বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

৪২ তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b শূেখ ফজলুল করিম
c প্রমথ চৌধুরী
d মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'সবুজপত্র' পত্রিকার সফল ও প্রভাবশালী সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। - বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বীরবল ছদ্মনামের এই লেখক ১৯১৪ সালের আগস্ট মাসে পত্রিকাটি প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক। - বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ও মননশীল প্রবন্ধের সূচনায় 'সবুজপত্র' পত্রিকার ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরী 'সবুজপত্র' পত্রিকায় প্রবন্ধ লিখতেন। ব্যাখ্যা: এটি তার সাহিত্যিক পরিচিতি ও পত্রিকার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা স্পষ্ট করে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিত ভাষার রচনার প্রধান বাহন ছিল 'সবুজপত্র'। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রতিষ্ঠা লাভ ঘটেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি সবুজপত্র পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও নিয়মিত লেখক হলেও সম্পাদক ছিলেন না। B) শূেখ ফজলুল করিম — তিনি এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, বরং তিনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাধক ছিলেন। D) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন — তিনি বিখ্যাত 'সওগাত' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন, সবুজপত্রের নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবুজ পাতা বা সবুজপত্র দেখলে প্রমথ চৌধুরীর নাম মনে রাখবে। - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এবং তার সম্পাদিত পত্রিকার নাম সবুজপত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে। - এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা গদ্যে চলিত রীতির বিজয় সূচিত হয়।
a বাসভুমি থেকে বিতাড়িত হওয়া
b বাসভুমির সম্মুখস্ত ভূমি
c অজ্ঞাত বিষয় প্রকাশ করা
d বিকাশ
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাসভুমি থেকে বিতাড়িত হওয়া ১. কেন সঠিক: উদ্বাসন শব্দটি দ্বারা নিজের স্থায়ী বাসস্থান বা ভূমি থেকে উচ্ছেদ হওয়া কিংবা বিতাড়িত হওয়াকে বোঝায়। রাজনীতি, যুদ্ধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মানুষ যখন নিজের ভিটেমাটি ছাড়তে বাধ্য হয়, তখন তাকে উদ্বাসন বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ ও শব্দের অর্থভিত্তিক প্রশ্ন। বাংলা ব্যাকরণে শব্দের উৎস ও সঠিক অর্থ অনুধাবন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় লাখ লাখ মানুষ উদ্বাসিত হয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। ব্যাখ্যা: এখানে নিজের ভূমি থেকে বিতাড়িত বা উচ্ছেদ হওয়া অর্থে উদ্বাসিত শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: নদীভাঙনের কারণে বহু মানুষ আজ উদ্বাসিত। ব্যাখ্যা: গৃহহীন বা বাসস্থান হারানো অর্থে এই বাক্যে শব্দটির ভাবগত প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাসভুমি থেকে বিতাড়িত হওয়া — এটি প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায় এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) বাসভুমির সম্মুখস্ত ভূমি — এটি উদ্বাসন শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না, এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ভৌগোলিক অবস্থাকে নির্দেশ করে। C) অজ্ঞাত বিষয় প্রকাশ করা — কোনো লুক্কায়িত বা না জানা বিষয় প্রকাশ করাকে উদ্বাসন বলে না, এটি অন্য শব্দের অর্থ। D) বিকাশ — কোনো কিছুর উন্মেষ, প্রসার বা বৃদ্ধি পাওয়াকে বিকাশ বলে, যা উদ্বাসনের বিপরীতার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: উদ্বাসন শব্দটির শুরুতে উৎ উপসর্গ রয়েছে, যা দূর বা বর্জন অর্থে ব্যবহৃত হয়। বাসভূমি থেকে উৎখাত বা দূরে ঠেলে দেওয়া বোঝাতেই উদ্বাসন শব্দটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও পারিভাষিক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। একই ধরনের শব্দ যেমন পুনর্বাসন বা অভিবাসন শব্দগুলোর অর্থ আলাদাভাবে চর্চা করতে হবে।
a বিজ্ঞাপন
b বিজ্ঞপ্তি
c বিজ্ঞপ্তি ফলক
d প্রজ্ঞাপন
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রজ্ঞাপন ১. কেন সঠিক: - Notification শব্দের প্রমিত বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো প্রজ্ঞাপন, যা সরকারি আদেশ বা নীতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। - সরকারি সিদ্ধান্ত বা নীতি সর্বসাধারণের অবগতির জন্য সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র বা দাপ্তরিক কাজের জন্য নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। - প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে ইংরেজি পরিভাষার সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ জানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Ministry of Public Administration issued a notification. ব্যাখ্যা: এই বাক্যে notification শব্দের উপযুক্ত বাংলা অনুবাদ হিসেবে প্রজ্ঞাপন শব্দটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: The transfer order was notified. ব্যাখ্যা: আদেশটি জারির ক্ষেত্রে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তা কার্যকর করা হয়েছে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজ্ঞাপন — Advertisement শব্দের পরিভাষা হলো বিজ্ঞাপন, যা কোনো পণ্য বা সেবা প্রচারের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়। B) বিজ্ঞপ্তি — Notice শব্দের পরিভাষা হলো বিজ্ঞপ্তি, যা সাধারণ কোনো তথ্য বা নির্দেশ জানানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। C) বিজ্ঞপ্তি ফলক — Notice Board শব্দের পরিভাষা হলো বিজ্ঞপ্তি ফলক, যেখানে নোটিশ বা বিজ্ঞপ্তি ঝুলিয়ে রাখা হয়। D) প্রজ্ঞাপন — Notification শব্দের সঠিক ও দাপ্তরিক পারিভাষিক রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সরকারি চাকুরিতে যোগদানের পর তোমরা বিভিন্ন নোটিশ বা আদেশ দেখবে, যার দাপ্তরিক নাম প্রজ্ঞাপন বা Notification। - সাধারণ তথ্য হলে Notice বা বিজ্ঞপ্তি, আর বিশেষ সরকারি আদেশ হলে Notification বা প্রজ্ঞাপন মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - Circular শব্দের পরিভাষা সার্কুলার বা পরিপত্র এবং Ordinance শব্দের পরিভাষা অধ্যাদেশ, যা প্রজ্ঞাপনের কাছাকাছি হলেও এদের অর্থ আলাদা।
a উপত্যকা
b ধিত্যকা
c পার্বত্য
d সমতল
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপত্যকা ১. কেন সঠিক: - অধিত্যকা শব্দের অর্থ হলো পাহাড়ের ওপরের সমতল ভূমি। এর সরাসরি বিপরীত শব্দ হলো উপত্যকা, যার অর্থ পাহাড়ের পাদদেশ বা দুটি পাহাড়ের মধ্যবর্তী নিচু ভূমি। - বিপরীতার্থক শব্দ নির্ধারণের সময় মূল শব্দের ভৌগোলিক বা ভাবগত বিপরীত অবস্থাকে বিবেচনায় নেওয়া হয়, তাই উঁচু ভূমির বিপরীতে নিচু ভূমি সঠিক বলে বিবেচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার বা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে উচ্চভূমি এবং নিম্নভূমির মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক প্রকাশ করতে এই ধরনের শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নদী ও পর্বত ব্যাখ্যা: প্রাকৃতিকভাবে একে অপরের বিপরীত বৈশিষ্ট্যের ভৌগোলিক রূপ নির্দেশ করতে এই শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: উজান ও ভাটি ব্যাখ্যা: নদীর স্রোতের গতির বিপরীত দিক বোঝাতে এই শব্দ দুটি বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপত্যকা — এটি সঠিক উত্তর এবং পাহাড়ের ওপরের ভূমির বিপরীত অর্থাৎ নিচের ভূমি বোঝায়। B) ধিত্যকা — এটি কোনো প্রমিত শব্দ নয় বরং অধিত্যকা শব্দের একটি অংশের ভুল প্রয়োগ। C) পার্বত্য — এটি পাহাড় সংক্রান্ত বিশেষণ শব্দ, যা অধিত্যকার বিপরীত শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়। D) সমতল — এটি সাধারণ সমতল ভূমি বোঝায়, যা পাহাড় বা পর্বতের সঙ্গে সম্পর্কিত নির্দিষ্ট বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ দিয়ে শুরু হয় অধিত্যকা, যার অর্থ ওপরে, আর উ দিয়ে শুরু হয় উপত্যকা, যার অর্থ নিচে। - ওপরে এবং নিচে এই ধারণাটি মনে রাখলে পরীক্ষা এই ধরনের বিপরীত শব্দ সহজেই চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভৌগোলিক ও প্রকৃতিবাচক বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের অর্থ সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারলে ভুল অপশনগুলো সহজেই বাদ দেওয়া সম্ভব হয়।
a তৎসম
b তদ্ভব
c ফারসি
d তুর্কি
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - বাবা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আগন্তুক শব্দ। - উৎসগত বিচারে বাংলা ভাষায় নানা বিদেশি ভাষার শব্দ প্রবেশ করেছে, যার মধ্যে তুর্কি শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - তুর্কি শব্দগুলো মূলত তুর্কি জাতির সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এগুলো বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চাকর ব্যাখ্যা: চাকর শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং এটি নিত্যদিনের ব্যবহারের শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম — তৎসম শব্দ হলো সেই সংস্কৃত শব্দ যা অপরিবর্তিতরূপে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, যেমন চন্দ্র বা সূর্য। B) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ হলো সেই প্রাকৃতজাত শব্দ যা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা রূপ লাভ করেছে, যেমন হাত বা চাঁদ। C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ এসেছে যেমন কাগজ বা কলম, তবে বাবা ফারসি শব্দ নয়। D) তুর্কি — এটি সঠিক অপশন কারণ বাবা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো, তোপ দাগিয়ে দারোগা বাবু চাকরকে কুলি বানাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে তুর্কি, পর্তুগিজ ও ফারসি শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - শব্দের উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করতে বিভিন্ন ভাষার শব্দগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ করা উচিত।
a বাক প্রত্যঙ্গ
b অঙ্গধ্বনি
c স্বরতন্ত্রী
d ন্যাাসিকাতন্ত্র
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাক প্রত্যঙ্গ ১. কেন সঠিক: মানুষের কথা বলার জন্য বা ধ্বনি উচ্চারণের জন্য শরীরের যেসব অঙ্গ সরাসরি কাজ করে, তাদেরকে একত্রে বাক প্রত্যঙ্গ বলা হয়। ফুসফুস থেকে বায়ু বেরিয়ে আসার সময় মুখবিবরের বিভিন্ন অংশের সাহায্যে নানা রকমের ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়ের এটি একটি মৌলিক প্রশ্ন। ফুসফুস, মুখবিবর, জিহ্বা, তালু, দাঁত, ওষ্ঠ, নাক এবং স্বরতন্ত্রী হলো মানবদেহের প্রধান বাক প্রত্যঙ্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জিহ্বা ব্যাখ্যা: এটি উচ্চারণ স্থান ভেদে ধ্বনি তৈরিতে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: ওষ্ঠ বা ঠোঁট ব্যাখ্যা: প, ফ, ব, ভ, ম উচ্চারণের সময় ওষ্ঠ বা ঠোঁট প্রধান বাক প্রত্যঙ্গ হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক প্রত্যঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ধ্বনি তৈরিতে সাহায্যকারী অঙ্গগুলোকে বোঝায়। B) অঙ্গধ্বনি — এই নামে বাংলা ব্যাকরণে কোনো নির্দিষ্ট বা প্রমিত পরিভাষা বা প্রত্যঙ্গ নেই। C) স্বরতন্ত্রী — এটি বাক প্রত্যঙ্গের একটি অংশ মাত্র, কিন্তু সব অঙ্গকে একত্রে এটি বোঝায় না। D) ন্যাাসিকাতন্ত্র — এটি নাক দিয়ে ধ্বনি উচ্চারণের সাথে সম্পর্কিত, যা বাক প্রত্যঙ্গের একটি অংশ। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক অর্থ কথা বলা আর প্রত্যঙ্গ অর্থ অঙ্গ, তাই কথা বলার অঙ্গগুলোকে বাক প্রত্যঙ্গ বলে মনে রাখবে। ধ্বনি তৈরিতে সাহায্য করে যারা, তাদের এককথায় বাক প্রত্যঙ্গ বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ অধ্যায় থেকে এই ধরনের মৌলিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাক প্রত্যঙ্গের অন্য নাম বাগ্যন্ত্র, এটিও পরীক্ষার্থীদের মনে রাখা জরুরি।
a প্রবাদ প্রবচন
b এককথায় প্রকাশ
c ভাবসম্প্রসারণ
d বাক্য সংকোচন
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রবাদ প্রবচন ১. কেন সঠিক: - 'উলুবনে মুক্তা ছড়ানো' একটি সুপরিচিত প্রবাদ প্রবচন, যার অর্থ অযোগ্য স্থানে মূল্যবান বস্তু নষ্ট করা। - যুগ যুগ ধরে মানুষের মুখে মুখে চলে আসা এবং সমাজের অভিজ্ঞতা থেকে তৈরি সংক্ষিপ্ত ও অর্থপূর্ণ বাক্যই প্রবাদ প্রবচন হিসেবে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রবাদ প্রবচন হলো লোকসাহিত্যের একটি বিশেষ মূল্যবান অংশ যা মানুষের জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতা থেকে জন্ম নেয়। - এর অন্তর্নিহিত অর্থ থাকে এবং এটি বাক্যে রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরের দশ দিন গৃহস্থের এক দিন ব্যাখ্যা: অপরাধী যতই চালাক হোক না কেন, সে একদিন ধরা পড়বেই বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা ব্যাখ্যা: নিজের অদক্ষতা বা অক্ষমতাকে অন্যের ওপর বা পরিবেশের ওপর চাপানোর প্রবাদ এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবাদ প্রবচন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ 'উলুবনে মুক্তা ছড়ানো' একটি প্রবাদ। B) এককথায় প্রকাশ — একাধিক পদ বা বাক্যকে একটি পদে সংক্ষেপ করাকে এককথায় প্রকাশ বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ভাবসম্প্রসারণ — বড় কোনো গভীর ভাব বা পঙক্তিকে বিস্তারিত করে বোঝানোকে ভাবসম্প্রসারণ বলে। D) বাক্য সংকোচন — বড় বাক্যকে ছোট করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে, যা মূলত এককথায় প্রকাশের সমার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সকল পঙক্তি বা শব্দগুচ্ছ সমাজে প্রচলিত থেকে কোনো গভীর উপদেশ বা সত্য প্রকাশ করে, সেগুলোকে প্রবাদ প্রবচন হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ প্রবচন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই এর অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a কৃষ্+তি
b কৃষ্+টি
c কৃ+ইষ্টি
d কৃষ্+ইষ্টি
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্+তি ১. কেন সঠিক: 'কৃষ্টি' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো কৃষ্ যোগ তি। এখানে 'কৃষ্' হলো ধাতু এবং 'তি' হলো প্রত্যয়, যা কৃৎ প্রত্যয়ের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব প্রত্যয় ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়। সংস্কৃত ব্যাকরণ ও বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'কৃষ্' ধাতুর সঙ্গে 'তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৃষ্টি = সৃষ্+তি ব্যাখ্যা: সৃষ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে, যা কৃষ্টি শব্দের মতো একই ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করে। উদাহরণ ২: দৃষ্টি = দৃশ্+তি ব্যাখ্যা: দৃশ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে, যা একই নিয়মে সাধিত কৃৎ প্রত্যয়ান্ত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ্+তি — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্দেশ করে যা কৃষ্টি শব্দ গঠন করে। B) কৃষ্+টি — বাংলা ব্যাকরণে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়, টি প্রত্যয়টি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কৃ+ইষ্টি — কৃ মূল ধাতু হলেও ইষ্টি কোনো সঠিক প্রত্যয় বা বিভাজিত অংশ নয়। D) কৃষ্+ইষ্টি — ইষ্টি কোনো প্রমিত ব্যাকরণিক প্রত্যয় হিসেবে এই শব্দে ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত নিয়মে গঠিত কৃষ্টি, সৃষ্টি ও দৃষ্টি শব্দের শেষে 'তি' প্রত্যয় থাকে। ধাতুর নিচে হসন্ত যুক্ত কৃষ্ এবং তি যোগ করলে সঠিক উত্তর পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত ও কৃৎ প্রত্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের মূল ধাতু চেনার জন্য এবং সঠিক প্রত্যয় আলাদা করার জন্য এই ধরনের নিয়মগুলো বারবার অনুশীলন করতে হবে।
a বিদ্বান হলেও তার কোনো অহংকার নেই
b ইশ! যদি পাখির মত পাখা পেতাম।
c অঅকারণে ঋণ করিও না
d হয়তো সোহমা আসতে পারে
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অঅকারণে ঋণ করিও না কেন সঠিক: প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সি অপশনে বানান ভুল রয়েছে এবং প্রশ্ন অনুযায়ী শুদ্ধ নয় এমন বাক্যটি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। এখানে অঅকারণে শব্দটি বানানের নিয়মে ভুল এবং এর সঠিক রূপটি হলো অকারণে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানের সঠিক নিয়ম অনুযায়ী শব্দে অপ্রয়োজনীয় বর্ণ বা স্বরবর্ণের দ্বিত্ব ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বানানের এই সাধারণ নিয়ম না জানলে অনেক সময় পরীক্ষার খাতায় সাধারণ ভুলগুলো চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। যেমন নির্ভুল বানানে অকারণে লেখা হয়, কিন্তু অঅকারণে লেখা একটি স্পষ্ট বানানগত বা টাইপিংজনিত ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্বান হলেও তার কোনো অহংকার নেই — এই বাক্যে কোনো ধরনের বানান বা ব্যাকরণগত ভুল নেই এবং এটি একটি অর্থপূর্ণ বাক্য। B) ইশ! যদি পাখির মত পাখা পেতাম। — এই বাক্যটি আবেগ প্রকাশে সম্পূর্ণ ব্যাকরণসম্মত এবং এখানে কোনো ত্রুটি নেই। D) হয়তো সোহমা আসতে পারে — এই বাক্যে সম্ভাবনার প্রকাশ যথাযথ হয়েছে এবং এর গঠন সম্পূর্ণ সঠিক রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলা ব্যাকরণের প্রশ্ন সমাধানের সময় প্রথমে বানানের ভুলগুলো ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। কোনো শব্দে অপ্রয়োজনীয় বর্ণ যুক্ত থাকলে সেটি তাৎক্ষণিকভাবে ভুল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
a দিরুক্ত শব্দ
b সমার্থক শব্দ
c যুগ্ম শব্দ
d শব্দদিত্ব
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দিরুক্ত শব্দ ১. কেন সঠিক: - বাক্যে কোনো শব্দ বা পদ পরপর দুবার ব্যবহার হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে দিরুক্ত শব্দ বলে। - এখানে 'জ্বর জ্বর' পদটি দুবার বসে পূর্ণাঙ্গ তীব্র জ্বর না বুঝিয়ে অল্প বা সামান্য জ্বর ভাব প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - একই শব্দ দুবার উচ্চারিত হয়ে বিশেষ ভাব বা প্রকর্ষ প্রকাশ করলে তাকে শব্দের দ্বিরুক্তি বা দিরুক্ত শব্দ বলা হয়। - এটি মূলত বিশেষণের দ্বিরুক্তি, যা কোনো কিছুর আতিশয্য বা সামান্যতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গায়ে ব্যথা ব্যথা লাগছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ব্যথা ব্যথা' শব্দটি সামান্য ব্যথার ভাব প্রকাশ করতে দ্বিরুক্ত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ছেলেটির মাথা মাথা ভাব। ব্যাখ্যা: এখানে 'মাথা মাথা' শব্দটি সামান্য অসুস্থতা বা ঝিমঝিম ভাব বোঝাতে দ্বিরুক্ত শব্দের কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিরুক্ত শব্দ — এটি সঠিক উত্তর কারণ একই শব্দ পরপর দুবার বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করেছে। B) সমার্থক শব্দ — সমার্থক শব্দ বলতে একই অর্থের ভিন্ন দুটি শব্দকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) যুগ্ম শব্দ — যুগ্ম শব্দ দুটি ভিন্ন বা আংশিক ভিন্ন শব্দের মিলনে গঠিত হয়, কিন্তু এখানে একই শব্দ দুবার বসেছে। D) শব্দদিত্ব — শব্দদিত্ব বা দ্বিত্ব হলো দুটি বর্ণ বা ধ্বনির একত্র উচ্চারণ, যা এই পদের ব্যাকরণিক রূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - একই শব্দ পরপর দুবার বসে যদি সামান্য বা আতিশয্য বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে দিরুক্ত শব্দ দাগাবে। - দ্বিরুক্ত শব্দের মূল কথাই হলো শব্দের জোড়া ব্যবহার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদের দ্বিরুক্তি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষণের দ্বিরুক্তি চেনার উপায় হলো এটি বাক্যে বিশেষ্যের গুণ বা অবস্থার মাত্রা প্রকাশ করে।
a ক্রীতদাসের হাসি
b জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা
c কান্নাপর্ব
d প্রাদোষে প্রাকৃতজন
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা ১. কেন সঠিক: - জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা উপন্যাসটি সরাসরি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং যুদ্ধকালীন সাধারণ মানুষের জীবনের ওপর রচিত। - এই উপন্যাসে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর নির্যাতন এবং এর বিপরীতে সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ সংগ্রামের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা উপন্যাসের রচয়িতা হলেন শহীদ কাদরী নন, বরং প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শহীদুল জহির। - এটি বাংলা সাহিত্যের জাদুকরি বাস্তবতার এক অনন্য নিদর্শন এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেইটিন ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল জহির রচিত আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা মুক্তিযুদ্ধ ও ঢাকাকেন্দ্রিক জনজীবনের ওপর ভিত্তি করে রচিত। উদাহরণ ২: আবু ইব্রাহিমের মৃত্যু ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল জহির রচিত একটি অত্যন্ত প্রশংসিত উপন্যাস যেখানে সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা আইয়ুব খানের স্বৈরাচারের প্রতীকী প্রতিবাদ, তবে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। B) জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। C) কান্নাপর্ব — এটি আহসান হাবীবের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, কোনো উপন্যাস বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গদ্যশিল্প নয়। D) প্রাদোষে প্রাকৃতজন — এটি শওকত আলী রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা সেন আমলের পটভূমিতে রচিত, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শহীদুল জহিরের নামের সঙ্গে রাজনৈতিক বাস্তবতা শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা। - মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত উপন্যাসগুলোর নামের তালিকা তৈরি করে নিয়মিত চর্চা করলে পরীক্ষাস্রোতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শহীদুল জহির একজন অত্যন্ত পরীক্ষাকেন্দ্রিক লেখক, তাঁর লেখা উপন্যাস ও ছোটগল্পের সংখ্যা কম হলেও বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস চেনার সময় লেখকের নাম এবং রচনার মূল প্রতিপাদ্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a ঈদৃশ
b পারত্রিক
c মাঙ্গলিক
d আকস্মিক
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারত্রিক ১. কেন সঠিক: ঐহিক শব্দের অর্থ এই পৃথিবীসংক্রান্ত বা পার্থিব। এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে পারত্রিক শব্দটি, যার অর্থ পরকাল বা পরলোকসংক্রান্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার এবং বিপরীতার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সংস্কৃত উৎসের এসব শব্দ বিশেষণের কাজ করে এবং ভাবগত দিক থেকে একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐহিক সুখ ব্যাখ্যা: এই পৃথিবীর বা পার্থিব সুখ বোঝাতে এই পদটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পারত্রিক মুক্তি ব্যাখ্যা: পরকাল বা মৃত্যুর পরের জগতের মুক্তি বোঝাতে এই পদটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈদৃশ — এই শব্দের অর্থ এই প্রকার বা এমন, যা বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক নয়। B) পারত্রিক — এটি সঠিক উত্তর। C) মাঙ্গলিক — এর অর্থ মঙ্গলজনক বা শুভকর, যা ঐহিক শব্দের বিপরীত নয়। D) আকস্মিক — এর অর্থ হঠাৎ বা দৈবাত্ত, যার বিপরীত শব্দ চিরন্তন বা স্বাভাবিক। ৫. মনে রাখার টিপস: ঐহিক মানে ইহলোক বা এই পৃথিবী এবং পারত্রিক মানে পরলোক বা অন্য পৃথিবী। ই দিয়ে ইহলোক এবং প দিয়ে পরলোক মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ এবং উৎস বিবেচনা করতে হয়। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ আয়ত্ত করা সহজ হয়।
a পদাবলী
b গীতগোবিন্দ
c চর্যাপদ
d চৈতন্যজীবনী
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদে সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষার প্রয়োগ করা হয়েছে। - এই ভাষায় একদিকে যেমন স্পষ্ট বহিরর্থ প্রকাশ পেত, অন্যদিকে তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্মের গূঢ় সাধনা ও তত্ত্ব மறைக்கப்பட்ட বা আচ্ছন্ন থাকত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্যিক নিদর্শন। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তরুবর পঞ্চ বিড়াল চঞ্চল চিয়ে। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পংক্তি যেখানে রূপকের মাধ্যমে মানবদেহের ইন্দ্রিয়সমূহের চঞ্চলতা প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: অপনা মাংসে হরিণা বৈরী। ব্যাখ্যা: এই পংক্তিতে নিজের মাংসই হরিণের শত্রু, এই রূপকের মাধ্যমে অজ্ঞতা বা মোহের কারণে মানুষের ধ্বংস ডেকে আনার কথা বলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদাবলী — পদাবলী সাহিত্য মধ্যযুগের বৈষ্ণব ও শাক্ত সাধকদের রচিত পদ নিয়ে গঠিত যেখানে সান্ধ্য ভাষা ব্যবহৃত হয়নি। B) গীতগোবিন্দ — গীতগোবিন্দ দ্বাদশ শতাব্দীতে কবি জয়দেব কর্তৃক সংস্কৃত ভাষায় রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। D) চৈতন্যজীবনী — চৈতন্যজীবনী সাহিত্য শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও লীলানির্ভর বাংলা ও সংস্কৃতে রচিত মধ্যযুগের জীবনী সাহিত্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - সান্ধ্য ভাষা বললে চোখ বন্ধ করে প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ নির্বাচন করবে। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের ভাষাকে সান্ধ্য ভাষা বলে অভিহিত করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের ভাষার মূল রচয়িতা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। - চর্যাপদে মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ডঃ সুকুমার সেনের মতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ রয়েছে।
a যন্ত্রনা
b শূভ্র
c সহযোগিতা
d স্বতঃ স্ফূর্ত
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যন্ত্রনা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নে কোনটি শুদ্ধ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে এবং 'যন্ত্রনা' বানানটি অশুদ্ধ। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ই-কারযুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে নিয়মের কারণে 'যন্ত্রণা' বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। - 'যন্ত্রণ' শব্দের সাথে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দে মূর্ধন্য ণ বসে, তাই এর সঠিক রূপ হবে যন্ত্রণা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুণ্ঠন ব্যাখ্যা: ঠ-বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হওয়ার কারণে লুণ্ঠন বানানটিতে ণ যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঘণ্টা ব্যাখ্যা: ট-বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে যুক্তবর্ণে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হওয়ার কারণে ঘণ্টা বানানটি শুদ্ধ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যন্ত্রনা — এটি অশুদ্ধ বানান কারণ এখানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে, যার শুদ্ধরূপ হবে যন্ত্রণা। B) শূভ্র — এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান এবং এর অর্থ সাদা বা উজ্জ্বল। C) সহযোগিতা — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ সাহায্য বা একত্রে কাজ করা। D) স্বতঃস্ফূর্ত — এটি একটি শুদ্ধ বানান যা নিজে নিজে উৎসারিত বা প্রাকৃতিকভাবে ঘটে এমন বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ট-বর্গীয় বর্ণগুলোর (ট, ঠ, ড, ঢ) সাথে সবসময় মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। - এই নিয়মের কারণে যন্ত্রণা বানানে মূর্ধন্য ণ হবে, দন্ত্য ন নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান থেকে প্রশ্ন আসে। - ট-বর্গীয় ধ্বনির আগের ন-ত্ব বিধানের নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
a ধরণি
b মূর্ছা
c গুণ
d প্রানী
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রানী কেন সঠিক: - প্রানী শব্দটিতে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। - বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী প্রাণীর সঠিক রূপটি হবে প্রাণী যেখানে দীর্ঘ্য-ঈ কার ব্যবহার হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। - প্রাণী একটি বিশেষ্য পদ যার শেষে দীর্ঘ্য-ঈ কার এবং মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়। - উদাহরণস্বরূপ, পক্ষী, মন্ত্রী, ও প্রাণী শব্দগুলোর শেষে দীর্ঘ্য-ঈ কার বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ধরণি — এটি একটি সঠিক বানান কারণ এর অর্থ পৃথিবী এবং এতে হ্রস্ব-ই কার ব্যবহার হয়। - B) মূর্ছা — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এবং এতে রেফ ও মূর্ধন্য-ষ ব্যবহার সঠিক আছে। - C) গুণ — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ বৈশিষ্ট্য বা গুণফল এবং এতে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার সঠিক আছে। - D) প্রানী — এটি ভুল বানান কারণ এর সঠিক রূপ হলো প্রাণী। মনে রাখার টিপস: - জীববাচক অনেক শব্দের শেষে দীর্ঘ্য-ঈ কার বসে যেমন প্রাণী, পক্ষী ও হেস্টিংস।
a বাাংলা
b সংস্কৃত
c হিন্দি
d অস্ট্রিক
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রিক ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষার আদি অধিবাসী বা প্রাচীন জনগোষ্ঠী মূলত অস্ট্রিক বা নিষাদ ভাষাভাষী ছিলেন। - বাঙালি জাতির সংমিশ্রণে অস্ট্রিক জাতির অবদান সবচেয়ে বেশি, যার প্রভাব আমাদের সংস্কৃতি ও ভাষায় রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নটি বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক ও ভাষাগত শেকড় নির্দেশ করে। - ভারতীয় উপমহাদেশের আদিমতম অধিবাসী হিসেবে অস্ট্রিক ভাষাভাষী মানুষেরা বাংলার ভূখণ্ডে প্রথম বসতি স্থাপন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুঁড়েঘর, চুলা, খোকা ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত এই শব্দগুলো অস্ট্রিক ভাষা থেকে এসেছে। উদাহরণ ২: টোপর, ডাব, কলা ব্যাখ্যা: দৈনন্দিন জীবনের এসব শব্দ অস্ট্রিক ভাষাভাষীদের অবদান হিসেবে বাংলা শব্দভাণ্ডারে রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাাংলা — বাংলা কোনো আদি ভাষা বা জাতিগোষ্ঠীর নাম নয়, এটি পরবর্তীতে বিকাশ লাভ করেছে। B) সংস্কৃত — সংস্কৃত কোনো আদি অধিবাসীর ভাষা ছিল না, এটি প্রাচীন ভারতের একটি ধ্রুপদী ভাষা। C) হিন্দি — হিন্দি একটি আধুনিক ভারতীয় ভাষা, যা আদি বাংলার অধিবাসীদের ভাষা ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: - আদি অধিবাসী বললেই অস্ট্রিক ভাষাভাষী মনে রাখবে। - বাংলার আদি জনগোষ্ঠী ও সংস্কৃতির মূলে অস্ট্রিক জাতির প্রভাব রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার উৎসের ওপর প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। - বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে অস্ট্রিক শব্দের প্রভাব সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
