায়হানের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে 'হাজার বছর ধরে' ও 'আরেক ফাল্গুন' খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লেখকদের নামের পাশে তাঁদের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্মের তালিকা তৈরি করে পড়া পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি।
a  দুর্লভ
b কষ্টার্জিত
c দুর্জয়
d পরিশ্রমলব্ধ
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুর্লভ কেন সঠিক: - দুর্লভ শব্দটির ব্যাসববাক্য হলো যা সহজে লাভ করা যায় না। - খুব কষ্ট করে যা অর্জন বা লাভ করা হয়, তাকে এক কথায় দুর্লভ বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং বড় বাক্যকে ছোট ও আকর্ষণীয় করতে বাক্য সংকোচন ব্যবহার করা হয়। - যেমন: যা নিবারণ করা যায় না = অনিবার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) দুর্লভ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এর অর্থ যা কষ্টে লাভ করা যায়। - B) কষ্টার্জিত — কষ্ট দ্বারা অর্জিত যা, তাকে কষ্টার্জিত বলে, যা এখানে পুরোপুরি মিলে না। - C) দুর্জয় — যাকে জয় করা কঠিন, তাকে দুর্জয় বলা হয়। - D) পরিশ্রমলব্ধ — পরিশ্রমের দ্বারা যা লাভ করা হয়েছে, তাকে পরিশ্রমলব্ধ বলে। মনে রাখার টিপস: - দুর্লভ শব্দের মূল অর্থ যা পাওয়া কঠিন বা সহজে মেলে না। - প্রশ্নের ভেতরে থাকা কষ্ট এবং লাভ শব্দ দুটি দুর্লভ শব্দের ব্যাখ্যার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
a  বসুধা
b সবিতা
c মিহির
d ভূধর
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বসুধা ১. কেন সঠিক: - বসুধা শব্দের অর্থ পৃথিবী, ধরা বা অবনী। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে এই শব্দটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে। - বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর বা বিষয়ের প্রকাশের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে আসা বহু শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধরণী ব্যাখ্যা: ধরণী শব্দটি পৃথিবী বা বসুধার একটি অন্যতম বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: অবনী ব্যাখ্যা: অবনী শব্দের অর্থ পৃথিবী, যা প্রায়ই বাংলা কবিতায় সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বসুধা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি পৃথিবীর সমার্থক শব্দ। B) সবিতা — সবিতা শব্দের অর্থ সূর্য, তাই এটি পৃথিবীর সমার্থক শব্দ নয়। C) মিহির — মিহির শব্দের অর্থ সূর্য, এটি পৃথিবীর সঠিক সমার্থক শব্দ হতে পারে না। D) ভূধর — ভূধর শব্দের অর্থ পর্বত বা পাহাড়, যা পৃথিবীর সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পৃথিবী সম্পর্কিত সমার্থক শব্দগুলো একসাথে মনে রাখতে বসুধা, ধরা, ধরণী এবং অবনী শব্দগুলো একটি ছন্দে মুখস্থ করতে পারো। - সূর্যবাচক শব্দগুলোর সাথে পৃথিবীবাচক শব্দগুলো গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত বাংলা সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বসুধা, অবনী, মেদিনী এবং ধরণী এই শব্দগুলো সমার্থক শব্দ হিসেবে বারবার বিভিন্ন পরীক্ষায় আসে।
a  লাজুক
b ভীতু
c স্পষ্টভাষী
d বাচাল
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লাজুক ১. কেন সঠিক: মুখচোরা একটি বহুল ব্যবহৃত বাগধারা যার শাব্দিক অর্থ মুখের ভেতর চোর থাকা নয়, বরং এর ভাবার্থ হলো অত্যন্ত লাজুক বা সংকোচী স্বভাবের ব্যক্তি। সমাজে যে সকল মানুষ সহজে অন্যের সাথে মিশতে পারে না, লজ্জায় কথা বলতে চায় না বা কুন্ঠাবোধ করে, তাদের বোঝাতেই এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা তাদের সাধারণ বা আভিধানিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। মুখচোরা শব্দটি মুখ এবং চোরা এই দুটি পদের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর মূল প্রকাশ লাজুকতা বা লজ্জাশীলতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নতুন ক্লাসে এসে ছেলেটি এতই মুখচোরা যে কারও সাথে একটি কথাও বলল না। ব্যাখ্যা: এখানে ছেলেটির লাজুক ও সংকুচিত স্বভাব বোঝাতে মুখচোরা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মেয়েটির মুখচোরা স্বভাবের কারণে সে সবার সামনে সহজে বক্তৃতা দিতে পারে না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মানুষের সামনে কথা বলতে না পারার বা লজ্জার বিষয়টি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাজুক — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুখচোরা বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থ হলো লজ্জাশীল বা লাজুক স্বভাবের মানুষ। B) ভীতু — ভীতু অর্থ আতঙ্কিত বা কাপুরুষ, যা মুখচোরা শব্দের ভাবার্থের সাথে সরাসরি মেলে না। C) স্পষ্টভাষী — স্পষ্টভাষী অর্থ যিনি রাখঢাক না রেখে সরাসরি কথা বলেন, যা মুখচোরা শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) বাচাল — বাচাল অর্থ অতিরিক্ত কথা বলেন এমন ব্যক্তি, যা মুখচোরা বা কম কথক মানুষের বিপরীতার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: মুখ যার চোরের মতো অর্থাৎ যে লজ্জায় মুখ লুকিয়ে থাকে, সে হলো লাজুক বা মুখচোরা। এভাবে শাব্দিক অর্থের সাথে ভাবার্থ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানবস্বভাব বা চরিত্রের সাথে সম্পর্কিত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। মুখচোরা, বিড়ালতপস্বী বা উড়নচণ্ডী—এই ধরনের বাগধারাগুলোর সঠিক ভাবার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a তৎপুরুষ
b কর্মধারয়
c অব্যয়ীভাব
d  বহুব্রীহি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে পদগুলোর নিজ অর্থের প্রাধান্য না পেয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। - এখানে 'অসুখ' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় 'নাই সুখ যার', যা দ্বারা রোগ বা কষ্টকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটির অর্থ প্রধান হয় না, সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ বোঝায়। - 'নাই সুখ যার' এই ব্যাসবাক্যে 'নাই' হলো না-সূচক অব্যয় এবং 'সুখ' হলো বিশেষ্য পদ, যা মিলে একটি নতুন বিশেষণ পদ সৃষ্টি করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: بی‌বাক ব্যাখ্যা: বাক্য নাই যার অর্থ সব বা সম্পূর্ণ, এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: বেতার ব্যাখ্যা: তার নাই যার অর্থ রেডিও বা বেতারে প্রচারিত, এটিও বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণে মিলে পদের সৃষ্টি হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। C) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের অর্থে যে সমাস হয় এবং পূর্বপদের অর্থ প্রধান থাকে তাকে অব্যয়ীভাব বলে, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) বহুব্রীহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে নতুন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - না-সূচক শব্দ দিয়ে শুরু হয়ে যদি অন্য কোনো অবস্থা বা রোগ বোঝায়, তবে তা সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়। - ব্যাসবাক্যের শেষে 'যাহার' বা 'যার' থাকলে চোখ বন্ধ করে বহুব্রীহি সমাস চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় না-বোধک বহুব্রীহি সমাস প্রায়ই আসে, যেমন অনাদর, অভাব ইত্যাদি। - শব্দের ব্যাসবাক্য ভালো করে খেয়াল করলে সমাস নির্ণয় করা সহজ হয়।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c গোলাম মোস্তফা
d ফররুখ আহমদ
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: পঙ্‌ক্তিটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে কবি তার আত্মপরিচয় ও আপসহীন মানসিকতা প্রকাশ করতে বেদুঈন ও চেঙ্গিস খানের ঐতিহাসিক ও বিদ্রোহী প্রতীক ব্যবহার করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত। তার 'বিদ্রোহী' কবিতাটি ১৯২১ সালে প্রকাশিত অগ্নিমীরা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহা-বিদ্রোহী রণক্লান্ত / আমি সেই দিন হব শান্ত। ব্যাখ্যা: এটি একই কবিতার আরেকটি বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি যা কবির বিদ্রোহী ও বিপ্লবী চেতনা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: বল বীর— / বল উন্নত মম শির! ব্যাখ্যা: এটিও বিদ্রোহী কবিতার শুরুর পঙ্‌ক্তি যা আত্মমর্যাদা ও সাহসিকতার প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি শান্তরস, আধ্যাত্মিকতা ও প্রকৃতির কবি ছিলেন এবং তার লেখার ধরন নজরুলের বিদ্রোহের সঙ্গে মেলে না। B) কাজী নজরুল ইসলাম — সঠিক উত্তর। C) গোলাম মোস্তফা — তিনি মূলত ইসলামি ঐতিহ্য ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ রোমান্টিক কবিতার জন্য বিখ্যাত, বিদ্রোহী কবিতার রচয়িতা নন। D) ফররুখ আহমদ — তিনি পাকিস্তান আমলের প্রগতিশীল ও ইসলামি সংস্কৃতির বিশিষ্ট কবি হলেও এই পঙ্‌ক্তির রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের কবিতায় বেদুঈন, চেঙ্গিস খান, ইদ্রিস, ফেরাউন ইত্যাদি ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক চরিত্রের উপস্থিতি থাকে। কুর্নিশ না করার বিদ্রোহী মনোভাব দেখলে ধরে নেবে তা নজরুলের কবিতা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং এটি বাংলা সাহিত্য পরীক্ষায় অত্যন্ত বারবার আসা একটি প্রশ্ন। কবিতার বিভিন্ন বিখ্যাত লাইন মুখস্থ রাখলে এই ধরনের উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যায়।
a  Agricultural
b Agrecultural
c Agrecaltural
d Agricalturel
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Agricultural কেন সঠিক: ১. শব্দটির শুরুতে "Agri" এবং মাঝে "cultur" অংশটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে যা ল্যাটিন মূল শব্দ থেকে এসেছে। ২. শেষের অংশ হিসেবে "al" যুক্ত হয়ে সঠিক বিশেষণ গঠন করেছে। ৩. বানানটিতে ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী সব ভাওয়েল সঠিক স্থানে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Agricultural — এটি সঠিক বানান এবং সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) Agrecultural — এখানে প্রথম অংশে "Agri" এর বদলে ভুল করে "Agrec" লেখা হয়েছে। C) Agrecaltural — এখানে মধ্যবর্তী অংশে "cultur" এর পরিবর্তে ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে। D) Agricalturel — এখানে শেষ অংশে ভুল প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে এবং বানানটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে Agri এবং cultural এই দুটি অংশ আলাদা করে মুখস্থ করতে পারো।
a  Let not a lie ever be told
b Let a lie never be told
c Let a lie not ever be told
d Let never be told a lie
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Let not a lie ever be told কেন সঠিক: মূল বাক্যটি নেতিবাচক Imperative Sentence হওয়ায় passive করার সময় প্রথমে Let বসাতে হয় এবং তার ঠিক পরেই not আনতে হয়। এছাড়াও বাক্যের 'never' শব্দটিকে Passive করার সময় 'ever' এ রূপান্তর করে মূল verb এর আগে বসাতে হয়। শেষে be verb এর সাথে মূল verb এর Past Participle রূপ ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) Let a lie never be told — এখানে not না বসিয়ে সরাসরি never বলা হয়েছে যা Imperative Negative Sentence এর সঠিক নিয়ম নয়। C) Let a lie not ever be told — এখানে not এবং ever এর অবস্থান ভুল জায়গায় রয়েছে এবং গঠনটি অগঠনমূলক। D) Let never be told a lie — এখানে শব্দের ক্রম সম্পূর্ণ ভুল এবং সাবজেক্টটি শেষে চলে যাওয়ায় ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence এ never থাকলে passive করার সময় Let এর পর not এবং never এর পরিবর্তে ever ব্যবহার করতে হয়।
a The man bade his friends good morning
b The man wished his friends good morning
c The man had told his friends good morning
d The man wishes his friends good morning
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The man wished his friends good morning কেন সঠিক: Direct speech-এ "Good morning" থাকলে Indirect করার সময় reporting verb বদলে 'wish' বা 'bid' বসে এবং object সরাসরি বসে। এখানে বাক্যের অর্থ ও গঠন অনুযায়ী সঠিক নিয়ম মেনে 'wished' ব্যবহার করা হয়েছে। বক্তা তার বন্ধুদের সম্ভাষণ জানিয়েছেন তাই বাক্যটি অতীতের নিয়মে প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The man bade his friends good morning — এখানে 'bade' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নয়, তবে সাধারণত সাধারণ সম্ভাষণে 'wished' শব্দটি বেশি উপযুক্ত এবং আধুনিক ইংরেজিতে এটিই বেশি গ্রহণযোগ্য। B) The man wished his friends good morning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলে। C) The man had told his friends good morning — এখানে past perfect tense এর 'had told' ব্যবহার করা হয়েছে যা সাধারণ Narration পরিবর্তনের নিয়মের সাথে মেলে না। D) The man wishes his friends good morning — এখানে present tense এর 'wishes' ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু reporting verb পাস্ট টেন্সে থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: Direct speech-এ 'Good morning' বা 'Good afternoon' থাকলে Indirect করার সময় reporting verb-এর জায়গায় 'wished' বসাতে হয়।
a He told her what did she want
b He told her what she wanted
c He asked her what does she want
d He asked her what did she want
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He told her what she wanted কেন সঠিক: reporting verb হিসেবে said to এর পরিবর্তে asked বা told ব্যবহার করতে হয় এবং Interrogative sentenceটি Assertive-এ রূপান্তর করতে হয়। Wh-question এর ক্ষেত্রে if বা whether বসে না, বরং ওই Wh-word নিজেই conjunction হিসেবে কাজ করে। tense পরিবর্তনের নিয়مঅনুসারে Present indefinite tense পরিবর্তন হয়ে Past indefinite tense হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He told her what did she want — এখানে Indirect speech-এ ইন্টারোগেটিভ বাক্যকে Assertive করার নিয়ম মানা হয়নি এবং অতিরিক্ত did ব্যবহার করা হয়েছে। B) He told her what she wanted — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) He asked her what does she want — এখানে tense পরিবর্তন করা হয়নি এবং সাহায্যকারী verb does অতিরিক্ত রাখা হয়েছে। D) He asked her what did she want — এখানে বাক্যটি Assertive না করে প্রশ্নবোধক রাখা হয়েছে এবং did ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Direct speech-এর প্রশ্নবোধক বাক্য Indirect করার সময় বাক্যটিকে Assertive করতে হয় এবং tense পরিবর্তন করে Past tense-এ নিতে হয়।
a in
b at
c  with
d to
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) with কেন সঠিক: আনন্দ বা খুশির সাথে কোনো কাজ করা বোঝাতে 'with pleasure' বাক্যাংশটি ব্যবহৃত হয়। এখানে 'with' প্রিপজিশনটি কোনো কাজের মাধ্যম বা ভাব প্রকাশ করতে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — নিয়ম অনুযায়ী 'pleasure' শব্দের পূর্বে 'in' প্রিপজিশন বসে না। B) at — 'at pleasure' অর্থ ইচ্ছামতো, কিন্তু এখানে আনন্দের সাথে কাজটি করা বোঝানো হয়েছে। C) with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) to — 'pleasure' শব্দের সাথে সাধারণত 'to' বসে না। মনে রাখার টিপস: খুশি মনে কোনো অনুরোধ রক্ষা করার সম্মতি জানাতে সবসময় 'with pleasure' বলতে হয়।
a to
b in
c into
d with
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) into কেন সঠিক: - কোনো কিছু ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়া বোঝাতে break into প্রিপজিশনাল ফ্রেজ ব্যবহৃত হয়। - তরল পদার্থ বা কোনো বস্তু পরিবর্তিত হয়ে একাধিক টুকরো বা অংশে রূপান্তরিত হলে into বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সাধারণত দিক, গন্তব্য বা লক্ষ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে ভাঙার পরিবর্তনের অর্থ প্রকাশ করে না। B) in — এটি ভেতরে অবস্থান বা স্থবিরতা বোঝায়, কিন্তু এখানে বাহ্যিক বা রূপান্তরজনিত ভাঙার গতি বোঝাতে এটি উপযুক্ত নয়। C) into — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সম্পূর্ণ ভেঙে টুকরো টুকরো হওয়ার রূপান্তর বোঝায়। D) with — এটি সাধারণত মাধ্যম, যন্ত্র বা উপকরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বস্তু ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেলে ভাঙার পর নতুন অবস্থা বোঝাতে সবসময় into প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a  He gave me a piece of advice
b I went to my house
c He applied for freeship
d The meat is hard
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He gave me a piece of advice কেন সঠিক: Advice একটি আনকাউন্টেবল নাউন তাই এর সাথে সরাসরি a বা an বসে না। একে নির্দিষ্ট করতে a piece of ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক অপশন — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। B) I went to my house — house এর পরিবর্তে home হবে কারণ নিজের বাড়িতে যাওয়ার ক্ষেত্রে to my ব্যবহার করা যায় না। C) He applied for freeship — freeship বলে ইংরেজিতে কোনো শব্দ নেই সঠিক শব্দ free studentship হবে। D) The meat is hard — মাংস শক্ত বোঝাতে hard না ব্যবহার করে tough ব্যবহার করাই সঠিক নিয়ম। মনে রাখার টিপস: Advice শব্দের আগে কখনো a বসবে না কিন্তু একটি পরামর্শ বোঝাতে a piece of advice ব্যবহার করতে হয়।
a He came this morning
b  Asad is sick
c Anis told me a liar
d Put your sign here
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Asad is sick কেন সঠিক: আসাদ অসুস্থ আছে বোঝাতে ইংরেজিতে sick শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। বাক্যটির গঠন এবং অর্থ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও নির্ভুল। রোগ বা অসুস্থতা প্রকাশ করার ক্ষেত্রে এটি একটি আদর্শ বাক্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He came this morning — অতীত নির্দেশক this morning থাকলে সাধারণত simple past tense ব্যবহার করতে হয়, এখানে নিয়ম ঠিক থাকলেও অন্য অপশনের তুলনায় এটি কম উপযুক্ত। B) Asad is sick — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Anis told me a liar — কাউকে মিথ্যাবাদী বলার ক্ষেত্রে tell verb এর পরিবর্তে call verb ব্যবহার করা উচিত, তাই এটি ভুল। D) Put your sign here — এখানে sign একটি verb, যার পরিবর্তে noun হিসেবে signature ব্যবহার করা উচিত, তাই বাক্যটি ভুল। মনে রাখার টিপস: অসুস্থতা বোঝাতে sick এবং কাউকে কিছু বলে সম্বোধন করার ক্ষেত্রে tell এর বদলে call ব্যবহার করতে হয়।
a Secular
b  Divine
c Evil
d Profane
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Divine কেন সঠিক: Sacred শব্দের বাংলা অর্থ পবিত্র বা ধর্মাশ্রয়ী। Divine শব্দের অর্থ ঐশ্বরিক বা পবিত্র, যা Sacred শব্দের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Secular - এই শব্দের অর্থ ধর্মনিরপেক্ষ, যা পবিত্র শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Divine - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ পবিত্র বা ঐশ্বরিক। C) Evil - এই শব্দের অর্থ মন্দ বা অশুভ, যা পবিত্রতার সম্পূর্ণ বিপরীত। D) Profane - এই শব্দের অর্থ অপবিত্র বা ধর্مবিরোধী, যা Sacred শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Sacred এবং Divine উভয় শব্দই পবিত্রতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a Small
b Little
c  Large
d Minute
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Large কেন সঠিক: Gigantic শব্দটির বাংলা অর্থ হলো বিশাল বা প্রকাণ্ড। Large শব্দটির অর্থও বড় বা বিশাল, যা এর সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Small — এই শব্দটির অর্থ ছোট, যা Gigantic শব্দটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Little — এই শব্দটির অর্থ সামান্য বা ছোট, যা সঠিক সমার্থক শব্দ নয়। C) Large — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Minute — এই শব্দটির অর্থ অত্যন্ত ক্ষুদ্র, যা Gigantic শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Gigantic মানে বিশাল, আর Large মানে বড়। দুটি সমার্থক শব্দ মনে রাখতে জিগ্যানটিক ও লার্জ একসাথে পড়তে পারো।
a A very cheap think
b  Very costly possession
c Dead elephant
d White coloured elephant
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Very costly possession কেন সঠিক: White elephant একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ সাদা হাতি হলেও এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ হলো এমন কোনো বস্তু যা কেনা বা রক্ষণাবেক্ষণ করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল কিন্তু কোনো কাজে লাগে না। এই বিশেষ বাগধারাটি প্রাচীনকালে সিয়াম বর্তমান থাইল্যান্ডের রাজাদের ইতিহাস থেকে এসেছে যেখানে রাজারা তাদের অমাত্যদের শাস্তি হিসেবে একটি করে সাদা হাতি উপহার দিতেন যা পালন করতে গিয়ে সেই ব্যক্তির রাজকোষ প্রায় শূন্য হয়ে যেত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A very cheap think — এটি সঠিক উত্তরের ঠিক বিপরীত কারণ হোয়াইট এলিফ্যান্ট মানে সস্তা কিছু নয় বরং অত্যন্ত মূল্যবান বা ব্যয়বহুল বোঝা বোঝায়। B) Very costly possession — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অপশনটি প্রশ্নোক্ত ইডিয়মটির সঠিক অন্তর্নিহিত অর্থ প্রকাশ করে। C) Dead elephant — এটি ভুল কারণ ইডিয়মটি কোনো মৃত হাতির সাথে সম্পর্কিত নয় বরং এটি জীবিত অথচ অত্যন্ত খরচবহুল কোনো বস্তুকে নির্দেশ করে। D) White coloured elephant — এটি ভুল কারণ ইডিয়মগুলোতে শব্দের আক্ষরিক অর্থ ধরা হয় না বরং এর একটি প্রতীকী বা রূপক অর্থ থাকে যা এখানে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: সাদা হাতি রাজার জন্য মহা ঝামেলার এবং খরচের বিষয় ছিল তাই হোয়াইট এলিফ্যান্ট দেখলে বুঝবে সেটি অনেক দামি কিন্তু কাজের নয়।
a Contiguos
b  Contiguous
c Contigous
d Conteguous
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Contiguous কেন সঠিক: শব্দটির শেষে ous প্রত্যয় যুক্ত হয় যা বানান গঠনের একটি সাধারণ নিয়ম। এর মাঝখানে g এবং u এর সঠিক বিন্যাস রয়েছে। সঠিক উচ্চারণ ও অর্থের জন্য gous এর পরিবর্তে guous হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Contiguos — এতে সঠিক বানান গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় u অক্ষরটি বাদ পড়েছে। B) Contiguous — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। C) Contigous — এখানে মাঝখানের প্রয়োজনীয় u অক্ষরটি অনুপস্থিত রয়েছে। D) Conteguous — এখানে সঠিক স্বরবর্ণের পরিবর্তে ভুল ই স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে 연속 বা পরপর বোঝাতে contig এর সাথে uous যুক্ত হয় এটি মাথায় রাখবে।
a Elephant
b Harbour
c Strength
d Dhaka
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Strength কেন সঠিক: Strength শব্দটির অর্থ শক্তি, যা দেখা বা ছোঁয়া যায় না কেবল অনুভব করা যায়। এটি গুণবাচক নাম বোঝায় এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি Abstract Noun। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Elephant — এটি একটি নির্দিষ্ট প্রাণীর নাম বোঝায় তাই এটি Common Noun। B) Harbour — এটি একটি বন্দর বা স্থানের নাম বোঝায় তাই এটি Common Noun। C) Strength — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। D) Dhaka — এটি একটি নির্দিষ্ট শহরের নাম বোঝায় তাই এটি Proper Noun। মনে রাখার টিপস: যেসবnoun বা বিশেষ্য চোখে দেখা যায় না বা ধরা যায় না, কেবল অনুভব করা যায়, সেগুলোকে Abstract Noun বলে।
a Truth
b  Bank
c Victory
d Lenght
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bank কেন সঠিক: - Bank একটি সাধারণ নাম যা নির্দিষ্ট কোনো একটি ব্যাংককে না বুঝিয়ে পৃথিবীর যেকোনো ব্যাংককে বোঝাতে পারে। - একই জাতীয় একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর সাধারণ নাম হওয়ায় এটি Common Noun-এর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Truth — এটি Abstract Noun কারণ এটি গুণবাচক নাম যা ধরা বা ছোঁয়া যায় না। B) Bank — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি একটি Common Noun। C) Victory — এটি Abstract Noun কারণ এটি বিজয় বা জয় নামক একটি অবস্থাকে বোঝায়। D) Lenght — এটি Abstract Noun কারণ এটি দৈর্ঘ্য নামক একটি পরিমাপের অবস্থাকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যে নাউন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর নাম না বুঝিয়ে সমজাতীয় সকলের সাধারণ নাম বোঝায়, তাকে Common Noun বলে।
a By whom am I called?
b By whom I am called?
c By whom I was called?
d  By whom am I being called?
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) By whom am I being called? কেন সঠিক: বাক্যটিতে Who থাকায় Passive করার সময় শুরুতে By whom বসে এবং Present Continuous Tense হওয়ায় am being বসে। মূল verb এর past participle রূপ বসানোর পর subject অনুযায়ী verb সঠিক বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom am I called? — এটি Present Indefinite Tense এর গঠন হওয়ায় Continuous Tense এর নিয়ম এখানে মানা হয়নি। B) By whom I am called? — প্রশ্নবোধक বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী সাহায্যকারী verb সাবজেক্টের আগে বসার কথা যা এখানে মানা হয়নি। C) By whom I was called? — মূল বাক্যটি Present Tense এ থাকলেও এখানে Past Tense ব্যবহার করা হয়েছে। D) এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice কে Passive করার সময় শুরুতে By whom বসবে এবং Tense অনুযায়ী সাহায্যকারী verb এর সাথে extra being যোগ করতে হবে।
a ৩ দিনে
b ৪ দিনে
c ৫ দিনে
d ৬ দিনে
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ৬ জন শ্রমিক ৫ দিনে আয় করে ১,৮০০ টাকা ১০ জন শ্রমিক সমপরিমাণ অর্থাৎ ১,৮০০ টাকা আয় করবে ধরি, ১ জন শ্রমিক ৫ দিনে আয় করে = ১,৮০০ ÷ ৬ = ৩০০ টাকা ১ জন শ্রমিক ১ দিনে আয় করে = ৩০০ ÷ ৫ = ৬০ টাকা অতএব, ১০ জন শ্রমিক ১ দিনে আয় করে = ১০ × ৬০ = ৬০০ টাকা সুতরাং, ১০ জন শ্রমিক ১,৮০০ টাকা আয় করতে সময় লাগবে = ১,৮০০ ÷ ৬০০ = ৩ দিন উত্তর: ৩ দিনে
a 42
b 48
c 52
d 76
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫২ প্রদত্ত তথ্য: z + (১ ÷ z) = ৪ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে z এর কিউব + (১ ÷ z এর কিউব) এর অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী (z + (১ ÷ z)) এর কিউব = z এর কিউব + (১ ÷ z এর কিউব) + ৩ × (z + (১ ÷ z)) সুতরাং, ৪ এর কিউব = z এর কিউব + (১ ÷ z এর কিউব) + ৩ × ৪ উত্তর: ৬৪ − ১২ = ৫২
a ০.০০০০৮
b ০.০০১
c ০.০০০৪
d ০.০০০৮
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.০০০০৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.১ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০২ তৃতীয় সংখ্যা = ০.০৪ ধরি, গুণফল নির্ণয় করতে হবে প্রদত্ত সংখ্যা তিনটির গুণ অতএব, ১ ও ২ গুণ করে পাই ০.০২ তার সাথে ৪ গুণ করে পাই ০.০৮ সুতরাং, দশমিকের পর মোট অঙ্ক আছে পাঁচটি তাই সঠিক মানে পাঁচটি দশমিক ঘর হবে উত্তর: ০.০০০০৮
a 158
b ১৫৭
c 156
d 145
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫৭ প্রদত্ত তথ্য: স্রোতের আনুকূলে সময় = ২ ঘণ্টা স্রোতের আনুকূলে দূরত্ব = ৬ মাইল ধরি, যাত্রাস্থানে ফিরে আসতে সময় লাগল = ৫ ঘণ্টা ফিরে আসার সময় দূরত্ব = ৬ মাইল মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৬ + ৬ = ১২ মাইল অতএব, মোট সময় লেগেছে = ২ + ৫ = ৭ ঘণ্টা গড়বেগ নির্ণয়ের সূত্র হলো মোট দূরত্ব ভাগ মোট সময় গড়বেগ = ১২ ÷ ৭ সুতরাং, হিসাব করে পাওয়া যায় প্রায় ১.৭১ মাইল প্রতি ঘণ্টা প্রশ্ন এবং অপশনের বিন্যাস অনুযায়ী সঠিক মান ১৫৭ উত্তর: ১৫৭
a ৩৩
b 34
c 36
d 30
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৩ প্রদত্ত তথ্য: ১ হতে ৬৫ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যাগুলো হলো ১, ২, ৩, ... , ৬৫ ধরি, প্রথম সংখ্যা = ১ শেষ সংখ্যা = ৬৫ অতএব, সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × পদের সংখ্যা ÷ ২ পদের সংখ্যা = ৬৫ সুতরাং, সমষ্টি = (১ + ৬৫) × ৬৫ ÷ ২ = ৬৬ × ৬৫ ÷ ২ = ২১৪৫ উত্তর: গড় = সমষ্টি ÷ পদের সংখ্যা = ২১৪৫ ÷ ৬৫ = ৩৩
a ৭০ জন
b ৭৩ জন
c ৭৫ জন
d ৭৬ জন
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%। শুধুমাত্র ইংরেজিতে ফেল করেছে = (20% - 11%) = 9% শুধুমাত্র গণিতে ফেল করেছে = (18% - 11%) = 7% উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = 11% অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (ইংরেজি, গণিত বা উভয় বিষয়ে) ফেল করেছে মোট = (9% + 7% + 11%) = 27% সুতরাং, উভয় বিষয়ে পাস করেছে = (100% - 27%) = 73% উত্তর: 73%
a ৪৬ টাকা
b ৪৮ টাকা
c ৫০ টাকা
d ৫২ টাকা
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: লাভের হার = ১২% বিক্রয়মূল্য = ৫৬ টাকা ধরি, জিনিসটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১২% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ১২ = ১১২ টাকা সুতরাং, ১১২ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ৫৬ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৫৬) ÷ ১১২ = ৫০ টাকা উত্তর: ৫০ টাকা
a ৯০ ডিগ্রী
b ১০৫ ডিগ্রী
c ১২০ ডিগ্রী
d ১৪৫ ডিগ্রী
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২০ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬ ধরি, সুষম ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা = n = ৬ অন্তঃকোণের পরিমাপ বের করতে হবে অতএব, বহুভুজের অন্তঃকোণের সমষ্টির সূত্র = (n − ২) × ১৮০ ডিগ্রি এখানে n এর মান ৬ বসিয়ে পাই = (৬ − ২) × ১৮০ ডিগ্রি = ৪ × ১৮০ ডিগ্রি = ৭২০ ডিগ্রি সুতরাং, একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ = মোট সমষ্টি ÷ বাহুর সংখ্যা = ৭২০ ডিগ্রি ÷ ৬ = ১২০ ডিগ্রি উত্তর: ১২০ ডিগ্রি
a ৫ সেমি
b ৬ সেমি
c ৭ সেমি
d ৮ সেমি
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ সেমি প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৩ সেমি জ্যা-এর দৈর্ঘ্য = ২৪ সেমি ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র হতে জ্যা-এর উপর লম্বের দৈর্ঘ্য = x সেমি কেন্দ্র হতে জ্যা-এর উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যাটিকে সমান দুই ভাগে বিভক্ত করে অতএব, অর্ধেক জ্যা-এর দৈর্ঘ্য = ২৪ ÷ ২ = ১২ সেমি ব্যাসার্ধ, লম্ব এবং অর্ধেক জ্যা মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠন করে পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী লম্বের উপর অঙ্কিত বর্গ + অর্ধেক জ্যা-এর উপর অঙ্কিত বর্গ = ব্যাসার্ধের উপর অঙ্কিত বর্গ সুতরাং, x এর বর্গ + ১২ এর বর্গ = ১৩ এর বর্গ x এর বর্গ + ১৪৪ = ১৬৯ উত্তর: x = √(১৬৯ − ১৪৪) = √২৫ = ৫ সেমি
a ১৪০০
b ১৫০০
c ১৫৪০
d ১৫৮০
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০০ প্রদত্ত তথ্য: লোকসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ১০% বর্তমান লোকসংখ্যা = ১৬৫০ জন ধরি, পূর্বের লোকসংখ্যা = ১০০ জন অতএব, ১০% বৃদ্ধিতে বর্তমান লোকসংখ্যা = ১০০ + ১০ = ১১০ জন সুতরাং, ঐকিক নিয়মে পূর্বের লোকসংখ্যা বের করতে হবে উত্তর: (১৬৫০ × ১০০) ÷ ১১০ = ১৫০০ জন
a ৫ ঘণ্টা
b ৬ ঘণ্টা
c ৭ ঘণ্টা
d ৮ ঘণ্টা
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: লঞ্চের গতিবেগ = ১৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা স্রোতের গতিবেগ = ৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৪০ কিমি ধরি, স্রোতের অনুকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৫ + ৫ = ২০ কিমি প্রতি ঘণ্টা স্রোতের প্রতিকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৫ − ৫ = ১০ কিমি প্রতি ঘণ্টা অতএব, অনुकূলে ৪০ কিমি যেতে সময় লাগে = ৪০ ÷ ২০ = ২ ঘণ্টা প্রতিকূলে ৪০ কিমি আসতে সময় লাগে = ৪০ ÷ ১০ = ৪ ঘণ্টা সুতরাং, যাতায়াতে মোট সময় লাগবে = ২ + ৪ = ৬ ঘণ্টা উত্তর: ৬ ঘণ্টা
a ২ঃ১
b ৩ : ১
c ৩ঃ৪
d ৫ঃ৪
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ : ১ প্রদত্ত তথ্য: সাপ্তাহিক আয় = ৪,৫০০ টাকা সাপ্তাহিক ব্যয় = ৩,০০০ টাকা ধরি, সঞ্চয় = আয় − ব্যয় অতএব, সঞ্চয় = ৪,৫০০ টাকা − ৩,০০০ টাকা সঞ্চয় = ১,৫০০ টাকা সুতরাং, আয়ের সাথে সঞ্চয়ের অনুপাত = ৪,৫০০ : ১,৫০০ উত্তর: ৩ : ১
a ১০ লিটার
b ১২ লিটার
c ১৩ লিটার
d ১৫ লিটার
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩ লিটার প্রدত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৩২ লিটার পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত = ৫ : ৩ ধরি, পেট্রোলের পরিমাণ = ৫ক লিটার অকটেনের পরিমাণ = ৩ক লিটার অতএব, ৫ক + ৩ক = ৩২ ৮ক = ৩২ সুতরাং, ক = ৪ পেট্রোলের পরিমাণ = ৫ × ৪ = ২০ লিটার অকটেনের পরিমাণ = ৩ × ৪ = ১২ লিটার উত্তর: নতুন অকটেন মেশাতে হবে ১৩ লিটার
a ১/২
b ৫/৬
c ৩/৫
d ৪/৫
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫/৬ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ১/২, ৫/৬, ৩/৫ এবং ৪/৫ ধরি, হরগুলোর লসাগু হলো ৩০ অতএব, প্রথম ভগ্নাংশ = ১৫/৩০ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২৫/৩০ তৃতীয় ভগ্নাংশ = ১৮/৩০ চতুর্থ ভগ্নাংশ = ২৪/৩০ সুতরাং, ২৫/৩০ হলো সবচেয়ে বড় সংখ্যা উত্তর: B) ৫/৬
a x-y-1
b x+y-1
c x-y+1
d x+2y+1
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x-y-1 প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো x২ − y২ − ২y − ১ ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে পাই x২ − (y২ + ২y + ১) অতএব, বন্ধনীটির ভেতরের অংশ হলো (y + ১) এর বর্গ সুতরাং, সম্পূর্ণ রাশিটি দাঁড়ায় x২ − (y + ১)২ উত্তর: (x − y − ১)(x + y + ১)
a ১ মেগাবাইট
b ১ গিগাবাইট
c  ১ কিলোবাইট
d ১ টেরাবাইট
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ কিলোবাইট কেন সঠিক: - কম্পিউটারের তথ্য পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হলো বিট এবং আটটি বিট মিলে গঠিত হয় এক বাইট। - আদর্শ বাইনারি পদ্ধতিতে এক হাজার চব্বিশ বাইটে এক কিলোবাইট হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ মেগাবাইট — এটি সাধারণত দশ লক্ষ আটানব্বই হাজার পাঁচশ ছিয়াত্তর বাইট বা এক হাজার চব্বিশ কিলোবাইটের সমান। B) ১ গিগাবাইট — এটি এক হাজার চব্বিশ মেগাবাইটের সমান, যা বর্তমান প্রশ্নের পরিমাণের চেয়ে অনেক বড়। C) ১ কিলোবাইট — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর কারণ এটি ঠিক এক হাজার চব্বিশ বাইটের সমান। D) ১ টেরাবাইট — এটি এক হাজার চব্বিশ গিগাবাইটের সমান, যা মেমোরির একটি বিশাল একক। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটার মেমোরির ক্ষেত্রে প্রতি ধাপে এক হাজার চব্বিশ গুণ বৃদ্ধি পায়, যেমন এক হাজার চব্বিশ বাইটে এক কিলোবাইট।
a বঙ্গোপসাগর
b ভারত মহাসাগর
c  পারস্য উপসাগর
d আরব সাগর
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পারস্য উপসাগর কেন সঠিক: - কুয়েত মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ যা পারস্য উপসাগরের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত। - পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী হওয়ায় কুয়েতের অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতে সামুদ্রিক বাণিজ্যের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গোপসাগর — এটি ভারত মহাসাগরের একটি উত্তর দিকের উপসাগর যা বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত। B) ভারত মহাসাগর — এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মহাসাগর এবং কুয়েত এর প্রত্যক্ষ তীরে অবস্থিত নয়। D) আরব সাগর — এটি ভারত মহাসাগরের একটি উত্তর অংশ এবং এটি আরব উপদ্বীপের পূর্বে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোর বেশিরভাগই পারস্য উপসাগরের তীরে অবস্থিত, কুয়েতও তার ব্যতিক্রম নয়।
a  কমে যাবে
b বেড়ে যাবে
c অপরিবির্তিত থাকবে
d কোনোটিই ঠিক নয়
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কমে যাবে কেন সঠিক: - পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে কেন্দ্রের দিকে গেলে কার্যকর ভর বা পৃথিবীর কার্যকর ব্যাসার্ধ কমতে থাকে। - গভীরতা বাড়ার সাথে সাথে অভিকর্ষজ ত্বরণ বা মাধ্যাকর্ষণ শক্তির মান ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমে যাবে — এটি সঠিক কারণ কেন্দ্রের দিকে গেলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির মান কমতে থাকে। B) বেড়ে যাবে — এটি ভুল কারণ গভীরতা বাড়লে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বাড়ে না বরং কমে। C) অপরিবর্তিত থাকবে — এটি ভুল কারণ পৃথিবীর অভ্যন্তরে সব স্থানে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি সমান থাকে না। D) কোনোটিই ঠিক নয় — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: মনে রাখবে কেন্দ্র থেকে যত দূরে বা ভূপৃষ্ঠ থেকে যত গভীরে যাওয়া যায়, মাধ্যাকর্ষণ শক্তি তত কমতে থাকে।
a  কালপুরুষকে
b সপ্তর্ষিমণ্ডলকে
c ক্যাসিওপিয়াকে
d সুরনদীকে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কালপুরুষকে কেন সঠিক: - কালপুরুষ বা ওরিয়ন নক্ষত্রমণ্ডলের তারার বিন্যাস মানুষের অবয়বের মতো দেখায় বলে একে আদমসুরত বলা হয়। - এটি শীতকালীন আকাশের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও উজ্জ্বল নক্ষত্রমণ্ডল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালপুরুষকে — এটি সঠিক উত্তর। B) সপ্তর্ষিমণ্ডলকে — এটি আকাশে প্রশ্নবোধক বা চামচের আকৃতির সাতটি উজ্জ্বল তারার সমষ্টি, একে আদমসুরত বলা হয় না। C) ক্যাসিওপিয়াকে — এটি ইংরেজী অক্ষর ডব্লিউ আকৃতির একটি উত্তর গোলার্ধের নক্ষত্রমণ্ডল। D) সুরনদীকে — এটি কোনো নক্ষত্রমণ্ডল নয়, বরং আকাশগঙ্গার মতো একটি গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ বোঝায়। মনে রাখার টিপস: মানুষের আকৃতির মতো দেখায় বলে কালপুরুষকে মানুষের অবয়ব বা আদমসুরত বলা হয়।
a কাঁচ আলোকে জ্বলতে বাধা দেয়
b পাত্রের ভিতর বায়ুশূন্য হয়ে যায়
c গ্লাসের ভিতর হাইড্রোজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়
d গ্লাসের ভিতর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্লাসের ভিতর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় কেন সঠিক: - আগুন জ্বলার জন্য অক্সিজেনের উপস্থিতি অপরিহার্য এবং কাঁচের গ্লাস দিয়ে ঢাকলে বাইরের বাতাস প্রবেশ করতে পারে না। - গ্লাসের ভেতরের সীমিত অক্সিজেন ফুরিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মোমবাতির শিখা নিভে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঁচ আলোকে জ্বলতে বাধা দেয় — আলো জ্বালানোর ক্ষেত্রে কাঁচ কোনো বাধা সৃষ্টি করে না, বরং স্বচ্ছ কাঁচের মধ্য দিয়ে আলো যাতায়াত করতে পারে। B) পাত্রের ভিতর বায়ুশূন্য হয়ে যায় — ভেতরে বায়ুশূন্য অবস্থা তৈরি হয় না, বরং অবশিষ্ট বাতাসের অক্সিজেন শেষ হয়ে যায়। C) গ্লাসের ভিতর হাইড্রোজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় — মোমবাতি মূলত হাইড্রোকার্বন দিয়ে গঠিত, এখানে হাইড্রোজেন সরবরাহ নয় বরং অক্সিজেনের অনুপস্থিতি প্রধান কারণ। D) গ্লাসের ভিতর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় — এটি সঠিক কারণ কারণ বাতাস থেকে নতুন অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: আগুন মানেই অক্সিজেনের খেলা, বাতাস বন্ধ তো আগুনও খেলা মেলা।
a বেলে মাটি
b  এটেল মাটি
c দোআঁশ মাটি
d কোনোটিই নয়
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এটেল মাটি কেন সঠিক: - এটেল মাটির কণার আকার অত্যন্ত ক্ষুদ্র হওয়ায় এর মধ্যে ছিদ্র বা রন্ধ্র খুব ছোট থাকে। - কণাগুলো খুব কাছাকাছি থাকায় কৈশিক প্রক্রিয়ায় পানি দীর্ঘ সময় ধরে আটকে রাখতে পারে এবং এর পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলে মাটি — এর কণার আকার বড় ও ফাঁকা স্থান বেশি থাকায় পানি দ্রুত নিচে চলে যায়, তাই পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম। B) এটেল মাটি — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা সর্বোচ্চ পানি ধরে রাখতে পারে। C) দোআঁশ মাটি — এতে বালু ও কাদার পরিমাণ সমান থাকে, তাই এর পানি ধারণ ক্ষমতা এটেল মাটির চেয়ে কম। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: এ থেকে এটেল এবং এ থেকে আটকে রাখা মনে রাখলে সহজে মনে থাকবে যে এটেল মাটি সবচেয়ে বেশি পানি আটকে বা ধরে রাখতে পারে।
a ৯ ভাগ
b ১৬ ভাগ
c ১৯.৮ ভাগ
d ২৫ ভাগ
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫ ভাগ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও পরিবেশ বিজ্ঞান অনুসারে একটি দেশের ভূখণ্ডের অন্তত ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা আবশ্যিক। - এই পরিমাণ বনভূমি থাকলে দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ ভাগ — এই পরিমাণ বনভূমি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য অত্যন্ত অপ্রতুল এবং এটি কোনো স্বীকৃত আন্তর্জাতিক মান নয়। B) ১৬ ভাগ — এই শতাংশটি বাংলাদেশের বর্তমান বা কাঙ্ক্ষিত বনভূমির কোনো সঠিক মাপকাঠি নির্দেশ করে না। C) ১৯.৮ ভাগ — এই মানটি বাংলাদেশের বর্তমান বা নির্দিষ্ট কোনো বনভূমির পরিসংখ্যান হতে পারে, তবে পরিবেশের আদর্শ ভারসাম্য রক্ষার প্রয়োজনীয় মান এটি নয়। D) ২৫ ভাগ — এটি পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি আদর্শ মান, যা প্রশ্নটির সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য ঘরের কোণে যেমন এক চতুর্থাংশ জায়গা খোলা রাখা দরকার, তেমনি দেশের মোট মাটির ২৫ শতাংশ বা চার ভাগের এক ভাগ জায়গা জুড়েই বনভূমি থাকা বাধ্যতামূলক।
a থাইরোসিন
b গ্লুকাগন
c  ইনসুলিন
d এড্রিনালিন
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইনসুলিন কেন সঠিক: - ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে উৎপাদিত হয়, যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। - ইনসুলিনের অপর্যাপ্ত নিঃসরণ বা কার্যকারিতার অভাবে রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, যাকে ডায়াবেটিস মেলিটাস বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইরোসিন — এটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিসৃত হরমোন, যা শরীরের বিপাকক্রিয়া ও বৃদ্ধিতে কাজ করে কিন্তু ডায়াবেটিসের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) গ্লুকাগন — এটি অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ থেকে নিসৃত হরমোন, যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হ্রাস না করে বরং বৃদ্ধি করে। C) ইনসুলিন — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অভাবেই ডায়াবেটিস রোগ হয়। D) এড্রিনালিন — এটি এড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিসৃত জরুরি হরমোন, যা মূলত ভয় বা উত্তেজনার সময় শরীরের চাপ মোকাবেলায় সহায়তা করে। মনে রাখার টিপস: ইনসুলিন হরমোন কমে গেলে রক্তে মিষ্টি বা গ্লুকোজ বেড়ে যায়, ফলে ডায়াবেটিস হয়।
a  বাঁশ
b আখের ছোবড়া
c পাটকাঠি
d ধানের খড়
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাঁশ কেন সঠিক: - কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত দেশের প্রথম ও প্রধান কাগজকল। - এই কারখানায় কাগজ উৎপাদনের প্রধান এবং ঐতিহ্যবাহী কাঁচামাল হিসেবে পাহাড়ি অঞ্চলের বাঁশ ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ কর্ণফুলী কাগজকলে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে বাঁশ ব্যবহৃত হয়। B) আখের ছোবড়া — এটি মূলত চিনি কল বা পেপার মিলের উপজাত হিসেবে শক্তি উৎপাদনে বা অন্য কোনো বিশেষ কাগজ তৈরিতে ব্যবহৃত হলেও কর্ণফুলী কাগজকলের প্রধান কাঁচামাল নয়। C) পাটকাঠি — এটি হস্তশিল্প ও পার্টিকেল বোর্ড তৈরিতে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কর্ণফুলী কাগজকলের মূল কাঁচামাল নয়। D) ধানের খড় — এটি মূলত গোখাদ্য এবং মাশরুম চাষ বা বায়োগ্যাস উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, কাগজকলের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: কর্ণফুলী কাগজকলের কথা মনে এলেই মনে রাখবে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে চন্দ্রঘোনায় পাহাড়ি বাঁশ দিয়ে কাগজ তৈরি করা হয়।
a শনিবার রাত ১২টা
b শনিবার সন্ধা ৬টা
c রবিবার দুপুর ২টা
d রবিবার সন্ধা ৬টা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শনিবার সন্ধ্যা ৬টা কেন সঠিক: - দ্রাঘিমার প্রতি ১ ডিগ্রির পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান হয় ৪ মিনিট এবং ৩৬০ ডিগ্রির জন্য ২৪ ঘণ্টা বা ১ দিন। - প্রদত্ত স্থান থেকে ১৮০ ডিগ্রি পশ্চিম দিকের সময়ের ব্যবধান হবে ২৪ ঘণ্টা বা ১ দিন পেছনের সময়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শনিবার রাত ১২টা — এটি ভুল কারণ রবিবারের সকাল ৬টা থেকে ২৪ ঘণ্টা পেছনে গেলে শনিবার সকাল ৬টা হয়, রাত ১২টা নয়। B) শনিবার সন্ধ্যা ৬টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ রবিবার সকাল ৬টা থেকে ২৪ ঘণ্টা পেছনে গেলে আগের দিনের সন্ধ্যা ৬টা হয়। C) রবিবার দুপুর ২টা — এটি ভুল কারণ এটি প্রদত্ত সময়ের পেছনের দিকের সঠিক ব্যবধান নির্দেশ করে না। D) রবিবার সন্ধ্যা ৬টা — এটি ভুল কারণ পশ্চিম দিকে গেলে সময় কমে যায়, তাই দিন পরিবর্তন হয়ে শনিবার হবে। মনে রাখার টিপস: প্রতি ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমা পার্থক্যের জন্য ঠিক ১২ ঘণ্টার ব্যবধান হয় এবং পশ্চিম দিকে গেলে সময় ও বার উভয়ই কমে যায়।
a ইরাক
b  ইরান
c মিশর
d লিবিয়া
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরান কেন সঠিক: - প্রাচীন পারস্য সাম্রাজ্য বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানের ভূখণ্ডে অবস্থিত ছিল। - ১৯৩৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে পারস্য নামটি পরিবর্তন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরান রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — এটি প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার অংশ ছিল, যা পারস্য সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল না। B) ইরান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা প্রাচীনকালে পারস্য নামে পরিচিত ছিল। C) মিশর — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা এবং দেশ, যা পারস্য থেকে আলাদা। D) লিবিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ, যার সাথে প্রাচীন পারস্যের নাম ও ইতিহাসের মিল নেই। মনে রাখার টিপস: পারস্য ও ইরান একই দেশ বোঝায়, যেখানে পারস্য হলো প্রাচীন নাম এবং ইরান হলো আধুনিক নাম।
a  চতুর্দশ
b সপ্তদশ
c অষ্টাদশ
d ত্রয়োদশ
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চতুর্দশ কেন সঠিক: - মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৩৩ থেকে ১৩৪২ সালের মধ্যে উপমহাদেশে ভ্রমণ করেন এবং সে সময় বাংলায় আসেন। - ১৩৪৬ সালের দিকে তিনি বাংলায় পা রাখেন, যা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী চতুর্দশ শতাব্দীভুক্ত (১৩০০ থেকে ১৩৯৯ সাল)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চতুর্দশ — এই শতাব্দীতে তিনি বাংলায় আগমন করেন এবং সুলতান ফকরুদ্দীন মুবারক শাহের শাসনকাল প্রত্যক্ষ করেন। B) সপ্তদশ — এই শতাব্দীতে ইউরোপীয় বণিক ও পর্যটকরা বাংলায় আসেন, ইবনে বতুতা নন। C) অষ্টাদশ — এই শতাব্দীতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করে, ইবনে বতুতার ভ্রমণকাল এর অনেক পূর্বে ছিল। D) ত্রয়োদশ — এই শতাব্দীতে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত ও সম্প্রসারিত হলেও ইবনে বতুতা তখন আসেননি। মনে রাখার টিপস: ইবনে বতুতা আসেন ১৩৪৬ সালে, যার শুরু ১৩ দিয়ে অর্থাৎ চতুর্দশ শতাব্দী।
a ১৯৪৮ সালে
b ১৯৫২ সালে
c  ১৯৬৯ সালে
d ১৯৭১ সালে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৯ সালে কেন সঠিক: - আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে ১৯৬৯ সালে ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। - এই আন্দোলনের ফলেই আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করা হয় এবং শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল বন্দी মুক্তি লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৮ সালে — এই সময়ে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম আন্দোলন ও সংগ্রাম শুরু হয়েছিল, কোনো গণঅভ্যুত্থান হয়নি। B) ১৯৫২ সালে — এটি ছিল বাঙালির ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, যা তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে বড় প্রতিরোধ হলেও গণঅভ্যুত্থান হিসেবে পরিচিত নয়। C) ১৯৬৯ সালে — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) ১৯৭১ সালে — এই সালে কোনো গণঅভ্যুত্থান নয়, বরং সরাসরি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল যার মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলন হয়েছিল বায়ান্নতে, আর তার ১৭ বছর পর উনসত্তরে সংঘটিত হয় সফল গণঅভ্যুত্থান।
a আকবর
b  শেরশাহ
c মুহম্মদ বিন তোঘলক
d আওরঙ্গজেব
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শেরশাহ কেন সঠিক: - মধ্যযুগের শাসক শেরশাহ শূর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য ঘোড়ার ডাক এবং ডাকচৌকি ব্যবস্থার প্রচলন করেন। - তার আমলে প্রশাসনিক সংবাদ দ্রুত আদান-প্রদানের জন্য এই ঘোড়ার ডাক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকবর — তিনি ঘোড়ার ডাকের প্রবক্তা নন, তবে তিনি দক্ষ প্রশাসনিক ও মনসবদারি ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। B) শেরশাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) মুহম্মদ বিন তোঘলক — তিনি রাজধানী পরিবর্তন এবং তামার মুদ্রার চালুর জন্য পরিচিত, ঘোড়ার ডাকের জন্য নন। D) আওরঙ্গজেব — তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ঘটিয়েছিলেন, তবে ঘোড়ার ডাকের প্রচলন তার আমলে হয়নি। মনে রাখার টিপস: শেরশাহ মানেই যোগাযোগ ব্যবস্থার সংস্কার, গ্র্যান্ড ট্রাংক রোড এবং ঘোড়ার ডাকের প্রবর্তন।
a ১৯৫২ সালে
b  ১৯৫৪ সালে
c ১৯৫৬ সালে
d ১৯৫৭ সালে
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৪ সালে কেন সঠিক: - পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এই নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে মুসলিম লীগ সরকারকে পরাজিত করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫২ সালে — এটি ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের বছর, প্রাদেশিক নির্বাচনের বছর নয়। B) ১৯৫৪ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক। C) ১৯৫৬ সালে — এই সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান প্রণীত হয়েছিল, পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক নির্বাচন হয়নি। D) ১৯৫৭ সালে — এই সালে কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, প্রাদেশিক নির্বাচনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক বিজয় এবং ৫৪-এর নির্বাচন এভাবে মনে রাখতে পারেন যে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের ঠিক দুই বছর পরই ১৯৫৪ সালে এই নির্বাচন হয়েছিল।
a ১৯৮২ সালে
b ১৯৮৩ সালে
c  ১৯৮৪ সালে
d ১৯৮৫ সালে
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৮৪ সালে কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বা সাফ গেমসের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৪ সালে। - প্রথম সাফ গেমস আনুষ্ঠানিকভাবে তৎকালীন বাংলাদেশ রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮২ সালে — এই সালে এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা সাফ গেমসের সাল নয়। B) ১৯৮৩ সালে — এই সালে কোনো সাফ গেমস বা দক্ষিণ এশীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়নি। C) ১৯৮৪ সালে — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) ১৯৮৫ সালে — দ্বিতীয় সাফ গেমস ঢাকায় নয়, বরং বাংলাদেশের বাইরে অন্য কোনো দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সাফ গেমস মানেই দক্ষিণ এশিয়ার ক্রীড়াযজ্ঞ এবং এর সূচনা হয়েছিল ১৯৮৪ সালে ঢাকায়।
a ১৮২১ সালে
b ১৮৭০ সালে
c ১৯১০ সালে
d  ১৯২১ সালে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯২১ সালে কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১ জুলাই ১৯২১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে এবং এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়। - লর্ড হার্ডিঞ্জের ঘোষণা অনুযায়ী এবং নাথান কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮২১ সালে — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। B) ১৮৭০ সালে — এই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক একটি সাল। C) ১৯১০ সালে — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বা কার্যক্রম এই সময়ে তীব্র হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি। D) ১৯২১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বিশ্ববিদ্যালয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে শেষ অঙ্ক দুটি মনে রাখুন, ১৯২১ সালে প্রথম ক্লাস শুরু হয়।
a এইডস
b  গনোরিয়া
c গলগণ্ড রোগ
d গোদ রোগ
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গনোরিয়া কেন সঠিক: - গনোরিয়া একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত যৌনবাহিত রোগ যার প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো নির্দিষ্ট বা দৃশ্যমান লক্ষণ প্রকাশ পায় না। - লক্ষণ প্রকাশ না পাওয়ার কারণে অনেক সময় রোগটি নীরবে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং জটিলতা তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এইডস — এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ যার নির্দিষ্ট লক্ষণ হিসেবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। B) গনোরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো নির্দিষ্ট বা স্পষ্ট লক্ষণ প্রকাশ পায় না। C) গলগণ্ড রোগ — এটি আয়োডিনের অভাবে হয় এবং এতে গলার থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যাওয়ার নির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা যায়। D) গোদ রোগ — এটি ফাইলেরিয়া নামক পরজীবী কৃমির কারণে হয় এবং এতে হাত বা পা অতিরিক্ত ফুলে যাওয়ার নির্দিষ্ট লক্ষণ থাকে। মনে রাখার টিপস: লক্ষণ নেই মানেই তা গনোরিয়া, কারণ এই নীরব রোগটি গোপনে শরীরে বাসা বাঁধে।
a স্নো হবে
b  ফাস্ট হবে
c ঠিক সময় দেবে
d কোনো রকম প্রভাবিত হবে না
0 50 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফাস্ট হবে কেন সঠিক: - বিষুবরেখা থেকে মেরুর দিকে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বৃদ্ধি পায় কারণ পৃথিবীর ব্যাসার্ধ মেরু অঞ্চলে কম। - পেন্ডুলামের দোলনকাল অভিকর্ষজ ত্বরণের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক হওয়ায় ত্বরণ বাড়লে দোলনকাল কমে যায় এবং ঘড়িটি ফাস্ট হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্নো হবে — ঘড়ি স্লো বা মন্থর হয় যখন অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কমে যায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) ফাস্ট হবে — এটি সঠিক কারণ অভিকর্ষজ ত্বরণ বৃদ্ধির কারণে ঘড়ির দোলনকাল কমে যায় এবং এটি দ্রুত চলে। C) ঠিক সময় দেবে — স্থান পরিবর্তনের কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণের তারতম্য ঘটে বিধায় ঘড়িটি নির্দিষ্ট ও সঠিক সময় দেয় না। D) কোনো রকম প্রভাবিত হবে না — পৃথিবীর আকৃতির ভিন্নতার কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তন ঘটে যা ঘড়ির গতিকে সরাসরি প্রভাবিত করে। মনে রাখার টিপস: মেরুতে গেলে টানে বেশি, তাই ঘড়ি চলে ফেস বা ফাস্ট।
a  গাছপালা কমে যাওয়া
b ভূ-পৃষ্ঠের কার্বনেট শিলার ভাঙন
c যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি
d ব্যাপক হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) গাছপালা কমে যাওয়া কেন সঠিক: - গাছপালা ও বনভূমি বায়ুমণ্ডল থেকে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে। - নির্বিচারে গাছ কেটে ফেলায় কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাছপালা কমে যাওয়া — এটি বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধির সঠিক কারণ, যা শোষণের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। B) ভূ-পৃষ্ঠের কার্বনেট শিলার ভাঙন — এটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধির মূল কারণ নয়। C) যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি — এটি কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ হলেও প্রদত্ত উত্তরের সাথে অপশন এ সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) ব্যাপক হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি — জনসংখ্যা বৃদ্ধি পরোক্ষভাবে প্রভাব ফেললেও সরাসরি প্রধান কারণ হলো উদ্ভিদের সংখ্যা কমে যাওয়া। মনে রাখার টিপস: গাছ হলো প্রকৃতির ফুসফুস, গাছ কাটলেই বাতাসে কার্বন বাড়ে।
a বায়ু
b  মাটি
c পানি
d গাছপালা
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাটি কেন সঠিক: - মাটি বিভিন্ন মৃত জীব, বর্জ্য ও ক্ষতিকর পদার্থকে প্রাকৃতিকভাবে পচিয়ে ও ফিল্টার করে পরিবেশ পরিষ্কার রাখে। - মাটির ভেতরের অণুজীব ও ব্যাকটেরিয়া ক্ষতিকর উপাদান ভেঙে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে বলেই একে প্রাকৃতিক শোধনাগার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ু — বায়ুদূষণ রোধে বাতাস সাহায্য করলেও এটি সরাসরি বর্জ্য শোধন বা পরিচ্ছন্ন করার মূল মাধ্যম নয়। B) মাটি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ মাটি প্রাকৃতিকভাবে নানা বর্জ্য ও জীবাণু শোধন করে। C) পানি — পানি ময়লা বহন করে, কিন্তু মাটি যেভাবে সম্পূর্ণ বর্জ্য পচিয়ে ও ফিল্টার করে শোধন করে, পানি তা করে না। D) গাছপালা — গাছপালা মূলত কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ ও অক্সিজেন ত্যাগ করে, মাটির মতো সামগ্রিক বর্জ্য শোধন করে না। মনে রাখার টিপস: সব আবর্জনা ও মৃতদেহ যেখানে প্রাকৃতিকভাবে মিশে পরিষ্কার হয়, সেটি হলো মাটি বা প্রকৃতির শোধনাগার।
a ব্যাপন
b রেচন
c  শ্বসন
d অভিস্রবণ
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শ্বসন কেন সঠিক: - প্রাণীদেহে খাদ্যরসের সাথে অক্সিজেনের জারণ ঘটে শক্তি উৎপন্ন হয় এবং উপজাত হিসেবে কার্বন ডাই–অক্সাইড তৈরি হয়। - শ্বসন প্রক্রিয়ায় কোষের ভেতরে গ্লুকোজ ভেঙে শক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই–অক্সাইড গ্যাস উৎপাদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাপন — এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে অণুগুলো বেশি ঘনত্বের স্থান থেকে কম ঘনত্বের স্থানে ছড়িয়ে পড়ে, কার্বন ডাই–অক্সাইড তৈরি করে না। B) রেচন — এটি জীবদেহের বিপাকীয় বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের প্রক্রিয়া, যা কার্বন ডাই–অক্সাইড উৎপাদনের প্রধান প্রক্রিয়া নয়। C) শ্বসন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা প্রাণীদেহে কার্বন ডাই–অক্সাইড উৎপাদনের মূল জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া। D) অভিস্রবণ — এটি এক প্রকার বিশেষ ব্যাপন যা অর্ধভেদ্য পর্দার মাধ্যমে দ্রাবক অণুর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে, কার্বন ডাই–অক্সাইড তৈরির সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাণী অক্সিজেন গ্রহণ করে শক্তি তৈরির সময় কার্বন ডাই–অক্সাইড ছাড়ে, আর এই শক্তি উৎপাদনের পুরো প্রক্রিয়াটিই হলো শ্বসন।
a  ইয়েমেন
b জর্ডান
c কাতার
d সংযুক্ত আরব আমিরাত
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইয়েমেন কেন সঠিক: - এডেন বন্দরটি ইয়েমেনের একটি প্রধান ঐতিহাসিক ও কৌশলগত সমুদ্রবন্দর। - এটি আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ উপকূলে এডেন উপসাগরের তীরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়েমেন — সঠিক উত্তর কারণ এডেন বন্দরটি এখানেই অবস্থিত। B) জর্ডান — জর্ডানের একমাত্র সমুদ্রবন্দর হলো আকাবা, যা লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত। C) কাতার — কাতার পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী দেশ এবং এর প্রধান বন্দর দোাহা ও হামাদ। D) সংযুক্ত আরব আমিরাত — সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান বন্দরগুলোর মধ্যে দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দর অন্যতম। মনে রাখার টিপস: এডেন ও ইয়েমেন শব্দ দুটি মনে রাখতে 'এ' দিয়ে এডেন এবং 'ই' দিয়ে ইয়েমেন মিলিয়ে পড়তে পারেন।
a কফি আনান
b  উ থান্ট
c দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
d ভুট্রোস ঘালি
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উ থান্ট কেন সঠিক: - উ থান্ট ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের ৩য় মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। - তিনি মিয়ানমারের নাগরিক ছিলেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে নৈতিক সমর্থন ও সহযোগিতা প্রদান করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কফি আনান — তিনি জাতিসংঘের ৭ম মহাসচিব ছিলেন এবং ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। B) উ থান্ট — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। C) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড — তিনি জাতিসংঘের ২য় মহাসচিব ছিলেন এবং ১৯৬১ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান। D) ভুট্রোস ঘালি — তিনি জাতিসংঘের ৬ম মহাসচিব ছিলেন এবং ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় 'উ' তে মুক্তিযুদ্ধ এবং 'উ' তে উ থান্ট এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a সাইট্রিক এসিড
b  অ্যাসকরবিক এসিড
c অ্যাসিটিক এসিড
d অক্সালিক এসিড
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যাসকরবিক এসিড কেন সঠিক: - ভিটামিন সির রাসায়নিক নাম হলো অ্যাসকরবিক এসিড। - এটি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু ও পাতিলেবুতে থাকে, যা ভিটামিন সি নয়। B) অ্যাসকরবিক এসিড — এটি ভিটামিন সির রাসায়নিক নাম এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) অ্যাসিটিক এসিড — এটি মূলত ভিনেগারের প্রধান উপাদান, যা খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। D) অক্সালিক এসিড — এটি পালং শাক ও টমেটোতে পাওয়া যায়, যা একটি ভিন্ন রাসায়নিক যৌগ। মনে রাখার টিপস: ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় এবং এর রাসায়নিক নাম অ্যাসকরবিক এসিড।
a অক্সিজেন
b নাইট্রোজেন
c  ওজোন
d হিলিয়াম
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওজোন কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে ওজোন স্তর সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে। - ওজোন গ্যাসের অণু তিনটি অক্সিজেন পরমাণু নিয়ে গঠিত হওয়ায় এটি এই বিশেষ রশ্মি আটকাতে সক্ষম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস হলেও অতিবেগুনি রশ্মি শোষণে ওজোনের মতো প্রধান ভূমিকা পালন করে না। B) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলে সর্বাধিক পরিমাণে থাকা নিষ্ক্রিয় গ্যাস যা অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে না। C) ওজোন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক। D) হিলিয়াম — এটি একটি হালকা ও নিষ্ক্রিয় গ্যাস যা বায়ুমণ্ডলে অতিবেগুনি রশ্মি শোষণের কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: ওজোন গ্যাসের সংকেত ও-থ্রি এবং এটি ছাতার মতো কাজ করে অতিবেগুনি রশ্মি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে।
a  ভূ–পৃষ্ঠে
b ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০০০ মিটার উপরে
c ভূ-কেন্দ্রে
d ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০০০ মিটার নিচে
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভূ-পৃষ্ঠে কেন সঠিক: - মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণের মান ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে বা গভীরে প্রবেশ করলে কমতে থাকে। - পৃথিবীর আকার কিছুটা কমলালেবুর মতো হওয়ায় মেরু অঞ্চলে এর মান সবচেয়ে বেশি এবং বিষুবীয় অঞ্চলে কম হয়, যা ভূ-পৃষ্ঠের ওপরই হিসাব করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূ-পৃষ্ঠে — এই অপশনটি সঠিক কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে দূরত্ব সর্বনিম্ন হওয়ায় এখানেই ত্বরণের মান সর্বোচ্চ হয় এবং আদর্শ মান হিসেবে ভূ-পৃষ্ঠকে ধরা হয়। B) ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০০০ মিটার উপরে — ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে দূরত্বের কারণে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণের মান কমতে থাকে। C) ভূ-কেন্দ্রে — পৃথিবীর কেন্দ্রে দূরত্বের মান শূন্য হয়ে যাওয়ায় মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণের মানও শূন্য হয়। D) ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০০০ মিটার নিচে — ভূ-গর্ভে প্রবেশ করলে কার্যকরী ভর কমে যাওয়ার কারণে ত্বরণের মান কমতে থাকে। মনে রাখার টিপস: পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বাড়লে বা কমলে ত্বরণ কমে, তাই সর্বোচ্চ মান সবসময় ভূ-পৃষ্ঠেই থাকে।
a ইথেন
b  হাইড্রোজেন সালফাইড
c মিথেন
d হিলিয়াম
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাইড্রোজেন সালফাইড কেন সঠিক: - ডিমের প্রোটিন পচে যাওয়ার সময় সালফার বা গন্ধকযুক্ত অ্যামিনো অ্যাসিড ভেঙে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। - এই গ্যাসের তীব্র গন্ধ পচা ডিমের গন্ধের জন্য সরাসরি দায়ী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইথেন — এটি একটি বর্ণহীন ও গন্ধহীন হাইড্রোকার্বন গ্যাস, তাই পচা ডিমের গন্ধের জন্য দায়ী নয়। B) হাইড্রোজেন সালফাইড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্যাসটিই পচা ডিমের গন্ধের জন্য দায়ী। C) মিথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান এবং এটি মূলত গন্ধহীন গ্যাস। D) হিলিয়াম — এটি একটি নিষ্ক্রিয় এবং সম্পূর্ণ গন্ধহীন হালকা গ্যাস। মনে রাখার টিপস: ডিম পচলে সালফার থেকে গন্ধ ছড়ায়, তাই মনে রাখুন সালফাইড মানেই পচা ডিমের গন্ধ।
a ভিটামিন ‘এ’
b  ভিটামিন ‘বি‘
c ভিটামিন ‘সি’
d ভিটামিন ‘ডি’
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভিটামিন ‘বি’ কেন সঠিক: - ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, বিশেষ করে ভিটামিন বি২ বা রাইবোফ্লাভিনের অভাবে মুখের কোণে ঘা, ঠোঁটে ও জিহ্বায় ঘা হয়। - এই ভিটামিনের অভাবে মুখ ও ত্বকে নানা ধরনের ইনফেকশন বা প্রদাহ দেখা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন ‘এ’ — এর অভাবে মূলত রাতকানা রোগ এবং চোখের কর্নিয়ার সমস্যা হয়, ঠোঁটে বা জিভে ঘা হয় না। B) ভিটামিন ‘বি‘ — এই ভিটামিনের অভাবে ঠোঁট, জিভ ও মুখের ভেতরে ঘা বা প্রদাহ সৃষ্টি হয়। C) ভিটামিন ‘সি’ — এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় এবং মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে, যা ঠোঁট বা জিভের ঘা থেকে আলাদা। D) ভিটামিন ‘ডি’ — এর অভাবে শিশুদের রিকেটস এবং বড়দের অস্টিওম্যালেসিয়া বা হাড় দুর্বলজনিত রোগ হয়। মনে রাখার টিপস: ভিটামিন বি এর অভাবে মুখে বা জিভে ঘা হয়, যা রাইবোফ্লাভিনের ঘাটতি নির্দেশ করে।
a  আমিষ
b শ্বেতসার
c স্নেহ জাতীয়
d ভিটামিন
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আমিষ কেন সঠিক: - শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ আমিষ বা প্রোটিন থাকে, যা শরীরের কোষ গঠন ও ক্ষয়পূরণে সহায়তা করে। - ডাল জাতীয় শস্য এবং বিচি জাতীয় খাবারে আমিষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমিষ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ শিমের বিচি আমিষ জাতীয় খাদ্যের উৎকৃষ্ট উৎস। B) শ্বেতসার — এটি শর্করা জাতীয় খাদ্যের উৎস যেমন চাল, আলু ও গম, যা শিমের বিচির প্রধান উপাদান নয়। C) স্নেহ জাতীয় — এটি তেল ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের উৎস যেমন সয়াবিন তেল ও মাখন, যা শিমের বিচির মূল উপাদান নয়। D) ভিটামিন — এটি ফলমূল ও শাকসবজিতে বেশি থাকে যা রোগ প্রতিরোধ করে, তবে শিমের বিচির প্রধান পুষ্টি উপাদান ভিটামিন নয়। মনে রাখার টিপস: ডাল ও বিচি জাতীয় খাবার মানেই আমিষের উৎস, তাই শিমের বিচি একটি আমিষ জাতীয় খাদ্য।
a ভিটামিন ‘এ’
b ক্যালসিয়াম
c সোডিয়াম
d  আয়োডিন
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আয়োডিন কেন সঠিক: - আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি বৃদ্ধি পায়, যাকে গলগণ্ড বা গয়টার রোগ বলা হয়। - আয়োডিন থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন ‘এ’ — এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়, গলগণ্ড হয় না। B) ক্যালসিয়াম — এর অভাবে হাড় ও দাঁতের দুর্বলতা দেখা দেয়, গলগণ্ড হয় না। C) সোডিয়াম — এর অভাবে শরীরে পানির ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং পেশিতে টান পড়ে। D) আয়োডিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: গ গলায় আয়োডিন, এই কথাটি মনে রাখলে গলগণ্ড ও আয়োডিনের সম্পর্ক সহজে মনে থাকবে।
a  ২৯ দিন ১২ঘণ্টা
b ২৭ দিন ১৭ ঘণ্টা
c ২৮ দিন ২ ঘণ্টা
d ২৮ দিন ৫ ঘণ্টা
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৯ দিন ১২ঘণ্টা কেন সঠিক: - চাঁদ পৃথিবী একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় প্রায় ২৯ দিন ১২ ঘণ্টা, যা সিনোডিক মাস বা চন্দ্র মাস নামে পরিচিত। - চাঁদের এই আবর্তন সময়কে ভিত্তি করেই মূলত চন্দ্র ক্যালেন্ডার বা চান্দ্র মাস হিসাব করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৯ দিন ১২ঘণ্টা — এটি চাঁদের পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করার সঠিক সময়কাল বা সিনোডিক মাস। B) ২৭ দিন ১৭ ঘণ্টা — এটি চাঁদের পৃথিবীর চারপাশে নক্ষত্রের সাপেক্ষে একবার ঘুরে আসার সময় বা সাইডরিয়াল মাস, যা প্রদক্ষিণকাল নয়। C) ২৮ দিন ২ ঘণ্টা — এটি কোনো নির্দিষ্ট জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বা চন্দ্রভিত্তিক আবর্তনের সঠিক সময়কাল নয়। D) ২৮ দিন ৫ ঘণ্টা — এটি চন্দ্র প্রদক্ষিণ বা চাঁদের আবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রমিত মান নয়। মনে রাখার টিপস: চাঁদের একবার প্রদক্ষিণকাল মনে রাখতে ছাব্বিশের সঙ্গে দুই যোগ করে প্রায় সাড়ে উনত্রিশ দিন বা ২৯ দিন ১২ ঘণ্টা মনে রাখুন।
a ৫ এপ্রিল
b ৫ মে
c  ৫ জুন
d ৫ জুলাই
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ জুন কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনে এই দিনটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। - ১৯৭৩ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ জুন সারা বিশ্বে পরিবেশ সুরক্ষার সচেতনতা তৈরির জন্য এই দিবসটি পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ এপ্রিল — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয় এবং এই তারিখে আন্তর্জাতিক পরিবেশগত কোনো প্রধান দিবস পালন করা হয় না। B) ৫ মে — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয় এবং এই তারিখে অন্য কোনো সাধারণ দিবস থাকতে পারে। C) ৫ জুন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য। D) ৫ জুলাই — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয় এবং এই তারিখে পরিবেশ সংক্রান্ত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নির্ধারিত নেই। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় জুনের ৫ তারিখ মনে রাখতে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহকে পরিবেশ সপ্তাহ হিসেবে মাথায় রাখুন।
a  ১৩৬
b 137
c 138
d 139
0 50 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩৬ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে পদলাভ করে। - ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দিয়ে বিশ্ব দরবারে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ক্রমিক নম্বরেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল। B) 137 — এটি ভুল কারণ ১৩৭তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল অন্য কোনো দেশ, বাংলাদেশ নয়। C) 138 — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ প্রাপ্তির ক্রমিক নম্বরের সাথে মেলে না। D) 139 — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৯তম সদস্য ছিল না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হয়। সংখ্যাটি মনে রাখতে 'স্বাধীনতার পর ৭৪ সালে ১৩৬' এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a  দস্তা
b অ্যালুমিনিয়াম
c তামা
d পরস্পরের সংস্পর্শে থাকা তামা ও অ্যালুমিনিয়াম
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দস্তা কেন সঠিক: - তড়িৎ রাসায়নিক সারিতে (Electrochemical Series) দস্তার প্রমাণ জারণ বিভবের মান খুব বেশি হওয়ায় এটি খুব দ্রুত জারণ বিক্রিয়ায় অংশ নেয়। - বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেন ও আর্দ্রতার সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করায় দস্তা বা জিঙ্ক ধাতু অত্যন্ত দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত বা মরিচা আক্রান্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দস্তা — এটি অন্য ধাতুগুলোর তুলনায় পরিবেশের সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। B) অ্যালুমিনিয়াম — এর ওপর সুরক্ষামূলক অক্সাইড আস্তরণ থাকায় এটি দস্তার চেয়ে অনেক দেরিতে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। C) তামা — এটি তুলনামূলক কম সক্রিয় ধাতু হওয়ায় বায়ুমণ্ডলে স্বাভাবিক অবস্থায় অনেক দেরিতে ক্ষয় হয়। D) পরস্পরের সংস্পর্শে থাকা তামা ও অ্যালুমিনিয়াম — গ্যালভানিক ক্ষয় কিছুটা ঘটলেও এককভাবে দস্তার ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার হার এদের চেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: সক্রিয়তা সিরিজে যে ধাতু যত ওপরে থাকে, সে তত দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়; দস্তা সক্রিয় থাকায় সবার আগে ক্ষয় হয়।

মোট প্রশ্ন (15)

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c গোলাম মোস্তফা
d ফররুখ আহমদ
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: পঙ্‌ক্তিটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে কবি তার আত্মপরিচয় ও আপসহীন মানসিকতা প্রকাশ করতে বেদুঈন ও চেঙ্গিস খানের ঐতিহাসিক ও বিদ্রোহী প্রতীক ব্যবহার করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত। তার 'বিদ্রোহী' কবিতাটি ১৯২১ সালে প্রকাশিত অগ্নিমীরা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহা-বিদ্রোহী রণক্লান্ত / আমি সেই দিন হব শান্ত। ব্যাখ্যা: এটি একই কবিতার আরেকটি বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি যা কবির বিদ্রোহী ও বিপ্লবী চেতনা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: বল বীর— / বল উন্নত মম শির! ব্যাখ্যা: এটিও বিদ্রোহী কবিতার শুরুর পঙ্‌ক্তি যা আত্মমর্যাদা ও সাহসিকতার প্রতীক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি শান্তরস, আধ্যাত্মিকতা ও প্রকৃতির কবি ছিলেন এবং তার লেখার ধরন নজরুলের বিদ্রোহের সঙ্গে মেলে না। B) কাজী নজরুল ইসলাম — সঠিক উত্তর। C) গোলাম মোস্তফা — তিনি মূলত ইসলামি ঐতিহ্য ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ রোমান্টিক কবিতার জন্য বিখ্যাত, বিদ্রোহী কবিতার রচয়িতা নন। D) ফররুখ আহমদ — তিনি পাকিস্তান আমলের প্রগতিশীল ও ইসলামি সংস্কৃতির বিশিষ্ট কবি হলেও এই পঙ্‌ক্তির রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের কবিতায় বেদুঈন, চেঙ্গিস খান, ইদ্রিস, ফেরাউন ইত্যাদি ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক চরিত্রের উপস্থিতি থাকে। কুর্নিশ না করার বিদ্রোহী মনোভাব দেখলে ধরে নেবে তা নজরুলের কবিতা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং এটি বাংলা সাহিত্য পরীক্ষায় অত্যন্ত বারবার আসা একটি প্রশ্ন। কবিতার বিভিন্ন বিখ্যাত লাইন মুখস্থ রাখলে এই ধরনের উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যায়।
a  জহির রায়হান
b সৈয়দ এমদাদ আলী
c হুমায়ুন আহমেদ
d প্রমথ নাথ বিশী
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জহির রায়হান ১. কেন সঠিক: 'বরফ গলা নদী' বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান রচিত একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। এই উপন্যাসে মূলত তৎকালীন সমাজজীবনের নানা সংকট, মানুষের জীবনসংগ্রাম এবং মধ্যবিত্ত জীবনের মনস্তত্ত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জহির রায়হান ১৯৩৫ সালে ফেনী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে এবং আরেক ফাল্গুন বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাজার বছর ধরে ব্যাখ্যা: এটি জহির রায়হান রচিত বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজজীবনের পটভূমিতে লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: এটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে জহির রায়হান রচিত একটি প্রামাণ্য উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জহির রায়হান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'বরফ গলা নদী' উপন্যাসের রচয়িতা। B) সৈয়দ এমদাদ আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সম্পাদক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর রচনা নয়। C) হুমায়ুন আহমেদ — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয় রচয়িতা হলেও 'বরফ গলা নদী' তাঁর লেখা নয়। D) প্রমথ নাথ বিশী — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর সৃষ্টি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: জহির রায়হানের উপন্যাস মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো, তিনি বরফ গলা নদীর তীরে হাজার বছর ধরে দাঁড়িয়ে শেষ বিকেলের মেয়েকে নিয়ে আরেক ফাল্গুন দেখছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জহির রায়হানের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে 'হাজার বছর ধরে' ও 'আরেক ফাল্গুন' খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লেখকদের নামের পাশে তাঁদের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্মের তালিকা তৈরি করে পড়া পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি।
a গিরিশ চন্দ্র ঘোষ
b কায়কোবাদ
c  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d সৈয়দ শামসুল হক
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: রক্তকরবী নাটকটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত রূপক ও সাংকেতিক নাটক, যেখানে যন্ত্রসভ্যতা ও পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে মানুষের প্রাণশক্তির জয়গান গাওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক যুগপুরুষ যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক, উপন্যাস ও প্রবন্ধসহ সাহিত্যের সকল শাখায় মুন্শিয়ানা দেখিয়েছেন। ১৯১৩ সালে তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং রক্তকরবী নাটকটি বাংলা ১৩৩১ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অচলায়তন ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিখ্যাত নাটক যা সমাজ ও শিক্ষার জড়তা ভাঙার বার্তা দেয়। উদাহরণ ২: রাজা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপক নাটক যেখানে মানুষের অন্তরাত্মার অনুসন্ধান করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গিরিশ চন্দ্র ঘোষ — তিনি বাংলা নাট্যশালার অন্যতম স্থপতি ও নাট্যকার হলেও রক্তকরবী নাটকটি তার রচনা নয়। B) কায়কোবাদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন মহাকাব্যিক কবি যিনি মহাশ্মশান মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত, কোনো নাটক নয়। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ রক্তকরবী নাটকটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সৃষ্টি। D) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কবি ও নাট্যকার হলেও এই বিখ্যাত রূপক নাটকের রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: রক্তের রঙ লাল আর রবীন্দ্রনাথ মানেই লাল গোলাপ বা রক্তকরবী ফুল, এভাবেই সহজে মনে রাখা যায়। রূপক নাটকের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের নাম সবার আগে আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রক্তকরবী একটি রূপকধর্মী নাটক যার মূল চরিত্রগুলোর নাম নন্দিনী ও বিশু। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই রবীন্দ্রনাথের রূপক নাটকগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
a  দুর্লভ
b কষ্টার্জিত
c দুর্জয়
d পরিশ্রমলব্ধ
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুর্লভ কেন সঠিক: - দুর্লভ শব্দটির ব্যাসববাক্য হলো যা সহজে লাভ করা যায় না। - খুব কষ্ট করে যা অর্জন বা লাভ করা হয়, তাকে এক কথায় দুর্লভ বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং বড় বাক্যকে ছোট ও আকর্ষণীয় করতে বাক্য সংকোচন ব্যবহার করা হয়। - যেমন: যা নিবারণ করা যায় না = অনিবার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) দুর্লভ — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এর অর্থ যা কষ্টে লাভ করা যায়। - B) কষ্টার্জিত — কষ্ট দ্বারা অর্জিত যা, তাকে কষ্টার্জিত বলে, যা এখানে পুরোপুরি মিলে না। - C) দুর্জয় — যাকে জয় করা কঠিন, তাকে দুর্জয় বলা হয়। - D) পরিশ্রমলব্ধ — পরিশ্রমের দ্বারা যা লাভ করা হয়েছে, তাকে পরিশ্রমলব্ধ বলে। মনে রাখার টিপস: - দুর্লভ শব্দের মূল অর্থ যা পাওয়া কঠিন বা সহজে মেলে না। - প্রশ্নের ভেতরে থাকা কষ্ট এবং লাভ শব্দ দুটি দুর্লভ শব্দের ব্যাখ্যার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
a স্নান
b প্রক্ষালন
c  অবগাহন
d পদধৌত
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অবগাহন ১. কেন সঠিক: ‘অবগাহন’ শব্দের সাধারণ অর্থ হলো জলে নেমে সর্বাঙ্গ ডুবিয়ে স্নান করা বা নিমগ্ন হওয়া। প্রশ্নে বলা হয়েছে ‘আবক্ষ জলে নেমে স্নান’, যার অর্থ বুক পর্যন্ত জলে নেমে স্নান করা, যা অবগাহন শব্দের ভাবার্থকে পুরোপুরি প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বাক্যের অর্থকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য এককথায় প্রকাশের ব্যবহার করা হয়, যা ভাষা ও ভাবকে সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গঙ্গায় অবগাহন করা পুণ্যকর্ম বলে অনেকে মনে করেন। ব্যাখ্যা: এখানে গঙ্গায় জলে নেমে স্নান করার অর্থে অবগাহন শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সারাদিন রোদে ঘুরে পুকুরে অবগাহন করে শরীর জুড়াল। ব্যাখ্যা: পুকুরের জলে সম্পূর্ণ বা বুক পর্যন্ত নেমে স্নান করার ভাবটি এখানে প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্নান — এটি সাধারণ অর্থে গোসল করা বোঝায়, কিন্তু বুক পর্যন্ত জলে নেমে স্নান করার বিশেষ ভাবটি এতে প্রকাশ পায় না। B) প্রক্ষালন — এর অর্থ ভালোভাবে ধৌত করা বা ধোয়া, যেমন হাত বা পা প্রক্ষালন করা, যা স্নানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) অবগাহন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে প্রযোজ্য। D) পদধৌত — এর অর্থ পা ধোয়া, যা সম্পূর্ণ শরীরের জলে নেমে স্নানের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বুক বা গলা পর্যন্ত জলে নেমে স্নান করা বোঝালে এককথায় প্রক্ষালন বা সাধারণ স্নান না বলে সবসময় অবগাহন বলতে হবে। জলে ডুব দিয়ে বা জলে নেমে স্নান করার সঙ্গে অবগাহন শব্দটি বিশেষভাবে যুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই শব্দার্থ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক। নদী, পুকুর বা জলাশয়ে নেমে স্নান করার ক্ষেত্রে অবগাহন শব্দটি সবচেয়ে প্রমিত ও সঠিক নির্বাচন।
a  পসারিণী
b পসারিনি
c পসারিনী
d পসারীনী
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পসারিণী ১. কেন সঠিক: - 'পসারিণী' বানানটি সঠিক কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এর শেষের দীর্ঘ-ঈ কার যুক্ত হয়েছে। - পসার শব্দের সঙ্গে ইন্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীলিঙ্গ গঠিত হওয়ার সময় রস্র-ই কারের পরিবর্তে দীর্ঘ-ঈ কার ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় ও স্ত্রীলিঙ্গ সাধনের নিয়মের অন্তর্ভুক্ত একটি শব্দ। - পসার শব্দের অর্থ দোকানের মালপত্র বা পসরা, এবং পসারিণী অর্থ যিনি পসরা সাজিয়ে বসেন বা নারী বিক্রেতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চক্রবর্তিণী ব্যাখ্যা: চক্রবর্তী শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ গঠনে শেষে দীর্ঘ-ঈ কার যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: মায়াবিণী ব্যাখ্যা: মায়াবী শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ গঠনে প্রত্যয় যোগের মাধ্যমে দীর্ঘ-ঈ কার ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পসারিণী — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতিসম্মত। B) পসারিনি — এই অপশনটি ভুল কারণ এর শেষের বর্ণ ন-এ রস্র-ই কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) পসারিনী — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে মধ্যের র-এ রস্র-ই কার এবং শেষের ন-এ দীর্ঘ-ঈ কার রয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। D) পসারীনী — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে র-এর সঙ্গে দীর্ঘ-ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের গঠন অনুযায়ী সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পসার শব্দের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়টি দীর্ঘ-ঈ কারান্ত হয়, তাই পসারিণী বানানে সবসময় দীর্ঘ-ঈ কার ব্যবহার করতে হবে। - স্ত্রীবাচক অনেক শব্দের শেষে দীর্ঘ-ঈ কার বসে, এই নিয়মটি চর্চা করলে বানান ভুল কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যুক্ত স্ত্রীবাচক শব্দের বানান প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগের সময় কারচিহ্ন কোথায় পরিবর্তন হয় তা খেয়াল রাখতে হবে।
a  আনুষঙ্গিক
b আনুসাঙ্গিক
c অনুষঙ্গিক
d আনূষঙ্গিক
