কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a বিষণ্ণ
b বিশ্বাস
c বৈরাগ্য
d পারত্রিক
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পারত্রিক ১. কেন সঠিক: 'ঐহিক' শব্দের অর্থ ইহলোকসংক্রান্ত বা পার্থিব। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'পারত্রিক', যার অর্থ পরলোকসংক্রান্ত। বিপরীতার্থক শব্দ নির্ধারণের সময় শব্দের মূল অর্থের বিপরীত ধারণাটি খুঁজতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বিপরীত শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভাষার নিয়ম মানা হয়। তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইহলোক ব্যাখ্যা: ইহলোক শব্দের বিপরীত শব্দ পরলোক, যা ঐহিক ও পারত্রিকের ভাবার্থের সঙ্গে মিল রাখে। উদাহরণ ২: পার্থিব ব্যাখ্যা: পার্থিব শব্দের বিপরীত শব্দ অপার্থিব বা আধ্যাত্মিক, যা বস্তুগত জীবনের বিপরীত অবস্থা বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষণ্ণ — বিষণ্ণ শব্দের অর্থ মনমরা বা উদাসীন, যা ঐহিক শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) বিশ্বাস — বিশ্বাস শব্দের অর্থ আস্থা বা ভরসা, এর বিপরীত শব্দ অবিশ্বাস বা সন্দেহ। C) বৈরাগ্য — বৈরাগ্য শব্দের অর্থ আসক্তিনাশ বা ত্যাগ, যা ঐহিক শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) পারত্রিক — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই ইহলৌকিক বা ঐহিকের সঠিক বিপরীত শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: ঐহিক মানে ইহলোক বা এই পৃথিবী এবং পারত্রিক মানে পরলোক। এই সম্পর্কটি মনে রাখলে পরীক্ষা এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দগুলো চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
a ক্লান্তিহীন
b অক্লান্তকর্মী
c অবিশ্রাম
d অক্লান্ত
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্লান্তকর্মী ১. কেন সঠিক: - 'কর্মে যার ক্লান্তি নাই' এই বাক্যাংশটির এককথায় প্রকাশ হলো অক্লান্তকর্মী, যা দ্বারা এমন একজন কর্মীকে বোঝায় যিনি কাজের ক্ষেত্রে কখনো ক্লান্ত হন না। - প্রশ্নটিতে কাজের সাথে যুক্ত মানুষের কথা বলা হয়েছে, তাই শুধু ক্লান্তিহীন না বুঝিয়ে অক্লান্তকর্মী শব্দটি নিখুঁতভাবে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে একটি বড় বাক্য বা বাক্যাংশকে সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত একটি শব্দে প্রকাশ করা হয়। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বক্তব্যকে আরও সংক্ষিপ্ত ও মার্জিত করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হয় নাই = অব্যক্ত ব্যাখ্যা: কোনো কিছু না বলে গোপন রাখা বা প্রকাশ না করার অবস্থাকে এককথায় অব্যক্ত বলা হয়। উদাহরণ ২: পরিমাপ করা যায় না যা = অপরিমেয় ব্যাখ্যা: যার কোনো নির্দিষ্ট পরিমাপ বা সীমা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়, তাকে অপরিমেয় বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লান্তিহীন — এই শব্দটি দ্বারা ক্লান্তি নেই এমন অবস্থাকে বোঝায়, কিন্তু বিশেষভাবে কর্মী বা মানুষের ক্ষেত্রে এটি সম্পূর্ণ উপযুক্ত নয়। B) অক্লান্তকর্মী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা কর্মে ক্লান্তি নাই এমন ব্যক্তিকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। C) অবিশ্রাম — এই শব্দটি কোনো কাজের বিরতিহীন গতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, মানুষের ক্ষেত্রে এককথার প্রকাশ হিসেবে এটি খাটে না। D) অক্লান্ত — এটি দ্বারা কেবল ক্লান্তিহীন অবস্থাকে বোঝায়, কিন্তু কর্ম বা কর্মীর সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা বোঝাতে অপশন বি বেশি নির্ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে যদি কাজের কথা বা কর্মীর কথা উল্লেখ থাকে, তবে এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে কর্মী শব্দযুক্ত অপশনটি বেছে নিতে হবে। - শুধু ক্লান্তি না থেকে যদি কর্ম বা কাজের কথা থাকে, তবে অক্লান্তকর্মী সঠিক হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো খেয়াল রাখতে হবে। - একই অর্থের একাধিক শব্দ থাকলে বাক্যের মূল ভাব বিবেচনা করে সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দটি নির্বাচন করতে হয়।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b কাজী নজরুল ইসলাম
c শামসুর রাহমান
d জসীমউদ্দীন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তারুণ্যের প্রতীক হিসেবে এবং ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় 'ধূমকেতু' নামটি ব্যবহার করতেন। তিনি ১৯২২ সালে নিজের সম্পাদনায় 'ধূমকেতু' নামক একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন যার কারণে এই নামটি তার সাথে গভীরভাবে যুক্ত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে লেখকদের পরিচিতি বাড়াতে বা বিশেষ ভাব প্রকাশ করতে ছদ্মনামের ব্যবহার বেশ প্রাচীন ও জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্য। কাজী নজরুল ইসলাম তারুণ্যের শক্তি ও বিপ্লব বোঝাতে ধূমকেতুর জ্যোতি ও বেগকে রূপক হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। যেমন তার বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম এবং সাংবাদিকতার জীবনে এই পত্রিকার ভূমিকা অনস্বীকার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই লেখকের কোনো 'ধূমকেতু' ছদ্মনাম ছিল না কারণ তিনি মূলত 'টিমোথি পেনপয়েন্ট' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভুল কারণ প্রযোজ্য নয়। C) শামসুর রাহমান — আধুনিক যুগের এই বিখ্যাত কবি সাহিত্যচর্চায় 'মাজলুম আদিব' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। D) জসীমউদ্দীন — পল্লীসাহিত্যিক নামে পরিচিত এই কবির কোনো নির্দিষ্ট ছদ্মনাম ব্যবহারের ইতিহাস নেই। মনে রাখার টিপস: বিদ্রোহী কবি নজরুল আকাশের ধূমকেতুর মতো হঠাৎ আবির্ভূত হয়ে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন এবং ধূমকেতু পত্রিকাও তিনিই সম্পাদনা করেছিলেন।
a ভয়
b বিস্ময়
c প্রত্যয়
d (ঘ) দ্বিধা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয় কেন সঠিক: ১. সংশয় শব্দের অর্থ হলো মনে সন্দেহ বা দ্বিধা থাকা। ২. এর সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে প্রত্যয় শব্দ যার অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা আস্থা। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে অর্থের বিপরীত ভাবটি বিবেচনা করা হয়। ২. সংশয় যেখানে অনিশ্চয়তার প্রতীক, প্রত্যয় সেখানে নিশ্চিত বিশ্বাসের প্রকাশ। ৩. যেমন সংশয়ের বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রত্যয় বা অবলীলায় বিশ্বাস শব্দ দুটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভয় — ভয় শব্দের অর্থ আতঙ্ক বা শঙ্কা, যা সংশয়ের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক নয়। B) বিস্ময় — বিস্ময় শব্দের অর্থ অবাক হওয়া বা আশ্চর্য হওয়া, যা সংশয়ের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) প্রত্যয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) দ্বিধা — দ্বিধা এবং সংশয় প্রায় সমার্থক শব্দ, তাই এটি বিপরীতার্থক হবে না। মনে রাখার টিপস: ১. সংশয় মানে সন্দেহ আর প্রত্যয় মানে বিশ্বাস এই কথাটি মনে রাখলে উত্তর সহজ হবে। ২. সন্দেহ থাকলে মনে সংশয় হয় আর ভরসা থাকলে মনে প্রত্যয় জন্মায়।
a কর্তায় শূন্য
b কর্মে শূন্য
c কর্মে ষষ্ঠী
d সম্প্রদানে যষ্ঠী
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্প্রদানে ষষ্ঠী ১. কেন সঠিক: নিঃস্বত্ব বা সত্য ত্যাগ করে কাউকে কোনো কিছু দান করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়। এখানে 'দেশের' বলতে দেশকে নিজের সমস্ত কিছু বা সেবা চিরতরে অর্পণ করার কথা বলা হয়েছে, যা সত্য ত্যাগ বা নিঃস্বত্ব দান বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে সত্য ত্যাগ করে কিছু দেওয়া হয় তাকে সম্প্রদান কারক বলে। এখানে দেশ শব্দটির সঙ্গে ষষ্ঠী বিভক্তির র যুক্ত হয়ে দেশের রূপ ধারণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্ধজনে দেও আলো। ব্যাখ্যা: অন্ধ ব্যক্তিকে আলো দান করা বোঝাচ্ছে, তাই এটি সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: ভিখারিকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: ভিখারিকে নিঃস্বত্বভাবে দান করা বোঝানোর কারণে এটি সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় শূন্য — বাক্যটিতে ক্রিয়ার সম্পাদনকারী বা কর্তা বোঝানো হয়নি এবং শূন্য বিভক্তিও নেই। B) কর্মে শূন্য — কর্ম কারক হতে হলে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝাতে হতো, যা এখানে নেই। C) কর্মে ষষ্ঠী — সেবা করার ক্ষেত্রে কর্ম বোঝায় না এবং এটি দান বা উৎসর্গ অর্থে সম্প্রদান কারক। D) সম্প্রদানে যষ্ঠী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে নিঃস্বত্ব ত্যাগ বা দেশের জন্য সেবা বোঝাতে ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: দেশের জন্য বা কোনো মহৎ উদ্দেশ্যে নিঃস্বত্বভাবে কিছু উৎসর্গ বা সেবা করা বোঝালে সবসময় সম্প্রদান কারক হবে। ষষ্ঠী বিভক্তির র বা এর যুক্ত থাকলে তা সম্প্রদান কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সম্প্রদান কারক চেনার মূল উপায় হলো সত্য ত্যাগ বা নিঃস্বত্ব দান। পরীক্ষায় প্রায়ই দেশ, গরিব বা অন্ধ ব্যক্তিকে কিছু দান বা সেবা করার বাক্য দিয়ে কারক জানতে চাওয়া হয়।
a পরিঃ + ছেদ
b পরি + চ্ছেদ
c পরি + ছেদ
d পরি + শেদ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পরি + ছেদ ১. কেন সঠিক: - পরিচ্ছেদ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো পরি যোগ ছেদ। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। - এখানে প্রথম পদের শেষে ই স্বরধ্বনি এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে চ ব্যঞ্জনধ্বনি রয়েছে। নিয়মানুযায়ী হ্রস্বস্বর বা দীর্ঘস্বরের পর চ বা ছ থাকলে তার পূর্বে চ যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ স্বরধ্বনি কিংবা আ স্বরধ্বনি ছাড়া অন্য কোনো স্বরধ্বনির পর ছ থাকলে ছ এর জায়গায় চ ছ যুক্ত হয়। - এই নিয়মে পরি পদের ই কারের পর ছেদ পদের ছ থাকার কারণে চ যুক্ত হয়ে চ্ছেদ গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতি যোগ ছবি = প্রতিচ্ছবি ব্যাখ্যা: এখানেও ই কারের পর ছ থাকার কারণে মাঝখানে চ যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: পরি যোগ ছাদ = পরিচ্ছদ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়মে পরি পদের পর ছ যুক্ত হয়ে পরিচ্ছদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিঃ + ছেদ — এখানে বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা এই সন্ধির নিয়মের সাথে মেলে না। B) পরি + চ্ছেদ — এটি সন্ধি বিচ্ছেদের সঠিক রূপ নয় কারণ সন্ধির আগে যুক্তবর্ণ থাকে না, ভাঙার পর যুক্ত হয়। D) পরি + শেদ — এখানে ছ এর পরিবর্তে শ ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান ও সন্ধির নিয়মের বাইরে। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের মাঝে চ ছ যুক্ত দেখলে ভাঙার সময় পরি বা প্রতি এর মতো উপসর্গের পর সরাসরি ছ দিয়ে শব্দ লিখবে। - স্বরের পর ছ দেখলে মাঝখানে একটি অতিরিক্ত চ আনতে হয় এই কৌশলটি মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নিয়মের শব্দ প্রায়ই আসে। - পরিচ্ছদ, প্রতিচ্ছবি এবং অনুচ্ছেদ শব্দগুলো একই ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়।
a গৃহীনী
b গৃহিনী
c গৃহিণী
d গৃহিনি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গৃহিণী ১. কেন সঠিক: - প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী গৃহিণী শব্দটিতে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। - এই শব্দটিতে ঋ-কার থাকার কারণে এবং তৎসম শব্দ হওয়ায় ন-ত্ব বিধান অনুসারে দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ এ রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের ন-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়। - গৃহ শব্দটিতে ঋ-কার থাকায় এর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয় বা অংশটিতে ন এর পরিবর্তে ণ লেখা বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৃণ ব্যাখ্যা: ঋ-কার থাকার কারণে এখানেও ত এর সঙ্গে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঘৃণা ব্যাখ্যা: ঋ-কারযুক্ত বর্ণের পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৃহীনী — এই বানানটিতে অতিরিক্ত দীর্ঘ ই-কার এবং ভুল ন ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী। B) গৃহিনী — এখানে সঠিক দীর্ঘ ই-কার ব্যবহার করা হলেও দন্ত্য ন ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। C) গৃহিণী — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি সমর্থন করে। D) গৃহিনি — এখানে ভুল ন এবং হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করায় বানানটি অশুদ্ধ হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - গৃহ শব্দে ঋ-কার থাকায় পরের বর্ণে সর্বদা মূর্ধন্য ণ হবে এবং শেষে দীর্ঘ ঈ-কার হবে। - গৃহিণী বানানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের ন-ত্ব বিধান সংক্রান্ত বানানগুলো বেশি আসে। - ঋ-কারযুক্ত শব্দের বানান নির্ভুল করার জন্য এই নিয়মটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a শর্মিষ্ঠা
b বসন্তকুমারী
c কৃষ্ণকুমারী
d সাজাহান
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃষ্ণকুমারী ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'কৃষ্ণকুমারী' নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি বা বিয়োগাত্মক নাটক। এই নাটকে ঐতিহাসিক কাহিনীর পটভূমিতে মানুষের জীবনের চরম দুঃখ, নিয়তির নির্মম পরিহাস এবং ট্র্যাজিক পরিণতি অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা নাট্যসাহিত্যের জনক এবং বাংলা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। ১৮৬১ সালে প্রকাশিত 'কৃষ্ণকুমারী' নাটকটি জেমস টডের 'রাজস্থান' ইতিহাস অবলম্বনে রচিত এবং এর মূল সুর ছিল করুণ রসাত্মক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'সর্মিষ্ঠা' (১৮৫৯) ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক ও সার্থক নাটক হলেও এটি ট্রাজেডি নয়, বরং কমেডি বা মিলনান্তক নাটক। উদাহরণ ২: দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' (১৮৬০) ব্যাখ্যা: এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক হলেও এটি ট্রাজেডি নয়, বরং সমসাময়িক নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের প্রতিবাদমূলক সামাজিক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শর্মিষ্ঠা — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক হলেও এটি মিলনান্তক বা কমেডি নাটক, ট্রাজেডি নয়। B) বসন্তকুমারী — এটি রামনারায়ণ তর্করত্ন রচিত একটি নাটক, যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) সাজাহান — এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ট্রাজেডি নাটক, তবে এটি প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মধুসূদনের প্রথম নাটক শর্মিষ্ঠা হলো প্রথম মৌলিক নাটক, আর কৃষ্ণকুমারী হলো প্রথম সার্থক ট্রাজেডি। নামের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো কৃষ্ণা মানেই কষ্ট বা বিয়োগ, তাই কৃষ্ণকুমারী হলো ট্রাজেডি নাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম ট্রাজেডি নাটক কোনটি তা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক ও প্রথম ট্রাজেডি নাটকের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a কুলটা
b ঢাকী
c গয়লা
d শুক
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঢাকী ১. কেন সঠিক: - ঢাকী শব্দটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ কারণ এর কোনো প্রচলিত স্ত্রীবাচক শব্দ নেই এবং এটি জন্মগতভাবেই পুরুষবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে কিছু শব্দ আছে যা বিশেষ প্রত্যয় বা শব্দের সাহায্য ছাড়া পুরুষ বা স্ত্রীবাচক নির্দিষ্ট করে বোঝায় এবং এদের লিঙ্গ পরিবর্তন করা যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নিত্য পুরুষবাচক শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা কেবল পুরুষকেই বোঝায় এবং এদের কোনো স্ত্রীবাচক রূপ হয় না। - বাংলা ভাষায় এমন কিছু তৎসম ও তদ্ভব শব্দ রয়েছে যা স্বভাবতই পুরুষবাচক, যেমন কবি, প্রেমেটুর, ঢাকী, তান্ত্রিক ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কবি ব্যাখ্যা: কবি একটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ কারণ এর কোনো নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক শব্দ নেই এবং নারী কবি বোঝাতেও মহিলা কবি ব্যবহার করতে হয়। উদাহরণ ২: ঢুলি ব্যাখ্যা: ঢুলি শব্দটি ঢাকী শব্দের মতো নিত্য পুরুষবাচক শব্দ যা বাদক অর্থে পুরুষকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুলটা — কুলটা একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ যার কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। B) ঢাকী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। C) গয়লা — গয়লার স্ত্রীবাচক শব্দ হলো গয়লানি, তাই এটি নিত্য পুরুষবাচক নয়। D) শুক — শুকের স্ত্রীবাচক শব্দ হলো সারি, তাই এটি নিত্য পুরুষবাচক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিত্য পুরুষবাচক শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মাথায় রাখা যে ঢাকী, কবি, কৃতদার, অবহেলা ইত্যাদি শব্দগুলোর কোনো জোড় স্ত্রীবাচক শব্দ একা একা গঠিত হয় না। - পরীক্ষার হলে দেখার চেষ্টা করবে কোন শব্দের বিপরীতে কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ প্রচলিত আছে কি না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য পুরুষবাচক এবং নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কুলটা, সধবা, পত্নী—এগুলো নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ এবং ঢাকী, কবি, রাজা—এগুলো পুরুষবাচক শব্দ হিসেবে ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c চণ্ডীদাস
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের পদাবলী সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি দ্বিজ চণ্ডীদাসের রচনা। - এর মাধ্যমে মানুষের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি কবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর কাব্যে সহজিয়া প্রেমের পাশাপাশি মানবতাবাদের গভীর সুর ধ্বনিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজার দুলাল আর প্রজার সন্তান, মানুষ হিসেবে সবাই সমান। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটি চণ্ডীদাসের মানবতাবাদী দর্শনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। উদাহরণ ২: আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনি পরে, সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে। ব্যাখ্যা: এই কাব্যপঙক্তিটি মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসার কথা বলে, যা চণ্ডীদাসের পঙক্তির ভাবার্থের সঙ্গে মিলে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আধুনিক যুগের বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী কবি হলেও এই পঙক্তির রচয়িতা নন। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয় কথাশিল্পী হলেও এই প্রাচীন পঙক্তিটি তাঁর নয়। C) চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি নোবেলজয়ী বিশ্বকবি হলেও এই বিখ্যাত মধ্যযুগীয় বাণীর প্রণেতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের কথা বললে মধ্যযুগের কবি চণ্ডীদাসের নাম স্মরণ করবে। - সত্য ও মানুষের কথা একসঙ্গে থাকলে চণ্ডীদাসের পদ মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবি ও বিখ্যাত পঙক্তি প্রায়ই আসে। - চণ্ডীদাসের পদগুলোতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের আড়ালে মানবপ্রেমের রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
a অনির্বাণ
b অনির্বচনীয়
c অনির্দেশ
d অনির্ণেয়
0 151 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনির্বচনীয় ১. কেন সঠিক: - 'যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না' তাকে এককথায় অনির্বচনীয় বলা হয়। - এটি এমন একটি অনুভূতি বা বিষয় যা মুখের ভাষায় বা শব্দে পুরোপুরি প্রকাশ করা অসম্ভব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এর মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং মনের ভাব সংক্ষেপে সুন্দরভাবে প্রকাশ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি = অদৃষ্টপূর্ব ব্যাখ্যা: এই এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে যা আগে কখনো দেখা যায়নি এমন বিষয়ের ক্ষেত্রে 'অদৃষ্টপূর্ব' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: যা সহজে নিবারণ করা যায় না = দুর্নিবার ব্যাখ্যা: কোনো কিছু যা খুব সহজে রোধ বা নিবারণ করা সম্ভব নয়, তাকে বোঝাতে এই বাক্য সংকোচনটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনির্বাণ — এর অর্থ যা নিভে যায় না বা প্রজ্জ্বলিত থাকে, যা প্রশ্নের ভাবের সাথে মিলে না। B) অনির্বচনীয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) অনির্দেশ — এর অর্থ যা নির্দেশ করা হয়নি বা নির্দিষ্ট নয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অনির্ণেয় — এর অর্থ যা নির্ণয় করা যায় না, যা ভাষার প্রকাশের সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাষা বা বচন সম্পর্কিত না প্রকাশ করার অক্ষমতা বুঝাতে 'অনির্বচনীয়' শব্দটি মনে রাখবে। - বচন মানে কথা বা ভাষা, তাই যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না তা অনির্বচনীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ভাষা ও মনের ভাব প্রকাশের এই ধরনের শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ করলে সহজেই উত্তর করা যায়।
a চির অশান্তি
b উভয় সংকট
c শেষ বিদায়
d চূড়ান্ত অশান্তি
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চির অশান্তি ১. কেন সঠিক: - 'রাবণের চিতা' বাগধারাটির শাব্দিক ও ভাবার্থগত অর্থ হলো এমন দুঃখ বা অশান্তি যা কখনো দূর হয় না বা চিরকাল ধরে চলতে থাকে। - পৌরাণিক বিশ্বাস অনুসারে রামচন্দ্রের সঙ্গে যুদ্ধের সময় রাবণের চিতা অনবরত জ্বলতেই থাকে এবং তা সহজে নেভে না, এই ধারণা থেকেই এই বাগধারাটির সৃষ্টি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যা বিশেষ কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - প্রবাদ বা বাগধারা মূলত ভাষাটিকে আরও বেশি প্রাণবন্ত, সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারিবারিক কলহটি এখন তার রাবণের চিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পারিবারিক অশান্তি কখনো শেষ না হওয়ার অবস্থাকে রাবণের চিতা হিসেবে তুলনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসাটির লোকসান যেন রাবণের চিতায় পরিণত হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসার অবিরাম ক্ষতি ও তা থেকে মুক্তির উপায় না থাকাকে রাবণের চিতা বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চির অশান্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ রাবণের চিতা বাগধারাটি চিরস্থায়ী দুঃখ বা অশান্তি প্রকাশ করে। B) উভয় সংকট — এই অপশনটি ভুল কারণ উভয় সংকট অর্থ দুই দিক থেকেই বিপদ, যার জন্য 'শাঁখের করাত' বা 'ত্রিশঙ্কু অবস্থা' বাগধারা ব্যবহৃত হয়। C) শেষ বিদায় — এই অপশনটি ভুল কারণ শেষ বিদায় অর্থ চিরতরে চলে যাওয়া, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) চূড়ান্ত অশান্তি — এই অপশনটি আংশিক মিললেও চরম বা সাময়িক চরম অবস্থাকে বোঝায়, কিন্তু 'রাবণের চিতা' নির্দিষ্টভাবে চিরস্থায়ী অশান্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাবণের চিতা মানে যার আগুন বা জ্বালা কখনো নেভে না, অর্থাৎ চিরকালের অশান্তি। - চিতার আগুন যেমন পুড়তেই থাকে, তেমনি এই অশান্তিও চলতেই থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের পৌরাণিক উৎস থেকে আসা বাগধারা প্রায়ই আসে। - একই রকম অর্থ প্রকাশকারী অন্য বাগধারা হলো 'অগ্নিশর্মা' বা 'ভস্মে ঘি ঢালা'।
a অন্যতর
b দৌবারিক
c অন্যতম
d ঘ) কোনোটিই নয়
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্যতর ১. কেন সঠিক: 'দুইয়ের মধ্যে একটি' বোঝাতে এককথায় 'অন্যতর' শব্দটি ব্যবহৃত হয়। এখানে প্রশ্নটির মূল চাবিকাঠি হলো নির্দিষ্ট সংখ্যা দুইয়ের মধ্যে তুলনা বা বিকল্প বোঝানো। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুই ভাইয়ের মধ্যে অন্যতর ভালো গান গায়। ব্যাখ্যা: এখানে দুজন ভাইয়ের মধ্য থেকে একজনকে আলাদা করে বোঝাতে অন্যতর ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: দুটি প্রস্তাবের মধ্যে অন্যতর গ্রহণ করতে হবে। ব্যাখ্যা: দুটি বিকল্প বিষয়ের মধ্যে একটি বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই শব্দটি প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্যতর - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দুইয়ের মধ্যে একটি। B) দৌবারিক - এই শব্দটির অর্থ দারোয়ান বা প্রহর প্রহরী। C) অন্যতম - এই শব্দটির অর্থ অনেকের মধ্যে একজন, যা দুইয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) কোনোটিই নয় - যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অন্যতম মানে অনেকের মধ্যে একজন এবং অন্যতর মানে দুটির মধ্যে একটি। এই দুটি শব্দের পার্থক্য মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাভিত্তিক এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। যেমন দুইয়ের মধ্যে একটি অন্যতর এবং অনেকের মধ্যে একজন অন্যতম।
a শামসুর রাহমান
b এস ওয়াজেদ আলি
c হুমায়ুন আজাদ
d উইলিয়াম কেরী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এস ওয়াজেদ আলি কেন সঠিক: - এই গ্রন্থটির রচয়িতা বিখ্যাত প্রাবন্ধিক এস ওয়াজেদ আলি। - বাঙালি জাতির ভবিষ্যৎ ও উন্নতি নিয়ে এটি একটি অত্যন্ত চিন্তাশীল রচনা। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বিশ শতকের প্রথমার্ধের বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। - লেখকের প্রবন্ধগুলোতে সমাজ সংস্কার ও জাতীয় চেতনার রূপ ফুটিয়ে উঠেছে। - এস ওয়াজেদ আলির অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে আকবর এবং ভবিষ্যতের বাঙালি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শামসুর রাহমান — ইনি মূলত আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক। - B) এস ওয়াজেদ আলি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) হুমায়ুন আজাদ — ইনি সমসাময়িক কালের একজন বিদ্রোহী লেখক ও ভাষাবিজ্ঞানী। - D) উইলিয়াম কেরী — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের পন্ডিত ও লেখক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: - বাঙালির ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করেছিলেন প্রাবন্ধিক এস ওয়াজেদ আলি।
a অনূঢ়া
b কুমারী
c নবোঢ়া
d অবীরা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অবীরা ১. কেন সঠিক: - 'যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই' তাকে এককথায় অবীরা বলা হয়। - বীর বা পতি এবং পুত্রহীন অবস্থাকে বোঝাতে অবীরা শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই — অবীরা। ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি মূল প্রশ্ন ও সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে যায়। উদাহরণ ২: যার স্বামী ও পুত্র বেঁচে নেই — অবীরা। ব্যাখ্যা: পতি ও সন্তানহীন নারীদের ক্ষেত্রে এই এককথায় প্রকাশটি প্রযোজ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনূঢ়া — যে মেয়ের বিয়ে হয়নি তাকে অনূঢ়া বলা হয়। B) কুমারী — অবিবাহিতা যুবতী মেয়েকে কুমারী বলা হয়। C) নবোঢ়া — যার সদ্য বিবাহ হয়েছে তাকে নবোঢ়া বলা হয়। D) অবীরা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ স্বামী ও পুত্রহীন নারী। ৫. মনে রাখার টিপস: - অবীরা শব্দটিতে অ মানে অভাব এবং বীর মানে স্বামী ও পুত্র। - এভাবে স্বামী ও পুত্রহীন বোঝাতে অবীরা মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দগুলো আয়ত্ত করা সম্ভব।
a জমিদারনি
b জমিদারী কাজ
c জমিদারিনী
d জমিদার কন্যা
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জমিদারনি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন নিয়মে পুংবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ গঠন করা হয়। - জমিদার শব্দের সঙ্গে নি প্রত্যয় যুক্ত করে সঠিক স্ত্রীলিঙ্গ জমিদারনি তৈরি করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পুংবাচক শব্দকে স্ত্রীবাচক শব্দে রূপান্তর করার জন্য শব্দের অন্তে অনেক সময় আনি, আণী, নি, ইনী ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয়। - তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলো প্রয়োগ করে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকর থেকে চাকরানি ব্যাখ্যা: এটি পুংবাচক শব্দকে স্ত্রীবাচক শব্দে রূপান্তরের একটি প্রচলিত নিয়ম, যেখানে ই প্রত্যয় বা আনি প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: দেবর থেকে দেবরঝি বা দেওরের স্ত্রী ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলোতেও নির্দিষ্ট প্রত্যয় বা শব্দের পরিবর্তনের মাধ্যমে লিঙ্গ রূপান্তর করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জমিদারনি — এটি সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগত নিয়মে গঠিত স্ত্রীলিঙ্গ। B) জমিদারী কাজ — এটি কোনো স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ নয়, বরং জমিদারদের পেশা বা কাজের একটি পদবী বা পরিভাষা। C) জমিদারিনী — এটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি ও ব্যাকরণ অনুযায়ী ভুল গঠন, সঠিক রূপটি জমিদারনি। D) জমিদার কন্যা — এটি সমাসবদ্ধ পদ বা বর্ণনামূলক রূপ, ব্যাকরণগতভাবে সরাসরি স্ত্রীলিঙ্গের একক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পুংবাচক শব্দের শেষে দীর্ঘঈ কার বা নি প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করার সময় প্রমিত বানান খেয়াল রাখতে হবে। - জমিদার শব্দের সঙ্গে সরাসরি নি প্রত্যয় যোগ করে জমিদারনি লিখতে হবে, কোনো অতিরিক্ত দীর্ঘ ইকার ব্যবহার করা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বানানের শুদ্ধতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। - একই নিয়মে গঠিত অন্য শব্দগুলোর প্রমিত রূপ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে যাতে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি না হয়।
a সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
b রাজশেখর বসু
c সমর সেন
d সমরেশ মজুমদার
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কেন সঠিক: - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর সাহিত্যিক জীবনে আত্মপ্রকাশের জন্য নীললোহিত ছদ্মনামটি বেছে নিয়েছিলেন। - এই ছদ্মনামে তিনি মূলত তাঁর বিখ্যাত জনপ্রিয় চরিত্র নীললোহিতের বিভিন্ন গল্প ও উপন্যাস রচনা করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যে লেখকরা অনেক সময় তাঁদের আসল নাম গোপন রেখে বা বিশেষ পরিচিতি তৈরির জন্য ছদ্মনাম ব্যবহার করেন। - নীললোহিত চরিত্রটি বাঙালি যুবকদের মাঝে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এর মাধ্যমে লেখকের অন্য একটি শৈলী প্রকাশ পায়। - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অন্যান্য ছদ্মনামের মধ্যে সনাতন পাঠক ও নীল উপাধ্যায় উল্লেখযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নীললোহিত ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। - B) রাজশেখর বসু — এই লেখক পরশুরাম ছদ্মনামে তাঁর বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক রচনাগুলি লিখেছেন। - C) সমর সেন — এই কবি ও প্রাবন্ধিক তাঁর নিজের নামেই লেখালেখি করতেন এবং তাঁর কোনো বিশেষ জনপ্রিয় ছদ্মনাম নেই। - D) সমরেশ মজুমদার — এই কথাসাহিত্যিক কালকূট এবং গর্ভধারিণী ছদ্মনামে তাঁর সাহিত্য রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নামের সাথে নীল শব্দটি মিল রেখে তাঁর ছদ্মনাম নীললোহিত সহজে মনে রাখা যায়।
a ছড়ার শব্দ
b ধ্বন্যাত্মক শব্দ
c শব্দের দ্বিরুক্তি
d ঘপদের দ্বিরুক্তি
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বন্যাত্মক শব্দ ১. কেন সঠিক: - কোনো কিছুর কাল্পনিক, স্বাভাবিক বা অনুসারী ধ্বনির অনুকরণে তৈরি শব্দকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। - বৃষ্টি পড়ার অবিরাম ও ছন্দময় শব্দ বোঝাতে টাপুর টুপুর শব্দটির অবতারণা করা হয়েছে, যা মানুষের মনে বিশেষ ধ্বনির সৃষ্টি করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা শব্দদ্বিরুক্তির বিশেষ রূপ হলো যা কোনো ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়। - এই শব্দগুলো বাক্যে অব্যয় পদ হিসেবে বা বিশেষণের কাজ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঝিরঝির বাতাস বইছে। ব্যাখ্যা: ঝিরঝির হলো বাতাসের মৃদু শব্দের অনুকরণে গঠিত ধ্বন্যাত্মক শব্দ। উদাহরণ ২: ঘেউ ঘেউ কুকুরের ডাক। ব্যাখ্যা: ঘেউ ঘেউ হলো কুকুরের স্বরের অনুকরণে তৈরি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছড়ার শব্দ — ছড়ায় ব্যবহার হলেও এটি ব্যাকরণগতভাবে ধ্বন্যাত্মক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। B) ধ্বন্যাত্মক শব্দ — সঠিক কারণ এটি কোনো কাজের বা ভাবের স্বাভাবিক ধ্বনির অনুকরণ। C) শব্দের দ্বিরুক্তি — শব্দ দুবার বসলেই দ্বিরুক্তি হয়, কিন্তু ধ্বনির অনুকরণ বোঝাতে এটি বিশেষ শ্রেণির শব্দ। D) ঘপদের দ্বিরুক্তি — ঘপদ বলে ব্যাকরণে কোনো নির্দিষ্ট শব্দশ্রেণি বা পদ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম ধ্বনির অনুকরণ বুঝলেই তা ধ্বন্যাত্মক শব্দ হবে। - কান দিয়ে শোনার অনুভূতির সাথে সম্পর্কিত শব্দই ধ্বন্যাত্মক শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - হুরহুর, খলখল, ঝমঝম ইত্যাদি শব্দগুলোও ধ্বন্যাত্মক শব্দের চমৎকার উদাহরণ।
a গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা
b ডাকঘর ও শ্রীকান্ত
c নীলদর্পণ ও বিষাদ-সিন্ধু
d লালসালু ও বলাকা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা উভয়ই বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - প্রথমটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এবং দ্বিতীয়টি কাজী নজরুল ইসলামের পদাতিক ও বিপ্লবী চেতনার কাব্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গীতাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক চেতনায় সমৃদ্ধ একটি শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়। - অগ্নিবীণা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বাংলা কবিতায় নতুন সুর আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চয়িতা ও প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: সঞ্চয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এবং প্রলয়োল্লাস কাজী নজরুলের বিখ্যাত কবিতা ও সংকলন। উদাহরণ ২: সোনালী কাবিন ও বনলতা সেন ব্যাখ্যা: সোনালী কাবিন আল মাহমুদের এবং বনলতা সেন জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা — সঠিক উত্তর কারণ উভয়ই কাব্যগ্রন্থ। B) ডাকঘর ও শ্রীকান্ত — ডাকঘর একটি নাটক এবং শ্রীকান্ত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। C) নীলদর্পণ ও বিষাদ-সিন্ধু — নীলদর্পণ নাটক এবং বিষাদ-সিন্ধু ঐতিহাসিক উপন্যাসধর্মী রচনা। D) লালসালু ও বলাকা — লালসালু একটি উপন্যাস এবং বলাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাব্যের নাম মনে রাখার জন্য লেখক ও প্রকাশের সাল একত্রে নোট করে পড়বে। - গদ্য ও পদ্যের শ্রেণিভেদ ভালোভাবে লক্ষ্য করে উত্তর নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস ও নাটকের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের প্রথম ও প্রধান গ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a শান্তি
b ফটিক
c মহেশ
d ছুটি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছুটি ১. কেন সঠিক: - 'মা আমার ছুটি হয়েছে, আমি বাড়ি যাচ্ছি' এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প 'ছুটি'র মূল চরিত্রের অন্তিম মুহূর্তের শেষ সংলাপ। - ফটিক চক্রবর্তীর মৃত্যুর পূর্বে প্রবল জ্বর ও প্রলাপের মধ্যে তার মায়ের জন্য আকুলতা এই উদ্ধৃতির মাধ্যমে চরম ট্র্যাজেডিতে রূপ নিয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক এবং বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক যিনি এই গল্পটি রচনা করেছেন। - 'ছুটি' গল্পটি মূলত প্রবাসের যন্ত্রণাবোধ, মাতৃস্নেহের জন্য আকুলতা এবং গ্রামীণ কিশোরের মানসিক সংকটের এক অনন্য শৈল্পিক প্রকাশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'আমরা উভয়ে নদীতীরে বসিয়া পাঠ্যবিষয় আলোচনা করিতাম' - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'হৈমন্তী' গল্পের একটি উল্লেখযোগ্য বাক্য। ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিতে গল্পের একটি বিশেষ সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং শিক্ষাজীবনের পরিবেশ ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: 'ছুটি' গল্পে ফটিকের মামার নাম বিশ্বম্ভর বাবু যিনি তাকে কলকাতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। ব্যাখ্যা: এই চরিত্রটির মাধ্যমে গ্রামের কিশোরের শহুরে বন্দিদশার নির্মম বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শান্তি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্য একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার মূল বিষয় ভিন্ন একটি পারিবারিক ও সামাজিক দ্বন্দ্ব। B) ফটিক — এটি কোনো গল্পের নাম নয়, বরং 'ছুটি' গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম। C) মহেশ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার মূল চরিত্র গফুর ও তার বলদ মহেশ। D) ছুটি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প এবং এই গল্পেরই মূল উদ্ধৃতি এটি। ৫ মনে রাখার টিপস: - ছুটি মানেই মায়ের কাছে ফিরে যাওয়া আর ফটিক চরিত্রের শেষ কথা ছিল ছুটি হয়েছে। - রবীন্দ্রনাথের কিশোর মনস্তত্ত্ব নিয়ে লেখা ট্র্যাজেডি ধর্মী গল্পগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পগুলোর নাম এবং বিখ্যাত চরিত্রগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের উদ্ধৃতি ভিত্তিক প্রশ্নে চরিত্রের মানসিক অবস্থা এবং গল্পের নাম মনে রাখা জরুরি।
a বিপরীতার্থে
b বিরোধার্থে
c মিলনার্থে
d সমার্থে
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমার্থে ১. কেন সঠিক: - হাট এবং বাজার সমার্থক শব্দ হওয়ায় এটি সমার্থে দ্বন্দ্ব সমাস হয়েছে। - এখানে হাট ও বাজার উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রাধান্য পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে দ্বন্দ্ব সমাসে দুটি সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থের শব্দ মিলে একটি পদ গঠন করে তাকে সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - ব্যাসবাক্যে উভয় পদ মিলে সমার্থক ভাব প্রকাশ করে এবং সমস্তপদেও অর্থের কোনো পরিবর্তন হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খাতা-পত্র ব্যাখ্যা: খাতা ও পত্র সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে সমার্থে দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করেছে। উদাহরণ ২: ডাল-ভাত ব্যাখ্যা: ডাল ও ভাত নিত্যদিনের খাবার বোঝাতে সমার্থক বা সহযোগী অর্থে দ্বন্দ্ব সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপরীতার্থে — বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দ যেমন জমা-খরচ বা আলো-আঁধার বোঝালে এই অপশন সঠিক হতো। B) বিরোধার্থে — পরস্পর বিরোধী বা শত্রুভাবাপন্ন শব্দ যেমন ওহি-নকুল বা দা-কুমড়ো বোঝালে এই অপশন সঠিক হতো। C) মিলনার্থে — সমজাতীয় বা মিল আছে এমন শব্দ যেমন মা-বাবা বা ভাই-বোন বোঝালে এই অপশন সঠিক হতো। D) সমার্থে — এই অপশনটি সঠিক কারণ হাট এবং বাজার একই অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমার্থক শব্দ যেমন হাট-বাজার বা খাতা-পত্র দেখলে সমার্থে দ্বন্দ্ব সমাস দাগাবে। - দুটি শব্দের অর্থ যদি প্রায় একই রকম হয়, তবে চোখ বন্ধ করে সমার্থে দ্বন্দ্ব সমাস নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বন্দ্ব সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - শব্দ জোড়োগুলোর অর্থ ভালোভাবে বুঝতে পারলে সমাসের প্রকারভেদ খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
a নাট্যকার সমাজে
b রাজা
c ব্যাকরণবিদ
d কবি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যাকরণবিদ ১. কেন সঠিক: পাণিনি প্রাচীন ভারতের একজন বিখ্যাত সংস্কৃত ব্যাকরণবিদ ও ভাষাবিজ্ঞানী ছিলেন। তাঁর রচিত 'অষ্টাধ্যায়ী' গ্রন্থটি সংস্কৃত ভাষা ও ব্যাকরণের প্রাচীনতম ও সবচেয়ে প্রামাণিক ব্যাকরণগ্রন্থ হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পাণিনি প্রাচীন গান্ধার অঞ্চলের শালাতুলা নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন এবং খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ বা পঞ্চম শতাব্দীতে আবির্ভূত হন। তাঁর ব্যাকরণগ্রন্থ 'অষ্টাধ্যায়ী'-তে আটটি অধ্যায় রয়েছে এবং এটি সূত্রাকারে রচিত যা সংস্কৃত ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব ওmorphology বিশ্লেষণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৌটিল্য বা চাণক্যের 'অর্থশাস্ত্র'। ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ভারতের একটি বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অর্থনীতির গ্রন্থ, যেমন পাণিনির 'অষ্টাধ্যায়ী' ব্যাকরণগ্রন্থ। উদাহরণ ২: পতঞ্জলির 'মহাবভাষ্য'। ব্যাখ্যা: এটি পাণিনির ব্যাকরণের ওপর লিখিত একটি বিখ্যাত ভাষ্যগ্রন্থ, যা পাণিনীয় ব্যাকরণকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাট্যকার সমাজে — পাণিনি কোনো নাট্যকার ছিলেন না, কারণ তিনি সাহিত্য বা নাটক রচনার চেয়ে ভাষা বিজ্ঞান ও ব্যাকরণ চর্চায় বিখ্যাত। B) রাজা — পাণিনি কোনো রাজনৈতিক শাসক বা রাজা ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সাধক পণ্ডিত ও ভাষাবিজ্ঞানী। D) কবি — পাণিনি মৌলিক কোনো কাব্য বা কবিতা রচনা করেননি, তাই তাঁকে কবি হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: পাণিনি মানেই ব্যাকরণ এবং তাঁর অমর সৃষ্টি হলো অষ্টাধ্যায়ী। পরীক্ষার হলে পাণিনির নাম দেখলে সরাসরি ব্যাকরণবিদ বা অষ্টাধ্যায়ী শব্দটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের প্রাচীনতম ব্যাকরণবিদদের মধ্যে পাণিনির নাম সর্বাগ্রে আসে। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন পন্ডিত ও তাঁদের অবদান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a রশ্মি
b প্রভা
c কর
d রবি
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবি ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে একটি অসঙ্গতি রয়েছে। 'কিরণ' শব্দের অর্থ আলো বা রশ্মি। তাই এর সমার্থক শব্দ হওয়ার কথা ছিল রশ্মি, প্রভা কিংবা কর। কিন্তু প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে 'রবি' চিহ্নিত করা হয়েছে, যা মূলত সূর্যের সমার্থক শব্দ। বাংলা শব্দভান্ডারে 'রবি' অর্থ সূর্য বা সুর্যদেব। সূর্য থেকে কিরণ বা রশ্মি ছড়ায় বলেই কখনো কখনো রূপক অর্থে বা উদ্দিষ্ট উত্তরের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি ঘটে থাকে, তবে ব্যাকরণগতভাবে 'রবি' সরাসরি কিরণের সমার্থক নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং ব্যবহারের ক্ষেত্র জানা অত্যন্ত জরুরি। কিরণ শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো রশ্মি, কর, প্রভা, অংশু, দীপ্তি, ময়ুখ ইত্যাদি। পক্ষান্তরে রবি শব্দের সমার্থক শব্দ হলো সূর্য, দিবাকর, ভাস্কর, তপন, মার্তণ্ড ইত্যাদি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় প্রশ্ন বা উত্তরে মুদ্রণজনিত বা প্রণেতার ভুলে এ ধরনের অসংগতি দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিরণ শব্দের সমার্থক হিসেবে ময়ুখ শব্দটি ব্যবহার করা যায়। ব্যাখ্যা: ময়ুখ শব্দের অর্থও আলোকরশ্মি, যা কিরণের সমার্থক। উদাহরণ ২: রবি শব্দের সমার্থক হিসেবে ভাস্কর শব্দটি ব্যবহার করা যায়। ব্যাখ্যা: ভাস্কর শব্দের অর্থ সূর্য, যা রবির সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রশ্মি — এটি কিরণের একটি সঠিক সমার্থক শব্দ, কারণ রশ্মি অর্থ আলোর রেখা। B) প্রভা — এটি কিরণের সঠিক সমার্থক শব্দ, কারণ প্রভা অর্থ দীপ্তি বা আলো। C) কর — এটি কিরণের সঠিক সমার্থক শব্দ, কারণ কর শব্দের একটি অর্থ আলোর রশ্মি। D) রবি — এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ, সরাসরি কিরণের সমার্থক নয়, তবে প্রদত্ত উত্তরের বাধ্যবাধকতায় এটি এখানে সঠিক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: কিরণ হলো যা আলো ছড়ায় যেমন রশ্মি ও কর। রবি হলো সেই উৎস যা থেকে আলো বা কিরণ উৎপন্ন হয় অর্থাৎ সূর্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় মূল শব্দ এবং অপশনের সম্পর্ক ভালোভাবে মিলিয়ে নিতে হবে। কোনো প্রশ্নে ভুল বা অসংগতি থাকলে পরীক্ষার্থীদের সাধারণ জ্ঞান ও শব্দার্থের গভীরতার ওপর নির্ভর করে সবচেয়ে কাছাকাছি বা নির্দেশিত উত্তরটি নির্বাচন করতে হয়।
a সর্বাঙ্গ +ইন
b সর্ব + অঙ্গীন
c সর্ব+ ঈন
d সর্বাঙ্গ+ ঈন্
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সর্বাঙ্গ+ ঈন্ ১. কেন সঠিক: - 'সর্বাঙ্গীণ' শব্দটি গঠিত হয়েছে সর্বাঙ্গ প্রাতিপদিকের সঙ্গে ঈন্ প্রত্যয় যোগ করে। - এখানে 'ঈন্' প্রত্যয়টি যোগ হয়ে বিশেষ্য পদকে বিশেষণে রূপান্তরিত করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রাতিপদিক বা শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। - 'সর্বাঙ্গ' শব্দের সঙ্গে 'ঈন্' প্রত্যয় যুক্ত করলে মূল শব্দের অন্ত্যস্বর লোপ পায় এবং নতুন বিশেষণ পদ তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুল + ঈন = কুলীন ব্যাখ্যা: এখানে কুল শব্দের সঙ্গে ঈন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কুলীন বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পৃথিবী + ঈন = পার্থিব ব্যাখ্যা: পৃথিবী শব্দের সঙ্গে ঈন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পার্থিব বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বাঙ্গ +ইন — এখানে প্রত্যয় হিসেবে 'ইন' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ সঠিক প্রত্যয়টি 'ঈন্'। B) সর্ব + অঙ্গীন — অঙ্গীন কোনো প্রত্যয় বা শব্দাংশ নয় যা সর্ব শব্দের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। C) সর্ব+ ঈন — এখানে মূল শব্দ হিসেবে শুধু সর্ব ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ পূর্ণাঙ্গ শব্দ হলো সর্বাঙ্গ। D) সর্বাঙ্গ+ ঈন্ — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় যা প্রশ্নানুসারে নির্দেশিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - তদ্ধিত প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মূল শব্দ এবং প্রত্যয় আলাদা করার সময় শব্দের বানান ও অন্ত্যবর্ণের পরিবর্তন লক্ষ্য করতে হবে। - ঈন্ প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলো সাধারণত বিশেষণের কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় শব্দটির মূল রূপ বা প্রাতিপদিক সঠিকভাবে শনাক্ত করতে হয়। - বানানের শুদ্ধতা রক্ষার্থে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পরের রূপটি ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a মন্দভাগ্য
b বাহ্যিক
c সহজলভ্য
d অপদার্থ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সহজলভ্য কেন সঠিক: - উজানের কৈ মাছ স্রোতের বিপরীতে সহজেই ধরা যায়। - এই মাছ পাওয়া অত্যন্ত সহজ বলে বাংলা ভাষায় এটি সহজলভ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় বাগধারা যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - কৈ মাছ সাধারণত স্রোতের প্রতিকূলে বা উজানে সহজে চলে আসে। - যেমন বাজারে কোনো জিনিস খুব সহজে পাওয়া গেলে তাকে উজানের কৈ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মন্দভাগ্য — এই অর্থটি দুর্ভাগা বা কপাল পোড়া বাগধারার সাথে মিলে যায়। - B) বাহ্যিক — এই শব্দের অর্থ যা বাইরে প্রকাশ পায়, যার সাথে এই বাগধারার মিল নেই। - C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) অপদার্থ — এই অর্থটি অম্বাব্য বা অকর্মণ্য বাগধারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। মনে রাখার টিপস: - কৈ মাছ উজানে ভেসে আসা মানেই তা খুব সহজে পাওয়া যাওয়া।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b শামসুর রাহমান
c জীবনানন্দ দাশ
d নির্মলেন্দু গুণ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - 'স্বাধীনতা তুমি' বিখ্যাত আধুনিক কবিতাটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি শামসুর রাহমান। - কবিতাটিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের নানা চিত্র অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে নাগরিক কবি বলা হয়। - তার কবিতায় সমসাময়িক রাজনীতি, দেশপ্রেম ও নাগরিক জীবনের নানা রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বিধ্বস্ত নীলিমা' ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'বুকয় জোনাকী' ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কবিতার বই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন। B) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই কবিতাটি রচনা করেছেন। C) জীবনানন্দ দাশ — তিনি বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই কবিতাটি তার নয়। D) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি প্রখ্যাত কবি হলেও 'স্বাধীনতা তুমি' কবিতার রচয়িতা শামসুর রাহমান। ৫. মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান মানেই স্বাধীনতা ও নাগরিক জীবনের নানা কাব্যের মেলবন্ধন। - স্বাধীনতা সম্পর্কিত এই বিখ্যাত কবিতাটি পেলেই শামসুর রাহমান নামটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি শামসুর রাহমানের রচনা ও কবিতার নাম প্রায়ই আসে। - প্রখ্যাত কবিদের জনপ্রিয় কবিতাগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এক নম্বরের নিশ্চয়তা পাওয়া যায়।
a সং+ অবিধান
b সম্ + ধান
c সম্ + বিধান
d সং + বিধান
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সম্ + বিধান ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে ম এর সঙ্গে ব বা অন্য কোনো অন্তস্থ বর্ণের সংযোগ ঘটলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। - এখানে সম্ উপসর্গের ম এবং বিধান শব্দের ব যুক্ত হয়ে সংবিধান শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ম এর পরে অন্তস্থ ধ্বনি য, র, ল, ব কিংবা উষ্ম ধ্বনি শ, ষ, স, হ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। - এই নিয়মে সম্ যোগ বাদ সমান সংবাদ এবং সম্ যোগ বাদ সমান সংবাদের মতো শব্দ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্ + বাদ = সংবাদ ব্যাখ্যা: এখানেও ম এর পরে ব থাকার কারণে ম স্থানে অনুস্বার হয়েছে। উদাহরণ ২: সম্ + কল্প = সংকল্প ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনসন্ধির আরেকটি সুপরিচিত নিয়ম যা ম এর পরিবর্তনের মাধ্যমে সাধিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সং + অবিধান — এই সন্ধি বিচ্ছেদের গঠন ব্যাকরণসম্মত নয় এবং এর কোনো অর্থ নেই। B) সম্ + ধান — সম্ এর সঙ্গে ধান যুক্ত হলে সমাধান হয় সংবিধান হয় না। D) সং + বিধান — এখানে সম্ এর সঠিক হসন্ত যুক্ত রূপ ব্যবহার করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুস্বারযুক্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদে সাধারণত অনুস্বার পরিবর্তন করে ম এবং নিচে হসন্ত দিতে হয়। - সংবিধান শব্দটিতে সম্ উপসর্গ এবং বিধান মূল শব্দ মিলে সন্ধি সাধিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি অত্যন্ত ঘন ঘন আসে। - অনুস্বার যুক্ত সন্ধি দেখলে প্রথম অংশ হিসেবে সম্ এবং হসন্ত ব্যবহারের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
a টিকটিকি
b তেলাপোকা
c উইপোকা
d মাকড়সা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাকড়সা ১. কেন সঠিক: - 'ঊর্ণনাভ' একটি এককথায় প্রকাশমূলক শব্দ যার অর্থ মাকড়সা। - 'ঊর্ণা' শব্দের অর্থ পশম বা রেশম এবং 'নাভ' অর্থ নাভি বা পেট, অর্থাৎ যার পেট থেকে পশম বা রেশম নির্গত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশে চরে যে = খেচর ব্যাখ্যা: আকাশে বিচরণকারী প্রাণীদের এককথায় খেচর বলা হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি = অদৃষ্টপূর্ব ব্যাখ্যা: অতীতে ঘটেনি বা দেখা যায়নি এমন ঘটনা বোঝাতে এই বাক্য সংকোচন ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টিকটিকি — টিকটিকি এক প্রকার ক্ষুদ্র সরীসৃপ প্রাণী এবং এর সঙ্গে ঊর্ণনাভ শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। B) তেলাপোকা — তেলাপোকা হলো একটি সাধারণ পতঙ্গ যা এই এককথায় প্রকাশের অর্থ বহন করে না। C) উইপোকা — উইপোকা কাঠ বা কাগজ খায় এমন এক ধরনের সামাজিক কীটপতঙ্গ, যা সঠিক উত্তর নয়। D) মাকড়সা — এটি সঠিক উত্তর কারণ মাকড়সা তার দেহ থেকে রেশম বা জাল তৈরি করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঊর্ণা শব্দের অর্থ রেশম বা জাল, আর মাকড়সা জাল বুনে জীবন ধারণ করে। - এই মিলটি মনে রাখলে পরীক্ষা হলে সঠিক উত্তর খুব সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - জীবজন্তু সম্পর্কিত এককথায় প্রকাশগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা উচিত।
a বিশ্বজনীন
b বিশ্বজন
c (৫) সর্বজনীন
d ঐশ্বরিক
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সর্বজনীন ১. কেন সঠিক: 'সর্বজন' বিশেষ্য পদের সঙ্গে 'ঈন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদে রূপান্তরিত হয়, যার অর্থ যা সকলের জন্য প্রযোজ্য বা সকলের হিতকর। ব্যাকরণগত নিয়মে বিশেষ্য পদকে বিশেষণে রূপান্তর করার সময় উপযুক্ত তদ্ধিত প্রত্যয় যোগ করতে হয় এবং এখানে 'সর্বজনীন' শব্দটি সেই নিয়ম মেনেই গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের শ্রেণি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশেষ্য পদকে বিশেষণে রূপান্তর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠনের সময় মূল শব্দের অন্ত্যস্বরের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবহ পদ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোক থেকে লৌকিক ব্যাখ্যা: লোক বিশেষ্য পদের সঙ্গে 'িক' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে লৌকিক বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বর্ষ থেকে বার্ষিক ব্যাখ্যা: বর্ষ বিশেষ্য পদের সঙ্গে 'িক' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বার্ষিক বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বজনীন — বিশ্বজনীন শব্দটি সঠিক হলেও 'সর্বজন' শব্দের সরাসরি বিশেষণ হিসেবে 'সর্বজনীন' প্রমিত ও সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য রূপ। B) বিশ্বজন — এটি একটি বিশেষ্য পদ, যা 'সর্বজন' শব্দের সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিশেষণ নয়। C) সর্বজনীন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি 'সর্বজন' শব্দের সরাসরি ও প্রমিত বিশেষণ রূপ। D) ঐশ্বরিক — ঈশ্বর শব্দের বিশেষণ হলো ঐশ্বরিক, যার সঙ্গে সর্বজন শব্দের কোনো ব্যাকরণগত সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে 'ঈন' প্রত্যয় যোগ করে সাধারণত ব্যক্তি বা জন সম্পর্কিত বিশেষ্যকে বিশেষণে রূপান্তর করা হয়। সর্বজন শব্দের ক্ষেত্রে 'ঈন' যুক্ত করে সর্বজনীন শব্দটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পদের রূপান্তর থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। মূল শব্দের সঙ্গে সঠিক প্রত্যয় চেনার মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর করা সম্ভব।
a ২৭টি
b ২১টি
c ২৬টি
d ২০টি
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১টি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা হলো একুশটি। - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয় সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ তিন প্রকার যথা খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। - বাংলা ভাষায় ডক্টর সুকুমার সেন ও প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা একুশটি নির্ধারিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনা বৃষ্টি ব্যাখ্যা: এখানে অনা হলো একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা বৃষ্টির পূর্বে বসে অনাবৃষ্টি শব্দ তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: ইতি কথা ব্যাখ্যা: এখানে ইতি হলো একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা কথার পূর্বে বসে ইতিকথা শব্দ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৭টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলা ব্যাকরণে ছাব্বিশ বা সাতাশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ নেই। B) ২১টি — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি স্বীকৃত সংখ্যা। C) ২৬টি — এই সংখ্যাটি বিদেশি বা অন্য কোনো বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে কিন্তু খাঁটি বাংলা উপসর্গের ক্ষেত্রে নয়। D) ২০টি — এই সংখ্যাটি খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা হিসেবে সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - খাঁটি বাংলা উপসর্গ মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ আছে অঘা অজ অনা আ আন ইতি উ কদ কু নি পাতি স সিক্ত সু হা। - এই ছন্দের সাহায্যে একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা উপসর্গ এবং তৎসম উপসর্গের সংখ্যা প্রায়ই আসে। - তৎসম উপসর্গের সংখ্যা বিশটি আর খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা একুশটি, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a শত্রুভাবাপন্ন
b প্রতিকূল
c নেতিবাচক
d অহিনকুল
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রতিকূল কেন সঠিক: - 'Adverse' একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ প্রতিকূল, অনুকূল নয় এমন বা ক্ষতিকর। - পরীক্ষার প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে শব্দটির সঠিক অর্থ, যা অপশন বি এর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শত্রুভাবাপন্ন — এটি 'Hostile' শব্দের অর্থ প্রকাশ করে, যা 'Adverse' এর সরাসরি সমার্থক নয়। B) প্রতিকূল — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'Adverse' শব্দের মূল অর্থ হলো প্রতিকূল বা বাধা সৃষ্টিকারী পরিস্থিতি। C) নেতিবাচক — এটি 'Negative' শব্দের কাছাকাছি অর্থ বহন করে, যা নির্দিষ্টভাবে 'Adverse' এর সঠিক পরিভাষা নয়। D) অহিনকুল — এটি একটি বাগধারা যার অর্থ তীব্র শত্রুতা, যা ইংরেজি শব্দটির শাব্দিক অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: Adverse শব্দটিকে A diverse environment (প্রতিকূল পরিবেশ) হিসেবে মনে রাখতে পারো।
a formulae
b agenda
c oases monk
d radius
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) radius কেন সঠিক: radius শব্দটির শেষে us আছে যা একটি ল্যাটিন একবচন বা singular রূপ নির্দেশ করে। এর বহুবচন বা plural রূপ হলো radii এবং এটি একটি একক বিশেষ্য পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) formulae — এটি formula শব্দের বহুবচন রূপ যার একবচন হলো formula। B) agenda — এটি agendum শব্দের বহুবচন রূপ এবং দৈনন্দিন কাজে এটি বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) oases monk — এটি কোনো আদর্শ একবচন শব্দ নয় কারণ oasis শব্দের বহুবচন হলো oases। D) radius — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি একবচন শব্দ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বা ল্যাটিন শব্দের শেষে us থাকলে সাধারণত সেটি singular হয় এবং i থাকলে plural হয়।
a had left
b will leave
c left
d leave
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had left কেন সঠিক: অতীতকালে ঘটে যাওয়া দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, তার সাথে Past Perfect Tense বসে। এখানে আপনার চলে যাওয়ার কাজটি তাদের আসার আগেই শেষ হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had left — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী অতীতকালের আগের কাজ বোঝাচ্ছে। B) will leave — এটি ভবিষ্যতের কাজ বোঝায়, যা অতীতকালের ঘটনার সাথে মিলে না। C) left — এটি সাধারণ অতীতকাল বোঝায়, কিন্তু দুটি ঘটনার আগের কাজ বোঝাতে Past Perfect দরকার। D) leave — এটি বর্তমান কাল বোঝায়, যা অতীতের বাক্যের গঠনের সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: Before এর আগের অংশ Past Perfect এবং পরের অংশ Simple Past Tense হয়।
a I heard him to read.
b I heard him reading.
c I have heard him reading.
d I saw him reading.
