কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a আউটপুট ডিভাইস
b ইনপুট ডিভাইস
c কো-অর্ডিনেটিং
d মিক্সড ডিভাইস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইনপুট ডিভাইস ১. কেন সঠিক: - স্ক্যানার হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যার মাধ্যমে কাগজের ছবি বা লিখিত তথ্য ডিজিটালাইজ করে কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়। - যেহেতু এর মাধ্যমে তথ্য বাইরে থেকে কম্পিউটারের ভেতরে পাঠানো হয়, তাই এটি একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কম্পিউটারের যে যন্ত্রগুলোর মাধ্যমে কোনো তথ্য বা নির্দেশ কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়। - ব্যবহারকারীর কাছ থেকে উপাত্ত গ্রহণ করে প্রসেসরের কাছে পাঠানোই ইনপুট ডিভাইসের প্রধান কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিবোর্ড ব্যাখ্যা: কিবোর্ডের মাধ্যমে টাইপ করে কম্পিউটারে লেখা বা নির্দেশ প্রবেশ করানো হয়, তাই এটি একটি ইনপুট ডিভাইস। উদাহরণ ২: মাউস ব্যাখ্যা: মাউসের সাহায্যে স্ক্রিনের কার্সার নিয়ন্ত্রণ করে বিভিন্ন নির্দেশ কম্পিউটারে পাঠানো হয়, তাই এটি ইনপুট ডিভাইসের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আউটপুট ডিভাইস — আউটপুট ডিভাইস হলো সেই যন্ত্র যা কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াজাত তথ্য ব্যবহারকারীর কাছে দৃশ্যমান বা শ্রাব্য করে, কিন্তু স্ক্যানার তথ্য গ্রহণ করে। B) ইনপুট ডিভাইস — এই অপশনটি সঠিক কারণ স্ক্যানার বাইরে থেকে তথ্য কম্পিউটারে প্রবেশ করায়। C) কো-অর্ডিনেটিং — এটি কোনো কম্পিউটারের যন্ত্রাংশের শ্রেণিবিভাগ নয়, বরং সমন্বয় সাধন বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। D) মিক্সড ডিভাইস — স্ক্যানার সরাসরি ইনপুট হিসেবে কাজ করে, তাই এটিকে শুধু মিক্সড বা হাইব্রিড ডিভাইস বলা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - কম্পিউটারে কোনো কিছু প্রবেশ করানো মানেই ইনপুট। স্ক্যান করে ছবি বা কাগজ কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয় বলে এটি ইনপুট ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি অংশ থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - প্রিন্টার, মনিটর এবং স্পিকার হলো আউটপুট ডিভাইস, অন্যদিকে স্ক্যানার, ওএমআর এবং মাইক্রোফোন হলো ইনপুট ডিভাইস।
a অস্তিবাচক বাক্য
b সমবাচক বাক্য
c নেতিবাচক বাক্য
d কোনোটিই নয়
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অস্তিবাচক বাক্য ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে কোনো না, নি, না সূচক শব্দ বা অর্থ নেই, বরং কোনো বিষয়ের স্বীকৃতি বা হ্যাঁ-সূচক ভাব প্রকাশ পেয়েছে। - কোনো বাক্য বা উক্তি যখন সরাসরি হ্যাঁ-সূচক অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে ব্যাকরণের নিয়মে অস্তিবাচক বাক্য বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অর্থের দিক থেকে বাংলা বাক্য প্রধানত পাঁচ প্রকার, যেমন অস্তিবাচক, নেতিবাচক, প্রশ্নবোধক, অনুজ্ঞাসূচক ও বিস্ময়সূচক বাক্য। - যে বাক্যে কোনো কিছু ঘটা, থাকা বা সত্যতার অস্তিত্বরূপ বা হ্যাঁ-সূচক প্রকাশ পায়, তাকে অস্তিবাচক বা ইতিবাচক বাক্য বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বাভাবিক সত্যতার প্রকাশ এবং এতে কোনো না-বোধক শব্দ নেই, যা অস্তিবাচক বাক্যের উদাহরণ। উদাহরণ ২: সত্য চিরদিন জয়ী হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও একটি ইতিবাচক বা হ্যাঁ-সূচক ভাব প্রকাশ পেয়েছে, তাই এটি অস্তিবাচক বাক্যের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্তিবাচক বাক্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে হ্যাঁ-সূচক বা ইতিবাচক ভাব প্রকাশ পেয়েছে। B) সমবাচক বাক্য — বাংলা ব্যাকরণে বাক্য রূপান্তরের ক্ষেত্রে সমবাচক কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণিবিভাগ নেই, তাই এটি ভুল। C) নেতিবাচক বাক্য — এই বাক্যে কোনো না, নাই বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ পায়নি, তাই এটি নেতিবাচক বাক্য নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু প্রথম অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে বাক্যে না, নাই, নি বা কোনো অস্বীকৃতি থাকে না এবং যা সরাসরি হ্যাঁ-বোধক অর্থ দেয়, তাকেই অস্তিবাচক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্যের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - হ্যাঁ-বোধক ও না-বোধক বাক্যের পার্থক্য সহজে বুঝতে বাক্যের অর্থ ও ব্যবহৃত পদের দিকে নজর দিতে হবে।
a দুই সৈনিক
b বীরাঙ্গনা সখিনা
c ক্ষুধা ও আশা
d নির্জন মেঘ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুই সৈনিক ১. কেন সঠিক: দুই সৈনিক একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালির বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ নিয়ে রচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান। তার অন্যান্য বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে জাহান্নাম হইতে বিদায় এবং জলাঙ্গী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রশীদ হায়দারের খাঁচায় বন্দী ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা এই বিষয়ের পরিধিকে সমৃদ্ধ করেছে। উদাহরণ ২: সেলিনা হোসেনের যুদ্ধ ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত আরও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই সৈনিক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) বীরাঙ্গনা সখিনা — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি মধ্যযুগের ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালা বা গাথা। C) ক্ষুধা ও আশা — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি অন্য কোনো সামাজিক বা মনস্তাত্ত্বিক প্রেক্ষাপটে রচিত সাহিত্যকর্ম। D) নির্জন মেঘ — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি লেখকের অন্য ধারার একটি সৃষ্টি যা ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শওকত ওসমানের নাম মনে রাখলেই দুই সৈনিক উপন্যাসের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রেক্ষাপট সহজেই মনে রাখা যায়। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে শওকত ওসমানের নাম খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস প্রায়ই আসে। শওকত ওসমান রচিত জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটিও এই তালিকায় সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
a কারক
b মহাকাল
c কাল
d প্রাতিপদিক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাল ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়কে কাল বলে। অর্থাৎ কোনো কাজ কোন সময়ে সম্পাদিত হচ্ছে বা হবে, তা কালের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ক্রিয়ার সংঘটিত হওয়ার সময়কে কাল বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণে কাল প্রধানত তিন প্রকার যথা বর্তমান কাল, অতীত কাল ও ভবিষ্যৎ কাল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি ভাত খাই। ব্যাখ্যা: এটি বর্তমান কালের উদাহরণ কারণ কাজটি বর্তমান সময়ে ঘটছে। উদাহরণ ২: সে কাল স্কুলে যাবে। ব্যাখ্যা: এটি ভবিষ্যৎ কালের উদাহরণ কারণ কাজটি আগামী সময়ে সম্পন্ন হবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারক — বাক্যে ব্যবহৃত বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে। তাই এটি সময়ের পরিমাপ নয়। B) মহাকাল — মহাকাল বলতে অনন্ত সময় বা কালকে বোঝায়, যা ব্যাকরণে নির্দিষ্ট কোনো ক্রিয়া সম্পাদনের সময় নির্দেশ করে না। D) প্রাতিপদিক — বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়, যা ক্রিয়া সম্পাদনের সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সময়ের ইংরেজি হলো টাইম আর ব্যাকরণে সময় বোঝাতে কাল শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এভাবে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কাল মূলত তিন প্রকার কিন্তু এদের আবার বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়। বাক্যের ক্রিয়াপদ দেখে কাল নির্ধারণ করতে হয়।
a চা-চিনি
b নামাজ-রোজা
c চৌ-হদ্দি
d স্কুল-কলেজ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চৌ-হদ্দি ১. কেন সঠিক: - ভিন্ন ভাষার দুটি শব্দের মিলনে গঠিত শব্দকে মিশ্র শব্দ বা সংকর শব্দ বলা হয়। - চৌ-হদ্দি শব্দটি ফারসি চৌ এবং আরবি হদ্দি শব্দের মিলনে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - এর মধ্যে মিশ্র বা সংকর শব্দ হলো ভিন্ন ভিন্ন ভাষা থেকে আসা শব্দের সমন্বয়ে তৈরি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার-খানা ব্যাখ্যা: ইংরেজি ডাক্তার এবং ফারসি খানা শব্দের মিলনে এটি গঠিত। উদাহরণ ২: হেড-মৌলভি ব্যাখ্যা: ইংরেজি হেড এবং ফারসি মৌলভি শব্দের মিলনে এটি গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চা-চিনি — এটি মিশ্র শব্দ নয়, কারণ চা ও চিনি উভয় শব্দই চীনা ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। B) নামাজ-রোজা — এটি মিশ্র শব্দ নয়, কারণ নামাজ ও রোজা উভয় শব্দই ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। C) চৌ-হদ্দি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি ফারসি ও আরবি শব্দের মিশ্রণে গঠিত। D) স্কুল-কলেজ — এটি মিশ্র শব্দ নয়, কারণ স্কুল ও কলেজ উভয় শব্দই ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভিন্ন ভাষার শব্দ একসাথে জোড়া লাগলেই মিশ্র শব্দ হয়। - উৎস আলাদা কি না তা খেয়াল করলেই উত্তর বের করা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - জোড়া শব্দের ক্ষেত্রে দুটি শব্দের ভাষা আলাদা কি না তা যাচাই করতে হয়।
a কর্তায় দ্বিতীয়া
b অপাদানে ৭মী
c কর্মে দ্বিতীয়া
d অধিকরণে ৭মী
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে ৭মী কেন সঠিক: - ঝিনুক থেকে মুক্তা পাওয়া যায়, যা উৎস বা বিচ্যুতির ধারণা দেয়। - বাক্যে 'ঝিনুক' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা সপ্তমী বিভক্তির রূপ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, বা উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। - শব্দের শেষে এ বা য় থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। - গাছ থেকে পাতা পড়ে যেমন অপাদান কারক, তেমনই ঝিনুক থেকে মুক্তা মেলার বিষয়টি অপাদান কারকের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কর্তায় দ্বিতীয়া — এখানে ঝিনুক বাক্যের মূল কর্তা বা কাজ সম্পাদনকারী নয়। - C) কর্মে দ্বিতীয়া — মুক্তা পাওয়ার কাজটি ঝিনুকের ওপর অর্পিত নয়, তাই এটি কর্ম কারক নয়। - D) অধিকরণে ৭মী — ঝিনুক কোনো স্থান, সময় বা বিষয় বোঝাচ্ছে না, তাই এটি অধিকরণ কারক নয়। মনে রাখার টিপস: - উৎপত্তি, বিচ্যুতি, বা গ্রহীতা বোঝালে চোখ বুজে অপাদান কারক দাগাবে। - এ বা য় বিভক্তি দেখলে সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a কর্মে ৭মী
b করণে শূন্য
c অপাদানে ৭মী
d অধিকরণে ৭মী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'কাননে' শব্দটি দ্বারা বনের ভেতর বা স্থান বোঝানো হয়েছে, যা অধিকরণ কারকের নির্দেশক। - কানন শব্দের সঙ্গে সপ্তম বিভক্তির চিহ্ন 'এ' যুক্ত হওয়ায় এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে এবং শব্দের শেষে এ, য়ে, তে বিভক্তি যুক্ত হলে তাকে সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি বলা হয়। - বাক্যে ক্রিয়ার আধার বা স্থান প্রকাশ করায় এটি অধিকরণ কারক এবং বিভক্তির রূপের দিক থেকে সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: এখানে 'বনে' শব্দটিতে স্থান বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এখানে 'সকালে' সময় বা কাল নির্দেশ করায় এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ৭মী — কর্ম কারকে সাধারণত দ্বিতীয় বা শূন্য বিভক্তি হয়, স্থান বোঝাতে কর্ম কারক হয় না। B) করণে শূন্য — করণে শূন্য বলতে মাধ্যমের ক্ষেত্রে কোনো বিভক্তি না থাকাকে বোঝায়, কিন্তু এখানে স্থান ও বিভক্তি বিদ্যমান। C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক থেকে জাত, বিরত, রক্ষিত বা ভীত হওয়া বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অধিকরণে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে স্থান বা আধার বোঝানো হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্থান, সময় বা ক্ষেত্র বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং শব্দের শেষে এ, য়ে, তে থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্যে স্থান বা সময় খুঁজে বের করে খুব সহজেই অধিকরণ কারক নির্ণয় করা সম্ভব।
a শব্দের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে
b অর্থের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে
c ধাতুর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে
d উপসর্গের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধাতুর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে ১. কেন সঠিক: - কৃৎ প্রত্যয় হলো সেই প্রত্যয় যা ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা পদ গঠন করে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ক্রিয়ার মূল রূপকে ধাতু বলা হয় এবং এর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ তৈরি করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে নতুন শব্দ গঠনের জন্য যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে এবং ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রত্যয়কে কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়। - কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দকে কৃদন্ত পদ বলা হয় এবং এর মাধ্যমে মূলত বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ গঠিত হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √চল + অন্ত = চলতি ব্যাখ্যা: এখানে চল হলো ধাতু এবং অন্ত হলো কৃৎ প্রত্যয়, যা মিলে চলতি শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: √পড় + আ = পড়া ব্যাখ্যা: এখানে পড় হলো ধাতু এবং আ হলো কৃৎ প্রত্যয়, যার মাধ্যমে পড়া শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে — শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে, কৃৎ প্রত্যয় বলে না। B) অর্থের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে — প্রত্যয় কখনো সরাসরি অর্থের সঙ্গে যুক্ত হয় না, এটি মূলত শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়। C) ধাতুর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে — এটি সঠিক উত্তর কারণ কৃৎ প্রত্যয় কেবল ধাতুর সঙ্গেই যুক্ত হয়। D) উপসর্গের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে — উপসর্গ শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বসে, এটি প্রত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - কৃৎ প্রত্যয় মনে রাখার সহজ উপায় হলো ক তে কৃৎ এবং ক তে ধাতু, অর্থাৎ ধাতুর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় বসে। - তদ্ধিত প্রত্যয় বসে শব্দের সঙ্গে, আর কৃৎ প্রত্যয় বসে ধাতুর সঙ্গে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কৃৎ প্রত্যয় এবং তদ্ধিত প্রত্যয়ের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - ধাতু চেনার জন্য ধাতুর পূর্বে সবসময় রুট চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, এটি মাথায় রাখলে উত্তর করা সহজ হয়।
a আদালতের স্থায়ী আদেশ
b আদালতের অস্থায়ী আদেশ
c শপথ বাক্য
d বিচার কক্ষ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আদালতের অস্থায়ী আদেশ ১. কেন সঠিক: - 'Rule Nisi' একটি বহুল ব্যবহৃত আইনি পারিভাষিক শব্দ যার সঠিক বাংলা অর্থ আদালতের অস্থায়ী আদেশ বা রুল নিসি। - ল্যাটিন শব্দ 'Nisi' এর অর্থ যদি না, অর্থাৎ আদালত কোনো অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়ার সময় প্রতিপক্ষকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের পারিভাষিক শব্দ অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত এবং প্রশাসন ও বিচার বিভাগের ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত হয়। - ইংরেজি আইনগত পরিভাষার সঠিক ও প্রমিত বাংলা রূপান্তরের ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'Rule Absolute' এর অর্থ হলো আদালতের চূড়ান্ত আদেশ। ব্যাখ্যা: এটি 'Rule Nisi' এর বিপরীত আইনি পরিভাষা যা চূড়ান্ত রায় প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: 'Affidavit' এর অর্থ হলো হলফনামা। ব্যাখ্যা: এটিও বিচার বিভাগীয় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি পারিভাষিক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদালতের স্থায়ী আদেশ — এই অর্থের জন্য সঠিক ইংরেজি পরিভাষা হলো Rule Absolute. B) আদালতের অস্থায়ী আদেশ — এটি সঠিক কারণ Rule Nisi বলতে আদালতের অস্থায়ী বা কারণ দর্শানোর আদেশকে বোঝায়। C) শপথ বাক্য — এই অর্থের সঠিক ইংরেজি পরিভাষা হলো Oath. D) বিচার কক্ষ — এই অর্থের সঠিক ইংরেজি পরিভাষা হলো Courtroom. ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি Nisi শব্দের অর্থ যদি না। তাই যে আদেশটি চূড়ান্ত হওয়ার আগে কারণ দর্শানোর শর্তে দেওয়া হয়, সেটিই অস্থায়ী আদেশ বা Rule Nisi. ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিচার বিভাগ ও প্রশাসন সংক্রান্ত আইনি পরিভাষাগুলো থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - আইন সংক্রান্ত পরিভাষা পড়ার সময় এর বিপরীতার্থক শব্দগুলোও এক সাথে দেখে রাখা ভালো।
a গা-ছাড়া
b গা বাঁচানো
c গায়ে মাখা
d গায়ে পড়া
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গায়ে মাখা ১. কেন সঠিক: 'গায়ে মাখা' বাগধারাটির বিশেষ অর্থ হলো কোনো বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া, গুরুত্ব দেওয়া কিংবা কোনো কথা বা ঘটনাকে মনে নেওয়া। কোনো কাজ বা উপদেশের প্রতি উদাসীন না থেকে তা নিজের দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করা বোঝালে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যা রূপক অর্থে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। শব্দার্থের সাধারণ অর্থ বাদ দিয়ে যখন বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ পায়, তখন তাকে বাগধারা বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমার ভালোর জন্যই শিক্ষক কথাটি বলেছেন, বিষয়টি গায়ে মাখো। ব্যাখ্যা: এখানে শিক্ষকের কথাকে গুরুত্ব সহকারে নিতে বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: সামান্য সমালোচনা গায়ে মাখলে জীবন এগোবে না। ব্যাখ্যা: এখানে সমালোচনাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া অর্থে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গা-ছাড়া — এই বাগধারাটির অর্থ হলো দায়িত্বহীনতা বা শৈথিল্য প্রদর্শন করা, যা গুরুত্ব দেওয়ার বিপরীত। B) গা বাঁচানো — এই বাগধারাটির অর্থ হলো দায়িত্ব এড়িয়ে চলা বা কোনো বিপদের হাত থেকে কৌশলে নিজেকে রক্ষা করা। D) গায়ে পড়া — এই বাগধারাটির অর্থ হলো অযাচিতভাবে বা না ডেকে কোনো ঝামেলার মধ্যে জড়িয়ে পড়া বা মাতব্বরি করা। ৫ মনে রাখার টিপস: গায়ে মাখা মানে গায়ে কোনো কিছু মেখে তা গুরুত্বের সঙ্গে বহন করা, এভাবে সহজে মনে রাখতে পারো। গুরুত্ব দেওয়া বা আমলে নেওয়া বোঝালেই এই বাগধারাটি সঠিক হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার সাধারণ অর্থের চেয়ে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিপরীতার্থক বাগধারাগুলো একসাথে পড়লে কনফিউশন দূর হয়।
a চেপটা চিড়ে
b নাজেহাল
c বিপদগ্রস্ত
d ব্যর্থ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাজেহাল ১. কেন সঠিক: 'চিঁড়ে চেপটা' একটি জনপ্রিয় প্রবাদ-প্রবচন, যার আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা ভাষায় এই প্রবাদটির মাধ্যমে কাউকে চরমভাবে নিপীড়ন করা, হয়রানি করা বা বিপর্যস্ত বা নাজেহাল অবস্থাকে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রবাদ-প্রবচন হলো দীর্ঘদিনের লোকঅভিজ্ঞতার ফল যা ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এই ধরনের প্রবাদ বাক্যে বা কথ্য ভাষায় বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুলিশের অত্যাצারে চোরটির একেবারে চিঁড়ে চেপটা অবস্থা। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত পুলিশি নির্যাতনের ফলে চোরের চরম দুর্দশা বা নাজেহাল অবস্থাকে প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সারাদিন রোদে ঘুরে কাজে ব্যর্থ হয়ে আমার অবস্থা চিঁড়ে চেপটা। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত পরিশ্রম ও ব্যর্থতার কারণে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তির মাধ্যমে নাজেহাল হওয়া বুঝিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চেপটা চিড়ে — এটি প্রবাদের কোনো ভাবার্থ নয়, বরং চিঁড়ের আক্ষরিক রূপ যা প্রবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) নাজেহাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রবাদটি মানুষের দুরবস্থা বা হয়রানি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) বিপদগ্রস্ত — বিপদগ্রস্ত বলতে শুধু ঝুঁকি বা সমস্যাক্রান্ত হওয়া বোঝায়, যা নাজেহাল বা নাস্তানাবুদ অবস্থার সমার্থক নয়। D) ব্যর্থ — ব্যর্থতা হলো কোনো কাজে সফল না হওয়া, যা সরাসরি নাজেহাল বা হয়রানির অর্থ প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: চিঁড়েকে যেমন চাপ দিয়ে পিষে ফেলা হয়, তেমনি কোনো মানুষকে নানা কষ্টে পিষে ফেলা বা বিপর্যস্ত করাকে নাজেহাল বা চিঁড়ে চেপটা বলা হয়। এইভাবে আক্ষরিক অর্থের সাথে ভাবার্থ মিলিয়ে নিলে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দৈনন্দিন জীবনের নানা পরিচিত প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্নিহিত অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই প্রবাদগুলোর আক্ষরিক অর্থ না বুঝে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
a মাধ্য+ ফিক
b মাধ্য+ মিক
c মাধ্যমিক+অ
d মধ্যম + ফিক
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মধ্যম + ফিক কেন সঠিক: - 'মধ্যম' শব্দের সঙ্গে 'ফিক' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'মাধ্যমিক' শব্দটি গঠিত হয়েছে। - স্বরবৃত্তীয় পরিবর্তনের নিয়মে মধ্যম শব্দের প্রথম অ-কার আ-কার হয়ে মাধ্যমিক রূপ লাভ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মে বিশেষণ বা বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ তৈরি করা হয়। - এই শব্দটিতে সংস্কৃত ব্যাকরণের প্রত্যয় বিধানের নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। - যেমন: মাস + ফিক = মাসিক, ঠিক একইভাবে মধ্যম + ফিক = মাধ্যমিক। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মাধ্য + ফিক — 'মাধ্য' কোনো অর্থপূর্ণ মূল শব্দ নয়। - B) মাধ্য + মিক — 'মিক' কোনো মূল প্রত্যয় নয় এবং এর মূল রূপ সঠিক নয়। - C) মাধ্যমিক + অ — সাধিত শব্দের সঙ্গে আবার প্রত্যয় যুক্ত করে প্রকৃতি প্রত্যয় নির্ণয় করা ভুল। মনে রাখার টিপস: - মাধ্যমিক শব্দের মূল পদটি মনে রাখবে 'মধ্যম', যার সঙ্গে 'ফিক' যুক্ত হয়।
a অঞ্জলি
b অঙ্কুর
c অবলোকন
d অনাচার
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনাচার ১. কেন সঠিক: - 'অনাচার' শব্দটি 'অন' উপসর্গ এবং 'আচার' বিশেষ্য পদের যোগে গঠিত হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী উপসর্গ সামনে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যথা বাংলা তৎসম বা সংস্কৃত এবং বিদেশী উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অজানা ব্যাখ্যা: এটি অ উপসর্গ এবং জানা শব্দের মিলনে গঠিত একটি উপসর্গজাত শব্দ। উদাহরণ ২: পরিপক্ব ব্যাখ্যা: এটি পরি উপসর্গ এবং পক্ব শব্দের মিলনে গঠিত অপর একটি উপসর্গজাত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অঞ্জলি — এটি কোনো উপসর্গযুক্ত শব্দ নয় বরং একটি স্বাধীন মৌলিক শব্দ। B) অঙ্কুর — এটি একটি অবিভাজ্য ও মৌলিক শব্দ যা কোনো উপসর্গ যোগে গঠিত হয়নি। C) অবলোকন — এখানে 'অব' উপসর্গ থাকলেও মূল শব্দটি সংস্কৃত ধাতু থেকে সাধিত তৎসম শব্দ। তবে প্রমিত ও প্রচলিত ব্যাকরণ বিবেচনায় অপশন ডি সবচেয়ে সঠিক ও স্পষ্ট উপসর্গজাত শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শুরুতে থাকা উপসর্গ চেনার জন্য মূল শব্দটিকে আলাদা করার অভ্যাস করতে হবে। - যেমন আচার শব্দের আগে অন বসালে অনাচার হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গযুক্ত শব্দ আলাদা করতে বলা হয়। - মূল শব্দ চিনে তার আগের অংশ আলাদা করতে পারলে খুব সহজেই উপসর্গ চিহ্নিত করা যায়।
a স্ত্রীলিঙ্গ
b উভয়লিঙ্গ
c ক্ষুদ্রার্থে
d বৃহদার্থে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুদ্রার্থে ১. কেন সঠিক: - 'পুস্তিকা' শব্দটিতে ব্যবহৃত '-িকা' প্রত্যয়টি মূল শব্দের ক্ষুদ্র বা ছোট রূপ প্রকাশ করার জন্য যুক্ত হয়েছে। - এখানে মূল শব্দ 'পুস্তক' বা 'বই'-এর সঙ্গে ক্ষুদ্রার্থক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ছোট আকারের বই বা পুস্তিকা বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে শব্দমূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে শব্দের অর্থে পরিবর্তন আনা হয়, যার মধ্যে ক্ষুদ্রার্থ প্রকাশ একটি অন্যতম প্রধান প্রক্রিয়া। - বিশেষ করে শব্দের শেষে 'িকা', 'ী', 'ক' ইত্যাদি প্রত্যয় যোগ করে কোনো কিছুর ছোট বা ক্ষুদ্র রূপ প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গীতি + ইকা = গীতিকা ব্যাখ্যা: এখানে 'গীতিকা' শব্দটি মূল গান বা গীতের ক্ষুদ্র বা সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নদী + মিকা = নদীকা (বা খাটিকা) ব্যাখ্যা: ক্ষুদ্র নদী বোঝাতে অনেক সময় নদীকা বা বিশেষ পদ ব্যবহার করা হয়, যেখানে মূল বস্তুর ছোট রূপটি প্রকাশ পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ত্রীলিঙ্গ — 'পুস্তিকা' কোনো প্রাণবাচক শব্দ নয় এবং এর মাধ্যমে কোনো স্ত্রীলিঙ্গ বোঝানো হয়নি, তাই এটি ভুল। B) উভয়লিঙ্গ — এটি কোনো প্রাণীর লিঙ্গ নির্দেশক শব্দ নয়, তাই উভয়লিঙ্গ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। D) বৃহদার্থে — এটি বড় বা বিশাল কিছু বোঝায় না, বরং মূল বস্তুর ছোট রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে 'িকা' বা 'ী' দেখলে সাধারণত ক্ষুদ্রার্থ বা ছোট রূপ মনে রাখবে। - বড় বই হলো পুস্তক আর ছোট বই হলো পুস্তিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয় ও কৃৎ প্রত্যয়ের সাহায্যে গঠিত ক্ষুদ্রার্থক শব্দগুলো বারবার আসে। - মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করার সময় অর্থের পরিবর্তন সম্পর্কে ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সংখ্যার ধারণা
b ক্রমের ধারণা
c গণনার ধারণা
d পরিমাপের ধারণা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংখ্যার ধারণা ১. কেন সঠিক: বচন ব্যাকরণের একটি পরিভাষা যার শাব্দিক ও মূল অর্থ হলো সংখ্যার ধারণা বা গণনা। বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যাগত নির্দেশকে বচন বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বচন দুই প্রকার যথা একবচন ও বহুবচন। একবচন দ্বারা একটি মাত্র ব্যক্তি বস্তু বা প্রাণীকে বোঝায় এবং বহুবচন দ্বারা একাধিক ব্যক্তি বস্তু বা প্রাণীকে বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বইটি খোকার জন্য কেনা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে বইটি শব্দ দ্বারা একটিমাত্র নির্দিষ্ট বইকে বুঝানো হয়েছে যা একবচনের উদাহরণ। উদাহরণ ২: মাঠে অনেকগুলো গরু ঘাস খাচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে অনেকগুলো গরু শব্দগুচ্ছ দ্বারা একাধিক গরুর উপস্থিতি বোঝানো হয়েছে যা বহুবচনের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংখ্যার ধারণা — এটি সঠিক কারণ বচন পদের সংখ্যা নির্দেশ করে। B) ক্রমের ধারণা — ক্রম বলতে পর্যায় বা সিরিয়াল বোঝায় যা বচনের কাজ নয়। C) গণনার ধারণা — গণনা হলো সংখ্যা বের করার প্রক্রিয়া কিন্তু বচন সরাসরি সংখ্যার ধারণা দেয়। D) পরিমাপের ধারণা — পরিমাপ বলতে ওজন বা পরিমাণ বোঝায় যা বচনের আলোচ্য বিষয় নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বচন মানে ব থেকে সংখ্যা বা বচন মানেই সংখ্যা মনে রাখা সহজ কৌশল। বচন শব্দটি দেখলে মাথায় রাখতে হবে এটি এক বা বহু সংখ্যা নির্দেশ করে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচনের প্রকারভেদ এবং কোন পদের বচন হয় যেমন বিশেষ্য ও সর্বনাম তা প্রায়ই আসে। একবচন থেকে বহুবচন করার নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a প্রাদি সমাস
b দ্বিগু সমাস
c অব্যয়ীভাব সমাস
d নিত্য সমাস
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিত্য সমাস কেন সঠিক: - এই পদের ব্যাসবাক্য হয় না বা অন্য পদের সাহায্য লাগে না। - সমস্ত পদটি নিজেই নিজের অর্থ প্রকাশ করে অটুট থাকে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না কিংবা তা করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। - সংখ্যাবাচক শব্দে নিত্য সমাসের বহু ব্যবহার দেখা যায়। - যেমন: দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই, অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ প্রভৃতি উপসর্গ ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়ে যে সমাস হয় তা প্রাদি সমাস, এখানে তা নয়। - B) দ্বিগু সমাস — সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে সমাহার বা মিলন অর্থে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তা দ্বিগু সমাস, এখানে সংযোগ বোঝানো হয়েছে। - C) অব্যয়ীভাব সমাস — পূর্বপদে অব্যয় যোগে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধান করে যে সমাস হয় তা অব্যয়ীভাব সমাস, এখানে সংখ্যা ব্যবহৃত হয়েছে। - D) সঠিক উত্তর — এটি নিত্য সমাসের সঠিক উদাহরণ হওয়ায় এটিই সঠিক বিকল্প। মনে রাখার টিপস: - সংখ্যা যোগ করার সময় যদি এবং বা আর যুক্ত থাকে এবং তাদের ব্যাসবাক্য না করা যায়, তবে তা নিত্য সমাস হবে।
a সপ্তমী তৎপুরুষ
b কর্মধারয়
c তৃতীয়া তৎপুরুষ
d চতুর্থী তৎপুরুষ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চতুর্থী তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - মুক্তির উদ্দেশ্যে যুদ্ধ = মুক্তিযুদ্ধ, যেখানে নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে অর্থে চতুর্থী বিভক্তি বা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। - চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে কে প্রতি বা নিমিত্ত ইত্যাদি অনুসর্গ লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি বা নিমিত্ত অনুসর্গ লোপ পায়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে। - সাধারণত নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে বোঝালে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি ব্যাখ্যা: এখানে গুরুকে প্রদানের উদ্দেশ্যে বা নিমিত্তে ভক্তি বোঝাতে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: বিয়ের পাগড়ি = বিয়ে-পাগড়ি বা বিয়ের পাগড়ি ব্যাখ্যা: বিবাহের নিমিত্ত পাগড়ি বোঝাতে এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সপ্তমী তৎপুরুষ — সপ্তমী তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে এ য় তে বিভক্তি লোপ পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, কিন্তু এখানে বিভক্তি বা অনুসর্গের সম্পর্ক রয়েছে। C) তৃতীয়া তৎপুরুষ — তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসে দ্বারা দিয়া কর্ত্তৃক অনুসর্গ লোপ পায়, কিন্তু এখানে যুদ্ধের ক্ষেত্রে নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য বোঝাচ্ছে। D) চতুর্থী তৎপুরুষ — এটি সঠিক কারণ এখানে মুক্তির নিমিত্ত যুদ্ধ বোঝানো হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো কিছু অর্জনের উদ্দেশ্য বা নিমিত্ত বোঝালে সাধারণত চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়। - ব্যাসবাক্যে নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে কথাটি থাকলে চোখ বন্ধ করে চতুর্থী তৎপুরুষ দাগাতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিমিত্তবাচক শব্দ যেমন ছাত্রাবাস, বসতবাড়ি, গুরুভক্তি প্রায়ই আসে। - ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ণয় করতে পারলে সমাস কখনো ভুল হবে না।
a জীবনানন্দ দাশ
b কাজী নজরুল ইসলাম
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d জসীমউদ্দীন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'সঞ্চিতা' হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি বিখ্যাত ও প্রামাণ্য কাব্য সংকলন। - ১৯২৮ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটিতে কবির বিভিন্ন সময়ে রচিত নির্বাচিত কবিতা স্থান পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি ও জাতীয় কবি। - 'সঞ্চিতা' গ্রন্থটি তিনি স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন যা বাংলা সাহিত্য ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সঞ্চয়ন' ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কবিতার সংকলন, যা পরীক্ষার্থীদের প্রায়ই বিভ্রান্ত করে। উদাহরণ ২: 'সঞ্চয়িতা' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন, যা 'সঞ্চিতা' নামের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানন্দ দাশ — জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি, তবে 'সঞ্চিতা' তাঁর সংকলন নয়। B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর এবং তাঁর বিখ্যাত কবিতা সংকলনের নাম। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্য সংকলনের নাম 'সঞ্চয়িতা', যা 'সঞ্চিতা' নয়। D) জসীমউদ্দীন — জসীমউদ্দীন পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'নক্সা কাঁথার মাঠ', এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের শেষ অক্ষর মনে রাখুন: নজরুল ছোট নামের কবি, তাই তাঁর সংকলন 'সঞ্চিতা' (ছোট নাম)। রবীন্দ্রনাথ বড় নামের কবি, তাই তাঁর সংকলন 'সঞ্চয়িতা' (বড় নাম)। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'সঞ্চিতা' (নজরুল) ও 'সঞ্চয়িতা' (রবীন্দ্রনাথ) নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - উৎসর্গপত্র মনে রাখা জরুরি কারণ 'সঞ্চিতা' রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c জসীমউদ্দীন
d সুকুমার রায়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'গীতাঞ্জলি' বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - এই কাব্যগ্রন্থটির জন্য তিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাধর কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। - 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি নোবেল পান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সোনার তরী' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি অন্যতম বিখ্যাত প্রতীকী কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'চিত্রা' ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই কাব্যগ্রন্থটিতে তাঁর বিখ্যাত 'উর্বশী' কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, তবে 'গীতাঞ্জলি' তাঁর লেখা নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা। C) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'ন নকশী কাঁথার মাঠ'। D) সুকুমার রায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত ছড়াকার ও শিশুসাহিত্যিক, তাঁর বিখ্যাত রচনা 'আবোল তাবোল'। ৫ মনে রাখার টিপস: - গীতাঞ্জলি মানে গানের অঞ্জলি, আর নোবেল জয়ী এই অমর কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখতে গীতাঞ্জলি, সোনার তরী ও মানসী একসঙ্গে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ১৯১৩ সালে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নোবেল বিজয়ী গ্রন্থ ও তার লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়।
a প্রবন্ধ
b উপন্যাস
c নাটক
d আত্মজীবনী
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রবন্ধ ১. কেন সঠিক: - 'মতিচুর' হলো বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন যা নারীজাগরণ ও সমাজ সংস্কারের ওপর রচিত। - এই গ্রন্থে নারীর অধিকার, শিক্ষা এবং কুসংস্কারের বিরুদ্ধে জোরালো যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে যা প্রবন্ধ সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন হলেন বাংলা সাহিত্যের মুসলিম নারীজাগরণের অগ্রদূত, প্রাবন্ধিক ও সমাজ সংস্কারক। - মতিচুর প্রবন্ধ সংকলনের প্রথম খণ্ড ১৯০৪ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়ান বা নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা। উদাহরণ ২: অবরোধবাসিনী ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত পর্দা প্রথার কুফল নিয়ে লেখা একটি ব্যঙ্গাত্মক ও বাস্তবধর্মী প্রবন্ধ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবন্ধ — এটি সঠিক কারণ মতিচুর একটি প্রবন্ধ সংকলন। B) উপন্যাস — এটি ভুল কারণ মতিচুর কোনো কাল্পনিক কাহিনীর উপন্যাস নয়। C) নাটক — এটি ভুল কারণ এটি মঞ্চস্থ করার জন্য কোনো নাটক বা সংলাপভিত্তিক রচনা নয়। D) আত্মজীবনী — এটি ভুল কারণ এটি লেখকের নিজস্ব জীবনের ধারাবাহিক জীবনীমূলক কোনো গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রোকেয়ার প্রধান দুটি প্রবন্ধ গ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মতিচুরের লাড্ডু খেয়ে সুলতানা অবরোধে গেল। - এখানে মতিচুর এবং অবরোধবাসিনী হলো রোকেয়ার বিখ্যাত প্রবন্ধ বা গদ্যগ্রন্থ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মতিচুর গ্রন্থের রচিয়তা এবং এর প্রকাশকাল বারবার আসে। - লেখক পরিচিতির ক্ষেত্রে বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের নাম ভালোভাবে মনে রাখবে।
a বর্ণ
b পদ
c অক্ষর
d ধ্বনি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনি কেন সঠিক: - মানুষের মুখ থেকে নিসৃত বায়ুর সাহায্যে যে আওয়াজ বা শব্দ তৈরি হয়, তাকে ধ্বনি বলা হয়। - যেকোনো ভাষার বুনিয়াদি বা মৌলিক উপাদান হলো তার ধ্বনি, যা ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে গণ্য হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি হলো ভাষার মূল ভিত্তি এবং এটি কান দিয়ে শোনা যায় কিন্তু চোখে দেখা যায় না। - বাংলা ব্যাকরণে উচ্চারণের দিক থেকে ধ্বনিই হলো ভাষার সবচেয়ে ছোট একক। - যেমন: অ, আ, ক, খ ইত্যাদি হলো ধ্বনির লিখিত রূপের আগের অবস্থা বা মৌলিক শব্দরূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, তাই এটি ক্ষুদ্রতম একক নয়। - B) পদ — বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু হলো পদ, যা ধ্বনি বা বর্ণের চেয়ে অনেক বড় একক। - C) অক্ষর — কথার বলার সময় নিঃশ্বাসের এক ঝটকায় যতটুকু অংশ উচ্চারণ করা যায় তাকে অক্ষর বলে, যা ধ্বনির চেয়ে বড়। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: - কান দিয়ে শোনা যায় এমন ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ধ্বনি আর চোখ দিয়ে দেখা যায় এমন ক্ষুদ্রতম অংশ হলো বর্ণ।
a বিভক্তি
b ধাতু
c প্রকৃতি
d কারক
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রকৃতি ১. কেন সঠিক: শব্দ ও ধাতুর মূলকে প্রকৃতি বলা হয়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যা থেকেই শব্দ বা পদ গঠিত হয়, তাকেই মূল বা প্রকৃতি হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রকৃতি হলো শব্দ বা পদের মূল উপাদান যা বিশ্লেষণ করা যায় না। প্রকৃতি প্রধানত দুই প্রকার যেমন নাম প্রকৃতি ও ক্রিয়াপ্রকৃতি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চল + আ = চলা ব্যাখ্যা: এখানে চল হলো ধাতুর মূল বা ক্রিয়াপ্রকৃতি। উদাহরণ ২: হাত + ই = হাতি ব্যাখ্যা: এখানে হাত হলো শব্দের মূল বা নামপ্রকৃতি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভক্তি — শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে, এটি মূল নয়। B) ধাতু — এটি কেবল ক্রিয়াপদের মূল, সব শব্দের মূল নয়। C) প্রকৃতি — এটিই সঠিক কারণ শব্দ ও ধাতু উভয় মূলই এর অন্তর্ভুক্ত। D) কারক — বাক্যের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলে, এটি মূল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দ ও ধাতুর মূল মানেই প্রকৃতি। নাম শব্দ হলে নামপ্রকৃতি এবং ক্রিয়াপদ হলে ক্রিয়াপ্রকৃতি বা ধাতু মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতি ও প্রত্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের মূল এবং ধাতুর মূল আলাদা করে চিনতে পারলে উত্তর করা সহজ হয়।
a সং + বিধান
b সং+ অবিধান
c সম্ + বিধান
d সম + ধান
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সম্ + বিধান ১. কেন সঠিক: - সং + বিধান শব্দটির সঠিক ব্যঞ্জনসন্ধি হলো সম্ + বিধান। - নিয়ম অনুযায়ী ম্-এর পর ব থাকলে ম্ পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বার হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে ম্-এর পর অন্তুস্থ ধ্বনি য র ল ব কিংবা উষ্ম ধ্বনি শ ষ স হ থাকলে ম্-এর স্থানে অনুস্বার হয়। - এই নিয়মে সম্ যোগ বিধান মিলে সংবিধান গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্ + যোগ = সংযোগ ব্যাখ্যা: এখানে ম্-এর পর য থাকার কারণে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়েছে। উদাহরণ ২: সম্ + বাদ = সংবাদ ব্যাখ্যা: এখানে ম্-এর পর ব থাকার কারণে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সং + বিধান — বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে প্রথম অংশে হসন্তযুক্ত ম্ না থাকায় এটি সঠিক সন্ধি নয়। B) সং+ অবিধান — বিধান শব্দের আগে অতিরিক্ত অ যুক্ত করায় এটি মূল শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) সম + ধান — সম্-এর সঙ্গে ধান যুক্ত হলে সমাধান হয়, সংবিধান হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ম্-এর পরে যদি ব থাকে তবে ম্-এর পরিবর্তে অনুস্বার বসবে এবং পরের অংশ অপরিবর্তিত থাকবে। - সংযোগ বা সংবাদ শব্দের মতো সংবিধান শব্দটি একই সূত্রে সাধিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুস্বারযুক্ত শব্দের সন্ধি প্রায়ই আসে। - ম্-খণ্ডের সঙ্গে অন্তুস্থ বা উষ্ম বর্ণ যুক্ত হওয়ার নিয়মটি ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a পরী + ঈক্ষা
b পরি + ইক্ষা
c পরী + ইক্ষা
d পরি + ঈক্ষা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পরি + ঈক্ষা ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে স্বরসন্ধির ক্ষেত্রে ই-কার বা ঈ-কারের পর ই-কার বা ঈ-কার থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। পরি শব্দের শেষে ই-কার এবং ঈক্ষা শব্দের শুরুতে দীর্ঘ ঈ-কার থাকায় উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয় এবং তা পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়। পরীক্ষা শব্দটিতে পরি এবং ঈক্ষা যুক্ত হয়ে পরিঈক্ষা থেকে পরীক্ষা শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতি + ইত = অতীত ব্যাখ্যা: এখানে ই-কারের পর ই-কার যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: গিরি + ইন্দ্র = গিরীন্দ্র ব্যাখ্যা: এখানেও ই-কারের সঙ্গে ই-কার যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরী + ঈক্ষা — পরী বানানটিতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) পরি + ইক্ষা — ইক্ষা শব্দটিতে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানান নয়। C) পরী + ইক্ষা — পরী এবং ইক্ষা উভয় শব্দে হ্রস্ব বা ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে। D) পরি + ঈক্ষা — পরি এবং ঈক্ষা উভয় পদের বানান সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী পরীক্ষিত। ৫. মনে রাখার টিপস: পরীক্ষা শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় উপসর্গ হিসেবে সবসময় পরি ব্যবহার করতে হবে। পরবর্তী অংশটি ঈক্ষা হবে যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-কার এবং ঈ-কার সংক্রান্ত সন্ধি প্রায়ই আসে। বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রেও পরি এবং ঈক্ষা শব্দ দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ১০টি
b ৮টি
c ১১টি
d ৩২টি
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩২টি কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় মোট পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা ঠিক ৩২টি। - স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ মিলিয়ে এই ৩২টি বর্ণে সম্পূর্ণ মাত্রা বা রেখা থাকে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণ রয়েছে। - ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে ছাব্বিশটি এবং স্বরবর্ণের মধ্যে ছয়টি মিলে মোট ৩২টি পূর্ণমাত্রার বর্ণ পাওয়া যায়। - উদাহরণস্বরূপ, স্বরবর্ণের অ, আ এবং ব্যঞ্জনবর্ণের ক, খ হলো পূর্ণমাত্রার বর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ১০টি — এটি অর্ধমাত্রার মোট বর্ণের সংখ্যা। - B) ৮টি — এটি মাত্রাহীন মোট বর্ণের সংখ্যা। - C) ১১টি — এটি বাংলা মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: - ৩২টি পূর্ণমাত্রা, ১০টি অর্ধমাত্রা এবং ৮টি মাত্রাহীন বর্ণ মনে রাখলে মোট ৫০টি বর্ণ সহজে হিসাব করা যায়।
a শব্দমূল
b নাম প্রকৃতি
c রূপ
d ধ্বনিমূল
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনিমূল কেন সঠিক: - ইংরেজি ফোনিম শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো ধ্বনিমূল। - ভাষার ক্ষুদ্রতম অর্থপূর্ণ একক বা ধ্বনিগত একককে ধ্বনিমূল বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনিবিজ্ঞান ও ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনিমূল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারণা। - কোনো ভাষার শব্দকে অর্থের পার্থক্যের ভিত্তিতে যে ক্ষুদ্রতম ধ্বনি এককসমূহে ভাগ করা যায়, তা-ই ধ্বনিমূল। - যেমন বাংলায় প এবং ব দুটি আলাদা ধ্বনিমূল কারণ পাল ও বাল শব্দ দুটির অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা করে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শব্দমূল — শব্দমূল বা প্রাতিপদিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ, তাই এটি ভুল। - B) নাম প্রকৃতি — নাম প্রকৃতি হলো প্রত্যয় বা বিভক্তিহীন মূল শব্দ, তাই এটি ভুল। - C) রূপ — রূপ বা মরফিম হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম অর্থবহ একক, তাই এটি ভুল। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি ফ এবং বাংলা ধ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো ফোনিম মানেই ধ্বনিমূল।
a একটি গোপন কথা বলি
b একটি গোপনীয় কথা বলি
c এক গুপ্ত কথা বলি
d একটি গোপনীয়তার কথা বলি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একটি গোপনীয় কথা বলি ১. কেন সঠিক: গোপন কথা বাক্যে 'গোপনীয়' বিশেষণটি ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অধিক উপযোগী এবং প্রমিত। কথা বিশেষ্য পদের আগে বিশেষণ হিসেবে 'গোপনীয়' শব্দটির সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদের পূর্বে উপযুক্ত বিশেষণ ব্যবহার করে বাক্য গঠন করতে হয়। এখানে 'কথা' একটি বিশেষ্য পদ এবং এর বিশেষণের রূপ হিসেবে 'গোপনীয়' শব্দটি পুরোপুরি মানানসই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এটি একটি অত্যন্ত গোপনীয় বিষয়। ব্যাখ্যা: বিষয় বিশেষ্য পদের পূর্বে গোপনীয় বিশেষণটি সঠিকভাবে বসেছে। উদাহরণ ২: তিনি আমাকে একটি গোপনীয় সংবাদ দিলেন। ব্যাখ্যা: সংবাদ বিশেষ্যের আগে গোপনীয় বিশেষণটি প্রমিত বাংলা গঠনে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি গোপন কথা বলি — গোপন শব্দটি এখানে সরাসরি ব্যবহার করায় বাক্যের শৈলী দুর্বল শোনায়। B) একটি গোপনীয় কথা বলি — এটি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য। C) এক গুপ্ত কথা বলি — গুপ্ত শব্দটি সাধারণত লুকানো অর্থে ব্যবহৃত হয়, কথার ক্ষেত্রে গোপনীয় মানানসই। D) একটি গোপনীয়তার কথা বলি — গোপনীয়তা বিশেষ্য পদ হওয়ায় পরপর দুটি বিশেষ্য পদের মিলনে বাক্যটি ভুল হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষ্যের আগে গোপনীয় বিশেষণ ব্যবহার করবে। গোপনীয়তা বিশেষ্য এবং গোপন বা গোপনীয় বিশেষণ হিসেবে বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে শব্দের সঠিক রূপ ও পদের ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। বিশেষ্য ও বিশেষণের সঠিক অবস্থান বাক্যশুদ্ধির মূল চাবিকাঠি।
a মিষ্টি
b তিক্ত
c অম্লত্ব
d মন্দ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিক্ত ১. কেন সঠিক: - 'মধুর' শব্দের অর্থ মিষ্টি বা সুস্বাদু, যার সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'তিক্ত' বা তেতো। - বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস, ভাবার্থ এবং ভাবের বিপরীত দিকটি বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে মূল শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত ভাব প্রকাশকারী শব্দকে বোঝায়। - বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে এই বিপরীত রূপগুলো প্রধানত অর্থের বৈপরীত্যের ওপর নির্ভর করে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ ব্যাখ্যা: আনন্দ শব্দের বিপরীত শব্দ বিষাদ, যা ভাবের দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: উন্নত ব্যাখ্যা: অবনত শব্দের বিপরীত শব্দ উন্নত, যা উচ্চতা বা অবস্থানের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিষ্টি — এই শব্দটির অর্থ এবং 'মধুর' শব্দের অর্থ প্রায় একই, তাই এটি সমার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য হবে বিপরীতার্থক নয়। B) তিক্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ মধুর বিপরীত অর্থ তেতো বা তিক্ত প্রকাশ করে। C) অম্লত্ব — এটি একটি ভাবের বা গুণের নাম যা অম্ল বা টক থেকে এসেছে, মধুর বিপরীতার্থক রূপ হিসেবে এটি সঠিক নয়। D) মন্দ — এই শব্দটির সাধারণ বিপরীত শব্দ ভালো, যা মধুর শব্দের যথাযথ বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো খাবারের স্বাদের বিপরীত রূপ মনে রাখার মাধ্যমে খুব সহজেই এ ধরনের বিপরীত শব্দ আয়ত্ত করা যায়। - মধুর স্বাদ যেমন মিষ্টি, তেমনি এর উল্টো স্বাদ হলো তিক্ত বা তেতো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষণের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে, তাই শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - সমার্থক শব্দের সঙ্গে বিপরীতার্থক শব্দের পার্থক্য পরিষ্কার রাখলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a বানান
b পদ
c বচন
d বিভক্তি
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বচন ১. কেন সঠিক: বাক্যে 'সকল' এবং 'ছাত্ররাই' শব্দ দুটিতে বহুবচনের রূপ একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাহুল্য দোষ বা বচনঘটিত ভুল। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একটি পদে বা বাক্যে একাধিক বহুবচকবাচক শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করা যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বচন হলো সংখ্যার ধারণা, যা বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের একত্ব বা বহুত্ব প্রকাশ করে। বাক্যে একটি বহুবচনের চিহ্ন বা শব্দ থাকলেই তা বহুত্ব বোঝাতে যথেষ্ট, তাই একই সঙ্গে 'সকল' এবং 'রাই' বিভক্তি যুক্ত করা ব্যাকরণসম্মত নয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব পাখিরা আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এটি একটি ভুল বাক্য কারণ 'সব' এবং 'পাখিরা' উভয়ই বহুবচন নির্দেশ করে, শুদ্ধ রূপ হবে সব পাখি আকাশে ওড়ে। উদাহরণ ২: সমস্ত শিক্ষকবৃন্দ সভায় উপস্থিত আছেন। ব্যাখ্যা: এখানে 'সমস্ত' এবং 'বৃন্দ' দুটি বহুবচনবাচক শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করায় বাহুল্য দোষ ঘটেছে, শুদ্ধ রূপ হবে সকল শিক্ষক সভায় উপস্থিত আছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বানান — বাক্যটিতে ব্যবহৃত কোনো শব্দের বানান ভুল নেই, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) পদ — বাক্যের পদগুলো সঠিকভাবে গঠিত হয়েছে এবং পদের বিন্যাসে কোনো সমস্যা নেই, তাই এটি ভুল। C) বচন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বাহুল্যজনিত বচনের ভুল রয়েছে। D) বিভক্তি — বাক্যে বিভক্তির ব্যবহার সঠিক আছে, তাই এটি উত্তর হবে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যে একই সঙ্গে সব, সকল, সমস্ত এবং রা, এরা, বৃন্দ, মণ্ডলী ব্যবহার করবে না। একটি বাক্যে একটি বহুবচনবাচক শব্দ ব্যবহার করাই যথেষ্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি প্রায়ই আসে। বহুবচনের দ্বিত্ব ব্যবহার রোধ করতে শব্দের অর্থ এবং রূপ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।
a 6
b 2
c 4
d 5
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ ১. কেন সঠিক: সাহিত্যে অলংকার মূলত দুই প্রকার যথা শব্দালংকার ও অর্থালংকার। কাব্যের রূপ ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য শব্দের ওপর বা অর্থের ওপর যে বৈচিত্র্য আনা হয় তা এই দুই ভাগে বিভক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দালংকার হলো যেখানে শব্দের চমৎকারিত্বের ওপর অলংকারের নির্ভরতা থাকে। অর্থালংকার হলো যেখানে অর্থের গভীরতা ও সৌন্দর্যের মাধ্যমে কাব্যের প্রকাশ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনুপ্রাস অলংকার ব্যাখ্যা: এটি এক ধরণের শব্দালংকার যেখানে একই ধ্বনির পুনরাবৃত্তি ঘটে। উদাহরণ ২: উপমা অলংকার ব্যাখ্যা: এটি এক ধরণের অর্থালংকার যেখানে দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ — অলংকারের প্রধান প্রকার সংখ্যা ছয় নয় কারণ ঐতিহ্যগতভাবে প্রধান অলংকার দুই প্রকার। B) ২ — এই অপশনটি সঠিক কারণ অলংকার প্রধানত শব্দালংকার ও অর্থালংকার এই দুই ভাগে বিভক্ত। C) ৪ — অলংকারের প্রধান প্রকার চার বলা ভুল কারণ প্রধান বিভাগ মাত্র দুটি। D) ৫ — অলংকার পাঁচ প্রকার নয় কারণ প্রাচীন ও আধুনিক অলংকার শাস্ত্রে প্রধান বিভাগ দুটিই স্বীকৃত। ৫ মনে রাখার টিপস: সাহিত্যের অলংকারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায় যার একটি শব্দ কেন্দ্রিক এবং অন্যটি অর্থ কেন্দ্রিক। শব্দালংকার ও অর্থালংকার এই নাম দুটি মনে রাখলেই পরীক্ষার সঠিক উত্তর দেওয়া সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অলংকার কত প্রকার এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। প্রধান প্রকার দুই হলেও এর উপবিভাগ অনেক রয়েছে যা উচ্চতর পরীক্ষার জন্য পড়তে হয়।
a Why have you done this?
b Why you had done this?
c Why you have done this?
d Why did you done this?
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Why have you done this? কেন সঠিক: ডব্লিউ এইচ ওয়ার্ড দিয়ে প্রশ্নবোধক বাক্য তৈরি করার সময় প্রথমে সাহায্যকারী ভার্ব বসাতে হয় এবং সাবজেক্টের আগে তা আসে। এখানে সঠিক সাহায্যকারী ভার্ব এবং মূল ভার্বের সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়েছে। বাক্যের গঠন সম্পূর্ণ ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে সঠিক হয়েছে। এটি সঠিক নিয়ম অনুযায়ী গঠিত প্রশ্নবোধক বাক্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — কারণ এই বাক্যটিতে প্রশ্নবোধক বাক্যের সমস্ত ব্যাকরণগত নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে চলা হয়েছে। B) B) Why you had done this? — এখানে সাবজেক্টের পরে সাহায্যকারী ভার্ব ব্যবহার করায় এটি ভুল হয়েছে। C) C) Why you have done this? — এই বাক্যে সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব না বসিয়ে ভুল গঠন করা হয়েছে। D) D) Why did you done this? — এখানে ডিড এর পরে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ দেওয়ায় বাক্যটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ডব্লিউ এইচ ওয়ার্ডের পরে সবসময় সাহায্যকারী ভার্ব এবং তারপরে সাবজেক্ট বসিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে হয়।
a able
b try
c but
d afford
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) afford কেন সঠিক: afford শব্দটির অর্থ সামর্থ্য থাকা এবং এটি ক্যান নট এর পর সরাসরি বসে। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় আমি এত বেশি দাম দেওয়ার সামর্থ্য রাখি না। অন্য শব্দ বসালে বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত মিল নষ্ট হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) able — able শব্দের পর টু বসে কিন্তু এখানে ক্যান নট এর পর সরাসরি ভার্ব দরকার। B) try — try বসালে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি অসম্পূর্ণ ও অর্থহীন হয়। C) but — but একটি কনজাংশন যা এখানে বসালে বাক্যের গঠন সম্পূর্ণ ভুল হয়। D) afford — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু কেনার আর্থিক সামর্থ্য বোঝাতে সাধারণত afford শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a in
b about
c with
d at
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) at কেন সঠিক: কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা অদক্ষতা প্রকাশ করতে সাধারণত good শব্দের পরে at প্রিপজিশন বসে। এখানে অনুবাদে দক্ষতার অভাব বোঝাতে good এর পরে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে at ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — বাংলায় সাধারণত ভেতরে বোঝাতে in বসে, যা এখানে দক্ষতার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। B) about — কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে বোঝাতে about বসে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। C) with — কোনো ব্যক্তি বা উপকールの সাথে বোঝাতে with বসে, যা এখানে ব্যবহার করা যায় না। D) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বোঝাতে সবসময় good at ব্যবহার করবে।
a The train is running in time.
b The train is running on time.
c The train is running with time.
d The train is running to time.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The train is running on time. কেন সঠিক: সঠিক সময়ের সাথে ট্রেন চলার ক্ষেত্রে সাধারণত on time প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়। এটি নির্দিষ্ট সময়সূচি বা শিডিউল নিখুঁতভাবে মেনে চলার সঠিক ইংরেজি অভিব্যক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The train is running in time — সময়ের মধ্যে বোঝাতে in time ব্যবহার করা হয় যা নির্দিষ্ট শিডিউলের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। B) এটি সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) The train is running with time — সময়ের সাথে চলা বোঝাতে with time ইংরেজি ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয় না। D) The train is running to time — এটি ব্রিটিশ ইংরেজিতে কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহার হলেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে on time সবচেয়ে নিখুঁত। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময় বা শিডিউল মেনে চলার ক্ষেত্রে সবসময় on time ব্যবহার করবে।
a for
b in
c with
d at
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in কেন সঠিক: Interest শব্দের পর উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় in বসে। কোনো বিষয়ে কারো আগ্রহ আছে বা নেই বোঝাতে interest এর সাথে in ব্যবহার করা হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট প্রিপজিশন ব্যবহারের নিয়ম। সঠিক বাক্যটি হবে: My brother has no interest in music. বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — interest শব্দের সাথে for প্রিপজিশন বসে না। B) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) with — এই ক্ষেত্রে with প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) at — এখানে at প্রিপজিশন বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না। মনে রাখার টিপস: Interest শব্দের পরে সবসময় in প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a to seeing
b seeing
c to see
d to have seen
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to seeing কেন সঠিক: বাক্যে 'look forward to' একটি ফ্রেজ, যার অর্থ কোনো কিছুর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা। এর নিয়ম হলো 'to' প্রিপজিশন হলেও এরপরে ভার্বের সাথে 'ing' যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to seeing — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী গঠিত হয়েছে। B) seeing — 'to' বাদ থাকায় এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। C) to see — 'to' এর পরে শুধু ভার্বের বেজ ফর্ম বসায় এটি সঠিক নয়। D) to have seen — এখানে পারফেক্ট ইনফিনিটিভ ব্যবহার করায় তা অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'look forward to' দেখলে মনে রাখবে এরপরে সবসময় ভার্ব + ing বসবে।
a flowers
b dear
c trees
d animals
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) animals কেন সঠিক: Botany শব্দের অর্থ উদ্ভিদবিদ্যা, যা সরাসরি উদ্ভিদ বা plants নিয়ে আলোচনা করে। অনুরূপভাবে Zoology শব্দের অর্থ প্রাণীবিদ্যা, যার প্রধান আলোচ্য বিষয় হলো প্রাণী বা animals। বাকি অপশন কেন ভুল: A) flowers — ফুল হলো উদ্ভিদের একটি অংশ মাত্র, পুরো প্রাণিজগৎ বা Zoology কে নির্দেশ করে না। B) dear — হরিণ কেবল একটি নির্দিষ্ট প্রাণী, যা সমস্ত প্রাণীকুল বা Zoology এর পরিধি বোঝাতে পারে না। C) trees — গাছপালা কেবল Botany এর অন্তর্গত, Zoology বা প্রাণীবিদ্যার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) animals — এটি সঠিক কারণ Zoology এর সাথে প্রাণীদের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Botany মানে পাতা ও গাছপালা আর Zoology মানে জীবন ও প্রাণী জগৎ।
a sky
b beavens
c firmament
d blue
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) blue কেন সঠিক: এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ বাক্য যার অর্থ হলো বিনা মেঘে বজ্রপাত বা হঠাৎ কোনো অপ্রত্যাশিত বিপদ আসা। এই বাক্যের সঠিক প্রবচন অংশ হলো bolt from the blue। অন্য কোনো শব্দ এই প্রবাদের সাথে ব্যবহার করলে অর্থ ঠিক থাকে না। ইংরেজি ভাষা ব্যবহারে এই ধরনের নির্দিষ্ট শব্দগুচ্ছ মুখস্ত রাখতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sky — এটি সাধারণ আকাশ বোঝায় কিন্তু সঠিক প্রবাদের অংশ নয়। B) beavens — এটি বানান ভুল এবং প্রবাদের নিয়মের সাথে মেলে না। C) firmament — এটি মহাকাশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু প্রবাদে এই শব্দ বসে না। D) blue — এটি সঠিক কারণ প্রবাদের নিয়ম অনুযায়ী এখানে নীল আকাশ বা শূন্যতা বোঝানো হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হঠাৎ আসা খারাপ খবর বোঝাতে সবসময় bolt from the blue প্রবাদটি ব্যবহার করবে।
a a diary
b a biography
c an autobiography
d a chronicle
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) an autobiography কেন সঠিক: - আত্মজীবনী হলো এমন একটি সাহিত্যকর্ম যেখানে লেখক নিজের জীবনের ঘটনা নিজেই লিখে থাকেন। - গ্রিক শব্দ অটো (নিজের), বায়ো (জীবন) এবং গ্রাফি (লেখা) মিলে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a diary — এটি কোনো ব্যক্তির দৈনন্দিন কাজের রেকর্ড বা ব্যক্তিগত নোট, যা সাধারণত প্রকাশের জন্য লেখা হয় না। B) a biography — এটি অন্য কোনো ব্যক্তির জীবন নিয়ে লেখা জীবনী, নিজের জীবনের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। C) an autobiography — এটি নিজেই নিজের জীবনের ঘটনা লিখে প্রকাশ করার সাহিত্যকর্ম, যা প্রশ্নটির সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। D) a chronicle — এটি কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার কালানুক্রমিক বিবরণ বা ইতিহাস, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির আত্মজীবনী নয়। মনে রাখার টিপস: অটো মানে নিজ, বায়ো মানে জীবন এবং গ্রাফি মানে লেখা, অর্থাৎ নিজের জীবন নিজে লেখাকে অটোবায়োগ্রাফি বলে।
a very fat
b ugly
c tardy
d obnoxious
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) very fat কেন সঠিক: Obese শব্দটি অতিরিক্ত স্থূলতা বা খুব বেশি মোটা হওয়া বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানেও স্বাভাবিক ওজনের চেয়ে অনেক বেশি ওজন বোঝাতে এই শব্দটি নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) very fat — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটির সাথে ওবেস শব্দের অর্থের সরাসরি মিল রয়েছে। B) ugly — এই শব্দের অর্থ কুৎসিত, যা শারীরিক ওজনের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) tardy — এই শব্দের অর্থ বিলম্বিত বা ধীরগতির, যার সাথে স্থূলতার কোনো সম্পর্ক নেই। D) obnoxious — এই শব্দের অর্থ অত্যন্ত অপছন্দনীয় বা বিরক্তিকর, যা ওবেস শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: ওবেস (Obese) মানুষের শরীর অনেক বড় বা মোটা হয়, তাই এটি খুব মোটার সাথে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
a who will be done the work
b who will done the work
c By whom will the work be done?
d So Whom will the work be done?
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom will the work be done? কেন সঠিক: interrogative sentence এ who থাকলে passive করার সময় শুরুতে By whom বসে। modal auxiliary verb এর পরে be বসে এবং মূল verb এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) who will be done the work — এখানে বাক্যের শুরুতে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী by whom ব্যবহার করা হয়নি। B) who will done the work — এখানে auxiliary verb এর পরে be না বসিয়ে সরাসরি মূল verb ব্যবহার করা হয়েছে। C) By whom will the work be done? — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এটি সব grammatical নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) So Whom will the work be done? — এখানে by এর পরিবর্তে ভুল শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice কে Passive করার সময় প্রথমে By whom এবং সাহায্যকারী Verb এর পরে be বসাতে হয়।
a I have looked for a good doctor before I met you
b I had looked for a good doctor before I met you
c I looked for a good doctor before I had met you
d I am looking for a good doctor before meeting you.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I had looked for a good doctor before I met you কেন সঠিক: বাক্যে before থাকার কারণে অতীতের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, তার সাথে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়। তাই মূল ক্লজে Past Perfect Tense এবং পরের অংশে Past Indefinite Tense বসেছে। গঠন অনুসারে Subject এর পর had এবং মূল Verb এর Past Participle রূপ বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I have looked for a good doctor before I met you — এখানে প্রথম অংশে Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা অতীতের দুটি কাজের ক্রমানুসারে নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) I had looked for a good doctor before I met you — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলেছে। C) I looked for a good doctor before I had met you — এখানে নিয়ম উল্টো করে পরের অংশে Past Perfect Tense দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণ অনুযায়ী ভুল। D) I am looking for a good doctor before meeting you — এখানে Present Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা অতীতের ঘটনার ধারাবাহিকতা প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Before এর আগে Past Perfect Tense এবং পরে Past Indefinite Tense বসে।
a of
b introduction
c from
d at
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) of কেন সঠিক: - 'Devoid of' একটি উপযুক্ত বা Appropriate Preposition, যার অর্থ বঞ্চিত বা শূন্য। - এখানে 'commonsense' শব্দের পূর্বে শূন্যস্থান পূরণে 'of' preposition সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'devoid' শব্দের পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে 'of' ব্যবহৃত হয়। B) introduction — এটি একটি noun এবং preposition হিসেবে এখানে বসার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। C) from — এটি সাধারণত পৃথক হওয়া বোঝাতে বসে, কিন্তু 'devoid' শব্দের সাথে 'from' যুক্ত হয় না। D) at — এটি সাধারণত নির্দিষ্ট স্থান বা দক্ষতার ক্ষেত্রে বসে, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: 'Devoid' শব্দটিকে সবসময় 'of' এর সাথে জুটি হিসেবে মনে রাখবে, কারণ devoid এর অর্থেই লুকিয়ে থাকে কোনো কিছুর অভাব বা শূন্যতা।
a He is being gone to open a shop.
b A shop is being gone opened by him.
c A shop will be opened by him.
d A shop is going to be opened by him.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A shop is going to be opened by him. কেন সঠিক: বাক্যটিতে 'is going to' থাকায় প্যাসিভ করার সময় 'is going to be' এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহৃত হয়েছে। অবজেক্ট 'a shop' সাবজেক্ট হিসেবে প্রথমে বসেছে এবং সাবজেক্ট 'He' অবজেক্ট হয়ে 'by him' এ রূপান্তর হয়েছে। অক্সিলারি ভার্ব হিসেবে 'is' অপরিবর্তিত থাকে কারণ নতুন সাবজেক্ট 'a shop' একটি একবচন শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এখানে 'going' কে প্যাসিভ করা হয়েছে যা প্রদত্ত সেন্টেন্সের গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণভাবে বদলে দেয়। B) এখানে অপ্রয়োজনে 'gone' যুক্ত করা হয়েছে যা এই ধরনের সেন্টেন্সের সঠিক গ্রামার নিয়ম মেনে চলে না। C) এখানে ভবিষ্যৎকালের সাধারণ নিয়ম ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু মূল বাক্যের 'going to' এর অর্থ বাদ পড়েছে। D) এটি সঠিক কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী সব শর্ত ঠিক রেখে প্যাসিভ রূপ গঠন করেছে। মনে রাখার টিপস: am/is/are going to যুক্ত অ্যাক্টিভ ভয়েসকে প্যাসিভ করার সময় am/is/are going to be + verb এর past participle বসাতে হয়।
a generosity
b familiar
c dividing line
d sympathy
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) generosity কেন সঠিক: bounty শব্দের অর্থ হলো উদারতা, দয়ালু মন বা মুক্তহস্তে দান করার প্রবৃত্তি। বিকল্প অপশনে থাকা generosity শব্দের অর্থও উদারতা বা মহৎ দান, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। তাই অর্থগত দিক থেকে এই দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) generosity — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উদারতা। B) familiar — এর অর্থ পরিচিত বা চেনাজানা, যা bounty শব্দের সাথে মেলে না। C) dividing line — এর অর্থ বিভাজন রেখা বা সীমানা, যা সম্পূর্ণ আলাদা অর্থ প্রকাশ করে। D) sympathy — এর অর্থ সহানুভূতি বা সমবেদনা, যা উদারতা বা দানের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: বিপুল পরিমাণ দান বা উদারতা বোঝাতে bounty শব্দটি ব্যবহার করা হয়, ঠিক যেমন generosity উদার মনকে প্রকাশ করে।
a dark
b ette
c black
d grey
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) black কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে শব্দগুলোর বিপরীতার্থক বা বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে। Good (ভালো) শব্দের বিপরীত শব্দ যেমন Bad (খারাপ), ঠিক তেমনি White (সাদা) শব্দের বিপরীত শব্দ হলো Black (কালো)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dark — এটি White শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ নয়, এটি Light বা আলোর বিপরীত। B) ette — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ নয় এবং এর সাথে কোনো মিল নেই। C) black — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) grey — এটি White শব্দের বিপরীত হতে পারে না, কারণ এটি একটি মধ্যবর্তী রঙ। মনে রাখার টিপস: সাদামাটা বিপরীত শব্দ বা antonym নির্ণয়ের সময় প্রথম জোড়ার অর্থের সাথে দ্বিতীয় জোড়ার মিল খুঁজে দেখতে হবে।
a give
b appear at
c sit
d go for
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) appear at কেন সঠিক: পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অর্থে ইংরেজি গ্রামারে নির্দিষ্ট ফ্রেজ হিসেবে appear at the examination ব্যবহৃত হয়। অন্য কোনো শব্দ বা ভার্ব বসালে এই নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ পায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) give — বাংলা ভাষায় পরীক্ষা দেওয়া বললেও ইংরেজিতে give the examination বলা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) appear at — এটি সঠিক অপশন এবং পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই ফ্রেজটিই ব্যবহার করা হয়। C) sit — সিট বসলেও সঠিক প্রিপজিশন ছাড়া এটি সরাসরি পরীক্ষার্থীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না। D) go for — এটি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি বা কোনো কিছুর খোঁজে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে সবসময় appear at the examination ফ্রেজটি মনে রাখবে।
a to adjust
b to accompany
c to interest
d to walk
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to adjust কেন সঠিক: 'To get along with' একটিPhrase যার বাংলা অর্থ মিলে চলা বা মানিয়ে নেওয়া। পরিસ્થಿತির সাথে বা মানুষের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেওয়া বোঝাতেই এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে 'to adjust' নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to adjust — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ মানিয়ে নেওয়া এবং এটি মূল ফ্রেজটির সমার্থক। B) to accompany — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কারো সাথে যাওয়া বা সঙ্গী হওয়া। C) to interest — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কোনো কিছুতে আগ্রহ সৃষ্টি করা। D) to walk — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ শুধু হাঁটা যা প্রবাদ বা ফ্রেজের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Get along with দেখলে মাথায় রাখবে এর অর্থ হলো সবার সাথে মিলেমিশে চলা বা পরিস্থিতি অনুসারে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া।
a diet
b food
c drink
d environment
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) diet কেন সঠিক: স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের জন্য পুষ্টিকর খাবারের সুনির্দিষ্ট তালিকাকে ইংরেজি পরিভাষায় ডায়েট বা সুষম খাদ্য বলা হয়। সুষম খাদ্যের ইংরেজি রূপ হিসেবে ব্যালেন্সড ডায়েট একটি পরীক্ষিত ও প্রমিত ফ্রেজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) diet — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সুষম খাদ্যের সাথে সরাসরি যুক্ত। B) food — এটি খুব সাধারণ শব্দ যা নির্দিষ্ট কোনো সুষম খাদ্যতালিকা বোঝায় না। C) drink — এটি পানীয় বোঝায় যা খাদ্য তালিকার সম্পূর্ণ অংশ নয়। D) environment — এটি পরিবেশ বোঝায় যার সাথে খাদ্যের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: স্বাস্থ্য বা সুষম খাদ্যের কথা থাকলে সব সময় ব্যালেন্সড ডায়েট কথাটি ব্যবহার করতে হয়।
a Everybody have gone there.
b Everybody are gone there.
c Everybody has gone there.
d Everybody has went there
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Everybody has gone there. কেন সঠিক: Everybody বা indefinite pronoun গুলো সবসময় singular হয়। তাই এদের পরে singular verb হিসেবে has বসে। এর সাথে V3 বা gone ব্যবহার করতে হয়। বাক্যটি present perfect tense এর নিয়ম মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Everybody have gone there. — Everybody singular হওয়ায় এখানে have ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। B) Everybody are gone there. — Everybody এর সাথে plural verb are এবং are gone গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Everybody has gone there. — এটি সঠিক বাক্য এবং কোনো ভুল নেই। D) Everybody has went there. — has এর পরে verb এর past participle বা gone বসা উচিত ছিল, কিন্তু went বসানো হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Everybody, everyone, anybody ইত্যাদি শব্দ দেখলে সব সময় singular verb (has, is) ব্যবহার করবে।
a sky
b firmament
c heavens
d blue
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) blue কেন সঠিক: এটি একটি প্রখ্যাত ইংরেজি প্রবচন বা ইডিয়ম। হঠাৎ করে কোনো খারাপ খবর আসার অনুভূতি প্রকাশ করতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়। এই বাক্যাংশে শূন্যস্থানে অন্য কোনো শব্দ বসলে অর্থ ঠিক থাকে না। নির্দিষ্ট শব্দটির ব্যবহারই এখানে সঠিক ভাব প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sky — এটি প্রবচনের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক শব্দ নয়। B) firmament — এটি এই ইডিয়মের উপযুক্ত অংশ হিসেবে স্বীকৃত নয়। C) heavens — এটি বাক্যটিকে ব্যাকরণগতভাবে ভুল করে তোলে। D) blue — এটি সঠিক ইডিয়ম হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: হঠাৎ বিপদ বোঝাতে 'a bolt from the blue' প্রবচনটি মনে রাখবে।
a strong
b acute
c secrious
d bad
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) bad কেন সঠিক: ইংরেজিতে মাথাব্যথার তীব্রতা বোঝাতে সাধারণত bad headache কথাটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়। এটি একটি প্রচলিত বা স্বাভাবিক মুখের বুলি হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) strong — শক্তির ক্ষেত্রে strong ব্যবহার হলেও মাথাব্যথার ক্ষেত্রে এই শব্দটি মানায় না। B) acute — এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষা হিসেবে তীব্র ব্যথা বোঝাতে বসে, সাধারণ বাক্যে নয়। C) secrious — এই বানানটি ভুল এবং গম্ভীর অর্থে মাথাব্যথায় এটি প্রয়োগ করা যায় না। D) bad — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। মনে রাখার টিপস: মাথা বা ঠান্ডাজনিত সাধারণ ব্যথার ক্ষেত্রে bad শব্দটি ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ নিয়ম।
a to
b of
c for
d at
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: এখানে admit শব্দের সাথে of preposition যুক্ত হয়ে কোনো কিছুর সুযোগ নেই বা অবকাশ নেই এমন অর্থ প্রকাশ করে। বাক્યটিতে বলা হয়েছে তোমার আচরণের কোনো ক্ষমা বা অজুহাত নেই। নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশের জন্য admit এর পরে সঠিক preposition হিসেবে of ব্যবহৃত হয়। অন্য কোনো preposition বসালে এই বিশেষ ভাব প্রকাশ পায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — admit এর পরে to বসালে সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া বা স্বীকার করা বোঝায়। কিন্তু এখানে কোনো সুযোগ নেই এমন অর্থ প্রকাশ করায় এটি ভুল। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) for — admit এর সাথে for preposition সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। তাই এটি এখানে সঠিক অর্থ দিতে পারে না। D) at — admit এর পরে at বসে না। তাই এটি বাক্যটির সাথে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষതിയের অবকাশ বা সুযোগ নেই বোঝাতে admit এর পরে সবসময় of বসে।
a to offer a person what he cannot eat
b to force a person to do something
c to raise obstacle
d to reverse the natural order of things
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to reverse the natural order of things কেন সঠিক: idiom বা বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ হলো ঘোড়ার আগে গাড়ি রাখা। কাজের স্বাভাবিক নিয়ম বা ধারাবাহিকতা উল্টে ফেলা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুল অর্থ — কাউকে এমন কিছু অফার করা যা সে খেতে পারে না তা এই বাগধারার সাথে মেলে না। B) ভুল অর্থ — কাউকে কোনো কাজ করতে বাধ্য করা এই ইংরেজি প্রবাদের সঠিক ভাবার্থ নয়। C) ভুল অর্থ — কোনো বাধা সৃষ্টি করা বোঝাতে এই idiom ব্যবহার করা হয় না। D) সঠিক উত্তর — কাজের স্বাভাবিক ক্রম বা নিয়ম উল্টে ফেলা এই অপশনটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: গাড়ির আগে ঘোড়া না রেখে ঘোড়ার আগে গাড়ি রাখলে যেমন কাজ উল্টো হয়, তেমনি কোনো কাজের স্বাভাবিক নিয়ম উল্টে ফেলাই হলো to put the cart before the horse।
a This is an unique case.
b This is a unique case.
c This is a very unique case.
d This is the most unique case.
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) This is a unique case. কেন সঠিক: Unique শব্দের অর্থ একক বা অনন্য, যার কোনো তুলনা হয় না। তাই এর পূর্বে নিয়ম অনুযায়ী an না বসে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) This is an unique case. — Unique শব্দের শুরুতে consonant sound থাকায় তার পূর্বে an বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) This is a unique case. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে আর্টিকেল ব্যবহারের নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে। C) This is a very unique case. — Unique একটি চরম বা absolute adjective, তাই এর পূর্বে very বা মোডিফায়ার ব্যবহার করা যায় না। D) This is the most unique case. — Unique নিজে থেকেই সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে, তাই এর সাথে most বা superlative ডিগ্রি ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: Unique শব্দের আগে সবসময় a বসে এবং এর সাথে very বা most ব্যবহার করা যায় না।
a Wasteful
b practical
c productive
d fussy
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) practical কেন সঠিক: pragmatic শব্দের অর্থ হলো বাস্তববাদী বা কার্যকারী। practical অর্থও বাস্তবসম্মত, যা এই শব্দের সাথে হুবহু মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wasteful — wasteful অর্থ অপচয়কারী, যা pragmatic শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) practical — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি মূল শব্দের সমার্থক। C) productive — productive অর্থ উৎপাদনশীল, যা pragmatic বা বাস্তববাদীর সাথে সরাসরি মিলে না। D) fussy — fussy অর্থ অতিরিক্ত খুঁতখুঁতে, যা pragmatic শব্দের সাথে সম্পর্কহীন। মনে রাখার টিপস: Pragmatic শব্দটিকে practical এর সাথে মিলিয়ে মনে রাখবে কারণ দুটির অর্থই বাস্তবসম্মত বা কাজের জিনিস।
a more busy
b busy
c most busiest
d busiest
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) busiest কেন সঠিক: বাক্যে "one of the" থাকলে তার পরের Adjective-এর Superlative form ব্যবহার করতে হয়। busy শব্দটির Superlative form হলো busiest এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) more busy — এটি Comparative form, যা নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক নয়। B) busy — এটি Positive form, যা Superlative বোঝাতে এখানে ব্যবহার করা যায় না। C) most busiest — একই সাথে দুটি Superlative word একসঙ্গে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) busiest — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে "one of the" দেখলে চোখ বন্ধ করে Superlative form বেছে নেবে।
a retired
b has retired
c had retired
d will be retired
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) retired কেন সঠিক: বাক્યটিতে Past Perfect tense এর নিয়ম অনুযায়ী দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল তা Past Perfect এবং যেটি পরে ঘটেছিল তা Simple Past tense হয়। এখানে বইটি লেখার কাজটি আগে এবং অবসর নেওয়ার কাজটি পরে ঘটেছে তাই পরবর্তী অংশে Past indefinite বা V2 রূপ ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) retired — এটি সঠিক কারণ বাক্যটির নিয়ম অনুযায়ী পরের অংশে Past indefinite tense ব্যবহার করতে হয়। B) has retired — এটি Present perfect tense হওয়ায় অতীতের দুটি ঘটনার নিয়মের সাথে মিলে না। C) had retired — একই বাক্যে দুটি অংশে Past perfect tense ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) will be retired — এটি Future tense নির্দেশ করে যা অতীতের ঘটনার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Past perfect tense এর সাথে যুক্ত আগের বা পরের অংশে সাধারণত Past indefinite tense বসে।
a Abhor
b admir
c Loathe
d Concem
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) admir কেন সঠিক: - Hate শব্দের অর্থ ঘৃণা করা এবং Admire শব্দের অর্থ প্রশংসা করা, যা একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ বা অ্যান্টোনিম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Abhor — এটি Hate শব্দের সমার্থক শব্দ, কারণ এর অর্থও ঘৃণা করা। B) admir — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ প্রশংসা করা যা ঘৃণা করার বিপরীত। C) Loathe — এটি Hate শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ তীব্র ঘৃণা করা। D) Concem — এটি বানান ভুলযুক্ত একটি শব্দ এবং প্রশ্নের মূল অর্থ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: Hate মানে ঘৃণা আর Admire মানে প্রশংসা, দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
a Deer
b Property
c Treasure
d Assets
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Assets কেন সঠিক: প্রশ্নটি অসম্পূর্ণ হলেও এর মূল শব্দ হিসেবে সাধারণত Liabilities ধরা হয়। যার বিপরীত অর্থ হলো সম্পদ বা Assets। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Deer — এটি একটি প্রাণীর নাম যার অর্থ হরিণ এবং এর সাথে কোনো বিপরীত শব্দের সম্পর্ক নেই। B) Property — এর অর্থ সম্পত্তি যা মূল শব্দের সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিপরীত শব্দ নয়। C) Treasure — এর অর্থ মূল্যবান সম্পদ বা ধন যা অর্থের দিক থেকে কাছাকাছি শব্দ। D) Assets — এটি মূল শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ কারণ এর অর্থ সম্পদ বা দাবি। মনে রাখার টিপস: বিপরীত শব্দ শেখার সময় সবসময় জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ করার চেষ্টা করবে।
a -1
b 0
c 1
d 2
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x² − ৪x + ৩ = ০ ধরি, x² − ৪x + ৩ = ০ x² − ৪x = −৩ অতএব, সমীকরণের উভয় পক্ষে ১ যোগ করে পাই x² − ৪x + ৪ = −৩ + ৪ সুতরাং, বামপক্ষকে সূত্র অনুযায়ী সাজিয়ে পাই (x − ২)² = ১ উত্তর: ১
a 8
b 9
c 16
d 25
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: x + y = ২ x^২ + y^২ = ৪ ধরি, প্রদত্ত রাশির মান নির্ণয় করতে হবে এখানে x^৩ + y^৩ এর সূত্র প্রয়োগ করতে হবে অতএব, (x + y)^৩ = x^৩ + y^৩ + ৩xy(x + y) প্রথমে xy এর মান বের করতে হবে সুতরাং, (x + y)^২ = x^২ + y^২ + ২xy মান বসিয়ে পাই, ৪ = ৪ + ২xy সুতরাং xy = ০ উত্তর: x^৩ + y^৩ = (x + y)(x^২ − xy + y^২) মান বসিয়ে পাই, ২ × (৪ − ০) = ৮
a ০.২৬ কি.মি.
b ২ কি.মি.
c ৩.৭৫ কি.মি.
d ৪ কি.মি.
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩.৭৫ কি.মি. প্রদত্ত তথ্য: যাওয়ার বেগ = প্রতি ঘণ্টায় ৫ কিমি আসার বেগ = প্রতি ঘণ্টায় ৩ কিমি ধরি, নির্দিষ্ট দূরত্ব = ১৫ কিমি অতএব, যেতে সময় লাগে = ১৫ ÷ ৫ = ৩ ঘণ্টা আসতে সময় লাগে = ১৫ ÷ ৩ = ৫ ঘণ্টা মোট দূরত্ব = ১৫ + ১৫ = ৩০ কিমি সুতরাং, মোট সময় লাগে = ৩ + ৫ = ৮ ঘণ্টা উত্তর: ৩০ ÷ ৮ = ৩.৭৫ কি.মি.
a ২৫ টাকা
b ১২ টাকা
c ১৫ টাকা
d ২২ টাকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১ ডজন বা ১২টি আমের ক্রয়মূল্য = ৬০ টাকা ১০% লাভে বিক্রয়মূল্য বের করতে হবে ধরি, ১ ডজন আমের ক্রয়মূল্য = ৬০ টাকা ১০% লাভে মোট বিক্রয়মূল্য = ৬০ + (৬০ এর ১০%) = ৬০ + ৬ = ৬৬ টাকা অতএব, ১২টি আমের বিক্রয়মূল্য = ৬৬ টাকা ১টি আমের বিক্রয়মূল্য = ৬৬ ÷ ১২ = ৫.৫০ টাকা সুতরাং, ১ হালি বা ৪টি আমের বিক্রয়মূল্য = ৫.৫০ × ৪ = ২২ টাকা উত্তর: ২২ টাকা
a 0.929
b 7.32
c 6.45
d 64.5
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.৪৫ প্রদত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার ১ বর্গ ইঞ্চি = ১ ইঞ্চি × ১ ইঞ্চি ধরি, ১ ইঞ্চির মান সেন্টিমিটারে রূপান্তরিত করে বর্গ করতে হবে অতএব, ২.৫৪ সেন্টিমিটার × ২.৫৪ সেন্টিমিটার হিসাব করতে হবে সুতরাং, ২.৫৪ কে ২.৫৪ দিয়ে গুণ করলে ৬.৪৫ পাওয়া যায় উত্তর: ৬.৪৫ বর্গ সেন্টিমিটার
a 0.02
b 0.03
c 0.04
d 0.05
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম মূলধন = ৩০০ টাকা এবং সময় = ৪ বছর দ্বিতীয় মূলধন = ৫০০ টাকা এবং সময় = ৫ বছর ধরি, শতকরা বার্ষিক সুদের হার = র অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে সুদ = ৩০০ × ৪ × র ÷ ১০০ = ১২র টাকা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সুদ = ৫০০ × ৫ × র ÷ ১০০ = ২৫র টাকা সুতরাং, প্রশ্নমতে, ১২র + ২৫র = ১৪৮ উত্তর: ৩৭র = ১৪৮, অর্থাৎ র = ৪ ÷ ১০০ = ০.০৪
a ৫০ পয়সা ৮০, ২৫ পয়সা ২০
b ৫০ পয়সা ৭০, ২৫ পয়সা ৩০
c ৫০ পয়সা ৭৫, ২৫ পয়সা ২৫
d ৫০ পয়সা ৭৭, ২৫ পয়সা ৭৩
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০ পয়সা ৮০, ২৫ পয়সা ২০ প্রদত্ত তথ্য: মুদ্রার মোট সংখ্যা = ১০০টি মোট টাকার পরিমাণ = ৪৫ টাকা বা ৪৫০৫ পয়সা ধরি, ৫০ পয়সার মুদ্রার সংখ্যা = ক টি ২৫ পয়সার মুদ্রার সংখ্যা = (১০০ − ক) টি অতএব, ৫০ পয়সার মোট মান = ৫০ × ক পয়সা ২৫ পয়সার মোট মান = ২৫ × (১০০ − ক) পয়সা সুতরাং, ৫০ক + ২৫০০ − ২৫ক = ৪৫০০ ২৫ক = ২০০০ উত্তর: ক = ৮০ টি (৫০ পয়সা) এবং ২৫ পয়সার মুদ্রা = ২০ টি
a 36 ব. মি.
b 42 ব. মি.
c 48 ব. মি.
d 50 ব. মি.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৮ ব. মি. প্রদত্ত তথ্য: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি = ১৬ মি. অপর দুটি সমান বাহুর প্রতিটি = ১০ মি. ধরি, সমান সমান বাহু দুটি এ = ১০ মি. ভূমির দৈর্ঘ্য বি = ১৬ মি. অতএব, সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো, (বি ÷ ৪) × √(৪ × এ × এ − বি × বি) সুতরাং, (১৬ ÷ ৪) × √(৪ × ১০ × ১০ − ১৬ × ১৬) = ৪ × √(৪০০ − ২৫৬) উত্তর: ৪ × √১৪৪ = ৪ × ১২ = ৪৮ ব. মি.
a ১৩ঃ১২ঃ৫
b ৬ঃ৪ঃ৩
c ৬ঃ৫ঃ৩
d ১২ঃ৮ঃ৪
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩ঃ১২ঃ৫ প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য দেওয়া আছে পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে অতিভুজ স্কয়ার সমান লম্ব স্কয়ার যোগ ভূমি স্কয়ার ধরি, ত্রিভুজটির বাহুগুলো হলো ১৩, ১২ এবং ৫ এখানে সবচেয়ে বড় বাহু ১৩ হলো অতিভুজ অতএব, লম্ব স্কয়ার যোগ ভূমি স্কয়ার সমান ১২ স্কয়ার যোগ ৫ স্কয়ার হিসাব করে পাই ১৪৪ যোগ ২৫ সমান ১৬৯ সুতরাং, অতিভুজ স্কয়ার অর্থাৎ ১৩ স্কয়ার সমান ১৬৯ উভয় পক্ষের মান সমান হওয়ায় এটি সমকোণী ত্রিভুজ উত্তর: ১৩ঃ১২ঃ৫
a ৭, ১১, ১৩
b ১১, ৭, ১৩
c ১১, ১৩, ৭
d ৭, ১৩, ১১
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১, ১৩, ৭ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি পরপর মৌলিক সংখ্যা দেওয়া আছে প্রথম দুইটির গুণফল একানব্বই এবং শেষ দুইটির গুণফল একশো তেইশ ধরি, মৌলিক সংখ্যা তিনটি ক, খ এবং গ অতএব, প্রথম শর্ত অনুযায়ী ক গুণ খ সমান একানব্বই দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী খ গুণ গ সমান একশো তেইশ সুতরাং, একানব্বই এর উৎপাদকগুলো হলো সাত এবং তেরো একশো তেইশ এর উৎপাদকগুলো হলো তেরো এবং এগারো উত্তর: সংখ্যা তিনটি এগারো, তেরো এবং সাত
a 200 মিটার
b 172 মিটার
c 160 মিটার
d 180 মিটার
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১৬০০ বর্গমিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার অতএব, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (ক × ক) বর্গমিটার সুতরাং, ক × ক = ১৬০০ অতএব, ক = √১৬০০ = ৪০ মিটার আমরা জানি, বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × এক বাহুর দৈর্ঘ্য সুতরাং, পরিসীমা = ৪ × ৪০ = ১৬০ মিটার উত্তর: ১৬০ মিটার
a 25
b 15
c 28
d 30
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৮ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির অনুপাত ৪ : ৭ পূর্ব রাশি ১৬ ধরি, উত্তর রাশিটি ক অতএব, পূর্ব রাশি ÷ উত্তর রাশি = ৪ ÷ ৭ ১৬ ÷ ক = ৪ ÷ ৭ সুতরাং, ৪ × ক = ১৬ × ৭ ক = (১৬ × ৭) ÷ ৪ উত্তর: ২৮
a ২০,০০০ টাকা
b ১৫,০০০ টাকা
c ১২,০০০ টাকা
d ১০,০০০ টাকা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আয়ের ওপর আয়করের হার = ৫% মোট প্রদত্ত আয়কর = ৬০০ টাকা ধরি, ব্যক্তির মোট আয় = ক টাকা অতএব, ক এর ৫% = ৬০০ ক × (৫ ÷ ১০০) = ৬০০ সুতরাং, ক = (৬০০ × ১০০) ÷ ৫ ক = ৬০,০০০ ÷ ৫ উত্তর: ১২,০০০ টাকা
a ৫০ টাকা
b ৪৪ টাকা
c ৭০ টাকা
d ৬৫ টাকা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বইটির বিক্রয়মূল্য = ৪০ টাকা প্রথম ক্ষেত্রে ক্ষতি = ২০% দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লাভ = ৪০% ধরি, বইটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ২০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ২০ = ৮০ টাকা অতএব, ৮০ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ৮০ টাকা ৪০ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ × ৪০ ÷ ৮০ = ৫০ টাকা সুতরাং, ৪০% লাভে বিক্রয়মূল্য হবে = ৫০ + (৫০ এর ৪০%) = ৫০ + ২০ = ৭০ টাকা উত্তর: ৭০ টাকা
a ১১টি
b ৮টি
c ১০টি
d ৯টি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০টি প্রদত্ত তথ্য: সীমা হলো ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত সংখ্যা ধরি, মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১ থেকে ৩০ এর মধ্যে থাকা সংখ্যা, যা ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয় অতএব, ১ থেকে ১০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭ ১১ থেকে ২০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯ সুতরাং, ২১ থেকে ৩০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২৩, ২৯ উত্তর: মোট মৌলিক সংখ্যার পরিমাণ হলো ১০টি
a ১৪ টাকা
b ১৬ টাকা
c ২০ টাকা
d ২৪ টাকা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট মূলধন = ২৮০ টাকা মোট লাভ = ৫৬ টাকা ধরি, ক এর মূলধন = ক টাকা খ এর মূলধন = ক টাকা অতএব, গ এর মূলধন = ক − ২০ টাকা ক + খ + গ এর মোট মূলধন = ক + ক + ক − ২০ টাকা সুতরাং, ৩ক − ২০ = ২৮০ টাকা ৩ক = ৩০০ টাকা অতএব, ক এর মূলধন = ১০০ টাকা খ এর মূলধন = ১০০ টাকা সুতরাং, গ এর মূলধন = ১০০ − ২০ = ৮০ টাকা মূলধনের অনুপাত = ১০০ : ১০০ : ৮০ = ৫ : ৫ : ৪ অতএব, গ এর লভ্যাংশ = ৫৬ × (৪ ÷ ১৪) টাকা উত্তর: ১৬ টাকা
a ২৮ টাকা
b ৩০ টাকা
c ৩২ টাকা
d ৩৪ টাকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ২৫ টাকায় বিক্রয় করলে যে ক্ষতি হয় ৩৫ টাকায় বিক্রয় করলে ঠিক তত লাভ হয় ধরি, কলমটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ক্ষতি = (ক − ২৫) টাকা লাভ = (৩৫ − ক) টাকা সুতরাং, প্রশ্নমতে, ক − ২৫ = ৩৫ − ক বা, ক + ক = ৩৫ + ২৫ বা, ২ক = ৬০ উত্তর: ক = ৩০ টাকা
a 7
b 8
c 9
d 10
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গ এবং তার সাথে সংখ্যাটির যোগফল পরবর্তী স্বাভাবিক সংখ্যার নয় গুণের সমান ধরি, অজানা স্বাভাবিক সংখ্যাটি = ক পরবর্তী স্বাভাবিক সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, সংখ্যাটির বর্গ = ক × ক সংখ্যাটির বর্গ ও সংখ্যার যোগফল = (ক × ক) + ক পরবর্তী স্বাভাবিক সংখ্যার নয় গুণ = ৯ × (ক + ১) সুতরাং, (ক × ক) + ক = ৯ক + ৯ ক × ক − ৮ক − ৯ = ০ উত্তর: (ক − ৯) × (ক + ১) = ০, অর্থাৎ সংখ্যাটি ৯
a 6.4
b 0.64
c 0.00064
d 0.064
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০০০৬৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.৪ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০২ তৃতীয় সংখ্যা = ০.০৮ ধরি, সংখ্যা তিনটির গুণফল নির্ণয় করতে হবে অতএব, ৪ এবং ২ গুণ করলে হয় ৮ ৮ এবং ৮ গুণ করলে হয় ৬৪ সুতরাং, দশমিকের পর মোট অঙ্ক আছে এক যোগ দুই যোগ দুই অর্থাৎ পাঁচটি উত্তর: ০.০০০০৬৪ ভুল, সঠিক উত্তর হবে ০.০০০৬৪
a ১২৫০ টাকা
b ১৫০০ টাকা
c ১৪০০ টাকা
d ১৬০০ টাকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজাকৃতি জমির ভূমি = ৭৫ মিটার ত্রিভুজাকৃতি জমির উচ্চতা = ২০ মিটার প্রতি বর্গমিটারে ঘাস লাগানোর খরচ = ২.০০ টাকা ধরি, জমির ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা জমির ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৭৫ × ২০ অতএব, জমির ক্ষেত্রফল = ৭৫ × ১০ জমির ক্ষেত্রফল = ৭৫০ বর্গমিটার সুতরাং, মোট খরচ = ৭৫০ × ২.০০ টাকা উত্তর: ১৫০০ টাকা
a BIMSTEC
b CICA
c IORA
d SAARC
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) BIMSTEC কেন সঠিক: - বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টোরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন বা বিমসটেক এর স্থায়ী সচিবালয় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। - ২০১৪ সালের জুন মাসে ঢাকায় এই আঞ্চলিক সংস্থার সচিবালয় আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) BIMSTEC — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রাসঙ্গিক নয়, কারণ এর সচিবালয় ঢাকাতেই অবস্থিত। B) CICA — কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স ইন এশিয়ার সচিবালয় কাজাজাখস্তানের আস্তানায় অবস্থিত। C) IORA — ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশনের সচিবালয় মরিশাসের এবেনে অবস্থিত। D) SAARC — সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কোঅপারেশনের স্থায়ী সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বিমসটেক নামের শুরুতেই দক্ষিণ এশিয়া ও বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের কথা ভাবলে মনে রাখা সহজ যে এর সদর দপ্তর আমাদের ঢাকাতেই অবস্থিত।
a ১৩ জন
b ১২ জন
c ৯ জন
d ১৫ জন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩ জন কেন সঠিক: - স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ আইন অনুযায়ী ১ জন চেয়ারম্যান, ৯ জন সাধারণ সদস্য এবং ৩ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়। - মোট সদস্য সংখ্যা ১ + ৯ + ৩ = ১৩ জন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩ জন — এটি স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের সঠিক মোট সদস্য সংখ্যা। B) ১২ জন — এটি ভুল কারণ এতে একজন সদস্যের সংখ্যা কম হিসাব করা হয়েছে। সি) ৯ জন — এটি শুধুমাত্র সাধারণ ওয়ার্ডের সদস্য সংখ্যা, পুরো পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা নয়। ডি) ১৫ জন — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মনে রাখতে হিসাবটি করুন: ১ জন চেয়ারম্যান + ৯ জন সাধারণ সদস্য + ৩ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য = মোট ১৩ জন।
a ৫১৩৮ কি.মি.
b ৫১৪০ কি.মি.
c ৫১৪৪ কি.মি.
d ৫১৫০ কি.মি.
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫১৩৮ কি.মি. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য প্রায় ৫১৩৮ কিলোমিটার। - এর মধ্যে ভারতের সাথে সীমান্ত ৪১৫৬ কি.মি. এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত ২৭১ কি.মি. ও সমুদ্রসীমা অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫১৩৮ কি.মি. — এটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত এবং মিয়ানমারের সীমান্ত মিলিয়ে মোট নির্ধারিত সঠিক সীমান্ত দৈর্ঘ্য। B) ৫১৪০ কি.মি. — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের সঠিক সীমান্ত দৈর্ঘ্যের সাথে মেলে না এবং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক মান। C) ৫১৪৪ কি.মি. — এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা সরকারিভাবে স্বীকৃত বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য নয়। D) ৫১৫০ কি.মি. — এটি অনুমানভিত্তিক ভুল তথ্য এবং সরকারি দাপ্তরিক দূরত্বের সাথে এর মিল নেই। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ সীমান্ত মনে রাখতে ৫১৩৮ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত যুক্ত আছে।
a তানভীর কবির
b সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
c হামিদুর রহমান
d মঈনুল হোসেন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) তানভীর কবির কেন সঠিক: - মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক মুজিবনগর স্মৃতিসৌদের মূল স্থপতি তানভীর কবির। - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার এই স্থানে শপথ গ্রহণ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তানভীর কবির — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি মুজিবনগর স্মৃতিসৌদের নকশা তৈরি করেছিলেন। B) সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার ভাস্কর, মুজিবনগর স্মৃতিসৌদের স্থপতি নন। C) হামিদুর রহমান — তিনি সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌদের মূল স্থপতি, তাই এই অপশন ভুল। D) মঈনুল হোসেন — তিনি জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি, মুজিবনগর স্মৃতিসৌদের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগরে গিয়ে তানভীর কবিরের তৈরি স্মৃতিসৌধের নকশা দেখে আসব।
a আমস্টারডাম
b অকল্যান্ড
c ওয়েলিংটন
d ম্যানিলা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওয়েলিংটন কেন সঠিক: - ওয়েলিংটন হলো ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ নিউজিল্যান্ডের রাজনৈতিক রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র। - এটি বিশ্বের সবচেয়ে দক্ষিণতম রাজধানী শহর এবং কুক প্রণালীর তীরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমস্টারডাম — এটি ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডসের রাজধানী, তাই এটি নিউজিল্যান্ডের রাজধানী নয়। B) অকল্যান্ড — এটি নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে বড় ও জনবহুল শহর এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র, কিন্তু রাজধানী নয়। D) ম্যানিলা — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ফিলিপাইনের রাজধানী, যা নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: নিউজিল্যান্ডের রাজধানী হলো ওয়েলিংটন, আর অকল্যান্ড হলো সবচেয়ে বড় শহর।
a হেগ
b প্যারিস
c জেনেভা
d আমস্টারডাম
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হেগ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক আদালত বা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ। - এই আদালতের সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত পিস প্যালেসে স্থাপিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেগ — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের সঠিক সদর দপ্তর এবং নেদারল্যান্ডসের একটি প্রধান শহর। B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর মতো সংস্থার সদর দপ্তর, আন্তর্জাতিক আদালত এখানে নয়। C) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও-এর সদর দপ্তর, আন্তর্জাতিক আদালত এখানে নয়। D) আমস্টারডাম — এটি নেদারল্যান্ডসের রাজধানী হলেও আন্তর্জাতিক আদালতের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক আদালত মানেই নেদারল্যান্ডসের হেগ শহর।
a রাষ্ট্রপতি
b প্রধানমন্ত্রী
c অর্থমন্ত্রী
d বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রধানমন্ত্রী কেন সঠিক: - ECNEC বা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভাপতি হলেন সরকার প্রধান বা প্রধানমন্ত্রী। - দেশের সকল বড় উন্নয়ন প্রকল্প ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় এই কমিটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হলেও তিনি ECNEC-এর সভাপতি নন। B) প্রধানমন্ত্রী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) অর্থমন্ত্রী — অর্থমন্ত্রী এই কমিটির বিকল্প সভাপতি বা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, প্রধান সভাপতি নন। D) বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর — গভর্নর দেশের মুদ্রাবাজারের নিয়ন্ত্রক হলেও ECNEC-এর সভাপতি নন। মনে রাখার টিপস: উন্নয়ন কাজের প্রধান নির্বাহী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সবসময় ECNEC-এর সভাপতিত্ব করেন।
a অ্যালুমিনিয়াম
b জিংক
c মার্কারি
d কপার
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ্যালুমিনিয়াম কেন সঠিক: - আধুনিক আয়নায় রূপার পরিবর্তে সস্তা এবং সহজলভ্য হওয়ায় অ্যালুমিনিয়ামের প্রলেপ ব্যবহার করা হয়। - অ্যালুমিনিয়াম কাচের পেছনে পাতলা আস্তরণ তৈরি করে আলো প্রতিফলিত করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যালুমিনিয়াম — এটি বর্তমানে আয়নার পেছনে প্রতিফলক হিসেবে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। B) জিংক — এটি সাধারণত গ্যালভানাইজিং বা লোহাকে মরিচা থেকে বাঁচাতে ব্যবহৃত হয়, আয়নার পেছনে ব্যবহৃত হয় না। C) মার্কারি — অতীতে পারদ বা মার্কারি ব্যবহার করা হলেও এর বিষাক্ততার কারণে বর্তমানে এটি ব্যবহৃত হয় না। D) কপার — এটি তড়িৎ পরিবাহী এবং মুদ্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, আয়নার প্রতিফলক প্রলেপে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: আধুনিক আয়নায় সাশ্রয়ী ও নিরাপদ উপাদান হিসেবে অ্যালুমিনিয়ামের প্রলেপ দেওয়া হয়।
a সোনাদিয়া
b ভোলা
c সেন্টমার্টিন
d হাতিয়া
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভোলা প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি এবং ভূগোল ও পরিবেশ কেন সঠিক: - ভোলা বাংলাদেশের আয়তনে সবচেয়ে বড় দ্বীপ এবং এটি মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি পূর্ণাঙ্গ জেলা। - এই দ্বীপটির আয়তন প্রায় ৩,৪০৩ বর্গকিলোমিটার এবং এর চতুষ্পার্শে নদী ও সাগরের সংযোগ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনাদিয়া — এটি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার অন্তর্গত একটি ছোট দ্বীপ, যা জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ও প্রবাল দ্বীপ হিসেবে পরিচিত হলেও আকারে ভোলা থেকে অনেক ছোট। B) ভোলা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ ও জেলা। C) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র আয়তনের দ্বীপ। D) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত একটি বড় দ্বীপ ও উপজেলা হলেও আয়তনের দিক থেকে ভোলার চেয়ে অনেক ছোট। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের বড় দ্বীপ মনে রাখতে ভোলা নামটি মাথায় রাখুন, কারণ এটি একই সাথে বৃহত্তম দ্বীপ ও একটি পূর্ণাঙ্গ জেলা।
a সীসা
b পারদ
c ক্যালসিয়াম
d লিথিয়াম
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারদ কেন সঠিক: - পারদ হলো একমাত্র মৌলিক ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। - এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত কম হওয়ার কারণে স্বাভাবিক তাপমাত্রাতেই এটি তরল থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সীসা — এটি একটি কঠিন ভারী ধাতু এবং এর গলনাঙ্ক অনেক বেশি। B) পারদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ক্যালসিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। D) লিথিয়াম — এটি সবচেয়ে হালকা ধাতু হলেও সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। মনে রাখার টিপস: তাপমাত্রার পারদ সবসময় তরল থাকে, এই কথাটি মনে রাখলে ধাতু হিসেবে পারদের তরল অবস্থা সহজে মনে থাকবে।
a বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
b শহীদুল্লা কায়সার
c আনোয়ার পাশা
d মুনীর চৌধুরী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী ও আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - ১৯৫২ সালে চীন সফরের অভিজ্ঞতা এবং তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থার চিত্র এই বইটিতে তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বইটি তাঁরই রচিত। B) শহীদুল্লা কায়সার — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। C) আনোয়ার পাশা — তিনি একজন বুদ্ধিজীবী ও সাহিত্যিক ছিলেন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস নদী ও নারী। D) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও নাট্যকার ছিলেন, যাঁর বিখ্যাত নাটক কবর। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর চীন সফর এবং নয়া চীন দেখলে মনে রাখবে তাঁর লেখা বই আমার দেখা নয়া চীন।
a ২৫ ঘণ্টা
b ২৮ ঘণ্টা
c ২৫ বছর
d ২৫ দিন
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫ দিন কেন সঠিক: - সূর্য একটি গ্যাসীয় গোলক হওয়ায় এর সব অংশ একই গতিতে ঘোরে না। নিরক্ষীয় অঞ্চলে নিজ অক্ষের ওপর একবার আবর্তন করতে সূর্যের প্রায় পঁচিশ দিন সময় লাগে। - মেরু অঞ্চলে এই আবর্তনের গতি আরও ধীর হয় এবং প্রায় পঁয়ত্রিশ দিন সময় নেয়, তবে সাধারণ পরীক্ষায় নিরক্ষীয় অঞ্চলের পঁচিশ দিনকেই সঠিক ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ ঘণ্টা — পৃথিবীর নিজ অক্ষের ওপর একবার আবর্তনে প্রায় চব্বিশ বা পঁচিশ ঘণ্টা লাগে, সূর্যের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। B) ২৮ ঘণ্টা — এটি সূর্যের আবর্তনকাল নয়, বরং এটি ভুল তথ্য হিসেবে অপশনে দেওয়া হয়েছে। সি) ২৫ বছর — সূর্যের নিজ অক্ষের ওপর আবর্তন করতে কয়েক সপ্তাহ বা দিন লাগে, বছর লাগে না। ডি) ২৫ দিন — এটি সূর্যের নিরক্ষীয় অঞ্চলের নিজ অক্ষের ওপর আবর্তনের সঠিক সময়কাল। মনে রাখার টিপস: সূর্যের দিন মনে রাখুন পঁচিশ সংখ্যা দিয়ে, কারণ পৃথিবীর দিন হয় চব্বিশ ঘণ্টায় আর সূর্যের দিন মানে পঁচিশ দিনে।
a গোবিন্দ হালদার
b দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
c আব্দুল গাফফার চৌধুরী
d আপেল মাহমুদ
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গোবিন্দ হালদার কেন সঠিক: - 'একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি' গানটির মূল গীতিকার গোবিন্দ হালদার। - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে গানটি প্রচারিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবিন্দ হালদার — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই ঐতিহাসিক গানটির রচিয়তা। B) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — তিনি একজন বিখ্যাত নাট্যকার ও সুরকার হলেও এই আধুনিক মুক্তিযুদ্ধের গানের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) আব্দুল গাফফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো' গানের রচিয়তা, এই গানের নন। D) আপেল মাহমুদ — তিনি এই গানটির অন্যতম জনপ্রিয় সুরকার ও শিল্পী, তবে গীতিকার নন। মনে রাখার টিপস: ফুল চাষের মতো গোবিন্দ হালদার সুন্দর কথার ফুলঝুরি দিয়ে এই যুদ্ধের গানটি লিখেছেন।
a বঙ্গবন্ধু জাদুঘর
b বিজয় কেতন জাদুঘর
c বীরশ্রেষ্ঠ জাদুঘর
d ঢাকা সেনানিবাস জাদুঘর
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিজয় কেতন জাদুঘর কেন সঠিক: - ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এই জাদুঘরে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিভিন্ন দলিল ও স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষিত রয়েছে। - এটি বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাস এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন প্রদর্শন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু জাদুঘর — এটি ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক বাসভবন, যা সেনানিবাসে নয়। B) বিজয় কেতন জাদুঘর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) বীরশ্রেষ্ঠ জাদুঘর — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্ব প্রদর্শনকারী বীরশ্রেষ্ঠদের স্মরণে নির্মিত জাদুঘর, আগরতলা মামলার জন্য নয়। D) ঢাকা সেনানিবাস জাদুঘর — এটি সামগ্রিক সামরিক ইতিহাস ও ঐতিহ্যের জাদুঘর, নির্দিষ্টভাবে আগরতলা মামলার স্মৃতিবিজড়িত নয়। মনে রাখার টিপস: আগরতলা মামলার স্মৃতিবিজড়িত জাদুঘর বললেই মাথায় রাখবে বিজয় কেতন।
a থেরেসা মে
b ও এজেলা মার্কেল
c শেখ হাসিনা
d হিলারি ক্লিনটন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেখ হাসিনা কেন সঠিক: - পরিবেশ সুরক্ষায় অসাধারণ অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসনাকে ২০১৫ সালে জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ প্রদান করা হয়। - জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও নীতি নির্ধারণী ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ এই আন্তর্জাতিক সম্মাননা দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থেরেসা মে — তিনি যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং এই পরিবেশগত পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। B) ও এজেলা মার্কেল — তিনি জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর এবং রাজনৈতিক নেতা হলেও এই খেতাব পাননি। C) শেখ হাসিনা — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) হিলারি ক্লিনটন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এই নির্দিষ্ট পুরস্কারের প্রাপক নন। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় চ্যাম্পিয়ন হলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যিনি ২০১৫ সালে এই খেতাব পান।
a লন্ডন
b নিউইয়র্ক
c প্যারিস
d ভিয়েনা
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লন্ডন কেন সঠিক: - অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। - এই সংস্থার আন্তর্জাতিক সচিবালয় বা প্রধান কার্যালয় যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়। C) প্যারিস — এটি ইউনেস্কোর সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত, এই সংস্থার নয়। D) ভিয়েনা — এটি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার সদর দপ্তর, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়। মনে রাখার টিপস: লন্ডনে মানুষ মানবাধিকার রক্ষা করতে যায়, তাই অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর লন্ডনে অবস্থিত।
a ব্ন্রনাই
b ভুটান
c মায়ানমার
d থাইল্যান্ড
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) থাইল্যান্ড কেন সঠিক: - থাইল্যান্ডের ঐতিহাসিক প্রাচীন নাম ছিল শ্যামদেশ বা সিয়াম। - ১৯৩৯ সালের এক ডিক্রির মাধ্যমে এই দেশের নাম পরিবর্তন করে থাইল্যান্ড রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রুনাই — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি স্বাধীন সুলতানি রাষ্ট্র, যার ঐতিহাসিক নাম শ্যামদেশ ছিল না। B) ভুটান — এটি হিমালয়ের কোলে অবস্থিত একটি দেশ, যা স্থানীয়ভাবে ড্রুক ইউল নামে পরিচিত। C) মায়ানমার — এই দেশের পূর্বের ঐতিহাসিক নাম ছিল বার্মা, শ্যামদেশ নয়। D) থাইল্যান্ড — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: শ্যামদেশ ও থাইল্যান্ড নামের মিল মনে রাখতে থাই শব্দের সাথে সিয়াম বা শ্যাম শব্দটি মনে রাখতে পারো।
a উহান
b উনবেন
c সাংহাই
d হুবেই
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হুবেই কেন সঠিক: - ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ শনাক্ত করা হয়। - হুবেই হলো চীনের একটি জনবহুল প্রদেশ এবং উহান শহরটি এই হুবেই প্রদেশেরই অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উহান — এটি হুবেই প্রদেশের একটি শহর, প্রদেশ নয়। B) উনবেন — এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো পরিচিত প্রদেশ বা স্থান নয়। C) সাংহাই — এটি চীনের একটি প্রধান স্বায়ত্তশাসিত পৌরসভা, যেখানে এই ভাইরাসের উৎপত্তি হয়নি। D) হুবেই — এটি সেই নির্দিষ্ট প্রদেশ যেখানে প্রথম করোনা ভাইরাস দেখা গিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: প্রদেশ বললে হবে হুবেই আর শহর বললে হবে উহান।
a আবি আহমেদ
b বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি
c নাদিয়া মুরাদ ও ডেনিস মুকওয়েজি
d লিবিয়ান ন্যাশনাল কোয়ালিশন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি কেন সঠিক: - ক্ষুধা নিবারণ, সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তির পরিবেশ সৃষ্টি এবং খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য ২০২০ সালে এই সংস্থাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়। - বিশ্বব্যাপী মানবিক সহায়তা প্রদানে জাতিসংঘের এই সংস্থাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবি আহমেদ — ইথিওপিয়ার এই প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ইরিথ্রিয়ার সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ নিরসনে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। B) বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি — এটি ২০২০ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) নাদিয়া মুরাদ ও ডেনিস মুকওয়েজি — যৌন সহিংসতাকে যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ২০১৮ সালে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। D) লিবিয়ান ন্যাশনাল কোয়ালিশন — এটি লিবিয়ার একটি রাজনৈতিক জোট, যা কোনো নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেনি। মনে রাখার টিপস: খাদ্য ও শান্তির সম্পর্ক বোঝাতে মনে রাখবে ২০২০ সালে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বা ডব্লিউএফপি শান্তিতে নোবেল পেয়েছিল।
a ভারত
b রুয়ান্ডা
c যুক্তরাষ্ট্র
d বাংলাদেশ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রুয়ান্ডা কেন সঠিক: - কভিড মহামারিজনিত কারণে দুই বছর স্থগিত থাকার পর ২০২২ সালের জুন মাসে রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে ২৬তম কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - যদিও সম্মেলনটি ২০২০ সালে নির্ধারিত ছিল, তবে মহামারির কারণে এটি স্থগিত হয়ে ২০২২ সালে রুয়ান্ডায় অনুষ্ঠিত হয় এবং এটিকে ২০২১ সালের ২৬তম শীর্ষ সম্মেলন হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত কমনওয়েলথভুক্ত দেশ হলেও এই নির্দিষ্ট ২৬তম শীর্ষ সম্মেলনটি এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। B) রুয়ান্ডা — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে এই সম্মেলন সফলভাবে আয়োজিত হয়েছিল। সি) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র কমনওয়েলথ অব নেশনস সংস্থার কোনো সদস্য রাষ্ট্র নয়, তাই এখানে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। D) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ কমনওয়েলথ সদস্য হলেও ২৬তম শীর্ষ সম্মেলনটি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে ২৬তম কমনওয়েলথ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

মোট প্রশ্ন (30)

a সপ্তমী তৎপুরুষ
b কর্মধারয়
c তৃতীয়া তৎপুরুষ
d চতুর্থী তৎপুরুষ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চতুর্থী তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - মুক্তির উদ্দেশ্যে যুদ্ধ = মুক্তিযুদ্ধ, যেখানে নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে অর্থে চতুর্থী বিভক্তি বা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। - চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে কে প্রতি বা নিমিত্ত ইত্যাদি অনুসর্গ লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি বা নিমিত্ত অনুসর্গ লোপ পায়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে। - সাধারণত নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে বোঝালে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি ব্যাখ্যা: এখানে গুরুকে প্রদানের উদ্দেশ্যে বা নিমিত্তে ভক্তি বোঝাতে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: বিয়ের পাগড়ি = বিয়ে-পাগড়ি বা বিয়ের পাগড়ি ব্যাখ্যা: বিবাহের নিমিত্ত পাগড়ি বোঝাতে এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সপ্তমী তৎপুরুষ — সপ্তমী তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে এ য় তে বিভক্তি লোপ পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, কিন্তু এখানে বিভক্তি বা অনুসর্গের সম্পর্ক রয়েছে। C) তৃতীয়া তৎপুরুষ — তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসে দ্বারা দিয়া কর্ত্তৃক অনুসর্গ লোপ পায়, কিন্তু এখানে যুদ্ধের ক্ষেত্রে নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য বোঝাচ্ছে। D) চতুর্থী তৎপুরুষ — এটি সঠিক কারণ এখানে মুক্তির নিমিত্ত যুদ্ধ বোঝানো হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো কিছু অর্জনের উদ্দেশ্য বা নিমিত্ত বোঝালে সাধারণত চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হয়। - ব্যাসবাক্যে নিমিত্ত বা উদ্দেশ্যে কথাটি থাকলে চোখ বন্ধ করে চতুর্থী তৎপুরুষ দাগাতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিমিত্তবাচক শব্দ যেমন ছাত্রাবাস, বসতবাড়ি, গুরুভক্তি প্রায়ই আসে। - ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ণয় করতে পারলে সমাস কখনো ভুল হবে না।
a শব্দমূল
b নাম প্রকৃতি
c রূপ
d ধ্বনিমূল
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনিমূল কেন সঠিক: - ইংরেজি ফোনিম শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো ধ্বনিমূল। - ভাষার ক্ষুদ্রতম অর্থপূর্ণ একক বা ধ্বনিগত একককে ধ্বনিমূল বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনিবিজ্ঞান ও ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনিমূল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারণা। - কোনো ভাষার শব্দকে অর্থের পার্থক্যের ভিত্তিতে যে ক্ষুদ্রতম ধ্বনি এককসমূহে ভাগ করা যায়, তা-ই ধ্বনিমূল। - যেমন বাংলায় প এবং ব দুটি আলাদা ধ্বনিমূল কারণ পাল ও বাল শব্দ দুটির অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা করে দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শব্দমূল — শব্দমূল বা প্রাতিপদিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ, তাই এটি ভুল। - B) নাম প্রকৃতি — নাম প্রকৃতি হলো প্রত্যয় বা বিভক্তিহীন মূল শব্দ, তাই এটি ভুল। - C) রূপ — রূপ বা মরফিম হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম অর্থবহ একক, তাই এটি ভুল। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি ফ এবং বাংলা ধ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো ফোনিম মানেই ধ্বনিমূল।
a ১০টি
b ৮টি
c ১১টি
d ৩২টি
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩২টি কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালায় মোট পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা ঠিক ৩২টি। - স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ মিলিয়ে এই ৩২টি বর্ণে সম্পূর্ণ মাত্রা বা রেখা থাকে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণ রয়েছে। - ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে ছাব্বিশটি এবং স্বরবর্ণের মধ্যে ছয়টি মিলে মোট ৩২টি পূর্ণমাত্রার বর্ণ পাওয়া যায়। - উদাহরণস্বরূপ, স্বরবর্ণের অ, আ এবং ব্যঞ্জনবর্ণের ক, খ হলো পূর্ণমাত্রার বর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ১০টি — এটি অর্ধমাত্রার মোট বর্ণের সংখ্যা। - B) ৮টি — এটি মাত্রাহীন মোট বর্ণের সংখ্যা। - C) ১১টি — এটি বাংলা মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: - ৩২টি পূর্ণমাত্রা, ১০টি অর্ধমাত্রা এবং ৮টি মাত্রাহীন বর্ণ মনে রাখলে মোট ৫০টি বর্ণ সহজে হিসাব করা যায়।
a পরী + ঈক্ষা
b পরি + ইক্ষা
c পরী + ইক্ষা
d পরি + ঈক্ষা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পরি + ঈক্ষা ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে স্বরসন্ধির ক্ষেত্রে ই-কার বা ঈ-কারের পর ই-কার বা ঈ-কার থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। পরি শব্দের শেষে ই-কার এবং ঈক্ষা শব্দের শুরুতে দীর্ঘ ঈ-কার থাকায় উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয় এবং তা পূর্ববর্ণে যুক্ত হয়। পরীক্ষা শব্দটিতে পরি এবং ঈক্ষা যুক্ত হয়ে পরিঈক্ষা থেকে পরীক্ষা শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতি + ইত = অতীত ব্যাখ্যা: এখানে ই-কারের পর ই-কার যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: গিরি + ইন্দ্র = গিরীন্দ্র ব্যাখ্যা: এখানেও ই-কারের সঙ্গে ই-কার যুক্ত হয়ে দীর্ঘ ঈ-কার গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরী + ঈক্ষা — পরী বানানটিতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) পরি + ইক্ষা — ইক্ষা শব্দটিতে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানান নয়। C) পরী + ইক্ষা — পরী এবং ইক্ষা উভয় শব্দে হ্রস্ব বা ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে। D) পরি + ঈক্ষা — পরি এবং ঈক্ষা উভয় পদের বানান সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী পরীক্ষিত। ৫. মনে রাখার টিপস: পরীক্ষা শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় উপসর্গ হিসেবে সবসময় পরি ব্যবহার করতে হবে। পরবর্তী অংশটি ঈক্ষা হবে যেখানে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-কার এবং ঈ-কার সংক্রান্ত সন্ধি প্রায়ই আসে। বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রেও পরি এবং ঈক্ষা শব্দ দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a সং + বিধান
b সং+ অবিধান
c সম্ + বিধান
d সম + ধান
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সম্ + বিধান ১. কেন সঠিক: - সং + বিধান শব্দটির সঠিক ব্যঞ্জনসন্ধি হলো সম্ + বিধান। - নিয়ম অনুযায়ী ম্-এর পর ব থাকলে ম্ পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বার হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে ম্-এর পর অন্তুস্থ ধ্বনি য র ল ব কিংবা উষ্ম ধ্বনি শ ষ স হ থাকলে ম্-এর স্থানে অনুস্বার হয়। - এই নিয়মে সম্ যোগ বিধান মিলে সংবিধান গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম্ + যোগ = সংযোগ ব্যাখ্যা: এখানে ম্-এর পর য থাকার কারণে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়েছে। উদাহরণ ২: সম্ + বাদ = সংবাদ ব্যাখ্যা: এখানে ম্-এর পর ব থাকার কারণে ম্ স্থানে অনুস্বার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সং + বিধান — বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে প্রথম অংশে হসন্তযুক্ত ম্ না থাকায় এটি সঠিক সন্ধি নয়। B) সং+ অবিধান — বিধান শব্দের আগে অতিরিক্ত অ যুক্ত করায় এটি মূল শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) সম + ধান — সম্-এর সঙ্গে ধান যুক্ত হলে সমাধান হয়, সংবিধান হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ম্-এর পরে যদি ব থাকে তবে ম্-এর পরিবর্তে অনুস্বার বসবে এবং পরের অংশ অপরিবর্তিত থাকবে। - সংযোগ বা সংবাদ শব্দের মতো সংবিধান শব্দটি একই সূত্রে সাধিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুস্বারযুক্ত শব্দের সন্ধি প্রায়ই আসে। - ম্-খণ্ডের সঙ্গে অন্তুস্থ বা উষ্ম বর্ণ যুক্ত হওয়ার নিয়মটি ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a বিভক্তি
b ধাতু
c প্রকৃতি
d কারক
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রকৃতি ১. কেন সঠিক: শব্দ ও ধাতুর মূলকে প্রকৃতি বলা হয়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যা থেকেই শব্দ বা পদ গঠিত হয়, তাকেই মূল বা প্রকৃতি হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রকৃতি হলো শব্দ বা পদের মূল উপাদান যা বিশ্লেষণ করা যায় না। প্রকৃতি প্রধানত দুই প্রকার যেমন নাম প্রকৃতি ও ক্রিয়াপ্রকৃতি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চল + আ = চলা ব্যাখ্যা: এখানে চল হলো ধাতুর মূল বা ক্রিয়াপ্রকৃতি। উদাহরণ ২: হাত + ই = হাতি ব্যাখ্যা: এখানে হাত হলো শব্দের মূল বা নামপ্রকৃতি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভক্তি — শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে, এটি মূল নয়। B) ধাতু — এটি কেবল ক্রিয়াপদের মূল, সব শব্দের মূল নয়। C) প্রকৃতি — এটিই সঠিক কারণ শব্দ ও ধাতু উভয় মূলই এর অন্তর্ভুক্ত। D) কারক — বাক্যের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলে, এটি মূল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দ ও ধাতুর মূল মানেই প্রকৃতি। নাম শব্দ হলে নামপ্রকৃতি এবং ক্রিয়াপদ হলে ক্রিয়াপ্রকৃতি বা ধাতু মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতি ও প্রত্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের মূল এবং ধাতুর মূল আলাদা করে চিনতে পারলে উত্তর করা সহজ হয়।
a শব্দের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে
b অর্থের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে
c ধাতুর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে
d উপসর্গের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধাতুর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে ১. কেন সঠিক: - কৃৎ প্রত্যয় হলো সেই প্রত্যয় যা ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ বা পদ গঠন করে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ক্রিয়ার মূল রূপকে ধাতু বলা হয় এবং এর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ তৈরি করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে নতুন শব্দ গঠনের জন্য যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে এবং ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রত্যয়কে কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়। - কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দকে কৃদন্ত পদ বলা হয় এবং এর মাধ্যমে মূলত বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ গঠিত হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √চল + অন্ত = চলতি ব্যাখ্যা: এখানে চল হলো ধাতু এবং অন্ত হলো কৃৎ প্রত্যয়, যা মিলে চলতি শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: √পড় + আ = পড়া ব্যাখ্যা: এখানে পড় হলো ধাতু এবং আ হলো কৃৎ প্রত্যয়, যার মাধ্যমে পড়া শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে — শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে, কৃৎ প্রত্যয় বলে না। B) অর্থের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে — প্রত্যয় কখনো সরাসরি অর্থের সঙ্গে যুক্ত হয় না, এটি মূলত শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়। C) ধাতুর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে — এটি সঠিক উত্তর কারণ কৃৎ প্রত্যয় কেবল ধাতুর সঙ্গেই যুক্ত হয়। D) উপসর্গের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে — উপসর্গ শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বসে, এটি প্রত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - কৃৎ প্রত্যয় মনে রাখার সহজ উপায় হলো ক তে কৃৎ এবং ক তে ধাতু, অর্থাৎ ধাতুর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় বসে। - তদ্ধিত প্রত্যয় বসে শব্দের সঙ্গে, আর কৃৎ প্রত্যয় বসে ধাতুর সঙ্গে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কৃৎ প্রত্যয় এবং তদ্ধিত প্রত্যয়ের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - ধাতু চেনার জন্য ধাতুর পূর্বে সবসময় রুট চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, এটি মাথায় রাখলে উত্তর করা সহজ হয়।
a আদালতের স্থায়ী আদেশ
b আদালতের অস্থায়ী আদেশ
c শপথ বাক্য
d বিচার কক্ষ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আদালতের অস্থায়ী আদেশ ১. কেন সঠিক: - 'Rule Nisi' একটি বহুল ব্যবহৃত আইনি পারিভাষিক শব্দ যার সঠিক বাংলা অর্থ আদালতের অস্থায়ী আদেশ বা রুল নিসি। - ল্যাটিন শব্দ 'Nisi' এর অর্থ যদি না, অর্থাৎ আদালত কোনো অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়ার সময় প্রতিপক্ষকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের পারিভাষিক শব্দ অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত এবং প্রশাসন ও বিচার বিভাগের ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত হয়। - ইংরেজি আইনগত পরিভাষার সঠিক ও প্রমিত বাংলা রূপান্তরের ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'Rule Absolute' এর অর্থ হলো আদালতের চূড়ান্ত আদেশ। ব্যাখ্যা: এটি 'Rule Nisi' এর বিপরীত আইনি পরিভাষা যা চূড়ান্ত রায় প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: 'Affidavit' এর অর্থ হলো হলফনামা। ব্যাখ্যা: এটিও বিচার বিভাগীয় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি পারিভাষিক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদালতের স্থায়ী আদেশ — এই অর্থের জন্য সঠিক ইংরেজি পরিভাষা হলো Rule Absolute. B) আদালতের অস্থায়ী আদেশ — এটি সঠিক কারণ Rule Nisi বলতে আদালতের অস্থায়ী বা কারণ দর্শানোর আদেশকে বোঝায়। C) শপথ বাক্য — এই অর্থের সঠিক ইংরেজি পরিভাষা হলো Oath. D) বিচার কক্ষ — এই অর্থের সঠিক ইংরেজি পরিভাষা হলো Courtroom. ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি Nisi শব্দের অর্থ যদি না। তাই যে আদেশটি চূড়ান্ত হওয়ার আগে কারণ দর্শানোর শর্তে দেওয়া হয়, সেটিই অস্থায়ী আদেশ বা Rule Nisi. ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিচার বিভাগ ও প্রশাসন সংক্রান্ত আইনি পরিভাষাগুলো থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - আইন সংক্রান্ত পরিভাষা পড়ার সময় এর বিপরীতার্থক শব্দগুলোও এক সাথে দেখে রাখা ভালো।
a গা-ছাড়া
b গা বাঁচানো
c গায়ে মাখা
d গায়ে পড়া
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গায়ে মাখা ১. কেন সঠিক: 'গায়ে মাখা' বাগধারাটির বিশেষ অর্থ হলো কোনো বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া, গুরুত্ব দেওয়া কিংবা কোনো কথা বা ঘটনাকে মনে নেওয়া। কোনো কাজ বা উপদেশের প্রতি উদাসীন না থেকে তা নিজের দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করা বোঝালে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যা রূপক অর্থে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। শব্দার্থের সাধারণ অর্থ বাদ দিয়ে যখন বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ পায়, তখন তাকে বাগধারা বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমার ভালোর জন্যই শিক্ষক কথাটি বলেছেন, বিষয়টি গায়ে মাখো। ব্যাখ্যা: এখানে শিক্ষকের কথাকে গুরুত্ব সহকারে নিতে বলা হয়েছে। উদাহরণ ২: সামান্য সমালোচনা গায়ে মাখলে জীবন এগোবে না। ব্যাখ্যা: এখানে সমালোচনাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া অর্থে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গা-ছাড়া — এই বাগধারাটির অর্থ হলো দায়িত্বহীনতা বা শৈথিল্য প্রদর্শন করা, যা গুরুত্ব দেওয়ার বিপরীত। B) গা বাঁচানো — এই বাগধারাটির অর্থ হলো দায়িত্ব এড়িয়ে চলা বা কোনো বিপদের হাত থেকে কৌশলে নিজেকে রক্ষা করা। D) গায়ে পড়া — এই বাগধারাটির অর্থ হলো অযাচিতভাবে বা না ডেকে কোনো ঝামেলার মধ্যে জড়িয়ে পড়া বা মাতব্বরি করা। ৫ মনে রাখার টিপস: গায়ে মাখা মানে গায়ে কোনো কিছু মেখে তা গুরুত্বের সঙ্গে বহন করা, এভাবে সহজে মনে রাখতে পারো। গুরুত্ব দেওয়া বা আমলে নেওয়া বোঝালেই এই বাগধারাটি সঠিক হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার সাধারণ অর্থের চেয়ে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিপরীতার্থক বাগধারাগুলো একসাথে পড়লে কনফিউশন দূর হয়।
a চেপটা চিড়ে
b নাজেহাল
c বিপদগ্রস্ত
d ব্যর্থ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাজেহাল ১. কেন সঠিক: 'চিঁড়ে চেপটা' একটি জনপ্রিয় প্রবাদ-প্রবচন, যার আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা ভাষায় এই প্রবাদটির মাধ্যমে কাউকে চরমভাবে নিপীড়ন করা, হয়রানি করা বা বিপর্যস্ত বা নাজেহাল অবস্থাকে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রবাদ-প্রবচন হলো দীর্ঘদিনের লোকঅভিজ্ঞতার ফল যা ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এই ধরনের প্রবাদ বাক্যে বা কথ্য ভাষায় বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পুলিশের অত্যাצারে চোরটির একেবারে চিঁড়ে চেপটা অবস্থা। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত পুলিশি নির্যাতনের ফলে চোরের চরম দুর্দশা বা নাজেহাল অবস্থাকে প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সারাদিন রোদে ঘুরে কাজে ব্যর্থ হয়ে আমার অবস্থা চিঁড়ে চেপটা। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত পরিশ্রম ও ব্যর্থতার কারণে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তির মাধ্যমে নাজেহাল হওয়া বুঝিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চেপটা চিড়ে — এটি প্রবাদের কোনো ভাবার্থ নয়, বরং চিঁড়ের আক্ষরিক রূপ যা প্রবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) নাজেহাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রবাদটি মানুষের দুরবস্থা বা হয়রানি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) বিপদগ্রস্ত — বিপদগ্রস্ত বলতে শুধু ঝুঁকি বা সমস্যাক্রান্ত হওয়া বোঝায়, যা নাজেহাল বা নাস্তানাবুদ অবস্থার সমার্থক নয়। D) ব্যর্থ — ব্যর্থতা হলো কোনো কাজে সফল না হওয়া, যা সরাসরি নাজেহাল বা হয়রানির অর্থ প্রকাশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: চিঁড়েকে যেমন চাপ দিয়ে পিষে ফেলা হয়, তেমনি কোনো মানুষকে নানা কষ্টে পিষে ফেলা বা বিপর্যস্ত করাকে নাজেহাল বা চিঁড়ে চেপটা বলা হয়। এইভাবে আক্ষরিক অর্থের সাথে ভাবার্থ মিলিয়ে নিলে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দৈনন্দিন জীবনের নানা পরিচিত প্রবাদ-প্রবচনের অন্তর্নিহিত অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই প্রবাদগুলোর আক্ষরিক অর্থ না বুঝে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
a আউটপুট ডিভাইস
b ইনপুট ডিভাইস
c কো-অর্ডিনেটিং
d মিক্সড ডিভাইস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইনপুট ডিভাইস ১. কেন সঠিক: - স্ক্যানার হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যার মাধ্যমে কাগজের ছবি বা লিখিত তথ্য ডিজিটালাইজ করে কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়। - যেহেতু এর মাধ্যমে তথ্য বাইরে থেকে কম্পিউটারের ভেতরে পাঠানো হয়, তাই এটি একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কম্পিউটারের যে যন্ত্রগুলোর মাধ্যমে কোনো তথ্য বা নির্দেশ কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়। - ব্যবহারকারীর কাছ থেকে উপাত্ত গ্রহণ করে প্রসেসরের কাছে পাঠানোই ইনপুট ডিভাইসের প্রধান কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিবোর্ড ব্যাখ্যা: কিবোর্ডের মাধ্যমে টাইপ করে কম্পিউটারে লেখা বা নির্দেশ প্রবেশ করানো হয়, তাই এটি একটি ইনপুট ডিভাইস। উদাহরণ ২: মাউস ব্যাখ্যা: মাউসের সাহায্যে স্ক্রিনের কার্সার নিয়ন্ত্রণ করে বিভিন্ন নির্দেশ কম্পিউটারে পাঠানো হয়, তাই এটি ইনপুট ডিভাইসের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আউটপুট ডিভাইস — আউটপুট ডিভাইস হলো সেই যন্ত্র যা কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াজাত তথ্য ব্যবহারকারীর কাছে দৃশ্যমান বা শ্রাব্য করে, কিন্তু স্ক্যানার তথ্য গ্রহণ করে। B) ইনপুট ডিভাইস — এই অপশনটি সঠিক কারণ স্ক্যানার বাইরে থেকে তথ্য কম্পিউটারে প্রবেশ করায়। C) কো-অর্ডিনেটিং — এটি কোনো কম্পিউটারের যন্ত্রাংশের শ্রেণিবিভাগ নয়, বরং সমন্বয় সাধন বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। D) মিক্সড ডিভাইস — স্ক্যানার সরাসরি ইনপুট হিসেবে কাজ করে, তাই এটিকে শুধু মিক্সড বা হাইব্রিড ডিভাইস বলা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - কম্পিউটারে কোনো কিছু প্রবেশ করানো মানেই ইনপুট। স্ক্যান করে ছবি বা কাগজ কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয় বলে এটি ইনপুট ডিভাইস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি অংশ থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - প্রিন্টার, মনিটর এবং স্পিকার হলো আউটপুট ডিভাইস, অন্যদিকে স্ক্যানার, ওএমআর এবং মাইক্রোফোন হলো ইনপুট ডিভাইস।
a অঞ্জলি
b অঙ্কুর
c অবলোকন
d অনাচার
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনাচার ১. কেন সঠিক: - 'অনাচার' শব্দটি 'অন' উপসর্গ এবং 'আচার' বিশেষ্য পদের যোগে গঠিত হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী উপসর্গ সামনে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় যথা বাংলা তৎসম বা সংস্কৃত এবং বিদেশী উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অজানা ব্যাখ্যা: এটি অ উপসর্গ এবং জানা শব্দের মিলনে গঠিত একটি উপসর্গজাত শব্দ। উদাহরণ ২: পরিপক্ব ব্যাখ্যা: এটি পরি উপসর্গ এবং পক্ব শব্দের মিলনে গঠিত অপর একটি উপসর্গজাত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অঞ্জলি — এটি কোনো উপসর্গযুক্ত শব্দ নয় বরং একটি স্বাধীন মৌলিক শব্দ। B) অঙ্কুর — এটি একটি অবিভাজ্য ও মৌলিক শব্দ যা কোনো উপসর্গ যোগে গঠিত হয়নি। C) অবলোকন — এখানে 'অব' উপসর্গ থাকলেও মূল শব্দটি সংস্কৃত ধাতু থেকে সাধিত তৎসম শব্দ। তবে প্রমিত ও প্রচলিত ব্যাকরণ বিবেচনায় অপশন ডি সবচেয়ে সঠিক ও স্পষ্ট উপসর্গজাত শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শুরুতে থাকা উপসর্গ চেনার জন্য মূল শব্দটিকে আলাদা করার অভ্যাস করতে হবে। - যেমন আচার শব্দের আগে অন বসালে অনাচার হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গযুক্ত শব্দ আলাদা করতে বলা হয়। - মূল শব্দ চিনে তার আগের অংশ আলাদা করতে পারলে খুব সহজেই উপসর্গ চিহ্নিত করা যায়।
a স্ত্রীলিঙ্গ
b উভয়লিঙ্গ
c ক্ষুদ্রার্থে
d বৃহদার্থে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুদ্রার্থে ১. কেন সঠিক: - 'পুস্তিকা' শব্দটিতে ব্যবহৃত '-িকা' প্রত্যয়টি মূল শব্দের ক্ষুদ্র বা ছোট রূপ প্রকাশ করার জন্য যুক্ত হয়েছে। - এখানে মূল শব্দ 'পুস্তক' বা 'বই'-এর সঙ্গে ক্ষুদ্রার্থক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ছোট আকারের বই বা পুস্তিকা বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে শব্দমূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে শব্দের অর্থে পরিবর্তন আনা হয়, যার মধ্যে ক্ষুদ্রার্থ প্রকাশ একটি অন্যতম প্রধান প্রক্রিয়া। - বিশেষ করে শব্দের শেষে 'িকা', 'ী', 'ক' ইত্যাদি প্রত্যয় যোগ করে কোনো কিছুর ছোট বা ক্ষুদ্র রূপ প্রকাশ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গীতি + ইকা = গীতিকা ব্যাখ্যা: এখানে 'গীতিকা' শব্দটি মূল গান বা গীতের ক্ষুদ্র বা সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নদী + মিকা = নদীকা (বা খাটিকা) ব্যাখ্যা: ক্ষুদ্র নদী বোঝাতে অনেক সময় নদীকা বা বিশেষ পদ ব্যবহার করা হয়, যেখানে মূল বস্তুর ছোট রূপটি প্রকাশ পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্ত্রীলিঙ্গ — 'পুস্তিকা' কোনো প্রাণবাচক শব্দ নয় এবং এর মাধ্যমে কোনো স্ত্রীলিঙ্গ বোঝানো হয়নি, তাই এটি ভুল। B) উভয়লিঙ্গ — এটি কোনো প্রাণীর লিঙ্গ নির্দেশক শব্দ নয়, তাই উভয়লিঙ্গ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। D) বৃহদার্থে — এটি বড় বা বিশাল কিছু বোঝায় না, বরং মূল বস্তুর ছোট রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শব্দের শেষে 'িকা' বা 'ী' দেখলে সাধারণত ক্ষুদ্রার্থ বা ছোট রূপ মনে রাখবে। - বড় বই হলো পুস্তক আর ছোট বই হলো পুস্তিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয় ও কৃৎ প্রত্যয়ের সাহায্যে গঠিত ক্ষুদ্রার্থক শব্দগুলো বারবার আসে। - মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করার সময় অর্থের পরিবর্তন সম্পর্কে ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সংখ্যার ধারণা
b ক্রমের ধারণা
c গণনার ধারণা
d পরিমাপের ধারণা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংখ্যার ধারণা ১. কেন সঠিক: বচন ব্যাকরণের একটি পরিভাষা যার শাব্দিক ও মূল অর্থ হলো সংখ্যার ধারণা বা গণনা। বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যাগত নির্দেশকে বচন বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বচন দুই প্রকার যথা একবচন ও বহুবচন। একবচন দ্বারা একটি মাত্র ব্যক্তি বস্তু বা প্রাণীকে বোঝায় এবং বহুবচন দ্বারা একাধিক ব্যক্তি বস্তু বা প্রাণীকে বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বইটি খোকার জন্য কেনা হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে বইটি শব্দ দ্বারা একটিমাত্র নির্দিষ্ট বইকে বুঝানো হয়েছে যা একবচনের উদাহরণ। উদাহরণ ২: মাঠে অনেকগুলো গরু ঘাস খাচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে অনেকগুলো গরু শব্দগুচ্ছ দ্বারা একাধিক গরুর উপস্থিতি বোঝানো হয়েছে যা বহুবচনের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংখ্যার ধারণা — এটি সঠিক কারণ বচন পদের সংখ্যা নির্দেশ করে। B) ক্রমের ধারণা — ক্রম বলতে পর্যায় বা সিরিয়াল বোঝায় যা বচনের কাজ নয়। C) গণনার ধারণা — গণনা হলো সংখ্যা বের করার প্রক্রিয়া কিন্তু বচন সরাসরি সংখ্যার ধারণা দেয়। D) পরিমাপের ধারণা — পরিমাপ বলতে ওজন বা পরিমাণ বোঝায় যা বচনের আলোচ্য বিষয় নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বচন মানে ব থেকে সংখ্যা বা বচন মানেই সংখ্যা মনে রাখা সহজ কৌশল। বচন শব্দটি দেখলে মাথায় রাখতে হবে এটি এক বা বহু সংখ্যা নির্দেশ করে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বচনের প্রকারভেদ এবং কোন পদের বচন হয় যেমন বিশেষ্য ও সর্বনাম তা প্রায়ই আসে। একবচন থেকে বহুবচন করার নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a প্রাদি সমাস
b দ্বিগু সমাস
c অব্যয়ীভাব সমাস
d নিত্য সমাস
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিত্য সমাস কেন সঠিক: - এই পদের ব্যাসবাক্য হয় না বা অন্য পদের সাহায্য লাগে না। - সমস্ত পদটি নিজেই নিজের অর্থ প্রকাশ করে অটুট থাকে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না কিংবা তা করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। - সংখ্যাবাচক শব্দে নিত্য সমাসের বহু ব্যবহার দেখা যায়। - যেমন: দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই, অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ প্রভৃতি উপসর্গ ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়ে যে সমাস হয় তা প্রাদি সমাস, এখানে তা নয়। - B) দ্বিগু সমাস — সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে সমাহার বা মিলন অর্থে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তা দ্বিগু সমাস, এখানে সংযোগ বোঝানো হয়েছে। - C) অব্যয়ীভাব সমাস — পূর্বপদে অব্যয় যোগে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধান করে যে সমাস হয় তা অব্যয়ীভাব সমাস, এখানে সংখ্যা ব্যবহৃত হয়েছে। - D) সঠিক উত্তর — এটি নিত্য সমাসের সঠিক উদাহরণ হওয়ায় এটিই সঠিক বিকল্প। মনে রাখার টিপস: - সংখ্যা যোগ করার সময় যদি এবং বা আর যুক্ত থাকে এবং তাদের ব্যাসবাক্য না করা যায়, তবে তা নিত্য সমাস হবে।
a মাধ্য+ ফিক
b মাধ্য+ মিক
c মাধ্যমিক+অ
d মধ্যম + ফিক
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মধ্যম + ফিক কেন সঠিক: - 'মধ্যম' শব্দের সঙ্গে 'ফিক' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'মাধ্যমিক' শব্দটি গঠিত হয়েছে। - স্বরবৃত্তীয় পরিবর্তনের নিয়মে মধ্যম শব্দের প্রথম অ-কার আ-কার হয়ে মাধ্যমিক রূপ লাভ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মে বিশেষণ বা বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ তৈরি করা হয়। - এই শব্দটিতে সংস্কৃত ব্যাকরণের প্রত্যয় বিধানের নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। - যেমন: মাস + ফিক = মাসিক, ঠিক একইভাবে মধ্যম + ফিক = মাধ্যমিক। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) মাধ্য + ফিক — 'মাধ্য' কোনো অর্থপূর্ণ মূল শব্দ নয়। - B) মাধ্য + মিক — 'মিক' কোনো মূল প্রত্যয় নয় এবং এর মূল রূপ সঠিক নয়। - C) মাধ্যমিক + অ — সাধিত শব্দের সঙ্গে আবার প্রত্যয় যুক্ত করে প্রকৃতি প্রত্যয় নির্ণয় করা ভুল। মনে রাখার টিপস: - মাধ্যমিক শব্দের মূল পদটি মনে রাখবে 'মধ্যম', যার সঙ্গে 'ফিক' যুক্ত হয়।
a জীবনানন্দ দাশ
b কাজী নজরুল ইসলাম
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d জসীমউদ্দীন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - 'সঞ্চিতা' হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি বিখ্যাত ও প্রামাণ্য কাব্য সংকলন। - ১৯২৮ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটিতে কবির বিভিন্ন সময়ে রচিত নির্বাচিত কবিতা স্থান পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি ও জাতীয় কবি। - 'সঞ্চিতা' গ্রন্থটি তিনি স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন যা বাংলা সাহিত্য ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সঞ্চয়ন' ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কবিতার সংকলন, যা পরীক্ষার্থীদের প্রায়ই বিভ্রান্ত করে। উদাহরণ ২: 'সঞ্চয়িতা' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন, যা 'সঞ্চিতা' নামের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানন্দ দাশ — জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি, তবে 'সঞ্চিতা' তাঁর সংকলন নয়। B) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর এবং তাঁর বিখ্যাত কবিতা সংকলনের নাম। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্য সংকলনের নাম 'সঞ্চয়িতা', যা 'সঞ্চিতা' নয়। D) জসীমউদ্দীন — জসীমউদ্দীন পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'নক্সা কাঁথার মাঠ', এটি সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নামের শেষ অক্ষর মনে রাখুন: নজরুল ছোট নামের কবি, তাই তাঁর সংকলন 'সঞ্চিতা' (ছোট নাম)। রবীন্দ্রনাথ বড় নামের কবি, তাই তাঁর সংকলন 'সঞ্চয়িতা' (বড় নাম)। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'সঞ্চিতা' (নজরুল) ও 'সঞ্চয়িতা' (রবীন্দ্রনাথ) নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - উৎসর্গপত্র মনে রাখা জরুরি কারণ 'সঞ্চিতা' রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করা হয়েছিল।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c জসীমউদ্দীন
d সুকুমার রায়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - 'গীতাঞ্জলি' বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - এই কাব্যগ্রন্থটির জন্য তিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক বহুমুখী প্রতিভাধর কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। - 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি নোবেল পান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'সোনার তরী' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরেকটি অন্যতম বিখ্যাত প্রতীকী কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: 'চিত্রা' ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই কাব্যগ্রন্থটিতে তাঁর বিখ্যাত 'উর্বশী' কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, তবে 'গীতাঞ্জলি' তাঁর লেখা নয়। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা। C) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'ন নকশী কাঁথার মাঠ'। D) সুকুমার রায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত ছড়াকার ও শিশুসাহিত্যিক, তাঁর বিখ্যাত রচনা 'আবোল তাবোল'। ৫ মনে রাখার টিপস: - গীতাঞ্জলি মানে গানের অঞ্জলি, আর নোবেল জয়ী এই অমর কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখতে গীতাঞ্জলি, সোনার তরী ও মানসী একসঙ্গে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ১৯১৩ সালে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নোবেল বিজয়ী গ্রন্থ ও তার লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়।
a প্রবন্ধ
b উপন্যাস
c নাটক
d আত্মজীবনী
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রবন্ধ ১. কেন সঠিক: - 'মতিচুর' হলো বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন যা নারীজাগরণ ও সমাজ সংস্কারের ওপর রচিত। - এই গ্রন্থে নারীর অধিকার, শিক্ষা এবং কুসংস্কারের বিরুদ্ধে জোরালো যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে যা প্রবন্ধ সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন হলেন বাংলা সাহিত্যের মুসলিম নারীজাগরণের অগ্রদূত, প্রাবন্ধিক ও সমাজ সংস্কারক। - মতিচুর প্রবন্ধ সংকলনের প্রথম খণ্ড ১৯০৪ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানার স্বপ্ন ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়ান বা নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান রচনা। উদাহরণ ২: অবরোধবাসিনী ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত পর্দা প্রথার কুফল নিয়ে লেখা একটি ব্যঙ্গাত্মক ও বাস্তবধর্মী প্রবন্ধ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবন্ধ — এটি সঠিক কারণ মতিচুর একটি প্রবন্ধ সংকলন। B) উপন্যাস — এটি ভুল কারণ মতিচুর কোনো কাল্পনিক কাহিনীর উপন্যাস নয়। C) নাটক — এটি ভুল কারণ এটি মঞ্চস্থ করার জন্য কোনো নাটক বা সংলাপভিত্তিক রচনা নয়। D) আত্মজীবনী — এটি ভুল কারণ এটি লেখকের নিজস্ব জীবনের ধারাবাহিক জীবনীমূলক কোনো গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রোকেয়ার প্রধান দুটি প্রবন্ধ গ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মতিচুরের লাড্ডু খেয়ে সুলতানা অবরোধে গেল। - এখানে মতিচুর এবং অবরোধবাসিনী হলো রোকেয়ার বিখ্যাত প্রবন্ধ বা গদ্যগ্রন্থ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মতিচুর গ্রন্থের রচিয়তা এবং এর প্রকাশকাল বারবার আসে। - লেখক পরিচিতির ক্ষেত্রে বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের নাম ভালোভাবে মনে রাখবে।
a বর্ণ
b পদ
c অক্ষর
d ধ্বনি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনি কেন সঠিক: - মানুষের মুখ থেকে নিসৃত বায়ুর সাহায্যে যে আওয়াজ বা শব্দ তৈরি হয়, তাকে ধ্বনি বলা হয়। - যেকোনো ভাষার বুনিয়াদি বা মৌলিক উপাদান হলো তার ধ্বনি, যা ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে গণ্য হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি হলো ভাষার মূল ভিত্তি এবং এটি কান দিয়ে শোনা যায় কিন্তু চোখে দেখা যায় না। - বাংলা ব্যাকরণে উচ্চারণের দিক থেকে ধ্বনিই হলো ভাষার সবচেয়ে ছোট একক। - যেমন: অ, আ, ক, খ ইত্যাদি হলো ধ্বনির লিখিত রূপের আগের অবস্থা বা মৌলিক শব্দরূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, তাই এটি ক্ষুদ্রতম একক নয়। - B) পদ — বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু হলো পদ, যা ধ্বনি বা বর্ণের চেয়ে অনেক বড় একক। - C) অক্ষর — কথার বলার সময় নিঃশ্বাসের এক ঝটকায় যতটুকু অংশ উচ্চারণ করা যায় তাকে অক্ষর বলে, যা ধ্বনির চেয়ে বড়। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: - কান দিয়ে শোনা যায় এমন ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ধ্বনি আর চোখ দিয়ে দেখা যায় এমন ক্ষুদ্রতম অংশ হলো বর্ণ।
a কর্মে ৭মী
b করণে শূন্য
c অপাদানে ৭মী
d অধিকরণে ৭মী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'কাননে' শব্দটি দ্বারা বনের ভেতর বা স্থান বোঝানো হয়েছে, যা অধিকরণ কারকের নির্দেশক। - কানন শব্দের সঙ্গে সপ্তম বিভক্তির চিহ্ন 'এ' যুক্ত হওয়ায় এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে এবং শব্দের শেষে এ, য়ে, তে বিভক্তি যুক্ত হলে তাকে সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি বলা হয়। - বাক্যে ক্রিয়ার আধার বা স্থান প্রকাশ করায় এটি অধিকরণ কারক এবং বিভক্তির রূপের দিক থেকে সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: এখানে 'বনে' শব্দটিতে স্থান বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এখানে 'সকালে' সময় বা কাল নির্দেশ করায় এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ৭মী — কর্ম কারকে সাধারণত দ্বিতীয় বা শূন্য বিভক্তি হয়, স্থান বোঝাতে কর্ম কারক হয় না। B) করণে শূন্য — করণে শূন্য বলতে মাধ্যমের ক্ষেত্রে কোনো বিভক্তি না থাকাকে বোঝায়, কিন্তু এখানে স্থান ও বিভক্তি বিদ্যমান। C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক থেকে জাত, বিরত, রক্ষিত বা ভীত হওয়া বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অধিকরণে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে স্থান বা আধার বোঝানো হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - স্থান, সময় বা ক্ষেত্র বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং শব্দের শেষে এ, য়ে, তে থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাক্যে স্থান বা সময় খুঁজে বের করে খুব সহজেই অধিকরণ কারক নির্ণয় করা সম্ভব।
a কর্তায় দ্বিতীয়া
b অপাদানে ৭মী
c কর্মে দ্বিতীয়া
d অধিকরণে ৭মী
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে ৭মী কেন সঠিক: - ঝিনুক থেকে মুক্তা পাওয়া যায়, যা উৎস বা বিচ্যুতির ধারণা দেয়। - বাক্যে 'ঝিনুক' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা সপ্তমী বিভক্তির রূপ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, বা উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। - শব্দের শেষে এ বা য় থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। - গাছ থেকে পাতা পড়ে যেমন অপাদান কারক, তেমনই ঝিনুক থেকে মুক্তা মেলার বিষয়টি অপাদান কারকের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কর্তায় দ্বিতীয়া — এখানে ঝিনুক বাক্যের মূল কর্তা বা কাজ সম্পাদনকারী নয়। - C) কর্মে দ্বিতীয়া — মুক্তা পাওয়ার কাজটি ঝিনুকের ওপর অর্পিত নয়, তাই এটি কর্ম কারক নয়। - D) অধিকরণে ৭মী — ঝিনুক কোনো স্থান, সময় বা বিষয় বোঝাচ্ছে না, তাই এটি অধিকরণ কারক নয়। মনে রাখার টিপস: - উৎপত্তি, বিচ্যুতি, বা গ্রহীতা বোঝালে চোখ বুজে অপাদান কারক দাগাবে। - এ বা য় বিভক্তি দেখলে সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত করবে।
a চা-চিনি
b নামাজ-রোজা
c চৌ-হদ্দি
d স্কুল-কলেজ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চৌ-হদ্দি ১. কেন সঠিক: - ভিন্ন ভাষার দুটি শব্দের মিলনে গঠিত শব্দকে মিশ্র শব্দ বা সংকর শব্দ বলা হয়। - চৌ-হদ্দি শব্দটি ফারসি চৌ এবং আরবি হদ্দি শব্দের মিলনে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - এর মধ্যে মিশ্র বা সংকর শব্দ হলো ভিন্ন ভিন্ন ভাষা থেকে আসা শব্দের সমন্বয়ে তৈরি শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার-খানা ব্যাখ্যা: ইংরেজি ডাক্তার এবং ফারসি খানা শব্দের মিলনে এটি গঠিত। উদাহরণ ২: হেড-মৌলভি ব্যাখ্যা: ইংরেজি হেড এবং ফারসি মৌলভি শব্দের মিলনে এটি গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চা-চিনি — এটি মিশ্র শব্দ নয়, কারণ চা ও চিনি উভয় শব্দই চীনা ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। B) নামাজ-রোজা — এটি মিশ্র শব্দ নয়, কারণ নামাজ ও রোজা উভয় শব্দই ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। C) চৌ-হদ্দি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি ফারসি ও আরবি শব্দের মিশ্রণে গঠিত। D) স্কুল-কলেজ — এটি মিশ্র শব্দ নয়, কারণ স্কুল ও কলেজ উভয় শব্দই ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভিন্ন ভাষার শব্দ একসাথে জোড়া লাগলেই মিশ্র শব্দ হয়। - উৎস আলাদা কি না তা খেয়াল করলেই উত্তর বের করা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - জোড়া শব্দের ক্ষেত্রে দুটি শব্দের ভাষা আলাদা কি না তা যাচাই করতে হয়।
a কারক
b মহাকাল
c কাল
d প্রাতিপদিক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাল ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়কে কাল বলে। অর্থাৎ কোনো কাজ কোন সময়ে সম্পাদিত হচ্ছে বা হবে, তা কালের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ক্রিয়ার সংঘটিত হওয়ার সময়কে কাল বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণে কাল প্রধানত তিন প্রকার যথা বর্তমান কাল, অতীত কাল ও ভবিষ্যৎ কাল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি ভাত খাই। ব্যাখ্যা: এটি বর্তমান কালের উদাহরণ কারণ কাজটি বর্তমান সময়ে ঘটছে। উদাহরণ ২: সে কাল স্কুলে যাবে। ব্যাখ্যা: এটি ভবিষ্যৎ কালের উদাহরণ কারণ কাজটি আগামী সময়ে সম্পন্ন হবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারক — বাক্যে ব্যবহৃত বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে। তাই এটি সময়ের পরিমাপ নয়। B) মহাকাল — মহাকাল বলতে অনন্ত সময় বা কালকে বোঝায়, যা ব্যাকরণে নির্দিষ্ট কোনো ক্রিয়া সম্পাদনের সময় নির্দেশ করে না। D) প্রাতিপদিক — বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়, যা ক্রিয়া সম্পাদনের সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সময়ের ইংরেজি হলো টাইম আর ব্যাকরণে সময় বোঝাতে কাল শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এভাবে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কাল মূলত তিন প্রকার কিন্তু এদের আবার বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়। বাক্যের ক্রিয়াপদ দেখে কাল নির্ধারণ করতে হয়।
a দুই সৈনিক
b বীরাঙ্গনা সখিনা
c ক্ষুধা ও আশা
d নির্জন মেঘ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুই সৈনিক ১. কেন সঠিক: দুই সৈনিক একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা এবং বাঙালির বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ নিয়ে রচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান। তার অন্যান্য বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে জাহান্নাম হইতে বিদায় এবং জলাঙ্গী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রশীদ হায়দারের খাঁচায় বন্দী ব্যাখ্যা: এটিও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা এই বিষয়ের পরিধিকে সমৃদ্ধ করেছে। উদাহরণ ২: সেলিনা হোসেনের যুদ্ধ ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের পটভূমিতে রচিত আরও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুই সৈনিক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) বীরাঙ্গনা সখিনা — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি মধ্যযুগের ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালা বা গাথা। C) ক্ষুধা ও আশা — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি অন্য কোনো সামাজিক বা মনস্তাত্ত্বিক প্রেক্ষাপটে রচিত সাহিত্যকর্ম। D) নির্জন মেঘ — এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, এটি লেখকের অন্য ধারার একটি সৃষ্টি যা ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শওকত ওসমানের নাম মনে রাখলেই দুই সৈনিক উপন্যাসের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রেক্ষাপট সহজেই মনে রাখা যায়। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে শওকত ওসমানের নাম খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস প্রায়ই আসে। শওকত ওসমান রচিত জাহান্নাম হইতে বিদায় উপন্যাসটিও এই তালিকায় সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
a অস্তিবাচক বাক্য
b সমবাচক বাক্য
c নেতিবাচক বাক্য
d কোনোটিই নয়
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অস্তিবাচক বাক্য ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে কোনো না, নি, না সূচক শব্দ বা অর্থ নেই, বরং কোনো বিষয়ের স্বীকৃতি বা হ্যাঁ-সূচক ভাব প্রকাশ পেয়েছে। - কোনো বাক্য বা উক্তি যখন সরাসরি হ্যাঁ-সূচক অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে ব্যাকরণের নিয়মে অস্তিবাচক বাক্য বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অর্থের দিক থেকে বাংলা বাক্য প্রধানত পাঁচ প্রকার, যেমন অস্তিবাচক, নেতিবাচক, প্রশ্নবোধক, অনুজ্ঞাসূচক ও বিস্ময়সূচক বাক্য। - যে বাক্যে কোনো কিছু ঘটা, থাকা বা সত্যতার অস্তিত্বরূপ বা হ্যাঁ-সূচক প্রকাশ পায়, তাকে অস্তিবাচক বা ইতিবাচক বাক্য বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি একটি স্বাভাবিক সত্যতার প্রকাশ এবং এতে কোনো না-বোধক শব্দ নেই, যা অস্তিবাচক বাক্যের উদাহরণ। উদাহরণ ২: সত্য চিরদিন জয়ী হয়। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও একটি ইতিবাচক বা হ্যাঁ-সূচক ভাব প্রকাশ পেয়েছে, তাই এটি অস্তিবাচক বাক্যের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্তিবাচক বাক্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যটিতে হ্যাঁ-সূচক বা ইতিবাচক ভাব প্রকাশ পেয়েছে। B) সমবাচক বাক্য — বাংলা ব্যাকরণে বাক্য রূপান্তরের ক্ষেত্রে সমবাচক কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণিবিভাগ নেই, তাই এটি ভুল। C) নেতিবাচক বাক্য — এই বাক্যে কোনো না, নাই বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ পায়নি, তাই এটি নেতিবাচক বাক্য নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু প্রথম অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে বাক্যে না, নাই, নি বা কোনো অস্বীকৃতি থাকে না এবং যা সরাসরি হ্যাঁ-বোধক অর্থ দেয়, তাকেই অস্তিবাচক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্যের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - হ্যাঁ-বোধক ও না-বোধক বাক্যের পার্থক্য সহজে বুঝতে বাক্যের অর্থ ও ব্যবহৃত পদের দিকে নজর দিতে হবে।
a একটি গোপন কথা বলি
b একটি গোপনীয় কথা বলি
c এক গুপ্ত কথা বলি
d একটি গোপনীয়তার কথা বলি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একটি গোপনীয় কথা বলি ১. কেন সঠিক: গোপন কথা বাক্যে 'গোপনীয়' বিশেষণটি ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অধিক উপযোগী এবং প্রমিত। কথা বিশেষ্য পদের আগে বিশেষণ হিসেবে 'গোপনীয়' শব্দটির সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদের পূর্বে উপযুক্ত বিশেষণ ব্যবহার করে বাক্য গঠন করতে হয়। এখানে 'কথা' একটি বিশেষ্য পদ এবং এর বিশেষণের রূপ হিসেবে 'গোপনীয়' শব্দটি পুরোপুরি মানানসই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এটি একটি অত্যন্ত গোপনীয় বিষয়। ব্যাখ্যা: বিষয় বিশেষ্য পদের পূর্বে গোপনীয় বিশেষণটি সঠিকভাবে বসেছে। উদাহরণ ২: তিনি আমাকে একটি গোপনীয় সংবাদ দিলেন। ব্যাখ্যা: সংবাদ বিশেষ্যের আগে গোপনীয় বিশেষণটি প্রমিত বাংলা গঠনে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি গোপন কথা বলি — গোপন শব্দটি এখানে সরাসরি ব্যবহার করায় বাক্যের শৈলী দুর্বল শোনায়। B) একটি গোপনীয় কথা বলি — এটি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক বাক্য। C) এক গুপ্ত কথা বলি — গুপ্ত শব্দটি সাধারণত লুকানো অর্থে ব্যবহৃত হয়, কথার ক্ষেত্রে গোপনীয় মানানসই। D) একটি গোপনীয়তার কথা বলি — গোপনীয়তা বিশেষ্য পদ হওয়ায় পরপর দুটি বিশেষ্য পদের মিলনে বাক্যটি ভুল হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিশেষ্যের আগে গোপনীয় বিশেষণ ব্যবহার করবে। গোপনীয়তা বিশেষ্য এবং গোপন বা গোপনীয় বিশেষণ হিসেবে বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে শব্দের সঠিক রূপ ও পদের ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। বিশেষ্য ও বিশেষণের সঠিক অবস্থান বাক্যশুদ্ধির মূল চাবিকাঠি।
a বানান
b পদ
c বচন
d বিভক্তি
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বচন ১. কেন সঠিক: বাক্যে 'সকল' এবং 'ছাত্ররাই' শব্দ দুটিতে বহুবচনের রূপ একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাহুল্য দোষ বা বচনঘটিত ভুল। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একটি পদে বা বাক্যে একাধিক বহুবচকবাচক শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করা যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বচন হলো সংখ্যার ধারণা, যা বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের একত্ব বা বহুত্ব প্রকাশ করে। বাক্যে একটি বহুবচনের চিহ্ন বা শব্দ থাকলেই তা বহুত্ব বোঝাতে যথেষ্ট, তাই একই সঙ্গে 'সকল' এবং 'রাই' বিভক্তি যুক্ত করা ব্যাকরণসম্মত নয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সব পাখিরা আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: এটি একটি ভুল বাক্য কারণ 'সব' এবং 'পাখিরা' উভয়ই বহুবচন নির্দেশ করে, শুদ্ধ রূপ হবে সব পাখি আকাশে ওড়ে। উদাহরণ ২: সমস্ত শিক্ষকবৃন্দ সভায় উপস্থিত আছেন। ব্যাখ্যা: এখানে 'সমস্ত' এবং 'বৃন্দ' দুটি বহুবচনবাচক শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করায় বাহুল্য দোষ ঘটেছে, শুদ্ধ রূপ হবে সকল শিক্ষক সভায় উপস্থিত আছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বানান — বাক্যটিতে ব্যবহৃত কোনো শব্দের বানান ভুল নেই, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। B) পদ — বাক্যের পদগুলো সঠিকভাবে গঠিত হয়েছে এবং পদের বিন্যাসে কোনো সমস্যা নেই, তাই এটি ভুল। C) বচন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বাহুল্যজনিত বচনের ভুল রয়েছে। D) বিভক্তি — বাক্যে বিভক্তির ব্যবহার সঠিক আছে, তাই এটি উত্তর হবে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যে একই সঙ্গে সব, সকল, সমস্ত এবং রা, এরা, বৃন্দ, মণ্ডলী ব্যবহার করবে না। একটি বাক্যে একটি বহুবচনবাচক শব্দ ব্যবহার করাই যথেষ্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি প্রায়ই আসে। বহুবচনের দ্বিত্ব ব্যবহার রোধ করতে শব্দের অর্থ এবং রূপ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।
a 6
b 2
c 4
d 5
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ ১. কেন সঠিক: সাহিত্যে অলংকার মূলত দুই প্রকার যথা শব্দালংকার ও অর্থালংকার। কাব্যের রূপ ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য শব্দের ওপর বা অর্থের ওপর যে বৈচিত্র্য আনা হয় তা এই দুই ভাগে বিভক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দালংকার হলো যেখানে শব্দের চমৎকারিত্বের ওপর অলংকারের নির্ভরতা থাকে। অর্থালংকার হলো যেখানে অর্থের গভীরতা ও সৌন্দর্যের মাধ্যমে কাব্যের প্রকাশ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনুপ্রাস অলংকার ব্যাখ্যা: এটি এক ধরণের শব্দালংকার যেখানে একই ধ্বনির পুনরাবৃত্তি ঘটে। উদাহরণ ২: উপমা অলংকার ব্যাখ্যা: এটি এক ধরণের অর্থালংকার যেখানে দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ — অলংকারের প্রধান প্রকার সংখ্যা ছয় নয় কারণ ঐতিহ্যগতভাবে প্রধান অলংকার দুই প্রকার। B) ২ — এই অপশনটি সঠিক কারণ অলংকার প্রধানত শব্দালংকার ও অর্থালংকার এই দুই ভাগে বিভক্ত। C) ৪ — অলংকারের প্রধান প্রকার চার বলা ভুল কারণ প্রধান বিভাগ মাত্র দুটি। D) ৫ — অলংকার পাঁচ প্রকার নয় কারণ প্রাচীন ও আধুনিক অলংকার শাস্ত্রে প্রধান বিভাগ দুটিই স্বীকৃত। ৫ মনে রাখার টিপস: সাহিত্যের অলংকারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায় যার একটি শব্দ কেন্দ্রিক এবং অন্যটি অর্থ কেন্দ্রিক। শব্দালংকার ও অর্থালংকার এই নাম দুটি মনে রাখলেই পরীক্ষার সঠিক উত্তর দেওয়া সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অলংকার কত প্রকার এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। প্রধান প্রকার দুই হলেও এর উপবিভাগ অনেক রয়েছে যা উচ্চতর পরীক্ষার জন্য পড়তে হয়।
a মিষ্টি
b তিক্ত
c অম্লত্ব
d মন্দ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিক্ত ১. কেন সঠিক: - 'মধুর' শব্দের অর্থ মিষ্টি বা সুস্বাদু, যার সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'তিক্ত' বা তেতো। - বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস, ভাবার্থ এবং ভাবের বিপরীত দিকটি বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে মূল শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত ভাব প্রকাশকারী শব্দকে বোঝায়। - বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে এই বিপরীত রূপগুলো প্রধানত অর্থের বৈপরীত্যের ওপর নির্ভর করে গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ ব্যাখ্যা: আনন্দ শব্দের বিপরীত শব্দ বিষাদ, যা ভাবের দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: উন্নত ব্যাখ্যা: অবনত শব্দের বিপরীত শব্দ উন্নত, যা উচ্চতা বা অবস্থানের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিষ্টি — এই শব্দটির অর্থ এবং 'মধুর' শব্দের অর্থ প্রায় একই, তাই এটি সমার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য হবে বিপরীতার্থক নয়। B) তিক্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ মধুর বিপরীত অর্থ তেতো বা তিক্ত প্রকাশ করে। C) অম্লত্ব — এটি একটি ভাবের বা গুণের নাম যা অম্ল বা টক থেকে এসেছে, মধুর বিপরীতার্থক রূপ হিসেবে এটি সঠিক নয়। D) মন্দ — এই শব্দটির সাধারণ বিপরীত শব্দ ভালো, যা মধুর শব্দের যথাযথ বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো খাবারের স্বাদের বিপরীত রূপ মনে রাখার মাধ্যমে খুব সহজেই এ ধরনের বিপরীত শব্দ আয়ত্ত করা যায়। - মধুর স্বাদ যেমন মিষ্টি, তেমনি এর উল্টো স্বাদ হলো তিক্ত বা তেতো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষণের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে, তাই শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - সমার্থক শব্দের সঙ্গে বিপরীতার্থক শব্দের পার্থক্য পরিষ্কার রাখলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

মোট প্রশ্ন (30)

a who will be done the work
b who will done the work
c By whom will the work be done?
d So Whom will the work be done?
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom will the work be done? কেন সঠিক: interrogative sentence এ who থাকলে passive করার সময় শুরুতে By whom বসে। modal auxiliary verb এর পরে be বসে এবং মূল verb এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) who will be done the work — এখানে বাক্যের শুরুতে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী by whom ব্যবহার করা হয়নি। B) who will done the work — এখানে auxiliary verb এর পরে be না বসিয়ে সরাসরি মূল verb ব্যবহার করা হয়েছে। C) By whom will the work be done? — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এটি সব grammatical নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) So Whom will the work be done? — এখানে by এর পরিবর্তে ভুল শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice কে Passive করার সময় প্রথমে By whom এবং সাহায্যকারী Verb এর পরে be বসাতে হয়।
a sky
b beavens
c firmament
d blue
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) blue কেন সঠিক: এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ বাক্য যার অর্থ হলো বিনা মেঘে বজ্রপাত বা হঠাৎ কোনো অপ্রত্যাশিত বিপদ আসা। এই বাক্যের সঠিক প্রবচন অংশ হলো bolt from the blue। অন্য কোনো শব্দ এই প্রবাদের সাথে ব্যবহার করলে অর্থ ঠিক থাকে না। ইংরেজি ভাষা ব্যবহারে এই ধরনের নির্দিষ্ট শব্দগুচ্ছ মুখস্ত রাখতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sky — এটি সাধারণ আকাশ বোঝায় কিন্তু সঠিক প্রবাদের অংশ নয়। B) beavens — এটি বানান ভুল এবং প্রবাদের নিয়মের সাথে মেলে না। C) firmament — এটি মহাকাশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু প্রবাদে এই শব্দ বসে না। D) blue — এটি সঠিক কারণ প্রবাদের নিয়ম অনুযায়ী এখানে নীল আকাশ বা শূন্যতা বোঝানো হয়েছে। মনে রাখার টিপস: হঠাৎ আসা খারাপ খবর বোঝাতে সবসময় bolt from the blue প্রবাদটি ব্যবহার করবে।
a to seeing
b seeing
c to see
d to have seen
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to seeing কেন সঠিক: বাক্যে 'look forward to' একটি ফ্রেজ, যার অর্থ কোনো কিছুর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা। এর নিয়ম হলো 'to' প্রিপজিশন হলেও এরপরে ভার্বের সাথে 'ing' যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to seeing — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়মানুযায়ী গঠিত হয়েছে। B) seeing — 'to' বাদ থাকায় এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। C) to see — 'to' এর পরে শুধু ভার্বের বেজ ফর্ম বসায় এটি সঠিক নয়। D) to have seen — এখানে পারফেক্ট ইনফিনিটিভ ব্যবহার করায় তা অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'look forward to' দেখলে মনে রাখবে এরপরে সবসময় ভার্ব + ing বসবে।
a for
b in
c with
d at
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in কেন সঠিক: Interest শব্দের পর উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় in বসে। কোনো বিষয়ে কারো আগ্রহ আছে বা নেই বোঝাতে interest এর সাথে in ব্যবহার করা হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট প্রিপজিশন ব্যবহারের নিয়ম। সঠিক বাক্যটি হবে: My brother has no interest in music. বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — interest শব্দের সাথে for প্রিপজিশন বসে না। B) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) with — এই ক্ষেত্রে with প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) at — এখানে at প্রিপজিশন বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না। মনে রাখার টিপস: Interest শব্দের পরে সবসময় in প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a The train is running in time.
b The train is running on time.
c The train is running with time.
d The train is running to time.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The train is running on time. কেন সঠিক: সঠিক সময়ের সাথে ট্রেন চলার ক্ষেত্রে সাধারণত on time প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়। এটি নির্দিষ্ট সময়সূচি বা শিডিউল নিখুঁতভাবে মেনে চলার সঠিক ইংরেজি অভিব্যক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The train is running in time — সময়ের মধ্যে বোঝাতে in time ব্যবহার করা হয় যা নির্দিষ্ট শিডিউলের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। B) এটি সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) The train is running with time — সময়ের সাথে চলা বোঝাতে with time ইংরেজি ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয় না। D) The train is running to time — এটি ব্রিটিশ ইংরেজিতে কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহার হলেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে on time সবচেয়ে নিখুঁত। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময় বা শিডিউল মেনে চলার ক্ষেত্রে সবসময় on time ব্যবহার করবে।
a in
b about
c with
d at
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) at কেন সঠিক: কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা অদক্ষতা প্রকাশ করতে সাধারণত good শব্দের পরে at প্রিপজিশন বসে। এখানে অনুবাদে দক্ষতার অভাব বোঝাতে good এর পরে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে at ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — বাংলায় সাধারণত ভেতরে বোঝাতে in বসে, যা এখানে দক্ষতার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। B) about — কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে বোঝাতে about বসে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। C) with — কোনো ব্যক্তি বা উপকールの সাথে বোঝাতে with বসে, যা এখানে ব্যবহার করা যায় না। D) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বোঝাতে সবসময় good at ব্যবহার করবে।
a Why have you done this?
b Why you had done this?
c Why you have done this?
d Why did you done this?
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Why have you done this? কেন সঠিক: ডব্লিউ এইচ ওয়ার্ড দিয়ে প্রশ্নবোধক বাক্য তৈরি করার সময় প্রথমে সাহায্যকারী ভার্ব বসাতে হয় এবং সাবজেক্টের আগে তা আসে। এখানে সঠিক সাহায্যকারী ভার্ব এবং মূল ভার্বের সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়েছে। বাক্যের গঠন সম্পূর্ণ ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে সঠিক হয়েছে। এটি সঠিক নিয়ম অনুযায়ী গঠিত প্রশ্নবোধক বাক্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — কারণ এই বাক্যটিতে প্রশ্নবোধক বাক্যের সমস্ত ব্যাকরণগত নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে চলা হয়েছে। B) B) Why you had done this? — এখানে সাবজেক্টের পরে সাহায্যকারী ভার্ব ব্যবহার করায় এটি ভুল হয়েছে। C) C) Why you have done this? — এই বাক্যে সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব না বসিয়ে ভুল গঠন করা হয়েছে। D) D) Why did you done this? — এখানে ডিড এর পরে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ দেওয়ায় বাক্যটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ডব্লিউ এইচ ওয়ার্ডের পরে সবসময় সাহায্যকারী ভার্ব এবং তারপরে সাবজেক্ট বসিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে হয়।
a a diary
b a biography
c an autobiography
d a chronicle
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) an autobiography কেন সঠিক: - আত্মজীবনী হলো এমন একটি সাহিত্যকর্ম যেখানে লেখক নিজের জীবনের ঘটনা নিজেই লিখে থাকেন। - গ্রিক শব্দ অটো (নিজের), বায়ো (জীবন) এবং গ্রাফি (লেখা) মিলে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a diary — এটি কোনো ব্যক্তির দৈনন্দিন কাজের রেকর্ড বা ব্যক্তিগত নোট, যা সাধারণত প্রকাশের জন্য লেখা হয় না। B) a biography — এটি অন্য কোনো ব্যক্তির জীবন নিয়ে লেখা জীবনী, নিজের জীবনের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। C) an autobiography — এটি নিজেই নিজের জীবনের ঘটনা লিখে প্রকাশ করার সাহিত্যকর্ম, যা প্রশ্নটির সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। D) a chronicle — এটি কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার কালানুক্রমিক বিবরণ বা ইতিহাস, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির আত্মজীবনী নয়। মনে রাখার টিপস: অটো মানে নিজ, বায়ো মানে জীবন এবং গ্রাফি মানে লেখা, অর্থাৎ নিজের জীবন নিজে লেখাকে অটোবায়োগ্রাফি বলে।
a very fat
b ugly
c tardy
d obnoxious
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) very fat কেন সঠিক: Obese শব্দটি অতিরিক্ত স্থূলতা বা খুব বেশি মোটা হওয়া বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানেও স্বাভাবিক ওজনের চেয়ে অনেক বেশি ওজন বোঝাতে এই শব্দটি নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) very fat — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটির সাথে ওবেস শব্দের অর্থের সরাসরি মিল রয়েছে। B) ugly — এই শব্দের অর্থ কুৎসিত, যা শারীরিক ওজনের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) tardy — এই শব্দের অর্থ বিলম্বিত বা ধীরগতির, যার সাথে স্থূলতার কোনো সম্পর্ক নেই। D) obnoxious — এই শব্দের অর্থ অত্যন্ত অপছন্দনীয় বা বিরক্তিকর, যা ওবেস শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: ওবেস (Obese) মানুষের শরীর অনেক বড় বা মোটা হয়, তাই এটি খুব মোটার সাথে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ।
a generosity
b familiar
c dividing line
d sympathy
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) generosity কেন সঠিক: bounty শব্দের অর্থ হলো উদারতা, দয়ালু মন বা মুক্তহস্তে দান করার প্রবৃত্তি। বিকল্প অপশনে থাকা generosity শব্দের অর্থও উদারতা বা মহৎ দান, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। তাই অর্থগত দিক থেকে এই দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) generosity — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উদারতা। B) familiar — এর অর্থ পরিচিত বা চেনাজানা, যা bounty শব্দের সাথে মেলে না। C) dividing line — এর অর্থ বিভাজন রেখা বা সীমানা, যা সম্পূর্ণ আলাদা অর্থ প্রকাশ করে। D) sympathy — এর অর্থ সহানুভূতি বা সমবেদনা, যা উদারতা বা দানের সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: বিপুল পরিমাণ দান বা উদারতা বোঝাতে bounty শব্দটি ব্যবহার করা হয়, ঠিক যেমন generosity উদার মনকে প্রকাশ করে।
a dark
b ette
c black
d grey
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) black কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে শব্দগুলোর বিপরীতার্থক বা বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে। Good (ভালো) শব্দের বিপরীত শব্দ যেমন Bad (খারাপ), ঠিক তেমনি White (সাদা) শব্দের বিপরীত শব্দ হলো Black (কালো)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dark — এটি White শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ নয়, এটি Light বা আলোর বিপরীত। B) ette — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ নয় এবং এর সাথে কোনো মিল নেই। C) black — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) grey — এটি White শব্দের বিপরীত হতে পারে না, কারণ এটি একটি মধ্যবর্তী রঙ। মনে রাখার টিপস: সাদামাটা বিপরীত শব্দ বা antonym নির্ণয়ের সময় প্রথম জোড়ার অর্থের সাথে দ্বিতীয় জোড়ার মিল খুঁজে দেখতে হবে।
a give
b appear at
c sit
d go for
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) appear at কেন সঠিক: পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অর্থে ইংরেজি গ্রামারে নির্দিষ্ট ফ্রেজ হিসেবে appear at the examination ব্যবহৃত হয়। অন্য কোনো শব্দ বা ভার্ব বসালে এই নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ পায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) give — বাংলা ভাষায় পরীক্ষা দেওয়া বললেও ইংরেজিতে give the examination বলা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) appear at — এটি সঠিক অপশন এবং পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই ফ্রেজটিই ব্যবহার করা হয়। C) sit — সিট বসলেও সঠিক প্রিপজিশন ছাড়া এটি সরাসরি পরীক্ষার্থীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না। D) go for — এটি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি বা কোনো কিছুর খোঁজে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে সবসময় appear at the examination ফ্রেজটি মনে রাখবে।
a He is being gone to open a shop.
b A shop is being gone opened by him.
c A shop will be opened by him.
d A shop is going to be opened by him.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A shop is going to be opened by him. কেন সঠিক: বাক্যটিতে 'is going to' থাকায় প্যাসিভ করার সময় 'is going to be' এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহৃত হয়েছে। অবজেক্ট 'a shop' সাবজেক্ট হিসেবে প্রথমে বসেছে এবং সাবজেক্ট 'He' অবজেক্ট হয়ে 'by him' এ রূপান্তর হয়েছে। অক্সিলারি ভার্ব হিসেবে 'is' অপরিবর্তিত থাকে কারণ নতুন সাবজেক্ট 'a shop' একটি একবচন শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এখানে 'going' কে প্যাসিভ করা হয়েছে যা প্রদত্ত সেন্টেন্সের গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণভাবে বদলে দেয়। B) এখানে অপ্রয়োজনে 'gone' যুক্ত করা হয়েছে যা এই ধরনের সেন্টেন্সের সঠিক গ্রামার নিয়ম মেনে চলে না। C) এখানে ভবিষ্যৎকালের সাধারণ নিয়ম ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু মূল বাক্যের 'going to' এর অর্থ বাদ পড়েছে। D) এটি সঠিক কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী সব শর্ত ঠিক রেখে প্যাসিভ রূপ গঠন করেছে। মনে রাখার টিপস: am/is/are going to যুক্ত অ্যাক্টিভ ভয়েসকে প্যাসিভ করার সময় am/is/are going to be + verb এর past participle বসাতে হয়।
a of
b introduction
c from
d at
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) of কেন সঠিক: - 'Devoid of' একটি উপযুক্ত বা Appropriate Preposition, যার অর্থ বঞ্চিত বা শূন্য। - এখানে 'commonsense' শব্দের পূর্বে শূন্যস্থান পূরণে 'of' preposition সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'devoid' শব্দের পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে 'of' ব্যবহৃত হয়। B) introduction — এটি একটি noun এবং preposition হিসেবে এখানে বসার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। C) from — এটি সাধারণত পৃথক হওয়া বোঝাতে বসে, কিন্তু 'devoid' শব্দের সাথে 'from' যুক্ত হয় না। D) at — এটি সাধারণত নির্দিষ্ট স্থান বা দক্ষতার ক্ষেত্রে বসে, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: 'Devoid' শব্দটিকে সবসময় 'of' এর সাথে জুটি হিসেবে মনে রাখবে, কারণ devoid এর অর্থেই লুকিয়ে থাকে কোনো কিছুর অভাব বা শূন্যতা।
a I have looked for a good doctor before I met you
b I had looked for a good doctor before I met you
c I looked for a good doctor before I had met you
d I am looking for a good doctor before meeting you.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I had looked for a good doctor before I met you কেন সঠিক: বাক্যে before থাকার কারণে অতীতের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, তার সাথে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়। তাই মূল ক্লজে Past Perfect Tense এবং পরের অংশে Past Indefinite Tense বসেছে। গঠন অনুসারে Subject এর পর had এবং মূল Verb এর Past Participle রূপ বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I have looked for a good doctor before I met you — এখানে প্রথম অংশে Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা অতীতের দুটি কাজের ক্রমানুসারে নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) I had looked for a good doctor before I met you — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলেছে। C) I looked for a good doctor before I had met you — এখানে নিয়ম উল্টো করে পরের অংশে Past Perfect Tense দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণ অনুযায়ী ভুল। D) I am looking for a good doctor before meeting you — এখানে Present Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা অতীতের ঘটনার ধারাবাহিকতা প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Before এর আগে Past Perfect Tense এবং পরে Past Indefinite Tense বসে।
a flowers
b dear
c trees
d animals
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) animals কেন সঠিক: Botany শব্দের অর্থ উদ্ভিদবিদ্যা, যা সরাসরি উদ্ভিদ বা plants নিয়ে আলোচনা করে। অনুরূপভাবে Zoology শব্দের অর্থ প্রাণীবিদ্যা, যার প্রধান আলোচ্য বিষয় হলো প্রাণী বা animals। বাকি অপশন কেন ভুল: A) flowers — ফুল হলো উদ্ভিদের একটি অংশ মাত্র, পুরো প্রাণিজগৎ বা Zoology কে নির্দেশ করে না। B) dear — হরিণ কেবল একটি নির্দিষ্ট প্রাণী, যা সমস্ত প্রাণীকুল বা Zoology এর পরিধি বোঝাতে পারে না। C) trees — গাছপালা কেবল Botany এর অন্তর্গত, Zoology বা প্রাণীবিদ্যার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) animals — এটি সঠিক কারণ Zoology এর সাথে প্রাণীদের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। মনে রাখার টিপস: Botany মানে পাতা ও গাছপালা আর Zoology মানে জীবন ও প্রাণী জগৎ।
a able
b try
c but
d afford
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) afford কেন সঠিক: afford শব্দটির অর্থ সামর্থ্য থাকা এবং এটি ক্যান নট এর পর সরাসরি বসে। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় আমি এত বেশি দাম দেওয়ার সামর্থ্য রাখি না। অন্য শব্দ বসালে বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত মিল নষ্ট হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) able — able শব্দের পর টু বসে কিন্তু এখানে ক্যান নট এর পর সরাসরি ভার্ব দরকার। B) try — try বসালে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি অসম্পূর্ণ ও অর্থহীন হয়। C) but — but একটি কনজাংশন যা এখানে বসালে বাক্যের গঠন সম্পূর্ণ ভুল হয়। D) afford — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু কেনার আর্থিক সামর্থ্য বোঝাতে সাধারণত afford শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a This is an unique case.
b This is a unique case.
c This is a very unique case.
d This is the most unique case.
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) This is a unique case. কেন সঠিক: Unique শব্দের অর্থ একক বা অনন্য, যার কোনো তুলনা হয় না। তাই এর পূর্বে নিয়ম অনুযায়ী an না বসে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) This is an unique case. — Unique শব্দের শুরুতে consonant sound থাকায় তার পূর্বে an বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) This is a unique case. — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে আর্টিকেল ব্যবহারের নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে। C) This is a very unique case. — Unique একটি চরম বা absolute adjective, তাই এর পূর্বে very বা মোডিফায়ার ব্যবহার করা যায় না। D) This is the most unique case. — Unique নিজে থেকেই সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে, তাই এর সাথে most বা superlative ডিগ্রি ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: Unique শব্দের আগে সবসময় a বসে এবং এর সাথে very বা most ব্যবহার করা যায় না।
a to adjust
b to accompany
c to interest
d to walk
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to adjust কেন সঠিক: 'To get along with' একটিPhrase যার বাংলা অর্থ মিলে চলা বা মানিয়ে নেওয়া। পরিસ્થಿತির সাথে বা মানুষের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেওয়া বোঝাতেই এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে 'to adjust' নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to adjust — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ মানিয়ে নেওয়া এবং এটি মূল ফ্রেজটির সমার্থক। B) to accompany — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কারো সাথে যাওয়া বা সঙ্গী হওয়া। C) to interest — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কোনো কিছুতে আগ্রহ সৃষ্টি করা। D) to walk — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ শুধু হাঁটা যা প্রবাদ বা ফ্রেজের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Get along with দেখলে মাথায় রাখবে এর অর্থ হলো সবার সাথে মিলেমিশে চলা বা পরিস্থিতি অনুসারে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া।
a retired
b has retired
c had retired
d will be retired
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) retired কেন সঠিক: বাক્યটিতে Past Perfect tense এর নিয়ম অনুযায়ী দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল তা Past Perfect এবং যেটি পরে ঘটেছিল তা Simple Past tense হয়। এখানে বইটি লেখার কাজটি আগে এবং অবসর নেওয়ার কাজটি পরে ঘটেছে তাই পরবর্তী অংশে Past indefinite বা V2 রূপ ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) retired — এটি সঠিক কারণ বাক্যটির নিয়ম অনুযায়ী পরের অংশে Past indefinite tense ব্যবহার করতে হয়। B) has retired — এটি Present perfect tense হওয়ায় অতীতের দুটি ঘটনার নিয়মের সাথে মিলে না। C) had retired — একই বাক্যে দুটি অংশে Past perfect tense ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) will be retired — এটি Future tense নির্দেশ করে যা অতীতের ঘটনার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Past perfect tense এর সাথে যুক্ত আগের বা পরের অংশে সাধারণত Past indefinite tense বসে।
a more busy
b busy
c most busiest
d busiest
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) busiest কেন সঠিক: বাক্যে "one of the" থাকলে তার পরের Adjective-এর Superlative form ব্যবহার করতে হয়। busy শব্দটির Superlative form হলো busiest এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) more busy — এটি Comparative form, যা নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক নয়। B) busy — এটি Positive form, যা Superlative বোঝাতে এখানে ব্যবহার করা যায় না। C) most busiest — একই সাথে দুটি Superlative word একসঙ্গে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) busiest — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে "one of the" দেখলে চোখ বন্ধ করে Superlative form বেছে নেবে।
a Wasteful
b practical
c productive
d fussy
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) practical কেন সঠিক: pragmatic শব্দের অর্থ হলো বাস্তববাদী বা কার্যকারী। practical অর্থও বাস্তবসম্মত, যা এই শব্দের সাথে হুবহু মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wasteful — wasteful অর্থ অপচয়কারী, যা pragmatic শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) practical — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি মূল শব্দের সমার্থক। C) productive — productive অর্থ উৎপাদনশীল, যা pragmatic বা বাস্তববাদীর সাথে সরাসরি মিলে না। D) fussy — fussy অর্থ অতিরিক্ত খুঁতখুঁতে, যা pragmatic শব্দের সাথে সম্পর্কহীন। মনে রাখার টিপস: Pragmatic শব্দটিকে practical এর সাথে মিলিয়ে মনে রাখবে কারণ দুটির অর্থই বাস্তবসম্মত বা কাজের জিনিস।
a sky
b firmament
c heavens
d blue
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) blue কেন সঠিক: এটি একটি প্রখ্যাত ইংরেজি প্রবচন বা ইডিয়ম। হঠাৎ করে কোনো খারাপ খবর আসার অনুভূতি প্রকাশ করতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়। এই বাক্যাংশে শূন্যস্থানে অন্য কোনো শব্দ বসলে অর্থ ঠিক থাকে না। নির্দিষ্ট শব্দটির ব্যবহারই এখানে সঠিক ভাব প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) sky — এটি প্রবচনের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক শব্দ নয়। B) firmament — এটি এই ইডিয়মের উপযুক্ত অংশ হিসেবে স্বীকৃত নয়। C) heavens — এটি বাক্যটিকে ব্যাকরণগতভাবে ভুল করে তোলে। D) blue — এটি সঠিক ইডিয়ম হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: হঠাৎ বিপদ বোঝাতে 'a bolt from the blue' প্রবচনটি মনে রাখবে।
a Everybody have gone there.
b Everybody are gone there.
c Everybody has gone there.
d Everybody has went there
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Everybody has gone there. কেন সঠিক: Everybody বা indefinite pronoun গুলো সবসময় singular হয়। তাই এদের পরে singular verb হিসেবে has বসে। এর সাথে V3 বা gone ব্যবহার করতে হয়। বাক্যটি present perfect tense এর নিয়ম মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Everybody have gone there. — Everybody singular হওয়ায় এখানে have ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। B) Everybody are gone there. — Everybody এর সাথে plural verb are এবং are gone গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Everybody has gone there. — এটি সঠিক বাক্য এবং কোনো ভুল নেই। D) Everybody has went there. — has এর পরে verb এর past participle বা gone বসা উচিত ছিল, কিন্তু went বসানো হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Everybody, everyone, anybody ইত্যাদি শব্দ দেখলে সব সময় singular verb (has, is) ব্যবহার করবে।
a diet
b food
c drink
d environment
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) diet কেন সঠিক: স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের জন্য পুষ্টিকর খাবারের সুনির্দিষ্ট তালিকাকে ইংরেজি পরিভাষায় ডায়েট বা সুষম খাদ্য বলা হয়। সুষম খাদ্যের ইংরেজি রূপ হিসেবে ব্যালেন্সড ডায়েট একটি পরীক্ষিত ও প্রমিত ফ্রেজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) diet — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সুষম খাদ্যের সাথে সরাসরি যুক্ত। B) food — এটি খুব সাধারণ শব্দ যা নির্দিষ্ট কোনো সুষম খাদ্যতালিকা বোঝায় না। C) drink — এটি পানীয় বোঝায় যা খাদ্য তালিকার সম্পূর্ণ অংশ নয়। D) environment — এটি পরিবেশ বোঝায় যার সাথে খাদ্যের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: স্বাস্থ্য বা সুষম খাদ্যের কথা থাকলে সব সময় ব্যালেন্সড ডায়েট কথাটি ব্যবহার করতে হয়।
a strong
b acute
c secrious
d bad
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) bad কেন সঠিক: ইংরেজিতে মাথাব্যথার তীব্রতা বোঝাতে সাধারণত bad headache কথাটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়। এটি একটি প্রচলিত বা স্বাভাবিক মুখের বুলি হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) strong — শক্তির ক্ষেত্রে strong ব্যবহার হলেও মাথাব্যথার ক্ষেত্রে এই শব্দটি মানায় না। B) acute — এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষা হিসেবে তীব্র ব্যথা বোঝাতে বসে, সাধারণ বাক্যে নয়। C) secrious — এই বানানটি ভুল এবং গম্ভীর অর্থে মাথাব্যথায় এটি প্রয়োগ করা যায় না। D) bad — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। মনে রাখার টিপস: মাথা বা ঠান্ডাজনিত সাধারণ ব্যথার ক্ষেত্রে bad শব্দটি ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ নিয়ম।
a to
b of
c for
d at
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: এখানে admit শব্দের সাথে of preposition যুক্ত হয়ে কোনো কিছুর সুযোগ নেই বা অবকাশ নেই এমন অর্থ প্রকাশ করে। বাক્યটিতে বলা হয়েছে তোমার আচরণের কোনো ক্ষমা বা অজুহাত নেই। নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশের জন্য admit এর পরে সঠিক preposition হিসেবে of ব্যবহৃত হয়। অন্য কোনো preposition বসালে এই বিশেষ ভাব প্রকাশ পায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — admit এর পরে to বসালে সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া বা স্বীকার করা বোঝায়। কিন্তু এখানে কোনো সুযোগ নেই এমন অর্থ প্রকাশ করায় এটি ভুল। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) for — admit এর সাথে for preposition সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। তাই এটি এখানে সঠিক অর্থ দিতে পারে না। D) at — admit এর পরে at বসে না। তাই এটি বাক্যটির সাথে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষതിയের অবকাশ বা সুযোগ নেই বোঝাতে admit এর পরে সবসময় of বসে।
a to offer a person what he cannot eat
b to force a person to do something
c to raise obstacle
d to reverse the natural order of things
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to reverse the natural order of things কেন সঠিক: idiom বা বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ হলো ঘোড়ার আগে গাড়ি রাখা। কাজের স্বাভাবিক নিয়ম বা ধারাবাহিকতা উল্টে ফেলা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুল অর্থ — কাউকে এমন কিছু অফার করা যা সে খেতে পারে না তা এই বাগধারার সাথে মেলে না। B) ভুল অর্থ — কাউকে কোনো কাজ করতে বাধ্য করা এই ইংরেজি প্রবাদের সঠিক ভাবার্থ নয়। C) ভুল অর্থ — কোনো বাধা সৃষ্টি করা বোঝাতে এই idiom ব্যবহার করা হয় না। D) সঠিক উত্তর — কাজের স্বাভাবিক ক্রম বা নিয়ম উল্টে ফেলা এই অপশনটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: গাড়ির আগে ঘোড়া না রেখে ঘোড়ার আগে গাড়ি রাখলে যেমন কাজ উল্টো হয়, তেমনি কোনো কাজের স্বাভাবিক নিয়ম উল্টে ফেলাই হলো to put the cart before the horse।
a Abhor
b admir
c Loathe
d Concem
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) admir কেন সঠিক: - Hate শব্দের অর্থ ঘৃণা করা এবং Admire শব্দের অর্থ প্রশংসা করা, যা একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ বা অ্যান্টোনিম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Abhor — এটি Hate শব্দের সমার্থক শব্দ, কারণ এর অর্থও ঘৃণা করা। B) admir — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ প্রশংসা করা যা ঘৃণা করার বিপরীত। C) Loathe — এটি Hate শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ তীব্র ঘৃণা করা। D) Concem — এটি বানান ভুলযুক্ত একটি শব্দ এবং প্রশ্নের মূল অর্থ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। মনে রাখার টিপস: Hate মানে ঘৃণা আর Admire মানে প্রশংসা, দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
a Deer
b Property
c Treasure
d Assets
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Assets কেন সঠিক: প্রশ্নটি অসম্পূর্ণ হলেও এর মূল শব্দ হিসেবে সাধারণত Liabilities ধরা হয়। যার বিপরীত অর্থ হলো সম্পদ বা Assets। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Deer — এটি একটি প্রাণীর নাম যার অর্থ হরিণ এবং এর সাথে কোনো বিপরীত শব্দের সম্পর্ক নেই। B) Property — এর অর্থ সম্পত্তি যা মূল শব্দের সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিপরীত শব্দ নয়। C) Treasure — এর অর্থ মূল্যবান সম্পদ বা ধন যা অর্থের দিক থেকে কাছাকাছি শব্দ। D) Assets — এটি মূল শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ কারণ এর অর্থ সম্পদ বা দাবি। মনে রাখার টিপস: বিপরীত শব্দ শেখার সময় সবসময় জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ করার চেষ্টা করবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a ১৩ঃ১২ঃ৫
b ৬ঃ৪ঃ৩
c ৬ঃ৫ঃ৩
d ১২ঃ৮ঃ৪
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩ঃ১২ঃ৫ প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য দেওয়া আছে পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে অতিভুজ স্কয়ার সমান লম্ব স্কয়ার যোগ ভূমি স্কয়ার ধরি, ত্রিভুজটির বাহুগুলো হলো ১৩, ১২ এবং ৫ এখানে সবচেয়ে বড় বাহু ১৩ হলো অতিভুজ অতএব, লম্ব স্কয়ার যোগ ভূমি স্কয়ার সমান ১২ স্কয়ার যোগ ৫ স্কয়ার হিসাব করে পাই ১৪৪ যোগ ২৫ সমান ১৬৯ সুতরাং, অতিভুজ স্কয়ার অর্থাৎ ১৩ স্কয়ার সমান ১৬৯ উভয় পক্ষের মান সমান হওয়ায় এটি সমকোণী ত্রিভুজ উত্তর: ১৩ঃ১২ঃ৫
a 200 মিটার
b 172 মিটার
c 160 মিটার
d 180 মিটার
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১৬০০ বর্গমিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার অতএব, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (ক × ক) বর্গমিটার সুতরাং, ক × ক = ১৬০০ অতএব, ক = √১৬০০ = ৪০ মিটার আমরা জানি, বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × এক বাহুর দৈর্ঘ্য সুতরাং, পরিসীমা = ৪ × ৪০ = ১৬০ মিটার উত্তর: ১৬০ মিটার
a ২০,০০০ টাকা
b ১৫,০০০ টাকা
c ১২,০০০ টাকা
d ১০,০০০ টাকা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আয়ের ওপর আয়করের হার = ৫% মোট প্রদত্ত আয়কর = ৬০০ টাকা ধরি, ব্যক্তির মোট আয় = ক টাকা অতএব, ক এর ৫% = ৬০০ ক × (৫ ÷ ১০০) = ৬০০ সুতরাং, ক = (৬০০ × ১০০) ÷ ৫ ক = ৬০,০০০ ÷ ৫ উত্তর: ১২,০০০ টাকা
a 25
b 15
c 28
d 30
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৮ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির অনুপাত ৪ : ৭ পূর্ব রাশি ১৬ ধরি, উত্তর রাশিটি ক অতএব, পূর্ব রাশি ÷ উত্তর রাশি = ৪ ÷ ৭ ১৬ ÷ ক = ৪ ÷ ৭ সুতরাং, ৪ × ক = ১৬ × ৭ ক = (১৬ × ৭) ÷ ৪ উত্তর: ২৮
a ৫০ টাকা
b ৪৪ টাকা
c ৭০ টাকা
d ৬৫ টাকা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বইটির বিক্রয়মূল্য = ৪০ টাকা প্রথম ক্ষেত্রে ক্ষতি = ২০% দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লাভ = ৪০% ধরি, বইটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ২০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ২০ = ৮০ টাকা অতএব, ৮০ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ৮০ টাকা ৪০ টাকা বিক্রয়মূল্য হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ × ৪০ ÷ ৮০ = ৫০ টাকা সুতরাং, ৪০% লাভে বিক্রয়মূল্য হবে = ৫০ + (৫০ এর ৪০%) = ৫০ + ২০ = ৭০ টাকা উত্তর: ৭০ টাকা
a ১২৫০ টাকা
b ১৫০০ টাকা
c ১৪০০ টাকা
d ১৬০০ টাকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজাকৃতি জমির ভূমি = ৭৫ মিটার ত্রিভুজাকৃতি জমির উচ্চতা = ২০ মিটার প্রতি বর্গমিটারে ঘাস লাগানোর খরচ = ২.০০ টাকা ধরি, জমির ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা জমির ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৭৫ × ২০ অতএব, জমির ক্ষেত্রফল = ৭৫ × ১০ জমির ক্ষেত্রফল = ৭৫০ বর্গমিটার সুতরাং, মোট খরচ = ৭৫০ × ২.০০ টাকা উত্তর: ১৫০০ টাকা
a ২৮ টাকা
b ৩০ টাকা
c ৩২ টাকা
d ৩৪ টাকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ২৫ টাকায় বিক্রয় করলে যে ক্ষতি হয় ৩৫ টাকায় বিক্রয় করলে ঠিক তত লাভ হয় ধরি, কলমটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ক্ষতি = (ক − ২৫) টাকা লাভ = (৩৫ − ক) টাকা সুতরাং, প্রশ্নমতে, ক − ২৫ = ৩৫ − ক বা, ক + ক = ৩৫ + ২৫ বা, ২ক = ৬০ উত্তর: ক = ৩০ টাকা
a ১৪ টাকা
b ১৬ টাকা
c ২০ টাকা
d ২৪ টাকা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট মূলধন = ২৮০ টাকা মোট লাভ = ৫৬ টাকা ধরি, ক এর মূলধন = ক টাকা খ এর মূলধন = ক টাকা অতএব, গ এর মূলধন = ক − ২০ টাকা ক + খ + গ এর মোট মূলধন = ক + ক + ক − ২০ টাকা সুতরাং, ৩ক − ২০ = ২৮০ টাকা ৩ক = ৩০০ টাকা অতএব, ক এর মূলধন = ১০০ টাকা খ এর মূলধন = ১০০ টাকা সুতরাং, গ এর মূলধন = ১০০ − ২০ = ৮০ টাকা মূলধনের অনুপাত = ১০০ : ১০০ : ৮০ = ৫ : ৫ : ৪ অতএব, গ এর লভ্যাংশ = ৫৬ × (৪ ÷ ১৪) টাকা উত্তর: ১৬ টাকা
a ১১টি
b ৮টি
c ১০টি
d ৯টি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০টি প্রদত্ত তথ্য: সীমা হলো ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত সংখ্যা ধরি, মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১ থেকে ৩০ এর মধ্যে থাকা সংখ্যা, যা ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয় অতএব, ১ থেকে ১০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭ ১১ থেকে ২০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১১, ১৩, ১৭, ১৯ সুতরাং, ২১ থেকে ৩০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২৩, ২৯ উত্তর: মোট মৌলিক সংখ্যার পরিমাণ হলো ১০টি
a ৭, ১১, ১৩
b ১১, ৭, ১৩
c ১১, ১৩, ৭
d ৭, ১৩, ১১
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১১, ১৩, ৭ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি পরপর মৌলিক সংখ্যা দেওয়া আছে প্রথম দুইটির গুণফল একানব্বই এবং শেষ দুইটির গুণফল একশো তেইশ ধরি, মৌলিক সংখ্যা তিনটি ক, খ এবং গ অতএব, প্রথম শর্ত অনুযায়ী ক গুণ খ সমান একানব্বই দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী খ গুণ গ সমান একশো তেইশ সুতরাং, একানব্বই এর উৎপাদকগুলো হলো সাত এবং তেরো একশো তেইশ এর উৎপাদকগুলো হলো তেরো এবং এগারো উত্তর: সংখ্যা তিনটি এগারো, তেরো এবং সাত
a 6.4
b 0.64
c 0.00064
d 0.064
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০০০৬৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ০.৪ দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০২ তৃতীয় সংখ্যা = ০.০৮ ধরি, সংখ্যা তিনটির গুণফল নির্ণয় করতে হবে অতএব, ৪ এবং ২ গুণ করলে হয় ৮ ৮ এবং ৮ গুণ করলে হয় ৬৪ সুতরাং, দশমিকের পর মোট অঙ্ক আছে এক যোগ দুই যোগ দুই অর্থাৎ পাঁচটি উত্তর: ০.০০০০৬৪ ভুল, সঠিক উত্তর হবে ০.০০০৬৪
a 36 ব. মি.
b 42 ব. মি.
c 48 ব. মি.
d 50 ব. মি.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৮ ব. মি. প্রদত্ত তথ্য: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি = ১৬ মি. অপর দুটি সমান বাহুর প্রতিটি = ১০ মি. ধরি, সমান সমান বাহু দুটি এ = ১০ মি. ভূমির দৈর্ঘ্য বি = ১৬ মি. অতএব, সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো, (বি ÷ ৪) × √(৪ × এ × এ − বি × বি) সুতরাং, (১৬ ÷ ৪) × √(৪ × ১০ × ১০ − ১৬ × ১৬) = ৪ × √(৪০০ − ২৫৬) উত্তর: ৪ × √১৪৪ = ৪ × ১২ = ৪৮ ব. মি.
a ৫০ পয়সা ৮০, ২৫ পয়সা ২০
b ৫০ পয়সা ৭০, ২৫ পয়সা ৩০
c ৫০ পয়সা ৭৫, ২৫ পয়সা ২৫
d ৫০ পয়সা ৭৭, ২৫ পয়সা ৭৩
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০ পয়সা ৮০, ২৫ পয়সা ২০ প্রদত্ত তথ্য: মুদ্রার মোট সংখ্যা = ১০০টি মোট টাকার পরিমাণ = ৪৫ টাকা বা ৪৫০৫ পয়সা ধরি, ৫০ পয়সার মুদ্রার সংখ্যা = ক টি ২৫ পয়সার মুদ্রার সংখ্যা = (১০০ − ক) টি অতএব, ৫০ পয়সার মোট মান = ৫০ × ক পয়সা ২৫ পয়সার মোট মান = ২৫ × (১০০ − ক) পয়সা সুতরাং, ৫০ক + ২৫০০ − ২৫ক = ৪৫০০ ২৫ক = ২০০০ উত্তর: ক = ৮০ টি (৫০ পয়সা) এবং ২৫ পয়সার মুদ্রা = ২০ টি
a 0.02
b 0.03
c 0.04
d 0.05
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম মূলধন = ৩০০ টাকা এবং সময় = ৪ বছর দ্বিতীয় মূলধন = ৫০০ টাকা এবং সময় = ৫ বছর ধরি, শতকরা বার্ষিক সুদের হার = র অতএব, প্রথম ক্ষেত্রে সুদ = ৩০০ × ৪ × র ÷ ১০০ = ১২র টাকা দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সুদ = ৫০০ × ৫ × র ÷ ১০০ = ২৫র টাকা সুতরাং, প্রশ্নমতে, ১২র + ২৫র = ১৪৮ উত্তর: ৩৭র = ১৪৮, অর্থাৎ র = ৪ ÷ ১০০ = ০.০৪
a 8
b 9
c 16
d 25
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ প্রদত্ত তথ্য: x + y = ২ x^২ + y^২ = ৪ ধরি, প্রদত্ত রাশির মান নির্ণয় করতে হবে এখানে x^৩ + y^৩ এর সূত্র প্রয়োগ করতে হবে অতএব, (x + y)^৩ = x^৩ + y^৩ + ৩xy(x + y) প্রথমে xy এর মান বের করতে হবে সুতরাং, (x + y)^২ = x^২ + y^২ + ২xy মান বসিয়ে পাই, ৪ = ৪ + ২xy সুতরাং xy = ০ উত্তর: x^৩ + y^৩ = (x + y)(x^২ − xy + y^২) মান বসিয়ে পাই, ২ × (৪ − ০) = ৮
a -1
b 0
c 1
d 2
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x² − ৪x + ৩ = ০ ধরি, x² − ৪x + ৩ = ০ x² − ৪x = −৩ অতএব, সমীকরণের উভয় পক্ষে ১ যোগ করে পাই x² − ৪x + ৪ = −৩ + ৪ সুতরাং, বামপক্ষকে সূত্র অনুযায়ী সাজিয়ে পাই (x − ২)² = ১ উত্তর: ১
a ০.২৬ কি.মি.
b ২ কি.মি.
c ৩.৭৫ কি.মি.
d ৪ কি.মি.
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩.৭৫ কি.মি. প্রদত্ত তথ্য: যাওয়ার বেগ = প্রতি ঘণ্টায় ৫ কিমি আসার বেগ = প্রতি ঘণ্টায় ৩ কিমি ধরি, নির্দিষ্ট দূরত্ব = ১৫ কিমি অতএব, যেতে সময় লাগে = ১৫ ÷ ৫ = ৩ ঘণ্টা আসতে সময় লাগে = ১৫ ÷ ৩ = ৫ ঘণ্টা মোট দূরত্ব = ১৫ + ১৫ = ৩০ কিমি সুতরাং, মোট সময় লাগে = ৩ + ৫ = ৮ ঘণ্টা উত্তর: ৩০ ÷ ৮ = ৩.৭৫ কি.মি.
a ২৫ টাকা
b ১২ টাকা
c ১৫ টাকা
d ২২ টাকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২২ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১ ডজন বা ১২টি আমের ক্রয়মূল্য = ৬০ টাকা ১০% লাভে বিক্রয়মূল্য বের করতে হবে ধরি, ১ ডজন আমের ক্রয়মূল্য = ৬০ টাকা ১০% লাভে মোট বিক্রয়মূল্য = ৬০ + (৬০ এর ১০%) = ৬০ + ৬ = ৬৬ টাকা অতএব, ১২টি আমের বিক্রয়মূল্য = ৬৬ টাকা ১টি আমের বিক্রয়মূল্য = ৬৬ ÷ ১২ = ৫.৫০ টাকা সুতরাং, ১ হালি বা ৪টি আমের বিক্রয়মূল্য = ৫.৫০ × ৪ = ২২ টাকা উত্তর: ২২ টাকা
a 0.929
b 7.32
c 6.45
d 64.5
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.৪৫ প্রদত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার ১ বর্গ ইঞ্চি = ১ ইঞ্চি × ১ ইঞ্চি ধরি, ১ ইঞ্চির মান সেন্টিমিটারে রূপান্তরিত করে বর্গ করতে হবে অতএব, ২.৫৪ সেন্টিমিটার × ২.৫৪ সেন্টিমিটার হিসাব করতে হবে সুতরাং, ২.৫৪ কে ২.৫৪ দিয়ে গুণ করলে ৬.৪৫ পাওয়া যায় উত্তর: ৬.৪৫ বর্গ সেন্টিমিটার
a 7
b 8
c 9
d 10
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গ এবং তার সাথে সংখ্যাটির যোগফল পরবর্তী স্বাভাবিক সংখ্যার নয় গুণের সমান ধরি, অজানা স্বাভাবিক সংখ্যাটি = ক পরবর্তী স্বাভাবিক সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, সংখ্যাটির বর্গ = ক × ক সংখ্যাটির বর্গ ও সংখ্যার যোগফল = (ক × ক) + ক পরবর্তী স্বাভাবিক সংখ্যার নয় গুণ = ৯ × (ক + ১) সুতরাং, (ক × ক) + ক = ৯ক + ৯ ক × ক − ৮ক − ৯ = ০ উত্তর: (ক − ৯) × (ক + ১) = ০, অর্থাৎ সংখ্যাটি ৯

মোট প্রশ্ন (20)

a বঙ্গবন্ধু জাদুঘর
b বিজয় কেতন জাদুঘর
c বীরশ্রেষ্ঠ জাদুঘর
d ঢাকা সেনানিবাস জাদুঘর
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিজয় কেতন জাদুঘর কেন সঠিক: - ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এই জাদুঘরে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিভিন্ন দলিল ও স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষিত রয়েছে। - এটি বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাস এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন প্রদর্শন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু জাদুঘর — এটি ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক বাসভবন, যা সেনানিবাসে নয়। B) বিজয় কেতন জাদুঘর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) বীরশ্রেষ্ঠ জাদুঘর — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্ব প্রদর্শনকারী বীরশ্রেষ্ঠদের স্মরণে নির্মিত জাদুঘর, আগরতলা মামলার জন্য নয়। D) ঢাকা সেনানিবাস জাদুঘর — এটি সামগ্রিক সামরিক ইতিহাস ও ঐতিহ্যের জাদুঘর, নির্দিষ্টভাবে আগরতলা মামলার স্মৃতিবিজড়িত নয়। মনে রাখার টিপস: আগরতলা মামলার স্মৃতিবিজড়িত জাদুঘর বললেই মাথায় রাখবে বিজয় কেতন।
a ১৩ জন
b ১২ জন
c ৯ জন
d ১৫ জন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩ জন কেন সঠিক: - স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ আইন অনুযায়ী ১ জন চেয়ারম্যান, ৯ জন সাধারণ সদস্য এবং ৩ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়। - মোট সদস্য সংখ্যা ১ + ৯ + ৩ = ১৩ জন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩ জন — এটি স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের সঠিক মোট সদস্য সংখ্যা। B) ১২ জন — এটি ভুল কারণ এতে একজন সদস্যের সংখ্যা কম হিসাব করা হয়েছে। সি) ৯ জন — এটি শুধুমাত্র সাধারণ ওয়ার্ডের সদস্য সংখ্যা, পুরো পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা নয়। ডি) ১৫ জন — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মনে রাখতে হিসাবটি করুন: ১ জন চেয়ারম্যান + ৯ জন সাধারণ সদস্য + ৩ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য = মোট ১৩ জন।
a ৫১৩৮ কি.মি.
b ৫১৪০ কি.মি.
c ৫১৪৪ কি.মি.
d ৫১৫০ কি.মি.
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫১৩৮ কি.মি. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য প্রায় ৫১৩৮ কিলোমিটার। - এর মধ্যে ভারতের সাথে সীমান্ত ৪১৫৬ কি.মি. এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত ২৭১ কি.মি. ও সমুদ্রসীমা অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫১৩৮ কি.মি. — এটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত এবং মিয়ানমারের সীমান্ত মিলিয়ে মোট নির্ধারিত সঠিক সীমান্ত দৈর্ঘ্য। B) ৫১৪০ কি.মি. — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের সঠিক সীমান্ত দৈর্ঘ্যের সাথে মেলে না এবং এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক মান। C) ৫১৪৪ কি.মি. — এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা সরকারিভাবে স্বীকৃত বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য নয়। D) ৫১৫০ কি.মি. — এটি অনুমানভিত্তিক ভুল তথ্য এবং সরকারি দাপ্তরিক দূরত্বের সাথে এর মিল নেই। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ সীমান্ত মনে রাখতে ৫১৩৮ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যেখানে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত যুক্ত আছে।
a তানভীর কবির
b সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
c হামিদুর রহমান
d মঈনুল হোসেন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) তানভীর কবির কেন সঠিক: - মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক মুজিবনগর স্মৃতিসৌদের মূল স্থপতি তানভীর কবির। - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার এই স্থানে শপথ গ্রহণ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তানভীর কবির — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি মুজিবনগর স্মৃতিসৌদের নকশা তৈরি করেছিলেন। B) সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার ভাস্কর, মুজিবনগর স্মৃতিসৌদের স্থপতি নন। C) হামিদুর রহমান — তিনি সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌদের মূল স্থপতি, তাই এই অপশন ভুল। D) মঈনুল হোসেন — তিনি জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি, মুজিবনগর স্মৃতিসৌদের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগরে গিয়ে তানভীর কবিরের তৈরি স্মৃতিসৌধের নকশা দেখে আসব।
a থেরেসা মে
b ও এজেলা মার্কেল
c শেখ হাসিনা
d হিলারি ক্লিনটন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেখ হাসিনা কেন সঠিক: - পরিবেশ সুরক্ষায় অসাধারণ অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসনাকে ২০১৫ সালে জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ প্রদান করা হয়। - জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও নীতি নির্ধারণী ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ এই আন্তর্জাতিক সম্মাননা দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থেরেসা মে — তিনি যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং এই পরিবেশগত পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। B) ও এজেলা মার্কেল — তিনি জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর এবং রাজনৈতিক নেতা হলেও এই খেতাব পাননি। C) শেখ হাসিনা — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) হিলারি ক্লিনটন — তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এই নির্দিষ্ট পুরস্কারের প্রাপক নন। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় চ্যাম্পিয়ন হলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যিনি ২০১৫ সালে এই খেতাব পান।
a লন্ডন
b নিউইয়র্ক
c প্যারিস
d ভিয়েনা
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লন্ডন কেন সঠিক: - অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। - এই সংস্থার আন্তর্জাতিক সচিবালয় বা প্রধান কার্যালয় যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়। C) প্যারিস — এটি ইউনেস্কোর সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত, এই সংস্থার নয়। D) ভিয়েনা — এটি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার সদর দপ্তর, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়। মনে রাখার টিপস: লন্ডনে মানুষ মানবাধিকার রক্ষা করতে যায়, তাই অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর লন্ডনে অবস্থিত।
a ব্ন্রনাই
b ভুটান
c মায়ানমার
d থাইল্যান্ড
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) থাইল্যান্ড কেন সঠিক: - থাইল্যান্ডের ঐতিহাসিক প্রাচীন নাম ছিল শ্যামদেশ বা সিয়াম। - ১৯৩৯ সালের এক ডিক্রির মাধ্যমে এই দেশের নাম পরিবর্তন করে থাইল্যান্ড রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রুনাই — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি স্বাধীন সুলতানি রাষ্ট্র, যার ঐতিহাসিক নাম শ্যামদেশ ছিল না। B) ভুটান — এটি হিমালয়ের কোলে অবস্থিত একটি দেশ, যা স্থানীয়ভাবে ড্রুক ইউল নামে পরিচিত। C) মায়ানমার — এই দেশের পূর্বের ঐতিহাসিক নাম ছিল বার্মা, শ্যামদেশ নয়। D) থাইল্যান্ড — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: শ্যামদেশ ও থাইল্যান্ড নামের মিল মনে রাখতে থাই শব্দের সাথে সিয়াম বা শ্যাম শব্দটি মনে রাখতে পারো।
a উহান
b উনবেন
c সাংহাই
d হুবেই
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) হুবেই কেন সঠিক: - ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ শনাক্ত করা হয়। - হুবেই হলো চীনের একটি জনবহুল প্রদেশ এবং উহান শহরটি এই হুবেই প্রদেশেরই অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উহান — এটি হুবেই প্রদেশের একটি শহর, প্রদেশ নয়। B) উনবেন — এটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো পরিচিত প্রদেশ বা স্থান নয়। C) সাংহাই — এটি চীনের একটি প্রধান স্বায়ত্তশাসিত পৌরসভা, যেখানে এই ভাইরাসের উৎপত্তি হয়নি। D) হুবেই — এটি সেই নির্দিষ্ট প্রদেশ যেখানে প্রথম করোনা ভাইরাস দেখা গিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: প্রদেশ বললে হবে হুবেই আর শহর বললে হবে উহান।
a আবি আহমেদ
b বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি
c নাদিয়া মুরাদ ও ডেনিস মুকওয়েজি
d লিবিয়ান ন্যাশনাল কোয়ালিশন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি কেন সঠিক: - ক্ষুধা নিবারণ, সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তির পরিবেশ সৃষ্টি এবং খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য ২০২০ সালে এই সংস্থাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়। - বিশ্বব্যাপী মানবিক সহায়তা প্রদানে জাতিসংঘের এই সংস্থাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবি আহমেদ — ইথিওপিয়ার এই প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ইরিথ্রিয়ার সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ নিরসনে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। B) বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি — এটি ২০২০ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) নাদিয়া মুরাদ ও ডেনিস মুকওয়েজি — যৌন সহিংসতাকে যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ২০১৮ সালে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। D) লিবিয়ান ন্যাশনাল কোয়ালিশন — এটি লিবিয়ার একটি রাজনৈতিক জোট, যা কোনো নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেনি। মনে রাখার টিপস: খাদ্য ও শান্তির সম্পর্ক বোঝাতে মনে রাখবে ২০২০ সালে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বা ডব্লিউএফপি শান্তিতে নোবেল পেয়েছিল।
a ভারত
b রুয়ান্ডা
c যুক্তরাষ্ট্র
d বাংলাদেশ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রুয়ান্ডা কেন সঠিক: - কভিড মহামারিজনিত কারণে দুই বছর স্থগিত থাকার পর ২০২২ সালের জুন মাসে রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে ২৬তম কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। - যদিও সম্মেলনটি ২০২০ সালে নির্ধারিত ছিল, তবে মহামারির কারণে এটি স্থগিত হয়ে ২০২২ সালে রুয়ান্ডায় অনুষ্ঠিত হয় এবং এটিকে ২০২১ সালের ২৬তম শীর্ষ সম্মেলন হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত কমনওয়েলথভুক্ত দেশ হলেও এই নির্দিষ্ট ২৬তম শীর্ষ সম্মেলনটি এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। B) রুয়ান্ডা — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে এই সম্মেলন সফলভাবে আয়োজিত হয়েছিল। সি) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র কমনওয়েলথ অব নেশনস সংস্থার কোনো সদস্য রাষ্ট্র নয়, তাই এখানে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। D) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ কমনওয়েলথ সদস্য হলেও ২৬তম শীর্ষ সম্মেলনটি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে ২৬তম কমনওয়েলথ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
a BIMSTEC
b CICA
c IORA
d SAARC
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) BIMSTEC কেন সঠিক: - বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টোরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন বা বিমসটেক এর স্থায়ী সচিবালয় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। - ২০১৪ সালের জুন মাসে ঢাকায় এই আঞ্চলিক সংস্থার সচিবালয় আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) BIMSTEC — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রাসঙ্গিক নয়, কারণ এর সচিবালয় ঢাকাতেই অবস্থিত। B) CICA — কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স ইন এশিয়ার সচিবালয় কাজাজাখস্তানের আস্তানায় অবস্থিত। C) IORA — ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশনের সচিবালয় মরিশাসের এবেনে অবস্থিত। D) SAARC — সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কোঅপারেশনের স্থায়ী সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বিমসটেক নামের শুরুতেই দক্ষিণ এশিয়া ও বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের কথা ভাবলে মনে রাখা সহজ যে এর সদর দপ্তর আমাদের ঢাকাতেই অবস্থিত।
a গোবিন্দ হালদার
b দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
c আব্দুল গাফফার চৌধুরী
d আপেল মাহমুদ
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গোবিন্দ হালদার কেন সঠিক: - 'একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি' গানটির মূল গীতিকার গোবিন্দ হালদার। - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে গানটি প্রচারিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবিন্দ হালদার — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই ঐতিহাসিক গানটির রচিয়তা। B) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — তিনি একজন বিখ্যাত নাট্যকার ও সুরকার হলেও এই আধুনিক মুক্তিযুদ্ধের গানের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) আব্দুল গাফফার চৌধুরী — তিনি বিখ্যাত 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো' গানের রচিয়তা, এই গানের নন। D) আপেল মাহমুদ — তিনি এই গানটির অন্যতম জনপ্রিয় সুরকার ও শিল্পী, তবে গীতিকার নন। মনে রাখার টিপস: ফুল চাষের মতো গোবিন্দ হালদার সুন্দর কথার ফুলঝুরি দিয়ে এই যুদ্ধের গানটি লিখেছেন।
a ২৫ ঘণ্টা
b ২৮ ঘণ্টা
c ২৫ বছর
d ২৫ দিন
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫ দিন কেন সঠিক: - সূর্য একটি গ্যাসীয় গোলক হওয়ায় এর সব অংশ একই গতিতে ঘোরে না। নিরক্ষীয় অঞ্চলে নিজ অক্ষের ওপর একবার আবর্তন করতে সূর্যের প্রায় পঁচিশ দিন সময় লাগে। - মেরু অঞ্চলে এই আবর্তনের গতি আরও ধীর হয় এবং প্রায় পঁয়ত্রিশ দিন সময় নেয়, তবে সাধারণ পরীক্ষায় নিরক্ষীয় অঞ্চলের পঁচিশ দিনকেই সঠিক ধরা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৫ ঘণ্টা — পৃথিবীর নিজ অক্ষের ওপর একবার আবর্তনে প্রায় চব্বিশ বা পঁচিশ ঘণ্টা লাগে, সূর্যের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। B) ২৮ ঘণ্টা — এটি সূর্যের আবর্তনকাল নয়, বরং এটি ভুল তথ্য হিসেবে অপশনে দেওয়া হয়েছে। সি) ২৫ বছর — সূর্যের নিজ অক্ষের ওপর আবর্তন করতে কয়েক সপ্তাহ বা দিন লাগে, বছর লাগে না। ডি) ২৫ দিন — এটি সূর্যের নিরক্ষীয় অঞ্চলের নিজ অক্ষের ওপর আবর্তনের সঠিক সময়কাল। মনে রাখার টিপস: সূর্যের দিন মনে রাখুন পঁচিশ সংখ্যা দিয়ে, কারণ পৃথিবীর দিন হয় চব্বিশ ঘণ্টায় আর সূর্যের দিন মানে পঁচিশ দিনে।
a বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
b শহীদুল্লা কায়সার
c আনোয়ার পাশা
d মুনীর চৌধুরী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী ও আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - ১৯৫২ সালে চীন সফরের অভিজ্ঞতা এবং তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থার চিত্র এই বইটিতে তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বইটি তাঁরই রচিত। B) শহীদুল্লা কায়সার — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। C) আনোয়ার পাশা — তিনি একজন বুদ্ধিজীবী ও সাহিত্যিক ছিলেন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস নদী ও নারী। D) মুনীর চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও নাট্যকার ছিলেন, যাঁর বিখ্যাত নাটক কবর। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর চীন সফর এবং নয়া চীন দেখলে মনে রাখবে তাঁর লেখা বই আমার দেখা নয়া চীন।
a সীসা
b পারদ
c ক্যালসিয়াম
d লিথিয়াম
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারদ কেন সঠিক: - পারদ হলো একমাত্র মৌলিক ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। - এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত কম হওয়ার কারণে স্বাভাবিক তাপমাত্রাতেই এটি তরল থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সীসা — এটি একটি কঠিন ভারী ধাতু এবং এর গলনাঙ্ক অনেক বেশি। B) পারদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ক্যালসিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। D) লিথিয়াম — এটি সবচেয়ে হালকা ধাতু হলেও সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। মনে রাখার টিপস: তাপমাত্রার পারদ সবসময় তরল থাকে, এই কথাটি মনে রাখলে ধাতু হিসেবে পারদের তরল অবস্থা সহজে মনে থাকবে।
a সোনাদিয়া
b ভোলা
c সেন্টমার্টিন
d হাতিয়া
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভোলা প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি এবং ভূগোল ও পরিবেশ কেন সঠিক: - ভোলা বাংলাদেশের আয়তনে সবচেয়ে বড় দ্বীপ এবং এটি মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি পূর্ণাঙ্গ জেলা। - এই দ্বীপটির আয়তন প্রায় ৩,৪০৩ বর্গকিলোমিটার এবং এর চতুষ্পার্শে নদী ও সাগরের সংযোগ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনাদিয়া — এটি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার অন্তর্গত একটি ছোট দ্বীপ, যা জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ও প্রবাল দ্বীপ হিসেবে পরিচিত হলেও আকারে ভোলা থেকে অনেক ছোট। B) ভোলা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ ও জেলা। C) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র আয়তনের দ্বীপ। D) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত একটি বড় দ্বীপ ও উপজেলা হলেও আয়তনের দিক থেকে ভোলার চেয়ে অনেক ছোট। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের বড় দ্বীপ মনে রাখতে ভোলা নামটি মাথায় রাখুন, কারণ এটি একই সাথে বৃহত্তম দ্বীপ ও একটি পূর্ণাঙ্গ জেলা।
a অ্যালুমিনিয়াম
b জিংক
c মার্কারি
d কপার
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ্যালুমিনিয়াম কেন সঠিক: - আধুনিক আয়নায় রূপার পরিবর্তে সস্তা এবং সহজলভ্য হওয়ায় অ্যালুমিনিয়ামের প্রলেপ ব্যবহার করা হয়। - অ্যালুমিনিয়াম কাচের পেছনে পাতলা আস্তরণ তৈরি করে আলো প্রতিফলিত করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ্যালুমিনিয়াম — এটি বর্তমানে আয়নার পেছনে প্রতিফলক হিসেবে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। B) জিংক — এটি সাধারণত গ্যালভানাইজিং বা লোহাকে মরিচা থেকে বাঁচাতে ব্যবহৃত হয়, আয়নার পেছনে ব্যবহৃত হয় না। C) মার্কারি — অতীতে পারদ বা মার্কারি ব্যবহার করা হলেও এর বিষাক্ততার কারণে বর্তমানে এটি ব্যবহৃত হয় না। D) কপার — এটি তড়িৎ পরিবাহী এবং মুদ্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, আয়নার প্রতিফলক প্রলেপে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: আধুনিক আয়নায় সাশ্রয়ী ও নিরাপদ উপাদান হিসেবে অ্যালুমিনিয়ামের প্রলেপ দেওয়া হয়।
a রাষ্ট্রপতি
b প্রধানমন্ত্রী
c অর্থমন্ত্রী
d বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রধানমন্ত্রী কেন সঠিক: - ECNEC বা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভাপতি হলেন সরকার প্রধান বা প্রধানমন্ত্রী। - দেশের সকল বড় উন্নয়ন প্রকল্প ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় এই কমিটি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাষ্ট্রপতি — রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হলেও তিনি ECNEC-এর সভাপতি নন। B) প্রধানমন্ত্রী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) অর্থমন্ত্রী — অর্থমন্ত্রী এই কমিটির বিকল্প সভাপতি বা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, প্রধান সভাপতি নন। D) বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর — গভর্নর দেশের মুদ্রাবাজারের নিয়ন্ত্রক হলেও ECNEC-এর সভাপতি নন। মনে রাখার টিপস: উন্নয়ন কাজের প্রধান নির্বাহী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সবসময় ECNEC-এর সভাপতিত্ব করেন।
a হেগ
b প্যারিস
c জেনেভা
d আমস্টারডাম
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হেগ কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক আদালত বা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ। - এই আদালতের সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত পিস প্যালেসে স্থাপিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেগ — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের সঠিক সদর দপ্তর এবং নেদারল্যান্ডসের একটি প্রধান শহর। B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর মতো সংস্থার সদর দপ্তর, আন্তর্জাতিক আদালত এখানে নয়। C) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও-এর সদর দপ্তর, আন্তর্জাতিক আদালত এখানে নয়। D) আমস্টারডাম — এটি নেদারল্যান্ডসের রাজধানী হলেও আন্তর্জাতিক আদালতের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক আদালত মানেই নেদারল্যান্ডসের হেগ শহর।
a আমস্টারডাম
b অকল্যান্ড
c ওয়েলিংটন
d ম্যানিলা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ওয়েলিংটন কেন সঠিক: - ওয়েলিংটন হলো ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ নিউজিল্যান্ডের রাজনৈতিক রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র। - এটি বিশ্বের সবচেয়ে দক্ষিণতম রাজধানী শহর এবং কুক প্রণালীর তীরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমস্টারডাম — এটি ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডসের রাজধানী, তাই এটি নিউজিল্যান্ডের রাজধানী নয়। B) অকল্যান্ড — এটি নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে বড় ও জনবহুল শহর এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র, কিন্তু রাজধানী নয়। D) ম্যানিলা — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ফিলিপাইনের রাজধানী, যা নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: নিউজিল্যান্ডের রাজধানী হলো ওয়েলিংটন, আর অকল্যান্ড হলো সবচেয়ে বড় শহর।