সঠিক উত্তর: C) ম্রো
১. কেন সঠিক:
- রেংমিটা হলো পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী ম্রো ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাতৃভাষা বা গোত্রীয় ভাষা।
- ম্রো জনগোষ্ঠী তাদের নিজেদের ভাষাকে রেংমিটা বা ম্রো নামে অভিহিত করে থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও তাদের মাতৃভাষা বিষয়ক প্রশ্নটি নৃতাত্ত্বিক ও ভাষাতাত্ত্বিক তথ্যের অন্তর্ভুক্ত।
- ম্রোরা মূলত বান্দরবান জেলায় বসবাস করে এবং এদের নিজস্ব কৃষ্টি ও ভাষা রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাকমা জনগোষ্ঠীর ভাষা হলো চাংমা বা চাকমা ভাষা।
ব্যাখ্যা: চাকমা সম্প্রদায়ের মানুষ এই ভাষায় নিজেদের মধ্যে কথা বলে।
উদাহরণ ২: মারমা জনগোষ্ঠীর মানুষের মাতৃভাষা হলো মারমা ভাষা।
ব্যাখ্যা: মারমা সম্প্রদায়ের নিজস্ব বর্ণমালা ও ভাষা রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাক — চাক সম্প্রদায়ের নিজস্ব ভাষা রয়েছে যা রেংমিটা ভাষা থেকে আলাদা।
B) হাজং — হাজং জনগোষ্ঠীর মানুষের ভাষা মূলত হাজং ভাষা, যা ইন্দো-আর্য ভাষাবংশের অন্তর্ভুক্ত।
C) ম্রো — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) খাসিয়া — খাসিয়া জনগোষ্ঠীর মাতৃভাষা হলো খাসি ভাষা, যা অস্ট্রো-এশীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ম্রো জনগোষ্ঠীর ভাষার নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ম্রো মানেই রেংমিটা ভাষা।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও গোত্রগুলোর নাম ছক তৈরি করে পড়লে সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও তাদের বসবাস সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা ও ম্রো ভাষার নাম ও তাদের ভৌগোলিক অবস্থান ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত পঙ্ক্তি দুটি মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার একটি অংশ।
- কবির 'বীরাঙ্গনা কাব্যের' বা তার অন্যান্য রচনা কিংবা পত্রকাব্য ও সনেটের অন্তর্নিহিত মানবস্বভাবের গভীর পর্যবেক্ষণের সঙ্গে এই পঙ্ক্তিগুলোর ভাব মিলে যায়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- তার জন্ম ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি এবং মৃত্যু ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন।
- তার বিখ্যাত মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য এবং সনেট সংকলন চতুর্দশপদী কবিতাবলী বাংলা সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপোতাক্ষ নদ কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত সনেট যেখানে তার প্রবাসজীবনের দেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: বঙ্গভাষা কবিতা
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবি মাতৃভাষার প্রতি অবহেলার গ্লানি এবং নিজের ভুলের অনুশোচনা প্রকাশ করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লালন শাহ — লালন শাহ বা ফকির লালন সাঁই বাউল গানের জন্য বিখ্যাত এবং তিনি মরমি সাধক ছিলেন, এই পঙ্ক্তি তার নয়।
B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর এবং তার সাহিত্যকর্ম থেকেই এই অমর পঙ্ক্তিটি চয়ন করা হয়েছে।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও এই পঙ্ক্তিটি তার রচিত নয়।
D) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার 'সদ্ভাবশতক' কাব্যের রচয়িতা এবং তার বিখ্যাত পঙ্ক্তি হলো 'ক্ষমা সেই পাবে যে সহে', তবে এটি তার নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গভীর জীবনদর্শন ও ধ্রুপদী ভাবসংবলিত এমন অনেক নৈতিক পঙ্ক্তি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সনেট ও পত্রকাব্যে পাওয়া যায়।
- কবি পরিচিতি ও তার বিখ্যাত কবিতার উদ্ধৃতিগুলো বারবার পড়ার মাধ্যমে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতার লাইন তুলে কবির নাম জানতে চাওয়া হয়।
- এ ধরনের প্রশ্ন কমন পেতে পাঠ্যবই ও বিভিন্ন সনেটের বিখ্যাত চরণগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) দুর্বিষহ
১. কেন সঠিক:
ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে তৎসম শব্দে মূর্ধন্য 'ষ' যুক্ত হয় না, বরং দন্ত্য 'স' যুক্ত হয়।
তবে কিছু শব্দে এই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটে এবং স্বভাবতই বা বিশেষ নিয়মে মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহৃত হয়, 'দুর্বিষহ' শব্দটির ক্ষেত্রে এই নিয়মটি প্রযোজ্য হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত 'ই-কার' বা 'উ-কার' পূর্ববর্তী উপসর্গ এবং ক, খ, প, ফ বর্ণ থাকলে তার পরবর্তী 'স' মূর্ধন্য 'ষ' এ রূপান্তরিত হয় (যেমন: নি + পাপ = নিষ্পাপ)।
কিন্তু 'দুর্বিষহ' শব্দটি এই সাধারণ সন্ধির নিয়মে গঠিত নয়, বরং এটি বিশেষ বা স্বভাবগত নিয়মে গঠিত একটি শব্দ যেখানে ব্যতিক্রমে 'ষ' বসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যুধিষ্ঠির
ব্যাখ্যা: এটিও বিশেষ নিয়মে মূর্ধন্য 'ষ' যুক্ত হওয়ার একটি অন্যতম বহুল ব্যবহৃত ব্যাকরণিক উদাহরণ।
উদাহরণ ২: আবিষ্কার
ব্যাখ্যা: এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত শব্দ হলেও বানანরীতিতে 'ষ' ব্যবহারের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্বিষহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিশেষ নিয়মে 'ষ' যুক্ত হওয়ার প্রশ্নটির সঠিক চাহিদা পূরণ করে।
B) পরিষ্কার — এই শব্দটি পরি + কার মিলে গঠিত এবং এটি মূলত বিসর্গ সন্ধি বা সাধারণ নিয়মে মূর্ধন্য 'ষ' প্রাপ্ত শব্দের উদাহরণ।
C) অনুষ্ঠান — এই শব্দটি উৎ + স্থান যোগে গঠিত এবং এখানে 'স্হ' যুক্ত হয়ে ষত্ব বিধানের অন্য একটি নিয়ম অনুসরণ করে।
D) নিষ্পাপ — এই শব্দটি নিঃ + পাপ যোগে গঠিত এবং এটি মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহারের সাধারণ সন্ধি ও নিয়মভিত্তিক উদাহরণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিশেষ নিয়মে 'ষ' বা ষত্ব বিধানের ব্যতিক্রমী শব্দগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
দুর্বিষহ, যুধিষ্ঠির, ভাষা, পোষণ এই শব্দগুলো ব্যতিক্রমী হিসেবে আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ষত্ব বিধানের সাধারণ নিয়ম এবং ব্যতিক্রমী শব্দসমূহ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
নিয়ম মুখস্থ রাখার পাশাপাশি ব্যতিক্রমী শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করা চাকরিপ্রার্থীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) জন্মবার্ষিক
১. কেন সঠিক:
জন্মবার্ষিক শব্দটিতে কোনো অপপ্রয়োগ ঘটেনি কারণ জন্ম এবং বার্ষিক শব্দ দুটি মিলে সুন্দর ও অর্থপূর্ণ একটি যৌথ শব্দ তৈরি হয়েছে।
বার্ষিক শব্দের অর্থ যা প্রতি বছর বা বৎসরে একবার অনুষ্ঠিত হয়, তাই জন্মবার্ষিক বলতে বছরের নির্দিষ্ট জন্মতিথিকে বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি এবং শব্দের অপপ্রয়োগ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ প্রত্যয় বা সমাসের নিয়মে গঠিত হয়ে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে, আবার কিছু শব্দ অতিরিক্ত বা বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যোদয়
ব্যাখ্যা: সূর্য এবং উদয় মিলে গঠিত সঠিক শব্দ, এখানে কোনো অপপ্রয়োগ নেই।
উদাহরণ ২: শ্রদ্ধাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: শ্রদ্ধা এবং অঞ্জলি মিলে গঠিত শুদ্ধ শব্দ, যা প্রমিত বাংলায় সর্বজনগ্রাহ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অধীনস্থ — অধীন শব্দের সাথে স্থ প্রত্যয় যুক্ত করা বাহুল্য দোষে দুষ্ট, শুদ্ধ রূপ হবে অধীন বা অধীনস্থের পরিবর্তে আধিবার্ষিক ধরনের অপ্রাসঙ্গিক নয় বরং সঠিক রূপ হলো অধীন।
B) কার্যকরী — কার্যকার শব্দটির সাথে ই প্রত্যয় যুক্ত করে অপপ্রয়োগ করা হয়েছে, শুদ্ধ রূপ হবে কার্যকর।
C) ইদানিংকাল — ইদানিং শব্দের মধ্যেই কাল বা সময় অর্থ নিহিত রয়েছে, তাই এর সাথে অতিরিক্ত কাল যুক্ত করা বাহুল্য বা গুরুচণ্ডালী দোষ।
D) জন্মবার্ষিক — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সঠিক উত্তর হিসেবে আসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দে সময় বা কাল অতিরিক্ত বসে তার পুনরাবৃত্তি এড়াতে হবে যেমন ইদানিংকালের সাথে কাল যোগ করা ভুল।
জন্মবার্ষিক শব্দে কোনো অতিরিক্ত বা বাহুল্য দোষ না থাকায় এটি প্রমিত বাংলা অভিধান অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ এবং প্রত্যয়জনিত অপপ্রয়োগ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
শব্দের অর্থ ভালোভাবে জানলে এবং বাহুল্য শব্দ চেনার কৌশল আয়ত্ত করলে এই ধরনের ভুল খুব সহজেই এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) বিকল্প
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত '/' চিহ্নটিকে ব্যাকরণ ও প্রমিত লিখনরীতি অনুযায়ী বিকল্প চিহ্ন বলা হয়।
এটি সাধারণত দুটি শব্দের বা পদের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বিরামচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের মধ্যে বিকল্প চিহ্ন অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
বাক্যে বা শব্দে দুটি ভিন্ন পদের মধ্য থেকে একটিকে বেছে নিতে এই চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুমি চা/কফি খাবে?
ব্যাখ্যা: এখানে চা অথবা কফি যেকোনো একটি বোঝাতে বিকল্প চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সত্য/মিথ্যা নির্ণয় কর।
ব্যাখ্যা: এখানে বাক্যটি সত্য কিংবা মিথ্যা হতে পারে, তাই বিকল্প বোঝাতে চিহ্নটি ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিকল্প — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই চিহ্নটি দুটি বিষয়ের মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
B) ভ্যাস — এটি কোনো বাংলা বিরামচিহ্ন বা ব্যাকরণগত পরিভাষা নয়, তাই এটি ভুল।
C) দাঁড়ি — দাঁড়ি হলো বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশক চিহ্ন, যার রূপ হলো পূর্ণচ্ছেদ বা (।)।
D) হাইফেন — হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন হলো দুটি পদের সংযোগ সাধনের চিহ্ন, যার রূপ হলো (-)।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্ল্যাশ চিহ্নটি দেখলে মনে রাখবে এটি বা (অথবা) এর কাজ করে।
অর্থাৎ দুটি অপশনের মধ্য থেকে একটি বেছে নেওয়ার বিকল্প হিসেবে এটি বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরামচিহ্নের নাম ও তার সঠিক ব্যবহার প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
তাই বিভিন্ন চিহ্নের সঠিক নাম এবং তাদের কাজের ধরন ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) তুর্কি
১. কেন সঠিক:
- সওগাত একটি তুর্কি ভাষার শব্দ, যার অর্থ উপহার বা উপঢৌকন।
- বাংলা ভাষায় বহুকাল ধরে বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ মিশে আছে, যার মধ্যে তুর্কি শব্দ অন্যতম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- তুর্কি শব্দ মূলত প্রশাসনিক, সামরিক ও দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু বোঝাতে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোট
ব্যাখ্যা: কোট একটি তুর্কি ভাষার শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন পোশাক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: দারোগা
ব্যাখ্যা: দারোগা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি পেশাবাচক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফারসি — ফারসি শব্দ হলো এমন শব্দ যা পারস্য বা ইরান থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে যেমন চশমা ও কাগজ।
B) আরবি — আরবি শব্দ হলো ইসলাম ধর্ম ও সংস্কৃতি সংশ্লিষ্ট শব্দ যেমন আল্লাহ ও কোরআন।
D) হিন্দি — হিন্দি শব্দ হলো ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত শব্দ যেমন চাহিদা ও পেজাবি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তুর্কি শব্দ মনে রাখার শর্টকাট কৌশল হলো দারোগা, চাকর ও বাবুর্চি মিলে সওগাত বা উপহার নিয়ে কোট পরে কয়েদি দেখতে গেল।
- এই বাক্যের মাধ্যমে তুর্কি শব্দগুলো সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে তুর্কি ও পর্তুগিজ শব্দ খুব গুরুত্বপূর্ণ।
- শব্দগুলোর উৎস মুখস্থ না রেখে শ্রেণিবিন্যাস করে পড়লে দীর্ঘস্থায়ী হয়।
সঠিক উত্তর: A) পার্শ্বিক বর্ণ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখের ভেতরের জিভের দুপাশ বা পার্শ্ব দিয়ে বেরিয়ে যায় বলে 'ল' বর্ণটিকে পার্শ্বিক বর্ণ বলা হয়।
- ধ্বনিবিজ্ঞানের পরিভাষায় একে ল্যাটারাল কনসোনেন্ট বা পার্শ্বিক ধ্বনি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের অন্তর্ভুক্ত এই টপিকটি বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্ব আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
- বাংলা বর্ণমালায় 'ল' হলো একটি দন্ত্য ব্যঞ্জনবর্ণ এবং এর উচ্চারণস্থান হলো দন্তমূলীয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লবণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দের শুরুতে 'ল' পার্শ্বিক বর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সঠিক উচ্চারণরীতি প্রমিত বাংলায় অনুসৃত হয়।
উদাহরণ ২: লালন
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে দুটি 'ল' পার্শ্বিক বর্ণ রয়েছে যা উচ্চারণের সময় জিভের দুই পাশ দিয়ে বাতাস বের হওয়ার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পার্শ্বিক বর্ণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ জিভের দুপাশ দিয়ে বাতাস নির্গত হয়ে এই বর্ণটি উচ্চারিত হয়।
B) উষ্ম বর্ণ — শ, ষ, স এবং হ বর্ণগুলোকে উষ্ম বর্ণ বলা হয় কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় মুখে শীৎকার বা উষ্মধ্বনির সৃষ্টি হয়।
C) নাসিক্য বর্ণ — ঙ, ঞ, ণ, ন এবং ম বর্ণগুলোকে নাসিক্য বর্ণ বলা হয় কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় বাতাস নাক দিয়ে বেশি বের হয়।
D) স্পর্শ বর্ণ — ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি বর্ণকে স্পর্শ বা স্পৃষ্ট বর্ণ বলা হয় যা ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখের বিভিন্ন স্থানে বাধা পেয়ে উচ্চারিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পার্শ্বিক শব্দের অর্থ পাশের দিক, তাই জিভের পাশ দিয়ে উচ্চারিত হয় বলে 'ল' হলো পার্শ্বিক বর্ণ।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে, ল তে ল্যাটারাল এবং ল তে ল বর্ণটি পার্শ্বিক ধ্বনি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নির্দিষ্ট কোনো বর্ণের নাম জানতে চাওয়া হয়, তাই ব্যঞ্জনবর্ণের শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে পড়তে হবে।
- একই রকমভাবে অন্তঃস্থ বর্ণ এবং উষ্ম বর্ণগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে সহজে উত্তর করা সম্ভব হবে।
সঠিক উত্তর: B) ফয়েজ আহমদ
১. কেন সঠিক:
- 'সত্যবাবু মারা গেছেন' শীর্ষক শিশুতোষ গ্রন্থটির প্রণেতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক ফয়েজ আহমদ।
- এই সাহিত্যকর্মটি তার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মননশীল কিশোর সাহিত্য বা গল্পগ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ফয়েজ আহমদ বাংলাদেশের একজন প্রগতিশীল লেখক, সাংবাদিক ও শিশুসাহিত্যিক যিনি মূলত কিশোর উপযোগী রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- তার সাহিত্যকর্মে সমাজসচেতনতা, মানবপ্রেম এবং শিশু মনের মনস্তত্ত্ব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফয়েজ আহমদের লেখা শিশুসাহিত্য 'দ্বিপ্রহরের গান'।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম যা তার বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: ফয়েজ আহমদের আরেকটি বিখ্যাত কিশোর উপন্যাস 'টুনটুনির গান'।
ব্যাখ্যা: এই রচনাটি বাংলা কিশোর সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে এবং শিশুদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুকুমার রায় — ইনি বাংলা ননসেন্স ভার্স বা কৌতুকরসের কবিতার প্রবাত্ত হলেও এই বইটির রচয়িতা নন।
B) ফয়েজ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক এবং বইটির রচয়িতা হিসেবে তিনি পরীক্ষিত।
C) বিপ্রদাশ বড়ুয়া — ইনি একজন বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন।
D) হুমায়ূন আহমেদ — আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয় এই লেখক অনেক গ্রন্থ লিখলেও 'সত্যবাবু মারা গেছেন' তার সৃষ্টি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সত্যবাবু মারা গেছেন বইটি ফয়েজ আহমদের লেখা এটি মনে রাখতে ফয়েজের কিশোর সাহিত্যের কথা স্মরণ করতে পারো।
- লেখকের নামের সাথে বইটির নামের একটি ছন্দ মিলিয়ে এই তথ্যটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত লেখকদের কম পরিচিত শিশুসাহিত্য বা কিশোর গ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই আসে।
- মূল ধারার উপন্যাসের পাশাপাশি লেখকদের ছোটগল্প ও কিশোর সাহিত্যগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ম্যানুয়েল আসুম্পসাঁউ
১. কেন সঠিক:
- ম্যানুয়েল আসুম্পসাঁউ ১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ ভাষায় বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দসংকলন রচনা করেন, যা বাংলা ভাষার প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ বই হিসেবে স্বীকৃত।
- এই বইটির নাম ছিল ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বঙ্গাল ই পর্তুগুয়েজ, যা পর্তুগালের লিসবন থেকে ১৭৪৩ সালে প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পর্তুগিজ মিশনারি ম্যানুয়েল আসুম্পসাঁউ পূর্ববঙ্গে এসে রোমান হরফে বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ ও অভিধান প্রণয়ন করেন।
- এটি মূলত বিদেশিদের বাংলা ভাষা শেখানোর জন্য তৈরি করা হয়েছিল, যার মধ্যে পর্তুগিজ ও বাংলা ভাষার তুলনামূলক আলোচনা ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডন কিহোতে
ব্যাখ্যা: এটি ম্যানুয়েল আসুম্পসাঁউ রচিত আরেকটি বিখ্যাত ধর্মীয় গ্রন্থ কৃপাসাস্ত্রে ধর্মের অর্থ ভেদ, যা বাংলা মুদ্রণ ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত।
উদাহরণ ২: পর্তুগিজ ভাষার প্রভাব
ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক পর্তুগিজ শব্দ যেমন আনারস, চাবি, বালতি ইত্যাদি এই সময়ের ঐতিহাসিক যোগাযোগের মাধ্যমেই প্রবেশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজা রামমোহন রায় — রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি যিনি ১৮৩৩ সালে ইংরেজি ভাষায় গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচনা করেন, যা বাংলা ভাষার প্রথম বাঙালি রচিত ব্যাকরণ।
B) ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড — ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড ১৭৭৮ সালে প্রথম ইংরেজি ভাষায় মুদ্রিত বাংলা ব্যাকরণ এ গ্রামার অব দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ রচনা করেন, যা প্রথম মুদ্রিত ইংরেজি ভাষার ব্যাকরণ।
D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ব্যাকরণ চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তিনি বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রথম ব্যাকরণ মানেই ম্যানুয়েল আসুম্পসাঁউ, আর প্রথম বাঙালি ব্যাকরণ রচয়িতা মানেই রাজা রামমোহন রায়।
- বিদেশি লেখকের ক্ষেত্রে ম্যানুয়েল আসুম্পসাঁউ নামটি পর্তুগিজ সংযোগের মাধ্যমে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ বই কার লেখা, যার সঠিক উত্তর ম্যানুয়েল আসুম্পসাঁউ।
- প্রথম মুদ্রিত বাংলা ব্যাকরণ এবং প্রথম বাঙালি রচিত ব্যাকরণের মধ্যে পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) সমাস
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত 'প্রভাত' শব্দটির গঠনরীতি হলো এটি একটি নিত্য সমাসের উদাহরণ।
- প্র অর্থ প্রকৃষ্ট এবং ভাত অর্থ দীপ্ত বা উদ্ভাসিত, যা সমাসবদ্ধ হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে ব্যাসবাক্য হয় না বা অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় না, তাকে নিত্য সমাস বলে।
- এখানে 'প্রভাত' শব্দটিকে ভাঙলে বিশেষ নিয়মে প্রকাশ করা হয় এবং এটি সমাসের নিয়মে নিষ্পন্ন হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর
ব্যাখ্যা: এটি নিত্য সমাসের একটি সাধারণ ও পরীক্ষামুখী উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র
ব্যাখ্যা: নিত্য সমাসের নিয়মে গঠিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, কিন্তু প্রভাত এখানে উপসর্গযোগে গঠিত সাধারণ শব্দ নয়।
B) প্রত্যয় — প্রত্যয় মূল শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন পদ তৈরি করে, যা প্রভাত শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) সন্ধি — সন্ধি হলো দুটি বর্ণের মিলন, কিন্তু প্রভাত শব্দটির গঠন সন্ধিজাত প্রক্রিয়ার চেয়ে সমাসবদ্ধ প্রক্রিয়ার সঙ্গে অধিক সম্পর্কিত।
D) সমাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রভাত মানে প্রকৃষ্টরূপে ভৌত বা আলো, যা নিত্য সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
- নিত্য সমাস চেনার জন্য শব্দের গঠন ও অর্থের গভীরতা খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- প্র উপসর্গযুক্ত কিছু শব্দ সমাসের নিয়মে নিষ্পন্ন হয়, যা ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Arthur Conan Doyle
কেন সঠিক:
আর্থার কোনান ডয়েল বিশ্ববিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র শার্লক হোমসের স্রষ্টা। দ্য হাউন্ড অফ দ্য বাস্কারভিলস তার লেখা অন্যতম সেরা একটি উপন্যাস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Agatha Christie — তিনি বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র হ্যারকুল পোয়ারো ও মিস মারপলের স্রষ্টা, বাস্কারভিলসের লেখক নন।
B) 6 HRyder-Haggard — তিনি রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস কিং সলোমন্স মাইনস এর লেখক।
C) PD James — তিনি আধুনিক ব্রিটিশ গোয়েন্দা উপন্যাসের জন্য পরিচিত একজন বিখ্যাত নারী ঔপন্যাসিক।
D) Arthur Conan Doyle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
শার্লক হোমস মানেই আর্থার কোনান ডয়েল এবং তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো দ্য হাউন্ড অফ দ্য বাস্কারভিলস।
সঠিক উত্তর: B) 52 cm
কেন সঠিক:
- রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে, তাই এর বাহুর দৈর্ঘ্য হলো কর্ণদ্বয়ের অর্ধেকের বর্গের যোগফলের বর্গমূল।
- এখানে কর্ণদ্বয়ের অর্ধেক ১২ cm এবং ৫ cm, ফলে রম্বসের বাহুর দৈর্ঘ্য হবে √((১২ × ১২) + (৫ × ৫)) = ১৩ cm এবং পরিসীমা ১৩ × ৪ = ৫২ cm।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 42 cm — এটি ভুল কারণ সঠিক বাহুর দৈর্ঘ্যের সঙ্গে ৪ গুণ করলে ৫২ cm হয়, ৪২ cm নয়।
B) 52 cm — এটি সঠিক উত্তর কারণ কর্ণদ্বয়ের সাহায্যে বাহুর দৈর্ঘ্য বের করে ৪ দিয়ে গুণ করলে এই মান পাওয়া যায়।
C) 56 cm — এটি ভুল কারণ বাহুর দৈর্ঘ্য ১৩ cm হলে পরিসীমা ৫৬ cm হতে পারে না।
D) 64 cm — এটি ভুল কারণ ১৬ cm বাহুবিশিষ্ট বর্গের পরিসীমা ৬৪ cm হয়, রম্বসের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
রম্বসের বাহু বের করতে কর্ণের অর্ধেকগুলোর বর্গের যোগফলের বর্গমূল করতে হয় এবং পরিসীমার জন্য সেই বাহুকে ৪ দ্বারা গুণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Masque
কেন সঠিক:
Masque হলো ষোল থেকে সতেরো শতকের রাজকীয় বিনোদনের জন্য পরিবেশিত এক ধরণের নাটকীয় পারফরম্যান্স।
এতে গান, নাচ এবং রূপক উপাদানের চমৎকার সংমিশ্রণ থাকে যা দর্শকদের আনন্দ দিত।
এই ধরণের পরিবেশনায় সাধারণত রাজপরিবারের সদস্যরা মুখোশ পরে অংশ নিতেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mask — এটি মুখের সুরক্ষার জন্য বা ছদ্মবেশ ধারণের জন্য ব্যবহৃত একটি আবরণ মাত্র।
B) Mousque — এটি ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো অর্থবহ শব্দ নয় বা এটি ভুল বানানের শব্দ।
D) Mascot — এটি কোনো নাট্যকর্ম নয়, বরং কোনো দল বা প্রতিষ্ঠানের সৌভাগ্যের প্রতীক।
মনে রাখার টিপস:
নাটকীয় বা রাজকীয় পরিবেশনা বোঝাতে Masque শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে শেষের e অক্ষরটি এটিকে সাধারণ mask থেকে আলাদা করে।
সঠিক উত্তর: A) Prosody
কেন সঠিক:
Prosody বলতে কবিতার ছন্দ, তাল এবং স্বরভঙ্গির বিজ্ঞানসম্মত অধ্যয়নকে বোঝায়। এটি কবিতার গঠন এবং ধ্বনিগত বিন্যাস বুঝতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Prosody — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Allegory — এটি একটি রূপক বা সাহিত্যিক মাধ্যম যার মাধ্যমে গভীর নৈতিক বা রাজনৈতিক অর্থ প্রকাশ করা হয়।
C) Scansion — এটি শুধুমাত্র কবিতার ছন্দ বা মাত্রা বিশ্লেষণ করার প্রক্রিয়া, সম্পূর্ণ অধ্যয়নের ক্ষেত্র নয়।
D) Assonance — এটি বাক্যে বা কবিতায় স্বরবর্ণের মিল বা পুনরাবৃত্তিকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
কবিতার সামগ্রিক ছন্দ ও তাল বিদ্যাকে Prosody বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) Misologist
কেন সঠিক:
- 'Misologist' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ জ্ঞান বা যুক্তির প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারী।
- গ্রীক উপসর্গ 'Miso' অর্থ ঘৃণা করা এবং 'Logos' অর্থ জ্ঞান বা যুক্তি, যা থেকে এই অর্থ এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bibliophile — এর অর্থ বইপ্রেমী ব্যক্তি, তাই এটি জ্ঞান বা লার্নিংবিদ্বেষীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) Philologist — এর অর্থ ভাষা ও সাহিত্যের গবেষক বা ভাষাবিদ, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত।
C) Misogynist — এর অর্থ নারীবিদ্বেষী ব্যক্তি, যা জ্ঞান বা লার্নিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) Misologist — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ জ্ঞান বা যুক্তির প্রতি ঘৃণা।
মনে রাখার টিপস:
'Miso' শব্দের অর্থ ঘৃণা এবং 'Logos' অর্থ জ্ঞান বা যুক্তি, তাই 'Misologist' হলো জ্ঞান বা যুক্তির হ্রেতা।
সঠিক উত্তর: B) Italy
কেন সঠিক:
চতুর্দশ শতকে ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে রেনেসাঁ বা পুনর্জাগরণ প্রথম শুরু হয়েছিল।
প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির পুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে সেখানে এই সাংস্কৃতিক আন্দোলন দানা বাঁধে।
দান্তে ও পেত্রার্কের মতো প্রখ্যাত লেখকদের হাত ধরে ইতালিতে এর সূত্রপাত হয়।
পরবর্তীতে সেখান থেকেই এই আন্দোলনের ঢেউ পুরো ইউরোপে ছড়িয়ে পড়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) France — ফ্রান্সে রেনেসাঁ পরবর্তীতে ইতালির প্রভাবে বিস্তার লাভ করেছিল কিন্তু এটি সূচনার দেশ নয়।
B) Italy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি রেনেসাঁর জন্মস্থান।
C) England — ইংল্যান্ডে রেনেসাঁ বেশ দেরিতে অর্থাৎ ষোড়শ শতকের দিকে প্রবেশ করেছিল।
D) Rome — রোম ইতালির একটি ঐতিহাসিক শহর হলেও রেনেসাঁ মূলত ফ্লোরেন্স থেকে প্রথম শুরু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
রেনেসাঁ মানে পুনর্জাগরণ এবং এর উৎপত্তি ইতালির ফ্লোরেন্স শহর থেকে শুরু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: B) Critical
কেন সঠিক:
Eulogistic শব্দের অর্থ হলো কারো বা কোনো কিছুর উচ্চ প্রশংসা করা।
এর বিপরীতার্থক বা Antonym শব্দ হলো Critical যার অর্থ হলো সমালোচনা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Brief — এর অর্থ সংক্ষিপ্ত, যা eulogistic শব্দের বিপরীত নয়।
B) Critical — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সমালোচনামূলক বা প্রশংসা না করা।
C) Pretty — এর অর্থ সুন্দর, যার সাথে এই শব্দের কোনো মিল নেই।
D) Stern — এর অর্থ কঠোর, যা এই শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
Eulogistic মানে ভালো কথা বলা আর Critical মানে ভুল ধরা বা সমালোচনা করা।
সঠিক উত্তর: A) Abuse
কেন সঠিক:
'Vituperate' শব্দটির অর্থ কাউকে তীব্রভাবে গালিগালাজ করা বা কঠোর ভাষায় সমালোচনা করা।
'Abuse' শব্দটির অর্থও দুর্ব্যবহার করা বা গালাগালি করা, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
উভয় শব্দই মৌখিক আক্রমণ বা অসম্মানজনক কথা বোঝাতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এটি নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Abuse — এটি সঠিক উত্তর এবং Vituperate শব্দের সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়।
B) Encourage — এর অর্থ উৎসাহ দেওয়া, যা Vituperate শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) Appraise — এর অর্থ মূল্যায়ন করা, যা মূল শব্দের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) Appreciate — এর অর্থ প্রশংসা করা, যা Vituperate শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
'Vituperate' শব্দের শুরুতে 'Vi' আছে, যার অর্থ খারাপ কিছু এবং এটি 'Abuse' বা গালির কথা মনে করিয়ে দেয়।
সঠিক উত্তর: B) Acrostic
কেন সঠিক:
এই ধরনের কবিতায় প্রতিটি লাইনের প্রথম অক্ষরগুলো ওপর থেকে নিচে মিলে একটি বিশেষ শব্দ বা নাম তৈরি করে।
একে এক্রোস্টিক বা অক্ষরবিন্যাস কবিতা বলা হয়।
শব্দ গঠনের এই কৌশলটি কবিতার সৌন্দর্য ও ধাঁধার রূপ ফুটিয়ে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Alliterative — এটি এমন কবিতা যেখানে একই শব্দের শুরু বারবার অলংকার বা ধ্বনিসামঞ্জস্য বজায় রাখতে ব্যবহৃত হয়।
B) Acrostic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরাবৃত্তি করা হলো না।
C) Epic — এটি একটি অত্যন্ত দীর্ঘ বর্ণনামূলক কবিতা যা কোনো বীরপুরুষের বীরত্বগাথা বা ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে রচিত হয়।
D) Haiku — এটি তিন লাইনের ঐতিহ্যবাহী জাপানি কবিতা যেখানে নির্দিষ্ট মাত্রায় অক্ষর বা স্বরবর্ণ সাজানো থাকে।
মনে রাখার টিপস:
এক্রোস্টিক শব্দটি মনে রাখতে এর প্রথম অক্ষরগুলোর দিকে তাকাও, যা ইংরেজি অ্যাক্রোস বা ওপর থেকে নিচের দিক নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: B) Occult
কেন সঠিক:
- সাহিত্য ধারার শ্রেণিবিন্যাস বা পোয়েটিক ট্র্যাডিশন হিসেবে এপিক, ট্র্যাজেডি এবং কমেডি বহুল পরিচিত মৌলিক রূপ।
- অক্সাল্ট বা অলৌকিক বিদ্যা কোনো কাব্যিক ঐতিহ্য বা সাহিত্যিক রূপ নয়, এটি মূলত রহস্যময় ও গুপ্ত জ্ঞানের সঙ্গে সম্পর্কিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Epic — এটি সাহিত্যের একটি প্রধান ঐতিহ্য ও প্রাচীন কাব্যধারা, যা মহাকাব্য নামে পরিচিত।
B) Occult — এটি কোনো কাব্যিক ঐতিহ্য বা সাহিত্যিক রূপ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) Comic — এটি নাট্য ও কাব্যের একটি ঐতিহ্যগত ধারা, যা হাস্যরস সৃষ্টি করে।
D) Tragic — এটি সাহিত্যের একটি প্রাচীন ও ধ্রুপদী ঐতিহ্য, যা শোকার্ত পরিণতি নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
সাহিত্য ধারার ঐতিহ্য মানেই মহাকাব্য, ট্র্যাজেডি বা কমেডি; তাই এর বাইরে থাকা অলৌকিক বিষয় বা অক্সাল্টই হলো ব্যতিক্রম।
সঠিক উত্তর: B) in
কেন সঠিক:
বাক্যে 'take in' একটি সঠিক গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ হলো কোনো কিছু স্পষ্টভাবে বুঝতে পারা বা অনুধাবন করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) out — 'take out' অর্থ বের করা বা বাইরে নিয়ে যাওয়া, যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না।
B) in — 'take in' অর্থ বুঝতে পারা, যা এই বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করে।
C) for — 'take for' অর্থ ভুলবশত অন্য কিছু মনে করা, যা এখানে সঠিক নয়।
D) into — 'take into' সাধারণত ভেতরে প্রবেশ করানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বক্তব্য বা কথা বুঝতে না পারা বোঝাতে 'take' এর সাথে 'in' preposition ব্যবহার করে 'take in' ফ্রেজাল ভার্বটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) CGUW
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম পদ = PSXM
দ্বিতীয় পদ = QRYL
তৃতীয় পদ = BFTV
ধরি,
বর্ণমালাগুলোর ইংরেজি ক্রমিক অবস্থান বিবেচনা করি
অতএব,
প্রথম বর্ণের ক্ষেত্রে P থেকে Q হয়েছে (+১)
দ্বিতীয় বর্ণের ক্ষেত্রে S থেকে R হয়েছে (-১)
তৃতীয় বর্ণের ক্ষেত্রে X থেকে Y হয়েছে (+১)
চতুর্থ বর্ণের ক্ষেত্রে M থেকে L হয়েছে (-১)
সুতরাং,
B এর সাথে ১ যোগ করলে হয় C
F থেকে ১ বিয়োগ করলে হয় G
T এর সাথে ১ যোগ করলে হয় U
V থেকে ১ বিয়োগ করলে হয় W
উত্তর: CGUW
সঠিক উত্তর: B) ২০৯
প্রদত্ত তথ্য:
ছেলের সংখ্যা = ৬ জন
মেয়ের সংখ্যা = ৪ জন
নির্বাচিত শিশুর সংখ্যা = ৪ জন
ধরি,
মোট শিশুর সংখ্যা = ৬ + ৪ = ১০ জন
মোট উপায়ে ৪ জন নির্বাচন করা যায় = ১০ জন থেকে ৪ জন
অতএব,
মোট উপায়ে নির্বাচন = (১০ × ৯ × ৮ × ৭) ÷ (৪ × ৩ × ২ × ১) = ২১০ উপায়ে
কোনো ছেলে না থাকার উপায় = ৪ জনই মেয়ে হওয়ার উপায়
সুতরাং,
৪ জনই মেয়ে হওয়ার উপায় = ৪ জন থেকে ৪ জন নির্বাচন = ১ উপায়ে
অন্তত একজন ছেলে থাকার উপায় = মোট উপায় − কোনো ছেলে না থাকার উপায়
উত্তর: ২১০ − ১ = ২০৯ জন
সঠিক উত্তর: D) ১০০০
প্রদত্ত তথ্য:
কাজ সম্পন্ন করার জন্য মোট মজুরি = ৫৭৫০ টাকা
P এবং Q একত্রে কাজ শেষ করে ১৯ ÷ ২৩ অংশ
Q এবং R একত্রে কাজ শেষ করে ৮ ÷ ২৩ অংশ
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
R একা কাজ করে = ১ − (১৯ ÷ ২৩) অংশ = ৪ ÷ ২৩ অংশ
P একা কাজ করে = ১ − (৮ ÷ ২৩) অংশ = ১৫ ÷ ২৩ অংশ
P এবং R একত্রে কাজ করে = (১৫ ÷ ২৩) + (৪ ÷ ২৩) অংশ = ১৯ ÷ ২৩ অংশ
সুতরাং,
Q একা কাজ করে = ১ − (১৯ ÷ ২৩) অংশ = ৪ ÷ ২৩ অংশ
উত্তর: Q এর মজুরি = ৫৭৫০ × (৪ ÷ ২৩) টাকা = ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর: D) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
ক একা কাজটি করতে পারে ২৪ দিনে
খ একা কাজটি করতে পারে ৩২ দিনে
গ একা কাজটি করতে পারে ৬৪ দিনে
ধরি,
মোট কাজের পরিমাণ = ১৯২ একক (২৪, ৩২ ও ৬৪ এর লসাগু)
ক এর ১ দিনের কাজ = ৮ একক
খ এর ১ দিনের কাজ = ৬ একক
গ এর ১ দিনের কাজ = ৩ একক
অতএব,
ক ৬ দিনে মোট কাজ করে = ৮ × ৬ = ৪৮ একক
ধরি, সম্পূর্ণ কাজটি শেষ হতে মোট দিন লাগে = ক
সুতরাং,
খ কাজ করে মোট = ক − ৬ দিন
খ এর মোট কাজ = ৬ × (ক − ৬) একক
গ পুরো ক দিন কাজ করে, তাই গ এর কাজ = ৩ × ক একক
সমাধান:
৪৮ + ৬ × (ক − ৬) + ৩ক = ১৯২
৯ক + ১২ = ১৯২
৯ক = ১৮০
ক = ২০
উত্তর: ২০ দিন
সঠিক উত্তর: B) ০.৩
প্রদত্ত তথ্য:
দ্রবণের পরিমাণ ১১ লিটার
অ্যালকোহলের পরিমাণ ৪২%
যোগ করা পানির পরিমাণ ৩ লিটার
ধরি,
পূর্বের দ্রবণে অ্যালকোহলের পরিমাণ = ১১ এর ৪২%
পূর্বের দ্রবণে অ্যালকোহলের পরিমাণ = ৪.৬২ লিটার
অতএব,
নতুন মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ১১ + ৩ = ১৪ লিটার
নতুন মিশ্রণে অ্যালকোহলের শতকরা হার = (৪.৬২ ÷ ১৪) × ১০০
নতুন মিশ্রণে অ্যালকোহলের শতকরা হার = ৩৩%
সুতরাং,
শতাংশকে দশমিকে প্রকাশ করলে হয় ০.৩৩ বা ০.৩
উত্তর: B) ০.৩
সঠিক উত্তর: A) (৩/৪)
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
কেন্দ্র থেকে বিন্দুর দূরত্ব = x
ধরি,
বিন্দুর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব x এবং পরিধি থেকে দূরত্ব (r − x)
অতএব,
পরিধির নিকটবর্তী হওয়ার শর্ত হলো (r − x) < x
অর্থাৎ, x > (r ÷ ২)
সুতরাং,
কেন্দ্রকেন্দ্রিক ছোট বৃত্তের ব্যাসার্ধ = (r ÷ ২)
এই ছোট বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × (r ÷ ২)×(r ÷ ২) = (π × r×r) ÷ ৪
উত্তর: ক্ষেত্রফলের অনুপাত থেকে নির্ণেয় সম্ভাবনা = ৩÷৪
সঠিক উত্তর: D) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ৭৩৮এ৬এ এবং এটি ১১ দ্বারা বিভাজ্য
ধরি,
বিজোড় স্থানগুলোর অঙ্কগুলোর যোগফল = ৭ + ৮ + ৬ = ২১
জোড় স্থানগুলোর অঙ্কগুলোর যোগফল = ৩ + এ + এ = ৩ + ২এ
অতএব,
স্থানগুলোর অংকের যোগফলের পার্থক্য = (২১) − (৩ + ২এ) = ১৮ − ২এ
সুতরাং,
১৮ − ২এ এর মান শূন্য অথবা ১১ এর গুণিতক হতে হবে
উত্তর: এ এর মান ৯ হলে ১৮ − ১৮ = ০ হয় যা ১১ দ্বারা বিভাজ্য
সঠিক উত্তর: B) ২৪
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ক্ষেত্রে পুরুষের সংখ্যা = ৪০ জন
প্রথম ক্ষেত্রে বাক্সের সংখ্যা = ৩০ টি
প্রথম ক্ষেত্রে দিনের সংখ্যা = ২০ দিন
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে বাক্সের সংখ্যা = ৬০ টি
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে দিনের সংখ্যা = ২৫ দিন
প্রয়োজনীয় মোট পুরুষের সংখ্যা = ক জন
অতএব,
১ টি বাক্স তৈরি করতে ১ জন পুরুষের সময় লাগে = (৪০ × ২০) ÷ ৩০ দিন
= ৮০০ ÷ ৩০ দিন
= ৮০ ÷ ৩ দিন
সুতরাং,
৬০ টি বাক্স ২৫ দিনে তৈরি করতে মোট পুরুষ লাগে = (৬০ × ৮০) ÷ (৩ × ২৫) জন
= ৪৮০০ ÷ ৭৫ জন
= ৬৪ জন
চূড়ান্ত হিসাব:
অতিরিক্ত পুরুষের প্রয়োজন = মোট পুরুষ − পূর্বের পুরুষ
= ৬৪ − ৪০ জন
= ২৪ জন
উত্তর: ২৪
সঠিক উত্তর: B) ৪.৩১
প্রদত্ত তথ্য:
লগ ২ এর মান = ০.৩০১
লগ ৩ এর মান = ০.৪৭৭১
ধরি,
নির্ণয় মানটি হলো এক্স সমান লগ ভিত্তিক ৫ এর উপর ১০২৪
অতএব,
১০২৪ কে লেখা যায় দুই এর ঘাত ১০ হিসেবে
লগের নিয়ম অনুযায়ী এক্স সমান ১০ গুণ লগ ২ ভাগ লগ ৫
সুতরাং,
লগ ৫ কে লেখা যায় লগ ১০ ভাগ দুই
যা থেকে পাই লগ ১০ বিয়োগ লগ ২
উত্তর:
দশ গুণ ০.৩০১ ভাগ এক বিয়োগ ০.৩০১ সমান ৪.৩১
সঠিক উত্তর: D) -২
প্রদত্ত তথ্য:
৩ এর পাওয়ার (n + ৪) মাইনাস ৩ এর পাওয়ার (n + ২) সমান আট
ধরি,
প্রদত্ত সমীকরণটি হলো ৩ এর পাওয়ার (n + ৪) মাইনাস ৩ এর পাওয়ার (n + ২) সমান আট
অতএব,
৩ এর পাওয়ার (n + ২) কমন নিলে থাকে ৩ এর স্কয়ার মাইনাস এক সমান আট
সুতরাং,
৩ এর পাওয়ার (n + ২) গুণ আট সমান আট
উত্তর: -২
সঠিক উত্তর: C) ৩ জন
কেন সঠিক:
- ২০২১ সালে ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে মোট ৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে একুশে পদক প্রদান করা হয়।
- এই ক্যাটাগরিতে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন মরহুম মতিউল ইসলাম, সুবিমল বড়ো এবং মো. ছহিজউদ্দিন বিশ্বাস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ — এটি ২০২১ সালে একুশে পদক প্রাপ্ত মোট ব্যক্তির সংখ্যা, শুধুমাত্র ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরির সংখ্যা নয়।
B) ৭ — এটি ২০২১ সালে গবেষণা এবং মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে প্রাপ্ত মোট ব্যক্তির সংখ্যা।
D) ২ — এটি ভুল সংখ্যা কারণ ২০২১ সালে ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে ৩ জন ব্যক্তি পদক পেয়েছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
একুশে পদক ২০২১ সালে মোট ২১ জনকে দেওয়া হয় এবং এর মধ্যে ভাষা আন্দোলনের জন্য দেওয়া হয় ৩ জনকে।
সঠিক উত্তর: A) China
কেন সঠিক:
- মাকাও একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল যা গণচীন দেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এটি এক দেশ দুই নীতি ব্যবস্থার অধীনে চীনের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) China — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাকাও চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল।
B) UK — যুক্তরাজ্য একটি ইউরোপীয় দেশ এবং এর অধীনে মাকাও অঞ্চলটি কখনো ছিল না।
C) Indonesia — ইন্দোনেশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যার সঙ্গে মাকাওয়ের কোনো শাসনতান্ত্রিক সম্পর্ক নেই।
D) S. Korea — দক্ষিণ কোরিয়া পূর্ব এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং মাকাও এর ভূখণ্ড নয়।
মনে রাখার টিপস:
হংকংয়ের মতো মাকাও অঞ্চলটিও চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: C) Israel
কেন সঠিক:
- লেহাভা ইসরায়েলের একটি উগ্র ডানপন্থী এবং কট্টরপন্থী সামাজিক সংগঠন।
- এই সংস্থাটি মূলত ইহুদিদের সাথে অন ইহুদিদের সম্পর্ক বা বিবাহ প্রতিরোধের জন্য পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Russia — রাশিয়া ইউরোপ ও এশিয়ার একটি বিশাল দেশ হলেও এই নামে সেখানে কোনো প্রভাবশালী সামাজিক বা রাজনৈতিক সংগঠন নেই।
B) Poland — পোল্যান্ড একটি ইউরোপীয় দেশ এবং এর সাথে এই নির্দিষ্ট মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক উগ্রপন্থী সংগঠনের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) Israel — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ লেহাভা মূলত ইসরায়েল কেন্দ্রिय একটি সংগঠন।
D) Palestine — ফিলিস্তিনের সাথে এই সংগঠনটির কোনো সংযোগ নেই, এটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উগ্র কর্মকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
ইসরায়েলের লেহাভা সংগঠনটি উগ্রপন্থী কার্যক্রমের জন্য পরিচিত, যেখানে লেহাভা শব্দটি ইসরায়েলি প্রেক্ষাপটে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Russia
কেন সঠিক:
- ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়াতে প্রথমবারের মতো মানুষের শরীরে H৫N৮ এভিয়ান ফ্লু ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়।
- রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা দেশটির একটি পোল্ট্রি খামারের কর্মীদের মধ্যে এই ভাইরাসের উপস্থিতি পান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Russia — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই প্রথম মানুষের শরীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছিল।
B) China — চীন দেশে এর আগে অন্য স্ট্রেনের বার্ড ফ্লু মানুষের দেহে মিললেও H৫N৮ এর ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়।
C) Malaysia — মালয়েশিয়ায় এই ভাইরাসের প্রথম মানব সংক্রমণের কোনো রেকর্ড নেই।
D) Congo — কঙ্গোতে এই নির্দিষ্ট এভিয়ান ফ্লু ভাইরাস মানবদেহে প্রথম শনাক্ত হওয়ার ইতিহাস নেই।
মনে রাখার টিপস:
রাশিয়ার ঠান্ডা আবহাওয়ায় প্রথম মানবদেহে ধরা পড়েছিল H৫N৮ ফ্লু।
সঠিক উত্তর: A) Bagh
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশে প্রথম উদ্ভাবিত অ্যাপ-ভিত্তিক থ্রি-হুইলার ট্যাক্সি
এর নাম নির্ধারণ করা হয়েছে বাঘ
ধরি,
এই যানটি পরিবেশবান্ধব পরিবহন হিসেবে তৈরি
আধুনিক প্রযুক্তির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এর নামকরণ করা হয়
অতএব,
যানটির নাম হিসেবে বাঘ শব্দটি নির্বাচন করা হয়
এটি দেশের প্রথম অ্যাপ-ভিত্তিক থ্রি-হুইলার সেবা
সুতরাং,
সঠিক নামটি হলো বাঘ
উত্তর: A) Bagh
সঠিক উত্তর: B) Yemen
কেন সঠিক:
- হুথি আনসারুল্লাহ হলো ইয়েমেনের একটি শিয়া ইসলামপন্থী সশস্ত্র রাজনৈতিক ও সামরিক গোষ্ঠী।
- এরা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এবং লোহিত সাগর অঞ্চলে বর্তমান সময়ে অত্যন্ত প্রভাবশালী ও আলোচিত একটি শক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Lebanon — লেবাননের প্রধান সশস্ত্র ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীর নাম হিজবুল্লাহ, হুথি নয়।
B) Yemen — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) Afghanistan — আফগানিস্তানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী তালেবান, হুথি গোষ্ঠী এখানে সক্রিয় নয়।
D) Syria — সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে সরকারি বাহিনী এবং বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠী সক্রিয় থাকলেও হুথিরা এখানকার নয়।
মনে রাখার টিপস:
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ক্ষেত্রে ইয়েমেনের নাম এলেই হুথি গোষ্ঠীর কথা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Bitcoin
কেন সঠিক:
- ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগের কারণে বিটকয়েনের মূল্যপতন ঘটে, যা ইলোন মাস্কের মোট সম্পদে বড় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।
- এই বিশাল দরপতনের ফলেই তিনি বিশ্বের শীর্ষ ধনীর খেতাব সাময়িকভাবে হারিয়েছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Corona Vaccine — এটি কোনো আর্থিক বিনিয়োগ নয় এবং এর সঙ্গে তার ধনী ব্যক্তি খেতাব হারানোর কোনো প্রত্যক্ষ বা প্রধান সম্পর্ক নেই।
B) Electric car — টেসলার ইলেকট্রিক গাড়ি ইলোন মাস্কের ব্যবসার মূল ভিত্তি ও সম্পদের প্রধান উৎস, যা তাকে বিশ্বের শীর্ষ ধনী হতে সাহায্য করেছে।
D) Drone — ড্রোন প্রযুক্তি তার প্রধান ব্যবসায়িক খাত নয় এবং এটি তার সম্পদের পরিমাণ বা শীর্ষ ধনী হওয়ার ওপর বড় কোনো প্রভাব ফেলেনি।
মনে রাখার টিপস:
ইলোন মাস্কের শীর্ষ ধনী পদ হারানোর প্রধান কারণ ডিজিটাল মুদ্রা বিটকয়েনের বাজারে দরপতন।
সঠিক উত্তর: C) Compiler
কেন সঠিক:
- Compiler হলো এমন একটি অনুবাদক প্রোগ্রাম যা পুরো সোর্স কোডকে একসাথে পড়ে এবং সম্পূর্ণ কোডকে একসাথে মেশিন কোডে রূপান্তর করে।
- এটি কোডের সমস্ত সিনট্যাক্স ত্রুটি একসাথে চিহ্নিত করে এবং এক্সিকিউটেবল ফাইল তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Assembler — এটি শুধুমাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, উচ্চ স্তরের সোর্স কোডের জন্য কাজ করে না।
B) Interpreter — এটি পুরো কোড একসাথে অনুবাদ না করে সোর্স কোডের এক লাইন করে পড়ে এবং সাথে সাথে তা মেশিন কোডে রূপান্তর ও নির্বাহ করে।
D) Linker — এটি কম্পাইলকৃত অবজেক্ট ফাইলগুলোকে একত্রিত করে একটি চূড়ান্ত এক্সিকিউটেবল ফাইল তৈরি করে, সোর্স কোড মেশিন কোডে রূপান্তর করে না।
মনে রাখার টিপস:
Compiler মানে একসাথে সম্পূর্ণ কোড অনুবাদ করা, আর Interpreter মানে লাইন বাই লাইন অনুবাদ করা।
সঠিক উত্তর: A) ২০০৫
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৫ সালকে আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্রঋণ বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
- দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্রঋণের গুরুত্ব তুলে ধরতে এবং এর বিস্তার ঘটাতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০০৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালটি আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্রঋণ বর্ষ হিসেবে পালিত হয়েছিল।
B) ২০০৬ — এই সালে গ্রামীণ ব্যাংক ও ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, যা ক্ষুদ্রঋণের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও এই বর্ষের সাল নয়।
C) ২০১৮ — এটি জাতিসংঘের ঘোষিত অন্য কোনো আন্তর্জাতিক বর্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত, ক্ষুদ্রঋণ বর্ষ নয়।
D) ২০১৯ — জাতিসংঘ এই সালটিকে আন্তর্জাতিক স্বাজাত্যবোধ বা অন্য কোনো বিশেষ বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছিল, ক্ষুদ্রঋণ বর্ষ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ক্ষুদ্রঋণ ও গরিব মানুষের উন্নয়নের কথা মাথায় এলেই মনে রাখবে এটি ২০০৫ সালের ঘটনা।
সঠিক উত্তর: C) 40 lakh
কেন সঠিক:
- মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে এমএফআই বা ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনের জন্য সর্বনিম্ন ঋণযোগ্য তহবিল ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম শুরু ও পরিচালনার আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করার জন্যই এই ন্যূনতম মূলধনের শর্ত রাখা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 20 lakh — এই পরিমাণ অর্থ এমএফআই নিবন্ধনের আইনি ন্যূনতম সীমার চেয়ে কম হওয়ায় তা গ্রহণযোগ্য নয়।
B) 30 lakh — আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম ঋণযোগ্য তহবিলের পরিমাণ এর চেয়ে বেশি।
D) 50 lakh — এটি নির্দিষ্ট আইনি ন্যূনতম সীমা নয়, কারণ আইন অনুযায়ী এমএফআই নিবন্ধনের জন্য ৪০ লাখ টাকাই যথেষ্ট।
মনে রাখার টিপস:
এমএফআই নিবন্ধনের জন্য টাকার অঙ্কটি মনে রাখতে চার অঙ্কের ক্ষুদ্রঋণ তহবিলের শুরুতেই ৪০ লাখ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Perseverance
কেন সঠিক:
- এটি নাসা কর্তৃক প্রেরিত একটি মার্স রোভার, যা ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মঙ্গলের জেজরিও ক্রেটারে সফলভাবে অবতরণ করে।
- এর প্রধান লক্ষ্য হলো মঙ্গল গ্রহে প্রাচীন অণুজীবের জীবনের সন্ধান করা এবং ভবিষ্যতের মানব মিশনের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sojourner — এটি নাসা কর্তৃক মঙ্গলে প্রেরিত প্রথম রোভার, যা ১৯৯৭ সালে অবতরণ করেছিল কিন্তু এটি সাম্প্রতিক নয়।
B) Perseverance — এটি সাম্প্রতিক সময়ে সফলভাবে অবতরণ করা রোভার এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) Elisa — এটি মঙ্গলের কোনো মহাকাশযান বা রোভারের নাম নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
D) Rover — এটি কোনো নির্দিষ্ট মহাকাশযানের নাম নয়, বরং মঙ্গলে চলাচলকারী যানগুলোর একটি সাধারণ শ্রেণি বা ধরন।
মনে রাখার টিপস:
মঙ্গল গ্রহে সফলভাবে টিকে থাকতে এবং কাজ করতে দৃঢ়তা বা Perseverance প্রয়োজন, এভাবেই সাম্প্রতিক রোভারটিকে মনে রাখা যায়।
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) 5 Years
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরের জন্য জাতিসংঘ নির্ধারিত উত্তরণের সময়সীমা হিসেবে অতিরিক্ত পাঁচ বছরের সময় চেয়েছিল।
- কোভিড মহামারীর অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলানোর জন্য ২০২০ সালের সিডিপি বৈঠকে এই বিশেষ পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ড বা প্রস্তুতির সময় মঞ্জুর করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 2 Years — এটি বাংলাদেশ কর্তৃক চাওয়ার বা জাতিসংঘের অনুমোদিত সময়সীমার সঙ্গে মিল নেই।
B) 4 Years — এটি কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত বা বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য উত্তরণের সময়কাল নয়।
C) 5 Years — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) 3 Years — এটি এলডিসি উত্তরণের সাধারণ তিন বছরের নিয়ম হলেও বাংলাদেশের জন্য বিশেষ বিবেচনায় তা পাঁচ বছর করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
করোনার ধাক্কা সামলাতে বাংলাদেশ সময় পেয়েছিল পাঁচ বছর, সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তর মেলানো সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: B) Financial Inclusion
কেন সঠিক:
- সমাজের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত সব মানুষকে সাশ্রয়ী খরচে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনাকে ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন বা আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বলা হয়।
- এর মাধ্যমে সমাজের অনগ্রসর জনগোষ্ঠী সঞ্চয়, ঋণ এবং বীমার মতো জরুরি আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Reatail Banking — এটি সাধারণ ব্যক্তিগত গ্রাহকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত ব্যাংকিং সেবা, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং জালের নিচে আনার বিশেষ কর্মসূচি নয়।
B) Financial Inclusion — এটি প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ সঠিক উত্তর।
C) Wholesale Banking — এটি বড় বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সরকার এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরিচালিত বড় অংকের লেনদেনভিত্তিক ব্যাংকিং।
D) Universal Banking — এটি এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে একটি প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ ব্যাংকিংয়ের মতো সব ধরনের আর্থিক সেবা একসঙ্গে দিয়ে থাকে।
মনে রাখার টিপস:
সবার জন্য ব্যাংকিং মানেই ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন বা আর্থিক অন্তর্ভুক্তি।
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও ব্যাংকিং বিষয়ক ধারণা
সঠিক উত্তর: C) Governor, BB
কেন সঠিক:
- এমআরএ বা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর দায়িত্ব পালন করেন।
- এটি বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানের জন্য গঠিত একটি শীর্ষ সরকারি কর্তৃপক্ষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Minister, MoF — অর্থ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এই পর্ষদের চেয়ারম্যান নন, এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্ব।
B) Secretary, MoP — পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির চেয়ারম্যান পদের সঙ্গে যুক্ত নন।
C) Governor, BB — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) Minister, MoI — শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এমআরএ পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন না।
মনে রাখার টিপস:
এমআরএ বা ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার প্রধান হলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, যা মনে রাখতে এমআরএ ও গভর্নর শব্দটি একসাথে মেলান।
সঠিক উত্তর:
A) Collaterals
১. কেন সঠিক:
- ক্ষুদ্রঋণের সফলতা জামানত বা Collaterals ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে না, বরং সামাজিক বন্ধন ও দলের বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
- প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় জামানত বাধ্যতামূলক হলেও ক্ষুদ্রঋণ মডেলে জামানত ছাড়াই ঋণ দেওয়া হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ক্ষুদ্রঋণ বা Micro-credit হলো দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থানের জন্য অল্প পরিমাণে প্রদান করা জামানতবিহীন ঋণ।
- কার্যপদ্ধতি: এটি সাধারণত দলভিত্তিক পদ্ধতিতে কাজ করে যেখানে গ্রহীতারা একে অপরের জামিনদার হিসেবে কাজ করে।
- বৈশিষ্ট্য: এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো উচ্চ সুদের হার নয়, বরং নিয়মিত কিস্তি আদায় এবং সহজ শর্তে ঋণ বিতরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্রামীণ ব্যাংক মডেল।
ব্যাখ্যা: এই মডেলে কোনো রূপ জামানত ছাড়াই দরিদ্র নারীদের দলগতভাবে ঋণ দেওয়া হয়।
উদাহরণ ২: ব্র্যাকের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম।
ব্যাখ্যা: এখানে মাঠ পর্যায়ে তদারকি এবং নিয়মিত সভার মাধ্যমে ঋণ বিতরণ ও আদায় নিশ্চিত করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Collaterals — এটি ক্ষুদ্রঋণের সাফল্যের চাবিকাঠি নয় কারণ গরিব মানুষের কাছে মূল্যবান জামানত থাকে না, তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) Incentives — নিয়মিত পরিশোধে উৎসাহ বা প্রণোদনা ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতাদের সময়মতো কিস্তি দিতে সাহায্য করে।
C) Monitoring — মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত তদারকি ক্ষুদ্রঋণের খেলাপি হওয়া রোধে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
D) Schedule — সঠিক ও সুশৃঙ্খল পরিশোধের সময়সূচি ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম সফল রাখতে সাহায্য করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্ষুদ্রঋণ মানেই জামানতহীন ঋণ।
- জামানত (Collaterals) বড় ব্যাংকে লাগে, মাইক্রো-ক্রেডিটে লাগে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবক্তা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্ষুদ্রঋণ ও ব্যাংকিং টার্ম নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) RFID
১. কেন সঠিক:
- RFID একটি অপটিক্যাল ইনপুট ডিভাইস নয়, এটি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- অপটিক্যাল ডিভাইসগুলো আলোকরশ্মি বা লেজারের আলো ব্যবহার করে কাজ করে, যা RFID-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: RFID-এর পূর্ণরূপ হলো Radio Frequency Identification। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ট্যাগ বা কার্ডে থাকা তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাঠ করতে পারে।
- কার্যপদ্ধতি: এই প্রযুক্তিতে একটি রিডার রেডিও তরঙ্গ পাঠায় এবং ট্যাগের ভেতরে থাকা মাইক্রোচিপ সেই তরঙ্গের প্রতিক্রিয়ায় নিজস্ব তথ্য রিডারের কাছে প্রেরণ করে।
- বৈশিষ্ট্য: এর জন্য রিডার এবং ট্যাগের মধ্যে সরাসরি দৃষ্টিরেখার প্রয়োজন হয় না এবং একসাথে একাধিক ট্যাগ দূর থেকে স্ক্যান করা যায়।
- ব্যবহার: এজিদ, ক্যাটল ট্র্যাকিং, টোল প্লাজা আদায় এবং লজিস্টিকস ব্যবস্থাপনায় এটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা মেট্রোলের এমআরটি পাস বা র্যাপিড পাস।
ব্যাখ্যা: বাস বা ট্রেন স্টেশনের গেটে কার্ড ছোঁয়ালে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির মাধ্যমে ব্যালেন্স কাটা হয়, যা অপটিক্যাল পদ্ধতি নয়।
উদাহরণ ২: শপিং মলের ইএসএল বা অ্যান্টি-থেফট ট্যাগ।
ব্যাখ্যা: পোশাকের সাথে থাকা নিরাপত্তা ট্যাগ ক্যাশ কাউন্টারের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি স্ক্যানার দিয়ে শনাক্ত করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RFID — এটি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, তাই এটি অপটিক্যাল ইনপুট ডিভাইস নয়।
B) OMR — এর পূর্ণরূপ Optical Mark Recognition। এটি পরীক্ষার খাতার গোল দাগ পড়ার জন্য আলোকরশ্মি ব্যবহার করে, যা একটি অপটিক্যাল ইনপুট ডিভাইস।
C) OR Code Scanner — এর সঠিক রূপ QR Code Scanner। এটি আলোকরশ্মি ব্যবহার করে কোড স্ক্যান করে, যা অপটিক্যাল ডিভাইসের অন্তর্ভুক্ত।
D) Bar Code Scanner — এটি লেজার আলো বা আলোকরশ্মি প্রতিফলনের মাধ্যমে বারকোড পাঠ করে, তাই এটি একটি অপটিক্যাল ইনপুট ডিভাইস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নামেই পরিচয়: যার নামের শুরুতে অপটিক্যাল বা লাইট বা লেজার বা বারকোড বা ওএমআর থাকে, তা অপটিক্যাল।
- রেডিও তরঙ্গযুক্ত ডিভাইস যেমন RFID বা ব্লুটুথ বা ওয়াইফাই কখনোই অপটিক্যাল ইনপুট ডিভাইস হতে পারে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অপটিক্যাল ইনপুট ডিভাইসগুলো আলো বা লেজারের ওপর নির্ভর করে কাজ করে।
- এই প্রশ্নটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং ইনপুট ডিভাইস ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর:
C) Debugging
১. কেন সঠিক:
প্রোগ্রামিংয়ের ভাষায় কোডে কোনো ভুল বা ত্রুটি থাকলে তা খুঁজে বের করে সংশোধন করার প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং বলা হয়।
কম্পিউটার প্রোগ্রামে সিনট্যাক্স বা লজিক্যাল ভুলের কারণে যে ত্রুটি বা বাগ দেখা দেয়, তা দূর করার জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কম্পিউটার প্রোগ্রামের ভুল বা বাগ শনাক্ত করে তা সংশোধন করার পদ্ধতিই হলো ডিবাগিং।
কার্যপদ্ধতি: প্রোগ্রাম চালুর সময় ত্রুটি দেখা দিলে ডেভেলপারগণ কোডের নির্দিষ্ট অংশ পরীক্ষা করে সমস্যা চিহ্নিত করেন এবং তা ঠিক করেন।
বৈশিষ্ট্য: এটি সফটওয়্যার উন্নয়নের একটি অপরিহার্য ধাপ, যা কোডের সঠিক কার্যকারিতা নিশ্চিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি যোগ করার প্রোগ্রামে ভুলবশত গুণের চিহ্ন ব্যবহার করায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না পেয়ে কোড সংশোধন করা।
ব্যাখ্যা: এটি লজিক্যাল ত্রুটি সংশোধনের একটি বাস্তব উদাহরণ, যা ডিবাগিংয়ের মাধ্যমে ঠিক করা হয়।
উদাহরণ ২: কোডের ভেতর সেমিকোলন বা ব্র্যাকেট মিসিং থাকার কারণে প্রোগ্রাম রান না করলে তা ঠিক করা।
ব্যাখ্যা: এটি সিনট্যাক্স ত্রুটি সংশোধনের উদাহরণ, যা কম্পাইল করার আগেই ডিবাগ করতে হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Translating — অনুবাদ করা বলতে সোর্স কোডকে মেশিন কোডে রূপান্তর করা বোঝায়, যা কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার করে থাকে, কোনো প্রোগ্রাম সংশোধন করা নয়।
B) Loading — লোডিং হলো মেমোরি বা স্টোরেজ থেকে কোনো প্রোগ্রাম বা ফাইলকে র্যামে বা মূল মেমোরিতে তুলে আনার প্রক্রিয়া।
D) Interpreting — ইন্টারপ্রেটিং হলো প্রোগ্রামিং কোডকে এক লাইন করে পড়ে সাথে সাথে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে কার্যকর করার একটি পদ্ধতি।
৫ মনে রাখার টিপস:
পোকার ইংরেজি নাম বাগ এবং প্রোগ্রামিংয়ের ভুলকে বাগ বলা হয়, তাই বাগ দূর করার প্রক্রিয়া হলো ডিবাগিং।
পরীক্ষায় প্রোগ্রামিংয়ের ত্রুটি সংশোধনের প্রশ্ন থাকলে চোখ বন্ধ করে ডিবাগিং অপশনটি বেছে নেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম কম্পিউটার বাগ হিসেবে একটি মথ বা পতঙ্গকে একটি কম্পিউটারের রিলে থেকে অপসারণ করা হয়েছিল।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রোগ্রামিংয়ের মৌলিক টার্ম থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে।
সঠিক উত্তর: B) Human error
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে ত্রুটিগুলোকে মূলত কোডিং বা সফটওয়্যারের নিজস্ব ত্রুটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মানব ভুল বা হিউম্যান এরর কোনো সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রামিং ত্রুটি নয়, এটি প্রোগ্রাম লেখার সময় মানুষের অনিচ্ছাকৃত ভুল।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: প্রোগ্রামিং ত্রুটি বলতে সোর্স কোডের সেই ভুলগুলোকে বোঝায় যা প্রোগ্রামকে সঠিকভাবে চালাতে বাধা দেয় বা ভুল ফলাফল দেয়।
কার্যপদ্ধতি: প্রোগ্রাম কম্পাইল বা রান করার সময় কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার এই ত্রুটিগুলো শনাক্ত করে এবং ডিবাগিংয়ের মাধ্যমে সংশোধন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিনট্যাক্স এরর
ব্যাখ্যা: সেমিকোলন বা ব্র্যাকেট ভুলে গেলে সিনট্যাক্স এরর ঘটে যা কম্পিউটার কোড রান করতে দেয় না।
উদাহরণ ২: লজিক্যাল এরর
ব্যাখ্যা: ভুল ফর্মুলা ব্যবহারের ফলে প্রোগ্রাম রান করলেও ভুল আউটপুট দেয় যা লজিক্যাল এররের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Syntax error — এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রোগ্রামিং ত্রুটি যা ভাষার ব্যাকরণগত নিয়ম ভুলের কারণে ঘটে।
B) Human error — এটি সাধারণ ভুল, সুনির্দিষ্ট কোনো প্রোগ্রামিং ত্রুটির ক্যাটাগরি নয়।
C) Runtime error — এটি প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে মেমোরি বা ফাইল সংক্রান্ত সমস্যার কারণে ঘটে।
D) Logical error — এটি প্রোগ্রামারের চিন্তার ভু লের কারণে ঘটে যা ভুল ফলাফল উৎপন্ন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রোগ্রামিং এরর সাধারণত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত যথা সিনট্যাক্স, রানটাইম এবং লজিক্যাল।
মানব ভুল বা হিউম্যান এরর যেকোনো ক্ষেত্রে ঘটতে পারে কিন্তু এটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের নিজস্ব কোনো ত্রুটির নাম নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে সিনট্যাক্স ত্রুটি সবার আগে ধরা পড়ে কারণ কম্পাইলার কোড চেক করার সময় এটি আটকে দেয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রোগ্রামিং ত্রুটির প্রকারভেদ থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
D) NAND
১. কেন সঠিক:
- NAND গেটকে ইউনিভার্সাল বা সার্বজনীন লজিক গেট বলা হয় কারণ এটি ব্যবহার করে অন্য যেকোনো মৌলিক লজিক গেট যেমন AND, OR এবং NOT তৈরি করা সম্ভব।
- এটি মূলত AND গেট এবং NOT গেটের সমন্বয়ে গঠিত, যেখানে AND গেটের আউটপুটের সাথে একটি NOT গেট যুক্ত থাকে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: যে লজিক গেট বা সার্কিট একা অথবা সম্মিলিতভাবে বুলিয়ান অ্যালজেব্রার মৌলিক অপারেশনগুলো সম্পন্ন করতে পারে এবং মৌলিক গেটগুলো তৈরি করতে পারে, তাকে সার্বজনীন গেট বলে।
- কার্যপদ্ধতি: NAND গেটে সব ইনপুট উচ্চ বা ১ হলে আউটপুট নিম্ন বা ০ হয়, আর অন্য যেকোনো ইনপুটের ক্ষেত্রে আউটপুট উচ্চ বা ১ হয়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইনে অত্যন্ত সাশ্রয়ী এবং বহুমুখী ভূমিকা পালন করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আধুনিক কম্পিউটার প্রসেসর
ব্যাখ্যা: প্রসেসর বা মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে কোটি কোটি লজিক গেট থাকে, যার একটি বড় অংশ এই সার্বজনীন গেট দিয়ে তৈরি করা হয়।
উদাহরণ ২: মেমোরি চিপ ডিজাইন
ব্যাখ্যা: র্যাম বা রম মেমোরি চিপের ডেটা স্টোর করার রেজিস্টার তৈরিতে এই গেটগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) AND — এটি একটি মৌলিক লজিক গেট, সার্বজনীন গেট নয় কারণ এটি দিয়ে একা সব গেট তৈরি করা যায় না।
B) XOR — এটি একটি বিশেষ বা এক্সক্লুসিভ লজিক গেট, যা বুলিয়ান সমতা যাচাইয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়।
C) NOT — এটি একটি মৌলিক লজিক গেট যা ইনপুটকে উল্টে দেয় এবং এর এককভাবে সার্বজনীন গেট হওয়ার ক্ষমতা নেই।
D) NAND — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি এবং NOR গেট হলো দুটি প্রধান সার্বজনীন লজিক গেট।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি শব্দ Universal এর প্রথম অক্ষর U এবং সার্বজনীন গেট দুটি হলো NAND ও NOR, তাই এদের মনে রাখতে UN বা NOR-NAND এই সংক্ষিপ্ত রূপ মনে রাখতে পারো।
- মৌলিক গেট তিনটি (AND, OR, NOT) এবং সার্বজনীন গেট দুটি (NAND, NOR)।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কোন দুটি গেটকে সার্বজনীন গেট বলা হয়, উত্তর হবে NAND এবং NOR গেট।
- মৌলিক লজিক গেট কয়টি এবং কী কী, এই প্রশ্নটিও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খুব বেশি আসে।
সঠিক উত্তর: B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত পঙ্ক্তি দুটি মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার একটি অংশ।
- কবির 'বীরাঙ্গনা কাব্যের' বা তার অন্যান্য রচনা কিংবা পত্রকাব্য ও সনেটের অন্তর্নিহিত মানবস্বভাবের গভীর পর্যবেক্ষণের সঙ্গে এই পঙ্ক্তিগুলোর ভাব মিলে যায়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- তার জন্ম ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি এবং মৃত্যু ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন।
- তার বিখ্যাত মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য এবং সনেট সংকলন চতুর্দশপদী কবিতাবলী বাংলা সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কপোতাক্ষ নদ কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত সনেট যেখানে তার প্রবাসজীবনের দেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: বঙ্গভাষা কবিতা
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবি মাতৃভাষার প্রতি অবহেলার গ্লানি এবং নিজের ভুলের অনুশোচনা প্রকাশ করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লালন শাহ — লালন শাহ বা ফকির লালন সাঁই বাউল গানের জন্য বিখ্যাত এবং তিনি মরমি সাধক ছিলেন, এই পঙ্ক্তি তার নয়।
B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এটি সঠিক উত্তর এবং তার সাহিত্যকর্ম থেকেই এই অমর পঙ্ক্তিটি চয়ন করা হয়েছে।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও এই পঙ্ক্তিটি তার রচিত নয়।
D) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার 'সদ্ভাবশতক' কাব্যের রচয়িতা এবং তার বিখ্যাত পঙ্ক্তি হলো 'ক্ষমা সেই পাবে যে সহে', তবে এটি তার নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- গভীর জীবনদর্শন ও ধ্রুপদী ভাবসংবলিত এমন অনেক নৈতিক পঙ্ক্তি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সনেট ও পত্রকাব্যে পাওয়া যায়।
- কবি পরিচিতি ও তার বিখ্যাত কবিতার উদ্ধৃতিগুলো বারবার পড়ার মাধ্যমে মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতার লাইন তুলে কবির নাম জানতে চাওয়া হয়।
- এ ধরনের প্রশ্ন কমন পেতে পাঠ্যবই ও বিভিন্ন সনেটের বিখ্যাত চরণগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ম্রো
১. কেন সঠিক:
- রেংমিটা হলো পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী ম্রো ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাতৃভাষা বা গোত্রীয় ভাষা।
- ম্রো জনগোষ্ঠী তাদের নিজেদের ভাষাকে রেংমিটা বা ম্রো নামে অভিহিত করে থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও তাদের মাতৃভাষা বিষয়ক প্রশ্নটি নৃতাত্ত্বিক ও ভাষাতাত্ত্বিক তথ্যের অন্তর্ভুক্ত।
- ম্রোরা মূলত বান্দরবান জেলায় বসবাস করে এবং এদের নিজস্ব কৃষ্টি ও ভাষা রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাকমা জনগোষ্ঠীর ভাষা হলো চাংমা বা চাকমা ভাষা।
ব্যাখ্যা: চাকমা সম্প্রদায়ের মানুষ এই ভাষায় নিজেদের মধ্যে কথা বলে।
উদাহরণ ২: মারমা জনগোষ্ঠীর মানুষের মাতৃভাষা হলো মারমা ভাষা।
ব্যাখ্যা: মারমা সম্প্রদায়ের নিজস্ব বর্ণমালা ও ভাষা রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাক — চাক সম্প্রদায়ের নিজস্ব ভাষা রয়েছে যা রেংমিটা ভাষা থেকে আলাদা।
B) হাজং — হাজং জনগোষ্ঠীর মানুষের ভাষা মূলত হাজং ভাষা, যা ইন্দো-আর্য ভাষাবংশের অন্তর্ভুক্ত।
C) ম্রো — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) খাসিয়া — খাসিয়া জনগোষ্ঠীর মাতৃভাষা হলো খাসি ভাষা, যা অস্ট্রো-এশীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ম্রো জনগোষ্ঠীর ভাষার নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ম্রো মানেই রেংমিটা ভাষা।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও গোত্রগুলোর নাম ছক তৈরি করে পড়লে সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও তাদের বসবাস সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা ও ম্রো ভাষার নাম ও তাদের ভৌগোলিক অবস্থান ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ম্যানুয়েল আসুম্পসাঁউ
১. কেন সঠিক:
- ম্যানুয়েল আসুম্পসাঁউ ১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ ভাষায় বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দসংকলন রচনা করেন, যা বাংলা ভাষার প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ বই হিসেবে স্বীকৃত।
- এই বইটির নাম ছিল ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বঙ্গাল ই পর্তুগুয়েজ, যা পর্তুগালের লিসবন থেকে ১৭৪৩ সালে প্রকাশিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পর্তুগিজ মিশনারি ম্যানুয়েল আসুম্পসাঁউ পূর্ববঙ্গে এসে রোমান হরফে বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ ও অভিধান প্রণয়ন করেন।
- এটি মূলত বিদেশিদের বাংলা ভাষা শেখানোর জন্য তৈরি করা হয়েছিল, যার মধ্যে পর্তুগিজ ও বাংলা ভাষার তুলনামূলক আলোচনা ছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডন কিহোতে
ব্যাখ্যা: এটি ম্যানুয়েল আসুম্পসাঁউ রচিত আরেকটি বিখ্যাত ধর্মীয় গ্রন্থ কৃপাসাস্ত্রে ধর্মের অর্থ ভেদ, যা বাংলা মুদ্রণ ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত।
উদাহরণ ২: পর্তুগিজ ভাষার প্রভাব
ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক পর্তুগিজ শব্দ যেমন আনারস, চাবি, বালতি ইত্যাদি এই সময়ের ঐতিহাসিক যোগাযোগের মাধ্যমেই প্রবেশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজা রামমোহন রায় — রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি যিনি ১৮৩৩ সালে ইংরেজি ভাষায় গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচনা করেন, যা বাংলা ভাষার প্রথম বাঙালি রচিত ব্যাকরণ।
B) ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড — ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড ১৭৭৮ সালে প্রথম ইংরেজি ভাষায় মুদ্রিত বাংলা ব্যাকরণ এ গ্রামার অব দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ রচনা করেন, যা প্রথম মুদ্রিত ইংরেজি ভাষার ব্যাকরণ।
D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ব্যাকরণ চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তিনি বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রথম ব্যাকরণ মানেই ম্যানুয়েল আসুম্পসাঁউ, আর প্রথম বাঙালি ব্যাকরণ রচয়িতা মানেই রাজা রামমোহন রায়।
- বিদেশি লেখকের ক্ষেত্রে ম্যানুয়েল আসুম্পসাঁউ নামটি পর্তুগিজ সংযোগের মাধ্যমে মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ বই কার লেখা, যার সঠিক উত্তর ম্যানুয়েল আসুম্পসাঁউ।
- প্রথম মুদ্রিত বাংলা ব্যাকরণ এবং প্রথম বাঙালি রচিত ব্যাকরণের মধ্যে পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) ফয়েজ আহমদ
১. কেন সঠিক:
- 'সত্যবাবু মারা গেছেন' শীর্ষক শিশুতোষ গ্রন্থটির প্রণেতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক ফয়েজ আহমদ।
- এই সাহিত্যকর্মটি তার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মননশীল কিশোর সাহিত্য বা গল্পগ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ফয়েজ আহমদ বাংলাদেশের একজন প্রগতিশীল লেখক, সাংবাদিক ও শিশুসাহিত্যিক যিনি মূলত কিশোর উপযোগী রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- তার সাহিত্যকর্মে সমাজসচেতনতা, মানবপ্রেম এবং শিশু মনের মনস্তত্ত্ব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ফয়েজ আহমদের লেখা শিশুসাহিত্য 'দ্বিপ্রহরের গান'।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম যা তার বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় বহন করে।
উদাহরণ ২: ফয়েজ আহমদের আরেকটি বিখ্যাত কিশোর উপন্যাস 'টুনটুনির গান'।
ব্যাখ্যা: এই রচনাটি বাংলা কিশোর সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে এবং শিশুদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুকুমার রায় — ইনি বাংলা ননসেন্স ভার্স বা কৌতুকরসের কবিতার প্রবাত্ত হলেও এই বইটির রচয়িতা নন।
B) ফয়েজ আহমদ — এই অপশনটি সঠিক এবং বইটির রচয়িতা হিসেবে তিনি পরীক্ষিত।
C) বিপ্রদাশ বড়ুয়া — ইনি একজন বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন।
D) হুমায়ূন আহমেদ — আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনপ্রিয় এই লেখক অনেক গ্রন্থ লিখলেও 'সত্যবাবু মারা গেছেন' তার সৃষ্টি নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সত্যবাবু মারা গেছেন বইটি ফয়েজ আহমদের লেখা এটি মনে রাখতে ফয়েজের কিশোর সাহিত্যের কথা স্মরণ করতে পারো।
- লেখকের নামের সাথে বইটির নামের একটি ছন্দ মিলিয়ে এই তথ্যটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত লেখকদের কম পরিচিত শিশুসাহিত্য বা কিশোর গ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই আসে।
- মূল ধারার উপন্যাসের পাশাপাশি লেখকদের ছোটগল্প ও কিশোর সাহিত্যগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) পার্শ্বিক বর্ণ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখের ভেতরের জিভের দুপাশ বা পার্শ্ব দিয়ে বেরিয়ে যায় বলে 'ল' বর্ণটিকে পার্শ্বিক বর্ণ বলা হয়।
- ধ্বনিবিজ্ঞানের পরিভাষায় একে ল্যাটারাল কনসোনেন্ট বা পার্শ্বিক ধ্বনি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ অংশের অন্তর্ভুক্ত এই টপিকটি বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্ব আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
- বাংলা বর্ণমালায় 'ল' হলো একটি দন্ত্য ব্যঞ্জনবর্ণ এবং এর উচ্চারণস্থান হলো দন্তমূলীয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লবণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দের শুরুতে 'ল' পার্শ্বিক বর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সঠিক উচ্চারণরীতি প্রমিত বাংলায় অনুসৃত হয়।
উদাহরণ ২: লালন
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে দুটি 'ল' পার্শ্বিক বর্ণ রয়েছে যা উচ্চারণের সময় জিভের দুই পাশ দিয়ে বাতাস বের হওয়ার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পার্শ্বিক বর্ণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ জিভের দুপাশ দিয়ে বাতাস নির্গত হয়ে এই বর্ণটি উচ্চারিত হয়।
B) উষ্ম বর্ণ — শ, ষ, স এবং হ বর্ণগুলোকে উষ্ম বর্ণ বলা হয় কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় মুখে শীৎকার বা উষ্মধ্বনির সৃষ্টি হয়।
C) নাসিক্য বর্ণ — ঙ, ঞ, ণ, ন এবং ম বর্ণগুলোকে নাসিক্য বর্ণ বলা হয় কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় বাতাস নাক দিয়ে বেশি বের হয়।
D) স্পর্শ বর্ণ — ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি বর্ণকে স্পর্শ বা স্পৃষ্ট বর্ণ বলা হয় যা ফুসফুসতাড়িত বাতাস মুখের বিভিন্ন স্থানে বাধা পেয়ে উচ্চারিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পার্শ্বিক শব্দের অর্থ পাশের দিক, তাই জিভের পাশ দিয়ে উচ্চারিত হয় বলে 'ল' হলো পার্শ্বিক বর্ণ।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে, ল তে ল্যাটারাল এবং ল তে ল বর্ণটি পার্শ্বিক ধ্বনি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নির্দিষ্ট কোনো বর্ণের নাম জানতে চাওয়া হয়, তাই ব্যঞ্জনবর্ণের শ্রেণিবিভাগ ভালোভাবে পড়তে হবে।
- একই রকমভাবে অন্তঃস্থ বর্ণ এবং উষ্ম বর্ণগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে সহজে উত্তর করা সম্ভব হবে।
সঠিক উত্তর: D) সমাস
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত 'প্রভাত' শব্দটির গঠনরীতি হলো এটি একটি নিত্য সমাসের উদাহরণ।
- প্র অর্থ প্রকৃষ্ট এবং ভাত অর্থ দীপ্ত বা উদ্ভাসিত, যা সমাসবদ্ধ হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে ব্যাসবাক্য হয় না বা অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় না, তাকে নিত্য সমাস বলে।
- এখানে 'প্রভাত' শব্দটিকে ভাঙলে বিশেষ নিয়মে প্রকাশ করা হয় এবং এটি সমাসের নিয়মে নিষ্পন্ন হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর
ব্যাখ্যা: এটি নিত্য সমাসের একটি সাধারণ ও পরীক্ষামুখী উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র
ব্যাখ্যা: নিত্য সমাসের নিয়মে গঠিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, কিন্তু প্রভাত এখানে উপসর্গযোগে গঠিত সাধারণ শব্দ নয়।
B) প্রত্যয় — প্রত্যয় মূল শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন পদ তৈরি করে, যা প্রভাত শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) সন্ধি — সন্ধি হলো দুটি বর্ণের মিলন, কিন্তু প্রভাত শব্দটির গঠন সন্ধিজাত প্রক্রিয়ার চেয়ে সমাসবদ্ধ প্রক্রিয়ার সঙ্গে অধিক সম্পর্কিত।
D) সমাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রভাত মানে প্রকৃষ্টরূপে ভৌত বা আলো, যা নিত্য সমাসের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
- নিত্য সমাস চেনার জন্য শব্দের গঠন ও অর্থের গভীরতা খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- প্র উপসর্গযুক্ত কিছু শব্দ সমাসের নিয়মে নিষ্পন্ন হয়, যা ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) তুর্কি
১. কেন সঠিক:
- সওগাত একটি তুর্কি ভাষার শব্দ, যার অর্থ উপহার বা উপঢৌকন।
- বাংলা ভাষায় বহুকাল ধরে বিভিন্ন বিদেশি ভাষার শব্দ মিশে আছে, যার মধ্যে তুর্কি শব্দ অন্যতম।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ।
- তুর্কি শব্দ মূলত প্রশাসনিক, সামরিক ও দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু বোঝাতে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোট
ব্যাখ্যা: কোট একটি তুর্কি ভাষার শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন পোশাক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: দারোগা
ব্যাখ্যা: দারোগা শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এটি একটি পেশাবাচক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফারসি — ফারসি শব্দ হলো এমন শব্দ যা পারস্য বা ইরান থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে যেমন চশমা ও কাগজ।
B) আরবি — আরবি শব্দ হলো ইসলাম ধর্ম ও সংস্কৃতি সংশ্লিষ্ট শব্দ যেমন আল্লাহ ও কোরআন।
D) হিন্দি — হিন্দি শব্দ হলো ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত শব্দ যেমন চাহিদা ও পেজাবি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তুর্কি শব্দ মনে রাখার শর্টকাট কৌশল হলো দারোগা, চাকর ও বাবুর্চি মিলে সওগাত বা উপহার নিয়ে কোট পরে কয়েদি দেখতে গেল।
- এই বাক্যের মাধ্যমে তুর্কি শব্দগুলো সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে তুর্কি ও পর্তুগিজ শব্দ খুব গুরুত্বপূর্ণ।
- শব্দগুলোর উৎস মুখস্থ না রেখে শ্রেণিবিন্যাস করে পড়লে দীর্ঘস্থায়ী হয়।
সঠিক উত্তর: A) বিকল্প
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত '/' চিহ্নটিকে ব্যাকরণ ও প্রমিত লিখনরীতি অনুযায়ী বিকল্প চিহ্ন বলা হয়।
এটি সাধারণত দুটি শব্দের বা পদের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বিরামচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের মধ্যে বিকল্প চিহ্ন অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
বাক্যে বা শব্দে দুটি ভিন্ন পদের মধ্য থেকে একটিকে বেছে নিতে এই চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তুমি চা/কফি খাবে?
ব্যাখ্যা: এখানে চা অথবা কফি যেকোনো একটি বোঝাতে বিকল্প চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সত্য/মিথ্যা নির্ণয় কর।
ব্যাখ্যা: এখানে বাক্যটি সত্য কিংবা মিথ্যা হতে পারে, তাই বিকল্প বোঝাতে চিহ্নটি ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিকল্প — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই চিহ্নটি দুটি বিষয়ের মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
B) ভ্যাস — এটি কোনো বাংলা বিরামচিহ্ন বা ব্যাকরণগত পরিভাষা নয়, তাই এটি ভুল।
C) দাঁড়ি — দাঁড়ি হলো বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশক চিহ্ন, যার রূপ হলো পূর্ণচ্ছেদ বা (।)।
D) হাইফেন — হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন হলো দুটি পদের সংযোগ সাধনের চিহ্ন, যার রূপ হলো (-)।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্ল্যাশ চিহ্নটি দেখলে মনে রাখবে এটি বা (অথবা) এর কাজ করে।
অর্থাৎ দুটি অপশনের মধ্য থেকে একটি বেছে নেওয়ার বিকল্প হিসেবে এটি বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরামচিহ্নের নাম ও তার সঠিক ব্যবহার প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
তাই বিভিন্ন চিহ্নের সঠিক নাম এবং তাদের কাজের ধরন ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) জন্মবার্ষিক
১. কেন সঠিক:
জন্মবার্ষিক শব্দটিতে কোনো অপপ্রয়োগ ঘটেনি কারণ জন্ম এবং বার্ষিক শব্দ দুটি মিলে সুন্দর ও অর্থপূর্ণ একটি যৌথ শব্দ তৈরি হয়েছে।
বার্ষিক শব্দের অর্থ যা প্রতি বছর বা বৎসরে একবার অনুষ্ঠিত হয়, তাই জন্মবার্ষিক বলতে বছরের নির্দিষ্ট জন্মতিথিকে বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি এবং শব্দের অপপ্রয়োগ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ প্রত্যয় বা সমাসের নিয়মে গঠিত হয়ে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে, আবার কিছু শব্দ অতিরিক্ত বা বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যোদয়
ব্যাখ্যা: সূর্য এবং উদয় মিলে গঠিত সঠিক শব্দ, এখানে কোনো অপপ্রয়োগ নেই।
উদাহরণ ২: শ্রদ্ধাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: শ্রদ্ধা এবং অঞ্জলি মিলে গঠিত শুদ্ধ শব্দ, যা প্রমিত বাংলায় সর্বজনগ্রাহ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অধীনস্থ — অধীন শব্দের সাথে স্থ প্রত্যয় যুক্ত করা বাহুল্য দোষে দুষ্ট, শুদ্ধ রূপ হবে অধীন বা অধীনস্থের পরিবর্তে আধিবার্ষিক ধরনের অপ্রাসঙ্গিক নয় বরং সঠিক রূপ হলো অধীন।
B) কার্যকরী — কার্যকার শব্দটির সাথে ই প্রত্যয় যুক্ত করে অপপ্রয়োগ করা হয়েছে, শুদ্ধ রূপ হবে কার্যকর।
C) ইদানিংকাল — ইদানিং শব্দের মধ্যেই কাল বা সময় অর্থ নিহিত রয়েছে, তাই এর সাথে অতিরিক্ত কাল যুক্ত করা বাহুল্য বা গুরুচণ্ডালী দোষ।
D) জন্মবার্ষিক — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সঠিক উত্তর হিসেবে আসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দে সময় বা কাল অতিরিক্ত বসে তার পুনরাবৃত্তি এড়াতে হবে যেমন ইদানিংকালের সাথে কাল যোগ করা ভুল।
জন্মবার্ষিক শব্দে কোনো অতিরিক্ত বা বাহুল্য দোষ না থাকায় এটি প্রমিত বাংলা অভিধান অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ এবং প্রত্যয়জনিত অপপ্রয়োগ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
শব্দের অর্থ ভালোভাবে জানলে এবং বাহুল্য শব্দ চেনার কৌশল আয়ত্ত করলে এই ধরনের ভুল খুব সহজেই এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) দুর্বিষহ
১. কেন সঠিক:
ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে তৎসম শব্দে মূর্ধন্য 'ষ' যুক্ত হয় না, বরং দন্ত্য 'স' যুক্ত হয়।
তবে কিছু শব্দে এই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটে এবং স্বভাবতই বা বিশেষ নিয়মে মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহৃত হয়, 'দুর্বিষহ' শব্দটির ক্ষেত্রে এই নিয়মটি প্রযোজ্য হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত 'ই-কার' বা 'উ-কার' পূর্ববর্তী উপসর্গ এবং ক, খ, প, ফ বর্ণ থাকলে তার পরবর্তী 'স' মূর্ধন্য 'ষ' এ রূপান্তরিত হয় (যেমন: নি + পাপ = নিষ্পাপ)।
কিন্তু 'দুর্বিষহ' শব্দটি এই সাধারণ সন্ধির নিয়মে গঠিত নয়, বরং এটি বিশেষ বা স্বভাবগত নিয়মে গঠিত একটি শব্দ যেখানে ব্যতিক্রমে 'ষ' বসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যুধিষ্ঠির
ব্যাখ্যা: এটিও বিশেষ নিয়মে মূর্ধন্য 'ষ' যুক্ত হওয়ার একটি অন্যতম বহুল ব্যবহৃত ব্যাকরণিক উদাহরণ।
উদাহরণ ২: আবিষ্কার
ব্যাখ্যা: এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত শব্দ হলেও বানანরীতিতে 'ষ' ব্যবহারের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্বিষহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিশেষ নিয়মে 'ষ' যুক্ত হওয়ার প্রশ্নটির সঠিক চাহিদা পূরণ করে।
B) পরিষ্কার — এই শব্দটি পরি + কার মিলে গঠিত এবং এটি মূলত বিসর্গ সন্ধি বা সাধারণ নিয়মে মূর্ধন্য 'ষ' প্রাপ্ত শব্দের উদাহরণ।
C) অনুষ্ঠান — এই শব্দটি উৎ + স্থান যোগে গঠিত এবং এখানে 'স্হ' যুক্ত হয়ে ষত্ব বিধানের অন্য একটি নিয়ম অনুসরণ করে।
D) নিষ্পাপ — এই শব্দটি নিঃ + পাপ যোগে গঠিত এবং এটি মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহারের সাধারণ সন্ধি ও নিয়মভিত্তিক উদাহরণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিশেষ নিয়মে 'ষ' বা ষত্ব বিধানের ব্যতিক্রমী শব্দগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
দুর্বিষহ, যুধিষ্ঠির, ভাষা, পোষণ এই শব্দগুলো ব্যতিক্রমী হিসেবে আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ষত্ব বিধানের সাধারণ নিয়ম এবং ব্যতিক্রমী শব্দসমূহ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
নিয়ম মুখস্থ রাখার পাশাপাশি ব্যতিক্রমী শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করা চাকরিপ্রার্থীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) in
কেন সঠিক:
বাক্যে 'take in' একটি সঠিক গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ হলো কোনো কিছু স্পষ্টভাবে বুঝতে পারা বা অনুধাবন করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) out — 'take out' অর্থ বের করা বা বাইরে নিয়ে যাওয়া, যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না।
B) in — 'take in' অর্থ বুঝতে পারা, যা এই বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করে।
C) for — 'take for' অর্থ ভুলবশত অন্য কিছু মনে করা, যা এখানে সঠিক নয়।
D) into — 'take into' সাধারণত ভেতরে প্রবেশ করানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বক্তব্য বা কথা বুঝতে না পারা বোঝাতে 'take' এর সাথে 'in' preposition ব্যবহার করে 'take in' ফ্রেজাল ভার্বটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) Occult
কেন সঠিক:
- সাহিত্য ধারার শ্রেণিবিন্যাস বা পোয়েটিক ট্র্যাডিশন হিসেবে এপিক, ট্র্যাজেডি এবং কমেডি বহুল পরিচিত মৌলিক রূপ।
- অক্সাল্ট বা অলৌকিক বিদ্যা কোনো কাব্যিক ঐতিহ্য বা সাহিত্যিক রূপ নয়, এটি মূলত রহস্যময় ও গুপ্ত জ্ঞানের সঙ্গে সম্পর্কিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Epic — এটি সাহিত্যের একটি প্রধান ঐতিহ্য ও প্রাচীন কাব্যধারা, যা মহাকাব্য নামে পরিচিত।
B) Occult — এটি কোনো কাব্যিক ঐতিহ্য বা সাহিত্যিক রূপ নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) Comic — এটি নাট্য ও কাব্যের একটি ঐতিহ্যগত ধারা, যা হাস্যরস সৃষ্টি করে।
D) Tragic — এটি সাহিত্যের একটি প্রাচীন ও ধ্রুপদী ঐতিহ্য, যা শোকার্ত পরিণতি নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
সাহিত্য ধারার ঐতিহ্য মানেই মহাকাব্য, ট্র্যাজেডি বা কমেডি; তাই এর বাইরে থাকা অলৌকিক বিষয় বা অক্সাল্টই হলো ব্যতিক্রম।
সঠিক উত্তর: B) Acrostic
কেন সঠিক:
এই ধরনের কবিতায় প্রতিটি লাইনের প্রথম অক্ষরগুলো ওপর থেকে নিচে মিলে একটি বিশেষ শব্দ বা নাম তৈরি করে।
একে এক্রোস্টিক বা অক্ষরবিন্যাস কবিতা বলা হয়।
শব্দ গঠনের এই কৌশলটি কবিতার সৌন্দর্য ও ধাঁধার রূপ ফুটিয়ে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Alliterative — এটি এমন কবিতা যেখানে একই শব্দের শুরু বারবার অলংকার বা ধ্বনিসামঞ্জস্য বজায় রাখতে ব্যবহৃত হয়।
B) Acrostic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরাবৃত্তি করা হলো না।
C) Epic — এটি একটি অত্যন্ত দীর্ঘ বর্ণনামূলক কবিতা যা কোনো বীরপুরুষের বীরত্বগাথা বা ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে রচিত হয়।
D) Haiku — এটি তিন লাইনের ঐতিহ্যবাহী জাপানি কবিতা যেখানে নির্দিষ্ট মাত্রায় অক্ষর বা স্বরবর্ণ সাজানো থাকে।
মনে রাখার টিপস:
এক্রোস্টিক শব্দটি মনে রাখতে এর প্রথম অক্ষরগুলোর দিকে তাকাও, যা ইংরেজি অ্যাক্রোস বা ওপর থেকে নিচের দিক নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: A) Abuse
কেন সঠিক:
'Vituperate' শব্দটির অর্থ কাউকে তীব্রভাবে গালিগালাজ করা বা কঠোর ভাষায় সমালোচনা করা।
'Abuse' শব্দটির অর্থও দুর্ব্যবহার করা বা গালাগালি করা, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
উভয় শব্দই মৌখিক আক্রমণ বা অসম্মানজনক কথা বোঝাতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এটি নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Abuse — এটি সঠিক উত্তর এবং Vituperate শব্দের সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হয়।
B) Encourage — এর অর্থ উৎসাহ দেওয়া, যা Vituperate শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) Appraise — এর অর্থ মূল্যায়ন করা, যা মূল শব্দের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) Appreciate — এর অর্থ প্রশংসা করা, যা Vituperate শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
'Vituperate' শব্দের শুরুতে 'Vi' আছে, যার অর্থ খারাপ কিছু এবং এটি 'Abuse' বা গালির কথা মনে করিয়ে দেয়।
সঠিক উত্তর: B) Critical
কেন সঠিক:
Eulogistic শব্দের অর্থ হলো কারো বা কোনো কিছুর উচ্চ প্রশংসা করা।
এর বিপরীতার্থক বা Antonym শব্দ হলো Critical যার অর্থ হলো সমালোচনা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Brief — এর অর্থ সংক্ষিপ্ত, যা eulogistic শব্দের বিপরীত নয়।
B) Critical — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সমালোচনামূলক বা প্রশংসা না করা।
C) Pretty — এর অর্থ সুন্দর, যার সাথে এই শব্দের কোনো মিল নেই।
D) Stern — এর অর্থ কঠোর, যা এই শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
Eulogistic মানে ভালো কথা বলা আর Critical মানে ভুল ধরা বা সমালোচনা করা।
সঠিক উত্তর: B) Italy
কেন সঠিক:
চতুর্দশ শতকে ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে রেনেসাঁ বা পুনর্জাগরণ প্রথম শুরু হয়েছিল।
প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির পুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে সেখানে এই সাংস্কৃতিক আন্দোলন দানা বাঁধে।
দান্তে ও পেত্রার্কের মতো প্রখ্যাত লেখকদের হাত ধরে ইতালিতে এর সূত্রপাত হয়।
পরবর্তীতে সেখান থেকেই এই আন্দোলনের ঢেউ পুরো ইউরোপে ছড়িয়ে পড়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) France — ফ্রান্সে রেনেসাঁ পরবর্তীতে ইতালির প্রভাবে বিস্তার লাভ করেছিল কিন্তু এটি সূচনার দেশ নয়।
B) Italy — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি রেনেসাঁর জন্মস্থান।
C) England — ইংল্যান্ডে রেনেসাঁ বেশ দেরিতে অর্থাৎ ষোড়শ শতকের দিকে প্রবেশ করেছিল।
D) Rome — রোম ইতালির একটি ঐতিহাসিক শহর হলেও রেনেসাঁ মূলত ফ্লোরেন্স থেকে প্রথম শুরু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
রেনেসাঁ মানে পুনর্জাগরণ এবং এর উৎপত্তি ইতালির ফ্লোরেন্স শহর থেকে শুরু হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) Arthur Conan Doyle
কেন সঠিক:
আর্থার কোনান ডয়েল বিশ্ববিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র শার্লক হোমসের স্রষ্টা। দ্য হাউন্ড অফ দ্য বাস্কারভিলস তার লেখা অন্যতম সেরা একটি উপন্যাস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Agatha Christie — তিনি বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র হ্যারকুল পোয়ারো ও মিস মারপলের স্রষ্টা, বাস্কারভিলসের লেখক নন।
B) 6 HRyder-Haggard — তিনি রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস কিং সলোমন্স মাইনস এর লেখক।
C) PD James — তিনি আধুনিক ব্রিটিশ গোয়েন্দা উপন্যাসের জন্য পরিচিত একজন বিখ্যাত নারী ঔপন্যাসিক।
D) Arthur Conan Doyle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
শার্লক হোমস মানেই আর্থার কোনান ডয়েল এবং তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো দ্য হাউন্ড অফ দ্য বাস্কারভিলস।
সঠিক উত্তর: D) Misologist
কেন সঠিক:
- 'Misologist' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ জ্ঞান বা যুক্তির প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারী।
- গ্রীক উপসর্গ 'Miso' অর্থ ঘৃণা করা এবং 'Logos' অর্থ জ্ঞান বা যুক্তি, যা থেকে এই অর্থ এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Bibliophile — এর অর্থ বইপ্রেমী ব্যক্তি, তাই এটি জ্ঞান বা লার্নিংবিদ্বেষীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) Philologist — এর অর্থ ভাষা ও সাহিত্যের গবেষক বা ভাষাবিদ, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত।
C) Misogynist — এর অর্থ নারীবিদ্বেষী ব্যক্তি, যা জ্ঞান বা লার্নিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) Misologist — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ জ্ঞান বা যুক্তির প্রতি ঘৃণা।
মনে রাখার টিপস:
'Miso' শব্দের অর্থ ঘৃণা এবং 'Logos' অর্থ জ্ঞান বা যুক্তি, তাই 'Misologist' হলো জ্ঞান বা যুক্তির হ্রেতা।
সঠিক উত্তর: A) Prosody
কেন সঠিক:
Prosody বলতে কবিতার ছন্দ, তাল এবং স্বরভঙ্গির বিজ্ঞানসম্মত অধ্যয়নকে বোঝায়। এটি কবিতার গঠন এবং ধ্বনিগত বিন্যাস বুঝতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Prosody — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) Allegory — এটি একটি রূপক বা সাহিত্যিক মাধ্যম যার মাধ্যমে গভীর নৈতিক বা রাজনৈতিক অর্থ প্রকাশ করা হয়।
C) Scansion — এটি শুধুমাত্র কবিতার ছন্দ বা মাত্রা বিশ্লেষণ করার প্রক্রিয়া, সম্পূর্ণ অধ্যয়নের ক্ষেত্র নয়।
D) Assonance — এটি বাক্যে বা কবিতায় স্বরবর্ণের মিল বা পুনরাবৃত্তিকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
কবিতার সামগ্রিক ছন্দ ও তাল বিদ্যাকে Prosody বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) Masque
কেন সঠিক:
Masque হলো ষোল থেকে সতেরো শতকের রাজকীয় বিনোদনের জন্য পরিবেশিত এক ধরণের নাটকীয় পারফরম্যান্স।
এতে গান, নাচ এবং রূপক উপাদানের চমৎকার সংমিশ্রণ থাকে যা দর্শকদের আনন্দ দিত।
এই ধরণের পরিবেশনায় সাধারণত রাজপরিবারের সদস্যরা মুখোশ পরে অংশ নিতেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mask — এটি মুখের সুরক্ষার জন্য বা ছদ্মবেশ ধারণের জন্য ব্যবহৃত একটি আবরণ মাত্র।
B) Mousque — এটি ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো অর্থবহ শব্দ নয় বা এটি ভুল বানানের শব্দ।
D) Mascot — এটি কোনো নাট্যকর্ম নয়, বরং কোনো দল বা প্রতিষ্ঠানের সৌভাগ্যের প্রতীক।
মনে রাখার টিপস:
নাটকীয় বা রাজকীয় পরিবেশনা বোঝাতে Masque শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে শেষের e অক্ষরটি এটিকে সাধারণ mask থেকে আলাদা করে।
সঠিক উত্তর: B) 52 cm
কেন সঠিক:
- রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে, তাই এর বাহুর দৈর্ঘ্য হলো কর্ণদ্বয়ের অর্ধেকের বর্গের যোগফলের বর্গমূল।
- এখানে কর্ণদ্বয়ের অর্ধেক ১২ cm এবং ৫ cm, ফলে রম্বসের বাহুর দৈর্ঘ্য হবে √((১২ × ১২) + (৫ × ৫)) = ১৩ cm এবং পরিসীমা ১৩ × ৪ = ৫২ cm।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 42 cm — এটি ভুল কারণ সঠিক বাহুর দৈর্ঘ্যের সঙ্গে ৪ গুণ করলে ৫২ cm হয়, ৪২ cm নয়।
B) 52 cm — এটি সঠিক উত্তর কারণ কর্ণদ্বয়ের সাহায্যে বাহুর দৈর্ঘ্য বের করে ৪ দিয়ে গুণ করলে এই মান পাওয়া যায়।
C) 56 cm — এটি ভুল কারণ বাহুর দৈর্ঘ্য ১৩ cm হলে পরিসীমা ৫৬ cm হতে পারে না।
D) 64 cm — এটি ভুল কারণ ১৬ cm বাহুবিশিষ্ট বর্গের পরিসীমা ৬৪ cm হয়, রম্বসের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
রম্বসের বাহু বের করতে কর্ণের অর্ধেকগুলোর বর্গের যোগফলের বর্গমূল করতে হয় এবং পরিসীমার জন্য সেই বাহুকে ৪ দ্বারা গুণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) -২
প্রদত্ত তথ্য:
৩ এর পাওয়ার (n + ৪) মাইনাস ৩ এর পাওয়ার (n + ২) সমান আট
ধরি,
প্রদত্ত সমীকরণটি হলো ৩ এর পাওয়ার (n + ৪) মাইনাস ৩ এর পাওয়ার (n + ২) সমান আট
অতএব,
৩ এর পাওয়ার (n + ২) কমন নিলে থাকে ৩ এর স্কয়ার মাইনাস এক সমান আট
সুতরাং,
৩ এর পাওয়ার (n + ২) গুণ আট সমান আট
উত্তর: -২
সঠিক উত্তর: B) ২৪
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ক্ষেত্রে পুরুষের সংখ্যা = ৪০ জন
প্রথম ক্ষেত্রে বাক্সের সংখ্যা = ৩০ টি
প্রথম ক্ষেত্রে দিনের সংখ্যা = ২০ দিন
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে বাক্সের সংখ্যা = ৬০ টি
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে দিনের সংখ্যা = ২৫ দিন
প্রয়োজনীয় মোট পুরুষের সংখ্যা = ক জন
অতএব,
১ টি বাক্স তৈরি করতে ১ জন পুরুষের সময় লাগে = (৪০ × ২০) ÷ ৩০ দিন
= ৮০০ ÷ ৩০ দিন
= ৮০ ÷ ৩ দিন
সুতরাং,
৬০ টি বাক্স ২৫ দিনে তৈরি করতে মোট পুরুষ লাগে = (৬০ × ৮০) ÷ (৩ × ২৫) জন
= ৪৮০০ ÷ ৭৫ জন
= ৬৪ জন
চূড়ান্ত হিসাব:
অতিরিক্ত পুরুষের প্রয়োজন = মোট পুরুষ − পূর্বের পুরুষ
= ৬৪ − ৪০ জন
= ২৪ জন
উত্তর: ২৪
সঠিক উত্তর: D) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ৭৩৮এ৬এ এবং এটি ১১ দ্বারা বিভাজ্য
ধরি,
বিজোড় স্থানগুলোর অঙ্কগুলোর যোগফল = ৭ + ৮ + ৬ = ২১
জোড় স্থানগুলোর অঙ্কগুলোর যোগফল = ৩ + এ + এ = ৩ + ২এ
অতএব,
স্থানগুলোর অংকের যোগফলের পার্থক্য = (২১) − (৩ + ২এ) = ১৮ − ২এ
সুতরাং,
১৮ − ২এ এর মান শূন্য অথবা ১১ এর গুণিতক হতে হবে
উত্তর: এ এর মান ৯ হলে ১৮ − ১৮ = ০ হয় যা ১১ দ্বারা বিভাজ্য
সঠিক উত্তর: A) (৩/৪)
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
কেন্দ্র থেকে বিন্দুর দূরত্ব = x
ধরি,
বিন্দুর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব x এবং পরিধি থেকে দূরত্ব (r − x)
অতএব,
পরিধির নিকটবর্তী হওয়ার শর্ত হলো (r − x) < x
অর্থাৎ, x > (r ÷ ২)
সুতরাং,
কেন্দ্রকেন্দ্রিক ছোট বৃত্তের ব্যাসার্ধ = (r ÷ ২)
এই ছোট বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × (r ÷ ২)×(r ÷ ২) = (π × r×r) ÷ ৪
উত্তর: ক্ষেত্রফলের অনুপাত থেকে নির্ণেয় সম্ভাবনা = ৩÷৪
সঠিক উত্তর: B) ০.৩
প্রদত্ত তথ্য:
দ্রবণের পরিমাণ ১১ লিটার
অ্যালকোহলের পরিমাণ ৪২%
যোগ করা পানির পরিমাণ ৩ লিটার
ধরি,
পূর্বের দ্রবণে অ্যালকোহলের পরিমাণ = ১১ এর ৪২%
পূর্বের দ্রবণে অ্যালকোহলের পরিমাণ = ৪.৬২ লিটার
অতএব,
নতুন মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ১১ + ৩ = ১৪ লিটার
নতুন মিশ্রণে অ্যালকোহলের শতকরা হার = (৪.৬২ ÷ ১৪) × ১০০
নতুন মিশ্রণে অ্যালকোহলের শতকরা হার = ৩৩%
সুতরাং,
শতাংশকে দশমিকে প্রকাশ করলে হয় ০.৩৩ বা ০.৩
উত্তর: B) ০.৩
সঠিক উত্তর: B) ৪.৩১
প্রদত্ত তথ্য:
লগ ২ এর মান = ০.৩০১
লগ ৩ এর মান = ০.৪৭৭১
ধরি,
নির্ণয় মানটি হলো এক্স সমান লগ ভিত্তিক ৫ এর উপর ১০২৪
অতএব,
১০২৪ কে লেখা যায় দুই এর ঘাত ১০ হিসেবে
লগের নিয়ম অনুযায়ী এক্স সমান ১০ গুণ লগ ২ ভাগ লগ ৫
সুতরাং,
লগ ৫ কে লেখা যায় লগ ১০ ভাগ দুই
যা থেকে পাই লগ ১০ বিয়োগ লগ ২
উত্তর:
দশ গুণ ০.৩০১ ভাগ এক বিয়োগ ০.৩০১ সমান ৪.৩১
সঠিক উত্তর: D) ২০
প্রদত্ত তথ্য:
ক একা কাজটি করতে পারে ২৪ দিনে
খ একা কাজটি করতে পারে ৩২ দিনে
গ একা কাজটি করতে পারে ৬৪ দিনে
ধরি,
মোট কাজের পরিমাণ = ১৯২ একক (২৪, ৩২ ও ৬৪ এর লসাগু)
ক এর ১ দিনের কাজ = ৮ একক
খ এর ১ দিনের কাজ = ৬ একক
গ এর ১ দিনের কাজ = ৩ একক
অতএব,
ক ৬ দিনে মোট কাজ করে = ৮ × ৬ = ৪৮ একক
ধরি, সম্পূর্ণ কাজটি শেষ হতে মোট দিন লাগে = ক
সুতরাং,
খ কাজ করে মোট = ক − ৬ দিন
খ এর মোট কাজ = ৬ × (ক − ৬) একক
গ পুরো ক দিন কাজ করে, তাই গ এর কাজ = ৩ × ক একক
সমাধান:
৪৮ + ৬ × (ক − ৬) + ৩ক = ১৯২
৯ক + ১২ = ১৯২
৯ক = ১৮০
ক = ২০
উত্তর: ২০ দিন
সঠিক উত্তর: D) ১০০০
প্রদত্ত তথ্য:
কাজ সম্পন্ন করার জন্য মোট মজুরি = ৫৭৫০ টাকা
P এবং Q একত্রে কাজ শেষ করে ১৯ ÷ ২৩ অংশ
Q এবং R একত্রে কাজ শেষ করে ৮ ÷ ২৩ অংশ
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
R একা কাজ করে = ১ − (১৯ ÷ ২৩) অংশ = ৪ ÷ ২৩ অংশ
P একা কাজ করে = ১ − (৮ ÷ ২৩) অংশ = ১৫ ÷ ২৩ অংশ
P এবং R একত্রে কাজ করে = (১৫ ÷ ২৩) + (৪ ÷ ২৩) অংশ = ১৯ ÷ ২৩ অংশ
সুতরাং,
Q একা কাজ করে = ১ − (১৯ ÷ ২৩) অংশ = ৪ ÷ ২৩ অংশ
উত্তর: Q এর মজুরি = ৫৭৫০ × (৪ ÷ ২৩) টাকা = ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর: B) ২০৯
প্রদত্ত তথ্য:
ছেলের সংখ্যা = ৬ জন
মেয়ের সংখ্যা = ৪ জন
নির্বাচিত শিশুর সংখ্যা = ৪ জন
ধরি,
মোট শিশুর সংখ্যা = ৬ + ৪ = ১০ জন
মোট উপায়ে ৪ জন নির্বাচন করা যায় = ১০ জন থেকে ৪ জন
অতএব,
মোট উপায়ে নির্বাচন = (১০ × ৯ × ৮ × ৭) ÷ (৪ × ৩ × ২ × ১) = ২১০ উপায়ে
কোনো ছেলে না থাকার উপায় = ৪ জনই মেয়ে হওয়ার উপায়
সুতরাং,
৪ জনই মেয়ে হওয়ার উপায় = ৪ জন থেকে ৪ জন নির্বাচন = ১ উপায়ে
অন্তত একজন ছেলে থাকার উপায় = মোট উপায় − কোনো ছেলে না থাকার উপায়
উত্তর: ২১০ − ১ = ২০৯ জন
সঠিক উত্তর: B) CGUW
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম পদ = PSXM
দ্বিতীয় পদ = QRYL
তৃতীয় পদ = BFTV
ধরি,
বর্ণমালাগুলোর ইংরেজি ক্রমিক অবস্থান বিবেচনা করি
অতএব,
প্রথম বর্ণের ক্ষেত্রে P থেকে Q হয়েছে (+১)
দ্বিতীয় বর্ণের ক্ষেত্রে S থেকে R হয়েছে (-১)
তৃতীয় বর্ণের ক্ষেত্রে X থেকে Y হয়েছে (+১)
চতুর্থ বর্ণের ক্ষেত্রে M থেকে L হয়েছে (-১)
সুতরাং,
B এর সাথে ১ যোগ করলে হয় C
F থেকে ১ বিয়োগ করলে হয় G
T এর সাথে ১ যোগ করলে হয় U
V থেকে ১ বিয়োগ করলে হয় W
উত্তর: CGUW
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও ব্যাংকিং বিষয়ক ধারণা
সঠিক উত্তর: C) Governor, BB
কেন সঠিক:
- এমআরএ বা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর দায়িত্ব পালন করেন।
- এটি বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানের জন্য গঠিত একটি শীর্ষ সরকারি কর্তৃপক্ষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Minister, MoF — অর্থ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এই পর্ষদের চেয়ারম্যান নন, এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্ব।
B) Secretary, MoP — পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির চেয়ারম্যান পদের সঙ্গে যুক্ত নন।
C) Governor, BB — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
D) Minister, MoI — শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এমআরএ পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন না।
মনে রাখার টিপস:
এমআরএ বা ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার প্রধান হলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, যা মনে রাখতে এমআরএ ও গভর্নর শব্দটি একসাথে মেলান।
সঠিক উত্তর: B) Financial Inclusion
কেন সঠিক:
- সমাজের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত সব মানুষকে সাশ্রয়ী খরচে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনাকে ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন বা আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বলা হয়।
- এর মাধ্যমে সমাজের অনগ্রসর জনগোষ্ঠী সঞ্চয়, ঋণ এবং বীমার মতো জরুরি আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Reatail Banking — এটি সাধারণ ব্যক্তিগত গ্রাহকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত ব্যাংকিং সেবা, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং জালের নিচে আনার বিশেষ কর্মসূচি নয়।
B) Financial Inclusion — এটি প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ সঠিক উত্তর।
C) Wholesale Banking — এটি বড় বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সরকার এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরিচালিত বড় অংকের লেনদেনভিত্তিক ব্যাংকিং।
D) Universal Banking — এটি এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে একটি প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ ব্যাংকিংয়ের মতো সব ধরনের আর্থিক সেবা একসঙ্গে দিয়ে থাকে।
মনে রাখার টিপস:
সবার জন্য ব্যাংকিং মানেই ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন বা আর্থিক অন্তর্ভুক্তি।
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) 5 Years
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরের জন্য জাতিসংঘ নির্ধারিত উত্তরণের সময়সীমা হিসেবে অতিরিক্ত পাঁচ বছরের সময় চেয়েছিল।
- কোভিড মহামারীর অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলানোর জন্য ২০২০ সালের সিডিপি বৈঠকে এই বিশেষ পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ড বা প্রস্তুতির সময় মঞ্জুর করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 2 Years — এটি বাংলাদেশ কর্তৃক চাওয়ার বা জাতিসংঘের অনুমোদিত সময়সীমার সঙ্গে মিল নেই।
B) 4 Years — এটি কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত বা বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য উত্তরণের সময়কাল নয়।
C) 5 Years — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) 3 Years — এটি এলডিসি উত্তরণের সাধারণ তিন বছরের নিয়ম হলেও বাংলাদেশের জন্য বিশেষ বিবেচনায় তা পাঁচ বছর করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
করোনার ধাক্কা সামলাতে বাংলাদেশ সময় পেয়েছিল পাঁচ বছর, সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তর মেলানো সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: B) Perseverance
কেন সঠিক:
- এটি নাসা কর্তৃক প্রেরিত একটি মার্স রোভার, যা ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মঙ্গলের জেজরিও ক্রেটারে সফলভাবে অবতরণ করে।
- এর প্রধান লক্ষ্য হলো মঙ্গল গ্রহে প্রাচীন অণুজীবের জীবনের সন্ধান করা এবং ভবিষ্যতের মানব মিশনের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sojourner — এটি নাসা কর্তৃক মঙ্গলে প্রেরিত প্রথম রোভার, যা ১৯৯৭ সালে অবতরণ করেছিল কিন্তু এটি সাম্প্রতিক নয়।
B) Perseverance — এটি সাম্প্রতিক সময়ে সফলভাবে অবতরণ করা রোভার এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) Elisa — এটি মঙ্গলের কোনো মহাকাশযান বা রোভারের নাম নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
D) Rover — এটি কোনো নির্দিষ্ট মহাকাশযানের নাম নয়, বরং মঙ্গলে চলাচলকারী যানগুলোর একটি সাধারণ শ্রেণি বা ধরন।
মনে রাখার টিপস:
মঙ্গল গ্রহে সফলভাবে টিকে থাকতে এবং কাজ করতে দৃঢ়তা বা Perseverance প্রয়োজন, এভাবেই সাম্প্রতিক রোভারটিকে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) 40 lakh
কেন সঠিক:
- মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে এমএফআই বা ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনের জন্য সর্বনিম্ন ঋণযোগ্য তহবিল ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম শুরু ও পরিচালনার আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করার জন্যই এই ন্যূনতম মূলধনের শর্ত রাখা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 20 lakh — এই পরিমাণ অর্থ এমএফআই নিবন্ধনের আইনি ন্যূনতম সীমার চেয়ে কম হওয়ায় তা গ্রহণযোগ্য নয়।
B) 30 lakh — আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম ঋণযোগ্য তহবিলের পরিমাণ এর চেয়ে বেশি।
D) 50 lakh — এটি নির্দিষ্ট আইনি ন্যূনতম সীমা নয়, কারণ আইন অনুযায়ী এমএফআই নিবন্ধনের জন্য ৪০ লাখ টাকাই যথেষ্ট।
মনে রাখার টিপস:
এমএফআই নিবন্ধনের জন্য টাকার অঙ্কটি মনে রাখতে চার অঙ্কের ক্ষুদ্রঋণ তহবিলের শুরুতেই ৪০ লাখ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ২০০৫
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৫ সালকে আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্রঋণ বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
- দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্রঋণের গুরুত্ব তুলে ধরতে এবং এর বিস্তার ঘটাতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০০৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালটি আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্রঋণ বর্ষ হিসেবে পালিত হয়েছিল।
B) ২০০৬ — এই সালে গ্রামীণ ব্যাংক ও ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, যা ক্ষুদ্রঋণের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও এই বর্ষের সাল নয়।
C) ২০১৮ — এটি জাতিসংঘের ঘোষিত অন্য কোনো আন্তর্জাতিক বর্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত, ক্ষুদ্রঋণ বর্ষ নয়।
D) ২০১৯ — জাতিসংঘ এই সালটিকে আন্তর্জাতিক স্বাজাত্যবোধ বা অন্য কোনো বিশেষ বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছিল, ক্ষুদ্রঋণ বর্ষ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ক্ষুদ্রঋণ ও গরিব মানুষের উন্নয়নের কথা মাথায় এলেই মনে রাখবে এটি ২০০৫ সালের ঘটনা।
সঠিক উত্তর: C) Compiler
কেন সঠিক:
- Compiler হলো এমন একটি অনুবাদক প্রোগ্রাম যা পুরো সোর্স কোডকে একসাথে পড়ে এবং সম্পূর্ণ কোডকে একসাথে মেশিন কোডে রূপান্তর করে।
- এটি কোডের সমস্ত সিনট্যাক্স ত্রুটি একসাথে চিহ্নিত করে এবং এক্সিকিউটেবল ফাইল তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Assembler — এটি শুধুমাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, উচ্চ স্তরের সোর্স কোডের জন্য কাজ করে না।
B) Interpreter — এটি পুরো কোড একসাথে অনুবাদ না করে সোর্স কোডের এক লাইন করে পড়ে এবং সাথে সাথে তা মেশিন কোডে রূপান্তর ও নির্বাহ করে।
D) Linker — এটি কম্পাইলকৃত অবজেক্ট ফাইলগুলোকে একত্রিত করে একটি চূড়ান্ত এক্সিকিউটেবল ফাইল তৈরি করে, সোর্স কোড মেশিন কোডে রূপান্তর করে না।
মনে রাখার টিপস:
Compiler মানে একসাথে সম্পূর্ণ কোড অনুবাদ করা, আর Interpreter মানে লাইন বাই লাইন অনুবাদ করা।
সঠিক উত্তর: C) Bitcoin
কেন সঠিক:
- ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগের কারণে বিটকয়েনের মূল্যপতন ঘটে, যা ইলোন মাস্কের মোট সম্পদে বড় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।
- এই বিশাল দরপতনের ফলেই তিনি বিশ্বের শীর্ষ ধনীর খেতাব সাময়িকভাবে হারিয়েছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Corona Vaccine — এটি কোনো আর্থিক বিনিয়োগ নয় এবং এর সঙ্গে তার ধনী ব্যক্তি খেতাব হারানোর কোনো প্রত্যক্ষ বা প্রধান সম্পর্ক নেই।
B) Electric car — টেসলার ইলেকট্রিক গাড়ি ইলোন মাস্কের ব্যবসার মূল ভিত্তি ও সম্পদের প্রধান উৎস, যা তাকে বিশ্বের শীর্ষ ধনী হতে সাহায্য করেছে।
D) Drone — ড্রোন প্রযুক্তি তার প্রধান ব্যবসায়িক খাত নয় এবং এটি তার সম্পদের পরিমাণ বা শীর্ষ ধনী হওয়ার ওপর বড় কোনো প্রভাব ফেলেনি।
মনে রাখার টিপস:
ইলোন মাস্কের শীর্ষ ধনী পদ হারানোর প্রধান কারণ ডিজিটাল মুদ্রা বিটকয়েনের বাজারে দরপতন।
সঠিক উত্তর: B) Yemen
কেন সঠিক:
- হুথি আনসারুল্লাহ হলো ইয়েমেনের একটি শিয়া ইসলামপন্থী সশস্ত্র রাজনৈতিক ও সামরিক গোষ্ঠী।
- এরা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এবং লোহিত সাগর অঞ্চলে বর্তমান সময়ে অত্যন্ত প্রভাবশালী ও আলোচিত একটি শক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Lebanon — লেবাননের প্রধান সশস্ত্র ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীর নাম হিজবুল্লাহ, হুথি নয়।
B) Yemen — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) Afghanistan — আফগানিস্তানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী তালেবান, হুথি গোষ্ঠী এখানে সক্রিয় নয়।
D) Syria — সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে সরকারি বাহিনী এবং বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠী সক্রিয় থাকলেও হুথিরা এখানকার নয়।
মনে রাখার টিপস:
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ক্ষেত্রে ইয়েমেনের নাম এলেই হুথি গোষ্ঠীর কথা মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Bagh
প্রদত্ত তথ্য:
বাংলাদেশে প্রথম উদ্ভাবিত অ্যাপ-ভিত্তিক থ্রি-হুইলার ট্যাক্সি
এর নাম নির্ধারণ করা হয়েছে বাঘ
ধরি,
এই যানটি পরিবেশবান্ধব পরিবহন হিসেবে তৈরি
আধুনিক প্রযুক্তির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এর নামকরণ করা হয়
অতএব,
যানটির নাম হিসেবে বাঘ শব্দটি নির্বাচন করা হয়
এটি দেশের প্রথম অ্যাপ-ভিত্তিক থ্রি-হুইলার সেবা
সুতরাং,
সঠিক নামটি হলো বাঘ
উত্তর: A) Bagh
সঠিক উত্তর: A) Russia
কেন সঠিক:
- ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়াতে প্রথমবারের মতো মানুষের শরীরে H৫N৮ এভিয়ান ফ্লু ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়।
- রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা দেশটির একটি পোল্ট্রি খামারের কর্মীদের মধ্যে এই ভাইরাসের উপস্থিতি পান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Russia — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই প্রথম মানুষের শরীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছিল।
B) China — চীন দেশে এর আগে অন্য স্ট্রেনের বার্ড ফ্লু মানুষের দেহে মিললেও H৫N৮ এর ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়।
C) Malaysia — মালয়েশিয়ায় এই ভাইরাসের প্রথম মানব সংক্রমণের কোনো রেকর্ড নেই।
D) Congo — কঙ্গোতে এই নির্দিষ্ট এভিয়ান ফ্লু ভাইরাস মানবদেহে প্রথম শনাক্ত হওয়ার ইতিহাস নেই।
মনে রাখার টিপস:
রাশিয়ার ঠান্ডা আবহাওয়ায় প্রথম মানবদেহে ধরা পড়েছিল H৫N৮ ফ্লু।
সঠিক উত্তর: C) Israel
কেন সঠিক:
- লেহাভা ইসরায়েলের একটি উগ্র ডানপন্থী এবং কট্টরপন্থী সামাজিক সংগঠন।
- এই সংস্থাটি মূলত ইহুদিদের সাথে অন ইহুদিদের সম্পর্ক বা বিবাহ প্রতিরোধের জন্য পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Russia — রাশিয়া ইউরোপ ও এশিয়ার একটি বিশাল দেশ হলেও এই নামে সেখানে কোনো প্রভাবশালী সামাজিক বা রাজনৈতিক সংগঠন নেই।
B) Poland — পোল্যান্ড একটি ইউরোপীয় দেশ এবং এর সাথে এই নির্দিষ্ট মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক উগ্রপন্থী সংগঠনের কোনো সম্পর্ক নেই।
C) Israel — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ লেহাভা মূলত ইসরায়েল কেন্দ্রिय একটি সংগঠন।
D) Palestine — ফিলিস্তিনের সাথে এই সংগঠনটির কোনো সংযোগ নেই, এটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উগ্র কর্মকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
ইসরায়েলের লেহাভা সংগঠনটি উগ্রপন্থী কার্যক্রমের জন্য পরিচিত, যেখানে লেহাভা শব্দটি ইসরায়েলি প্রেক্ষাপটে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) China
কেন সঠিক:
- মাকাও একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল যা গণচীন দেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এটি এক দেশ দুই নীতি ব্যবস্থার অধীনে চীনের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) China — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাকাও চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল।
B) UK — যুক্তরাজ্য একটি ইউরোপীয় দেশ এবং এর অধীনে মাকাও অঞ্চলটি কখনো ছিল না।
C) Indonesia — ইন্দোনেশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যার সঙ্গে মাকাওয়ের কোনো শাসনতান্ত্রিক সম্পর্ক নেই।
D) S. Korea — দক্ষিণ কোরিয়া পূর্ব এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং মাকাও এর ভূখণ্ড নয়।
মনে রাখার টিপস:
হংকংয়ের মতো মাকাও অঞ্চলটিও চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: C) ৩ জন
কেন সঠিক:
- ২০২১ সালে ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে মোট ৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে একুশে পদক প্রদান করা হয়।
- এই ক্যাটাগরিতে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন মরহুম মতিউল ইসলাম, সুবিমল বড়ো এবং মো. ছহিজউদ্দিন বিশ্বাস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ — এটি ২০২১ সালে একুশে পদক প্রাপ্ত মোট ব্যক্তির সংখ্যা, শুধুমাত্র ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরির সংখ্যা নয়।
B) ৭ — এটি ২০২১ সালে গবেষণা এবং মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে প্রাপ্ত মোট ব্যক্তির সংখ্যা।
D) ২ — এটি ভুল সংখ্যা কারণ ২০২১ সালে ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে ৩ জন ব্যক্তি পদক পেয়েছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
একুশে পদক ২০২১ সালে মোট ২১ জনকে দেওয়া হয় এবং এর মধ্যে ভাষা আন্দোলনের জন্য দেওয়া হয় ৩ জনকে।
সঠিক উত্তর:
D) NAND
১. কেন সঠিক:
- NAND গেটকে ইউনিভার্সাল বা সার্বজনীন লজিক গেট বলা হয় কারণ এটি ব্যবহার করে অন্য যেকোনো মৌলিক লজিক গেট যেমন AND, OR এবং NOT তৈরি করা সম্ভব।
- এটি মূলত AND গেট এবং NOT গেটের সমন্বয়ে গঠিত, যেখানে AND গেটের আউটপুটের সাথে একটি NOT গেট যুক্ত থাকে।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: যে লজিক গেট বা সার্কিট একা অথবা সম্মিলিতভাবে বুলিয়ান অ্যালজেব্রার মৌলিক অপারেশনগুলো সম্পন্ন করতে পারে এবং মৌলিক গেটগুলো তৈরি করতে পারে, তাকে সার্বজনীন গেট বলে।
- কার্যপদ্ধতি: NAND গেটে সব ইনপুট উচ্চ বা ১ হলে আউটপুট নিম্ন বা ০ হয়, আর অন্য যেকোনো ইনপুটের ক্ষেত্রে আউটপুট উচ্চ বা ১ হয়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইনে অত্যন্ত সাশ্রয়ী এবং বহুমুখী ভূমিকা পালন করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আধুনিক কম্পিউটার প্রসেসর
ব্যাখ্যা: প্রসেসর বা মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে কোটি কোটি লজিক গেট থাকে, যার একটি বড় অংশ এই সার্বজনীন গেট দিয়ে তৈরি করা হয়।
উদাহরণ ২: মেমোরি চিপ ডিজাইন
ব্যাখ্যা: র্যাম বা রম মেমোরি চিপের ডেটা স্টোর করার রেজিস্টার তৈরিতে এই গেটগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) AND — এটি একটি মৌলিক লজিক গেট, সার্বজনীন গেট নয় কারণ এটি দিয়ে একা সব গেট তৈরি করা যায় না।
B) XOR — এটি একটি বিশেষ বা এক্সক্লুসিভ লজিক গেট, যা বুলিয়ান সমতা যাচাইয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়।
C) NOT — এটি একটি মৌলিক লজিক গেট যা ইনপুটকে উল্টে দেয় এবং এর এককভাবে সার্বজনীন গেট হওয়ার ক্ষমতা নেই।
D) NAND — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এটি এবং NOR গেট হলো দুটি প্রধান সার্বজনীন লজিক গেট।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি শব্দ Universal এর প্রথম অক্ষর U এবং সার্বজনীন গেট দুটি হলো NAND ও NOR, তাই এদের মনে রাখতে UN বা NOR-NAND এই সংক্ষিপ্ত রূপ মনে রাখতে পারো।
- মৌলিক গেট তিনটি (AND, OR, NOT) এবং সার্বজনীন গেট দুটি (NAND, NOR)।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কোন দুটি গেটকে সার্বজনীন গেট বলা হয়, উত্তর হবে NAND এবং NOR গেট।
- মৌলিক লজিক গেট কয়টি এবং কী কী, এই প্রশ্নটিও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খুব বেশি আসে।
সঠিক উত্তর: B) Human error
১. কেন সঠিক:
কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে ত্রুটিগুলোকে মূলত কোডিং বা সফটওয়্যারের নিজস্ব ত্রুটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মানব ভুল বা হিউম্যান এরর কোনো সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রামিং ত্রুটি নয়, এটি প্রোগ্রাম লেখার সময় মানুষের অনিচ্ছাকৃত ভুল।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: প্রোগ্রামিং ত্রুটি বলতে সোর্স কোডের সেই ভুলগুলোকে বোঝায় যা প্রোগ্রামকে সঠিকভাবে চালাতে বাধা দেয় বা ভুল ফলাফল দেয়।
কার্যপদ্ধতি: প্রোগ্রাম কম্পাইল বা রান করার সময় কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার এই ত্রুটিগুলো শনাক্ত করে এবং ডিবাগিংয়ের মাধ্যমে সংশোধন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিনট্যাক্স এরর
ব্যাখ্যা: সেমিকোলন বা ব্র্যাকেট ভুলে গেলে সিনট্যাক্স এরর ঘটে যা কম্পিউটার কোড রান করতে দেয় না।
উদাহরণ ২: লজিক্যাল এরর
ব্যাখ্যা: ভুল ফর্মুলা ব্যবহারের ফলে প্রোগ্রাম রান করলেও ভুল আউটপুট দেয় যা লজিক্যাল এররের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Syntax error — এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রোগ্রামিং ত্রুটি যা ভাষার ব্যাকরণগত নিয়ম ভুলের কারণে ঘটে।
B) Human error — এটি সাধারণ ভুল, সুনির্দিষ্ট কোনো প্রোগ্রামিং ত্রুটির ক্যাটাগরি নয়।
C) Runtime error — এটি প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে মেমোরি বা ফাইল সংক্রান্ত সমস্যার কারণে ঘটে।
D) Logical error — এটি প্রোগ্রামারের চিন্তার ভু লের কারণে ঘটে যা ভুল ফলাফল উৎপন্ন করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রোগ্রামিং এরর সাধারণত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত যথা সিনট্যাক্স, রানটাইম এবং লজিক্যাল।
মানব ভুল বা হিউম্যান এরর যেকোনো ক্ষেত্রে ঘটতে পারে কিন্তু এটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের নিজস্ব কোনো ত্রুটির নাম নয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে সিনট্যাক্স ত্রুটি সবার আগে ধরা পড়ে কারণ কম্পাইলার কোড চেক করার সময় এটি আটকে দেয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রোগ্রামিং ত্রুটির প্রকারভেদ থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর:
C) Debugging
১. কেন সঠিক:
প্রোগ্রামিংয়ের ভাষায় কোডে কোনো ভুল বা ত্রুটি থাকলে তা খুঁজে বের করে সংশোধন করার প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং বলা হয়।
কম্পিউটার প্রোগ্রামে সিনট্যাক্স বা লজিক্যাল ভুলের কারণে যে ত্রুটি বা বাগ দেখা দেয়, তা দূর করার জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
সংজ্ঞা: কম্পিউটার প্রোগ্রামের ভুল বা বাগ শনাক্ত করে তা সংশোধন করার পদ্ধতিই হলো ডিবাগিং।
কার্যপদ্ধতি: প্রোগ্রাম চালুর সময় ত্রুটি দেখা দিলে ডেভেলপারগণ কোডের নির্দিষ্ট অংশ পরীক্ষা করে সমস্যা চিহ্নিত করেন এবং তা ঠিক করেন।
বৈশিষ্ট্য: এটি সফটওয়্যার উন্নয়নের একটি অপরিহার্য ধাপ, যা কোডের সঠিক কার্যকারিতা নিশ্চিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: একটি যোগ করার প্রোগ্রামে ভুলবশত গুণের চিহ্ন ব্যবহার করায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না পেয়ে কোড সংশোধন করা।
ব্যাখ্যা: এটি লজিক্যাল ত্রুটি সংশোধনের একটি বাস্তব উদাহরণ, যা ডিবাগিংয়ের মাধ্যমে ঠিক করা হয়।
উদাহরণ ২: কোডের ভেতর সেমিকোলন বা ব্র্যাকেট মিসিং থাকার কারণে প্রোগ্রাম রান না করলে তা ঠিক করা।
ব্যাখ্যা: এটি সিনট্যাক্স ত্রুটি সংশোধনের উদাহরণ, যা কম্পাইল করার আগেই ডিবাগ করতে হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Translating — অনুবাদ করা বলতে সোর্স কোডকে মেশিন কোডে রূপান্তর করা বোঝায়, যা কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার করে থাকে, কোনো প্রোগ্রাম সংশোধন করা নয়।
B) Loading — লোডিং হলো মেমোরি বা স্টোরেজ থেকে কোনো প্রোগ্রাম বা ফাইলকে র্যামে বা মূল মেমোরিতে তুলে আনার প্রক্রিয়া।
D) Interpreting — ইন্টারপ্রেটিং হলো প্রোগ্রামিং কোডকে এক লাইন করে পড়ে সাথে সাথে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে কার্যকর করার একটি পদ্ধতি।
৫ মনে রাখার টিপস:
পোকার ইংরেজি নাম বাগ এবং প্রোগ্রামিংয়ের ভুলকে বাগ বলা হয়, তাই বাগ দূর করার প্রক্রিয়া হলো ডিবাগিং।
পরীক্ষায় প্রোগ্রামিংয়ের ত্রুটি সংশোধনের প্রশ্ন থাকলে চোখ বন্ধ করে ডিবাগিং অপশনটি বেছে নেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কম্পিউটার বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম কম্পিউটার বাগ হিসেবে একটি মথ বা পতঙ্গকে একটি কম্পিউটারের রিলে থেকে অপসারণ করা হয়েছিল।
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রোগ্রামিংয়ের মৌলিক টার্ম থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে।
সঠিক উত্তর: A) RFID
১. কেন সঠিক:
- RFID একটি অপটিক্যাল ইনপুট ডিভাইস নয়, এটি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- অপটিক্যাল ডিভাইসগুলো আলোকরশ্মি বা লেজারের আলো ব্যবহার করে কাজ করে, যা RFID-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: RFID-এর পূর্ণরূপ হলো Radio Frequency Identification। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ট্যাগ বা কার্ডে থাকা তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাঠ করতে পারে।
- কার্যপদ্ধতি: এই প্রযুক্তিতে একটি রিডার রেডিও তরঙ্গ পাঠায় এবং ট্যাগের ভেতরে থাকা মাইক্রোচিপ সেই তরঙ্গের প্রতিক্রিয়ায় নিজস্ব তথ্য রিডারের কাছে প্রেরণ করে।
- বৈশিষ্ট্য: এর জন্য রিডার এবং ট্যাগের মধ্যে সরাসরি দৃষ্টিরেখার প্রয়োজন হয় না এবং একসাথে একাধিক ট্যাগ দূর থেকে স্ক্যান করা যায়।
- ব্যবহার: এজিদ, ক্যাটল ট্র্যাকিং, টোল প্লাজা আদায় এবং লজিস্টিকস ব্যবস্থাপনায় এটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা মেট্রোলের এমআরটি পাস বা র্যাপিড পাস।
ব্যাখ্যা: বাস বা ট্রেন স্টেশনের গেটে কার্ড ছোঁয়ালে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির মাধ্যমে ব্যালেন্স কাটা হয়, যা অপটিক্যাল পদ্ধতি নয়।
উদাহরণ ২: শপিং মলের ইএসএল বা অ্যান্টি-থেফট ট্যাগ।
ব্যাখ্যা: পোশাকের সাথে থাকা নিরাপত্তা ট্যাগ ক্যাশ কাউন্টারের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি স্ক্যানার দিয়ে শনাক্ত করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) RFID — এটি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, তাই এটি অপটিক্যাল ইনপুট ডিভাইস নয়।
B) OMR — এর পূর্ণরূপ Optical Mark Recognition। এটি পরীক্ষার খাতার গোল দাগ পড়ার জন্য আলোকরশ্মি ব্যবহার করে, যা একটি অপটিক্যাল ইনপুট ডিভাইস।
C) OR Code Scanner — এর সঠিক রূপ QR Code Scanner। এটি আলোকরশ্মি ব্যবহার করে কোড স্ক্যান করে, যা অপটিক্যাল ডিভাইসের অন্তর্ভুক্ত।
D) Bar Code Scanner — এটি লেজার আলো বা আলোকরশ্মি প্রতিফলনের মাধ্যমে বারকোড পাঠ করে, তাই এটি একটি অপটিক্যাল ইনপুট ডিভাইস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নামেই পরিচয়: যার নামের শুরুতে অপটিক্যাল বা লাইট বা লেজার বা বারকোড বা ওএমআর থাকে, তা অপটিক্যাল।
- রেডিও তরঙ্গযুক্ত ডিভাইস যেমন RFID বা ব্লুটুথ বা ওয়াইফাই কখনোই অপটিক্যাল ইনপুট ডিভাইস হতে পারে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- অপটিক্যাল ইনপুট ডিভাইসগুলো আলো বা লেজারের ওপর নির্ভর করে কাজ করে।
- এই প্রশ্নটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং ইনপুট ডিভাইস ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর:
A) Collaterals
১. কেন সঠিক:
- ক্ষুদ্রঋণের সফলতা জামানত বা Collaterals ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে না, বরং সামাজিক বন্ধন ও দলের বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
- প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় জামানত বাধ্যতামূলক হলেও ক্ষুদ্রঋণ মডেলে জামানত ছাড়াই ঋণ দেওয়া হয়।
২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: ক্ষুদ্রঋণ বা Micro-credit হলো দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থানের জন্য অল্প পরিমাণে প্রদান করা জামানতবিহীন ঋণ।
- কার্যপদ্ধতি: এটি সাধারণত দলভিত্তিক পদ্ধতিতে কাজ করে যেখানে গ্রহীতারা একে অপরের জামিনদার হিসেবে কাজ করে।
- বৈশিষ্ট্য: এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো উচ্চ সুদের হার নয়, বরং নিয়মিত কিস্তি আদায় এবং সহজ শর্তে ঋণ বিতরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্রামীণ ব্যাংক মডেল।
ব্যাখ্যা: এই মডেলে কোনো রূপ জামানত ছাড়াই দরিদ্র নারীদের দলগতভাবে ঋণ দেওয়া হয়।
উদাহরণ ২: ব্র্যাকের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম।
ব্যাখ্যা: এখানে মাঠ পর্যায়ে তদারকি এবং নিয়মিত সভার মাধ্যমে ঋণ বিতরণ ও আদায় নিশ্চিত করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Collaterals — এটি ক্ষুদ্রঋণের সাফল্যের চাবিকাঠি নয় কারণ গরিব মানুষের কাছে মূল্যবান জামানত থাকে না, তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) Incentives — নিয়মিত পরিশোধে উৎসাহ বা প্রণোদনা ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতাদের সময়মতো কিস্তি দিতে সাহায্য করে।
C) Monitoring — মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত তদারকি ক্ষুদ্রঋণের খেলাপি হওয়া রোধে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
D) Schedule — সঠিক ও সুশৃঙ্খল পরিশোধের সময়সূচি ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম সফল রাখতে সাহায্য করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্ষুদ্রঋণ মানেই জামানতহীন ঋণ।
- জামানত (Collaterals) বড় ব্যাংকে লাগে, মাইক্রো-ক্রেডিটে লাগে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবক্তা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্ষুদ্রঋণ ও ব্যাংকিং টার্ম নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)