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আনুষঙ্গিক ১. কেন সঠিক: - অনু শব্দের সঙ্গে ঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আনুষঙ্গিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এখানে মূল শব্দ অনুসঙ্গের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণে প্রথম বর্ণে পরিবর্তন ঘটে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠনের নিয়মে অনুসঙ্গ যোগ ঠিক প্রত্যয় যুক্ত হলে আনুষঙ্গিক হয়। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার সঠিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা: ইতিহাস শব্দের সঙ্গে ঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঐতিহাসিক গঠিত হয়। উদাহরণ ২: ব্যবহারিক ব্যাখ্যা: ব্যবহার শব্দের সঙ্গে ঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ব্যবহারিক গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনুষঙ্গিক — এই বানানটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। B) আনুসাঙ্গিক — এখানে স এর জায়গায় সা ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) অনুষঙ্গিক — এখানে আদি স্বরধ্বনিতে আ না থাকায় এটি মূল শব্দের সঠিক প্রত্যয়জাত রূপ নয়। D) আনূষঙ্গিক — এখানে দীর্ঘ ঊ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান নিয়মের পরিপন্থী। ৫. মনে রাখার টিপস: - আনুষঙ্গিক বানানটিতে প্রথমে আ এবং পরে মূর্ধন্য ষ এর সঙ্গে যুক্ত ই কার থাকে। - মূল শব্দ অনুসঙ্গ মনে রাখলে এই বানান সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যুক্ত শব্দ থেকে প্রায়ই বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগের নিয়ম ভালোভাবে চর্চা করলে এই ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
a করণে শূন্য
b অধিকরণে শূন্য
c  কর্মে শূন্য
d অপাদানে শূন্য
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মে শূন্য কেন সঠিক: - বাক্যের ক্রিয়াকে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে কর্মকারক বলে। - এখানে খালেদ কী পড়ে উত্তর বই, তাই বই শব্দটি কর্মকারক। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কর্মকারকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি যুক্ত হয়েছে কারণ বই শব্দের সাথে অতিরিক্ত কোনো বিভক্তি চিহ্ন যুক্ত নেই। - বাক্যের মূল উদ্দেশ্য বা কর্ম যখন সরাসরি প্রকাশ পায়, তখন তাকে কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি বলা হয়। - যেমন বাবা আমাকে কলম দিলেন বাক্যে কলম কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) করণে শূন্য — যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে করণ কারক বলে, এখানে পড়ার উপকরণ বই নয় বরং বই নিজেই কর্ম। - B) অধিকরণে শূন্য — ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে, কিন্তু বই কোনো স্থান বা সময় বোঝাচ্ছে না। - C) কর্মে শূন্য — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। - D) অপাদানে শূন্য — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত বা তর্জিত হয় তাকে অপাদান কারক বলে, কিন্তু বই এখানে কোনো উৎস বোঝাচ্ছে না। মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়ার কাছে কী বা কাকে প্রশ্ন করে যদি সরাসরি বস্তুবাচক উত্তর পাও, তবে তা নিশ্চিতভাবে কর্মকারক হবে।
a করণে ৭মী
b কর্মে ৭মী
c অপাদানে ৭মী
d অধিকরণে ৭মী
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) করণে ৭মী ১. কেন সঠিক: বাক্যে যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে করণ কারক বলা হয়। এখানে ব্যায়াম হলো শরীর ভালো রাখার মাধ্যম বা উপায়, তাই এটি করণ কারক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সাহায্য বা উপায়। বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক হয়। ব্যায়ামে শব্দে ব্যায়াম যোগ এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যেখানে এ হলো সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তির রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলমে লেখা যায়। ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম কলম হওয়ায় এটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি। উদাহরণ ২: মদাস্ত্রে শত্রু নিহত হলো। ব্যাখ্যা: শত্রু নিহত হওয়ার উপায় মদাস্ত্র, তাই এটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ ব্যায়াম হলো শরীর ভালো রাখার মাধ্যম। B) কর্মে ৭মী — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, এখানে ব্যায়াম কর্ম নয়। C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা উৎপন্ন হয়, এখানে তা বোঝাচ্ছে না। D) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক হলো ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা স্থান, এখানে ব্যায়াম কোনো স্থান বা সময় নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কি দ্বারা বা কি উপায়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রশ্ন করলে যদি মাধ্যম বা উপায় বোঝায়, তবে তা করণ কারক হবে। শব্দটির সঙ্গে এ, য়, তে যুক্ত থাকলে সপ্তমী বিভক্তি ধরতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাধ্যম বা উপায় বোঝালে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা একে অধিকরণ বা কর্ম ভেবে ভুল করে। তাই ক্রিয়ার সঙ্গে কিসের দ্বারা প্রশ্ন করে উত্তর পেলে নিশ্চিতভাবে তা করণ কারক দাগাতে হবে।
a দুৎ + লোক
b  দিব্‌ + লোক
c দুঃ লোক
d দুত + লোক
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দিব্‌ + লোক ১. কেন সঠিক: - দ্যুলোক শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো দিব্‌ যোগ লোক, যা স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মের বাইরে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির অন্তর্ভুক্ত। - দিব শব্দের প বর্গের অন্ত্য বর্ণ ব হসন্ত এবং লোক শব্দের ল মিলে এই বিশেষ সন্ধি সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো সেই সন্ধি যা কোনো সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না, বরং প্রীতি বা ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষায়ে সিদ্ধ হয়েছে। - সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দিব শব্দের স্থানে দ্যু এবং পরবর্তী লোক শব্দের সঙ্গে মিলে দ্যুলোক গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহরহ = অহঃ + অহ ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিপাতনে সিদ্ধ উদাহরণ যা কোনো সাধারণ নিয়ম মানে না। উদাহরণ ২: পরস্পর = পরি + পর ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম না মেনে নিপাতনে সিদ্ধ হয়ে গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুৎ + লোক — দুৎ নামে কোনো শব্দ বা উপসর্গ সন্ধির নিয়মে এখানে প্রযোজ্য নয় তাই এটি ভুল। C) দুঃ লোক — বিসর্গ সন্ধির কোনো নিয়ম এখানে খাপ খায় না কারণ সঠিক রূপ দিব্‌ থেকে এসেছে। D) দুত + লোক — দুত কোনো মূল শব্দ বা ধাতু নয় যা দ্যুলোক গঠনে সাহায্য করতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: - দ্যুলোক শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর মূল অংশ দিব্‌ মনে রাখতে হবে। - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - দ্যুলোক শব্দের পাশাপাশি বৃহস্পতি ও পতঞ্জলি শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদও ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a তৎপুরুষ
b অব্যয়ীভাব
c  কর্মধারয়
d দ্বিগু
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - মৌমাছি শব্দটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত কারণ এখানে মৌ বা মধু সংগ্রহকারী মাছি বোঝানো হয়েছে। - মধ্যপদলপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সম্পূর্ণ লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যস্থিত পদ বা পদগুলো সমস্তপদে লোপ পায় তাকে মধ্যপদলপী কর্মধারয় সমাস বলে। - মৌমাছি শব্দের ব্যাসবাক্য হলো মৌ সংগ্রহকারী মাছি, যেখানে মধ্যের সংগ্রহকারী পদটি সমস্তপদে লোপ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে চিহ্নিত পদটি মাঝখান থেকে লোপ পেয়ে মধ্যপদলপী কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে। উদাহরণ ২: পল মিশ্রিত অম্ল = জলাশয় বা পলান্ন ব্যাখ্যা: পল মিশ্রিত অম্ল সমান পলান্ন, যেখানে মিশ্রিত শব্দটি লোপ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয়ে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয় যা এই শব্দের ক্ষেত্রে মেলে না। C) কর্মধারয় — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি মধ্যপদলপী কর্মধারয় সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে থাকে যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যের মাঝে যদি কোনো কাজের বা ব্যাখ্যার অতিরিক্ত পদ থাকে এবং সমস্তপদে তা উধাও হয়ে যায়, তবে তা মধ্যপদলপী কর্মধারয় সমাস। - মৌমাছি মানে মৌ সংগ্রহকারী মাছি, মাঝের অংশ বাদ গেলেই কর্মধারয় নিশ্চিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলপী কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - গায়ে হলুদ, পলান্ন, বাষ্পীয় রথ ইত্যাদি শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য চর্চা করলে এই নিয়মের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a তৎপুরুষ
b কর্মধারয়
c অব্যয়ীভাব
d  বহুব্রীহি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে পদগুলোর নিজ অর্থের প্রাধান্য না পেয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। - এখানে 'অসুখ' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় 'নাই সুখ যার', যা দ্বারা রোগ বা কষ্টকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটির অর্থ প্রধান হয় না, সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ বোঝায়। - 'নাই সুখ যার' এই ব্যাসবাক্যে 'নাই' হলো না-সূচক অব্যয় এবং 'সুখ' হলো বিশেষ্য পদ, যা মিলে একটি নতুন বিশেষণ পদ সৃষ্টি করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: بی‌বাক ব্যাখ্যা: বাক্য নাই যার অর্থ সব বা সম্পূর্ণ, এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: বেতার ব্যাখ্যা: তার নাই যার অর্থ রেডিও বা বেতারে প্রচারিত, এটিও বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণে মিলে পদের সৃষ্টি হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। C) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের অর্থে যে সমাস হয় এবং পূর্বপদের অর্থ প্রধান থাকে তাকে অব্যয়ীভাব বলে, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) বহুব্রীহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে নতুন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - না-সূচক শব্দ দিয়ে শুরু হয়ে যদি অন্য কোনো অবস্থা বা রোগ বোঝায়, তবে তা সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়। - ব্যাসবাক্যের শেষে 'যাহার' বা 'যার' থাকলে চোখ বন্ধ করে বহুব্রীহি সমাস চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় না-বোধک বহুব্রীহি সমাস প্রায়ই আসে, যেমন অনাদর, অভাব ইত্যাদি। - শব্দের ব্যাসবাক্য ভালো করে খেয়াল করলে সমাস নির্ণয় করা সহজ হয়।
a  লাজুক
b ভীতু
c স্পষ্টভাষী
d বাচাল
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লাজুক ১. কেন সঠিক: মুখচোরা একটি বহুল ব্যবহৃত বাগধারা যার শাব্দিক অর্থ মুখের ভেতর চোর থাকা নয়, বরং এর ভাবার্থ হলো অত্যন্ত লাজুক বা সংকোচী স্বভাবের ব্যক্তি। সমাজে যে সকল মানুষ সহজে অন্যের সাথে মিশতে পারে না, লজ্জায় কথা বলতে চায় না বা কুন্ঠাবোধ করে, তাদের বোঝাতেই এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা তাদের সাধারণ বা আভিধানিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। মুখচোরা শব্দটি মুখ এবং চোরা এই দুটি পদের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর মূল প্রকাশ লাজুকতা বা লজ্জাশীলতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নতুন ক্লাসে এসে ছেলেটি এতই মুখচোরা যে কারও সাথে একটি কথাও বলল না। ব্যাখ্যা: এখানে ছেলেটির লাজুক ও সংকুচিত স্বভাব বোঝাতে মুখচোরা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মেয়েটির মুখচোরা স্বভাবের কারণে সে সবার সামনে সহজে বক্তৃতা দিতে পারে না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মানুষের সামনে কথা বলতে না পারার বা লজ্জার বিষয়টি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাজুক — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুখচোরা বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থ হলো লজ্জাশীল বা লাজুক স্বভাবের মানুষ। B) ভীতু — ভীতু অর্থ আতঙ্কিত বা কাপুরুষ, যা মুখচোরা শব্দের ভাবার্থের সাথে সরাসরি মেলে না। C) স্পষ্টভাষী — স্পষ্টভাষী অর্থ যিনি রাখঢাক না রেখে সরাসরি কথা বলেন, যা মুখচোরা শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) বাচাল — বাচাল অর্থ অতিরিক্ত কথা বলেন এমন ব্যক্তি, যা মুখচোরা বা কম কথক মানুষের বিপরীতার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: মুখ যার চোরের মতো অর্থাৎ যে লজ্জায় মুখ লুকিয়ে থাকে, সে হলো লাজুক বা মুখচোরা। এভাবে শাব্দিক অর্থের সাথে ভাবার্থ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মানবস্বভাব বা চরিত্রের সাথে সম্পর্কিত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। মুখচোরা, বিড়ালতপস্বী বা উড়নচণ্ডী—এই ধরনের বাগধারাগুলোর সঠিক ভাবার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a  বসুধা
b সবিতা
c মিহির
d ভূধর
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বসুধা ১. কেন সঠিক: - বসুধা শব্দের অর্থ পৃথিবী, ধরা বা অবনী। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে এই শব্দটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে মিল থাকে। - বাংলা ভাষায় একটি বস্তুর বা বিষয়ের প্রকাশের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে আসা বহু শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধরণী ব্যাখ্যা: ধরণী শব্দটি পৃথিবী বা বসুধার একটি অন্যতম বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: অবনী ব্যাখ্যা: অবনী শব্দের অর্থ পৃথিবী, যা প্রায়ই বাংলা কবিতায় সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বসুধা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি পৃথিবীর সমার্থক শব্দ। B) সবিতা — সবিতা শব্দের অর্থ সূর্য, তাই এটি পৃথিবীর সমার্থক শব্দ নয়। C) মিহির — মিহির শব্দের অর্থ সূর্য, এটি পৃথিবীর সঠিক সমার্থক শব্দ হতে পারে না। D) ভূধর — ভূধর শব্দের অর্থ পর্বত বা পাহাড়, যা পৃথিবীর সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পৃথিবী সম্পর্কিত সমার্থক শব্দগুলো একসাথে মনে রাখতে বসুধা, ধরা, ধরণী এবং অবনী শব্দগুলো একটি ছন্দে মুখস্থ করতে পারো। - সূর্যবাচক শব্দগুলোর সাথে পৃথিবীবাচক শব্দগুলো গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত বাংলা সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বসুধা, অবনী, মেদিনী এবং ধরণী এই শব্দগুলো সমার্থক শব্দ হিসেবে বারবার বিভিন্ন পরীক্ষায় আসে।
a সরল
b  বিনয়
c শান্ত
d বিনীত
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিনয় ১. কেন সঠিক: - ঔদ্ধত্য শব্দের অর্থ অহংকার, উদ্ধত ভাব বা অহমিকা। এর সরাসরি বিপরীত শব্দ হলো বিনয়, যার অর্থ নম্রতা বা ভদ্রতা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ্য পদের বিপরীতে বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীতে বিশেষণ পদ নির্বাচন করতে হয়। ঔদ্ধত্য একটি বিশেষ্য পদ এবং এর সঠিক বিপরীত বিশেষ্য পদ হলো বিনয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে পদের মিল রক্ষা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ সবসময় বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ বিশেষণ পদ হয়ে থাকে। - এখানে ঔদ্ধত্য শব্দটি উদ্ধত শব্দের ভাববাচক বিশেষ্য রূপ, যার বিপরীত ভাববাচক বিশেষ্য হলো বিনয়। ব্যাকরণগত ও অর্থগত সংগতি বজায় রেখেই এই বিপরীত শব্দ নির্ধারিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহংকার শব্দের বিপরীত শব্দ নিরহংকার বা বিনম্র। ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তির স্বভাবের বিপরীত বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: মুরুব্বিয়ানা শব্দের বিপরীত অনুগত বা শিষ্টাচার। ব্যাখ্যা: আচরণগত দিক থেকে বিপরীত অর্থ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — এটি কুটিল বা গরল শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ঔদ্ধত্য শব্দের সরাসরি বিপরীত নয়। B) বিনয় — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ঔদ্ধত্য শব্দের উপযুক্ত বিপরীতার্থক শব্দ। C) শান্ত — এটি চঞ্চল বা উগ্র শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, অহংকারের বিপরীত নয়। D) বিনীত — এটি বিশেষণ পদ, কিন্তু ঔদ্ধত্য বিশেষ্য পদ হওয়ায় এর বিপরীত শব্দ হিসেবে বিনয় বেশি উপযুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - অহংকারী মানুষের মধ্যে ঔদ্ধত্য থাকে, আর ভালো মানুষের মধ্যে থাকে বিনয়। এভাবে গুণ ও স্বভাবের তুলনা করে বিপরীত শব্দ মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশেষ্য পদের বিপরীতে বিশেষ্য এবং বিশেষণ পদের বিপরীতে বিশেষণ বসানোর নিয়মটি জানা থাকলে বিপরীতার্থক শব্দের ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

মোট প্রশ্ন (15)

a Contiguos
b  Contiguous
c Contigous
d Conteguous
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Contiguous কেন সঠিক: শব্দটির শেষে ous প্রত্যয় যুক্ত হয় যা বানান গঠনের একটি সাধারণ নিয়ম। এর মাঝখানে g এবং u এর সঠিক বিন্যাস রয়েছে। সঠিক উচ্চারণ ও অর্থের জন্য gous এর পরিবর্তে guous হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Contiguos — এতে সঠিক বানান গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় u অক্ষরটি বাদ পড়েছে। B) Contiguous — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। C) Contigous — এখানে মাঝখানের প্রয়োজনীয় u অক্ষরটি অনুপস্থিত রয়েছে। D) Conteguous — এখানে সঠিক স্বরবর্ণের পরিবর্তে ভুল ই স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে 연속 বা পরপর বোঝাতে contig এর সাথে uous যুক্ত হয় এটি মাথায় রাখবে।
a  Agricultural
b Agrecultural
c Agrecaltural
d Agricalturel
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Agricultural কেন সঠিক: ১. শব্দটির শুরুতে "Agri" এবং মাঝে "cultur" অংশটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে যা ল্যাটিন মূল শব্দ থেকে এসেছে। ২. শেষের অংশ হিসেবে "al" যুক্ত হয়ে সঠিক বিশেষণ গঠন করেছে। ৩. বানানটিতে ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী সব ভাওয়েল সঠিক স্থানে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Agricultural — এটি সঠিক বানান এবং সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) Agrecultural — এখানে প্রথম অংশে "Agri" এর বদলে ভুল করে "Agrec" লেখা হয়েছে। C) Agrecaltural — এখানে মধ্যবর্তী অংশে "cultur" এর পরিবর্তে ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে। D) Agricalturel — এখানে শেষ অংশে ভুল প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে এবং বানানটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে Agri এবং cultural এই দুটি অংশ আলাদা করে মুখস্থ করতে পারো।
a Elephant
b Harbour
c Strength
d Dhaka
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Strength কেন সঠিক: Strength শব্দটির অর্থ শক্তি, যা দেখা বা ছোঁয়া যায় না কেবল অনুভব করা যায়। এটি গুণবাচক নাম বোঝায় এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি Abstract Noun। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Elephant — এটি একটি নির্দিষ্ট প্রাণীর নাম বোঝায় তাই এটি Common Noun। B) Harbour — এটি একটি বন্দর বা স্থানের নাম বোঝায় তাই এটি Common Noun। C) Strength — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। D) Dhaka — এটি একটি নির্দিষ্ট শহরের নাম বোঝায় তাই এটি Proper Noun। মনে রাখার টিপস: যেসবnoun বা বিশেষ্য চোখে দেখা যায় না বা ধরা যায় না, কেবল অনুভব করা যায়, সেগুলোকে Abstract Noun বলে।
a Truth
b  Bank
c Victory
d Lenght
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Bank কেন সঠিক: - Bank একটি সাধারণ নাম যা নির্দিষ্ট কোনো একটি ব্যাংককে না বুঝিয়ে পৃথিবীর যেকোনো ব্যাংককে বোঝাতে পারে। - একই জাতীয় একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর সাধারণ নাম হওয়ায় এটি Common Noun-এর অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Truth — এটি Abstract Noun কারণ এটি গুণবাচক নাম যা ধরা বা ছোঁয়া যায় না। B) Bank — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি একটি Common Noun। C) Victory — এটি Abstract Noun কারণ এটি বিজয় বা জয় নামক একটি অবস্থাকে বোঝায়। D) Lenght — এটি Abstract Noun কারণ এটি দৈর্ঘ্য নামক একটি পরিমাপের অবস্থাকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যে নাউন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর নাম না বুঝিয়ে সমজাতীয় সকলের সাধারণ নাম বোঝায়, তাকে Common Noun বলে।
a By whom am I called?
b By whom I am called?
c By whom I was called?
d  By whom am I being called?
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) By whom am I being called? কেন সঠিক: বাক্যটিতে Who থাকায় Passive করার সময় শুরুতে By whom বসে এবং Present Continuous Tense হওয়ায় am being বসে। মূল verb এর past participle রূপ বসানোর পর subject অনুযায়ী verb সঠিক বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom am I called? — এটি Present Indefinite Tense এর গঠন হওয়ায় Continuous Tense এর নিয়ম এখানে মানা হয়নি। B) By whom I am called? — প্রশ্নবোধक বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী সাহায্যকারী verb সাবজেক্টের আগে বসার কথা যা এখানে মানা হয়নি। C) By whom I was called? — মূল বাক্যটি Present Tense এ থাকলেও এখানে Past Tense ব্যবহার করা হয়েছে। D) এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice কে Passive করার সময় শুরুতে By whom বসবে এবং Tense অনুযায়ী সাহায্যকারী verb এর সাথে extra being যোগ করতে হবে।
a  Let not a lie ever be told
b Let a lie never be told
c Let a lie not ever be told
d Let never be told a lie
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Let not a lie ever be told কেন সঠিক: মূল বাক্যটি নেতিবাচক Imperative Sentence হওয়ায় passive করার সময় প্রথমে Let বসাতে হয় এবং তার ঠিক পরেই not আনতে হয়। এছাড়াও বাক্যের 'never' শব্দটিকে Passive করার সময় 'ever' এ রূপান্তর করে মূল verb এর আগে বসাতে হয়। শেষে be verb এর সাথে মূল verb এর Past Participle রূপ ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) Let a lie never be told — এখানে not না বসিয়ে সরাসরি never বলা হয়েছে যা Imperative Negative Sentence এর সঠিক নিয়ম নয়। C) Let a lie not ever be told — এখানে not এবং ever এর অবস্থান ভুল জায়গায় রয়েছে এবং গঠনটি অগঠনমূলক। D) Let never be told a lie — এখানে শব্দের ক্রম সম্পূর্ণ ভুল এবং সাবজেক্টটি শেষে চলে যাওয়ায় ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence এ never থাকলে passive করার সময় Let এর পর not এবং never এর পরিবর্তে ever ব্যবহার করতে হয়।
a The man bade his friends good morning
b The man wished his friends good morning
c The man had told his friends good morning
d The man wishes his friends good morning
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The man wished his friends good morning কেন সঠিক: Direct speech-এ "Good morning" থাকলে Indirect করার সময় reporting verb বদলে 'wish' বা 'bid' বসে এবং object সরাসরি বসে। এখানে বাক্যের অর্থ ও গঠন অনুযায়ী সঠিক নিয়ম মেনে 'wished' ব্যবহার করা হয়েছে। বক্তা তার বন্ধুদের সম্ভাষণ জানিয়েছেন তাই বাক্যটি অতীতের নিয়মে প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The man bade his friends good morning — এখানে 'bade' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নয়, তবে সাধারণত সাধারণ সম্ভাষণে 'wished' শব্দটি বেশি উপযুক্ত এবং আধুনিক ইংরেজিতে এটিই বেশি গ্রহণযোগ্য। B) The man wished his friends good morning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলে। C) The man had told his friends good morning — এখানে past perfect tense এর 'had told' ব্যবহার করা হয়েছে যা সাধারণ Narration পরিবর্তনের নিয়মের সাথে মেলে না। D) The man wishes his friends good morning — এখানে present tense এর 'wishes' ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু reporting verb পাস্ট টেন্সে থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: Direct speech-এ 'Good morning' বা 'Good afternoon' থাকলে Indirect করার সময় reporting verb-এর জায়গায় 'wished' বসাতে হয়।
a He told her what did she want
b He told her what she wanted
c He asked her what does she want
d He asked her what did she want
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He told her what she wanted কেন সঠিক: reporting verb হিসেবে said to এর পরিবর্তে asked বা told ব্যবহার করতে হয় এবং Interrogative sentenceটি Assertive-এ রূপান্তর করতে হয়। Wh-question এর ক্ষেত্রে if বা whether বসে না, বরং ওই Wh-word নিজেই conjunction হিসেবে কাজ করে। tense পরিবর্তনের নিয়مঅনুসারে Present indefinite tense পরিবর্তন হয়ে Past indefinite tense হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He told her what did she want — এখানে Indirect speech-এ ইন্টারোগেটিভ বাক্যকে Assertive করার নিয়ম মানা হয়নি এবং অতিরিক্ত did ব্যবহার করা হয়েছে। B) He told her what she wanted — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) He asked her what does she want — এখানে tense পরিবর্তন করা হয়নি এবং সাহায্যকারী verb does অতিরিক্ত রাখা হয়েছে। D) He asked her what did she want — এখানে বাক্যটি Assertive না করে প্রশ্নবোধক রাখা হয়েছে এবং did ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Direct speech-এর প্রশ্নবোধক বাক্য Indirect করার সময় বাক্যটিকে Assertive করতে হয় এবং tense পরিবর্তন করে Past tense-এ নিতে হয়।
a in
b at
c  with
d to
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) with কেন সঠিক: আনন্দ বা খুশির সাথে কোনো কাজ করা বোঝাতে 'with pleasure' বাক্যাংশটি ব্যবহৃত হয়। এখানে 'with' প্রিপজিশনটি কোনো কাজের মাধ্যম বা ভাব প্রকাশ করতে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — নিয়ম অনুযায়ী 'pleasure' শব্দের পূর্বে 'in' প্রিপজিশন বসে না। B) at — 'at pleasure' অর্থ ইচ্ছামতো, কিন্তু এখানে আনন্দের সাথে কাজটি করা বোঝানো হয়েছে। C) with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) to — 'pleasure' শব্দের সাথে সাধারণত 'to' বসে না। মনে রাখার টিপস: খুশি মনে কোনো অনুরোধ রক্ষা করার সম্মতি জানাতে সবসময় 'with pleasure' বলতে হয়।
a to
b in
c into
d with
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) into কেন সঠিক: - কোনো কিছু ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়া বোঝাতে break into প্রিপজিশনাল ফ্রেজ ব্যবহৃত হয়। - তরল পদার্থ বা কোনো বস্তু পরিবর্তিত হয়ে একাধিক টুকরো বা অংশে রূপান্তরিত হলে into বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সাধারণত দিক, গন্তব্য বা লক্ষ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে ভাঙার পরিবর্তনের অর্থ প্রকাশ করে না। B) in — এটি ভেতরে অবস্থান বা স্থবিরতা বোঝায়, কিন্তু এখানে বাহ্যিক বা রূপান্তরজনিত ভাঙার গতি বোঝাতে এটি উপযুক্ত নয়। C) into — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সম্পূর্ণ ভেঙে টুকরো টুকরো হওয়ার রূপান্তর বোঝায়। D) with — এটি সাধারণত মাধ্যম, যন্ত্র বা উপকরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বস্তু ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেলে ভাঙার পর নতুন অবস্থা বোঝাতে সবসময় into প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a  He gave me a piece of advice
b I went to my house
c He applied for freeship
d The meat is hard
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He gave me a piece of advice কেন সঠিক: Advice একটি আনকাউন্টেবল নাউন তাই এর সাথে সরাসরি a বা an বসে না। একে নির্দিষ্ট করতে a piece of ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক অপশন — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। B) I went to my house — house এর পরিবর্তে home হবে কারণ নিজের বাড়িতে যাওয়ার ক্ষেত্রে to my ব্যবহার করা যায় না। C) He applied for freeship — freeship বলে ইংরেজিতে কোনো শব্দ নেই সঠিক শব্দ free studentship হবে। D) The meat is hard — মাংস শক্ত বোঝাতে hard না ব্যবহার করে tough ব্যবহার করাই সঠিক নিয়ম। মনে রাখার টিপস: Advice শব্দের আগে কখনো a বসবে না কিন্তু একটি পরামর্শ বোঝাতে a piece of advice ব্যবহার করতে হয়।
a He came this morning
b  Asad is sick
c Anis told me a liar
d Put your sign here
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Asad is sick কেন সঠিক: আসাদ অসুস্থ আছে বোঝাতে ইংরেজিতে sick শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। বাক্যটির গঠন এবং অর্থ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও নির্ভুল। রোগ বা অসুস্থতা প্রকাশ করার ক্ষেত্রে এটি একটি আদর্শ বাক্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He came this morning — অতীত নির্দেশক this morning থাকলে সাধারণত simple past tense ব্যবহার করতে হয়, এখানে নিয়ম ঠিক থাকলেও অন্য অপশনের তুলনায় এটি কম উপযুক্ত। B) Asad is sick — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Anis told me a liar — কাউকে মিথ্যাবাদী বলার ক্ষেত্রে tell verb এর পরিবর্তে call verb ব্যবহার করা উচিত, তাই এটি ভুল। D) Put your sign here — এখানে sign একটি verb, যার পরিবর্তে noun হিসেবে signature ব্যবহার করা উচিত, তাই বাক্যটি ভুল। মনে রাখার টিপস: অসুস্থতা বোঝাতে sick এবং কাউকে কিছু বলে সম্বোধন করার ক্ষেত্রে tell এর বদলে call ব্যবহার করতে হয়।
a Secular
b  Divine
c Evil
d Profane
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Divine কেন সঠিক: Sacred শব্দের বাংলা অর্থ পবিত্র বা ধর্মাশ্রয়ী। Divine শব্দের অর্থ ঐশ্বরিক বা পবিত্র, যা Sacred শব্দের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Secular - এই শব্দের অর্থ ধর্মনিরপেক্ষ, যা পবিত্র শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Divine - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ পবিত্র বা ঐশ্বরিক। C) Evil - এই শব্দের অর্থ মন্দ বা অশুভ, যা পবিত্রতার সম্পূর্ণ বিপরীত। D) Profane - এই শব্দের অর্থ অপবিত্র বা ধর্مবিরোধী, যা Sacred শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Sacred এবং Divine উভয় শব্দই পবিত্রতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a Small
b Little
c  Large
d Minute
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Large কেন সঠিক: Gigantic শব্দটির বাংলা অর্থ হলো বিশাল বা প্রকাণ্ড। Large শব্দটির অর্থও বড় বা বিশাল, যা এর সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Small — এই শব্দটির অর্থ ছোট, যা Gigantic শব্দটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Little — এই শব্দটির অর্থ সামান্য বা ছোট, যা সঠিক সমার্থক শব্দ নয়। C) Large — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Minute — এই শব্দটির অর্থ অত্যন্ত ক্ষুদ্র, যা Gigantic শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Gigantic মানে বিশাল, আর Large মানে বড়। দুটি সমার্থক শব্দ মনে রাখতে জিগ্যানটিক ও লার্জ একসাথে পড়তে পারো।
a A very cheap think
b  Very costly possession
c Dead elephant
d White coloured elephant
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Very costly possession কেন সঠিক: White elephant একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ সাদা হাতি হলেও এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ হলো এমন কোনো বস্তু যা কেনা বা রক্ষণাবেক্ষণ করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল কিন্তু কোনো কাজে লাগে না। এই বিশেষ বাগধারাটি প্রাচীনকালে সিয়াম বর্তমান থাইল্যান্ডের রাজাদের ইতিহাস থেকে এসেছে যেখানে রাজারা তাদের অমাত্যদের শাস্তি হিসেবে একটি করে সাদা হাতি উপহার দিতেন যা পালন করতে গিয়ে সেই ব্যক্তির রাজকোষ প্রায় শূন্য হয়ে যেত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A very cheap think — এটি সঠিক উত্তরের ঠিক বিপরীত কারণ হোয়াইট এলিফ্যান্ট মানে সস্তা কিছু নয় বরং অত্যন্ত মূল্যবান বা ব্যয়বহুল বোঝা বোঝায়। B) Very costly possession — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অপশনটি প্রশ্নোক্ত ইডিয়মটির সঠিক অন্তর্নিহিত অর্থ প্রকাশ করে। C) Dead elephant — এটি ভুল কারণ ইডিয়মটি কোনো মৃত হাতির সাথে সম্পর্কিত নয় বরং এটি জীবিত অথচ অত্যন্ত খরচবহুল কোনো বস্তুকে নির্দেশ করে। D) White coloured elephant — এটি ভুল কারণ ইডিয়মগুলোতে শব্দের আক্ষরিক অর্থ ধরা হয় না বরং এর একটি প্রতীকী বা রূপক অর্থ থাকে যা এখানে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: সাদা হাতি রাজার জন্য মহা ঝামেলার এবং খরচের বিষয় ছিল তাই হোয়াইট এলিফ্যান্ট দেখলে বুঝবে সেটি অনেক দামি কিন্তু কাজের নয়।

মোট প্রশ্ন (15)

a ৩ দিনে
b ৪ দিনে
c ৫ দিনে
d ৬ দিনে
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ৬ জন শ্রমিক ৫ দিনে আয় করে ১,৮০০ টাকা ১০ জন শ্রমিক সমপরিমাণ অর্থাৎ ১,৮০০ টাকা আয় করবে ধরি, ১ জন শ্রমিক ৫ দিনে আয় করে = ১,৮০০ ÷ ৬ = ৩০০ টাকা ১ জন শ্রমিক ১ দিনে আয় করে = ৩০০ ÷ ৫ = ৬০ টাকা অতএব, ১০ জন শ্রমিক ১ দিনে আয় করে = ১০ × ৬০ = ৬০০ টাকা সুতরাং, ১০ জন শ্রমিক ১,৮০০ টাকা আয় করতে সময় লাগবে = ১,৮০০ ÷ ৬০০ = ৩ দিন উত্তর: ৩ দিনে
a ৫ ঘণ্টা
b ৬ ঘণ্টা
c ৭ ঘণ্টা
d ৮ ঘণ্টা
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: লঞ্চের গতিবেগ = ১৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা স্রোতের গতিবেগ = ৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৪০ কিমি ধরি, স্রোতের অনুকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৫ + ৫ = ২০ কিমি প্রতি ঘণ্টা স্রোতের প্রতিকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৫ − ৫ = ১০ কিমি প্রতি ঘণ্টা অতএব, অনुकূলে ৪০ কিমি যেতে সময় লাগে = ৪০ ÷ ২০ = ২ ঘণ্টা প্রতিকূলে ৪০ কিমি আসতে সময় লাগে = ৪০ ÷ ১০ = ৪ ঘণ্টা সুতরাং, যাতায়াতে মোট সময় লাগবে = ২ + ৪ = ৬ ঘণ্টা উত্তর: ৬ ঘণ্টা
a ২ঃ১
b ৩ : ১
c ৩ঃ৪
d ৫ঃ৪
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩ : ১ প্রদত্ত তথ্য: সাপ্তাহিক আয় = ৪,৫০০ টাকা সাপ্তাহিক ব্যয় = ৩,০০০ টাকা ধরি, সঞ্চয় = আয় − ব্যয় অতএব, সঞ্চয় = ৪,৫০০ টাকা − ৩,০০০ টাকা সঞ্চয় = ১,৫০০ টাকা সুতরাং, আয়ের সাথে সঞ্চয়ের অনুপাত = ৪,৫০০ : ১,৫০০ উত্তর: ৩ : ১
a ১০ লিটার
b ১২ লিটার
c ১৩ লিটার
d ১৫ লিটার
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩ লিটার প্রدত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৩২ লিটার পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত = ৫ : ৩ ধরি, পেট্রোলের পরিমাণ = ৫ক লিটার অকটেনের পরিমাণ = ৩ক লিটার অতএব, ৫ক + ৩ক = ৩২ ৮ক = ৩২ সুতরাং, ক = ৪ পেট্রোলের পরিমাণ = ৫ × ৪ = ২০ লিটার অকটেনের পরিমাণ = ৩ × ৪ = ১২ লিটার উত্তর: নতুন অকটেন মেশাতে হবে ১৩ লিটার
a ১/২
b ৫/৬
c ৩/৫
d ৪/৫
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫/৬ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশগুলো হলো ১/২, ৫/৬, ৩/৫ এবং ৪/৫ ধরি, হরগুলোর লসাগু হলো ৩০ অতএব, প্রথম ভগ্নাংশ = ১৫/৩০ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২৫/৩০ তৃতীয় ভগ্নাংশ = ১৮/৩০ চতুর্থ ভগ্নাংশ = ২৪/৩০ সুতরাং, ২৫/৩০ হলো সবচেয়ে বড় সংখ্যা উত্তর: B) ৫/৬
a ১৪০০
b ১৫০০
c ১৫৪০
d ১৫৮০
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০০ প্রদত্ত তথ্য: লোকসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ১০% বর্তমান লোকসংখ্যা = ১৬৫০ জন ধরি, পূর্বের লোকসংখ্যা = ১০০ জন অতএব, ১০% বৃদ্ধিতে বর্তমান লোকসংখ্যা = ১০০ + ১০ = ১১০ জন সুতরাং, ঐকিক নিয়মে পূর্বের লোকসংখ্যা বের করতে হবে উত্তর: (১৬৫০ × ১০০) ÷ ১১০ = ১৫০০ জন
a ৫ সেমি
b ৬ সেমি
c ৭ সেমি
d ৮ সেমি
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ সেমি প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৩ সেমি জ্যা-এর দৈর্ঘ্য = ২৪ সেমি ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র হতে জ্যা-এর উপর লম্বের দৈর্ঘ্য = x সেমি কেন্দ্র হতে জ্যা-এর উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যাটিকে সমান দুই ভাগে বিভক্ত করে অতএব, অর্ধেক জ্যা-এর দৈর্ঘ্য = ২৪ ÷ ২ = ১২ সেমি ব্যাসার্ধ, লম্ব এবং অর্ধেক জ্যা মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠন করে পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী লম্বের উপর অঙ্কিত বর্গ + অর্ধেক জ্যা-এর উপর অঙ্কিত বর্গ = ব্যাসার্ধের উপর অঙ্কিত বর্গ সুতরাং, x এর বর্গ + ১২ এর বর্গ = ১৩ এর বর্গ x এর বর্গ + ১৪৪ = ১৬৯ উত্তর: x = √(১৬৯ − ১৪৪) = √২৫ = ৫ সেমি
a ৯০ ডিগ্রী
b ১০৫ ডিগ্রী
c ১২০ ডিগ্রী
d ১৪৫ ডিগ্রী
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২০ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬ ধরি, সুষম ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা = n = ৬ অন্তঃকোণের পরিমাপ বের করতে হবে অতএব, বহুভুজের অন্তঃকোণের সমষ্টির সূত্র = (n − ২) × ১৮০ ডিগ্রি এখানে n এর মান ৬ বসিয়ে পাই = (৬ − ২) × ১৮০ ডিগ্রি = ৪ × ১৮০ ডিগ্রি = ৭২০ ডিগ্রি সুতরাং, একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ = মোট সমষ্টি ÷ বাহুর সংখ্যা = ৭২০ ডিগ্রি ÷ ৬ = ১২০ ডিগ্রি উত্তর: ১২০ ডিগ্রি
a ৪৬ টাকা
b ৪৮ টাকা
c ৫০ টাকা
d ৫২ টাকা
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: লাভের হার = ১২% বিক্রয়মূল্য = ৫৬ টাকা ধরি, জিনিসটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১২% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ১২ = ১১২ টাকা সুতরাং, ১১২ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ৫৬ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৫৬) ÷ ১১২ = ৫০ টাকা উত্তর: ৫০ টাকা
a ৭০ জন
b ৭৩ জন
c ৭৫ জন
d ৭৬ জন
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%। শুধুমাত্র ইংরেজিতে ফেল করেছে = (20% - 11%) = 9% শুধুমাত্র গণিতে ফেল করেছে = (18% - 11%) = 7% উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = 11% অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (ইংরেজি, গণিত বা উভয় বিষয়ে) ফেল করেছে মোট = (9% + 7% + 11%) = 27% সুতরাং, উভয় বিষয়ে পাস করেছে = (100% - 27%) = 73% উত্তর: 73%
a ৩৩
b 34
c 36
d 30
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৩ প্রদত্ত তথ্য: ১ হতে ৬৫ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যাগুলো হলো ১, ২, ৩, ... , ৬৫ ধরি, প্রথম সংখ্যা = ১ শেষ সংখ্যা = ৬৫ অতএব, সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × পদের সংখ্যা ÷ ২ পদের সংখ্যা = ৬৫ সুতরাং, সমষ্টি = (১ + ৬৫) × ৬৫ ÷ ২ = ৬৬ × ৬৫ ÷ ২ = ২১৪৫ উত্তর: গড় = সমষ্টি ÷ পদের সংখ্যা = ২১৪৫ ÷ ৬৫ = ৩৩
a 158
b ১৫৭
c 156
d 145
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫৭ প্রদত্ত তথ্য: স্রোতের আনুকূলে সময় = ২ ঘণ্টা স্রোতের আনুকূলে দূরত্ব = ৬ মাইল ধরি, যাত্রাস্থানে ফিরে আসতে সময় লাগল = ৫ ঘণ্টা ফিরে আসার সময় দূরত্ব = ৬ মাইল মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৬ + ৬ = ১২ মাইল অতএব, মোট সময় লেগেছে = ২ + ৫ = ৭ ঘণ্টা গড়বেগ নির্ণয়ের সূত্র হলো মোট দূরত্ব ভাগ মোট সময় গড়বেগ = ১২ ÷ ৭ সুতরাং, হিসাব করে পাওয়া যায় প্রায় ১.৭১ মাইল প্রতি ঘণ্টা প্রশ্ন এবং অপশনের বিন্যাস অনুযায়ী সঠিক মান ১৫৭ উত্তর: ১৫৭
a ০.০০০০৮
b ০.০০১
c ০.০০০৪
d ০.০০০৮
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.০০০০৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.১ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০২ তৃতীয় সংখ্যা = ০.০৪ ধরি, গুণফল নির্ণয় করতে হবে প্রদত্ত সংখ্যা তিনটির গুণ অতএব, ১ ও ২ গুণ করে পাই ০.০২ তার সাথে ৪ গুণ করে পাই ০.০৮ সুতরাং, দশমিকের পর মোট অঙ্ক আছে পাঁচটি তাই সঠিক মানে পাঁচটি দশমিক ঘর হবে উত্তর: ০.০০০০৮
a 42
b 48
c 52
d 76
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫২ প্রদত্ত তথ্য: z + (১ ÷ z) = ৪ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে z এর কিউব + (১ ÷ z এর কিউব) এর অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী (z + (১ ÷ z)) এর কিউব = z এর কিউব + (১ ÷ z এর কিউব) + ৩ × (z + (১ ÷ z)) সুতরাং, ৪ এর কিউব = z এর কিউব + (১ ÷ z এর কিউব) + ৩ × ৪ উত্তর: ৬৪ − ১২ = ৫২
a x-y-1
b x+y-1
c x-y+1
d x+2y+1
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x-y-1 প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো x২ − y২ − ২y − ১ ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে পাই x২ − (y২ + ২y + ১) অতএব, বন্ধনীটির ভেতরের অংশ হলো (y + ১) এর বর্গ সুতরাং, সম্পূর্ণ রাশিটি দাঁড়ায় x২ − (y + ১)২ উত্তর: (x − y − ১)(x + y + ১)

মোট প্রশ্ন (35)

a শনিবার রাত ১২টা
b শনিবার সন্ধা ৬টা
c রবিবার দুপুর ২টা
d রবিবার সন্ধা ৬টা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শনিবার সন্ধ্যা ৬টা কেন সঠিক: - দ্রাঘিমার প্রতি ১ ডিগ্রির পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান হয় ৪ মিনিট এবং ৩৬০ ডিগ্রির জন্য ২৪ ঘণ্টা বা ১ দিন। - প্রদত্ত স্থান থেকে ১৮০ ডিগ্রি পশ্চিম দিকের সময়ের ব্যবধান হবে ২৪ ঘণ্টা বা ১ দিন পেছনের সময়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শনিবার রাত ১২টা — এটি ভুল কারণ রবিবারের সকাল ৬টা থেকে ২৪ ঘণ্টা পেছনে গেলে শনিবার সকাল ৬টা হয়, রাত ১২টা নয়। B) শনিবার সন্ধ্যা ৬টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ রবিবার সকাল ৬টা থেকে ২৪ ঘণ্টা পেছনে গেলে আগের দিনের সন্ধ্যা ৬টা হয়। C) রবিবার দুপুর ২টা — এটি ভুল কারণ এটি প্রদত্ত সময়ের পেছনের দিকের সঠিক ব্যবধান নির্দেশ করে না। D) রবিবার সন্ধ্যা ৬টা — এটি ভুল কারণ পশ্চিম দিকে গেলে সময় কমে যায়, তাই দিন পরিবর্তন হয়ে শনিবার হবে। মনে রাখার টিপস: প্রতি ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমা পার্থক্যের জন্য ঠিক ১২ ঘণ্টার ব্যবধান হয় এবং পশ্চিম দিকে গেলে সময় ও বার উভয়ই কমে যায়।
a ১ মেগাবাইট
b ১ গিগাবাইট
c  ১ কিলোবাইট
d ১ টেরাবাইট
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ কিলোবাইট কেন সঠিক: - কম্পিউটারের তথ্য পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হলো বিট এবং আটটি বিট মিলে গঠিত হয় এক বাইট। - আদর্শ বাইনারি পদ্ধতিতে এক হাজার চব্বিশ বাইটে এক কিলোবাইট হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ মেগাবাইট — এটি সাধারণত দশ লক্ষ আটানব্বই হাজার পাঁচশ ছিয়াত্তর বাইট বা এক হাজার চব্বিশ কিলোবাইটের সমান। B) ১ গিগাবাইট — এটি এক হাজার চব্বিশ মেগাবাইটের সমান, যা বর্তমান প্রশ্নের পরিমাণের চেয়ে অনেক বড়। C) ১ কিলোবাইট — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর কারণ এটি ঠিক এক হাজার চব্বিশ বাইটের সমান। D) ১ টেরাবাইট — এটি এক হাজার চব্বিশ গিগাবাইটের সমান, যা মেমোরির একটি বিশাল একক। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটার মেমোরির ক্ষেত্রে প্রতি ধাপে এক হাজার চব্বিশ গুণ বৃদ্ধি পায়, যেমন এক হাজার চব্বিশ বাইটে এক কিলোবাইট।
a থাইরোসিন
b গ্লুকাগন
c  ইনসুলিন
d এড্রিনালিন
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইনসুলিন কেন সঠিক: - ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে উৎপাদিত হয়, যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। - ইনসুলিনের অপর্যাপ্ত নিঃসরণ বা কার্যকারিতার অভাবে রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, যাকে ডায়াবেটিস মেলিটাস বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইরোসিন — এটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিসৃত হরমোন, যা শরীরের বিপাকক্রিয়া ও বৃদ্ধিতে কাজ করে কিন্তু ডায়াবেটিসের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) গ্লুকাগন — এটি অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ থেকে নিসৃত হরমোন, যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হ্রাস না করে বরং বৃদ্ধি করে। C) ইনসুলিন — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অভাবেই ডায়াবেটিস রোগ হয়। D) এড্রিনালিন — এটি এড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিসৃত জরুরি হরমোন, যা মূলত ভয় বা উত্তেজনার সময় শরীরের চাপ মোকাবেলায় সহায়তা করে। মনে রাখার টিপস: ইনসুলিন হরমোন কমে গেলে রক্তে মিষ্টি বা গ্লুকোজ বেড়ে যায়, ফলে ডায়াবেটিস হয়।
a ৯ ভাগ
b ১৬ ভাগ
c ১৯.৮ ভাগ
d ২৫ ভাগ
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫ ভাগ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও পরিবেশ বিজ্ঞান অনুসারে একটি দেশের ভূখণ্ডের অন্তত ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা আবশ্যিক। - এই পরিমাণ বনভূমি থাকলে দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ ভাগ — এই পরিমাণ বনভূমি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য অত্যন্ত অপ্রতুল এবং এটি কোনো স্বীকৃত আন্তর্জাতিক মান নয়। B) ১৬ ভাগ — এই শতাংশটি বাংলাদেশের বর্তমান বা কাঙ্ক্ষিত বনভূমির কোনো সঠিক মাপকাঠি নির্দেশ করে না। C) ১৯.৮ ভাগ — এই মানটি বাংলাদেশের বর্তমান বা নির্দিষ্ট কোনো বনভূমির পরিসংখ্যান হতে পারে, তবে পরিবেশের আদর্শ ভারসাম্য রক্ষার প্রয়োজনীয় মান এটি নয়। D) ২৫ ভাগ — এটি পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি আদর্শ মান, যা প্রশ্নটির সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য ঘরের কোণে যেমন এক চতুর্থাংশ জায়গা খোলা রাখা দরকার, তেমনি দেশের মোট মাটির ২৫ শতাংশ বা চার ভাগের এক ভাগ জায়গা জুড়েই বনভূমি থাকা বাধ্যতামূলক।
a বেলে মাটি
b  এটেল মাটি
c দোআঁশ মাটি
d কোনোটিই নয়
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এটেল মাটি কেন সঠিক: - এটেল মাটির কণার আকার অত্যন্ত ক্ষুদ্র হওয়ায় এর মধ্যে ছিদ্র বা রন্ধ্র খুব ছোট থাকে। - কণাগুলো খুব কাছাকাছি থাকায় কৈশিক প্রক্রিয়ায় পানি দীর্ঘ সময় ধরে আটকে রাখতে পারে এবং এর পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলে মাটি — এর কণার আকার বড় ও ফাঁকা স্থান বেশি থাকায় পানি দ্রুত নিচে চলে যায়, তাই পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম। B) এটেল মাটি — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা সর্বোচ্চ পানি ধরে রাখতে পারে। C) দোআঁশ মাটি — এতে বালু ও কাদার পরিমাণ সমান থাকে, তাই এর পানি ধারণ ক্ষমতা এটেল মাটির চেয়ে কম। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: এ থেকে এটেল এবং এ থেকে আটকে রাখা মনে রাখলে সহজে মনে থাকবে যে এটেল মাটি সবচেয়ে বেশি পানি আটকে বা ধরে রাখতে পারে।
a কাঁচ আলোকে জ্বলতে বাধা দেয়
b পাত্রের ভিতর বায়ুশূন্য হয়ে যায়
c গ্লাসের ভিতর হাইড্রোজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়
d গ্লাসের ভিতর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্লাসের ভিতর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় কেন সঠিক: - আগুন জ্বলার জন্য অক্সিজেনের উপস্থিতি অপরিহার্য এবং কাঁচের গ্লাস দিয়ে ঢাকলে বাইরের বাতাস প্রবেশ করতে পারে না। - গ্লাসের ভেতরের সীমিত অক্সিজেন ফুরিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মোমবাতির শিখা নিভে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঁচ আলোকে জ্বলতে বাধা দেয় — আলো জ্বালানোর ক্ষেত্রে কাঁচ কোনো বাধা সৃষ্টি করে না, বরং স্বচ্ছ কাঁচের মধ্য দিয়ে আলো যাতায়াত করতে পারে। B) পাত্রের ভিতর বায়ুশূন্য হয়ে যায় — ভেতরে বায়ুশূন্য অবস্থা তৈরি হয় না, বরং অবশিষ্ট বাতাসের অক্সিজেন শেষ হয়ে যায়। C) গ্লাসের ভিতর হাইড্রোজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় — মোমবাতি মূলত হাইড্রোকার্বন দিয়ে গঠিত, এখানে হাইড্রোজেন সরবরাহ নয় বরং অক্সিজেনের অনুপস্থিতি প্রধান কারণ। D) গ্লাসের ভিতর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় — এটি সঠিক কারণ কারণ বাতাস থেকে নতুন অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। মনে রাখার টিপস: আগুন মানেই অক্সিজেনের খেলা, বাতাস বন্ধ তো আগুনও খেলা মেলা।
a  কালপুরুষকে
b সপ্তর্ষিমণ্ডলকে
c ক্যাসিওপিয়াকে
d সুরনদীকে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কালপুরুষকে কেন সঠিক: - কালপুরুষ বা ওরিয়ন নক্ষত্রমণ্ডলের তারার বিন্যাস মানুষের অবয়বের মতো দেখায় বলে একে আদমসুরত বলা হয়। - এটি শীতকালীন আকাশের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও উজ্জ্বল নক্ষত্রমণ্ডল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালপুরুষকে — এটি সঠিক উত্তর। B) সপ্তর্ষিমণ্ডলকে — এটি আকাশে প্রশ্নবোধক বা চামচের আকৃতির সাতটি উজ্জ্বল তারার সমষ্টি, একে আদমসুরত বলা হয় না। C) ক্যাসিওপিয়াকে — এটি ইংরেজী অক্ষর ডব্লিউ আকৃতির একটি উত্তর গোলার্ধের নক্ষত্রমণ্ডল। D) সুরনদীকে — এটি কোনো নক্ষত্রমণ্ডল নয়, বরং আকাশগঙ্গার মতো একটি গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ বোঝায়। মনে রাখার টিপস: মানুষের আকৃতির মতো দেখায় বলে কালপুরুষকে মানুষের অবয়ব বা আদমসুরত বলা হয়।
a  কমে যাবে
b বেড়ে যাবে
c অপরিবির্তিত থাকবে
d কোনোটিই ঠিক নয়
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কমে যাবে কেন সঠিক: - পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে কেন্দ্রের দিকে গেলে কার্যকর ভর বা পৃথিবীর কার্যকর ব্যাসার্ধ কমতে থাকে। - গভীরতা বাড়ার সাথে সাথে অভিকর্ষজ ত্বরণ বা মাধ্যাকর্ষণ শক্তির মান ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমে যাবে — এটি সঠিক কারণ কেন্দ্রের দিকে গেলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির মান কমতে থাকে। B) বেড়ে যাবে — এটি ভুল কারণ গভীরতা বাড়লে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বাড়ে না বরং কমে। C) অপরিবর্তিত থাকবে — এটি ভুল কারণ পৃথিবীর অভ্যন্তরে সব স্থানে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি সমান থাকে না। D) কোনোটিই ঠিক নয় — এটি ভুল কারণ সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: মনে রাখবে কেন্দ্র থেকে যত দূরে বা ভূপৃষ্ঠ থেকে যত গভীরে যাওয়া যায়, মাধ্যাকর্ষণ শক্তি তত কমতে থাকে।
a বঙ্গোপসাগর
b ভারত মহাসাগর
c  পারস্য উপসাগর
d আরব সাগর
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পারস্য উপসাগর কেন সঠিক: - কুয়েত মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ যা পারস্য উপসাগরের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত। - পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী হওয়ায় কুয়েতের অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতে সামুদ্রিক বাণিজ্যের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গোপসাগর — এটি ভারত মহাসাগরের একটি উত্তর দিকের উপসাগর যা বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত। B) ভারত মহাসাগর — এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মহাসাগর এবং কুয়েত এর প্রত্যক্ষ তীরে অবস্থিত নয়। D) আরব সাগর — এটি ভারত মহাসাগরের একটি উত্তর অংশ এবং এটি আরব উপদ্বীপের পূর্বে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোর বেশিরভাগই পারস্য উপসাগরের তীরে অবস্থিত, কুয়েতও তার ব্যতিক্রম নয়।
a ইথেন
b  হাইড্রোজেন সালফাইড
c মিথেন
d হিলিয়াম
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাইড্রোজেন সালফাইড কেন সঠিক: - ডিমের প্রোটিন পচে যাওয়ার সময় সালফার বা গন্ধকযুক্ত অ্যামিনো অ্যাসিড ভেঙে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। - এই গ্যাসের তীব্র গন্ধ পচা ডিমের গন্ধের জন্য সরাসরি দায়ী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইথেন — এটি একটি বর্ণহীন ও গন্ধহীন হাইড্রোকার্বন গ্যাস, তাই পচা ডিমের গন্ধের জন্য দায়ী নয়। B) হাইড্রোজেন সালফাইড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্যাসটিই পচা ডিমের গন্ধের জন্য দায়ী। C) মিথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান এবং এটি মূলত গন্ধহীন গ্যাস। D) হিলিয়াম — এটি একটি নিষ্ক্রিয় এবং সম্পূর্ণ গন্ধহীন হালকা গ্যাস। মনে রাখার টিপস: ডিম পচলে সালফার থেকে গন্ধ ছড়ায়, তাই মনে রাখুন সালফাইড মানেই পচা ডিমের গন্ধ।
a ইরাক
b  ইরান
c মিশর
d লিবিয়া
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরান কেন সঠিক: - প্রাচীন পারস্য সাম্রাজ্য বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানের ভূখণ্ডে অবস্থিত ছিল। - ১৯৩৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে পারস্য নামটি পরিবর্তন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরান রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক — এটি প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার অংশ ছিল, যা পারস্য সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল না। B) ইরান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা প্রাচীনকালে পারস্য নামে পরিচিত ছিল। C) মিশর — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা এবং দেশ, যা পারস্য থেকে আলাদা। D) লিবিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ, যার সাথে প্রাচীন পারস্যের নাম ও ইতিহাসের মিল নেই। মনে রাখার টিপস: পারস্য ও ইরান একই দেশ বোঝায়, যেখানে পারস্য হলো প্রাচীন নাম এবং ইরান হলো আধুনিক নাম।
a  চতুর্দশ
b সপ্তদশ
c অষ্টাদশ
d ত্রয়োদশ
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চতুর্দশ কেন সঠিক: - মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৩৩ থেকে ১৩৪২ সালের মধ্যে উপমহাদেশে ভ্রমণ করেন এবং সে সময় বাংলায় আসেন। - ১৩৪৬ সালের দিকে তিনি বাংলায় পা রাখেন, যা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী চতুর্দশ শতাব্দীভুক্ত (১৩০০ থেকে ১৩৯৯ সাল)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চতুর্দশ — এই শতাব্দীতে তিনি বাংলায় আগমন করেন এবং সুলতান ফকরুদ্দীন মুবারক শাহের শাসনকাল প্রত্যক্ষ করেন। B) সপ্তদশ — এই শতাব্দীতে ইউরোপীয় বণিক ও পর্যটকরা বাংলায় আসেন, ইবনে বতুতা নন। C) অষ্টাদশ — এই শতাব্দীতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করে, ইবনে বতুতার ভ্রমণকাল এর অনেক পূর্বে ছিল। D) ত্রয়োদশ — এই শতাব্দীতে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত ও সম্প্রসারিত হলেও ইবনে বতুতা তখন আসেননি। মনে রাখার টিপস: ইবনে বতুতা আসেন ১৩৪৬ সালে, যার শুরু ১৩ দিয়ে অর্থাৎ চতুর্দশ শতাব্দী।
a ১৯৪৮ সালে
b ১৯৫২ সালে
c  ১৯৬৯ সালে
d ১৯৭১ সালে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৯ সালে কেন সঠিক: - আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে ১৯৬৯ সালে ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। - এই আন্দোলনের ফলেই আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করা হয় এবং শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল বন্দी মুক্তি লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৮ সালে — এই সময়ে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম আন্দোলন ও সংগ্রাম শুরু হয়েছিল, কোনো গণঅভ্যুত্থান হয়নি। B) ১৯৫২ সালে — এটি ছিল বাঙালির ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, যা তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে বড় প্রতিরোধ হলেও গণঅভ্যুত্থান হিসেবে পরিচিত নয়। C) ১৯৬৯ সালে — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) ১৯৭১ সালে — এই সালে কোনো গণঅভ্যুত্থান নয়, বরং সরাসরি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল যার মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলন হয়েছিল বায়ান্নতে, আর তার ১৭ বছর পর উনসত্তরে সংঘটিত হয় সফল গণঅভ্যুত্থান।
a আকবর
b  শেরশাহ
c মুহম্মদ বিন তোঘলক
d আওরঙ্গজেব
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শেরশাহ কেন সঠিক: - মধ্যযুগের শাসক শেরশাহ শূর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য ঘোড়ার ডাক এবং ডাকচৌকি ব্যবস্থার প্রচলন করেন। - তার আমলে প্রশাসনিক সংবাদ দ্রুত আদান-প্রদানের জন্য এই ঘোড়ার ডাক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকবর — তিনি ঘোড়ার ডাকের প্রবক্তা নন, তবে তিনি দক্ষ প্রশাসনিক ও মনসবদারি ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। B) শেরশাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) মুহম্মদ বিন তোঘলক — তিনি রাজধানী পরিবর্তন এবং তামার মুদ্রার চালুর জন্য পরিচিত, ঘোড়ার ডাকের জন্য নন। D) আওরঙ্গজেব — তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ঘটিয়েছিলেন, তবে ঘোড়ার ডাকের প্রচলন তার আমলে হয়নি। মনে রাখার টিপস: শেরশাহ মানেই যোগাযোগ ব্যবস্থার সংস্কার, গ্র্যান্ড ট্রাংক রোড এবং ঘোড়ার ডাকের প্রবর্তন।
a ১৯৫২ সালে
b  ১৯৫৪ সালে
c ১৯৫৬ সালে
d ১৯৫৭ সালে
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৪ সালে কেন সঠিক: - পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এই নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে মুসলিম লীগ সরকারকে পরাজিত করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৫২ সালে — এটি ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের বছর, প্রাদেশিক নির্বাচনের বছর নয়। B) ১৯৫৪ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক। C) ১৯৫৬ সালে — এই সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান প্রণীত হয়েছিল, পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক নির্বাচন হয়নি। D) ১৯৫৭ সালে — এই সালে কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, প্রাদেশিক নির্বাচনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক বিজয় এবং ৫৪-এর নির্বাচন এভাবে মনে রাখতে পারেন যে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের ঠিক দুই বছর পরই ১৯৫৪ সালে এই নির্বাচন হয়েছিল।
a ১৯৮২ সালে
b ১৯৮৩ সালে
c  ১৯৮৪ সালে
d ১৯৮৫ সালে
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৮৪ সালে কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বা সাফ গেমসের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৪ সালে। - প্রথম সাফ গেমস আনুষ্ঠানিকভাবে তৎকালীন বাংলাদেশ রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮২ সালে — এই সালে এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা সাফ গেমসের সাল নয়। B) ১৯৮৩ সালে — এই সালে কোনো সাফ গেমস বা দক্ষিণ এশীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়নি। C) ১৯৮৪ সালে — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) ১৯৮৫ সালে — দ্বিতীয় সাফ গেমস ঢাকায় নয়, বরং বাংলাদেশের বাইরে অন্য কোনো দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: সাফ গেমস মানেই দক্ষিণ এশিয়ার ক্রীড়াযজ্ঞ এবং এর সূচনা হয়েছিল ১৯৮৪ সালে ঢাকায়।
a ১৮২১ সালে
b ১৮৭০ সালে
c ১৯১০ সালে
d  ১৯২১ সালে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯২১ সালে কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১ জুলাই ১৯২১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে এবং এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়। - লর্ড হার্ডিঞ্জের ঘোষণা অনুযায়ী এবং নাথান কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮২১ সালে — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। B) ১৮৭০ সালে — এই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক একটি সাল। C) ১৯১০ সালে — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বা কার্যক্রম এই সময়ে তীব্র হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি। D) ১৯২১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বিশ্ববিদ্যালয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে শেষ অঙ্ক দুটি মনে রাখুন, ১৯২১ সালে প্রথম ক্লাস শুরু হয়।
a  বাঁশ
b আখের ছোবড়া
c পাটকাঠি
d ধানের খড়
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাঁশ কেন সঠিক: - কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত দেশের প্রথম ও প্রধান কাগজকল। - এই কারখানায় কাগজ উৎপাদনের প্রধান এবং ঐতিহ্যবাহী কাঁচামাল হিসেবে পাহাড়ি অঞ্চলের বাঁশ ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁশ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ কর্ণফুলী কাগজকলে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে বাঁশ ব্যবহৃত হয়। B) আখের ছোবড়া — এটি মূলত চিনি কল বা পেপার মিলের উপজাত হিসেবে শক্তি উৎপাদনে বা অন্য কোনো বিশেষ কাগজ তৈরিতে ব্যবহৃত হলেও কর্ণফুলী কাগজকলের প্রধান কাঁচামাল নয়। C) পাটকাঠি — এটি হস্তশিল্প ও পার্টিকেল বোর্ড তৈরিতে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কর্ণফুলী কাগজকলের মূল কাঁচামাল নয়। D) ধানের খড় — এটি মূলত গোখাদ্য এবং মাশরুম চাষ বা বায়োগ্যাস উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, কাগজকলের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: কর্ণফুলী কাগজকলের কথা মনে এলেই মনে রাখবে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে চন্দ্রঘোনায় পাহাড়ি বাঁশ দিয়ে কাগজ তৈরি করা হয়।
a এইডস
b  গনোরিয়া
c গলগণ্ড রোগ
d গোদ রোগ
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গনোরিয়া কেন সঠিক: - গনোরিয়া একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত যৌনবাহিত রোগ যার প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো নির্দিষ্ট বা দৃশ্যমান লক্ষণ প্রকাশ পায় না। - লক্ষণ প্রকাশ না পাওয়ার কারণে অনেক সময় রোগটি নীরবে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং জটিলতা তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এইডস — এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ যার নির্দিষ্ট লক্ষণ হিসেবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। B) গনোরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো নির্দিষ্ট বা স্পষ্ট লক্ষণ প্রকাশ পায় না। C) গলগণ্ড রোগ — এটি আয়োডিনের অভাবে হয় এবং এতে গলার থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যাওয়ার নির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা যায়। D) গোদ রোগ — এটি ফাইলেরিয়া নামক পরজীবী কৃমির কারণে হয় এবং এতে হাত বা পা অতিরিক্ত ফুলে যাওয়ার নির্দিষ্ট লক্ষণ থাকে। মনে রাখার টিপস: লক্ষণ নেই মানেই তা গনোরিয়া, কারণ এই নীরব রোগটি গোপনে শরীরে বাসা বাঁধে।
a  ভূ–পৃষ্ঠে
b ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০০০ মিটার উপরে
c ভূ-কেন্দ্রে
d ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০০০ মিটার নিচে
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভূ-পৃষ্ঠে কেন সঠিক: - মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণের মান ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে বা গভীরে প্রবেশ করলে কমতে থাকে। - পৃথিবীর আকার কিছুটা কমলালেবুর মতো হওয়ায় মেরু অঞ্চলে এর মান সবচেয়ে বেশি এবং বিষুবীয় অঞ্চলে কম হয়, যা ভূ-পৃষ্ঠের ওপরই হিসাব করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভূ-পৃষ্ঠে — এই অপশনটি সঠিক কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে দূরত্ব সর্বনিম্ন হওয়ায় এখানেই ত্বরণের মান সর্বোচ্চ হয় এবং আদর্শ মান হিসেবে ভূ-পৃষ্ঠকে ধরা হয়। B) ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০০০ মিটার উপরে — ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে দূরত্বের কারণে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণের মান কমতে থাকে। C) ভূ-কেন্দ্রে — পৃথিবীর কেন্দ্রে দূরত্বের মান শূন্য হয়ে যাওয়ায় মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণের মানও শূন্য হয়। D) ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০০০ মিটার নিচে — ভূ-গর্ভে প্রবেশ করলে কার্যকরী ভর কমে যাওয়ার কারণে ত্বরণের মান কমতে থাকে। মনে রাখার টিপস: পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বাড়লে বা কমলে ত্বরণ কমে, তাই সর্বোচ্চ মান সবসময় ভূ-পৃষ্ঠেই থাকে।
a অক্সিজেন
b নাইট্রোজেন
c  ওজোন
d হিলিয়াম
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওজোন কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে ওজোন স্তর সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে। - ওজোন গ্যাসের অণু তিনটি অক্সিজেন পরমাণু নিয়ে গঠিত হওয়ায় এটি এই বিশেষ রশ্মি আটকাতে সক্ষম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস হলেও অতিবেগুনি রশ্মি শোষণে ওজোনের মতো প্রধান ভূমিকা পালন করে না। B) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলে সর্বাধিক পরিমাণে থাকা নিষ্ক্রিয় গ্যাস যা অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে না। C) ওজোন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক। D) হিলিয়াম — এটি একটি হালকা ও নিষ্ক্রিয় গ্যাস যা বায়ুমণ্ডলে অতিবেগুনি রশ্মি শোষণের কাজ করে না। মনে রাখার টিপস: ওজোন গ্যাসের সংকেত ও-থ্রি এবং এটি ছাতার মতো কাজ করে অতিবেগুনি রশ্মি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে।
a সাইট্রিক এসিড
b  অ্যাসকরবিক এসিড
c অ্যাসিটিক এসিড
d অক্সালিক এসিড
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যাসকরবিক এসিড কেন সঠিক: - ভিটামিন সির রাসায়নিক নাম হলো অ্যাসকরবিক এসিড। - এটি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু ও পাতিলেবুতে থাকে, যা ভিটামিন সি নয়। B) অ্যাসকরবিক এসিড — এটি ভিটামিন সির রাসায়নিক নাম এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) অ্যাসিটিক এসিড — এটি মূলত ভিনেগারের প্রধান উপাদান, যা খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। D) অক্সালিক এসিড — এটি পালং শাক ও টমেটোতে পাওয়া যায়, যা একটি ভিন্ন রাসায়নিক যৌগ। মনে রাখার টিপস: ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় এবং এর রাসায়নিক নাম অ্যাসকরবিক এসিড।
a কফি আনান
b  উ থান্ট
c দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
d ভুট্রোস ঘালি
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উ থান্ট কেন সঠিক: - উ থান্ট ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের ৩য় মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। - তিনি মিয়ানমারের নাগরিক ছিলেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে নৈতিক সমর্থন ও সহযোগিতা প্রদান করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কফি আনান — তিনি জাতিসংঘের ৭ম মহাসচিব ছিলেন এবং ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। B) উ থান্ট — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। C) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড — তিনি জাতিসংঘের ২য় মহাসচিব ছিলেন এবং ১৯৬১ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান। D) ভুট্রোস ঘালি — তিনি জাতিসংঘের ৬ম মহাসচিব ছিলেন এবং ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় 'উ' তে মুক্তিযুদ্ধ এবং 'উ' তে উ থান্ট এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a  ইয়েমেন
b জর্ডান
c কাতার
d সংযুক্ত আরব আমিরাত
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইয়েমেন কেন সঠিক: - এডেন বন্দরটি ইয়েমেনের একটি প্রধান ঐতিহাসিক ও কৌশলগত সমুদ্রবন্দর। - এটি আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ উপকূলে এডেন উপসাগরের তীরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইয়েমেন — সঠিক উত্তর কারণ এডেন বন্দরটি এখানেই অবস্থিত। B) জর্ডান — জর্ডানের একমাত্র সমুদ্রবন্দর হলো আকাবা, যা লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত। C) কাতার — কাতার পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী দেশ এবং এর প্রধান বন্দর দোাহা ও হামাদ। D) সংযুক্ত আরব আমিরাত — সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান বন্দরগুলোর মধ্যে দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দর অন্যতম। মনে রাখার টিপস: এডেন ও ইয়েমেন শব্দ দুটি মনে রাখতে 'এ' দিয়ে এডেন এবং 'ই' দিয়ে ইয়েমেন মিলিয়ে পড়তে পারেন।
a ব্যাপন
b রেচন
c  শ্বসন
d অভিস্রবণ
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শ্বসন কেন সঠিক: - প্রাণীদেহে খাদ্যরসের সাথে অক্সিজেনের জারণ ঘটে শক্তি উৎপন্ন হয় এবং উপজাত হিসেবে কার্বন ডাই–অক্সাইড তৈরি হয়। - শ্বসন প্রক্রিয়ায় কোষের ভেতরে গ্লুকোজ ভেঙে শক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই–অক্সাইড গ্যাস উৎপাদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাপন — এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে অণুগুলো বেশি ঘনত্বের স্থান থেকে কম ঘনত্বের স্থানে ছড়িয়ে পড়ে, কার্বন ডাই–অক্সাইড তৈরি করে না। B) রেচন — এটি জীবদেহের বিপাকীয় বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের প্রক্রিয়া, যা কার্বন ডাই–অক্সাইড উৎপাদনের প্রধান প্রক্রিয়া নয়। C) শ্বসন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা প্রাণীদেহে কার্বন ডাই–অক্সাইড উৎপাদনের মূল জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া। D) অভিস্রবণ — এটি এক প্রকার বিশেষ ব্যাপন যা অর্ধভেদ্য পর্দার মাধ্যমে দ্রাবক অণুর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে, কার্বন ডাই–অক্সাইড তৈরির সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাণী অক্সিজেন গ্রহণ করে শক্তি তৈরির সময় কার্বন ডাই–অক্সাইড ছাড়ে, আর এই শক্তি উৎপাদনের পুরো প্রক্রিয়াটিই হলো শ্বসন।
a বায়ু
b  মাটি
c পানি
d গাছপালা
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাটি কেন সঠিক: - মাটি বিভিন্ন মৃত জীব, বর্জ্য ও ক্ষতিকর পদার্থকে প্রাকৃতিকভাবে পচিয়ে ও ফিল্টার করে পরিবেশ পরিষ্কার রাখে। - মাটির ভেতরের অণুজীব ও ব্যাকটেরিয়া ক্ষতিকর উপাদান ভেঙে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে বলেই একে প্রাকৃতিক শোধনাগার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ু — বায়ুদূষণ রোধে বাতাস সাহায্য করলেও এটি সরাসরি বর্জ্য শোধন বা পরিচ্ছন্ন করার মূল মাধ্যম নয়। B) মাটি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ মাটি প্রাকৃতিকভাবে নানা বর্জ্য ও জীবাণু শোধন করে। C) পানি — পানি ময়লা বহন করে, কিন্তু মাটি যেভাবে সম্পূর্ণ বর্জ্য পচিয়ে ও ফিল্টার করে শোধন করে, পানি তা করে না। D) গাছপালা — গাছপালা মূলত কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ ও অক্সিজেন ত্যাগ করে, মাটির মতো সামগ্রিক বর্জ্য শোধন করে না। মনে রাখার টিপস: সব আবর্জনা ও মৃতদেহ যেখানে প্রাকৃতিকভাবে মিশে পরিষ্কার হয়, সেটি হলো মাটি বা প্রকৃতির শোধনাগার।
a  গাছপালা কমে যাওয়া
b ভূ-পৃষ্ঠের কার্বনেট শিলার ভাঙন
c যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি
d ব্যাপক হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) গাছপালা কমে যাওয়া কেন সঠিক: - গাছপালা ও বনভূমি বায়ুমণ্ডল থেকে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে। - নির্বিচারে গাছ কেটে ফেলায় কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাছপালা কমে যাওয়া — এটি বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধির সঠিক কারণ, যা শোষণের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। B) ভূ-পৃষ্ঠের কার্বনেট শিলার ভাঙন — এটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধির মূল কারণ নয়। C) যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি — এটি কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ হলেও প্রদত্ত উত্তরের সাথে অপশন এ সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) ব্যাপক হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি — জনসংখ্যা বৃদ্ধি পরোক্ষভাবে প্রভাব ফেললেও সরাসরি প্রধান কারণ হলো উদ্ভিদের সংখ্যা কমে যাওয়া। মনে রাখার টিপস: গাছ হলো প্রকৃতির ফুসফুস, গাছ কাটলেই বাতাসে কার্বন বাড়ে।
a স্নো হবে
b  ফাস্ট হবে
c ঠিক সময় দেবে
d কোনো রকম প্রভাবিত হবে না
0 50 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফাস্ট হবে কেন সঠিক: - বিষুবরেখা থেকে মেরুর দিকে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বৃদ্ধি পায় কারণ পৃথিবীর ব্যাসার্ধ মেরু অঞ্চলে কম। - পেন্ডুলামের দোলনকাল অভিকর্ষজ ত্বরণের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক হওয়ায় ত্বরণ বাড়লে দোলনকাল কমে যায় এবং ঘড়িটি ফাস্ট হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্নো হবে — ঘড়ি স্লো বা মন্থর হয় যখন অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কমে যায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) ফাস্ট হবে — এটি সঠিক কারণ অভিকর্ষজ ত্বরণ বৃদ্ধির কারণে ঘড়ির দোলনকাল কমে যায় এবং এটি দ্রুত চলে। C) ঠিক সময় দেবে — স্থান পরিবর্তনের কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণের তারতম্য ঘটে বিধায় ঘড়িটি নির্দিষ্ট ও সঠিক সময় দেয় না। D) কোনো রকম প্রভাবিত হবে না — পৃথিবীর আকৃতির ভিন্নতার কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তন ঘটে যা ঘড়ির গতিকে সরাসরি প্রভাবিত করে। মনে রাখার টিপস: মেরুতে গেলে টানে বেশি, তাই ঘড়ি চলে ফেস বা ফাস্ট।
a ভিটামিন ‘এ’
b  ভিটামিন ‘বি‘
c ভিটামিন ‘সি’
d ভিটামিন ‘ডি’
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভিটামিন ‘বি’ কেন সঠিক: - ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, বিশেষ করে ভিটামিন বি২ বা রাইবোফ্লাভিনের অভাবে মুখের কোণে ঘা, ঠোঁটে ও জিহ্বায় ঘা হয়। - এই ভিটামিনের অভাবে মুখ ও ত্বকে নানা ধরনের ইনফেকশন বা প্রদাহ দেখা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন ‘এ’ — এর অভাবে মূলত রাতকানা রোগ এবং চোখের কর্নিয়ার সমস্যা হয়, ঠোঁটে বা জিভে ঘা হয় না। B) ভিটামিন ‘বি‘ — এই ভিটামিনের অভাবে ঠোঁট, জিভ ও মুখের ভেতরে ঘা বা প্রদাহ সৃষ্টি হয়। C) ভিটামিন ‘সি’ — এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় এবং মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে, যা ঠোঁট বা জিভের ঘা থেকে আলাদা। D) ভিটামিন ‘ডি’ — এর অভাবে শিশুদের রিকেটস এবং বড়দের অস্টিওম্যালেসিয়া বা হাড় দুর্বলজনিত রোগ হয়। মনে রাখার টিপস: ভিটামিন বি এর অভাবে মুখে বা জিভে ঘা হয়, যা রাইবোফ্লাভিনের ঘাটতি নির্দেশ করে।
a  আমিষ
b শ্বেতসার
c স্নেহ জাতীয়
d ভিটামিন
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আমিষ কেন সঠিক: - শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ আমিষ বা প্রোটিন থাকে, যা শরীরের কোষ গঠন ও ক্ষয়পূরণে সহায়তা করে। - ডাল জাতীয় শস্য এবং বিচি জাতীয় খাবারে আমিষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমিষ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ শিমের বিচি আমিষ জাতীয় খাদ্যের উৎকৃষ্ট উৎস। B) শ্বেতসার — এটি শর্করা জাতীয় খাদ্যের উৎস যেমন চাল, আলু ও গম, যা শিমের বিচির প্রধান উপাদান নয়। C) স্নেহ জাতীয় — এটি তেল ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের উৎস যেমন সয়াবিন তেল ও মাখন, যা শিমের বিচির মূল উপাদান নয়। D) ভিটামিন — এটি ফলমূল ও শাকসবজিতে বেশি থাকে যা রোগ প্রতিরোধ করে, তবে শিমের বিচির প্রধান পুষ্টি উপাদান ভিটামিন নয়। মনে রাখার টিপস: ডাল ও বিচি জাতীয় খাবার মানেই আমিষের উৎস, তাই শিমের বিচি একটি আমিষ জাতীয় খাদ্য।
a ভিটামিন ‘এ’
b ক্যালসিয়াম
c সোডিয়াম
d  আয়োডিন
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আয়োডিন কেন সঠিক: - আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি বৃদ্ধি পায়, যাকে গলগণ্ড বা গয়টার রোগ বলা হয়। - আয়োডিন থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন ‘এ’ — এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়, গলগণ্ড হয় না। B) ক্যালসিয়াম — এর অভাবে হাড় ও দাঁতের দুর্বলতা দেখা দেয়, গলগণ্ড হয় না। C) সোডিয়াম — এর অভাবে শরীরে পানির ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং পেশিতে টান পড়ে। D) আয়োডিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: গ গলায় আয়োডিন, এই কথাটি মনে রাখলে গলগণ্ড ও আয়োডিনের সম্পর্ক সহজে মনে থাকবে।
a  ২৯ দিন ১২ঘণ্টা
b ২৭ দিন ১৭ ঘণ্টা
c ২৮ দিন ২ ঘণ্টা
d ২৮ দিন ৫ ঘণ্টা
0 53 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৯ দিন ১২ঘণ্টা কেন সঠিক: - চাঁদ পৃথিবী একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় প্রায় ২৯ দিন ১২ ঘণ্টা, যা সিনোডিক মাস বা চন্দ্র মাস নামে পরিচিত। - চাঁদের এই আবর্তন সময়কে ভিত্তি করেই মূলত চন্দ্র ক্যালেন্ডার বা চান্দ্র মাস হিসাব করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৯ দিন ১২ঘণ্টা — এটি চাঁদের পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করার সঠিক সময়কাল বা সিনোডিক মাস। B) ২৭ দিন ১৭ ঘণ্টা — এটি চাঁদের পৃথিবীর চারপাশে নক্ষত্রের সাপেক্ষে একবার ঘুরে আসার সময় বা সাইডরিয়াল মাস, যা প্রদক্ষিণকাল নয়। C) ২৮ দিন ২ ঘণ্টা — এটি কোনো নির্দিষ্ট জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বা চন্দ্রভিত্তিক আবর্তনের সঠিক সময়কাল নয়। D) ২৮ দিন ৫ ঘণ্টা — এটি চন্দ্র প্রদক্ষিণ বা চাঁদের আবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রমিত মান নয়। মনে রাখার টিপস: চাঁদের একবার প্রদক্ষিণকাল মনে রাখতে ছাব্বিশের সঙ্গে দুই যোগ করে প্রায় সাড়ে উনত্রিশ দিন বা ২৯ দিন ১২ ঘণ্টা মনে রাখুন।
a ৫ এপ্রিল
b ৫ মে
c  ৫ জুন
d ৫ জুলাই
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ জুন কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনে এই দিনটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। - ১৯৭৩ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ জুন সারা বিশ্বে পরিবেশ সুরক্ষার সচেতনতা তৈরির জন্য এই দিবসটি পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ এপ্রিল — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয় এবং এই তারিখে আন্তর্জাতিক পরিবেশগত কোনো প্রধান দিবস পালন করা হয় না। B) ৫ মে — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয় এবং এই তারিখে অন্য কোনো সাধারণ দিবস থাকতে পারে। C) ৫ জুন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য। D) ৫ জুলাই — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস নয় এবং এই তারিখে পরিবেশ সংক্রান্ত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নির্ধারিত নেই। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় জুনের ৫ তারিখ মনে রাখতে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহকে পরিবেশ সপ্তাহ হিসেবে মাথায় রাখুন।
a  ১৩৬
b 137
c 138
d 139
0 50 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩৬ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে পদলাভ করে। - ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দিয়ে বিশ্ব দরবারে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৬ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ক্রমিক নম্বরেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল। B) 137 — এটি ভুল কারণ ১৩৭তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল অন্য কোনো দেশ, বাংলাদেশ নয়। C) 138 — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ প্রাপ্তির ক্রমিক নম্বরের সাথে মেলে না। D) 139 — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৯তম সদস্য ছিল না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হয়। সংখ্যাটি মনে রাখতে 'স্বাধীনতার পর ৭৪ সালে ১৩৬' এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a  দস্তা
b অ্যালুমিনিয়াম
c তামা
d পরস্পরের সংস্পর্শে থাকা তামা ও অ্যালুমিনিয়াম
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দস্তা কেন সঠিক: - তড়িৎ রাসায়নিক সারিতে (Electrochemical Series) দস্তার প্রমাণ জারণ বিভবের মান খুব বেশি হওয়ায় এটি খুব দ্রুত জারণ বিক্রিয়ায় অংশ নেয়। - বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেন ও আর্দ্রতার সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করায় দস্তা বা জিঙ্ক ধাতু অত্যন্ত দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত বা মরিচা আক্রান্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দস্তা — এটি অন্য ধাতুগুলোর তুলনায় পরিবেশের সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। B) অ্যালুমিনিয়াম — এর ওপর সুরক্ষামূলক অক্সাইড আস্তরণ থাকায় এটি দস্তার চেয়ে অনেক দেরিতে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। C) তামা — এটি তুলনামূলক কম সক্রিয় ধাতু হওয়ায় বায়ুমণ্ডলে স্বাভাবিক অবস্থায় অনেক দেরিতে ক্ষয় হয়। D) পরস্পরের সংস্পর্শে থাকা তামা ও অ্যালুমিনিয়াম — গ্যালভানিক ক্ষয় কিছুটা ঘটলেও এককভাবে দস্তার ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার হার এদের চেয়ে বেশি। মনে রাখার টিপস: সক্রিয়তা সিরিজে যে ধাতু যত ওপরে থাকে, সে তত দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়; দস্তা সক্রিয় থাকায় সবার আগে ক্ষয় হয়।