a চন্দ্রাবতী
b পদ্মাবতী
c মধুমালতী
d লাইলী মজনু
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদ্মাবতী ১. কেন সঠিক: মহাকবি আলাওল বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। তাঁর অমর সৃষ্টি পদ্মাবতী মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত হলেও এটি মূলত স্বাধীন কাব্যরূপ লাভ করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: আলাওল সপ্তদশ শতকে আরাকান রাজসভার অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ছিলেন এবং তিনি বহু ভাষা জানতেন। পদ্মাবতী কাব্যটি ষোড়শ শতকের হিন্দি কবি মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদ্মাবত কাব্যের অনুবাদ ও অনুসরণে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের এই ধারায় ফার্সি ও অবহট্ঠ সাহিত্যের প্রভাব স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ ২: আরাকান রাজসভার সাহিত্যচর্চা। ব্যাখ্যা: সে সময়ে রাখাইনের রোসাং রাজসভায় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য দারুণ পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্রাবতী — এটি প্রথম বাংলা দীর্ঘ মহিলা কবি চন্দ্রাবতী রচিত বিখ্যাত রামায়ণ বা প্রণয়মূলক কাব্য, যা আলাওল রচনা করেননি। C) মধুমালতী — এই কাব্যটি সৈয়দ হামজা বা মুহাম্মদ কবীরের লেখা, যা আলাওলের সাহিত্যকর্ম নয়। D) লাইলী মজনু — এই কাব্যটি দৌলত উজীর বাহরাম খান রচনা করেছেন, যা আলাওলের নামে চালানো ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: আলাওলের সবচেয়ে বিখ্যাত ও অমর কীর্তি হলো পদ্মাবতী। কবি আলাওল ও পদ্মাবতী নাম দুটি সবসময় একসাথে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবিদের মধ্যে আলাওল সবচেয়ে বেশি কাব্য রচনা করেছেন। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর রচিত পদ্মাবতী কাব্য সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a ন্যায়বাগীশ
b নৈয়ায়িক
c ন্যায়পাল
d ন্যায়ঋগ্ধ
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নৈয়ায়িক ১. কেন সঠিক: - যিনি ন্যায়শাস্ত্র বা দর্শনের বিশেষ পন্ডিত কিংবা সুগভীর জ্ঞান রাখেন, তাকে এককথায় নৈয়ায়িক বলা হয়। - এই শব্দটি সংস্কৃত প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে এবং এটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণ অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বিশেষ শাস্ত্র বা বিষয়ে বিশেষ পারদর্শিতা বা জ্ঞান রাখাকে একপদে প্রকাশ করতে তদ্ধিত প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। - ন্যায় শাস্ত্রের সঙ্গে যুক্ত বা সম্পর্কিত অর্থে ন্যায় শব্দের সঙ্গে ঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নৈয়ায়িক শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকরণ জানেন যিনি — ব্যাকরণবিদ। ব্যাখ্যা: কোনো নির্দিষ্ট শাস্ত্রের বিশেষ জ্ঞান বোঝাতে এই ধরনের এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ইতিহাস রচনা করেন যিনি — ঐতিহাসিক। ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষ দক্ষতার ক্ষেত্রে শব্দের পরিবর্তন ঘটে এককথায় প্রকাশ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ন্যায়বাগীশ — এটি উপাধি বিশেষ, যিনি ন্যায়শাস্ত্রে বিশেষ পন্ডিত এবং বাগ্মী তাকে ন্যায়বাগীশ বলা হয়। B) নৈয়ায়িক — এটি সঠিক উত্তর। C) ন্যায়পাল — এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক পদের নাম, যিনি জনগণের অধিকার রক্ষায় সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করেন। D) ন্যায়ঋগ্ধ — এমন কোনো অর্থপূর্ণ বা গ্রহণযোগ্য শব্দ বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ন্যায় শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকলে নৈয়ায়িক শব্দটি বেছে নেবে। - শাস্ত্রের নামের সঙ্গে পন্ডিত বোঝাতে প্রত্যয়গত পরিবর্তন মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। - শব্দের মূল ভিত্তি এবং প্রত্যয়ের ব্যবহার খেয়াল রাখলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a প্রসাদগুণ, মাধুর্যগুণ
b উপমা, অলংকার
c উদ্দেশ্য, বিধেয়
d সাধু, চলিত
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উদ্দেশ্য, বিধেয় ১. কেন সঠিক: একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্যের প্রধানত দুটি অংশ থাকে, যার একটি হলো উদ্দেশ্য এবং অন্যটি হলো বিধেয়। উদ্দেশ্য অংশে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় তাকে নির্দেশ করা হয় এবং বিধেয় অংশে উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয় তা প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য গঠনের মূল ভিত্তি হলো এই দুটি অংশ, যেখানে উদ্দেশ্য হলো বাক্যের কর্তা বা যার সম্বন্ধে কিছু বলা হয় এবং বিধেয় হলো উদ্দেশ্য সম্বন্ধে যা কিছু বলা হয়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পদ বা পদসমষ্টি যখন মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে, তখন তাকে বাক্য বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পাখি হলো উদ্দেশ্য কারণ এটি যার সম্পর্কে বলা হচ্ছে এবং আকাশে ওড়ে হলো বিধেয় কারণ এটি উদ্দেশ্যের কাজ প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: রহিমা বই পড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে রহিমা হলো উদ্দেশ্য এবং বই পড়ছে হলো বিধেয়, যা বাক্যটির দুটি প্রধান অংশকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রসাদগুণ, মাধুর্যগুণ — এটি কাব্যের গুণের সাথে সম্পর্কিত, বাক্যের অংশের সাথে নয়। B) উপমা, অলংকার — এটি কাব্য বা সাহিত্যের সৌন্দর্য বর্ধক উপাদান, বাক্যের গঠনগত অংশ নয়। C) উদ্দেশ্য, বিধেয় — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা বাক্যের দুটি প্রধান অংশকে নির্দেশ করে। D) সাধু, চলিত — এটি বাংলা ভাষার রূপভেদের দুটি ভিন্নীতি, বাক্যের কাঠামোগত অংশ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো যার সম্পর্কে বলা হয় সে উদ্দেশ্য এবং যা বলা হয় তা বিধেয়। উদ্দেশ্য মানে কর্তা এবং বিধেয় মানে কর্ম ও ক্রিয়ার সমাহার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য গঠন ও বাক্যের রূপান্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। উদ্দেশ্য ও বিধেয় চিহ্নিত করার মাধ্যমে যেকোনো সরল বাক্য সহজেই বিশ্লেষণ করা যায়।
a সিংহ চিহ্নিত আসন=সিংহাসন
b মহান যে পুরুষ=মহাপুরুষ
c কুসুমের মতো কোমল=কুসুমকোমল
d জায়া ও পতি=দম্পতি
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিংহ চিহ্নিত আসন=সিংহাসন ১. কেন সঠিক: মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা মধ্যপদটি সমস্তপদে লোপ পায়। এখানে ব্যাসবাক্য হলো সিংহ চিহ্নিত আসন, যার মাঝের চিহ্নিত পদটি সমস্তপদে লোপ পেয়ে সিংহাসন শব্দ গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ বা মাঝের পদটি সম্পূর্ণভাবে লুপ্ত হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। এক্ষেত্রে প্রথম পদ পূর্বপদ এবং শেষ পদ পরপদ বা উত্তরপদ হিসেবে গণ্য হয় এবং মাঝের পদটি উহ্য থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা রাত = জোছনারাত ব্যাখ্যা: এখানে জোছনা ও রাতের মাঝের রা শব্দটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: পলান্ন = পল মিশ্রিত অন্ন ব্যাখ্যা: এখানে পল ও অন্নের মাঝের মিশ্রিত পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিংহ চিহ্নিত আসন=সিংহাসন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। B) মহান যে পুরুষ=মহাপুরুষ — এটি সাধারণ কর্মধারয় সমাস কারণ এখানে মাঝের পদ লোপ পায়নি বরং বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের যোগ ঘটেছে। C) কুসুমের মতো কোমল=কুসুমকোমল — এটি উপমিত বা উপমান কর্মধারয় সমাস যা তুলনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) জায়া ও পতি=দম্পতি — এটি দ্বন্দ্ব সমাস কারণ এখানে ও অব্যয় পদ দ্বারা দুটি পদের মিলন ঘটেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্যাসবাক্যের মাঝের অংশ বা পদটি যদি সমস্তপদে আর দেখা না যায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে মধ্যপদলোপী সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। সিংহাসন বা মোমের পুতুলের মতো শব্দগুলোতে মাঝের নির্দেশক শব্দগুলো সমস্তপদে অদৃশ্য হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। পরীক্ষায় সিংহাসন, হাতঘড়ি, পলান্ন কিংবা বউভাত জাতীয় শব্দগুলো পেলে মাঝের পদ লোপ পাওয়ার বিষয়টি খেয়াল রাখবে।
a যন্ত্রণাদগ্ধ জীবন
b স্নিগ্ধ শ্যামল প্রকৃতির রূপ
c লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি
d দেশ বিভাগজনিত জীবন যন্ত্রণা
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি ১. কেন সঠিক: - এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো সাধারণ গ্রামীণ মানুষের লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি, লোকাচার ও ঐতিহ্য। - বাংলার খেটে খাওয়া মানুষের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক জীবনের চিত্র এতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটি বাংলার লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন উপাদানকে নাট্যরূপে তুলে ধরেছে। - নাটকের পটভূমি হিসেবে গ্রামীণ জনপদ এবং জনজীবনের আবহ ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি প্রতীকী নাটক, যা ভিন্ন প্রেক্ষাপটের প্রতিনিধিত্ব করে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীওলের কাকতারুয়া উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি গ্রামীণ লোকায়ত জীবনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যন্ত্রণাদগ্ধ জীবন — এটি অনেক নাটকের উপজীব্য হলেও কিত্তনখেলা নাটকের প্রধান বিষয় লোকায়ত সংস্কৃতি। B) স্নিগ্ধ শ্যামল প্রকৃতির রূপ — প্রকৃতি মূল বিষয় নয়, বরং নাটকের পটভূমি হিসেবে মানুষের লোকায়ত জীবন এখানে প্রধান। D) দেশ বিভাগজনিত জীবন যন্ত্রণা — দেশ বিভাগভিত্তিক সাহিত্য যেমন সেলিনা হোসেনের যাপিত জীবন, এই নাটকের বিষয় তা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কিত্তনখেলা নাটকের নামটিতেই লোক সংস্কৃতির গন্ধ আছে, তাই এর বিষয় লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি মনে রাখা সহজ। - লোকায়ত শব্দটির অর্থ সাধারণ মানুষের জীবন ও সংস্কৃতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটকের বিষয়বস্তু থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - সাহিত্যকর্মের নাম এবং তার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে।
a E.M. Foster
b Nirad C Chaudhuri
c Rudyard Kipling
d Walt Whitman
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) E.M. Foster কেন সঠিক: বিখ্যাত ইংরেজি ঔপন্যাসিক ই এম ফস্টার বিংশ শতকের প্রথমার্ধে এই উপন্যাসটি রচনা করেন। ব্রিটিশ আমলে ভারতের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ফুটিয়ে তুলতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ব্রিটিশ ও ভারতীয় সংস্কৃতির দ্বন্দ্ব এই বইটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। ফস্টারের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) Nirad C Chaudhuri — তিনি একজন বিখ্যাত বাঙালি লেখক হলেও এই বিখ্যাত উপন্যাসের রচয়িতা নন। C) Rudyard Kipling — ইনি 'দ্য জঙ্গল বুক' ও 'কিম' উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। D) Walt Whitman — তিনি আমেরিকার একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী কবি। মনে রাখার টিপস: ই এম ফস্টারের নামের সাথে 'ইন্ডিয়া' শব্দটির সংযোগ মনে রাখলেই বইটি কার লেখা তা সহজে চেনা যায়।
a to introduce the topic
b to analyse the topic
c to present the main idea
d to expand the idea
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to present the main idea কেন সঠিক: টপিক সেন্টেন্স প্যারাগ্রাফের মূল ভাব বা কেন্দ্রীয় ধারণা পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করে যা পুরো প্যারাগ্রাফের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এটি পাঠকদের প্যারাগ্রাফটিতে ঠিক কী আলোচনা করা হবে সে সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দেয় এবং লেখকের মূল বক্তব্য ফুটিয়ে তোলে। অন্যান্য সমস্ত সহায়ক বাক্য এই প্রধান ধারণাকে সমর্থন করার জন্য কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to introduce the topic — এটি কেবল বিষয়টির অবতারণা করে কিন্তু সম্পূর্ণ মূল ভাব প্রকাশ করতে পারে না। B) to analyse the topic — এটি বিষয় বিশ্লেষণ করে না বরং পুরো প্যারাগ্রাফের মূল ধারণা উপস্থাপন করে। C) to present the main idea — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) to expand the idea — এটি মূল ধারণাকে বড় বা বিস্তারিত করে কিন্তু প্রধান ধারণা উপস্থাপন করে না। মনে রাখার টিপস: টপিক সেন্টেন্স মানেই প্যারাগ্রাফের মূল ধারণার প্রথম ও প্রধান প্রকাশ।
a He advised him to see a doctor
b He advised that he should see a doctor
c he suggested that he had seen a doctor
d He proposed to see a doctor
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He advised him to see a doctor কেন সঠিক: ডাইরেক্ট স্পিচে "had better" থাকলে ইনডাইরেক্ট করার সময় সাধারণত advise ব্যবহার করা হয়। রিপোর্টেড স্পিচের সাবজেক্ট অনুযায়ী pronoun পরিবর্তন করে infinitive (to + verb) গঠন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He advised him to see a doctor — এটি সঠিক উত্তর। B) He advised that he should see a doctor — "had better" এর ক্ষেত্রে should ব্যবহার করে that clause ব্যবহার করা অপ্রয়োজনীয় এবং গঠনে ভুল। C) he suggested that he had seen a doctor — এখানে tense এর ভুল পরিবর্তন করা হয়েছে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে। D) He proposed to see a doctor — এখানে বক্তা নিজে ডাক্তার দেখার প্রস্তাব দিচ্ছেন বলে অর্থ প্রকাশ পায়, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Had better যুক্ত Imperative জাতীয় Direct Speech কে Indirect করার সময় subject এর পরে advised লিখে সরাসরি to দিয়ে মূল verb থেকে বাকি অংশ বসাতে হয়।
a to torture somebody
b to harm someone
c to appreciate soe one
d to egnore somebody
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to egnore somebody কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ কাউকে ঠান্ডা কাঁধ দেখানো হলেও রূপক অর্থে এর দ্বারা বোঝায় কোনো ব্যক্তিকে অবহেলা করা বা এড়িয়ে চলা। সামাজিক জীবনে কেউ অপ্রীতিকর আচরণ করলে আমরা তার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিই এবং ঠিক এই অবস্থাকেই এই ইংরেজি প্রবাদ দিয়ে প্রকাশ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to torture somebody — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কাউকে শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন করা, যা এই ইডিয়মের সাথে মেলে না। B) to harm someone — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কারো ক্ষতি করা, অথচ মূল প্রবাদটি কেবল দূরত্ব বজায় রাখা বা অবহেলার সাথে জড়িত। C) to appreciate soe one — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কারো প্রশংসা করা, যা অবহেলা করার সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) to egnore somebody — এটি সঠিক অপশন কারণ এই ইডিয়মটি কাউকে গুরুত্ব না দেওয়া বা এড়িয়ে চলার অর্থ প্রকাশ করতেই ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: শীতের দিনে কেউ ঠান্ডা কাঁধ বা শরীর দেখালে আমরা যেমন তার কাছে যাই না, তেমনি কেউ আমাদের এড়িয়ে গেলে আমরা বলি তাকে কোল্ড শোল্ডার দেওয়া হয়েছে।
a Jane Austen
b Syed Waliullah
c Somerset Maugham
d Rabindranath Tagore
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Rabindranath Tagore কেন সঠিক: এই উদ্ধৃতিটি জন ডানের দ্য ক্যানালাইজেশন কবিতা থেকে নেওয়া হলেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর যোগাযোগ উপন্যাসে এটি ব্যবহার করেছেন। উপন্যাসের একটি চরিত্রের মুখের কথা হিসেবে এটি বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jane Austen — জেন অস্টিন মূলত প্রেমের এবং সামাজিক বাস্তবতার উপন্যাস লিখেছেন, যেখানে এই ধরনের ব্রিটিশ কবিতার উদ্ধৃতি সাধারণত ব্যবহার করা হয়নি। B) Syed Waliullah — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ একজন বিখ্যাত বাঙালি ঔপন্যাসিক হলেও তাঁর উপন্যাসে এই ধরনের ইংরেজি কবিতার লাইন পাওয়া যায় না। C) Somerset Maugham — সমারসেট মম ইংরেজি সাহিত্যের জনপ্রিয় লেখক হলেও তাঁর কোনো উপন্যাসের সঙ্গে এই উত্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Rabindranath Tagore — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যোগাযোগ উপন্যাসের সঙ্গে জন ডানের কবিতার এই লাইনটি মনে রাখবে।
a weight
b jungle
c sea
d Gravity
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Gravity কেন সঠিক: বরফ যেমন ঠাণ্ডা হওয়াটা তার স্বাভাবিক ও প্রধান বৈশিষ্ট্য, ঠিক তেমনি পৃথিবীর ক্ষেত্রে তার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বা গ্র্যাভিটি একটি মৌলিক এবং প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য। বরফের যেমন নিজস্ব শীতলতা বা কোল্ডনেস থাকে, তেমনি পৃথিবীর নিজস্ব টান বা গ্র্যাভিটি থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) weight — ওজন পৃথিবীর একটি বৈশিষ্ট্য হলেও এটি সার্বজনীন নয় কারণ একেক বস্তুর ওজন একেক রকম হয়। B) jungle — জঙ্গল পৃথিবীর একটি অংশ মাত্র, কিন্তু বরফের মতো কোনো অপরিহার্য বা মৌলিক বৈশিষ্ট্য নয়। C) sea — সমুদ্র পৃথিবীর উপরিভাগের একটি উপাদান, যা বরফের শীতলতার মতো সরাসরি কোনো প্রকৃতির পরিমাপক নয়। D) Gravity — এটি সঠিক কারণ মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবী গ্রহের একটি অপরিবর্তনীয় ও মূল প্রাকৃতিক ধর্ম। মনে রাখার টিপস: শব্দ দুটির পারস্পরিক সম্পর্ক খেয়াল করতে হবে, যেখানে প্রথমটি তার প্রধান প্রাকৃতিক গুণের সাথে যুক্ত থাকে।
a Maxim Gorky
b Boris Pasternak
c Fyodor Dostoevsky
d Leo Tolstoy
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Boris Pasternak কেন সঠিক: রুশ সাহিত্যের বিখ্যাত উপন্যাস ডক্টর জিভাকো লিখেছিলেন বরিস পাস্তরনাক। এই উপন্যাসের জন্য তিনি উনিশ শত আটান্ন সালে নোবেল পুরস্কার পান। বইটি সোভিয়েত ইউনিয়নে নিষিদ্ধ হলেও বিদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। উপন্যাসের মূল চরিত্র ইউরি জিভাকোর জীবনের মাধ্যমে রাশিয়ান বিপ্লবের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Maxim Gorky — তিনি মাদার ও দ্য লোয়ার ডেপথ্স নাটকের মতো বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের রচিয়তা। B) Boris Pasternak — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে লেখকের নাম এবং কারণ প্রযোজ্য নয়। C) Fyodor Dostoevsky — তিনি ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট এবং ব্রাদার্স কারামাজভ উপন্যাসের জন্য বিশ্বখ্যাত। D) Leo Tolstoy — তিনি ওয়ার অ্যান্ড পিস এবং অ্যানা কারেনিনা উপন্যাসের অমর স্রষ্টা। মনে রাখার টিপস: ডক্টর জিভাকো উপন্যাসের নামের সাথে বরিস পাস্তরনাক নামটি মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকবে।
a Madhusudan Dutt
b Allen Ginsberg
c Kaiser Haq
d Vikram Seth
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Allen Ginsberg কেন সঠিক: আমেরিকান কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও শরণার্থীদের কষ্টের কথা তুলে ধরে এই বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতাটি রচনা করেন। যশোর রোডের শরণার্থী শিবিরের মানবেতর জীবন তিনি নিজের চোখে দেখে এই কবিতাটি লিখে বিশ্ববাসীর বিবেক নাড়া দিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Michael Madhusudan Dutt — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও নাট্যকার যিনি ইংরেজি কাব্যেও অবদান রেখেছিলেন। C) Kaiser Haq — তিনি একজন আধুনিক বাংলাদেশি ইংরেজি কবি ও অধ্যাপক যিনি মূলত বর্তমান সময়ের লেখালেখির জন্য পরিচিত। D) Vikram Seth — তিনি সমসাময়িক একজন ভারতীয় ঔপন্যাসিক ও কবি যিনি মূলত তার উপন্যাস ও ভ্রমণকাহিনীর জন্য বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: যশোর রোডের শরণার্থী নিয়ে লেখা এই বিখ্যাত কবিতাটি একজন বিদেশি কবির লেখা, আর তার নাম অ্যালেন গিন্সবার্গ।
a is
b are
c was
d were
0 152 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: Police শব্দটি দেখতে একবচন মনে হলেও এটি সর্বদা বহুবচন হিসেবে গণ্য হয়। তাই এর সাথে plural verb বসবে। বাক্যের শেষে yesterday থাকায় এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স নির্দেশ করে এবং plural verb হিসেবে were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি singular present verb হওয়ায় plural subject police এর সাথে বসে না। B) are — এটি present tense নির্দেশ করে, কিন্তু বাক্যে yesterday থাকায় past tense হবে। C) was — এটি singular past verb হওয়ায় plural subject police এর সাথে বসে না। D) were — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি সঠিক অপশন। মনে রাখার টিপস: Police, People, Cattle ইত্যাদি নাউন দেখতে singular হলেও grammatically সর্বদা plural হয় এবং এদের পরে plural verb বসে।
a shall
b will
c would
d may
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) would কেন সঠিক: বাক্যটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল বা অসম্ভব কল্পনার প্রকাশ করে। তাই if যুক্ত clause-এ past indefinite tense থাকলে মূল clause-এ would বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shall — এটি ভবিষ্যতের বা Present tense-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা অবাস্তব কল্পনার এই বাক্যের নিয়মের সাথে মিলে না। B) will — এটি ভবিষ্যৎকালের নিশ্চয়তা বোঝাতে বসে, কিন্তু এটি Past tense-এর সাথে বসে সেকেন্ড কন্ডিশনাল গঠন করতে পারে না। C) would — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি কন্ডিশনাল সেন্টেন্সের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহৃত হয়েছে। D) may — এটি সম্ভাবনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা অবাস্তব বা কাল্পনিক শর্তের ফলাফল প্রকাশ করার জন্য সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: If যুক্ত বাক্যে past indefinite থাকলে পরের অংশে always would ব্যবহার করবে।
a Furnitures
b Infomations
c Sceneries
d Proceeds
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Proceeds কেন সঠিক: Proceeds শব্দটি সবসময় বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর অর্থ আয় বা লভ্যাংশ। এটি বাক্যে নাউন হিসেবে বসে এবং এর সাথে কখনো এস যোগ করে বহুবচন করতে হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Furnitures — Furniture একটি আনকাউন্টেবল নাউন তাই এর সাথে এস যোগ করা যায় না। B) Infomations — Information শব্দটির সাথে কখনো এস বা ইএস যোগ করে বহুবচন করা যায় না। C) Sceneries — Scenery একটি আনকাউন্টেবল নাউন তাই এর প্লুরাল ফর্ম হয় না। D) Proceeds — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটি সবসময় বহুবচন রূপেই ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কিছু নাউন যেমন furniture, information ও scenery সবসময় আনকাউন্টেবল হয় এবং proceed বা similar শব্দগুলোর বিশেষ রূপ থাকে।
a bring
b me
c that
d book
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) that কেন সঠিক: এখানে that শব্দটি book নাউনের ঠিক আগে বসে নির্দিষ্ট করে বোঝাচ্ছে। তাই এটি একটি ডেটারমিনার বা নির্দেশক হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bring — এটি বাক্যের একটি মূল ভার্ব বা কাজ বোঝাচ্ছে। তাই এটি কোনো ডেটারমিনার হতে পারে না। B) me — এটি একটি প্রোনাউন বা সর্বনাম যা অবজেক্ট হিসেবে বসেছে। তাই এটি ডেটারমিনার নয়। C) that — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) book — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য যা বাক্যের অবজেক্ট হিসেবে বসেছে। তাই এটি ডেটারমিনার নয়। মনে রাখার টিপস: নাউনের ঠিক আগে বসে যা নির্দেশ করে, সেটাই ডেটারমিনার।
a an adverb
b a preposition
c an adjective
d a verb
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) an adjective কেন সঠিক: এখানে falling শব্দটি star নাউনের ঠিক পূর্বে বসে সেটির অবস্থা বা গুণ প্রকাশ করছে। নাউনের দোষ গুণ প্রকাশ করায় এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করেছে। participle যখন নাউনের আগে বসে তখন তা অ্যাডজেক্টিভ হয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an adverb — এটি বাক্যের কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অব্যয়কে মডিফাই করছে না। B) a preposition — এটি কোনো পজিশন বা সম্পর্ক বোঝাচ্ছে না। C) an adjective — এটি নিজে সঠিক উত্তর তাই ভুল নয়। D) a verb — এখানে মূল ভার্ব হলো catch এবং falling শব্দটি ভার্বের কাজ করছে না। মনে রাখার টিপস: কোনো ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি নাউনের আগে বসে তার দোষ গুণ প্রকাশ করে, তবে তা অ্যাডজেক্টিভ হয়।
a in
b on
c over
d at
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) on কেন সঠিক: মানচিত্র বা পৃষ্ঠার উপরে কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা ভৌগোলিক অবস্থান বোঝাতে সাধারণত preposition হিসাবে on ব্যবহৃত হয়। তাই এখানে Bangladesh এর আগে on বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in - সাধারণত কোনো বড় এলাকা বা সীমানার ভেতরে বোঝাতে in বসে, যা মানচিত্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) on - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) over - কোনো কিছুর ঠিক উপরে ঝুলন্ত অবস্থা বা স্পর্শ না করে ওপরে থাকা বোঝালে over বসে। D) at - নির্দিষ্ট কোনো ছোট স্থান, বিন্দু বা ঠিকানার ক্ষেত্রে at ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: মানচিত্রের পৃষ্ঠার উপরে কিছু খোঁজা বা দেখানোর ক্ষেত্রে সবসময় on preposition ব্যবহার করতে হয়।
a gerund
b participle
c verbal noun
d gerundial infinitive
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) participle কেন সঠিক: - এখানে flying শব্দটি bird নাউনকে মডিফাই করেছে এবং একই সাথে ভার্ব ও এডজেক্টিভের কাজ করছে। - ভার্ব এবং এডজেক্টিভের দ্বৈত কাজ করার কারণে এটি একটি participle। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gerund — এটি noun এবং verb এর কাজ করে নাউন এর মতো বসে, কিন্তু এখানে শব্দটি এডজেক্টিভ হিসেবে বসেছে। B) participle — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে একই সাথে verb ও adjective এর কাজ করেছে। C) verbal noun — এটি the এবং of এর মাঝে বসে noun এর কাজ করে, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়। D) gerundial infinitive — এটি to+verb এর কাজ বোঝায়, যা এই বাক্যের গঠন অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: noun এর ঠিক পূর্বে বসে যখন ing যুক্ত কোনো শব্দ তার দোষ গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, তখন তা participle হয়।
a pair of jean
b pairs of jean
c pair of jeans
d pairs of jeans
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) pairs of jeans কেন সঠিক: সংখ্যা বা পরিমাপ বোঝাতে pair শব্দটির বহুবচন হিসেবে pairs ব্যবহার করতে হয়। এছাড়া জিন্স বা ট্রাউজার্স জাতীয় পোশাক সর্বদা plural form বা jeans হিসেবেই লেখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pair of jean — pair শব্দটির আগে নির্দিষ্ট সংখ্যা বোঝালে pairs হয় এবং jean-এর সাথে s যুক্ত না করায় এটি ভুল। B) pairs of jean — jean শব্দটিকে একবচন রাখা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয় কারণ এটি সর্বদা plural হয়। C) pair of jeans — এখানে সংখ্যা দুই থাকা সত্ত্বেও pair-কে বহুবচন করা হয়নি, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: দুই বা ততোধিক জোড়া বোঝালে pairs লিখতে হয় এবং ট্রাউজার্স বা জিন্স জাতীয় কাপড়ের ক্ষেত্রে সর্বদা jeans বলতে হয়।
a Clemency
b Entharl
c Erudition
d Fathom
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Clemency কেন সঠিক: Clemency শব্দের অর্থ হলো অনুকম্পা, দয়া বা ক্ষমা প্রদর্শন করা। এটি অপরাধীকে শাস্তি কমানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Clemency — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অনুকম্পা। B) Entharl — এটি বানান ভুল বা ভুল শব্দ, এর কোনো উপযুক্ত অর্থ নেই। C) Erudition — এর অর্থ পাণ্ডিত্য বা গভীর জ্ঞান, যা অনুকম্পার সাথে মেলে না। D) Fathom — এর অর্থ কোনো কিছুর গভীরতা মাপা বা বোঝা। মনে রাখার টিপস: Clemency শব্দটির সাথে Mercy শব্দের মিল আছে, যা দিয়ে দয়া বা অনুকম্পা বোঝায়।
a Caesarean
b caesarean
c ciserian
d scissorian
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Caesarean কেন সঠিক: ল্যাটিন শব্দ সিজার থেকে এই চিকিৎসাসংক্রান্ত বানানটি এসেছে। তাই এর শুরুতে সি-এ-ই-এস-এ-আর এবং বড় হাতের অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Caesarean — এটি সঠিক বানান কারণ এতে সঠিক ল্যাটিন মূল এবং ক্যাপিটাল লেটার ব্যবহার করা হয়েছে। B) caesarean — এটি ভুল কারণ শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের লেখা হয়নি, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিশেষ নামের ক্ষেত্রে প্রয়োজন। C) ciserian — এটি ভুল বানান কারণ এর উচ্চারণ ও বানান ল্যাটিন উৎসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি। D) scissorian — এটি ভুল কারণ এটি কাঁচি বা কাটার ইংরেজি শব্দ সিজর এর সাথে মিলিয়ে ভুলভাবে তৈরি করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সিজারিয়ান বানানের শুরুতে সি-এ-ই থাকে এবং চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশেষ নাম হওয়ায় প্রথম অক্ষর সব সময় বড় হাতের হয়।
