সঠিক উত্তর: C) চর্যাপদ
১. কেন সঠিক:
- 'আপনা মাংসে হরিণা বৈরী' একটি বিখ্যাত প্রাচীন সাহিত্যিক উদ্ধৃতি, যার অর্থ নিজের মাংসের জন্যই হরিণ শত্রু বা বিপদের মুখে পড়ে।
- চর্যাপদের ৬ নম্বর পদে ভুসুকুপা এই রূপকটির মাধ্যমে বুঝিয়েছেন যে মানুষের নিজের গুণ বা সম্পদই অনেক সময় তার ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও নিদর্শন, যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন।
- এটি মূলত সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধনসংগীত বা চর্যাগান, যা আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শুষ্ক কাষ্ঠ বাজে পুণ্য বাতাসে।
ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের আরেকটি রূপকধর্মী লাইন যা সাধনপদ্ধতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশ বোই বুইএ কিআ থাই।
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের ভাষা সান্ধ্যভাষা বা প্রাকৃত ও প্রাচীন বাংলার মিশ্র রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লোকসাহিত্য — লোকসাহিত্য মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত সাহিত্য, কিন্তু চর্যাপদ নির্দিষ্ট কবিদের রচিত ও বৌদ্ধ ধর্মের সাধনসংগীত।
B) ব্রজবুলি — ব্রজবুলি কোনো অঞ্চলের ভাষা নয়, এটি কৃত্রিম কাব্যভাষা যা মূলত বৈষ্ণব পদাবলীতে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) বৈষ্ণব পদাবলি — বৈষ্ণব পদাবলি মধ্যযুগের সাহিত্যের অংশ, যা রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত এবং এর কাল অনেক পরের।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদের বিখ্যাত পদের পঙক্তিগুলো মনে রাখতে কবির নাম ও পদের বিষয়বস্তু মিলিয়ে পড়তে হবে।
- হরিণ শত্রু হওয়ার এই রূপকটি প্রাচীন চর্যাপদের ভুসুকুপার পদের সঙ্গে যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদ থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পঙক্তি তুলে প্রশ্ন করা হয়।
- এই ধরনের উদ্ধৃতি দেখলে বুঝতে হবে এটি প্রাচীন যুগের চর্যাপদের কোনো না কোনো সিদ্ধাচার্যের পদ।
সঠিক উত্তর: B) উজানী নগর
১. কেন সঠিক:
- মঙ্গলকাব্যের ঐতিহ্যবাহী চরিত্র ধনপতি সদাগর বাংলার প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য ধারার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ধারা মনসা মঙ্গল এবং চণ্ডী মঙ্গল কাব্যে ধনপতি সদাগরের কাহিনীর বিস্তার রয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত কবিকঙ্কন চণ্ডী কাব্যের একটি কেন্দ্রীয় চরিত্র হলেন ধনপতি সদাগর।
- চণ্ডী মঙ্গল কাব্যের দ্বিতীয় অংশের বা খেদ খণ্ডের প্রধান বণিক চরিত্র হিসেবে ধনপতি সদাগর ও শ্রীমন্ত সদাগরের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীমন্ত সদাগর
ব্যাখ্যা: শ্রীমন্ত সদাগর হলেন ধনপতি সদাগরের পুত্র, যা চণ্ডী মঙ্গল কাব্যের কাহিনীকে এগিয়ে নিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
উদাহরণ ২: লহনা ও খুলিঞ্জনা
ব্যাখ্যা: লহনা ও খুল্লনা হলেন ধনপতি সদাগরের দুই স্ত্রী, যাদের নিয়ে চণ্ডী মঙ্গল কাব্যের পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও কাহিনী গড়ে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিজয় নগর — এটি প্রাচীন দক্ষিণ ভারতের একটি ঐতিহাসিক সাম্রাজ্যের রাজধানী, যা ধনপতি সদাগরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) উজানী নগর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) সিংহল — এটি এমন একটি স্থান যেখানে ধনপতি সদাগর বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করেছিলেন এবং বন্দী হয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর মূল বাসস্থান ছিল না।
D) আরাকান — এটি বঙ্গোপসাগরের পূর্ব তীরের একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল বা রাজ্য, যা ধনপতি সদাগরের আদি বাসস্থানের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
ধনপতি সদাগরের বাসস্থান মনে রাখতে ডল বা ঘর নির্দেশক হিসেবে উজানী নগর এবং বাণিজ্যের জন্য সিংহল ভ্রমণের বিষয়টি মনে রাখতে পারো।
মঙ্গলকাব্যের বণিক চরিত্রগুলোর আদি নিবাস সাধারণত বাংলার বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী জনপদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মঙ্গলকাব্য এবং এর বিভিন্ন চরিত্র যেমন ধনপতি সদাগর, শ্রীমন্ত সদাগর ও খুল্লনার পরিচয় প্রায়ই আসে।
চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য কোন চরিত্র কোন কাব্যের এবং কোন লেখকের সৃষ্টি, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মহুয়া
১. কেন সঠিক:
'মহুয়া' পালাগানটি বাংলা ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় একটি ট্র্যাজেডি পালা।
এই পালাগানের অন্যতম প্রধান ও কেন্দ্রীয় একটি পুরুষ চরিত্র হলো নদের চাঁদ, যার সঙ্গে নায়িকা মহুয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
দ্বিজ কানাই রচিত 'মহুয়া' পালাটি ড. দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত একটি কালজয়ী সাহিত্যকর্ম।
এই পালাগানে বাঙালি গ্রামীণ সমাজের লোকজীবন, গভীর প্রেম এবং বেদনাবিধুর পরিণতির এক অপূর্ব রূপায়ন ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মলুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার আরেকটি বিখ্যাত পালা যার মূল চরিত্র মলুয়া।
উদাহরণ ২: কাজল রেখা পালা
ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত লোককাহিনিভিত্তিক একটি জনপ্রিয় পালাগান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মলুয়া — এই পালাটির প্রধান চরিত্র মলুয়া ও চন্দ্রকুমার, নদের চাঁদ নয়।
B) মহুয়া — এটি সঠিক উত্তর।
C) দেওয়ানা মদিনা — এই পালার প্রধান চরিত্র মদিনা ও আলী আকবর, নদের চাঁদ নয়।
D) কাজল রেখা — এই পালাটির মূল চরিত্র কাজলরেখা ও সুচন্দ্রা, নদের চাঁদ এখানে নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
মহুয়া ও নদের চাঁদ জুটির প্রেম ময়মনসিংহ গীতিকার অমর সৃষ্টি হিসেবে স্মরণ রাখতে পারো।
পালাগানভিত্তিক চরিত্রগুলোর নাম মনে রাখতে গীতিকার মূল চরিত্রগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ময়মনসিংহ গীতিকার সংকলক ড. দীনেশচন্দ্র সেন এবং এটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ময়মনসিংহ গীতিকার বিভিন্ন পালার চরিত্র ও রচয়িতা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) পান
১. কেন সঠিক:
তাম্বুল একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ পান পাতা বা সুপারি সমেত পান খাওয়া।
প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের সংস্কৃতিতে অতিথি আপ্যায়নে এবং পূজা-পার্বণে তাম্বুলের ব্যবহার অত্যন্ত জনপ্রিয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দটির উৎস সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দ হিসেবে বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে তাম্বুল বা পান ব্যবহারের বহু সুন্দর বিবরণ পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চুণ খয়ের দিয়ে তাম্বুল চর্বণ করা বাঙালির দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য।
ব্যাখ্যা: এখানে তাম্বুল শব্দটির মাধ্যমে সরাসরি পান খাওয়ার প্রথাকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রাচীন রাজদরবারে সেবকরা রূপার থালায় তাম্বুল পরিবেশন করতেন।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ঐতিহাসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে তাম্বুল শব্দের ব্যবহার স্পষ্ট করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঠোঁট — এটি তাম্বুল শব্দের অর্থ নয় কারণ ঠোঁট বলতে মুখমণ্ডলের একটি বিশেষ অংশকে বোঝায়।
B) পান — এটি সঠিক উত্তর এবং তাম্বুল শব্দের প্রমিত অর্থ হলো পান।
C) কপাল — এটি মানুষের শরীরের একটি অঙ্গের নাম যা তাম্বুল শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) গাল — এটি মুখমণ্ডলের বাইরের অংশ বিশেষ যা তাম্বুল শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
তাম্বুল শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি মূলত পান বোঝায়।
প্রাচীন পদ্য বা কাব্যে পান বোঝাতে কবিরা প্রায়ই তাম্বুল শব্দটি ব্যবহার করতেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও অর্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে।
তাম্বুলের মতো অন্যান্য প্রাচীন শব্দ যেমন মুষিক বা কুঞ্জর শব্দের অর্থ ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মুসলিম সাহিত্য পরিষদ
১. কেন সঠিক:
- 'শিখা' পত্রিকা ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' সংগঠনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিল।
- প্রশ্নে 'মুসলিম সাহিত্য পরিষদ' উল্লেখ করা হয়েছে যা মূলত মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে কাজ করত এবং এর বিখ্যাত স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শিখা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সংগঠন ছিল মুসলিম সাহিত্য সমাজ যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল মুক্তমনা তরুণ ও যুবকের উদ্যোগে গঠিত হয়েছিল।
- এই সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন আবুল হোসেন এবং কাজী মোতাহের হোসেন, আর শিখা পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন আবুল ফজল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী মোতাহের হোসেন
ব্যাখ্যা: তিনি শিখা পত্রিকার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি এবং মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।
উদাহরণ ২: বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন
ব্যাখ্যা: শিখা পত্রিকা এই আন্দোলনের মুখপত্র হিসেবে বাংলা সাহিত্য ও সমাজে মুক্তচিন্তা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুসলিম বাংলা — এটি কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সাহিত্য সংগঠনের নাম নয় যা শিখা পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিল।
B) বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য পরিষদ — এটি ১৯১১ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত একটি আলাদা সাহিত্য সংগঠন যার সঙ্গে শিখা পত্রিকার সরাসরি সংযোগ ছিল না।
C) এশিয়াটিক সোসাইটি — এটি ১৭৮৪ সালে উইলিয়াম জোন্স কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রাচ্যবিদ্যা বিষয়ক একটি প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা শিখা পত্রিকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) মুসলিম সাহিত্য পরিষদ — এই অপশনটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত এবং এটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের সঙ্গে সম্পর্কিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শিখা পত্রিকার স্লোগান এবং মুসলিম সাহিত্য সমাজের নাম একসাথে মনে রাখতে হবে।
- শিখা জ্বালানোর কাজটি মুক্তবুদ্ধি চর্চার সঙ্গে সম্পর্কিত, যা এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য ছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শিখা পত্রিকার প্রথম প্রকাশের সাল এবং সম্পাদক সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র কোনটি, এই প্রশ্নটি সাহিত্য অংশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) বিশেষণ
১. কেন সঠিক:
- 'এ যে আমাদের চেনা লোক' বাক্যে 'চেনা' শব্দটি 'লোক' বিশেষ্য পদের দোষ গুণ অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে।
- যে পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ গুণ সংখ্যা পরিমাণ বা অবস্থা প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে পদ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ গুণ অবস্থা সংখ্যা ও পরিমাণ প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে।
- বাক্যে 'চেনা' শব্দটি লোকটিকে নির্দিষ্ট করে তার পরিচিতি বা অবস্থা বোঝাচ্ছে তাই এটি নাম বিশেষণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গরিব লোকটি আমাদের সাহায্যপ্রার্থী।
ব্যাখ্যা: এখানে 'গরিব' শব্দটি 'লোকটি' বিশেষ্যের অবস্থা প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ।
উদাহরণ ২: তাজা ফুল দেখতে সুন্দর লাগে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'তাজা' শব্দটি 'ফুল' বিশেষ্যের গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — বিশেষ্য হলো কোনো কিছুর নাম যা এখানে বোঝানো হয়নি কারণ চেনা শব্দটি নাম প্রকাশ করছে না।
B) অব্যয় — অব্যয় পদের নিজস্ব কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি পদগুলোকে সংযুক্ত করে যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায় কিন্তু এখানে কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না।
D) বিশেষণ — এটি সঠিক কারণ চেনা শব্দটি বিশেষ্য পদের গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো পদের আগে বা পরে বিশেষ্য পদ বসিয়ে যদি প্রশ্ন করা হয় কেমন লোক বা কেমন বস্তু তাহলে উত্তর পেলে তা বিশেষণ হবে।
- চেনা লোক অর্থাৎ কেমন লোক উত্তর হলো চেনা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃদন্ত বিশেষণ বা নাম বিশেষণ নির্ণয় করতে এই নিয়ম কাজে লাগে।
- বাক্যে পদের অবস্থান ও কার্যকারিতা দেখে পদ নির্ণয় করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) শাশুড়ি
১. কেন সঠিক:
'শ্বশ্রু' একটি তৎসম শব্দ, যার অর্থ হলো শাশুড়ি বা স্বামীর বা স্ত্রীর মা।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রায়শই এই ধরনের তৎসম বা সংস্কৃত শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের অন্তর্গত একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ।
সংস্কৃত ব্যাকরণ ও শব্দতত্ত্বে এই শব্দের ব্যবহার বহু প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্বশ্রূবালী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটি শাশুড়ি অর্থে প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: শ্বশ্রুসহবাস
ব্যাখ্যা: এটি তৎসম শব্দ গঠনের একটি যৌগিক রূপ যা শাশুড়ির সঙ্গে বসবাস বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাড়িগোঁফ — দাড়িগোঁফ অর্থে 'শ্মশ্রু' শব্দটি ব্যবহৃত হয়, যা এই প্রশ্নটির সঙ্গে মেলে না।
B) শত্রু — শত্রু শব্দের অর্থ বিপক্ষ বা বৈরী, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি শব্দ।
C) অশ্রু — অশ্রু শব্দের অর্থ চোখের জল, যা ধ্বনিগত সামঞ্জস্য থাকলেও অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন।
D) শাশুড়ি — এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
শ্বশ্রু মানে শাশুড়ি এবং শ্মশ্রু মানে দাড়িগোঁফ, তালব্য শ এবং মূর্ধন্য শ এর এই পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
বানানের এই সূক্ষ্ম নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষাকেন্দ্রে বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ ও বানান বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের কাছাকাছি উচ্চারণের শব্দগুলোর অর্থ বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: D) কালসাপ
কেন সঠিক:
কালসাপ শব্দটিতে সমস্তপদ এবং ব্যাসবাক্যের মধ্যে অর্থের কোনো পরিবর্তন হয় না।
নিত্য সমাসের নিয়ম অনুযায়ী এর কোনো স্বাভাবিক ব্যাসবাক্য হয় না, কেবল অন্য পদের সাহায্যে বুঝাতে হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সমাসে সমাসের নিয়ম মানতে হয় না এবং ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় তাকে নিত্য সমাস বলে।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই সমাসের ক্ষেত্রে পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে।
যেমন: অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তেলে ভাজা - এটি অলুক তৎপুরুষ সমাস কারণ এখানে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়নি।
B) নিখরচা - এটি অব্যয়ীভাব সমাস কারণ এখানে অব্যয়ের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।
C) নীলকণ্ঠ - এটি বহুব্রীহি সমাস কারণ নীল কণ্ঠ যার অর্থাৎ তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ করে।
D) কালসাপ - এটি নিত্য সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য করতে অন্য পদের সাহায্য লাগে।
মনে রাখার টিপস:
যে সমস্ত শব্দের স্বাভাবিক ব্যাসবাক্য হয় না এবং কেবল অন্য পদের সাহায্যে অর্থ প্রকাশ করতে হয় সেগুলোই নিত্য সমাস।
অন্য গ্রাম, কালসাপ, অন্তরদ্বীপ ইত্যাদি শব্দ দেখলে নিত্য সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে।
সঠিক উত্তর: C) সর্বনাম
১. কেন সঠিক:
'নেই' শব্দটি এখানে বিশেষ্য, বিশেষণ বা ক্রিয়া পদের কাজ না করে কোনো কিছুর অনুপস্থিতি বা অস্তিত্বহীনতা বোঝাতে সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাক্যের অর্থ বিবেচনা করলে দেখা যায়, 'বাবা' বিশেষ্যের অনুপস্থিতি বা অস্তিত্ববাচক সর্বনাম হিসেবে 'নেই' পদটি এখানে বসেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রদত্ত প্রশ্নটি ব্যাকরণের পদ প্রকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত।
সাধারণত 'নাই' বা 'নেই' শব্দটিকে আমরা ক্রিয়ার নেতিবাচক রূপ হিসেবে জানি, তবে বাক্যভেদে তা সর্বনামের কাজ করতে পারে।
বিশেষ করে বাক্যের মধ্যে বিশেষ্যের অস্তিত্বহীনতা প্রকাশ করতে যখন কোনো পদের স্বতন্ত্র উপস্থিতি দেখা যায়, তখন তা সর্বনামের রূপ নেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার কেউ নেই।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'কেউ নেই' অংশটি দ্বারা উপস্থিতি বা অস্তিত্বহীনতা বোঝানো হয়েছে এবং 'নেই' সর্বনামের ভূমিকা পালন করেছে।
উদাহরণ ২: টিনএজে তার কোনো বন্ধু নেই।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বন্ধু নামক বিশেষ্যের অনুপস্থিতি বোঝাতে 'নেই' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে যা সর্বনাম পদ হিসেবে গণ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু 'নেই' কোনো নাম বোঝায় না।
B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু 'নেই' তা করে না।
C) সর্বনাম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যে অনুপস্থিতি বোঝাতে সর্বনাম হিসেবে কাজ করেছে।
D) ক্রিয়া — সাধারণভাবে ক্রিয়াপদ কাজ বোঝায়, কিন্তু এখানে এটি কোনো কাজ সম্পন্ন করছে না বরং অনুপস্থিতি নির্দেশ করছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'নেই' বা 'নাই' শব্দ যদি কোনো কিছুর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি সরাসরি নির্দেশ করে এবং বিশেষ্যের স্থলাভিষিক্ত হয়, তবে তাকে সর্বনাম হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
ক্রিয়ার নেতিবাচক রূপ হলেও বাক্যের গঠন ও অর্থ অনুসারে এটি সর্বনাম হিসেবে গণ্য হতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের রূপ না দেখে বাক্যে তার কার্যকারিতা দেখতে হবে।
একই শব্দ বাক্যভেদে বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম বা ক্রিয়া হতে পারে, তাই বাক্যের অর্থ ভালোভাবে অনুধাবন করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: খ) ১৯০৭
কেন সঠিক:
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন।
- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হাযर বুরগী ও পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা গ্রন্থটিতে চর্যাপদ প্রথম প্রকাশিত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য তথা সাহিত্য নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত।
- ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা হলাে আদি বাংলা ভাষা।
- চর্যাপদের পংক্তির একটি বিখ্যাত উদাহরণ হলাে চরিয়া পদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- ক) ১৮০৭ — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি বরং এটি ভুল একটি সাল।
- খ) ১৯০৭ — এটি সঠিক সাল হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
- গ) ১৯০৯ — ১৯০৯ সালে চর্যাপদ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়, আবিষ্কৃত হয়নি।
- ঘ) ১৮০৯ — এই সালে চর্যাপদের আবিষ্কার বা প্রকাশনার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেটি।
মনে রাখার টিপস:
- ১৯০৭ সালে আবিষ্কার এবং ১৯০৯ সালে প্রকাশ এই দুটি সাল মনে রাখলে পরীক্ষার বিভ্রান্তি দূর হবে।
সঠিক উত্তর: C) little
কেন সঠিক:
- বাক্যটিতে তুলনা এবং অর্থের ধারাবাহিকতা বোঝাতে negative adverb হিসেবে little ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ খরচ খুবই কম।
- এবং এর পরের অংশে you can save more থাকায় প্রথম অংশে খরচ কম হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lot — এটি একটি noun phrase এবং এর আগে a lot of হওয়া উচিত ছিল, তাই এখানে সরাসরি বসে grammatical structure নষ্ট করে।
B) a little — এর অর্থ কিছু বা সামান্য পরিমাণ, যা বসালে খরচের পরিমাণ ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে এবং পরের অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় না।
C) little — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটির ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
D) small — এটি একটি adjective যা cost verb-এর object হিসেবে সরাসরি বসে adverbial meaning প্রকাশ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
savings বেশি করতে হলে খরচ কম হতে হবে, তাই অর্থের দিক থেকে negative অর্থ প্রকাশ করতে little ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) An adjective phrase
কেন সঠিক:
- 'in the room' এই ফ্রেইজটি ঠিক আগের noun 'people'-কে মডিফাই করছে এবং কারা দাঁড়িয়েছিল তা বোঝাচ্ছে।
- noun-এর পরে বসে যখন কোনো prepositional phrase তার আগের noun-কে বিশেষিত করে, তখন তা adjective phrase-এর কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A prepositional phrase — এটি সত্য যে গঠনগতভাবে এটি preposition দিয়ে শুরু, কিন্তু বাক্যে এর কার্যকারিতা প্রধানত adjective-এর মতো।
B) An advance phrase — ব্যাকরণে এই নামে কোনো নির্দিষ্ট বা স্বীকৃত phrase-এর শ্রেণিবিভাগ নেই।
C) A noun phrase — এটি কোনো noun-এর কাজ করছে না বা বাক্যের subject কিংবা object হিসেবে বসেনি।
D) An adjective phrase — এটি সঠিক কারণ এটি noun-কে কোয়ালিফাই বা বিশেষিত করার কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো Prepositional Phrase যদি বাক্যের Noun-এর ঠিক পরে বসে সেই Noun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেয়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে Adjective Phrase হিসেবে চিহ্নিত করবে।
সঠিক উত্তর: D) I would be grateful to you.
কেন সঠিক:
বাক্যটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে যেখানে ইফ clauses এ পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স থাকে।
তাই এর পরের অংশে সাবজেক্টের পর উড এবং ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I will be grateful to you. — এটি ফার্স্ট কন্ডিশনালের গঠন হওয়ায় বর্তমান বা ভবিষ্যতের সাধারণ সম্ভাবনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
B) I shall be grateful to you. — শ্যাল সাধারণত ফার্স্ট কন্ডিশনাল বা সাধারণ ভবিষ্যতে ব্যবহৃত হয় যা পাস্ট সাবজেক্টের সাথে মেলে না।
C) I should be grateful to you. — শুড মূলত নৈতিক বাধ্যবাধকতা বা উচিত অর্থে ব্যবহৃত হয় যা এখানে উপযুক্ত নয়।
D) সঠিক অপশন হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইফ ক্লজে পাস্ট টেন্স থাকলে প্রধান অংশে উড এবং ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) has been
কেন সঠিক:
বাক্যে for nearly a week উল্লেখ থাকায় এটি অতীতকাল থেকে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলা একটি কাজ বোঝাচ্ছে। তাই এখানে Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is — এটি Present Indefinite Tense নির্দেশ করে যা নির্দিষ্ট সময় ধরে চলা কাজের জন্য বসে না।
B) was — এটি Simple Past Tense বোঝায় যা বর্তমানের সাথে সম্পর্কিত কোনো দীর্ঘস্থায়ী কাজের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) was being — এটি Past Continuous Tense এর রূপ যা এই ধরনের সময়ের ব্যপ্তির ক্ষেত্রে grammatically সঠিক নয়।
D) has been — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং শর্ত পূরণ করে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে since বা for এর পরে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি বর্তমান পর্যন্ত চললে Present Perfect Tense হয়।
সঠিক উত্তর: D) are going
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে tomorrow কথাটি থাকায় এটি ভবিষ্যতের নিকটবর্তী একটি নিশ্চিত পরিকল্পনা প্রকাশ করছে।
ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী এমন নিশ্চিত ভবিষ্যতের ক্ষেত্রে Present Continuous Tense ব্যবহার করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will be going — এটি ভবিষ্যতের একটি চলমান কাজ বোঝায়, কিন্তু এখানে পূর্বনির্ধারিত নিশ্চিত পরিকল্পনার জন্য Present Continuous tense বেশি উপযুক্ত।
B) will have been going — এটি Future Perfect Continuous tense, যা বর্তমানের নিশ্চিত কোনো পরিকল্পনার ক্ষেত্রে পুরোপুরি বেমানান।
C) have been going — এটি Present Perfect Continuous tense, যা অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমানে চলমান কাজ বোঝায় কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য নয়।
D) are going — এটি সঠিক কারণ এটি বর্তমানের নিয়মে ভবিষ্যতের নিশ্চিত পরিকল্পনা প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
নিকट ভবিষ্যতের নিশ্চিত পরিকল্পনা বোঝাতে অনেক সময় Future Tense এর বদলে Present Continuous Tense ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) for
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের পর a long time হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তি বা ধরে বুঝায়।
এই ধরনের সময়ের ব্যাপ্তি বা duration এর পূর্বে প্রিপজিশন হিসেবে for বসে।
এটি পিরিয়ড অব টাইম নির্দেশ করে।
বাক্যটির অর্থ হলো তিনি দীর্ঘ সময় ধরে কিছু বলেননি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — এটি পরে বুঝাতে বসে কিন্তু এখানে সময়ের ব্যাপ্তি বোঝানো হয়েছে।
B) since — এটি নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা থেকে বুঝাতে বসে যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) خلال বা during — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঘটে যাওয়া ঘটনা বোঝাতে বসে।
D) সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এটি এখানে সম্পূর্ণ সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
সময়ের দৈর্ঘ্য বা ব্যাপ্তির ক্ষেত্রে for এবং নির্দিষ্ট সময় বা শুরুর বিন্দুর ক্ষেত্রে since বসে।
সঠিক উত্তর: B) keep up with
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে গতির সাথে তাল মিলিয়ে চলার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।
তাই উপযুক্ত গ্রুপ ভার্ব হিসেবে keep up with ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) keep up — এর পরে কোনো অবজেক্ট না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ থাকে।
B) keep up with — এটি সঠিক উত্তর।
C) keep with — এই বাক্যের জন্য এই ফ্রেজাল ভার্বটি সঠিক নয়।
D) keep on — এটি কোনো নির্দিষ্ট গতির সাথে চলা বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
কারো বা কোনো কিছুর গতির সাথে সমান তালে চলা বোঝাতে সবসময় keep up with ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: খ) more
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে দুটি অবস্থার তুলনা বোঝানো হয়েছে। তাই এখানে অ্যাডজেক্টিভের কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হবে।
expensive একটি দীর্ঘ শব্দ হওয়ায় এর পূর্বে more বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) much — এটি পজিটিভ ডিগ্রির তীব্রতা বাড়াতে বসে কিন্তু এখানে তুলনার জন্য কম্পারেটিভ রূপ দরকার।
খ) more — এটি সঠিক কারণ এটি expensive শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে সঠিক তুলনা গঠন করেছে।
গ) ঘ) high — এটি অর্থের সাথে মেলে না এবং এটি সঠিক তুলনামূলক রূপ নয়।
ঘ) too much — এটি সাধারণত নাউনের আগে বসে কিন্তু এখানে অ্যাডজেক্টিভের তুলনা করা হচ্ছে।
মনে রাখার টিপস:
বড় অ্যাডজেক্টিভের আগে তুলনা বোঝাতে more এবং ছোট শব্দের শেষে er যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Ordinal numeral
কেন সঠিক:
Ordinal numeral দ্বারা কোনো বস্তু বা ব্যক্তির ক্রম, পর্যায় বা অবস্থান বোঝানো হয়।
এখানে third শব্দটি রহিম পরিবারের কততম সন্তান সেই ক্রম প্রকাশ করায় এটি Ordinal numeral।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cardinal numeral — এটি কোনো বস্তুর সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, যেমন one, two, three।
B) Multiplicative numeral — এটি কোনো সংখ্যা কতগুণ তা বোঝায়, যেমন single, double, triple।
C) Ordinal numeral — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে বিবেচ্য নয়।
D) Indefinite numeral — এটি নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা বা ক্রম বোঝায় না, যেমন many, some, few।
মনে রাখার টিপস:
সংখ্যা গণনার ক্ষেত্রে one, two হলে Cardinal এবং প্রথম, দ্বিতীয় বোঝাতে first, second, third হলে Ordinal numeral হয়।
সঠিক উত্তর: C) Drake
কেন সঠিক:
Drake শব্দটির অর্থ হলো হাঁস, যা হাঁসের পুংলিঙ্গ বা masculine gender বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
এর স্ত্রীলিঙ্গ বা feminine gender হলো Duck।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Roe — এটি স্ত্রী হরিণ বা roe-deer এর স্ত্রীবাচক রূপ বোঝায়।
B) Mare — এটি ঘোড়ার স্ত্রীবাচক রূপ বা feminine gender।
C) Drake — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কিছু প্রযোজ্য নয়।
D) Niece — এটি ভাইজি বা ভাগ্নি বোঝাতে ব্যবহৃত স্ত্রীবাচক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
হাঁসের ক্ষেত্রে Duck হলো স্ত্রীলিঙ্গ এবং Drake হলো পুংলিঙ্গ।
সঠিক উত্তর: B) অসংখ্য
প্রদত্ত তথ্য:
জ্যামিতির উপপাদ্য অনুসারে একটি নির্দিষ্ট বিন্দু দিয়ে অসীম সংখ্যক বৃত্ত অঙ্কন করা সম্ভব।
ঠিক তেমনি দুটি নির্দিষ্ট বিন্দুর ওপর দিয়েও অসংখ্য বৃত্ত আঁকা যায়।
ধরি,
плоскость বা সমতলে বিন্দু দুটি ক এবং খ।
ওই নির্দিষ্ট দুটি বিন্দুর ওপর দিয়ে প্রথম বৃত্তটি অতিক্রম করে।
অতএব,
ক এবং খ বিন্দু দুটিকে কেন্দ্র করে বা পরিধিতে রেখে বিভিন্ন ব্যাসার্ধের বৃত্ত আঁকা যায়।
এর ফলে ওই দুটি বিন্দুগামী বৃত্তের সংখ্যা বাড়তেই থাকে।
সুতরাং,
দুটি নির্দিষ্ট বিন্দু দিয়ে অসীম সংখ্যক বা অসংখ্য বৃত্ত অঙ্কন করা যায়।
উত্তর: অসংখ্য
সঠিক উত্তর: A) ৭৭
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অর্ধেকের যোগফল ৫১
তাদের পার্থক্যের এক-চতুর্থাংশ ১৩
ধরি,
বড় সংখ্যাটি ক এবং ছোট সংখ্যাটি খ
অতএব,
ক ÷ ২ + খ ÷ ২ = ৫১
ক + খ = ১০২
সুতরাং,
ক − খ = ১৩ × ৪ = ৫২
উত্তর: ক = (১০২ + ৫২) ÷ ২ = ৭৭
সঠিক উত্তর: A) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার গুণফল = ১৫৩৬
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৯৬
আমরা জানি,
দুটি সংখ্যার গুণফল = (সংখ্যা দুটির লসাগু × সংখ্যা দুটির গসাগু)
অতএব,
সংখ্যা দুটির গসাগু = (দুটি সংখ্যার গুণফল ÷ সংখ্যা দুটির লসাগু)
সুতরাং,
গসাগু = ১৫৩৬ ÷ ৯৬ = ১৬
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: A) ১৩৫°
প্রদত্ত তথ্য:
চতুর্ভুজের চারটি কোণের অনুপাত = ১ : ২ : ২ : ৩
চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি = ৩৬০°
ধরি,
কোণ চারটি যথাক্রমে ১x, ২x, ২x এবং ৩x
অতএব,
অনুপাতগুলোর যোগফল = ১ + ২ + ২ + ৩ = ৮
প্রশ্নমতে, ৮x = ৩৬০°
সুতরাং,
x এর মান = ৩৬০° ÷ ৮ = ৪৫°
উত্তর: বৃহত্তম কোণটি হলো ৩x = ৩ × ৪৫° = ১৩৫°
সঠিক উত্তর: B) ২৪২
প্রদত্ত তথ্য:
১ একর জমি সমান ৪৮৪০ বর্গগজ
এর ৫ শতাংশ হলো নির্ণেয় মান
ধরি,
মোট জমির পরিমাণ = ৪৮৪০ বর্গগজ
অতএব,
৪৮৪০ এর ৫% বের করতে হবে
সুতরাং,
৪৮৪০ × (৫ ÷ ১০০) = ২৪২ বর্গগজ
উত্তর: ২৪২
সঠিক উত্তর: B) ০
প্রدত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x এর চতুর্থ ঘাত বিয়োগ x এর বর্গ যোগ ১ সমান ০
ধরি,
সমীকরণটিকে x এর বর্গ দিয়ে ভাগ করে পাই, x এর বর্গ বিয়োগ ১ যোগ ১ ভাগ x এর বর্গ সমান ০
অতএব,
এখান থেকে পাওয়া যায়, x এর বর্গ যোগ ১ ভাগ x এর বর্গ সমান ১
দ্বিতীয় ধাপে,
আমরা জানি x কিউব যোগ ১ ভাগ x কিউব এর সূত্র হলো বন্ধনীর ভেতর x যোগ ১ ভাগ x এর কিউব বিয়োগ ৩ গুণ (x যোগ ১ ভাগ x)
সুতরাং,
মান বসিয়ে পাই ০ এর কিউব বিয়োগ ৩ গুণ ০ সমান ০
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: B) ৭২ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
পনির ও তপনের আয়ের অনুপাত = ৪ : ৩
তপন ও রবিনের আয়ের অনুপাত = ৫ : ৪
পনিরের আয় = ১২০ টাকা
ধরি,
পনিরের আয় = ৪ক এবং তপনের আয় = ৩ক
তপনের আয় = ৫খ এবং রবিনের আয় = ৪খ
অতএব,
প্রশ্নমতে, ৪ক = ১২০
সুতরাং, ক = ১২০ ÷ ৪ = ৩০
তপনের আয় = ৩ × ৩০ = ৯০ টাকা
সুতরাং,
৫খ = ৯০ হলে খ = ৯০ ÷ ৫ = ১৮
রবিনের আয় = ৪ × ১৮ = ৭২ টাকা
উত্তর: ৭২ টাকা
সঠিক উত্তর: B) কাঁচ নির্মিত সবুজ ঘর
কেন সঠিক:
- গ্রিনহাউজ হলো এমন একটি কাঁচের তৈরি ঘর বা কাঠামো, যার ভেতরে শীতপ্রধান দেশের তীব্র শীতেও কৃত্রিম উপায়ে উষ্ণতা ধরে রেখে গাছপালা জন্মানো হয়।
- এর দেয়াল ও ছাদ কাঁচের তৈরি হওয়ায় সূর্যের আলো ভেতরে প্রবেশ করতে পারে কিন্তু ভেতরের তাপ সহজে বাইরে বের হতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবুজ আলোয় আলোকিত ঘর — গ্রিনহাউজের সঙ্গে আলোর রঙের কোনো সম্পর্ক নেই, এটি কাঁচের তৈরি ঘর বোঝায়।
B) কাঁচ নির্মিত সবুজ ঘর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা কাঁচের তৈরি উদ্ভিদ চাষের ঘরকে নির্দেশ করে।
C) কাঁচের তৈরি ঘর — এটি আংশिक সঠিক হলেও সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না, কারণ এতে নির্দিষ্ট করে উদ্ভিদের কথা বলা নেই।
D) সবুজ আলোর গাছপালা — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং বিভ্রান্তিকর অপশন, যা গ্রিনহাউজের ধারণার সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিনহাউজের বাংলা অর্থ সবুজ ঘর হলেও এটি মূলত কাঁচ নির্মিত ঘর, যেখানে কাজ করা হয় গাছপালা নিয়ে।
সঠিক উত্তর: C) ০৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনে এই দিনটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- প্রতি বছর ৫ জুন সারা বিশ্বে পরিবেশ সুরক্ষার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই দিবসটি পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ মার্চ — এটি বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস, পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) ০৭ জুন — এটি বাংলাদেশ ভিত্তিক কোনো বিশেষ পরিবেশ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক দিবস নয়।
C) ০৫ জুন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক।
D) ০৫ জুলাই — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি ভুল তারিখ।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশের পাঁচ অক্ষরের সঙ্গে জুনের পাঁচ তারিখ মিলিয়ে ০৫ জুন মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ১৭টি
কেন সঠিক:
- টেকসই উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ ২০১৫ সালে এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করে।
- এই বৈশ্বিক এজেন্ডার আওতায় মোট ১৭টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০৬টি — এটি ভুল কারণ জাতিসংঘের এসডিজি বা টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা মাত্র ছয়টি নয়।
B) ১৫টি — এটি ভুল কারণ এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা পনেরোটি নয়, যা জাতিসংঘের নির্ধারিত কাঠামোর সাথে মিলে না।
C) ১৭টি — এটি সঠিক অপশন এবং জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত এসডিজির মোট লক্ষ্যমাত্রার সঠিক সংখ্যা।
D) ২১টি — এটি ভুল কারণ এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা একুশটি নির্ধারণ করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
এসডিজি বা ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০১৫ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত।
সঠিক উত্তর: C) প্যারিস
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো বা জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার মূল কার্যালয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারে বিশ্বব্যাপী কাজ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র ইউনেস্কোর সদর দপ্তর নয়, এর কিছু আঞ্চলিক অফিস বা জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থা যেমন নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।
B) রোম — রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও-এর সদর দপ্তর অবস্থিত, ইউনেস্কোর নয়।
C) প্যারিস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
D) জেনেভা — জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ইউনেস্কোর কাজের মূল ভিত্তি শিক্ষা ও সংস্কৃতি, আর সংস্কৃতির শহর বলা হয় ফ্রান্সের প্যারিসকে।
সঠিক উত্তর: C) ৫৩৮টি
কেন সঠিক:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মোট ৫৩৮টি ইলেকট্রোরাল ভোট রয়েছে।
- সিনেটর ও প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য সংখ্যার যোগফলের সঙ্গে ওয়াশিংটন ডিসির ৩টি ভোট যোগ করে এই সংখ্যা নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫২০টি — এটি যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ইলেকট্রোরাল ভোটের সঠিক সংখ্যা নয়।
B) ৫৪১টি — এই সংখ্যাটি যুক্তরাষ্ট্রের ইলেকটোরাল কলেজের মোট আসনের সঙ্গে মেলে না।
C) ৫৩৮টি — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য।
D) ৫৩৯টি — যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে মোট ভোটের হিসেবে এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট সদস্য ১০০, হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ৪৩৫ এবং ডিসি অব কলম্বিয়ার ৩টি ভোট মিলিয়ে মোট ৫৩৮টি ইলেকট্রোরাল ভোট হয়।
সঠিক উত্তর: B) মুঘল আমল
কেন সঠিক:
- মোঘল সম্রাট আকবরের আমলে বাংলার স্বাধীনচেতা কিছু জমিদার ঐক্যবদ্ধ হয়ে মোঘল আধিপত্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন, যাদের একত্রে বারো ভূঁইয়া বলা হতো।
- ইশা খাঁ ছিলেন এই বারো ভূঁইয়ার প্রধান নেতা এবং সোনারগাঁও ছিল তাদের অন্যতম মূল কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাল আমল — এই সময়ে বাংলায় পাল রাজবংশের শাসন ছিল এবং বারো ভূঁইয়ার মতো কোনো স্বাধীন জমিদার জোটের অস্তিত্ব ছিল না।
B) মুঘল আমল — এই অপশনটি সঠিক, কারণ মোঘল আগ্রাসন প্রতিরোধের সময়ই এই জমিদারদের বারো ভূঁইয়া নামে অভিহিত করা হয়।
C) সুলতানি আমল — এটি স্বাধীন সুলতানদের শাসনামল ছিল, যা মোঘল আমলের আগের সময়কাল এবং বারো ভূঁইয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) সেন আমল — এই সময়ে বাংলায় সেন রাজাদের শাসন ছিল এবং এটি বারো ভূঁইয়ার ঐতিহাসিক ঘটনার অনেক আগের একটি অধ্যায়।
মনে রাখার টিপস:
মোঘল আক্রমণ ঠেকানোর জন্য বাংলায় যে বারোজন প্রধান জমিদার একত্রিত হয়েছিলেন, তাদের যুগকে মোঘল আমল হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত প্রথম বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী।
- তিনি একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতি পরিচালনা এবং যুদ্ধকালীন সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে সামলেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী — ইনিই মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন দেশের আর্থিক ব্যবস্থার দায়িত্ব পালন করেন।
B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন এই সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন না, তিনি উপরাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
D) এ.এইচ. এম কামارুজ্জামান — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন না, তিনি এই সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
অর্থমন্ত্রী মানেই অর্থের হিসাব, আর মনসুর আলীর কাছে ছিল যুদ্ধের তহবিলের দায়িত্ব।
সঠিক উত্তর: A) শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- এই বইটিতে তাঁর রাজনৈতিক জীবন ও সংগ্রামের নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বইটি তাঁর লেখা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
B) শেখ হাসিনা — তিনি বর্তমান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও লেখক হলেও এই গ্রন্থটির লেখক নন।
C) শেখ রেহানা — তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা, এই গ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়।
D) সজীব ওয়াজেদ জয় — তিনি একজন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও রাজনীতিবিদ, এই গ্রন্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক লেখা মনে রাখতে তাঁর নামযুক্ত গ্রন্থগুলোর তালিকা একনজরে দেখে নিন।
সঠিক উত্তর: C) বিজয় কেতন
কেন সঠিক:
- ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক স্থায়ী জাদুঘরের নাম বিজয় কেতন।
- এখানে মহান মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্মারক, দলিল এবং যুদ্ধাস্ত্র সংরক্ষিত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিজয় উল্লাস — এটি মুক্তিযুদ্ধ বা ঢাকা সেনানিবাসের কোনো নির্দিষ্ট জাদুঘরের নাম নয়, বরং একটি সাধারণ অভিব্যক্তি।
B) বিজয় ৭১ — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিখ্যাত ভাস্কর্যের নাম, কোনো জাদুঘর নয়।
C) বিজয় কেতন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) বিজয় ঐতিহ্য — এটি ঢাকা সেনানিবাসের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নাম নয়, এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল অপশন।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা সেনানিবাসের জাদুঘর মানেই পতাকার কেতন বা নিশান, তাই এর নাম বিজয় কেতন।
সঠিক উত্তর: A) পাট
কেন সঠিক:
- 'মেছতা' মূলত পাটজাতীয় এক ধরনের আঁশযুক্ত উদ্ভিদ, যা পাটের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- পাট পরিবারের (Malvaceae) অন্তর্ভুক্ত এই গাছ থেকে প্রাপ্ত আঁশ দিয়ে দড়ি ও থলে তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাট — এটি সঠিক উত্তর কারণ মেছতা পাটের সমগোত্রীয় একটি আঁশ প্রদানকারী উদ্ভিদ।
B) তুলাগাছ — এটি তুলা উৎপাদনের জন্য পরিচিত এবং এর আঁশ ও মেছতার আঁশ সম্পূর্ণ আলাদা।
C) বাঘের প্রজাতি — মেছতা কোনো প্রাণ বা বাঘের প্রজাতি নয়, এটি একটি উদ্ভিদ।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে থাকায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মেছতা ও পাট উভয়েই একই পরিবারের গাছ এবং উভয় থেকেই আঁশ পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: খ) ১৯০৭
কেন সঠিক:
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন।
- বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হাযर বুরগী ও পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা গ্রন্থটিতে চর্যাপদ প্রথম প্রকাশিত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য তথা সাহিত্য নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত।
- ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা হলাে আদি বাংলা ভাষা।
- চর্যাপদের পংক্তির একটি বিখ্যাত উদাহরণ হলাে চরিয়া পদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- ক) ১৮০৭ — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি বরং এটি ভুল একটি সাল।
- খ) ১৯০৭ — এটি সঠিক সাল হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
- গ) ১৯০৯ — ১৯০৯ সালে চর্যাপদ গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়, আবিষ্কৃত হয়নি।
- ঘ) ১৮০৯ — এই সালে চর্যাপদের আবিষ্কার বা প্রকাশনার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেটি।
মনে রাখার টিপস:
- ১৯০৭ সালে আবিষ্কার এবং ১৯০৯ সালে প্রকাশ এই দুটি সাল মনে রাখলে পরীক্ষার বিভ্রান্তি দূর হবে।
সঠিক উত্তর: C) চর্যাপদ
১. কেন সঠিক:
- 'আপনা মাংসে হরিণা বৈরী' একটি বিখ্যাত প্রাচীন সাহিত্যিক উদ্ধৃতি, যার অর্থ নিজের মাংসের জন্যই হরিণ শত্রু বা বিপদের মুখে পড়ে।
- চর্যাপদের ৬ নম্বর পদে ভুসুকুপা এই রূপকটির মাধ্যমে বুঝিয়েছেন যে মানুষের নিজের গুণ বা সম্পদই অনেক সময় তার ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য ও নিদর্শন, যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন।
- এটি মূলত সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধনসংগীত বা চর্যাগান, যা আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শুষ্ক কাষ্ঠ বাজে পুণ্য বাতাসে।
ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের আরেকটি রূপকধর্মী লাইন যা সাধনপদ্ধতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: দেশ বোই বুইএ কিআ থাই।
ব্যাখ্যা: চর্যাপদের ভাষা সান্ধ্যভাষা বা প্রাকৃত ও প্রাচীন বাংলার মিশ্র রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লোকসাহিত্য — লোকসাহিত্য মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত সাহিত্য, কিন্তু চর্যাপদ নির্দিষ্ট কবিদের রচিত ও বৌদ্ধ ধর্মের সাধনসংগীত।
B) ব্রজবুলি — ব্রজবুলি কোনো অঞ্চলের ভাষা নয়, এটি কৃত্রিম কাব্যভাষা যা মূলত বৈষ্ণব পদাবলীতে ব্যবহৃত হয়েছে।
D) বৈষ্ণব পদাবলি — বৈষ্ণব পদাবলি মধ্যযুগের সাহিত্যের অংশ, যা রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত এবং এর কাল অনেক পরের।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চর্যাপদের বিখ্যাত পদের পঙক্তিগুলো মনে রাখতে কবির নাম ও পদের বিষয়বস্তু মিলিয়ে পড়তে হবে।
- হরিণ শত্রু হওয়ার এই রূপকটি প্রাচীন চর্যাপদের ভুসুকুপার পদের সঙ্গে যুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদ থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পঙক্তি তুলে প্রশ্ন করা হয়।
- এই ধরনের উদ্ধৃতি দেখলে বুঝতে হবে এটি প্রাচীন যুগের চর্যাপদের কোনো না কোনো সিদ্ধাচার্যের পদ।
সঠিক উত্তর: B) উজানী নগর
১. কেন সঠিক:
- মঙ্গলকাব্যের ঐতিহ্যবাহী চরিত্র ধনপতি সদাগর বাংলার প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য ধারার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ধারা মনসা মঙ্গল এবং চণ্ডী মঙ্গল কাব্যে ধনপতি সদাগরের কাহিনীর বিস্তার রয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত কবিকঙ্কন চণ্ডী কাব্যের একটি কেন্দ্রীয় চরিত্র হলেন ধনপতি সদাগর।
- চণ্ডী মঙ্গল কাব্যের দ্বিতীয় অংশের বা খেদ খণ্ডের প্রধান বণিক চরিত্র হিসেবে ধনপতি সদাগর ও শ্রীমন্ত সদাগরের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীমন্ত সদাগর
ব্যাখ্যা: শ্রীমন্ত সদাগর হলেন ধনপতি সদাগরের পুত্র, যা চণ্ডী মঙ্গল কাব্যের কাহিনীকে এগিয়ে নিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
উদাহরণ ২: লহনা ও খুলিঞ্জনা
ব্যাখ্যা: লহনা ও খুল্লনা হলেন ধনপতি সদাগরের দুই স্ত্রী, যাদের নিয়ে চণ্ডী মঙ্গল কাব্যের পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও কাহিনী গড়ে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিজয় নগর — এটি প্রাচীন দক্ষিণ ভারতের একটি ঐতিহাসিক সাম্রাজ্যের রাজধানী, যা ধনপতি সদাগরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) উজানী নগর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) সিংহল — এটি এমন একটি স্থান যেখানে ধনপতি সদাগর বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করেছিলেন এবং বন্দী হয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর মূল বাসস্থান ছিল না।
D) আরাকান — এটি বঙ্গোপসাগরের পূর্ব তীরের একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল বা রাজ্য, যা ধনপতি সদাগরের আদি বাসস্থানের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
ধনপতি সদাগরের বাসস্থান মনে রাখতে ডল বা ঘর নির্দেশক হিসেবে উজানী নগর এবং বাণিজ্যের জন্য সিংহল ভ্রমণের বিষয়টি মনে রাখতে পারো।
মঙ্গলকাব্যের বণিক চরিত্রগুলোর আদি নিবাস সাধারণত বাংলার বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী জনপদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মঙ্গলকাব্য এবং এর বিভিন্ন চরিত্র যেমন ধনপতি সদাগর, শ্রীমন্ত সদাগর ও খুল্লনার পরিচয় প্রায়ই আসে।
চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য কোন চরিত্র কোন কাব্যের এবং কোন লেখকের সৃষ্টি, তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মহুয়া
১. কেন সঠিক:
'মহুয়া' পালাগানটি বাংলা ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় একটি ট্র্যাজেডি পালা।
এই পালাগানের অন্যতম প্রধান ও কেন্দ্রীয় একটি পুরুষ চরিত্র হলো নদের চাঁদ, যার সঙ্গে নায়িকা মহুয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
দ্বিজ কানাই রচিত 'মহুয়া' পালাটি ড. দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত একটি কালজয়ী সাহিত্যকর্ম।
এই পালাগানে বাঙালি গ্রামীণ সমাজের লোকজীবন, গভীর প্রেম এবং বেদনাবিধুর পরিণতির এক অপূর্ব রূপায়ন ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মলুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটি ময়মনসিংহ গীতিকার আরেকটি বিখ্যাত পালা যার মূল চরিত্র মলুয়া।
উদাহরণ ২: কাজল রেখা পালা
ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত লোককাহিনিভিত্তিক একটি জনপ্রিয় পালাগান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মলুয়া — এই পালাটির প্রধান চরিত্র মলুয়া ও চন্দ্রকুমার, নদের চাঁদ নয়।
B) মহুয়া — এটি সঠিক উত্তর।
C) দেওয়ানা মদিনা — এই পালার প্রধান চরিত্র মদিনা ও আলী আকবর, নদের চাঁদ নয়।
D) কাজল রেখা — এই পালাটির মূল চরিত্র কাজলরেখা ও সুচন্দ্রা, নদের চাঁদ এখানে নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
মহুয়া ও নদের চাঁদ জুটির প্রেম ময়মনসিংহ গীতিকার অমর সৃষ্টি হিসেবে স্মরণ রাখতে পারো।
পালাগানভিত্তিক চরিত্রগুলোর নাম মনে রাখতে গীতিকার মূল চরিত্রগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়তে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ময়মনসিংহ গীতিকার সংকলক ড. দীনেশচন্দ্র সেন এবং এটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ময়মনসিংহ গীতিকার বিভিন্ন পালার চরিত্র ও রচয়িতা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) পান
১. কেন সঠিক:
তাম্বুল একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ পান পাতা বা সুপারি সমেত পান খাওয়া।
প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের সংস্কৃতিতে অতিথি আপ্যায়নে এবং পূজা-পার্বণে তাম্বুলের ব্যবহার অত্যন্ত জনপ্রিয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দটির উৎস সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম শব্দ হিসেবে বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে তাম্বুল বা পান ব্যবহারের বহু সুন্দর বিবরণ পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চুণ খয়ের দিয়ে তাম্বুল চর্বণ করা বাঙালির দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য।
ব্যাখ্যা: এখানে তাম্বুল শব্দটির মাধ্যমে সরাসরি পান খাওয়ার প্রথাকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: প্রাচীন রাজদরবারে সেবকরা রূপার থালায় তাম্বুল পরিবেশন করতেন।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ঐতিহাসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে তাম্বুল শব্দের ব্যবহার স্পষ্ট করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঠোঁট — এটি তাম্বুল শব্দের অর্থ নয় কারণ ঠোঁট বলতে মুখমণ্ডলের একটি বিশেষ অংশকে বোঝায়।
B) পান — এটি সঠিক উত্তর এবং তাম্বুল শব্দের প্রমিত অর্থ হলো পান।
C) কপাল — এটি মানুষের শরীরের একটি অঙ্গের নাম যা তাম্বুল শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) গাল — এটি মুখমণ্ডলের বাইরের অংশ বিশেষ যা তাম্বুল শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
তাম্বুল শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি মূলত পান বোঝায়।
প্রাচীন পদ্য বা কাব্যে পান বোঝাতে কবিরা প্রায়ই তাম্বুল শব্দটি ব্যবহার করতেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও অর্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে।
তাম্বুলের মতো অন্যান্য প্রাচীন শব্দ যেমন মুষিক বা কুঞ্জর শব্দের অর্থ ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মুসলিম সাহিত্য পরিষদ
১. কেন সঠিক:
- 'শিখা' পত্রিকা ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' সংগঠনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিল।
- প্রশ্নে 'মুসলিম সাহিত্য পরিষদ' উল্লেখ করা হয়েছে যা মূলত মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে কাজ করত এবং এর বিখ্যাত স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শিখা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সংগঠন ছিল মুসলিম সাহিত্য সমাজ যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল মুক্তমনা তরুণ ও যুবকের উদ্যোগে গঠিত হয়েছিল।
- এই সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন আবুল হোসেন এবং কাজী মোতাহের হোসেন, আর শিখা পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন আবুল ফজল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী মোতাহের হোসেন
ব্যাখ্যা: তিনি শিখা পত্রিকার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি এবং মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।
উদাহরণ ২: বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন
ব্যাখ্যা: শিখা পত্রিকা এই আন্দোলনের মুখপত্র হিসেবে বাংলা সাহিত্য ও সমাজে মুক্তচিন্তা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুসলিম বাংলা — এটি কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সাহিত্য সংগঠনের নাম নয় যা শিখা পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিল।
B) বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য পরিষদ — এটি ১৯১১ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত একটি আলাদা সাহিত্য সংগঠন যার সঙ্গে শিখা পত্রিকার সরাসরি সংযোগ ছিল না।
C) এশিয়াটিক সোসাইটি — এটি ১৭৮৪ সালে উইলিয়াম জোন্স কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রাচ্যবিদ্যা বিষয়ক একটি প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা শিখা পত্রিকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) মুসলিম সাহিত্য পরিষদ — এই অপশনটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত এবং এটি মুসলিম সাহিত্য সমাজের সঙ্গে সম্পর্কিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শিখা পত্রিকার স্লোগান এবং মুসলিম সাহিত্য সমাজের নাম একসাথে মনে রাখতে হবে।
- শিখা জ্বালানোর কাজটি মুক্তবুদ্ধি চর্চার সঙ্গে সম্পর্কিত, যা এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য ছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শিখা পত্রিকার প্রথম প্রকাশের সাল এবং সম্পাদক সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র কোনটি, এই প্রশ্নটি সাহিত্য অংশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) বিশেষণ
১. কেন সঠিক:
- 'এ যে আমাদের চেনা লোক' বাক্যে 'চেনা' শব্দটি 'লোক' বিশেষ্য পদের দোষ গুণ অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে।
- যে পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ গুণ সংখ্যা পরিমাণ বা অবস্থা প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে পদ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ গুণ অবস্থা সংখ্যা ও পরিমাণ প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে।
- বাক্যে 'চেনা' শব্দটি লোকটিকে নির্দিষ্ট করে তার পরিচিতি বা অবস্থা বোঝাচ্ছে তাই এটি নাম বিশেষণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গরিব লোকটি আমাদের সাহায্যপ্রার্থী।
ব্যাখ্যা: এখানে 'গরিব' শব্দটি 'লোকটি' বিশেষ্যের অবস্থা প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ।
উদাহরণ ২: তাজা ফুল দেখতে সুন্দর লাগে।
ব্যাখ্যা: এখানে 'তাজা' শব্দটি 'ফুল' বিশেষ্যের গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — বিশেষ্য হলো কোনো কিছুর নাম যা এখানে বোঝানো হয়নি কারণ চেনা শব্দটি নাম প্রকাশ করছে না।
B) অব্যয় — অব্যয় পদের নিজস্ব কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এটি পদগুলোকে সংযুক্ত করে যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায় কিন্তু এখানে কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না।
D) বিশেষণ — এটি সঠিক কারণ চেনা শব্দটি বিশেষ্য পদের গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো পদের আগে বা পরে বিশেষ্য পদ বসিয়ে যদি প্রশ্ন করা হয় কেমন লোক বা কেমন বস্তু তাহলে উত্তর পেলে তা বিশেষণ হবে।
- চেনা লোক অর্থাৎ কেমন লোক উত্তর হলো চেনা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃদন্ত বিশেষণ বা নাম বিশেষণ নির্ণয় করতে এই নিয়ম কাজে লাগে।
- বাক্যে পদের অবস্থান ও কার্যকারিতা দেখে পদ নির্ণয় করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) শাশুড়ি
১. কেন সঠিক:
'শ্বশ্রু' একটি তৎসম শব্দ, যার অর্থ হলো শাশুড়ি বা স্বামীর বা স্ত্রীর মা।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রায়শই এই ধরনের তৎসম বা সংস্কৃত শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের অন্তর্গত একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ।
সংস্কৃত ব্যাকরণ ও শব্দতত্ত্বে এই শব্দের ব্যবহার বহু প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্বশ্রূবালী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটি শাশুড়ি অর্থে প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: শ্বশ্রুসহবাস
ব্যাখ্যা: এটি তৎসম শব্দ গঠনের একটি যৌগিক রূপ যা শাশুড়ির সঙ্গে বসবাস বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাড়িগোঁফ — দাড়িগোঁফ অর্থে 'শ্মশ্রু' শব্দটি ব্যবহৃত হয়, যা এই প্রশ্নটির সঙ্গে মেলে না।
B) শত্রু — শত্রু শব্দের অর্থ বিপক্ষ বা বৈরী, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি শব্দ।
C) অশ্রু — অশ্রু শব্দের অর্থ চোখের জল, যা ধ্বনিগত সামঞ্জস্য থাকলেও অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন।
D) শাশুড়ি — এটি সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
শ্বশ্রু মানে শাশুড়ি এবং শ্মশ্রু মানে দাড়িগোঁফ, তালব্য শ এবং মূর্ধন্য শ এর এই পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
বানানের এই সূক্ষ্ম নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষাকেন্দ্রে বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তৎসম শব্দের সঠিক অর্থ ও বানান বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের কাছাকাছি উচ্চারণের শব্দগুলোর অর্থ বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: D) কালসাপ
কেন সঠিক:
কালসাপ শব্দটিতে সমস্তপদ এবং ব্যাসবাক্যের মধ্যে অর্থের কোনো পরিবর্তন হয় না।
নিত্য সমাসের নিয়ম অনুযায়ী এর কোনো স্বাভাবিক ব্যাসবাক্য হয় না, কেবল অন্য পদের সাহায্যে বুঝাতে হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সমাসে সমাসের নিয়ম মানতে হয় না এবং ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় তাকে নিত্য সমাস বলে।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই সমাসের ক্ষেত্রে পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে।
যেমন: অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তেলে ভাজা - এটি অলুক তৎপুরুষ সমাস কারণ এখানে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়নি।
B) নিখরচা - এটি অব্যয়ীভাব সমাস কারণ এখানে অব্যয়ের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।
C) নীলকণ্ঠ - এটি বহুব্রীহি সমাস কারণ নীল কণ্ঠ যার অর্থাৎ তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ করে।
D) কালসাপ - এটি নিত্য সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য করতে অন্য পদের সাহায্য লাগে।
মনে রাখার টিপস:
যে সমস্ত শব্দের স্বাভাবিক ব্যাসবাক্য হয় না এবং কেবল অন্য পদের সাহায্যে অর্থ প্রকাশ করতে হয় সেগুলোই নিত্য সমাস।
অন্য গ্রাম, কালসাপ, অন্তরদ্বীপ ইত্যাদি শব্দ দেখলে নিত্য সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে।
সঠিক উত্তর: C) সর্বনাম
১. কেন সঠিক:
'নেই' শব্দটি এখানে বিশেষ্য, বিশেষণ বা ক্রিয়া পদের কাজ না করে কোনো কিছুর অনুপস্থিতি বা অস্তিত্বহীনতা বোঝাতে সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাক্যের অর্থ বিবেচনা করলে দেখা যায়, 'বাবা' বিশেষ্যের অনুপস্থিতি বা অস্তিত্ববাচক সর্বনাম হিসেবে 'নেই' পদটি এখানে বসেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রদত্ত প্রশ্নটি ব্যাকরণের পদ প্রকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত।
সাধারণত 'নাই' বা 'নেই' শব্দটিকে আমরা ক্রিয়ার নেতিবাচক রূপ হিসেবে জানি, তবে বাক্যভেদে তা সর্বনামের কাজ করতে পারে।
বিশেষ করে বাক্যের মধ্যে বিশেষ্যের অস্তিত্বহীনতা প্রকাশ করতে যখন কোনো পদের স্বতন্ত্র উপস্থিতি দেখা যায়, তখন তা সর্বনামের রূপ নেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার কেউ নেই।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'কেউ নেই' অংশটি দ্বারা উপস্থিতি বা অস্তিত্বহীনতা বোঝানো হয়েছে এবং 'নেই' সর্বনামের ভূমিকা পালন করেছে।
উদাহরণ ২: টিনএজে তার কোনো বন্ধু নেই।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বন্ধু নামক বিশেষ্যের অনুপস্থিতি বোঝাতে 'নেই' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে যা সর্বনাম পদ হিসেবে গণ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদ হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু 'নেই' কোনো নাম বোঝায় না।
B) বিশেষণ — বিশেষণ পদ দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু 'নেই' তা করে না।
C) সর্বনাম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যে অনুপস্থিতি বোঝাতে সর্বনাম হিসেবে কাজ করেছে।
D) ক্রিয়া — সাধারণভাবে ক্রিয়াপদ কাজ বোঝায়, কিন্তু এখানে এটি কোনো কাজ সম্পন্ন করছে না বরং অনুপস্থিতি নির্দেশ করছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'নেই' বা 'নাই' শব্দ যদি কোনো কিছুর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি সরাসরি নির্দেশ করে এবং বিশেষ্যের স্থলাভিষিক্ত হয়, তবে তাকে সর্বনাম হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
ক্রিয়ার নেতিবাচক রূপ হলেও বাক্যের গঠন ও অর্থ অনুসারে এটি সর্বনাম হিসেবে গণ্য হতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের রূপ না দেখে বাক্যে তার কার্যকারিতা দেখতে হবে।
একই শব্দ বাক্যভেদে বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম বা ক্রিয়া হতে পারে, তাই বাক্যের অর্থ ভালোভাবে অনুধাবন করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) Drake
কেন সঠিক:
Drake শব্দটির অর্থ হলো হাঁস, যা হাঁসের পুংলিঙ্গ বা masculine gender বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
এর স্ত্রীলিঙ্গ বা feminine gender হলো Duck।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Roe — এটি স্ত্রী হরিণ বা roe-deer এর স্ত্রীবাচক রূপ বোঝায়।
B) Mare — এটি ঘোড়ার স্ত্রীবাচক রূপ বা feminine gender।
C) Drake — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কিছু প্রযোজ্য নয়।
D) Niece — এটি ভাইজি বা ভাগ্নি বোঝাতে ব্যবহৃত স্ত্রীবাচক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
হাঁসের ক্ষেত্রে Duck হলো স্ত্রীলিঙ্গ এবং Drake হলো পুংলিঙ্গ।
সঠিক উত্তর: C) Ordinal numeral
কেন সঠিক:
Ordinal numeral দ্বারা কোনো বস্তু বা ব্যক্তির ক্রম, পর্যায় বা অবস্থান বোঝানো হয়।
এখানে third শব্দটি রহিম পরিবারের কততম সন্তান সেই ক্রম প্রকাশ করায় এটি Ordinal numeral।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Cardinal numeral — এটি কোনো বস্তুর সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে, যেমন one, two, three।
B) Multiplicative numeral — এটি কোনো সংখ্যা কতগুণ তা বোঝায়, যেমন single, double, triple।
C) Ordinal numeral — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে বিবেচ্য নয়।
D) Indefinite numeral — এটি নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা বা ক্রম বোঝায় না, যেমন many, some, few।
মনে রাখার টিপস:
সংখ্যা গণনার ক্ষেত্রে one, two হলে Cardinal এবং প্রথম, দ্বিতীয় বোঝাতে first, second, third হলে Ordinal numeral হয়।
সঠিক উত্তর: C) little
কেন সঠিক:
- বাক্যটিতে তুলনা এবং অর্থের ধারাবাহিকতা বোঝাতে negative adverb হিসেবে little ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ খরচ খুবই কম।
- এবং এর পরের অংশে you can save more থাকায় প্রথম অংশে খরচ কম হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lot — এটি একটি noun phrase এবং এর আগে a lot of হওয়া উচিত ছিল, তাই এখানে সরাসরি বসে grammatical structure নষ্ট করে।
B) a little — এর অর্থ কিছু বা সামান্য পরিমাণ, যা বসালে খরচের পরিমাণ ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে এবং পরের অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় না।
C) little — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটির ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই।
D) small — এটি একটি adjective যা cost verb-এর object হিসেবে সরাসরি বসে adverbial meaning প্রকাশ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
savings বেশি করতে হলে খরচ কম হতে হবে, তাই অর্থের দিক থেকে negative অর্থ প্রকাশ করতে little ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: খ) more
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে দুটি অবস্থার তুলনা বোঝানো হয়েছে। তাই এখানে অ্যাডজেক্টিভের কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহৃত হবে।
expensive একটি দীর্ঘ শব্দ হওয়ায় এর পূর্বে more বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) much — এটি পজিটিভ ডিগ্রির তীব্রতা বাড়াতে বসে কিন্তু এখানে তুলনার জন্য কম্পারেটিভ রূপ দরকার।
খ) more — এটি সঠিক কারণ এটি expensive শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে সঠিক তুলনা গঠন করেছে।
গ) ঘ) high — এটি অর্থের সাথে মেলে না এবং এটি সঠিক তুলনামূলক রূপ নয়।
ঘ) too much — এটি সাধারণত নাউনের আগে বসে কিন্তু এখানে অ্যাডজেক্টিভের তুলনা করা হচ্ছে।
মনে রাখার টিপস:
বড় অ্যাডজেক্টিভের আগে তুলনা বোঝাতে more এবং ছোট শব্দের শেষে er যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) keep up with
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে গতির সাথে তাল মিলিয়ে চলার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।
তাই উপযুক্ত গ্রুপ ভার্ব হিসেবে keep up with ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) keep up — এর পরে কোনো অবজেক্ট না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ থাকে।
B) keep up with — এটি সঠিক উত্তর।
C) keep with — এই বাক্যের জন্য এই ফ্রেজাল ভার্বটি সঠিক নয়।
D) keep on — এটি কোনো নির্দিষ্ট গতির সাথে চলা বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
কারো বা কোনো কিছুর গতির সাথে সমান তালে চলা বোঝাতে সবসময় keep up with ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) for
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের পর a long time হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তি বা ধরে বুঝায়।
এই ধরনের সময়ের ব্যাপ্তি বা duration এর পূর্বে প্রিপজিশন হিসেবে for বসে।
এটি পিরিয়ড অব টাইম নির্দেশ করে।
বাক্যটির অর্থ হলো তিনি দীর্ঘ সময় ধরে কিছু বলেননি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — এটি পরে বুঝাতে বসে কিন্তু এখানে সময়ের ব্যাপ্তি বোঝানো হয়েছে।
B) since — এটি নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা থেকে বুঝাতে বসে যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) خلال বা during — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঘটে যাওয়া ঘটনা বোঝাতে বসে।
D) সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এটি এখানে সম্পূর্ণ সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
সময়ের দৈর্ঘ্য বা ব্যাপ্তির ক্ষেত্রে for এবং নির্দিষ্ট সময় বা শুরুর বিন্দুর ক্ষেত্রে since বসে।
সঠিক উত্তর: D) are going
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে tomorrow কথাটি থাকায় এটি ভবিষ্যতের নিকটবর্তী একটি নিশ্চিত পরিকল্পনা প্রকাশ করছে।
ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী এমন নিশ্চিত ভবিষ্যতের ক্ষেত্রে Present Continuous Tense ব্যবহার করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will be going — এটি ভবিষ্যতের একটি চলমান কাজ বোঝায়, কিন্তু এখানে পূর্বনির্ধারিত নিশ্চিত পরিকল্পনার জন্য Present Continuous tense বেশি উপযুক্ত।
B) will have been going — এটি Future Perfect Continuous tense, যা বর্তমানের নিশ্চিত কোনো পরিকল্পনার ক্ষেত্রে পুরোপুরি বেমানান।
C) have been going — এটি Present Perfect Continuous tense, যা অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমানে চলমান কাজ বোঝায় কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য নয়।
D) are going — এটি সঠিক কারণ এটি বর্তমানের নিয়মে ভবিষ্যতের নিশ্চিত পরিকল্পনা প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
নিকट ভবিষ্যতের নিশ্চিত পরিকল্পনা বোঝাতে অনেক সময় Future Tense এর বদলে Present Continuous Tense ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) has been
কেন সঠিক:
বাক্যে for nearly a week উল্লেখ থাকায় এটি অতীতকাল থেকে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলা একটি কাজ বোঝাচ্ছে। তাই এখানে Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is — এটি Present Indefinite Tense নির্দেশ করে যা নির্দিষ্ট সময় ধরে চলা কাজের জন্য বসে না।
B) was — এটি Simple Past Tense বোঝায় যা বর্তমানের সাথে সম্পর্কিত কোনো দীর্ঘস্থায়ী কাজের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) was being — এটি Past Continuous Tense এর রূপ যা এই ধরনের সময়ের ব্যপ্তির ক্ষেত্রে grammatically সঠিক নয়।
D) has been — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং শর্ত পূরণ করে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে since বা for এর পরে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি বর্তমান পর্যন্ত চললে Present Perfect Tense হয়।
সঠিক উত্তর: D) I would be grateful to you.
কেন সঠিক:
বাক্যটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে যেখানে ইফ clauses এ পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স থাকে।
তাই এর পরের অংশে সাবজেক্টের পর উড এবং ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I will be grateful to you. — এটি ফার্স্ট কন্ডিশনালের গঠন হওয়ায় বর্তমান বা ভবিষ্যতের সাধারণ সম্ভাবনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
B) I shall be grateful to you. — শ্যাল সাধারণত ফার্স্ট কন্ডিশনাল বা সাধারণ ভবিষ্যতে ব্যবহৃত হয় যা পাস্ট সাবজেক্টের সাথে মেলে না।
C) I should be grateful to you. — শুড মূলত নৈতিক বাধ্যবাধকতা বা উচিত অর্থে ব্যবহৃত হয় যা এখানে উপযুক্ত নয়।
D) সঠিক অপশন হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইফ ক্লজে পাস্ট টেন্স থাকলে প্রধান অংশে উড এবং ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) An adjective phrase
কেন সঠিক:
- 'in the room' এই ফ্রেইজটি ঠিক আগের noun 'people'-কে মডিফাই করছে এবং কারা দাঁড়িয়েছিল তা বোঝাচ্ছে।
- noun-এর পরে বসে যখন কোনো prepositional phrase তার আগের noun-কে বিশেষিত করে, তখন তা adjective phrase-এর কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A prepositional phrase — এটি সত্য যে গঠনগতভাবে এটি preposition দিয়ে শুরু, কিন্তু বাক্যে এর কার্যকারিতা প্রধানত adjective-এর মতো।
B) An advance phrase — ব্যাকরণে এই নামে কোনো নির্দিষ্ট বা স্বীকৃত phrase-এর শ্রেণিবিভাগ নেই।
C) A noun phrase — এটি কোনো noun-এর কাজ করছে না বা বাক্যের subject কিংবা object হিসেবে বসেনি।
D) An adjective phrase — এটি সঠিক কারণ এটি noun-কে কোয়ালিফাই বা বিশেষিত করার কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো Prepositional Phrase যদি বাক্যের Noun-এর ঠিক পরে বসে সেই Noun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেয়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে Adjective Phrase হিসেবে চিহ্নিত করবে।
সঠিক উত্তর: B) অসংখ্য
প্রদত্ত তথ্য:
জ্যামিতির উপপাদ্য অনুসারে একটি নির্দিষ্ট বিন্দু দিয়ে অসীম সংখ্যক বৃত্ত অঙ্কন করা সম্ভব।
ঠিক তেমনি দুটি নির্দিষ্ট বিন্দুর ওপর দিয়েও অসংখ্য বৃত্ত আঁকা যায়।
ধরি,
плоскость বা সমতলে বিন্দু দুটি ক এবং খ।
ওই নির্দিষ্ট দুটি বিন্দুর ওপর দিয়ে প্রথম বৃত্তটি অতিক্রম করে।
অতএব,
ক এবং খ বিন্দু দুটিকে কেন্দ্র করে বা পরিধিতে রেখে বিভিন্ন ব্যাসার্ধের বৃত্ত আঁকা যায়।
এর ফলে ওই দুটি বিন্দুগামী বৃত্তের সংখ্যা বাড়তেই থাকে।
সুতরাং,
দুটি নির্দিষ্ট বিন্দু দিয়ে অসীম সংখ্যক বা অসংখ্য বৃত্ত অঙ্কন করা যায়।
উত্তর: অসংখ্য
সঠিক উত্তর: B) ৭২ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
পনির ও তপনের আয়ের অনুপাত = ৪ : ৩
তপন ও রবিনের আয়ের অনুপাত = ৫ : ৪
পনিরের আয় = ১২০ টাকা
ধরি,
পনিরের আয় = ৪ক এবং তপনের আয় = ৩ক
তপনের আয় = ৫খ এবং রবিনের আয় = ৪খ
অতএব,
প্রশ্নমতে, ৪ক = ১২০
সুতরাং, ক = ১২০ ÷ ৪ = ৩০
তপনের আয় = ৩ × ৩০ = ৯০ টাকা
সুতরাং,
৫খ = ৯০ হলে খ = ৯০ ÷ ৫ = ১৮
রবিনের আয় = ৪ × ১৮ = ৭২ টাকা
উত্তর: ৭২ টাকা
সঠিক উত্তর: B) ০
প্রدত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x এর চতুর্থ ঘাত বিয়োগ x এর বর্গ যোগ ১ সমান ০
ধরি,
সমীকরণটিকে x এর বর্গ দিয়ে ভাগ করে পাই, x এর বর্গ বিয়োগ ১ যোগ ১ ভাগ x এর বর্গ সমান ০
অতএব,
এখান থেকে পাওয়া যায়, x এর বর্গ যোগ ১ ভাগ x এর বর্গ সমান ১
দ্বিতীয় ধাপে,
আমরা জানি x কিউব যোগ ১ ভাগ x কিউব এর সূত্র হলো বন্ধনীর ভেতর x যোগ ১ ভাগ x এর কিউব বিয়োগ ৩ গুণ (x যোগ ১ ভাগ x)
সুতরাং,
মান বসিয়ে পাই ০ এর কিউব বিয়োগ ৩ গুণ ০ সমান ০
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: B) ২৪২
প্রদত্ত তথ্য:
১ একর জমি সমান ৪৮৪০ বর্গগজ
এর ৫ শতাংশ হলো নির্ণেয় মান
ধরি,
মোট জমির পরিমাণ = ৪৮৪০ বর্গগজ
অতএব,
৪৮৪০ এর ৫% বের করতে হবে
সুতরাং,
৪৮৪০ × (৫ ÷ ১০০) = ২৪২ বর্গগজ
উত্তর: ২৪২
সঠিক উত্তর: A) ১৩৫°
প্রদত্ত তথ্য:
চতুর্ভুজের চারটি কোণের অনুপাত = ১ : ২ : ২ : ৩
চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি = ৩৬০°
ধরি,
কোণ চারটি যথাক্রমে ১x, ২x, ২x এবং ৩x
অতএব,
অনুপাতগুলোর যোগফল = ১ + ২ + ২ + ৩ = ৮
প্রশ্নমতে, ৮x = ৩৬০°
সুতরাং,
x এর মান = ৩৬০° ÷ ৮ = ৪৫°
উত্তর: বৃহত্তম কোণটি হলো ৩x = ৩ × ৪৫° = ১৩৫°
সঠিক উত্তর: A) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার গুণফল = ১৫৩৬
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৯৬
আমরা জানি,
দুটি সংখ্যার গুণফল = (সংখ্যা দুটির লসাগু × সংখ্যা দুটির গসাগু)
অতএব,
সংখ্যা দুটির গসাগু = (দুটি সংখ্যার গুণফল ÷ সংখ্যা দুটির লসাগু)
সুতরাং,
গসাগু = ১৫৩৬ ÷ ৯৬ = ১৬
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: A) ৭৭
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অর্ধেকের যোগফল ৫১
তাদের পার্থক্যের এক-চতুর্থাংশ ১৩
ধরি,
বড় সংখ্যাটি ক এবং ছোট সংখ্যাটি খ
অতএব,
ক ÷ ২ + খ ÷ ২ = ৫১
ক + খ = ১০২
সুতরাং,
ক − খ = ১৩ × ৪ = ৫২
উত্তর: ক = (১০২ + ৫২) ÷ ২ = ৭৭
সঠিক উত্তর: B) কাঁচ নির্মিত সবুজ ঘর
কেন সঠিক:
- গ্রিনহাউজ হলো এমন একটি কাঁচের তৈরি ঘর বা কাঠামো, যার ভেতরে শীতপ্রধান দেশের তীব্র শীতেও কৃত্রিম উপায়ে উষ্ণতা ধরে রেখে গাছপালা জন্মানো হয়।
- এর দেয়াল ও ছাদ কাঁচের তৈরি হওয়ায় সূর্যের আলো ভেতরে প্রবেশ করতে পারে কিন্তু ভেতরের তাপ সহজে বাইরে বের হতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবুজ আলোয় আলোকিত ঘর — গ্রিনহাউজের সঙ্গে আলোর রঙের কোনো সম্পর্ক নেই, এটি কাঁচের তৈরি ঘর বোঝায়।
B) কাঁচ নির্মিত সবুজ ঘর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা কাঁচের তৈরি উদ্ভিদ চাষের ঘরকে নির্দেশ করে।
C) কাঁচের তৈরি ঘর — এটি আংশिक সঠিক হলেও সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না, কারণ এতে নির্দিষ্ট করে উদ্ভিদের কথা বলা নেই।
D) সবুজ আলোর গাছপালা — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং বিভ্রান্তিকর অপশন, যা গ্রিনহাউজের ধারণার সঙ্গে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিনহাউজের বাংলা অর্থ সবুজ ঘর হলেও এটি মূলত কাঁচ নির্মিত ঘর, যেখানে কাজ করা হয় গাছপালা নিয়ে।
সঠিক উত্তর: C) ০৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনে এই দিনটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- প্রতি বছর ৫ জুন সারা বিশ্বে পরিবেশ সুরক্ষার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই দিবসটি পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ মার্চ — এটি বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস, পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) ০৭ জুন — এটি বাংলাদেশ ভিত্তিক কোনো বিশেষ পরিবেশ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক দিবস নয়।
C) ০৫ জুন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্ন অনুযায়ী এটি সঠিক।
D) ০৫ জুলাই — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি ভুল তারিখ।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশের পাঁচ অক্ষরের সঙ্গে জুনের পাঁচ তারিখ মিলিয়ে ০৫ জুন মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ১৭টি
কেন সঠিক:
- টেকসই উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ ২০১৫ সালে এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করে।
- এই বৈশ্বিক এজেন্ডার আওতায় মোট ১৭টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০৬টি — এটি ভুল কারণ জাতিসংঘের এসডিজি বা টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা মাত্র ছয়টি নয়।
B) ১৫টি — এটি ভুল কারণ এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা পনেরোটি নয়, যা জাতিসংঘের নির্ধারিত কাঠামোর সাথে মিলে না।
C) ১৭টি — এটি সঠিক অপশন এবং জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত এসডিজির মোট লক্ষ্যমাত্রার সঠিক সংখ্যা।
D) ২১টি — এটি ভুল কারণ এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা একুশটি নির্ধারণ করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
এসডিজি বা ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০১৫ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত।
সঠিক উত্তর: C) প্যারিস
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো বা জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার মূল কার্যালয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারে বিশ্বব্যাপী কাজ করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র ইউনেস্কোর সদর দপ্তর নয়, এর কিছু আঞ্চলিক অফিস বা জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থা যেমন নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।
B) রোম — রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও-এর সদর দপ্তর অবস্থিত, ইউনেস্কোর নয়।
C) প্যারিস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
D) জেনেভা — জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
ইউনেস্কোর কাজের মূল ভিত্তি শিক্ষা ও সংস্কৃতি, আর সংস্কৃতির শহর বলা হয় ফ্রান্সের প্যারিসকে।
সঠিক উত্তর: C) ৫৩৮টি
কেন সঠিক:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মোট ৫৩৮টি ইলেকট্রোরাল ভোট রয়েছে।
- সিনেটর ও প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য সংখ্যার যোগফলের সঙ্গে ওয়াশিংটন ডিসির ৩টি ভোট যোগ করে এই সংখ্যা নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫২০টি — এটি যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ইলেকট্রোরাল ভোটের সঠিক সংখ্যা নয়।
B) ৫৪১টি — এই সংখ্যাটি যুক্তরাষ্ট্রের ইলেকটোরাল কলেজের মোট আসনের সঙ্গে মেলে না।
C) ৫৩৮টি — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য।
D) ৫৩৯টি — যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে মোট ভোটের হিসেবে এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট সদস্য ১০০, হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ৪৩৫ এবং ডিসি অব কলম্বিয়ার ৩টি ভোট মিলিয়ে মোট ৫৩৮টি ইলেকট্রোরাল ভোট হয়।
সঠিক উত্তর: B) মুঘল আমল
কেন সঠিক:
- মোঘল সম্রাট আকবরের আমলে বাংলার স্বাধীনচেতা কিছু জমিদার ঐক্যবদ্ধ হয়ে মোঘল আধিপত্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন, যাদের একত্রে বারো ভূঁইয়া বলা হতো।
- ইশা খাঁ ছিলেন এই বারো ভূঁইয়ার প্রধান নেতা এবং সোনারগাঁও ছিল তাদের অন্যতম মূল কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাল আমল — এই সময়ে বাংলায় পাল রাজবংশের শাসন ছিল এবং বারো ভূঁইয়ার মতো কোনো স্বাধীন জমিদার জোটের অস্তিত্ব ছিল না।
B) মুঘল আমল — এই অপশনটি সঠিক, কারণ মোঘল আগ্রাসন প্রতিরোধের সময়ই এই জমিদারদের বারো ভূঁইয়া নামে অভিহিত করা হয়।
C) সুলতানি আমল — এটি স্বাধীন সুলতানদের শাসনামল ছিল, যা মোঘল আমলের আগের সময়কাল এবং বারো ভূঁইয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) সেন আমল — এই সময়ে বাংলায় সেন রাজাদের শাসন ছিল এবং এটি বারো ভূঁইয়ার ঐতিহাসিক ঘটনার অনেক আগের একটি অধ্যায়।
মনে রাখার টিপস:
মোঘল আক্রমণ ঠেকানোর জন্য বাংলায় যে বারোজন প্রধান জমিদার একত্রিত হয়েছিলেন, তাদের যুগকে মোঘল আমল হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত প্রথম বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী।
- তিনি একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতি পরিচালনা এবং যুদ্ধকালীন সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে সামলেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী — ইনিই মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন দেশের আর্থিক ব্যবস্থার দায়িত্ব পালন করেন।
B) তাজউদ্দীন আহমদ — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন এই সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন না, তিনি উপরাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
D) এ.এইচ. এম কামارুজ্জামান — তিনি মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন না, তিনি এই সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
অর্থমন্ত্রী মানেই অর্থের হিসাব, আর মনসুর আলীর কাছে ছিল যুদ্ধের তহবিলের দায়িত্ব।
সঠিক উত্তর: A) শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- এই বইটিতে তাঁর রাজনৈতিক জীবন ও সংগ্রামের নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বইটি তাঁর লেখা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
B) শেখ হাসিনা — তিনি বর্তমান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও লেখক হলেও এই গ্রন্থটির লেখক নন।
C) শেখ রেহানা — তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা, এই গ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়।
D) সজীব ওয়াজেদ জয় — তিনি একজন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও রাজনীতিবিদ, এই গ্রন্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীমূলক লেখা মনে রাখতে তাঁর নামযুক্ত গ্রন্থগুলোর তালিকা একনজরে দেখে নিন।
সঠিক উত্তর: C) বিজয় কেতন
কেন সঠিক:
- ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক স্থায়ী জাদুঘরের নাম বিজয় কেতন।
- এখানে মহান মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্মারক, দলিল এবং যুদ্ধাস্ত্র সংরক্ষিত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিজয় উল্লাস — এটি মুক্তিযুদ্ধ বা ঢাকা সেনানিবাসের কোনো নির্দিষ্ট জাদুঘরের নাম নয়, বরং একটি সাধারণ অভিব্যক্তি।
B) বিজয় ৭১ — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিখ্যাত ভাস্কর্যের নাম, কোনো জাদুঘর নয়।
C) বিজয় কেতন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) বিজয় ঐতিহ্য — এটি ঢাকা সেনানিবাসের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নাম নয়, এটি একটি কাল্পনিক বা ভুল অপশন।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা সেনানিবাসের জাদুঘর মানেই পতাকার কেতন বা নিশান, তাই এর নাম বিজয় কেতন।
সঠিক উত্তর: A) পাট
কেন সঠিক:
- 'মেছতা' মূলত পাটজাতীয় এক ধরনের আঁশযুক্ত উদ্ভিদ, যা পাটের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- পাট পরিবারের (Malvaceae) অন্তর্ভুক্ত এই গাছ থেকে প্রাপ্ত আঁশ দিয়ে দড়ি ও থলে তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাট — এটি সঠিক উত্তর কারণ মেছতা পাটের সমগোত্রীয় একটি আঁশ প্রদানকারী উদ্ভিদ।
B) তুলাগাছ — এটি তুলা উৎপাদনের জন্য পরিচিত এবং এর আঁশ ও মেছতার আঁশ সম্পূর্ণ আলাদা।
C) বাঘের প্রজাতি — মেছতা কোনো প্রাণ বা বাঘের প্রজাতি নয়, এটি একটি উদ্ভিদ।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন এ তে থাকায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মেছতা ও পাট উভয়েই একই পরিবারের গাছ এবং উভয় থেকেই আঁশ পাওয়া যায়।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)