সঠিক উত্তর: A) হাসি-খুশি
১. কেন সঠিক:
- সমার্থক যুগ্ম শব্দ বলতে এমন শব্দজোড়কে বোঝায় যেখানে দুটি পদের অর্থ একই বা প্রায় সমার্থক হয়।
- হাসি এবং খুশি দুটি শব্দই আনন্দ বা প্রফুল্লতা প্রকাশ করে, তাই এটি সমার্থক যুগ্ম শব্দের সঠিক উদাহরণ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় অর্থের মিল বা ভিন্নতার ওপর ভিত্তি করে যুগ্ম শব্দ গঠিত হয়। সমার্থক শব্দযোগে গঠিত যুগ্ম শব্দে দুটি পদ একই ভাব প্রকাশ করে।
- ব্যাকরণগত দিক থেকে এগুলো বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে ভাবের তীব্রতা বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খাতা-পত্র
ব্যাখ্যা: এখানে খাতা এবং পত্র প্রায় একই অর্থে শিক্ষা উপকরণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সমার্থক যুগ্ম শব্দ।
উদাহরণ ২: ভয়-ভীতি
ব্যাখ্যা: ভয় এবং ভীতি দুটি শব্দের অর্থই আশঙ্কা, তাই এটি সমার্থক যুগ্ম শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাসি-খুশি — এটি সমার্থক যুগ্ম শব্দ, কারণ দুটি শব্দের অর্থ একই।
B) আকাশ-পাতাল — এটি বিপরীতার্থক যুগ্ম শব্দ, কারণ আকাশ ও পাতাল পরস্পর বিপরীত স্থান বোঝায়।
C) কালি-কলম — এটি সহযোগী যুগ্ম শব্দ, কারণ লেখার কাজে কালি ও কলম একে অপরের পরিপূরক।
D) দিন-দিন — এটি দ্বিরুক্ত শব্দ বা একই শব্দের পুনরাবৃত্তি, যেখানে সময়ের ধারাবাহিকতা বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমার্থক যুগ্ম শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো উভয় পদের অর্থ মিলিয়ে দেখা। দুটি পদের অর্থ যদি একই হয়, তবে তা সমার্থক যুগ্ম শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুগ্ম শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সমার্থক, বিপরীতার্থক, সহযোগী এবং পুনরাবৃত্তিযুক্ত যুগ্ম শব্দগুলো আলাদা করে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) যৌগিক স্বরধ্বনি
১. কেন সঠিক:
- 'ঔ' একটি যৌগিক স্বরধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনি মিশে একটি একক স্বরধ্বনির সৃষ্টি করে।
- বাংলা বর্ণমালায় 'ও' এবং 'ঔ' হলো দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ, যা উচ্চারণকালে দুটি স্বরধ্বনির মিলিত রূপ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সব স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় দুটি একক স্বরধ্বনি পাশাপাশি উচ্চারিত হয় এবং একটি সংযুক্ত স্বর হিসেবে শোনা যায়, সেগুলোকে যৌগিক স্বরধ্বনি বা দিভস্বর বলে।
- 'ঔ' ধ্বনিটি মূলত 'অ' এবং 'উ' এই দুটি স্বরধ্বনির দ্রুত উচ্চারণের ফলে গঠিত হয়, যা লেখার সময় 'ঔ' বর্ণ দ্বারা প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'ঐ' স্বরধ্বনি
ব্যাখ্যা: 'ঐ' একটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা 'অ' এবং 'ই' ধ্বনির মিলনে তৈরি হয়।
উদাহরণ ২: 'ঔ' যুক্ত শব্দ যেমন ঔষধি
ব্যাখ্যা: এখানে 'ঔ' স্বরধ্বনিটি শব্দের আদিতে যৌগিক ধ্বনি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তালব্য স্বরধ্বনি — তালু বা তার আশপাশ থেকে উচ্চারিত স্বরধ্বনিকে তালব্য স্বরধ্বনি বলে, যেমন 'ই' এবং 'ঈ', তাই এটি সঠিক নয়।
B) যৌগিক স্বরধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'ঔ' দুটি স্বরধ্বনির মিলিত রূপ।
C) মিলিত স্বরধ্বনি — এটি ব্যাকরণের প্রমিত পরিভাষা নয়, তাই এটি সঠিক বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয় না।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে উপস্থিত রয়েছে, তাই এই অপশনটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা ব্যাকরণে যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি, যথা 'ঐ' এবং 'ঔ'।
- 'ঐ' গঠিত হয় অ+ই মিলে এবং 'ঔ' গঠিত হয় অ+উ মিলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- বাংলা বর্ণমালায় মোট পঁচিশটি যৌগিক স্বরধ্বনি থাকলেও মৌলিক স্বরবর্ণ বা বর্ণ হিসেবে যৌগিক স্বরবর্ণ মাত্র দুটি।
সঠিক উত্তর: A) প্র + উঢ়
১. কেন সঠিক:
'প্রৌঢ়' একটি প্রাদি স্বরসন্ধির বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধির উদাহরণ।
এখানে পূর্বপদের অন্তে থাকা 'অ' এবং পরপদের আদি 'উ' মিলে 'ঔ' কার হয়েছে এবং তা পূর্ববর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে 'প্রৌঢ়' গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রাদি উপসর্গ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধির ক্ষেত্রে সাধারণ স্বরসন্ধির নিয়ম সবসময় হুবহু খাপ খায় না।
এই জাতীয় শব্দের ক্ষেত্রে পূর্বপদের শেষে অ বা আ এবং পরপদের শুরুতে উ বা ঊ থাকলে উভয়ে মিলে ঔ কার হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুল + অটা = কুলটা
ব্যাখ্যা: এটিও বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধির উদাহরণ যেখানে সাধারণ নিয়ম না মেনে বিশেষ নিয়মে শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বিশেষ নিয়মের মাধ্যমে সন্ধি সাধিত হয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্র + উঢ় — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী প্রৌঢ় শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ নির্দেশ করে।
B) প্রঃ + উঢ় — এখানে বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা এই শব্দের সন্ধির নিয়মের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
C) প্র + উঢ় — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটি সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি হিসেবে রয়েছে এবং এটিই মূল সঠিক উত্তর।
D) প্রো + উঢ় — প্রো বলে কোনো উপসর্গ বা পূর্বপদ বাংলায় সন্ধির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রৌঢ় শব্দের সন্ধি মনে রাখার জন্য মনে রাখবে প্র এর সঙ্গে উঢ় যুক্ত হলে ঔ কার হয়।
বিশেষ নিয়মের সন্ধিগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
নিয়ম বহির্ভূত বা বিশেষ নিয়মের শব্দগুলো আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: B) গোটা
১. কেন সঠিক:
- পদাশ্রিত নির্দেশক সাধারণত পদের বা শব্দের পরে বসে নির্দিষ্টতা বোঝায়।
- তবে 'গোটা' শব্দটি ব্যতিক্রম হিসেবে পদাশ্রিত নির্দেশক হলেও বিশেষ্য বা পদের পূর্বে বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সকল শব্দ বা বর্ণ সমষ্টি বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা বা সমতা বোঝায়, তাদের পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
- বাংলা ব্যাকরণে টি, টা, খানি, খানা, টুকরা, টুকু ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক সাধারণত শব্দের পরে বসে, কিন্তু 'গোটা' এবং 'কুল' শব্দের আগে বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোটা দশেক আম দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে 'গোটা' পদাশ্রিত নির্দেশকটি 'দশেক' শব্দের আগে বসে নির্দিষ্টতা বুঝিয়েছে।
উদাহরণ ২: গোটা পরিবার বেড়াতে গেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'গোটা' শব্দটি বিশেষ্য পদের পূর্বে বসে সমগ্র পরিবারকে নির্দেশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টি — এটি পদাশ্রিত নির্দেশক হলেও সাধারণত শব্দের পরে বসে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) গোটা — এটি সঠিক কারণ এটি একমাত্র পদাশ্রিত নির্দেশক যা শব্দের আগে বসে।
C) টুকু — এটি পরিমাণ বা অংশ বোঝাতে শব্দের পরে বসে, তাই এটি শব্দের আগে বসে না।
D) তা — এটি নির্দিষ্টতা বোঝাতে সাধারণত শব্দের পরে যুক্ত হয়, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে বেশিরভাগ পদাশ্রিত নির্দেশক পরে বসে, একমাত্র ব্যতিক্রম 'গোটা' ও 'কুল' যা আগে বসে।
- এভাবে মনে রাখতে পারো: গোটা ফল আগে কাটো, তাই 'গোটা' বসে আগে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- শব্দের আগে বসা পদাশ্রিত নির্দেশকগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: C) অন্য
১. কেন সঠিক:
- অন্য একটি সর্বনাম বা বিশেষণ পদ, কিন্তু এটি কোনো অনুসর্গ নয়।
- অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় পদগুলো সাধারণত বাক্যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে শব্দটির কারক বোঝাতে সাহায্য করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলো বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে কারক বা সম্বন্ধ পদ বোঝায় এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশে সহায়তা করে তাকে অনুসর্গ বলে।
- অনুসর্গগুলো সাধারণত স্বাধীন পদ হিসেবে অথবা অব্যয় হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার চেয়ে সে ভালো জানে।
ব্যাখ্যা: এখানে চেয়ে শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে তুলনা বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: দেশের জন্য জীবন দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে জন্য শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে নিমিত্ত কারক বোঝাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপেক্ষা — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত অনুসর্গ যা তুলনামূলক বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
B) চেয়ে — এটি একটি প্রচলিত অনুসর্গ যা সাধারণত তুচ্ছার্থক বা তুলনামূলক অর্থে বসে।
C) অন্য — এটি অনুসর্গ নয়, বরং একটি সর্বনাম বা বিশেষণ পদ যা ভিন্নতা প্রকাশ করে।
D) জন্য — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত অনুসর্গ যা নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অনুসর্গ চেনার সহজ উপায় হলো এগুলো সাধারণত স্বাধীন পদ হিসেবে বিভক্তির কাজ করে।
- বিনা, ছাড়া, দিকে, মতো, করে, দ্বারা, কর্তিক, হইতে, থেকে, চেয়ে, জন্য, অপেক্ষা এগুলো প্রধান অনুসর্গ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোনটি অনুসর্গ বা কোনটি অনুসর্গ নয় তা জানতে চাওয়া হয়।
- অনুসর্গগুলো অব্যয় পদের অন্তর্ভুক্ত এবং এগুলো কখনো কখনো কারক নির্ণয়ে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
সঠিক উত্তর: D) ইত প্রত্যয়
১. কেন সঠিক:
প্রচলিত শব্দটি গঠিত হয়েছে প্র উপসর্গ, চল ধাতু এবং ইত প্রত্যয়ের সমন্বয়ে। এখানে ইত প্রত্যয় যোগ হয়ে শব্দটি বিশেষণে রূপান্তরিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ হলো সেটি যা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। চল হলো একটি ধাতু এবং তার সঙ্গে ইত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বর্তমান অর্থ প্রকাশকারী প্রচলিত বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুঞ্জিত
ব্যাখ্যা: পুঞ্জ ধাতু বা শব্দের সঙ্গে ইত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পুঞ্জিত শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তাড়িত
ব্যাখ্যা: তাড় ধাতু বা শব্দের সঙ্গে ইত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তাড়িত শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ই প্রত্যয় — এটি শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে অন্য পদ গঠন করে, কিন্তু প্রচলিত শব্দ গঠনে ই প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়নি।
B) ত প্রত্যয় — ত প্রত্যয়টি কৃৎ বা তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হলেও প্রচলিত শব্দ গঠনে কেবল ত ব্যবহৃত হয়নি।
C) ঈয় প্রত্যয় — ঈয় প্রত্যয় সাধারণত ভাববাচক বা সম্বন্ধবাচক বিশেষণ গঠনে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ইত প্রত্যয় — এটি সঠিক কারণ প্রচলিত শব্দ গঠনে ইত প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
চল ধাতুর সঙ্গে ইত প্রত্যয় যোগ করলে প্রচলিত হয়। শব্দের শেষে ইত উচ্চারণ থাকলে ইত প্রত্যয় ধরবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অংশ এবং শেষের অংশ আলাদা করতে হয়। একই নিয়মে গঠিত শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ক্লীব লিঙ্গ
১. কেন সঠিক:
যেসব শব্দ বা পদ দ্বারা স্ত্রী বা পুরুষ কোনোটিকেই বোঝায় না, বরং অচেতন বস্তু বা ইতর প্রাণীকে বোঝায়, সেগুলোকে ক্লীব লিঙ্গ বলা হয়। সমিতি শব্দটি একটি জড় বা অচেতন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বিশেষ, যা প্রাণহীন হওয়ায় ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি ক্লীব লিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত, যথা পুং লিঙ্গ, স্ত্রী লিঙ্গ, উভয় লিঙ্গ ও ক্লীব লিঙ্গ। পুং লিঙ্গ পুরুষবাচক শব্দ বোঝায়, স্ত্রী লিঙ্গ স্ত্রীবাচক শব্দ বোঝায়, উভয় লিঙ্গ পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কেই বোঝায় এবং ক্লীব লিঙ্গ কেবল অচেতন বস্তু বা জড় পদার্থকে নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুস্তক
ব্যাখ্যা: পুস্তক একটি অচেতন বস্তু হওয়ায় এটি ক্লীব লিঙ্গ শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ।
উদাহরণ ২: খাতা
ব্যাখ্যা: খাতা প্রাণহীন জড় পদার্থ হওয়ায় ব্যাকরণগতভাবে এটি ক্লীব লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুং লিঙ্গ — পুং লিঙ্গ কেবল পুরুষবাচক জীবকে বোঝায়, কিন্তু সমিতি কোনো পুরুষবাচক জীব বা সত্তা নয়।
B) ক্লীব লিঙ্গ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সমিতি একটি অচেতন ও প্রাণহীন প্রাতিষ্ঠানিক সত্তা।
C) উভয় লিঙ্গ — উভয় লিঙ্গ দ্বারা পুরুষ ও স্ত্রী উভয় জীবকে বোঝায়, যা সমিতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) স্ত্রী লিঙ্গ — স্ত্রী লিঙ্গ কেবল স্ত্রীবাচক জীবকে নির্দেশ করে, কিন্তু সমিতি কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ বা জীব নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেকোনো জড় পদার্থ, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার নাম দেখলে তা ক্লীব লিঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করবে। প্রাণহীন বা অচেতন বস্তু মাত্রই ব্যাকরণে ক্লীব লিঙ্গ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিষ্ঠান, দল বা সংঘবাচক অনেক শব্দ দেখতে পুং বা স্ত্রী মনে হলেও ব্যাকরণের নিয়মে সেগুলো ক্লীব লিঙ্গ হয়। এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করতে আসে।
সঠিক উত্তর: B) অংশুমালী
কেন সঠিক:
- অংশু শব্দের অর্থ কিরণ বা আলো এবং মালী শব্দের অর্থ মালা ধারণকারী, অর্থাৎ যার কিরণ বা আলোই মালা স্বরূপ।
- সূর্য নিজের কিরণ বা আলোর মালা পরিধান করে আকাশে উদিত হয় বলে তাকে অংশুমালী বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অংশুমালী শব্দটি বহুযুগের প্রথাগত ও সংস্কৃত শব্দভাণ্ডার থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা কাব্যে সূর্যের বিভিন্ন রূপ বোঝাতে এই বিশেষ সমার্থক শব্দটির বহুল ব্যবহার দেখা যায়।
- সূর্যের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে দিবাকর, ভাস্কর, তপন, রবি এবং সূর্য উল্লেখযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র, মহাসাগর বা পারাবার।
- B) অংশুমালী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
- C) প্রসূন — প্রসূন শব্দের অর্থ ফুল, পুষ্প বা কুসুম।
- D) পল্লব — পল্লব শব্দের অর্থ নতুন পাতা, কিশলয় বা শাখা।
মনে রাখার টিপস:
- অংশু শব্দের অর্থ আলো মনে রাখলে সহজেই অংশুমালী শব্দটি সূর্যের সমার্থক হিসেবে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: C) গরল
১. কেন সঠিক:
'সরল' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো কুটিল, জটিল বা বক্র, কিন্তু 'গরল' শব্দের অর্থ বিষ।
যেহেতু গরল শব্দের অর্থ এবং ব্যবহারের দিক থেকে সরল শব্দের বিপরীত নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের বিপরীতার্থক বা বিপরীত শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাংলা ব্যাকরণে অর্থের ভিন্নতা ও সামঞ্জস্য রক্ষা করে বিপরীত শব্দ নির্ধারিত হয় এবং এখানে গরল শব্দটি অমৃত শব্দের বিপরীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুধা এর বিপরীত শব্দ গরল।
ব্যাখ্যা: সুধা শব্দের অর্থ অমৃত এবং গরল শব্দের অর্থ বিষ, যা একে অপরের বিপরীত।
উদাহরণ ২: প্রাচীন এর বিপরীত শব্দ অর্বাচীন।
ব্যাখ্যা: প্রাচীন অর্থ পুরাতন এবং অর্বাচীন অর্থ নবীন বা আধুনিক, যা অর্থের দিক থেকে পরস্পর বিপরীত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুটিল — কুটিল শব্দের অর্থ বাঁকা বা পেঁচালো, যা সরল শব্দের একটি সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ।
B) জটিল — জটিল শব্দের অর্থ কুঞ্চকিত বা কঠিন, যা সরল বা সহজ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) গরল — গরল শব্দের অর্থ বিষ যা অমৃতের বিপরীত, তাই এটি সরল শব্দের বিপরীতার্থক নয় এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) বক্র — বক্র শব্দের অর্থ বাঁকা, যা সোজা বা সরল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সরল মানে সোজা আর এর উল্টো হলো কুটিল, জটিল বা বক্র।
অন্যদিকে গরল হলো বিষ, যার বিপরীত শব্দ হলো সুধা বা অমৃত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীত শব্দ নির্ণয় করার সময় শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
প্রায়শই বিভ্রান্ত করার জন্য বিষ বা অমৃত জাতীয় শব্দ অপশনে দেওয়া হয়, যা অন্য শব্দের বিপরীত।
সঠিক উত্তর: B) স্পর্শ ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
- ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের ভেতর জিহ্বা বা অন্য কোনো অঙ্গ তালু, মূর্ধা, দন্ত বা ওষ্ঠের মতো কোনো না কোনো উচ্চারণস্থানকে পুরোপুরি স্পর্শ করে, তাই এদের স্পর্শ ধ্বনি বলা হয়।
- বাংলা বর্ণমালায় ক থেকে ম পর্যন্ত এই পঁচিশটি বর্ণকে পাঁচটি বর্গে ভাগ করা হয়েছে এবং প্রতি বর্গে পাঁচটি করে বর্ণ থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি প্রকরণে উচ্চারণের বৈশিষ্ট্য ও স্থান অনুযায়ী ধ্বনিগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
- ক থেকে ম পর্যন্ত মোট পঁচিশটি বর্ণকে বর্গীয় বর্ণ বা স্পর্শ ধ্বনি বলা হয়, যা ক-বর্গ, চ-বর্গ, ট-বর্গ, ত-বর্গ ও প-বর্গ এই পাঁচ ভাগে বিভক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক
ব্যাখ্যা: ক হলো ক-বর্গের প্রথম বর্ণ এবং একটি স্পর্শ ধ্বনি।
উদাহরণ ২: প
ব্যাখ্যা: প হলো প-বর্গের প্রথম বর্ণ এবং ওষ্ঠ্য স্পর্শ ধ্বনি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কণ্ঠ ধ্বনি — কণ্ঠ ধ্বনি হলো সেই ধ্বনিগুলো যেগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার মূল কোমল তালুকে স্পর্শ করে, যেমন ক থেকে ঙ পর্যন্ত পাঁচটি বর্ণ।
B) স্পর্শ ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি ধ্বনি উচ্চারণকালে মুখের বিভিন্ন অঙ্গ স্পর্শ করে উচ্চারিত হয়।
C) তালব্য ধ্বনি — তালব্য ধ্বনি হলো সেই বর্ণগুলো যা উচ্চারণের সময় জিহ্বার সামনের অংশ শক্ত তালুকে স্পর্শ করে, যেমন চ থেকে ঞ পর্যন্ত পাঁচটি বর্ণ।
D) মূর্ধন্য ধ্বনি — মূর্ধন্য ধ্বনি হলো সেই বর্ণগুলো যা উচ্চারণের সময় জিহ্বার আগা উল্টিয়ে মূর্ধাকে স্পর্শ করে, যেমন ট থেকে ণ পর্যন্ত পাঁচটি বর্ণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি বর্ণকে মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ক-বর্গ থেকে প-বর্গ পর্যন্ত সবগুলো বর্গীয় বর্ণই স্পর্শ ধ্বনি।
- ক থেকে ম পর্যন্ত মোট সংখ্যা পঁচিশটি এবং এদের অপর নাম বর্গীয় ধ্বনি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্পর্শ ধ্বনির সংখ্যা কত তা জানতে চাওয়া হয়, যার উত্তর হলো পঁচিশটি।
- বর্গীয় বর্ণগুলোর অপর নাম স্পর্শ ধ্বনি এবং এদের মোট সংখ্যা মনে রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) খেলনা
১. কেন সঠিক:
- খেলনা শব্দটি গঠিত হয়েছে খেল (ক্রিয়ামূল বা ধাতু) যোগ না প্রত্যয় মিলে।
- বাংলা ভাষায় ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাকে বাংলা কৃৎপ্রত্যয় বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে প্রত্যয় ক্রিয়া বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়, তাকে কৃৎপ্রত্যয় বলে এবং এর ফলে সাধিত শব্দকে কৃদন্ত শব্দ বলে।
- কৃৎপ্রত্যয় আবার দুই প্রকার, যথা বাংলা কৃৎপ্রত্যয় ও সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোড়ক
ব্যাখ্যা: মুড় (ধাতু) যোগ অক প্রত্যয় মিলে মোড়ক শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা একটি কৃৎপ্রত্যয় সাধিত শব্দ।
উদাহরণ ২: ঘাটতি
ব্যাখ্যা: ঘাট (ধাতু) যোগ তি প্রত্যয় মিলে ঘাটতি শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা কৃৎপ্রত্যয়ের একটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খেলনা — সঠিক উত্তর।
B) লিখিত — এটি একটি তদ্ধিত প্রত্যয় বা সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয় সাধিত শব্দ, যা সরাসরি বাংলা কৃৎপ্রত্যয় নয়।
C) বেদনা — এটি সংস্কৃত শব্দ বা প্রত্যয় সাধিত শব্দ, যা বাংলা কৃৎপ্রত্যয়ের নিয়মে গঠিত হয়নি।
D) কারক — কৃ ধাতু যোগ অক প্রত্যয় সাধিত হলেও এটি সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয়ের উদাহরণ, খাঁটি বাংলা কৃৎপ্রত্যয় নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় বসে তাকে কৃৎপ্রত্যয় বলে, আর শব্দের সঙ্গে বসলে তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
- খেলনা শব্দের খেল হলো ক্রিয়া, তাই এটি বাংলা কৃৎপ্রত্যয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাঁটি বাংলা কৃৎপ্রত্যয় এবং সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয় আলাদা করতে ক্রিয়ামূল চেনার অভ্যাস করতে হবে।
- ধাতু বা ক্রিয়ামূলের শেষে না, অনা, টি, খানি ইত্যাদি থাকলে তা সাধারণত বাংলা কৃৎপ্রত্যয় হয়।
সঠিক উত্তর: B) ব্যুৎপত্তি
১. কেন সঠিক:
- 'ব্যুৎপত্তি' শব্দটির সঠিক বানান হলো ব-ফলা য-যুক্ত হসন্ত ব (ব্যু) এবং ত যুক্ত প-ফলা (ত্পত্তি)।
- শব্দটির অর্থ হলো কোনো শব্দের মূল বা উৎপত্তি নির্ণয় কিংবা কোনো বিদ্যায় বিশেষ পারদর্শিতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি প্রত্যয় ও সন্ধিযুক্ত শব্দ যা ব্যাকরণের শব্দগঠন প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলা বানান নিয়মানুযায়ী ব্যঞ্জবর্ণের সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত করার ক্ষেত্রে সঠিক প্রমিত রূপ বজায় রাখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুদ্ধিমত্তা
ব্যাখ্যা: এটি একটি সঠিক বানানযুক্ত শব্দ যেখানে দ্বিত্ব বর্ণ ও প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার হয়েছে।
উদাহরণ ২: মনস্তত্ত্ব
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও প্রমিত বাংলা বানানরীতি ও যুক্তবর্ণের সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বূৎপত্তি — এখানে ব-এর নিচে দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
B) ব্যুৎপত্তি — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে।
C) বৃৎপত্তি — এখানে ব্য-এর পরিবর্তে ঋ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
D) ব্যুৎপত্তি — প্রশ্নপত্রে অপশনটি সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি হিসেবে সঠিক বানানই নির্দেশ করেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ব্যুৎপত্তি শব্দে প্রথমে ব্যু (ব-ফলা উ-কার) এবং পরে ত্প্ত (ত যুক্ত প-ফলা) হবে, এটি মনে রাখলেই ভুল এড়ানো যাবে।
- বানানের ক্ষেত্রে প্রমিত রূপ চর্চা করলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহজেই নম্বর পাওয়া সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কঠিন ও প্রমিত বানানগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- অনুরূপ জটিল বানান যেমন কৌতূহল, সান্ত্বনা ও স্বায়ত্তশাসন ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণ কারক
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে 'পদ্মপাতায়' পদটি দ্বারা আয়ুর স্থায়িত্বের আধার বা স্থানকে বোঝানো হয়েছে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কোনো ক্রিয়া কোথায়, কখন বা কোন বিষয়ে সংঘটিত হয়, তা প্রকাশ করার জন্য অধিকরণ কারক ব্যবহৃত হয়।
- আধার বা অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে অধিকরণ কারক প্রধানত তিন প্রকার, যেমন কালাধিকরণ, স্থানাধিকরণ এবং ভাবাধিকরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিলে তৈল আছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'তিলে' শব্দটি তিলের ভেতর তৈলের অবস্থান বা আধার বোঝাচ্ছে, যা স্থানাধিকরণ কারক।
উদাহরণ ২: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বনে' শব্দটি বাঘের বসবাসের স্থান নির্দেশ করায় এটি অধিকরণ কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে, কিন্তু এখানে কোনো কর্মের ওপর ক্রিয়ার ফল পড়েনি।
B) করণ কারক — যার সাহায্যে বা মাধ্যমে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে করণ কারক বলে, কিন্তু পদ্মপাতা এখানে কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম নয়।
C) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীতি বা রক্ষিত হয় তাকে অপাদান কারক বলে, কিন্তু এখানে কোনো বিচ্যুতির অর্থ নেই।
D) অধিকরণ কারক — এটি সঠিক কারণ পদ্মপাতা আয়ুর স্থায়িত্বের আধার বা স্থান বোঝাচ্ছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে কোথায় বা কোন স্থানে ক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত অধিকরণ কারক হয়।
- পদ্মপাতায় নীর বা পানির স্থায়িত্ব ক্ষণস্থায়ী, এই উপমা থেকেও এটি আধার বা স্থান হিসেবে চিহ্নিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তুলনামূলক বা ভাবমূলক অধিকরণ কারক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বাক্যের অর্থ বুঝে আধার বা স্থান নিশ্চিত করতে পারলে অধিকরণ কারক সহজে নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) সেমিকোলন
১. কেন সঠিক:
- দুটি স্বাধীন বা সম্পূর্ণ বাক্যের মধ্যে যখন অর্থের গভীর বা ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ থাকে, তখন কমার চেয়ে বেশি বিরতির জন্য সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের ভাব ও অর্থ স্পষ্ট করার জন্য বিরাম চিহ্নের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সেমিকোলন সাধারণত একটু বেশি সময় থামার নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্ন বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করতে এবং বক্তার থামার নির্দেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় প্রথম শৃঙ্খলিতভাবে যতিচিহ্নের ব্যবহার প্রবর্তন করেন এবং সেমিকোলন হলো এমন একটি চিহ্ন যা দুটি ভাবযুক্ত স্বতন্ত্র বাক্যকে যুক্ত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাল সে আসবে না; তার বদলে তার ভাই আসবে।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি আলাদা বাক্যের মধ্যে অর্থের যোগসূত্র রয়েছে এবং প্রথম অংশ শেষ হওয়ার পর একটু বেশি সময় থামার জন্য সেমিকোলন বসেছে।
উদাহরণ ২: সৎ পথে চলো; তবেই জীবনে শান্তি পাবে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে প্রথম অংশের ফলাফল বা ভাব দ্বিতীয় অংশের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত হওয়ায় মাঝখানে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেমিকোলন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি সম্বন্ধযুক্ত বাক্যের সংযোগস্থলে বসে।
B) কোলন — একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্য বা উদাহরণের অবতারণা করতে কোলন বসে, অর্থের সম্বন্ধযুক্ত দুটি বাক্যে নয়।
C) হাইফেন — দুটি পদের সংযোগ বোঝাতে বা সমাসবদ্ধ পদের মাঝে হাইফেন ব্যবহৃত হয়, বাক্যের মাঝে নয়।
D) কমা — কমা সবচেয়ে কম বিরতি বোঝায় এবং এটি সাধারণত একই পদের একাধিক শব্দ বা ছোট উপবাক্য আলাদা করতে বসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কমার চেয়ে বেশি এবং দাঁতির চেয়ে কম সময় থামতে হলে সেমিকোলন ব্যবহার করতে হয়।
- দুটি বাক্যের অর্থ কাছাকাছি হলে মাঝখানে সেমিকোলন বসবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরাম চিহ্নের অপর নাম যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) বেগম সুফিয়া কামাল
১. কেন সঠিক:
- 'ঘুম থেকে জেগে বৈশাখী ঝড়ে কুড়ায়েছি ঝরা আম' চরণটি প্রথিতযশা সাহিত্যিক বেগম সুফিয়া কামালের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- এই চরণে শৈশবের গ্রামীণ স্মৃতি, প্রকৃতির রূপ এবং বৈশাখ মাসের কালবৈশাখী ঝড়ের পর আম কুড়ানোর সোনালী দিনগুলোর সুন্দর প্রকাশ ঘটেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বেগম সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি, সাহিত্যিক ও নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত।
- তিনি বিশ শতকের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে স্বীকৃত এবং তাঁর কবিতায় প্রকৃতি, মানবপ্রেম ও দ্রোহের অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া
ব্যাখ্যা: এটি বেগম সুফিয়া কামালের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁকে সাহিত্যজগতে বিশেষ খ্যাতি এনে দিয়েছিল।
উদাহরণ ২: মায়ার খেলা
ব্যাখ্যা: এটিও কবি বেগম সুফিয়া কামালের একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম, যা তাঁর কাব্যপ্রয়াসের অন্যতম নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেগম সুফিয়া কামাল — প্রদত্ত লাইনটি কবি সুফিয়া কামালের বিখ্যাত একটি কবিতার অংশ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) সুফিয়া আহম্মদ — ইনি কোনো বিশিষ্ট সাহিত্যিক নন, তাই তাঁর নামে এই কবিতার চরণটি পরিচিত নয়।
C) আহসান হাবীব — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা কবি হলেও এই চরণের রচয়িতা তিনি নন।
D) সানাউল হক — ইনি বিশিষ্ট কবি ও অনুবাদক হলেও এই বিশেষ কাব্যপংক্তি তাঁর লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বৈশাখী ঝড় ও আম কুড়ানোর গ্রামীণ স্মৃতিকাতরতাযুক্ত কবিতার লাইন দেখলে সাধারণত বেগম সুফিয়া কামালকে মনে রাখবে।
- কবি সুফিয়া কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাঁঝের মায়ার পাশাপাশি তাঁর প্রকৃতিভিত্তিক কবিতাগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিদের জনপ্রিয় পংক্তি বা চরণ প্রায়ই তুলে দিয়ে রচয়িতা জানতে চাওয়া হয়।
- তাই প্রখ্যাত কবিদের কালজয়ী কবিতার প্রথম বা জনপ্রিয় চরণগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ
১. কেন সঠিক:
মহাকবি কায়কোবাদ রচিত 'মহাশ্মশান' মহাকাব্যের মূল ঐতিহাসিক পটভূমি হলো ১৭৬১ সালে সংঘটিত তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ। এই যুদ্ধে মারাঠা বাহিনী এবং আহমাদ শাহ আবদালীর নেতৃত্বাধীন মুসলিম বাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছিল এবং তারেক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এটি রচিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি কায়কোবাদ বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট মহাকাব্য রচিয়তা যিনি মূলত মুসলিম সমাজ ও ইতিহাসের গৌরবগাথা নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছেন। ১৯০৪ সালে প্রকাশিত 'মহাশ্মশান' কাব্যটি ১৭৬১ সালের তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি ঐতিহাসিক মহাকাব্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাশ্মশান মহাকাব্য
ব্যাখ্যা: এই মহাকাব্যে তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধের ভয়াবহতা ও ঐতিহাসিক পরিণতি শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাকাব্য
ব্যাখ্যা: কায়কোবাদ তার এই কাব্যে বাংলার মহাকাব্যিক ঐতিহ্য ও ভাবের গভীরতা প্রকাশ করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক ঐতিহাসিক পটভূমি যা কায়কোবাদের মহাশ্মশান কাব্যে বর্ণিত হয়েছে।
B) পলাশীর যুদ্ধ — এটি ১৭৫৭ সালে সংঘটিত বাংলার স্বাধিকার হারানোর যুদ্ধ যার পটভূমিতে নবীনচন্দ্র সেনের পলাশীর যুদ্ধ কাব্য রচিত হয়েছে।
C) ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ — এটি ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক ঘটনা যার পটভূমিতে বিভিন্ন সাহিত্য রচিত হয়েছে।
D) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর — এটি বাংলা ১১৭৬ সালের এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ যার পটভূমিতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আনন্দমঠ উপন্যাসের পটভূমি রচিত হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
কায়কোবাদের মহাশ্মশান কাব্যের পটভূমি মনে রাখতে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ এবং ১৭৬১ সাল এই দুটি তথ্য একসঙ্গে মনে রাখবে। মহাকাব্য মানেই বড় যুদ্ধ, আর বাংলার ইতিহাসে পানিপথের যুদ্ধ একটি বিশাল মহাশ্মশান তৈরি করেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মহাকাব্য এবং এর ঐতিহাসিক পটভূমি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই কায়কোবাদের মহাশ্মশান মানেই ১৭৬১ সালের তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ—এই তথ্যটি ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
সঠিক উত্তর: D) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি হলো শামসুর রাহমান কারণ তিনি ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত 'আসাদের শার্ট' কবিতার রচিয়তা।
- এই কবিতাটিতে শহিদ আসাদের রক্তে ভেজা শার্টকে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে নাগরিক কবি বলা হয়।
- আসাদের শার্ট কবিতাটি তার বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং এটি বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের প্রতিবাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মৃতিস্তম্ভ
ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমান রচিত আরেকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা।
উদাহরণ ২: তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্দুল মান্নান সৈয়দ — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'আসাদের শার্ট' কবিতার লেখক নন।
B) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই কবিতাটি তার রচনা নয়।
C) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি রবীন্দ্রোত্তর যুগের একজন বিশিষ্ট কবি কিন্তু এই কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই আসাদের শার্ট কবিতার রচিয়তা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আসাদ শহিদ হয়েছিলেন ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে এবং এই ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে কবিতা লিখেছেন শামসুর রাহমান।
- কবি শামসুর রাহমানের নাম মনে রাখলেই আসাদের শার্ট কবিতার রচিয়তাকে সহজে চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক কবিতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কবি শামসুর রাহমানের বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থ এবং এর ভেতরের বিখ্যাত কবিতাগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- বাঁধন হারা হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস।
- এটি মূলত পত্রযোগাযোগ বা পত্রোপন্যাস ধারায় রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখক, কবি ও বিদ্রোহী সাহিত্যিক।
- তাঁর রচিত বাঁধন হারা উপন্যাসটি বাংলা ১৩২৭ সালের কার্তিক মাসে (১৯২১ খ্রিস্টাব্দ) মাসিক বঙ্গবাণী পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কুহেলিকা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত রাজনৈতিক পটভূমির ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভ্রমণ কাহিনী — বাঁধন হারা কোনো ভ্রমণ কাহিনী নয়, এটি একটি চিঠিপত্রের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়া পত্রোপন্যাস।
B) কবিতা — এটি কোনো পদ্য বা কবিতা নয়, বরং এটি গদ্যে রচিত একটি উপন্যাস।
D) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনয়ের জন্য রচিত কোনো নাটক নয়, এটি গদ্য সাহিত্যের উপন্যাস শাখাভুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা।
- নজরুলের প্রথম উপন্যাস হলো বাঁধন হারা, যা পত্রোপন্যাস হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাসের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- লেখকের প্রথম রচনা বা সাহিত্যকর্মের প্রকাশকাল মনে রাখা চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) একমাত্র সন্তান
১. কেন সঠিক:
- 'শিব রাত্রির সলতে' বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ শিবরাত্রি ব্রতে প্রদীপের জন্য ব্যবহৃত একমাত্র সলতে বা বাতি।
- এর প্রবঙ্গ বা ভাবার্থ হলো একমাত্র অবলম্বন বা একমাত্র সন্তান, যা বংশের বা অভিভাবকের শেষ সম্বল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা বা প্রবাদতুল্য অভিব্যক্তি।
- বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৃদ্ধ বয়সে রহিম উদ্দিনের ওই একমাত্র ছেলেটিই হলো তার শিব রাত্রির সলতে।
ব্যাখ্যা: এখানে একমাত্র সন্তানের ওপর বৃদ্ধ পিতার বেঁচে থাকার শেষ ভরসা বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিঃসন্তান দম্পতির কাছে ওই দত্তক নেওয়া শিশুটিই যেন তাদের শিব রাত্রির সলতে।
ব্যাখ্যা: এখানে একমাত্র অবলম্বন বা শেষ আশার প্রতীক হিসেবে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিব রাত্রির আলো — এটি বাগধারার মূল ভাবার্থের সঙ্গে মিলে না কারণ মূল শব্দ সলতে হলেও অর্থ আলোর চেয়ে একমাত্র অবলম্বন বোঝায়।
B) একমাত্র সন্তান — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ ও ভাবার্থ সম্পূর্ণ মিলে যায়।
C) একমাত্র সঞ্চয় — অর্থ কিছুটা কাছাকাছি মনে হলেও এটি মূলত বস্তুগত সঞ্চয় বোঝায় না, বরং সাধারণত একমাত্র সন্তান বা বংশধর বোঝাতে এটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়।
D) শিব রাত্রির গুরুত্ব — এটি কোনো নির্দিষ্ট বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ নয় এবং এটি অত্যন্ত সাধারণ একটি শব্দসমষ্টি মাত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শিবরাত্রির পুজোয় সারা রাতে মোটে একটিই সলতে জ্বালানো হয়, যা থেকে মনে রাখতে হবে এটি দিয়ে একমাত্র বা শেষ সম্বল বা সন্তান বোঝায়।
- কোনো কিছুর আর বিকল্প নেই এমন বোঝাতে এই বাগধারাটি মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই পারিবারিক সম্পর্ক বা একমাত্র অবলম্বন বোঝাতে বিকল্প অপশন হিসেবে আসে।
- বাগধারার ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থ বাদ দিয়ে অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা প্রমিত অর্থ কোনটি, তা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনিব্যঞ্জনা
১. কেন সঠিক:
- 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' বাক্যে বৃষ্টির পড়ার প্রাকৃতিক শব্দের অনুকরণ বা অনুরেখ প্রকাশ পেয়েছে।
- কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক শব্দের অনুকরণে তৈরি শব্দকে ধ্বনিব্যঞ্জনা বা অনুকার শব্দ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলো কোনো ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় এবং বিশেষ ভাব বা ব্যঞ্জনা প্রকাশ করে, তাকে ধ্বনিবাচক শব্দ বা ধ্বনিব্যঞ্জনা বলে।
- বাংলা ব্যাকরণে এই জাতীয় শব্দ বাক্যে বিশেষ সৌন্দর্য ও ভাব ফুটিয়ে তুলতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাতার মর্মর শব্দ
ব্যাখ্যা: পাতার বাতাসের নড়াচড়ার শব্দকে বোঝাতে মর্মর ধ্বনিব্যঞ্জনা ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মেঘের গুরু গুরু ডাক
ব্যাখ্যা: মেঘের গর্জনের শব্দকে প্রকাশ করার জন্য গুরু গুরু ধ্বনিব্যঞ্জনা ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাবের গভীরতা — এই বাক্যে কোনো গভীর ভাব বা দর্শন প্রকাশ পায়নি, বরং বৃষ্টির শব্দ বোঝানো হয়েছে।
B) অনুভূতি বা ভাব — এটি মনের কোনো সুপ্ত অনুভূতি বা আবেগ প্রকাশ করে না, এটি সরাসরি শব্দের প্রকাশ।
C) পৌনঃপুনিকতা — পৌনঃপুনিকতা মানে বারবার ঘটা, যদিও বৃষ্টি বারবার পড়ে, কিন্তু টাপুর টুপুর শব্দ মূলত ধ্বনির অনুকরণ।
D) ধ্বনিব্যঞ্জনা — এই অপশনটি সঠিক কারণ টাপুর টুপুর একটি শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণমূলক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দ যদি কোনো আওয়াজ বা শব্দের অনুকরণ বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তা ধ্বনিব্যঞ্জনা হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- টাপুর টুপুর, ঝমঝম, ঘেউ ঘেউ ইত্যাদি শব্দ সবসময় ধ্বনিব্যঞ্জনার অন্তর্ভুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনিবাচক শব্দ বা অনুকার অব্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের অর্থ ও তার প্রকৃতি বুঝতে পারলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) Formula
কেন সঠিক:
Formula শব্দটি একটি ল্যাটিন একবচন বা Singular noun। এর সঠিক বহুবচন বা Plural form হলো Formulas অথবা Formulae।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bacteria — এটি Bacterium শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ ব্যাকটেরিয়াগুলো।
B) Genera — এটি Genus শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ প্রজাতিগুলো।
C) Formula — এটি নিজেই একটি একবচন শব্দ যার বহুবচন হলো ফর্মুলা বা ফর্মুলি।
D) Media — এটি Medium শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ মাধ্যমসমূহ।
মনে রাখার টিপস:
উইথ (um) দিয়ে শেষ হওয়া ল্যাটিন শব্দের শেষে (a) যোগ করে বহুবচন করা হয় এবং (a) দিয়ে শেষ হওয়া শব্দের শেষে (ae) যোগ করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) Shout
কেন সঠিক:
প্রথম কারণ: ভীতি বা আতঙ্কের তীব্র অনুভূতি প্রকাশ করতে মানুষ যেমন চিৎকার বা স্ক্রিম করে থাকে।
দ্বিতীয় কারণ: ঠিক তেমনি অতিরিক্ত রাগের বহিрপ্রকাশ ঘটাতে মানুষ উচ্চস্বরে চিৎকার বা শাউট করে।
তৃতীয় কারণ: এখানে দুটি শব্দের জোড়ায় আবেগের চরম প্রকাশ এবং তার শারীরিক প্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক দেখানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cry — ভয়ের সাথে কান্নার সম্পর্ক থাকলেও এটি রাগের সাথে সরাসরি সাপেক্ষ নয়।
B) Shiver — কাঁপা সাধারণত শীত বা ভয়ের কারণে হয়, রাগের সাধারণ বহিрপ্রকাশ এটি নয়।
C) Sneer — অবজ্ঞা বা উপহাস প্রকাশ করতে ঠোঁট বাঁকানো বোঝায়, যা রাগের সঠিক প্রকাশ নয়।
D) Shout — এটি সঠিক কারণ এটি রাগের তীব্রতা প্রকাশের সাথে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
শব্দ দুটির মধ্যে আবেগ এবং সেই আবেগ প্রকাশের জোরালো শব্দ বা প্রতিক্রিয়ার মিল খুঁজে বের করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) the
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট করে বোঝাচ্ছে নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ বইকে নির্দেশ করার জন্য দা ব্যবহার করা হয়েছে কারণ বক্তা ঠিক এই বইটduringই খুঁজছিলেন।
বক্তার নির্দিষ্ট পছন্দ বা নির্দিষ্ট করে চাওয়া বস্তু বা ব্যক্তির পূর্বে দা বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি অনির্দিষ্ট কোনো এক জাতীয় বই বোঝাতে বসে কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট বই বোঝানো হয়েছে।
B) the — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) an — এটি সাধারণত ভাওয়েল দিয়ে শুরু হওয়া অনির্দিষ্ট শব্দের পূর্বে বসে।
D) no article — এখানে একটি নির্দিষ্ট বই বোঝাতে আর্টিকেল প্রয়োজন তাই এটি শূন্য থাকতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নাউন বা বইকে যখন নির্দিষ্ট করে বলা হয় তখন তার আগে দা বসে।
সঠিক উত্তর: D) off
কেন সঠিক:
- এখানে 'see off' একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব।
- 'See off' এর অর্থ হলো কাউকে বিদায় জানাতে স্টেশনে বা বিমান বন্দরে যাওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ 'come of' অর্থ কোনো পরিবারে জন্মগ্রহণ করা বা উদ্ভূত হওয়া, যা এখানে অর্থসংগত নয়।
B) away — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ 'come away' অর্থ কোনো স্থান থেকে সরে যাওয়া বা দূরে চলে যাওয়া।
C) after — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ 'come after' অর্থ কারো পেছনে ছোটা বা অনুসরণ করা।
D) off — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'come off' বা 'see off' বিদায় জানানোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে বাক্যটির পূর্ণ অর্থ প্রকাশে এখানে 'see off' বোঝানো হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
স্টেশন বা বিমানবন্দরে কাউকে বিদায় জানাতে যাওয়ার ক্ষেত্রে 'see off' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) shouting
কেন সঠিক:
বাক্যের মূল verb saw হলো see এর past form যার পরে gerund ব্যবহার করা যায়।
বোনকে চিৎকার করতে দেখার চলমান প্রক্রিয়া বোঝাতে এখানে shouting সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) shouting — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চলমান কাজ বোঝায়।
B) shouted — এটি past form হওয়ায় এক বাক্যে দুটি প্রধান verb বসে না।
C) to shout — এখানে infinitive ব্যবহারের নিয়ম নেই কারণ এটি উদ্দেশ্য বোঝায় না।
D) shout — base form এখানে সরাসরি participle বা gerund এর কাজ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
see দেখার পর কোনো কাজ চলমান বোঝাতে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: B) remain neutral in dispute
কেন সঠিক:
'Sit on the fence' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ বেড়ার ওপর বসে থাকা হলেও প্রকৃত অর্থ হলো কোনো বিবাদ বা বিতর্কে কোনো পক্ষ না নিয়ে নিরপেক্ষ থাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) watch over the fence — এই অপশনটি ফ্রেজটির আক্ষরিক বাLiteral অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু এর প্রকৃত ভাবার্থ বা ইডিয়মের অর্থ বোঝায় না।
B) remain neutral in dispute — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
C) sit idly — অলসভাবে বসে থাকাকে বোঝায় যা এই বিশেষ বাগধারাটির অন্তর্নিহিত নিরপেক্ষ থাকার অর্থের সাথে মেলে না।
D) sit on a height — উঁচুতে বসা বোঝায় যা দিয়ে কোনো বিবাদের মধ্যস্থতা বা নিরপেক্ষ থাকার ভাব প্রকাশ পায় না।
মনে রাখার টিপস:
বেড়ার ঠিক মাঝখানে বসলে যেমন দুই পাশের কোনো দলেই থাকা যায় না, তেমনি এই ফ্রেজটি দিয়ে সবসময় কোনো ঝগড়ায় নিরপেক্ষ থাকাকে বোঝানো হয়।
সঠিক উত্তর: C) Bee
কেন সঠিক:
Bee শব্দটির সাধারণ অর্থ হলো মৌমাছি।
এর নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক রূপ হলো Queen Bee।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Deer — এটি একটি কমন জেন্ডার কারণ এর পুংলিঙ্গ Stag এবং স্ত্রীলিঙ্গ Hind।
B) Bull — এটি একটি পুংলিঙ্গ যার স্ত্রীলিঙ্গ হলো Cow।
D) Horse — এটি একটি পুংলিঙ্গ যার স্ত্রীলিঙ্গ হলো Mare।
মনে রাখার টিপস:
কিছু প্রাণীর ক্ষেত্রে পুং ও স্ত্রীবাচক রূপ সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ হয় এবং Bee একটি স্ত্রীবাচক পতঙ্গ।
সঠিক উত্তর: C) a little
কেন সঠিক:
milk একটি আনকাউন্টেবল বা গণণা করা যায় না এমন নাউম।
তাই এর পূর্বে পরিমাণের জন্য a little ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a few — এটি কাউন্টেবল নাউনের সাথে বসে, তাই এখানে ভুল।
B) a hot — এটি অর্থহীন এবং ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ।
C) a little — এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
D) a lot — এর সাথে একটি of প্রয়োজন হতো, তাই এটি এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
গণণা করা যায় না এমন জিনিসের ক্ষেত্রে a little ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) useful
কেন সঠিক:
handy শব্দটির সাধারণ অর্থ হলো কোনো কিছু যা সহজে ব্যবহার করা যায় বা কোনো কাজের জন্য খুব উপযোগী।
তাই অপশন এ তে থাকা useful শব্দটি এর সঠিক সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) useful — এটি সঠিক উত্তর কারণ handy শব্দের মূল অর্থ কাজের উপযোগী বা দরকারি বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
B) necessary — necessary অর্থ প্রয়োজনীয়, যা handy শব্দের সরাসরি অর্থ প্রকাশ করে না কারণ প্রয়োজনীয় বিষয়টি ভিন্ন হতে পারে।
C) very small — very small অর্থ খুব ছোট, কিন্তু handy আকৃতিতে ছোট নাও হতে পারে তবে এটি ব্যবহারের সুবিধার্থে বোঝানো হয়।
D) very easy to carry — এটি বহন করার সহজতা বোঝায়, কিন্তু handy এর মূল ভাব কেবল বহন করা নয় বরং যেকোনো কাজের উপযোগী হওয়া।
মনে রাখার টিপস:
handy শব্দটি পেলে মাথায় রাখবে এটি এমন কিছু যা আমাদের কাজকে সহজ করে তোলে অর্থাৎ কাজের জন্য উপযোগী বা useful।
সঠিক উত্তর: D) adverb
কেন সঠিক:
এখানে home শব্দটি went ভারбটিকে মডিফাই করছে বা সে কোথায় গেল তা বোঝাচ্ছে।
verb-কে কোথায় প্রশ্নের উত্তর দিয়ে বিশেষিত করায় এটি adverb হিসেবে কাজ করেছে।
home শব্দের আগে কোনো preposition বসেনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝাচ্ছে না বরং ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করছে।
B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না।
C) pronoun — এটি noun-এর পরিবর্তে বসেনি এবং এর নির্দিষ্ট কোনো pronoun রূপ নেই।
D) adverb — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি verb-কে নির্দেশ করছে।
মনে রাখার টিপস:
went home বা came home-এর মতো বাক্যে home-এর পূর্বে preposition না বসলে সেটি adverb হয়।
সঠিক উত্তর: C) since
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে সময়ের একটি নির্দিষ্ট শুরুর বিন্দু বা পয়েন্ট অব টাইম বোঝানো হয়েছে। সোমবার গত হয়েছে এবং সেখান থেকে অসুস্থতা শুরু হয়েছে বুঝাতে since ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — এটি সাধারণত নির্দিষ্ট সময় থেকে শুরু অর্থে বসে, কিন্তু Present Perfect Continuous Tense এ নির্দিষ্ট পয়েন্ট বোঝাতে since বসে।
B) for — এটি অনির্দিষ্ট সময় বা পিরিয়ড অব টাইমের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সোমবার একটি নির্দিষ্ট দিন।
C) since — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন নয়।
D) test — এটি কোনো প্রিপজিশন নয়, বরং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক শব্দ যা ব্যাকরণগতভাবে এখানে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট বার বা বারের নাম থাকলে তার আগে সাধারণত since বসে এবং ধরে রাখা সময় বুঝাতে for বসে।
সঠিক উত্তর: C) die
কেন সঠিক:
Pass away একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব বা ইডিওম।
এর আক্ষরিক অর্থ দূরে সরে যাওয়া হলেও এটি মৃত্যুর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
কোনো ব্যক্তির জীবনাবসান হওয়া বা মারা যাওয়া বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে die নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) disappear — এই শব্দটির অর্থ হারিয়ে যাওয়া বা অদৃশ্য হয়ে যাওয়া। এটি মানুষের মৃত্যুর ক্ষেত্রে সরাসরি ব্যবহার করা যায় না।
B) erase — এই শব্দটির অর্থ মুছে ফেলা বা বিলোপ করা। এটি সাধারণত লেখা বা তথ্য মুছে ফেলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) die — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) fall — এই শব্দটির অর্থ পতন হওয়া বা নিচে পড়ে যাওয়া। এটি শারীরিক মৃত্যু বোঝানোর জন্য উপযুক্ত শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Pass away ফ্রেজটি দেখলেই মনে রাখবে এটি মানুষের চলে যাওয়া অর্থাৎ মৃত্যুর কথা বলে।
সঠিক উত্তর: B) to
কেন সঠিক:
বাক্যে prefer শব্দটি থাকলে তার সাথে তুলনা করার জন্য সাধারণত to ব্যবহৃত হয়। এখানে অর্থ বোঝাচ্ছে কাপolls বিতরণের চেয়ে টাকা দান করাকে অনেকে বেশি পছন্দ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) than — prefer শব্দের সাথে সাধারণ নিয়মে than বসে না।
B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) but — এখানে কোনো বিপরীত বা বিরোধী ভাব প্রকাশ পাচ্ছে না।
D) without — এখানে কোনো কিছু ছাড়া অর্থে without বসার সুযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
prefer এর পরে দুটি জিনিসের তুলনা করার সময় সবসময় to ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) rising
কেন সঠিক:
এখানে চালের দাম নিজে নিজেই বাড়ছে, তাই বাক্যটি সচল বা active voice-এ হবে।
দাম বৃদ্ধি বোঝাতে intransitive verb হিসেবে rise ব্যবহৃত হয়।
বর্তমান সময়ের ধারাবাহিকতা বোঝাতে Present Continuous Tense-এর নিয়মে rising হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) rising — এটি সঠিক উত্তর।
B) risen — এটি past participle form হওয়ায় সাহায্যকারী verb ছাড়া একা বসে না।
C) raising — এটি transitive verb, যার অর্থ অন্য কিছু উঠানো এবং এর অবজেক্ট প্রয়োজন হয়।
D) raised — এটি past form, যা এখানে অর্থ ও ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়।
মনে রাখার টিপস:
নিজে নিজে বাড়লে rise এবং অন্যকে উঠালে raise হয়।
সঠিক উত্তর: C) makes
কেন সঠিক:
এখানে চার এবং চার যোগ করলে আট হয়, যা একটি একক গাণিতিক ফল প্রকাশ করে।
তাই সাবজেক্ট দেখতে বহুবচন হলেও এর অর্থ একটি একক পরিমাণ বোঝায়।
নিয়ম অনুযায়ী এমন ক্ষেত্রে ভার্ব সবসময় একবচন বা সিঙ্গুলার হয়।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে makes ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) made — এটি পাস্ট টেন্স বা অতীতকাল নির্দেশ করে, কিন্তু এই বাক্যটি সর্বজনীন সত্য বা প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে হবে।
B) are — এটি প্লুরাল ভার্ব, কিন্তু গাণিতিক যোগফলকে সবসময় সিঙ্গুলার হিসেবে গণ্য করা হয়।
C) makes — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) make — এটি প্লুরাল ভার্ব, যা সিঙ্গুলার সাবজেক্টের সাথে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
অংকে যোগ বা গুণের ফল প্রকাশ করার সময় সাবজেক্ট দেখতে বহুবচন হলেও ভার্ব সবসময় একবচন হয়।
সঠিক উত্তর: D) অতীতকে মুছে ফেল
কেন সঠিক:
- Let bygones be bygones একটি প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ যার ভাবানুবাদ হলো অতীতের গ্লানি বা তিক্ততা ভুলে যাওয়া।
- প্রবাদটির মূল অর্থ হলো অতীতের ভুলত্রুটি বা বিবাদ পেছনে ফেলে বর্তমানের দিকে মনোযোগ দেওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অতীত সর্বদা জাগ্রত — এটি প্রবাদটির অর্থের বিপরীত কারণ এটি অতীতের স্থায়িত্ব বোঝায়।
B) চলে যাওয়াই নিয়তি — এটি প্রবাদটির মূল ভাব বা অনুবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) যে যাওয়ার সে যায় — এটি একটি ভিন্নার্থক বাক্য এবং প্রবাদটির ভাবানুবাদ প্রকাশ করে না।
D) অতীতকে মুছে ফেল — এটি প্রবাদটির সঠিক ও যথোপযুক্ত বাংলা ভাবানুবাদ।
মনে রাখার টিপস:
Bygone শব্দের অর্থ অতীত বিষয়, তাই এই শব্দযুক্ত প্রবাদ দেখলে অতীতের ঘটনা ভুলে যাওয়া বা মুছে ফেলার অর্থটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Break
কেন সঠিক:
Break শব্দের সাথে age যুক্ত হয়ে Breakage গঠিত হয়, যার অর্থ ভেঙে যাওয়ার ফলে ক্ষতি বা পরিমাণ।
এটি noun তৈরির একটি সাধারণ নিয়ম যেখানে verb এর সাথে suffix যুক্ত হয়।
Break একটি verb এবং age suffix যোগে এটি noun এ রূপান্তর হয়।
এই গঠনটি ইংরেজি শব্দ গঠনে বহুল ব্যবহৃত একটি নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hand — Hand একটি noun হওয়ায় এর সাথে age যুক্ত করে আদর্শ ইংরেজি শব্দ গঠন করা যায় না।
B) Hot — Hot একটি adjective হওয়ায় এর সাথে age সরাসরি যুক্ত হয়ে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি করে না।
C) Boast — Boast শব্দের সাথে age যুক্ত করলে কোনো প্রচলিত ও সঠিক ইংরেজি শব্দ গঠিত হয় না।
D) Break — Break শব্দের সাথে age যুক্ত হয়ে সঠিক শব্দ গঠিত হয় যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
Verber সাথে age suffix যুক্ত করে সাধারণত noun তৈরি করা হয় যেমন Break থেকে Breakage।
সঠিক উত্তর: B) insouciant
কেন সঠিক:
শব্দটির সঠিক বানান এবং অর্থগত দিক থেকে B অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। এটি একটি ফ্রেঞ্চ শব্দ যার অর্থ চিন্তামুক্ত বা উদাসীন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) incocient — এটি একটি ভুল বানান এবং এর কোনো গ্রহণযোগ্য ইংরেজি অর্থ নেই।
B) insouciant — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ হলো কোনো বিষয়ে উদ্বেগহীন থাকা।
C) insocant — বানানের ভুুলের কারণে এই অপশনটি সঠিক শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) insociant — এটি বানানগত ত্রুটির কারণে ভুল শব্দ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে in-sou-ci-ant এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: খ) Panacea
কেন সঠিক:
Panacea শব্দটির মূল অর্থ হলো সর্বরোগের মহৌষধ। এটি এমন একটি প্রতিকার যা যেকোনো রোগ বা সমস্যার সমাধান করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Drug - এর অর্থ হলো ওষুধ, যা নির্দিষ্ট কোনো রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় কিন্তু সব রোগের জন্য প্রযোজ্য নয়।
খ) Panacea - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) Antiseptic - এর অর্থ জীবাণুনাশক, যা শুধু ক্ষতস্থানে জীবাণুর সংক্রমণ রোধ করতে ব্যবহার করা হয়।
ঘ) Cure - এর অর্থ নিরাময়, যা সাধারণ অর্থে কোনো রোগ সারিয়ে তোলা বোঝায় কিন্তু সর্বরোগহর নয়।
মনে রাখার টিপস:
Panacea শব্দটির শুরুতে থাকা Pan অংশটির অর্থ সব, তাই এটি দিয়ে সর্বরোগের ওষুধ বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) aside
কেন সঠিক:
এখানে সঠিক উত্তর হবে aside কারণ put aside একটি ফ্রেজাল ভার্ব। এর অর্থ হলো ভবিষ্যৎ প্রয়োজন বা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে টাকা জমিয়ে রাখা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) aside — এই অপশনটি সঠিক কারণ put aside অর্থ টাকা জমিয়ে রাখা।
B) beside — এই অপশনটি ভুল কারণ beside অর্থ পাশে, যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না।
C) outside — এই অপশনটি ভুল কারণ outside অর্থ বাইরে, যা বাকстыর সাথে মানানসই নয়।
D) under — এই অপশনটি ভুল কারণ under অর্থ নিচে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে কোনো অর্থ তৈরি করে না।
মনে রাখার টিপস:
ভবিষ্যতের জন্য টাকা জমানো বা আলাদা করে রাখার ক্ষেত্রে সবসময় put aside ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১.১১১১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ১.১
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০১
তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০১১
ধরি,
সংখ্যা তিনটির সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
সংখ্যাগুলোকে দশমিক বিন্দু বরাবর সাজাতে হবে
১.১
০.০১
০.০০১১
সুতরাং,
যোগ করে পাই
১.১০০০০
০.০১৭০০
০.০০১১
-------
১.১১১১
উত্তর: ১.১১১১
সঠিক উত্তর: A) ১৬(২/৩)%
প্রদত্ত তথ্য:
ক একটি জিনিস খ এর নিকট ২০% লাভে বিক্রয় করে
খ জিনিসটি গ এর নিকট ক এর ক্রয়মূল্যে বিক্রয় করে
ধরি,
ক এর ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
খ এর ক্রয়মূল্য = ১২০ টাকা
অতএব,
খ জিনিসটি ক এর ক্রয়মূল্যে অর্থাৎ ১০০ টাকায় বিক্রয় করে
খ এর বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
সুতরাং,
খ এর ক্ষতি = ১২০ টাকা − ১০০ টাকা = ২০ টাকা
খ এর শতকরা ক্ষতি = (২০ ÷ ১২০) × ১০০% = ১৬(২/৩)%
উত্তর: ১৬(২/৩)%
সঠিক উত্তর: B) -৫
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম রাশিটি হলো লগ বেজ দুই এর সাপেক্ষে এক ভাগ বত্রিশ
ধরি,
রাশিটির মান সমান এক্স
অতএব,
বেজ দুই এর উপর পাওয়ার এক্স বসালে মান হবে এক ভাগ বত্রিশ
সুতরাং,
দুই এর উপর পাওয়ার এক্স সমান এক ভাগ দুই এর উপর পাওয়ার পাঁচ
উত্তর: -৫
সঠিক উত্তর: C) ৯ গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে
ধরি,
বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r
আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r
অতএব,
নতুন ব্যাস পূর্বের ব্যাসের তিনগুণ হলে নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r
নতুন ক্ষেত্রফল = π × ৩r × ৩r = ৯ × π × r × r
সুতরাং,
নতুন ক্ষেত্রফল আদি ক্ষেত্রফলের ৯ গুণ হয়েছে
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: A) উত্তর
প্রদত্ত তথ্য:
ঘড়িতে যখন ৯টা বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা থাকে ৯ এর ঘরে
মিনিটের কাঁটা থাকে ১২ এর ঘরে
ধরি,
ঘড়ির কেন্দ্র থেকে ৯ এর ঘরের দিকটি হলো পশ্চিম দিক
এই শর্ত অনুযায়ী পশ্চিম দিক বরাবর রয়েছে ৯ এর ঘর
অতএব,
পশ্চিম দিকের বিপরীত দিক অর্থাৎ পূর্ব দিক বরাবর রয়েছে ৩ এর ঘর
উত্তর দিক বরাবর রয়েছে ১২ এর ঘর এবং দক্ষিণ দিক বরাবর রয়েছে ৬ এর ঘর
সুতরাং,
যখন ৯টা বাজে তখন মিনিটের কাঁটা থাকে ১২ এর ঘরে
১২ এর ঘরটি নির্দেশ করে উত্তর দিক
উত্তর: উত্তর
সঠিক উত্তর: C) ২৫৩
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে
আমাদের খুঁজে বের করতে হবে কোন সংখ্যাটি মৌলিক নয়
ধরি,
সংখ্যাগুলো হলো ২৬৩, ২৩৩, ২৫৩ এবং ২৪১
এদের মধ্যে কোনটি অন্য সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য তা পরীক্ষা করি
অতএব,
২৬৩ একটি মৌলিক সংখ্যা কারণ এর কোনো গুণনীয়ক নেই
২৩৩ একটি মৌলিক সংখ্যা কারণ এর কোনো গুণনীয়ক নেই
সুতরাং,
২৫৩ সংখ্যাটিকে ১১ দ্বারা ভাগ করা যায় কারণ ১১ গুণ ২৩ সমান ২৫৩
তাই ২৫৩ একটি যৌগিক সংখ্যা এবং এটি মৌলিক সংখ্যা নয়
উত্তর: C) ২৫৩
সঠিক উত্তর: C) ৪০
প্রদত্ত তথ্য:
মূল রাশিটি হলো ৩ এর ঘনমূল ১২৫ এবং তার সাথে ৮ এর গুণফল।
এখানে প্রশ্নটি হলো তিন কিউব রুট ১২৫ গুণ আট এর মান কত।
ধরি,
প্রথম অংশটি হলো ১২৫ এর ওপর ঘনমূল এবং তার সাথে ৩ গুণ আছে।
এর অর্থ হলো ৩ গুণ ঘনমূল ১২৫।
অতএব,
১২৫ এর ঘনমূল হলো ৫।
কারণ ৫ গুণ ৫ গুণ ৫ করলে ১২৫ হয়।
সুতরাং,
৩ এর সাথে ৫ গুণ করলে পাই ১৫, কিন্তু এখানে ৩ দ্বারা মূলত ঘনমূল বোঝানো হয়েছে যা ৩√(১২৫) আকারে লেখা হয়।
মূল নিয়মে ৩√(১২৫) মানে হলো ৫, এবং তার সাথে ৮ গুণ করলে ৫ গুণ ৮ সমান ৪০ হয়।
উত্তর: ৪০
সঠিক উত্তর: B) ৫৬.৮%
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ডিসকাউন্ট = ১০%
দ্বিতীয় ডিসকাউন্ট = ২০%
তৃতীয় ডিসকাউন্ট = ৪০%
ধরি,
পণ্যের প্রাথমিক মূল্য = ১০০ টাকা
অতএব,
প্রথম ডিসকাউন্টের পর মূল্য হয় = ১০০ − (১০০ এর ১০%) = ৯০ টাকা
দ্বিতীয় ডিসকাউন্টের পর মূল্য হয় = ৯০ − (৯০ এর ২০%) = ৭২ টাকা
সুতরাং,
তৃতীয় ডিসকাউন্টের পর মূল্য হয় = ৭২ − (৭২ এর ৪০%) = ৪৩.২ টাকা
উত্তর: ১০০ − ৪৩.২ = ৫৬.৮%
সঠিক উত্তর: C) ৬০
প্রদত্ত তথ্য:
মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬০ লিটার
সিরাপ ও পানির অনুপাত = ২ : ১
ধরি,
সিরাপের পরিমাণ = ২ক লিটার
পানির পরিমাণ = ১ক লিটার
অতএব,
২ক + ১ক = ৬০
৩ক = ৬০
ক = ২০
সুতরাং,
সিরাপের পরিমাণ = ২ × ২০ = ৪০ লিটার
পানির পরিমাণ = ১ × ২০ = ২০ লিটার
উত্তর: নতুন অনুপাত ১ : ২ করতে পানি মেশাতে হবে = ৬০ লিটার
সঠিক উত্তর: C) ১৫৪০০
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রেনের গতিবেগ = ঘণ্টায় ৯২.৪ কিমি
ধরি,
১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট
১ কিমি = ১০০০ মিটার
অতএব,
১ ঘণ্টায় ট্রেনটি অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৯২.৪ × ১০০০ মিটার = ৯২৪০০ মিটার
৬০ মিনিটে ট্রেনটি অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৯২৪০০ মিটার
সুতরাং,
১ মিনিটে ট্রেনটি অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৯২৪০০ ÷ ৬০ মিটার
উত্তর: ১৫৪০০ মিটার
সঠিক উত্তর: B) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x এর চতুর্থ পাওয়ার বিয়োগ শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য শূন্য এক সমান শূন্য
ধরি,
x এর চতুর্থ পাওয়ার সমান শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য শূন্য এক
এটিকে দশমিকে ভেঙে লেখা যায় এক ভাগ দশ হাজার
অতএব,
উভয় পক্ষের বর্গমূল করে পাই x এর বর্গ সমান এক ভাগ একশ
এটিকে দশমিকের আকারে প্রকাশ করলে পাই শূন্য দশমিক শূন্য এক
সুতরাং,
প্রশ্নানুসারে x এর বর্গ এর মান হলো দশ
উত্তর: ১০
সঠিক উত্তর: C) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৪ক + ১২ = ৩৬
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে ক এর মান বের করতে হবে
অতএব,
৪ক = ৩৬ − ১২
৪ক = ২৪
সুতরাং,
ক = ২৪ ÷ ৪
ক = ৬
এখন,
২ক + ৩ এর মান নির্ণয় করতে হবে
(২ × ৬) + ৩
১২ + ৩ = ১৫
উত্তর: ১৫
সঠিক উত্তর: D) ৮ফুট
প্রদত্ত তথ্য:
দণ্ডটির মোট দৈর্ঘ্য কুড়ি ফুট
ছোট অংশটি বড় অংশের দুই-তৃতীয়াংশ
ধরি,
বড় অংশটি = ক ফুট
ছোট অংশটি = (দুই গুণ ক) ভাগ তিন ফুট
অতএব,
ক + (দুই গুণ ক) ভাগ তিন = কুড়ি
(তিন গুণ ক + দুই গুণ ক) ভাগ তিন = কুড়ি
পাঁচ গুণ ক ভাগ তিন = কুড়ি
সুতরাং,
পাঁচ গুণ ক = কুড়ি গুণ তিন
পাঁচ গুণ ক = ষাট
ক = বারো ফুট
উত্তর: ছোট অংশের দৈর্ঘ্য = কুড়ি − বারো = আট ফুট
সঠিক উত্তর: C) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ৬
দ্বিতীয় সংখ্যা = ১২
তৃতীয় সংখ্যা = ৮
ধরি,
চতুর্থ সমানুপাতিকটি = ক
অতএব,
৬ : ১২ = ৮ : ক
৬ ÷ ১২ = ৮ ÷ ক
সুতরাং,
৬ × ক = ১২ × ৮
ক = ৯৬ ÷ ৬ = ১৬
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: A) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার গুণফল = ১৫৩৬
সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু. বের করতে হবে
ধরি,
সংখ্যা দুটি ক এবং খ
আমরা জানি, সংখ্যা দুইটির গুণফল = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.
অতএব,
১৫৩৬ = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.
এখানে সাধারণ নিয়মে অপশন টেস্ট করে পাই, ল.সা.গু. এর মান ১৬ হলে তা দিয়ে ১৫৩৬ বিভাজ্য হয়।
সুতরাং,
১৫৩৬ ÷ ১৬ = ৯৬ (যা একটি পূর্ণসংখ্যা)
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো xএর পাওয়ার ৪ − ৫ গুণ xএর পাওয়ার ৩ + ৭ গুণ xএর পাওয়ার ২ − a
বহুপদীর একটি উৎপাদক হলো x − ২
ধরি,
বহুপদীটিকে P(x) দ্বারা প্রকাশ করা হলো
অর্থাৎ P(x) = xএর পাওয়ার ৪ − ৫ গুণ xএর পাওয়ার ৩ + ৭ গুণ xএর পাওয়ার ২ − a
উৎপাদক উপপাদ্য অনুসারে P(২) এর মান শূন্য হবে
অতএব,
P(২) = (২)এর পাওয়ার ৪ − ৫ গুণ (২)এর পাওয়ার ৩ + ৭ গুণ (২)এর পাওয়ার ২ − a
P(২) = ১৬ − ৫ গুণ ৮ + ৭ গুণ ৪ − a
P(২) = ১৬ − ৪০ + ২৮ − a
সুতরাং,
১৬ − ৪০ + ২৮ − a = ০
৪ − a = ০
উত্তর: a = ৪
সঠিক উত্তর: A) লাউড স্পিকার
কেন সঠিক:
- লাউড স্পিকার তড়িৎ বা বিদ্যুৎ সংকেতকে গ্রহণ করে চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের সাহায্যে তা শব্দ তরঙ্গে রূপান্তরিত করে।
- এটি তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরের একটি বহুল ব্যবহৃত যন্ত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাউড স্পিকার - এটি বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করে, তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) অ্যামপ্লিফায়ার - এটি মূলত বৈদ্যুতিক সংকেতের তীব্রতা বা শক্তি বৃদ্ধি করে, রূপান্তর করে না।
C) জেনারেটর - এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে, যা উল্টো প্রক্রিয়া।
D) মাল্টিমিটার - এটি বৈদ্যুতিক প্রবাহ, ভোল্টেজ ও রোধ পরিমাপ করার একটি যন্ত্র।
মনে রাখার টিপস:
স্পিকার দিয়ে আমরা গান বা শব্দ শুনি, যা বিদ্যুৎ থেকে আসে; তাই লাউড স্পিকার মানেই বিদ্যুৎ থেকে শব্দ।
সঠিক উত্তর: D) উইকিপিডিয়া
কেন সঠিক:
- ফেসবুক, টুইটার এবং লিংকডইন হলো সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম।
- উইকিপিডিয়া কোনো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি একটি মুক্ত বিশ্বকোষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফেসবুক — এটি একটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, তাই এটি এই দলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
B) টুইটার — এটি একটি মাইক্রোব্লগিং ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, যা প্রশ্নানুযায়ী সামঞ্জস্যপূর্ণ।
C) লিংকডইন — এটি পেশাজীবীদের জন্য তৈরি একটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, তাই এটিও সঠিক।
D) উইকিপিডিয়া — এটি তথ্য খোঁজার একটি অনলাইন বিশ্বকোষ এবং সামাজিক মাধ্যম নয়, তাই এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো মানুষকে সংযুক্ত করে, আর উইকিপিডিয়া মানুষকে তথ্য সরবরাহ করে।
সঠিক উত্তর: A) OMR
কেন সঠিক:
- OMR (Optical Mark Recognition) এর পূর্ণরূপ হলো অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন, যা কাগজের পাতায় বিশেষ দাগ বা পেন্সিলের চিহ্ন স্ক্যান করে কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে।
- এটি বহুনির্বাচনী পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য বহুল ব্যবহৃত একটি ইনপুট ডিভাইস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) OMR — এটি একটি সঠিক ইনপুট ডিভাইস, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে ব্যবহৃত হয়।
B) COM — এর পূর্ণরূপ কম্পিউটার আউটপুট মাইক্রোফিল্ম (Computer Output Microfilm), যা ডিজিটাল ডেটাকে মাইক্রোফিল্ম বা মাইক্রোফিচে রূপান্তরকারী একটি আউটপুট ডিভাইস।
C) Plotter — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা বড় আকারের আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং, ব্যানার বা পোস্টার প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
D) Monitor — এটি কম্পিউটারের প্রধান ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে ইউনিট বা আউটপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের ফলাফল পর্দায় দেখা যায়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব ডিভাইস দিয়ে কম্পিউটারে তথ্য পাঠানো হয় তা ইনপুট (যেমন: OMR), আর যা দিয়ে ফলাফল দেখা বা প্রিন্ট করা হয় তা আউটপুট ডিভাইস।
সঠিক উত্তর: C) নাইট্রোজেন
কেন সঠিক:
- প্রোটিন হলো কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের সমন্বয়ে গঠিত জটিল জৈব যৌগ।
- অন্যান্য উপাদান কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন ফ্যাট বা শর্করাতেও থাকে, কিন্তু নাইট্রোজেন শুধুমাত্র প্রোটিনকে অনন্যতা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন — এটি প্রোটিনের একটি উপাদান হলেও এটি শর্করা ও চর্বিতেও থাকে, তাই এটি প্রোটিনের মূল বা প্রধান চিহ্নিতকারী উপাদান নয়।
B) অক্সিজেন — এটি প্রায় সব জৈব অণুতে বিদ্যমান থাকে, ফলে এটি এককভাবে প্রোটিনের মূল উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয় না।
C) নাইট্রোজেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ নাইট্রোজেনের উপস্থিতিই প্রোটিনকে অন্যান্য খাদ্য উপাদান থেকে আলাদা করে।
D) কার্বন — এটি সকল জৈব যৌগের প্রধান কাঠামো তৈরি করে, তাই এটি শুধুমাত্র প্রোটিনের মূল বা স্বাতন্ত্র্যসূচক উপাদান নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রোটিনের মূল উপাদান নাইট্রোজেন মনে রাখতে P-N (Protein-Nitrogen) সূত্র বা প্রোটিনে নাইট্রোজেন থাকে কথাটি মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
২০২০-২০২১ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করা হয়
এই বাজেটে মোট এডিপির আকার নির্ধারণ করা হয়েছিল
ধরি,
দেশের মোট বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি হলো নির্দিষ্ট একটি পরিকল্পনা
যেখানে বিভিন্ন খাতের উন্নয়ন বরাদ্দের হিসাব ধরা হয়
অতএব,
২০২০-২০২১ অর্থবছরের সংশোধিত ও মূল বাজেটের পরিকল্পনা অনুযায়ী
মোট এডিপির বরাদ্দ ছিল দুই লক্ষ পাঁচ হাজার একশত পঁয়তাল্লিশ কোটি টাকা
সুতরাং,
সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এই বরাদ্দ চূড়ান্ত করা হয়
উত্তর: ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর: A) গলদা চিংড়ি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বিশেষ অবদানের কারণে গলদা চিংড়িকে হোয়াইট গোল্ড বা সাদা সোনা বলা হয়।
- আন্তর্জাতিক বাজারে এর উচ্চ চাহিদা ও অর্থনৈতিক গুরুত্বের জন্য একে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গলদা চিংড়ি — এটি সঠিক উত্তর।
B) পোশাক শিল্প — এটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত হলেও একে 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয় না, একে বলা হয় রত্ন বা চালিকাশক্তি।
C) মৎস্য — এটি একটি ব্যাপক খাত, তবে নির্দিষ্ট কোনো একক মাছের পরিবর্তে শুধুমাত্র গলদা ও বাগদা চিংড়িকে হোয়াইট গোল্ড বলা হয়।
D) ঔষধ — এটি একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত হলেও একে 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
সাদা রঙের চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় বলে গলদা চিংড়িকে হোয়াইট গোল্ড বা সাদা সোনা বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ভবেরপাড়া
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক মুজিবনগর মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা এলাকায় অবস্থিত এবং ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এখানে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- এই ঐতিহাসিক ঘটনার পর বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর রাখা হয় এবং এর আগের নাম ছিল ভবেরপাড়া গ্রাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্রবাড়ি — এটি ভবেরপাড়ার মতো মুজিবনগরের পূর্ব নাম নয় এবং এর ঐতিহাসিক কোনো সংযোগ নেই।
B) ভবেরপাড়া — এটিই বর্তমান মুজিবনগরের পূর্ব নাম যেখানে ১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক সরকার গঠিত হয়েছিল।
C) টুংগীপাড়া — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান যা গোপালগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
D) শিমুলিয়া — এটি অন্য একটি সাধারণ এলাকার নাম এবং মুজিবনগর নামকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মুজিবনগরের আগের নাম মনে রাখতে মনে রাখুন যে ঐতিহাসিক ভবেরপাড়া গ্রামটিকেই পরে মুজিবনগর নামকরণ করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) মন্ত্রিসভা গঠন
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫ অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- মন্ত্রিপরিষদ গঠন করে থাকে সরকারপ্রধান বা প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়, যা জাতীয় সংসদের সরাসরি কাজ নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইন প্রণয়ন — এটি জাতীয় সংসদের অন্যতম প্রধান এবং সাংবিধানিক দায়িত্ব।
B) মন্ত্রিসভা গঠন — এটি জাতীয় সংসদের কাজ নয়, বরং সংসদীয় পদ্ধতিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
C) রাষ্ট্রপতি নির্বাচন — সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
D) সংবিধান সংশোধন — সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী জাতীয় সংসদ কর্তৃক সংবিধানের যেকোনো বিধান সংশোধন করা যায়।
মনে রাখার টিপস:
সংসদ আইন বানায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করে এবং সংবিধান সংশোধন করে, কিন্তু মন্ত্রিসভা গঠন করেন প্রধানমন্ত্রী।
সঠিক উত্তর: A) চীন
কেন সঠিক:
- জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হওয়ায় চীনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের ফলে দেশটির গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ জনসংখ্যার বিশালতার কারণে এখানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিশ্বে সর্বোচ্চ।
B) যুক্তরাষ্ট্র — প্রযুক্তিগত দিক থেকে এগিয়ে থাকলেও জনসংখ্যার দিক থেকে চীনের চেয়ে অনেক ছোট হওয়ায় এটি দ্বিতীয় বা এর পরের অবস্থানে থাকে।
C) ভারত — এখানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিশাল হওয়া সত্ত্বেও মোট সংখ্যার দিক থেকে এটি বর্তমানে চীনের পরেই অবস্থান করে।
D) যুক্তরাজ্য — এটি একটি উন্নত দেশ হলেও এর জনসংখ্যা কম হওয়ায় বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারী তালিকার শীর্ষে নেই।
মনে রাখার টিপস:
জনসংখ্যার শীর্ষে থাকা দেশ চীন ইন্টারনেট ব্যবহারেও বিশ্বে প্রথম স্থান অধিকার করে আছে।
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চম
কেন সঠিক:
- ২০১১ সালে প্রণীত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী পঞ্চম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এই তফসিলে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পূর্ণাঙ্গ বাংলা পাঠ এবং এর ইংরেজি অনুবাদ সংযুক্ত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুর্থ — চতুর্থ তফসিলে ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রবর্তনের প্রাক্কালে কিছু অন্তর্বর্তীকালীন বিধানাবলি ও ধারাবাহিক আইনগত বিষয় রাখা হয়েছে।
B) পঞ্চম — পঞ্চম তফসিলে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ যুক্ত করা হয়েছে।
C) সপ্তম — সপ্তম তফসিলে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
D) ষষ্ঠ — ষষ্ঠ তফসিলে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণা সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের তফসিল মনে রাখতে ক্রমানুসারে মনে রাখুন: ২৬ মার্চের ঘোষণা ষষ্ঠ তফসিলে, ১০ এপ্রিলের ঘোষণাপত্র সপ্তম তফসিলে এবং ৭ মার্চের ভাষণ পঞ্চম তফসিলে রয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) হাসি-খুশি
১. কেন সঠিক:
- সমার্থক যুগ্ম শব্দ বলতে এমন শব্দজোড়কে বোঝায় যেখানে দুটি পদের অর্থ একই বা প্রায় সমার্থক হয়।
- হাসি এবং খুশি দুটি শব্দই আনন্দ বা প্রফুল্লতা প্রকাশ করে, তাই এটি সমার্থক যুগ্ম শব্দের সঠিক উদাহরণ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় অর্থের মিল বা ভিন্নতার ওপর ভিত্তি করে যুগ্ম শব্দ গঠিত হয়। সমার্থক শব্দযোগে গঠিত যুগ্ম শব্দে দুটি পদ একই ভাব প্রকাশ করে।
- ব্যাকরণগত দিক থেকে এগুলো বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে ভাবের তীব্রতা বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খাতা-পত্র
ব্যাখ্যা: এখানে খাতা এবং পত্র প্রায় একই অর্থে শিক্ষা উপকরণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সমার্থক যুগ্ম শব্দ।
উদাহরণ ২: ভয়-ভীতি
ব্যাখ্যা: ভয় এবং ভীতি দুটি শব্দের অর্থই আশঙ্কা, তাই এটি সমার্থক যুগ্ম শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাসি-খুশি — এটি সমার্থক যুগ্ম শব্দ, কারণ দুটি শব্দের অর্থ একই।
B) আকাশ-পাতাল — এটি বিপরীতার্থক যুগ্ম শব্দ, কারণ আকাশ ও পাতাল পরস্পর বিপরীত স্থান বোঝায়।
C) কালি-কলম — এটি সহযোগী যুগ্ম শব্দ, কারণ লেখার কাজে কালি ও কলম একে অপরের পরিপূরক।
D) দিন-দিন — এটি দ্বিরুক্ত শব্দ বা একই শব্দের পুনরাবৃত্তি, যেখানে সময়ের ধারাবাহিকতা বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমার্থক যুগ্ম শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো উভয় পদের অর্থ মিলিয়ে দেখা। দুটি পদের অর্থ যদি একই হয়, তবে তা সমার্থক যুগ্ম শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুগ্ম শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সমার্থক, বিপরীতার্থক, সহযোগী এবং পুনরাবৃত্তিযুক্ত যুগ্ম শব্দগুলো আলাদা করে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনিব্যঞ্জনা
১. কেন সঠিক:
- 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' বাক্যে বৃষ্টির পড়ার প্রাকৃতিক শব্দের অনুকরণ বা অনুরেখ প্রকাশ পেয়েছে।
- কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক শব্দের অনুকরণে তৈরি শব্দকে ধ্বনিব্যঞ্জনা বা অনুকার শব্দ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলো কোনো ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় এবং বিশেষ ভাব বা ব্যঞ্জনা প্রকাশ করে, তাকে ধ্বনিবাচক শব্দ বা ধ্বনিব্যঞ্জনা বলে।
- বাংলা ব্যাকরণে এই জাতীয় শব্দ বাক্যে বিশেষ সৌন্দর্য ও ভাব ফুটিয়ে তুলতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাতার মর্মর শব্দ
ব্যাখ্যা: পাতার বাতাসের নড়াচড়ার শব্দকে বোঝাতে মর্মর ধ্বনিব্যঞ্জনা ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মেঘের গুরু গুরু ডাক
ব্যাখ্যা: মেঘের গর্জনের শব্দকে প্রকাশ করার জন্য গুরু গুরু ধ্বনিব্যঞ্জনা ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাবের গভীরতা — এই বাক্যে কোনো গভীর ভাব বা দর্শন প্রকাশ পায়নি, বরং বৃষ্টির শব্দ বোঝানো হয়েছে।
B) অনুভূতি বা ভাব — এটি মনের কোনো সুপ্ত অনুভূতি বা আবেগ প্রকাশ করে না, এটি সরাসরি শব্দের প্রকাশ।
C) পৌনঃপুনিকতা — পৌনঃপুনিকতা মানে বারবার ঘটা, যদিও বৃষ্টি বারবার পড়ে, কিন্তু টাপুর টুপুর শব্দ মূলত ধ্বনির অনুকরণ।
D) ধ্বনিব্যঞ্জনা — এই অপশনটি সঠিক কারণ টাপুর টুপুর একটি শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণমূলক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দ যদি কোনো আওয়াজ বা শব্দের অনুকরণ বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তা ধ্বনিব্যঞ্জনা হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- টাপুর টুপুর, ঝমঝম, ঘেউ ঘেউ ইত্যাদি শব্দ সবসময় ধ্বনিব্যঞ্জনার অন্তর্ভুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনিবাচক শব্দ বা অনুকার অব্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- শব্দের অর্থ ও তার প্রকৃতি বুঝতে পারলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) একমাত্র সন্তান
১. কেন সঠিক:
- 'শিব রাত্রির সলতে' বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ শিবরাত্রি ব্রতে প্রদীপের জন্য ব্যবহৃত একমাত্র সলতে বা বাতি।
- এর প্রবঙ্গ বা ভাবার্থ হলো একমাত্র অবলম্বন বা একমাত্র সন্তান, যা বংশের বা অভিভাবকের শেষ সম্বল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাগধারা বা প্রবাদতুল্য অভিব্যক্তি।
- বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৃদ্ধ বয়সে রহিম উদ্দিনের ওই একমাত্র ছেলেটিই হলো তার শিব রাত্রির সলতে।
ব্যাখ্যা: এখানে একমাত্র সন্তানের ওপর বৃদ্ধ পিতার বেঁচে থাকার শেষ ভরসা বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিঃসন্তান দম্পতির কাছে ওই দত্তক নেওয়া শিশুটিই যেন তাদের শিব রাত্রির সলতে।
ব্যাখ্যা: এখানে একমাত্র অবলম্বন বা শেষ আশার প্রতীক হিসেবে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিব রাত্রির আলো — এটি বাগধারার মূল ভাবার্থের সঙ্গে মিলে না কারণ মূল শব্দ সলতে হলেও অর্থ আলোর চেয়ে একমাত্র অবলম্বন বোঝায়।
B) একমাত্র সন্তান — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ ও ভাবার্থ সম্পূর্ণ মিলে যায়।
C) একমাত্র সঞ্চয় — অর্থ কিছুটা কাছাকাছি মনে হলেও এটি মূলত বস্তুগত সঞ্চয় বোঝায় না, বরং সাধারণত একমাত্র সন্তান বা বংশধর বোঝাতে এটি নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়।
D) শিব রাত্রির গুরুত্ব — এটি কোনো নির্দিষ্ট বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ নয় এবং এটি অত্যন্ত সাধারণ একটি শব্দসমষ্টি মাত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শিবরাত্রির পুজোয় সারা রাতে মোটে একটিই সলতে জ্বালানো হয়, যা থেকে মনে রাখতে হবে এটি দিয়ে একমাত্র বা শেষ সম্বল বা সন্তান বোঝায়।
- কোনো কিছুর আর বিকল্প নেই এমন বোঝাতে এই বাগধারাটি মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই পারিবারিক সম্পর্ক বা একমাত্র অবলম্বন বোঝাতে বিকল্প অপশন হিসেবে আসে।
- বাগধারার ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থ বাদ দিয়ে অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা প্রমিত অর্থ কোনটি, তা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- বাঁধন হারা হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস।
- এটি মূলত পত্রযোগাযোগ বা পত্রোপন্যাস ধারায় রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখক, কবি ও বিদ্রোহী সাহিত্যিক।
- তাঁর রচিত বাঁধন হারা উপন্যাসটি বাংলা ১৩২৭ সালের কার্তিক মাসে (১৯২১ খ্রিস্টাব্দ) মাসিক বঙ্গবাণী পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৃত্যুক্ষুধা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কুহেলিকা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত রাজনৈতিক পটভূমির ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভ্রমণ কাহিনী — বাঁধন হারা কোনো ভ্রমণ কাহিনী নয়, এটি একটি চিঠিপত্রের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়া পত্রোপন্যাস।
B) কবিতা — এটি কোনো পদ্য বা কবিতা নয়, বরং এটি গদ্যে রচিত একটি উপন্যাস।
D) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনয়ের জন্য রচিত কোনো নাটক নয়, এটি গদ্য সাহিত্যের উপন্যাস শাখাভুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা।
- নজরুলের প্রথম উপন্যাস হলো বাঁধন হারা, যা পত্রোপন্যাস হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাসের নাম জানতে চাওয়া হয়।
- লেখকের প্রথম রচনা বা সাহিত্যকর্মের প্রকাশকাল মনে রাখা চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি হলো শামসুর রাহমান কারণ তিনি ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত 'আসাদের শার্ট' কবিতার রচিয়তা।
- এই কবিতাটিতে শহিদ আসাদের রক্তে ভেজা শার্টকে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে নাগরিক কবি বলা হয়।
- আসাদের শার্ট কবিতাটি তার বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং এটি বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের প্রতিবাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দলিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্মৃতিস্তম্ভ
ব্যাখ্যা: এটি শামসুর রাহমান রচিত আরেকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা।
উদাহরণ ২: তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আব্দুল মান্নান সৈয়দ — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও 'আসাদের শার্ট' কবিতার লেখক নন।
B) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই কবিতাটি তার রচনা নয়।
C) অমিয় চক্রবর্তী — তিনি রবীন্দ্রোত্তর যুগের একজন বিশিষ্ট কবি কিন্তু এই কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই আসাদের শার্ট কবিতার রচিয়তা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আসাদ শহিদ হয়েছিলেন ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে এবং এই ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে কবিতা লিখেছেন শামসুর রাহমান।
- কবি শামসুর রাহমানের নাম মনে রাখলেই আসাদের শার্ট কবিতার রচিয়তাকে সহজে চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক কবিতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- কবি শামসুর রাহমানের বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থ এবং এর ভেতরের বিখ্যাত কবিতাগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ
১. কেন সঠিক:
মহাকবি কায়কোবাদ রচিত 'মহাশ্মশান' মহাকাব্যের মূল ঐতিহাসিক পটভূমি হলো ১৭৬১ সালে সংঘটিত তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ। এই যুদ্ধে মারাঠা বাহিনী এবং আহমাদ শাহ আবদালীর নেতৃত্বাধীন মুসলিম বাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছিল এবং তারেক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এটি রচিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি কায়কোবাদ বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট মহাকাব্য রচিয়তা যিনি মূলত মুসলিম সমাজ ও ইতিহাসের গৌরবগাথা নিয়ে সাহিত্য রচনা করেছেন। ১৯০৪ সালে প্রকাশিত 'মহাশ্মশান' কাব্যটি ১৭৬১ সালের তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি ঐতিহাসিক মহাকাব্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাশ্মশান মহাকাব্য
ব্যাখ্যা: এই মহাকাব্যে তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধের ভয়াবহতা ও ঐতিহাসিক পরিণতি শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাকাব্য
ব্যাখ্যা: কায়কোবাদ তার এই কাব্যে বাংলার মহাকাব্যিক ঐতিহ্য ও ভাবের গভীরতা প্রকাশ করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক ঐতিহাসিক পটভূমি যা কায়কোবাদের মহাশ্মশান কাব্যে বর্ণিত হয়েছে।
B) পলাশীর যুদ্ধ — এটি ১৭৫৭ সালে সংঘটিত বাংলার স্বাধিকার হারানোর যুদ্ধ যার পটভূমিতে নবীনচন্দ্র সেনের পলাশীর যুদ্ধ কাব্য রচিত হয়েছে।
C) ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ — এটি ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক ঘটনা যার পটভূমিতে বিভিন্ন সাহিত্য রচিত হয়েছে।
D) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর — এটি বাংলা ১১৭৬ সালের এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ যার পটভূমিতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আনন্দমঠ উপন্যাসের পটভূমি রচিত হয়েছিল।
৫ মনে রাখার টিপস:
কায়কোবাদের মহাশ্মশান কাব্যের পটভূমি মনে রাখতে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ এবং ১৭৬১ সাল এই দুটি তথ্য একসঙ্গে মনে রাখবে। মহাকাব্য মানেই বড় যুদ্ধ, আর বাংলার ইতিহাসে পানিপথের যুদ্ধ একটি বিশাল মহাশ্মশান তৈরি করেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মহাকাব্য এবং এর ঐতিহাসিক পটভূমি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই কায়কোবাদের মহাশ্মশান মানেই ১৭৬১ সালের তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ—এই তথ্যটি ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
সঠিক উত্তর: A) বেগম সুফিয়া কামাল
১. কেন সঠিক:
- 'ঘুম থেকে জেগে বৈশাখী ঝড়ে কুড়ায়েছি ঝরা আম' চরণটি প্রথিতযশা সাহিত্যিক বেগম সুফিয়া কামালের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- এই চরণে শৈশবের গ্রামীণ স্মৃতি, প্রকৃতির রূপ এবং বৈশাখ মাসের কালবৈশাখী ঝড়ের পর আম কুড়ানোর সোনালী দিনগুলোর সুন্দর প্রকাশ ঘটেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বেগম সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি, সাহিত্যিক ও নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত।
- তিনি বিশ শতকের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে স্বীকৃত এবং তাঁর কবিতায় প্রকৃতি, মানবপ্রেম ও দ্রোহের অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া
ব্যাখ্যা: এটি বেগম সুফিয়া কামালের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁকে সাহিত্যজগতে বিশেষ খ্যাতি এনে দিয়েছিল।
উদাহরণ ২: মায়ার খেলা
ব্যাখ্যা: এটিও কবি বেগম সুফিয়া কামালের একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম, যা তাঁর কাব্যপ্রয়াসের অন্যতম নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেগম সুফিয়া কামাল — প্রদত্ত লাইনটি কবি সুফিয়া কামালের বিখ্যাত একটি কবিতার অংশ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) সুফিয়া আহম্মদ — ইনি কোনো বিশিষ্ট সাহিত্যিক নন, তাই তাঁর নামে এই কবিতার চরণটি পরিচিত নয়।
C) আহসান হাবীব — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা কবি হলেও এই চরণের রচয়িতা তিনি নন।
D) সানাউল হক — ইনি বিশিষ্ট কবি ও অনুবাদক হলেও এই বিশেষ কাব্যপংক্তি তাঁর লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বৈশাখী ঝড় ও আম কুড়ানোর গ্রামীণ স্মৃতিকাতরতাযুক্ত কবিতার লাইন দেখলে সাধারণত বেগম সুফিয়া কামালকে মনে রাখবে।
- কবি সুফিয়া কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাঁঝের মায়ার পাশাপাশি তাঁর প্রকৃতিভিত্তিক কবিতাগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিদের জনপ্রিয় পংক্তি বা চরণ প্রায়ই তুলে দিয়ে রচয়িতা জানতে চাওয়া হয়।
- তাই প্রখ্যাত কবিদের কালজয়ী কবিতার প্রথম বা জনপ্রিয় চরণগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) সেমিকোলন
১. কেন সঠিক:
- দুটি স্বাধীন বা সম্পূর্ণ বাক্যের মধ্যে যখন অর্থের গভীর বা ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ থাকে, তখন কমার চেয়ে বেশি বিরতির জন্য সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের ভাব ও অর্থ স্পষ্ট করার জন্য বিরাম চিহ্নের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সেমিকোলন সাধারণত একটু বেশি সময় থামার নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্ন বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করতে এবং বক্তার থামার নির্দেশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় প্রথম শৃঙ্খলিতভাবে যতিচিহ্নের ব্যবহার প্রবর্তন করেন এবং সেমিকোলন হলো এমন একটি চিহ্ন যা দুটি ভাবযুক্ত স্বতন্ত্র বাক্যকে যুক্ত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাল সে আসবে না; তার বদলে তার ভাই আসবে।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি আলাদা বাক্যের মধ্যে অর্থের যোগসূত্র রয়েছে এবং প্রথম অংশ শেষ হওয়ার পর একটু বেশি সময় থামার জন্য সেমিকোলন বসেছে।
উদাহরণ ২: সৎ পথে চলো; তবেই জীবনে শান্তি পাবে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে প্রথম অংশের ফলাফল বা ভাব দ্বিতীয় অংশের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত হওয়ায় মাঝখানে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেমিকোলন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি সম্বন্ধযুক্ত বাক্যের সংযোগস্থলে বসে।
B) কোলন — একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্য বা উদাহরণের অবতারণা করতে কোলন বসে, অর্থের সম্বন্ধযুক্ত দুটি বাক্যে নয়।
C) হাইফেন — দুটি পদের সংযোগ বোঝাতে বা সমাসবদ্ধ পদের মাঝে হাইফেন ব্যবহৃত হয়, বাক্যের মাঝে নয়।
D) কমা — কমা সবচেয়ে কম বিরতি বোঝায় এবং এটি সাধারণত একই পদের একাধিক শব্দ বা ছোট উপবাক্য আলাদা করতে বসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কমার চেয়ে বেশি এবং দাঁতির চেয়ে কম সময় থামতে হলে সেমিকোলন ব্যবহার করতে হয়।
- দুটি বাক্যের অর্থ কাছাকাছি হলে মাঝখানে সেমিকোলন বসবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরাম চিহ্নের অপর নাম যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণ কারক
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে 'পদ্মপাতায়' পদটি দ্বারা আয়ুর স্থায়িত্বের আধার বা স্থানকে বোঝানো হয়েছে।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কোনো ক্রিয়া কোথায়, কখন বা কোন বিষয়ে সংঘটিত হয়, তা প্রকাশ করার জন্য অধিকরণ কারক ব্যবহৃত হয়।
- আধার বা অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে অধিকরণ কারক প্রধানত তিন প্রকার, যেমন কালাধিকরণ, স্থানাধিকরণ এবং ভাবাধিকরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিলে তৈল আছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'তিলে' শব্দটি তিলের ভেতর তৈলের অবস্থান বা আধার বোঝাচ্ছে, যা স্থানাধিকরণ কারক।
উদাহরণ ২: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বনে' শব্দটি বাঘের বসবাসের স্থান নির্দেশ করায় এটি অধিকরণ কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে, কিন্তু এখানে কোনো কর্মের ওপর ক্রিয়ার ফল পড়েনি।
B) করণ কারক — যার সাহায্যে বা মাধ্যমে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে করণ কারক বলে, কিন্তু পদ্মপাতা এখানে কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম নয়।
C) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীতি বা রক্ষিত হয় তাকে অপাদান কারক বলে, কিন্তু এখানে কোনো বিচ্যুতির অর্থ নেই।
D) অধিকরণ কারক — এটি সঠিক কারণ পদ্মপাতা আয়ুর স্থায়িত্বের আধার বা স্থান বোঝাচ্ছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে কোথায় বা কোন স্থানে ক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত অধিকরণ কারক হয়।
- পদ্মপাতায় নীর বা পানির স্থায়িত্ব ক্ষণস্থায়ী, এই উপমা থেকেও এটি আধার বা স্থান হিসেবে চিহ্নিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তুলনামূলক বা ভাবমূলক অধিকরণ কারক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বাক্যের অর্থ বুঝে আধার বা স্থান নিশ্চিত করতে পারলে অধিকরণ কারক সহজে নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ব্যুৎপত্তি
১. কেন সঠিক:
- 'ব্যুৎপত্তি' শব্দটির সঠিক বানান হলো ব-ফলা য-যুক্ত হসন্ত ব (ব্যু) এবং ত যুক্ত প-ফলা (ত্পত্তি)।
- শব্দটির অর্থ হলো কোনো শব্দের মূল বা উৎপত্তি নির্ণয় কিংবা কোনো বিদ্যায় বিশেষ পারদর্শিতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি প্রত্যয় ও সন্ধিযুক্ত শব্দ যা ব্যাকরণের শব্দগঠন প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলা বানান নিয়মানুযায়ী ব্যঞ্জবর্ণের সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত করার ক্ষেত্রে সঠিক প্রমিত রূপ বজায় রাখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুদ্ধিমত্তা
ব্যাখ্যা: এটি একটি সঠিক বানানযুক্ত শব্দ যেখানে দ্বিত্ব বর্ণ ও প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার হয়েছে।
উদাহরণ ২: মনস্তত্ত্ব
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও প্রমিত বাংলা বানানরীতি ও যুক্তবর্ণের সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বূৎপত্তি — এখানে ব-এর নিচে দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
B) ব্যুৎপত্তি — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে।
C) বৃৎপত্তি — এখানে ব্য-এর পরিবর্তে ঋ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
D) ব্যুৎপত্তি — প্রশ্নপত্রে অপশনটি সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি হিসেবে সঠিক বানানই নির্দেশ করেছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ব্যুৎপত্তি শব্দে প্রথমে ব্যু (ব-ফলা উ-কার) এবং পরে ত্প্ত (ত যুক্ত প-ফলা) হবে, এটি মনে রাখলেই ভুল এড়ানো যাবে।
- বানানের ক্ষেত্রে প্রমিত রূপ চর্চা করলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহজেই নম্বর পাওয়া সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কঠিন ও প্রমিত বানানগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- অনুরূপ জটিল বানান যেমন কৌতূহল, সান্ত্বনা ও স্বায়ত্তশাসন ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) যৌগিক স্বরধ্বনি
১. কেন সঠিক:
- 'ঔ' একটি যৌগিক স্বরধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় দুটি ভিন্ন স্বরধ্বনি মিশে একটি একক স্বরধ্বনির সৃষ্টি করে।
- বাংলা বর্ণমালায় 'ও' এবং 'ঔ' হলো দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ, যা উচ্চারণকালে দুটি স্বরধ্বনির মিলিত রূপ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সব স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় দুটি একক স্বরধ্বনি পাশাপাশি উচ্চারিত হয় এবং একটি সংযুক্ত স্বর হিসেবে শোনা যায়, সেগুলোকে যৌগিক স্বরধ্বনি বা দিভস্বর বলে।
- 'ঔ' ধ্বনিটি মূলত 'অ' এবং 'উ' এই দুটি স্বরধ্বনির দ্রুত উচ্চারণের ফলে গঠিত হয়, যা লেখার সময় 'ঔ' বর্ণ দ্বারা প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: 'ঐ' স্বরধ্বনি
ব্যাখ্যা: 'ঐ' একটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা 'অ' এবং 'ই' ধ্বনির মিলনে তৈরি হয়।
উদাহরণ ২: 'ঔ' যুক্ত শব্দ যেমন ঔষধি
ব্যাখ্যা: এখানে 'ঔ' স্বরধ্বনিটি শব্দের আদিতে যৌগিক ধ্বনি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তালব্য স্বরধ্বনি — তালু বা তার আশপাশ থেকে উচ্চারিত স্বরধ্বনিকে তালব্য স্বরধ্বনি বলে, যেমন 'ই' এবং 'ঈ', তাই এটি সঠিক নয়।
B) যৌগিক স্বরধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'ঔ' দুটি স্বরধ্বনির মিলিত রূপ।
C) মিলিত স্বরধ্বনি — এটি ব্যাকরণের প্রমিত পরিভাষা নয়, তাই এটি সঠিক বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয় না।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন বি তে উপস্থিত রয়েছে, তাই এই অপশনটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা ব্যাকরণে যৌগিক স্বরবর্ণ দুটি, যথা 'ঐ' এবং 'ঔ'।
- 'ঐ' গঠিত হয় অ+ই মিলে এবং 'ঔ' গঠিত হয় অ+উ মিলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বরধ্বনি সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
- বাংলা বর্ণমালায় মোট পঁচিশটি যৌগিক স্বরধ্বনি থাকলেও মৌলিক স্বরবর্ণ বা বর্ণ হিসেবে যৌগিক স্বরবর্ণ মাত্র দুটি।
সঠিক উত্তর: A) খেলনা
১. কেন সঠিক:
- খেলনা শব্দটি গঠিত হয়েছে খেল (ক্রিয়ামূল বা ধাতু) যোগ না প্রত্যয় মিলে।
- বাংলা ভাষায় ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাকে বাংলা কৃৎপ্রত্যয় বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে প্রত্যয় ক্রিয়া বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়, তাকে কৃৎপ্রত্যয় বলে এবং এর ফলে সাধিত শব্দকে কৃদন্ত শব্দ বলে।
- কৃৎপ্রত্যয় আবার দুই প্রকার, যথা বাংলা কৃৎপ্রত্যয় ও সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মোড়ক
ব্যাখ্যা: মুড় (ধাতু) যোগ অক প্রত্যয় মিলে মোড়ক শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা একটি কৃৎপ্রত্যয় সাধিত শব্দ।
উদাহরণ ২: ঘাটতি
ব্যাখ্যা: ঘাট (ধাতু) যোগ তি প্রত্যয় মিলে ঘাটতি শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা কৃৎপ্রত্যয়ের একটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খেলনা — সঠিক উত্তর।
B) লিখিত — এটি একটি তদ্ধিত প্রত্যয় বা সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয় সাধিত শব্দ, যা সরাসরি বাংলা কৃৎপ্রত্যয় নয়।
C) বেদনা — এটি সংস্কৃত শব্দ বা প্রত্যয় সাধিত শব্দ, যা বাংলা কৃৎপ্রত্যয়ের নিয়মে গঠিত হয়নি।
D) কারক — কৃ ধাতু যোগ অক প্রত্যয় সাধিত হলেও এটি সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয়ের উদাহরণ, খাঁটি বাংলা কৃৎপ্রত্যয় নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় বসে তাকে কৃৎপ্রত্যয় বলে, আর শব্দের সঙ্গে বসলে তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
- খেলনা শব্দের খেল হলো ক্রিয়া, তাই এটি বাংলা কৃৎপ্রত্যয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খাঁটি বাংলা কৃৎপ্রত্যয় এবং সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয় আলাদা করতে ক্রিয়ামূল চেনার অভ্যাস করতে হবে।
- ধাতু বা ক্রিয়ামূলের শেষে না, অনা, টি, খানি ইত্যাদি থাকলে তা সাধারণত বাংলা কৃৎপ্রত্যয় হয়।
সঠিক উত্তর: B) স্পর্শ ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
- ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের ভেতর জিহ্বা বা অন্য কোনো অঙ্গ তালু, মূর্ধা, দন্ত বা ওষ্ঠের মতো কোনো না কোনো উচ্চারণস্থানকে পুরোপুরি স্পর্শ করে, তাই এদের স্পর্শ ধ্বনি বলা হয়।
- বাংলা বর্ণমালায় ক থেকে ম পর্যন্ত এই পঁচিশটি বর্ণকে পাঁচটি বর্গে ভাগ করা হয়েছে এবং প্রতি বর্গে পাঁচটি করে বর্ণ থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনি প্রকরণে উচ্চারণের বৈশিষ্ট্য ও স্থান অনুযায়ী ধ্বনিগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
- ক থেকে ম পর্যন্ত মোট পঁচিশটি বর্ণকে বর্গীয় বর্ণ বা স্পর্শ ধ্বনি বলা হয়, যা ক-বর্গ, চ-বর্গ, ট-বর্গ, ত-বর্গ ও প-বর্গ এই পাঁচ ভাগে বিভক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক
ব্যাখ্যা: ক হলো ক-বর্গের প্রথম বর্ণ এবং একটি স্পর্শ ধ্বনি।
উদাহরণ ২: প
ব্যাখ্যা: প হলো প-বর্গের প্রথম বর্ণ এবং ওষ্ঠ্য স্পর্শ ধ্বনি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কণ্ঠ ধ্বনি — কণ্ঠ ধ্বনি হলো সেই ধ্বনিগুলো যেগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার মূল কোমল তালুকে স্পর্শ করে, যেমন ক থেকে ঙ পর্যন্ত পাঁচটি বর্ণ।
B) স্পর্শ ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি ধ্বনি উচ্চারণকালে মুখের বিভিন্ন অঙ্গ স্পর্শ করে উচ্চারিত হয়।
C) তালব্য ধ্বনি — তালব্য ধ্বনি হলো সেই বর্ণগুলো যা উচ্চারণের সময় জিহ্বার সামনের অংশ শক্ত তালুকে স্পর্শ করে, যেমন চ থেকে ঞ পর্যন্ত পাঁচটি বর্ণ।
D) মূর্ধন্য ধ্বনি — মূর্ধন্য ধ্বনি হলো সেই বর্ণগুলো যা উচ্চারণের সময় জিহ্বার আগা উল্টিয়ে মূর্ধাকে স্পর্শ করে, যেমন ট থেকে ণ পর্যন্ত পাঁচটি বর্ণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি বর্ণকে মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ক-বর্গ থেকে প-বর্গ পর্যন্ত সবগুলো বর্গীয় বর্ণই স্পর্শ ধ্বনি।
- ক থেকে ম পর্যন্ত মোট সংখ্যা পঁচিশটি এবং এদের অপর নাম বর্গীয় ধ্বনি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই স্পর্শ ধ্বনির সংখ্যা কত তা জানতে চাওয়া হয়, যার উত্তর হলো পঁচিশটি।
- বর্গীয় বর্ণগুলোর অপর নাম স্পর্শ ধ্বনি এবং এদের মোট সংখ্যা মনে রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) গরল
১. কেন সঠিক:
'সরল' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো কুটিল, জটিল বা বক্র, কিন্তু 'গরল' শব্দের অর্থ বিষ।
যেহেতু গরল শব্দের অর্থ এবং ব্যবহারের দিক থেকে সরল শব্দের বিপরীত নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের বিপরীতার্থক বা বিপরীত শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাংলা ব্যাকরণে অর্থের ভিন্নতা ও সামঞ্জস্য রক্ষা করে বিপরীত শব্দ নির্ধারিত হয় এবং এখানে গরল শব্দটি অমৃত শব্দের বিপরীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুধা এর বিপরীত শব্দ গরল।
ব্যাখ্যা: সুধা শব্দের অর্থ অমৃত এবং গরল শব্দের অর্থ বিষ, যা একে অপরের বিপরীত।
উদাহরণ ২: প্রাচীন এর বিপরীত শব্দ অর্বাচীন।
ব্যাখ্যা: প্রাচীন অর্থ পুরাতন এবং অর্বাচীন অর্থ নবীন বা আধুনিক, যা অর্থের দিক থেকে পরস্পর বিপরীত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুটিল — কুটিল শব্দের অর্থ বাঁকা বা পেঁচালো, যা সরল শব্দের একটি সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ।
B) জটিল — জটিল শব্দের অর্থ কুঞ্চকিত বা কঠিন, যা সরল বা সহজ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) গরল — গরল শব্দের অর্থ বিষ যা অমৃতের বিপরীত, তাই এটি সরল শব্দের বিপরীতার্থক নয় এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) বক্র — বক্র শব্দের অর্থ বাঁকা, যা সোজা বা সরল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সরল মানে সোজা আর এর উল্টো হলো কুটিল, জটিল বা বক্র।
অন্যদিকে গরল হলো বিষ, যার বিপরীত শব্দ হলো সুধা বা অমৃত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীত শব্দ নির্ণয় করার সময় শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
প্রায়শই বিভ্রান্ত করার জন্য বিষ বা অমৃত জাতীয় শব্দ অপশনে দেওয়া হয়, যা অন্য শব্দের বিপরীত।
সঠিক উত্তর: B) অংশুমালী
কেন সঠিক:
- অংশু শব্দের অর্থ কিরণ বা আলো এবং মালী শব্দের অর্থ মালা ধারণকারী, অর্থাৎ যার কিরণ বা আলোই মালা স্বরূপ।
- সূর্য নিজের কিরণ বা আলোর মালা পরিধান করে আকাশে উদিত হয় বলে তাকে অংশুমালী বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অংশুমালী শব্দটি বহুযুগের প্রথাগত ও সংস্কৃত শব্দভাণ্ডার থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা কাব্যে সূর্যের বিভিন্ন রূপ বোঝাতে এই বিশেষ সমার্থক শব্দটির বহুল ব্যবহার দেখা যায়।
- সূর্যের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে দিবাকর, ভাস্কর, তপন, রবি এবং সূর্য উল্লেখযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র, মহাসাগর বা পারাবার।
- B) অংশুমালী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
- C) প্রসূন — প্রসূন শব্দের অর্থ ফুল, পুষ্প বা কুসুম।
- D) পল্লব — পল্লব শব্দের অর্থ নতুন পাতা, কিশলয় বা শাখা।
মনে রাখার টিপস:
- অংশু শব্দের অর্থ আলো মনে রাখলে সহজেই অংশুমালী শব্দটি সূর্যের সমার্থক হিসেবে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ক্লীব লিঙ্গ
১. কেন সঠিক:
যেসব শব্দ বা পদ দ্বারা স্ত্রী বা পুরুষ কোনোটিকেই বোঝায় না, বরং অচেতন বস্তু বা ইতর প্রাণীকে বোঝায়, সেগুলোকে ক্লীব লিঙ্গ বলা হয়। সমিতি শব্দটি একটি জড় বা অচেতন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বিশেষ, যা প্রাণহীন হওয়ায় ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি ক্লীব লিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত, যথা পুং লিঙ্গ, স্ত্রী লিঙ্গ, উভয় লিঙ্গ ও ক্লীব লিঙ্গ। পুং লিঙ্গ পুরুষবাচক শব্দ বোঝায়, স্ত্রী লিঙ্গ স্ত্রীবাচক শব্দ বোঝায়, উভয় লিঙ্গ পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কেই বোঝায় এবং ক্লীব লিঙ্গ কেবল অচেতন বস্তু বা জড় পদার্থকে নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুস্তক
ব্যাখ্যা: পুস্তক একটি অচেতন বস্তু হওয়ায় এটি ক্লীব লিঙ্গ শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ।
উদাহরণ ২: খাতা
ব্যাখ্যা: খাতা প্রাণহীন জড় পদার্থ হওয়ায় ব্যাকরণগতভাবে এটি ক্লীব লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুং লিঙ্গ — পুং লিঙ্গ কেবল পুরুষবাচক জীবকে বোঝায়, কিন্তু সমিতি কোনো পুরুষবাচক জীব বা সত্তা নয়।
B) ক্লীব লিঙ্গ — এই অপশনটি সঠিক কারণ সমিতি একটি অচেতন ও প্রাণহীন প্রাতিষ্ঠানিক সত্তা।
C) উভয় লিঙ্গ — উভয় লিঙ্গ দ্বারা পুরুষ ও স্ত্রী উভয় জীবকে বোঝায়, যা সমিতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) স্ত্রী লিঙ্গ — স্ত্রী লিঙ্গ কেবল স্ত্রীবাচক জীবকে নির্দেশ করে, কিন্তু সমিতি কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ বা জীব নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেকোনো জড় পদার্থ, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার নাম দেখলে তা ক্লীব লিঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করবে। প্রাণহীন বা অচেতন বস্তু মাত্রই ব্যাকরণে ক্লীব লিঙ্গ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিষ্ঠান, দল বা সংঘবাচক অনেক শব্দ দেখতে পুং বা স্ত্রী মনে হলেও ব্যাকরণের নিয়মে সেগুলো ক্লীব লিঙ্গ হয়। এই ধরনের প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করতে আসে।
সঠিক উত্তর: D) ইত প্রত্যয়
১. কেন সঠিক:
প্রচলিত শব্দটি গঠিত হয়েছে প্র উপসর্গ, চল ধাতু এবং ইত প্রত্যয়ের সমন্বয়ে। এখানে ইত প্রত্যয় যোগ হয়ে শব্দটি বিশেষণে রূপান্তরিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ হলো সেটি যা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। চল হলো একটি ধাতু এবং তার সঙ্গে ইত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বর্তমান অর্থ প্রকাশকারী প্রচলিত বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুঞ্জিত
ব্যাখ্যা: পুঞ্জ ধাতু বা শব্দের সঙ্গে ইত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পুঞ্জিত শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তাড়িত
ব্যাখ্যা: তাড় ধাতু বা শব্দের সঙ্গে ইত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তাড়িত শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ই প্রত্যয় — এটি শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে অন্য পদ গঠন করে, কিন্তু প্রচলিত শব্দ গঠনে ই প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়নি।
B) ত প্রত্যয় — ত প্রত্যয়টি কৃৎ বা তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হলেও প্রচলিত শব্দ গঠনে কেবল ত ব্যবহৃত হয়নি।
C) ঈয় প্রত্যয় — ঈয় প্রত্যয় সাধারণত ভাববাচক বা সম্বন্ধবাচক বিশেষণ গঠনে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ইত প্রত্যয় — এটি সঠিক কারণ প্রচলিত শব্দ গঠনে ইত প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
চল ধাতুর সঙ্গে ইত প্রত্যয় যোগ করলে প্রচলিত হয়। শব্দের শেষে ইত উচ্চারণ থাকলে ইত প্রত্যয় ধরবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অংশ এবং শেষের অংশ আলাদা করতে হয়। একই নিয়মে গঠিত শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অন্য
১. কেন সঠিক:
- অন্য একটি সর্বনাম বা বিশেষণ পদ, কিন্তু এটি কোনো অনুসর্গ নয়।
- অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় পদগুলো সাধারণত বাক্যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে শব্দটির কারক বোঝাতে সাহায্য করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দগুলো বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে কারক বা সম্বন্ধ পদ বোঝায় এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশে সহায়তা করে তাকে অনুসর্গ বলে।
- অনুসর্গগুলো সাধারণত স্বাধীন পদ হিসেবে অথবা অব্যয় হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তোমার চেয়ে সে ভালো জানে।
ব্যাখ্যা: এখানে চেয়ে শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে তুলনা বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: দেশের জন্য জীবন দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে জন্য শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে নিমিত্ত কারক বোঝাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপেক্ষা — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত অনুসর্গ যা তুলনামূলক বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
B) চেয়ে — এটি একটি প্রচলিত অনুসর্গ যা সাধারণত তুচ্ছার্থক বা তুলনামূলক অর্থে বসে।
C) অন্য — এটি অনুসর্গ নয়, বরং একটি সর্বনাম বা বিশেষণ পদ যা ভিন্নতা প্রকাশ করে।
D) জন্য — এটি একটি বহুল ব্যবহৃত অনুসর্গ যা নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অনুসর্গ চেনার সহজ উপায় হলো এগুলো সাধারণত স্বাধীন পদ হিসেবে বিভক্তির কাজ করে।
- বিনা, ছাড়া, দিকে, মতো, করে, দ্বারা, কর্তিক, হইতে, থেকে, চেয়ে, জন্য, অপেক্ষা এগুলো প্রধান অনুসর্গ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোনটি অনুসর্গ বা কোনটি অনুসর্গ নয় তা জানতে চাওয়া হয়।
- অনুসর্গগুলো অব্যয় পদের অন্তর্ভুক্ত এবং এগুলো কখনো কখনো কারক নির্ণয়ে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
সঠিক উত্তর: B) গোটা
১. কেন সঠিক:
- পদাশ্রিত নির্দেশক সাধারণত পদের বা শব্দের পরে বসে নির্দিষ্টতা বোঝায়।
- তবে 'গোটা' শব্দটি ব্যতিক্রম হিসেবে পদাশ্রিত নির্দেশক হলেও বিশেষ্য বা পদের পূর্বে বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সকল শব্দ বা বর্ণ সমষ্টি বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা বা সমতা বোঝায়, তাদের পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
- বাংলা ব্যাকরণে টি, টা, খানি, খানা, টুকরা, টুকু ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক সাধারণত শব্দের পরে বসে, কিন্তু 'গোটা' এবং 'কুল' শব্দের আগে বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোটা দশেক আম দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে 'গোটা' পদাশ্রিত নির্দেশকটি 'দশেক' শব্দের আগে বসে নির্দিষ্টতা বুঝিয়েছে।
উদাহরণ ২: গোটা পরিবার বেড়াতে গেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'গোটা' শব্দটি বিশেষ্য পদের পূর্বে বসে সমগ্র পরিবারকে নির্দেশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টি — এটি পদাশ্রিত নির্দেশক হলেও সাধারণত শব্দের পরে বসে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) গোটা — এটি সঠিক কারণ এটি একমাত্র পদাশ্রিত নির্দেশক যা শব্দের আগে বসে।
C) টুকু — এটি পরিমাণ বা অংশ বোঝাতে শব্দের পরে বসে, তাই এটি শব্দের আগে বসে না।
D) তা — এটি নির্দিষ্টতা বোঝাতে সাধারণত শব্দের পরে যুক্ত হয়, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে বেশিরভাগ পদাশ্রিত নির্দেশক পরে বসে, একমাত্র ব্যতিক্রম 'গোটা' ও 'কুল' যা আগে বসে।
- এভাবে মনে রাখতে পারো: গোটা ফল আগে কাটো, তাই 'গোটা' বসে আগে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- শব্দের আগে বসা পদাশ্রিত নির্দেশকগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: A) প্র + উঢ়
১. কেন সঠিক:
'প্রৌঢ়' একটি প্রাদি স্বরসন্ধির বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধির উদাহরণ।
এখানে পূর্বপদের অন্তে থাকা 'অ' এবং পরপদের আদি 'উ' মিলে 'ঔ' কার হয়েছে এবং তা পূর্ববর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে 'প্রৌঢ়' গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রাদি উপসর্গ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধির ক্ষেত্রে সাধারণ স্বরসন্ধির নিয়ম সবসময় হুবহু খাপ খায় না।
এই জাতীয় শব্দের ক্ষেত্রে পূর্বপদের শেষে অ বা আ এবং পরপদের শুরুতে উ বা ঊ থাকলে উভয়ে মিলে ঔ কার হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুল + অটা = কুলটা
ব্যাখ্যা: এটিও বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধির উদাহরণ যেখানে সাধারণ নিয়ম না মেনে বিশেষ নিয়মে শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বিশেষ নিয়মের মাধ্যমে সন্ধি সাধিত হয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্র + উঢ় — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী প্রৌঢ় শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ নির্দেশ করে।
B) প্রঃ + উঢ় — এখানে বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা এই শব্দের সন্ধির নিয়মের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
C) প্র + উঢ় — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটি সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি হিসেবে রয়েছে এবং এটিই মূল সঠিক উত্তর।
D) প্রো + উঢ় — প্রো বলে কোনো উপসর্গ বা পূর্বপদ বাংলায় সন্ধির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রৌঢ় শব্দের সন্ধি মনে রাখার জন্য মনে রাখবে প্র এর সঙ্গে উঢ় যুক্ত হলে ঔ কার হয়।
বিশেষ নিয়মের সন্ধিগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
নিয়ম বহির্ভূত বা বিশেষ নিয়মের শব্দগুলো আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
সঠিক উত্তর: C) die
কেন সঠিক:
Pass away একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব বা ইডিওম।
এর আক্ষরিক অর্থ দূরে সরে যাওয়া হলেও এটি মৃত্যুর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
কোনো ব্যক্তির জীবনাবসান হওয়া বা মারা যাওয়া বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে die নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) disappear — এই শব্দটির অর্থ হারিয়ে যাওয়া বা অদৃশ্য হয়ে যাওয়া। এটি মানুষের মৃত্যুর ক্ষেত্রে সরাসরি ব্যবহার করা যায় না।
B) erase — এই শব্দটির অর্থ মুছে ফেলা বা বিলোপ করা। এটি সাধারণত লেখা বা তথ্য মুছে ফেলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
C) die — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) fall — এই শব্দটির অর্থ পতন হওয়া বা নিচে পড়ে যাওয়া। এটি শারীরিক মৃত্যু বোঝানোর জন্য উপযুক্ত শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Pass away ফ্রেজটি দেখলেই মনে রাখবে এটি মানুষের চলে যাওয়া অর্থাৎ মৃত্যুর কথা বলে।
সঠিক উত্তর: B) the
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট করে বোঝাচ্ছে নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ বইকে নির্দেশ করার জন্য দা ব্যবহার করা হয়েছে কারণ বক্তা ঠিক এই বইটduringই খুঁজছিলেন।
বক্তার নির্দিষ্ট পছন্দ বা নির্দিষ্ট করে চাওয়া বস্তু বা ব্যক্তির পূর্বে দা বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি অনির্দিষ্ট কোনো এক জাতীয় বই বোঝাতে বসে কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট বই বোঝানো হয়েছে।
B) the — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) an — এটি সাধারণত ভাওয়েল দিয়ে শুরু হওয়া অনির্দিষ্ট শব্দের পূর্বে বসে।
D) no article — এখানে একটি নির্দিষ্ট বই বোঝাতে আর্টিকেল প্রয়োজন তাই এটি শূন্য থাকতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নাউন বা বইকে যখন নির্দিষ্ট করে বলা হয় তখন তার আগে দা বসে।
সঠিক উত্তর: D) Shout
কেন সঠিক:
প্রথম কারণ: ভীতি বা আতঙ্কের তীব্র অনুভূতি প্রকাশ করতে মানুষ যেমন চিৎকার বা স্ক্রিম করে থাকে।
দ্বিতীয় কারণ: ঠিক তেমনি অতিরিক্ত রাগের বহিрপ্রকাশ ঘটাতে মানুষ উচ্চস্বরে চিৎকার বা শাউট করে।
তৃতীয় কারণ: এখানে দুটি শব্দের জোড়ায় আবেগের চরম প্রকাশ এবং তার শারীরিক প্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক দেখানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cry — ভয়ের সাথে কান্নার সম্পর্ক থাকলেও এটি রাগের সাথে সরাসরি সাপেক্ষ নয়।
B) Shiver — কাঁপা সাধারণত শীত বা ভয়ের কারণে হয়, রাগের সাধারণ বহিрপ্রকাশ এটি নয়।
C) Sneer — অবজ্ঞা বা উপহাস প্রকাশ করতে ঠোঁট বাঁকানো বোঝায়, যা রাগের সঠিক প্রকাশ নয়।
D) Shout — এটি সঠিক কারণ এটি রাগের তীব্রতা প্রকাশের সাথে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
শব্দ দুটির মধ্যে আবেগ এবং সেই আবেগ প্রকাশের জোরালো শব্দ বা প্রতিক্রিয়ার মিল খুঁজে বের করতে হবে।
সঠিক উত্তর: খ) Panacea
কেন সঠিক:
Panacea শব্দটির মূল অর্থ হলো সর্বরোগের মহৌষধ। এটি এমন একটি প্রতিকার যা যেকোনো রোগ বা সমস্যার সমাধান করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Drug - এর অর্থ হলো ওষুধ, যা নির্দিষ্ট কোনো রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় কিন্তু সব রোগের জন্য প্রযোজ্য নয়।
খ) Panacea - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) Antiseptic - এর অর্থ জীবাণুনাশক, যা শুধু ক্ষতস্থানে জীবাণুর সংক্রমণ রোধ করতে ব্যবহার করা হয়।
ঘ) Cure - এর অর্থ নিরাময়, যা সাধারণ অর্থে কোনো রোগ সারিয়ে তোলা বোঝায় কিন্তু সর্বরোগহর নয়।
মনে রাখার টিপস:
Panacea শব্দটির শুরুতে থাকা Pan অংশটির অর্থ সব, তাই এটি দিয়ে সর্বরোগের ওষুধ বোঝায়।
সঠিক উত্তর: B) insouciant
কেন সঠিক:
শব্দটির সঠিক বানান এবং অর্থগত দিক থেকে B অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক। এটি একটি ফ্রেঞ্চ শব্দ যার অর্থ চিন্তামুক্ত বা উদাসীন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) incocient — এটি একটি ভুল বানান এবং এর কোনো গ্রহণযোগ্য ইংরেজি অর্থ নেই।
B) insouciant — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ হলো কোনো বিষয়ে উদ্বেগহীন থাকা।
C) insocant — বানানের ভুুলের কারণে এই অপশনটি সঠিক শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) insociant — এটি বানানগত ত্রুটির কারণে ভুল শব্দ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে in-sou-ci-ant এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) Break
কেন সঠিক:
Break শব্দের সাথে age যুক্ত হয়ে Breakage গঠিত হয়, যার অর্থ ভেঙে যাওয়ার ফলে ক্ষতি বা পরিমাণ।
এটি noun তৈরির একটি সাধারণ নিয়ম যেখানে verb এর সাথে suffix যুক্ত হয়।
Break একটি verb এবং age suffix যোগে এটি noun এ রূপান্তর হয়।
এই গঠনটি ইংরেজি শব্দ গঠনে বহুল ব্যবহৃত একটি নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Hand — Hand একটি noun হওয়ায় এর সাথে age যুক্ত করে আদর্শ ইংরেজি শব্দ গঠন করা যায় না।
B) Hot — Hot একটি adjective হওয়ায় এর সাথে age সরাসরি যুক্ত হয়ে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি করে না।
C) Boast — Boast শব্দের সাথে age যুক্ত করলে কোনো প্রচলিত ও সঠিক ইংরেজি শব্দ গঠিত হয় না।
D) Break — Break শব্দের সাথে age যুক্ত হয়ে সঠিক শব্দ গঠিত হয় যা এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
Verber সাথে age suffix যুক্ত করে সাধারণত noun তৈরি করা হয় যেমন Break থেকে Breakage।
সঠিক উত্তর: D) অতীতকে মুছে ফেল
কেন সঠিক:
- Let bygones be bygones একটি প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ যার ভাবানুবাদ হলো অতীতের গ্লানি বা তিক্ততা ভুলে যাওয়া।
- প্রবাদটির মূল অর্থ হলো অতীতের ভুলত্রুটি বা বিবাদ পেছনে ফেলে বর্তমানের দিকে মনোযোগ দেওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অতীত সর্বদা জাগ্রত — এটি প্রবাদটির অর্থের বিপরীত কারণ এটি অতীতের স্থায়িত্ব বোঝায়।
B) চলে যাওয়াই নিয়তি — এটি প্রবাদটির মূল ভাব বা অনুবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) যে যাওয়ার সে যায় — এটি একটি ভিন্নার্থক বাক্য এবং প্রবাদটির ভাবানুবাদ প্রকাশ করে না।
D) অতীতকে মুছে ফেল — এটি প্রবাদটির সঠিক ও যথোপযুক্ত বাংলা ভাবানুবাদ।
মনে রাখার টিপস:
Bygone শব্দের অর্থ অতীত বিষয়, তাই এই শব্দযুক্ত প্রবাদ দেখলে অতীতের ঘটনা ভুলে যাওয়া বা মুছে ফেলার অর্থটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) makes
কেন সঠিক:
এখানে চার এবং চার যোগ করলে আট হয়, যা একটি একক গাণিতিক ফল প্রকাশ করে।
তাই সাবজেক্ট দেখতে বহুবচন হলেও এর অর্থ একটি একক পরিমাণ বোঝায়।
নিয়ম অনুযায়ী এমন ক্ষেত্রে ভার্ব সবসময় একবচন বা সিঙ্গুলার হয়।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে makes ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) made — এটি পাস্ট টেন্স বা অতীতকাল নির্দেশ করে, কিন্তু এই বাক্যটি সর্বজনীন সত্য বা প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে হবে।
B) are — এটি প্লুরাল ভার্ব, কিন্তু গাণিতিক যোগফলকে সবসময় সিঙ্গুলার হিসেবে গণ্য করা হয়।
C) makes — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) make — এটি প্লুরাল ভার্ব, যা সিঙ্গুলার সাবজেক্টের সাথে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
অংকে যোগ বা গুণের ফল প্রকাশ করার সময় সাবজেক্ট দেখতে বহুবচন হলেও ভার্ব সবসময় একবচন হয়।
সঠিক উত্তর: A) rising
কেন সঠিক:
এখানে চালের দাম নিজে নিজেই বাড়ছে, তাই বাক্যটি সচল বা active voice-এ হবে।
দাম বৃদ্ধি বোঝাতে intransitive verb হিসেবে rise ব্যবহৃত হয়।
বর্তমান সময়ের ধারাবাহিকতা বোঝাতে Present Continuous Tense-এর নিয়মে rising হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) rising — এটি সঠিক উত্তর।
B) risen — এটি past participle form হওয়ায় সাহায্যকারী verb ছাড়া একা বসে না।
C) raising — এটি transitive verb, যার অর্থ অন্য কিছু উঠানো এবং এর অবজেক্ট প্রয়োজন হয়।
D) raised — এটি past form, যা এখানে অর্থ ও ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়।
মনে রাখার টিপস:
নিজে নিজে বাড়লে rise এবং অন্যকে উঠালে raise হয়।
সঠিক উত্তর: B) to
কেন সঠিক:
বাক্যে prefer শব্দটি থাকলে তার সাথে তুলনা করার জন্য সাধারণত to ব্যবহৃত হয়। এখানে অর্থ বোঝাচ্ছে কাপolls বিতরণের চেয়ে টাকা দান করাকে অনেকে বেশি পছন্দ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) than — prefer শব্দের সাথে সাধারণ নিয়মে than বসে না।
B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) but — এখানে কোনো বিপরীত বা বিরোধী ভাব প্রকাশ পাচ্ছে না।
D) without — এখানে কোনো কিছু ছাড়া অর্থে without বসার সুযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
prefer এর পরে দুটি জিনিসের তুলনা করার সময় সবসময় to ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) off
কেন সঠিক:
- এখানে 'see off' একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব।
- 'See off' এর অর্থ হলো কাউকে বিদায় জানাতে স্টেশনে বা বিমান বন্দরে যাওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ 'come of' অর্থ কোনো পরিবারে জন্মগ্রহণ করা বা উদ্ভূত হওয়া, যা এখানে অর্থসংগত নয়।
B) away — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ 'come away' অর্থ কোনো স্থান থেকে সরে যাওয়া বা দূরে চলে যাওয়া।
C) after — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ 'come after' অর্থ কারো পেছনে ছোটা বা অনুসরণ করা।
D) off — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'come off' বা 'see off' বিদায় জানানোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে বাক্যটির পূর্ণ অর্থ প্রকাশে এখানে 'see off' বোঝানো হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
স্টেশন বা বিমানবন্দরে কাউকে বিদায় জানাতে যাওয়ার ক্ষেত্রে 'see off' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) aside
কেন সঠিক:
এখানে সঠিক উত্তর হবে aside কারণ put aside একটি ফ্রেজাল ভার্ব। এর অর্থ হলো ভবিষ্যৎ প্রয়োজন বা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে টাকা জমিয়ে রাখা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) aside — এই অপশনটি সঠিক কারণ put aside অর্থ টাকা জমিয়ে রাখা।
B) beside — এই অপশনটি ভুল কারণ beside অর্থ পাশে, যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না।
C) outside — এই অপশনটি ভুল কারণ outside অর্থ বাইরে, যা বাকстыর সাথে মানানসই নয়।
D) under — এই অপশনটি ভুল কারণ under অর্থ নিচে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে কোনো অর্থ তৈরি করে না।
মনে রাখার টিপস:
ভবিষ্যতের জন্য টাকা জমানো বা আলাদা করে রাখার ক্ষেত্রে সবসময় put aside ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) since
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে সময়ের একটি নির্দিষ্ট শুরুর বিন্দু বা পয়েন্ট অব টাইম বোঝানো হয়েছে। সোমবার গত হয়েছে এবং সেখান থেকে অসুস্থতা শুরু হয়েছে বুঝাতে since ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — এটি সাধারণত নির্দিষ্ট সময় থেকে শুরু অর্থে বসে, কিন্তু Present Perfect Continuous Tense এ নির্দিষ্ট পয়েন্ট বোঝাতে since বসে।
B) for — এটি অনির্দিষ্ট সময় বা পিরিয়ড অব টাইমের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সোমবার একটি নির্দিষ্ট দিন।
C) since — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন নয়।
D) test — এটি কোনো প্রিপজিশন নয়, বরং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক শব্দ যা ব্যাকরণগতভাবে এখানে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট বার বা বারের নাম থাকলে তার আগে সাধারণত since বসে এবং ধরে রাখা সময় বুঝাতে for বসে।
সঠিক উত্তর: D) adverb
কেন সঠিক:
এখানে home শব্দটি went ভারбটিকে মডিফাই করছে বা সে কোথায় গেল তা বোঝাচ্ছে।
verb-কে কোথায় প্রশ্নের উত্তর দিয়ে বিশেষিত করায় এটি adverb হিসেবে কাজ করেছে।
home শব্দের আগে কোনো preposition বসেনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম বোঝাচ্ছে না বরং ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করছে।
B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না।
C) pronoun — এটি noun-এর পরিবর্তে বসেনি এবং এর নির্দিষ্ট কোনো pronoun রূপ নেই।
D) adverb — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি verb-কে নির্দেশ করছে।
মনে রাখার টিপস:
went home বা came home-এর মতো বাক্যে home-এর পূর্বে preposition না বসলে সেটি adverb হয়।
সঠিক উত্তর: A) useful
কেন সঠিক:
handy শব্দটির সাধারণ অর্থ হলো কোনো কিছু যা সহজে ব্যবহার করা যায় বা কোনো কাজের জন্য খুব উপযোগী।
তাই অপশন এ তে থাকা useful শব্দটি এর সঠিক সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) useful — এটি সঠিক উত্তর কারণ handy শব্দের মূল অর্থ কাজের উপযোগী বা দরকারি বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
B) necessary — necessary অর্থ প্রয়োজনীয়, যা handy শব্দের সরাসরি অর্থ প্রকাশ করে না কারণ প্রয়োজনীয় বিষয়টি ভিন্ন হতে পারে।
C) very small — very small অর্থ খুব ছোট, কিন্তু handy আকৃতিতে ছোট নাও হতে পারে তবে এটি ব্যবহারের সুবিধার্থে বোঝানো হয়।
D) very easy to carry — এটি বহন করার সহজতা বোঝায়, কিন্তু handy এর মূল ভাব কেবল বহন করা নয় বরং যেকোনো কাজের উপযোগী হওয়া।
মনে রাখার টিপস:
handy শব্দটি পেলে মাথায় রাখবে এটি এমন কিছু যা আমাদের কাজকে সহজ করে তোলে অর্থাৎ কাজের জন্য উপযোগী বা useful।
সঠিক উত্তর: C) a little
কেন সঠিক:
milk একটি আনকাউন্টেবল বা গণণা করা যায় না এমন নাউম।
তাই এর পূর্বে পরিমাণের জন্য a little ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a few — এটি কাউন্টেবল নাউনের সাথে বসে, তাই এখানে ভুল।
B) a hot — এটি অর্থহীন এবং ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ।
C) a little — এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
D) a lot — এর সাথে একটি of প্রয়োজন হতো, তাই এটি এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
গণণা করা যায় না এমন জিনিসের ক্ষেত্রে a little ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Bee
কেন সঠিক:
Bee শব্দটির সাধারণ অর্থ হলো মৌমাছি।
এর নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক রূপ হলো Queen Bee।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Deer — এটি একটি কমন জেন্ডার কারণ এর পুংলিঙ্গ Stag এবং স্ত্রীলিঙ্গ Hind।
B) Bull — এটি একটি পুংলিঙ্গ যার স্ত্রীলিঙ্গ হলো Cow।
D) Horse — এটি একটি পুংলিঙ্গ যার স্ত্রীলিঙ্গ হলো Mare।
মনে রাখার টিপস:
কিছু প্রাণীর ক্ষেত্রে পুং ও স্ত্রীবাচক রূপ সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ হয় এবং Bee একটি স্ত্রীবাচক পতঙ্গ।
সঠিক উত্তর: B) remain neutral in dispute
কেন সঠিক:
'Sit on the fence' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ বেড়ার ওপর বসে থাকা হলেও প্রকৃত অর্থ হলো কোনো বিবাদ বা বিতর্কে কোনো পক্ষ না নিয়ে নিরপেক্ষ থাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) watch over the fence — এই অপশনটি ফ্রেজটির আক্ষরিক বাLiteral অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু এর প্রকৃত ভাবার্থ বা ইডিয়মের অর্থ বোঝায় না।
B) remain neutral in dispute — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
C) sit idly — অলসভাবে বসে থাকাকে বোঝায় যা এই বিশেষ বাগধারাটির অন্তর্নিহিত নিরপেক্ষ থাকার অর্থের সাথে মেলে না।
D) sit on a height — উঁচুতে বসা বোঝায় যা দিয়ে কোনো বিবাদের মধ্যস্থতা বা নিরপেক্ষ থাকার ভাব প্রকাশ পায় না।
মনে রাখার টিপস:
বেড়ার ঠিক মাঝখানে বসলে যেমন দুই পাশের কোনো দলেই থাকা যায় না, তেমনি এই ফ্রেজটি দিয়ে সবসময় কোনো ঝগড়ায় নিরপেক্ষ থাকাকে বোঝানো হয়।
সঠিক উত্তর: A) shouting
কেন সঠিক:
বাক্যের মূল verb saw হলো see এর past form যার পরে gerund ব্যবহার করা যায়।
বোনকে চিৎকার করতে দেখার চলমান প্রক্রিয়া বোঝাতে এখানে shouting সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) shouting — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চলমান কাজ বোঝায়।
B) shouted — এটি past form হওয়ায় এক বাক্যে দুটি প্রধান verb বসে না।
C) to shout — এখানে infinitive ব্যবহারের নিয়ম নেই কারণ এটি উদ্দেশ্য বোঝায় না।
D) shout — base form এখানে সরাসরি participle বা gerund এর কাজ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
see দেখার পর কোনো কাজ চলমান বোঝাতে verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: C) Formula
কেন সঠিক:
Formula শব্দটি একটি ল্যাটিন একবচন বা Singular noun। এর সঠিক বহুবচন বা Plural form হলো Formulas অথবা Formulae।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bacteria — এটি Bacterium শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ ব্যাকটেরিয়াগুলো।
B) Genera — এটি Genus শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ প্রজাতিগুলো।
C) Formula — এটি নিজেই একটি একবচন শব্দ যার বহুবচন হলো ফর্মুলা বা ফর্মুলি।
D) Media — এটি Medium শব্দের বহুবচন রূপ যার অর্থ মাধ্যমসমূহ।
মনে রাখার টিপস:
উইথ (um) দিয়ে শেষ হওয়া ল্যাটিন শব্দের শেষে (a) যোগ করে বহুবচন করা হয় এবং (a) দিয়ে শেষ হওয়া শব্দের শেষে (ae) যোগ করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ২৫৩
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে
আমাদের খুঁজে বের করতে হবে কোন সংখ্যাটি মৌলিক নয়
ধরি,
সংখ্যাগুলো হলো ২৬৩, ২৩৩, ২৫৩ এবং ২৪১
এদের মধ্যে কোনটি অন্য সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য তা পরীক্ষা করি
অতএব,
২৬৩ একটি মৌলিক সংখ্যা কারণ এর কোনো গুণনীয়ক নেই
২৩৩ একটি মৌলিক সংখ্যা কারণ এর কোনো গুণনীয়ক নেই
সুতরাং,
২৫৩ সংখ্যাটিকে ১১ দ্বারা ভাগ করা যায় কারণ ১১ গুণ ২৩ সমান ২৫৩
তাই ২৫৩ একটি যৌগিক সংখ্যা এবং এটি মৌলিক সংখ্যা নয়
উত্তর: C) ২৫৩
সঠিক উত্তর: B) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x এর চতুর্থ পাওয়ার বিয়োগ শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য শূন্য এক সমান শূন্য
ধরি,
x এর চতুর্থ পাওয়ার সমান শূন্য দশমিক শূন্য শূন্য শূন্য এক
এটিকে দশমিকে ভেঙে লেখা যায় এক ভাগ দশ হাজার
অতএব,
উভয় পক্ষের বর্গমূল করে পাই x এর বর্গ সমান এক ভাগ একশ
এটিকে দশমিকের আকারে প্রকাশ করলে পাই শূন্য দশমিক শূন্য এক
সুতরাং,
প্রশ্নানুসারে x এর বর্গ এর মান হলো দশ
উত্তর: ১০
সঠিক উত্তর: C) ১৫৪০০
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রেনের গতিবেগ = ঘণ্টায় ৯২.৪ কিমি
ধরি,
১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট
১ কিমি = ১০০০ মিটার
অতএব,
১ ঘণ্টায় ট্রেনটি অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৯২.৪ × ১০০০ মিটার = ৯২৪০০ মিটার
৬০ মিনিটে ট্রেনটি অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৯২৪০০ মিটার
সুতরাং,
১ মিনিটে ট্রেনটি অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৯২৪০০ ÷ ৬০ মিটার
উত্তর: ১৫৪০০ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ৬০
প্রদত্ত তথ্য:
মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬০ লিটার
সিরাপ ও পানির অনুপাত = ২ : ১
ধরি,
সিরাপের পরিমাণ = ২ক লিটার
পানির পরিমাণ = ১ক লিটার
অতএব,
২ক + ১ক = ৬০
৩ক = ৬০
ক = ২০
সুতরাং,
সিরাপের পরিমাণ = ২ × ২০ = ৪০ লিটার
পানির পরিমাণ = ১ × ২০ = ২০ লিটার
উত্তর: নতুন অনুপাত ১ : ২ করতে পানি মেশাতে হবে = ৬০ লিটার
সঠিক উত্তর: B) ৫৬.৮%
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ডিসকাউন্ট = ১০%
দ্বিতীয় ডিসকাউন্ট = ২০%
তৃতীয় ডিসকাউন্ট = ৪০%
ধরি,
পণ্যের প্রাথমিক মূল্য = ১০০ টাকা
অতএব,
প্রথম ডিসকাউন্টের পর মূল্য হয় = ১০০ − (১০০ এর ১০%) = ৯০ টাকা
দ্বিতীয় ডিসকাউন্টের পর মূল্য হয় = ৯০ − (৯০ এর ২০%) = ৭২ টাকা
সুতরাং,
তৃতীয় ডিসকাউন্টের পর মূল্য হয় = ৭২ − (৭২ এর ৪০%) = ৪৩.২ টাকা
উত্তর: ১০০ − ৪৩.২ = ৫৬.৮%
সঠিক উত্তর: C) ৪০
প্রদত্ত তথ্য:
মূল রাশিটি হলো ৩ এর ঘনমূল ১২৫ এবং তার সাথে ৮ এর গুণফল।
এখানে প্রশ্নটি হলো তিন কিউব রুট ১২৫ গুণ আট এর মান কত।
ধরি,
প্রথম অংশটি হলো ১২৫ এর ওপর ঘনমূল এবং তার সাথে ৩ গুণ আছে।
এর অর্থ হলো ৩ গুণ ঘনমূল ১২৫।
অতএব,
১২৫ এর ঘনমূল হলো ৫।
কারণ ৫ গুণ ৫ গুণ ৫ করলে ১২৫ হয়।
সুতরাং,
৩ এর সাথে ৫ গুণ করলে পাই ১৫, কিন্তু এখানে ৩ দ্বারা মূলত ঘনমূল বোঝানো হয়েছে যা ৩√(১২৫) আকারে লেখা হয়।
মূল নিয়মে ৩√(১২৫) মানে হলো ৫, এবং তার সাথে ৮ গুণ করলে ৫ গুণ ৮ সমান ৪০ হয়।
উত্তর: ৪০
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো xএর পাওয়ার ৪ − ৫ গুণ xএর পাওয়ার ৩ + ৭ গুণ xএর পাওয়ার ২ − a
বহুপদীর একটি উৎপাদক হলো x − ২
ধরি,
বহুপদীটিকে P(x) দ্বারা প্রকাশ করা হলো
অর্থাৎ P(x) = xএর পাওয়ার ৪ − ৫ গুণ xএর পাওয়ার ৩ + ৭ গুণ xএর পাওয়ার ২ − a
উৎপাদক উপপাদ্য অনুসারে P(২) এর মান শূন্য হবে
অতএব,
P(২) = (২)এর পাওয়ার ৪ − ৫ গুণ (২)এর পাওয়ার ৩ + ৭ গুণ (২)এর পাওয়ার ২ − a
P(২) = ১৬ − ৫ গুণ ৮ + ৭ গুণ ৪ − a
P(২) = ১৬ − ৪০ + ২৮ − a
সুতরাং,
১৬ − ৪০ + ২৮ − a = ০
৪ − a = ০
উত্তর: a = ৪
সঠিক উত্তর: A) উত্তর
প্রদত্ত তথ্য:
ঘড়িতে যখন ৯টা বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা থাকে ৯ এর ঘরে
মিনিটের কাঁটা থাকে ১২ এর ঘরে
ধরি,
ঘড়ির কেন্দ্র থেকে ৯ এর ঘরের দিকটি হলো পশ্চিম দিক
এই শর্ত অনুযায়ী পশ্চিম দিক বরাবর রয়েছে ৯ এর ঘর
অতএব,
পশ্চিম দিকের বিপরীত দিক অর্থাৎ পূর্ব দিক বরাবর রয়েছে ৩ এর ঘর
উত্তর দিক বরাবর রয়েছে ১২ এর ঘর এবং দক্ষিণ দিক বরাবর রয়েছে ৬ এর ঘর
সুতরাং,
যখন ৯টা বাজে তখন মিনিটের কাঁটা থাকে ১২ এর ঘরে
১২ এর ঘরটি নির্দেশ করে উত্তর দিক
উত্তর: উত্তর
সঠিক উত্তর: C) ৯ গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে
ধরি,
বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r
আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r
অতএব,
নতুন ব্যাস পূর্বের ব্যাসের তিনগুণ হলে নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r
নতুন ক্ষেত্রফল = π × ৩r × ৩r = ৯ × π × r × r
সুতরাং,
নতুন ক্ষেত্রফল আদি ক্ষেত্রফলের ৯ গুণ হয়েছে
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: B) -৫
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম রাশিটি হলো লগ বেজ দুই এর সাপেক্ষে এক ভাগ বত্রিশ
ধরি,
রাশিটির মান সমান এক্স
অতএব,
বেজ দুই এর উপর পাওয়ার এক্স বসালে মান হবে এক ভাগ বত্রিশ
সুতরাং,
দুই এর উপর পাওয়ার এক্স সমান এক ভাগ দুই এর উপর পাওয়ার পাঁচ
উত্তর: -৫
সঠিক উত্তর: A) ১৬(২/৩)%
প্রদত্ত তথ্য:
ক একটি জিনিস খ এর নিকট ২০% লাভে বিক্রয় করে
খ জিনিসটি গ এর নিকট ক এর ক্রয়মূল্যে বিক্রয় করে
ধরি,
ক এর ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
খ এর ক্রয়মূল্য = ১২০ টাকা
অতএব,
খ জিনিসটি ক এর ক্রয়মূল্যে অর্থাৎ ১০০ টাকায় বিক্রয় করে
খ এর বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
সুতরাং,
খ এর ক্ষতি = ১২০ টাকা − ১০০ টাকা = ২০ টাকা
খ এর শতকরা ক্ষতি = (২০ ÷ ১২০) × ১০০% = ১৬(২/৩)%
উত্তর: ১৬(২/৩)%
সঠিক উত্তর: B) ১.১১১১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ১.১
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০১
তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০১১
ধরি,
সংখ্যা তিনটির সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
সংখ্যাগুলোকে দশমিক বিন্দু বরাবর সাজাতে হবে
১.১
০.০১
০.০০১১
সুতরাং,
যোগ করে পাই
১.১০০০০
০.০১৭০০
০.০০১১
-------
১.১১১১
উত্তর: ১.১১১১
সঠিক উত্তর: C) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৪ক + ১২ = ৩৬
ধরি,
প্রথম সমীকরণ থেকে ক এর মান বের করতে হবে
অতএব,
৪ক = ৩৬ − ১২
৪ক = ২৪
সুতরাং,
ক = ২৪ ÷ ৪
ক = ৬
এখন,
২ক + ৩ এর মান নির্ণয় করতে হবে
(২ × ৬) + ৩
১২ + ৩ = ১৫
উত্তর: ১৫
সঠিক উত্তর: D) ৮ফুট
প্রদত্ত তথ্য:
দণ্ডটির মোট দৈর্ঘ্য কুড়ি ফুট
ছোট অংশটি বড় অংশের দুই-তৃতীয়াংশ
ধরি,
বড় অংশটি = ক ফুট
ছোট অংশটি = (দুই গুণ ক) ভাগ তিন ফুট
অতএব,
ক + (দুই গুণ ক) ভাগ তিন = কুড়ি
(তিন গুণ ক + দুই গুণ ক) ভাগ তিন = কুড়ি
পাঁচ গুণ ক ভাগ তিন = কুড়ি
সুতরাং,
পাঁচ গুণ ক = কুড়ি গুণ তিন
পাঁচ গুণ ক = ষাট
ক = বারো ফুট
উত্তর: ছোট অংশের দৈর্ঘ্য = কুড়ি − বারো = আট ফুট
সঠিক উত্তর: C) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ৬
দ্বিতীয় সংখ্যা = ১২
তৃতীয় সংখ্যা = ৮
ধরি,
চতুর্থ সমানুপাতিকটি = ক
অতএব,
৬ : ১২ = ৮ : ক
৬ ÷ ১২ = ৮ ÷ ক
সুতরাং,
৬ × ক = ১২ × ৮
ক = ৯৬ ÷ ৬ = ১৬
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: A) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার গুণফল = ১৫৩৬
সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু. বের করতে হবে
ধরি,
সংখ্যা দুটি ক এবং খ
আমরা জানি, সংখ্যা দুইটির গুণফল = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.
অতএব,
১৫৩৬ = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.
এখানে সাধারণ নিয়মে অপশন টেস্ট করে পাই, ল.সা.গু. এর মান ১৬ হলে তা দিয়ে ১৫৩৬ বিভাজ্য হয়।
সুতরাং,
১৫৩৬ ÷ ১৬ = ৯৬ (যা একটি পূর্ণসংখ্যা)
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চম
কেন সঠিক:
- ২০১১ সালে প্রণীত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী পঞ্চম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এই তফসিলে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পূর্ণাঙ্গ বাংলা পাঠ এবং এর ইংরেজি অনুবাদ সংযুক্ত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুর্থ — চতুর্থ তফসিলে ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রবর্তনের প্রাক্কালে কিছু অন্তর্বর্তীকালীন বিধানাবলি ও ধারাবাহিক আইনগত বিষয় রাখা হয়েছে।
B) পঞ্চম — পঞ্চম তফসিলে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ যুক্ত করা হয়েছে।
C) সপ্তম — সপ্তম তফসিলে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
D) ষষ্ঠ — ষষ্ঠ তফসিলে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণা সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের তফসিল মনে রাখতে ক্রমানুসারে মনে রাখুন: ২৬ মার্চের ঘোষণা ষষ্ঠ তফসিলে, ১০ এপ্রিলের ঘোষণাপত্র সপ্তম তফসিলে এবং ৭ মার্চের ভাষণ পঞ্চম তফসিলে রয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) চীন
কেন সঠিক:
- জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হওয়ায় চীনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের ফলে দেশটির গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ জনসংখ্যার বিশালতার কারণে এখানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিশ্বে সর্বোচ্চ।
B) যুক্তরাষ্ট্র — প্রযুক্তিগত দিক থেকে এগিয়ে থাকলেও জনসংখ্যার দিক থেকে চীনের চেয়ে অনেক ছোট হওয়ায় এটি দ্বিতীয় বা এর পরের অবস্থানে থাকে।
C) ভারত — এখানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিশাল হওয়া সত্ত্বেও মোট সংখ্যার দিক থেকে এটি বর্তমানে চীনের পরেই অবস্থান করে।
D) যুক্তরাজ্য — এটি একটি উন্নত দেশ হলেও এর জনসংখ্যা কম হওয়ায় বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারী তালিকার শীর্ষে নেই।
মনে রাখার টিপস:
জনসংখ্যার শীর্ষে থাকা দেশ চীন ইন্টারনেট ব্যবহারেও বিশ্বে প্রথম স্থান অধিকার করে আছে।
সঠিক উত্তর: B) মন্ত্রিসভা গঠন
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫ অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- মন্ত্রিপরিষদ গঠন করে থাকে সরকারপ্রধান বা প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়, যা জাতীয় সংসদের সরাসরি কাজ নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইন প্রণয়ন — এটি জাতীয় সংসদের অন্যতম প্রধান এবং সাংবিধানিক দায়িত্ব।
B) মন্ত্রিসভা গঠন — এটি জাতীয় সংসদের কাজ নয়, বরং সংসদীয় পদ্ধতিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
C) রাষ্ট্রপতি নির্বাচন — সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
D) সংবিধান সংশোধন — সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুযায়ী জাতীয় সংসদ কর্তৃক সংবিধানের যেকোনো বিধান সংশোধন করা যায়।
মনে রাখার টিপস:
সংসদ আইন বানায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করে এবং সংবিধান সংশোধন করে, কিন্তু মন্ত্রিসভা গঠন করেন প্রধানমন্ত্রী।
সঠিক উত্তর: B) ভবেরপাড়া
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক মুজিবনগর মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা এলাকায় অবস্থিত এবং ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এখানে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- এই ঐতিহাসিক ঘটনার পর বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর রাখা হয় এবং এর আগের নাম ছিল ভবেরপাড়া গ্রাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্রবাড়ি — এটি ভবেরপাড়ার মতো মুজিবনগরের পূর্ব নাম নয় এবং এর ঐতিহাসিক কোনো সংযোগ নেই।
B) ভবেরপাড়া — এটিই বর্তমান মুজিবনগরের পূর্ব নাম যেখানে ১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক সরকার গঠিত হয়েছিল।
C) টুংগীপাড়া — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান যা গোপালগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
D) শিমুলিয়া — এটি অন্য একটি সাধারণ এলাকার নাম এবং মুজিবনগর নামকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মুজিবনগরের আগের নাম মনে রাখতে মনে রাখুন যে ঐতিহাসিক ভবেরপাড়া গ্রামটিকেই পরে মুজিবনগর নামকরণ করা হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) গলদা চিংড়ি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বিশেষ অবদানের কারণে গলদা চিংড়িকে হোয়াইট গোল্ড বা সাদা সোনা বলা হয়।
- আন্তর্জাতিক বাজারে এর উচ্চ চাহিদা ও অর্থনৈতিক গুরুত্বের জন্য একে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গলদা চিংড়ি — এটি সঠিক উত্তর।
B) পোশাক শিল্প — এটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত হলেও একে 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয় না, একে বলা হয় রত্ন বা চালিকাশক্তি।
C) মৎস্য — এটি একটি ব্যাপক খাত, তবে নির্দিষ্ট কোনো একক মাছের পরিবর্তে শুধুমাত্র গলদা ও বাগদা চিংড়িকে হোয়াইট গোল্ড বলা হয়।
D) ঔষধ — এটি একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত হলেও একে 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
সাদা রঙের চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় বলে গলদা চিংড়িকে হোয়াইট গোল্ড বা সাদা সোনা বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
২০২০-২০২১ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করা হয়
এই বাজেটে মোট এডিপির আকার নির্ধারণ করা হয়েছিল
ধরি,
দেশের মোট বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি হলো নির্দিষ্ট একটি পরিকল্পনা
যেখানে বিভিন্ন খাতের উন্নয়ন বরাদ্দের হিসাব ধরা হয়
অতএব,
২০২০-২০২১ অর্থবছরের সংশোধিত ও মূল বাজেটের পরিকল্পনা অনুযায়ী
মোট এডিপির বরাদ্দ ছিল দুই লক্ষ পাঁচ হাজার একশত পঁয়তাল্লিশ কোটি টাকা
সুতরাং,
সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এই বরাদ্দ চূড়ান্ত করা হয়
উত্তর: ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর: C) নাইট্রোজেন
কেন সঠিক:
- প্রোটিন হলো কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের সমন্বয়ে গঠিত জটিল জৈব যৌগ।
- অন্যান্য উপাদান কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন ফ্যাট বা শর্করাতেও থাকে, কিন্তু নাইট্রোজেন শুধুমাত্র প্রোটিনকে অনন্যতা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন — এটি প্রোটিনের একটি উপাদান হলেও এটি শর্করা ও চর্বিতেও থাকে, তাই এটি প্রোটিনের মূল বা প্রধান চিহ্নিতকারী উপাদান নয়।
B) অক্সিজেন — এটি প্রায় সব জৈব অণুতে বিদ্যমান থাকে, ফলে এটি এককভাবে প্রোটিনের মূল উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয় না।
C) নাইট্রোজেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ নাইট্রোজেনের উপস্থিতিই প্রোটিনকে অন্যান্য খাদ্য উপাদান থেকে আলাদা করে।
D) কার্বন — এটি সকল জৈব যৌগের প্রধান কাঠামো তৈরি করে, তাই এটি শুধুমাত্র প্রোটিনের মূল বা স্বাতন্ত্র্যসূচক উপাদান নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রোটিনের মূল উপাদান নাইট্রোজেন মনে রাখতে P-N (Protein-Nitrogen) সূত্র বা প্রোটিনে নাইট্রোজেন থাকে কথাটি মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) OMR
কেন সঠিক:
- OMR (Optical Mark Recognition) এর পূর্ণরূপ হলো অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন, যা কাগজের পাতায় বিশেষ দাগ বা পেন্সিলের চিহ্ন স্ক্যান করে কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে।
- এটি বহুনির্বাচনী পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য বহুল ব্যবহৃত একটি ইনপুট ডিভাইস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) OMR — এটি একটি সঠিক ইনপুট ডিভাইস, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে ব্যবহৃত হয়।
B) COM — এর পূর্ণরূপ কম্পিউটার আউটপুট মাইক্রোফিল্ম (Computer Output Microfilm), যা ডিজিটাল ডেটাকে মাইক্রোফিল্ম বা মাইক্রোফিচে রূপান্তরকারী একটি আউটপুট ডিভাইস।
C) Plotter — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা বড় আকারের আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং, ব্যানার বা পোস্টার প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
D) Monitor — এটি কম্পিউটারের প্রধান ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে ইউনিট বা আউটপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের ফলাফল পর্দায় দেখা যায়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব ডিভাইস দিয়ে কম্পিউটারে তথ্য পাঠানো হয় তা ইনপুট (যেমন: OMR), আর যা দিয়ে ফলাফল দেখা বা প্রিন্ট করা হয় তা আউটপুট ডিভাইস।
সঠিক উত্তর: D) উইকিপিডিয়া
কেন সঠিক:
- ফেসবুক, টুইটার এবং লিংকডইন হলো সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম।
- উইকিপিডিয়া কোনো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি একটি মুক্ত বিশ্বকোষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফেসবুক — এটি একটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, তাই এটি এই দলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
B) টুইটার — এটি একটি মাইক্রোব্লগিং ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, যা প্রশ্নানুযায়ী সামঞ্জস্যপূর্ণ।
C) লিংকডইন — এটি পেশাজীবীদের জন্য তৈরি একটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, তাই এটিও সঠিক।
D) উইকিপিডিয়া — এটি তথ্য খোঁজার একটি অনলাইন বিশ্বকোষ এবং সামাজিক মাধ্যম নয়, তাই এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো মানুষকে সংযুক্ত করে, আর উইকিপিডিয়া মানুষকে তথ্য সরবরাহ করে।
সঠিক উত্তর: A) লাউড স্পিকার
কেন সঠিক:
- লাউড স্পিকার তড়িৎ বা বিদ্যুৎ সংকেতকে গ্রহণ করে চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের সাহায্যে তা শব্দ তরঙ্গে রূপান্তরিত করে।
- এটি তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরের একটি বহুল ব্যবহৃত যন্ত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাউড স্পিকার - এটি বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করে, তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) অ্যামপ্লিফায়ার - এটি মূলত বৈদ্যুতিক সংকেতের তীব্রতা বা শক্তি বৃদ্ধি করে, রূপান্তর করে না।
C) জেনারেটর - এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে, যা উল্টো প্রক্রিয়া।
D) মাল্টিমিটার - এটি বৈদ্যুতিক প্রবাহ, ভোল্টেজ ও রোধ পরিমাপ করার একটি যন্ত্র।
মনে রাখার টিপস:
স্পিকার দিয়ে আমরা গান বা শব্দ শুনি, যা বিদ্যুৎ থেকে আসে; তাই লাউড স্পিকার মানেই বিদ্যুৎ থেকে শব্দ।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)