a A form of drama
b A face cover
c a substance used in making perfume
d a disguise
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A face cover কেন সঠিক: মুখ ঢেকে রাখার জন্য বা চেহারা লুকানোর জন্য এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি সাধারণত উৎসব বা নাচের সময় মুখে পরে থাকতে দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A form of drama — এটি কোনো নাটকের ধরণ বা রূপ বোঝায় না। B) A face cover — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ মুখের আবরণ। C) a substance used in making perfume — এটি সুগন্ধি তৈরির কোনো উপাদানকে বোঝায় না। D) a disguise — এটি ছদ্মবেশ ধারণ করার সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: মাস্ক বা মুখোস মানে হলো মুখ ঢেকে রাখার একটি আবরণ যা আমরা সাধারণত সাজসজ্জা বা সুরক্ষার জন্য মুখে পরে থাকি।
a poem
b play
c drama
d works
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) works কেন সঠিক: এখানে শেক্সপিয়রের সমস্ত সাহিত্যকর্ম বা সমগ্র রচনা বোঝাতে 'works' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। সাধারণ লেখকের সামগ্রিক সৃষ্টি বা কাজের সমষ্টি বোঝাতে এই বহুবচন রূপটি সঠিকভাবে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) poem — এটি একবচন এবং শেক্সপিয়রের সব কবিতাকে এক সাথে বোঝানোর জন্য এটি সঠিক শব্দ নয়। B) play — নাটকগুলোর একটি নির্দিষ্ট দলের ক্ষেত্রে 'plays' হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু 'most of the' এর পর একবচন চলে না। C) drama — এটিও একবচন হিসেবে আছে এবং শেক্সপিয়রের সমস্ত নাটককে সামগ্রিকভাবে বোঝাতে এই শব্দটি সরাসরি বসে না। মনে রাখার টিপস: কারো সমগ্র সাহিত্যকর্ম বা সৃষ্টি বোঝাতে সবসময় 'works' শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a deer
b horse
c elephent
d tigre
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) deer কেন সঠিক: - কিছু ইংরেজী নাউন এর একবচন ও বহুবচন রূপ একই থাকে। - deer শব্দের প্লুরাল ফর্ম সবসময় deer ই হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) deer — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল কারণ উপরে উল্লেখ করা হয়েছে। B) horse — এর সঠিক প্লুরাল ফর্ম হলো horses। C) elephent — এখানে বানান ভুল আছে, সঠিক বানান elephant এবং এর প্লুরাল হলো elephants। D) tigre — এখানে বানান ভুল আছে, সঠিক বানান tiger এবং এর প্লুরাল হলো tigers। মনে রাখার টিপস: deer, sheep, fish ইত্যাদি প্রাণীর নামগুলোর বহুবচন রূপ সাধারণত একবচনের মতোই অপরিবর্তিত থাকে।
a to treat it
b to sterilize it
c to poison it
d yo cure it
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) yo cure it কেন সঠিক: এখানে 'doctor' শব্দটিকে ভার্ব হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ কোনো অসুস্থ প্রাণীকে সুস্থ করে তোলা। তাই সাধারণ চিকিৎসার মাধ্যমে কোনো প্রাণীকে সারিয়ে তোলা বোঝাতে এই অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to treat it — এটি ভুল কারণ চিকিৎসা করা মানেই পুরোপুরি সুস্থ করা বোঝায় না, রোগ নিরাময় হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। B) to sterilize it — এটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো প্রজনন ক্ষমতা রোধ করা, যা অসুস্থতা সারানোর সমার্থক নয়। C) to poison it — এটি ভুল কারণ বিষ প্রয়োগ করা মানে প্রাণীর জীবন বিপন্ন করা, যা সুস্থ করার সম্পূর্ণ বিপরীত। D) yo cure it — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ রোগ নিরাময় করা বা সুস্থ করে তোলা। মনে রাখার টিপস: noun হিসেবে doctor হলো চিকিৎসক, আর verb হিসেবে এর অর্থ হলো কোনো কিছুর চিকিৎসা করে তা ভালো করা।
a 241
b 243
c 245
d 247
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪৩ প্রদত্ত তথ্য: ধারার প্রথম সংখ্যা = ৩ ধারার দ্বিতীয় সংখ্যা = ৯ ধারার তৃতীয় সংখ্যা = ২৭ ধরি, ধারার প্রতিটি পদের অনুপাত বের করতে হবে দ্বিতীয় পদ ÷ প্রথম পদ = ৯ ÷ ৩ = ৩ তৃতীয় পদ ÷ দ্বিতীয় পদ = ২৭ ÷ ৯ = ৩ অতএব, ধারাটি একটি গুণোত্তর ধারা যার সাধারণ অনুপাত = ৩ চতুর্থ পদ = ৮১ × ৩ = ২৪৩ সুতরাং, ধারার পরবর্তী ও শেষ সংখ্যাটি হলো ২৪৩ উত্তর: ২৪৩
a 3
b 2
c 1331​
d −13−31​
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই এর সমান মাইনাস দুই চলক হিসেবে এক্স এর মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি একটি সাধারণ বীজগণিতিক সমীকরণ যেখানে এক্স হলো অজানা চলক অতএব, সমীকরণের নিয়ম অনুযায়ী পক্ষান্তর করতে হবে চিহ্নের পরিবর্তন করে মান বের করতে হবে সুতরাং, হিসাব সম্পন্ন করে এক্স এর সঠিক মান পাওয়া গেল উত্তর: ৩
a 60 তম পদ
b 70 তম পদ
c 90 তম পদ
d 100 তম পদ
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ তম পদ প্রدত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ৫ + ৮ + ১১ + ১৪ + ... ধারাটির প্রথম পদ, a = ৫ ধরি, সাধারণ পার্থক্য, d = ৮ − ৫ = ৩ ধরি, ধারাটির n-তম পদ = ৩০২ অতএব, আমরা জানি, n-তম পদ = a + (n − ১) × d মান বসিয়ে পাই, ৫ + (n − ১) × ৩ = ৩০২ সুতরাং, ৩ × (n − ১) = ৩০২ − ৫ = ২৯৭ (n − ১) = ২৯৭ ÷ ৩ = ৯৯ উত্তর: n = ৯৯ + ১ = ১০০ তম পদ
a a
b b
c c
d d
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a প্রদত্ত তথ্য: চিত্রটিতে বিভিন্ন ছোট অংশ দেওয়া আছে অংশগুলো একে অপরের সাথে যুক্ত করার নিয়ম দেওয়া আছে ধরি, প্রথম অংশটি ক দ্বিতীয় অংশটি খ তৃতীয় অংশটি গ অতএব, ক এবং খ অংশ দুটি পাশাপাশি বসালে মিল পাওয়া যায় গ অংশটি তাদের সাথে নিচে যুক্ত হয় সুতরাং, সব অংশ মিলে একটি সম্পূর্ণ নির্দিষ্ট চিত্র তৈরি হয় উত্তর: a
a 3443​
b 2332​
c 1331​
d 1441​
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ ÷ ৩ প্রদত্ত তথ্য: P(A) = ১ ÷ ৩ P(B) = ২ ÷ ৩ A ও B দুটি স্বাধীন ঘটনা ধরি, ঘটনা দুটি স্বাধীন হওয়ায় শর্ত প্রযোজ্য হবে অতএব, শর্তানুসারে P(A এবং B) = P(A) × P(B) সুতরাং, স্বাধীন ঘটনার ক্ষেত্রে P(B ÷ A) এর মান সর্বদা P(B) এর সমান হয় উত্তর: ২ ÷ ৩
a 54𝑁N54​
b 𝑇1818T​
c 152521​
d 𝑉3636V​
0 144 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 36V প্রদত্ত তথ্য: সিরিজটি হলো 15A, 21G, 28N, ?? ধরি, পদগুলোর সংখ্যা এবং ইংরেজি বর্ণ আলাদাভাবে পরিবর্তন হচ্ছে অতএব, সংখ্যার ক্রম হলো 15, 21, 28 পার্থক্যগুলো হলো 6, 7, পরবর্তী পার্থক্য হবে 8 সুতরাং, পরবর্তী সংখ্যাটি হবে 28 + 8 = 36 উত্তর: 36V
a ১ঃ২
b ৫ঃ২
c ২ঃ১
d ৪ঃ১
0 175 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ঃ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের পরিসীমার সমান ধরি, দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪क অতএব, প্রথম বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪ক প্রথম বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = ৪ক × √২ সুতরাং, দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = ক × √২ বর্গক্ষেত্র দুটির কর্ণের অনুপাত = (৪ক × √২) ÷ (ক × √২) উত্তর: ৪ঃ১
a ১.৫ মিটার
b ২.৫ মিটার
c ৩ মিটার
d ৩.৫ মিটার
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২.৫ মিটার প্রদত্ত তথ্য: চৌবাচ্চায় পানির পরিমাণ = ৮০০০ লিটার চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য = ২৫৬ মিটার চৌবাচ্চার প্রস্থ = ১২৫ মিটার ধরি, চৌবাচ্চার গভীরতা = ক মিটার আমরা জানি, ১০০০ লিটার = ১ ঘনমিটার অতএব, চৌবাচ্চায় পানির পরিমাণ ঘনমিটারে = ৮০০০ ÷ ১০০০ = ৮ ঘনমিটার চৌবাচ্চার আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × গভীরতা সুতরাং, ২৫৬ × ১২৫ × ক = ৮ ক = ৮ ÷ (২৫৬ × ১২৫) উত্তর: ২.৫ মিটার
a ৪৬০.২০ টাকা
b ৫৫৪.৪০ টাকা
c ৬২০.৬০ টাকা
d ৭৩০.৮০ টাকা
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৫৪.৪০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রাথমিক মোবাইল বিল = ৪২০ টাকা এক বছর পর বিল বৃদ্ধি = ১০% আরো ছয় মাস পর বিল বৃদ্ধি = ২০% ধরি, প্রথম বছরের শেষের বিল = প্রাথমিক বিল + (প্রাথমিক বিলের ১০%) ছয় মাস পর নতুন বিল = প্রথম বছরের বিল + (প্রথম বছরের বিলের ২০%) মোট সময় = ১২ মাস + ৬ মাস = ১৮ মাস অতএব, প্রথম বছরের শেষের বিল = ৪২০ + (৪২০ × ১০ ÷ ১০০) প্রথম বছরের শেষের বিল = ৪২০ + ৪২ = ৪৬২ টাকা সুতরাং, ১৮ মাস পর চূড়ান্ত বিল = ৪৬২ + (৪৬২ × ২০ ÷ ১০০) ১৮ মাস পর চূড়ান্ত বিল = ৪৬২ + ৯২.৪০ = ৫৫৪.৪০ টাকা উত্তর: ৫৫৪.৪০ টাকা
a ৪.২৫% লাভ
b ৫.২৫% ক্ষতি
c ৬.২৫% ক্ষতি
d ৭.২৫% লাভ
0 144 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.২৫% ক্ষতি প্রদত্ত তথ্য: টাকায় ৩টি এবং টাকায় ৫টি দরে সমান সংখ্যক আমলকি ক্রয় টাকায় ৪টি দরে আমলকি বিক্রয় ধরি, ৩ ও ৫ এর লসাগু ১৫ টি আমলকি ক্রয় করলেন প্রথম ক্ষেত্রে ১৫টি আমলকির ক্রয়মূল্য = ১৫ ÷ ৩ = ৫ টাকা অতএব, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ১৫টি আমলকির ক্রয়মূল্য = ১৫ ÷ ৫ = ৩ টাকা মোট ৩০টি আমলকির মোট ক্রয়মূল্য = ৫ + ৩ = ৮ টাকা ৩০টি আমলকির মোট বিক্রয়মূল্য = ৩০ ÷ ৪ = ৭.৫০ টাকা সুতরাং, মোট ক্ষতি = ৮ − ৭.৫০ = ০.৫০ টাকা শতকরা ক্ষতি = (০.৫০ ÷ ৮) × ১০০% = ৬.২৫% উত্তর: ৬.২৫% ক্ষতি
a 1221​
b 1551​
c 2552​
d 5225​
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫৫২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটির শতক ও দশকের ঘর সমান সংখ্যাটির হাজার ও এককের ঘর সমান ধরি, সংখ্যাটির হাজার ও এককের ঘরের অঙ্ক = ২ সংখ্যাটির শতক ও দশকের ঘরের অঙ্ক = ৫ অতএব, হাজার ঘরের মান = ২ হাজার শতক ঘরের মান = ৫ শত দশক ঘরের মান = ৫ দশক একক ঘরের মান = ২ একক সুতরাং, সংখ্যাটি গঠিত হয় এভাবে হাজার ও এককের ঘরে ২ এবং শতক ও দশকের ঘরে ৫ বসিয়ে উত্তর: ২৫৫২
a 4
b 8
c 12
d 16
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস চারগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r অতএব, পরিবর্তিত ব্যাস চারগুণ হলে ব্যাসার্ধ হয় = ৪r নতুন ক্ষেত্রফল = π × ৪r × ৪r সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = ১৬ × (π × r × r) উত্তর: ১৬
a ৪ কি.মি./ঘণ্টা
b ৫ কি.মি/ঘণ্টা
c ৬ কি.মি./ ঘণ্টা
d ৭.৫ কি.মি./ঘণ্টা
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ কি.মি/ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: মোট দূরত্বের পরিমাণ = ৩০ কিমি জয়নুলের সময় রনির থেকে বেশি লাগে = ২ ঘণ্টা জয়নুলের গতি দ্বিগুণ করলে সময় কম লাগে = ১ ঘণ্টা ধরি, রনির গতিবেগ = ক কিমি প্রতি ঘণ্টা জয়নুলের প্রাথমিক গতিবেগ = খ কিমি প্রতি ঘণ্টা অতএব, ৩০ ÷ খ − ৩০ ÷ ক = ২ ৩০ ÷ (২ × খ) − ৩০ ÷ ক = −১ সুতরাং, সমীকরণ দুটি সমাধান করে পাওয়া যায় খ = ৫ উত্তর: ৫ কি.মি/ঘণ্টা
a 25
b 30
c 35
d 49
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে শুরু করে ৪৯ পর্যন্ত ধারাবাহিক সংখ্যাগুলো দেওয়া আছে ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ১ শেষ সংখ্যাটি = ৪৯ অতএব, মোট পদের সংখ্যা = ৪৯ সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × (পদসংখ্যা ÷ ২) সুতরাং, সমষ্টি = (১ + ৪৯) × (৪৯ ÷ ২) = ৫০ × (৪৯ ÷ ২) = ১২২৫ উত্তর: গড় = ১২২৫ ÷ ৪৯ = ২৫
a ৩ প্রকারে
b ৪ প্রকারে
c ৬ প্রকারে
d ৫ প্রকারে
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ প্রকারে প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ৫১০ টাকা নোটের ধরণ = ২০ টাকার নোট এবং ৫০ টাকার নোট ধরি, ২০ টাকার নোটের সংখ্যা = x ৫০ টাকার নোটের সংখ্যা = y অতএব, শর্তানুসারে, ২০x + ৫০y = ৫১০ এখানে x এবং y পূর্ণসংখ্যা হতে হবে সুতরাং, y এর মান ১ হলে, ২০x + ৫০ = ৫১০, ফলে x = ২৩ y এর মান ৬ হলে, ২০x + ৩০০ = ৫১০, ফলে x = ২১ y এর মান ১১ হলে, ২০x + ৫৫০ = ৫১০, যা সম্ভব নয় উত্তর: অনুরোধ রক্ষার মোট উপায় সংখ্যা = ৫ প্রকারে
a (−∞,−1)∪(4,+∞)(−∞,−1)∪(4,+∞)
b (−∞,−2)∪(5,+∞)(−∞,−2)∪(5,+∞)
c (∞,2)∪(5,+∞)(∞,2)∪(5,+∞)
d (−5,−∞)∪(∞,2)(−5,−∞)∪(∞,2)
0 129 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (−∞,−2)∪(5,+∞) প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো যার সমাধান নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রদত্ত রাশিটিকে শূন্যের সাথে তুলনা করে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, উৎপادকগুলো থেকে মূল বিন্দুগুলো পাওয়া যায় মাইনাস দুই এবং পাঁচ সুতরাং, মূল বিন্দুগুলোর বাইরের অংশই হবে নির্ণয় সমাধান উত্তর: (−∞,−2)∪(5,+∞)
a 136
b 137
c 138
d 140
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৩৭ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্মকমিশন গঠিত হয়। - এই অনুচ্ছেদে এক বা একাধিক সরকারি কর্মকমিশন গঠনের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিকে প্রদান করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৬ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি কর্মকমিশনের কার্যক্ষেত্র আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রণের বিধান রয়েছে। B) ১৩৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদ অনুসারেই সরকারি কর্মকমিশন গঠিত হয়। C) ১৩৮ — এই অনুচ্ছেদে কমিশনের সদস্যগণের নিয়োগ ও পদের শর্তাবলী সম্পর্কে বলা হয়েছে। D) ১৪০ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি কর্মকমিশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সাত (১৩৭) তলার ওপর দাঁড়িয়ে পিএসসি বা সরকারি কর্মকমিশন গঠন করা হলো, এভাবে ১৩৭ অনুচ্ছেদটি মনে রাখতে পারো।
a ধীরে বহে মেঘনা
b কলমিলতা
c আবার তোরা মানুষ হ
d হুলিয়া
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) হুলিয়া কেন সঠিক: - নির্মলেন্দু গুণ রচিত বিখ্যাত কবিতা অবলম্বনে তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত এটি একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। - ১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই চলচ্চিত্রে গ্রামীণ পটভূমিতে একজন মুক্তিযোদ্ধার অবরুদ্ধ জীবন ও সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধীরে বহে মেঘনা — এটি আলমগীর কবির পরিচালিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য নয়। B) কলমিলতা — এটি শহীদুল হক খান পরিচালিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। C) আবার তোরা মানুষ হ — এটি খান আতাউর রহমান পরিচালিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। D) হুলিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বললে তানভীর মোকাম্মেলের হুলিয়া মনে রাখবে।
a ৩টি
b ৫টি
c ৭টি
d ৯টি
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ৭টি কেন সঠিক: - ২০২০ সালের ১৭ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল শীর্ষ বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য মোট সাতটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। - এই চুক্তিগুলোর মধ্যে hydrocarbon sector cooperation, elephant conservation এবং local government bodies-এর মধ্যে সহযোগিতা উল্লেখযোগ্য ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — এই সংখ্যাটি ২০২০ সালের শীর্ষ সম্মেলনের বাস্তবসম্মত তথ্য নয় কারণ স্বাক্ষরিত স্মারকের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি ছিল। B) ৫টি — ৫টি সমঝোতা স্মারকের তথ্যটি সঠিক নয়, কারণ সম্মেলনে মোট সাতটি ক্ষেত্রে চুক্তি হয়েছিল। C) ৭টি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ উক্ত বৈঠকে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের অনুমোদন ও স্বাক্ষর সম্পন্ন করেন। D) ৯টি — ৯টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার তথ্যটি সঠিক নয়, প্রকৃত সংখ্যা ছিল সাতটি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ-ভারত ২০২০ সালের ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে মোট ৭টি চুক্তি বা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
a পূর্ববঙ্গ
b পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা
c পূর্ব্বঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ
d পূর্ববঙ্গ ও আসাম
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পূর্ববঙ্গ ও আসাম কেন সঠিক: - ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ব্রিটিশ ভারতের লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেন এবং নতুন প্রদেশ হিসেবে পূর্ববঙ্গ ও আসাম গঠন করেন। - এর রাজধানী ঢাকা এবং লেফটেন্যান্ট গভর্নর হিসেবে জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ববঙ্গ — এটি একা নতুন কোনো প্রদেশ ছিল না, এর সঙ্গে আসাম যুক্ত করে একটি নতুন প্রদেশ করা হয়েছিল। B) পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা — ত্রিপুরা কোনো নতুন প্রদেশ ছিল না, এটি একটি স্বাধীন দেশীয় রাজ্য ছিল। C) পূর্ব্বঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ — এই নামে কোনো একক নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়নি, বঙ্গভঙ্গ মূলত পূর্ব ও পশ্চিম ভাগে বিভক্ত হয়েছিল। D) পূর্ববঙ্গ ও আসাম — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গভঙ্গের ফলে গঠিত নতুন প্রদেশের সঙ্গে আসাম যুক্ত ছিল, যা মনে রাখতে পূর্ববঙ্গ ও আসাম একসঙ্গে মনে রাখুন।
a ১৩টি
b ১৫টি
c ১৭টি
d ৩১টি
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭টি কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজির মোট লক্ষ্য ১৭টি। - ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা গৃহীত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩টি — এটি কোনো এসডিজি বা আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ সূচকের সঠিক সংখ্যা নয়। B) ১৫টি — এটি এসডিজির আগের রূপ এমডিজির বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সংখ্যা ছিল। C) ১৭টি — এটি এসডিজির নির্ধারিত সঠিক সংখ্যা। D) ৩১টি — এটি এসডিজির লক্ষ্য বা সূচকের সঠিক সংখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: এসডিজির লক্ষ্য ১৭টি এটি মনে রাখতে এস শব্দটির সাথে ১৭ সংখ্যাটি মিলিয়ে পড়তে পারো।
a জেনেভা
b রোম
c নিউইয়র্ক
d ওয়াশিংটন ডিসি
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জেনেভা কেন সঠিক: - WIPO বা বিশ্ব মেধা সম্পদ সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। - এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী মেধা সম্পদ রক্ষা ও এর উন্নয়নে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি WIPO এর সদর দপ্তর হিসেবে সঠিক। B) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও-এর সদর দপ্তর। C) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত। D) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: মেধা সংক্রান্ত বিশ্ব সংস্থাগুলোর বেশিরভাগ দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতেই অবস্থিত।
a আবুজা
b ঢাকা
c তেহরান
d ইস্তাম্বুল
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) তেহরান কেন সঠিক: - ডি-আট সংস্থার দশম শীর্ষ সম্মেলন ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে ইরানের রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত হয়। - করোনার কারণে এই সম্মেলনটি ভার্চুয়াল বা অনলাইন মাধ্যমে আয়োজন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুজা — এটি নাইজেরিয়ার সাবেক রাজধানী এবং ডি-আটের সদস্য রাষ্ট্র হলেও দশম শীর্ষ সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। B) ঢাকা — এই শহরটিতে ডি-আটের দশম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করা হয়। বিজয় দিবস এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ ডি-আটের ১১তম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে কাজ করেছে। D) ইস্তাম্বুল — এটি তুরস্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর এবং ডি-আটের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত হলেও দশম শীর্ষ সম্মেলনটি এখানে হয়নি। মনে রাখার টিপস: ডি-আট দশম সম্মেলন মনে রাখতে তেহরান শব্দটি মনে রাখুন, যা ২০২১ সালে অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a সৌদিআরব
b কুয়েত
c সংযুক্ত আরব আমিরাত
d ওমান
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন সঠিক: - ২০২০ সালের আগস্ট মাসে মার্কিন মধ্যস্থতায় আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরাইলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। - উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর মধ্যে প্রথম রাষ্ট্র হিসেবে আমিরাত ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদিআরব — বর্তমান সময় পর্যন্ত সৌদি আরব ইসরাইলের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেনি। B) কুয়েত — কুয়েত ইসরাইলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না এবং তাদের সাথে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। C) সংযুক্ত আরব আমিরাত — এটি সঠিক উত্তর, কারণ দেশটি ২০২০ সালে ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে। D) ওমান — ওমান কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন না করলেও বিভিন্ন সময় ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। মনে রাখার টিপস: আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে প্রথম উপসাগরীয় দেশ হিসেবে আমিরাত ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়।
a ৫ মে,২০২০
b ৪ জুন,২০২০
c ৬ জুলাই,২০২০
d ৮ আগস্ট,২০২০
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ জুন, ২০২০ কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্যে আয়োজিত এই ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। - গ্যাভি বা ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের টিকাদান কার্যক্রমের জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ মে, ২০২০ — এই তারিখে নির্ধারিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়নি। B) ৪ জুন, ২০২০ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই দিনেই সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) ৬ জুলাই, ২০২০ — এই তারিখে বৈশ্বিক টিকাদান সম্মেলনের কোনো আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ছিল না। D) ৮ আগস্ট, ২০২০ — এই তারিখটি এই ঐতিহাসিক সম্মেলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: করোনাকালে টিকাদানের জন্য জুনের চার তারিখ তহবিল সংগ্রহের সম্মেলন হয়েছিল।
a ১৯৯৫ সালে ডেনমার্ক
b ১৯৮৪ সালে বেলজিয়াম
c ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গে
d ১৯৯৬ সালে হাঙ্গেরিতে
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গে কেন সঠিক: - ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৮৫ সালের ১৪ জুন লুক্সেমবারგের শেনজেন নামক স্থানে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও এটি কার্যকর হয় ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ থেকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৫ সালে ডেনমার্ক — এই সালে শেনজেন চুক্তি কার্যকর হয়েছিল, কিন্তু চুক্তিটি ডেনমার্কে স্বাক্ষরিত হয়নি। B) ১৯৮৪ সালে বেলজিয়াম — এই সাল ও স্থানে শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। C) ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ চুক্তিটি এই দেশেই স্বাক্ষরিত হয়েছিল। D) ১৯৯৬ সালে হাঙ্গেরিতে — এই সাল ও স্থানের সঙ্গে শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: শেনজেন চুক্তি লুক্সেমবার্গের শেনজেন গ্রামে ১৯৮৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং এটি মূলত সীমান্তমুক্ত এলাকা গঠনের সঙ্গে যুক্ত।
a আর্টসাখ প্রজাতন্ত্র
b নাগর্নো-কারাবাখ
c ইয়েতেভান
d নাকার্চভান ছিটমহল
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাগর্নো-কারাবাখ কেন সঠিক: - নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের অংশ হিসেবে স্বীকৃত হলেও মূলত জাতিগত আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। - ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার সামরিক বাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্টসাখ প্রজাতন্ত্র — এটি নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের ঘোষিত একটি অশ্বীকৃত স্বাধীন প্রজাতন্ত্রের নাম, কোনো মূল ভূখণ্ড বা দেশের নাম নয়। B) নাগর্নো-কারাবাখ — এটিই সঠিক উত্তর, যা নিয়ে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে উভয় দেশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। C) ইয়েতেভান — এটি আর্মেনিয়ার রাজধানী শহর, যা এই সংঘর্ষের মূল রণক্ষেত্র বা বিরোধপূর্ণ অঞ্চল ছিল না। D) নাকার্চভান ছিটমহল — এটি আজারবাইজানের একটি ছিটমহল হলেও সেপ্টেম্বর মাসের প্রধান সংঘর্ষটি এই অঞ্চলে ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যকার যুদ্ধের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল বিতর্কিত অঞ্চল নাগর্নো-কারাবাখ।
a যুক্ত্রাজ্য
b যুক্তরাষ্ট্র
c চীন
d ভারত
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চীন প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা কেন সঠিক: - প্রাচীন চীনে রাজকর্মচারী নির্বাচনের জন্য সিভিল সার্ভিসের পূর্বসূরি হিসেবে 'ম্যাট্রিকুলেশন' বা পরীক্ষার প্রথা চালু হয়েছিল। - খ্রিস্টপূর্ব অব্দে হান রাজবংশের সময় থেকে মেধা যাচাইয়ের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগের এই আধুনিক ধারণার উন্মেষ ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্ত리즈্য — যুক্তরাজ্যে আধুনিক মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রচলন চীনের অনেক পরে ঊনবিংশ শতাব্দীতে শুরু হয়। B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্রে পেণ্ডলটন আইনের মাধ্যমে মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিস ব্যবস্থা চালু হয়, যা চীন বা যুক্তরাজ্যের চেয়ে বেশ আধুনিক। C) চীন — এই অপশনটি সঠিক, কারণ বিশ্বের প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ও মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার ব্যবস্থা চীনে চালু হয়েছিল। D) ভারত — ব্রিটিশ আমলে ভারতে সিভিল সার্ভিস চালু হলেও এর মূল উৎস বা আধুনিক উন্মেষ ঘটেছিল প্রাচীন চীনে। মনে রাখার টিপস: মেধাভিত্তিক চাকরির পরীক্ষা মানেই প্রাচীন চীন, যা বিশ্ব সভ্যতার একটি অনন্য ঐতিহাসিক অবদান।
a হামিদুজ্জামান খান
b রবিউল হোসাইন
c আব্দুর রাজ্জাক
d নিতুন কুন্ডু
0 129 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিতুন কুন্ডু কেন সঠিক: - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য সাবাস বাংলাদেশের স্থপতি নিতুন কুন্ডু। - এই ভাস্কর্যটি একাত্তরের মুক্তিসংগ্রামে তরুণ প্রজন্মের প্রাণপণ লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে নির্মিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুজ্জামান খান — তিনি সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যের স্থপতি নন, তবে তিনি অন্য অনেক বিখ্যাত ভাস্কর্যের স্থপতি। B) রবিউল হোসাইন — তিনি একজন প্রখ্যাত স্থপতি ও কবি হলেও এই ভাস্কর্যটির কাজ তিনি করেননি। C) আব্দুর রাজ্জাক — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাস্কর হলেও সাবাস বাংলাদেশ তাঁর শিল্পকর্ম নয়। D) নিতুন কুন্ডু — তিনি সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যের মূল স্থপতি হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: নিতুন কুন্ডুর সাবাস মন, তাই তিনি বানিয়েছেন সাবাস বাংলাদেশ।
a ২ মার্চ, ২০২০
b ২৫ জানুয়ারি, ২০২০
c ৩০ এপ্রিল, ২০২০
d ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: D) ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ কেন সঠিক: - ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি কাতারের দোহায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে এই ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং দীর্ঘ যুদ্ধের অবসান ঘটানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ মার্চ, ২০২০ — এই তারিখে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি ভুল তারিখ। B) ২৫ জানুয়ারি, ২০২০ — এটি মার্কিন তালেবান চুক্তির সঠিক তারিখ নয়। সি) ৩০ এপ্রিল, ২০২০ — এই তারিখে চুক্তি হয়নি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ — এটি সঠিক ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরের দিন। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের চুক্তিটি ২০২০ সালের লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষের ২৯ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
a ভার্সাই চুক্তি,১৯১৯
b ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি,১৬৪৮
c প্রা্যারিস চুক্তি, ১৭৮৩
d লুজান চুক্তি,১৯২৩
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি,১৬৪৮ কেন সঠিক: - ১৬১৮ থেকে ১৬৪৮ সাল পর্যন্ত ইউরোপে চলা দীর্ঘ ত্রিশ বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটায় এই চুক্তি। - এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপে আধুনিক জাতিরাষ্ট্রের ধারণা এবং সার্বভৌমত্বের মূলনীতি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভার্সাই চুক্তি,১৯১৯ — এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পরাজিত জার্মানির ওপর শর্ত চাপানোর জন্য স্বাক্ষরিত হয়েছিল। B) ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি,১৬৪৮ — এটি ত্রিশ বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটায় এবং আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্ম দেয়। C) প্যারিস চুক্তি,১৭৮৩ — এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রেট ব্রিটেন আমেরিকার স্বাধীনতা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নেয়। D) লুজান চুক্তি,১৯২৩ — এই চুক্তির মাধ্যমে আধুনিক তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শান্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। মনে রাখার টিপস: ত্রিশ বছরের যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটিয়েছিল ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি, যেখানে সালটি ছিল ১৬৪৮।
