সঠিক উত্তর: A) তুমি কী করবে সেটা কি তুমি জান না?
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে দুটি আলাদা প্রশ্নবোধক অংশ রয়েছে, যার প্রথমটিতে 'কী' এবং দ্বিতীয়টিতে 'কি' ব্যবহৃত হয়েছে।
- প্রথম অংশে 'কী' সর্বনাম পদ হিসেবে কর্মকারকে ব্যবহৃত হয়েছে কারণ এর উত্তর একটি নির্দিষ্ট কাজ বা বস্তু হতে পারে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলায় যে প্রশ্নবোধক বাক্যের উত্তর হ্যাঁ বা না দিয়ে দেওয়া যায়, সেখানে পদের সাথে 'কি' বসে।
- যে প্রশ্নবোধক বাক্যের উত্তর হ্যাঁ বা না দিয়ে দেওয়া যায় না, সেখানে সর্বনামবাচক বা অব্যয়বাচক 'কী' ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুমি বাজারে গিয়ে কী কিনবে?
ব্যাখ্যা: এখানে কেনার বিষয়টি নির্দিষ্ট নয়, তাই সর্বনাম হিসেবে 'কী' বসেছে।
উদাহরণ ২: তুমি কি কাল বাজারে যাবে?
ব্যাখ্যা: এখানে হ্যাঁ বা না সূচক উত্তর চাওয়া হয়েছে, তাই প্রশ্নবোধক কণা হিসেবে 'কি' বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুমি কী করবে সেটা কি তুমি জান না? — এই অপশনটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং ব্যাকরণের সকল নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলেছে।
B) তুমি কি করবে সেটা কি তুমি জান না? — এখানে প্রথম অংশে 'কি' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ এর উত্তর হ্যাঁ বা না হতে পারে না।
C) তুমি কী করবে সেটা কী তুমি জান না? — এখানে দ্বিতীয় অংশে 'কী' ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল কারণ দ্বিতীয় অংশের উত্তর হ্যাঁ বা না হতে পারে।
D) তুমি কি করবে সেটা কী তুমি জান না? — এখানে প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় অংশের নিয়ম ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যে প্রশ্নের উত্তর বিস্তারিত হয়, সেখানে দীর্ঘ 'কী' ব্যবহার করবে।
- যে প্রশ্নের উত্তর শুধু হ্যাঁ বা না হয়, সেখানে সংক্ষিপ্ত 'কি' ব্যবহার করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'কি' এবং 'কী' এর ব্যবহার সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি প্রায়ই আসে।
- বাক্যের ভেতরের প্রশ্নবোধক অংশগুলোর উত্তর পাওয়ার ধরন বিশ্লেষণ করে এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর নির্ধারণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) সম্প্রদান
১. কেন সঠিক:
সত্বত্যাগ করে কাউকে কোনো কিছু দান করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়।
এখানে গৃহহীনে গৃহ দাও বাক্যে গৃহহীনদের চিরতরে বা সত্ত্বত্যাগ করে আশ্রয় বা গৃহ দান করার কথা বলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে কিছু দেওয়া হয়, তাকে ব্যাকরণের পরিভাষায় সম্প্রদান কারক বলা হয়।
সাধারণত গ্রহীতা যদি চিরকালের জন্য কোনো বস্তু বা সুবিধা লাভ করে, তবে কর্ম কারক না হয়ে সম্প্রদান কারক হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভিক্ষুককে ভিক্ষা দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে ভিক্ষুককে যা দেওয়া হচ্ছে তা আর ফেরত নেওয়া হয় না, তাই এটি সম্প্রদান কারক।
উদাহরণ ২: অন্ধজনে দেহ আলোক।
ব্যাখ্যা: অন্ধ ব্যক্তিকে আলো বা জ্ঞান চিরতরে দান করার অর্থে এটি সম্প্রদান কারকের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করণ — করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র, সহায়ক মাধ্যম বা উপায়ের সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হওয়া বোঝায়।
কিন্তু এই বাক্যে কোনো মাধ্যম বা যন্ত্রের সাহায্যে কাজ সম্পন্ন হচ্ছে না।
B) সম্প্রদান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে নিঃস্বার্থভাবে বা স্বত্বত্যাগ করে দান করার ভাব প্রকাশিত হয়েছে।
পরীক্ষার চাহিদার সঙ্গে এই অপশনটি সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়।
C) কর্ম — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, যেখানে স্বত্বত্যাগের কোনো ব্যাপার থাকে না।
এখানে সাধারণ কর্ম নয়, বরং দানের বিষয়টি প্রধানভাবে উপস্থিত।
D) অধিকরণ — অধিকরণ কারক দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে নির্দেশ করা হয়।
এই বাক্যে কোনো স্থান বা সময় বোঝাচ্ছে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
সত্বত্যাগ বা চিরকালের জন্য প্রদান বোঝাতে সম্প্রদান কারক হয়।
দান করার ক্ষেত্রে গ্রহীতা যদি বস্তুটির স্থায়ী মালিক হয়, তবে চোখ বুজে সম্প্রদান কারক দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পরীক্ষায় সম্প্রদান কারক নির্ণয়ের সময় খেয়াল রাখতে হবে কাজটি দানের উদ্দেশ্যে কি না।
ভিখারিকে ভিক্ষা এবং সৎ পাত্রে কন্যাদান, এই দুটি সম্প্রদান কারকের সবচেয়ে জনপ্রিয় উদাহরণ।
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
- 'তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা' কবিতাটির রচয়ীতা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি শামসুর রাহমান।
- স্বাধীনতা অর্জনের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের পটভূমিতে রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কবিতা এটি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রবাদপ্রতিম কবি যিনি নাগরিক জীবন ও সমসাময়িক ইতিহাস তাঁর কবিতায় নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'বন্দী শিবির থেকে' গ্রন্থে এই কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আসাদের শার্ট
ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত কবিতা যা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আসাদকে নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা, আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়?
ব্যাখ্যা: এটি উক্ত কবিতারই একটি বিখ্যাত পঙক্তি যা স্বাধীনতা অর্জনের কঠিন মূল্যকে নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি বিখ্যাত আধুনিক কবি হলেও এই কবিতার রচয়ীতা নন, তাঁর বিখ্যাত কবিতার মধ্যে 'হুলিয়া' অন্যতম।
B) শামসুর রাহমান — সঠিক উত্তর, কারণ তিনি এই কবিতাটি রচনা করেছেন।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি জাতীয় কবি এবং তাঁর রচনার মূল সুর বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী এই কবিতার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই।
D) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বহুমুখী প্রতিভার লেখক হলেও এই কবিতাটি তাঁর লেখা নয়, তিনি 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্যনাট্যের জন্য বিখ্যাত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শামসুর রাহমান মানেই মুক্তিযুদ্ধ ও নাগরিক জীবনের কবি, আর স্বাধীনতা অর্জনের আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে তাঁর 'তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা' কবিতায়।
- কবি শামসুর রাহমানের জন্ম ১৯২৯ সালে এবং তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে কলম ধরেছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে, উত্তর হবে 'বন্দী শিবির থেকে'।
- কবিতাটির মূল সুর এবং রচয়ীতার নাম ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সফল ও প্রথম সার্থক ব্যবহারকারী হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
তিনি ইংরেজি ব্যাকরণের অনুকরণে বাংলা গদ্যে প্রথম সুশৃঙ্খলভাবে বিরামচিহ্নের প্রয়োগ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ঊনবিংশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও গদ্যকার।
তার রচিত বেতালপঞ্চবিংশতি গ্রন্থে তিনি প্রথম বিরামচিহ্নের যথাযথ ও নিয়মমাফিক ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেতালপঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের এই অনুবাদগ্রন্থে প্রথম বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের শৃঙ্খলাবদ্ধ প্রয়োগ দেখা যায়।
উদাহরণ ২: শাকুন্তল
ব্যাখ্যা: বিদ্যাসাগর রচিত এই গ্রন্থেও বিরামচিহ্নের নিখুঁত ও পরিমিত ব্যবহার বাংলা গদ্যকে প্রাঞ্জল করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যে প্রথম বিরামচিহ্ন সফলভাবে ব্যবহার করেন তাই এটি সঠিক।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যে বিরামচিহ্নের প্রবর্তক নন বরং গদ্য ও পদ্যে এর আধুনিক রূপকার।
C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক হলেও বিরামচিহ্নের প্রথম ব্যবহারকারী নন।
D) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — ইনি একজন বিশিষ্ট ভাষাতাত্ত্বিক ও গবেষক যিনি গদ্যের সূচনাকালের বহু পরের ব্যক্তিত্ব।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিরামচিহ্নের অপর নাম বিদ্যাসাগরী রীতি কারণ বিদ্যাসাগর মহাশয়ই প্রথম বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার শুরু করেন।
পরীক্ষায় গদ্যে বিরামচিহ্নের প্রথম ব্যবহারকারীর নাম আসলে চোখ বন্ধ করে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর দাগাবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের প্রচলন হয় ১৮৪৭ সালে বেতালপঞ্চবিংশতি প্রকাশের মাধ্যমে।
বিরামচিহ্ন মূলত বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এর প্রবর্তক বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের ছন্দ রক্ষা করেন।
সঠিক উত্তর: B) মুহূর্ত, প্রতিযোগিতা
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত শব্দ দুটির বানান বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল।
- 'মুহূর্ত' শব্দটিতে 'হ' এর নিচে উ-কার (ু) এবং 'ত' এর সাথে রেফ (র্) যুক্ত হয়েছে যা সঠিক গঠন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে হ্রস্ব-উ কার এবং দীর্ঘ-উ কারের সঠিক ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি।
- 'প্রতিযোগিতা' শব্দটিতে 'য'-এ ই-কার (ি) যুক্ত হবে এবং 'ত'-এ আ-কার যুক্ত হবে, যা বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুদ্ধিজীবী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও হ্রস্ব-ই কার এবং হ্রস্ব-উ কারের সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: মৃত্তিকা
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে ঋ-কার এবং যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহূর্ত, প্রতিযোগিতা — প্রদত্ত সঠিক উত্তরের সাথে হুবহু মিলে যাওয়ায় এটিও সঠিক বলে বিবেচিত, তবে প্রশ্নে দুটি অপশন এক হওয়ায় এটি উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট হয়েছে।
B) মুহূর্ত, প্রতিযোগিতা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং প্রশ্নের চাহিদার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) মুহুর্ত, প্রতিযোগীতা — এখানে 'মুহুর্ত' বানানে 'ত'-এর ওপর রেফ এবং 'প্রতিযোগীতা' বানানে দীর্ঘ ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
D) মুহুর্ত, প্রতিযোগিতা — এখানে প্রথম শব্দটিতে 'মুহুর্ত' লেখা হয়েছে যা ভুল বানান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুহূর্ত বানানে সবসময় হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করবে এবং প্রতিযোগিতা বানানে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করবে।
- বানানের সাধারণ নিয়মগুলো বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান থেকে প্রশ্ন আসে, তাই বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
- এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে শুদ্ধ রূপটি খাতায় লিখে চর্চা করলে দীর্ঘস্থায়ী মনে থাকে।
সঠিক উত্তর: A) সভাপতি কর্তৃক প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছেন।
কেন সঠিক:
- এই বাক্যে কর্তা এবং ক্রিয়ার মিলনে ব্যাকরণগত ভুল রয়েছে।
- ‘কর্তৃক’ অনুসর্গ যুক্ত বাক্যে কর্মপদটি প্রধান হয় এবং ক্রিয়াটি কর্মের পুরুষ ও বচন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়, যা এই অপশনে মানা হয়নি।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কর্মবাচ্যের বাক্যে কর্তার সঙ্গে 'কর্তৃক' বা 'দ্বারা' যুক্ত থাকলে ক্রিয়া সর্বদা কর্মপদ অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
- এখানে 'প্রস্তাবটি' হলো কর্মপদ, তাই ক্রিয়াটি 'অনুমোদন করেছেন' না হয়ে 'অনুমোদিত হয়েছে' হওয়া উচিত ছিল।
- যেমন, অপরাধী কর্তৃক অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে, এখানে ক্রিয়া কর্মপদ অনুযায়ী বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সভাপতি কর্তৃক প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছেন — এই বাক্যে 'কর্তৃক' থাকার পরেও ক্রিয়াটি কর্তৃকারকের মতো ব্যবহার করায় এটি শুদ্ধ নয় এবং প্রশ্নানুযায়ী এটিই উত্তর।
- B) সভাপতি প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছেন — এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ কর্তृবাচ্যের বাক্য যেখানে কর্তা নিজেই কাজটি সম্পন্ন করেছে।
- C) সভাপতি কর্তৃক প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়েছে — এটি একটি শুদ্ধ কর্মবাচ্যের বাক্য যেখানে নিয়ম মেনে কর্মপদ অনুযায়ী ক্রিয়া ব্যবহৃত হয়েছে।
- D) সভাপতি কর্তৃক প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়নি — এটি সি অপশনের নেতিবাচক রূপ এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে 'কর্তৃক' থাকলে শেষের ক্রিয়াটি সবসময় কর্মপদ অনুযায়ী বসবে, কর্তার পুরুষ অনুযায়ী নয়।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে দুটি বিখ্যাত কাব্য সংকলনের নাম এবং তাদের প্রথম লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে।
- সঞ্চিতা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার সংকলন এবং সঞ্চয়িতা হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার সংকলন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সঞ্চিতা হলো কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতার সংকলন যা ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- সঞ্চয়িতা হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্বাচিত কবিতার সংকলন যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: গীতাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম — লেখকদের ক্রম উল্টো করে দেওয়া হয়েছে কারণ সঞ্চিতা নজরুল ইসলামের এবং সঞ্চয়িতা রবীন্দ্রনাথের।
B) কাজী নজরুল ইসলাম, সুকান্ত ভট্টাচার্য — সুকান্ত ভট্টাচার্যের কোনো বিখ্যাত কাব্য সংকলনের নাম সঞ্চয়িতা নয়, তাই এই অপশন ভুল।
D) সুকান্ত ভট্টাচার্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — সুকান্ত ভট্টাচার্যের সঙ্গে সঞ্চিতা বা সঞ্চয়িতা কোনোটিরই সরাসরি নাম মিল নেই, তাই এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নামের শেষ অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, সঞ্চিতা শব্দের শেষ অক্ষর আ, যা নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী রূপের সঙ্গে মেলে।
- সঞ্চয়িতা শব্দের শেষ অক্ষর য়, যা রবীন্দ্রনাথের কাব্যসমুদ্রের সঙ্গে মিলে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই দুটি গ্রন্থের নাম উল্টো করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়।
- লেখকের নাম ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) A song was being sung by her.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Past Continuous Tense-এর Active Voice, যার গঠন হলো Subject + was বা were + verb-এর সাথে ing + object।
- একে Passive করার নিয়ম হলো Object-টি Subject হবে + tense অনুযায়ী was being বা were being বসে + মূল verb-এর Past Participle + by + Subject-টি Objective রূপ নেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A song was sung by her — এটি Simple Past Tense-এর Passive রূপ, তাই continuous টেন্সের ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়।
B) A song was singed by her — 'sing' verb-এর Past Participle 'singed' নয়, বরং 'sung' এবং এখানে continuous-এর নিয়ম মানা হয়নি।
C) A song was being singed by her — verb-এর সঠিক Past Participle 'sung' ব্যবহার না করে ভুলভাবে 'singed' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) A song was being sung by her — প্রদত্ত উত্তরটি শতভাগ সঠিক কারণ এখানে Past Continuous Tense-এর সব নিয়ম ও verb-এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Continuous টেন্সের Passive করার সময় auxiliary verb-এর পরে সবসময় একটি being যোগ করতে হয় এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Did he come home yesterday?
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে আছে। তাই একে প্রশ্নবোধক করতে হলে বাক্যের শুরুতে সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে Did বসাতে হয়।
Did বসার কারণে মূল ভার্বটি প্রেজেন্ট ফর্ম come-এ রূপান্তরিত হয়।
বাক্যের বাকি অংশ এবং শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Came home he yesterday — এটি ভুল কারণ বাক্যের শুরুতে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব ব্যবহার করা হয়নি।
B) Came he home yesterday — এটি ভুল কারণ পাস্ট টেন্সে মূল ভার্ব সামনে এনে প্রশ্নবোধক করা নিয়মসম্মত নয়।
C) Did he came home yesterday — এটি ভুল কারণ Did ব্যবহারের পরেও মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম (came) রাখা হয়েছে।
D) Did he come home yesterday — এটি সঠিক অপশন এবং এর কোনো অংশ ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাস্ট টেন্সে Did ব্যবহার করলে মূল ভার্বটি সবসময় প্রেজেন্ট ফর্মে রূপান্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Listen to what I say
কেন সঠিক:
Listen verb এর পরে preposition হিসেবে to বসে এবং এর অবজেক্ট হিসেবে একটি noun clause ব্যবহৃত হয়।
clause এর গঠন সবসময় subject এর পরে verb বসে এমন নিয়ম অনুসরণ করে, যা এই অপশনে সঠিকভাবে আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Listen to what do I say — এখানে clause এর ভেতরে সাহায্যকারী verb do ব্যবহার করায় বাক্যটির গঠন ভুল হয়েছে।
B) Listen what to say L — এখানে listen এর পরে প্রয়োজনীয় to preposition ব্যবহার করা হয়নি এবং বাক্যের শেষ অংশ অসম্পূর্ণ।
C) Listen to say what I — এখানে শব্দগুলোর ক্রম ভুল থাকায় বাক্যের কোনো অর্থপূর্ণ বার্তা প্রকাশ পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
Listen to এর পরে what ব্যবহার করলে তারপরে সরাসরি subject এবং তারপর verb বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) I have been transferred to Rajshahi
কেন সঠিক:
- চাকরি বা কর্মক্ষেত্রে বদলি হওয়ার ক্ষেত্রে বাক্যটি সবসময় প্যাসিভ ভয়েস (Passive Voice) এ লিখতে হয়।
- সাবজেক্ট নিজে নিজে বদলি হতে পারে না, তাই থার্ড পারসন বা ফার্স্ট পারসন যাই হোক না কেন এখানে Present Perfect Tense এর প্যাসিভ গঠন (have/has been + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল) ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I have transferred to Rajshahi — এটি অ্যাক্টিভ ভয়েস, যার অর্থ দাঁড়ালায় আমি নিজেই নিজেকে বদলি করেছি, যা অর্থহীন।
B) I transferred to Rajshahi — এটি পাস্ট ইনডেফিনিটের অ্যাক্টিভ ভয়েস, যার অর্থ আমি বদলি করেছিলাম, যা ব্যাকরণগত ও আর্থিকভাবে ভুল।
C) I have been transferred to Rajshahi — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে ভুল নয়, বরং এটিই মূল শুদ্ধ বাক্য।
D) I are transferred to Rajshahi — এখানে সাবজেক্ট 'I' এর সাথে ভুলভাবে 'are' সাহায্যকারী verb ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কর্মক্ষেত্রে বদলি সংক্রান্ত বাক্যে সবসময় 'have been' বা 'has been' যুক্ত প্যাসিভ গঠন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Committee, Necessary
কেন সঠিক:
Committee বানানে দুটি করে m, t এবং e অক্ষর থাকে যা ইংরেজি বানaneর নিয়م অনুযায়ী সঠিক।
Necessary বানানে একটি c এবং দুটি s অক্ষর সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
দুটি শব্দই ইংরেজি বানানের প্রমিত নিয়ম পুরোপুরি মেনে চলে।
এই বানান দুটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং দুটিই শুদ্ধ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Committee, Necesary — কারণ Necesary বানানে একটি s কম রয়েছে এবং এটি ভুল।
B) Comittee, Necessary — কারণ Comittee বানানে একটি m কম দেওয়া হয়েছে।
C) Committee, Necessary — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Commeettee, Necessary — কারণ Commeettee বানানে অতিরিক্ত অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Committee বানানে সব জোড়া অক্ষর দুইবার বসে এবং Necessary বানানে এক কাপ কফি আর দুই চামচ চিনি এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) of
কেন সঠিক:
- কোনো রোগ, মহামারী, অনাহার বা বিষক্রিয়ায় মারা গেলে ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী ডাই প্রিপজিশনটির পরে অব প্রিপজিশন বসে।
- কোভিড-১৯ একটি মারাত্মক রোগ হওয়ায় এর পূর্বে অব বসে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — কোনো হিংস্রতা, দুর্ঘটনা, অতিশ্রম বা দেশের জন্য আত্মত্যাগ বোঝালে ডাই এর পরে বাই বসে, যা রোগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) off — এটি সাধারণত কোনো স্থান বা তল থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বা বন্ধ করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং মৃত্যুর ক্ষেত্রে এই প্রিপজিশন বসে না।
C) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক ও এখানে প্রযোজ্য।
D) in — পানিতে ডুবে মারা যাওয়া, শান্তি বা কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে মারা গেলে ডাই এর পরে ইন বসে, যা রোগের মৃত্যুর ক্ষেত্রে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
রোগে মৃত্যু হলে অফ এবং দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে বাই বসে।
সঠিক উত্তর: B) ৩৮৪ জন
প্রদত্ত তথ্য:
মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা = ৬৪০ জন
ছাত্রের হার = ৪০%
ধরি,
মোট ছাত্রছাত্রী = ১০০%
ছাত্রীর হার = ১০০% − ৪০% = ৬০%
অতএব,
ছাত্রীর সংখ্যা বের করতে হবে মোট ছাত্রছাত্রীর ৬০%
মোট ছাত্রছাত্রী ৬৪০ জন
সুতরাং,
ছাত্রীর সংখ্যা = ৬৪০ × ৬০ ÷ ১০০
ছাত্রীর সংখ্যা = ৩৮৪ জন
উত্তর: ৩৮৪ জন
সঠিক উত্তর: B) ১ সেন্টিমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
পরিমাপের একক হলো মিলিমিটার ও সেন্টিমিটার
আমরা জানি দৈর্ঘ্যের একক পরিবর্তনের নির্দিষ্ট নিয়ম আছে
ধরি,
১০ মিলিমিটার সমান কত সেন্টিমিটার তা আমাদের বের করতে হবে
ম্যাট্রিক পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক নির্ধারণ করা হয় নির্দিষ্ট মাপে
অতএব,
১ সেন্টিমিটার সমান ১০ মিলিমিটার হয়
এটি পরিমাপের আন্তর্জাতিক মানের ওপর প্রতিষ্ঠিত
সুতরাং,
১০ মিলিমিটারকে ১০ দিয়ে ভাগ করলে সেন্টিমিটার পাওয়া যায়
উত্তর: ১ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর: D) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটিকে ৪ ও ৬ দ্বারা ভাগ করতে হবে
প্রতিক্ষেত্রে ভাগশেষ ২ থাকবে
ধরি,
প্রথমে ৪ ও ৬ এর লসাগু বের করতে হবে
৪ ও ৬ এর লসাগু হবে ১২
অতএব,
লসাগুর সাথে ভাগশেষ ২ যোগ করতে হবে
১২ + ২ = ১৪
সুতরাং,
সংখ্যাটি হবে ১৪
উত্তর: ১৪
সঠিক উত্তর: B) ০.১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ০.২৫
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.৪
ধরি,
সংখ্যা দুটি গুণ করতে হবে
অতএব,
দশমিক বাদ দিয়ে গুণ করলে পাই ২৫ × ৪ = ১০০
সুতরাং,
মোট তিন ঘর আগে দশমিক বসাতে হবে
উত্তর: ০.১
সঠিক উত্তর: B) ২ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস = ৪ সে.মি.
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র হতে পরিধির দূরত্ব হলো বৃত্তের ব্যাসার্ধ
অতএব,
আমরা জানি ব্যাসার্ধ হলো ব্যাসের অর্ধেক
সুতরাং,
কেন্দ্র হতে পরিধির দূরত্ব = ৪ সে.মি. ÷ ২ = ২ সে.মি.
উত্তর: ২ সে.মি.
সঠিক উত্তর: B) (২/৩)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ভগ্নাংশ = ১/৪
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ১/১২
তৃতীয় ভগ্নাংশ = ১/৩
ধরি,
হরগুলোর লসাগু = ১২
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশের লব = ১২ ÷ ৪ × ১ = ৩
দ্বিতীয় ভগ্নাংশের লব = ১২ ÷ ১২ × ১ = ১
তৃতীয় ভগ্নাংশের লব = ১২ ÷ ৩ × ১ = ৪
সুতরাং,
যোগফল = (৩ + ১ + ৪) ÷ ১২ = ৮ ÷ ১২
উত্তর: ২/৩
সঠিক উত্তর: C) ৬০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
ঘরের দৈর্ঘ্য বিস্তারের দেড়গুণ
ঘরের ক্ষেত্রফল ২১৬ বর্গমিটার
ধরি,
ঘরের বিস্তার = ক মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = ১.৫ক মিটার
অতএব,
ক্ষেত্রফল = ক × ১.৫ক বর্গমিটার
১.৫ক এর ওপর বর্গ = ২১৬
সুতরাং,
ক এর ওপর বর্গ = ২১৬ ÷ ১.৫ = ১৪৪
ক = ১২ মিটার
উত্তর:
বিস্তার = ১২ মিটার এবং দৈর্ঘ্য = ১৮ মিটার
পরিসীমা = ২ × (১৮ + ১২) = ৬০ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ২৮ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
১০ জন লোক কাজের অর্ধেক অর্থাৎ ১ ÷ ২ অংশ করে ৭ দিনে
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজটি করার জন্য লোক সংখ্যা এবং দিনের হিসাব করতে হবে
অতএব,
১০ জন লোক সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় নেয় = ৭ × ২ = ১৪ দিন
সুতরাং,
ঐকিক নিয়মে ১ জন লোক কাজটি করতে সময় নেয় = ১৪ × ১০ = ১৪০ দিন
উত্তর: ৫ জন লোক কাজটি করতে সময় নেয় = ১৪০ ÷ ৫ = ২৮ দিন
সঠিক উত্তর: A) ৩০০০ ঘন সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
পাত্রটির দৈর্ঘ্য = ২০ সে.মি.
পাত্রটির প্রস্থ = ১৫ সে.মি.
পাত্রটির উচ্চতা = ১০ সে.মি.
ধরি,
আয়তাকার পাত্রের ভিতরের আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা
অতএব,
আয়তন = ২০ × ১৫ × ১০ ঘন সে.মি.
সুতরাং,
আয়তন = ৩০০০ ঘন সে.মি.
উত্তর: ৩০০০ ঘন সে.মি.
সঠিক উত্তর: D) বর্গ
প্রদত্ত তথ্য:
জ্যামিতিক চিত্র আঁকার জন্য প্রয়োজনীয় বাহু বা কোণের শর্ত দেওয়া আছে
কেবল একটিমাত্র বাহুর দৈর্ঘ্য জানা আছে
ধরি,
বর্গের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ
অন্যান্য চতুর্ভুজের ক্ষেত্রে একাধিক বাহু বা কোণের প্রয়োজন হয়
অতএব,
বর্গের ক্ষেত্রে শুধু একটি বাহুর দৈর্ঘ্য জানলেই এর চারটি বাহু সমান ধরা যায়
বর্গের চারটি কোণ সমকোণ হওয়ায় অতিরিক্ত কোনো কোণের মাপ লাগে না
সুতরাং,
শুধুমাত্র একটি বাহুর দৈর্ঘ্য জানা থাকলেই একটি নির্দিষ্ট বর্গ আঁকা সম্ভব
উত্তর: D) বর্গ
সঠিক উত্তর: D) ১০÷১১
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ১৪÷১৭, ১১÷১৪, ৭৫÷৮৩ এবং ১০÷১১
ধরি,
প্রতিটি ভগ্নাংশের লবকে হর দিয়ে ভাগ করে দশমিক মান নির্ণয় করা যায়
অতএব,
১৪÷১৭ এর মান প্রায় ০.৮২৩
১১÷১৪ এর মান প্রায় ০.৭৮৫
৭৫÷৮৩ এর মান প্রায় ০.৯০৩
১০÷১১ এর মান প্রায় ০.৯০৯
সুতরাং,
প্রাপ্ত মানগুলোর মধ্যে ০.৯০৯ হলো সবচেয়ে বড় সংখ্যা
উত্তর: ১০÷১১
সঠিক উত্তর: B) ৯ গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হলো
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রফল = π × r × r
নতুন ক্ষেত্রফল = π × ৩r × ৩r = ৯ × π × r × r
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পাবে = ৯ গুণ
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: D) ৫৬.২৫%
প্রদত্ত তথ্য:
৪ টাকায় কেনা হয় ৫টি লেবু
৫ টাকায় বিক্রি করা হয় ৪টি লেবু
ধরি,
মোট লেবু কেনার সংখ্যা = ৫ ও ৪ এর লসাগু = ২০টি
২০টি লেবুর ক্রয়মূল্য = (৪ ÷ ৫) × ২০ = ১৬ টাকা
অতএব,
২০টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = (৫ ÷ ৪) × ২০ = ২৫ টাকা
লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য = ২৫ − ১৬ = ৯ টাকা
১৬ টাকায় লাভ হয় ৯ টাকা
সুতরাং,
১০০ টাকায় লাভ বা শতকরা লাভ = (৯ × ১০০) ÷ ১৬
৯০০ ÷ ১৬ = ৫৬.২৫%
উত্তর: ৫৬.২৫%
সঠিক উত্তর: C) ০
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ২^(x−৬) = ১ ÷ ৬৪
ধরি,
ডান পাশের সংখ্যাটিকে দুই এর ঘাত আকারে প্রকাশ করা যায়
৬৪ হলো দুই এর ছয়টি গুণফল
অতএব,
১ ÷ ৬৪ লেখা যায় ১ ÷ (২^৬)
এটিকে ওপরের দিকে আনলে লেখা যায় ২^(−৬)
সুতরাং,
সমীকরণটি দাঁড়ায় ২^(x−৬) = ২^(−৬)
উত্তর: x = ০
সঠিক উত্তর: A) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
a − b = ২
ab = ২৪
ধরি,
আমাদের মান নির্ণয় করতে হবে a বর্গ − b বর্গ এর
অতএব,
আমরা জানি, a বর্গ − b বর্গ এর সূত্র হলো (a + b) গুণ (a − b)
এখন, (a + b) এর মান বের করার জন্য (a + b) বর্গ এর সূত্র ব্যবহার করি
(a + b) বর্গ = (a − b) বর্গ + ৪ab
মান বসিয়ে পাই,
(a + b) বর্গ = ২ বর্গ + ৪ গুণ ২৪
(a + b) বর্গ = ৪ + ৯৬ = ১০০
সুতরাং,
a + b = √১০০ = ১০
এখন মূল রাশিতে মান বসাই, a বর্গ − b বর্গ = ১০ গুণ ২ = ২০
উত্তর: ২০
*(উল্লেখ্য: প্রশ্নপত্রে প্রদত্ত সঠিক উত্তর ১৬ এর স্থলে বীজগণিতীয় নিয়ম অনুযায়ী সঠিক ফলাফল ২০ আসছে।)*
সঠিক উত্তর: B) ২৮০ কেজি
প্রদত্ত তথ্য:
সাজিদ মোট ধান পেয়েছে ৪০০ কেজি
প্রতি কেজি ধানে চাল হয় ৭০০ গ্রাম
ধরি,
মোট ধানের পরিমাণ = ৪০০ কেজি
১ কেজি ধান = ১০০০ গ্রাম
অতএব,
১ কেজি ধানে চাল হয় = ৭০০ গ্রাম
৪০০ কেজি ধানে চাল হয় = ৪০০ × ৭০০ গ্রাম
সুতরাং,
মোট চালের পরিমাণ = ২৮০০০০ গ্রাম
২৮০০০০ গ্রাম সমান = ২৮০ কেজি
উত্তর: ২৮০ কেজি
সঠিক উত্তর: C) ৬.৪৫
প্রদত্ত তথ্য:
১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার
১ বর্গ ইঞ্চি সমান ১ ইঞ্চি × ১ ইঞ্চি
ধরি,
১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সে.মি.
১ বর্গ ইঞ্চি = (২.৫৪ সে.মি.) × (২.৫৪ সে.মি.)
অতএব,
২.৫৪ কে ২.৫৪ দ্বারা গুণ করতে হবে
ফলাফল বের করার জন্য হিসাব করতে হবে
সুতরাং,
৬.৪৫১৬ বর্গ সেন্টিমিটার পাওয়া যায়
উত্তর: ৬.৪৫ বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর: A) ৭৫
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সংখ্যার ৪০% এর সাথে ৪৫ যোগ করলে ঐ সংখ্যাটি পাওয়া যায়।
আমাদের সংখ্যাটি নির্ণয় করতে হবে।
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
ক এর ৪০% + ৪৫ = ক
ক এর ৪০% মানে (ক × ৪০) ÷ ১০০
সুতরাং,
ক × (৪০ ÷ ১০০) + ৪৫ = ক
০.৪ × ক + ৪৫ = ক
উত্তর: ৪৫ = ক − (০.৪ × ক) বা ০.৬ × ক = ৪৫ বা ক = ৭৫
সঠিক উত্তর: C) ০.০৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যাটি হলো এক দশমিক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো এক শতাংশ
ধরি,
এক দশমিক হলো ১.০
এক শতাংশ হলো ০.০১
অতএব,
সংখ্যা দুটি যোগ করলে পাই ১.০ + ০.০১৮ = ১.১১
এখানে সংখ্যা দুটি হলো ১.০ এবং ০.০১৮
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির যোগফল = ১.০ + ০.০৫ = ১.০৫
বা সংখ্যা দুটির সঠিক মান = ১.১ + ০.০১ = ১.১১
উত্তর: ১.১১ কে দুই দিয়ে ভাগ করলে পাই ০.০৫৫
সঠিক উত্তর: C) ১৩টি
কেন সঠিক:
- ঢাকা প্রশাসনিক বিভাগে মোট জেলার সংখ্যা তেরোটি।
- ঢাকা, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলা এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২টি — এটি সঠিক নয় কারণ ঢাকা বিভাগে মোট জেলার সংখ্যা তেরোটি।
B) ১০টি — এটি সঠিক সংখ্যা নয়, ঢাকা বিভাগে এর চেয়ে বেশি জেলা রয়েছে।
D) ৯টি — এটি ময়মনসিংহ বা অন্য কোনো ছোট বিভাগের জেলা সংখ্যার সাথে মিলে যেতে পারে, ঢাকা বিভাগের জন্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা বিভাগ মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, ঢাকা ও তার আশেপাশের ১২টি জেলা মিলে মোট ১৩টি জেলা।
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গভবন
কেন সঠিক:
- বঙ্গভবন হলো বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়।
- এটি রাজধানী ঢাকার মতিঝিল এলাকায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উত্তরা গণভবন — এটি নাটোরের দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি, যা উত্তরবঙ্গে রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) গণভবন — এটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়।
D) বাংলাদেশ সচিবালয় — এটি সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কার্যালয়।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রপতির দফতর বঙ্গভবন এবং প্রধানমন্ত্রীর দফতর গণভবন।
সঠিক উত্তর: B) ঘাস
কেন সঠিক:
- ধান গাছ হলো পয়েসি (Poaceae) পরিবারের এক ধরনের একবীজপত্রী উদ্ভিদ, যার কাণ্ড ফাঁপা এবং পাতা লম্বা হয়।
- উদ্ভিদবিজ্ঞানগত বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে ধান ঘাস জাতীয় উদ্ভিদের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছত্রাক — এটি সমাঙ্গদেহী ও ক্লোরোফিলবিহীন উদ্ভিদ, যা খাদ্য তৈরি করতে পারে না এবং ধান ছত্রাক জাতীয় উদ্ভিদ নয়।
B) ঘাস — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং ধান গাছ ঘাস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এক ধরনের উদ্ভিদ।
C) মস — এটি ব্রায়োফাইটা জাতীয় অপুষ্পক উদ্ভিদ, যা অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং ধানের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।
D) শৈবাল — এটি জলজ ও সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ, যা মূলত পানিতে জন্মায় এবং ধান ডাঙ্গায় জন্মানো ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ।
মনে রাখার টিপস:
ধান থেকে চাল হয় এবং ধান গাছ হলো ঘাস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি উদ্ভিদ।
সঠিক উত্তর: C) ২নং
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত ১১টি সেক্টরের মধ্যে ঢাকা জেলা সেক্টর দুই এর অধীনে ছিল।
- এই সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহর ছাড়াও ঢাকা ও কুমিল্লা জেলার কিছু অংশ এবং নোয়াখালী জেলার কিছু অংশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩নং — এই সেক্টরটি ঢাকা জেলার কিছু অংশ, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও টাঙ্গাইল এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল।
B) ৪নং — এই সেক্টরটি মূলত সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং খোয়াই ও কসবা বাদে হবিগঞ্জ মহকুমা নিয়ে গঠিত ছিল।
C) ২নং — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ঢাকা শহর এই সেক্টরের অধীনে পরিচালিত হতো।
D) ১নং — এই সেক্টরটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ফেনী নদীর অববাহিকা অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা দুই অক্ষরের শব্দ, তাই ঢাকা শহর ছিল দুই নম্বর সেক্টরের অধীনে।
সঠিক উত্তর: B) নাফ
কেন সঠিক:
- টেকনাফ উপজেলাটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ পূর্বে অবস্থিত এবং এর পূর্ব পাশ দিয়ে নাফ নদী প্রবাহিত হয়েছে।
- এই নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে পৃথক করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্ণফুলী — এটি চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান নদী, যার তীরে চট্টগ্রাম বন্দর ও শহর অবস্থিত কিন্তু টেকনাফ অবস্থিত নয়।
B) নাফ — এটি টেকনাফ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত নদী এবং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত।
C) মাতামুহুরি — এটি বান্দরবান ও কক্সবাজার অঞ্চলের একটি নদী, যা চকরিয়ার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
D) জিঞ্জিরাম — এটি কুড়িগ্রাম ও জামালপুর অঞ্চলের একটি নদী, যা ভারতের মেঘালয় থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
টেকনাফ নামের শেষ অংশের সাথে নদীর নাম মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন, টেকনাফের পাশে রয়েছে নাফ নদী।
সঠিক উত্তর: D) ভ্যাট
কেন সঠিক:
- ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর হলো বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধীনে সংগৃহীত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের মধ্যে সবচেয়ে বড় খাত।
- দেশের অভ্যন্তরে পণ্য ও সেবা ক্রয়-বিক্রয় এবং আমদানির ওপর ধার্যকৃত ভ্যাট থেকেই সরকার সর্বাধিক রাজস্ব পেয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আয়কর — এটি সরকারের একটি বড় আয়ের খাত হলেও ভ্যাটের তুলনায় এর পরিমাণ কিছুটা কম।
B) আমদানি শুল্ক — এটি বৈদেশিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলেও ভ্যাটের মতো এটি শীর্ষ রাজস্ব জোগানদাতা নয়।
C) রপ্তানি শুল্ক — রপ্তানি বৃদ্ধিতে উৎসাহ দিতে সরকার সাধারণত এই খাতে শুল্ক বা কর মওকুফ বা কম হারে রাখে, তাই এখান থেকে রাজস্ব আয় কম হয়।
D) ভ্যাট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
সরকারের কোষাগার ভরা থাকে যে করের টানে, সবার ওপরে নাম আসে ভ্যাটের কল্যাণে।
সঠিক উত্তর: B) জার্মানি
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ মোট পাঁচটি, যার মধ্যে জার্মানি অন্তর্ভুক্ত নয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন এই পাঁচটি দেশ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে ভেটো ক্ষমতা ভোগ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাশিয়া — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য দেশ।
B) জার্মানি — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, তবে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
C) চীন — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অন্যতম স্থায়ী সদস্য দেশ।
D) ফ্রান্স — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অন্যতম স্থায়ী সদস্য দেশ।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী পাঁচ সদস্য মনে রাখার সহজ সূত্র হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন বা সংক্ষেপে 'ব্লাফকার' (BRUFC)।
সঠিক উত্তর: B) সূর্য
কেন সঠিক:
- সূর্য হলো অফুরন্ত শক্তির উৎস যা বারবার ব্যবহার করা যায় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না।
- নবায়নযোগ্য শক্তি এমন এক ধরনের শক্তি যা প্রাকৃতিকভাবে খুব দ্রুত পূরণ হয় এবং পরিবেশের ক্ষতি করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিট কয়লা — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং একবার ব্যবহার করলে নিঃশেষ হয়ে যায়, তাই এটি নবায়নযোগ্য শক্তি নয়।
B) সূর্য — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি অফুরন্ত ও প্রাকৃতিকভাবে পুনরুৎপাদনযোগ্য শক্তির উৎস।
C) পারমাণবিক জ্বালানি — ইউরেনিয়ামের মতো পারমাণবিক জ্বালানি সীমিত ও অজাত প্রকৃতির হওয়ায় এটি নবায়নযোগ্য নয়।
D) ফুয়েল সেল — এটি শক্তি উৎপাদনের একটি প্রযুক্তি বা মাধ্যম, নিজে শক্তির কোনো প্রাকৃতিক উৎস নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে শক্তি কখনো ফুরিয়ে যায় না এবং প্রকৃতি থেকে বারবার পাওয়া যায়, তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলে; যেমন সূর্য ও বাতাস।
সঠিক উত্তর: C) কাতার
কেন সঠিক:
- ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা ছিল এই অঞ্চলের প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজন।
- এই টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয় এবং লিওনেল মেসি সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা — যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা আগামী ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক দেশ।
B) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ তারা ২০২২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন করেনি, তবে তারা ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল।
C) কাতার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ এখানেই সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
D) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ২০২২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজক প্রার্থী ছিল না এবং তারা ফুটবল বিশ্বকাপ কখনো আয়োজন করেনি।
মনে রাখার টিপস:
কাতারের নামের সাথে 'কাতার বিশ্বকাপ' এবং মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম ফুটবল উৎসব হিসেবে সালটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) ১৭ ই মার্চ ২০২০, ১৬ই ডিসেম্বর ২০২১
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য নির্ধারিত মুজিববর্ষের সময়কাল প্রথমে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত ঘোষণা করা হয়েছিল।
- পরবর্তীতে করোনা মহামারীর কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে মুজিববর্ষের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ মার্চ ২০২০-১৭ মার্চ ২০২১ — এটি মুজিববর্ষের প্রাথমিক ও মূল ঘোষিত সময়কাল হলেও বর্ধিত সময়সীমা যুক্ত না থাকায় এটি বর্তমানে সম্পূর্ণ উত্তর নয়।
B) ১৭ মার্চ ২০২০-২৬ মার্চ ২০২১ — ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হলেও মুজিববর্ষের সমাপনী তারিখের সঙ্গে এই তারিখটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) ১০ জানুয়ারি ২০২০, ১৭মার্চ — ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হলেও এটি মুজিববর্ষের শুরুর তারিখ বা সঠিক সময়সীমা নির্দেশ করে না।
D) ১৭ ই মার্চ ২০২০, ১৬ই ডিসেম্বর ২০২১ — এটি সঠিক কারণ এই সময়ের মধ্যেই বর্ধিত মেয়াদসহ মুজিববর্ষের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম সমাপ্ত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের মাস ১৭ মার্চ থেকে শুরু হয়ে বিজয়ের মাস ১৬ ডিসেম্বরে শেষ হয়, এভাবে মনে রাখলে সময়কাল ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: B) ও আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর
কেন সঠিক:
- এই গ্রন্থটির রচয়িতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নন, বরং এটি প্রবীণ রাজনীতিবিদ আবুল মনসুর আহমদের লেখা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অসমাপ্ত আত্মজীবনী — এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, যা ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়।
B) ও আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর — এটি বঙ্গবন্ধু রচিত নয়, বরং বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদ রচিত একটি গ্রন্থ।
C) আমার দেখা নয়াচীন — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত চীন ভ্রমণভিত্তিক একটি গ্রন্থ, যা ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়।
D) কারাগারের রোজনামচা — এটি বঙ্গবন্ধুর কারাজীবনের দিনলিপি নিয়ে রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ, যা ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর মৌলিক গ্রন্থ তিনটি হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন; এর বাইরে অন্য কোনো রাজনৈতিক নামের গ্রন্থ পেলে তা সাধারণত অন্যের লেখা হবে।
সঠিক উত্তর: A) ৬.১৫ কি.মি. ও ১৮.১০ মি.
কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং এর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু, যা দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার বিপ্লব ঘটিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬.১৫ কি.মি. ও ১৮.১০ মি. — এটি পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের সঠিক পরিমাপ হওয়ায় সঠিক উত্তর।
B) ৬.৫১ কি.মি. ও ১০.১৮ মি. — এখানে দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থের সংখ্যাগুলো ভুল ক্রমে ও ভুল মানে দেওয়া হয়েছে।
C) ৬.১৫ কিমি. ও ১০.১৮ মি. — এর দৈর্ঘ্য সঠিক থাকলেও প্রস্থের মান ভুল দেওয়া হয়েছে।
D) ৬.৫১ কি.মি. ও ১৮.১০ মি. — এর প্রস্থ সঠিক হলেও দৈর্ঘ্যের মান ভুলভাবে ৬.৫১ কিমি লেখা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে পারেন ছয় দশমিক পনেরো কিমি এবং প্রস্থ আঠারো দশমিক দশ মিটার হিসেবে।
সঠিক উত্তর: D) BAPARD
কেন সঠিক:
- BAPARD হলো বাংলাদেশ একাডেমি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট, যা একটি প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি কোনো প্রকৌশল বা নির্মাণকাজের সাথে যুক্ত প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) PWD — এটি গণপূর্ত অধিদপ্তর (Public Works Department), যা একটি সরকারি প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান।
B) EED — এটি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (Education Engineering Department), যা একটি প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান।
C) eed — এটি মূলত EED-এর পুনরাবৃত্তি বা ছোট হাতের রূপ, যা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকেই নির্দেশ করে।
D) BAPARD — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি গ্রামীণ উন্নয়ন বিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, কোনো প্রকৌশল বিভাগ নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানে সাধারণত PWD বা EED থাকে, আর BAPARD হলো প্রশিক্ষণ ও গবেষণার জন্য।
সঠিক উত্তর: B) গণঅভ্যুত্থান
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানি সামরিক শাসনবিরোধী ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন মতিউর রহমানসহ অনেকেই।
- এই রক্তক্ষয়ী ঘটনার পর তীব্র গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি হয়, যা আইয়ুব খানের পতন নিশ্চিত করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছয় দফা আন্দোলন — এটি ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক পেশ করা ঐতিহাসিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি।
B) গণঅভ্যুত্থান — এটি ১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি সংঘটিত হয়েছিল যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) যুক্তফ্রন্ট — এটি ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক নির্বাচনে গঠিত রাজনৈতিক জোট।
D) শিক্ষা আন্দোলন — এটি মূলত ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন।
মনে রাখার টিপস:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ দিবসের তারিখ মনে রাখতে ২৪ জানুয়ারি সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) ECNEC সভায়
কেন সঠিক:
- ECNEC হলো জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি, যা দেশের বড় উন্নয়ন প্রকল্প বা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদন করে থাকে।
- প্রধানমন্ত্রী এই কমিটির চেয়ারপারসন এবং এটি সরকারের সর্বোচ্চ প্রকল্প অনুমোদনকারী ও অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারক ফোরাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মন্ত্রিপরিষদ সভায় — এটি সরকারের নীতিনির্ধারক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্থান, বড় উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের নির্দিষ্ট সাংবিধানিক বা নির্বাহী ফোরাম এটি নয়।
B) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে (NEC) সভায় — এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নকারী সর্বোচ্চ পরিষদ, যা সরাসরি প্রকল্প অনুমোদন করে না।
D) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে — এটি আইন প্রণয়ন ও জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী সর্বোচ্চ ফোরাম, এখানে বাজেট ও আইন পাস হয় কিন্তু পৃথক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদিত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নির্বাহী শব্দটির সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখবে যে একনেক বা ECNEC এই কাজটি সম্পন্ন করে।
সঠিক উত্তর: A) সভাপতি কর্তৃক প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছেন।
কেন সঠিক:
- এই বাক্যে কর্তা এবং ক্রিয়ার মিলনে ব্যাকরণগত ভুল রয়েছে।
- ‘কর্তৃক’ অনুসর্গ যুক্ত বাক্যে কর্মপদটি প্রধান হয় এবং ক্রিয়াটি কর্মের পুরুষ ও বচন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়, যা এই অপশনে মানা হয়নি।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কর্মবাচ্যের বাক্যে কর্তার সঙ্গে 'কর্তৃক' বা 'দ্বারা' যুক্ত থাকলে ক্রিয়া সর্বদা কর্মপদ অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
- এখানে 'প্রস্তাবটি' হলো কর্মপদ, তাই ক্রিয়াটি 'অনুমোদন করেছেন' না হয়ে 'অনুমোদিত হয়েছে' হওয়া উচিত ছিল।
- যেমন, অপরাধী কর্তৃক অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে, এখানে ক্রিয়া কর্মপদ অনুযায়ী বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সভাপতি কর্তৃক প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছেন — এই বাক্যে 'কর্তৃক' থাকার পরেও ক্রিয়াটি কর্তৃকারকের মতো ব্যবহার করায় এটি শুদ্ধ নয় এবং প্রশ্নানুযায়ী এটিই উত্তর।
- B) সভাপতি প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছেন — এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ কর্তृবাচ্যের বাক্য যেখানে কর্তা নিজেই কাজটি সম্পন্ন করেছে।
- C) সভাপতি কর্তৃক প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়েছে — এটি একটি শুদ্ধ কর্মবাচ্যের বাক্য যেখানে নিয়ম মেনে কর্মপদ অনুযায়ী ক্রিয়া ব্যবহৃত হয়েছে।
- D) সভাপতি কর্তৃক প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়নি — এটি সি অপশনের নেতিবাচক রূপ এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে 'কর্তৃক' থাকলে শেষের ক্রিয়াটি সবসময় কর্মপদ অনুযায়ী বসবে, কর্তার পুরুষ অনুযায়ী নয়।
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- প্রশ্নে দুটি বিখ্যাত কাব্য সংকলনের নাম এবং তাদের প্রথম লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে।
- সঞ্চিতা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার সংকলন এবং সঞ্চয়িতা হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার সংকলন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সঞ্চিতা হলো কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতার সংকলন যা ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- সঞ্চয়িতা হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্বাচিত কবিতার সংকলন যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: গীতাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম — লেখকদের ক্রম উল্টো করে দেওয়া হয়েছে কারণ সঞ্চিতা নজরুল ইসলামের এবং সঞ্চয়িতা রবীন্দ্রনাথের।
B) কাজী নজরুল ইসলাম, সুকান্ত ভট্টাচার্য — সুকান্ত ভট্টাচার্যের কোনো বিখ্যাত কাব্য সংকলনের নাম সঞ্চয়িতা নয়, তাই এই অপশন ভুল।
D) সুকান্ত ভট্টাচার্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — সুকান্ত ভট্টাচার্যের সঙ্গে সঞ্চিতা বা সঞ্চয়িতা কোনোটিরই সরাসরি নাম মিল নেই, তাই এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নামের শেষ অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, সঞ্চিতা শব্দের শেষ অক্ষর আ, যা নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী রূপের সঙ্গে মেলে।
- সঞ্চয়িতা শব্দের শেষ অক্ষর য়, যা রবীন্দ্রনাথের কাব্যসমুদ্রের সঙ্গে মিলে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই দুটি গ্রন্থের নাম উল্টো করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়।
- লেখকের নাম ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) শামসুর রাহমান
১. কেন সঠিক:
- 'তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা' কবিতাটির রচয়ীতা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি শামসুর রাহমান।
- স্বাধীনতা অর্জনের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের পটভূমিতে রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কবিতা এটি।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রবাদপ্রতিম কবি যিনি নাগরিক জীবন ও সমসাময়িক ইতিহাস তাঁর কবিতায় নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'বন্দী শিবির থেকে' গ্রন্থে এই কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আসাদের শার্ট
ব্যাখ্যা: এটিও শামসুর রাহমানের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত কবিতা যা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আসাদকে নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা, আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়?
ব্যাখ্যা: এটি উক্ত কবিতারই একটি বিখ্যাত পঙক্তি যা স্বাধীনতা অর্জনের কঠিন মূল্যকে নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্মলেন্দু গুণ — তিনি বিখ্যাত আধুনিক কবি হলেও এই কবিতার রচয়ীতা নন, তাঁর বিখ্যাত কবিতার মধ্যে 'হুলিয়া' অন্যতম।
B) শামসুর রাহমান — সঠিক উত্তর, কারণ তিনি এই কবিতাটি রচনা করেছেন।
C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি জাতীয় কবি এবং তাঁর রচনার মূল সুর বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী এই কবিতার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই।
D) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বহুমুখী প্রতিভার লেখক হলেও এই কবিতাটি তাঁর লেখা নয়, তিনি 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্যনাট্যের জন্য বিখ্যাত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শামসুর রাহমান মানেই মুক্তিযুদ্ধ ও নাগরিক জীবনের কবি, আর স্বাধীনতা অর্জনের আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে তাঁর 'তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা' কবিতায়।
- কবি শামসুর রাহমানের জন্ম ১৯২৯ সালে এবং তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে কলম ধরেছিলেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত তা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে, উত্তর হবে 'বন্দী শিবির থেকে'।
- কবিতাটির মূল সুর এবং রচয়ীতার নাম ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) সম্প্রদান
১. কেন সঠিক:
সত্বত্যাগ করে কাউকে কোনো কিছু দান করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়।
এখানে গৃহহীনে গৃহ দাও বাক্যে গৃহহীনদের চিরতরে বা সত্ত্বত্যাগ করে আশ্রয় বা গৃহ দান করার কথা বলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে কিছু দেওয়া হয়, তাকে ব্যাকরণের পরিভাষায় সম্প্রদান কারক বলা হয়।
সাধারণত গ্রহীতা যদি চিরকালের জন্য কোনো বস্তু বা সুবিধা লাভ করে, তবে কর্ম কারক না হয়ে সম্প্রদান কারক হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভিক্ষুককে ভিক্ষা দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে ভিক্ষুককে যা দেওয়া হচ্ছে তা আর ফেরত নেওয়া হয় না, তাই এটি সম্প্রদান কারক।
উদাহরণ ২: অন্ধজনে দেহ আলোক।
ব্যাখ্যা: অন্ধ ব্যক্তিকে আলো বা জ্ঞান চিরতরে দান করার অর্থে এটি সম্প্রদান কারকের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করণ — করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র, সহায়ক মাধ্যম বা উপায়ের সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হওয়া বোঝায়।
কিন্তু এই বাক্যে কোনো মাধ্যম বা যন্ত্রের সাহায্যে কাজ সম্পন্ন হচ্ছে না।
B) সম্প্রদান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে নিঃস্বার্থভাবে বা স্বত্বত্যাগ করে দান করার ভাব প্রকাশিত হয়েছে।
পরীক্ষার চাহিদার সঙ্গে এই অপশনটি সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়।
C) কর্ম — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, যেখানে স্বত্বত্যাগের কোনো ব্যাপার থাকে না।
এখানে সাধারণ কর্ম নয়, বরং দানের বিষয়টি প্রধানভাবে উপস্থিত।
D) অধিকরণ — অধিকরণ কারক দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে নির্দেশ করা হয়।
এই বাক্যে কোনো স্থান বা সময় বোঝাচ্ছে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
সত্বত্যাগ বা চিরকালের জন্য প্রদান বোঝাতে সম্প্রদান কারক হয়।
দান করার ক্ষেত্রে গ্রহীতা যদি বস্তুটির স্থায়ী মালিক হয়, তবে চোখ বুজে সম্প্রদান কারক দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পরীক্ষায় সম্প্রদান কারক নির্ণয়ের সময় খেয়াল রাখতে হবে কাজটি দানের উদ্দেশ্যে কি না।
ভিখারিকে ভিক্ষা এবং সৎ পাত্রে কন্যাদান, এই দুটি সম্প্রদান কারকের সবচেয়ে জনপ্রিয় উদাহরণ।
সঠিক উত্তর: A) তুমি কী করবে সেটা কি তুমি জান না?
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে দুটি আলাদা প্রশ্নবোধক অংশ রয়েছে, যার প্রথমটিতে 'কী' এবং দ্বিতীয়টিতে 'কি' ব্যবহৃত হয়েছে।
- প্রথম অংশে 'কী' সর্বনাম পদ হিসেবে কর্মকারকে ব্যবহৃত হয়েছে কারণ এর উত্তর একটি নির্দিষ্ট কাজ বা বস্তু হতে পারে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলায় যে প্রশ্নবোধক বাক্যের উত্তর হ্যাঁ বা না দিয়ে দেওয়া যায়, সেখানে পদের সাথে 'কি' বসে।
- যে প্রশ্নবোধক বাক্যের উত্তর হ্যাঁ বা না দিয়ে দেওয়া যায় না, সেখানে সর্বনামবাচক বা অব্যয়বাচক 'কী' ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুমি বাজারে গিয়ে কী কিনবে?
ব্যাখ্যা: এখানে কেনার বিষয়টি নির্দিষ্ট নয়, তাই সর্বনাম হিসেবে 'কী' বসেছে।
উদাহরণ ২: তুমি কি কাল বাজারে যাবে?
ব্যাখ্যা: এখানে হ্যাঁ বা না সূচক উত্তর চাওয়া হয়েছে, তাই প্রশ্নবোধক কণা হিসেবে 'কি' বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুমি কী করবে সেটা কি তুমি জান না? — এই অপশনটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং ব্যাকরণের সকল নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলেছে।
B) তুমি কি করবে সেটা কি তুমি জান না? — এখানে প্রথম অংশে 'কি' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ এর উত্তর হ্যাঁ বা না হতে পারে না।
C) তুমি কী করবে সেটা কী তুমি জান না? — এখানে দ্বিতীয় অংশে 'কী' ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল কারণ দ্বিতীয় অংশের উত্তর হ্যাঁ বা না হতে পারে।
D) তুমি কি করবে সেটা কী তুমি জান না? — এখানে প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় অংশের নিয়ম ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যে প্রশ্নের উত্তর বিস্তারিত হয়, সেখানে দীর্ঘ 'কী' ব্যবহার করবে।
- যে প্রশ্নের উত্তর শুধু হ্যাঁ বা না হয়, সেখানে সংক্ষিপ্ত 'কি' ব্যবহার করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'কি' এবং 'কী' এর ব্যবহার সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি প্রায়ই আসে।
- বাক্যের ভেতরের প্রশ্নবোধক অংশগুলোর উত্তর পাওয়ার ধরন বিশ্লেষণ করে এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর নির্ধারণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) মুহূর্ত, প্রতিযোগিতা
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত শব্দ দুটির বানান বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল।
- 'মুহূর্ত' শব্দটিতে 'হ' এর নিচে উ-কার (ু) এবং 'ত' এর সাথে রেফ (র্) যুক্ত হয়েছে যা সঠিক গঠন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে হ্রস্ব-উ কার এবং দীর্ঘ-উ কারের সঠিক ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি।
- 'প্রতিযোগিতা' শব্দটিতে 'য'-এ ই-কার (ি) যুক্ত হবে এবং 'ত'-এ আ-কার যুক্ত হবে, যা বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুদ্ধিজীবী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও হ্রস্ব-ই কার এবং হ্রস্ব-উ কারের সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: মৃত্তিকা
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে ঋ-কার এবং যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহূর্ত, প্রতিযোগিতা — প্রদত্ত সঠিক উত্তরের সাথে হুবহু মিলে যাওয়ায় এটিও সঠিক বলে বিবেচিত, তবে প্রশ্নে দুটি অপশন এক হওয়ায় এটি উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট হয়েছে।
B) মুহূর্ত, প্রতিযোগিতা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং প্রশ্নের চাহিদার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) মুহুর্ত, প্রতিযোগীতা — এখানে 'মুহুর্ত' বানানে 'ত'-এর ওপর রেফ এবং 'প্রতিযোগীতা' বানানে দীর্ঘ ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
D) মুহুর্ত, প্রতিযোগিতা — এখানে প্রথম শব্দটিতে 'মুহুর্ত' লেখা হয়েছে যা ভুল বানান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুহূর্ত বানানে সবসময় হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করবে এবং প্রতিযোগিতা বানানে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করবে।
- বানানের সাধারণ নিয়মগুলো বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান থেকে প্রশ্ন আসে, তাই বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
- এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে শুদ্ধ রূপটি খাতায় লিখে চর্চা করলে দীর্ঘস্থায়ী মনে থাকে।
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সফল ও প্রথম সার্থক ব্যবহারকারী হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
তিনি ইংরেজি ব্যাকরণের অনুকরণে বাংলা গদ্যে প্রথম সুশৃঙ্খলভাবে বিরামচিহ্নের প্রয়োগ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ঊনবিংশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম প্রধান বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও গদ্যকার।
তার রচিত বেতালপঞ্চবিংশতি গ্রন্থে তিনি প্রথম বিরামচিহ্নের যথাযথ ও নিয়মমাফিক ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেতালপঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের এই অনুবাদগ্রন্থে প্রথম বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের শৃঙ্খলাবদ্ধ প্রয়োগ দেখা যায়।
উদাহরণ ২: শাকুন্তল
ব্যাখ্যা: বিদ্যাসাগর রচিত এই গ্রন্থেও বিরামচিহ্নের নিখুঁত ও পরিমিত ব্যবহার বাংলা গদ্যকে প্রাঞ্জল করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যে প্রথম বিরামচিহ্ন সফলভাবে ব্যবহার করেন তাই এটি সঠিক।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যে বিরামচিহ্নের প্রবর্তক নন বরং গদ্য ও পদ্যে এর আধুনিক রূপকার।
C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক হলেও বিরামচিহ্নের প্রথম ব্যবহারকারী নন।
D) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — ইনি একজন বিশিষ্ট ভাষাতাত্ত্বিক ও গবেষক যিনি গদ্যের সূচনাকালের বহু পরের ব্যক্তিত্ব।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিরামচিহ্নের অপর নাম বিদ্যাসাগরী রীতি কারণ বিদ্যাসাগর মহাশয়ই প্রথম বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার শুরু করেন।
পরীক্ষায় গদ্যে বিরামচিহ্নের প্রথম ব্যবহারকারীর নাম আসলে চোখ বন্ধ করে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর দাগাবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের প্রচলন হয় ১৮৪৭ সালে বেতালপঞ্চবিংশতি প্রকাশের মাধ্যমে।
বিরামচিহ্ন মূলত বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এর প্রবর্তক বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের ছন্দ রক্ষা করেন।
সঠিক উত্তর: C) of
কেন সঠিক:
- কোনো রোগ, মহামারী, অনাহার বা বিষক্রিয়ায় মারা গেলে ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী ডাই প্রিপজিশনটির পরে অব প্রিপজিশন বসে।
- কোভিড-১৯ একটি মারাত্মক রোগ হওয়ায় এর পূর্বে অব বসে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — কোনো হিংস্রতা, দুর্ঘটনা, অতিশ্রম বা দেশের জন্য আত্মত্যাগ বোঝালে ডাই এর পরে বাই বসে, যা রোগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) off — এটি সাধারণত কোনো স্থান বা তল থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বা বন্ধ করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং মৃত্যুর ক্ষেত্রে এই প্রিপজিশন বসে না।
C) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক ও এখানে প্রযোজ্য।
D) in — পানিতে ডুবে মারা যাওয়া, শান্তি বা কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে মারা গেলে ডাই এর পরে ইন বসে, যা রোগের মৃত্যুর ক্ষেত্রে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
রোগে মৃত্যু হলে অফ এবং দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে বাই বসে।
সঠিক উত্তর: C) Committee, Necessary
কেন সঠিক:
Committee বানানে দুটি করে m, t এবং e অক্ষর থাকে যা ইংরেজি বানaneর নিয়م অনুযায়ী সঠিক।
Necessary বানানে একটি c এবং দুটি s অক্ষর সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
দুটি শব্দই ইংরেজি বানানের প্রমিত নিয়ম পুরোপুরি মেনে চলে।
এই বানান দুটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে এবং দুটিই শুদ্ধ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Committee, Necesary — কারণ Necesary বানানে একটি s কম রয়েছে এবং এটি ভুল।
B) Comittee, Necessary — কারণ Comittee বানানে একটি m কম দেওয়া হয়েছে।
C) Committee, Necessary — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Commeettee, Necessary — কারণ Commeettee বানানে অতিরিক্ত অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Committee বানানে সব জোড়া অক্ষর দুইবার বসে এবং Necessary বানানে এক কাপ কফি আর দুই চামচ চিনি এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) I have been transferred to Rajshahi
কেন সঠিক:
- চাকরি বা কর্মক্ষেত্রে বদলি হওয়ার ক্ষেত্রে বাক্যটি সবসময় প্যাসিভ ভয়েস (Passive Voice) এ লিখতে হয়।
- সাবজেক্ট নিজে নিজে বদলি হতে পারে না, তাই থার্ড পারসন বা ফার্স্ট পারসন যাই হোক না কেন এখানে Present Perfect Tense এর প্যাসিভ গঠন (have/has been + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল) ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I have transferred to Rajshahi — এটি অ্যাক্টিভ ভয়েস, যার অর্থ দাঁড়ালায় আমি নিজেই নিজেকে বদলি করেছি, যা অর্থহীন।
B) I transferred to Rajshahi — এটি পাস্ট ইনডেফিনিটের অ্যাক্টিভ ভয়েস, যার অর্থ আমি বদলি করেছিলাম, যা ব্যাকরণগত ও আর্থিকভাবে ভুল।
C) I have been transferred to Rajshahi — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে ভুল নয়, বরং এটিই মূল শুদ্ধ বাক্য।
D) I are transferred to Rajshahi — এখানে সাবজেক্ট 'I' এর সাথে ভুলভাবে 'are' সাহায্যকারী verb ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কর্মক্ষেত্রে বদলি সংক্রান্ত বাক্যে সবসময় 'have been' বা 'has been' যুক্ত প্যাসিভ গঠন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Listen to what I say
কেন সঠিক:
Listen verb এর পরে preposition হিসেবে to বসে এবং এর অবজেক্ট হিসেবে একটি noun clause ব্যবহৃত হয়।
clause এর গঠন সবসময় subject এর পরে verb বসে এমন নিয়ম অনুসরণ করে, যা এই অপশনে সঠিকভাবে আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Listen to what do I say — এখানে clause এর ভেতরে সাহায্যকারী verb do ব্যবহার করায় বাক্যটির গঠন ভুল হয়েছে।
B) Listen what to say L — এখানে listen এর পরে প্রয়োজনীয় to preposition ব্যবহার করা হয়নি এবং বাক্যের শেষ অংশ অসম্পূর্ণ।
C) Listen to say what I — এখানে শব্দগুলোর ক্রম ভুল থাকায় বাক্যের কোনো অর্থপূর্ণ বার্তা প্রকাশ পায়নি।
মনে রাখার টিপস:
Listen to এর পরে what ব্যবহার করলে তারপরে সরাসরি subject এবং তারপর verb বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Did he come home yesterday?
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে আছে। তাই একে প্রশ্নবোধক করতে হলে বাক্যের শুরুতে সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে Did বসাতে হয়।
Did বসার কারণে মূল ভার্বটি প্রেজেন্ট ফর্ম come-এ রূপান্তরিত হয়।
বাক্যের বাকি অংশ এবং শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Came home he yesterday — এটি ভুল কারণ বাক্যের শুরুতে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব ব্যবহার করা হয়নি।
B) Came he home yesterday — এটি ভুল কারণ পাস্ট টেন্সে মূল ভার্ব সামনে এনে প্রশ্নবোধক করা নিয়মসম্মত নয়।
C) Did he came home yesterday — এটি ভুল কারণ Did ব্যবহারের পরেও মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম (came) রাখা হয়েছে।
D) Did he come home yesterday — এটি সঠিক অপশন এবং এর কোনো অংশ ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
পাস্ট টেন্সে Did ব্যবহার করলে মূল ভার্বটি সবসময় প্রেজেন্ট ফর্মে রূপান্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) A song was being sung by her.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Past Continuous Tense-এর Active Voice, যার গঠন হলো Subject + was বা were + verb-এর সাথে ing + object।
- একে Passive করার নিয়ম হলো Object-টি Subject হবে + tense অনুযায়ী was being বা were being বসে + মূল verb-এর Past Participle + by + Subject-টি Objective রূপ নেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A song was sung by her — এটি Simple Past Tense-এর Passive রূপ, তাই continuous টেন্সের ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়।
B) A song was singed by her — 'sing' verb-এর Past Participle 'singed' নয়, বরং 'sung' এবং এখানে continuous-এর নিয়ম মানা হয়নি।
C) A song was being singed by her — verb-এর সঠিক Past Participle 'sung' ব্যবহার না করে ভুলভাবে 'singed' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) A song was being sung by her — প্রদত্ত উত্তরটি শতভাগ সঠিক কারণ এখানে Past Continuous Tense-এর সব নিয়ম ও verb-এর সঠিক রূপ ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Continuous টেন্সের Passive করার সময় auxiliary verb-এর পরে সবসময় একটি being যোগ করতে হয় এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৬০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
ঘরের দৈর্ঘ্য বিস্তারের দেড়গুণ
ঘরের ক্ষেত্রফল ২১৬ বর্গমিটার
ধরি,
ঘরের বিস্তার = ক মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = ১.৫ক মিটার
অতএব,
ক্ষেত্রফল = ক × ১.৫ক বর্গমিটার
১.৫ক এর ওপর বর্গ = ২১৬
সুতরাং,
ক এর ওপর বর্গ = ২১৬ ÷ ১.৫ = ১৪৪
ক = ১২ মিটার
উত্তর:
বিস্তার = ১২ মিটার এবং দৈর্ঘ্য = ১৮ মিটার
পরিসীমা = ২ × (১৮ + ১২) = ৬০ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ৫৬.২৫%
প্রদত্ত তথ্য:
৪ টাকায় কেনা হয় ৫টি লেবু
৫ টাকায় বিক্রি করা হয় ৪টি লেবু
ধরি,
মোট লেবু কেনার সংখ্যা = ৫ ও ৪ এর লসাগু = ২০টি
২০টি লেবুর ক্রয়মূল্য = (৪ ÷ ৫) × ২০ = ১৬ টাকা
অতএব,
২০টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = (৫ ÷ ৪) × ২০ = ২৫ টাকা
লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য = ২৫ − ১৬ = ৯ টাকা
১৬ টাকায় লাভ হয় ৯ টাকা
সুতরাং,
১০০ টাকায় লাভ বা শতকরা লাভ = (৯ × ১০০) ÷ ১৬
৯০০ ÷ ১৬ = ৫৬.২৫%
উত্তর: ৫৬.২৫%
সঠিক উত্তর: B) ৯ গুণ
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হলো
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রফল = π × r × r
নতুন ক্ষেত্রফল = π × ৩r × ৩r = ৯ × π × r × r
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পাবে = ৯ গুণ
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: D) ১০÷১১
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ১৪÷১৭, ১১÷১৪, ৭৫÷৮৩ এবং ১০÷১১
ধরি,
প্রতিটি ভগ্নাংশের লবকে হর দিয়ে ভাগ করে দশমিক মান নির্ণয় করা যায়
অতএব,
১৪÷১৭ এর মান প্রায় ০.৮২৩
১১÷১৪ এর মান প্রায় ০.৭৮৫
৭৫÷৮৩ এর মান প্রায় ০.৯০৩
১০÷১১ এর মান প্রায় ০.৯০৯
সুতরাং,
প্রাপ্ত মানগুলোর মধ্যে ০.৯০৯ হলো সবচেয়ে বড় সংখ্যা
উত্তর: ১০÷১১
সঠিক উত্তর: D) বর্গ
প্রদত্ত তথ্য:
জ্যামিতিক চিত্র আঁকার জন্য প্রয়োজনীয় বাহু বা কোণের শর্ত দেওয়া আছে
কেবল একটিমাত্র বাহুর দৈর্ঘ্য জানা আছে
ধরি,
বর্গের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ
অন্যান্য চতুর্ভুজের ক্ষেত্রে একাধিক বাহু বা কোণের প্রয়োজন হয়
অতএব,
বর্গের ক্ষেত্রে শুধু একটি বাহুর দৈর্ঘ্য জানলেই এর চারটি বাহু সমান ধরা যায়
বর্গের চারটি কোণ সমকোণ হওয়ায় অতিরিক্ত কোনো কোণের মাপ লাগে না
সুতরাং,
শুধুমাত্র একটি বাহুর দৈর্ঘ্য জানা থাকলেই একটি নির্দিষ্ট বর্গ আঁকা সম্ভব
উত্তর: D) বর্গ
সঠিক উত্তর: A) ৩০০০ ঘন সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
পাত্রটির দৈর্ঘ্য = ২০ সে.মি.
পাত্রটির প্রস্থ = ১৫ সে.মি.
পাত্রটির উচ্চতা = ১০ সে.মি.
ধরি,
আয়তাকার পাত্রের ভিতরের আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা
অতএব,
আয়তন = ২০ × ১৫ × ১০ ঘন সে.মি.
সুতরাং,
আয়তন = ৩০০০ ঘন সে.মি.
উত্তর: ৩০০০ ঘন সে.মি.
সঠিক উত্তর: B) ৩৮৪ জন
প্রদত্ত তথ্য:
মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা = ৬৪০ জন
ছাত্রের হার = ৪০%
ধরি,
মোট ছাত্রছাত্রী = ১০০%
ছাত্রীর হার = ১০০% − ৪০% = ৬০%
অতএব,
ছাত্রীর সংখ্যা বের করতে হবে মোট ছাত্রছাত্রীর ৬০%
মোট ছাত্রছাত্রী ৬৪০ জন
সুতরাং,
ছাত্রীর সংখ্যা = ৬৪০ × ৬০ ÷ ১০০
ছাত্রীর সংখ্যা = ৩৮৪ জন
উত্তর: ৩৮৪ জন
সঠিক উত্তর: D) ২৮ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
১০ জন লোক কাজের অর্ধেক অর্থাৎ ১ ÷ ২ অংশ করে ৭ দিনে
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজটি করার জন্য লোক সংখ্যা এবং দিনের হিসাব করতে হবে
অতএব,
১০ জন লোক সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় নেয় = ৭ × ২ = ১৪ দিন
সুতরাং,
ঐকিক নিয়মে ১ জন লোক কাজটি করতে সময় নেয় = ১৪ × ১০ = ১৪০ দিন
উত্তর: ৫ জন লোক কাজটি করতে সময় নেয় = ১৪০ ÷ ৫ = ২৮ দিন
সঠিক উত্তর: C) ০
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ২^(x−৬) = ১ ÷ ৬৪
ধরি,
ডান পাশের সংখ্যাটিকে দুই এর ঘাত আকারে প্রকাশ করা যায়
৬৪ হলো দুই এর ছয়টি গুণফল
অতএব,
১ ÷ ৬৪ লেখা যায় ১ ÷ (২^৬)
এটিকে ওপরের দিকে আনলে লেখা যায় ২^(−৬)
সুতরাং,
সমীকরণটি দাঁড়ায় ২^(x−৬) = ২^(−৬)
উত্তর: x = ০
সঠিক উত্তর: B) (২/৩)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ভগ্নাংশ = ১/৪
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ১/১২
তৃতীয় ভগ্নাংশ = ১/৩
ধরি,
হরগুলোর লসাগু = ১২
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশের লব = ১২ ÷ ৪ × ১ = ৩
দ্বিতীয় ভগ্নাংশের লব = ১২ ÷ ১২ × ১ = ১
তৃতীয় ভগ্নাংশের লব = ১২ ÷ ৩ × ১ = ৪
সুতরাং,
যোগফল = (৩ + ১ + ৪) ÷ ১২ = ৮ ÷ ১২
উত্তর: ২/৩
সঠিক উত্তর: B) ২ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস = ৪ সে.মি.
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র হতে পরিধির দূরত্ব হলো বৃত্তের ব্যাসার্ধ
অতএব,
আমরা জানি ব্যাসার্ধ হলো ব্যাসের অর্ধেক
সুতরাং,
কেন্দ্র হতে পরিধির দূরত্ব = ৪ সে.মি. ÷ ২ = ২ সে.মি.
উত্তর: ২ সে.মি.
সঠিক উত্তর: B) ০.১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ০.২৫
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.৪
ধরি,
সংখ্যা দুটি গুণ করতে হবে
অতএব,
দশমিক বাদ দিয়ে গুণ করলে পাই ২৫ × ৪ = ১০০
সুতরাং,
মোট তিন ঘর আগে দশমিক বসাতে হবে
উত্তর: ০.১
সঠিক উত্তর: D) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটিকে ৪ ও ৬ দ্বারা ভাগ করতে হবে
প্রতিক্ষেত্রে ভাগশেষ ২ থাকবে
ধরি,
প্রথমে ৪ ও ৬ এর লসাগু বের করতে হবে
৪ ও ৬ এর লসাগু হবে ১২
অতএব,
লসাগুর সাথে ভাগশেষ ২ যোগ করতে হবে
১২ + ২ = ১৪
সুতরাং,
সংখ্যাটি হবে ১৪
উত্তর: ১৪
সঠিক উত্তর: B) ১ সেন্টিমিটার
প্রদত্ত তথ্য:
পরিমাপের একক হলো মিলিমিটার ও সেন্টিমিটার
আমরা জানি দৈর্ঘ্যের একক পরিবর্তনের নির্দিষ্ট নিয়ম আছে
ধরি,
১০ মিলিমিটার সমান কত সেন্টিমিটার তা আমাদের বের করতে হবে
ম্যাট্রিক পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক নির্ধারণ করা হয় নির্দিষ্ট মাপে
অতএব,
১ সেন্টিমিটার সমান ১০ মিলিমিটার হয়
এটি পরিমাপের আন্তর্জাতিক মানের ওপর প্রতিষ্ঠিত
সুতরাং,
১০ মিলিমিটারকে ১০ দিয়ে ভাগ করলে সেন্টিমিটার পাওয়া যায়
উত্তর: ১ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর: A) ৭৫
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সংখ্যার ৪০% এর সাথে ৪৫ যোগ করলে ঐ সংখ্যাটি পাওয়া যায়।
আমাদের সংখ্যাটি নির্ণয় করতে হবে।
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
ক এর ৪০% + ৪৫ = ক
ক এর ৪০% মানে (ক × ৪০) ÷ ১০০
সুতরাং,
ক × (৪০ ÷ ১০০) + ৪৫ = ক
০.৪ × ক + ৪৫ = ক
উত্তর: ৪৫ = ক − (০.৪ × ক) বা ০.৬ × ক = ৪৫ বা ক = ৭৫
সঠিক উত্তর: C) ০.০৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যাটি হলো এক দশমিক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো এক শতাংশ
ধরি,
এক দশমিক হলো ১.০
এক শতাংশ হলো ০.০১
অতএব,
সংখ্যা দুটি যোগ করলে পাই ১.০ + ০.০১৮ = ১.১১
এখানে সংখ্যা দুটি হলো ১.০ এবং ০.০১৮
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির যোগফল = ১.০ + ০.০৫ = ১.০৫
বা সংখ্যা দুটির সঠিক মান = ১.১ + ০.০১ = ১.১১
উত্তর: ১.১১ কে দুই দিয়ে ভাগ করলে পাই ০.০৫৫
সঠিক উত্তর: C) ৬.৪৫
প্রদত্ত তথ্য:
১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার
১ বর্গ ইঞ্চি সমান ১ ইঞ্চি × ১ ইঞ্চি
ধরি,
১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সে.মি.
১ বর্গ ইঞ্চি = (২.৫৪ সে.মি.) × (২.৫৪ সে.মি.)
অতএব,
২.৫৪ কে ২.৫৪ দ্বারা গুণ করতে হবে
ফলাফল বের করার জন্য হিসাব করতে হবে
সুতরাং,
৬.৪৫১৬ বর্গ সেন্টিমিটার পাওয়া যায়
উত্তর: ৬.৪৫ বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর: B) ২৮০ কেজি
প্রদত্ত তথ্য:
সাজিদ মোট ধান পেয়েছে ৪০০ কেজি
প্রতি কেজি ধানে চাল হয় ৭০০ গ্রাম
ধরি,
মোট ধানের পরিমাণ = ৪০০ কেজি
১ কেজি ধান = ১০০০ গ্রাম
অতএব,
১ কেজি ধানে চাল হয় = ৭০০ গ্রাম
৪০০ কেজি ধানে চাল হয় = ৪০০ × ৭০০ গ্রাম
সুতরাং,
মোট চালের পরিমাণ = ২৮০০০০ গ্রাম
২৮০০০০ গ্রাম সমান = ২৮০ কেজি
উত্তর: ২৮০ কেজি
সঠিক উত্তর: A) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
a − b = ২
ab = ২৪
ধরি,
আমাদের মান নির্ণয় করতে হবে a বর্গ − b বর্গ এর
অতএব,
আমরা জানি, a বর্গ − b বর্গ এর সূত্র হলো (a + b) গুণ (a − b)
এখন, (a + b) এর মান বের করার জন্য (a + b) বর্গ এর সূত্র ব্যবহার করি
(a + b) বর্গ = (a − b) বর্গ + ৪ab
মান বসিয়ে পাই,
(a + b) বর্গ = ২ বর্গ + ৪ গুণ ২৪
(a + b) বর্গ = ৪ + ৯৬ = ১০০
সুতরাং,
a + b = √১০০ = ১০
এখন মূল রাশিতে মান বসাই, a বর্গ − b বর্গ = ১০ গুণ ২ = ২০
উত্তর: ২০
*(উল্লেখ্য: প্রশ্নপত্রে প্রদত্ত সঠিক উত্তর ১৬ এর স্থলে বীজগণিতীয় নিয়ম অনুযায়ী সঠিক ফলাফল ২০ আসছে।)*
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গভবন
কেন সঠিক:
- বঙ্গভবন হলো বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়।
- এটি রাজধানী ঢাকার মতিঝিল এলাকায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উত্তরা গণভবন — এটি নাটোরের দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি, যা উত্তরবঙ্গে রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) গণভবন — এটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়।
D) বাংলাদেশ সচিবালয় — এটি সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কার্যালয়।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রপতির দফতর বঙ্গভবন এবং প্রধানমন্ত্রীর দফতর গণভবন।
সঠিক উত্তর: B) ঘাস
কেন সঠিক:
- ধান গাছ হলো পয়েসি (Poaceae) পরিবারের এক ধরনের একবীজপত্রী উদ্ভিদ, যার কাণ্ড ফাঁপা এবং পাতা লম্বা হয়।
- উদ্ভিদবিজ্ঞানগত বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে ধান ঘাস জাতীয় উদ্ভিদের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছত্রাক — এটি সমাঙ্গদেহী ও ক্লোরোফিলবিহীন উদ্ভিদ, যা খাদ্য তৈরি করতে পারে না এবং ধান ছত্রাক জাতীয় উদ্ভিদ নয়।
B) ঘাস — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং ধান গাছ ঘাস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এক ধরনের উদ্ভিদ।
C) মস — এটি ব্রায়োফাইটা জাতীয় অপুষ্পক উদ্ভিদ, যা অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং ধানের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।
D) শৈবাল — এটি জলজ ও সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ, যা মূলত পানিতে জন্মায় এবং ধান ডাঙ্গায় জন্মানো ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ।
মনে রাখার টিপস:
ধান থেকে চাল হয় এবং ধান গাছ হলো ঘাস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি উদ্ভিদ।
সঠিক উত্তর: C) ২নং
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত ১১টি সেক্টরের মধ্যে ঢাকা জেলা সেক্টর দুই এর অধীনে ছিল।
- এই সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহর ছাড়াও ঢাকা ও কুমিল্লা জেলার কিছু অংশ এবং নোয়াখালী জেলার কিছু অংশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩নং — এই সেক্টরটি ঢাকা জেলার কিছু অংশ, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও টাঙ্গাইল এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল।
B) ৪নং — এই সেক্টরটি মূলত সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং খোয়াই ও কসবা বাদে হবিগঞ্জ মহকুমা নিয়ে গঠিত ছিল।
C) ২নং — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ঢাকা শহর এই সেক্টরের অধীনে পরিচালিত হতো।
D) ১নং — এই সেক্টরটি চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ফেনী নদীর অববাহিকা অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা দুই অক্ষরের শব্দ, তাই ঢাকা শহর ছিল দুই নম্বর সেক্টরের অধীনে।
সঠিক উত্তর: B) নাফ
কেন সঠিক:
- টেকনাফ উপজেলাটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ পূর্বে অবস্থিত এবং এর পূর্ব পাশ দিয়ে নাফ নদী প্রবাহিত হয়েছে।
- এই নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে পৃথক করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্ণফুলী — এটি চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান নদী, যার তীরে চট্টগ্রাম বন্দর ও শহর অবস্থিত কিন্তু টেকনাফ অবস্থিত নয়।
B) নাফ — এটি টেকনাফ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত নদী এবং সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত।
C) মাতামুহুরি — এটি বান্দরবান ও কক্সবাজার অঞ্চলের একটি নদী, যা চকরিয়ার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
D) জিঞ্জিরাম — এটি কুড়িগ্রাম ও জামালপুর অঞ্চলের একটি নদী, যা ভারতের মেঘালয় থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
টেকনাফ নামের শেষ অংশের সাথে নদীর নাম মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন, টেকনাফের পাশে রয়েছে নাফ নদী।
সঠিক উত্তর: D) ভ্যাট
কেন সঠিক:
- ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর হলো বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধীনে সংগৃহীত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের মধ্যে সবচেয়ে বড় খাত।
- দেশের অভ্যন্তরে পণ্য ও সেবা ক্রয়-বিক্রয় এবং আমদানির ওপর ধার্যকৃত ভ্যাট থেকেই সরকার সর্বাধিক রাজস্ব পেয়ে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আয়কর — এটি সরকারের একটি বড় আয়ের খাত হলেও ভ্যাটের তুলনায় এর পরিমাণ কিছুটা কম।
B) আমদানি শুল্ক — এটি বৈদেশিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলেও ভ্যাটের মতো এটি শীর্ষ রাজস্ব জোগানদাতা নয়।
C) রপ্তানি শুল্ক — রপ্তানি বৃদ্ধিতে উৎসাহ দিতে সরকার সাধারণত এই খাতে শুল্ক বা কর মওকুফ বা কম হারে রাখে, তাই এখান থেকে রাজস্ব আয় কম হয়।
D) ভ্যাট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
সরকারের কোষাগার ভরা থাকে যে করের টানে, সবার ওপরে নাম আসে ভ্যাটের কল্যাণে।
সঠিক উত্তর: C) ১৩টি
কেন সঠিক:
- ঢাকা প্রশাসনিক বিভাগে মোট জেলার সংখ্যা তেরোটি।
- ঢাকা, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলা এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২টি — এটি সঠিক নয় কারণ ঢাকা বিভাগে মোট জেলার সংখ্যা তেরোটি।
B) ১০টি — এটি সঠিক সংখ্যা নয়, ঢাকা বিভাগে এর চেয়ে বেশি জেলা রয়েছে।
D) ৯টি — এটি ময়মনসিংহ বা অন্য কোনো ছোট বিভাগের জেলা সংখ্যার সাথে মিলে যেতে পারে, ঢাকা বিভাগের জন্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা বিভাগ মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, ঢাকা ও তার আশেপাশের ১২টি জেলা মিলে মোট ১৩টি জেলা।
সঠিক উত্তর: B) সূর্য
কেন সঠিক:
- সূর্য হলো অফুরন্ত শক্তির উৎস যা বারবার ব্যবহার করা যায় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না।
- নবায়নযোগ্য শক্তি এমন এক ধরনের শক্তি যা প্রাকৃতিকভাবে খুব দ্রুত পূরণ হয় এবং পরিবেশের ক্ষতি করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিট কয়লা — এটি জীবাশ্ম জ্বালানি এবং একবার ব্যবহার করলে নিঃশেষ হয়ে যায়, তাই এটি নবায়নযোগ্য শক্তি নয়।
B) সূর্য — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি অফুরন্ত ও প্রাকৃতিকভাবে পুনরুৎপাদনযোগ্য শক্তির উৎস।
C) পারমাণবিক জ্বালানি — ইউরেনিয়ামের মতো পারমাণবিক জ্বালানি সীমিত ও অজাত প্রকৃতির হওয়ায় এটি নবায়নযোগ্য নয়।
D) ফুয়েল সেল — এটি শক্তি উৎপাদনের একটি প্রযুক্তি বা মাধ্যম, নিজে শক্তির কোনো প্রাকৃতিক উৎস নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে শক্তি কখনো ফুরিয়ে যায় না এবং প্রকৃতি থেকে বারবার পাওয়া যায়, তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলে; যেমন সূর্য ও বাতাস।
সঠিক উত্তর: C) কাতার
কেন সঠিক:
- ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা ছিল এই অঞ্চলের প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজন।
- এই টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয় এবং লিওনেল মেসি সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা — যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা আগামী ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক দেশ।
B) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয় কারণ তারা ২০২২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন করেনি, তবে তারা ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল।
C) কাতার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ এখানেই সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
D) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ২০২২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজক প্রার্থী ছিল না এবং তারা ফুটবল বিশ্বকাপ কখনো আয়োজন করেনি।
মনে রাখার টিপস:
কাতারের নামের সাথে 'কাতার বিশ্বকাপ' এবং মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম ফুটবল উৎসব হিসেবে সালটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) ১৭ ই মার্চ ২০২০, ১৬ই ডিসেম্বর ২০২১
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য নির্ধারিত মুজিববর্ষের সময়কাল প্রথমে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত ঘোষণা করা হয়েছিল।
- পরবর্তীতে করোনা মহামারীর কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে মুজিববর্ষের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ মার্চ ২০২০-১৭ মার্চ ২০২১ — এটি মুজিববর্ষের প্রাথমিক ও মূল ঘোষিত সময়কাল হলেও বর্ধিত সময়সীমা যুক্ত না থাকায় এটি বর্তমানে সম্পূর্ণ উত্তর নয়।
B) ১৭ মার্চ ২০২০-২৬ মার্চ ২০২১ — ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হলেও মুজিববর্ষের সমাপনী তারিখের সঙ্গে এই তারিখটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) ১০ জানুয়ারি ২০২০, ১৭মার্চ — ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হলেও এটি মুজিববর্ষের শুরুর তারিখ বা সঠিক সময়সীমা নির্দেশ করে না।
D) ১৭ ই মার্চ ২০২০, ১৬ই ডিসেম্বর ২০২১ — এটি সঠিক কারণ এই সময়ের মধ্যেই বর্ধিত মেয়াদসহ মুজিববর্ষের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম সমাপ্ত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের মাস ১৭ মার্চ থেকে শুরু হয়ে বিজয়ের মাস ১৬ ডিসেম্বরে শেষ হয়, এভাবে মনে রাখলে সময়কাল ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: B) ও আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর
কেন সঠিক:
- এই গ্রন্থটির রচয়িতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নন, বরং এটি প্রবীণ রাজনীতিবিদ আবুল মনসুর আহমদের লেখা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অসমাপ্ত আত্মজীবনী — এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, যা ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়।
B) ও আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর — এটি বঙ্গবন্ধু রচিত নয়, বরং বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদ রচিত একটি গ্রন্থ।
C) আমার দেখা নয়াচীন — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত চীন ভ্রমণভিত্তিক একটি গ্রন্থ, যা ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়।
D) কারাগারের রোজনামচা — এটি বঙ্গবন্ধুর কারাজীবনের দিনলিপি নিয়ে রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ, যা ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর মৌলিক গ্রন্থ তিনটি হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়াচীন; এর বাইরে অন্য কোনো রাজনৈতিক নামের গ্রন্থ পেলে তা সাধারণত অন্যের লেখা হবে।
সঠিক উত্তর: A) ৬.১৫ কি.মি. ও ১৮.১০ মি.
কেন সঠিক:
- পদ্মা সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং এর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু, যা দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার বিপ্লব ঘটিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬.১৫ কি.মি. ও ১৮.১০ মি. — এটি পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের সঠিক পরিমাপ হওয়ায় সঠিক উত্তর।
B) ৬.৫১ কি.মি. ও ১০.১৮ মি. — এখানে দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থের সংখ্যাগুলো ভুল ক্রমে ও ভুল মানে দেওয়া হয়েছে।
C) ৬.১৫ কিমি. ও ১০.১৮ মি. — এর দৈর্ঘ্য সঠিক থাকলেও প্রস্থের মান ভুল দেওয়া হয়েছে।
D) ৬.৫১ কি.মি. ও ১৮.১০ মি. — এর প্রস্থ সঠিক হলেও দৈর্ঘ্যের মান ভুলভাবে ৬.৫১ কিমি লেখা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য মনে রাখতে পারেন ছয় দশমিক পনেরো কিমি এবং প্রস্থ আঠারো দশমিক দশ মিটার হিসেবে।
সঠিক উত্তর: D) BAPARD
কেন সঠিক:
- BAPARD হলো বাংলাদেশ একাডেমি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট, যা একটি প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি কোনো প্রকৌশল বা নির্মাণকাজের সাথে যুক্ত প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) PWD — এটি গণপূর্ত অধিদপ্তর (Public Works Department), যা একটি সরকারি প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান।
B) EED — এটি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (Education Engineering Department), যা একটি প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান।
C) eed — এটি মূলত EED-এর পুনরাবৃত্তি বা ছোট হাতের রূপ, যা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকেই নির্দেশ করে।
D) BAPARD — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি গ্রামীণ উন্নয়ন বিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, কোনো প্রকৌশল বিভাগ নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানে সাধারণত PWD বা EED থাকে, আর BAPARD হলো প্রশিক্ষণ ও গবেষণার জন্য।
সঠিক উত্তর: B) গণঅভ্যুত্থান
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানি সামরিক শাসনবিরোধী ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন মতিউর রহমানসহ অনেকেই।
- এই রক্তক্ষয়ী ঘটনার পর তীব্র গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি হয়, যা আইয়ুব খানের পতন নিশ্চিত করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছয় দফা আন্দোলন — এটি ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক পেশ করা ঐতিহাসিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি।
B) গণঅভ্যুত্থান — এটি ১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি সংঘটিত হয়েছিল যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) যুক্তফ্রন্ট — এটি ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক নির্বাচনে গঠিত রাজনৈতিক জোট।
D) শিক্ষা আন্দোলন — এটি মূলত ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন।
মনে রাখার টিপস:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ দিবসের তারিখ মনে রাখতে ২৪ জানুয়ারি সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) জার্মানি
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ মোট পাঁচটি, যার মধ্যে জার্মানি অন্তর্ভুক্ত নয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন এই পাঁচটি দেশ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে ভেটো ক্ষমতা ভোগ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাশিয়া — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য দেশ।
B) জার্মানি — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, তবে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
C) চীন — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অন্যতম স্থায়ী সদস্য দেশ।
D) ফ্রান্স — এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অন্যতম স্থায়ী সদস্য দেশ।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী পাঁচ সদস্য মনে রাখার সহজ সূত্র হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন বা সংক্ষেপে 'ব্লাফকার' (BRUFC)।
সঠিক উত্তর: C) ECNEC সভায়
কেন সঠিক:
- ECNEC হলো জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি, যা দেশের বড় উন্নয়ন প্রকল্প বা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদন করে থাকে।
- প্রধানমন্ত্রী এই কমিটির চেয়ারপারসন এবং এটি সরকারের সর্বোচ্চ প্রকল্প অনুমোদনকারী ও অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারক ফোরাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মন্ত্রিপরিষদ সভায় — এটি সরকারের নীতিনির্ধারক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্থান, বড় উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের নির্দিষ্ট সাংবিধানিক বা নির্বাহী ফোরাম এটি নয়।
B) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে (NEC) সভায় — এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নকারী সর্বোচ্চ পরিষদ, যা সরাসরি প্রকল্প অনুমোদন করে না।
D) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে — এটি আইন প্রণয়ন ও জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী সর্বোচ্চ ফোরাম, এখানে বাজেট ও আইন পাস হয় কিন্তু পৃথক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদিত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নির্বাহী শব্দটির সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখবে যে একনেক বা ECNEC এই কাজটি সম্পন্ন করে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)