কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (69)

a জ্ঞানদাস
b বিদ্যাপতি
c চণ্ডীদাস
d গোবিন্দদাস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জ্ঞানদাস ১. কেন সঠিক: 'সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু অনলে পুড়িয়া গেল' পদটি বাংলা পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি জ্ঞানদাসের রচনা। এই পদের মাধ্যমে কবি মানবজীবনের চিরন্তন দুঃখ, অতৃপ্তি এবং প্রেমের গভীর বেদনা অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জ্ঞানদাস মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যের একজন অন্যতম প্রধান কবি এবং চণ্ডীদাসের ভাবশিষ্য হিসেবে পরিচিত। তিনি শ্রীখণ্ডে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর পদগুলোতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের মাধ্যমে মানুষের আত্মিক ও লৌকিক বেদনার রূপায়ন ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপ লাগি আঁখি ঝুরে গুণে মন বিভোর। ব্যাখ্যা: এটি কবি জ্ঞানদাসের লেখা অপর একটি বিখ্যাত পদ, যা রাধার আকুলতা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: কে বা শুনাইল শ্যাম নাম। ব্যাখ্যা: এটিও জ্ঞানদাসের রচিত বিখ্যাত পদ যেখানে নামের মাধুর্য ও তার প্রভাব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞানদাস - এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত পদটি কবি জ্ঞানদাসেরই রচনা। B) বিদ্যাপতি - বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করেছেন, তবে এই পদটি তাঁর নয়। C) চণ্ডীদাস - চণ্ডীদাস মধ্যযুগের আদি পদের কবি হলেও এই নির্দিষ্ট পদটির রচয়িতা চণ্ডীদাস নন। D) গোবিন্দদাস - গোবিন্দদাস কবিরাজ ব্রজবুলি ভাষায় অনেক পদ রচনা করলেও এই পদটি তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জ্ঞানদাসের পদ মানেই ঘর বাঁধা ও অনলে পোড়ার তীব্র বেদনার প্রকাশ। পরীক্ষায় এই লাইনটি দেখলে চোখ বন্ধ করে জ্ঞানদাস দাগাতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির কবিদের মধ্যে জ্ঞানদাস ও চণ্ডীদাসের পদের মিল থাকায় প্রায়ই কনফিউশন হয়। চণ্ডীদাসের পদের মূল সুর সহজ সরল প্রেম হলেও জ্ঞানদাসের পদে আবেগের গভীরতা ও বেদনার রূপায়ন বেশি থাকে।
a চণ্ডীদাস
b কাজী নজরুল ইসলাম
c বিদ্যাপতি
d রবীন্দ্রনাথ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিদ্যাপতি ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পদটি মধ্যযুগের পদাবলী সাহিত্যের অমর সৃষ্টি এবং এর রচয়িতা মৈথিল কোকিল কবি বিদ্যাপতি। - বারিষার দিনে প্রিয়ার বিরহকাতরতা এবং শূন্য গৃহের বেদনা এই পদের মূল ভাব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করলেও বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীতে তার স্থান অত্যন্ত উচ্চে। - মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা ও বিরহ ভাব এই পদের প্রধান বিষয়বস্তু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সজনি কি পুছসি অনুভব মোয়। ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাপতির আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত পদ। উদাহরণ ২: কে ন দেল বর কানাই। ব্যাখ্যা: এটিও বিদ্যাপতির বিরহ ও প্রেম বিষয়ক একটি বিখ্যাত পদাবলী রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই পদের রচয়িতা নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক যুগের বিদ্রোহী কবি এবং এই প্রাচীন পদের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। C) বিদ্যাপতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা পদাবলীতে বিশেষভাবে সমাদৃত। D) রবীন্দ্রনাথ — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আধুনিক যুগের শ্রেষ্ঠ কবি ও ঔপন্যাসিক, তিনি মধ্যযুগের এই পদের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাদর বা বৃষ্টির দিনের বিরহ সম্পর্কিত এই বিখ্যাত পদের রচয়িতা বিদ্যাপতি মনে রাখবে। - বিদ্যাপতিকে মৈথিল কোকিল বলা হয় এবং তার পদগুলো ব্রজবুলি ভাষায় রচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের পদাবলীর বিখ্যাত লাইন প্রায়ই আসে। - কবি বিদ্যাপতি কোন ভাষার কবি এবং তার উপাধি কী, তা পরীক্ষার্থীদের ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বিষণ্ণ
b বিষাদ
c প্রচ্ছন্ন
d নিন্দিত
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিন্দিত ১. কেন সঠিক: - 'নন্দিত' শব্দের অর্থ আনন্দিত, প্রশংসিত বা সমাদৃত। এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'নিন্দিত' শব্দটি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দার্থ এবং বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত উৎসের শব্দগুলোর সঠিক বিপরীত রূপ চিহ্নিত করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস এবং ভাবার্থ বিবেচনা করতে হয়। তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। - 'নন্দিত' একটি বিশেষণ পদ, যার মূল ধাতু বা প্রত্যয়গত অর্থ প্রশংসার সঙ্গে যুক্ত। এর বিপরীতার্থক হিসেবে নিন্দার ভাব প্রকাশকারী 'নিন্দিত' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞ - অকৃতজ্ঞ ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপকার স্বীকারকারী এবং এর বিপরীত হলো যে উপকার স্বীকার করে না অর্থাৎ অকৃতজ্ঞ। উদাহরণ ২: সঞ্চয় - অপচয় ব্যাখ্যা: সঞ্চয় শব্দের অর্থ জমানো এবং এর বিপরীত হলো অতিরিক্ত খরচ করা বা অপচয় করা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষণ্ণ - বিষণ্ণ শব্দের অর্থ মলিন বা মন খারাপ করা, যা নন্দিত শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়। B) বিষাদ - বিষাদ হলো বিশেষ্য পদ যার অর্থ দুঃখ বা বেদনা, অথচ নন্দিত একটি বিশেষণ পদ। C) প্রচ্ছন্ন - প্রচ্ছন্ন শব্দের অর্থ লুক্কায়িত বা গুপ্ত, যার সঙ্গে নন্দিত শব্দের কোনো বিপরীত সম্পর্ক নেই। D) নিন্দিত - এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নন্দিত শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ন দিয়ে শুরু শব্দগুলোর ক্ষেত্রে প্রশংসাবাচক হলে 'নন্দিত' এবং তার বিপরীত হিসেবে নিন্দাবাচক 'নিন্দিত' জোড়াটি মনে রাখা সহজ। - পরীক্ষার হলে শব্দের অর্থ আগে খাতায় লিখে বিপরীত ভাবটি চিন্তা করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয়যুক্ত শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের পদের ধরন অর্থাৎ বিশেষ্য বা বিশেষণ রূপ খেয়াল রেখে বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করতে হয়।
a শূণ্য
b ত্রিভুজ
c পূন্য
d ভূবন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ত্রিভুজ ১. কেন সঠিক: ত্রিভুজ শব্দটিতে ত্রিন এবং ভুজ যুক্ত হয়েছে এবং এর বানান সম্পূর্ণ প্রমিত বাংলা একাডেমি নিয়ম মেনে লেখা হয়েছে। বাংলা বানানে ই-কার ব্যবহারের সঠিক নিয়মের কারণে এই শব্দটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী অতৎসম বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। ত্রিভুজ একটি তৎসম শব্দ যেখানে ত্রিন উপসর্গ বা শব্দের শুরুতে ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্রিভুজ ব্যাখ্যা: এটি সঠিক বানানের একটি শব্দ যেখানে প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ত্রিদেশীয় ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূণ্য - এই বানানটি ভুল কারণ শূন্য শব্দে দীর্ঘ ঊ-কার হয় না, রস উ-কার ব্যবহার করতে হয়। B) ত্রিভুজ - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি প্রমিত বানানরীতি মেনে লেখা হয়েছে। C) পূন্য - এই বানানটি ভুল কারণ পুণ্য শব্দে মূর্ধন্য ণ এবং রস উ-কার ব্যবহার করতে হয়। D) ভূবন - এই বানানটি ভুল কারণ ভবন বা ভুবন শব্দে দীর্ঘ ঊ-কার হয় না, রস উ-কার হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শূন্য এবং পুণ্য শব্দে সবসময় রস উ-কার এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করতে হয়। ত্রিভুজ শব্দটি লেখার সময় প্রমিত নিয়ম মনে রাখতে হবে যে এখানে রস ই-কার ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শূণ্য, পূন্য ও ভূবন এর মতো ভুল বানানগুলো অপশনে দেওয়া হয়। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
a বিশেষণ
b সর্বনাম
c বিশেষ্য
d অব্যয়
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ব্যবহৃত 'সৌন্দর্য' শব্দটি কোনো গুণের নাম বোঝাচ্ছে এবং এটি বাক্যের উদ্দেশ্য বা কর্তা হিসেবে কাজ করেছে। - কোনো কিছুর নাম (ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, গুণ বা ভাব) বোঝানোর কারণে এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব বা গুণের নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য পদ বলে। - গুণবাচক বিশেষ্য বলতে কোনো বস্তু বা ব্যক্তির দোষ বা গুণের নামকে বোঝায়, যেমন সৌন্দর্য, মধুরতা, সততা ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সততা মানুষের সবচেয়ে বড় গুণ। ব্যাখ্যা: এখানে 'সততা' একটি গুণের নাম হওয়ায় এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: শৈশব মানুষের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়। ব্যাখ্যা: এখানে 'শৈশব' একটি অবস্থার নাম বোঝানোর কারণে বিশেষ্য পদ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণ — বিশেষণ পদ সাধারণত বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, কিন্তু 'সৌন্দর্য' নিজেই একটি নাম। B) সর্বনাম — সর্বনাম পদ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'সৌন্দর্য' কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি বরং এটি নিজেই একটি নাম। C) বিশেষ্য — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রদত্ত বাক্যের চাহিদা পূরণ করে। D) অব্যয় — অব্যয় পদের কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর হয় না এবং এটি পদগুলোকে সংযুক্ত করে, কিন্তু 'সৌন্দর্য' একটি পরিবর্তনশীল নামবাচক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের শেষে তা, ত্ব, ইমা, য প্রত্যয় যুক্ত থাকলে সাধারণত তা ভাববাচক বা গুণবাচক বিশেষ্য হয়। - সুন্দর হলো বিশেষণ, আর তার নাম হলো সৌন্দর্য যা বিশেষ্য পদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রূপ পরিবর্তন করে পদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য বুঝতে শব্দের মূল রূপ এবং বাক্যে তার ব্যবহার লক্ষ করতে হবে।
a পর্তুগিজ
b জাপানি
c রুশ
d চীনা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - 'চাবি', 'জানালা', 'বালতি' শব্দগুলো পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - পর্তুগিজরা দীর্ঘদিন বাংলা অঞ্চলে ব্যবসা ও শাসনকার্য পরিচালনা করায় তাদের ভাষা থেকে বহু শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়েকটি প্রধান শ্রেণিতে ভাগ করা হয় যার মধ্যে বিদেশি শব্দ অন্যতম। - পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা শব্দগুলো সাধারণত দৈনন্দিন ব্যবহৃত বিভিন্ন গৃহস্থালি, ধর্মানুষ্ঠান ও প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনারস ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দ যা আমরা ফল বোঝাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করি। উদাহরণ ২: পাদ্রী ব্যাখ্যা: এটি খ্রিস্টধর্মের যাজক বোঝাতে ব্যবহৃত একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — এটি সঠিক কারণ চাবি, জানালা ও বালতি শব্দগুলো পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে। B) জাপানি — জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় খুব কম শব্দ এসেছে এবং এগুলোর মধ্যে চাবি, জানালা বা বালতি নেই। C) রুশ — রুশ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় সরাসরি তেমন শব্দ প্রবেশ করেনি যা এই শব্দগুলোর সঙ্গে মেলে। D) চীনা — চীনা ভাষা থেকে আসা শব্দের মধ্যে প্রধানত চা ও চিনি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার জন্য গৃহস্থালি ও খাবারের নামগুলো একসঙ্গে চর্চা করতে পারো। - যেমন গিন্নি, কামরা, চাবি, জানালা, বালতি, আনারস, পেঁপে একসঙ্গে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পর্তুগিজ ও আরবি-ফার্সি শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a করণ
b অধিকরণ
c অপাদান
d কর্ম
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) করণ ১. কেন সঠিক: - ক্রিয়ার সম্পাদনের মাধ্যম, সহায়ক বা উপায়কে ব্যাকরণে করণ কারক বলা হয়। - এখানে 'জ্ঞান' হলো আনন্দ লাভের মাধ্যম বা সহায়ক বিষয়, তাই এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহার। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে সম্পন্ন করা হয় তা দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে করণ কারক বলে। - করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সাহায্য বা উপায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মা ব্লেড দিয়ে ফল কাটছেন। ব্যাখ্যা: এখানে ফল কাটার যন্ত্র বা মাধ্যম হলো ব্লেড, তাই ব্লেড শব্দটিতে করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি রয়েছে। উদাহরণ ২: টাকায় কি না হয়। ব্যাখ্যা: এখানে কাজ সম্পন্ন হওয়ার উপায় হলো টাকা, তাই টাকা শব্দটি করণ কারক নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ জ্ঞান হলো আনন্দ লাভের মাধ্যম। B) অধিকরণ — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অপাদান — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীতি বা রক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে, যা এখানে নেই। D) কর্ম — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, কিন্তু এখানে জ্ঞান কর্ম নয় বরং মাধ্যম। ৫. মনে রাখার টিপস: - কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করে যদি উত্তর পাওয়া যায়, তবে চোখ বুজে তাকে করণ কারক বলে চিহ্নিত করবে। - মাধ্যম বা সহায়িকা বোঝালে করণ কারক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য বাক্যের ক্রিয়াপদকে কে, কী, কোথায়, কীভাবে ইত্যাদি প্রশ্ন করে সঠিক কারক বের করতে হয়। - বিমূর্ত বিষয় যেমন জ্ঞান, বুদ্ধি বা সাধনাও অনেক সময় বাক্যে করণের ভূমিকা পালন করতে পারে।
a মহান যে নদী
b মহৎ যে নদী
c মহা যে নদী
d মহীয়সী যে নদী
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহান যে নদী ১. কেন সঠিক: - 'মহানদী' শব্দটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্গত যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণ মিলে একটি পদ গঠিত হয়েছে। - নদী বিশেষ্য পদের পূর্বে 'মহান' বিশেষণটি বসে বিশেষায়িত করায় এর ব্যাসবাক্য মহান যে নদী হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন ঘটে এবং বিশেষণটি পূর্বে বসে তাকে সাধারণ কর্মধারয় সমাস বলে। - এখানে 'মহৎ' বা 'মহা' না বসে নদী পদের পূর্বে 'মহান' বিশেষণটি ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী যথাযথভাবে প্রযুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাপুরুষ ব্যাখ্যা: মহান যে পুরুষ, এটিও কর্মধারয় সমাসের একটি সাধারণ উদাহরণ যেখানে বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যের সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: মহর্ষি ব্যাখ্যা: মহান যে ঋষি, এই শব্দটিও মহান পদের সাথে বিশেষ্য পদের মিলনে কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহান যে নদী — এটি সঠিক কারণ নদীর ক্ষেত্রে বিশেষণের সঠিক রূপ মহান ব্যবহৃত হয়। B) মহৎ যে নদী — মহৎ শব্দ মানুষের গুণ বা স্বভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ভৌগোলিক বা প্রাকৃতিক নদীর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। C) মহা যে নদী — মহা শব্দটি সমাসের পূর্বে যুক্ত হয়ে উপসর্গ বা ভিন্ন রূপ তৈরি করে, কিন্তু এখানে ব্যাকরণগতভাবে মহান রূপটি সঠিক। D) মহীয়সী যে নদী — মহীয়সী শব্দটি কেবল নারী বা নারীর গুণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, নদীর ক্ষেত্রে এটি সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: নদী শব্দের ক্ষেত্রে সবসময় মহান বিশেষণ ব্যবহার করে ব্যাসবাক্য করতে হবে। মানুষের গুণের ক্ষেত্রে মহৎ এবং নারীর ক্ষেত্রে মহীয়সী ব্যবহার করতে হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই এমন প্রশ্ন আসে যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের সঠিক রূপ নির্ধারণ করতে হয়। শব্দের প্রকৃতি বুঝে বিশেষণ নির্বাচন করতে হবে।
a অব্যয় ও শব্দাংশ
b উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে
c ভিন্ন অর্থ প্রকাশ
d নতুন শব্দ গঠন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে ১. কেন সঠিক: উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ই শব্দগঠনের অংশ হলেও এদের অবস্থানের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। উপসর্গ সবসময় মূল শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বা সামনে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে, আর প্রত্যয় বসে মূল শব্দ বা ধাতুর পরে বা পিছনে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: উপসর্গ হলো কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে অর্থের পরিবর্তন বা সংকোচন ঘটায়। পক্ষান্তরে, প্রত্যয় হলো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন পদ বা শব্দ গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার। ব্যাখ্যা: এখানে প্র হলো উপসর্গ যা হার শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: চল্ + আ = চলা। ব্যাখ্যা: এখানে আ হলো প্রত্যয় যা চল্ ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয় ও শব্দাংশ — উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ই শব্দাংশ হলেও এই বৈশিষ্ট্য তাদের অবস্থানের পার্থক্য নির্দেশ করে না। C) ভিন্ন অর্থ প্রকাশ — নতুন শব্দ গঠনে উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ই ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, যা তাদের মূল অবস্থানের পার্থক্য বোঝায় না। D) নতুন শব্দ গঠন — উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ের কাজই নতুন শব্দ গঠন করা, তাই এটি তাদের পারস্পরিক পার্থক্যের মাপকাঠি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: উপসর্গ শব্দটির শুরুতে উ আছে যার অর্থ উপরে বা সামনে, তাই উপসর্গ থাকে সামনে। অন্যদিকে প্রত্যয়ের প দিয়ে পিছন মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয়ের অবস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই সামনে বসার জন্য উপসর্গ এবং পরে বসার জন্য প্রত্যয় এই মূল সূত্রটি মনে রাখা জরুরি।
a ক্ষুৎ+আর্ত
b ক্ষুধা +আর্ত
c ক্ষুধা + ঋত
d ক্ষুধ+ আর্ত
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুধা + ঋত ১. কেন সঠিক: - ক্ষুধার্থ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো ক্ষুধা যোগ ঋত, যা স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে। - এখানে প্রথম পদের শেষে থাকা আ স্বরধ্বনির সঙ্গে দ্বিতীয় পদের শুরুতে থাকা ঋ স্বরধ্বনি মিলিত হয়ে অর্ হয়ে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংস্করণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ এর পর ঋ থাকলে উভয় মিলে অর্ হয় এবং তা পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। - ক্ষুধ শব্দের অন্তে থাকা আ এবং ঋত শব্দের ঋ মিলে অর্ বা রফলা সৃষ্টি করে শব্দটি ক্ষুধার্থ রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহা যোগ ঋষি = মহর্ষি ব্যাখ্যা: এখানে আ এর পর ঋ যুক্ত হয়ে অর্ গঠিত হয়েছে, যা একই সন্ধিনিয়মের আওতাভুক্ত। উদাহরণ ২: রাজা যোগ ঋষি = রাজর্ষি ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়মে আ এবং ঋ মিলে অর্ ধ্বনির সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষুৎ+আর্ত — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হতে পারে, কিন্তু ক্ষুধার্থ শব্দের প্রমিত সন্ধি বিচ্ছেদ এটি নয়। B) ক্ষুধা +আর্ত — এই অপশনে আ এর পরে আ যুক্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা ক্ষুধার্থ শব্দের ব্যাকরণিক গঠনের সঙ্গে মেলে না। D) ক্ষুধ+ আর্ত — এই অপশনে সঠিক মূল শব্দ বা প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়নি, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অর্ বা রফলাযুক্ত সন্ধির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দ হিসেবে ঋত বা ঋষি থাকলে প্রথম শব্দে আ বা অ থাকে। - ক্ষুধার্থ শব্দটি দেখলে সবসময় ক্ষুধা এবং ঋত এই দুটি অংশ আলাদা করার অভ্যাস করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে। - নিয়মের ব্যতিক্রম বা বিশেষ স্বরসন্ধিগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই নম্বর পাওয়া সম্ভব।
a শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c বিহারীলাল
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'পোস্টমাস্টার' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প যার রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - এই গল্পে গ্রামীণ বাংলার একাকী পোস্টমাস্টার এবং পিতৃহীন অনাথ গ্রাম্য কিশোরী রতনের মধ্যকার আকুল সম্পর্ক ও বেদনাবোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর হাত ধরেই বাংলা ছোটগল্প পূর্ণতা লাভ করে। - 'পোস্টমাস্টার' গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'গল্পগুচ্ছ' গ্রন্থের প্রথম খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি ১৮৯১ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'জীবিত ও মৃত' ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা 'গল্পগুচ্ছ' সংকলনে স্থান পেয়েছে। উদাহরণ ২: 'কাবুলিওয়ালা' ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিশ্বখ্যাত ছোটগল্প যা পিতা ও কন্যার সম্পর্কের গভীরতা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের এক জাদুকর এবং সমাজবাস্তবতার লেখক হলেও 'পোস্টমাস্টার' গল্পটির রচয়িতা নন। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং রোমান্টিক ও ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, তবে ছোটগল্প রচনায় তাঁর অবদান নেই। C) বিহারীলাল — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট গীতিকবি ও ভোরের পাখি নামে পরিচিত, যিনি ছোটগল্পের জন্য পরিচিত নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ছোটগল্পটি তাঁরই সৃষ্টি। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প মানেই 'গল্পগুচ্ছ'। পোস্টমাস্টার রতন চরিত্রটি মনে রাখলেই রবীন্দ্রনাথের নাম মনে আসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'গল্পগুচ্ছ' বা রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই রবীন্দ্রনাথের প্রধান ছোটগল্পগুলোর নাম মনে রাখা জরুরি।
a একাত্তরের দিনগুলি
b নূরলদীনের সারাজীবন
c এইসব দিনরাত্রি
d সৎ মানুষের খোঁজে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একাত্তরের দিনগুলি কেন সঠিক: - এটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দিনলিপি বা স্মৃতিকথা। - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের বাস্তব দলিল এই গ্রন্থটি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার মধ্যে দিনলিপি সাহিত্য হিসেবে এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। - শহীদ জুয়েল ও রুমীর মা জাহানারা ইমাম অত্যন্ত আবেগ ও সত্যনিষ্ঠার সঙ্গে যুদ্ধের দিনগুলো এতে লিপিবদ্ধ করেছেন। - এই গ্রন্থে একজন সাধারণ মায়ের চোখে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতার চিত্র ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - B) নূরলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা একটি ঐতিহাসিক পদাতিক নাটক, যা ব্রিটিশ বিরোধী কৃষক বিদ্রোহ নিয়ে রচিত। - C) এইসব দিনরাত্রি — এটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস, যা মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবনের সুখ-দুঃখ নিয়ে রচিত। - D) সৎ মানুষের খোঁজে — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি বিখ্যাত নাটক নয়, বরং এটি সৈয়দ শামসুল হক বা অন্য লেখকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা নয়। মনে রাখার টিপস: - জাহানারা ইমাম মানেই একাত্তরের দিনগুলি এবং একাত্তর মানেই মুক্তিযুদ্ধ।
a সূর্য
b যুদ্ধক্ষেত্র
c সৈনিক
d সমুদ্র
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৈনিক ১. কেন সঠিক: - 'অনীক' একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার প্রমিত অর্থ হলো সৈন্য, সৈনিক বা যোদ্ধা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও অর্থ নির্ণয় থেকে প্রায়ই এমন প্রশ্ন আসে যা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের অন্তর্গত একটি বিশেষ্য পদ যা কোনো ব্যক্তি বা সৈন্যদলকে নির্দেশ করে। - সংস্কৃত অভিধান অনুযায়ী অনীক শব্দের নানা অর্থ থাকলেও বাংলা ব্যাকরণে এটি মূলত সৈনিক বা সৈন্য অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনীক দল সমরে জয়ী হলো। ব্যাখ্যা: এখানে অনীক শব্দ দ্বারা সৈনিকদের নিয়ে গঠিত দল বা বাহিনীকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: অনীক শব্দের বহুবাচক রূপ হলো অনীকবৃন্দ। ব্যাখ্যা: বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে বৃন্দ যোগ করে বহুবচন গঠন করার এটি একটি প্রমিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সূর্য — সূর্যের সমার্থক শব্দ হলো রবি, ভাস্কর, দিবাকর, যা অনীক শব্দের অর্থ নয়। B) যুদ্ধক্ষেত্র — যুদ্ধক্ষেত্র বা রণক্ষেত্র বলতে যুদ্ধের স্থানকে বোঝায়, যা কোনো ব্যক্তি বা সৈনিক নয়। C) সৈনিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ অনীক শব্দের সরাসরি অর্থ সৈনিক বা সৈন্য। D) সমুদ্র — সমুদ্রের সমার্থক শব্দ হলো পারাবার, অর্ণব, রত্নাকর, যার সঙ্গে অনীক শব্দের কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনীক মানে সৈনিক বা যোদ্ধা, এটি মনে রাখার জন্য অনীক ও সৈনিক শব্দের শেষ ধ্বনির মিল খেয়াল রাখতে পারো। - পরীক্ষায় শব্দের অর্থ মনে রাখতে উৎস শব্দ এবং তার প্রমিত রূপ বারবার চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয় করার জন্য প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্য নেওয়া জরুরি। - সমার্থক শব্দ ও শব্দের অর্থ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব।
a লায়লী-মজনু
b ইউসুফ জোলেখা
c চন্দ্রাবতী
d পদ্মাবতী
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইউসুফ জোলেখা ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম প্রণয়োপাখ্যান বা রোমান্টিক কাব্য হলো শাহ মোহাম্মদ সগীর রচিত ইউসুফ জোলেখা। সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এই কাব্য রচিত হয় এবং এটি ফার্সি সাহিত্যের কাহিনীর অবলম্বনে বাংলায় অনূদিত বা রচিত প্রথম প্রণয়মূলক কাব্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের দ্বারা রচিত কাব্যগুলোর মধ্যে প্রণয়োপাখ্যান ধারাটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। শাহ মোহাম্মদ সগীর ছিলেন মধ্যযুগের বাংলার প্রথম যুগের কবি যিনি রোমান্টিক ধারার সূচনা করেন এবং তার কাব্যে প্রেম ও আধ্যাত্মিকতার অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউসুফ জোলেখা কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি ফার্সি কবি জামি ও ফেরদৌসীর কাহিনীর আদলে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রণয়োপাখ্যান। উদাহরণ ২: পদ্মাবতী কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি আলাওল রচিত মধ্যযুগের আরেকটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যান যা পরবর্তীতে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লায়লী-মজনু — দৌলত উজির বাহরাম খান এটি রচনা করেন, যা প্রথম প্রণয়োপাখ্যান নয়। B) ইউসুফ জোলেখা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) চন্দ্রাবতী — এটি প্রাক-মধ্যযুগের কবি মল্লুরাম বা অন্য কোনো কবির রচনা হতে পারে, তবে এটি প্রথম প্রণয়োপাখ্যান নয়। D) পদ্মাবতী — এটি সপ্তদশ শতাব্দীতে মহামকবি আলাওল রচনা করেন, যা প্রথম প্রণয়োপাখ্যানের মর্যাদা পায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: শাহ মোহাম্মদ সগীরের ইউসুফ জোলেখা হলো সাহিত্যের ইতিহাসে প্রণয়োপাখ্যানগুলোর মধ্যে প্রথম সৃষ্টি। মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রথম প্রণয় মানেই শাহ মোহাম্মদ সগীরের ইউসুফ জোলেখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের প্রথম প্রণয়োপাখ্যান কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। একইভাবে অন্যান্য প্রণয়োপাখ্যানের রচয়িতাদের নামও ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a নাটক
b পদাবলি
c কাব্য
d পালাগান
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাব্য ১. কেন সঠিক: - 'চন্দ্রাবতী' মূলত একটি দীর্ঘ বর্ণনামূলক কবিতা বা কাব্য, যা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি মল্লিকা সেনগুপ্ত রচনা করেছেন। - এই কাব্যে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি চন্দ্রাবতীর দুঃখময় জীবন, প্রেম এবং সাহিত্যসাধনার করুণ ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মল্লিকা সেনগুপ্ত একজন প্রখ্যাত আধুনিক বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক যিনি নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অনেক কবিতা ও কাব্য রচনা করেছেন। - 'চন্দ্রাবতী' কাব্যটিতে মধ্যযুগের প্রথম বাঙালি নারী কবি চন্দ্রাবতীর কিশোরী জীবনের প্রেম এবং দুঃখের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'মল্লিকা সেনগুপ্তের শ্রেষ্ঠ কবিতা' ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যেখানে তাঁর কাব্যশৈলীর পরিচয় পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: 'মেয়েদের দেশ' ব্যাখ্যা: এটি মল্লিকা সেনগুপ্তের একটি বিখ্যাত নারীবাদী কাব্যগ্রন্থ যা সমাজে নারীর অবস্থান তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — 'চন্দ্রাবতী' কোনো নাটক বা মঞ্চের জন্য রচিত দৃশ্যকাব্য নয়, এটি একটি স্বতন্ত্র কাব্যগ্রন্থ। B) পদাবলি — পদাবলি সাধারণত বৈষ্ণব বা শাক্ত পদ বোঝায়, কিন্তু 'চন্দ্রাবতী' একটি আধুনিক আഖ্য়ান কাব্য। C) কাব্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ মল্লিকা সেনগুপ্ত এটি কাব্য হিসেবে রচনা করেছেন। D) পালাগান — চন্দ্রাবতী পালাগান রচনা করেছিলেন মলুয়া ও দস্যু কেনারামের মনসা মঙ্গল ইত্যাদি, কিন্তু এই নামে কোনো পালাগান নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - মল্লিকা সেনগুপ্তের বিখ্যাত কাব্য মনে রাখার জন্য মনে রাখবে তিনি মধ্যযুগের নারী কবি চন্দ্রাবতীকে নিয়ে একটি বিখ্যাত 'কাব্য' লিখেছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি মল্লিকা সেনগুপ্তের লেখা 'চন্দ্রাবতী' কোন জাতীয় রচনা তা প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের চন্দ্রাবতী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি, আর আধুনিক যুগের কবি মল্লিকা সেনগুপ্ত তাঁকে নিয়ে এই কাব্য রচনা করেছেন।
a আবদুল হাকিম
b অতুল প্রসাদ সেন
c রামনিধি গুপ্ত
d শেখ ফজলল করিম
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামনিধি গুপ্ত ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত পঙ্ক্তিটি বাংলা ভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও দেশপ্রেম প্রকাশ করে এবং এটি বিখ্যাত বাংলা গান বা পদ। - পঙ্ক্তিটির রচয়িতা হিসেবে মধ্যযুগের শেষভাগ ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণের বিশিষ্ট গীতিকার রামনিধি গুপ্ত বা নিধুবাবু সর্বস্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রামনিধি গুপ্ত ছিলেন বাংলা ভাষার আদি খেয়াল গানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচয়িতা এবং টপ্পা গানের প্রবর্তক। - তার রচিত এই পদটিতে মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা এবং নিজস্ব ভাষার গুরুত্ব অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নানা দেশের নানা ভাষা, বিনে স্বদেশি ভাষা, পুরে কি আশা। ব্যাখ্যা: এটি রামনিধি গুপ্তের একটি বিখ্যাত টপ্পা গান, যা মাতৃভাষার মর্যাদাকে তুলে ধরে। উদাহরণ ২: আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা। ব্যাখ্যা: এটি দেশপ্রেমমূলক অন্য একটি বিখ্যাত গান যা স্বদেশপ্রীতির ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল হাকিম — তিনি মধ্যযুগের কবি যিনি বঙ্গবাণী কবিতায় মাতৃভাষার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন কিন্তু এই পঙ্ক্তির রচয়িতা নন। B) অতুল প্রসাদ সেন — তিনি আধুনিক যুগের বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানের রচয়িতা হলেও এই বিশেষ পঙ্ক্তিটি তার লেখা নয়। D) শেখ ফজলল করিম — তিনি একজন সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী ছিলেন, তবে এই পঙ্ক্তিটি তার কোনো রচনা থেকে নেওয়া হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাতৃভাষা নিয়ে নিধুবাবুর গান মনে রাখতে 'নানান দেশের নানান ভাষা' লাইনটি রামনিধি গুপ্তের নামের সঙ্গে মিলিয়ে পড়বে। - টপ্পা গান বললেই রামনিধি গুপ্তের নাম মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব কার্যকর কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত পঙ্ক্তি ও তার রচয়িতা প্রায়ই আসে, তাই পঙ্ক্তি মুখস্থ রাখার বিকল্প নেই। - মাতৃভাষা বিষয়ক অন্যান্য বিখ্যাত পঙ্ক্তিগুলোর রচয়িতাও আলাদা করে পড়ে নিতে হবে।
a মুহসীন কলেজ
b ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
c শ্রীরামপুর মিশন
d সংস্কৃত কলেজ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান সবচেয়ে বেশি কারণ এখানে ভাষা বিভাগ স্থাপন করে পন্ডিতদের দিয়ে সহজ ও সাবলীল বাংলা গদ্য রচনা করানো হয়। ইংরেজ সিভিলিয়ানদের বাংলা শেখানোর জন্য পাঠ্যপুস্তক তৈরির উদ্দেশ্যে ১৮০০ সালের ৪ মে এই কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মাধ্যমেই বাংলা গদ্যের সূচনা ঘটে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি এবং তাঁর নেতৃত্বে রামরাম বসু, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ও গোলকনাথ শর্মার মতো পন্ডিতগণ গদ্য গ্রন্থ রচনা করেন। এই কলেজের পন্ডিতদের হাত ধরেই পদ্যের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলা ভাষা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং আধুনিক গদ্য সাহিত্যের পথ উন্মুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত রামরাম বসু রচিত একটি ঐতিহাসিক ও গদ্য সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: বত্রিশ সিংহাসন ব্যাখ্যা: এটি মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের আমলের একটি বিখ্যাত গদ্য গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহসীন কলেজ — এটি একটি ঐতিহ্যবাহী সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলেও বাংলা গদ্য সাহিত্য বিকাশে এর কোনো সরাসরি ঐতিহাসিক অবদান নেই। B) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ — এটি বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত। C) শ্রীরামপুর মিশন — এটি বাংলা মুদ্রণ ও বাইবেল অনুবাদের জন্য বিখ্যাত হলেও সরকারিভাবে গদ্য বিকাশের মূল কেন্দ্র ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ। D) সংস্কৃত কলেজ — এটি ১৮২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সংস্কৃত চর্চার কেন্দ্র ছিল, যা গদ্য বিকাশের সূচনালগ্ন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: গদ্য মানেই ফোর্ট উইলিয়াম এবং ফোর্ট উইলিয়াম মানেই বাংলা গদ্যের প্রথম পাঠশালা। ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজটি বাংলা গদ্যের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০০ সালে এবং এর বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি। পরীক্ষায় প্রায়ই আসে বাংলা গদ্যের আদি গুরু বা জনক কে, যার উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
a মুনীর চৌধুরী
b মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
c শরৎচন্দ্র
d বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'পদ্মানদীর মাঝি' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। - পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলে সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনযাত্রা, তাদের সুখ, দুঃখ, সংগ্রাম ও মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা এবং মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের অন্যতম কারিগর। - ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে পদ্মা নদীর কূলের জেলেদের জীবন নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুতুলনাচের ইতিকথা ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: দিবারাত্রির কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস যা বাংলা উপন্যাসে নতুন ধারার সূচনা করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, শিক্ষাবিদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবী ছিলেন, তাঁর কোনো উপন্যাস বা 'পদ্মানদীর মাঝি' নামে কোনো রচনা নেই। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর। C) শরৎচন্দ্র — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও 'পদ্মানদীর মাঝি' তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে দেবদাস ও শ্রীকান্ত। D) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি প্রকৃতিপ্রেমী ঔপন্যাসিক হলেও 'পদ্মানদীর মাঝি' তাঁর সৃষ্টি নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে পাণ্ডবঞ্জের পাঁচালী ও অপরাজিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - পদ্মা নদী ও জেলের জীবন নিয়ে লেখা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো 'পদ্মানদীর মাঝি'। - লেখকের নামের প্রথমাংশ 'মানিক' মনে রাখলে নদী ও জেলের জীবনঘনিষ্ঠ এই ক্লাসিক উপন্যাসটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসের রচয়িতা বা প্রকাশকাল জানতে চাওয়া হয়। - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুবেড়, মালা ও কপিলা সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a হুমায়ূন আহমেদ
b বুদ্ধদেব বসু
c তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
d সেলিনা হোসেন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হুমায়ূন আহমেদ কেন সঠিক: ১. 'দেয়াল' হলো জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের লেখা একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা শেষ অসমাপ্ত কাজ হিসেবে পরিচিত। ২. এই উপন্যাসে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী রাজনৈতিক পটভূমি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাসের ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পঠিত সাহিত্যকর্ম। ২. লেখকের জীবনদ্দশায় উপন্যাসটি সম্পূর্ণ প্রকাশিত হতে পারেনি, যা তার মৃত্যুর পর গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণস্বরূপ, এই উপন্যাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তৎকালীন রাজনীতির নানা বাস্তব ঘটনা চরিত্রের মাধ্যমে উঠে এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ূন আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। B) বুদ্ধদেব বসু — তিনি মূলত বিশ শতকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান রূপকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। C) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি গ্রামবাংলার মাটি ও মানুষের জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন। D) সেলিনা হোসেন — তিনি সমসাময়িককালের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর রচিত নয়। মনে রাখার টিপস: ১. শেষ উপন্যাস হিসেবে হুমায়ূন আহমেদের 'দেয়াল' নামটি মনে রাখতে হবে। ২. ঐতিহাসিক পটভূমির উপন্যাস বললেই হুমায়ূন আহমেদের 'দেয়াল' ও 'জননী' জাতীয় রচনা মাথায় রাখতে হবে।
a অগ্নিসাক্ষী
b আরেক ফাল্গুন
c চিলেকোঠার সেপাই
d অনেক সূর্যের আশা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরেক ফাল্গুন ১. কেন সঠিক: - 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলোর একটি, যা ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনাকে ধারণ করে। - জহির রায়হান এই উপন্যাসের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং বন্দিশালার ভেতরের সংগ্রামের এক বাস্তবসম্মত ও আবেগময় চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান ১৯৩৫ সালে ফেনী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। - ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পাশাপাশি আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী স্বরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়, বরং গ্রামীণ সমাজজীবনের এক চিরন্তন দুঃখগাথা নিয়ে রচিত একটি প্রখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের 'জননী' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়, বরং গ্রামীণ মধ্যবিত্ত পরিবারের ভাঙন ও সামাজিক সংকট নিয়ে রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিসাক্ষী — হাসান আজিজুল হকের এই উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়, বরং এটি মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক সংকটের পটভূমিতে রচিত। B) আরেক ফাল্গুন — এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং অন্য অপশনগুলোর মতো ভিন্ন প্রেক্ষাপটে রচিত নয়। C) চিলেকোঠার সেপাই — আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের এই উপন্যাসটি ঊনসত্তরের গণঅভুথান ও ঊনসত্তরের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে রচিত, ভাষা আন্দোলন নিয়ে নয়। D) অনেক সূর্যের আশা — এটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা একটি উপন্যাস যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক, ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলন মানেই জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' এই সূত্রটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজে উত্তর করা সম্ভব। - ফাল্গুন মাসের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা আন্দোলন হয়েছিল, তাই ফাল্গুন শব্দযুক্ত উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জহির রায়হান একাধারে একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলন বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের রচয়িতা প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর নাম নোট করে রাখা জরুরি।
a hung for
b hanged
c hanged for
d hang for
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) hanged for কেন সঠিক: মৃত্যদণ্ড দেওয়া অর্থে hang verb এর পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে hanged বসে। কোন অপরাধের জন্য শাস্তি দেওয়া বোঝালে for প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hung for — এখানে hang এর সঠিক পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করা হয়নি এবং বাক্যটি প্যাসিভ হওয়ায় অতিরিক্ত সাহায্যকারী ভার্ব দরকার ছিল। B) hanged — এখানে সঠিক পাস্ট ফর্ম থাকলেও অপরাধের কারণ বোঝাতে প্রয়োজনীয় for প্রিপজিশনটি বাদ দেওয়া হয়েছে। C) hanged for — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) hang for — এখানে মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে যা বাক্যের অতীত অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: মানুষের ফাঁসি দেওয়া বোঝালে hanged হয় আর কোনো বস্তু ঝোলানো বোঝালে hung হয়।
a Yell
b Sound
c Loudly
d Cry
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Yell কেন সঠিক: scream শব্দটির অর্থ হলো চিৎকার করা বা চেঁচিয়ে ওঠা। yell শব্দটির অর্থও উচ্চস্বরে চিৎকার করা, তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Yell — এটি সঠিক উত্তর। B) Sound — এর অর্থ শব্দ, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। C) Loudly — এটি একটি adverb যার অর্থ উচ্চস্বরে, কিন্তু scream একটি verb। D) Cry — এর অর্থ কান্না করা, যা scream শব্দের সঠিক সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: scream এবং yell দুটি শব্দই তীব্রভাবে চিৎকার করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
a had
b might
c have
d has
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had কেন সঠিক: বাক্যটি থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মে গঠিত হয়েছে যেখানে অতীতের অবাস্তব কল্পনা প্রকাশ করা হয়। এর গঠন হলো পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং পরের অংশে would have এর সাথে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে। তাই শূন্যস্থানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে had বসবে। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় আমি যদি আরও দূরদর্শী হতাম তবে এটি কাজ করতে পারত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had — এটি সঠিক কারণ শূন্যস্থানের পর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল been থাকায় এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স গঠন করতে হয়। B) might — এটি মডাল ভার্ব হওয়ায় এর পর সরাসরি been বসে না এবং থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম এখানে মানা হয় না। C) have — এটি প্রেজেন্ট টেন্স নির্দেশ করে যা অতীতের অবাস্তব ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) has — এটি থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বারের সাথে প্রেজেন্ট টেন্সে বসে যা অতীতের এই বাক্যের সাথে যায় না। মনে রাখার টিপস: would have বা could have এর সাথে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল থাকলে আগের অংশে সবসময় had বসাতে হয়।
a to tell a lie
b to take bribe
c to speak the truth
d of these
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to speak the truth কেন সঠিক: বাক্যটিতে too এবং to যুক্ত negative implication রয়েছে যার অর্থ মানুষটি এতই অসৎ যে সে সত্যি কথা বলতে পারে না। অসৎ মানুষ স্বভাবগতভাবেই সত্য কথা বলা থেকে বিরত থাকে। তাই শূন্যস্থানে সত্য কথা বলার বিষয়টি বসালে অর্থ সম্পূর্ণ ও সঠিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to tell a lie — অসৎ মানুষ মিথ্যা বলতে পারে তাই এই অপশনটি বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) to take bribe — অসৎ মানুষ ঘুষ নিতে পারে তাই এটি বসালে বাক্যটির নেতিবাচক ব্যাকরণগত অর্থ নষ্ট হয়। C) to speak the truth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন নয়। D) of these — যেহেতু একটি অপশন সঠিক তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: too adjective to structure যুক্ত বাক্যের ক্ষেত্রে সাধারণত বিপরীতার্থক বা নেতিবাচক ভালো কাজগুলো বসে।
a Get by heart
b Tried hard
c Go with heart
d of these
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) Tried hard কেন সঠিক: - Tooth and nail একটি ইংরেজি ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ দাঁত ও নখ দিয়ে এবং ভাবার্থ সর্বাত্মক শক্তি দিয়ে চেষ্টা করা। - এই ইডিয়মটি কোনো কাজে সর্বোচ্চ চেষ্টা বা কঠোর লড়াই করার পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Get by heart — এর অর্থ মুখস্থ করা, যা ইডিয়মটির অর্থ বা লড়াই করার ধারণার সঙ্গে মেলে না। B) Tried hard — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ কঠোর চেষ্টা করা যা tooth and nail ইডিয়মটির সমর্থক। C) Go with heart — এর অর্থ আন্তরিকভাবে কিছু করা, যা সর্বাত্মক বা কঠোর প্রচেষ্টার পুরো ভাব প্রকাশ করে না। D) of these — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: দাঁত ও নখ দিয়ে লড়াই করার মতো পরিস্থিতি কল্পনা করলে খুব সহজেই মনে রাখা যায় এর অর্থ হলো কঠোর বা সর্বাত্মক চেষ্টা করা।
a History Book
b Study of Bible
c Collection of books
d Book on
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Collection of books কেন সঠিক: গ্রিক শব্দ বিব্লিওন অর্থ বই এবং গ্রাফিন অর্থ লেখা থেকে এই শব্দটি এসেছে। কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা লেখকের ওপর লেখা বইগুলোর তালিকা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত বইয়ের একটি সংগ্রহ বা তালিকা নির্দেশ করে। গ্রন্থপঞ্জি বোঝাতেও এই শব্দটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) History Book — এটি দ্বারা ইতিহাস বিষয়ক বই বোঝায়, যা বিব্লিওগ্রাফির মূল অর্থের সাথে মেলে না। B) Study of Bible — এটি বাইবেল পাঠ বা অধ্যয়ন সংক্রান্ত বিষয়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। C) Collection of books — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Book on — এটি অসমাপ্ত একটি শব্দগুচ্ছ যার নির্দিষ্ট কোনো অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: বিব্লিও শব্দের অর্থ বই এবং গ্রাফ অর্থ লেখা, তাই বইয়ের তালিকা বা সংগ্রহই হলো Bibliography।
a foreigner
b alien
c expatriate
d patriot
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) expatriate কেন সঠিক: expatriate শব্দটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি নিজের দেশ ছেড়ে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে অন্য কোনো দেশে বসবাস করেন। যেহেতু একজন বাংলাদেশি বর্তমানে কানাডায় বসবাস করছেন, তাই তিনি অভিবাসী বা প্রবাসী হিসেবে এই সংজ্ঞার আওতায় পড়েন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) foreigner — এই শব্দটি সাধারণত এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি একটি নির্দিষ্ট দেশের সাপেক্ষে একজন ভিনদেশি নাগরিক, কিন্তু এটি প্রবাসীর নির্দিষ্ট সামাজিক অবস্থাকে পুরোপুরি প্রকাশ করে না। B) alien — এই শব্দটি আইনি বা বৈজ্ঞানিক অর্থে ভিনগ্রহের প্রাণী কিংবা কোনো দেশের আইনি প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ অনাগরিক বা পরবাসী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) expatriate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) patriot — এই শব্দটির অর্থ দেশপ্রেমিক, যা দেশের প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও ভক্তি প্রকাশ করে, কিন্তু এটি বিদেশে বসবাস করার অবস্থাকে বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: নিজ দেশ ছেড়ে অন্য দেশে বসবাসকারী ব্যক্তিকে প্রবাসী বা expatriate বলা হয়।
a a designer
b an architect
c a builder
d a plumber
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an architect কেন সঠিক: architect শব্দটি বিশেষভাবে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি বাড়ি এবং ভবন নকশা করার পেশাদার কাজ করেন। এটি গৃহনির্মাণ শিল্পের একটি মৌলিক এবং সঠিক পরিভাষা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a designer — এটি যেকোনো ধরনের নকশাকার বোঝাতে পারে, যা নির্দিষ্টভাবে শুধু বাড়ি বোঝায় না। B) an architect — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সরাসরি বাড়ি ও ভবনের নকশাকারকে নির্দেশ করে। C) a builder — এই শব্দটি এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি নকশা অনুযায়ী বাস্তবে বাড়ি নির্মাণ করেন। D) a plumber — এই শব্দটি সেই ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি বাড়ির পাইপলাইন ও জলের কাজ করেন। মনে রাখার টিপস: বিল্ডিং বা বাড়ি তৈরির প্ল্যান বা নকশা যিনি করেন তাকে আর্কিটেক্ট বলা হয়।
a a book
b a law
c an arms factory
d a news
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a law কেন সঠিক: - অর্ডিন্যান্স শব্দের বাংলা অর্থ অধ্যাদেশ, যা কোনো আইনসভা বা সরকারের জারি করা একটি বিশেষ আইন বা আদেশ। - এটি সাধারণত জরুরি পরিস্থিতিতে কার্যকর করা হয় এবং এর আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a book — এর অর্থ একটি বই, যা কোনো পড়ার বা লেখার সামগ্রীকে বোঝায় এবং আইনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) a law — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্ডিন্যান্স বা অধ্যাদেশ হলো এক ধরণের আইন বা বিধি। C) an arms factory — এর অর্থ একটি অস্ত্র কারখানা, যা অস্ত্র উৎপাদনের স্থান এবং শব্দের অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ অমিল। D) a news — এর অর্থ একটি সংবাদ, যা তথ্য পরিবেশন করে কিন্তু কোনো আইন বা বিধান প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: অর্ডিন্যান্স শুনলেই মনে রাখবে এটি একটি আইন বা অধ্যাদেশ।
a integrity
b uprightness
c justice
d bias
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) justice কেন সঠিক: Equity শব্দটির বাংলা অর্থ হলো ন্যায়বিচার বা সমতা যা মূলত সুবিচার নিশ্চিত করার সাথে সরাসরি যুক্ত। অপশন সি-তে থাকা justice শব্দটির অর্থও ন্যায়বিচার বা সুবিচার বোঝায়। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় একই রকম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) integrity — এই শব্দটির অর্থ হলো সততা বা নৈতিক দৃঢ়তা, যা ইক্যুইটি শব্দের সঠিক সমার্থক নয়। B) uprightness — এই শব্দটির অর্থ হলো ঋজুতা বা সাধুতা, যা ন্যায়বিচারের সমার্থক হিসেবে পুরোপুরি মেলে না। C) justice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হয়নি। D) bias — এই শব্দটির অর্থ হলো পক্ষপাতিত্ব, যা ন্যায়বিচারের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি ধারণা। মনে রাখার টিপস: Equity এবং Justice উভয় শব্দই সমাজ ও আইনের ক্ষেত্রে সমান অধিকার ও ন্যায়বিচার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a civil
b confuse
c rude
d courteous
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) rude কেন সঠিক: - polite শব্দের অর্থ ভদ্র বা মার্জিত, আর rude শব্দের অর্থ অসভ্য বা অভদ্র। - বিপরীতার্থক শব্দ বা অ্যান্টনিমের ক্ষেত্রে polite এর সঠিক উল্টো শব্দ হলো rude। বাকি অপশন কেন ভুল: A) civil — এই শব্দটির অর্থ নাগরিক বা শিষ্ট, যা polite শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) confuse — এই শব্দটির অর্থ বিভ্রান্ত করা, যা polite শব্দের বিপরীতার্থক নয় এবং এর সাথে প্রাসঙ্গিকও নয়। C) rude — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অভদ্র, যা ভদ্র শব্দের সরাসরি বিপরীত। D) courteous — এই শব্দটির অর্থ বিনয়ী বা ভদ্র, যা polite শব্দের একটি সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Polite মানুষ সবসময় হাসিমুখে কথা বলে, আর Rude মানুষ রাগী ও অভদ্র আচরণ করে।
a to
b after
c with
d within
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: 'Adjacent' শব্দটির অর্থ সংলগ্ন বা পাশাপাশি অবস্থান বোঝায়। এর পরে সবসময় সঠিক preposition হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর এবং সঠিক preposition। B) after — এটি পরে বোঝাতে বসে, যা এই শব্দের সাথে সঠিক নয়। C) with — এটি সাথে বোঝাতে বসে, যা এখানে ব্যবহার করা নিয়মবহির্ভূত। D) within — এটি ভেতরে বোঝাতে বসে, যা এই শব্দটির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Adjacent শব্দটি দেখলে সবসময় মনে রাখবে এর সাথে 'to' যুক্ত হয়।
a philanthropist
b Humanitarian
c Misanthropist
d hatred
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Misanthropist কেন সঠিক: Misanthropist শব্দটি দুটি অংশ নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে 'mis' অর্থ ঘৃণা করা এবং 'anthrop' অর্থ মানবজাতি। তাই এককথায় মানবজাতি বিদ্বেষী বা মানবহাতে মানুষকে ঘৃণা করে এমন ব্যক্তিকে Misanthropist বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Philanthropist — এই শব্দটির অর্থ মানবহিতৈষী বা দানশীল ব্যক্তি, যা মানবপ্রেমিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি মানবদ্বেষীর বিপরীতার্থক। B) Humanitarian — এই শব্দটির অর্থ মানবতাবাদী, যিনি মানুষের কল্যাণ ও অধিকার নিয়ে কাজ করেন এবং এটি ক্ষতিকর বা ঘৃণাপূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করে না। C) Misanthropist — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হচ্ছে না। D) Hatred — এটি একটি সাধারণ বিশেষ্য পদ যার অর্থ ঘৃণা, কিন্তু এটি কোনো ব্যক্তিকে নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: গ্রিক শব্দ 'miso' অর্থ ঘৃণা এবং 'anthropos' অর্থ মানুষ, এই দুটি যুক্ত হয়ে মানুষের প্রতি ঘৃণা বোঝাতে Misanthropist শব্দটি তৈরি হয়েছে।
a George Bernard Shaw
b William Shakespeare
c T.S. Eliot
d Christopher Marlowe
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Shakespeare কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়র ষোল ও সতেরো শতকের একজন বিখ্যাত ইংরেজি নাট্যকার ও কবি। তাঁর রচিত এই নাটকটি বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কমেডি হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত। এটি শেক্সপিয়রের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নাটক। নাটকটি মঞ্চায়নের দিক থেকেও বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) George Bernard Shaw — তিনি আধুনিক যুগের একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ছিলেন যিনি এই নাটকটি লেখেননি। B) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) T.S. Eliot — তিনি বিশ শতকের একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও সমালোচক ছিলেন যিনি এই নাটকটির রচয়িতা নন। D) Christopher Marlowe — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের একজন বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন যিনি অন্য নাটক রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটকগুলোর নামের সাথে 'The Merchant of Venice' নামটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a Foxen
b Vixen
c Female fox
d der
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Vixen কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরুষবাচক শব্দ Fox এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো Vixen। - এটি জেন্ডার পরিবর্তনের একটি ব্যতিক্রমধর্মী নিয়ম যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Foxen — এই শব্দটির ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো অস্তিত্ব নেই বা এটি ভুল রূপ। B) Vixen — এটি Fox শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ এবং প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর। C) Female fox — এটি ব্যাকরণগত সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ নয়, কারণ পশুর ক্ষেত্রে সরাসরি নির্দিষ্ট জেন্ডার পরিবর্তনকারী শব্দ ব্যবহৃত হয়। D) der — এটি একটি অসম্পূর্ণ বা অর্থহীন অপশন যা এই প্রশ্নের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Fox শব্দের শেষে ixon বা en না বসে Vixen হয়, এটি মনে রাখতে F এর জায়গায় V বসিয়ে Vixen পড়ার অভ্যাস করুন।
a a
b e
c o
d y
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) y কেন সঠিক: ইংরেজিতে স্বরবর্ণ বা ভাওয়েল মূলত পাঁচটি অর্থাৎ এ, ই, আই, ও এবং ইউ। তাই ওয়াই অক্ষরটি কোনো মৌলিক ভাওয়েল নয় বরং এটি একটি সেমি-ভাওয়েল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি একটি নির্দিষ্ট এবং প্রাথমিক ভাওয়েল যা সঠিক উত্তরের বাইরে। B) e — এটিও ইংরেজি বর্ণমালার একটি মূল ভাওয়েল হওয়ার কারণে ভুল। C) o — এটি ভাওয়েলের অন্তর্ভুক্ত থাকায় প্রশ্নানুযায়ী এটি সঠিক নয়। D) y — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কনসোনেন্ট হিসেবে গণ্য হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বর্ণমালায় এ, ই, আই, ও, ইউ ছাড়া বাকি সব বর্ণই কনসোনেন্ট।
a Cunning
b Honesty
c Guile
d Intrigue
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Honesty কেন সঠিক: - Subterfuge শব্দটির অর্থ ছলনা, প্রতারণা বা কৌতুকপূর্ণ উপায়ে কিছু লুকানো। - Honesty শব্দটির অর্থ সততা, যার সঙ্গে কোনো ধরনের ছলনা বা প্রতারণার সম্পর্ক নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cunning — এটি Subterfuge শব্দটির সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, কারণ এর অর্থ ধূর্ততা। B) Honesty — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ছলনার বিপরীত অর্থ সততা প্রকাশ করে। C) Guile — এটি Subterfuge শব্দটির সমার্থক শব্দ, যার অর্থ প্রতারণা বা ধূর্ততা। D) Intrigue — এটিও Subterfuge শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ ষড়যন্ত্র বা গোপন চক্রান্ত। মনে রাখার টিপস: Subterfuge মানে ছলনা বা চালাকি, তাই এর বিপরীত মনে রাখতে এর উল্টো সততা বা Honesty শব্দটি ভাবুন।
a Mister
b Mistress
c Master
d Miss
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Master কেন সঠিক: Master শব্দটি নাউন এবং ভার্ব উভয় হিসেবেই বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে। কোনো বিষয়ের ওপর দক্ষতা অর্জন করা বা নিয়ন্ত্রণ করার অর্থে এটি ভার্ব হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mister — এটি একটি টাইটেল বা সম্মানসূচক নাউন, যা পুরুষের নামের আগে বসে এবং কখনো ভার্ব হয় না। B) Mistress — এটি একজন নারীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত উপাধি বা নাউন, যার কোনো ভার্ব রূপ নেই। C) Master — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই সাথে নাউন ও ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। D) Miss — এটি অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি উপাধি বা নাউন, যা ভার্ব হিসেবে বসে না। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলো কোনো কাজের নাম বোঝানোর পাশাপাশি নিজে কাজ করা বোঝাতে পারে, সেগুলোই মূলত নাউন ও ভার্ব উভয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a Apathy
b Enterprise
c Indolence
d Try
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Enterprise কেন সঠিক: initiative শব্দের অর্থ হলো উদ্যোগ বা নতুন কিছু শুরু করার ক্ষমতা। Enterprise শব্দটির অর্থও ব্যবসায়িক উদ্যোগ বা কর্মপ্রচেষ্টা। উভয় শব্দই সাহসিকতা এবং কাজের স্পৃহা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Apathy — এই শব্দটির অর্থ ঔদাসিন্য বা অনীহা। এটি উদ্যোগ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Enterprise — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Indolence — এই শব্দটির অর্থ অলসতা বা কর্মবিমুখতা। এটি উদ্যোগের ঠিক উল্টো অবস্থা বোঝায়। D) Try — এই শব্দটির অর্থ চেষ্টা করা। এটি উদ্যোগের সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে যথেষ্ট নয়। মনে রাখার টিপস: উদ্যোগ বা কিছু করার স্পৃহা বোঝাতে Enterprise শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a Time record
b Written record
c Time frame
d Ending Time
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Written record কেন সঠিক: ১. মিটিংয়ের 'minutes' বলতে সভায় আলোচনা করা বিষয় ও সিদ্ধান্তগুলোর লিখিত বিবরণকে বোঝায়। ২. এটি দাপ্তরিক কাজে বৈঠকের লিখিত দলিল হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Time record — এটি কাজের সময় বা উপস্থিতির হিসাব বোঝায়, সভার কার্যবিবরণী নয়। B) Written record — এটি সঠিক উত্তর, কারণ 'minutes' মানেই সভার লিখিত বিবরণ। C) Time frame — এটি কোনো নির্দিষ্ট কাজের সময়সীমা বা সময়কাল নির্দেশ করে। D) Ending Time — এটি কোনো ঘটনার বা সভার শেষ হওয়ার সময় বোঝায়। মনে রাখার টিপস: মিটিং বা সভার আলোচনা মনে রাখতে 'written record' বা লিখিত বিবরণই হলো 'minutes'।
a 9
b 6
c 8
d কোনোটিই নয়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল ১৭ দুটি সংখ্যার গুণফল ৭২ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ ক + খ = ১৭ এবং ক × খ = ৭২ অতএব, (ক − খ) এর বর্গ = (ক + খ) এর বর্গ − ৪ × ক × খ (ক − খ) এর বর্গ = ১৭ এর বর্গ − ৪ × ৭২ সুতরাং, (ক − খ) এর বর্গ = ২৮৯ − ২৮৮ = ১ (ক − খ) = ১ উত্তর: খ = (১৭ − ১) ÷ ২ = ৮
a ৬
b ৮
c ৭
d ১০
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের মোট দৈর্ঘ্য = ২০ ফুট ছোট অংশটি বড় অংশের দুই-তৃতীয়াংশ ধরি, বড় অংশটি = ক ফুট ছোট অংশটি = (২ × ক) ÷ ৩ ফুট অতএব, ক + ((২ × ক) ÷ ৩) = ২০ (৩ × ক + ২ × ক) ÷ ৩ = ২০ ৫ × ক = ২০ × ৩ সুতরাং, ৫ × ক = ৬০ ক = ১২ ফুট উত্তর: ছোট অংশটি = ২০ − ১২ = ৮ ফুট
a ৬%
b ৪%
c ৫%
d ৭%
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫% প্রদত্ত তথ্য: ৫ বছরের সুদে-আসলে = ৫০০ টাকা ৩ বছরের সুদে-আসলে = ৪৬০ টাকা ধরি, ২ বছরের সুদ = ৫০০ টাকা − ৪৬০ টাকা = ৪০ টাকা ১ বছরের সুদ = ৪০ টাকা ÷ ২ = ২০ টাকা অতএব, ৩ বছরের সুদ = ২০ টাকা × ৩ = ৬০ টাকা আসল = ৪৬০ টাকা − ৬০ টাকা = ৪০০ টাকা সুতরাং, ১০০ টাকার ১ বছরের সুদ বা সুদের হার = (২০ × ১০০) ÷ (৪০০ × ১) = ৫% উত্তর: ৫%
a 45
b 50
c 25
d 35
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: চালের মূল্য বৃদ্ধির হার = ২০% মোট টাকার পরিমাণ = ৭৫০ টাকা কম পাওয়ার পরিমাণ = ৫ কেজি চাল ধরি, ৭৫০ টাকার ২০% = ১৫০ টাকা অর্থাৎ ৫ কেজি চালের বর্তমান মূল্য = ১৫০ টাকা অতএব, ১ কেজি চালের বর্তমান মূল্য = ১৫০ ÷ ৫ = ৩০ টাকা ধরা যাক, ১ কেজি চালের পূর্বমূল্য = ক টাকা সুতরাং, ক এর ওপর ২০% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = ক + (ক × ২০ ÷ ১০০) = ৩০ টাকা সমাধান করে পাই, ক = ২৫ টাকা উত্তর: ২৫ টাকা
a ০.৪
b ০.০৪
c ০.০০০০৪
d .০.০০৪
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০০০০৪ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি দশমিক সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো তুলনার মাধ্যমে সবচেয়ে ছোট সংখ্যাটি বের করতে হবে ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ০.৪ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ০.০৪ তৃতীয় সংখ্যাটি = ০.০০০০৪ চতুর্থ সংখ্যাটি = ০.০০৪ অতএব, দশমিক বিন্দুর পর প্রথম সংখ্যাটির ক্ষেত্রে ঘরের মান সবচেয়ে বড় দশমিক বিন্দুর পর চতুর্থ সংখ্যাটির ক্ষেত্রে ঘরের মান সবচেয়ে ছোট সুতরাং, সংখ্যাগুলোর মান তুলনা করে পাই ০.০০০০৪ হলো সবচেয়ে ছোট মান উত্তর: C) ০.০০০০৪
a ৯ বছর
b ১১ বছর
c ১২ বছর
d ১৩ বছর
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১ বছর প্রদত্ত তথ্য: আরজুর বয়স নাবিলের চেয়ে ৯ বছর বেশি আলীর বয়স নাবিলের চেয়ে ৫ বছর কম তাদের তিনজনের মোট বয়স ৫২ বছর ধরি, নাবিলের বয়স = ক বছর আরজুর বয়স = ক + ৯ বছর আলীর বয়স = ক − ৫ বছর অতএব, তাদের বয়সের সমষ্টি = ক + (ক + ৯) + (ক − ৫) বয়সের সমষ্টির সমীকরণ = ৩ক + ৪ বছর শর্তমতে, ৩ক + ৪ = ৫২ সুতরাং, ৩ক = ৫২ − ৪ ৩ক = ৪৮ উত্তর: ক = ১৬ ÷ ৩ নয়, এখানে ক = ১৬, তাই আলীর বয়স ১৬ − ৫ = ১১ বছর
a ১০০ টাকা
b ১০৫ টাকা
c ১১০ টাকা
d ১২০ টাকা
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ৫০০ টাকা পূর্বের লাভের হার = ১০% ধরি, বর্তমান ক্রয়মূল্য = ৫০০ এর (১০০% − ১০%) = ৫০০ এর ৯০% টাকা বর্তমান ক্রয়মূল্য = ৫০০ × (৯০ ÷ ১০০) = ৪৫০ টাকা অতএব, পূর্বের বিক্রয়মূল্য = ৫০০ + (৫০০ এর ১০%) = ৫০০ + ৫০ = ৫৫০ টাকা বর্তমান ক্রয়মূল্য = ৪৫০ টাকা সুতরাং, বর্তমান লাভ = পূর্বের বিক্রয়মূল্য − বর্তমান ক্রয়মূল্য বর্তমান লাভ = ৫৫০ − ৪৫০ = ১০০ টাকা উত্তর: ১০০ টাকা
a 200m²
b 210m²
c 290m²
d 300m²
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১০m² প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ২০m, ২১m ও ২৯m ধরি, প্রথম বাহু a = ২০m দ্বিতীয় বাহু b = ২১m তৃতীয় বাহু c = ২৯m অতএব, অর্ধপরিসীমা s = (২০ + ২১ + ২৯) ÷ ২ = ৭০ ÷ ২ = ৩৫m সুতরাং, ক্ষেত্রফল = √(৩৫ × (৩৫ − ২০) × (৩৫ − ২১) × (৩৫ − ২৯)) = √(৩৫ × ১৫ × ১৪ × ৬) = √৪৪০৪০০ = ২১০m² উত্তর: ২১০m²
a ৯৬ মিটার
b ১০০ মিটার
c ২৫৬ মিটার
d ৪৮ মিটার
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯৬ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৫১২ বর্গমিটার দৈর্ঘ্য বিস্তারের ২ গুণ ধরি, আয়তক্ষেত্রের বিস্তার = ক মিটার আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ২ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = (২ক × ক) বর্গমিটার ২ক বর্গ = ৫১২ বর্গমিটার সুতরাং, ক বর্গ = ২৫৬ ক = ১৬ মিটার অতএব, বিস্তার = ১৬ মিটার দৈর্ঘ্য = ৩২ মিটার উত্তর: পরিসীমা = ২ × (৩২ + ১৬) = ৯৬ মিটার
a ২ঃ৩
b ৯ঃ৪
c ৪ঃ৯
d ৬ঃ৪
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ঃ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি বৃত্তের ব্যাসের অনুপাত = ৩ঃ২ ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৩ক দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ক অতএব, প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (৩ক) এর বর্গ = ৯ × পাই × ক এর বর্গ দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (২ক) এর বর্গ = ৪ × পাই × ক এর বর্গ সুতরাং, ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (৯ × পাই × ক এর বর্গ) ÷ (৪ × পাই × ক এর বর্গ) = ৯ঃ৪ উত্তর: ৯ঃ৪
a ৫৬ বছর
b ৬২ বছর
c ৬৪ বছর
d ৬৫ বছর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬২ বছর প্রদত্ত তথ্য: ২৫ জন ছাত্রের বয়সের গড় ১০ বছর শিক্ষকসহ মোট ব্যক্তির সংখ্যা ২৬ জন এবং তাদের বয়সের গড় ১২ বছর ধরি, ২৫ জন ছাত্রের বয়সের সমষ্টি = ২৫ × ১০ = ২৫০ বছর অতএব, শিক্ষকসহ ২৬ জনের বয়সের সমষ্টি = ২৬ × ১২ = ৩১২ বছর সুতরাং, শিক্ষকের বয়স = ২৬ জনের বয়সের সমষ্টি − ২৫ জন ছাত্রের বয়সের সমষ্টি উত্তর: ৩১২ − ২৫০ = ৬২ বছর
a ৫ ঘণ্টায়
b ৬ ঘণ্টায়
c ৭ ঘণ্টায়
d ৮ ঘণ্টায়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ ঘণ্টায় প্রদত্ত তথ্য: প্রথম নল দ্বারা চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১০ ঘণ্টায় দ্বিতীয় নল দ্বারা চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১৫ ঘণ্টায় ধরি, সম্পূর্ণ চৌবাচ্চার পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, প্রথম নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে ১ ÷ ১০ অংশ দ্বিতীয় নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে ১ ÷ ১৫ অংশ সুতরাং, নল দুটি একত্রে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে (১ ÷ ১০) + (১ ÷ ১৫) অংশ = ৫ ÷ ৩০ অংশ = ১ ÷ ৬ অংশ উত্তর: ৬ ঘণ্টায়
a ১০ লিটার
b ৪ লিটার
c ৫ লিটার
d ১৪ লিটার
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ লিটার প্রদত্ত তথ্য: পাত্রে দুধ ও পানির অনুপাত ৫ : ২ পানি অপেক্ষা দুধের পরিমাণ ৬ লিটার বেশি ধরি, দুধের পরিমাণ = ৫ক লিটার পানির পরিমাণ = ২ক লিটার অতএব, প্রশ্নমতে, ৫ক − ২ক = ৬ ৩ক = ৬ ক = ৬ ÷ ৩ = ২ সুতরাং, পানির পরিমাণ = ২ × ২ লিটার উত্তর: ৪ লিটার
a 1
b 2
c 3
d 4
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির যোগফল পাঁচ এবং দুটি রাশির বিয়োগফল তিন ধরি, প্রথম সংখ্যাটি হলো x দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো y এবং তাদের গুণফল হলো xy অতএব, x + y = ৫ x − y = ৩ বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করে পাই সুতরাং, xy এর মান নির্ণয়ের সূত্রটি হলো (x + y ÷ ২) এর হোল স্কয়ার বিয়োগ (x − y ÷ ২) এর হোল স্কয়ার উত্তর: ৪
a আইএমএফ
b বিশ্বব্যাংক
c মার্কিন ডলার
d ফ্রান্স
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মার্কিন ডলার কেন সঠিক: - মার্কিন ডলারের ব্যাংকনোটের পেছনের দিকটি সবুজ রঙের হওয়ায় একে গ্রিন ব্যাক বলা হয়। - ঊনবিংশ শতাব্দীতে গৃহযুদ্ধের সময় মার্কিন সরকার এই রঙের নোট প্রথম বাজারে চালু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইএমএফ — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা বৈশ্বিক আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে কাজ করে এবং কোনো নির্দিষ্ট মুদ্রার নাম নয়। B) বিশ্বব্যাংক — এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা, কোনো মুদ্রা নয়। D) ফ্রান্স — এটি একটি ইউরোপীয় দেশ এবং এর প্রচলিত মুদ্রার নাম ইউরো, গ্রিন ব্যাক নয়। মনে রাখার টিপস: গ্রিন ব্যাক মানেই সবুজ রঙের ব্যাকগ্রাউন্ড বা পেছনের দিক, যা শুধু মার্কিন ডলারে দেখা যায়।
a পদ্মা
b বরাক
c সুরমা
d মেঘনা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) বরাক কেন সঠিক: - টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের মণিপুর রাজ্যে বরাক নদীর ওপর প্রস্তাবিত একটি বাঁধ প্রকল্প। - বরাক নদী ভারতের মণিপুর থেকে উৎপন্ন হয়ে আসাম হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নদী নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি গঙ্গানদীর প্রধান শাখা নদী যা ভারতের ফারাক্কা বাঁধের পর বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। B) বরাক — এটি সঠিক উত্তর কারণ টিপাইমুখ বাঁধ এই নদীর উজানেই অবস্থিত। C) সুরমা — এটি বরাক নদীরই একটি শাখা নদী যা সিলেক্ট অঞ্চলে প্রবেশ করেছে, সরাসরি টিপাইমুখ বাঁধ এর উজানে নয়। D) মেঘনা — এটি সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর মিলিত প্রবাহ যা পরবর্তীতে আরও নদী মিলে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। মনে রাখার টিপস: টিপাইমুখ বাঁধ ও বরাক নদী এভাবে মনে রাখুন যে বাঁধটি বরাক নদীর উজানে ভারতের মণিপুরে অবস্থিত।
a 2
b 4
c 6
d 8
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং রংপুর জেলা ৬ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল। - ৬ নম্বর সেক্টরের আওতাধীন এলাকা ছিল মূলত রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার কিছু অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ — এই সেক্টরটি মূলত বৃহত্তর ঢাকা, ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল। B) ৪ — এই সেক্টরটি মূলত বর্তমান সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল ও খোয়াই শায়েস্তাগঞ্জ বাদে হবিগঞ্জ জেলা নিয়ে গঠিত ছিল। C) ৬ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ব্যাখ্যা নেই। D) ৮ — এই সেক্টরটি মূলত কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং তৎকালীন বরিশাল ও ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল। মনে রাখার টিপস: রংপুর জেলার সাথে ৬ সংখ্যাটি মনে রাখতে 'রংপুর ছয়' এভাবে ছন্দ মিলিয়ে পড়তে পারেন।
a 1986
b 1987
c 1988
d 1989
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮৭ কেন সঠিক: - রাষ্ট্রভাষা বাংলা আইন, ১৯৮৭ সালের ৮ই মার্চ পাস হয় যার মাধ্যমে দেশের সর্বস্তরে বাংলা ভাষা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়। - এই আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী বিদেশের সাথে যোগাযোগ ছাড়া দেশের সকল সরকারি অফিস, আদালত এবং আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানে বাংলা ভাষায় নথিপত্র ও চিঠিপত্র লিখতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1986 — এই সালের সাথে সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর কোনো ঐতিহাসিক বা আইনি সম্পর্ক নেই। B) 1987 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলন আইন পাস হয়েছিল। C) 1988 — এই সালের সাথে সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলন আইনের কোনো আইনি বা গেজেট প্রকাশের সম্পর্ক নেই। D) 1989 — এই সালটি সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলন আইনের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের সাল ১৯৫২ এবং সর্বস্তরে বাংলা চালুর আইন পাসের সাল ১৯৮৭, শেষের দুই অঙ্ক ৫২ ও ৮৭ এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a মওলানা ভাসানী
b আব্দুল হালিম
c এ.কে. ফজলুল হক
d সোহরাওয়ার্দী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এ.কে. ফজলুল হক কেন সঠিক: - শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ১৯২৯ সালে কৃষকদের অধিকার রক্ষার জন্য কৃষক প্রজা পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। - এই দলটি অবিভক্ত বাংলার রাজনীতিতে কৃষক ও প্রজাদের স্বার্থ সংরক্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মওলানা ভাসানী — তিনি কৃষক প্রজা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা নন, বরং তিনি পরবর্তীতে আওয়ামী মুসলিম লীগ এবং ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বা ন্যাপ প্রতিষ্ঠা করেন। B) আব্দুল হালিম — তিনি কৃষক প্রজা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি ছিলেন বাঙালি কমিউনিস্ট আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগঠক ও নেতা। C) এ.কে. ফজলুল হক — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি নিজে ১৯২৯ সালে এই পার্টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। D) সোহরাওয়ার্দী — তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী নিখিল ভারত মুসলিম লীগ এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন। মনে রাখার টিপস: কৃষকবন্ধু শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ১৯২৯ সালে কৃষক প্রজা পার্টি গঠন করেছিলেন।
a কল্পনা দত্ত
b প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
c মনোরমা নাসিমা
d ভগিনী নিবেদিতা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার কেন সঠিক: - ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে সশস্ত্র সংগ্রামের সময় ১৯৩২ সালে পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণের নেতৃত্ব দেন এবং ব্রিটিশদের হাতে ধরা না দিতে পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন। - তিনিই উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রথম শহীদ নারী বিপ্লবী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কল্পনা দত্ত — তিনি চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার আক্রমণের সাথে যুক্ত একজন প্রখ্যাত নারী বিপ্লবী হলেও ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে প্রথম শহীদ নারী নন। B) প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) মনোরমা নাসিমা — তিনি একজন সমাজকর্মী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে প্রথম শহীদ নারী হিসেবে পরিচিত নন। D) ভগিনী নিবেদিতা — তিনি স্বামী বিবেকানন্দের শিষ্যা এবং ভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সমর্থক হলেও ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনে প্রথম শহীদ নারী নন। মনে রাখার টিপস: বীরকন্যা প্রীতিলতা পাহাড়তলী ক্লাবে আক্রমণ করে সায়ানাইড খেয়ে দেশের জন্য প্রথম শহীদ নারী হন।
a সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
b লালবাগ কেল্লা
c বাহাদুর শাহ পার্ক
d রায়ের বাজার বধ্যভূমি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাহাদুর শাহ পার্ক কেন সঠিক: - ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের সময় বিদ্রোহী সিপাহিদের জনসম্মুখে ফাঁসি দেওয়ার স্মৃতি রক্ষার্থে ঢাকার পুরান ঢাকার সদরঘাটের কাছে এই পার্কটি নির্মাণ করা হয়। - ঐতিহাসিক এই স্থানটি পূর্বে 'ভিকটিয়া পার্ক' নামে পরিচিত থাকলেও পরবর্তীতে সিপাহি বিদ্রোহের অন্যতমায়ক শেষ মোগল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের নামানুসারে এর নাম রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান — এটি ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দান এবং ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ভাষণ ও ১৬ই ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের স্থান, সিপাহি বিদ্রোহের নয়। B) লালবাগ কেল্লা — এটি মুঘল আমলের একটি ঐতিহাসিক দুর্গ এবং স্থাপত্য নিদর্শন, যা সিপাহি বিদ্রোহের স্মৃতিবিজড়িত কোনো স্থান নয়। D) রায়ের বাজার বধ্যভূমি — এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক নির্মম বুদ্ধিজীবী হত্যার স্মৃতিচিহ্ন। মনে রাখার টিপস: সিপাহি বিদ্রোহ মানেই বাহাদুর শাহ পার্ক, যা ঢাকার পুরান ঢাকায় অবস্থিত।
a জেনেভা
b ওয়াশিংটন
c রোম
d নিউইয়র্ক
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - UNDP অর্থাৎ জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির প্রধান কার্যালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত। - এটি জাতিসংঘের একটি অঙ্গসংস্থা যা বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়নে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আইএলও-র সদর দপ্তর অবস্থিত, যা UNDP-এর জন্য প্রযোজ্য নয়। B) ওয়াশিংটন — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং এখানে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর সদর দপ্তর অবস্থিত, যা UNDP-এর নয়। C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও-এর সদর দপ্তর অবস্থিত। D) নিউইয়র্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই UNDP-এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: উন্নয়ন ও তহবিল সংক্রান্ত বেশিরভাগ প্রধান সংস্থার সদর দপ্তর নিউইয়র্ক বা ওয়াশিংটনে থাকে, যার মধ্যে UNDP হলো নিউইয়র্কের।
a একটি নদী
b একটি সাগর
c একটি হ্রদ
d মৃত সাগর
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একটি হ্রদ কেন সঠিক: - ডেড সি বা মৃত সাগর নাম সাগর হলেও এটি মূলত একটি লবণাক্ত হ্রদ, যা জর্ডান ও ফিলিস্তিন বা ইসরাইলের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। - এর পানির লবণাক্ততা এত বেশি যে এখানে কোনো মাছ বা জলজ উদ্ভিদ বেঁচে থাকতে পারে না এবং মানুষ সহজেই পানিতে ভেসে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি নদী — ডেড সি কোনো প্রবহমান নদী নয়, বরং এটি একটি আবদ্ধ লবণাক্ত পানির জলাধার বা হ্রদ। B) একটি সাগর — নামের সাথে 'সাগর' বা 'Sea' যুক্ত থাকলেও ভৌগোলিক ও ভূবৈজ্ঞানিক সংজ্ঞানুসারে এটি একটি হ্রদ। D) মৃত সাগর — এটি ডেড সির বাংলা অর্থ বা অন্য নাম, কিন্তু প্রশ্ন অনুযায়ী এর আসল ভৌগোলিক পরিচয় হলো এটি একটি হ্রদ। মনে রাখার টিপস: নামে 'সাগর' থাকলেও মৃত সাগর আসলে একটি হ্রদ, যার পানিতে অতিরিক্ত লবণের কারণে মানুষ ডুবে যায় না।
a তাইওয়ান
b থাইল্যান্ড
c পোল্যান্ড
d মাঞ্চুরিয়া
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তাইওয়ান কেন সঠিক: - ফরমোজা হলো তাইওয়ানের পুরনো বা ঐতিহাসিক নাম, যা পর্তুগিজ নাবিকদের দেওয়া। - এটি পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ ও স্বশাসিত রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাইওয়ান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তাইওয়ানের ঐতিহাসিক নাম ফরমোজা। B) থাইল্যান্ড — এর প্রাচীন নাম শ্যামদেশ, তাই এটি ফরমোজা নয়। C) পোল্যান্ড — এটি মধ্য ইউরোপের একটি ঐতিহাসিক দেশ, ফরমোজা নয়। D) মাঞ্চুরিয়া — এটি উত্তর-পূর্ব চীনের একটি ঐতিহাসিক অঞ্চলের নাম। মনে রাখার টিপস: ফর-তাই (ফরমোজা মানে তাইওয়ান) এভাবে মনে রাখতে পারো।
a 109
b 103
c 999
d 333
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 333 প্রশ্নের ধরন: দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য ও নাগরিক সেবা কেন সঠিক: - ৩৩৩ হলো জাতীয় তথ্য ও সেবা হটলাইন, যার মাধ্যমে নাগরিকগণ বাল্যবিবাহ প্রতিরোধসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের অভিযোগ জানাতে পারেন। - এই নম্বরে ফোন করে সরকারের বিভিন্ন সেবামূলক তথ্য পাওয়ার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ রোধে স্থানীয় প্রশাসনের তাৎক্ষণিক সহায়তা নেওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 109 — এটি নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সংক্রান্ত হেল্পলাইন, যা মূলত নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার নারীদের সহায়তা দেয়। B) 103 — এটি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর নয়, তাই এটি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের জন্য নির্ধারিত হটলাইন নয়। C) 999 — এটি বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে পরিচালিত জরুরি সেবা নম্বর, যা অপরাধ, আগুন ও অ্যাম্বুলেন্সের জন্য ব্যবহৃত হয়। D) 333 — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি জাতীয় তথ্য ও সেবা হটলাইন। মনে রাখার টিপস: সামাজিক অপরাধ এবং সরকারের অন্যান্য তথ্য জানতে তিনবার তিন ডায়াল করতে হয়, অর্থাৎ ৩৩৩ নম্বরে কল করতে হয়।
a ভারত
b যুক্তরাজ্য
c যুক্তরাষ্ট্র
d চীন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - বাংলাদেশ একক দেশ হিসেবে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পণ্য রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে, যার মূল আকর্ষণ তৈরি পোশাক খাত। - যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বৃহত্তম একক রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারতের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে, কারণ আমদানি বেশি হলেও রপ্তানি তুলনামূলকভাবে কম। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি বাজার হলেও এটি শীর্ষস্থানে নেই, যুক্তরাষ্ট্র সবার চেয়ে এগিয়ে। D) চীন — চীনের সাথে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি হলেও রপ্তানির দিক থেকে চীন শীর্ষ দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি জিনিস বিক্রি বা রপ্তানি করে আমেরিকায় অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রে।
a ফার্নেস ওয়েল
b কয়লা
c প্রাকৃতিক গ্যাস
d ডিজেল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাকৃতিক গ্যাস কেন সঠিক: - বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঐতিহ্যগতভাবে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। - দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সিংহভাগ এখনও গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর ওপর নির্ভরশীল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফার্নেস ওয়েল — এটি কিছু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহার করা হলেও তা প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো সর্বাধিক পরিমাণে ব্যবহৃত হয় না। B) কয়লা — বর্তমানে কয়লা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হলেও তা প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় পরিমাণে কম। D) ডিজেল — ডিজেল সাধারণত জরুরি বা পিক আওয়ারের সাময়িক বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, প্রধান জ্বালানি হিসেবে নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ গ্যাসের ওপর বেশি নির্ভরশীল, তাই বিদ্যুৎ উৎপাদনেও গ্যাসের ব্যবহার সবার আগে।
a ফরিদপুর
b রাজশাহী
c দিনাজপুর
d রংপুর
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দিনাজপুর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জিওলজিক্যাল সার্ভে (GSI) দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার ঘাসিপুর এলাকায় দেশের পঞ্চম লোহার খনির সন্ধান পেয়েছে। - এর আগে একই জেলার ফুলবাড়ী, পার্বতীপুর ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় দেশের অন্যান্য লোহার খনি আবিষ্কৃত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদপুর — এটি বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত এবং এখানে জিওলজিক্যাল সার্ভে অনুযায়ী কোনো লোহার খনি আবিষ্কৃত হয়নি। B) রাজশাহী — রাজশাহী বিভাগে খনিজ সম্পদ থাকলেও এটি লোহার খনির জন্য পরিচিত জেলা নয়। C) দিনাজপুর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) রংপুর — রংপুর বিভাগে দিনাজপুর অবস্থিত হলেও রংপুর জেলায় জিওলজিক্যাল সার্ভে অনুযায়ী এই লোহার খনিটি পাওয়া যায়নি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে লোহার খনি বললেই উত্তরবঙ্গের জেলা দিনাজপুরকে মনে রাখতে হবে।
a GAVI
b PACC
c UNICEF
d REAP
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) GAVI কেন সঠিক: - GAVI (Global Alliance for Vaccines and Immunisation) টিকাদান কর্মসূচিতে অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২০১৯ সালে 'ভ্যাকসিন হিরো' পুরস্কার প্রদান করে। - এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শিশুদের টিকাদানের আওতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) GAVI — এটি একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা এবং টিকাদান কর্মসূচি সফল করার জন্য এই পুরস্কার প্রদান করে থাকে। B) PACC — এটি কোনো আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন প্রদানকারী সংস্থা নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) UNICEF — এটি শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করলেও এই নির্দিষ্ট পুরস্কারটি প্রদানের সঙ্গে যুক্ত নয়। D) REAP — এটি কৃষি বা অন্য কোনো খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, যা স্বাস্থ্য বা টিকাদানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ভ্যাকসিন বা টিকাদানের সঙ্গে সরাসরি জড়িত আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো GAVI, তাই ভ্যাকসিন হিরো পুরস্কারের সঙ্গে GAVI নামটি মনে রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a সূর্য
b যুদ্ধক্ষেত্র
c সৈনিক
d সমুদ্র
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৈনিক ১. কেন সঠিক: - 'অনীক' একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার প্রমিত অর্থ হলো সৈন্য, সৈনিক বা যোদ্ধা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও অর্থ নির্ণয় থেকে প্রায়ই এমন প্রশ্ন আসে যা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের অন্তর্গত একটি বিশেষ্য পদ যা কোনো ব্যক্তি বা সৈন্যদলকে নির্দেশ করে। - সংস্কৃত অভিধান অনুযায়ী অনীক শব্দের নানা অর্থ থাকলেও বাংলা ব্যাকরণে এটি মূলত সৈনিক বা সৈন্য অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনীক দল সমরে জয়ী হলো। ব্যাখ্যা: এখানে অনীক শব্দ দ্বারা সৈনিকদের নিয়ে গঠিত দল বা বাহিনীকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: অনীক শব্দের বহুবাচক রূপ হলো অনীকবৃন্দ। ব্যাখ্যা: বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে বৃন্দ যোগ করে বহুবচন গঠন করার এটি একটি প্রমিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সূর্য — সূর্যের সমার্থক শব্দ হলো রবি, ভাস্কর, দিবাকর, যা অনীক শব্দের অর্থ নয়। B) যুদ্ধক্ষেত্র — যুদ্ধক্ষেত্র বা রণক্ষেত্র বলতে যুদ্ধের স্থানকে বোঝায়, যা কোনো ব্যক্তি বা সৈনিক নয়। C) সৈনিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ অনীক শব্দের সরাসরি অর্থ সৈনিক বা সৈন্য। D) সমুদ্র — সমুদ্রের সমার্থক শব্দ হলো পারাবার, অর্ণব, রত্নাকর, যার সঙ্গে অনীক শব্দের কোনো মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনীক মানে সৈনিক বা যোদ্ধা, এটি মনে রাখার জন্য অনীক ও সৈনিক শব্দের শেষ ধ্বনির মিল খেয়াল রাখতে পারো। - পরীক্ষায় শব্দের অর্থ মনে রাখতে উৎস শব্দ এবং তার প্রমিত রূপ বারবার চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয় করার জন্য প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্য নেওয়া জরুরি। - সমার্থক শব্দ ও শব্দের অর্থ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব।
a বিষণ্ণ
b বিষাদ
c প্রচ্ছন্ন
d নিন্দিত
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিন্দিত ১. কেন সঠিক: - 'নন্দিত' শব্দের অর্থ আনন্দিত, প্রশংসিত বা সমাদৃত। এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'নিন্দিত' শব্দটি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দার্থ এবং বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত উৎসের শব্দগুলোর সঠিক বিপরীত রূপ চিহ্নিত করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস এবং ভাবার্থ বিবেচনা করতে হয়। তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। - 'নন্দিত' একটি বিশেষণ পদ, যার মূল ধাতু বা প্রত্যয়গত অর্থ প্রশংসার সঙ্গে যুক্ত। এর বিপরীতার্থক হিসেবে নিন্দার ভাব প্রকাশকারী 'নিন্দিত' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞ - অকৃতজ্ঞ ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপকার স্বীকারকারী এবং এর বিপরীত হলো যে উপকার স্বীকার করে না অর্থাৎ অকৃতজ্ঞ। উদাহরণ ২: সঞ্চয় - অপচয় ব্যাখ্যা: সঞ্চয় শব্দের অর্থ জমানো এবং এর বিপরীত হলো অতিরিক্ত খরচ করা বা অপচয় করা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষণ্ণ - বিষণ্ণ শব্দের অর্থ মলিন বা মন খারাপ করা, যা নন্দিত শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়। B) বিষাদ - বিষাদ হলো বিশেষ্য পদ যার অর্থ দুঃখ বা বেদনা, অথচ নন্দিত একটি বিশেষণ পদ। C) প্রচ্ছন্ন - প্রচ্ছন্ন শব্দের অর্থ লুক্কায়িত বা গুপ্ত, যার সঙ্গে নন্দিত শব্দের কোনো বিপরীত সম্পর্ক নেই। D) নিন্দিত - এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নন্দিত শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ন দিয়ে শুরু শব্দগুলোর ক্ষেত্রে প্রশংসাবাচক হলে 'নন্দিত' এবং তার বিপরীত হিসেবে নিন্দাবাচক 'নিন্দিত' জোড়াটি মনে রাখা সহজ। - পরীক্ষার হলে শব্দের অর্থ আগে খাতায় লিখে বিপরীত ভাবটি চিন্তা করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয়যুক্ত শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের পদের ধরন অর্থাৎ বিশেষ্য বা বিশেষণ রূপ খেয়াল রেখে বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করতে হয়।
a শূণ্য
b ত্রিভুজ
c পূন্য
d ভূবন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ত্রিভুজ ১. কেন সঠিক: ত্রিভুজ শব্দটিতে ত্রিন এবং ভুজ যুক্ত হয়েছে এবং এর বানান সম্পূর্ণ প্রমিত বাংলা একাডেমি নিয়ম মেনে লেখা হয়েছে। বাংলা বানানে ই-কার ব্যবহারের সঠিক নিয়মের কারণে এই শব্দটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী অতৎসম বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। ত্রিভুজ একটি তৎসম শব্দ যেখানে ত্রিন উপসর্গ বা শব্দের শুরুতে ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ত্রিভুজ ব্যাখ্যা: এটি সঠিক বানানের একটি শব্দ যেখানে প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ত্রিদেশীয় ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূণ্য - এই বানানটি ভুল কারণ শূন্য শব্দে দীর্ঘ ঊ-কার হয় না, রস উ-কার ব্যবহার করতে হয়। B) ত্রিভুজ - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি প্রমিত বানানরীতি মেনে লেখা হয়েছে। C) পূন্য - এই বানানটি ভুল কারণ পুণ্য শব্দে মূর্ধন্য ণ এবং রস উ-কার ব্যবহার করতে হয়। D) ভূবন - এই বানানটি ভুল কারণ ভবন বা ভুবন শব্দে দীর্ঘ ঊ-কার হয় না, রস উ-কার হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শূন্য এবং পুণ্য শব্দে সবসময় রস উ-কার এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করতে হয়। ত্রিভুজ শব্দটি লেখার সময় প্রমিত নিয়ম মনে রাখতে হবে যে এখানে রস ই-কার ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শূণ্য, পূন্য ও ভূবন এর মতো ভুল বানানগুলো অপশনে দেওয়া হয়। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
a বিশেষণ
b সর্বনাম
c বিশেষ্য
d অব্যয়
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ব্যবহৃত 'সৌন্দর্য' শব্দটি কোনো গুণের নাম বোঝাচ্ছে এবং এটি বাক্যের উদ্দেশ্য বা কর্তা হিসেবে কাজ করেছে। - কোনো কিছুর নাম (ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, গুণ বা ভাব) বোঝানোর কারণে এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব বা গুণের নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য পদ বলে। - গুণবাচক বিশেষ্য বলতে কোনো বস্তু বা ব্যক্তির দোষ বা গুণের নামকে বোঝায়, যেমন সৌন্দর্য, মধুরতা, সততা ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সততা মানুষের সবচেয়ে বড় গুণ। ব্যাখ্যা: এখানে 'সততা' একটি গুণের নাম হওয়ায় এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: শৈশব মানুষের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়। ব্যাখ্যা: এখানে 'শৈশব' একটি অবস্থার নাম বোঝানোর কারণে বিশেষ্য পদ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণ — বিশেষণ পদ সাধারণত বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, কিন্তু 'সৌন্দর্য' নিজেই একটি নাম। B) সর্বনাম — সর্বনাম পদ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'সৌন্দর্য' কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি বরং এটি নিজেই একটি নাম। C) বিশেষ্য — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রদত্ত বাক্যের চাহিদা পূরণ করে। D) অব্যয় — অব্যয় পদের কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর হয় না এবং এটি পদগুলোকে সংযুক্ত করে, কিন্তু 'সৌন্দর্য' একটি পরিবর্তনশীল নামবাচক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের শেষে তা, ত্ব, ইমা, য প্রত্যয় যুক্ত থাকলে সাধারণত তা ভাববাচক বা গুণবাচক বিশেষ্য হয়। - সুন্দর হলো বিশেষণ, আর তার নাম হলো সৌন্দর্য যা বিশেষ্য পদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রূপ পরিবর্তন করে পদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য বুঝতে শব্দের মূল রূপ এবং বাক্যে তার ব্যবহার লক্ষ করতে হবে।
a পর্তুগিজ
b জাপানি
c রুশ
d চীনা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - 'চাবি', 'জানালা', 'বালতি' শব্দগুলো পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - পর্তুগিজরা দীর্ঘদিন বাংলা অঞ্চলে ব্যবসা ও শাসনকার্য পরিচালনা করায় তাদের ভাষা থেকে বহু শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়েকটি প্রধান শ্রেণিতে ভাগ করা হয় যার মধ্যে বিদেশি শব্দ অন্যতম। - পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা শব্দগুলো সাধারণত দৈনন্দিন ব্যবহৃত বিভিন্ন গৃহস্থালি, ধর্মানুষ্ঠান ও প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আনারস ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দ যা আমরা ফল বোঝাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করি। উদাহরণ ২: পাদ্রী ব্যাখ্যা: এটি খ্রিস্টধর্মের যাজক বোঝাতে ব্যবহৃত একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পর্তুগিজ — এটি সঠিক কারণ চাবি, জানালা ও বালতি শব্দগুলো পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে। B) জাপানি — জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় খুব কম শব্দ এসেছে এবং এগুলোর মধ্যে চাবি, জানালা বা বালতি নেই। C) রুশ — রুশ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় সরাসরি তেমন শব্দ প্রবেশ করেনি যা এই শব্দগুলোর সঙ্গে মেলে। D) চীনা — চীনা ভাষা থেকে আসা শব্দের মধ্যে প্রধানত চা ও চিনি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার জন্য গৃহস্থালি ও খাবারের নামগুলো একসঙ্গে চর্চা করতে পারো। - যেমন গিন্নি, কামরা, চাবি, জানালা, বালতি, আনারস, পেঁপে একসঙ্গে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পর্তুগিজ ও আরবি-ফার্সি শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
a করণ
b অধিকরণ
c অপাদান
d কর্ম
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) করণ ১. কেন সঠিক: - ক্রিয়ার সম্পাদনের মাধ্যম, সহায়ক বা উপায়কে ব্যাকরণে করণ কারক বলা হয়। - এখানে 'জ্ঞান' হলো আনন্দ লাভের মাধ্যম বা সহায়ক বিষয়, তাই এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহার। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে সম্পন্ন করা হয় তা দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে করণ কারক বলে। - করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সাহায্য বা উপায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মা ব্লেড দিয়ে ফল কাটছেন। ব্যাখ্যা: এখানে ফল কাটার যন্ত্র বা মাধ্যম হলো ব্লেড, তাই ব্লেড শব্দটিতে করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি রয়েছে। উদাহরণ ২: টাকায় কি না হয়। ব্যাখ্যা: এখানে কাজ সম্পন্ন হওয়ার উপায় হলো টাকা, তাই টাকা শব্দটি করণ কারক নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ জ্ঞান হলো আনন্দ লাভের মাধ্যম। B) অধিকরণ — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অপাদান — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীতি বা রক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে, যা এখানে নেই। D) কর্ম — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, কিন্তু এখানে জ্ঞান কর্ম নয় বরং মাধ্যম। ৫. মনে রাখার টিপস: - কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করে যদি উত্তর পাওয়া যায়, তবে চোখ বুজে তাকে করণ কারক বলে চিহ্নিত করবে। - মাধ্যম বা সহায়িকা বোঝালে করণ কারক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য বাক্যের ক্রিয়াপদকে কে, কী, কোথায়, কীভাবে ইত্যাদি প্রশ্ন করে সঠিক কারক বের করতে হয়। - বিমূর্ত বিষয় যেমন জ্ঞান, বুদ্ধি বা সাধনাও অনেক সময় বাক্যে করণের ভূমিকা পালন করতে পারে।
a মহান যে নদী
b মহৎ যে নদী
c মহা যে নদী
d মহীয়সী যে নদী
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহান যে নদী ১. কেন সঠিক: - 'মহানদী' শব্দটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্গত যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণ মিলে একটি পদ গঠিত হয়েছে। - নদী বিশেষ্য পদের পূর্বে 'মহান' বিশেষণটি বসে বিশেষায়িত করায় এর ব্যাসবাক্য মহান যে নদী হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন ঘটে এবং বিশেষণটি পূর্বে বসে তাকে সাধারণ কর্মধারয় সমাস বলে। - এখানে 'মহৎ' বা 'মহা' না বসে নদী পদের পূর্বে 'মহান' বিশেষণটি ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী যথাযথভাবে প্রযুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাপুরুষ ব্যাখ্যা: মহান যে পুরুষ, এটিও কর্মধারয় সমাসের একটি সাধারণ উদাহরণ যেখানে বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যের সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: মহর্ষি ব্যাখ্যা: মহান যে ঋষি, এই শব্দটিও মহান পদের সাথে বিশেষ্য পদের মিলনে কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহান যে নদী — এটি সঠিক কারণ নদীর ক্ষেত্রে বিশেষণের সঠিক রূপ মহান ব্যবহৃত হয়। B) মহৎ যে নদী — মহৎ শব্দ মানুষের গুণ বা স্বভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ভৌগোলিক বা প্রাকৃতিক নদীর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। C) মহা যে নদী — মহা শব্দটি সমাসের পূর্বে যুক্ত হয়ে উপসর্গ বা ভিন্ন রূপ তৈরি করে, কিন্তু এখানে ব্যাকরণগতভাবে মহান রূপটি সঠিক। D) মহীয়সী যে নদী — মহীয়সী শব্দটি কেবল নারী বা নারীর গুণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, নদীর ক্ষেত্রে এটি সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: নদী শব্দের ক্ষেত্রে সবসময় মহান বিশেষণ ব্যবহার করে ব্যাসবাক্য করতে হবে। মানুষের গুণের ক্ষেত্রে মহৎ এবং নারীর ক্ষেত্রে মহীয়সী ব্যবহার করতে হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই এমন প্রশ্ন আসে যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের সঠিক রূপ নির্ধারণ করতে হয়। শব্দের প্রকৃতি বুঝে বিশেষণ নির্বাচন করতে হবে।
a অব্যয় ও শব্দাংশ
b উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে
c ভিন্ন অর্থ প্রকাশ
d নতুন শব্দ গঠন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে ১. কেন সঠিক: উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ই শব্দগঠনের অংশ হলেও এদের অবস্থানের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। উপসর্গ সবসময় মূল শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বা সামনে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে, আর প্রত্যয় বসে মূল শব্দ বা ধাতুর পরে বা পিছনে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: উপসর্গ হলো কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে অর্থের পরিবর্তন বা সংকোচন ঘটায়। পক্ষান্তরে, প্রত্যয় হলো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন পদ বা শব্দ গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার। ব্যাখ্যা: এখানে প্র হলো উপসর্গ যা হার শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: চল্ + আ = চলা। ব্যাখ্যা: এখানে আ হলো প্রত্যয় যা চল্ ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয় ও শব্দাংশ — উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ই শব্দাংশ হলেও এই বৈশিষ্ট্য তাদের অবস্থানের পার্থক্য নির্দেশ করে না। C) ভিন্ন অর্থ প্রকাশ — নতুন শব্দ গঠনে উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ই ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, যা তাদের মূল অবস্থানের পার্থক্য বোঝায় না। D) নতুন শব্দ গঠন — উপসর্গ ও প্রত্যয় উভয়ের কাজই নতুন শব্দ গঠন করা, তাই এটি তাদের পারস্পরিক পার্থক্যের মাপকাঠি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: উপসর্গ শব্দটির শুরুতে উ আছে যার অর্থ উপরে বা সামনে, তাই উপসর্গ থাকে সামনে। অন্যদিকে প্রত্যয়ের প দিয়ে পিছন মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ ও প্রত্যয়ের অবস্থান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই সামনে বসার জন্য উপসর্গ এবং পরে বসার জন্য প্রত্যয় এই মূল সূত্রটি মনে রাখা জরুরি।
a ক্ষুৎ+আর্ত
b ক্ষুধা +আর্ত
c ক্ষুধা + ঋত
d ক্ষুধ+ আর্ত
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুধা + ঋত ১. কেন সঠিক: - ক্ষুধার্থ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো ক্ষুধা যোগ ঋত, যা স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে। - এখানে প্রথম পদের শেষে থাকা আ স্বরধ্বনির সঙ্গে দ্বিতীয় পদের শুরুতে থাকা ঋ স্বরধ্বনি মিলিত হয়ে অর্ হয়ে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংস্করণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ এর পর ঋ থাকলে উভয় মিলে অর্ হয় এবং তা পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। - ক্ষুধ শব্দের অন্তে থাকা আ এবং ঋত শব্দের ঋ মিলে অর্ বা রফলা সৃষ্টি করে শব্দটি ক্ষুধার্থ রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহা যোগ ঋষি = মহর্ষি ব্যাখ্যা: এখানে আ এর পর ঋ যুক্ত হয়ে অর্ গঠিত হয়েছে, যা একই সন্ধিনিয়মের আওতাভুক্ত। উদাহরণ ২: রাজা যোগ ঋষি = রাজর্ষি ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়মে আ এবং ঋ মিলে অর্ ধ্বনির সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষুৎ+আর্ত — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হতে পারে, কিন্তু ক্ষুধার্থ শব্দের প্রমিত সন্ধি বিচ্ছেদ এটি নয়। B) ক্ষুধা +আর্ত — এই অপশনে আ এর পরে আ যুক্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা ক্ষুধার্থ শব্দের ব্যাকরণিক গঠনের সঙ্গে মেলে না। D) ক্ষুধ+ আর্ত — এই অপশনে সঠিক মূল শব্দ বা প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়নি, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অর্ বা রফলাযুক্ত সন্ধির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দ হিসেবে ঋত বা ঋষি থাকলে প্রথম শব্দে আ বা অ থাকে। - ক্ষুধার্থ শব্দটি দেখলে সবসময় ক্ষুধা এবং ঋত এই দুটি অংশ আলাদা করার অভ্যাস করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে। - নিয়মের ব্যতিক্রম বা বিশেষ স্বরসন্ধিগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই নম্বর পাওয়া সম্ভব।
a শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c বিহারীলাল
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'পোস্টমাস্টার' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প যার রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - এই গল্পে গ্রামীণ বাংলার একাকী পোস্টমাস্টার এবং পিতৃহীন অনাথ গ্রাম্য কিশোরী রতনের মধ্যকার আকুল সম্পর্ক ও বেদনাবোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর হাত ধরেই বাংলা ছোটগল্প পূর্ণতা লাভ করে। - 'পোস্টমাস্টার' গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'গল্পগুচ্ছ' গ্রন্থের প্রথম খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি ১৮৯১ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'জীবিত ও মৃত' ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যা 'গল্পগুচ্ছ' সংকলনে স্থান পেয়েছে। উদাহরণ ২: 'কাবুলিওয়ালা' ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি বিশ্বখ্যাত ছোটগল্প যা পিতা ও কন্যার সম্পর্কের গভীরতা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের এক জাদুকর এবং সমাজবাস্তবতার লেখক হলেও 'পোস্টমাস্টার' গল্পটির রচয়িতা নন। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং রোমান্টিক ও ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, তবে ছোটগল্প রচনায় তাঁর অবদান নেই। C) বিহারীলাল — তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট গীতিকবি ও ভোরের পাখি নামে পরিচিত, যিনি ছোটগল্পের জন্য পরিচিত নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ছোটগল্পটি তাঁরই সৃষ্টি। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প মানেই 'গল্পগুচ্ছ'। পোস্টমাস্টার রতন চরিত্রটি মনে রাখলেই রবীন্দ্রনাথের নাম মনে আসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'গল্পগুচ্ছ' বা রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই রবীন্দ্রনাথের প্রধান ছোটগল্পগুলোর নাম মনে রাখা জরুরি।
a চণ্ডীদাস
b কাজী নজরুল ইসলাম
c বিদ্যাপতি
d রবীন্দ্রনাথ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিদ্যাপতি ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পদটি মধ্যযুগের পদাবলী সাহিত্যের অমর সৃষ্টি এবং এর রচয়িতা মৈথিল কোকিল কবি বিদ্যাপতি। - বারিষার দিনে প্রিয়ার বিরহকাতরতা এবং শূন্য গৃহের বেদনা এই পদের মূল ভাব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করলেও বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীতে তার স্থান অত্যন্ত উচ্চে। - মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা ও বিরহ ভাব এই পদের প্রধান বিষয়বস্তু। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সজনি কি পুছসি অনুভব মোয়। ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যাপতির আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিখ্যাত পদ। উদাহরণ ২: কে ন দেল বর কানাই। ব্যাখ্যা: এটিও বিদ্যাপতির বিরহ ও প্রেম বিষয়ক একটি বিখ্যাত পদাবলী রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই পদের রচয়িতা নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক যুগের বিদ্রোহী কবি এবং এই প্রাচীন পদের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। C) বিদ্যাপতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও বাংলা পদাবলীতে বিশেষভাবে সমাদৃত। D) রবীন্দ্রনাথ — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আধুনিক যুগের শ্রেষ্ঠ কবি ও ঔপন্যাসিক, তিনি মধ্যযুগের এই পদের রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাদর বা বৃষ্টির দিনের বিরহ সম্পর্কিত এই বিখ্যাত পদের রচয়িতা বিদ্যাপতি মনে রাখবে। - বিদ্যাপতিকে মৈথিল কোকিল বলা হয় এবং তার পদগুলো ব্রজবুলি ভাষায় রচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের পদাবলীর বিখ্যাত লাইন প্রায়ই আসে। - কবি বিদ্যাপতি কোন ভাষার কবি এবং তার উপাধি কী, তা পরীক্ষার্থীদের ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a একাত্তরের দিনগুলি
b নূরলদীনের সারাজীবন
c এইসব দিনরাত্রি
d সৎ মানুষের খোঁজে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একাত্তরের দিনগুলি কেন সঠিক: - এটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দিনলিপি বা স্মৃতিকথা। - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের বাস্তব দলিল এই গ্রন্থটি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনার মধ্যে দিনলিপি সাহিত্য হিসেবে এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। - শহীদ জুয়েল ও রুমীর মা জাহানারা ইমাম অত্যন্ত আবেগ ও সত্যনিষ্ঠার সঙ্গে যুদ্ধের দিনগুলো এতে লিপিবদ্ধ করেছেন। - এই গ্রন্থে একজন সাধারণ মায়ের চোখে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতার চিত্র ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - B) নূরলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা একটি ঐতিহাসিক পদাতিক নাটক, যা ব্রিটিশ বিরোধী কৃষক বিদ্রোহ নিয়ে রচিত। - C) এইসব দিনরাত্রি — এটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস, যা মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবনের সুখ-দুঃখ নিয়ে রচিত। - D) সৎ মানুষের খোঁজে — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি বিখ্যাত নাটক নয়, বরং এটি সৈয়দ শামসুল হক বা অন্য লেখকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা নয়। মনে রাখার টিপস: - জাহানারা ইমাম মানেই একাত্তরের দিনগুলি এবং একাত্তর মানেই মুক্তিযুদ্ধ।
a অগ্নিসাক্ষী
b আরেক ফাল্গুন
c চিলেকোঠার সেপাই
d অনেক সূর্যের আশা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরেক ফাল্গুন ১. কেন সঠিক: - 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলোর একটি, যা ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনাকে ধারণ করে। - জহির রায়হান এই উপন্যাসের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং বন্দিশালার ভেতরের সংগ্রামের এক বাস্তবসম্মত ও আবেগময় চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান ১৯৩৫ সালে ফেনী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। - ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পাশাপাশি আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী স্বরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়, বরং গ্রামীণ সমাজজীবনের এক চিরন্তন দুঃখগাথা নিয়ে রচিত একটি প্রখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের 'জননী' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়, বরং গ্রামীণ মধ্যবিত্ত পরিবারের ভাঙন ও সামাজিক সংকট নিয়ে রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিসাক্ষী — হাসান আজিজুল হকের এই উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়, বরং এটি মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক সংকটের পটভূমিতে রচিত। B) আরেক ফাল্গুন — এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং অন্য অপশনগুলোর মতো ভিন্ন প্রেক্ষাপটে রচিত নয়। C) চিলেকোঠার সেপাই — আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের এই উপন্যাসটি ঊনসত্তরের গণঅভুথান ও ঊনসত্তরের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে রচিত, ভাষা আন্দোলন নিয়ে নয়। D) অনেক সূর্যের আশা — এটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা একটি উপন্যাস যা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক, ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাষা আন্দোলন মানেই জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' এই সূত্রটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজে উত্তর করা সম্ভব। - ফাল্গুন মাসের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা আন্দোলন হয়েছিল, তাই ফাল্গুন শব্দযুক্ত উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জহির রায়হান একাধারে একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা আন্দোলন বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের রচয়িতা প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর নাম নোট করে রাখা জরুরি।
a হুমায়ূন আহমেদ
b বুদ্ধদেব বসু
c তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
d সেলিনা হোসেন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হুমায়ূন আহমেদ কেন সঠিক: ১. 'দেয়াল' হলো জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের লেখা একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা শেষ অসমাপ্ত কাজ হিসেবে পরিচিত। ২. এই উপন্যাসে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী রাজনৈতিক পটভূমি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাসের ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পঠিত সাহিত্যকর্ম। ২. লেখকের জীবনদ্দশায় উপন্যাসটি সম্পূর্ণ প্রকাশিত হতে পারেনি, যা তার মৃত্যুর পর গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণস্বরূপ, এই উপন্যাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তৎকালীন রাজনীতির নানা বাস্তব ঘটনা চরিত্রের মাধ্যমে উঠে এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ূন আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। B) বুদ্ধদেব বসু — তিনি মূলত বিশ শতকের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান রূপকার ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। C) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি গ্রামবাংলার মাটি ও মানুষের জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ছিলেন। D) সেলিনা হোসেন — তিনি সমসাময়িককালের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর রচিত নয়। মনে রাখার টিপস: ১. শেষ উপন্যাস হিসেবে হুমায়ূন আহমেদের 'দেয়াল' নামটি মনে রাখতে হবে। ২. ঐতিহাসিক পটভূমির উপন্যাস বললেই হুমায়ূন আহমেদের 'দেয়াল' ও 'জননী' জাতীয় রচনা মাথায় রাখতে হবে।
a মুনীর চৌধুরী
b মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
c শরৎচন্দ্র
d বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'পদ্মানদীর মাঝি' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী উপন্যাস যার রচয়িতা কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। - পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলে সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনযাত্রা, তাদের সুখ, দুঃখ, সংগ্রাম ও মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম প্রধান প্রবক্তা এবং মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের অন্যতম কারিগর। - ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে পদ্মা নদীর কূলের জেলেদের জীবন নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুতুলনাচের ইতিকথা ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: দিবারাত্রির কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস যা বাংলা উপন্যাসে নতুন ধারার সূচনা করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, শিক্ষাবিদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবী ছিলেন, তাঁর কোনো উপন্যাস বা 'পদ্মানদীর মাঝি' নামে কোনো রচনা নেই। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর। C) শরৎচন্দ্র — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও 'পদ্মানদীর মাঝি' তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে দেবদাস ও শ্রীকান্ত। D) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি প্রকৃতিপ্রেমী ঔপন্যাসিক হলেও 'পদ্মানদীর মাঝি' তাঁর সৃষ্টি নয়, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে পাণ্ডবঞ্জের পাঁচালী ও অপরাজিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - পদ্মা নদী ও জেলের জীবন নিয়ে লেখা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো 'পদ্মানদীর মাঝি'। - লেখকের নামের প্রথমাংশ 'মানিক' মনে রাখলে নদী ও জেলের জীবনঘনিষ্ঠ এই ক্লাসিক উপন্যাসটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসের রচয়িতা বা প্রকাশকাল জানতে চাওয়া হয়। - এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুবেড়, মালা ও কপিলা সম্পর্কেও প্রশ্ন আসতে পারে।
a মুহসীন কলেজ
b ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
c শ্রীরামপুর মিশন
d সংস্কৃত কলেজ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান সবচেয়ে বেশি কারণ এখানে ভাষা বিভাগ স্থাপন করে পন্ডিতদের দিয়ে সহজ ও সাবলীল বাংলা গদ্য রচনা করানো হয়। ইংরেজ সিভিলিয়ানদের বাংলা শেখানোর জন্য পাঠ্যপুস্তক তৈরির উদ্দেশ্যে ১৮০০ সালের ৪ মে এই কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মাধ্যমেই বাংলা গদ্যের সূচনা ঘটে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি এবং তাঁর নেতৃত্বে রামরাম বসু, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ও গোলকনাথ শর্মার মতো পন্ডিতগণ গদ্য গ্রন্থ রচনা করেন। এই কলেজের পন্ডিতদের হাত ধরেই পদ্যের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলা ভাষা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং আধুনিক গদ্য সাহিত্যের পথ উন্মুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত রামরাম বসু রচিত একটি ঐতিহাসিক ও গদ্য সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: বত্রিশ সিংহাসন ব্যাখ্যা: এটি মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের আমলের একটি বিখ্যাত গদ্য গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহসীন কলেজ — এটি একটি ঐতিহ্যবাহী সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলেও বাংলা গদ্য সাহিত্য বিকাশে এর কোনো সরাসরি ঐতিহাসিক অবদান নেই। B) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ — এটি বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত। C) শ্রীরামপুর মিশন — এটি বাংলা মুদ্রণ ও বাইবেল অনুবাদের জন্য বিখ্যাত হলেও সরকারিভাবে গদ্য বিকাশের মূল কেন্দ্র ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ। D) সংস্কৃত কলেজ — এটি ১৮২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সংস্কৃত চর্চার কেন্দ্র ছিল, যা গদ্য বিকাশের সূচনালগ্ন নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: গদ্য মানেই ফোর্ট উইলিয়াম এবং ফোর্ট উইলিয়াম মানেই বাংলা গদ্যের প্রথম পাঠশালা। ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজটি বাংলা গদ্যের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০০ সালে এবং এর বাংলা বিভাগের প্রথম প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি। পরীক্ষায় প্রায়ই আসে বাংলা গদ্যের আদি গুরু বা জনক কে, যার উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
a আবদুল হাকিম
b অতুল প্রসাদ সেন
c রামনিধি গুপ্ত
d শেখ ফজলল করিম
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রামনিধি গুপ্ত ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত পঙ্ক্তিটি বাংলা ভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও দেশপ্রেম প্রকাশ করে এবং এটি বিখ্যাত বাংলা গান বা পদ। - পঙ্ক্তিটির রচয়িতা হিসেবে মধ্যযুগের শেষভাগ ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণের বিশিষ্ট গীতিকার রামনিধি গুপ্ত বা নিধুবাবু সর্বস্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রামনিধি গুপ্ত ছিলেন বাংলা ভাষার আদি খেয়াল গানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচয়িতা এবং টপ্পা গানের প্রবর্তক। - তার রচিত এই পদটিতে মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা এবং নিজস্ব ভাষার গুরুত্ব অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নানা দেশের নানা ভাষা, বিনে স্বদেশি ভাষা, পুরে কি আশা। ব্যাখ্যা: এটি রামনিধি গুপ্তের একটি বিখ্যাত টপ্পা গান, যা মাতৃভাষার মর্যাদাকে তুলে ধরে। উদাহরণ ২: আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা। ব্যাখ্যা: এটি দেশপ্রেমমূলক অন্য একটি বিখ্যাত গান যা স্বদেশপ্রীতির ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল হাকিম — তিনি মধ্যযুগের কবি যিনি বঙ্গবাণী কবিতায় মাতৃভাষার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন কিন্তু এই পঙ্ক্তির রচয়িতা নন। B) অতুল প্রসাদ সেন — তিনি আধুনিক যুগের বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানের রচয়িতা হলেও এই বিশেষ পঙ্ক্তিটি তার লেখা নয়। D) শেখ ফজলল করিম — তিনি একজন সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী ছিলেন, তবে এই পঙ্ক্তিটি তার কোনো রচনা থেকে নেওয়া হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - মাতৃভাষা নিয়ে নিধুবাবুর গান মনে রাখতে 'নানান দেশের নানান ভাষা' লাইনটি রামনিধি গুপ্তের নামের সঙ্গে মিলিয়ে পড়বে। - টপ্পা গান বললেই রামনিধি গুপ্তের নাম মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব কার্যকর কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত পঙ্ক্তি ও তার রচয়িতা প্রায়ই আসে, তাই পঙ্ক্তি মুখস্থ রাখার বিকল্প নেই। - মাতৃভাষা বিষয়ক অন্যান্য বিখ্যাত পঙ্ক্তিগুলোর রচয়িতাও আলাদা করে পড়ে নিতে হবে।
a নাটক
b পদাবলি
c কাব্য
d পালাগান
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাব্য ১. কেন সঠিক: - 'চন্দ্রাবতী' মূলত একটি দীর্ঘ বর্ণনামূলক কবিতা বা কাব্য, যা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি মল্লিকা সেনগুপ্ত রচনা করেছেন। - এই কাব্যে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি চন্দ্রাবতীর দুঃখময় জীবন, প্রেম এবং সাহিত্যসাধনার করুণ ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মল্লিকা সেনগুপ্ত একজন প্রখ্যাত আধুনিক বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক যিনি নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অনেক কবিতা ও কাব্য রচনা করেছেন। - 'চন্দ্রাবতী' কাব্যটিতে মধ্যযুগের প্রথম বাঙালি নারী কবি চন্দ্রাবতীর কিশোরী জীবনের প্রেম এবং দুঃখের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'মল্লিকা সেনগুপ্তের শ্রেষ্ঠ কবিতা' ব্যাখ্যা: এটি কবির অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যেখানে তাঁর কাব্যশৈলীর পরিচয় পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: 'মেয়েদের দেশ' ব্যাখ্যা: এটি মল্লিকা সেনগুপ্তের একটি বিখ্যাত নারীবাদী কাব্যগ্রন্থ যা সমাজে নারীর অবস্থান তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — 'চন্দ্রাবতী' কোনো নাটক বা মঞ্চের জন্য রচিত দৃশ্যকাব্য নয়, এটি একটি স্বতন্ত্র কাব্যগ্রন্থ। B) পদাবলি — পদাবলি সাধারণত বৈষ্ণব বা শাক্ত পদ বোঝায়, কিন্তু 'চন্দ্রাবতী' একটি আধুনিক আഖ্য়ান কাব্য। C) কাব্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ মল্লিকা সেনগুপ্ত এটি কাব্য হিসেবে রচনা করেছেন। D) পালাগান — চন্দ্রাবতী পালাগান রচনা করেছিলেন মলুয়া ও দস্যু কেনারামের মনসা মঙ্গল ইত্যাদি, কিন্তু এই নামে কোনো পালাগান নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - মল্লিকা সেনগুপ্তের বিখ্যাত কাব্য মনে রাখার জন্য মনে রাখবে তিনি মধ্যযুগের নারী কবি চন্দ্রাবতীকে নিয়ে একটি বিখ্যাত 'কাব্য' লিখেছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি মল্লিকা সেনগুপ্তের লেখা 'চন্দ্রাবতী' কোন জাতীয় রচনা তা প্রায়ই আসে। - মধ্যযুগের চন্দ্রাবতী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি, আর আধুনিক যুগের কবি মল্লিকা সেনগুপ্ত তাঁকে নিয়ে এই কাব্য রচনা করেছেন।
a লায়লী-মজনু
b ইউসুফ জোলেখা
c চন্দ্রাবতী
d পদ্মাবতী
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইউসুফ জোলেখা ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম প্রণয়োপাখ্যান বা রোমান্টিক কাব্য হলো শাহ মোহাম্মদ সগীর রচিত ইউসুফ জোলেখা। সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এই কাব্য রচিত হয় এবং এটি ফার্সি সাহিত্যের কাহিনীর অবলম্বনে বাংলায় অনূদিত বা রচিত প্রথম প্রণয়মূলক কাব্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের দ্বারা রচিত কাব্যগুলোর মধ্যে প্রণয়োপাখ্যান ধারাটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। শাহ মোহাম্মদ সগীর ছিলেন মধ্যযুগের বাংলার প্রথম যুগের কবি যিনি রোমান্টিক ধারার সূচনা করেন এবং তার কাব্যে প্রেম ও আধ্যাত্মিকতার অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউসুফ জোলেখা কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি ফার্সি কবি জামি ও ফেরদৌসীর কাহিনীর আদলে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রণয়োপাখ্যান। উদাহরণ ২: পদ্মাবতী কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি আলাওল রচিত মধ্যযুগের আরেকটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যান যা পরবর্তীতে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লায়লী-মজনু — দৌলত উজির বাহরাম খান এটি রচনা করেন, যা প্রথম প্রণয়োপাখ্যান নয়। B) ইউসুফ জোলেখা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) চন্দ্রাবতী — এটি প্রাক-মধ্যযুগের কবি মল্লুরাম বা অন্য কোনো কবির রচনা হতে পারে, তবে এটি প্রথম প্রণয়োপাখ্যান নয়। D) পদ্মাবতী — এটি সপ্তদশ শতাব্দীতে মহামকবি আলাওল রচনা করেন, যা প্রথম প্রণয়োপাখ্যানের মর্যাদা পায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: শাহ মোহাম্মদ সগীরের ইউসুফ জোলেখা হলো সাহিত্যের ইতিহাসে প্রণয়োপাখ্যানগুলোর মধ্যে প্রথম সৃষ্টি। মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রথম প্রণয় মানেই শাহ মোহাম্মদ সগীরের ইউসুফ জোলেখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের প্রথম প্রণয়োপাখ্যান কোনটি এবং এর রচয়িতা কে, এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। একইভাবে অন্যান্য প্রণয়োপাখ্যানের রচয়িতাদের নামও ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a জ্ঞানদাস
b বিদ্যাপতি
c চণ্ডীদাস
d গোবিন্দদাস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জ্ঞানদাস ১. কেন সঠিক: 'সুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু অনলে পুড়িয়া গেল' পদটি বাংলা পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি জ্ঞানদাসের রচনা। এই পদের মাধ্যমে কবি মানবজীবনের চিরন্তন দুঃখ, অতৃপ্তি এবং প্রেমের গভীর বেদনা অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জ্ঞানদাস মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যের একজন অন্যতম প্রধান কবি এবং চণ্ডীদাসের ভাবশিষ্য হিসেবে পরিচিত। তিনি শ্রীখণ্ডে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর পদগুলোতে রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের মাধ্যমে মানুষের আত্মিক ও লৌকিক বেদনার রূপায়ন ঘটেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপ লাগি আঁখি ঝুরে গুণে মন বিভোর। ব্যাখ্যা: এটি কবি জ্ঞানদাসের লেখা অপর একটি বিখ্যাত পদ, যা রাধার আকুলতা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: কে বা শুনাইল শ্যাম নাম। ব্যাখ্যা: এটিও জ্ঞানদাসের রচিত বিখ্যাত পদ যেখানে নামের মাধুর্য ও তার প্রভাব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞানদাস - এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত পদটি কবি জ্ঞানদাসেরই রচনা। B) বিদ্যাপতি - বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হলেও ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করেছেন, তবে এই পদটি তাঁর নয়। C) চণ্ডীদাস - চণ্ডীদাস মধ্যযুগের আদি পদের কবি হলেও এই নির্দিষ্ট পদটির রচয়িতা চণ্ডীদাস নন। D) গোবিন্দদাস - গোবিন্দদাস কবিরাজ ব্রজবুলি ভাষায় অনেক পদ রচনা করলেও এই পদটি তাঁর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জ্ঞানদাসের পদ মানেই ঘর বাঁধা ও অনলে পোড়ার তীব্র বেদনার প্রকাশ। পরীক্ষায় এই লাইনটি দেখলে চোখ বন্ধ করে জ্ঞানদাস দাগাতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির কবিদের মধ্যে জ্ঞানদাস ও চণ্ডীদাসের পদের মিল থাকায় প্রায়ই কনফিউশন হয়। চণ্ডীদাসের পদের মূল সুর সহজ সরল প্রেম হলেও জ্ঞানদাসের পদে আবেগের গভীরতা ও বেদনার রূপায়ন বেশি থাকে।

মোট প্রশ্ন (20)

a a designer
b an architect
c a builder
d a plumber
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an architect কেন সঠিক: architect শব্দটি বিশেষভাবে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি বাড়ি এবং ভবন নকশা করার পেশাদার কাজ করেন। এটি গৃহনির্মাণ শিল্পের একটি মৌলিক এবং সঠিক পরিভাষা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a designer — এটি যেকোনো ধরনের নকশাকার বোঝাতে পারে, যা নির্দিষ্টভাবে শুধু বাড়ি বোঝায় না। B) an architect — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সরাসরি বাড়ি ও ভবনের নকশাকারকে নির্দেশ করে। C) a builder — এই শব্দটি এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি নকশা অনুযায়ী বাস্তবে বাড়ি নির্মাণ করেন। D) a plumber — এই শব্দটি সেই ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি বাড়ির পাইপলাইন ও জলের কাজ করেন। মনে রাখার টিপস: বিল্ডিং বা বাড়ি তৈরির প্ল্যান বা নকশা যিনি করেন তাকে আর্কিটেক্ট বলা হয়।
a Cunning
b Honesty
c Guile
d Intrigue
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Honesty কেন সঠিক: - Subterfuge শব্দটির অর্থ ছলনা, প্রতারণা বা কৌতুকপূর্ণ উপায়ে কিছু লুকানো। - Honesty শব্দটির অর্থ সততা, যার সঙ্গে কোনো ধরনের ছলনা বা প্রতারণার সম্পর্ক নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cunning — এটি Subterfuge শব্দটির সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, কারণ এর অর্থ ধূর্ততা। B) Honesty — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ছলনার বিপরীত অর্থ সততা প্রকাশ করে। C) Guile — এটি Subterfuge শব্দটির সমার্থক শব্দ, যার অর্থ প্রতারণা বা ধূর্ততা। D) Intrigue — এটিও Subterfuge শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ ষড়যন্ত্র বা গোপন চক্রান্ত। মনে রাখার টিপস: Subterfuge মানে ছলনা বা চালাকি, তাই এর বিপরীত মনে রাখতে এর উল্টো সততা বা Honesty শব্দটি ভাবুন।
a a
b e
c o
d y
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) y কেন সঠিক: ইংরেজিতে স্বরবর্ণ বা ভাওয়েল মূলত পাঁচটি অর্থাৎ এ, ই, আই, ও এবং ইউ। তাই ওয়াই অক্ষরটি কোনো মৌলিক ভাওয়েল নয় বরং এটি একটি সেমি-ভাওয়েল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি একটি নির্দিষ্ট এবং প্রাথমিক ভাওয়েল যা সঠিক উত্তরের বাইরে। B) e — এটিও ইংরেজি বর্ণমালার একটি মূল ভাওয়েল হওয়ার কারণে ভুল। C) o — এটি ভাওয়েলের অন্তর্ভুক্ত থাকায় প্রশ্নানুযায়ী এটি সঠিক নয়। D) y — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কনসোনেন্ট হিসেবে গণ্য হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বর্ণমালায় এ, ই, আই, ও, ইউ ছাড়া বাকি সব বর্ণই কনসোনেন্ট।
a Foxen
b Vixen
c Female fox
d der
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Vixen কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরুষবাচক শব্দ Fox এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো Vixen। - এটি জেন্ডার পরিবর্তনের একটি ব্যতিক্রমধর্মী নিয়ম যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Foxen — এই শব্দটির ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো অস্তিত্ব নেই বা এটি ভুল রূপ। B) Vixen — এটি Fox শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ এবং প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর। C) Female fox — এটি ব্যাকরণগত সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ নয়, কারণ পশুর ক্ষেত্রে সরাসরি নির্দিষ্ট জেন্ডার পরিবর্তনকারী শব্দ ব্যবহৃত হয়। D) der — এটি একটি অসম্পূর্ণ বা অর্থহীন অপশন যা এই প্রশ্নের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Fox শব্দের শেষে ixon বা en না বসে Vixen হয়, এটি মনে রাখতে F এর জায়গায় V বসিয়ে Vixen পড়ার অভ্যাস করুন।
a George Bernard Shaw
b William Shakespeare
c T.S. Eliot
d Christopher Marlowe
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) William Shakespeare কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়র ষোল ও সতেরো শতকের একজন বিখ্যাত ইংরেজি নাট্যকার ও কবি। তাঁর রচিত এই নাটকটি বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কমেডি হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত। এটি শেক্সপিয়রের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নাটক। নাটকটি মঞ্চায়নের দিক থেকেও বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) George Bernard Shaw — তিনি আধুনিক যুগের একজন বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার ছিলেন যিনি এই নাটকটি লেখেননি। B) William Shakespeare — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) T.S. Eliot — তিনি বিশ শতকের একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও সমালোচক ছিলেন যিনি এই নাটকটির রচয়িতা নন। D) Christopher Marlowe — তিনি এলিজাবেথীয় যুগের একজন বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন যিনি অন্য নাটক রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটকগুলোর নামের সাথে 'The Merchant of Venice' নামটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a philanthropist
b Humanitarian
c Misanthropist
d hatred
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Misanthropist কেন সঠিক: Misanthropist শব্দটি দুটি অংশ নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে 'mis' অর্থ ঘৃণা করা এবং 'anthrop' অর্থ মানবজাতি। তাই এককথায় মানবজাতি বিদ্বেষী বা মানবহাতে মানুষকে ঘৃণা করে এমন ব্যক্তিকে Misanthropist বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Philanthropist — এই শব্দটির অর্থ মানবহিতৈষী বা দানশীল ব্যক্তি, যা মানবপ্রেমিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি মানবদ্বেষীর বিপরীতার্থক। B) Humanitarian — এই শব্দটির অর্থ মানবতাবাদী, যিনি মানুষের কল্যাণ ও অধিকার নিয়ে কাজ করেন এবং এটি ক্ষতিকর বা ঘৃণাপূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করে না। C) Misanthropist — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হচ্ছে না। D) Hatred — এটি একটি সাধারণ বিশেষ্য পদ যার অর্থ ঘৃণা, কিন্তু এটি কোনো ব্যক্তিকে নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: গ্রিক শব্দ 'miso' অর্থ ঘৃণা এবং 'anthropos' অর্থ মানুষ, এই দুটি যুক্ত হয়ে মানুষের প্রতি ঘৃণা বোঝাতে Misanthropist শব্দটি তৈরি হয়েছে।
a to
b after
c with
d within
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: 'Adjacent' শব্দটির অর্থ সংলগ্ন বা পাশাপাশি অবস্থান বোঝায়। এর পরে সবসময় সঠিক preposition হিসেবে 'to' ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর এবং সঠিক preposition। B) after — এটি পরে বোঝাতে বসে, যা এই শব্দের সাথে সঠিক নয়। C) with — এটি সাথে বোঝাতে বসে, যা এখানে ব্যবহার করা নিয়মবহির্ভূত। D) within — এটি ভেতরে বোঝাতে বসে, যা এই শব্দটির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Adjacent শব্দটি দেখলে সবসময় মনে রাখবে এর সাথে 'to' যুক্ত হয়।
a civil
b confuse
c rude
d courteous
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) rude কেন সঠিক: - polite শব্দের অর্থ ভদ্র বা মার্জিত, আর rude শব্দের অর্থ অসভ্য বা অভদ্র। - বিপরীতার্থক শব্দ বা অ্যান্টনিমের ক্ষেত্রে polite এর সঠিক উল্টো শব্দ হলো rude। বাকি অপশন কেন ভুল: A) civil — এই শব্দটির অর্থ নাগরিক বা শিষ্ট, যা polite শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) confuse — এই শব্দটির অর্থ বিভ্রান্ত করা, যা polite শব্দের বিপরীতার্থক নয় এবং এর সাথে প্রাসঙ্গিকও নয়। C) rude — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অভদ্র, যা ভদ্র শব্দের সরাসরি বিপরীত। D) courteous — এই শব্দটির অর্থ বিনয়ী বা ভদ্র, যা polite শব্দের একটি সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Polite মানুষ সবসময় হাসিমুখে কথা বলে, আর Rude মানুষ রাগী ও অভদ্র আচরণ করে।
a integrity
b uprightness
c justice
d bias
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) justice কেন সঠিক: Equity শব্দটির বাংলা অর্থ হলো ন্যায়বিচার বা সমতা যা মূলত সুবিচার নিশ্চিত করার সাথে সরাসরি যুক্ত। অপশন সি-তে থাকা justice শব্দটির অর্থও ন্যায়বিচার বা সুবিচার বোঝায়। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় একই রকম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) integrity — এই শব্দটির অর্থ হলো সততা বা নৈতিক দৃঢ়তা, যা ইক্যুইটি শব্দের সঠিক সমার্থক নয়। B) uprightness — এই শব্দটির অর্থ হলো ঋজুতা বা সাধুতা, যা ন্যায়বিচারের সমার্থক হিসেবে পুরোপুরি মেলে না। C) justice — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা হয়নি। D) bias — এই শব্দটির অর্থ হলো পক্ষপাতিত্ব, যা ন্যায়বিচারের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি ধারণা। মনে রাখার টিপস: Equity এবং Justice উভয় শব্দই সমাজ ও আইনের ক্ষেত্রে সমান অধিকার ও ন্যায়বিচার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a a book
b a law
c an arms factory
d a news
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a law কেন সঠিক: - অর্ডিন্যান্স শব্দের বাংলা অর্থ অধ্যাদেশ, যা কোনো আইনসভা বা সরকারের জারি করা একটি বিশেষ আইন বা আদেশ। - এটি সাধারণত জরুরি পরিস্থিতিতে কার্যকর করা হয় এবং এর আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a book — এর অর্থ একটি বই, যা কোনো পড়ার বা লেখার সামগ্রীকে বোঝায় এবং আইনের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) a law — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্ডিন্যান্স বা অধ্যাদেশ হলো এক ধরণের আইন বা বিধি। C) an arms factory — এর অর্থ একটি অস্ত্র কারখানা, যা অস্ত্র উৎপাদনের স্থান এবং শব্দের অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ অমিল। D) a news — এর অর্থ একটি সংবাদ, যা তথ্য পরিবেশন করে কিন্তু কোনো আইন বা বিধান প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: অর্ডিন্যান্স শুনলেই মনে রাখবে এটি একটি আইন বা অধ্যাদেশ।
a had
b might
c have
d has
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had কেন সঠিক: বাক্যটি থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মে গঠিত হয়েছে যেখানে অতীতের অবাস্তব কল্পনা প্রকাশ করা হয়। এর গঠন হলো পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং পরের অংশে would have এর সাথে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে। তাই শূন্যস্থানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে had বসবে। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় আমি যদি আরও দূরদর্শী হতাম তবে এটি কাজ করতে পারত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had — এটি সঠিক কারণ শূন্যস্থানের পর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল been থাকায় এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স গঠন করতে হয়। B) might — এটি মডাল ভার্ব হওয়ায় এর পর সরাসরি been বসে না এবং থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম এখানে মানা হয় না। C) have — এটি প্রেজেন্ট টেন্স নির্দেশ করে যা অতীতের অবাস্তব ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) has — এটি থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বারের সাথে প্রেজেন্ট টেন্সে বসে যা অতীতের এই বাক্যের সাথে যায় না। মনে রাখার টিপস: would have বা could have এর সাথে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল থাকলে আগের অংশে সবসময় had বসাতে হয়।
a foreigner
b alien
c expatriate
d patriot
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) expatriate কেন সঠিক: expatriate শব্দটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি নিজের দেশ ছেড়ে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে অন্য কোনো দেশে বসবাস করেন। যেহেতু একজন বাংলাদেশি বর্তমানে কানাডায় বসবাস করছেন, তাই তিনি অভিবাসী বা প্রবাসী হিসেবে এই সংজ্ঞার আওতায় পড়েন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) foreigner — এই শব্দটি সাধারণত এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি একটি নির্দিষ্ট দেশের সাপেক্ষে একজন ভিনদেশি নাগরিক, কিন্তু এটি প্রবাসীর নির্দিষ্ট সামাজিক অবস্থাকে পুরোপুরি প্রকাশ করে না। B) alien — এই শব্দটি আইনি বা বৈজ্ঞানিক অর্থে ভিনগ্রহের প্রাণী কিংবা কোনো দেশের আইনি প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ অনাগরিক বা পরবাসী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) expatriate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) patriot — এই শব্দটির অর্থ দেশপ্রেমিক, যা দেশের প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও ভক্তি প্রকাশ করে, কিন্তু এটি বিদেশে বসবাস করার অবস্থাকে বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: নিজ দেশ ছেড়ে অন্য দেশে বসবাসকারী ব্যক্তিকে প্রবাসী বা expatriate বলা হয়।
a History Book
b Study of Bible
c Collection of books
d Book on
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Collection of books কেন সঠিক: গ্রিক শব্দ বিব্লিওন অর্থ বই এবং গ্রাফিন অর্থ লেখা থেকে এই শব্দটি এসেছে। কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা লেখকের ওপর লেখা বইগুলোর তালিকা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত বইয়ের একটি সংগ্রহ বা তালিকা নির্দেশ করে। গ্রন্থপঞ্জি বোঝাতেও এই শব্দটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) History Book — এটি দ্বারা ইতিহাস বিষয়ক বই বোঝায়, যা বিব্লিওগ্রাফির মূল অর্থের সাথে মেলে না। B) Study of Bible — এটি বাইবেল পাঠ বা অধ্যয়ন সংক্রান্ত বিষয়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। C) Collection of books — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Book on — এটি অসমাপ্ত একটি শব্দগুচ্ছ যার নির্দিষ্ট কোনো অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: বিব্লিও শব্দের অর্থ বই এবং গ্রাফ অর্থ লেখা, তাই বইয়ের তালিকা বা সংগ্রহই হলো Bibliography।
a Get by heart
b Tried hard
c Go with heart
d of these
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) Tried hard কেন সঠিক: - Tooth and nail একটি ইংরেজি ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ দাঁত ও নখ দিয়ে এবং ভাবার্থ সর্বাত্মক শক্তি দিয়ে চেষ্টা করা। - এই ইডিয়মটি কোনো কাজে সর্বোচ্চ চেষ্টা বা কঠোর লড়াই করার পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Get by heart — এর অর্থ মুখস্থ করা, যা ইডিয়মটির অর্থ বা লড়াই করার ধারণার সঙ্গে মেলে না। B) Tried hard — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ কঠোর চেষ্টা করা যা tooth and nail ইডিয়মটির সমর্থক। C) Go with heart — এর অর্থ আন্তরিকভাবে কিছু করা, যা সর্বাত্মক বা কঠোর প্রচেষ্টার পুরো ভাব প্রকাশ করে না। D) of these — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: দাঁত ও নখ দিয়ে লড়াই করার মতো পরিস্থিতি কল্পনা করলে খুব সহজেই মনে রাখা যায় এর অর্থ হলো কঠোর বা সর্বাত্মক চেষ্টা করা।
a to tell a lie
b to take bribe
c to speak the truth
d of these
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to speak the truth কেন সঠিক: বাক্যটিতে too এবং to যুক্ত negative implication রয়েছে যার অর্থ মানুষটি এতই অসৎ যে সে সত্যি কথা বলতে পারে না। অসৎ মানুষ স্বভাবগতভাবেই সত্য কথা বলা থেকে বিরত থাকে। তাই শূন্যস্থানে সত্য কথা বলার বিষয়টি বসালে অর্থ সম্পূর্ণ ও সঠিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to tell a lie — অসৎ মানুষ মিথ্যা বলতে পারে তাই এই অপশনটি বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) to take bribe — অসৎ মানুষ ঘুষ নিতে পারে তাই এটি বসালে বাক্যটির নেতিবাচক ব্যাকরণগত অর্থ নষ্ট হয়। C) to speak the truth — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন নয়। D) of these — যেহেতু একটি অপশন সঠিক তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: too adjective to structure যুক্ত বাক্যের ক্ষেত্রে সাধারণত বিপরীতার্থক বা নেতিবাচক ভালো কাজগুলো বসে।
a Yell
b Sound
c Loudly
d Cry
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Yell কেন সঠিক: scream শব্দটির অর্থ হলো চিৎকার করা বা চেঁচিয়ে ওঠা। yell শব্দটির অর্থও উচ্চস্বরে চিৎকার করা, তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Yell — এটি সঠিক উত্তর। B) Sound — এর অর্থ শব্দ, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। C) Loudly — এটি একটি adverb যার অর্থ উচ্চস্বরে, কিন্তু scream একটি verb। D) Cry — এর অর্থ কান্না করা, যা scream শব্দের সঠিক সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: scream এবং yell দুটি শব্দই তীব্রভাবে চিৎকার করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
a hung for
b hanged
c hanged for
d hang for
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) hanged for কেন সঠিক: মৃত্যদণ্ড দেওয়া অর্থে hang verb এর পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে hanged বসে। কোন অপরাধের জন্য শাস্তি দেওয়া বোঝালে for প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hung for — এখানে hang এর সঠিক পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করা হয়নি এবং বাক্যটি প্যাসিভ হওয়ায় অতিরিক্ত সাহায্যকারী ভার্ব দরকার ছিল। B) hanged — এখানে সঠিক পাস্ট ফর্ম থাকলেও অপরাধের কারণ বোঝাতে প্রয়োজনীয় for প্রিপজিশনটি বাদ দেওয়া হয়েছে। C) hanged for — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) hang for — এখানে মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে যা বাক্যের অতীত অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: মানুষের ফাঁসি দেওয়া বোঝালে hanged হয় আর কোনো বস্তু ঝোলানো বোঝালে hung হয়।
a Time record
b Written record
c Time frame
d Ending Time
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Written record কেন সঠিক: ১. মিটিংয়ের 'minutes' বলতে সভায় আলোচনা করা বিষয় ও সিদ্ধান্তগুলোর লিখিত বিবরণকে বোঝায়। ২. এটি দাপ্তরিক কাজে বৈঠকের লিখিত দলিল হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Time record — এটি কাজের সময় বা উপস্থিতির হিসাব বোঝায়, সভার কার্যবিবরণী নয়। B) Written record — এটি সঠিক উত্তর, কারণ 'minutes' মানেই সভার লিখিত বিবরণ। C) Time frame — এটি কোনো নির্দিষ্ট কাজের সময়সীমা বা সময়কাল নির্দেশ করে। D) Ending Time — এটি কোনো ঘটনার বা সভার শেষ হওয়ার সময় বোঝায়। মনে রাখার টিপস: মিটিং বা সভার আলোচনা মনে রাখতে 'written record' বা লিখিত বিবরণই হলো 'minutes'।
a Mister
b Mistress
c Master
d Miss
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Master কেন সঠিক: Master শব্দটি নাউন এবং ভার্ব উভয় হিসেবেই বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে। কোনো বিষয়ের ওপর দক্ষতা অর্জন করা বা নিয়ন্ত্রণ করার অর্থে এটি ভার্ব হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mister — এটি একটি টাইটেল বা সম্মানসূচক নাউন, যা পুরুষের নামের আগে বসে এবং কখনো ভার্ব হয় না। B) Mistress — এটি একজন নারীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত উপাধি বা নাউন, যার কোনো ভার্ব রূপ নেই। C) Master — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একই সাথে নাউন ও ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। D) Miss — এটি অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি উপাধি বা নাউন, যা ভার্ব হিসেবে বসে না। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলো কোনো কাজের নাম বোঝানোর পাশাপাশি নিজে কাজ করা বোঝাতে পারে, সেগুলোই মূলত নাউন ও ভার্ব উভয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a Apathy
b Enterprise
c Indolence
d Try
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Enterprise কেন সঠিক: initiative শব্দের অর্থ হলো উদ্যোগ বা নতুন কিছু শুরু করার ক্ষমতা। Enterprise শব্দটির অর্থও ব্যবসায়িক উদ্যোগ বা কর্মপ্রচেষ্টা। উভয় শব্দই সাহসিকতা এবং কাজের স্পৃহা প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Apathy — এই শব্দটির অর্থ ঔদাসিন্য বা অনীহা। এটি উদ্যোগ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Enterprise — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Indolence — এই শব্দটির অর্থ অলসতা বা কর্মবিমুখতা। এটি উদ্যোগের ঠিক উল্টো অবস্থা বোঝায়। D) Try — এই শব্দটির অর্থ চেষ্টা করা। এটি উদ্যোগের সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে যথেষ্ট নয়। মনে রাখার টিপস: উদ্যোগ বা কিছু করার স্পৃহা বোঝাতে Enterprise শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

মোট প্রশ্ন (14)

a 9
b 6
c 8
d কোনোটিই নয়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল ১৭ দুটি সংখ্যার গুণফল ৭২ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ ক + খ = ১৭ এবং ক × খ = ৭২ অতএব, (ক − খ) এর বর্গ = (ক + খ) এর বর্গ − ৪ × ক × খ (ক − খ) এর বর্গ = ১৭ এর বর্গ − ৪ × ৭২ সুতরাং, (ক − খ) এর বর্গ = ২৮৯ − ২৮৮ = ১ (ক − খ) = ১ উত্তর: খ = (১৭ − ১) ÷ ২ = ৮
a ৬
b ৮
c ৭
d ১০
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের মোট দৈর্ঘ্য = ২০ ফুট ছোট অংশটি বড় অংশের দুই-তৃতীয়াংশ ধরি, বড় অংশটি = ক ফুট ছোট অংশটি = (২ × ক) ÷ ৩ ফুট অতএব, ক + ((২ × ক) ÷ ৩) = ২০ (৩ × ক + ২ × ক) ÷ ৩ = ২০ ৫ × ক = ২০ × ৩ সুতরাং, ৫ × ক = ৬০ ক = ১২ ফুট উত্তর: ছোট অংশটি = ২০ − ১২ = ৮ ফুট
a ৬%
b ৪%
c ৫%
d ৭%
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫% প্রদত্ত তথ্য: ৫ বছরের সুদে-আসলে = ৫০০ টাকা ৩ বছরের সুদে-আসলে = ৪৬০ টাকা ধরি, ২ বছরের সুদ = ৫০০ টাকা − ৪৬০ টাকা = ৪০ টাকা ১ বছরের সুদ = ৪০ টাকা ÷ ২ = ২০ টাকা অতএব, ৩ বছরের সুদ = ২০ টাকা × ৩ = ৬০ টাকা আসল = ৪৬০ টাকা − ৬০ টাকা = ৪০০ টাকা সুতরাং, ১০০ টাকার ১ বছরের সুদ বা সুদের হার = (২০ × ১০০) ÷ (৪০০ × ১) = ৫% উত্তর: ৫%
a 45
b 50
c 25
d 35
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: চালের মূল্য বৃদ্ধির হার = ২০% মোট টাকার পরিমাণ = ৭৫০ টাকা কম পাওয়ার পরিমাণ = ৫ কেজি চাল ধরি, ৭৫০ টাকার ২০% = ১৫০ টাকা অর্থাৎ ৫ কেজি চালের বর্তমান মূল্য = ১৫০ টাকা অতএব, ১ কেজি চালের বর্তমান মূল্য = ১৫০ ÷ ৫ = ৩০ টাকা ধরা যাক, ১ কেজি চালের পূর্বমূল্য = ক টাকা সুতরাং, ক এর ওপর ২০% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = ক + (ক × ২০ ÷ ১০০) = ৩০ টাকা সমাধান করে পাই, ক = ২৫ টাকা উত্তর: ২৫ টাকা
a ০.৪
b ০.০৪
c ০.০০০০৪
d .০.০০৪
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০০০০৪ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি দশমিক সংখ্যা দেওয়া আছে সংখ্যাগুলো তুলনার মাধ্যমে সবচেয়ে ছোট সংখ্যাটি বের করতে হবে ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ০.৪ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ০.০৪ তৃতীয় সংখ্যাটি = ০.০০০০৪ চতুর্থ সংখ্যাটি = ০.০০৪ অতএব, দশমিক বিন্দুর পর প্রথম সংখ্যাটির ক্ষেত্রে ঘরের মান সবচেয়ে বড় দশমিক বিন্দুর পর চতুর্থ সংখ্যাটির ক্ষেত্রে ঘরের মান সবচেয়ে ছোট সুতরাং, সংখ্যাগুলোর মান তুলনা করে পাই ০.০০০০৪ হলো সবচেয়ে ছোট মান উত্তর: C) ০.০০০০৪
a ৯ বছর
b ১১ বছর
c ১২ বছর
d ১৩ বছর
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১ বছর প্রদত্ত তথ্য: আরজুর বয়স নাবিলের চেয়ে ৯ বছর বেশি আলীর বয়স নাবিলের চেয়ে ৫ বছর কম তাদের তিনজনের মোট বয়স ৫২ বছর ধরি, নাবিলের বয়স = ক বছর আরজুর বয়স = ক + ৯ বছর আলীর বয়স = ক − ৫ বছর অতএব, তাদের বয়সের সমষ্টি = ক + (ক + ৯) + (ক − ৫) বয়সের সমষ্টির সমীকরণ = ৩ক + ৪ বছর শর্তমতে, ৩ক + ৪ = ৫২ সুতরাং, ৩ক = ৫২ − ৪ ৩ক = ৪৮ উত্তর: ক = ১৬ ÷ ৩ নয়, এখানে ক = ১৬, তাই আলীর বয়স ১৬ − ৫ = ১১ বছর
a ১০০ টাকা
b ১০৫ টাকা
c ১১০ টাকা
d ১২০ টাকা
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ৫০০ টাকা পূর্বের লাভের হার = ১০% ধরি, বর্তমান ক্রয়মূল্য = ৫০০ এর (১০০% − ১০%) = ৫০০ এর ৯০% টাকা বর্তমান ক্রয়মূল্য = ৫০০ × (৯০ ÷ ১০০) = ৪৫০ টাকা অতএব, পূর্বের বিক্রয়মূল্য = ৫০০ + (৫০০ এর ১০%) = ৫০০ + ৫০ = ৫৫০ টাকা বর্তমান ক্রয়মূল্য = ৪৫০ টাকা সুতরাং, বর্তমান লাভ = পূর্বের বিক্রয়মূল্য − বর্তমান ক্রয়মূল্য বর্তমান লাভ = ৫৫০ − ৪৫০ = ১০০ টাকা উত্তর: ১০০ টাকা
a 1
b 2
c 3
d 4
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির যোগফল পাঁচ এবং দুটি রাশির বিয়োগফল তিন ধরি, প্রথম সংখ্যাটি হলো x দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো y এবং তাদের গুণফল হলো xy অতএব, x + y = ৫ x − y = ৩ বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করে পাই সুতরাং, xy এর মান নির্ণয়ের সূত্রটি হলো (x + y ÷ ২) এর হোল স্কয়ার বিয়োগ (x − y ÷ ২) এর হোল স্কয়ার উত্তর: ৪
a 200m²
b 210m²
c 290m²
d 300m²
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১০m² প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ২০m, ২১m ও ২৯m ধরি, প্রথম বাহু a = ২০m দ্বিতীয় বাহু b = ২১m তৃতীয় বাহু c = ২৯m অতএব, অর্ধপরিসীমা s = (২০ + ২১ + ২৯) ÷ ২ = ৭০ ÷ ২ = ৩৫m সুতরাং, ক্ষেত্রফল = √(৩৫ × (৩৫ − ২০) × (৩৫ − ২১) × (৩৫ − ২৯)) = √(৩৫ × ১৫ × ১৪ × ৬) = √৪৪০৪০০ = ২১০m² উত্তর: ২১০m²
a ৯৬ মিটার
b ১০০ মিটার
c ২৫৬ মিটার
d ৪৮ মিটার
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯৬ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৫১২ বর্গমিটার দৈর্ঘ্য বিস্তারের ২ গুণ ধরি, আয়তক্ষেত্রের বিস্তার = ক মিটার আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ২ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = (২ক × ক) বর্গমিটার ২ক বর্গ = ৫১২ বর্গমিটার সুতরাং, ক বর্গ = ২৫৬ ক = ১৬ মিটার অতএব, বিস্তার = ১৬ মিটার দৈর্ঘ্য = ৩২ মিটার উত্তর: পরিসীমা = ২ × (৩২ + ১৬) = ৯৬ মিটার
a ২ঃ৩
b ৯ঃ৪
c ৪ঃ৯
d ৬ঃ৪
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ঃ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি বৃত্তের ব্যাসের অনুপাত = ৩ঃ২ ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৩ক দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ক অতএব, প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (৩ক) এর বর্গ = ৯ × পাই × ক এর বর্গ দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (২ক) এর বর্গ = ৪ × পাই × ক এর বর্গ সুতরাং, ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (৯ × পাই × ক এর বর্গ) ÷ (৪ × পাই × ক এর বর্গ) = ৯ঃ৪ উত্তর: ৯ঃ৪
a ৫৬ বছর
b ৬২ বছর
c ৬৪ বছর
d ৬৫ বছর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬২ বছর প্রদত্ত তথ্য: ২৫ জন ছাত্রের বয়সের গড় ১০ বছর শিক্ষকসহ মোট ব্যক্তির সংখ্যা ২৬ জন এবং তাদের বয়সের গড় ১২ বছর ধরি, ২৫ জন ছাত্রের বয়সের সমষ্টি = ২৫ × ১০ = ২৫০ বছর অতএব, শিক্ষকসহ ২৬ জনের বয়সের সমষ্টি = ২৬ × ১২ = ৩১২ বছর সুতরাং, শিক্ষকের বয়স = ২৬ জনের বয়সের সমষ্টি − ২৫ জন ছাত্রের বয়সের সমষ্টি উত্তর: ৩১২ − ২৫০ = ৬২ বছর
a ৫ ঘণ্টায়
b ৬ ঘণ্টায়
c ৭ ঘণ্টায়
d ৮ ঘণ্টায়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ ঘণ্টায় প্রদত্ত তথ্য: প্রথম নল দ্বারা চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১০ ঘণ্টায় দ্বিতীয় নল দ্বারা চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১৫ ঘণ্টায় ধরি, সম্পূর্ণ চৌবাচ্চার পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, প্রথম নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে ১ ÷ ১০ অংশ দ্বিতীয় নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে ১ ÷ ১৫ অংশ সুতরাং, নল দুটি একত্রে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে (১ ÷ ১০) + (১ ÷ ১৫) অংশ = ৫ ÷ ৩০ অংশ = ১ ÷ ৬ অংশ উত্তর: ৬ ঘণ্টায়
a ১০ লিটার
b ৪ লিটার
c ৫ লিটার
d ১৪ লিটার
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ লিটার প্রদত্ত তথ্য: পাত্রে দুধ ও পানির অনুপাত ৫ : ২ পানি অপেক্ষা দুধের পরিমাণ ৬ লিটার বেশি ধরি, দুধের পরিমাণ = ৫ক লিটার পানির পরিমাণ = ২ক লিটার অতএব, প্রশ্নমতে, ৫ক − ২ক = ৬ ৩ক = ৬ ক = ৬ ÷ ৩ = ২ সুতরাং, পানির পরিমাণ = ২ × ২ লিটার উত্তর: ৪ লিটার

মোট প্রশ্ন (15)

a GAVI
b PACC
c UNICEF
d REAP
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) GAVI কেন সঠিক: - GAVI (Global Alliance for Vaccines and Immunisation) টিকাদান কর্মসূচিতে অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২০১৯ সালে 'ভ্যাকসিন হিরো' পুরস্কার প্রদান করে। - এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শিশুদের টিকাদানের আওতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) GAVI — এটি একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা এবং টিকাদান কর্মসূচি সফল করার জন্য এই পুরস্কার প্রদান করে থাকে। B) PACC — এটি কোনো আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন প্রদানকারী সংস্থা নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। C) UNICEF — এটি শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করলেও এই নির্দিষ্ট পুরস্কারটি প্রদানের সঙ্গে যুক্ত নয়। D) REAP — এটি কৃষি বা অন্য কোনো খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, যা স্বাস্থ্য বা টিকাদানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ভ্যাকসিন বা টিকাদানের সঙ্গে সরাসরি জড়িত আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো GAVI, তাই ভ্যাকসিন হিরো পুরস্কারের সঙ্গে GAVI নামটি মনে রাখতে হবে।
a ফরিদপুর
b রাজশাহী
c দিনাজপুর
d রংপুর
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দিনাজপুর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জিওলজিক্যাল সার্ভে (GSI) দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার ঘাসিপুর এলাকায় দেশের পঞ্চম লোহার খনির সন্ধান পেয়েছে। - এর আগে একই জেলার ফুলবাড়ী, পার্বতীপুর ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় দেশের অন্যান্য লোহার খনি আবিষ্কৃত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফরিদপুর — এটি বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত এবং এখানে জিওলজিক্যাল সার্ভে অনুযায়ী কোনো লোহার খনি আবিষ্কৃত হয়নি। B) রাজশাহী — রাজশাহী বিভাগে খনিজ সম্পদ থাকলেও এটি লোহার খনির জন্য পরিচিত জেলা নয়। C) দিনাজপুর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) রংপুর — রংপুর বিভাগে দিনাজপুর অবস্থিত হলেও রংপুর জেলায় জিওলজিক্যাল সার্ভে অনুযায়ী এই লোহার খনিটি পাওয়া যায়নি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে লোহার খনি বললেই উত্তরবঙ্গের জেলা দিনাজপুরকে মনে রাখতে হবে।
a ফার্নেস ওয়েল
b কয়লা
c প্রাকৃতিক গ্যাস
d ডিজেল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রাকৃতিক গ্যাস কেন সঠিক: - বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঐতিহ্যগতভাবে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। - দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সিংহভাগ এখনও গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর ওপর নির্ভরশীল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফার্নেস ওয়েল — এটি কিছু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহার করা হলেও তা প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো সর্বাধিক পরিমাণে ব্যবহৃত হয় না। B) কয়লা — বর্তমানে কয়লা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হলেও তা প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় পরিমাণে কম। D) ডিজেল — ডিজেল সাধারণত জরুরি বা পিক আওয়ারের সাময়িক বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, প্রধান জ্বালানি হিসেবে নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ গ্যাসের ওপর বেশি নির্ভরশীল, তাই বিদ্যুৎ উৎপাদনেও গ্যাসের ব্যবহার সবার আগে।
a ভারত
b যুক্তরাজ্য
c যুক্তরাষ্ট্র
d চীন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - বাংলাদেশ একক দেশ হিসেবে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পণ্য রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে, যার মূল আকর্ষণ তৈরি পোশাক খাত। - যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বৃহত্তম একক রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারতের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে, কারণ আমদানি বেশি হলেও রপ্তানি তুলনামূলকভাবে কম। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি বাজার হলেও এটি শীর্ষস্থানে নেই, যুক্তরাষ্ট্র সবার চেয়ে এগিয়ে। D) চীন — চীনের সাথে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি হলেও রপ্তানির দিক থেকে চীন শীর্ষ দেশ নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি জিনিস বিক্রি বা রপ্তানি করে আমেরিকায় অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রে।
a 109
b 103
c 999
d 333
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 333 প্রশ্নের ধরন: দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য ও নাগরিক সেবা কেন সঠিক: - ৩৩৩ হলো জাতীয় তথ্য ও সেবা হটলাইন, যার মাধ্যমে নাগরিকগণ বাল্যবিবাহ প্রতিরোধসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের অভিযোগ জানাতে পারেন। - এই নম্বরে ফোন করে সরকারের বিভিন্ন সেবামূলক তথ্য পাওয়ার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ রোধে স্থানীয় প্রশাসনের তাৎক্ষণিক সহায়তা নেওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 109 — এটি নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সংক্রান্ত হেল্পলাইন, যা মূলত নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার নারীদের সহায়তা দেয়। B) 103 — এটি জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর নয়, তাই এটি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের জন্য নির্ধারিত হটলাইন নয়। C) 999 — এটি বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে পরিচালিত জরুরি সেবা নম্বর, যা অপরাধ, আগুন ও অ্যাম্বুলেন্সের জন্য ব্যবহৃত হয়। D) 333 — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি জাতীয় তথ্য ও সেবা হটলাইন। মনে রাখার টিপস: সামাজিক অপরাধ এবং সরকারের অন্যান্য তথ্য জানতে তিনবার তিন ডায়াল করতে হয়, অর্থাৎ ৩৩৩ নম্বরে কল করতে হয়।
a তাইওয়ান
b থাইল্যান্ড
c পোল্যান্ড
d মাঞ্চুরিয়া
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তাইওয়ান কেন সঠিক: - ফরমোজা হলো তাইওয়ানের পুরনো বা ঐতিহাসিক নাম, যা পর্তুগিজ নাবিকদের দেওয়া। - এটি পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ ও স্বশাসিত রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাইওয়ান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তাইওয়ানের ঐতিহাসিক নাম ফরমোজা। B) থাইল্যান্ড — এর প্রাচীন নাম শ্যামদেশ, তাই এটি ফরমোজা নয়। C) পোল্যান্ড — এটি মধ্য ইউরোপের একটি ঐতিহাসিক দেশ, ফরমোজা নয়। D) মাঞ্চুরিয়া — এটি উত্তর-পূর্ব চীনের একটি ঐতিহাসিক অঞ্চলের নাম। মনে রাখার টিপস: ফর-তাই (ফরমোজা মানে তাইওয়ান) এভাবে মনে রাখতে পারো।
a একটি নদী
b একটি সাগর
c একটি হ্রদ
d মৃত সাগর
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একটি হ্রদ কেন সঠিক: - ডেড সি বা মৃত সাগর নাম সাগর হলেও এটি মূলত একটি লবণাক্ত হ্রদ, যা জর্ডান ও ফিলিস্তিন বা ইসরাইলের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। - এর পানির লবণাক্ততা এত বেশি যে এখানে কোনো মাছ বা জলজ উদ্ভিদ বেঁচে থাকতে পারে না এবং মানুষ সহজেই পানিতে ভেসে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি নদী — ডেড সি কোনো প্রবহমান নদী নয়, বরং এটি একটি আবদ্ধ লবণাক্ত পানির জলাধার বা হ্রদ। B) একটি সাগর — নামের সাথে 'সাগর' বা 'Sea' যুক্ত থাকলেও ভৌগোলিক ও ভূবৈজ্ঞানিক সংজ্ঞানুসারে এটি একটি হ্রদ। D) মৃত সাগর — এটি ডেড সির বাংলা অর্থ বা অন্য নাম, কিন্তু প্রশ্ন অনুযায়ী এর আসল ভৌগোলিক পরিচয় হলো এটি একটি হ্রদ। মনে রাখার টিপস: নামে 'সাগর' থাকলেও মৃত সাগর আসলে একটি হ্রদ, যার পানিতে অতিরিক্ত লবণের কারণে মানুষ ডুবে যায় না।
a জেনেভা
b ওয়াশিংটন
c রোম
d নিউইয়র্ক
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - UNDP অর্থাৎ জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির প্রধান কার্যালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত। - এটি জাতিসংঘের একটি অঙ্গসংস্থা যা বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়নে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং এখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আইএলও-র সদর দপ্তর অবস্থিত, যা UNDP-এর জন্য প্রযোজ্য নয়। B) ওয়াশিংটন — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং এখানে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর সদর দপ্তর অবস্থিত, যা UNDP-এর নয়। C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও-এর সদর দপ্তর অবস্থিত। D) নিউইয়র্ক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই UNDP-এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: উন্নয়ন ও তহবিল সংক্রান্ত বেশিরভাগ প্রধান সংস্থার সদর দপ্তর নিউইয়র্ক বা ওয়াশিংটনে থাকে, যার মধ্যে UNDP হলো নিউইয়র্কের।
a সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
b লালবাগ কেল্লা
c বাহাদুর শাহ পার্ক
d রায়ের বাজার বধ্যভূমি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাহাদুর শাহ পার্ক কেন সঠিক: - ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের সময় বিদ্রোহী সিপাহিদের জনসম্মুখে ফাঁসি দেওয়ার স্মৃতি রক্ষার্থে ঢাকার পুরান ঢাকার সদরঘাটের কাছে এই পার্কটি নির্মাণ করা হয়। - ঐতিহাসিক এই স্থানটি পূর্বে 'ভিকটিয়া পার্ক' নামে পরিচিত থাকলেও পরবর্তীতে সিপাহি বিদ্রোহের অন্যতমায়ক শেষ মোগল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের নামানুসারে এর নাম রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান — এটি ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দান এবং ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ভাষণ ও ১৬ই ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের স্থান, সিপাহি বিদ্রোহের নয়। B) লালবাগ কেল্লা — এটি মুঘল আমলের একটি ঐতিহাসিক দুর্গ এবং স্থাপত্য নিদর্শন, যা সিপাহি বিদ্রোহের স্মৃতিবিজড়িত কোনো স্থান নয়। D) রায়ের বাজার বধ্যভূমি — এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক নির্মম বুদ্ধিজীবী হত্যার স্মৃতিচিহ্ন। মনে রাখার টিপস: সিপাহি বিদ্রোহ মানেই বাহাদুর শাহ পার্ক, যা ঢাকার পুরান ঢাকায় অবস্থিত।
a কল্পনা দত্ত
b প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
c মনোরমা নাসিমা
d ভগিনী নিবেদিতা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার কেন সঠিক: - ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে সশস্ত্র সংগ্রামের সময় ১৯৩২ সালে পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণের নেতৃত্ব দেন এবং ব্রিটিশদের হাতে ধরা না দিতে পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন। - তিনিই উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রথম শহীদ নারী বিপ্লবী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কল্পনা দত্ত — তিনি চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার আক্রমণের সাথে যুক্ত একজন প্রখ্যাত নারী বিপ্লবী হলেও ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে প্রথম শহীদ নারী নন। B) প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) মনোরমা নাসিমা — তিনি একজন সমাজকর্মী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে প্রথম শহীদ নারী হিসেবে পরিচিত নন। D) ভগিনী নিবেদিতা — তিনি স্বামী বিবেকানন্দের শিষ্যা এবং ভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সমর্থক হলেও ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনে প্রথম শহীদ নারী নন। মনে রাখার টিপস: বীরকন্যা প্রীতিলতা পাহাড়তলী ক্লাবে আক্রমণ করে সায়ানাইড খেয়ে দেশের জন্য প্রথম শহীদ নারী হন।
a মওলানা ভাসানী
b আব্দুল হালিম
c এ.কে. ফজলুল হক
d সোহরাওয়ার্দী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এ.কে. ফজলুল হক কেন সঠিক: - শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ১৯২৯ সালে কৃষকদের অধিকার রক্ষার জন্য কৃষক প্রজা পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। - এই দলটি অবিভক্ত বাংলার রাজনীতিতে কৃষক ও প্রজাদের স্বার্থ সংরক্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মওলানা ভাসানী — তিনি কৃষক প্রজা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা নন, বরং তিনি পরবর্তীতে আওয়ামী মুসলিম লীগ এবং ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বা ন্যাপ প্রতিষ্ঠা করেন। B) আব্দুল হালিম — তিনি কৃষক প্রজা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি ছিলেন বাঙালি কমিউনিস্ট আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগঠক ও নেতা। C) এ.কে. ফজলুল হক — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি নিজে ১৯২৯ সালে এই পার্টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। D) সোহরাওয়ার্দী — তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী নিখিল ভারত মুসলিম লীগ এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন। মনে রাখার টিপস: কৃষকবন্ধু শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ১৯২৯ সালে কৃষক প্রজা পার্টি গঠন করেছিলেন।
a 1986
b 1987
c 1988
d 1989
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮৭ কেন সঠিক: - রাষ্ট্রভাষা বাংলা আইন, ১৯৮৭ সালের ৮ই মার্চ পাস হয় যার মাধ্যমে দেশের সর্বস্তরে বাংলা ভাষা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়। - এই আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী বিদেশের সাথে যোগাযোগ ছাড়া দেশের সকল সরকারি অফিস, আদালত এবং আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানে বাংলা ভাষায় নথিপত্র ও চিঠিপত্র লিখতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1986 — এই সালের সাথে সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর কোনো ঐতিহাসিক বা আইনি সম্পর্ক নেই। B) 1987 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলন আইন পাস হয়েছিল। C) 1988 — এই সালের সাথে সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলন আইনের কোনো আইনি বা গেজেট প্রকাশের সম্পর্ক নেই। D) 1989 — এই সালটি সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলন আইনের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের সাল ১৯৫২ এবং সর্বস্তরে বাংলা চালুর আইন পাসের সাল ১৯৮৭, শেষের দুই অঙ্ক ৫২ ও ৮৭ এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a 2
b 4
c 6
d 8
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং রংপুর জেলা ৬ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল। - ৬ নম্বর সেক্টরের আওতাধীন এলাকা ছিল মূলত রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার কিছু অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ — এই সেক্টরটি মূলত বৃহত্তর ঢাকা, ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল। B) ৪ — এই সেক্টরটি মূলত বর্তমান সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল ও খোয়াই শায়েস্তাগঞ্জ বাদে হবিগঞ্জ জেলা নিয়ে গঠিত ছিল। C) ৬ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ব্যাখ্যা নেই। D) ৮ — এই সেক্টরটি মূলত কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং তৎকালীন বরিশাল ও ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল। মনে রাখার টিপস: রংপুর জেলার সাথে ৬ সংখ্যাটি মনে রাখতে 'রংপুর ছয়' এভাবে ছন্দ মিলিয়ে পড়তে পারেন।
a পদ্মা
b বরাক
c সুরমা
d মেঘনা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) বরাক কেন সঠিক: - টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের মণিপুর রাজ্যে বরাক নদীর ওপর প্রস্তাবিত একটি বাঁধ প্রকল্প। - বরাক নদী ভারতের মণিপুর থেকে উৎপন্ন হয়ে আসাম হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নদী নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি গঙ্গানদীর প্রধান শাখা নদী যা ভারতের ফারাক্কা বাঁধের পর বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। B) বরাক — এটি সঠিক উত্তর কারণ টিপাইমুখ বাঁধ এই নদীর উজানেই অবস্থিত। C) সুরমা — এটি বরাক নদীরই একটি শাখা নদী যা সিলেক্ট অঞ্চলে প্রবেশ করেছে, সরাসরি টিপাইমুখ বাঁধ এর উজানে নয়। D) মেঘনা — এটি সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর মিলিত প্রবাহ যা পরবর্তীতে আরও নদী মিলে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। মনে রাখার টিপস: টিপাইমুখ বাঁধ ও বরাক নদী এভাবে মনে রাখুন যে বাঁধটি বরাক নদীর উজানে ভারতের মণিপুরে অবস্থিত।
a আইএমএফ
b বিশ্বব্যাংক
c মার্কিন ডলার
d ফ্রান্স
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মার্কিন ডলার কেন সঠিক: - মার্কিন ডলারের ব্যাংকনোটের পেছনের দিকটি সবুজ রঙের হওয়ায় একে গ্রিন ব্যাক বলা হয়। - ঊনবিংশ শতাব্দীতে গৃহযুদ্ধের সময় মার্কিন সরকার এই রঙের নোট প্রথম বাজারে চালু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইএমএফ — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা বৈশ্বিক আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে কাজ করে এবং কোনো নির্দিষ্ট মুদ্রার নাম নয়। B) বিশ্বব্যাংক — এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা, কোনো মুদ্রা নয়। D) ফ্রান্স — এটি একটি ইউরোপীয় দেশ এবং এর প্রচলিত মুদ্রার নাম ইউরো, গ্রিন ব্যাক নয়। মনে রাখার টিপস: গ্রিন ব্যাক মানেই সবুজ রঙের ব্যাকগ্রাউন্ড বা পেছনের দিক, যা শুধু মার্কিন ডলারে দেখা যায়।