a IDB
b IMF
c WTO
d ADB
0 157 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) IMF কেন সঠিক: - ১৯৪৪ সালের ব্রটন উডস সম্মেলনে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল বা IMF এবং বিশ্বব্যাংক গঠিত হয়। - এই দুটি সংস্থাকে একত্রে ব্রটন উডস ইনস্টিটিউশনস বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IDB — এটি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, যা ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর অর্থায়নের জন্য ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। B) IMF — এটি ব্রটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) WTO — এটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, যা ১৯৯৫ সালে গ্যাট চুক্তির উত্তরসূরি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং ব্রটন উডস ব্যবস্থার অংশ নয়। D) ADB — এটি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, যা এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: ব্রটন উডস সম্মেলনের জমজ সন্তান বলা হয় বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফকে।
a ১৯৯৭ সালে
b ১৯৯৯ সালে
c ২০০৩ সালে
d ২০০৪ সালে
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৭ সালে কেন সঠিক: - গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর আন্তর্জাতিক চুক্তি কিয়োটো প্রটোকল ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটোতে গৃহীত হয়। - প্রটোকলটি ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৭ সালে — এটি সঠিক কারণ এই বছরেই কিয়োটো প্রটোকল আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত হয়েছিল। B) ১৯৯৯ সালে — এই সালে কিয়োটো প্রটোকল গৃহীত হয়নি, তাই এটি ভুল উত্তর। C) ২০০৩ সালে — এই সালে চুক্তিটি গৃহীত হয়নি, তাই এটি সঠিক অপশন নয়। D) ২০০৪ সালে — এই সালে কিয়োটো প্রটোকল গ্রহণের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা নেই। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৭ সালে গৃহীত হয় কিয়োটো প্রটোকল, যা পরিবেশ রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক চুক্তি।
a ২১ এপ্রিল
b ২ অক্টোবর
c ২৬ জানুয়ারি
d ১০ মে
0 148 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১ এপ্রিল কেন সঠিক: - ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বল্লভভাই প্যাটেল ১৯৪৭১ সালের এই দিনে অল ইন্ডিয়া সার্ভিসের প্রভিশনারি অফিসারদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছিলেন। - স্মরণে ২০০৬ সাল থেকে ভারতে ২১ এপ্রিল দিনটিকে সিভিল সার্ভিস দিবস হিসেবে পালন করা শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ এপ্রিল — এই দিনটি ভারতের সিভিল সার্ভিস দিবস হিসেবে পালিত হয়। B) ২ অক্টোবর — এটি ভারতের মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী এবং আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস। C) ২৬ জানুয়ারি — এই দিনটি ভারতের সাধারণতন্ত্র দিবস বা প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়। D) ১০ মে — এটি ভারতে ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের সূচনার ঐতিহাসিক স্মারক দিবস। মনে রাখার টিপস: ভারতের সিভিল সার্ভিসের জনক বল্লভভাই প্যাটেলের ভাষণের দিনটিকে মনে রাখতে বসন্তকালের ২১ এপ্রিল তারিখটি স্মরণ করতে হবে।
a 2000
b 2001
c 2003
d 2005
0 136 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০০০ কেন সঠিক: - কার্টাগানা প্রটোকল জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয়। - জীবপ্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে জীববৈচিত্র্যের ওপর যাতে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে, তা নিশ্চিত করতেই এই প্রটোকল সাক্ষরিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই প্রটোকলটি সাক্ষরিত হয়েছিল। B) ২০০১ — এটি ভুল কারণ এই সালে প্রটোকল সাক্ষরিত হয়নি, বরং এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার বছর। C) ২০০৩ — এটি ভুল কারণ এই সালে কার্টাগানা প্রটোকল কার্যকর বা কার্যকর হওয়ার বছর হলেও সাক্ষরের সাল এটি নয়। D) ২০০৫ — এটি ভুল কারণ এই সালটি কার্টাগানা প্রটোকলের সাক্ষর বা কার্যকরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কার্টাগানা প্রটোকল নতুন শতাব্দীর শুরুতে অর্থাৎ ২০০০ সালে সাক্ষরিত হয়েছিল।
a পানি সম্পদ রক্ষা করা
b সন্ত্রাস দমন করা
c প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা
d পরিবেশ দূষণ রোধ
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা কেন সঠিক: - IUCN হলো আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা, যা বিশ্বের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করে। - এটি বিপন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর লাল তালিকা বা রেড লিস্ট প্রকাশ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানি সম্পদ রক্ষা করা — এটি IUCN-এর মূল কাজ নয়, যদিও এটি জলবায়ু ও পরিবেশের অংশ হিসেবে পানি নিয়ে কাজ করে। B) সন্ত্রাস দমন করা — এটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও সরকারের নিরাপত্তা বিষয়ক কাজ, যা পরিবেশ সংস্থার কাজ নয়। C) প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা — এটি সঠিক উত্তর। D) পরিবেশ দূষণ রোধ — এটি পরিবেশ অধিদপ্তরের কাজ, তবে IUCN মূলত জীববৈচিত্র্য ও প্রকৃতি সংরক্ষণে বিশ্বব্যাপী কাজ করে। মনে রাখার টিপস: IUCN নামটিতে প্রকৃতি বা ন্যাচার শব্দটি জড়িত, তাই এর কাজ হলো প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা।
a ২০ আগস্ট,২০২০
b ১৯ সেপ্টেম্বর,২০২০
c ১৮ অক্টোবর,২০২০
d ১৫ জুলাই,২০২০
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ২০ আগস্ট, ২০২০ **সঠিক উত্তর যাচাই:** প্রদত্ত সঠিক উত্তর (১৫ জুলাই, ২০২০) সঠিক নয়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যর্থ হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম বা নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের প্রক্রিয়া শুরু করেছিল ২০২০ সালের ২০ আগস্ট। কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা বাড়াতে ব্যর্থ হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেয়। - তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও জাতিসংঘে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের আবেদন জানান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ আগস্ট, ২০২০ — এই তারিখে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে স্ন্যাপব্যাক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের নোটিশ দেয়। B) ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ — এই তারিখে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে দাবি করেছিল জাতিসংঘের সব নিষেধাজ্ঞা ইরানের ওপর পুনরায় কার্যকর হয়েছে। C) ১৮ অক্টোবর, ২০২০ — ইরানের ওপর জাতিসংঘের ঐতিহ্যবাহী প্রচলিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা ফুরিয়ে আসার নির্ধারিত দিন ছিল এটি। D) ১৫ জুলাই, ২০২০ — এটি এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো উল্লেখযোগ্য তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: করোনাকালে ২০২০ সালের আগস্ট মাসের বিশ তারিখে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের চাঞ্চল্যকর পদক্ষেপ নিয়েছিল।
a ২০১০ সালে
b ২০১১ সালে
c ২০১২ সালে
d ২০১৫ সালে
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ২০১২ সালে কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় এই আত্মজীবনী রচনা শুরু করেছিলেন। - বইটি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড ইউপিএল থেকে ২০১২ সালের ১৮ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১০ সালে — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি, এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশের প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছিল। B) ২০১১ সালে — এই সালে বইটি প্রকাশের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা প্রকাশনা হয়নি। C) ২০১২ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ২০১৫ সালে — এই সালে প্রকাশিত হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ কারাগারের রোজনামচা নয় বরং কারাগারের রোজনামচা প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালে। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী প্রকাশের সাল মনে রাখতে ২০১২ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
a ১১ নভেম্বর
b ১২ অক্টোবর
c ১৬ ডিসেম্বর
d ৩রা মার্চ
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ অক্টোবর কেন সঠিক: - গণপরিষদে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির পেশ করা খসড়া সংবিধান ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর প্রথম উত্থাপন করা হয়। - এই উত্থাপনের ওপর গণপরিষদে দীর্ঘ আলোচনার পর সংবিধানে বিভিন্ন সংশোধনী গ্রহণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ নভেম্বর — ১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান বিলের ওপর দ্বিতীয় পাঠ শুরু হয়। B) ১২ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) ১৬ ডিসেম্বর — ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান কার্যকর করা হয়। D) ৩রা মার্চ — ১৯৭২ সালের ৩রা মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধান প্রণয়ন আদেশ জারি করেন। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের খসড়া উত্থাপন করা হয় অক্টোবরের বারো তারিখে এবং পাশ বা কার্যকর করা হয় ডিসেম্বরের ষোলো তারিখে।
a মার্শাল আইল্যান্ড
b মালদ্বীপ
c গ্রানাডা
d বাহামা
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) মার্শাল আইল্যান্ড কেন সঠিক: - ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম বা সিভিএফের পূর্ববর্তী সভাপতি দেশ ছিল ওশেনিয়া অঞ্চলের দ্বীপ রাষ্ট্র মার্শাল আইল্যান্ড। - বাংলাদেশ ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সিভিএফের সভাপতি হিসেবে মার্শাল আইল্যান্ডের কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্শাল আইল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ সরাসরি এই দেশের কাছ থেকেই সভাপতির দায়িত্ব বুঝে পেয়েছিল। B) মালদ্বীপ — এটি সিভিএফের একটি সদস্য দেশ হলেও বাংলাদেশ এর নিকট থেকে সভাপতিত্ব গ্রহণ করেনি। C) গ্রানাডা — এটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) বাহামা — এটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি দেশ এবং সিভিএফ সভাপতির ধারাবাহিকতায় এর সঙ্গে এই পদের সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ যার কাছ থেকে দায়িত্ব নিয়েছে সেই মার্শাল আইল্যান্ড শব্দটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a নদীয়া
b ত্রিপুরা
c পুরুলিয়া
d বরিশাল
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বরিশাল কেন সঠিক: - ড. সুকুমার সেনের বাংলা ভাষার আঞ্চলিক রূপের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বরিশাল অঞ্চলটি বঙ্গাল বা পূর্বাঞ্চলীয় উপভাষার অন্তর্ভুক্ত। - ভৌগোলিক অবস্থান ও ধ্বনিগত বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে বরিশালের ভাষা বাংলাদেশের নিজস্ব আঞ্চলিক উপভাষার একটি পরিধিভুক্ত রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদীয়া — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলা এবং এখানকার ভাষা মধ্য অঞ্চলের রাঢ়ী উপভাষার অন্তর্ভুক্ত। B) ত্রিপুরা — এটি ভারতের একটি রাজ্য এবং এখানকার প্রধান উপভাষা বঙ্গীয় উপভাষার হলেও মূল প্রশ্নানুসারে এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উপভাষা অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত নয়। C) পুরুলিয়া — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলা এবং এখানকার উপভাষা ঝাড়খণ্ডি বা রাঢ়ী উপভাষার অন্তর্গত। D) বরিশাল — এটি বাংলাদেশের একটি প্রশাসনিক বিভাগ ও জেলা এবং এর নিজস্ব স্বকীয় আঞ্চলিক উপভাষা রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা যেমন বরিশাল, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের নিজস্ব আঞ্চলিক উপভাষা রয়েছে।
a ২৫ শে জানুয়ারী
b ১১ই ফেব্রুয়ারী
c ১১ই মার্চ
d ২৫ শে ফেব্রুয়ারী
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১ই মার্চ প্রদত্ত তথ্য: ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস এই সময়ে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয় ধরি, ভাষা আন্দোলনের প্রথম দিককার সংগ্রামগুলোকে বিবেচনা করা যাক তৎকালীন ছাত্রসমাজ একটি বিশেষ দিনকে প্রতিবাদ দিবস হিসেবে বেছে নেয় অতএব, ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে প্রথম রাষ্ট্রভাষার দাবিতে সফল ধর্মঘট পালিত হয় ১১ই মার্চ তারিখটিকে তৎকালীন ছাত্রসমাজ ভাষা দিবস হিসেবে নির্ধারণ করে সুতরাং, ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় ১১ই মার্চ তারিখটি ভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হতো উত্তর: ১১ই মার্চ
a ১৯৭২, কায়রো
b ১৯৭৪, নয়াদিল্লী
c ১৯৭৫, বেলগ্রেড
d ১৯৭৩, আলজিয়ার্স
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৩, আলজিয়ার্স কেন সঠিক: - ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই সম্মেলনে যোগ দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২, কায়রো — এই সময়ে বঙ্গবন্ধু জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের সম্মেলনে যোগ দেননি এবং কায়রো এই সম্মেলনের ভেন্যু ছিল না। B) ১৯৭৪, নয়াদিল্লী — ১৯৭৪ সালে নয়াদিল্লিতে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের কোনো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। সি) ১৯৭৫, বেলগ্রেড — ১৯৭৫ সালে বেলগ্রেডে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং ততদিনে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে শহীদ হন। D) ১৯৭৩, আলজিয়ার্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে আলজিয়ার্স শহরেই বঙ্গবন্ধু জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের সম্মেলনে অংশ নেন। মনে রাখার টিপস: আলুর সাথে জোট মনে রাখুন আলজিয়ার্স, যেখানে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু গিয়েছিলেন।
a তিস্তা
b ধলেশ্বরী
c ধোলাই
d বংশী
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তিস্তা কেন সঠিক: - তিস্তা নদী ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ব্রহ্মপুত্র বা যমুনা নদীতে পতিত হয়েছে। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী তিস্তা নদী যমুনা নদীর একটি প্রধান উপনদী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিস্তা — এটি যমুনার একটি প্রধান উপনদী হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। B) ধলেশ্বরী — এটি যমুনা নদী থেকে উৎপন্ন একটি শাখা নদী, উপনদী নয়। C) ধোলাই — এটি কোনো প্রধান নদী বা যমুনার উপনদী নয়। D) বংশী — এটি বুড়িগঙ্গা বা তুরাগ অববাহিকার একটি নদী, যা যমুনার উপনদী নয়। মনে রাখার টিপস: যমুনার প্রধান উপনদী তিস্তা, এভাবে মনে রাখুন যে যমুনায় তিস্তা এসে মেশে।
a গ্রীষ্ম,বর্ষা, বসন্ত, হেমন্ত, শীত ও শরৎ
b বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম
c শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা
d গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত কেন সঠিক: - বাংলা পঞ্জিকা বা ঋতুচক্র অনুযায়ী বছরের প্রথম দুটি মাস বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ নিয়ে গ্রীষ্মকাল এবং পরবর্তী দুটি মাস আষাঢ় ও শ্রাবণ নিয়ে বর্ষাকাল গঠিত হয়। - এরপর পর্যায়ক্রমে শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্তকাল এসে বাংলা বছরের ছয় ঋতুর চক্র পূর্ণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রীষ্ম,বর্ষা, বসন্ত, হেমন্ত, শীত ও শরৎ — এই ক্রমে ঋতুগুলোর অবস্থান ভুল কারণ বর্ষার পর বসন্ত আসে না, শরৎ ও হেমন্ত আসে। B) বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম — এটি বর্ষা দিয়ে শুরু হয়েছে কিন্তু গ্রীষ্ম দিয়ে বছর শুরুর প্রথা অনুযায়ী এটি সঠিক ক্রম নয়। C) শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা — এটি শরৎকাল দিয়ে শুরু হয়েছে যা বাংলা ঋতুচক্রের প্রচলিত প্রাথমিক ক্রমের সঙ্গে মেলে না। D) গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত — এটি সঠিক কারণ ঋতুচক্রের প্রথাগত ও পঞ্জিকাগত সঠিক ধারাবাহিকতা এটি। মনে রাখার টিপস: গ্রীষ্ম দিয়ে শুরু করে বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও শেষে বসন্ত এই ধারাবাহিকতা মনে রাখতে গিরি বর্ষার হেম শীতে বসে কথাটি মনে রাখতে পারো।
a তমদ্দুন মজলিস
b ভাষা পরিষদ
c মাতৃভাষা পরিষদ
d আমরা বাঙালি
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তমদ্দুন মজলিস কেন সঠিক: - ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত এই সাংস্কৃতিক সংগঠনটি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলে। - তাদের প্রকাশিত পাক্ষিক সৈনিক পত্রিকা এবং বিভিন্ন প্রচারপুস্তিকার মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের ভিত্তি রচিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তমদ্দুন মজলিস - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) ভাষা পরিষদ - এটি রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সূচনালগ্ন বা প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনকারী মূল সংগঠন ছিল না। সি) মাতৃভাষা পরিষদ - ভাষা আন্দোলনের সময় এই নামে কোনো প্রধান বা নিবন্ধিত সংগঠন সক্রিয় ছিল না। ডি) আমরা বাঙালি - এটি ভাষা আন্দোলনের বহু পরের একটি রাজনৈতিক সংগঠন, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের প্রথম বীজ বপন করেছিল তমদ্দুন মজলিস, যার প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাসেম।
a হাতিয়া প্রণালী
b জফোর্ড পয়েন্ট
c সাঙ্গু ভ্যালি
d মাতারবাড়ি
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) জফোর্ড পয়েন্ট কেন সঠিক: - জফোর্ড পয়েন্ট হলো বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত সামুদ্রিক বা অফশোর গ্যাসক্ষেত্র। - ১৯৭৪ সালে বঙ্গোপসাগরে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাতিয়া প্রণালী — এটি একটি সামুদ্রিক প্রণালী, কোনো গ্যাসক্ষেত্র নয়। B) জফোর্ড পয়েন্ট — এটি বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র। C) সাঙ্গু ভ্যালি — এটি বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র, প্রথম নয়। D) মাতারবাড়ি — এটি গভীর সমুদ্র বন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য পরিচিত স্থান, গ্যাসক্ষেত্র নয়। মনে রাখার টিপস: প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র হলো জফোর্ড পয়েন্ট এবং প্রথম বাণিজ্যিক গ্যাসক্ষেত্র হলো সাঙ্গু।
a গোপাল
b ধর্মপাল
c মহীপাল
d বিগ্রহপাল
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধর্মপাল কেন সঠিক: - সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতাব্দীর শেষের দিকে বা নবম শতাব্দীর শুরুতে এটি নির্মাণ করেন। - এটি ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত বাংলার অন্যতম প্রধান বৌদ্ধ বিহার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোপাল — তিনি পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা হলেও সোমপুর বিহার নির্মাণ করেননি। B) ধর্মপাল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই বিখ্যাত বিহারটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। C) মহীপাল — তিনি পরবর্তী আমলের পাল রাজা ছিলেন এবং সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা নন। D) বিগ্রহপাল — তিনি পাল বংশের একজন শাসক হলেও সোমপুর বিহারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। মনে রাখার টিপস: ধর্মের জন্য সোমপুর বিহার তৈরি করেছিলেন রাজা ধর্মপাল।
a কার্তিক-ফাল্গুন
b চৈত্র-বৈশাখ
c ভাাদ্র-অগ্রাহয়ন
d শ্রাবণ-আশ্বিন
0 126 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) কার্তিক-ফাল্গুন কেন সঠিক: - রবি মৌসুম হলো বাংলাদেশের শীতকালীন ফসলের প্রধান উৎপাদনকাল। - বাংলা সনের কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত এই মৌসুম ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্তিক-ফাল্গুন — এটি কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুমের সঠিক সময়কাল। B) চৈত্র-বৈশাখ — এটি মূলত খরিফ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের শুরুর সময়। C) ভাদ্র-অগ্রাহয়ন — এই সময়টি মূলত আমন ধান কাটা ও হেমন্ত কালের অন্তর্ভুক্ত। D) শ্রাবণ-আশ্বিন — এটি বর্ষাকাল ও খরিফ মৌসুমের অন্তর্ভুক্ত সময়। মনে রাখার টিপস: শীতের ঠান্ডা আমেজে রবি ঠাকুরকে স্মরণ করে মনে রেখো রবি মৌসুম হয় কার্তিক থেকে ফাল্গুন পর্যন্ত।
a BARI
b BRRI
c BADC
d BINA
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) BADC কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) দেশের কৃষকদের মধ্যে মানসম্মত বীজ, সার ও সেচ সরঞ্জাম সরবরাহ করে। - এটি দেশের প্রধান সরকারি প্রতিষ্ঠান যা কৃষিক্ষেত্রে উন্নত বীজ উৎপাদন ও বিতরণের মূল দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) BARI — এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা নতুন ফসলের জাত উদ্ভাবন ও গবেষণা করে, বীজ উৎপাদনের প্রধান সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়। B) BRRI — এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা কেবল ধানের উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন ও গবেষণা নিয়ে কাজ করে। C) BADC — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) BINA — এটি বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন করে। মনে রাখার টিপস: বীজ (Seed) সরবরাহের প্রধান কাজ করে বিএডিসি (BADC), এভাবে মনে রাখা সহজ।
a 1996
b 1998
c 2000
d 2008
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৬ কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরটি ১৯৯৬ সালের ২২শে মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এটি ঢাকার সেগুনবাগিচায় জনগণের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি বেসরকারি সংগ্রহশালা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1996 — এটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল এবং এই অপশনটি সঠিক। B) 1998 — এই সালে জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। C) 2000 — এই সালে জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। D) 2008 — এই সালে জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালে, যেখানে সংখ্যাটি মনে রাখতে প্রথম ১৯৯৬ সালটি মাথায় রাখতে হবে।
a জয় বাংলা
b বাংলাদেশ
c স্বাধীনতা
d মুক্তির ডাক
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জয় বাংলা কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকার থেকে প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক মুখপত্র বা পত্রিকার নাম ছিল জয় বাংলা। - এই পত্রিকার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক খবর, রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি এবং সরকারের বিভিন্ন নির্দেশাবলি প্রচার করা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয় বাংলা — এটি মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত ঐতিহাসিক সাপ্তাহিক পত্রিকা এবং মুক্তিযুদ্ধের মুখপত্র। B) বাংলাদেশ — এটি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে মুজিবনগর সরকারের প্রকাশিত কোনো পত্রিকার নাম নয়। C) স্বাধীনতা — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রকাশিত কোনো নির্দিষ্ট সরকারি মুখপত্র বা পত্রিকার নাম হিসেবে নিবন্ধিত নয়। D) মুক্তির ডাক — এটি ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক কোনো সরকারি পত্রিকার নাম নয়। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র মানেই যুদ্ধের স্লোগান জয় বাংলা নামের পত্রিকা।
a ২ ফেব্রুয়ারী
b ৮ ফেব্রুয়ারী
c ৮ মার্চ
d ৭ এপ্রিল
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ ফেব্রুয়ারী কেন সঠিক: - প্রতিবছর ২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়। - জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও জনমিতি সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এই দিবসটি পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ ফেব্রুয়ারী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দিনটিতেই বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস উদযাপিত হয়। B) ৮ ফেব্রুয়ারী — এই তারিখে কোনো জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালিত হয় না। C) ৮ মার্চ — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়, জনসংখ্যা দিবস নয়। D) ৭ এপ্রিল — এই তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়, যা জনসংখ্যা দিবসের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সচেতনতা বাড়াতে বছরের দ্বিতীয় মাসের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ২ ফেব্রুয়ারি জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়।
a চট্টগ্রাম
b কলকাতা
c লন্ডন
d নিউইয়র্ক
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শরণার্থীদের সহায়তায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ অনুষ্ঠিত হয়। - প্রখ্যাত সেতারবাদক রবি শংকর ও বিটলসখ্যাত জর্জ হ্যারিসন এই ঐতিহাসিক দাতব্য কনসার্টটির আয়োজন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি বাংলাদেশের একটি বন্দরনগরী এবং ১৯৭১ সালে এখানে সরাসরি এই কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়নি। B) কলকাতা — এই শহরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অনেক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হলেও দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে বিভিন্ন জনসভা হলেও এই নির্দিষ্ট কনসার্টটি এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। D) নিউইয়র্ক — এটিই সঠিক স্থান যেখানে ১৯৭১ সালে এই ঐতিহাসিক দাতব্য কনসার্টটি আয়োজিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: কনসার্ট ফর বাংলাদেশ নিউইয়র্ক শহরের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a কৃষি ও বনজ
b মৎস্য
c শিল্প
d স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিল্প কেন সঠিক: - বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিল্প খাতের উৎপাদন ও প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। - জিডিপি বৃদ্ধিতে এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে শিল্প খাতের অবদান বর্তমানে সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষি ও বনজ — এই খাতে কর্মসংস্থান বেশি হলেও প্রবৃদ্ধির হার শিল্প খাতের তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম। B) মৎস্য — মৎস্য খাতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি থাকলেও তা সামগ্রিক জাতীয় আয়ে শিল্প খাতের মতো সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেনি। C) শিল্প — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ জাতীয় আয়ে এই খাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি। D) স্বাস্থ্য ও সেবা খাত — এই খাতে প্রবৃদ্ধি ধীর গতিতে হয় এবং এটি শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে যায়নি। মনে রাখার টিপস: জাতীয় আয়ে প্রবৃদ্ধি বেশি মানেই শিল্প খাতের অগ্রগতি।
a উনবিংশ শতাব্দীতে
b অষ্টাদশ শতাব্দীতে
c ষোড়শ শতাব্দীতে
d চতুর্দশ শতাব্দীতে
0 129 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অষ্টাদশ শতাব্দীতে কেন সঠিক: - অষ্টাদশ শতাব্দীতে ইউরোপে আধুনিক কৃষি পদ্ধতির ব্যাপক প্রসার ঘটে যা ব্রিটিশ কৃষি বিপ্লব নামে পরিচিত। - এই সময়ে শস্য আবর্তন পদ্ধতি এবং নতুন কৃষি যন্ত্রপাতির আবিষ্কার কৃষিপণ্যের উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উনবিংশ শতাব্দীতে — এই সময়ে মূলত শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী বিস্তার ঘটেছিল, কৃষি বিপ্লবের সূচনা এর আগেই হয়েছিল। B) অষ্টাদশ শতাব্দীতে — এটি সঠিক কালকাল, এই সময়েই ব্রিটেনে আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপিত হয়। C) ষোড়শ শতাব্দীতে — এই সময়ে ইউরোপে রেনেসাঁ ও বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের প্রাথমিক পর্যায় চলছিল, কৃষি বিপ্লব হয়নি। D) চতুর্দশ শতাব্দীতে — এই সময়ে ইউরোপ মধ্যযুগের শেষ পর্যায়ে ছিল এবং মারাত্মক মহামারী ও সামাজিক সংকটে জর্জরিত ছিল। মনে রাখার টিপস: অষ্টাদশ শতক হলো শিল্প ও কৃষি বিপ্লবের সময়, তাই কৃষি বিপ্লব বললে অষ্টাদশ শতাব্দী মনে রাখতে হবে।
a শায়েস্তা খাঁ
b নবাব আব্দুল গণি
c লর্ড কার্জন
d মীর জুমলা
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি (ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা) সঠিক উত্তর: D) মীর জুমলা কেন সঠিক: - মীর জুমলা ছিলেন বাংলার সুবাদার, যিনি ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সাল পর্যন্ত বাংলা শাসন করেন এবং বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সামনে অবস্থিত ঐতিহাসিক ঢাকা গেইট বা মীর জুমলার গেট নির্মাণ করেন। - ঐতিহাসিক এই তোরণটি তৎকালীন মুঘল আমলের রাজধানী ঢাকার প্রবেশদ্বার ও সীমানা রক্ষার উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শায়েস্তা খাঁ — শায়েস্তা খাঁ বাংলার সুবাদার ছিলেন এবং তার আমলে লালবাগ কেল্লা ও চকবাজার জামে মসজিদ নির্মিত হলেও তিনি ঢাকা গেইট নির্মাণ করেননি। B) নবাব আব্দুল গণি — নবাব আব্দুল গণি ছিলেন ঢাকার বিখ্যাত জমিদার ও পঞ্চায়েত ব্যবস্থার প্রবক্তা, যিনি উনিশ শতকে বিভিন্ন জনহিতকর কাজ করলেও ঢাকা গেইটের নির্মাতা নন। C) লর্ড কার্জন — লর্ড কার্জন ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয়, যিনি উনিশ শতকের শুরুতে ঢাকা সফরে আসেন এবং তার নামে কার্জন হলের নামকরণ করা হয়। D) মীর জুমলা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মীর জুমলা মুঘল আমলে ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ঢাকা গেইটের সাথে মুঘল সুবাদার মীর জুমলার নাম মনে রাখুন, যিনি ১৬৬০ এর দশকে ঢাকা রক্ষার্থে এটি নির্মাণ করেছিলেন।

মোট প্রশ্ন (21)

a ঈদৃশ
b পারত্রিক
c মাঙ্গলিক
d আকস্মিক
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারত্রিক ১. কেন সঠিক: ঐহিক শব্দের অর্থ এই পৃথিবীসংক্রান্ত বা পার্থিব। এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে পারত্রিক শব্দটি, যার অর্থ পরকাল বা পরলোকসংক্রান্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার এবং বিপরীতার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সংস্কৃত উৎসের এসব শব্দ বিশেষণের কাজ করে এবং ভাবগত দিক থেকে একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐহিক সুখ ব্যাখ্যা: এই পৃথিবীর বা পার্থিব সুখ বোঝাতে এই পদটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পারত্রিক মুক্তি ব্যাখ্যা: পরকাল বা মৃত্যুর পরের জগতের মুক্তি বোঝাতে এই পদটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈদৃশ — এই শব্দের অর্থ এই প্রকার বা এমন, যা বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক নয়। B) পারত্রিক — এটি সঠিক উত্তর। C) মাঙ্গলিক — এর অর্থ মঙ্গলজনক বা শুভকর, যা ঐহিক শব্দের বিপরীত নয়। D) আকস্মিক — এর অর্থ হঠাৎ বা দৈবাত্ত, যার বিপরীত শব্দ চিরন্তন বা স্বাভাবিক। ৫. মনে রাখার টিপস: ঐহিক মানে ইহলোক বা এই পৃথিবী এবং পারত্রিক মানে পরলোক বা অন্য পৃথিবী। ই দিয়ে ইহলোক এবং প দিয়ে পরলোক মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ এবং উৎস বিবেচনা করতে হয়। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ আয়ত্ত করা সহজ হয়।
a বিজ্ঞাপন
b বিজ্ঞপ্তি
c বিজ্ঞপ্তি ফলক
d প্রজ্ঞাপন
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রজ্ঞাপন ১. কেন সঠিক: - Notification শব্দের প্রমিত বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো প্রজ্ঞাপন, যা সরকারি আদেশ বা নীতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। - সরকারি সিদ্ধান্ত বা নীতি সর্বসাধারণের অবগতির জন্য সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্র বা দাপ্তরিক কাজের জন্য নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। - প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে ইংরেজি পরিভাষার সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ জানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Ministry of Public Administration issued a notification. ব্যাখ্যা: এই বাক্যে notification শব্দের উপযুক্ত বাংলা অনুবাদ হিসেবে প্রজ্ঞাপন শব্দটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: The transfer order was notified. ব্যাখ্যা: আদেশটি জারির ক্ষেত্রে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তা কার্যকর করা হয়েছে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজ্ঞাপন — Advertisement শব্দের পরিভাষা হলো বিজ্ঞাপন, যা কোনো পণ্য বা সেবা প্রচারের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়। B) বিজ্ঞপ্তি — Notice শব্দের পরিভাষা হলো বিজ্ঞপ্তি, যা সাধারণ কোনো তথ্য বা নির্দেশ জানানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। C) বিজ্ঞপ্তি ফলক — Notice Board শব্দের পরিভাষা হলো বিজ্ঞপ্তি ফলক, যেখানে নোটিশ বা বিজ্ঞপ্তি ঝুলিয়ে রাখা হয়। D) প্রজ্ঞাপন — Notification শব্দের সঠিক ও দাপ্তরিক পারিভাষিক রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সরকারি চাকুরিতে যোগদানের পর তোমরা বিভিন্ন নোটিশ বা আদেশ দেখবে, যার দাপ্তরিক নাম প্রজ্ঞাপন বা Notification। - সাধারণ তথ্য হলে Notice বা বিজ্ঞপ্তি, আর বিশেষ সরকারি আদেশ হলে Notification বা প্রজ্ঞাপন মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দাপ্তরিক ও প্রশাসনিক পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - Circular শব্দের পরিভাষা সার্কুলার বা পরিপত্র এবং Ordinance শব্দের পরিভাষা অধ্যাদেশ, যা প্রজ্ঞাপনের কাছাকাছি হলেও এদের অর্থ আলাদা।
a উপত্যকা
b ধিত্যকা
c পার্বত্য
d সমতল
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপত্যকা ১. কেন সঠিক: - অধিত্যকা শব্দের অর্থ হলো পাহাড়ের ওপরের সমতল ভূমি। এর সরাসরি বিপরীত শব্দ হলো উপত্যকা, যার অর্থ পাহাড়ের পাদদেশ বা দুটি পাহাড়ের মধ্যবর্তী নিচু ভূমি। - বিপরীতার্থক শব্দ নির্ধারণের সময় মূল শব্দের ভৌগোলিক বা ভাবগত বিপরীত অবস্থাকে বিবেচনায় নেওয়া হয়, তাই উঁচু ভূমির বিপরীতে নিচু ভূমি সঠিক বলে বিবেচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার বা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে উচ্চভূমি এবং নিম্নভূমির মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক প্রকাশ করতে এই ধরনের শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নদী ও পর্বত ব্যাখ্যা: প্রাকৃতিকভাবে একে অপরের বিপরীত বৈশিষ্ট্যের ভৌগোলিক রূপ নির্দেশ করতে এই শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: উজান ও ভাটি ব্যাখ্যা: নদীর স্রোতের গতির বিপরীত দিক বোঝাতে এই শব্দ দুটি বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপত্যকা — এটি সঠিক উত্তর এবং পাহাড়ের ওপরের ভূমির বিপরীত অর্থাৎ নিচের ভূমি বোঝায়। B) ধিত্যকা — এটি কোনো প্রমিত শব্দ নয় বরং অধিত্যকা শব্দের একটি অংশের ভুল প্রয়োগ। C) পার্বত্য — এটি পাহাড় সংক্রান্ত বিশেষণ শব্দ, যা অধিত্যকার বিপরীত শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়। D) সমতল — এটি সাধারণ সমতল ভূমি বোঝায়, যা পাহাড় বা পর্বতের সঙ্গে সম্পর্কিত নির্দিষ্ট বিপরীতার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ দিয়ে শুরু হয় অধিত্যকা, যার অর্থ ওপরে, আর উ দিয়ে শুরু হয় উপত্যকা, যার অর্থ নিচে। - ওপরে এবং নিচে এই ধারণাটি মনে রাখলে পরীক্ষা এই ধরনের বিপরীত শব্দ সহজেই চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভৌগোলিক ও প্রকৃতিবাচক বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের অর্থ সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারলে ভুল অপশনগুলো সহজেই বাদ দেওয়া সম্ভব হয়।
a তৎসম
b তদ্ভব
c ফারসি
d তুর্কি
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - বাবা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আগন্তুক শব্দ। - উৎসগত বিচারে বাংলা ভাষায় নানা বিদেশি ভাষার শব্দ প্রবেশ করেছে, যার মধ্যে তুর্কি শব্দ অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - তুর্কি শব্দগুলো মূলত তুর্কি জাতির সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এগুলো বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চাকর ব্যাখ্যা: চাকর শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং এটি নিত্যদিনের ব্যবহারের শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম — তৎসম শব্দ হলো সেই সংস্কৃত শব্দ যা অপরিবর্তিতরূপে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, যেমন চন্দ্র বা সূর্য। B) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ হলো সেই প্রাকৃতজাত শব্দ যা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা রূপ লাভ করেছে, যেমন হাত বা চাঁদ। C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ এসেছে যেমন কাগজ বা কলম, তবে বাবা ফারসি শব্দ নয়। D) তুর্কি — এটি সঠিক অপশন কারণ বাবা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো, তোপ দাগিয়ে দারোগা বাবু চাকরকে কুলি বানাল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে তুর্কি, পর্তুগিজ ও ফারসি শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - শব্দের উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করতে বিভিন্ন ভাষার শব্দগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ করা উচিত।
a বাক প্রত্যঙ্গ
b অঙ্গধ্বনি
c স্বরতন্ত্রী
d ন্যাাসিকাতন্ত্র
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাক প্রত্যঙ্গ ১. কেন সঠিক: মানুষের কথা বলার জন্য বা ধ্বনি উচ্চারণের জন্য শরীরের যেসব অঙ্গ সরাসরি কাজ করে, তাদেরকে একত্রে বাক প্রত্যঙ্গ বলা হয়। ফুসফুস থেকে বায়ু বেরিয়ে আসার সময় মুখবিবরের বিভিন্ন অংশের সাহায্যে নানা রকমের ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণ অধ্যায়ের এটি একটি মৌলিক প্রশ্ন। ফুসফুস, মুখবিবর, জিহ্বা, তালু, দাঁত, ওষ্ঠ, নাক এবং স্বরতন্ত্রী হলো মানবদেহের প্রধান বাক প্রত্যঙ্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জিহ্বা ব্যাখ্যা: এটি উচ্চারণ স্থান ভেদে ধ্বনি তৈরিতে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। উদাহরণ ২: ওষ্ঠ বা ঠোঁট ব্যাখ্যা: প, ফ, ব, ভ, ম উচ্চারণের সময় ওষ্ঠ বা ঠোঁট প্রধান বাক প্রত্যঙ্গ হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক প্রত্যঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ধ্বনি তৈরিতে সাহায্যকারী অঙ্গগুলোকে বোঝায়। B) অঙ্গধ্বনি — এই নামে বাংলা ব্যাকরণে কোনো নির্দিষ্ট বা প্রমিত পরিভাষা বা প্রত্যঙ্গ নেই। C) স্বরতন্ত্রী — এটি বাক প্রত্যঙ্গের একটি অংশ মাত্র, কিন্তু সব অঙ্গকে একত্রে এটি বোঝায় না। D) ন্যাাসিকাতন্ত্র — এটি নাক দিয়ে ধ্বনি উচ্চারণের সাথে সম্পর্কিত, যা বাক প্রত্যঙ্গের একটি অংশ। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক অর্থ কথা বলা আর প্রত্যঙ্গ অর্থ অঙ্গ, তাই কথা বলার অঙ্গগুলোকে বাক প্রত্যঙ্গ বলে মনে রাখবে। ধ্বনি তৈরিতে সাহায্য করে যারা, তাদের এককথায় বাক প্রত্যঙ্গ বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ অধ্যায় থেকে এই ধরনের মৌলিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বাক প্রত্যঙ্গের অন্য নাম বাগ্যন্ত্র, এটিও পরীক্ষার্থীদের মনে রাখা জরুরি।
a প্রবাদ প্রবচন
b এককথায় প্রকাশ
c ভাবসম্প্রসারণ
d বাক্য সংকোচন
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রবাদ প্রবচন ১. কেন সঠিক: - 'উলুবনে মুক্তা ছড়ানো' একটি সুপরিচিত প্রবাদ প্রবচন, যার অর্থ অযোগ্য স্থানে মূল্যবান বস্তু নষ্ট করা। - যুগ যুগ ধরে মানুষের মুখে মুখে চলে আসা এবং সমাজের অভিজ্ঞতা থেকে তৈরি সংক্ষিপ্ত ও অর্থপূর্ণ বাক্যই প্রবাদ প্রবচন হিসেবে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রবাদ প্রবচন হলো লোকসাহিত্যের একটি বিশেষ মূল্যবান অংশ যা মানুষের জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতা থেকে জন্ম নেয়। - এর অন্তর্নিহিত অর্থ থাকে এবং এটি বাক্যে রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরের দশ দিন গৃহস্থের এক দিন ব্যাখ্যা: অপরাধী যতই চালাক হোক না কেন, সে একদিন ধরা পড়বেই বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা ব্যাখ্যা: নিজের অদক্ষতা বা অক্ষমতাকে অন্যের ওপর বা পরিবেশের ওপর চাপানোর প্রবাদ এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবাদ প্রবচন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ 'উলুবনে মুক্তা ছড়ানো' একটি প্রবাদ। B) এককথায় প্রকাশ — একাধিক পদ বা বাক্যকে একটি পদে সংক্ষেপ করাকে এককথায় প্রকাশ বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ভাবসম্প্রসারণ — বড় কোনো গভীর ভাব বা পঙক্তিকে বিস্তারিত করে বোঝানোকে ভাবসম্প্রসারণ বলে। D) বাক্য সংকোচন — বড় বাক্যকে ছোট করার প্রক্রিয়াকে বাক্য সংকোচন বলে, যা মূলত এককথায় প্রকাশের সমার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সকল পঙক্তি বা শব্দগুচ্ছ সমাজে প্রচলিত থেকে কোনো গভীর উপদেশ বা সত্য প্রকাশ করে, সেগুলোকে প্রবাদ প্রবচন হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ প্রবচন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই এর অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a কৃষ্+তি
b কৃষ্+টি
c কৃ+ইষ্টি
d কৃষ্+ইষ্টি
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্+তি ১. কেন সঠিক: 'কৃষ্টি' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো কৃষ্ যোগ তি। এখানে 'কৃষ্' হলো ধাতু এবং 'তি' হলো প্রত্যয়, যা কৃৎ প্রত্যয়ের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব প্রত্যয় ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়। সংস্কৃত ব্যাকরণ ও বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'কৃষ্' ধাতুর সঙ্গে 'তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৃষ্টি = সৃষ্+তি ব্যাখ্যা: সৃষ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে, যা কৃষ্টি শব্দের মতো একই ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করে। উদাহরণ ২: দৃষ্টি = দৃশ্+তি ব্যাখ্যা: দৃশ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে, যা একই নিয়মে সাধিত কৃৎ প্রত্যয়ান্ত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ্+তি — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্দেশ করে যা কৃষ্টি শব্দ গঠন করে। B) কৃষ্+টি — বাংলা ব্যাকরণে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়, টি প্রত্যয়টি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কৃ+ইষ্টি — কৃ মূল ধাতু হলেও ইষ্টি কোনো সঠিক প্রত্যয় বা বিভাজিত অংশ নয়। D) কৃষ্+ইষ্টি — ইষ্টি কোনো প্রমিত ব্যাকরণিক প্রত্যয় হিসেবে এই শব্দে ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত নিয়মে গঠিত কৃষ্টি, সৃষ্টি ও দৃষ্টি শব্দের শেষে 'তি' প্রত্যয় থাকে। ধাতুর নিচে হসন্ত যুক্ত কৃষ্ এবং তি যোগ করলে সঠিক উত্তর পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত ও কৃৎ প্রত্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের মূল ধাতু চেনার জন্য এবং সঠিক প্রত্যয় আলাদা করার জন্য এই ধরনের নিয়মগুলো বারবার অনুশীলন করতে হবে।
a বিদ্বান হলেও তার কোনো অহংকার নেই
b ইশ! যদি পাখির মত পাখা পেতাম।
c অঅকারণে ঋণ করিও না
d হয়তো সোহমা আসতে পারে
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অঅকারণে ঋণ করিও না কেন সঠিক: প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সি অপশনে বানান ভুল রয়েছে এবং প্রশ্ন অনুযায়ী শুদ্ধ নয় এমন বাক্যটি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। এখানে অঅকারণে শব্দটি বানানের নিয়মে ভুল এবং এর সঠিক রূপটি হলো অকারণে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানের সঠিক নিয়ম অনুযায়ী শব্দে অপ্রয়োজনীয় বর্ণ বা স্বরবর্ণের দ্বিত্ব ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বানানের এই সাধারণ নিয়ম না জানলে অনেক সময় পরীক্ষার খাতায় সাধারণ ভুলগুলো চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। যেমন নির্ভুল বানানে অকারণে লেখা হয়, কিন্তু অঅকারণে লেখা একটি স্পষ্ট বানানগত বা টাইপিংজনিত ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্বান হলেও তার কোনো অহংকার নেই — এই বাক্যে কোনো ধরনের বানান বা ব্যাকরণগত ভুল নেই এবং এটি একটি অর্থপূর্ণ বাক্য। B) ইশ! যদি পাখির মত পাখা পেতাম। — এই বাক্যটি আবেগ প্রকাশে সম্পূর্ণ ব্যাকরণসম্মত এবং এখানে কোনো ত্রুটি নেই। D) হয়তো সোহমা আসতে পারে — এই বাক্যে সম্ভাবনার প্রকাশ যথাযথ হয়েছে এবং এর গঠন সম্পূর্ণ সঠিক রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলা ব্যাকরণের প্রশ্ন সমাধানের সময় প্রথমে বানানের ভুলগুলো ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। কোনো শব্দে অপ্রয়োজনীয় বর্ণ যুক্ত থাকলে সেটি তাৎক্ষণিকভাবে ভুল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
a দিরুক্ত শব্দ
b সমার্থক শব্দ
c যুগ্ম শব্দ
d শব্দদিত্ব
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দিরুক্ত শব্দ ১. কেন সঠিক: - বাক্যে কোনো শব্দ বা পদ পরপর দুবার ব্যবহার হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে দিরুক্ত শব্দ বলে। - এখানে 'জ্বর জ্বর' পদটি দুবার বসে পূর্ণাঙ্গ তীব্র জ্বর না বুঝিয়ে অল্প বা সামান্য জ্বর ভাব প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - একই শব্দ দুবার উচ্চারিত হয়ে বিশেষ ভাব বা প্রকর্ষ প্রকাশ করলে তাকে শব্দের দ্বিরুক্তি বা দিরুক্ত শব্দ বলা হয়। - এটি মূলত বিশেষণের দ্বিরুক্তি, যা কোনো কিছুর আতিশয্য বা সামান্যতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গায়ে ব্যথা ব্যথা লাগছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ব্যথা ব্যথা' শব্দটি সামান্য ব্যথার ভাব প্রকাশ করতে দ্বিরুক্ত শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ছেলেটির মাথা মাথা ভাব। ব্যাখ্যা: এখানে 'মাথা মাথা' শব্দটি সামান্য অসুস্থতা বা ঝিমঝিম ভাব বোঝাতে দ্বিরুক্ত শব্দের কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিরুক্ত শব্দ — এটি সঠিক উত্তর কারণ একই শব্দ পরপর দুবার বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করেছে। B) সমার্থক শব্দ — সমার্থক শব্দ বলতে একই অর্থের ভিন্ন দুটি শব্দকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) যুগ্ম শব্দ — যুগ্ম শব্দ দুটি ভিন্ন বা আংশিক ভিন্ন শব্দের মিলনে গঠিত হয়, কিন্তু এখানে একই শব্দ দুবার বসেছে। D) শব্দদিত্ব — শব্দদিত্ব বা দ্বিত্ব হলো দুটি বর্ণ বা ধ্বনির একত্র উচ্চারণ, যা এই পদের ব্যাকরণিক রূপ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - একই শব্দ পরপর দুবার বসে যদি সামান্য বা আতিশয্য বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে দিরুক্ত শব্দ দাগাবে। - দ্বিরুক্ত শব্দের মূল কথাই হলো শব্দের জোড়া ব্যবহার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদের দ্বিরুক্তি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষণের দ্বিরুক্তি চেনার উপায় হলো এটি বাক্যে বিশেষ্যের গুণ বা অবস্থার মাত্রা প্রকাশ করে।
a ক্রীতদাসের হাসি
b জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা
c কান্নাপর্ব
d প্রাদোষে প্রাকৃতজন
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা ১. কেন সঠিক: - জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা উপন্যাসটি সরাসরি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং যুদ্ধকালীন সাধারণ মানুষের জীবনের ওপর রচিত। - এই উপন্যাসে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর নির্যাতন এবং এর বিপরীতে সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ সংগ্রামের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা উপন্যাসের রচয়িতা হলেন শহীদ কাদরী নন, বরং প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শহীদুল জহির। - এটি বাংলা সাহিত্যের জাদুকরি বাস্তবতার এক অনন্য নিদর্শন এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেইটিন ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল জহির রচিত আরেকটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা মুক্তিযুদ্ধ ও ঢাকাকেন্দ্রিক জনজীবনের ওপর ভিত্তি করে রচিত। উদাহরণ ২: আবু ইব্রাহিমের মৃত্যু ব্যাখ্যা: এটি শহীদুল জহির রচিত একটি অত্যন্ত প্রশংসিত উপন্যাস যেখানে সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রীতদাসের হাসি — এটি শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা আইয়ুব খানের স্বৈরাচারের প্রতীকী প্রতিবাদ, তবে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। B) জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। C) কান্নাপর্ব — এটি আহসান হাবীবের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, কোনো উপন্যাস বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গদ্যশিল্প নয়। D) প্রাদোষে প্রাকৃতজন — এটি শওকত আলী রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা সেন আমলের পটভূমিতে রচিত, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শহীদুল জহিরের নামের সঙ্গে রাজনৈতিক বাস্তবতা শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা। - মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত উপন্যাসগুলোর নামের তালিকা তৈরি করে নিয়মিত চর্চা করলে পরীক্ষাস্রোতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শহীদুল জহির একজন অত্যন্ত পরীক্ষাকেন্দ্রিক লেখক, তাঁর লেখা উপন্যাস ও ছোটগল্পের সংখ্যা কম হলেও বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস চেনার সময় লেখকের নাম এবং রচনার মূল প্রতিপাদ্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b শূেখ ফজলুল করিম
c প্রমথ চৌধুরী
d মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - 'সবুজপত্র' পত্রিকার সফল ও প্রভাবশালী সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। - বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বীরবল ছদ্মনামের এই লেখক ১৯১৪ সালের আগস্ট মাসে পত্রিকাটি প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক। - বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ও মননশীল প্রবন্ধের সূচনায় 'সবুজপত্র' পত্রিকার ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরী 'সবুজপত্র' পত্রিকায় প্রবন্ধ লিখতেন। ব্যাখ্যা: এটি তার সাহিত্যিক পরিচিতি ও পত্রিকার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা স্পষ্ট করে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিত ভাষার রচনার প্রধান বাহন ছিল 'সবুজপত্র'। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রতিষ্ঠা লাভ ঘটেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি সবুজপত্র পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও নিয়মিত লেখক হলেও সম্পাদক ছিলেন না। B) শূেখ ফজলুল করিম — তিনি এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না, বরং তিনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাধক ছিলেন। D) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন — তিনি বিখ্যাত 'সওগাত' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন, সবুজপত্রের নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবুজ পাতা বা সবুজপত্র দেখলে প্রমথ চৌধুরীর নাম মনে রাখবে। - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এবং তার সম্পাদিত পত্রিকার নাম সবুজপত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে। - এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা গদ্যে চলিত রীতির বিজয় সূচিত হয়।
a বাসভুমি থেকে বিতাড়িত হওয়া
b বাসভুমির সম্মুখস্ত ভূমি
c অজ্ঞাত বিষয় প্রকাশ করা
d বিকাশ
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাসভুমি থেকে বিতাড়িত হওয়া ১. কেন সঠিক: উদ্বাসন শব্দটি দ্বারা নিজের স্থায়ী বাসস্থান বা ভূমি থেকে উচ্ছেদ হওয়া কিংবা বিতাড়িত হওয়াকে বোঝায়। রাজনীতি, যুদ্ধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মানুষ যখন নিজের ভিটেমাটি ছাড়তে বাধ্য হয়, তখন তাকে উদ্বাসন বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ ও শব্দের অর্থভিত্তিক প্রশ্ন। বাংলা ব্যাকরণে শব্দের উৎস ও সঠিক অর্থ অনুধাবন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় লাখ লাখ মানুষ উদ্বাসিত হয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। ব্যাখ্যা: এখানে নিজের ভূমি থেকে বিতাড়িত বা উচ্ছেদ হওয়া অর্থে উদ্বাসিত শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: নদীভাঙনের কারণে বহু মানুষ আজ উদ্বাসিত। ব্যাখ্যা: গৃহহীন বা বাসস্থান হারানো অর্থে এই বাক্যে শব্দটির ভাবগত প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাসভুমি থেকে বিতাড়িত হওয়া — এটি প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায় এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) বাসভুমির সম্মুখস্ত ভূমি — এটি উদ্বাসন শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না, এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ভৌগোলিক অবস্থাকে নির্দেশ করে। C) অজ্ঞাত বিষয় প্রকাশ করা — কোনো লুক্কায়িত বা না জানা বিষয় প্রকাশ করাকে উদ্বাসন বলে না, এটি অন্য শব্দের অর্থ। D) বিকাশ — কোনো কিছুর উন্মেষ, প্রসার বা বৃদ্ধি পাওয়াকে বিকাশ বলে, যা উদ্বাসনের বিপরীতার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: উদ্বাসন শব্দটির শুরুতে উৎ উপসর্গ রয়েছে, যা দূর বা বর্জন অর্থে ব্যবহৃত হয়। বাসভূমি থেকে উৎখাত বা দূরে ঠেলে দেওয়া বোঝাতেই উদ্বাসন শব্দটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও পারিভাষিক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। একই ধরনের শব্দ যেমন পুনর্বাসন বা অভিবাসন শব্দগুলোর অর্থ আলাদাভাবে চর্চা করতে হবে।
a পদাবলী
b গীতগোবিন্দ
c চর্যাপদ
d চৈতন্যজীবনী
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চর্যাপদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদে সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষার প্রয়োগ করা হয়েছে। - এই ভাষায় একদিকে যেমন স্পষ্ট বহিরর্থ প্রকাশ পেত, অন্যদিকে তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্মের গূঢ় সাধনা ও তত্ত্ব மறைக்கப்பட்ட বা আচ্ছন্ন থাকত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্যিক নিদর্শন। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তরুবর পঞ্চ বিড়াল চঞ্চল চিয়ে। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পংক্তি যেখানে রূপকের মাধ্যমে মানবদেহের ইন্দ্রিয়সমূহের চঞ্চলতা প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: অপনা মাংসে হরিণা বৈরী। ব্যাখ্যা: এই পংক্তিতে নিজের মাংসই হরিণের শত্রু, এই রূপকের মাধ্যমে অজ্ঞতা বা মোহের কারণে মানুষের ধ্বংস ডেকে আনার কথা বলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদাবলী — পদাবলী সাহিত্য মধ্যযুগের বৈষ্ণব ও শাক্ত সাধকদের রচিত পদ নিয়ে গঠিত যেখানে সান্ধ্য ভাষা ব্যবহৃত হয়নি। B) গীতগোবিন্দ — গীতগোবিন্দ দ্বাদশ শতাব্দীতে কবি জয়দেব কর্তৃক সংস্কৃত ভাষায় রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। D) চৈতন্যজীবনী — চৈতন্যজীবনী সাহিত্য শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও লীলানির্ভর বাংলা ও সংস্কৃতে রচিত মধ্যযুগের জীবনী সাহিত্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - সান্ধ্য ভাষা বললে চোখ বন্ধ করে প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ নির্বাচন করবে। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের ভাষাকে সান্ধ্য ভাষা বলে অভিহিত করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের ভাষার মূল রচয়িতা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। - চর্যাপদে মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ডঃ সুকুমার সেনের মতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ রয়েছে।
a যন্ত্রনা
b শূভ্র
c সহযোগিতা
d স্বতঃ স্ফূর্ত
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যন্ত্রনা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নে কোনটি শুদ্ধ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে এবং 'যন্ত্রনা' বানানটি অশুদ্ধ। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ই-কারযুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে নিয়মের কারণে 'যন্ত্রণা' বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। - 'যন্ত্রণ' শব্দের সাথে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দে মূর্ধন্য ণ বসে, তাই এর সঠিক রূপ হবে যন্ত্রণা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুণ্ঠন ব্যাখ্যা: ঠ-বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হওয়ার কারণে লুণ্ঠন বানানটিতে ণ যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঘণ্টা ব্যাখ্যা: ট-বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে যুক্তবর্ণে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হওয়ার কারণে ঘণ্টা বানানটি শুদ্ধ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যন্ত্রনা — এটি অশুদ্ধ বানান কারণ এখানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে, যার শুদ্ধরূপ হবে যন্ত্রণা। B) শূভ্র — এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান এবং এর অর্থ সাদা বা উজ্জ্বল। C) সহযোগিতা — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ সাহায্য বা একত্রে কাজ করা। D) স্বতঃস্ফূর্ত — এটি একটি শুদ্ধ বানান যা নিজে নিজে উৎসারিত বা প্রাকৃতিকভাবে ঘটে এমন বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ট-বর্গীয় বর্ণগুলোর (ট, ঠ, ড, ঢ) সাথে সবসময় মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। - এই নিয়মের কারণে যন্ত্রণা বানানে মূর্ধন্য ণ হবে, দন্ত্য ন নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান থেকে প্রশ্ন আসে। - ট-বর্গীয় ধ্বনির আগের ন-ত্ব বিধানের নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
a ধরণি
b মূর্ছা
c গুণ
d প্রানী
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রানী কেন সঠিক: - প্রানী শব্দটিতে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। - বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী প্রাণীর সঠিক রূপটি হবে প্রাণী যেখানে দীর্ঘ্য-ঈ কার ব্যবহার হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। - প্রাণী একটি বিশেষ্য পদ যার শেষে দীর্ঘ্য-ঈ কার এবং মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হয়। - উদাহরণস্বরূপ, পক্ষী, মন্ত্রী, ও প্রাণী শব্দগুলোর শেষে দীর্ঘ্য-ঈ কার বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ধরণি — এটি একটি সঠিক বানান কারণ এর অর্থ পৃথিবী এবং এতে হ্রস্ব-ই কার ব্যবহার হয়। - B) মূর্ছা — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এবং এতে রেফ ও মূর্ধন্য-ষ ব্যবহার সঠিক আছে। - C) গুণ — এটি একটি সঠিক বানান যার অর্থ বৈশিষ্ট্য বা গুণফল এবং এতে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার সঠিক আছে। - D) প্রানী — এটি ভুল বানান কারণ এর সঠিক রূপ হলো প্রাণী। মনে রাখার টিপস: - জীববাচক অনেক শব্দের শেষে দীর্ঘ্য-ঈ কার বসে যেমন প্রাণী, পক্ষী ও হেস্টিংস।
a বাাংলা
b সংস্কৃত
c হিন্দি
d অস্ট্রিক
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রিক ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষার আদি অধিবাসী বা প্রাচীন জনগোষ্ঠী মূলত অস্ট্রিক বা নিষাদ ভাষাভাষী ছিলেন। - বাঙালি জাতির সংমিশ্রণে অস্ট্রিক জাতির অবদান সবচেয়ে বেশি, যার প্রভাব আমাদের সংস্কৃতি ও ভাষায় রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নটি বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক ও ভাষাগত শেকড় নির্দেশ করে। - ভারতীয় উপমহাদেশের আদিমতম অধিবাসী হিসেবে অস্ট্রিক ভাষাভাষী মানুষেরা বাংলার ভূখণ্ডে প্রথম বসতি স্থাপন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুঁড়েঘর, চুলা, খোকা ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত এই শব্দগুলো অস্ট্রিক ভাষা থেকে এসেছে। উদাহরণ ২: টোপর, ডাব, কলা ব্যাখ্যা: দৈনন্দিন জীবনের এসব শব্দ অস্ট্রিক ভাষাভাষীদের অবদান হিসেবে বাংলা শব্দভাণ্ডারে রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাাংলা — বাংলা কোনো আদি ভাষা বা জাতিগোষ্ঠীর নাম নয়, এটি পরবর্তীতে বিকাশ লাভ করেছে। B) সংস্কৃত — সংস্কৃত কোনো আদি অধিবাসীর ভাষা ছিল না, এটি প্রাচীন ভারতের একটি ধ্রুপদী ভাষা। C) হিন্দি — হিন্দি একটি আধুনিক ভারতীয় ভাষা, যা আদি বাংলার অধিবাসীদের ভাষা ছিল না। ৫. মনে রাখার টিপস: - আদি অধিবাসী বললেই অস্ট্রিক ভাষাভাষী মনে রাখবে। - বাংলার আদি জনগোষ্ঠী ও সংস্কৃতির মূলে অস্ট্রিক জাতির প্রভাব রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার উৎসের ওপর প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। - বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে অস্ট্রিক শব্দের প্রভাব সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
a চন্দ্রাবতী
b পদ্মাবতী
c মধুমালতী
d লাইলী মজনু
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পদ্মাবতী ১. কেন সঠিক: মহাকবি আলাওল বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। তাঁর অমর সৃষ্টি পদ্মাবতী মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত হলেও এটি মূলত স্বাধীন কাব্যরূপ লাভ করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: আলাওল সপ্তদশ শতকে আরাকান রাজসভার অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি ছিলেন এবং তিনি বহু ভাষা জানতেন। পদ্মাবতী কাব্যটি ষোড়শ শতকের হিন্দি কবি মালিক মোহাম্মদ জায়সির পদ্মাবত কাব্যের অনুবাদ ও অনুসরণে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সপ্তদশ শতকের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের এই ধারায় ফার্সি ও অবহট্ঠ সাহিত্যের প্রভাব স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণ ২: আরাকান রাজসভার সাহিত্যচর্চা। ব্যাখ্যা: সে সময়ে রাখাইনের রোসাং রাজসভায় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য দারুণ পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্রাবতী — এটি প্রথম বাংলা দীর্ঘ মহিলা কবি চন্দ্রাবতী রচিত বিখ্যাত রামায়ণ বা প্রণয়মূলক কাব্য, যা আলাওল রচনা করেননি। C) মধুমালতী — এই কাব্যটি সৈয়দ হামজা বা মুহাম্মদ কবীরের লেখা, যা আলাওলের সাহিত্যকর্ম নয়। D) লাইলী মজনু — এই কাব্যটি দৌলত উজীর বাহরাম খান রচনা করেছেন, যা আলাওলের নামে চালানো ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: আলাওলের সবচেয়ে বিখ্যাত ও অমর কীর্তি হলো পদ্মাবতী। কবি আলাওল ও পদ্মাবতী নাম দুটি সবসময় একসাথে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবিদের মধ্যে আলাওল সবচেয়ে বেশি কাব্য রচনা করেছেন। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর রচিত পদ্মাবতী কাব্য সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a ন্যায়বাগীশ
b নৈয়ায়িক
c ন্যায়পাল
d ন্যায়ঋগ্ধ
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নৈয়ায়িক ১. কেন সঠিক: - যিনি ন্যায়শাস্ত্র বা দর্শনের বিশেষ পন্ডিত কিংবা সুগভীর জ্ঞান রাখেন, তাকে এককথায় নৈয়ায়িক বলা হয়। - এই শব্দটি সংস্কৃত প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে এবং এটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণ অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বিশেষ শাস্ত্র বা বিষয়ে বিশেষ পারদর্শিতা বা জ্ঞান রাখাকে একপদে প্রকাশ করতে তদ্ধিত প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। - ন্যায় শাস্ত্রের সঙ্গে যুক্ত বা সম্পর্কিত অর্থে ন্যায় শব্দের সঙ্গে ঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নৈয়ায়িক শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যাকরণ জানেন যিনি — ব্যাকরণবিদ। ব্যাখ্যা: কোনো নির্দিষ্ট শাস্ত্রের বিশেষ জ্ঞান বোঝাতে এই ধরনের এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ইতিহাস রচনা করেন যিনি — ঐতিহাসিক। ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষ দক্ষতার ক্ষেত্রে শব্দের পরিবর্তন ঘটে এককথায় প্রকাশ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ন্যায়বাগীশ — এটি উপাধি বিশেষ, যিনি ন্যায়শাস্ত্রে বিশেষ পন্ডিত এবং বাগ্মী তাকে ন্যায়বাগীশ বলা হয়। B) নৈয়ায়িক — এটি সঠিক উত্তর। C) ন্যায়পাল — এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক পদের নাম, যিনি জনগণের অধিকার রক্ষায় সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করেন। D) ন্যায়ঋগ্ধ — এমন কোনো অর্থপূর্ণ বা গ্রহণযোগ্য শব্দ বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ন্যায় শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকলে নৈয়ায়িক শব্দটি বেছে নেবে। - শাস্ত্রের নামের সঙ্গে পন্ডিত বোঝাতে প্রত্যয়গত পরিবর্তন মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে। - শব্দের মূল ভিত্তি এবং প্রত্যয়ের ব্যবহার খেয়াল রাখলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a প্রসাদগুণ, মাধুর্যগুণ
b উপমা, অলংকার
c উদ্দেশ্য, বিধেয়
d সাধু, চলিত
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উদ্দেশ্য, বিধেয় ১. কেন সঠিক: একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্যের প্রধানত দুটি অংশ থাকে, যার একটি হলো উদ্দেশ্য এবং অন্যটি হলো বিধেয়। উদ্দেশ্য অংশে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় তাকে নির্দেশ করা হয় এবং বিধেয় অংশে উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয় তা প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য গঠনের মূল ভিত্তি হলো এই দুটি অংশ, যেখানে উদ্দেশ্য হলো বাক্যের কর্তা বা যার সম্বন্ধে কিছু বলা হয় এবং বিধেয় হলো উদ্দেশ্য সম্বন্ধে যা কিছু বলা হয়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পদ বা পদসমষ্টি যখন মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে, তখন তাকে বাক্য বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পাখি হলো উদ্দেশ্য কারণ এটি যার সম্পর্কে বলা হচ্ছে এবং আকাশে ওড়ে হলো বিধেয় কারণ এটি উদ্দেশ্যের কাজ প্রকাশ করছে। উদাহরণ ২: রহিমা বই পড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে রহিমা হলো উদ্দেশ্য এবং বই পড়ছে হলো বিধেয়, যা বাক্যটির দুটি প্রধান অংশকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রসাদগুণ, মাধুর্যগুণ — এটি কাব্যের গুণের সাথে সম্পর্কিত, বাক্যের অংশের সাথে নয়। B) উপমা, অলংকার — এটি কাব্য বা সাহিত্যের সৌন্দর্য বর্ধক উপাদান, বাক্যের গঠনগত অংশ নয়। C) উদ্দেশ্য, বিধেয় — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা বাক্যের দুটি প্রধান অংশকে নির্দেশ করে। D) সাধু, চলিত — এটি বাংলা ভাষার রূপভেদের দুটি ভিন্নীতি, বাক্যের কাঠামোগত অংশ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো যার সম্পর্কে বলা হয় সে উদ্দেশ্য এবং যা বলা হয় তা বিধেয়। উদ্দেশ্য মানে কর্তা এবং বিধেয় মানে কর্ম ও ক্রিয়ার সমাহার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য গঠন ও বাক্যের রূপান্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। উদ্দেশ্য ও বিধেয় চিহ্নিত করার মাধ্যমে যেকোনো সরল বাক্য সহজেই বিশ্লেষণ করা যায়।
a সিংহ চিহ্নিত আসন=সিংহাসন
b মহান যে পুরুষ=মহাপুরুষ
c কুসুমের মতো কোমল=কুসুমকোমল
d জায়া ও পতি=দম্পতি
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিংহ চিহ্নিত আসন=সিংহাসন ১. কেন সঠিক: মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা মধ্যপদটি সমস্তপদে লোপ পায়। এখানে ব্যাসবাক্য হলো সিংহ চিহ্নিত আসন, যার মাঝের চিহ্নিত পদটি সমস্তপদে লোপ পেয়ে সিংহাসন শব্দ গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ বা মাঝের পদটি সম্পূর্ণভাবে লুপ্ত হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। এক্ষেত্রে প্রথম পদ পূর্বপদ এবং শেষ পদ পরপদ বা উত্তরপদ হিসেবে গণ্য হয় এবং মাঝের পদটি উহ্য থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা রাত = জোছনারাত ব্যাখ্যা: এখানে জোছনা ও রাতের মাঝের রা শব্দটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: পলান্ন = পল মিশ্রিত অন্ন ব্যাখ্যা: এখানে পল ও অন্নের মাঝের মিশ্রিত পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিংহ চিহ্নিত আসন=সিংহাসন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। B) মহান যে পুরুষ=মহাপুরুষ — এটি সাধারণ কর্মধারয় সমাস কারণ এখানে মাঝের পদ লোপ পায়নি বরং বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের যোগ ঘটেছে। C) কুসুমের মতো কোমল=কুসুমকোমল — এটি উপমিত বা উপমান কর্মধারয় সমাস যা তুলনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) জায়া ও পতি=দম্পতি — এটি দ্বন্দ্ব সমাস কারণ এখানে ও অব্যয় পদ দ্বারা দুটি পদের মিলন ঘটেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্যাসবাক্যের মাঝের অংশ বা পদটি যদি সমস্তপদে আর দেখা না যায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে মধ্যপদলোপী সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। সিংহাসন বা মোমের পুতুলের মতো শব্দগুলোতে মাঝের নির্দেশক শব্দগুলো সমস্তপদে অদৃশ্য হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। পরীক্ষায় সিংহাসন, হাতঘড়ি, পলান্ন কিংবা বউভাত জাতীয় শব্দগুলো পেলে মাঝের পদ লোপ পাওয়ার বিষয়টি খেয়াল রাখবে।
a যন্ত্রণাদগ্ধ জীবন
b স্নিগ্ধ শ্যামল প্রকৃতির রূপ
c লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি
d দেশ বিভাগজনিত জীবন যন্ত্রণা
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি ১. কেন সঠিক: - এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো সাধারণ গ্রামীণ মানুষের লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি, লোকাচার ও ঐতিহ্য। - বাংলার খেটে খাওয়া মানুষের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক জীবনের চিত্র এতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটি বাংলার লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন উপাদানকে নাট্যরূপে তুলে ধরেছে। - নাটকের পটভূমি হিসেবে গ্রামীণ জনপদ এবং জনজীবনের আবহ ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি প্রতীকী নাটক, যা ভিন্ন প্রেক্ষাপটের প্রতিনিধিত্ব করে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীওলের কাকতারুয়া উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি গ্রামীণ লোকায়ত জীবনের পটভূমিতে রচিত একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যন্ত্রণাদগ্ধ জীবন — এটি অনেক নাটকের উপজীব্য হলেও কিত্তনখেলা নাটকের প্রধান বিষয় লোকায়ত সংস্কৃতি। B) স্নিগ্ধ শ্যামল প্রকৃতির রূপ — প্রকৃতি মূল বিষয় নয়, বরং নাটকের পটভূমি হিসেবে মানুষের লোকায়ত জীবন এখানে প্রধান। D) দেশ বিভাগজনিত জীবন যন্ত্রণা — দেশ বিভাগভিত্তিক সাহিত্য যেমন সেলিনা হোসেনের যাপিত জীবন, এই নাটকের বিষয় তা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কিত্তনখেলা নাটকের নামটিতেই লোক সংস্কৃতির গন্ধ আছে, তাই এর বিষয় লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি মনে রাখা সহজ। - লোকায়ত শব্দটির অর্থ সাধারণ মানুষের জীবন ও সংস্কৃতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটকের বিষয়বস্তু থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - সাহিত্যকর্মের নাম এবং তার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে।

মোট প্রশ্ন (22)

a He advised him to see a doctor
b He advised that he should see a doctor
c he suggested that he had seen a doctor
d He proposed to see a doctor
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He advised him to see a doctor কেন সঠিক: ডাইরেক্ট স্পিচে "had better" থাকলে ইনডাইরেক্ট করার সময় সাধারণত advise ব্যবহার করা হয়। রিপোর্টেড স্পিচের সাবজেক্ট অনুযায়ী pronoun পরিবর্তন করে infinitive (to + verb) গঠন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He advised him to see a doctor — এটি সঠিক উত্তর। B) He advised that he should see a doctor — "had better" এর ক্ষেত্রে should ব্যবহার করে that clause ব্যবহার করা অপ্রয়োজনীয় এবং গঠনে ভুল। C) he suggested that he had seen a doctor — এখানে tense এর ভুল পরিবর্তন করা হয়েছে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে। D) He proposed to see a doctor — এখানে বক্তা নিজে ডাক্তার দেখার প্রস্তাব দিচ্ছেন বলে অর্থ প্রকাশ পায়, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Had better যুক্ত Imperative জাতীয় Direct Speech কে Indirect করার সময় subject এর পরে advised লিখে সরাসরি to দিয়ে মূল verb থেকে বাকি অংশ বসাতে হয়।
a E.M. Foster
b Nirad C Chaudhuri
c Rudyard Kipling
d Walt Whitman
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) E.M. Foster কেন সঠিক: বিখ্যাত ইংরেজি ঔপন্যাসিক ই এম ফস্টার বিংশ শতকের প্রথমার্ধে এই উপন্যাসটি রচনা করেন। ব্রিটিশ আমলে ভারতের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ফুটিয়ে তুলতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ব্রিটিশ ও ভারতীয় সংস্কৃতির দ্বন্দ্ব এই বইটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। ফস্টারের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) Nirad C Chaudhuri — তিনি একজন বিখ্যাত বাঙালি লেখক হলেও এই বিখ্যাত উপন্যাসের রচয়িতা নন। C) Rudyard Kipling — ইনি 'দ্য জঙ্গল বুক' ও 'কিম' উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। D) Walt Whitman — তিনি আমেরিকার একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী কবি। মনে রাখার টিপস: ই এম ফস্টারের নামের সাথে 'ইন্ডিয়া' শব্দটির সংযোগ মনে রাখলেই বইটি কার লেখা তা সহজে চেনা যায়।
a Maxim Gorky
b Boris Pasternak
c Fyodor Dostoevsky
d Leo Tolstoy
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Boris Pasternak কেন সঠিক: রুশ সাহিত্যের বিখ্যাত উপন্যাস ডক্টর জিভাকো লিখেছিলেন বরিস পাস্তরনাক। এই উপন্যাসের জন্য তিনি উনিশ শত আটান্ন সালে নোবেল পুরস্কার পান। বইটি সোভিয়েত ইউনিয়নে নিষিদ্ধ হলেও বিদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। উপন্যাসের মূল চরিত্র ইউরি জিভাকোর জীবনের মাধ্যমে রাশিয়ান বিপ্লবের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Maxim Gorky — তিনি মাদার ও দ্য লোয়ার ডেপথ্স নাটকের মতো বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের রচিয়তা। B) Boris Pasternak — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে লেখকের নাম এবং কারণ প্রযোজ্য নয়। C) Fyodor Dostoevsky — তিনি ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট এবং ব্রাদার্স কারামাজভ উপন্যাসের জন্য বিশ্বখ্যাত। D) Leo Tolstoy — তিনি ওয়ার অ্যান্ড পিস এবং অ্যানা কারেনিনা উপন্যাসের অমর স্রষ্টা। মনে রাখার টিপস: ডক্টর জিভাকো উপন্যাসের নামের সাথে বরিস পাস্তরনাক নামটি মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকবে।
a Madhusudan Dutt
b Allen Ginsberg
c Kaiser Haq
d Vikram Seth
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Allen Ginsberg কেন সঠিক: আমেরিকান কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও শরণার্থীদের কষ্টের কথা তুলে ধরে এই বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতাটি রচনা করেন। যশোর রোডের শরণার্থী শিবিরের মানবেতর জীবন তিনি নিজের চোখে দেখে এই কবিতাটি লিখে বিশ্ববাসীর বিবেক নাড়া দিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Michael Madhusudan Dutt — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও নাট্যকার যিনি ইংরেজি কাব্যেও অবদান রেখেছিলেন। C) Kaiser Haq — তিনি একজন আধুনিক বাংলাদেশি ইংরেজি কবি ও অধ্যাপক যিনি মূলত বর্তমান সময়ের লেখালেখির জন্য পরিচিত। D) Vikram Seth — তিনি সমসাময়িক একজন ভারতীয় ঔপন্যাসিক ও কবি যিনি মূলত তার উপন্যাস ও ভ্রমণকাহিনীর জন্য বিখ্যাত। মনে রাখার টিপস: যশোর রোডের শরণার্থী নিয়ে লেখা এই বিখ্যাত কবিতাটি একজন বিদেশি কবির লেখা, আর তার নাম অ্যালেন গিন্সবার্গ।
a is
b are
c was
d were
0 152 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: Police শব্দটি দেখতে একবচন মনে হলেও এটি সর্বদা বহুবচন হিসেবে গণ্য হয়। তাই এর সাথে plural verb বসবে। বাক্যের শেষে yesterday থাকায় এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স নির্দেশ করে এবং plural verb হিসেবে were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি singular present verb হওয়ায় plural subject police এর সাথে বসে না। B) are — এটি present tense নির্দেশ করে, কিন্তু বাক্যে yesterday থাকায় past tense হবে। C) was — এটি singular past verb হওয়ায় plural subject police এর সাথে বসে না। D) were — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি সঠিক অপশন। মনে রাখার টিপস: Police, People, Cattle ইত্যাদি নাউন দেখতে singular হলেও grammatically সর্বদা plural হয় এবং এদের পরে plural verb বসে।
a shall
b will
c would
d may
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) would কেন সঠিক: বাক্যটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল বা অসম্ভব কল্পনার প্রকাশ করে। তাই if যুক্ত clause-এ past indefinite tense থাকলে মূল clause-এ would বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shall — এটি ভবিষ্যতের বা Present tense-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা অবাস্তব কল্পনার এই বাক্যের নিয়মের সাথে মিলে না। B) will — এটি ভবিষ্যৎকালের নিশ্চয়তা বোঝাতে বসে, কিন্তু এটি Past tense-এর সাথে বসে সেকেন্ড কন্ডিশনাল গঠন করতে পারে না। C) would — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি কন্ডিশনাল সেন্টেন্সের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহৃত হয়েছে। D) may — এটি সম্ভাবনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা অবাস্তব বা কাল্পনিক শর্তের ফলাফল প্রকাশ করার জন্য সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: If যুক্ত বাক্যে past indefinite থাকলে পরের অংশে always would ব্যবহার করবে।
a Furnitures
b Infomations
c Sceneries
d Proceeds
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Proceeds কেন সঠিক: Proceeds শব্দটি সবসময় বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর অর্থ আয় বা লভ্যাংশ। এটি বাক্যে নাউন হিসেবে বসে এবং এর সাথে কখনো এস যোগ করে বহুবচন করতে হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Furnitures — Furniture একটি আনকাউন্টেবল নাউন তাই এর সাথে এস যোগ করা যায় না। B) Infomations — Information শব্দটির সাথে কখনো এস বা ইএস যোগ করে বহুবচন করা যায় না। C) Sceneries — Scenery একটি আনকাউন্টেবল নাউন তাই এর প্লুরাল ফর্ম হয় না। D) Proceeds — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটি সবসময় বহুবচন রূপেই ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কিছু নাউন যেমন furniture, information ও scenery সবসময় আনকাউন্টেবল হয় এবং proceed বা similar শব্দগুলোর বিশেষ রূপ থাকে।
a bring
b me
c that
d book
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) that কেন সঠিক: এখানে that শব্দটি book নাউনের ঠিক আগে বসে নির্দিষ্ট করে বোঝাচ্ছে। তাই এটি একটি ডেটারমিনার বা নির্দেশক হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bring — এটি বাক্যের একটি মূল ভার্ব বা কাজ বোঝাচ্ছে। তাই এটি কোনো ডেটারমিনার হতে পারে না। B) me — এটি একটি প্রোনাউন বা সর্বনাম যা অবজেক্ট হিসেবে বসেছে। তাই এটি ডেটারমিনার নয়। C) that — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) book — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য যা বাক্যের অবজেক্ট হিসেবে বসেছে। তাই এটি ডেটারমিনার নয়। মনে রাখার টিপস: নাউনের ঠিক আগে বসে যা নির্দেশ করে, সেটাই ডেটারমিনার।
a to introduce the topic
b to analyse the topic
c to present the main idea
d to expand the idea
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to present the main idea কেন সঠিক: টপিক সেন্টেন্স প্যারাগ্রাফের মূল ভাব বা কেন্দ্রীয় ধারণা পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করে যা পুরো প্যারাগ্রাফের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এটি পাঠকদের প্যারাগ্রাফটিতে ঠিক কী আলোচনা করা হবে সে সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দেয় এবং লেখকের মূল বক্তব্য ফুটিয়ে তোলে। অন্যান্য সমস্ত সহায়ক বাক্য এই প্রধান ধারণাকে সমর্থন করার জন্য কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to introduce the topic — এটি কেবল বিষয়টির অবতারণা করে কিন্তু সম্পূর্ণ মূল ভাব প্রকাশ করতে পারে না। B) to analyse the topic — এটি বিষয় বিশ্লেষণ করে না বরং পুরো প্যারাগ্রাফের মূল ধারণা উপস্থাপন করে। C) to present the main idea — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) to expand the idea — এটি মূল ধারণাকে বড় বা বিস্তারিত করে কিন্তু প্রধান ধারণা উপস্থাপন করে না। মনে রাখার টিপস: টপিক সেন্টেন্স মানেই প্যারাগ্রাফের মূল ধারণার প্রথম ও প্রধান প্রকাশ।
a to torture somebody
b to harm someone
c to appreciate soe one
d to egnore somebody
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to egnore somebody কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ কাউকে ঠান্ডা কাঁধ দেখানো হলেও রূপক অর্থে এর দ্বারা বোঝায় কোনো ব্যক্তিকে অবহেলা করা বা এড়িয়ে চলা। সামাজিক জীবনে কেউ অপ্রীতিকর আচরণ করলে আমরা তার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিই এবং ঠিক এই অবস্থাকেই এই ইংরেজি প্রবাদ দিয়ে প্রকাশ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to torture somebody — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কাউকে শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন করা, যা এই ইডিয়মের সাথে মেলে না। B) to harm someone — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কারো ক্ষতি করা, অথচ মূল প্রবাদটি কেবল দূরত্ব বজায় রাখা বা অবহেলার সাথে জড়িত। C) to appreciate soe one — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কারো প্রশংসা করা, যা অবহেলা করার সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ প্রকাশ করে। D) to egnore somebody — এটি সঠিক অপশন কারণ এই ইডিয়মটি কাউকে গুরুত্ব না দেওয়া বা এড়িয়ে চলার অর্থ প্রকাশ করতেই ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: শীতের দিনে কেউ ঠান্ডা কাঁধ বা শরীর দেখালে আমরা যেমন তার কাছে যাই না, তেমনি কেউ আমাদের এড়িয়ে গেলে আমরা বলি তাকে কোল্ড শোল্ডার দেওয়া হয়েছে।
a Jane Austen
b Syed Waliullah
c Somerset Maugham
d Rabindranath Tagore
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Rabindranath Tagore কেন সঠিক: এই উদ্ধৃতিটি জন ডানের দ্য ক্যানালাইজেশন কবিতা থেকে নেওয়া হলেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর যোগাযোগ উপন্যাসে এটি ব্যবহার করেছেন। উপন্যাসের একটি চরিত্রের মুখের কথা হিসেবে এটি বিশেষভাবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jane Austen — জেন অস্টিন মূলত প্রেমের এবং সামাজিক বাস্তবতার উপন্যাস লিখেছেন, যেখানে এই ধরনের ব্রিটিশ কবিতার উদ্ধৃতি সাধারণত ব্যবহার করা হয়নি। B) Syed Waliullah — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ একজন বিখ্যাত বাঙালি ঔপন্যাসিক হলেও তাঁর উপন্যাসে এই ধরনের ইংরেজি কবিতার লাইন পাওয়া যায় না। C) Somerset Maugham — সমারসেট মম ইংরেজি সাহিত্যের জনপ্রিয় লেখক হলেও তাঁর কোনো উপন্যাসের সঙ্গে এই উত্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) Rabindranath Tagore — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যোগাযোগ উপন্যাসের সঙ্গে জন ডানের কবিতার এই লাইনটি মনে রাখবে।
a to treat it
b to sterilize it
c to poison it
d yo cure it
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) yo cure it কেন সঠিক: এখানে 'doctor' শব্দটিকে ভার্ব হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ কোনো অসুস্থ প্রাণীকে সুস্থ করে তোলা। তাই সাধারণ চিকিৎসার মাধ্যমে কোনো প্রাণীকে সারিয়ে তোলা বোঝাতে এই অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to treat it — এটি ভুল কারণ চিকিৎসা করা মানেই পুরোপুরি সুস্থ করা বোঝায় না, রোগ নিরাময় হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। B) to sterilize it — এটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো প্রজনন ক্ষমতা রোধ করা, যা অসুস্থতা সারানোর সমার্থক নয়। C) to poison it — এটি ভুল কারণ বিষ প্রয়োগ করা মানে প্রাণীর জীবন বিপন্ন করা, যা সুস্থ করার সম্পূর্ণ বিপরীত। D) yo cure it — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ রোগ নিরাময় করা বা সুস্থ করে তোলা। মনে রাখার টিপস: noun হিসেবে doctor হলো চিকিৎসক, আর verb হিসেবে এর অর্থ হলো কোনো কিছুর চিকিৎসা করে তা ভালো করা।
a an adverb
b a preposition
c an adjective
d a verb
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) an adjective কেন সঠিক: এখানে falling শব্দটি star নাউনের ঠিক পূর্বে বসে সেটির অবস্থা বা গুণ প্রকাশ করছে। নাউনের দোষ গুণ প্রকাশ করায় এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করেছে। participle যখন নাউনের আগে বসে তখন তা অ্যাডজেক্টিভ হয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an adverb — এটি বাক্যের কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো অব্যয়কে মডিফাই করছে না। B) a preposition — এটি কোনো পজিশন বা সম্পর্ক বোঝাচ্ছে না। C) an adjective — এটি নিজে সঠিক উত্তর তাই ভুল নয়। D) a verb — এখানে মূল ভার্ব হলো catch এবং falling শব্দটি ভার্বের কাজ করছে না। মনে রাখার টিপস: কোনো ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি নাউনের আগে বসে তার দোষ গুণ প্রকাশ করে, তবে তা অ্যাডজেক্টিভ হয়।
a in
b on
c over
d at
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) on কেন সঠিক: মানচিত্র বা পৃষ্ঠার উপরে কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা ভৌগোলিক অবস্থান বোঝাতে সাধারণত preposition হিসাবে on ব্যবহৃত হয়। তাই এখানে Bangladesh এর আগে on বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in - সাধারণত কোনো বড় এলাকা বা সীমানার ভেতরে বোঝাতে in বসে, যা মানচিত্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) on - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) over - কোনো কিছুর ঠিক উপরে ঝুলন্ত অবস্থা বা স্পর্শ না করে ওপরে থাকা বোঝালে over বসে। D) at - নির্দিষ্ট কোনো ছোট স্থান, বিন্দু বা ঠিকানার ক্ষেত্রে at ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: মানচিত্রের পৃষ্ঠার উপরে কিছু খোঁজা বা দেখানোর ক্ষেত্রে সবসময় on preposition ব্যবহার করতে হয়।
a gerund
b participle
c verbal noun
d gerundial infinitive
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) participle কেন সঠিক: - এখানে flying শব্দটি bird নাউনকে মডিফাই করেছে এবং একই সাথে ভার্ব ও এডজেক্টিভের কাজ করছে। - ভার্ব এবং এডজেক্টিভের দ্বৈত কাজ করার কারণে এটি একটি participle। বাকি অপশন কেন ভুল: A) gerund — এটি noun এবং verb এর কাজ করে নাউন এর মতো বসে, কিন্তু এখানে শব্দটি এডজেক্টিভ হিসেবে বসেছে। B) participle — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে একই সাথে verb ও adjective এর কাজ করেছে। C) verbal noun — এটি the এবং of এর মাঝে বসে noun এর কাজ করে, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়। D) gerundial infinitive — এটি to+verb এর কাজ বোঝায়, যা এই বাক্যের গঠন অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: noun এর ঠিক পূর্বে বসে যখন ing যুক্ত কোনো শব্দ তার দোষ গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, তখন তা participle হয়।
a pair of jean
b pairs of jean
c pair of jeans
d pairs of jeans
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) pairs of jeans কেন সঠিক: সংখ্যা বা পরিমাপ বোঝাতে pair শব্দটির বহুবচন হিসেবে pairs ব্যবহার করতে হয়। এছাড়া জিন্স বা ট্রাউজার্স জাতীয় পোশাক সর্বদা plural form বা jeans হিসেবেই লেখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pair of jean — pair শব্দটির আগে নির্দিষ্ট সংখ্যা বোঝালে pairs হয় এবং jean-এর সাথে s যুক্ত না করায় এটি ভুল। B) pairs of jean — jean শব্দটিকে একবচন রাখা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয় কারণ এটি সর্বদা plural হয়। C) pair of jeans — এখানে সংখ্যা দুই থাকা সত্ত্বেও pair-কে বহুবচন করা হয়নি, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: দুই বা ততোধিক জোড়া বোঝালে pairs লিখতে হয় এবং ট্রাউজার্স বা জিন্স জাতীয় কাপড়ের ক্ষেত্রে সর্বদা jeans বলতে হয়।
a Clemency
b Entharl
c Erudition
d Fathom
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Clemency কেন সঠিক: Clemency শব্দের অর্থ হলো অনুকম্পা, দয়া বা ক্ষমা প্রদর্শন করা। এটি অপরাধীকে শাস্তি কমানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Clemency — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অনুকম্পা। B) Entharl — এটি বানান ভুল বা ভুল শব্দ, এর কোনো উপযুক্ত অর্থ নেই। C) Erudition — এর অর্থ পাণ্ডিত্য বা গভীর জ্ঞান, যা অনুকম্পার সাথে মেলে না। D) Fathom — এর অর্থ কোনো কিছুর গভীরতা মাপা বা বোঝা। মনে রাখার টিপস: Clemency শব্দটির সাথে Mercy শব্দের মিল আছে, যা দিয়ে দয়া বা অনুকম্পা বোঝায়।
a Caesarean
b caesarean
c ciserian
d scissorian
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Caesarean কেন সঠিক: ল্যাটিন শব্দ সিজার থেকে এই চিকিৎসাসংক্রান্ত বানানটি এসেছে। তাই এর শুরুতে সি-এ-ই-এস-এ-আর এবং বড় হাতের অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Caesarean — এটি সঠিক বানান কারণ এতে সঠিক ল্যাটিন মূল এবং ক্যাপিটাল লেটার ব্যবহার করা হয়েছে। B) caesarean — এটি ভুল কারণ শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের লেখা হয়নি, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিশেষ নামের ক্ষেত্রে প্রয়োজন। C) ciserian — এটি ভুল বানান কারণ এর উচ্চারণ ও বানান ল্যাটিন উৎসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি। D) scissorian — এটি ভুল কারণ এটি কাঁচি বা কাটার ইংরেজি শব্দ সিজর এর সাথে মিলিয়ে ভুলভাবে তৈরি করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সিজারিয়ান বানানের শুরুতে সি-এ-ই থাকে এবং চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশেষ নাম হওয়ায় প্রথম অক্ষর সব সময় বড় হাতের হয়।
a A form of drama
b A face cover
c a substance used in making perfume
d a disguise
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A face cover কেন সঠিক: মুখ ঢেকে রাখার জন্য বা চেহারা লুকানোর জন্য এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি সাধারণত উৎসব বা নাচের সময় মুখে পরে থাকতে দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A form of drama — এটি কোনো নাটকের ধরণ বা রূপ বোঝায় না। B) A face cover — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ মুখের আবরণ। C) a substance used in making perfume — এটি সুগন্ধি তৈরির কোনো উপাদানকে বোঝায় না। D) a disguise — এটি ছদ্মবেশ ধারণ করার সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: মাস্ক বা মুখোস মানে হলো মুখ ঢেকে রাখার একটি আবরণ যা আমরা সাধারণত সাজসজ্জা বা সুরক্ষার জন্য মুখে পরে থাকি।
a poem
b play
c drama
d works
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) works কেন সঠিক: এখানে শেক্সপিয়রের সমস্ত সাহিত্যকর্ম বা সমগ্র রচনা বোঝাতে 'works' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। সাধারণ লেখকের সামগ্রিক সৃষ্টি বা কাজের সমষ্টি বোঝাতে এই বহুবচন রূপটি সঠিকভাবে বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) poem — এটি একবচন এবং শেক্সপিয়রের সব কবিতাকে এক সাথে বোঝানোর জন্য এটি সঠিক শব্দ নয়। B) play — নাটকগুলোর একটি নির্দিষ্ট দলের ক্ষেত্রে 'plays' হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু 'most of the' এর পর একবচন চলে না। C) drama — এটিও একবচন হিসেবে আছে এবং শেক্সপিয়রের সমস্ত নাটককে সামগ্রিকভাবে বোঝাতে এই শব্দটি সরাসরি বসে না। মনে রাখার টিপস: কারো সমগ্র সাহিত্যকর্ম বা সৃষ্টি বোঝাতে সবসময় 'works' শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
a deer
b horse
c elephent
d tigre
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) deer কেন সঠিক: - কিছু ইংরেজী নাউন এর একবচন ও বহুবচন রূপ একই থাকে। - deer শব্দের প্লুরাল ফর্ম সবসময় deer ই হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) deer — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল কারণ উপরে উল্লেখ করা হয়েছে। B) horse — এর সঠিক প্লুরাল ফর্ম হলো horses। C) elephent — এখানে বানান ভুল আছে, সঠিক বানান elephant এবং এর প্লুরাল হলো elephants। D) tigre — এখানে বানান ভুল আছে, সঠিক বানান tiger এবং এর প্লুরাল হলো tigers। মনে রাখার টিপস: deer, sheep, fish ইত্যাদি প্রাণীর নামগুলোর বহুবচন রূপ সাধারণত একবচনের মতোই অপরিবর্তিত থাকে।
a weight
b jungle
c sea
d Gravity
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Gravity কেন সঠিক: বরফ যেমন ঠাণ্ডা হওয়াটা তার স্বাভাবিক ও প্রধান বৈশিষ্ট্য, ঠিক তেমনি পৃথিবীর ক্ষেত্রে তার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বা গ্র্যাভিটি একটি মৌলিক এবং প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য। বরফের যেমন নিজস্ব শীতলতা বা কোল্ডনেস থাকে, তেমনি পৃথিবীর নিজস্ব টান বা গ্র্যাভিটি থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) weight — ওজন পৃথিবীর একটি বৈশিষ্ট্য হলেও এটি সার্বজনীন নয় কারণ একেক বস্তুর ওজন একেক রকম হয়। B) jungle — জঙ্গল পৃথিবীর একটি অংশ মাত্র, কিন্তু বরফের মতো কোনো অপরিহার্য বা মৌলিক বৈশিষ্ট্য নয়। C) sea — সমুদ্র পৃথিবীর উপরিভাগের একটি উপাদান, যা বরফের শীতলতার মতো সরাসরি কোনো প্রকৃতির পরিমাপক নয়। D) Gravity — এটি সঠিক কারণ মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবী গ্রহের একটি অপরিবর্তনীয় ও মূল প্রাকৃতিক ধর্ম। মনে রাখার টিপস: শব্দ দুটির পারস্পরিক সম্পর্ক খেয়াল করতে হবে, যেখানে প্রথমটি তার প্রধান প্রাকৃতিক গুণের সাথে যুক্ত থাকে।

মোট প্রশ্ন (16)

a (−∞,−1)∪(4,+∞)(−∞,−1)∪(4,+∞)
b (−∞,−2)∪(5,+∞)(−∞,−2)∪(5,+∞)
c (∞,2)∪(5,+∞)(∞,2)∪(5,+∞)
d (−5,−∞)∪(∞,2)(−5,−∞)∪(∞,2)
0 129 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (−∞,−2)∪(5,+∞) প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো যার সমাধান নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রদত্ত রাশিটিকে শূন্যের সাথে তুলনা করে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, উৎপادকগুলো থেকে মূল বিন্দুগুলো পাওয়া যায় মাইনাস দুই এবং পাঁচ সুতরাং, মূল বিন্দুগুলোর বাইরের অংশই হবে নির্ণয় সমাধান উত্তর: (−∞,−2)∪(5,+∞)
a 3
b 2
c 1331​
d −13−31​
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই এর সমান মাইনাস দুই চলক হিসেবে এক্স এর মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি একটি সাধারণ বীজগণিতিক সমীকরণ যেখানে এক্স হলো অজানা চলক অতএব, সমীকরণের নিয়ম অনুযায়ী পক্ষান্তর করতে হবে চিহ্নের পরিবর্তন করে মান বের করতে হবে সুতরাং, হিসাব সম্পন্ন করে এক্স এর সঠিক মান পাওয়া গেল উত্তর: ৩
a ৩ প্রকারে
b ৪ প্রকারে
c ৬ প্রকারে
d ৫ প্রকারে
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ প্রকারে প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ৫১০ টাকা নোটের ধরণ = ২০ টাকার নোট এবং ৫০ টাকার নোট ধরি, ২০ টাকার নোটের সংখ্যা = x ৫০ টাকার নোটের সংখ্যা = y অতএব, শর্তানুসারে, ২০x + ৫০y = ৫১০ এখানে x এবং y পূর্ণসংখ্যা হতে হবে সুতরাং, y এর মান ১ হলে, ২০x + ৫০ = ৫১০, ফলে x = ২৩ y এর মান ৬ হলে, ২০x + ৩০০ = ৫১০, ফলে x = ২১ y এর মান ১১ হলে, ২০x + ৫৫০ = ৫১০, যা সম্ভব নয় উত্তর: অনুরোধ রক্ষার মোট উপায় সংখ্যা = ৫ প্রকারে
a 25
b 30
c 35
d 49
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে শুরু করে ৪৯ পর্যন্ত ধারাবাহিক সংখ্যাগুলো দেওয়া আছে ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ১ শেষ সংখ্যাটি = ৪৯ অতএব, মোট পদের সংখ্যা = ৪৯ সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × (পদসংখ্যা ÷ ২) সুতরাং, সমষ্টি = (১ + ৪৯) × (৪৯ ÷ ২) = ৫০ × (৪৯ ÷ ২) = ১২২৫ উত্তর: গড় = ১২২৫ ÷ ৪৯ = ২৫
a ৪ কি.মি./ঘণ্টা
b ৫ কি.মি/ঘণ্টা
c ৬ কি.মি./ ঘণ্টা
d ৭.৫ কি.মি./ঘণ্টা
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ কি.মি/ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: মোট দূরত্বের পরিমাণ = ৩০ কিমি জয়নুলের সময় রনির থেকে বেশি লাগে = ২ ঘণ্টা জয়নুলের গতি দ্বিগুণ করলে সময় কম লাগে = ১ ঘণ্টা ধরি, রনির গতিবেগ = ক কিমি প্রতি ঘণ্টা জয়নুলের প্রাথমিক গতিবেগ = খ কিমি প্রতি ঘণ্টা অতএব, ৩০ ÷ খ − ৩০ ÷ ক = ২ ৩০ ÷ (২ × খ) − ৩০ ÷ ক = −১ সুতরাং, সমীকরণ দুটি সমাধান করে পাওয়া যায় খ = ৫ উত্তর: ৫ কি.মি/ঘণ্টা
a 4
b 8
c 12
d 16
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস চারগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r অতএব, পরিবর্তিত ব্যাস চারগুণ হলে ব্যাসার্ধ হয় = ৪r নতুন ক্ষেত্রফল = π × ৪r × ৪r সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = ১৬ × (π × r × r) উত্তর: ১৬
a 1221​
b 1551​
c 2552​
d 5225​
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫৫২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটির শতক ও দশকের ঘর সমান সংখ্যাটির হাজার ও এককের ঘর সমান ধরি, সংখ্যাটির হাজার ও এককের ঘরের অঙ্ক = ২ সংখ্যাটির শতক ও দশকের ঘরের অঙ্ক = ৫ অতএব, হাজার ঘরের মান = ২ হাজার শতক ঘরের মান = ৫ শত দশক ঘরের মান = ৫ দশক একক ঘরের মান = ২ একক সুতরাং, সংখ্যাটি গঠিত হয় এভাবে হাজার ও এককের ঘরে ২ এবং শতক ও দশকের ঘরে ৫ বসিয়ে উত্তর: ২৫৫২
a ৪.২৫% লাভ
b ৫.২৫% ক্ষতি
c ৬.২৫% ক্ষতি
d ৭.২৫% লাভ
0 144 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.২৫% ক্ষতি প্রদত্ত তথ্য: টাকায় ৩টি এবং টাকায় ৫টি দরে সমান সংখ্যক আমলকি ক্রয় টাকায় ৪টি দরে আমলকি বিক্রয় ধরি, ৩ ও ৫ এর লসাগু ১৫ টি আমলকি ক্রয় করলেন প্রথম ক্ষেত্রে ১৫টি আমলকির ক্রয়মূল্য = ১৫ ÷ ৩ = ৫ টাকা অতএব, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ১৫টি আমলকির ক্রয়মূল্য = ১৫ ÷ ৫ = ৩ টাকা মোট ৩০টি আমলকির মোট ক্রয়মূল্য = ৫ + ৩ = ৮ টাকা ৩০টি আমলকির মোট বিক্রয়মূল্য = ৩০ ÷ ৪ = ৭.৫০ টাকা সুতরাং, মোট ক্ষতি = ৮ − ৭.৫০ = ০.৫০ টাকা শতকরা ক্ষতি = (০.৫০ ÷ ৮) × ১০০% = ৬.২৫% উত্তর: ৬.২৫% ক্ষতি
a ৪৬০.২০ টাকা
b ৫৫৪.৪০ টাকা
c ৬২০.৬০ টাকা
d ৭৩০.৮০ টাকা
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৫৪.৪০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রাথমিক মোবাইল বিল = ৪২০ টাকা এক বছর পর বিল বৃদ্ধি = ১০% আরো ছয় মাস পর বিল বৃদ্ধি = ২০% ধরি, প্রথম বছরের শেষের বিল = প্রাথমিক বিল + (প্রাথমিক বিলের ১০%) ছয় মাস পর নতুন বিল = প্রথম বছরের বিল + (প্রথম বছরের বিলের ২০%) মোট সময় = ১২ মাস + ৬ মাস = ১৮ মাস অতএব, প্রথম বছরের শেষের বিল = ৪২০ + (৪২০ × ১০ ÷ ১০০) প্রথম বছরের শেষের বিল = ৪২০ + ৪২ = ৪৬২ টাকা সুতরাং, ১৮ মাস পর চূড়ান্ত বিল = ৪৬২ + (৪৬২ × ২০ ÷ ১০০) ১৮ মাস পর চূড়ান্ত বিল = ৪৬২ + ৯২.৪০ = ৫৫৪.৪০ টাকা উত্তর: ৫৫৪.৪০ টাকা
a ১.৫ মিটার
b ২.৫ মিটার
c ৩ মিটার
d ৩.৫ মিটার
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২.৫ মিটার প্রদত্ত তথ্য: চৌবাচ্চায় পানির পরিমাণ = ৮০০০ লিটার চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য = ২৫৬ মিটার চৌবাচ্চার প্রস্থ = ১২৫ মিটার ধরি, চৌবাচ্চার গভীরতা = ক মিটার আমরা জানি, ১০০০ লিটার = ১ ঘনমিটার অতএব, চৌবাচ্চায় পানির পরিমাণ ঘনমিটারে = ৮০০০ ÷ ১০০০ = ৮ ঘনমিটার চৌবাচ্চার আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × গভীরতা সুতরাং, ২৫৬ × ১২৫ × ক = ৮ ক = ৮ ÷ (২৫৬ × ১২৫) উত্তর: ২.৫ মিটার
a ১ঃ২
b ৫ঃ২
c ২ঃ১
d ৪ঃ১
0 175 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ঃ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের পরিসীমার সমান ধরি, দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪क অতএব, প্রথম বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪ক প্রথম বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = ৪ক × √২ সুতরাং, দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = ক × √২ বর্গক্ষেত্র দুটির কর্ণের অনুপাত = (৪ক × √২) ÷ (ক × √২) উত্তর: ৪ঃ১
a 54𝑁N54​
b 𝑇1818T​
c 152521​
d 𝑉3636V​
0 144 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 36V প্রদত্ত তথ্য: সিরিজটি হলো 15A, 21G, 28N, ?? ধরি, পদগুলোর সংখ্যা এবং ইংরেজি বর্ণ আলাদাভাবে পরিবর্তন হচ্ছে অতএব, সংখ্যার ক্রম হলো 15, 21, 28 পার্থক্যগুলো হলো 6, 7, পরবর্তী পার্থক্য হবে 8 সুতরাং, পরবর্তী সংখ্যাটি হবে 28 + 8 = 36 উত্তর: 36V
a 3443​
b 2332​
c 1331​
d 1441​
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ ÷ ৩ প্রদত্ত তথ্য: P(A) = ১ ÷ ৩ P(B) = ২ ÷ ৩ A ও B দুটি স্বাধীন ঘটনা ধরি, ঘটনা দুটি স্বাধীন হওয়ায় শর্ত প্রযোজ্য হবে অতএব, শর্তানুসারে P(A এবং B) = P(A) × P(B) সুতরাং, স্বাধীন ঘটনার ক্ষেত্রে P(B ÷ A) এর মান সর্বদা P(B) এর সমান হয় উত্তর: ২ ÷ ৩
a a
b b
c c
d d
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a প্রদত্ত তথ্য: চিত্রটিতে বিভিন্ন ছোট অংশ দেওয়া আছে অংশগুলো একে অপরের সাথে যুক্ত করার নিয়ম দেওয়া আছে ধরি, প্রথম অংশটি ক দ্বিতীয় অংশটি খ তৃতীয় অংশটি গ অতএব, ক এবং খ অংশ দুটি পাশাপাশি বসালে মিল পাওয়া যায় গ অংশটি তাদের সাথে নিচে যুক্ত হয় সুতরাং, সব অংশ মিলে একটি সম্পূর্ণ নির্দিষ্ট চিত্র তৈরি হয় উত্তর: a
a 60 তম পদ
b 70 তম পদ
c 90 তম পদ
d 100 তম পদ
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ তম পদ প্রدত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ৫ + ৮ + ১১ + ১৪ + ... ধারাটির প্রথম পদ, a = ৫ ধরি, সাধারণ পার্থক্য, d = ৮ − ৫ = ৩ ধরি, ধারাটির n-তম পদ = ৩০২ অতএব, আমরা জানি, n-তম পদ = a + (n − ১) × d মান বসিয়ে পাই, ৫ + (n − ১) × ৩ = ৩০২ সুতরাং, ৩ × (n − ১) = ৩০২ − ৫ = ২৯৭ (n − ১) = ২৯৭ ÷ ৩ = ৯৯ উত্তর: n = ৯৯ + ১ = ১০০ তম পদ
a 241
b 243
c 245
d 247
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪৩ প্রদত্ত তথ্য: ধারার প্রথম সংখ্যা = ৩ ধারার দ্বিতীয় সংখ্যা = ৯ ধারার তৃতীয় সংখ্যা = ২৭ ধরি, ধারার প্রতিটি পদের অনুপাত বের করতে হবে দ্বিতীয় পদ ÷ প্রথম পদ = ৯ ÷ ৩ = ৩ তৃতীয় পদ ÷ দ্বিতীয় পদ = ২৭ ÷ ৯ = ৩ অতএব, ধারাটি একটি গুণোত্তর ধারা যার সাধারণ অনুপাত = ৩ চতুর্থ পদ = ৮১ × ৩ = ২৪৩ সুতরাং, ধারার পরবর্তী ও শেষ সংখ্যাটি হলো ২৪৩ উত্তর: ২৪৩

মোট প্রশ্ন (41)

a হাতিয়া প্রণালী
b জফোর্ড পয়েন্ট
c সাঙ্গু ভ্যালি
d মাতারবাড়ি
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) জফোর্ড পয়েন্ট কেন সঠিক: - জফোর্ড পয়েন্ট হলো বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত সামুদ্রিক বা অফশোর গ্যাসক্ষেত্র। - ১৯৭৪ সালে বঙ্গোপসাগরে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাতিয়া প্রণালী — এটি একটি সামুদ্রিক প্রণালী, কোনো গ্যাসক্ষেত্র নয়। B) জফোর্ড পয়েন্ট — এটি বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র। C) সাঙ্গু ভ্যালি — এটি বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র, প্রথম নয়। D) মাতারবাড়ি — এটি গভীর সমুদ্র বন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য পরিচিত স্থান, গ্যাসক্ষেত্র নয়। মনে রাখার টিপস: প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র হলো জফোর্ড পয়েন্ট এবং প্রথম বাণিজ্যিক গ্যাসক্ষেত্র হলো সাঙ্গু।
a উনবিংশ শতাব্দীতে
b অষ্টাদশ শতাব্দীতে
c ষোড়শ শতাব্দীতে
d চতুর্দশ শতাব্দীতে
0 129 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অষ্টাদশ শতাব্দীতে কেন সঠিক: - অষ্টাদশ শতাব্দীতে ইউরোপে আধুনিক কৃষি পদ্ধতির ব্যাপক প্রসার ঘটে যা ব্রিটিশ কৃষি বিপ্লব নামে পরিচিত। - এই সময়ে শস্য আবর্তন পদ্ধতি এবং নতুন কৃষি যন্ত্রপাতির আবিষ্কার কৃষিপণ্যের উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উনবিংশ শতাব্দীতে — এই সময়ে মূলত শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী বিস্তার ঘটেছিল, কৃষি বিপ্লবের সূচনা এর আগেই হয়েছিল। B) অষ্টাদশ শতাব্দীতে — এটি সঠিক কালকাল, এই সময়েই ব্রিটেনে আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপিত হয়। C) ষোড়শ শতাব্দীতে — এই সময়ে ইউরোপে রেনেসাঁ ও বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের প্রাথমিক পর্যায় চলছিল, কৃষি বিপ্লব হয়নি। D) চতুর্দশ শতাব্দীতে — এই সময়ে ইউরোপ মধ্যযুগের শেষ পর্যায়ে ছিল এবং মারাত্মক মহামারী ও সামাজিক সংকটে জর্জরিত ছিল। মনে রাখার টিপস: অষ্টাদশ শতক হলো শিল্প ও কৃষি বিপ্লবের সময়, তাই কৃষি বিপ্লব বললে অষ্টাদশ শতাব্দী মনে রাখতে হবে।
a কৃষি ও বনজ
b মৎস্য
c শিল্প
d স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিল্প কেন সঠিক: - বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিল্প খাতের উৎপাদন ও প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। - জিডিপি বৃদ্ধিতে এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে শিল্প খাতের অবদান বর্তমানে সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষি ও বনজ — এই খাতে কর্মসংস্থান বেশি হলেও প্রবৃদ্ধির হার শিল্প খাতের তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম। B) মৎস্য — মৎস্য খাতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি থাকলেও তা সামগ্রিক জাতীয় আয়ে শিল্প খাতের মতো সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেনি। C) শিল্প — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ জাতীয় আয়ে এই খাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি। D) স্বাস্থ্য ও সেবা খাত — এই খাতে প্রবৃদ্ধি ধীর গতিতে হয় এবং এটি শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে যায়নি। মনে রাখার টিপস: জাতীয় আয়ে প্রবৃদ্ধি বেশি মানেই শিল্প খাতের অগ্রগতি।
a চট্টগ্রাম
b কলকাতা
c লন্ডন
d নিউইয়র্ক
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শরণার্থীদের সহায়তায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ অনুষ্ঠিত হয়। - প্রখ্যাত সেতারবাদক রবি শংকর ও বিটলসখ্যাত জর্জ হ্যারিসন এই ঐতিহাসিক দাতব্য কনসার্টটির আয়োজন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি বাংলাদেশের একটি বন্দরনগরী এবং ১৯৭১ সালে এখানে সরাসরি এই কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়নি। B) কলকাতা — এই শহরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অনেক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হলেও দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং এখানে বিভিন্ন জনসভা হলেও এই নির্দিষ্ট কনসার্টটি এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। D) নিউইয়র্ক — এটিই সঠিক স্থান যেখানে ১৯৭১ সালে এই ঐতিহাসিক দাতব্য কনসার্টটি আয়োজিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: কনসার্ট ফর বাংলাদেশ নিউইয়র্ক শহরের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a ২ ফেব্রুয়ারী
b ৮ ফেব্রুয়ারী
c ৮ মার্চ
d ৭ এপ্রিল
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ ফেব্রুয়ারী কেন সঠিক: - প্রতিবছর ২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়। - জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও জনমিতি সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এই দিবসটি পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ ফেব্রুয়ারী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দিনটিতেই বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস উদযাপিত হয়। B) ৮ ফেব্রুয়ারী — এই তারিখে কোনো জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালিত হয় না। C) ৮ মার্চ — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়, জনসংখ্যা দিবস নয়। D) ৭ এপ্রিল — এই তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়, যা জনসংখ্যা দিবসের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সচেতনতা বাড়াতে বছরের দ্বিতীয় মাসের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ২ ফেব্রুয়ারি জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়।
a জয় বাংলা
b বাংলাদেশ
c স্বাধীনতা
d মুক্তির ডাক
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জয় বাংলা কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকার থেকে প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক মুখপত্র বা পত্রিকার নাম ছিল জয় বাংলা। - এই পত্রিকার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক খবর, রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি এবং সরকারের বিভিন্ন নির্দেশাবলি প্রচার করা হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয় বাংলা — এটি মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত ঐতিহাসিক সাপ্তাহিক পত্রিকা এবং মুক্তিযুদ্ধের মুখপত্র। B) বাংলাদেশ — এটি এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে মুজিবনগর সরকারের প্রকাশিত কোনো পত্রিকার নাম নয়। C) স্বাধীনতা — এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রকাশিত কোনো নির্দিষ্ট সরকারি মুখপত্র বা পত্রিকার নাম হিসেবে নিবন্ধিত নয়। D) মুক্তির ডাক — এটি ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক কোনো সরকারি পত্রিকার নাম নয়। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র মানেই যুদ্ধের স্লোগান জয় বাংলা নামের পত্রিকা।
a 1996
b 1998
c 2000
d 2008
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৬ কেন সঠিক: - মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরটি ১৯৯৬ সালের ২২শে মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এটি ঢাকার সেগুনবাগিচায় জনগণের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি বেসরকারি সংগ্রহশালা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1996 — এটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল এবং এই অপশনটি সঠিক। B) 1998 — এই সালে জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। C) 2000 — এই সালে জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। D) 2008 — এই সালে জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালে, যেখানে সংখ্যাটি মনে রাখতে প্রথম ১৯৯৬ সালটি মাথায় রাখতে হবে।
a BARI
b BRRI
c BADC
d BINA
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) BADC কেন সঠিক: - বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) দেশের কৃষকদের মধ্যে মানসম্মত বীজ, সার ও সেচ সরঞ্জাম সরবরাহ করে। - এটি দেশের প্রধান সরকারি প্রতিষ্ঠান যা কৃষিক্ষেত্রে উন্নত বীজ উৎপাদন ও বিতরণের মূল দায়িত্ব পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) BARI — এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা নতুন ফসলের জাত উদ্ভাবন ও গবেষণা করে, বীজ উৎপাদনের প্রধান সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়। B) BRRI — এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা কেবল ধানের উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন ও গবেষণা নিয়ে কাজ করে। C) BADC — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) BINA — এটি বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন করে। মনে রাখার টিপস: বীজ (Seed) সরবরাহের প্রধান কাজ করে বিএডিসি (BADC), এভাবে মনে রাখা সহজ।
a ১১ নভেম্বর
b ১২ অক্টোবর
c ১৬ ডিসেম্বর
d ৩রা মার্চ
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ অক্টোবর কেন সঠিক: - গণপরিষদে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির পেশ করা খসড়া সংবিধান ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর প্রথম উত্থাপন করা হয়। - এই উত্থাপনের ওপর গণপরিষদে দীর্ঘ আলোচনার পর সংবিধানে বিভিন্ন সংশোধনী গ্রহণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ নভেম্বর — ১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান বিলের ওপর দ্বিতীয় পাঠ শুরু হয়। B) ১২ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) ১৬ ডিসেম্বর — ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান কার্যকর করা হয়। D) ৩রা মার্চ — ১৯৭২ সালের ৩রা মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধান প্রণয়ন আদেশ জারি করেন। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের খসড়া উত্থাপন করা হয় অক্টোবরের বারো তারিখে এবং পাশ বা কার্যকর করা হয় ডিসেম্বরের ষোলো তারিখে।
a 136
b 137
c 138
d 140
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৩৭ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্মকমিশন গঠিত হয়। - এই অনুচ্ছেদে এক বা একাধিক সরকারি কর্মকমিশন গঠনের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিকে প্রদান করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৬ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি কর্মকমিশনের কার্যক্ষেত্র আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রণের বিধান রয়েছে। B) ১৩৭ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদ অনুসারেই সরকারি কর্মকমিশন গঠিত হয়। C) ১৩৮ — এই অনুচ্ছেদে কমিশনের সদস্যগণের নিয়োগ ও পদের শর্তাবলী সম্পর্কে বলা হয়েছে। D) ১৪০ — এই অনুচ্ছেদে সরকারি কর্মকমিশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সাত (১৩৭) তলার ওপর দাঁড়িয়ে পিএসসি বা সরকারি কর্মকমিশন গঠন করা হলো, এভাবে ১৩৭ অনুচ্ছেদটি মনে রাখতে পারো।
a গোপাল
b ধর্মপাল
c মহীপাল
d বিগ্রহপাল
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধর্মপাল কেন সঠিক: - সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতাব্দীর শেষের দিকে বা নবম শতাব্দীর শুরুতে এটি নির্মাণ করেন। - এটি ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত বাংলার অন্যতম প্রধান বৌদ্ধ বিহার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোপাল — তিনি পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা হলেও সোমপুর বিহার নির্মাণ করেননি। B) ধর্মপাল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই বিখ্যাত বিহারটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। C) মহীপাল — তিনি পরবর্তী আমলের পাল রাজা ছিলেন এবং সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা নন। D) বিগ্রহপাল — তিনি পাল বংশের একজন শাসক হলেও সোমপুর বিহারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। মনে রাখার টিপস: ধর্মের জন্য সোমপুর বিহার তৈরি করেছিলেন রাজা ধর্মপাল।
a শায়েস্তা খাঁ
b নবাব আব্দুল গণি
c লর্ড কার্জন
d মীর জুমলা
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি (ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা) সঠিক উত্তর: D) মীর জুমলা কেন সঠিক: - মীর জুমলা ছিলেন বাংলার সুবাদার, যিনি ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সাল পর্যন্ত বাংলা শাসন করেন এবং বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সামনে অবস্থিত ঐতিহাসিক ঢাকা গেইট বা মীর জুমলার গেট নির্মাণ করেন। - ঐতিহাসিক এই তোরণটি তৎকালীন মুঘল আমলের রাজধানী ঢাকার প্রবেশদ্বার ও সীমানা রক্ষার উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শায়েস্তা খাঁ — শায়েস্তা খাঁ বাংলার সুবাদার ছিলেন এবং তার আমলে লালবাগ কেল্লা ও চকবাজার জামে মসজিদ নির্মিত হলেও তিনি ঢাকা গেইট নির্মাণ করেননি। B) নবাব আব্দুল গণি — নবাব আব্দুল গণি ছিলেন ঢাকার বিখ্যাত জমিদার ও পঞ্চায়েত ব্যবস্থার প্রবক্তা, যিনি উনিশ শতকে বিভিন্ন জনহিতকর কাজ করলেও ঢাকা গেইটের নির্মাতা নন। C) লর্ড কার্জন — লর্ড কার্জন ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয়, যিনি উনিশ শতকের শুরুতে ঢাকা সফরে আসেন এবং তার নামে কার্জন হলের নামকরণ করা হয়। D) মীর জুমলা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মীর জুমলা মুঘল আমলে ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ঢাকা গেইটের সাথে মুঘল সুবাদার মীর জুমলার নাম মনে রাখুন, যিনি ১৬৬০ এর দশকে ঢাকা রক্ষার্থে এটি নির্মাণ করেছিলেন।
a তমদ্দুন মজলিস
b ভাষা পরিষদ
c মাতৃভাষা পরিষদ
d আমরা বাঙালি
0 116 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তমদ্দুন মজলিস কেন সঠিক: - ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত এই সাংস্কৃতিক সংগঠনটি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলে। - তাদের প্রকাশিত পাক্ষিক সৈনিক পত্রিকা এবং বিভিন্ন প্রচারপুস্তিকার মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের ভিত্তি রচিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তমদ্দুন মজলিস - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) ভাষা পরিষদ - এটি রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সূচনালগ্ন বা প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনকারী মূল সংগঠন ছিল না। সি) মাতৃভাষা পরিষদ - ভাষা আন্দোলনের সময় এই নামে কোনো প্রধান বা নিবন্ধিত সংগঠন সক্রিয় ছিল না। ডি) আমরা বাঙালি - এটি ভাষা আন্দোলনের বহু পরের একটি রাজনৈতিক সংগঠন, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের প্রথম বীজ বপন করেছিল তমদ্দুন মজলিস, যার প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাসেম।
a গ্রীষ্ম,বর্ষা, বসন্ত, হেমন্ত, শীত ও শরৎ
b বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম
c শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা
d গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত কেন সঠিক: - বাংলা পঞ্জিকা বা ঋতুচক্র অনুযায়ী বছরের প্রথম দুটি মাস বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ নিয়ে গ্রীষ্মকাল এবং পরবর্তী দুটি মাস আষাঢ় ও শ্রাবণ নিয়ে বর্ষাকাল গঠিত হয়। - এরপর পর্যায়ক্রমে শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্তকাল এসে বাংলা বছরের ছয় ঋতুর চক্র পূর্ণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রীষ্ম,বর্ষা, বসন্ত, হেমন্ত, শীত ও শরৎ — এই ক্রমে ঋতুগুলোর অবস্থান ভুল কারণ বর্ষার পর বসন্ত আসে না, শরৎ ও হেমন্ত আসে। B) বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম — এটি বর্ষা দিয়ে শুরু হয়েছে কিন্তু গ্রীষ্ম দিয়ে বছর শুরুর প্রথা অনুযায়ী এটি সঠিক ক্রম নয়। C) শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা — এটি শরৎকাল দিয়ে শুরু হয়েছে যা বাংলা ঋতুচক্রের প্রচলিত প্রাথমিক ক্রমের সঙ্গে মেলে না। D) গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত — এটি সঠিক কারণ ঋতুচক্রের প্রথাগত ও পঞ্জিকাগত সঠিক ধারাবাহিকতা এটি। মনে রাখার টিপস: গ্রীষ্ম দিয়ে শুরু করে বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও শেষে বসন্ত এই ধারাবাহিকতা মনে রাখতে গিরি বর্ষার হেম শীতে বসে কথাটি মনে রাখতে পারো।
a তিস্তা
b ধলেশ্বরী
c ধোলাই
d বংশী
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তিস্তা কেন সঠিক: - তিস্তা নদী ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ব্রহ্মপুত্র বা যমুনা নদীতে পতিত হয়েছে। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী তিস্তা নদী যমুনা নদীর একটি প্রধান উপনদী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিস্তা — এটি যমুনার একটি প্রধান উপনদী হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। B) ধলেশ্বরী — এটি যমুনা নদী থেকে উৎপন্ন একটি শাখা নদী, উপনদী নয়। C) ধোলাই — এটি কোনো প্রধান নদী বা যমুনার উপনদী নয়। D) বংশী — এটি বুড়িগঙ্গা বা তুরাগ অববাহিকার একটি নদী, যা যমুনার উপনদী নয়। মনে রাখার টিপস: যমুনার প্রধান উপনদী তিস্তা, এভাবে মনে রাখুন যে যমুনায় তিস্তা এসে মেশে।
a ১৯৭২, কায়রো
b ১৯৭৪, নয়াদিল্লী
c ১৯৭৫, বেলগ্রেড
d ১৯৭৩, আলজিয়ার্স
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৭৩, আলজিয়ার্স কেন সঠিক: - ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই সম্মেলনে যোগ দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭২, কায়রো — এই সময়ে বঙ্গবন্ধু জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের সম্মেলনে যোগ দেননি এবং কায়রো এই সম্মেলনের ভেন্যু ছিল না। B) ১৯৭৪, নয়াদিল্লী — ১৯৭৪ সালে নয়াদিল্লিতে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের কোনো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। সি) ১৯৭৫, বেলগ্রেড — ১৯৭৫ সালে বেলগ্রেডে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং ততদিনে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে শহীদ হন। D) ১৯৭৩, আলজিয়ার্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে আলজিয়ার্স শহরেই বঙ্গবন্ধু জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের সম্মেলনে অংশ নেন। মনে রাখার টিপস: আলুর সাথে জোট মনে রাখুন আলজিয়ার্স, যেখানে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু গিয়েছিলেন।
a ২৫ শে জানুয়ারী
b ১১ই ফেব্রুয়ারী
c ১১ই মার্চ
d ২৫ শে ফেব্রুয়ারী
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১ই মার্চ প্রদত্ত তথ্য: ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস এই সময়ে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয় ধরি, ভাষা আন্দোলনের প্রথম দিককার সংগ্রামগুলোকে বিবেচনা করা যাক তৎকালীন ছাত্রসমাজ একটি বিশেষ দিনকে প্রতিবাদ দিবস হিসেবে বেছে নেয় অতএব, ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে প্রথম রাষ্ট্রভাষার দাবিতে সফল ধর্মঘট পালিত হয় ১১ই মার্চ তারিখটিকে তৎকালীন ছাত্রসমাজ ভাষা দিবস হিসেবে নির্ধারণ করে সুতরাং, ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় ১১ই মার্চ তারিখটি ভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হতো উত্তর: ১১ই মার্চ
a নদীয়া
b ত্রিপুরা
c পুরুলিয়া
d বরিশাল
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বরিশাল কেন সঠিক: - ড. সুকুমার সেনের বাংলা ভাষার আঞ্চলিক রূপের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী বরিশাল অঞ্চলটি বঙ্গাল বা পূর্বাঞ্চলীয় উপভাষার অন্তর্ভুক্ত। - ভৌগোলিক অবস্থান ও ধ্বনিগত বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে বরিশালের ভাষা বাংলাদেশের নিজস্ব আঞ্চলিক উপভাষার একটি পরিধিভুক্ত রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নদীয়া — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলা এবং এখানকার ভাষা মধ্য অঞ্চলের রাঢ়ী উপভাষার অন্তর্ভুক্ত। B) ত্রিপুরা — এটি ভারতের একটি রাজ্য এবং এখানকার প্রধান উপভাষা বঙ্গীয় উপভাষার হলেও মূল প্রশ্নানুসারে এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উপভাষা অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত নয়। C) পুরুলিয়া — এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলা এবং এখানকার উপভাষা ঝাড়খণ্ডি বা রাঢ়ী উপভাষার অন্তর্গত। D) বরিশাল — এটি বাংলাদেশের একটি প্রশাসনিক বিভাগ ও জেলা এবং এর নিজস্ব স্বকীয় আঞ্চলিক উপভাষা রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা যেমন বরিশাল, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের নিজস্ব আঞ্চলিক উপভাষা রয়েছে।
a মার্শাল আইল্যান্ড
b মালদ্বীপ
c গ্রানাডা
d বাহামা
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) মার্শাল আইল্যান্ড কেন সঠিক: - ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম বা সিভিএফের পূর্ববর্তী সভাপতি দেশ ছিল ওশেনিয়া অঞ্চলের দ্বীপ রাষ্ট্র মার্শাল আইল্যান্ড। - বাংলাদেশ ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সিভিএফের সভাপতি হিসেবে মার্শাল আইল্যান্ডের কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্শাল আইল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ সরাসরি এই দেশের কাছ থেকেই সভাপতির দায়িত্ব বুঝে পেয়েছিল। B) মালদ্বীপ — এটি সিভিএফের একটি সদস্য দেশ হলেও বাংলাদেশ এর নিকট থেকে সভাপতিত্ব গ্রহণ করেনি। C) গ্রানাডা — এটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) বাহামা — এটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি দেশ এবং সিভিএফ সভাপতির ধারাবাহিকতায় এর সঙ্গে এই পদের সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ যার কাছ থেকে দায়িত্ব নিয়েছে সেই মার্শাল আইল্যান্ড শব্দটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
a কার্তিক-ফাল্গুন
b চৈত্র-বৈশাখ
c ভাাদ্র-অগ্রাহয়ন
d শ্রাবণ-আশ্বিন
0 126 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) কার্তিক-ফাল্গুন কেন সঠিক: - রবি মৌসুম হলো বাংলাদেশের শীতকালীন ফসলের প্রধান উৎপাদনকাল। - বাংলা সনের কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত এই মৌসুম ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্তিক-ফাল্গুন — এটি কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুমের সঠিক সময়কাল। B) চৈত্র-বৈশাখ — এটি মূলত খরিফ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের শুরুর সময়। C) ভাদ্র-অগ্রাহয়ন — এই সময়টি মূলত আমন ধান কাটা ও হেমন্ত কালের অন্তর্ভুক্ত। D) শ্রাবণ-আশ্বিন — এটি বর্ষাকাল ও খরিফ মৌসুমের অন্তর্ভুক্ত সময়। মনে রাখার টিপস: শীতের ঠান্ডা আমেজে রবি ঠাকুরকে স্মরণ করে মনে রেখো রবি মৌসুম হয় কার্তিক থেকে ফাল্গুন পর্যন্ত।
a ধীরে বহে মেঘনা
b কলমিলতা
c আবার তোরা মানুষ হ
d হুলিয়া
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) হুলিয়া কেন সঠিক: - নির্মলেন্দু গুণ রচিত বিখ্যাত কবিতা অবলম্বনে তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত এটি একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। - ১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই চলচ্চিত্রে গ্রামীণ পটভূমিতে একজন মুক্তিযোদ্ধার অবরুদ্ধ জীবন ও সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধীরে বহে মেঘনা — এটি আলমগীর কবির পরিচালিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য নয়। B) কলমিলতা — এটি শহীদুল হক খান পরিচালিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। C) আবার তোরা মানুষ হ — এটি খান আতাউর রহমান পরিচালিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। D) হুলিয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বললে তানভীর মোকাম্মেলের হুলিয়া মনে রাখবে।
a যুক্ত্রাজ্য
b যুক্তরাষ্ট্র
c চীন
d ভারত
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চীন প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা কেন সঠিক: - প্রাচীন চীনে রাজকর্মচারী নির্বাচনের জন্য সিভিল সার্ভিসের পূর্বসূরি হিসেবে 'ম্যাট্রিকুলেশন' বা পরীক্ষার প্রথা চালু হয়েছিল। - খ্রিস্টপূর্ব অব্দে হান রাজবংশের সময় থেকে মেধা যাচাইয়ের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগের এই আধুনিক ধারণার উন্মেষ ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্ত리즈্য — যুক্তরাজ্যে আধুনিক মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রচলন চীনের অনেক পরে ঊনবিংশ শতাব্দীতে শুরু হয়। B) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্রে পেণ্ডলটন আইনের মাধ্যমে মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিস ব্যবস্থা চালু হয়, যা চীন বা যুক্তরাজ্যের চেয়ে বেশ আধুনিক। C) চীন — এই অপশনটি সঠিক, কারণ বিশ্বের প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ও মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার ব্যবস্থা চীনে চালু হয়েছিল। D) ভারত — ব্রিটিশ আমলে ভারতে সিভিল সার্ভিস চালু হলেও এর মূল উৎস বা আধুনিক উন্মেষ ঘটেছিল প্রাচীন চীনে। মনে রাখার টিপস: মেধাভিত্তিক চাকরির পরীক্ষা মানেই প্রাচীন চীন, যা বিশ্ব সভ্যতার একটি অনন্য ঐতিহাসিক অবদান।
a ২০ আগস্ট,২০২০
b ১৯ সেপ্টেম্বর,২০২০
c ১৮ অক্টোবর,২০২০
d ১৫ জুলাই,২০২০
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ২০ আগস্ট, ২০২০ **সঠিক উত্তর যাচাই:** প্রদত্ত সঠিক উত্তর (১৫ জুলাই, ২০২০) সঠিক নয়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যর্থ হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্ন্যাপব্যাক মেকানিজম বা নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের প্রক্রিয়া শুরু করেছিল ২০২০ সালের ২০ আগস্ট। কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা বাড়াতে ব্যর্থ হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেয়। - তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও জাতিসংঘে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের আবেদন জানান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ আগস্ট, ২০২০ — এই তারিখে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে স্ন্যাপব্যাক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের নোটিশ দেয়। B) ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ — এই তারিখে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে দাবি করেছিল জাতিসংঘের সব নিষেধাজ্ঞা ইরানের ওপর পুনরায় কার্যকর হয়েছে। C) ১৮ অক্টোবর, ২০২০ — ইরানের ওপর জাতিসংঘের ঐতিহ্যবাহী প্রচলিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা ফুরিয়ে আসার নির্ধারিত দিন ছিল এটি। D) ১৫ জুলাই, ২০২০ — এটি এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো উল্লেখযোগ্য তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: করোনাকালে ২০২০ সালের আগস্ট মাসের বিশ তারিখে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের চাঞ্চল্যকর পদক্ষেপ নিয়েছিল।
a পানি সম্পদ রক্ষা করা
b সন্ত্রাস দমন করা
c প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা
d পরিবেশ দূষণ রোধ
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা কেন সঠিক: - IUCN হলো আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা, যা বিশ্বের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করে। - এটি বিপন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর লাল তালিকা বা রেড লিস্ট প্রকাশ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানি সম্পদ রক্ষা করা — এটি IUCN-এর মূল কাজ নয়, যদিও এটি জলবায়ু ও পরিবেশের অংশ হিসেবে পানি নিয়ে কাজ করে। B) সন্ত্রাস দমন করা — এটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও সরকারের নিরাপত্তা বিষয়ক কাজ, যা পরিবেশ সংস্থার কাজ নয়। C) প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা — এটি সঠিক উত্তর। D) পরিবেশ দূষণ রোধ — এটি পরিবেশ অধিদপ্তরের কাজ, তবে IUCN মূলত জীববৈচিত্র্য ও প্রকৃতি সংরক্ষণে বিশ্বব্যাপী কাজ করে। মনে রাখার টিপস: IUCN নামটিতে প্রকৃতি বা ন্যাচার শব্দটি জড়িত, তাই এর কাজ হলো প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা।
a 2000
b 2001
c 2003
d 2005
0 136 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০০০ কেন সঠিক: - কার্টাগানা প্রটোকল জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয়। - জীবপ্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে জীববৈচিত্র্যের ওপর যাতে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে, তা নিশ্চিত করতেই এই প্রটোকল সাক্ষরিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০০০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই প্রটোকলটি সাক্ষরিত হয়েছিল। B) ২০০১ — এটি ভুল কারণ এই সালে প্রটোকল সাক্ষরিত হয়নি, বরং এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার বছর। C) ২০০৩ — এটি ভুল কারণ এই সালে কার্টাগানা প্রটোকল কার্যকর বা কার্যকর হওয়ার বছর হলেও সাক্ষরের সাল এটি নয়। D) ২০০৫ — এটি ভুল কারণ এই সালটি কার্টাগানা প্রটোকলের সাক্ষর বা কার্যকরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কার্টাগানা প্রটোকল নতুন শতাব্দীর শুরুতে অর্থাৎ ২০০০ সালে সাক্ষরিত হয়েছিল।
a ২১ এপ্রিল
b ২ অক্টোবর
c ২৬ জানুয়ারি
d ১০ মে
0 148 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১ এপ্রিল কেন সঠিক: - ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বল্লভভাই প্যাটেল ১৯৪৭১ সালের এই দিনে অল ইন্ডিয়া সার্ভিসের প্রভিশনারি অফিসারদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছিলেন। - স্মরণে ২০০৬ সাল থেকে ভারতে ২১ এপ্রিল দিনটিকে সিভিল সার্ভিস দিবস হিসেবে পালন করা শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ এপ্রিল — এই দিনটি ভারতের সিভিল সার্ভিস দিবস হিসেবে পালিত হয়। B) ২ অক্টোবর — এটি ভারতের মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী এবং আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস। C) ২৬ জানুয়ারি — এই দিনটি ভারতের সাধারণতন্ত্র দিবস বা প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়। D) ১০ মে — এটি ভারতে ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের সূচনার ঐতিহাসিক স্মারক দিবস। মনে রাখার টিপস: ভারতের সিভিল সার্ভিসের জনক বল্লভভাই প্যাটেলের ভাষণের দিনটিকে মনে রাখতে বসন্তকালের ২১ এপ্রিল তারিখটি স্মরণ করতে হবে।
a ১৯৯৭ সালে
b ১৯৯৯ সালে
c ২০০৩ সালে
d ২০০৪ সালে
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৭ সালে কেন সঠিক: - গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর আন্তর্জাতিক চুক্তি কিয়োটো প্রটোকল ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটোতে গৃহীত হয়। - প্রটোকলটি ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৭ সালে — এটি সঠিক কারণ এই বছরেই কিয়োটো প্রটোকল আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত হয়েছিল। B) ১৯৯৯ সালে — এই সালে কিয়োটো প্রটোকল গৃহীত হয়নি, তাই এটি ভুল উত্তর। C) ২০০৩ সালে — এই সালে চুক্তিটি গৃহীত হয়নি, তাই এটি সঠিক অপশন নয়। D) ২০০৪ সালে — এই সালে কিয়োটো প্রটোকল গ্রহণের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা নেই। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৭ সালে গৃহীত হয় কিয়োটো প্রটোকল, যা পরিবেশ রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক চুক্তি।
a IDB
b IMF
c WTO
d ADB
0 157 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) IMF কেন সঠিক: - ১৯৪৪ সালের ব্রটন উডস সম্মেলনে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল বা IMF এবং বিশ্বব্যাংক গঠিত হয়। - এই দুটি সংস্থাকে একত্রে ব্রটন উডস ইনস্টিটিউশনস বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) IDB — এটি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, যা ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর অর্থায়নের জন্য ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। B) IMF — এটি ব্রটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) WTO — এটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, যা ১৯৯৫ সালে গ্যাট চুক্তির উত্তরসূরি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং ব্রটন উডস ব্যবস্থার অংশ নয়। D) ADB — এটি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, যা এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: ব্রটন উডস সম্মেলনের জমজ সন্তান বলা হয় বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফকে।
a ভার্সাই চুক্তি,১৯১৯
b ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি,১৬৪৮
c প্রা্যারিস চুক্তি, ১৭৮৩
d লুজান চুক্তি,১৯২৩
0 132 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি,১৬৪৮ কেন সঠিক: - ১৬১৮ থেকে ১৬৪৮ সাল পর্যন্ত ইউরোপে চলা দীর্ঘ ত্রিশ বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটায় এই চুক্তি। - এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপে আধুনিক জাতিরাষ্ট্রের ধারণা এবং সার্বভৌমত্বের মূলনীতি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভার্সাই চুক্তি,১৯১৯ — এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পরাজিত জার্মানির ওপর শর্ত চাপানোর জন্য স্বাক্ষরিত হয়েছিল। B) ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি,১৬৪৮ — এটি ত্রিশ বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটায় এবং আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্ম দেয়। C) প্যারিস চুক্তি,১৭৮৩ — এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রেট ব্রিটেন আমেরিকার স্বাধীনতা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নেয়। D) লুজান চুক্তি,১৯২৩ — এই চুক্তির মাধ্যমে আধুনিক তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শান্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। মনে রাখার টিপস: ত্রিশ বছরের যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটিয়েছিল ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি, যেখানে সালটি ছিল ১৬৪৮।
a ২ মার্চ, ২০২০
b ২৫ জানুয়ারি, ২০২০
c ৩০ এপ্রিল, ২০২০
d ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: D) ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ কেন সঠিক: - ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি কাতারের দোহায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে এই ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং দীর্ঘ যুদ্ধের অবসান ঘটানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ মার্চ, ২০২০ — এই তারিখে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি ভুল তারিখ। B) ২৫ জানুয়ারি, ২০২০ — এটি মার্কিন তালেবান চুক্তির সঠিক তারিখ নয়। সি) ৩০ এপ্রিল, ২০২০ — এই তারিখে চুক্তি হয়নি, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। D) ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ — এটি সঠিক ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরের দিন। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের চুক্তিটি ২০২০ সালের লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষের ২৯ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
a ৩টি
b ৫টি
c ৭টি
d ৯টি
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ৭টি কেন সঠিক: - ২০২০ সালের ১৭ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল শীর্ষ বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য মোট সাতটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। - এই চুক্তিগুলোর মধ্যে hydrocarbon sector cooperation, elephant conservation এবং local government bodies-এর মধ্যে সহযোগিতা উল্লেখযোগ্য ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — এই সংখ্যাটি ২০২০ সালের শীর্ষ সম্মেলনের বাস্তবসম্মত তথ্য নয় কারণ স্বাক্ষরিত স্মারকের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি ছিল। B) ৫টি — ৫টি সমঝোতা স্মারকের তথ্যটি সঠিক নয়, কারণ সম্মেলনে মোট সাতটি ক্ষেত্রে চুক্তি হয়েছিল। C) ৭টি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ উক্ত বৈঠকে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের অনুমোদন ও স্বাক্ষর সম্পন্ন করেন। D) ৯টি — ৯টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার তথ্যটি সঠিক নয়, প্রকৃত সংখ্যা ছিল সাতটি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ-ভারত ২০২০ সালের ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে মোট ৭টি চুক্তি বা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
a ২০১০ সালে
b ২০১১ সালে
c ২০১২ সালে
d ২০১৫ সালে
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ২০১২ সালে কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় এই আত্মজীবনী রচনা শুরু করেছিলেন। - বইটি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড ইউপিএল থেকে ২০১২ সালের ১৮ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১০ সালে — এই সালে বইটি প্রকাশিত হয়নি, এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশের প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছিল। B) ২০১১ সালে — এই সালে বইটি প্রকাশের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা প্রকাশনা হয়নি। C) ২০১২ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ২০১৫ সালে — এই সালে প্রকাশিত হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ কারাগারের রোজনামচা নয় বরং কারাগারের রোজনামচা প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালে। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী প্রকাশের সাল মনে রাখতে ২০১২ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
a আর্টসাখ প্রজাতন্ত্র
b নাগর্নো-কারাবাখ
c ইয়েতেভান
d নাকার্চভান ছিটমহল
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাগর্নো-কারাবাখ কেন সঠিক: - নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের অংশ হিসেবে স্বীকৃত হলেও মূলত জাতিগত আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। - ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার সামরিক বাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্টসাখ প্রজাতন্ত্র — এটি নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের ঘোষিত একটি অশ্বীকৃত স্বাধীন প্রজাতন্ত্রের নাম, কোনো মূল ভূখণ্ড বা দেশের নাম নয়। B) নাগর্নো-কারাবাখ — এটিই সঠিক উত্তর, যা নিয়ে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে উভয় দেশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। C) ইয়েতেভান — এটি আর্মেনিয়ার রাজধানী শহর, যা এই সংঘর্ষের মূল রণক্ষেত্র বা বিরোধপূর্ণ অঞ্চল ছিল না। D) নাকার্চভান ছিটমহল — এটি আজারবাইজানের একটি ছিটমহল হলেও সেপ্টেম্বর মাসের প্রধান সংঘর্ষটি এই অঞ্চলে ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যকার যুদ্ধের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল বিতর্কিত অঞ্চল নাগর্নো-কারাবাখ।
a ১৯৯৫ সালে ডেনমার্ক
b ১৯৮৪ সালে বেলজিয়াম
c ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গে
d ১৯৯৬ সালে হাঙ্গেরিতে
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গে কেন সঠিক: - ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৮৫ সালের ১৪ জুন লুক্সেমবারგের শেনজেন নামক স্থানে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও এটি কার্যকর হয় ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ থেকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৫ সালে ডেনমার্ক — এই সালে শেনজেন চুক্তি কার্যকর হয়েছিল, কিন্তু চুক্তিটি ডেনমার্কে স্বাক্ষরিত হয়নি। B) ১৯৮৪ সালে বেলজিয়াম — এই সাল ও স্থানে শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। C) ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ চুক্তিটি এই দেশেই স্বাক্ষরিত হয়েছিল। D) ১৯৯৬ সালে হাঙ্গেরিতে — এই সাল ও স্থানের সঙ্গে শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: শেনজেন চুক্তি লুক্সেমবার্গের শেনজেন গ্রামে ১৯৮৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং এটি মূলত সীমান্তমুক্ত এলাকা গঠনের সঙ্গে যুক্ত।
a ৫ মে,২০২০
b ৪ জুন,২০২০
c ৬ জুলাই,২০২০
d ৮ আগস্ট,২০২০
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ জুন, ২০২০ কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্যে আয়োজিত এই ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। - গ্যাভি বা ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের টিকাদান কার্যক্রমের জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ মে, ২০২০ — এই তারিখে নির্ধারিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়নি। B) ৪ জুন, ২০২০ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই দিনেই সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) ৬ জুলাই, ২০২০ — এই তারিখে বৈশ্বিক টিকাদান সম্মেলনের কোনো আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ছিল না। D) ৮ আগস্ট, ২০২০ — এই তারিখটি এই ঐতিহাসিক সম্মেলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: করোনাকালে টিকাদানের জন্য জুনের চার তারিখ তহবিল সংগ্রহের সম্মেলন হয়েছিল।
a সৌদিআরব
b কুয়েত
c সংযুক্ত আরব আমিরাত
d ওমান
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন সঠিক: - ২০২০ সালের আগস্ট মাসে মার্কিন মধ্যস্থতায় আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরাইলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। - উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর মধ্যে প্রথম রাষ্ট্র হিসেবে আমিরাত ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌদিআরব — বর্তমান সময় পর্যন্ত সৌদি আরব ইসরাইলের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেনি। B) কুয়েত — কুয়েত ইসরাইলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না এবং তাদের সাথে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। C) সংযুক্ত আরব আমিরাত — এটি সঠিক উত্তর, কারণ দেশটি ২০২০ সালে ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে। D) ওমান — ওমান কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন না করলেও বিভিন্ন সময় ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। মনে রাখার টিপস: আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে প্রথম উপসাগরীয় দেশ হিসেবে আমিরাত ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়।
a আবুজা
b ঢাকা
c তেহরান
d ইস্তাম্বুল
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) তেহরান কেন সঠিক: - ডি-আট সংস্থার দশম শীর্ষ সম্মেলন ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে ইরানের রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত হয়। - করোনার কারণে এই সম্মেলনটি ভার্চুয়াল বা অনলাইন মাধ্যমে আয়োজন করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুজা — এটি নাইজেরিয়ার সাবেক রাজধানী এবং ডি-আটের সদস্য রাষ্ট্র হলেও দশম শীর্ষ সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। B) ঢাকা — এই শহরটিতে ডি-আটের দশম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করা হয়। বিজয় দিবস এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ ডি-আটের ১১তম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে কাজ করেছে। D) ইস্তাম্বুল — এটি তুরস্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর এবং ডি-আটের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত হলেও দশম শীর্ষ সম্মেলনটি এখানে হয়নি। মনে রাখার টিপস: ডি-আট দশম সম্মেলন মনে রাখতে তেহরান শব্দটি মনে রাখুন, যা ২০২১ সালে অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a জেনেভা
b রোম
c নিউইয়র্ক
d ওয়াশিংটন ডিসি
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জেনেভা কেন সঠিক: - WIPO বা বিশ্ব মেধা সম্পদ সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। - এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী মেধা সম্পদ রক্ষা ও এর উন্নয়নে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি WIPO এর সদর দপ্তর হিসেবে সঠিক। B) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও-এর সদর দপ্তর। C) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত। D) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: মেধা সংক্রান্ত বিশ্ব সংস্থাগুলোর বেশিরভাগ দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতেই অবস্থিত।
a ১৩টি
b ১৫টি
c ১৭টি
d ৩১টি
0 107 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭টি কেন সঠিক: - টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজির মোট লক্ষ্য ১৭টি। - ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা গৃহীত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩টি — এটি কোনো এসডিজি বা আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ সূচকের সঠিক সংখ্যা নয়। B) ১৫টি — এটি এসডিজির আগের রূপ এমডিজির বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সংখ্যা ছিল। C) ১৭টি — এটি এসডিজির নির্ধারিত সঠিক সংখ্যা। D) ৩১টি — এটি এসডিজির লক্ষ্য বা সূচকের সঠিক সংখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: এসডিজির লক্ষ্য ১৭টি এটি মনে রাখতে এস শব্দটির সাথে ১৭ সংখ্যাটি মিলিয়ে পড়তে পারো।
a পূর্ববঙ্গ
b পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা
c পূর্ব্বঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ
d পূর্ববঙ্গ ও আসাম
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পূর্ববঙ্গ ও আসাম কেন সঠিক: - ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ব্রিটিশ ভারতের লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেন এবং নতুন প্রদেশ হিসেবে পূর্ববঙ্গ ও আসাম গঠন করেন। - এর রাজধানী ঢাকা এবং লেফটেন্যান্ট গভর্নর হিসেবে জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ববঙ্গ — এটি একা নতুন কোনো প্রদেশ ছিল না, এর সঙ্গে আসাম যুক্ত করে একটি নতুন প্রদেশ করা হয়েছিল। B) পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা — ত্রিপুরা কোনো নতুন প্রদেশ ছিল না, এটি একটি স্বাধীন দেশীয় রাজ্য ছিল। C) পূর্ব্বঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ — এই নামে কোনো একক নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়নি, বঙ্গভঙ্গ মূলত পূর্ব ও পশ্চিম ভাগে বিভক্ত হয়েছিল। D) পূর্ববঙ্গ ও আসাম — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গভঙ্গের ফলে গঠিত নতুন প্রদেশের সঙ্গে আসাম যুক্ত ছিল, যা মনে রাখতে পূর্ববঙ্গ ও আসাম একসঙ্গে মনে রাখুন।
a হামিদুজ্জামান খান
b রবিউল হোসাইন
c আব্দুর রাজ্জাক
d নিতুন কুন্ডু
0 129 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিতুন কুন্ডু কেন সঠিক: - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য সাবাস বাংলাদেশের স্থপতি নিতুন কুন্ডু। - এই ভাস্কর্যটি একাত্তরের মুক্তিসংগ্রামে তরুণ প্রজন্মের প্রাণপণ লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে নির্মিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুজ্জামান খান — তিনি সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যের স্থপতি নন, তবে তিনি অন্য অনেক বিখ্যাত ভাস্কর্যের স্থপতি। B) রবিউল হোসাইন — তিনি একজন প্রখ্যাত স্থপতি ও কবি হলেও এই ভাস্কর্যটির কাজ তিনি করেননি। C) আব্দুর রাজ্জাক — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাস্কর হলেও সাবাস বাংলাদেশ তাঁর শিল্পকর্ম নয়। D) নিতুন কুন্ডু — তিনি সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যের মূল স্থপতি হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: নিতুন কুন্ডুর সাবাস মন, তাই তিনি বানিয়েছেন সাবাস বাংলাদেশ।