সঠিক উত্তর: C) দৌলত কাজী
১. কেন সঠিক:
- দৌলত কাজী মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম প্রধান কবি এবং লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা।
- তার বিখ্যাত কাব্য সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী বাংলা সাহিত্যের লৌকিক কাহিনীর প্রথম সংযোজন হিসেবে স্বীকৃত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবি দৌলত কাজী সপ্তদশ শতকের প্রথম ভাগে আরাকান রাজসভার অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
- তার অসমাপ্ত কাব্য সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী পরবর্তীতে মহা কবি আলাওল সম্পূর্ণ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী
ব্যাখ্যা: এটি দৌলত কাজীর রচিত অমর প্রেমের কাব্য যা লৌকিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত প্রথম বাংলা কাব্য।
উদাহরণ ২: পদ্மாவত
ব্যাখ্যা: এটি আলাওলের বিখ্যাত কাব্য যা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি অনন্য নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি হলেও লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা নন, বরং তিনি দৌলত কাজীর অসমাপ্ত কাব্য শেষ করেছিলেন।
B) কোরেশী মাগন ঠাকুর — তিনি সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার একজন বিশিষ্ট পৃষ্ঠপোষক ও কবি যিনি চন্দ্রাবতী কাব্য রচনা করেন।
D) সৈয়দ সুলতান — তিনি মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত কবি যিনি নবী বংশ ও রসূল বিজয় কাব্য রচনা করেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লৌকিক কাহিনীর প্রথম কবি দৌলত কাজী এটি মনে রাখতে দ দিয়ে দৌলত এবং লৌকিক কাহিনীর ল মনে রাখতে পারো।
- এভাবে রাজসভার কবিদের মধ্যে দৌলত কাজীর প্রথম অবদান সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার সূচনা হয় দৌলত কাজীর হাত ধরে।
- এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে কবির রচিত গ্রন্থ এবং তার অবদানের ক্ষেত্র ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কন্যা কুমারী
১. কেন সঠিক:
- কন্যা কুমারী হলো প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা তার সাহিত্যকর্মের অনন্য ধারার পরিচয় বহন করে।
- উপন্যাসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো দীর্ঘ কলেবরে মানুষের জীবন ও সমাজের বাস্তবসম্মত পূর্ণাঙ্গ চিত্র ফুটিয়ে তোলা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক এবং বীরবল ছদ্মনামের জন্য সর্বাধিক পরিচিত একজন প্রাবন্ধিক ও কথাসাহিত্যিক।
- তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে যোগাযোগ ও কন্যা কুমারী বিশেষভাবে সমাদৃত এবং এগুলো বাংলা কথাসাহিত্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোখের ঠাকুর
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস যা বাংলা সাহিত্যে মনস্তুসিক উপন্যাসের ধারাকে সমৃদ্ধ করেছে।
উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাস যা বাংলা উপন্যাসের বিকাশে মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নতুন চাঁদ — এটি ঔপন্যাসিক বা কথাসাহিত্যের কোনো গ্রন্থ নয়, বরং এটি কবি আবু ইসহাক বা অন্য কারও উপন্যাস হিসেবে পরিচিত নয়।
B) কন্যা কুমারী — এটি একটি উপন্যাস এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য।
C) গড্ডলিকা — এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত ও প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প সংকলন, উপন্যাস নয়।
D) নেমেসিস — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি বিখ্যাত নাটক, যা মনস্তাত্ত্বিক সংকটের ওপর রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ ও ছোটগল্প বেশি বিখ্যাত হলেও তার কন্যা কুমারী একটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস।
- ছোটগল্প সংকলন গড্ডলিকা এবং উপন্যাস কন্যা কুমারী গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক পরিচিতি এবং তাদের সাহিত্যকর্মের ধরন যেমন উপন্যাস, নাটক বা ছোটগল্প আলাদা করতে বলা হয়।
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এবং তার প্রবর্তিত চলিত রীতি সম্পর্কে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) বিশেষনের অতিশায়ন
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে সোনা শব্দটি রূপবাচক বা উপাদানের সরাসরি অর্থ প্রকাশ না করে কোনো গুণের তীব্রতা বা উৎকর্ষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- ব্যাকরণের নিয়মে যখন কোনো বিশেষ্য পদ বিশেষণের কাজ করে এবং তুলনার মাধ্যমে সর্বোচ্চ উৎকর্ষ বা আধিক্য বোঝায়, তখন তাকে বিশেষণের অতিশায়ন বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশেষণের অতিশয়ন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে একাধিক বস্তু বা ব্যক্তির মধ্যে তুলনা করে কোনো একটির মধ্যে গুণের চরম উৎকর্ষ বা আধিক্য প্রকাশ করা হয়।
- এখানে মাটির গুণকে সাধারণ তুলনার ঊর্ধ্বে তুলে ধরে সোনার চেয়েও দামি বা খাঁটি হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা বিশেষণের অতিশয়নের একটি নান্দনিক প্রয়োগ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এ দেশ সোনার বাংলা।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সোনার শব্দটি দেশের উর্বরতা ও সমৃদ্ধির অতিশয় বা চরম উৎকর্ষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: রূপার মুকুট পরে এসো না মোর ঘরে।
ব্যাখ্যা: এখানে রূপার শব্দটি অলংকারের উপাদান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে, যা অতিশায়ন নয় বরং উপাদানবাচক বিশেষণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষনের অতিশায়ন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সোনার মাধ্যমে গুণের চরম উৎকর্ষ বোঝানো হয়েছে।
B) রূপবাচক বিশেষণ — এটি ভুল কারণ সোনা এখানে রূপ বোঝাতে নয়, বরং গুণের উৎকর্ষ বোঝাতে বসেছে।
C) উপাদানবাচক বিশেষণ — এটি ভুল কারণ মাটি আসলেই সোনা দিয়ে তৈরি নয়, তাই এটি উপাদানের অর্থে ব্যবহৃত হয়নি।
D) বিধেয় বিশেষণ — এটি ভুল কারণ বিধেয় বিশেষণ বাক্যের শেষে বসে বিশেষ্যকে বিশেষিত করে, যা এখানে হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যখন কোনো মূল্যবান ধাতু বা পদার্থের নাম গুণ বা উৎকর্ষ বোঝাতে রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়, তখন তা বিশেষণের অতিশায়ন হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে যেখানে উপাদানের নাম থাকলেও তা রূপক অর্থে অতিশয়ন বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক এবং বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব।
- তার মননশীল প্রবন্ধে আভিজাত্য, মার্জিত রুচি এবং প্রখর বুদ্ধিবৃত্তির প্রকাশ দেখা যেত, যার ফলে তিনি কৃত্রিমতা বা ভনিতা পছন্দ করতেন না।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামের প্রবক্তা এবং সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক।
- তার বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থের মধ্যে তেলেনাপোতা আবিষ্কার নয়, বরং বীরবলের হালখাতা, রায়তের কথা এবং সনেট পঞ্চাশৎ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ বীরবলের হালখাতা।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তার প্রখর বুদ্ধিদীপ্ত ও ব্যঙ্গাত্মক রচনার শৈলী স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত পত্রিকা সবুজপত্র।
ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা গদ্যে চলিত রীতির আন্দোলন বেগবান হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক হলেও এই প্রখ্যাত উক্তিটির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নন।
B) সৈয়দ মুজতবা আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত রম্যকার ও পর্যটক হলেও এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতির রচিয়তা বা লক্ষ্য নন।
D) প্রমথনাথ বিশী — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষক হলেও এই বিশেষ সাহিত্যিক মন্তব্যটির সঙ্গে যুক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর লেখা মানেই বুদ্ধির দীপ্তি ও মার্জিত ভঙ্গি, তাই তিনি জ্যাঠামি ও ন্যাকামি সহ্য করতেন না।
- তার ছদ্মনাম বীরবল মনে রাখলে তার রচনার বুদ্ধিবৃত্তিক চরিত্র সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকা ১৯১৪ সালে সম্পাদনা করেন যা বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির নতুন যুগ এনেছিল।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার ছদ্মনাম এবং প্রবন্ধ গ্রন্থ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি কবিতাটির রচয়িতা বিখ্যাত কবি আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ।
- কবিতাটিতে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য ও সংগ্রামের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবি আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান স্বর এবং একজন বিশিষ্ট কূটনীতিবিদ।
- এই কবিতাটি তার রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি দীর্ঘ কবিতা যা আমাদের লোকায়ত সংস্কৃতি ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস বহন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোন এক কালে ফুল ফুটতো কি
ব্যাখ্যা: এটি কবি আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহর আরেকটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: বৃষ্টি এবং বিদ্রোহী জনতা
ব্যাখ্যা: এটিও কবি আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহর অত্যন্ত প্রশংসিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিকানদার আবু জাফর — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন।
B) ফররুখ আহমেদ — তিনি বিখ্যাত ইসলামী ভাবধারার কবি হলেও এই কবিতাটি তার লেখা নয়।
C) আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি কবিতাটির রচয়িতা।
D) আহসান হাবীব — তিনি আধুনিক বাংলা কাব্যের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কবি হলেও এই কবিতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কিংবদন্তী বা লোকঐতিহ্য নিয়ে সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা লিখেছেন আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ।
- নামের শেষে ওবায়েদুল্লাহ থাকলে কিংবদন্তী কবিতাটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই কবিতাটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
- কবির অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের নামগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মদনমোহন তর্কালঙ্কার
১. কেন সঠিক:
- ‘পাখিসব করে রব রব রাতি পোহাইল’ পঙক্তিটি বাংলা শিশুসাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি যা মদনমোহন তর্কালঙ্কারের প্রভাতসংগীত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- এই পঙক্তিটিতে সকালের স্নিগ্ধ প্রকৃতি ও পাখির কলকাকলির মাধ্যমে নতুন দিনের আগমন খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পন্ডিত মদনমোহন তর্কালঙ্কার উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সংস্কারক ছিলেন।
- তার রচিত শিশুশিক্ষার প্রথম ভাগ ও দ্বিতীয় ভাগ বাংলা শিক্ষাবিস্তারে এক ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘পাখিসব করে রব’
ব্যাখ্যা: এটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা একটি বিখ্যাত পঙক্তি যা শিশুদের প্রথম পাঠ্যবইয়ে বহুল পঠিত।
উদাহরণ ২: ‘ভোরে সূর্য ওঠে’
ব্যাখ্যা: এই জাতীয় বাক্য বা পঙক্তিগুলো প্রভাত বা সকালের সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামনারায়ণ তর্করত্ন — তিনি উনবিংশ শতকের একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও এই পঙক্তিটি তার রচিত নয়।
B) বিহারীলাল — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত হলেও এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা তিনি নন।
C) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — তিনি বিখ্যাত নীতিমূলক কবিতার জন্য পরিচিত কিন্তু এই কবিতার রচয়িতা তিনি নন।
D) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটি তারই লেখা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মদনমোহন তর্কালঙ্কার মানেই ছোটোদের জন্য লেখা প্রভাতসংগীত বা পাখি সংক্রান্ত পঙক্তি মনে রাখতে হবে।
- শিশুরা সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় পাখি ডাকে, তাই এই কবিতাটির সঙ্গে মদনমোহন তর্কালঙ্কারের নাম মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত পঙক্তির রচয়িতা জানতে চাওয়া হয়।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যবইয়ের বিখ্যাত কবিতাগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) উপমেয়
১. কেন সঠিক:
- প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করা হলে, যে বস্তুটির তুলনা করা হচ্ছে বা যাকে তুলনা করা হয় তাকে উপমেয় বলা হয়।
- ব্যাকরণের অলংকার অধ্যায়ে উপমা অলংকারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে উপমেয় হলো মূল আলোচ্য বা তুলনার বিষয়বস্তু।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপমা অলংকারের চারটি অংশ থাকে যথা উপমেয়, উপমান, সাধারণ ধর্ম এবং বাচক শব্দ।
- যার সাথে তুলনা করা হয় সেটিকে উপমান বলা হয় এবং যার তুলনা করা হয় সেটিকে উপমেয় বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুখ চন্দ্রের ন্যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে মুখ হলো প্রত্যক্ষ বস্তু বা উপমেয় এবং চন্দ্র হলো পরোক্ষ বস্তু বা উপমান।
উদাহরণ ২: তুষারের মতো শুভ্র হাত।
ব্যাখ্যা: এখানে হাত হলো উপমেয় কারণ এর তুলনা করা হয়েছে এবং তুষার হলো উপমান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপমিত — উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মের উল্লেখ না থাকে এবং উপমেয় ও উপমানের মধ্যে তুলনা বোঝায়, তাই এটি সঠিক নয়।
B) উপমান — উপমান হলো যার সাথে তুলনা করা হয় সেই পরোক্ষ বস্তু, তাই এটি প্রত্যক্ষ বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) রূপক — রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়, যা সাধারণ তুলনার চেয়ে আলাদা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মেমোরি টিপস হিসেবে মনে রাখবে যে উপমেয় মানে যাকে মাপা বা তুলনা করা হয় এবং উপমান হলো যার মাপ বা মানের সাথে তুলনা করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমা, উপমান ও উপমিত কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বাক্যে কোনটি উপমেয় এবং কোনটি উপমান তা আলাদা করতে হলে দেখতে হবে কার তুলনা করা হচ্ছে।
সঠিক উত্তর: D) তারাচরণ সিকদার
১. কেন সঠিক:
বাংলা মৌলিক নাটকের যাত্রা শুরু হয় তারাচরণ সিকদারের হাতে। তিনি ১৮৫২ সালে 'ভদ্রার্জুন' নাটক রচনা করেন যা বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক নাটক হিসেবে স্বীকৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
তারাচরণ সিকদার ছিলেন একজন নাট্যকার ও অনুবাদক। তাঁর রচিত 'ভদ্রার্জুন' নাটকের মাধ্যমেই প্রথম সংস্কৃত নাটকের প্রভাব থেকে বেরিয়ে এসে মৌলিক নাট্যধারার সূচনা ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভদ্রার্জুন
ব্যাখ্যা: এটি তারাচরণ সিকদার রচিত বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক নাটক।
উদাহরণ ২: কীর্তিবিলাস
ব্যাখ্যা: এটি যোগেন্দ্রচন্দ্র গুপ্ত রচিত বাংলা ভাষার দ্বিতীয় মৌলিক নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা নাটকে আধুনিকতার প্রবক্তা এবং প্রথম সার্থক নাটক 'শর্মিষ্ঠা'র রচয়িতা, তবে প্রথম মৌলিক নাট্যকার নন।
B) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি বিখ্যাত সামাজিক নাটক 'নীলদর্পণ'-এর রচয়িতা, যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক অনন্য মাইলফলক।
C) জ্যোতিন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট নাট্যকার ও অনুবাদক ছিলেন, যিনি মৌলিক ও অনূদিত নাটক রচনা করেছেন।
D) তারাচরণ সিকদার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম মৌলিক নাটক 'ভদ্রার্জুন' রচনা করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
মৌলিক নাটকের তারা কে? তারা হলেন তারাচরণ সিকদার। এভাবে মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক 'ভদ্রার্জুন' এবং এর রচয়িতা তারাচরণ সিকদার। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটকের সূচনার ইতিহাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) পর + পর = পরস্পর
১. কেন সঠিক:
- পরস্পর শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে।
- নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো সেই সব সন্ধি যা সাধারণ ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সন্ধি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
- এই ধরনের সন্ধির ক্ষেত্রে সরাসরি শব্দ মুখস্থ রাখতে হয় কারণ সাধারণ নিয়ম এখানে প্রযোজ্য হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গো + পদ = গোষ্পদ
ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ যা সাধারণ নিয়মের বাইরে গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: এক + দশ = একাদশ
ব্যাখ্যা: এটিও একটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ যা কোনো নির্দিষ্ট সাধারণ নিয়ম মানে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাক + দান = বাগদান — এটি স্বরবর্ণের প্রভাবে ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তনের সাধারণ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম মেনে সাধিত হয়েছে।
B) উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির সাধারণ নিয়ম অর্থাৎ ত বা দ এর পরে চ বা ছ থাকলে চ বা ছ হয় তা মেনে গঠিত।
D) সম + সার = সংসার — এটি ম এর পরে দন্ত্য স থাকলে ম এর স্থানে অনুস্বার হয় এই সাধারণ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম মেনে হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পরস্পর, গোষ্পদ, একাদশ, বৃহস্পতি এই শব্দগুলো নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই বিশেষ শব্দগুলো বারবার চর্চা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি উভয় প্রকারেই হতে পারে।
- সাধারণ নিয়মের বাইরে গঠিত হওয়ায় এই শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ সরাসরি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) মাছ + উয়া > ও
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মে গঠিত হয়েছে যেখানে শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্বরলোপের মাধ্যমে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে।
- এখানে বিশেষ্য পদ মাছ এর সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় উয়া যুক্ত হয়ে মাছউয়া এবং পরে ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে উয়া প্রত্যয়ের উ ধ্বনি লুপ্ত হয়ে মেছো শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে এবং এটি শব্দের শেষে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- এই প্রক্রিয়ায় প্রত্যয়যুক্ত হওয়ার সময় অনেক সময় আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে এবং শব্দের ভেতরের স্বরধ্বনি লোপ পায় যাকে স্বরলোপ বা অভিশুতি বলা চলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা + উয়া > ঢাকেয়া > ঢেঁকাই > ঢাকাইয়া > ঢাকাইয়া থেকে ঢাকাই
ব্যাখ্যা: স্থানবাচক বিশেষ্যের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠনের একটি সুন্দর উদাহরণ এটি।
উদাহরণ ২: দেশ + উয়া > দেশুয়া > দেশো > দেশীয় বা দেশি
ব্যাখ্যা: মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় ধ্বনিগত পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন শব্দ তৈরি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাছ + ও — সরাসরি ও প্রত্যয় যোগ করলে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক ধ্বনি পরিবর্তন সাধিত হয় না।
B) মেছ + ও — মেছ কোনো মূল প্রাকৃত বা খাঁটি বাংলা শব্দ নয় এবং এর সঙ্গে সরাসরি ও যুক্ত হয় না।
C) মাছি+উয়া> ও — মাছি পদের সঙ্গে উয়া যুক্ত হলে মেছো হয় না কারণ মূল শব্দ মাছ থেকে এই শব্দটি এসেছে।
D) মাছ + উয়া > ও — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মাছ শব্দের সঙ্গে উয়া প্রত্যয় যোগের সঠিক প্রক্রিয়া নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মাছ থেকে মেছো বা হাত থেকে হাতেলো জাতীয় শব্দ গঠনের সময় পদের মূল কাঠামোর সঙ্গে উয়া প্রত্যয় যুক্ত করে রূপান্তর মনে রাখা সহজ।
- তদ্ধিত প্রত্যয় সাধિત শব্দ চেনার জন্য শব্দের শেষের ধ্বনি এবং মূল শব্দটিকে আলাদা করার অভ্যাস করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয় এবং প্রকৃতি প্রত্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই শব্দের মূল রূপ চেনা জরুরি।
- এই ধরনের শব্দ গঠনে ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম যেমন অভিশুতি বা স্বরলোপ প্রায়ই জড়িত থাকে।
সঠিক উত্তর: B) গৌড়ীয় ব্যাকরণ
১. কেন সঠিক:
- রাজা রামমোহন রায় বাংলা ভাষায় প্রথম একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন যার নাম গৌড়ীয় ব্যাকরণ।
- এই ব্যাকরণটি মূলত ইংরেজি ভাষার ব্যাকরণের আদールে বাংলা ভাষাকে শৃঙ্খলিত করার প্রথম সার্থক প্রয়াস ছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রাজা রামমোহন রায় আধুনিক বাংলা গদ্যের জনক এবং বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা হিসেবে পরিচিত।
- গৌড়ীয় ব্যাকরণ গ্রন্থটি ১৮৩৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি রামমোহন রায়ের মৃত্যুর বছরেই প্রকাশিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায়ের গৌড়ীয় ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার ওপর রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ যা মূলত ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মকে বাংলায় প্রয়োগ করেছিল।
উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরির গ্র্যামার অব দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা ভাষার একটি প্রাচীন ব্যাকরণ যা একজন বিদেশি মিশনারি কর্তৃক ১৮০১ সালে রচিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাগধীয় ব্যাকরণ — মাগধীয় প্রাকৃত বা ভাষা থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি ঘটলেও এই নামে রাজা রামমোহন রায়ের কোনো ব্যাকরণ গ্রন্থ নেই।
B) গৌড়ীয় ব্যাকরণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রাসঙ্গিক।
C) মাতৃভাষা ব্যাকরণ — এটি কোনো ঐতিহাসিক ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম নয়, বরং এটি একটি সাধারণ শব্দমাত্র।
D) ভাষা ও ব্যাকরণ — এটি বাংলা ব্যাকরণের কোনো প্রখ্যাত বা ঐতিহাসিক গ্রন্থের নাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রাজা রামমোহনের নামের সঙ্গে গৌড় শব্দ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, কারণ প্রাচীন গৌড় অঞ্চলের ভাষা থেকেই আধুনিক বাংলার বিকাশ ঘটেছে।
- রামমোহনের শেষ জীবন এবং তার রচিত গৌড়ীয় ব্যাকরণের প্রকাশকাল একই অর্থাৎ ১৮৩৩ সাল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ কে রচনা করেছেন এবং তার নাম কী, এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
- বাংলা ব্যাকরণ ও গদ্যে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অপরিহার্য।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ হলো ড. দীনেশচন্দ্র সেন রচিত বঙ্গভাষা ও সাহিত্য।
এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯০১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং এটি ইংরেজি ভাষায় রচিত এ কে ফর্বের ‘রাসমালা’ গ্রন্থের আদলে বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস হিসেবে স্বীকৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই গ্রন্থটির রচয়িতা ড. দীনেশচন্দ্র সেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছেন।
তার এই গবেষণামূলক কাজের মাধ্যমেই প্রাচীন ও মধ্যযুগের বহু লুপ্তপ্রায় পুথি ও সাহিত্যকর্ম আলোতে আসে এবং সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস রচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ড. দীনেশচন্দ্র সেনের অপর একটি বিখ্যাত গবেষণামূলক গ্রন্থ হলো পূর্ববঙ্গ গীতিকা।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে বাংলার গ্রামীণ লোকসাহিত্যের ইতিহাস ও ঐতিহ্য চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: রামচন্দ্র তর্করত্নের বাংলা ভাষা ও littérature বিষয়ক রচনা।
ব্যাখ্যা: এটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস না হলেও বাংলা গদ্যে ইতিহাস রচনার প্রাথমিক প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস — এটি সুকুমার সেন রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থ, যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪০ সালে এবং এটি প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ নয়।
B) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ১৯০১ সালে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ।
C) বাংলা সাহিত্যের কথা — এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণ্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থ যা পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়।
D) বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা — এটি গোপাল হালদার রচিত একটি সুপরিচিত ইতিহাস গ্রন্থ যা আধুনিক যুগে বাংলা সাহিত্যের ধারা বোঝাতে লেখা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রথম ইতিহাস মানেই দীনেশচন্দ্রের বঙ্গভাষা ও সাহিত্য এটি মনে রাখতে হবে।
প্রকাশসাল ১৯০১ সাল হওয়ায় এটি বিশ শতকের একেবারে শুরুর একটি ঐতিহাসিক কীর্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থের রচয়িতা এবং প্রকাশসাল প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
ইতিহাস গ্রন্থগুলোর নাম এবং লেখকদের তালিকা মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) সমাপ্তি
কেন সঠিক:
- এই সংলাপটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমাপ্তি ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র মৃন্ময়ীকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে।
- গল্পে মৃন্ময়ীর চঞ্চল, অপ্রকৃতিস্থ ও দুরন্ত স্বভাব বোঝাতে এই বর্গির উপদ্রব কথাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন গল্পগুচ্ছ এর অন্তর্গত একটি অন্যতম সৃষ্টি হলো সমাপ্তি।
- বাংলা সাহিত্যে চরিত্র বিশ্লেෂণে রূপক বা তুলনামূলক বাক্যের ব্যবহার হিসেবে এটি একটি সুন্দর সাহিত্যিক দৃষ্টান্ত।
- বর্গি বলতে মারাঠা লুণ্ঠনকারীদের বোঝানো হয়, যাদের উপদ্রব ছিল প্রচণ্ড এবং এখানে মৃন্ময়ীর চঞ্চলতাকে তাদের সাথেই তুলনা করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) একরাত্রি — এই গল্পে সুরবালা ও কথকের শৈশবের স্মৃতি এবং একটি রাতের পটভূমি আছে কিন্তু এমন সংলাপ নেই।
- B) শুভা — এই গল্পের মূল চরিত্র বাকপ্রতিবন্ধী সুভাষিণী এবং তার সাথে প্রকৃতির মিতালীর কথা বলা হয়েছে।
- D) পোস্টমাস্টার — এই গল্পে রতন ও কলকাতার পোস্টমাস্টারের সম্পর্কের আকুলতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যেখানে বর্গির উপদ্রবের প্রসঙ্গ নেই।
মনে রাখার টিপস:
- মৃন্ময়ী মানেই চঞ্চলতা, আর চঞ্চল মেয়েকে বর্গির উপদ্রবের সাথে তুলনা করলেই মনে রাখবে গল্পটি সমাপ্তি।
সঠিক উত্তর: C) একুশ
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে খাঁটি বাংলা উপসর্গ হলো একুশটি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব অব্যয় শব্দ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় মোট একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে যা মূলত তদ্ভব শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনাদি
ব্যাখ্যা: অনাদি শব্দটিতে অনা উপসর্গ যুক্ত হয়েছে। এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ।
উদাহরণ ২: কুখ্যাত
ব্যাখ্যা: কুখ্যাত শব্দটিতে কু উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। এটিও খাঁটি বাংলা উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উনিশ — এটি একটি সংখ্যাবাচক শব্দ এবং বাংলা ভাষায় খাঁটি উপসর্গের সংখ্যার সাথে মেলে না।
B) কুড়ি — এটি কুড়ি বা বিশ সংখ্যা বোঝায় এবং উপসর্গের সংখ্যার সঠিক তথ্য নয়।
D) বাইশ — এটিও একটি সংখ্যা এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গের নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি।
৫ মনে রাখার টিপস:
খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি মনে রাখার জন্য সুপরিচিত ছন্দটি মনে রাখতে পারো। সুবর্জন সুপ্রা বি নি পাতি অঘা অজ অনা আর আ ইতি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি ভালো করে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) দাম
কেন সঠিক:
১. বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে 'দাম' একটি প্রাচীন গ্রিক শব্দ।
২. প্রাচীনকালে গ্রিক বণিকদের সাথে বাণিজ্যের সূত্রে এই শব্দটি আমাদের ভাষায় প্রবেশ করেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ব্যাকরণে বিদেশি শব্দ নানা ভাষা থেকে এসেছে এবং গ্রিক ভাষা থেকেও কিছু শব্দ সরাসরি বাংলায় স্থান পেয়েছে।
২. বাণিজ্যের মাধ্যমেই সাধারণত গ্রিক সংস্কৃতির অনেক শব্দ বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে যুক্ত হয়েছে।
৩. এর একটি বিখ্যাত উদাহরণ হলো 'দাম' যার অর্থ মূল্য বা খরিদমূল্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুফান — এটি আরবি বা ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ যা ঝড়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
B) লুঙ্গী — এটি বার্মিজ বা মিয়ানমার ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
C) কুপন — এটি মূলত ফরাসি ভাষা থেকে বাংলা শব্দভান্ডারে গৃহিত হয়েছে।
D) দাম — এটি সঠিক অপশন হিসেবে ইতোমধ্যে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
১. গ্রিক শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো 'দাম' শব্দটি মাথায় রাখা কারণ এটি পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
২. দাম মানে মূল্য আর গ্রিক বণিকদের সাথে মূল্যের লেনদেন দিয়েই এই শব্দটি আমাদের মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ক্রান্তি
১. কেন সঠিক:
- ক্রান্তি পত্রিকাটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। এটি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বামপন্থী প্রগতিশীল সাহিত্যপত্র।
- প্রগতিশীল চিন্তা ও মার্কসবাদী মতাদর্শের প্রচারে এই পত্রিকার বিশেষ ভূমিকা ছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রান্তি একটি প্রগতিশীল মাসিক পত্রিকা যা বিশ শতকের মধ্যভাগে প্রকাশিত হয়।
- বাংলা ছোটগল্প, কবিতা এবং সমাজ সচেতনতামূলক প্রবন্ধ প্রকাশে এই পত্রিকাটির উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমকাল
ব্যাখ্যা: সমকাল ঢাকা থেকে প্রকাশিত আরেকটি প্রখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা যা ষাটের দশকে সাহিত্য আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
উদাহরণ ২: উত্তরাধিকার
ব্যাখ্যা: উত্তরাধিকার বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত একটি নিয়মিত সাহিত্য পত্রিকা যা ঢাকা থেকেই প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অরণি — এই পত্রিকাটি ঢাকা থেকে নয়, বরং কলকাতা থেকে প্রকাশিত প্রগতিশীল সাহিত্যপত্র।
B) পরিচয় — পরিচয় একটি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা যা কলকাতা থেকে প্রকাশিত হতো এবং বুদ্ধদেব বসু এর সাথে যুক্ত ছিলেন।
C) নবশক্তি — নবশক্তি পত্রিকাটিও ঢাকা থেকে প্রকাশিত নয়, এটি মূলত কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি সংবাদপত্র ও সাময়িকপত্র।
D) ক্রান্তি — এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে এটি প্রযোজ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ক্রান্তি ও সমকাল পত্রিকাগুলোর নাম দেখলে মনে রাখবে এগুলো ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রগতিশীল ধারাকে প্রতিনিধিত্ব করে।
- কলকাতা ও ঢাকার পত্রিকার তালিকা আলাদা করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন পত্রিকার প্রকাশনা স্থান প্রায়ই আসে।
- ঢাকা ও কলকাতা থেকে প্রকাশিত ঐতিহাসিক পত্রিকাগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) কল্লোল
১. কেন সঠিক:
- কল্লোল পত্রিকা ১৯২৩ সালের বৈশাখ মাসে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের কল্লোল যুগের সূচনা করেছিল।
- এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতা, স্বাতন্ত্র্য এবং নতুন চিন্তাধারার প্রকাশ ঘটেছিল যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কল্লোল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস এবং এর পেছনে বুদ্ধদেব বসু ও কাজী নজরুল ইসলামের মতো লেখকদের পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ অবদান ছিল।
- এই পত্রিকাটির সাথে বাংলা সাহিত্যের রোমান্টিকতা থেকে বাস্তবধর্মী ও সাহসিকতাপূর্ণ লেখার ধারা যুক্ত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কালিকলম পত্রিকা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি কল্লোল যুগের আরেকটি বিখ্যাত আধুনিক সাহিত্যপত্র।
উদাহরণ ২: প্রগতি পত্রিকা ১৯২৭ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্তের সম্পাদনায় এটি প্রকাশিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কালিকলম — এটি ১৯২৩ সালে নয় বরং ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
B) প্রগতি — এটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়নি বরং ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
C) কল্লোল — এটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) সবুজপত্র — এটি ১৯২৩ সালে নয় বরং ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কল্লোল পত্রিকা প্রকাশের সাল মনে রাখতে ক দিয়ে কল্লোল এবং তেইশ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারো।
- এভাবে সাল ও নামের মিল রেখে পড়লে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকাগুলোর প্রকাশকাল ও সম্পাদকের নাম বারবার আসে।
- সাল মুখস্থ রাখার পাশাপাশি কোন পত্রিকা কোন সাহিত্য আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯২৬
কেন সঠিক:
মাসিক মােহাম্মদী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের কার্তিক মাসে।
এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম সম্পাদক ছিলেন মওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে মুসলিম সমাজের জাগরণে এই পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চায় মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে এটি বিশেষ অবদান রেখেছিল।
কাজী নজরুল ইসলামসহ সেকালের বরেণ্য লেখকদের লেখা এই পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯২৬ — এটি সঠিক সাল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) ১৯২৭ — এটি সঠিক প্রকাশের বছর নয় কারণ এর ঠিক এক বছর পরে এই সালটি আসে।
C) ১৯২৮ — এই সালে মাসিক মোহাম্মদী প্রকাশিত হয়নি বরং এর প্রকাশকাল আরও আগে শুরু হয়েছিল।
D) ১৯২৯ — এই সালটি পত্রিকার প্রথম প্রকাশের সাথে মেলে না কারণ এটি ভুল বছর নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
১৯২৬ সালটি মনে রাখতে মোহাম্মদী পত্রিকার নামের প্রথম অক্ষর এবং প্রতিষ্ঠার সাল একসাথে মিলিয়ে পড়বে।
মওলানা আকরাম খাঁর সম্পাদনা এবং ১৯২৬ সাল এভাবে জোড়া মনে রাখলে ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: C) শেখ আব্দুর রহিম
১. কেন সঠিক:
- সাপ্তাহিক সুধাকর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন শেখ আব্দুর রহিম।
- উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে মুসলিম সমাজের জাগরণ ও সংস্কারের জন্য পত্রিকাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শেখ আব্দুর রহিম ছিলেন বাংলা মুসলিম সাংবাদিকতার অন্যতম পথিকৃৎ ও সাহিত্যিক।
- সুধাকর পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে তিনি তৎকালীন সমাজে ইসলামি সংস্কৃতির প্রচার এবং কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইসলাম প্রচারক
ব্যাখ্যা: এটি শেখ আব্দুর রহিম কর্তৃক সম্পাদিত অপর একটি বিখ্যাত ইসলামি পত্রিকা।
উদাহরণ ২: হযরত মোহাম্মদের জীবনচরিত ও ধর্ম নীতি
ব্যাখ্যা: এটি শেখ আব্দুর রহিম রচিত একটি বিখ্যাত জীবনী গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুন্সি মােহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন আহমদ — তিনি সুধাকর পত্রিকার সাথে যুক্ত থাকলেও এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন শেখ আব্দুর রহিম।
B) মুন্সি মােহাম্মদ মেহের উল্লাহ — তিনি তৎকালীন সময়ের একজন বিখ্যাত খ্রিস্টধর্ম প্রচারক বিরোধী مناظر বা مناظرہ ইসলাম প্রচারক ছিলেন।
D) ইসমাইল হােসেন সিরাজী — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, সুধাকর পত্রিকার সম্পাদক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুধাকর পত্রিকার সম্পাদককে মনে রাখার জন্য নামটির প্রথম অক্ষর মিলাতে পারেন, শেখ আব্দুর রহিমের নামের সাথে সুধাকরের গভীর সম্পর্ক ছিল।
- প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন, তবে প্রধান সম্পাদক হিসেবে শেখ আব্দুর রহিমের নাম সর্বাধিক পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ১৯ শতকের মুসলিম সাংবাদিকতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- পত্রিকার নাম এবং সম্পাদকের নাম জোড় মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৩
১. কেন সঠিক:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে তাঁর অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মর্যাদাপূর্ণ জগত্তারিণী স্বর্ণপদক লাভ করেন।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সাল থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য বিশিষ্ট সাহিত্যিকদের এই পদক প্রদান শুরু করে এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই পদকপ্রাপ্ত দ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী একজন কথাশিল্পী যিনি মূলত সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছিলেন।
তাঁর বিখ্যাত কিছু উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে বড়দিদি, দেবদাস, পরিণীতা, শ্রীকান্ত এবং চরিত্রহীন যা বাংলা কথাসাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক লাভ করেন।
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রবর্তित এই prestigious পদকটির প্রথম প্রাপক।
উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস বড়দিদি ১৯০৭ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটির মাধ্যমেই শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করেন এবং বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯১৬ — এই সালে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি দেবদাস উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়, জগত্তারিণী পদক প্রাপ্তির সাল এটি নয়।
B) ১৯২৩ — এটি সঠিক সাল, এই বছরেই তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক লাভ করেছিলেন।
C) ১৯৩৩ — এই সালে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস শেকড় ও বাকল বা অনুরূপ কোনো বিশেষ সাল নয়, এটি ভুল উত্তর।
D) ১৯০৩ — এই সালে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের প্রকাশকাল নেই এবং এটি পদক প্রাপ্তির সাল থেকেও অনেক আগের সময়।
৫ মনে রাখার টিপস:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জগত্তারিণী পদক প্রাপ্তির সাল মনে রাখতে সংখ্যাটি এভাবে মনে রাখতে পারো যে তিনি ১৯২৩ সালে এই সম্মাননা পান।
সাহিত্যিকদের প্রাপ্ত পুরস্কারের সালগুলো মনে রাখার জন্য সালভিত্তিক একটি ছোট তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার হলে খুব সহজে উত্তর করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত লেখকদের প্রাপ্ত পুরস্কার ও তার সাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক প্রথম কে পেয়েছেন এবং কোন সালে পেয়েছেন, এই তথ্যটি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: A) generosity
কেন সঠিক:
bounty শব্দের অর্থ উদারতা বা মুক্তহস্তে দান করা যা generosity শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
এই দুটি শব্দই মানুষের দয়ালু স্বভাব এবং সাহায্য করার মানসিকতা প্রকাশ করে।
ইংরেজী সাহিত্যে উপহার বা পুরস্কার অর্থেও bounty শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) generosity — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ উদারতা।
B) familiar — এর অর্থ পরিচিত বা সপরিচয়, যা bounty শব্দের সাথে মিলে না।
C) dividing line — এর অর্থ বিভাজ রেখা বা সীমা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ধারণা।
D) sympathy — এর অর্থ সহানুভূতি, যা দানশীলতা বা উদারতার সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
bounty শব্দটিতে থাকা দানশীল ভাব মনে রাখতে generosity শব্দটির সাথে মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) the bridge had broken
কেন সঠিক:
বাক্যটির মূল অংশটি would have + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্মে আছে, যা থার্ড কন্ডিশনাল নির্দেশ করে।
থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মানুযায়ী ইফ ক্লজটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের অর্থাৎ subject + had + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল হবে।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে the bridge had broken।
conditionals এর এই নিয়মটি ইংরেজি গ্রামারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the bridge is broken — এটি প্রেজেন্ট টেন্সে আছে, যা থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মের সাথে মিলছে না।
B) the bridge would break — ইফ ক্লজে would বা could ব্যবহার করা যায় না, তাই এটি ভুল।
C) the bridge had broken — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) the bridge been broken — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব had অনুপস্থিত থাকায় গঠনটি অসম্পূর্ণ হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
would have দেখলে ইফ ক্লজে ہمیشہ had + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল বসবে।
সঠিক উত্তর: A) All the good qualities are embodied by my teacher
কেন সঠিক:
Active voice এর subject এখানে passive voice এর object হয়েছে এবং object টি subject হিসেবে এসেছে।
Verb এর সঠিক past participle রূপ এবং উপযুক্ত auxiliary verb ব্যবহৃত হয়েছে।
বাক্যের অর্থ এবং grammatical structure সম্পূর্ণ সঠিক আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) All the good qualities are embodied by my teacher — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের Passive রূপ।
B) All the good qualities are embodied in my teacher alan — এখানে অতিরিক্ত এবং ভুল শব্দ যুক্ত করা হয়েছে।
C) All the good qualities are embodied to my teacher or oldal — এখানে preposition ভুল এবং অতিরিক্ত শব্দ আছে।
D) All the good qualities are embodied on my teacher — এখানে embodied এর পর on preposition ব্যবহার করা ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Active থেকে Passive করার সময় object কে subject বানাতে হয় এবং verb এর সঠিক form ও preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) She asked me if I was happy in my new job
কেন সঠিক:
রিপোর্টিং ভার্বটি পাস্ট টেন্সে থাকায় রিপোর্টেড স্পিচের প্রেজেন্ট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট টেন্স হবে।
ইয়েস-নও কোশ্চেন হওয়ায় ইনডাইরেক্ট করার সময় ইফ বা হেদার বসে এবং সেন্টেন্সটি অ্যাসারটিভ হয়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক অপশন — এই অপশনটি প্রশ্নটিতে প্রিন্টিং ভুলের কারণে নিচে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
B) B অপশন — এখানে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
C) C অপশন — এখানে রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট হওয়ার পরেও রিপোর্টেড স্পিচে প্রেজেন্ট টেন্স রাখা হয়েছে।
D) D অপশন — এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা সাধারণ সত্য বা বর্তমান অবস্থার পরিবর্তনের জন্য অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
নরমাল প্রশ্নে ইনডাইরেক্ট করার সময় রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট হলে ভেতরের প্রেজেন্ট টেন্স পাস্ট টেন্সে রূপান্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) very fat
কেন সঠিক:
Obese শব্দটির বাংলা অর্থ হলো অতিরিক্ত মোটা বা স্থূলকায়। ইংরেজি অভিধান অনুযায়ী এর সমার্থক শব্দ হলো অতিরিক্ত ওজনের অধিকারী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) very fat — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি obese শব্দের সাথে সরাসরি মিল রাখে এবং অতিরিক্ত ওজনের অবস্থাকে বোঝায়।
B) ugly — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কুৎসিত, যা শারীরিক ওজনের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
C) tardy — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ধীরগতির বা বিলম্বিত, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
D) obnoxious — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অত্যন্ত অপছন্দকর বা বিরক্তিকর, যা সঠিক উত্তরের কাছাকাছিও নয়।
মনে রাখার টিপস:
Obese এবং overfat দুটি শব্দই o দিয়ে শুরু হয় এবং অতিরিক্ত ওজনকে নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: C) an autobiography
কেন সঠিক:
- নিজের জীবন সম্পর্কে নিজে লেখা বই বা বিবরণীকে ইংরেজিতে অটোবায়োগ্রাফি বা আত্মজীবনী বলা হয়।
- প্রদত্ত প্রশ্নে নিজের জীবন লেখার কথা বলা হয়েছে, যা এই সংজ্ঞার সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a diary — ডায়েরি হলো প্রতিদিনের ঘটনার দৈনিক লিপি, যা কেবল নিজের জীবন নিয়ে পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ নয়।
B) a biography — জীবনী হলো অন্য কোনো ব্যক্তির জীবন সম্পর্কে লেখা বই বা বিবরণী।
C) an autobiography — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) a chronicle — ক্রনিকল হলো কালানুক্রমিকভাবে ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোর একটি বিবরণ বা ইতিহাস।
মনে রাখার টিপস:
Auto অর্থ নিজে এবং Bio অর্থ জীবন, তাই নিজের জীবন নিয়ে লেখা হলো Autobiography।
সঠিক উত্তর: A) Why have you done this?
কেন সঠিক:
ডব্লিউ এইচ ওয়ার্ড দিয়ে প্রশ্ন করার সময় সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব বসাতে হয়।
এখানে সাবজেক্ট ইউ এর আগে হ্যাভ ভার্ব সঠিক নিয়মে বসেছে।
মূল ভার্বের সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল রূপ অর্থাৎ ডান ব্যবহৃত হয়েছে।
এটি একটি সঠিক ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সের গঠন অনুসরণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B — এখানে সাবজেক্ট ইউ এর আগে হ্যাট বসলেও মূল ভার্বের সাথে পাস্ট ফর্ম থাকায় বাক্যটি ভুল হয়েছে।
C — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব সাবজেক্টের আগে না বসে সাবজেক্টের পরে বসেছে, তাই এটি প্রশ্নবোধক হয়নি।
D — ডিড এর পরে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসানো হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ডব্লিউ এইচ ওয়ার্ড দিয়ে প্রশ্ন করার সময় প্রথমে ডব্লিউ এইচ ওয়ার্ড, পরে সাহায্যকারী ভার্ব, তারপর সাবজেক্ট এবং সবশেষে মূল ভার্ব বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) at
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা, অদক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে সাধারণত at প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়।
- হাসি, ঠাট্টা বা কোনো কাজের প্রতি নির্দিষ্ট প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতেও at সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — সাধারণত বড় স্থান, মাস, বছর বা কোনো কিছুর ভেতরে অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য নয়।
B) about — কোনো বিষয় সম্পর্কে বা কোনো কিছু সম্বন্ধে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা সঠিক প্রিপজিশনের নিয়মের সাথে মেলে না।
সাথে — কোনো ব্যক্তি বা উপকরণের সাহায্যে কিছু করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
D) at — সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য, দক্ষতা বা আচরণের ক্ষেত্রে যথাযথভাবে বসে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে গুড (good) বা পারফেক্ট (perfect) শব্দের পরে সাধারণত at প্রিপজিশন বসে।
সঠিক উত্তর: A) Beauty
কেন সঠিক:
‘Beautiful’ শব্দটির অর্থ সুন্দর এবং এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ। এর নাউন রূপ হলো ‘Beauty’ যার অর্থ সৌন্দর্য।
বাক্যে এটি সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Beauty — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি নাউন।
B) Beautify — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া যার অর্থ সুন্দর করা।
C) Beauteous — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যা মূলত কবিতায় ব্যবহার করা হয়।
D) Beautifully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ যার অর্থ সুন্দরভাবে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে ty থাকলে সাধারণত সেটি নাউন হয় যেমন honesty এবং beauty।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে সময়ের মধ্যে কাজটি শেষ করার কথা বলা হয়েছে।
তাই এখানে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে in ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাক্যটির অর্থ পূর্ণ করে এবং সময়ের পূর্বে বসে।
B) on — এটি সাধারণত নির্দিষ্ট দিন বা বারের পূর্বে বসে, সময়ের পরিধিতে বসে না।
C) by — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা শেষ সীমাকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
D) for — এটি সাধারণত দীর্ঘ সময় বা ব্যাপ্তiti বোঝাতে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কিছু করতে হবে বোঝালে সাধারণত in প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Paper is made from wood
কেন সঠিক:
- উৎপাদনের পর যদি কাঁচামালের মৌলিক রূপ সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং নতুন বস্তু তৈরি হয়, তবে made from ব্যবহৃত হয়।
- কাঠের রূপ বদলে কাগজ তৈরি হয় এবং কাগজ থেকে আবার কাঠ ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Paper is made of wood — উপাদান পরিবর্তিত না হয়ে অপরিবর্তিত থাকলে made of হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Paper is made from wood — এটি সঠিক কারণ কাঠের রূপ বদলে কাগজ তৈরি হয়।
C) Paper is made by wood — কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর দ্বারা কোনো কিছু তৈরি হলে made by ব্যবহৃত হয়।
D) Paper is made on wood — কোনো নির্দিষ্ট তলের ওপর কিছু তৈরি বোঝাতে on ব্যবহার করা হয়, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
রূপ পরিবর্তন হলে from এবং রূপ অপরিবর্তিত থাকলে of বসে।
সঠিক উত্তর: B) Cause to happen
কেন সঠিক:
‘Bring to pass’ একটি ইংরেজি বাগধারা যার বাংলা অর্থ হলো কোনো কিছু ঘটিয়ে তোলা বা সম্পন্ন করা।
এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সঠিক অর্থ হলো কোনো ঘটনা বাস্তবে ঘটিয়ে ফেলা বা কোনো কিছু ঘটা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cause to destroy — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ধ্বংস করা, যা মূল বাগধারার সাথে মেলে না।
B) Cause to happen — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) Cause to carry out — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কোনো আদেশ বা কাজ বাস্তবায়ন করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Cause to convince — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কাউকে রাজি করানো, যার সাথে মূল বাক্যের মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
‘Bring’ মানে আনা এবং ‘Pass’ মানে ঘটা, অর্থাৎ কোনো ঘটনাকে সামনে টেনে আনা বা ঘটিয়ে ফেলা মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) accident
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী কেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়নি, বরং ঘটনাটি নিজে থেকেই হঠাৎ ঘটে গেছে।
ইংরেজি ব্যাকরণে আকস্মিক বা unintentional কোনো ঘটনাকে বোঝাতে accident শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
তাই শূন্যস্থানে accident বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও সঠিক হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) incident — এটি সাধারণত কোনো সাধারণ ঘটনা বা ঐতিহাসিক বিষয় বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
B) occurrence — এটি যেকোনো কিছু ঘটার সাধারণ প্রক্রিয়া বা ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) accident — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) event — এটি কোনো বিশেষ আয়োজন বা গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
হঠাৎ ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত ঘটনা বোঝাতে সবসময় accident শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) before
কেন সঠিক:
Prior to একটি ইংরেজি ফ্রেজ যার বাংলা অর্থ পূর্বে বা আগে।
এটি মূলত সময়ের ক্ষেত্রে কোনো ঘটনার আগের অবস্থাকে নির্দেশ করে থাকে।
তাই with এবং before শব্দের অর্থ একই রকম।
এটি বাক্যে আগের সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — এর অর্থ পরে, যা prior to এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) before — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) immediately — এর অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে, যা prior to এর সমার্থক নয়।
D) during the period of — এর অর্থ কোনো সময়কাল ধরে, যা আগের সময় বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
Prior শব্দটির সাথে Before মিল আছে মনে রেখে Prior to মানে আগে এটি সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) under all condition
কেন সঠিক:
থ্রু থিক অ্যান্ড থিন একটি ইংরেজি প্রবচন বা ইডিওম যার বাংলা অর্থ হলো সকল পরিস্থিতিতে বা সব অবস্থাতে।
এই প্রবচনটি বোঝায় যে ভালো বা খারাপ যেকোনো অবস্থাতেই কেউ কারো পাশে থাকবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) under all condition — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সব অবস্থাতে, যা মূল ইডিওমের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
B) to make thick and thin — এটি ভুল কারণ এটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে যা প্রবচনটির আসল ভাবার্থের সাথে মেলে না।
C) not clear in understanding — এটি ভুল কারণ এর অর্থ বুঝতে পরিষ্কার নয়, যা এই ইডিওমের অর্থের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) of great destiny — এটি ভুল কারণ এর অর্থ মহান ভাগ্যের অধিকারী, যা এই প্রবচনের ভাবের সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
থিক মানে মোটা বা ভালো অবস্থা এবং থিন মানে পাতলা বা খারাপ অবস্থা, তাই সব অবস্থাকে বোঝাতে থ্রু থিক অ্যান্ড থিন ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) responsible for
কেন সঠিক:
- ব্যক্তির কাজের দায়বদ্ধতা বা জবাবদিহিতা বোঝাতে Responsible-এর পর সঠিক Preposition হিসেবে for বসে।
- কোনো কাজের পরিণতির জন্য কাউকে দায়ী করা অর্থে Responsible for সঠিক গঠন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) responsible for — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ কাজের জন্য দায়ী থাকা অর্থে for প্রিপজিশন বসে।
B) responsible to — কোনো ব্যক্তির নিকট জবাবদিহি করা বোঝালে responsible-এর পরে to বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) liable to — LIABLE-এর পর সাধারণত liable to legal action বা এই ধরনের নির্দিষ্ট অর্থে বসে, যা এখানে অর্থের সঙ্গে মেলে না।
D) blamed — Blamed একটি Verb কিন্তু বাক্যের গঠন অনুযায়ী এখানে একটি Adjective বা Prepositional phrase প্রয়োজন।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজের জন্য দায়ী থাকা বোঝালে Responsible-এর পরে সবসময় for বসে।
সঠিক উত্তর: B) lose
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের আগে want টু ইনফিনিটিভ আছে, তাই এখানে মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসবে। lose হলো একটি ভার্ব যার অর্থ হারানো এবং বাক্যটির অর্থ হলো আমি রাস্তা হারাতে চাইনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) loose — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ ঢিলা বা শিথিল, তাই এখানে সঠিক নয়।
B) lose — এটি সঠিক ভার্ব হওয়ায় বাকি অপশনগুলো ভুল।
C) lost — এটি lose ভার্বের পাস্ট বা পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম, যা ইনফিনিটিভের পরে বসে না।
D) loss — এটি একটি নাউন যার অর্থ ক্ষতি, তাই এখানে ভার্বের স্থানে এটি বসবে না।
মনে রাখার টিপস:
ডাবল ও ওয়ালা loose মানে ঢিলা, আর সিঙ্গেল ও ওয়ালা lose মানে হারানো।
সঠিক উত্তর: D) upon
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে কাউকে অবহেলা করা বা ঘৃণা করার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
এই বিশেষ অর্থ বোঝাতে সঠিক গ্রুপ ভার্ব হিসেবে look down upon ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — look down at বলতে নিচে তাকানো বোঝায় কিন্তু অবহেলা করা অর্থ প্রকাশ করে না।
B) for — look down for কোনো নির্দিষ্ট গ্রুপ ভার্ব বা সঠিক ধারা গঠন করে না।
C) towards — look down towards ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এটি ইংরেজি নিয়মের সাথে মেলে না।
D) upon — এটি সঠিক কারণ look down upon একটি স্থির গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ ঘৃণা করা।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে ছোট চোখে দেখা বা ঘৃণা করার ইংরেজি ফ্রেজ হলো look down upon।
সঠিক উত্তর: A) diet
কেন সঠিক:
স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের জন্য পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাস বা ডায়েট পরিকল্পনা করা অত্যন্ত জরুরি।
এটি শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সরাসরি সাহায্য করে।
সুষম খাদ্যের ইংরেজি পরিভাষা হিসেবে 'balanced diet' একটি স্থায়ী ও নির্দিষ্ট ফ্রেজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) diet — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি এই বাক্যের জন্য নির্দিষ্ট ফ্রেজ।
B) food — সাধারণ অর্থে খাবার বোঝালেও সুষম খাদ্যের নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক বা প্রচলিত পরিভাষা 'balanced food' হয় না।
C) drink — পানীয় স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজন হলেও 'balanced drink' বলে কোনো প্রচলিত বা সঠিক শব্দগুচ্ছ ইংরেজিতে নেই।
D) environment — পরিবেশ সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা খাওয়ার বা ডায়েটের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সুষম খাবার বা পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস বোঝাতে সব সময় 'balanced diet' এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) Stand up
কেন সঠিক:
যে সেন্টেন্স দিয়ে কোনো আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায় তাকে ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স বলে।
এখানে স্ট্যান্ড আপ দ্বারা আদেশ বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I shall go to college — এটি একটি সাধারণ বর্ণনা মূলক বাক্য বা অ্যাসারেটিভ সেন্টেন্স।
B) Matin is singing a song — এটি বর্তমান চলমান কাল বা প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের একটি বাক্য।
C) Stand up — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো বাক্য নেই।
D) it has been raining since morning — এটি একটি সময় নির্দেশক দীর্ঘস্থায়ী কাজের বাক্য বা প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্যগুলো সাধারণত মূল ভার্ব দিয়ে শুরু হয় এবং বক্তার আদেশ বা অনুরোধ প্রকাশ করে, তাকেই ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স চিনে নেবে।
সঠিক উত্তর: C) ১৮
প্রدত্ত তথ্য:
৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে
ধরি,
৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো হলো একষট্টি থেকে উনআশি
অতএব,
৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো একষট্টি, তেষট্টি নয় কারণ এটি ভাজ্য, সাতষট্টি, উনসত্তর, একাত্তর, তিয়াত্তর এবং উনআশি
সুতরাং,
এই সীমার মধ্যে ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি হলো একষট্টি এবং বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি হলো উনআশি
উত্তর: উনআশি − একষট্টি = আঠারো
সঠিক উত্তর: A) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য = ১২ সেমি
ধরি,
ত্রিভুজের সমান দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সেমি
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে,
ক এর ওপর বর্গ + ক এর ওপর বর্গ = অতিভুজের ওপর বর্গ
সুতরাং,
২ × (ক এর ওপর বর্গ) = ১২ × ১২
২ × (ক এর ওপর বর্গ) = ১৪৪
ক এর ওপর বর্গ = ৭২
উত্তর: ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা = (১ ÷ ২) × ক × ক = (১ ÷ ২) × ৭২ = ৩৬ বর্গ সেমি
সঠিক উত্তর: B) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে
ধরি,
বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r
অতএব,
আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r
সুতরাং,
নতুন ব্যাসার্ধ = ৩ × r
নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৩ × r) × (৩ × r) = ৯ × π × r × r
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: D) ১৮
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি রাশির বিয়োগফলের বর্গ = ১৪
দুটি রাশির গুণফল = ২
ধরি,
প্রথম রাশি x এবং দ্বিতীয় রাশি y
দেওয়া আছে, (x − y)제곱 = ১৪
এবং xy = ২
অতএব,
আমরা জানি, x제곱 + y제곱 = (x − y)제곱 + ২xy
এখন মানগুলো বসিয়ে পাই, x제곱 + y제곱 = ১৪ + (২ × ২)
হিসাব করে পাই, x제곱 + y제곱 = ১৪ + ৪
সুতরাং,
যোগ করে পাই, x제곱 + y제곱 = ১৮
উত্তর: ১৮
সঠিক উত্তর: D) ৬০
প্রদত্ত তথ্য:
মোট বাস ভাড়া ২৪০০ টাকা
অতিরিক্ত ছাত্রছাত্রী ১০ জন
ভাড়া কমে গেল ৮ টাকা প্রতি জন
ধরি,
প্রথমে বাসে ছাত্রছাত্রী ছিল ক জন
পরে মোট ছাত্রছাত্রী হলো ক + ১০ জন
অতএব,
আগে প্রতি জনের ভাড়া ছিল ২৪০০ ÷ ক টাকা
পরে প্রতি জনের ভাড়া হলো ২৪০০ ÷ (ক + ১০) টাকা
সুতরাং,
(২৪০০ ÷ ক) − (২৪০০ ÷ (ক + ১০)) = ৮
সমাধান করে পাই,
ক এর মান ৬০
উত্তর: ৬০ জন
সঠিক উত্তর: B) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
৯ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১২ দিনে
ধরি,
প্রথমে লোকসংখ্যা = ৯ জন
অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করা হলো = ৩ জন
মোট লোকসংখ্যা হলো = ৯ + ৩ = ১২ জন
অতএব,
৯ জন লোক কাজটি করে ১২ দিনে
১ জন লোক কাজটি করতে বেশি সময় নিবে, তাই গুণ হবে = ১২ × ৯ = ১০৮ দিনে
সুতরাং,
১২ জন লোক কাজটি শেষ করবে = ১০৮ ÷ ১২ = ৯ দিনে
উত্তর: ৯ দিন
সঠিক উত্তর: B) ৬.২৫% কমানাে হয়েছে
প্রদত্ত তথ্য:
পণ্যের মূল্য প্রথমে ২৫% বাড়ানো হলো
পরবর্তীতে বর্ধিত মূল্য থেকে ২৫% কমানো হলো
ধরি,
পণ্যের আদি বা প্রাথমিক মূল্য = ১০০ টাকা
অতএব,
২৫% বাড়ার পর পণ্যের মূল্য হয় = ১০০ + ২৫ = ১২৫ টাকা
এই ১২৫ টাকার ওপর আবার ২৫% কমানো হলো
১২৫ এর ২৫% হলো ৩০.২৫ টাকা
সুতরাং,
সর্বশেষ মূল্য দাঁড়ায় ১২৫ − ৩১.২৫ = ৯৩.৭৫ টাকা
উত্তর: ১০০ − ৯৩.৭৫ = ৬.২৫% কমানো হয়েছে
সঠিক উত্তর: D) ৫৬.২৫%
প্রদত্ত তথ্য:
৪ টাকায় ৫টি করে কমলা কেনা হলো
৫ টাকায় ৪টি করে কমলা বিক্রি করা হলো
ধরি,
মোট কমলার সংখ্যা = ৫ ও ৪ এর লসাগু = ২০টি
অতএব,
২০টি কমলার ক্রয়মূল্য = (৪ ÷ ৫) × ২০ = ১৬ টাকা
২০টি কমলার বিক্রয়মূল্য = (৫ ÷ ৪) × ২০ = ২৫ টাকা
লাভ হলো = ২৫ − ১৬ = ৯ টাকা
সুতরাং,
শতকরা লাভ = (৯ ÷ ১৬) × ১০০% = ৫৬.২৫%
উত্তর: ৫৬.২৫%
সঠিক উত্তর: B) ৪২৯২৫
প্রدত্ত তথ্য:
ধারার প্রথম পদ ১
ধারার শেষ পদ ৫০
ধরি,
পদ সংখ্যা (ন) = ৫০
বর্গের সমষ্টির সূত্রটি হলো
ন × (ন + ১) × (২ন + ১) ÷ ৬
অতএব,
ন এর মান ৫০ বসিয়ে পাই
৫০ × (৫০ + ১) × (২ × ৫০ + ১)
৫০ × ৫১ × ১০১
সুতরাং,
৫১ কে ৬ দিয়ে ভাগ এবং বাকি গুণ করে পাই
২৫৫০০৫০ ÷ ৬
উত্তর: ৪২৯২৫
সঠিক উত্তর: B) ৪১ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৭ বছর
পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর
ধরি,
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৭ × ৩ বছর = ১১১ বছর
পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৫ × ২ বছর = ৭০ বছর
অতএব,
মাতার বয়স বের করতে হবে পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি থেকে পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি বিয়োগ করে
সুতরাং,
মাতার বয়স = ১১১ বছর − ৭০ বছর = ৪১ বছর
উত্তর: ৪১ বছর
সঠিক উত্তর: D) ৬.১৫
কেন সঠিক:
- প্রস্তাবিত পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং ভায়াডাক্ট সহ মোট দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু, যা মাদারীপুরের শিবচর ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে সংযুক্ত করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫.০৩ — এটি পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য নয়, এটি যমুনা বহুমুখী সেতুর দৈর্ঘ্য।
B) ৬.০৩ — এই সংখ্যাটি পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্যের সাথে মিলে না এবং এটি একটি ভুল মান।
C) ৪.৮ — এটি পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্যের কোনো সঠিক পরিমাপ নয়, ভুল অপশন।
ডি) ৬.১৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ছয় দশমিক পনেরো কিলোমিটার।
সঠিক উত্তর: C) নিরাপত্তা পরিষদ
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী নতুন সদস্য গ্রহণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ বাধ্যতামূলক।
- নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ পাওয়ার পরই কেবল সাধারণ পরিষদ ভোটাভুতির মাধ্যমে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অছি পরিষদ — এটি বিশ্বযুদ্ধের পর যেসব ভূখণ্ড আত্মনির্ভরশীল হয়নি, তাদের তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করে এবং নতুন সদস্য গ্রহণে এর কোনো ভূমিকা নেই।
B) সাধারণ পরিষদ — এটি জাতিসংঘের প্রধান নীতিনির্ধারক সভা হলেও নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ ছাড়া কোনো দেশ সদস্য হতে পারে না।
C) নিরাপত্তা পরিষদ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত নয়।
D) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ — এটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং সদস্যপদ সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করে না।
মনে রাখার টিপস:
নতুন সদস্যের টিকিট পেতে হলে নিরাপত্তা পরিষদের সবুজ সংকেত বা সুপারিশ সবার আগে লাগবে।
সঠিক উত্তর: B) ফিরােজা বেগম
কেন সঠিক:
- ফিরােজা বেগম বাংলাদেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম টেস্টটিউব শিশুর সফল মা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।
- ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের নেতৃত্বে গঠিত চিকিৎসক দলের সফল প্রচেষ্টায় এই ঐতিহাসিক চিকিৎসা সাফল্য অর্জিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পারভীন ফাতেমা — ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নন এবং এই অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব নন।
B) ফিরােজা বেগম — ইনি বাংলাদেশের প্রথম টেস্টটিউব শিশুর মা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) রওশন জাহান — ইনি এই ঐতিহাসিক চিকিৎসা অর্জনের সঙ্গে যুক্ত কোনো পরিচিত ব্যক্তিত্ব নন।
D) কানিজ ফাতেমা — ইনিও এই টেস্টটিউব শিশু জন্মদানের ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট নন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রথম টেস্টটিউব শিশুর মায়ের নাম মনে রাখতে 'এফ' (Firoza) অক্ষর দিয়ে ফিরােজা বেগমকে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৩৬তম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ভাষণ দিয়ে এই সদস্যপদের পূর্ণ কূটনৈতিক স্বীকৃতি ও গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩৬তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ক্রমিক নম্বরেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল।
B) ১৩৭তম — এটি ভুল কারণ ১৩৭তম সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ যোগ দেয়নি, এই ক্রমটি অন্য কোনো রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) ১৩৮তম — এটি ভুল কারণ ১৩৮তম সদস্য হিসেবে অন্য কোনো দেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল।
D) ১৩৯তম — এটি ভুল কারণ জাতিসংঘের সদস্যপদ অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নির্ধারিত ক্রমিক নম্বর ১৩৯ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ৭৪ সালে সদস্য হয় এবং মোট সদস্যের সংখ্যা মনে রাখতে পারেন এভাবে যে বাংলাদেশ ১৩৬তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে প্রবেশ করেছিল।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও স্থপতি ছিলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৬ সালে তৎকালীন সরকারের সহযোগিতায় তিনি এই ঐতিহাসিক শহীদ মিনারের নকশা তৈরি ও নির্মাণকাজ শুরু করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তানভীর কবীর — তিনি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নন এবং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন।
B) হামিদুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়।
C) হামিদুজ্জামান — তিনি ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি নন।
D) অস্কার বাদল — প্রদত্ত উত্তরে এই নাম থাকলেও তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ মিনারের মূল স্থপতি হামিদুর রহমান, যার নামের শুরুতে 'হ' অক্ষর আছে এবং শহীদ শব্দের শুরুতেও 'শ' বা 'হ' ধ্বনির সংযোগ রয়েছে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
কেন সঠিক:
- হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একচল্লিশতম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- তিনি প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বি. এ. সিদ্দিকী — তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ছিলেন না।
B) খাজা ওয়াসিউদ্দিন — তিনি একজন বিশিষ্ট সামরিক কর্মকর্তা ও কুটনীতিক ছিলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হননি।
C) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি।
D) শমসের মবিন চৌধুরী — তিনি একজন বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক পররাষ্ট্র সচিব, তবে এই পদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘের সভাপতির আসনে বসা প্রথম বাঙালি হলেন হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।
সঠিক উত্তর: C) ২ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট ৬৮ জনকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- এই ৬৮ জন বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে মাত্র ২ জন নারী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।
- এই দুই নারী মুক্তিযোদ্ধা হলেন তারামন বিবি এবং ডা. ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার মোট সংখ্যা ৫ জন নয়।
B) ৭ জন — ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পেয়েছিলেন, যা নারী বীর প্রতীকের সংখ্যার সঙ্গে মিলে না।
C) ২ জন — এটি সঠিক অপশন কারণ মুক্তিযুদ্ধে মাত্র ২ জন নারী বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেছিলেন।
D) ৬ জন — এই সংখ্যাটি মুক্তিযুদ্ধে খেতাপ্রাপ্ত নারী বীর প্রতীকের প্রকৃত সংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
নারী বীর প্রতীক ২ জন হলেন তারামন বিবি ও সিতারা বেগম। খেতাবের সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন বীর প্রতীক নারী মাত্র দুজন।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৮
কেন সঠিক:
- বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য ১৯৯৮ সালে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তৎকালীন সরকার যুব সমাজের উন্নয়নে সহজ শর্তে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যে এই বিশেষায়িত ব্যাংকটি চালু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৫ — এই সালে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি অন্য কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
B) ১৯৯৬ — এই সালে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
C) ১৯৯৮ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
D) ২০০১ — এই সালটি কর্মসংস্থান ব্যাংকের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে ১৯৯৮ সালে এই ব্যাংক যাত্রা শুরু করে।
সঠিক উত্তর: B) ৮ম
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের সর্বশেষ প্রাক্কলন অনুযায়ী বর্তমান বিশ্বে জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম।
- প্রায় সতেরো কোটির অধিক জনসংখ্যা নিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ হিসেবে এই স্থানটি অর্জন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ম — পঞ্চম জনবহুল দেশ ব্রাজিল, যা বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যার ক্রমের সঙ্গে মেলে না।
B) ৮ম — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর এবং বর্তমান জনসংখ্যার ক্রম অনুযায়ী সঠিক।
C) ৯ম — নবম জনবহুল দেশ হিসেবে সাধারণত মেক্সিকো বা অন্য কোনো দেশকে নির্দেশ করা হয়, বাংলাদেশ নয়।
D) ১০ম — দশম জনবহুল দেশ রাশিয়া, যা জনসংখ্যার পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের চেয়ে পেছনে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের জনবহুল দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ অষ্টম অবস্থানে রয়েছে এবং এর জনসংখ্যা প্রায় সতেরো কোটি।
সঠিক উত্তর: A) ৮
কেন সঠিক:
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এর ভৌগোলিক আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার।
- কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে এই দ্বীপটি অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ — এটি সেন্টমার্টিন দ্বীপের সঠিক ও প্রমিত আয়তন।
B) ১০ — এই আয়তনটি সেন্টমার্টিনের বাস্তব ভৌগোলিক আয়তনের চেয়ে বেশি এবং এটি ভুল তথ্য।
C) ১২ — এই মানটি সেন্টমার্টিনের আয়তন হিসেবে সঠিক নয় এবং অন্য কোনো দ্বীপের সঙ্গে মিলে যেতে পারে।
D) ১৮ — এটি সেন্টমার্টিনের আয়তনের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না এবং এটি একটি অতিরিক্ত বেশি মান।
মনে রাখার টিপস:
সেন্টমার্টিন দ্বীপের আ দিয়ে আট শুরু হয় এবং এর আয়তনও প্রায় আট বর্গকিলোমিটার।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৩৩ (প্রদত্ত তথ্যে সালটি B) ১৯৭৩ হবে)
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং শান্তিপূর্ণ কাজে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহারের উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ — এই সালে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয়নি, এটি স্বাধীন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রশাসন গঠনের সময়।
B) ১৯৭৩ — এটি সঠিক সাল, এই সালেই বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
C) ১৯৭৫ — এই সালে কমিশন গঠিত হয়নি, এটি সঠিক উত্তরের পরের একটি সাল।
D) ১৯৯৭ — এই সালটি পরমাণু শক্তি কমিশন গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঠিক দুই বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: B) ক্যাটরিনা
কেন সঠিক:
- ২০০৫ সালের আগস্ট মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও পশ্চিম অঞ্চলে (বিশেষ করে লুইজিয়ানা ও নিউ অরলিন্স রাজ্যে) আঘাত হানা অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক হারিকেন ছিল ক্যাটরিনা।
- এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম সবচেয়ে মারাত্মক ও ব্যয়বহুল প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভেনিস — এটি হারিকেনের নাম নয়, এটি ইতালির একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও পর্যটন শহর।
B) ক্যাটরিনা — এটি ২০০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ বা পশ্চিম অঞ্চলে আঘাত হানার সঠিক উত্তর।
C) আইভান — এটি ২০০৪ সালে ক্যারিবীয় অঞ্চল ও যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলে আঘাত হানা অন্য একটি হারিকেন, ২০০৫ সালের নয়।
D) রিটাও ২০০৫ সালের একটি হারিকেন হলেও এটি ক্যাটরিনার পরে ওই অঞ্চলে আঘাত হেনেছিল, সর্বপ্রথম আঘাত হানে ক্যাটরিনা।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রে ২০০৫ সালে আঘাত হানা প্রথম ও সবচেয়ে মারাত্মক হারিকেন মনে রাখতে বর্ণানুক্রমিকভাবে ক অক্ষরটি প্রথমে আসে এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) নেদারল্যান্ডস
কেন সঠিক:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের প্রধান দেশগুলো হলো নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- নেদারল্যান্ডস উত্তর ইউরোপের দেশ হলেও ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক কারণে এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডেনমার্ক — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের অন্যতম প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী একটি দেশ।
B) ফিনল্যান্ড — ফিনল্যান্ড নর্ডিক দেশের অন্তর্ভুক্ত হলেও ভূগোলের বিচারে কঠোর অর্থে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অংশ নয়, তবে অপশন সি বেশি উপযুক্ত ও পরীক্ষিত সঠিক উত্তর।
C) নেদারল্যান্ডস — এটি পশ্চিম ইউরোপের দেশ এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ার বাইরে অবস্থিত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
D) সুইডেন — সুইডেন স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপে অবস্থিত এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ার প্রধান দেশ।
মনে রাখার টিপস:
স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মূল দেশ মনে রাখার সহজ শব্দ হলো নো-ডু-স্বু অর্থ নরওয়ে, ডেনমার্ক ও সুইডেন।
সঠিক উত্তর: D) উগندا
কেন সঠিক:
- উগান্ডা একটি খ্রিস্টানপ্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও ওআইসি (OIC) বা ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছে।
- দেশটির মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মুসলমান হওয়ায় তারা এই সংস্থার সদস্য হতে পেরেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইজেরিয়া — এটি মুসলমান প্রধান দেশ এবং ওআইসির সদস্য, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) লেবানন — এটি মুসলমান প্রধান দেশ না হলেও এটি ওআইসির সদস্য, তবে এই প্রশ্নে উগান্ডা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
C) নাইজার — এটি একটি মুসলমান প্রধান দেশ, তাই প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক নয়।
D) উগندا — এটি মুসলমান প্রধান না হলেও ওআইসির সদস্য এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকা মহাদেশের উগান্ডা দেশটিতে খ্রিস্টানরা বেশি থাকলেও তারা ওআইসির সদস্য।
সঠিক উত্তর: B) জন এফ. কেনেডি
কেন সঠিক:
- কিউবায় ক্ষেপণাস্ত্র সংকট সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে স্নায়ুযুদ্ধের সময়।
- এই সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জন এফ. কেনেডি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা ছিলেন নিকিতা ক্রুশ্চেভ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিচার্ড এম. নিক্সন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন কেনেডির পরে, ১৯৬৯ সালে।
B) জন এফ. কেনেডি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনি ১৯৬২ সালের সংকটের সময় প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
C) লিন্ডন বেইনস জনসন — তিনি ১৯৬৩ সালে কেনেডির হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হন।
D) হ্যারি এস. ট্রুম্যান — তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও স্নায়ুযুদ্ধের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
কিউবা সংকটের সময় কেনেডি ছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, এভাবে মনে রাখা যায় যে সংকটের (Crisis) সাথে কেনেডি (Kennedy) নামটির প্রথম অক্ষর কে (K) মিলে যায়।
সঠিক উত্তর: B) ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
কেন সঠিক:
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি পরপর চারবার অর্থাৎ প্রায় ১২ বছর ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৯৩৩ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হ্যারি এস. ট্রুম্যান — তিনি রুজভেল্টের মৃত্যুর পর ৩৩তম প্রেসিডেন্ট হন এবং প্রায় আট বছর ক্ষমতায় ছিলেন।
B) ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
C) জেমস মানরাও — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট হিসেবে মাত্র আট বছর বা দুটি মেয়াদে ক্ষমতায় ছিলেন।
D) তথ্যটি সঠিক নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এই তথ্যটি সঠিক নয় বলে গণ্য করা যাবে না।
মনে রাখার টিপস:
রুজভেল্ট চারবার নির্বাচিত হয়ে প্রায় বারো বছর ক্ষমতায় ছিলেন, তাই ১২ বছরের কথা থাকলেই ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট উত্তর হবে।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ৫৪৩
কেন সঠিক:
- ভারতীয় লোকসভার বর্তমান নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা ৫৪৩ জন।
- অতীতে দুটি আসনে ইঙ্গ-ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্য মনোনয়ন দেওয়ার বিধান থাকলেও ২০১৯ সালে সংবিধানের ১০৪তম সংশোধনীর মাধ্যমে তা বাতিল করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫৪৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে লোকসভার সব সদস্যই সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন।
B) ৫৪৫ — এটি ভুল কারণ পূর্বে ৫৪৩ জন নির্বাচিত এবং ২ জন মনোনীত মিলিয়ে মোট সদস্য সংখ্যা ৫৪৫ জন ছিল, যা বর্তমানে বাতিল হয়েছে।
C) ৪১৫ — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যার সঙ্গে ভারতীয় লোকসভার আসনসংখ্যার কোনো মিল নেই।
D) ৫৪০ — এটি ভুল কারণ এটি লোকসভার বর্তমান নির্বাচিত বা মোট সদস্য সংখ্যার সঠিক মান নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের লোকসভার আসন মনে রাখতে ৫৪৩ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে বর্তমানে কোনো মনোনীত সদস্য নেই।
সঠিক উত্তর: B) নিউজিল্যান্ড
কেন সঠিক:
- নিউজিল্যান্ড ১৮৯৩ সালে বিশ্বের প্রথম স্বশাসিত দেশ হিসেবে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে।
- গভর্নর লর্ড গ্লাসগো ১৮৯৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর নির্বাচনী আইনে স্বাক্ষর করলে মহিলারা এই অধিকার লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — মার্কিন নারীরা ১৯২০ সালে সংবিধানের ঊনবিংশ সংশোধনী পাসের মাধ্যমে ভোটাধিকার লাভ করেন।
B) নিউজিল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় নারীদের ভোটাধিকার প্রদানে বিশ্বে প্রথম স্থান অধিকার করে।
C) বাহামা — এই দেশের নারীরা ১৯৬১ সালে ভোটাধিকার লাভ করেন, যা নিউজিল্যান্ডের অনেক পরের ঘটনা।
D) সুইজারল্যান্ড — অত্যন্ত বিলম্বে ১৯৭১ সালে সুইজারল্যান্ডের মহিলারা ফেডারেল নির্বাচনে ভোটাধিকার লাভ করেন।
মনে রাখার টিপস:
নিউজ' মানে নতুন কিছু, আর নারীদের ভোটাধিকারের 'নতুন' ইতিহাস শুরু হয়েছিল নিউজিল্যান্ড দিয়ে।
সঠিক উত্তর: B) 1993
কেন সঠিক:
- কেমিক্যাল উইপন্স কনভেনশন বা রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন ১৯৯৩ সালের ১৩ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি এমন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1990 — এই সালে এই কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি পূর্ববর্তী স্নায়ুযুদ্ধ অবসানের সময় আলোচনার বছর ছিল।
B) 1993 — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ঐতিহাসিক কনভেনশনটিতে বিভিন্ন দেশ স্বাক্ষর করে।
C) 1996 — এই সালে কনভেনশনটি স্বাক্ষরিত হয়নি, তবে এটি কার্যকর হওয়ার পূর্ববর্তী বছর ছিল।
D) 1999 — এই সালে কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি চুক্তি স্বাক্ষরের অনেক পরের একটি বছর।
মনে রাখার টিপস:
রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধ করার এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৩ সালে এবং কার্যকর হয় ১৯৯৭ সালে।
সঠিক উত্তর: D) রক্ত সোপান
কেন সঠিক:
- গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে নির্মিত একটি বিখ্যাত স্মৃতিস্তম্ভ হলো রক্ত সোপান।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর সেনানীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিজয় স্তম্ভ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ বা বিজয়ের স্মরণে নির্মিত অন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্মৃতিস্তম্ভ, রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসের মূল স্মৃতিস্তম্ভের নাম নয়।
B) বিজয়কেতন — এটি সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনা বা পতাকার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, তবে রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম এটি নয়।
C) স্বাধীনতা সোপান — নামটি স্বাধীনতা সম্পর্কিত হলেও রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত নির্দিষ্ট মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভটির নাম এটি নয়।
D) রক্ত সোপান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের সঠিক নাম।
মনে রাখার টিপস:
রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসের শহীদদের রক্তে ভেজা স্মৃতির কথা মনে রাখতে এর নাম মনে রাখুন রক্ত সোপান।
সঠিক উত্তর: D) ১৭০ কি.মি.
কেন সঠিক:
- চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সাবমেরিন কেবল বা অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনের মূল প্রকল্পের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭০ কিলোমিটার।
- এই সংযোগের মাধ্যমে কক্সবাজারে পর্যটন খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭০০ কি.মি — এটি একটি অতিরিক্ত বড় দূরত্বের পরিমাপ, যা চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের প্রকৃত দূরত্বের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
B) ৫৭০ কি.মি. — এটি দেশের অন্যান্য দীর্ঘ সাবমেরিন কেবল বা অভ্যন্তরীণ ব্যাকবোন নেটওয়ার্কের দূরত্বের সাথে মিলে গেলেও এই রুটের জন্য সঠিক নয়।
C) ৩০০ কি.মি. — এই মানটি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের স্থলপথ বা সমুদ্রপথের সাবমেরিন কেবল স্থাপনের সঠিক দৈর্ঘ্য নয়।
D) ১৭০ কি.মি. — এটি চট্টগ্রাম হতে কক্সবাজার পর্যন্ত অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনের নির্ধারিত ও সঠিক দূরত্ব।
মনে রাখার টিপস:
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের সাবমেরিন কেবল সংযোগের দৈর্ঘ্য মনে রাখতে ১৭০ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) মৃণাল হক
কেন সঠিক:
- রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য 'দুর্জয়' এর ভাস্কর মৃণাল হক।
- এই ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ও আত্মত্যাগের প্রতীক হিসেবে নির্মিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, রাজারবাগ পুলিশ লাইনের দুর্জয় ভাস্কর্যের শিল্পী নন।
B) মৃণাল হক — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইনে দুর্জয় ভাস্কর্যটি তিনিই নির্মাণ করেছেন।
C) শামীম শিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত অপরাজেয় বাংলা এবং রাজু ভাস্কর্যের মতো বিখ্যাত ভাস্কর্যের শিল্পী।
D) নভেরা আহমেদ — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রথম দিকের ভাস্কর্য নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, দুর্জয় এর শিল্পী নন।
মনে রাখার টিপস:
পুলিশের সাহস ও দুর্জয় গতি বোঝাতে মৃণাল হকের তৈরি ভাস্কর্য রাজারবাগে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ২০১৫ সাল
কেন সঠিক:
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সময়কাল ছিল ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে নির্ধারিত আটটি লক্ষ্য অর্জনের সময়সীমা শেষ হয়েছিল ২০১৫ সালে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১০ সাল — এটি মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জনের নির্ধারিত সময়সীমা ছিল না।
B) ২০১৫ সাল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ২০২০ সাল — এটি মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলের সময়সীমা নয়, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার শুরুর দিকের বছর।
D) ২০২৫ সাল — এটি সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সময়কাল ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজি অর্জনের মেয়াদ ছিল পনেরো বছর, যা ২০০০ সালে শুরু হয়ে ২০১৫ সালে শেষ হয়।
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরদী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- এটি দেশের একমাত্র ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র যা আখের জাত উদ্ভাবন ও উন্নয়নে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনাজপুর — এটি উত্তরাঞ্চলের একটি জেলা হলেও এখানে ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত নয়।
B) গোপালপুর — নাটোরের লালপুরে অবস্থিত উত্তরবঙ্গ চিনিকলের একটি এলাকা, কিন্তু এটি প্রধান গবেষণা ইনস্টিটিউট নয়।
C) পাকশী — এটি ঈশ্বরদীরই একটি এলাকা এবং হার্ডিঞ্জ ব্রিজের জন্য পরিচিত, তবে গবেষণা ইনস্টিটিউটটি ঈশ্বরদী সদরে অবস্থিত।
D) ঈশ্বরদী — এটি সঠিক উত্তর কারণ গবেষণা ইনস্টিটিউটটির মূল কার্যালয় ও খামার এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ইক্ষু বা আখের মিষ্টি রস খেতে পছন্দ করে ঈশ্বর, তাই ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) ৪২৬ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট ৬৭৬ জনকে বীরত্ব সূচক খেতাব দেওয়া হয়।
- এর মধ্যে চতুর্থ ও সর্বশেষ বীরত্ব সূচক খেতাব বীর প্রতীক প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা হলো ৪২৬ জন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ জন — এটি মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ বীরত্ব সূচক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা।
B) ৬৮ জন — এটি মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্ব সূচক খেতাব বীর উত্তম প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা।
C) ১৭৫ জন — এটি মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় সর্বোচ্চ বীরত্ব সূচক খেতাব বীর বিক্রম প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা।
D) ৪২৬ জন — এটি সঠিক অপশন এবং বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা মনে রাখার ক্রম হলো ৭, ৬৮, ১৭৫ ও ৪২৬ (বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম, বীর প্রতীক)।
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা
সঠিক উত্তর: D) ১৭৭০ ডলার
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি ২০০৫ সালের একটি নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের তথ্যভিত্তিক, যেখানে ক্রয়ক্ষমতার সমতা বা পিপিপিপি এর ভিত্তিতে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি নির্দেশ করা হয়েছে।
- এই ধরনের পুরোনো বা নির্দিষ্ট সালভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে নথির তথ্যানুযায়ী প্রদত্ত মানটিই সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৪৪ ডলার — এটি তৎকালীন সময়ের প্রচলিত বিনিময় হারে বাংলাদেশের nominal মাথাপিছু আয়ের একটি পুরোনো পরিসংখ্যান যা এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) ৭৭০ ডলার — এটি অন্য কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছর বা ভিন্ন মাপকাঠির মাথাপিছু আয়ের হিসাব, যা সেপ্টেম্বর ২০০৫ সালের এই বিশেষ প্রতিবেদনের সঙ্গে মেলে না।
C) ১০৭০ ডলার — এটি পরবর্তী কোনো এক সময়ের মাথাপিছু আয়ের পরিসংখ্যান বা লক্ষ্যমাত্রা নির্দেশ করে, যা এই প্রশ্নের জন্য সঠিক নয়।
D) ১৭৭০ ডলার — এটি সেপ্টেম্বর ২০০৫ সালের নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী সঠিক মান হওয়ায় এটিই উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সেপ্টেম্বর ২০০৫ সালের UNDP প্রতিবেদনের তথ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি ১৭৭০ ডলার হিসেবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ২৮(২) নং অনুচ্ছেদে
কেন সঠিক:
- সংবিধানের ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদের ১ উপচ্ছেদে কেবল ধর্মের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য না করার কথা বলা হয়েছে।
- এর পরের উপচ্ছেদ অর্থাৎ ২৮(২) অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ নং অনুচ্ছেদে — এই অনুচ্ছেদে জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে নারীগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে, যা সরাসরি সমান অধিকারের বিষয়টি বলে না।
B) ২১(২) নং অনুচ্ছেদে — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের জনগণের সেবা করার দায়িত্ব পালনের কথা বলা হয়েছে।
C) ২৭ নং অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
D) ২৮(২) নং অনুচ্ছেদে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই বিশেষভাবে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
নারী পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি সংবিধানের ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদের দুই নম্বর উপচ্ছেদে অর্থাৎ ২৮(২) ধারায় রয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) জনসংখ্যাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
কেন সঠিক:
- NIPORT হলো ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং, যা পরিবার পরিকল্পনা ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে।
- এটি মূলত দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের উন্নয়নে গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ পরিচালনা করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জনসংখ্যাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান — এটি সঠিক উত্তর কারণ NIPORT মূলত জনস্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা নিয়ে গবেষণা করে।
B) পােলট্রি ফার্মবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান — এটি ভুল কারণ পোলট্রি বা মুরগি পালন গবেষণা এর আওতাভুক্ত নয়, যা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কাজ।
C) নদী বন্দরবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান — এটি ভুল কারণ নদী বন্দর বা নৌপরিবহন সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) বন্দরবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান — এটি ভুল কারণ সমুদ্রবন্দর বা নৌবাণিজ্য নিয়ে এই প্রতিষ্ঠান কাজ করে না।
মনে রাখার টিপস:
NIPORT নামের প্রথম শব্দ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন থেকে সহজেই মনে রাখা যায় এটি জনসংখ্যাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান।
সঠিক উত্তর: A) রাজশাহী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি ডাক বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পেশাগত প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য প্রতিষ্ঠিত প্রধান প্রতিষ্ঠান।
- এটি উত্তরবঙ্গের প্রধান শিক্ষানগরী রাজশাহীতে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি এখানেই অবস্থিত।
B) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং প্রধান ডাকঘর অবস্থিত হলেও পোস্টাল একাডেমি এখানে নয়।
C) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান সমুদ্রবন্দর ও বাণিজ্যিক অঞ্চল হলেও এই নির্দিষ্ট একাডেমি এখানে অবস্থিত নয়।
D) খুলনা — এটি দক্ষিণ অঞ্চলের প্রধান শহর হলেও বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমির অবস্থান এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
ডাক বিভাগের প্রশিক্ষণ একাডেমি উত্তরবঙ্গের রাজশাহী শহরে অবস্থিত, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
**প্রশ্নের ধরন:** আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ইতিহাস
**প্রদত্ত উত্তরের মূল্যায়ন:** প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। নোবেল পুরস্কার পাওয়া প্রথম মুসলিম মনীষী হলেন প্রফেসর আব্দুস সালাম। আনোয়ার সাদাত প্রথম মুসলিম হিসেবে নোবেল পেয়েছেন কথাটি সঠিক নয়, তবে তিনি প্রথম আরব নেতা হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) প্রফেসর আব্দুস সালাম
কেন সঠিক:
- পাকিস্তানি পদার্থবিজ্ঞানী প্রফেসর আব্দুস সালাম ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনিই ইতিহাসের প্রথম মুসলিম ব্যক্তি হিসেবে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইয়াসির আরাফাত — তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি নেতা যিনি ১৯৯৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান, তবে প্রথম মুসলিম নন।
B) নাগীব মাহফুজ — তিনি প্রথম আরব সাহিত্যিক হিসেবে ১৯৮৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান, তবে প্রথম মুসলিম নন।
C) আনোয়ার সাদাত — তিনি মিশরের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৯৭৯ সালে প্রথম আরব নেতা হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান, কিন্তু প্রথম মুসলিম নন।
D) প্রফেসর আব্দুস সালাম — এই অপশনটিই সঠিক এবং তিনি ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়ে প্রথম মুসলিম হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।
মনে রাখার টিপস:
পদার্থে সালাম দিয়ে প্রথম মুসলিম হিসেবে নোবেল জয় করেন প্রফেসর আব্দুস সালাম (১৯৭৯)।
সঠিক উত্তর: D) আবদুল্লাহ
কেন সঠিক:
- বাদশা ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ ২০০৫ সালের পহেলা আগস্ট মৃত্যুবরণ করলে তাঁর সৎ ভাই আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ সৌদি আরবের নতুন বাদশাহ হিসেবে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি সৌদি আরবের ষষ্ঠ বাদশাহ ছিলেন এবং এর আগে দীর্ঘদিন ক্রাউন প্রিন্স ও দেশের কার্যত শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খালেদ — তিনি বাদশা ফাহাদের আগের বাদশাহ ছিলেন, পরের নন।
B) ফয়সাল — তিনি সৌদি আরবের তৃতীয় বাদশাহ ছিলেন এবং ফাহাদের অনেক আগে শাসন করেছেন।
C) আব্দুল আজিজ — তিনি আধুনিক সৌদি আরব রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম বাদশাহ ছিলেন।
D) আবদুল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফাহাদের পরে আসেন আবদুল্লাহ, এভাবে আ বর্ণ দিয়ে ফাহাদ-পরবর্তী বাদশাহকে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) লন্ডন
কেন সঠিক:
- অক্সফাম একটি আন্তর্জাতিক দাতব্য ও সাহায্য সংস্থা যা দারিদ্র্য বিমোচন নিয়ে কাজ করে।
- এই সংস্থাটির বর্তমান আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত হলেও অক্সফামের সদর দপ্তর এখানে নয়।
B) নিউইয়র্ক — এটি প্রশ্নে পুনরাবৃত্তি হওয়া একটি ভুল অপশন এবং অক্সফামের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) লন্ডন — এটি সঠিক উত্তর কারণ অক্সফামের মূল আন্তর্জাতিক সচিবালয় এই শহরে অবস্থিত।
D) হেগ — এটি নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক আদালতের শহর, অক্সফামের সদর দপ্তর এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
অক্সফাম নামের সাহায্য সংস্থাটি মনে রাখতে ব্রিটিশ রাজত্বের রাজধানী লন্ডন শহরের কথা মাথায় রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) ম্যাকাউ
কেন সঠিক:
- ম্যাকাউ অঞ্চলটি পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল এবং ১৯৯৯ সালের ২০ ডিসেম্বর চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- বিংশ শতাব্দীর একদম শেষের এই সময়টিতে উপনিবেশবাদের অবসান ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হংকং — এটি বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে অর্থাৎ ১৯৯৭ সালে যুক্তরাজ্যের নিকট থেকে চীনের কাছে হস্তান্তরিত হয়, যা উপনিবেশবাদের মুক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হলেও ম্যাকাউ তারও পরে ১৯৯৯ সালে মুক্ত হয়।
B) শ্রীলংকা — এটি ব্রিটিশ শাসন থেকে ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করে, যা বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগের ঘটনা।
C) ম্যাকাউ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
D) বাংলাদেশ — এটি পাকিস্তান থেকে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে, যা বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাকাউ ১৯৯৯ সালে এবং হংকং ১৯৯৭ সালে চীনের কাছে হস্তান্তরিত হয়ে বিংশ শতাব্দীর শেষের উপনিবেশমুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: C) সল্ট-২ চুক্তি (SALT-2)
কেন সঠিক:
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণের এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও রাজনৈতিক সংকটের কারণে মার্কিন সিনেট একে অনুমোদন দেয়নি।
- ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নের আফগানিস্তান আক্রমণের পর মার্কিন সিনেটে স্থবির হয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এবিএম চুক্তি (ABM) — ১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিত এই মার্কিন-সোভিয়েত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সীমিতকরণ চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছিল।
B) সল্ট-১ চুক্তি (SALT-1) — ১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিত এই কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তিটি মার্কিন সিনেটের অনুমোদন লাভ করেছিল।
D) স্টার্ট-১ চুক্তি (START-1) — ১৯৯১ সালে স্বাক্ষরিত এই কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস চুক্তিটি পরবর্তীতে মার্কিন সিনেট কর্তৃক অনুমােদিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের সল্ট চুক্তিগুলোর মধ্যে প্রথমটি পাশ হলেও দ্বিতীয়টি তথা সল্ট-২ সিনেটের বাধা পেরোতে পারেনি।
সঠিক উত্তর: A) 1977
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ঐতিহাসিক তথ্য
কেন সঠিক:
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- সংগঠনটি নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার জন্য এই আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1977 - এই সালে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়েছিল এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) 1978 - এই সালে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল নোবেল পুরস্কার পায়নি, তাই এটি ভুল উত্তর।
C) 1979 - এই সালে মাদার তেরেসা নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছিলেন, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) 1981 - এই সালে জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা বা ইউএনএইচসিআর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
সংগঠন হিসেবে মানবাধিকার রক্ষার স্বীকৃতি পেতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সময় লেগেছিল ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তির
কেন সঠিক:
- START শব্দের পূর্ণরূপ হলো স্ট্র্যাটেজিক আর্মস রিডাকশন ট্রিটি, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল পরমাণু অস্ত্র ও কৌশলগত আক্রমণাত্মক অস্ত্রের ভাণ্ডার সীমিত এবং হ্রাস করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিভিতে সম্প্রচারিত একটি সিরিয়াল — এই অপশনটি ভুল কারণ START-2 কোনো টেলিভিশন অনুষ্ঠান বা ধারাবাহিক নয়।
B) বাণিজ্যসংক্রান্ত একটি চুক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো অর্থনৈতিক বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের চুক্তি নয়।
C) কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তির — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি পরাশক্তির মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র কমানোর ঐতিহাসিক চুক্তি।
D) এর কোনটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সি অপশনে সঠিক উত্তরটি স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
START শব্দের প্রথম অংশ স্ট্র্যাটেজিক বা কৌশলগত এবং আর্মস বা অস্ত্র শব্দ দ্বারা সহজেই অস্ত্র হ্রাসের চুক্তি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ২৭
কেন সঠিক:
- আসিয়ান রিজিওনাল ফোরাম বা এআরএফ হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের নিরাপত্তা বিষয়ক একটি সংলাপ মঞ্চ।
- এই ফোরামের বর্তমান সদস্যসংখ্যা মোট ২৭টি দেশ, যার মধ্যে আসিয়ানভুক্ত ১০টি দেশ এবং এর বাইরের অংশীদার দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ — এই সংখ্যাটি আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামের সদস্যসংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি একটি ভুল তথ্য।
B) ২২ — এটি এই প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত সঠিক সদস্যসংখ্যা নয়, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
C) ২৩ — এই সংখ্যাটি এআরএফ জোটের প্রকৃত সদস্যসংখ্যার চেয়ে কম।
D) ২৭ — এটি আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামের সঠিক ও বর্তমান সদস্যসংখ্যা নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
আসিয়ান সদস্য ১০ এর সঙ্গে ১৭ যোগ করলেই এআরএফ বা আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামের মোট সদস্য সংখ্যা ২৭ পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: B) ২২ বছর
কেন সঠিক:
- ড মাহাথির মোহাম্মদ ১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত প্রথম দফায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- এই দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থেকে তিনি দেশটির অর্থনীতিকে আধুনিক ও শক্তিশালী রাষ্ট্রে রূপান্তর করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ বছর — এটি সঠিক মেয়াদকাল নয় কারণ তিনি ১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত মোট ২২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন।
B) ২২ বছর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত একটানা ২২ বছর দেশ পরিচালনা করেন।
C) ২৪ বছর — এটি ভুল কারণ তিনি এর চেয়ে কম সময় অর্থাৎ ২২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন।
D) ২৫ বছর — এটি ভুল কারণ তাঁর প্রথম দফার শাসনকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
ড মাহাথির মোহাম্মদের প্রথম মেয়াদের ক্ষমতা ছিল ১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত, যা হিসাব করলে ঠিক ২২ বছর হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে বাংলাদেশ এই মুসলিম বিশ্বের প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ সালে — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি, বরং সদ্য স্বাধীন দেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভের বছর ছিল এটি।
B) ১৯৭৩ সালে — এই বছর বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ পায়নি, তবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের বছর ছিল।
C) ১৯৭৪ সালে — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছিল।
D) ১৯৭৫ সালে — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের শোকাবহ বছর হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে ওআইসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং বাংলাদেশ ওই বছরেই এর সদস্যপদ লাভ করে।
সঠিক উত্তর: C) কুর্দি
কেন সঠিক:
- জালাল তালাবানি ছিলেন ইরাকের প্রথম কুর্দি বংশোদ্ভূত রাষ্ট্রপতি এবং তিনি জাতিগতভাবে একজন কুর্দি সম্প্রদায়ের মানুষ।
- ইরাকের রাজনীতিতে কুর্দি সম্প্রদায় একটি প্রধান অংশ এবং তিনি দেশটির উত্তরাঞ্চলের কুর্দিস্তান অঞ্চলের একজন শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুন্নি — জালাল তালাবানি সুন্নি সম্প্রদায়ের মুসলিম ছিলেন না, তিনি কুর্দি জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
B) শিয়া — ইরাকের জনসংখ্যার বড় অংশ শিয়া হলেও জালাল তালাবানি শিয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করতেন না।
C) কুর্দি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি কুর্দি জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
D) খ্রিস্টান — তিনি খ্রিস্টধর্মের অনুসারী ছিলেন না, বরং মুসলিম পরিবারের কুর্দি বংশোদ্ভূত নেতা ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
জালাল তালাবানি নামের সাথে কুর্দিস্তান ও কুর্দি জাতিগোষ্ঠীর সংযোগ মনে রাখলে উত্তর সহজেই অনুমান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) পেট্রোল ইঞ্জিনে
১. কেন সঠিক:
পেট্রোল ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসেবে পেট্রোল ব্যবহার করা হয় যা অত্যন্ত উদ্বায়ী এবং সিলিন্ডারে প্রবেশের আগে এটিকে বায়ুর সঙ্গে নিখুঁতভাবে মিশিয়ে গ্যাসীয় মিশ্রণ তৈরি করতে হয়।
কার্বুরেটর এই কাজটিই করে থাকে কারণ এটি বায়ু ও পেট্রোলের সঠিক অনুপাত নিশ্চিত করে ইঞ্জিনের দহনকক্ষে পাঠায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কার্বুরেটর হলো এমন একটি যন্ত্র যা নির্দিষ্ট অনুপাতে বাতাস এবং তরল জ্বালানি মিশিয়ে দহনযোগ্য মিশ্রণ তৈরি করে।
কার্যপ্রণালি: ভেঞ্চুরি নীতির ওপর ভিত্তি করে এটি কাজ করে যেখানে বায়ুর গতির ফলে সৃষ্ট নিম্নচাপের মাধ্যমে পেট্রোল শোষিত হয়ে বায়ুর সঙ্গে মিশে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ মোটর সাইকেল বা প্রাইভেট কারের ইঞ্জিন।
ব্যাখ্যা: এই যানবাহনগুলোতে পেট্রোল ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয় এবং জ্বালানি সরবরাহের জন্য কার্বুরেটর বা আধুনিক ইলেকট্রনিক ফুয়েল ইনজেকশন থাকে।
উদাহরণ ২: লন মোওয়ার বা ছোট ঘাস কাটার মেশিন।
ব্যাখ্যা: ছোট আকৃতির এই পেট্রোল চালিত যন্ত্রগুলোতে সরল প্রকৃতির কার্বুরেটর ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেট্রোল ইঞ্জিনে — এই অপশনটি সঠিক কারণ পেট্রোল ইঞ্জিনে বায়ু ও জ্বালানির মিশ্রণ তৈরির জন্য কার্বুরেটর অপরিহার্য।
B) ডিজেল ইঞ্জিনে — ডিজেল অত্যন্ত ভারী ও কম উদ্বায়ী হওয়ায় এতে কার্বুরেটর থাকে না, পরিবর্তে ফুয়েল ইনজেক্টর ও ফুয়েল পাম্প ব্যবহৃত হয়।
C) রকেট ইঞ্জিনে — রকেটে তরল হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন বা কঠিন প্রোপেল্যান্ট ব্যবহার করা হয় যেখানে কার্বুরেটর ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।
D) বিমান ইঞ্জিনে — আধুনিক বিমানে গ্যাস টারবাইন বা জেট ইঞ্জিন অথবা ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেমযুক্ত ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়, সাধারণ কার্বুরেটর নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
পেট্রোল ও কার্বুরেটর শব্দ দুটি একে অপরের পরিপূরক হিসেবে মনে রাখবে। ডিজেল ইঞ্জিনে পাম্প ও ইনজেক্টর থাকে আর পেট্রোল ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কার্বুরেটর কোন নীতির ওপর কাজ করে তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একই ধারণা থেকে ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেম সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) গামা রশ্মি
১. কেন সঠিক:
- গামা রশ্মি হলো তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীর সবচেয়ে কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং সবচেয়ে বেশি শক্তি সম্পন্ন বিকিরণ।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ার কারণে এর ভেদন ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি হয় এবং এটি পদার্থের ভেতর দিয়ে সহজেই চলে যেতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীতে রেডিও তরঙ্গ থেকে শুরু করে গামা রশ্মি পর্যন্ত বিভিন্ন তরঙ্গ রয়েছে যেখানে কম্পাঙ্ক বাড়লে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমে।
- কার্যপ্রণালি: তেজস্ক্রিয় পরমাণুর নিউক্লিয়াস যখন উচ্চ শক্তিস্তর থেকে নিম্ন শক্তিস্তরে নামে তখন অতিরিক্ত শক্তি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গামা ফোটন হিসেবে নির্গত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: ক্যানসার চিকিৎসায় টিউমারের কোষ ধ্বংস করতে এবং চিকিৎসাকরণ সামগ্রী জীবাণুমুক্ত করতে গামা রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোবাল্ট ষাট থেকে নির্গত গামা রশ্মি ব্যবহার করে ক্যানসার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়।
ব্যাখ্যা: এই তীব্র ভেদন ক্ষমতার রশ্মি শরীরের ভেতর থাকা ক্ষতিকর কোষ ধ্বংস করতে পারে।
উদাহরণ ২: মহাকাশ থেকে আসা গামা রশ্মি বিস্ফোরণ গ্যালাক্সির জন্ম ও ব্ল্যাকহোল সৃষ্টির রহস্য উন্মোচনে সাহায্য করে।
ব্যাখ্যা: মহাজাগতিক উচ্চ শক্তির ঘটনার ফলে এই রশ্মি উৎপন্ন হয় যা বিজ্ঞানীদের মহাবিশ্ব বুঝতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলফা রশ্মি — এটি মূলত হিলিয়াম নিউক্লিয়াসের স্রোত যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য গামা রশ্মির চেয়ে অনেক বেশি এবং ভেদন ক্ষমতা কম।
B) বিটা রশ্মি — এটি উচ্চগতির ইলেকট্রন বা পজিট্রনের প্রবাহ যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও ভেদন ক্ষমতা আলফা অপেক্ষা বেশি কিন্তু গামা অপেক্ষা কম।
C) গামা রশ্মি — এটি প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিকিরণ এবং এটিই সঠিক উত্তর।
D) রঞ্জন রশ্মি — এটি এক্সরে নামে পরিচিত যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য গামা রশ্মির চেয়ে বেশি এবং এটি চিকিৎসায় দেহের অভ্যন্তরীণ হাড়ের ছবি তুলতে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীতে বাম থেকে ডানে গেলে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমে এবং শক্তি বাড়ে।
- গামা রশ্মি বর্ণালীর সর্বডানে থাকে তাই এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং শক্তি সবচেয়ে বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা ভেদন ক্ষমতার ক্রম জানতে চাওয়া হয়।
- মনে রাখবে যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার ভেদন ক্ষমতা তত বেশি।
সঠিক উত্তর: B) চারটি
১. কেন সঠিক:
মানুষের হৃৎপিণ্ড একটি পাম্পের মতো কাজ করে যা সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন করে। উন্নত প্রাণীর শারীরবৃত্তীয় চাহিদা মেটাতে এর প্রকোষ্ঠগুলো রক্তকে অক্সিজেনযুক্ত ও অক্সিজেনমুক্ত ভাগে বিভক্ত রাখে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মানুষের হৃৎপিণ্ড পেশীবহুল অঙ্গ যা দুটি অলিন্দ এবং দুটি নিলয় নিয়ে গঠিত।
কার্যপ্রণালি: ডান প্রকোষ্ঠগুলো ফুসফুসে রক্ত পাঠায় এবং বাম প্রকোষ্ঠগুলো সমস্ত দেহে বিশুদ্ধ রক্ত সরবরাহ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্তন্যপায়ী প্রাণী যেমন কুকুর বা বিড়াল।
ব্যাখ্যা: এদের হৃৎপিণ্ডেও মানুষের মতো চারটি প্রকোষ্ঠ থাকে যা উষ্ণ রক্ত বিশিষ্ট প্রাণীর বিপাক হার বজায় রাখে।
উদাহরণ ২: পাখি।
ব্যাখ্যা: পাখিদের উচ্চ শক্তির চাহিদা পূরণের জন্য চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হৃৎপিণ্ড অত্যন্ত দ্রুত রক্ত পাম্প করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুটি — দুটি প্রকোষ্ঠ সাধারণ মাছের হৃৎপিণ্ডে থাকে যা সরল রক্তসংবহনতন্ত্র নির্দেশ করে।
B) চারটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানুষের হৃৎপিণ্ড চারটি সম্পূর্ণ প্রকোষ্ঠে বিভক্ত।
C) ছয়টি — প্রকৃতিতে মেরুদণ্ডী প্রাণীদের মধ্যে ছয় প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হৃৎপিণ্ড সচরাচর দেখা যায় না।
D) আটটি — আট প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হৃৎপিণ্ড মেরুদণ্ডী প্রাণীর ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক হিসেবে অবাস্তব।
৫. মনে রাখার টিপস:
মানুষের দুটি হাত ও দুটি পা, ঠিক তেমনি হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠও চারটি অর্থাৎ দুটি অলিন্দ এবং দুটি নিলয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
স্তন্যপায়ী ও পাখি উভয় শ্রেণীর প্রাণীর হৃৎপিণ্ডেই চারটি প্রকোষ্ঠ থাকে। উভচর ও সরীসৃপ প্রাণীর হৃৎপিণ্ড সংক্রান্ত প্রশ্নও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) উচ্চ চাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
১. কেন সঠিক:
- প্রেসার কুকারে বায়ুরোধী ঢাকনা ব্যবহার করায় ভেতরে বাষ্পের চাপ স্বাভাবিক বায়ুচাপের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়।
- উচ্চ চাপের কারণে জলের স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে প্রায় ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তরলের ওপর চাপ বাড়লে তার স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় এবং চাপ কমলে স্ফুটনাংক হ্রাস পায়।
- কার্যপ্রণালি: বদ্ধ পাত্রে জল ফুটলে উৎপন্ন বাষ্প বের হতে না পেরে পাত্রের ভেতরে অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি করে।
- কারণ ও ফলাফল: উচ্চ তাপমাত্রায় জল ফোটার ফলে রান্নার পাত্রের ভেতরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা খাবার দ্রুত সেদ্ধ করতে সাহায্য করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: পাহাড়ি এলাকায় বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কম থাকায় জলের স্ফুটনাংক কমে যায়, তাই সেখানে রান্না করতে বেশি সময় লাগে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়ের চূড়ায় রান্না করতে বেশি সময় লাগা
ব্যাখ্যা: সেখানে বায়ুর চাপ কম থাকায় জল কম তাপমাত্রাতেই ফুটতে শুরু করে, ফলে খাবার ভালোভাবে সেদ্ধ হতে দেরি হয়।
উদাহরণ ২: প্রেসার কুকারে মাংস বা ডাল রান্না করা
ব্যাখ্যা: কুকারের ভেতরের উচ্চ চাপ ও তাপমাত্রার কারণে শক্ত খাবার দ্রুত নরম ও সেদ্ধ হয়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রান্নার জন্য শুধু তাপ নয় চাপও কাজে লাগে — চাপ সরাসরি রান্না করে না, বরং উচ্চ চাপ জলের স্ফুটনাংক বাড়িয়ে উচ্চ তাপমাত্রা তৈরি করতে সাহায্য করে।
B) বদ্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয় — তাপ সংরক্ষণই একমাত্র কারণ নয়, মূলত বর্ধিত চাপের ফলে স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পাওয়াই রান্নার মূল চাবিকাঠি।
C) উচ্চ চাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) সঞ্চিত বাষ্পের তাপ রান্নার সহায়ক — কেবল বাষ্পের তাপ নয়, বর্ধিত চাপে জলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পাওয়ায় উচ্চ তাপমাত্রার সৃষ্টি হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চাপ বাড়লে স্ফুটনাংক বাড়ে, আর স্ফুটনাংক বাড়লে রান্নার সময় কমে যায়।
- প্রেসার কুকার মানেই উচ্চ চাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে জলের স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- এই একই নীতি কাজে লাগিয়ে বায়ুমণ্ডলীয় চাপের পরিবর্তন সংক্রান্ত অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) প্লীহায়
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকার স্বাভাবিক জীবনকাল প্রায় একশত কুড়ি দিন এবং এই সময় শেষ হলে প্লীহায় সেগুলো ভেঙে ধ্বংস হয়।
- লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিন ভেঙে হিম ও গ্লোবিন অংশে বিভক্ত হয় এবং হিম অংশ থেকে বর্জ্য পদার্থ হিসেবে বিলিরুবিন উৎপন্ন হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: প্লীহা হলো লোহিত রক্তকণিকার প্রধান শ্মশান বা কবরস্থান যেখানে পুরোনো ও দুর্বল রক্তকণিকা ধ্বংস করা হয়।
- কার্যপ্রণালি: প্লীহায় ম্যাক্রোফেজ কোষ দ্বারা লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংসের সময় হিমোগ্লোবিনের বিপাকক্রিয়ার মাধ্যমে বিলিভার্ডিন এবং পরে তা থেকে বিলিরুবিন তৈরি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জন্ডিস রোগ হলে ত্বকের রঙ হলুদ হয়ে যায় কারণ রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত বিলিরুবিন যকৃতের মাধ্যমে শরীর থেকে সম্পূর্ণরূপে নিষ্কাশিত হতে না পেরে রক্তে জমতে শুরু করে।
উদাহরণ ২: আঘাতজনিত কারণে ত্বকের নিচে কালচে বা হলুদ রঙের দাগ দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: ওই স্থানে জমা হওয়া রক্তকণিকা ভেঙে বিলিরুবিনে পরিণত হওয়ার কারণে রঙের এই পরিবর্তন ঘটে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিত্তথলিতে — পিত্তথলি কেবল যকৃতে উৎপাদিত পিত্তরস জমা করে ও ঘন করে কিন্তু বিলিরুবিন এখানে তৈরি হয় না।
B) কিডনিতে — কিডনি রক্ত থেকে ইউরিয়া ও অন্যান্য নাইট্রোজেনযুক্ত বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে মূত্র হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয়।
D) যকৃতে — যকৃতে বিলিরুবিন তৈরি হয় না বরং প্লীহা থেকে আসা বিলিরুবিন যকৃতে এসে পিত্তরসের সাথে মিশে অন্ত্রের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রক্তকণিকা ধ্বংস হয় প্লীহায়, তাই বিলিরুবিন তৈরির আদি স্থান হলো প্লীহা।
- যকৃত বিলিরুবিন তৈরি করে না, বরং শরীর থেকে এটি ফিল্টার করে বের করে দিতে সাহায্য করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- লোহিত রক্তকণিকার জীবনকাল এবং বিলিরুবিনের উৎস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় আসে।
- রক্তে বিলিরুবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে জন্ডিস রোগ হয়, এই তথ্যটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) মেলানিন
১. কেন সঠিক:
মানুষের ত্বক, চুল এবং চোখের রঙের বৈচিত্র্য মূলত মেলানিন নামক এক ধরনের জৈব রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে।
ত্বকের এপিডার্মিস স্তরের মেলানোসাইট কোষ থেকে এই পিগমেন্ট বা রঞ্জক উৎপাদিত হয় যা অতিবেগুনি রশ্মি থেকে দেহকে রক্ষা করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মেলানিন হলো এক ধরনের প্রাকৃতিক পলিমার রঞ্জক যা মানুষসহ বিভিন্ন প্রাণীর দেহে রঙের সৃষ্টি করে।
কার্যপ্রণালি: সূর্যের আলো বা অতিবেগুনি রশ্মির সংস্পর্শে এলে মেলানোসাইট কোষ বেশি পরিমাণে মেলানিন তৈরি করে, ফলে ত্বক সাময়িকভাবে কালো বা শ্যামলা হয়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষুবীয় অঞ্চলের মানুষের ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ বেশি থাকে, যার কারণে তাদের ত্বক সাধারণত শ্যামলা বা কালচে হয়।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত সূর্যালোক থেকে শরীরকে রক্ষা করার প্রাকৃতিক উপায় হিসেবে তাদের ত্বকে বেশি মেলানিন উৎপাদিত হয়।
উদাহরণ ২: ইউরোপীয় বা শীতপ্রধান দেশের মানুষের ত্বকে মেলানিনের মাত্রা কম থাকে, ফলে তাদের ত্বক সাধারণত ফর্সা বা সাদা হয়।
ব্যাখ্যা: কম সূর্যালোকের অঞ্চলে ভিটামিন ডি সংশ্লেষণের জন্য তাদের ত্বকে কম মেলানিনের প্রয়োজন হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেলানিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মানবদেহের ত্বক, চুল ও চোখের রঞ্জক হিসেবে কাজ করে এবং গায়ের রং নির্ধারণ করে।
B) গায়ামিন — এটি মানবদেহের গায়ের রং নির্ধারণকারী কোনো বৈজ্ঞানিক উপাদান বা রঞ্জক পদার্থ নয়, এটি মূলত একটি বিভ্রান্তিকর নাম।
C) ক্যারােটিন — এটি একটি হলুদ বা কমলা রঙের রঞ্জক যা গাজর বা মিষ্টি আলুতে থাকে এবং ত্বকে সামান্য হলুদাভ ভাব আনতে পারে, তবে মূল গায়ের রং নির্ধারণ করে না।
D) হিমােগ্লোবিন — এটি রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় থাকা প্রোটিন যা অক্সিজেন পরিবহন করে এবং ত্বকে হালকা লালচে বা গোলাপি আভা দিতে সাহায্য করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ত্বকের রঙের মূল চাবিকাঠি হলো মেলানিন, যা আমাদের অতিরিক্ত রোদ থেকে বাঁচায়।
মেলানিন শব্দটির সঙ্গে মেলার মাধ্যমে মনে রাখতে পারেন যে এটি মানুষের মেলবন্ধন বা শারীরিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মেলানিন উৎপাদনের অভাব ঘটলে মানুষের ত্বক ও চুলে সাদা দাগ দেখা দিতে পারে যাকে আলবিনো বা শ্বেতীরোগ বলা হয়।
একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষাকারী প্রধান উপাদান কোনটি।
সঠিক উত্তর: C) সৃষ্ট শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে
১. কেন সঠিক:
বাদুড় ইকোলোকেশন বা প্রতিধ্বনিভিত্তিক অবস্থান নির্ণয় পদ্ধতির মাধ্যমে অন্ধকারে চলাফেরা করে।
তারা মুখ বা নাক থেকে উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ তরঙ্গ তৈরি করে এবং সেই শব্দ কোনো বস্তুতে বাধা পেয়ে ফিরে এলে তা বিশ্লেষণ করে পথের বাধা এড়ায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ইকোলোকেশন হলো এমন একটি জৈবিক পদ্ধতি যার মাধ্যমে জীবেরা শব্দ তরঙ্গের প্রতিধ্বনি শুনে চারপাশের পরিবেশের মানচিত্র তৈরি করে।
কার্যপ্রণালি: বাদুড় মানুষের শ্রবণ সীমার বাইরের আল্ট্রাসনিক শব্দ তৈরি করে এবং বস্তুর দূরত্ব ও আকার নির্ধারণ করতে প্রতিধ্বনি ফিরে আসার সময় হিসাব করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাবমেরিনে ব্যবহৃত সোনার প্রযুক্তি।
ব্যাখ্যা: বাদুড়ের ইকোলোকেশন পদ্ধতির অনুকরণেই সাবমেরিনে সোনার প্রযুক্তি ব্যবহার করে পানির নিচে জাহাজের অবস্থান ও দূরত্ব নির্ণয় করা হয়।
উদাহরণ ১: অন্ধ মানুষের ইকোলোকেশন ব্যবহারের ক্ষমতা।
ব্যাখ্যা: কিছু প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অন্ধ মানুষ মুখ দিয়ে বিশেষ শব্দ করে এবং তার প্রতিধ্বনি শুনে চারপাশের দেওয়াল বা বাধার উপস্থিতি বুঝতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তীক্ষ্ম দৃষ্টিসম্পন্ন চোখের সাহায্যে — বাদুড়ের চোখ খুব বেশি উন্নত নয় এবং তারা আলো ছাড়া অন্ধকারে দেখতে পায় না।
B) ক্রমাগত শব্দ উৎপন্নের মাধ্যমে অবস্থান নির্ণয় করে — শুধু শব্দ উৎপন্ন করলেই হয় না, পথ চলার জন্য ফিরে আসা প্রতিধ্বনি শোনা ও বিশ্লেষণ করা জরুরি।
D) অলৌকিকভাবে — বিজ্ঞানসম্মত কোনো ঘটনা কখনো অলৌকিক হতে পারে না, এর পেছনে সুনির্দিষ্ট শারীরিক কৌশল রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাদুড় চোখে দেখে না কিন্তু কানে শোনে, তাই শব্দ ছুড়ে প্রতিধ্বনি শোনা হলো এদের পথ চলার মূল চাবিকাঠি।
ইকোলোকেশন শব্দটির সাথে বাদুড়ের প্রতিধ্বনি শোনার ক্ষমতা মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি প্রাণীজগতের অভিযোজন ও শব্দের প্রতিফলন সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
শব্দোত্তর তরঙ্গ বা আল্ট্রাসনিক শব্দ সাধারণত কুড়ি হাজার হার্জের বেশি কম্পাঙ্কের হয়, যা বাদুড় তৈরি করতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) N.P.K.S ও Zn
১. কেন সঠিক:
গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, পুষ্টি এবং ফসল উৎপাদনের জন্য কিছু নির্দিষ্ট খনিজ উপাদানের প্রয়োজন হয়, যাকে উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান বা খনিজ পুষ্টি বলা হয়।
এই উপাদানগুলোর মধ্যে নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সালফার এবং দস্তা উদ্ভিদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রধান ও ক্ষুদ্র পুষ্টি উপাদান হিসেবে কাজ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় ১৭টি অপরিহার্য উপাদানের মধ্যে প্রধান উপাদানগুলো গাছের দেহ গঠন ও বিপাকীয় কাজে অংশ নেয়।
কার্যপ্রণালি: নাইট্রোজেন গাছের আমিষ তৈরিতে সাহায্য করে, ফসফরাস শিকড় বৃদ্ধিতে এবং পটাশিয়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।
বাস্তব প্রয়োগ: কৃষিকাজে ইউরিয়া, টিএসপি, পটাশ এবং জিংক সার প্রয়োগ করে মাটির এই পুষ্টি উপাদানগুলোর ঘাটতি পূরণ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধান চাষের সময় ইউরিয়া ও টিএসপি সার প্রয়োগ করা।
ব্যাখ্যা: এটি গাছের পাতা সবুজ রাখতে এবং কুশি উৎপাদনে সরাসরি সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: ফল বাগানে জিংক বা দস্তা সার ছিটানো।
ব্যাখ্যা: এটি গাছের পাতার বিকৃতি রোধ করে এবং ফলের সঠিক আকার ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) N.P.K.S ও Zn — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে উল্লেখিত প্রতিটি উপাদান উদ্ভিদের অপরিহার্য পুষ্টি উপাদানের অন্তর্ভুক্ত।
B) Na.P.K.S ও Zn — সোডিয়াম উদ্ভিদের জন্য অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান নয়, বরং এটি উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
C) N.B.K.S ও AI — বোরন ও অ্যালুমিনিয়ামের মধ্যে অ্যালুমিনিয়াম উদ্ভিদের জন্য কোনো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান নয়, বরং এটি বিষাক্ত।
D) N.P.K.S ও AI — এই অপশনে অ্যালুমিনিয়াম থাকার কারণে এটি ভুল, কারণ এটি উদ্ভিদের পুষ্টির তালিকাভুক্ত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
গাছের প্রধান পুষ্টি উপাদানগুলো মনে রাখার জন্য না-পো-প-সা এবং জিঙ্ক কথাটি মনে রাখতে পারো, যেখানে না মানে নাইট্রোজেন, পো মানে পটাশিয়াম, প মানে ফসফরাস, সা মানে সালফার এবং জিঙ্ক হলো দস্তা।
খনিজ পুষ্টির এই গ্রুপটি উদ্ভিদের জীবনচক্র সম্পূর্ণ করার জন্য অপরিহার্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
উদ্ভিদের অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান মোট ১৭টি, যার মধ্যে প্রধান উপাদান বা ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট হলো ৯টি এবং ক্ষুদ্র উপাদান বা মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট হলো ৮টি।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন উপাদানটি উদ্ভিদের জন্য ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট।
সঠিক উত্তর: B) গুয়ানিন
১. কেন সঠিক:
- ডিএনএ অণুতে চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে, যার মধ্যে গুয়ানিন অন্যতম।
- গুয়ানিন সবসময় সাইটোসিনের সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ডিএনএ হলো বংশগতির ধারক এবং বাহক, যা নিউক্লিওটাইড দ্বারা গঠিত।
- গঠন উপাদান: নিউক্লিওটাইড মূলত পেন্টোজ শর্করা, ফসফেট গ্রুপ এবং নাইট্রোজেন বেস নিয়ে গঠিত।
- নাইট্রোজেন বেস: নাইট্রোজেন বেসগুলো পিউরিন এবং পিরামিডিন এই দুই ভাগে বিভক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের জিনোম
ব্যাখ্যা: মানুষের শরীরের প্রতিটি কোষে থাকা ডিএনএ-তে গুয়ানিনসহ চারটি বেস নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানো থাকে।
উদাহরণ ২: বংশগত বৈশিষ্ট্য স্থানান্তর
ব্যাখ্যা: গুয়ানিনের সঠিক বিন্যাসের মাধ্যমেই বাবা-মায়ের বৈশিষ্ট্য সন্তানের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরাসিল — এটি ডিএনএ-তে থাকে না, বরং এটি শুধুমাত্র আরএনএ অণুর একটি নাইট্রোজেন বেস।
B) গুয়ানিন — এটি ডিএনএ এবং আরএনএ উভয় প্রকার নিউক্লিক এসিডেই পিউরিন বেস হিসেবে উপস্থিত থাকে।
C) পিরিডক্সিন — এটি কোনো নাইট্রোজেন বেস নয়, এটি ভিটামিন বি ছয় এর রাসায়নিক নাম।
D) এ্যাসপারাজিনরা — এটি কোনো নাইট্রোজেন বেস নয়, বরং এটি একটি প্রোটিন গঠনকারী অ্যামিনো এসিড।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ডিএনএ এর বেসগুলো মনে রাখার জন্য ক্যাটাগরি মনে রাখতে হবে।
- পিউরিন হলো এ এবং জি অর্থাৎ অ্যাডেনিন ও গুয়ানিন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ডিএনএ-তে থাইমিন থাকে কিন্তু ইউরাসিল থাকে না, আর আরএনএ-তে ইউরাসিল থাকে কিন্তু থাইমিন থাকে না।
- এই টপিক থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় নাইট্রোজেন বেসের জোড় সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) Electron
১. কেন সঠিক:
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসে ইলেকট্রন থাকে না কারণ ইলেকট্রনগুলো ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণা যা নিউক্লিয়াসের বাইরে নির্দিষ্ট শক্তিস্তরে বা কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে নিউক্লিয়াস অবস্থিত যেখানে মূলত প্রোটন ও নিউট্রন একত্রে অবস্থান করে, যাদের একত্রে নিউক্লিয়ন বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পরমাণু হলো পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যার কেন্দ্রস্থলে ধনাত্মক আধানযুক্ত ভারী অংশ থাকে যাকে নিউক্লিয়াস বলে।
- কার্যপ্রণালি: পরমাণুর প্রায় সমস্ত ভর নিউক্লিয়াসের মধ্যে পুঞ্জীভূত থাকে, যেখানে প্রোটন ও নিউট্রন প্রবল সবল নিউক্লীয় বল দ্বারা আবদ্ধ থাকে।
- বাস্তব প্রয়োগ: পরমাণুর ভেতরে ইলেকট্রন ও নিউক্লিয়াসের এই বিন্যাসের কারণেই সমস্ত রাসায়নিক বিক্রিয়া ও বিদ্যুৎ প্রবাহ সম্ভব হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিলিয়াম পরমাণু
ব্যাখ্যা: হিলিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন থাকে এবং এর বাইরে দুটি ইলেকট্রন কক্ষপথে ঘুরতে থাকে।
উদাহরণ ২: হাইড্রোজেন পরমাণু
ব্যাখ্যা: সাধারণ হাইড্রোজেন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কেবল একটি প্রোটন থাকে এবং এর বাইরে একটিমাত্র ইলেকট্রন আবর্তন করে, এর নিউক্লিয়াসে কোনো নিউট্রন থাকে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Meson — এটি কণার পদার্থবিজ্ঞানে আলোচিত একটি মৌলিক কণা যা পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটন ও নিউট্রনকে একত্রে ধরে রাখতে শক্তিশালী নিউক্লীয় বল বিনিময়ে অংশ নেয়।
B) Neutron — এটি আধানহীন বা নিরপেক্ষ কণা যা পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সঙ্গে অবস্থান করে পরমাণুর ভর রক্ষা করে।
C) Proton — এটি ধনাত্মক আধানযুক্ত কণা যা পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভেতরে স্থায়ীভাবে অবস্থান করে এবং মৌলের পরিচয় নির্ধারণ করে।
D) Electron — এটি ঋণাত্মক আধানযুক্ত হালকা কণা যা নিউক্লিয়াসের বাইরে নির্দিষ্ট কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করে এবং নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নিউক্লিয়াসে থাকে প্রোটন ও নিউট্রন, আর বাইরে থাকে ইলেকট্রন।
- এই ধারণাটি মনে রাখতে নিউক্লিয়াসের ভেতরের কণাগুলোকে পি এবং এন দ্বারা মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরমাণুর মোট ভরের প্রায় নিরানব্বই শতাংশের বেশি আসে এর নিউক্লিয়াস থেকে।
- এই ধারণা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোন কণাটি নিউক্লিয়াসে থাকে না অথবা কোন কণাটির ভর সবচেয়ে কম।
সঠিক উত্তর: B) ১৯২৩
১. কেন সঠিক:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে তাঁর অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মর্যাদাপূর্ণ জগত্তারিণী স্বর্ণপদক লাভ করেন।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সাল থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য বিশিষ্ট সাহিত্যিকদের এই পদক প্রদান শুরু করে এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই পদকপ্রাপ্ত দ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী একজন কথাশিল্পী যিনি মূলত সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছিলেন।
তাঁর বিখ্যাত কিছু উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে বড়দিদি, দেবদাস, পরিণীতা, শ্রীকান্ত এবং চরিত্রহীন যা বাংলা কথাসাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক লাভ করেন।
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রবর্তित এই prestigious পদকটির প্রথম প্রাপক।
উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস বড়দিদি ১৯০৭ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটির মাধ্যমেই শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করেন এবং বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯১৬ — এই সালে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি দেবদাস উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়, জগত্তারিণী পদক প্রাপ্তির সাল এটি নয়।
B) ১৯২৩ — এটি সঠিক সাল, এই বছরেই তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক লাভ করেছিলেন।
C) ১৯৩৩ — এই সালে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস শেকড় ও বাকল বা অনুরূপ কোনো বিশেষ সাল নয়, এটি ভুল উত্তর।
D) ১৯০৩ — এই সালে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের প্রকাশকাল নেই এবং এটি পদক প্রাপ্তির সাল থেকেও অনেক আগের সময়।
৫ মনে রাখার টিপস:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জগত্তারিণী পদক প্রাপ্তির সাল মনে রাখতে সংখ্যাটি এভাবে মনে রাখতে পারো যে তিনি ১৯২৩ সালে এই সম্মাননা পান।
সাহিত্যিকদের প্রাপ্ত পুরস্কারের সালগুলো মনে রাখার জন্য সালভিত্তিক একটি ছোট তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার হলে খুব সহজে উত্তর করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত লেখকদের প্রাপ্ত পুরস্কার ও তার সাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক প্রথম কে পেয়েছেন এবং কোন সালে পেয়েছেন, এই তথ্যটি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: A) বিশেষনের অতিশায়ন
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে সোনা শব্দটি রূপবাচক বা উপাদানের সরাসরি অর্থ প্রকাশ না করে কোনো গুণের তীব্রতা বা উৎকর্ষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- ব্যাকরণের নিয়মে যখন কোনো বিশেষ্য পদ বিশেষণের কাজ করে এবং তুলনার মাধ্যমে সর্বোচ্চ উৎকর্ষ বা আধিক্য বোঝায়, তখন তাকে বিশেষণের অতিশায়ন বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশেষণের অতিশয়ন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে একাধিক বস্তু বা ব্যক্তির মধ্যে তুলনা করে কোনো একটির মধ্যে গুণের চরম উৎকর্ষ বা আধিক্য প্রকাশ করা হয়।
- এখানে মাটির গুণকে সাধারণ তুলনার ঊর্ধ্বে তুলে ধরে সোনার চেয়েও দামি বা খাঁটি হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা বিশেষণের অতিশয়নের একটি নান্দনিক প্রয়োগ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এ দেশ সোনার বাংলা।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সোনার শব্দটি দেশের উর্বরতা ও সমৃদ্ধির অতিশয় বা চরম উৎকর্ষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: রূপার মুকুট পরে এসো না মোর ঘরে।
ব্যাখ্যা: এখানে রূপার শব্দটি অলংকারের উপাদান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে, যা অতিশায়ন নয় বরং উপাদানবাচক বিশেষণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষনের অতিশায়ন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সোনার মাধ্যমে গুণের চরম উৎকর্ষ বোঝানো হয়েছে।
B) রূপবাচক বিশেষণ — এটি ভুল কারণ সোনা এখানে রূপ বোঝাতে নয়, বরং গুণের উৎকর্ষ বোঝাতে বসেছে।
C) উপাদানবাচক বিশেষণ — এটি ভুল কারণ মাটি আসলেই সোনা দিয়ে তৈরি নয়, তাই এটি উপাদানের অর্থে ব্যবহৃত হয়নি।
D) বিধেয় বিশেষণ — এটি ভুল কারণ বিধেয় বিশেষণ বাক্যের শেষে বসে বিশেষ্যকে বিশেষিত করে, যা এখানে হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যখন কোনো মূল্যবান ধাতু বা পদার্থের নাম গুণ বা উৎকর্ষ বোঝাতে রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়, তখন তা বিশেষণের অতিশায়ন হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে যেখানে উপাদানের নাম থাকলেও তা রূপক অর্থে অতিশয়ন বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক এবং বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব।
- তার মননশীল প্রবন্ধে আভিজাত্য, মার্জিত রুচি এবং প্রখর বুদ্ধিবৃত্তির প্রকাশ দেখা যেত, যার ফলে তিনি কৃত্রিমতা বা ভনিতা পছন্দ করতেন না।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামের প্রবক্তা এবং সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক।
- তার বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থের মধ্যে তেলেনাপোতা আবিষ্কার নয়, বরং বীরবলের হালখাতা, রায়তের কথা এবং সনেট পঞ্চাশৎ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ বীরবলের হালখাতা।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে তার প্রখর বুদ্ধিদীপ্ত ও ব্যঙ্গাত্মক রচনার শৈলী স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত পত্রিকা সবুজপত্র।
ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা গদ্যে চলিত রীতির আন্দোলন বেগবান হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক হলেও এই প্রখ্যাত উক্তিটির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নন।
B) সৈয়দ মুজতবা আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত রম্যকার ও পর্যটক হলেও এই নির্দিষ্ট উদ্ধৃতির রচিয়তা বা লক্ষ্য নন।
D) প্রমথনাথ বিশী — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষক হলেও এই বিশেষ সাহিত্যিক মন্তব্যটির সঙ্গে যুক্ত নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর লেখা মানেই বুদ্ধির দীপ্তি ও মার্জিত ভঙ্গি, তাই তিনি জ্যাঠামি ও ন্যাকামি সহ্য করতেন না।
- তার ছদ্মনাম বীরবল মনে রাখলে তার রচনার বুদ্ধিবৃত্তিক চরিত্র সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকা ১৯১৪ সালে সম্পাদনা করেন যা বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির নতুন যুগ এনেছিল।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার ছদ্মনাম এবং প্রবন্ধ গ্রন্থ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি কবিতাটির রচয়িতা বিখ্যাত কবি আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ।
- কবিতাটিতে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য ও সংগ্রামের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবি আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান স্বর এবং একজন বিশিষ্ট কূটনীতিবিদ।
- এই কবিতাটি তার রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি দীর্ঘ কবিতা যা আমাদের লোকায়ত সংস্কৃতি ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস বহন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোন এক কালে ফুল ফুটতো কি
ব্যাখ্যা: এটি কবি আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহর আরেকটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: বৃষ্টি এবং বিদ্রোহী জনতা
ব্যাখ্যা: এটিও কবি আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহর অত্যন্ত প্রশংসিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিকানদার আবু জাফর — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন।
B) ফররুখ আহমেদ — তিনি বিখ্যাত ইসলামী ভাবধারার কবি হলেও এই কবিতাটি তার লেখা নয়।
C) আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি কবিতাটির রচয়িতা।
D) আহসান হাবীব — তিনি আধুনিক বাংলা কাব্যের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কবি হলেও এই কবিতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কিংবদন্তী বা লোকঐতিহ্য নিয়ে সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা লিখেছেন আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ।
- নামের শেষে ওবায়েদুল্লাহ থাকলে কিংবদন্তী কবিতাটি মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই কবিতাটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
- কবির অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের নামগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মদনমোহন তর্কালঙ্কার
১. কেন সঠিক:
- ‘পাখিসব করে রব রব রাতি পোহাইল’ পঙক্তিটি বাংলা শিশুসাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি যা মদনমোহন তর্কালঙ্কারের প্রভাতসংগীত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- এই পঙক্তিটিতে সকালের স্নিগ্ধ প্রকৃতি ও পাখির কলকাকলির মাধ্যমে নতুন দিনের আগমন খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পন্ডিত মদনমোহন তর্কালঙ্কার উনিশ শতকের গোড়ার দিকের একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সংস্কারক ছিলেন।
- তার রচিত শিশুশিক্ষার প্রথম ভাগ ও দ্বিতীয় ভাগ বাংলা শিক্ষাবিস্তারে এক ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘পাখিসব করে রব’
ব্যাখ্যা: এটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা একটি বিখ্যাত পঙক্তি যা শিশুদের প্রথম পাঠ্যবইয়ে বহুল পঠিত।
উদাহরণ ২: ‘ভোরে সূর্য ওঠে’
ব্যাখ্যা: এই জাতীয় বাক্য বা পঙক্তিগুলো প্রভাত বা সকালের সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রামনারায়ণ তর্করত্ন — তিনি উনবিংশ শতকের একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও এই পঙক্তিটি তার রচিত নয়।
B) বিহারীলাল — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত হলেও এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা তিনি নন।
C) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — তিনি বিখ্যাত নীতিমূলক কবিতার জন্য পরিচিত কিন্তু এই কবিতার রচয়িতা তিনি নন।
D) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটি তারই লেখা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মদনমোহন তর্কালঙ্কার মানেই ছোটোদের জন্য লেখা প্রভাতসংগীত বা পাখি সংক্রান্ত পঙক্তি মনে রাখতে হবে।
- শিশুরা সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় পাখি ডাকে, তাই এই কবিতাটির সঙ্গে মদনমোহন তর্কালঙ্কারের নাম মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত পঙক্তির রচয়িতা জানতে চাওয়া হয়।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যবইয়ের বিখ্যাত কবিতাগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) উপমেয়
১. কেন সঠিক:
- প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করা হলে, যে বস্তুটির তুলনা করা হচ্ছে বা যাকে তুলনা করা হয় তাকে উপমেয় বলা হয়।
- ব্যাকরণের অলংকার অধ্যায়ে উপমা অলংকারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে উপমেয় হলো মূল আলোচ্য বা তুলনার বিষয়বস্তু।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপমা অলংকারের চারটি অংশ থাকে যথা উপমেয়, উপমান, সাধারণ ধর্ম এবং বাচক শব্দ।
- যার সাথে তুলনা করা হয় সেটিকে উপমান বলা হয় এবং যার তুলনা করা হয় সেটিকে উপমেয় বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুখ চন্দ্রের ন্যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে মুখ হলো প্রত্যক্ষ বস্তু বা উপমেয় এবং চন্দ্র হলো পরোক্ষ বস্তু বা উপমান।
উদাহরণ ২: তুষারের মতো শুভ্র হাত।
ব্যাখ্যা: এখানে হাত হলো উপমেয় কারণ এর তুলনা করা হয়েছে এবং তুষার হলো উপমান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপমিত — উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মের উল্লেখ না থাকে এবং উপমেয় ও উপমানের মধ্যে তুলনা বোঝায়, তাই এটি সঠিক নয়।
B) উপমান — উপমান হলো যার সাথে তুলনা করা হয় সেই পরোক্ষ বস্তু, তাই এটি প্রত্যক্ষ বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) রূপক — রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়, যা সাধারণ তুলনার চেয়ে আলাদা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মেমোরি টিপস হিসেবে মনে রাখবে যে উপমেয় মানে যাকে মাপা বা তুলনা করা হয় এবং উপমান হলো যার মাপ বা মানের সাথে তুলনা করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমা, উপমান ও উপমিত কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বাক্যে কোনটি উপমেয় এবং কোনটি উপমান তা আলাদা করতে হলে দেখতে হবে কার তুলনা করা হচ্ছে।
সঠিক উত্তর: D) তারাচরণ সিকদার
১. কেন সঠিক:
বাংলা মৌলিক নাটকের যাত্রা শুরু হয় তারাচরণ সিকদারের হাতে। তিনি ১৮৫২ সালে 'ভদ্রার্জুন' নাটক রচনা করেন যা বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক নাটক হিসেবে স্বীকৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
তারাচরণ সিকদার ছিলেন একজন নাট্যকার ও অনুবাদক। তাঁর রচিত 'ভদ্রার্জুন' নাটকের মাধ্যমেই প্রথম সংস্কৃত নাটকের প্রভাব থেকে বেরিয়ে এসে মৌলিক নাট্যধারার সূচনা ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভদ্রার্জুন
ব্যাখ্যা: এটি তারাচরণ সিকদার রচিত বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক নাটক।
উদাহরণ ২: কীর্তিবিলাস
ব্যাখ্যা: এটি যোগেন্দ্রচন্দ্র গুপ্ত রচিত বাংলা ভাষার দ্বিতীয় মৌলিক নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধুসূদন দত্ত — তিনি বাংলা নাটকে আধুনিকতার প্রবক্তা এবং প্রথম সার্থক নাটক 'শর্মিষ্ঠা'র রচয়িতা, তবে প্রথম মৌলিক নাট্যকার নন।
B) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি বিখ্যাত সামাজিক নাটক 'নীলদর্পণ'-এর রচয়িতা, যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক অনন্য মাইলফলক।
C) জ্যোতিন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট নাট্যকার ও অনুবাদক ছিলেন, যিনি মৌলিক ও অনূদিত নাটক রচনা করেছেন।
D) তারাচরণ সিকদার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম মৌলিক নাটক 'ভদ্রার্জুন' রচনা করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
মৌলিক নাটকের তারা কে? তারা হলেন তারাচরণ সিকদার। এভাবে মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক 'ভদ্রার্জুন' এবং এর রচয়িতা তারাচরণ সিকদার। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটকের সূচনার ইতিহাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) পর + পর = পরস্পর
১. কেন সঠিক:
- পরস্পর শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে।
- নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো সেই সব সন্ধি যা সাধারণ ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সন্ধি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
- এই ধরনের সন্ধির ক্ষেত্রে সরাসরি শব্দ মুখস্থ রাখতে হয় কারণ সাধারণ নিয়ম এখানে প্রযোজ্য হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গো + পদ = গোষ্পদ
ব্যাখ্যা: এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ যা সাধারণ নিয়মের বাইরে গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: এক + দশ = একাদশ
ব্যাখ্যা: এটিও একটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ যা কোনো নির্দিষ্ট সাধারণ নিয়ম মানে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাক + দান = বাগদান — এটি স্বরবর্ণের প্রভাবে ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তনের সাধারণ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম মেনে সাধিত হয়েছে।
B) উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির সাধারণ নিয়ম অর্থাৎ ত বা দ এর পরে চ বা ছ থাকলে চ বা ছ হয় তা মেনে গঠিত।
D) সম + সার = সংসার — এটি ম এর পরে দন্ত্য স থাকলে ম এর স্থানে অনুস্বার হয় এই সাধারণ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম মেনে হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পরস্পর, গোষ্পদ, একাদশ, বৃহস্পতি এই শব্দগুলো নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই বিশেষ শব্দগুলো বারবার চর্চা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি উভয় প্রকারেই হতে পারে।
- সাধারণ নিয়মের বাইরে গঠিত হওয়ায় এই শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ সরাসরি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) মাছ + উয়া > ও
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মে গঠিত হয়েছে যেখানে শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্বরলোপের মাধ্যমে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে।
- এখানে বিশেষ্য পদ মাছ এর সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় উয়া যুক্ত হয়ে মাছউয়া এবং পরে ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে উয়া প্রত্যয়ের উ ধ্বনি লুপ্ত হয়ে মেছো শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে এবং এটি শব্দের শেষে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- এই প্রক্রিয়ায় প্রত্যয়যুক্ত হওয়ার সময় অনেক সময় আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে এবং শব্দের ভেতরের স্বরধ্বনি লোপ পায় যাকে স্বরলোপ বা অভিশুতি বলা চলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা + উয়া > ঢাকেয়া > ঢেঁকাই > ঢাকাইয়া > ঢাকাইয়া থেকে ঢাকাই
ব্যাখ্যা: স্থানবাচক বিশেষ্যের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠনের একটি সুন্দর উদাহরণ এটি।
উদাহরণ ২: দেশ + উয়া > দেশুয়া > দেশো > দেশীয় বা দেশি
ব্যাখ্যা: মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় ধ্বনিগত পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন শব্দ তৈরি হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাছ + ও — সরাসরি ও প্রত্যয় যোগ করলে ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক ধ্বনি পরিবর্তন সাধিত হয় না।
B) মেছ + ও — মেছ কোনো মূল প্রাকৃত বা খাঁটি বাংলা শব্দ নয় এবং এর সঙ্গে সরাসরি ও যুক্ত হয় না।
C) মাছি+উয়া> ও — মাছি পদের সঙ্গে উয়া যুক্ত হলে মেছো হয় না কারণ মূল শব্দ মাছ থেকে এই শব্দটি এসেছে।
D) মাছ + উয়া > ও — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মাছ শব্দের সঙ্গে উয়া প্রত্যয় যোগের সঠিক প্রক্রিয়া নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মাছ থেকে মেছো বা হাত থেকে হাতেলো জাতীয় শব্দ গঠনের সময় পদের মূল কাঠামোর সঙ্গে উয়া প্রত্যয় যুক্ত করে রূপান্তর মনে রাখা সহজ।
- তদ্ধিত প্রত্যয় সাধિત শব্দ চেনার জন্য শব্দের শেষের ধ্বনি এবং মূল শব্দটিকে আলাদা করার অভ্যাস করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয় এবং প্রকৃতি প্রত্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই শব্দের মূল রূপ চেনা জরুরি।
- এই ধরনের শব্দ গঠনে ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম যেমন অভিশুতি বা স্বরলোপ প্রায়ই জড়িত থাকে।
সঠিক উত্তর: B) গৌড়ীয় ব্যাকরণ
১. কেন সঠিক:
- রাজা রামমোহন রায় বাংলা ভাষায় প্রথম একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন যার নাম গৌড়ীয় ব্যাকরণ।
- এই ব্যাকরণটি মূলত ইংরেজি ভাষার ব্যাকরণের আদールে বাংলা ভাষাকে শৃঙ্খলিত করার প্রথম সার্থক প্রয়াস ছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রাজা রামমোহন রায় আধুনিক বাংলা গদ্যের জনক এবং বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা হিসেবে পরিচিত।
- গৌড়ীয় ব্যাকরণ গ্রন্থটি ১৮৩৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি রামমোহন রায়ের মৃত্যুর বছরেই প্রকাশিত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজা রামমোহন রায়ের গৌড়ীয় ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার ওপর রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ যা মূলত ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মকে বাংলায় প্রয়োগ করেছিল।
উদাহরণ ২: উইলিয়াম কেরির গ্র্যামার অব দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা ভাষার একটি প্রাচীন ব্যাকরণ যা একজন বিদেশি মিশনারি কর্তৃক ১৮০১ সালে রচিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাগধীয় ব্যাকরণ — মাগধীয় প্রাকৃত বা ভাষা থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি ঘটলেও এই নামে রাজা রামমোহন রায়ের কোনো ব্যাকরণ গ্রন্থ নেই।
B) গৌড়ীয় ব্যাকরণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রাসঙ্গিক।
C) মাতৃভাষা ব্যাকরণ — এটি কোনো ঐতিহাসিক ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম নয়, বরং এটি একটি সাধারণ শব্দমাত্র।
D) ভাষা ও ব্যাকরণ — এটি বাংলা ব্যাকরণের কোনো প্রখ্যাত বা ঐতিহাসিক গ্রন্থের নাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রাজা রামমোহনের নামের সঙ্গে গৌড় শব্দ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, কারণ প্রাচীন গৌড় অঞ্চলের ভাষা থেকেই আধুনিক বাংলার বিকাশ ঘটেছে।
- রামমোহনের শেষ জীবন এবং তার রচিত গৌড়ীয় ব্যাকরণের প্রকাশকাল একই অর্থাৎ ১৮৩৩ সাল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ কে রচনা করেছেন এবং তার নাম কী, এই প্রশ্নটি বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
- বাংলা ব্যাকরণ ও গদ্যে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অপরিহার্য।
সঠিক উত্তর: B) কন্যা কুমারী
১. কেন সঠিক:
- কন্যা কুমারী হলো প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা তার সাহিত্যকর্মের অনন্য ধারার পরিচয় বহন করে।
- উপন্যাসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো দীর্ঘ কলেবরে মানুষের জীবন ও সমাজের বাস্তবসম্মত পূর্ণাঙ্গ চিত্র ফুটিয়ে তোলা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক এবং বীরবল ছদ্মনামের জন্য সর্বাধিক পরিচিত একজন প্রাবন্ধিক ও কথাসাহিত্যিক।
- তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে যোগাযোগ ও কন্যা কুমারী বিশেষভাবে সমাদৃত এবং এগুলো বাংলা কথাসাহিত্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোখের ঠাকুর
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস যা বাংলা সাহিত্যে মনস্তুসিক উপন্যাসের ধারাকে সমৃদ্ধ করেছে।
উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাস যা বাংলা উপন্যাসের বিকাশে মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নতুন চাঁদ — এটি ঔপন্যাসিক বা কথাসাহিত্যের কোনো গ্রন্থ নয়, বরং এটি কবি আবু ইসহাক বা অন্য কারও উপন্যাস হিসেবে পরিচিত নয়।
B) কন্যা কুমারী — এটি একটি উপন্যাস এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য।
C) গড্ডলিকা — এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত ও প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প সংকলন, উপন্যাস নয়।
D) নেমেসিস — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি বিখ্যাত নাটক, যা মনস্তাত্ত্বিক সংকটের ওপর রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ ও ছোটগল্প বেশি বিখ্যাত হলেও তার কন্যা কুমারী একটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস।
- ছোটগল্প সংকলন গড্ডলিকা এবং উপন্যাস কন্যা কুমারী গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক পরিচিতি এবং তাদের সাহিত্যকর্মের ধরন যেমন উপন্যাস, নাটক বা ছোটগল্প আলাদা করতে বলা হয়।
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এবং তার প্রবর্তিত চলিত রীতি সম্পর্কে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
১. কেন সঠিক:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ হলো ড. দীনেশচন্দ্র সেন রচিত বঙ্গভাষা ও সাহিত্য।
এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯০১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং এটি ইংরেজি ভাষায় রচিত এ কে ফর্বের ‘রাসমালা’ গ্রন্থের আদলে বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস হিসেবে স্বীকৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই গ্রন্থটির রচয়িতা ড. দীনেশচন্দ্র সেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছেন।
তার এই গবেষণামূলক কাজের মাধ্যমেই প্রাচীন ও মধ্যযুগের বহু লুপ্তপ্রায় পুথি ও সাহিত্যকর্ম আলোতে আসে এবং সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস রচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ড. দীনেশচন্দ্র সেনের অপর একটি বিখ্যাত গবেষণামূলক গ্রন্থ হলো পূর্ববঙ্গ গীতিকা।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে বাংলার গ্রামীণ লোকসাহিত্যের ইতিহাস ও ঐতিহ্য চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।
উদাহরণ ২: রামচন্দ্র তর্করত্নের বাংলা ভাষা ও littérature বিষয়ক রচনা।
ব্যাখ্যা: এটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস না হলেও বাংলা গদ্যে ইতিহাস রচনার প্রাথমিক প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস — এটি সুকুমার সেন রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থ, যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪০ সালে এবং এটি প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ নয়।
B) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ১৯০১ সালে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ।
C) বাংলা সাহিত্যের কথা — এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণ্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থ যা পরবর্তীতে প্রকাশিত হয়।
D) বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা — এটি গোপাল হালদার রচিত একটি সুপরিচিত ইতিহাস গ্রন্থ যা আধুনিক যুগে বাংলা সাহিত্যের ধারা বোঝাতে লেখা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রথম ইতিহাস মানেই দীনেশচন্দ্রের বঙ্গভাষা ও সাহিত্য এটি মনে রাখতে হবে।
প্রকাশসাল ১৯০১ সাল হওয়ায় এটি বিশ শতকের একেবারে শুরুর একটি ঐতিহাসিক কীর্তি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থের রচয়িতা এবং প্রকাশসাল প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
ইতিহাস গ্রন্থগুলোর নাম এবং লেখকদের তালিকা মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) সমাপ্তি
কেন সঠিক:
- এই সংলাপটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমাপ্তি ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র মৃন্ময়ীকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে।
- গল্পে মৃন্ময়ীর চঞ্চল, অপ্রকৃতিস্থ ও দুরন্ত স্বভাব বোঝাতে এই বর্গির উপদ্রব কথাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন গল্পগুচ্ছ এর অন্তর্গত একটি অন্যতম সৃষ্টি হলো সমাপ্তি।
- বাংলা সাহিত্যে চরিত্র বিশ্লেෂণে রূপক বা তুলনামূলক বাক্যের ব্যবহার হিসেবে এটি একটি সুন্দর সাহিত্যিক দৃষ্টান্ত।
- বর্গি বলতে মারাঠা লুণ্ঠনকারীদের বোঝানো হয়, যাদের উপদ্রব ছিল প্রচণ্ড এবং এখানে মৃন্ময়ীর চঞ্চলতাকে তাদের সাথেই তুলনা করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) একরাত্রি — এই গল্পে সুরবালা ও কথকের শৈশবের স্মৃতি এবং একটি রাতের পটভূমি আছে কিন্তু এমন সংলাপ নেই।
- B) শুভা — এই গল্পের মূল চরিত্র বাকপ্রতিবন্ধী সুভাষিণী এবং তার সাথে প্রকৃতির মিতালীর কথা বলা হয়েছে।
- D) পোস্টমাস্টার — এই গল্পে রতন ও কলকাতার পোস্টমাস্টারের সম্পর্কের আকুলতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যেখানে বর্গির উপদ্রবের প্রসঙ্গ নেই।
মনে রাখার টিপস:
- মৃন্ময়ী মানেই চঞ্চলতা, আর চঞ্চল মেয়েকে বর্গির উপদ্রবের সাথে তুলনা করলেই মনে রাখবে গল্পটি সমাপ্তি।
সঠিক উত্তর: C) একুশ
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে খাঁটি বাংলা উপসর্গ হলো একুশটি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব অব্যয় শব্দ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় মোট একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে যা মূলত তদ্ভব শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনাদি
ব্যাখ্যা: অনাদি শব্দটিতে অনা উপসর্গ যুক্ত হয়েছে। এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ।
উদাহরণ ২: কুখ্যাত
ব্যাখ্যা: কুখ্যাত শব্দটিতে কু উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। এটিও খাঁটি বাংলা উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উনিশ — এটি একটি সংখ্যাবাচক শব্দ এবং বাংলা ভাষায় খাঁটি উপসর্গের সংখ্যার সাথে মেলে না।
B) কুড়ি — এটি কুড়ি বা বিশ সংখ্যা বোঝায় এবং উপসর্গের সংখ্যার সঠিক তথ্য নয়।
D) বাইশ — এটিও একটি সংখ্যা এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গের নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি।
৫ মনে রাখার টিপস:
খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি মনে রাখার জন্য সুপরিচিত ছন্দটি মনে রাখতে পারো। সুবর্জন সুপ্রা বি নি পাতি অঘা অজ অনা আর আ ইতি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি ভালো করে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) দাম
কেন সঠিক:
১. বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে 'দাম' একটি প্রাচীন গ্রিক শব্দ।
২. প্রাচীনকালে গ্রিক বণিকদের সাথে বাণিজ্যের সূত্রে এই শব্দটি আমাদের ভাষায় প্রবেশ করেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ব্যাকরণে বিদেশি শব্দ নানা ভাষা থেকে এসেছে এবং গ্রিক ভাষা থেকেও কিছু শব্দ সরাসরি বাংলায় স্থান পেয়েছে।
২. বাণিজ্যের মাধ্যমেই সাধারণত গ্রিক সংস্কৃতির অনেক শব্দ বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে যুক্ত হয়েছে।
৩. এর একটি বিখ্যাত উদাহরণ হলো 'দাম' যার অর্থ মূল্য বা খরিদমূল্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুফান — এটি আরবি বা ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ যা ঝড়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
B) লুঙ্গী — এটি বার্মিজ বা মিয়ানমার ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
C) কুপন — এটি মূলত ফরাসি ভাষা থেকে বাংলা শব্দভান্ডারে গৃহিত হয়েছে।
D) দাম — এটি সঠিক অপশন হিসেবে ইতোমধ্যে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
১. গ্রিক শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো 'দাম' শব্দটি মাথায় রাখা কারণ এটি পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
২. দাম মানে মূল্য আর গ্রিক বণিকদের সাথে মূল্যের লেনদেন দিয়েই এই শব্দটি আমাদের মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ক্রান্তি
১. কেন সঠিক:
- ক্রান্তি পত্রিকাটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। এটি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বামপন্থী প্রগতিশীল সাহিত্যপত্র।
- প্রগতিশীল চিন্তা ও মার্কসবাদী মতাদর্শের প্রচারে এই পত্রিকার বিশেষ ভূমিকা ছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রান্তি একটি প্রগতিশীল মাসিক পত্রিকা যা বিশ শতকের মধ্যভাগে প্রকাশিত হয়।
- বাংলা ছোটগল্প, কবিতা এবং সমাজ সচেতনতামূলক প্রবন্ধ প্রকাশে এই পত্রিকাটির উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমকাল
ব্যাখ্যা: সমকাল ঢাকা থেকে প্রকাশিত আরেকটি প্রখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা যা ষাটের দশকে সাহিত্য আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
উদাহরণ ২: উত্তরাধিকার
ব্যাখ্যা: উত্তরাধিকার বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত একটি নিয়মিত সাহিত্য পত্রিকা যা ঢাকা থেকেই প্রকাশিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অরণি — এই পত্রিকাটি ঢাকা থেকে নয়, বরং কলকাতা থেকে প্রকাশিত প্রগতিশীল সাহিত্যপত্র।
B) পরিচয় — পরিচয় একটি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা যা কলকাতা থেকে প্রকাশিত হতো এবং বুদ্ধদেব বসু এর সাথে যুক্ত ছিলেন।
C) নবশক্তি — নবশক্তি পত্রিকাটিও ঢাকা থেকে প্রকাশিত নয়, এটি মূলত কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি সংবাদপত্র ও সাময়িকপত্র।
D) ক্রান্তি — এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে এটি প্রযোজ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ক্রান্তি ও সমকাল পত্রিকাগুলোর নাম দেখলে মনে রাখবে এগুলো ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রগতিশীল ধারাকে প্রতিনিধিত্ব করে।
- কলকাতা ও ঢাকার পত্রিকার তালিকা আলাদা করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন পত্রিকার প্রকাশনা স্থান প্রায়ই আসে।
- ঢাকা ও কলকাতা থেকে প্রকাশিত ঐতিহাসিক পত্রিকাগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) কল্লোল
১. কেন সঠিক:
- কল্লোল পত্রিকা ১৯২৩ সালের বৈশাখ মাসে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের কল্লোল যুগের সূচনা করেছিল।
- এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতা, স্বাতন্ত্র্য এবং নতুন চিন্তাধারার প্রকাশ ঘটেছিল যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কল্লোল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস এবং এর পেছনে বুদ্ধদেব বসু ও কাজী নজরুল ইসলামের মতো লেখকদের পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ অবদান ছিল।
- এই পত্রিকাটির সাথে বাংলা সাহিত্যের রোমান্টিকতা থেকে বাস্তবধর্মী ও সাহসিকতাপূর্ণ লেখার ধারা যুক্ত হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কালিকলম পত্রিকা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি কল্লোল যুগের আরেকটি বিখ্যাত আধুনিক সাহিত্যপত্র।
উদাহরণ ২: প্রগতি পত্রিকা ১৯২৭ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্তের সম্পাদনায় এটি প্রকাশিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কালিকলম — এটি ১৯২৩ সালে নয় বরং ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
B) প্রগতি — এটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়নি বরং ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
C) কল্লোল — এটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) সবুজপত্র — এটি ১৯২৩ সালে নয় বরং ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কল্লোল পত্রিকা প্রকাশের সাল মনে রাখতে ক দিয়ে কল্লোল এবং তেইশ সংখ্যাটি মনে রাখতে পারো।
- এভাবে সাল ও নামের মিল রেখে পড়লে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকাগুলোর প্রকাশকাল ও সম্পাদকের নাম বারবার আসে।
- সাল মুখস্থ রাখার পাশাপাশি কোন পত্রিকা কোন সাহিত্য আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ১৯২৬
কেন সঠিক:
মাসিক মােহাম্মদী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের কার্তিক মাসে।
এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম সম্পাদক ছিলেন মওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে মুসলিম সমাজের জাগরণে এই পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চায় মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে এটি বিশেষ অবদান রেখেছিল।
কাজী নজরুল ইসলামসহ সেকালের বরেণ্য লেখকদের লেখা এই পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯২৬ — এটি সঠিক সাল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) ১৯২৭ — এটি সঠিক প্রকাশের বছর নয় কারণ এর ঠিক এক বছর পরে এই সালটি আসে।
C) ১৯২৮ — এই সালে মাসিক মোহাম্মদী প্রকাশিত হয়নি বরং এর প্রকাশকাল আরও আগে শুরু হয়েছিল।
D) ১৯২৯ — এই সালটি পত্রিকার প্রথম প্রকাশের সাথে মেলে না কারণ এটি ভুল বছর নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
১৯২৬ সালটি মনে রাখতে মোহাম্মদী পত্রিকার নামের প্রথম অক্ষর এবং প্রতিষ্ঠার সাল একসাথে মিলিয়ে পড়বে।
মওলানা আকরাম খাঁর সম্পাদনা এবং ১৯২৬ সাল এভাবে জোড়া মনে রাখলে ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: C) শেখ আব্দুর রহিম
১. কেন সঠিক:
- সাপ্তাহিক সুধাকর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন শেখ আব্দুর রহিম।
- উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে মুসলিম সমাজের জাগরণ ও সংস্কারের জন্য পত্রিকাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শেখ আব্দুর রহিম ছিলেন বাংলা মুসলিম সাংবাদিকতার অন্যতম পথিকৃৎ ও সাহিত্যিক।
- সুধাকর পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমে তিনি তৎকালীন সমাজে ইসলামি সংস্কৃতির প্রচার এবং কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইসলাম প্রচারক
ব্যাখ্যা: এটি শেখ আব্দুর রহিম কর্তৃক সম্পাদিত অপর একটি বিখ্যাত ইসলামি পত্রিকা।
উদাহরণ ২: হযরত মোহাম্মদের জীবনচরিত ও ধর্ম নীতি
ব্যাখ্যা: এটি শেখ আব্দুর রহিম রচিত একটি বিখ্যাত জীবনী গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুন্সি মােহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন আহমদ — তিনি সুধাকর পত্রিকার সাথে যুক্ত থাকলেও এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন শেখ আব্দুর রহিম।
B) মুন্সি মােহাম্মদ মেহের উল্লাহ — তিনি তৎকালীন সময়ের একজন বিখ্যাত খ্রিস্টধর্ম প্রচারক বিরোধী مناظر বা مناظرہ ইসলাম প্রচারক ছিলেন।
D) ইসমাইল হােসেন সিরাজী — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন, সুধাকর পত্রিকার সম্পাদক নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সুধাকর পত্রিকার সম্পাদককে মনে রাখার জন্য নামটির প্রথম অক্ষর মিলাতে পারেন, শেখ আব্দুর রহিমের নামের সাথে সুধাকরের গভীর সম্পর্ক ছিল।
- প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন, তবে প্রধান সম্পাদক হিসেবে শেখ আব্দুর রহিমের নাম সর্বাধিক পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ১৯ শতকের মুসলিম সাংবাদিকতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- পত্রিকার নাম এবং সম্পাদকের নাম জোড় মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) দৌলত কাজী
১. কেন সঠিক:
- দৌলত কাজী মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম প্রধান কবি এবং লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা।
- তার বিখ্যাত কাব্য সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী বাংলা সাহিত্যের লৌকিক কাহিনীর প্রথম সংযোজন হিসেবে স্বীকৃত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবি দৌলত কাজী সপ্তদশ শতকের প্রথম ভাগে আরাকান রাজসভার অন্যতম প্রধান বাঙালি কবি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
- তার অসমাপ্ত কাব্য সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী পরবর্তীতে মহা কবি আলাওল সম্পূর্ণ করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী
ব্যাখ্যা: এটি দৌলত কাজীর রচিত অমর প্রেমের কাব্য যা লৌকিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত প্রথম বাংলা কাব্য।
উদাহরণ ২: পদ্மாவত
ব্যাখ্যা: এটি আলাওলের বিখ্যাত কাব্য যা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি অনন্য নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলাওল — তিনি মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি হলেও লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা নন, বরং তিনি দৌলত কাজীর অসমাপ্ত কাব্য শেষ করেছিলেন।
B) কোরেশী মাগন ঠাকুর — তিনি সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার একজন বিশিষ্ট পৃষ্ঠপোষক ও কবি যিনি চন্দ্রাবতী কাব্য রচনা করেন।
D) সৈয়দ সুলতান — তিনি মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত কবি যিনি নবী বংশ ও রসূল বিজয় কাব্য রচনা করেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লৌকিক কাহিনীর প্রথম কবি দৌলত কাজী এটি মনে রাখতে দ দিয়ে দৌলত এবং লৌকিক কাহিনীর ল মনে রাখতে পারো।
- এভাবে রাজসভার কবিদের মধ্যে দৌলত কাজীর প্রথম অবদান সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার সূচনা হয় দৌলত কাজীর হাত ধরে।
- এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে কবির রচিত গ্রন্থ এবং তার অবদানের ক্ষেত্র ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Paper is made from wood
কেন সঠিক:
- উৎপাদনের পর যদি কাঁচামালের মৌলিক রূপ সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং নতুন বস্তু তৈরি হয়, তবে made from ব্যবহৃত হয়।
- কাঠের রূপ বদলে কাগজ তৈরি হয় এবং কাগজ থেকে আবার কাঠ ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Paper is made of wood — উপাদান পরিবর্তিত না হয়ে অপরিবর্তিত থাকলে made of হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Paper is made from wood — এটি সঠিক কারণ কাঠের রূপ বদলে কাগজ তৈরি হয়।
C) Paper is made by wood — কোনো ব্যক্তি বা প্রাণীর দ্বারা কোনো কিছু তৈরি হলে made by ব্যবহৃত হয়।
D) Paper is made on wood — কোনো নির্দিষ্ট তলের ওপর কিছু তৈরি বোঝাতে on ব্যবহার করা হয়, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
রূপ পরিবর্তন হলে from এবং রূপ অপরিবর্তিত থাকলে of বসে।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে সময়ের মধ্যে কাজটি শেষ করার কথা বলা হয়েছে।
তাই এখানে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে in ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাক্যটির অর্থ পূর্ণ করে এবং সময়ের পূর্বে বসে।
B) on — এটি সাধারণত নির্দিষ্ট দিন বা বারের পূর্বে বসে, সময়ের পরিধিতে বসে না।
C) by — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা শেষ সীমাকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
D) for — এটি সাধারণত দীর্ঘ সময় বা ব্যাপ্তiti বোঝাতে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কিছু করতে হবে বোঝালে সাধারণত in প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Beauty
কেন সঠিক:
‘Beautiful’ শব্দটির অর্থ সুন্দর এবং এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ। এর নাউন রূপ হলো ‘Beauty’ যার অর্থ সৌন্দর্য।
বাক্যে এটি সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Beauty — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি নাউন।
B) Beautify — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া যার অর্থ সুন্দর করা।
C) Beauteous — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যা মূলত কবিতায় ব্যবহার করা হয়।
D) Beautifully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ যার অর্থ সুন্দরভাবে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে ty থাকলে সাধারণত সেটি নাউন হয় যেমন honesty এবং beauty।
সঠিক উত্তর: D) at
কেন সঠিক:
- কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা, অদক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে সাধারণত at প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়।
- হাসি, ঠাট্টা বা কোনো কাজের প্রতি নির্দিষ্ট প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতেও at সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — সাধারণত বড় স্থান, মাস, বছর বা কোনো কিছুর ভেতরে অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য নয়।
B) about — কোনো বিষয় সম্পর্কে বা কোনো কিছু সম্বন্ধে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা সঠিক প্রিপজিশনের নিয়মের সাথে মেলে না।
সাথে — কোনো ব্যক্তি বা উপকরণের সাহায্যে কিছু করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
D) at — সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য, দক্ষতা বা আচরণের ক্ষেত্রে যথাযথভাবে বসে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে গুড (good) বা পারফেক্ট (perfect) শব্দের পরে সাধারণত at প্রিপজিশন বসে।
সঠিক উত্তর: A) Why have you done this?
কেন সঠিক:
ডব্লিউ এইচ ওয়ার্ড দিয়ে প্রশ্ন করার সময় সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব বসাতে হয়।
এখানে সাবজেক্ট ইউ এর আগে হ্যাভ ভার্ব সঠিক নিয়মে বসেছে।
মূল ভার্বের সঠিক পাস্ট পার্টিসিপল রূপ অর্থাৎ ডান ব্যবহৃত হয়েছে।
এটি একটি সঠিক ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সের গঠন অনুসরণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B — এখানে সাবজেক্ট ইউ এর আগে হ্যাট বসলেও মূল ভার্বের সাথে পাস্ট ফর্ম থাকায় বাক্যটি ভুল হয়েছে।
C — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব সাবজেক্টের আগে না বসে সাবজেক্টের পরে বসেছে, তাই এটি প্রশ্নবোধক হয়নি।
D — ডিড এর পরে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসানো হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ডব্লিউ এইচ ওয়ার্ড দিয়ে প্রশ্ন করার সময় প্রথমে ডব্লিউ এইচ ওয়ার্ড, পরে সাহায্যকারী ভার্ব, তারপর সাবজেক্ট এবং সবশেষে মূল ভার্ব বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) an autobiography
কেন সঠিক:
- নিজের জীবন সম্পর্কে নিজে লেখা বই বা বিবরণীকে ইংরেজিতে অটোবায়োগ্রাফি বা আত্মজীবনী বলা হয়।
- প্রদত্ত প্রশ্নে নিজের জীবন লেখার কথা বলা হয়েছে, যা এই সংজ্ঞার সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a diary — ডায়েরি হলো প্রতিদিনের ঘটনার দৈনিক লিপি, যা কেবল নিজের জীবন নিয়ে পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ নয়।
B) a biography — জীবনী হলো অন্য কোনো ব্যক্তির জীবন সম্পর্কে লেখা বই বা বিবরণী।
C) an autobiography — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) a chronicle — ক্রনিকল হলো কালানুক্রমিকভাবে ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোর একটি বিবরণ বা ইতিহাস।
মনে রাখার টিপস:
Auto অর্থ নিজে এবং Bio অর্থ জীবন, তাই নিজের জীবন নিয়ে লেখা হলো Autobiography।
সঠিক উত্তর: A) very fat
কেন সঠিক:
Obese শব্দটির বাংলা অর্থ হলো অতিরিক্ত মোটা বা স্থূলকায়। ইংরেজি অভিধান অনুযায়ী এর সমার্থক শব্দ হলো অতিরিক্ত ওজনের অধিকারী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) very fat — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি obese শব্দের সাথে সরাসরি মিল রাখে এবং অতিরিক্ত ওজনের অবস্থাকে বোঝায়।
B) ugly — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কুৎসিত, যা শারীরিক ওজনের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
C) tardy — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ধীরগতির বা বিলম্বিত, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
D) obnoxious — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অত্যন্ত অপছন্দকর বা বিরক্তিকর, যা সঠিক উত্তরের কাছাকাছিও নয়।
মনে রাখার টিপস:
Obese এবং overfat দুটি শব্দই o দিয়ে শুরু হয় এবং অতিরিক্ত ওজনকে নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: A) She asked me if I was happy in my new job
কেন সঠিক:
রিপোর্টিং ভার্বটি পাস্ট টেন্সে থাকায় রিপোর্টেড স্পিচের প্রেজেন্ট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট টেন্স হবে।
ইয়েস-নও কোশ্চেন হওয়ায় ইনডাইরেক্ট করার সময় ইফ বা হেদার বসে এবং সেন্টেন্সটি অ্যাসারটিভ হয়ে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক অপশন — এই অপশনটি প্রশ্নটিতে প্রিন্টিং ভুলের কারণে নিচে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
B) B অপশন — এখানে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
C) C অপশন — এখানে রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট হওয়ার পরেও রিপোর্টেড স্পিচে প্রেজেন্ট টেন্স রাখা হয়েছে।
D) D অপশন — এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা সাধারণ সত্য বা বর্তমান অবস্থার পরিবর্তনের জন্য অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
নরমাল প্রশ্নে ইনডাইরেক্ট করার সময় রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট হলে ভেতরের প্রেজেন্ট টেন্স পাস্ট টেন্সে রূপান্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) All the good qualities are embodied by my teacher
কেন সঠিক:
Active voice এর subject এখানে passive voice এর object হয়েছে এবং object টি subject হিসেবে এসেছে।
Verb এর সঠিক past participle রূপ এবং উপযুক্ত auxiliary verb ব্যবহৃত হয়েছে।
বাক্যের অর্থ এবং grammatical structure সম্পূর্ণ সঠিক আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) All the good qualities are embodied by my teacher — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের Passive রূপ।
B) All the good qualities are embodied in my teacher alan — এখানে অতিরিক্ত এবং ভুল শব্দ যুক্ত করা হয়েছে।
C) All the good qualities are embodied to my teacher or oldal — এখানে preposition ভুল এবং অতিরিক্ত শব্দ আছে।
D) All the good qualities are embodied on my teacher — এখানে embodied এর পর on preposition ব্যবহার করা ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Active থেকে Passive করার সময় object কে subject বানাতে হয় এবং verb এর সঠিক form ও preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) generosity
কেন সঠিক:
bounty শব্দের অর্থ উদারতা বা মুক্তহস্তে দান করা যা generosity শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
এই দুটি শব্দই মানুষের দয়ালু স্বভাব এবং সাহায্য করার মানসিকতা প্রকাশ করে।
ইংরেজী সাহিত্যে উপহার বা পুরস্কার অর্থেও bounty শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) generosity — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ উদারতা।
B) familiar — এর অর্থ পরিচিত বা সপরিচয়, যা bounty শব্দের সাথে মিলে না।
C) dividing line — এর অর্থ বিভাজ রেখা বা সীমা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ধারণা।
D) sympathy — এর অর্থ সহানুভূতি, যা দানশীলতা বা উদারতার সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
bounty শব্দটিতে থাকা দানশীল ভাব মনে রাখতে generosity শব্দটির সাথে মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) Stand up
কেন সঠিক:
যে সেন্টেন্স দিয়ে কোনো আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায় তাকে ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স বলে।
এখানে স্ট্যান্ড আপ দ্বারা আদেশ বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I shall go to college — এটি একটি সাধারণ বর্ণনা মূলক বাক্য বা অ্যাসারেটিভ সেন্টেন্স।
B) Matin is singing a song — এটি বর্তমান চলমান কাল বা প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সের একটি বাক্য।
C) Stand up — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো বাক্য নেই।
D) it has been raining since morning — এটি একটি সময় নির্দেশক দীর্ঘস্থায়ী কাজের বাক্য বা প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স।
মনে রাখার টিপস:
যে বাক্যগুলো সাধারণত মূল ভার্ব দিয়ে শুরু হয় এবং বক্তার আদেশ বা অনুরোধ প্রকাশ করে, তাকেই ইম্পারেটিভ সেন্টেন্স চিনে নেবে।
সঠিক উত্তর: B) Cause to happen
কেন সঠিক:
‘Bring to pass’ একটি ইংরেজি বাগধারা যার বাংলা অর্থ হলো কোনো কিছু ঘটিয়ে তোলা বা সম্পন্ন করা।
এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সঠিক অর্থ হলো কোনো ঘটনা বাস্তবে ঘটিয়ে ফেলা বা কোনো কিছু ঘটা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cause to destroy — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ধ্বংস করা, যা মূল বাগধারার সাথে মেলে না।
B) Cause to happen — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) Cause to carry out — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কোনো আদেশ বা কাজ বাস্তবায়ন করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Cause to convince — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কাউকে রাজি করানো, যার সাথে মূল বাক্যের মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
‘Bring’ মানে আনা এবং ‘Pass’ মানে ঘটা, অর্থাৎ কোনো ঘটনাকে সামনে টেনে আনা বা ঘটিয়ে ফেলা মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) the bridge had broken
কেন সঠিক:
বাক্যটির মূল অংশটি would have + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্মে আছে, যা থার্ড কন্ডিশনাল নির্দেশ করে।
থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মানুযায়ী ইফ ক্লজটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের অর্থাৎ subject + had + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল হবে।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে the bridge had broken।
conditionals এর এই নিয়মটি ইংরেজি গ্রামারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the bridge is broken — এটি প্রেজেন্ট টেন্সে আছে, যা থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মের সাথে মিলছে না।
B) the bridge would break — ইফ ক্লজে would বা could ব্যবহার করা যায় না, তাই এটি ভুল।
C) the bridge had broken — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) the bridge been broken — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব had অনুপস্থিত থাকায় গঠনটি অসম্পূর্ণ হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
would have দেখলে ইফ ক্লজে ہمیشہ had + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল বসবে।
সঠিক উত্তর: C) accident
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী কেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়নি, বরং ঘটনাটি নিজে থেকেই হঠাৎ ঘটে গেছে।
ইংরেজি ব্যাকরণে আকস্মিক বা unintentional কোনো ঘটনাকে বোঝাতে accident শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
তাই শূন্যস্থানে accident বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও সঠিক হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) incident — এটি সাধারণত কোনো সাধারণ ঘটনা বা ঐতিহাসিক বিষয় বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
B) occurrence — এটি যেকোনো কিছু ঘটার সাধারণ প্রক্রিয়া বা ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) accident — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) event — এটি কোনো বিশেষ আয়োজন বা গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
হঠাৎ ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত ঘটনা বোঝাতে সবসময় accident শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) before
কেন সঠিক:
Prior to একটি ইংরেজি ফ্রেজ যার বাংলা অর্থ পূর্বে বা আগে।
এটি মূলত সময়ের ক্ষেত্রে কোনো ঘটনার আগের অবস্থাকে নির্দেশ করে থাকে।
তাই with এবং before শব্দের অর্থ একই রকম।
এটি বাক্যে আগের সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — এর অর্থ পরে, যা prior to এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) before — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) immediately — এর অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে, যা prior to এর সমার্থক নয়।
D) during the period of — এর অর্থ কোনো সময়কাল ধরে, যা আগের সময় বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
Prior শব্দটির সাথে Before মিল আছে মনে রেখে Prior to মানে আগে এটি সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) under all condition
কেন সঠিক:
থ্রু থিক অ্যান্ড থিন একটি ইংরেজি প্রবচন বা ইডিওম যার বাংলা অর্থ হলো সকল পরিস্থিতিতে বা সব অবস্থাতে।
এই প্রবচনটি বোঝায় যে ভালো বা খারাপ যেকোনো অবস্থাতেই কেউ কারো পাশে থাকবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) under all condition — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সব অবস্থাতে, যা মূল ইডিওমের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
B) to make thick and thin — এটি ভুল কারণ এটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে যা প্রবচনটির আসল ভাবার্থের সাথে মেলে না।
C) not clear in understanding — এটি ভুল কারণ এর অর্থ বুঝতে পরিষ্কার নয়, যা এই ইডিওমের অর্থের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) of great destiny — এটি ভুল কারণ এর অর্থ মহান ভাগ্যের অধিকারী, যা এই প্রবচনের ভাবের সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
থিক মানে মোটা বা ভালো অবস্থা এবং থিন মানে পাতলা বা খারাপ অবস্থা, তাই সব অবস্থাকে বোঝাতে থ্রু থিক অ্যান্ড থিন ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) responsible for
কেন সঠিক:
- ব্যক্তির কাজের দায়বদ্ধতা বা জবাবদিহিতা বোঝাতে Responsible-এর পর সঠিক Preposition হিসেবে for বসে।
- কোনো কাজের পরিণতির জন্য কাউকে দায়ী করা অর্থে Responsible for সঠিক গঠন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) responsible for — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ কাজের জন্য দায়ী থাকা অর্থে for প্রিপজিশন বসে।
B) responsible to — কোনো ব্যক্তির নিকট জবাবদিহি করা বোঝালে responsible-এর পরে to বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) liable to — LIABLE-এর পর সাধারণত liable to legal action বা এই ধরনের নির্দিষ্ট অর্থে বসে, যা এখানে অর্থের সঙ্গে মেলে না।
D) blamed — Blamed একটি Verb কিন্তু বাক্যের গঠন অনুযায়ী এখানে একটি Adjective বা Prepositional phrase প্রয়োজন।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজের জন্য দায়ী থাকা বোঝালে Responsible-এর পরে সবসময় for বসে।
সঠিক উত্তর: B) lose
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের আগে want টু ইনফিনিটিভ আছে, তাই এখানে মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসবে। lose হলো একটি ভার্ব যার অর্থ হারানো এবং বাক্যটির অর্থ হলো আমি রাস্তা হারাতে চাইনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) loose — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ ঢিলা বা শিথিল, তাই এখানে সঠিক নয়।
B) lose — এটি সঠিক ভার্ব হওয়ায় বাকি অপশনগুলো ভুল।
C) lost — এটি lose ভার্বের পাস্ট বা পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম, যা ইনফিনিটিভের পরে বসে না।
D) loss — এটি একটি নাউন যার অর্থ ক্ষতি, তাই এখানে ভার্বের স্থানে এটি বসবে না।
মনে রাখার টিপস:
ডাবল ও ওয়ালা loose মানে ঢিলা, আর সিঙ্গেল ও ওয়ালা lose মানে হারানো।
সঠিক উত্তর: D) upon
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে কাউকে অবহেলা করা বা ঘৃণা করার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
এই বিশেষ অর্থ বোঝাতে সঠিক গ্রুপ ভার্ব হিসেবে look down upon ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — look down at বলতে নিচে তাকানো বোঝায় কিন্তু অবহেলা করা অর্থ প্রকাশ করে না।
B) for — look down for কোনো নির্দিষ্ট গ্রুপ ভার্ব বা সঠিক ধারা গঠন করে না।
C) towards — look down towards ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এটি ইংরেজি নিয়মের সাথে মেলে না।
D) upon — এটি সঠিক কারণ look down upon একটি স্থির গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ ঘৃণা করা।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে ছোট চোখে দেখা বা ঘৃণা করার ইংরেজি ফ্রেজ হলো look down upon।
সঠিক উত্তর: A) diet
কেন সঠিক:
স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের জন্য পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাস বা ডায়েট পরিকল্পনা করা অত্যন্ত জরুরি।
এটি শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সরাসরি সাহায্য করে।
সুষম খাদ্যের ইংরেজি পরিভাষা হিসেবে 'balanced diet' একটি স্থায়ী ও নির্দিষ্ট ফ্রেজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) diet — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি এই বাক্যের জন্য নির্দিষ্ট ফ্রেজ।
B) food — সাধারণ অর্থে খাবার বোঝালেও সুষম খাদ্যের নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক বা প্রচলিত পরিভাষা 'balanced food' হয় না।
C) drink — পানীয় স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজন হলেও 'balanced drink' বলে কোনো প্রচলিত বা সঠিক শব্দগুচ্ছ ইংরেজিতে নেই।
D) environment — পরিবেশ সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা খাওয়ার বা ডায়েটের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সুষম খাবার বা পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস বোঝাতে সব সময় 'balanced diet' এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৪২৯২৫
প্রدত্ত তথ্য:
ধারার প্রথম পদ ১
ধারার শেষ পদ ৫০
ধরি,
পদ সংখ্যা (ন) = ৫০
বর্গের সমষ্টির সূত্রটি হলো
ন × (ন + ১) × (২ন + ১) ÷ ৬
অতএব,
ন এর মান ৫০ বসিয়ে পাই
৫০ × (৫০ + ১) × (২ × ৫০ + ১)
৫০ × ৫১ × ১০১
সুতরাং,
৫১ কে ৬ দিয়ে ভাগ এবং বাকি গুণ করে পাই
২৫৫০০৫০ ÷ ৬
উত্তর: ৪২৯২৫
সঠিক উত্তর: D) ৫৬.২৫%
প্রদত্ত তথ্য:
৪ টাকায় ৫টি করে কমলা কেনা হলো
৫ টাকায় ৪টি করে কমলা বিক্রি করা হলো
ধরি,
মোট কমলার সংখ্যা = ৫ ও ৪ এর লসাগু = ২০টি
অতএব,
২০টি কমলার ক্রয়মূল্য = (৪ ÷ ৫) × ২০ = ১৬ টাকা
২০টি কমলার বিক্রয়মূল্য = (৫ ÷ ৪) × ২০ = ২৫ টাকা
লাভ হলো = ২৫ − ১৬ = ৯ টাকা
সুতরাং,
শতকরা লাভ = (৯ ÷ ১৬) × ১০০% = ৫৬.২৫%
উত্তর: ৫৬.২৫%
সঠিক উত্তর: B) ৬.২৫% কমানাে হয়েছে
প্রদত্ত তথ্য:
পণ্যের মূল্য প্রথমে ২৫% বাড়ানো হলো
পরবর্তীতে বর্ধিত মূল্য থেকে ২৫% কমানো হলো
ধরি,
পণ্যের আদি বা প্রাথমিক মূল্য = ১০০ টাকা
অতএব,
২৫% বাড়ার পর পণ্যের মূল্য হয় = ১০০ + ২৫ = ১২৫ টাকা
এই ১২৫ টাকার ওপর আবার ২৫% কমানো হলো
১২৫ এর ২৫% হলো ৩০.২৫ টাকা
সুতরাং,
সর্বশেষ মূল্য দাঁড়ায় ১২৫ − ৩১.২৫ = ৯৩.৭৫ টাকা
উত্তর: ১০০ − ৯৩.৭৫ = ৬.২৫% কমানো হয়েছে
সঠিক উত্তর: B) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
৯ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১২ দিনে
ধরি,
প্রথমে লোকসংখ্যা = ৯ জন
অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করা হলো = ৩ জন
মোট লোকসংখ্যা হলো = ৯ + ৩ = ১২ জন
অতএব,
৯ জন লোক কাজটি করে ১২ দিনে
১ জন লোক কাজটি করতে বেশি সময় নিবে, তাই গুণ হবে = ১২ × ৯ = ১০৮ দিনে
সুতরাং,
১২ জন লোক কাজটি শেষ করবে = ১০৮ ÷ ১২ = ৯ দিনে
উত্তর: ৯ দিন
সঠিক উত্তর: D) ৬০
প্রদত্ত তথ্য:
মোট বাস ভাড়া ২৪০০ টাকা
অতিরিক্ত ছাত্রছাত্রী ১০ জন
ভাড়া কমে গেল ৮ টাকা প্রতি জন
ধরি,
প্রথমে বাসে ছাত্রছাত্রী ছিল ক জন
পরে মোট ছাত্রছাত্রী হলো ক + ১০ জন
অতএব,
আগে প্রতি জনের ভাড়া ছিল ২৪০০ ÷ ক টাকা
পরে প্রতি জনের ভাড়া হলো ২৪০০ ÷ (ক + ১০) টাকা
সুতরাং,
(২৪০০ ÷ ক) − (২৪০০ ÷ (ক + ১০)) = ৮
সমাধান করে পাই,
ক এর মান ৬০
উত্তর: ৬০ জন
সঠিক উত্তর: B) ৪১ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৭ বছর
পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর
ধরি,
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৭ × ৩ বছর = ১১১ বছর
পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৫ × ২ বছর = ৭০ বছর
অতএব,
মাতার বয়স বের করতে হবে পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি থেকে পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি বিয়োগ করে
সুতরাং,
মাতার বয়স = ১১১ বছর − ৭০ বছর = ৪১ বছর
উত্তর: ৪১ বছর
সঠিক উত্তর: D) ১৮
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি রাশির বিয়োগফলের বর্গ = ১৪
দুটি রাশির গুণফল = ২
ধরি,
প্রথম রাশি x এবং দ্বিতীয় রাশি y
দেওয়া আছে, (x − y)제곱 = ১৪
এবং xy = ২
অতএব,
আমরা জানি, x제곱 + y제곱 = (x − y)제곱 + ২xy
এখন মানগুলো বসিয়ে পাই, x제곱 + y제곱 = ১৪ + (২ × ২)
হিসাব করে পাই, x제곱 + y제곱 = ১৪ + ৪
সুতরাং,
যোগ করে পাই, x제곱 + y제곱 = ১৮
উত্তর: ১৮
সঠিক উত্তর: B) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে
ধরি,
বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r
অতএব,
আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r
সুতরাং,
নতুন ব্যাসার্ধ = ৩ × r
নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৩ × r) × (৩ × r) = ৯ × π × r × r
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: A) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য = ১২ সেমি
ধরি,
ত্রিভুজের সমান দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সেমি
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে,
ক এর ওপর বর্গ + ক এর ওপর বর্গ = অতিভুজের ওপর বর্গ
সুতরাং,
২ × (ক এর ওপর বর্গ) = ১২ × ১২
২ × (ক এর ওপর বর্গ) = ১৪৪
ক এর ওপর বর্গ = ৭২
উত্তর: ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা = (১ ÷ ২) × ক × ক = (১ ÷ ২) × ৭২ = ৩৬ বর্গ সেমি
সঠিক উত্তর: C) ১৮
প্রدত্ত তথ্য:
৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে
ধরি,
৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো হলো একষট্টি থেকে উনআশি
অতএব,
৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো একষট্টি, তেষট্টি নয় কারণ এটি ভাজ্য, সাতষট্টি, উনসত্তর, একাত্তর, তিয়াত্তর এবং উনআশি
সুতরাং,
এই সীমার মধ্যে ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি হলো একষট্টি এবং বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি হলো উনআশি
উত্তর: উনআশি − একষট্টি = আঠারো
সঠিক উত্তর: D) আবদুল্লাহ
কেন সঠিক:
- বাদশা ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ ২০০৫ সালের পহেলা আগস্ট মৃত্যুবরণ করলে তাঁর সৎ ভাই আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ সৌদি আরবের নতুন বাদশাহ হিসেবে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি সৌদি আরবের ষষ্ঠ বাদশাহ ছিলেন এবং এর আগে দীর্ঘদিন ক্রাউন প্রিন্স ও দেশের কার্যত শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খালেদ — তিনি বাদশা ফাহাদের আগের বাদশাহ ছিলেন, পরের নন।
B) ফয়সাল — তিনি সৌদি আরবের তৃতীয় বাদশাহ ছিলেন এবং ফাহাদের অনেক আগে শাসন করেছেন।
C) আব্দুল আজিজ — তিনি আধুনিক সৌদি আরব রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম বাদশাহ ছিলেন।
D) আবদুল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফাহাদের পরে আসেন আবদুল্লাহ, এভাবে আ বর্ণ দিয়ে ফাহাদ-পরবর্তী বাদশাহকে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) নেদারল্যান্ডস
কেন সঠিক:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের প্রধান দেশগুলো হলো নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- নেদারল্যান্ডস উত্তর ইউরোপের দেশ হলেও ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক কারণে এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডেনমার্ক — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের অন্যতম প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী একটি দেশ।
B) ফিনল্যান্ড — ফিনল্যান্ড নর্ডিক দেশের অন্তর্ভুক্ত হলেও ভূগোলের বিচারে কঠোর অর্থে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অংশ নয়, তবে অপশন সি বেশি উপযুক্ত ও পরীক্ষিত সঠিক উত্তর।
C) নেদারল্যান্ডস — এটি পশ্চিম ইউরোপের দেশ এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ার বাইরে অবস্থিত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
D) সুইডেন — সুইডেন স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপে অবস্থিত এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ার প্রধান দেশ।
মনে রাখার টিপস:
স্ক্যান্ডিনেভিয়ার মূল দেশ মনে রাখার সহজ শব্দ হলো নো-ডু-স্বু অর্থ নরওয়ে, ডেনমার্ক ও সুইডেন।
সঠিক উত্তর: D) উগندا
কেন সঠিক:
- উগান্ডা একটি খ্রিস্টানপ্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও ওআইসি (OIC) বা ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছে।
- দেশটির মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মুসলমান হওয়ায় তারা এই সংস্থার সদস্য হতে পেরেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইজেরিয়া — এটি মুসলমান প্রধান দেশ এবং ওআইসির সদস্য, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) লেবানন — এটি মুসলমান প্রধান দেশ না হলেও এটি ওআইসির সদস্য, তবে এই প্রশ্নে উগান্ডা সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত।
C) নাইজার — এটি একটি মুসলমান প্রধান দেশ, তাই প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক নয়।
D) উগندا — এটি মুসলমান প্রধান না হলেও ওআইসির সদস্য এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকা মহাদেশের উগান্ডা দেশটিতে খ্রিস্টানরা বেশি থাকলেও তারা ওআইসির সদস্য।
সঠিক উত্তর: B) জন এফ. কেনেডি
কেন সঠিক:
- কিউবায় ক্ষেপণাস্ত্র সংকট সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে স্নায়ুযুদ্ধের সময়।
- এই সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জন এফ. কেনেডি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা ছিলেন নিকিতা ক্রুশ্চেভ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিচার্ড এম. নিক্সন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন কেনেডির পরে, ১৯৬৯ সালে।
B) জন এফ. কেনেডি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনি ১৯৬২ সালের সংকটের সময় প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
C) লিন্ডন বেইনস জনসন — তিনি ১৯৬৩ সালে কেনেডির হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হন।
D) হ্যারি এস. ট্রুম্যান — তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও স্নায়ুযুদ্ধের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
কিউবা সংকটের সময় কেনেডি ছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, এভাবে মনে রাখা যায় যে সংকটের (Crisis) সাথে কেনেডি (Kennedy) নামটির প্রথম অক্ষর কে (K) মিলে যায়।
সঠিক উত্তর: B) ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
কেন সঠিক:
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি পরপর চারবার অর্থাৎ প্রায় ১২ বছর ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৯৩৩ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হ্যারি এস. ট্রুম্যান — তিনি রুজভেল্টের মৃত্যুর পর ৩৩তম প্রেসিডেন্ট হন এবং প্রায় আট বছর ক্ষমতায় ছিলেন।
B) ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
C) জেমস মানরাও — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট হিসেবে মাত্র আট বছর বা দুটি মেয়াদে ক্ষমতায় ছিলেন।
D) তথ্যটি সঠিক নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এই তথ্যটি সঠিক নয় বলে গণ্য করা যাবে না।
মনে রাখার টিপস:
রুজভেল্ট চারবার নির্বাচিত হয়ে প্রায় বারো বছর ক্ষমতায় ছিলেন, তাই ১২ বছরের কথা থাকলেই ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট উত্তর হবে।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ৫৪৩
কেন সঠিক:
- ভারতীয় লোকসভার বর্তমান নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা ৫৪৩ জন।
- অতীতে দুটি আসনে ইঙ্গ-ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্য মনোনয়ন দেওয়ার বিধান থাকলেও ২০১৯ সালে সংবিধানের ১০৪তম সংশোধনীর মাধ্যমে তা বাতিল করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫৪৩ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে লোকসভার সব সদস্যই সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন।
B) ৫৪৫ — এটি ভুল কারণ পূর্বে ৫৪৩ জন নির্বাচিত এবং ২ জন মনোনীত মিলিয়ে মোট সদস্য সংখ্যা ৫৪৫ জন ছিল, যা বর্তমানে বাতিল হয়েছে।
C) ৪১৫ — এটি ভুল কারণ এই সংখ্যার সঙ্গে ভারতীয় লোকসভার আসনসংখ্যার কোনো মিল নেই।
D) ৫৪০ — এটি ভুল কারণ এটি লোকসভার বর্তমান নির্বাচিত বা মোট সদস্য সংখ্যার সঠিক মান নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের লোকসভার আসন মনে রাখতে ৫৪৩ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে বর্তমানে কোনো মনোনীত সদস্য নেই।
সঠিক উত্তর: B) নিউজিল্যান্ড
কেন সঠিক:
- নিউজিল্যান্ড ১৮৯৩ সালে বিশ্বের প্রথম স্বশাসিত দেশ হিসেবে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে।
- গভর্নর লর্ড গ্লাসগো ১৮৯৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর নির্বাচনী আইনে স্বাক্ষর করলে মহিলারা এই অধিকার লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — মার্কিন নারীরা ১৯২০ সালে সংবিধানের ঊনবিংশ সংশোধনী পাসের মাধ্যমে ভোটাধিকার লাভ করেন।
B) নিউজিল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় নারীদের ভোটাধিকার প্রদানে বিশ্বে প্রথম স্থান অধিকার করে।
C) বাহামা — এই দেশের নারীরা ১৯৬১ সালে ভোটাধিকার লাভ করেন, যা নিউজিল্যান্ডের অনেক পরের ঘটনা।
D) সুইজারল্যান্ড — অত্যন্ত বিলম্বে ১৯৭১ সালে সুইজারল্যান্ডের মহিলারা ফেডারেল নির্বাচনে ভোটাধিকার লাভ করেন।
মনে রাখার টিপস:
নিউজ' মানে নতুন কিছু, আর নারীদের ভোটাধিকারের 'নতুন' ইতিহাস শুরু হয়েছিল নিউজিল্যান্ড দিয়ে।
সঠিক উত্তর: B) 1993
কেন সঠিক:
- কেমিক্যাল উইপন্স কনভেনশন বা রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন ১৯৯৩ সালের ১৩ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি এমন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1990 — এই সালে এই কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি পূর্ববর্তী স্নায়ুযুদ্ধ অবসানের সময় আলোচনার বছর ছিল।
B) 1993 — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ঐতিহাসিক কনভেনশনটিতে বিভিন্ন দেশ স্বাক্ষর করে।
C) 1996 — এই সালে কনভেনশনটি স্বাক্ষরিত হয়নি, তবে এটি কার্যকর হওয়ার পূর্ববর্তী বছর ছিল।
D) 1999 — এই সালে কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়নি, এটি চুক্তি স্বাক্ষরের অনেক পরের একটি বছর।
মনে রাখার টিপস:
রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধ করার এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৩ সালে এবং কার্যকর হয় ১৯৯৭ সালে।
সঠিক উত্তর: C) নিরাপত্তা পরিষদ
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী নতুন সদস্য গ্রহণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ বাধ্যতামূলক।
- নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ পাওয়ার পরই কেবল সাধারণ পরিষদ ভোটাভুতির মাধ্যমে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অছি পরিষদ — এটি বিশ্বযুদ্ধের পর যেসব ভূখণ্ড আত্মনির্ভরশীল হয়নি, তাদের তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করে এবং নতুন সদস্য গ্রহণে এর কোনো ভূমিকা নেই।
B) সাধারণ পরিষদ — এটি জাতিসংঘের প্রধান নীতিনির্ধারক সভা হলেও নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ ছাড়া কোনো দেশ সদস্য হতে পারে না।
C) নিরাপত্তা পরিষদ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত নয়।
D) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ — এটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং সদস্যপদ সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করে না।
মনে রাখার টিপস:
নতুন সদস্যের টিকিট পেতে হলে নিরাপত্তা পরিষদের সবুজ সংকেত বা সুপারিশ সবার আগে লাগবে।
**প্রশ্নের ধরন:** আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ইতিহাস
**প্রদত্ত উত্তরের মূল্যায়ন:** প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক নয়। নোবেল পুরস্কার পাওয়া প্রথম মুসলিম মনীষী হলেন প্রফেসর আব্দুস সালাম। আনোয়ার সাদাত প্রথম মুসলিম হিসেবে নোবেল পেয়েছেন কথাটি সঠিক নয়, তবে তিনি প্রথম আরব নেতা হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) প্রফেসর আব্দুস সালাম
কেন সঠিক:
- পাকিস্তানি পদার্থবিজ্ঞানী প্রফেসর আব্দুস সালাম ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনিই ইতিহাসের প্রথম মুসলিম ব্যক্তি হিসেবে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইয়াসির আরাফাত — তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি নেতা যিনি ১৯৯৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান, তবে প্রথম মুসলিম নন।
B) নাগীব মাহফুজ — তিনি প্রথম আরব সাহিত্যিক হিসেবে ১৯৮৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান, তবে প্রথম মুসলিম নন।
C) আনোয়ার সাদাত — তিনি মিশরের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৯৭৯ সালে প্রথম আরব নেতা হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান, কিন্তু প্রথম মুসলিম নন।
D) প্রফেসর আব্দুস সালাম — এই অপশনটিই সঠিক এবং তিনি ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়ে প্রথম মুসলিম হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।
মনে রাখার টিপস:
পদার্থে সালাম দিয়ে প্রথম মুসলিম হিসেবে নোবেল জয় করেন প্রফেসর আব্দুস সালাম (১৯৭৯)।
সঠিক উত্তর: B) ক্যাটরিনা
কেন সঠিক:
- ২০০৫ সালের আগস্ট মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও পশ্চিম অঞ্চলে (বিশেষ করে লুইজিয়ানা ও নিউ অরলিন্স রাজ্যে) আঘাত হানা অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক হারিকেন ছিল ক্যাটরিনা।
- এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম সবচেয়ে মারাত্মক ও ব্যয়বহুল প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভেনিস — এটি হারিকেনের নাম নয়, এটি ইতালির একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও পর্যটন শহর।
B) ক্যাটরিনা — এটি ২০০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ বা পশ্চিম অঞ্চলে আঘাত হানার সঠিক উত্তর।
C) আইভান — এটি ২০০৪ সালে ক্যারিবীয় অঞ্চল ও যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলে আঘাত হানা অন্য একটি হারিকেন, ২০০৫ সালের নয়।
D) রিটাও ২০০৫ সালের একটি হারিকেন হলেও এটি ক্যাটরিনার পরে ওই অঞ্চলে আঘাত হেনেছিল, সর্বপ্রথম আঘাত হানে ক্যাটরিনা।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রে ২০০৫ সালে আঘাত হানা প্রথম ও সবচেয়ে মারাত্মক হারিকেন মনে রাখতে বর্ণানুক্রমিকভাবে ক অক্ষরটি প্রথমে আসে এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) লন্ডন
কেন সঠিক:
- অক্সফাম একটি আন্তর্জাতিক দাতব্য ও সাহায্য সংস্থা যা দারিদ্র্য বিমোচন নিয়ে কাজ করে।
- এই সংস্থাটির বর্তমান আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত হলেও অক্সফামের সদর দপ্তর এখানে নয়।
B) নিউইয়র্ক — এটি প্রশ্নে পুনরাবৃত্তি হওয়া একটি ভুল অপশন এবং অক্সফামের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) লন্ডন — এটি সঠিক উত্তর কারণ অক্সফামের মূল আন্তর্জাতিক সচিবালয় এই শহরে অবস্থিত।
D) হেগ — এটি নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক আদালতের শহর, অক্সফামের সদর দপ্তর এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
অক্সফাম নামের সাহায্য সংস্থাটি মনে রাখতে ব্রিটিশ রাজত্বের রাজধানী লন্ডন শহরের কথা মাথায় রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) ম্যাকাউ
কেন সঠিক:
- ম্যাকাউ অঞ্চলটি পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল এবং ১৯৯৯ সালের ২০ ডিসেম্বর চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- বিংশ শতাব্দীর একদম শেষের এই সময়টিতে উপনিবেশবাদের অবসান ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হংকং — এটি বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে অর্থাৎ ১৯৯৭ সালে যুক্তরাজ্যের নিকট থেকে চীনের কাছে হস্তান্তরিত হয়, যা উপনিবেশবাদের মুক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হলেও ম্যাকাউ তারও পরে ১৯৯৯ সালে মুক্ত হয়।
B) শ্রীলংকা — এটি ব্রিটিশ শাসন থেকে ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করে, যা বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগের ঘটনা।
C) ম্যাকাউ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
D) বাংলাদেশ — এটি পাকিস্তান থেকে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে, যা বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাকাউ ১৯৯৯ সালে এবং হংকং ১৯৯৭ সালে চীনের কাছে হস্তান্তরিত হয়ে বিংশ শতাব্দীর শেষের উপনিবেশমুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: C) সল্ট-২ চুক্তি (SALT-2)
কেন সঠিক:
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণের এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও রাজনৈতিক সংকটের কারণে মার্কিন সিনেট একে অনুমোদন দেয়নি।
- ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নের আফগানিস্তান আক্রমণের পর মার্কিন সিনেটে স্থবির হয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এবিএম চুক্তি (ABM) — ১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিত এই মার্কিন-সোভিয়েত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সীমিতকরণ চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছিল।
B) সল্ট-১ চুক্তি (SALT-1) — ১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিত এই কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তিটি মার্কিন সিনেটের অনুমোদন লাভ করেছিল।
D) স্টার্ট-১ চুক্তি (START-1) — ১৯৯১ সালে স্বাক্ষরিত এই কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস চুক্তিটি পরবর্তীতে মার্কিন সিনেট কর্তৃক অনুমােদিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের সল্ট চুক্তিগুলোর মধ্যে প্রথমটি পাশ হলেও দ্বিতীয়টি তথা সল্ট-২ সিনেটের বাধা পেরোতে পারেনি।
সঠিক উত্তর: A) 1977
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ঐতিহাসিক তথ্য
কেন সঠিক:
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- সংগঠনটি নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার জন্য এই আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 1977 - এই সালে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়েছিল এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) 1978 - এই সালে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল নোবেল পুরস্কার পায়নি, তাই এটি ভুল উত্তর।
C) 1979 - এই সালে মাদার তেরেসা নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছিলেন, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) 1981 - এই সালে জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা বা ইউএনএইচসিআর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
সংগঠন হিসেবে মানবাধিকার রক্ষার স্বীকৃতি পেতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সময় লেগেছিল ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তির
কেন সঠিক:
- START শব্দের পূর্ণরূপ হলো স্ট্র্যাটেজিক আর্মস রিডাকশন ট্রিটি, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল পরমাণু অস্ত্র ও কৌশলগত আক্রমণাত্মক অস্ত্রের ভাণ্ডার সীমিত এবং হ্রাস করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিভিতে সম্প্রচারিত একটি সিরিয়াল — এই অপশনটি ভুল কারণ START-2 কোনো টেলিভিশন অনুষ্ঠান বা ধারাবাহিক নয়।
B) বাণিজ্যসংক্রান্ত একটি চুক্তি — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো অর্থনৈতিক বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের চুক্তি নয়।
C) কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তির — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি পরাশক্তির মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র কমানোর ঐতিহাসিক চুক্তি।
D) এর কোনটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সি অপশনে সঠিক উত্তরটি স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
START শব্দের প্রথম অংশ স্ট্র্যাটেজিক বা কৌশলগত এবং আর্মস বা অস্ত্র শব্দ দ্বারা সহজেই অস্ত্র হ্রাসের চুক্তি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ২৭
কেন সঠিক:
- আসিয়ান রিজিওনাল ফোরাম বা এআরএফ হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের নিরাপত্তা বিষয়ক একটি সংলাপ মঞ্চ।
- এই ফোরামের বর্তমান সদস্যসংখ্যা মোট ২৭টি দেশ, যার মধ্যে আসিয়ানভুক্ত ১০টি দেশ এবং এর বাইরের অংশীদার দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ — এই সংখ্যাটি আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামের সদস্যসংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি একটি ভুল তথ্য।
B) ২২ — এটি এই প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত সঠিক সদস্যসংখ্যা নয়, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
C) ২৩ — এই সংখ্যাটি এআরএফ জোটের প্রকৃত সদস্যসংখ্যার চেয়ে কম।
D) ২৭ — এটি আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামের সঠিক ও বর্তমান সদস্যসংখ্যা নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
আসিয়ান সদস্য ১০ এর সঙ্গে ১৭ যোগ করলেই এআরএফ বা আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামের মোট সদস্য সংখ্যা ২৭ পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: B) ২২ বছর
কেন সঠিক:
- ড মাহাথির মোহাম্মদ ১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত প্রথম দফায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- এই দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থেকে তিনি দেশটির অর্থনীতিকে আধুনিক ও শক্তিশালী রাষ্ট্রে রূপান্তর করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ বছর — এটি সঠিক মেয়াদকাল নয় কারণ তিনি ১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত মোট ২২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন।
B) ২২ বছর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত একটানা ২২ বছর দেশ পরিচালনা করেন।
C) ২৪ বছর — এটি ভুল কারণ তিনি এর চেয়ে কম সময় অর্থাৎ ২২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন।
D) ২৫ বছর — এটি ভুল কারণ তাঁর প্রথম দফার শাসনকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
ড মাহাথির মোহাম্মদের প্রথম মেয়াদের ক্ষমতা ছিল ১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত, যা হিসাব করলে ঠিক ২২ বছর হয়।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে বাংলাদেশ এই মুসলিম বিশ্বের প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ সালে — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি, বরং সদ্য স্বাধীন দেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভের বছর ছিল এটি।
B) ১৯৭৩ সালে — এই বছর বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ পায়নি, তবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের বছর ছিল।
C) ১৯৭৪ সালে — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছিল।
D) ১৯৭৫ সালে — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের শোকাবহ বছর হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে ওআইসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং বাংলাদেশ ওই বছরেই এর সদস্যপদ লাভ করে।
সঠিক উত্তর: C) কুর্দি
কেন সঠিক:
- জালাল তালাবানি ছিলেন ইরাকের প্রথম কুর্দি বংশোদ্ভূত রাষ্ট্রপতি এবং তিনি জাতিগতভাবে একজন কুর্দি সম্প্রদায়ের মানুষ।
- ইরাকের রাজনীতিতে কুর্দি সম্প্রদায় একটি প্রধান অংশ এবং তিনি দেশটির উত্তরাঞ্চলের কুর্দিস্তান অঞ্চলের একজন শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুন্নি — জালাল তালাবানি সুন্নি সম্প্রদায়ের মুসলিম ছিলেন না, তিনি কুর্দি জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
B) শিয়া — ইরাকের জনসংখ্যার বড় অংশ শিয়া হলেও জালাল তালাবানি শিয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করতেন না।
C) কুর্দি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি কুর্দি জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
D) খ্রিস্টান — তিনি খ্রিস্টধর্মের অনুসারী ছিলেন না, বরং মুসলিম পরিবারের কুর্দি বংশোদ্ভূত নেতা ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
জালাল তালাবানি নামের সাথে কুর্দিস্তান ও কুর্দি জাতিগোষ্ঠীর সংযোগ মনে রাখলে উত্তর সহজেই অনুমান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ৬.১৫
কেন সঠিক:
- প্রস্তাবিত পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং ভায়াডাক্ট সহ মোট দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু, যা মাদারীপুরের শিবচর ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে সংযুক্ত করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫.০৩ — এটি পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য নয়, এটি যমুনা বহুমুখী সেতুর দৈর্ঘ্য।
B) ৬.০৩ — এই সংখ্যাটি পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্যের সাথে মিলে না এবং এটি একটি ভুল মান।
C) ৪.৮ — এটি পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্যের কোনো সঠিক পরিমাপ নয়, ভুল অপশন।
ডি) ৬.১৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ছয় দশমিক পনেরো কিলোমিটার।
সঠিক উত্তর: D) ২৮(২) নং অনুচ্ছেদে
কেন সঠিক:
- সংবিধানের ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদের ১ উপচ্ছেদে কেবল ধর্মের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য না করার কথা বলা হয়েছে।
- এর পরের উপচ্ছেদ অর্থাৎ ২৮(২) অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ নং অনুচ্ছেদে — এই অনুচ্ছেদে জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে নারীগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে, যা সরাসরি সমান অধিকারের বিষয়টি বলে না।
B) ২১(২) নং অনুচ্ছেদে — এই অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের জনগণের সেবা করার দায়িত্ব পালনের কথা বলা হয়েছে।
C) ২৭ নং অনুচ্ছেদ — এই অনুচ্ছেদে সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
D) ২৮(২) নং অনুচ্ছেদে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই অনুচ্ছেদেই বিশেষভাবে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
নারী পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি সংবিধানের ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদের দুই নম্বর উপচ্ছেদে অর্থাৎ ২৮(২) ধারায় রয়েছে।
বিষয়: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা
সঠিক উত্তর: D) ১৭৭০ ডলার
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি ২০০৫ সালের একটি নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের তথ্যভিত্তিক, যেখানে ক্রয়ক্ষমতার সমতা বা পিপিপিপি এর ভিত্তিতে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি নির্দেশ করা হয়েছে।
- এই ধরনের পুরোনো বা নির্দিষ্ট সালভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে নথির তথ্যানুযায়ী প্রদত্ত মানটিই সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৪৪ ডলার — এটি তৎকালীন সময়ের প্রচলিত বিনিময় হারে বাংলাদেশের nominal মাথাপিছু আয়ের একটি পুরোনো পরিসংখ্যান যা এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) ৭৭০ ডলার — এটি অন্য কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছর বা ভিন্ন মাপকাঠির মাথাপিছু আয়ের হিসাব, যা সেপ্টেম্বর ২০০৫ সালের এই বিশেষ প্রতিবেদনের সঙ্গে মেলে না।
C) ১০৭০ ডলার — এটি পরবর্তী কোনো এক সময়ের মাথাপিছু আয়ের পরিসংখ্যান বা লক্ষ্যমাত্রা নির্দেশ করে, যা এই প্রশ্নের জন্য সঠিক নয়।
D) ১৭৭০ ডলার — এটি সেপ্টেম্বর ২০০৫ সালের নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী সঠিক মান হওয়ায় এটিই উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সেপ্টেম্বর ২০০৫ সালের UNDP প্রতিবেদনের তথ্য মনে রাখতে সংখ্যাটি ১৭৭০ ডলার হিসেবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ৪২৬ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট ৬৭৬ জনকে বীরত্ব সূচক খেতাব দেওয়া হয়।
- এর মধ্যে চতুর্থ ও সর্বশেষ বীরত্ব সূচক খেতাব বীর প্রতীক প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা হলো ৪২৬ জন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ জন — এটি মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ বীরত্ব সূচক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা।
B) ৬৮ জন — এটি মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্ব সূচক খেতাব বীর উত্তম প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা।
C) ১৭৫ জন — এটি মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় সর্বোচ্চ বীরত্ব সূচক খেতাব বীর বিক্রম প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা।
D) ৪২৬ জন — এটি সঠিক অপশন এবং বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা মনে রাখার ক্রম হলো ৭, ৬৮, ১৭৫ ও ৪২৬ (বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম, বীর প্রতীক)।
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরদী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- এটি দেশের একমাত্র ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র যা আখের জাত উদ্ভাবন ও উন্নয়নে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনাজপুর — এটি উত্তরাঞ্চলের একটি জেলা হলেও এখানে ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত নয়।
B) গোপালপুর — নাটোরের লালপুরে অবস্থিত উত্তরবঙ্গ চিনিকলের একটি এলাকা, কিন্তু এটি প্রধান গবেষণা ইনস্টিটিউট নয়।
C) পাকশী — এটি ঈশ্বরদীরই একটি এলাকা এবং হার্ডিঞ্জ ব্রিজের জন্য পরিচিত, তবে গবেষণা ইনস্টিটিউটটি ঈশ্বরদী সদরে অবস্থিত।
D) ঈশ্বরদী — এটি সঠিক উত্তর কারণ গবেষণা ইনস্টিটিউটটির মূল কার্যালয় ও খামার এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ইক্ষু বা আখের মিষ্টি রস খেতে পছন্দ করে ঈশ্বর, তাই ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ২০১৫ সাল
কেন সঠিক:
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সময়কাল ছিল ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে নির্ধারিত আটটি লক্ষ্য অর্জনের সময়সীমা শেষ হয়েছিল ২০১৫ সালে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১০ সাল — এটি মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জনের নির্ধারিত সময়সীমা ছিল না।
B) ২০১৫ সাল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ২০২০ সাল — এটি মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলের সময়সীমা নয়, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার শুরুর দিকের বছর।
D) ২০২৫ সাল — এটি সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সময়কাল ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজি অর্জনের মেয়াদ ছিল পনেরো বছর, যা ২০০০ সালে শুরু হয়ে ২০১৫ সালে শেষ হয়।
সঠিক উত্তর: B) মৃণাল হক
কেন সঠিক:
- রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য 'দুর্জয়' এর ভাস্কর মৃণাল হক।
- এই ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ও আত্মত্যাগের প্রতীক হিসেবে নির্মিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল নকশাবিদ ও স্থপতি, রাজারবাগ পুলিশ লাইনের দুর্জয় ভাস্কর্যের শিল্পী নন।
B) মৃণাল হক — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইনে দুর্জয় ভাস্কর্যটি তিনিই নির্মাণ করেছেন।
C) শামীম শিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত অপরাজেয় বাংলা এবং রাজু ভাস্কর্যের মতো বিখ্যাত ভাস্কর্যের শিল্পী।
D) নভেরা আহমেদ — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রথম দিকের ভাস্কর্য নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, দুর্জয় এর শিল্পী নন।
মনে রাখার টিপস:
পুলিশের সাহস ও দুর্জয় গতি বোঝাতে মৃণাল হকের তৈরি ভাস্কর্য রাজারবাগে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) ১৭০ কি.মি.
কেন সঠিক:
- চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সাবমেরিন কেবল বা অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনের মূল প্রকল্পের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭০ কিলোমিটার।
- এই সংযোগের মাধ্যমে কক্সবাজারে পর্যটন খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭০০ কি.মি — এটি একটি অতিরিক্ত বড় দূরত্বের পরিমাপ, যা চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের প্রকৃত দূরত্বের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
B) ৫৭০ কি.মি. — এটি দেশের অন্যান্য দীর্ঘ সাবমেরিন কেবল বা অভ্যন্তরীণ ব্যাকবোন নেটওয়ার্কের দূরত্বের সাথে মিলে গেলেও এই রুটের জন্য সঠিক নয়।
C) ৩০০ কি.মি. — এই মানটি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের স্থলপথ বা সমুদ্রপথের সাবমেরিন কেবল স্থাপনের সঠিক দৈর্ঘ্য নয়।
D) ১৭০ কি.মি. — এটি চট্টগ্রাম হতে কক্সবাজার পর্যন্ত অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনের নির্ধারিত ও সঠিক দূরত্ব।
মনে রাখার টিপস:
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের সাবমেরিন কেবল সংযোগের দৈর্ঘ্য মনে রাখতে ১৭০ সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) রক্ত সোপান
কেন সঠিক:
- গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে নির্মিত একটি বিখ্যাত স্মৃতিস্তম্ভ হলো রক্ত সোপান।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর সেনানীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিজয় স্তম্ভ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ বা বিজয়ের স্মরণে নির্মিত অন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্মৃতিস্তম্ভ, রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসের মূল স্মৃতিস্তম্ভের নাম নয়।
B) বিজয়কেতন — এটি সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনা বা পতাকার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, তবে রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম এটি নয়।
C) স্বাধীনতা সোপান — নামটি স্বাধীনতা সম্পর্কিত হলেও রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত নির্দিষ্ট মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভটির নাম এটি নয়।
D) রক্ত সোপান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের সঠিক নাম।
মনে রাখার টিপস:
রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসের শহীদদের রক্তে ভেজা স্মৃতির কথা মনে রাখতে এর নাম মনে রাখুন রক্ত সোপান।
সঠিক উত্তর: A) রাজশাহী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি ডাক বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পেশাগত প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য প্রতিষ্ঠিত প্রধান প্রতিষ্ঠান।
- এটি উত্তরবঙ্গের প্রধান শিক্ষানগরী রাজশাহীতে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি এখানেই অবস্থিত।
B) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং প্রধান ডাকঘর অবস্থিত হলেও পোস্টাল একাডেমি এখানে নয়।
C) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান সমুদ্রবন্দর ও বাণিজ্যিক অঞ্চল হলেও এই নির্দিষ্ট একাডেমি এখানে অবস্থিত নয়।
D) খুলনা — এটি দক্ষিণ অঞ্চলের প্রধান শহর হলেও বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমির অবস্থান এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
ডাক বিভাগের প্রশিক্ষণ একাডেমি উত্তরবঙ্গের রাজশাহী শহরে অবস্থিত, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: A) জনসংখ্যাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
কেন সঠিক:
- NIPORT হলো ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং, যা পরিবার পরিকল্পনা ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে।
- এটি মূলত দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের উন্নয়নে গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ পরিচালনা করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জনসংখ্যাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান — এটি সঠিক উত্তর কারণ NIPORT মূলত জনস্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা নিয়ে গবেষণা করে।
B) পােলট্রি ফার্মবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান — এটি ভুল কারণ পোলট্রি বা মুরগি পালন গবেষণা এর আওতাভুক্ত নয়, যা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কাজ।
C) নদী বন্দরবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান — এটি ভুল কারণ নদী বন্দর বা নৌপরিবহন সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) বন্দরবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান — এটি ভুল কারণ সমুদ্রবন্দর বা নৌবাণিজ্য নিয়ে এই প্রতিষ্ঠান কাজ করে না।
মনে রাখার টিপস:
NIPORT নামের প্রথম শব্দ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন থেকে সহজেই মনে রাখা যায় এটি জনসংখ্যাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান।
সঠিক উত্তর: B) ফিরােজা বেগম
কেন সঠিক:
- ফিরােজা বেগম বাংলাদেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম টেস্টটিউব শিশুর সফল মা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।
- ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের নেতৃত্বে গঠিত চিকিৎসক দলের সফল প্রচেষ্টায় এই ঐতিহাসিক চিকিৎসা সাফল্য অর্জিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পারভীন ফাতেমা — ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নন এবং এই অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব নন।
B) ফিরােজা বেগম — ইনি বাংলাদেশের প্রথম টেস্টটিউব শিশুর মা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) রওশন জাহান — ইনি এই ঐতিহাসিক চিকিৎসা অর্জনের সঙ্গে যুক্ত কোনো পরিচিত ব্যক্তিত্ব নন।
D) কানিজ ফাতেমা — ইনিও এই টেস্টটিউব শিশু জন্মদানের ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট নন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রথম টেস্টটিউব শিশুর মায়ের নাম মনে রাখতে 'এফ' (Firoza) অক্ষর দিয়ে ফিরােজা বেগমকে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৩৬তম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রথম ভাষণ দিয়ে এই সদস্যপদের পূর্ণ কূটনৈতিক স্বীকৃতি ও গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৩৬তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ক্রমিক নম্বরেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল।
B) ১৩৭তম — এটি ভুল কারণ ১৩৭তম সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ যোগ দেয়নি, এই ক্রমটি অন্য কোনো রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) ১৩৮তম — এটি ভুল কারণ ১৩৮তম সদস্য হিসেবে অন্য কোনো দেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল।
D) ১৩৯তম — এটি ভুল কারণ জাতিসংঘের সদস্যপদ অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নির্ধারিত ক্রমিক নম্বর ১৩৯ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ৭৪ সালে সদস্য হয় এবং মোট সদস্যের সংখ্যা মনে রাখতে পারেন এভাবে যে বাংলাদেশ ১৩৬তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে প্রবেশ করেছিল।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও স্থপতি ছিলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৬ সালে তৎকালীন সরকারের সহযোগিতায় তিনি এই ঐতিহাসিক শহীদ মিনারের নকশা তৈরি ও নির্মাণকাজ শুরু করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তানভীর কবীর — তিনি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নন এবং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন।
B) হামিদুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়।
C) হামিদুজ্জামান — তিনি ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হলেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি নন।
D) অস্কার বাদল — প্রদত্ত উত্তরে এই নাম থাকলেও তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি নন।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ মিনারের মূল স্থপতি হামিদুর রহমান, যার নামের শুরুতে 'হ' অক্ষর আছে এবং শহীদ শব্দের শুরুতেও 'শ' বা 'হ' ধ্বনির সংযোগ রয়েছে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
কেন সঠিক:
- হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একচল্লিশতম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- তিনি প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বি. এ. সিদ্দিকী — তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ছিলেন না।
B) খাজা ওয়াসিউদ্দিন — তিনি একজন বিশিষ্ট সামরিক কর্মকর্তা ও কুটনীতিক ছিলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হননি।
C) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি।
D) শমসের মবিন চৌধুরী — তিনি একজন বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক পররাষ্ট্র সচিব, তবে এই পদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘের সভাপতির আসনে বসা প্রথম বাঙালি হলেন হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।
সঠিক উত্তর: C) ২ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট ৬৮ জনকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- এই ৬৮ জন বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে মাত্র ২ জন নারী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।
- এই দুই নারী মুক্তিযোদ্ধা হলেন তারামন বিবি এবং ডা. ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার মোট সংখ্যা ৫ জন নয়।
B) ৭ জন — ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পেয়েছিলেন, যা নারী বীর প্রতীকের সংখ্যার সঙ্গে মিলে না।
C) ২ জন — এটি সঠিক অপশন কারণ মুক্তিযুদ্ধে মাত্র ২ জন নারী বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেছিলেন।
D) ৬ জন — এই সংখ্যাটি মুক্তিযুদ্ধে খেতাপ্রাপ্ত নারী বীর প্রতীকের প্রকৃত সংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
নারী বীর প্রতীক ২ জন হলেন তারামন বিবি ও সিতারা বেগম। খেতাবের সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন বীর প্রতীক নারী মাত্র দুজন।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৮
কেন সঠিক:
- বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য ১৯৯৮ সালে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তৎকালীন সরকার যুব সমাজের উন্নয়নে সহজ শর্তে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যে এই বিশেষায়িত ব্যাংকটি চালু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৫ — এই সালে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি অন্য কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
B) ১৯৯৬ — এই সালে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল।
C) ১৯৯৮ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
D) ২০০১ — এই সালটি কর্মসংস্থান ব্যাংকের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে ১৯৯৮ সালে এই ব্যাংক যাত্রা শুরু করে।
সঠিক উত্তর: B) ৮ম
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের সর্বশেষ প্রাক্কলন অনুযায়ী বর্তমান বিশ্বে জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম।
- প্রায় সতেরো কোটির অধিক জনসংখ্যা নিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ হিসেবে এই স্থানটি অর্জন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ম — পঞ্চম জনবহুল দেশ ব্রাজিল, যা বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যার ক্রমের সঙ্গে মেলে না।
B) ৮ম — এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর এবং বর্তমান জনসংখ্যার ক্রম অনুযায়ী সঠিক।
C) ৯ম — নবম জনবহুল দেশ হিসেবে সাধারণত মেক্সিকো বা অন্য কোনো দেশকে নির্দেশ করা হয়, বাংলাদেশ নয়।
D) ১০ম — দশম জনবহুল দেশ রাশিয়া, যা জনসংখ্যার পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের চেয়ে পেছনে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের জনবহুল দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ অষ্টম অবস্থানে রয়েছে এবং এর জনসংখ্যা প্রায় সতেরো কোটি।
সঠিক উত্তর: A) ৮
কেন সঠিক:
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এর ভৌগোলিক আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার।
- কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে এই দ্বীপটি অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ — এটি সেন্টমার্টিন দ্বীপের সঠিক ও প্রমিত আয়তন।
B) ১০ — এই আয়তনটি সেন্টমার্টিনের বাস্তব ভৌগোলিক আয়তনের চেয়ে বেশি এবং এটি ভুল তথ্য।
C) ১২ — এই মানটি সেন্টমার্টিনের আয়তন হিসেবে সঠিক নয় এবং অন্য কোনো দ্বীপের সঙ্গে মিলে যেতে পারে।
D) ১৮ — এটি সেন্টমার্টিনের আয়তনের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না এবং এটি একটি অতিরিক্ত বেশি মান।
মনে রাখার টিপস:
সেন্টমার্টিন দ্বীপের আ দিয়ে আট শুরু হয় এবং এর আয়তনও প্রায় আট বর্গকিলোমিটার।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৩৩ (প্রদত্ত তথ্যে সালটি B) ১৯৭৩ হবে)
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং শান্তিপূর্ণ কাজে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহারের উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ — এই সালে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয়নি, এটি স্বাধীন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রশাসন গঠনের সময়।
B) ১৯৭৩ — এটি সঠিক সাল, এই সালেই বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
C) ১৯৭৫ — এই সালে কমিশন গঠিত হয়নি, এটি সঠিক উত্তরের পরের একটি সাল।
D) ১৯৯৭ — এই সালটি পরমাণু শক্তি কমিশন গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঠিক দুই বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) পেট্রোল ইঞ্জিনে
১. কেন সঠিক:
পেট্রোল ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসেবে পেট্রোল ব্যবহার করা হয় যা অত্যন্ত উদ্বায়ী এবং সিলিন্ডারে প্রবেশের আগে এটিকে বায়ুর সঙ্গে নিখুঁতভাবে মিশিয়ে গ্যাসীয় মিশ্রণ তৈরি করতে হয়।
কার্বুরেটর এই কাজটিই করে থাকে কারণ এটি বায়ু ও পেট্রোলের সঠিক অনুপাত নিশ্চিত করে ইঞ্জিনের দহনকক্ষে পাঠায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: কার্বুরেটর হলো এমন একটি যন্ত্র যা নির্দিষ্ট অনুপাতে বাতাস এবং তরল জ্বালানি মিশিয়ে দহনযোগ্য মিশ্রণ তৈরি করে।
কার্যপ্রণালি: ভেঞ্চুরি নীতির ওপর ভিত্তি করে এটি কাজ করে যেখানে বায়ুর গতির ফলে সৃষ্ট নিম্নচাপের মাধ্যমে পেট্রোল শোষিত হয়ে বায়ুর সঙ্গে মিশে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধারণ মোটর সাইকেল বা প্রাইভেট কারের ইঞ্জিন।
ব্যাখ্যা: এই যানবাহনগুলোতে পেট্রোল ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয় এবং জ্বালানি সরবরাহের জন্য কার্বুরেটর বা আধুনিক ইলেকট্রনিক ফুয়েল ইনজেকশন থাকে।
উদাহরণ ২: লন মোওয়ার বা ছোট ঘাস কাটার মেশিন।
ব্যাখ্যা: ছোট আকৃতির এই পেট্রোল চালিত যন্ত্রগুলোতে সরল প্রকৃতির কার্বুরেটর ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেট্রোল ইঞ্জিনে — এই অপশনটি সঠিক কারণ পেট্রোল ইঞ্জিনে বায়ু ও জ্বালানির মিশ্রণ তৈরির জন্য কার্বুরেটর অপরিহার্য।
B) ডিজেল ইঞ্জিনে — ডিজেল অত্যন্ত ভারী ও কম উদ্বায়ী হওয়ায় এতে কার্বুরেটর থাকে না, পরিবর্তে ফুয়েল ইনজেক্টর ও ফুয়েল পাম্প ব্যবহৃত হয়।
C) রকেট ইঞ্জিনে — রকেটে তরল হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন বা কঠিন প্রোপেল্যান্ট ব্যবহার করা হয় যেখানে কার্বুরেটর ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।
D) বিমান ইঞ্জিনে — আধুনিক বিমানে গ্যাস টারবাইন বা জেট ইঞ্জিন অথবা ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেমযুক্ত ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়, সাধারণ কার্বুরেটর নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
পেট্রোল ও কার্বুরেটর শব্দ দুটি একে অপরের পরিপূরক হিসেবে মনে রাখবে। ডিজেল ইঞ্জিনে পাম্প ও ইনজেক্টর থাকে আর পেট্রোল ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কার্বুরেটর কোন নীতির ওপর কাজ করে তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একই ধারণা থেকে ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেম সম্পর্কিত প্রশ্নও আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) গামা রশ্মি
১. কেন সঠিক:
- গামা রশ্মি হলো তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীর সবচেয়ে কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং সবচেয়ে বেশি শক্তি সম্পন্ন বিকিরণ।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ার কারণে এর ভেদন ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি হয় এবং এটি পদার্থের ভেতর দিয়ে সহজেই চলে যেতে পারে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীতে রেডিও তরঙ্গ থেকে শুরু করে গামা রশ্মি পর্যন্ত বিভিন্ন তরঙ্গ রয়েছে যেখানে কম্পাঙ্ক বাড়লে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমে।
- কার্যপ্রণালি: তেজস্ক্রিয় পরমাণুর নিউক্লিয়াস যখন উচ্চ শক্তিস্তর থেকে নিম্ন শক্তিস্তরে নামে তখন অতিরিক্ত শক্তি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গামা ফোটন হিসেবে নির্গত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: ক্যানসার চিকিৎসায় টিউমারের কোষ ধ্বংস করতে এবং চিকিৎসাকরণ সামগ্রী জীবাণুমুক্ত করতে গামা রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোবাল্ট ষাট থেকে নির্গত গামা রশ্মি ব্যবহার করে ক্যানসার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়।
ব্যাখ্যা: এই তীব্র ভেদন ক্ষমতার রশ্মি শরীরের ভেতর থাকা ক্ষতিকর কোষ ধ্বংস করতে পারে।
উদাহরণ ২: মহাকাশ থেকে আসা গামা রশ্মি বিস্ফোরণ গ্যালাক্সির জন্ম ও ব্ল্যাকহোল সৃষ্টির রহস্য উন্মোচনে সাহায্য করে।
ব্যাখ্যা: মহাজাগতিক উচ্চ শক্তির ঘটনার ফলে এই রশ্মি উৎপন্ন হয় যা বিজ্ঞানীদের মহাবিশ্ব বুঝতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলফা রশ্মি — এটি মূলত হিলিয়াম নিউক্লিয়াসের স্রোত যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য গামা রশ্মির চেয়ে অনেক বেশি এবং ভেদন ক্ষমতা কম।
B) বিটা রশ্মি — এটি উচ্চগতির ইলেকট্রন বা পজিট্রনের প্রবাহ যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও ভেদন ক্ষমতা আলফা অপেক্ষা বেশি কিন্তু গামা অপেক্ষা কম।
C) গামা রশ্মি — এটি প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিকিরণ এবং এটিই সঠিক উত্তর।
D) রঞ্জন রশ্মি — এটি এক্সরে নামে পরিচিত যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য গামা রশ্মির চেয়ে বেশি এবং এটি চিকিৎসায় দেহের অভ্যন্তরীণ হাড়ের ছবি তুলতে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীতে বাম থেকে ডানে গেলে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমে এবং শক্তি বাড়ে।
- গামা রশ্মি বর্ণালীর সর্বডানে থাকে তাই এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং শক্তি সবচেয়ে বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা ভেদন ক্ষমতার ক্রম জানতে চাওয়া হয়।
- মনে রাখবে যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার ভেদন ক্ষমতা তত বেশি।
সঠিক উত্তর: B) চারটি
১. কেন সঠিক:
মানুষের হৃৎপিণ্ড একটি পাম্পের মতো কাজ করে যা সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন করে। উন্নত প্রাণীর শারীরবৃত্তীয় চাহিদা মেটাতে এর প্রকোষ্ঠগুলো রক্তকে অক্সিজেনযুক্ত ও অক্সিজেনমুক্ত ভাগে বিভক্ত রাখে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মানুষের হৃৎপিণ্ড পেশীবহুল অঙ্গ যা দুটি অলিন্দ এবং দুটি নিলয় নিয়ে গঠিত।
কার্যপ্রণালি: ডান প্রকোষ্ঠগুলো ফুসফুসে রক্ত পাঠায় এবং বাম প্রকোষ্ঠগুলো সমস্ত দেহে বিশুদ্ধ রক্ত সরবরাহ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্তন্যপায়ী প্রাণী যেমন কুকুর বা বিড়াল।
ব্যাখ্যা: এদের হৃৎপিণ্ডেও মানুষের মতো চারটি প্রকোষ্ঠ থাকে যা উষ্ণ রক্ত বিশিষ্ট প্রাণীর বিপাক হার বজায় রাখে।
উদাহরণ ২: পাখি।
ব্যাখ্যা: পাখিদের উচ্চ শক্তির চাহিদা পূরণের জন্য চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হৃৎপিণ্ড অত্যন্ত দ্রুত রক্ত পাম্প করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুটি — দুটি প্রকোষ্ঠ সাধারণ মাছের হৃৎপিণ্ডে থাকে যা সরল রক্তসংবহনতন্ত্র নির্দেশ করে।
B) চারটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানুষের হৃৎপিণ্ড চারটি সম্পূর্ণ প্রকোষ্ঠে বিভক্ত।
C) ছয়টি — প্রকৃতিতে মেরুদণ্ডী প্রাণীদের মধ্যে ছয় প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হৃৎপিণ্ড সচরাচর দেখা যায় না।
D) আটটি — আট প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট হৃৎপিণ্ড মেরুদণ্ডী প্রাণীর ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক হিসেবে অবাস্তব।
৫. মনে রাখার টিপস:
মানুষের দুটি হাত ও দুটি পা, ঠিক তেমনি হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠও চারটি অর্থাৎ দুটি অলিন্দ এবং দুটি নিলয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
স্তন্যপায়ী ও পাখি উভয় শ্রেণীর প্রাণীর হৃৎপিণ্ডেই চারটি প্রকোষ্ঠ থাকে। উভচর ও সরীসৃপ প্রাণীর হৃৎপিণ্ড সংক্রান্ত প্রশ্নও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) উচ্চ চাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
১. কেন সঠিক:
- প্রেসার কুকারে বায়ুরোধী ঢাকনা ব্যবহার করায় ভেতরে বাষ্পের চাপ স্বাভাবিক বায়ুচাপের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়।
- উচ্চ চাপের কারণে জলের স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে প্রায় ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তরলের ওপর চাপ বাড়লে তার স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় এবং চাপ কমলে স্ফুটনাংক হ্রাস পায়।
- কার্যপ্রণালি: বদ্ধ পাত্রে জল ফুটলে উৎপন্ন বাষ্প বের হতে না পেরে পাত্রের ভেতরে অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি করে।
- কারণ ও ফলাফল: উচ্চ তাপমাত্রায় জল ফোটার ফলে রান্নার পাত্রের ভেতরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা খাবার দ্রুত সেদ্ধ করতে সাহায্য করে।
- বাস্তব প্রয়োগ: পাহাড়ি এলাকায় বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কম থাকায় জলের স্ফুটনাংক কমে যায়, তাই সেখানে রান্না করতে বেশি সময় লাগে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়ের চূড়ায় রান্না করতে বেশি সময় লাগা
ব্যাখ্যা: সেখানে বায়ুর চাপ কম থাকায় জল কম তাপমাত্রাতেই ফুটতে শুরু করে, ফলে খাবার ভালোভাবে সেদ্ধ হতে দেরি হয়।
উদাহরণ ২: প্রেসার কুকারে মাংস বা ডাল রান্না করা
ব্যাখ্যা: কুকারের ভেতরের উচ্চ চাপ ও তাপমাত্রার কারণে শক্ত খাবার দ্রুত নরম ও সেদ্ধ হয়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রান্নার জন্য শুধু তাপ নয় চাপও কাজে লাগে — চাপ সরাসরি রান্না করে না, বরং উচ্চ চাপ জলের স্ফুটনাংক বাড়িয়ে উচ্চ তাপমাত্রা তৈরি করতে সাহায্য করে।
B) বদ্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয় — তাপ সংরক্ষণই একমাত্র কারণ নয়, মূলত বর্ধিত চাপের ফলে স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পাওয়াই রান্নার মূল চাবিকাঠি।
C) উচ্চ চাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
D) সঞ্চিত বাষ্পের তাপ রান্নার সহায়ক — কেবল বাষ্পের তাপ নয়, বর্ধিত চাপে জলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পাওয়ায় উচ্চ তাপমাত্রার সৃষ্টি হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চাপ বাড়লে স্ফুটনাংক বাড়ে, আর স্ফুটনাংক বাড়লে রান্নার সময় কমে যায়।
- প্রেসার কুকার মানেই উচ্চ চাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে জলের স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- এই একই নীতি কাজে লাগিয়ে বায়ুমণ্ডলীয় চাপের পরিবর্তন সংক্রান্ত অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) প্লীহায়
১. কেন সঠিক:
- মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকার স্বাভাবিক জীবনকাল প্রায় একশত কুড়ি দিন এবং এই সময় শেষ হলে প্লীহায় সেগুলো ভেঙে ধ্বংস হয়।
- লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিন ভেঙে হিম ও গ্লোবিন অংশে বিভক্ত হয় এবং হিম অংশ থেকে বর্জ্য পদার্থ হিসেবে বিলিরুবিন উৎপন্ন হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: প্লীহা হলো লোহিত রক্তকণিকার প্রধান শ্মশান বা কবরস্থান যেখানে পুরোনো ও দুর্বল রক্তকণিকা ধ্বংস করা হয়।
- কার্যপ্রণালি: প্লীহায় ম্যাক্রোফেজ কোষ দ্বারা লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংসের সময় হিমোগ্লোবিনের বিপাকক্রিয়ার মাধ্যমে বিলিভার্ডিন এবং পরে তা থেকে বিলিরুবিন তৈরি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জন্ডিস রোগ হলে ত্বকের রঙ হলুদ হয়ে যায় কারণ রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত বিলিরুবিন যকৃতের মাধ্যমে শরীর থেকে সম্পূর্ণরূপে নিষ্কাশিত হতে না পেরে রক্তে জমতে শুরু করে।
উদাহরণ ২: আঘাতজনিত কারণে ত্বকের নিচে কালচে বা হলুদ রঙের দাগ দেখা যায়।
ব্যাখ্যা: ওই স্থানে জমা হওয়া রক্তকণিকা ভেঙে বিলিরুবিনে পরিণত হওয়ার কারণে রঙের এই পরিবর্তন ঘটে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিত্তথলিতে — পিত্তথলি কেবল যকৃতে উৎপাদিত পিত্তরস জমা করে ও ঘন করে কিন্তু বিলিরুবিন এখানে তৈরি হয় না।
B) কিডনিতে — কিডনি রক্ত থেকে ইউরিয়া ও অন্যান্য নাইট্রোজেনযুক্ত বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে মূত্র হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয়।
D) যকৃতে — যকৃতে বিলিরুবিন তৈরি হয় না বরং প্লীহা থেকে আসা বিলিরুবিন যকৃতে এসে পিত্তরসের সাথে মিশে অন্ত্রের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রক্তকণিকা ধ্বংস হয় প্লীহায়, তাই বিলিরুবিন তৈরির আদি স্থান হলো প্লীহা।
- যকৃত বিলিরুবিন তৈরি করে না, বরং শরীর থেকে এটি ফিল্টার করে বের করে দিতে সাহায্য করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- লোহিত রক্তকণিকার জীবনকাল এবং বিলিরুবিনের উৎস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় আসে।
- রক্তে বিলিরুবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে জন্ডিস রোগ হয়, এই তথ্যটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) মেলানিন
১. কেন সঠিক:
মানুষের ত্বক, চুল এবং চোখের রঙের বৈচিত্র্য মূলত মেলানিন নামক এক ধরনের জৈব রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে।
ত্বকের এপিডার্মিস স্তরের মেলানোসাইট কোষ থেকে এই পিগমেন্ট বা রঞ্জক উৎপাদিত হয় যা অতিবেগুনি রশ্মি থেকে দেহকে রক্ষা করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: মেলানিন হলো এক ধরনের প্রাকৃতিক পলিমার রঞ্জক যা মানুষসহ বিভিন্ন প্রাণীর দেহে রঙের সৃষ্টি করে।
কার্যপ্রণালি: সূর্যের আলো বা অতিবেগুনি রশ্মির সংস্পর্শে এলে মেলানোসাইট কোষ বেশি পরিমাণে মেলানিন তৈরি করে, ফলে ত্বক সাময়িকভাবে কালো বা শ্যামলা হয়ে যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষুবীয় অঞ্চলের মানুষের ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ বেশি থাকে, যার কারণে তাদের ত্বক সাধারণত শ্যামলা বা কালচে হয়।
ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত সূর্যালোক থেকে শরীরকে রক্ষা করার প্রাকৃতিক উপায় হিসেবে তাদের ত্বকে বেশি মেলানিন উৎপাদিত হয়।
উদাহরণ ২: ইউরোপীয় বা শীতপ্রধান দেশের মানুষের ত্বকে মেলানিনের মাত্রা কম থাকে, ফলে তাদের ত্বক সাধারণত ফর্সা বা সাদা হয়।
ব্যাখ্যা: কম সূর্যালোকের অঞ্চলে ভিটামিন ডি সংশ্লেষণের জন্য তাদের ত্বকে কম মেলানিনের প্রয়োজন হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেলানিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মানবদেহের ত্বক, চুল ও চোখের রঞ্জক হিসেবে কাজ করে এবং গায়ের রং নির্ধারণ করে।
B) গায়ামিন — এটি মানবদেহের গায়ের রং নির্ধারণকারী কোনো বৈজ্ঞানিক উপাদান বা রঞ্জক পদার্থ নয়, এটি মূলত একটি বিভ্রান্তিকর নাম।
C) ক্যারােটিন — এটি একটি হলুদ বা কমলা রঙের রঞ্জক যা গাজর বা মিষ্টি আলুতে থাকে এবং ত্বকে সামান্য হলুদাভ ভাব আনতে পারে, তবে মূল গায়ের রং নির্ধারণ করে না।
D) হিমােগ্লোবিন — এটি রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় থাকা প্রোটিন যা অক্সিজেন পরিবহন করে এবং ত্বকে হালকা লালচে বা গোলাপি আভা দিতে সাহায্য করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ত্বকের রঙের মূল চাবিকাঠি হলো মেলানিন, যা আমাদের অতিরিক্ত রোদ থেকে বাঁচায়।
মেলানিন শব্দটির সঙ্গে মেলার মাধ্যমে মনে রাখতে পারেন যে এটি মানুষের মেলবন্ধন বা শারীরিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মেলানিন উৎপাদনের অভাব ঘটলে মানুষের ত্বক ও চুলে সাদা দাগ দেখা দিতে পারে যাকে আলবিনো বা শ্বেতীরোগ বলা হয়।
একই বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষাকারী প্রধান উপাদান কোনটি।
সঠিক উত্তর: C) সৃষ্ট শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে
১. কেন সঠিক:
বাদুড় ইকোলোকেশন বা প্রতিধ্বনিভিত্তিক অবস্থান নির্ণয় পদ্ধতির মাধ্যমে অন্ধকারে চলাফেরা করে।
তারা মুখ বা নাক থেকে উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ তরঙ্গ তৈরি করে এবং সেই শব্দ কোনো বস্তুতে বাধা পেয়ে ফিরে এলে তা বিশ্লেষণ করে পথের বাধা এড়ায়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ইকোলোকেশন হলো এমন একটি জৈবিক পদ্ধতি যার মাধ্যমে জীবেরা শব্দ তরঙ্গের প্রতিধ্বনি শুনে চারপাশের পরিবেশের মানচিত্র তৈরি করে।
কার্যপ্রণালি: বাদুড় মানুষের শ্রবণ সীমার বাইরের আল্ট্রাসনিক শব্দ তৈরি করে এবং বস্তুর দূরত্ব ও আকার নির্ধারণ করতে প্রতিধ্বনি ফিরে আসার সময় হিসাব করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাবমেরিনে ব্যবহৃত সোনার প্রযুক্তি।
ব্যাখ্যা: বাদুড়ের ইকোলোকেশন পদ্ধতির অনুকরণেই সাবমেরিনে সোনার প্রযুক্তি ব্যবহার করে পানির নিচে জাহাজের অবস্থান ও দূরত্ব নির্ণয় করা হয়।
উদাহরণ ১: অন্ধ মানুষের ইকোলোকেশন ব্যবহারের ক্ষমতা।
ব্যাখ্যা: কিছু প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অন্ধ মানুষ মুখ দিয়ে বিশেষ শব্দ করে এবং তার প্রতিধ্বনি শুনে চারপাশের দেওয়াল বা বাধার উপস্থিতি বুঝতে পারে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তীক্ষ্ম দৃষ্টিসম্পন্ন চোখের সাহায্যে — বাদুড়ের চোখ খুব বেশি উন্নত নয় এবং তারা আলো ছাড়া অন্ধকারে দেখতে পায় না।
B) ক্রমাগত শব্দ উৎপন্নের মাধ্যমে অবস্থান নির্ণয় করে — শুধু শব্দ উৎপন্ন করলেই হয় না, পথ চলার জন্য ফিরে আসা প্রতিধ্বনি শোনা ও বিশ্লেষণ করা জরুরি।
D) অলৌকিকভাবে — বিজ্ঞানসম্মত কোনো ঘটনা কখনো অলৌকিক হতে পারে না, এর পেছনে সুনির্দিষ্ট শারীরিক কৌশল রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাদুড় চোখে দেখে না কিন্তু কানে শোনে, তাই শব্দ ছুড়ে প্রতিধ্বনি শোনা হলো এদের পথ চলার মূল চাবিকাঠি।
ইকোলোকেশন শব্দটির সাথে বাদুড়ের প্রতিধ্বনি শোনার ক্ষমতা মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
এই প্রশ্নটি প্রাণীজগতের অভিযোজন ও শব্দের প্রতিফলন সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
শব্দোত্তর তরঙ্গ বা আল্ট্রাসনিক শব্দ সাধারণত কুড়ি হাজার হার্জের বেশি কম্পাঙ্কের হয়, যা বাদুড় তৈরি করতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) N.P.K.S ও Zn
১. কেন সঠিক:
গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, পুষ্টি এবং ফসল উৎপাদনের জন্য কিছু নির্দিষ্ট খনিজ উপাদানের প্রয়োজন হয়, যাকে উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান বা খনিজ পুষ্টি বলা হয়।
এই উপাদানগুলোর মধ্যে নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সালফার এবং দস্তা উদ্ভিদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রধান ও ক্ষুদ্র পুষ্টি উপাদান হিসেবে কাজ করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: উদ্ভিদের পুষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় ১৭টি অপরিহার্য উপাদানের মধ্যে প্রধান উপাদানগুলো গাছের দেহ গঠন ও বিপাকীয় কাজে অংশ নেয়।
কার্যপ্রণালি: নাইট্রোজেন গাছের আমিষ তৈরিতে সাহায্য করে, ফসফরাস শিকড় বৃদ্ধিতে এবং পটাশিয়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।
বাস্তব প্রয়োগ: কৃষিকাজে ইউরিয়া, টিএসপি, পটাশ এবং জিংক সার প্রয়োগ করে মাটির এই পুষ্টি উপাদানগুলোর ঘাটতি পূরণ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধান চাষের সময় ইউরিয়া ও টিএসপি সার প্রয়োগ করা।
ব্যাখ্যা: এটি গাছের পাতা সবুজ রাখতে এবং কুশি উৎপাদনে সরাসরি সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: ফল বাগানে জিংক বা দস্তা সার ছিটানো।
ব্যাখ্যা: এটি গাছের পাতার বিকৃতি রোধ করে এবং ফলের সঠিক আকার ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) N.P.K.S ও Zn — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে উল্লেখিত প্রতিটি উপাদান উদ্ভিদের অপরিহার্য পুষ্টি উপাদানের অন্তর্ভুক্ত।
B) Na.P.K.S ও Zn — সোডিয়াম উদ্ভিদের জন্য অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান নয়, বরং এটি উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
C) N.B.K.S ও AI — বোরন ও অ্যালুমিনিয়ামের মধ্যে অ্যালুমিনিয়াম উদ্ভিদের জন্য কোনো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান নয়, বরং এটি বিষাক্ত।
D) N.P.K.S ও AI — এই অপশনে অ্যালুমিনিয়াম থাকার কারণে এটি ভুল, কারণ এটি উদ্ভিদের পুষ্টির তালিকাভুক্ত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
গাছের প্রধান পুষ্টি উপাদানগুলো মনে রাখার জন্য না-পো-প-সা এবং জিঙ্ক কথাটি মনে রাখতে পারো, যেখানে না মানে নাইট্রোজেন, পো মানে পটাশিয়াম, প মানে ফসফরাস, সা মানে সালফার এবং জিঙ্ক হলো দস্তা।
খনিজ পুষ্টির এই গ্রুপটি উদ্ভিদের জীবনচক্র সম্পূর্ণ করার জন্য অপরিহার্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
উদ্ভিদের অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান মোট ১৭টি, যার মধ্যে প্রধান উপাদান বা ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট হলো ৯টি এবং ক্ষুদ্র উপাদান বা মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট হলো ৮টি।
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন উপাদানটি উদ্ভিদের জন্য ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট।
সঠিক উত্তর: B) গুয়ানিন
১. কেন সঠিক:
- ডিএনএ অণুতে চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে, যার মধ্যে গুয়ানিন অন্যতম।
- গুয়ানিন সবসময় সাইটোসিনের সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ডিএনএ হলো বংশগতির ধারক এবং বাহক, যা নিউক্লিওটাইড দ্বারা গঠিত।
- গঠন উপাদান: নিউক্লিওটাইড মূলত পেন্টোজ শর্করা, ফসফেট গ্রুপ এবং নাইট্রোজেন বেস নিয়ে গঠিত।
- নাইট্রোজেন বেস: নাইট্রোজেন বেসগুলো পিউরিন এবং পিরামিডিন এই দুই ভাগে বিভক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানুষের জিনোম
ব্যাখ্যা: মানুষের শরীরের প্রতিটি কোষে থাকা ডিএনএ-তে গুয়ানিনসহ চারটি বেস নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানো থাকে।
উদাহরণ ২: বংশগত বৈশিষ্ট্য স্থানান্তর
ব্যাখ্যা: গুয়ানিনের সঠিক বিন্যাসের মাধ্যমেই বাবা-মায়ের বৈশিষ্ট্য সন্তানের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরাসিল — এটি ডিএনএ-তে থাকে না, বরং এটি শুধুমাত্র আরএনএ অণুর একটি নাইট্রোজেন বেস।
B) গুয়ানিন — এটি ডিএনএ এবং আরএনএ উভয় প্রকার নিউক্লিক এসিডেই পিউরিন বেস হিসেবে উপস্থিত থাকে।
C) পিরিডক্সিন — এটি কোনো নাইট্রোজেন বেস নয়, এটি ভিটামিন বি ছয় এর রাসায়নিক নাম।
D) এ্যাসপারাজিনরা — এটি কোনো নাইট্রোজেন বেস নয়, বরং এটি একটি প্রোটিন গঠনকারী অ্যামিনো এসিড।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ডিএনএ এর বেসগুলো মনে রাখার জন্য ক্যাটাগরি মনে রাখতে হবে।
- পিউরিন হলো এ এবং জি অর্থাৎ অ্যাডেনিন ও গুয়ানিন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ডিএনএ-তে থাইমিন থাকে কিন্তু ইউরাসিল থাকে না, আর আরএনএ-তে ইউরাসিল থাকে কিন্তু থাইমিন থাকে না।
- এই টপিক থেকে প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় নাইট্রোজেন বেসের জোড় সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) Electron
১. কেন সঠিক:
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসে ইলেকট্রন থাকে না কারণ ইলেকট্রনগুলো ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণা যা নিউক্লিয়াসের বাইরে নির্দিষ্ট শক্তিস্তরে বা কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে নিউক্লিয়াস অবস্থিত যেখানে মূলত প্রোটন ও নিউট্রন একত্রে অবস্থান করে, যাদের একত্রে নিউক্লিয়ন বলা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পরমাণু হলো পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যার কেন্দ্রস্থলে ধনাত্মক আধানযুক্ত ভারী অংশ থাকে যাকে নিউক্লিয়াস বলে।
- কার্যপ্রণালি: পরমাণুর প্রায় সমস্ত ভর নিউক্লিয়াসের মধ্যে পুঞ্জীভূত থাকে, যেখানে প্রোটন ও নিউট্রন প্রবল সবল নিউক্লীয় বল দ্বারা আবদ্ধ থাকে।
- বাস্তব প্রয়োগ: পরমাণুর ভেতরে ইলেকট্রন ও নিউক্লিয়াসের এই বিন্যাসের কারণেই সমস্ত রাসায়নিক বিক্রিয়া ও বিদ্যুৎ প্রবাহ সম্ভব হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিলিয়াম পরমাণু
ব্যাখ্যা: হিলিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন থাকে এবং এর বাইরে দুটি ইলেকট্রন কক্ষপথে ঘুরতে থাকে।
উদাহরণ ২: হাইড্রোজেন পরমাণু
ব্যাখ্যা: সাধারণ হাইড্রোজেন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কেবল একটি প্রোটন থাকে এবং এর বাইরে একটিমাত্র ইলেকট্রন আবর্তন করে, এর নিউক্লিয়াসে কোনো নিউট্রন থাকে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Meson — এটি কণার পদার্থবিজ্ঞানে আলোচিত একটি মৌলিক কণা যা পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটন ও নিউট্রনকে একত্রে ধরে রাখতে শক্তিশালী নিউক্লীয় বল বিনিময়ে অংশ নেয়।
B) Neutron — এটি আধানহীন বা নিরপেক্ষ কণা যা পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সঙ্গে অবস্থান করে পরমাণুর ভর রক্ষা করে।
C) Proton — এটি ধনাত্মক আধানযুক্ত কণা যা পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভেতরে স্থায়ীভাবে অবস্থান করে এবং মৌলের পরিচয় নির্ধারণ করে।
D) Electron — এটি ঋণাত্মক আধানযুক্ত হালকা কণা যা নিউক্লিয়াসের বাইরে নির্দিষ্ট কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করে এবং নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নিউক্লিয়াসে থাকে প্রোটন ও নিউট্রন, আর বাইরে থাকে ইলেকট্রন।
- এই ধারণাটি মনে রাখতে নিউক্লিয়াসের ভেতরের কণাগুলোকে পি এবং এন দ্বারা মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরমাণুর মোট ভরের প্রায় নিরানব্বই শতাংশের বেশি আসে এর নিউক্লিয়াস থেকে।
- এই ধারণা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে কোন কণাটি নিউক্লিয়াসে থাকে না অথবা কোন কণাটির ভর সবচেয়ে কম।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)