বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (ট্রেইনি জেনারেল) (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (98)

a বিভীষিকা
b বীভিষীকা
c বিভিষীকা
d বীভীষীকা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিভীষিকা কেন সঠিক: - এই শব্দটিতে প্রথমে হ্রস্ব ই-কার এবং পরে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। - শব্দটির শেষাংশে ক যুক্ত ই-কার রয়েছে, যা এর সঠিক গঠন নিশ্চিত করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান নিয়মের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের সঠিক রূপ অনুসরণের কারণে এটি বিভীষিকা লেখা হয়। - এই শব্দের শুরুতে বিভী এবং শেষে শিকা অংশ সঠিকভাবে যুক্ত হয়ে মূল রূপ লাভ করেছে। - সঠিক বানানের অন্য একটি উদাহরণ যেমন পতিযোগিতা বা নিরীক্ষণ বানানের নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: - B) বীভিষীকা — এখানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার এবং মধ্যবর্তী বর্ণে ভুল ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। - C) বিভিষীকা — এখানে সঠিক দীর্ঘ ঈ-কার ও মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। - D) বীভীষীকা — এখানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার এবং শেষাংশে অতিরিক্ত ঈ-কার দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: - প্রথমে ছোট ই, মাঝখানে বড় ঈ এবং শেষে শ-এর সাথে ছোট ই-কার যুক্ত করে বিভীষিকা মনে রাখতে হবে।
a বিপরীত
b নিকৃষ্ট
c অভাব
d বিকৃত
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিপরীত কেন সঠিক: ১. 'অপমান' শব্দটি 'মান' শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে থাকে। ২. এখানে 'অপ' উপসর্গটি মূল শব্দের বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে যুক্ত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে 'অপ' একটি অত্যন্ত পরিচিত তৎসম উপসর্গ। ২. উপসর্গটি বিশেষ বিশেষ শব্দে বিপরীত, অভাব কিংবা নিকৃষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। ৩. যেমন মান শব্দের সঙ্গে অপ যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক অপমান শব্দটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপরীত — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে উপসর্গটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। B) নিকৃষ্ট — এই অর্থে অপ উপসর্গটি অন্য শব্দে ব্যবহৃত হতে পারে কিন্তু এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অভাব — এই অর্থে অপ উপসর্গটি ব্যবহার করা হয় না। D) বিকৃত — এই অর্থেও এখানে উপসর্গটি ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ১. মান মানে সম্মান আর অপমান মানে অসম্মান বা বিপরীত কিছু। ২. বিপরীত অর্থ বুঝতে অপ উপসর্গযুক্ত শব্দের গঠন ভালো করে খেয়াল রাখবে।
a তৎপুরুষ সমাস
b দ্বন্দ্ব সমাস
c বহুব্রীহি সমাস
d কর্মধারয় সমাস
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্মধারয় সমাস ১. কেন সঠিক: - মৌমাছি শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো মৌ সংগ্রহকারী মাছি, যেখানে কর্মধারয় সমাসের নিয়მ অনুসারে মধ্যপদ লোপ পেয়েছে। - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝানো হয় এবং এখানে মৌমাছি বলতে বিশেষ এক প্রকার মাছির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে কর্মধারয় সমাস হয়। - মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যস্থিত পদ সম্পূর্ণভাবে লোপ পেয়ে নতুন পদ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জয়পতাকা ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো জয়ের সূচক পতাকা, যা মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের অপর একটি চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: পলান্ন ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো পোলানো বা মাংস মিশ্রিত অন্ন, যেখানে মধ্যপদ লোপ পেয়ে কর্মধারয় সমাস সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎপুরুষ সমাস — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু মৌমাছি তৎপুরুষের নিয়মে গঠিত নয়। B) দ্বন্দ্ব সমাস — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, কিন্তু মৌমাছি শব্দে উভয়ের অর্থ আলাদাভাবে প্রধান নয়। C) বহুব্রীহি সমাস — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর বাইরে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কর্মধারয় সমাস — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের প্রমিত উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সমস্ত সমাসে ব্যাসবাক্য প্রসারিত করলে মাঝখানে সংজ্ঞাপক বা নির্দেশক পদ থাকে এবং সমাসবদ্ধ পদে তা উধাও হয়, তা সাধারণত মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পতঙ্গ বা প্রাণীবাচক মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস প্রায়ই আসে। - মৌমাছি এবং ঘরাময় (ঘর বানানোর মিস্ত্রি) শব্দ দুটি এই নিয়মের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a তৎসম
b ফরাসি
c তদ্ভব
d পর্তুগিজ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তৎসম কেন সঠিক: - 'বিমান' শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - সংস্কৃত ভাষায় এই শব্দটির রূপ অপরিবর্তিত থেকে বাংলাতেও একইভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। - প্রাচীন ও আধুনিক বাংলা সাহিত্যে তৎসম শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত ব্যাপক। - এই জাতীয় শব্দের মধ্যে চন্দ্র, সূর্য, নদী, বিমান ইত্যাদি শব্দ উল্লেখযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) তৎসম — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। - B) ফরাসি — ফরাসি শব্দগুলো সাধারণত প্রশাসনিক বা বাণিজ্য সংক্রান্ত হয় যেমন কার্তুজ, কুপন। - C) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দগুলো প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে এসেছে কিন্তু বিমান সরাসরি সংস্কৃত থেকে এসেছে। - D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ শব্দগুলো মূলত দৈনন্দিন ব্যবহারের বস্তু যেমন আনারস, চাবি, সাবান। মনে রাখার টিপস: - আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অনেক সংস্কৃত মূলক শব্দ তৎসম হিসেবে গণ্য হয়।
a দীন চণ্ডীদাস
b দ্বিজ চণ্ডীদাস
c বড়ু চণ্ডীদাস
d চণ্ডীদাস
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বড়ু চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ভনিতায় রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বর্ণনাকারী হিসেবে অনন্ত বড়ু চণ্ডীদাসের নাম পাওয়া যায়। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত এই কাব্যের মূল রচয়িতা হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাসকেই প্রামাণিক বলে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বসন্তপুর গ্রামের এক গোয়ালঘরের মাচা থেকে আবিষ্কার করেন। - কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের শ্রীরাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদাবলি ও নাট্যগীতিকা ধারার অন্যতম প্রধান সংযোজন এবং এটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের জন্মখণ্ড। ব্যাখ্যা: কাব্যের বারোটি খণ্ডের মধ্যে জন্মখণ্ড একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা রাধা ও কৃষ্ণের জন্মসংক্রান্ত কাহিনি নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যের চরিত্র মূলত তিনটি যথা রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দীন চণ্ডীদাস — দীন চণ্ডীদাস নামে মধ্যযুগে কোনো পদকর্তা ছিলেন এবং তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন রচনা করেননি। B) দ্বিজ চণ্ডীদাস — দ্বিজ চণ্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা নন, তিনি শ্রীকৃষ্ণসারগর্ভ বা অন্যান্য পদের সঙ্গে যুক্ত। D) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস কোনো একক ব্যক্তির নাম নয় বরং মধ্যযুগে একাধিক চণ্ডীদাস পদ রচনা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বড়ু চণ্ডীদাস মানেই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন এবং এটি আবিষ্কার করেছিলেন বসন্তরঞ্জন রায়। - মধ্যযুগের আদি নিদর্শন মনে রাখতে বড়ু চণ্ডীদাসের নামটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৯ সালে এবং এটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস থেকে বারবার এই প্রশ্নটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a ঐতিহাসিক
b ইতিহাসবেত্তা
c ইতিহাস রচয়িতা
d ইতিহাসঙ্গ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইতিহাসবেত্তা ১. কেন সঠিক: - ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ বা বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিকে এককথায় ইতিহাসবেত্তা বলা হয়। - এখানে বেত্তা শব্দের অর্থ বিজ্ঞ, অভিজ্ঞ বা জানেন যিনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - কোনো বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমকে বাক্য সংকোচন বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইতিহাস রচনা করেন যিনি ব্যাখ্যা: এটি এককথায় প্রকাশে ইতিহাস রচয়িতা হয়। উদাহরণ ২: তত্ত্ব জানেন যিনি ব্যাখ্যা: এটি এককথায় প্রকাশে তত্ত্বজ্ঞ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঐতিহাসিক — এটি দ্বারা ইতিহাস সম্পর্কিত কোনো ঘটনা বা স্থানকে বোঝায়, অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নয়। B) ইতিহাসবেত্তা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। C) ইতিহাস রচয়িতা — এটি ইতিহাস লেখেন যিনি তাকে বোঝায়, গবেষণায় অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নয়। D) ইতিহাসঙ্গ — এই ধরনের কোনো প্রমিত শব্দ বাংলা ভাষায় সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বেত্তা শব্দের অর্থ যিনি জানেন বা বিশেষজ্ঞ। - তাই ইতিহাসের বিশেষজ্ঞ হলে ইতিহাসবেত্তা হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - শব্দের অর্থ বুঝতে পারলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a মাহেনও
b সওগাত
c ধূমকেতু
d কালিকলম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধূমকেতু ১. কেন সঠিক: - ধূমকেতু হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা। - ১৯২২ সালের ১২ আগস্ট এই পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান পরিচালক ছিলেন স্বয়ং কাজী নজরুল ইসলাম নিজে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি কবিতা, গান ও সাংবাদিকতার মাধ্যমে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন। - ধূমকেতু পত্রিকার প্রথম পাতার উদ্বোধনী সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আশীর্বাণী সংবলিত কবিতা এবং নজরুলের বিখ্যাত আনন্দময়ীর আগমন গান প্রকাশিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাঙল পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত আরেকটি প্রগতিশীল ও শ্রমিক কৃষকের অধিকারভিত্তিক সাপ্তাহিক পত্রিকা। উদাহরণ ২: নবযুগ পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি এ কে ফজলুল হকের সাথে যৌথভাবে কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত একটি প্রখ্যাত সন্ধানী ও রাজনৈতিক পত্রিকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাহেনও — এটি মোহাম্মদী প্রেস থেকে প্রকাশিত এবং প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দের সম্পাদিত একটি মাসিক পত্রিকা ছিল। B) সওগাত — এটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন কর্তৃক ১৯১৮ সালে প্রকাশিত ও সম্পাদিত একটি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা, যার সাথে নজরুল যুক্ত থাকলেও তিনি এর সম্পাদক ছিলেন না। D) কালিকলম — এটি বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র ও অজিত দত্তের প্রচেষ্টায় প্রকাশিত প্রগতিশীল সাহিত্য আন্দোলনের সাথে যুক্ত একটি পত্রিকা। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের সম্পাদিত পত্রিকার নাম মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ধূমকেতু ও লাঙল পত্রিকার নাম সবসময় একসাথে মনে রাখা। - ধূমকেতুর লেজ যেমন আকাশে আলো ছড়ায়, তেমনি নজরুলের এই পত্রিকাও সমাজে বিপ্লবের আলো ছড়িয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবিদের সম্পাদিত পত্রিকার নাম জানতে চাওয়া হয়। - ধূমকেতু পত্রিকার সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আশীর্বাণী এবং এর প্রথম প্রকাশের তারিখ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a ১০টি
b ১১টি
c ১২টি
d ১৩টি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট মৌলিক স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি। এই বর্ণগুলো হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। স্বরবর্ণগুলো অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে পূর্ণভাবে উচ্চারিত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই ব্যাখ্যা: এগুলো বাংলা স্বরবর্ণের প্রাথমিক অংশ যা শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: উ, ঊ, ঋ ব্যাখ্যা: এগুলো বাংলা স্বরবর্ণের মধ্যবর্তী অংশ যা বিভিন্ন শব্দের শুরুতে বসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা ১০টি নয়, ১১টি। প্রাচীন বা ভুল গণনার কারণে এই সংখ্যাটি অপশনে আসে। B) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর। C) ১২টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ঐতিহ্যগতভাবে ১২টি স্বরবর্ণ ধরা হলেও বর্তমান প্রমিত নিয়মে ঋ-কার বা অন্যান্য কারণে ১১টি ধরা হয়। প্রাচীন বাংলা বর্ণমালায় ঋ-কে দীর্ঘ স্বর ধরা হতো যা এখন বাদ দেওয়া হয়েছে। D) ১৩টি — এটি ভুল কারণ ১৩টি স্বরবর্ণ কখনোই প্রমিত বাংলা বর্ণমালায় ছিল না। এটি ভুল ধারণা তৈরির জন্য অপশনে দেওয়া হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা বর্ণমালা মনে রাখতে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি এই সংখ্যা দুটি একসাথে মনে রাখলে মোট ৫০টি বর্ণ সহজে মনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা বর্ণমালার মোট সংখ্যা এবং স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের আলাদা সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সংখ্যাগুলো সবসময় মনে রাখা আবশ্যক।
a ক্রীতদাসের হাসি
b মাটি আর অশ্রু
c হাঙর নদী গ্রেনেড
d সারেং বউ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাঙর নদী গ্রেনেড ১. কেন সঠিক: - হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং একাত্তরের বীরাঙ্গনা মা সেলিনার ত্যাগের পটভূমিতে রচিত। - সেলিনা হোসেন এই উপন্যাসে যুদ্ধের ভয়াবহতা ও সাধারণ মানুষের দেশপ্রেম অত্যন্ত মর্মান্তিক ও বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, যিনি বাংলা সাহিত্যে ইতিহাস ও সমাজচেতনার উপন্যাসের জন্য খ্যাত। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বুড়ি মাতৃত্ব ও দেশপ্রেমের এক অনন্য নিদর্শন স্থাপন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রমাঞ্জলী ব্যাখ্যা: এটি সেলিনা হোসেনের রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই আসে। উদাহরণ ২: যাপিত জীবন ব্যাখ্যা: সেলিনা হোসেনের এই উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধপূর্ব বাঙালি জীবনের ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রীতদাসের হাসি — এই উপন্যাসটি শওকত ওসমান কর্তৃক রচিত এবং এর মূল বিষয়বস্তু আইয়ুব খানের স্বৈরশাসন ও মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণ, মুক্তিযুদ্ধ নয়। B) মাটি আর অশ্রু — এটি কোনো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং এটি প্রখ্যাত লেখক ও গবেষক আহমদ শরীফের একটি ভিন্ন প্রকৃতির সাহিত্যকর্ম। D) সারেং বউ — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার মূল উপজীব্য উপকূলীয় অঞ্চলের জলদস্যু ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবন সংগ্রাম। ৫ মনে রাখার টিপস: - হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসের লেখক সেলিনা হোসেন এবং তার লেখার মূল ক্ষেত্র সমাজ ও মুক্তিযুদ্ধ। - মুক্তিযুদ্ধের সময়কার নদীমাতৃক বাংলার সংগ্রাম মনে রাখলেই এই উপন্যাসটির নাম ও পটভূমি সহজে স্মরণে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সেলিনা হোসেনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নামগুলো বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। - একই ধরনের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায় এবং রাবেয়া খাতুনের মেঘের পর মেঘ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
a আমার কিছু কথা
b রক্তাক্ত বাংলা
c কারাগারের রোজনামচা
d ঘ) অসমাপ্ত আত্মজীবনী
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কারাগারের রোজনামচা কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা। - বাংলা একাডেমি থেকে ২০১৭ সালের মার্চ মাসে এই গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি মূলত ঐতিহাসিক দিনলিপি বা ডায়েরি সাহিত্য ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। - ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি এই ডায়েরি লিখেছিলেন। - সাহিত্য বিচারে এটি বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও জেলজীবনের প্রামাণিক দলিল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আমার কিছু কথা — এটি বঙ্গবন্ধুর কোনো প্রকাশিত গ্রন্থ নয়। - B) রক্তাক্ত বাংলা — এটি বঙ্গবন্ধু রচিত কোনো গ্রন্থ নয়। - D) অসমাপ্ত আত্মজীবনী — এটি বঙ্গবন্ধুর লেখা প্রকাশিত প্রথম বই, দ্বিতীয় বই নয়। মনে রাখার টিপস: - প্রথমে আত্মজীবনী প্রকাশিত হয়, তাই অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রথম বই। - আত্মজীবনীর পরেই রোজনামচা বা দিনলিপি আসে, তাই কারাগারের রোজনামচা দ্বিতীয় বই।
a WB Yeats
b T.S Elliot
c John Keats
d Ejra Pound
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) W.B. Yeats ১. কেন সঠিক: ডব্লিউ বি ইয়েটস বা উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস নোবেলজয়ী আইরিশ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখেছিলেন এবং এর সম্পাদনা করেছিলেন। ১৯১২ সালে ইয়েটস এই অনুবাদের সঙ্গে যুক্ত হন এবং এর মাধ্যমে বিশ্বসাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১০ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেন এবং এর ইংরেজি অনুবাদ সংকলন সংগীতাঞ্জলি বা সং অফারিংসের জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ডব্লিউ বি ইয়েটস এই ইংরেজি অনুবাদের মুখবন্ধ লিখে দেন যা বইটির আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতিমাল্য। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথের অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে আধ্যাত্মিক চেতনার প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: ডব্লিউ বি ইয়েটসের দ্য সেকেন্ড কামিং। ব্যাখ্যা: এটি আইরিশ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটসের একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও পরিচিত আধুনিক ইংরেজি কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) W.B. Yeats — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদের সম্পাদনা করেছিলেন এবং ভূমিকা লিখেছিলেন। B) T.S Elliot — টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি ও সমালোচক হলেও তিনি গীতাঞ্জলির অনুবাদ সম্পাদনা করেননি। C) John Keats — জন কিটস রোমান্টিক যুগের ইংরেজ কবি যিনি রবীন্দ্রনাথের অনেক আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন। D) Ejra Pound — এজরা পাউন্ড রবীন্দ্রনাথে মুগ্ধ হলেও তিনি এই গ্রন্থ সম্পাদনা করেননি বরং ইয়েটস এর মূল সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: গীতার ইংরেজি রূপ দিতে ইয়েটস সাহেব এসেছিলেন মনে রাখলে ডব্লিউ বি ইয়েটসের নাম সহজে মনে রাখা যাবে। অনুবাদের সম্পাদনা ও ভূমিকার জন্য ইয়েটস নামটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ১৯১৩ সালে এই কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্যই। বাংলা সাহিত্যের যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই তথ্যটি অত্যন্ত ঘনঘন আসে।
a মনসামঙ্গল
b চণ্ডীমঙ্গল
c অন্নদামঙ্গল
d সারদামঙ্গল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অন্নদামঙ্গল ১. কেন সঠিক: 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে' এই বিখ্যাত উক্তিটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। কাব্যের একটি চরিত্র ঈশ্বরী পাটুনীর অন্নপূর্ণার কাছে প্রার্থনা করার সময় এই ঐতিহাসিক উক্তিটি করেছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটির রচয়িতা হলেন অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর, যিনি নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন। এই কাব্যটি মূলত তিনটি খণ্ডে বিভক্ত, যার মধ্যে অন্নদামঙ্গল, বিদ্যাসুন্দরণ বা কালিকা মঙ্গল এবং মানসিংহ বা অন্নপূর্ণার মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের বিদ্যাসুন্দরণ কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যেরই দ্বিতীয় অংশ এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রণয়কাব্য। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারা। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগে দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত কাব্যগুলোকে মঙ্গলকাব্য বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনসামঙ্গল — এটি সর্পদেবী মনসার পূজা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত মঙ্গলকাব্য, যার বিখ্যাত কবি বিজয় গুপ্ত ও কানাহ হরদত্ত। B) চণ্ডীমঙ্গল — এটি দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচারের কাব্য, যার প্রধান দুই কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ও দ্বিজ মাধব। C) অন্নদামঙ্গল — এই অপশনটি সঠিক এবং এর রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। D) সারদামঙ্গল — এটি ঊনবিংশ শতকের কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর একটি গীতিকাব্য, যার সঙ্গে মঙ্গলকাব্যের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: দুধে-ভাতে থাকার প্রার্থনা করেছিলেন ঈশ্বরী পাটুনী আর এই অন্নদাতা হলেন অন্নপূর্ণা, যা অন্নদামঙ্গল কাব্যের অংশ। ভারতচন্দ্র মানেই অন্নদামঙ্গল এবং তাঁর অমর সৃষ্টি হলো এই দুধে-ভাতে বাঁচার আকুতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের হাতে এবং তাঁকেই মধ্যযুগের শেষ উল্লেখযোগ্য কবি বলা হয়। এই ধরনের উদ্ধৃতিমূলক প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে চরিত্রের নাম এবং কাব্যগ্রন্থের নাম বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর ইংরেজি অনুবাদ ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'The Indigo Planting Mirror' নামে নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনবন্ধু মিত্র ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে বেনামে 'নীল দর্পণ' নাটক প্রকাশ করেন যা নীলকরদের অত্যাচারের ঐতিহাসিক দলিল। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাট্যসাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও নাট্যকার যিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি মহাকাব্য। উদাহরণ ২: নবনাটক ব্যাখ্যা: এটি রামনারায়ন তর্করত্ন রচিত একটি সামাজিক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হলেও এই নাটকের অনুবাদক নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি হলেও এই নাটকের সঙ্গে যুক্ত নন। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর। D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি এই নাটকের প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও অনুবাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - নীল দর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন মধুসূদন, এটি মনে রাখার জন্য নাটক ও অনুবাদকের নামের আদ্যক্ষর মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নীল দর্পণ নাটকের রচয়িতা এবং অনুবাদক সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a বাকপটু
b অনলবর্ষী
c সুবক্তা
d বাগ্মী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাগ্মী ১. কেন সঠিক: - যিনি বক্তৃতা দানে অত্যন্ত পটু বা দক্ষ, তাকে এককথায় বাগ্মী বলা হয়। - এই শব্দটি বাকपटুতার বিশেষ রূপ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই ভাষা সুন্দর ও সংনম হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি অনেক জানেন ব্যাখ্যা: তাকে এককথায় সর্বজ্ঞ বলা হয়। উদাহরণ ২: যা সহজে জয় করা যায় না ব্যাখ্যা: তাকে এককথায় দুর্জেয় বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাকপটু — এটি দিয়ে সাধারণভাবে কথা বলতে পটু এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, তবে বক্তৃতার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে 'বাগ্মী' ব্যবহার করা হয়। B) অনলবর্ষী — এর অর্থ যাঁর বক্তৃতা বা বাণী আগুনের মতো তীব্র বা তেজদীপ্ত, যা সরাসরি বক্তৃতার পটুতা বোঝায় না। C) সুবক্তা — এর অর্থ যিনি ভালো বক্তৃতা দেন, তবে সাহিত্যিক বা প্রমিত এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে 'বাগ্মী' শব্দটি অধিক উপযোগী। D) বাগ্মী — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যিনি কথা বা বাক্যে দক্ষ তিনি বাকপটু, আর যিনি সরাসরি বক্তৃতা দানে বিশেষ পটু তিনি বাগ্মী। - এই পার্থক্যটুকু মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে মানুষের দক্ষতা বা গুণবাচক শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c জসীমউদ্দীন
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'সঞ্চয়িতা' হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ। - ১৯৩১ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থ থেকে সেরা কবিতাগুলো সংকলন করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক যুগপুরুষ যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। - 'সঞ্চয়িতা' গ্রন্থে তাঁর দীর্ঘ সাহিত্যজীবনের নানা পর্যায়ের নির্বাচিত কবিতা স্থান পেয়েছে এবং এটি উৎসর্গ করা হয়েছিল কাজী নজরুল ইসলামকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চয়িতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা নিয়ে সংকলিত একটি বহুল পঠিত প্রধান কাব্য সংকলন। উদাহরণ ২: সঞ্চিতা ব্যাখ্যা: এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও 'সঞ্চয়িতা' তাঁর কাব্য সংকলন নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্য সংকলনটি তাঁরই রচনা। C) জসীমউদ্দীন — ইনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশি কাঁথার মাঠ। D) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং তাঁর কবিতার প্রধান সংকলন হলো সঞ্চিতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথে দীর্ঘ নাম তাই তাঁর সংকলনের নাম 'সঞ্চয়িতা' (বড় শব্দ), আর নজরুলের নাম ছোট তাই তাঁর সংকলন 'সঞ্চিতা' (ছোট শব্দ)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'সঞ্চয়িতা' রবীন্দ্রনাথের এবং 'সঞ্চিতা' নজরুলের এই দুটি গ্রন্থ নিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তাই নাম দুটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
d কাদের নওয়াজ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত। - অমিত্রাক্ষর ছন্দ এমন এক ধরনের ছন্দ যেখানে চরণের অন্তে মিল থাকে না এবং যতি পাতের স্বাধীনতা থাকে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি, নাট্যকার ও প্রবক্তা। - ১৮৬০ সালে রচিত তিলোত্তমা সম্ভব কাব্যগ্রন্থে তিনি প্রথম সফলভাবে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য এবং এই কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের শ্রেষ্ঠ প্রয়োগ দেখা যায়। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি পত্রকাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যে গদ্যছন্দ এবং প্রবহমান ছন্দের প্রবর্তক কিন্তু অমিত্রাক্ষর ছন্দের নন। C) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত এবং নানা ধরনের ছন্দ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন কিন্তু অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। D) কাদের নওয়াজ — তিনি পল্লী কবি হিসেবে পরিচিত এবং মূলত নীতিমূলক কবিতার জন্য বিখ্যাত কিন্তু অমিত্রাক্ষর ছন্দের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন মানেই অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দ মানেই মিলহীন পদ্যের স্বাধীনতা। - মেঘনাদবধ কাব্যের নাম মনে রাখলে প্রবর্তকের নাম সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এই ছন্দটি মূলত ইংরেজি ব্ল্যাংক ভার্স এর অনুসরণে বাংলা সাহিত্যে প্রবর্তন করা হয়েছিল।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b প্রমথ চৌধুরী
c রামসুন্দর ত্রিবেদী
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক বা জনক হলেন প্রমথ চৌধুরী। তিনি চলিত ভাষাকে শুধু লেখার বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য জোরালো আন্দোলন শুরু করেছিলেন। তার সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকার মাধ্যমে চলিত ভাষার সার্থক ও শৈল্পিক রূপ বাংলা সাহিত্যে আত্মপ্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম বীরবল এবং তার সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগের সূচনা করে। তিনি সাধু ভাষার কৃত্রিমতা ও গুরুগম্ভীর ভাব দূর করে চলিত ভাষাকে লেখার ভাষা হিসেবে গ্রহণ করার পক্ষে মত দেন। তার লেখনীর মাধ্যমেই বাংলা গদ্যে হালকা, চটপটে এবং বুদ্ধিদীপ্ত ভঙ্গির প্রচলন ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ তেলেনাবেসিস ব্যাখ্যা: এটি তার বিখ্যাত চলিত রীতিতে লেখা একটি রূপকধর্মী ও সুপরিচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটি চলিত ভাষারীতির এক অনন্য ও ধ্রুপদী গদ্যরীতির সার্থক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক হলেও চলিত ভাষার প্রবর্তক নন। বিদ্যাসাগর মহাশয় মূলত সাধু ও উন্নত গদ্যরীতির নির্মাতা ছিলেন। B) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি চলিত ভাষার প্রধান প্রবক্তা। C) রামসুন্দর ত্রিবেদী — ইনি একজন বিশিষ্ট বাংলা ব্যাকরণবিদ। বাংলা ব্যাকরণ চর্চায় তার বিশেষ অবদান থাকলেও তিনি চলিত ভাষার প্রবর্তক নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ চলিত রীতিতে প্রচুর সাহিত্য রচনা করলেও এবং সমর্থন জানালেও, চলিত ভাষা প্রবর্তনের মূল কৃতিত্ব প্রমথ চৌধুরীর। ৫. মনে রাখার টিপস: সবুজপত্রের বীরবল চলিত ভাষার প্রবক্তা। এই লাইনটি মনে রাখলে লেখক ও পত্রিকার নাম একসঙ্গে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৩২১ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে। চলিত ভাষারীতির সফল প্রয়োগ দেখতে চাইলে প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ পড়া উচিত।
a সহযোজিত
b যোজিত
c সংযোজিত
d সংযুক্ত
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সহযোজিত ১. কেন সঠিক: - Co-opted শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো সহযোজিত। - ইংরেজি Co-opt শব্দের অর্থ কাউকে কোনো কমিটি বা সংস্থায় নতুন করে গ্রহণ করা বা যুক্ত করা, যার পরিভাষা হিসেবে সহযোজিত শব্দটি প্রমিতভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়। - ইংরেজি প্রশাসনিক বা প্রাতিষ্ঠানিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপান্তর করতে পারিভাষিক শব্দের জ্ঞান অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Co-opted member ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি শব্দগুচ্ছের সঠিক পরিভাষা হলো সহযোজিত সদস্য। উদাহরণ ২: Co-opt ব্যাখ্যা: এর সঠিক পরিভাষা হলো সহযোজিত করা বা অন্তর্ভুক্ত করা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সহযোজিত — এটি সঠিক পরিভাষা কারণ এটি Co-opted শব্দের ভাব ও অর্থ পূর্ণাঙ্গভাবে প্রকাশ করে। B) যোজিত — এই শব্দটির ইংরেজি রূপ সাধারণত Joined বা Added, যা Co-opted শব্দের সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করে না। C) সংযোজিত — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা সাধারণত Attached বা Appended, যা প্রাতিষ্ঠানিক পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) সংযুক্ত — এই শব্দের ইংরেজি রূপ Connected বা Combined, যা ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - Co শব্দের অর্থ সহ বা যৌথ। - এই সূত্র মনে রাখলে Co-opted শব্দের পরিভাষা সহজেই সহযোজিত হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি প্রশাসনিক শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা প্রায়ই আসে। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ না করে শব্দের মূল অর্থ বুঝে অনুশীলন করা উচিত।
a শব্দ
b ভাষা
c বর্ণ
d ধ্বনি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শব্দ ১. কেন সঠিক: বাক্যের মৌলিক উপাদান হলো শব্দ। কারণ, অর্থপূর্ণ শব্দ একত্রিত হয়েই মূলত বাক্য গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে শব্দের সার্থক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি হলেও বাক্যের মূল ভিত্তি বা উপাদান হলো শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি শব্দ মিলে একটি সার্থক বাক্য তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: বই পড়ো। ব্যাখ্যা: এটি দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দ — এটি বাক্যের মৌলিক উপাদান হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। B) ভাষা — ভাষা হলো মানুষের ভাব প্রকাশের মাধ্যম, যা বাক্যের সরাসরি মৌলিক উপাদান নয়। C) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা শব্দের উপাদান হলেও সরাসরি বাক্যের মৌলিক উপাদান নয়। D) ধ্বনি — ধ্বনি হলো ভাষার মূল ভিত্তি বা ক্ষুদ্রতম একক, কিন্তু বাক্যের মৌলিক উপাদান শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্য তৈরি হয় শব্দ দিয়ে, তাই বাক্যের মৌলিক উপাদান শব্দ। ধ্বনি দিয়ে শব্দ গঠিত হলেও বাক্য গঠনের সরাসরি একক শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা, বর্ণ, ধ্বনি ও শব্দের একক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই প্রতিটি স্তরের ক্ষুদ্রতম এককগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
b জসীমউদ্‌দীন
c কালিদাস রায়
d জীবনানন্দ দাশ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - জীবনানন্দ দাশকে বাংলা কবিতায় নিসর্গপ্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলার জন্য রূপসী বাংলার কবি বলা হয়। - তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, নদী, ধানক্ষেত ও গ্রামীণ রূপ অত্যন্ত গভীরভাবে চিত্রিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং বিশ শতকের সর্বশ্রেষ্ঠ লিরিক কবি হিসেবে পরিচিত। - ১৯২৭ সালে প্রকাশিত তাঁর রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থে বাংলাদেশের নিসর্গ ও রূপমাধুর্য অতুলনীয়ভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বিশ্বখ্যাত একটি সৃষ্টি, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ক্লাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়। উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর চিন্তা ও দর্শনের গভীর পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি বাংলা ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত, রূপসী বাংলার কবি নন। B) জসীমউদ্‌দীন — ইনি পল্লীকবি নামে পরিচিত, কারণ তাঁর কাব্যে গ্রামীণ জীবন ও লোকসংস্কৃতি প্রধান্য পেয়েছে। C) কালিদাস রায় — ইনি আধুনিক যুগের মধ্যযুগীয় মননশীল কবি হিসেবে পরিচিত। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রশ্নের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবন কেটেছে যার বাংলায় সুন্দর, তিনিই কবি জীবনানন্দ দাশ রূপসী বাংলার। এভাবে মনে রাখলে কবি ও তাঁর উপাধি সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের ছদ্মনাম ও উপাধি থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই কবিদের এই বিশেষ উপাধিগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a at first view
b prime figure
c main cause
d prime accused
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) at first view কেন সঠিক: ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ 'Prima facie' এর শাব্দিক অর্থ প্রথম দর্শনে বা প্রথম নজরে। এটি সাধারণত আইন বা সাধারণ আলোচনায় প্রাথমিক প্রমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at first view — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) prime figure — এর অর্থ প্রধান বা শীর্ষ ব্যক্তিত্ব, যা এই বাক্যাংশের সাথে মেলে না। C) main cause — এর অর্থ প্রধান কারণ, যা ল্যাটিন শব্দটির অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) prime accused — এর অর্থ প্রধান অভিযুক্ত ব্যক্তি, যা প্রসঙ্গ অনুযায়ী সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: 'Prima' মানে প্রথম এবং 'facie' মানে মুখ বা দৃষ্টি, তাই প্রথম দেখাতেই 'Prima facie' মনে রাখা সহজ।
a shines
b has shone
c shine
d was shining
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was shining কেন সঠিক: বাকyটির প্রথম অংশ একটি চলমান ঘটনা নির্দেশ করছে যখন অন্য একটি ঘটনা ঘটেছিল। Past continuous tense এখানে সঠিক কারণ সূর্য যখন আলো ছড়াচ্ছিল, সেই মুহূর্তে বাইরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shines — Present indefinite tense হওয়ায় এটি অতীতের ঘটনার সাথে মেলে না। B) has shone — Present perfect tense হওয়ায় অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের ধারাবাহিকতা প্রকাশ করে না। C) shine — Subject singular হওয়ায় এখানে verb এর সাথে s বা es যুক্ত হওয়া দরকার ছিল। মনে রাখার টিপস: While বা As দিয়ে যুক্ত বাক্যের একপাশে Past indefinite থাকলে অন্যপাশে সাধারণত Past continuous tense হয়।
a Parlament
b Lieutenant
c Reuter
d Colonel
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Parlament কেন সঠিক: এই শব্দটির বানান ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো পার্লামেন্ট। এখানে মাঝের এ অক্ষরটি বাদ পড়েছে। বানানে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। এটি সঠিক বানান নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Parlament — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো পার্লামেন্ট এবং এখানে একটি বর্ণ কম আছে। B) Lieutenant — এই বানানটি সঠিক এবং এর অর্থ লেফট্যানেন্ট বা সামরিক পদবিশেষ। C) Reuter — এই বানানটি সঠিক এবং এটি একটি বিখ্যাত সংবাদ সংস্থার নাম। D) Colonel — এই বানানটি সঠিক এবং এর অর্থ কর্নেল বা সামরিক পদবিশেষ। মনে রাখার টিপস: পার্লামেন্ট বানান করার সময় শেষে ই এন টি যুক্ত করতে হয় তা মনে রেখো।
a He gave me some advice
b Anwar requested for my help
c I am very better today
d The goods are of inferior qualities
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He gave me some advice কেন সঠিক: Advice একটি আনকাউন্টেবল নাউন তাই এর সাথে এস যুক্ত করা যায় না। এর পূর্বে পরিমাপ বোঝাতে some ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A - এই অপশনটি আসলে সঠিক এবং এটিই উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। B) B - Request verb এর পরে for preposition বসে না। C) C - Better একটি কম্পারেটিভ ডিগ্রি তাই এর পূর্বে very না বসে much বসে। D) D - Inferior শব্দটি দ্বারা কোয়ালিটি বোঝায় তাই qualities না হয়ে quality হবে। মনে রাখার টিপস: Advice আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর সাথে এস বা ইএস যুক্ত হয় না এবং এর আগে some বা a piece of বসে।
a on
b in
c into
d with
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) into কেন সঠিক: - Run into একটি Phrase & Idiom, যার অর্থ ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়া বা বিপদে পতিত হওয়া। - এখানে debt শব্দের পূর্বে into ব্যবহার করে ঋণ বা কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে জড়িয়ে যাওয়া বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — Run on অর্থ অবিরত চলা বা চালিয়ে যাওয়া, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। B) in — Run in অর্থ পুলিশ কর্তৃক কাউকে থানায় ধরে নিয়ে যাওয়া বা মোটরগাড়ির প্রাথমিক ব্যবহার, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) into — সঠিক উত্তর, কারণ এটি debt শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে ঋণগ্রস্ত হওয়া বোঝায়। D) with — Run with অর্থ কোনো কিছু নিয়ে পালিয়ে যাওয়া বা কারো সাথে দৌড়ানো, যা এই বাক্যের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: ঋণে জড়িয়ে যাওয়া বা ঋণের মধ্যে পেছনের দিকে বা ভেতরে চলে যাওয়া বোঝাতে Run-এর পরে সবসময় into বসে।
a Conclusion
b Gracious response
c Contradiction
d First appearance
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) First appearance কেন সঠিক: Debut শব্দটির মূল অর্থ হলো কোনো ব্যক্তি বা দলের জনসমক্ষে প্রথম আত্মপ্রকাশ করা। এটি সাধারণত নাটক, সিনেমা, বা সঙ্গীত জগতে প্রথম কাজ করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। তাই First appearance অপশনটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Conclusion — এই শব্দটির অর্থ সমাপ্তি বা উপসংহার, যা дебют বা আত্মপ্রকাশ শব্দের বিপরীত। B) Gracious response — এর অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি ভদ্রসুলভ বা চমৎকার উত্তর দেওয়া। C) Contradiction — এই শব্দটির অর্থ হলো বিরোধিতা বা মতবিরোধ প্রকাশ করা। D) First appearance — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Debut শব্দটিকে ডান্স বা সিনেমার প্রথম পরিবেশনার সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
a on my going
b over going
c is to go
d to go
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on my going কেন সঠিক: - Insist verb-টির পর সাধারণত preposition হিসেবে on বসে এবং তার পরের verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়। - Gerund-এর পূর্বে pronoun-এর possessive form (যেমন: my) বসে, তাই on my going সঠিক গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on my going — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী insist-এর পর on এবং gerund-এর পূর্বে possessive form বসে। B) over going — Insist verb-এর পর preposition হিসেবে over বসে না, তাই এটি ভুল। C) is to go — এটি বাক্যের অর্থের সাথে এবং ব্যাকরণগত গঠন অনুযায়ী অসঙ্গতিপূর্ণ। D) to go — Insist-এর পর সরাসরি infinitive (to + verb) বসে না, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: Insist-এর পর সবসময় on বসে এবং on-এর পর gerund ব্যবহারের আগে possessive pronoun (my, his, your ইত্যাদি) ব্যবহার করতে হয়।
a unturned
b hit
c broken
d thrown
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) unturned কেন সঠিক: বাক্যটিতে একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ সব ধরনের চেষ্টা করা। leave no stone unturned একটি স্থির বাগধারা বা idiom যার অর্থ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কোনো ত্রুটি না রাখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unturned — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটি যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ও অর্থপূর্ণ প্রবাদ তৈরি করে। B) hit — এটি বসালে বাক্যের কোনো অর্থ হয় না এবং এটি কোনো প্রচলিত প্রবাদ নয়। C) broken — পাথর ভাঙার কথা বলা হলেও এটি এই বিশেষ বাগধারার সঠিক শব্দ নয়। D) thrown — পাথর ছোঁড়ার কথা বলা হলেও এটি সঠিক বাগধারা গঠন করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: উদ্দেশ্য সফল করতে কোনো চেষ্টার বাকি না রাখা বোঝাতে leave no stone unturned প্রবাদটি মুখস্থ রাখবে।
a Nobody dislikes a liar
b Who likes a liar
c Everybody dislikes a liar
d Nobody likes a liar.
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Nobody likes a liar. কেন সঠিক: নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করার সময় মূল বাক্যের অর্থের পরিবর্তন করা যাবে না। Everybody-র পরিবর্তে Nobody এবং hates-এর বিপরীত শব্দ likes ব্যবহার করে সঠিক অর্থ বজায় রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nobody dislikes a liar — dislikes ব্যবহার করায় মূল বাক্যের অর্থের সাথে মিল নেই এবং এটি ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। B) Who likes a liar — এটি ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্স বা প্রশ্নবোধক বাক্য, যা নেতিবাচক বাক্যের নিয়ম মেনে চলে না। C) Everybody dislikes a liar — এটি একটি এফারমেটিভ বা ইতিবাচক বাক্য, যা প্রশ্নে চাওয়া নেতিবাচক রূপের বিপরীত। D) Nobody likes a liar — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: অ্যাফারমেটিভ থেকে নেতিবাচক করার সময় সাবজেক্টের বিপরীত শব্দ এবং নট যুক্ত করতে হয়।
a Jane Austen
b P. B. Shelley
c Alfred Tennyson
d Charles Dickens
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Charles Dickens কেন সঠিক: ডেভিড কপারফিল্ড উপন্যাসটি বিশ্বখ্যাত ভিক্টোরিয়ান ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের লেখা। এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ডেভিড কপারফিল্ডের জীবন সংগ্রাম সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এটি ১৮৫০ সালে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jane Austen — জেন অস্টেন প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও তিনি ডেভিড কপারফিল্ড লেখেননি। B) P. B. Shelley — পি বি শেলি একজন বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের কবি এবং তিনি মূলত কবিতা লিখতেন। C) Alfred Tennyson — আলফ্রেড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন প্রখ্যাত কবি যিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি। D) Charles Dickens — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ডেভিড কপারফিল্ড চরিত্রটি চার্লস ডিকেন্সের নিজের জীবনের নানা ঘটনার ছায়ায় রচিত হয়েছে।
a Interesting
b Affectionate
c Loving
d Friendly
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Friendly কেন সঠিক: Amicable শব্দটির অর্থ হলো অমায়িক বা বন্ধুত্বপূর্ণ। Friendly শব্দটির অর্থও একই রকম বন্ধুত্বপূর্ণ বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Interesting — এই শব্দটির অর্থ হলো আকর্ষণীয়, যা অমায়িক শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। B) Affectionate — এই শব্দটির অর্থ হলো স্নেহশীল, যা অমায়িক বা বন্ধুভাবাপন্ন শব্দের সমার্থক নয়। C) Loving — এই শব্দটির অর্থ হলো ভালোবাসাপূর্ণ বা অনুরাগী, যা সরাসরি বন্ধুত্বপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না। D) Friendly — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ হলো বন্ধুত্বপূর্ণ যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: Amicable শব্দের শুরুতে ami আছে যার অর্থ বন্ধু, তাই এটি Friendly শব্দের সমার্থক।
a Common
b Collective
c Abstract
d Proper
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Collective কেন সঠিক: Cattle শব্দটির অর্থ হলো একদল গরু, যা আলাদা কোনো একক গরুকে বোঝায় না। এটি একজাতীয় কিছু প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টিকে একত্রে বোঝায়। এই কারণে এটি Collective Noun হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Common — Common Noun হলো সেই নাম যা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে একজাতীয় সকলের সাধারণ নাম বোঝায়। Cattle কোনো সাধারণ একক নাম নয়, বরং এটি একটি পালের সমষ্টি। B) Collective — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Abstract — Abstract Noun হলো এমন কিছুর নাম যা ছোঁয়া যায় না, কেবল অনুভব করা যায় যেমন গুণ বা অবস্থা। Cattle একটি দৃশ্যমান প্রাণী হওয়ায় এটি Abstract হতে পারে না। D) Proper — Proper Noun হলো কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম যার প্রথম অক্ষর বড় হয়। Cattle কোনো নির্দিষ্ট নাম নয়, তাই এটি Proper Noun হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: যেসকল শব্দ কোনো প্রাণী বা বস্তুর দলকে একত্রে বোঝায় এবং দেখতে আলাদা হলেও সমষ্টি হিসেবে কাজ করে, সেগুলোকে Collective Noun বলে।
a Deer
b Horse
c Bull
d Doe
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ডি) Doe কেন সঠিক: ডি অপশনে থাকা Doe শব্দটির অর্থ হরিণী, যা একটি পূর্ণাঙ্গ স্ত্রীবাচক শব্দ। এটি পুরুষবাচক শব্দ Buck এর স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: এ) Deer — এটি একটি সাধারণ শব্দ যা পুরুষ ও স্ত্রী উভয় হরিণকেই বোঝাতে পারে। বি) Horse — এটি একটি পুরুষবাচক বা সাধারণ প্রাণীবাচক শব্দ যার স্ত্রীবাচক রূপ হলো Mare. সি) ডি) Bull — এটি ষাঁড় বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যার স্ত্রীবাচক রূপ হলো Cow. মনে রাখার টিপস: হরিণের ক্ষেত্রে পুরুষবাচক শব্দ Buck এবং স্ত্রীবাচক শব্দ Doe ভালোভাবে মনে রাখবে।
a Gerund
b Verbal noun
c Complement
d Object
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Complement কেন সঠিক: এখানে 'is' লিংকিং ভার্বের পরে বসে 'reading' শব্দটি সাবজেক্ট 'activity'-কে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। তাই এটি সাবজেক্ট কমপ্লিমেন্ট হিসেবে কাজ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — এটি ভার্ব ও নাউনের কাজ করলেও এখানে সরাসরি কমপ্লিমেন্টের কাজ করায় এই নাম দেওয়া যাচ্ছে না। B) Verbal noun — এর আগে কোনো আর্টিকেল বা পরে 'of' না থাকায় একে ভার্বাল নাউন বলা যায় না। C) Complement — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Object — এটি ট্রানজিটিভ ভার্বের অবজেক্ট নয়, বরং লিংকিং ভার্বের কমপ্লিমেন্ট। মনে রাখার টিপস: বি ভার্ব বা লিংকিং ভার্বের পরে বসে যখন কোনো শব্দ সাবজেক্টেরই পরিচয় দেয়, তখন সেটি কমপ্লিমেন্ট হয়।
a Short
b Shorter
c Shorten
d Shortene
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shorten কেন সঠিক: - 'Shortly' শব্দটির মূল বা রুট শব্দ হলো 'Short', যা একটি adjective এবং এর সাথে 'ly' যুক্ত হয়ে adverb গঠিত হয়েছে। - এই adjective বা noun থেকে কোনো কাজ করা বোঝাতে সাধারণত শেষে 'en' suffix যোগ করে verb তৈরি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Short — এটি একটি adjective, যার অর্থ ছোট বা সংক্ষিপ্ত। তাই এটি verb নয়। B) Shorter — এটি adjective এর comparative form, যা তুলনামূলক ছোট বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Shorten — এটি সঠিক verb, কারণ এর সাথে en যুক্ত হয়ে ছোট করা অর্থ প্রকাশ করেছে। D) Shortene — এটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী একটি ভুল বানান এবং এর কোনো অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শেষে 'en' যুক্ত থাকলে সাধারণত সেটি verb হয়।
a makes
b made
c make
d are
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) makes কেন সঠিক: গণিতের ক্ষেত্রে দুটি সংখ্যা যোগ করলে তা একটি একক ফলাফল প্রকাশ করে। তাই এর সাথে সবসময় singular verb ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) makes — এটি সঠিক কারণ এটি singular verb এবং একক ফলাফল বোঝায়। B) made — এটি past tense হওয়ায় বর্তমানের সাধারণ সত্যের সাথে মেলে না। C) make — এটি plural verb হওয়ায় singular সাবজেক্টের সাথে বসে না। D) are — এটি linking verb হওয়ায় এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: গাণিতিক যোগফল সবসময় একটি একক বস্তু হিসেবে গণ্য হয়, তাই verb টি singular হয়।
a is
b have
c has
d were
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has কেন সঠিক: বাক্যের মাঝে থাকা Relative Pronoun who তার ঠিক আগের Noun বা Pronoun-কে Subject হিসেবে নির্দেশ করে। এখানে who এর আগে the man আছে যা Singular, তাই verb ও Singular হবে এবং কাজটি বর্তমানের হওয়ায় Present Perfect Tense-এর has বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — the man Singular হলেও continuous tense বোঝালে who-এর পরের অর্থ মেল না। B) have — who-এর পূর্বের Noun Singular হওয়ায় Plural verb বসতে পারে না। D) were — এটি Plural verb এবং Past Tense, যা বাক্যের গঠন ও অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Relative pronoun-এর আগের Noun অনুযায়ী verb বসাতে হয়।
a Plan of journey
b List of items to be discussed in a meeting
c List of even in a fixed time
d Record of events occurred in a day
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Plan of journey কেন সঠিক: Itinerary শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো ভ্রমণের পরিকল্পনা বা ভ্রমণের বিবরণী। কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আগে কোন দিন কোথায় যাওয়া হবে তার তালিকা তৈরি করাকে এটি বোঝায়। এটি মূলত কোনো ভ্রমণের একটি পূর্ণাঙ্গ মানচিত্র বা সূচি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Plan of journey — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি itinerary শব্দের মূল অর্থ বহন করে। B) List of items to be discussed in a meeting — এটি একটি সভার আলোচ্য সূচি বা এজেন্ডা বোঝায়, ভ্রমণ পরিকল্পনা নয়। C) List of even in a fixed time — এটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘটিত বা নির্ধারিত ঘটনাবলীর একটি সময়সূচি নির্দেশ করে। D) Record of events occurred in a day — এটি কোনো একদিনের ঘটে যাওয়া ঘটনার বিবরণ বা ডায়েরির পাতাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Itinerary শব্দটিতে journey বা ভ্রমণের পরিকল্পনা বিষয়টি জড়িত থাকে।
a Amusing
b Dull
c Exciting
d Quick
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Dull কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটিতে একটি শব্দের সমার্থক বা Synonym চাওয়া হয়েছে, যা ভাষা ও ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। তবে মূল প্রশ্নটিতে নির্দিষ্ট শব্দটির উল্লেখ নেই। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে Dull উল্লেখ করা হয়েছে, যা সাধারণত প্রাণহীন, একঘেয়ে বা অনুজ্জ্বল অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Amusing — এর অর্থ আনন্দদায়ক বা বিনোদনমূলক, যা প্রাণহীন বা একঘেয়ে শব্দের বিপরীত। B) Dull — এর অর্থ অনুজ্জ্বল বা একঘেয়ে, যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। C) Exciting — এর অর্থ উত্তেজনাকর বা রোমাঞ্চকর, যা নেতিবাচক বা প্রাণহীন অর্থের সঙ্গে মিলে না। D) Quick — এর অর্থ দ্রুত বা ঝটপট, যার সঙ্গে অনুজ্জ্বল বা একঘেয়ে শব্দের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: সমার্থক শব্দ শেখার সময় মূল শব্দ এবং তার বিপরীত বা সমর্থক অর্থগুলোর সঠিক ব্যবহার মনে রাখা জরুরি।
a Adults
b Women
c Children
d Old people
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Children কেন সঠিক: - পেডিয়াট্রিক শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা নির্দেশ করে। এটি মূলত শিশু ও তাদের বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের সাথে জড়িত। - এই চিকিৎসায় নবজাতক থেকে শুরু করে কৈশোর পর্যন্ত সেবা দেওয়া হয়। - তাই সঠিক উত্তর হিসেবে শিশুদের চিকিৎসা বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adults — এটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের চিকিৎসা বোঝায়, যা পেডিয়াট্রিক এর আওতাভুক্ত নয়। B) Women — এটি কেবল নারীদের চিকিৎসাকে নির্দেশ করে, যা পেডিয়াট্রিক নয়। C) Children — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, বরং এটিই শিশুদের চিকিৎসা বোঝাতে ব্যবহার হয়। D) Old people — এটি বয়স্ক মানুষদের চিকিৎসা নির্দেশ করে, যা জেরিয়াট্রিক নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: পেডিয়াট্রিক শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবে এটি শিশুদের চিকিৎসা সংক্রান্ত।
a 4
b 6
c 8
d 10
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রশ্নটিতে একটি আয়তাকার ঘনবস্তুর তলের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়েছে। ধরি, আয়তাকার ঘনবস্তুর মুখোমুখি তলগুলো সমান এবং সমান্তরাল। অতএব, এর ওপরের এবং নিচের তল মিলে মোট তল হয় দুটি। এর সামনে এবং পেছনের তল মিলে মোট তল হয় দুটি। এর বাম এবং ডান পাশের তল মিলে মোট তল হয় দুটি। সুতরাং, আয়তাকার ঘনবস্তুর মোট তলের সংখ্যা = ২ + ২ + ২ = ৬ উত্তর: ৬
a 20
b 24
c 28
d 32
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: চাকার সম্পূর্ণ কোণের পরিমাণ = ৩৬০ ডিগ্রি পাশাপাশি দুটি শলার মধ্যকার কোণ = ১৫ ডিগ্রি ধরি, মোট শলার সংখ্যা = ক অতএব, একটি শলার জন্য বরাদ্দ কোণ = ১৫ ডিগ্রি মোট শলার সাথে কোণের সম্পর্ক = ক × ১৫ ডিগ্রি সুতরাং, ক × ১৫ ডিগ্রি = ৩৬০ ডিগ্রি ক = ৩৬০ ÷ ১৫ উত্তর: ২৪
a তাদের ব্যাসের যোগফলের সমান
b তাদের ব্যাসার্ধের যোগফলের সমান
c বৃহত্তর বৃত্তের ব্যাসের সমান
d ঘ) উপরের সবগুলো সঠিক
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাদের ব্যাসার্ধের যোগফলের সমান প্রدত্ত তথ্য: দুটি বৃত্ত পরস্পরকে একটি বিন্দুতে বহিঃস্পর্শ করেছে। বৃত্ত দুটির কেন্দ্র যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় কেন্দ্র। ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = প্রথম ব্যাসার্ধ দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = দ্বিতীয় ব্যাসার্ধ অতএব, স্পর্শবিন্দু থেকে প্রথম কেন্দ্রের দূরত্ব = প্রথম ব্যাসার্ধ স্পর্শবিন্দু থেকে দ্বিতীয় কেন্দ্রের দূরত্ব = দ্বিতীয় ব্যাসার্ধ সুতরাং, কেন্দ্রদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব = প্রথম ব্যাসার্ধ + দ্বিতীয় ব্যাসার্ধ উত্তর: তাদের ব্যাসার্ধের যোগফলের সমান
a ৯টি
b ১০টি
c ১১টি
d ১২টি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০টি প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা শুধু ১ এবং ওই সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য অতএব, ১ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭ ১১ থেকে ২০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯ সুতরাং, ২১ থেকে ৩০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২৩, ২৯ উত্তর: মোট মৌলিক সংখ্যা হলো ৪ + ৪ + ২ = ১০টি
a ১৫ বছর
b ২০ বছর
c ২৫ বছর
d ৩০ বছর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০ বছর প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৮০ বছর পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৩ গুণ ধরি, পুত্রের বয়স = ১ ভাগ পিতার বয়স = ৩ ভাগ অতএব, মোট বয়স = ১ ভাগ + ৩ ভাগ = ৪ ভাগ ৪ ভাগের মান = ৮০ বছর সুতরাং, ১ ভাগের মান = ৮০ ÷ ৪ = ২০ বছর উত্তর: ২০ বছর
a ০.৬২১ কি.মি.
b ১.২২৫ কি.মি.
c ১.৮৫২ কি.মি.
d ২.২৫৪ কি.মি.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১.৮৫২ কি.মি. প্রদত্ত তথ্য: নটিক্যাল মাইলের আন্তর্জাতিক মান পরিমাপ দূরত্বের একক হিসেবে নটিক্যাল মাইলের ব্যবহার ধরি, এক নটিক্যাল মাইল দূরত্বের মান = ক কি.মি. অতএব, পৃথিবীর পরিধির এক মিনিটের কোণ সমান এক নটিক্যাল মাইল আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী এই দূরত্বের নির্দিষ্ট মাপ নির্ধারিত হয় সুতরাং, এক নটিক্যাল মাইল সমান এক দশমিক আট পাঁচ দুই কিলোমিটার উত্তর: ১.৮৫২ কি.মি.
a ১ঃ২
b ২ঃ১
c ৫ঃ১
d ১০ঃ১
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ঃ১ প্রদত্ত তথ্য: x এর ১০ শতাংশ সমান y এর ২০ শতাংশ ধরি, x এর ১০% = x × (১০ ÷ ১০০) y এর ২০% = y × (২০ ÷ ১০০) অতএব, x × (১০ ÷ ১০০) = y × (২০ ÷ ১০০) x × ১০ = y × ২০ x ÷ y = ২০ ÷ ১০ সুতরাং, x ÷ y = ২ ÷ ১ উত্তর: ২ঃ১
a ২২/৭
b ২৪/৭
c ২১/৭
d ৭/২১
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২২/৭ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত একটি ধ্রুবক সংখ্যা এই ধ্রুবক সংখ্যাটিকে পাই বলা হয় ধরি, বৃত্তের ব্যাস = ১ একক বৃত্তের পরিধি = পাই × ব্যাস অতএব, পরিধি = পাই একক ব্যাস = ১ একক সুতরাং, পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = পাই : ১ = ২২ ÷ ৭ উত্তর: ২২/৭
a ৩দিন
b ২ দিন
c ৫ দিন
d ৬ দিন
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ দিন প্রদত্ত তথ্য: ক সম্পূর্ণ কাজ করতে পারে ১৫ দিনে খ এর কর্মদক্ষতা ক এর দ্বিগুণ ধরি, মোট কাজ = ১ অংশ ক একদিনে করে ১ ভাগ ১৫ অংশ কাজ অতএব, খ একদিনে করে ২ ভাগ ১৫ অংশ কাজ ক ও খ একত্রে একদিনে করে ১ ভাগ ১৫ অংশ + ২ ভাগ ১৫ অংশ একত্রে একদিনে করে ৩ ভাগ ১৫ অংশ বা ১ ভাগ ৫ অংশ কাজ সুতরাং, ক ও খ একত্রে সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে পারে ৫ দিন উত্তর: ৫ দিন
a ব্যাস
b জ্যা
c চাপ
d ব্যাসার্ধ
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্যা প্রদত্ত তথ্য: একটি বৃত্তের ওপর অবস্থিত যেকোনো দুটি বিন্দু বিন্দু দুটির সংযোগকারী সরলরেখাংশ ধরি, বৃত্তের পরিধির ওপর দুটি বিন্দু হলো বিন্দু ক এবং বিন্দু খ ক এবং খ বিন্দু দুটি একটি সরলরেখা দ্বারা যুক্ত করা হলো অতএব, এই সরলরেখাটি বৃত্তের কেন্দ্র দিয়ে যেতেও পারে আবার কেন্দ্র ছাড়াও যেতে পারে জ্যামিতির নিয়ম অনুযায়ী বৃত্তের পরিধির যেকোনো দুটি বিন্দুর সংযোজক রেখাংশই হলো জ্যা সুতরাং, সবচেয়ে দীর্ঘ জ্যা হলো বৃত্তের ব্যাস অন্যান্য জ্যা কেন্দ্র দিয়ে যায় না উত্তর: জ্যা
a 16
b 17
c 15
d 18
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: শাহিনের মোট খরচের পরিমাণ = ২৪০ টাকা প্রতিটি কলমের প্রাথমিক দাম = ২৪০ ÷ ক টাকা ধরি, শাহিনের কেনা কলমের সংখ্যা = ক টি একটি কলম বেশি পেলে কলমের সংখ্যা হবে = ক + ১ টি অতএব, ১টি বেশি পেলে প্রতিটি কলমের নতুন দাম হবে = ২৪০ ÷ (ক + ১) টাকা শর্তানুসারে দামের পার্থক্য = ১ টাকা সুতরাং, (২৪০ ÷ ক) − (২৪০ ÷ (ক + ১)) = ১ উত্তর: ক = ১৫ টি
a 18
b 27
c 36
d 81
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৭ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ১, ২, ৩, ৬, ৯, ১৮, (.....), ৫৪ ধরি, ধারার নিয়মটি হলো প্রতিটি সংখ্যা তার আগের সংখ্যার সাথে বিশেষ গুণনীয়ক সম্পর্ক বজায় রাখে অতএব, ১ × ২ = ২ ২ × ১.৫ = ৩ সুতরাং, ৩ × ২ = ৬ ৬ × ১.৫ = ৯ ৯ × ২ = ১৮ উত্তর: ১৮ × ১.৫ = ২৭
a 1050
b 1042
c 1092
d 1064
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০৯২ প্রদত্ত তথ্য: মিষ্টির প্রতি কেজির দাম = ৩৫০ টাকা মিষ্টির পরিমাণ = ৩ কেজি ভ্যাটের হার = ৪% ধরি, ৩ কেজি মিষ্টির মূল দাম = ৩৫০ × ৩ = ১০৫০ টাকা ভ্যাটের পরিমাণ = ১০৫০ এর ৪% অতএব, ভ্যাটের টাকা = (১০৫০ × ৪) ÷ ১০০ ভ্যাটের টাকা = ৪২০০ ÷ ১০০ = ৪২ টাকা সুতরাং, মোট খরচ = মিষ্টির দাম + ভ্যাটের টাকা মোট খরচ = ১০৫০ + ৪২ = ১০৯২ টাকা উত্তর: ১০৯২ টাকা
a ৬ঃ৫ঃ৪
b ৬ঃ৪ঃ৩
c ১২ঃ৮ঃ৪
d ১৭ঃ১৫ঃ৮
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭ঃ১৫ঃ৮ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত ১৭ঃ১৫ঃ৮ সমকোণী ত্রিভুজের পিথাগোরাসের উপপাদ্য প্রযোজ্য ধরি, ত্রিভুজের বাহুগুলো যথাক্রমে ১৭ক, ১৫ক এবং ৮ক এখানে সবচেয়ে বড় বাহুটি হলো অতিভুজ ১৭ক অতএব, লম্বের ওপর বর্গ = (১৫ক) × (১৫ক) = ২২৫কবর্গ ভূমির ওপর বর্গ = (৮ক) × (৮ক) = ৬৪কবর্গ সুতরাং, লম্বের বর্গ + ভূমির বর্গের যোগফল = ২২৫কবর্গ + ৬৪কবর্গ = ২৮৯কবর্গ অতিভুজের ওপর বর্গ = (১৭ক) × (১৭ক) = ২৮৯কবর্গ উত্তর: বাহুগুলোর অনুপাত ১৭ঃ১৫ঃ৮ হলে সমকোণী ত্রিভুজ আঁকা যাবে
a 100
b 200
c 300
d 400
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার ৬০% থেকে ৬০ বিয়োগ করলে ৬০ হবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ৬০% − ৬০ = ৬০ ক × (৬০ ÷ ১০০) = ৬০ + ৬০ সুতরাং, ক × ০.৬ = ১২০ ক = ১২০ ÷ ০.৬ উত্তর: ২০০
a 2x² + 2x + 1
b 2x² + 4x + 1
c 4x² + 2x + 1
d 4x² + 4x + 1
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪x² + ৪x + ১ প্রদত্ত তথ্য: বীজাণুগাণিতিক রাশিটি হলো (২x + ১) ধরি, প্রথম পদটি হলো ২x দ্বিতীয় পদটি হলো ১ অতএব, বর্গ নির্ণয়ের সূত্র অনুযায়ী রাশিটিকে লেখা যায় (২x + ১)২ সুতরাং, সূত্রের সম্প্রসারণ করে পাই (২x)২ + ২ × (২x) × ১ + (১)২ উত্তর: ৪x² + ৪x + ১
a 2:3
b 3:7
c 2:7
d 4:7
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪:৭ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম অনুপাত দেওয়া আছে ক অনুপাত খ সমান ২ অনুপাত ৩ দ্বিতীয় অনুপাত দেওয়া আছে খ অনুপাত গ সমান ৬ অনুপাত ৭ ধরি, প্রথম অনুপাতের উভয় রাশিকে ২ দ্বারা গুণ করি ফলে ক অনুপাত খ সমান ৪ অনুপাত ৬ হয় অতএব, এখন ক অনুপাত খ সমান ৪ অনুপাত ৬ এবং খ অনুপাত গ সমান ৬ অনুপাত ৭ লেখা যায় এখানে খ এর মান উভয় অনুপাতে সমান অর্থাৎ ৬ হয় সুতরাং, ক অনুপাত খ অনুপাত গ সমান ৪ অনুপাত ৬ অনুপাত ৭ পাই উত্তর: ক অনুপাত গ সমান ৪ অনুপাত ৭
a (x+6) (x-5)
b (x+3) (2x-5)
c (2x+5) (x-3)
d (x-6) (x-5)
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (2x+5) (x-3) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ২x² − x − ১৫ ধরি, মিডল টার্ম ভাঙানোর জন্য প্রথম ও শেষ পদের গুণফল বের করতে হবে এখানে ২ × (−১৫) = −৩০x² অতএব, −x কে এমন দুটি অংশে ভাগ করতে হবে যেন গুণফল −৩০x² এবং যোগফল −x হয় সংখ্যা দুটি হলো −۶x এবং +۵x সুতরাং, রাশিটি হবে ২x² − ۶x + ۵x − ১৫ উৎপাদক দুটি হবে (2x+5) (x-3) উত্তর: (2x+5) (x-3)
a 5
b 6
c 8
d 9
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: বইয়ের নির্ধারিত বিক্রয়মূল্য = ২৪.০০ টাকা এই বিক্রয়মূল্য হলো প্রকৃত মূল্যের ৮০% ধরি, বইটির প্রকৃত মূল্য = ক টাকা সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ = (১০০% − ৮০%) বা ২০% অতএব, ক এর ৮০% = ২৪ ক × (৮০ ÷ ১০০) = ২৪ ক = ২৪ × (১০০ ÷ ৮০) = ৩০ সুতরাং, সরকারের ভর্তुकির পরিমাণ = ৩০ এর ২০% ৩০ × (২০ ÷ ১০০) = ৬ টাকা উত্তর: ৬
a Blank Carbon Copy
b Blind Carbon Copy
c Block Carbon Copy
d Bold Carbon Copy Hint
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Blind Carbon Copy কেন সঠিক: - ই-মেইল পাঠানোর সময় একাধিক ঠিকানায় বার্তা পাঠানোর ক্ষেত্রে বিসিসি বা ব্লাইন্ড কার্বন কপি ব্যবহৃত হয়। - এই অপশনে মেইল পাঠালে প্রাপকরা দেখতে পান না যে অন্য কাকে এই মেইলটি পাঠানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Blank Carbon Copy — ই-মেইল প্রযুক্তিতে এই ধরনের কোনো টার্ম বা পূর্ণরূপ নেই। B) Blind Carbon Copy — এটি সঠিক উত্তর। C) Block Carbon Copy — এই নামে ই-মেইলের কোনো প্রচলিত পরিভাষা বা অপশন নেই। D) Bold Carbon Copy — এটি একটি ভুল অপশন এবং এর কোনো বাস্তবিক কার্যকারিতা নেই। মনে রাখার টিপস: বি (B) অক্ষরটি দিয়ে ব্লাইন্ড (Blind) বা গোপনীয়তা বোঝায়, যার মাধ্যমে প্রাপকদের তালিকা অন্যদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা হয়।
a ক্যালরি
b কেলভিন
c ফারেনহাইট
d সেলসিয়াস
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্যালরি কেন সঠিক: - তাপ এক প্রকার শক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিমাপে শক্তির একক জুল হলেও তাপ পরিমাপের প্রচলিত একক হলো ক্যালরি। - এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি করতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে এক ক্যালরি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যালরি — এটি তাপ পরিমাপের প্রচলিত একক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) কেলভিন — এটি তাপমাত্রার এসআই একক, তাপের একক নয়। C) ফারেনহাইট — এটি তাপমাত্রা পরিমাপের একটি স্কেল, তাপের একক নয়। D) সেলসিয়াস — এটিও তাপমাত্রা পরিমাপের একটি বহুল ব্যবহৃত স্কেল বা একক। মনে রাখার টিপস: তাপ মাপা হয় ক্যালরিতে আর তাপমাত্রা মাপা হয় সেলসিয়াস, ফারেনহাইট বা কেলভিনে।
a মাউস
b পাওয়ার পয়েন্ট
c মনিটর
d সিপিইউ
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাওয়ার পয়েন্ট কেন সঠিক: - পাওয়ার পয়েন্ট একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যা প্রেজেন্টেশন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। - এটি কম্পিউটারের কোনো দৃশ্যমান বা শারীরিক অংশ নয়, তাই এটি হার্ডওয়্যার নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাউস — এটি কম্পিউটারের একটি ইনপুট হার্ডওয়্যার ডিভাইস, যার মাধ্যমে স্ক্রিনের পয়েন্টার নিয়ন্ত্রণ করা হয়। B) পাওয়ার পয়েন্ট — এটি কোনো হার্ডওয়্যার নয়, বরং মাইক্রোসফট অফিসের একটি জনপ্রিয় উপস্থাপনা সফটওয়্যার। C) মনিটর — এটি কম্পিউটারের একটি আউটপুট হার্ডওয়্যার ডিভাইস, যা প্রসেসিংয়ের ফলাফল স্ক্রিনে প্রদর্শন করে। D) সিপিইউ — এটি কম্পিউটারের মূল প্রক্রিয়াকরণ হার্ডওয়্যার ইউনিট, যা সব ডেটা ও নির্দেশণা প্রক্রিয়াজাত করে। মনে রাখার টিপস: যেকোনো সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম যেমন পাওয়ার পয়েন্ট হলো সফটওয়্যার, আর যা ছোঁয়া যায় যেমন মাউস, মনিটর ও সিপিইউ হলো হার্ডওয়্যার।
a Wireless Internet
b Wireless Field
c Wireless Fibre
d Wireless Fidelity
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Wireless Fidelity কেন সঠিক: - Wi-Fi হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে তারের সংযোগ ছাড়াই রেডিও তরঙ্গের সাহায্যে ইন্টারনেট বা লোকাল নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়া যায়। - এই প্রযুক্তির অফিশিয়াল পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity, যা ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে একটি বিশ্বমানের মানদণ্ড নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wireless Internet — এটি শুনতে সঠিক মনে হলেও Wi-Fi-এর প্রাতিষ্ঠানিক বা প্রযুক্তিগত পূর্ণরূপ নয়, এটি কেবল ইন্টারনেট সংযোগের একটি মাধ্যম মাত্র। B) Wireless Field — এটি কোনো প্রযুক্তিগত শব্দের পূর্ণরূপ নয় এবং এর সাথে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের কোনো সম্পর্ক নেই। C) Wireless Fibre — ফাইবার অপটিক তারের সাথে যুক্ত, তাই এটি ওয়্যারলেস বা তারবিহীন প্রযুক্তির পূর্ণরূপ হতে পারে না। D) Wireless Fidelity — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: Wi-Fi শব্দের শেষে থাকা Fi অংশটি Fidelity শব্দ থেকে এসেছে, যা তারবিহীন সংযোগের বিশ্বস্ততা বোঝায়।
a Great Positioning System
b Global Pointing System
c Global Positioning System.
d Global Publication System.
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Global Positioning System. কেন সঠিক: - GPS শব্দের পূর্ণরূপ হলো Global Positioning System, যা সারা বিশ্বে নির্দিষ্ট কোনো বস্তুর ভৌগোলিক অবস্থান ও সময় নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত স্যাটেলাইটভিত্তিক একটি নেভিগেশন ব্যবস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Great Positioning System — এই নামে কোনো প্রযুক্তিগত বা ভূ-অবস্থান নির্ণয়ক ব্যবস্থা নেই, এটি একটি ভুল শব্দগুচ্ছ। B) Global Pointing System — Pointing শব্দটির অর্থ নির্দেশ করা, যা সঠিক পরিভাষা Positioning System-এর সমার্থক নয়। C) Global Positioning System. — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) Global Publication System — Publication অর্থ প্রকাশনা, যা উপগ্রহভিত্তিক নেভিগেশন প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পূর্ণ অসংগত। মনে রাখার টিপস: GPS প্রযুক্তির মূল কাজ অবস্থান বা পজিশন নির্ণয় করা, তাই মনে রাখতে হবে এর পূর্ণরূপে Positioning শব্দটি থাকে।
a 3
b 8
c 5
d 6
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ কেন সঠিক: - রঙিন মনিটরের প্রতিটি পিক্সেলে তিনটি প্রাথমিক রঙ বা সাব-পিক্সেল থাকে। - এই তিনটি মৌলিক রঙ হলো লাল, সবুজ এবং নীল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ — এটি সঠিক কারণ একটি পিক্সেলে লাল, সবুজ ও নীল রঙের সমন্বয় থাকে। B) ৮ — এটি ভুল কারণ পিক্সেলে রঙের মৌলিক উপাদান আটটি নয়, মাত্র তিনটি। C) ৫ — এটি ভুল কারণ রঙিন পিক্সেল গঠনে পাঁচটি রঙের কোনো ভিত্তি নেই। D) ৬ — এটি ভুল কারণ পিক্সেলে ছয় ধরনের রঙ ব্যবহার করা হয় না। মনে রাখার টিপস: রঙিন মনিটরের মূল ভিত্তি হলো আরজিবি (RGB), যেখানে লাল, সবুজ ও নীল এই তিনটি রঙ মিলে পিক্সেল তৈরি করে।
a Portable Document File
b Public Document File
c Public Distribution File
d Public Distribution folder
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Portable Document File কেন সঠিক: - এই ফরম্যাটটি যেকোনো ডিভাইসে মূল লেআউট ও ফন্ট ঠিক রেখে ফাইল প্রদর্শন ও প্রিন্ট করতে পারে। - অ্যাডোবি সিস্টেমস কতৃক এটি তৈরি করা হয়েছে যাতে বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমে সহজেই নথি আদান-প্রদান করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Portable Document File — এটি সঠিক কারণ এটি ফাইলের পোর্টেবিলিটি ও ডকুমেন্ট রূপ প্রকাশ করে। B) Public Document File — এই শব্দগুচ্ছটি আইসিটি পরিভাষায় কোনো স্বীকৃত ফাইল ফরম্যাট বোঝায় না। C) Public Distribution File — এটি সঠিক প্রযুক্তির পরিভাষা নয় এবং এই নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ফাইল ফরম্যাট নেই। D) Public Distribution folder — এটি কোনো ফাইল ফরম্যাট নয়, বরং ফোল্ডারের ক্ষেত্রে এই শব্দ ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: পিডিএফ দিয়ে সহজে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ফাইল বহন করা যায়, তাই পোর্টেবল বা বহনযোগ্য শব্দটি মনে রাখতে হবে।
a Maya
b AVG
c Outlook
d Google
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) AVG কেন সঠিক: - AVG একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার, ভাইরাস ও স্পাইওয়্যার আক্রমণ প্রতিহত করতে কাজ করে। - এটি কম্পিউটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফাইল স্ক্যান করে এবং ক্ষতিকর প্রোগ্রাম শনাক্ত করে মুছে ফেলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Maya — এটি অ্যান্টিভাইরাস নয়, বরং এটি একটি থ্রিডি অ্যানিমেশন ও মডেলিং সফটওয়্যার যা গ্রাফিক্স ডিজাইনে ব্যবহৃত হয়। B) AVG — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। C) Outlook — এটি কোনো অ্যান্টিভাইরাস নয়, এটি মাইক্রোসফটের একটি ইমেইল ও ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার। D) Google — এটি কোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়, এটি বিশ্বের বৃহত্তম সার্চ ইঞ্জিন ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: অ্যান্টিভাইরাস চেনার জন্য AVG, Avast, Kaspersky বা Norton এই নামগুলো মনে রাখবে।
a ১,০০০ বাইট
b ১,০২৪ বাইট
c ১,০০৫৬ বাইট
d ১,০৬৪ বাইট
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১,০২৪ বাইট কেন সঠিক: - কম্পিউটার মেমোরি বাইনারি পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, যেখানে ডেটা গণনার ভিত্তি হলো দুই। - দুই এর দশ ঘাত অর্থাৎ দুই গুণ দুই গুণ দুই এভাবে দশবার গুণ করলে এক হাজার চব্বিশ হয়, যা এক কিলোবাইট হিসেবে নির্ধারিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১,০০০ বাইট — এটি দশমিক বা মেট্রিক পদ্ধতির হিসাব, কিন্তু কম্পিউটার বিজ্ঞান বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহার করে। B) ১,০২৪ বাইট — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কম্পিউটার মেমোরিতে এক কিলোবাইট সমান এক হাজার চব্বিশ বাইট। C) ১,০০৫৬ বাইট — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের কোনো প্রমিত মানের সঙ্গে মেলে না। D) ১,০৬৪ বাইট — এটিও একটি ভুল মান এবং কম্পিউটার ডেটা সংরক্ষণের হিসাবের নিয়মের বাইরে। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারের মেমোরি হিসাব সবসময় দুই এর গুণিতক বা জোড়ায় চলে, তাই কিলোবাইট মানে এক হাজার নয়, এক হাজার চব্বিশ বাইট।
a অপারেটিং সিস্টেম
b টোপোলজি
c প্রোটোকল
d সফ্টওয়্যার
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রোটোকল কেন সঠিক: - TCP/IP হলো ইন্টারনেট যোগাযোগের ক্ষেত্রে ডেটা আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণের একটি আদর্শ প্রোটোকল। - এটি মূলত ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল এবং ইন্টারনেট প্রোটোকলের একটি যৌথ রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপারেটিং সিস্টেম — এটি কম্পিউটার চালনার প্রধান সিস্টেম সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মাঝে সমন্বয় করে কিন্তু প্রোটোকল নয়। B) টোপোলজি — এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডিভাইসগুলোর শারীরিক বা যৌক্তিক বিন্যাসের গঠন, কোনো নিয়ম বা যোগাযোগের প্রোটোকল নয়। সি) প্রোটোকল — এটি যোগাযোগের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম বা নীতিমালা, যার মাধ্যমে নেটওয়ার্কে ডেটা সফলভাবে আদান-প্রদান করা হয়। D) সফ্টওয়্যার — এটি কম্পিউটারের নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য নির্দেশমালার সমষ্টি, যা প্রোটোকলের নির্দিষ্ট ধারণার চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত। মনে রাখার টিপস: নামের শেষে প্রোটোকল শব্দটি না থাকলেও TCP/IP হলো কম্পিউটারের যোগাযোগের নিয়ম বা প্রোটোকল।
a A've
b B've
c AB've
d O've
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) O've কেন সঠিক: - এই রক্তের গ্রুপে লোহিত রক্তণিকায় কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না, ফলে অন্য যেকোনো গ্রুপের রক্তে এটি দিলে গ্রহীতার অ্যান্টিবডি একে আক্রমণ করতে পারে না। - ও নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ যেকোনো গ্রুপের মানুষকে রক্ত দিতে পারে বলে একে সার্বজনীন দাতা বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A've — এই গ্রুপে এ অ্যান্টিজেন থাকে, যা বি গ্রুপের মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। B) B've — এই গ্রুপে বি অ্যান্টিজেন থাকে, যা এ গ্রুপের মানুষের জন্য ক্ষতিকর এবং গ্রহীতার শরীরে অ্যান্টিবডি প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। C) AB've — এই গ্রুপে এ এবং বি উভয় অ্যান্টিজেন থাকে এবং এটি শুধুমাত্র এবি গ্রুপের মানুষকে রক্ত দিতে পারে, তাই এটি সার্বজনীন দাতা নয়। D) O've — এটি নিজে সার্বজনীন দাতা হলেও প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত হবে না। মনে রাখার টিপস: ও নেগেটিভ হলো শূন্য বা খালি ঘরের মতো, যার কোনো অ্যান্টিজেন নেই বলে সবাইকে রক্ত দিতে পারে।
a ঘনত্ব বেড়ে যাবে
b আয়তন বেড়ে যাবে
c ভর কমে যাবে
d আয়তনের পরিবর্তন ঘটবে না।
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আয়তন বেড়ে যাবে কেন সঠিক: - পানির তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে কমে শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে পানি বরফে পরিণত হয়। - পানি যখন বরফে পরিণত হয়, তখন এর অণুগুলোর বিন্যাসের কারণে ফাঁকা জায়গার পরিমাণ বেড়ে যায় এবং আয়তন প্রায় ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘনত্ব বেড়ে যাবে — বরফে পরিণত হলে আয়তন বাড়ার কারণে ঘনত্ব আসলে কমে যায়, তাই বরফ পানিতে ভাসে। B) আয়তন বেড়ে যাবে — এটি সঠিক কারণ, পানির অণুর কেলাশ গঠনের ফলে বরফের আয়তন বৃদ্ধি পায়। C) ভর কমে যাবে — পদার্থের অবস্থার পরিবর্তনে ভর অপরিবর্তিত থাকে, তাই ভর কমে না। D) আয়তনের পরিবর্তন ঘটবে না — পানি ছাড়া অন্য কিছু পদার্থের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হতে পারে, কিন্তু পানির ক্ষেত্রে আয়তন বাড়ে। মনে রাখার টিপস: পানি যখন বরফ হয়, তখন সে ফাঁকা জায়গা বাড়ায় অর্থাৎ তার আয়তন বাড়ে কিন্তু ঘনত্ব কমে যায়।
a Arsenal
b Hangar
c Aerodrome
d Runway
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hangar কেন সঠিক: - Hangar হলো বিশাল আকারের বদ্ধ ঘর বা শেড, যা বিশেষভাবে বিমান রাখার, রক্ষণাবেক্ষণ করার ও মেরামতের কাজে ব্যবহার করা হয়। - আবহাওয়ার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বিমানকে নিরাপদ রাখতে এবং উড্ডয়নের পূর্বে সামরিক বা বেসামরিক বিমানগুলো এই নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Arsenal — এটি অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম জমা করে রাখার গুদাম বা ভাণ্ডার, বিমান রাখার স্থান নয়। C) Aerodrome — এটি বিমান চলাচল ও অবতরণের সামগ্রিক বিমানবন্দর বা বিমানঘাঁটি বোঝায়, কোনো নির্দিষ্ট রাখার ঘর নয়। D) Runway — এটি বিমানের রানওয়ে বা পাকা পথ, যেখান দিয়ে বিমান উড্ডয়ন করে বা মাটিতে অবতরণ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি Hangar শব্দটি বিমান রাখার ঘর বোঝায়, আর Singer বা hanger বলতে কাপড়ের হ্যাঙ্গার বোঝায়।
a ২৭৩.১৫° সেন্টিগ্রেড
b ২৩৭.১৫° সেন্টিগ্রেড
c -২৭৩.১৫° সেন্টিগ্রেড
d ০° সেন্টিগ্রেড
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) -২৭৩.১৫° সেন্টিগ্রেড কেন সঠিক: - তাত্ত্বিকভাবে যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় পদার্থের অণুগুলোর গতিশক্তি সম্পূর্ণ শূন্য হয়, তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে। - সেলসিয়াস স্কেলে এই তাপমাত্রার মান ঠিক মাইনাস ২৭৩.১৫° সেন্টিগ্রেড বা শূন্য কেলভিন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৭৩.১৫° সেন্টিগ্রেড — এটি ধনাত্মক মান হওয়ায় পরম শূন্য তাপমাত্রা হতে পারে না, কারণ এটি বরফ জমার তাপমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। B) ২৩৭.১৫° সেন্টিগ্রেড — এই মানটি ভুল এবং তাপগতিবিদ্যার কোনো নির্দিষ্ট স্কেলের পরম শূন্য তাপমাত্রার সাথে মেলে না। C) -২৭৩.১৫° সেন্টিগ্রেড — এটি পরম শূন্য তাপমাত্রার সঠিক মান, তাই এটি ভুল নয় বরং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) ০° সেন্টিগ্রেড — এটি সেলসিয়াস স্কেলে পানির হিমাংক বা বরফ জমার তাপমাত্রা, পরম শূন্য তাপমাত্রা নয়। মনে রাখার টিপস: পরম শূন্য মানেই ঋণাত্মক মান, তাই মনে রাখুন সেলসিয়াসে এটি মাইনাস ২৭৩.১৫ ডিগ্রি।
a ips
b exe
c mpg
d bmp
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) mpg কেন সঠিক: - MPG হলো একটি বহুল ব্যবহৃত ডিজিটাল ভিডিও ফাইল ফরম্যাট, যা ভিডিও এবং অডিও ডেটা সংরક્ષণ করে। - মুভিং পিকচার্স এক্সপার্ট গ্রুপ এই ফাইল ফরম্যাট তৈরি করেছে, যা কম্পিউটারে ভিডিও চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ips — এটি কোনো ফাইল ফরম্যাট নয়, এটি ডিসপ্লে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ইন-প্লেন সুইচিং প্যানেল বা আইপিএস বোঝায়। B) exe — এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি এক্সিকিউটেবল বা প্রোগ্রাম ফাইল ফরম্যাট, কোনো ভিডিও ফাইল নয়। C) mpg — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে এটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত। D) bmp — এটি উইন্ডোজের একটি ইমেজ বা ছবি ফাইল ফরম্যাট, যা ভিডিওর জন্য ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: ভিডিও ফাইলের নামের শেষে সাধারণত mpg, mp4 বা avi লেখা থাকে।
a ফুলফুল
b কিডনি
c যকৃৎ
d প্লীহা
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) ফুসফুস (দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে ফুলফুল বলা হয়েছে, যা ফুসফুসের একটি মুদ্রণজনিত ভুল) কেন সঠিক: - নিউমোনিয়া একটি ফুসফুসের প্রদাহজনিত রোগ যা ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। - এই রোগে ফুসফুসের অ্যালভিওলাই বা বায়ুথলিতে তরল বা পুঁজ জমে যায়, ফলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুলফুল (ফুসফুস) — এটি নিউমোনিয়া আক্রান্ত মূল অঙ্গ, যেখানে সংক্রমণ ও প্রদাহের সৃষ্টি হয়। B) কিডনি — এটি মানবদেহের রেচন অঙ্গ এবং রক্ত ফিল্টার করার কাজ করে, নিউমোনিয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) যকৃৎ — এটি মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রের অংশ এবং বিপাকক্রিয়ায় কাজ করে, যা নিউমোনিয়ার আক্রান্ত স্থান নয়। D) প্লীহা — এটি লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমের অংশ এবং রক্ত ফিল্টার করে, ফুসফুসের রোগ নিউমোনিয়ার সাথে এটি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: নিউমোনিয়া শব্দটির সাথে ফুসফুস অঙ্গের বায়ুথলির সংযোগ মনে রাখবে, কারণ এটি সরাসরি শ্বাসতন্ত্রে আক্রমণ করে।
a কাঁচা লৌহ
b ইস্পাত
c অ্যালুমিনিয়াম
d কোবাল্ট
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যালুমিনিয়াম কেন সঠিক: - অ্যালুমিনিয়াম হলো একটি প্যারাচৌম্বক বা অ-চৌম্বক পদার্থ, যা চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না। - লোহা, নিকেল ও কোবাল্ট প্রকৃতির মতো এটি চৌম্বক ক্ষেত্রে শক্তিশালীভাবে চুম্বকত্ব অর্জন করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঁচা লৌহ — এটি একটি নরম চৌম্বক পদার্থ এবং চুম্বক দ্বারা তীব্রভাবে আকৃষ্ট হয়। B) ইস্পাত — এটি একটি কঠিন চৌম্বক পদার্থ এবং স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। C) অ্যালুমিনিয়াম — এটি অ-চৌম্বক পদার্থ হওয়ায় চুম্বকের প্রতি এর কোনো আকর্ষণ নেই। D) কোবাল্ট — এটি প্রধান চৌম্বক ধাতুগুলোর একটি এবং চুম্বকের প্রতি সংবেদনশীল। মনে রাখার টিপস: লোহা, ইস্পাত, নিকেল ও কোবাল্ট চৌম্বক পদার্থ; বাকি ধাতু যেমন অ্যালুমিনিয়াম অ-চৌম্বক পদার্থ।
a ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন
b কার্বন মনো অক্সাইঃ
c কার্বন ডাই-অক্সাইড
d মিথেন
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন কেন সঠিক: - ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন বা সিএফসি গ্যাসে উপস্থিত ক্লোরিন পরমাণু ওজোন স্তরে পৌঁছে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ওজোন অণুকে ভেঙে অক্সিজেন এ রূপান্তরিত করে। - এই রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ওজোন স্তরের ঘনত্ব দ্রুত হ্রাস পায় এবং পাতলা হয়ে ফাটল বা ছিদ্রের সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন — এটি ওজোন স্তরের অবক্ষয়ের জন্য সরাসরি দায়ী প্রধান মানবসৃষ্ট রাসায়নিক পদার্থ। B) কার্বন মনো অক্সাইড — এটি বিষাক্ত গ্যাস এবং রক্তে অক্সিজেন পরিবহনে বাধা সৃষ্টি করলেও ওজোন স্তর ধ্বংসের জন্য প্রধানত দায়ী নয়। C) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস যা বিশ্ব উষ্ণায়ন বা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী, ওজোন ফাটলের জন্য নয়। D) মিথেন — এটি একটি দাহ্য গ্রিনহাউস গ্যাস যা প্রধানত জলাভূমি ও পশুপালন থেকে উৎপন্ন হয় এবং ওজোন ক্ষয়ে সরাসরি ভূমিকা রাখে না। মনে রাখার টিপস: ওজোন স্তর ধ্বংসের প্রধান খলনায়ক হলো ফ্রিজ ও এসিতে ব্যবহৃত সিএফসি বা ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন।
a OSUERA
b QUSERA
c UQSAER
d UQSERA
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) UQSERA কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে CIRCLE শব্দটি পরিবর্তন করে RICELC করা হয়েছে, যেখানে প্রথম দুটি অক্ষর এবং শেষ দুটি অক্ষর স্থান পরিবর্তন করেছে এবং মাঝের দুটি অক্ষরও পরস্পর স্থান বদল করেছে। - একইভাবে SQUARE শব্দটির প্রথম দুটি অক্ষর SQ থেকে QS, মাঝের অক্ষর UA থেকে AU এবং শেষ অক্ষর RE থেকে ER বসালে UQSERA শব্দটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) OSUERA — এই বিন্যাসে অক্ষরের সঠিক ক্রম রক্ষা করা হয়নি এবং প্রথম অক্ষর পরিবর্তনের নিয়ম মানা হয়নি। B) QUSERA — এখানে মাঝের ও শেষের অক্ষরগুলোর পারস্পরিক স্থান পরিবর্তনের নিয়মটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়নি। C) UQSAER — এই অপশনে শেষের অক্ষরগুলোর বিন্যাস ভুলভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে যা মূল শব্দের নিয়মের সাথে মিলে না। D) UQSERA — এটি সঠিক বিন্যাস যা প্রশ্ন প্রদত্ত কোডিং নিয়ম নিখুঁতভাবে অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: কোডিং ডিকোডিং প্রশ্নে শব্দের অক্ষরগুলোকে জোড়ায় ভাগ করে স্থান পরিবর্তনের ধরন খেয়াল করলে খুব দ্রুত সঠিক উত্তর বের করা যায়।
a ২৩ মার্চ ১৯৭২
b ১৭ জুন ১৯৭২
c ২৩ আগস্ট ১৯৭২
d ২২ জুন ১৯৭২
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২ জুন ১৯৭২ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর জাতিসংঘের বিভিন্ন বিশেষায়িত সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে। - আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলও-র ১৯৭২ সালের ২২ জুন বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ মার্চ ১৯৭২ — এই তারিখে আইএলও-র সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত। B) ১৭ জুন ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশ আইএলও-র সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি একটি ভুল তারিখ। C) ২৩ আগস্ট ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ পায়নি, এটি ভিন্ন একটি দিন। D) ২২ জুন ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আইএলও-র সদস্য হতে বাহাত্তরের জুন মাসের বাইশ দিন লেগেছিল এভাবে মনে রাখা যায়।
a বান্দরবান
b কক্সবাজার
c সিলেট
d কুয়াকাটা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কক্সবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সি মি উই ৬ কনসোর্টিয়ামের ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজারে স্থাপন করা হচ্ছে। - এর মাধ্যমে দেশের ব্যান্ডউইথ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং ইন্টারনেট সেবার মান উন্নত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান্দরবান — এটি পাহাড়ি জেলা হওয়ায় সাবমেরিন ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশন হিসেবে উপযুক্ত নয়। B) কক্সবাজার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই উপকূলীয় এলাকায় সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ স্থাপনের ভৌগোলিক সুবিধা রয়েছে। C) সিলেট — এটি স্থলবেষ্টিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জেলা হওয়ায় এখানে সাবমেরিন ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশন হওয়া সম্ভব নয়। D) কুয়াকাটা — এটি বাংলাদেশের প্রথম ও দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশন হলেও তৃতীয়টির জন্য নির্ধারিত নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রথম ও দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল কুয়াকাটায় হলেও, তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশন হবে কক্সবাজারে।
a 4th January, 1972
b 4th January, 1971
c 16th December, 1971
d 16th December, 1972
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 4th January, 1972 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ বিমান ১৯৭২ সালের ৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে তার প্রথম অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৪ জানুয়ারি ১৯৭২ তারিখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের শুভ উদ্বোধন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4th January, 1972 — এটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আনুষ্ঠানিক যাত্র শুরুর সঠিক তারিখ। B) 4th January, 1971 — এই বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরুই হয়নি এবং বিমান গঠিতও হয়নি। C) 16th December, 1971 — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস, বিমান চালুর তারিখ নয়। D) 16th December, 1972 — এটি বাংলাদেশ বিমানের যাত্রা শুরুর তারিখ নয়, এটি বিজয়ের প্রথম বার্ষিকী। মনে রাখার টিপস: ১৯৭২ সালের ৪ জানুয়ারি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের যাত্রা শুরু হয়, যা বিজয়ের ঠিক কিছুদিন পরের ঘটনা।
a 4
b 2
c 6
d 8
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ কেন সঠিক: - বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে বর্তমানে মোট ৬টি ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ রয়েছে। - এর মধ্যে ৪টি বোয়িং ৭৮৭-৮ এবং ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯ মডেলের আধুনিক উড়োজাহাজ যুক্ত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ — এই সংখ্যাটি বিমানের বহরে থাকা বোয়িং ৭৮৭-৮ মডেলের ড্রিমলাইনারের সংখ্যা নির্দেশ করে, মোট ড্রিমলাইনারের সংখ্যা নয়। B) ২ — এই সংখ্যাটি বিমানের বহরে থাকা বোয়িং ৭৮৭-৯ মডেলের ড্রিমলাইনারের সংখ্যা বোঝায়, যা সঠিক মোট সংখ্যা নয়। C) ৬ — এটি বিমানের বহরে থাকা মোট ড্রিমলাইনারের সঠিক সংখ্যা। D) ৮ — এটি বিমানের বহরে থাকা ড্রিমলাইনারের অতিরিক্ত সংখ্যা যা বর্তমান বাস্তব তথ্যের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বিমান বাংলাদেশের মোট ড্রিমলাইনার মনে রাখতে ৪টি ছোট (৮-৮) আর ২টি বড় (৮-৯), মোট যোগ করলে হয় ৬টি।
a ব্যাসল কনভেশন
b মন্ট্রিল প্রটোকল
c কার্টাগোনা প্রটোকল
d কিয়োটো প্রটোকল
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) কিয়োটো প্রটোকল কেন সঠিক: - এটি ১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটোতে গৃহীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যার মূল লক্ষ্য গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন নির্দিষ্ট মাত্রায় কমিয়ে আনা। - শিল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য কার্বন ডাই অক্সাইডসহ অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাসের নির্গমন কমানোর আইনি বাধ্যবাধকতা এই চুক্তিতে নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাসল কনভেনশন — এটি ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থের এক দেশ থেকে অন্য দেশে স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পর্কিত। B) মন্ট্রিল প্রটোকল — এটি ওজোন স্তর ক্ষয়কারী উপাদান যেমন সিএফসি গ্যাসের ব্যবহার হ্রাসের জন্য প্রণীত চুক্তি। সি) কার্টাগোনা প্রটোকল — এটি জীবনিরাপত্তা ও জিনগত পরিবর্তিত জীবের নিরাপদ ব্যবহার সংক্রান্ত চুক্তি। ডি) কিয়োটো প্রটোকল — এটি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের সাথে সম্পর্কিত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: কিউ দিয়ে কিয়োটো এবং ক দিয়ে কার্বন বা গ্যাস নির্গমন কমানোর চুক্তি এভাবে মনে রাখা যায়।
a ১টি
b ৩টি
c ২টি
d ৪টি
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: B) ৩টি কেন সঠিক: - বর্তমানে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে মোট তিনটি। - এগুলো হলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু রয়েছে। B) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সক্রিয় আছে। C) ২টি — অতীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দুটি থাকলেও বর্তমানে সিলেট বিমানবন্দরসহ মোট সংখ্যা তিনটি। D) ৪টি — বাংলাদেশে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা চারটি নয়, তিনটি। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর মনে রাখতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের প্রথম অক্ষর বা প্রধান তিনটি শহরের কথা মনে রাখতে পারো।
a সালাম
b আসাদ
c জব্বার
d বরকত
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) আসাদ কেন সঠিক: - শহিদ আসাদ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় ২৪শে জানুয়ারি পুলিশের গুলিতে নিহত হন। - তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন, বরং ঊনসত্তরের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সালাম — আবদুস সালাম ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের একজন অন্যতম শহীদ। B) আসাদ — তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন, তিনি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ। C) জব্বার — আবদুল জব্বার ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের একজন বীর শহীদ। D) বরকত — আবুল বরকত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের শহীদদের মনে রাখতে বরকত, সালাম, জব্বারের সাথে রফিক ও শফিউরকে স্মরণ রাখবেন; আর আসাদ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ।
a অভিজিৎ ব্যানার্জি
b পিটার হ্যান্ডকে
c গ্রেটা থানবার্গ
d ডব্লিউএফপি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ডব্লিউএফপি কেন সঠিক: - ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বা ডব্লিউএফপি (WFP)। - ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়াই এবং সংঘাতকবলিত অঞ্চলে শান্তির পরিবেশ তৈরিতে অবদান রাখার জন্য সংস্থাটিকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভিজিৎ ব্যানার্জি — ইনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, শান্তিতে নয়। B) পিটার হ্যান্ডকে — ইনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, শান্তিতে নয়। C) গ্রেটা থানবার্গ — ইনি ২০২০ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেও পুরস্কার লাভ করেননি। D) ডব্লিউএফপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংস্থাটি ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায়। মনে রাখার টিপস: খাদ্য দিলে শান্তি মেলে, তাই ক্ষুধার বিরুদ্ধে কাজ করে শান্তিতে নোবেল পায় ডব্লিউএফপি।
a সব্যসাচী হাজরা
b মুস্তাফা মনোয়ার
c হামিদুর রহমান
d হাশেম খান
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সব্যসাচী হাজরা কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য নির্ধারিত লোগোটির মূল নকশাকার বা ডিজাইনার সব্যসাচী হাজরা। - তার নকশাকৃত এই লোগোটিই সরকারিভাবে মুজিব শতবর্ষের আনুষ্ঠানিক লোগো হিসেবে নির্বাচিত ও ব্যবহৃত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সব্যসাচী হাজরা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই লোগোর ডিজাইনার হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃত। B) মুস্তাফা মনোয়ার — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও puppeteer হলেও এই লোগোর নকশা তিনি করেননি। C) হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাকার ও স্থপতি, মুজিব শতবর্ষের লোগোর সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) হাশেম খান — তিনি বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও অধ্যাপক হলেও এই লোগোটির ডিজাইনার নন। মনে রাখার টিপস: মুজিব শতবর্ষের লোগো মানেই 'সব্যসাচী' হাজরা, নামের শুরুতে 'স' দিয়ে লোগো আর 'স' দিয়ে সব্যসাচী মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a আমেরিকান পিস সেন্টার
b জিরো পয়েন্ট
c গ্রাউন্ড জিরো
d ওয়ার্ল্ড সিমেট্রি
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গ্রাউন্ড জিরো কেন সঠিক: - ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলায় নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার বা টুইন টাওয়ার ধ্বংস হয়ে যায়। - ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ওই নির্দিষ্ট স্থানটিকে পরবর্তীতে মানুষের কাছে গ্রাউন্ড জিরো নামে পরিচিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমেরিকান পিস সেন্টার — এটি কোনো ঐতিহাসিক বা প্রচলিত স্থান নয়, বরং বিভ্রান্তিকর একটি নাম। B) জিরো পয়েন্ট — সাধারণত কোনো দেশের কেন্দ্রীয় দূরত্ব মাপার স্থান বা শূন্য বিন্দু বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। D) ওয়ার্ল্ড সিমেট্রি — এটি একটি কাল্পনিক ও ভুল অপশন, যার সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: টুইন টাওয়ার ধ্বংসের পর সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপ বা শূন্যস্থান বোঝাতে গ্রাউন্ড জিরো নামটি মনে রাখবে।
a শরিফুল
b ইমন
c আকবর
d তামিম
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আকবর কেন সঠিক: - আকবর আলী ২০২০ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের সফল অধিনায়ক ও উইকেটকিপার ছিলেন। - ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে চাপের মুখে অপরাজিত জুতার ইনিংস খেলে তিনি বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরিফুল — তিনি ওই দলের একজন বাঁহাতি পেসার ছিলেন, অধিনায়ক ছিলেন না। B) ইমন — পারভেজ হোসেন ইমন দলের ওপেনিং ব্যাটসমান ছিলেন, দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন না। C) আকবর — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) তামিম — তামিম ইকবাল জাতীয় দলের খেলোয়াড়, এই অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক আকবর, নামের অর্থ মহান হলেও ফাইনালে ব্যাট হাতে তিনি দেখিয়েছেন চরম ধৈর্য ও নেতৃত্ব।
a Michel Jackson
b Elvis Presley
c George Harrison
d Michel George
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) George Harrison কেন সঠিক: - জর্জ হ্যারিসন ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত ব্যান্ড দ্য বিটলস এর সদস্য এবং ব্রিটিশ গায়ক। - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্ব জনমত গঠন এবং শরণার্থীদের সহায়তায় তিনি নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ারে কনসার্ট ফর বাংলাদেশ আয়োজন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Michel Jackson — তিনি আমেরিকার বিখ্যাত পপ গায়ক হলেও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের জন্য গান গাওয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। B) Elvis Presley — তিনি আমেরিকার রক অ্যান্ড রোল সংগীতের রাজা হলেও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় কোনো গানানুষ্ঠান করেননি। D) Michel George — এই নামে কোনো বিখ্যাত গায়ক ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় কনসার্ট করা বিখ্যাত ব্রিটিশ গায়ক হলেন জর্জ হ্যারিসন, যিনি বিটলস ব্যান্ডের সদস্য ছিলেন।
a বাংলাদেশ ব্যাংক
b বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ
c অর্থ মন্ত্রণালয়
d আইন মন্ত্রণালয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ ব্যাংক কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে দেশের মুদ্রা সরবরাহ ও ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। - দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন একমাত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের এখতিয়ার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে এটি দেশের মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে। B) বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ — এগুলো মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে না, বরং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রণীত মুদ্রানীতি অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনা করে। C) অর্থ মন্ত্রণালয় — এটি দেশের রাজস্ব নীতি এবং জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করে, কিন্তু মুদ্রানীতি পরিচালনার দায়িত্ব সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। D) আইন মন্ত্রণালয় — এটি দেশের আইন প্রণয়ন ও বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে, অর্থনৈতিক নীতির সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: টাকা বা মুদ্রার সাথে সম্পর্কিত নীতি প্রণয়ন করে দেশের প্রধান ব্যাংক, অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক।
a ভারত ও ইংল্যান্ড
b ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা
c দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া
d অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - অ্যাশেজ সিরিজ অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী টেস্ট ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। - ১৮৮২ সাল থেকে দুই দেশের মধ্যে এই মর্যাদাপূর্ণ টেস্ট সিরিজটি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত ও ইংল্যান্ড — এই দুই দেশের মধ্যকার টেস্ট সিরিজের নাম অ্যান্থনি ডি মেলো ট্রফি বা পাটাউডি ট্রফি, অ্যাশেজ নয়। B) ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা — এই দুই দেশের টেস্ট সিরিজের নাম ব্যাসিল ডি'অলিভিয়েরা ট্রফি, অ্যাশেজ নয়। C) দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া — এই দুই দেশের টেস্ট সিরিজের সঙ্গে অ্যাশেজ ট্রফির কোনো সম্পর্ক নেই। D) অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দুই দেশের মধ্যে ঐতিহ্যগতভাবে অ্যাশেজ ট্রফি খেলা হয়। মনে রাখার টিপস: অ্যাশেজ মানে ছাই, আর এই ছাইয়ের লড়াই হয় ক্রিকেট পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে।
a ৫.৪৫ কি.মি.
b ৭.২৫ কি.মি.
c ৬.১৫ কি.মি.
d ৮.৩৫ কি.মি.
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.১৫ কি.মি. কেন সঠিক: - পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং সংযোগ সেতু সহ মোট দৈর্ঘ্য ৯.৮৩ কিলোমিটার। - এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সেতু যা দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫.৪৫ কি.মি. — এটি ভুল তথ্য কারণ পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য এত কম নয়। B) ৭.২৫ কি.মি. — এটি ভুল উত্তর কারণ সঠিক দৈর্ঘ্য এর চেয়ে কম। C) ৬.১৫ কি.মি. — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি পদ্মা সেতুর মূল কাঠামোর দৈর্ঘ্য। D) ৮.৩৫ কি.মি. — এটি ভুল অপশন কারণ এটি মূল সেতুর সঠিক মাপের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে ছয় এবং পনেরো সংখ্যা দুটি মনে রাখুন, যা হলো ছয় দশমিক পনেরো কি.মি.।
a ফ্রিডম পদক
b জুলিও কুরী পদক
c ম্যাগসেসে পদক
d জওহরলাল নেহেরু পদক
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জুলিও কুরী পদক কেন সঠিক: - বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ও মানবকল্যাণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালের ১০ মে বিশ্ব শান্তি পরিষদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরী পদকে ভূষিত করে। - এটি ছিল বাংলাদেশের প্রাপ্ত প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক সম্মাননা, যা বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রিডম পদক — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, যার সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শান্তিতে অবদানের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। B) জুলিও কুরী পদক — এটি বিশ্ব শান্তি পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত শান্তি ও মানবতার পক্ষে অবদানের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক সঠিক পদক। C) ম্যাগসেসে পদক — এটি এশিয়ার ব্যক্তিসমাজ ও প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়, যা ফিলিপাইন সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত এবং এটি শান্তির জন্য প্রদত্ত পদক নয়। D) জওহরলাল নেহেরু পদক — এটি ভারতের আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া ও বিশ্বশান্তির জন্য প্রদত্ত পুরস্কার, তবে বঙ্গবন্ধু এই পদক লাভ করেননি। মনে রাখার টিপস: শান্তিতে অবদানের জন্য জুলিও কুরী পদક পেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু, যেখানে 'জুলিও' শব্দটির শান্তি ভাবনার সঙ্গে তাঁর নাম মনে রাখা সহজ।
a একটি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র
b সরকারি কলেরা গবেষণা কেন্দ্র
c সরকারি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র
d একটি আন্তর্জাতিক পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সরকারি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র কেন সঠিক: - SPARRSO এর পূর্ণরূপ হলো Space Research and Remote Sensing Organization যা বাংলাদেশের একমাত্র মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - এটি মহাখালীতে অবস্থিত এবং দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ মূল্যায়ন ও আবহাওয়া সংক্রান্ত গবেষণায় রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র — এটি ভুল কারণ কৃষি গবেষণার জন্য বাংলাদেশে বিএআরআই এবং ব্রি এর মতো আলাদা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। B) সরকারি কলেরা গবেষণা কেন্দ্র — এটি ভুল কারণ কলেরা গবেষণার সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবি জড়িত। D) একটি আন্তর্জাতিক পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র — এটি ভুল কারণ পারমাণবিক শক্তির জন্য বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন রয়েছে। মনে রাখার টিপস: SPARRSO শব্দের শেষের শব্দ দুটি হলো Remote Sensing যা মহাকাশ গবেষণা ও উপগ্রহ চিত্র ব্যবহারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
a সৈয়দ নজরুল ইসলাম
b এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
c জেনারেল এম এ জি ওসমানী
d জনাব তাজউদ্দীন আহমদ
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং রাষ্ট্রপতি অনুপস্থিত থাকায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। - মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা বর্তমান মুজিবনগর আমবাগানে ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল গঠিত সরকারের রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন। B) এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন। C) জেনারেল এম এ জি ওসমানী — তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি বা সর্বাধিনায়ক ছিলেন। D) জনাব তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
a চট্টগ্রাম
b পাকশি
c আখাউড়া
d সৈয়দপুর
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দপুর কেন সঠিক: - নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা বাংলাদেশের রেল খাতের সবচেয়ে বড় এবং প্রধান কেন্দ্রীয় কারখানা। - ব্রিটিশ আমলে ১৮৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কারখানাটি রেললাইনের কোচ ও ইঞ্জিন মেরামতের মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দর শহর এবং রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের সদর দফতর হলেও সবচেয়ে বড় কারখানা নয়। B) পাকশি — এটি বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের সদর দফতর, কোনো বড় রেলওয়ে কারখানা নয়। C) আখাউড়া — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন এবং ট্রানজিট পয়েন্ট, কোনো প্রধান কারখানা নয়। D) সৈয়দপুর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি দেশের সবচেয়ে বড় রেলওয়ে কারখানা। মনে রাখার টিপস: সৈয়দপুর নামের ভেতরেই যেন সবচেয়ে বড় রেল কারখানার বিশালতা লুকিয়ে আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a কফি আনান
b অ্যান্টনিও গুতেরেস
c বান কি মুন
d উথানট
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যান্টনিও গুতেরেস কেন সঠিক: - অ্যান্টনিও গুতেরেস জাতিসংঘের নবম মহাসচিব হিসেবে ২০১৭ সালের ১লা জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বর্তমানেও এই পদে বহাল আছেন। - তিনি পূর্বে পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কফি আনান — তিনি জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন, বর্তমান মহাসচিব নন। B) অ্যান্টনিও গুতেরেস — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক। C) বান কি মুন — তিনি জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব ছিলেন, বর্তমান মহাসচিব নন। D) উথানট — তিনি জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব ছিলেন এবং তিনি প্রথম এশিয়ান মহাসচিব। মনে রাখার টিপস: বর্তমান মহাসচিবের নাম মনে রাখতে মাথায় রাখুন বর্তমান অক্ষরটি শুরু হয় অ দিয়ে এবং তার নামও অ্যান্টনিও অর্থাৎ অ দিয়ে শুরু।

মোট প্রশ্ন (20)

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c মাইকেল মধুসূদন দত্ত
d ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর ইংরেজি অনুবাদ ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'The Indigo Planting Mirror' নামে নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনবন্ধু মিত্র ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে বেনামে 'নীল দর্পণ' নাটক প্রকাশ করেন যা নীলকরদের অত্যাচারের ঐতিহাসিক দলিল। - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা নাট্যসাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি ও নাট্যকার যিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত একটি মহাকাব্য। উদাহরণ ২: নবনাটক ব্যাখ্যা: এটি রামনারায়ন তর্করত্ন রচিত একটি সামাজিক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হলেও এই নাটকের অনুবাদক নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি হলেও এই নাটকের সঙ্গে যুক্ত নন। C) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর। D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি এই নাটকের প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও অনুবাদক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - নীল দর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন মধুসূদন, এটি মনে রাখার জন্য নাটক ও অনুবাদকের নামের আদ্যক্ষর মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নীল দর্পণ নাটকের রচয়িতা এবং অনুবাদক সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a তৎপুরুষ সমাস
b দ্বন্দ্ব সমাস
c বহুব্রীহি সমাস
d কর্মধারয় সমাস
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্মধারয় সমাস ১. কেন সঠিক: - মৌমাছি শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো মৌ সংগ্রহকারী মাছি, যেখানে কর্মধারয় সমাসের নিয়მ অনুসারে মধ্যপদ লোপ পেয়েছে। - কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝানো হয় এবং এখানে মৌমাছি বলতে বিশেষ এক প্রকার মাছির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে কর্মধারয় সমাস হয়। - মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যস্থিত পদ সম্পূর্ণভাবে লোপ পেয়ে নতুন পদ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জয়পতাকা ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো জয়ের সূচক পতাকা, যা মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের অপর একটি চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: পলান্ন ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো পোলানো বা মাংস মিশ্রিত অন্ন, যেখানে মধ্যপদ লোপ পেয়ে কর্মধারয় সমাস সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎপুরুষ সমাস — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু মৌমাছি তৎপুরুষের নিয়মে গঠিত নয়। B) দ্বন্দ্ব সমাস — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, কিন্তু মৌমাছি শব্দে উভয়ের অর্থ আলাদাভাবে প্রধান নয়। C) বহুব্রীহি সমাস — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর বাইরে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কর্মধারয় সমাস — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের প্রমিত উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সমস্ত সমাসে ব্যাসবাক্য প্রসারিত করলে মাঝখানে সংজ্ঞাপক বা নির্দেশক পদ থাকে এবং সমাসবদ্ধ পদে তা উধাও হয়, তা সাধারণত মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পতঙ্গ বা প্রাণীবাচক মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস প্রায়ই আসে। - মৌমাছি এবং ঘরাময় (ঘর বানানোর মিস্ত্রি) শব্দ দুটি এই নিয়মের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a তৎসম
b ফরাসি
c তদ্ভব
d পর্তুগিজ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তৎসম কেন সঠিক: - 'বিমান' শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - সংস্কৃত ভাষায় এই শব্দটির রূপ অপরিবর্তিত থেকে বাংলাতেও একইভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। - প্রাচীন ও আধুনিক বাংলা সাহিত্যে তৎসম শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত ব্যাপক। - এই জাতীয় শব্দের মধ্যে চন্দ্র, সূর্য, নদী, বিমান ইত্যাদি শব্দ উল্লেখযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) তৎসম — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। - B) ফরাসি — ফরাসি শব্দগুলো সাধারণত প্রশাসনিক বা বাণিজ্য সংক্রান্ত হয় যেমন কার্তুজ, কুপন। - C) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দগুলো প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে এসেছে কিন্তু বিমান সরাসরি সংস্কৃত থেকে এসেছে। - D) পর্তুগিজ — পর্তুগিজ শব্দগুলো মূলত দৈনন্দিন ব্যবহারের বস্তু যেমন আনারস, চাবি, সাবান। মনে রাখার টিপস: - আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অনেক সংস্কৃত মূলক শব্দ তৎসম হিসেবে গণ্য হয়।
a দীন চণ্ডীদাস
b দ্বিজ চণ্ডীদাস
c বড়ু চণ্ডীদাস
d চণ্ডীদাস
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বড়ু চণ্ডীদাস ১. কেন সঠিক: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ভনিতায় রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বর্ণনাকারী হিসেবে অনন্ত বড়ু চণ্ডীদাসের নাম পাওয়া যায়। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত এই কাব্যের মূল রচয়িতা হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাসকেই প্রামাণিক বলে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বৎবল্লভ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বসন্তপুর গ্রামের এক গোয়ালঘরের মাচা থেকে আবিষ্কার করেন। - কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের শ্রীরাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদাবলি ও নাট্যগীতিকা ধারার অন্যতম প্রধান সংযোজন এবং এটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের জন্মখণ্ড। ব্যাখ্যা: কাব্যের বারোটি খণ্ডের মধ্যে জন্মখণ্ড একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা রাধা ও কৃষ্ণের জন্মসংক্রান্ত কাহিনি নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য। ব্যাখ্যা: এই কাব্যের চরিত্র মূলত তিনটি যথা রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দীন চণ্ডীদাস — দীন চণ্ডীদাস নামে মধ্যযুগে কোনো পদকর্তা ছিলেন এবং তিনি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন রচনা করেননি। B) দ্বিজ চণ্ডীদাস — দ্বিজ চণ্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা নন, তিনি শ্রীকৃষ্ণসারগর্ভ বা অন্যান্য পদের সঙ্গে যুক্ত। D) চণ্ডীদাস — চণ্ডীদাস কোনো একক ব্যক্তির নাম নয় বরং মধ্যযুগে একাধিক চণ্ডীদাস পদ রচনা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বড়ু চণ্ডীদাস মানেই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন এবং এটি আবিষ্কার করেছিলেন বসন্তরঞ্জন রায়। - মধ্যযুগের আদি নিদর্শন মনে রাখতে বড়ু চণ্ডীদাসের নামটি বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৯ সালে এবং এটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস থেকে বারবার এই প্রশ্নটি বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
a ঐতিহাসিক
b ইতিহাসবেত্তা
c ইতিহাস রচয়িতা
d ইতিহাসঙ্গ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইতিহাসবেত্তা ১. কেন সঠিক: - ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ বা বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিকে এককথায় ইতিহাসবেত্তা বলা হয়। - এখানে বেত্তা শব্দের অর্থ বিজ্ঞ, অভিজ্ঞ বা জানেন যিনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - কোনো বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমকে বাক্য সংকোচন বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইতিহাস রচনা করেন যিনি ব্যাখ্যা: এটি এককথায় প্রকাশে ইতিহাস রচয়িতা হয়। উদাহরণ ২: তত্ত্ব জানেন যিনি ব্যাখ্যা: এটি এককথায় প্রকাশে তত্ত্বজ্ঞ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঐতিহাসিক — এটি দ্বারা ইতিহাস সম্পর্কিত কোনো ঘটনা বা স্থানকে বোঝায়, অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নয়। B) ইতিহাসবেত্তা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। C) ইতিহাস রচয়িতা — এটি ইতিহাস লেখেন যিনি তাকে বোঝায়, গবেষণায় অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নয়। D) ইতিহাসঙ্গ — এই ধরনের কোনো প্রমিত শব্দ বাংলা ভাষায় সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বেত্তা শব্দের অর্থ যিনি জানেন বা বিশেষজ্ঞ। - তাই ইতিহাসের বিশেষজ্ঞ হলে ইতিহাসবেত্তা হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - শব্দের অর্থ বুঝতে পারলে খুব সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
a মাহেনও
b সওগাত
c ধূমকেতু
d কালিকলম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধূমকেতু ১. কেন সঠিক: - ধূমকেতু হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা। - ১৯২২ সালের ১২ আগস্ট এই পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান পরিচালক ছিলেন স্বয়ং কাজী নজরুল ইসলাম নিজে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি কবিতা, গান ও সাংবাদিকতার মাধ্যমে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন। - ধূমকেতু পত্রিকার প্রথম পাতার উদ্বোধনী সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আশীর্বাণী সংবলিত কবিতা এবং নজরুলের বিখ্যাত আনন্দময়ীর আগমন গান প্রকাশিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাঙল পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত আরেকটি প্রগতিশীল ও শ্রমিক কৃষকের অধিকারভিত্তিক সাপ্তাহিক পত্রিকা। উদাহরণ ২: নবযুগ পত্রিকা ব্যাখ্যা: এটি এ কে ফজলুল হকের সাথে যৌথভাবে কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত একটি প্রখ্যাত সন্ধানী ও রাজনৈতিক পত্রিকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাহেনও — এটি মোহাম্মদী প্রেস থেকে প্রকাশিত এবং প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দের সম্পাদিত একটি মাসিক পত্রিকা ছিল। B) সওগাত — এটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন কর্তৃক ১৯১৮ সালে প্রকাশিত ও সম্পাদিত একটি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা, যার সাথে নজরুল যুক্ত থাকলেও তিনি এর সম্পাদক ছিলেন না। D) কালিকলম — এটি বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র ও অজিত দত্তের প্রচেষ্টায় প্রকাশিত প্রগতিশীল সাহিত্য আন্দোলনের সাথে যুক্ত একটি পত্রিকা। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের সম্পাদিত পত্রিকার নাম মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ধূমকেতু ও লাঙল পত্রিকার নাম সবসময় একসাথে মনে রাখা। - ধূমকেতুর লেজ যেমন আকাশে আলো ছড়ায়, তেমনি নজরুলের এই পত্রিকাও সমাজে বিপ্লবের আলো ছড়িয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবিদের সম্পাদিত পত্রিকার নাম জানতে চাওয়া হয়। - ধূমকেতু পত্রিকার সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আশীর্বাণী এবং এর প্রথম প্রকাশের তারিখ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
a ১০টি
b ১১টি
c ১২টি
d ১৩টি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট মৌলিক স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি। এই বর্ণগুলো হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি যার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। স্বরবর্ণগুলো অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে পূর্ণভাবে উচ্চারিত হতে পারে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই ব্যাখ্যা: এগুলো বাংলা স্বরবর্ণের প্রাথমিক অংশ যা শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: উ, ঊ, ঋ ব্যাখ্যা: এগুলো বাংলা স্বরবর্ণের মধ্যবর্তী অংশ যা বিভিন্ন শব্দের শুরুতে বসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা ১০টি নয়, ১১টি। প্রাচীন বা ভুল গণনার কারণে এই সংখ্যাটি অপশনে আসে। B) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর। C) ১২টি — এটি ভুল কারণ বাংলা বর্ণমালায় ঐতিহ্যগতভাবে ১২টি স্বরবর্ণ ধরা হলেও বর্তমান প্রমিত নিয়মে ঋ-কার বা অন্যান্য কারণে ১১টি ধরা হয়। প্রাচীন বাংলা বর্ণমালায় ঋ-কে দীর্ঘ স্বর ধরা হতো যা এখন বাদ দেওয়া হয়েছে। D) ১৩টি — এটি ভুল কারণ ১৩টি স্বরবর্ণ কখনোই প্রমিত বাংলা বর্ণমালায় ছিল না। এটি ভুল ধারণা তৈরির জন্য অপশনে দেওয়া হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা বর্ণমালা মনে রাখতে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি এই সংখ্যা দুটি একসাথে মনে রাখলে মোট ৫০টি বর্ণ সহজে মনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা বর্ণমালার মোট সংখ্যা এবং স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের আলাদা সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সংখ্যাগুলো সবসময় মনে রাখা আবশ্যক।
a ক্রীতদাসের হাসি
b মাটি আর অশ্রু
c হাঙর নদী গ্রেনেড
d সারেং বউ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হাঙর নদী গ্রেনেড ১. কেন সঠিক: - হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং একাত্তরের বীরাঙ্গনা মা সেলিনার ত্যাগের পটভূমিতে রচিত। - সেলিনা হোসেন এই উপন্যাসে যুদ্ধের ভয়াবহতা ও সাধারণ মানুষের দেশপ্রেম অত্যন্ত মর্মান্তিক ও বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, যিনি বাংলা সাহিত্যে ইতিহাস ও সমাজচেতনার উপন্যাসের জন্য খ্যাত। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বুড়ি মাতৃত্ব ও দেশপ্রেমের এক অনন্য নিদর্শন স্থাপন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রমাঞ্জলী ব্যাখ্যা: এটি সেলিনা হোসেনের রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই আসে। উদাহরণ ২: যাপিত জীবন ব্যাখ্যা: সেলিনা হোসেনের এই উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধপূর্ব বাঙালি জীবনের ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্রীতদাসের হাসি — এই উপন্যাসটি শওকত ওসমান কর্তৃক রচিত এবং এর মূল বিষয়বস্তু আইয়ুব খানের স্বৈরশাসন ও মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণ, মুক্তিযুদ্ধ নয়। B) মাটি আর অশ্রু — এটি কোনো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, বরং এটি প্রখ্যাত লেখক ও গবেষক আহমদ শরীফের একটি ভিন্ন প্রকৃতির সাহিত্যকর্ম। D) সারেং বউ — এটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যার মূল উপজীব্য উপকূলীয় অঞ্চলের জলদস্যু ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবন সংগ্রাম। ৫ মনে রাখার টিপস: - হাঙর নদী গ্রেনেড উপন্যাসের লেখক সেলিনা হোসেন এবং তার লেখার মূল ক্ষেত্র সমাজ ও মুক্তিযুদ্ধ। - মুক্তিযুদ্ধের সময়কার নদীমাতৃক বাংলার সংগ্রাম মনে রাখলেই এই উপন্যাসটির নাম ও পটভূমি সহজে স্মরণে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সেলিনা হোসেনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নামগুলো বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। - একই ধরনের অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে শওকত ওসমানের জাহান্নাম হইতে বিদায় এবং রাবেয়া খাতুনের মেঘের পর মেঘ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
a আমার কিছু কথা
b রক্তাক্ত বাংলা
c কারাগারের রোজনামচা
d ঘ) অসমাপ্ত আত্মজীবনী
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কারাগারের রোজনামচা কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা। - বাংলা একাডেমি থেকে ২০১৭ সালের মার্চ মাসে এই গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি মূলত ঐতিহাসিক দিনলিপি বা ডায়েরি সাহিত্য ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। - ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি এই ডায়েরি লিখেছিলেন। - সাহিত্য বিচারে এটি বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও জেলজীবনের প্রামাণিক দলিল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) আমার কিছু কথা — এটি বঙ্গবন্ধুর কোনো প্রকাশিত গ্রন্থ নয়। - B) রক্তাক্ত বাংলা — এটি বঙ্গবন্ধু রচিত কোনো গ্রন্থ নয়। - D) অসমাপ্ত আত্মজীবনী — এটি বঙ্গবন্ধুর লেখা প্রকাশিত প্রথম বই, দ্বিতীয় বই নয়। মনে রাখার টিপস: - প্রথমে আত্মজীবনী প্রকাশিত হয়, তাই অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রথম বই। - আত্মজীবনীর পরেই রোজনামচা বা দিনলিপি আসে, তাই কারাগারের রোজনামচা দ্বিতীয় বই।
a WB Yeats
b T.S Elliot
c John Keats
d Ejra Pound
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) W.B. Yeats ১. কেন সঠিক: ডব্লিউ বি ইয়েটস বা উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস নোবেলজয়ী আইরিশ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখেছিলেন এবং এর সম্পাদনা করেছিলেন। ১৯১২ সালে ইয়েটস এই অনুবাদের সঙ্গে যুক্ত হন এবং এর মাধ্যমে বিশ্বসাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১০ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেন এবং এর ইংরেজি অনুবাদ সংকলন সংগীতাঞ্জলি বা সং অফারিংসের জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ডব্লিউ বি ইয়েটস এই ইংরেজি অনুবাদের মুখবন্ধ লিখে দেন যা বইটির আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতিমাল্য। ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথের অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে আধ্যাত্মিক চেতনার প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: ডব্লিউ বি ইয়েটসের দ্য সেকেন্ড কামিং। ব্যাখ্যা: এটি আইরিশ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটসের একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও পরিচিত আধুনিক ইংরেজি কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) W.B. Yeats — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদের সম্পাদনা করেছিলেন এবং ভূমিকা লিখেছিলেন। B) T.S Elliot — টি এস এলিয়ট বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি ও সমালোচক হলেও তিনি গীতাঞ্জলির অনুবাদ সম্পাদনা করেননি। C) John Keats — জন কিটস রোমান্টিক যুগের ইংরেজ কবি যিনি রবীন্দ্রনাথের অনেক আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন। D) Ejra Pound — এজরা পাউন্ড রবীন্দ্রনাথে মুগ্ধ হলেও তিনি এই গ্রন্থ সম্পাদনা করেননি বরং ইয়েটস এর মূল সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: গীতার ইংরেজি রূপ দিতে ইয়েটস সাহেব এসেছিলেন মনে রাখলে ডব্লিউ বি ইয়েটসের নাম সহজে মনে রাখা যাবে। অনুবাদের সম্পাদনা ও ভূমিকার জন্য ইয়েটস নামটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ১৯১৩ সালে এই কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্যই। বাংলা সাহিত্যের যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই তথ্যটি অত্যন্ত ঘনঘন আসে।
a বিপরীত
b নিকৃষ্ট
c অভাব
d বিকৃত
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিপরীত কেন সঠিক: ১. 'অপমান' শব্দটি 'মান' শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে থাকে। ২. এখানে 'অপ' উপসর্গটি মূল শব্দের বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে যুক্ত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে 'অপ' একটি অত্যন্ত পরিচিত তৎসম উপসর্গ। ২. উপসর্গটি বিশেষ বিশেষ শব্দে বিপরীত, অভাব কিংবা নিকৃষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। ৩. যেমন মান শব্দের সঙ্গে অপ যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক অপমান শব্দটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিপরীত — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে উপসর্গটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। B) নিকৃষ্ট — এই অর্থে অপ উপসর্গটি অন্য শব্দে ব্যবহৃত হতে পারে কিন্তু এখানে প্রযোজ্য নয়। C) অভাব — এই অর্থে অপ উপসর্গটি ব্যবহার করা হয় না। D) বিকৃত — এই অর্থেও এখানে উপসর্গটি ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ১. মান মানে সম্মান আর অপমান মানে অসম্মান বা বিপরীত কিছু। ২. বিপরীত অর্থ বুঝতে অপ উপসর্গযুক্ত শব্দের গঠন ভালো করে খেয়াল রাখবে।
a মনসামঙ্গল
b চণ্ডীমঙ্গল
c অন্নদামঙ্গল
d সারদামঙ্গল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অন্নদামঙ্গল ১. কেন সঠিক: 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে' এই বিখ্যাত উক্তিটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। কাব্যের একটি চরিত্র ঈশ্বরী পাটুনীর অন্নপূর্ণার কাছে প্রার্থনা করার সময় এই ঐতিহাসিক উক্তিটি করেছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটির রচয়িতা হলেন অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর, যিনি নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন। এই কাব্যটি মূলত তিনটি খণ্ডে বিভক্ত, যার মধ্যে অন্নদামঙ্গল, বিদ্যাসুন্দরণ বা কালিকা মঙ্গল এবং মানসিংহ বা অন্নপূর্ণার মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের বিদ্যাসুন্দরণ কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যেরই দ্বিতীয় অংশ এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রণয়কাব্য। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারা। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগে দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত কাব্যগুলোকে মঙ্গলকাব্য বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনসামঙ্গল — এটি সর্পদেবী মনসার পূজা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত মঙ্গলকাব্য, যার বিখ্যাত কবি বিজয় গুপ্ত ও কানাহ হরদত্ত। B) চণ্ডীমঙ্গল — এটি দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচারের কাব্য, যার প্রধান দুই কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ও দ্বিজ মাধব। C) অন্নদামঙ্গল — এই অপশনটি সঠিক এবং এর রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। D) সারদামঙ্গল — এটি ঊনবিংশ শতকের কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর একটি গীতিকাব্য, যার সঙ্গে মঙ্গলকাব্যের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: দুধে-ভাতে থাকার প্রার্থনা করেছিলেন ঈশ্বরী পাটুনী আর এই অন্নদাতা হলেন অন্নপূর্ণা, যা অন্নদামঙ্গল কাব্যের অংশ। ভারতচন্দ্র মানেই অন্নদামঙ্গল এবং তাঁর অমর সৃষ্টি হলো এই দুধে-ভাতে বাঁচার আকুতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের হাতে এবং তাঁকেই মধ্যযুগের শেষ উল্লেখযোগ্য কবি বলা হয়। এই ধরনের উদ্ধৃতিমূলক প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে চরিত্রের নাম এবং কাব্যগ্রন্থের নাম বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
a সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
b জসীমউদ্‌দীন
c কালিদাস রায়
d জীবনানন্দ দাশ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - জীবনানন্দ দাশকে বাংলা কবিতায় নিসর্গপ্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলার জন্য রূপসী বাংলার কবি বলা হয়। - তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, নদী, ধানক্ষেত ও গ্রামীণ রূপ অত্যন্ত গভীরভাবে চিত্রিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং বিশ শতকের সর্বশ্রেষ্ঠ লিরিক কবি হিসেবে পরিচিত। - ১৯২৭ সালে প্রকাশিত তাঁর রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থে বাংলাদেশের নিসর্গ ও রূপমাধুর্য অতুলনীয়ভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বিশ্বখ্যাত একটি সৃষ্টি, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ক্লাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়। উদাহরণ ২: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর চিন্তা ও দর্শনের গভীর পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি বাংলা ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত, রূপসী বাংলার কবি নন। B) জসীমউদ্‌দীন — ইনি পল্লীকবি নামে পরিচিত, কারণ তাঁর কাব্যে গ্রামীণ জীবন ও লোকসংস্কৃতি প্রধান্য পেয়েছে। C) কালিদাস রায় — ইনি আধুনিক যুগের মধ্যযুগীয় মননশীল কবি হিসেবে পরিচিত। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রশ্নের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবন কেটেছে যার বাংলায় সুন্দর, তিনিই কবি জীবনানন্দ দাশ রূপসী বাংলার। এভাবে মনে রাখলে কবি ও তাঁর উপাধি সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের ছদ্মনাম ও উপাধি থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই কবিদের এই বিশেষ উপাধিগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a শব্দ
b ভাষা
c বর্ণ
d ধ্বনি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শব্দ ১. কেন সঠিক: বাক্যের মৌলিক উপাদান হলো শব্দ। কারণ, অর্থপূর্ণ শব্দ একত্রিত হয়েই মূলত বাক্য গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে শব্দের সার্থক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি হলেও বাক্যের মূল ভিত্তি বা উপাদান হলো শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি শব্দ মিলে একটি সার্থক বাক্য তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: বই পড়ো। ব্যাখ্যা: এটি দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দ — এটি বাক্যের মৌলিক উপাদান হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। B) ভাষা — ভাষা হলো মানুষের ভাব প্রকাশের মাধ্যম, যা বাক্যের সরাসরি মৌলিক উপাদান নয়। C) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা শব্দের উপাদান হলেও সরাসরি বাক্যের মৌলিক উপাদান নয়। D) ধ্বনি — ধ্বনি হলো ভাষার মূল ভিত্তি বা ক্ষুদ্রতম একক, কিন্তু বাক্যের মৌলিক উপাদান শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্য তৈরি হয় শব্দ দিয়ে, তাই বাক্যের মৌলিক উপাদান শব্দ। ধ্বনি দিয়ে শব্দ গঠিত হলেও বাক্য গঠনের সরাসরি একক শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা, বর্ণ, ধ্বনি ও শব্দের একক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই প্রতিটি স্তরের ক্ষুদ্রতম এককগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সহযোজিত
b যোজিত
c সংযোজিত
d সংযুক্ত
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সহযোজিত ১. কেন সঠিক: - Co-opted শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো সহযোজিত। - ইংরেজি Co-opt শব্দের অর্থ কাউকে কোনো কমিটি বা সংস্থায় নতুন করে গ্রহণ করা বা যুক্ত করা, যার পরিভাষা হিসেবে সহযোজিত শব্দটি প্রমিতভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়। - ইংরেজি প্রশাসনিক বা প্রাতিষ্ঠানিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপান্তর করতে পারিভাষিক শব্দের জ্ঞান অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Co-opted member ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি শব্দগুচ্ছের সঠিক পরিভাষা হলো সহযোজিত সদস্য। উদাহরণ ২: Co-opt ব্যাখ্যা: এর সঠিক পরিভাষা হলো সহযোজিত করা বা অন্তর্ভুক্ত করা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সহযোজিত — এটি সঠিক পরিভাষা কারণ এটি Co-opted শব্দের ভাব ও অর্থ পূর্ণাঙ্গভাবে প্রকাশ করে। B) যোজিত — এই শব্দটির ইংরেজি রূপ সাধারণত Joined বা Added, যা Co-opted শব্দের সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করে না। C) সংযোজিত — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা সাধারণত Attached বা Appended, যা প্রাতিষ্ঠানিক পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) সংযুক্ত — এই শব্দের ইংরেজি রূপ Connected বা Combined, যা ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - Co শব্দের অর্থ সহ বা যৌথ। - এই সূত্র মনে রাখলে Co-opted শব্দের পরিভাষা সহজেই সহযোজিত হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি প্রশাসনিক শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা প্রায়ই আসে। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ না করে শব্দের মূল অর্থ বুঝে অনুশীলন করা উচিত।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b প্রমথ চৌধুরী
c রামসুন্দর ত্রিবেদী
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক বা জনক হলেন প্রমথ চৌধুরী। তিনি চলিত ভাষাকে শুধু লেখার বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য জোরালো আন্দোলন শুরু করেছিলেন। তার সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকার মাধ্যমে চলিত ভাষার সার্থক ও শৈল্পিক রূপ বাংলা সাহিত্যে আত্মপ্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম বীরবল এবং তার সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগের সূচনা করে। তিনি সাধু ভাষার কৃত্রিমতা ও গুরুগম্ভীর ভাব দূর করে চলিত ভাষাকে লেখার ভাষা হিসেবে গ্রহণ করার পক্ষে মত দেন। তার লেখনীর মাধ্যমেই বাংলা গদ্যে হালকা, চটপটে এবং বুদ্ধিদীপ্ত ভঙ্গির প্রচলন ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ তেলেনাবেসিস ব্যাখ্যা: এটি তার বিখ্যাত চলিত রীতিতে লেখা একটি রূপকধর্মী ও সুপরিচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটি চলিত ভাষারীতির এক অনন্য ও ধ্রুপদী গদ্যরীতির সার্থক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক হলেও চলিত ভাষার প্রবর্তক নন। বিদ্যাসাগর মহাশয় মূলত সাধু ও উন্নত গদ্যরীতির নির্মাতা ছিলেন। B) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি চলিত ভাষার প্রধান প্রবক্তা। C) রামসুন্দর ত্রিবেদী — ইনি একজন বিশিষ্ট বাংলা ব্যাকরণবিদ। বাংলা ব্যাকরণ চর্চায় তার বিশেষ অবদান থাকলেও তিনি চলিত ভাষার প্রবর্তক নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ চলিত রীতিতে প্রচুর সাহিত্য রচনা করলেও এবং সমর্থন জানালেও, চলিত ভাষা প্রবর্তনের মূল কৃতিত্ব প্রমথ চৌধুরীর। ৫. মনে রাখার টিপস: সবুজপত্রের বীরবল চলিত ভাষার প্রবক্তা। এই লাইনটি মনে রাখলে লেখক ও পত্রিকার নাম একসঙ্গে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৩২১ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে। চলিত ভাষারীতির সফল প্রয়োগ দেখতে চাইলে প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ পড়া উচিত।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
d কাদের নওয়াজ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত। - অমিত্রাক্ষর ছন্দ এমন এক ধরনের ছন্দ যেখানে চরণের অন্তে মিল থাকে না এবং যতি পাতের স্বাধীনতা থাকে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি, নাট্যকার ও প্রবক্তা। - ১৮৬০ সালে রচিত তিলোত্তমা সম্ভব কাব্যগ্রন্থে তিনি প্রথম সফলভাবে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য এবং এই কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের শ্রেষ্ঠ প্রয়োগ দেখা যায়। উদাহরণ ২: বীরাঙ্গনা কাব্য ব্যাখ্যা: এটিও মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি পত্রকাব্য যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যে গদ্যছন্দ এবং প্রবহমান ছন্দের প্রবর্তক কিন্তু অমিত্রাক্ষর ছন্দের নন। C) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — তিনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত এবং নানা ধরনের ছন্দ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন কিন্তু অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক নন। D) কাদের নওয়াজ — তিনি পল্লী কবি হিসেবে পরিচিত এবং মূলত নীতিমূলক কবিতার জন্য বিখ্যাত কিন্তু অমিত্রাক্ষর ছন্দের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন মানেই অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দ মানেই মিলহীন পদ্যের স্বাধীনতা। - মেঘনাদবধ কাব্যের নাম মনে রাখলে প্রবর্তকের নাম সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - এই ছন্দটি মূলত ইংরেজি ব্ল্যাংক ভার্স এর অনুসরণে বাংলা সাহিত্যে প্রবর্তন করা হয়েছিল।
a সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c জসীমউদ্দীন
d কাজী নজরুল ইসলাম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'সঞ্চয়িতা' হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ। - ১৯৩১ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থ থেকে সেরা কবিতাগুলো সংকলন করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক যুগপুরুষ যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। - 'সঞ্চয়িতা' গ্রন্থে তাঁর দীর্ঘ সাহিত্যজীবনের নানা পর্যায়ের নির্বাচিত কবিতা স্থান পেয়েছে এবং এটি উৎসর্গ করা হয়েছিল কাজী নজরুল ইসলামকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চয়িতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা নিয়ে সংকলিত একটি বহুল পঠিত প্রধান কাব্য সংকলন। উদাহরণ ২: সঞ্চিতা ব্যাখ্যা: এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ইনি ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও 'সঞ্চয়িতা' তাঁর কাব্য সংকলন নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্য সংকলনটি তাঁরই রচনা। C) জসীমউদ্দীন — ইনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশি কাঁথার মাঠ। D) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং তাঁর কবিতার প্রধান সংকলন হলো সঞ্চিতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথে দীর্ঘ নাম তাই তাঁর সংকলনের নাম 'সঞ্চয়িতা' (বড় শব্দ), আর নজরুলের নাম ছোট তাই তাঁর সংকলন 'সঞ্চিতা' (ছোট শব্দ)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'সঞ্চয়িতা' রবীন্দ্রনাথের এবং 'সঞ্চিতা' নজরুলের এই দুটি গ্রন্থ নিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তাই নাম দুটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বাকপটু
b অনলবর্ষী
c সুবক্তা
d বাগ্মী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাগ্মী ১. কেন সঠিক: - যিনি বক্তৃতা দানে অত্যন্ত পটু বা দক্ষ, তাকে এককথায় বাগ্মী বলা হয়। - এই শব্দটি বাকपटুতার বিশেষ রূপ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই ভাষা সুন্দর ও সংনম হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি অনেক জানেন ব্যাখ্যা: তাকে এককথায় সর্বজ্ঞ বলা হয়। উদাহরণ ২: যা সহজে জয় করা যায় না ব্যাখ্যা: তাকে এককথায় দুর্জেয় বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাকপটু — এটি দিয়ে সাধারণভাবে কথা বলতে পটু এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, তবে বক্তৃতার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে 'বাগ্মী' ব্যবহার করা হয়। B) অনলবর্ষী — এর অর্থ যাঁর বক্তৃতা বা বাণী আগুনের মতো তীব্র বা তেজদীপ্ত, যা সরাসরি বক্তৃতার পটুতা বোঝায় না। C) সুবক্তা — এর অর্থ যিনি ভালো বক্তৃতা দেন, তবে সাহিত্যিক বা প্রমিত এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে 'বাগ্মী' শব্দটি অধিক উপযোগী। D) বাগ্মী — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যিনি কথা বা বাক্যে দক্ষ তিনি বাকপটু, আর যিনি সরাসরি বক্তৃতা দানে বিশেষ পটু তিনি বাগ্মী। - এই পার্থক্যটুকু মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে মানুষের দক্ষতা বা গুণবাচক শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a বিভীষিকা
b বীভিষীকা
c বিভিষীকা
d বীভীষীকা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিভীষিকা কেন সঠিক: - এই শব্দটিতে প্রথমে হ্রস্ব ই-কার এবং পরে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। - শব্দটির শেষাংশে ক যুক্ত ই-কার রয়েছে, যা এর সঠিক গঠন নিশ্চিত করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান নিয়মের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের সঠিক রূপ অনুসরণের কারণে এটি বিভীষিকা লেখা হয়। - এই শব্দের শুরুতে বিভী এবং শেষে শিকা অংশ সঠিকভাবে যুক্ত হয়ে মূল রূপ লাভ করেছে। - সঠিক বানানের অন্য একটি উদাহরণ যেমন পতিযোগিতা বা নিরীক্ষণ বানানের নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: - B) বীভিষীকা — এখানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার এবং মধ্যবর্তী বর্ণে ভুল ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। - C) বিভিষীকা — এখানে সঠিক দীর্ঘ ঈ-কার ও মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। - D) বীভীষীকা — এখানে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার এবং শেষাংশে অতিরিক্ত ঈ-কার দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: - প্রথমে ছোট ই, মাঝখানে বড় ঈ এবং শেষে শ-এর সাথে ছোট ই-কার যুক্ত করে বিভীষিকা মনে রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a Jane Austen
b P. B. Shelley
c Alfred Tennyson
d Charles Dickens
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Charles Dickens কেন সঠিক: ডেভিড কপারফিল্ড উপন্যাসটি বিশ্বখ্যাত ভিক্টোরিয়ান ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের লেখা। এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ডেভিড কপারফিল্ডের জীবন সংগ্রাম সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এটি ১৮৫০ সালে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Jane Austen — জেন অস্টেন প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও তিনি ডেভিড কপারফিল্ড লেখেননি। B) P. B. Shelley — পি বি শেলি একজন বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের কবি এবং তিনি মূলত কবিতা লিখতেন। C) Alfred Tennyson — আলফ্রেড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন প্রখ্যাত কবি যিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি। D) Charles Dickens — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ডেভিড কপারফিল্ড চরিত্রটি চার্লস ডিকেন্সের নিজের জীবনের নানা ঘটনার ছায়ায় রচিত হয়েছে।
a at first view
b prime figure
c main cause
d prime accused
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) at first view কেন সঠিক: ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ 'Prima facie' এর শাব্দিক অর্থ প্রথম দর্শনে বা প্রথম নজরে। এটি সাধারণত আইন বা সাধারণ আলোচনায় প্রাথমিক প্রমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at first view — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) prime figure — এর অর্থ প্রধান বা শীর্ষ ব্যক্তিত্ব, যা এই বাক্যাংশের সাথে মেলে না। C) main cause — এর অর্থ প্রধান কারণ, যা ল্যাটিন শব্দটির অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) prime accused — এর অর্থ প্রধান অভিযুক্ত ব্যক্তি, যা প্রসঙ্গ অনুযায়ী সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: 'Prima' মানে প্রথম এবং 'facie' মানে মুখ বা দৃষ্টি, তাই প্রথম দেখাতেই 'Prima facie' মনে রাখা সহজ।
a shines
b has shone
c shine
d was shining
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was shining কেন সঠিক: বাকyটির প্রথম অংশ একটি চলমান ঘটনা নির্দেশ করছে যখন অন্য একটি ঘটনা ঘটেছিল। Past continuous tense এখানে সঠিক কারণ সূর্য যখন আলো ছড়াচ্ছিল, সেই মুহূর্তে বাইরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) shines — Present indefinite tense হওয়ায় এটি অতীতের ঘটনার সাথে মেলে না। B) has shone — Present perfect tense হওয়ায় অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের ধারাবাহিকতা প্রকাশ করে না। C) shine — Subject singular হওয়ায় এখানে verb এর সাথে s বা es যুক্ত হওয়া দরকার ছিল। মনে রাখার টিপস: While বা As দিয়ে যুক্ত বাক্যের একপাশে Past indefinite থাকলে অন্যপাশে সাধারণত Past continuous tense হয়।
a Parlament
b Lieutenant
c Reuter
d Colonel
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Parlament কেন সঠিক: এই শব্দটির বানান ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো পার্লামেন্ট। এখানে মাঝের এ অক্ষরটি বাদ পড়েছে। বানানে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। এটি সঠিক বানান নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Parlament — এই বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ হলো পার্লামেন্ট এবং এখানে একটি বর্ণ কম আছে। B) Lieutenant — এই বানানটি সঠিক এবং এর অর্থ লেফট্যানেন্ট বা সামরিক পদবিশেষ। C) Reuter — এই বানানটি সঠিক এবং এটি একটি বিখ্যাত সংবাদ সংস্থার নাম। D) Colonel — এই বানানটি সঠিক এবং এর অর্থ কর্নেল বা সামরিক পদবিশেষ। মনে রাখার টিপস: পার্লামেন্ট বানান করার সময় শেষে ই এন টি যুক্ত করতে হয় তা মনে রেখো।
a He gave me some advice
b Anwar requested for my help
c I am very better today
d The goods are of inferior qualities
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He gave me some advice কেন সঠিক: Advice একটি আনকাউন্টেবল নাউন তাই এর সাথে এস যুক্ত করা যায় না। এর পূর্বে পরিমাপ বোঝাতে some ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A - এই অপশনটি আসলে সঠিক এবং এটিই উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। B) B - Request verb এর পরে for preposition বসে না। C) C - Better একটি কম্পারেটিভ ডিগ্রি তাই এর পূর্বে very না বসে much বসে। D) D - Inferior শব্দটি দ্বারা কোয়ালিটি বোঝায় তাই qualities না হয়ে quality হবে। মনে রাখার টিপস: Advice আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর সাথে এস বা ইএস যুক্ত হয় না এবং এর আগে some বা a piece of বসে।
a on
b in
c into
d with
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) into কেন সঠিক: - Run into একটি Phrase & Idiom, যার অর্থ ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়া বা বিপদে পতিত হওয়া। - এখানে debt শব্দের পূর্বে into ব্যবহার করে ঋণ বা কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে জড়িয়ে যাওয়া বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — Run on অর্থ অবিরত চলা বা চালিয়ে যাওয়া, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। B) in — Run in অর্থ পুলিশ কর্তৃক কাউকে থানায় ধরে নিয়ে যাওয়া বা মোটরগাড়ির প্রাথমিক ব্যবহার, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) into — সঠিক উত্তর, কারণ এটি debt শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে ঋণগ্রস্ত হওয়া বোঝায়। D) with — Run with অর্থ কোনো কিছু নিয়ে পালিয়ে যাওয়া বা কারো সাথে দৌড়ানো, যা এই বাক্যের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: ঋণে জড়িয়ে যাওয়া বা ঋণের মধ্যে পেছনের দিকে বা ভেতরে চলে যাওয়া বোঝাতে Run-এর পরে সবসময় into বসে।
a Conclusion
b Gracious response
c Contradiction
d First appearance
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) First appearance কেন সঠিক: Debut শব্দটির মূল অর্থ হলো কোনো ব্যক্তি বা দলের জনসমক্ষে প্রথম আত্মপ্রকাশ করা। এটি সাধারণত নাটক, সিনেমা, বা সঙ্গীত জগতে প্রথম কাজ করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। তাই First appearance অপশনটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Conclusion — এই শব্দটির অর্থ সমাপ্তি বা উপসংহার, যা дебют বা আত্মপ্রকাশ শব্দের বিপরীত। B) Gracious response — এর অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি ভদ্রসুলভ বা চমৎকার উত্তর দেওয়া। C) Contradiction — এই শব্দটির অর্থ হলো বিরোধিতা বা মতবিরোধ প্রকাশ করা। D) First appearance — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Debut শব্দটিকে ডান্স বা সিনেমার প্রথম পরিবেশনার সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
a on my going
b over going
c is to go
d to go
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) on my going কেন সঠিক: - Insist verb-টির পর সাধারণত preposition হিসেবে on বসে এবং তার পরের verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়। - Gerund-এর পূর্বে pronoun-এর possessive form (যেমন: my) বসে, তাই on my going সঠিক গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on my going — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী insist-এর পর on এবং gerund-এর পূর্বে possessive form বসে। B) over going — Insist verb-এর পর preposition হিসেবে over বসে না, তাই এটি ভুল। C) is to go — এটি বাক্যের অর্থের সাথে এবং ব্যাকরণগত গঠন অনুযায়ী অসঙ্গতিপূর্ণ। D) to go — Insist-এর পর সরাসরি infinitive (to + verb) বসে না, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: Insist-এর পর সবসময় on বসে এবং on-এর পর gerund ব্যবহারের আগে possessive pronoun (my, his, your ইত্যাদি) ব্যবহার করতে হয়।
a unturned
b hit
c broken
d thrown
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) unturned কেন সঠিক: বাক্যটিতে একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ সব ধরনের চেষ্টা করা। leave no stone unturned একটি স্থির বাগধারা বা idiom যার অর্থ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কোনো ত্রুটি না রাখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unturned — এটি সঠিক কারণ এই শব্দটি যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ও অর্থপূর্ণ প্রবাদ তৈরি করে। B) hit — এটি বসালে বাক্যের কোনো অর্থ হয় না এবং এটি কোনো প্রচলিত প্রবাদ নয়। C) broken — পাথর ভাঙার কথা বলা হলেও এটি এই বিশেষ বাগধারার সঠিক শব্দ নয়। D) thrown — পাথর ছোঁড়ার কথা বলা হলেও এটি সঠিক বাগধারা গঠন করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: উদ্দেশ্য সফল করতে কোনো চেষ্টার বাকি না রাখা বোঝাতে leave no stone unturned প্রবাদটি মুখস্থ রাখবে।
a Nobody dislikes a liar
b Who likes a liar
c Everybody dislikes a liar
d Nobody likes a liar.
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Nobody likes a liar. কেন সঠিক: নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করার সময় মূল বাক্যের অর্থের পরিবর্তন করা যাবে না। Everybody-র পরিবর্তে Nobody এবং hates-এর বিপরীত শব্দ likes ব্যবহার করে সঠিক অর্থ বজায় রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nobody dislikes a liar — dislikes ব্যবহার করায় মূল বাক্যের অর্থের সাথে মিল নেই এবং এটি ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। B) Who likes a liar — এটি ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্স বা প্রশ্নবোধক বাক্য, যা নেতিবাচক বাক্যের নিয়ম মেনে চলে না। C) Everybody dislikes a liar — এটি একটি এফারমেটিভ বা ইতিবাচক বাক্য, যা প্রশ্নে চাওয়া নেতিবাচক রূপের বিপরীত। D) Nobody likes a liar — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: অ্যাফারমেটিভ থেকে নেতিবাচক করার সময় সাবজেক্টের বিপরীত শব্দ এবং নট যুক্ত করতে হয়।
a Amusing
b Dull
c Exciting
d Quick
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Dull কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটিতে একটি শব্দের সমার্থক বা Synonym চাওয়া হয়েছে, যা ভাষা ও ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। তবে মূল প্রশ্নটিতে নির্দিষ্ট শব্দটির উল্লেখ নেই। - প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে Dull উল্লেখ করা হয়েছে, যা সাধারণত প্রাণহীন, একঘেয়ে বা অনুজ্জ্বল অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Amusing — এর অর্থ আনন্দদায়ক বা বিনোদনমূলক, যা প্রাণহীন বা একঘেয়ে শব্দের বিপরীত। B) Dull — এর অর্থ অনুজ্জ্বল বা একঘেয়ে, যা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। C) Exciting — এর অর্থ উত্তেজনাকর বা রোমাঞ্চকর, যা নেতিবাচক বা প্রাণহীন অর্থের সঙ্গে মিলে না। D) Quick — এর অর্থ দ্রুত বা ঝটপট, যার সঙ্গে অনুজ্জ্বল বা একঘেয়ে শব্দের কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: সমার্থক শব্দ শেখার সময় মূল শব্দ এবং তার বিপরীত বা সমর্থক অর্থগুলোর সঠিক ব্যবহার মনে রাখা জরুরি।
a Adults
b Women
c Children
d Old people
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Children কেন সঠিক: - পেডিয়াট্রিক শব্দটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা নির্দেশ করে। এটি মূলত শিশু ও তাদের বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের সাথে জড়িত। - এই চিকিৎসায় নবজাতক থেকে শুরু করে কৈশোর পর্যন্ত সেবা দেওয়া হয়। - তাই সঠিক উত্তর হিসেবে শিশুদের চিকিৎসা বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adults — এটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের চিকিৎসা বোঝায়, যা পেডিয়াট্রিক এর আওতাভুক্ত নয়। B) Women — এটি কেবল নারীদের চিকিৎসাকে নির্দেশ করে, যা পেডিয়াট্রিক নয়। C) Children — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, বরং এটিই শিশুদের চিকিৎসা বোঝাতে ব্যবহার হয়। D) Old people — এটি বয়স্ক মানুষদের চিকিৎসা নির্দেশ করে, যা জেরিয়াট্রিক নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: পেডিয়াট্রিক শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবে এটি শিশুদের চিকিৎসা সংক্রান্ত।
a Interesting
b Affectionate
c Loving
d Friendly
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Friendly কেন সঠিক: Amicable শব্দটির অর্থ হলো অমায়িক বা বন্ধুত্বপূর্ণ। Friendly শব্দটির অর্থও একই রকম বন্ধুত্বপূর্ণ বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Interesting — এই শব্দটির অর্থ হলো আকর্ষণীয়, যা অমায়িক শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। B) Affectionate — এই শব্দটির অর্থ হলো স্নেহশীল, যা অমায়িক বা বন্ধুভাবাপন্ন শব্দের সমার্থক নয়। C) Loving — এই শব্দটির অর্থ হলো ভালোবাসাপূর্ণ বা অনুরাগী, যা সরাসরি বন্ধুত্বপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না। D) Friendly — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ হলো বন্ধুত্বপূর্ণ যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: Amicable শব্দের শুরুতে ami আছে যার অর্থ বন্ধু, তাই এটি Friendly শব্দের সমার্থক।
a Common
b Collective
c Abstract
d Proper
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Collective কেন সঠিক: Cattle শব্দটির অর্থ হলো একদল গরু, যা আলাদা কোনো একক গরুকে বোঝায় না। এটি একজাতীয় কিছু প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টিকে একত্রে বোঝায়। এই কারণে এটি Collective Noun হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Common — Common Noun হলো সেই নাম যা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে একজাতীয় সকলের সাধারণ নাম বোঝায়। Cattle কোনো সাধারণ একক নাম নয়, বরং এটি একটি পালের সমষ্টি। B) Collective — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) Abstract — Abstract Noun হলো এমন কিছুর নাম যা ছোঁয়া যায় না, কেবল অনুভব করা যায় যেমন গুণ বা অবস্থা। Cattle একটি দৃশ্যমান প্রাণী হওয়ায় এটি Abstract হতে পারে না। D) Proper — Proper Noun হলো কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা গ্রন্থের নাম যার প্রথম অক্ষর বড় হয়। Cattle কোনো নির্দিষ্ট নাম নয়, তাই এটি Proper Noun হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: যেসকল শব্দ কোনো প্রাণী বা বস্তুর দলকে একত্রে বোঝায় এবং দেখতে আলাদা হলেও সমষ্টি হিসেবে কাজ করে, সেগুলোকে Collective Noun বলে।
a Deer
b Horse
c Bull
d Doe
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ডি) Doe কেন সঠিক: ডি অপশনে থাকা Doe শব্দটির অর্থ হরিণী, যা একটি পূর্ণাঙ্গ স্ত্রীবাচক শব্দ। এটি পুরুষবাচক শব্দ Buck এর স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: এ) Deer — এটি একটি সাধারণ শব্দ যা পুরুষ ও স্ত্রী উভয় হরিণকেই বোঝাতে পারে। বি) Horse — এটি একটি পুরুষবাচক বা সাধারণ প্রাণীবাচক শব্দ যার স্ত্রীবাচক রূপ হলো Mare. সি) ডি) Bull — এটি ষাঁড় বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যার স্ত্রীবাচক রূপ হলো Cow. মনে রাখার টিপস: হরিণের ক্ষেত্রে পুরুষবাচক শব্দ Buck এবং স্ত্রীবাচক শব্দ Doe ভালোভাবে মনে রাখবে।
a Gerund
b Verbal noun
c Complement
d Object
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Complement কেন সঠিক: এখানে 'is' লিংকিং ভার্বের পরে বসে 'reading' শব্দটি সাবজেক্ট 'activity'-কে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। তাই এটি সাবজেক্ট কমপ্লিমেন্ট হিসেবে কাজ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — এটি ভার্ব ও নাউনের কাজ করলেও এখানে সরাসরি কমপ্লিমেন্টের কাজ করায় এই নাম দেওয়া যাচ্ছে না। B) Verbal noun — এর আগে কোনো আর্টিকেল বা পরে 'of' না থাকায় একে ভার্বাল নাউন বলা যায় না। C) Complement — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Object — এটি ট্রানজিটিভ ভার্বের অবজেক্ট নয়, বরং লিংকিং ভার্বের কমপ্লিমেন্ট। মনে রাখার টিপস: বি ভার্ব বা লিংকিং ভার্বের পরে বসে যখন কোনো শব্দ সাবজেক্টেরই পরিচয় দেয়, তখন সেটি কমপ্লিমেন্ট হয়।
a Short
b Shorter
c Shorten
d Shortene
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Shorten কেন সঠিক: - 'Shortly' শব্দটির মূল বা রুট শব্দ হলো 'Short', যা একটি adjective এবং এর সাথে 'ly' যুক্ত হয়ে adverb গঠিত হয়েছে। - এই adjective বা noun থেকে কোনো কাজ করা বোঝাতে সাধারণত শেষে 'en' suffix যোগ করে verb তৈরি করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Short — এটি একটি adjective, যার অর্থ ছোট বা সংক্ষিপ্ত। তাই এটি verb নয়। B) Shorter — এটি adjective এর comparative form, যা তুলনামূলক ছোট বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) Shorten — এটি সঠিক verb, কারণ এর সাথে en যুক্ত হয়ে ছোট করা অর্থ প্রকাশ করেছে। D) Shortene — এটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী একটি ভুল বানান এবং এর কোনো অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শেষে 'en' যুক্ত থাকলে সাধারণত সেটি verb হয়।
a makes
b made
c make
d are
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) makes কেন সঠিক: গণিতের ক্ষেত্রে দুটি সংখ্যা যোগ করলে তা একটি একক ফলাফল প্রকাশ করে। তাই এর সাথে সবসময় singular verb ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) makes — এটি সঠিক কারণ এটি singular verb এবং একক ফলাফল বোঝায়। B) made — এটি past tense হওয়ায় বর্তমানের সাধারণ সত্যের সাথে মেলে না। C) make — এটি plural verb হওয়ায় singular সাবজেক্টের সাথে বসে না। D) are — এটি linking verb হওয়ায় এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: গাণিতিক যোগফল সবসময় একটি একক বস্তু হিসেবে গণ্য হয়, তাই verb টি singular হয়।
a is
b have
c has
d were
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has কেন সঠিক: বাক্যের মাঝে থাকা Relative Pronoun who তার ঠিক আগের Noun বা Pronoun-কে Subject হিসেবে নির্দেশ করে। এখানে who এর আগে the man আছে যা Singular, তাই verb ও Singular হবে এবং কাজটি বর্তমানের হওয়ায় Present Perfect Tense-এর has বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — the man Singular হলেও continuous tense বোঝালে who-এর পরের অর্থ মেল না। B) have — who-এর পূর্বের Noun Singular হওয়ায় Plural verb বসতে পারে না। D) were — এটি Plural verb এবং Past Tense, যা বাক্যের গঠন ও অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Relative pronoun-এর আগের Noun অনুযায়ী verb বসাতে হয়।
a Plan of journey
b List of items to be discussed in a meeting
c List of even in a fixed time
d Record of events occurred in a day
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Plan of journey কেন সঠিক: Itinerary শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো ভ্রমণের পরিকল্পনা বা ভ্রমণের বিবরণী। কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আগে কোন দিন কোথায় যাওয়া হবে তার তালিকা তৈরি করাকে এটি বোঝায়। এটি মূলত কোনো ভ্রমণের একটি পূর্ণাঙ্গ মানচিত্র বা সূচি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Plan of journey — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি itinerary শব্দের মূল অর্থ বহন করে। B) List of items to be discussed in a meeting — এটি একটি সভার আলোচ্য সূচি বা এজেন্ডা বোঝায়, ভ্রমণ পরিকল্পনা নয়। C) List of even in a fixed time — এটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘটিত বা নির্ধারিত ঘটনাবলীর একটি সময়সূচি নির্দেশ করে। D) Record of events occurred in a day — এটি কোনো একদিনের ঘটে যাওয়া ঘটনার বিবরণ বা ডায়েরির পাতাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Itinerary শব্দটিতে journey বা ভ্রমণের পরিকল্পনা বিষয়টি জড়িত থাকে।

মোট প্রশ্ন (19)

a 4
b 6
c 8
d 10
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: প্রশ্নটিতে একটি আয়তাকার ঘনবস্তুর তলের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়েছে। ধরি, আয়তাকার ঘনবস্তুর মুখোমুখি তলগুলো সমান এবং সমান্তরাল। অতএব, এর ওপরের এবং নিচের তল মিলে মোট তল হয় দুটি। এর সামনে এবং পেছনের তল মিলে মোট তল হয় দুটি। এর বাম এবং ডান পাশের তল মিলে মোট তল হয় দুটি। সুতরাং, আয়তাকার ঘনবস্তুর মোট তলের সংখ্যা = ২ + ২ + ২ = ৬ উত্তর: ৬
a ব্যাস
b জ্যা
c চাপ
d ব্যাসার্ধ
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্যা প্রদত্ত তথ্য: একটি বৃত্তের ওপর অবস্থিত যেকোনো দুটি বিন্দু বিন্দু দুটির সংযোগকারী সরলরেখাংশ ধরি, বৃত্তের পরিধির ওপর দুটি বিন্দু হলো বিন্দু ক এবং বিন্দু খ ক এবং খ বিন্দু দুটি একটি সরলরেখা দ্বারা যুক্ত করা হলো অতএব, এই সরলরেখাটি বৃত্তের কেন্দ্র দিয়ে যেতেও পারে আবার কেন্দ্র ছাড়াও যেতে পারে জ্যামিতির নিয়ম অনুযায়ী বৃত্তের পরিধির যেকোনো দুটি বিন্দুর সংযোজক রেখাংশই হলো জ্যা সুতরাং, সবচেয়ে দীর্ঘ জ্যা হলো বৃত্তের ব্যাস অন্যান্য জ্যা কেন্দ্র দিয়ে যায় না উত্তর: জ্যা
a ৩দিন
b ২ দিন
c ৫ দিন
d ৬ দিন
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ দিন প্রদত্ত তথ্য: ক সম্পূর্ণ কাজ করতে পারে ১৫ দিনে খ এর কর্মদক্ষতা ক এর দ্বিগুণ ধরি, মোট কাজ = ১ অংশ ক একদিনে করে ১ ভাগ ১৫ অংশ কাজ অতএব, খ একদিনে করে ২ ভাগ ১৫ অংশ কাজ ক ও খ একত্রে একদিনে করে ১ ভাগ ১৫ অংশ + ২ ভাগ ১৫ অংশ একত্রে একদিনে করে ৩ ভাগ ১৫ অংশ বা ১ ভাগ ৫ অংশ কাজ সুতরাং, ক ও খ একত্রে সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে পারে ৫ দিন উত্তর: ৫ দিন
a ২২/৭
b ২৪/৭
c ২১/৭
d ৭/২১
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২২/৭ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত একটি ধ্রুবক সংখ্যা এই ধ্রুবক সংখ্যাটিকে পাই বলা হয় ধরি, বৃত্তের ব্যাস = ১ একক বৃত্তের পরিধি = পাই × ব্যাস অতএব, পরিধি = পাই একক ব্যাস = ১ একক সুতরাং, পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = পাই : ১ = ২২ ÷ ৭ উত্তর: ২২/৭
a ১ঃ২
b ২ঃ১
c ৫ঃ১
d ১০ঃ১
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ঃ১ প্রদত্ত তথ্য: x এর ১০ শতাংশ সমান y এর ২০ শতাংশ ধরি, x এর ১০% = x × (১০ ÷ ১০০) y এর ২০% = y × (২০ ÷ ১০০) অতএব, x × (১০ ÷ ১০০) = y × (২০ ÷ ১০০) x × ১০ = y × ২০ x ÷ y = ২০ ÷ ১০ সুতরাং, x ÷ y = ২ ÷ ১ উত্তর: ২ঃ১
a ০.৬২১ কি.মি.
b ১.২২৫ কি.মি.
c ১.৮৫২ কি.মি.
d ২.২৫৪ কি.মি.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১.৮৫২ কি.মি. প্রদত্ত তথ্য: নটিক্যাল মাইলের আন্তর্জাতিক মান পরিমাপ দূরত্বের একক হিসেবে নটিক্যাল মাইলের ব্যবহার ধরি, এক নটিক্যাল মাইল দূরত্বের মান = ক কি.মি. অতএব, পৃথিবীর পরিধির এক মিনিটের কোণ সমান এক নটিক্যাল মাইল আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী এই দূরত্বের নির্দিষ্ট মাপ নির্ধারিত হয় সুতরাং, এক নটিক্যাল মাইল সমান এক দশমিক আট পাঁচ দুই কিলোমিটার উত্তর: ১.৮৫২ কি.মি.
a ১৫ বছর
b ২০ বছর
c ২৫ বছর
d ৩০ বছর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০ বছর প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৮০ বছর পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৩ গুণ ধরি, পুত্রের বয়স = ১ ভাগ পিতার বয়স = ৩ ভাগ অতএব, মোট বয়স = ১ ভাগ + ৩ ভাগ = ৪ ভাগ ৪ ভাগের মান = ৮০ বছর সুতরাং, ১ ভাগের মান = ৮০ ÷ ৪ = ২০ বছর উত্তর: ২০ বছর
a ৯টি
b ১০টি
c ১১টি
d ১২টি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০টি প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা শুধু ১ এবং ওই সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য অতএব, ১ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭ ১১ থেকে ২০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯ সুতরাং, ২১ থেকে ৩০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২৩, ২৯ উত্তর: মোট মৌলিক সংখ্যা হলো ৪ + ৪ + ২ = ১০টি
a তাদের ব্যাসের যোগফলের সমান
b তাদের ব্যাসার্ধের যোগফলের সমান
c বৃহত্তর বৃত্তের ব্যাসের সমান
d ঘ) উপরের সবগুলো সঠিক
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তাদের ব্যাসার্ধের যোগফলের সমান প্রدত্ত তথ্য: দুটি বৃত্ত পরস্পরকে একটি বিন্দুতে বহিঃস্পর্শ করেছে। বৃত্ত দুটির কেন্দ্র যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় কেন্দ্র। ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = প্রথম ব্যাসার্ধ দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = দ্বিতীয় ব্যাসার্ধ অতএব, স্পর্শবিন্দু থেকে প্রথম কেন্দ্রের দূরত্ব = প্রথম ব্যাসার্ধ স্পর্শবিন্দু থেকে দ্বিতীয় কেন্দ্রের দূরত্ব = দ্বিতীয় ব্যাসার্ধ সুতরাং, কেন্দ্রদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব = প্রথম ব্যাসার্ধ + দ্বিতীয় ব্যাসার্ধ উত্তর: তাদের ব্যাসার্ধের যোগফলের সমান
a 20
b 24
c 28
d 32
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: চাকার সম্পূর্ণ কোণের পরিমাণ = ৩৬০ ডিগ্রি পাশাপাশি দুটি শলার মধ্যকার কোণ = ১৫ ডিগ্রি ধরি, মোট শলার সংখ্যা = ক অতএব, একটি শলার জন্য বরাদ্দ কোণ = ১৫ ডিগ্রি মোট শলার সাথে কোণের সম্পর্ক = ক × ১৫ ডিগ্রি সুতরাং, ক × ১৫ ডিগ্রি = ৩৬০ ডিগ্রি ক = ৩৬০ ÷ ১৫ উত্তর: ২৪
a 1050
b 1042
c 1092
d 1064
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০৯২ প্রদত্ত তথ্য: মিষ্টির প্রতি কেজির দাম = ৩৫০ টাকা মিষ্টির পরিমাণ = ৩ কেজি ভ্যাটের হার = ৪% ধরি, ৩ কেজি মিষ্টির মূল দাম = ৩৫০ × ৩ = ১০৫০ টাকা ভ্যাটের পরিমাণ = ১০৫০ এর ৪% অতএব, ভ্যাটের টাকা = (১০৫০ × ৪) ÷ ১০০ ভ্যাটের টাকা = ৪২০০ ÷ ১০০ = ৪২ টাকা সুতরাং, মোট খরচ = মিষ্টির দাম + ভ্যাটের টাকা মোট খরচ = ১০৫০ + ৪২ = ১০৯২ টাকা উত্তর: ১০৯২ টাকা
a 18
b 27
c 36
d 81
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৭ প্রদত্ত তথ্য: ধারার সংখ্যাগুলো হলো ১, ২, ৩, ৬, ৯, ১৮, (.....), ৫৪ ধরি, ধারার নিয়মটি হলো প্রতিটি সংখ্যা তার আগের সংখ্যার সাথে বিশেষ গুণনীয়ক সম্পর্ক বজায় রাখে অতএব, ১ × ২ = ২ ২ × ১.৫ = ৩ সুতরাং, ৩ × ২ = ৬ ৬ × ১.৫ = ৯ ৯ × ২ = ১৮ উত্তর: ১৮ × ১.৫ = ২৭
a 16
b 17
c 15
d 18
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৫ প্রদত্ত তথ্য: শাহিনের মোট খরচের পরিমাণ = ২৪০ টাকা প্রতিটি কলমের প্রাথমিক দাম = ২৪০ ÷ ক টাকা ধরি, শাহিনের কেনা কলমের সংখ্যা = ক টি একটি কলম বেশি পেলে কলমের সংখ্যা হবে = ক + ১ টি অতএব, ১টি বেশি পেলে প্রতিটি কলমের নতুন দাম হবে = ২৪০ ÷ (ক + ১) টাকা শর্তানুসারে দামের পার্থক্য = ১ টাকা সুতরাং, (২৪০ ÷ ক) − (২৪০ ÷ (ক + ১)) = ১ উত্তর: ক = ১৫ টি
a 5
b 6
c 8
d 9
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: বইয়ের নির্ধারিত বিক্রয়মূল্য = ২৪.০০ টাকা এই বিক্রয়মূল্য হলো প্রকৃত মূল্যের ৮০% ধরি, বইটির প্রকৃত মূল্য = ক টাকা সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ = (১০০% − ৮০%) বা ২০% অতএব, ক এর ৮০% = ২৪ ক × (৮০ ÷ ১০০) = ২৪ ক = ২৪ × (১০০ ÷ ৮০) = ৩০ সুতরাং, সরকারের ভর্তुकির পরিমাণ = ৩০ এর ২০% ৩০ × (২০ ÷ ১০০) = ৬ টাকা উত্তর: ৬
a (x+6) (x-5)
b (x+3) (2x-5)
c (2x+5) (x-3)
d (x-6) (x-5)
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (2x+5) (x-3) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ২x² − x − ১৫ ধরি, মিডল টার্ম ভাঙানোর জন্য প্রথম ও শেষ পদের গুণফল বের করতে হবে এখানে ২ × (−১৫) = −৩০x² অতএব, −x কে এমন দুটি অংশে ভাগ করতে হবে যেন গুণফল −৩০x² এবং যোগফল −x হয় সংখ্যা দুটি হলো −۶x এবং +۵x সুতরাং, রাশিটি হবে ২x² − ۶x + ۵x − ১৫ উৎপাদক দুটি হবে (2x+5) (x-3) উত্তর: (2x+5) (x-3)
a 2:3
b 3:7
c 2:7
d 4:7
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪:৭ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম অনুপাত দেওয়া আছে ক অনুপাত খ সমান ২ অনুপাত ৩ দ্বিতীয় অনুপাত দেওয়া আছে খ অনুপাত গ সমান ৬ অনুপাত ৭ ধরি, প্রথম অনুপাতের উভয় রাশিকে ২ দ্বারা গুণ করি ফলে ক অনুপাত খ সমান ৪ অনুপাত ৬ হয় অতএব, এখন ক অনুপাত খ সমান ৪ অনুপাত ৬ এবং খ অনুপাত গ সমান ৬ অনুপাত ৭ লেখা যায় এখানে খ এর মান উভয় অনুপাতে সমান অর্থাৎ ৬ হয় সুতরাং, ক অনুপাত খ অনুপাত গ সমান ৪ অনুপাত ৬ অনুপাত ৭ পাই উত্তর: ক অনুপাত গ সমান ৪ অনুপাত ৭
a 2x² + 2x + 1
b 2x² + 4x + 1
c 4x² + 2x + 1
d 4x² + 4x + 1
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪x² + ৪x + ১ প্রদত্ত তথ্য: বীজাণুগাণিতিক রাশিটি হলো (২x + ১) ধরি, প্রথম পদটি হলো ২x দ্বিতীয় পদটি হলো ১ অতএব, বর্গ নির্ণয়ের সূত্র অনুযায়ী রাশিটিকে লেখা যায় (২x + ১)২ সুতরাং, সূত্রের সম্প্রসারণ করে পাই (২x)২ + ২ × (২x) × ১ + (১)২ উত্তর: ৪x² + ৪x + ১
a 100
b 200
c 300
d 400
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার ৬০% থেকে ৬০ বিয়োগ করলে ৬০ হবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ৬০% − ৬০ = ৬০ ক × (৬০ ÷ ১০০) = ৬০ + ৬০ সুতরাং, ক × ০.৬ = ১২০ ক = ১২০ ÷ ০.৬ উত্তর: ২০০
a ৬ঃ৫ঃ৪
b ৬ঃ৪ঃ৩
c ১২ঃ৮ঃ৪
d ১৭ঃ১৫ঃ৮
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭ঃ১৫ঃ৮ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত ১৭ঃ১৫ঃ৮ সমকোণী ত্রিভুজের পিথাগোরাসের উপপাদ্য প্রযোজ্য ধরি, ত্রিভুজের বাহুগুলো যথাক্রমে ১৭ক, ১৫ক এবং ৮ক এখানে সবচেয়ে বড় বাহুটি হলো অতিভুজ ১৭ক অতএব, লম্বের ওপর বর্গ = (১৫ক) × (১৫ক) = ২২৫কবর্গ ভূমির ওপর বর্গ = (৮ক) × (৮ক) = ৬৪কবর্গ সুতরাং, লম্বের বর্গ + ভূমির বর্গের যোগফল = ২২৫কবর্গ + ৬৪কবর্গ = ২৮৯কবর্গ অতিভুজের ওপর বর্গ = (১৭ক) × (১৭ক) = ২৮৯কবর্গ উত্তর: বাহুগুলোর অনুপাত ১৭ঃ১৫ঃ৮ হলে সমকোণী ত্রিভুজ আঁকা যাবে

মোট প্রশ্ন (39)

a A've
b B've
c AB've
d O've
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) O've কেন সঠিক: - এই রক্তের গ্রুপে লোহিত রক্তণিকায় কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না, ফলে অন্য যেকোনো গ্রুপের রক্তে এটি দিলে গ্রহীতার অ্যান্টিবডি একে আক্রমণ করতে পারে না। - ও নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ যেকোনো গ্রুপের মানুষকে রক্ত দিতে পারে বলে একে সার্বজনীন দাতা বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A've — এই গ্রুপে এ অ্যান্টিজেন থাকে, যা বি গ্রুপের মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। B) B've — এই গ্রুপে বি অ্যান্টিজেন থাকে, যা এ গ্রুপের মানুষের জন্য ক্ষতিকর এবং গ্রহীতার শরীরে অ্যান্টিবডি প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। C) AB've — এই গ্রুপে এ এবং বি উভয় অ্যান্টিজেন থাকে এবং এটি শুধুমাত্র এবি গ্রুপের মানুষকে রক্ত দিতে পারে, তাই এটি সার্বজনীন দাতা নয়। D) O've — এটি নিজে সার্বজনীন দাতা হলেও প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত হবে না। মনে রাখার টিপস: ও নেগেটিভ হলো শূন্য বা খালি ঘরের মতো, যার কোনো অ্যান্টিজেন নেই বলে সবাইকে রক্ত দিতে পারে।
a Blank Carbon Copy
b Blind Carbon Copy
c Block Carbon Copy
d Bold Carbon Copy Hint
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Blind Carbon Copy কেন সঠিক: - ই-মেইল পাঠানোর সময় একাধিক ঠিকানায় বার্তা পাঠানোর ক্ষেত্রে বিসিসি বা ব্লাইন্ড কার্বন কপি ব্যবহৃত হয়। - এই অপশনে মেইল পাঠালে প্রাপকরা দেখতে পান না যে অন্য কাকে এই মেইলটি পাঠানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Blank Carbon Copy — ই-মেইল প্রযুক্তিতে এই ধরনের কোনো টার্ম বা পূর্ণরূপ নেই। B) Blind Carbon Copy — এটি সঠিক উত্তর। C) Block Carbon Copy — এই নামে ই-মেইলের কোনো প্রচলিত পরিভাষা বা অপশন নেই। D) Bold Carbon Copy — এটি একটি ভুল অপশন এবং এর কোনো বাস্তবিক কার্যকারিতা নেই। মনে রাখার টিপস: বি (B) অক্ষরটি দিয়ে ব্লাইন্ড (Blind) বা গোপনীয়তা বোঝায়, যার মাধ্যমে প্রাপকদের তালিকা অন্যদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা হয়।
a মাউস
b পাওয়ার পয়েন্ট
c মনিটর
d সিপিইউ
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাওয়ার পয়েন্ট কেন সঠিক: - পাওয়ার পয়েন্ট একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যা প্রেজেন্টেশন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। - এটি কম্পিউটারের কোনো দৃশ্যমান বা শারীরিক অংশ নয়, তাই এটি হার্ডওয়্যার নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাউস — এটি কম্পিউটারের একটি ইনপুট হার্ডওয়্যার ডিভাইস, যার মাধ্যমে স্ক্রিনের পয়েন্টার নিয়ন্ত্রণ করা হয়। B) পাওয়ার পয়েন্ট — এটি কোনো হার্ডওয়্যার নয়, বরং মাইক্রোসফট অফিসের একটি জনপ্রিয় উপস্থাপনা সফটওয়্যার। C) মনিটর — এটি কম্পিউটারের একটি আউটপুট হার্ডওয়্যার ডিভাইস, যা প্রসেসিংয়ের ফলাফল স্ক্রিনে প্রদর্শন করে। D) সিপিইউ — এটি কম্পিউটারের মূল প্রক্রিয়াকরণ হার্ডওয়্যার ইউনিট, যা সব ডেটা ও নির্দেশণা প্রক্রিয়াজাত করে। মনে রাখার টিপস: যেকোনো সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম যেমন পাওয়ার পয়েন্ট হলো সফটওয়্যার, আর যা ছোঁয়া যায় যেমন মাউস, মনিটর ও সিপিইউ হলো হার্ডওয়্যার।
a Wireless Internet
b Wireless Field
c Wireless Fibre
d Wireless Fidelity
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Wireless Fidelity কেন সঠিক: - Wi-Fi হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে তারের সংযোগ ছাড়াই রেডিও তরঙ্গের সাহায্যে ইন্টারনেট বা লোকাল নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়া যায়। - এই প্রযুক্তির অফিশিয়াল পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity, যা ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে একটি বিশ্বমানের মানদণ্ড নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wireless Internet — এটি শুনতে সঠিক মনে হলেও Wi-Fi-এর প্রাতিষ্ঠানিক বা প্রযুক্তিগত পূর্ণরূপ নয়, এটি কেবল ইন্টারনেট সংযোগের একটি মাধ্যম মাত্র। B) Wireless Field — এটি কোনো প্রযুক্তিগত শব্দের পূর্ণরূপ নয় এবং এর সাথে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের কোনো সম্পর্ক নেই। C) Wireless Fibre — ফাইবার অপটিক তারের সাথে যুক্ত, তাই এটি ওয়্যারলেস বা তারবিহীন প্রযুক্তির পূর্ণরূপ হতে পারে না। D) Wireless Fidelity — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: Wi-Fi শব্দের শেষে থাকা Fi অংশটি Fidelity শব্দ থেকে এসেছে, যা তারবিহীন সংযোগের বিশ্বস্ততা বোঝায়।
a Great Positioning System
b Global Pointing System
c Global Positioning System.
d Global Publication System.
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Global Positioning System. কেন সঠিক: - GPS শব্দের পূর্ণরূপ হলো Global Positioning System, যা সারা বিশ্বে নির্দিষ্ট কোনো বস্তুর ভৌগোলিক অবস্থান ও সময় নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। - এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত স্যাটেলাইটভিত্তিক একটি নেভিগেশন ব্যবস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Great Positioning System — এই নামে কোনো প্রযুক্তিগত বা ভূ-অবস্থান নির্ণয়ক ব্যবস্থা নেই, এটি একটি ভুল শব্দগুচ্ছ। B) Global Pointing System — Pointing শব্দটির অর্থ নির্দেশ করা, যা সঠিক পরিভাষা Positioning System-এর সমার্থক নয়। C) Global Positioning System. — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) Global Publication System — Publication অর্থ প্রকাশনা, যা উপগ্রহভিত্তিক নেভিগেশন প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পূর্ণ অসংগত। মনে রাখার টিপস: GPS প্রযুক্তির মূল কাজ অবস্থান বা পজিশন নির্ণয় করা, তাই মনে রাখতে হবে এর পূর্ণরূপে Positioning শব্দটি থাকে।
a 3
b 8
c 5
d 6
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ কেন সঠিক: - রঙিন মনিটরের প্রতিটি পিক্সেলে তিনটি প্রাথমিক রঙ বা সাব-পিক্সেল থাকে। - এই তিনটি মৌলিক রঙ হলো লাল, সবুজ এবং নীল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ — এটি সঠিক কারণ একটি পিক্সেলে লাল, সবুজ ও নীল রঙের সমন্বয় থাকে। B) ৮ — এটি ভুল কারণ পিক্সেলে রঙের মৌলিক উপাদান আটটি নয়, মাত্র তিনটি। C) ৫ — এটি ভুল কারণ রঙিন পিক্সেল গঠনে পাঁচটি রঙের কোনো ভিত্তি নেই। D) ৬ — এটি ভুল কারণ পিক্সেলে ছয় ধরনের রঙ ব্যবহার করা হয় না। মনে রাখার টিপস: রঙিন মনিটরের মূল ভিত্তি হলো আরজিবি (RGB), যেখানে লাল, সবুজ ও নীল এই তিনটি রঙ মিলে পিক্সেল তৈরি করে।
a Portable Document File
b Public Document File
c Public Distribution File
d Public Distribution folder
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Portable Document File কেন সঠিক: - এই ফরম্যাটটি যেকোনো ডিভাইসে মূল লেআউট ও ফন্ট ঠিক রেখে ফাইল প্রদর্শন ও প্রিন্ট করতে পারে। - অ্যাডোবি সিস্টেমস কতৃক এটি তৈরি করা হয়েছে যাতে বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমে সহজেই নথি আদান-প্রদান করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Portable Document File — এটি সঠিক কারণ এটি ফাইলের পোর্টেবিলিটি ও ডকুমেন্ট রূপ প্রকাশ করে। B) Public Document File — এই শব্দগুচ্ছটি আইসিটি পরিভাষায় কোনো স্বীকৃত ফাইল ফরম্যাট বোঝায় না। C) Public Distribution File — এটি সঠিক প্রযুক্তির পরিভাষা নয় এবং এই নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড ফাইল ফরম্যাট নেই। D) Public Distribution folder — এটি কোনো ফাইল ফরম্যাট নয়, বরং ফোল্ডারের ক্ষেত্রে এই শব্দ ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: পিডিএফ দিয়ে সহজে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ফাইল বহন করা যায়, তাই পোর্টেবল বা বহনযোগ্য শব্দটি মনে রাখতে হবে।
a Maya
b AVG
c Outlook
d Google
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) AVG কেন সঠিক: - AVG একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার, ভাইরাস ও স্পাইওয়্যার আক্রমণ প্রতিহত করতে কাজ করে। - এটি কম্পিউটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফাইল স্ক্যান করে এবং ক্ষতিকর প্রোগ্রাম শনাক্ত করে মুছে ফেলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Maya — এটি অ্যান্টিভাইরাস নয়, বরং এটি একটি থ্রিডি অ্যানিমেশন ও মডেলিং সফটওয়্যার যা গ্রাফিক্স ডিজাইনে ব্যবহৃত হয়। B) AVG — এটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। C) Outlook — এটি কোনো অ্যান্টিভাইরাস নয়, এটি মাইক্রোসফটের একটি ইমেইল ও ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার। D) Google — এটি কোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়, এটি বিশ্বের বৃহত্তম সার্চ ইঞ্জিন ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: অ্যান্টিভাইরাস চেনার জন্য AVG, Avast, Kaspersky বা Norton এই নামগুলো মনে রাখবে।
a ১,০০০ বাইট
b ১,০২৪ বাইট
c ১,০০৫৬ বাইট
d ১,০৬৪ বাইট
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১,০২৪ বাইট কেন সঠিক: - কম্পিউটার মেমোরি বাইনারি পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, যেখানে ডেটা গণনার ভিত্তি হলো দুই। - দুই এর দশ ঘাত অর্থাৎ দুই গুণ দুই গুণ দুই এভাবে দশবার গুণ করলে এক হাজার চব্বিশ হয়, যা এক কিলোবাইট হিসেবে নির্ধারিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১,০০০ বাইট — এটি দশমিক বা মেট্রিক পদ্ধতির হিসাব, কিন্তু কম্পিউটার বিজ্ঞান বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহার করে। B) ১,০২৪ বাইট — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কম্পিউটার মেমোরিতে এক কিলোবাইট সমান এক হাজার চব্বিশ বাইট। C) ১,০০৫৬ বাইট — এটি একটি ভুল সংখ্যা এবং কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের কোনো প্রমিত মানের সঙ্গে মেলে না। D) ১,০৬৪ বাইট — এটিও একটি ভুল মান এবং কম্পিউটার ডেটা সংরক্ষণের হিসাবের নিয়মের বাইরে। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারের মেমোরি হিসাব সবসময় দুই এর গুণিতক বা জোড়ায় চলে, তাই কিলোবাইট মানে এক হাজার নয়, এক হাজার চব্বিশ বাইট।
a অপারেটিং সিস্টেম
b টোপোলজি
c প্রোটোকল
d সফ্টওয়্যার
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রোটোকল কেন সঠিক: - TCP/IP হলো ইন্টারনেট যোগাযোগের ক্ষেত্রে ডেটা আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণের একটি আদর্শ প্রোটোকল। - এটি মূলত ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল এবং ইন্টারনেট প্রোটোকলের একটি যৌথ রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপারেটিং সিস্টেম — এটি কম্পিউটার চালনার প্রধান সিস্টেম সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মাঝে সমন্বয় করে কিন্তু প্রোটোকল নয়। B) টোপোলজি — এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডিভাইসগুলোর শারীরিক বা যৌক্তিক বিন্যাসের গঠন, কোনো নিয়ম বা যোগাযোগের প্রোটোকল নয়। সি) প্রোটোকল — এটি যোগাযোগের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম বা নীতিমালা, যার মাধ্যমে নেটওয়ার্কে ডেটা সফলভাবে আদান-প্রদান করা হয়। D) সফ্টওয়্যার — এটি কম্পিউটারের নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য নির্দেশমালার সমষ্টি, যা প্রোটোকলের নির্দিষ্ট ধারণার চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত। মনে রাখার টিপস: নামের শেষে প্রোটোকল শব্দটি না থাকলেও TCP/IP হলো কম্পিউটারের যোগাযোগের নিয়ম বা প্রোটোকল।
a শরিফুল
b ইমন
c আকবর
d তামিম
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আকবর কেন সঠিক: - আকবর আলী ২০২০ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের সফল অধিনায়ক ও উইকেটকিপার ছিলেন। - ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে চাপের মুখে অপরাজিত জুতার ইনিংস খেলে তিনি বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরিফুল — তিনি ওই দলের একজন বাঁহাতি পেসার ছিলেন, অধিনায়ক ছিলেন না। B) ইমন — পারভেজ হোসেন ইমন দলের ওপেনিং ব্যাটসমান ছিলেন, দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন না। C) আকবর — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো কারণ প্রযোজ্য নয়। D) তামিম — তামিম ইকবাল জাতীয় দলের খেলোয়াড়, এই অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক আকবর, নামের অর্থ মহান হলেও ফাইনালে ব্যাট হাতে তিনি দেখিয়েছেন চরম ধৈর্য ও নেতৃত্ব।
a ঘনত্ব বেড়ে যাবে
b আয়তন বেড়ে যাবে
c ভর কমে যাবে
d আয়তনের পরিবর্তন ঘটবে না।
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আয়তন বেড়ে যাবে কেন সঠিক: - পানির তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে কমে শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে পানি বরফে পরিণত হয়। - পানি যখন বরফে পরিণত হয়, তখন এর অণুগুলোর বিন্যাসের কারণে ফাঁকা জায়গার পরিমাণ বেড়ে যায় এবং আয়তন প্রায় ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘনত্ব বেড়ে যাবে — বরফে পরিণত হলে আয়তন বাড়ার কারণে ঘনত্ব আসলে কমে যায়, তাই বরফ পানিতে ভাসে। B) আয়তন বেড়ে যাবে — এটি সঠিক কারণ, পানির অণুর কেলাশ গঠনের ফলে বরফের আয়তন বৃদ্ধি পায়। C) ভর কমে যাবে — পদার্থের অবস্থার পরিবর্তনে ভর অপরিবর্তিত থাকে, তাই ভর কমে না। D) আয়তনের পরিবর্তন ঘটবে না — পানি ছাড়া অন্য কিছু পদার্থের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হতে পারে, কিন্তু পানির ক্ষেত্রে আয়তন বাড়ে। মনে রাখার টিপস: পানি যখন বরফ হয়, তখন সে ফাঁকা জায়গা বাড়ায় অর্থাৎ তার আয়তন বাড়ে কিন্তু ঘনত্ব কমে যায়।
a Arsenal
b Hangar
c Aerodrome
d Runway
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Hangar কেন সঠিক: - Hangar হলো বিশাল আকারের বদ্ধ ঘর বা শেড, যা বিশেষভাবে বিমান রাখার, রক্ষণাবেক্ষণ করার ও মেরামতের কাজে ব্যবহার করা হয়। - আবহাওয়ার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বিমানকে নিরাপদ রাখতে এবং উড্ডয়নের পূর্বে সামরিক বা বেসামরিক বিমানগুলো এই নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Arsenal — এটি অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম জমা করে রাখার গুদাম বা ভাণ্ডার, বিমান রাখার স্থান নয়। C) Aerodrome — এটি বিমান চলাচল ও অবতরণের সামগ্রিক বিমানবন্দর বা বিমানঘাঁটি বোঝায়, কোনো নির্দিষ্ট রাখার ঘর নয়। D) Runway — এটি বিমানের রানওয়ে বা পাকা পথ, যেখান দিয়ে বিমান উড্ডয়ন করে বা মাটিতে অবতরণ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি Hangar শব্দটি বিমান রাখার ঘর বোঝায়, আর Singer বা hanger বলতে কাপড়ের হ্যাঙ্গার বোঝায়।
a ২৭৩.১৫° সেন্টিগ্রেড
b ২৩৭.১৫° সেন্টিগ্রেড
c -২৭৩.১৫° সেন্টিগ্রেড
d ০° সেন্টিগ্রেড
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) -২৭৩.১৫° সেন্টিগ্রেড কেন সঠিক: - তাত্ত্বিকভাবে যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় পদার্থের অণুগুলোর গতিশক্তি সম্পূর্ণ শূন্য হয়, তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে। - সেলসিয়াস স্কেলে এই তাপমাত্রার মান ঠিক মাইনাস ২৭৩.১৫° সেন্টিগ্রেড বা শূন্য কেলভিন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৭৩.১৫° সেন্টিগ্রেড — এটি ধনাত্মক মান হওয়ায় পরম শূন্য তাপমাত্রা হতে পারে না, কারণ এটি বরফ জমার তাপমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। B) ২৩৭.১৫° সেন্টিগ্রেড — এই মানটি ভুল এবং তাপগতিবিদ্যার কোনো নির্দিষ্ট স্কেলের পরম শূন্য তাপমাত্রার সাথে মেলে না। C) -২৭৩.১৫° সেন্টিগ্রেড — এটি পরম শূন্য তাপমাত্রার সঠিক মান, তাই এটি ভুল নয় বরং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। D) ০° সেন্টিগ্রেড — এটি সেলসিয়াস স্কেলে পানির হিমাংক বা বরফ জমার তাপমাত্রা, পরম শূন্য তাপমাত্রা নয়। মনে রাখার টিপস: পরম শূন্য মানেই ঋণাত্মক মান, তাই মনে রাখুন সেলসিয়াসে এটি মাইনাস ২৭৩.১৫ ডিগ্রি।
a ips
b exe
c mpg
d bmp
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) mpg কেন সঠিক: - MPG হলো একটি বহুল ব্যবহৃত ডিজিটাল ভিডিও ফাইল ফরম্যাট, যা ভিডিও এবং অডিও ডেটা সংরક્ષণ করে। - মুভিং পিকচার্স এক্সপার্ট গ্রুপ এই ফাইল ফরম্যাট তৈরি করেছে, যা কম্পিউটারে ভিডিও চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ips — এটি কোনো ফাইল ফরম্যাট নয়, এটি ডিসপ্লে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ইন-প্লেন সুইচিং প্যানেল বা আইপিএস বোঝায়। B) exe — এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি এক্সিকিউটেবল বা প্রোগ্রাম ফাইল ফরম্যাট, কোনো ভিডিও ফাইল নয়। C) mpg — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে এটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত। D) bmp — এটি উইন্ডোজের একটি ইমেজ বা ছবি ফাইল ফরম্যাট, যা ভিডিওর জন্য ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: ভিডিও ফাইলের নামের শেষে সাধারণত mpg, mp4 বা avi লেখা থাকে।
a ফুলফুল
b কিডনি
c যকৃৎ
d প্লীহা
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) ফুসফুস (দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে ফুলফুল বলা হয়েছে, যা ফুসফুসের একটি মুদ্রণজনিত ভুল) কেন সঠিক: - নিউমোনিয়া একটি ফুসফুসের প্রদাহজনিত রোগ যা ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। - এই রোগে ফুসফুসের অ্যালভিওলাই বা বায়ুথলিতে তরল বা পুঁজ জমে যায়, ফলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফুলফুল (ফুসফুস) — এটি নিউমোনিয়া আক্রান্ত মূল অঙ্গ, যেখানে সংক্রমণ ও প্রদাহের সৃষ্টি হয়। B) কিডনি — এটি মানবদেহের রেচন অঙ্গ এবং রক্ত ফিল্টার করার কাজ করে, নিউমোনিয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) যকৃৎ — এটি মানবদেহের পরিপাকতন্ত্রের অংশ এবং বিপাকক্রিয়ায় কাজ করে, যা নিউমোনিয়ার আক্রান্ত স্থান নয়। D) প্লীহা — এটি লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমের অংশ এবং রক্ত ফিল্টার করে, ফুসফুসের রোগ নিউমোনিয়ার সাথে এটি সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: নিউমোনিয়া শব্দটির সাথে ফুসফুস অঙ্গের বায়ুথলির সংযোগ মনে রাখবে, কারণ এটি সরাসরি শ্বাসতন্ত্রে আক্রমণ করে।
a কাঁচা লৌহ
b ইস্পাত
c অ্যালুমিনিয়াম
d কোবাল্ট
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যালুমিনিয়াম কেন সঠিক: - অ্যালুমিনিয়াম হলো একটি প্যারাচৌম্বক বা অ-চৌম্বক পদার্থ, যা চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না। - লোহা, নিকেল ও কোবাল্ট প্রকৃতির মতো এটি চৌম্বক ক্ষেত্রে শক্তিশালীভাবে চুম্বকত্ব অর্জন করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঁচা লৌহ — এটি একটি নরম চৌম্বক পদার্থ এবং চুম্বক দ্বারা তীব্রভাবে আকৃষ্ট হয়। B) ইস্পাত — এটি একটি কঠিন চৌম্বক পদার্থ এবং স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। C) অ্যালুমিনিয়াম — এটি অ-চৌম্বক পদার্থ হওয়ায় চুম্বকের প্রতি এর কোনো আকর্ষণ নেই। D) কোবাল্ট — এটি প্রধান চৌম্বক ধাতুগুলোর একটি এবং চুম্বকের প্রতি সংবেদনশীল। মনে রাখার টিপস: লোহা, ইস্পাত, নিকেল ও কোবাল্ট চৌম্বক পদার্থ; বাকি ধাতু যেমন অ্যালুমিনিয়াম অ-চৌম্বক পদার্থ।
a ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন
b কার্বন মনো অক্সাইঃ
c কার্বন ডাই-অক্সাইড
d মিথেন
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন কেন সঠিক: - ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন বা সিএফসি গ্যাসে উপস্থিত ক্লোরিন পরমাণু ওজোন স্তরে পৌঁছে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ওজোন অণুকে ভেঙে অক্সিজেন এ রূপান্তরিত করে। - এই রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ওজোন স্তরের ঘনত্ব দ্রুত হ্রাস পায় এবং পাতলা হয়ে ফাটল বা ছিদ্রের সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন — এটি ওজোন স্তরের অবক্ষয়ের জন্য সরাসরি দায়ী প্রধান মানবসৃষ্ট রাসায়নিক পদার্থ। B) কার্বন মনো অক্সাইড — এটি বিষাক্ত গ্যাস এবং রক্তে অক্সিজেন পরিবহনে বাধা সৃষ্টি করলেও ওজোন স্তর ধ্বংসের জন্য প্রধানত দায়ী নয়। C) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস যা বিশ্ব উষ্ণায়ন বা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী, ওজোন ফাটলের জন্য নয়। D) মিথেন — এটি একটি দাহ্য গ্রিনহাউস গ্যাস যা প্রধানত জলাভূমি ও পশুপালন থেকে উৎপন্ন হয় এবং ওজোন ক্ষয়ে সরাসরি ভূমিকা রাখে না। মনে রাখার টিপস: ওজোন স্তর ধ্বংসের প্রধান খলনায়ক হলো ফ্রিজ ও এসিতে ব্যবহৃত সিএফসি বা ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন।
a OSUERA
b QUSERA
c UQSAER
d UQSERA
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) UQSERA কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে CIRCLE শব্দটি পরিবর্তন করে RICELC করা হয়েছে, যেখানে প্রথম দুটি অক্ষর এবং শেষ দুটি অক্ষর স্থান পরিবর্তন করেছে এবং মাঝের দুটি অক্ষরও পরস্পর স্থান বদল করেছে। - একইভাবে SQUARE শব্দটির প্রথম দুটি অক্ষর SQ থেকে QS, মাঝের অক্ষর UA থেকে AU এবং শেষ অক্ষর RE থেকে ER বসালে UQSERA শব্দটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) OSUERA — এই বিন্যাসে অক্ষরের সঠিক ক্রম রক্ষা করা হয়নি এবং প্রথম অক্ষর পরিবর্তনের নিয়ম মানা হয়নি। B) QUSERA — এখানে মাঝের ও শেষের অক্ষরগুলোর পারস্পরিক স্থান পরিবর্তনের নিয়মটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়নি। C) UQSAER — এই অপশনে শেষের অক্ষরগুলোর বিন্যাস ভুলভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে যা মূল শব্দের নিয়মের সাথে মিলে না। D) UQSERA — এটি সঠিক বিন্যাস যা প্রশ্ন প্রদত্ত কোডিং নিয়ম নিখুঁতভাবে অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: কোডিং ডিকোডিং প্রশ্নে শব্দের অক্ষরগুলোকে জোড়ায় ভাগ করে স্থান পরিবর্তনের ধরন খেয়াল করলে খুব দ্রুত সঠিক উত্তর বের করা যায়।
a ক্যালরি
b কেলভিন
c ফারেনহাইট
d সেলসিয়াস
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্যালরি কেন সঠিক: - তাপ এক প্রকার শক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিমাপে শক্তির একক জুল হলেও তাপ পরিমাপের প্রচলিত একক হলো ক্যালরি। - এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি করতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে এক ক্যালরি বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যালরি — এটি তাপ পরিমাপের প্রচলিত একক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) কেলভিন — এটি তাপমাত্রার এসআই একক, তাপের একক নয়। C) ফারেনহাইট — এটি তাপমাত্রা পরিমাপের একটি স্কেল, তাপের একক নয়। D) সেলসিয়াস — এটিও তাপমাত্রা পরিমাপের একটি বহুল ব্যবহৃত স্কেল বা একক। মনে রাখার টিপস: তাপ মাপা হয় ক্যালরিতে আর তাপমাত্রা মাপা হয় সেলসিয়াস, ফারেনহাইট বা কেলভিনে।
a Michel Jackson
b Elvis Presley
c George Harrison
d Michel George
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) George Harrison কেন সঠিক: - জর্জ হ্যারিসন ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত ব্যান্ড দ্য বিটলস এর সদস্য এবং ব্রিটিশ গায়ক। - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্ব জনমত গঠন এবং শরণার্থীদের সহায়তায় তিনি নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ারে কনসার্ট ফর বাংলাদেশ আয়োজন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Michel Jackson — তিনি আমেরিকার বিখ্যাত পপ গায়ক হলেও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের জন্য গান গাওয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। B) Elvis Presley — তিনি আমেরিকার রক অ্যান্ড রোল সংগীতের রাজা হলেও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় কোনো গানানুষ্ঠান করেননি। D) Michel George — এই নামে কোনো বিখ্যাত গায়ক ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় কনসার্ট করা বিখ্যাত ব্রিটিশ গায়ক হলেন জর্জ হ্যারিসন, যিনি বিটলস ব্যান্ডের সদস্য ছিলেন।
a 4th January, 1972
b 4th January, 1971
c 16th December, 1971
d 16th December, 1972
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 4th January, 1972 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ বিমান ১৯৭২ সালের ৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে তার প্রথম অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৪ জানুয়ারি ১৯৭২ তারিখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের শুভ উদ্বোধন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 4th January, 1972 — এটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আনুষ্ঠানিক যাত্র শুরুর সঠিক তারিখ। B) 4th January, 1971 — এই বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরুই হয়নি এবং বিমান গঠিতও হয়নি। C) 16th December, 1971 — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস, বিমান চালুর তারিখ নয়। D) 16th December, 1972 — এটি বাংলাদেশ বিমানের যাত্রা শুরুর তারিখ নয়, এটি বিজয়ের প্রথম বার্ষিকী। মনে রাখার টিপস: ১৯৭২ সালের ৪ জানুয়ারি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের যাত্রা শুরু হয়, যা বিজয়ের ঠিক কিছুদিন পরের ঘটনা।
a 4
b 2
c 6
d 8
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ কেন সঠিক: - বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে বর্তমানে মোট ৬টি ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ রয়েছে। - এর মধ্যে ৪টি বোয়িং ৭৮৭-৮ এবং ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯ মডেলের আধুনিক উড়োজাহাজ যুক্ত আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ — এই সংখ্যাটি বিমানের বহরে থাকা বোয়িং ৭৮৭-৮ মডেলের ড্রিমলাইনারের সংখ্যা নির্দেশ করে, মোট ড্রিমলাইনারের সংখ্যা নয়। B) ২ — এই সংখ্যাটি বিমানের বহরে থাকা বোয়িং ৭৮৭-৯ মডেলের ড্রিমলাইনারের সংখ্যা বোঝায়, যা সঠিক মোট সংখ্যা নয়। C) ৬ — এটি বিমানের বহরে থাকা মোট ড্রিমলাইনারের সঠিক সংখ্যা। D) ৮ — এটি বিমানের বহরে থাকা ড্রিমলাইনারের অতিরিক্ত সংখ্যা যা বর্তমান বাস্তব তথ্যের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বিমান বাংলাদেশের মোট ড্রিমলাইনার মনে রাখতে ৪টি ছোট (৮-৮) আর ২টি বড় (৮-৯), মোট যোগ করলে হয় ৬টি।
a ব্যাসল কনভেশন
b মন্ট্রিল প্রটোকল
c কার্টাগোনা প্রটোকল
d কিয়োটো প্রটোকল
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) কিয়োটো প্রটোকল কেন সঠিক: - এটি ১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটোতে গৃহীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যার মূল লক্ষ্য গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন নির্দিষ্ট মাত্রায় কমিয়ে আনা। - শিল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য কার্বন ডাই অক্সাইডসহ অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাসের নির্গমন কমানোর আইনি বাধ্যবাধকতা এই চুক্তিতে নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাসল কনভেনশন — এটি ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থের এক দেশ থেকে অন্য দেশে স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পর্কিত। B) মন্ট্রিল প্রটোকল — এটি ওজোন স্তর ক্ষয়কারী উপাদান যেমন সিএফসি গ্যাসের ব্যবহার হ্রাসের জন্য প্রণীত চুক্তি। সি) কার্টাগোনা প্রটোকল — এটি জীবনিরাপত্তা ও জিনগত পরিবর্তিত জীবের নিরাপদ ব্যবহার সংক্রান্ত চুক্তি। ডি) কিয়োটো প্রটোকল — এটি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের সাথে সম্পর্কিত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: কিউ দিয়ে কিয়োটো এবং ক দিয়ে কার্বন বা গ্যাস নির্গমন কমানোর চুক্তি এভাবে মনে রাখা যায়।
a ১টি
b ৩টি
c ২টি
d ৪টি
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: B) ৩টি কেন সঠিক: - বর্তমানে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে মোট তিনটি। - এগুলো হলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু রয়েছে। B) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সক্রিয় আছে। C) ২টি — অতীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দুটি থাকলেও বর্তমানে সিলেট বিমানবন্দরসহ মোট সংখ্যা তিনটি। D) ৪টি — বাংলাদেশে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংখ্যা চারটি নয়, তিনটি। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর মনে রাখতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের প্রথম অক্ষর বা প্রধান তিনটি শহরের কথা মনে রাখতে পারো।
a সালাম
b আসাদ
c জব্বার
d বরকত
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) আসাদ কেন সঠিক: - শহিদ আসাদ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় ২৪শে জানুয়ারি পুলিশের গুলিতে নিহত হন। - তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন, বরং ঊনসত্তরের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সালাম — আবদুস সালাম ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের একজন অন্যতম শহীদ। B) আসাদ — তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন, তিনি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ। C) জব্বার — আবদুল জব্বার ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের একজন বীর শহীদ। D) বরকত — আবুল বরকত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের শহীদদের মনে রাখতে বরকত, সালাম, জব্বারের সাথে রফিক ও শফিউরকে স্মরণ রাখবেন; আর আসাদ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ।
a অভিজিৎ ব্যানার্জি
b পিটার হ্যান্ডকে
c গ্রেটা থানবার্গ
d ডব্লিউএফপি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ডব্লিউএফপি কেন সঠিক: - ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বা ডব্লিউএফপি (WFP)। - ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়াই এবং সংঘাতকবলিত অঞ্চলে শান্তির পরিবেশ তৈরিতে অবদান রাখার জন্য সংস্থাটিকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভিজিৎ ব্যানার্জি — ইনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, শান্তিতে নয়। B) পিটার হ্যান্ডকে — ইনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, শান্তিতে নয়। C) গ্রেটা থানবার্গ — ইনি ২০২০ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেও পুরস্কার লাভ করেননি। D) ডব্লিউএফপি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংস্থাটি ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায়। মনে রাখার টিপস: খাদ্য দিলে শান্তি মেলে, তাই ক্ষুধার বিরুদ্ধে কাজ করে শান্তিতে নোবেল পায় ডব্লিউএফপি।
a সব্যসাচী হাজরা
b মুস্তাফা মনোয়ার
c হামিদুর রহমান
d হাশেম খান
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সব্যসাচী হাজরা কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য নির্ধারিত লোগোটির মূল নকশাকার বা ডিজাইনার সব্যসাচী হাজরা। - তার নকশাকৃত এই লোগোটিই সরকারিভাবে মুজিব শতবর্ষের আনুষ্ঠানিক লোগো হিসেবে নির্বাচিত ও ব্যবহৃত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সব্যসাচী হাজরা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই লোগোর ডিজাইনার হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃত। B) মুস্তাফা মনোয়ার — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও puppeteer হলেও এই লোগোর নকশা তিনি করেননি। C) হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাকার ও স্থপতি, মুজিব শতবর্ষের লোগোর সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) হাশেম খান — তিনি বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও অধ্যাপক হলেও এই লোগোটির ডিজাইনার নন। মনে রাখার টিপস: মুজিব শতবর্ষের লোগো মানেই 'সব্যসাচী' হাজরা, নামের শুরুতে 'স' দিয়ে লোগো আর 'স' দিয়ে সব্যসাচী মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a আমেরিকান পিস সেন্টার
b জিরো পয়েন্ট
c গ্রাউন্ড জিরো
d ওয়ার্ল্ড সিমেট্রি
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গ্রাউন্ড জিরো কেন সঠিক: - ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলায় নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার বা টুইন টাওয়ার ধ্বংস হয়ে যায়। - ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ওই নির্দিষ্ট স্থানটিকে পরবর্তীতে মানুষের কাছে গ্রাউন্ড জিরো নামে পরিচিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমেরিকান পিস সেন্টার — এটি কোনো ঐতিহাসিক বা প্রচলিত স্থান নয়, বরং বিভ্রান্তিকর একটি নাম। B) জিরো পয়েন্ট — সাধারণত কোনো দেশের কেন্দ্রীয় দূরত্ব মাপার স্থান বা শূন্য বিন্দু বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। D) ওয়ার্ল্ড সিমেট্রি — এটি একটি কাল্পনিক ও ভুল অপশন, যার সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: টুইন টাওয়ার ধ্বংসের পর সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপ বা শূন্যস্থান বোঝাতে গ্রাউন্ড জিরো নামটি মনে রাখবে।
a ২৩ মার্চ ১৯৭২
b ১৭ জুন ১৯৭২
c ২৩ আগস্ট ১৯৭২
d ২২ জুন ১৯৭২
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২ জুন ১৯৭২ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর জাতিসংঘের বিভিন্ন বিশেষায়িত সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে। - আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলও-র ১৯৭২ সালের ২২ জুন বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ মার্চ ১৯৭২ — এই তারিখে আইএলও-র সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত। B) ১৭ জুন ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশ আইএলও-র সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি একটি ভুল তারিখ। C) ২৩ আগস্ট ১৯৭২ — এই তারিখে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ পায়নি, এটি ভিন্ন একটি দিন। D) ২২ জুন ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আইএলও-র সদস্য হতে বাহাত্তরের জুন মাসের বাইশ দিন লেগেছিল এভাবে মনে রাখা যায়।
a বান্দরবান
b কক্সবাজার
c সিলেট
d কুয়াকাটা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কক্সবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সি মি উই ৬ কনসোর্টিয়ামের ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজারে স্থাপন করা হচ্ছে। - এর মাধ্যমে দেশের ব্যান্ডউইথ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং ইন্টারনেট সেবার মান উন্নত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বান্দরবান — এটি পাহাড়ি জেলা হওয়ায় সাবমেরিন ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশন হিসেবে উপযুক্ত নয়। B) কক্সবাজার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই উপকূলীয় এলাকায় সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ স্থাপনের ভৌগোলিক সুবিধা রয়েছে। C) সিলেট — এটি স্থলবেষ্টিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় জেলা হওয়ায় এখানে সাবমেরিন ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশন হওয়া সম্ভব নয়। D) কুয়াকাটা — এটি বাংলাদেশের প্রথম ও দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশন হলেও তৃতীয়টির জন্য নির্ধারিত নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের প্রথম ও দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল কুয়াকাটায় হলেও, তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশন হবে কক্সবাজারে।
a বাংলাদেশ ব্যাংক
b বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ
c অর্থ মন্ত্রণালয়
d আইন মন্ত্রণালয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ ব্যাংক কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে দেশের মুদ্রা সরবরাহ ও ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। - দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন একমাত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের এখতিয়ার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাদেশ ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে এটি দেশের মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে। B) বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ — এগুলো মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে না, বরং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রণীত মুদ্রানীতি অনুসরণ করে ব্যবসা পরিচালনা করে। C) অর্থ মন্ত্রণালয় — এটি দেশের রাজস্ব নীতি এবং জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করে, কিন্তু মুদ্রানীতি পরিচালনার দায়িত্ব সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। D) আইন মন্ত্রণালয় — এটি দেশের আইন প্রণয়ন ও বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে, অর্থনৈতিক নীতির সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: টাকা বা মুদ্রার সাথে সম্পর্কিত নীতি প্রণয়ন করে দেশের প্রধান ব্যাংক, অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক।
a ভারত ও ইংল্যান্ড
b ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা
c দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া
d অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - অ্যাশেজ সিরিজ অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী টেস্ট ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। - ১৮৮২ সাল থেকে দুই দেশের মধ্যে এই মর্যাদাপূর্ণ টেস্ট সিরিজটি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত ও ইংল্যান্ড — এই দুই দেশের মধ্যকার টেস্ট সিরিজের নাম অ্যান্থনি ডি মেলো ট্রফি বা পাটাউডি ট্রফি, অ্যাশেজ নয়। B) ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা — এই দুই দেশের টেস্ট সিরিজের নাম ব্যাসিল ডি'অলিভিয়েরা ট্রফি, অ্যাশেজ নয়। C) দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া — এই দুই দেশের টেস্ট সিরিজের সঙ্গে অ্যাশেজ ট্রফির কোনো সম্পর্ক নেই। D) অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দুই দেশের মধ্যে ঐতিহ্যগতভাবে অ্যাশেজ ট্রফি খেলা হয়। মনে রাখার টিপস: অ্যাশেজ মানে ছাই, আর এই ছাইয়ের লড়াই হয় ক্রিকেট পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে।
a ৫.৪৫ কি.মি.
b ৭.২৫ কি.মি.
c ৬.১৫ কি.মি.
d ৮.৩৫ কি.মি.
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.১৫ কি.মি. কেন সঠিক: - পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং সংযোগ সেতু সহ মোট দৈর্ঘ্য ৯.৮৩ কিলোমিটার। - এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সেতু যা দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫.৪৫ কি.মি. — এটি ভুল তথ্য কারণ পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য এত কম নয়। B) ৭.২৫ কি.মি. — এটি ভুল উত্তর কারণ সঠিক দৈর্ঘ্য এর চেয়ে কম। C) ৬.১৫ কি.মি. — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি পদ্মা সেতুর মূল কাঠামোর দৈর্ঘ্য। D) ৮.৩৫ কি.মি. — এটি ভুল অপশন কারণ এটি মূল সেতুর সঠিক মাপের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে ছয় এবং পনেরো সংখ্যা দুটি মনে রাখুন, যা হলো ছয় দশমিক পনেরো কি.মি.।
a ফ্রিডম পদক
b জুলিও কুরী পদক
c ম্যাগসেসে পদক
d জওহরলাল নেহেরু পদক
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জুলিও কুরী পদক কেন সঠিক: - বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ও মানবকল্যাণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালের ১০ মে বিশ্ব শান্তি পরিষদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরী পদকে ভূষিত করে। - এটি ছিল বাংলাদেশের প্রাপ্ত প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক সম্মাননা, যা বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রিডম পদক — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, যার সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শান্তিতে অবদানের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। B) জুলিও কুরী পদক — এটি বিশ্ব শান্তি পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত শান্তি ও মানবতার পক্ষে অবদানের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক সঠিক পদক। C) ম্যাগসেসে পদক — এটি এশিয়ার ব্যক্তিসমাজ ও প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়, যা ফিলিপাইন সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত এবং এটি শান্তির জন্য প্রদত্ত পদক নয়। D) জওহরলাল নেহেরু পদক — এটি ভারতের আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া ও বিশ্বশান্তির জন্য প্রদত্ত পুরস্কার, তবে বঙ্গবন্ধু এই পদক লাভ করেননি। মনে রাখার টিপস: শান্তিতে অবদানের জন্য জুলিও কুরী পদક পেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু, যেখানে 'জুলিও' শব্দটির শান্তি ভাবনার সঙ্গে তাঁর নাম মনে রাখা সহজ।
a একটি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র
b সরকারি কলেরা গবেষণা কেন্দ্র
c সরকারি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র
d একটি আন্তর্জাতিক পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সরকারি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র কেন সঠিক: - SPARRSO এর পূর্ণরূপ হলো Space Research and Remote Sensing Organization যা বাংলাদেশের একমাত্র মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - এটি মহাখালীতে অবস্থিত এবং দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ মূল্যায়ন ও আবহাওয়া সংক্রান্ত গবেষণায় রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র — এটি ভুল কারণ কৃষি গবেষণার জন্য বাংলাদেশে বিএআরআই এবং ব্রি এর মতো আলাদা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। B) সরকারি কলেরা গবেষণা কেন্দ্র — এটি ভুল কারণ কলেরা গবেষণার সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবি জড়িত। D) একটি আন্তর্জাতিক পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র — এটি ভুল কারণ পারমাণবিক শক্তির জন্য বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন রয়েছে। মনে রাখার টিপস: SPARRSO শব্দের শেষের শব্দ দুটি হলো Remote Sensing যা মহাকাশ গবেষণা ও উপগ্রহ চিত্র ব্যবহারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
a সৈয়দ নজরুল ইসলাম
b এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
c জেনারেল এম এ জি ওসমানী
d জনাব তাজউদ্দীন আহমদ
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং রাষ্ট্রপতি অনুপস্থিত থাকায় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। - মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা বর্তমান মুজিবনগর আমবাগানে ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল গঠিত সরকারের রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন। B) এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন। C) জেনারেল এম এ জি ওসমানী — তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি বা সর্বাধিনায়ক ছিলেন। D) জনাব তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
a চট্টগ্রাম
b পাকশি
c আখাউড়া
d সৈয়দপুর
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দপুর কেন সঠিক: - নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা বাংলাদেশের রেল খাতের সবচেয়ে বড় এবং প্রধান কেন্দ্রীয় কারখানা। - ব্রিটিশ আমলে ১৮৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কারখানাটি রেললাইনের কোচ ও ইঞ্জিন মেরামতের মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দর শহর এবং রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের সদর দফতর হলেও সবচেয়ে বড় কারখানা নয়। B) পাকশি — এটি বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের সদর দফতর, কোনো বড় রেলওয়ে কারখানা নয়। C) আখাউড়া — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন এবং ট্রানজিট পয়েন্ট, কোনো প্রধান কারখানা নয়। D) সৈয়দপুর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি দেশের সবচেয়ে বড় রেলওয়ে কারখানা। মনে রাখার টিপস: সৈয়দপুর নামের ভেতরেই যেন সবচেয়ে বড় রেল কারখানার বিশালতা লুকিয়ে আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a কফি আনান
b অ্যান্টনিও গুতেরেস
c বান কি মুন
d উথানট
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অ্যান্টনিও গুতেরেস কেন সঠিক: - অ্যান্টনিও গুতেরেস জাতিসংঘের নবম মহাসচিব হিসেবে ২০১৭ সালের ১লা জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বর্তমানেও এই পদে বহাল আছেন। - তিনি পূর্বে পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কফি আনান — তিনি জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন, বর্তমান মহাসচিব নন। B) অ্যান্টনিও গুতেরেস — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক। C) বান কি মুন — তিনি জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব ছিলেন, বর্তমান মহাসচিব নন। D) উথানট — তিনি জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব ছিলেন এবং তিনি প্রথম এশিয়ান মহাসচিব। মনে রাখার টিপস: বর্তমান মহাসচিবের নাম মনে রাখতে মাথায় রাখুন বর্তমান অক্ষরটি শুরু হয় অ দিয়ে এবং তার নামও অ্যান্টনিও অর্থাৎ অ দিয়ে শুরু।