মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: সিপাই (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (70)

a ইহারা
b নিজে নিজে
c যিনি
d কেহ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিজে নিজে ১. কেন সঠিক: - ব্যতিহারিক সর্বনাম পরস্পর বা যৌথ বোঝাতে একই পদের দ্বিরুক্তি ঘটিয়ে ব্যবহৃত হয়। - নিজে নিজে পদটি দ্বারা একই কর্তার পারস্পরিক বা স্বয়ংক্রিয় দ্বৈত ক্রিয়া বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সর্বনাম পদ কোনো বিশেষ্য বা অন্য সর্বনামের পরিবর্তে বসে এবং পারস্পরিকতা বা একে অপরকে বোঝায় তাকে ব্যতিহারিক সর্বনাম বলে। - এটি মূলত ব্যাকরণে আত্মবাচক বা পারস্পরিক সর্বনামের একটি বিশেষ রূপ হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনি আপনি পবিত্র হওয়া যায় না। ব্যাখ্যা: এখানে আপনি আপনি পদটি ব্যতিহারিক সর্বনামের কাজ করেছে। উদাহরণ ২: আপনা আপনি দরজাটি খুলে গেল। ব্যাখ্যা: আপনা আপনি পদটি স্বয়ংক্রিয় বা ব্যতিহারিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইহারা — এটি নির্দেশক বা ব্যক্তিবাচক সর্বনাম, ব্যতিহারিক সর্বনাম নয়। B) নিজে নিজে — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি ব্যতিহারিক সর্বনাম। C) যিনি — এটি সম্বন্ধবাচক বা সাপেক্ষ সর্বনাম, ব্যতিহারিক সর্বনাম নয়। D) কেহ — এটি অনির্দেশক সর্বনাম, ব্যতিহারিক সর্বনাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - একই শব্দ পরপর দুবার বসে যদি পারস্পরিক বা নিজে নিজে অর্থে বোঝায় তবে তা ব্যতিহারিক সর্বনাম হয়। - সর্বনামের প্রকারভেদ ভালোভাবে মনে রাখতে প্রশ্নকর্তার মূল চাবিকাঠি বুঝতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বনামের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে নিজে নিজে, আপনা আপনি জাতীয় শব্দগুলো কোন সর্বনাম তা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a শব্দের মিলন
b শব্দগত মাধুর্য সৃষ্টি
c ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি
d বর্ণের মিলন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি ১. কেন সঠিক: সন্ধির মূল কাজ হলো উচ্চারণের সুবিধা ও দ্রুততা আনয়ন করা। পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলনে উচ্চারণে যে স্বাচ্ছন্দ্য ও সৌন্দর্য আসে, তাকেই ধ্বনিগত মাধুর্য বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলন বা একীভূত হওয়াকে সন্ধি বলে। এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বার শ্রম লাঘব করে এবং ভাষা বা বাক্যে শ্রুতিমধুরতা বা ধ্বনিগত মাধুর্য তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়। এখানে অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি করে উচ্চারণ সহজ করেছে। ব্যাখ্যা: দুটি ভিন্ন ধ্বনির মিলনে নতুন ধ্বনি সৃষ্টি হয়ে উচ্চারণের মাধুর্য বাড়িয়েছে। উদাহরণ ২: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। এখানে আ এবং আ মিলে একটি মাত্র আ ধ্বনি হয়েছে। ব্যাখ্যা: দ্রুত উচ্চারণের সময় দুটি স্বরধ্বনি একত্রিত হয়ে ধ্বনিগত মাধুর্য ও সাবলীলতা এনেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দের মিলন — শব্দের মিলনকে সমাস বলা হয়, সন্ধি শব্দের মিলন ঘটাতে পারে না বরং ধ্বনির মিলন ঘটায়। B) শব্দগত মাধুর্য সৃষ্টি — শব্দগত মাধুর্য সৃষ্টি সমাস বা অলংকারের কাজ, সন্ধির মূল কাজ ধ্বনি স্তরে কাজ করা। D) বর্ণের মিলন — বর্ণ হলো লেখার রূপ, আর সন্ধি মূলত উচ্চারণের সময় ধ্বনির মিলন ঘটায়, তাই এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি শব্দের আক্ষরিক অর্থ মিলন, আর ব্যাকরণে এটি ধ্বনির মিলন ঘটায়। ধ্বনির মিলনেই বাক্যে ধ্বনিগত মাধুর্য ও সাবলীলতা তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সন্ধির উদ্দেশ্য বা সংজ্ঞা থেকে প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে, সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণ সহজ করা ও ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি করা।
a Leutenant
b Lefferunt
c Lieutenant
d Lieutenant
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Lieutenant (এখানে প্রশ্নে C এবং D উভয় অপশনে সঠিক বানান থাকায় প্রথম সঠিক অপশন হিসেবে C নির্বাচিত হলো) ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি শব্দটির সঠিক বানান এবং উচ্চারণ মূলত ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে। - বানানটি মনে রাখার জন্য শব্দটিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে পড়তে হয় যেমন লিউ-টেন্টে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় আসা একটি পারিভাষিক শব্দ বা বিদেশি শব্দ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বানান প্রায়ই আসে যা প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি অনুসারে মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Colonel ব্যাখ্যা: এটিও একটি সামরিক পদের নাম যার বানান প্রায় সময় পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। উদাহরণ ২: Sergeant ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি সামরিক পদ নির্দেশক শব্দ যার বানান প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Leutenant — এখানে বানান ভুল রয়েছে কারণ সঠিক বানানে u অক্ষরের পরে e এর জায়গায় আংশিক পরিবর্তন থাকে। B) Lefferunt — এখানে উচ্চারণ অনুযায়ী ভুল বানানের রূপ লেখা হয়েছে যার কোনো ভিত্তি নেই। C) Lieutenant — এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল ও প্রমিত ইংরেজি বানান। D) Lieutenant — এটিও সম্পূর্ণ নির্ভুল ও প্রমিত ইংরেজি বানান। ৫. মনে রাখার টিপস: - বানানটি মনে রাখার জন্য উচ্চারণ মনে রাখো লিয়ু (Lie) + টেন (u) + অ্যান্ট (tenant)। - ফরাসি মূলের এই শব্দের বানানে এল আই ই ইউ টি ই এন এ এন টি ক্রম মনে রাখা সহজ উপায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সামরিক পদের ইংরেজি বানানগুলো বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে অক্ষর বাদ পড়ার প্রবণতা বেশি থাকে তাই লিখে চর্চা করা ভালো।
a শ্রমের মূল্য
b ঝাঁটা
c ভাতা
d সহজে অর্জন
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঝাঁটা ১. কেন সঠিক: সম্মার্জনী শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো যা দিয়ে মার্জনা বা পরিষ্কার করা হয়। বাংলা শব্দার্থে এটি মূলত ময়লা পরিষ্কার করার উপকরণ বা ঝাঁটাকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি মূলত একটি সংস্কৃত শব্দ যা প্রত্যয় সাধিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। সমার্জ ধাতু বা মার্জ ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বিশেষ্য পদটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মার্জনা ব্যাখ্যা: মার্জনা শব্দের অর্থ হলো ক্ষমা করা বা পরিষ্কার করা, যার সঙ্গে সম্মার্জনী শব্দের মিল রয়েছে। উদাহরণ ২: প্রমার্জন ব্যাখ্যা: প্রমার্জন শব্দের অর্থ ভালোভাবে মোছা বা পরিষ্কার করা, যা সম্মার্জনী পদের কাজের সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রমের মূল্য — শ্রমের মূল্য বলতে কাজের সঠিক পারিশ্রমিক বা মূল্যায়নকে বোঝায়, যা সম্মার্জনী শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) ঝাঁটা — এটি সঠিক উত্তর। C) ভাতা — ভাতা বলতে নির্দিষ্ট কাজের জন্য বা বিশেষ প্রয়োজনে নিয়মিত যে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয় তা বোঝায়। D) সহজে অর্জন — সহজে অর্জন বলতে কোনো পরিশ্রম ছাড়াই কোনো কিছু লাভ করাকে বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ধারণা। ৫. মনে রাখার টিপস: সম্মার্জনী শব্দের শুরুতে সম এবং শেষে অনী যুক্ত আছে যা পরিষ্কার করার মাধ্যম বা উপকরণ নির্দেশ করে। ঝাঁটা দিয়ে ঘর পরিষ্কার করা হয় তাই সম্মার্জনী মানে ঝাঁটা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের উৎস এবং অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a প্রজ্বল
b প্রোজ্জল
c প্রোজ্বল
d প্রোজ্জ্বল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রোজ্জ্বল ১. কেন সঠিক: - প্রোজ্জ্বল শব্দটি প্র উপসর্গ যোগে এবং জ্জ্বল অংশের সঠিক বানানের কারণে শুদ্ধ হয়েছে। - এর সঠিক গঠন হলো প্র যোগ উজ্জ্বল, যেখানে সন্ধির নিয়মে অ এবং উ মিলে ও কার হয়েছে এবং জ্জ্বল অংশে দ্বিত্ব জ যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি এবং বানান শুদ্ধি অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - প্র যোগ উজ্জ্বল মিলে প্রোজ্জ্বল হয়, যেখানে প্র উপসর্গ এবং উজ্জ্বল শব্দ যুক্ত হয়ে প্রোজ্জ্বল গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রোথিত ব্যাখ্যা: প্র যোগ উক্ত বা সিক্ত অর্থে প্রোথিত শব্দ গঠিত হয়, যা প্রোজ্জ্বল শব্দের মতো সন্ধিজাত শুদ্ধ বানান। উদাহরণ ২: প্রৌঢ় ব্যাখ্যা: প্র যোগ ওঢ় মিলে প্রৌঢ় হয়, যা প্রোজ্জ্বল শব্দের মতো প্র উপসর্গের সন্ধির নিয়ম অনুসরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রজ্বল — এই বানানে জ-এর নিচে দ্বিত্ব জ বা ব-ফলা নেই এবং ও কার অনুপস্থিত থাকায় এটি ভুল। B) প্রোজ্জল — এই বানানে উজ্জ্বল শব্দের জ্জল অংশের বানান ভুল কারণ এখানে ল-এর সাথে জ যুক্ত হয়েছে যা সঠিক নয়। C) প্রোজ্বল — এই বানানে জ্জ্বল অংশের দ্বিত্ব জ অনুপস্থিত থাকায় বানানটি সম্পূর্ণ ভুল ও অগ্রহণযোগ্য। D) প্রোজ্জ্বল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে প্র উপসর্গের সাথে উজ্জ্বল শব্দের সঠিক সন্ধি এবং জ্জ্বল অংশের দ্বিত্ব জ ও ব-ফলা সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রোজ্জ্বল বানানটি মনে রাখতে প্র এবং উজ্জ্বল এই দুটি অংশ আলাদা করে মনে রাখতে হবে। - উজ্জ্বল বানানে জ্জ্ব থাকে, তাই প্রোজ্জ্বল লিখতেও জ্জ্ব ব্যবহার করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উজ্জ্বল এবং প্রোজ্জ্বল বানানগুলো প্রায়ই আসে এবং শিক্ষার্থীরা দ্বিত্ব জ নিয়ে বিভ্রান্ত হয়। - সন্ধির নিয়ম এবং উপসрг যুক্ত শব্দগুলোর বানান চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a হস্ত
b চন্দ্র
c গঞ্জ
d রোজা
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গঞ্জ ১. কেন সঠিক: - গঞ্জ শব্দটি আমাদের আদিম ও অকৃত্রিম দেশি শব্দের একটি সুন্দর উদাহরণ যা বাংলা ভাষায় বহুকাল ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। - বাংলা ভাষার উৎপত্তির সময় এ অঞ্চলের আদিবাসীদের ব্যবহৃত ভাষা থেকে সরাসরি যে শব্দগুলো বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে দেশি শব্দ অন্যতম। - যেসব শব্দের মূল উৎস বা নির্দিষ্ট কোনো ইতিহাস পাওয়া যায় না, কিন্তু এ অঞ্চলের আদিম অধিবাসীদের ভাষা থেকে বাংলায় স্থান পেয়েছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুলা ব্যাখ্যা: কুলা একটি বহুল ব্যবহৃত দেশি শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ধান বা চাল পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ঢোল ব্যাখ্যা: ঢোল একটি দেশি বা আদিবাসী বাদ্যযন্ত্রের নাম যা বাংলা সংস্কৃতির সাথে গভীরভাবে যুক্ত এবং এটি দেশি শব্দের চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হস্ত — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হাত। B) চন্দ্র — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ চাঁদ। C) গঞ্জ — এটি একটি দেশি শব্দ এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) রোজা — এটি একটি ফারসি শব্দ যা ইসলাম ধর্মের সিয়াম সাধনাকে বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেশি শব্দ মনে রাখার জন্য কুলা, গঞ্জ, ঢোল, ঢেঁকি, চোঙা, পেট ইত্যাদি শব্দগুলো একটি ছন্দে বা গল্পের মাধ্যমে মনে রাখতে পারো। - যেসব শব্দ দেখে মনে হয় এগুলো কোনো বিদেশি ভাষা নয় এবং তৎসমও নয়, সেগুলোর উৎস সাধারণত দেশি শব্দ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও শব্দের উৎস থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই উৎস অনুযায়ী শব্দ চেনার কৌশল আয়ত্ত করা জরুরি। - গঞ্জ, হাট, বাজার বা এ জাতীয় স্থানবাচক দেশি শব্দগুলো প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বিকল্প হিসেবে থাকে।
a গোলাপি রঙের ফুল
b গোলাপের ফুল
c গোলাপি ফুল
d গোলাপ নামের ফুল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গোলাপ নামের ফুল ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি সমাস সংক্রান্ত ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ উদাহরণ। - এখানে 'গোলাপ' বিশেষ্য পদের সঙ্গে 'ফুল' বিশেষ্য পদের অভেদ বা রূপক কল্পনা বোঝাতে মাঝখানে 'নামক' বা 'নাম' শব্দ ব্যবহার করে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে বিষ্য় ও বিষযীর বা উপমান ও উপমিতের মধ্যে অভিন্নতা বা রূপ কল্পনা করা হয়, তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। - এ সমাসে সাধারণত ব্যাসবাক্যের মধ্যে 'রূপ' বা 'নামক' পদটি ব্যবহৃত হয় এবং এটি বিশেষ করে অপ্রাণিবাচক বা মনস্তাত্ত্বিক বিশেষ্য পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদ নামক সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত ব্যাকরণগত উদাহরণ। উদাহরণ ২: ক্রাধানল ব্যাখ্যা: ক্রোধ রূপ অনল, এটিও অভিন্নতা প্রকাশের মাধ্যমে গঠিত রূপক কর্মধারয় সমাসের সঠিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোলাপি রঙের ফুল — এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস নির্দেশ করে, কারণ এখানে রঙের কথা বলা হয়েছে যা মূল পদের সঙ্গে মেলে না। B) গোলাপের ফুল — এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস নির্দেশ করে, যা গোলাপফুলের প্রকৃত কাব্যিক বা রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। C) গোলাপি ফুল — এটি সাধারণ কর্মধারয় সমাস নির্দেশ করে, যেখানে একটি পদ বিশেষণ ও অপরটি বিশেষ্য হিসেবে কাজ করে। D) গোলাপ নামের ফুল — এটি সঠিক কারণ এটি গোলাপ ও ফুলের অভেদ সম্পর্ক প্রকাশ করতে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী রূপক কর্মধারয় সমাসের সঠিক ব্যাসবাক্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - রূপক কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে 'রূপ' অথবা 'নামক' শব্দটি থাকা। - কোনো নির্দিষ্ট নাম বা ধারণাকে যখন অপর কোনো বস্তুর সঙ্গে অভিন্ন বা রূপক হিসেবে তুলনা করা হয়, তখন 'নামক' ব্যবহার করে সমাস নির্ণয় করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ করে বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় রূপক কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্য প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের সময় পদের অন্তর্নিহিত ভাব এবং অভিন্নতার সম্পর্ক ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a সম্প্রদান কারকে ৬ষ্ঠী বিভক্তি
b কর্ম কারকে ৭মী বিভক্তি
c সম্প্রদান কারকে ৭মী বিভক্তি
d অপাদান কারকে ৬ষ্ঠী বিভক্তি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সম্প্রদান কারকে ৬ষ্ঠী বিভক্তি ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে ঈশ্বর বা আরাধ্য দেবতাকে নিঃস্বার্থভাবে বা ভক্তিভরে অর্ঘ্য নিবেদন বোঝানো হয়েছে, যা সম্প্রদান কারকের মূল নিয়মকে নির্দেশ করে। - 'তোমার' শব্দটির সাথে 'র' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তির উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যাকে সত্য বা নিঃস্বার্থভাবে কিছু দান বা অর্পণ করা হয়, তাকে ব্যাকরণের ভাষায় সম্প্রদান কারক বলা হয়। - শব্দ বা পদের সাথে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা ব্যাকরণগতভাবে ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভিখারীকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: এখানে ভিখারী হলো যাকে নিঃস্বার্থভাবে দান করা হচ্ছে, তাই এটি সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি। উদাহরণ ২: অন্ধজনে দেহ আলো। ব্যাখ্যা: অন্ধজনকে আলো দান করা একটি নিঃস্বার্থ ও কল্যাণকর কাজ, যা সম্প্রদান কারকের সঠিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্প্রদান কারকে ৬ষ্ঠী বিভক্তি — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রশ্নের দাবির সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) কর্ম কারকে ৭মী বিভক্তি — কর্ম কারক বাক্যের প্রধান কর্ম বোঝায় এবং সপ্তমী বিভক্তি এতে প্রযোজ্য নয়। C) সম্প্রদান কারকে ৭মী বিভক্তি — এখানে বিভক্তি ভুল দেওয়া হয়েছে কারণ 'র' বা 'এর' হলো ষষ্ঠী বিভক্তি। D) অপাদান কারকে ৬ষ্ঠী বিভক্তি — অপাদান কারক বিচ্যুতি বা ভয় বোঝায়, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিঃস্বার্থ ভক্তি বা অর্পণ বুঝালে সবসময় সম্প্রদান কারক হবে এবং শব্দের শেষে র বা এর থাকলে তা ষষ্ঠী বিভক্তি ধরবে। - পুজো বা ভক্তির নিবেদনে সম্প্রদান কারকের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সম্প্রদান কারক চেনার প্রধান উপায় হলো নিঃস্বার্থভাবে কিছু প্রদান বা অর্পণ করা বোঝানো। - বিভক্তি চেনার সময় শব্দের শেষে যুক্ত বর্ণ বা প্রত্যয় ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a নির্ভর
b বিস্ময়
c প্রত্যয়
d দ্বিধা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয় কেন সঠিক: ১. সংশয় শব্দের অর্থ হলো সন্দেহ বা মনের ভেতরকার কোনো বিষয়ে অনিশ্চয়তা। ২. অন্যদিকে প্রত্যয় শব্দের অর্থ বিশ্বাস বা নিশ্চিত ধারণা, যা সংশয়ের সম্পূর্ণ বিপরীত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে অর্থের পূর্ণাঙ্গ বিপরীত ভাবটি দেখতে হয়। ২. সংশয় একটি মানসিক অবস্থাকে বোঝায় এবং প্রত্যয় সেই মানসিক অবস্থার দৃঢ় অবস্থাকে প্রকাশ করে। ৩. যেমন সংশয়ের মেঘ কেটে গেলে মনে প্রত্যয় জন্ম নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্ভর — নির্ভর শব্দের অর্থ ভরসা করা, যা সংশয়ের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) বিস্ময় — বিস্ময় শব্দের অর্থ অবাক হওয়া বা তাজ্জব বনে যাওয়া, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভাব। D) দ্বিধা — দ্বিধা শব্দের অর্থ মনের দ্বন্দ্ব বা সংশয় নিজেই, তাই এটি সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: সংশয় মানেই মনে সন্দেহ বা দ্বিধা থাকা। এর বিপরীত মনে দৃঢ় বিশ্বাস বা প্রত্যয় থাকা।
a সরল
b জটিল
c যৌগিক
d মিশ্র
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যৌগিক কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে দুটি স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য একটি সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। ২. বাক্য দুটির অর্থ সম্পূর্ণ এবং তারা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল নয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে বাক্যে দুটি বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য কোনো অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। ২. বাংলা ব্যাকরণে আবেগ বা ভাব প্রকাশের জন্য স্বাধীন খণ্ডবাক্যগুলোকে সংযোজক অব্যয় দিয়ে জোড়া লাগানো হয়। ৩. যেমন, সে অনেক পড়াশোনা করেছে এবং পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — এই বাক্যে একটিমাত্র কর্তা ও সমাপিকা ক্রিয়া নেই বরং একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে। B) জটিল — এই বাক্যে অধীনতা বা শর্তমূলক সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার নেই। C) যৌগিক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) মিশ্র — জটিল বাক্যকেই অনেক সময় মিশ্র বাক্য বলা হয়, কিন্তু এটি জটিল বাক্যের নিয়ম মানে না। মনে রাখার টিপস: ১. এবং, অথচ, কিন্তু, কিংবা, তাই ইত্যাদি অব্যয় মাঝখানে থাকলে তা সাধারণত যৌগিক বাক্য হয়। ২. বাক্যগুলোর অংশ আলাদা করলে যদি দুটি স্বাধীন অর্থ প্রকাশ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে যৌগিক বাক্য দাগাবে।
a কঠিন কামড়
b অলসতা
c কঠিন কাজে সফল হওয়া
d নাছোড়বান্দা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাছোড়বান্দা ১. কেন সঠিক: - কচ্ছপের কামড় বাগধারাটির অর্থ হলো নাছোড়বান্দা বা যা সহজে ছাড়ানো যায় না। - কচ্ছপ একবার কোনো কিছু কামড়ে ধরলে তা সহজে ছাড়তে চায় না এবং আঁকড়ে ধরে থাকে, এই বাস্তব স্বভাব থেকেই এই বাগধারার উদ্ভব হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার কাছ থেকে টাকা আদায় করা কচ্ছপের কামড়ের মতো কঠিন, সে সহজে দিতে চায় না। ব্যাখ্যা: এখানে নাছোড়বান্দা বা নাছোড় স্বভাব বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: এই কাজটি একবার হাতে নিলে সে কচ্ছপের কামড়ের মতো লেগে থাকে। ব্যাখ্যা: কাজটি সহজে না ছাড়ার মনোভাব প্রকাশ করতে এখানে এই উদাহরণটি দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কঠিন কামড় — এটি বাগধারার আলংকারিক অর্থ প্রকাশ না করে আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করেছে। B) অলসতা — অলসতা অর্থ কর্মবিমুখতা, যা কচ্ছপের কামড় বাগধারার সঙ্গে মেলে না। C) কঠিন কাজে সফল হওয়া — কঠিন কাজে সফলতা অর্জন করার সঙ্গে এই বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই। D) নাছোড়বান্দা — এটি সঠিক কারণ কচ্ছপের কামড় বলতে নাছোড়বান্দা বা নাছোড় স্বভাবকেই বোঝানো হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কচ্ছপ যেমন একবার কামড়ে ধরলে সহজে মুখ খোলে না, তেমনি নাছোড়বান্দা ব্যক্তিও একবার কোনো কিছু ধরে বসলে তা সহজে ছাড়ে না। - এই স্বভাবগত মিল মনে রাখলেই উত্তর সহজে বের করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বভাবভিত্তিক ও প্রাণীবাচক বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা প্রমিত অর্থ সবসময় মনে রাখতে হবে।
a সরিৎ
b বারিধি
c উদক
d অনু
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরিৎ ১. কেন সঠিক: - 'নদী' শব্দের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রমিত সমার্থক শব্দ হলো সরিৎ। - নদী বলতে সাধারণত স্রোতস্বিনী বা প্রবহমান জলধারাকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ, যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় শব্দের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সংস্কৃত, তদ্ভব ও দেশি শব্দের পাশাপাশি বহু সমার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তটিনী ব্যাখ্যা: এটি নদী শব্দের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: স্রোতস্বিনী ব্যাখ্যা: অবিরাম স্রোত আছে এমন নদীকে বোঝাতে এই সমার্থক শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরিৎ — এটি নদী শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং এর অর্থ জলধারা বা নদী। B) বারিধি — এর অর্থ সমুদ্র, কারণ বারি অর্থ পানি এবং ধি বা নিধি অর্থ ধারণের আধার। C) উদক — এটি পানি বা জলের একটি সমার্থক শব্দ, নদীর সমার্থক শব্দ নয়। D) অনু — এর অর্থ অণু, কণা বা পশ্চাৎ, যা নদীর সমার্থক শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নদী শব্দের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য সরিৎ, তটিনী ও স্রোতস্বিনী এই তিনটি শব্দ একসঙ্গে চর্চা করতে পারো। - সমুদ্র ও জলের সমার্থক শব্দের সঙ্গে নদীর সমার্থক শব্দ গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদী, সমুদ্র, আকাশ ও পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দগুলো সবচেয়ে বেশি আসে। - মূল শব্দের সঙ্গে জল বা ধারণকারী অংশের অর্থ বুঝতে পারলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a বিশেষণ
b বিশেষ্য
c সর্বনাম
d বিশেষণের বিশেষণ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: সাধারনত সুন্দর শব্দটি বিশেষণ হলেও, এই বাক্যে এটি বিশেষ্য পদের কাজ করেছে। কোনো বিশেষণ শব্দের সঙ্গে মাত্রা প্রত্যय যুক্ত হয়ে যদি নামপদ বা বিশেষ্য হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তবে তা বিশেষ্য পদ হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষণের সঙ্গে মাত্র প্রত্যয় যুক্ত হলে তা গুণবাচক বিশেষ্য বা ভাববাচক বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়। বাক্যে কর্তার স্থান দখল করায় সুন্দর শব্দটি এখানে বিশেষ্যের কার্য সম্পন্ন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৎই বড় কথা। ব্যাখ্যা: সৎ বিশেষণ হলেও এখানে বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: গরিবের ওপর দয়া করো। ব্যাখ্যা: গরিব বিশেষণ হলেও এখানে বিশেষ্য হিসেবে কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণ — সুন্দর শব্দটি একা থাকলে বিশেষণ হতো, কিন্তু মাত্র প্রত্যয়যুক্ত হয়ে এটি বিশেষ্য হয়েছে। C) সর্বনাম — সর্বনাম পদ নামের পরিবর্তে বসে, যা এখানে বসেনি। D) বিশেষণের বিশেষণ — এটি অন্য কোনো বিশেষণের দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষণের সঙ্গে মাত্র প্রত্যয় যুক্ত দেখলে তা সাধারণত বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য করতে হবে। বাক্যে পদের অবস্থান ও কার্যকারিতা দেখে পদ নির্ণয় করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যেখানে শব্দের রূপের চেয়ে বাক্যে তার কাজ প্রধান বিবেচ্য হয়। পদের রূপ পরিবর্তনের এই ব্যাকরণগত নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a পণ্ডিতবৃন্দ
b শিক্ষকবৃন্দ
c সুধীবৃন্দ
d মন্ত্রিবর্গ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পণ্ডিতবৃন্দ ১. কেন সঠিক: - পণ্ডিত শব্দের সঙ্গে বৃন্দ বহুবচন বোধক অনুসর্গ যুক্ত করা ব্যাকরণসম্মত নয় কারণ পণ্ডিত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দের বহুবচনে কুল, সকল, বৃন্দ, মণ্ডলী এবং অর্বাচীন শব্দের ক্ষেত্রে বর্গ, কুল, দল ও বাহিনী ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বচন হলো ব্যাকরণের এমন একটি অংশ যার দ্বারা কোনো পদের এক বা একাধিক সংখ্যা বোঝানো হয় এবং এটি প্রধানত দুই প্রকার যেমন একবচন ও বহুবচন। - অপ্রাণিবাচক ও ইতরপ্রাণিবাচক শব্দের ক্ষেত্রে কুল, সকল, সমূহ, আবলি, গুচ্ছ এবং প্রাণিবাচক পদের ক্ষেত্রে গণ, বৃন্দ, বর্গ ও মণ্ডলী ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পক্ষীকুল ব্যাখ্যা: পক্ষী তৎসম শব্দ হওয়ায় এর বহুবচনে কুল যুক্ত করা সঠিক হয়েছে। উদাহরণ ২: মণ্ডলী ব্যাখ্যা: এটি বিশেষত গুণী বা বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের ক্ষেত্রে বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পণ্ডিতবৃন্দ — পণ্ডিত তৎসম শব্দ হওয়ায় এর সঙ্গে বৃন্দ যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং প্রমিত বাংলায় এটি অশুদ্ধ। B) শিক্ষকবৃন্দ — শিক্ষক শব্দের সঙ্গে বৃন্দ বহুবচন বোধক শব্দ সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে কারণ এটি মান্য রীতি। C) সুধীবৃন্দ — সুধী শব্দের সঙ্গে বৃন্দ যুক্ত হয়ে সঠিক বহুবচন গঠিত হয়েছে যা বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত। D) মন্ত্রিবর্গ — মন্ত্রী শব্দের সঙ্গে বর্গ বহুবচন বোধক শব্দ সঠিকভাবে যুক্ত হয়ে প্রমিত রূপ লাভ করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - তৎসম প্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে গণ ও বৃন্দ ব্যবহার করবে এবং অপ্রাণিবাচক শব্দের ক্ষেত্রে কুল বা সকল ব্যবহার করবে। - কোন শব্দের সঙ্গে কোন বহুবচন বোধক শব্দ বসে তা অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচন পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রায়ই শব্দ ও বহুবচন বোধক প্রত্যয়ের মিল নিয়ে প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বানান ও শব্দের সঠিক প্রয়োগ জানলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a মুমুর্ষু
b সমীচিন
c মাষ্টার
d শিরচ্ছেদ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শিরচ্ছেদ ১. কেন সঠিক: - শিরচ্ছেদ শব্দটি সঠিক কারণ এখানে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম নিখুঁতভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। - শিরহ যোগ ছেদ মিলে শিরচ্ছেদ শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে বিসর্গের পর ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে চ ছ হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুসারে অ বা আ স্বরের পর বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে চ বা ছ থাকলে বিসর্গের স্থানে শ হয়। - এই নিয়মে শিরহ যোগ ছেদ সমান শিরচ্ছেদ এবং অহঃ যোগ নিশা সমান অহর্নিশা গঠিত হয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুঃ যোগ চরিত্র সমান দুশ্চিত্র ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর চ থাকায় বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে শ হয়েছে। উদাহরণ ২: মনঃ যোগ চাক্ষুষ সমান মনশ্চাক্ষুষ ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে চ যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুর্ষু — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানান মুমূর্ষু যেখানে প্রথম উ কার এবং দ্বিতীয় ঊ কার ব্যবহৃত হয়। B) সমীচিন — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানান সমীচীন যেখানে শেষের বর্ণে দীর্ঘ ই কার বসে। C) মাষ্টার — এটি ভুল বানান কারণ প্রমিত বাংলা বানরীতি অনুযায়ী মাস্টার শব্দে ট এর পরিবর্তে ট এর নিচে র ফলা বা মূর্ধন্য ণ হয় না বরং ট ব্যবহৃত হয়। D) শিরচ্ছেদ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিরচ্ছেদ বাননে চ ছ যুক্ত হয় কারণ বিসর্গের পর ছ থাকলে শ লেখার নিয়ম রয়েছে। - বিসর্গ সন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষাকলে বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে দীর্ঘ ই কার এবং হ্রস্ব উ কারের ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a অ, ই
b আ, ঐ
c ঐ, ঔ
d ই, ঔ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঐ, ঔ ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি দুটি, যার লিখিত রূপ হলো ঐ এবং ঔ। এগুলো উচ্চারণের সময় দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনি একসাথে দ্রুত উচ্চারিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় একটি স্বরধ্বনি থেকে অন্য স্বরধ্বনিতে পরিবর্তিত হয় এবং দুটি স্বর একত্রিত হয়, তাকে দ্বিস্বর বা যৌগিক স্বরধ্বনি বলে। বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা দ্বিস্বর বর্ণ দুটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐ (= অ + ই) ব্যাখ্যা: ঐ বর্ণটি উচ্চারণের সময় প্রথমে অ এবং পরে ই ধ্বনির মিশ্রণ ঘটে। উদাহরণ ২: ঔ (= অ + উ) ব্যাখ্যা: ঔ বর্ণটি উচ্চারণের সময় প্রথমে অ এবং পরে উ ধ্বনির মিশ্রণ ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ, ই — অ হলো মৌলিক স্বরধ্বনি এবং ই হলো মৌলিক স্বরধ্বনি, যা পৃথকভাবে উচ্চারিত হয়। B) আ, ঐ — আ হলো মৌলিক স্বরধ্বনি এবং ঐ দ্বিস্বর হলেও জোড়াটি সঠিক নয়। D) ই, ঔ — ই হলো মৌলিক স্বরধ্বনি এবং ঔ দ্বিস্বর হলেও এই জোড়াটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক দ্বিস্বর জোড়া নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা বর্ণমালায় কারচিহ্নযুক্ত যৌগিক স্বরবর্ণ মাত্র দুটি, তা হলো ঐ এবং ঔ। মনে রাখার সূত্র হলো যৌগিক স্বর মানেই দুটি স্বরের মিলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা পঁচিশটি হলেও বর্ণ বা প্রতীক মাত্র দুটি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দ্বিস্বরধ্বনি বা যৌগিক স্বরবর্ণ কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়।
a মদনমোহন তর্কালঙ্কার
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c চণ্ডীচরণ বিশ্বাস
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মদনমোহন তর্কালঙ্কার ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য এবং বিখ্যাত শিশুতোষ কবিতার রচয়িতা সম্পর্কিত। - মদনমোহন তর্কালঙ্কার বাংলা ১৯ শতকের গোড়ার দিকের একজন প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মদনমোহন তর্কালঙ্কার উনিশ শতকের নবজাগরণের অন্যতম ব্যক্তিত্ব ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বন্ধু ছিলেন। - তার রচিত শিশুদের উপযোগী পদ্যগ্রন্থ 'শিশুশিক্ষা' বাঙালি সমাজে আজও ব্যাপকভাবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি সব জয় রাহে তন্দ্রা দূর হেলি ব্যাখ্যা: এটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের 'শিশুশিক্ষা' গ্রন্থের একটি বিখ্যাত পঙক্তি। উদাহরণ ২: প্রভাতে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি ব্যাখ্যা: এটিও তার রচিত নৈতিক ও শিক্ষণীয় কবিতার অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এই চরণগুলো তার রচিত 'শিশুশিক্ষা' গ্রন্থের 'প্রভাতবর্ণন' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি এই শিশুতোষ নৈতিক কবিতার রচয়িতা নন, যদিও তার অনেক শিশুতোষ কবিতা আছে। C) চণ্ডীচরণ বিশ্বাস — তিনি এই বিশেষ পঙক্তির রচয়িতা নন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নাম অপ্রাসঙ্গিক। D) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি হলেও এই প্রাচীন শিশুতোষ পঙক্তিটির রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মদনমোহন তর্কালঙ্কার নামটির সাথে ছোটবেলার 'শিশুশিক্ষা' বই এবং সকাল বেলার প্রার্থনাসংগীত মনে রাখতে হবে। - সকালে ঘুম থেকে ওঠার নৈতিক কবিতার সঙ্গে সবসময় মদনমোহন তর্কালঙ্কারের নাম স্মরণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা একমাত্র অমর শিশুতোষ গ্রন্থ হলো 'শিশুশিক্ষা'। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উনিশ শতকের লেখকদের শিশুসাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a দরিদ্রতা
b শ্রদ্ধাঞ্জলি
c উপযোগিতা
d উর্দ্ধ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উর্দ্ধ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নে 'উর্দ্ধ' বানানটি শুদ্ধ নয় কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'উর্ধ্ব' বানানে সর্বদা ব-ফলা ব্যবহার করা হয়। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ধ-এর সঙ্গে ব যুক্ত হয়ে 'র্ধ্ব' গঠিত হয়, তাই ড-ফলা যুক্ত করা সম্পূর্ণ ভুল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দের বানান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পাণিনীয় ব্যাকরণ ও বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করা হয়। - 'ঊর্ধ্ব' শব্দের সঠিক গঠনে দীর্ঘ ঊ এবং ধ-এ ব-ফলা ব্যবহৃত হয়, যেখানে কোনোভাবেই ড ব্যবহার করা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঊর্ধ্বে ব্যাখ্যা: এটি সঠিক বানান যেখানে ঊ এবং ধ-এ ব-ফলা রয়েছে। উদাহরণ ২: ঊর্ধ্বাকাশ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়মে 'ঊর্ধ্ব' অংশটি যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দরিদ্রতা — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি একটি সঠিক বানান এবং প্রশ্নে শুদ্ধ বানান নয় এমন অপশন চেয়েছে। B) শ্রদ্ধাঞ্জলি — এই অপশনটি ভুল কারণ এটিও একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান এবং প্রশ্ন অনুযায়ী এটি উত্তর হবে না। C) উপযোগিতা — এই অপশনটি ভুল কারণ বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রমিত। D) উর্দ্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি ভুল বানান এবং এর শুদ্ধ রূপ হলো ঊর্ধ্ব। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঊর্ধ্ব বানানে সবসময় দীর্ঘ ঊ এবং ধ-এর নিচে ব-ফলা ব্যবহার করবে। - ড-ফলা যুক্ত কোনো শব্দ প্রমিত বাংলায় অনুমোদিত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের ব-ফলা সংক্রান্ত বানান প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের বানান চর্চা করতে হবে।
a সরল
b বেঁটে
c বঙ্কিম
d ভঙ্গুর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্কিম ১. কেন সঠিক: - ঋজু শব্দের অর্থ সোজা বা সরল, তাই এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো বঙ্কিম যার অর্থ বাঁকা। - বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থের বিপরীত ভাবটি বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম এবং তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উন্নত ও অবনত ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের অর্থ উচু এবং অবনত শব্দের অর্থ নিচু, যা পরস্পর বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: প্রাচীন ও আধুনিক ব্যাখ্যা: প্রাচীন শব্দের অর্থ খুব পুরানো এবং আধুনিক শব্দের অর্থ সাম্প্রতিক বা নতুন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — সরল শব্দের অর্থ সোজা হলেও এটি ঋজু শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। B) বেঁটে — বেঁটে শব্দের অর্থ খাটো, যা উচ্চতার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং ঋজু শব্দের বিপরীত নয়। C) বঙ্কিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ বঙ্কিম অর্থ বাঁকা যা ঋজু শব্দের বিপরীত। D) ভঙ্গুর — ভঙ্গুর শব্দের অর্থ যা সহজে ভেঙে যায়, এর বিপরীত শব্দ অটুট বা শক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঋজু মানে সোজা, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পদবি বঙ্কিম মানে বাঁকা, এই উপমা মনে রাখলে সহজেই উত্তর করা যায়। - পরীক্ষার হলে শব্দের মূল উৎস এবং আক্ষরিক অর্থ মিলিয়ে বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - সমার্থক শব্দ ও বিপরীতার্থক শব্দ আলাদা করার সময় শব্দের ভাবার্থ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a করণ কারকে ৩য়া বিভক্তি
b কর্তৃকারকে ৩য়া বিভক্তি
c অধিকরণ কারকে ৩য়া বিভক্তি
d অপাদান কারকে ৩য়া বিভক্তি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অধিকরণ কারকে ৩য়া বিভক্তি ১. কেন সঠিক: বাক্যে 'খিলিপান দিয়ে' অংশটি ওষুধ খাওয়ার মাধ্যম বা উপকরণ বোঝালেও, এটি মূলত ওষুধ খাওয়ার ক্ষেত্র বা আধার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট মাধ্যমে বা উপায়ে কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝালে এবং তা যদি আধার বা ক্ষেত্র বিশেষকে নির্দেশ করে, তবে ব্যাকরণ অনুযায়ী তা অধিকরণ কারক হিসেবে গণ্য হয় এবং ৩য়া বিভক্তি যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে এবং এতে সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়। তবে বিশেষ অর্থে বা মাধ্যম বোঝাতে কোনো কোনো বাক্যে অধিকরণ কারকেও ৩য়া বিভক্তি (দ্বারা, দিয়া, কর্তক) এর প্রয়োগ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলমে লেখা ভালো হয়। ব্যাখ্যা: এখানে লেখার মাধ্যম কলম হওয়ায় এটি করণ কারকে ৩য়া বিভক্তি। উদাহরণ ২: তিলে তৈল আছে। ব্যাখ্যা: তিল তৈলের আধার হওয়ায় এটি অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণ কারকে ৩য়া বিভক্তি — করণ কারক মূলত যন্ত্র বা সহায়কের মাধ্যমে ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, যা এখানে আধার বা ক্ষেত্র হিসেবে এসেছে। B) কর্তৃকারকে ৩য়া বিভক্তি — কর্তৃকারক বাক্যের মূল স্বাধীন কর্তা নির্দেশ করে, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত। C) অধিকরণ কারকে ৩য়া বিভক্তি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বাক্যের আধার ও মাধ্যম উভয় ভাব প্রকাশ করেছে। D) অপাদান কারকে ৩য়া বিভক্তি — অপাদান কারক বিচ্যুতি, জাত, বা ভয় বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কোনো বস্তু বা মাধ্যমের সাহায্যে বিশেষ ক্ষেত্র বা আধার বুঝালে অধিকরণ কারকে ৩য়া বিভক্তি হয়। মাধ্যম থাকলেই চোখ বন্ধ করে করণ কারক দাগানো যাবে না, বাক্যের অর্থ বুঝে কারক নির্ণয় করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী কারক প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ এবং ক্রিয়ার সঙ্গে পদের সম্পর্ক ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a কোনটি?
b পরান্নজীবী
c পরজীবী
d পরান্নভোজী
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরান্নজীবী ১. কেন সঠিক: - 'পরের অন্নে যে বেঁচে থাকে' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ হলো পরান্নজীবী। পর অর্থ অন্যের, অন্ন অর্থ খাদ্য এবংজীবী অর্থ যে জীবন ধারণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। এটি ভাষাংশকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্য গাছের ওপর যে লতা জন্মে তাকে পরগাছা বলে। ব্যাখ্যা: এটিও অন্যের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকার আরেকটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: ইতিহাস রচনা করেন যিনি তাকে ঐতিহাসিক বলে। ব্যাখ্যা: এটি একটি বাক্যের এককথায় প্রকাশের আরেকটি ব্যাকরণগত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোনটি? — এটি একটি প্রশ্নবোধক শব্দ এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের অপশন নয়। B) পরান্নজীবী — এটি প্রশ্নের দাবির সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায় এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) পরজীবী — এটি অন্যের শরীরে বেঁচে থাকা জীবকে বোঝায়, যা অন্ন বা খাদ্যের ওপর বেঁচে থাকার বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে না। D) পরান্নভোজী — এটি শুধু অন্যের অন্ন ভোজন করে যে তাকে বোঝায়, বেঁচে থাকাকে বিশেষভাবে নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর মানে অন্য এবং অন্ন মানে খাবার। অন্য বা পরের খাবার খেয়ে যে বেঁচে থাকে সে হলো পরান্নজীবী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সূক্ষ্ম শব্দের পার্থক্য বুঝতে হয়। খাদ্যের ওপর নির্ভরতার ক্ষেত্রে পরান্নজীবী শব্দটি সঠিক।
a simple
b complex
c compound
d test
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) compound কেন সঠিক: এই বাক্যে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা খণ্ডবাক্য রয়েছে যা 'or' কনজাংশন দ্বারা যুক্ত হয়েছে। বাক্যটিতে কোনো সাবঅর্ডিনেটিং কনজাংশন বা শুধু একটি সমাপিকা ক্রিয়া নেই। এটি একটি যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। এটি ব্যাখ্যামূলকভাবে যৌগিক বাক্যের নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) simple — এই বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া নেই এবং দুটি অংশ থাকায় এটি সরল বাক্য হতে পারে না। B) complex — এখানে কোনো সাবঅর্ডিনেটিং কনজাংশন ব্যবহার করে একটি প্রধান ও একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য তৈরি করা হয়নি। C) compound — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়। D) test — এটি কোনো বাক্যের প্রকারভেদ নয়, বরং একটি অর্থহীন বিভ্রান্তিকর অপশন। মনে রাখার টিপস: and, but, or ইত্যাদি কনজাংশন দিয়ে দুটি স্বাধীন অংশ যুক্ত থাকলে তা compound sentence হয়।
a can't
b do I
c can
d I can
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I can কেন সঠিক: বাক্যে 'where' একটি relative adverb হিসেবে যুক্ত হয়ে noun clause তৈরি করেছে। তাই এখানে সরাসরি প্রশ্ন না করে সাধারণ বাক্যের গঠন (Subject + Verb) ব্যবহার করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) can't — এটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে যা বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) do I — এটি বসালে একই বাক্যে দুটি প্রশ্নসূচক শব্দ চলে আসে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) can — এর পর সাবজেক্ট না থাকায় বাক্যটির গঠন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্ত বাক্যের মাঝখানে প্রশ্নবোধক শব্দ থাকলে পরে সাবজেক্ট এবং তারপর ভার্ব বসে।
a at
b with
c in
d for
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in কেন সঠিক: কোনো ষড়যন্ত্র বা অপরাধমূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকা বোঝাতে concerned এর পরে ইন প্রিপজিশন বসে। বাক্যে প্লট বা ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্ত থাকার অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক উত্তর ইন হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — কোনো বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন বা চিন্তিত হওয়া বোঝালে এ্যাট বসে কিন্তু এখানে ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্ত থাকা বোঝানো হয়েছে। B) with — কোনো ব্যক্তি বা বিষয়ের সাথে জড়িত থাকা বোঝালে উইথ বসে তবে নির্দিষ্ট করে ষড়যন্ত্রে জড়িত বোঝাতে ইন ব্যবহৃত হয়। C) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) for — কোনো কিছুর জন্য উদ্বেগ বা উপকার বোঝাতে ফর ব্যবহৃত হয় যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: ষড়যন্ত্র বা অপরাধমূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকা বোঝালে concerned এর পরে সবসময় in প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a Quartet
b Sixtet
c Limerick
d Haiku LOTTE
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Limerick কেন সঠিক: - Limerick হলো পাঁচ লাইনের একটি হাস্যরসাত্মক ও লয়যুক্ত কবিতা, যা নির্দিষ্ট ছান্দিক কাঠামো মেনে লেখা হয়। - এই ধরনের কবিতায় সাধারণত প্রথম, দ্বিতীয় ও পঞ্চম লাইনের সাথে এবং তৃতীয় ও চতুর্থ লাইনের সাথে মিল থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Quartet — এটি চার লাইনের কোনো কবিতা বা স্তবক বোঝায়, তাই পাঁচ লাইনের কবিতার জন্য এটি প্রযোজ্য নয়। B) Sixtet — এটি ছয় লাইনের কবিতা বা স্তবক নির্দেশ করে, যা পাঁচ লাইনের Limerick কবিতার সংজ্ঞার সাথে মেলে না। C) Limerick — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্নতা নেই। D) Haiku LOTTE — হাইকু হলো তিন লাইনের জাপানি কবিতা যার মাত্রা বিন্যাস ৫, ৭, ৫, তাই এটি পাঁচ লাইনের হাস্যরসাত্মক কবিতার অপশন নয়। মনে রাখার টিপস: পাঁচ অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ Limerick এবং কবিতাটিও ঠিক পাঁচ লাইনেই গঠিত হয়।
a personification
b alliteration
c rhyme
d onomatopoeia
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) alliteration কেন সঠিক: - Alliteration হলো একটি কাব্যিক অলংকার বা ফিগার অফ স্পিচ, যেখানে পাশাপাশি থাকা শব্দগুলোর শুরুর ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনির মিল থাকে। - যেমন: Peter Piper picked a peck of pickled peppers বাক্যে পি বা প ধ্বনির পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) personification — এটি এমন একটি অলংকার যেখানে কোনো নির্জীব বস্তু বা ধারণাকে মানবীয় গুণাবলী সম্পন্ন বলে বর্ণনা করা হয়। B) alliteration — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণে ভুল নয়, বরং এটিই হলো ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনির পুনরাবৃত্তির সংজ্ঞার্থ। C) rhyme — এটি হলো কবিতার দুটি বা ততোধিক পংক্তির শেষে বা মাঝে শব্দের শেষ ধ্বনির মিল থাকা, শুরুর ধ্বনির মিল নয়। D) onomatopoeia — এটি এমন শব্দ বোঝায় যা কোনো কিছুর শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়, যেমন কুকুরের ঘেউ ঘেউ বা পাখির ডাক। মনে রাখার টিপস: Alliteration শব্দের শুরুতে এ অক্ষরটি আছে, যার অর্থ হলো শব্দের শুরুতে থাকা কনসোনেন্ট বা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনির মিল।
a King Lear
b Macbeth
c Othelo
d Hamlet
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Hamlet কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটক হ্যামলেট এর তৃতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সংলাপ। যুবরাজ হ্যামলেট নিজের জীবন ও মৃত্যুর দ্বিধা নিয়ে এই আত্মগথ বা সলোলকি প্রকাশ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) King Lear — এটি একটি ট্র্যাজেডি নাটক হলেও এতে এই বিখ্যাত সংলাপটি নেই। B) Macbeth — এটি শেক্সপিয়ারের আরেকটি বিখ্যাত নাটক কিন্তু এর বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ আলাদা। C) Othelo — এই নাটকের পটভূমি ও চরিত্রগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং এই সংলাপটির সাথে এর কোনো মিল নেই। D) Hamlet — এই অপশনটিই সঠিক কারণ এই নাটক থেকেই উদ্ধৃতিটি নেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হ্যামলেট নাটকের যুবরাজের আত্মহত্যার বা বেঁচে থাকার দ্বিধাদ্বন্দ্ব মনে রাখলেই এই বিখ্যাত সংলাপটি চেনা সহজ হবে।
a achieve
b submit
c win
d conquer
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) submit কেন সঠিক: - Succumb শব্দের অর্থ হলো নতি স্বীকার করা বা পরাজয় মেনে নেওয়া। - Submit শব্দের অর্থও একই রকম, অর্থাৎ আত্মসমর্পণ করা বা বশ্যতা স্বীকার করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) achieve — এর অর্থ অর্জন করা, যা succumb শব্দের বিপরীতার্থক। B) submit — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ আত্মসমর্পণ করা। C) win — এর অর্থ জয়লাভ করা, যা succumb শব্দের বিপরীত। D) conquer — এর অর্থ জয় করা বা অধিকার করা, যা succumb শব্দের উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Succumb এবং Submit উভয় শব্দের শুরুতেই Su দিয়ে শুরু হয়েছে, যা দিয়ে সহজেই মনে রাখা যায় শব্দ দুটি সমার্থক।
a retired
b has retired
c had retired
d will be retired
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) retired কেন সঠিক: বাকyaটি Past Perfect এবং Past Indefinite Tense এর নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল তা Past Perfect হয় এবং যেটি পরে ঘটেছিল তা Past Indefinite হয়। এখানে বই লেখা কাজটি আগে হয়েছিল তাই তা Past Perfect টেন্সে আছে এবং অবসর নেওয়ার কাজটি পরে হয়েছিল তাই তা Past Indefinite টেন্সের verb (retired) হবে। before conjunction এর আগের অংশ Past Perfect হলে পরের অংশ Past Indefinite Tense হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) retired — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Past Indefinite Tense-এর verb এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। B) has retired — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে ব্যবহার করা নিয়মবিরুদ্ধ। C) had retired — দুটি clause-েই Past Perfect Tense ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) will be retired — এটি Future Tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Before এর আগে Past Perfect হলে পরে Past Indefinite বসে।
a is
b was
c were
d are
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is কেন সঠিক: - 'The Arabian Nights' একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম দেখতে বহুবচনের মতো মনে হলেও এটি মূলত একটি একক গ্রন্থকে বোঝায়। - কোনো গ্রন্থ, দেশ বা বিষয়ের নাম দেখতে প্লুরাল হলেও তা সবসময় সিঙ্গুলার ভার্ব গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি সঠিক উত্তর কারণ বইয়ের নাম দেখতে প্লুরাল হলেও তা একটি একক সত্তা এবং সিঙ্গুলার ভার্ব গ্রহণ করে। B) was — অতীতকাল নির্দেশ করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বইটির নাম চিরন্তন সত্য বা সাধারণ অভ্যাসের মতো বর্তমান অবস্থাতেই প্রকাশ পায়। C) were — এটি প্লুরাল সাবজেক্টের ক্ষেত্রে পাস্ট টেন্সে বসে, কিন্তু এখানে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হিসেবে গণ্য হয়। D) are — এটি প্লুরাল সাবজেক্টের ক্ষেত্রে প্রেজেন্ট টেন্সে বসে, যা এই একক নামবাচক বইয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বই, দেশ বা সংস্থার নাম যতই বহুবচন বা প্লুরাল মনে হোক না কেন, তাদের পরে সর্বদা সিঙ্গুলার ভার্ব বসে।
a Let the order to give.
b Let the order is given.
c Let the order be given.
d Let the order give,
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Let the order be given. কেন সঠিক: - মূল বাক্যটি Imperative Sentence হওয়ায় Active থেকে Passive করার সময় প্রথমে Let বসে। - এর পর অবজেক্ট (the order), তারপর be এবং মূল verb-এর Past Participle (given) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let the order to give. — এখানে be-র পরিবর্তে to ব্যবহার করা হয়েছে এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ দেওয়া হয়নি, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Let the order is given. — Passive গঠনে be ভার্বের পরিবর্তে is ব্যবহার করায় বাক্যটির গঠন সঠিক হয়নি। C) Let the order be given. — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ করেছে। D) Let the order give, — এখানে verb-এর Past Participle (given) না দিয়ে Base form দেওয়া হয়েছে, যা Passive-এর নিয়মের পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: Imperative Sentence-কে Active থেকে Passive করার গঠন হলো: Let + অবজেক্ট + be + Verb-এর Past Participle.
a with
b from
c after
d about
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) about কেন সঠিক: এখানে finalized about একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল কম্বিনেশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। লটারিতে জেতার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া বা মনস্থির করা বোঝাতে about বসে। এটি নির্দিষ্ট একটি ঘটনার প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করে। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এই প্রিপজিশনটি সবচেয়ে মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এই বাক্যের অর্থের সাথে with প্রিপজিশনটি কোনোভাবেই মানানসই হয় না। B) from — দূরত্ব বা উৎস বোঝাতে এটি বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) after — পরে বোঝাতে এটি বসে, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর ফোকাস করতে হবে। D) about — এটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং এটিই উত্তর। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া বা সিদ্ধান্ত নেওয়া অর্থে finalize শব্দের পরে সাধারণত about প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়।
a Harmful lie
b Useless lie
c Harmless lie
d Irrelevant lie
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Harmless lie কেন সঠিক: - 'A white lie' একটি প্রচলিত ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ এমন একটি মিথ্যা কথা যা কাউকে কষ্ট না দেওয়ার জন্য বা ছোটখাটো সৌজন্য রক্ষার্থে বলা হয়। - এই ধরনের মিথ্যা থেকে কারও কোনো ক্ষতি হয় না, তাই একে ক্ষতিকর নয় বা 'Harmless' বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Harmful lie — এটি সঠিক নয় কারণ 'Harmful lie' অর্থ ক্ষতিকর মিথ্যা, যা হোয়াইট লাই-এর বিপরীত। B) Useless lie — এটি সঠিক নয় কারণ এর অর্থ অর্থহীন মিথ্যা, যা এই ইডিওমের নির্দিষ্ট সামাজিক বা মানসিক উদ্দেশ্য বহন করে না। C) Harmless lie — এটি সঠিক এবং এটিই এই ইডিওমের মূল ভাব প্রকাশ করে। D) Irrelevant lie — এটি সঠিক নয় কারণ এর অর্থ অপ্রাসঙ্গিক মিথ্যা, যা এই ইডিওমের অর্থের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: সাদা (White) রঙ সাধারণত শান্তি ও পবিত্রতার প্রতীক, তাই হোয়াইট লাই মানে এমন মিথ্যা যা কাউকে কষ্ট না দিয়ে শান্তি রক্ষা করে বা ক্ষতিকর নয়।
a She swam through the river.
b She swam across the river.
c She crossed river by swimming.
d She passed the river through swimming.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) She swam across the river. কেন সঠিক: নদী বা রাস্তার এক পাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়া বোঝালে সাধারণত across প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়। এখানে সাঁতার কেটে নদী পার হওয়ার ক্ষেত্রে swam across সঠিক গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She swam through the river — through ব্যবহার করা হয় কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে বা ভেদ করে যাওয়া বোঝাতে, যা নদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) She swam across the river — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী সবদিক থেকেই নির্ভুল। C) She crossed river by swimming — এখানে river noun এর আগে কোনো article বা determiner ব্যবহার না করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। D) She passed the river through swimming — নদী পার হওয়ার ইংরেজি হিসেবে pass the river না লিখে swam across ব্যবহার করাটাই সবচেয়ে স্বাভাবিক ও সঠিক নিয়ম। মনে রাখার টিপস: নদী, রাস্তা বা সেতু পার হওয়া বোঝাতে across প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a Keats
b Shelley
c Byron
d G. B Shaw
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) G. B Shaw কেন সঠিক: - 'Man and Superman' নাটকটির রচয়িতা বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ (G. B Shaw)। - এটি তাঁর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ দার্শনিক নাটক, যা ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Keats — জন কিটস রোমান্টিক যুগের কবি, যিনি নাটক নয় মূলত ওড বা গীতিকবিতা লেখার জন্য বিখ্যাত। B) Shelley — পি বি শেলি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার হলেও তিনি 'Man and Superman' লেখেননি। C) Byron — লর্ড বায়রন রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত কবি, তাঁর লেখার সাথে এই নাটকের কোনো সম্পর্ক নেই। D) G. B Shaw — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ তিনিই এই বিখ্যাত নাটকটির স্রষ্টা। মনে রাখার টিপস: সুপারম্যান চরিত্রের মতো অতিমানবীয় দর্শনের কথা মনে রাখলে জর্জ বার্নার্ড শ-এর 'Man and Superman' নাটকটি সহজে মনে রাখা যায়।
a Disraeli
b Gladstone
c Emerson
d Shakespeare
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Gladstone কেন সঠিক: বিখ্যাত উক্তি "Justice delayed is Justice denied" বা বিচার বিলম্বিত হওয়া মানে বিচার অস্বীকৃত হওয়া মূলত ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ উইলিয়াম গ্ল্যাডস্টোনের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক বক্তব্য। তিনি উনবিংশ শতাব্দীতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আইনি ও বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা বোঝাতে এই কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন। পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে আইন ও বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে এই প্রবাদতুল্য উক্তিটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Disraeli — বেনজামিন ডিসরােলি ব্রিটিশ রক্ষণশীল নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে তিনি এই বিখ্যাত আইনি প্রবাদটি বলেননি। B) Gladstone — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল বা সঠিক তথ্য প্রযোজ্য নয়। C) Emerson — রালফ ওয়াল্ডো এমারসন একজন বিখ্যাত আমেরিকান প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক ছিলেন, আইন বিষয়ক এই উক্তির সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। D) Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়র একজন প্রখ্যাত ইংরেজি নাট্যকার ছিলেন, তার কোনো নাটকে এই সুনির্দিষ্ট উক্তিটির প্রবক্তা হিসেবে তাকে পাওয়া যায় না। মনে রাখার টিপস: বিচার বা ল এর ক্ষেত্রে দেরি হলে গ্ল্যাডস্টোন সাহেবের কথা মনে রাখবে।
a I have finished read the book.
b I have been finished reading the book.
c I have finished reading the book,
d I finished reading the book.
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I have finished reading the book, কেন সঠিক: finish verb এর পরে সাধারণত gerund বা verb এর সাথে ing যুক্ত রূপ বসে। এখানে present perfect tense এর গঠন সঠিক আছে এবং reading শব্দটি সঠিক gerund হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I have finished read the book — finish verb এর পরে সরাসরি verb এর base form বসতে পারে না। B) I have been finished reading the book — বাক্যটি passive voice এ হয়ে অর্থ বদলে গেছে এবং গঠনটি ভুল। C) I have finished reading the book — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে কোনো ভুল নেই। D) I finished reading the book — এটি past indefinite tense এ চলে গেছে যা প্রদত্ত প্রশ্নের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: finish, enjoy, mind ইত্যাদি verb এর পরে সবসময় verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
a A conjunction
b Interjection
c An adverb
d Verb
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A conjunction কেন সঠিক: এখানে but শব্দটি দুটি বাক্য বা বাক্যাংশকে যুক্ত করার কাজ করেছে। এটি দুটি ভিন্ন অবস্থানের তুলনা প্রকাশ করতে সংযোজক হিসেবে বসেছে। বাক্যের মধ্যে সংযোগকারী হিসেবে কাজ করায় এটি Conjunction হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A conjunction — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Interjection — এটি কোনো আবেগ বা মনস্তাত্ত্বিক অনুভূতি প্রকাশ করছে না। C) An adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb-কে বিশেষিত করছে না। D) Verb — এটি বাক্যের কোনো মূল কাজ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কিন্তু বা অথচ অর্থে যখন দুটি অংশকে যুক্ত করে, তখন but একটি conjunction হিসেবে কাজ করে।
a habitable
b habitation
c habitual
d habituate
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) habituate কেন সঠিক: habtiuate শব্দটির অর্থ অভ্যস্ত করা, যা বাক্যে মূল বা verb হিসেবে কাজ করে। এটি কোনো কাজের প্রক্রিয়া বোঝায়, যা verb চেনার প্রধান উপায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) habitable — এটি একটি adjective, যার অর্থ বাসোপযোগী। B) habitation — এটি একটি noun, যার অর্থ বসতি বা বাসস্থান। C) habitual — এটি একটি adjective, যার অর্থ অভ্যাসগত। D) habituate — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং একটি verb। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে ate থাকলে সাধারণত সেটি verb হয়, যেমন habituate।
a Stationery
b Motionless
c Plenary
d Empty
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Motionless কেন সঠিক: - 'Stationary' শব্দটির অর্থ হলো স্থির বা যা গতিশীল নয়। - 'Motionless' শব্দটির অর্থও গতিহীন বা স্থির, তাই এটি এর সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Stationery — এর অর্থ লেখার কাগজ বা স্টেশনারি সামগ্রী, যা উচ্চারণ এক হলেও বানান ও অর্থে ভিন্ন। B) Motionless — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ স্থির বা গতিহীন। C) Plenary — এর অর্থ পূর্ণাঙ্গ বা সর্বদলীয়, যা স্থির শব্দের সাথে মেলে না। D) Empty — এর অর্থ খালি, যা কোনো পাত্র বা স্থান ফাঁকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Stationary বানানে er থাকলে মনে রাখবে লেখার paper, আর ary থাকলে স্থির বা motionless।
a 1150
b 1250
c 1350
d 1550
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৫০ প্রদত্ত তথ্য: মোট আসল = ২৬০০ টাকা প্রথম অংশের সুদের হার = ১০% এবং সময় = ৫ বছর দ্বিতীয় অংশের সুদের হার = ৯% এবং সময় = ৬ বছর ধরি, প্রথম ভাগ = ক টাকা এবং দ্বিতীয় ভাগ = (২৬০০ − ক) টাকা প্রথম ভাগের সুদ = (ক × ১০ × ৫) ÷ ১০০ অতএব, দ্বিতীয় ভাগের সুদ = (২৬০০ − ক) × ৯ × ৬ ÷ ১০০ শর্তমতে, প্রথম ভাগের সুদ = দ্বিতীয় ভাগের সুদ অর্থাৎ, (ক × ৫০) ÷ ১০০ = (২৬০০ − ক) × ৫৪ ÷ ১০০ সুতরাং, ৫০ক = ১৩০৪০০ − ৫৪ক ১০৪ক = ১৩০৪০০ উত্তর: ক = ১৩৫০ টাকা
a 45
b 54
c 56
d 65
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ৫৪ প্রদত্ত তথ্য: ভদ্র মহিলার বয়সের অংকদ্বয়ের স্থান পরিবর্তন করলে স্বামীর বয়স পাওয়া যায় স্বামীর বয়স স্ত্রীর চেয়ে বেশি এবং তাদের বয়সের পার্থক্য যোগফলের একাদশ ভাগ ধরি, স্ত্রীর বয়সের দশকের অংক = ক এবং এককের অংক = খ স্ত্রীর বয়স = (১০ ক + খ) এবং স্বামীর বয়স = (১০ খ + ক) অতএব, বয়সের পার্থক্য = (১০ খ + ক) − (১০ ক + খ) = ৯ (খ − ক) বয়সের যোগফল = (১০ ক + খ) + (১০ খ + ক) = ১১ (ক + খ) সুতরাং, ৯ (খ − ক) = (১১ (ক + খ)) ÷ ১১ খ − ক = ক + খ ÷ ১১ উত্তর: ৫৪
a 300
b 280
c 295
d 320
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৯৫ প্রদত্ত তথ্য: পুরুষের সংখ্যা = ৭ জন মহিলার সংখ্যা = ৪ জন ধরি, মোট কমিটি গঠন করতে হবে = ৪ জনের শর্ত হলো অন্তত ১ জন মহিলা থাকতে হবে অতএব, মোট সদস্য সংখ্যা = ৭ + ৪ = ১১ জন মোট কমিটি গঠন করা যায় = ১১ জন থেকে ৪ জন = ৩৩০ উপায়ে কোনো মহিলা না রেখে কমিটি গঠন করা যায় = ৭ জন পুরুষ থেকে ৪ জন = ৩৫ উপায়ে সুতরাং, অন্তত ১ জন মহিলা নিয়ে কমিটি গঠন করা যায় = ৩৩০ − ৩৫ = ২৯৫ উপায়ে উত্তর: ২৯৫
a ৬২°
b ৩১°
c ৪৫°
d ৩৬°
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩১° প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের কেন্দ্র ০ এবং ত্রিভুজ ABC বৃত্তে অন্তর্লিখিত কোণ BOC এর মান ১১৮ ডিগ্রি ধরি, OB এবং OC হলো বৃত্তের ব্যাসার্ধ ত্রিভুজ BOC এর ক্ষেত্রে OB সমান OC অতএব, কোণ OCB সমান কোণ OBC ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি কোণ BOC + কোণ OBC + কোণ OCB সমান ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ১১৮ ডিগ্রি + ২ গুণ কোণ BCO সমান ১৮০ ডিগ্রি ২ গুণ কোণ BCO সমান ১৮০ ডিগ্রি − ১১৮ ডিগ্রি উত্তর: ৩১°
a 18
b 24
c 35
d 42
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি সংখ্যার গড় ৫৬ সংখ্যা তিনটির সমষ্টি = ৫৬ × ৩ = ১৬৮ ধরি, দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ক প্রথম সংখ্যাটি = ২ × ক তৃতীয় সংখ্যাটি = ৪ × ক অতএব, সংখ্যা তিনটির যোগফল = (২ × ক) + ক + (৪ × ক) = ১৬৮ ৭ × ক = ১৬৮ সুতরাং, ক = ১৬৮ ÷ ৭ = ২৪ উত্তর: ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো ২৪
a √3-√2
b √3+√2
c √2+1
d √2-1
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √২ − ১ প্রدত্ত তথ্য: লব = √৩ হর = √৬ + √৩ ধরি, প্রদত্ত রাশি = √৩ ÷ (√৬ + √৩) হরকে হরের বিপরীত চিহ্ন দিয়ে গুণ করব বিপরীত রাশি = √৬ − √৩ অতএব, লব ও হরকে (√৬ − √৩) দ্বারা গুণ করে পাই লব = √৩ × (√৬ − √৩) হর = (√৬ + √৩) × (√৬ − √৩) সুতরাং, লব = √১৮ − ৩ = ৩√২ − ৩ হর = (√৬)^২ − (√৩)^২ = ৬ − ৩ = ৩ উত্তর: (৩√২ − ৩) ÷ ৩ = √২ − ১
a কবর্গক্ষেত্র
b রম্বস
c ট্রাপিজিয়াম
d আয়তক্ষেত্র
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আয়তক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ভেতরে একটি সামান্তরিক অঙ্কন করা হয়েছে সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলো সমান ধরি, সামান্তরিকের একটি কোণ সমান ক ডিগ্রি অপর বিপরীত কোণটিও সমান ক ডিগ্রি অতএব, বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণ দুটির সমষ্টি সমান ১৮০ ডিগ্রি ক + ক = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, দুই ক সমান ১৮০ ডিগ্রি ক সমান ৯০ ডিগ্রি উত্তর: প্রতিটি কোণ সমকোণ হওয়ায় বৃত্তস্থ সামান্তরিক একটি আয়তক্ষেত্র
a ৫০ বর্গ মিটার
b ৫৫ বর্গ মিটার
c ৬০ বর্গ মিটার
d ৭০ বর্গ মিটার
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০ বর্গ মিটার প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্য, প্রস্থ অপেক্ষা ৪ মিটার বেশি ঘরটির পরিসীমা ৩২ মিটার ধরি, ঘরের প্রস্থ = ক মিটার ঘরের দৈর্ঘ্য = ক + ৪ মিটার অতএব, পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) ২ × (ক + ৪ + ক) = ৩২ ২ × (২ক + ৪) = ৩২ সুতরাং, ৪ক + ৮ = ৩২ ৪ক = ২৪ ক = ৬ উত্তর: ঘরের প্রস্থ = ৬ মিটার ঘরের দৈর্ঘ্য = ৬ + ৪ = ১০ মিটার ক্ষেত্রফল = ১০ × ৬ = ৬০ বর্গ মিটার
a ৭ মিটার
b ৮ মিটার
c ৯ মিটার
d ১০ মিটার
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ মিটার প্রদত্ত তথ্য: মইয়ের দৈর্ঘ্য = ১৮ মিটার মইটি ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০ ডিগ্রি ধরি, দেয়ালটির দৈর্ঘ্য = লম্ব = h মিটার মইটির দৈর্ঘ্য = অতিভুজ = ১৮ মিটার অতএব, ত্রিকোণমিতির সূত্রানুসারে সাইন ৩০ ডিগ্রি = লম্ব ÷ অতিভুজ মান বসিয়ে পাই, সাইন ৩০ ডিগ্রি = h ÷ ১৮ আমরা জানি, সাইন ৩০ ডিগ্রি এর মান এক বাই দুই সুতরাং, এক বাই দুই = h ÷ ১৮ দুই গুণ h = ১৮ গুণ এক উত্তর: h = ৯ মিটার
a ৫ সে. মি.
b ৬ সে. মি.
c ৭ সে. মি.
d ৮ সে. মি.
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৩ সে. মি. জ্যা-এর দৈর্ঘ্য = ২৪ সে. মি. ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর উপর লম্ব জ্যা-কে সমদ্বিখণ্ডিত করে তাই জ্যা-এর অর্ধেক অংশের দৈর্ঘ্য = ২৪ ÷ ২ = ১২ সে. মি. বৃত্তের ব্যাসার্ধ এবং লম্ব মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠন করে অতএব, সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = ১৩ সে. মি. সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = ১২ সে. মি. লম্বের দৈর্ঘ্য = √(১৩ × ১৩ − ১২ × ১২) সুতরাং, লম্বের দৈর্ঘ্য = √(১৬৯ − ১৪৪) = √২৫ উত্তর: ৫ সে. মি.
a 2
b 3
c 4
d 5
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ৫ দুটি সংখ্যার বিয়োগফল = ৩ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = a দ্বিতীয় সংখ্যাটি = b অতএব, a + b = ৫ a − b = ৩ সুতরাং, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, ab = ((a + b) ÷ ২) বর্গের ক্ষেত্রফল − ((a − b) ÷ ২) বর্গের ক্ষেত্রফল উত্তর: (৫ ÷ ২) বর্গের ক্ষেত্রফল − (৩ ÷ ২) বর্গের ক্ষেত্রফল = ৬.২৫ − ২.২৫ = ৪
a 7
b 6
c 8
d 13
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: মূল ভগ্নাংশটি হলো ৭ ভাগ ১৭ নতুন ভগ্নাংশটি হতে হবে ৩ ভাগ ৫ ধরি, যোগ করতে হবে ক সংখ্যাটি অতএব, লব হলো ৭ + ক এবং হর হলো ১৭ + ক সুতরাং, (৭ + ক) ÷ (১৭ + ক) = ৩ ÷ ৫ অতএব, ৫ গুণ (৭ + ক) = ৩ গুণ (১৭ + ক) সুতরাং, ৩৫ + ৫ক = ৫১ + ৩ক অতএব, ৫ক − ৩ক = ৫১ − ৩৫ সুতরাং, ২ক = ১৬ উত্তর: ক = ৮
a 60.5
b 65.5
c 62.5
d 55.5
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: দেওয়া আছে, মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০ জন ১০০ জন শিক্ষার্থীর গণিতে গড় নম্বর = ৭০ সুতরাং, ১০০ জন শিক্ষার্থীর মোট নম্বর = (১০০ × ৭০) = ৭০০০ ছাত্রীর সংখ্যা = ৬০ জন ৬০ জন ছাত্রীর গড় নম্বর = ৭৫ সুতরাং, ৬০ জন ছাত্রীর মোট নম্বর = (৬০ × ৭৫) = ৪৫০০ অতএব, ছাত্রদের সংখ্যা = (১০০ - ৬০) জন = ৪০ জন ৪০ জন ছাত্রের মোট নম্বর = (৭০০০ - ৪৫০০) = ২৫০০ সুতরাং, ছাত্রদের গড় নম্বর = (২৫০০ / ৪০) = ৬২.৫ উত্তর: ৬২.৫
a 50
b 80
c 70
d 60
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার ৪০% এর সাথে ৪২ যোগ করলে যোগফল সেই সংখ্যাটি হয়। ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ৪০% + ৪২ = ক (ক × ৪০ ÷ ১০০) + ৪২ = ক সুতরাং, (২ক ÷ ৫) + ৪২ = ক ক − (২ক ÷ ৫) = ৪২ উত্তর: ৩ক ÷ ৫ = ৪২ এবং ক = ৭০
a ৪০%
b ২৫%
c ৩৬%
d ৩০%
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬% প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ কমে যায় ২০% ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = পিন গুণ ১০০ গুণ ১০০ বর্গ একক অতএব, নতুন ব্যাসার্ধ হয় = ৮০ একক নতুন ক্ষেত্রফল হয় = পিন গুণ ৮০ গুণ ৮০ বর্গ একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল কমে যায় = দশ হাজার বিয়োগ ছয় হাজার চারশ বর্গ একক = তিন হাজার ছয়শ বর্গ একক উত্তর: ৩৬%
a ৬ দিন
b ৯ দিন
c ৩/২ দিন
d ২/৩ দিন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ দিন প্রদত্ত তথ্য: ৬ জন শ্রমিক ৬ দিনে বুনে ৬টি কাপড় ৯ জন শ্রমিক কত দিনে বুনবে ৯টি কাপড় ধরি, শ্রমিকের সংখ্যা এবং দিনের সংখ্যা ব্যস্ত অনুপাতে সম্পর্কিত আবার কাজের পরিমাণ এবং দিনের সংখ্যা সরল অনুপাতে সম্পর্কিত অতএব, প্রয়োজনীয় দিন সংখ্যা = ৬ × (৬ ÷ ৯) × (৯ ÷ ৬) সুতরাং, হিসাব করে পাওয়া যায় ৬ দিন উত্তর: ৬ দিন
a 0.03
b 0.3
c 3/10
d খওগ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খওগ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য দুই সাত এর ঘনমূল বা তিন রুট নির্ণয় করতে হবে ধরি, মূল সংখ্যাটি = ০.০০২৭ এটিকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করা যাক অতএব, ০.০০২৭ কে লেখা যায় ২৭ ভাগ এক হাজার এখন ২৭ এর ঘনমূল হলো ৩ এবং, এক হাজারের ঘনমূল হলো ১০ সুতরাং ভগ্নাংশটি দাঁড়ায় ৩ ভাগ ১০ সুতরাং, ৩ ভাগ ১০ কে দশমিকে প্রকাশ করলে হয় ০.৩ আবার অপশন বি তে আছে ০.৩ এবং অপশন সি তে আছে ৩ ভাগ ১০ উত্তর: খ এবং গ উভয়ই সঠিক তাই ডি হলো উত্তর
a 20
b 24
c 30
d 32
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: ক এর চেয়ে খ যতোখানি ছোট গ এর চেয়ে ততোখানি বড় ক এবং গ এর বয়সের সমষ্টি ৪৮ ধরি, ক এর বয়স = ক খ এর বয়স = খ গ এর বয়স = গ অতএব, খ − ক = গ − খ ক + গ = ৪৮ সুতরাং, ক + গ = ২ × খ ৪৮ = ২ × খ উত্তর: খ = ৪৮ ÷ ২ = ২৪
a 30
b 35
c 40
d 45
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: কলমের প্রথম বিক্রয়মূল্য = ২৫ টাকা কলমের দ্বিতীয় বিক্রয়মূল্য = ৩৫ টাকা ক্ষতির পরিমাণ এবং লাভের পরিমাণ সমান ধরি, কলমটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে ক্ষতি = (ক − ২৫) টাকা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লাভ = (৩৫ − ক) টাকা প্রশ্নানুসারে, (ক − ২৫) = (৩৫ − ক) সুতরাং, ক + ক = ৩৫ + ২৫ ২ক = ৬০ ক = ৩০ উত্তর: ৩০
a ভরকেন্দ্র
b পরিকেন্দ্র
c অন্তঃকেন্দ্র
d লম্ববিন্দু
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরিকেন্দ্র প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি বাহুর লম্বদ্বিখণ্ডক তিনটি দেওয়া আছে লম্বদ্বিখণ্ডকগুলোর ছেদবিন্দু নির্ণয় করতে হবে ধরি, ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দুগুলো হলো ক, খ এবং গ বাহুগুলোর লম্বদ্বিখণ্ডকগুলো একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় অতএব, লম্বদ্বিখণ্ডকগুলোর ছেদবিন্দু থেকে ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দুগুলোর দূরত্ব সমান হয় এই সমান দূরত্বকে ত্রিভুজের পরিব্যাসার্ধ বলা হয় সুতরাং, এই নির্দিষ্ট ছেদবিন্দুটি ত্রিভুজের পরিবৃত্তের কেন্দ্র বা পরিকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয় উত্তর: পরিকেন্দ্র
a ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
b ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
c ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
d ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়। - সেই সভায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ — এটি শহীদ দিবস, এই দিনে ঐতিহাসিক কোনো উপাধি প্রদানের ঘটনা ঘটেনি। B) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ — আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে বঙ্গবন্ধুসহ অন্য আসামিরা মুক্তি লাভ করেন, তবে উপাধি দেওয়া হয়নি। C) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ — এই তারিখে বঙ্গবন্ধু তোপখানা রোডের ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কিন্তু উপাধি পাওয়ার দিন এটি নয়। মনে রাখার টিপস: আগরতলা মামলা থেকে মুক্তির ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়।
a ১৮৭০ মার্কিন ডলার
b ১০২৫ মার্কিন ডলার
c ২০৬৪ মার্কিন ডলার
d কোনোটিই নয়
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোতে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয়ের সাম্প্রতিক ও সঠিক তথ্য নেই। - বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় পরিবর্তনশীল এবং এটি প্রতি অর্থবছরের অর্থনৈতিক প্রাক্কলন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৭০ মার্কিন ডলার — এটি অতীতের একটি নির্দিষ্ট অর্থবছরের মাথাপিছু আয়ের হিসাব যা বর্তমান অর্থনৈতিক প্রাক্কলনের সাথে মেলে না। B) ১০২৫ মার্কিন ডলার — এটি অনেক আগের একটি পুরোনো হিসাব এবং বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। C) ২০৬৪ মার্কিন ডলার — এটিও সাম্প্রতিক হালনাগাদ তথ্যের সাথে মিল নেই এবং এটি বর্তমানের সঠিক প্রাক্কলিত আয় নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু উপরের কোনো অপশনই বর্তমান সঠিক মাথাপিছু জাতীয় আয়ের সাথে মিলে না, তাই এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: মাথাপিছু আয় প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়, তাই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষার সাম্প্রতিক তথ্য পড়তে হবে।
a RAM
b Secondary Storage
c ROM
d কোনোটিই নয়
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) RAM কেন সঠিক: - RAM বা র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি হলো একটি অস্থায়ী বা উদ্বায়ী মেমোরি। - বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে এর ধারণ করা সকল তথ্য চিরতরে মুছে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। B) Secondary Storage — এটি স্থায়ী মেমোরি হওয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও এর তথ্য মুছে যায় না। C) ROM — এটি রিড অনলি মেমোরি এবং এতে স্থায়ী তথ্য সংরক্ষিত থাকে যা বিদ্যুৎ গেলেও মোছে না। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে থাকায় এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: RAM মানেই অস্থায়ী, বিদ্যুৎ গেলে সব হারায়।
a পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
b সমবর্তন
c অপবর্তন
d প্রতিসরণ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন কেন সঠিক: - আলোকরশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয়, তখন প্রতিসৃত না হয়ে সম্পূর্ণ আলোকরশ্মি একই মাধ্যমে ফিরে আসে। - অপটিক্যাল ফাইবারের কোড ও ক্লাডিংয়ের প্রতিসরাঙ্কের পার্থক্যের কারণে এই পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোক সংকেত বিনা বাধায় দ্রুত পরিবাহিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — এই ঘটনার মাধ্যমেই অপটিক্যাল ফাইবারের ভেতর দিয়ে আলোর গতিপথ বজায় রেখে তথ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। B) সমবর্তন — এটি আলোর একটি বিশেষ তরঙ্গ ধর্ম, যা আলোর কম্পনের তল নির্দিষ্ট করে কিন্তু অপটিক্যাল ফাইবারের মূল কার্যপদ্ধতি এটি নয়। C) অপবর্তন — এটি কোনো তীক্ষ্ণ প্রান্ত বা সরু ছিদ্রের ধার দিয়ে আলোর বেঁকে যাওয়ার ঘটনা, যা অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর চলাচলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) প্রতিসরণ — আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় দিক পরিবর্তন করে, তবে অপটিক্যাল ফাইবারে আলো বাইরে না গিয়ে প্রতিফলিত হয়ে সামনে এগোয়। মনে রাখার টিপস: অপটিক্যাল ফাইবার মানেই আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন, যা দিয়ে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগের দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করা হয়।
a বিউটেন
b ইথেন
c প্রোপেন
d মিথেন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিউটেন কেন সঠিক: - রান্নার কাজে ব্যবহৃত সিলিন্ডারের এলপিজি বা লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো বিউটেন এবং প্রোপেন। - বাণিজ্যিকভাবে সিলিন্ডারে বিউটেন গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে বলে এটি প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিউটেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। B) ইথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি উপাদান হলেও সিলিন্ডারে রান্নার কাজে প্রধানত এটি ব্যবহৃত হয় না। সি) প্রোপেন — এটি এলপিজির অন্যতম উপাদান হলেও বিউটেনের চেয়ে এর পরিমাণ সাধারণত কম থাকে। ডি) মিথেন — এটি পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান, যা সিলিন্ডারে উচ্চ চাপে তরল হিসেবে ব্যবহার করা হয় না। মনে রাখার টিপস: সিলিন্ডারের গ্যাস রান্নার কাজে লাগে এবং এর প্রধান উপাদান শুরু হয় বি দিয়ে, অর্থাৎ বিউটেন।
a সরকার ও সরকারের মধ্যে
b নাগরিক ও নাগরিকের মধ্যে
c ব্যবসায়ী ও সরকারের মধ্যে
d সরকার ও নাগরিকের মধ্যে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সরকার ও নাগরিকের মধ্যে কেন সঠিক: - G2C অর্থ হলো গভর্নমেন্ট টু সিটিজেন বা সরকার ও নাগরিকের মধ্যকার সেবামূলক সম্পর্ক। - এর মাধ্যমে সরকার সরাসরি নাগরিকদের বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা প্রদান করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরকার ও সরকারের মধ্যে — এটিকে জিটুজি বা গভর্নিং টু গভর্নমেন্ট বলা হয়। B) নাগরিক ও নাগরিকের মধ্যে — একে সিটুসি বা সিটিজেন টু সিটিজেন যোগাযোগ বলা হয়। C) ব্যবসায়ী ও সরকারের মধ্যে — এটিকে জিটুবি বা গভর্নিং টু বিজনেস বলা হয়। D) সরকার ও নাগরিকের মধ্যে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে জিটুসি প্রক্রিয়ার সঠিক সংজ্ঞা প্রকাশ পেয়েছে। মনে রাখার টিপস: জিটুসি বা জি-টু-সি এর শেষের সি অক্ষরটি দিয়ে সিটিজেন বা নাগরিক মনে রাখা যায়।
a কুষ্টিয়া ও রংপুর
b যশোর ও সিলেট
c রংপুর ও দিনাজপুর
d ময়মনসিংহ ও জামালপুর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যশোর ও সিলেট কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর যশোর ও সিলেট জেলা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়। - মুক্তিযুদ্ধের সময় এই দুটি জেলা সর্বপ্রথম শত্রুমুক্ত হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুষ্টিয়া ও রংপুর — কুষ্টিয়া ও রংপুর এই তারিখে মুক্ত হয়নি, তাই এটি সঠিক নয়। C) রংপুর ও দিনাজপুর — এই এলাকাগুলো যুদ্ধের অন্য সময়ে মুক্ত হয়েছিল। D) ময়মনসিংহ ও জামালপুর — ময়মনসিংহ ও জামালপুর পরবর্তীতে মুক্ত হয়। মনে রাখার টিপস: যো-সি দিয়ে মনে রাখতে পারো, প্রথম মুক্ত জেলা যশোর ও সিলেট।
a ৬.১৫ কি. মি.
b ৬.৫০ কি. মি.
c ৬ কি. মি.
d ৬.০৫ কি. মি.
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬.১৫ কি. মি. কেন সঠিক: - পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং সংযোগ সড়কসহ মোট দৈর্ঘ্য ১০.০০ কিলোমিটার। - এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সেতু যা মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬.১৫ কি. মি. — এটি পদ্মা সেতুর মূল কাঠামোর সঠিক ও পরীক্ষিত দৈর্ঘ্য। B) ৬.৫০ কি. মি. — এই মাপটি সঠিক নয় কারণ মূল সেতুর দৈর্ঘ্য এর চেয়ে কম। C) ৬ কি. মি. — এটি একটি পূর্ণ সংখ্যাভিত্তিক ভুল পরিমাপ যা সেতুটির সঠিক দৈর্ঘ্যের সঙ্গে মেলে না। D) ৬.০৫ কি. মি. — এই সংখ্যাটি পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্যর পরিমাপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে যে এটি ছয় দশমিক পনেরো কিলোমিটার।
a এসিড
b অ্যালকোহল
c ক্ষার
d অ্যালডিহাইড
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যালকোহল কেন সঠিক: - রসায়নের দিক থেকে কোলেস্টেরল হলো এক ধরনের স্টেরয়েড এবং জটিল অসম্পৃক্ত মনোঅ্যাটমিক অ্যালকোহল বা স্টেরল। - এর রাসায়নিক গঠনে হাইড্রোক্সিল মূলক (-OH) উপস্থিত থাকার কারণে এটি অ্যালকোহল পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এসিড — এসিড হলো এমন রাসায়নিক যৌগ যা প্রোটন বা হাইড্রোজেন আয়ন প্রদান করে, কিন্তু কোলেস্টেরলের মূল গঠন এসিডীয় নয়। B) অ্যালকোহল — এই অপশনটি সঠিক কারণ কোলেস্টেরলের রাসায়নিক গঠনে হাইড্রোক্সিল মূলক যুক্ত স্টেরল বা অ্যালকোহলের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। C) ক্ষার — ক্ষার হলো এমন পদার্থ যা এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে, যা কোলেস্টেরলের রাসায়নিক প্রকৃতির সাথে মিলে না। D) অ্যালডিহাইড — অ্যালডিহাইড হলো একটি নির্দিষ্ট কার্যকরী মূলকযুক্ত জৈব যৌগ, যা কোলেস্টেরলের গঠনে থাকে না। মনে রাখার টিপস: কোলেস্টেরলের নামের শেষের 'অল' অংশটি দিয়ে মনে রাখতে পারো এটি মূলত এক ধরনের জটিল অ্যালকোহল বা স্টেরল।
a ২ ডিসেম্বর ১৯৬৯
b ৪ ডিসেম্বর ১৯৬৯
c ৩ ডিসেম্বর ১৯৬৯
d ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাসভিত্তিক প্রশ্ন সঠিক উত্তর: D) ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯ কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর শহীদ হোসেন সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবর্তন করে 'বাংলাদেশ' রাখেন। - এর আগে এই অঞ্চলের নাম পূর্ব পাকিস্তান বা পূর্ব বাংলা ছিল, যা বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ ডিসেম্বর ১৯৬৯ — এই তারিখে পূর্ব বাংলার নামকরণের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। B) ৪ ডিসেম্বর ১৯৬৯ — এটি নামকরণের সঠিক তারিখ নয়, এটি অন্য কোনো সাধারণ দিন। C) ৩ ডিসেম্বর ১৯৬৯ — এই তারিখেও নামকরণের কোনো ঐতিহাসিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। D) ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯ — এটি নামকরণের সঠিক ঐতিহাসিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: ১৯৬৯ সালের ডিসেম্বর মাসের ৫ তারিখে শহীদ সোহরাওয়ার্দীর স্মরণসভায় বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলার নাম রাখেন বাংলাদেশ।

মোট প্রশ্ন (21)

a সরিৎ
b বারিধি
c উদক
d অনু
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরিৎ ১. কেন সঠিক: - 'নদী' শব্দের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রমিত সমার্থক শব্দ হলো সরিৎ। - নদী বলতে সাধারণত স্রোতস্বিনী বা প্রবহমান জলধারাকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ, যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় শব্দের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সংস্কৃত, তদ্ভব ও দেশি শব্দের পাশাপাশি বহু সমার্থক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তটিনী ব্যাখ্যা: এটি নদী শব্দের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: স্রোতস্বিনী ব্যাখ্যা: অবিরাম স্রোত আছে এমন নদীকে বোঝাতে এই সমার্থক শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরিৎ — এটি নদী শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং এর অর্থ জলধারা বা নদী। B) বারিধি — এর অর্থ সমুদ্র, কারণ বারি অর্থ পানি এবং ধি বা নিধি অর্থ ধারণের আধার। C) উদক — এটি পানি বা জলের একটি সমার্থক শব্দ, নদীর সমার্থক শব্দ নয়। D) অনু — এর অর্থ অণু, কণা বা পশ্চাৎ, যা নদীর সমার্থক শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নদী শব্দের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য সরিৎ, তটিনী ও স্রোতস্বিনী এই তিনটি শব্দ একসঙ্গে চর্চা করতে পারো। - সমুদ্র ও জলের সমার্থক শব্দের সঙ্গে নদীর সমার্থক শব্দ গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদী, সমুদ্র, আকাশ ও পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দগুলো সবচেয়ে বেশি আসে। - মূল শব্দের সঙ্গে জল বা ধারণকারী অংশের অর্থ বুঝতে পারলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a Leutenant
b Lefferunt
c Lieutenant
d Lieutenant
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Lieutenant (এখানে প্রশ্নে C এবং D উভয় অপশনে সঠিক বানান থাকায় প্রথম সঠিক অপশন হিসেবে C নির্বাচিত হলো) ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি শব্দটির সঠিক বানান এবং উচ্চারণ মূলত ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে। - বানানটি মনে রাখার জন্য শব্দটিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে পড়তে হয় যেমন লিউ-টেন্টে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় আসা একটি পারিভাষিক শব্দ বা বিদেশি শব্দ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বানান প্রায়ই আসে যা প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি অনুসারে মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Colonel ব্যাখ্যা: এটিও একটি সামরিক পদের নাম যার বানান প্রায় সময় পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। উদাহরণ ২: Sergeant ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি সামরিক পদ নির্দেশক শব্দ যার বানান প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Leutenant — এখানে বানান ভুল রয়েছে কারণ সঠিক বানানে u অক্ষরের পরে e এর জায়গায় আংশিক পরিবর্তন থাকে। B) Lefferunt — এখানে উচ্চারণ অনুযায়ী ভুল বানানের রূপ লেখা হয়েছে যার কোনো ভিত্তি নেই। C) Lieutenant — এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল ও প্রমিত ইংরেজি বানান। D) Lieutenant — এটিও সম্পূর্ণ নির্ভুল ও প্রমিত ইংরেজি বানান। ৫. মনে রাখার টিপস: - বানানটি মনে রাখার জন্য উচ্চারণ মনে রাখো লিয়ু (Lie) + টেন (u) + অ্যান্ট (tenant)। - ফরাসি মূলের এই শব্দের বানানে এল আই ই ইউ টি ই এন এ এন টি ক্রম মনে রাখা সহজ উপায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সামরিক পদের ইংরেজি বানানগুলো বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে অক্ষর বাদ পড়ার প্রবণতা বেশি থাকে তাই লিখে চর্চা করা ভালো।
a শ্রমের মূল্য
b ঝাঁটা
c ভাতা
d সহজে অর্জন
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঝাঁটা ১. কেন সঠিক: সম্মার্জনী শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো যা দিয়ে মার্জনা বা পরিষ্কার করা হয়। বাংলা শব্দার্থে এটি মূলত ময়লা পরিষ্কার করার উপকরণ বা ঝাঁটাকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি মূলত একটি সংস্কৃত শব্দ যা প্রত্যয় সাধিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। সমার্জ ধাতু বা মার্জ ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বিশেষ্য পদটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মার্জনা ব্যাখ্যা: মার্জনা শব্দের অর্থ হলো ক্ষমা করা বা পরিষ্কার করা, যার সঙ্গে সম্মার্জনী শব্দের মিল রয়েছে। উদাহরণ ২: প্রমার্জন ব্যাখ্যা: প্রমার্জন শব্দের অর্থ ভালোভাবে মোছা বা পরিষ্কার করা, যা সম্মার্জনী পদের কাজের সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রমের মূল্য — শ্রমের মূল্য বলতে কাজের সঠিক পারিশ্রমিক বা মূল্যায়নকে বোঝায়, যা সম্মার্জনী শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) ঝাঁটা — এটি সঠিক উত্তর। C) ভাতা — ভাতা বলতে নির্দিষ্ট কাজের জন্য বা বিশেষ প্রয়োজনে নিয়মিত যে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয় তা বোঝায়। D) সহজে অর্জন — সহজে অর্জন বলতে কোনো পরিশ্রম ছাড়াই কোনো কিছু লাভ করাকে বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ধারণা। ৫. মনে রাখার টিপস: সম্মার্জনী শব্দের শুরুতে সম এবং শেষে অনী যুক্ত আছে যা পরিষ্কার করার মাধ্যম বা উপকরণ নির্দেশ করে। ঝাঁটা দিয়ে ঘর পরিষ্কার করা হয় তাই সম্মার্জনী মানে ঝাঁটা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের উৎস এবং অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a প্রজ্বল
b প্রোজ্জল
c প্রোজ্বল
d প্রোজ্জ্বল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রোজ্জ্বল ১. কেন সঠিক: - প্রোজ্জ্বল শব্দটি প্র উপসর্গ যোগে এবং জ্জ্বল অংশের সঠিক বানানের কারণে শুদ্ধ হয়েছে। - এর সঠিক গঠন হলো প্র যোগ উজ্জ্বল, যেখানে সন্ধির নিয়মে অ এবং উ মিলে ও কার হয়েছে এবং জ্জ্বল অংশে দ্বিত্ব জ যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি এবং বানান শুদ্ধি অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - প্র যোগ উজ্জ্বল মিলে প্রোজ্জ্বল হয়, যেখানে প্র উপসর্গ এবং উজ্জ্বল শব্দ যুক্ত হয়ে প্রোজ্জ্বল গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রোথিত ব্যাখ্যা: প্র যোগ উক্ত বা সিক্ত অর্থে প্রোথিত শব্দ গঠিত হয়, যা প্রোজ্জ্বল শব্দের মতো সন্ধিজাত শুদ্ধ বানান। উদাহরণ ২: প্রৌঢ় ব্যাখ্যা: প্র যোগ ওঢ় মিলে প্রৌঢ় হয়, যা প্রোজ্জ্বল শব্দের মতো প্র উপসর্গের সন্ধির নিয়ম অনুসরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রজ্বল — এই বানানে জ-এর নিচে দ্বিত্ব জ বা ব-ফলা নেই এবং ও কার অনুপস্থিত থাকায় এটি ভুল। B) প্রোজ্জল — এই বানানে উজ্জ্বল শব্দের জ্জল অংশের বানান ভুল কারণ এখানে ল-এর সাথে জ যুক্ত হয়েছে যা সঠিক নয়। C) প্রোজ্বল — এই বানানে জ্জ্বল অংশের দ্বিত্ব জ অনুপস্থিত থাকায় বানানটি সম্পূর্ণ ভুল ও অগ্রহণযোগ্য। D) প্রোজ্জ্বল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে প্র উপসর্গের সাথে উজ্জ্বল শব্দের সঠিক সন্ধি এবং জ্জ্বল অংশের দ্বিত্ব জ ও ব-ফলা সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রোজ্জ্বল বানানটি মনে রাখতে প্র এবং উজ্জ্বল এই দুটি অংশ আলাদা করে মনে রাখতে হবে। - উজ্জ্বল বানানে জ্জ্ব থাকে, তাই প্রোজ্জ্বল লিখতেও জ্জ্ব ব্যবহার করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উজ্জ্বল এবং প্রোজ্জ্বল বানানগুলো প্রায়ই আসে এবং শিক্ষার্থীরা দ্বিত্ব জ নিয়ে বিভ্রান্ত হয়। - সন্ধির নিয়ম এবং উপসрг যুক্ত শব্দগুলোর বানান চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a হস্ত
b চন্দ্র
c গঞ্জ
d রোজা
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গঞ্জ ১. কেন সঠিক: - গঞ্জ শব্দটি আমাদের আদিম ও অকৃত্রিম দেশি শব্দের একটি সুন্দর উদাহরণ যা বাংলা ভাষায় বহুকাল ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। - বাংলা ভাষার উৎপত্তির সময় এ অঞ্চলের আদিবাসীদের ব্যবহৃত ভাষা থেকে সরাসরি যে শব্দগুলো বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে দেশি শব্দ অন্যতম। - যেসব শব্দের মূল উৎস বা নির্দিষ্ট কোনো ইতিহাস পাওয়া যায় না, কিন্তু এ অঞ্চলের আদিম অধিবাসীদের ভাষা থেকে বাংলায় স্থান পেয়েছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুলা ব্যাখ্যা: কুলা একটি বহুল ব্যবহৃত দেশি শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ধান বা চাল পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ঢোল ব্যাখ্যা: ঢোল একটি দেশি বা আদিবাসী বাদ্যযন্ত্রের নাম যা বাংলা সংস্কৃতির সাথে গভীরভাবে যুক্ত এবং এটি দেশি শব্দের চমৎকার উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হস্ত — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হাত। B) চন্দ্র — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ চাঁদ। C) গঞ্জ — এটি একটি দেশি শব্দ এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) রোজা — এটি একটি ফারসি শব্দ যা ইসলাম ধর্মের সিয়াম সাধনাকে বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দেশি শব্দ মনে রাখার জন্য কুলা, গঞ্জ, ঢোল, ঢেঁকি, চোঙা, পেট ইত্যাদি শব্দগুলো একটি ছন্দে বা গল্পের মাধ্যমে মনে রাখতে পারো। - যেসব শব্দ দেখে মনে হয় এগুলো কোনো বিদেশি ভাষা নয় এবং তৎসমও নয়, সেগুলোর উৎস সাধারণত দেশি শব্দ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও শব্দের উৎস থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই উৎস অনুযায়ী শব্দ চেনার কৌশল আয়ত্ত করা জরুরি। - গঞ্জ, হাট, বাজার বা এ জাতীয় স্থানবাচক দেশি শব্দগুলো প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বিকল্প হিসেবে থাকে।
a গোলাপি রঙের ফুল
b গোলাপের ফুল
c গোলাপি ফুল
d গোলাপ নামের ফুল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গোলাপ নামের ফুল ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি সমাস সংক্রান্ত ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ উদাহরণ। - এখানে 'গোলাপ' বিশেষ্য পদের সঙ্গে 'ফুল' বিশেষ্য পদের অভেদ বা রূপক কল্পনা বোঝাতে মাঝখানে 'নামক' বা 'নাম' শব্দ ব্যবহার করে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে বিষ্য় ও বিষযীর বা উপমান ও উপমিতের মধ্যে অভিন্নতা বা রূপ কল্পনা করা হয়, তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। - এ সমাসে সাধারণত ব্যাসবাক্যের মধ্যে 'রূপ' বা 'নামক' পদটি ব্যবহৃত হয় এবং এটি বিশেষ করে অপ্রাণিবাচক বা মনস্তাত্ত্বিক বিশেষ্য পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদ নামক সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত ব্যাকরণগত উদাহরণ। উদাহরণ ২: ক্রাধানল ব্যাখ্যা: ক্রোধ রূপ অনল, এটিও অভিন্নতা প্রকাশের মাধ্যমে গঠিত রূপক কর্মধারয় সমাসের সঠিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোলাপি রঙের ফুল — এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস নির্দেশ করে, কারণ এখানে রঙের কথা বলা হয়েছে যা মূল পদের সঙ্গে মেলে না। B) গোলাপের ফুল — এটি ষষ্টি তৎপুরুষ সমাস নির্দেশ করে, যা গোলাপফুলের প্রকৃত কাব্যিক বা রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। C) গোলাপি ফুল — এটি সাধারণ কর্মধারয় সমাস নির্দেশ করে, যেখানে একটি পদ বিশেষণ ও অপরটি বিশেষ্য হিসেবে কাজ করে। D) গোলাপ নামের ফুল — এটি সঠিক কারণ এটি গোলাপ ও ফুলের অভেদ সম্পর্ক প্রকাশ করতে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী রূপক কর্মধারয় সমাসের সঠিক ব্যাসবাক্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - রূপক কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে 'রূপ' অথবা 'নামক' শব্দটি থাকা। - কোনো নির্দিষ্ট নাম বা ধারণাকে যখন অপর কোনো বস্তুর সঙ্গে অভিন্ন বা রূপক হিসেবে তুলনা করা হয়, তখন 'নামক' ব্যবহার করে সমাস নির্ণয় করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ করে বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় রূপক কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্য প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের সময় পদের অন্তর্নিহিত ভাব এবং অভিন্নতার সম্পর্ক ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a সম্প্রদান কারকে ৬ষ্ঠী বিভক্তি
b কর্ম কারকে ৭মী বিভক্তি
c সম্প্রদান কারকে ৭মী বিভক্তি
d অপাদান কারকে ৬ষ্ঠী বিভক্তি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সম্প্রদান কারকে ৬ষ্ঠী বিভক্তি ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে ঈশ্বর বা আরাধ্য দেবতাকে নিঃস্বার্থভাবে বা ভক্তিভরে অর্ঘ্য নিবেদন বোঝানো হয়েছে, যা সম্প্রদান কারকের মূল নিয়মকে নির্দেশ করে। - 'তোমার' শব্দটির সাথে 'র' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তির উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যাকে সত্য বা নিঃস্বার্থভাবে কিছু দান বা অর্পণ করা হয়, তাকে ব্যাকরণের ভাষায় সম্প্রদান কারক বলা হয়। - শব্দ বা পদের সাথে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা ব্যাকরণগতভাবে ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভিখারীকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: এখানে ভিখারী হলো যাকে নিঃস্বার্থভাবে দান করা হচ্ছে, তাই এটি সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি। উদাহরণ ২: অন্ধজনে দেহ আলো। ব্যাখ্যা: অন্ধজনকে আলো দান করা একটি নিঃস্বার্থ ও কল্যাণকর কাজ, যা সম্প্রদান কারকের সঠিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্প্রদান কারকে ৬ষ্ঠী বিভক্তি — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রশ্নের দাবির সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) কর্ম কারকে ৭মী বিভক্তি — কর্ম কারক বাক্যের প্রধান কর্ম বোঝায় এবং সপ্তমী বিভক্তি এতে প্রযোজ্য নয়। C) সম্প্রদান কারকে ৭মী বিভক্তি — এখানে বিভক্তি ভুল দেওয়া হয়েছে কারণ 'র' বা 'এর' হলো ষষ্ঠী বিভক্তি। D) অপাদান কারকে ৬ষ্ঠী বিভক্তি — অপাদান কারক বিচ্যুতি বা ভয় বোঝায়, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিঃস্বার্থ ভক্তি বা অর্পণ বুঝালে সবসময় সম্প্রদান কারক হবে এবং শব্দের শেষে র বা এর থাকলে তা ষষ্ঠী বিভক্তি ধরবে। - পুজো বা ভক্তির নিবেদনে সম্প্রদান কারকের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সম্প্রদান কারক চেনার প্রধান উপায় হলো নিঃস্বার্থভাবে কিছু প্রদান বা অর্পণ করা বোঝানো। - বিভক্তি চেনার সময় শব্দের শেষে যুক্ত বর্ণ বা প্রত্যয় ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a নির্ভর
b বিস্ময়
c প্রত্যয়
d দ্বিধা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয় কেন সঠিক: ১. সংশয় শব্দের অর্থ হলো সন্দেহ বা মনের ভেতরকার কোনো বিষয়ে অনিশ্চয়তা। ২. অন্যদিকে প্রত্যয় শব্দের অর্থ বিশ্বাস বা নিশ্চিত ধারণা, যা সংশয়ের সম্পূর্ণ বিপরীত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে অর্থের পূর্ণাঙ্গ বিপরীত ভাবটি দেখতে হয়। ২. সংশয় একটি মানসিক অবস্থাকে বোঝায় এবং প্রত্যয় সেই মানসিক অবস্থার দৃঢ় অবস্থাকে প্রকাশ করে। ৩. যেমন সংশয়ের মেঘ কেটে গেলে মনে প্রত্যয় জন্ম নেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্ভর — নির্ভর শব্দের অর্থ ভরসা করা, যা সংশয়ের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) বিস্ময় — বিস্ময় শব্দের অর্থ অবাক হওয়া বা তাজ্জব বনে যাওয়া, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভাব। D) দ্বিধা — দ্বিধা শব্দের অর্থ মনের দ্বন্দ্ব বা সংশয় নিজেই, তাই এটি সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: সংশয় মানেই মনে সন্দেহ বা দ্বিধা থাকা। এর বিপরীত মনে দৃঢ় বিশ্বাস বা প্রত্যয় থাকা।
a সরল
b জটিল
c যৌগিক
d মিশ্র
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যৌগিক কেন সঠিক: ১. এই বাক্যে দুটি স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য একটি সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। ২. বাক্য দুটির অর্থ সম্পূর্ণ এবং তারা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল নয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. যে বাক্যে দুটি বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য কোনো অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। ২. বাংলা ব্যাকরণে আবেগ বা ভাব প্রকাশের জন্য স্বাধীন খণ্ডবাক্যগুলোকে সংযোজক অব্যয় দিয়ে জোড়া লাগানো হয়। ৩. যেমন, সে অনেক পড়াশোনা করেছে এবং পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — এই বাক্যে একটিমাত্র কর্তা ও সমাপিকা ক্রিয়া নেই বরং একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে। B) জটিল — এই বাক্যে অধীনতা বা শর্তমূলক সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার নেই। C) যৌগিক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) মিশ্র — জটিল বাক্যকেই অনেক সময় মিশ্র বাক্য বলা হয়, কিন্তু এটি জটিল বাক্যের নিয়ম মানে না। মনে রাখার টিপস: ১. এবং, অথচ, কিন্তু, কিংবা, তাই ইত্যাদি অব্যয় মাঝখানে থাকলে তা সাধারণত যৌগিক বাক্য হয়। ২. বাক্যগুলোর অংশ আলাদা করলে যদি দুটি স্বাধীন অর্থ প্রকাশ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে যৌগিক বাক্য দাগাবে।
a কঠিন কামড়
b অলসতা
c কঠিন কাজে সফল হওয়া
d নাছোড়বান্দা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নাছোড়বান্দা ১. কেন সঠিক: - কচ্ছপের কামড় বাগধারাটির অর্থ হলো নাছোড়বান্দা বা যা সহজে ছাড়ানো যায় না। - কচ্ছপ একবার কোনো কিছু কামড়ে ধরলে তা সহজে ছাড়তে চায় না এবং আঁকড়ে ধরে থাকে, এই বাস্তব স্বভাব থেকেই এই বাগধারার উদ্ভব হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার কাছ থেকে টাকা আদায় করা কচ্ছপের কামড়ের মতো কঠিন, সে সহজে দিতে চায় না। ব্যাখ্যা: এখানে নাছোড়বান্দা বা নাছোড় স্বভাব বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: এই কাজটি একবার হাতে নিলে সে কচ্ছপের কামড়ের মতো লেগে থাকে। ব্যাখ্যা: কাজটি সহজে না ছাড়ার মনোভাব প্রকাশ করতে এখানে এই উদাহরণটি দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কঠিন কামড় — এটি বাগধারার আলংকারিক অর্থ প্রকাশ না করে আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করেছে। B) অলসতা — অলসতা অর্থ কর্মবিমুখতা, যা কচ্ছপের কামড় বাগধারার সঙ্গে মেলে না। C) কঠিন কাজে সফল হওয়া — কঠিন কাজে সফলতা অর্জন করার সঙ্গে এই বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই। D) নাছোড়বান্দা — এটি সঠিক কারণ কচ্ছপের কামড় বলতে নাছোড়বান্দা বা নাছোড় স্বভাবকেই বোঝানো হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কচ্ছপ যেমন একবার কামড়ে ধরলে সহজে মুখ খোলে না, তেমনি নাছোড়বান্দা ব্যক্তিও একবার কোনো কিছু ধরে বসলে তা সহজে ছাড়ে না। - এই স্বভাবগত মিল মনে রাখলেই উত্তর সহজে বের করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্বভাবভিত্তিক ও প্রাণীবাচক বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা প্রমিত অর্থ সবসময় মনে রাখতে হবে।
a কোনটি?
b পরান্নজীবী
c পরজীবী
d পরান্নভোজী
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরান্নজীবী ১. কেন সঠিক: - 'পরের অন্নে যে বেঁচে থাকে' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ হলো পরান্নজীবী। পর অর্থ অন্যের, অন্ন অর্থ খাদ্য এবংজীবী অর্থ যে জীবন ধারণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। এটি ভাষাংশকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্য গাছের ওপর যে লতা জন্মে তাকে পরগাছা বলে। ব্যাখ্যা: এটিও অন্যের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকার আরেকটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: ইতিহাস রচনা করেন যিনি তাকে ঐতিহাসিক বলে। ব্যাখ্যা: এটি একটি বাক্যের এককথায় প্রকাশের আরেকটি ব্যাকরণগত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোনটি? — এটি একটি প্রশ্নবোধক শব্দ এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের অপশন নয়। B) পরান্নজীবী — এটি প্রশ্নের দাবির সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায় এবং এটিই সঠিক উত্তর। C) পরজীবী — এটি অন্যের শরীরে বেঁচে থাকা জীবকে বোঝায়, যা অন্ন বা খাদ্যের ওপর বেঁচে থাকার বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে না। D) পরান্নভোজী — এটি শুধু অন্যের অন্ন ভোজন করে যে তাকে বোঝায়, বেঁচে থাকাকে বিশেষভাবে নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - পর মানে অন্য এবং অন্ন মানে খাবার। অন্য বা পরের খাবার খেয়ে যে বেঁচে থাকে সে হলো পরান্নজীবী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সূক্ষ্ম শব্দের পার্থক্য বুঝতে হয়। খাদ্যের ওপর নির্ভরতার ক্ষেত্রে পরান্নজীবী শব্দটি সঠিক।
a শব্দের মিলন
b শব্দগত মাধুর্য সৃষ্টি
c ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি
d বর্ণের মিলন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি ১. কেন সঠিক: সন্ধির মূল কাজ হলো উচ্চারণের সুবিধা ও দ্রুততা আনয়ন করা। পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলনে উচ্চারণে যে স্বাচ্ছন্দ্য ও সৌন্দর্য আসে, তাকেই ধ্বনিগত মাধুর্য বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলন বা একীভূত হওয়াকে সন্ধি বলে। এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বার শ্রম লাঘব করে এবং ভাষা বা বাক্যে শ্রুতিমধুরতা বা ধ্বনিগত মাধুর্য তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়। এখানে অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি করে উচ্চারণ সহজ করেছে। ব্যাখ্যা: দুটি ভিন্ন ধ্বনির মিলনে নতুন ধ্বনি সৃষ্টি হয়ে উচ্চারণের মাধুর্য বাড়িয়েছে। উদাহরণ ২: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। এখানে আ এবং আ মিলে একটি মাত্র আ ধ্বনি হয়েছে। ব্যাখ্যা: দ্রুত উচ্চারণের সময় দুটি স্বরধ্বনি একত্রিত হয়ে ধ্বনিগত মাধুর্য ও সাবলীলতা এনেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দের মিলন — শব্দের মিলনকে সমাস বলা হয়, সন্ধি শব্দের মিলন ঘটাতে পারে না বরং ধ্বনির মিলন ঘটায়। B) শব্দগত মাধুর্য সৃষ্টি — শব্দগত মাধুর্য সৃষ্টি সমাস বা অলংকারের কাজ, সন্ধির মূল কাজ ধ্বনি স্তরে কাজ করা। D) বর্ণের মিলন — বর্ণ হলো লেখার রূপ, আর সন্ধি মূলত উচ্চারণের সময় ধ্বনির মিলন ঘটায়, তাই এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি শব্দের আক্ষরিক অর্থ মিলন, আর ব্যাকরণে এটি ধ্বনির মিলন ঘটায়। ধ্বনির মিলনেই বাক্যে ধ্বনিগত মাধুর্য ও সাবলীলতা তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সন্ধির উদ্দেশ্য বা সংজ্ঞা থেকে প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে, সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণ সহজ করা ও ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি করা।
a করণ কারকে ৩য়া বিভক্তি
b কর্তৃকারকে ৩য়া বিভক্তি
c অধিকরণ কারকে ৩য়া বিভক্তি
d অপাদান কারকে ৩য়া বিভক্তি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অধিকরণ কারকে ৩য়া বিভক্তি ১. কেন সঠিক: বাক্যে 'খিলিপান দিয়ে' অংশটি ওষুধ খাওয়ার মাধ্যম বা উপকরণ বোঝালেও, এটি মূলত ওষুধ খাওয়ার ক্ষেত্র বা আধার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট মাধ্যমে বা উপায়ে কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝালে এবং তা যদি আধার বা ক্ষেত্র বিশেষকে নির্দেশ করে, তবে ব্যাকরণ অনুযায়ী তা অধিকরণ কারক হিসেবে গণ্য হয় এবং ৩য়া বিভক্তি যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে এবং এতে সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়। তবে বিশেষ অর্থে বা মাধ্যম বোঝাতে কোনো কোনো বাক্যে অধিকরণ কারকেও ৩য়া বিভক্তি (দ্বারা, দিয়া, কর্তক) এর প্রয়োগ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলমে লেখা ভালো হয়। ব্যাখ্যা: এখানে লেখার মাধ্যম কলম হওয়ায় এটি করণ কারকে ৩য়া বিভক্তি। উদাহরণ ২: তিলে তৈল আছে। ব্যাখ্যা: তিল তৈলের আধার হওয়ায় এটি অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণ কারকে ৩য়া বিভক্তি — করণ কারক মূলত যন্ত্র বা সহায়কের মাধ্যমে ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, যা এখানে আধার বা ক্ষেত্র হিসেবে এসেছে। B) কর্তৃকারকে ৩য়া বিভক্তি — কর্তৃকারক বাক্যের মূল স্বাধীন কর্তা নির্দেশ করে, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত। C) অধিকরণ কারকে ৩য়া বিভক্তি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বাক্যের আধার ও মাধ্যম উভয় ভাব প্রকাশ করেছে। D) অপাদান কারকে ৩য়া বিভক্তি — অপাদান কারক বিচ্যুতি, জাত, বা ভয় বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: কোনো বস্তু বা মাধ্যমের সাহায্যে বিশেষ ক্ষেত্র বা আধার বুঝালে অধিকরণ কারকে ৩য়া বিভক্তি হয়। মাধ্যম থাকলেই চোখ বন্ধ করে করণ কারক দাগানো যাবে না, বাক্যের অর্থ বুঝে কারক নির্ণয় করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী কারক প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। বাক্যের অন্তর্নিহিত অর্থ এবং ক্রিয়ার সঙ্গে পদের সম্পর্ক ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a সরল
b বেঁটে
c বঙ্কিম
d ভঙ্গুর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্কিম ১. কেন সঠিক: - ঋজু শব্দের অর্থ সোজা বা সরল, তাই এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো বঙ্কিম যার অর্থ বাঁকা। - বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থের বিপরীত ভাবটি বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম এবং তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উন্নত ও অবনত ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের অর্থ উচু এবং অবনত শব্দের অর্থ নিচু, যা পরস্পর বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: প্রাচীন ও আধুনিক ব্যাখ্যা: প্রাচীন শব্দের অর্থ খুব পুরানো এবং আধুনিক শব্দের অর্থ সাম্প্রতিক বা নতুন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — সরল শব্দের অর্থ সোজা হলেও এটি ঋজু শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। B) বেঁটে — বেঁটে শব্দের অর্থ খাটো, যা উচ্চতার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং ঋজু শব্দের বিপরীত নয়। C) বঙ্কিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ বঙ্কিম অর্থ বাঁকা যা ঋজু শব্দের বিপরীত। D) ভঙ্গুর — ভঙ্গুর শব্দের অর্থ যা সহজে ভেঙে যায়, এর বিপরীত শব্দ অটুট বা শক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঋজু মানে সোজা, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পদবি বঙ্কিম মানে বাঁকা, এই উপমা মনে রাখলে সহজেই উত্তর করা যায়। - পরীক্ষার হলে শব্দের মূল উৎস এবং আক্ষরিক অর্থ মিলিয়ে বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - সমার্থক শব্দ ও বিপরীতার্থক শব্দ আলাদা করার সময় শব্দের ভাবার্থ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a দরিদ্রতা
b শ্রদ্ধাঞ্জলি
c উপযোগিতা
d উর্দ্ধ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উর্দ্ধ ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নে 'উর্দ্ধ' বানানটি শুদ্ধ নয় কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'উর্ধ্ব' বানানে সর্বদা ব-ফলা ব্যবহার করা হয়। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ধ-এর সঙ্গে ব যুক্ত হয়ে 'র্ধ্ব' গঠিত হয়, তাই ড-ফলা যুক্ত করা সম্পূর্ণ ভুল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দের বানান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পাণিনীয় ব্যাকরণ ও বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করা হয়। - 'ঊর্ধ্ব' শব্দের সঠিক গঠনে দীর্ঘ ঊ এবং ধ-এ ব-ফলা ব্যবহৃত হয়, যেখানে কোনোভাবেই ড ব্যবহার করা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঊর্ধ্বে ব্যাখ্যা: এটি সঠিক বানান যেখানে ঊ এবং ধ-এ ব-ফলা রয়েছে। উদাহরণ ২: ঊর্ধ্বাকাশ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়মে 'ঊর্ধ্ব' অংশটি যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দরিদ্রতা — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি একটি সঠিক বানান এবং প্রশ্নে শুদ্ধ বানান নয় এমন অপশন চেয়েছে। B) শ্রদ্ধাঞ্জলি — এই অপশনটি ভুল কারণ এটিও একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান এবং প্রশ্ন অনুযায়ী এটি উত্তর হবে না। C) উপযোগিতা — এই অপশনটি ভুল কারণ বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রমিত। D) উর্দ্ধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি একটি ভুল বানান এবং এর শুদ্ধ রূপ হলো ঊর্ধ্ব। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঊর্ধ্ব বানানে সবসময় দীর্ঘ ঊ এবং ধ-এর নিচে ব-ফলা ব্যবহার করবে। - ড-ফলা যুক্ত কোনো শব্দ প্রমিত বাংলায় অনুমোদিত নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের ব-ফলা সংক্রান্ত বানান প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের বানান চর্চা করতে হবে।
a মদনমোহন তর্কালঙ্কার
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c চণ্ডীচরণ বিশ্বাস
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মদনমোহন তর্কালঙ্কার ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য এবং বিখ্যাত শিশুতোষ কবিতার রচয়িতা সম্পর্কিত। - মদনমোহন তর্কালঙ্কার বাংলা ১৯ শতকের গোড়ার দিকের একজন প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মদনমোহন তর্কালঙ্কার উনিশ শতকের নবজাগরণের অন্যতম ব্যক্তিত্ব ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বন্ধু ছিলেন। - তার রচিত শিশুদের উপযোগী পদ্যগ্রন্থ 'শিশুশিক্ষা' বাঙালি সমাজে আজও ব্যাপকভাবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি সব জয় রাহে তন্দ্রা দূর হেলি ব্যাখ্যা: এটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের 'শিশুশিক্ষা' গ্রন্থের একটি বিখ্যাত পঙক্তি। উদাহরণ ২: প্রভাতে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি ব্যাখ্যা: এটিও তার রচিত নৈতিক ও শিক্ষণীয় কবিতার অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এই চরণগুলো তার রচিত 'শিশুশিক্ষা' গ্রন্থের 'প্রভাতবর্ণন' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি এই শিশুতোষ নৈতিক কবিতার রচয়িতা নন, যদিও তার অনেক শিশুতোষ কবিতা আছে। C) চণ্ডীচরণ বিশ্বাস — তিনি এই বিশেষ পঙক্তির রচয়িতা নন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নাম অপ্রাসঙ্গিক। D) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি হলেও এই প্রাচীন শিশুতোষ পঙক্তিটির রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মদনমোহন তর্কালঙ্কার নামটির সাথে ছোটবেলার 'শিশুশিক্ষা' বই এবং সকাল বেলার প্রার্থনাসংগীত মনে রাখতে হবে। - সকালে ঘুম থেকে ওঠার নৈতিক কবিতার সঙ্গে সবসময় মদনমোহন তর্কালঙ্কারের নাম স্মরণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা একমাত্র অমর শিশুতোষ গ্রন্থ হলো 'শিশুশিক্ষা'। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উনিশ শতকের লেখকদের শিশুসাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a অ, ই
b আ, ঐ
c ঐ, ঔ
d ই, ঔ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঐ, ঔ ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি দুটি, যার লিখিত রূপ হলো ঐ এবং ঔ। এগুলো উচ্চারণের সময় দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনি একসাথে দ্রুত উচ্চারিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় একটি স্বরধ্বনি থেকে অন্য স্বরধ্বনিতে পরিবর্তিত হয় এবং দুটি স্বর একত্রিত হয়, তাকে দ্বিস্বর বা যৌগিক স্বরধ্বনি বলে। বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি হলেও যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা দ্বিস্বর বর্ণ দুটি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐ (= অ + ই) ব্যাখ্যা: ঐ বর্ণটি উচ্চারণের সময় প্রথমে অ এবং পরে ই ধ্বনির মিশ্রণ ঘটে। উদাহরণ ২: ঔ (= অ + উ) ব্যাখ্যা: ঔ বর্ণটি উচ্চারণের সময় প্রথমে অ এবং পরে উ ধ্বনির মিশ্রণ ঘটে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ, ই — অ হলো মৌলিক স্বরধ্বনি এবং ই হলো মৌলিক স্বরধ্বনি, যা পৃথকভাবে উচ্চারিত হয়। B) আ, ঐ — আ হলো মৌলিক স্বরধ্বনি এবং ঐ দ্বিস্বর হলেও জোড়াটি সঠিক নয়। D) ই, ঔ — ই হলো মৌলিক স্বরধ্বনি এবং ঔ দ্বিস্বর হলেও এই জোড়াটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক দ্বিস্বর জোড়া নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা বর্ণমালায় কারচিহ্নযুক্ত যৌগিক স্বরবর্ণ মাত্র দুটি, তা হলো ঐ এবং ঔ। মনে রাখার সূত্র হলো যৌগিক স্বর মানেই দুটি স্বরের মিলন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা পঁচিশটি হলেও বর্ণ বা প্রতীক মাত্র দুটি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দ্বিস্বরধ্বনি বা যৌগিক স্বরবর্ণ কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়।
a মুমুর্ষু
b সমীচিন
c মাষ্টার
d শিরচ্ছেদ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শিরচ্ছেদ ১. কেন সঠিক: - শিরচ্ছেদ শব্দটি সঠিক কারণ এখানে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম নিখুঁতভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। - শিরহ যোগ ছেদ মিলে শিরচ্ছেদ শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে বিসর্গের পর ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে চ ছ হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুসারে অ বা আ স্বরের পর বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে চ বা ছ থাকলে বিসর্গের স্থানে শ হয়। - এই নিয়মে শিরহ যোগ ছেদ সমান শিরচ্ছেদ এবং অহঃ যোগ নিশা সমান অহর্নিশা গঠিত হয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুঃ যোগ চরিত্র সমান দুশ্চিত্র ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর চ থাকায় বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে শ হয়েছে। উদাহরণ ২: মনঃ যোগ চাক্ষুষ সমান মনশ্চাক্ষুষ ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে চ যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুর্ষু — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানান মুমূর্ষু যেখানে প্রথম উ কার এবং দ্বিতীয় ঊ কার ব্যবহৃত হয়। B) সমীচিন — এটি ভুল বানান কারণ সঠিক বানান সমীচীন যেখানে শেষের বর্ণে দীর্ঘ ই কার বসে। C) মাষ্টার — এটি ভুল বানান কারণ প্রমিত বাংলা বানরীতি অনুযায়ী মাস্টার শব্দে ট এর পরিবর্তে ট এর নিচে র ফলা বা মূর্ধন্য ণ হয় না বরং ট ব্যবহৃত হয়। D) শিরচ্ছেদ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিরচ্ছেদ বাননে চ ছ যুক্ত হয় কারণ বিসর্গের পর ছ থাকলে শ লেখার নিয়ম রয়েছে। - বিসর্গ সন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষাকলে বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে দীর্ঘ ই কার এবং হ্রস্ব উ কারের ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a পণ্ডিতবৃন্দ
b শিক্ষকবৃন্দ
c সুধীবৃন্দ
d মন্ত্রিবর্গ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পণ্ডিতবৃন্দ ১. কেন সঠিক: - পণ্ডিত শব্দের সঙ্গে বৃন্দ বহুবচন বোধক অনুসর্গ যুক্ত করা ব্যাকরণসম্মত নয় কারণ পণ্ডিত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দের বহুবচনে কুল, সকল, বৃন্দ, মণ্ডলী এবং অর্বাচীন শব্দের ক্ষেত্রে বর্গ, কুল, দল ও বাহিনী ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বচন হলো ব্যাকরণের এমন একটি অংশ যার দ্বারা কোনো পদের এক বা একাধিক সংখ্যা বোঝানো হয় এবং এটি প্রধানত দুই প্রকার যেমন একবচন ও বহুবচন। - অপ্রাণিবাচক ও ইতরপ্রাণিবাচক শব্দের ক্ষেত্রে কুল, সকল, সমূহ, আবলি, গুচ্ছ এবং প্রাণিবাচক পদের ক্ষেত্রে গণ, বৃন্দ, বর্গ ও মণ্ডলী ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পক্ষীকুল ব্যাখ্যা: পক্ষী তৎসম শব্দ হওয়ায় এর বহুবচনে কুল যুক্ত করা সঠিক হয়েছে। উদাহরণ ২: মণ্ডলী ব্যাখ্যা: এটি বিশেষত গুণী বা বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের ক্ষেত্রে বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পণ্ডিতবৃন্দ — পণ্ডিত তৎসম শব্দ হওয়ায় এর সঙ্গে বৃন্দ যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং প্রমিত বাংলায় এটি অশুদ্ধ। B) শিক্ষকবৃন্দ — শিক্ষক শব্দের সঙ্গে বৃন্দ বহুবচন বোধক শব্দ সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে কারণ এটি মান্য রীতি। C) সুধীবৃন্দ — সুধী শব্দের সঙ্গে বৃন্দ যুক্ত হয়ে সঠিক বহুবচন গঠিত হয়েছে যা বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত। D) মন্ত্রিবর্গ — মন্ত্রী শব্দের সঙ্গে বর্গ বহুবচন বোধক শব্দ সঠিকভাবে যুক্ত হয়ে প্রমিত রূপ লাভ করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - তৎসম প্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে গণ ও বৃন্দ ব্যবহার করবে এবং অপ্রাণিবাচক শব্দের ক্ষেত্রে কুল বা সকল ব্যবহার করবে। - কোন শব্দের সঙ্গে কোন বহুবচন বোধক শব্দ বসে তা অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচন পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রায়ই শব্দ ও বহুবচন বোধক প্রত্যয়ের মিল নিয়ে প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বানান ও শব্দের সঠিক প্রয়োগ জানলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
a বিশেষণ
b বিশেষ্য
c সর্বনাম
d বিশেষণের বিশেষণ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: সাধারনত সুন্দর শব্দটি বিশেষণ হলেও, এই বাক্যে এটি বিশেষ্য পদের কাজ করেছে। কোনো বিশেষণ শব্দের সঙ্গে মাত্রা প্রত্যय যুক্ত হয়ে যদি নামপদ বা বিশেষ্য হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তবে তা বিশেষ্য পদ হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষণের সঙ্গে মাত্র প্রত্যয় যুক্ত হলে তা গুণবাচক বিশেষ্য বা ভাববাচক বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়। বাক্যে কর্তার স্থান দখল করায় সুন্দর শব্দটি এখানে বিশেষ্যের কার্য সম্পন্ন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৎই বড় কথা। ব্যাখ্যা: সৎ বিশেষণ হলেও এখানে বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: গরিবের ওপর দয়া করো। ব্যাখ্যা: গরিব বিশেষণ হলেও এখানে বিশেষ্য হিসেবে কাজ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণ — সুন্দর শব্দটি একা থাকলে বিশেষণ হতো, কিন্তু মাত্র প্রত্যয়যুক্ত হয়ে এটি বিশেষ্য হয়েছে। C) সর্বনাম — সর্বনাম পদ নামের পরিবর্তে বসে, যা এখানে বসেনি। D) বিশেষণের বিশেষণ — এটি অন্য কোনো বিশেষণের দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষণের সঙ্গে মাত্র প্রত্যয় যুক্ত দেখলে তা সাধারণত বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য করতে হবে। বাক্যে পদের অবস্থান ও কার্যকারিতা দেখে পদ নির্ণয় করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, যেখানে শব্দের রূপের চেয়ে বাক্যে তার কাজ প্রধান বিবেচ্য হয়। পদের রূপ পরিবর্তনের এই ব্যাকরণগত নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ইহারা
b নিজে নিজে
c যিনি
d কেহ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিজে নিজে ১. কেন সঠিক: - ব্যতিহারিক সর্বনাম পরস্পর বা যৌথ বোঝাতে একই পদের দ্বিরুক্তি ঘটিয়ে ব্যবহৃত হয়। - নিজে নিজে পদটি দ্বারা একই কর্তার পারস্পরিক বা স্বয়ংক্রিয় দ্বৈত ক্রিয়া বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সর্বনাম পদ কোনো বিশেষ্য বা অন্য সর্বনামের পরিবর্তে বসে এবং পারস্পরিকতা বা একে অপরকে বোঝায় তাকে ব্যতিহারিক সর্বনাম বলে। - এটি মূলত ব্যাকরণে আত্মবাচক বা পারস্পরিক সর্বনামের একটি বিশেষ রূপ হিসেবে কাজ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনি আপনি পবিত্র হওয়া যায় না। ব্যাখ্যা: এখানে আপনি আপনি পদটি ব্যতিহারিক সর্বনামের কাজ করেছে। উদাহরণ ২: আপনা আপনি দরজাটি খুলে গেল। ব্যাখ্যা: আপনা আপনি পদটি স্বয়ংক্রিয় বা ব্যতিহারিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইহারা — এটি নির্দেশক বা ব্যক্তিবাচক সর্বনাম, ব্যতিহারিক সর্বনাম নয়। B) নিজে নিজে — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি ব্যতিহারিক সর্বনাম। C) যিনি — এটি সম্বন্ধবাচক বা সাপেক্ষ সর্বনাম, ব্যতিহারিক সর্বনাম নয়। D) কেহ — এটি অনির্দেশক সর্বনাম, ব্যতিহারিক সর্বনাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - একই শব্দ পরপর দুবার বসে যদি পারস্পরিক বা নিজে নিজে অর্থে বোঝায় তবে তা ব্যতিহারিক সর্বনাম হয়। - সর্বনামের প্রকারভেদ ভালোভাবে মনে রাখতে প্রশ্নকর্তার মূল চাবিকাঠি বুঝতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বনামের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে নিজে নিজে, আপনা আপনি জাতীয় শব্দগুলো কোন সর্বনাম তা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (19)

a with
b from
c after
d about
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) about কেন সঠিক: এখানে finalized about একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল কম্বিনেশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। লটারিতে জেতার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া বা মনস্থির করা বোঝাতে about বসে। এটি নির্দিষ্ট একটি ঘটনার প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করে। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এই প্রিপজিশনটি সবচেয়ে মানানসই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এই বাক্যের অর্থের সাথে with প্রিপজিশনটি কোনোভাবেই মানানসই হয় না। B) from — দূরত্ব বা উৎস বোঝাতে এটি বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) after — পরে বোঝাতে এটি বসে, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর ফোকাস করতে হবে। D) about — এটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং এটিই উত্তর। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া বা সিদ্ধান্ত নেওয়া অর্থে finalize শব্দের পরে সাধারণত about প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়।
a simple
b complex
c compound
d test
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) compound কেন সঠিক: এই বাক্যে দুটি স্বাধীন ক্লজ বা খণ্ডবাক্য রয়েছে যা 'or' কনজাংশন দ্বারা যুক্ত হয়েছে। বাক্যটিতে কোনো সাবঅর্ডিনেটিং কনজাংশন বা শুধু একটি সমাপিকা ক্রিয়া নেই। এটি একটি যৌগিক বাক্য গঠন করেছে। এটি ব্যাখ্যামূলকভাবে যৌগিক বাক্যের নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) simple — এই বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া নেই এবং দুটি অংশ থাকায় এটি সরল বাক্য হতে পারে না। B) complex — এখানে কোনো সাবঅর্ডিনেটিং কনজাংশন ব্যবহার করে একটি প্রধান ও একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য তৈরি করা হয়নি। C) compound — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়। D) test — এটি কোনো বাক্যের প্রকারভেদ নয়, বরং একটি অর্থহীন বিভ্রান্তিকর অপশন। মনে রাখার টিপস: and, but, or ইত্যাদি কনজাংশন দিয়ে দুটি স্বাধীন অংশ যুক্ত থাকলে তা compound sentence হয়।
a can't
b do I
c can
d I can
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I can কেন সঠিক: বাক্যে 'where' একটি relative adverb হিসেবে যুক্ত হয়ে noun clause তৈরি করেছে। তাই এখানে সরাসরি প্রশ্ন না করে সাধারণ বাক্যের গঠন (Subject + Verb) ব্যবহার করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) can't — এটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে যা বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। B) do I — এটি বসালে একই বাক্যে দুটি প্রশ্নসূচক শব্দ চলে আসে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) can — এর পর সাবজেক্ট না থাকায় বাক্যটির গঠন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্ত বাক্যের মাঝখানে প্রশ্নবোধক শব্দ থাকলে পরে সাবজেক্ট এবং তারপর ভার্ব বসে।
a at
b with
c in
d for
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in কেন সঠিক: কোনো ষড়যন্ত্র বা অপরাধমূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকা বোঝাতে concerned এর পরে ইন প্রিপজিশন বসে। বাক্যে প্লট বা ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্ত থাকার অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক উত্তর ইন হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — কোনো বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন বা চিন্তিত হওয়া বোঝালে এ্যাট বসে কিন্তু এখানে ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্ত থাকা বোঝানো হয়েছে। B) with — কোনো ব্যক্তি বা বিষয়ের সাথে জড়িত থাকা বোঝালে উইথ বসে তবে নির্দিষ্ট করে ষড়যন্ত্রে জড়িত বোঝাতে ইন ব্যবহৃত হয়। C) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) for — কোনো কিছুর জন্য উদ্বেগ বা উপকার বোঝাতে ফর ব্যবহৃত হয় যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: ষড়যন্ত্র বা অপরাধমূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকা বোঝালে concerned এর পরে সবসময় in প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a Quartet
b Sixtet
c Limerick
d Haiku LOTTE
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Limerick কেন সঠিক: - Limerick হলো পাঁচ লাইনের একটি হাস্যরসাত্মক ও লয়যুক্ত কবিতা, যা নির্দিষ্ট ছান্দিক কাঠামো মেনে লেখা হয়। - এই ধরনের কবিতায় সাধারণত প্রথম, দ্বিতীয় ও পঞ্চম লাইনের সাথে এবং তৃতীয় ও চতুর্থ লাইনের সাথে মিল থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Quartet — এটি চার লাইনের কোনো কবিতা বা স্তবক বোঝায়, তাই পাঁচ লাইনের কবিতার জন্য এটি প্রযোজ্য নয়। B) Sixtet — এটি ছয় লাইনের কবিতা বা স্তবক নির্দেশ করে, যা পাঁচ লাইনের Limerick কবিতার সংজ্ঞার সাথে মেলে না। C) Limerick — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্নতা নেই। D) Haiku LOTTE — হাইকু হলো তিন লাইনের জাপানি কবিতা যার মাত্রা বিন্যাস ৫, ৭, ৫, তাই এটি পাঁচ লাইনের হাস্যরসাত্মক কবিতার অপশন নয়। মনে রাখার টিপস: পাঁচ অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ Limerick এবং কবিতাটিও ঠিক পাঁচ লাইনেই গঠিত হয়।
a personification
b alliteration
c rhyme
d onomatopoeia
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) alliteration কেন সঠিক: - Alliteration হলো একটি কাব্যিক অলংকার বা ফিগার অফ স্পিচ, যেখানে পাশাপাশি থাকা শব্দগুলোর শুরুর ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনির মিল থাকে। - যেমন: Peter Piper picked a peck of pickled peppers বাক্যে পি বা প ধ্বনির পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) personification — এটি এমন একটি অলংকার যেখানে কোনো নির্জীব বস্তু বা ধারণাকে মানবীয় গুণাবলী সম্পন্ন বলে বর্ণনা করা হয়। B) alliteration — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো কারণে ভুল নয়, বরং এটিই হলো ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনির পুনরাবৃত্তির সংজ্ঞার্থ। C) rhyme — এটি হলো কবিতার দুটি বা ততোধিক পংক্তির শেষে বা মাঝে শব্দের শেষ ধ্বনির মিল থাকা, শুরুর ধ্বনির মিল নয়। D) onomatopoeia — এটি এমন শব্দ বোঝায় যা কোনো কিছুর শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়, যেমন কুকুরের ঘেউ ঘেউ বা পাখির ডাক। মনে রাখার টিপস: Alliteration শব্দের শুরুতে এ অক্ষরটি আছে, যার অর্থ হলো শব্দের শুরুতে থাকা কনসোনেন্ট বা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনির মিল।
a King Lear
b Macbeth
c Othelo
d Hamlet
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Hamlet কেন সঠিক: উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটক হ্যামলেট এর তৃতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সংলাপ। যুবরাজ হ্যামলেট নিজের জীবন ও মৃত্যুর দ্বিধা নিয়ে এই আত্মগথ বা সলোলকি প্রকাশ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) King Lear — এটি একটি ট্র্যাজেডি নাটক হলেও এতে এই বিখ্যাত সংলাপটি নেই। B) Macbeth — এটি শেক্সপিয়ারের আরেকটি বিখ্যাত নাটক কিন্তু এর বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ আলাদা। C) Othelo — এই নাটকের পটভূমি ও চরিত্রগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং এই সংলাপটির সাথে এর কোনো মিল নেই। D) Hamlet — এই অপশনটিই সঠিক কারণ এই নাটক থেকেই উদ্ধৃতিটি নেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হ্যামলেট নাটকের যুবরাজের আত্মহত্যার বা বেঁচে থাকার দ্বিধাদ্বন্দ্ব মনে রাখলেই এই বিখ্যাত সংলাপটি চেনা সহজ হবে।
a achieve
b submit
c win
d conquer
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) submit কেন সঠিক: - Succumb শব্দের অর্থ হলো নতি স্বীকার করা বা পরাজয় মেনে নেওয়া। - Submit শব্দের অর্থও একই রকম, অর্থাৎ আত্মসমর্পণ করা বা বশ্যতা স্বীকার করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) achieve — এর অর্থ অর্জন করা, যা succumb শব্দের বিপরীতার্থক। B) submit — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ আত্মসমর্পণ করা। C) win — এর অর্থ জয়লাভ করা, যা succumb শব্দের বিপরীত। D) conquer — এর অর্থ জয় করা বা অধিকার করা, যা succumb শব্দের উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Succumb এবং Submit উভয় শব্দের শুরুতেই Su দিয়ে শুরু হয়েছে, যা দিয়ে সহজেই মনে রাখা যায় শব্দ দুটি সমার্থক।
a retired
b has retired
c had retired
d will be retired
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) retired কেন সঠিক: বাকyaটি Past Perfect এবং Past Indefinite Tense এর নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল তা Past Perfect হয় এবং যেটি পরে ঘটেছিল তা Past Indefinite হয়। এখানে বই লেখা কাজটি আগে হয়েছিল তাই তা Past Perfect টেন্সে আছে এবং অবসর নেওয়ার কাজটি পরে হয়েছিল তাই তা Past Indefinite টেন্সের verb (retired) হবে। before conjunction এর আগের অংশ Past Perfect হলে পরের অংশ Past Indefinite Tense হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) retired — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Past Indefinite Tense-এর verb এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। B) has retired — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে ব্যবহার করা নিয়মবিরুদ্ধ। C) had retired — দুটি clause-েই Past Perfect Tense ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) will be retired — এটি Future Tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Before এর আগে Past Perfect হলে পরে Past Indefinite বসে।
a is
b was
c were
d are
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is কেন সঠিক: - 'The Arabian Nights' একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম দেখতে বহুবচনের মতো মনে হলেও এটি মূলত একটি একক গ্রন্থকে বোঝায়। - কোনো গ্রন্থ, দেশ বা বিষয়ের নাম দেখতে প্লুরাল হলেও তা সবসময় সিঙ্গুলার ভার্ব গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — এটি সঠিক উত্তর কারণ বইয়ের নাম দেখতে প্লুরাল হলেও তা একটি একক সত্তা এবং সিঙ্গুলার ভার্ব গ্রহণ করে। B) was — অতীতকাল নির্দেশ করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বইটির নাম চিরন্তন সত্য বা সাধারণ অভ্যাসের মতো বর্তমান অবস্থাতেই প্রকাশ পায়। C) were — এটি প্লুরাল সাবজেক্টের ক্ষেত্রে পাস্ট টেন্সে বসে, কিন্তু এখানে সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হিসেবে গণ্য হয়। D) are — এটি প্লুরাল সাবজেক্টের ক্ষেত্রে প্রেজেন্ট টেন্সে বসে, যা এই একক নামবাচক বইয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বই, দেশ বা সংস্থার নাম যতই বহুবচন বা প্লুরাল মনে হোক না কেন, তাদের পরে সর্বদা সিঙ্গুলার ভার্ব বসে।
a Harmful lie
b Useless lie
c Harmless lie
d Irrelevant lie
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Harmless lie কেন সঠিক: - 'A white lie' একটি প্রচলিত ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ এমন একটি মিথ্যা কথা যা কাউকে কষ্ট না দেওয়ার জন্য বা ছোটখাটো সৌজন্য রক্ষার্থে বলা হয়। - এই ধরনের মিথ্যা থেকে কারও কোনো ক্ষতি হয় না, তাই একে ক্ষতিকর নয় বা 'Harmless' বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Harmful lie — এটি সঠিক নয় কারণ 'Harmful lie' অর্থ ক্ষতিকর মিথ্যা, যা হোয়াইট লাই-এর বিপরীত। B) Useless lie — এটি সঠিক নয় কারণ এর অর্থ অর্থহীন মিথ্যা, যা এই ইডিওমের নির্দিষ্ট সামাজিক বা মানসিক উদ্দেশ্য বহন করে না। C) Harmless lie — এটি সঠিক এবং এটিই এই ইডিওমের মূল ভাব প্রকাশ করে। D) Irrelevant lie — এটি সঠিক নয় কারণ এর অর্থ অপ্রাসঙ্গিক মিথ্যা, যা এই ইডিওমের অর্থের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: সাদা (White) রঙ সাধারণত শান্তি ও পবিত্রতার প্রতীক, তাই হোয়াইট লাই মানে এমন মিথ্যা যা কাউকে কষ্ট না দিয়ে শান্তি রক্ষা করে বা ক্ষতিকর নয়।
a Let the order to give.
b Let the order is given.
c Let the order be given.
d Let the order give,
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Let the order be given. কেন সঠিক: - মূল বাক্যটি Imperative Sentence হওয়ায় Active থেকে Passive করার সময় প্রথমে Let বসে। - এর পর অবজেক্ট (the order), তারপর be এবং মূল verb-এর Past Participle (given) বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let the order to give. — এখানে be-র পরিবর্তে to ব্যবহার করা হয়েছে এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ দেওয়া হয়নি, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) Let the order is given. — Passive গঠনে be ভার্বের পরিবর্তে is ব্যবহার করায় বাক্যটির গঠন সঠিক হয়নি। C) Let the order be given. — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ করেছে। D) Let the order give, — এখানে verb-এর Past Participle (given) না দিয়ে Base form দেওয়া হয়েছে, যা Passive-এর নিয়মের পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: Imperative Sentence-কে Active থেকে Passive করার গঠন হলো: Let + অবজেক্ট + be + Verb-এর Past Participle.
a Stationery
b Motionless
c Plenary
d Empty
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Motionless কেন সঠিক: - 'Stationary' শব্দটির অর্থ হলো স্থির বা যা গতিশীল নয়। - 'Motionless' শব্দটির অর্থও গতিহীন বা স্থির, তাই এটি এর সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Stationery — এর অর্থ লেখার কাগজ বা স্টেশনারি সামগ্রী, যা উচ্চারণ এক হলেও বানান ও অর্থে ভিন্ন। B) Motionless — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ স্থির বা গতিহীন। C) Plenary — এর অর্থ পূর্ণাঙ্গ বা সর্বদলীয়, যা স্থির শব্দের সাথে মেলে না। D) Empty — এর অর্থ খালি, যা কোনো পাত্র বা স্থান ফাঁকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Stationary বানানে er থাকলে মনে রাখবে লেখার paper, আর ary থাকলে স্থির বা motionless।
a habitable
b habitation
c habitual
d habituate
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) habituate কেন সঠিক: habtiuate শব্দটির অর্থ অভ্যস্ত করা, যা বাক্যে মূল বা verb হিসেবে কাজ করে। এটি কোনো কাজের প্রক্রিয়া বোঝায়, যা verb চেনার প্রধান উপায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) habitable — এটি একটি adjective, যার অর্থ বাসোপযোগী। B) habitation — এটি একটি noun, যার অর্থ বসতি বা বাসস্থান। C) habitual — এটি একটি adjective, যার অর্থ অভ্যাসগত। D) habituate — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং একটি verb। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে ate থাকলে সাধারণত সেটি verb হয়, যেমন habituate।
a A conjunction
b Interjection
c An adverb
d Verb
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A conjunction কেন সঠিক: এখানে but শব্দটি দুটি বাক্য বা বাক্যাংশকে যুক্ত করার কাজ করেছে। এটি দুটি ভিন্ন অবস্থানের তুলনা প্রকাশ করতে সংযোজক হিসেবে বসেছে। বাক্যের মধ্যে সংযোগকারী হিসেবে কাজ করায় এটি Conjunction হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A conjunction — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Interjection — এটি কোনো আবেগ বা মনস্তাত্ত্বিক অনুভূতি প্রকাশ করছে না। C) An adverb — এটি কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb-কে বিশেষিত করছে না। D) Verb — এটি বাক্যের কোনো মূল কাজ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কিন্তু বা অথচ অর্থে যখন দুটি অংশকে যুক্ত করে, তখন but একটি conjunction হিসেবে কাজ করে।
a I have finished read the book.
b I have been finished reading the book.
c I have finished reading the book,
d I finished reading the book.
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I have finished reading the book, কেন সঠিক: finish verb এর পরে সাধারণত gerund বা verb এর সাথে ing যুক্ত রূপ বসে। এখানে present perfect tense এর গঠন সঠিক আছে এবং reading শব্দটি সঠিক gerund হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I have finished read the book — finish verb এর পরে সরাসরি verb এর base form বসতে পারে না। B) I have been finished reading the book — বাক্যটি passive voice এ হয়ে অর্থ বদলে গেছে এবং গঠনটি ভুল। C) I have finished reading the book — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে কোনো ভুল নেই। D) I finished reading the book — এটি past indefinite tense এ চলে গেছে যা প্রদত্ত প্রশ্নের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: finish, enjoy, mind ইত্যাদি verb এর পরে সবসময় verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
a Disraeli
b Gladstone
c Emerson
d Shakespeare
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Gladstone কেন সঠিক: বিখ্যাত উক্তি "Justice delayed is Justice denied" বা বিচার বিলম্বিত হওয়া মানে বিচার অস্বীকৃত হওয়া মূলত ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ উইলিয়াম গ্ল্যাডস্টোনের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক বক্তব্য। তিনি উনবিংশ শতাব্দীতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আইনি ও বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা বোঝাতে এই কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন। পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে আইন ও বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে এই প্রবাদতুল্য উক্তিটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Disraeli — বেনজামিন ডিসরােলি ব্রিটিশ রক্ষণশীল নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে তিনি এই বিখ্যাত আইনি প্রবাদটি বলেননি। B) Gladstone — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন কোনো ভুল বা সঠিক তথ্য প্রযোজ্য নয়। C) Emerson — রালফ ওয়াল্ডো এমারসন একজন বিখ্যাত আমেরিকান প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক ছিলেন, আইন বিষয়ক এই উক্তির সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। D) Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়র একজন প্রখ্যাত ইংরেজি নাট্যকার ছিলেন, তার কোনো নাটকে এই সুনির্দিষ্ট উক্তিটির প্রবক্তা হিসেবে তাকে পাওয়া যায় না। মনে রাখার টিপস: বিচার বা ল এর ক্ষেত্রে দেরি হলে গ্ল্যাডস্টোন সাহেবের কথা মনে রাখবে।
a Keats
b Shelley
c Byron
d G. B Shaw
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) G. B Shaw কেন সঠিক: - 'Man and Superman' নাটকটির রচয়িতা বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ (G. B Shaw)। - এটি তাঁর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ দার্শনিক নাটক, যা ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Keats — জন কিটস রোমান্টিক যুগের কবি, যিনি নাটক নয় মূলত ওড বা গীতিকবিতা লেখার জন্য বিখ্যাত। B) Shelley — পি বি শেলি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার হলেও তিনি 'Man and Superman' লেখেননি। C) Byron — লর্ড বায়রন রোমান্টিক যুগের একজন প্রখ্যাত কবি, তাঁর লেখার সাথে এই নাটকের কোনো সম্পর্ক নেই। D) G. B Shaw — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ তিনিই এই বিখ্যাত নাটকটির স্রষ্টা। মনে রাখার টিপস: সুপারম্যান চরিত্রের মতো অতিমানবীয় দর্শনের কথা মনে রাখলে জর্জ বার্নার্ড শ-এর 'Man and Superman' নাটকটি সহজে মনে রাখা যায়।
a She swam through the river.
b She swam across the river.
c She crossed river by swimming.
d She passed the river through swimming.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) She swam across the river. কেন সঠিক: নদী বা রাস্তার এক পাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়া বোঝালে সাধারণত across প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়। এখানে সাঁতার কেটে নদী পার হওয়ার ক্ষেত্রে swam across সঠিক গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She swam through the river — through ব্যবহার করা হয় কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে বা ভেদ করে যাওয়া বোঝাতে, যা নদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) She swam across the river — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী সবদিক থেকেই নির্ভুল। C) She crossed river by swimming — এখানে river noun এর আগে কোনো article বা determiner ব্যবহার না করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। D) She passed the river through swimming — নদী পার হওয়ার ইংরেজি হিসেবে pass the river না লিখে swam across ব্যবহার করাটাই সবচেয়ে স্বাভাবিক ও সঠিক নিয়ম। মনে রাখার টিপস: নদী, রাস্তা বা সেতু পার হওয়া বোঝাতে across প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

a ৫ সে. মি.
b ৬ সে. মি.
c ৭ সে. মি.
d ৮ সে. মি.
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ সে. মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৩ সে. মি. জ্যা-এর দৈর্ঘ্য = ২৪ সে. মি. ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর উপর লম্ব জ্যা-কে সমদ্বিখণ্ডিত করে তাই জ্যা-এর অর্ধেক অংশের দৈর্ঘ্য = ২৪ ÷ ২ = ১২ সে. মি. বৃত্তের ব্যাসার্ধ এবং লম্ব মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠন করে অতএব, সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = ১৩ সে. মি. সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = ১২ সে. মি. লম্বের দৈর্ঘ্য = √(১৩ × ১৩ − ১২ × ১২) সুতরাং, লম্বের দৈর্ঘ্য = √(১৬৯ − ১৪৪) = √২৫ উত্তর: ৫ সে. মি.
a 1150
b 1250
c 1350
d 1550
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৫০ প্রদত্ত তথ্য: মোট আসল = ২৬০০ টাকা প্রথম অংশের সুদের হার = ১০% এবং সময় = ৫ বছর দ্বিতীয় অংশের সুদের হার = ৯% এবং সময় = ৬ বছর ধরি, প্রথম ভাগ = ক টাকা এবং দ্বিতীয় ভাগ = (২৬০০ − ক) টাকা প্রথম ভাগের সুদ = (ক × ১০ × ৫) ÷ ১০০ অতএব, দ্বিতীয় ভাগের সুদ = (২৬০০ − ক) × ৯ × ৬ ÷ ১০০ শর্তমতে, প্রথম ভাগের সুদ = দ্বিতীয় ভাগের সুদ অর্থাৎ, (ক × ৫০) ÷ ১০০ = (২৬০০ − ক) × ৫৪ ÷ ১০০ সুতরাং, ৫০ক = ১৩০৪০০ − ৫৪ক ১০৪ক = ১৩০৪০০ উত্তর: ক = ১৩৫০ টাকা
a 45
b 54
c 56
d 65
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ৫৪ প্রদত্ত তথ্য: ভদ্র মহিলার বয়সের অংকদ্বয়ের স্থান পরিবর্তন করলে স্বামীর বয়স পাওয়া যায় স্বামীর বয়স স্ত্রীর চেয়ে বেশি এবং তাদের বয়সের পার্থক্য যোগফলের একাদশ ভাগ ধরি, স্ত্রীর বয়সের দশকের অংক = ক এবং এককের অংক = খ স্ত্রীর বয়স = (১০ ক + খ) এবং স্বামীর বয়স = (১০ খ + ক) অতএব, বয়সের পার্থক্য = (১০ খ + ক) − (১০ ক + খ) = ৯ (খ − ক) বয়সের যোগফল = (১০ ক + খ) + (১০ খ + ক) = ১১ (ক + খ) সুতরাং, ৯ (খ − ক) = (১১ (ক + খ)) ÷ ১১ খ − ক = ক + খ ÷ ১১ উত্তর: ৫৪
a 300
b 280
c 295
d 320
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৯৫ প্রদত্ত তথ্য: পুরুষের সংখ্যা = ৭ জন মহিলার সংখ্যা = ৪ জন ধরি, মোট কমিটি গঠন করতে হবে = ৪ জনের শর্ত হলো অন্তত ১ জন মহিলা থাকতে হবে অতএব, মোট সদস্য সংখ্যা = ৭ + ৪ = ১১ জন মোট কমিটি গঠন করা যায় = ১১ জন থেকে ৪ জন = ৩৩০ উপায়ে কোনো মহিলা না রেখে কমিটি গঠন করা যায় = ৭ জন পুরুষ থেকে ৪ জন = ৩৫ উপায়ে সুতরাং, অন্তত ১ জন মহিলা নিয়ে কমিটি গঠন করা যায় = ৩৩০ − ৩৫ = ২৯৫ উপায়ে উত্তর: ২৯৫
a ৬২°
b ৩১°
c ৪৫°
d ৩৬°
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩১° প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের কেন্দ্র ০ এবং ত্রিভুজ ABC বৃত্তে অন্তর্লিখিত কোণ BOC এর মান ১১৮ ডিগ্রি ধরি, OB এবং OC হলো বৃত্তের ব্যাসার্ধ ত্রিভুজ BOC এর ক্ষেত্রে OB সমান OC অতএব, কোণ OCB সমান কোণ OBC ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি কোণ BOC + কোণ OBC + কোণ OCB সমান ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ১১৮ ডিগ্রি + ২ গুণ কোণ BCO সমান ১৮০ ডিগ্রি ২ গুণ কোণ BCO সমান ১৮০ ডিগ্রি − ১১৮ ডিগ্রি উত্তর: ৩১°
a 18
b 24
c 35
d 42
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি সংখ্যার গড় ৫৬ সংখ্যা তিনটির সমষ্টি = ৫৬ × ৩ = ১৬৮ ধরি, দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ক প্রথম সংখ্যাটি = ২ × ক তৃতীয় সংখ্যাটি = ৪ × ক অতএব, সংখ্যা তিনটির যোগফল = (২ × ক) + ক + (৪ × ক) = ১৬৮ ৭ × ক = ১৬৮ সুতরাং, ক = ১৬৮ ÷ ৭ = ২৪ উত্তর: ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো ২৪
a √3-√2
b √3+√2
c √2+1
d √2-1
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √২ − ১ প্রدত্ত তথ্য: লব = √৩ হর = √৬ + √৩ ধরি, প্রদত্ত রাশি = √৩ ÷ (√৬ + √৩) হরকে হরের বিপরীত চিহ্ন দিয়ে গুণ করব বিপরীত রাশি = √৬ − √৩ অতএব, লব ও হরকে (√৬ − √৩) দ্বারা গুণ করে পাই লব = √৩ × (√৬ − √৩) হর = (√৬ + √৩) × (√৬ − √৩) সুতরাং, লব = √১৮ − ৩ = ৩√২ − ৩ হর = (√৬)^২ − (√৩)^২ = ৬ − ৩ = ৩ উত্তর: (৩√২ − ৩) ÷ ৩ = √২ − ১
a কবর্গক্ষেত্র
b রম্বস
c ট্রাপিজিয়াম
d আয়তক্ষেত্র
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আয়তক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ভেতরে একটি সামান্তরিক অঙ্কন করা হয়েছে সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলো সমান ধরি, সামান্তরিকের একটি কোণ সমান ক ডিগ্রি অপর বিপরীত কোণটিও সমান ক ডিগ্রি অতএব, বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণ দুটির সমষ্টি সমান ১৮০ ডিগ্রি ক + ক = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, দুই ক সমান ১৮০ ডিগ্রি ক সমান ৯০ ডিগ্রি উত্তর: প্রতিটি কোণ সমকোণ হওয়ায় বৃত্তস্থ সামান্তরিক একটি আয়তক্ষেত্র
a ৫০ বর্গ মিটার
b ৫৫ বর্গ মিটার
c ৬০ বর্গ মিটার
d ৭০ বর্গ মিটার
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬০ বর্গ মিটার প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্য, প্রস্থ অপেক্ষা ৪ মিটার বেশি ঘরটির পরিসীমা ৩২ মিটার ধরি, ঘরের প্রস্থ = ক মিটার ঘরের দৈর্ঘ্য = ক + ৪ মিটার অতএব, পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) ২ × (ক + ৪ + ক) = ৩২ ২ × (২ক + ৪) = ৩২ সুতরাং, ৪ক + ৮ = ৩২ ৪ক = ২৪ ক = ৬ উত্তর: ঘরের প্রস্থ = ৬ মিটার ঘরের দৈর্ঘ্য = ৬ + ৪ = ১০ মিটার ক্ষেত্রফল = ১০ × ৬ = ৬০ বর্গ মিটার
a ৭ মিটার
b ৮ মিটার
c ৯ মিটার
d ১০ মিটার
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ মিটার প্রদত্ত তথ্য: মইয়ের দৈর্ঘ্য = ১৮ মিটার মইটি ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০ ডিগ্রি ধরি, দেয়ালটির দৈর্ঘ্য = লম্ব = h মিটার মইটির দৈর্ঘ্য = অতিভুজ = ১৮ মিটার অতএব, ত্রিকোণমিতির সূত্রানুসারে সাইন ৩০ ডিগ্রি = লম্ব ÷ অতিভুজ মান বসিয়ে পাই, সাইন ৩০ ডিগ্রি = h ÷ ১৮ আমরা জানি, সাইন ৩০ ডিগ্রি এর মান এক বাই দুই সুতরাং, এক বাই দুই = h ÷ ১৮ দুই গুণ h = ১৮ গুণ এক উত্তর: h = ৯ মিটার
a 30
b 35
c 40
d 45
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: কলমের প্রথম বিক্রয়মূল্য = ২৫ টাকা কলমের দ্বিতীয় বিক্রয়মূল্য = ৩৫ টাকা ক্ষতির পরিমাণ এবং লাভের পরিমাণ সমান ধরি, কলমটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে ক্ষতি = (ক − ২৫) টাকা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লাভ = (৩৫ − ক) টাকা প্রশ্নানুসারে, (ক − ২৫) = (৩৫ − ক) সুতরাং, ক + ক = ৩৫ + ২৫ ২ক = ৬০ ক = ৩০ উত্তর: ৩০
a ভরকেন্দ্র
b পরিকেন্দ্র
c অন্তঃকেন্দ্র
d লম্ববিন্দু
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরিকেন্দ্র প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি বাহুর লম্বদ্বিখণ্ডক তিনটি দেওয়া আছে লম্বদ্বিখণ্ডকগুলোর ছেদবিন্দু নির্ণয় করতে হবে ধরি, ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দুগুলো হলো ক, খ এবং গ বাহুগুলোর লম্বদ্বিখণ্ডকগুলো একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় অতএব, লম্বদ্বিখণ্ডকগুলোর ছেদবিন্দু থেকে ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দুগুলোর দূরত্ব সমান হয় এই সমান দূরত্বকে ত্রিভুজের পরিব্যাসার্ধ বলা হয় সুতরাং, এই নির্দিষ্ট ছেদবিন্দুটি ত্রিভুজের পরিবৃত্তের কেন্দ্র বা পরিকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয় উত্তর: পরিকেন্দ্র
a 2
b 3
c 4
d 5
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ৫ দুটি সংখ্যার বিয়োগফল = ৩ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = a দ্বিতীয় সংখ্যাটি = b অতএব, a + b = ৫ a − b = ৩ সুতরাং, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, ab = ((a + b) ÷ ২) বর্গের ক্ষেত্রফল − ((a − b) ÷ ২) বর্গের ক্ষেত্রফল উত্তর: (৫ ÷ ২) বর্গের ক্ষেত্রফল − (৩ ÷ ২) বর্গের ক্ষেত্রফল = ৬.২৫ − ২.২৫ = ৪
a 7
b 6
c 8
d 13
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত তথ্য: মূল ভগ্নাংশটি হলো ৭ ভাগ ১৭ নতুন ভগ্নাংশটি হতে হবে ৩ ভাগ ৫ ধরি, যোগ করতে হবে ক সংখ্যাটি অতএব, লব হলো ৭ + ক এবং হর হলো ১৭ + ক সুতরাং, (৭ + ক) ÷ (১৭ + ক) = ৩ ÷ ৫ অতএব, ৫ গুণ (৭ + ক) = ৩ গুণ (১৭ + ক) সুতরাং, ৩৫ + ৫ক = ৫১ + ৩ক অতএব, ৫ক − ৩ক = ৫১ − ৩৫ সুতরাং, ২ক = ১৬ উত্তর: ক = ৮
a 60.5
b 65.5
c 62.5
d 55.5
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: দেওয়া আছে, মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০ জন ১০০ জন শিক্ষার্থীর গণিতে গড় নম্বর = ৭০ সুতরাং, ১০০ জন শিক্ষার্থীর মোট নম্বর = (১০০ × ৭০) = ৭০০০ ছাত্রীর সংখ্যা = ৬০ জন ৬০ জন ছাত্রীর গড় নম্বর = ৭৫ সুতরাং, ৬০ জন ছাত্রীর মোট নম্বর = (৬০ × ৭৫) = ৪৫০০ অতএব, ছাত্রদের সংখ্যা = (১০০ - ৬০) জন = ৪০ জন ৪০ জন ছাত্রের মোট নম্বর = (৭০০০ - ৪৫০০) = ২৫০০ সুতরাং, ছাত্রদের গড় নম্বর = (২৫০০ / ৪০) = ৬২.৫ উত্তর: ৬২.৫
a 50
b 80
c 70
d 60
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার ৪০% এর সাথে ৪২ যোগ করলে যোগফল সেই সংখ্যাটি হয়। ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ৪০% + ৪২ = ক (ক × ৪০ ÷ ১০০) + ৪২ = ক সুতরাং, (২ক ÷ ৫) + ৪২ = ক ক − (২ক ÷ ৫) = ৪২ উত্তর: ৩ক ÷ ৫ = ৪২ এবং ক = ৭০
a ৪০%
b ২৫%
c ৩৬%
d ৩০%
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬% প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ কমে যায় ২০% ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = ১০০ একক আদি ক্ষেত্রফল = পিন গুণ ১০০ গুণ ১০০ বর্গ একক অতএব, নতুন ব্যাসার্ধ হয় = ৮০ একক নতুন ক্ষেত্রফল হয় = পিন গুণ ৮০ গুণ ৮০ বর্গ একক সুতরাং, ক্ষেত্রফল কমে যায় = দশ হাজার বিয়োগ ছয় হাজার চারশ বর্গ একক = তিন হাজার ছয়শ বর্গ একক উত্তর: ৩৬%
a ৬ দিন
b ৯ দিন
c ৩/২ দিন
d ২/৩ দিন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ দিন প্রদত্ত তথ্য: ৬ জন শ্রমিক ৬ দিনে বুনে ৬টি কাপড় ৯ জন শ্রমিক কত দিনে বুনবে ৯টি কাপড় ধরি, শ্রমিকের সংখ্যা এবং দিনের সংখ্যা ব্যস্ত অনুপাতে সম্পর্কিত আবার কাজের পরিমাণ এবং দিনের সংখ্যা সরল অনুপাতে সম্পর্কিত অতএব, প্রয়োজনীয় দিন সংখ্যা = ৬ × (৬ ÷ ৯) × (৯ ÷ ৬) সুতরাং, হিসাব করে পাওয়া যায় ৬ দিন উত্তর: ৬ দিন
a 0.03
b 0.3
c 3/10
d খওগ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খওগ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য দুই সাত এর ঘনমূল বা তিন রুট নির্ণয় করতে হবে ধরি, মূল সংখ্যাটি = ০.০০২৭ এটিকে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করা যাক অতএব, ০.০০২৭ কে লেখা যায় ২৭ ভাগ এক হাজার এখন ২৭ এর ঘনমূল হলো ৩ এবং, এক হাজারের ঘনমূল হলো ১০ সুতরাং ভগ্নাংশটি দাঁড়ায় ৩ ভাগ ১০ সুতরাং, ৩ ভাগ ১০ কে দশমিকে প্রকাশ করলে হয় ০.৩ আবার অপশন বি তে আছে ০.৩ এবং অপশন সি তে আছে ৩ ভাগ ১০ উত্তর: খ এবং গ উভয়ই সঠিক তাই ডি হলো উত্তর
a 20
b 24
c 30
d 32
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: ক এর চেয়ে খ যতোখানি ছোট গ এর চেয়ে ততোখানি বড় ক এবং গ এর বয়সের সমষ্টি ৪৮ ধরি, ক এর বয়স = ক খ এর বয়স = খ গ এর বয়স = গ অতএব, খ − ক = গ − খ ক + গ = ৪৮ সুতরাং, ক + গ = ২ × খ ৪৮ = ২ × খ উত্তর: খ = ৪৮ ÷ ২ = ২৪

মোট প্রশ্ন (10)

a ২ ডিসেম্বর ১৯৬৯
b ৪ ডিসেম্বর ১৯৬৯
c ৩ ডিসেম্বর ১৯৬৯
d ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাসভিত্তিক প্রশ্ন সঠিক উত্তর: D) ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯ কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর শহীদ হোসেন সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবর্তন করে 'বাংলাদেশ' রাখেন। - এর আগে এই অঞ্চলের নাম পূর্ব পাকিস্তান বা পূর্ব বাংলা ছিল, যা বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ ডিসেম্বর ১৯৬৯ — এই তারিখে পূর্ব বাংলার নামকরণের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। B) ৪ ডিসেম্বর ১৯৬৯ — এটি নামকরণের সঠিক তারিখ নয়, এটি অন্য কোনো সাধারণ দিন। C) ৩ ডিসেম্বর ১৯৬৯ — এই তারিখেও নামকরণের কোনো ঐতিহাসিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। D) ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯ — এটি নামকরণের সঠিক ঐতিহাসিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: ১৯৬৯ সালের ডিসেম্বর মাসের ৫ তারিখে শহীদ সোহরাওয়ার্দীর স্মরণসভায় বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলার নাম রাখেন বাংলাদেশ।
a এসিড
b অ্যালকোহল
c ক্ষার
d অ্যালডিহাইড
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যালকোহল কেন সঠিক: - রসায়নের দিক থেকে কোলেস্টেরল হলো এক ধরনের স্টেরয়েড এবং জটিল অসম্পৃক্ত মনোঅ্যাটমিক অ্যালকোহল বা স্টেরল। - এর রাসায়নিক গঠনে হাইড্রোক্সিল মূলক (-OH) উপস্থিত থাকার কারণে এটি অ্যালকোহল পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এসিড — এসিড হলো এমন রাসায়নিক যৌগ যা প্রোটন বা হাইড্রোজেন আয়ন প্রদান করে, কিন্তু কোলেস্টেরলের মূল গঠন এসিডীয় নয়। B) অ্যালকোহল — এই অপশনটি সঠিক কারণ কোলেস্টেরলের রাসায়নিক গঠনে হাইড্রোক্সিল মূলক যুক্ত স্টেরল বা অ্যালকোহলের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। C) ক্ষার — ক্ষার হলো এমন পদার্থ যা এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে, যা কোলেস্টেরলের রাসায়নিক প্রকৃতির সাথে মিলে না। D) অ্যালডিহাইড — অ্যালডিহাইড হলো একটি নির্দিষ্ট কার্যকরী মূলকযুক্ত জৈব যৌগ, যা কোলেস্টেরলের গঠনে থাকে না। মনে রাখার টিপস: কোলেস্টেরলের নামের শেষের 'অল' অংশটি দিয়ে মনে রাখতে পারো এটি মূলত এক ধরনের জটিল অ্যালকোহল বা স্টেরল।
a ৬.১৫ কি. মি.
b ৬.৫০ কি. মি.
c ৬ কি. মি.
d ৬.০৫ কি. মি.
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬.১৫ কি. মি. কেন সঠিক: - পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং সংযোগ সড়কসহ মোট দৈর্ঘ্য ১০.০০ কিলোমিটার। - এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সেতু যা মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬.১৫ কি. মি. — এটি পদ্মা সেতুর মূল কাঠামোর সঠিক ও পরীক্ষিত দৈর্ঘ্য। B) ৬.৫০ কি. মি. — এই মাপটি সঠিক নয় কারণ মূল সেতুর দৈর্ঘ্য এর চেয়ে কম। C) ৬ কি. মি. — এটি একটি পূর্ণ সংখ্যাভিত্তিক ভুল পরিমাপ যা সেতুটির সঠিক দৈর্ঘ্যের সঙ্গে মেলে না। D) ৬.০৫ কি. মি. — এই সংখ্যাটি পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্যর পরিমাপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এভাবে যে এটি ছয় দশমিক পনেরো কিলোমিটার।
a কুষ্টিয়া ও রংপুর
b যশোর ও সিলেট
c রংপুর ও দিনাজপুর
d ময়মনসিংহ ও জামালপুর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যশোর ও সিলেট কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর যশোর ও সিলেট জেলা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়। - মুক্তিযুদ্ধের সময় এই দুটি জেলা সর্বপ্রথম শত্রুমুক্ত হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুষ্টিয়া ও রংপুর — কুষ্টিয়া ও রংপুর এই তারিখে মুক্ত হয়নি, তাই এটি সঠিক নয়। C) রংপুর ও দিনাজপুর — এই এলাকাগুলো যুদ্ধের অন্য সময়ে মুক্ত হয়েছিল। D) ময়মনসিংহ ও জামালপুর — ময়মনসিংহ ও জামালপুর পরবর্তীতে মুক্ত হয়। মনে রাখার টিপস: যো-সি দিয়ে মনে রাখতে পারো, প্রথম মুক্ত জেলা যশোর ও সিলেট।
a সরকার ও সরকারের মধ্যে
b নাগরিক ও নাগরিকের মধ্যে
c ব্যবসায়ী ও সরকারের মধ্যে
d সরকার ও নাগরিকের মধ্যে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সরকার ও নাগরিকের মধ্যে কেন সঠিক: - G2C অর্থ হলো গভর্নমেন্ট টু সিটিজেন বা সরকার ও নাগরিকের মধ্যকার সেবামূলক সম্পর্ক। - এর মাধ্যমে সরকার সরাসরি নাগরিকদের বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা প্রদান করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরকার ও সরকারের মধ্যে — এটিকে জিটুজি বা গভর্নিং টু গভর্নমেন্ট বলা হয়। B) নাগরিক ও নাগরিকের মধ্যে — একে সিটুসি বা সিটিজেন টু সিটিজেন যোগাযোগ বলা হয়। C) ব্যবসায়ী ও সরকারের মধ্যে — এটিকে জিটুবি বা গভর্নিং টু বিজনেস বলা হয়। D) সরকার ও নাগরিকের মধ্যে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে জিটুসি প্রক্রিয়ার সঠিক সংজ্ঞা প্রকাশ পেয়েছে। মনে রাখার টিপস: জিটুসি বা জি-টু-সি এর শেষের সি অক্ষরটি দিয়ে সিটিজেন বা নাগরিক মনে রাখা যায়।
a বিউটেন
b ইথেন
c প্রোপেন
d মিথেন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিউটেন কেন সঠিক: - রান্নার কাজে ব্যবহৃত সিলিন্ডারের এলপিজি বা লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো বিউটেন এবং প্রোপেন। - বাণিজ্যিকভাবে সিলিন্ডারে বিউটেন গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে বলে এটি প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিউটেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। B) ইথেন — এটি প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি উপাদান হলেও সিলিন্ডারে রান্নার কাজে প্রধানত এটি ব্যবহৃত হয় না। সি) প্রোপেন — এটি এলপিজির অন্যতম উপাদান হলেও বিউটেনের চেয়ে এর পরিমাণ সাধারণত কম থাকে। ডি) মিথেন — এটি পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান, যা সিলিন্ডারে উচ্চ চাপে তরল হিসেবে ব্যবহার করা হয় না। মনে রাখার টিপস: সিলিন্ডারের গ্যাস রান্নার কাজে লাগে এবং এর প্রধান উপাদান শুরু হয় বি দিয়ে, অর্থাৎ বিউটেন।
a পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
b সমবর্তন
c অপবর্তন
d প্রতিসরণ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন কেন সঠিক: - আলোকরশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয়, তখন প্রতিসৃত না হয়ে সম্পূর্ণ আলোকরশ্মি একই মাধ্যমে ফিরে আসে। - অপটিক্যাল ফাইবারের কোড ও ক্লাডিংয়ের প্রতিসরাঙ্কের পার্থক্যের কারণে এই পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোক সংকেত বিনা বাধায় দ্রুত পরিবাহিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — এই ঘটনার মাধ্যমেই অপটিক্যাল ফাইবারের ভেতর দিয়ে আলোর গতিপথ বজায় রেখে তথ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। B) সমবর্তন — এটি আলোর একটি বিশেষ তরঙ্গ ধর্ম, যা আলোর কম্পনের তল নির্দিষ্ট করে কিন্তু অপটিক্যাল ফাইবারের মূল কার্যপদ্ধতি এটি নয়। C) অপবর্তন — এটি কোনো তীক্ষ্ণ প্রান্ত বা সরু ছিদ্রের ধার দিয়ে আলোর বেঁকে যাওয়ার ঘটনা, যা অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর চলাচলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) প্রতিসরণ — আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় দিক পরিবর্তন করে, তবে অপটিক্যাল ফাইবারে আলো বাইরে না গিয়ে প্রতিফলিত হয়ে সামনে এগোয়। মনে রাখার টিপস: অপটিক্যাল ফাইবার মানেই আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন, যা দিয়ে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগের দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করা হয়।
a RAM
b Secondary Storage
c ROM
d কোনোটিই নয়
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) RAM কেন সঠিক: - RAM বা র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি হলো একটি অস্থায়ী বা উদ্বায়ী মেমোরি। - বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে এর ধারণ করা সকল তথ্য চিরতরে মুছে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। B) Secondary Storage — এটি স্থায়ী মেমোরি হওয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও এর তথ্য মুছে যায় না। C) ROM — এটি রিড অনলি মেমোরি এবং এতে স্থায়ী তথ্য সংরক্ষিত থাকে যা বিদ্যুৎ গেলেও মোছে না। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে থাকায় এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: RAM মানেই অস্থায়ী, বিদ্যুৎ গেলে সব হারায়।
a ১৮৭০ মার্কিন ডলার
b ১০২৫ মার্কিন ডলার
c ২০৬৪ মার্কিন ডলার
d কোনোটিই নয়
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয় কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোতে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয়ের সাম্প্রতিক ও সঠিক তথ্য নেই। - বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় পরিবর্তনশীল এবং এটি প্রতি অর্থবছরের অর্থনৈতিক প্রাক্কলন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৭০ মার্কিন ডলার — এটি অতীতের একটি নির্দিষ্ট অর্থবছরের মাথাপিছু আয়ের হিসাব যা বর্তমান অর্থনৈতিক প্রাক্কলনের সাথে মেলে না। B) ১০২৫ মার্কিন ডলার — এটি অনেক আগের একটি পুরোনো হিসাব এবং বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। C) ২০৬৪ মার্কিন ডলার — এটিও সাম্প্রতিক হালনাগাদ তথ্যের সাথে মিল নেই এবং এটি বর্তমানের সঠিক প্রাক্কলিত আয় নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু উপরের কোনো অপশনই বর্তমান সঠিক মাথাপিছু জাতীয় আয়ের সাথে মিলে না, তাই এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: মাথাপিছু আয় প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়, তাই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষার সাম্প্রতিক তথ্য পড়তে হবে।
a ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
b ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
c ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
d ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়। - সেই সভায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ — এটি শহীদ দিবস, এই দিনে ঐতিহাসিক কোনো উপাধি প্রদানের ঘটনা ঘটেনি। B) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ — আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে বঙ্গবন্ধুসহ অন্য আসামিরা মুক্তি লাভ করেন, তবে উপাধি দেওয়া হয়নি। C) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ — এই তারিখে বঙ্গবন্ধু তোপখানা রোডের ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কিন্তু উপাধি পাওয়ার দিন এটি নয়। মনে রাখার টিপস: আগরতলা মামলা থেকে মুক্তির ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়।