জীবন বীমা কর্পোরেশন

জীবন বীমা কর্পোরেশন নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: উচ্চমান সহকারী (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a 1922
b 1927
c 1925
d 1923
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 1923 ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিশিষ্ট ও প্রতিবাদী পত্রিকা 'কল্লোল' ১৯২৩ সালের বঙ্গাব্দ বা খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আধুনিকতার সূচনা এবং 'কল্লোল যুগ' সৃষ্টিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'কল্লোল' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস এবং পরে বুদ্ধদেব বসু এর সঙ্গে যুক্ত হন। এটি ছিল মূলত রবীন্দ্রবিরোধী আধুনিক সাহিত্য আন্দোলনের মুখপত্র, যা বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারা নিয়ে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'কালীমের দল' ব্যাখ্যা: কল্লোল গোষ্ঠীর লেখকদের অনেক সময় ব্যঙ্গ করে এই নামে ডাকা হতো। উদাহরণ ২: 'শনিবারের চিঠি' ব্যাখ্যা: কল্লোল গোষ্ঠীর আধুনিক ও রোমান্টিক লেখার প্রতিবাদে এই ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপشن কেন ভুল: A) 1922 — এই সালে 'কল্লোল' প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) 1927 — এই সালটি কল্লোল প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) 1925 — এই সালে কল্লোল প্রকাশিত হয়নি, এটি সঠিক প্রকাশকাল নয়। D) 1923 — এটিই কল্লোল পত্রিকার প্রথম প্রকাশের সঠিক সাল। ৫ মনে রাখার টিপস: কল্লোল পত্রিকা প্রকাশের সাল মনে রাখতে মনে রাখতে পারো, ১৯২৩ সালের দিকে বাংলা সাহিত্যে নতুন হাওয়া বা কল্লোল শুরু হয়েছিল। এই পত্রিকাটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা ছোটগল্প ও কবিতায় নতুন মোড় নেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকা ও সম্পাদকের নাম খুব আসে। কল্লোল পত্রিকার প্রথম সম্পাদক দীনেশরঞ্জন দাসের নাম এবং প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখবে।
a বিশেষ্যের বিশেষণ
b বিশেষণ
c বিশেষ্য
d ক্রিয়া বিশেষণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশেষণ ১. কেন সঠিক: - 'লাজ' শব্দটি বিশেষ্য পদ হিসেবে লজ্জার ভাব প্রকাশ করলেও, এটি বাক্যে বিশেষণের কাজ করতে পারে। - বিশেষ করে কাব্যিক বা বিশেষ প্রয়োগে 'লাজ' শব্দটিকে সরাসরি বিশেষণ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ বলে। - বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ রয়েছে যা মূলরূপ বিশেষ্য হলেও ব্যাকরণিক ব্যবহারে বিশেষণ হিসেবে পরিগণিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাজ রাঙা মেঘ ব্যাখ্যা: এখানে 'লাজ' শব্দটি মেঘের অবস্থাকে বিশেষায়িত করেছে, যা বিশেষণ পদের কাজ। উদাহরণ ২: লাজ লতা ব্যাখ্যা: এখানে 'লাজ' শব্দটি বিশেষণের মতো লতার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্যের বিশেষণ — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে শব্দটি বিশেষ্যকে বিশেষায়িত না করে সরাসরি গুণ বোঝাচ্ছে। B) বিশেষণ — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী এটি নির্দেশিত। C) বিশেষ্য — 'লাজ' শব্দের সাধারণ অর্থ লজ্জা হলেও এই প্রশ্নে এটিকে বিশেষণ হিসেবে ধরা হয়েছে। D) ক্রিয়া বিশেষণ — এটি সঠিক নয় কারণ শব্দটি ক্রিয়াকে বিশেষায়িত করছে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাব্যিক বা বিশেষ প্রয়োগে অনেক ভাববাচক বিশেষ্য পদ সরাসরি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। - ব্যাকরণ বইয়ের নির্দিষ্ট নিয়মের বাইরে কিছু শব্দ প্রয়োগের ওপর ভিত্তি করে বিশেষণ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপান্তর ও পদ নির্ণয়ের সময় বাক্যে তার ব্যবহার লক্ষ্য করতে হবে। - প্রমিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের কার্যকারিতা বুঝে উত্তর নির্বাচন করা উচিত।
a বিদেশি
b তদ্ভব
c অর্ধ-তৎসম
d দেশি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্ধ-তৎসম ১. কেন সঠিক: - 'গিন্নি' শব্দটি অর্ধ-তৎসম শব্দ কারণ এটি মূল সংস্কৃত শব্দ 'গৃহিণী' থেকে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। - তৎসম শব্দ পুরোপুরি অপরিবর্তিত থাকে এবং তদ্ভব শব্দ সম্পূর্ণ বদলে যায়, আর অর্ধ-তৎসম শব্দ এর মাঝামাঝি অবস্থায় থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সব সংস্কৃত শব্দ সামান্য পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন তৎসম শব্দ বলা হয়। - উচ্চারণ সহজ করার জন্য সংস্কৃত শব্দের এই রূপান্তর ঘটে থাকে এবং এগুলো সাধারণত কথ্য ভাষায় বেশি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত জ্যোৎস্না শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ। উদাহরণ ২: বৈষ্ণব ব্যাখ্যা: বৈষ্ণব শব্দটির অর্ধ-তৎসম বা কথ্য রূপ হলো বোষ্টম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদেশি — গিন্নি শব্দটি কোনো বিদেশি ভাষা যেমন আরবি, ফার্সি বা ইংরেজি থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় আসেনি। B) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ হলো এমন শব্দ যার উৎস প্রাকৃত বা অপভ্রংশ হয়ে সম্পূর্ণ পরিবর্তিত রূপ লাভ করেছে। D) দেশি — দেশি শব্দ হলো অনার্য বা আদিবাসীদের ব্যবহৃত ভাষা থেকে আগত শব্দ, যা গিন্নি শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত শব্দ মুখের ভাষায় বিকৃত হয়ে অর্ধ-তৎসম হয়। - গিন্নি, কুচ্ছিত, বৌমা ইত্যাদি শব্দ দেখলে অর্ধ-তৎসম হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্ধ-তৎসম শব্দ হিসেবে গিন্নি, বৌ, কুচ্ছিত ও শ্রাদ্ধ বহুলভাবে আসে। - মূল সংস্কৃত শব্দটির সঙ্গে তুলনামূলক রূপ মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a দুঃখ
b জারি
c অনুতপ্ত
d হর্ষ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হর্ষ কেন সঠিক: ১. 'শোক' শব্দের অর্থ হলো গভীর দুঃখ বা মনস্তপীড়া। এর সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে আনন্দ বা উল্লাস। ২. 'হর্ষ' শব্দের অর্থ আনন্দ বা উল্লাস। তাই ব্যাকরণগতভাবে 'শোক' শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'হর্ষ'। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বিপরীত শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থের শব্দ বর্জন করে বিপরীত ভাবপ্রকাশক শব্দ বেছে নিতে হয়। ২. বাংলা ব্যাকরণে আবেগ ও অনুভূতির ক্ষেত্রে শোকের বিপরীতে হর্ষ শব্দটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ৩. যেমন শোকের বিপরীত হর্ষ, তেমনি আনন্দের বিপরীত বিষাদ বা বেদনা হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুঃখ — এই শব্দটি শোক শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে নয়। B) জারি — এটি একটি বিশেষ ধরনের শোকগীতিকা বা গান, যা শোক শব্দের বিপরীত শব্দ নয়। C) অনুতপ্ত — এই শব্দটির অর্থ নিজের কাজের জন্য লজ্জিত হওয়া, যা শোকের বিপরীত নয়। D) হর্ষ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় ভুল নয়, এটি শোক শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: ১. শোক মানে কান্না আর হর্ষ মানে হাসি। এই সহজ সূত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হবে না। ২. শোক ও হর্ষ দুটি অবস্থাই মনের ভাব প্রকাশ করে, যার একটি অন্ধকার দিক এবং অন্যটি আলোর দিক নির্দেশ করে।
a উপভোগ
b উপসাগর
c উপনেতা
d উপগ্রহ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপভোগ ১. কেন সঠিক: - উপসর্গটি ভিন্নার্থে প্রযুক্ত হয়েছে কারণ উপভোগ শব্দে উপ উপসর্গটি সম্যক্ বা বিশেষভাবে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - অন্যান্য অপশনগুলোতে উপ উপসর্গটি ক্ষুদ্র, সদৃশ বা অধীন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা মূল শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়। - উপ উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে যেমন ক্ষুদ্র অর্থে, সদৃশ অর্থে, অধীন অর্থে এবং সম্যক্ বা বিশেষ অর্থে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপভাষা ব্যাখ্যা: এখানে উপ উপসর্গটি মূল ভাষার অধীন বা আঞ্চলিক রূপ বোঝাতে ক্ষুদ্র বা অপ্রধান অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: উপগ্রহ ব্যাখ্যা: এখানে উপ উপসর্গটি গ্রহের সদৃশ বা ছোট বস্তু বোঝাতে ক্ষুদ্র অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপভোগ — এই শব্দে উপ উপসর্গটি বিশেষ বা সম্যক্ অর্থে যুক্ত হয়েছে যা অন্যান্য অপশন থেকে আলাদা। B) উপসাগর — এই শব্দে উপ উপসর্গটি মূল সাগরের চেয়ে ক্ষুদ্র বা ছোট বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। C) উপনেতা — এই শব্দে উপ উপসর্গটি প্রধান নেতার অধীন বা ছোট পদ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। D) উপগ্রহ — এই শব্দে উপ উপসর্গটি গ্রহের সদৃশ বা ক্ষুদ্র বস্তু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপ উপসর্গ সাধারণত ক্ষুদ্র বা ছোট অর্থে বসে যেমন উপসাগর, উপনেতা, উপগ্রহ। - তবে বিশেষ বা সম্পূর্ণ অর্থে বসলে তা ভিন্নার্থ প্রকাশ করে যেমন উপভোগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে তা প্রায়ই আসে। - শব্দের অর্থ বুঝে উপসর্গ কোন ভাব প্রকাশ করছে তা নির্ধারণ করতে হবে।
a দরিদ্রতা
b উপযোগিতা
c ঊর্দ্ধ
d শ্রদ্ধাঞ্জলি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঊর্দ্ধ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি শুদ্ধ বানান বা বাক্যশুদ্ধি বিষয়ক ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ঊর্দ্ধ বানানটি ভুল এবং এর সঠিক রূপ হলো ঊর্ধ্ব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দে দীর্ঘ উ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। উর্ধ বা উচ্চতা অর্থে ব্যবহৃত শব্দের শেষে বা মাঝে দীর্ঘ উ-কার এবং ধ-এর নিচে হ যুক্ত হয়ে ঊর্ধ্ব গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পূর্বাহ্ণ ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত তৎসম শব্দ এবং সঠিক বানানরীতি অনুসরণে লিখিত। উদাহরণ ২: মধ্যাহ্ন ব্যাখ্যা: প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম মেনে মূর্ধন্য ন যুক্ত করে এই শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দরিদ্রতা — অপশনটি ভুল কারণ এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর নয় যদিও বানানটি ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ। B) উপযোগিতা — অপশনটি ভুল কারণ এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর নয় যদিও বানানটি ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ। C) ঊর্দ্ধ — অপশনটি সঠিক কারণ এর বানান ভুল এবং এর সঠিক রূপ হলো ঊর্ধ্ব। D) শ্রদ্ধাঞ্জলি — অপশনটি ভুল কারণ এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর নয় যদিও বানানটি ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ। ৫. মনে রাখার টিপস: উর্দ্ধ লেখার সময় ধ-এর নিচে হ দিলে ভুল হবে এবং রেফ বা ফলার সঠিক ব্যবহার মনে রাখতে হবে। উর্ধ্ব বানানটি সবসময় প্রমিত রীতি অনুযায়ী চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উর্ধ, ঊর্ধ্ব বা এজাতীয় তৎসম শব্দের বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। বানান শুদ্ধ করার সময় বাংলা একাডেমির আধুনিক বানান নিয়মগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a প্রয়োগভেদে
b অর্থভেদে
c লিঙ্গভেদে
d বচনভেদে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বচনভেদে ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে বচনভেদে বা বিশেষ্যের বচন পরিবর্তনের কারণে ক্রিয়াপদের রূপের কোনো পরিবর্তন হয় না। কর্তার পুরুষ ও কাল ভেদে ক্রিয়ার রূপ বদলালেও বচনের ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদের রূপ অপরিবর্তিত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বাক্যে ক্রিয়াপদ সবসময় কর্তার পুরুষ ও কাল অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। কিন্তু কর্তা একবচন বা বহুবচন যাই হোক না কেন, ক্রিয়ার মূল রূপ একই থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছেলেটি বই পড়ছে এবং ছেলেরা বই পড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ছেলেটি' একবচন এবং 'ছেলেরা' বহুবচন হওয়া সত্ত্বেও ক্রিয়াপদ 'পড়ছে' একই রয়েছে। উদাহরণ ২: পাখি গান গাইছে এবং পাখিরা গান গাইছে। ব্যাখ্যা: এখানে বচন পরিবর্তন হলেও ক্রিয়াপদ 'গাইছে' অপরিবর্তিত রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রয়োগভেদে — প্রয়োগভেদে ক্রিয়ার রূপ ও অর্থ পরিবর্তিত হতে পারে তাই এটি সঠিক নয়। B) অর্থভেদে — অর্থের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে ক্রিয়ার রূপ ও ব্যবহার বদলাতে পারে তাই এটি সঠিক নয়। C) লিঙ্গভেদে — বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গভেদে অনেক ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদের রূপের পরিবর্তন ঘটে তাই এটি ভুল। D) বচনভেদে — বচনভেদে ক্রিয়ার রূপের কোনো পরিবর্তন হয় না বিধায় এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: বচন বদলালে ক্রিয়ার রূপ বদলায় না, কিন্তু পুরুষ ও কাল বদলালে ক্রিয়ার রূপ অবশ্যই বদলায়। এটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ প্রকরণ ও ক্রিয়ার রূপ নিয়ে প্রশ্ন আসে। বচনভেদে ক্রিয়ার রূপ অপরিবর্তিত থাকে এই বিষয়টি ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
a কর্মধারয়
b উপমিত
c ষষ্ঠী তৎপুরুষ
d উপমান
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: আনন্দসূচক অশ্রু বা আনন্দের অশ্রু বোঝাতে আনন্দাশ্রু শব্দটি গঠিত হয়েছে। এখানে আনন্দ এবং অশ্রু দুটি পদের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। কিন্তু যখন বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে বা অভেদ সম্পর্কে কর্মধারয় সমাস হয়, তখন বিশেষ নিয়ম খাটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদরূপ সিন্ধু কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত। উদাহরণ ২: ক্রোনাঞ্চল ব্যাখ্যা: ক্রোধরূপ অনল কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মধারয় — এটি সঠিক কারণ এখানে অভেদ কল্পনায় রূপ কর্মধারয় সমাস সাধিত হয়েছে। B) উপমিত — উপমিত কর্মধারয়ে সাধারণ ধর্মের উল্লেখ থাকে না এবং উপমেয় ও উপমানের তুলনা বোঝায় যা এখানে নেই। C) ষষ্ঠী তৎপুরুষ — ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকে কিন্তু এখানে বিভক্তি লোপের চেয়ে রূপ অর্থ প্রাধান্য পায়। D) উপমান — উপমান কর্মধারয়ে সাধারণ ধর্মের সরাসরি উল্লেখ থাকে যা এই শব্দটিতে অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: রূপ বা দ্বারা অভেদ সম্পর্ক বোঝালে সাধারণ তৎপুরুষ না ভেবে কর্মধারয় সমাস নির্ধারণ করবে। রূপ শব্দটি ব্যাসবাক্যে থাকলে চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় সমাস দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রূপক কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝখানে রূপ শব্দটি থাকা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দ প্রায়ই রূপক কর্মধারয় হিসেবে আসে।
a জয়দেব
b বিদ্যাপতি
c শ্রী চৈতন্যদেব
d চণ্ডীদাস
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যাপতি ১. কেন সঠিক: গোবিন্দ দাস ছিলেন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান পদকর্তা। তিনি মৈথিলি কবি বিদ্যাপতির ভাবশিষ্য ছিলেন এবং বিদ্যাপতির পদের অনুকরণে ব্রজবুলি ভাষায় বহু পদ রচনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি গোবিন্দ দাস মূলত ১৬ শতকের কবি এবং তিনি রাজত্ব ও রাজসভার সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন। তার রচিত পদসমূহে অলংকার প্রয়োগ ও শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে বিদ্যাপতির প্রভাব অত্যন্ত স্পষ্ট ও গভীর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোবিন্দ দাসের পদ ব্যাখ্যা: তার পদগুলোতে রাধা কৃষ্ণের প্রেমলীলা এবং বিদ্যাপতিসুলভ ভাব ও সুরের চমৎকার প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: ব্রজবুলি ভাষা ব্যাখ্যা: এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের কথ্য ভাষা নয়, বরং বাংলা ও মৈথিলি ভাষার মিশ্রণে সৃষ্ট সাহিত্যের একটি কৃত্রিম ভাষা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়দেব — জয়দেব সংস্কৃত ভাষার কবি ছিলেন এবং তার গীতগোবিন্দ বৈষ্ণব সাহিত্যের প্রেরণা হলেও গোবিন্দ দাস তার ভাবশিষ্য ছিলেন না। B) বিদ্যাপতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং গোবিন্দ দাস তার ভাবশিষ্য হিসেবে পরিচিত। C) শ্রী চৈতন্যদেব — শ্রী চৈতন্যদেব বৈষ্ণব ধর্মের প্রচারক ও প্রবর্তক ছিলেন, কোনো কাব্যিক ভাবশিষ্যের গুরু নন। D) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের কবি হলেও গোবিন্দ দাস তার ভাবশিষ্য ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: গোবিন্দ দাসের নামের সাথে বিদ্যাপতির ভাবশিষ্য বিষয়টি মনে রাখতে গোবিন্দ ও বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষার জুটি হিসেবে স্মরণ করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনার জন্য বিদ্যাপতি ও গোবিন্দ দাস উভয়েই সর্বাধিক পরিচিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই দুই কবির সম্পর্ক প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a মধুমালা
b শেষ প্রশ্ন
c শিউলিমালা
d বাঁধনহারা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিউলিমালা ১. কেন সঠিক: - শিউলিমালা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন বা গল্পগ্রন্থ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন কবির গল্পগ্রন্থ, উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের নাম আলাদা করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শিউলিমালা কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি জনপ্রিয় গল্পগ্রন্থ যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। - এই গ্রন্থে মোট কয়টি গল্প রয়েছে এবং এর মূল সুর কী, তা সাহিত্য পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যথার দান ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: রিক্তের বেদন ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় গল্পগ্রন্থ যা সাহিত্য বিচারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুমালা — এটি কোনো গল্পগ্রন্থ নয়, বরং এটি একটি জনপ্রিয় বাংলা রোমান্টিক কাব্য বা পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত রচনা। B) শেষ প্রশ্ন — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, কোনো গল্পগ্রন্থ নয়। C) শিউলিমালা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি গল্পগ্রন্থ। D) বাঁধনহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ও পত্রযোগাযোগ বা epistolary পদ্ধতিতে রচিত উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের গল্পগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ব্যথার দান, রিক্তের বেদন এবং শিউলিমালা নামের আবেগঘন ছোটগল্পগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ করা। - উপন্যাসের ক্ষেত্রে বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা নামের তালিকাটি আলাদা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ ব্যথার দান এবং প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস বাঁধনহারা, যা BCS পরীক্ষায় বারবার আসে। - কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, প্রথম উপন্যাস ও প্রথম গল্পগ্রন্থের নামগুলো আলাদা করে একটি তালিকা তৈরি করে পড়া উচিত।
a দ্বীপ + অয়ন
b দ্বীপ + আয়ন
c দ্বিপ + অনট
d দ্বীপ + অনট
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বীপ + অয়ন ১. কেন সঠিক: দ্বৈপায়ন শব্দটি গঠিত হয়েছে দ্বীপ যোগ অয়ন সন্ধির মাধ্যমে। ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী ই বা ঈ কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে ই বা ঈ স্থানে য ফলা হয় এবং অয়ন শব্দের অ মিলে এই রূপ দাঁড়ায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে সংস্করণের নিয়ম অনুযায়ী দ্বীপ শব্দের শেষের প এর সাথে থাকা অ এবং অয়ন শব্দের শুরুতে আ যুক্ত হয়ে ঐ কার সৃষ্টি করে। সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন বা দুটি ধ্বনির মিলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইতি + আদি = ইত্যাদি ব্যাখ্যা: এখানে ই কারের পর ভিন্ন স্বর আ থাকার কারণে ই স্থানে য ফলা হয়েছে। উদাহরণ ২: যদি + অপি = যদিঅপি ব্যাখ্যা: এখানে ই কারের সাথে অ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে সন্ধি সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বীপ + অয়ন - এটি সঠিক কারণ নিয়মানুযায়ী দ্বীপ শব্দের সাথে অয়ন যুক্ত হয়ে দ্বৈপায়ন গঠিত হয়। B) দ্বীপ + আয়ন - এটি ভুল কারণ আয়ন শব্দ যোগ করলে দ্বৈপায়ন শব্দ গঠন সম্ভব হয় না। C) দ্বিপ + অনট - এটি ভুল কারণ দ্বিপ বানান এবং অনট প্রত্যয় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) দ্বীপ + অনট - এটি ভুল কারণ অনট প্রত্যয় যুক্ত হলে এই রূপ সাধিত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: দ্বৈপায়ন শব্দটি ভাঙলে দ্বীপ এবং অয়ন পাওয়া যায়। শব্দের মাঝের ঐ কার থাকলে দ্বীপ শব্দটিকে প্রধান ধরে সন্ধি নির্ধারণ করতে হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী সন্ধিগুলো প্রায়ই আসে। তাই নিয়ম মুখস্থ না করে শব্দের গঠন ভাঙার কৌশল আয়ত্ত করতে হবে।
a গোবিন্দ দাস
b জয়নন্দী
c বড়ু চণ্ডীদাস
d জ্ঞানদাস
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জয়নন্দী ১. কেন সঠিক: - জয়নন্দী মধ্যযুগের কবি নন, বরং তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার একজন সংগ্রাহক বা সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে পদাবলি ও মঙ্গলকাব্যের রচয়িতারা মধ্যযুগের কবি হিসেবে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস তিনটি যুগে বিভক্ত যার মধ্যে মধ্যযুগ ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত। - এই যুগে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, বৈষ্ণব পদাবলি এবং বিভিন্ন মঙ্গলকাব্যের মতো বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম রচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রাক-চৈতন্য যুগের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিদর্শন। উদাহরণ ২: গোবিন্দ দাস রচিত বৈষ্ণব পদাবলি। ব্যাখ্যা: তিনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদকর্তা ও কবি হিসেবে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবিন্দ দাস — ইনি মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত বৈষ্ণব পদকর্তা কবি। B) জয়নন্দী — ইনি মধ্যযুগের কবি নন বরং লোকসাহিত্য সংগ্রাহক। C) বড়ু চণ্ডীদাস — ইনি মধ্যযুগের আদি পর্বের কবি। D) জ্ঞানদাস — ইনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদাবলি কবি। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের কবিদের মনে রাখতে গোবিন্দ দাস, চণ্ডীদাস ও জ্ঞানদাসের নামগুলো একসঙ্গে চর্চা করতে পারো। - লোকসাহিত্যের সংগ্রাহক ও মধ্যযুগের মূল ধারার কবিদের পার্থক্য সবসময় মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবিদের নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পদাবলি সাহিত্য এবং মঙ্গলকাব্যের কবিদের তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ করা জরুরি।
a অপকর্ষ
b উৎকর্ষ
c অপকর্ষতা
d উৎকর্ষতা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উৎকর্ষ ১. কেন সঠিক: 'প্রকর্ষ' শব্দের অর্থ হলো উৎকর্ষ, আধিক্য, প্রাচুর্য বা বিশেষ উন্নতি। প্রশ্নানুসারে প্রদত্ত শব্দটির সমার্থক বা সমার্থক ভাব প্রকাশ করে এমন সঠিক শব্দ হলো উৎকর্ষ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ বিষয়ক ব্যাকরণ অংশ। সমার্থক শব্দ বলতে এমন শব্দগুলোকে বোঝায় যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উন্নতি ব্যাখ্যা: এটি প্রকর্ষ বা উৎকর্ষ শব্দের আরেকটি কাছাকাছি ভাবপ্রকাশক শব্দ। উদাহরণ ২: বৃদ্ধি ব্যাখ্যা: এটি কোনো কিছুর মাত্রা বা পরিমাণ বেড়ে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপকর্ষ — এটি প্রকর্ষ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, সমার্থক নয়। B) উৎকর্ষ — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রকর্ষ শব্দের সমার্থক। C) অপকর্ষতা — এটি ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ এবং অপ্রচল রূপ। D) উৎকর্ষতা — এই শব্দটি বাংলা ব্যাকরণে সাধারণত অসিদ্ধ বা অনাবশ্যক প্রত্যয়জনিত ভুল রূপ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রকর্ষ এবং উৎকর্ষ উভয় শব্দের অর্থই ভালো বা উন্নতর অবস্থা বোঝায়। উভয় শব্দের প্রথম অক্ষর উ বা প্র দিয়ে উন্নতির উচ্চ পর্যায় নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ এবং প্রত্যয়গত রূপ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। বিপরীতার্থক শব্দ ও সমার্থক শব্দের পার্থক্য বুঝতে শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে চর্চা করা জরুরি।
a হিন্দি
b বাংলা
c সংস্কৃত
d ফারসি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: সমাস একটি ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া যা সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ এবং তৎসম রীতিনীতি অনুসারেই সমাসের সৃষ্টি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। পরস্পর অর্থসংগতিযুক্ত দুই বা ততোধিক পদ এক পদে মিলিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যা সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশ রক্ষার্থে যে সেবা = দেশসেবা ব্যাখ্যা: এটি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ এবং সংস্কৃত সমাসরীতির প্রভাবেই বাংলায় এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা সমাসের রীতি আসেনি কারণ হিন্দি একটি আধুনিক ভারতীয় ভাষা যার ব্যাকরণগত কাঠামো ভিন্ন। B) বাংলা — সমাসের রীতি সরাসরি মৌলিক বাংলা ভাষা থেকে সৃষ্টি হয়নি, বরং এটি সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে বাংলায় এসেছে। D) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলা শব্দ বা উপসর্গ আসলেও সমাসের মূল রীতি বা ঐতিহ্য ফারসি থেকে আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: সমাস মানেই সংক্ষিপ্তকরণ এবং এর জন্ম সংস্কৃত ব্যাকরণে। মনে রাখবে সমাস ও সন্ধি উভয় ব্যাকরণগত রীতিই মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় সমাস বা সন্ধি কোন ভাষা থেকে আগত। উত্তর সবসময় সংস্কৃত হবে কারণ বাংলা ব্যাকরণের অনেক মৌলিক নিয়মই সংস্কৃত থেকে পরিগৃহীত।
a দৌলত কাজী
b কবি মরদন
c কোরেশী
d মাগন ঠাকুর
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কবি মরদন ১. কেন সঠিক: - 'নসীরানামা' কাব্যটির রচয়িতা হলেন মধ্যযুগের অন্যতম কবি মরদন। - মধ্যযুগের পুথি সাহিত্য ও আরাকান রাজসভার বাংলা সাহিত্য ধারার সঙ্গে এই কাব্যটির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি মরদন মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি সপ্তদশ শতকে আবির্ভূত হয়েছিলেন। - 'নসীরানামা' ছাড়াও তিনি ইসলামী পুথি সাহিত্য ধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন যা তৎকালীন সমাজের নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে প্রতিফলিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাইলী মজনু দৌলত কাজী ব্যাখ্যা: দৌলত কাজী মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি যিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা করেন। উদাহরণ ২: ইউসুফ জোলেখা শাহ মোহাম্মদ গরীবুল্লাহ ব্যাখ্যা: শাহ মোহাম্মদ গরীবুল্লাহ মধ্যযুগের পুথি সাহিত্যের বিখ্যাত কবি যিনি আমীর হামজা ও ইউসুফ জোলেখা কাব্য রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত কাজী — দৌলত কাজী 'সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্য রচনা করেন যা তাঁর বিখ্যাত অবদান। B) কবি মরদন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই 'নসীরানামা' কাব্যটি রচনা করেছেন। C) কোরেশী — কোরেশী মাগন বা কোরেশী ম্যাগনাম মধ্যযুগের অন্য ধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং তিনি 'চন্দ্রাবতী' বা অন্যান্য কাজের সঙ্গে যুক্ত নন। D) মাগন ঠাকুর — মাগন ঠাকুর ছিলেন আরাকান রাজসভার মন্ত্রী ও পৃষ্ঠপোষক যিনি দৌলত কাজীর অসমাপ্ত 'সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্য সমাপ্ত করার জন্য সৈয়দ আলাওলকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মরদ মানুষের নাম নসীর হতে পারে এভাবে মনে রাখতে পারো মরদন রচনা করেছেন নসীরানামা। - মধ্যযুগের পুথি সাহিত্য ও কবিদের নাম মনে রাখতে লেখকের নামের সঙ্গে তাদের প্রধান গ্রন্থ মিলিয়ে তালিকা তৈরি করো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবি ও তাদের রচিত কাব্যের নাম প্রায়ই আসে। - পুথি সাহিত্যের লেখকদের ক্ষেত্রে কবি মরদন ও তাঁর 'নসীরানামা' একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
a সফল
b সুশ্রী
c মহাত্মা
d জেলে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জেলে ১. কেন সঠিক: - জেলে শব্দটি একটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ যা জল যোগ ইয়া যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। - এখানে জল শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ তৈরি করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রাতিপদিক বা শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। - জল একটি বিশেষ্য পদ এবং এর সঙ্গে ইয়া প্রত্যয় যোগে জেলে বা পেশা বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা যোগ আই = ঢাকাই ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ যেখানে জায়গার নাম বোঝাতে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: মুখ যোগ আদি = মোখিক ব্যাখ্যা: শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন বিশেষণের রূপ তৈরি করার আরেকটি চমৎকার উদাহরণ এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সফল — এটি উপসর্গ বা সমাস সাধিত শব্দ হতে পারে কিন্তু তদ্ধিত প্রত্যয়ের মাধ্যমে গঠিত মূল শব্দ নয়। B) সুশ্রী — এটি একটি উপসর্গ সাধিত শব্দ যেখানে সু উপসর্গ যুক্ত হয়েছে। C) মহাত্মা — এটি একটি কর্মধারয় সমাস সাধিত শব্দ যার ব্যাসবাক্য মহান যে আত্মা। D) জেলে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - পেশা বা জীবিকা বোঝাতে শব্দের শেষে ইয়া বা ই প্রত্যয় যুক্ত হলে তা তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ হয়। - জল থেকে জেলে বা মাছ থেকে মেছো এই নিয়মটি মনে রাখা খুবই সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই তদ্ধিত প্রত্যয় ও কৃৎ প্রত্যয় থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দের মূল অংশ চিনে প্রত্যয় নির্ণয় করার অভ্যাস থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a হ
b স
c শ
d ম
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হ ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় বিসর্গ (ঃ) একটি পরাশ্রয়ী বর্ণ এবং এটি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের 'হ' ধ্বনির রূপান্তর হিসেবে এসেছে। - পদের অন্তস্থিত 'হ' ধ্বনি অনেক সময় উচ্চারণের সুবিধার্থে বা সন্ধির নিয়মে বিসর্গ রূপ ধারণ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গ হলো স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের আশ্রয়ে উচ্চারিত পরাশ্রয়ী বর্ণ যা কখনো একা উচ্চারিত হতে পারে না। - সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী অ-কারান্ত শব্দের অন্তে থাকা 'হ' বা 'স' অনেক সময় বিসর্গ রূপ নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুনঃ ব্যাখ্যা: এটি পুনহ থেকে বিসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মনঃ ব্যাখ্যা: এটি মনহ থেকে বিসর্গ রূপ লাভ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ - এটি সঠিক কারণ বিসর্গ মূলত হ ধ্বনির রূপান্তর হিসেবে বাংলা বর্ণমালায় এসেছে। B) স - এটি ভুল কারণ বিসর্গ স থেকে সরাসরি উদ্ভূত হয়নি, যদিও কিছু সন্ধিতে স বিসর্গে রূপ নেয়। C) শ - এটি ভুল কারণ শ একটি তালব্য বর্ণ এবং বিসর্গের সঙ্গে এর সরাসরি কোনো রূপান্তর সম্পর্ক নেই। D) ম - এটি ভুল কারণ ম একটি ঔষ্ঠ্য নাসিক্য বর্ণ এবং বিসর্গ উৎপত্তিতে এর কোনো ভূমিকা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিসর্গ ও হ উভয় বর্ণই কণ্ঠ্য বা হাকার জাতীয় ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়। - হ ধ্বনির সংক্ষিপ্ত বা পরিবর্তিত রূপ হিসেবে বিসর্গ মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ, অনুস্বার এবং চন্দ্রবিন্দু হলো পরাশ্রয়ী বর্ণ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরাশ্রয়ী বর্ণ ও তাদের উৎপত্তি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a রিক্তের বেদন
b শিউলিমালা
c কুহেলিকা
d ছায়ানট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুহেলিকা ১. কেন সঠিক: কুহেলিকা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস, যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে তৎকালীন রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে যুবসমাজের দেশপ্রেম, বিপ্লব এবং মানবপ্রেমের দ্বন্দ্ব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি কয়েকটি উপন্যাসও রচনা করেছেন। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো বাঁধনহারা এবং মৃত্যুক্ষুধা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধনহারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ও পত্রপুট উপন্যাসে রচিত পত্রযোগমূলক উপন্যাস। উদাহরণ ২: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি সমাজসচেতনতামূলক উপন্যাস, যেখানে দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিক্তের বেদন — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন, কোনো উপন্যাস নয়। B) শিউলিমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প সংকলন, যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। C) কুহেলিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি উপন্যাস। D) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বাঁধনহারা ও মৃত্যুক্ষুধা দূর করতে কুহেলিকা ভেদ করতে হবে। এভাবে তার তিনটি উপন্যাস একত্রে খুব সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের উপন্যাস ও ছোটগল্পের নাম প্রায়ই আলাদা করতে দেওয়া হয়। তাই কাব্যগ্রন্থ, ছোটগল্প সংকলন এবং উপন্যাসের তালিকা আলাদা করে পড়া অত্যন্ত জরুরি।
a সর্বনাম
b বিশেষণ
c বিশেষ্য
d ক্রিয়া
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - অজস্র একটি পরিমাণবাচক শব্দ বা সংখ্যাবাচক বিশেষণ, যা কোনো বিশেষ্য পদের ঠিক পূর্বে বসে সেই বিশেষ্যের বহুবচন বা আধিক্য নির্দেশ করে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী বিশেষ্য পদের আগে অজস্র বসালে ওই বিশেষ্যটি একক সত্তা থেকে বহুত্বের রূপ লাভ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বচন হলো ব্যাকরণের এমন একটি পরিভাষা যার মাধ্যমে কোনো পদের এক বা বহুত্ব বোঝানো হয়। - বাংলায় বিশেষ্য পদের পূর্বে অজস্র, অনেক, নানা, বহু ইত্যাদি শব্দ যুক্ত করে বহুবচন প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অজস্র মানুষ ব্যাখ্যা: মানুষ একটি বিশেষ্য পদ এবং তার আগে অজস্র বসে অনেক মানুষের সমাহার বা বহুবচন বুঝিয়েছে। উদাহরণ ২: অজস্র তারা ব্যাখ্যা: তারা একটি বিশেষ্য পদ যার পূর্বে অজস্র বসে বহু তারার উপস্থিতি প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বনাম — সর্বনাম পদের আগে অজস্র সরাসরি বসে বহুবচন তৈরি করে না। B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ নিজেই অন্য পদের দোষ গুণ বা পরিমাণ বোঝায়, তাই এর আগে অজস্র বসে বহুবচন হয় না। C) বিশেষ্য — সঠিক উত্তর, কারণ বিশেষ্য পদের সংখ্যা বা পরিমাণ বৃদ্ধিতে অজস্র ব্যবহৃত হয়। D) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কাজের ভাব প্রকাশ পায়, তাই এর আগে অজস্র বসে বচন নির্ধারিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাথায় রাখবে অজস্র শব্দটি মূলত বিশেষ্য পদের বহুবচন গঠনে পরিমাণবাচক হিসেবে কাজ করে। - বিশেষ্য পদের ঠিক আগেই সাধারণত অজস্র শব্দটি বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এমন প্রশ্নগুলোতে পদের সঙ্গে শব্দের সম্পর্ক খেয়াল করতে হবে। - বিশেষ্য পদের বহুবচন সাধনে ব্যবহৃত শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখবে।
a শেষলেখা
b শেষকথা
c শেষপ্রশ্ন
d শেষদিন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেষলেখা ১. কেন সঠিক: - শেষলেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। - এটি তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে রচিত কবিতার সংকলন হওয়ায় এর নামকরণ কাব্যটির বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। - শেষলেখা কাব্যগ্রন্থটি তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তাঁর অন্তিম জীবনের দার্শনিক ভাবনার প্রতিফলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সন্যাসী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যা মানুষের জীবনের মূল সত্যকে তুলে ধরে। উদাহরণ ২: গীতাঞ্জলি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষলেখা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) শেষকথা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। C) শেষপ্রশ্ন — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয়। D) শেষদিন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো পরিচিত কাব্যগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্মের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের শেষ জীবনের লেখার সঙ্গে মৃত্যুর বিষয়টি যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে শেষ লেখা মানে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে লিখে যাওয়া কবিতা। - কাব্যগ্রন্থের নামের সঙ্গে উপন্যাসের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে শেষলেখা এবং সানাই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই লেখক ও তাঁদের শেষ রচনা বা প্রথম রচনা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c জীবনানন্দ দাশ
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'শ্রীকান্ত' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাস এবং এর রচয়িতা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - এই উপন্যাসে লেখকের আত্মজীবনীমূলক ছায়া রয়েছে এবং এটি বাংলা উপন্যাসে রোমান্টিকতার এক অনন্য সৃষ্টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয়তম লেখক যিনি সাধারণ মানুষের জীবন ও সমাজের ত্রুটি নিপুণভাবে তুলে ধরেছেন। - 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি চারটি পর্বে সমাপ্ত হয়েছে এবং এটি ১৯১৬ থেকে ১৯৩৩ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবদাস ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় ট্র্যাজেডি উপন্যাস। উদাহরণ ২: পরিণীতা ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত সমাজভিত্তিক একটি জনপ্রিয় প্রেমের উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর। C) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত, কোনো উপন্যাস বা নাটক নয়। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি যিনি গোরা, যোগাযোগ ও শেষের কবিতা উপন্যাসের রচয়িতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্রীকান্ত পড়ে শরৎচন্দ্রকে মনে রাখো, কারণ শ্রীকান্তের রোমাঞ্চকর জীবন ও শরৎচন্দ্রের লেখার স্টাইল গভীরভাবে সম্পর্কিত। - শরৎচন্দ্রের নামের প্রথম অক্ষর শ এবং শ্রীকান্তের প্রথম অক্ষর শ দিয়ে এই দুটি সহজে মেলানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের মোট পর্ব সংখ্যা চারটি এবং এর বিখ্যাত একটি চরিত্র হলো ইন্দ্রনাথ। - বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরৎচন্দ্রের উপন্যাস ও চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a গ্রিক
b মিশরীয়
c রোমান
d ভারতীয়
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গ্রিক ১. কেন সঠিক: প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ও গণিতবিদরা প্রথম পৃথিবীর মানচিত্র অংকন বা পৃথিবীর ভৌগোলিক নকশা তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন। আনিক্সিমান্ডার এবং এরাটোসথেনিসের মতো গ্রিক পন্ডিতরা পৃথিবীর পরিধি পরিমাপ এবং মানচিত্র তৈরির ক্ষেত্রে পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি মূলত সাধারণ জ্ঞান এবং ইতিহাস সংশ্লিষ্ট একটি প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান বা বাংলা প্রশ্নপত্রে মাঝে মাঝে আসে। প্রাচীনকালে গ্রিক সভ্যতা বিজ্ঞান, গণিত ও দর্শনের পাশাপাশি ভূগোলের চর্চায় বিশেষ উৎকর্ষ সাধন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম বিশ্বমানচিত্র অংকনকারী হিসেবে গ্রিক পন্ডিত আনিক্সিমান্ডারের নাম ইতিহাসের পাতায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ব্যাখ্যা: তিনি খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে প্রথম পরিচিত বিশ্বের একটি মানচিত্র তৈরি করেছিলেন বলে জানা যায়। উদাহরণ ২: এরাটোসথেনিস পৃথিবীর পরিধি প্রথম নিখুঁতভাবে পরিমাপ করেছিলেন এবং মানচিত্র অংকনে দ্রাঘিমা ও অক্ষাংশ ব্যবহার করেছিলেন। ব্যাখ্যা: তার এই অবদান প্রাচীন গ্রিক ভূগোলের অগ্রযাত্রাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ গ্রিক পন্ডিতরাই প্রথম মানচিত্র অংকনের সূচনা করেছিলেন। B) মিশরীয় — মিশরীয়রা জমি পরিমাপ এবং জ্যামিতিতে পটু হলেও প্রথম বিশ্বমানচিত্র অংকন করেননি। C) রোমান — রোমানরা মানচিত্র ব্যবহার করলেও তা মূলত গ্রিকদের কাজের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল। D) ভারতীয় — প্রাচীন ভারতীয়রা জ্যোতির্বিদ্যায় উন্নত হলেও প্রথম মানচিত্র অংকনকারী হিসেবে পরিচিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ভূগোল ও মানচিত্রের আদি ইতিহাস মনে রাখতে গ্রিক পন্ডিতদের নাম মনে রাখবে। গ্রিকরা বিজ্ঞানের নানা শাখার মতো ভূগোল ও মানচিত্র অংকনেও প্রথম হাতখড়ি দিয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন সভ্যতার অবদান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মানচিত্র অংকনের ক্ষেত্রে প্রাচীন গ্রিকদের অবদান সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a ১টি
b ২টি
c ৩টি
d ৪টি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ২টি কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দুটি দেশের জাতীয় সংগীতের কথা ও সুর রচনা করেছেন। - এই দুটি দেশ হলো বাংলাদেশ এবং ভারত। সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। - ভারতের জাতীয় সংগীত জন গণ মন অধিনায়ক জয় হে গানটিও তাঁর রচিত। - তিনি বিশ্বের একমাত্র কবি যিনি একাধিক দেশের জাতীয় সংগীতের রচিয়তা। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) ১টি — ভুল কারণ তিনি কেবল একটি দেশের নয়, দুটি দেশের জাতীয় সংগীত লিখেছেন। - খ) ২টি — এটি সঠিক কারণ তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সংগীত রচনা করেছেন। - গ) ৩টি — ভুল কারণ তিনি তিনটি দেশের জাতীয় সংগীত রচনা করেননি। - ঘ) ৪টি — ভুল কারণ তাঁর রচনার সংখ্যা মাত্র দুটি দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দুই হাতে লিখেছিলেন বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সংগীত।
a Female Administrator
b Administratess
c Administratrix
d Administrix
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Administratrix কেন সঠিক: Administrator শব্দের মূল ল্যাটিন প্রত্যয় -tor এর পরিবর্তে স্ত্রীবাচক রূপ বোঝাতে -trix যুক্ত করা হয়। এভাবে ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Administrator শব্দের সঠিক স্ত্রীলিঙ্গ Administratrix গঠিত হয়েছে। অন্যান্য ব্যাকরণগত রূপগুলো ল্যাটিন প্রত্যয়ের নিয়মের সাথে মিলে না। এটি প্রশাসনিক পদের ক্ষেত্রে প্রমিত এবং স্বীকৃত জেন্ডার পরিবর্তন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Female Administrator — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও মূল শব্দের কোনো সুনির্দিষ্ট জেন্ডার পরিবর্তনকারী প্রত্যয় নয়। এটি একটি বর্ণনামূলক রূপ মাত্র। B) Administratess — এই ধরনের কোনো প্রত্যয় ইংরেজি ব্যাকরণে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় না। এটি একটি ভুল গঠন। D) Administrix — বানানটি ভুল কারণ মূল শব্দের শেষের অংশ সঠিকভাবে পরিবর্তন করা হয়নি। সঠিক বানানে trix এর আগে ra যুক্ত থাকে। মনে রাখার টিপস: tor বা sor দিয়ে শেষ হওয়া অনেক ল্যাটিন শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ তৈরির সময় trix যুক্ত করতে হয়।
a was
b were
c had
d had been
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: বাণীতে অসম্ভব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করতে I wish এর পরে subject যাই হোক না কেন be verb হিসেবে were বসে। এখানে রাজা হওয়ার অবাস্তব কল্পনা বোঝানো হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে were ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি সাধারণ Past Tense এ ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে অবাস্তব ইচ্ছা বোঝাচ্ছে। B) were — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) had — এটি মালিকানা বা অতীত বোঝাতে বসে যা এখানে অর্থসঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) had been — এটি অতীতকালের পূর্ণতা বোঝায় কিন্তু এখানে বর্তমানের কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে। মনে রাখার টিপস: I wish এর পরে অসম্ভব কল্পনা থাকলে সবসময় were বসাবে।
a To be born
b To get published
c To publish
d To discover
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) To get published কেন সঠিক: 'Come to light' একটি ইংরেজি idiom যার অর্থ কোনো গোপন বিষয় প্রকাশ পাওয়া বা জনসমক্ষে আসা। কোনো লেখা বা বই প্রকাশিত হলে তা সবার সামনে আসে, তাই এর উপযুক্ত অর্থ প্রকাশিত হওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To be born — এই অপশনটি জীব জন্ম নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এই ইডিয়মটির রূপক অর্থের সাথে মিলে না। B) To get published — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) To publish — এটি নিজে কোনো কিছু প্রকাশ করার সক্রিয় কাজ বোঝায়, কিন্তু এখানে প্রকাশিত হওয়া বা প্রকাশ পাওয়া অর্থে সঠিক। D) To discover — এর অর্থ কোনো কিছু আবিষ্কার করা, যা কোনো তথ্য বা সত্য প্রকাশ পাওয়ার সাথে পুরোপুরি এক নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু আলোতে (light) আসলে যেমন সবাই দেখতে পায়, তেমনি কোনো গোপন বিষয় বা বই প্রকাশিত (get published) হয়ে সবার সামনে আসাকে 'come to light' বলা হয়।
a Boswell
b Milton
c Ben Johnson
d Samuel Johnson
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Samuel Johnson কেন সঠিক: ডক্টর স্যামুয়েল জনসন ১৭৫৫ সালে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইংরেজি অভিধান প্রকাশ করেন, যা সাহিত্য জগতে এক বিশাল মাইলফলক ছিল। এই ঐতিহাসিক অভিধানটি তৈরির পেছনে তার একক প্রচেষ্টা এবং দীর্ঘ পরিশ্রমের ইতিহাস রয়েছে। দীর্ঘ প্রায় নয় বছর সময় নিয়ে তিনি একাই এই বিশাল কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boswell — তিনি জেমস বসওয়েল এবং স্যামুয়েল জনসনের জীবনীকার হিসেবে বিখ্যাত, কোনো অভিধান প্রণেতা নন। B) Milton — জন মিলটন একজন বিশ্ববিখ্যাত ইংরেজ কবি, যিনি প্যারাডাইস লস্ট মহাকাব্য রচনার জন্য পরিচিত। C) Ben Johnson — বেন জনসন একজন প্রখ্যাত ইংরেজ নাট্যকার ও কবি, যিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় নাটক লিখেছেন। D) Samuel Johnson — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনিই প্রথম প্রামাণিক ইংরেজি অভিধানের রচিয়তা। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অভিধানের ক্ষেত্রে এস দিয়ে শুরু স্যামুয়েল জনসনের নাম মনে রাখলে উত্তর দেওয়া সহজ হবে।
a Stidy
b Steedy
c Steady
d Stedy
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Steady কেন সঠিক: এটি একটি বিখ্যাত প্রবচন যার অর্থ ধীরে কিন্তু নিয়মিত চললে সফলতা পাওয়া যায়। এখানে শূন্যস্থানে সঠিক বানান এবং অর্থপূর্ণ বিশেষণ শব্দ বসাতে হবে। Steady শব্দের অর্থ স্থির বা অবিচল, যা প্রবচনের নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Stidy — এটি ইংরেজি ভাষার কোনো সঠিক শব্দ নয় এবং এর কোনো অর্থ নেই। B) Steedy — এটি বানানের একটি ভুল রূপ, সঠিক বানানটিতে ee এর বদলে ea বসে। C) Steady — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য শব্দ। D) Stedy — এটিও ভুল বানান এবং এর গঠন সঠিক শব্দের নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বিখ্যাত প্রবচন Slow and steady wins the race মনে রাখতে Steady বানানের বানানটি ভালো করে খেয়াল রাখবে।
a Agamemnon
b Ulysses
c Achilles
d Menelaus
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Menelaus কেন সঠিক: গ্রিক পুরাণে হেলেন ছিলেন স্পার্টার রাজা মেনેલાউসের আইনসম্মত স্ত্রী। ট্রোজান যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটেছিল যখন ট্রয়ের প্রিন্স প্যারিস তাকে অপহরণ করে নিয়ে যান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Agamemnon — তিনি ছিলেন মেনેલાউসের ভাই এবং ট্রয় যুদ্ধে গ্রিক বাহিনীদের প্রধান সেনাপতি। B) Ulysses — তিনি ছিলেন ইথাকার বুদ্ধিমান রাজা যিনি ট্রয় যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। C) Achilles — তিনি ছিলেন গ্রিক পক্ষের সবচেয়ে বীর যোদ্ধা যিনি ট্রয় যুদ্ধে নিহত হন। D) Menelaus — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি হেলেনের বৈধ স্বামী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: মেনેલાউসের স্ত্রী হেলেনকে ঘিরেই বিখ্যাত ট্রোজান যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
a frultarian
b gregarious
c vegetation
d Vegetarian
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Vegetarian কেন সঠিক: এই শব্দটি দ্বারা এমন একজন মানুষকে বোঝানো হয় যিনি সম্পূর্ণ বা প্রধানত শাকসবজি খেয়ে জীবন ধারণ করেন। ইংরেজি ভাষা অনুযায়ী উদ্ভিজ্জ খাবার খাওয়া ব্যক্তিদের এই নির্দিষ্ট নামে অভিহিত করা হয়। এটি মানুষের খাদ্যভ্যাস সংক্রান্ত একটি সঠিক শব্দ। এর মূল শব্দ ভেজেটেবল থেকে এটি এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) frultarian — এই বানানটি ভুল এবং এটি মূলত ফলমূল খেয়ে বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) gregarious — এই শব্দটির অর্থ হলো সমাজপ্রিয় বা যারা দলবদ্ধভাবে থাকতে ভালোবাসে। C) vegetation — এটি কোনো ব্যক্তি নয় বরং উদ্ভিদের সামগ্রিক বিস্তার বা জগতকে বোঝায়। D) Vegetarian — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ভেজেটেবল বা শাকসবজি থেকে ভেজিটেরিয়ান শব্দটি এসেছে, যা শাকাহারী মানুষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a At the first sight
b Face to face
c Face reading
d Outlook
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ (Idioms and Phrases) সঠিক উত্তর: A) At the first sight কেন সঠিক: - 'Prima facie' একটি লাতিন ফ্রেজ, যার ইংরেজি অর্থ হলো at first view বা at first sight। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ ও আইনি পরিভাষা হিসেবে এর বহুল ব্যবহার দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) At the first sight — এটি সঠিক কারণ ফ্রেজটির আক্ষরিক ও ভাবার্থ প্রথম দর্শনে বা প্রাথমিক বিচারে বোঝায়। B) Face to face — মুখোমুখি বোঝাতে ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, যা মূল লাতিন শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। সি) Face reading — এটি মুখাবয়ব দেখে চরিত্র বা ভাগ্য গণনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সঠিক নয়। ডি) Outlook — এর অর্থ দৃষ্টিভঙ্গি বা বাইরের রূপ, যা কোনো প্রাথমিক বিচার বা দর্শনের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Prima শব্দের মধ্যে First কথাটি লুকিয়ে আছে, আর Facie মানে ফেস বা মুখ, অর্থাৎ প্রথম দেখাতেই যা বোঝা যায়।
a Formula
b Vertex
c Memoranda
d Agendum
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Memoranda কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষার যেসকল শব্দের শেষে um থাকে, সেগুলোর বহুবচন করতে um উঠিয়ে a যুক্ত করা হয়। - Memorandum শব্দের বহুবচন হলো Memoranda, যা একটি সঠিক বহুবচন রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Formula — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো Formulae বা Formulas। B) Vertex — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো Vertices। C) Memoranda — এটি নিজেই একটি সঠিক বহুবচন শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) Agendum — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো Agenda। মনে রাখার টিপস: ল্যাটিন শব্দের শেষে um থাকলে a যোগ করে এবং us থাকলে i যোগ করে বহুবচন করতে হয়।
a An Adjective
b Verb
c An Adverb
d A Preposition
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) An Adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'far' শব্দটি 'go' ভার্বটিকে মডিফাই করছে বা তার কাজের দূরত্ব বোঝাচ্ছে। - কোনো Verb, Adjective বা অন্য Adverb-কে বিশেষিত করলে সেই শব্দটিকে Adverb বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An Adjective — এটি সঠিক নয়, কারণ Adjective কেবল Noun বা Pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে। B) Verb — এটি সঠিক নয়, কারণ Verb দ্বারা কোনো কাজ করা বা হওয়া বোঝায় এবং 'far' কোনো কাজের নাম নয়। C) An Adverb — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Verb-কে মডিফাই করেছে। D) A Preposition — এটি সঠিক নয়, কারণ Preposition-এর পরে সাধারণত কোনো Noun বা Pronoun বসে সম্পর্ক স্থাপন করে, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: Verb-কে কোথায় বা কত দূর ক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে তা দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত Adverb হয়।
a Antipathy
b Anti Pathetic
c Adversity
d Oppose
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Antipathy কেন সঠিক: Sympathy শব্দের অর্থ সহানুভুতি বা সমবেদনা এবং এর বিপরীত শব্দ বা অ্যান্টিমনি হলো অ্যান্টিপ্যাথি। যার অর্থ হলো তীব্র ঘৃণা বা বিদ্বেষ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Antipathy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ হলো চরম বিরূপতা যা সহানুভুতির সম্পূর্ণ বিপরীত। B) Anti Pathetic — এটি একটি ভুল গঠন এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক শব্দ নয়। C) Adversity — এর অর্থ হলো প্রতিকূলতা বা বিপদ, যা সরাসরি সহানুভুতির বিপরীত নয়। D) Oppose — এটি একটি ভারব বা ক্রিয়াপদ, যার অর্থ বিরোধিতা করা। মনে রাখার টিপস: Sympathy শব্দের শুরুতে Anti যুক্ত করে সহজেই এর বিপরীত শব্দ Antipathy মনে রাখা যায়।
a will you
b shan't you
c do you
d isn't it
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) will you কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative sentence বা আদেশসূচক বাক্য এবং এটি মূল verb দ্বারা শুরু হয়ে নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করেছে। নিয়ম অনুযায়ী Imperative sentence-এ আদেশ, নিষেধ বা অনুরোধ বোঝালে tag question-এ সাধারণত will you ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will you — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী Imperative sentence-এর সাথে ব্যবহৃত হয়েছে। B) shan't you — Imperative sentence-এ এই ধরনের negative tag সাধারণত ব্যবহার করা হয় না। C) do you — এটি Present indefinite tense-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) isn't it — এটি কোনো statement-এর সাথে ব্যবহৃত হয়, Imperative sentence-এর সাথে নয়। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence দিয়ে কোনো আদেশ বা নিষেধ বোঝালে চোখ বন্ধ করে will you বসিয়ে দেবে।
a against
b into
c for
d with
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) with কেন সঠিক: চার্জ শব্দের সাথে অপরাধের ধরন বোঝাতে সাধারণত উইথ প্রিপজিশন বসে। এখানে খুন করার অপরাধে অভিযুক্ত করা অর্থে উইথ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) against — চার্জ শব্দের পরে অ্যাগেইনস্ট বসে না। B) into — এখানে ভেতর বোঝাতে ইন্টু ব্যবহার করা যায় না। C) for — অপরাধের কারণ বোঝাতে এখানে ফর বসে না। D) with — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: অভিযুক্ত করা অর্থে চার্জ উইথ ফ্রেজটি মনে রাখবে।
a essay
b paragraph
c letter
d application
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) letter কেন সঠিক: ডাকযোগে চিঠি পাঠানোর সময় খামের ওপর নির্দিষ্ট মূল্যের ডাকটিকিট বা স্ট্যাম্প লাগাতে হয়। এটি পোস্টাল সার্ভিসের মাসুল পরিশোধের একটি মাধ্যম। চিঠি বা এনভেলাপের ক্ষেত্রে স্ট্যাম্প বা ডাকটিকিট বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) essay — এটি একটি রচনা, যা শুধু লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় এবং এতে কোনো ডাকটিকিটের প্রয়োজন হয় না। B) paragraph — এটি লেখার একটি অনুচ্ছেদ মাত্র, যা খামে ভরে কোথাও পাঠানোর কোনো ব্যাপার নেই। C) letter — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সঙ্গেই ডাকটিকিট বা স্ট্যাম্প সরাসরি যুক্ত থাকে। D) application — এটি সাধারণত সরাসরি জমা দেওয়া হয় অথবা ডিজিটাল মাধ্যমে পাঠানো হয়, তাই এর জন্য স্ট্যাম্প লাগে না। মনে রাখার টিপস: চিঠি বা লেটার পাঠানোর সময় খামের কোণায় স্ট্যাম্প বা ডাকটিকিট লাগাতে হয়, এটি সব সময় মনে রাখবে।
a most near
b nearer
c nearest
d more near
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) nearest কেন সঠিক: এখানে কোনো তুলনা করা হচ্ছে না, বরং সব ডাকঘরের মধ্যে সবচেয়ে কাছেরটি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। তাই এখানে সুপারলেটিভ ডিগ্রি বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) most near — নিয়ার শব্দটির সুপারলেটিভ করার জন্য মোস্ট ব্যবহার করা যায় না, এর সাথে ইএসটি যুক্ত করতে হয়। B) nearer — এটি কম্পারেটিভ ডিগ্রি, যা দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করার সময় ব্যবহৃত হয়। C) nearest — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) more near — নিয়ার একটি এক syllable এর শব্দ, তাই এর সাথে মোর ব্যবহার করে কম্পারেটিভ করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: দুই বা ততোধিক বস্তুর মধ্যে নির্দিষ্ট একটিকে সবার চেয়ে সেরা বা কাছাকাছি বোঝাতে সুপারলেটিভ ডিগ্রি এবং দি বা নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে।
a Shakespeare
b Thomas Hardy
c Jane Austen
d Charles Dickens
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Charles Dickens কেন সঠিক: গ্রেট এক্সপেক্টেশনস উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন বিশ্ববিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান যুগের ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্স। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র পিপ এর জীবন সংগ্রাম এবং পামেলা চরিত্রের বিকাশ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উপন্যাসটি প্রথম ১৮৬১ সালে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। এটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি কালজয়ী উপন্যাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়র প্রধানত নাটক এবং সনেট রচনার জন্য বিখ্যাত, কোনো উপন্যাস লেখেননি। B) Thomas Hardy — টমাস হার্ডি টেড অব দ্য ডি আরবারভিলস এর মতো উপন্যাস লিখেছেন, যা এই বই নয়। C) Jane Austen — জেন অস্টিন প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস উপন্যাস লিখে বিখ্যাত হয়েছেন, এটি চার্লস ডিকেন্সের কাজ। D) Charles Dickens — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সাহিত্যে পিপ চরিত্রের নাম পেলেই বুঝতে হবে সেটি চার্লস ডিকেন্সের গ্রেট এক্সপেক্টেশনস উপন্যাস।
a For example
b Next page
c Not sure
d mark well
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) mark well কেন সঠিক: ‘Nota Bene’ একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ বিশেষভাবে লক্ষ্য করা বা ভালো করে মনে রাখা। ইংরেজি পরিভাষায় এর সঠিক অর্থ হলো mark well বা ভালোভাবে চিহ্নিত করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) For example — ল্যাটিন শব্দ ‘Exempli gratia’ বা সংক্ষেপে ‘E.g.’ এর অর্থ উদাহরণস্বরূপ। B) Next page — পরবর্তী পৃষ্ঠার জন্য ইংরেজি পরিভাষায় ‘Turn over’ বা ‘P.T.O.’ ব্যবহার করা হয়। C) Not sure — অনিশ্চিত বা নিশ্চিত নয় এমন অর্থ প্রকাশ করতে এই ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয় না। D) mark well — এটি ‘Nota Bene’ এর আক্ষরিক ও সঠিক ইংরেজি অর্থ, যা কোনো বিশেষ তথ্যের প্রতি নজর কাড়তে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ‘Nota Bene’ এর সংক্ষেপ হলো ‘N.B.’, যা চিঠিতে বা লেখায় গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ের প্রতি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ব্যবহার করা হয়।
a latent
b suspecting
c full of
d evident
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) full of কেন সঠিক: 'Devoid' শব্দটির অর্থ হলো বঞ্চিত, শূন্য বা কোনো কিছুহীন। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে 'full of' বা ভরপুর কথাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) latent — এর অর্থ সুপ্ত বা যা লুকিয়ে থাকে, যা 'devoid' শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক নয়। B) suspecting — এর অর্থ সন্দেহপ্রবণ, যা শূন্যতার সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। C) full of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) evident — এর অর্থ স্পষ্ট বা প্রকাশ্য, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়। মনে রাখার টিপস: 'Devoid' মানে খালি এবং 'Full of' মানে ভরা।
a Monetise
b Demonetisation
c Monetary
d Fiscal
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Monetise কেন সঠিক: Money শব্দটির মূল অর্থ হলো টাকা বা মুদ্রা, যার সঠিক ভার্ব বা ক্রিয়া হলো Monetise যার অর্থ মুদ্রায় রূপান্তর করা। কোনো শব্দকে সাধারণত ভার্ব এ রূপান্তর করতে তার সাথে বিশেষ প্রত্যয় যোগ করা হয় যা এখানে সফলভাবে করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Monetise — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি প্রদত্ত মূল নাউনটির সঠিক ভার্ব রূপ। B) Demonetisation — এটি একটি নাউন রূপ এবং এর অর্থ হলো নোট বাতিলকরণ বা মুদ্রার প্রচলন তুলে নেওয়া। C) Monetary — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ রূপ এবং এর অর্থ হলো আর্থিক বা মুদ্রাসংক্রান্ত। D) Fiscal — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ যা সাধারণত সরকারি কোষাগার বা রাজস্ব সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে আই এস ই বা আই জেড ই বা আইএসজেড যুক্ত থাকলে সাধারণত সেটি ভার্ব বা ক্রিয়া হয়।
a Sunami
b Tsunami
c Tsuname
d Tsanme
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tsunami কেন সঠিক: জাপানি শব্দ সুনামি বোঝাতে ইংরেজি বানানে শুরুতে একটি নীরব টি অক্ষর ব্যবহার করা হয়। এর সঠিক উচ্চারণ এবং আন্তর্জাতিক প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী Tsunami বানানটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sunami — এখানে জাপানি শব্দের মূল উচ্চারণ ঠিক রাখতে যে শুরুতেই টি অক্ষর দরকার হয় তা বাদ দেওয়া হয়েছে। B) Tsunami — এই অপশনটি সঠিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বানান হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) Tsuname — শব্দের শেষে আই অক্ষরের পরিবর্তে ই অক্ষর ব্যবহার করার কারণে এই বানানটি ভুল হয়েছে। D) Tsanme — শব্দের ভেতরের মূল স্বরবর্ণ পরিবর্তন করে এ এবং ই ব্যবহারের ফলে এটি সম্পূর্ণ ভুল রূপ নিয়েছে। মনে রাখার টিপস: সুনামি লেখার সময় মাথায় রাখবে যে টি এস ইউ এন এ এম আই এই ক্রমানুসারে বানানটি লিখতে হয় এবং শুরুতে একটি অতিরিক্ত টি বসে।
a ১০০০ বার
b ৩০০০ বার
c ২৫০০ বার
d ৮০০০ বার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮০০০ বার প্রদত্ত তথ্য: চাকার ব্যাস = ১.৬৭ মিটার মোট অতিক্রান্ত পথ = ৪২ কিলোমিটার ধরি, চাকার পরিধি = পাই × ব্যাস মোট পথ মিটার এক প্রকাশ = ৪২ × ১০০০ = ৪২০০ মিটার অতএব, চাকার পরিধি = ৩.১৪১৬ × ১.৬৭ মিটার = ৫.২৫৯৫৭২ মিটার চাকাটি কতবার ঘুরবে = মোট পথ ÷ চাকার পরিধি সুতরাং, মোট ঘোড়ার সংখ্যা = ৪২০০০ ÷ ৫.২৫৯৫৭২ = ৮০০০ বার উত্তর: ৮০০০ বার
a ৬০ মিটার
b ৯০ মিটার
c ৮৪ মিটার
d ৪৮ মিটার
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮৪ মিটার প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহু তিনটি ১৩ মিটার, ১৪ মিটার ও ১৫ মিটার ধরি, বাহু তিনটি যথাক্রমে a = ১৩ মিটার, b = ১৪ মিটার এবং c = ১৫ মিটার অতএব, অর্ধপরিসীমা s = (১৩ + ১৪ + ১৫) ÷ ২ = ৪২ ÷ ২ = ২১ মিটার সুতরাং, ক্ষেত্রফল = √(২১ × (২১ − ১৩) × (২১ − ১৪) × (২১ − ১৫)) উত্তর: √(২১ × ৮ × ৭ × ৬) = √৭০৫৬ = ৮৪ বর্গমিটার
a ব্যাসার্ধ
b জ্যা
c ব্যাস
d পরিধি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্যা প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ওপর অবস্থিত যেকোনো দুটি বিন্দু বিন্দু দুটির সংযোজক রেখাংশের নাম নির্ণয় করতে হবে ধরি, বৃত্তের পরিধির ওপর যেকোনো একটি বিন্দু = ক পরিধির ওপর আরেকটি বিন্দু = খ অতএব, ক ও খ বিন্দু দুটিকে সংযুক্ত করলে একটি রেখাংশ পাওয়া যায় এই রেখাংশটি বৃত্তের পরিধিকে দুটি ভিন্ন বিন্দুতে স্পর্শ করে সুতরাং, বৃত্তের পরিধিস্থ যেকোনো দুটি বিন্দুর সংযোজক রেখাংশকে জ্যা বলা হয় উত্তর: জ্যা
a ১০০ ডিগ্রি
b ২৬০ ডিগ্রি
c ৯০ ডিগ্রি
d ৮০ ডিগ্রি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮০ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: ABCD একটি সামান্তরিক সামান্তরিকের কোণ বি সমান ১০০ ডিগ্রি ধরি, সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলো সমান সামান্তরিকের ধারাবাহিক বা সংলগ্ন দুই কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি অতএব, বি কোণ এবং সি কোণ পরস্পর সংলগ্ন কোণ সংলগ্ন কোণ দুটির যোগফল ১৮০ ডিগ্রি সি কোণ সমান ১৮০ ডিগ্রি বিয়োগ বি কোণ সুতরাং, সি কোণ সমান ১৮০ ডিগ্রি বিয়োগ ১০০ ডিগ্রি উত্তর: ৮০ ডিগ্রি
a 585
b 470
c 675
d 855
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৩৫ এর পরিবর্তে ৫১০ বা সরাসরি অপশন অনুযায়ী ৫১৮5 (যেহেতু নির্দেশনায় বাংলায় সংখ্যা লিখতে বলা হয়েছে, তাই ৫১৮৫) প্রদত্ত তথ্য: পর পর দশটি সংখ্যা রয়েছে প্রথম পাঁচটি সংখ্যার যোগফল ৫৬০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি হলো ক পরবর্তী সংখ্যাগুলো হলো ক+১, ক+২, এভাবে ক+৯ পর্যন্ত অতএব, প্রথম পাঁচটি সংখ্যার যোগফল = ৫ক + ১০ = ৫৬০ ৫ক = ৫৫০ ক = ১১০ সুতরাং, শেষ পাঁচটি সংখ্যার প্রথম সংখ্যাটি হলো ক+৫ = ১১৫ শেষ পাঁচটি সংখ্যার যোগফল = ৫(১১৫) + ২৫ = ৫৯৫ এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সরাসরি শর্টকাট হিসাব করলে প্রতি ধری ৫ করে বৃদ্ধি পায়, অর্থাৎ ৫×৫ = ২৫ বেশি হয় উত্তর: ৫৬০ + ২৫ = ৫৮৫
a ৮০%
b ৩৫%
c ২৫%
d ১৫%
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫% প্রদত্ত তথ্য: ৮টি প্যান্টের বিক্রয়মূল্য ১০টি প্যান্টের ক্রয়মূল্যের সমান ধরি, ১টি প্যান্টের ক্রয়মূল্য = ১ টাকা ১০টি প্যান্টের ক্রয়মূল্য = ১০ টাকা অতএব, ৮টি প্যান্টের বিক্রয়মূল্য = ১০ টাকা ১টি প্যান্টের বিক্রয়মূল্য = ১০ ÷ ৮ টাকা সুতরাং, লাভ = (১০ ÷ ৮) − ১ = ২ ÷ ৮ টাকা শতকরা লাভ = (২ ÷ ৮) × ১০০% = ২৫% উত্তর: ২৫%
a ২.৫৪ সে.মি.
b ১২ সে.মি.
c ৩০.৪৮ সে.মি.
d কোনোটিই নয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০.৪৮ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার ১ ফুট = ১২ ইঞ্চি ধরি, ১ ফুটের দৈর্ঘ্য সেন্টিমিটারে বের করতে হবে অতএব, ১ ফুটের মান ইঞ্চিতে পরিবর্তন করে পাই ১২ ইঞ্চি প্রতিটি ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার সুতরাং, ১২ × ২.৫৪ = ৩০.৪৮ সেন্টিমিটার উত্তর: ৩০.৪৮ সে.মি.
a স্থূলকোণ
b সূক্ষ্মকোণ
c সমকোণ
d বিপ্রতীপকোণ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্থূলকোণ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ সমান সমান বাহুদ্বয়কে বাইরের দিকে বর্ধিত করা হয়েছে ধরি, ত্রিভুজের সমান বাহু দুটির সংলগ্ন ভূমি কোণ দুটি সমান প্রতিটি ভূমি কোণের পরিমাণ = ক ডিগ্রি অতএব, ভূমির বাইরের দিকের বর্ধিত কোণ বা বহিস্থ কোণ হবে ১৮০ ডিগ্রি বিয়োগ ক ডিগ্রি যেহেতু ক ডিগ্রি একটি সূক্ষ্মকোণ সুতরাং, ১৮০ ডিগ্রি থেকে কোনো সূক্ষ্মকোণ বিয়োগ করলে মান ৯০ ডিগ্রি অপেক্ষা বেশি হয় উত্তর: স্থূলকোণ
a 79
b 85
c 82
d 88
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১, ৪, ৭, ১০, এবং এর প্রথম পদ ১ ধরি, ধারայի প্রথম পদ, a = ১ সাধারণ অন্তর, d = ৪ − ১ = ৩ পদের সংখ্যা, n = ২৯ অতএব, আমরা জানি যে, n-তম পদ = a + (n − ১) × d মানগুলো বসিয়ে পাই, ২৯তম পদ = ১ + (২৯ − ১) × ৩ সুতরাং, ২৯তম পদ = ১ + ২৮ × ৩ ২৯তম পদ = ১ + ৮৪ = ৮৫ উত্তর: ৮৫
a ছয় সমকোণ
b আট সমকোণ
c চার সমকোণ
d তিন সমকোণ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আট সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬ ধরি, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = n সমকোণের এককের সূত্র = (২n − ৪) সমকোণ অতএব, n এর মান ৬ বসিয়ে পাই (২ × ৬ − ৪) সমকোণ সুতরাং, (১২ − ৪) সমকোণ = ৮ সমকোণ উত্তর: আট সমকোণ
a ৬০ মিটার
b ৫০ মিটার
c ৪০ মিটার
d ৩০ মিটার
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তকার ঘরের ক্ষেত্রফল = ২১৬ বর্গ মিটার দৈর্ঘ্য বিস্তারের দেড়গুণ ধরি, ঘরের বিস্তার = ক মিটার ঘরের দৈর্ঘ্য = ১.৫ গুণ ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = ক × ১.৫ গুণ ক = ২১৬ বর্গ মিটার ১.৫ গুণ ক এর ওপর বর্গ = ২১৬ বর্গ মিটার ক এর ওপর বর্গ = ২১৬ ÷ ১.৫ = ১৪৪ সুতরাং, বিস্তার ক = ১২ মিটার দৈর্ঘ্য = ১২ × ১.৫ = ১৮ মিটার উত্তর: পরিসীমা = ২ × (১৮ + ১২) = ৬০ মিটার
a ২৫ জন
b ১৫ জন
c ১০ জন
d ৫ জন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ জন প্রদত্ত তথ্য: আমের মোট সংখ্যা = ১২৫টি লিচুর মোট সংখ্যা = ১৪৫টি ধরি, বালকের সংখ্যা হবে ১২৫ এবং ১৪৫ এর সাধারণ গুণনীয়ক অতএব, ১২৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৫, ২৫ এবং ১২৫ ১৪৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৫, ২৯ এবং ১৪৫ সুতরাং, ১২৫ ও ১৪৫ এর গসাগু হবে ৫, যা দিয়ে সমান ভাগে ভাগ করা যায় উত্তর: ৫ জন
a ৮টি
b ৯টি
c ১০টি
d ১১টি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০টি প্রদত্ত তথ্য: ১ হতে ৩০ এর পর্যন্ত সংখ্যাসমূহ বিবেচনা করতে হবে ধরি, মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয় অতএব, ১ থেকে ১০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭ ১১ থেকে ২০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯ সুতরাং, ২১ থেকে ৩০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২৩, ২৯ উত্তর: মোট মৌলিক সংখ্যার পরিমাণ হলো ১০টি
a ৯,৮২,০০০ টাকা
b ৯,২৮,০০০ টাকা
c ৯,৬৮,০০০ টাকা
d ৯,৮৮,০০০ টাকা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯,২৮,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: স্ত্রীকে দান করেন ১২% পুত্রকে দান করেন ৫৮% অবশিষ্ট টাকা কন্যাকে দান করেন ৪,৮০,০০০ টাকা ধরি, মোট সম্পদের পরিমাণ = ১০০% অতএব, স্ত্রী ও পুত্রকে মোট দান করলেন = ১২% + ৫৮% = ৭০% কন্যার জন্য অবশিষ্ট রইল = ১০০% − ৭০% = ৩০% এই ৩০% অংশের মূল্যমান = ৪,৮০,০০০ টাকা সুতরাং, মোট সম্পদের পরিমাণ = ৪,৮০,০০০ ÷ ৩০ × ১০০ = ১৬,০০,০০০ টাকা পুত্রের সম্পদের পরিমাণ = ১৬,০০,০০০ × ৫৮ ÷ ১০০ = ৯,২৮,০০০ টাকা উত্তর: ৯,২৮,০০০ টাকা
a 6
b 4
c 5
d 3
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি ৩ এবং মান নির্ণয় করতে হবে ৮১ এর ধরি, লগ ৩ ভিত্তিক ৮১ সমান ক অতএব, ৩ এর ওপর ঘাত ক বসালে মান হয় ৮১ সুতরাং, ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ সমান ৮১ উত্তর: ৪
a 5.95
b 7.48
c 12.68
d 7.68
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭.৬৮ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটির প্রথম পদ = ০.০৩ ধারাটির দ্বিতীয় পদ = ০.১২ ধারাটির তৃতীয় পদ = ০.৪৮ ধরি, প্রথম পদ (ক) = ০.০৩ সাধারণ অনুপাত (র) = ০.১২ ÷ ০.০৩ = ৪ পদের সংখ্যা (ন) = ৫ অতএব, গুণোত্তর ধারার সূত্র অনুযায়ী পঞ্চম পদ = ক × (র এর পাওয়ার (ন − ১)) পঞ্চম পদ = ০.০৩ × (৪ এর পাওয়ার (৫ − ১)) সুতরাং, পঞ্চম পদ = ০.০৩ × (৪ এর পাওয়ার ৪) পঞ্চম পদ = ০.০৩ × ২৫৬ = ৭.৬৮ উত্তর: ৭.৬৮
a 107
b 105
c 99
d 146
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০৭ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো ১০ থেকে ৬০ এর মধ্যে হতে হবে সংখ্যাগুলোর একক স্থানীয় অংক ৯ হতে হবে ধরি, ১০ থেকে ৬০ এর মধ্যে যে সংখ্যাগুলোর একক অংক ৯ সেগুলো হলো ১৯, ২৯, ৩৯, ৪৯ এবং ৫৯ অতএব, এই সংখ্যাগুলোর মধ্যে ১৯, ২৯ এবং ৪৯ হলো মৌলিক সংখ্যা অন্যদিকে ৩৯ এবং ৫৯ এর মধ্যে ৩৯ মৌলিক সংখ্যা নয় কারণ এটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য সুতরাং, মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১৯, ২৯ এবং ৪৯ উত্তর: ১৯ + ২৯ + ৪৯ = ১০৭
a ৩ গুণ
b ৪ গুণ
c ৯ গুণ
d ১২ গুণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ গুণ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হলো ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r অতএব, নতুন ব্যাস হলো ৩ গুণ নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৩r) × (৩r) নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r) উত্তর: ৯ গুণ
a 1600
b 1650
c 1640
d 1680
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬৪০ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল = ১২৩ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = x দ্বিতীয় সংখ্যাটি = x + ১ তৃতীয় সংখ্যাটি = x + ২ অতএব, x + x + ১ + x + ২ = ১২৩ ৩x + ৩ = ১২৩ সুতরাং, ৩x = ১২০ x = ৪০ উত্তর: ছোট বা দ্রুততম দুইটি সংখ্যা হলো ৪০ এবং ৪১ সংখ্যা দুটির গুণফল = ৪০ × ৪১ = ১৬৪০
a 28
b 32
c 20
d কোনোটি নয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৮ প্রদত্ত তথ্য: জাকির জসিমের চেয়ে যত বছরের ছোট, বশিরের চেয়ে ঠিক তত বছরের বড় জসিম ও বশিরের বয়সের সমষ্টি ছাপ্পান বছর ধরি, জাকিরের বয়স ক বছর জসিমের বয়স খ বছর এবং বশিরের বয়স গ বছর অতএব, জসিম − জাকির = জাকির − বশির খ − ক = ক − গ খ + গ = ২ক সুতরাং, খ + গ এর মান ছাপ্পান বসিয়ে পাই, দুই ক সমান ছাপ্পান ক সমান ছাপ্পান ভাগ দুই সমান আটাশ উত্তর: ২৮
a ১৮ বছর
b ১৪ বছর
c ১৬ বছর
d ১২ বছর
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১৪ বছর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুযায়ী চৌদ্দ বছরের নিচে কোনো শিশুকে কাজে নিয়োগ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। - এটি শিশুশ্রম রোধ এবং তাদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষার জন্য নির্ধারিত আইনি বয়সসীমা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ বছর — এটি সাবালকত্ব অর্জনের এবং সাধারণ ভোটার হওয়ার বয়স, শ্রম আইনের প্রাথমিক শিশুশ্রম নিষিদ্ধকরণের বয়সসীমা নয়। B) ১৪ বছর — এটি বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী শিশুদের শ্রমে নিয়োগের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ সর্বনিম্ন বয়সসীমা। C) ১৬ বছর — এটি বাংলাদেশের শ্রম আইনে কিশোর শ্রমিকদের হালকা কাজ বা নির্দিষ্ট শর্তে কাজ করার বয়সসীমা, তবে এর নিচে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ। D) ১২ বছর — এটি শিশুদের শ্রমে নিয়োগ নিষিদ্ধকরণের ক্ষেত্রে সঠিক আইনি বয়সসীমা নয়, শ্রম আইনে বয়স চৌদ্দ বছর নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: চৌদ্দ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের স্কুলে যাওয়ার বয়স, কারখানায় কাজের নয়।
a জিম্বাবুয়ে
b কাতার
c ভেনিজুয়েলা
d দুবাই
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জিম্বাবুয়ে কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও মুদ্রাস্ফীতির সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী জিম্বাবুয়ে বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ মুদ্রাস্ফীতির দেশ। - অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং মুদ্রার অবমূল্যায়নের কারণে দেশটিতে এই উচ্চ হার বজায় রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিম্বাবুয়ে — এটি বর্তমান তালিকার দ্বিতীয় শীর্ষ মুদ্রাস্ফীতির দেশ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) কাতার — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি অত্যন্ত ধনী ও স্থিতিশীল অর্থনীতি এবং এখানে মুদ্রাস্ফীতির হার অনেক কম। C) ভেনিজুয়েলা — অতীতে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতিতে শীর্ষে থাকলেও সাম্প্রতিক তথ্যে এটি পরিবর্তনশীল এবং এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে দ্বিতীয় নয়। D) দুবাই — এটি কোনো দেশ নয়, বরং সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি উন্নত শহর এবং আমিরাতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বেশ স্থিতিশীল। মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় মুদ্রাস্ফীতি মানেই জিম্বাবুয়ে, যা একটি আফ্রিকান রাষ্ট্র।
a ৪ মার্চ, ১৯৭২
b ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
c ২৬ মার্চ, ১৯৭২
d ৩ মার্চ ১৯৭২
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ মার্চ, ১৯৭২ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ বাংলাদেশের প্রথম কাগজের নোট ও মুদ্রা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। - এই দিনটিতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম এক টাকার নোট প্রচলন করে এবং পাকিস্তানি মুদ্রার প্রচলন আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ মার্চ, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা বা কাগজের নোট চালুর সঠিক তারিখ। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকী, মুদ্রা চালুর তারিখ নয়। C) ২৬ মার্চ, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রথম বার্ষিকী, মুদ্রা চালুর তারিখ নয়। D) ৩ মার্চ ১৯৭২ — এটি ভুল তারিখ, কারণ মুদ্রা আনুষ্ঠানিকভাবে পরের দিন ৪ মার্চ চালু করা হয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঠিক তিন মাস পর ১৯৭২ সালের মার্চ মাসের চার তারিখে বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা হাতে পায় জনগণ।
a হাইড্রোজেন
b নাইট্রোজেন
c অক্সিজেন
d সিএফসি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিএফসি কেন সঠিক: - সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বন বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রেখে গ্রিনহাউস প্রভাবে সরাসরি ভূমিকা রাখে। - এটি ওজোন স্তর ধ্বংসের পাশাপাশি বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য একটি অত্যন্ত শক্তিশালী গ্যাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন — এটি একটি অত্যন্ত হালকা ও দহনশীল গ্যাস যা গ্রিনহাউস গ্যাসের অন্তর্ভুক্ত নয়। B) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হলেও তাপ ধরে রাখার ক্ষমতা না থাকায় গ্রিনহাউস গ্যাস নয়। C) অক্সিজেন — এটি জীবের প্রাণধারণের জন্য অপরিহার্য হলেও গ্রিনহাউস গ্যাসের তালিকায় পড়ে না। D) সিএফসি — এটি তাপ আটকে রাখতে সাহায্য করে এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের সমস্ত বৈশিষ্ট্য বহন করে। মনে রাখার টিপস: প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো মনে রাখার জন্য সিএফসি (CFC), কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং জলীয় বাষ্পের নামগুলো বারবার চর্চা করবে।
a এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
b (ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ
c সৈয়দ নজরুল ইসলাম
d এম. মনসুর আলী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাজউদ্দীন আহমদ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারে তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করা হয়। - তিনি একই সঙ্গে যুদ্ধকালীন সরকারের সফল পরিচালনা এবং দেশের প্রথম বাজেট প্রণয়নের দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান — তিনি প্রথম সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন, অর্থমন্ত্রী ছিলেন না। B) (ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ — এটিই সঠিক উত্তর, তিনি বাংলাদেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী ছিলেন। C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি প্রথম সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) এম. মনসুর আলী — তিনি প্রথম সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন না, পরবর্তীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার নেতৃত্ব ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মূল দায়িত্ব যিনি নিয়েছিলেন, সেই তাজউদ্দীন আহমদই হলেন দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী।
a পার্লামেন্ট
b ডায়েট
c নেসেট
d সিনেট
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নেসেট কেন সঠিক: - ইসরাইলের আইনসভার বা পার্লামেন্টের আনুষ্ঠানিক নাম নেসেট। - হিব্রু ভাষায় নেসেট শব্দের অর্থ হলো সমাবেশ বা সভা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার্লামেন্ট — এটি নির্দিষ্ট কোনো দেশের আইনসভার নাম নয়, বরং এটি আইনসভার সাধারণ ইংরেজি পরিভাষা। B) ডায়েট — এটি জাপানের আইনসভার নাম, ইসরাইলের আইনসভার নাম নয়। C) নেসেট — এটি ইসরাইলের আইনসভার সঠিক নাম, যা প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর। D) সিনেট — এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের আইনসভার উচ্চকক্ষকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: ইসরাইলের আইনসভার নাম মনে রাখতে মনে রাখুন, ইসরাইলিরা নেচে নেচে আইন তৈরি করে, অর্থাৎ নেসেট।
a মোস্তফা জাব্বার
b কামরুল হাসান
c মইনুল ইসলাম
d সব্যসাচী হাজরা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) সব্যসাচী হাজরা কেন সঠিক: - ২০২০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পালিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর বা মুজিববর্ষের লোগোটি তিনি ডিজাইন করেছিলেন। - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লোগো বাছাই কমিটি উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তাঁর ডিজাইনটি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোস্তফা জাব্বার — তিনি প্রযুক্তিবিদ ও রাজনীতিবিদ, এই লোগোর নকশাকার নন। B) কামরুল হাসান — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও পটুয়া, যিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ের প্রতীকী পোস্টার ডিজাইন করেছিলেন। C) মইনুল ইসলাম — তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌদের মূল স্থপতি, মুজিববর্ষের লোগোর ডিজাইনার নন। D) সব্যসাচী হাজরা — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সবাই যখন শতবর্ষের লোগো নিয়ে ব্যস্ত, তখন সব্যসাচী হাজরা তা এঁকে দিলেন।
a সুইজারল্যান্ড
b পূর্ব তিমুর
c ফিলিস্তিন
d দক্ষিণ সুদান
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) দক্ষিণ সুদান কেন সঠিক: - দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালের ৯ জুলাই সুদান থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং একই বছরের ১৪ জুলাই জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্য দেশ হিসেবে যুক্ত হয়। - এটিই বর্তমানে জাতিসংঘের সর্বশেষ বা নবীনতম সদস্য রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইজারল্যান্ড — এটি জাতিসংঘের ১৯০তম সদস্য দেশ এবং ২০০২ সালে সংস্থাটিতে যোগদান করে। B) পূর্ব তিমুর — এটি ২০০২ সালে জাতিসংঘের ১৯১তম সদস্য দেশ হিসেবে যোগদান করে। C) ফিলিস্তিন — এটি জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয়, বরং বর্তমান সময়ে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে। D) দক্ষিণ সুদান — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং এটিই জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: সবশেষ দেশ দক্ষিণ, তাই জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র হলো দক্ষিণ সুদান।
a 4
b 5
c 1
d 6
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 4 কেন সঠিক: - এসডিজি (SDG) এর চতুর্থ লক্ষ্যমাত্রা হলো সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা। - এটি জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ১৭টি অঙ্গীকারের অন্যতম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সূচক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4 — এটি সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) 5 — এটি জেন্ডার সমতা অর্জন এবং সকল নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই শিক্ষার লক্ষ্য নয়। C) 1 — এটি বিশ্বব্যাপী সব ধরনের দারিদ্র্য দূরীকরণের লক্ষ্য নির্দেশ করে, শিক্ষার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) 6 — এটি সবার জন্য নিরাপদ পানি ও টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্য, শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষার ইংরেজি এডুকেশন শব্দটি চার অক্ষরের নয়, তবে এসডিজি তালিকায় শিক্ষা চার নম্বর লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
a ৬.৫০০ কি. মি.
b ৯,০১০ কি. মি.
c ৮,৮৫০ কি. মি.
d ৭,৮১০ কি. মি.
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) ৮,৮৫০ কি. মি. কেন সঠিক: - চীনের স্টেট ব্যুরো অব সার্ভেিয়িং অ্যান্ড ম্যাপিংয়ের তথ্য অনুযায়ী প্রাচীন ও নতুন দেয়াল মিলিয়ে চীনের মহাপ্রাচীরের অফিসিয়াল দৈর্ঘ্য ৮,৮৫০ কিলোমিটার। - এটি মূলত উত্তর চীনের সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন রাজবংশের শাসনামলে নির্মিত প্রাচীন দুর্গ ও প্রাচীরের সমষ্টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬,৫০০ কি. মি. — এটি মহাপ্রাচীরের মূল বা প্রথাগত ধারণার দৈর্ঘ্য হলেও আধুনিক ও নির্ভুল পরিমাপে তা সঠিক নয়। B) ৯,০১০ কি. মি. — এই সংখ্যাটি মহাপ্রাচীরের মোট দৈর্ঘ্য বা অন্য কোনো ঐতিহাসিক পরিমাপের সাথে মিললেও এই প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত সঠিক মান নয়। C) ৮,৮৫০ কি. মি. — এটি সরাসরি সঠিক উত্তরের অপশন, তাই এটিই সঠিক। D) ৭,৮১০ কি. মি. — এই মাপটি চীনের মহাপ্রাচীরের প্রকৃত সরকারি দৈর্ঘ্য পরিমাপের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: চীনের মহাপ্রাচীরের দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি আট হাজার আটান্ন শ (৮৮৫০) কিমি এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a 1972
b 1971
c 1991
d 1975
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1972 কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর করা হয়। - এই সংবিধানের মাধ্যমেই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সংসদীয় গণতন্ত্র বা মন্ত্রীপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1972 — এই সালে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণীত হয় এবং সংসদীয় গণতন্ত্র চালু করা হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) 1971 — এই সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে এবং ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকার গঠিত হলেও সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন হয়নি। C) 1991 — এই সালে বাংলাদেশে দীর্ঘ সামরিক শাসনের পর দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে পুনরায় সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন করা হয়, প্রথম প্রবর্তন নয়। D) 1975 — এই সালে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় পদ্ধতি বাতিল করে বাকশাল তথা রাষ্ট্রপতিশাসিত শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঠিক পরের বছর ১৯৭২ সালে দেশ পরিচালনার জন্য সংবিধান তৈরি হয় এবং তখনই প্রথম সংসদীয় গণতন্ত্র চালু হয়।
a মিশরীয়
b পারস্য
c চৈনিক
d মোসোপটেমীয়
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোসোপটেমীয় কেন সঠিক: - মেসোপটেমিয়া সভ্যতা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠে এবং খ্রিষ্টপূর্ব চার হাজার অব্দে এর সূচনা হয়। - লিখিত ইতিহাস ও নগর সভ্যতার সূচনার দিক থেকে এটিই বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশরীয় — নীল নদের তীরে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা মেসোপটেমীয় সভ্যতার ঠিক পরেই খ্রিষ্টপূর্ব তিন হাজার অব্দে বিকশিত হয়। B) পারস্য — বর্তমান ইরানের ভূখণ্ডে এই সভ্যতা গড়ে ওঠে এবং তা মেসোপটেমীয় সভ্যতার অনেক পরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। C) চৈনিক — হোয়াংহো নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই প্রাচীন সভ্যতা মেসোপটেমিয়ার পরে খ্রিষ্টপূর্ব দুই হাজার অব্দে আত্মপ্রকাশ করে। D) মোসোপটেমীয় — এটিই প্রাচীনতম সভ্যতা হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে পুরনো বা প্রথম সভ্যতা মনে রাখতে 'ম' দিয়ে মেসোপটেমিয়া এবং 'ম' দিয়ে প্রথম মনে রাখতে পারেন।
a 10
b ৭(১)
c 27
d ২১(১)
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭(১) কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের ১ নং দফায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। - এই অনুচ্ছেদটির মাধ্যমে বাংলাদেশের শাসনক্ষমতার মূল উৎস এবং মালিকানা জনগণের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 10 — এই অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীতের সুর ও শব্দের বিষয়ে বলা হয়েছে, যা ক্ষমতার মালিকানার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৭(১) — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের ক্ষমতার উৎস জনগণ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। C) 27 — এই অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা বলা হয়েছে, যা ক্ষমতার মালিকানা সংক্রান্ত নয়। D) ২১(১) — এই অনুচ্ছেদে সব সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কর্তব্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সাত নম্বর অনুচ্ছেদের প্রথম দফায় সাত কোটি মানুষের ক্ষমতা বা জনগণের ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে।
a 140
b 139
c 133
d 135
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 133 কেন সঠিক: - জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি প্রকাশিত মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০২০ অনুযায়ী বাংলাদেশ এই অবস্থান অর্জন করেছিল। - স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং মাথাপিছু আয়ের মানের ওপর ভিত্তি করে এই সূচক প্রস্তুত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 140 — এই সংখ্যাটি উক্ত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সঠিক অবস্থান নির্দেশ করে না। B) 139 — এটি ২০২০ সালের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল না। C) 133 — এটি মানব উন্নয়ন সূচক ২০২০ অনুযায়ী বাংলাদেশের সঠিক অবস্থান। D) 135 — এই র‍্যাংকটি ২০২০ সালের প্রতিবেদনে অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল। মনে রাখার টিপস: মানব উন্নয়ন সূচক ২০২০ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৩ তম।
a ৩টি
b ৫টি
c ৪টি
d ২টি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট দুটি বিভাগে বিভক্ত, যার একটি আপিল বিভাগ এবং অন্যটি হাইকোর্ট বিভাগ। - সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের এই দুটি বিভাগ গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টে তিনটি বিভাগ নেই, কারণ সংবিধানে মাত্র দুটি বিভাগের কথা বলা হয়েছে। B) ৫টি — ৫টি বিভাগ কোনো আইনি বা সাংবিধানিক কাঠামোর ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের অংশ নয়। C) ৪টি — বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগ ৪টি নয়, বরং সুপ্রিম কোর্টের বিভাগ বোঝাতে এই সংখ্যাটি সঠিক নয়। D) ২টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে গঠিত। মনে রাখার টিপস: সুপ্রিম কোর্টের সিড়ি বা ধাপ মনে রাখুন দুটি, একটি আপিল বিভাগ এবং অন্যটি হাইকোর্ট বিভাগ।
a মালদ্বীপ
b নেপাল
c ভুটান
d শ্রীলংকা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মালদ্বীপ কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে মালদ্বীপের জনসংখ্যা সবচেয়ে কম, যা প্রায় পাঁচ লক্ষের কাছাকাছি। - দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আয়তন এবং জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই মালদ্বীপ সবচেয়ে ছোট রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর জনসংখ্যা প্রদত্ত অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে কম। B) নেপাল — এর জনসংখ্যা প্রায় তিন কোটির বেশি, যা মালদ্বীপের তুলনায় অনেক বেশি। C) ভুটান — এর জনসংখ্যা প্রায় আট লক্ষের বেশি, যা মালদ্বীপের জনসংখ্যার চেয়ে বেশি। D) শ্রীলংকা — এর জনসংখ্যা প্রায় দুই কোটির বেশি, যা এই তালিকার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ এশিয়ার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে মালদ্বীপ হলো জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ।
a ময়মনসিংহ
b রাঙামাটি
c দিনাজপুর
d চট্টগ্রাম
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাঙামাটি কেন সঠিক: - আয়তনের দিক থেকে রাঙামাটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা যার আয়তন প্রায় ৬১১৬ বর্গকিলোমিটার। - পার্বত্য চট্টগ্রামে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিকভাবে এর আয়তন অন্য জেলার তুলনায় সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ — এটি একটি বিভাগীয় শহর ও জেলা হলেও আয়তনে রাঙামাটির চেয়ে অনেক ছোট। B) রাঙামাটি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের আয়তনে বৃহত্তম জেলা। C) দিনাজপুর — এটি উত্তরাঞ্চলের একটি বড় জেলা হলেও আয়তনের দিক থেকে বৃহত্তম নয়। D) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দরনগরী ও বিভাগীয় জেলা হলেও আয়তনে রাঙামাটির চেয়ে ছোট। মনে রাখার টিপস: আয়তনে বড় জেলা মনে রাখতে রাঙামাটি নামটি সবার আগে মাথায় রাখবে।

মোট প্রশ্ন (23)

a অপকর্ষ
b উৎকর্ষ
c অপকর্ষতা
d উৎকর্ষতা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উৎকর্ষ ১. কেন সঠিক: 'প্রকর্ষ' শব্দের অর্থ হলো উৎকর্ষ, আধিক্য, প্রাচুর্য বা বিশেষ উন্নতি। প্রশ্নানুসারে প্রদত্ত শব্দটির সমার্থক বা সমার্থক ভাব প্রকাশ করে এমন সঠিক শব্দ হলো উৎকর্ষ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ বিষয়ক ব্যাকরণ অংশ। সমার্থক শব্দ বলতে এমন শব্দগুলোকে বোঝায় যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উন্নতি ব্যাখ্যা: এটি প্রকর্ষ বা উৎকর্ষ শব্দের আরেকটি কাছাকাছি ভাবপ্রকাশক শব্দ। উদাহরণ ২: বৃদ্ধি ব্যাখ্যা: এটি কোনো কিছুর মাত্রা বা পরিমাণ বেড়ে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপকর্ষ — এটি প্রকর্ষ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, সমার্থক নয়। B) উৎকর্ষ — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রকর্ষ শব্দের সমার্থক। C) অপকর্ষতা — এটি ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ এবং অপ্রচল রূপ। D) উৎকর্ষতা — এই শব্দটি বাংলা ব্যাকরণে সাধারণত অসিদ্ধ বা অনাবশ্যক প্রত্যয়জনিত ভুল রূপ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রকর্ষ এবং উৎকর্ষ উভয় শব্দের অর্থই ভালো বা উন্নতর অবস্থা বোঝায়। উভয় শব্দের প্রথম অক্ষর উ বা প্র দিয়ে উন্নতির উচ্চ পর্যায় নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ এবং প্রত্যয়গত রূপ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। বিপরীতার্থক শব্দ ও সমার্থক শব্দের পার্থক্য বুঝতে শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে চর্চা করা জরুরি।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
c জীবনানন্দ দাশ
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'শ্রীকান্ত' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাস এবং এর রচয়িতা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - এই উপন্যাসে লেখকের আত্মজীবনীমূলক ছায়া রয়েছে এবং এটি বাংলা উপন্যাসে রোমান্টিকতার এক অনন্য সৃষ্টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয়তম লেখক যিনি সাধারণ মানুষের জীবন ও সমাজের ত্রুটি নিপুণভাবে তুলে ধরেছেন। - 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি চারটি পর্বে সমাপ্ত হয়েছে এবং এটি ১৯১৬ থেকে ১৯৩৩ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেবদাস ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অপর একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় ট্র্যাজেডি উপন্যাস। উদাহরণ ২: পরিণীতা ব্যাখ্যা: এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত সমাজভিত্তিক একটি জনপ্রিয় প্রেমের উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়। B) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর। C) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত, কোনো উপন্যাস বা নাটক নয়। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের নোবেলজয়ী বিশ্বকবি যিনি গোরা, যোগাযোগ ও শেষের কবিতা উপন্যাসের রচয়িতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - শ্রীকান্ত পড়ে শরৎচন্দ্রকে মনে রাখো, কারণ শ্রীকান্তের রোমাঞ্চকর জীবন ও শরৎচন্দ্রের লেখার স্টাইল গভীরভাবে সম্পর্কিত। - শরৎচন্দ্রের নামের প্রথম অক্ষর শ এবং শ্রীকান্তের প্রথম অক্ষর শ দিয়ে এই দুটি সহজে মেলানো যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের মোট পর্ব সংখ্যা চারটি এবং এর বিখ্যাত একটি চরিত্র হলো ইন্দ্রনাথ। - বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরৎচন্দ্রের উপন্যাস ও চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a গ্রিক
b মিশরীয়
c রোমান
d ভারতীয়
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গ্রিক ১. কেন সঠিক: প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ও গণিতবিদরা প্রথম পৃথিবীর মানচিত্র অংকন বা পৃথিবীর ভৌগোলিক নকশা তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন। আনিক্সিমান্ডার এবং এরাটোসথেনিসের মতো গ্রিক পন্ডিতরা পৃথিবীর পরিধি পরিমাপ এবং মানচিত্র তৈরির ক্ষেত্রে পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি মূলত সাধারণ জ্ঞান এবং ইতিহাস সংশ্লিষ্ট একটি প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান বা বাংলা প্রশ্নপত্রে মাঝে মাঝে আসে। প্রাচীনকালে গ্রিক সভ্যতা বিজ্ঞান, গণিত ও দর্শনের পাশাপাশি ভূগোলের চর্চায় বিশেষ উৎকর্ষ সাধন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রথম বিশ্বমানচিত্র অংকনকারী হিসেবে গ্রিক পন্ডিত আনিক্সিমান্ডারের নাম ইতিহাসের পাতায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ব্যাখ্যা: তিনি খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে প্রথম পরিচিত বিশ্বের একটি মানচিত্র তৈরি করেছিলেন বলে জানা যায়। উদাহরণ ২: এরাটোসথেনিস পৃথিবীর পরিধি প্রথম নিখুঁতভাবে পরিমাপ করেছিলেন এবং মানচিত্র অংকনে দ্রাঘিমা ও অক্ষাংশ ব্যবহার করেছিলেন। ব্যাখ্যা: তার এই অবদান প্রাচীন গ্রিক ভূগোলের অগ্রযাত্রাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রিক — এই অপশনটি সঠিক কারণ গ্রিক পন্ডিতরাই প্রথম মানচিত্র অংকনের সূচনা করেছিলেন। B) মিশরীয় — মিশরীয়রা জমি পরিমাপ এবং জ্যামিতিতে পটু হলেও প্রথম বিশ্বমানচিত্র অংকন করেননি। C) রোমান — রোমানরা মানচিত্র ব্যবহার করলেও তা মূলত গ্রিকদের কাজের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল। D) ভারতীয় — প্রাচীন ভারতীয়রা জ্যোতির্বিদ্যায় উন্নত হলেও প্রথম মানচিত্র অংকনকারী হিসেবে পরিচিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: ভূগোল ও মানচিত্রের আদি ইতিহাস মনে রাখতে গ্রিক পন্ডিতদের নাম মনে রাখবে। গ্রিকরা বিজ্ঞানের নানা শাখার মতো ভূগোল ও মানচিত্র অংকনেও প্রথম হাতখড়ি দিয়েছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন সভ্যতার অবদান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মানচিত্র অংকনের ক্ষেত্রে প্রাচীন গ্রিকদের অবদান সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a ১টি
b ২টি
c ৩টি
d ৪টি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) ২টি কেন সঠিক: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দুটি দেশের জাতীয় সংগীতের কথা ও সুর রচনা করেছেন। - এই দুটি দেশ হলো বাংলাদেশ এবং ভারত। সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। - ভারতের জাতীয় সংগীত জন গণ মন অধিনায়ক জয় হে গানটিও তাঁর রচিত। - তিনি বিশ্বের একমাত্র কবি যিনি একাধিক দেশের জাতীয় সংগীতের রচিয়তা। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) ১টি — ভুল কারণ তিনি কেবল একটি দেশের নয়, দুটি দেশের জাতীয় সংগীত লিখেছেন। - খ) ২টি — এটি সঠিক কারণ তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সংগীত রচনা করেছেন। - গ) ৩টি — ভুল কারণ তিনি তিনটি দেশের জাতীয় সংগীত রচনা করেননি। - ঘ) ৪টি — ভুল কারণ তাঁর রচনার সংখ্যা মাত্র দুটি দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দুই হাতে লিখেছিলেন বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সংগীত।
a শেষলেখা
b শেষকথা
c শেষপ্রশ্ন
d শেষদিন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শেষলেখা ১. কেন সঠিক: - শেষলেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। - এটি তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে রচিত কবিতার সংকলন হওয়ায় এর নামকরণ কাব্যটির বিষয়বস্তুর সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। - শেষলেখা কাব্যগ্রন্থটি তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তাঁর অন্তিম জীবনের দার্শনিক ভাবনার প্রতিফলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সন্যাসী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য যা মানুষের জীবনের মূল সত্যকে তুলে ধরে। উদাহরণ ২: গীতাঞ্জলি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষলেখা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) শেষকথা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। C) শেষপ্রশ্ন — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয়। D) শেষদিন — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো পরিচিত কাব্যগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্মের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের শেষ জীবনের লেখার সঙ্গে মৃত্যুর বিষয়টি যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে শেষ লেখা মানে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে লিখে যাওয়া কবিতা। - কাব্যগ্রন্থের নামের সঙ্গে উপন্যাসের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে শেষলেখা এবং সানাই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই লেখক ও তাঁদের শেষ রচনা বা প্রথম রচনা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
a সর্বনাম
b বিশেষণ
c বিশেষ্য
d ক্রিয়া
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: - অজস্র একটি পরিমাণবাচক শব্দ বা সংখ্যাবাচক বিশেষণ, যা কোনো বিশেষ্য পদের ঠিক পূর্বে বসে সেই বিশেষ্যের বহুবচন বা আধিক্য নির্দেশ করে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী বিশেষ্য পদের আগে অজস্র বসালে ওই বিশেষ্যটি একক সত্তা থেকে বহুত্বের রূপ লাভ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বচন হলো ব্যাকরণের এমন একটি পরিভাষা যার মাধ্যমে কোনো পদের এক বা বহুত্ব বোঝানো হয়। - বাংলায় বিশেষ্য পদের পূর্বে অজস্র, অনেক, নানা, বহু ইত্যাদি শব্দ যুক্ত করে বহুবচন প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অজস্র মানুষ ব্যাখ্যা: মানুষ একটি বিশেষ্য পদ এবং তার আগে অজস্র বসে অনেক মানুষের সমাহার বা বহুবচন বুঝিয়েছে। উদাহরণ ২: অজস্র তারা ব্যাখ্যা: তারা একটি বিশেষ্য পদ যার পূর্বে অজস্র বসে বহু তারার উপস্থিতি প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বনাম — সর্বনাম পদের আগে অজস্র সরাসরি বসে বহুবচন তৈরি করে না। B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ নিজেই অন্য পদের দোষ গুণ বা পরিমাণ বোঝায়, তাই এর আগে অজস্র বসে বহুবচন হয় না। C) বিশেষ্য — সঠিক উত্তর, কারণ বিশেষ্য পদের সংখ্যা বা পরিমাণ বৃদ্ধিতে অজস্র ব্যবহৃত হয়। D) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কাজের ভাব প্রকাশ পায়, তাই এর আগে অজস্র বসে বচন নির্ধারিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মাথায় রাখবে অজস্র শব্দটি মূলত বিশেষ্য পদের বহুবচন গঠনে পরিমাণবাচক হিসেবে কাজ করে। - বিশেষ্য পদের ঠিক আগেই সাধারণত অজস্র শব্দটি বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এমন প্রশ্নগুলোতে পদের সঙ্গে শব্দের সম্পর্ক খেয়াল করতে হবে। - বিশেষ্য পদের বহুবচন সাধনে ব্যবহৃত শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখবে।
a রিক্তের বেদন
b শিউলিমালা
c কুহেলিকা
d ছায়ানট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুহেলিকা ১. কেন সঠিক: কুহেলিকা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস, যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে তৎকালীন রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে যুবসমাজের দেশপ্রেম, বিপ্লব এবং মানবপ্রেমের দ্বন্দ্ব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি কয়েকটি উপন্যাসও রচনা করেছেন। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো বাঁধনহারা এবং মৃত্যুক্ষুধা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধনহারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ও পত্রপুট উপন্যাসে রচিত পত্রযোগমূলক উপন্যাস। উদাহরণ ২: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি সমাজসচেতনতামূলক উপন্যাস, যেখানে দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিক্তের বেদন — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন, কোনো উপন্যাস নয়। B) শিউলিমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প সংকলন, যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। C) কুহেলিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি উপন্যাস। D) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের উপন্যাস মনে রাখার সহজ সূত্র হলো বাঁধনহারা ও মৃত্যুক্ষুধা দূর করতে কুহেলিকা ভেদ করতে হবে। এভাবে তার তিনটি উপন্যাস একত্রে খুব সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের উপন্যাস ও ছোটগল্পের নাম প্রায়ই আলাদা করতে দেওয়া হয়। তাই কাব্যগ্রন্থ, ছোটগল্প সংকলন এবং উপন্যাসের তালিকা আলাদা করে পড়া অত্যন্ত জরুরি।
a হ
b স
c শ
d ম
0 141 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হ ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় বিসর্গ (ঃ) একটি পরাশ্রয়ী বর্ণ এবং এটি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের 'হ' ধ্বনির রূপান্তর হিসেবে এসেছে। - পদের অন্তস্থিত 'হ' ধ্বনি অনেক সময় উচ্চারণের সুবিধার্থে বা সন্ধির নিয়মে বিসর্গ রূপ ধারণ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গ হলো স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের আশ্রয়ে উচ্চারিত পরাশ্রয়ী বর্ণ যা কখনো একা উচ্চারিত হতে পারে না। - সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী অ-কারান্ত শব্দের অন্তে থাকা 'হ' বা 'স' অনেক সময় বিসর্গ রূপ নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুনঃ ব্যাখ্যা: এটি পুনহ থেকে বিসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মনঃ ব্যাখ্যা: এটি মনহ থেকে বিসর্গ রূপ লাভ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হ - এটি সঠিক কারণ বিসর্গ মূলত হ ধ্বনির রূপান্তর হিসেবে বাংলা বর্ণমালায় এসেছে। B) স - এটি ভুল কারণ বিসর্গ স থেকে সরাসরি উদ্ভূত হয়নি, যদিও কিছু সন্ধিতে স বিসর্গে রূপ নেয়। C) শ - এটি ভুল কারণ শ একটি তালব্য বর্ণ এবং বিসর্গের সঙ্গে এর সরাসরি কোনো রূপান্তর সম্পর্ক নেই। D) ম - এটি ভুল কারণ ম একটি ঔষ্ঠ্য নাসিক্য বর্ণ এবং বিসর্গ উৎপত্তিতে এর কোনো ভূমিকা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিসর্গ ও হ উভয় বর্ণই কণ্ঠ্য বা হাকার জাতীয় ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়। - হ ধ্বনির সংক্ষিপ্ত বা পরিবর্তিত রূপ হিসেবে বিসর্গ মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ, অনুস্বার এবং চন্দ্রবিন্দু হলো পরাশ্রয়ী বর্ণ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরাশ্রয়ী বর্ণ ও তাদের উৎপত্তি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a সফল
b সুশ্রী
c মহাত্মা
d জেলে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জেলে ১. কেন সঠিক: - জেলে শব্দটি একটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ যা জল যোগ ইয়া যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। - এখানে জল শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ তৈরি করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রাতিপদিক বা শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। - জল একটি বিশেষ্য পদ এবং এর সঙ্গে ইয়া প্রত্যয় যোগে জেলে বা পেশা বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা যোগ আই = ঢাকাই ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ যেখানে জায়গার নাম বোঝাতে ই প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: মুখ যোগ আদি = মোখিক ব্যাখ্যা: শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন বিশেষণের রূপ তৈরি করার আরেকটি চমৎকার উদাহরণ এটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সফল — এটি উপসর্গ বা সমাস সাধিত শব্দ হতে পারে কিন্তু তদ্ধিত প্রত্যয়ের মাধ্যমে গঠিত মূল শব্দ নয়। B) সুশ্রী — এটি একটি উপসর্গ সাধিত শব্দ যেখানে সু উপসর্গ যুক্ত হয়েছে। C) মহাত্মা — এটি একটি কর্মধারয় সমাস সাধিত শব্দ যার ব্যাসবাক্য মহান যে আত্মা। D) জেলে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - পেশা বা জীবিকা বোঝাতে শব্দের শেষে ইয়া বা ই প্রত্যয় যুক্ত হলে তা তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ হয়। - জল থেকে জেলে বা মাছ থেকে মেছো এই নিয়মটি মনে রাখা খুবই সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই তদ্ধিত প্রত্যয় ও কৃৎ প্রত্যয় থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দের মূল অংশ চিনে প্রত্যয় নির্ণয় করার অভ্যাস থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a দৌলত কাজী
b কবি মরদন
c কোরেশী
d মাগন ঠাকুর
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কবি মরদন ১. কেন সঠিক: - 'নসীরানামা' কাব্যটির রচয়িতা হলেন মধ্যযুগের অন্যতম কবি মরদন। - মধ্যযুগের পুথি সাহিত্য ও আরাকান রাজসভার বাংলা সাহিত্য ধারার সঙ্গে এই কাব্যটির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি মরদন মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি সপ্তদশ শতকে আবির্ভূত হয়েছিলেন। - 'নসীরানামা' ছাড়াও তিনি ইসলামী পুথি সাহিত্য ধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন যা তৎকালীন সমাজের নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে প্রতিফলিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাইলী মজনু দৌলত কাজী ব্যাখ্যা: দৌলত কাজী মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি যিনি সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্য রচনা করেন। উদাহরণ ২: ইউসুফ জোলেখা শাহ মোহাম্মদ গরীবুল্লাহ ব্যাখ্যা: শাহ মোহাম্মদ গরীবুল্লাহ মধ্যযুগের পুথি সাহিত্যের বিখ্যাত কবি যিনি আমীর হামজা ও ইউসুফ জোলেখা কাব্য রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত কাজী — দৌলত কাজী 'সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্য রচনা করেন যা তাঁর বিখ্যাত অবদান। B) কবি মরদন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই 'নসীরানামা' কাব্যটি রচনা করেছেন। C) কোরেশী — কোরেশী মাগন বা কোরেশী ম্যাগনাম মধ্যযুগের অন্য ধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং তিনি 'চন্দ্রাবতী' বা অন্যান্য কাজের সঙ্গে যুক্ত নন। D) মাগন ঠাকুর — মাগন ঠাকুর ছিলেন আরাকান রাজসভার মন্ত্রী ও পৃষ্ঠপোষক যিনি দৌলত কাজীর অসমাপ্ত 'সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্য সমাপ্ত করার জন্য সৈয়দ আলাওলকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মরদ মানুষের নাম নসীর হতে পারে এভাবে মনে রাখতে পারো মরদন রচনা করেছেন নসীরানামা। - মধ্যযুগের পুথি সাহিত্য ও কবিদের নাম মনে রাখতে লেখকের নামের সঙ্গে তাদের প্রধান গ্রন্থ মিলিয়ে তালিকা তৈরি করো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবি ও তাদের রচিত কাব্যের নাম প্রায়ই আসে। - পুথি সাহিত্যের লেখকদের ক্ষেত্রে কবি মরদন ও তাঁর 'নসীরানামা' একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
a হিন্দি
b বাংলা
c সংস্কৃত
d ফারসি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: সমাস একটি ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া যা সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ এবং তৎসম রীতিনীতি অনুসারেই সমাসের সৃষ্টি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। পরস্পর অর্থসংগতিযুক্ত দুই বা ততোধিক পদ এক পদে মিলিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যা সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশ রক্ষার্থে যে সেবা = দেশসেবা ব্যাখ্যা: এটি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ এবং সংস্কৃত সমাসরীতির প্রভাবেই বাংলায় এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা সমাসের রীতি আসেনি কারণ হিন্দি একটি আধুনিক ভারতীয় ভাষা যার ব্যাকরণগত কাঠামো ভিন্ন। B) বাংলা — সমাসের রীতি সরাসরি মৌলিক বাংলা ভাষা থেকে সৃষ্টি হয়নি, বরং এটি সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে বাংলায় এসেছে। D) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলা শব্দ বা উপসর্গ আসলেও সমাসের মূল রীতি বা ঐতিহ্য ফারসি থেকে আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: সমাস মানেই সংক্ষিপ্তকরণ এবং এর জন্ম সংস্কৃত ব্যাকরণে। মনে রাখবে সমাস ও সন্ধি উভয় ব্যাকরণগত রীতিই মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয় সমাস বা সন্ধি কোন ভাষা থেকে আগত। উত্তর সবসময় সংস্কৃত হবে কারণ বাংলা ব্যাকরণের অনেক মৌলিক নিয়মই সংস্কৃত থেকে পরিগৃহীত।
a 1922
b 1927
c 1925
d 1923
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 1923 ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিশিষ্ট ও প্রতিবাদী পত্রিকা 'কল্লোল' ১৯২৩ সালের বঙ্গাব্দ বা খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আধুনিকতার সূচনা এবং 'কল্লোল যুগ' সৃষ্টিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'কল্লোল' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস এবং পরে বুদ্ধদেব বসু এর সঙ্গে যুক্ত হন। এটি ছিল মূলত রবীন্দ্রবিরোধী আধুনিক সাহিত্য আন্দোলনের মুখপত্র, যা বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারা নিয়ে আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'কালীমের দল' ব্যাখ্যা: কল্লোল গোষ্ঠীর লেখকদের অনেক সময় ব্যঙ্গ করে এই নামে ডাকা হতো। উদাহরণ ২: 'শনিবারের চিঠি' ব্যাখ্যা: কল্লোল গোষ্ঠীর আধুনিক ও রোমান্টিক লেখার প্রতিবাদে এই ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপشن কেন ভুল: A) 1922 — এই সালে 'কল্লোল' প্রকাশিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) 1927 — এই সালটি কল্লোল প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) 1925 — এই সালে কল্লোল প্রকাশিত হয়নি, এটি সঠিক প্রকাশকাল নয়। D) 1923 — এটিই কল্লোল পত্রিকার প্রথম প্রকাশের সঠিক সাল। ৫ মনে রাখার টিপস: কল্লোল পত্রিকা প্রকাশের সাল মনে রাখতে মনে রাখতে পারো, ১৯২৩ সালের দিকে বাংলা সাহিত্যে নতুন হাওয়া বা কল্লোল শুরু হয়েছিল। এই পত্রিকাটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা ছোটগল্প ও কবিতায় নতুন মোড় নেয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রিকা ও সম্পাদকের নাম খুব আসে। কল্লোল পত্রিকার প্রথম সম্পাদক দীনেশরঞ্জন দাসের নাম এবং প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখবে।
a দরিদ্রতা
b উপযোগিতা
c ঊর্দ্ধ
d শ্রদ্ধাঞ্জলি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঊর্দ্ধ ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি শুদ্ধ বানান বা বাক্যশুদ্ধি বিষয়ক ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ঊর্দ্ধ বানানটি ভুল এবং এর সঠিক রূপ হলো ঊর্ধ্ব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দে দীর্ঘ উ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। উর্ধ বা উচ্চতা অর্থে ব্যবহৃত শব্দের শেষে বা মাঝে দীর্ঘ উ-কার এবং ধ-এর নিচে হ যুক্ত হয়ে ঊর্ধ্ব গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পূর্বাহ্ণ ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত তৎসম শব্দ এবং সঠিক বানানরীতি অনুসরণে লিখিত। উদাহরণ ২: মধ্যাহ্ন ব্যাখ্যা: প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম মেনে মূর্ধন্য ন যুক্ত করে এই শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দরিদ্রতা — অপশনটি ভুল কারণ এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর নয় যদিও বানানটি ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ। B) উপযোগিতা — অপশনটি ভুল কারণ এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর নয় যদিও বানানটি ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ। C) ঊর্দ্ধ — অপশনটি সঠিক কারণ এর বানান ভুল এবং এর সঠিক রূপ হলো ঊর্ধ্ব। D) শ্রদ্ধাঞ্জলি — অপশনটি ভুল কারণ এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর নয় যদিও বানানটি ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ। ৫. মনে রাখার টিপস: উর্দ্ধ লেখার সময় ধ-এর নিচে হ দিলে ভুল হবে এবং রেফ বা ফলার সঠিক ব্যবহার মনে রাখতে হবে। উর্ধ্ব বানানটি সবসময় প্রমিত রীতি অনুযায়ী চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উর্ধ, ঊর্ধ্ব বা এজাতীয় তৎসম শব্দের বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। বানান শুদ্ধ করার সময় বাংলা একাডেমির আধুনিক বানান নিয়মগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a গোবিন্দ দাস
b জয়নন্দী
c বড়ু চণ্ডীদাস
d জ্ঞানদাস
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জয়নন্দী ১. কেন সঠিক: - জয়নন্দী মধ্যযুগের কবি নন, বরং তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার একজন সংগ্রাহক বা সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে পদাবলি ও মঙ্গলকাব্যের রচয়িতারা মধ্যযুগের কবি হিসেবে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস তিনটি যুগে বিভক্ত যার মধ্যে মধ্যযুগ ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত। - এই যুগে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, বৈষ্ণব পদাবলি এবং বিভিন্ন মঙ্গলকাব্যের মতো বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম রচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রাক-চৈতন্য যুগের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিদর্শন। উদাহরণ ২: গোবিন্দ দাস রচিত বৈষ্ণব পদাবলি। ব্যাখ্যা: তিনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদকর্তা ও কবি হিসেবে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবিন্দ দাস — ইনি মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত বৈষ্ণব পদকর্তা কবি। B) জয়নন্দী — ইনি মধ্যযুগের কবি নন বরং লোকসাহিত্য সংগ্রাহক। C) বড়ু চণ্ডীদাস — ইনি মধ্যযুগের আদি পর্বের কবি। D) জ্ঞানদাস — ইনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদাবলি কবি। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের কবিদের মনে রাখতে গোবিন্দ দাস, চণ্ডীদাস ও জ্ঞানদাসের নামগুলো একসঙ্গে চর্চা করতে পারো। - লোকসাহিত্যের সংগ্রাহক ও মধ্যযুগের মূল ধারার কবিদের পার্থক্য সবসময় মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের কবিদের নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পদাবলি সাহিত্য এবং মঙ্গলকাব্যের কবিদের তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ করা জরুরি।
a দ্বীপ + অয়ন
b দ্বীপ + আয়ন
c দ্বিপ + অনট
d দ্বীপ + অনট
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বীপ + অয়ন ১. কেন সঠিক: দ্বৈপায়ন শব্দটি গঠিত হয়েছে দ্বীপ যোগ অয়ন সন্ধির মাধ্যমে। ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী ই বা ঈ কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে ই বা ঈ স্থানে য ফলা হয় এবং অয়ন শব্দের অ মিলে এই রূপ দাঁড়ায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যেখানে সংস্করণের নিয়ম অনুযায়ী দ্বীপ শব্দের শেষের প এর সাথে থাকা অ এবং অয়ন শব্দের শুরুতে আ যুক্ত হয়ে ঐ কার সৃষ্টি করে। সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন বা দুটি ধ্বনির মিলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইতি + আদি = ইত্যাদি ব্যাখ্যা: এখানে ই কারের পর ভিন্ন স্বর আ থাকার কারণে ই স্থানে য ফলা হয়েছে। উদাহরণ ২: যদি + অপি = যদিঅপি ব্যাখ্যা: এখানে ই কারের সাথে অ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে সন্ধি সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বীপ + অয়ন - এটি সঠিক কারণ নিয়মানুযায়ী দ্বীপ শব্দের সাথে অয়ন যুক্ত হয়ে দ্বৈপায়ন গঠিত হয়। B) দ্বীপ + আয়ন - এটি ভুল কারণ আয়ন শব্দ যোগ করলে দ্বৈপায়ন শব্দ গঠন সম্ভব হয় না। C) দ্বিপ + অনট - এটি ভুল কারণ দ্বিপ বানান এবং অনট প্রত্যয় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) দ্বীপ + অনট - এটি ভুল কারণ অনট প্রত্যয় যুক্ত হলে এই রূপ সাধিত হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: দ্বৈপায়ন শব্দটি ভাঙলে দ্বীপ এবং অয়ন পাওয়া যায়। শব্দের মাঝের ঐ কার থাকলে দ্বীপ শব্দটিকে প্রধান ধরে সন্ধি নির্ধারণ করতে হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী সন্ধিগুলো প্রায়ই আসে। তাই নিয়ম মুখস্থ না করে শব্দের গঠন ভাঙার কৌশল আয়ত্ত করতে হবে।
a মধুমালা
b শেষ প্রশ্ন
c শিউলিমালা
d বাঁধনহারা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিউলিমালা ১. কেন সঠিক: - শিউলিমালা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন বা গল্পগ্রন্থ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন কবির গল্পগ্রন্থ, উপন্যাস ও কাব্যগ্রন্থের নাম আলাদা করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শিউলিমালা কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি জনপ্রিয় গল্পগ্রন্থ যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। - এই গ্রন্থে মোট কয়টি গল্প রয়েছে এবং এর মূল সুর কী, তা সাহিত্য পরীক্ষায় প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যথার দান ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: রিক্তের বেদন ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় গল্পগ্রন্থ যা সাহিত্য বিচারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুমালা — এটি কোনো গল্পগ্রন্থ নয়, বরং এটি একটি জনপ্রিয় বাংলা রোমান্টিক কাব্য বা পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত রচনা। B) শেষ প্রশ্ন — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, কোনো গল্পগ্রন্থ নয়। C) শিউলিমালা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি গল্পগ্রন্থ। D) বাঁধনহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ও পত্রযোগাযোগ বা epistolary পদ্ধতিতে রচিত উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের গল্পগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ব্যথার দান, রিক্তের বেদন এবং শিউলিমালা নামের আবেগঘন ছোটগল্পগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ করা। - উপন্যাসের ক্ষেত্রে বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা নামের তালিকাটি আলাদা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ ব্যথার দান এবং প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস বাঁধনহারা, যা BCS পরীক্ষায় বারবার আসে। - কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, প্রথম উপন্যাস ও প্রথম গল্পগ্রন্থের নামগুলো আলাদা করে একটি তালিকা তৈরি করে পড়া উচিত।
a জয়দেব
b বিদ্যাপতি
c শ্রী চৈতন্যদেব
d চণ্ডীদাস
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যাপতি ১. কেন সঠিক: গোবিন্দ দাস ছিলেন বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান পদকর্তা। তিনি মৈথিলি কবি বিদ্যাপতির ভাবশিষ্য ছিলেন এবং বিদ্যাপতির পদের অনুকরণে ব্রজবুলি ভাষায় বহু পদ রচনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি গোবিন্দ দাস মূলত ১৬ শতকের কবি এবং তিনি রাজত্ব ও রাজসভার সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন। তার রচিত পদসমূহে অলংকার প্রয়োগ ও শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে বিদ্যাপতির প্রভাব অত্যন্ত স্পষ্ট ও গভীর। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোবিন্দ দাসের পদ ব্যাখ্যা: তার পদগুলোতে রাধা কৃষ্ণের প্রেমলীলা এবং বিদ্যাপতিসুলভ ভাব ও সুরের চমৎকার প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: ব্রজবুলি ভাষা ব্যাখ্যা: এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের কথ্য ভাষা নয়, বরং বাংলা ও মৈথিলি ভাষার মিশ্রণে সৃষ্ট সাহিত্যের একটি কৃত্রিম ভাষা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়দেব — জয়দেব সংস্কৃত ভাষার কবি ছিলেন এবং তার গীতগোবিন্দ বৈষ্ণব সাহিত্যের প্রেরণা হলেও গোবিন্দ দাস তার ভাবশিষ্য ছিলেন না। B) বিদ্যাপতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং গোবিন্দ দাস তার ভাবশিষ্য হিসেবে পরিচিত। C) শ্রী চৈতন্যদেব — শ্রী চৈতন্যদেব বৈষ্ণব ধর্মের প্রচারক ও প্রবর্তক ছিলেন, কোনো কাব্যিক ভাবশিষ্যের গুরু নন। D) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের কবি হলেও গোবিন্দ দাস তার ভাবশিষ্য ছিলেন না। ৫. মনে রাখার টিপস: গোবিন্দ দাসের নামের সাথে বিদ্যাপতির ভাবশিষ্য বিষয়টি মনে রাখতে গোবিন্দ ও বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষার জুটি হিসেবে স্মরণ করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনার জন্য বিদ্যাপতি ও গোবিন্দ দাস উভয়েই সর্বাধিক পরিচিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই দুই কবির সম্পর্ক প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a কর্মধারয়
b উপমিত
c ষষ্ঠী তৎপুরুষ
d উপমান
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: আনন্দসূচক অশ্রু বা আনন্দের অশ্রু বোঝাতে আনন্দাশ্রু শব্দটি গঠিত হয়েছে। এখানে আনন্দ এবং অশ্রু দুটি পদের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। কিন্তু যখন বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে বা অভেদ সম্পর্কে কর্মধারয় সমাস হয়, তখন বিশেষ নিয়ম খাটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদরূপ সিন্ধু কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত। উদাহরণ ২: ক্রোনাঞ্চল ব্যাখ্যা: ক্রোধরূপ অনল কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মধারয় — এটি সঠিক কারণ এখানে অভেদ কল্পনায় রূপ কর্মধারয় সমাস সাধিত হয়েছে। B) উপমিত — উপমিত কর্মধারয়ে সাধারণ ধর্মের উল্লেখ থাকে না এবং উপমেয় ও উপমানের তুলনা বোঝায় যা এখানে নেই। C) ষষ্ঠী তৎপুরুষ — ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকে কিন্তু এখানে বিভক্তি লোপের চেয়ে রূপ অর্থ প্রাধান্য পায়। D) উপমান — উপমান কর্মধারয়ে সাধারণ ধর্মের সরাসরি উল্লেখ থাকে যা এই শব্দটিতে অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: রূপ বা দ্বারা অভেদ সম্পর্ক বোঝালে সাধারণ তৎপুরুষ না ভেবে কর্মধারয় সমাস নির্ধারণ করবে। রূপ শব্দটি ব্যাসবাক্যে থাকলে চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় সমাস দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রূপক কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝখানে রূপ শব্দটি থাকা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দ প্রায়ই রূপক কর্মধারয় হিসেবে আসে।
a প্রয়োগভেদে
b অর্থভেদে
c লিঙ্গভেদে
d বচনভেদে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বচনভেদে ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে বচনভেদে বা বিশেষ্যের বচন পরিবর্তনের কারণে ক্রিয়াপদের রূপের কোনো পরিবর্তন হয় না। কর্তার পুরুষ ও কাল ভেদে ক্রিয়ার রূপ বদলালেও বচনের ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদের রূপ অপরিবর্তিত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বাক্যে ক্রিয়াপদ সবসময় কর্তার পুরুষ ও কাল অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। কিন্তু কর্তা একবচন বা বহুবচন যাই হোক না কেন, ক্রিয়ার মূল রূপ একই থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছেলেটি বই পড়ছে এবং ছেলেরা বই পড়ছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ছেলেটি' একবচন এবং 'ছেলেরা' বহুবচন হওয়া সত্ত্বেও ক্রিয়াপদ 'পড়ছে' একই রয়েছে। উদাহরণ ২: পাখি গান গাইছে এবং পাখিরা গান গাইছে। ব্যাখ্যা: এখানে বচন পরিবর্তন হলেও ক্রিয়াপদ 'গাইছে' অপরিবর্তিত রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রয়োগভেদে — প্রয়োগভেদে ক্রিয়ার রূপ ও অর্থ পরিবর্তিত হতে পারে তাই এটি সঠিক নয়। B) অর্থভেদে — অর্থের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে ক্রিয়ার রূপ ও ব্যবহার বদলাতে পারে তাই এটি সঠিক নয়। C) লিঙ্গভেদে — বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গভেদে অনেক ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদের রূপের পরিবর্তন ঘটে তাই এটি ভুল। D) বচনভেদে — বচনভেদে ক্রিয়ার রূপের কোনো পরিবর্তন হয় না বিধায় এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: বচন বদলালে ক্রিয়ার রূপ বদলায় না, কিন্তু পুরুষ ও কাল বদলালে ক্রিয়ার রূপ অবশ্যই বদলায়। এটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পদ প্রকরণ ও ক্রিয়ার রূপ নিয়ে প্রশ্ন আসে। বচনভেদে ক্রিয়ার রূপ অপরিবর্তিত থাকে এই বিষয়টি ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
a বিশেষ্যের বিশেষণ
b বিশেষণ
c বিশেষ্য
d ক্রিয়া বিশেষণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশেষণ ১. কেন সঠিক: - 'লাজ' শব্দটি বিশেষ্য পদ হিসেবে লজ্জার ভাব প্রকাশ করলেও, এটি বাক্যে বিশেষণের কাজ করতে পারে। - বিশেষ করে কাব্যিক বা বিশেষ প্রয়োগে 'লাজ' শব্দটিকে সরাসরি বিশেষণ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ বলে। - বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ রয়েছে যা মূলরূপ বিশেষ্য হলেও ব্যাকরণিক ব্যবহারে বিশেষণ হিসেবে পরিগণিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাজ রাঙা মেঘ ব্যাখ্যা: এখানে 'লাজ' শব্দটি মেঘের অবস্থাকে বিশেষায়িত করেছে, যা বিশেষণ পদের কাজ। উদাহরণ ২: লাজ লতা ব্যাখ্যা: এখানে 'লাজ' শব্দটি বিশেষণের মতো লতার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্যের বিশেষণ — এটি সঠিক নয় কারণ এখানে শব্দটি বিশেষ্যকে বিশেষায়িত না করে সরাসরি গুণ বোঝাচ্ছে। B) বিশেষণ — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী এটি নির্দেশিত। C) বিশেষ্য — 'লাজ' শব্দের সাধারণ অর্থ লজ্জা হলেও এই প্রশ্নে এটিকে বিশেষণ হিসেবে ধরা হয়েছে। D) ক্রিয়া বিশেষণ — এটি সঠিক নয় কারণ শব্দটি ক্রিয়াকে বিশেষায়িত করছে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাব্যিক বা বিশেষ প্রয়োগে অনেক ভাববাচক বিশেষ্য পদ সরাসরি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। - ব্যাকরণ বইয়ের নির্দিষ্ট নিয়মের বাইরে কিছু শব্দ প্রয়োগের ওপর ভিত্তি করে বিশেষণ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপান্তর ও পদ নির্ণয়ের সময় বাক্যে তার ব্যবহার লক্ষ্য করতে হবে। - প্রমিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের কার্যকারিতা বুঝে উত্তর নির্বাচন করা উচিত।
a বিদেশি
b তদ্ভব
c অর্ধ-তৎসম
d দেশি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্ধ-তৎসম ১. কেন সঠিক: - 'গিন্নি' শব্দটি অর্ধ-তৎসম শব্দ কারণ এটি মূল সংস্কৃত শব্দ 'গৃহিণী' থেকে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। - তৎসম শব্দ পুরোপুরি অপরিবর্তিত থাকে এবং তদ্ভব শব্দ সম্পূর্ণ বদলে যায়, আর অর্ধ-তৎসম শব্দ এর মাঝামাঝি অবস্থায় থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সব সংস্কৃত শব্দ সামান্য পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন তৎসম শব্দ বলা হয়। - উচ্চারণ সহজ করার জন্য সংস্কৃত শব্দের এই রূপান্তর ঘটে থাকে এবং এগুলো সাধারণত কথ্য ভাষায় বেশি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত জ্যোৎস্না শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ। উদাহরণ ২: বৈষ্ণব ব্যাখ্যা: বৈষ্ণব শব্দটির অর্ধ-তৎসম বা কথ্য রূপ হলো বোষ্টম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদেশি — গিন্নি শব্দটি কোনো বিদেশি ভাষা যেমন আরবি, ফার্সি বা ইংরেজি থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় আসেনি। B) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ হলো এমন শব্দ যার উৎস প্রাকৃত বা অপভ্রংশ হয়ে সম্পূর্ণ পরিবর্তিত রূপ লাভ করেছে। D) দেশি — দেশি শব্দ হলো অনার্য বা আদিবাসীদের ব্যবহৃত ভাষা থেকে আগত শব্দ, যা গিন্নি শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত শব্দ মুখের ভাষায় বিকৃত হয়ে অর্ধ-তৎসম হয়। - গিন্নি, কুচ্ছিত, বৌমা ইত্যাদি শব্দ দেখলে অর্ধ-তৎসম হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্ধ-তৎসম শব্দ হিসেবে গিন্নি, বৌ, কুচ্ছিত ও শ্রাদ্ধ বহুলভাবে আসে। - মূল সংস্কৃত শব্দটির সঙ্গে তুলনামূলক রূপ মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।
a দুঃখ
b জারি
c অনুতপ্ত
d হর্ষ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হর্ষ কেন সঠিক: ১. 'শোক' শব্দের অর্থ হলো গভীর দুঃখ বা মনস্তপীড়া। এর সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে আনন্দ বা উল্লাস। ২. 'হর্ষ' শব্দের অর্থ আনন্দ বা উল্লাস। তাই ব্যাকরণগতভাবে 'শোক' শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'হর্ষ'। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বিপরীত শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থের শব্দ বর্জন করে বিপরীত ভাবপ্রকাশক শব্দ বেছে নিতে হয়। ২. বাংলা ব্যাকরণে আবেগ ও অনুভূতির ক্ষেত্রে শোকের বিপরীতে হর্ষ শব্দটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ৩. যেমন শোকের বিপরীত হর্ষ, তেমনি আনন্দের বিপরীত বিষাদ বা বেদনা হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুঃখ — এই শব্দটি শোক শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে নয়। B) জারি — এটি একটি বিশেষ ধরনের শোকগীতিকা বা গান, যা শোক শব্দের বিপরীত শব্দ নয়। C) অনুতপ্ত — এই শব্দটির অর্থ নিজের কাজের জন্য লজ্জিত হওয়া, যা শোকের বিপরীত নয়। D) হর্ষ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় ভুল নয়, এটি শোক শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: ১. শোক মানে কান্না আর হর্ষ মানে হাসি। এই সহজ সূত্রটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে ভুল হবে না। ২. শোক ও হর্ষ দুটি অবস্থাই মনের ভাব প্রকাশ করে, যার একটি অন্ধকার দিক এবং অন্যটি আলোর দিক নির্দেশ করে।
a উপভোগ
b উপসাগর
c উপনেতা
d উপগ্রহ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপভোগ ১. কেন সঠিক: - উপসর্গটি ভিন্নার্থে প্রযুক্ত হয়েছে কারণ উপভোগ শব্দে উপ উপসর্গটি সম্যক্ বা বিশেষভাবে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। - অন্যান্য অপশনগুলোতে উপ উপসর্গটি ক্ষুদ্র, সদৃশ বা অধীন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা মূল শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়। - উপ উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে যেমন ক্ষুদ্র অর্থে, সদৃশ অর্থে, অধীন অর্থে এবং সম্যক্ বা বিশেষ অর্থে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপভাষা ব্যাখ্যা: এখানে উপ উপসর্গটি মূল ভাষার অধীন বা আঞ্চলিক রূপ বোঝাতে ক্ষুদ্র বা অপ্রধান অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: উপগ্রহ ব্যাখ্যা: এখানে উপ উপসর্গটি গ্রহের সদৃশ বা ছোট বস্তু বোঝাতে ক্ষুদ্র অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপভোগ — এই শব্দে উপ উপসর্গটি বিশেষ বা সম্যক্ অর্থে যুক্ত হয়েছে যা অন্যান্য অপশন থেকে আলাদা। B) উপসাগর — এই শব্দে উপ উপসর্গটি মূল সাগরের চেয়ে ক্ষুদ্র বা ছোট বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। C) উপনেতা — এই শব্দে উপ উপসর্গটি প্রধান নেতার অধীন বা ছোট পদ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। D) উপগ্রহ — এই শব্দে উপ উপসর্গটি গ্রহের সদৃশ বা ক্ষুদ্র বস্তু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপ উপসর্গ সাধারণত ক্ষুদ্র বা ছোট অর্থে বসে যেমন উপসাগর, উপনেতা, উপগ্রহ। - তবে বিশেষ বা সম্পূর্ণ অর্থে বসলে তা ভিন্নার্থ প্রকাশ করে যেমন উপভোগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে তা প্রায়ই আসে। - শব্দের অর্থ বুঝে উপসর্গ কোন ভাব প্রকাশ করছে তা নির্ধারণ করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a Sunami
b Tsunami
c Tsuname
d Tsanme
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Tsunami কেন সঠিক: জাপানি শব্দ সুনামি বোঝাতে ইংরেজি বানানে শুরুতে একটি নীরব টি অক্ষর ব্যবহার করা হয়। এর সঠিক উচ্চারণ এবং আন্তর্জাতিক প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী Tsunami বানানটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sunami — এখানে জাপানি শব্দের মূল উচ্চারণ ঠিক রাখতে যে শুরুতেই টি অক্ষর দরকার হয় তা বাদ দেওয়া হয়েছে। B) Tsunami — এই অপশনটি সঠিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বানান হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) Tsuname — শব্দের শেষে আই অক্ষরের পরিবর্তে ই অক্ষর ব্যবহার করার কারণে এই বানানটি ভুল হয়েছে। D) Tsanme — শব্দের ভেতরের মূল স্বরবর্ণ পরিবর্তন করে এ এবং ই ব্যবহারের ফলে এটি সম্পূর্ণ ভুল রূপ নিয়েছে। মনে রাখার টিপস: সুনামি লেখার সময় মাথায় রাখবে যে টি এস ইউ এন এ এম আই এই ক্রমানুসারে বানানটি লিখতে হয় এবং শুরুতে একটি অতিরিক্ত টি বসে।
a Monetise
b Demonetisation
c Monetary
d Fiscal
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Monetise কেন সঠিক: Money শব্দটির মূল অর্থ হলো টাকা বা মুদ্রা, যার সঠিক ভার্ব বা ক্রিয়া হলো Monetise যার অর্থ মুদ্রায় রূপান্তর করা। কোনো শব্দকে সাধারণত ভার্ব এ রূপান্তর করতে তার সাথে বিশেষ প্রত্যয় যোগ করা হয় যা এখানে সফলভাবে করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Monetise — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি প্রদত্ত মূল নাউনটির সঠিক ভার্ব রূপ। B) Demonetisation — এটি একটি নাউন রূপ এবং এর অর্থ হলো নোট বাতিলকরণ বা মুদ্রার প্রচলন তুলে নেওয়া। C) Monetary — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ রূপ এবং এর অর্থ হলো আর্থিক বা মুদ্রাসংক্রান্ত। D) Fiscal — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ যা সাধারণত সরকারি কোষাগার বা রাজস্ব সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে আই এস ই বা আই জেড ই বা আইএসজেড যুক্ত থাকলে সাধারণত সেটি ভার্ব বা ক্রিয়া হয়।
a To be born
b To get published
c To publish
d To discover
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) To get published কেন সঠিক: 'Come to light' একটি ইংরেজি idiom যার অর্থ কোনো গোপন বিষয় প্রকাশ পাওয়া বা জনসমক্ষে আসা। কোনো লেখা বা বই প্রকাশিত হলে তা সবার সামনে আসে, তাই এর উপযুক্ত অর্থ প্রকাশিত হওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) To be born — এই অপশনটি জীব জন্ম নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এই ইডিয়মটির রূপক অর্থের সাথে মিলে না। B) To get published — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) To publish — এটি নিজে কোনো কিছু প্রকাশ করার সক্রিয় কাজ বোঝায়, কিন্তু এখানে প্রকাশিত হওয়া বা প্রকাশ পাওয়া অর্থে সঠিক। D) To discover — এর অর্থ কোনো কিছু আবিষ্কার করা, যা কোনো তথ্য বা সত্য প্রকাশ পাওয়ার সাথে পুরোপুরি এক নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু আলোতে (light) আসলে যেমন সবাই দেখতে পায়, তেমনি কোনো গোপন বিষয় বা বই প্রকাশিত (get published) হয়ে সবার সামনে আসাকে 'come to light' বলা হয়।
a latent
b suspecting
c full of
d evident
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) full of কেন সঠিক: 'Devoid' শব্দটির অর্থ হলো বঞ্চিত, শূন্য বা কোনো কিছুহীন। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে 'full of' বা ভরপুর কথাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) latent — এর অর্থ সুপ্ত বা যা লুকিয়ে থাকে, যা 'devoid' শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক নয়। B) suspecting — এর অর্থ সন্দেহপ্রবণ, যা শূন্যতার সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। C) full of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) evident — এর অর্থ স্পষ্ট বা প্রকাশ্য, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়। মনে রাখার টিপস: 'Devoid' মানে খালি এবং 'Full of' মানে ভরা।
a For example
b Next page
c Not sure
d mark well
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) mark well কেন সঠিক: ‘Nota Bene’ একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ বিশেষভাবে লক্ষ্য করা বা ভালো করে মনে রাখা। ইংরেজি পরিভাষায় এর সঠিক অর্থ হলো mark well বা ভালোভাবে চিহ্নিত করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) For example — ল্যাটিন শব্দ ‘Exempli gratia’ বা সংক্ষেপে ‘E.g.’ এর অর্থ উদাহরণস্বরূপ। B) Next page — পরবর্তী পৃষ্ঠার জন্য ইংরেজি পরিভাষায় ‘Turn over’ বা ‘P.T.O.’ ব্যবহার করা হয়। C) Not sure — অনিশ্চিত বা নিশ্চিত নয় এমন অর্থ প্রকাশ করতে এই ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয় না। D) mark well — এটি ‘Nota Bene’ এর আক্ষরিক ও সঠিক ইংরেজি অর্থ, যা কোনো বিশেষ তথ্যের প্রতি নজর কাড়তে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ‘Nota Bene’ এর সংক্ষেপ হলো ‘N.B.’, যা চিঠিতে বা লেখায় গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ের প্রতি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ব্যবহার করা হয়।
a Shakespeare
b Thomas Hardy
c Jane Austen
d Charles Dickens
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Charles Dickens কেন সঠিক: গ্রেট এক্সপেক্টেশনস উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন বিশ্ববিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান যুগের ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্স। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র পিপ এর জীবন সংগ্রাম এবং পামেলা চরিত্রের বিকাশ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উপন্যাসটি প্রথম ১৮৬১ সালে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। এটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি কালজয়ী উপন্যাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakespeare — উইলিয়াম শেক্সপিয়র প্রধানত নাটক এবং সনেট রচনার জন্য বিখ্যাত, কোনো উপন্যাস লেখেননি। B) Thomas Hardy — টমাস হার্ডি টেড অব দ্য ডি আরবারভিলস এর মতো উপন্যাস লিখেছেন, যা এই বই নয়। C) Jane Austen — জেন অস্টিন প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস উপন্যাস লিখে বিখ্যাত হয়েছেন, এটি চার্লস ডিকেন্সের কাজ। D) Charles Dickens — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সাহিত্যে পিপ চরিত্রের নাম পেলেই বুঝতে হবে সেটি চার্লস ডিকেন্সের গ্রেট এক্সপেক্টেশনস উপন্যাস।
a most near
b nearer
c nearest
d more near
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) nearest কেন সঠিক: এখানে কোনো তুলনা করা হচ্ছে না, বরং সব ডাকঘরের মধ্যে সবচেয়ে কাছেরটি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। তাই এখানে সুপারলেটিভ ডিগ্রি বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) most near — নিয়ার শব্দটির সুপারলেটিভ করার জন্য মোস্ট ব্যবহার করা যায় না, এর সাথে ইএসটি যুক্ত করতে হয়। B) nearer — এটি কম্পারেটিভ ডিগ্রি, যা দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করার সময় ব্যবহৃত হয়। C) nearest — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) more near — নিয়ার একটি এক syllable এর শব্দ, তাই এর সাথে মোর ব্যবহার করে কম্পারেটিভ করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: দুই বা ততোধিক বস্তুর মধ্যে নির্দিষ্ট একটিকে সবার চেয়ে সেরা বা কাছাকাছি বোঝাতে সুপারলেটিভ ডিগ্রি এবং দি বা নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে।
a essay
b paragraph
c letter
d application
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) letter কেন সঠিক: ডাকযোগে চিঠি পাঠানোর সময় খামের ওপর নির্দিষ্ট মূল্যের ডাকটিকিট বা স্ট্যাম্প লাগাতে হয়। এটি পোস্টাল সার্ভিসের মাসুল পরিশোধের একটি মাধ্যম। চিঠি বা এনভেলাপের ক্ষেত্রে স্ট্যাম্প বা ডাকটিকিট বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) essay — এটি একটি রচনা, যা শুধু লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় এবং এতে কোনো ডাকটিকিটের প্রয়োজন হয় না। B) paragraph — এটি লেখার একটি অনুচ্ছেদ মাত্র, যা খামে ভরে কোথাও পাঠানোর কোনো ব্যাপার নেই। C) letter — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সঙ্গেই ডাকটিকিট বা স্ট্যাম্প সরাসরি যুক্ত থাকে। D) application — এটি সাধারণত সরাসরি জমা দেওয়া হয় অথবা ডিজিটাল মাধ্যমে পাঠানো হয়, তাই এর জন্য স্ট্যাম্প লাগে না। মনে রাখার টিপস: চিঠি বা লেটার পাঠানোর সময় খামের কোণায় স্ট্যাম্প বা ডাকটিকিট লাগাতে হয়, এটি সব সময় মনে রাখবে।
a against
b into
c for
d with
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) with কেন সঠিক: চার্জ শব্দের সাথে অপরাধের ধরন বোঝাতে সাধারণত উইথ প্রিপজিশন বসে। এখানে খুন করার অপরাধে অভিযুক্ত করা অর্থে উইথ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) against — চার্জ শব্দের পরে অ্যাগেইনস্ট বসে না। B) into — এখানে ভেতর বোঝাতে ইন্টু ব্যবহার করা যায় না। C) for — অপরাধের কারণ বোঝাতে এখানে ফর বসে না। D) with — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: অভিযুক্ত করা অর্থে চার্জ উইথ ফ্রেজটি মনে রাখবে।
a will you
b shan't you
c do you
d isn't it
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) will you কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative sentence বা আদেশসূচক বাক্য এবং এটি মূল verb দ্বারা শুরু হয়ে নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করেছে। নিয়ম অনুযায়ী Imperative sentence-এ আদেশ, নিষেধ বা অনুরোধ বোঝালে tag question-এ সাধারণত will you ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will you — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী Imperative sentence-এর সাথে ব্যবহৃত হয়েছে। B) shan't you — Imperative sentence-এ এই ধরনের negative tag সাধারণত ব্যবহার করা হয় না। C) do you — এটি Present indefinite tense-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) isn't it — এটি কোনো statement-এর সাথে ব্যবহৃত হয়, Imperative sentence-এর সাথে নয়। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence দিয়ে কোনো আদেশ বা নিষেধ বোঝালে চোখ বন্ধ করে will you বসিয়ে দেবে।
a was
b were
c had
d had been
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: বাণীতে অসম্ভব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করতে I wish এর পরে subject যাই হোক না কেন be verb হিসেবে were বসে। এখানে রাজা হওয়ার অবাস্তব কল্পনা বোঝানো হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে were ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি সাধারণ Past Tense এ ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে অবাস্তব ইচ্ছা বোঝাচ্ছে। B) were — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) had — এটি মালিকানা বা অতীত বোঝাতে বসে যা এখানে অর্থসঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) had been — এটি অতীতকালের পূর্ণতা বোঝায় কিন্তু এখানে বর্তমানের কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে। মনে রাখার টিপস: I wish এর পরে অসম্ভব কল্পনা থাকলে সবসময় were বসাবে।
a Antipathy
b Anti Pathetic
c Adversity
d Oppose
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Antipathy কেন সঠিক: Sympathy শব্দের অর্থ সহানুভুতি বা সমবেদনা এবং এর বিপরীত শব্দ বা অ্যান্টিমনি হলো অ্যান্টিপ্যাথি। যার অর্থ হলো তীব্র ঘৃণা বা বিদ্বেষ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Antipathy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ হলো চরম বিরূপতা যা সহানুভুতির সম্পূর্ণ বিপরীত। B) Anti Pathetic — এটি একটি ভুল গঠন এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক শব্দ নয়। C) Adversity — এর অর্থ হলো প্রতিকূলতা বা বিপদ, যা সরাসরি সহানুভুতির বিপরীত নয়। D) Oppose — এটি একটি ভারব বা ক্রিয়াপদ, যার অর্থ বিরোধিতা করা। মনে রাখার টিপস: Sympathy শব্দের শুরুতে Anti যুক্ত করে সহজেই এর বিপরীত শব্দ Antipathy মনে রাখা যায়।
a An Adjective
b Verb
c An Adverb
d A Preposition
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) An Adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'far' শব্দটি 'go' ভার্বটিকে মডিফাই করছে বা তার কাজের দূরত্ব বোঝাচ্ছে। - কোনো Verb, Adjective বা অন্য Adverb-কে বিশেষিত করলে সেই শব্দটিকে Adverb বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) An Adjective — এটি সঠিক নয়, কারণ Adjective কেবল Noun বা Pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে। B) Verb — এটি সঠিক নয়, কারণ Verb দ্বারা কোনো কাজ করা বা হওয়া বোঝায় এবং 'far' কোনো কাজের নাম নয়। C) An Adverb — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Verb-কে মডিফাই করেছে। D) A Preposition — এটি সঠিক নয়, কারণ Preposition-এর পরে সাধারণত কোনো Noun বা Pronoun বসে সম্পর্ক স্থাপন করে, যা এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: Verb-কে কোথায় বা কত দূর ক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে তা দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা সাধারণত Adverb হয়।
a Formula
b Vertex
c Memoranda
d Agendum
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Memoranda কেন সঠিক: - ল্যাটিন ভাষার যেসকল শব্দের শেষে um থাকে, সেগুলোর বহুবচন করতে um উঠিয়ে a যুক্ত করা হয়। - Memorandum শব্দের বহুবচন হলো Memoranda, যা একটি সঠিক বহুবচন রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Formula — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো Formulae বা Formulas। B) Vertex — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো Vertices। C) Memoranda — এটি নিজেই একটি সঠিক বহুবচন শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) Agendum — এটি একটি একবচন শব্দ, যার বহুবচন হলো Agenda। মনে রাখার টিপস: ল্যাটিন শব্দের শেষে um থাকলে a যোগ করে এবং us থাকলে i যোগ করে বহুবচন করতে হয়।
a At the first sight
b Face to face
c Face reading
d Outlook
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ (Idioms and Phrases) সঠিক উত্তর: A) At the first sight কেন সঠিক: - 'Prima facie' একটি লাতিন ফ্রেজ, যার ইংরেজি অর্থ হলো at first view বা at first sight। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ ও আইনি পরিভাষা হিসেবে এর বহুল ব্যবহার দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) At the first sight — এটি সঠিক কারণ ফ্রেজটির আক্ষরিক ও ভাবার্থ প্রথম দর্শনে বা প্রাথমিক বিচারে বোঝায়। B) Face to face — মুখোমুখি বোঝাতে ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, যা মূল লাতিন শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। সি) Face reading — এটি মুখাবয়ব দেখে চরিত্র বা ভাগ্য গণনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সঠিক নয়। ডি) Outlook — এর অর্থ দৃষ্টিভঙ্গি বা বাইরের রূপ, যা কোনো প্রাথমিক বিচার বা দর্শনের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Prima শব্দের মধ্যে First কথাটি লুকিয়ে আছে, আর Facie মানে ফেস বা মুখ, অর্থাৎ প্রথম দেখাতেই যা বোঝা যায়।
a frultarian
b gregarious
c vegetation
d Vegetarian
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Vegetarian কেন সঠিক: এই শব্দটি দ্বারা এমন একজন মানুষকে বোঝানো হয় যিনি সম্পূর্ণ বা প্রধানত শাকসবজি খেয়ে জীবন ধারণ করেন। ইংরেজি ভাষা অনুযায়ী উদ্ভিজ্জ খাবার খাওয়া ব্যক্তিদের এই নির্দিষ্ট নামে অভিহিত করা হয়। এটি মানুষের খাদ্যভ্যাস সংক্রান্ত একটি সঠিক শব্দ। এর মূল শব্দ ভেজেটেবল থেকে এটি এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) frultarian — এই বানানটি ভুল এবং এটি মূলত ফলমূল খেয়ে বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) gregarious — এই শব্দটির অর্থ হলো সমাজপ্রিয় বা যারা দলবদ্ধভাবে থাকতে ভালোবাসে। C) vegetation — এটি কোনো ব্যক্তি নয় বরং উদ্ভিদের সামগ্রিক বিস্তার বা জগতকে বোঝায়। D) Vegetarian — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ভেজেটেবল বা শাকসবজি থেকে ভেজিটেরিয়ান শব্দটি এসেছে, যা শাকাহারী মানুষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a Agamemnon
b Ulysses
c Achilles
d Menelaus
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Menelaus কেন সঠিক: গ্রিক পুরাণে হেলেন ছিলেন স্পার্টার রাজা মেনેલાউসের আইনসম্মত স্ত্রী। ট্রোজান যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটেছিল যখন ট্রয়ের প্রিন্স প্যারিস তাকে অপহরণ করে নিয়ে যান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Agamemnon — তিনি ছিলেন মেনેલાউসের ভাই এবং ট্রয় যুদ্ধে গ্রিক বাহিনীদের প্রধান সেনাপতি। B) Ulysses — তিনি ছিলেন ইথাকার বুদ্ধিমান রাজা যিনি ট্রয় যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। C) Achilles — তিনি ছিলেন গ্রিক পক্ষের সবচেয়ে বীর যোদ্ধা যিনি ট্রয় যুদ্ধে নিহত হন। D) Menelaus — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি হেলেনের বৈধ স্বামী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: মেনેલાউসের স্ত্রী হেলেনকে ঘিরেই বিখ্যাত ট্রোজান যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
a Stidy
b Steedy
c Steady
d Stedy
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Steady কেন সঠিক: এটি একটি বিখ্যাত প্রবচন যার অর্থ ধীরে কিন্তু নিয়মিত চললে সফলতা পাওয়া যায়। এখানে শূন্যস্থানে সঠিক বানান এবং অর্থপূর্ণ বিশেষণ শব্দ বসাতে হবে। Steady শব্দের অর্থ স্থির বা অবিচল, যা প্রবচনের নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Stidy — এটি ইংরেজি ভাষার কোনো সঠিক শব্দ নয় এবং এর কোনো অর্থ নেই। B) Steedy — এটি বানানের একটি ভুল রূপ, সঠিক বানানটিতে ee এর বদলে ea বসে। C) Steady — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য শব্দ। D) Stedy — এটিও ভুল বানান এবং এর গঠন সঠিক শব্দের নিয়মের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বিখ্যাত প্রবচন Slow and steady wins the race মনে রাখতে Steady বানানের বানানটি ভালো করে খেয়াল রাখবে।
a Boswell
b Milton
c Ben Johnson
d Samuel Johnson
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Samuel Johnson কেন সঠিক: ডক্টর স্যামুয়েল জনসন ১৭৫৫ সালে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইংরেজি অভিধান প্রকাশ করেন, যা সাহিত্য জগতে এক বিশাল মাইলফলক ছিল। এই ঐতিহাসিক অভিধানটি তৈরির পেছনে তার একক প্রচেষ্টা এবং দীর্ঘ পরিশ্রমের ইতিহাস রয়েছে। দীর্ঘ প্রায় নয় বছর সময় নিয়ে তিনি একাই এই বিশাল কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Boswell — তিনি জেমস বসওয়েল এবং স্যামুয়েল জনসনের জীবনীকার হিসেবে বিখ্যাত, কোনো অভিধান প্রণেতা নন। B) Milton — জন মিলটন একজন বিশ্ববিখ্যাত ইংরেজ কবি, যিনি প্যারাডাইস লস্ট মহাকাব্য রচনার জন্য পরিচিত। C) Ben Johnson — বেন জনসন একজন প্রখ্যাত ইংরেজ নাট্যকার ও কবি, যিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় নাটক লিখেছেন। D) Samuel Johnson — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনিই প্রথম প্রামাণিক ইংরেজি অভিধানের রচিয়তা। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অভিধানের ক্ষেত্রে এস দিয়ে শুরু স্যামুয়েল জনসনের নাম মনে রাখলে উত্তর দেওয়া সহজ হবে।
a Female Administrator
b Administratess
c Administratrix
d Administrix
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Administratrix কেন সঠিক: Administrator শব্দের মূল ল্যাটিন প্রত্যয় -tor এর পরিবর্তে স্ত্রীবাচক রূপ বোঝাতে -trix যুক্ত করা হয়। এভাবে ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী Administrator শব্দের সঠিক স্ত্রীলিঙ্গ Administratrix গঠিত হয়েছে। অন্যান্য ব্যাকরণগত রূপগুলো ল্যাটিন প্রত্যয়ের নিয়মের সাথে মিলে না। এটি প্রশাসনিক পদের ক্ষেত্রে প্রমিত এবং স্বীকৃত জেন্ডার পরিবর্তন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Female Administrator — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও মূল শব্দের কোনো সুনির্দিষ্ট জেন্ডার পরিবর্তনকারী প্রত্যয় নয়। এটি একটি বর্ণনামূলক রূপ মাত্র। B) Administratess — এই ধরনের কোনো প্রত্যয় ইংরেজি ব্যাকরণে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় না। এটি একটি ভুল গঠন। D) Administrix — বানানটি ভুল কারণ মূল শব্দের শেষের অংশ সঠিকভাবে পরিবর্তন করা হয়নি। সঠিক বানানে trix এর আগে ra যুক্ত থাকে। মনে রাখার টিপস: tor বা sor দিয়ে শেষ হওয়া অনেক ল্যাটিন শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ তৈরির সময় trix যুক্ত করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (20)

a ছয় সমকোণ
b আট সমকোণ
c চার সমকোণ
d তিন সমকোণ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আট সমকোণ প্রদত্ত তথ্য: ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬ ধরি, বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = n সমকোণের এককের সূত্র = (২n − ৪) সমকোণ অতএব, n এর মান ৬ বসিয়ে পাই (২ × ৬ − ৪) সমকোণ সুতরাং, (১২ − ৪) সমকোণ = ৮ সমকোণ উত্তর: আট সমকোণ
a স্থূলকোণ
b সূক্ষ্মকোণ
c সমকোণ
d বিপ্রতীপকোণ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্থূলকোণ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ সমান সমান বাহুদ্বয়কে বাইরের দিকে বর্ধিত করা হয়েছে ধরি, ত্রিভুজের সমান বাহু দুটির সংলগ্ন ভূমি কোণ দুটি সমান প্রতিটি ভূমি কোণের পরিমাণ = ক ডিগ্রি অতএব, ভূমির বাইরের দিকের বর্ধিত কোণ বা বহিস্থ কোণ হবে ১৮০ ডিগ্রি বিয়োগ ক ডিগ্রি যেহেতু ক ডিগ্রি একটি সূক্ষ্মকোণ সুতরাং, ১৮০ ডিগ্রি থেকে কোনো সূক্ষ্মকোণ বিয়োগ করলে মান ৯০ ডিগ্রি অপেক্ষা বেশি হয় উত্তর: স্থূলকোণ
a ২.৫৪ সে.মি.
b ১২ সে.মি.
c ৩০.৪৮ সে.মি.
d কোনোটিই নয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০.৪৮ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার ১ ফুট = ১২ ইঞ্চি ধরি, ১ ফুটের দৈর্ঘ্য সেন্টিমিটারে বের করতে হবে অতএব, ১ ফুটের মান ইঞ্চিতে পরিবর্তন করে পাই ১২ ইঞ্চি প্রতিটি ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার সুতরাং, ১২ × ২.৫৪ = ৩০.৪৮ সেন্টিমিটার উত্তর: ৩০.৪৮ সে.মি.
a ৮০%
b ৩৫%
c ২৫%
d ১৫%
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫% প্রদত্ত তথ্য: ৮টি প্যান্টের বিক্রয়মূল্য ১০টি প্যান্টের ক্রয়মূল্যের সমান ধরি, ১টি প্যান্টের ক্রয়মূল্য = ১ টাকা ১০টি প্যান্টের ক্রয়মূল্য = ১০ টাকা অতএব, ৮টি প্যান্টের বিক্রয়মূল্য = ১০ টাকা ১টি প্যান্টের বিক্রয়মূল্য = ১০ ÷ ৮ টাকা সুতরাং, লাভ = (১০ ÷ ৮) − ১ = ২ ÷ ৮ টাকা শতকরা লাভ = (২ ÷ ৮) × ১০০% = ২৫% উত্তর: ২৫%
a 585
b 470
c 675
d 855
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৩৫ এর পরিবর্তে ৫১০ বা সরাসরি অপশন অনুযায়ী ৫১৮5 (যেহেতু নির্দেশনায় বাংলায় সংখ্যা লিখতে বলা হয়েছে, তাই ৫১৮৫) প্রদত্ত তথ্য: পর পর দশটি সংখ্যা রয়েছে প্রথম পাঁচটি সংখ্যার যোগফল ৫৬০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি হলো ক পরবর্তী সংখ্যাগুলো হলো ক+১, ক+২, এভাবে ক+৯ পর্যন্ত অতএব, প্রথম পাঁচটি সংখ্যার যোগফল = ৫ক + ১০ = ৫৬০ ৫ক = ৫৫০ ক = ১১০ সুতরাং, শেষ পাঁচটি সংখ্যার প্রথম সংখ্যাটি হলো ক+৫ = ১১৫ শেষ পাঁচটি সংখ্যার যোগফল = ৫(১১৫) + ২৫ = ৫৯৫ এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সরাসরি শর্টকাট হিসাব করলে প্রতি ধری ৫ করে বৃদ্ধি পায়, অর্থাৎ ৫×৫ = ২৫ বেশি হয় উত্তর: ৫৬০ + ২৫ = ৫৮৫
a ১০০ ডিগ্রি
b ২৬০ ডিগ্রি
c ৯০ ডিগ্রি
d ৮০ ডিগ্রি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮০ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: ABCD একটি সামান্তরিক সামান্তরিকের কোণ বি সমান ১০০ ডিগ্রি ধরি, সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলো সমান সামান্তরিকের ধারাবাহিক বা সংলগ্ন দুই কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি অতএব, বি কোণ এবং সি কোণ পরস্পর সংলগ্ন কোণ সংলগ্ন কোণ দুটির যোগফল ১৮০ ডিগ্রি সি কোণ সমান ১৮০ ডিগ্রি বিয়োগ বি কোণ সুতরাং, সি কোণ সমান ১৮০ ডিগ্রি বিয়োগ ১০০ ডিগ্রি উত্তর: ৮০ ডিগ্রি
a ব্যাসার্ধ
b জ্যা
c ব্যাস
d পরিধি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্যা প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ওপর অবস্থিত যেকোনো দুটি বিন্দু বিন্দু দুটির সংযোজক রেখাংশের নাম নির্ণয় করতে হবে ধরি, বৃত্তের পরিধির ওপর যেকোনো একটি বিন্দু = ক পরিধির ওপর আরেকটি বিন্দু = খ অতএব, ক ও খ বিন্দু দুটিকে সংযুক্ত করলে একটি রেখাংশ পাওয়া যায় এই রেখাংশটি বৃত্তের পরিধিকে দুটি ভিন্ন বিন্দুতে স্পর্শ করে সুতরাং, বৃত্তের পরিধিস্থ যেকোনো দুটি বিন্দুর সংযোজক রেখাংশকে জ্যা বলা হয় উত্তর: জ্যা
a ৬০ মিটার
b ৯০ মিটার
c ৮৪ মিটার
d ৪৮ মিটার
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮৪ মিটার প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহু তিনটি ১৩ মিটার, ১৪ মিটার ও ১৫ মিটার ধরি, বাহু তিনটি যথাক্রমে a = ১৩ মিটার, b = ১৪ মিটার এবং c = ১৫ মিটার অতএব, অর্ধপরিসীমা s = (১৩ + ১৪ + ১৫) ÷ ২ = ৪২ ÷ ২ = ২১ মিটার সুতরাং, ক্ষেত্রফল = √(২১ × (২১ − ১৩) × (২১ − ১৪) × (২১ − ১৫)) উত্তর: √(২১ × ৮ × ৭ × ৬) = √৭০৫৬ = ৮৪ বর্গমিটার
a ১০০০ বার
b ৩০০০ বার
c ২৫০০ বার
d ৮০০০ বার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮০০০ বার প্রদত্ত তথ্য: চাকার ব্যাস = ১.৬৭ মিটার মোট অতিক্রান্ত পথ = ৪২ কিলোমিটার ধরি, চাকার পরিধি = পাই × ব্যাস মোট পথ মিটার এক প্রকাশ = ৪২ × ১০০০ = ৪২০০ মিটার অতএব, চাকার পরিধি = ৩.১৪১৬ × ১.৬৭ মিটার = ৫.২৫৯৫৭২ মিটার চাকাটি কতবার ঘুরবে = মোট পথ ÷ চাকার পরিধি সুতরাং, মোট ঘোড়ার সংখ্যা = ৪২০০০ ÷ ৫.২৫৯৫৭২ = ৮০০০ বার উত্তর: ৮০০০ বার
a ৯,৮২,০০০ টাকা
b ৯,২৮,০০০ টাকা
c ৯,৬৮,০০০ টাকা
d ৯,৮৮,০০০ টাকা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯,২৮,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: স্ত্রীকে দান করেন ১২% পুত্রকে দান করেন ৫৮% অবশিষ্ট টাকা কন্যাকে দান করেন ৪,৮০,০০০ টাকা ধরি, মোট সম্পদের পরিমাণ = ১০০% অতএব, স্ত্রী ও পুত্রকে মোট দান করলেন = ১২% + ৫৮% = ৭০% কন্যার জন্য অবশিষ্ট রইল = ১০০% − ৭০% = ৩০% এই ৩০% অংশের মূল্যমান = ৪,৮০,০০০ টাকা সুতরাং, মোট সম্পদের পরিমাণ = ৪,৮০,০০০ ÷ ৩০ × ১০০ = ১৬,০০,০০০ টাকা পুত্রের সম্পদের পরিমাণ = ১৬,০০,০০০ × ৫৮ ÷ ১০০ = ৯,২৮,০০০ টাকা উত্তর: ৯,২৮,০০০ টাকা
a 79
b 85
c 82
d 88
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১, ৪, ৭, ১০, এবং এর প্রথম পদ ১ ধরি, ধারայի প্রথম পদ, a = ১ সাধারণ অন্তর, d = ৪ − ১ = ৩ পদের সংখ্যা, n = ২৯ অতএব, আমরা জানি যে, n-তম পদ = a + (n − ১) × d মানগুলো বসিয়ে পাই, ২৯তম পদ = ১ + (২৯ − ১) × ৩ সুতরাং, ২৯তম পদ = ১ + ২৮ × ৩ ২৯তম পদ = ১ + ৮৪ = ৮৫ উত্তর: ৮৫
a 28
b 32
c 20
d কোনোটি নয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৮ প্রদত্ত তথ্য: জাকির জসিমের চেয়ে যত বছরের ছোট, বশিরের চেয়ে ঠিক তত বছরের বড় জসিম ও বশিরের বয়সের সমষ্টি ছাপ্পান বছর ধরি, জাকিরের বয়স ক বছর জসিমের বয়স খ বছর এবং বশিরের বয়স গ বছর অতএব, জসিম − জাকির = জাকির − বশির খ − ক = ক − গ খ + গ = ২ক সুতরাং, খ + গ এর মান ছাপ্পান বসিয়ে পাই, দুই ক সমান ছাপ্পান ক সমান ছাপ্পান ভাগ দুই সমান আটাশ উত্তর: ২৮
a 1600
b 1650
c 1640
d 1680
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬৪০ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল = ১২৩ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = x দ্বিতীয় সংখ্যাটি = x + ১ তৃতীয় সংখ্যাটি = x + ২ অতএব, x + x + ১ + x + ২ = ১২৩ ৩x + ৩ = ১২৩ সুতরাং, ৩x = ১২০ x = ৪০ উত্তর: ছোট বা দ্রুততম দুইটি সংখ্যা হলো ৪০ এবং ৪১ সংখ্যা দুটির গুণফল = ৪০ × ৪১ = ১৬৪০
a ৩ গুণ
b ৪ গুণ
c ৯ গুণ
d ১২ গুণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ গুণ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হলো ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r অতএব, নতুন ব্যাস হলো ৩ গুণ নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৩r) × (৩r) নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r) উত্তর: ৯ গুণ
a 107
b 105
c 99
d 146
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০৭ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো ১০ থেকে ৬০ এর মধ্যে হতে হবে সংখ্যাগুলোর একক স্থানীয় অংক ৯ হতে হবে ধরি, ১০ থেকে ৬০ এর মধ্যে যে সংখ্যাগুলোর একক অংক ৯ সেগুলো হলো ১৯, ২৯, ৩৯, ৪৯ এবং ৫৯ অতএব, এই সংখ্যাগুলোর মধ্যে ১৯, ২৯ এবং ৪৯ হলো মৌলিক সংখ্যা অন্যদিকে ৩৯ এবং ৫৯ এর মধ্যে ৩৯ মৌলিক সংখ্যা নয় কারণ এটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য সুতরাং, মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১৯, ২৯ এবং ৪৯ উত্তর: ১৯ + ২৯ + ৪৯ = ১০৭
a 5.95
b 7.48
c 12.68
d 7.68
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭.৬৮ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটির প্রথম পদ = ০.০৩ ধারাটির দ্বিতীয় পদ = ০.১২ ধারাটির তৃতীয় পদ = ০.৪৮ ধরি, প্রথম পদ (ক) = ০.০৩ সাধারণ অনুপাত (র) = ০.১২ ÷ ০.০৩ = ৪ পদের সংখ্যা (ন) = ৫ অতএব, গুণোত্তর ধারার সূত্র অনুযায়ী পঞ্চম পদ = ক × (র এর পাওয়ার (ন − ১)) পঞ্চম পদ = ০.০৩ × (৪ এর পাওয়ার (৫ − ১)) সুতরাং, পঞ্চম পদ = ০.০৩ × (৪ এর পাওয়ার ৪) পঞ্চম পদ = ০.০৩ × ২৫৬ = ৭.৬৮ উত্তর: ৭.৬৮
a 6
b 4
c 5
d 3
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি ৩ এবং মান নির্ণয় করতে হবে ৮১ এর ধরি, লগ ৩ ভিত্তিক ৮১ সমান ক অতএব, ৩ এর ওপর ঘাত ক বসালে মান হয় ৮১ সুতরাং, ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ সমান ৮১ উত্তর: ৪
a ৮টি
b ৯টি
c ১০টি
d ১১টি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০টি প্রদত্ত তথ্য: ১ হতে ৩০ এর পর্যন্ত সংখ্যাসমূহ বিবেচনা করতে হবে ধরি, মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয় অতএব, ১ থেকে ১০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭ ১১ থেকে ২০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯ সুতরাং, ২১ থেকে ৩০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২৩, ২৯ উত্তর: মোট মৌলিক সংখ্যার পরিমাণ হলো ১০টি
a ২৫ জন
b ১৫ জন
c ১০ জন
d ৫ জন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ জন প্রদত্ত তথ্য: আমের মোট সংখ্যা = ১২৫টি লিচুর মোট সংখ্যা = ১৪৫টি ধরি, বালকের সংখ্যা হবে ১২৫ এবং ১৪৫ এর সাধারণ গুণনীয়ক অতএব, ১২৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৫, ২৫ এবং ১২৫ ১৪৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৫, ২৯ এবং ১৪৫ সুতরাং, ১২৫ ও ১৪৫ এর গসাগু হবে ৫, যা দিয়ে সমান ভাগে ভাগ করা যায় উত্তর: ৫ জন
a ৬০ মিটার
b ৫০ মিটার
c ৪০ মিটার
d ৩০ মিটার
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তকার ঘরের ক্ষেত্রফল = ২১৬ বর্গ মিটার দৈর্ঘ্য বিস্তারের দেড়গুণ ধরি, ঘরের বিস্তার = ক মিটার ঘরের দৈর্ঘ্য = ১.৫ গুণ ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = ক × ১.৫ গুণ ক = ২১৬ বর্গ মিটার ১.৫ গুণ ক এর ওপর বর্গ = ২১৬ বর্গ মিটার ক এর ওপর বর্গ = ২১৬ ÷ ১.৫ = ১৪৪ সুতরাং, বিস্তার ক = ১২ মিটার দৈর্ঘ্য = ১২ × ১.৫ = ১৮ মিটার উত্তর: পরিসীমা = ২ × (১৮ + ১২) = ৬০ মিটার

মোট প্রশ্ন (17)

a 4
b 5
c 1
d 6
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 4 কেন সঠিক: - এসডিজি (SDG) এর চতুর্থ লক্ষ্যমাত্রা হলো সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা। - এটি জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ১৭টি অঙ্গীকারের অন্যতম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সূচক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4 — এটি সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) 5 — এটি জেন্ডার সমতা অর্জন এবং সকল নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই শিক্ষার লক্ষ্য নয়। C) 1 — এটি বিশ্বব্যাপী সব ধরনের দারিদ্র্য দূরীকরণের লক্ষ্য নির্দেশ করে, শিক্ষার সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) 6 — এটি সবার জন্য নিরাপদ পানি ও টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্য, শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষার ইংরেজি এডুকেশন শব্দটি চার অক্ষরের নয়, তবে এসডিজি তালিকায় শিক্ষা চার নম্বর লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
a সুইজারল্যান্ড
b পূর্ব তিমুর
c ফিলিস্তিন
d দক্ষিণ সুদান
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) দক্ষিণ সুদান কেন সঠিক: - দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালের ৯ জুলাই সুদান থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং একই বছরের ১৪ জুলাই জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্য দেশ হিসেবে যুক্ত হয়। - এটিই বর্তমানে জাতিসংঘের সর্বশেষ বা নবীনতম সদস্য রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুইজারল্যান্ড — এটি জাতিসংঘের ১৯০তম সদস্য দেশ এবং ২০০২ সালে সংস্থাটিতে যোগদান করে। B) পূর্ব তিমুর — এটি ২০০২ সালে জাতিসংঘের ১৯১তম সদস্য দেশ হিসেবে যোগদান করে। C) ফিলিস্তিন — এটি জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয়, বরং বর্তমান সময়ে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে। D) দক্ষিণ সুদান — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং এটিই জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: সবশেষ দেশ দক্ষিণ, তাই জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র হলো দক্ষিণ সুদান।
a ১৮ বছর
b ১৪ বছর
c ১৬ বছর
d ১২ বছর
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১৪ বছর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুযায়ী চৌদ্দ বছরের নিচে কোনো শিশুকে কাজে নিয়োগ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। - এটি শিশুশ্রম রোধ এবং তাদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষার জন্য নির্ধারিত আইনি বয়সসীমা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ বছর — এটি সাবালকত্ব অর্জনের এবং সাধারণ ভোটার হওয়ার বয়স, শ্রম আইনের প্রাথমিক শিশুশ্রম নিষিদ্ধকরণের বয়সসীমা নয়। B) ১৪ বছর — এটি বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী শিশুদের শ্রমে নিয়োগের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ সর্বনিম্ন বয়সসীমা। C) ১৬ বছর — এটি বাংলাদেশের শ্রম আইনে কিশোর শ্রমিকদের হালকা কাজ বা নির্দিষ্ট শর্তে কাজ করার বয়সসীমা, তবে এর নিচে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ। D) ১২ বছর — এটি শিশুদের শ্রমে নিয়োগ নিষিদ্ধকরণের ক্ষেত্রে সঠিক আইনি বয়সসীমা নয়, শ্রম আইনে বয়স চৌদ্দ বছর নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: চৌদ্দ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের স্কুলে যাওয়ার বয়স, কারখানায় কাজের নয়।
a জিম্বাবুয়ে
b কাতার
c ভেনিজুয়েলা
d দুবাই
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জিম্বাবুয়ে কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও মুদ্রাস্ফীতির সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী জিম্বাবুয়ে বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ মুদ্রাস্ফীতির দেশ। - অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং মুদ্রার অবমূল্যায়নের কারণে দেশটিতে এই উচ্চ হার বজায় রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিম্বাবুয়ে — এটি বর্তমান তালিকার দ্বিতীয় শীর্ষ মুদ্রাস্ফীতির দেশ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) কাতার — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি অত্যন্ত ধনী ও স্থিতিশীল অর্থনীতি এবং এখানে মুদ্রাস্ফীতির হার অনেক কম। C) ভেনিজুয়েলা — অতীতে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতিতে শীর্ষে থাকলেও সাম্প্রতিক তথ্যে এটি পরিবর্তনশীল এবং এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে দ্বিতীয় নয়। D) দুবাই — এটি কোনো দেশ নয়, বরং সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি উন্নত শহর এবং আমিরাতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বেশ স্থিতিশীল। মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় মুদ্রাস্ফীতি মানেই জিম্বাবুয়ে, যা একটি আফ্রিকান রাষ্ট্র।
a ৪ মার্চ, ১৯৭২
b ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
c ২৬ মার্চ, ১৯৭২
d ৩ মার্চ ১৯৭২
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ মার্চ, ১৯৭২ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ বাংলাদেশের প্রথম কাগজের নোট ও মুদ্রা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। - এই দিনটিতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম এক টাকার নোট প্রচলন করে এবং পাকিস্তানি মুদ্রার প্রচলন আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ মার্চ, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা বা কাগজের নোট চালুর সঠিক তারিখ। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকী, মুদ্রা চালুর তারিখ নয়। C) ২৬ মার্চ, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রথম বার্ষিকী, মুদ্রা চালুর তারিখ নয়। D) ৩ মার্চ ১৯৭২ — এটি ভুল তারিখ, কারণ মুদ্রা আনুষ্ঠানিকভাবে পরের দিন ৪ মার্চ চালু করা হয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঠিক তিন মাস পর ১৯৭২ সালের মার্চ মাসের চার তারিখে বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা হাতে পায় জনগণ।
a হাইড্রোজেন
b নাইট্রোজেন
c অক্সিজেন
d সিএফসি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিএফসি কেন সঠিক: - সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বন বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে রেখে গ্রিনহাউস প্রভাবে সরাসরি ভূমিকা রাখে। - এটি ওজোন স্তর ধ্বংসের পাশাপাশি বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য একটি অত্যন্ত শক্তিশালী গ্যাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইড্রোজেন — এটি একটি অত্যন্ত হালকা ও দহনশীল গ্যাস যা গ্রিনহাউস গ্যাসের অন্তর্ভুক্ত নয়। B) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হলেও তাপ ধরে রাখার ক্ষমতা না থাকায় গ্রিনহাউস গ্যাস নয়। C) অক্সিজেন — এটি জীবের প্রাণধারণের জন্য অপরিহার্য হলেও গ্রিনহাউস গ্যাসের তালিকায় পড়ে না। D) সিএফসি — এটি তাপ আটকে রাখতে সাহায্য করে এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের সমস্ত বৈশিষ্ট্য বহন করে। মনে রাখার টিপস: প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো মনে রাখার জন্য সিএফসি (CFC), কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং জলীয় বাষ্পের নামগুলো বারবার চর্চা করবে।
a এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
b (ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ
c সৈয়দ নজরুল ইসলাম
d এম. মনসুর আলী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাজউদ্দীন আহমদ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারে তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করা হয়। - তিনি একই সঙ্গে যুদ্ধকালীন সরকারের সফল পরিচালনা এবং দেশের প্রথম বাজেট প্রণয়নের দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান — তিনি প্রথম সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন, অর্থমন্ত্রী ছিলেন না। B) (ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ — এটিই সঠিক উত্তর, তিনি বাংলাদেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী ছিলেন। C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি প্রথম সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। D) এম. মনসুর আলী — তিনি প্রথম সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন না, পরবর্তীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার নেতৃত্ব ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মূল দায়িত্ব যিনি নিয়েছিলেন, সেই তাজউদ্দীন আহমদই হলেন দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী।
a পার্লামেন্ট
b ডায়েট
c নেসেট
d সিনেট
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নেসেট কেন সঠিক: - ইসরাইলের আইনসভার বা পার্লামেন্টের আনুষ্ঠানিক নাম নেসেট। - হিব্রু ভাষায় নেসেট শব্দের অর্থ হলো সমাবেশ বা সভা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার্লামেন্ট — এটি নির্দিষ্ট কোনো দেশের আইনসভার নাম নয়, বরং এটি আইনসভার সাধারণ ইংরেজি পরিভাষা। B) ডায়েট — এটি জাপানের আইনসভার নাম, ইসরাইলের আইনসভার নাম নয়। C) নেসেট — এটি ইসরাইলের আইনসভার সঠিক নাম, যা প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর। D) সিনেট — এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের আইনসভার উচ্চকক্ষকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: ইসরাইলের আইনসভার নাম মনে রাখতে মনে রাখুন, ইসরাইলিরা নেচে নেচে আইন তৈরি করে, অর্থাৎ নেসেট।
a মোস্তফা জাব্বার
b কামরুল হাসান
c মইনুল ইসলাম
d সব্যসাচী হাজরা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) সব্যসাচী হাজরা কেন সঠিক: - ২০২০ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পালিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর বা মুজিববর্ষের লোগোটি তিনি ডিজাইন করেছিলেন। - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লোগো বাছাই কমিটি উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তাঁর ডিজাইনটি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোস্তফা জাব্বার — তিনি প্রযুক্তিবিদ ও রাজনীতিবিদ, এই লোগোর নকশাকার নন। B) কামরুল হাসান — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও পটুয়া, যিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ের প্রতীকী পোস্টার ডিজাইন করেছিলেন। C) মইনুল ইসলাম — তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌদের মূল স্থপতি, মুজিববর্ষের লোগোর ডিজাইনার নন। D) সব্যসাচী হাজরা — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরের লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সবাই যখন শতবর্ষের লোগো নিয়ে ব্যস্ত, তখন সব্যসাচী হাজরা তা এঁকে দিলেন।
a ময়মনসিংহ
b রাঙামাটি
c দিনাজপুর
d চট্টগ্রাম
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাঙামাটি কেন সঠিক: - আয়তনের দিক থেকে রাঙামাটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা যার আয়তন প্রায় ৬১১৬ বর্গকিলোমিটার। - পার্বত্য চট্টগ্রামে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিকভাবে এর আয়তন অন্য জেলার তুলনায় সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ — এটি একটি বিভাগীয় শহর ও জেলা হলেও আয়তনে রাঙামাটির চেয়ে অনেক ছোট। B) রাঙামাটি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের আয়তনে বৃহত্তম জেলা। C) দিনাজপুর — এটি উত্তরাঞ্চলের একটি বড় জেলা হলেও আয়তনের দিক থেকে বৃহত্তম নয়। D) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দরনগরী ও বিভাগীয় জেলা হলেও আয়তনে রাঙামাটির চেয়ে ছোট। মনে রাখার টিপস: আয়তনে বড় জেলা মনে রাখতে রাঙামাটি নামটি সবার আগে মাথায় রাখবে।
a ৬.৫০০ কি. মি.
b ৯,০১০ কি. মি.
c ৮,৮৫০ কি. মি.
d ৭,৮১০ কি. মি.
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) ৮,৮৫০ কি. মি. কেন সঠিক: - চীনের স্টেট ব্যুরো অব সার্ভেিয়িং অ্যান্ড ম্যাপিংয়ের তথ্য অনুযায়ী প্রাচীন ও নতুন দেয়াল মিলিয়ে চীনের মহাপ্রাচীরের অফিসিয়াল দৈর্ঘ্য ৮,৮৫০ কিলোমিটার। - এটি মূলত উত্তর চীনের সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন রাজবংশের শাসনামলে নির্মিত প্রাচীন দুর্গ ও প্রাচীরের সমষ্টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬,৫০০ কি. মি. — এটি মহাপ্রাচীরের মূল বা প্রথাগত ধারণার দৈর্ঘ্য হলেও আধুনিক ও নির্ভুল পরিমাপে তা সঠিক নয়। B) ৯,০১০ কি. মি. — এই সংখ্যাটি মহাপ্রাচীরের মোট দৈর্ঘ্য বা অন্য কোনো ঐতিহাসিক পরিমাপের সাথে মিললেও এই প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত সঠিক মান নয়। C) ৮,৮৫০ কি. মি. — এটি সরাসরি সঠিক উত্তরের অপশন, তাই এটিই সঠিক। D) ৭,৮১০ কি. মি. — এই মাপটি চীনের মহাপ্রাচীরের প্রকৃত সরকারি দৈর্ঘ্য পরিমাপের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: চীনের মহাপ্রাচীরের দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি আট হাজার আটান্ন শ (৮৮৫০) কিমি এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a 1972
b 1971
c 1991
d 1975
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1972 কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর করা হয়। - এই সংবিধানের মাধ্যমেই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সংসদীয় গণতন্ত্র বা মন্ত্রীপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1972 — এই সালে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণীত হয় এবং সংসদীয় গণতন্ত্র চালু করা হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) 1971 — এই সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে এবং ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকার গঠিত হলেও সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন হয়নি। C) 1991 — এই সালে বাংলাদেশে দীর্ঘ সামরিক শাসনের পর দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে পুনরায় সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন করা হয়, প্রথম প্রবর্তন নয়। D) 1975 — এই সালে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় পদ্ধতি বাতিল করে বাকশাল তথা রাষ্ট্রপতিশাসিত শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঠিক পরের বছর ১৯৭২ সালে দেশ পরিচালনার জন্য সংবিধান তৈরি হয় এবং তখনই প্রথম সংসদীয় গণতন্ত্র চালু হয়।
a মিশরীয়
b পারস্য
c চৈনিক
d মোসোপটেমীয়
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মোসোপটেমীয় কেন সঠিক: - মেসোপটেমিয়া সভ্যতা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠে এবং খ্রিষ্টপূর্ব চার হাজার অব্দে এর সূচনা হয়। - লিখিত ইতিহাস ও নগর সভ্যতার সূচনার দিক থেকে এটিই বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশরীয় — নীল নদের তীরে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা মেসোপটেমীয় সভ্যতার ঠিক পরেই খ্রিষ্টপূর্ব তিন হাজার অব্দে বিকশিত হয়। B) পারস্য — বর্তমান ইরানের ভূখণ্ডে এই সভ্যতা গড়ে ওঠে এবং তা মেসোপটেমীয় সভ্যতার অনেক পরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। C) চৈনিক — হোয়াংহো নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই প্রাচীন সভ্যতা মেসোপটেমিয়ার পরে খ্রিষ্টপূর্ব দুই হাজার অব্দে আত্মপ্রকাশ করে। D) মোসোপটেমীয় — এটিই প্রাচীনতম সভ্যতা হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে পুরনো বা প্রথম সভ্যতা মনে রাখতে 'ম' দিয়ে মেসোপটেমিয়া এবং 'ম' দিয়ে প্রথম মনে রাখতে পারেন।
a 10
b ৭(১)
c 27
d ২১(১)
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭(১) কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের ১ নং দফায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। - এই অনুচ্ছেদটির মাধ্যমে বাংলাদেশের শাসনক্ষমতার মূল উৎস এবং মালিকানা জনগণের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 10 — এই অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীতের সুর ও শব্দের বিষয়ে বলা হয়েছে, যা ক্ষমতার মালিকানার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ৭(১) — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের ক্ষমতার উৎস জনগণ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। C) 27 — এই অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা বলা হয়েছে, যা ক্ষমতার মালিকানা সংক্রান্ত নয়। D) ২১(১) — এই অনুচ্ছেদে সব সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কর্তব্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সাত নম্বর অনুচ্ছেদের প্রথম দফায় সাত কোটি মানুষের ক্ষমতা বা জনগণের ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে।
a 140
b 139
c 133
d 135
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 133 কেন সঠিক: - জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি প্রকাশিত মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০২০ অনুযায়ী বাংলাদেশ এই অবস্থান অর্জন করেছিল। - স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং মাথাপিছু আয়ের মানের ওপর ভিত্তি করে এই সূচক প্রস্তুত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 140 — এই সংখ্যাটি উক্ত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সঠিক অবস্থান নির্দেশ করে না। B) 139 — এটি ২০২০ সালের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল না। C) 133 — এটি মানব উন্নয়ন সূচক ২০২০ অনুযায়ী বাংলাদেশের সঠিক অবস্থান। D) 135 — এই র‍্যাংকটি ২০২০ সালের প্রতিবেদনে অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল। মনে রাখার টিপস: মানব উন্নয়ন সূচক ২০২০ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৩ তম।
a ৩টি
b ৫টি
c ৪টি
d ২টি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট দুটি বিভাগে বিভক্ত, যার একটি আপিল বিভাগ এবং অন্যটি হাইকোর্ট বিভাগ। - সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের এই দুটি বিভাগ গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টে তিনটি বিভাগ নেই, কারণ সংবিধানে মাত্র দুটি বিভাগের কথা বলা হয়েছে। B) ৫টি — ৫টি বিভাগ কোনো আইনি বা সাংবিধানিক কাঠামোর ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের অংশ নয়। C) ৪টি — বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগ ৪টি নয়, বরং সুপ্রিম কোর্টের বিভাগ বোঝাতে এই সংখ্যাটি সঠিক নয়। D) ২টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে গঠিত। মনে রাখার টিপস: সুপ্রিম কোর্টের সিড়ি বা ধাপ মনে রাখুন দুটি, একটি আপিল বিভাগ এবং অন্যটি হাইকোর্ট বিভাগ।
a মালদ্বীপ
b নেপাল
c ভুটান
d শ্রীলংকা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মালদ্বীপ কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে মালদ্বীপের জনসংখ্যা সবচেয়ে কম, যা প্রায় পাঁচ লক্ষের কাছাকাছি। - দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আয়তন এবং জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই মালদ্বীপ সবচেয়ে ছোট রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালদ্বীপ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর জনসংখ্যা প্রদত্ত অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে কম। B) নেপাল — এর জনসংখ্যা প্রায় তিন কোটির বেশি, যা মালদ্বীপের তুলনায় অনেক বেশি। C) ভুটান — এর জনসংখ্যা প্রায় আট লক্ষের বেশি, যা মালদ্বীপের জনসংখ্যার চেয়ে বেশি। D) শ্রীলংকা — এর জনসংখ্যা প্রায় দুই কোটির বেশি, যা এই তালিকার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। মনে রাখার টিপস: দক্ষিণ এশিয়ার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে মালদ্বীপ হলো জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ।