প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (যমুনা) ২০১২

পদের নাম: সহকারী শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a কর্মে ৭মী
b অধিকরণে ৭মী
c সম্প্রদানে ৭মী
d অপাদানে ৭মী
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্মে ৭মী ১. কেন সঠিক: বাক্যে গুণহীনে শব্দটিতে মূল শব্দ গুণহীন এবং এর সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। কাওকে কোনো কিছু ভালোবেসে বা স্থায়ীভাবে দান বা ত্যাগের ক্ষেত্রে যাকে ত্যাগ করা হয়, তা ব্যাকরণগতভাবে কর্ম কারক হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে কোনো কিছু স্থায়ীভাবে দান, ত্যাগ, অর্পণ বা নিয়োগ করা হয়, তাকে ব্যাকরণের নিয়মে সম্প্রদানা কারক বলা হয় না, বরং কর্ম কারক বলা হয়। এখানে ত্যাগ করা অর্থে কর্ম কারক এবং এতে সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্ধকে আলো দাও। ব্যাখ্যা: অন্ধকে স্থায়ীভাবে আলো বা দৃষ্টি দান করা বোঝাচ্ছে, তাই এটি কর্মে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: সৎপাত্রে কন্যাদান কর। ব্যাখ্যা: সৎপাত্রে স্থায়ীভাবে কন্যা অর্পণ করা বোঝানোর কারণে এটি কর্মকারকের সপ্তমী বিভক্তির সঠিক প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ৭মী — এটি সঠিক কারণ যাকে ত্যাগ করা হয় বা দান করা হয়, তা কর্মকারক হয় এবং এতে সপ্তমী বিভক্তি রয়েছে। B) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান বা কাল বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) সম্প্রদানে ৭মী — বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সম্প্রদান কারক এখন অপ্রচলিত এবং ত্যাগ অর্থে কর্ম কারক হয়। D) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক থেকে, হতে বা চিরতরে বিচ্যুত হওয়া বোঝায়, যা এখানে ত্যাগ অর্থে কর্ম কারকের নিয়মের আওতাভুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: ভালোবেসে দান, অর্পণ বা কোনো কিছু ত্যাগ করা বোঝালে যাকে ত্যাগ করা হয়, তাকে সবসময় কর্ম কারক হিসেবে বিবেচনা করবে। এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি থাকে। আধুনিক ব্যাকরণ অনুযায়ী সত্য বা চিরতরে ত্যাগ অর্থে যাকে দান করা হয়, তা মূলত কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়।
a  গভীর জলের মাছ
b বুদ্ধির ঢেঁকি
c বিড়াল তপস্বী
d ভূশণ্ডির কাক
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গভীর জলের মাছ ১. কেন সঠিক: 'গভীর জলের মাছ' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ অত্যন্ত চালাক বা যার অনেক বুদ্ধি আছে। গভীর জলে মাছ ধরা যেমন কঠিন এবং জলাপথের মাছকে সহজে ধরা যায় না, তেমনি যার বুদ্ধি অনেক বেশি তাকেও সহজে বোঝা যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা। বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস, আক্ষরিক অর্থ এবং ভাবার্থ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছেলেটিকে সাধারণ মনে হলেও সে আসলে গভীর জলের মাছ। ব্যাখ্যা: এখানে ছেলেটির বাহ্যিক সরলতার আড়ালে তার প্রখর বুদ্ধিমত্তার বিষয়টি প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ওই ব্যবসায়ীর সাথে সাবধানে কথা বলো, সে গভীর জলের মাছ। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসায়ীর চরম চতুরতা এবং বুদ্ধিমত্তার বিষয়টি বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গভীর জলের মাছ — সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ যার অনেক বুদ্ধি আছে বা অত্যন্ত চালাক। B) বুদ্ধির ঢেঁকি — এই বাগধারাটির অর্থ বোকাসোকা বা নির্বোধ ব্যক্তি, যা প্রশ্নের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) বিড়াল তপস্বী — এই বাগধারাটির অর্থ ভণ্ড সাধু বা ধূর্ত ব্যক্তি, যা বুদ্ধিমত্তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। D) ভূশণ্ডির কাক — এই বাগধারাটির অর্থ দীর্ঘজীবী ব্যক্তি, যা বুদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: জলের গভীরতার মতো যার বুদ্ধির গভীরতা মাপা যায় না, তিনিই হলেন গভীর জলের মাছ। চালাক বা বুদ্ধিমান বোঝাতে জল এবং মাছের এই রূপক তুলনাটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ভালো করে পড়তে হবে। একই ধরনের প্রতিশব্দ বা বিপরীতার্থক বাগধারাগুলো পাশাপাশি মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়।
a  ২ প্রকার
b ৩ প্রকার
c ৪ প্রকার
d ৫ প্রকার
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রকার ১. কেন সঠিক: - বাংলা ব্যাকরণে প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার। এগুলো হলো কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়। - ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে এবং শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দকে কৃদন্ত পদ বলা হয় এবং এটি মূলত নতুন ক্রিয়া বা ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে ব্যবহৃত হয়। - তদ্ধিত প্রত্যয় বিশেষ বা বিশেষণ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা নামপদ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চল্ + অ = চল ব্যাখ্যা: এটি কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ যেখানে ধাতু ও প্রত্যয় মিলে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মুখ + ইক = মৌখিক ব্যাখ্যা: এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ যেখানে শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ প্রকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা ব্যাকরণে প্রত্যয় মূলত কৃৎ ও তদ্ধিত এই দুই ভাগে বিভক্ত। B) ৩ প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে প্রত্যয়ের প্রাথমিক ও প্রধান শ্রেণিবিভাগ তিনটি নয়, বরং দুটি। C) ৪ প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রত্যয় চার প্রকার হিসেবে কোনো প্রমিত ব্যাকরণগত শ্রেণিবিভাগ নেই। D) ৫ প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রত্যয় পাঁচ প্রকার বলে কোনো ব্যাকরণিক নিয়ম বা স্বীকৃতি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রত্যয় শব্দটিতে দুটি বর্ণ আছে প্র এবং ত, তাই মনে রাখতে পারো প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার। - কৃৎ মানে ক্রিয়া এবং তদ্ধিত মানে শব্দ বা নামপদ, এই দুটি মূল ভিত্তি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কোন প্রত্যয় যুক্ত হয়। - শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে, এই সাধারণ পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
a গ + এষণা
b গো + ষণা
c গ + ষণা
d  গো + এষণা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গো + এষণা ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে ও অথবা ঔ কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ও স্থানে অব এবং ঔ স্থানে আব হয়। এখানে গো শব্দের শেষে ও কার আছে এবং তার সঙ্গে এষণা শব্দের শুরুতে এ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে অব উৎপন্ন হয়েছে, যা মিলে গবেষণা শব্দটি গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যা বাংলা ব্যাকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ও কার বা ঔ কারের পরে স্বরধ্বনি থাকলে যথাক্রমে অব ও আব যুক্ত হয়ে সন্ধি সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পো + অন = পবন ব্যাখ্যা: এখানে ও কারের পরে অ স্বরধ্বনি থাকায় ও স্থানে অব হয়ে পবন শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভৌ + অন = ভবন ব্যাখ্যা: এখানে ঔ কারের পরে অ স্বরধ্বনি থাকায় ঔ স্থানে আব হয়ে ভবন শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ + এষণা — এই নিয়মে সন্ধি সাধিত হয় না কারণ গ কোনো অর্থপূর্ণ সন্ধিযুক্ত পূর্বপদ নয়। B) গো + ষণা — ষণা বলে কোনো পৃথক শব্দ বাংলায় নেই, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) গ + ষণা — এটি সন্ধির কোনো নিয়মই মানে না এবং এর কোনো অর্থ নেই। D) গো + এষণা — এটি সঠিক কারণ গো এবং এষণা দুটিই অর্থপূর্ণ শব্দ এবং নিয়মের সঙ্গে মিলেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: গবেষণা শব্দটিকে ভাঙলে গো যোগ এষণা হয়, যেখানে ও কারের সঙ্গে এ মিলে অব তৈরি হয়। নিয়মটি মনে রাখার জন্য পো যোগ অন সমান পবন এই সূত্রটি বারবার চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গবাক্ষ, পবন, ভবন এবং গবেষণা শব্দগুলোর সন্ধি প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। ও এবং ঔ কারের পরের স্বরধ্বনি পরিবর্তনের এই নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের সব প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব।
a সাত সতেরো
b  সুখের পায়রা
c ষোল আনা
d কোনোটিই নয়
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুখের পায়রা ১. কেন সঠিক: - 'সুখের পায়রা' বাগধারাটির অর্থ হলো সুসময়ের বন্ধু বা স্বার্থপর বন্ধু, যারা কেবল ভালো সময়ে পাশে থাকে। - পায়রা যেমন ঘরে খাবার বা স্বাচ্ছন্দ্য থাকলে ভিড় করে এবং দুর্দিন বা সংকট শুরু হলে উড়ে চলে যায়, তেমনি এই ধরনের মানুষেরা শুধু আনন্দের দিনেই সঙ্গী হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় মনের ভাব ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুসময়ের বন্ধুরা হলো সুখের পায়রা, দুর্দিনে তাদের কাউকেই পাশে পাওয়া যায় না। ব্যাখ্যা: এখানে 'সুখের পায়রা' বাগধারাটির মাধ্যমে কেবল ভালো সময়ের বন্ধুদের বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: বিপদের দিনে চিনে নেওয়া যায় কারা সত্যিকারের আপন আর কারা কেবল সুখের পায়রা। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সংকটের সময় স্বার্থপর বন্ধুদের আসল রূপ প্রকাশ পাওয়ার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাত সতেরো — এই বাগধারাটির অর্থ নানা রকম বা বিশৃঙ্খলা, যা সুসময়ের বন্ধু বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। B) সুখের পায়রা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ষোল আনা — এই বাগধারাটির অর্থ সম্পূর্ণ বা পুরোপুরি, যার সঙ্গে সুসময়ের বন্ধুর কোনো সম্পর্ক নেই। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - পায়রা যেমন সুসময়ে বা খাবারের লোভে কাছে আসে এবং খারাপ অবস্থা দেখলেই উড়ে পালায়, তেমনি 'সুখের পায়রা' মানেই হলো সুযোগসন্ধানী ও সুসময়ের বন্ধু। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বভাব ও চরিত্র বোঝানো বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - 'সুখের পায়রা' এবং 'কায়েরের খাসতসলত' বা 'বসন্তের কোকিল' প্রায় কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, যা পরীক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে।
a বসুন্ধরা
b ধরণী
c  যামিনী
d অবনী
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যামিনী ১. কেন সঠিক: - যামিনী শব্দের অর্থ রাত বা রাত্রি, যা পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দ নয়। - পৃথিবী শব্দের বিভিন্ন সমার্থক শব্দ বিশ্ব, ধরণী, অবনী ও বসুন্ধরা নামে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যাদের অর্থ প্রায় একই রকম প্রকাশ পায়। - বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থের বৈচিত্র্য ও সমৃদ্ধি প্রকাশ করতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো মেদিনী, পৃথিবী ও পৃথিবী। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো সরাসরি আমাদের গ্রহ বা ভূতলকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: যামিনী শব্দের সমার্থক শব্দ হলো রজনী, নিশা ও রাত্রি। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো দিনের বিপরীত সময় বা অন্ধকার সময়কে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বসুন্ধরা - এটি পৃথিবী শব্দের একটি অত্যন্ত পরিচিত সমার্থক শব্দ। B) ধরণী - এটিও পৃথিবী শব্দের একটি প্রমিত সমার্থক শব্দ। C) যামিনী - এটি রাত বা রাত্রির সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) অবনী - এটি পৃথিবী বা ভূমিতলের একটি সুন্দর সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - পৃথিবী হলো মাটি বা ভূতল সম্পর্কিত শব্দ, আর যামিনী হলো রাতের আকাশ সম্পর্কিত শব্দ। - এভাবে মাটি ও রাতের শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে প্রকৃতি ও সময়বাচক শব্দগুলোর মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - যেকোনো শব্দের মূল অর্থ জানা থাকলে সহজে সঠিক উত্তর আলাদা করা যায়।
a  আলো
b অন্ধকার
c কালো
d তিরস্কার
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলো ১. কেন সঠিক: তিমির শব্দের অর্থ অন্ধকার বা তমসা। এর বিপরীত বা উল্টোার্থক শব্দ হলো আলো বা প্রকাশ, যা অন্ধকার দূর করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দভাণ্ডারের অন্তর্গত বিপরীতার্থক শব্দ বা বিপরীত শব্দ ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটি শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বলা হয়। তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশ ও পাতাল ব্যাখ্যা: আকাশ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ পাতাল, যা ঊর্ধলোক ও নিম্নলোকের অবস্থান বোঝায়। উদাহরণ ২: উদয় ও অস্ত ব্যাখ্যা: উদয় শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ অস্ত, যা সূর্যের ওঠাকে এবং ডোবাকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলো — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিমির শব্দের অর্থ অন্ধকার এবং আলোর মাধ্যমে অন্ধকার দূর হয়। B) অন্ধকার — এটি তিমির শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) কালো — এটি রঙের নাম, যা তিমির বা অন্ধকারের গুণ প্রকাশ করলেও সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) তিরস্কার — এটি প্রশংসা শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, তিমির শব্দের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: তিমির মানে অন্ধকার আর আলো মানে প্রকাশ, এই দুটি একে অপরের বিপরীত। তিমির বিনাশ করে আলো আসে, এভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই শব্দের সঠিক অর্থ জানা থাকলে বিপরীত শব্দ সহজে নির্ণয় করা যায়।
a  ভাগীরথী
b ভাগিরথী
c ভাগীরথি
d ভাগিরথি
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভাগীরথী ১. কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নদী বা ভৌগোলিক নামের ক্ষেত্রে দীর্ঘ ঈ-কার এবং থ-ফলা ব্যবহৃত হয়। - ভাগীরথী একটি ঐতিহাসিক নদীর নাম, যার সঠিক প্রমিত বানান হলো ভ-া-গ-ী-র-থ-ী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই এবং ঈ-এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হয়। - এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে আ-কার, দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার এবং অন্ত্যবর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়ে সঠিক রূপটি গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনস্বী ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রীতি ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ যেখানে সঠিক নিয়মে ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাগীরথী - এটি সঠিক কারণ এতে সঠিক জায়গায় দীর্ঘ ঈ-কার এবং থ-ফলা রয়েছে। B) ভাগিরথী - এটি ভুল কারণ প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) ভাগীরথি - এটি ভুল কারণ শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। D) ভাগিরথি - এটি ভুল কারণ প্রথম ও শেষ উভয় বর্ণেই হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নদীর নামের বানানে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার এবং থ-ফলা বেশি থাকে, তাই ভাগীরথী বানানে উভয় স্থানে দীর্ঘ ঈ-কার মনে রাখবে। - বানানের শেষ অংশ থী (থ+দীর্ঘ ঈ) হবে, থি (থ+হ্রস্ব ই) হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভৌগোলিক নাম ও নদীবাচক শব্দের বানান প্রায়ই আসে। - তৎসম শব্দের বানান শুদ্ধ করার সময় মূল সংস্কৃত রূপ এবং বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত নিয়ম ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a দধিচি
b দধিচী
c  দধীচি
d দধীচী
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দধীচি ১. কেন সঠিক: - সঠিক বানানটিতে প্রথমে হ্রস্ব ই-কার এবং পরে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়েছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই বিশেষ তৎসম শব্দের বানান এভাবেই নির্ধারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে অনেক সময় মূল সংস্কৃত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়। - দধীচি হলো একজন পৌরাণিক ঋষির নাম, যা ব্যাকরণগতভাবে একটি নির্দিষ্ট বানানরীতি মেনে চলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনীষী ব্যাখ্যা: এই শব্দটির বানানেও প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার বসে। উদাহরণ ২: মরীচি ব্যাখ্যা: এই শব্দটির ক্ষেত্রেও সঠিক বানানে প্রথমে হ্রস্ব ই-কার এবং পরে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দধিচি — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়নি। B) দধিচী — এই অপশনটি ভুল কারণ শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই-কার দেওয়া হয়েছে। C) দধীচি — এটি সঠিক উত্তর। D) দধীচী — এই অপশনটি ভুল কারণ উভয় বর্ণেই দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঋষি দধীচির নাম লেখার সময় মনে রাখবে শুরুতে হ্রস্ব ই-কার এবং পরে দীর্ঘ ঈ-কার বসে। - প্রমিত বানান মনে রাখার জন্য মূল শব্দের উৎস এবং তৎসম শব্দের রূপ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পৌরাণিক ও পরিচিত তৎসম শব্দ থেকে প্রায়ই বানান সংশোধনের প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরের সঠিক ব্যবহার খুব ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a জহির রায়হান
b  সৈয়দ শামসুল হক
c আনিস চৌধুরী
d দাউদ হায়দার
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ শামসুল হক ১. কেন সঠিক: - ‘সীমানা ছাড়িয়ে’ একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এর রচয়িতা বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক। - এই উপন্যাসে লেখকের সাহিত্যিক মুন্সিয়ানা ও জীবনের গভীর উপলব্ধি অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্পে অসামান্য অবদান রেখেছেন। - তিনি কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ বহু মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা লাভ করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘খেলার রামধনু’ ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা তার সাহিত্যকর্মের পরিধি বোঝাতে সহায়ক। উদাহরণ ২: ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাট্য যা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জহির রায়হান — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার হলেও ‘সীমানা ছাড়িয়ে’ উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) সৈয়দ শামসুল হক — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই উপন্যাসের রচয়িতা। C) আনিস চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন ভিন্ন ধারার লেখক এবং এই উপন্যাসের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। D) দাউদ হায়দার — তিনি মূলত একজন কবি ও কলামিস্ট, তাই এই উপন্যাসটির সঙ্গে তার নাম জড়িত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হক মানেই বহুমুখী প্রতিভা, তার নামের সঙ্গে ‘সীমানা ছাড়িয়ে’ উপন্যাসটি বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - লেখকের নামের প্রথম অক্ষর এবং উপন্যাসের নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত উপন্যাস ও তাদের রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন থাকে। - প্রখ্যাত লেখকদের অন্যান্য উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে তালিকা করে পড়লে পরীক্ষার প্রস্তুতি সহজ হয়।
a সৈয়দ আলী আহসান
b শামসুর রাহমান
c  আহসান হাবীব
d ফররুখ আহমদ
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আহসান হাবীব ১. কেন সঠিক: - ‘ছায়া হরিণ’ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি আহসান হাবীবের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - আহসান হাবীব তাঁর সংবেদনশীল ও পরিচ্ছন্ন জীবনবোধের জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আহসান হাবীব ১৯১৭ সালে পিরোজপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। - তাঁর কবিতায় নিঃসঙ্গতা, মধ্যবিত্তের জীবনপ্রবাহ এবং গভীর মানবতাবোধের নিপুণ প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘রাত্রিশেষ’ ব্যাখ্যা: এটি কবি আহসান হাবীবের একটি অত্যন্ত প্রশংসিত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: ‘বিদীর্ণ দর্পণে মুখ’ ব্যাখ্যা: এটিও কবি আহসান হাবীবের একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ আলী আহসান — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও গবেষক হলেও ‘ছায়া হরিণ’ তাঁর কাব্যগ্রন্থ নয়। B) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়। C) আহসান হাবীব — এই অপশনটি সঠিক এবং এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা তিনিই। D) ফররুখ আহমদ — তিনি মুসলিম রেনেসাঁসের কবি হলেও ‘ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থটি তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আহসান হাবীবের নামের সঙ্গে ‘ছায়া হরিণ’ মনে রাখার জন্য তাঁর প্রকৃতি ও নিঃসঙ্গতাভিত্তিক কবিতার বিষয়বস্তু স্মরণ করতে পারো। - তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখতে ‘রাত্রিশেষ’ ও ‘ছায়া হরিণ’ জোড়া হিসেবে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অন্যান্য লেখকের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
a আকবর উদ্দীন
b ইব্রাহীম খাঁ
c দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
d  শাহাদৎ হোসেন
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাহাদৎ হোসেন ১. কেন সঠিক: - 'মসনদের মোহ' নাটকটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক শাহাদৎ হোসেন। - বাংলা নাট্যসাহিত্যে ঐতিহাসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটভিত্তিক নাটকের ধারায় এই নাটকটির একটি বিশেষ অবদান রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহাদৎ হোসেন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও নাট্যকার। - তাঁর সাহিত্যকর্মে রোমান্টিকতা এবং মানবতাবাদের এক অপূর্ব প্রকাশ লক্ষ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শাহাদৎ হোসেন রচিত কাব্যগ্রন্থ 'মরুশিখা'। ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম একটি জনপ্রিয় ও পরিচিত কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে সমাদৃত। উদাহরণ ২: শাহাদৎ হোসেনের আরেকটি নাটক 'অমর প্রীতি'। ব্যাখ্যা: এই নাটকটি তাঁর নাট্যকার প্রতিভার স্বাক্ষর বহন করে এবং সাহিত্য মহলে প্রশংসিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকবর উদ্দীন — আকবর উদ্দীন একজন প্রখ্যাত নাট্যকার হলেও তিনি 'মসনদের মোহ' নাটকটি রচনা করেননি। B) ইব্রাহীম খাঁ — ইব্রাহীম খাঁ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হলেও এই নাটকের রচয়িতা তিনি নন। C) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ঐতিহাসিক নাটকের জন্য বিখ্যাত হলেও এই নির্দিষ্ট নাটকটি তাঁর নয়। D) শাহাদৎ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই 'মসনদের মোহ' নাটকের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাটকের নাম 'মসনদের মোহ' এবং লেখকের নাম 'শাহাদৎ হোসেন' এভাবে মনে রাখতে পারো যে মোহমুক্তির পথে সাহসের প্রয়োজন হয়, যা শাহাদৎ নামের সাথে মিলে যায়। - সাহিত্যিক ও তাঁর নাটক মনে রাখার জন্য লেখকের ছদ্মনাম বা প্রধান সাহিত্যধারা নোট করে পড়া সবচেয়ে ভালো উপায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক বা কম পরিচিত নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বিখ্যাত নাট্যকারদের নামের পাশাপাশি তাঁদের অপ্রধান বা কম পরিচিত নাটকগুলোর তালিকাও পড়ে রাখতে হবে।
a বহুব্রীহি সমাস
b দ্বন্দ্ব সমাস
c কর্মধারয় সমাস
d  তৎপুরুষ সমাস
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৎপুরুষ সমাস ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (কে, রে, হইতে, থেকে, চেতে, র, এর ইত্যাদি) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - ব্যাসবাক্যের প্রথম বা পূর্বপদের সঙ্গে যুক্ত কারকবাচক বিভক্তিগুলো সমাসবদ্ধ হওয়ার পর আর অপূর্ণ থাকে না, বরং লোপ পেয়ে নতুন পদ গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎপুরুষ সমাস মূলত বিভক্তি লোপ পাওয়ার ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয় এবং এর পূর্বপদে সাধারণত বিশেষ্য বা বিশেষণ থাকে। - বিভক্তির নামানুসারে তৎপুরুষ সমাসকে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থী, পঞ্চমী, ষষ্ঠী ও সপ্তমী তৎপুরুষ—এই ছয়টি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিপদাপন্ন ব্যাখ্যা: বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন। এখানে পূর্বপদ বিপদের সঙ্গে যুক্ত কে বিভক্তি লোপ পেয়ে দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশসেবা ব্যাখ্যা: দেশের সেবা = দেশসেবা। এখানে পূর্বপদ দেশের সঙ্গে যুক্ত র বিভক্তি লোপ পেয়ে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি সমাস — এই সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটিরই অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো পদকে বোঝায়, যা প্রশ্নানুসারে সঠিক নয়। B) দ্বন্দ্ব সমাস — এই সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাদান্য থাকে এবং সংযোজক অব্যয় ও, এবং, বা লুপ্ত হয়, যা বিভক্তি লোপ পাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) কর্মধারয় সমাস — এই সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং বিশেষণ ও বিশেষ্যের মিলনে গঠিত হয়, যেখানে বিভক্তি লোপ পায় না। D) তৎপুরুষ সমাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে সমাস গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্য করার সময় পূর্বপদের সঙ্গে কে, রে, হইতে, থেকে, র, এর জাতীয় বিভক্তি থাকবে এবং সমস্ত পদে তা অদৃশ্য হয়ে যাবে। - সমাসের নাম মনে রাখতে ব্যাসবাক্যের বিভক্তির দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে দ্বিতীয় ও ষষ্ঠী তৎপুরুষের উদাহরণ বেশি থাকে। - ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ণয় করতে পারলে তৎপুরুষ ও কর্মধারয় সমাসের পার্থক্য সহজে বোঝা যায়।
a দ্বন্দ্ব
b তৎপুরুষ
c  কর্মধারয়
d বহুব্রীহি
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য পদের মধ্যে সম্বন্ধ থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মেলবন্ধনে একটি নতুন পদ গঠিত হয় এবং পরপদের অর্থই সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পূর্বপদটি বিশেষণ এবং পরপদটি বিশেষ্য হয়ে থাকে। তবে এর বেশ কয়েকটি প্রকারভেদ রয়েছে, যেমন সাধারণ কর্মধারয়, মধ্যপদলোপী কর্মধারয়, উপমিত কর্মধারয় ইত্যাদি। এই সমাসে মূলত তুলনা, বৈশিষ্ট্য বা রূপক অর্থে পদের মিলন ঘটে এবং ব্যাসবাক্যে 'যিনি' বা 'যা' ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম ব্যাখ্যা: এখানে 'নীল' বিশেষণ পদের সাথে 'পদ্ম' বিশেষ্য পদের সমাস হয়ে নীলপদ্ম শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মহান যে নদী = মহানদী ব্যাখ্যা: এখানে 'মহান' বিশেষণ পদের সাথে 'নদী' বিশেষ্য পদের সমাস সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — যে সমাসে উভয় পদের অর্থই প্রধান থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে, কিন্তু কর্মধারয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়। B) তৎপুরুষ — যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় তাকে তৎপুরুষ বলে, এটি বিশেষ্য ও বিশেষণের নির্দিষ্ট সম্পর্ক নয়। C) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের মিলনে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়। D) বহুব্রীহি — যে সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো পদ বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি বলে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষণে বিশেষ্য কর্মধারয়, এই ছন্দটি মনে রাখলে পরীক্ষagulo সহজে উত্তর করা যায়। মনে রাখবে যেখানে বিশেষণ ও বিশেষ্য মিলে পরপদের অর্থ প্রকাশ করে, সেটাই কর্মধারয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে ব্যাসবাক্য চেনার উপায় এবং মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a কর্মে ২য়া
b অপাদানে ৭মী
c করণে ৭মী
d অপাদানে ৫মী
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে ৭মী ১. কেন সঠিক: বাক্যে রাঘবে শব্দটির নিচে দাগ রয়েছে এবং এটি ভয়ের উৎস বোঝাচ্ছে। ভয়, ভীতি বা আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়। রাঘবে শব্দটির মূল শব্দ রাঘব এবং এর সঙ্গে ৭মী বিভক্তির এ যুক্ত হয়েছে। এখানে রাঘব বলতে রামচন্দ্রকে বোঝানো হয়েছে এবং রামচন্দ্রকে ভয় পাওয়ার অর্থে অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, রক্ষিত বা ভয়ীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। কারক নির্ণয়ের সময় ক্রিয়াপদকে কোন্ থেকে বা কাহার কাছ থেকে প্রশ্ন করে অপাদান কারক নির্ণয় করা হয়। শব্দের শেষে এ, অ, তে ইত্যাদি বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত থাকলে এবং তা স্থান, কাল বা বিষয়ে বোঝালে ৭মী বিভক্তি হয়। ভয় পাওয়া অর্থে অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তির ব্যবহার বাংলা ব্যাকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিয়ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঘে ভয় পায় না কে। ব্যাখ্যা: এখানে বাঘ থেকে ভয় পাওয়ার অর্থ প্রকাশ করায় এটি অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি। উদাহরণ ২: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হওয়া বোঝানোর কারণে এটি অপাদান কারকে ৫মী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ২য়া — কর্ম কারক বোঝায় যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং এতে সাধারণত ২য়া বিভক্তি হয় কিন্তু এখানে ভয় পাওয়ার অর্থ থাকায় এটি কর্ম কারক নয়। B) অপাদানে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে ভয় পাওয়ার অর্থে অপাদান কারক এবং ৭মী বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। C) করণে ৭মী — করণ কারক হলো যার সাহায্যে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে কিন্তু এখানে কোনো যন্ত্র বা মাধ্যমের সাহায্যে কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝাচ্ছে না। D) অপাদানে ৫মী — অপাদান কারক হলেও ৫মী বিভক্তির চিহ্ন হতে, থেকে বা চে এখানে যুক্ত হয়নি বরং ৭মী বিভক্তির এ যুক্ত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভীতি, রক্ষা, দূরত্ব ও উৎপন্ন বোঝাতে অপাদান কারক হয় তা মনে রাখবে। বিভক্তির ক্ষেত্রে শব্দের শেষে এ বা তে দেখলে এবং তা স্থান বা বিষয়ে না হয়ে ভয় বোঝালে অপাদানে ৭মী বিভক্তি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে উদ্ধৃতিমূলক বাক্য প্রায়ই আসে। বিশেষ করে ভয়ের ক্ষেত্রে অপাদান কারক হয় এবং বিভক্তির রূপ দেখে ৭মী বা ৫মী নির্ধারণ করতে হয়।
a  Let the sum be done by me
b Let the sum done by me
c Let the sum being done by me
d Let the sum is to be done by me
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Let the sum be done by me কেন সঠিক: - Imperative sentence-এ 'Let' দিয়ে শুরু হওয়া Active voice-কে Passive করার গঠন হলো: Let + object-এর subjective রূপ + be + verb-এর past participle + by + subject-এর objective রূপ। - প্রদত্ত বাক্যে object হলো 'the sum', মূল verb 'do'-এর past participle হলো 'done' এবং subject 'me'-এর objective রূপ 'me' অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let the sum be done by me — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী গঠিত। B) Let the sum done by me — এখানে passive করার জন্য প্রয়োজনীয় auxiliary verb 'be' ব্যবহার করা হয়নি। C) Let the sum being done by me — এখানে অতিরিক্ত 'being' ব্যবহার করা হয়েছে যা continuous tense-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) Let the sum is to be done by me — এখানে অপ্রয়োজনীয় auxiliary verb 'is to' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Let যুক্ত Imperative sentence-কে Passive করার সময় মনে রাখতে হবে: Let এর পর object বসে এবং তার সাথে অবশ্যই be যুক্ত করে মূল verb-এর past participle করতে হয়।
a The poorman begged that I might had some food.
b The poorman begged that I might have some food.
c The poorman begged that he might had some food.
d The poorman begged that he might have some food.
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The poorman begged that he might have some food. কেন সঠিক: রিপোর্টেড স্পিচটিতে অনুরোধ বোঝানোর কারণে রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তিত হয়ে begged হয়েছে এবং ইনভার্টেড কমা উঠে that বসেছে। প্রথম পুরুষ বা দ্বিতীয় পুরুষ না থাকায় সাবজেক্ট হিসেবে Third Person (he) বসেছে এবং এরপরে নিয়ম অনুযায়ী might বসেছে। might এর পরে সবসময় ভার্বের বেস ফর্ম (have) বসে, তাই সঠিক রূপটি নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এখানে সাবজেক্ট I ব্যবহার করা হয়েছে যা দরিদ্র ব্যক্তির পরিবর্তে বক্তাকে নির্দেশ করে এবং might had ভুল রূপ। B) এখানে সাবজেক্ট I ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়মের সাথে মিলে না এবং রিপোর্টেড স্পিচের সাবজেক্ট পরিবর্তন করা হয়নি। C) এখানে might এর পরে ভুলভাবে had ব্যবহার করা হয়েছে কারণ modal auxiliary এর পরে সবসময় মূল ভার্বের present form বসে। D) এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সব grammatical নিয়ম সঠিকভাবে মেনে indirect speech করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence-এ অনুরোধ বোঝালে begging/begged বসে এবং that-এর পরে subject বসিয়ে might ব্যবহার করতে হয়।
a He exclaimed that the sight is very charming.
b He exclaimed that the sight is charming.
c  He exclaimed that the sight was very charming.
d He exclaimed that the sight was charming.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He exclaimed that the sight was very charming. কেন সঠিক: বাক্যটি বিস্ময়সূচক হওয়ায় Indirect করার সময় reported speech-এর subject আগে বসে এবং verb পরিবর্তিত হয়ে was হয়। এছাড়াও how বা what থাকলে very বা great যোগ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He exclaimed that the sight is very charming. — এখানে tense পরিবর্তন করা হয়নি এবং is রাখা হয়েছে যা past tense হওয়া উচিত ছিল। B) He exclaimed that the sight is charming. — এখানে tense অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে এবং very শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে। C) He exclaimed that the sight was very charming. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) He exclaimed that the sight was charming. — এখানে সঠিক নিয়ম মেনে past tense করা হলেও very শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: Exclamatory sentence-কে Indirect করার সময় reporting verb-এর পরিবর্তে exclaimed with joy বা wonder বসে এবং tense পরিবর্তিত হয়ে past tense হয়।
a will remain
b shall remain
c would remain
d am remaining
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) will remain কেন সঠিক: - এটি ফার্স্ট কন্ডিশনাল বা সম্ভাব্য শর্তযুক্ত বাক্য, যার গঠন হলো ইফ যুক্ত অংশ প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট এবং পরের অংশ ফিউচার ইনডিফিনিট টেন্স হয়। - এখানে ইফ যুক্ত অংশ প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স (help me) থাকায় পরবর্তী অংশে ফিউচার ইনডিফিনিট টেন্স হিসেবে will remain ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will remain — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম ক্লজ প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় প্রধান ক্লজে ফিউচার ইনডিফিনিট টেন্স বসে। B) shall remain — আধুনিক ইংরেজিতে সাধারণ নিয়মে ফার্স্ট পারসনের পর shall বসে, তবে আই এর পর will অথবা shall দুটোই হতে পারে। কিন্তু সাধারণ ও আধুনিক ব্যবহারে I এর সাথে will remain বেশি উপযোগী। C) would remain — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল বাক্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেখানে ইফ যুক্ত অংশে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স থাকে। D) am remaining — এটি প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স, যা কন্ডিশনাল সেন্টেন্সের কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: ইফ যুক্ত বাক্যে প্রেজেন্ট টেন্স থাকলে অপর অংশে সাধারণত ফিউচার ইনডিফিনিট টেন্স অর্থাৎ will বসাতে হয়।
a on
b of
c to
d upon
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: - 'Brood' শব্দের অর্থ গভীরভাবে চিন্তা করা বা কোনো বিষয়ে মনে কষ্ট পাওয়া। - এর পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সাধারণত 'on' বা 'upon' বসে, তবে 'brood on' বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত ধারা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'brood on' বা 'brood upon' দুজনেই অর্থ প্রকাশ করলেও এখানে 'on' সবচেয়ে মানানসই। B) of — 'of' সাধারণত অধিকার বা উৎস বোঝাতে বসে, তাই এখানে তা বসবে না। C) to — 'to' সাধারণত নির্দিষ্ট দিকে গতি বা সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) upon — এটি আংশিক সঠিক হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত 'brood on' বেশি গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ে দীর্ঘক্ষণ মন খারাপ করে চিন্তা করা বা ডুবে থাকা বোঝাতে 'brood on' ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
a Disagree
b Honest
c Brave
d  Agree
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Agree কেন সঠিক: ‘Fall into line’ একটি ইংরেজী ইডিয়ম যার মূল অর্থ হলো কোনো নিয়মের সাথে একমত হওয়া বা সবার সাথে মিল রেখে চলা। এর মাধ্যমে দলীয় সিদ্ধান্তের সাথে একমত পোষণ করা এবং বিরোধ না করে অন্যদের সাথে কাজ করা বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Disagree — এর অর্থ অমত প্রকাশ করা, যা ইডিয়মটির অর্থ সম্পূর্ণ উল্টো প্রকাশ করে। B) Honest — এর অর্থ সততা, যা এই বিশেষ ইডিয়মের সাথে কোনোভাবেই মিলে না। C) Brave — এর অর্থ সাহসী, যা সাহসিকতা নির্দেশ করে এবং এই ইডিয়মের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সবার সাথে লাইনে দাঁড়িয়ে নিয়মের সাথে একমত হওয়া মনে রাখবে।
a Briefly
b Summary
c  In details
d None
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) In details কেন সঠিক: Ins and outs একটি ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ ভেতরে এবং বাইরে হলেও ভাবার্থ হলো কোনো বিষয়ের আদ্যোপান্ত বা সবকিছু বিস্তারিতভাবে জানা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Briefly — এর অর্থ সংক্ষেপে, যা ইনস অ্যান্ড আউটস বাগধারার সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Summary — এর অর্থ সারসংক্ষেপ, যা কোনো বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ বা বিস্তারিত বিবরণের সাথে মিল নেই। C) In details — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ইডিওমটির মূল অর্থ হলো বিস্তারিতভাবে সবকিছু জানা। D) None — এর অর্থ কোনটিই নয়, কিন্তু এখানে সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ের ভেতরের ও বাইরের সব খবর রাখতে হলে আমাদের সবসময় কোনো কিছু বিস্তারিতভাবে বা ইনস অ্যান্ড আউটস জানতে হয়।
a The brave is favoured by fortune
b The brave are favoured by fortune
c The brave has favoured by fortune
d The brave shall be favoured by fortune
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The brave are favoured by fortune কেন সঠিক: প্রবাদ বাক্যে 'The brave' দ্বারা সাহসীদের একটি সম্পূর্ণ শ্রেণীকে বোঝায়, তাই এটি বহুবচন হিসেবে গণ্য হয়। এর সাথে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সের প্যাসিভ করার নিয়মে are এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The brave is favoured by fortune — এখানে বহুবচন সাবজেক্টের সাথে singular verb 'is' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) The brave has favoured by fortune — এখানে ভুল সাহায্যকারী ভাব ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যটি অর্থহীন হয়েছে। D) The brave shall be favoured by fortune — প্রবাদ বাক্যের টেন্স পরিবর্তন করে ভবিষ্যৎ কাল করা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: The-এর পরে কোনো adjective বসলে তা পুরো জাতিকে বা শ্রেণীকে বোঝায় এবং সেটি সবসময় plural হয়।
a Posesion
b Posession
c  Possession
d Possesion
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Possession কেন সঠিক: এই বানানটিতে প্রথমে একটি P, এরপর o, তারপর জোড়া s (ss), এরপর e, এবং শেষে আবার জোড়া s (ss) ও i ও n ব্যবহৃত হয়েছে। ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি প্রমিত বানান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Posesion — বানানটিতে দুটি s এর পরিবর্তে একটি s ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। B) Posession — বানানটিতে মাঝখানে একটি s এবং শেষে দুটি s দেওয়া হয়েছে যা সঠিক নিয়মের বিপরীত। C) Possession — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Possesion — বানানটিতে শেষে একটি s কম দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটির মাঝে এবং শেষে ডাবল এস (ss) বসে, এটি মনে রাখলেই সঠিক বানান লেখা সহজ হবে।
a Jewelery
b Jewellry
c Jwellry
d  Jewellery
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Jewellery কেন সঠিক: British English বানান রীতি অনুযায়ী Jewel শব্দের সাথে ry যুক্ত করার সময় l অক্ষরটি দ্বিগুণ হয়। তাই সঠিক বানানটি হলো Jewellery যেখানে বানানটি সম্পূর্ণ নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jewelery — এই বানানে l অক্ষরটি একবার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। B) Jewellry — এই বানানে অতিরিক্ত l অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। C) Jwellry — এই বানানে e অক্ষরটি বাদ দেওয়া হয়েছে। D) Jewellery — এটি সঠিক বানান হওয়ার কারণে ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Jewel লেখার পর lry যোগ করলে Jewellery বানানটি সহজে মনে রাখা যায়।
a  or
b very
c out
d for
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) or কেন সঠিক: 'or' শব্দটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে একত্রে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি একটি Conjunction বা সংযোগকারী অব্যয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) or — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি Conjunction যা বিকল্প বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) very — এটি একটি Adverb কারণ এটি অন্য কোনো Adjective বা Adverb এর দোষ গুণ পরিমাণ প্রকাশ করে। C) out — এটি সাধারণত Preposition বা Adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়, Conjunction নয়। D) for — যদিও 'for' কখনো Conjunction হয়, তবে এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে 'or' হলো সবচেয়ে উপযুক্ত বিকল্প। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলো দুটি ভিন্ন বাক্য বা শব্দকে জুড়ে দেয়, তাদের কনজাংশন বা conjunction বলে।
a Rung
b  Rang
c Ringed
d Runged
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Rang কেন সঠিক: ‘Ring’ একটি শক্তিশালী বা অনিয়মিত ভার্ব যার প্রেজেন্ট, পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল রূপ যথাক্রমে ring, rang এবং rung হয়। এখানে বাক্যের মূল পাস্ট ফর্ম বা অতীত রূপ চাওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে Rang নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rung — এটি ‘ring’ ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, যা সরাসরি সাধারণ অতীতকালে ব্যবহার করা যায় না। B) Rang — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) Ringed — এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ ring ভার্বের সাথে সরাসরি ed যুক্ত হয় না। D) Runged — এমন কোনো ইংরেজি শব্দ বা ভার্বের রূপ সাধারণত ব্যাকরণে বিদ্যমান নেই। মনে রাখার টিপস: ভার্বের রূপ মনে রাখার জন্য i, a, u ক্রমানুসারে ring, rang, rung মুখস্থ রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।
a He dares g there.
b I came in when he was writing.
c  The police were informed of the matter.
d Matin is good than his brother
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The police were informed of the matter. কেন সঠিক: Police শব্দটি দেখতে একবচন হলেও এটি সবসময় বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই এর পরে were এবং informed সঠিক passive গঠন তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He dares g there — এখানে g শব্দটি অসম্পূর্ণ এবং dare verb এর পর bare infinitive বসে। B) I came in when he was writing — এই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও মূল প্রশ্নের অন্য অপশনের তুলনায় C অধিকতর গ্রহণযোগ্য নিয়ম মেনে চলে। C) The police were informed of the matter — এটি সঠিক বাক্য হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Matin is good than his brother — good এর পর than না বসে better বসে কারণ এটি comparative degree। মনে রাখার টিপস: Police, People, Cattle ইত্যাদি নাউন দেখতে একবচন হলেও এদের পরে সবসময় plural verb বসে।
a  I forbade him to go
b The moon shines by night.
c Did they wrote the book?
d He stopped to write letter to me.
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I forbade him to go কেন সঠিক: forbade শব্দটির অর্থ নিষেধ করা, যার সাথে ইনফিনিটিভ to এবং ভার্বের বেস ফর্ম বসে। অন্য কোনো নেতিবাচক শব্দ ছাড়াই এই বাক্যটি নিয়ম মেনে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) The moon shines by night — রাতের বেলা বোঝাতে by night না লিখে at night লেখা উচিত ছিল। C) Did they wrote the book — Did-এর পর ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে না, ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসাতে হয়। D) He stopped to write letter to me — এখানে লেটার লেখার কাজটি বন্ধ করা বোঝাচ্ছে, যা অর্থসঙ্গতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্য তৈরির সময় ভার্বের সঠিক রূপ এবং উপযুক্ত প্রিপজিশন ব্যবহারের নিয়মগুলো সবসময় ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a Constant
b Reliable
c Steady
d  Changeable
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Changeable কেন সঠিক: Unstable শব্দের অর্থ অস্থির বা পরিবর্তনশীল, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। Changeable শব্দটির অর্থও পরিবর্তনশীল বা যা সহজেই বদলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Constant — এই শব্দটির অর্থ ধ্রুবক বা যা অপরিবর্তনীয়, তাই এটি সঠিক উত্তরের বিপরীত। B) Reliable — এই শব্দটির অর্থ নির্ভরযোগ্য বা বিশ্বস্ত, যা অস্থির শব্দের সাথে মেলে না। C) Steady — এই শব্দটির অর্থ স্থির বা অবিচল, যা অস্থির বা Unstable শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Stable অর্থ স্থির এবং এর আগে Un যুক্ত হয়ে Unstable বা অস্থির বোঝায়, যা Changeable শব্দের সমার্থক।
a ১৫%
b ২০%
c ২৫%
d ৩০%
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০% প্রদত্ত তথ্য: ২৫ কেজি চালের বিক্রয় মূল্য = ২০ কেজি চালের ক্রয়মূল্য ধরি, ১ কেজি চালের ক্রয়মূল্য = ১ টাকা ২০ কেজি চালের ক্রয়মূল্য = ২০ টাকা অতএব, ২৫ কেজি চালের ক্রয়মূল্য = ২৫ টাকা ২৫ কেজি চালের বিক্রয় মূল্য = ২০ টাকা সুতরাং, ক্ষতি হয় = ২৫ − ২০ = ৫ টাকা উত্তর: (৫ ÷ ২৫) × ১০০% = ২০%
a মধ্য রাশি
b প্রান্ত রাশি
c মিশ্র রাশি
d ক্রমিক রাশি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মধ্য রাশি প্রদত্ত তথ্য: সমানুপাতের চারটি রাশি থাকে এর মধ্যে প্রথম ও চতুর্থ রাশিকে বলা হয় প্রান্তীয় রাশি এর মধ্যে দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাশিকে বলা হয় মধ্য রাশি ধরি, অনুপাতটি ক অনুপাত খ সমান গ অনুপাত ঘ এখানে ক হলো প্রথম রাশি এখানে খ হলো দ্বিতীয় রাশি এখানে গ হলো তৃতীয় রাশি এখানে ঘ হলো চতুর্থ রাশি অতএব, প্রথম ও চতুর্থ রাশি মিলে হয় প্রান্ত রাশি দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাশি মিলে হয় মধ্য রাশি সুতরাং, সমানুপাতের দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাশিকে মধ্য রাশি বলা হয় উত্তর: A) মধ্য রাশি
a ১ দিনে
b ৫ দিনে
c ২০ দিনে
d ১০০ দিনে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ৫ টি বেড়াল ৫ টি ইঁদুর ধরে ৫ দিনে ধরি, ১ টি বেড়াল ৫ দিনে ধরে ১ টি ইঁদুর ১০০ টি বেড়াল ৫ দিনে ধরে ১০০ টি ইঁদুর অতএব, বেড়াল এবং ইঁদুরের অনুপাত সমান থাকে সময় অপরিবর্তিত থাকে সুতরাং, ১০০ টি বেড়াল ১০০ টি ইঁদুর ধরতে সময় নেবে ৫ দিন উত্তর: ৫ দিনে
a 4
b 5
c ৬
d 7
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ২ থেকে শুরু করে পরপর পাঁচটি জোড় সংখ্যা বের করতে হবে জোড় সংখ্যাগুলোর মান ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাবে ধরি, প্রথম জোড় সংখ্যা = ২ দ্বিতীয় জোড় সংখ্যা = ৪ তৃতীয় জোড় সংখ্যা = ৬ চতুর্থ জোড় সংখ্যা = ৮ পঞ্চম জোড় সংখ্যা = ১০ অতএব, সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = ২ + ৪ + ৬ + ৮ + ১০ যোগফল = ৩০ সুতরাং, গড় = ৩০ ÷ ৫ গড় = ৬ উত্তর: ৬
a ৩২ বছর
b ৪২ বছর
c ৬২ বছর
d ৫২ বছর
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫২ বছর প্রদত্ত তথ্য: ২০ জন ছাত্রের বয়সের গড় = ১০ বছর শিক্ষকসহ মোট ব্যক্তির সংখ্যা = ২১ জন ধরি, ২০ জন ছাত্রের বয়সের সমষ্টি = ২০ × ১০ = ২০০ বছর শিক্ষকসহ ২১ জনের বয়সের সমষ্টি = ২১ × ১২ = ২৫২ বছর অতএব, শিক্ষকের বয়স হবে শিক্ষকসহ মোট বয়স থেকে ছাত্রদের মোট বয়সের বিয়োগফল সুতরাং, শিক্ষকের বয়স = ২৫২ − ২০০ = ৫২ বছর উত্তর: ৫২ বছর
a দুই সমকোণ অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর
b দুই সমকোণ অপেক্ষা বৃহত্তর
c দুই সমকোণের সমান
d দুই সমকোণের অর্ধেক
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুই সমকোণ অপেক্ষা বৃহত্তর প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো একটি বাহুকে উভয়দিকে বর্ধিত করা হলো উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণদ্বয় হলো ভূমির সংলগ্ন কোণদ্বয়ের পরিপূরক ধরি, ত্রিভুজের অভ্যন্তরস্থ কোণগুলো হলো ক, খ এবং গ এদের সমষ্টি হলো এক সরলকোণ বা দুই সমকোণ অতএব, একটি বহিঃস্থ কোণ হলো (খ + গ) এর সমান অপর বহিঃস্থ কোণ হলো (ক + গ) এর সমান সুতরাং, দুটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি হলো (ক + খ + ২গ) বা (দুই সমকোণ + গ) উত্তর: দুই সমকোণ অপেক্ষা বৃহত্তর
a এক সমকোণের অর্ধেক
b সরল কোণ
c এক সমকোণ
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এক সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের উপর একটি স্পর্শবিন্দু এবং ঐ বিন্দুতে অঙ্কিত ব্যাসার্ধ বৃত্তের স্পর্শক এবং স্পর্শবিন্দুগামী ব্যাসার্ধের পারস্পরিক সম্পর্ক ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র ও স্পর্শবিন্দু সংযোজক রেখাংশ হলো ব্যাসার্ধ ঐ স্পর্শবিন্দুগামী রেখার উপর অঙ্কিত লম্ব হলো স্পর্শক অতএব, ব্যাসার্ধ স্পর্শকের উপর লম্বভাবে অবস্থান করে জ্যামিতিক উপপাদ্য অনুযায়ী লম্ব রেখার মধ্যবর্তী কোণ নির্ধারিত হয় সুতরাং, স্পর্শবিন্দুগামী ব্যাসার্ধ ও স্পর্শক একে অপরের সাথে ৯০ ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন করে উত্তর: এক সমকোণ
a 90
b 68
c ৫৫
d 40
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪ ধরি, প্রদত্ত ধারাটি বিখ্যাত ফিবোনাচ্চি ধারা। এই ধারার প্রতিটি সংখ্যা তার আগের দুটি সংখ্যার যোগফলের সমান। অতএব, প্রথম সংখ্যা দুটি যোগ করলে পাই ১ + ২ = ৩ এভাবে ধারাটি ক্রমান্বয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হয়। সুতরাং, শেষ দুটি সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করতে হবে। ২১ + ৩৪ = ৫৫ উত্তর: ৫৫
a ০.০০১৬
b ০.০০০০১৬
c ০.০০০১৬
d ০.০০০০০১৬
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০০০০১৬ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি = ০.০০৪ ধরি, সংখ্যাটির বর্গ করতে হবে অতএব, (০.০০৪) × (০.০০৪) সুতরাং, ৪ × ৪ = ১৬ এবং দশমিকের পর মোট ছয়টি ঘর হবে উত্তর: ০.০০০০১৬
a x-44x+3
b 2x-42x-3
c 2x-42x+3
d x+44x-3
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x-৪৪x+৩ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৪ গুণ x এর বর্গ − ১৩ গুণ x − ১২ ধরি, রাশিটিকে মধ্যপদ বিভাজনের নিয়মে ভাঙতে হবে অতএব, প্রথম ও শেষ পদের গুণফল হলো ৪ গুণ (−১২) = −৪৮ মাঝের পদটি হলো −১৩ সংখ্যা দুটি হবে −১৬ এবং +৩ সুতরাং, ৪ গুণ x এর বর্গ − ১৬ গুণ x + ৩ গুণ x − ১২ ৪ গুণ x কমন নিলে পাই (x − ৪) এবং ৩ কমন নিলে পাই (x − ৪) উত্তর: (x − ৪) গুণ (৪ গুণ x + ৩)
a 76
b 70
c 52
d 47
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫২ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a + (১ ÷ a) = ৪ মান নির্ণয় করতে হবে: a^৩ + (১ ÷ a^৩) আমরা জানি, বীজবানিজ্যিক সূত্র অনুযায়ী লেখা যায় a^৩ + (১ ÷ a^৩) = (a + (১ ÷ a))^৩ − ৩ × (a + (১ ÷ a)) অতএব, সূত্রের মধ্যে a + (১ ÷ a) এর মান ৪ বসিয়ে পাই (৪)^৩ − ৩ × ৪ এখন, ৪ এর ঘন করলে হয় ৬৪ এবং ৩ কে ৪ দ্বারা গুণ করলে হয় ১২ সুতরাং, ৬৪ − ১২ = ৫২ উত্তর: ৫২
a ৯০০ টাকা
b ১০০০ টাকা
c ১১০০ টাকা
d ১৬০০ টাকা
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ক ও খ এর বেতনের অনুপাত = ৭ : ৫ ক, খ অপেক্ষা বেশি পায় = ৪০০ টাকা ধরি, ক এর বেতন = ৭ক টাকা খ এর বেতন = ৫ক টাকা অতএব, শর্তমতে, ৭ক − ৫ক = ৪০০ ২ক = ৪০০ ক = ২০০ সুতরাং, খ এর বেতন = ৫ × ২০০ টাকা উত্তর: ১০০০ টাকা
a ৩০%
b ২৫%
c ২২%
d ২০%
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০% প্রদত্ত তথ্য: চিনির মূল্য বৃদ্ধি পেল ২৫% চিনি বাবদ ব্যয় অপরিবর্তিত থাকবে ধরি, পূর্বে ১০০ টাকার চিনি কেনা হতো বর্তমানে সেই চিনির মূল্য হলো ১২৫ টাকা অতএব, এখন ১০০ টাকার চিনি কিনতে হলে খরচ কমাতে হবে ১২৫ টাকার মধ্যে কমাতে হবে ২৫ টাকা সুতরাং, ১০০ টাকার মধ্যে শতকরা কমাতে হবে ২৫ গুণ ১০০ ভাগ ১২৫ সমান ২০ টাকা উত্তর: ২০%
a ৫০ টাকা
b ৪৪ টাকা
c ৭০ টাকা
d ৬৫ টাকা
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বইটির বিক্রয়মূল্য = ৪০ টাকা প্রথম ক্ষেত্রে ক্ষতি = ২০% দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লাভ = ৪০% ধরি, বইটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ২০% ক্ষতিতে প্রথম বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ২০ = ৮০ টাকা ৪০% লাভে দ্বিতীয় বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৪০ = ১৪০ টাকা অতএব, ৮০ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ৮০ টাকা ৪০ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৪০) ÷ ৮০ = ৫০ টাকা সুতরাং, ৫০ টাকার বস্তুটি ৪০% লাভে বিক্রয় করতে হবে বিক্রয়মূল্য হবে = ৫০ × (১৪০ ÷ ১০০) = ৭০ টাকা উত্তর: ৭০ টাকা
a ২৪ দিন
b ২৬ দিন
c ২২ দিন
d ২০ দিন
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ দিন প্রদত্ত তথ্য: দুই ব্যক্তি একত্রে কাজ করে ৮ দিনে প্রথম ব্যক্তি একা কাজ করে ১২ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজ সমান ১ অংশ অতএব, দুই ব্যক্তি ১ দিনে করে ১ ÷ ৮ অংশ প্রথম ব্যক্তি ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ সুতরাং, দ্বিতীয় ব্যক্তি ১ দিনে করে (১ ÷ ৮) − (১ ÷ ১২ অংশ) সমান (৩ − ২) ÷ ২৪ অংশ সমান ১ ÷ ২৪ অংশ উত্তর: ২৪ দিন
a বসফরাস প্রণালী
b বেরিং প্রণালী
c মেসিনা প্রণালী
d  ডোবার প্রণালী
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডোবার প্রণালী কেন সঠিক: - ডোবার প্রণালী ইংলিশ চ্যানেলকে উত্তর সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে। - এটি গ্রেট ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে পৃথক করেছে এবং ইউরোপের অন্যতম ব্যস্ত জলপথ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বসফরাস প্রণালী — এটি কৃষ্ণ সাগর ও মারমারা সাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং এশিয়াকে ইউরোপ থেকে আলাদা করেছে। B) বেরিং প্রণালী — এটি প্রশান্ত মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে আলাদা করেছে। C) মেসিনা প্রণালী — এটি ভূমধ্যসাগরের টাইরেনিয়ান সাগর ও আয়নিয়ান সাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং সিসিলি দ্বীপকে ইতালি থেকে আলাদা করেছে। D) ডোবার প্রণালী — এটি ইংলিশ চ্যানেল ও উত্তর সাগরকে সংযুক্ত করেছে বিধায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ডোবার প্রণালী দিয়ে ডোবা বা পার হয়ে ইংলিশ চ্যানেল থেকে উত্তর সাগরে যাওয়া যায়।
a বলেশ্বর
b  হাড়িয়াভাঙ্গা
c ভৈরব
d রূপসা
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাড়িয়াভাঙ্গা কেন সঠিক: - দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনের দক্ষিণে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত ছিল। - ভৌগোলিক অবস্থান ও নদীসীমা অনুযায়ী হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনাতেই এই দ্বীপটির অস্তিত্ব ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বলেশ্বর — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি প্রধান নদী, তবে এর মোহনায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ অবস্থিত নয়। B) হাড়িয়াভাঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই নদীর মোহনাতেই দ্বীপটি অবস্থিত ছিল। C) ভৈরব — এটি খুলনা অঞ্চলের একটি নদী, যার মোহনা দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) রূপসা — এটি খুলনা জেলার একটি নদী, যা দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের মোহনার সাথে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ ও হাড়িয়াভাঙ্গা নদী উভয়ই সাতক্ষীরা অঞ্চলের সাথে সম্পর্কিত।
a  পুণ্ড্র নগর
b রামাবতী
c কর্ণ সুবর্ণ
d মহাস্থান
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পুণ্ড্র নগর কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে মহাস্থানগড় পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী পুণ্ড্রনগর নামে পরিচিত ছিল। - এটি মৌর্য, গুপ্ত ও সেন যুগে বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুণ্ড্র নগর — এটি ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ের প্রাচীন নাম এবং তৎকালীন বাংলার প্রথম রাজধানী। B) রামাবতী — এটি পাল রাজাদের আমলে নির্মিত একটি রাজধানী শহর, যা মহাস্থানগড় নয়। C) কর্ণ সুবর্ণ — এটি প্রাচীন বাংলার গৌড় রাজ্যের রাজা শশাঙ্কের রাজধানী ছিল। D) মহাস্থান — এটি বর্তমান স্থানবাচক নাম, প্রাচীনকালে প্রাচীন শহরটির নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। মনে রাখার টিপস: মহাস্থানগড় মানেই প্রাচীন পুণ্ড্রনগর, যা বাংলার আদি রাজধানী হিসেবে পরিচিত।
a ২.৫ কি. গ্রা.
b ৪ কি. গ্রা.
c ২.৭৫ কি. গ্রা.
d  ৩ কি. গ্রা.
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ কি. গ্রা. কেন সঠিক: - বিশুদ্ধ পানির ঘনত্ব প্রতি লিটারে ১ কিলোগ্রাম, অর্থাৎ ১ লিটার পানির ওজন ১ কিলোগ্রাম। - এই নিয়م অনুযায়ী ৩ লিটার পানির মোট ওজন ৩ কিলোগ্রাম হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২.৫ কি. গ্রা. — এটি ৩ লিটার পানির সঠিক ওজনের চেয়ে কম, তাই সঠিক নয়। B) ৪ কি. গ্রা. — এটি ৩ লিটার পানির ওজনের চেয়ে বেশি, তাই সঠিক নয়। C) ২.৭৫ কি. গ্রা. — এটিও ৩ লিটার পানির প্রকৃত ওজনের চেয়ে কম, তাই সঠিক নয়। D) ৩ কি. গ্রা. — এটি ৩ লিটার পানির সঠিক ওজনের হিসাব অনুযায়ী নির্ভুল। মনে রাখার টিপস: এক লিটার পানির ওজন এক কিলোগ্রাম, তাই যত লিটার পানি বলবে ওজন ঠিক তত কিলোগ্রাম হবে।
a  ৩ টি অংশ
b ৪টি অংশ
c ৫টি অংশ
d ৬টি অংশ
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩টি অংশ কেন সঠিক: - মৌলিকভাবে কম্পিউটারের মূল হার্ডওয়্যার কাঠামোকে প্রধানত তিনটি অংশে ভাগ করা হয়। - ইনপুট ইউনিট, প্রসেসিং ইউনিট এবং আউটপুট ইউনিট মিলেই মূলত কম্পিউটারের প্রধান হার্ডওয়্যার গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি অংশ — এটি সঠিক কারণ কম্পিউটারের মূল হার্ডওয়্যার কাঠামো ইনপুট, প্রসেসিং ও আউটপুট এই তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত। B) ৪টি অংশ — কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বা প্রধান অংশ ৪টি নয়, কারণ মেমোরি ও প্রসেসিং ইউনিট মিলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ তৈরি করে। C) ৫টি অংশ — ৫টি অংশ বলতে সাধারণত কম্পিউটারের ইনপুট, আউটপুট, মেমোরি, অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট এবং কন্ট্রোল ইউনিটকে বোঝানো হয়, যা কাঠامোগতভাবে ৩টি প্রধান অংশের অন্তর্ভুক্ত। D) ৬টি অংশ — কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বা মূল কাঠামোর ক্ষেত্রে ৬টি অংশের কোনো প্রমিত বা গ্রহণযোগ্য সাধারণ শ্রেণিবিন্যাস নেই। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারের প্রধান কাজ হলো তথ্য নেওয়া, তা প্রক্রিয়াজাত করা এবং ফলাফল দেওয়া। এই কাজের ওপর ভিত্তি করে হার্ডওয়্যার প্রধানত ৩টি অংশে বিভক্ত।
a  ২৭টি
b ২২টি
c ১৯টি
d ১৩টি
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৭টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে বর্তমানে আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ২৭টি ক্যাডার রয়েছে। - বিসিএস ক্যাডারগুলো প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ইত্যাদি বিভিন্ন পেশাগত খাতে বিভক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৭টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বর্তমান নিয়মে বিসিএস ক্যাডার সংখ্যা ২৭টি। B) ২২টি — এটি অতীতের কোনো এক সময়ের সংখ্যা হতে পারে, বর্তমানে তা পরিবর্তিত হয়েছে। C) ১৯টি — এটি বর্তমান ক্যাডার সংখ্যার সঠিক হিসাব নয়। D) ১৩টি — এটি ভুল তথ্য এবং বর্তমান ক্যাডার সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের মোট ক্যাডার সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটি ২৭ মনে রাখুন।
a শ্রী বিহার
b সোমপুর বিহার
c ধর্মপাল বিহার
d জগদ্দল বিহার
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সোমপুর বিহার কেন সঠিক: - এটি পাল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় রাজা শ্রীধর্মপাল দেবের রাজত্বকালে নির্মিত হয়েছিল। - এটি প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান বৌদ্ধ বিহার ও ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রী বিহার — এটি পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের প্রাচীন নাম ছিল না। B) সোমপুর বিহার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ধর্মপাল বিহার — রাজা ধর্মপাল এটি নির্মাণ করলেও এর ঐতিহাসিক নাম এটি ছিল না। D) জগদ্দল বিহার — এটি পাহাড়পুর নয়, বরেন্দ্র ভূমির অন্য একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। মনে রাখার টিপস: পাহাড়পুর মানেই সোমপুর বিহার, যা পাল রাজাদের কীর্তি।
a ইসলাম খান
b শাহ সুজা
c টিপু সুলতান
d  শায়েস্তা খান
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শায়েস্তা খান কেন সঠিক: - সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় মুঘল দুর্গ হিসেবে লালবাগের কেল্লার নির্মাণকাজ শুরু করেন। - এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এর ঐতিহাসিক নাম আওরঙ্গবাদ দুর্গ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলাম খান — তিনি প্রথম সুবাদার হিসেবে ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেছিলেন, লালবাগের কেল্লা স্থাপন করেননি। B) শাহ সুজা — তিনি মুঘল যুবরাজ ও বাংলার সুবাদার ছিলেন, কিন্তু এই কেল্লা নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) টিপু সুলতান — তিনি মাইসোরের শাসক ছিলেন, ঢাকার লালবাগ কেল্লার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) শায়েস্তা খান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় কেল্লা স্থাপনের সঙ্গে তাঁর নাম সঠিকভাবে যুক্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: লালবাগ কেল্লা এবং শায়েস্তা খান মনে রাখতে লা দিয়ে 'লালবাগ' আর শা দিয়ে 'শায়েস্তা খান' এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
a ৬২০ সালে
b ৬২২ সালে
c  ৬২৪ সালে
d ৬২৬ সালে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬২৪ সালে কেন সঠিক: - বদরের যুদ্ধ ইসলাম ধর্মের ইতিহাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সামরিক সংঘাত, যা হিজরি দ্বিতীয় সনের ১৭ই রমজান সংঘটিত হয়। - ইংরেজি সালের গণনামতে এই ঐতিহাসিক যুদ্ধটি ৬২৪ খ্রিস্টাব্দে মদিনার মুসলিম ও মক্কার কুরাইশ বাহিনীদের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬২০ সালে — এই সালে ইসলামের ইতিহাসে বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি এবং এটি ঘটনার সঠিক সময়কাল নয়। B) ৬২২ সালে — এই সালটি হযরত মুহাম্মদ (স.) এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার ঐতিহাসিক বছর হিসেবে পরিচিত। C) ৬২৪ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। D) ৬২৬ সালে — এই সালে বদরের যুদ্ধ হয়নি, বরং ওহুদ যুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার পরবর্তী সময় এটি। মনে রাখার টিপস: হিজরতের দুই বছর পর ৬২৪ সালে ইসলামের প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ অর্থাৎ বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
a  সাহিত্য পুরস্কার
b শান্তি পুরস্কার
c জনসংখ্যা পুরস্কার
d এর কোনোটিই নয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাহিত্য পুরস্কার কেন সঠিক: - বুকার পুরস্কার বিশ্বের অন্যতম prestigious সাহিত্যিক সম্মাননা যা কথাসাহিত্য বা উপন্যাসের জন্য প্রদান করা হয়। - এটি যুক্তরাজ্য বা কমনওয়েলথভুক্ত দেশের লেখকদের ইংরেজি ভাষায় রচিত মৌলিক উপন্যাসের স্বীকৃতিস্বরূপ দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাহিত্য পুরস্কার — এই উত্তরটি সঠিক কারণ বুকার পুরস্কার কেবল সাহিত্যকর্ম বা উপন্যাসের জন্যই প্রদান করা হয়। B) শান্তি পুরস্কার — এটি শান্তিতে অবদানের জন্য দেওয়া হয়, যেমন নোবেল শান্তি পুরস্কার, বুকার পুরস্কার শান্তি সংক্রান্ত নয়। C) জনসংখ্যা পুরস্কার — জনসংখ্যা ও পরিবার পরিকল্পনা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য জাতিসংঘ এই পুরস্কার দেয়, যা সাহিত্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) এর কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বুকার পুরস্কারকে মনে রাখুন বই বা সাহিত্য শব্দটির সঙ্গে মিলিয়ে, কারণ বই পড়ার অভ্যাসই সাহিত্যে উৎকর্ষ আনে।
a সিডনী
b  ক্যানবেরা
c মেলবোর্ন
d পার্থ
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি / ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) ক্যানবেরা কেন সঠিক: - ক্যানবেরা হলো অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল রাজধানী এবং দেশটির বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ শহর। - সিডনি বা মেলবোর্নের মতো বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এড়াতে ১৯০৮ সালে আপস মীমাংসার মাধ্যমে এই পরিকল্পিত শহরটিকে রাজধানী করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিডনী — এটি অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী এবং সবচেয়ে জনবহুল শহর হলেও দেশটির রাজধানী নয়। B) ক্যানবেরা — এটি সঠিক উত্তর। C) মেলবোর্ন — এটি ভিক্টোরিয়া রাজ্যের রাজধানী এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর, যা সিডনির সাথে দীর্ঘ দ্বন্দ্বের পর রাজধানী হতে পারেনি। D) পার্থ — এটি পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া রাজ্যের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর, যা দেশের ভৌগোলিক পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী নির্বাচনে সিডনি ও মেলবোর্নের দ্বন্দ্ব মেটাতে মাঝামাঝি স্থানে পরিকল্পিতভাবে ক্যানবেরা শহরটি তৈরি করা হয়।
a EU
b UNICEF
c UNHCR
d UNESCO
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) UNESCO কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। - কানাডা প্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালামের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) EU — এটি একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট, ভাষা বা সংস্কৃতি সংরক্ষণের সঙ্গে সরাসরি আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণার কাজ এর নয়। B) UNICEF — এটি শিশু অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করে, তাই ভাষা দিবসের স্বীকৃতি প্রদানের সঙ্গে এর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। C) UNHCR — এটি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, যা শরণার্থীদের সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে। D) UNESCO — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা, যা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষায় এই দিবসটি স্বীকৃতি দিয়েছে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির সাথে জড়িত কোনো আন্তর্জাতিক দিবসের স্বীকৃতি সাধারণত ইউনেস্কোই দিয়ে থাকে।
a লর্ড ক্যানিং
b  লর্ড বেন্টিঙ্ক
c লর্ড রিপন
d লর্ড কার্জন
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লর্ড বেন্টিঙ্ক কেন সঠিক: - লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সতীদাহ প্রথা রহিতকরণ আইন (১৭ নম্বর রেগুলেশন) পাস করেন। - রাজা রামমোহন রায়ের মতো সমাজসংস্কারকদের তীব্র আন্দোলনের ফলেই ব্রিটিশ সরকার এই অমানবিক প্রথা আইন করে বন্ধ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড ক্যানিং — তিনি ভারতের প্রথম ভাইসরয় ছিলেন এবং তাঁর আমলে সিপাহী বিদ্রোহ ও বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়, সতীদাহ প্রথা নয়। B) লর্ড বেন্টিঙ্ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই। C) লর্ড রিপন — তিনি ভারতে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের জনক হিসেবে পরিচিত এবং শিক্ষা কমিশন গঠন করেছিলেন, সতীদাহ প্রথার সঙ্গে যুক্ত নন। D) লর্ড কার্জন — তিনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করার জন্য পরিচিত এবং সতীদাহ প্রথা রহিলের অনেক পরে ভারতের গভর্নর জেনারেল হন। মনে রাখার টিপস: সতীদাহ প্রথা বন্ধের সঙ্গে বেন্টিঙ্ক নাম এবং ১৮২৯ সাল মনে রাখতে 'বে-তে বেন্টিঙ্ক, তে-তে সতীদাহ প্রথা রহিত' এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
a  ব্রিটেন
b পর্তুগাল
c ফ্রান্স
d যুক্তরাষ্ট্র
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রিটেন কেন সঠিক: - মালয়েশিয়া দীর্ঘকাল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল এবং ১৯৫৭ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। - দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রভাব বিস্তারের জন্য ব্রিটেন মালয় উপদ্বীপের বিভিন্ন অঞ্চল দখল করে নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ মালয়েশিয়া ব্রিটিশদের ঔপনিবেশিক শাসনভুক্ত ছিল। B) পর্তুগাল — পর্তুগাল মালয়েশিয়ার মালাক্কা কিছুকাল দখল করেছিল, তবে সমগ্র দেশ ব্রিটিশদের উপনিবেশ ছিল। C) ফ্রান্স — ফ্রান্স মূলত ইন্দোচীন বা বর্তমান ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বোডিয়া অঞ্চলে উপনিবেশ স্থাপন করেছিল, মালয়েশিয়ায় নয়। D) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ফিলিপাইনের উপনিবেশ স্থাপন করেছিল, মালয়েশিয়ার সঙ্গে তাদের ঔপনিবেশিক সম্পর্ক ছিল না। মনে রাখার টিপস: মালয়েশিয়ার স্বাধীনতা সালটি মনে রাখলে সহজে বোঝা যায়, কারণ ১৯৫৭ সালে তারা ব্রিটিশদের থেকেই স্বাধীনতা লাভ করেছিল।
a ১৯৪০ সালে
b ১৯৪২ সালে
c  ১৯৪৬ সালে
d ১৯৪৭ সালে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৬ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ সরকার ভারতবাসীকে ক্ষমতা হস্ততার পথ প্রস্তুত করতে এবং সংবিধান প্রণয়নের জন্য ১৯৪৬ সালের মার্চ মাসে ভারতে ক্যাবিনেট মিশন পাঠায়। - এই মিশনের সদস্য ছিলেন প্যাথিক লরেন্স, স্টাফর্ড ক্রিপস এবং এ ভি আলেকজান্ডার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪০ সালে — এই সালে ব্রিটিশ ভারতে মুসলিম লীগের লাহোর প্রস্তাব পাস হয়েছিল, যা পাকিস্তান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। B) ১৯৪২ সালে — এই সালে ভারতে ক্রিপস মিশন এসেছিল এবং ভারত ছাড়ো আন্দোলন শুরু হয়েছিল। C) ১৯৪৬ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। D) ১৯৪৭ সালে — এই সালে ব্রিটিশ শাসন অবসান ঘটে এবং ভারত ও পাকিস্তান দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঠিক আগের বছর অর্থাৎ ১৯৪৬ সালে ক্যাবিনেট মিশন ভারতে এসেছিল।
a 90
b 75
c 70
d  ৬০
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের বৈঠক সচল রাখার জন্য কমপক্ষে ষাট জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন হয়। - সংসদ সদস্যদের এই ন্যূনতম উপস্থিতির সংখ্যাকেই কোরাম বলা হয়, যার অনুপস্থিতিতে বৈঠক মুলতবি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 90 — এটি কোরামের নির্ধারিত সংখ্যা নয় এবং এই সংখ্যার কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই। B) 75 — এটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ নম্বর হতে পারে কিন্তু কোরামের সংখ্যা নয়। C) 70 — এটি মূলত সংসদ সদস্য পদ হারানোর বা দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার সাংবিধানিক অনুচ্ছেদ নির্দেশ করে। D) ৬০ — এটি জাতীয় সংসদের কোরাম সংকটের জন্য নির্ধারিত সঠিক সাংবিধানিক সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: জাতীয় সংসদের আসন তিনশোটি, আর কোরামের সংখ্যা তার ঠিক এক পঞ্চমাংশ অর্থাৎ ষাট জন।
a ফকির মজনু শাহ
b  তিতুমীর
c দুদু মিয়া
d মীর কাশিম
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিতুমীর কেন সঠিক: - তিতুমীর নারকেলবেড়িয়া গ্রামে বাঁশ দিয়ে একটি শক্তিশালী দুর্গ বা কেল্লা নির্মাণ করেছিলেন। - এই কেল্লা থেকে তিনি ব্রিটিশ নীলকর ও জমিদারদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফকির মজনু শাহ — তিনি মজনু শাহ নামে পরিচিত এবং মজনু শাহ ফকির আন্দোলনের একজন বিখ্যাত নেতা ছিলেন, কিন্তু বাঁশের কেল্লার সঙ্গে যুক্ত নন। B) তিতুমীর — এটি সঠিক উত্তর। C) দুদু মিয়া — তিনি ফরায়েজী আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন, তবে বাঁশের কেল্লা নির্মাণের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। D) মীর কাশিম — তিনি বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পর বাংলার নবাব হয়েছিলেন এবং বক্সারের যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। মনে রাখার টিপস: বা-তে বাঁশের কেল্লা এবং ত-তে তিতুমীর মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে মনে রাখা যায়।
a  আর্দ্রতার অভাবে
b রৌদ্রের অভাবে
c ভিটামিনের অভাবে
d স্নেহ জাতীয় পদার্থের অভাবে
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আর্দ্রতার অভাবে কেন সঠিক: - শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা কম থাকে, ফলে ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা দ্রুত হারিয়ে ফেলে। - ত্বকের উপরিভাগের তেল বা সিবাম উৎপাদন কমে যাওয়ায় ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্দ্রতার অভাবে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাতাসের শুষ্কতা ত্বক ফাটার প্রধান প্রাকৃতিক কারণ। B) রৌদ্রের অভাবে — সূর্যের আলোর অভাবের সাথে সরাসরি ত্বক ফাটার কোনো সম্পর্ক নেই। C) ভিটামিনের অভাবে — কিছু ভিটামিনের অভাবে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে শীতকালে সাধারণ ত্বক ফাটার মূল কারণ এটি নয়। D) স্নেহ জাতীয় পদার্থের অভাবে — শরীরে চর্বি বা স্নেহ পদার্থের ঘাটতি থাকলেও শীতকালীন ত্বক ফাটার প্রধান বৈজ্ঞানিক কারণ মূলত পরিবেশের আর্দ্রতা হ্রাস পাওয়া। মনে রাখার টিপস: শীতকাল মানেই বাতাসে আর্দ্রতা কম, তাই ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়।
a বেলে মাটি
b পলিমাটি
c  দো–আঁশ মাটি
d এঁটেল মাটি
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দো–আঁশ মাটি কেন সঠিক: - এই মাটিতে বালি, পলি ও কাদা সমান অনুপাতে বা সমপরিমাণে মিশ্রিত থাকে। - ফসল উৎপাদনের জন্য এটি সবচেয়ে উপযোগী এবং উর্বর মাটি হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলে মাটি — এতে বালির পরিমাণ বেশি থাকে এবং কাদা বা পলি খুব কম থাকে। B) পলিমাটি — এতে প্রধানত পলির পরিমাণ বেশি থাকে, বালি ও কাদার পরিমাণ সমান থাকে না। C) দো–আঁশ মাটি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) এঁটেল মাটি — এতে কাদার পরিমাণ বেশি থাকে এবং বালি ও পলির পরিমাণ কম থাকে। মনে রাখার টিপস: দো–আঁশ মাটির নামের মধ্যেই দো বা দুইয়ের বেশি উপাদান (বালি, পলি, কাদা) সমপরিমাণে থাকার ইঙ্গিত রয়েছে।
a জুলাই
b নভেম্বর
c  জানুয়ারি
d মার্চ
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জানুয়ারি কেন সঠিক: - অস্ট্রেলিয়া মহাদেশটি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে। - এই গ্রীষ্মকালের মধ্যে জানুয়ারি মাসটি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে উষ্ণতম মাস হিসেবে রেকর্ড করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুলাই — এটি দক্ষিণ গোলার্ধের শীতকাল হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে ঠান্ডা মাসগুলোর একটি, তাই উষ্ণতম মাস নয়। B) নভেম্বর — এটি বসন্তকাল থেকে গ্রীষ্মে প্রবেশের শুরুর সময়, যা বছরের উষ্ণতম মাস হিসেবে বিবেচিত হয় না। C) জানুয়ারি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) মার্চ — এটি গ্রীষ্মকালের শেষ দিক এবং শরৎকালের শুরুর সময়, তাই এটি বছরের উষ্ণতম মাস নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে থাকায় আমাদের জানুয়ারিতে শীতকাল, আর ঠিক উল্টো গোলার্ধে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ায় জানুয়ারিতে প্রচণ্ড গরম বা গ্রীষ্মকাল থাকে।
a  উত্তর গোলার্ধে
b দক্ষিণ গোলার্ধে
c পূর্ব গোলার্ধে
d পশ্চিম গোলার্ধে
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উত্তর গোলার্ধে কেন সঠিক: ধ্রুবতারা ঠিক পৃথিবীর উত্তর মেরুর কাছাকাছি আকাশে অবস্থান করে। তাই এটি শুধুমাত্র উত্তর গোলার্ধ থেকেই পরিষ্কারভাবে দেখা যায়। পৃথিবীর আবর্তনের অক্ষ বরাবর এটি থাকে বলে এর অবস্থান সারা রাতেও অপরিবর্তিত থাকে। দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে পৃথিবীর বক্রতার কারণে এই তারাটি দিগন্তের নিচে চলে যায়, তাই সেখান থেকে এটি দেখা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তর গোলার্ধে — এটি সঠিক অপশন এবং উত্তর গোলার্ধ থেকে ধ্রুবতারা পরিষ্কার দেখা যায়। B) দক্ষিণ গোলার্ধে — পৃথিবীর অবস্থানের কারণে দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে ধ্রুবতারা দেখা যায় না। C) পূর্ব গোলার্ধে — পৃথিবীর ঘূর্ণন গতির সাথে পূর্ব গোলার্ধের কোনো স্থায়ী সম্পর্ক নেই। D) পশ্চিম গোলার্ধে — পশ্চিম গোলার্ধ থেকেও উত্তর মেরুর বাইরে হওয়ায় ধ্রুবতারা দেখা যায় না। মনে রাখার টিপস: উত্তরে উত্তর গোলার্ধ আর উত্তর দিয়ে ধ্রুবতারা, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখবে।
a ভারত মহাসাগর
b দক্ষিণ মহাসাগর
c আরব সাগর
d  আটলান্টিক মহাসাগর
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) আটলান্টিক মহাসাগর কেন সঠিক: - আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর, যার আয়তন প্রায় ১০ কোটি ৬৪ লাখ বর্গকিলোমিটার। - এটি বিশ্বের মোট জলভাগের প্রায় ২১ শতাংশ জুড়ে বিস্তৃত এবং এটি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাকে ইউরোপ ও আফ্রিকা থেকে আলাদা করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত মহাসাগর — এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মহাসাগর এবং এর আয়তন প্রায় ৭ কোটি ৫ লাখ বর্গকিলোমিটার। B) দক্ষিণ মহাসাগর — এটি অ্যান্টার্কটিকা মহাসাগর নামে পরিচিত এবং আয়তনের দিক থেকে এটি চতুর্থ বৃহত্তম মহাসাগর। C) আরব সাগর — এটি কোনো মহাসাগর নয়, বরং ভারত মহাসাগরের একটি অংশ বা প্রান্তীয় সাগর। D) আটলান্টিক মহাসাগর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর। মনে রাখার টিপস: মহাসাগরগুলোর আয়তনের বড় থেকে ছোট ক্রম মনে রাখতে পারো: প্রশান্ত, আটলান্টিক, ভারত, দক্ষিণ এবং আর্কটিক।
a পূর্ব গোলার্ধে
b পশ্চিম গোলার্ধে
c  দক্ষিণ গোলার্ধে
d উত্তর গোলার্ধে
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দক্ষিণ গোলার্ধে কেন সঠিক: - পৃথিবীর জলভাগের একটি বিরাট অংশ দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত, যার কারণে এই গোলার্ধে পানির পরিমাণ বেশি। - দক্ষিণ গোলার্ধে মহাসাগরগুলোর বিস্তার উত্তর গোলার্ধের তুলনায় অনেক বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ব গোলার্ধে — এই গোলার্ধে জলভাগের তুলনায় স্থলভাগের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। B) পশ্চিম গোলার্ধে — আমেরিকা মহাদেশ এবং প্রশান্ত মহাসাগরের অংশ থাকলেও এটি সর্বাধিক জলভাগযুক্ত গোলার্ধ নয়। C) দক্ষিণ গোলার্ধে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানে পৃথিবীর সিংহভাগ জলভাগ ও মহাসাগর অবস্থিত। D) উত্তর গোলার্ধে — এই গোলার্ধে পৃথিবীর বেশিরভাগ স্থলভাগ ও মহাদেশগুলো অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ মানে জল বেশি, উত্তর মানে স্থল বেশি।
a অক্ষরেখা
b  নিরক্ষ রেখা
c পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা
d উত্তর গোলার্ধে
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) নিরক্ষ রেখা কেন সঠিক: - পৃথিবীকে পূর্ব পশ্চিমে বেষ্টন করে থাকা ০ ডিগ্রি অক্ষাংশ বা নিরক্ষ রেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ এই দুটি সমান গোলার্ধে ভাগ করেছে। - এই কাল্পনিক রেখাটির উত্তর অংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণ অংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষরেখা — অক্ষরেখাগুলো পৃথিবীকে উত্তর দক্ষিণে বিভক্ত করে না, বরং এগুলো নিরক্ষ রেখার সমান্তরালে পূর্ব পশ্চিমে বিস্তৃত থাকে। B) নিরক্ষ রেখা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলারধে বিভক্ত করেছে। C) পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা — দ্রাঘিমা রেখাগুলো পৃথিবীকে পূর্ব ও পশ্চিমে বিভক্ত করে, উত্তর ও দক্ষিণে নয়। D) উত্তর গোলার্ধে — এটি কোনো রেখা নয়, বরং নিরক্ষ রেখার উত্তরের অংশ বা একটি অঞ্চলের নাম। মনে রাখার টিপস: নিরক্ষ রেখা পৃথিবীকে মাঝখান থেকে সমান দুই ভাগে উত্তর ও দক্ষিণে কেটে দেয়।
a  প্যারিস
b মস্কো
c মিউনিখ
d লন্ডন
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যারিস কেন সঠিক: - আইফেল টাওয়ার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত। - এটি সেন নদীর তীরে শ্যম্প দে মার্স নামক স্থানে নির্মিত একটি বিশ্বখ্যাত ল্যান্ডমার্ক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং আইফেল টাওয়ারের সঠিক অবস্থান। B) মস্কো — এটি রাশিয়ার রাজধানী, যেখানে আইফেল টাওয়ার অবস্থিত নয়। C) মিউনিখ — এটি জার্মানির একটি শহর, যা আইফেল টাওয়ারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যেখানে বিখ্যাত বিগ বেন রয়েছে কিন্তু আইফেল টাওয়ার নেই। মনে রাখার টিপস: আইফেল টাওয়ার দেখার জন্য ফ্রান্সে যেতে হয় এবং ফ্রান্সের রাজধানী হলো প্যারিস।
a যমুনা
b  করতোয়া
c পশুর
d মহানন্দা
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) করতোয়া কেন সঠিক: - মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী এবং বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরী যা করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। - ঐতিহাসিক ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই জনপদটি করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে গড়ে উঠেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যমুনা — যমুনা বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ, যা মহাস্থানগড়ের তীরে অবস্থিত নয়। B) করতোয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) পশুর — পশুর নদীটি মূলত সুন্দরবন অঞ্চলের বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত, যা উত্তরবঙ্গের মহাস্থানগড়ের অনেক দূরে। D) মহানন্দা — মহানন্দা নদীটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ভারতের কিছু অংশে প্রবাহিত হয়, করতোয়া নদীর সাথে এর সরাসরি সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: মমহাস্থানগড় ও করতোয়া মনে রাখতে মহাস্থানগড়ের 'ম' বাদ দিয়ে করতোয়ার 'ক' যুক্ত করে ম-ক বা মহাস্থানগড় করতোয়া মনে রাখা যায়।
a ময়নামতি ও লালমাই পাহাড়কে
b শালবন বিহারকে
c মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়কে
d  রাজশাহী বিভাগের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলকে
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজশাহী বিভাগের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলকে কেন সঠিক: - বরেন্দ্রভূমি বা বরেন্দ্র অঞ্চল বাংলাদেশের প্লায়েস্টোসিন কালের সোপানের অন্তর্ভুক্ত, যা রাজশাহী বিভাগের উত্তর পশ্চিমাংশে অবস্থিত। - এই অঞ্চলের মাটি লালচে ও ধূসর বর্ণের হয়ে থাকে এবং এখানকার মৃত্তিকা বেশ প্রাচীন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়নামতি ও লালমাই পাহাড়কে — এটি কুমিল্লার লালমাই পাহাড় ও ময়নামতি এলাকার ভূপ্রকৃতি নির্দেশ করে, যা বরেন্দ্রভূমি নয়। B) শালবন বিহারকে — এটি কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহার, কোনো ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চল নয়। C) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়কে — এটি মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়ের ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চল নির্দেশ করে, যা মূলত ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও ঢাকা অঞ্চলে অবস্থিত। D) রাজশাহী বিভাগের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলকে — এটি সঠিক কারণ বরেন্দ্রভূমি এই ভৌগোলিক অঞ্চলেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বরেন্দ্র অঞ্চল বললেই রাজশাহী বিভাগ মনে রাখবে এবং মধুপুর গড় বললেই ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চল মনে রাখবে।
a লক্ষণ সেন
b ইলিয়াস শাহ
c  আকবর
d বিজয় সেন
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আকবর কেন সঠিক: - মুঘল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে ফসলি সন বা বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। - খাজনা আদায় সহজ করার জন্য প্রাচীন চান্দ্র বর্ষপঞ্জির পরিবর্তে সৌর বর্ষপঞ্জি চালু করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষণ সেন — তিনি বাংলায় সেন রাজবংশের রাজা ছিলেন এবং তাঁর নামানুসারে লক্ষণ সেনাব্দ চালু হয়েছিল। B) ইলিয়াস শাহ — তিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ছিলেন এবং তাঁর শাসনামলে পাণ্ডুয়া রাজধানী ছিল। C) আকবর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) বিজয় সেন — তিনি সেন রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা রাজা ছিলেন এবং বাংলা নববর্ষ চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: আকবর মানে বাংলা সনের আবিষ্কারক, কারণ খাজনা আদায় সহজ করতে তিনি এই সন চালু করেছিলেন।
a  ভাল আবহাওয়ার
b আসন্ন ঝড়ের
c বৃষ্টির সম্ভাবনা
d তাৎপর্যহীন
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভাল আবহাওয়ার কেন সঠিক: - ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতা বৃদ্ধি নির্দেশ করে বায়ুমণ্ডলের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। - উচ্চ চাপ সাধারণত পরিষ্কার, স্থিতিশীল এবং ভাল আবহাওয়ার ইঙ্গিত দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাল আবহাওয়ার — ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে বায়ুমণ্ডলের চাপ বৃদ্ধি পায় এবং আকাশ পরিষ্কার ও রৌদ্রোজ্জ্বল থাকে। B) আসন্ন ঝড়ের — ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতা হঠাৎ দ্রুত হ্রাস পেলে তা কালবৈশাখী বা ঝড়ের পূর্বাভাস দেয়। C) বৃষ্টির সম্ভাবনা — ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতা ধীরে ধীরে হ্রাস পেলে তা জলীয় বাষ্প বৃদ্ধি এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা বোঝায়। D) তাৎপর্যহীন — আবহাওয়া অনুধাবনে ব্যারোমিটারের পারদের উচ্চতার পরিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি বাস্তব আবহাওয়ার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: পারদ ওপরে ওঠা মানে ভাল আবহাওয়া, আর পারদ নিচে নামা মানে খারাপ আবহাওয়া বা বৃষ্টির আগমন।
a ফুসফুস
b  কিডনী
c হৃৎপিণ্ড
d যকৃত
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কিডনী কেন সঠিক: - কিডনী মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ হিসেবে রক্ত থেকে ইউরিয়া ও ইউরিক এসিডের মতো নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য ফিল্টার করে। - এটি অতিরিক্ত পানি ও লবণ মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দিয়ে শরীরের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক ভারসাম্য রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুসফুস — এটি রক্ত থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং জলীয় বাষ্প বের করে দেয়, কিন্তু এটি প্রধান রেচন অঙ্গ বা কিডনীর বিকল্প নয়। B) কিডনী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রধান বর্জ্য নিষ্কাশনকারী অঙ্গ। C) হৃৎপিণ্ড — এটি রক্ত পাম্প করে সারা দেহে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে, বর্জ্য পদার্থ ফিল্টার বা নিষ্কাশন করে না। D) যকৃত — এটি পিত্তরস তৈরি ও বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ ভাঙতে সাহায্য করে, কিন্তু সরাসরি শরীর থেকে মূত্র বা বর্জ্য নিষ্কাশন করে না। মনে রাখার টিপস: রক্ত ছাঁকনি বা ফিল্টার করার প্রধান কাজ করে কিডনী এবং শরীর থেকে বর্জ্য বের করে দেয়।
a ব্যাপন
b বাষ্পীভবন
c শ্বসন
d  প্রস্বেদন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রস্বেদন কেন সঠিক: - উদ্ভিদ তার মূলের সাহায্যে মাটি থেকে যে পানি শোষণ করে, তার অতিরিক্ত অংশ বায়ুমণ্ডলে বাষ্পাকারে ত্যাগ করে। - উদ্ভিদের এই শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াকে প্রস্বেদন বা Transpiration বলা হয়, যা উদ্ভিদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাপন — এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোনো পদার্থের অণুগুলো বেশি ঘনত্বের স্থান থেকে কম ঘনত্বের দিকে ছড়িয়ে পড়ে, যা প্রস্বেদন নয়। B) বাষ্পীভবন — এটি একটি ভৌত প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে যেকোনো তরল পদার্থ গ্যাসে রূপান্তরিত হয়, যা মূলত অজৈব বা জড় মাধ্যমে ঘটে। সি) শ্বসন — এটি এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জীবকোষ খাদ্য জারিত করে শক্তি উৎপাদন করে। D) প্রস্বেদন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশেষভাবে উদ্ভিদ দেহ থেকে বাষ্পাকারে পানি ত্যাগের প্রক্রিয়া। মনে রাখার টিপস: উদ্ভিদ পাতায় থাকা পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে পানি বাষ্প আকারে উড়িয়ে দেয়, একে প্রস্বেদন বলে।
a সাইট্রিক এসিড
b অকজ্যালিক এসিড
c  ল্যাকটিক এসিড
d কোনো এসিড থাকে না
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ল্যাকটিক এসিড কেন সঠিক: - দুধে ল্যাকটোজ নামক শর্করা থাকে যা ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় ল্যাকটিক এসিডে পরিণত হয়। - দুধে এই এসিড থাকার কারণে দুধ টক স্বাদের হয় এবং ছানা তৈরি করা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু, কমলা এবং অন্যান্য টক জাতীয় ফলে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়, দুধে থাকে না। B) অকজ্যালিক এসিড — এটি পালং শাক, টমেটো এবং কিছু নির্দিষ্ট উদ্ভিদে বেশি পরিমাণে থাকে, দুধের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) ল্যাকটিক এসিড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) কোনো এসিড থাকে না — এই তথ্যটি ভুল কারণ দুধে ল্যাকটিক এসিড উপস্থিত থাকে। মনে রাখার টিপস: দুধের ইংরেজি শব্দ মিল্ক এবং এর সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন দুধে থাকে ল্যাকটিক এসিড।
a এক ধরনের এনজাইম
b  এক ধরনের হরমোন
c এক ধরনের কৃত্রিম অঙ্গ
d এক ধরনের অস্ত্র
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এক ধরনের হরমোন কেন সঠিক: - ইনসুলিন হলো অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ পেপটাইড হরমোন। - এটি মানবদেহে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং শর্করা বিপাক করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক ধরনের এনজাইম — এনজাইম হলো জৈব অনুঘটক যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে, কিন্তু ইনসুলিন খাদ্য পরিপাককারী কোনো এনজাইম নয়। B) এক ধরনের হরমোন — এটি সরাসরি রক্তে মিশে দেহের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) এক ধরনের কৃত্রিম অঙ্গ — কৃত্রিম অঙ্গ বলতে মানুষের দেহের কোনো যান্ত্রিক বা প্রতিস্থাপিত কৃত্রিম অংশকে বোঝায়, যা হরমোনের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) এক ধরনের অস্ত্র — অস্ত্র হলো আঘাত করার বা যুদ্ধের কোনো মাধ্যম, যা জীববিজ্ঞানের এই হরমোনের সংজ্ঞার সাথে সম্পূর্ণ অমূলক। মনে রাখার টিপস: ইনসুলিন রক্তের চিনি কমায় এবং এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন।
a থাইল্যান্ড
b মায়ানমার
c  ইরান
d মালয়েশিয়া
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) ইরান কেন সঠিক: - ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ হলেও ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে এটি দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) বাইরেও ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণে ইরানকে দক্ষিণ এশিয়ার অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ, যা আসিয়ান জোটের অন্তর্ভুক্ত। B) মায়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং ভৌগোলিকভাবে দক্ষিণ এশিয়া থেকে আলাদা। C) ইরান — প্রদত্ত উত্তরে সামান্য বিভ্রান্তি থাকলেও جغرافیائی অবস্থান ও আঞ্চলিক সম্পর্কের ভিত্তিতে এটি দক্ষিণ এশিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচিত। D) মালয়েশিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ, যা মালয় উপদ্বীপে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইরান ভৌগোলিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যে হলেও রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক পরিসরে এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্তর্ভুক্ত একটি রাষ্ট্র।
a  ইবনে বতুতা
b ফা-হিয়েন
c মার্কো পোলো
d হিউয়েন সাং
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইবনে বতুতা কেন সঠিক: - মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা চতুর্দশ শতাব্দীতে বাংলায় আগমন করেছিলেন এবং সে সময় তিনি সোনারগাঁও ভ্রমণ করেন। - তার ভ্রমণবৃত্তান্তে সোনারগাঁওয়ের সুলতান ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের আমলের সমৃদ্ধি এবং সুতার বাণিজ্যের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইবনে বতুতা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি চতুর্দশ শতাব্দীতে সোনারগাঁও ভ্রমণ করেছিলেন এবং তার ভ্রমণকাহিনিতে এর উল্লেখ আছে। B) ফা-হিয়েন — তিনি একজন চীনা পর্যটক ছিলেন এবং চন্দ্রগুপ্ত বিক্রমাদিত্যের আমলে ভারতে এলেও সোনারগাঁও আসেননি। C) মার্কো পোলো — তিনি ইতালীয় পর্যটক ও বণিক ছিলেন, যিনি মূলত চীন ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভ্রমণ করেছিলেন এবং সোনারগাঁও আসেননি। D) হিউয়েন সাং — তিনি হর্ষবর্ধনের শাসনামলে ভারত সফরকারী চীনা পর্যটক ও পণ্ডিত ছিলেন, যিনি বাংলায় আসলেও সোনারগাঁও ভ্রমণের নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক তথ্য নেই। মনে রাখার টিপস: ইবনে বতুতার সাথে সোনারগাঁও মনে রাখতে ইবনে বতুতা ও সোনারগাঁও শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখুন।

মোট প্রশ্ন (15)

a আকবর উদ্দীন
b ইব্রাহীম খাঁ
c দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
d  শাহাদৎ হোসেন
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাহাদৎ হোসেন ১. কেন সঠিক: - 'মসনদের মোহ' নাটকটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক শাহাদৎ হোসেন। - বাংলা নাট্যসাহিত্যে ঐতিহাসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটভিত্তিক নাটকের ধারায় এই নাটকটির একটি বিশেষ অবদান রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শাহাদৎ হোসেন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও নাট্যকার। - তাঁর সাহিত্যকর্মে রোমান্টিকতা এবং মানবতাবাদের এক অপূর্ব প্রকাশ লক্ষ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শাহাদৎ হোসেন রচিত কাব্যগ্রন্থ 'মরুশিখা'। ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম একটি জনপ্রিয় ও পরিচিত কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা সাহিত্যে সমাদৃত। উদাহরণ ২: শাহাদৎ হোসেনের আরেকটি নাটক 'অমর প্রীতি'। ব্যাখ্যা: এই নাটকটি তাঁর নাট্যকার প্রতিভার স্বাক্ষর বহন করে এবং সাহিত্য মহলে প্রশংসিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকবর উদ্দীন — আকবর উদ্দীন একজন প্রখ্যাত নাট্যকার হলেও তিনি 'মসনদের মোহ' নাটকটি রচনা করেননি। B) ইব্রাহীম খাঁ — ইব্রাহীম খাঁ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হলেও এই নাটকের রচয়িতা তিনি নন। C) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ঐতিহাসিক নাটকের জন্য বিখ্যাত হলেও এই নির্দিষ্ট নাটকটি তাঁর নয়। D) শাহাদৎ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই 'মসনদের মোহ' নাটকের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাটকের নাম 'মসনদের মোহ' এবং লেখকের নাম 'শাহাদৎ হোসেন' এভাবে মনে রাখতে পারো যে মোহমুক্তির পথে সাহসের প্রয়োজন হয়, যা শাহাদৎ নামের সাথে মিলে যায়। - সাহিত্যিক ও তাঁর নাটক মনে রাখার জন্য লেখকের ছদ্মনাম বা প্রধান সাহিত্যধারা নোট করে পড়া সবচেয়ে ভালো উপায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক বা কম পরিচিত নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বিখ্যাত নাট্যকারদের নামের পাশাপাশি তাঁদের অপ্রধান বা কম পরিচিত নাটকগুলোর তালিকাও পড়ে রাখতে হবে।
a সৈয়দ আলী আহসান
b শামসুর রাহমান
c  আহসান হাবীব
d ফররুখ আহমদ
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আহসান হাবীব ১. কেন সঠিক: - ‘ছায়া হরিণ’ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি আহসান হাবীবের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - আহসান হাবীব তাঁর সংবেদনশীল ও পরিচ্ছন্ন জীবনবোধের জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আহসান হাবীব ১৯১৭ সালে পিরোজপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। - তাঁর কবিতায় নিঃসঙ্গতা, মধ্যবিত্তের জীবনপ্রবাহ এবং গভীর মানবতাবোধের নিপুণ প্রকাশ ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘রাত্রিশেষ’ ব্যাখ্যা: এটি কবি আহসান হাবীবের একটি অত্যন্ত প্রশংসিত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: ‘বিদীর্ণ দর্পণে মুখ’ ব্যাখ্যা: এটিও কবি আহসান হাবীবের একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ আলী আহসান — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও গবেষক হলেও ‘ছায়া হরিণ’ তাঁর কাব্যগ্রন্থ নয়। B) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়। C) আহসান হাবীব — এই অপশনটি সঠিক এবং এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা তিনিই। D) ফররুখ আহমদ — তিনি মুসলিম রেনেসাঁসের কবি হলেও ‘ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থটি তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আহসান হাবীবের নামের সঙ্গে ‘ছায়া হরিণ’ মনে রাখার জন্য তাঁর প্রকৃতি ও নিঃসঙ্গতাভিত্তিক কবিতার বিষয়বস্তু স্মরণ করতে পারো। - তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখতে ‘রাত্রিশেষ’ ও ‘ছায়া হরিণ’ জোড়া হিসেবে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অন্যান্য লেখকের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
a জহির রায়হান
b  সৈয়দ শামসুল হক
c আনিস চৌধুরী
d দাউদ হায়দার
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৈয়দ শামসুল হক ১. কেন সঠিক: - ‘সীমানা ছাড়িয়ে’ একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এর রচয়িতা বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক। - এই উপন্যাসে লেখকের সাহিত্যিক মুন্সিয়ানা ও জীবনের গভীর উপলব্ধি অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক যিনি কবিতা, উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্পে অসামান্য অবদান রেখেছেন। - তিনি কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ বহু মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা লাভ করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘খেলার রামধনু’ ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা তার সাহিত্যকর্মের পরিধি বোঝাতে সহায়ক। উদাহরণ ২: ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ শামসুল হকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাট্য যা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জহির রায়হান — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার হলেও ‘সীমানা ছাড়িয়ে’ উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) সৈয়দ শামসুল হক — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি এই উপন্যাসের রচয়িতা। C) আনিস চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন ভিন্ন ধারার লেখক এবং এই উপন্যাসের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। D) দাউদ হায়দার — তিনি মূলত একজন কবি ও কলামিস্ট, তাই এই উপন্যাসটির সঙ্গে তার নাম জড়িত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হক মানেই বহুমুখী প্রতিভা, তার নামের সঙ্গে ‘সীমানা ছাড়িয়ে’ উপন্যাসটি বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - লেখকের নামের প্রথম অক্ষর এবং উপন্যাসের নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত উপন্যাস ও তাদের রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন থাকে। - প্রখ্যাত লেখকদের অন্যান্য উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে তালিকা করে পড়লে পরীক্ষার প্রস্তুতি সহজ হয়।
a দধিচি
b দধিচী
c  দধীচি
d দধীচী
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দধীচি ১. কেন সঠিক: - সঠিক বানানটিতে প্রথমে হ্রস্ব ই-কার এবং পরে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়েছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই বিশেষ তৎসম শব্দের বানান এভাবেই নির্ধারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে অনেক সময় মূল সংস্কৃত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়। - দধীচি হলো একজন পৌরাণিক ঋষির নাম, যা ব্যাকরণগতভাবে একটি নির্দিষ্ট বানানরীতি মেনে চলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনীষী ব্যাখ্যা: এই শব্দটির বানানেও প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার বসে। উদাহরণ ২: মরীচি ব্যাখ্যা: এই শব্দটির ক্ষেত্রেও সঠিক বানানে প্রথমে হ্রস্ব ই-কার এবং পরে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দধিচি — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়নি। B) দধিচী — এই অপশনটি ভুল কারণ শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই-কার দেওয়া হয়েছে। C) দধীচি — এটি সঠিক উত্তর। D) দধীচী — এই অপশনটি ভুল কারণ উভয় বর্ণেই দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঋষি দধীচির নাম লেখার সময় মনে রাখবে শুরুতে হ্রস্ব ই-কার এবং পরে দীর্ঘ ঈ-কার বসে। - প্রমিত বানান মনে রাখার জন্য মূল শব্দের উৎস এবং তৎসম শব্দের রূপ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পৌরাণিক ও পরিচিত তৎসম শব্দ থেকে প্রায়ই বানান সংশোধনের প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরের সঠিক ব্যবহার খুব ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a  ভাগীরথী
b ভাগিরথী
c ভাগীরথি
d ভাগিরথি
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভাগীরথী ১. কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নদী বা ভৌগোলিক নামের ক্ষেত্রে দীর্ঘ ঈ-কার এবং থ-ফলা ব্যবহৃত হয়। - ভাগীরথী একটি ঐতিহাসিক নদীর নাম, যার সঠিক প্রমিত বানান হলো ভ-া-গ-ী-র-থ-ী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই এবং ঈ-এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হয়। - এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে আ-কার, দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার এবং অন্ত্যবর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়ে সঠিক রূপটি গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনস্বী ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রীতি ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ যেখানে সঠিক নিয়মে ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাগীরথী - এটি সঠিক কারণ এতে সঠিক জায়গায় দীর্ঘ ঈ-কার এবং থ-ফলা রয়েছে। B) ভাগিরথী - এটি ভুল কারণ প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) ভাগীরথি - এটি ভুল কারণ শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। D) ভাগিরথি - এটি ভুল কারণ প্রথম ও শেষ উভয় বর্ণেই হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নদীর নামের বানানে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার এবং থ-ফলা বেশি থাকে, তাই ভাগীরথী বানানে উভয় স্থানে দীর্ঘ ঈ-কার মনে রাখবে। - বানানের শেষ অংশ থী (থ+দীর্ঘ ঈ) হবে, থি (থ+হ্রস্ব ই) হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভৌগোলিক নাম ও নদীবাচক শব্দের বানান প্রায়ই আসে। - তৎসম শব্দের বানান শুদ্ধ করার সময় মূল সংস্কৃত রূপ এবং বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত নিয়ম ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a কর্মে ৭মী
b অধিকরণে ৭মী
c সম্প্রদানে ৭মী
d অপাদানে ৭মী
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্মে ৭মী ১. কেন সঠিক: বাক্যে গুণহীনে শব্দটিতে মূল শব্দ গুণহীন এবং এর সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। কাওকে কোনো কিছু ভালোবেসে বা স্থায়ীভাবে দান বা ত্যাগের ক্ষেত্রে যাকে ত্যাগ করা হয়, তা ব্যাকরণগতভাবে কর্ম কারক হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে কোনো কিছু স্থায়ীভাবে দান, ত্যাগ, অর্পণ বা নিয়োগ করা হয়, তাকে ব্যাকরণের নিয়মে সম্প্রদানা কারক বলা হয় না, বরং কর্ম কারক বলা হয়। এখানে ত্যাগ করা অর্থে কর্ম কারক এবং এতে সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্ধকে আলো দাও। ব্যাখ্যা: অন্ধকে স্থায়ীভাবে আলো বা দৃষ্টি দান করা বোঝাচ্ছে, তাই এটি কর্মে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: সৎপাত্রে কন্যাদান কর। ব্যাখ্যা: সৎপাত্রে স্থায়ীভাবে কন্যা অর্পণ করা বোঝানোর কারণে এটি কর্মকারকের সপ্তমী বিভক্তির সঠিক প্রয়োগ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ৭মী — এটি সঠিক কারণ যাকে ত্যাগ করা হয় বা দান করা হয়, তা কর্মকারক হয় এবং এতে সপ্তমী বিভক্তি রয়েছে। B) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান বা কাল বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) সম্প্রদানে ৭মী — বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সম্প্রদান কারক এখন অপ্রচলিত এবং ত্যাগ অর্থে কর্ম কারক হয়। D) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক থেকে, হতে বা চিরতরে বিচ্যুত হওয়া বোঝায়, যা এখানে ত্যাগ অর্থে কর্ম কারকের নিয়মের আওতাভুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: ভালোবেসে দান, অর্পণ বা কোনো কিছু ত্যাগ করা বোঝালে যাকে ত্যাগ করা হয়, তাকে সবসময় কর্ম কারক হিসেবে বিবেচনা করবে। এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি থাকে। আধুনিক ব্যাকরণ অনুযায়ী সত্য বা চিরতরে ত্যাগ অর্থে যাকে দান করা হয়, তা মূলত কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়।
a কর্মে ২য়া
b অপাদানে ৭মী
c করণে ৭মী
d অপাদানে ৫মী
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে ৭মী ১. কেন সঠিক: বাক্যে রাঘবে শব্দটির নিচে দাগ রয়েছে এবং এটি ভয়ের উৎস বোঝাচ্ছে। ভয়, ভীতি বা আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়। রাঘবে শব্দটির মূল শব্দ রাঘব এবং এর সঙ্গে ৭মী বিভক্তির এ যুক্ত হয়েছে। এখানে রাঘব বলতে রামচন্দ্রকে বোঝানো হয়েছে এবং রামচন্দ্রকে ভয় পাওয়ার অর্থে অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, রক্ষিত বা ভয়ীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। কারক নির্ণয়ের সময় ক্রিয়াপদকে কোন্ থেকে বা কাহার কাছ থেকে প্রশ্ন করে অপাদান কারক নির্ণয় করা হয়। শব্দের শেষে এ, অ, তে ইত্যাদি বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত থাকলে এবং তা স্থান, কাল বা বিষয়ে বোঝালে ৭মী বিভক্তি হয়। ভয় পাওয়া অর্থে অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তির ব্যবহার বাংলা ব্যাকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিয়ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঘে ভয় পায় না কে। ব্যাখ্যা: এখানে বাঘ থেকে ভয় পাওয়ার অর্থ প্রকাশ করায় এটি অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি। উদাহরণ ২: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হওয়া বোঝানোর কারণে এটি অপাদান কারকে ৫মী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ২য়া — কর্ম কারক বোঝায় যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং এতে সাধারণত ২য়া বিভক্তি হয় কিন্তু এখানে ভয় পাওয়ার অর্থ থাকায় এটি কর্ম কারক নয়। B) অপাদানে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে ভয় পাওয়ার অর্থে অপাদান কারক এবং ৭মী বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। C) করণে ৭মী — করণ কারক হলো যার সাহায্যে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে কিন্তু এখানে কোনো যন্ত্র বা মাধ্যমের সাহায্যে কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝাচ্ছে না। D) অপাদানে ৫মী — অপাদান কারক হলেও ৫মী বিভক্তির চিহ্ন হতে, থেকে বা চে এখানে যুক্ত হয়নি বরং ৭মী বিভক্তির এ যুক্ত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভীতি, রক্ষা, দূরত্ব ও উৎপন্ন বোঝাতে অপাদান কারক হয় তা মনে রাখবে। বিভক্তির ক্ষেত্রে শব্দের শেষে এ বা তে দেখলে এবং তা স্থান বা বিষয়ে না হয়ে ভয় বোঝালে অপাদানে ৭মী বিভক্তি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে উদ্ধৃতিমূলক বাক্য প্রায়ই আসে। বিশেষ করে ভয়ের ক্ষেত্রে অপাদান কারক হয় এবং বিভক্তির রূপ দেখে ৭মী বা ৫মী নির্ধারণ করতে হয়।
a দ্বন্দ্ব
b তৎপুরুষ
c  কর্মধারয়
d বহুব্রীহি
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য পদের মধ্যে সম্বন্ধ থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মেলবন্ধনে একটি নতুন পদ গঠিত হয় এবং পরপদের অর্থই সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পূর্বপদটি বিশেষণ এবং পরপদটি বিশেষ্য হয়ে থাকে। তবে এর বেশ কয়েকটি প্রকারভেদ রয়েছে, যেমন সাধারণ কর্মধারয়, মধ্যপদলোপী কর্মধারয়, উপমিত কর্মধারয় ইত্যাদি। এই সমাসে মূলত তুলনা, বৈশিষ্ট্য বা রূপক অর্থে পদের মিলন ঘটে এবং ব্যাসবাক্যে 'যিনি' বা 'যা' ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম ব্যাখ্যা: এখানে 'নীল' বিশেষণ পদের সাথে 'পদ্ম' বিশেষ্য পদের সমাস হয়ে নীলপদ্ম শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মহান যে নদী = মহানদী ব্যাখ্যা: এখানে 'মহান' বিশেষণ পদের সাথে 'নদী' বিশেষ্য পদের সমাস সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — যে সমাসে উভয় পদের অর্থই প্রধান থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে, কিন্তু কর্মধারয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়। B) তৎপুরুষ — যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় তাকে তৎপুরুষ বলে, এটি বিশেষ্য ও বিশেষণের নির্দিষ্ট সম্পর্ক নয়। C) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের মিলনে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়। D) বহুব্রীহি — যে সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো পদ বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি বলে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষণে বিশেষ্য কর্মধারয়, এই ছন্দটি মনে রাখলে পরীক্ষagulo সহজে উত্তর করা যায়। মনে রাখবে যেখানে বিশেষণ ও বিশেষ্য মিলে পরপদের অর্থ প্রকাশ করে, সেটাই কর্মধারয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে ব্যাসবাক্য চেনার উপায় এবং মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a বহুব্রীহি সমাস
b দ্বন্দ্ব সমাস
c কর্মধারয় সমাস
d  তৎপুরুষ সমাস
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তৎপুরুষ সমাস ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (কে, রে, হইতে, থেকে, চেতে, র, এর ইত্যাদি) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - ব্যাসবাক্যের প্রথম বা পূর্বপদের সঙ্গে যুক্ত কারকবাচক বিভক্তিগুলো সমাসবদ্ধ হওয়ার পর আর অপূর্ণ থাকে না, বরং লোপ পেয়ে নতুন পদ গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎপুরুষ সমাস মূলত বিভক্তি লোপ পাওয়ার ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয় এবং এর পূর্বপদে সাধারণত বিশেষ্য বা বিশেষণ থাকে। - বিভক্তির নামানুসারে তৎপুরুষ সমাসকে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থী, পঞ্চমী, ষষ্ঠী ও সপ্তমী তৎপুরুষ—এই ছয়টি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিপদাপন্ন ব্যাখ্যা: বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন। এখানে পূর্বপদ বিপদের সঙ্গে যুক্ত কে বিভক্তি লোপ পেয়ে দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশসেবা ব্যাখ্যা: দেশের সেবা = দেশসেবা। এখানে পূর্বপদ দেশের সঙ্গে যুক্ত র বিভক্তি লোপ পেয়ে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি সমাস — এই সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটিরই অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো পদকে বোঝায়, যা প্রশ্নানুসারে সঠিক নয়। B) দ্বন্দ্ব সমাস — এই সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাদান্য থাকে এবং সংযোজক অব্যয় ও, এবং, বা লুপ্ত হয়, যা বিভক্তি লোপ পাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) কর্মধারয় সমাস — এই সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং বিশেষণ ও বিশেষ্যের মিলনে গঠিত হয়, যেখানে বিভক্তি লোপ পায় না। D) তৎপুরুষ সমাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে সমাস গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্য করার সময় পূর্বপদের সঙ্গে কে, রে, হইতে, থেকে, র, এর জাতীয় বিভক্তি থাকবে এবং সমস্ত পদে তা অদৃশ্য হয়ে যাবে। - সমাসের নাম মনে রাখতে ব্যাসবাক্যের বিভক্তির দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে দ্বিতীয় ও ষষ্ঠী তৎপুরুষের উদাহরণ বেশি থাকে। - ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ণয় করতে পারলে তৎপুরুষ ও কর্মধারয় সমাসের পার্থক্য সহজে বোঝা যায়।
a  আলো
b অন্ধকার
c কালো
d তিরস্কার
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলো ১. কেন সঠিক: তিমির শব্দের অর্থ অন্ধকার বা তমসা। এর বিপরীত বা উল্টোার্থক শব্দ হলো আলো বা প্রকাশ, যা অন্ধকার দূর করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দভাণ্ডারের অন্তর্গত বিপরীতার্থক শব্দ বা বিপরীত শব্দ ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটি শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বলা হয়। তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশ ও পাতাল ব্যাখ্যা: আকাশ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ পাতাল, যা ঊর্ধলোক ও নিম্নলোকের অবস্থান বোঝায়। উদাহরণ ২: উদয় ও অস্ত ব্যাখ্যা: উদয় শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ অস্ত, যা সূর্যের ওঠাকে এবং ডোবাকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলো — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিমির শব্দের অর্থ অন্ধকার এবং আলোর মাধ্যমে অন্ধকার দূর হয়। B) অন্ধকার — এটি তিমির শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) কালো — এটি রঙের নাম, যা তিমির বা অন্ধকারের গুণ প্রকাশ করলেও সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) তিরস্কার — এটি প্রশংসা শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, তিমির শব্দের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: তিমির মানে অন্ধকার আর আলো মানে প্রকাশ, এই দুটি একে অপরের বিপরীত। তিমির বিনাশ করে আলো আসে, এভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই শব্দের সঠিক অর্থ জানা থাকলে বিপরীত শব্দ সহজে নির্ণয় করা যায়।
a বসুন্ধরা
b ধরণী
c  যামিনী
d অবনী
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যামিনী ১. কেন সঠিক: - যামিনী শব্দের অর্থ রাত বা রাত্রি, যা পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দ নয়। - পৃথিবী শব্দের বিভিন্ন সমার্থক শব্দ বিশ্ব, ধরণী, অবনী ও বসুন্ধরা নামে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যাদের অর্থ প্রায় একই রকম প্রকাশ পায়। - বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থের বৈচিত্র্য ও সমৃদ্ধি প্রকাশ করতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো মেদিনী, পৃথিবী ও পৃথিবী। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো সরাসরি আমাদের গ্রহ বা ভূতলকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: যামিনী শব্দের সমার্থক শব্দ হলো রজনী, নিশা ও রাত্রি। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো দিনের বিপরীত সময় বা অন্ধকার সময়কে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বসুন্ধরা - এটি পৃথিবী শব্দের একটি অত্যন্ত পরিচিত সমার্থক শব্দ। B) ধরণী - এটিও পৃথিবী শব্দের একটি প্রমিত সমার্থক শব্দ। C) যামিনী - এটি রাত বা রাত্রির সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) অবনী - এটি পৃথিবী বা ভূমিতলের একটি সুন্দর সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - পৃথিবী হলো মাটি বা ভূতল সম্পর্কিত শব্দ, আর যামিনী হলো রাতের আকাশ সম্পর্কিত শব্দ। - এভাবে মাটি ও রাতের শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে প্রকৃতি ও সময়বাচক শব্দগুলোর মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। - যেকোনো শব্দের মূল অর্থ জানা থাকলে সহজে সঠিক উত্তর আলাদা করা যায়।
a সাত সতেরো
b  সুখের পায়রা
c ষোল আনা
d কোনোটিই নয়
0 52 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুখের পায়রা ১. কেন সঠিক: - 'সুখের পায়রা' বাগধারাটির অর্থ হলো সুসময়ের বন্ধু বা স্বার্থপর বন্ধু, যারা কেবল ভালো সময়ে পাশে থাকে। - পায়রা যেমন ঘরে খাবার বা স্বাচ্ছন্দ্য থাকলে ভিড় করে এবং দুর্দিন বা সংকট শুরু হলে উড়ে চলে যায়, তেমনি এই ধরনের মানুষেরা শুধু আনন্দের দিনেই সঙ্গী হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং অল্প কথায় মনের ভাব ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুসময়ের বন্ধুরা হলো সুখের পায়রা, দুর্দিনে তাদের কাউকেই পাশে পাওয়া যায় না। ব্যাখ্যা: এখানে 'সুখের পায়রা' বাগধারাটির মাধ্যমে কেবল ভালো সময়ের বন্ধুদের বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: বিপদের দিনে চিনে নেওয়া যায় কারা সত্যিকারের আপন আর কারা কেবল সুখের পায়রা। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সংকটের সময় স্বার্থপর বন্ধুদের আসল রূপ প্রকাশ পাওয়ার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাত সতেরো — এই বাগধারাটির অর্থ নানা রকম বা বিশৃঙ্খলা, যা সুসময়ের বন্ধু বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। B) সুখের পায়রা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ষোল আনা — এই বাগধারাটির অর্থ সম্পূর্ণ বা পুরোপুরি, যার সঙ্গে সুসময়ের বন্ধুর কোনো সম্পর্ক নেই। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - পায়রা যেমন সুসময়ে বা খাবারের লোভে কাছে আসে এবং খারাপ অবস্থা দেখলেই উড়ে পালায়, তেমনি 'সুখের পায়রা' মানেই হলো সুযোগসন্ধানী ও সুসময়ের বন্ধু। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বভাব ও চরিত্র বোঝানো বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - 'সুখের পায়রা' এবং 'কায়েরের খাসতসলত' বা 'বসন্তের কোকিল' প্রায় কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, যা পরীক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে।
a গ + এষণা
b গো + ষণা
c গ + ষণা
d  গো + এষণা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গো + এষণা ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে ও অথবা ঔ কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ও স্থানে অব এবং ঔ স্থানে আব হয়। এখানে গো শব্দের শেষে ও কার আছে এবং তার সঙ্গে এষণা শব্দের শুরুতে এ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে অব উৎপন্ন হয়েছে, যা মিলে গবেষণা শব্দটি গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যা বাংলা ব্যাকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ও কার বা ঔ কারের পরে স্বরধ্বনি থাকলে যথাক্রমে অব ও আব যুক্ত হয়ে সন্ধি সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পো + অন = পবন ব্যাখ্যা: এখানে ও কারের পরে অ স্বরধ্বনি থাকায় ও স্থানে অব হয়ে পবন শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভৌ + অন = ভবন ব্যাখ্যা: এখানে ঔ কারের পরে অ স্বরধ্বনি থাকায় ঔ স্থানে আব হয়ে ভবন শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ + এষণা — এই নিয়মে সন্ধি সাধিত হয় না কারণ গ কোনো অর্থপূর্ণ সন্ধিযুক্ত পূর্বপদ নয়। B) গো + ষণা — ষণা বলে কোনো পৃথক শব্দ বাংলায় নেই, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) গ + ষণা — এটি সন্ধির কোনো নিয়মই মানে না এবং এর কোনো অর্থ নেই। D) গো + এষণা — এটি সঠিক কারণ গো এবং এষণা দুটিই অর্থপূর্ণ শব্দ এবং নিয়মের সঙ্গে মিলেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: গবেষণা শব্দটিকে ভাঙলে গো যোগ এষণা হয়, যেখানে ও কারের সঙ্গে এ মিলে অব তৈরি হয়। নিয়মটি মনে রাখার জন্য পো যোগ অন সমান পবন এই সূত্রটি বারবার চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গবাক্ষ, পবন, ভবন এবং গবেষণা শব্দগুলোর সন্ধি প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। ও এবং ঔ কারের পরের স্বরধ্বনি পরিবর্তনের এই নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের সব প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব।
a  ২ প্রকার
b ৩ প্রকার
c ৪ প্রকার
d ৫ প্রকার
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রকার ১. কেন সঠিক: - বাংলা ব্যাকরণে প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার। এগুলো হলো কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়। - ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে এবং শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দকে কৃদন্ত পদ বলা হয় এবং এটি মূলত নতুন ক্রিয়া বা ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে ব্যবহৃত হয়। - তদ্ধিত প্রত্যয় বিশেষ বা বিশেষণ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা নামপদ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চল্ + অ = চল ব্যাখ্যা: এটি কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ যেখানে ধাতু ও প্রত্যয় মিলে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মুখ + ইক = মৌখিক ব্যাখ্যা: এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ যেখানে শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ প্রকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা ব্যাকরণে প্রত্যয় মূলত কৃৎ ও তদ্ধিত এই দুই ভাগে বিভক্ত। B) ৩ প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে প্রত্যয়ের প্রাথমিক ও প্রধান শ্রেণিবিভাগ তিনটি নয়, বরং দুটি। C) ৪ প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রত্যয় চার প্রকার হিসেবে কোনো প্রমিত ব্যাকরণগত শ্রেণিবিভাগ নেই। D) ৫ প্রকার — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রত্যয় পাঁচ প্রকার বলে কোনো ব্যাকরণিক নিয়ম বা স্বীকৃতি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রত্যয় শব্দটিতে দুটি বর্ণ আছে প্র এবং ত, তাই মনে রাখতে পারো প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার। - কৃৎ মানে ক্রিয়া এবং তদ্ধিত মানে শব্দ বা নামপদ, এই দুটি মূল ভিত্তি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কোন প্রত্যয় যুক্ত হয়। - শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে, এই সাধারণ পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
a  গভীর জলের মাছ
b বুদ্ধির ঢেঁকি
c বিড়াল তপস্বী
d ভূশণ্ডির কাক
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গভীর জলের মাছ ১. কেন সঠিক: 'গভীর জলের মাছ' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ অত্যন্ত চালাক বা যার অনেক বুদ্ধি আছে। গভীর জলে মাছ ধরা যেমন কঠিন এবং জলাপথের মাছকে সহজে ধরা যায় না, তেমনি যার বুদ্ধি অনেক বেশি তাকেও সহজে বোঝা যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা। বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার উৎস, আক্ষরিক অর্থ এবং ভাবার্থ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছেলেটিকে সাধারণ মনে হলেও সে আসলে গভীর জলের মাছ। ব্যাখ্যা: এখানে ছেলেটির বাহ্যিক সরলতার আড়ালে তার প্রখর বুদ্ধিমত্তার বিষয়টি প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ওই ব্যবসায়ীর সাথে সাবধানে কথা বলো, সে গভীর জলের মাছ। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসায়ীর চরম চতুরতা এবং বুদ্ধিমত্তার বিষয়টি বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গভীর জলের মাছ — সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ যার অনেক বুদ্ধি আছে বা অত্যন্ত চালাক। B) বুদ্ধির ঢেঁকি — এই বাগধারাটির অর্থ বোকাসোকা বা নির্বোধ ব্যক্তি, যা প্রশ্নের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) বিড়াল তপস্বী — এই বাগধারাটির অর্থ ভণ্ড সাধু বা ধূর্ত ব্যক্তি, যা বুদ্ধিমত্তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। D) ভূশণ্ডির কাক — এই বাগধারাটির অর্থ দীর্ঘজীবী ব্যক্তি, যা বুদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: জলের গভীরতার মতো যার বুদ্ধির গভীরতা মাপা যায় না, তিনিই হলেন গভীর জলের মাছ। চালাক বা বুদ্ধিমান বোঝাতে জল এবং মাছের এই রূপক তুলনাটি মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ভালো করে পড়তে হবে। একই ধরনের প্রতিশব্দ বা বিপরীতার্থক বাগধারাগুলো পাশাপাশি মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়।

মোট প্রশ্ন (15)

a Rung
b  Rang
c Ringed
d Runged
0 54 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Rang কেন সঠিক: ‘Ring’ একটি শক্তিশালী বা অনিয়মিত ভার্ব যার প্রেজেন্ট, পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল রূপ যথাক্রমে ring, rang এবং rung হয়। এখানে বাক্যের মূল পাস্ট ফর্ম বা অতীত রূপ চাওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে Rang নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rung — এটি ‘ring’ ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, যা সরাসরি সাধারণ অতীতকালে ব্যবহার করা যায় না। B) Rang — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) Ringed — এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ ring ভার্বের সাথে সরাসরি ed যুক্ত হয় না। D) Runged — এমন কোনো ইংরেজি শব্দ বা ভার্বের রূপ সাধারণত ব্যাকরণে বিদ্যমান নেই। মনে রাখার টিপস: ভার্বের রূপ মনে রাখার জন্য i, a, u ক্রমানুসারে ring, rang, rung মুখস্থ রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।
a  or
b very
c out
d for
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) or কেন সঠিক: 'or' শব্দটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে একত্রে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি একটি Conjunction বা সংযোগকারী অব্যয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) or — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি Conjunction যা বিকল্প বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) very — এটি একটি Adverb কারণ এটি অন্য কোনো Adjective বা Adverb এর দোষ গুণ পরিমাণ প্রকাশ করে। C) out — এটি সাধারণত Preposition বা Adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়, Conjunction নয়। D) for — যদিও 'for' কখনো Conjunction হয়, তবে এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে 'or' হলো সবচেয়ে উপযুক্ত বিকল্প। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলো দুটি ভিন্ন বাক্য বা শব্দকে জুড়ে দেয়, তাদের কনজাংশন বা conjunction বলে।
a Jewelery
b Jewellry
c Jwellry
d  Jewellery
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Jewellery কেন সঠিক: British English বানান রীতি অনুযায়ী Jewel শব্দের সাথে ry যুক্ত করার সময় l অক্ষরটি দ্বিগুণ হয়। তাই সঠিক বানানটি হলো Jewellery যেখানে বানানটি সম্পূর্ণ নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jewelery — এই বানানে l অক্ষরটি একবার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। B) Jewellry — এই বানানে অতিরিক্ত l অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। C) Jwellry — এই বানানে e অক্ষরটি বাদ দেওয়া হয়েছে। D) Jewellery — এটি সঠিক বানান হওয়ার কারণে ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Jewel লেখার পর lry যোগ করলে Jewellery বানানটি সহজে মনে রাখা যায়।
a Posesion
b Posession
c  Possession
d Possesion
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Possession কেন সঠিক: এই বানানটিতে প্রথমে একটি P, এরপর o, তারপর জোড়া s (ss), এরপর e, এবং শেষে আবার জোড়া s (ss) ও i ও n ব্যবহৃত হয়েছে। ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি প্রমিত বানান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Posesion — বানানটিতে দুটি s এর পরিবর্তে একটি s ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। B) Posession — বানানটিতে মাঝখানে একটি s এবং শেষে দুটি s দেওয়া হয়েছে যা সঠিক নিয়মের বিপরীত। C) Possession — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Possesion — বানানটিতে শেষে একটি s কম দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটির মাঝে এবং শেষে ডাবল এস (ss) বসে, এটি মনে রাখলেই সঠিক বানান লেখা সহজ হবে।
a The brave is favoured by fortune
b The brave are favoured by fortune
c The brave has favoured by fortune
d The brave shall be favoured by fortune
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The brave are favoured by fortune কেন সঠিক: প্রবাদ বাক্যে 'The brave' দ্বারা সাহসীদের একটি সম্পূর্ণ শ্রেণীকে বোঝায়, তাই এটি বহুবচন হিসেবে গণ্য হয়। এর সাথে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সের প্যাসিভ করার নিয়মে are এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The brave is favoured by fortune — এখানে বহুবচন সাবজেক্টের সাথে singular verb 'is' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) The brave has favoured by fortune — এখানে ভুল সাহায্যকারী ভাব ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যটি অর্থহীন হয়েছে। D) The brave shall be favoured by fortune — প্রবাদ বাক্যের টেন্স পরিবর্তন করে ভবিষ্যৎ কাল করা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: The-এর পরে কোনো adjective বসলে তা পুরো জাতিকে বা শ্রেণীকে বোঝায় এবং সেটি সবসময় plural হয়।
a  Let the sum be done by me
b Let the sum done by me
c Let the sum being done by me
d Let the sum is to be done by me
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Let the sum be done by me কেন সঠিক: - Imperative sentence-এ 'Let' দিয়ে শুরু হওয়া Active voice-কে Passive করার গঠন হলো: Let + object-এর subjective রূপ + be + verb-এর past participle + by + subject-এর objective রূপ। - প্রদত্ত বাক্যে object হলো 'the sum', মূল verb 'do'-এর past participle হলো 'done' এবং subject 'me'-এর objective রূপ 'me' অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let the sum be done by me — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী গঠিত। B) Let the sum done by me — এখানে passive করার জন্য প্রয়োজনীয় auxiliary verb 'be' ব্যবহার করা হয়নি। C) Let the sum being done by me — এখানে অতিরিক্ত 'being' ব্যবহার করা হয়েছে যা continuous tense-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। D) Let the sum is to be done by me — এখানে অপ্রয়োজনীয় auxiliary verb 'is to' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Let যুক্ত Imperative sentence-কে Passive করার সময় মনে রাখতে হবে: Let এর পর object বসে এবং তার সাথে অবশ্যই be যুক্ত করে মূল verb-এর past participle করতে হয়।
a The poorman begged that I might had some food.
b The poorman begged that I might have some food.
c The poorman begged that he might had some food.
d The poorman begged that he might have some food.
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The poorman begged that he might have some food. কেন সঠিক: রিপোর্টেড স্পিচটিতে অনুরোধ বোঝানোর কারণে রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তিত হয়ে begged হয়েছে এবং ইনভার্টেড কমা উঠে that বসেছে। প্রথম পুরুষ বা দ্বিতীয় পুরুষ না থাকায় সাবজেক্ট হিসেবে Third Person (he) বসেছে এবং এরপরে নিয়ম অনুযায়ী might বসেছে। might এর পরে সবসময় ভার্বের বেস ফর্ম (have) বসে, তাই সঠিক রূপটি নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এখানে সাবজেক্ট I ব্যবহার করা হয়েছে যা দরিদ্র ব্যক্তির পরিবর্তে বক্তাকে নির্দেশ করে এবং might had ভুল রূপ। B) এখানে সাবজেক্ট I ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়মের সাথে মিলে না এবং রিপোর্টেড স্পিচের সাবজেক্ট পরিবর্তন করা হয়নি। C) এখানে might এর পরে ভুলভাবে had ব্যবহার করা হয়েছে কারণ modal auxiliary এর পরে সবসময় মূল ভার্বের present form বসে। D) এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সব grammatical নিয়ম সঠিকভাবে মেনে indirect speech করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence-এ অনুরোধ বোঝালে begging/begged বসে এবং that-এর পরে subject বসিয়ে might ব্যবহার করতে হয়।
a He exclaimed that the sight is very charming.
b He exclaimed that the sight is charming.
c  He exclaimed that the sight was very charming.
d He exclaimed that the sight was charming.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He exclaimed that the sight was very charming. কেন সঠিক: বাক্যটি বিস্ময়সূচক হওয়ায় Indirect করার সময় reported speech-এর subject আগে বসে এবং verb পরিবর্তিত হয়ে was হয়। এছাড়াও how বা what থাকলে very বা great যোগ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He exclaimed that the sight is very charming. — এখানে tense পরিবর্তন করা হয়নি এবং is রাখা হয়েছে যা past tense হওয়া উচিত ছিল। B) He exclaimed that the sight is charming. — এখানে tense অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে এবং very শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে। C) He exclaimed that the sight was very charming. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) He exclaimed that the sight was charming. — এখানে সঠিক নিয়ম মেনে past tense করা হলেও very শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: Exclamatory sentence-কে Indirect করার সময় reporting verb-এর পরিবর্তে exclaimed with joy বা wonder বসে এবং tense পরিবর্তিত হয়ে past tense হয়।
a will remain
b shall remain
c would remain
d am remaining
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) will remain কেন সঠিক: - এটি ফার্স্ট কন্ডিশনাল বা সম্ভাব্য শর্তযুক্ত বাক্য, যার গঠন হলো ইফ যুক্ত অংশ প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট এবং পরের অংশ ফিউচার ইনডিফিনিট টেন্স হয়। - এখানে ইফ যুক্ত অংশ প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স (help me) থাকায় পরবর্তী অংশে ফিউচার ইনডিফিনিট টেন্স হিসেবে will remain ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will remain — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম ক্লজ প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় প্রধান ক্লজে ফিউচার ইনডিফিনিট টেন্স বসে। B) shall remain — আধুনিক ইংরেজিতে সাধারণ নিয়মে ফার্স্ট পারসনের পর shall বসে, তবে আই এর পর will অথবা shall দুটোই হতে পারে। কিন্তু সাধারণ ও আধুনিক ব্যবহারে I এর সাথে will remain বেশি উপযোগী। C) would remain — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল বাক্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেখানে ইফ যুক্ত অংশে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স থাকে। D) am remaining — এটি প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স, যা কন্ডিশনাল সেন্টেন্সের কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: ইফ যুক্ত বাক্যে প্রেজেন্ট টেন্স থাকলে অপর অংশে সাধারণত ফিউচার ইনডিফিনিট টেন্স অর্থাৎ will বসাতে হয়।
a on
b of
c to
d upon
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on কেন সঠিক: - 'Brood' শব্দের অর্থ গভীরভাবে চিন্তা করা বা কোনো বিষয়ে মনে কষ্ট পাওয়া। - এর পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সাধারণত 'on' বা 'upon' বসে, তবে 'brood on' বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত ধারা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'brood on' বা 'brood upon' দুজনেই অর্থ প্রকাশ করলেও এখানে 'on' সবচেয়ে মানানসই। B) of — 'of' সাধারণত অধিকার বা উৎস বোঝাতে বসে, তাই এখানে তা বসবে না। C) to — 'to' সাধারণত নির্দিষ্ট দিকে গতি বা সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) upon — এটি আংশিক সঠিক হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত 'brood on' বেশি গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ে দীর্ঘক্ষণ মন খারাপ করে চিন্তা করা বা ডুবে থাকা বোঝাতে 'brood on' ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
a Disagree
b Honest
c Brave
d  Agree
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Agree কেন সঠিক: ‘Fall into line’ একটি ইংরেজী ইডিয়ম যার মূল অর্থ হলো কোনো নিয়মের সাথে একমত হওয়া বা সবার সাথে মিল রেখে চলা। এর মাধ্যমে দলীয় সিদ্ধান্তের সাথে একমত পোষণ করা এবং বিরোধ না করে অন্যদের সাথে কাজ করা বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Disagree — এর অর্থ অমত প্রকাশ করা, যা ইডিয়মটির অর্থ সম্পূর্ণ উল্টো প্রকাশ করে। B) Honest — এর অর্থ সততা, যা এই বিশেষ ইডিয়মের সাথে কোনোভাবেই মিলে না। C) Brave — এর অর্থ সাহসী, যা সাহসিকতা নির্দেশ করে এবং এই ইডিয়মের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সবার সাথে লাইনে দাঁড়িয়ে নিয়মের সাথে একমত হওয়া মনে রাখবে।
a Briefly
b Summary
c  In details
d None
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) In details কেন সঠিক: Ins and outs একটি ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ ভেতরে এবং বাইরে হলেও ভাবার্থ হলো কোনো বিষয়ের আদ্যোপান্ত বা সবকিছু বিস্তারিতভাবে জানা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Briefly — এর অর্থ সংক্ষেপে, যা ইনস অ্যান্ড আউটস বাগধারার সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Summary — এর অর্থ সারসংক্ষেপ, যা কোনো বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ বা বিস্তারিত বিবরণের সাথে মিল নেই। C) In details — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ইডিওমটির মূল অর্থ হলো বিস্তারিতভাবে সবকিছু জানা। D) None — এর অর্থ কোনটিই নয়, কিন্তু এখানে সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ের ভেতরের ও বাইরের সব খবর রাখতে হলে আমাদের সবসময় কোনো কিছু বিস্তারিতভাবে বা ইনস অ্যান্ড আউটস জানতে হয়।
a He dares g there.
b I came in when he was writing.
c  The police were informed of the matter.
d Matin is good than his brother
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The police were informed of the matter. কেন সঠিক: Police শব্দটি দেখতে একবচন হলেও এটি সবসময় বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই এর পরে were এবং informed সঠিক passive গঠন তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He dares g there — এখানে g শব্দটি অসম্পূর্ণ এবং dare verb এর পর bare infinitive বসে। B) I came in when he was writing — এই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও মূল প্রশ্নের অন্য অপশনের তুলনায় C অধিকতর গ্রহণযোগ্য নিয়ম মেনে চলে। C) The police were informed of the matter — এটি সঠিক বাক্য হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Matin is good than his brother — good এর পর than না বসে better বসে কারণ এটি comparative degree। মনে রাখার টিপস: Police, People, Cattle ইত্যাদি নাউন দেখতে একবচন হলেও এদের পরে সবসময় plural verb বসে।
a  I forbade him to go
b The moon shines by night.
c Did they wrote the book?
d He stopped to write letter to me.
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I forbade him to go কেন সঠিক: forbade শব্দটির অর্থ নিষেধ করা, যার সাথে ইনফিনিটিভ to এবং ভার্বের বেস ফর্ম বসে। অন্য কোনো নেতিবাচক শব্দ ছাড়াই এই বাক্যটি নিয়ম মেনে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: B) The moon shines by night — রাতের বেলা বোঝাতে by night না লিখে at night লেখা উচিত ছিল। C) Did they wrote the book — Did-এর পর ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে না, ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসাতে হয়। D) He stopped to write letter to me — এখানে লেটার লেখার কাজটি বন্ধ করা বোঝাচ্ছে, যা অর্থসঙ্গতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্য তৈরির সময় ভার্বের সঠিক রূপ এবং উপযুক্ত প্রিপজিশন ব্যবহারের নিয়মগুলো সবসময় ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a Constant
b Reliable
c Steady
d  Changeable
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Changeable কেন সঠিক: Unstable শব্দের অর্থ অস্থির বা পরিবর্তনশীল, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। Changeable শব্দটির অর্থও পরিবর্তনশীল বা যা সহজেই বদলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Constant — এই শব্দটির অর্থ ধ্রুবক বা যা অপরিবর্তনীয়, তাই এটি সঠিক উত্তরের বিপরীত। B) Reliable — এই শব্দটির অর্থ নির্ভরযোগ্য বা বিশ্বস্ত, যা অস্থির শব্দের সাথে মেলে না। C) Steady — এই শব্দটির অর্থ স্থির বা অবিচল, যা অস্থির বা Unstable শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Stable অর্থ স্থির এবং এর আগে Un যুক্ত হয়ে Unstable বা অস্থির বোঝায়, যা Changeable শব্দের সমার্থক।

মোট প্রশ্ন (15)

a ৯০০ টাকা
b ১০০০ টাকা
c ১১০০ টাকা
d ১৬০০ টাকা
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ক ও খ এর বেতনের অনুপাত = ৭ : ৫ ক, খ অপেক্ষা বেশি পায় = ৪০০ টাকা ধরি, ক এর বেতন = ৭ক টাকা খ এর বেতন = ৫ক টাকা অতএব, শর্তমতে, ৭ক − ৫ক = ৪০০ ২ক = ৪০০ ক = ২০০ সুতরাং, খ এর বেতন = ৫ × ২০০ টাকা উত্তর: ১০০০ টাকা
a মধ্য রাশি
b প্রান্ত রাশি
c মিশ্র রাশি
d ক্রমিক রাশি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মধ্য রাশি প্রদত্ত তথ্য: সমানুপাতের চারটি রাশি থাকে এর মধ্যে প্রথম ও চতুর্থ রাশিকে বলা হয় প্রান্তীয় রাশি এর মধ্যে দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাশিকে বলা হয় মধ্য রাশি ধরি, অনুপাতটি ক অনুপাত খ সমান গ অনুপাত ঘ এখানে ক হলো প্রথম রাশি এখানে খ হলো দ্বিতীয় রাশি এখানে গ হলো তৃতীয় রাশি এখানে ঘ হলো চতুর্থ রাশি অতএব, প্রথম ও চতুর্থ রাশি মিলে হয় প্রান্ত রাশি দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাশি মিলে হয় মধ্য রাশি সুতরাং, সমানুপাতের দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাশিকে মধ্য রাশি বলা হয় উত্তর: A) মধ্য রাশি
a ৩০%
b ২৫%
c ২২%
d ২০%
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০% প্রদত্ত তথ্য: চিনির মূল্য বৃদ্ধি পেল ২৫% চিনি বাবদ ব্যয় অপরিবর্তিত থাকবে ধরি, পূর্বে ১০০ টাকার চিনি কেনা হতো বর্তমানে সেই চিনির মূল্য হলো ১২৫ টাকা অতএব, এখন ১০০ টাকার চিনি কিনতে হলে খরচ কমাতে হবে ১২৫ টাকার মধ্যে কমাতে হবে ২৫ টাকা সুতরাং, ১০০ টাকার মধ্যে শতকরা কমাতে হবে ২৫ গুণ ১০০ ভাগ ১২৫ সমান ২০ টাকা উত্তর: ২০%
a ৫০ টাকা
b ৪৪ টাকা
c ৭০ টাকা
d ৬৫ টাকা
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বইটির বিক্রয়মূল্য = ৪০ টাকা প্রথম ক্ষেত্রে ক্ষতি = ২০% দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লাভ = ৪০% ধরি, বইটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ২০% ক্ষতিতে প্রথম বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ২০ = ৮০ টাকা ৪০% লাভে দ্বিতীয় বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৪০ = ১৪০ টাকা অতএব, ৮০ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ৮০ টাকা ৪০ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৪০) ÷ ৮০ = ৫০ টাকা সুতরাং, ৫০ টাকার বস্তুটি ৪০% লাভে বিক্রয় করতে হবে বিক্রয়মূল্য হবে = ৫০ × (১৪০ ÷ ১০০) = ৭০ টাকা উত্তর: ৭০ টাকা
a ২৪ দিন
b ২৬ দিন
c ২২ দিন
d ২০ দিন
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ দিন প্রদত্ত তথ্য: দুই ব্যক্তি একত্রে কাজ করে ৮ দিনে প্রথম ব্যক্তি একা কাজ করে ১২ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজ সমান ১ অংশ অতএব, দুই ব্যক্তি ১ দিনে করে ১ ÷ ৮ অংশ প্রথম ব্যক্তি ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ সুতরাং, দ্বিতীয় ব্যক্তি ১ দিনে করে (১ ÷ ৮) − (১ ÷ ১২ অংশ) সমান (৩ − ২) ÷ ২৪ অংশ সমান ১ ÷ ২৪ অংশ উত্তর: ২৪ দিন
a ১৫%
b ২০%
c ২৫%
d ৩০%
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০% প্রদত্ত তথ্য: ২৫ কেজি চালের বিক্রয় মূল্য = ২০ কেজি চালের ক্রয়মূল্য ধরি, ১ কেজি চালের ক্রয়মূল্য = ১ টাকা ২০ কেজি চালের ক্রয়মূল্য = ২০ টাকা অতএব, ২৫ কেজি চালের ক্রয়মূল্য = ২৫ টাকা ২৫ কেজি চালের বিক্রয় মূল্য = ২০ টাকা সুতরাং, ক্ষতি হয় = ২৫ − ২০ = ৫ টাকা উত্তর: (৫ ÷ ২৫) × ১০০% = ২০%
a ১ দিনে
b ৫ দিনে
c ২০ দিনে
d ১০০ দিনে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ৫ টি বেড়াল ৫ টি ইঁদুর ধরে ৫ দিনে ধরি, ১ টি বেড়াল ৫ দিনে ধরে ১ টি ইঁদুর ১০০ টি বেড়াল ৫ দিনে ধরে ১০০ টি ইঁদুর অতএব, বেড়াল এবং ইঁদুরের অনুপাত সমান থাকে সময় অপরিবর্তিত থাকে সুতরাং, ১০০ টি বেড়াল ১০০ টি ইঁদুর ধরতে সময় নেবে ৫ দিন উত্তর: ৫ দিনে
a 4
b 5
c ৬
d 7
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ২ থেকে শুরু করে পরপর পাঁচটি জোড় সংখ্যা বের করতে হবে জোড় সংখ্যাগুলোর মান ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাবে ধরি, প্রথম জোড় সংখ্যা = ২ দ্বিতীয় জোড় সংখ্যা = ৪ তৃতীয় জোড় সংখ্যা = ৬ চতুর্থ জোড় সংখ্যা = ৮ পঞ্চম জোড় সংখ্যা = ১০ অতএব, সংখ্যাগুলোর সমষ্টি = ২ + ৪ + ৬ + ৮ + ১০ যোগফল = ৩০ সুতরাং, গড় = ৩০ ÷ ৫ গড় = ৬ উত্তর: ৬
a ৩২ বছর
b ৪২ বছর
c ৬২ বছর
d ৫২ বছর
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫২ বছর প্রদত্ত তথ্য: ২০ জন ছাত্রের বয়সের গড় = ১০ বছর শিক্ষকসহ মোট ব্যক্তির সংখ্যা = ২১ জন ধরি, ২০ জন ছাত্রের বয়সের সমষ্টি = ২০ × ১০ = ২০০ বছর শিক্ষকসহ ২১ জনের বয়সের সমষ্টি = ২১ × ১২ = ২৫২ বছর অতএব, শিক্ষকের বয়স হবে শিক্ষকসহ মোট বয়স থেকে ছাত্রদের মোট বয়সের বিয়োগফল সুতরাং, শিক্ষকের বয়স = ২৫২ − ২০০ = ৫২ বছর উত্তর: ৫২ বছর
a দুই সমকোণ অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর
b দুই সমকোণ অপেক্ষা বৃহত্তর
c দুই সমকোণের সমান
d দুই সমকোণের অর্ধেক
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুই সমকোণ অপেক্ষা বৃহত্তর প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো একটি বাহুকে উভয়দিকে বর্ধিত করা হলো উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণদ্বয় হলো ভূমির সংলগ্ন কোণদ্বয়ের পরিপূরক ধরি, ত্রিভুজের অভ্যন্তরস্থ কোণগুলো হলো ক, খ এবং গ এদের সমষ্টি হলো এক সরলকোণ বা দুই সমকোণ অতএব, একটি বহিঃস্থ কোণ হলো (খ + গ) এর সমান অপর বহিঃস্থ কোণ হলো (ক + গ) এর সমান সুতরাং, দুটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি হলো (ক + খ + ২গ) বা (দুই সমকোণ + গ) উত্তর: দুই সমকোণ অপেক্ষা বৃহত্তর
a এক সমকোণের অর্ধেক
b সরল কোণ
c এক সমকোণ
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এক সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের উপর একটি স্পর্শবিন্দু এবং ঐ বিন্দুতে অঙ্কিত ব্যাসার্ধ বৃত্তের স্পর্শক এবং স্পর্শবিন্দুগামী ব্যাসার্ধের পারস্পরিক সম্পর্ক ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র ও স্পর্শবিন্দু সংযোজক রেখাংশ হলো ব্যাসার্ধ ঐ স্পর্শবিন্দুগামী রেখার উপর অঙ্কিত লম্ব হলো স্পর্শক অতএব, ব্যাসার্ধ স্পর্শকের উপর লম্বভাবে অবস্থান করে জ্যামিতিক উপপাদ্য অনুযায়ী লম্ব রেখার মধ্যবর্তী কোণ নির্ধারিত হয় সুতরাং, স্পর্শবিন্দুগামী ব্যাসার্ধ ও স্পর্শক একে অপরের সাথে ৯০ ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন করে উত্তর: এক সমকোণ
a 90
b 68
c ৫৫
d 40
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪ ধরি, প্রদত্ত ধারাটি বিখ্যাত ফিবোনাচ্চি ধারা। এই ধারার প্রতিটি সংখ্যা তার আগের দুটি সংখ্যার যোগফলের সমান। অতএব, প্রথম সংখ্যা দুটি যোগ করলে পাই ১ + ২ = ৩ এভাবে ধারাটি ক্রমান্বয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হয়। সুতরাং, শেষ দুটি সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করতে হবে। ২১ + ৩৪ = ৫৫ উত্তর: ৫৫
a ০.০০১৬
b ০.০০০০১৬
c ০.০০০১৬
d ০.০০০০০১৬
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০০০০১৬ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি = ০.০০৪ ধরি, সংখ্যাটির বর্গ করতে হবে অতএব, (০.০০৪) × (০.০০৪) সুতরাং, ৪ × ৪ = ১৬ এবং দশমিকের পর মোট ছয়টি ঘর হবে উত্তর: ০.০০০০১৬
a x-44x+3
b 2x-42x-3
c 2x-42x+3
d x+44x-3
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x-৪৪x+৩ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৪ গুণ x এর বর্গ − ১৩ গুণ x − ১২ ধরি, রাশিটিকে মধ্যপদ বিভাজনের নিয়মে ভাঙতে হবে অতএব, প্রথম ও শেষ পদের গুণফল হলো ৪ গুণ (−১২) = −৪৮ মাঝের পদটি হলো −১৩ সংখ্যা দুটি হবে −১৬ এবং +৩ সুতরাং, ৪ গুণ x এর বর্গ − ১৬ গুণ x + ৩ গুণ x − ১২ ৪ গুণ x কমন নিলে পাই (x − ৪) এবং ৩ কমন নিলে পাই (x − ৪) উত্তর: (x − ৪) গুণ (৪ গুণ x + ৩)
a 76
b 70
c 52
d 47
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫২ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a + (১ ÷ a) = ৪ মান নির্ণয় করতে হবে: a^৩ + (১ ÷ a^৩) আমরা জানি, বীজবানিজ্যিক সূত্র অনুযায়ী লেখা যায় a^৩ + (১ ÷ a^৩) = (a + (১ ÷ a))^৩ − ৩ × (a + (১ ÷ a)) অতএব, সূত্রের মধ্যে a + (১ ÷ a) এর মান ৪ বসিয়ে পাই (৪)^৩ − ৩ × ৪ এখন, ৪ এর ঘন করলে হয় ৬৪ এবং ৩ কে ৪ দ্বারা গুণ করলে হয় ১২ সুতরাং, ৬৪ − ১২ = ৫২ উত্তর: ৫২

মোট প্রশ্ন (35)

a  সাহিত্য পুরস্কার
b শান্তি পুরস্কার
c জনসংখ্যা পুরস্কার
d এর কোনোটিই নয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাহিত্য পুরস্কার কেন সঠিক: - বুকার পুরস্কার বিশ্বের অন্যতম prestigious সাহিত্যিক সম্মাননা যা কথাসাহিত্য বা উপন্যাসের জন্য প্রদান করা হয়। - এটি যুক্তরাজ্য বা কমনওয়েলথভুক্ত দেশের লেখকদের ইংরেজি ভাষায় রচিত মৌলিক উপন্যাসের স্বীকৃতিস্বরূপ দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাহিত্য পুরস্কার — এই উত্তরটি সঠিক কারণ বুকার পুরস্কার কেবল সাহিত্যকর্ম বা উপন্যাসের জন্যই প্রদান করা হয়। B) শান্তি পুরস্কার — এটি শান্তিতে অবদানের জন্য দেওয়া হয়, যেমন নোবেল শান্তি পুরস্কার, বুকার পুরস্কার শান্তি সংক্রান্ত নয়। C) জনসংখ্যা পুরস্কার — জনসংখ্যা ও পরিবার পরিকল্পনা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য জাতিসংঘ এই পুরস্কার দেয়, যা সাহিত্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) এর কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বুকার পুরস্কারকে মনে রাখুন বই বা সাহিত্য শব্দটির সঙ্গে মিলিয়ে, কারণ বই পড়ার অভ্যাসই সাহিত্যে উৎকর্ষ আনে।
a বলেশ্বর
b  হাড়িয়াভাঙ্গা
c ভৈরব
d রূপসা
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হাড়িয়াভাঙ্গা কেন সঠিক: - দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনের দক্ষিণে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত ছিল। - ভৌগোলিক অবস্থান ও নদীসীমা অনুযায়ী হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনাতেই এই দ্বীপটির অস্তিত্ব ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বলেশ্বর — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি প্রধান নদী, তবে এর মোহনায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ অবস্থিত নয়। B) হাড়িয়াভাঙ্গা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই নদীর মোহনাতেই দ্বীপটি অবস্থিত ছিল। C) ভৈরব — এটি খুলনা অঞ্চলের একটি নদী, যার মোহনা দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) রূপসা — এটি খুলনা জেলার একটি নদী, যা দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের মোহনার সাথে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ ও হাড়িয়াভাঙ্গা নদী উভয়ই সাতক্ষীরা অঞ্চলের সাথে সম্পর্কিত।
a  পুণ্ড্র নগর
b রামাবতী
c কর্ণ সুবর্ণ
d মহাস্থান
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পুণ্ড্র নগর কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে মহাস্থানগড় পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী পুণ্ড্রনগর নামে পরিচিত ছিল। - এটি মৌর্য, গুপ্ত ও সেন যুগে বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুণ্ড্র নগর — এটি ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ের প্রাচীন নাম এবং তৎকালীন বাংলার প্রথম রাজধানী। B) রামাবতী — এটি পাল রাজাদের আমলে নির্মিত একটি রাজধানী শহর, যা মহাস্থানগড় নয়। C) কর্ণ সুবর্ণ — এটি প্রাচীন বাংলার গৌড় রাজ্যের রাজা শশাঙ্কের রাজধানী ছিল। D) মহাস্থান — এটি বর্তমান স্থানবাচক নাম, প্রাচীনকালে প্রাচীন শহরটির নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। মনে রাখার টিপস: মহাস্থানগড় মানেই প্রাচীন পুণ্ড্রনগর, যা বাংলার আদি রাজধানী হিসেবে পরিচিত।
a ২.৫ কি. গ্রা.
b ৪ কি. গ্রা.
c ২.৭৫ কি. গ্রা.
d  ৩ কি. গ্রা.
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ কি. গ্রা. কেন সঠিক: - বিশুদ্ধ পানির ঘনত্ব প্রতি লিটারে ১ কিলোগ্রাম, অর্থাৎ ১ লিটার পানির ওজন ১ কিলোগ্রাম। - এই নিয়م অনুযায়ী ৩ লিটার পানির মোট ওজন ৩ কিলোগ্রাম হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২.৫ কি. গ্রা. — এটি ৩ লিটার পানির সঠিক ওজনের চেয়ে কম, তাই সঠিক নয়। B) ৪ কি. গ্রা. — এটি ৩ লিটার পানির ওজনের চেয়ে বেশি, তাই সঠিক নয়। C) ২.৭৫ কি. গ্রা. — এটিও ৩ লিটার পানির প্রকৃত ওজনের চেয়ে কম, তাই সঠিক নয়। D) ৩ কি. গ্রা. — এটি ৩ লিটার পানির সঠিক ওজনের হিসাব অনুযায়ী নির্ভুল। মনে রাখার টিপস: এক লিটার পানির ওজন এক কিলোগ্রাম, তাই যত লিটার পানি বলবে ওজন ঠিক তত কিলোগ্রাম হবে।
a  ৩ টি অংশ
b ৪টি অংশ
c ৫টি অংশ
d ৬টি অংশ
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩টি অংশ কেন সঠিক: - মৌলিকভাবে কম্পিউটারের মূল হার্ডওয়্যার কাঠামোকে প্রধানত তিনটি অংশে ভাগ করা হয়। - ইনপুট ইউনিট, প্রসেসিং ইউনিট এবং আউটপুট ইউনিট মিলেই মূলত কম্পিউটারের প্রধান হার্ডওয়্যার গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি অংশ — এটি সঠিক কারণ কম্পিউটারের মূল হার্ডওয়্যার কাঠামো ইনপুট, প্রসেসিং ও আউটপুট এই তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত। B) ৪টি অংশ — কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বা প্রধান অংশ ৪টি নয়, কারণ মেমোরি ও প্রসেসিং ইউনিট মিলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ তৈরি করে। C) ৫টি অংশ — ৫টি অংশ বলতে সাধারণত কম্পিউটারের ইনপুট, আউটপুট, মেমোরি, অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট এবং কন্ট্রোল ইউনিটকে বোঝানো হয়, যা কাঠامোগতভাবে ৩টি প্রধান অংশের অন্তর্ভুক্ত। D) ৬টি অংশ — কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বা মূল কাঠামোর ক্ষেত্রে ৬টি অংশের কোনো প্রমিত বা গ্রহণযোগ্য সাধারণ শ্রেণিবিন্যাস নেই। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারের প্রধান কাজ হলো তথ্য নেওয়া, তা প্রক্রিয়াজাত করা এবং ফলাফল দেওয়া। এই কাজের ওপর ভিত্তি করে হার্ডওয়্যার প্রধানত ৩টি অংশে বিভক্ত।
a  ২৭টি
b ২২টি
c ১৯টি
d ১৩টি
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৭টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে বর্তমানে আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ২৭টি ক্যাডার রয়েছে। - বিসিএস ক্যাডারগুলো প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ইত্যাদি বিভিন্ন পেশাগত খাতে বিভক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৭টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বর্তমান নিয়মে বিসিএস ক্যাডার সংখ্যা ২৭টি। B) ২২টি — এটি অতীতের কোনো এক সময়ের সংখ্যা হতে পারে, বর্তমানে তা পরিবর্তিত হয়েছে। C) ১৯টি — এটি বর্তমান ক্যাডার সংখ্যার সঠিক হিসাব নয়। D) ১৩টি — এটি ভুল তথ্য এবং বর্তমান ক্যাডার সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের মোট ক্যাডার সংখ্যা মনে রাখতে সংখ্যাটি ২৭ মনে রাখুন।
a শ্রী বিহার
b সোমপুর বিহার
c ধর্মপাল বিহার
d জগদ্দল বিহার
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সোমপুর বিহার কেন সঠিক: - এটি পাল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় রাজা শ্রীধর্মপাল দেবের রাজত্বকালে নির্মিত হয়েছিল। - এটি প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান বৌদ্ধ বিহার ও ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রী বিহার — এটি পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের প্রাচীন নাম ছিল না। B) সোমপুর বিহার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ধর্মপাল বিহার — রাজা ধর্মপাল এটি নির্মাণ করলেও এর ঐতিহাসিক নাম এটি ছিল না। D) জগদ্দল বিহার — এটি পাহাড়পুর নয়, বরেন্দ্র ভূমির অন্য একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। মনে রাখার টিপস: পাহাড়পুর মানেই সোমপুর বিহার, যা পাল রাজাদের কীর্তি।
a বসফরাস প্রণালী
b বেরিং প্রণালী
c মেসিনা প্রণালী
d  ডোবার প্রণালী
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডোবার প্রণালী কেন সঠিক: - ডোবার প্রণালী ইংলিশ চ্যানেলকে উত্তর সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে। - এটি গ্রেট ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে পৃথক করেছে এবং ইউরোপের অন্যতম ব্যস্ত জলপথ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বসফরাস প্রণালী — এটি কৃষ্ণ সাগর ও মারমারা সাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং এশিয়াকে ইউরোপ থেকে আলাদা করেছে। B) বেরিং প্রণালী — এটি প্রশান্ত মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে আলাদা করেছে। C) মেসিনা প্রণালী — এটি ভূমধ্যসাগরের টাইরেনিয়ান সাগর ও আয়নিয়ান সাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং সিসিলি দ্বীপকে ইতালি থেকে আলাদা করেছে। D) ডোবার প্রণালী — এটি ইংলিশ চ্যানেল ও উত্তর সাগরকে সংযুক্ত করেছে বিধায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ডোবার প্রণালী দিয়ে ডোবা বা পার হয়ে ইংলিশ চ্যানেল থেকে উত্তর সাগরে যাওয়া যায়।
a ৬২০ সালে
b ৬২২ সালে
c  ৬২৪ সালে
d ৬২৬ সালে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬২৪ সালে কেন সঠিক: - বদরের যুদ্ধ ইসলাম ধর্মের ইতিহাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সামরিক সংঘাত, যা হিজরি দ্বিতীয় সনের ১৭ই রমজান সংঘটিত হয়। - ইংরেজি সালের গণনামতে এই ঐতিহাসিক যুদ্ধটি ৬২৪ খ্রিস্টাব্দে মদিনার মুসলিম ও মক্কার কুরাইশ বাহিনীদের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬২০ সালে — এই সালে ইসলামের ইতিহাসে বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি এবং এটি ঘটনার সঠিক সময়কাল নয়। B) ৬২২ সালে — এই সালটি হযরত মুহাম্মদ (স.) এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার ঐতিহাসিক বছর হিসেবে পরিচিত। C) ৬২৪ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। D) ৬২৬ সালে — এই সালে বদরের যুদ্ধ হয়নি, বরং ওহুদ যুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার পরবর্তী সময় এটি। মনে রাখার টিপস: হিজরতের দুই বছর পর ৬২৪ সালে ইসলামের প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ অর্থাৎ বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
a লক্ষণ সেন
b ইলিয়াস শাহ
c  আকবর
d বিজয় সেন
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আকবর কেন সঠিক: - মুঘল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে ফসলি সন বা বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। - খাজনা আদায় সহজ করার জন্য প্রাচীন চান্দ্র বর্ষপঞ্জির পরিবর্তে সৌর বর্ষপঞ্জি চালু করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষণ সেন — তিনি বাংলায় সেন রাজবংশের রাজা ছিলেন এবং তাঁর নামানুসারে লক্ষণ সেনাব্দ চালু হয়েছিল। B) ইলিয়াস শাহ — তিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ছিলেন এবং তাঁর শাসনামলে পাণ্ডুয়া রাজধানী ছিল। C) আকবর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) বিজয় সেন — তিনি সেন রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা রাজা ছিলেন এবং বাংলা নববর্ষ চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: আকবর মানে বাংলা সনের আবিষ্কারক, কারণ খাজনা আদায় সহজ করতে তিনি এই সন চালু করেছিলেন।
a সিডনী
b  ক্যানবেরা
c মেলবোর্ন
d পার্থ
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি / ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) ক্যানবেরা কেন সঠিক: - ক্যানবেরা হলো অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল রাজধানী এবং দেশটির বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ শহর। - সিডনি বা মেলবোর্নের মতো বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এড়াতে ১৯০৮ সালে আপস মীমাংসার মাধ্যমে এই পরিকল্পিত শহরটিকে রাজধানী করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিডনী — এটি অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী এবং সবচেয়ে জনবহুল শহর হলেও দেশটির রাজধানী নয়। B) ক্যানবেরা — এটি সঠিক উত্তর। C) মেলবোর্ন — এটি ভিক্টোরিয়া রাজ্যের রাজধানী এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর, যা সিডনির সাথে দীর্ঘ দ্বন্দ্বের পর রাজধানী হতে পারেনি। D) পার্থ — এটি পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া রাজ্যের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর, যা দেশের ভৌগোলিক পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী নির্বাচনে সিডনি ও মেলবোর্নের দ্বন্দ্ব মেটাতে মাঝামাঝি স্থানে পরিকল্পিতভাবে ক্যানবেরা শহরটি তৈরি করা হয়।
a EU
b UNICEF
c UNHCR
d UNESCO
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) UNESCO কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। - কানাডা প্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালামের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) EU — এটি একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট, ভাষা বা সংস্কৃতি সংরক্ষণের সঙ্গে সরাসরি আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণার কাজ এর নয়। B) UNICEF — এটি শিশু অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করে, তাই ভাষা দিবসের স্বীকৃতি প্রদানের সঙ্গে এর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। C) UNHCR — এটি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা, যা শরণার্থীদের সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে। D) UNESCO — এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা, যা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষায় এই দিবসটি স্বীকৃতি দিয়েছে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির সাথে জড়িত কোনো আন্তর্জাতিক দিবসের স্বীকৃতি সাধারণত ইউনেস্কোই দিয়ে থাকে।
a লর্ড ক্যানিং
b  লর্ড বেন্টিঙ্ক
c লর্ড রিপন
d লর্ড কার্জন
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লর্ড বেন্টিঙ্ক কেন সঠিক: - লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সতীদাহ প্রথা রহিতকরণ আইন (১৭ নম্বর রেগুলেশন) পাস করেন। - রাজা রামমোহন রায়ের মতো সমাজসংস্কারকদের তীব্র আন্দোলনের ফলেই ব্রিটিশ সরকার এই অমানবিক প্রথা আইন করে বন্ধ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড ক্যানিং — তিনি ভারতের প্রথম ভাইসরয় ছিলেন এবং তাঁর আমলে সিপাহী বিদ্রোহ ও বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়, সতীদাহ প্রথা নয়। B) লর্ড বেন্টিঙ্ক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই। C) লর্ড রিপন — তিনি ভারতে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের জনক হিসেবে পরিচিত এবং শিক্ষা কমিশন গঠন করেছিলেন, সতীদাহ প্রথার সঙ্গে যুক্ত নন। D) লর্ড কার্জন — তিনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করার জন্য পরিচিত এবং সতীদাহ প্রথা রহিলের অনেক পরে ভারতের গভর্নর জেনারেল হন। মনে রাখার টিপস: সতীদাহ প্রথা বন্ধের সঙ্গে বেন্টিঙ্ক নাম এবং ১৮২৯ সাল মনে রাখতে 'বে-তে বেন্টিঙ্ক, তে-তে সতীদাহ প্রথা রহিত' এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
a  ব্রিটেন
b পর্তুগাল
c ফ্রান্স
d যুক্তরাষ্ট্র
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রিটেন কেন সঠিক: - মালয়েশিয়া দীর্ঘকাল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল এবং ১৯৫৭ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। - দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রভাব বিস্তারের জন্য ব্রিটেন মালয় উপদ্বীপের বিভিন্ন অঞ্চল দখল করে নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রিটেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ মালয়েশিয়া ব্রিটিশদের ঔপনিবেশিক শাসনভুক্ত ছিল। B) পর্তুগাল — পর্তুগাল মালয়েশিয়ার মালাক্কা কিছুকাল দখল করেছিল, তবে সমগ্র দেশ ব্রিটিশদের উপনিবেশ ছিল। C) ফ্রান্স — ফ্রান্স মূলত ইন্দোচীন বা বর্তমান ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বোডিয়া অঞ্চলে উপনিবেশ স্থাপন করেছিল, মালয়েশিয়ায় নয়। D) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ফিলিপাইনের উপনিবেশ স্থাপন করেছিল, মালয়েশিয়ার সঙ্গে তাদের ঔপনিবেশিক সম্পর্ক ছিল না। মনে রাখার টিপস: মালয়েশিয়ার স্বাধীনতা সালটি মনে রাখলে সহজে বোঝা যায়, কারণ ১৯৫৭ সালে তারা ব্রিটিশদের থেকেই স্বাধীনতা লাভ করেছিল।
a ১৯৪০ সালে
b ১৯৪২ সালে
c  ১৯৪৬ সালে
d ১৯৪৭ সালে
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৬ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ সরকার ভারতবাসীকে ক্ষমতা হস্ততার পথ প্রস্তুত করতে এবং সংবিধান প্রণয়নের জন্য ১৯৪৬ সালের মার্চ মাসে ভারতে ক্যাবিনেট মিশন পাঠায়। - এই মিশনের সদস্য ছিলেন প্যাথিক লরেন্স, স্টাফর্ড ক্রিপস এবং এ ভি আলেকজান্ডার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪০ সালে — এই সালে ব্রিটিশ ভারতে মুসলিম লীগের লাহোর প্রস্তাব পাস হয়েছিল, যা পাকিস্তান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। B) ১৯৪২ সালে — এই সালে ভারতে ক্রিপস মিশন এসেছিল এবং ভারত ছাড়ো আন্দোলন শুরু হয়েছিল। C) ১৯৪৬ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। D) ১৯৪৭ সালে — এই সালে ব্রিটিশ শাসন অবসান ঘটে এবং ভারত ও পাকিস্তান দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঠিক আগের বছর অর্থাৎ ১৯৪৬ সালে ক্যাবিনেট মিশন ভারতে এসেছিল।
a 90
b 75
c 70
d  ৬০
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের বৈঠক সচল রাখার জন্য কমপক্ষে ষাট জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন হয়। - সংসদ সদস্যদের এই ন্যূনতম উপস্থিতির সংখ্যাকেই কোরাম বলা হয়, যার অনুপস্থিতিতে বৈঠক মুলতবি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 90 — এটি কোরামের নির্ধারিত সংখ্যা নয় এবং এই সংখ্যার কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই। B) 75 — এটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ নম্বর হতে পারে কিন্তু কোরামের সংখ্যা নয়। C) 70 — এটি মূলত সংসদ সদস্য পদ হারানোর বা দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার সাংবিধানিক অনুচ্ছেদ নির্দেশ করে। D) ৬০ — এটি জাতীয় সংসদের কোরাম সংকটের জন্য নির্ধারিত সঠিক সাংবিধানিক সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: জাতীয় সংসদের আসন তিনশোটি, আর কোরামের সংখ্যা তার ঠিক এক পঞ্চমাংশ অর্থাৎ ষাট জন।
a ফকির মজনু শাহ
b  তিতুমীর
c দুদু মিয়া
d মীর কাশিম
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিতুমীর কেন সঠিক: - তিতুমীর নারকেলবেড়িয়া গ্রামে বাঁশ দিয়ে একটি শক্তিশালী দুর্গ বা কেল্লা নির্মাণ করেছিলেন। - এই কেল্লা থেকে তিনি ব্রিটিশ নীলকর ও জমিদারদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফকির মজনু শাহ — তিনি মজনু শাহ নামে পরিচিত এবং মজনু শাহ ফকির আন্দোলনের একজন বিখ্যাত নেতা ছিলেন, কিন্তু বাঁশের কেল্লার সঙ্গে যুক্ত নন। B) তিতুমীর — এটি সঠিক উত্তর। C) দুদু মিয়া — তিনি ফরায়েজী আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন, তবে বাঁশের কেল্লা নির্মাণের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। D) মীর কাশিম — তিনি বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পর বাংলার নবাব হয়েছিলেন এবং বক্সারের যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। মনে রাখার টিপস: বা-তে বাঁশের কেল্লা এবং ত-তে তিতুমীর মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে মনে রাখা যায়।
a  আর্দ্রতার অভাবে
b রৌদ্রের অভাবে
c ভিটামিনের অভাবে
d স্নেহ জাতীয় পদার্থের অভাবে
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আর্দ্রতার অভাবে কেন সঠিক: - শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা কম থাকে, ফলে ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা দ্রুত হারিয়ে ফেলে। - ত্বকের উপরিভাগের তেল বা সিবাম উৎপাদন কমে যাওয়ায় ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্দ্রতার অভাবে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাতাসের শুষ্কতা ত্বক ফাটার প্রধান প্রাকৃতিক কারণ। B) রৌদ্রের অভাবে — সূর্যের আলোর অভাবের সাথে সরাসরি ত্বক ফাটার কোনো সম্পর্ক নেই। C) ভিটামিনের অভাবে — কিছু ভিটামিনের অভাবে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে শীতকালে সাধারণ ত্বক ফাটার মূল কারণ এটি নয়। D) স্নেহ জাতীয় পদার্থের অভাবে — শরীরে চর্বি বা স্নেহ পদার্থের ঘাটতি থাকলেও শীতকালীন ত্বক ফাটার প্রধান বৈজ্ঞানিক কারণ মূলত পরিবেশের আর্দ্রতা হ্রাস পাওয়া। মনে রাখার টিপস: শীতকাল মানেই বাতাসে আর্দ্রতা কম, তাই ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়।
a অক্ষরেখা
b  নিরক্ষ রেখা
c পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা
d উত্তর গোলার্ধে
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) নিরক্ষ রেখা কেন সঠিক: - পৃথিবীকে পূর্ব পশ্চিমে বেষ্টন করে থাকা ০ ডিগ্রি অক্ষাংশ বা নিরক্ষ রেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ এই দুটি সমান গোলার্ধে ভাগ করেছে। - এই কাল্পনিক রেখাটির উত্তর অংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণ অংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষরেখা — অক্ষরেখাগুলো পৃথিবীকে উত্তর দক্ষিণে বিভক্ত করে না, বরং এগুলো নিরক্ষ রেখার সমান্তরালে পূর্ব পশ্চিমে বিস্তৃত থাকে। B) নিরক্ষ রেখা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলারধে বিভক্ত করেছে। C) পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা — দ্রাঘিমা রেখাগুলো পৃথিবীকে পূর্ব ও পশ্চিমে বিভক্ত করে, উত্তর ও দক্ষিণে নয়। D) উত্তর গোলার্ধে — এটি কোনো রেখা নয়, বরং নিরক্ষ রেখার উত্তরের অংশ বা একটি অঞ্চলের নাম। মনে রাখার টিপস: নিরক্ষ রেখা পৃথিবীকে মাঝখান থেকে সমান দুই ভাগে উত্তর ও দক্ষিণে কেটে দেয়।
a সাইট্রিক এসিড
b অকজ্যালিক এসিড
c  ল্যাকটিক এসিড
d কোনো এসিড থাকে না
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ল্যাকটিক এসিড কেন সঠিক: - দুধে ল্যাকটোজ নামক শর্করা থাকে যা ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় ল্যাকটিক এসিডে পরিণত হয়। - দুধে এই এসিড থাকার কারণে দুধ টক স্বাদের হয় এবং ছানা তৈরি করা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু, কমলা এবং অন্যান্য টক জাতীয় ফলে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়, দুধে থাকে না। B) অকজ্যালিক এসিড — এটি পালং শাক, টমেটো এবং কিছু নির্দিষ্ট উদ্ভিদে বেশি পরিমাণে থাকে, দুধের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) ল্যাকটিক এসিড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) কোনো এসিড থাকে না — এই তথ্যটি ভুল কারণ দুধে ল্যাকটিক এসিড উপস্থিত থাকে। মনে রাখার টিপস: দুধের ইংরেজি শব্দ মিল্ক এবং এর সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন দুধে থাকে ল্যাকটিক এসিড।
a ব্যাপন
b বাষ্পীভবন
c শ্বসন
d  প্রস্বেদন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রস্বেদন কেন সঠিক: - উদ্ভিদ তার মূলের সাহায্যে মাটি থেকে যে পানি শোষণ করে, তার অতিরিক্ত অংশ বায়ুমণ্ডলে বাষ্পাকারে ত্যাগ করে। - উদ্ভিদের এই শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াকে প্রস্বেদন বা Transpiration বলা হয়, যা উদ্ভিদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাপন — এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোনো পদার্থের অণুগুলো বেশি ঘনত্বের স্থান থেকে কম ঘনত্বের দিকে ছড়িয়ে পড়ে, যা প্রস্বেদন নয়। B) বাষ্পীভবন — এটি একটি ভৌত প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে যেকোনো তরল পদার্থ গ্যাসে রূপান্তরিত হয়, যা মূলত অজৈব বা জড় মাধ্যমে ঘটে। সি) শ্বসন — এটি এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জীবকোষ খাদ্য জারিত করে শক্তি উৎপাদন করে। D) প্রস্বেদন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশেষভাবে উদ্ভিদ দেহ থেকে বাষ্পাকারে পানি ত্যাগের প্রক্রিয়া। মনে রাখার টিপস: উদ্ভিদ পাতায় থাকা পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে পানি বাষ্প আকারে উড়িয়ে দেয়, একে প্রস্বেদন বলে।
a ফুসফুস
b  কিডনী
c হৃৎপিণ্ড
d যকৃত
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কিডনী কেন সঠিক: - কিডনী মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ হিসেবে রক্ত থেকে ইউরিয়া ও ইউরিক এসিডের মতো নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য ফিল্টার করে। - এটি অতিরিক্ত পানি ও লবণ মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দিয়ে শরীরের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক ভারসাম্য রক্ষা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুসফুস — এটি রক্ত থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং জলীয় বাষ্প বের করে দেয়, কিন্তু এটি প্রধান রেচন অঙ্গ বা কিডনীর বিকল্প নয়। B) কিডনী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রধান বর্জ্য নিষ্কাশনকারী অঙ্গ। C) হৃৎপিণ্ড — এটি রক্ত পাম্প করে সারা দেহে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে, বর্জ্য পদার্থ ফিল্টার বা নিষ্কাশন করে না। D) যকৃত — এটি পিত্তরস তৈরি ও বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ ভাঙতে সাহায্য করে, কিন্তু সরাসরি শরীর থেকে মূত্র বা বর্জ্য নিষ্কাশন করে না। মনে রাখার টিপস: রক্ত ছাঁকনি বা ফিল্টার করার প্রধান কাজ করে কিডনী এবং শরীর থেকে বর্জ্য বের করে দেয়।
a  ভাল আবহাওয়ার
b আসন্ন ঝড়ের
c বৃষ্টির সম্ভাবনা
d তাৎপর্যহীন
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভাল আবহাওয়ার কেন সঠিক: - ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতা বৃদ্ধি নির্দেশ করে বায়ুমণ্ডলের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। - উচ্চ চাপ সাধারণত পরিষ্কার, স্থিতিশীল এবং ভাল আবহাওয়ার ইঙ্গিত দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাল আবহাওয়ার — ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে বায়ুমণ্ডলের চাপ বৃদ্ধি পায় এবং আকাশ পরিষ্কার ও রৌদ্রোজ্জ্বল থাকে। B) আসন্ন ঝড়ের — ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতা হঠাৎ দ্রুত হ্রাস পেলে তা কালবৈশাখী বা ঝড়ের পূর্বাভাস দেয়। C) বৃষ্টির সম্ভাবনা — ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতা ধীরে ধীরে হ্রাস পেলে তা জলীয় বাষ্প বৃদ্ধি এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা বোঝায়। D) তাৎপর্যহীন — আবহাওয়া অনুধাবনে ব্যারোমিটারের পারদের উচ্চতার পরিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি বাস্তব আবহাওয়ার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: পারদ ওপরে ওঠা মানে ভাল আবহাওয়া, আর পারদ নিচে নামা মানে খারাপ আবহাওয়া বা বৃষ্টির আগমন।
a বেলে মাটি
b পলিমাটি
c  দো–আঁশ মাটি
d এঁটেল মাটি
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দো–আঁশ মাটি কেন সঠিক: - এই মাটিতে বালি, পলি ও কাদা সমান অনুপাতে বা সমপরিমাণে মিশ্রিত থাকে। - ফসল উৎপাদনের জন্য এটি সবচেয়ে উপযোগী এবং উর্বর মাটি হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলে মাটি — এতে বালির পরিমাণ বেশি থাকে এবং কাদা বা পলি খুব কম থাকে। B) পলিমাটি — এতে প্রধানত পলির পরিমাণ বেশি থাকে, বালি ও কাদার পরিমাণ সমান থাকে না। C) দো–আঁশ মাটি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) এঁটেল মাটি — এতে কাদার পরিমাণ বেশি থাকে এবং বালি ও পলির পরিমাণ কম থাকে। মনে রাখার টিপস: দো–আঁশ মাটির নামের মধ্যেই দো বা দুইয়ের বেশি উপাদান (বালি, পলি, কাদা) সমপরিমাণে থাকার ইঙ্গিত রয়েছে।
a ময়নামতি ও লালমাই পাহাড়কে
b শালবন বিহারকে
c মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়কে
d  রাজশাহী বিভাগের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলকে
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজশাহী বিভাগের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলকে কেন সঠিক: - বরেন্দ্রভূমি বা বরেন্দ্র অঞ্চল বাংলাদেশের প্লায়েস্টোসিন কালের সোপানের অন্তর্ভুক্ত, যা রাজশাহী বিভাগের উত্তর পশ্চিমাংশে অবস্থিত। - এই অঞ্চলের মাটি লালচে ও ধূসর বর্ণের হয়ে থাকে এবং এখানকার মৃত্তিকা বেশ প্রাচীন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়নামতি ও লালমাই পাহাড়কে — এটি কুমিল্লার লালমাই পাহাড় ও ময়নামতি এলাকার ভূপ্রকৃতি নির্দেশ করে, যা বরেন্দ্রভূমি নয়। B) শালবন বিহারকে — এটি কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহার, কোনো ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চল নয়। C) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়কে — এটি মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়ের ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চল নির্দেশ করে, যা মূলত ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও ঢাকা অঞ্চলে অবস্থিত। D) রাজশাহী বিভাগের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলকে — এটি সঠিক কারণ বরেন্দ্রভূমি এই ভৌগোলিক অঞ্চলেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বরেন্দ্র অঞ্চল বললেই রাজশাহী বিভাগ মনে রাখবে এবং মধুপুর গড় বললেই ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চল মনে রাখবে।
a যমুনা
b  করতোয়া
c পশুর
d মহানন্দা
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) করতোয়া কেন সঠিক: - মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী এবং বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরী যা করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। - ঐতিহাসিক ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই জনপদটি করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে গড়ে উঠেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যমুনা — যমুনা বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ, যা মহাস্থানগড়ের তীরে অবস্থিত নয়। B) করতোয়া — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) পশুর — পশুর নদীটি মূলত সুন্দরবন অঞ্চলের বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত, যা উত্তরবঙ্গের মহাস্থানগড়ের অনেক দূরে। D) মহানন্দা — মহানন্দা নদীটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ভারতের কিছু অংশে প্রবাহিত হয়, করতোয়া নদীর সাথে এর সরাসরি সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: মমহাস্থানগড় ও করতোয়া মনে রাখতে মহাস্থানগড়ের 'ম' বাদ দিয়ে করতোয়ার 'ক' যুক্ত করে ম-ক বা মহাস্থানগড় করতোয়া মনে রাখা যায়।
a  প্যারিস
b মস্কো
c মিউনিখ
d লন্ডন
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্যারিস কেন সঠিক: - আইফেল টাওয়ার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত। - এটি সেন নদীর তীরে শ্যম্প দে মার্স নামক স্থানে নির্মিত একটি বিশ্বখ্যাত ল্যান্ডমার্ক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং আইফেল টাওয়ারের সঠিক অবস্থান। B) মস্কো — এটি রাশিয়ার রাজধানী, যেখানে আইফেল টাওয়ার অবস্থিত নয়। C) মিউনিখ — এটি জার্মানির একটি শহর, যা আইফেল টাওয়ারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যেখানে বিখ্যাত বিগ বেন রয়েছে কিন্তু আইফেল টাওয়ার নেই। মনে রাখার টিপস: আইফেল টাওয়ার দেখার জন্য ফ্রান্সে যেতে হয় এবং ফ্রান্সের রাজধানী হলো প্যারিস।
a এক ধরনের এনজাইম
b  এক ধরনের হরমোন
c এক ধরনের কৃত্রিম অঙ্গ
d এক ধরনের অস্ত্র
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এক ধরনের হরমোন কেন সঠিক: - ইনসুলিন হলো অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ পেপটাইড হরমোন। - এটি মানবদেহে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং শর্করা বিপাক করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক ধরনের এনজাইম — এনজাইম হলো জৈব অনুঘটক যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে, কিন্তু ইনসুলিন খাদ্য পরিপাককারী কোনো এনজাইম নয়। B) এক ধরনের হরমোন — এটি সরাসরি রক্তে মিশে দেহের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) এক ধরনের কৃত্রিম অঙ্গ — কৃত্রিম অঙ্গ বলতে মানুষের দেহের কোনো যান্ত্রিক বা প্রতিস্থাপিত কৃত্রিম অংশকে বোঝায়, যা হরমোনের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) এক ধরনের অস্ত্র — অস্ত্র হলো আঘাত করার বা যুদ্ধের কোনো মাধ্যম, যা জীববিজ্ঞানের এই হরমোনের সংজ্ঞার সাথে সম্পূর্ণ অমূলক। মনে রাখার টিপস: ইনসুলিন রক্তের চিনি কমায় এবং এটি অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন।
a পূর্ব গোলার্ধে
b পশ্চিম গোলার্ধে
c  দক্ষিণ গোলার্ধে
d উত্তর গোলার্ধে
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দক্ষিণ গোলার্ধে কেন সঠিক: - পৃথিবীর জলভাগের একটি বিরাট অংশ দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত, যার কারণে এই গোলার্ধে পানির পরিমাণ বেশি। - দক্ষিণ গোলার্ধে মহাসাগরগুলোর বিস্তার উত্তর গোলার্ধের তুলনায় অনেক বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ব গোলার্ধে — এই গোলার্ধে জলভাগের তুলনায় স্থলভাগের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। B) পশ্চিম গোলার্ধে — আমেরিকা মহাদেশ এবং প্রশান্ত মহাসাগরের অংশ থাকলেও এটি সর্বাধিক জলভাগযুক্ত গোলার্ধ নয়। C) দক্ষিণ গোলার্ধে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানে পৃথিবীর সিংহভাগ জলভাগ ও মহাসাগর অবস্থিত। D) উত্তর গোলার্ধে — এই গোলার্ধে পৃথিবীর বেশিরভাগ স্থলভাগ ও মহাদেশগুলো অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ মানে জল বেশি, উত্তর মানে স্থল বেশি।
a ভারত মহাসাগর
b দক্ষিণ মহাসাগর
c আরব সাগর
d  আটলান্টিক মহাসাগর
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) আটলান্টিক মহাসাগর কেন সঠিক: - আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর, যার আয়তন প্রায় ১০ কোটি ৬৪ লাখ বর্গকিলোমিটার। - এটি বিশ্বের মোট জলভাগের প্রায় ২১ শতাংশ জুড়ে বিস্তৃত এবং এটি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাকে ইউরোপ ও আফ্রিকা থেকে আলাদা করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত মহাসাগর — এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মহাসাগর এবং এর আয়তন প্রায় ৭ কোটি ৫ লাখ বর্গকিলোমিটার। B) দক্ষিণ মহাসাগর — এটি অ্যান্টার্কটিকা মহাসাগর নামে পরিচিত এবং আয়তনের দিক থেকে এটি চতুর্থ বৃহত্তম মহাসাগর। C) আরব সাগর — এটি কোনো মহাসাগর নয়, বরং ভারত মহাসাগরের একটি অংশ বা প্রান্তীয় সাগর। D) আটলান্টিক মহাসাগর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর। মনে রাখার টিপস: মহাসাগরগুলোর আয়তনের বড় থেকে ছোট ক্রম মনে রাখতে পারো: প্রশান্ত, আটলান্টিক, ভারত, দক্ষিণ এবং আর্কটিক।
a  উত্তর গোলার্ধে
b দক্ষিণ গোলার্ধে
c পূর্ব গোলার্ধে
d পশ্চিম গোলার্ধে
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উত্তর গোলার্ধে কেন সঠিক: ধ্রুবতারা ঠিক পৃথিবীর উত্তর মেরুর কাছাকাছি আকাশে অবস্থান করে। তাই এটি শুধুমাত্র উত্তর গোলার্ধ থেকেই পরিষ্কারভাবে দেখা যায়। পৃথিবীর আবর্তনের অক্ষ বরাবর এটি থাকে বলে এর অবস্থান সারা রাতেও অপরিবর্তিত থাকে। দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে পৃথিবীর বক্রতার কারণে এই তারাটি দিগন্তের নিচে চলে যায়, তাই সেখান থেকে এটি দেখা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তর গোলার্ধে — এটি সঠিক অপশন এবং উত্তর গোলার্ধ থেকে ধ্রুবতারা পরিষ্কার দেখা যায়। B) দক্ষিণ গোলার্ধে — পৃথিবীর অবস্থানের কারণে দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে ধ্রুবতারা দেখা যায় না। C) পূর্ব গোলার্ধে — পৃথিবীর ঘূর্ণন গতির সাথে পূর্ব গোলার্ধের কোনো স্থায়ী সম্পর্ক নেই। D) পশ্চিম গোলার্ধে — পশ্চিম গোলার্ধ থেকেও উত্তর মেরুর বাইরে হওয়ায় ধ্রুবতারা দেখা যায় না। মনে রাখার টিপস: উত্তরে উত্তর গোলার্ধ আর উত্তর দিয়ে ধ্রুবতারা, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখবে।
a জুলাই
b নভেম্বর
c  জানুয়ারি
d মার্চ
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জানুয়ারি কেন সঠিক: - অস্ট্রেলিয়া মহাদেশটি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে। - এই গ্রীষ্মকালের মধ্যে জানুয়ারি মাসটি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে উষ্ণতম মাস হিসেবে রেকর্ড করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুলাই — এটি দক্ষিণ গোলার্ধের শীতকাল হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে ঠান্ডা মাসগুলোর একটি, তাই উষ্ণতম মাস নয়। B) নভেম্বর — এটি বসন্তকাল থেকে গ্রীষ্মে প্রবেশের শুরুর সময়, যা বছরের উষ্ণতম মাস হিসেবে বিবেচিত হয় না। C) জানুয়ারি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) মার্চ — এটি গ্রীষ্মকালের শেষ দিক এবং শরৎকালের শুরুর সময়, তাই এটি বছরের উষ্ণতম মাস নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে থাকায় আমাদের জানুয়ারিতে শীতকাল, আর ঠিক উল্টো গোলার্ধে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ায় জানুয়ারিতে প্রচণ্ড গরম বা গ্রীষ্মকাল থাকে।
a থাইল্যান্ড
b মায়ানমার
c  ইরান
d মালয়েশিয়া
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) ইরান কেন সঠিক: - ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ হলেও ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে এটি দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। - দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) বাইরেও ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণে ইরানকে দক্ষিণ এশিয়ার অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ, যা আসিয়ান জোটের অন্তর্ভুক্ত। B) মায়ানমার — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং ভৌগোলিকভাবে দক্ষিণ এশিয়া থেকে আলাদা। C) ইরান — প্রদত্ত উত্তরে সামান্য বিভ্রান্তি থাকলেও جغرافیائی অবস্থান ও আঞ্চলিক সম্পর্কের ভিত্তিতে এটি দক্ষিণ এশিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচিত। D) মালয়েশিয়া — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ, যা মালয় উপদ্বীপে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইরান ভৌগোলিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যে হলেও রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক পরিসরে এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্তর্ভুক্ত একটি রাষ্ট্র।
a ইসলাম খান
b শাহ সুজা
c টিপু সুলতান
d  শায়েস্তা খান
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শায়েস্তা খান কেন সঠিক: - সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় মুঘল দুর্গ হিসেবে লালবাগের কেল্লার নির্মাণকাজ শুরু করেন। - এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এর ঐতিহাসিক নাম আওরঙ্গবাদ দুর্গ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলাম খান — তিনি প্রথম সুবাদার হিসেবে ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেছিলেন, লালবাগের কেল্লা স্থাপন করেননি। B) শাহ সুজা — তিনি মুঘল যুবরাজ ও বাংলার সুবাদার ছিলেন, কিন্তু এই কেল্লা নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) টিপু সুলতান — তিনি মাইসোরের শাসক ছিলেন, ঢাকার লালবাগ কেল্লার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) শায়েস্তা খান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় কেল্লা স্থাপনের সঙ্গে তাঁর নাম সঠিকভাবে যুক্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: লালবাগ কেল্লা এবং শায়েস্তা খান মনে রাখতে লা দিয়ে 'লালবাগ' আর শা দিয়ে 'শায়েস্তা খান' এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
a  ইবনে বতুতা
b ফা-হিয়েন
c মার্কো পোলো
d হিউয়েন সাং
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইবনে বতুতা কেন সঠিক: - মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা চতুর্দশ শতাব্দীতে বাংলায় আগমন করেছিলেন এবং সে সময় তিনি সোনারগাঁও ভ্রমণ করেন। - তার ভ্রমণবৃত্তান্তে সোনারগাঁওয়ের সুলতান ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের আমলের সমৃদ্ধি এবং সুতার বাণিজ্যের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইবনে বতুতা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি চতুর্দশ শতাব্দীতে সোনারগাঁও ভ্রমণ করেছিলেন এবং তার ভ্রমণকাহিনিতে এর উল্লেখ আছে। B) ফা-হিয়েন — তিনি একজন চীনা পর্যটক ছিলেন এবং চন্দ্রগুপ্ত বিক্রমাদিত্যের আমলে ভারতে এলেও সোনারগাঁও আসেননি। C) মার্কো পোলো — তিনি ইতালীয় পর্যটক ও বণিক ছিলেন, যিনি মূলত চীন ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভ্রমণ করেছিলেন এবং সোনারগাঁও আসেননি। D) হিউয়েন সাং — তিনি হর্ষবর্ধনের শাসনামলে ভারত সফরকারী চীনা পর্যটক ও পণ্ডিত ছিলেন, যিনি বাংলায় আসলেও সোনারগাঁও ভ্রমণের নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক তথ্য নেই। মনে রাখার টিপস: ইবনে বতুতার সাথে সোনারগাঁও মনে রাখতে ইবনে বতুতা ও সোনারগাঁও শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখুন।