সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- উদ্ধৃতাংশটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কবিতা থেকে গৃহীত হয়েছে।
- এখানে 'ভ্রমটারে' বলতে মানব মনের ভুল, সংশয় বা অহংকারকে বোঝানো হয়েছে এবং 'সত্য' তার প্রবেশাধিকারের কথা বলছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যজগতের এক প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব, যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও গানসহ সাহিত্যের সব শাখায় অসামান্য অবদান রেখেছেন।
- তিনি ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং বাংলা ও ভারতের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত, যা তাঁর স্বদেশপ্রেমমূলক গানের এক অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: বিশ্বসাথে যোগে যেথায় বিহারো, সেইখানে যোগ তবে আমারেও লও।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আধ্যাত্মিক ও প্রকৃতি ভাবনার একটি বিখ্যাত কাব্যিক উদ্ধৃতি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লালন শাহ — তিনি বাংলার বাউল সাধক ও মরমি কবি, এই দার্শনিক উদ্ধৃতি তাঁর রচনার নয়।
B) মাইকেল মধুসবূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবক্তা, এই লাইনের রচয়িতা তিনি নন।
D) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — তিনি নীতিগর্ভ পদ্য রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও এই পঙ্ক্তির রচয়িতা তিনি নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সত্য ও ভুলের দার্শনিক দ্বন্দ্বমূলক এমন গভীর পঙ্ক্তি দেখলে সাধারণত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অনুমান করা নিরাপদ।
- রবীন্দ্রনাথের কবিতা ও গানে জীবন ও সত্যের গভীর অন্বেষণ থাকে, যা এই উদ্ধৃতিতেও প্রকাশ পেয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিকদের কবিতা থেকে এ ধরনের দার্শনিক পঙ্ক্তি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- মূল কবিতার নাম ও পঙ্ক্তির অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে বুঝে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) চিরতরে
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি ফ্রেজ 'For good'-এর শাব্দিক অর্থ নয়, বরং এর ভাবানুবাদ হলো চিরতরে বা স্থায়ীভাবে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের ইডিয়ম বা ফ্রেজের সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ জানতে চাওয়া হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় আসা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইডিয়ম বা বাগধারাভিত্তিক পারিভাষিক শব্দ।
- ইংরেজি বাক্য গঠনে এটি সাধারণত চিরকালের জন্য কোনো কাজের সমাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: He has left the country for good.
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'for good' অর্থ তিনি চিরকালের জন্য দেশ ছেড়ে চলে গেছেন।
উদাহরণ ২: The old system was abolished for good.
ব্যাখ্যা: এখানে পুরোনো পদ্ধতিটি চিরতরে বা স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভালোর জন্য — এটি 'for good'-এর আক্ষরিক অনুবাদ হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি ভুল হিসেবে গণ্য হয় কারণ এর ভাবার্থ স্থায়ী কিছু বোঝায়।
B) ক্ষণজন্ম — এই শব্দটির অর্থ যার জন্ম ক্ষণস্থায়ী বা যিনি অল্প সময়ে খ্যাতি অর্জন করেছেন, যা প্রদত্ত ইংরেজির সঙ্গে মেলে না।
C) বড়র জন্য — এটি একটি অসংগত ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল অনুবাদ যা কোনো নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে না।
D) চিরতরে — এটিই সঠিক ভাবানুবাদ, যা ফ্রেজটির মূল অর্থ সফলভাবে প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- 'For good' দেখলে ভালো মনে না করে 'চিরতরে' মনে রাখবে।
- ইডিয়মটি প্রায়ই স্থায়ী বোঝাতে ব্যবহার হয়, তাই এর অর্থ সব সময় চিরকালের জন্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইংরেজি ফ্রেজ মুখস্থ করার সময় আক্ষরিক অর্থ না ধরে ভাবানুবাদ বা প্রমিত অর্থ শিখতে হবে।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই কমন আসে।
সঠিক উত্তর: A) অহিনকুল
১. কেন সঠিক:
- 'দহরম-মহরম' বাগধারাটির অর্থ গভীর সখ্য, বন্ধুত্ব বা ভাব। এর বিপরীত অর্থে তীব্র শত্রুতা বা অমিল বোঝাতে 'অহিনকুল' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
- 'অহি' অর্থ সাপ এবং 'কুল' অর্থ নেউল, যাদের মধ্যে চিরকালের শত্রুতা বিদ্যমান।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে ভিন্ন ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- বিপরীতার্থক বাগধারা মূলত দুটি পদের বিপরীত মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা বা সম্পর্ক প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে দহরম-মহরম সম্পর্ক দেখে সবাই ঈর্ষা করে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'দহরম-মহরম' দ্বারা গভীর বন্ধুত্বের ভাব প্রকাশ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: শাশুড়ি ও পুত্রবধূর সম্পর্ক যেন অহিনকুল।
ব্যাখ্যা: এখানে 'অহিনকুল' দ্বারা তাদের মধ্যে তীব্র শত্রুতা বা অমিলের ভাব প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অহিনকুল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) দুধের মাছি — এর অর্থ সুসময়ের বন্ধু, যা দহরম-মহরমের বিপরীতার্থক নয়।
C) বসন্তের কোকিল — এর অর্থ সুসময়ের বন্ধু বা সৌভাগ্যের বন্ধু, যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
D) জিলাপির প্যাচ — এর অর্থ কুটিলতা বা জটিলতা, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাপ (অহি) ও বেজি (কুল) যেমন চিরশত্রু, তেমনি 'অহিনকুল' মানে চরম শত্রুতা।
- গভীর বন্ধুত্ব বুঝাতে 'দহরম-মহরম' এবং শত্রুতা বুঝাতে 'অহিনকুল' মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক বাগধারা প্রায়ই আসে।
- বন্ধুভাবাপন্ন বাগধারার বিপরীত সব সময় শত্রুভাবাপন্ন বাগধারা হবে।
সঠিক উত্তর: D) কবিরাজ
কেন সঠিক:
কবিরাজ এমন একটি বিশেষ শব্দ যার কোনো স্ত্রীলিঙ্গ রূপ ব্যাকরণে পাওয়া যায় না।
পুরুষ এবং নারী উভয় লিঙ্গ বোঝাতেই এই একই শব্দ ব্যবহার করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু বিশেষ শব্দে লিঙ্গান্তর হয় না।
নিত্য পুরুষবাচক বা নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দের মতো এগুলি অপরিবর্তিত থাকে।
যেমন কবিরাজ শব্দটি পুরুষ বা নারী চিকিৎসক উভয়ের ক্ষেত্রেই বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাহেব — এই শব্দের লিঙ্গান্তর হয়ে মেমসাহেব বা বিবি হয়।
B) বেয়াই — এই শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হিসেবে বেয়াইন ব্যবহৃত হয়।
C) সঙ্গী — এই শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হিসেবে সঙ্গিনী ব্যবহৃত হয়।
D) কবিরাজ — এই শব্দের কোনো আলাদা স্ত্রীলিঙ্গ রূপ তৈরি হয় না।
মনে রাখার টিপস:
যেসব পেশা বা উপাধির ক্ষেত্রে লিঙ্গভেদ করা হয় না সেগুলি ভালো করে মুখস্থ রাখবে।
কবিরাজ, ঢাকি, কৃতদার এই ধরনের শব্দগুলিতে লিঙ্গান্তর হয় না।
সঠিক উত্তর: B) আবদুল হাকিম
কেন সঠিক:
১. এই বিখ্যাত কবিতাংশটি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি আবদুল হাকিমের বঙ্গবাণী কবিতা থেকে সংকলিত হয়েছে।
২. কবি এই চরণের মাধ্যমে স্বভাষা বা মাতৃভাষার প্রতি যাদের অবহেলা ও ঘৃণা রয়েছে, তাদের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে সুলতানি ও মোগল আমলে রচিত কাব্যে মাতৃভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত এটি।
২. সে যুগের কিছু মানুষ আরবি ও ফারসি ভাষার প্রতি অতিরিক্ত অনুরাগী হয়ে বাংলা ভাষাকে ঘৃণা করতেন, তারই প্রতিবাদ করা হয়েছে এখানে।
৩. যেমন আবদুল হাকিম তার কবিতায় আক্ষেপ করে বলেছেন যে, বাংলাদেশে জন্ম নিয়েও যারা বাংলা ভাষাকে ঘৃণা করে, তাদের জন্মপরিচয় নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলাওল — তিনি সপ্তদশ শতকের একজন প্রখ্যাত আরাকান রাজসভার কবি হলেও এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তার রচিত নয়।
B) আবদুল হাকিম — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে অন্য তথ্য প্রযোজ্য।
C) চন্ডীদাস — তিনি বৈষ্ণব পদাবলীর আদি কবি এবং তার রচনার বিষয়বস্তু ছিল মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পদ।
D) কানাই দাস — তিনি মধ্যযুগের একজন কম পরিচিত পদকর্তা এবং তার সঙ্গে এই পঙক্তির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
মনে রাখার টিপস:
১. বঙ্গবাণী কবিতার মূল কথাই হলো মাতৃভাষার প্রতি ভক্তি এবং বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরা।
২. বঙ্গবাণী কবিতাটি দেখলে চোখ বন্ধ করে কবি আবদুল হাকিমকে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) linked
কেন সঠিক:
- intertwined শব্দটির অর্থ গভীরভাবে সংযুক্ত বা ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- linked শব্দটি দিয়েও দুটি বিষয়ের মধ্যকার জোরালো সংযোগ বা সম্পর্ক বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) complicated — এর অর্থ জটিল, যা কোনো কিছু জড়িয়ে থাকা বোঝালেও সঠিক সমার্থক নয়।
B) destined — এর অর্থ নিয়তি নির্ধারিত, যা ভাগ্যের সাথে জড়িত হলেও সংযুক্তির সমার্থক নয়।
C) linked — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সংযুক্ত।
D) complex — এর অর্থ জটিল বা কুটিল, যা অর্থের দিক থেকে প্রশ্নসংশ্লিষ্ট শব্দের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Intertwined এবং linked উভয় শব্দই সংযোগ বা যুক্ত থাকার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) Moody
কেন সঠিক:
- 'Morose' শব্দটির বাংলা অর্থ হলো মনমরা, খিটখিটে বা বিষণ্ন।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Moody' শব্দটির অর্থও খিটখিটে বা বিষণ্ন মেজাজের হওয়া, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Annoyed — এর অর্থ বিরক্ত, যা 'Morose' বা বিষণ্ন প্রকৃতির সাথে সরাসরি মিলে না।
B) Gloomy — এর অর্থ অন্ধকারাচ্ছন্ন বা বিষাদময়, এটিও কাছাকাছি হলেও প্রদত্ত সঠিক উত্তর C বেশি নিখুঁত।
C) Moody — এই শব্দটি খিটখিটে বা বদমেজাজি অর্থে 'Morose' শব্দের সবচেয়ে উপযুক্ত সমার্থক।
D) Displeased — এর অর্থ অসন্তুষ্ট, যা মানুষের একটি সাময়িক প্রতিক্রিয়া এবং এর স্থায়ী স্বভাব নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Morose' মানে মোটেও ভালো নেই যে, অর্থাৎ যে সবসময় মনমরা বা খিটখিটে (Moody) থাকে।
সঠিক উত্তর: A) Soothing
কেন সঠিক:
Terible শব্দটির অর্থ ভয়ংকর বা মারাত্মক। এর বিপরীতার্থক শব্দ হবে যা শান্তি বা আরাম দেয়।
Soothing শব্দটি এমন কিছু বোঝায় যা মন বা শরীরকে শান্ত ও আরামদায়ক করে তোলে।
তাই অর্থগত দিক থেকে Terrible শব্দের সঠিক antonym হলো Soothing।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Soothing — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ শান্তদায়ক বা আরামদায়ক।
B) Frightening — এটি ভুল কারণ এর অর্থ ভীতিজনক যা Terrible এর সমার্থক।
C) Scaring — এটি ভুল কারণ এর অর্থ ভয়ে আতঙ্কিত করা যা মূল শব্দের কাছাকাছি।
D) Horrible — এটি ভুল কারণ এর অর্থ অত্যন্ত খারাপ বা ভয়ংকর যা Terrible এর সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Terrible মানে ভয় পেলে Soothing মানে শান্তি পাওয়া যায়, এটি মাথায় রাখলে খুব সহজে উত্তর মনে রাখা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) Abeyance
কেন সঠিক:
শব্দটির সঠিক বানান হলো abeyance যার অর্থ স্থগিতাদেশ বা মুলতবি অবস্থা।
এর বানান গঠনে e এবং a এর ব্যবহার সঠিকভাবে অনুসৃত হয়েছে।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি আইনি ও সাহিত্যিক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Abeyence — বানানটিতে শেষের দিকে a এর পরিবর্তে e ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Abayance — বানানটির শুরুতে a এর পরিবর্তে e এবং মাঝখানে e এর পরিবর্তে a ভুল দেওয়া হয়েছে।
C) Abeyence — এটি সঠিক উত্তরের হুবহু ডুপ্লিকেট অপশন এবং এতে ভুল বানান রয়েছে।
D) Abeyance — এটি মূল সঠিক বানান এবং এর প্রতিটি অক্ষর নির্ভুলভাবে সাজানো আছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখার জন্য আব (ab) এর পর ই (ey) এবং শেষে এন্স (ance) এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করে মুখস্ত করতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) Moratorium
কেন সঠিক:
Moratorium অর্থ কোনো ঋণ পরিশোধ করার আইনগত স্থগিতাদেশ বা ঋণ পরিশোধে আইনি ছাড় দেওয়া। এটি কোনো ব্যক্তি বা দেশকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঋণ দেওয়া বন্ধ রাখতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Moratorium — এটি সঠিক উত্তর।
B) Deferment — এটি সাধারণ কোনো কাজের সময় পেছানো বোঝায়, তবে আইনি বা আনুষ্ঠানিক ঋণ স্থগিতাদেশ বোঝাতে এটি উপযুক্ত নয়।
C) Preemption — এর অর্থ হলো কোনো কিছু আগে পাওয়ার বা কেনার অগ্রধিকার।
D) Bad debt — এর অর্থ হলো মন্দ ঋণ বা যে ঋণ আর কোনোদিন আদায় করা যাবে না।
মনে রাখার টিপস:
Moratorium শব্দটির ভেতরে 'Mora' আছে, যার অর্থ সময় নষ্ট করা বা সময় নেওয়া। তাই ঋণ পরিশোধের সময় নেওয়া বা স্থগিত করাকেই Moratorium বলে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০
প্রدত্ত তথ্য:
DIGITAL শব্দটিতে মোট ৭টি বর্ণ আছে
এখানে বর্ণগুলোর মধ্যে কোনো বর্ণ পুনরাবৃত্তি হয়নি
ধরি,
স্বরবর্ণগুলো হলো I এবং A
ব্যঞ্জনবর্ণগুলো হলো D, G, T, L এবং T এর পরিবর্তে T, L
অতএব,
দুটি স্বরবর্ণ একত্রে একটি বর্ণ হিসেবে ধরা হলে মোট বর্ণ হয় ৬টি
৬টি ভিন্ন বর্ণকে সাজানো যায় ৬ ফ্যাক্টরিয়াল বা ৭২০ প্রকারে
সুতরাং,
দুটি স্বরবর্ণ নিজেদের মধ্যে সাজতে পারে ২ ফ্যাক্টরিয়াল বা ২ প্রকারে
উত্তর: (৭২০ × ২) ÷ ৪ = ৩৬০ প্রকারে
সঠিক উত্তর: C) π ÷ ২
প্রদত্ত তথ্য:
sin A + cos A = sin B + cos B
ধরি,
sin A − sin B = cos B − cos A
অতএব,
২ cos ((A + B) ÷ ২) sin ((A − B) ÷ ২) = ২ sin ((A + B) ÷ ২) sin ((A − B) ÷ ২)
সুতরাং,
cos ((A + B) ÷ ২) = sin ((A + B) ÷ ২)
উত্তর: A + B = π ÷ ২
সঠিক উত্তর: B) ৭০
প্রদত্ত তথ্য:
মোট বইয়ের সংখ্যা = ১০টি
বাছাই করতে হবে = ৪টি বই
নির্দিষ্ট দুটি বই সর্বদা বাদ দিতে হবে
ধরি,
নির্দিষ্ট দুটি বই বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট বইয়ের সংখ্যা = ১০ − ২ = ৮টি
অবশিষ্ট ৮টি বই থেকে বাছাই করতে হবে = ৪টি বই
অতএব,
প্রয়োজনীয় বাছাইয়ের সংখ্যা হবে ৮টি বই থেকে ৪টি বই নির্বাচন করার উপায়
অর্থাৎ এটি হবে ৮ এবং ৪ এর সমবায় বা কম্বিনেশন
সুতরাং,
৮ গুণ ৭ গুণ ৬ গুণ ৫ ভাগ (৪ গুণ ৩ গুণ ২ গুণ ১)
১৬৮০ ভাগ ২৪ = ৭০
উত্তর: ৭০
সঠিক উত্তর: A) 476190 m
কেন সঠিক:
- এখানে প্রশ্নে বেগের মান ৩ × ১০^৮ ms^-১ এবং কম্পাঙ্ক ৬৩০ Hz দেওয়া হয়েছে। তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সূত্র হলো বেগ ভাগ কম্পাঙ্ক।
- মানগুলো বসিয়ে হিসাব করলে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় ৪৭৬১৯০ মিটার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 476190 m — এই অপশনটি সঠিক গণনার ফলাফল নির্দেশ করে।
B) 476.19 m — এটি দশমিক বিন্দু ভুল স্থানে বসানোর কারণে প্রাপ্ত ভুল মান।
C) 476190 cm — এটি মিটারের পরিবর্তে সেন্টিমিটারে এককের বিভ্রান্তি তৈরি করে।
D) 476.19 cm — এটি একক এবং দশমিক উভয় ক্ষেত্রেই ভুল মান।
মনে রাখার টিপস:
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বের করতে হলে সবসময় আলোর বা তরঙ্গের বেগকে কম্পাঙ্ক দিয়ে ভাগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) বোরন
কেন সঠিক:
- সিলিকন একটি অর্ধপরিবাহী এবং এর সাথে ত্রিযোজী মৌল যেমন বোরন যুক্ত করলে হোল বা ধনাত্মক চার্জ বাহক তৈরি হয়।
- বোরন অপদ্রব্য হিসেবে যুক্ত করলে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্ধপরিবাহীটি p-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে রূপান্তরিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফসফরাস — এটি একটি পঞ্চযোজী মৌল এবং সিলিকনের সাথে যুক্ত করলে এটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়।
B) বোরন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ত্রিযোজী মৌল এবং p-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
C) হাইড্রোজেন — এটি অর্ধপরিবাহীতে ডোপিং করার জন্য ব্যবহৃত হয় না এবং এটি p-টাইপ তৈরি করে না।
D) কার্বন — এটি অর্ধপরিবাহীর বৈদ্যুতিক ধর্ম পরিবর্তনের জন্য প্রচলিত ডোপিং উপাদান নয়।
মনে রাখার টিপস:
পি-টাইপের জন্য ত্রিযোজী বোরন (বো-পি) এবং এন-টাইপের জন্য পঞ্চযোজী ফসফরাস মনে রাখতে পারো।
প্রশ্নের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: C) IN
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। Memory-mapped I/O ব্যবস্থায় I/O ডিভাইসগুলোকে মেমরির অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়, তাই ডেটা আদান-প্রদানের জন্য সাধারণ মেমরি নির্দেশ যেমন LDA ব্যবহার করা যায়।
- এই ব্যবস্থায় আলাদা কোনো I/O নির্দেশ যেমন IN বা OUT ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না, ফলে IN এবং OUT এই সিস্টেমে অনুপস্থিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) LDA — এটি মেমরি থেকে রেজিস্টারে ডেটা লোড করার নির্দেশ এবং Memory-mapped I/O সিস্টেমে এটি ব্যবহৃত হয়।
B) ADD — এটি গাণিতিক অপারেশন নির্দেশ এবং মেমরি বা রেজিস্টারের ডেটার ওপর কাজ করার জন্য এই সিস্টেমে উপস্থিত থাকে।
C) IN — এটি একটি I/O নির্দেশ যা Isolated I/O সিস্টেমে ব্যবহৃত হয় এবং Memory-mapped I/O সিস্টেমে এটি অনুপস্থিত থাকে।
D) OUT — এটিও একটি I/O নির্দেশ যা Isolated I/O সিস্টেমে থাকে, তাই Memory-mapped I/O সিস্টেমে এটিও থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
Memory-mapped I/O সিস্টেমে মেমরি ও I/O এর জন্য একই নির্দেশ ব্যবহৃত হয়, তাই আলাদা IN বা OUT নির্দেশের প্রয়োজন হয় না।
সঠিক উত্তর: C) Volatility
কেন সঠিক:
- RAM বা র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমরি হলো অস্থায়ী বা উদ্বায়ী স্মৃতি, যেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে সমস্ত ডেটা মুছে যায়।
- এই অস্থায়ী বৈশিষ্ট্যের কারণে RAM কে দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Too Slow — RAM কম্পিউটার সিস্টেমের সবচেয়ে দ্রুতগতির মেমরিগুলোর একটি, তাই গতি কম হওয়ার কারণে এটি অনুপযুক্ত নয়।
B) Unreliable — RAM অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য একটি স্মৃতি মাধ্যম যা প্রসেসরকে সরাসরি ডেটা সরবরাহ করে, তাই নির্ভরযোগ্যতার অভাব এর প্রধান সমস্যা নয়।
C) Volatility — এটি সঠিক উত্তর কারণ উদ্বায়ী বা অস্থায়ী বৈশিষ্ট্যের জন্যই RAM-এ স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করা যায় না।
D) Too Bulky — RAM আকারে অত্যন্ত ক্ষুদ্র ও পাতলা সিলিকন চিপ, তাই আকৃতি বড় বা ভারী হওয়ার কারণে এটি অনুপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
RAM হলো বিদ্যুৎনির্ভর মেমরি, বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেটাও উবে যায়, যাকে ভোলাটিলিটি বা উদ্বায়ী বলে।
সঠিক উত্তর: D) IC
কেন সঠিক:
- আইসি বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট হলো একটি সিলিকন চিপ, যার মধ্যে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, ডায়োড, রেজিস্টার ও ক্যাপাসিটর একসঙ্গে সংযুক্ত থাকে।
- এটি ইলেকট্রনিক ডিভাইসের আকার ছোট করতে এবং কাজের গতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Motherboard — এটি কম্পিউটারের মূল সার্কিট বোর্ড, যার সঙ্গে প্রসেসর, র্যামসহ অন্যান্য হার্ডওয়্যার সংযুক্ত থাকে।
B) Processor — এটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা মস্তিষ্ক, যা মূলত কোটি কোটি ট্রানজিস্টরের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ আইসি।
C) RAM — এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী প্রধান মেমোরি, যা বিদ্যুৎ থাকা অবস্থায় তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।
D) IC — এটি ট্রানজিস্টর, ডায়োড, রেজিস্টার ও ক্যাপাসিটর দিয়ে তৈরি পূর্ণাঙ্গ ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক সার্কিট।
মনে রাখার টিপস:
অনেকগুলো ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ একসাথে একটি ছোট চিপে বন্দি থাকলেই তাকে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৪০০
প্রদত্ত তথ্য:
তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধায়ু = ২০০ বছর
মৌলের ক্ষয়ের পরিমাণ = ৭৫%
ধরি,
মৌলের আদি পরিমাণ = ১০০%
অবশিষ্ট পরিমাণ = ১০০% − ৭৫% = ২৫%
অতএব,
১ম অর্ধায়ুর পর অবশিষ্ট থাকে = ৫০%
২য় অর্ধায়ুর পর অবশিষ্ট থাকে = ২৫%
সুতরাং,
মোট সময় লাগবে = ২ × ২০০ = ৪০০ বছর
উত্তর: ৪০০ বছর
সঠিক উত্তর: C) ভিত্তি
কেন সঠিক:
- একটি n-p-n ট্রানজিস্টরে তিনটি অংশ থাকে, যার মাঝখানের পাতলা অংশটি পি টাইপ বা 'p' সেমিকন্ডাক্টর দ্বারা গঠিত হয়।
- এই মাঝখানের পাতলা অংশটিকে ট্রানজিস্টরের ভিত্তি বা বেস বলা হয়, যা নিঃসরক ও সংগ্রাহকের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিঃসরক — এটি ট্রানজিস্টরের প্রথম অংশ বা ইমিটার, যা সাধারণত এন টাইপ সেমিকন্ডাক্টর দ্বারা গঠিত হয়।
B) সংগ্রাহক — এটি ট্রানজিস্টরের তৃতীয় অংশ বা কালেক্টর, যা চার্জ বাহক সংগ্রহ করে এবং এন টাইপ সেমিকন্ডাক্টর দ্বারা গঠিত।
C) ভিত্তি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয় বরং এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে এটিই সঠিক অপশন।
D) বিবর্ধক — এটি ট্রানজিস্টরের কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের নাম নয়, বরং ট্রানজিস্টর হলো একটি যন্ত্র যা দুর্বল সিগন্যালকে বিবর্ধিত করে।
মনে রাখার টিপস:
ট্রানজিস্টরের নাম n-p-n হলে মাঝখানের অক্ষরটি 'p', অর্থাৎ মাঝখানের পাতলা অংশটিই হলো ভিত্তি।
সঠিক উত্তর: A) Diode
কেন সঠিক:
- ডায়োড একটি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা একমুখী প্রবাহ নিশ্চিত করে এবং এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্টে রূপান্তর করতে রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- এটি পজিটিভ অর্ধচক্রকে পাস করে এবং নেগেটিভ অর্ধচক্রকে বাধা দেয়, যা বিদ্যুৎ প্রবাহকে ডিসিতে পরিণত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Diode — এটি এসি থেকে ডিসি তৈরিতে ব্যবহৃত সঠিক উত্তর এবং এটি রেকটিফিকেশন প্রক্রিয়ার প্রধান উপাদান।
B) Transistor — এটি মূলত ইলেকট্রনিক সিগন্যাল এবং বৈদ্যুতিক শক্তি অ্যামপ্লিফাই বা সুইচিং করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) JET — এটি কোনো প্রচলিত সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস নয়, সম্ভবত এটি JFET এর একটি ভুল রূপ।
D) FET — এটি ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর, যা ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রित সুইচ বা অ্যামপ্লিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
ডায়োড মানে একমুখী রাস্তা, যা এসিকে ডিসিতে রূপান্তর করে।
সঠিক উত্তর: A) 20.3 kWh
কেন সঠিক:
- ২০২০ সাল ছিল অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার, তাই ফেব্রুয়ারি মাস ছিল ২৯ দিনের।
- মোট বিদ্যুৎ খরচ বের করার সূত্র হলো কিলোওয়াট-ঘণ্টা সমান ওয়াট গুণ ঘণ্টা গুণ দিন এবং ভাগ হাজার, অর্থাৎ ১০০ গুণ ৭ গুণ ২৯ ভাগ ১০০০ সমান ২০ দশমিক ৩ কিলোওয়াট-ঘণ্টা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 20.3 kWh — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী নির্ণীত মান।
B) 21.3 kWh — হিসাবের মধ্যে ভুল বা ২৮ দিনের পরিবর্তে অন্য হিসাব ধরায় এই মান এসেছে।
C) 203 kWh — ১০০০ দিয়ে ভাগ না করার কারণে মান দশ গুণ বেশি এসেছে।
D) 290 kWh — শুধু দিন ও ওয়াট গুণ করে সঠিক সূত্র প্রয়োগ না করায় এটি ভুল এসেছে।
মনে রাখার টিপস:
বিদ্যুৎ খরচের হিসাব করতে হলে ওয়াটকে ঘণ্টা এবং দিন দিয়ে গুণ করে এক হাজার দিয়ে ভাগ করতে হয় এবং লিপ ইয়ারের ফেব্রুয়ারি মাস হিসাব করার সময় ২৯ দিন ধরতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) ইলেকট্রনের প্রবাহ
কেন সঠিক:
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বাইরে থাকা মুক্ত ইলেকট্রনগুলোর সুনির্দিষ্ট দিকে প্রবাহই হলো বৈদ্যুতিক তড়িৎ বা কারেন্ট।
- পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের কারণে এই ইলেকট্রনগুলো চলাচল করে তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রোটনের প্রবাহ — প্রোটন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে আবদ্ধ থাকে এবং সাধারণ অবস্থায় কঠিন পরিবাহীতে চলাচল করতে পারে না।
B) নিউট্রনের প্রবাহ — নিউট্রন আধানহীন বা নিরপেক্ষ কণা হওয়ায় এটি তড়িৎ প্রবাহ তৈরিতে কোনো ভূমিকা রাখে না।
C) ইলেকট্রনের প্রবাহ — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় তড়িৎ প্রবাহের একমাত্র প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করে।
D) তাপের প্রবাহ — তাপ শক্তির এক রূপ যা তাপমাত্রা পার্থক্যের কারণে সঞ্চালিত হয়, তবে এটি সরাসরি তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে না।
মনে রাখার টিপস:
তড়িৎ প্রবাহ মানেই ইলেকট্রনের চলাফেরা, আর ইলেকট্রন থাকলেই কারেন্ট পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: B) ৬৬V
প্রদত্ত তথ্য:
রোধের মান = ৩৩ ওহম
তড়িৎ প্রবাহের মান = ২ অ্যাম্পিয়ার
ধরি,
ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য = V
অতএব,
ওহমের সূত্র অনুসারে আমরা জানি
ভোল্টেজ = রোধ × তড়িৎ প্রবাহ
সুতরাং,
V = ৩৩ × ২
উত্তর: ৬৬V
সঠিক উত্তর: D) 806.67
কেন সঠিক:
- বৈদ্যুতিক ক্ষমতা নির্ণয়ের সূত্র হলো P = (V × V) ÷ R, যেখানে P হলো ক্ষমতা, V হলো বিভব এবং R হলো রোধ।
- প্রদত্ত মান বসিয়ে পাই, R = (২২০ × ২২০) ÷ ৬০ = ৪৮৪০০ ÷ ৬০ = ৮০৬.৬৭ ওহম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 16.36 — এটি ভুল গণনার ফল এবং ক্ষমতার সাথে বিভবের সঠিক সম্পর্কের বিপরীত মান।
B) 160.67 — সূত্র সঠিকভাবে প্রয়োগ না করার কারণে এই ভুল মানটি এসেছে।
C) 280.36 — এটি রোধের সঠিক হিসাবের সাথে মেলে না এবং এটি একটি বিভ্রান্তিকর মান।
D) 806.67 — এটি সঠিক সূত্র প্রয়োগ করে প্রাপ্ত নির্ভুল হিসাবের ফল।
মনে রাখার টিপস:
রোধ বের করতে হলে বিভবকে দুইবার গুণ করে ক্ষমতা দিয়ে ভাগ করতে হয়, অর্থাৎ R = (V × V) ÷ P।
প্রশ্নের ধরন: গণিত ও সাধারণ হিসাব (বিজ্ঞানভিত্তিক বলবিদ্যার গাণিতিক সমস্যা)
সঠিক উত্তর: C) 5N
কেন সঠিক:
- লম্বভাবে ক্রিয়াশীল দুটি বলের লব্ধি নির্ণয়ের সূত্র হলো লব্ধি সমান বর্গমূলের ভেতর প্রথম বলের বর্গ যোগ দ্বিতীয় বলের বর্গ।
- এখানে বল দুটি ৩ ও ৪ হওয়ায় বর্গমূলের ভেতর তিনের বর্গ নয় যোগ চারের বর্গ ষোলো সমান পঁচিশ হয়, যার বর্গমূল ৫।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 2N — এটি বল দুটির বিয়োগফলের কাছাকাছি, যা লম্বভাবে ক্রিয়াশীল বলের লব্ধির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) 3N — এটি কেবল একটি বলের মান নির্দেশ করে, দুটি বল লম্বভাবে কাজ করলে লব্ধি কখনোই একক বলের সমান হতে পারে না।
C) 5N — এটি সঠিক উত্তর, কারণ পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী তিন ও চারের লম্ব বাহুর অতিভুজ ৫ হয়।
D) 7N — এটি বল দুটির সাধারণ যোগফল, যা কেবল একই দিকে ক্রিয়া করলে লব্ধি হিসেবে পাওয়া যায়।
মনে রাখার টিপস:
সমকোণী ত্রিভুজের বাহুগুলোর মতো তিন ও চার মানের বল লম্বভাবে থাকলে তাদের লব্ধি সবসময় পাঁচ হয়।
সঠিক উত্তর: C) মেহেদি হাসান মিরাজ
কেন সঠিক:
- মেহেদি হাসান মিরাজ টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে দ্রুততম ১০০ উইকেট শিকারের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।
- তিনি ২৪ ম্যাচে এই কৃতিত্ব অর্জন করে সাবেক স্পিনার তাইজুল ইসলামের রেকর্ড ভেঙে দেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাকিব আল হাসান — সাকিব বাংলাদেশের পক্ষে টেস্টে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক হলেও দ্রুততম উইকেট সেঞ্চুরিয়ান নন।
B) মোস্তাফিজুর রহমান — মোস্তাফিজ টেস্ট ক্রিকেটে দ্রুততম ১০০ উইকেট শিকারের দিক থেকে এই রেকর্ডের অধিকারী নন।
C) মেহেদি হাসান মিরাজ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ২৪ ম্যাচে এই কীর্তি গড়েন।
D) তাইজুল ইসলাম — তাইজুল ২৫ ম্যাচে ১০০ উইকেট নিয়ে এতদিন দ্রুততম রেকর্ডধারী ছিলেন, যা মিরাজ ভেঙে দেন।
মনে রাখার টিপস:
মিরাজের মিরাকল: চব্বিশ ম্যাচেই তুলে নিলেন টেস্ট উইকেটের সেঞ্চুরি।
সঠিক উত্তর: D) জানুয়ারি ২৭, ২০২১
কেন সঠিক:
- ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভারতের উপহার দেওয়া কোভিশিল্ড টিকা প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রথম টিকা নেন কুর্মিটোলা হাসপাতালের নার্স রুনু বেরোনি কস্তা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জানুয়ারি ৭, ২০২১ — এই তারিখে বাংলাদেশ ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়।
B) জানুয়ারি ১৭, ২০১১ — এই সালটি কোভিড-১৯ মহামারির অনেক আগের এবং এই তারিখে টিকাদানের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা নেই।
C) জানুয়ারি ২৯, ২০২১ — এই তারিখটি আনুষ্ঠানিক টিকাদান শুরুর দুই দিন পরের তারিখ, তাই এটি সঠিক নয়।
D) জানুয়ারি ২৭, ২০২১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দিনেই বাংলাদেশে করোনা টিকাদান কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
২৭ সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসের ঠিক ২৭ তারিখে বাংলাদেশে করোনার টিকা দেওয়া শুরু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) ১৭ মে
কেন সঠিক:
- ১৮৬৫ সালের ১৭ মে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন গঠিত হয়েছিল বলে এই দিনটিকে বিশ্ব টেলিকমিউনিকেশন দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব এবং বিশ্বজুড়ে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রসারের লক্ষ্যে এই দিবসটি পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ মে — এই তারিখে বিশ্ব টেলিকমিউনিকেশন দিবস পালित হয় না, এটি অন্য কোনো বিশেষ দিনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
B) ১৪ মে — এই তারিখে বিশ্ব টেলিকমিউনিকেশন দিবস উদযাপিত হয় না।
সি) ১৭ মে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত নয়।
D) ২১ মে — এই তারিখে বিশ্ব সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য দিবস পালিত হয়, টেলিকমিউনিকেশন দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
টেলিযোগাযোগ বা ইন্টারনেটের সংযোগ পেতে ১৭ বার চেষ্টা করতে হয়েছে, এভাবে ১৭ মে তারিখটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) আবদুল হাকিম
কেন সঠিক:
১. এই বিখ্যাত কবিতাংশটি মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি আবদুল হাকিমের বঙ্গবাণী কবিতা থেকে সংকলিত হয়েছে।
২. কবি এই চরণের মাধ্যমে স্বভাষা বা মাতৃভাষার প্রতি যাদের অবহেলা ও ঘৃণা রয়েছে, তাদের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে সুলতানি ও মোগল আমলে রচিত কাব্যে মাতৃভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত এটি।
২. সে যুগের কিছু মানুষ আরবি ও ফারসি ভাষার প্রতি অতিরিক্ত অনুরাগী হয়ে বাংলা ভাষাকে ঘৃণা করতেন, তারই প্রতিবাদ করা হয়েছে এখানে।
৩. যেমন আবদুল হাকিম তার কবিতায় আক্ষেপ করে বলেছেন যে, বাংলাদেশে জন্ম নিয়েও যারা বাংলা ভাষাকে ঘৃণা করে, তাদের জন্মপরিচয় নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলাওল — তিনি সপ্তদশ শতকের একজন প্রখ্যাত আরাকান রাজসভার কবি হলেও এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তার রচিত নয়।
B) আবদুল হাকিম — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে অন্য তথ্য প্রযোজ্য।
C) চন্ডীদাস — তিনি বৈষ্ণব পদাবলীর আদি কবি এবং তার রচনার বিষয়বস্তু ছিল মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের পদ।
D) কানাই দাস — তিনি মধ্যযুগের একজন কম পরিচিত পদকর্তা এবং তার সঙ্গে এই পঙক্তির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
মনে রাখার টিপস:
১. বঙ্গবাণী কবিতার মূল কথাই হলো মাতৃভাষার প্রতি ভক্তি এবং বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরা।
২. বঙ্গবাণী কবিতাটি দেখলে চোখ বন্ধ করে কবি আবদুল হাকিমকে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- উদ্ধৃতাংশটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কবিতা থেকে গৃহীত হয়েছে।
- এখানে 'ভ্রমটারে' বলতে মানব মনের ভুল, সংশয় বা অহংকারকে বোঝানো হয়েছে এবং 'সত্য' তার প্রবেশাধিকারের কথা বলছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যজগতের এক প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব, যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও গানসহ সাহিত্যের সব শাখায় অসামান্য অবদান রেখেছেন।
- তিনি ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এবং বাংলা ও ভারতের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত, যা তাঁর স্বদেশপ্রেমমূলক গানের এক অনন্য নিদর্শন।
উদাহরণ ২: বিশ্বসাথে যোগে যেথায় বিহারো, সেইখানে যোগ তবে আমারেও লও।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আধ্যাত্মিক ও প্রকৃতি ভাবনার একটি বিখ্যাত কাব্যিক উদ্ধৃতি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লালন শাহ — তিনি বাংলার বাউল সাধক ও মরমি কবি, এই দার্শনিক উদ্ধৃতি তাঁর রচনার নয়।
B) মাইকেল মধুসবূদন দত্ত — তিনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবক্তা, এই লাইনের রচয়িতা তিনি নন।
D) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — তিনি নীতিগর্ভ পদ্য রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও এই পঙ্ক্তির রচয়িতা তিনি নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সত্য ও ভুলের দার্শনিক দ্বন্দ্বমূলক এমন গভীর পঙ্ক্তি দেখলে সাধারণত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অনুমান করা নিরাপদ।
- রবীন্দ্রনাথের কবিতা ও গানে জীবন ও সত্যের গভীর অন্বেষণ থাকে, যা এই উদ্ধৃতিতেও প্রকাশ পেয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিকদের কবিতা থেকে এ ধরনের দার্শনিক পঙ্ক্তি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- মূল কবিতার নাম ও পঙ্ক্তির অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে বুঝে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) চিরতরে
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি ফ্রেজ 'For good'-এর শাব্দিক অর্থ নয়, বরং এর ভাবানুবাদ হলো চিরতরে বা স্থায়ীভাবে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের ইডিয়ম বা ফ্রেজের সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ জানতে চাওয়া হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় আসা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইডিয়ম বা বাগধারাভিত্তিক পারিভাষিক শব্দ।
- ইংরেজি বাক্য গঠনে এটি সাধারণত চিরকালের জন্য কোনো কাজের সমাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: He has left the country for good.
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'for good' অর্থ তিনি চিরকালের জন্য দেশ ছেড়ে চলে গেছেন।
উদাহরণ ২: The old system was abolished for good.
ব্যাখ্যা: এখানে পুরোনো পদ্ধতিটি চিরতরে বা স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভালোর জন্য — এটি 'for good'-এর আক্ষরিক অনুবাদ হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি ভুল হিসেবে গণ্য হয় কারণ এর ভাবার্থ স্থায়ী কিছু বোঝায়।
B) ক্ষণজন্ম — এই শব্দটির অর্থ যার জন্ম ক্ষণস্থায়ী বা যিনি অল্প সময়ে খ্যাতি অর্জন করেছেন, যা প্রদত্ত ইংরেজির সঙ্গে মেলে না।
C) বড়র জন্য — এটি একটি অসংগত ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল অনুবাদ যা কোনো নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে না।
D) চিরতরে — এটিই সঠিক ভাবানুবাদ, যা ফ্রেজটির মূল অর্থ সফলভাবে প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- 'For good' দেখলে ভালো মনে না করে 'চিরতরে' মনে রাখবে।
- ইডিয়মটি প্রায়ই স্থায়ী বোঝাতে ব্যবহার হয়, তাই এর অর্থ সব সময় চিরকালের জন্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইংরেজি ফ্রেজ মুখস্থ করার সময় আক্ষরিক অর্থ না ধরে ভাবানুবাদ বা প্রমিত অর্থ শিখতে হবে।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই কমন আসে।
সঠিক উত্তর: A) অহিনকুল
১. কেন সঠিক:
- 'দহরম-মহরম' বাগধারাটির অর্থ গভীর সখ্য, বন্ধুত্ব বা ভাব। এর বিপরীত অর্থে তীব্র শত্রুতা বা অমিল বোঝাতে 'অহিনকুল' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
- 'অহি' অর্থ সাপ এবং 'কুল' অর্থ নেউল, যাদের মধ্যে চিরকালের শত্রুতা বিদ্যমান।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে ভিন্ন ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- বিপরীতার্থক বাগধারা মূলত দুটি পদের বিপরীত মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা বা সম্পর্ক প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে দহরম-মহরম সম্পর্ক দেখে সবাই ঈর্ষা করে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'দহরম-মহরম' দ্বারা গভীর বন্ধুত্বের ভাব প্রকাশ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: শাশুড়ি ও পুত্রবধূর সম্পর্ক যেন অহিনকুল।
ব্যাখ্যা: এখানে 'অহিনকুল' দ্বারা তাদের মধ্যে তীব্র শত্রুতা বা অমিলের ভাব প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অহিনকুল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) দুধের মাছি — এর অর্থ সুসময়ের বন্ধু, যা দহরম-মহরমের বিপরীতার্থক নয়।
C) বসন্তের কোকিল — এর অর্থ সুসময়ের বন্ধু বা সৌভাগ্যের বন্ধু, যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
D) জিলাপির প্যাচ — এর অর্থ কুটিলতা বা জটিলতা, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাপ (অহি) ও বেজি (কুল) যেমন চিরশত্রু, তেমনি 'অহিনকুল' মানে চরম শত্রুতা।
- গভীর বন্ধুত্ব বুঝাতে 'দহরম-মহরম' এবং শত্রুতা বুঝাতে 'অহিনকুল' মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক বাগধারা প্রায়ই আসে।
- বন্ধুভাবাপন্ন বাগধারার বিপরীত সব সময় শত্রুভাবাপন্ন বাগধারা হবে।
সঠিক উত্তর: D) কবিরাজ
কেন সঠিক:
কবিরাজ এমন একটি বিশেষ শব্দ যার কোনো স্ত্রীলিঙ্গ রূপ ব্যাকরণে পাওয়া যায় না।
পুরুষ এবং নারী উভয় লিঙ্গ বোঝাতেই এই একই শব্দ ব্যবহার করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু বিশেষ শব্দে লিঙ্গান্তর হয় না।
নিত্য পুরুষবাচক বা নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দের মতো এগুলি অপরিবর্তিত থাকে।
যেমন কবিরাজ শব্দটি পুরুষ বা নারী চিকিৎসক উভয়ের ক্ষেত্রেই বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাহেব — এই শব্দের লিঙ্গান্তর হয়ে মেমসাহেব বা বিবি হয়।
B) বেয়াই — এই শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হিসেবে বেয়াইন ব্যবহৃত হয়।
C) সঙ্গী — এই শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হিসেবে সঙ্গিনী ব্যবহৃত হয়।
D) কবিরাজ — এই শব্দের কোনো আলাদা স্ত্রীলিঙ্গ রূপ তৈরি হয় না।
মনে রাখার টিপস:
যেসব পেশা বা উপাধির ক্ষেত্রে লিঙ্গভেদ করা হয় না সেগুলি ভালো করে মুখস্থ রাখবে।
কবিরাজ, ঢাকি, কৃতদার এই ধরনের শব্দগুলিতে লিঙ্গান্তর হয় না।
সঠিক উত্তর: C) linked
কেন সঠিক:
- intertwined শব্দটির অর্থ গভীরভাবে সংযুক্ত বা ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- linked শব্দটি দিয়েও দুটি বিষয়ের মধ্যকার জোরালো সংযোগ বা সম্পর্ক বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) complicated — এর অর্থ জটিল, যা কোনো কিছু জড়িয়ে থাকা বোঝালেও সঠিক সমার্থক নয়।
B) destined — এর অর্থ নিয়তি নির্ধারিত, যা ভাগ্যের সাথে জড়িত হলেও সংযুক্তির সমার্থক নয়।
C) linked — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সংযুক্ত।
D) complex — এর অর্থ জটিল বা কুটিল, যা অর্থের দিক থেকে প্রশ্নসংশ্লিষ্ট শব্দের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Intertwined এবং linked উভয় শব্দই সংযোগ বা যুক্ত থাকার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) Moody
কেন সঠিক:
- 'Morose' শব্দটির বাংলা অর্থ হলো মনমরা, খিটখিটে বা বিষণ্ন।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'Moody' শব্দটির অর্থও খিটখিটে বা বিষণ্ন মেজাজের হওয়া, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Annoyed — এর অর্থ বিরক্ত, যা 'Morose' বা বিষণ্ন প্রকৃতির সাথে সরাসরি মিলে না।
B) Gloomy — এর অর্থ অন্ধকারাচ্ছন্ন বা বিষাদময়, এটিও কাছাকাছি হলেও প্রদত্ত সঠিক উত্তর C বেশি নিখুঁত।
C) Moody — এই শব্দটি খিটখিটে বা বদমেজাজি অর্থে 'Morose' শব্দের সবচেয়ে উপযুক্ত সমার্থক।
D) Displeased — এর অর্থ অসন্তুষ্ট, যা মানুষের একটি সাময়িক প্রতিক্রিয়া এবং এর স্থায়ী স্বভাব নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Morose' মানে মোটেও ভালো নেই যে, অর্থাৎ যে সবসময় মনমরা বা খিটখিটে (Moody) থাকে।
সঠিক উত্তর: A) Soothing
কেন সঠিক:
Terible শব্দটির অর্থ ভয়ংকর বা মারাত্মক। এর বিপরীতার্থক শব্দ হবে যা শান্তি বা আরাম দেয়।
Soothing শব্দটি এমন কিছু বোঝায় যা মন বা শরীরকে শান্ত ও আরামদায়ক করে তোলে।
তাই অর্থগত দিক থেকে Terrible শব্দের সঠিক antonym হলো Soothing।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Soothing — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ শান্তদায়ক বা আরামদায়ক।
B) Frightening — এটি ভুল কারণ এর অর্থ ভীতিজনক যা Terrible এর সমার্থক।
C) Scaring — এটি ভুল কারণ এর অর্থ ভয়ে আতঙ্কিত করা যা মূল শব্দের কাছাকাছি।
D) Horrible — এটি ভুল কারণ এর অর্থ অত্যন্ত খারাপ বা ভয়ংকর যা Terrible এর সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Terrible মানে ভয় পেলে Soothing মানে শান্তি পাওয়া যায়, এটি মাথায় রাখলে খুব সহজে উত্তর মনে রাখা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) Abeyance
কেন সঠিক:
শব্দটির সঠিক বানান হলো abeyance যার অর্থ স্থগিতাদেশ বা মুলতবি অবস্থা।
এর বানান গঠনে e এবং a এর ব্যবহার সঠিকভাবে অনুসৃত হয়েছে।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি আইনি ও সাহিত্যিক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Abeyence — বানানটিতে শেষের দিকে a এর পরিবর্তে e ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Abayance — বানানটির শুরুতে a এর পরিবর্তে e এবং মাঝখানে e এর পরিবর্তে a ভুল দেওয়া হয়েছে।
C) Abeyence — এটি সঠিক উত্তরের হুবহু ডুপ্লিকেট অপশন এবং এতে ভুল বানান রয়েছে।
D) Abeyance — এটি মূল সঠিক বানান এবং এর প্রতিটি অক্ষর নির্ভুলভাবে সাজানো আছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখার জন্য আব (ab) এর পর ই (ey) এবং শেষে এন্স (ance) এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করে মুখস্ত করতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) Moratorium
কেন সঠিক:
Moratorium অর্থ কোনো ঋণ পরিশোধ করার আইনগত স্থগিতাদেশ বা ঋণ পরিশোধে আইনি ছাড় দেওয়া। এটি কোনো ব্যক্তি বা দেশকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঋণ দেওয়া বন্ধ রাখতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Moratorium — এটি সঠিক উত্তর।
B) Deferment — এটি সাধারণ কোনো কাজের সময় পেছানো বোঝায়, তবে আইনি বা আনুষ্ঠানিক ঋণ স্থগিতাদেশ বোঝাতে এটি উপযুক্ত নয়।
C) Preemption — এর অর্থ হলো কোনো কিছু আগে পাওয়ার বা কেনার অগ্রধিকার।
D) Bad debt — এর অর্থ হলো মন্দ ঋণ বা যে ঋণ আর কোনোদিন আদায় করা যাবে না।
মনে রাখার টিপস:
Moratorium শব্দটির ভেতরে 'Mora' আছে, যার অর্থ সময় নষ্ট করা বা সময় নেওয়া। তাই ঋণ পরিশোধের সময় নেওয়া বা স্থগিত করাকেই Moratorium বলে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) ৭০
প্রদত্ত তথ্য:
মোট বইয়ের সংখ্যা = ১০টি
বাছাই করতে হবে = ৪টি বই
নির্দিষ্ট দুটি বই সর্বদা বাদ দিতে হবে
ধরি,
নির্দিষ্ট দুটি বই বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট বইয়ের সংখ্যা = ১০ − ২ = ৮টি
অবশিষ্ট ৮টি বই থেকে বাছাই করতে হবে = ৪টি বই
অতএব,
প্রয়োজনীয় বাছাইয়ের সংখ্যা হবে ৮টি বই থেকে ৪টি বই নির্বাচন করার উপায়
অর্থাৎ এটি হবে ৮ এবং ৪ এর সমবায় বা কম্বিনেশন
সুতরাং,
৮ গুণ ৭ গুণ ৬ গুণ ৫ ভাগ (৪ গুণ ৩ গুণ ২ গুণ ১)
১৬৮০ ভাগ ২৪ = ৭০
উত্তর: ৭০
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০
প্রدত্ত তথ্য:
DIGITAL শব্দটিতে মোট ৭টি বর্ণ আছে
এখানে বর্ণগুলোর মধ্যে কোনো বর্ণ পুনরাবৃত্তি হয়নি
ধরি,
স্বরবর্ণগুলো হলো I এবং A
ব্যঞ্জনবর্ণগুলো হলো D, G, T, L এবং T এর পরিবর্তে T, L
অতএব,
দুটি স্বরবর্ণ একত্রে একটি বর্ণ হিসেবে ধরা হলে মোট বর্ণ হয় ৬টি
৬টি ভিন্ন বর্ণকে সাজানো যায় ৬ ফ্যাক্টরিয়াল বা ৭২০ প্রকারে
সুতরাং,
দুটি স্বরবর্ণ নিজেদের মধ্যে সাজতে পারে ২ ফ্যাক্টরিয়াল বা ২ প্রকারে
উত্তর: (৭২০ × ২) ÷ ৪ = ৩৬০ প্রকারে
সঠিক উত্তর: C) π ÷ ২
প্রদত্ত তথ্য:
sin A + cos A = sin B + cos B
ধরি,
sin A − sin B = cos B − cos A
অতএব,
২ cos ((A + B) ÷ ২) sin ((A − B) ÷ ২) = ২ sin ((A + B) ÷ ২) sin ((A − B) ÷ ২)
সুতরাং,
cos ((A + B) ÷ ২) = sin ((A + B) ÷ ২)
উত্তর: A + B = π ÷ ২
সঠিক উত্তর: C) ১৭ মে
কেন সঠিক:
- ১৮৬৫ সালের ১৭ মে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন গঠিত হয়েছিল বলে এই দিনটিকে বিশ্ব টেলিকমিউনিকেশন দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব এবং বিশ্বজুড়ে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রসারের লক্ষ্যে এই দিবসটি পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ মে — এই তারিখে বিশ্ব টেলিকমিউনিকেশন দিবস পালित হয় না, এটি অন্য কোনো বিশেষ দিনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
B) ১৪ মে — এই তারিখে বিশ্ব টেলিকমিউনিকেশন দিবস উদযাপিত হয় না।
সি) ১৭ মে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত নয়।
D) ২১ মে — এই তারিখে বিশ্ব সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য দিবস পালিত হয়, টেলিকমিউনিকেশন দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
টেলিযোগাযোগ বা ইন্টারনেটের সংযোগ পেতে ১৭ বার চেষ্টা করতে হয়েছে, এভাবে ১৭ মে তারিখটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) জানুয়ারি ২৭, ২০২১
কেন সঠিক:
- ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভারতের উপহার দেওয়া কোভিশিল্ড টিকা প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রথম টিকা নেন কুর্মিটোলা হাসপাতালের নার্স রুনু বেরোনি কস্তা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জানুয়ারি ৭, ২০২১ — এই তারিখে বাংলাদেশ ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়।
B) জানুয়ারি ১৭, ২০১১ — এই সালটি কোভিড-১৯ মহামারির অনেক আগের এবং এই তারিখে টিকাদানের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা নেই।
C) জানুয়ারি ২৯, ২০২১ — এই তারিখটি আনুষ্ঠানিক টিকাদান শুরুর দুই দিন পরের তারিখ, তাই এটি সঠিক নয়।
D) জানুয়ারি ২৭, ২০২১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দিনেই বাংলাদেশে করোনা টিকাদান কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
২৭ সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসের ঠিক ২৭ তারিখে বাংলাদেশে করোনার টিকা দেওয়া শুরু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) মেহেদি হাসান মিরাজ
কেন সঠিক:
- মেহেদি হাসান মিরাজ টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে দ্রুততম ১০০ উইকেট শিকারের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।
- তিনি ২৪ ম্যাচে এই কৃতিত্ব অর্জন করে সাবেক স্পিনার তাইজুল ইসলামের রেকর্ড ভেঙে দেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাকিব আল হাসান — সাকিব বাংলাদেশের পক্ষে টেস্টে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক হলেও দ্রুততম উইকেট সেঞ্চুরিয়ান নন।
B) মোস্তাফিজুর রহমান — মোস্তাফিজ টেস্ট ক্রিকেটে দ্রুততম ১০০ উইকেট শিকারের দিক থেকে এই রেকর্ডের অধিকারী নন।
C) মেহেদি হাসান মিরাজ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ২৪ ম্যাচে এই কীর্তি গড়েন।
D) তাইজুল ইসলাম — তাইজুল ২৫ ম্যাচে ১০০ উইকেট নিয়ে এতদিন দ্রুততম রেকর্ডধারী ছিলেন, যা মিরাজ ভেঙে দেন।
মনে রাখার টিপস:
মিরাজের মিরাকল: চব্বিশ ম্যাচেই তুলে নিলেন টেস্ট উইকেটের সেঞ্চুরি।
প্রশ্নের ধরন: গণিত ও সাধারণ হিসাব (বিজ্ঞানভিত্তিক বলবিদ্যার গাণিতিক সমস্যা)
সঠিক উত্তর: C) 5N
কেন সঠিক:
- লম্বভাবে ক্রিয়াশীল দুটি বলের লব্ধি নির্ণয়ের সূত্র হলো লব্ধি সমান বর্গমূলের ভেতর প্রথম বলের বর্গ যোগ দ্বিতীয় বলের বর্গ।
- এখানে বল দুটি ৩ ও ৪ হওয়ায় বর্গমূলের ভেতর তিনের বর্গ নয় যোগ চারের বর্গ ষোলো সমান পঁচিশ হয়, যার বর্গমূল ৫।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 2N — এটি বল দুটির বিয়োগফলের কাছাকাছি, যা লম্বভাবে ক্রিয়াশীল বলের লব্ধির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) 3N — এটি কেবল একটি বলের মান নির্দেশ করে, দুটি বল লম্বভাবে কাজ করলে লব্ধি কখনোই একক বলের সমান হতে পারে না।
C) 5N — এটি সঠিক উত্তর, কারণ পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী তিন ও চারের লম্ব বাহুর অতিভুজ ৫ হয়।
D) 7N — এটি বল দুটির সাধারণ যোগফল, যা কেবল একই দিকে ক্রিয়া করলে লব্ধি হিসেবে পাওয়া যায়।
মনে রাখার টিপস:
সমকোণী ত্রিভুজের বাহুগুলোর মতো তিন ও চার মানের বল লম্বভাবে থাকলে তাদের লব্ধি সবসময় পাঁচ হয়।
সঠিক উত্তর: D) 806.67
কেন সঠিক:
- বৈদ্যুতিক ক্ষমতা নির্ণয়ের সূত্র হলো P = (V × V) ÷ R, যেখানে P হলো ক্ষমতা, V হলো বিভব এবং R হলো রোধ।
- প্রদত্ত মান বসিয়ে পাই, R = (২২০ × ২২০) ÷ ৬০ = ৪৮৪০০ ÷ ৬০ = ৮০৬.৬৭ ওহম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 16.36 — এটি ভুল গণনার ফল এবং ক্ষমতার সাথে বিভবের সঠিক সম্পর্কের বিপরীত মান।
B) 160.67 — সূত্র সঠিকভাবে প্রয়োগ না করার কারণে এই ভুল মানটি এসেছে।
C) 280.36 — এটি রোধের সঠিক হিসাবের সাথে মেলে না এবং এটি একটি বিভ্রান্তিকর মান।
D) 806.67 — এটি সঠিক সূত্র প্রয়োগ করে প্রাপ্ত নির্ভুল হিসাবের ফল।
মনে রাখার টিপস:
রোধ বের করতে হলে বিভবকে দুইবার গুণ করে ক্ষমতা দিয়ে ভাগ করতে হয়, অর্থাৎ R = (V × V) ÷ P।
সঠিক উত্তর: B) ৬৬V
প্রদত্ত তথ্য:
রোধের মান = ৩৩ ওহম
তড়িৎ প্রবাহের মান = ২ অ্যাম্পিয়ার
ধরি,
ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য = V
অতএব,
ওহমের সূত্র অনুসারে আমরা জানি
ভোল্টেজ = রোধ × তড়িৎ প্রবাহ
সুতরাং,
V = ৩৩ × ২
উত্তর: ৬৬V
সঠিক উত্তর: C) ইলেকট্রনের প্রবাহ
কেন সঠিক:
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বাইরে থাকা মুক্ত ইলেকট্রনগুলোর সুনির্দিষ্ট দিকে প্রবাহই হলো বৈদ্যুতিক তড়িৎ বা কারেন্ট।
- পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের কারণে এই ইলেকট্রনগুলো চলাচল করে তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রোটনের প্রবাহ — প্রোটন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে আবদ্ধ থাকে এবং সাধারণ অবস্থায় কঠিন পরিবাহীতে চলাচল করতে পারে না।
B) নিউট্রনের প্রবাহ — নিউট্রন আধানহীন বা নিরপেক্ষ কণা হওয়ায় এটি তড়িৎ প্রবাহ তৈরিতে কোনো ভূমিকা রাখে না।
C) ইলেকট্রনের প্রবাহ — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় তড়িৎ প্রবাহের একমাত্র প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করে।
D) তাপের প্রবাহ — তাপ শক্তির এক রূপ যা তাপমাত্রা পার্থক্যের কারণে সঞ্চালিত হয়, তবে এটি সরাসরি তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে না।
মনে রাখার টিপস:
তড়িৎ প্রবাহ মানেই ইলেকট্রনের চলাফেরা, আর ইলেকট্রন থাকলেই কারেন্ট পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) 20.3 kWh
কেন সঠিক:
- ২০২০ সাল ছিল অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার, তাই ফেব্রুয়ারি মাস ছিল ২৯ দিনের।
- মোট বিদ্যুৎ খরচ বের করার সূত্র হলো কিলোওয়াট-ঘণ্টা সমান ওয়াট গুণ ঘণ্টা গুণ দিন এবং ভাগ হাজার, অর্থাৎ ১০০ গুণ ৭ গুণ ২৯ ভাগ ১০০০ সমান ২০ দশমিক ৩ কিলোওয়াট-ঘণ্টা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 20.3 kWh — এটি সঠিক হিসাব অনুযায়ী নির্ণীত মান।
B) 21.3 kWh — হিসাবের মধ্যে ভুল বা ২৮ দিনের পরিবর্তে অন্য হিসাব ধরায় এই মান এসেছে।
C) 203 kWh — ১০০০ দিয়ে ভাগ না করার কারণে মান দশ গুণ বেশি এসেছে।
D) 290 kWh — শুধু দিন ও ওয়াট গুণ করে সঠিক সূত্র প্রয়োগ না করায় এটি ভুল এসেছে।
মনে রাখার টিপস:
বিদ্যুৎ খরচের হিসাব করতে হলে ওয়াটকে ঘণ্টা এবং দিন দিয়ে গুণ করে এক হাজার দিয়ে ভাগ করতে হয় এবং লিপ ইয়ারের ফেব্রুয়ারি মাস হিসাব করার সময় ২৯ দিন ধরতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Diode
কেন সঠিক:
- ডায়োড একটি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা একমুখী প্রবাহ নিশ্চিত করে এবং এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্টে রূপান্তর করতে রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- এটি পজিটিভ অর্ধচক্রকে পাস করে এবং নেগেটিভ অর্ধচক্রকে বাধা দেয়, যা বিদ্যুৎ প্রবাহকে ডিসিতে পরিণত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Diode — এটি এসি থেকে ডিসি তৈরিতে ব্যবহৃত সঠিক উত্তর এবং এটি রেকটিফিকেশন প্রক্রিয়ার প্রধান উপাদান।
B) Transistor — এটি মূলত ইলেকট্রনিক সিগন্যাল এবং বৈদ্যুতিক শক্তি অ্যামপ্লিফাই বা সুইচিং করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) JET — এটি কোনো প্রচলিত সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস নয়, সম্ভবত এটি JFET এর একটি ভুল রূপ।
D) FET — এটি ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর, যা ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রित সুইচ বা অ্যামপ্লিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
ডায়োড মানে একমুখী রাস্তা, যা এসিকে ডিসিতে রূপান্তর করে।
সঠিক উত্তর: C) ভিত্তি
কেন সঠিক:
- একটি n-p-n ট্রানজিস্টরে তিনটি অংশ থাকে, যার মাঝখানের পাতলা অংশটি পি টাইপ বা 'p' সেমিকন্ডাক্টর দ্বারা গঠিত হয়।
- এই মাঝখানের পাতলা অংশটিকে ট্রানজিস্টরের ভিত্তি বা বেস বলা হয়, যা নিঃসরক ও সংগ্রাহকের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিঃসরক — এটি ট্রানজিস্টরের প্রথম অংশ বা ইমিটার, যা সাধারণত এন টাইপ সেমিকন্ডাক্টর দ্বারা গঠিত হয়।
B) সংগ্রাহক — এটি ট্রানজিস্টরের তৃতীয় অংশ বা কালেক্টর, যা চার্জ বাহক সংগ্রহ করে এবং এন টাইপ সেমিকন্ডাক্টর দ্বারা গঠিত।
C) ভিত্তি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয় বরং এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে এটিই সঠিক অপশন।
D) বিবর্ধক — এটি ট্রানজিস্টরের কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের নাম নয়, বরং ট্রানজিস্টর হলো একটি যন্ত্র যা দুর্বল সিগন্যালকে বিবর্ধিত করে।
মনে রাখার টিপস:
ট্রানজিস্টরের নাম n-p-n হলে মাঝখানের অক্ষরটি 'p', অর্থাৎ মাঝখানের পাতলা অংশটিই হলো ভিত্তি।
সঠিক উত্তর: C) ৪০০
প্রদত্ত তথ্য:
তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধায়ু = ২০০ বছর
মৌলের ক্ষয়ের পরিমাণ = ৭৫%
ধরি,
মৌলের আদি পরিমাণ = ১০০%
অবশিষ্ট পরিমাণ = ১০০% − ৭৫% = ২৫%
অতএব,
১ম অর্ধায়ুর পর অবশিষ্ট থাকে = ৫০%
২য় অর্ধায়ুর পর অবশিষ্ট থাকে = ২৫%
সুতরাং,
মোট সময় লাগবে = ২ × ২০০ = ৪০০ বছর
উত্তর: ৪০০ বছর
সঠিক উত্তর: D) IC
কেন সঠিক:
- আইসি বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট হলো একটি সিলিকন চিপ, যার মধ্যে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, ডায়োড, রেজিস্টার ও ক্যাপাসিটর একসঙ্গে সংযুক্ত থাকে।
- এটি ইলেকট্রনিক ডিভাইসের আকার ছোট করতে এবং কাজের গতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Motherboard — এটি কম্পিউটারের মূল সার্কিট বোর্ড, যার সঙ্গে প্রসেসর, র্যামসহ অন্যান্য হার্ডওয়্যার সংযুক্ত থাকে।
B) Processor — এটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা মস্তিষ্ক, যা মূলত কোটি কোটি ট্রানজিস্টরের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ আইসি।
C) RAM — এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী প্রধান মেমোরি, যা বিদ্যুৎ থাকা অবস্থায় তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।
D) IC — এটি ট্রানজিস্টর, ডায়োড, রেজিস্টার ও ক্যাপাসিটর দিয়ে তৈরি পূর্ণাঙ্গ ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক সার্কিট।
মনে রাখার টিপস:
অনেকগুলো ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ একসাথে একটি ছোট চিপে বন্দি থাকলেই তাকে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) Volatility
কেন সঠিক:
- RAM বা র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমরি হলো অস্থায়ী বা উদ্বায়ী স্মৃতি, যেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে সমস্ত ডেটা মুছে যায়।
- এই অস্থায়ী বৈশিষ্ট্যের কারণে RAM কে দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Too Slow — RAM কম্পিউটার সিস্টেমের সবচেয়ে দ্রুতগতির মেমরিগুলোর একটি, তাই গতি কম হওয়ার কারণে এটি অনুপযুক্ত নয়।
B) Unreliable — RAM অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য একটি স্মৃতি মাধ্যম যা প্রসেসরকে সরাসরি ডেটা সরবরাহ করে, তাই নির্ভরযোগ্যতার অভাব এর প্রধান সমস্যা নয়।
C) Volatility — এটি সঠিক উত্তর কারণ উদ্বায়ী বা অস্থায়ী বৈশিষ্ট্যের জন্যই RAM-এ স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করা যায় না।
D) Too Bulky — RAM আকারে অত্যন্ত ক্ষুদ্র ও পাতলা সিলিকন চিপ, তাই আকৃতি বড় বা ভারী হওয়ার কারণে এটি অনুপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
RAM হলো বিদ্যুৎনির্ভর মেমরি, বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেটাও উবে যায়, যাকে ভোলাটিলিটি বা উদ্বায়ী বলে।
প্রশ্নের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: C) IN
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। Memory-mapped I/O ব্যবস্থায় I/O ডিভাইসগুলোকে মেমরির অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়, তাই ডেটা আদান-প্রদানের জন্য সাধারণ মেমরি নির্দেশ যেমন LDA ব্যবহার করা যায়।
- এই ব্যবস্থায় আলাদা কোনো I/O নির্দেশ যেমন IN বা OUT ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না, ফলে IN এবং OUT এই সিস্টেমে অনুপস্থিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) LDA — এটি মেমরি থেকে রেজিস্টারে ডেটা লোড করার নির্দেশ এবং Memory-mapped I/O সিস্টেমে এটি ব্যবহৃত হয়।
B) ADD — এটি গাণিতিক অপারেশন নির্দেশ এবং মেমরি বা রেজিস্টারের ডেটার ওপর কাজ করার জন্য এই সিস্টেমে উপস্থিত থাকে।
C) IN — এটি একটি I/O নির্দেশ যা Isolated I/O সিস্টেমে ব্যবহৃত হয় এবং Memory-mapped I/O সিস্টেমে এটি অনুপস্থিত থাকে।
D) OUT — এটিও একটি I/O নির্দেশ যা Isolated I/O সিস্টেমে থাকে, তাই Memory-mapped I/O সিস্টেমে এটিও থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
Memory-mapped I/O সিস্টেমে মেমরি ও I/O এর জন্য একই নির্দেশ ব্যবহৃত হয়, তাই আলাদা IN বা OUT নির্দেশের প্রয়োজন হয় না।
সঠিক উত্তর: B) বোরন
কেন সঠিক:
- সিলিকন একটি অর্ধপরিবাহী এবং এর সাথে ত্রিযোজী মৌল যেমন বোরন যুক্ত করলে হোল বা ধনাত্মক চার্জ বাহক তৈরি হয়।
- বোরন অপদ্রব্য হিসেবে যুক্ত করলে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্ধপরিবাহীটি p-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে রূপান্তরিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফসফরাস — এটি একটি পঞ্চযোজী মৌল এবং সিলিকনের সাথে যুক্ত করলে এটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়।
B) বোরন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ত্রিযোজী মৌল এবং p-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
C) হাইড্রোজেন — এটি অর্ধপরিবাহীতে ডোপিং করার জন্য ব্যবহৃত হয় না এবং এটি p-টাইপ তৈরি করে না।
D) কার্বন — এটি অর্ধপরিবাহীর বৈদ্যুতিক ধর্ম পরিবর্তনের জন্য প্রচলিত ডোপিং উপাদান নয়।
মনে রাখার টিপস:
পি-টাইপের জন্য ত্রিযোজী বোরন (বো-পি) এবং এন-টাইপের জন্য পঞ্চযোজী ফসফরাস মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) 476190 m
কেন সঠিক:
- এখানে প্রশ্নে বেগের মান ৩ × ১০^৮ ms^-১ এবং কম্পাঙ্ক ৬৩০ Hz দেওয়া হয়েছে। তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সূত্র হলো বেগ ভাগ কম্পাঙ্ক।
- মানগুলো বসিয়ে হিসাব করলে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় ৪৭৬১৯০ মিটার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 476190 m — এই অপশনটি সঠিক গণনার ফলাফল নির্দেশ করে।
B) 476.19 m — এটি দশমিক বিন্দু ভুল স্থানে বসানোর কারণে প্রাপ্ত ভুল মান।
C) 476190 cm — এটি মিটারের পরিবর্তে সেন্টিমিটারে এককের বিভ্রান্তি তৈরি করে।
D) 476.19 cm — এটি একক এবং দশমিক উভয় ক্ষেত্রেই ভুল মান।
মনে রাখার টিপস:
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বের করতে হলে সবসময় আলোর বা তরঙ্গের বেগকে কম্পাঙ্ক দিয়ে ভাগ করতে হয়।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)