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I heard him reading. কেন সঠিক: Hear verb টির পর object এবং তার সরাসরি কাজ বোঝাতে present participle ব্যবহার করা হয়। তাই object-এর পরে to বসে না, সরাসরি verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I heard him to read — Hear verb-এর পর infinitive (to read) বসে না। B) I heard him reading — এটিই সঠিক উত্তর। C) I have heard him reading — present perfect tense-এর ব্যবহার এখানে অপ্রাসঙ্গিক ও বেমানান। D) I saw him reading — saw verb সঠিক হলেও মূল প্রশ্নে heard দেওয়া আছে তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Hear এবং see verb-এর পর object থাকলে সরাসরি verb-এর সাথে ing যোগ করতে হয়, মাঝে কোনো to বসে না।
a Beautiful bithe
b Beautifully
c Beautifying
d Beautify
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Beautify কেন সঠিক: 'Beauty' শব্দটির অর্থ সৌন্দর্য, যা একটি নাউন বা বিশেষ্য। এর ভার্ব বা ক্রিয়া রূপ হলো 'Beautify', যার অর্থ সুন্দর করা। বাক্যে কাজ করার সামর্থ্য বা ভার্ব হিসেবে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়। suffixes বা প্রত্যয় যুক্ত করে নাউন থেকে ভার্ব গঠন করার এটি একটি আদর্শ নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Beautiful bithe — এটি একটি ভুল বানানযুক্ত শব্দ এবং এর গঠন সঠিক নয়। B) Beautifully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যা কাজের ধরণ বোঝায়। C) Beautifying — এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত রূপ, যা মূল ভার্বের বেস ফর্ম নয়। D) Beautify — এটি সঠিক ভার্ব ফর্ম হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে fy যুক্ত থাকলে সাধারণত সেটি ভার্ব বা ক্রিয়া নির্দেশ করে।
a Enmity
b Alien
c Association
d Separation
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Association কেন সঠিক: - Alliance শব্দটির অর্থ হলো মৈত্রী, জোট বা মিলন, যার সঙ্গে Association শব্দটির অর্থের পূর্ণ মিল রয়েছে। - কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে দল, সংগঠন বা ব্যক্তিবিশেষের পারস্পরিক সংযোগ বা জোট বোঝাতে Association শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Enmity — এর অর্থ শত্রুতা বা বৈরিতা, যা Alliance শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Alien — এর অর্থ পরবাসী বা ভিনদেশী, যা জোট বা মৈত্রীর ধারণার সঙ্গে সম্পূর্ণ অসংগত। C) Association — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ সমিতি, সংঘ বা সংযোগ। D) Separation — এর অর্থ পৃথকীকরণ বা বিচ্ছিন্নতা, যা মিলন বা জোটের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Alliance এবং Association উভয় শব্দের মাধ্যমেই দলবদ্ধ হওয়া বা একসাথে কাজ করার বোঝাপড়া প্রকাশ পায়।
a deers
b deer
c deerz
d many deer
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) deer কেন সঠিক: deer শব্দটির একবচন এবং বহুবচন রূপ একই থাকে। তাই এর সঙ্গে অতিরিক্ত s যুক্ত করার কোনো প্রয়োজন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) deers — deer শব্দের সঙ্গে s যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না কারণ এটি ভুল গঠন। B) deer — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি deer শব্দের বহুবচন রূপ। C) deerz — z যুক্ত করে ইংরেজি শব্দের বহুবচন করা হয় না তাই এটি সম্পূর্ণ ভুল। D) many deer — এটি একটি বাক্যাংশ, কিন্তু প্রশ্ন চেয়েছে শুধু সঠিক বহুবচন রূপটি কী। মনে রাখার টিপস: sheep, deer এবং fish শব্দগুলোর একবচন ও বহুবচন সর্বদা একই থাকে।
a having
b having to drink
c drink
d to take
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) having to drink কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণে would mind phrases এর পর মূল verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়। এখানে কাউকে কোনো কাজের অনুরোধ বা প্রস্তাব বোঝাতে having ব্যবহার করা হয়। অতিরিক্ত হিসেবে পান করা অর্থে drink যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) having — এটি সঠিক হলেও এর সাথে drink না থাকায় বাক্যটি পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়। B) having to drink — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। C) drink — would mind এর পর সরাসরি base verb বসানো ব্যাকরণের নিয়মের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। D) to take — would mind এর পরে infinitive অর্থাৎ to যুক্ত verb ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: would mind দেখলে বাক্যে চোখ বন্ধ করে verb এর সাথে ing যুক্ত রূপটি বেছে নেবে।
a wasn't he
b has he
c isn't he
d doesn't he
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) doesn't he কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটির মূল অংশ present indefinite tense-এ আছে এবং এর মূল ভার্ব হলো seem, যার সাথে s যুক্ত আছে। - Present indefinite tense-এ মূল ভার্বের সাথে s বা es থাকলে question tag তৈরি করার জন্য does সাহায্যকারী ভার্ব ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wasn't he — বাক্যটি past tense-এ নেই এবং এখানে be verb-এর পরিবর্তে মূল ভার্ব ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটি ভুল। B) has he — বাক্যটি perfect tense-এর নয় এবং এখানে auxiliary verb হিসেবে has বসার কোনো ব্যাকরণগত কারণ নেই। C) isn't he — বাক্যটিতে মূল ভার্ব seem থাকার কারণে am, is, are বা to be verb ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) doesn't he — মূল ভার্ব seem-এর জন্য এটি সঠিক tag, তাই প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: বাক্যে মূল ভার্বের সাথে s বা es থাকলে question tag করার সময় doesn't ব্যবহার করতে হয়।
a Principal
b Auxiliary verb
c Transitive verb
d Intransitive verb
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Transitive verb কেন সঠিক: এখানে reads ভার্বটি কী পড়ছে প্রশ্ন করলে a book উত্তর পাওয়া যায়, অর্থাৎ এর নিজস্ব অবজেক্ট রয়েছে। যে ভার্বের অবজেক্ট থাকে তাকে Transitive verb বা সকর্মক ক্রিয়া বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Principal — এটি প্রিন্সিপাল ভার্ব হলেও এখানে অবজেক্ট থাকার কারণে আরও সুনির্দিষ্টভাবে এটি সকর্মক ক্রিয়া। B) Auxiliary verb — এটি সাহায্যকারী ভার্ব নয় কারণ বাক্যে এটি একা প্রধান ভার্ব হিসেবে কাজ করেছে। C) Transitive verb — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। D) Intransitive verb — এই ভার্বটির অবজেক্ট থাকায় এটি অকর্মক ক্রিয়া হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: ভার্বকে কি বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা Transitive verb হয়।
a poorify
b poority
c poorness
d poverty
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) poverty কেন সঠিক: poor শব্দটির বাংলা অর্থ গরিব এবং এটি একটি এডজেক্টিভ। এর সঠিক নাউন রূপটি হলো poverty যার অর্থ দারিদ্র্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) poorify — এমন কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ ব্যাকরণে নেই। B) poority — এটি একটি ভুল গঠন এবং এর কোনো অস্তিত্ব নেই। C) poorness — এটি সঠিক নাউন হলেও তুলনামূলক কম ব্যবহৃত হয় এবং poverty অধিক গ্রহণযোগ্য। মনে রাখার টিপস: Adjective হিসেবে poor থাকলে তার Noun রূপ সাধারণত poverty হয়।
a a
b an
c the
d no article is needed
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a কেন সঠিক: ১. শূন্যস্থানের পরের শব্দটি হলো one। শব্দটির শুরুতে vowel (o) থাকা সত্ত্বেও এর উচ্চারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ ওয় এর মতো হয়। ২. ইংরেজিতে কোনো শব্দের শুরুতে vowel থাকার পরও যদি তার উচ্চারণ ওয়া এর মতো হয়, তবে তার আগে an না বসে a বসে। ৩. তাই one eyed man বাক্যাংশে সঠিক article হিসেবে a ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি সঠিক উত্তর। B) an — শব্দের উচ্চারণ ওয় এর মতো হওয়ায় এখানে an ব্যবহার করা ভুল। C) the — নির্দিষ্ট করে কাউকে না বুঝিয়ে একটিমাত্র একচোখা ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে বিধায় the হবে না। D) no article is needed — Singular countable noun হওয়ায় এখানে article বসানো আবশ্যক। মনে রাখার টিপস: শব্দে vowel থাকা সত্ত্বেও উচ্চারণ যদি ইউ কিংবা ওয়া হয়, তবে তার পূর্বে সর্বদা a বসে।
a Common noun
b Abstract noun
c Material noun
d Proper noun
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Material noun কেন সঠিক: মটন বা ছাগলের মাংস হলো এমন একটি বস্তু যা ওজন করে মাপা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না। যে নাউন দিয়ে কোনো পদার্থের নাম বোঝায় এবং যা দিয়ে নতুন বস্তু তৈরি হয়, তাকে ম্যাটেরিয়াল নাউন বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Common noun — এটি কোনো সাধারণ ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর সাধারণ নাম বোঝায় না, কারণ মাংসকে আলাদা করে গণনা করা যায় না। B) Abstract noun — এটি কোনো গুণ, কাজের নাম বা দোষ বোঝায় না, এটি একটি দৃশ্যমান ও স্পর্শ করার মতো ভৌত পদার্থ। C) Material noun — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মাংস বা পদার্থের নাম নির্দেশ করে যা গণনা করা যায় না। D) Proper noun — এটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা নির্দিষ্ট কোনো প্রাণীর নাম বোঝায় না, এটি সাধারণ একটি বস্তুর নাম। মনে রাখার টিপস: যেসব জিনিস সংখ্যায় গণনা করা যায় না কিন্তু ওজন বা পরিমাপ করা যায় এবং যা দিয়ে অন্য কিছু তৈরি হয়, তারা সবসময় Material noun হয়।
a at
b with
c in
d for
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in কেন সঠিক: কোনো গোপন ষড়যন্ত্র বা অপরাধের সাথে যুক্ত থাকা বোঝাতে 'concerned in' ফ্রেজাল প্রিপোজিশন ব্যবহৃত হয়। এখানে আটজন লোক একটি ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ছিল বোঝানো হয়েছে। তাই শূন্যস্থানে সঠিক প্রিপোজিশন হবে 'in'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — কোনো ঘটনায় বিস্মিত বা দুঃখিত হওয়া বোঝালে 'concerned at' বসে, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। B) with — কোনো বিষয়ে উদ্বিগ্ন বা কোনো ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত বোঝাতে 'concerned with' বসে। D) for — কারো কল্যাণ বা নিরাপত্তার জন্য উদ্বিগ্ন থাকা বোঝালে 'concerned for' ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ষড়যন্ত্র বা অপরাধমূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকা বোঝালে সবসময় 'concerned in' ব্যবহার করবে।
a always
b very rarely
c nearly
d hourly
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) very rarely কেন সঠিক: 'Once in a blue moon' একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম। এর শাব্দিক অর্থ নীল চাঁদে একবার হলেও এটি মূলত একটি বিরল ঘটনা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। যা খুব কদাচিৎ বা কদাচিৎ ঘটে এমন কোনো কাজের ক্ষেত্রে এই বিশেষ বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়। বাংলা ভাষায় এর সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ হলো কদাচিৎ বা খুব কম। ইংরেজি ব্যাকরণে অনিয়মিত বা কদাচিৎ ঘটা ঘটনার প্রকাশ হিসেবে এটি বেশ জনপ্রিয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) always — এই শব্দটির অর্থ সর্বদা বা সবসময়, যা প্রদত্ত ইডিওমের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) very rarely — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ খুব কদাচিৎ, যা মূল ইডিওমের সঠিক ভাবার্থ বহন করে। C) nearly — এই শব্দটির অর্থ প্রায় বা কাছাকাছি, যা এই বিশেষ বাগধারার ব্যাখ্যার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) hourly — এর অর্থ প্রতি ঘন্টায় বা ঘন্টায় ঘন্টায়, যা বিরল ঘটনার অর্থের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: চাঁদ কখনো নীল হয় না, তাই যে ঘটনা চাঁদের মতো বিরল তাকে 'once in a blue moon' বলা হয়।
a Are they known by you?
b Would they be known by you?
c Are they be known with you?
d Are they known to you?
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Are they known to you? কেন সঠিক: ইন্টারোগेटिव বাক্যকে প্যাসিভ করার সময় টেন্স অনুযায়ী auxiliary verb প্রথমে বসে এবং Active Voice-এর subject অবজেক্টে রূপান্তর হয়। এখানে মূল verb 'know'-এর পর বাই (by) preposition না বসে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী 'to' preposition বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Are they known by you? — এখানে 'know' verb-এর পর ভুল করে 'by' preposition ব্যবহার করা হয়েছে। B) Would they be known by you? — এটি present indefinite tense-এর বাক্য হওয়া সত্ত্বেও ভুল modal auxiliary 'would' ব্যবহার করা হয়েছে। C) Are they be known with you? — এখানে 'be' অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়েছে এবং ভুল preposition 'with' দেওয়া হয়েছে। D) Are they known to you? — এই অপশনটি সঠিক, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: 'Know' verb-এর পর সাধারণত 'by' না বসে সবসময় 'to' preposition বসে।
a Compound sentences
b Complies sentence
c simple sentence
d interrogative sentence
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Compound sentences কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে 'else' conjunction দুটি স্বাধীন clause কে যুক্ত করেছে। এটি একটি compound sentence এর গঠন নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Compound sentences — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Complies sentence — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি ব্যাকরণের সেন্টেন্সের প্রকার নয়। C) simple sentence — এতে একটি মাত্র subject ও finite verb থাকে, যা এখানে নেই। D) interrogative sentence — এটি কোনো প্রশ্নবোধক বাক্য নয়। মনে রাখার টিপস: or বা else যুক্ত বাক্য সাধারণত compound sentence হয়।
a Preposition
b Verb
c Conjunction
d Adverb
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Preposition কেন সঠিক: এখানে but শব্দটি except বা besides অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এটি দুটি বাক্যকে যুক্ত না করে preposition হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Preposition — এখানে এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) Verb — এটি কোনো কাজ বা অবস্থাকে বোঝাচ্ছে না। C) Conjunction — এটি দুটি খণ্ডবাক্য বা শব্দকে সংযুক্ত করছে না। D) Adverb — এটি কোনো verb বা adjective কে বিশেষित করছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে but এর অর্থ যদি except বা বাদে হয়, তবে তা সর্বদা preposition হয়।
a with, to
b to, by
c with, for
d to, for
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) with, for কেন সঠিক: - ব্যক্তির ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তা বোঝাতে popular এর পর with বসে এবং কোনো গুণের কারণে জনপ্রিয় বোঝালে for বসে। - বাক্যে goodness একটি গুণ বোঝানো হয়েছে, তাই এর পূর্বে for প্রিপজিশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with, to — এখানে দ্বিতীয় প্রিপজিশন to ভুল কারণ গুণের কারণে বোঝাতে to বসে না। B) to, by — এখানে দুটি প্রিপজিশনই ভুল, কারণ ব্যক্তির ক্ষেত্রে with এবং কারণ বোঝাতে for বসে। C) with, for — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রথম শূন্যস্থানে with এবং দ্বিতীয় শূন্যস্থানে for বসেছে। D) to, for — এখানে প্রথম শূন্যস্থানে to ভুল, কারণ ব্যক্তির জনপ্রিয়তার ক্ষেত্রে popular এর পর with বসে। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির ক্ষেত্রে popular with এবং গুণের জন্য popular for ব্যবহার করবে।
a A sheep of black colour
b Big Sheep
c Disgraceful Pension
d Costly
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ভাষা ও ব্যাকরণ (আইডম বা বাগধারা) কেন সঠিক: - 'Black Sheep' একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ কালো ভেড়া হলেও ভাবার্থ হলো কুলাঙ্গার বা পরিবারের কলঙ্ক। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে 'Disgraceful Pension' বা অপমানের পাত্র অর্থে এটি বোঝানো হয়েছে, যা এই ইডিয়মের ভাবার্থের সাথে মেলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A sheep of black colour — এটি ইডিয়মের আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবসময় ভাবার্থ বা প্রবাদমূলক অর্থ ধরতে হয়। B) Big Sheep — এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক এবং এর সাথে ব্ল্যাক শিপ ইডিয়মের কোনো সম্পর্ক নেই। C) Disgraceful Pension — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে টাইপিং বা মুদ্রণজনিত ভুলের কারণে 'Person'-এর পরিবর্তে 'Pension' এসেছে, যা মূলত কুলাঙ্গার বা কলঙ্কিত ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। D) Costly — এর অর্থ ব্যয়বহুল, যা ব্ল্যাক শিপ বা কুলাঙ্গার শব্দের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: ভেড়ার পালে কালো ভেড়া থাকলে যেমন পুরো পাল নষ্ট হয়, তেমনি পরিবারে খারাপ সদস্যকে ব্ল্যাক শিপ বা কুলাঙ্গার বলা হয়।
a with
b by
c on
d of
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) on কেন সঠিক: পায়ে হেঁটে কোথাও যাওয়া বোঝাতে ইংরেজিতে অন ফিট বা on foot ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। যানবাহনের ক্ষেত্রে বাই বসালেও শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দিয়ে চলা বোঝাতে অন প্রিপজিশন বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এটি সাধারণত কোনো যন্ত্র বা উপকরণের সাথে বসে, মানুষের অঙ্গ বা হাঁটার ক্ষেত্রে বসে না। B) by — এটি সাধারণত কোনো যানবাহনের নামের আগে বসে, যেমন বাই বাস বা বাই কার। C) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিজেই সঠিক প্রিপজিশন। D) of — এটি সম্বন্ধ বা উৎস বোঝাতে বসে, হাঁটার পদ্ধতির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: পায়ে হেঁটে চলা বোঝাতে সবসময় অন ফিট মুখস্থ রাখবে।
a সে তোমার জন্য এটি করতে পারবে।
b সে তোমাকে দিয়ে এটি করাতে পারবে।
c সে ও তুমি এটি করতে পারব
d সে তোমার জন্য এটি করতে পারে
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সে তোমাকে দিয়ে এটি করাতে পারবে। কেন সঠিক: বাক্যটিতে 'can' থাকার কারণে অর্থটি অতীতে বা বর্তমানে নয়, বরং ভবিষ্যতে সম্ভাবনা বা সামর্থ্য বোঝাতে 'পারবে' হবে। তাছাড়া 'make you do' গঠনটি কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করানোর অর্থ প্রকাশ করে, যা Causative Verb-এর নিয়ম। কর্তা নিজেই কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করালে এমন গঠন ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক অনুবাদটি হবে সে তোমাকে দিয়ে এটি করাতে পারবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সে তোমার জন্য এটি করতে পারবে — এই অনুবাদে 'make' শব্দটির অর্থ বা কাউকে দিয়ে কাজ করানোর ভাবটি প্রকাশ পায়নি। B) সঠিক উত্তর — এটি মূল বাক্যের সঠিক ও নিখুঁত বঙ্গানুবাদ। C) সে ও তুমি এটি করতে পারব — এই অপশনের অর্থ মূল ইংরেজি বাক্যের অর্থের সাথে একেবারেই মিলে না। D) সে তোমার জন্য এটি করতে পারে — এখানে 'can'-এর সঠিক ভবিষ্যৎ অর্থ এবং Causative Verb-এর সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে Subject-এর পরে make এবং অন্য কোনো ব্যক্তিবাচক object থাকলে তা Causative Verb হয় এবং বাংলা করার সময় কাউকে দিয়ে কিছু করানো বোঝায়।
a Acknowledgement
b Acknoledgement
c Acknowlegement
d Acknowledgament
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Acknowledgement কেন সঠিক: এই বানানে acknowledge শব্দের শেষে ment প্রত্যয় যুক্ত করার সময় ই উঠে যায় না। তাই সঠিক রূপটি হলো acknowledgement। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Acknowledgement — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং আদর্শ ইংরেজি বানানের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) Acknoledgement — এই বানানে w অক্ষরটির পরে e অক্ষরটি বাদ পড়েছে যা একটি ভুল বানান। C) Acknowlegement — এই বানানে d অক্ষরটি অনুপস্থিত রয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তুলেছে। D) Acknowledgament — এই বানানে শেষের দিকে a অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: acknowledge লেখার পর সরাসরি ment যোগ করলেই সঠিক বানান পেয়ে যাবে।
a bad smellW
b suspect something
c make difficult
d presence of a thief
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) suspect something কেন সঠিক: 'smell a rat' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ ইঁদুরের গন্ধ পাওয়া হলেও ভাবার্থ হলো কোনো কিছু নিয়ে সন্দেহ করা বা ডাল মে কুচ কালা হ্যায় মনে করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bad smell — এটি সম্পূর্ণ আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে, যা ইডিয়মের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) suspect something — এটি এই ইডিয়মের সঠিক ভাবার্থ বা অর্থ নির্দেশ করে। C) make difficult — এর অর্থ কোনো কিছু কঠিন করে তোলা, যা এই ইডিয়মের সাথে মেলে না। D) presence of a thief — এটি চোরের উপস্থিতি বোঝায়, যা রূপক অর্থে ব্যবহৃত এই বাগধারার সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: ঘরে ইঁদুরের গন্ধ পেলে যেমন সন্দেহ হয় যে কোথাও ইঁদুর লুকিয়ে আছে, তেমনি কোনো ব্যাপারেই গোলমেলে কিছু মনে হলে 'smell a rat' ব্যবহার করা হয়।
a Books
b Gave
c Me
d Five
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Five কেন সঠিক: - 'Five' শব্দটি বাক্যের 'books' নাউনের সংখ্যা নির্দেশ করে তার দোষ, গুণ বা পরিমাণ প্রকাশ করেছে। - যে শব্দ নাউনের সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, তাকে Adjective বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Books — এটি একটি Noun, কারণ এটি একটি বস্তুর নাম বোঝাচ্ছে। B) Gave — এটি একটি Verb, কারণ এটি দিয়ে একটি কাজ সম্পন্ন করা বোঝানো হয়েছে। C) Me — এটি একটি Pronoun, যা Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে। D) Five — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: নাউনের আগে বসে সংখ্যা বা পরিমাণ বোঝালে সেটি Adjective হয়।
a Proposetion
b Proposal
c Proposed
d Proposiing
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Proposal কেন সঠিক: প্রস্তাব শব্দটির ইংরেজি রূপ হলো প্রপোজ, যার সঠিক নাউন ফর্ম বা বিশেষ্য রূপ হলো প্রপোজাল। কোনো শব্দের শেষে আল যুক্ত করে সাধারণত নাউন বা বিশেষ্য গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proposetion — এই বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান হলো প্রপজিশন এবং এটি প্রপোজ শব্দের সঠিক নাউন রূপ নয়। B) Proposal — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) Proposed — এটি প্রপোজ শব্দের পাস্ট টেন্স বা অতীত রূপ এবং এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া। D) Proposiing — এই বানানে ভুল রয়েছে কারণ সঠিক বানান হলো প্রপোজং এবং এটি ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত রূপ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক verb-এর শেষে al যোগ করে noun তৈরি করা হয়, যেমন propose থেকে proposal।
a mouse
b intention
c women
d information
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) information কেন সঠিক: information একটি আনকাউন্টেবল বা গণনাহীন নাউন। এর সাথে কখনো এস বা ইএস যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না। এই শব্দের নির্দিষ্ট কোনো বহুবচন রূপ ইংরেজিতে নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mouse — এটি একটি কাউন্টেবল নাউন এবং এর বহুবচন হলো মাইস। B) intention — এটি একটি সাধারণ গণনযোগ্য নাউন এবং এর সাথে এস যুক্ত করে বহুবচন করা যায়। C) women — এটি উওম্যান শব্দের বহুবচন রূপ যা নিজেই প্লুরাল। D) information — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ইনফরমেশন, নিউজ এবং ফার্নিচার শব্দগুলো সবসময় একবচন হয় এবং এদের সাথে প্লুরাল হয় না।
a Mermaid
b Horse
c Dog
d Bear
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Horse কেন সঠিক: Mare শব্দের বাংলা অর্থ মادي ঘোড়া বা ঘোটকী। এর পুংলিঙ্গ বা masculine gender হলো ঘোড়া যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Horse। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mermaid — এই শব্দটির অর্থ জলপরী, যা কোনো প্রাণীর লিঙ্গ পরিবর্তন নয়। B) Horse — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Dog — এই শব্দটির অর্থ কুকুর, যার স্ত্রীলিঙ্গ হলো Bitch। D) Bear — এই শব্দটির অর্থ ভাল্লুক, যা Mare শব্দের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ঘোড়ার ক্ষেত্রে স্ত্রীলিঙ্গ হলো Mare এবং পুংলিঙ্গ হলো Horse।
a Yesterday, he has gone home
b Yesterday, he did gone home.
c Yesterday, he had gone home.
d Yesterday, he went home,
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Yesterday, he went home, কেন সঠিক: বাক্যে Yesterday শব্দটি থাকার কারণে এটি অতীতের ঘটনা নির্দেশ করে। অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে সাধারণ অতীত কাল বা Past Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়। এই Tense-এ মূল verb-এর Past form বা V2 বসে। অপশন ডি-তে go verb-এর Past form went ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Yesterday, he has gone home — বাক্যে Yesterday থাকার কারণে Present Perfect Tense ব্যবহার করা ভুল। B) Yesterday, he did gone home — did-এর পরে verb-এর Present form বসার কথা থাকলেও এখানে gone ব্যবহার করা হয়েছে। C) Yesterday, he had gone home — দুটি অতীত ঘটনার তুলনা না থাকায় এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা নিয়মসম্মত নয়। D) Yesterday, he went home, — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে Past Indefinite Tense-এর নিয়ম মেনে চলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে Yesterday, Ago, Last night ইত্যাদি অতীত নির্দেশক শব্দ থাকলে সর্বদা Past Indefinite Tense অর্থাৎ verb-এর Past form ব্যবহার করতে হবে।
a A gerund
b An infinitive
c A participle
d A finite verb
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A participle কেন সঠিক: এখানে 'enlightening' শব্দটি বাক্যে এডজেক্টিভ বা বিশেষণের কাজ করছে। এটি বিশেষ্য বা নাউন 'Education' সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A gerund — এটি নাউনের কাজ করে না, তাই জিরান্ড হতে পারে না। B) An infinitive — এর পূর্বে কোনো 'to' নেই এবং গঠনেও এটি ইনফিনিটিভ নয়। C) A participle — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে বর্ণনার প্রয়োজন নেই। D) A finite verb — এটি বাক্যের মূল সমাপিকা ক্রিয়া নয়, কারণ মূল ভার্ব হলো 'is'। মনে রাখার টিপস: কোনো ing যুক্ত শব্দ যদি নাউনের দোষ বা গুণ প্রকাশ করে এডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করে, তবে তা পার্টিসিপল হয়।
a ৭টি
b ৮টি
c ৯টি
d ১০টি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮টি প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে ২০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করা হলো ধরি, মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা ১ এবং কেবল সেই সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য অতএব, ১ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫ এবং ৭ ১১ থেকে ২০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭ এবং ১৯ সুতরাং, মোট মৌলিক সংখ্যার পরিমাণ হলো ৪ + ৪ = ৮টি উত্তর: ৮টি
a ৬২ বছর
b ৬০ বছর
c ৫৪ বছর
d ৫৮ বছর
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ বছর প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত = ১০ : ৩ পুত্রের বয়স = ১৮ বছর ধরি, পিতার বয়স = ১০ক বছর পুত্রের বয়স = ৩ক বছর অতএব, ৩ক = ১৮ ক = ১৮ ÷ ৩ সুতরাং, ক = ৬ উত্তর: পিতার বয়স = ১০ × ৬ = ৬০ বছর
a 1
b 0
c 2
d 4
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x^৪ − ২x^২ + ১ = ০ ধরি, x^২ = a অতএব, a^২ − ২a + ১ = ০ সুতরাং, (a − ১)^২ = ০ অতএব, a = ১ যেহেতু x^২ = a তাহলে x^২ = ১ সুতরাং, x এর মান = ১ উত্তর: ১
a ৪০ লিটার
b ৩৫ লিটার
c ৩০ লিটার
d ২৫ লিটার
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪০ লিটার প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৩০ লিটার এসিড ও পানির অনুপাত = ৭ : ৩ ধরি, এসিডের পরিমাণ = ৭ক লিটার পানির পরিমাণ = ৩ক লিটার অতএব, ৭ক + ৩ক = ৩০ ১০ক = ৩০ সুতরাং, ক = ৩ এসিডের পরিমাণ = ৭ × ৩ = ২১ লিটার পানির পরিমাণ = ৩ × ৩ = ৯ লিটার উত্তর: নতুন পানি মেশাতে হবে = ৪০ লিটার
a 3
b 8
c 9
d 12
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x + y + z = ১৬ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x − y = z ধরি, x হলো প্রথম সংখ্যা y হলো দ্বিতীয় সংখ্যা z হলো তৃতীয় সংখ্যা অতএব, দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই, x − y − z = ০ এটি প্রথম সমীকরণের সাথে তুলনা করি এখানে x − y এর পরিবর্তে z বসানো যায় সুতরাং, z + z = ১৬ ২z = ১৬ উত্তর: z = ৮ এবং x = ৮
a 0.1
b 0.125
c 0.15
d 0.2
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.২ প্রদত্ত তথ্য: ১৬টি কলা বিক্রি করা হলো লোকসান হলো ৪টি কলার বিক্রয়মূল্যের সমান ধরি, একটি কলার বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা ১৬টি কলার বিক্রয়মূল্য = ১৬ টাকা অতএব, মোট লোকসান = ৪ টাকা ক্রয়মূল্য = ১৬ + ৪ = ২০ টাকা সুতরাং, শতকরা লোকসান = (৪ ÷ ২০) = ০.২ উত্তর: ০.২
a 65
b 81
c 43
d 63
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৩ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ৬৫, ৮১, ৪৩ এবং ৬৩ ধরি, সংখ্যাগুলো মৌলিক নাকি যৌগিক তা যাচাই করতে হবে অতএব, ৬৫ সংখ্যাটি ৫ দ্বারা বিভাজ্য তাই এটি যৌগিক সংখ্যা ৮১ সংখ্যাটি ৯ দ্বারা বিভাজ্য তাই এটি যৌগিক সংখ্যা সুতরাং, ৪৩ সংখ্যাটিকে ১ এবং ৪৩ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না উত্তর: ৪৩
a 0.1248
b 1.248
c 12.48
d 124.8
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.২৪৮ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ১৫.৬ শতকরা পরিমাণ হলো ৮% ধরি, নির্ণয় মান = ১৫.৬ এর ৮% অতএব, ১৫.৬ × (৮ ÷ ১০০) সুতরাং, ১৫.৬ × ০.০৮ = ১.২৪৮ উত্তর: ১.২৪৮
a 60
b 50
c 40
d 30
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: ময়ূর ও হরিণের মোট সংখ্যা = ৮০ মোট পায়ের সংখ্যা = ২০০ ধরি, সব প্রাণিই হরিণ হলে মোট পা হতো = ৮০ × ৪ = ৩২০৫ ময়ূরের পা ও হরিণের পায়ের পার্থক্যের হিসাব = ৪ − ২ = ২ অতএব, অতিরিক্ত পায়ের সংখ্যা = ৩২০৫ − ২০০ = ১২০ ময়ূরের সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য ভাগ করতে হবে = ১২০ ÷ ২ সুতরাং, ময়ূরের সংখ্যা = ৬০ উত্তর: ৬০
a 19
b 20
c 21
d 22
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ও শেষ গাছের মধ্যে মোট দূরত্ব = ২ কিলোমিটার গাছগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব = ১০০ মিটার ধরি, ১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার সুতরাং মোট দূরত্ব = ২ × ১০০০ = ২০০০ মিটার অতএব, মোট দূরত্বের মধ্যে ১০০ মিটারের ব্যবধান সংখ্যা = ২০০০ ÷ ১০০ ব্যবধান সংখ্যা = ২০ টি সুতরাং, মোট গাছের সংখ্যা = ব্যবধান সংখ্যা + ১ মোট গাছের সংখ্যা = ২০ + ১ = ২১ টি উত্তর: ২১
a ০.০৩৭
b ০.০১১
c ০.০০৩
d 0.01
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.০৩৭ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা তিনটি হলো এক-দশমাংশ, এক-শতাংশ এবং এক-সহস্রাংশ এই তিনটি সংখ্যার গড় নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ১ ÷ ১০ = ০.১ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ১ ÷ ১০০ = ০.০১ তৃতীয় সংখ্যাটি = ১ ÷ ১০০০ = ০.০০১ অতএব, সংখ্যা তিনটির যোগফল = ০.১ + ০.০১ + ০.০০১ যোগফল নির্ণয় করলে পাই = ০.১১১ সুতরাং, গড় নির্ণয়ের জন্য যোগফলকে ৩ দিয়ে ভাগ করতে হবে ০.১১১ ÷ ৩ = ০.০৩৭ উত্তর: ০.০৩৭
a 6
b 11
c 12
d 17
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১ প্রদত্ত তথ্য: তিন বোনের বয়সের সমষ্টি = ২৩ বছর জমজ দুই বোনের প্রত্যেকের বয়স = ৬ বছর ধরি, অর্নির বয়স = ক বছর জমজ দুই বোনের বয়সের সমষ্টি = ৬ + ৬ = ১২ বছর অতএব, অর্নির বয়স + জমজ দুই বোনের বয়সের সমষ্টি = ২৩ ক + ১২ = ২৩ সুতরাং, ক = ২৩ − ১২ = ১১ উত্তর: ১১ বছর
a 0.01
b 0.001
c 0.1
d কোনোটিই নয়
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০০১ প্রদত্ত তথ্য: শতকরা মান = ০.১% ধরি, শতকরা চিহ্ন তোলার জন্য ১০০ দিয়ে ভাগ করতে হবে অতএব, ০.১% = ০.১ ÷ ১০০ সুতরাং, ০.১ ÷ ১০০ = ০.০০১ উত্তর: ০.০০১
a (x-2)(x-3)
b (x-1) (x+8)
c (x-1)(x-6)
d (x+1) (x+6)
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (x-1)(x-6) প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত রাশিটি হলো x² − 7x + 6 ধরি, মধ্যপদের সহক ৭ কে এমন দুটি সংখ্যায় ভাগ করতে হবে যাদের গুণফল হবে ৬ এবং যোগফল হবে − ৭ অতএব, সংখ্যা দুটি হলো − ১ এবং − ৬ সুতরাং, x² − x − 6x + 6 উত্তর: (x-1)(x-6)
a 2
b 5
c 13
d 4
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, প্রথম সংখ্যা যোগ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৬ দেওয়া আছে, প্রথম সংখ্যা গুণ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৪ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি হলো a দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো b অতএব, প্রশ্ন অনুসারে সরাসরি গুণফল চাওয়া হয়েছে যেহেতু ab হলো a এবং b এর গুণফল সুতরাং, ab এর মান হবে প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী সরাসরি ৪ উত্তর: ৪
a 8,0
b 6,1
c 3,3
d 2,3
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২,৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণ হলো x + ২y = ৮ দ্বিতীয় সমীকরণ হলো ২x + y = ৭ ধরি, x এর মান হলো ২ এবং y এর মান হলো ৩ এই মানগুলো প্রথম সমীকরণে বসাই অতএব, বামপক্ষ হলো ২ + (২ × ৩) = ২ + ৬ = ৮ ডানপক্ষ হলো ৮ বামপক্ষ এবং ডানপক্ষ সমান হলো সুতরাং, দ্বিতীয় সমীকরণে মানগুলো বসাই বামপক্ষ হলো (২ × ২) + ৩ = ৪ + ৩ = ৭ উত্তর: ২,৩
a 3/4
b 3/5
c 5/7
d 5/6
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩/৫ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশের লবের সাথে ৭ যোগ করলে মান ২ হয় হর থেকে ২ বাদ দিলে ভগ্নাংশটির মান ১ হয় ধরি, ভগ্নাংশটির লব = x ভগ্নাংশটির হর = y অতএব, প্রথম শর্ত মতে, (x + ৭) ÷ y = ২ অর্থাৎ x + ৭ = ২y সুতরাং x − ২y = −৭ (এটি সমীকরণ এক) দ্বিতীয় শর্ত মতে, x ÷ (y − ২) = ১ অর্থাৎ x = y − ২ সুতরাং x − y = −২ (এটি সমীকরণ দুই) সুতরাং, সমীকরণ এক থেকে সমীকরণ দুই বিয়োগ করে পাই, y = ৫ y এর মান সমীকরণ দুই এ বসিয়ে পাই, x = ৩ উত্তর: ৩/৫
a 21
b 10
c 9
d 3
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (৭ + ক) × ৩ = ৩০ ধরি, অজানা সংখ্যাটি সমান ক অতএব, ৭ + ক = ৩০ ÷ ৩ ৭ + ক = ১০ সুতরাং, ক = ১০ − ৭ উত্তর: ক = ৩
a ৩ গুণ
b ৯ গুণ
c ১২ গুণ
d ১৬ গুণ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ গুণ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ধরি, বৃত্তের প্রাথমিক ব্যাসার্ধ = r প্রাথমিক ক্ষেত্রফল = π × r × r অতএব, নতুন ব্যাস হবে তিন গুণ নতুন ব্যাসার্ধ = ৩ × r সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৩ × r) × (৩ × r) নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r) উত্তর: ৯ গুণ
a 3321
b 3342
c 3322
d 3344
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৩২১ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১ + ৫ + ৯ + ... + ১৬১ এটি একটি সমান্তর ধারা যার প্রথম পদ ১ ধরি, প্রথম পদ (a) = ১ সাধারণ অন্তর (d) = ৫ − ১ = ৪ অতএব, শেষ পদ = a + (n − ১) × d = ১৬১ ১ + (n − ১) × ৪ = ১৬১ সুতরাং, (n − ১) × ৪ = ১৬০ n − ১ = ৪০ n = ৪১ উত্তর: পদের সংখ্যা n = ৪১ এবং সমষ্টি = (n ÷ ২) × (প্রথম পদ + শেষ পদ) = (৪১ ÷ ২) × (১ + ১৬১) = ৩৩২১
a চীন
b মালদ্বীপ
c নেপাল
d জাম্বিয়া
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন কেন সঠিক: - চীন কখনো কোনো ইউরোপীয় শক্তির সরাসরি উপনিবেশে পরিণত হয়নি। - ব্রিটিশসহ অন্যান্য পশ্চিমা শক্তি কিছু অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার বা বাণিজ্যিক অধিকার পেলেও চীন একটি স্বাধীন সাম্রাজ্য হিসেবে টিকে ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি সরাসরি ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল না কারণ বিভিন্ন শক্তির প্রভাবে থাকলেও এটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে অক্ষুণ্ণ ছিল। B) মালদ্বীপ — এটি ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল এবং ১৯৬৫ সালে স্বাধীনতা লাভ করে। C) নেপাল — এটিও ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল না, কিন্তু বিকল্পগুলোর মধ্যে চীন সঠিক উত্তর হিসেবে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। D) জাম্বিয়া — এটি ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল এবং উত্তর রোডেশিয়া নামে পরিচিত ছিল। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার যে কয়টি দেশ কখনো উপনিবেশ হয়নি, তার মধ্যে চীন ও নেপাল অন্যতম।
a জাপান
b বাংলাদেশ
c চীন
d আমেরিকা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাপান কেন সঠিক: - জাপানের সংবিধানের ৯ অনুচ্ছেদে যুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক বিরোধ মেটানোর জন্য সামরিক বাহিনী গঠনের অধিকার চিরতরে ত্যাগ করা হয়েছে। - এই শান্তিবাদী নীতির কারণে জাপান রাষ্ট্রীয়ভাবে যুদ্ধ বর্জন করায় এর সংবিধানকে বিশ্বের শান্তির সংবিধান বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংবিধানে যুদ্ধ চিরতরে বর্জন করা হয়েছে। B) বাংলাদেশ — বাংলাদেশের সংবিধানে শান্তির কথা থাকলেও এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের শান্তির সংবিধান বলা হয় না। C) চীন — চীনের সংবিধান সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিভিত্তিক এবং এর সামরিক শক্তি অত্যন্ত প্রবল। D) আমেরিকা — আমেরিকার সংবিধান যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থার জন্য পরিচিত এবং তাদের একটি শক্তিশালী সামরিক বাহিনী রয়েছে। মনে রাখার টিপস: জাপানের শান্তির সংবিধান মনে রাখতে মাথায় রাখুন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তারা যুদ্ধ চিরতরে বর্জন করে শান্তি বেছে নিয়েছিল।
a ভারত
b চীন
c মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
d রাশিয়া
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) চীন কেন সঠিক: - চীন বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে গ্রিনহাউস গ্যাস ও কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ করে থাকে। - দেশটির দ্রুত শিল্পায়ন এবং প্রধান জ্বালানি হিসেবে কয়লার ব্যাপক ব্যবহারের ফলে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বিশ্বে সর্বোচ্চ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ হলেও বর্তমানে চীনের পরেই এর অবস্থান। B) চীন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর। C) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিকভাবে সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ করলেও বর্তমানে বার্ষিক নিঃসরণে চীনের পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। D) রাশিয়া — রাশিয়া বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর একটি হলেও চীনের তুলনায় এর মোট পরিমাণ কম। মনে রাখার টিপস: কার্বন নিঃসরণে প্রথম অবস্থানে থাকা দেশকে মনে রাখতে মনে রাখুন, বর্তমানে জনসংখ্যার মতো শিল্পকারখানায় এগিয়ে থাকা চীন কার্বন নিঃসরণেও শীর্ষে।
a গ্রিস
b ইতালি
c নাইজার
d তুরস্ক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুরস্ক কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক ট্রয় নগরী প্রাচীন এশিয়া মাইনরের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ছিল, যা বর্তমান তুরস্কের চানাক্কালে প্রদেশে পড়ে। - হোমারের বিখ্যাত মহাকাব্য ইলিয়াদে বর্ণিত ট্রয় যুদ্ধের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই ঐতিহাসিক নগরী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রিস — গ্রিস প্রাচীন ট্রয়ের আক্রমণকারী স্পার্টা ও মাইসেনির মতো রাজ্যগুলোর ভূখণ্ড হলেও, ট্রয় নগরী এখানে ছিল না। B) ইতালি — ইতালি প্রাচীন রোমান সভ্যতার সঙ্গে যুক্ত হলেও, ট্রয়ের ভৌগোলিক অবস্থান বর্তমান ইতালিতে ছিল না। C) নাইজার — নাইজার আফ্রিকার একটি দেশ এবং প্রাচীন ট্রয় সভ্যতার সঙ্গে এর কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। D) তুরস্ক — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রাচীন ট্রয় নগরীর ধ্বংসাবশেষ বর্তমান তুরস্কের মাটিতে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ট্রয় যুদ্ধের দেশ হিসেবে তুরস্ক মনে রাখুন, যেখানে বিখ্যাত ট্রয় হর্স বা কাঠের ঘোড়ার কাহিনী প্রচলিত আছে।
a পাহাড়পুর
b ষাটগম্বুজ
c মহাস্থানগড়
d সুন্দরবন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড় কেন সঠিক: - ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাদেশের তিনটি স্থান বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও মহাস্থানগড় এখনও চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পায়নি। - এটি বর্তমানে ইউনেস্কোর সম্ভাব্য বা সাময়িক তালিকায় রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাহাড়পুর — এটি ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা লাভ করেছে। B) ষাটগম্বুজ — এটি ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। C) মহাস্থানগড় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি এখনও ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায়নি। D) সুন্দরবন — এটি ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য তিনটি পাহাড়পুর, ষাটগম্বুজ ও সুন্দরবন, এর বাইরে থাকা মহাস্থানগড় শুধু সম্ভাব্য তালিকায় আছে।
a জয়যাত্রা
b জীবন থেকে নেয়া
c কখনো আসেনি
d এদেশ তোমার আমার
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জয়যাত্রা কেন সঠিক: - জয়যাত্রা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র যা পরিচালনা করেছেন তৌকির আহমেদ। - এটি ২০০৪ সালে মুক্তি পায় এবং বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষের কষ্ট ও সংগ্রামের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়যাত্রা — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) জীবন থেকে নেয়া — এটি জহির রায়হান পরিচালিত রাজনৈতিক রূপকধর্মী চলচ্চিত্র যা ১৯৬৯ সালের গণঅভুত্থান ও স্বাধিকার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নির্মিত, সরাসরি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। C) কখনো আসেনি — এটি জহির রায়হান পরিচালিত একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক ধারার চলচ্চিত্র, যার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। D) এদেশ তোমার আমার — এটি এহতেশাম পরিচালিত একটি সামাজিক ও রোমান্টিক ধারার চলচ্চিত্র, যা দেশপ্রেমমূলক হলেও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত তৌকির আহমেদের প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র হলো জয়যাত্রা।
a মার্কিন
b যুক্তরাষ্ট্র
c ফ্রান্স
d চীন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ফ্রান্স বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত অপশনে সঠিক উত্তর হিসেবে 'মার্কিন' উল্লেখ করা হয়েছে যা ভুল। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ফরাসি কোম্পানির সহায়তায় উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, তাই সঠিক উত্তর হবে ফ্রান্স। কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ফরাসি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা থালেস অ্যালেনিয়া স্পেসের মাধ্যমে তৈরি ও উৎক্ষেপণ করা হয়। - ২০১৮ সালের ১১ মে এটি যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হলেও এর মূল নির্মাতা ও উৎক্ষেপণের মূল প্রযুক্তিগত দায়িত্বে ছিল ফ্রান্স। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন — যুক্তরাষ্ট্র বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হলেও এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব কোনো প্রজেক্ট ছিল না। B) যুক্তরাষ্ট্র — ফ্যালকন নাইন রকেটের মাধ্যমে কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হলেও স্যাটেলাইটটির নির্মাতা যুক্তরাষ্ট্র নয়। C) ফ্রান্স — এই অপশনটি সঠিক কারণ ফরাসি প্রতিষ্ঠান থালেস অ্যালেনিয়া স্পেস এই স্যাটেলাইটটি তৈরি এবং উৎক্ষেপণের ব্যবস্থা করেছিল। D) চীন — বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ তৈরিতে বা উৎক্ষেপণে চীনের কোনো প্রযুক্তিগত বা ভূরাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিল না। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের ফ্যালকন রকেট, কিন্তু এটি তৈরি করেছিল ফ্রান্সের কোম্পানি।
a বারাক ওবামা
b মহাত্মা গান্ধী
c মার্টিন লুথার কিং
d নেলসন ম্যান্ডেলা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মার্টিন লুথার কিং কেন সঠিক: - এটি আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের ১৯৬৩ সালের একটি ঐতিহাসিক ভাষণ। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বর্ণবাদ বৈষম্যের বিরুদ্ধে এবং সমতার দাবিতে তিনি এই বিখ্যাত ভাষণ প্রদান করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারাক ওবামা — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট ছিলেন কিন্তু এই ঐতিহাসিক ভাষণের সাথে যুক্ত নন। B) মহাত্মা গান্ধী — তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অহিংস নেতা ছিলেন এবং এই মার্কিন ভাষণের সাথে সম্পর্কিত নন। C) মার্টিন লুথার কিং — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে আলাদা কোনো ভুল কারণ নেই। D) নেলসন ম্যান্ডেলা — তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের মহান নেতা ছিলেন কিন্তু এই ভাষণ দেননি। মনে রাখার টিপস: মার্টিন লুথার কিং এর একটি স্বপ্ন বা ড্রিম ছিল মানুষের সমতা নিয়ে, তাই আই হ্যাভ এ ড্রিম ভাষণটি তাঁরই।
a ২০১৬-২০৩০
b ২০১৭-২০৩০
c ২০১৫-২০৩০
d ২০১৮-২০৩০
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও টেকসই উন্নয়ন সঠিক উত্তর: C) ২০১৫-২০৩০ বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন A দেওয়া থাকলেও প্রকৃত সঠিক উত্তর হলো অপশন C। জাতিসংঘের ঘোষণা অনুযায়ী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDG) মেয়াদকাল হলো ২০১৫ থেকে ২০৩০ সাল। কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। - এই লক্ষ্য অর্জনের সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০৩০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৬-২০৩০ — এই সময়কালটি সঠিক নয় কারণ এসডিজি গ্রহণের বছর এবং প্রাথমিক কার্যকাল ২০১৫ সাল থেকেই ধরা হয়। B) ২০১৭-২০৩০ — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আনুষ্ঠানিক শুরুর বছর নয় এবং এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। D) ২০১৮-২০৩০ — এই সালটি এসডিজির মূল মেয়াদকাল বা সূচনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: এসডিজি (SDG) অর্জনের বছর মনে রাখতে ১৫ ও ৩০ সংখ্যা দুটি মনে রাখুন, অর্থাৎ ২০১৫ থেকে ২০৩০ সাল।
a 1997
b 2001
c 1999
d 2002
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৯ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ৭ম ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করে। - এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ পাকিস্তান ও স্কটল্যান্ডকে পরাজিত করে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করে এবং টেস্ট স্ট্যাটাস অর্장의 পথ প্রশস্ত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৭ — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জয় করে বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে, কিন্তু বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি। B) ২০০১ — এটি কোনো বিশ্বকাপ ক্রিকেটের বছর নয় এবং এই সময়ে বাংলাদেশ টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে নিয়মিত ক্রিকেট খেলেছে। C) ১৯৯৯ — এটি সঠিক উত্তর। D) ২০০২ — এটি আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের বছর ছিল, বিশ্বকাপের কোনো আসর ছিল না। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জয়ের ঠিক দুই বছর পর ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে মাঠে নামে।
a দুবাই
b কাতার
c সিউল
d বার্লিন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাতার কেন সঠিক: - ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল কাতারে অনুষ্ঠিত হয়। - মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হিসেবে কাতার প্রথমবার ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের গৌরব অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুবাই — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি শহর হলেও ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। B) কাতার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এখানেই ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সি) সিউল — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং ২০০২ সালের ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক শহর ছিল। D) বার্লিন — এটি জার্মানির রাজধানী এবং ২০০৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচসহ বিভিন্ন ম্যাচ আয়োজন করেছিল। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে প্রথমবার বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে।
a ২৬ মার্চ ২০২০-১৬ ডিসেম্বর ২০২১
b ১৭ মার্চ ২০২০-১৬ ডিসেম্বর ২০২১
c ১৭ এপ্রিল ২০২০-১৭ এপ্রিল ২০২১
d ১৭ জানুয়ারি ২০২০-১০ জানুয়ারি ২০২১
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭ মার্চ ২০২০-১৬ ডিসেম্বর ২০২১ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালকে মুজিববর্ষ ঘোষণা করা হয়েছিল। - কোভিড মহামারীর কারণে মুজিববর্ষের মেয়াদ পরবর্তীতে দুই দফায় বাড়িয়ে ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ ২০২০-১৬ ডিসেম্বর ২০২১ — ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস, যা মুজিববর্ষের শুরুর তারিখের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ১৭ মার্চ ২০২০-১৬ ডিসেম্বর ২০২১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) ১৭ এপ্রিল ২০২০-১৭ এপ্রিল ২০২১ — ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস, যা মুজিববর্ষের নির্ধারিত পুরো সময়কালকে নির্দেশ করে না। D) ১৭ জানুয়ারি ২০২০-১০ জানুয়ারি ২০২১ — ১৭ জানুয়ারি বা ১০ জানুয়ারি তারিখগুলো মুজিববর্ষ ঘোষণার মূল সময়সীমার সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের মাস মার্চ (১৭ মার্চ ২০২০) থেকে শুরু করে বাংলাদেশের বিজয়ের মাস ডিসেম্বর (১৬ ডিসেম্বর ২০২১) পর্যন্ত মুজিববর্ষ উদযাপিত হয়।
a পাহাড়পুর
b নিঝুম দ্বীপ
c কুতুবদিয়া
d মহেশখালী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মহেশখালী কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ উপজেলা যেখানে পাহাড়ি ভূমি বা উঁচু টিলা রয়েছে। - কক্সবাজার জেলার এই দ্বীপে মেইনকূট পাহাড় এবং আদিনাথ মন্দির অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাহাড়পুর — এটি কোনো দ্বীপ নয়, নওগাঁ জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহার। B) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার একটি চর ভূমি এবং এখানে কোনো পাহাড় নেই। C) কুতুবদিয়া — এটি কক্সবাজারের একটি দ্বীপ হলেও এর পুরোটাই সমতল ভূমি, কোনো পাহাড় নেই। D) মহেশখালী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড় বিশিষ্ট দ্বীপ। মনে রাখার টিপস: মহেশখালীতে পাহাড় আছে, তাই মনে রাখবে মহেশখালী হলো পাহাড়ঘেরা দ্বীপ।
a জাপান
b জার্মানি
c চীন
d ইরাক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জার্মানি কেন সঠিক: - কাইজার (Kaiser) হলো ঐতিহাসিক জার্মান সাম্রাজ্যের সম্রাটদের রাজকীয় উপাধি। - এটি মূলত রোমান শব্দ সিজার এর জার্মান রূপ, যা তৎকালীন জার্মান শাসকরা ব্যবহার করতেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — জাপানের প্রাচীন রাজাদের মিকাডো বা সম্রাট বলা হতো, কাইজার বলা হতো না। B) জার্মানি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই দেশের রাজাদেরই কাইজার বলা হতো। C) চীন — চীনের প্রাচীন রাজাদের ড্রাগন সম্রাট বা ডাইস্টি বলা হতো। D) ইরাক — ইরাকের ঐতিহাসিক শাসকদের সাধারণত খলিফা বা সুলতান বলা হতো। মনে রাখার টিপস: জার্মানিতে কার কার ক্ষমতা বেশি তা মনে রাখতে মনে রাখবে জার্মানির কাইজার।
a 1969
b 1971
c 1975
d 1970
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী বাঙালি জাতির ওপর বর্বরতম গণহত্যা শুরু করে, যা অপারেশন সার্চলাইট নামে পরিচিত। - এটি ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি স্বাধীনতা আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে পাকিস্তানি জান্তার পরিচালিত একটি সুপরিকল্পিত সামরিক অভিযান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৯ — এই সালে গণঅভুথান সংঘটিত হয়েছিল, যা অপারেশন সার্চলাইটের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ১৯৭১ — এই সালে অপারেশন সার্চলাইট সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি সঠিক উত্তর। C) ১৯৭৫ — এই সালে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়, যা অপারেশন সার্চলাইটের সাল নয়। D) ১৯৭০ — এই সালে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা অপারেশন সার্চলাইটের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে ২৫ মার্চ কালরাতে অপারেশন সার্চলাইট নামক নৃশংস গণহত্যা চালানো হয়।
a জয়নুল আবেদিন
b কামরুল হাসান
c এস এম সুলতান
d রফিকুন্নবী
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জয়নুল আবেদিন কেন সঠিক: - বিখ্যাত চিত্রশিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ ও মানুষের মানবেতর জীবনযাত্রা নিয়ে 'ম্যাডোনা-৪৩' চিত্রকর্মটি অঙ্কন করেন। - এই চিত্রকর্মটিতে তৎকালীন দুর্ভিক্ষের নির্মম রূপ এবং মায়ের কোলে সন্তানের অসহায় অবস্থার হৃদয়বিদারক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদিন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে এই বিখ্যাত চিত্রকর্মটি সৃষ্টি করেছেন। B) কামরুল হাসান — তিনি বাংলাদেশের শিল্প আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ ও পটুয়া হলেও 'ম্যাডোনা-৪৩' চিত্রকর্মটি তাঁর আঁকা নয়। C) এস এম সুলতান — তিনি গ্রামীণ কৃষক ও মাটিঘেষা মানুষের জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য বিখ্যাত হলেও এই চিত্রের স্রষ্টা নন। D) রফিকুন্নবী — তিনি কার্টুনিস্ট ও চিত্রশিল্পী হিসেবে বিখ্যাত হলেও 'ম্যাডোনা-৪৩' তাঁর কোনো শিল্পকর্ম নয়। মনে রাখার টিপস: ম্যাডোনা-৪৩ নামের শেষে ৪৩ সাল রয়েছে, যা থেকে ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ এবং চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিনকে সহজেই মনে রাখা যায়।
a নাগাসাকি
b টোকিও
c বেইজিং
d সিউল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিউল কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটির উত্তর সংশোধন করতে হবে কারণ 'স্ট্যাচু অব পিস' দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অবস্থিত নয়, এটি জাপানের নাগাসাকি শহরে অবস্থিত। - জাপানের নাগাসাকিতে ১৯৪৫ সালের পারমাণবিক বোমা হামলায় নিহতদের স্মরণে এই শান্তি মূর্তিটি স্থাপন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাগাসাকি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই ঐতিহাসিক পারমাণবিক হামলায় নিহতদের স্মরণে 'স্ট্যাচু অব পিস' বা শান্তি মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। B) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী হলেও এখানে বিখ্যাত এই শান্তি মূর্তিটি অবস্থিত নয়। C) বেইজিং — এটি চীনের রাজধানী এবং এই প্রশ্নের সঙ্গে এর কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। D) সিউল — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং প্রদত্ত উত্তরে ভুলবশত এটি উল্লেখ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নাগাসাকিতে বোমা হামলার ক্ষত বোঝাতে শান্তি বা পিস স্ট্যাচু মনে রাখুন।
a ৬.১৫ কি.মি. ও ১৮.১০ মি.
b ৭.১৫ কি মি. ও ২০.১০ মি.
c ঘ ৭.২৫ কি.মি. ও ১৮.২০ মি.
d ঘ ৬.০৫ কি.মি ও ১৮.১০ মি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬.১৫ কি.মি. ও ১৮.১০ মি. কেন সঠিক: - পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। - এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬.১৫ কি.মি. ও ১৮.১০ মি. — এটি পদ্মা সেতুর সঠিক দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের পরিমাপ। B) ৭.১৫ কি মি. ও ২০.১০ মি. — এই মাপের সঙ্গে পদ্মা সেতুর প্রকৃত দৈর্ঘ্যের মিল নেই। C) ঘ ৭.২৫ কি.মি. ও ১৮.২০ মি. — এখানে দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থের মান ভুল দেওয়া হয়েছে। D) ঘ ৬.০৫ কি.মি ও ১৮.১০ মি — দৈর্ঘ্য ৬.০৫ কিলোমিটার বলা হয়েছে যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে পারেন ছয় দশমিক পনেরো কিমি এবং প্রস্থ আঠारো দশমিক দশ মিটার।
a ১৯৬৭ সালে
b ১৯৬৬ সালে
c ১৯৬৮ সালে
d ১৯৬৯ সালে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৬ সালে কেন সঠিক: - বাঙালির মুক্তি সনদ খ্যাत ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে পেশ করা হয়। - তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির স্বাধিকার আদায়ের লক্ষ্যে এই ঐতিহাসিক দাবি উত্থাপন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৭ সালে — এই সালে কোনো দফা বা ঐতিহাসিক কর্মসূচি ঘোষিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ১৯৬৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বঙ্গবন্ধু ছয় দফা পেশ করেছিলেন। C) ১৯৬৮ সালে — এই সালে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছিল, ছয় দফা ঘোষণার সাল এটি নয়। D) ১৯৬৯ সালে — এই সালে ঐতিহাসিক গণঅভুথান সংঘটিত হয়েছিল, যার ফলে আইয়ুব খানের পতন ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: ছয় দফা ঘোষণা করা হয় ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, যা ছিল ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি।
a ভারত-বাংলাদেশ
b ভারত-পাকিস্তান
c উত্তর কোরিয়া-দক্ষিণ কোরিয়া
d পাকিস্তান-আফগানিস্তান
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত-পাকিস্তান কেন সঠিক: - এটি কাশ্মীর অঞ্চলে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে নিয়ন্ত্রित সামরিক সীমানা হিসেবে পরিচিত। - ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই লাইন অব কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণরেখা নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত-বাংলাদেশ — এটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং তিনবিঘা করিডোর বা ছিটমহল সংক্রান্ত এলাকার সঙ্গে যুক্ত। B) ভারত-পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) উত্তর কোরিয়া-দক্ষিণ কোরিয়া — এই দুই দেশের মধ্যকার সীমান্তকে ৩৮তম সমান্তরাল রেখা বা ডিমিলিটারাইজড জোন বলা হয়। D) পাকিস্তান-আফগানিস্তান — এই দুই দেশের মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমান্ত লাইন ডিউরাণ্ড লাইন নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের বিরোধের রেখাই হলো লাইন অব কন্ট্রোল।

মোট প্রশ্ন (30)

a জমিদারনি
b জমিদারী কাজ
c জমিদারিনী
d জমিদার কন্যা
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জমিদারনি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন নিয়মে পুংবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ গঠন করা হয়। - জমিদার শব্দের সঙ্গে নি প্রত্যয় যুক্ত করে সঠিক স্ত্রীলিঙ্গ জমিদারনি তৈরি করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পুংবাচক শব্দকে স্ত্রীবাচক শব্দে রূপান্তর করার জন্য শব্দের অন্তে অনেক সময় আনি, আণী, নি, ইনী ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয়। - তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলো প্রয়োগ করে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকর থেকে চাকরানি ব্যাখ্যা: এটি পুংবাচক শব্দকে স্ত্রীবাচক শব্দে রূপান্তরের একটি প্রচলিত নিয়ম, যেখানে ই প্রত্যয় বা আনি প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: দেবর থেকে দেবরঝি বা দেওরের স্ত্রী ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলোতেও নির্দিষ্ট প্রত্যয় বা শব্দের পরিবর্তনের মাধ্যমে লিঙ্গ রূপান্তর করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জমিদারনি — এটি সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণগত নিয়মে গঠিত স্ত্রীলিঙ্গ। B) জমিদারী কাজ — এটি কোনো স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ নয়, বরং জমিদারদের পেশা বা কাজের একটি পদবী বা পরিভাষা। C) জমিদারিনী — এটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি ও ব্যাকরণ অনুযায়ী ভুল গঠন, সঠিক রূপটি জমিদারনি। D) জমিদার কন্যা — এটি সমাসবদ্ধ পদ বা বর্ণনামূলক রূপ, ব্যাকরণগতভাবে সরাসরি স্ত্রীলিঙ্গের একক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পুংবাচক শব্দের শেষে দীর্ঘঈ কার বা নি প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করার সময় প্রমিত বানান খেয়াল রাখতে হবে। - জমিদার শব্দের সঙ্গে সরাসরি নি প্রত্যয় যোগ করে জমিদারনি লিখতে হবে, কোনো অতিরিক্ত দীর্ঘ ইকার ব্যবহার করা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বানানের শুদ্ধতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। - একই নিয়মে গঠিত অন্য শব্দগুলোর প্রমিত রূপ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে যাতে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি না হয়।
a ২৭টি
b ২১টি
c ২৬টি
d ২০টি
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১টি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা হলো একুশটি। - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয় সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উপসর্গ তিন প্রকার যথা খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। - বাংলা ভাষায় ডক্টর সুকুমার সেন ও প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা একুশটি নির্ধারিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনা বৃষ্টি ব্যাখ্যা: এখানে অনা হলো একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা বৃষ্টির পূর্বে বসে অনাবৃষ্টি শব্দ তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: ইতি কথা ব্যাখ্যা: এখানে ইতি হলো একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা কথার পূর্বে বসে ইতিকথা শব্দ তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৭টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলা ব্যাকরণে ছাব্বিশ বা সাতাশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ নেই। B) ২১টি — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি স্বীকৃত সংখ্যা। C) ২৬টি — এই সংখ্যাটি বিদেশি বা অন্য কোনো বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে কিন্তু খাঁটি বাংলা উপসর্গের ক্ষেত্রে নয়। D) ২০টি — এই সংখ্যাটি খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা হিসেবে সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - খাঁটি বাংলা উপসর্গ মনে রাখার একটি জনপ্রিয় ছন্দ আছে অঘা অজ অনা আ আন ইতি উ কদ কু নি পাতি স সিক্ত সু হা। - এই ছন্দের সাহায্যে একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা উপসর্গ এবং তৎসম উপসর্গের সংখ্যা প্রায়ই আসে। - তৎসম উপসর্গের সংখ্যা বিশটি আর খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা একুশটি, এই পার্থক্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বিশ্বজনীন
b বিশ্বজন
c (৫) সর্বজনীন
d ঐশ্বরিক
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সর্বজনীন ১. কেন সঠিক: 'সর্বজন' বিশেষ্য পদের সঙ্গে 'ঈন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদে রূপান্তরিত হয়, যার অর্থ যা সকলের জন্য প্রযোজ্য বা সকলের হিতকর। ব্যাকরণগত নিয়মে বিশেষ্য পদকে বিশেষণে রূপান্তর করার সময় উপযুক্ত তদ্ধিত প্রত্যয় যোগ করতে হয় এবং এখানে 'সর্বজনীন' শব্দটি সেই নিয়ম মেনেই গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের শ্রেণি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশেষ্য পদকে বিশেষণে রূপান্তর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠনের সময় মূল শব্দের অন্ত্যস্বরের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবহ পদ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোক থেকে লৌকিক ব্যাখ্যা: লোক বিশেষ্য পদের সঙ্গে 'িক' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে লৌকিক বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বর্ষ থেকে বার্ষিক ব্যাখ্যা: বর্ষ বিশেষ্য পদের সঙ্গে 'িক' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বার্ষিক বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশ্বজনীন — বিশ্বজনীন শব্দটি সঠিক হলেও 'সর্বজন' শব্দের সরাসরি বিশেষণ হিসেবে 'সর্বজনীন' প্রমিত ও সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য রূপ। B) বিশ্বজন — এটি একটি বিশেষ্য পদ, যা 'সর্বজন' শব্দের সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিশেষণ নয়। C) সর্বজনীন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি 'সর্বজন' শব্দের সরাসরি ও প্রমিত বিশেষণ রূপ। D) ঐশ্বরিক — ঈশ্বর শব্দের বিশেষণ হলো ঐশ্বরিক, যার সঙ্গে সর্বজন শব্দের কোনো ব্যাকরণগত সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে 'ঈন' প্রত্যয় যোগ করে সাধারণত ব্যক্তি বা জন সম্পর্কিত বিশেষ্যকে বিশেষণে রূপান্তর করা হয়। সর্বজন শব্দের ক্ষেত্রে 'ঈন' যুক্ত করে সর্বজনীন শব্দটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য থেকে বিশেষণ পদের রূপান্তর থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। মূল শব্দের সঙ্গে সঠিক প্রত্যয় চেনার মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর করা সম্ভব।
a টিকটিকি
b তেলাপোকা
c উইপোকা
d মাকড়সা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাকড়সা ১. কেন সঠিক: - 'ঊর্ণনাভ' একটি এককথায় প্রকাশমূলক শব্দ যার অর্থ মাকড়সা। - 'ঊর্ণা' শব্দের অর্থ পশম বা রেশম এবং 'নাভ' অর্থ নাভি বা পেট, অর্থাৎ যার পেট থেকে পশম বা রেশম নির্গত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশে চরে যে = খেচর ব্যাখ্যা: আকাশে বিচরণকারী প্রাণীদের এককথায় খেচর বলা হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি = অদৃষ্টপূর্ব ব্যাখ্যা: অতীতে ঘটেনি বা দেখা যায়নি এমন ঘটনা বোঝাতে এই বাক্য সংকোচন ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) টিকটিকি — টিকটিকি এক প্রকার ক্ষুদ্র সরীসৃপ প্রাণী এবং এর সঙ্গে ঊর্ণনাভ শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। B) তেলাপোকা — তেলাপোকা হলো একটি সাধারণ পতঙ্গ যা এই এককথায় প্রকাশের অর্থ বহন করে না। C) উইপোকা — উইপোকা কাঠ বা কাগজ খায় এমন এক ধরনের সামাজিক কীটপতঙ্গ, যা সঠিক উত্তর নয়। D) মাকড়সা — এটি সঠিক উত্তর কারণ মাকড়সা তার দেহ থেকে রেশম বা জাল তৈরি করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঊর্ণা শব্দের অর্থ রেশম বা জাল, আর মাকড়সা জাল বুনে জীবন ধারণ করে। - এই মিলটি মনে রাখলে পরীক্ষা হলে সঠিক উত্তর খুব সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - জীবজন্তু সম্পর্কিত এককথায় প্রকাশগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা উচিত।
a সং+ অবিধান
b সম্ + ধান
c সম্ + বিধান
d সং + বিধান
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সম্ + বিধান ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে ম এর সঙ্গে ব বা অন্য কোনো অন্তস্থ বর্ণের সংযোগ ঘটলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। - এখানে সম্ উপসর্গের ম এবং বিধান শব্দের ব যুক্ত হয়ে সংবিধান শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ম এর পরে অন্তস্থ ধ্বনি য, র, ল, ব কিংবা উষ্ম ধ্বনি শ, ষ, স, হ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়। - এই নিয়মে সম্ যোগ বাদ সমান সংবাদ এবং সম্ যোগ বাদ সমান সংবাদের মতো শব্দ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্ + বাদ = সংবাদ ব্যাখ্যা: এখানেও ম এর পরে ব থাকার কারণে ম স্থানে অনুস্বার হয়েছে। উদাহরণ ২: সম্ + কল্প = সংকল্প ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনসন্ধির আরেকটি সুপরিচিত নিয়ম যা ম এর পরিবর্তনের মাধ্যমে সাধিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সং + অবিধান — এই সন্ধি বিচ্ছেদের গঠন ব্যাকরণসম্মত নয় এবং এর কোনো অর্থ নেই। B) সম্ + ধান — সম্ এর সঙ্গে ধান যুক্ত হলে সমাধান হয় সংবিধান হয় না। D) সং + বিধান — এখানে সম্ এর সঠিক হসন্ত যুক্ত রূপ ব্যবহার করা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুস্বারযুক্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদে সাধারণত অনুস্বার পরিবর্তন করে ম এবং নিচে হসন্ত দিতে হয়। - সংবিধান শব্দটিতে সম্ উপসর্গ এবং বিধান মূল শব্দ মিলে সন্ধি সাধিত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি অত্যন্ত ঘন ঘন আসে। - অনুস্বার যুক্ত সন্ধি দেখলে প্রথম অংশ হিসেবে সম্ এবং হসন্ত ব্যবহারের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b শামসুর রাহমান
c জীবনানন্দ দাশ
d নির্মলেন্দু গুণ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান ১. কেন সঠিক: - 'স্বাধীনতা তুমি' বিখ্যাত আধুনিক কবিতাটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি শামসুর রাহমান। - কবিতাটিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের নানা চিত্র অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে নাগরিক কবি বলা হয়। - তার কবিতায় সমসাময়িক রাজনীতি, দেশপ্রেম ও নাগরিক জীবনের নানা রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'বিধ্বস্ত নীলিমা' ব্যাখ্যা: এটি কবি শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'বুকয় জোনাকী' ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের একটি বিখ্যাত কবিতার বই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন। B) শামসুর রাহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই কবিতাটি রচনা করেছেন। C) জীবনানন্দ দাশ — তিনি বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই কবিতাটি তার নয়। D) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি প্রখ্যাত কবি হলেও 'স্বাধীনতা তুমি' কবিতার রচয়িতা শামসুর রাহমান। ৫. মনে রাখার টিপস: - শামসুর রাহমান মানেই স্বাধীনতা ও নাগরিক জীবনের নানা কাব্যের মেলবন্ধন। - স্বাধীনতা সম্পর্কিত এই বিখ্যাত কবিতাটি পেলেই শামসুর রাহমান নামটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি শামসুর রাহমানের রচনা ও কবিতার নাম প্রায়ই আসে। - প্রখ্যাত কবিদের জনপ্রিয় কবিতাগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এক নম্বরের নিশ্চয়তা পাওয়া যায়।
a মন্দভাগ্য
b বাহ্যিক
c সহজলভ্য
d অপদার্থ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সহজলভ্য কেন সঠিক: - উজানের কৈ মাছ স্রোতের বিপরীতে সহজেই ধরা যায়। - এই মাছ পাওয়া অত্যন্ত সহজ বলে বাংলা ভাষায় এটি সহজলভ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় বাগধারা যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - কৈ মাছ সাধারণত স্রোতের প্রতিকূলে বা উজানে সহজে চলে আসে। - যেমন বাজারে কোনো জিনিস খুব সহজে পাওয়া গেলে তাকে উজানের কৈ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মন্দভাগ্য — এই অর্থটি দুর্ভাগা বা কপাল পোড়া বাগধারার সাথে মিলে যায়। - B) বাহ্যিক — এই শব্দের অর্থ যা বাইরে প্রকাশ পায়, যার সাথে এই বাগধারার মিল নেই। - C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) অপদার্থ — এই অর্থটি অম্বাব্য বা অকর্মণ্য বাগধারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। মনে রাখার টিপস: - কৈ মাছ উজানে ভেসে আসা মানেই তা খুব সহজে পাওয়া যাওয়া।
a সর্বাঙ্গ +ইন
b সর্ব + অঙ্গীন
c সর্ব+ ঈন
d সর্বাঙ্গ+ ঈন্
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সর্বাঙ্গ+ ঈন্ ১. কেন সঠিক: - 'সর্বাঙ্গীণ' শব্দটি গঠিত হয়েছে সর্বাঙ্গ প্রাতিপদিকের সঙ্গে ঈন্ প্রত্যয় যোগ করে। - এখানে 'ঈন্' প্রত্যয়টি যোগ হয়ে বিশেষ্য পদকে বিশেষণে রূপান্তরিত করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রাতিপদিক বা শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। - 'সর্বাঙ্গ' শব্দের সঙ্গে 'ঈন্' প্রত্যয় যুক্ত করলে মূল শব্দের অন্ত্যস্বর লোপ পায় এবং নতুন বিশেষণ পদ তৈরি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুল + ঈন = কুলীন ব্যাখ্যা: এখানে কুল শব্দের সঙ্গে ঈন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কুলীন বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পৃথিবী + ঈন = পার্থিব ব্যাখ্যা: পৃথিবী শব্দের সঙ্গে ঈন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পার্থিব বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বাঙ্গ +ইন — এখানে প্রত্যয় হিসেবে 'ইন' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ সঠিক প্রত্যয়টি 'ঈন্'। B) সর্ব + অঙ্গীন — অঙ্গীন কোনো প্রত্যয় বা শব্দাংশ নয় যা সর্ব শব্দের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। C) সর্ব+ ঈন — এখানে মূল শব্দ হিসেবে শুধু সর্ব ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ পূর্ণাঙ্গ শব্দ হলো সর্বাঙ্গ। D) সর্বাঙ্গ+ ঈন্ — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় যা প্রশ্নানুসারে নির্দেশিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - তদ্ধিত প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মূল শব্দ এবং প্রত্যয় আলাদা করার সময় শব্দের বানান ও অন্ত্যবর্ণের পরিবর্তন লক্ষ্য করতে হবে। - ঈন্ প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলো সাধারণত বিশেষণের কাজ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় শব্দটির মূল রূপ বা প্রাতিপদিক সঠিকভাবে শনাক্ত করতে হয়। - বানানের শুদ্ধতা রক্ষার্থে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পরের রূপটি ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a রশ্মি
b প্রভা
c কর
d রবি
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবি ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে একটি অসঙ্গতি রয়েছে। 'কিরণ' শব্দের অর্থ আলো বা রশ্মি। তাই এর সমার্থক শব্দ হওয়ার কথা ছিল রশ্মি, প্রভা কিংবা কর। কিন্তু প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে 'রবি' চিহ্নিত করা হয়েছে, যা মূলত সূর্যের সমার্থক শব্দ। বাংলা শব্দভান্ডারে 'রবি' অর্থ সূর্য বা সুর্যদেব। সূর্য থেকে কিরণ বা রশ্মি ছড়ায় বলেই কখনো কখনো রূপক অর্থে বা উদ্দিষ্ট উত্তরের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি ঘটে থাকে, তবে ব্যাকরণগতভাবে 'রবি' সরাসরি কিরণের সমার্থক নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং ব্যবহারের ক্ষেত্র জানা অত্যন্ত জরুরি। কিরণ শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো রশ্মি, কর, প্রভা, অংশু, দীপ্তি, ময়ুখ ইত্যাদি। পক্ষান্তরে রবি শব্দের সমার্থক শব্দ হলো সূর্য, দিবাকর, ভাস্কর, তপন, মার্তণ্ড ইত্যাদি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনেক সময় প্রশ্ন বা উত্তরে মুদ্রণজনিত বা প্রণেতার ভুলে এ ধরনের অসংগতি দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিরণ শব্দের সমার্থক হিসেবে ময়ুখ শব্দটি ব্যবহার করা যায়। ব্যাখ্যা: ময়ুখ শব্দের অর্থও আলোকরশ্মি, যা কিরণের সমার্থক। উদাহরণ ২: রবি শব্দের সমার্থক হিসেবে ভাস্কর শব্দটি ব্যবহার করা যায়। ব্যাখ্যা: ভাস্কর শব্দের অর্থ সূর্য, যা রবির সমার্থক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রশ্মি — এটি কিরণের একটি সঠিক সমার্থক শব্দ, কারণ রশ্মি অর্থ আলোর রেখা। B) প্রভা — এটি কিরণের সঠিক সমার্থক শব্দ, কারণ প্রভা অর্থ দীপ্তি বা আলো। C) কর — এটি কিরণের সঠিক সমার্থক শব্দ, কারণ কর শব্দের একটি অর্থ আলোর রশ্মি। D) রবি — এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ, সরাসরি কিরণের সমার্থক নয়, তবে প্রদত্ত উত্তরের বাধ্যবাধকতায় এটি এখানে সঠিক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: কিরণ হলো যা আলো ছড়ায় যেমন রশ্মি ও কর। রবি হলো সেই উৎস যা থেকে আলো বা কিরণ উৎপন্ন হয় অর্থাৎ সূর্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় মূল শব্দ এবং অপশনের সম্পর্ক ভালোভাবে মিলিয়ে নিতে হবে। কোনো প্রশ্নে ভুল বা অসংগতি থাকলে পরীক্ষার্থীদের সাধারণ জ্ঞান ও শব্দার্থের গভীরতার ওপর নির্ভর করে সবচেয়ে কাছাকাছি বা নির্দেশিত উত্তরটি নির্বাচন করতে হয়।
a নাট্যকার সমাজে
b রাজা
c ব্যাকরণবিদ
d কবি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যাকরণবিদ ১. কেন সঠিক: পাণিনি প্রাচীন ভারতের একজন বিখ্যাত সংস্কৃত ব্যাকরণবিদ ও ভাষাবিজ্ঞানী ছিলেন। তাঁর রচিত 'অষ্টাধ্যায়ী' গ্রন্থটি সংস্কৃত ভাষা ও ব্যাকরণের প্রাচীনতম ও সবচেয়ে প্রামাণিক ব্যাকরণগ্রন্থ হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পাণিনি প্রাচীন গান্ধার অঞ্চলের শালাতুলা নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন এবং খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ বা পঞ্চম শতাব্দীতে আবির্ভূত হন। তাঁর ব্যাকরণগ্রন্থ 'অষ্টাধ্যায়ী'-তে আটটি অধ্যায় রয়েছে এবং এটি সূত্রাকারে রচিত যা সংস্কৃত ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব ওmorphology বিশ্লেষণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৌটিল্য বা চাণক্যের 'অর্থশাস্ত্র'। ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ভারতের একটি বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অর্থনীতির গ্রন্থ, যেমন পাণিনির 'অষ্টাধ্যায়ী' ব্যাকরণগ্রন্থ। উদাহরণ ২: পতঞ্জলির 'মহাবভাষ্য'। ব্যাখ্যা: এটি পাণিনির ব্যাকরণের ওপর লিখিত একটি বিখ্যাত ভাষ্যগ্রন্থ, যা পাণিনীয় ব্যাকরণকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাট্যকার সমাজে — পাণিনি কোনো নাট্যকার ছিলেন না, কারণ তিনি সাহিত্য বা নাটক রচনার চেয়ে ভাষা বিজ্ঞান ও ব্যাকরণ চর্চায় বিখ্যাত। B) রাজা — পাণিনি কোনো রাজনৈতিক শাসক বা রাজা ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সাধক পণ্ডিত ও ভাষাবিজ্ঞানী। D) কবি — পাণিনি মৌলিক কোনো কাব্য বা কবিতা রচনা করেননি, তাই তাঁকে কবি হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: পাণিনি মানেই ব্যাকরণ এবং তাঁর অমর সৃষ্টি হলো অষ্টাধ্যায়ী। পরীক্ষার হলে পাণিনির নাম দেখলে সরাসরি ব্যাকরণবিদ বা অষ্টাধ্যায়ী শব্দটি মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের প্রাচীনতম ব্যাকরণবিদদের মধ্যে পাণিনির নাম সর্বাগ্রে আসে। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন পন্ডিত ও তাঁদের অবদান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a বিপরীতার্থে
b বিরোধার্থে
c মিলনার্থে
d সমার্থে
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমার্থে ১. কেন সঠিক: - হাট এবং বাজার সমার্থক শব্দ হওয়ায় এটি সমার্থে দ্বন্দ্ব সমাস হয়েছে। - এখানে হাট ও বাজার উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রাধান্য পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে দ্বন্দ্ব সমাসে দুটি সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থের শব্দ মিলে একটি পদ গঠন করে তাকে সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - ব্যাসবাক্যে উভয় পদ মিলে সমার্থক ভাব প্রকাশ করে এবং সমস্তপদেও অর্থের কোনো পরিবর্তন হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খাতা-পত্র ব্যাখ্যা: খাতা ও পত্র সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে সমার্থে দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করেছে। উদাহরণ ২: ডাল-ভাত ব্যাখ্যা: ডাল ও ভাত নিত্যদিনের খাবার বোঝাতে সমার্থক বা সহযোগী অর্থে দ্বন্দ্ব সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপরীতার্থে — বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দ যেমন জমা-খরচ বা আলো-আঁধার বোঝালে এই অপশন সঠিক হতো। B) বিরোধার্থে — পরস্পর বিরোধী বা শত্রুভাবাপন্ন শব্দ যেমন ওহি-নকুল বা দা-কুমড়ো বোঝালে এই অপশন সঠিক হতো। C) মিলনার্থে — সমজাতীয় বা মিল আছে এমন শব্দ যেমন মা-বাবা বা ভাই-বোন বোঝালে এই অপশন সঠিক হতো। D) সমার্থে — এই অপশনটি সঠিক কারণ হাট এবং বাজার একই অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সমার্থক শব্দ যেমন হাট-বাজার বা খাতা-পত্র দেখলে সমার্থে দ্বন্দ্ব সমাস দাগাবে। - দুটি শব্দের অর্থ যদি প্রায় একই রকম হয়, তবে চোখ বন্ধ করে সমার্থে দ্বন্দ্ব সমাস নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বন্দ্ব সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - শব্দ জোড়োগুলোর অর্থ ভালোভাবে বুঝতে পারলে সমাসের প্রকারভেদ খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।
a শান্তি
b ফটিক
c মহেশ
d ছুটি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছুটি ১. কেন সঠিক: - 'মা আমার ছুটি হয়েছে, আমি বাড়ি যাচ্ছি' এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প 'ছুটি'র মূল চরিত্রের অন্তিম মুহূর্তের শেষ সংলাপ। - ফটিক চক্রবর্তীর মৃত্যুর পূর্বে প্রবল জ্বর ও প্রলাপের মধ্যে তার মায়ের জন্য আকুলতা এই উদ্ধৃতির মাধ্যমে চরম ট্র্যাজেডিতে রূপ নিয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক এবং বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক যিনি এই গল্পটি রচনা করেছেন। - 'ছুটি' গল্পটি মূলত প্রবাসের যন্ত্রণাবোধ, মাতৃস্নেহের জন্য আকুলতা এবং গ্রামীণ কিশোরের মানসিক সংকটের এক অনন্য শৈল্পিক প্রকাশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'আমরা উভয়ে নদীতীরে বসিয়া পাঠ্যবিষয় আলোচনা করিতাম' - এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'হৈমন্তী' গল্পের একটি উল্লেখযোগ্য বাক্য। ব্যাখ্যা: এই বাক্যটিতে গল্পের একটি বিশেষ সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং শিক্ষাজীবনের পরিবেশ ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: 'ছুটি' গল্পে ফটিকের মামার নাম বিশ্বম্ভর বাবু যিনি তাকে কলকাতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। ব্যাখ্যা: এই চরিত্রটির মাধ্যমে গ্রামের কিশোরের শহুরে বন্দিদশার নির্মম বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শান্তি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্য একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার মূল বিষয় ভিন্ন একটি পারিবারিক ও সামাজিক দ্বন্দ্ব। B) ফটিক — এটি কোনো গল্পের নাম নয়, বরং 'ছুটি' গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম। C) মহেশ — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার মূল চরিত্র গফুর ও তার বলদ মহেশ। D) ছুটি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প এবং এই গল্পেরই মূল উদ্ধৃতি এটি। ৫ মনে রাখার টিপস: - ছুটি মানেই মায়ের কাছে ফিরে যাওয়া আর ফটিক চরিত্রের শেষ কথা ছিল ছুটি হয়েছে। - রবীন্দ্রনাথের কিশোর মনস্তত্ত্ব নিয়ে লেখা ট্র্যাজেডি ধর্মী গল্পগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পগুলোর নাম এবং বিখ্যাত চরিত্রগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই ধরনের উদ্ধৃতি ভিত্তিক প্রশ্নে চরিত্রের মানসিক অবস্থা এবং গল্পের নাম মনে রাখা জরুরি।
a গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা
b ডাকঘর ও শ্রীকান্ত
c নীলদর্পণ ও বিষাদ-সিন্ধু
d লালসালু ও বলাকা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা উভয়ই বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - প্রথমটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এবং দ্বিতীয়টি কাজী নজরুল ইসলামের পদাতিক ও বিপ্লবী চেতনার কাব্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গীতাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক চেতনায় সমৃদ্ধ একটি শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়। - অগ্নিবীণা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বাংলা কবিতায় নতুন সুর আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চয়িতা ও প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: সঞ্চয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এবং প্রলয়োল্লাস কাজী নজরুলের বিখ্যাত কবিতা ও সংকলন। উদাহরণ ২: সোনালী কাবিন ও বনলতা সেন ব্যাখ্যা: সোনালী কাবিন আল মাহমুদের এবং বনলতা সেন জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা — সঠিক উত্তর কারণ উভয়ই কাব্যগ্রন্থ। B) ডাকঘর ও শ্রীকান্ত — ডাকঘর একটি নাটক এবং শ্রীকান্ত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। C) নীলদর্পণ ও বিষাদ-সিন্ধু — নীলদর্পণ নাটক এবং বিষাদ-সিন্ধু ঐতিহাসিক উপন্যাসধর্মী রচনা। D) লালসালু ও বলাকা — লালসালু একটি উপন্যাস এবং বলাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাব্যের নাম মনে রাখার জন্য লেখক ও প্রকাশের সাল একত্রে নোট করে পড়বে। - গদ্য ও পদ্যের শ্রেণিভেদ ভালোভাবে লক্ষ্য করে উত্তর নির্বাচন করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস ও নাটকের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের প্রথম ও প্রধান গ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ছড়ার শব্দ
b ধ্বন্যাত্মক শব্দ
c শব্দের দ্বিরুক্তি
d ঘপদের দ্বিরুক্তি
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বন্যাত্মক শব্দ ১. কেন সঠিক: - কোনো কিছুর কাল্পনিক, স্বাভাবিক বা অনুসারী ধ্বনির অনুকরণে তৈরি শব্দকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। - বৃষ্টি পড়ার অবিরাম ও ছন্দময় শব্দ বোঝাতে টাপুর টুপুর শব্দটির অবতারণা করা হয়েছে, যা মানুষের মনে বিশেষ ধ্বনির সৃষ্টি করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা শব্দদ্বিরুক্তির বিশেষ রূপ হলো যা কোনো ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়। - এই শব্দগুলো বাক্যে অব্যয় পদ হিসেবে বা বিশেষণের কাজ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঝিরঝির বাতাস বইছে। ব্যাখ্যা: ঝিরঝির হলো বাতাসের মৃদু শব্দের অনুকরণে গঠিত ধ্বন্যাত্মক শব্দ। উদাহরণ ২: ঘেউ ঘেউ কুকুরের ডাক। ব্যাখ্যা: ঘেউ ঘেউ হলো কুকুরের স্বরের অনুকরণে তৈরি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছড়ার শব্দ — ছড়ায় ব্যবহার হলেও এটি ব্যাকরণগতভাবে ধ্বন্যাত্মক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। B) ধ্বন্যাত্মক শব্দ — সঠিক কারণ এটি কোনো কাজের বা ভাবের স্বাভাবিক ধ্বনির অনুকরণ। C) শব্দের দ্বিরুক্তি — শব্দ দুবার বসলেই দ্বিরুক্তি হয়, কিন্তু ধ্বনির অনুকরণ বোঝাতে এটি বিশেষ শ্রেণির শব্দ। D) ঘপদের দ্বিরুক্তি — ঘপদ বলে ব্যাকরণে কোনো নির্দিষ্ট শব্দশ্রেণি বা পদ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম ধ্বনির অনুকরণ বুঝলেই তা ধ্বন্যাত্মক শব্দ হবে। - কান দিয়ে শোনার অনুভূতির সাথে সম্পর্কিত শব্দই ধ্বন্যাত্মক শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - হুরহুর, খলখল, ঝমঝম ইত্যাদি শব্দগুলোও ধ্বন্যাত্মক শব্দের চমৎকার উদাহরণ।
a সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
b রাজশেখর বসু
c সমর সেন
d সমরেশ মজুমদার
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কেন সঠিক: - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর সাহিত্যিক জীবনে আত্মপ্রকাশের জন্য নীললোহিত ছদ্মনামটি বেছে নিয়েছিলেন। - এই ছদ্মনামে তিনি মূলত তাঁর বিখ্যাত জনপ্রিয় চরিত্র নীললোহিতের বিভিন্ন গল্প ও উপন্যাস রচনা করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যে লেখকরা অনেক সময় তাঁদের আসল নাম গোপন রেখে বা বিশেষ পরিচিতি তৈরির জন্য ছদ্মনাম ব্যবহার করেন। - নীললোহিত চরিত্রটি বাঙালি যুবকদের মাঝে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এর মাধ্যমে লেখকের অন্য একটি শৈলী প্রকাশ পায়। - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অন্যান্য ছদ্মনামের মধ্যে সনাতন পাঠক ও নীল উপাধ্যায় উল্লেখযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নীললোহিত ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। - B) রাজশেখর বসু — এই লেখক পরশুরাম ছদ্মনামে তাঁর বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক রচনাগুলি লিখেছেন। - C) সমর সেন — এই কবি ও প্রাবন্ধিক তাঁর নিজের নামেই লেখালেখি করতেন এবং তাঁর কোনো বিশেষ জনপ্রিয় ছদ্মনাম নেই। - D) সমরেশ মজুমদার — এই কথাসাহিত্যিক কালকূট এবং গর্ভধারিণী ছদ্মনামে তাঁর সাহিত্য রচনা করেছেন। মনে রাখার টিপস: - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নামের সাথে নীল শব্দটি মিল রেখে তাঁর ছদ্মনাম নীললোহিত সহজে মনে রাখা যায়।
a চির অশান্তি
b উভয় সংকট
c শেষ বিদায়
d চূড়ান্ত অশান্তি
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চির অশান্তি ১. কেন সঠিক: - 'রাবণের চিতা' বাগধারাটির শাব্দিক ও ভাবার্থগত অর্থ হলো এমন দুঃখ বা অশান্তি যা কখনো দূর হয় না বা চিরকাল ধরে চলতে থাকে। - পৌরাণিক বিশ্বাস অনুসারে রামচন্দ্রের সঙ্গে যুদ্ধের সময় রাবণের চিতা অনবরত জ্বলতেই থাকে এবং তা সহজে নেভে না, এই ধারণা থেকেই এই বাগধারাটির সৃষ্টি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যা বিশেষ কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। - প্রবাদ বা বাগধারা মূলত ভাষাটিকে আরও বেশি প্রাণবন্ত, সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পারিবারিক কলহটি এখন তার রাবণের চিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পারিবারিক অশান্তি কখনো শেষ না হওয়ার অবস্থাকে রাবণের চিতা হিসেবে তুলনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ব্যবসাটির লোকসান যেন রাবণের চিতায় পরিণত হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসার অবিরাম ক্ষতি ও তা থেকে মুক্তির উপায় না থাকাকে রাবণের চিতা বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চির অশান্তি — এই অপশনটি সঠিক কারণ রাবণের চিতা বাগধারাটি চিরস্থায়ী দুঃখ বা অশান্তি প্রকাশ করে। B) উভয় সংকট — এই অপশনটি ভুল কারণ উভয় সংকট অর্থ দুই দিক থেকেই বিপদ, যার জন্য 'শাঁখের করাত' বা 'ত্রিশঙ্কু অবস্থা' বাগধারা ব্যবহৃত হয়। C) শেষ বিদায় — এই অপশনটি ভুল কারণ শেষ বিদায় অর্থ চিরতরে চলে যাওয়া, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) চূড়ান্ত অশান্তি — এই অপশনটি আংশিক মিললেও চরম বা সাময়িক চরম অবস্থাকে বোঝায়, কিন্তু 'রাবণের চিতা' নির্দিষ্টভাবে চিরস্থায়ী অশান্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাবণের চিতা মানে যার আগুন বা জ্বালা কখনো নেভে না, অর্থাৎ চিরকালের অশান্তি। - চিতার আগুন যেমন পুড়তেই থাকে, তেমনি এই অশান্তিও চলতেই থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের পৌরাণিক উৎস থেকে আসা বাগধারা প্রায়ই আসে। - একই রকম অর্থ প্রকাশকারী অন্য বাগধারা হলো 'অগ্নিশর্মা' বা 'ভস্মে ঘি ঢালা'।
a অনূঢ়া
b কুমারী
c নবোঢ়া
d অবীরা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অবীরা ১. কেন সঠিক: - 'যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই' তাকে এককথায় অবীরা বলা হয়। - বীর বা পতি এবং পুত্রহীন অবস্থাকে বোঝাতে অবীরা শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই — অবীরা। ব্যাখ্যা: এটি সরাসরি মূল প্রশ্ন ও সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে যায়। উদাহরণ ২: যার স্বামী ও পুত্র বেঁচে নেই — অবীরা। ব্যাখ্যা: পতি ও সন্তানহীন নারীদের ক্ষেত্রে এই এককথায় প্রকাশটি প্রযোজ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনূঢ়া — যে মেয়ের বিয়ে হয়নি তাকে অনূঢ়া বলা হয়। B) কুমারী — অবিবাহিতা যুবতী মেয়েকে কুমারী বলা হয়। C) নবোঢ়া — যার সদ্য বিবাহ হয়েছে তাকে নবোঢ়া বলা হয়। D) অবীরা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ স্বামী ও পুত্রহীন নারী। ৫. মনে রাখার টিপস: - অবীরা শব্দটিতে অ মানে অভাব এবং বীর মানে স্বামী ও পুত্র। - এভাবে স্বামী ও পুত্রহীন বোঝাতে অবীরা মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দগুলো আয়ত্ত করা সম্ভব।
a শামসুর রাহমান
b এস ওয়াজেদ আলি
c হুমায়ুন আজাদ
d উইলিয়াম কেরী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এস ওয়াজেদ আলি কেন সঠিক: - এই গ্রন্থটির রচয়িতা বিখ্যাত প্রাবন্ধিক এস ওয়াজেদ আলি। - বাঙালি জাতির ভবিষ্যৎ ও উন্নতি নিয়ে এটি একটি অত্যন্ত চিন্তাশীল রচনা। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বিশ শতকের প্রথমার্ধের বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। - লেখকের প্রবন্ধগুলোতে সমাজ সংস্কার ও জাতীয় চেতনার রূপ ফুটিয়ে উঠেছে। - এস ওয়াজেদ আলির অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে আকবর এবং ভবিষ্যতের বাঙালি। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শামসুর রাহমান — ইনি মূলত আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কবি ও ঔপন্যাসিক। - B) এস ওয়াজেদ আলি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) হুমায়ুন আজাদ — ইনি সমসাময়িক কালের একজন বিদ্রোহী লেখক ও ভাষাবিজ্ঞানী। - D) উইলিয়াম কেরী — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের পন্ডিত ও লেখক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: - বাঙালির ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করেছিলেন প্রাবন্ধিক এস ওয়াজেদ আলি।
a অন্যতর
b দৌবারিক
c অন্যতম
d ঘ) কোনোটিই নয়
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্যতর ১. কেন সঠিক: 'দুইয়ের মধ্যে একটি' বোঝাতে এককথায় 'অন্যতর' শব্দটি ব্যবহৃত হয়। এখানে প্রশ্নটির মূল চাবিকাঠি হলো নির্দিষ্ট সংখ্যা দুইয়ের মধ্যে তুলনা বা বিকল্প বোঝানো। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুই ভাইয়ের মধ্যে অন্যতর ভালো গান গায়। ব্যাখ্যা: এখানে দুজন ভাইয়ের মধ্য থেকে একজনকে আলাদা করে বোঝাতে অন্যতর ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: দুটি প্রস্তাবের মধ্যে অন্যতর গ্রহণ করতে হবে। ব্যাখ্যা: দুটি বিকল্প বিষয়ের মধ্যে একটি বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই শব্দটি প্রযোজ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্যতর - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দুইয়ের মধ্যে একটি। B) দৌবারিক - এই শব্দটির অর্থ দারোয়ান বা প্রহর প্রহরী। C) অন্যতম - এই শব্দটির অর্থ অনেকের মধ্যে একজন, যা দুইয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) কোনোটিই নয় - যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অন্যতম মানে অনেকের মধ্যে একজন এবং অন্যতর মানে দুটির মধ্যে একটি। এই দুটি শব্দের পার্থক্য মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংখ্যাভিত্তিক এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। যেমন দুইয়ের মধ্যে একটি অন্যতর এবং অনেকের মধ্যে একজন অন্যতম।
a বিষণ্ণ
b বিশ্বাস
c বৈরাগ্য
d পারত্রিক
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পারত্রিক ১. কেন সঠিক: 'ঐহিক' শব্দের অর্থ ইহলোকসংক্রান্ত বা পার্থিব। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'পারত্রিক', যার অর্থ পরলোকসংক্রান্ত। বিপরীতার্থক শব্দ নির্ধারণের সময় শব্দের মূল অর্থের বিপরীত ধারণাটি খুঁজতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বিপরীত শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভাষার নিয়ম মানা হয়। তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইহলোক ব্যাখ্যা: ইহলোক শব্দের বিপরীত শব্দ পরলোক, যা ঐহিক ও পারত্রিকের ভাবার্থের সঙ্গে মিল রাখে। উদাহরণ ২: পার্থিব ব্যাখ্যা: পার্থিব শব্দের বিপরীত শব্দ অপার্থিব বা আধ্যাত্মিক, যা বস্তুগত জীবনের বিপরীত অবস্থা বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষণ্ণ — বিষণ্ণ শব্দের অর্থ মনমরা বা উদাসীন, যা ঐহিক শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) বিশ্বাস — বিশ্বাস শব্দের অর্থ আস্থা বা ভরসা, এর বিপরীত শব্দ অবিশ্বাস বা সন্দেহ। C) বৈরাগ্য — বৈরাগ্য শব্দের অর্থ আসক্তিনাশ বা ত্যাগ, যা ঐহিক শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) পারত্রিক — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই ইহলৌকিক বা ঐহিকের সঠিক বিপরীত শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: ঐহিক মানে ইহলোক বা এই পৃথিবী এবং পারত্রিক মানে পরলোক। এই সম্পর্কটি মনে রাখলে পরীক্ষা এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দগুলো চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
a অনির্বাণ
b অনির্বচনীয়
c অনির্দেশ
d অনির্ণেয়
0 151 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনির্বচনীয় ১. কেন সঠিক: - 'যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না' তাকে এককথায় অনির্বচনীয় বলা হয়। - এটি এমন একটি অনুভূতি বা বিষয় যা মুখের ভাষায় বা শব্দে পুরোপুরি প্রকাশ করা অসম্ভব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এর মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং মনের ভাব সংক্ষেপে সুন্দরভাবে প্রকাশ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি = অদৃষ্টপূর্ব ব্যাখ্যা: এই এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে যা আগে কখনো দেখা যায়নি এমন বিষয়ের ক্ষেত্রে 'অদৃষ্টপূর্ব' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: যা সহজে নিবারণ করা যায় না = দুর্নিবার ব্যাখ্যা: কোনো কিছু যা খুব সহজে রোধ বা নিবারণ করা সম্ভব নয়, তাকে বোঝাতে এই বাক্য সংকোচনটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনির্বাণ — এর অর্থ যা নিভে যায় না বা প্রজ্জ্বলিত থাকে, যা প্রশ্নের ভাবের সাথে মিলে না। B) অনির্বচনীয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) অনির্দেশ — এর অর্থ যা নির্দেশ করা হয়নি বা নির্দিষ্ট নয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অনির্ণেয় — এর অর্থ যা নির্ণয় করা যায় না, যা ভাষার প্রকাশের সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাষা বা বচন সম্পর্কিত না প্রকাশ করার অক্ষমতা বুঝাতে 'অনির্বচনীয়' শব্দটি মনে রাখবে। - বচন মানে কথা বা ভাষা, তাই যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না তা অনির্বচনীয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ভাষা ও মনের ভাব প্রকাশের এই ধরনের শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ করলে সহজেই উত্তর করা যায়।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c চণ্ডীদাস
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের পদাবলী সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি দ্বিজ চণ্ডীদাসের রচনা। - এর মাধ্যমে মানুষের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীর আদি কবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর কাব্যে সহজিয়া প্রেমের পাশাপাশি মানবতাবাদের গভীর সুর ধ্বনিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজার দুলাল আর প্রজার সন্তান, মানুষ হিসেবে সবাই সমান। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটি চণ্ডীদাসের মানবতাবাদী দর্শনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। উদাহরণ ২: আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনি পরে, সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে। ব্যাখ্যা: এই কাব্যপঙক্তিটি মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসার কথা বলে, যা চণ্ডীদাসের পঙক্তির ভাবার্থের সঙ্গে মিলে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আধুনিক যুগের বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী কবি হলেও এই পঙক্তির রচয়িতা নন। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয় কথাশিল্পী হলেও এই প্রাচীন পঙক্তিটি তাঁর নয়। C) চণ্ডীদাস — এটি সঠিক উত্তর। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি নোবেলজয়ী বিশ্বকবি হলেও এই বিখ্যাত মধ্যযুগীয় বাণীর প্রণেতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের কথা বললে মধ্যযুগের কবি চণ্ডীদাসের নাম স্মরণ করবে। - সত্য ও মানুষের কথা একসঙ্গে থাকলে চণ্ডীদাসের পদ মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবি ও বিখ্যাত পঙক্তি প্রায়ই আসে। - চণ্ডীদাসের পদগুলোতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের আড়ালে মানবপ্রেমের রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
a কুলটা
b ঢাকী
c গয়লা
d শুক
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঢাকী ১. কেন সঠিক: - ঢাকী শব্দটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ কারণ এর কোনো প্রচলিত স্ত্রীবাচক শব্দ নেই এবং এটি জন্মগতভাবেই পুরুষবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে কিছু শব্দ আছে যা বিশেষ প্রত্যয় বা শব্দের সাহায্য ছাড়া পুরুষ বা স্ত্রীবাচক নির্দিষ্ট করে বোঝায় এবং এদের লিঙ্গ পরিবর্তন করা যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নিত্য পুরুষবাচক শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা কেবল পুরুষকেই বোঝায় এবং এদের কোনো স্ত্রীবাচক রূপ হয় না। - বাংলা ভাষায় এমন কিছু তৎসম ও তদ্ভব শব্দ রয়েছে যা স্বভাবতই পুরুষবাচক, যেমন কবি, প্রেমেটুর, ঢাকী, তান্ত্রিক ইত্যাদি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কবি ব্যাখ্যা: কবি একটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ কারণ এর কোনো নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক শব্দ নেই এবং নারী কবি বোঝাতেও মহিলা কবি ব্যবহার করতে হয়। উদাহরণ ২: ঢুলি ব্যাখ্যা: ঢুলি শব্দটি ঢাকী শব্দের মতো নিত্য পুরুষবাচক শব্দ যা বাদক অর্থে পুরুষকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুলটা — কুলটা একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ যার কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। B) ঢাকী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। C) গয়লা — গয়লার স্ত্রীবাচক শব্দ হলো গয়লানি, তাই এটি নিত্য পুরুষবাচক নয়। D) শুক — শুকের স্ত্রীবাচক শব্দ হলো সারি, তাই এটি নিত্য পুরুষবাচক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিত্য পুরুষবাচক শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মাথায় রাখা যে ঢাকী, কবি, কৃতদার, অবহেলা ইত্যাদি শব্দগুলোর কোনো জোড় স্ত্রীবাচক শব্দ একা একা গঠিত হয় না। - পরীক্ষার হলে দেখার চেষ্টা করবে কোন শব্দের বিপরীতে কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ প্রচলিত আছে কি না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য পুরুষবাচক এবং নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কুলটা, সধবা, পত্নী—এগুলো নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ এবং ঢাকী, কবি, রাজা—এগুলো পুরুষবাচক শব্দ হিসেবে ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a শর্মিষ্ঠা
b বসন্তকুমারী
c কৃষ্ণকুমারী
d সাজাহান
0 125 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কৃষ্ণকুমারী ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'কৃষ্ণকুমারী' নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি বা বিয়োগাত্মক নাটক। এই নাটকে ঐতিহাসিক কাহিনীর পটভূমিতে মানুষের জীবনের চরম দুঃখ, নিয়তির নির্মম পরিহাস এবং ট্র্যাজিক পরিণতি অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা নাট্যসাহিত্যের জনক এবং বাংলা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। ১৮৬১ সালে প্রকাশিত 'কৃষ্ণকুমারী' নাটকটি জেমস টডের 'রাজস্থান' ইতিহাস অবলম্বনে রচিত এবং এর মূল সুর ছিল করুণ রসাত্মক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'সর্মিষ্ঠা' (১৮৫৯) ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক ও সার্থক নাটক হলেও এটি ট্রাজেডি নয়, বরং কমেডি বা মিলনান্তক নাটক। উদাহরণ ২: দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' (১৮৬০) ব্যাখ্যা: এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক হলেও এটি ট্রাজেডি নয়, বরং সমসাময়িক নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের প্রতিবাদমূলক সামাজিক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শর্মিষ্ঠা — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক হলেও এটি মিলনান্তক বা কমেডি নাটক, ট্রাজেডি নয়। B) বসন্তকুমারী — এটি রামনারায়ণ তর্করত্ন রচিত একটি নাটক, যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) সাজাহান — এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ট্রাজেডি নাটক, তবে এটি প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মধুসূদনের প্রথম নাটক শর্মিষ্ঠা হলো প্রথম মৌলিক নাটক, আর কৃষ্ণকুমারী হলো প্রথম সার্থক ট্রাজেডি। নামের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো কৃষ্ণা মানেই কষ্ট বা বিয়োগ, তাই কৃষ্ণকুমারী হলো ট্রাজেডি নাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম ট্রাজেডি নাটক কোনটি তা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক ও প্রথম ট্রাজেডি নাটকের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a গৃহীনী
b গৃহিনী
c গৃহিণী
d গৃহিনি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গৃহিণী ১. কেন সঠিক: - প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী গৃহিণী শব্দটিতে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। - এই শব্দটিতে ঋ-কার থাকার কারণে এবং তৎসম শব্দ হওয়ায় ন-ত্ব বিধান অনুসারে দন্ত্য ন মূর্ধন্য ণ এ রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের ন-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়। - গৃহ শব্দটিতে ঋ-কার থাকায় এর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয় বা অংশটিতে ন এর পরিবর্তে ণ লেখা বাধ্যতামূলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৃণ ব্যাখ্যা: ঋ-কার থাকার কারণে এখানেও ত এর সঙ্গে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঘৃণা ব্যাখ্যা: ঋ-কারযুক্ত বর্ণের পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৃহীনী — এই বানানটিতে অতিরিক্ত দীর্ঘ ই-কার এবং ভুল ন ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী। B) গৃহিনী — এখানে সঠিক দীর্ঘ ই-কার ব্যবহার করা হলেও দন্ত্য ন ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে। C) গৃহিণী — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি সমর্থন করে। D) গৃহিনি — এখানে ভুল ন এবং হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করায় বানানটি অশুদ্ধ হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - গৃহ শব্দে ঋ-কার থাকায় পরের বর্ণে সর্বদা মূর্ধন্য ণ হবে এবং শেষে দীর্ঘ ঈ-কার হবে। - গৃহিণী বানানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের ন-ত্ব বিধান সংক্রান্ত বানানগুলো বেশি আসে। - ঋ-কারযুক্ত শব্দের বানান নির্ভুল করার জন্য এই নিয়মটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a পরিঃ + ছেদ
b পরি + চ্ছেদ
c পরি + ছেদ
d পরি + শেদ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পরি + ছেদ ১. কেন সঠিক: - পরিচ্ছেদ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো পরি যোগ ছেদ। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। - এখানে প্রথম পদের শেষে ই স্বরধ্বনি এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে চ ব্যঞ্জনধ্বনি রয়েছে। নিয়মানুযায়ী হ্রস্বস্বর বা দীর্ঘস্বরের পর চ বা ছ থাকলে তার পূর্বে চ যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ স্বরধ্বনি কিংবা আ স্বরধ্বনি ছাড়া অন্য কোনো স্বরধ্বনির পর ছ থাকলে ছ এর জায়গায় চ ছ যুক্ত হয়। - এই নিয়মে পরি পদের ই কারের পর ছেদ পদের ছ থাকার কারণে চ যুক্ত হয়ে চ্ছেদ গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতি যোগ ছবি = প্রতিচ্ছবি ব্যাখ্যা: এখানেও ই কারের পর ছ থাকার কারণে মাঝখানে চ যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: পরি যোগ ছাদ = পরিচ্ছদ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়মে পরি পদের পর ছ যুক্ত হয়ে পরিচ্ছদ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরিঃ + ছেদ — এখানে বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা এই সন্ধির নিয়মের সাথে মেলে না। B) পরি + চ্ছেদ — এটি সন্ধি বিচ্ছেদের সঠিক রূপ নয় কারণ সন্ধির আগে যুক্তবর্ণ থাকে না, ভাঙার পর যুক্ত হয়। D) পরি + শেদ — এখানে ছ এর পরিবর্তে শ ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান ও সন্ধির নিয়মের বাইরে। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের মাঝে চ ছ যুক্ত দেখলে ভাঙার সময় পরি বা প্রতি এর মতো উপসর্গের পর সরাসরি ছ দিয়ে শব্দ লিখবে। - স্বরের পর ছ দেখলে মাঝখানে একটি অতিরিক্ত চ আনতে হয় এই কৌশলটি মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নিয়মের শব্দ প্রায়ই আসে। - পরিচ্ছদ, প্রতিচ্ছবি এবং অনুচ্ছেদ শব্দগুলো একই ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়।
a কর্তায় শূন্য
b কর্মে শূন্য
c কর্মে ষষ্ঠী
d সম্প্রদানে যষ্ঠী
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্প্রদানে ষষ্ঠী ১. কেন সঠিক: নিঃস্বত্ব বা সত্য ত্যাগ করে কাউকে কোনো কিছু দান করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়। এখানে 'দেশের' বলতে দেশকে নিজের সমস্ত কিছু বা সেবা চিরতরে অর্পণ করার কথা বলা হয়েছে, যা সত্য ত্যাগ বা নিঃস্বত্ব দান বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে সত্য ত্যাগ করে কিছু দেওয়া হয় তাকে সম্প্রদান কারক বলে। এখানে দেশ শব্দটির সঙ্গে ষষ্ঠী বিভক্তির র যুক্ত হয়ে দেশের রূপ ধারণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্ধজনে দেও আলো। ব্যাখ্যা: অন্ধ ব্যক্তিকে আলো দান করা বোঝাচ্ছে, তাই এটি সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: ভিখারিকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: ভিখারিকে নিঃস্বত্বভাবে দান করা বোঝানোর কারণে এটি সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় শূন্য — বাক্যটিতে ক্রিয়ার সম্পাদনকারী বা কর্তা বোঝানো হয়নি এবং শূন্য বিভক্তিও নেই। B) কর্মে শূন্য — কর্ম কারক হতে হলে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝাতে হতো, যা এখানে নেই। C) কর্মে ষষ্ঠী — সেবা করার ক্ষেত্রে কর্ম বোঝায় না এবং এটি দান বা উৎসর্গ অর্থে সম্প্রদান কারক। D) সম্প্রদানে যষ্ঠী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে নিঃস্বত্ব ত্যাগ বা দেশের জন্য সেবা বোঝাতে ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: দেশের জন্য বা কোনো মহৎ উদ্দেশ্যে নিঃস্বত্বভাবে কিছু উৎসর্গ বা সেবা করা বোঝালে সবসময় সম্প্রদান কারক হবে। ষষ্ঠী বিভক্তির র বা এর যুক্ত থাকলে তা সম্প্রদান কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সম্প্রদান কারক চেনার মূল উপায় হলো সত্য ত্যাগ বা নিঃস্বত্ব দান। পরীক্ষায় প্রায়ই দেশ, গরিব বা অন্ধ ব্যক্তিকে কিছু দান বা সেবা করার বাক্য দিয়ে কারক জানতে চাওয়া হয়।
a ভয়
b বিস্ময়
c প্রত্যয়
d (ঘ) দ্বিধা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয় কেন সঠিক: ১. সংশয় শব্দের অর্থ হলো মনে সন্দেহ বা দ্বিধা থাকা। ২. এর সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে প্রত্যয় শব্দ যার অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা আস্থা। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে অর্থের বিপরীত ভাবটি বিবেচনা করা হয়। ২. সংশয় যেখানে অনিশ্চয়তার প্রতীক, প্রত্যয় সেখানে নিশ্চিত বিশ্বাসের প্রকাশ। ৩. যেমন সংশয়ের বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রত্যয় বা অবলীলায় বিশ্বাস শব্দ দুটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভয় — ভয় শব্দের অর্থ আতঙ্ক বা শঙ্কা, যা সংশয়ের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক নয়। B) বিস্ময় — বিস্ময় শব্দের অর্থ অবাক হওয়া বা আশ্চর্য হওয়া, যা সংশয়ের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) প্রত্যয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) দ্বিধা — দ্বিধা এবং সংশয় প্রায় সমার্থক শব্দ, তাই এটি বিপরীতার্থক হবে না। মনে রাখার টিপস: ১. সংশয় মানে সন্দেহ আর প্রত্যয় মানে বিশ্বাস এই কথাটি মনে রাখলে উত্তর সহজ হবে। ২. সন্দেহ থাকলে মনে সংশয় হয় আর ভরসা থাকলে মনে প্রত্যয় জন্মায়।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b কাজী নজরুল ইসলাম
c শামসুর রাহমান
d জসীমউদ্দীন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তারুণ্যের প্রতীক হিসেবে এবং ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় 'ধূমকেতু' নামটি ব্যবহার করতেন। তিনি ১৯২২ সালে নিজের সম্পাদনায় 'ধূমকেতু' নামক একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন যার কারণে এই নামটি তার সাথে গভীরভাবে যুক্ত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে লেখকদের পরিচিতি বাড়াতে বা বিশেষ ভাব প্রকাশ করতে ছদ্মনামের ব্যবহার বেশ প্রাচীন ও জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্য। কাজী নজরুল ইসলাম তারুণ্যের শক্তি ও বিপ্লব বোঝাতে ধূমকেতুর জ্যোতি ও বেগকে রূপক হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। যেমন তার বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম এবং সাংবাদিকতার জীবনে এই পত্রিকার ভূমিকা অনস্বীকার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই লেখকের কোনো 'ধূমকেতু' ছদ্মনাম ছিল না কারণ তিনি মূলত 'টিমোথি পেনপয়েন্ট' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভুল কারণ প্রযোজ্য নয়। C) শামসুর রাহমান — আধুনিক যুগের এই বিখ্যাত কবি সাহিত্যচর্চায় 'মাজলুম আদিব' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। D) জসীমউদ্দীন — পল্লীসাহিত্যিক নামে পরিচিত এই কবির কোনো নির্দিষ্ট ছদ্মনাম ব্যবহারের ইতিহাস নেই। মনে রাখার টিপস: বিদ্রোহী কবি নজরুল আকাশের ধূমকেতুর মতো হঠাৎ আবির্ভূত হয়ে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন এবং ধূমকেতু পত্রিকাও তিনিই সম্পাদনা করেছিলেন।
a ক্লান্তিহীন
b অক্লান্তকর্মী
c অবিশ্রাম
d অক্লান্ত
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অক্লান্তকর্মী ১. কেন সঠিক: - 'কর্মে যার ক্লান্তি নাই' এই বাক্যাংশটির এককথায় প্রকাশ হলো অক্লান্তকর্মী, যা দ্বারা এমন একজন কর্মীকে বোঝায় যিনি কাজের ক্ষেত্রে কখনো ক্লান্ত হন না। - প্রশ্নটিতে কাজের সাথে যুক্ত মানুষের কথা বলা হয়েছে, তাই শুধু ক্লান্তিহীন না বুঝিয়ে অক্লান্তকর্মী শব্দটি নিখুঁতভাবে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে একটি বড় বাক্য বা বাক্যাংশকে সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত একটি শব্দে প্রকাশ করা হয়। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বক্তব্যকে আরও সংক্ষিপ্ত ও মার্জিত করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হয় নাই = অব্যক্ত ব্যাখ্যা: কোনো কিছু না বলে গোপন রাখা বা প্রকাশ না করার অবস্থাকে এককথায় অব্যক্ত বলা হয়। উদাহরণ ২: পরিমাপ করা যায় না যা = অপরিমেয় ব্যাখ্যা: যার কোনো নির্দিষ্ট পরিমাপ বা সীমা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়, তাকে অপরিমেয় বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লান্তিহীন — এই শব্দটি দ্বারা ক্লান্তি নেই এমন অবস্থাকে বোঝায়, কিন্তু বিশেষভাবে কর্মী বা মানুষের ক্ষেত্রে এটি সম্পূর্ণ উপযুক্ত নয়। B) অক্লান্তকর্মী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা কর্মে ক্লান্তি নাই এমন ব্যক্তিকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। C) অবিশ্রাম — এই শব্দটি কোনো কাজের বিরতিহীন গতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, মানুষের ক্ষেত্রে এককথার প্রকাশ হিসেবে এটি খাটে না। D) অক্লান্ত — এটি দ্বারা কেবল ক্লান্তিহীন অবস্থাকে বোঝায়, কিন্তু কর্ম বা কর্মীর সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা বোঝাতে অপশন বি বেশি নির্ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে যদি কাজের কথা বা কর্মীর কথা উল্লেখ থাকে, তবে এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে কর্মী শব্দযুক্ত অপশনটি বেছে নিতে হবে। - শুধু ক্লান্তি না থেকে যদি কর্ম বা কাজের কথা থাকে, তবে অক্লান্তকর্মী সঠিক হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো খেয়াল রাখতে হবে। - একই অর্থের একাধিক শব্দ থাকলে বাক্যের মূল ভাব বিবেচনা করে সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দটি নির্বাচন করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (30)

a mouse
b intention
c women
d information
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) information কেন সঠিক: information একটি আনকাউন্টেবল বা গণনাহীন নাউন। এর সাথে কখনো এস বা ইএস যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না। এই শব্দের নির্দিষ্ট কোনো বহুবচন রূপ ইংরেজিতে নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mouse — এটি একটি কাউন্টেবল নাউন এবং এর বহুবচন হলো মাইস। B) intention — এটি একটি সাধারণ গণনযোগ্য নাউন এবং এর সাথে এস যুক্ত করে বহুবচন করা যায়। C) women — এটি উওম্যান শব্দের বহুবচন রূপ যা নিজেই প্লুরাল। D) information — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ইনফরমেশন, নিউজ এবং ফার্নিচার শব্দগুলো সবসময় একবচন হয় এবং এদের সাথে প্লুরাল হয় না।
a Common noun
b Abstract noun
c Material noun
d Proper noun
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Material noun কেন সঠিক: মটন বা ছাগলের মাংস হলো এমন একটি বস্তু যা ওজন করে মাপা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না। যে নাউন দিয়ে কোনো পদার্থের নাম বোঝায় এবং যা দিয়ে নতুন বস্তু তৈরি হয়, তাকে ম্যাটেরিয়াল নাউন বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Common noun — এটি কোনো সাধারণ ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর সাধারণ নাম বোঝায় না, কারণ মাংসকে আলাদা করে গণনা করা যায় না। B) Abstract noun — এটি কোনো গুণ, কাজের নাম বা দোষ বোঝায় না, এটি একটি দৃশ্যমান ও স্পর্শ করার মতো ভৌত পদার্থ। C) Material noun — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি মাংস বা পদার্থের নাম নির্দেশ করে যা গণনা করা যায় না। D) Proper noun — এটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, স্থান বা নির্দিষ্ট কোনো প্রাণীর নাম বোঝায় না, এটি সাধারণ একটি বস্তুর নাম। মনে রাখার টিপস: যেসব জিনিস সংখ্যায় গণনা করা যায় না কিন্তু ওজন বা পরিমাপ করা যায় এবং যা দিয়ে অন্য কিছু তৈরি হয়, তারা সবসময় Material noun হয়।
a at
b with
c in
d for
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in কেন সঠিক: কোনো গোপন ষড়যন্ত্র বা অপরাধের সাথে যুক্ত থাকা বোঝাতে 'concerned in' ফ্রেজাল প্রিপোজিশন ব্যবহৃত হয়। এখানে আটজন লোক একটি ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ছিল বোঝানো হয়েছে। তাই শূন্যস্থানে সঠিক প্রিপোজিশন হবে 'in'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — কোনো ঘটনায় বিস্মিত বা দুঃখিত হওয়া বোঝালে 'concerned at' বসে, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। B) with — কোনো বিষয়ে উদ্বিগ্ন বা কোনো ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত বোঝাতে 'concerned with' বসে। D) for — কারো কল্যাণ বা নিরাপত্তার জন্য উদ্বিগ্ন থাকা বোঝালে 'concerned for' ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ষড়যন্ত্র বা অপরাধমূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকা বোঝালে সবসময় 'concerned in' ব্যবহার করবে।
a always
b very rarely
c nearly
d hourly
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) very rarely কেন সঠিক: 'Once in a blue moon' একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম। এর শাব্দিক অর্থ নীল চাঁদে একবার হলেও এটি মূলত একটি বিরল ঘটনা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। যা খুব কদাচিৎ বা কদাচিৎ ঘটে এমন কোনো কাজের ক্ষেত্রে এই বিশেষ বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়। বাংলা ভাষায় এর সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ হলো কদাচিৎ বা খুব কম। ইংরেজি ব্যাকরণে অনিয়মিত বা কদাচিৎ ঘটা ঘটনার প্রকাশ হিসেবে এটি বেশ জনপ্রিয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) always — এই শব্দটির অর্থ সর্বদা বা সবসময়, যা প্রদত্ত ইডিওমের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) very rarely — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ খুব কদাচিৎ, যা মূল ইডিওমের সঠিক ভাবার্থ বহন করে। C) nearly — এই শব্দটির অর্থ প্রায় বা কাছাকাছি, যা এই বিশেষ বাগধারার ব্যাখ্যার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) hourly — এর অর্থ প্রতি ঘন্টায় বা ঘন্টায় ঘন্টায়, যা বিরল ঘটনার অর্থের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: চাঁদ কখনো নীল হয় না, তাই যে ঘটনা চাঁদের মতো বিরল তাকে 'once in a blue moon' বলা হয়।
a Are they known by you?
b Would they be known by you?
c Are they be known with you?
d Are they known to you?
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Are they known to you? কেন সঠিক: ইন্টারোগेटिव বাক্যকে প্যাসিভ করার সময় টেন্স অনুযায়ী auxiliary verb প্রথমে বসে এবং Active Voice-এর subject অবজেক্টে রূপান্তর হয়। এখানে মূল verb 'know'-এর পর বাই (by) preposition না বসে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী 'to' preposition বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Are they known by you? — এখানে 'know' verb-এর পর ভুল করে 'by' preposition ব্যবহার করা হয়েছে। B) Would they be known by you? — এটি present indefinite tense-এর বাক্য হওয়া সত্ত্বেও ভুল modal auxiliary 'would' ব্যবহার করা হয়েছে। C) Are they be known with you? — এখানে 'be' অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়েছে এবং ভুল preposition 'with' দেওয়া হয়েছে। D) Are they known to you? — এই অপশনটি সঠিক, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: 'Know' verb-এর পর সাধারণত 'by' না বসে সবসময় 'to' preposition বসে।
a Compound sentences
b Complies sentence
c simple sentence
d interrogative sentence
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Compound sentences কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে 'else' conjunction দুটি স্বাধীন clause কে যুক্ত করেছে। এটি একটি compound sentence এর গঠন নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Compound sentences — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Complies sentence — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি ব্যাকরণের সেন্টেন্সের প্রকার নয়। C) simple sentence — এতে একটি মাত্র subject ও finite verb থাকে, যা এখানে নেই। D) interrogative sentence — এটি কোনো প্রশ্নবোধক বাক্য নয়। মনে রাখার টিপস: or বা else যুক্ত বাক্য সাধারণত compound sentence হয়।
a Preposition
b Verb
c Conjunction
d Adverb
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Preposition কেন সঠিক: এখানে but শব্দটি except বা besides অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এটি দুটি বাক্যকে যুক্ত না করে preposition হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Preposition — এখানে এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) Verb — এটি কোনো কাজ বা অবস্থাকে বোঝাচ্ছে না। C) Conjunction — এটি দুটি খণ্ডবাক্য বা শব্দকে সংযুক্ত করছে না। D) Adverb — এটি কোনো verb বা adjective কে বিশেষित করছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে but এর অর্থ যদি except বা বাদে হয়, তবে তা সর্বদা preposition হয়।
a with, to
b to, by
c with, for
d to, for
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) with, for কেন সঠিক: - ব্যক্তির ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তা বোঝাতে popular এর পর with বসে এবং কোনো গুণের কারণে জনপ্রিয় বোঝালে for বসে। - বাক্যে goodness একটি গুণ বোঝানো হয়েছে, তাই এর পূর্বে for প্রিপজিশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with, to — এখানে দ্বিতীয় প্রিপজিশন to ভুল কারণ গুণের কারণে বোঝাতে to বসে না। B) to, by — এখানে দুটি প্রিপজিশনই ভুল, কারণ ব্যক্তির ক্ষেত্রে with এবং কারণ বোঝাতে for বসে। C) with, for — এটি সঠিক উত্তর, কারণ প্রথম শূন্যস্থানে with এবং দ্বিতীয় শূন্যস্থানে for বসেছে। D) to, for — এখানে প্রথম শূন্যস্থানে to ভুল, কারণ ব্যক্তির জনপ্রিয়তার ক্ষেত্রে popular এর পর with বসে। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির ক্ষেত্রে popular with এবং গুণের জন্য popular for ব্যবহার করবে।
a A sheep of black colour
b Big Sheep
c Disgraceful Pension
d Costly
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ভাষা ও ব্যাকরণ (আইডম বা বাগধারা) কেন সঠিক: - 'Black Sheep' একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ কালো ভেড়া হলেও ভাবার্থ হলো কুলাঙ্গার বা পরিবারের কলঙ্ক। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে 'Disgraceful Pension' বা অপমানের পাত্র অর্থে এটি বোঝানো হয়েছে, যা এই ইডিয়মের ভাবার্থের সাথে মেলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A sheep of black colour — এটি ইডিয়মের আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবসময় ভাবার্থ বা প্রবাদমূলক অর্থ ধরতে হয়। B) Big Sheep — এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক এবং এর সাথে ব্ল্যাক শিপ ইডিয়মের কোনো সম্পর্ক নেই। C) Disgraceful Pension — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে টাইপিং বা মুদ্রণজনিত ভুলের কারণে 'Person'-এর পরিবর্তে 'Pension' এসেছে, যা মূলত কুলাঙ্গার বা কলঙ্কিত ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। D) Costly — এর অর্থ ব্যয়বহুল, যা ব্ল্যাক শিপ বা কুলাঙ্গার শব্দের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত। মনে রাখার টিপস: ভেড়ার পালে কালো ভেড়া থাকলে যেমন পুরো পাল নষ্ট হয়, তেমনি পরিবারে খারাপ সদস্যকে ব্ল্যাক শিপ বা কুলাঙ্গার বলা হয়।
a with
b by
c on
d of
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) on কেন সঠিক: পায়ে হেঁটে কোথাও যাওয়া বোঝাতে ইংরেজিতে অন ফিট বা on foot ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। যানবাহনের ক্ষেত্রে বাই বসালেও শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দিয়ে চলা বোঝাতে অন প্রিপজিশন বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এটি সাধারণত কোনো যন্ত্র বা উপকরণের সাথে বসে, মানুষের অঙ্গ বা হাঁটার ক্ষেত্রে বসে না। B) by — এটি সাধারণত কোনো যানবাহনের নামের আগে বসে, যেমন বাই বাস বা বাই কার। C) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি নিজেই সঠিক প্রিপজিশন। D) of — এটি সম্বন্ধ বা উৎস বোঝাতে বসে, হাঁটার পদ্ধতির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: পায়ে হেঁটে চলা বোঝাতে সবসময় অন ফিট মুখস্থ রাখবে।
a সে তোমার জন্য এটি করতে পারবে।
b সে তোমাকে দিয়ে এটি করাতে পারবে।
c সে ও তুমি এটি করতে পারব
d সে তোমার জন্য এটি করতে পারে
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সে তোমাকে দিয়ে এটি করাতে পারবে। কেন সঠিক: বাক্যটিতে 'can' থাকার কারণে অর্থটি অতীতে বা বর্তমানে নয়, বরং ভবিষ্যতে সম্ভাবনা বা সামর্থ্য বোঝাতে 'পারবে' হবে। তাছাড়া 'make you do' গঠনটি কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করানোর অর্থ প্রকাশ করে, যা Causative Verb-এর নিয়ম। কর্তা নিজেই কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করালে এমন গঠন ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক অনুবাদটি হবে সে তোমাকে দিয়ে এটি করাতে পারবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সে তোমার জন্য এটি করতে পারবে — এই অনুবাদে 'make' শব্দটির অর্থ বা কাউকে দিয়ে কাজ করানোর ভাবটি প্রকাশ পায়নি। B) সঠিক উত্তর — এটি মূল বাক্যের সঠিক ও নিখুঁত বঙ্গানুবাদ। C) সে ও তুমি এটি করতে পারব — এই অপশনের অর্থ মূল ইংরেজি বাক্যের অর্থের সাথে একেবারেই মিলে না। D) সে তোমার জন্য এটি করতে পারে — এখানে 'can'-এর সঠিক ভবিষ্যৎ অর্থ এবং Causative Verb-এর সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে Subject-এর পরে make এবং অন্য কোনো ব্যক্তিবাচক object থাকলে তা Causative Verb হয় এবং বাংলা করার সময় কাউকে দিয়ে কিছু করানো বোঝায়।
a Acknowledgement
b Acknoledgement
c Acknowlegement
d Acknowledgament
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Acknowledgement কেন সঠিক: এই বানানে acknowledge শব্দের শেষে ment প্রত্যয় যুক্ত করার সময় ই উঠে যায় না। তাই সঠিক রূপটি হলো acknowledgement। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Acknowledgement — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং আদর্শ ইংরেজি বানানের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) Acknoledgement — এই বানানে w অক্ষরটির পরে e অক্ষরটি বাদ পড়েছে যা একটি ভুল বানান। C) Acknowlegement — এই বানানে d অক্ষরটি অনুপস্থিত রয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তুলেছে। D) Acknowledgament — এই বানানে শেষের দিকে a অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: acknowledge লেখার পর সরাসরি ment যোগ করলেই সঠিক বানান পেয়ে যাবে।
a bad smellW
b suspect something
c make difficult
d presence of a thief
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) suspect something কেন সঠিক: 'smell a rat' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ ইঁদুরের গন্ধ পাওয়া হলেও ভাবার্থ হলো কোনো কিছু নিয়ে সন্দেহ করা বা ডাল মে কুচ কালা হ্যায় মনে করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bad smell — এটি সম্পূর্ণ আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে, যা ইডিয়মের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) suspect something — এটি এই ইডিয়মের সঠিক ভাবার্থ বা অর্থ নির্দেশ করে। C) make difficult — এর অর্থ কোনো কিছু কঠিন করে তোলা, যা এই ইডিয়মের সাথে মেলে না। D) presence of a thief — এটি চোরের উপস্থিতি বোঝায়, যা রূপক অর্থে ব্যবহৃত এই বাগধারার সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: ঘরে ইঁদুরের গন্ধ পেলে যেমন সন্দেহ হয় যে কোথাও ইঁদুর লুকিয়ে আছে, তেমনি কোনো ব্যাপারেই গোলমেলে কিছু মনে হলে 'smell a rat' ব্যবহার করা হয়।
a Books
b Gave
c Me
d Five
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Five কেন সঠিক: - 'Five' শব্দটি বাক্যের 'books' নাউনের সংখ্যা নির্দেশ করে তার দোষ, গুণ বা পরিমাণ প্রকাশ করেছে। - যে শব্দ নাউনের সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, তাকে Adjective বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Books — এটি একটি Noun, কারণ এটি একটি বস্তুর নাম বোঝাচ্ছে। B) Gave — এটি একটি Verb, কারণ এটি দিয়ে একটি কাজ সম্পন্ন করা বোঝানো হয়েছে। C) Me — এটি একটি Pronoun, যা Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে। D) Five — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: নাউনের আগে বসে সংখ্যা বা পরিমাণ বোঝালে সেটি Adjective হয়।
a Proposetion
b Proposal
c Proposed
d Proposiing
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Proposal কেন সঠিক: প্রস্তাব শব্দটির ইংরেজি রূপ হলো প্রপোজ, যার সঠিক নাউন ফর্ম বা বিশেষ্য রূপ হলো প্রপোজাল। কোনো শব্দের শেষে আল যুক্ত করে সাধারণত নাউন বা বিশেষ্য গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proposetion — এই বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান হলো প্রপজিশন এবং এটি প্রপোজ শব্দের সঠিক নাউন রূপ নয়। B) Proposal — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) Proposed — এটি প্রপোজ শব্দের পাস্ট টেন্স বা অতীত রূপ এবং এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া। D) Proposiing — এই বানানে ভুল রয়েছে কারণ সঠিক বানান হলো প্রপোজং এবং এটি ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত রূপ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক verb-এর শেষে al যোগ করে noun তৈরি করা হয়, যেমন propose থেকে proposal।
a poorify
b poority
c poorness
d poverty
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) poverty কেন সঠিক: poor শব্দটির বাংলা অর্থ গরিব এবং এটি একটি এডজেক্টিভ। এর সঠিক নাউন রূপটি হলো poverty যার অর্থ দারিদ্র্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) poorify — এমন কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ ব্যাকরণে নেই। B) poority — এটি একটি ভুল গঠন এবং এর কোনো অস্তিত্ব নেই। C) poorness — এটি সঠিক নাউন হলেও তুলনামূলক কম ব্যবহৃত হয় এবং poverty অধিক গ্রহণযোগ্য। মনে রাখার টিপস: Adjective হিসেবে poor থাকলে তার Noun রূপ সাধারণত poverty হয়।
a Mermaid
b Horse
c Dog
d Bear
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Horse কেন সঠিক: Mare শব্দের বাংলা অর্থ মادي ঘোড়া বা ঘোটকী। এর পুংলিঙ্গ বা masculine gender হলো ঘোড়া যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Horse। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mermaid — এই শব্দটির অর্থ জলপরী, যা কোনো প্রাণীর লিঙ্গ পরিবর্তন নয়। B) Horse — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Dog — এই শব্দটির অর্থ কুকুর, যার স্ত্রীলিঙ্গ হলো Bitch। D) Bear — এই শব্দটির অর্থ ভাল্লুক, যা Mare শব্দের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ঘোড়ার ক্ষেত্রে স্ত্রীলিঙ্গ হলো Mare এবং পুংলিঙ্গ হলো Horse।
a Yesterday, he has gone home
b Yesterday, he did gone home.
c Yesterday, he had gone home.
d Yesterday, he went home,
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Yesterday, he went home, কেন সঠিক: বাক্যে Yesterday শব্দটি থাকার কারণে এটি অতীতের ঘটনা নির্দেশ করে। অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে সাধারণ অতীত কাল বা Past Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়। এই Tense-এ মূল verb-এর Past form বা V2 বসে। অপশন ডি-তে go verb-এর Past form went ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Yesterday, he has gone home — বাক্যে Yesterday থাকার কারণে Present Perfect Tense ব্যবহার করা ভুল। B) Yesterday, he did gone home — did-এর পরে verb-এর Present form বসার কথা থাকলেও এখানে gone ব্যবহার করা হয়েছে। C) Yesterday, he had gone home — দুটি অতীত ঘটনার তুলনা না থাকায় এখানে Past Perfect Tense ব্যবহার করা নিয়মসম্মত নয়। D) Yesterday, he went home, — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে Past Indefinite Tense-এর নিয়ম মেনে চলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে Yesterday, Ago, Last night ইত্যাদি অতীত নির্দেশক শব্দ থাকলে সর্বদা Past Indefinite Tense অর্থাৎ verb-এর Past form ব্যবহার করতে হবে।
a a
b an
c the
d no article is needed
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a কেন সঠিক: ১. শূন্যস্থানের পরের শব্দটি হলো one। শব্দটির শুরুতে vowel (o) থাকা সত্ত্বেও এর উচ্চারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ ওয় এর মতো হয়। ২. ইংরেজিতে কোনো শব্দের শুরুতে vowel থাকার পরও যদি তার উচ্চারণ ওয়া এর মতো হয়, তবে তার আগে an না বসে a বসে। ৩. তাই one eyed man বাক্যাংশে সঠিক article হিসেবে a ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — এটি সঠিক উত্তর। B) an — শব্দের উচ্চারণ ওয় এর মতো হওয়ায় এখানে an ব্যবহার করা ভুল। C) the — নির্দিষ্ট করে কাউকে না বুঝিয়ে একটিমাত্র একচোখা ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে বিধায় the হবে না। D) no article is needed — Singular countable noun হওয়ায় এখানে article বসানো আবশ্যক। মনে রাখার টিপস: শব্দে vowel থাকা সত্ত্বেও উচ্চারণ যদি ইউ কিংবা ওয়া হয়, তবে তার পূর্বে সর্বদা a বসে।
a A gerund
b An infinitive
c A participle
d A finite verb
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) A participle কেন সঠিক: এখানে 'enlightening' শব্দটি বাক্যে এডজেক্টিভ বা বিশেষণের কাজ করছে। এটি বিশেষ্য বা নাউন 'Education' সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A gerund — এটি নাউনের কাজ করে না, তাই জিরান্ড হতে পারে না। B) An infinitive — এর পূর্বে কোনো 'to' নেই এবং গঠনেও এটি ইনফিনিটিভ নয়। C) A participle — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে বর্ণনার প্রয়োজন নেই। D) A finite verb — এটি বাক্যের মূল সমাপিকা ক্রিয়া নয়, কারণ মূল ভার্ব হলো 'is'। মনে রাখার টিপস: কোনো ing যুক্ত শব্দ যদি নাউনের দোষ বা গুণ প্রকাশ করে এডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করে, তবে তা পার্টিসিপল হয়।
a formulae
b agenda
c oases monk
d radius
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) radius কেন সঠিক: radius শব্দটির শেষে us আছে যা একটি ল্যাটিন একবচন বা singular রূপ নির্দেশ করে। এর বহুবচন বা plural রূপ হলো radii এবং এটি একটি একক বিশেষ্য পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) formulae — এটি formula শব্দের বহুবচন রূপ যার একবচন হলো formula। B) agenda — এটি agendum শব্দের বহুবচন রূপ এবং দৈনন্দিন কাজে এটি বহুবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) oases monk — এটি কোনো আদর্শ একবচন শব্দ নয় কারণ oasis শব্দের বহুবচন হলো oases। D) radius — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি একবচন শব্দ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বা ল্যাটিন শব্দের শেষে us থাকলে সাধারণত সেটি singular হয় এবং i থাকলে plural হয়।
a শত্রুভাবাপন্ন
b প্রতিকূল
c নেতিবাচক
d অহিনকুল
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রতিকূল কেন সঠিক: - 'Adverse' একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ প্রতিকূল, অনুকূল নয় এমন বা ক্ষতিকর। - পরীক্ষার প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে শব্দটির সঠিক অর্থ, যা অপশন বি এর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শত্রুভাবাপন্ন — এটি 'Hostile' শব্দের অর্থ প্রকাশ করে, যা 'Adverse' এর সরাসরি সমার্থক নয়। B) প্রতিকূল — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'Adverse' শব্দের মূল অর্থ হলো প্রতিকূল বা বাধা সৃষ্টিকারী পরিস্থিতি। C) নেতিবাচক — এটি 'Negative' শব্দের কাছাকাছি অর্থ বহন করে, যা নির্দিষ্টভাবে 'Adverse' এর সঠিক পরিভাষা নয়। D) অহিনকুল — এটি একটি বাগধারা যার অর্থ তীব্র শত্রুতা, যা ইংরেজি শব্দটির শাব্দিক অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: Adverse শব্দটিকে A diverse environment (প্রতিকূল পরিবেশ) হিসেবে মনে রাখতে পারো।
a had left
b will leave
c left
d leave
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had left কেন সঠিক: অতীতকালে ঘটে যাওয়া দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, তার সাথে Past Perfect Tense বসে। এখানে আপনার চলে যাওয়ার কাজটি তাদের আসার আগেই শেষ হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had left — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী অতীতকালের আগের কাজ বোঝাচ্ছে। B) will leave — এটি ভবিষ্যতের কাজ বোঝায়, যা অতীতকালের ঘটনার সাথে মিলে না। C) left — এটি সাধারণ অতীতকাল বোঝায়, কিন্তু দুটি ঘটনার আগের কাজ বোঝাতে Past Perfect দরকার। D) leave — এটি বর্তমান কাল বোঝায়, যা অতীতের বাক্যের গঠনের সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: Before এর আগের অংশ Past Perfect এবং পরের অংশ Simple Past Tense হয়।
a I heard him to read.
b I heard him reading.
c I have heard him reading.
d I saw him reading.
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I heard him reading. কেন সঠিক: Hear verb টির পর object এবং তার সরাসরি কাজ বোঝাতে present participle ব্যবহার করা হয়। তাই object-এর পরে to বসে না, সরাসরি verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I heard him to read — Hear verb-এর পর infinitive (to read) বসে না। B) I heard him reading — এটিই সঠিক উত্তর। C) I have heard him reading — present perfect tense-এর ব্যবহার এখানে অপ্রাসঙ্গিক ও বেমানান। D) I saw him reading — saw verb সঠিক হলেও মূল প্রশ্নে heard দেওয়া আছে তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Hear এবং see verb-এর পর object থাকলে সরাসরি verb-এর সাথে ing যোগ করতে হয়, মাঝে কোনো to বসে না।
a Beautiful bithe
b Beautifully
c Beautifying
d Beautify
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Beautify কেন সঠিক: 'Beauty' শব্দটির অর্থ সৌন্দর্য, যা একটি নাউন বা বিশেষ্য। এর ভার্ব বা ক্রিয়া রূপ হলো 'Beautify', যার অর্থ সুন্দর করা। বাক্যে কাজ করার সামর্থ্য বা ভার্ব হিসেবে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়। suffixes বা প্রত্যয় যুক্ত করে নাউন থেকে ভার্ব গঠন করার এটি একটি আদর্শ নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Beautiful bithe — এটি একটি ভুল বানানযুক্ত শব্দ এবং এর গঠন সঠিক নয়। B) Beautifully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যা কাজের ধরণ বোঝায়। C) Beautifying — এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত রূপ, যা মূল ভার্বের বেস ফর্ম নয়। D) Beautify — এটি সঠিক ভার্ব ফর্ম হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: শব্দটির শেষে fy যুক্ত থাকলে সাধারণত সেটি ভার্ব বা ক্রিয়া নির্দেশ করে।
a Enmity
b Alien
c Association
d Separation
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Association কেন সঠিক: - Alliance শব্দটির অর্থ হলো মৈত্রী, জোট বা মিলন, যার সঙ্গে Association শব্দটির অর্থের পূর্ণ মিল রয়েছে। - কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে দল, সংগঠন বা ব্যক্তিবিশেষের পারস্পরিক সংযোগ বা জোট বোঝাতে Association শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Enmity — এর অর্থ শত্রুতা বা বৈরিতা, যা Alliance শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Alien — এর অর্থ পরবাসী বা ভিনদেশী, যা জোট বা মৈত্রীর ধারণার সঙ্গে সম্পূর্ণ অসংগত। C) Association — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ সমিতি, সংঘ বা সংযোগ। D) Separation — এর অর্থ পৃথকীকরণ বা বিচ্ছিন্নতা, যা মিলন বা জোটের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: Alliance এবং Association উভয় শব্দের মাধ্যমেই দলবদ্ধ হওয়া বা একসাথে কাজ করার বোঝাপড়া প্রকাশ পায়।
a deers
b deer
c deerz
d many deer
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) deer কেন সঠিক: deer শব্দটির একবচন এবং বহুবচন রূপ একই থাকে। তাই এর সঙ্গে অতিরিক্ত s যুক্ত করার কোনো প্রয়োজন হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) deers — deer শব্দের সঙ্গে s যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না কারণ এটি ভুল গঠন। B) deer — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি deer শব্দের বহুবচন রূপ। C) deerz — z যুক্ত করে ইংরেজি শব্দের বহুবচন করা হয় না তাই এটি সম্পূর্ণ ভুল। D) many deer — এটি একটি বাক্যাংশ, কিন্তু প্রশ্ন চেয়েছে শুধু সঠিক বহুবচন রূপটি কী। মনে রাখার টিপস: sheep, deer এবং fish শব্দগুলোর একবচন ও বহুবচন সর্বদা একই থাকে।
a having
b having to drink
c drink
d to take
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) having to drink কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণে would mind phrases এর পর মূল verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়। এখানে কাউকে কোনো কাজের অনুরোধ বা প্রস্তাব বোঝাতে having ব্যবহার করা হয়। অতিরিক্ত হিসেবে পান করা অর্থে drink যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) having — এটি সঠিক হলেও এর সাথে drink না থাকায় বাক্যটি পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়। B) having to drink — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। C) drink — would mind এর পর সরাসরি base verb বসানো ব্যাকরণের নিয়মের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। D) to take — would mind এর পরে infinitive অর্থাৎ to যুক্ত verb ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: would mind দেখলে বাক্যে চোখ বন্ধ করে verb এর সাথে ing যুক্ত রূপটি বেছে নেবে।
a wasn't he
b has he
c isn't he
d doesn't he
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) doesn't he কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটির মূল অংশ present indefinite tense-এ আছে এবং এর মূল ভার্ব হলো seem, যার সাথে s যুক্ত আছে। - Present indefinite tense-এ মূল ভার্বের সাথে s বা es থাকলে question tag তৈরি করার জন্য does সাহায্যকারী ভার্ব ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) wasn't he — বাক্যটি past tense-এ নেই এবং এখানে be verb-এর পরিবর্তে মূল ভার্ব ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটি ভুল। B) has he — বাক্যটি perfect tense-এর নয় এবং এখানে auxiliary verb হিসেবে has বসার কোনো ব্যাকরণগত কারণ নেই। C) isn't he — বাক্যটিতে মূল ভার্ব seem থাকার কারণে am, is, are বা to be verb ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) doesn't he — মূল ভার্ব seem-এর জন্য এটি সঠিক tag, তাই প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: বাক্যে মূল ভার্বের সাথে s বা es থাকলে question tag করার সময় doesn't ব্যবহার করতে হয়।
a Principal
b Auxiliary verb
c Transitive verb
d Intransitive verb
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Transitive verb কেন সঠিক: এখানে reads ভার্বটি কী পড়ছে প্রশ্ন করলে a book উত্তর পাওয়া যায়, অর্থাৎ এর নিজস্ব অবজেক্ট রয়েছে। যে ভার্বের অবজেক্ট থাকে তাকে Transitive verb বা সকর্মক ক্রিয়া বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Principal — এটি প্রিন্সিপাল ভার্ব হলেও এখানে অবজেক্ট থাকার কারণে আরও সুনির্দিষ্টভাবে এটি সকর্মক ক্রিয়া। B) Auxiliary verb — এটি সাহায্যকারী ভার্ব নয় কারণ বাক্যে এটি একা প্রধান ভার্ব হিসেবে কাজ করেছে। C) Transitive verb — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। D) Intransitive verb — এই ভার্বটির অবজেক্ট থাকায় এটি অকর্মক ক্রিয়া হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: ভার্বকে কি বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা Transitive verb হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

a 6
b 11
c 12
d 17
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১ প্রদত্ত তথ্য: তিন বোনের বয়সের সমষ্টি = ২৩ বছর জমজ দুই বোনের প্রত্যেকের বয়স = ৬ বছর ধরি, অর্নির বয়স = ক বছর জমজ দুই বোনের বয়সের সমষ্টি = ৬ + ৬ = ১২ বছর অতএব, অর্নির বয়স + জমজ দুই বোনের বয়সের সমষ্টি = ২৩ ক + ১২ = ২৩ সুতরাং, ক = ২৩ − ১২ = ১১ উত্তর: ১১ বছর
a 1
b 0
c 2
d 4
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x^৪ − ২x^২ + ১ = ০ ধরি, x^২ = a অতএব, a^২ − ২a + ১ = ০ সুতরাং, (a − ১)^২ = ০ অতএব, a = ১ যেহেতু x^২ = a তাহলে x^২ = ১ সুতরাং, x এর মান = ১ উত্তর: ১
a ৬২ বছর
b ৬০ বছর
c ৫৪ বছর
d ৫৮ বছর
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ বছর প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত = ১০ : ৩ পুত্রের বয়স = ১৮ বছর ধরি, পিতার বয়স = ১০ক বছর পুত্রের বয়স = ৩ক বছর অতএব, ৩ক = ১৮ ক = ১৮ ÷ ৩ সুতরাং, ক = ৬ উত্তর: পিতার বয়স = ১০ × ৬ = ৬০ বছর
a ৩ গুণ
b ৯ গুণ
c ১২ গুণ
d ১৬ গুণ
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ গুণ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ধরি, বৃত্তের প্রাথমিক ব্যাসার্ধ = r প্রাথমিক ক্ষেত্রফল = π × r × r অতএব, নতুন ব্যাস হবে তিন গুণ নতুন ব্যাসার্ধ = ৩ × r সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৩ × r) × (৩ × r) নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r) উত্তর: ৯ গুণ
a 21
b 10
c 9
d 3
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (৭ + ক) × ৩ = ৩০ ধরি, অজানা সংখ্যাটি সমান ক অতএব, ৭ + ক = ৩০ ÷ ৩ ৭ + ক = ১০ সুতরাং, ক = ১০ − ৭ উত্তর: ক = ৩
a 3/4
b 3/5
c 5/7
d 5/6
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩/৫ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশের লবের সাথে ৭ যোগ করলে মান ২ হয় হর থেকে ২ বাদ দিলে ভগ্নাংশটির মান ১ হয় ধরি, ভগ্নাংশটির লব = x ভগ্নাংশটির হর = y অতএব, প্রথম শর্ত মতে, (x + ৭) ÷ y = ২ অর্থাৎ x + ৭ = ২y সুতরাং x − ২y = −৭ (এটি সমীকরণ এক) দ্বিতীয় শর্ত মতে, x ÷ (y − ২) = ১ অর্থাৎ x = y − ২ সুতরাং x − y = −২ (এটি সমীকরণ দুই) সুতরাং, সমীকরণ এক থেকে সমীকরণ দুই বিয়োগ করে পাই, y = ৫ y এর মান সমীকরণ দুই এ বসিয়ে পাই, x = ৩ উত্তর: ৩/৫
a 8,0
b 6,1
c 3,3
d 2,3
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২,৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণ হলো x + ২y = ৮ দ্বিতীয় সমীকরণ হলো ২x + y = ৭ ধরি, x এর মান হলো ২ এবং y এর মান হলো ৩ এই মানগুলো প্রথম সমীকরণে বসাই অতএব, বামপক্ষ হলো ২ + (২ × ৩) = ২ + ৬ = ৮ ডানপক্ষ হলো ৮ বামপক্ষ এবং ডানপক্ষ সমান হলো সুতরাং, দ্বিতীয় সমীকরণে মানগুলো বসাই বামপক্ষ হলো (২ × ২) + ৩ = ৪ + ৩ = ৭ উত্তর: ২,৩
a 2
b 5
c 13
d 4
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, প্রথম সংখ্যা যোগ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৬ দেওয়া আছে, প্রথম সংখ্যা গুণ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৪ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি হলো a দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো b অতএব, প্রশ্ন অনুসারে সরাসরি গুণফল চাওয়া হয়েছে যেহেতু ab হলো a এবং b এর গুণফল সুতরাং, ab এর মান হবে প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী সরাসরি ৪ উত্তর: ৪
a (x-2)(x-3)
b (x-1) (x+8)
c (x-1)(x-6)
d (x+1) (x+6)
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (x-1)(x-6) প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত রাশিটি হলো x² − 7x + 6 ধরি, মধ্যপদের সহক ৭ কে এমন দুটি সংখ্যায় ভাগ করতে হবে যাদের গুণফল হবে ৬ এবং যোগফল হবে − ৭ অতএব, সংখ্যা দুটি হলো − ১ এবং − ৬ সুতরাং, x² − x − 6x + 6 উত্তর: (x-1)(x-6)
a 0.01
b 0.001
c 0.1
d কোনোটিই নয়
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০০১ প্রদত্ত তথ্য: শতকরা মান = ০.১% ধরি, শতকরা চিহ্ন তোলার জন্য ১০০ দিয়ে ভাগ করতে হবে অতএব, ০.১% = ০.১ ÷ ১০০ সুতরাং, ০.১ ÷ ১০০ = ০.০০১ উত্তর: ০.০০১
a ৪০ লিটার
b ৩৫ লিটার
c ৩০ লিটার
d ২৫ লিটার
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪০ লিটার প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৩০ লিটার এসিড ও পানির অনুপাত = ৭ : ৩ ধরি, এসিডের পরিমাণ = ৭ক লিটার পানির পরিমাণ = ৩ক লিটার অতএব, ৭ক + ৩ক = ৩০ ১০ক = ৩০ সুতরাং, ক = ৩ এসিডের পরিমাণ = ৭ × ৩ = ২১ লিটার পানির পরিমাণ = ৩ × ৩ = ৯ লিটার উত্তর: নতুন পানি মেশাতে হবে = ৪০ লিটার
a 3321
b 3342
c 3322
d 3344
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৩২১ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১ + ৫ + ৯ + ... + ১৬১ এটি একটি সমান্তর ধারা যার প্রথম পদ ১ ধরি, প্রথম পদ (a) = ১ সাধারণ অন্তর (d) = ৫ − ১ = ৪ অতএব, শেষ পদ = a + (n − ১) × d = ১৬১ ১ + (n − ১) × ৪ = ১৬১ সুতরাং, (n − ১) × ৪ = ১৬০ n − ১ = ৪০ n = ৪১ উত্তর: পদের সংখ্যা n = ৪১ এবং সমষ্টি = (n ÷ ২) × (প্রথম পদ + শেষ পদ) = (৪১ ÷ ২) × (১ + ১৬১) = ৩৩২১
a ০.০৩৭
b ০.০১১
c ০.০০৩
d 0.01
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.০৩৭ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা তিনটি হলো এক-দশমাংশ, এক-শতাংশ এবং এক-সহস্রাংশ এই তিনটি সংখ্যার গড় নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ১ ÷ ১০ = ০.১ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ১ ÷ ১০০ = ০.০১ তৃতীয় সংখ্যাটি = ১ ÷ ১০০০ = ০.০০১ অতএব, সংখ্যা তিনটির যোগফল = ০.১ + ০.০১ + ০.০০১ যোগফল নির্ণয় করলে পাই = ০.১১১ সুতরাং, গড় নির্ণয়ের জন্য যোগফলকে ৩ দিয়ে ভাগ করতে হবে ০.১১১ ÷ ৩ = ০.০৩৭ উত্তর: ০.০৩৭
a 19
b 20
c 21
d 22
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ও শেষ গাছের মধ্যে মোট দূরত্ব = ২ কিলোমিটার গাছগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব = ১০০ মিটার ধরি, ১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার সুতরাং মোট দূরত্ব = ২ × ১০০০ = ২০০০ মিটার অতএব, মোট দূরত্বের মধ্যে ১০০ মিটারের ব্যবধান সংখ্যা = ২০০০ ÷ ১০০ ব্যবধান সংখ্যা = ২০ টি সুতরাং, মোট গাছের সংখ্যা = ব্যবধান সংখ্যা + ১ মোট গাছের সংখ্যা = ২০ + ১ = ২১ টি উত্তর: ২১
a 60
b 50
c 40
d 30
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: ময়ূর ও হরিণের মোট সংখ্যা = ৮০ মোট পায়ের সংখ্যা = ২০০ ধরি, সব প্রাণিই হরিণ হলে মোট পা হতো = ৮০ × ৪ = ৩২০৫ ময়ূরের পা ও হরিণের পায়ের পার্থক্যের হিসাব = ৪ − ২ = ২ অতএব, অতিরিক্ত পায়ের সংখ্যা = ৩২০৫ − ২০০ = ১২০ ময়ূরের সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য ভাগ করতে হবে = ১২০ ÷ ২ সুতরাং, ময়ূরের সংখ্যা = ৬০ উত্তর: ৬০
a 0.1248
b 1.248
c 12.48
d 124.8
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.২৪৮ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ১৫.৬ শতকরা পরিমাণ হলো ৮% ধরি, নির্ণয় মান = ১৫.৬ এর ৮% অতএব, ১৫.৬ × (৮ ÷ ১০০) সুতরাং, ১৫.৬ × ০.০৮ = ১.২৪৮ উত্তর: ১.২৪৮
a 65
b 81
c 43
d 63
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৩ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ৬৫, ৮১, ৪৩ এবং ৬৩ ধরি, সংখ্যাগুলো মৌলিক নাকি যৌগিক তা যাচাই করতে হবে অতএব, ৬৫ সংখ্যাটি ৫ দ্বারা বিভাজ্য তাই এটি যৌগিক সংখ্যা ৮১ সংখ্যাটি ৯ দ্বারা বিভাজ্য তাই এটি যৌগিক সংখ্যা সুতরাং, ৪৩ সংখ্যাটিকে ১ এবং ৪৩ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না উত্তর: ৪৩
a 0.1
b 0.125
c 0.15
d 0.2
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.২ প্রদত্ত তথ্য: ১৬টি কলা বিক্রি করা হলো লোকসান হলো ৪টি কলার বিক্রয়মূল্যের সমান ধরি, একটি কলার বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা ১৬টি কলার বিক্রয়মূল্য = ১৬ টাকা অতএব, মোট লোকসান = ৪ টাকা ক্রয়মূল্য = ১৬ + ৪ = ২০ টাকা সুতরাং, শতকরা লোকসান = (৪ ÷ ২০) = ০.২ উত্তর: ০.২
a 3
b 8
c 9
d 12
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x + y + z = ১৬ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x − y = z ধরি, x হলো প্রথম সংখ্যা y হলো দ্বিতীয় সংখ্যা z হলো তৃতীয় সংখ্যা অতএব, দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই, x − y − z = ০ এটি প্রথম সমীকরণের সাথে তুলনা করি এখানে x − y এর পরিবর্তে z বসানো যায় সুতরাং, z + z = ১৬ ২z = ১৬ উত্তর: z = ৮ এবং x = ৮
a ৭টি
b ৮টি
c ৯টি
d ১০টি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮টি প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে ২০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করা হলো ধরি, মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা ১ এবং কেবল সেই সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য অতএব, ১ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫ এবং ৭ ১১ থেকে ২০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭ এবং ১৯ সুতরাং, মোট মৌলিক সংখ্যার পরিমাণ হলো ৪ + ৪ = ৮টি উত্তর: ৮টি

মোট প্রশ্ন (20)

a চীন
b মালদ্বীপ
c নেপাল
d জাম্বিয়া
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীন কেন সঠিক: - চীন কখনো কোনো ইউরোপীয় শক্তির সরাসরি উপনিবেশে পরিণত হয়নি। - ব্রিটিশসহ অন্যান্য পশ্চিমা শক্তি কিছু অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার বা বাণিজ্যিক অধিকার পেলেও চীন একটি স্বাধীন সাম্রাজ্য হিসেবে টিকে ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি সরাসরি ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল না কারণ বিভিন্ন শক্তির প্রভাবে থাকলেও এটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে অক্ষুণ্ণ ছিল। B) মালদ্বীপ — এটি ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল এবং ১৯৬৫ সালে স্বাধীনতা লাভ করে। C) নেপাল — এটিও ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল না, কিন্তু বিকল্পগুলোর মধ্যে চীন সঠিক উত্তর হিসেবে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। D) জাম্বিয়া — এটি ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল এবং উত্তর রোডেশিয়া নামে পরিচিত ছিল। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার যে কয়টি দেশ কখনো উপনিবেশ হয়নি, তার মধ্যে চীন ও নেপাল অন্যতম।
a 1997
b 2001
c 1999
d 2002
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৯ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ৭ম ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করে। - এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ পাকিস্তান ও স্কটল্যান্ডকে পরাজিত করে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করে এবং টেস্ট স্ট্যাটাস অর্장의 পথ প্রশস্ত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৭ — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জয় করে বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে, কিন্তু বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি। B) ২০০১ — এটি কোনো বিশ্বকাপ ক্রিকেটের বছর নয় এবং এই সময়ে বাংলাদেশ টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে নিয়মিত ক্রিকেট খেলেছে। C) ১৯৯৯ — এটি সঠিক উত্তর। D) ২০০২ — এটি আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের বছর ছিল, বিশ্বকাপের কোনো আসর ছিল না। মনে রাখার টিপস: ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জয়ের ঠিক দুই বছর পর ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে মাঠে নামে।
a ২০১৬-২০৩০
b ২০১৭-২০৩০
c ২০১৫-২০৩০
d ২০১৮-২০৩০
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও টেকসই উন্নয়ন সঠিক উত্তর: C) ২০১৫-২০৩০ বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন A দেওয়া থাকলেও প্রকৃত সঠিক উত্তর হলো অপশন C। জাতিসংঘের ঘোষণা অনুযায়ী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDG) মেয়াদকাল হলো ২০১৫ থেকে ২০৩০ সাল। কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। - এই লক্ষ্য অর্জনের সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০৩০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৬-২০৩০ — এই সময়কালটি সঠিক নয় কারণ এসডিজি গ্রহণের বছর এবং প্রাথমিক কার্যকাল ২০১৫ সাল থেকেই ধরা হয়। B) ২০১৭-২০৩০ — এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আনুষ্ঠানিক শুরুর বছর নয় এবং এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। D) ২০১৮-২০৩০ — এই সালটি এসডিজির মূল মেয়াদকাল বা সূচনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: এসডিজি (SDG) অর্জনের বছর মনে রাখতে ১৫ ও ৩০ সংখ্যা দুটি মনে রাখুন, অর্থাৎ ২০১৫ থেকে ২০৩০ সাল।
a বারাক ওবামা
b মহাত্মা গান্ধী
c মার্টিন লুথার কিং
d নেলসন ম্যান্ডেলা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মার্টিন লুথার কিং কেন সঠিক: - এটি আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের ১৯৬৩ সালের একটি ঐতিহাসিক ভাষণ। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বর্ণবাদ বৈষম্যের বিরুদ্ধে এবং সমতার দাবিতে তিনি এই বিখ্যাত ভাষণ প্রদান করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বারাক ওবামা — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট ছিলেন কিন্তু এই ঐতিহাসিক ভাষণের সাথে যুক্ত নন। B) মহাত্মা গান্ধী — তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অহিংস নেতা ছিলেন এবং এই মার্কিন ভাষণের সাথে সম্পর্কিত নন। C) মার্টিন লুথার কিং — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে আলাদা কোনো ভুল কারণ নেই। D) নেলসন ম্যান্ডেলা — তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের মহান নেতা ছিলেন কিন্তু এই ভাষণ দেননি। মনে রাখার টিপস: মার্টিন লুথার কিং এর একটি স্বপ্ন বা ড্রিম ছিল মানুষের সমতা নিয়ে, তাই আই হ্যাভ এ ড্রিম ভাষণটি তাঁরই।
a মার্কিন
b যুক্তরাষ্ট্র
c ফ্রান্স
d চীন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ফ্রান্স বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত অপশনে সঠিক উত্তর হিসেবে 'মার্কিন' উল্লেখ করা হয়েছে যা ভুল। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ফরাসি কোম্পানির সহায়তায় উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, তাই সঠিক উত্তর হবে ফ্রান্স। কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ফরাসি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা থালেস অ্যালেনিয়া স্পেসের মাধ্যমে তৈরি ও উৎক্ষেপণ করা হয়। - ২০১৮ সালের ১১ মে এটি যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হলেও এর মূল নির্মাতা ও উৎক্ষেপণের মূল প্রযুক্তিগত দায়িত্বে ছিল ফ্রান্স। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন — যুক্তরাষ্ট্র বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হলেও এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব কোনো প্রজেক্ট ছিল না। B) যুক্তরাষ্ট্র — ফ্যালকন নাইন রকেটের মাধ্যমে কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হলেও স্যাটেলাইটটির নির্মাতা যুক্তরাষ্ট্র নয়। C) ফ্রান্স — এই অপশনটি সঠিক কারণ ফরাসি প্রতিষ্ঠান থালেস অ্যালেনিয়া স্পেস এই স্যাটেলাইটটি তৈরি এবং উৎক্ষেপণের ব্যবস্থা করেছিল। D) চীন — বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ তৈরিতে বা উৎক্ষেপণে চীনের কোনো প্রযুক্তিগত বা ভূরাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিল না। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের ফ্যালকন রকেট, কিন্তু এটি তৈরি করেছিল ফ্রান্সের কোম্পানি।
a জয়যাত্রা
b জীবন থেকে নেয়া
c কখনো আসেনি
d এদেশ তোমার আমার
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জয়যাত্রা কেন সঠিক: - জয়যাত্রা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র যা পরিচালনা করেছেন তৌকির আহমেদ। - এটি ২০০৪ সালে মুক্তি পায় এবং বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষের কষ্ট ও সংগ্রামের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়যাত্রা — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) জীবন থেকে নেয়া — এটি জহির রায়হান পরিচালিত রাজনৈতিক রূপকধর্মী চলচ্চিত্র যা ১৯৬৯ সালের গণঅভুত্থান ও স্বাধিকার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নির্মিত, সরাসরি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। C) কখনো আসেনি — এটি জহির রায়হান পরিচালিত একটি সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক ধারার চলচ্চিত্র, যার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। D) এদেশ তোমার আমার — এটি এহতেশাম পরিচালিত একটি সামাজিক ও রোমান্টিক ধারার চলচ্চিত্র, যা দেশপ্রেমমূলক হলেও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত তৌকির আহমেদের প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র হলো জয়যাত্রা।
a পাহাড়পুর
b ষাটগম্বুজ
c মহাস্থানগড়
d সুন্দরবন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড় কেন সঠিক: - ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাদেশের তিনটি স্থান বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও মহাস্থানগড় এখনও চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পায়নি। - এটি বর্তমানে ইউনেস্কোর সম্ভাব্য বা সাময়িক তালিকায় রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাহাড়পুর — এটি ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা লাভ করেছে। B) ষাটগম্বুজ — এটি ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। C) মহাস্থানগড় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি এখনও ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায়নি। D) সুন্দরবন — এটি ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য তিনটি পাহাড়পুর, ষাটগম্বুজ ও সুন্দরবন, এর বাইরে থাকা মহাস্থানগড় শুধু সম্ভাব্য তালিকায় আছে।
a গ্রিস
b ইতালি
c নাইজার
d তুরস্ক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুরস্ক কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক ট্রয় নগরী প্রাচীন এশিয়া মাইনরের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত ছিল, যা বর্তমান তুরস্কের চানাক্কালে প্রদেশে পড়ে। - হোমারের বিখ্যাত মহাকাব্য ইলিয়াদে বর্ণিত ট্রয় যুদ্ধের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই ঐতিহাসিক নগরী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রিস — গ্রিস প্রাচীন ট্রয়ের আক্রমণকারী স্পার্টা ও মাইসেনির মতো রাজ্যগুলোর ভূখণ্ড হলেও, ট্রয় নগরী এখানে ছিল না। B) ইতালি — ইতালি প্রাচীন রোমান সভ্যতার সঙ্গে যুক্ত হলেও, ট্রয়ের ভৌগোলিক অবস্থান বর্তমান ইতালিতে ছিল না। C) নাইজার — নাইজার আফ্রিকার একটি দেশ এবং প্রাচীন ট্রয় সভ্যতার সঙ্গে এর কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। D) তুরস্ক — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রাচীন ট্রয় নগরীর ধ্বংসাবশেষ বর্তমান তুরস্কের মাটিতে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ট্রয় যুদ্ধের দেশ হিসেবে তুরস্ক মনে রাখুন, যেখানে বিখ্যাত ট্রয় হর্স বা কাঠের ঘোড়ার কাহিনী প্রচলিত আছে।
a ভারত
b চীন
c মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
d রাশিয়া
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) চীন কেন সঠিক: - চীন বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে গ্রিনহাউস গ্যাস ও কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ করে থাকে। - দেশটির দ্রুত শিল্পায়ন এবং প্রধান জ্বালানি হিসেবে কয়লার ব্যাপক ব্যবহারের ফলে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বিশ্বে সর্বোচ্চ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ হলেও বর্তমানে চীনের পরেই এর অবস্থান। B) চীন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর। C) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিকভাবে সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ করলেও বর্তমানে বার্ষিক নিঃসরণে চীনের পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। D) রাশিয়া — রাশিয়া বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর একটি হলেও চীনের তুলনায় এর মোট পরিমাণ কম। মনে রাখার টিপস: কার্বন নিঃসরণে প্রথম অবস্থানে থাকা দেশকে মনে রাখতে মনে রাখুন, বর্তমানে জনসংখ্যার মতো শিল্পকারখানায় এগিয়ে থাকা চীন কার্বন নিঃসরণেও শীর্ষে।
a জাপান
b বাংলাদেশ
c চীন
d আমেরিকা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাপান কেন সঠিক: - জাপানের সংবিধানের ৯ অনুচ্ছেদে যুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক বিরোধ মেটানোর জন্য সামরিক বাহিনী গঠনের অধিকার চিরতরে ত্যাগ করা হয়েছে। - এই শান্তিবাদী নীতির কারণে জাপান রাষ্ট্রীয়ভাবে যুদ্ধ বর্জন করায় এর সংবিধানকে বিশ্বের শান্তির সংবিধান বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংবিধানে যুদ্ধ চিরতরে বর্জন করা হয়েছে। B) বাংলাদেশ — বাংলাদেশের সংবিধানে শান্তির কথা থাকলেও এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের শান্তির সংবিধান বলা হয় না। C) চীন — চীনের সংবিধান সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিভিত্তিক এবং এর সামরিক শক্তি অত্যন্ত প্রবল। D) আমেরিকা — আমেরিকার সংবিধান যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থার জন্য পরিচিত এবং তাদের একটি শক্তিশালী সামরিক বাহিনী রয়েছে। মনে রাখার টিপস: জাপানের শান্তির সংবিধান মনে রাখতে মাথায় রাখুন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তারা যুদ্ধ চিরতরে বর্জন করে শান্তি বেছে নিয়েছিল।
a ভারত-বাংলাদেশ
b ভারত-পাকিস্তান
c উত্তর কোরিয়া-দক্ষিণ কোরিয়া
d পাকিস্তান-আফগানিস্তান
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত-পাকিস্তান কেন সঠিক: - এটি কাশ্মীর অঞ্চলে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে নিয়ন্ত্রित সামরিক সীমানা হিসেবে পরিচিত। - ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই লাইন অব কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণরেখা নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত-বাংলাদেশ — এটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং তিনবিঘা করিডোর বা ছিটমহল সংক্রান্ত এলাকার সঙ্গে যুক্ত। B) ভারত-পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) উত্তর কোরিয়া-দক্ষিণ কোরিয়া — এই দুই দেশের মধ্যকার সীমান্তকে ৩৮তম সমান্তরাল রেখা বা ডিমিলিটারাইজড জোন বলা হয়। D) পাকিস্তান-আফগানিস্তান — এই দুই দেশের মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমান্ত লাইন ডিউরাণ্ড লাইন নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের বিরোধের রেখাই হলো লাইন অব কন্ট্রোল।
a দুবাই
b কাতার
c সিউল
d বার্লিন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাতার কেন সঠিক: - ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল কাতারে অনুষ্ঠিত হয়। - মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হিসেবে কাতার প্রথমবার ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের গৌরব অর্জন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুবাই — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি শহর হলেও ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। B) কাতার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এখানেই ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সি) সিউল — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং ২০০২ সালের ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক শহর ছিল। D) বার্লিন — এটি জার্মানির রাজধানী এবং ২০০৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচসহ বিভিন্ন ম্যাচ আয়োজন করেছিল। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে প্রথমবার বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে।
a ২৬ মার্চ ২০২০-১৬ ডিসেম্বর ২০২১
b ১৭ মার্চ ২০২০-১৬ ডিসেম্বর ২০২১
c ১৭ এপ্রিল ২০২০-১৭ এপ্রিল ২০২১
d ১৭ জানুয়ারি ২০২০-১০ জানুয়ারি ২০২১
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭ মার্চ ২০২০-১৬ ডিসেম্বর ২০২১ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালকে মুজিববর্ষ ঘোষণা করা হয়েছিল। - কোভিড মহামারীর কারণে মুজিববর্ষের মেয়াদ পরবর্তীতে দুই দফায় বাড়িয়ে ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ মার্চ ২০২০-১৬ ডিসেম্বর ২০২১ — ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস, যা মুজিববর্ষের শুরুর তারিখের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ১৭ মার্চ ২০২০-১৬ ডিসেম্বর ২০২১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) ১৭ এপ্রিল ২০২০-১৭ এপ্রিল ২০২১ — ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস, যা মুজিববর্ষের নির্ধারিত পুরো সময়কালকে নির্দেশ করে না। D) ১৭ জানুয়ারি ২০২০-১০ জানুয়ারি ২০২১ — ১৭ জানুয়ারি বা ১০ জানুয়ারি তারিখগুলো মুজিববর্ষ ঘোষণার মূল সময়সীমার সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের মাস মার্চ (১৭ মার্চ ২০২০) থেকে শুরু করে বাংলাদেশের বিজয়ের মাস ডিসেম্বর (১৬ ডিসেম্বর ২০২১) পর্যন্ত মুজিববর্ষ উদযাপিত হয়।
a পাহাড়পুর
b নিঝুম দ্বীপ
c কুতুবদিয়া
d মহেশখালী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মহেশখালী কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ উপজেলা যেখানে পাহাড়ি ভূমি বা উঁচু টিলা রয়েছে। - কক্সবাজার জেলার এই দ্বীপে মেইনকূট পাহাড় এবং আদিনাথ মন্দির অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাহাড়পুর — এটি কোনো দ্বীপ নয়, নওগাঁ জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহার। B) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার একটি চর ভূমি এবং এখানে কোনো পাহাড় নেই। C) কুতুবদিয়া — এটি কক্সবাজারের একটি দ্বীপ হলেও এর পুরোটাই সমতল ভূমি, কোনো পাহাড় নেই। D) মহেশখালী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড় বিশিষ্ট দ্বীপ। মনে রাখার টিপস: মহেশখালীতে পাহাড় আছে, তাই মনে রাখবে মহেশখালী হলো পাহাড়ঘেরা দ্বীপ।
a জাপান
b জার্মানি
c চীন
d ইরাক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জার্মানি কেন সঠিক: - কাইজার (Kaiser) হলো ঐতিহাসিক জার্মান সাম্রাজ্যের সম্রাটদের রাজকীয় উপাধি। - এটি মূলত রোমান শব্দ সিজার এর জার্মান রূপ, যা তৎকালীন জার্মান শাসকরা ব্যবহার করতেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — জাপানের প্রাচীন রাজাদের মিকাডো বা সম্রাট বলা হতো, কাইজার বলা হতো না। B) জার্মানি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই দেশের রাজাদেরই কাইজার বলা হতো। C) চীন — চীনের প্রাচীন রাজাদের ড্রাগন সম্রাট বা ডাইস্টি বলা হতো। D) ইরাক — ইরাকের ঐতিহাসিক শাসকদের সাধারণত খলিফা বা সুলতান বলা হতো। মনে রাখার টিপস: জার্মানিতে কার কার ক্ষমতা বেশি তা মনে রাখতে মনে রাখবে জার্মানির কাইজার।
a 1969
b 1971
c 1975
d 1970
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী বাঙালি জাতির ওপর বর্বরতম গণহত্যা শুরু করে, যা অপারেশন সার্চলাইট নামে পরিচিত। - এটি ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি স্বাধীনতা আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে পাকিস্তানি জান্তার পরিচালিত একটি সুপরিকল্পিত সামরিক অভিযান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৯ — এই সালে গণঅভুথান সংঘটিত হয়েছিল, যা অপারেশন সার্চলাইটের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ১৯৭১ — এই সালে অপারেশন সার্চলাইট সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি সঠিক উত্তর। C) ১৯৭৫ — এই সালে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়, যা অপারেশন সার্চলাইটের সাল নয়। D) ১৯৭০ — এই সালে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা অপারেশন সার্চলাইটের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে ২৫ মার্চ কালরাতে অপারেশন সার্চলাইট নামক নৃশংস গণহত্যা চালানো হয়।
a জয়নুল আবেদিন
b কামরুল হাসান
c এস এম সুলতান
d রফিকুন্নবী
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জয়নুল আবেদিন কেন সঠিক: - বিখ্যাত চিত্রশিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ ও মানুষের মানবেতর জীবনযাত্রা নিয়ে 'ম্যাডোনা-৪৩' চিত্রকর্মটি অঙ্কন করেন। - এই চিত্রকর্মটিতে তৎকালীন দুর্ভিক্ষের নির্মম রূপ এবং মায়ের কোলে সন্তানের অসহায় অবস্থার হৃদয়বিদারক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নুল আবেদিন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে এই বিখ্যাত চিত্রকর্মটি সৃষ্টি করেছেন। B) কামরুল হাসান — তিনি বাংলাদেশের শিল্প আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ ও পটুয়া হলেও 'ম্যাডোনা-৪৩' চিত্রকর্মটি তাঁর আঁকা নয়। C) এস এম সুলতান — তিনি গ্রামীণ কৃষক ও মাটিঘেষা মানুষের জীবনচিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য বিখ্যাত হলেও এই চিত্রের স্রষ্টা নন। D) রফিকুন্নবী — তিনি কার্টুনিস্ট ও চিত্রশিল্পী হিসেবে বিখ্যাত হলেও 'ম্যাডোনা-৪৩' তাঁর কোনো শিল্পকর্ম নয়। মনে রাখার টিপস: ম্যাডোনা-৪৩ নামের শেষে ৪৩ সাল রয়েছে, যা থেকে ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ এবং চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিনকে সহজেই মনে রাখা যায়।
a নাগাসাকি
b টোকিও
c বেইজিং
d সিউল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিউল কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটির উত্তর সংশোধন করতে হবে কারণ 'স্ট্যাচু অব পিস' দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অবস্থিত নয়, এটি জাপানের নাগাসাকি শহরে অবস্থিত। - জাপানের নাগাসাকিতে ১৯৪৫ সালের পারমাণবিক বোমা হামলায় নিহতদের স্মরণে এই শান্তি মূর্তিটি স্থাপন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাগাসাকি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই ঐতিহাসিক পারমাণবিক হামলায় নিহতদের স্মরণে 'স্ট্যাচু অব পিস' বা শান্তি মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। B) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী হলেও এখানে বিখ্যাত এই শান্তি মূর্তিটি অবস্থিত নয়। C) বেইজিং — এটি চীনের রাজধানী এবং এই প্রশ্নের সঙ্গে এর কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। D) সিউল — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী এবং প্রদত্ত উত্তরে ভুলবশত এটি উল্লেখ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নাগাসাকিতে বোমা হামলার ক্ষত বোঝাতে শান্তি বা পিস স্ট্যাচু মনে রাখুন।
a ৬.১৫ কি.মি. ও ১৮.১০ মি.
b ৭.১৫ কি মি. ও ২০.১০ মি.
c ঘ ৭.২৫ কি.মি. ও ১৮.২০ মি.
d ঘ ৬.০৫ কি.মি ও ১৮.১০ মি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬.১৫ কি.মি. ও ১৮.১০ মি. কেন সঠিক: - পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। - এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬.১৫ কি.মি. ও ১৮.১০ মি. — এটি পদ্মা সেতুর সঠিক দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের পরিমাপ। B) ৭.১৫ কি মি. ও ২০.১০ মি. — এই মাপের সঙ্গে পদ্মা সেতুর প্রকৃত দৈর্ঘ্যের মিল নেই। C) ঘ ৭.২৫ কি.মি. ও ১৮.২০ মি. — এখানে দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থের মান ভুল দেওয়া হয়েছে। D) ঘ ৬.০৫ কি.মি ও ১৮.১০ মি — দৈর্ঘ্য ৬.০৫ কিলোমিটার বলা হয়েছে যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে পারেন ছয় দশমিক পনেরো কিমি এবং প্রস্থ আঠारো দশমিক দশ মিটার।
a ১৯৬৭ সালে
b ১৯৬৬ সালে
c ১৯৬৮ সালে
d ১৯৬৯ সালে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৬ সালে কেন সঠিক: - বাঙালির মুক্তি সনদ খ্যাत ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে পেশ করা হয়। - তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির স্বাধিকার আদায়ের লক্ষ্যে এই ঐতিহাসিক দাবি উত্থাপন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬৭ সালে — এই সালে কোনো দফা বা ঐতিহাসিক কর্মসূচি ঘোষিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ১৯৬৬ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বঙ্গবন্ধু ছয় দফা পেশ করেছিলেন। C) ১৯৬৮ সালে — এই সালে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছিল, ছয় দফা ঘোষণার সাল এটি নয়। D) ১৯৬৯ সালে — এই সালে ঐতিহাসিক গণঅভুথান সংঘটিত হয়েছিল, যার ফলে আইয়ুব খানের পতন ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: ছয় দফা ঘোষণা করা হয় ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, যা ছিল ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি।