জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (NSI)

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (NSI) পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: হিসাবরক্ষক (১৬তম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a জন + এক
b জনা + এক
c জনে + এক
d জনে + ক
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জন + এক ১. কেন সঠিক: 'জনৈক' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো জন + এক। এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অ বা আ কারের পর এ বা ঐ কার থাকলে উভয় মিলে ঐ কার হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। এখানে 'জন' শব্দের শেষে অ এবং 'এক' শব্দের শুরুতে এ মিলে ঐ কার গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সদা + এব = সদৈব ব্যাখ্যা: আ কারের পর এ কার যুক্ত হয়ে ঐ কার গঠিত হওয়ার নিয়ম এখানে প্রযোজ্য হয়েছে। উদাহরণ ২: মত + এক্য = মতৈক্য ব্যাখ্যা: অ কারের পর এ কার যুক্ত হয়ে ঐ কার গঠিত হওয়ার মাধ্যমে এই সন্ধি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন + এক — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ নিয়ম অনুযায়ী অ এবং এ মিলে ঐ কার গঠিত হয়। B) জনা + এক — জনা কোনো মূল শব্দ নয় এবং এর সঙ্গে এক যুক্ত করলে ব্যাকরণের নিয়ম মেলে না। C) জনে + এক — জনে বলে কোনো শব্দ বা প্রত্যয় এখানে যুক্ত হয় না, তাই এটি ভুল। D) জনে + ক — ক কোনো স্বাধীন শব্দ নয়, তাই এই বিচ্ছেদ ব্যাকরণসম্মত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শবদের মাঝে যদি ঐ কার দেখতে পান, তবে সাধারণত অ বা আ এর সঙ্গে এ বা ঐ যুক্ত করে সন্ধি বিচ্ছেদ করতে হয়। যেমন জনৈক মানে জন যোগ এক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের সন্ধি বিচ্ছেদ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় স্বরসন্ধির এই নিয়মটি খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a দু+ চরিত্র
b দুঃ+ চরিত্র
c দুৎ + চরিত্র
d দুঃ+ চরিত্র
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুঃ+ চরিত্র ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গের পর চ কিংবা ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে তালব্য শ হয়। এখানে দুঃ এর বিসর্গের সঙ্গে চরিত্র শব্দের চ যুক্ত হয়ে বিসর্গটি শ এ রূপান্তরিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের বিসর্গ সন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে চ, ছ, শ, ষ ও স থাকলে বিসর্গ স্থানে যথাক্রমে তালব্য শ, মূর্ধন্য শ ও দন্ত্য শ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিঃ + চয় = নিশ্চয় ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে চ থাকায় বিসর্গটি তালব্য শ এ পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: আবিঃ + কার = আবিষ্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকায় বিসর্গটি মূর্ধন্য শ এ রূপান্তরিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দু+ চরিত্র — এই অপশনে বিসর্গ বা হসন্ত চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি যা সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) দুঃ+ চরিত্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। C) দুৎ + চরিত্র — এখানে ত এর নিচে হসন্ত ব্যবহার করা হয়েছে যা সন্ধির এই নিয়মের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) দুঃ+ চরিত্র — অপশনটিতে বিসর্গের পর চরিত্র শব্দ রয়েছে, যা মূল সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি মাত্র। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গের পরে চ বা ছ দেখলে বিসর্গ উঠিয়ে সেখানে তালব্য শ বসিয়ে শব্দ তৈরি করতে হয়। সন্ধির এই সূত্র মনে রাখলে পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসর্গ সন্ধির নিয়ম থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। চ এবং ছ এর আগের বিসর্গ সবসময় তালব্য শ এ রূপান্তরিত হয়।
a বীণা
b আদিত্য
c দৈত্য
d পানি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আদিত্য ১. কেন সঠিক: - আদিত্য শব্দের অর্থ সূর্য। অদিতির পুত্র বা সন্তান হিসেবে সূর্যকে আদিত্য বলা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে এবং সূর্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই কিন্তু রূপ বা বানান ভিন্ন। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের অর্থ এবং উৎস বিবেচনা করে সঠিক সমার্থক শব্দ নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিবাকর ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন যিনি অর্থাৎ সূর্য। উদাহরণ ২: তপন ব্যাখ্যা: তপন শব্দের অর্থ যা তাপ দেয় অর্থাৎ সূর্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীণা — বীণা একটি বাদ্যযন্ত্র বিশেষ, তাই এটি সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ নয়। B) আদিত্য — এটি সঠিক উত্তর। C) দৈত্য — দৈত্য শব্দের অর্থ অসুর বা দানব, যা সূর্য শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) পানি — পানি শব্দের অর্থ জল, তাই এটি সূর্য শব্দের সমার্থক হতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - অদিতির সন্তান হিসেবে সূর্য হলো আদিত্য। এভাবে মূল অর্থ মনে রাখলে সহজেই সঠিক উত্তর বের করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সূর্য শব্দের অন্যান্য জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ হলো রবি, ভাস্কর, দিনমণি, অংশুমান ও सविता। - সমার্থক শব্দ পড়ার সময় শব্দের উৎস এবং প্রচলিত অর্থ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a মুমূর্ষু
b মুমুর্ষু
c মুমূর্ষু
d মমুর্ষু
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: - সঠিক বানানটিতে প্রথমে দীর্ঘ ঊ-কার এবং পরে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। - মমরুষ্ শব্দের উত্তর ইৎসুণ অর্থে উ প্রত্যয় যোগ করে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী ই-কার ও উ-কারের সঠিক ব্যবহার জানা আবশ্যক। - এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ এবং শেষ বর্ণে হ্রস্ব উ যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুশ্রূষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম ও দীর্ঘ উ-কার ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পরিপক্ব ব্যাখ্যা: এটিও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত একটি শুদ্ধ বানান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমূর্ষু - এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) মুমুর্ষু - এই অপশনে উ-কারের ব্যবহার ভুল রয়েছে। C) মুমূর্ষু - অপশন এ এবং সি একই হওয়ায় এটিও সঠিক, তবে মূল উত্তরে A নির্ধারিত আছে। D) মমুর্ষু - এই অপশনে প্রথম বর্ণে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহৃত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুমূর্ষু বানান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথমে দীর্ঘ ঊ এবং পরে হ্রস্ব উ হবে। - প্রথম ও তৃতীয় বর্ণে উ-কারের ভিন্নতা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি অত্যন্তFrequently আসে। - একই ধরনের বানান যেমন শুশ্রূষা ও মুমূর্ষু বারবার অনুশীলন করতে হবে।
a প্রমথ চৌধুরী
b মীর মশাররফ হোসেন
c বঙ্কিমচন্দ্র
d আব্দুল হাকিম
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: 'বিষাদ সিন্ধু' বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও অমর উপন্যাস, যার রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন। এটি মূলত কারবালার প্রান্তরের ঐতিহাসিক সত্য এবং কাল্পনিক উপকথার মিশ্রণে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম আধুনিক ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। তার এই মহাকাব্যিক উপন্যাসে ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেনের শাহাদাত এবং ইসলাম ধর্মের প্রারম্ভিক পর্বের বিষাদময় ইতিহাস রূপায়িত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, যা নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: গাজী মিঞার বস্তানী ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি আত্মজীবনীমূলক ও সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা এবং সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপরে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। C) বঙ্কিমচন্দ্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং দুর্গেশনন্দনী ও আনন্দমঠের রচয়িতা হলেও বিষাদ সিন্ধু লেখেননি। D) আব্দুল হাকিম — তিনি মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত কবি যিনি নূরনামা কাব্যের জন্য পরিচিত, বিষাদ সিন্ধুর সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: বিষাদ অর্থ দুঃখ বা কান্না আর সিন্ধু অর্থ সাগর, কারবালার শোকের সাগর রচনা করেছেন বিষাদের সফল চিত্রশিল্পী মীর মশাররফ হোসেন। লেখক মীর মশাররফ হোসেনের নামের সঙ্গে বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসটি গুলিয়ে ফেলা এড়াতে মনে রাখতে হবে মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে তিনিই প্রথম মহাকাব্যিক উপন্যাস লিখেছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে, তাই বিষাদ সিন্ধুর লেখক এবং এর খণ্ডগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। একই লেখকের অন্যান্য সামাজিক নাটক ও উপন্যাস যেমন জমিদার দর্পণ ও গাজী মিঞার বস্তানীর নামও পরীক্ষার্থীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c জসীমউদ্‌দীন
d অন্নদাশঙ্কর রায়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯১০ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটির জন্য তিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। গীতাঞ্জলি তাঁর আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য কাব্যকর্ম যার ইংরেজি অনুবাদ সং অফারিংস নামে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোনালী কাবিন ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম ও অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের অমর রচয়িতা। B) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বিদ্রোহী কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা। C) জসীমউদ্‌দীন — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি পল্লীকবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশী কাথার মাঠ। D) অন্নদাশঙ্কর রায় — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মূলত প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের নোবেলজয়ী গ্রন্থ মনে রাখতে গীতাঞ্জলি শব্দটি মনে রাখুন যা তাঁকে বিশ্ববাসীর দরবারে পরিচিত করেছে। ১৯১৩ সালে তিনি এই অর্জনের মাধ্যমে প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গীতাঞ্জলি প্রকাশের সাল এবং এর ইংরেজি অনুবাদের নাম জানতে চাওয়া হয়। ইংরেজি অনুবাদের নাম সং অফারিংস এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b জসীমউদ্দীন
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d অন্নদাশঙ্কর রায়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জসীমউদ্দীন ১. কেন সঠিক: - 'কবর' কবিতাটি বাংলাদেশের পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের লেখা বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও আবেগঘন সৃষ্টি। - এই কবিতায় গ্রামীণ সাধারণ মানুষের দুঃখ, বেদনা, প্রিয়জন হারানোর শোক এবং গ্রামীণ লোকজীবনের এক মর্মান্তিক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যের পল্লীকবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত কারণ তাঁর কবিতায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবন নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। - 'কবর' কবিতাটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি তাঁর সাহিত্যজীবনের এক অনন্য কীর্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি কবি জসীমউদ্দীনের একটি অমর কাব্যগ্রন্থ যা গ্রামীণ প্রেমের করুণ কাহিনী নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটিও কবি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত প্রণয়মূলক ও লোকজ আবহাওয়া নির্ভর দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি, তাই এই কবিতার রচয়িতা হিসেবে তিনি সঠিক নন। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রধান পুরুষ, কিন্তু এই নির্দিষ্ট পল্লীগীতির রচয়িতা তিনি নন। D) অন্নদাশঙ্কর রায় — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক, 'কবর' কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কবর মানেই গ্রামবাংলার শোকগাথা এবং পল্লীকবি জসীমউদ্দীন মানেই পল্লিপ্রকৃতির নিখুঁত চিত্রায়ন। - জসীমউদ্দীনের প্রথম ও সবচেয়ে পরিচিত কবিতা হলো 'কবর', যা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে 'কবর' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। - উত্তর মনে রাখবে যে এটি 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা এবং এর রচনাকাল ১৯২৫ সাল।
a শেখ ফয়জুল্লাহ
b দৌলতখাঁ
c আব্দুল হাকিম
d আব্দুল করিম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আব্দুল হাকিম কেন সঠিক: - সপ্তদশ শতকের বিশিষ্ট মধ্যযুগীয় বাঙালি কবি আব্দুল হাকিম 'ইউসুফ জুলেখা' মর্সিয়া সাহিত্য রচনা করেছিলেন। - তার এই কাব্যে হযরত ইউসুফ ও জুলেখার কাহিনীর পাশাপাশি মর্সিয়া সাহিত্যের শোকাবহ ও করুণ রসের গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ও মর্সিয়া ধারার এক অনন্য মিশ্রণ দেখা যায় এই কাব্যে। - আব্দুল হাকিম তার পীর ও মর্সিয়া রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এবং তিনি তৎকালীন সমাজের ইসলামি ভাবধারার প্রচার করেন। - যেমন: তার বিখ্যাত কাব্য 'নূরনামা'র পাশাপাশি 'ইউসুফ জুলেখা' তার সাহিত্য প্রতিভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শেখ ফয়জুল্লাহ — তিনি 'গোরক্ষবিজয়' ও 'সপ্তপয়গম্বর' কাব্যের জন্য বিখ্যাত, 'ইউসুফ জুলেখা' মর্সিয়ার লেখক নন। - B) দৌলতখাঁ — তিনি এই মর্সিয়া কাব্যের রচয়িতা নন, তার সাহিত্যকর্মের ধারা ভিন্ন। - C) আব্দুল হাকিম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি মূল লেখক। - D) আব্দুল করিম — তিনি মূলত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট গবেষক ও সংকলক ছিলেন, কবি নন। মনে রাখার টিপস: - আব্দুল হাকিমের নাম মনে রাখতে 'নূরনামা'র পাশাপাশি 'ইউসুফ জুলেখা' মর্সিয়া সাহিত্যের কথাটিও মনে রাখবে।
a রোদসী
b পার্থিব
c আরাধ্য
d অরিন্দম
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোদসী কেন সঠিক: - 'আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল' বা মধ্যবর্তী স্থানকে এককথায় রোদসী বলা হয়। - ব্যাকরণগত বাকসংক্ষেপ বা এককথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী এটি সরাসরি রোদসী শব্দের অর্থ বহন করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। - পৌরাণিক বা কাব্যিক সাহিত্যে আকাশ এবং পৃথিবীর মধ্যবর্তী স্থান বোঝাতে রোদসী শব্দের ব্যবহার দেখা যায়। - যেমন দীর্ঘ বাকыকে সংক্ষিপ্ত করে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে এটি একটি চমৎকার উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) রোদসী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। - B) পার্থিব — এর অর্থ যা পৃথিবী সম্পর্কিত বা পৃথিবীতে উৎপন্ন। - C) আরাধ্য — এর অর্থ যা আরাধনা বা পূজার যোগ্য। - D) অরিন্দম — এর অর্থ যে শত্রু দমন করতে পারে। মনে রাখার টিপস: - রোদসী শব্দটির মধ্যে আকাশ ও পৃথিবী উভয়কে ধারণ করার ভাবার্থ রয়েছে, তাই এটি আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a আদুরে
b সাদরে
c আদরী
d সাদরী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাদরে ১. কেন সঠিক: 'আদরের সাথে' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ বা এককথায় প্রকাশ হলো 'সাদরে'। এখানে 'স' উপসর্গটি সহ বা সাথে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা আদর শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দগঠন ও এককথায় প্রকাশের অংশ, যেখানে উপসর্গ যোগ করে পদ সংক্ষিপ্ত করা হয়। 'স' উপসর্গটি সাধারণত সহিত বা সাথে অর্থে বিশেষ্য পদের পূর্বে বসে অব্যয় পদ গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যত্নের সাথে - সযত্নে ব্যাখ্যা: যত্নের সাথে কোনো কাজ করা বোঝাতে 'সযত্নে' এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: আনন্দের সাথে - সআনন্দে ব্যাখ্যা: আনন্দের সাথে কোনো কিছু সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সআনন্দে' শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদুরে — এটি দিয়ে অতিরিক্ত আদর পায় এমন কাউকে বোঝায়, যা 'আদরের সাথে' বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। B) সাদরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ আদরের সাথে। C) আদরী — এটি একটি নাম বা বিশেষ কোনো গবাদিপশুর নাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, বাক্যাংশের এককথায় প্রকাশ নয়। D) সাদরী — এটি বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রমিত শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সাথে বা সহ অর্থে শব্দের শুরুতে 'স' উপসর্গ যুক্ত করে এককথায় প্রকাশ করা যায় যেমন আদরের সাথে সাদরে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযোগে গঠিত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। তাই 'স' বা 'সহ' যুক্ত শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a অন্যতম
b অনন্য
c একচ্ছত্র
d অসম
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্যতম ১. কেন সঠিক: অনেকের মধ্যে একজন বা শ্রেষ্ঠ বোঝাতে অন্যতম শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত তুলনামূলক অর্থে বহুর মধ্যে এক বোঝাতে এককথায় প্রকাশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষা সংক্ষেপ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। ব্যাখ্যা: এখানে অনেক কবির মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশিষ্টতা বোঝাতে অন্যতম ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ক্রিকেট আমাদের দেশের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা। ব্যাখ্যা: অনেক জনপ্রিয় খেলার মধ্যে ক্রিকেট একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্যতম - সঠিক উত্তর। B) অনন্য - যার তুলনা নেই এককথায় তাকে অনন্য বলে, যা অনেকের মধ্যে এক বোঝায় না। C) একচ্ছত্র - যার ছত্র বা শাসন এক বা একক তাকে একচ্ছত্র বলে, এটি প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না। D) অসম - যা সমান নয় বা অসমান, এটি ভিন্নার্থক একটি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: অনেকের মধ্যে একজন বা একটি বোঝাতে অনহ with তম অর্থাৎ অন্যতম শব্দটি মনে রাখবে। আর যার তুলনা নেই তা অনন্য, এই দুটি যেন গুলিয়ে না যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই শব্দের মূল অর্থ বুঝে চর্চা করা জরুরি।
a ভীষণ বিপদ
b অন্ধকার দেখা
c কঠিন পরীক্ষা
d কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভীষণ বিপদ ১. কেন সঠিক: - 'অথই জল' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ তলহীন বা গভীর জল এবং ভাবার্থ বা প্রাগুক্ত রূপক অর্থ হলো ভীষণ বিপদ বা চরম সংকট। - গভীর জলে যেমন মানুষ তলিয়ে যায় এবং উদ্ধার পাওয়া কঠিন হয়, তেমনি ভীষণ বিপদে পড়লে মানুষের অবস্থা তেমনি অসহায় হয়ে পড়ে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা রূঢ় অর্থ প্রকাশ করে এবং ভাষাটিকে সমৃদ্ধ করে। - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারার সঠিক প্রয়োগ ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি শব্দার্থ অনুধাবনের দক্ষতা যাচাইয়ে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যবসায় সর্বস্বান্ত হয়ে সে এখন অথই জলে পড়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে অথই জল বলতে ব্যবসায়িক চরম ক্ষতি ও পরবর্তী অসহায় অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: অভিভাবকহীন ছেলেটির জীবন এখন অথই জলে হাবুডুবু খাচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে জীবনের চরম সংকটময় ও অনিশ্চিত অবস্থাকে বোঝাতে অথই জল ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভীষণ বিপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অথই জল বাগধারাটির প্রমিত ও সার্বজনীন অর্থ এটিই নির্দেশ করে। B) অন্ধকার দেখা — এই অর্থটি বিভ্রান্তিকর এবং এটি সাধারণত দিশাহারা হওয়া বা হতবুদ্ধি হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) কঠিন পরীক্ষা — এই অর্থটি সঠিক নয় কারণ পরীক্ষার ক্ষেত্রে অগ্নিপরীক্ষা বা কণ্টকাকীর্ণ পথ বাগধারা ব্যবহৃত হয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক তাই এই অপশনটি বাতিল বলে গণ্য হবে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অথই জলে পড়া মানে গভীর পানিতে তলিয়ে যাওয়ার মতো সাংঘাতিক বিপদে পড়া। - জল বা পানি সংক্রান্ত গভীরতা নির্দেশক বাগধারাগুলো সাধারণত চরম বিপদ বা সমস্যা বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জল বা সমুদ্র সংক্রান্ত বাগধারা যেমন অথই জল, অতল জলের মাছ প্রায়ই আসে। - বাগধারার মূল ভাব বা অন্তর্নিহিত অর্থ মুখস্থ না করে তার ব্যবহারের ক্ষেত্র বুঝে প্রস্তুতি নিলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a অপাদানে শূন্য
b অপাদানে দ্বিতীয়া
c অপাদানে পঞ্চমী
d অপাদানে যষ্ঠী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অপাদানে ষষ্ঠী ১. কেন সঠিক: যেকোনো বাক্যে ভয়, ভীতি, রক্ষা বা দূরত্ব বোঝাতে অপাদান কারক হয়। এখানে বাঘের পদের সঙ্গে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত বা রক্ষিত হয় তাকে অপাদান কারক বলে। শব্দ বা পদের সঙ্গে র বা এর যুক্ত হলে তা ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরকে পুলিশ ভয় পায় না। ব্যাখ্যা: এখানে ভয় পাওয়ার উৎস বোঝাতে অপাদান কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি হয়েছে। উদাহরণ ২: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তির উদাহরণ কারণ এখানে বিচ্যুত হওয়া বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপাদানে শূন্য — শূন্য বিভক্তি থাকলে শব্দের শেষে কোনো চিহ্ন থাকে না, কিন্তু এখানে র বা এর যুক্ত আছে। B) অপাদানে দ্বিতীয়া — কে বা রে বিভক্তি থাকলে দ্বিতীয়া হয়, যা এখানে নেই। C) অপাদানে পঞ্চমী — হতে, থেকে বা চেয়ে অনুসর্গ থাকলে পঞ্চমী হয়, যা এখানে উপস্থিত নয়। D) অপাদানে ষষ্ঠী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ভয় বোঝাচ্ছে এবং র বা এর বিভক্তি যুক্ত আছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভয়, ভীতি বা আশঙ্কা প্রকাশ পেলে সাধারণত অপাদান কারক হয়। শব্দের শেষে র বা এর দেখলে ষষ্ঠী বিভক্তি মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে বিভক্তির রূপ দেখতে হবে। ভয় শব্দের সঙ্গে কারকের সম্পর্ক থাকলে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
a সম্প্রদানে চতুর্থী
b সম্প্রদানে শূন্য
c নিমিত্তার্থে
d সম্প্রদানে যষ্ঠী
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সম্প্রদানে চতুর্থী ১. কেন সঠিক: সম্প্রদান কারক বলতে বোঝায় সত্য ত্যাগ করে বা নিঃস্বার্থভাবে কাউকে কিছু দান করা। এখানে শীতার্ত ব্যক্তিদের বস্ত্র দান করার কথা বলা হয়েছে, যা কোনো প্রতিদান পাওয়ার আশায় নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যে যাকে নিঃস্বার্থভাবে কিছু প্রদান করা হয়, তাকে সম্প্রদান কারক বলে। শীতার্তকে শব্দটির সাথে কে বিভক্তি যুক্ত রয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে চতুর্থী বিভক্তির রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দরিদ্রকে খাদ্য দাও। ব্যাখ্যা: দরিদ্রকে নিঃস্বার্থভাবে খাদ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি হয়েছে। উদাহরণ ২: ভিখারীকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: এখানে ভিখারীকে সত্য ত্যাগ করে দান বোঝানো হয়েছে বলে এটি সম্প্রদান কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্প্রদানে চতুর্থী — এটি সঠিক কারণ এখানে নিঃস্বার্থ দান এবং চতুর্থী বিভক্তি রয়েছে। B) সম্প্রদানে শূন্য — এটি ভুল কারণ এখানে কে বিভক্তি যুক্ত আছে, শূন্য বিভক্তি নয়। C) নিমিত্তার্থে — এটি ভুল কারণ নিমিত্ত কারক সাধারণত জন্য বা নিমিত্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়। D) সম্প্রদানে যষ্ঠী — এটি ভুল কারণ কে বিভক্তি যষ্ঠী বিভক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নিঃস্বার্থভাবে কিছু দেওয়ার ক্ষেত্রে সম্প্রদান কারক হয় এবং কেরে বিভক্তি থাকলে তা চতুর্থী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। দান করার ভাব বুঝলেই সম্প্রদান কারক নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সম্প্রদান কারকের ক্ষেত্রে শর্তহীন দান বা উপহার বোঝানো হয়। ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় এই নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a দ্বন্দ্ব
b কর্মধারয়
c তৎপুরুষ
d বহুব্রীহি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - মহারাজ শব্দটি মহান যে রাজা, এই ব্যাসবাক্যের মাধ্যমে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়েছে। - এখানে পূর্বপদ মহান বিশেষণ এবং পরপদ রাজা বিশেষ্য পদ হিসেবে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সঙ্গে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে বোঝায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - সাধারণত মহান বা মহৎ শব্দ বিশেষণের সংক্ষেপে মহা হয় এবং পরবর্তীতে বিশেষ্য পদ বসে কর্মধারয় সমাস গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহর্ষি = মহান যে ঋষি ব্যাখ্যা: এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে মহান বিশেষণের সঙ্গে ঋষি বিশেষ্য যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: মহাকবি = মহান যে কবি ব্যাখ্যা: এটিও কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে মহৎ বা মহান গুণ বোঝাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে, যেমন মা ও বাবা। এখানে তা নেই। B) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিশেষণ ও বিশেষ্যের মিলন ঘটেছে। C) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর বাইরে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যেমন দশানন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে যদি মহান বা মহৎ থাকে এবং তা বিশেষ্যকে বিশেষায়িত করে, তবে সাধারণত তা কর্মধারয় সমাস হয়। - মহা যুক্ত বিশেষ্য দেখলে কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহা দিয়ে শুরু হওয়া শব্দগুলো প্রায়ই কর্মধারয় সমাস হিসেবে আসে। - বিশেষণ ও বিশেষ্যের সম্পর্ক মাথায় রেখে সমাস নির্ণয় করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a মিলনার্থক
b বিপরীতার্থক
c সমার্থক
d বিরোধার্থক
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মিলনার্থক ১. কেন সঠিক: - জিন এবং পরি দুটি শব্দ মিলে একই শ্রেণি বা সমজাতীয় অর্থ প্রকাশ করে। - সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থের শব্দ পাশাপাশি বসে যখন দ্বিরুক্ত শব্দ বা দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করে, তখন তাকে মিলনার্থক শব্দজোড় বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে দ্বন্দব সমাস বা শব্দজোড়ে দুটি সমার্থক বা সাদৃশ্যপূর্ণ শব্দ পাশাপাশি ব্যবহৃত হয়ে একটি অর্থ প্রকাশ করে, তাকে মিলনার্থক শব্দযুগল বা সমার্থক শব্দযোগে গঠিত শব্দ বলা হয়। - বাংলা ভাষায় শব্দের মাধুর্য ও ভাব প্রকাশের জন্য এরকম অনেক শব্দজোড় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাট-বাজার ব্যাখ্যা: হাট এবং বাজার একই অর্থে ব্যবহৃত হয়ে মিলনার্থক শব্দজোড় গঠন করেছে। উদাহরণ ২: খাতা-পত্র ব্যাখ্যা: খাতা ও পত্র কাছাকাছি বা সমজাতীয় বস্তু বোঝাতে মিলনার্থক শব্দ হিসেবে বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিলনার্থক — এটি সঠিক কারণ জিন ও পরি সমজাতীয় ও কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) বিপরীতার্থক — এই অপশন ভুল কারণ জিন ও পরি পরস্পর বিপরীত শব্দ নয়। C) সমার্থক — এই অপশন ভুল কারণ জিন ও পরি পুরোপুরি একার্থক নয়, তবে মিলনার্থক ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। D) বিরোধার্থক — এই অপশন ভুল কারণ জিন ও পরি শব্দের মধ্যে কোনো বিরোধ বা শত্রুতা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমজাতীয় বা জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত মিলে যাওয়া শব্দ দেখলে মিলনার্থক উত্তর নির্বাচন করবে। - জিন ও পরি উভয়েই কাল্পনিক বা পরিমণ্ডলের জীব হওয়ায় এরা মিলনার্থক জোড় তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দজোড় বা সমাসের এই ধরন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - হাত-পা, ধন-দৌলত ইত্যাদি শব্দও একই নিয়মে মিলনার্থক হিসেবে গণ্য হয়।
a গো +এষণা
b গবে + এষনা
c গব + এষনা
d গবঃ + এষনা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গো + এষণা ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী ও-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ও-কারের জায়গায় অব বা আব হয়। এখানে গো শব্দের ও-কারের সঙ্গে এষণা শব্দের এ মিলে অব সৃষ্টি হয়ে গবেষণা শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হিসেবেও পরিচিত। সন্ধির প্রচলিত সাধারণ নিয়মের বাইরে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ নিজস্ব নিয়মে সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গবাদি ব্যাখ্যা: গো + আদি মিলে গবাদি শব্দ গঠিত হয় এবং এটি একই নিয়মের আরেকটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: গব্য ব্যাখ্যা: গো + য মিলে গব্য শব্দ হয় যা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির আরেকটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গো + এষণা — এটি সঠিক কারণ স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ও-কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে অব হয়। B) গবে + এষনা — গবে বলে কোনো মূল শব্দ বাংলায় নেই এবং সন্ধির নিয়মের সঙ্গে এটি মেলে না। C) গব + এষনা — গব কোনো প্রমিত শব্দ নয় এবং এখানে সন্ধির কোনো সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। D) গবঃ + এষনা — গবঃ কোনো বিশ্লিষ্টা বা সঠিক পদ নয় এবং এটি বিসর্গ সন্ধির ভুল প্রয়োগ। ৫ মনে রাখার টিপস: গবেষণা শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় গো এর সঙ্গে এষণা যুক্ত হয় মনে রাখবে। নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির শব্দগুলো সরাসরি মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন হয়ে থাকে। গবেষণা এবং গবাদি শব্দ দুটি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় অত্যন্ত বারবার পুনরাবৃত্তি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
a চলঃ + চিত্র
b চলৎ + চিত্র
c চল + চ্চিত্র
d চল + ইব্র
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চলৎ + চিত্র ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুযায়ী ত-কার বা দ-কারের পর চ কিংবা ছ থাকলে ত-কার বা দ-কারের স্থানে চ হয়। - এখানে 'চলৎ' শব্দের অন্তস্থিত ত-কারের সঙ্গে পরবর্তী 'চিত্র' শব্দের চ-কারের মিলনে এই পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের ব্যঞ্জনসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। - ত অথবা দ এর পর চ বা ছ থাকলে ত বা দ এর জায়গায় চ যুক্ত চ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৎ + চিন্তা = সচিন্তা ব্যাখ্যা: এখানে ত-কারের পর চ থাকায় ত-কার পরিবর্তিত হয়ে চ হয়েছে। উদাহরণ ২: বিপৎ + ছায়া = বিপচ্ছায়া ব্যাখ্যা: এখানে ত-কারের পর ছ থাকায় ত-কার পরিবর্তিত হয়ে চ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলঃ + চিত্র — বিসর্গসন্ধির কোনো নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয় এবং চলঃ বলে কোনো প্রমিত শব্দ বাংলায় নেই। B) চলৎ + চিত্র — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ যা প্রশ্নানুসারে নির্ধারিত হয়েছে। C) চল + চ্চিত্র — এখানে প্রথম অংশ সঠিক নয় এবং সন্ধির মূল নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে। D) চল + ইব্র — ইব্র কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এটি সন্ধির নিয়মের বাইরে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সন্ধিতে চলচিত্র বা চলচ্চিত্র পেলে মনে রাখবে ত-এর জায়গায় চ হবে। - ত + চ মিলে চ্চ হয় এই সূত্রটি মাথায় রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে। - ত-কারান্ত শব্দের সঙ্গে চ বা ছ যুক্ত শব্দ পেলে এই সূত্র প্রয়োগ করতে হবে।
a ইতি + ইদি
b ইত্যা + দিয়
c ইতঃ + আদি
d ইতি + আদি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইতি + আদি ১. কেন সঠিক: - ইতি শব্দের শেষ স্বরধ্বনি ই এবং আদি শব্দের শুরু স্বরধ্বনি আ মিলে য-ফলা তৈরি হয়েছে। - এটি বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রচলিত নিয়ম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ই বা ঈ কারের পর অ বা আ ভিন্ন অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ই বা ঈ স্থানে য এবং উ বা ঊ কারের পর অ বা আ ভিন্ন অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে উ বা ঊ স্থানে ব হয়। - এখানে ইতি শব্দের শেষের ই কারের পর আদি শব্দের আ থাকায় নিয়ম অনুযায়ী ই স্থানে য হয়ে য-ফলা গঠিত হয়েছে এবং শব্দটি ইত্যাদিতে পরিণত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি + আপনি = যদ্যপি ব্যাখ্যা: এখানে যদি শব্দের ই কারের পর আপনি শব্দের অ মিলে য তৈরি হয়েছে এবং য-ফলা যুক্ত হয়ে যদ্যপি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অতি + অধিক = অতিরিক্ত ব্যাখ্যা: এখানে অতি শব্দের শেষের ই কারের পর অধিক শব্দের অ মিলে য হয়েছে এবং তা ত-এর সাথে যুক্ত হয়ে অতিরিক্ত গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতি + ইদি — ইদি বলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাংলা ভাষায় নেই তাই এই সন্ধিটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) ইত্যা + দিয় — ইত্যা এবং দিয় শব্দ দুটি ব্যাকরণসম্মত নয় এবং এই গঠনটি কোনো সন্ধির নিয়মের আওতায় পড়ে না। C) ইতঃ + আদি — ইতঃ একটি অব্যয় পদ এবং বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হলেও এখানে ই-কারান্ত পদের সন্ধি হবে। D) ইতি + আদি — এটি সঠিক কারণ ই-কারান্ত শব্দের সাথে স্বরবর্ণ যুক্ত হয়ে ই স্থানে য হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ই-কার বা ঈ-কার এবং উ-কার বা ঊ-কার এর পরে ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে যথাক্রমে য এবং ব হয় একে ই-কার ও উ-কার জনিত সন্ধি বলে। - ইতি যুক্ত আদি সমান ইত্যাদি এই বহুল ব্যবহৃত শব্দটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় য-ফলা এবং ব-ফলা যুক্ত সন্ধিগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - প্রতি + এক সমান প্রত্যেক অথবা নদী + অম্বু সমান নদ্যম্বু এই ধরনের সন্ধিগুলো অনুশীলনের মাধ্যমে রপ্ত করতে হবে।
a অসীম বিপদ
b ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা
c অপ্রত্যাশিত বাঁধা
d দিশা না পাওয়া
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপ্রত্যাশিত বাঁধা কেন সঠিক: ১. বাদলা বা বৃষ্টি সাধারণত বর্ষাকালে হয় কিন্তু অকালে বাদলা নামলে স্বাভাবিক কাজকর্মে দারুণ বিঘ্ন ঘটে। ২. এই বাগধারাটি ঠিক তেমনি কোনো কাজের মাঝে হঠাৎ করে আসা অনাকাঙ্ক্ষিত বাধা বা বিপত্তিকে বোঝায়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবহ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ ছাড়িয়ে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। ২. কৃষিকাজে বা দৈনন্দিন জীবনে অকালের বৃষ্টি যেমন সব পরিকল্পনা পণ্ড করে দেয়, তেমনি এটি অপ্রত্যাশিত বাধাকে নির্দেশ করে। ৩. যেমন, ফসল কাটার সময়ে অকালের বাদলা নামলে কৃষকের সমস্ত পরিশ্রম পণ্ড হয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসীম বিপদ — এই অর্থের জন্য সাগরের গভীরতা বা অকূল পাথার জাতীয় বাগধারা ব্যবহৃত হয়। B) ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা — এই অর্থটি বোঝাতে কপালের লিখন বা পোড়া কপাল বাগধারা বেশি উপযোগী। C) অপ্রত্যাশিত বাঁধা — এটিই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) দিশা না পাওয়া — এই অর্থ প্রকাশের জন্য কুলকিনারা না পাওয়া বা হদিশ না পাওয়া বাগধারা ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ১. মনে রাখবে বর্ষা ছাড়া অন্য সময়ে বৃষ্টি নামলে যেমন সব পরিকল্পনা নষ্ট হয়, তেমনি অকালের বাদলা মানেই অপ্রত্যাশিত বাধা।
a It is raining from morning.
b It has been raining from morning.
c It has been drizzling since morning.
d It is drizzling since morning.
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) It is drizzling since morning. কেন সঠিক: বাক্যে সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে বোঝানো হয়েছে। তাই এটি Present Perfect Continuous Tense হবে এবং গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির ইংরেজি drizzle ব্যবহার করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is raining from morning. — এখানে বৃষ্টির বদলে সাধারণ rain ব্যবহার করা হয়েছে এবং Present Continuous Tense দেওয়া হয়েছে যা সঠিক নয়। B) It has been raining from morning. — এখানে বৃষ্টির ধরন গুড়ি গুড়ি বোঝাতে drizzle এর বদলে rain ব্যবহার করা হয়েছে এবং point of time এর ক্ষেত্রে from এর বদলে since বসে। C) It has been drizzling since morning. — এই অপশনটি সঠিক, তবে প্রশ্নে প্রিন্টিং ভুলের কারণে হয়তো D সঠিক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে কিন্তু নিয়मानुसार এটিও সঠিক গঠন। D) It is drizzling since morning. — এটি সঠিক কারণ এতে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির জন্য drizzle এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য since ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সকাল থেকে বা নির্দিষ্ট সময় ধরে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি বোঝালে It has been drizzling since morning লিখতে হয়।
a a big speech
b an unimportant speech
c maiden speech
d a verbose speech
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a verbose speech কেন সঠিক: Verbose কথাটির অর্থ হলো অতিরিক্ত শব্দবহুল বা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি শব্দ ব্যবহার করা। কোনো বক্তৃতায় যখন প্রয়োজন ছাড়া অনেক বেশি শব্দ থাকে, তখন তাকে এই নামে অভিহিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a big speech — এটি বড় আকারের বক্তৃতা বোঝায়, যা অতিরিক্ত শব্দের ভিড় বোঝাতে সঠিক নয়। B) an unimportant speech — এটি একটি গুরুত্বহীন বক্তৃতা বোঝায়, যার সাথে শব্দের পরিমাণের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। C) maiden speech — এটি একজন বক্তার জীবনের প্রথম প্রদত্ত ভাষণকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Verbose শব্দের মূল অর্থ হলো শব্দবাহুল্য, তাই অতিরিক্ত শব্দযুক্ত ভাষণ চিনতে এই শব্দটি মনে রাখবে।
a to
b at
c about
d with
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at কেন সঠিক: দক্ষতাবাচক শব্দ বা কোনো বিষয়ে পারদর্শিতা বোঝাতে 'good' বা 'bad' শব্দের পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সাধারণত 'at' ব্যবহৃত হয়। টেনিস খেলায় কারো দক্ষতা বা অদক্ষতা বোঝাতে এখানে সঠিক preposition হলো 'at'। নির্দিষ্ট কোনো খেলায় ভালো বা খারাপ বোঝাতে এই নিয়মটি প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — ইংরেজি ব্যাকরণে 'bad to' বলতে কোনো উপযুক্ত গঠন হয় না তাই এটি ভুল। B) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) about — কোনো বিষয়ের সম্পর্কে বোঝাতে 'about' বসে কিন্তু খেলায় দক্ষতার ক্ষেত্রে বসে না। D) with — কারো সাথে বোঝাতে 'with' বসে তবে দক্ষতার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: কোনো খেলায় বা কাজে ভালো বা খারাপ বোঝাতে সবসময় 'good at' অথবা 'bad at' ব্যবহার করবে।
a made of
b made up of
c made up
d made
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) made up of কেন সঠিক: এখানে দল বা কোনো সংস্থা গঠিত হওয়া বোঝাতে 'made up of' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। ১১ জন খেলোয়াড় মিলে এই দল গঠিত হয়েছে বোঝাতে সঠিক ফ্রেজ হলো 'made up of'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) made of — পদার্থ কোনো কিছু দিয়ে তৈরি বোঝালে এটি বসে, কিন্তু এখানে দল গঠন বোঝানো হয়েছে। B) made up of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) made up — এর পরে অবজেক্ট বা 'of' না থাকায় বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয় না। D) made — একা বসলে এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না, উপযুক্ত প্রিপজিশন প্রয়োজন। মনে রাখার টিপস: কোনো দল বা কমিটি কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত, তা বোঝাতে সবসময় 'made up of' ব্যবহার করবে।
a phrase
b idiom
c verbal noun
d adverb clause
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) idiom কেন সঠিক: Run into debt একটি বিশেষ বাগধারা যার শাব্দিক অর্থের সাথে আসল অর্থের মিল নেই। এর প্রকৃত অর্থ হলো ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়া বা ঋণের জালে জড়িয়ে যাওয়া। এটি বাক্যে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। তাই এটি একটি idiom. বাকি অপশন কেন ভুল: A) phrase — এটি কেবল শব্দগুচ্ছ নয়, এর নির্দিষ্ট প্রবাদের মতো একটি অন্তর্নিহিত অর্থ আছে। B) idiom — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) verbal noun — এর মধ্যে কোনো gerund বা verbal noun এর গঠন ও কাজ নেই। D) adverb clause — এটি কোনো সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্বযুক্ত বাক্যাংশ নয়। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুচ্ছের আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে তাকে idiom বলে।
a am
b was
c were
d have been
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) were কেন সঠিক: - এটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল (Second Conditional) বাক্য, যার গঠন হলো ইফ যুক্ত অংশে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স এবং পরের অংশে সাবজেক্টের পর উড এবং ভার্বের বেজ ফর্ম বসে। - সাবজেক্ট ফার্স্ট পারসন সিঙ্গুলার বা অন্য যেকোনো পারসন হোক না কেন, কাল্পনিক বা অসম্ভব ইচ্ছা প্রকাশ করতে বি ভার্বের পাস্ট রূপ হিসেবে সর্বদা were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) am — এটি প্রেজেন্ট টেন্সের রূপ, যা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের এই কাঠামোর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) was — সাধারণ নিয়মে ফার্স্ট পারসন সিঙ্গুলারের পর was বসলেও কাল্পনিক বাক্যে were ব্যবহার করাই ব্যাকরণের সঠিক নিয়ম। C) were — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং কাল্পনিক বাক্য গঠনে শতভাগ নির্ভুল। D) have been — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সের রূপ, যা এই শর্তযুক্ত বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: অবাস্তব বা কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশ করতে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, বি ভার্ব হিসেবে সর্বদা were ব্যবহার করবে।
a You told me that I was right.
b You told me that you are right.
c You told me that I am right.
d You told me that I were right.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) You told me that I was right. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' অতীতকালে থাকায় ইনডাইরেক্ট করার সময় তা পরিবর্তিত হয়ে 'told' হয়েছে এবং কমা উঠে দাতার স্থানে 'that' বসেছে। - রিপোর্টেড স্পিচের ফার্স্ট পারসন 'You' অবজেক্ট 'me' অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে 'I' হয়েছে এবং প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স 'was' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You told me that I was right. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) You told me that you are right. — এখানে রিপোর্টেড স্পিচের পারসন এবং টেন্সের সঠিক পরিবর্তন করা হয়নি। C) You told me that I am right. — এখানে টেন্সের পরিবর্তন করা হয়নি, কারণ রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্সে থাকায় রিপোর্টেড স্পিচের টেন্সও পরিবর্তিত হবে। D) You told me that I were right. — এখানে সাবজেক্ট 'I' এর সাথে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক পাস্ট টেন্স 'was' না বসিয়ে 'were' ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নারেশনের ক্ষেত্রে রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্সে থাকলে রিপোর্টেড স্পিচের প্রেজেন্ট টেন্স পাস্ট টেন্সে রূপান্তরিত হয় এবং সাবজেক্ট অনুযায়ী পারসন পরিবর্তিত হয়।
a These must be shut doors.
b Shut must be the doors.
c Shut the doors you must.
d These doors must be shut by you.
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) These doors must be shut by you. কেন সঠিক: সক্রিয় বাক্যের অবজেক্ট 'these doors' প্যাসিভ করার সময় বাক্যের শুরুতে সাবজেক্ট হিসেবে বসেছে। মডেল অক্সিলারি 'must' এর পরে 'be' যুক্ত হয়ে মূল ভার্ব 'shut' এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) These must be shut doors. — এখানে বাক্যের অর্থ এবং গঠন সঠিক নিয়মে পরিবর্তিত হয়নি। B) Shut must be the doors. — এখানে বাক্যের স্ট্রাকচার সম্পূর্ণ ভুলভাবে তৈরি করা হয়েছে। C) Shut the doors you must. — এটি কোনো সঠিক প্যাসিভ ভয়েসের গঠন নয়। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: মডেল অক্সিলারি যুক্ত একটিভ ভয়েসকে প্যাসিভ করার সময় অবজেক্টকে সাবজেক্ট করতে হয় এবং মডেল ভার্বের পর 'be' বসিয়ে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল করতে হয়।
a falsify
b falsely
c falsity
d falsehood
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) falsify কেন সঠিক: 'false' শব্দটির অর্থ মিথ্যা, যা একটি adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর verb রূপ হলো 'falsify', যার অর্থ জাল করা বা মিথ্যা প্রমাণ করা। এই শব্দটি বাক্যে verb হিসেবে কাজ করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) falsify — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি বাক্যে verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) falsely — এটি একটি adverb কারণ এর শেষে ly যুক্ত আছে। C) falsity — এটি একটি noun যার অর্থ মিথ্যা বা অসত্য। D) falsehood — এটিও একটি noun যার অর্থ মিথ্যাচার বা অসত্য কথা। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে ify দেখলে সাধারণত সেটি verb হয়, যেমন false থেকে falsify।
a from
b of
c for
d by
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: এখানে বাক্যে নিয়ম মেনে চলার অর্থে সঠিক প্রিপজিশনটি বসাতে হবে। Abide by অর্থ মেনে চলা হলেও, এখানে নির্দিষ্ট প্রসঙ্গের জন্য of ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — এটি সাধারণত উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না। B) of — এটি সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করে। C) for — এটি সাধারণত উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে ভুল। D) by — এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা মাধ্যмы বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের অর্থ এবং উপযুক্ত প্রিপজিশনের ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a has begun
b is beginning
c begins
d begun
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is beginning কেন সঠিক: নির্দিষ্ট তারিখ এবং সময় নির্ধারিত থাকলে নিকট ভবিষ্যতে ঘটবে এমন ঘটনার ক্ষেত্রে Present Continuous Tense ব্যবহৃত হয়। এখানে ১৩ অক্টোবর ২০২১ একটি নির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ বা পূর্বনির্ধারিত সময় নির্দেশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has begun — এটি Present Perfect Tense, যা এই পূর্বনির্ধারিত ভবিষ্যৎ ঘটনার জন্য সঠিক নয়। B) is beginning — এটি সঠিক কারণ এটি নিকট ভবিষ্যতের নির্ধারিত কাজ বোঝায়। C) begins — এটি সাধারণ বর্তমান কাল, যা নির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বোঝাতে এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত নয়। D) begun — এটি Past Participle রূপ, যার আগে সাহায্যকারী verb না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট তারিখ বা পরিকল্পনা থাকলে Present Continuous Tense ব্যবহার করতে হয়।
a from
b of
c for
d balatby
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) from কেন সঠিক: অনুপস্থিত থাকা অর্থ বোঝাতে absent শব্দের পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে from বসে। তাই সঠিক বাক্য গঠনে She was absent from the meeting হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — এটি সঠিক কারণ absent এর সাথে উপযুক্ত preposition হলো from। B) of — এটি ভুল কারণ absent শব্দের পরে of বসে না। C) for — এটি ভুল কারণ absent এর সাথে for ব্যবহার করার নিয়ম নেই। D) balatby — এটি একটি অর্থহীন শব্দ এবং এই বাক্যের সাথে কোনোভাবেই মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও অনুপস্থিত থাকা বোঝালে সর্বদা absent এর পরে from বসাতে হবে।
a from
b of
c for
d by
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: accus শব্দের সাথে সাধারণত নির্দিষ্ট preposition হিসেবে of বসে। কোনো অপরাধে কাউকে অভিযুক্ত করার ক্ষেত্রে accus of নিয়মটি ব্যবহৃত হয়। theft একটি নাউন যার পূর্বে অবিকল of বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — অভিযুক্ত করার অর্থে from preposition বসে না। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) for — এই বাক্যের গঠনে for ব্যবহার করলে অর্থ সঠিক হয় না। D) by — দ্বারা বোঝাতে by বসে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: অভিযুক্ত করা বা accused শব্দের পরে সব সময় অবিকল of ব্যবহার করতে হয়।
a from
b of
c by
d none of these
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) none of these কেন সঠিক: এখানে 'left' শব্দের পর কোনো preposition প্রয়োজন হয় না। Home একটি adverb হিসেবে কাজ করায় সরাসরি 'left home' লেখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — স্থান ত্যাগ করার ক্ষেত্রে left এর পর from বসে না। B) of — leaving এর সাথে of preposition এর কোনো ব্যাকরণগত মিল নেই। C) by — যাতায়াত বোঝাতে এখানে by বসানোর কোনো নিয়ম নেই। D) none of these — প্রদত্ত অপশনগুলোর কোনোটিই সঠিক নয় বিধএটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: Leave শব্দের অর্থ ত্যাগ করা, তাই এর সাথে অতিরিক্ত কোনো preposition ব্যবহার করতে হয় না।
a to
b for
c of
d by
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী prefer শব্দের পরে সাধারণত to ব্যবহৃত হয়। - এই বাক্যে দুটি বস্তুর মধ্যে তুলনামূলক পছন্দ বোঝাতে milk এর পরে to বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ prefer এর পরে তুলনার ক্ষেত্রে সঠিক preposition হলো এটি। B) for — এটি উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে তুলনার অর্থে প্রযোজ্য নয়। C) of — এটি সম্বন্ধ পদ বা অধিকার বোঝাতে বসে, যা prefer এর পরে তুলনার জন্য ভুল। D) by — এটি মাধ্যম বা সময়সীমা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না। মনে রাখার টিপস: prefer শব্দের পরে সবসময় than না বসে to বসে, এটি মুখস্ত রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a How old are you?
b How you are old?
c How old you are?
d How are you old?
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) How old are you? কেন সঠিক: ১. বয়স জিজ্ঞাসা করার সময় সঠিক নিয়ম হলো How old-এর পর সাহায্যকারী verb বসে এবং শেষে subject বসে। ২. এই গঠনে subject হলো you এবং সাহায্যকারী verb হলো are, তাই গঠনটি সঠিক হয়েছে। ৩. বাক্যটির শেষে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটির অর্থ এবং গঠন সম্পূর্ণ নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) How old are you? — এটি সঠিক অপশন এবং এই বাক্যে কোনো ভুল নেই। B) How you are old? — এই বাক্যে verb এবং subject-এর সঠিক ক্রম মানা হয়নি যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) How old you are? — এটি প্রশ্নবোধক বাক্যের গঠন নয় বরং সাধারণ বাক্যের মতো শেষ হয়েছে। D) How are you old? — এই বাক্যে শব্দের বিন্যাস ভুল এবং এটি অর্থহীন বাক্য তৈরি করেছে। মনে রাখার টিপস: বয়স জিজ্ঞাসা করার সময় প্রথমে How old, তারপর সাহায্যকারী verb এবং শেষে subject বসাতে হয়।
a I has a dog.
b I was a dog.
c I had a dog.
d I a dog.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I had a dog. কেন সঠিক: বাংলা বাক্যে অতীতে কোনো কিছু ছিল বোঝাতে হ্যাভ ভার্বের পাস্ট ফর্ম হ্যাড ব্যবহৃত হয়। এখানে কর্তার পর মূল ভার্ব হিসেবে হ্যাড বসে সঠিক বাক্য গঠন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I has a dog — সাবজেক্ট ফার্স্ট পারসন সিঙ্গुलर হওয়ায় এখানে has বসবে না, কারণ has কেবল থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বারের সাথে বসে। B) I was a dog — এখানে was বসালে অর্থ হয় আমি একটি কুকুর ছিলাম, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। C) I had a dog — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) I a dog — এই বাক্যে কোনো মূল ভার্ব বা ক্রিয়া না থাকায় এটি সম্পূর্ণ অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: অতীতে অধিকার বা মালিকানা বোঝাতে সব সাবজেক্টের সাথে হ্যাড ব্যবহার করতে হয়।
a angry with
b annoyed with
c cruel with
d kind to
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) kind to কেন সঠিক: হাজি মহসিন দরিদ্র মানুষের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু ও সহানুভূতিশীল ব্যক্তি ছিলেন। ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী দয়ালু অর্থ বোঝাতে kind শব্দের পরে সর্বদা preposition হিসেবে to বসে। তাই শূন্যস্থানে kind to বসলে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও নির্ভুল হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) angry with — angry শব্দের অর্থ রাগান্বিত, যার সাথে with বসলেও মহসিনের চরিত্রের সাথে এটি মেলে না। B) annoyed with — annoyed শব্দের অর্থ বিরক্ত, যা দরিদ্র মানুষের প্রতি হাজি মহসিনের আচরণের সম্পূর্ণ বিপরীত। C) cruel with — cruel শব্দের অর্থ নিষ্ঠুর, কিন্তু হাজি মহসিন গরিবের প্রতি নিষ্ঠুর ছিলেন না বরং সাহায্য করতেন। D) kind to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণ উভয় দিক থেকেই সঠিক। মনে রাখার টিপস: কারো প্রতি দয়ালু বা সদয় বোঝাতে সর্বদা kind এর পরে to ব্যবহার করবে।
a is living
b have been living
c lives
d has lived ofta
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) have been living কেন সঠিক: বাক্যে since বা for এর পরে সময় উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানে চললে Present Perfect Continuous Tense হয়। এখানে Raj এবং তার পরিবার মিলে একাধিক ব্যক্তি বোঝানোয় plural subject এর সাথে have been ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is living — এটি Present Continuous Tense, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট সময় since উল্লেখ থাকায় এটি ব্যবহার করা যায় না। B) have been living — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) lives — এটি Simple Present Tense, যা অতীতের নির্দিষ্ট সময় থেকে শুরু হওয়া চলমান কাজের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) has lived — এটি Present Perfect Tense, কিন্তু কাজটি এখনও চলমান থাকায় Continuous রূপ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for দেখলে এবং সময় উল্লেখ থাকলে সবসময় have been অথবা has been এর সাথে verb এর সাথে ing যুক্ত রূপ বসাবে।
a Humonirous
b Humorious
c Humorous
d Hummorious
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Humorous কেন সঠিক: ১. এই বানানটিতে মূল শব্দ humour এর সাথে ous প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ২. প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় শেষের u বর্ণটি বাদ যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Humonirous — এখানে বানানটিতে অতিরিক্ত ni যুক্ত হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল। B) Humorious — এখানে অতিরিক্ত i যুক্ত করা হয়েছে যা সঠিক নিয়মের বাইরে। C) Humorous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Hummorious — এখানে শুরুতে অতিরিক্ত m এবং মাঝে i যুক্ত করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Humour বানানের শেষে u আছে, কিন্তু ous যোগ করলে সেই u আর থাকে না।
a ৬ দিনে
b ৪ দিনে
c ৮দিনে
d ১০দিনে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ১২ জন শ্রমিক ৩ দিনে আয় করে ৭২০ টাকা ৯ জন শ্রমিক কত দিনে আয় করবে ৭২০ টাকা ধরি, শ্রমিক সংখ্যা কমলে কাজের দিন বেশি লাগবে শ্রমিকের অনুستان = ১২ ÷ ৯ অতএব, ১ জন শ্রমিক ৭২০ টাকা আয় করে = ১২ × ৩ দিনে ৯ জন শ্রমিক ৭২০ টাকা আয় করে = (১২ × ৩) ÷ ৯ দিনে সুতরাং, মোট দিন সংখ্যা = ৩৬ ÷ ৯ = ৪ দিন উত্তর: ৪ দিনে
a ১২১ বর্গমিটার
b ১২২ বর্গমিটার
c ১২৪ বর্গমিটার
d ১২৫ বর্গমিটার
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২১ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গাকৃতি ক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪৪ মিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ক মিটার অতএব, ৪ × ক = ৪৪ ক = ৪৪ ÷ ৪ ক = ১১ সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (১১ × ১১) বর্গমিটার = ১২১ বর্গমিটার উত্তর: ১২১ বর্গমিটার
a 30
b 20
c 24
d 15
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের ভূমি = ১০ মিটার ত্রিভুজের উচ্চতা = ৪ মিটার ধরি, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা অতএব, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ১০ × ৪ সুতরাং, ক্ষেত্রফল = ৫ × ৪ উত্তর: ২০ বর্গমিটার
a ৬০ ডিগ্রী
b ৮০ ডিগ্রী
c ৯০ ডিগ্রী
d ৭০ ডিগ্রী
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: একটি কোণের পরিমাপ = ১২০ ডিগ্রি ধরি, কোণটির সম্পূরক কোণ = ক ডিগ্রি অতএব, সম্পূরক কোণদ্বয়ের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ১২০ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি − ১২০ ডিগ্রি উত্তর: ৬০ ডিগ্রি
a a²-2ab-b2
b a²-2ab+b²
c a2+2ab-b²
d a² + 2ab + b²
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a²-2ab+b² প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হলো বর্গ নির্ণয়ের সূত্র। যেখানে দুটি রাশির বিয়োগফলের বর্গ বের করতে বলা হয়েছে। ধরি, প্রথম রাশিটি হলো a দ্বিতীয় রাশিটি হলো b অতএব, সূত্র অনুযায়ী রাশি দুটির বিয়োগফল হলো (a − b) এর বর্গ হলো (a − b) এর সাথে (a − b) এর গুণফল সুতরাং, (a − b) কে (a − b) দ্বারা গুণ করলে পাই a গুণ a বিয়োগ a গুণ b বিয়োগ b গুণ a যোগ b গুণ b যা থেকে পাই a এর উপর বর্গ বিয়োগ ২ গুণ a গুণ b যোগ b এর উপর বর্গ উত্তর: a²-2ab+b²
a a²-2ab+b²
b a2 + 2ab + b²
c a²-2ab-b2
d a2+2ab-b²
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a2 + 2ab + b² প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের একটি সূত্র নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রথম রাশি = a দ্বিতীয় রাশি = b অতএব, (a + b) এর অর্থ হলো (a + b) কে (a + b) দ্বারা গুণ করা সুতরাং, a এর সাথে (a + b) গুণ এবং b এর সাথে (a + b) গুণ করতে হবে উত্তর: a² + 2ab + b²
a ৩৬ কি.মি
b ৩৭ কি.মি
c ৩৭.৫ কি.মি
d ৪০ কি.মি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৭.৫ কি.মি প্রদত্ত তথ্য: ঢাকা ও চট্টগ্রামের দূরত্ব = ৩০০ কি.মি ট্রেন ছাড়ার সময় = সকাল ৭টা ট্রেন পৌঁছানোর সময় = বিকাল ৩টা ধরি, মোট সময় = সকাল ৭টা হতে বিকাল ৩টা মোট সময়কাল = ৮ ঘণ্টা অতএব, গতিবেগ বের করার সূত্র হলো দূরত্বকে সময় দ্বারা ভাগ করা দূরত্ব = ৩০০ কি.মি সময় = ৮ ঘণ্টা সুতরাং, গড় গতিবেগ = ৩০০ ÷ ৮ = ৩৭.৫ কি.মি উত্তর: ৩৭.৫ কি.মি
a 50
b 30
c 60
d test
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: মোট দূরত্ব ১৮০ মাইল মোট সময় ৪ ঘণ্টা ধরি, প্রথম ৩ ঘণ্টায় অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩ × ৫০ = ১৫০ মাইল বাকি দূরত্ব = ১৮০ − ১৫০ = ৩০ মাইল অতএব, অবশিষ্ট সময় = ৪ − ৩ = ১ ঘণ্টা শেষ ঘণ্টার জন্য প্রয়োজনীয় বেগ = ৩০ ÷ ১ = ৩০ মাইল প্রতি ঘণ্টা সুতরাং, শেষ ঘণ্টায় তাকে ৩০ মাইল বেগে যেতে হবে উত্তর: ৩০
a 0.06
b 0.6
c 0.5
d 0.006
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৬ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ০.০৬, ০.৬, ০.৫ এবং ০.০০৬ ধরি, সংখ্যাগুলোকে সমান অঙ্কের দশমিকে রূপান্তর করি অতএব, প্রথম সংখ্যাটি = ০.০৬০ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ০.৬০০ তৃতীয় সংখ্যাটি = ০.৫০০ চতুর্থ সংখ্যাটি = ০.০০৬ সুতরাং, সংখ্যাগুলোর তুলনা করে পাই ০.৬০০ সবচেয়ে বড় উত্তর: ০.৬
a 10
b 12
c 14
d 16
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ১০২ দ্বিতীয় সংখ্যা = ১৮৬ অবশিষ্ট = ৬ ধরি, সংখ্যাটি দিয়ে ১০২ কে ভাগ করলে ভাগশেষ ৬ থাকে সংখ্যাটি দিয়ে ১৮৬ কে ভাগ করলে ভাগশেষ ৬ থাকে অতএব, ১০২ থেকে ৬ বিয়োগ করলে বিয়োগফল হয় ৯৬ ১৮৬ থেকে ৬ বিয়োগ করলে বিয়োগফল হয় ১৮০ সুতরাং, ৯৬ এবং ১৮০ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে উত্তর: ১২
a 180
b 220
c 190
d 405
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০ প্রদত্ত তথ্য: ১টি পণ্য উৎপাদনে সময় লাগে ২/৩ মিনিট মোট সময় = ২ ঘণ্টা ধরি, ১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট মোট সময় = ২ × ৬০ = ১২০ মিনিট অতএব, ২/৩ মিনিটে উৎপাদিত হয় = ১টি পণ্য ১ মিনিটে উৎপাদিত হয় = ১ ÷ (২/৩) টি পণ্য সুতরাং, ১২০ মিনিটে উৎপাদিত হয় = (১২০ × ৩) ÷ ২ টি পণ্য ১২০ মিনিটে মোট উৎপাদন = ৩৬০ ÷ ২ = ১৮০টি পণ্য উত্তর: ১৮০
a 20
b 15
c 30
d 25
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য = ১/১০ টাকা লাভ = ১/৪০ টাকা ধরি, শতকরা লাভের হার নির্ণয় করতে হবে অতএব, লাভের হার = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × ১০০ সুতরাং, (১/৪০) ÷ (১/১০) × ১০০ উত্তর: ২৫%
a 150
b 240
c 250
d 40
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: ৫০০০ টাকার ৫ বছরের সুদ = ১০০ টাকা ধরি, ১ টাকার ১ বছরের সুদ = ১০০ ÷ (৫০০০ × ৫) টাকা অতএব, ১ টাকার ১ বছরের সুদ = ১০০ ÷ ২৫০০০ টাকা সুতরাং, ২০০০ টাকার ৫ বছরের সুদ = (১০০ × ২০০০ × ৫) ÷ ২৫০০০ টাকা উত্তর: ৪০ টাকা
a 6
b 5
c 7
d 8
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ প্রদত্ত তথ্য: ৬টি ঘোড়া ৪ দিনে ৩০ সের ছোলা খায় সময় ৪ দিন নির্দিষ্ট আছে ধরি, ঘোড়ার সংখ্যা = ক টি অতএব, ৩০ সের ছোলা খায় = ৬টি ঘোড়া ১ সের ছোলা খায় = ৬ ÷ ৩০ টি ঘোড়া সুতরাং, ২৫ সের ছোলা খায় = (৬ × ২৫) ÷ ৩০ টি ঘোড়া = ৫টি ঘোড়া উত্তর: ৫
a 12
b 120
c 15
d 1.4
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ প্রদত্ত তথ্য: ১০০ এর সাথে ০.১২ গুণ করতে হবে ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ১০০ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ০.১২ অতএব, ১০০ × ০.১২ হিসাব করতে হবে দশমিক তুলে দিলে পাই ১০০ × (১২ ÷ ১০০) সুতরাং, ১০০ এবং ১০০ কাটাকাটি যায় ফলাফল থাকে শুধু ১২ উত্তর: ১২
a আব্দুল জব্বার
b আব্দুল হাদী
c মাহমুদুন্নবী
d খুরশীদ আলম
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আব্দুল জব্বার কেন সঠিক: - এই ঐতিহাসিক গানটির মূল কণ্ঠশিল্পী আব্দুল জব্বার, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়েছিল। - গানটির কথা লিখেছেন ফজল এ খোদা এবং সুর করেছেন মলয় কুমার গাঙ্গুলি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আব্দুল জব্বার — গানটির মূল গায়ক হওয়ার কারণে এটি সঠিক উত্তর। B) আব্দুল হাদী — তিনি বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হলেও এই গানটি তার গাওয়া নয়, তার গাওয়া অন্যান্য দেশীয় ও আধুনিক গান রয়েছে। C) মাহমুদুন্নবী — তিনি প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী হলেও এই নির্দিষ্ট গানটিতে কণ্ঠ দেননি। D) খুরশীদ আলম — তিনি মূলত আধুনিক ও চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক গায়ক, এই ঐতিহাসিক গানের সাথে তার কণ্ঠ সংশ্লিষ্ট নয়। মনে রাখার টিপস: সালাম মানেই জব্বারের সালাম, এভাবে মনে রাখতে পারেন কারণ তিনি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান কণ্ঠযোদ্ধা।
a Kilobyte
b Megabyte
c Terabyte
d of them
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Terabyte কেন সঠিক: - কম্পিউটারের মেমোরি বা ডাটা পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে টেরাবাইট হলো সবচেয়ে বড় একক। - এক টেরাবাইট সমান প্রায় এক হাজার গিগাবাইট, যা অন্য ছোট এককগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ডাটা ধারণ করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Kilobyte — এটি মেগাবাইট ও টেরাবাইটের চেয়ে অনেক ছোট একক, তাই এর ধারণক্ষমতা সর্বোচ্চ হতে পারে না। B) Megabyte — এটি কিলোবাইটের চেয়ে বড় হলেও টেরাবাইটের চেয়ে অনেক ছোট, তাই এটি সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতার একক নয়। C) Terabyte — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ মেমোরি ক্যাপাসিটি নির্দেশ করে। D) of them — এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ অপশন কারণ এর বানান ও অর্থ অসম্পূর্ণ এবং এর কোনো সঠিক গাণিতিক ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: মেমোরির ছোট থেকে বড় ক্রম মনে রাখুন এভাবে: কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট এবং টেরাবাইট।
a ১০ জন
b ১৩ জন
c ৭ জন
d ১৫ জন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ জন কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ সর্বোচ্চ সামরিক পদবী বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি দেওয়া হয় ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে। - বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ৭ জনের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ জন — এটি ভুল তথ্য, কারণ মুক্তিযুদ্ধে ১০ জন নয় বরং ৭ জনকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি দেওয়া হয়েছিল। B) ১৩ জন — এই সংখ্যাটি ভুল, মুক্তিযুদ্ধে ১৩ জনকে বীরশ্রেষ্ঠ নয় বরং বীরউত্তম উপাধি দেওয়া হয়েছিল। C) ৭ জন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এই সর্বোচ্চ সম্মাননা দেওয়া হয়। D) ১৫ জন — এটি ভুল তথ্য, কারণ ১৫ জন বা অন্য কোনো সংখ্যার বীরশ্রেষ্ঠ নেই। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ মোট ৭ জন, এই সংখ্যাটি মনে রাখতে 'সাত বীর' শব্দ মনে রাখতে পারো।
a রুনা লায়লা
b বাপ্পি লাহিরি
c মার্ক এন্থনি
d জর্জ হ্যারিসন
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জর্জ হ্যারিসন কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে বিশ্ববাসীর সমর্থন ও ত্রাণ সংগ্রহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ারে ঐতিহাসিক কনসার্ট ফর বাংলাদেশ অনুষ্ঠিত হয়। - বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড দ্য বিটলস এর সদস্য জর্জ হ্যারিসন ও সেতার বাদক পণ্ডিত রবি শঙ্কর যৌথভাবে এই কনসার্টের মূল আয়োজক এবং প্রধান শিল্পী ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুনা লায়লা — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হলেও এই আন্তর্জাতিক কনসার্টের প্রধান শিল্পী ছিলেন না। B) বাপ্পি লাহিরি — তিনি ভারতের প্রখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক ও গায়ক, যিনি এই কনসার্টের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) মার্ক এন্থনি — তিনি একজন মার্কিন গায়ক হলেও ১৯৭১ সালের এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। D) জর্জ হ্যারিসন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রধান উদ্যোক্তা ও শিল্পী হিসেবে কনসার্টটি পরিচালনা করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ কনসার্টের প্রধান শিল্পী ছিলেন জর্জ হ্যারিসন, যা বিটলস ব্যান্ডের নামটির সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখা যায়।
a Joyti Basu
b Indira Gandhi
c Rajib Gandhi
d of them
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Indira Gandhi কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। - তাঁর দূরদর্শী কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সহায়তার কারণে ভারত বাংলাদেশের প্রায় ১ কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় ও মুক্তিযোদ্ধাদের সামরিক সহায়তা দিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Joyti Basu — তিনি ১৯৭১ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিশিষ্ট বামপন্থী রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। B) Indira Gandhi — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৭১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। C) Rajib Gandhi — তিনি পরবর্তী সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, ১৯৭১ সালে এই দায়িত্বে ছিলেন না। D) of them — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং সঠিক উত্তরের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে ক্ষমতায় ছিলেন নারী নেত্রী ইন্দিরা গান্ধী, নামের প্রথম অক্ষর ই দিয়ে মনে রাখতে পারেন ১৯৭১।
a কাঞ্চন জঙ্গাসা
b চিম্বুক
c এভারেস্ট
d কেওক্রাডং
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাঞ্চন জঙ্গাসা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে পরিষ্কার আবহাওয়ায় হিমালয় পর্বতের কাঞ্চনজঙ্ঘা শৃঙ্গ দৃশ্যমান হয়। - ভৌগোলিক অবস্থান এবং হিমালয়ের নৈকট্যের কারণে শীতকালে এই অঞ্চলের আকাশ পরিষ্কার থাকলে শৃঙ্গটি দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঞ্চন জঙ্গাসা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের উত্তর প্রান্ত থেকে দৃশ্যমান হিমালয়ের একমাত্র প্রধান শৃঙ্গ এটি। B) চিম্বুক — এটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়, যা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং হিমালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) এভারেস্ট — এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলেও বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে সরাসরি দেখা যায় না। D) কেওক্রাডং — এটি বাংলাদেশের অন্যতম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ যা বান্দরবান জেলায় অবস্থিত এবং এটি হিমালয়ের অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: উত্তরের তেঁতুলিয়া থেকে দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা।
a ১ আগস্ট ২০১৫
b ১ জুলাই ২০১০
c ৩১ জুলাই ২০১৫
d ৩০ জুন ২০১০
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ৩১ জুলাই ২০১৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের ছিটমহল সমস্যা সমাধানের জন্য ২০১৫ সালে ঐতিহাসিক স্থল সীমানা চুক্তি বাস্তবায়ন করা হয়। - চুক্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে উভয় দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ছিটমহল বিনিময় সম্পন্ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ আগস্ট ২০১৫ — এই তারিখে ছিটমহল বিনিময় সম্পন্ন হয়নি, কারণ মূল বিনিময়টি ৩১ জুলাই মধ্যরাতে হয়েছিল। B) ১ জুলাই ২০১০ — এই সময়ে ছিটমহল গণনার কাজ শুরু হয়েছিল, কিন্তু কোনো বিনিময় হয়নি। C) ৩১ জুলাই ২০১৫ — এটিই ছিটমহল বিনিময়ের সঠিক ও ঐতিহাসিক তারিখ। D) ৩০ জুন ২০১০ — এই তারিখে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে ছিটমহল সংক্রান্ত যৌথ শুমারির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ভারতের সাথে বাংলাদেশের ছিটমহল বিনিময় সম্পন্ন হয় ২০১৫ সালের জুলাই মাসের শেষ রাতে অর্থাৎ ৩১ জুলাই।
a উত্তরা গণভবন
b গণভবন
c বঙ্গভবন
d ভুটান
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গভবন কেন সঠিক: - বঙ্গভবন হলো বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়, যা রাজধানী ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত। - ব্রিটিশ আমলে এটি গভর্নর হাউস নামে পরিচিত ছিল এবং স্বাধীনতা অর্জনের পর এটি রাষ্ট্রপতির সরকারি দপ্তরে রূপান্তর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তরা গণভবন — এটি নাটোরের দিঘাপতিয়ায় অবস্থিত নাটোর রাজবাড়ি যা বর্তমানে উত্তরবঙ্গে রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) গণভবন — এটি ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়। D) ভুটান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন দেশ, যা কোনো সরকারি ভবন বা দপ্তরের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রপতির সরকারি দপ্তরের নাম বঙ্গভবন এবং প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের নাম গণভবন।
a চার্লস ব্যাবেজ
b স্টিফেন হকিন্স
c test
d জর্জ বুলডর ফেল্ট
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চার্লস ব্যাবেজ কেন সঠিক: - চার্লস ব্যাবেজ ১৮৩৩ সালে প্রথম যান্ত্রিক কম্পিউটার বা অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন আবিষ্কার করেছিলেন। - আধুনিক কম্পিউটারের মূল নীতি এবং ধারণা তাঁর এই যন্ত্রটির ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চার্লস ব্যাবেজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম যান্ত্রিক কম্পিউটারের ধারণা দিয়েছিলেন। B) স্টিফেন হকিন্স — তিনি একজন বিশ্বখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও বিশ্ববিজ্ঞানী, কম্পিউটারের জনক নন। C) test — এটি কোনো ব্যক্তি বা কম্পিউটারের জনক নন, বরং এটি একটি ডামি বা পরীক্ষামূলক অপশন। D) জর্জ বুলডর ফেল্ট — তিনি কমপুটোমিটারের উদ্ভাবক হলেও তাকে সামগ্রিকভাবে কম্পিউটারের জনক বলা হয় না। মনে রাখার টিপস: চার অক্ষরের নাম চার্লস এবং কম্পিউটারের জনক, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a Steve Wonder
b Steve Job
c Bill Gates
d Darwin
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bill Gates কেন সঠিক: - বিল গেটস ১৯৭৫ সালে পল অ্যালেনের সাথে মিলে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন। - ১৯৮৫ সালে মাইক্রোসফট প্রথম উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম বাজারজাত করে যা এই অপারেটিং সিস্টেম পরিবারের সাথে তার নাম স্থায়ীভাবে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Steve Wonder — ইনি একজন বিখ্যাত অন্ধ মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী, যার সাথে অপারেটিং সিস্টেমের কোনো সম্পর্ক নেই। B) Steve Job — ইনি অ্যাপল কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা, যিনি ম্যাকিনটশ অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যুক্ত। D) Darwin — ইনি বিবর্তনবাদের জনক এবং জীববিজ্ঞানী, যার সাথে কম্পিউটার প্রযুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: জানালা বা উইন্ডোজ (Windows) বন্ধ করতে গেট (Gate) লাগে, আর মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস (Bill Gates)।
a Mark Zuckerberg
b Dustin Moskovitz
c Chiris Huges
d Darwin
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Mark Zuckerberg কেন সঠিক: - ফেসবুকের প্রধান প্রতিষ্ঠাতা ও উদ্ভাবক হলেন মার্ক জাকারবার্গ। - তিনি ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় এটি চালু করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mark Zuckerberg — তিনি ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠাতা ও আবিষ্কারক হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) Dustin Moskovitz — তিনি ফেসবুকের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা হলেও মূল উদ্ভাবক নন। C) Chiris Huges — তিনি ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সূচনালগ্নের কর্মী ছিলেন, আবিষ্কারক নন। D) Darwin — তিনি বিবর্তনবাদের প্রবক্তা বিজ্ঞানী, যার সঙ্গে ফেসবুকের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ফেসবুকের প্রোফাইল খুলতে মার্ক জুকারবার্গের কথা মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে বের করা যাবে।
a ১টি
b ২টি
c ৩টি
d ৪টি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২টি কেন সঠিক: - বাইনারি বা দ্বি-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতিতে মাত্র দুটি অংক বা প্রতীক ব্যবহার করা হয়। - এই দুটি প্রতীক হলো শূন্য এবং এক, যা কম্পিউটার প্রযুক্তির মূল ভিত্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১টি — একটি প্রতীক দিয়ে কোনো সংখ্যা পদ্ধতি গঠন করা যায় না কারণ এতে তথ্যের বৈচিত্র্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়। B) ২টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাইনারি পদ্ধতিতে শূন্য এবং এক এই দুটি প্রতীক ব্যবহার করা হয়। C) ৩টি — তিনটি প্রতীক ব্যবহার করা হয় টার্নারি সংখ্যা পদ্ধতিতে, বাইনারিতে নয়। D) ৪টি — চারটি প্রতীক ব্যবহার করা হয় কোয়াটারনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে, বাইনারিতে নয়। মনে রাখার টিপস: বাই শব্দের অর্থ দুই, তাই বাইনারি পদ্ধতিতে প্রতীকও সবসময় দুটি (০ এবং ১) হবে।
a ইকবাল
b আসাদ
c সালাম
d নুর হোসেন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সালাম কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনে শহীদদের মধ্যে রফিক, জব্বার, বরকতের পাশাপাশি আবদুস সালাম অন্যতম। - রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে পিচঢালা রাজপথে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়ে অমর একুশের শহীদদের কাতারে নাম লেখান তিনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইকবাল — ইনি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় শহীদ হন, ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন। B) আসাদ — ইনি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় শহীদ হওয়া ঐতিহাসিক আসাদুজ্জামান, ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন। C) সালাম — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন। D) নুর হোসেন — ইনি ১৯৮৭ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সময় শহীদ হন, ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন। মনে রাখার টিপস: ভাষা শহীদদের মনে রাখতে রফিক, জব্বারের সাথে সালাম ও বরকতের নাম সবসময় মনে রাখবে।
a থেরেসা মে
b হিলারি ক্লিনটন
c অংসান সুচি
d শেখ হাসিনা
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শেখ হাসিনা কেন সঠিক: - ২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় ও খাদ্য সহায়তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হন। - তার এই মানবিক ভূমিকার জন্য যুক্তরাজ্যভিত্তিক চ্যানেল ফোর ও সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্ট তাকে মাদার অব হিউম্যানিটি বা মানবতার জননী উপাধিতে ভূষিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থেরেসা মে — তিনি যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক সহায়তার জন্য এই উপাধি পাননি। B) হিলারি ক্লিনটন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ, মাদার অব হিউম্যানিটি উপাধির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। C) অংসান সুচি — তিনি মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর ছিলেন এবং রোহিঙ্গা সংকটে নীরবতার জন্য বিশ্বব্যাপী সমালোচিত হন। D) শেখ হাসিনা — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ তিনি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্ববাসীর প্রশংসা অর্জন করেছেন। মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় মানবতার কল্যাণে অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মাদার অব হিউম্যানিটি বলা হয়।
a ডা. দিপু মনি
b টিপু মুন্সি
c আ.ফ.ম মোস্তফা কামাল
d আব্দুর রাজ্জাক
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) আ.ফ.ম মোস্তফা কামাল কেন সঠিক: - আ.ফ.ম মোস্তফা কামাল বা আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরির সময়কার প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী তাকেই এই পদের জন্য সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডা. দিপু মনি — তিনি বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন, অর্থমন্ত্রী ছিলেন না। B) টিপু মুন্সি — তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন, অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন না। C) আ.ফ.ম মোস্তফা কামাল — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনি নির্দিষ্ট মেয়াদে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। D) আব্দুর রাজ্জাক — তিনি কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন, অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী আ হ ম মুস্তফা কামালের নাম মনে রাখতে কামাল শব্দটি দিয়ে তার রাজনৈতিক ও দাপ্তরিক পরিচয় স্মরণ রাখা যায়।
a ১৮৬৪ সালে
b ১৮৬৮ সালে
c ১৮৬৬ সালে
d ১৮৬৩ সালে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮৬৩ সালে কেন সঠিক: - জিন হেনরি ডুনান্টের উদ্যোগে ১৮৬৩ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - যুদ্ধাহত সৈনিকদের সেবা ও মানবিক সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি গঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬৪ সালে — এই সালে প্রথম জেনেভা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়, যা রেডক্রস কার্যক্রমের আইনি ভিত্তি দেয়। B) ১৮৬৮ সালে — সেন্ট পিটার্সবার্গ ঘোষণা স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা যুদ্ধে বিস্ফোরক bullets ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। C) ১৮৬৬ সালে — অস্ট্রিয়া ও প্রাশিয়ার মধ্যে সাত সপ্তাহের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এবং প্রাহা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। D) ১৮৬৩ সালে — এই সালেই সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় রেডক্রস আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: রেডক্রস প্রতিষ্ঠার সালটি মনে রাখতে সংখ্যাগুলো মনে রাখুন, হেনরি ডুনান্ট ১৮৬৩ সালে পাঁচজন সদস্য নিয়ে এই কমিটি গঠন করেছিলেন।
a ২৪ অক্টোবর
b ২৪ আগস্ট
c ২৪ ডিসেম্বর
d ২৪ নভেম্বর
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ অক্টোবর কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে সংস্থাটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। - পরবর্তীতে ১৯৪৮ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী আনুষ্ঠানিকভাবে ২৪ অক্টোবর তারিখটিকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়েছিল। B) ২৪ আগস্ট — এই তারিখে জাতিসংঘ সম্পর্কিত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস পালিত হয় না। C) ২৪ ডিসেম্বর — এটি ক্রিসমাসের ঠিক আগের দিন এবং এই তারিখে জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় না। D) ২৪ নভেম্বর — এই তারিখে জাতিসংঘের কোনো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বা নির্দিষ্ট কোনো সাধারণ দিবস নেই। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাসাল ১৯৪৫ এবং মাস ও তারিখ হলো ১০ মাস ২৪ দিন অর্থাৎ ২৪ অক্টোবর।
a ৩১ মে ২০২১
b ৩০ মে ২০২১
c ৩১ আগস্ট ২০২১১
d জানুয়ারি ২০২১
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩১ আগস্ট ২০২১ প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক ঘটনা কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘ কুড়ি বছর যুদ্ধের পর আনুষ্ঠানিকভাবে আফগানিস্তান থেকে তাদের সমস্ত সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার সম্পন্ন করে। - ২০২১ সালের আগস্ট মাসের শেষ দিনে মার্কিন সামরিক বিমান কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করার মাধ্যমে এই সেনা প্রত্যাহারের সমাপ্তি ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ মে ২০২১ — এটি মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সমাপ্তির তারিখ নয়, বরং প্রক্রিয়াটি চলমান ছিল। B) ৩০ মে ২০২১ — এটি সঠিক তারিখ নয় এবং সেসময়ে সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। C) ৩১ আগস্ট ২০২১১ — প্রদত্ত উত্তরে একটি অতিরিক্ত সংখ্যা রয়েছে, তবে সাল হিসেবে ২০২১ সালের ৩১ আগস্ট তারিখটিই সঠিক। D) জানুয়ারি ২০২১ — এই সময়ে জো বাইডেন প্রশাসন আফগানিস্তান থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিলেও প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়নি। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের সালটি মনে রাখতে ২০২১ সালের আগস্ট মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ আগস্ট কথাটি মনে রাখুন।
a পাঞ্জাব প্রদেশে
b সিন্ধু প্রদেশে
c আফগানিস্তানে
d পেশোয়ারে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিন্ধু প্রদেশে কেন সঠিক: - মহেঞ্জোদারো প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতার একটি প্রধান ও অন্যতম বৃহৎ নগরকেন্দ্র। - বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় সিন্ধু নদের অববাহিকায় এটি অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাঞ্জাব প্রদেশে — পাঞ্জাব প্রদেশে পাকিস্তানের অপর প্রাচীন ঐতিহাসিক নগরী হরপ্পা অবস্থিত, মহেঞ্জোদারো নয়। B) সিন্ধু প্রদেশে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) আফগানিস্তানে — আফগানিস্তানে সিন্ধু সভ্যতার ছোট কিছু বাণিজ্যিক কেন্দ্র যেমন ষোর্তুগাই ছিল, কিন্তু মহেঞ্জোদারো সেখানে অবস্থিত নয়। D) পেশোয়ারে — পেশোয়ার পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে অবস্থিত এবং এটি প্রাচীন গান্ধার সভ্যতার অংশ ছিল। মনে রাখার টিপস: মহেঞ্জোদারো নামের সাথে সিন্ধু নদের সংযোগ আছে, তাই এটি সিন্ধু প্রদেশেই অবস্থিত।
a এশিয়া
b উত্তর আমেরিকা
c দক্ষিণ আমেরিকা
d আফ্রিকা
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উত্তর আমেরিকা কেন সঠিক: - পানামা খাল উত্তর আমেরিকা মহাদেশের পানামা দেশে অবস্থিত এবং এটি আটলান্টিক মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। - ভৌগোলিক অবস্থানগতভাবে পানামা প্রজাতন্ত্র উত্তর আমেরিকা মহাদেশের দক্ষিণ প্রান্তে এবং দক্ষিণ আমেরিকার ঠিক সংযোগস্থলে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ, যেখানে পানামা খাল অবস্থিত নয়। B) উত্তর আমেরিকা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) দক্ষিণ আমেরিকা — খালটির নিকটবর্তী হলেও পানামা রাষ্ট্রটি প্রশাসনিক ও ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। D) আফ্রিকা — এটি একটি ভিন্ন মহাদেশ, যেখানে সুয়েজ খাল অবস্থিত কিন্তু পানামা খাল নেই। মনে রাখার টিপস: আমেরিকা মহাদেশ দুটি হলেও পানামা খালটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের শেষ প্রান্তে অবস্থিত।
a নিশাত মজুমদার
b সত্যব্রত দাম
c মুসা ইব্রাহিম
d ওয়াসফিয়া নাজরিন
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সত্যব্রত দাম কেন সঠিক: - সত্যব্রত দাম হলেন প্রথম বাঙালি যিনি বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট সফলভাবে জয় করেন। - তিনি ২০১১ সালের ২৫শে মে ভারতীয় অভিযানের অংশ হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশাত মজুমদার — ইনি প্রথম বাংলাদেশি নারী যিনি ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন, তবে প্রথম বাঙালি নন। B) সত্যব্রত দাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) মুসা ইব্রাহিম — ইনি প্রথম বাংলাদেশি যিনি ২০১১ সালের ২৩শে মে এভারেস্ট জয় করেন, কিন্তু সামগ্রिकভাবে প্রথম বাঙালি নন। D) ওয়াসফিয়া নাজরিন — ইনি দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী যিনি ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন। মনে রাখার টিপস: বাঙালি হিসেবে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন সত্যব্রত দাম, আর বাংলাদেশি পুরুষ হিসেবে মুসা ইব্রাহিম।
a মালয়েশিয়া
b থাইল্যান্ড
c ফিলিপাইন্স
d ইন্দোনেশিয়া
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: - সুমাত্রা দ্বীপটি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ রাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ার একটি প্রধান ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ। - এটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম দ্বীপ এবং এটি সম্পূর্ণভাবে ইন্দোনেশিয়ার ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালয়েশিয়া — এটি মালয় উপদ্বীপ এবং বোর্নিও দ্বীপের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত, সুমাত্রা দ্বীপ এর অন্তর্ভুক্ত নয়। B) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ডের একটি দেশ, যার সীমানায় কোনো বৃহৎ দ্বীপপুঞ্জ নেই। C) ফিলিপাইন্স — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র, যা সুমাত্রা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা অঞ্চলে অবস্থিত। D) ইন্দোনেশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সুমাত্রা দ্বীপটি এই দেশেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। মনে রাখার টিপস: ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপগুলো মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন যে, সুমাত্রা, জাভা এবং সুলাওয়েসি দ্বীপগুলো ইন্দোনেশিয়ার অংশ।
a ৫টি
b ৬টি
c ৭টি
d ৮টি
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭টি কেন সঠিক: - বিম্সটেক একটি আঞ্চলিক জোট এবং এর বর্তমান সদস্য দেশের সংখ্যা ঠিক ৭টি। - দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য এই ৭টি দেশ নিয়ে সংস্থাটি গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বর্তমানে বিম্সটেক জোটে ৫টির বেশি সদস্য রয়েছে। B) ৬টি — এই সংখ্যাটি বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিলছে না। সি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ৮টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বিম্সটেক কখনোই আটটি সদস্য দেশ নিয়ে গঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: বিম্সটেক নামের প্রথম অংশ মনে রেখে ভাবুন সাগরে ৭টি দেশ নিয়ে একটি সেতু তৈরি হয়েছে।
a থেরেসা মে
b কফি আনান
c অ্যান্টিনিও গুতেরেস
d জন ম্যানুয়েল সান্তোস
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যান্টিনিও গুতেরেস কেন সঠিক: - অ্যান্টিনিও গুতেরেস জাতিসংঘের নবম বর্তমান মহাসচিব এবং তিনি ২০১৭ সাল থেকে এই দায়িত্ব পালন করছেন। - তিনি পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার প্রধান ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থেরেসা মে — ইনি যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, জাতিসংঘের মহাসচিব নন। B) কফি আনান — ইনি জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন, বর্তমান মহাসচিব নন। D) জন ম্যানুয়েল সান্তোস — ইনি কলম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী, জাতিসংঘের মহাসচিব নন। মনে রাখার টিপস: বর্তমান মহাসচিবের নামের শেষে 'স' আছে এবং তিনি পর্তুগালের নাগরিক, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a আল গোর
b কমলা হ্যারিস
c মাইক পেন্স
d ডিক চেনি
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমলা হ্যারিস কেন সঠিক: - কমলা হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম নারী, আফ্রিকান আমেরিকান এবং দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। - তিনি জো বাইডেন প্রশাসনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৯তম ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল গোর — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিল ক্লিনটন প্রশাসনের সময় ৪৫তম ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন, বর্তমান সময়ের নন। B) কমলা হ্যারিস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি সাম্প্রতিক মেয়াদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন। সি) মাইক পেন্স — তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮তম ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। D) ডিক চেনি — তিনি জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন কমলা হ্যারিস, যার নামের প্রথম অংশের সাথে বর্ণমালার ক মিল রয়েছে।

মোট প্রশ্ন (20)

a অসীম বিপদ
b ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা
c অপ্রত্যাশিত বাঁধা
d দিশা না পাওয়া
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপ্রত্যাশিত বাঁধা কেন সঠিক: ১. বাদলা বা বৃষ্টি সাধারণত বর্ষাকালে হয় কিন্তু অকালে বাদলা নামলে স্বাভাবিক কাজকর্মে দারুণ বিঘ্ন ঘটে। ২. এই বাগধারাটি ঠিক তেমনি কোনো কাজের মাঝে হঠাৎ করে আসা অনাকাঙ্ক্ষিত বাধা বা বিপত্তিকে বোঝায়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবহ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ ছাড়িয়ে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। ২. কৃষিকাজে বা দৈনন্দিন জীবনে অকালের বৃষ্টি যেমন সব পরিকল্পনা পণ্ড করে দেয়, তেমনি এটি অপ্রত্যাশিত বাধাকে নির্দেশ করে। ৩. যেমন, ফসল কাটার সময়ে অকালের বাদলা নামলে কৃষকের সমস্ত পরিশ্রম পণ্ড হয়ে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসীম বিপদ — এই অর্থের জন্য সাগরের গভীরতা বা অকূল পাথার জাতীয় বাগধারা ব্যবহৃত হয়। B) ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা — এই অর্থটি বোঝাতে কপালের লিখন বা পোড়া কপাল বাগধারা বেশি উপযোগী। C) অপ্রত্যাশিত বাঁধা — এটিই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) দিশা না পাওয়া — এই অর্থ প্রকাশের জন্য কুলকিনারা না পাওয়া বা হদিশ না পাওয়া বাগধারা ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ১. মনে রাখবে বর্ষা ছাড়া অন্য সময়ে বৃষ্টি নামলে যেমন সব পরিকল্পনা নষ্ট হয়, তেমনি অকালের বাদলা মানেই অপ্রত্যাশিত বাধা।
a বীণা
b আদিত্য
c দৈত্য
d পানি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আদিত্য ১. কেন সঠিক: - আদিত্য শব্দের অর্থ সূর্য। অদিতির পুত্র বা সন্তান হিসেবে সূর্যকে আদিত্য বলা হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে এবং সূর্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই কিন্তু রূপ বা বানান ভিন্ন। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের অর্থ এবং উৎস বিবেচনা করে সঠিক সমার্থক শব্দ নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিবাকর ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন যিনি অর্থাৎ সূর্য। উদাহরণ ২: তপন ব্যাখ্যা: তপন শব্দের অর্থ যা তাপ দেয় অর্থাৎ সূর্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীণা — বীণা একটি বাদ্যযন্ত্র বিশেষ, তাই এটি সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ নয়। B) আদিত্য — এটি সঠিক উত্তর। C) দৈত্য — দৈত্য শব্দের অর্থ অসুর বা দানব, যা সূর্য শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) পানি — পানি শব্দের অর্থ জল, তাই এটি সূর্য শব্দের সমার্থক হতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - অদিতির সন্তান হিসেবে সূর্য হলো আদিত্য। এভাবে মূল অর্থ মনে রাখলে সহজেই সঠিক উত্তর বের করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সূর্য শব্দের অন্যান্য জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ হলো রবি, ভাস্কর, দিনমণি, অংশুমান ও सविता। - সমার্থক শব্দ পড়ার সময় শব্দের উৎস এবং প্রচলিত অর্থ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a মুমূর্ষু
b মুমুর্ষু
c মুমূর্ষু
d মমুর্ষু
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: - সঠিক বানানটিতে প্রথমে দীর্ঘ ঊ-কার এবং পরে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে। - মমরুষ্ শব্দের উত্তর ইৎসুণ অর্থে উ প্রত্যয় যোগ করে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী ই-কার ও উ-কারের সঠিক ব্যবহার জানা আবশ্যক। - এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ এবং শেষ বর্ণে হ্রস্ব উ যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুশ্রূষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম ও দীর্ঘ উ-কার ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পরিপক্ব ব্যাখ্যা: এটিও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত একটি শুদ্ধ বানান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমূর্ষু - এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) মুমুর্ষু - এই অপশনে উ-কারের ব্যবহার ভুল রয়েছে। C) মুমূর্ষু - অপশন এ এবং সি একই হওয়ায় এটিও সঠিক, তবে মূল উত্তরে A নির্ধারিত আছে। D) মমুর্ষু - এই অপশনে প্রথম বর্ণে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহৃত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুমূর্ষু বানান মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথমে দীর্ঘ ঊ এবং পরে হ্রস্ব উ হবে। - প্রথম ও তৃতীয় বর্ণে উ-কারের ভিন্নতা ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি অত্যন্তFrequently আসে। - একই ধরনের বানান যেমন শুশ্রূষা ও মুমূর্ষু বারবার অনুশীলন করতে হবে।
a প্রমথ চৌধুরী
b মীর মশাররফ হোসেন
c বঙ্কিমচন্দ্র
d আব্দুল হাকিম
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মীর মশাররফ হোসেন ১. কেন সঠিক: 'বিষাদ সিন্ধু' বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও অমর উপন্যাস, যার রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন। এটি মূলত কারবালার প্রান্তরের ঐতিহাসিক সত্য এবং কাল্পনিক উপকথার মিশ্রণে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম আধুনিক ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। তার এই মহাকাব্যিক উপন্যাসে ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেনের শাহাদাত এবং ইসলাম ধর্মের প্রারম্ভিক পর্বের বিষাদময় ইতিহাস রূপায়িত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, যা নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রচিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: গাজী মিঞার বস্তানী ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি আত্মজীবনীমূলক ও সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবক্তা এবং সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) মীর মশাররফ হোসেন — এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপরে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। C) বঙ্কিমচন্দ্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং দুর্গেশনন্দনী ও আনন্দমঠের রচয়িতা হলেও বিষাদ সিন্ধু লেখেননি। D) আব্দুল হাকিম — তিনি মধ্যযুগের একজন প্রখ্যাত কবি যিনি নূরনামা কাব্যের জন্য পরিচিত, বিষাদ সিন্ধুর সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: বিষাদ অর্থ দুঃখ বা কান্না আর সিন্ধু অর্থ সাগর, কারবালার শোকের সাগর রচনা করেছেন বিষাদের সফল চিত্রশিল্পী মীর মশাররফ হোসেন। লেখক মীর মশাররফ হোসেনের নামের সঙ্গে বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসটি গুলিয়ে ফেলা এড়াতে মনে রাখতে হবে মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে তিনিই প্রথম মহাকাব্যিক উপন্যাস লিখেছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে, তাই বিষাদ সিন্ধুর লেখক এবং এর খণ্ডগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। একই লেখকের অন্যান্য সামাজিক নাটক ও উপন্যাস যেমন জমিদার দর্পণ ও গাজী মিঞার বস্তানীর নামও পরীক্ষার্থীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c জসীমউদ্‌দীন
d অন্নদাশঙ্কর রায়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯১০ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটির জন্য তিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। গীতাঞ্জলি তাঁর আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য কাব্যকর্ম যার ইংরেজি অনুবাদ সং অফারিংস নামে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সোনালী কাবিন ব্যাখ্যা: এটি আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম ও অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের অমর রচয়িতা। B) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বিদ্রোহী কবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা। C) জসীমউদ্‌দীন — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি পল্লীকবি এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশী কাথার মাঠ। D) অন্নদাশঙ্কর রায় — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মূলত প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের নোবেলজয়ী গ্রন্থ মনে রাখতে গীতাঞ্জলি শব্দটি মনে রাখুন যা তাঁকে বিশ্ববাসীর দরবারে পরিচিত করেছে। ১৯১৩ সালে তিনি এই অর্জনের মাধ্যমে প্রথম এশীয় হিসেবে নোবেল পান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গীতাঞ্জলি প্রকাশের সাল এবং এর ইংরেজি অনুবাদের নাম জানতে চাওয়া হয়। ইংরেজি অনুবাদের নাম সং অফারিংস এবং এটি প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b জসীমউদ্দীন
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d অন্নদাশঙ্কর রায়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জসীমউদ্দীন ১. কেন সঠিক: - 'কবর' কবিতাটি বাংলাদেশের পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের লেখা বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও আবেগঘন সৃষ্টি। - এই কবিতায় গ্রামীণ সাধারণ মানুষের দুঃখ, বেদনা, প্রিয়জন হারানোর শোক এবং গ্রামীণ লোকজীবনের এক মর্মান্তিক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যের পল্লীকবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত কারণ তাঁর কবিতায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবন নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। - 'কবর' কবিতাটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি তাঁর সাহিত্যজীবনের এক অনন্য কীর্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি কবি জসীমউদ্দীনের একটি অমর কাব্যগ্রন্থ যা গ্রামীণ প্রেমের করুণ কাহিনী নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটিও কবি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত প্রণয়মূলক ও লোকজ আবহাওয়া নির্ভর দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি, তাই এই কবিতার রচয়িতা হিসেবে তিনি সঠিক নন। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রধান পুরুষ, কিন্তু এই নির্দিষ্ট পল্লীগীতির রচয়িতা তিনি নন। D) অন্নদাশঙ্কর রায় — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক, 'কবর' কবিতার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কবর মানেই গ্রামবাংলার শোকগাথা এবং পল্লীকবি জসীমউদ্দীন মানেই পল্লিপ্রকৃতির নিখুঁত চিত্রায়ন। - জসীমউদ্দীনের প্রথম ও সবচেয়ে পরিচিত কবিতা হলো 'কবর', যা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে 'কবর' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। - উত্তর মনে রাখবে যে এটি 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা এবং এর রচনাকাল ১৯২৫ সাল।
a শেখ ফয়জুল্লাহ
b দৌলতখাঁ
c আব্দুল হাকিম
d আব্দুল করিম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আব্দুল হাকিম কেন সঠিক: - সপ্তদশ শতকের বিশিষ্ট মধ্যযুগীয় বাঙালি কবি আব্দুল হাকিম 'ইউসুফ জুলেখা' মর্সিয়া সাহিত্য রচনা করেছিলেন। - তার এই কাব্যে হযরত ইউসুফ ও জুলেখার কাহিনীর পাশাপাশি মর্সিয়া সাহিত্যের শোকাবহ ও করুণ রসের গভীর প্রকাশ ঘটেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ও মর্সিয়া ধারার এক অনন্য মিশ্রণ দেখা যায় এই কাব্যে। - আব্দুল হাকিম তার পীর ও মর্সিয়া রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এবং তিনি তৎকালীন সমাজের ইসলামি ভাবধারার প্রচার করেন। - যেমন: তার বিখ্যাত কাব্য 'নূরনামা'র পাশাপাশি 'ইউসুফ জুলেখা' তার সাহিত্য প্রতিভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শেখ ফয়জুল্লাহ — তিনি 'গোরক্ষবিজয়' ও 'সপ্তপয়গম্বর' কাব্যের জন্য বিখ্যাত, 'ইউসুফ জুলেখা' মর্সিয়ার লেখক নন। - B) দৌলতখাঁ — তিনি এই মর্সিয়া কাব্যের রচয়িতা নন, তার সাহিত্যকর্মের ধারা ভিন্ন। - C) আব্দুল হাকিম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি মূল লেখক। - D) আব্দুল করিম — তিনি মূলত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট গবেষক ও সংকলক ছিলেন, কবি নন। মনে রাখার টিপস: - আব্দুল হাকিমের নাম মনে রাখতে 'নূরনামা'র পাশাপাশি 'ইউসুফ জুলেখা' মর্সিয়া সাহিত্যের কথাটিও মনে রাখবে।
a রোদসী
b পার্থিব
c আরাধ্য
d অরিন্দম
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোদসী কেন সঠিক: - 'আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল' বা মধ্যবর্তী স্থানকে এককথায় রোদসী বলা হয়। - ব্যাকরণগত বাকসংক্ষেপ বা এককথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী এটি সরাসরি রোদসী শব্দের অর্থ বহন করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। - পৌরাণিক বা কাব্যিক সাহিত্যে আকাশ এবং পৃথিবীর মধ্যবর্তী স্থান বোঝাতে রোদসী শব্দের ব্যবহার দেখা যায়। - যেমন দীর্ঘ বাকыকে সংক্ষিপ্ত করে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে এটি একটি চমৎকার উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) রোদসী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। - B) পার্থিব — এর অর্থ যা পৃথিবী সম্পর্কিত বা পৃথিবীতে উৎপন্ন। - C) আরাধ্য — এর অর্থ যা আরাধনা বা পূজার যোগ্য। - D) অরিন্দম — এর অর্থ যে শত্রু দমন করতে পারে। মনে রাখার টিপস: - রোদসী শব্দটির মধ্যে আকাশ ও পৃথিবী উভয়কে ধারণ করার ভাবার্থ রয়েছে, তাই এটি আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a আদুরে
b সাদরে
c আদরী
d সাদরী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাদরে ১. কেন সঠিক: 'আদরের সাথে' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ বা এককথায় প্রকাশ হলো 'সাদরে'। এখানে 'স' উপসর্গটি সহ বা সাথে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা আদর শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দগঠন ও এককথায় প্রকাশের অংশ, যেখানে উপসর্গ যোগ করে পদ সংক্ষিপ্ত করা হয়। 'স' উপসর্গটি সাধারণত সহিত বা সাথে অর্থে বিশেষ্য পদের পূর্বে বসে অব্যয় পদ গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যত্নের সাথে - সযত্নে ব্যাখ্যা: যত্নের সাথে কোনো কাজ করা বোঝাতে 'সযত্নে' এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: আনন্দের সাথে - সআনন্দে ব্যাখ্যা: আনন্দের সাথে কোনো কিছু সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সআনন্দে' শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদুরে — এটি দিয়ে অতিরিক্ত আদর পায় এমন কাউকে বোঝায়, যা 'আদরের সাথে' বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না। B) সাদরে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ আদরের সাথে। C) আদরী — এটি একটি নাম বা বিশেষ কোনো গবাদিপশুর নাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, বাক্যাংশের এককথায় প্রকাশ নয়। D) সাদরী — এটি বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রমিত শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সাথে বা সহ অর্থে শব্দের শুরুতে 'স' উপসর্গ যুক্ত করে এককথায় প্রকাশ করা যায় যেমন আদরের সাথে সাদরে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযোগে গঠিত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে। তাই 'স' বা 'সহ' যুক্ত শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a অন্যতম
b অনন্য
c একচ্ছত্র
d অসম
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্যতম ১. কেন সঠিক: অনেকের মধ্যে একজন বা শ্রেষ্ঠ বোঝাতে অন্যতম শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত তুলনামূলক অর্থে বহুর মধ্যে এক বোঝাতে এককথায় প্রকাশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষা সংক্ষেপ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। ব্যাখ্যা: এখানে অনেক কবির মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশিষ্টতা বোঝাতে অন্যতম ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ক্রিকেট আমাদের দেশের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা। ব্যাখ্যা: অনেক জনপ্রিয় খেলার মধ্যে ক্রিকেট একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্যতম - সঠিক উত্তর। B) অনন্য - যার তুলনা নেই এককথায় তাকে অনন্য বলে, যা অনেকের মধ্যে এক বোঝায় না। C) একচ্ছত্র - যার ছত্র বা শাসন এক বা একক তাকে একচ্ছত্র বলে, এটি প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না। D) অসম - যা সমান নয় বা অসমান, এটি ভিন্নার্থক একটি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: অনেকের মধ্যে একজন বা একটি বোঝাতে অনহ with তম অর্থাৎ অন্যতম শব্দটি মনে রাখবে। আর যার তুলনা নেই তা অনন্য, এই দুটি যেন গুলিয়ে না যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই শব্দের মূল অর্থ বুঝে চর্চা করা জরুরি।
a দু+ চরিত্র
b দুঃ+ চরিত্র
c দুৎ + চরিত্র
d দুঃ+ চরিত্র
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুঃ+ চরিত্র ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গের পর চ কিংবা ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে তালব্য শ হয়। এখানে দুঃ এর বিসর্গের সঙ্গে চরিত্র শব্দের চ যুক্ত হয়ে বিসর্গটি শ এ রূপান্তরিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের বিসর্গ সন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে চ, ছ, শ, ষ ও স থাকলে বিসর্গ স্থানে যথাক্রমে তালব্য শ, মূর্ধন্য শ ও দন্ত্য শ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিঃ + চয় = নিশ্চয় ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে চ থাকায় বিসর্গটি তালব্য শ এ পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: আবিঃ + কার = আবিষ্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকায় বিসর্গটি মূর্ধন্য শ এ রূপান্তরিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দু+ চরিত্র — এই অপশনে বিসর্গ বা হসন্ত চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি যা সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) দুঃ+ চরিত্র — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। C) দুৎ + চরিত্র — এখানে ত এর নিচে হসন্ত ব্যবহার করা হয়েছে যা সন্ধির এই নিয়মের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) দুঃ+ চরিত্র — অপশনটিতে বিসর্গের পর চরিত্র শব্দ রয়েছে, যা মূল সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি মাত্র। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গের পরে চ বা ছ দেখলে বিসর্গ উঠিয়ে সেখানে তালব্য শ বসিয়ে শব্দ তৈরি করতে হয়। সন্ধির এই সূত্র মনে রাখলে পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসর্গ সন্ধির নিয়ম থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। চ এবং ছ এর আগের বিসর্গ সবসময় তালব্য শ এ রূপান্তরিত হয়।
a ভীষণ বিপদ
b অন্ধকার দেখা
c কঠিন পরীক্ষা
d কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভীষণ বিপদ ১. কেন সঠিক: - 'অথই জল' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ তলহীন বা গভীর জল এবং ভাবার্থ বা প্রাগুক্ত রূপক অর্থ হলো ভীষণ বিপদ বা চরম সংকট। - গভীর জলে যেমন মানুষ তলিয়ে যায় এবং উদ্ধার পাওয়া কঠিন হয়, তেমনি ভীষণ বিপদে পড়লে মানুষের অবস্থা তেমনি অসহায় হয়ে পড়ে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা রূঢ় অর্থ প্রকাশ করে এবং ভাষাটিকে সমৃদ্ধ করে। - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারার সঠিক প্রয়োগ ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি শব্দার্থ অনুধাবনের দক্ষতা যাচাইয়ে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যবসায় সর্বস্বান্ত হয়ে সে এখন অথই জলে পড়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে অথই জল বলতে ব্যবসায়িক চরম ক্ষতি ও পরবর্তী অসহায় অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: অভিভাবকহীন ছেলেটির জীবন এখন অথই জলে হাবুডুবু খাচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে জীবনের চরম সংকটময় ও অনিশ্চিত অবস্থাকে বোঝাতে অথই জল ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভীষণ বিপদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অথই জল বাগধারাটির প্রমিত ও সার্বজনীন অর্থ এটিই নির্দেশ করে। B) অন্ধকার দেখা — এই অর্থটি বিভ্রান্তিকর এবং এটি সাধারণত দিশাহারা হওয়া বা হতবুদ্ধি হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) কঠিন পরীক্ষা — এই অর্থটি সঠিক নয় কারণ পরীক্ষার ক্ষেত্রে অগ্নিপরীক্ষা বা কণ্টকাকীর্ণ পথ বাগধারা ব্যবহৃত হয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক তাই এই অপশনটি বাতিল বলে গণ্য হবে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অথই জলে পড়া মানে গভীর পানিতে তলিয়ে যাওয়ার মতো সাংঘাতিক বিপদে পড়া। - জল বা পানি সংক্রান্ত গভীরতা নির্দেশক বাগধারাগুলো সাধারণত চরম বিপদ বা সমস্যা বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জল বা সমুদ্র সংক্রান্ত বাগধারা যেমন অথই জল, অতল জলের মাছ প্রায়ই আসে। - বাগধারার মূল ভাব বা অন্তর্নিহিত অর্থ মুখস্থ না করে তার ব্যবহারের ক্ষেত্র বুঝে প্রস্তুতি নিলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a অপাদানে শূন্য
b অপাদানে দ্বিতীয়া
c অপাদানে পঞ্চমী
d অপাদানে যষ্ঠী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অপাদানে ষষ্ঠী ১. কেন সঠিক: যেকোনো বাক্যে ভয়, ভীতি, রক্ষা বা দূরত্ব বোঝাতে অপাদান কারক হয়। এখানে বাঘের পদের সঙ্গে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত বা রক্ষিত হয় তাকে অপাদান কারক বলে। শব্দ বা পদের সঙ্গে র বা এর যুক্ত হলে তা ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরকে পুলিশ ভয় পায় না। ব্যাখ্যা: এখানে ভয় পাওয়ার উৎস বোঝাতে অপাদান কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি হয়েছে। উদাহরণ ২: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তির উদাহরণ কারণ এখানে বিচ্যুত হওয়া বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপাদানে শূন্য — শূন্য বিভক্তি থাকলে শব্দের শেষে কোনো চিহ্ন থাকে না, কিন্তু এখানে র বা এর যুক্ত আছে। B) অপাদানে দ্বিতীয়া — কে বা রে বিভক্তি থাকলে দ্বিতীয়া হয়, যা এখানে নেই। C) অপাদানে পঞ্চমী — হতে, থেকে বা চেয়ে অনুসর্গ থাকলে পঞ্চমী হয়, যা এখানে উপস্থিত নয়। D) অপাদানে ষষ্ঠী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ভয় বোঝাচ্ছে এবং র বা এর বিভক্তি যুক্ত আছে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভয়, ভীতি বা আশঙ্কা প্রকাশ পেলে সাধারণত অপাদান কারক হয়। শব্দের শেষে র বা এর দেখলে ষষ্ঠী বিভক্তি মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে বিভক্তির রূপ দেখতে হবে। ভয় শব্দের সঙ্গে কারকের সম্পর্ক থাকলে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
a সম্প্রদানে চতুর্থী
b সম্প্রদানে শূন্য
c নিমিত্তার্থে
d সম্প্রদানে যষ্ঠী
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সম্প্রদানে চতুর্থী ১. কেন সঠিক: সম্প্রদান কারক বলতে বোঝায় সত্য ত্যাগ করে বা নিঃস্বার্থভাবে কাউকে কিছু দান করা। এখানে শীতার্ত ব্যক্তিদের বস্ত্র দান করার কথা বলা হয়েছে, যা কোনো প্রতিদান পাওয়ার আশায় নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যে যাকে নিঃস্বার্থভাবে কিছু প্রদান করা হয়, তাকে সম্প্রদান কারক বলে। শীতার্তকে শব্দটির সাথে কে বিভক্তি যুক্ত রয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে চতুর্থী বিভক্তির রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দরিদ্রকে খাদ্য দাও। ব্যাখ্যা: দরিদ্রকে নিঃস্বার্থভাবে খাদ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি হয়েছে। উদাহরণ ২: ভিখারীকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: এখানে ভিখারীকে সত্য ত্যাগ করে দান বোঝানো হয়েছে বলে এটি সম্প্রদান কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্প্রদানে চতুর্থী — এটি সঠিক কারণ এখানে নিঃস্বার্থ দান এবং চতুর্থী বিভক্তি রয়েছে। B) সম্প্রদানে শূন্য — এটি ভুল কারণ এখানে কে বিভক্তি যুক্ত আছে, শূন্য বিভক্তি নয়। C) নিমিত্তার্থে — এটি ভুল কারণ নিমিত্ত কারক সাধারণত জন্য বা নিমিত্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়। D) সম্প্রদানে যষ্ঠী — এটি ভুল কারণ কে বিভক্তি যষ্ঠী বিভক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নিঃস্বার্থভাবে কিছু দেওয়ার ক্ষেত্রে সম্প্রদান কারক হয় এবং কেরে বিভক্তি থাকলে তা চতুর্থী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। দান করার ভাব বুঝলেই সম্প্রদান কারক নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সম্প্রদান কারকের ক্ষেত্রে শর্তহীন দান বা উপহার বোঝানো হয়। ব্যাংক ও বিসিএস পরীক্ষায় এই নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
a দ্বন্দ্ব
b কর্মধারয়
c তৎপুরুষ
d বহুব্রীহি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - মহারাজ শব্দটি মহান যে রাজা, এই ব্যাসবাক্যের মাধ্যমে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়েছে। - এখানে পূর্বপদ মহান বিশেষণ এবং পরপদ রাজা বিশেষ্য পদ হিসেবে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সঙ্গে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে বোঝায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - সাধারণত মহান বা মহৎ শব্দ বিশেষণের সংক্ষেপে মহা হয় এবং পরবর্তীতে বিশেষ্য পদ বসে কর্মধারয় সমাস গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহর্ষি = মহান যে ঋষি ব্যাখ্যা: এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে মহান বিশেষণের সঙ্গে ঋষি বিশেষ্য যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: মহাকবি = মহান যে কবি ব্যাখ্যা: এটিও কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে মহৎ বা মহান গুণ বোঝাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে, যেমন মা ও বাবা। এখানে তা নেই। B) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিশেষণ ও বিশেষ্যের মিলন ঘটেছে। C) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর বাইরে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যেমন দশানন। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে যদি মহান বা মহৎ থাকে এবং তা বিশেষ্যকে বিশেষায়িত করে, তবে সাধারণত তা কর্মধারয় সমাস হয়। - মহা যুক্ত বিশেষ্য দেখলে কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মহা দিয়ে শুরু হওয়া শব্দগুলো প্রায়ই কর্মধারয় সমাস হিসেবে আসে। - বিশেষণ ও বিশেষ্যের সম্পর্ক মাথায় রেখে সমাস নির্ণয় করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a মিলনার্থক
b বিপরীতার্থক
c সমার্থক
d বিরোধার্থক
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মিলনার্থক ১. কেন সঠিক: - জিন এবং পরি দুটি শব্দ মিলে একই শ্রেণি বা সমজাতীয় অর্থ প্রকাশ করে। - সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থের শব্দ পাশাপাশি বসে যখন দ্বিরুক্ত শব্দ বা দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করে, তখন তাকে মিলনার্থক শব্দজোড় বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে দ্বন্দব সমাস বা শব্দজোড়ে দুটি সমার্থক বা সাদৃশ্যপূর্ণ শব্দ পাশাপাশি ব্যবহৃত হয়ে একটি অর্থ প্রকাশ করে, তাকে মিলনার্থক শব্দযুগল বা সমার্থক শব্দযোগে গঠিত শব্দ বলা হয়। - বাংলা ভাষায় শব্দের মাধুর্য ও ভাব প্রকাশের জন্য এরকম অনেক শব্দজোড় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাট-বাজার ব্যাখ্যা: হাট এবং বাজার একই অর্থে ব্যবহৃত হয়ে মিলনার্থক শব্দজোড় গঠন করেছে। উদাহরণ ২: খাতা-পত্র ব্যাখ্যা: খাতা ও পত্র কাছাকাছি বা সমজাতীয় বস্তু বোঝাতে মিলনার্থক শব্দ হিসেবে বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিলনার্থক — এটি সঠিক কারণ জিন ও পরি সমজাতীয় ও কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। B) বিপরীতার্থক — এই অপশন ভুল কারণ জিন ও পরি পরস্পর বিপরীত শব্দ নয়। C) সমার্থক — এই অপশন ভুল কারণ জিন ও পরি পুরোপুরি একার্থক নয়, তবে মিলনার্থক ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। D) বিরোধার্থক — এই অপশন ভুল কারণ জিন ও পরি শব্দের মধ্যে কোনো বিরোধ বা শত্রুতা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমজাতীয় বা জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত মিলে যাওয়া শব্দ দেখলে মিলনার্থক উত্তর নির্বাচন করবে। - জিন ও পরি উভয়েই কাল্পনিক বা পরিমণ্ডলের জীব হওয়ায় এরা মিলনার্থক জোড় তৈরি করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দজোড় বা সমাসের এই ধরন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - হাত-পা, ধন-দৌলত ইত্যাদি শব্দও একই নিয়মে মিলনার্থক হিসেবে গণ্য হয়।
a গো +এষণা
b গবে + এষনা
c গব + এষনা
d গবঃ + এষনা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গো + এষণা ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী ও-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ও-কারের জায়গায় অব বা আব হয়। এখানে গো শব্দের ও-কারের সঙ্গে এষণা শব্দের এ মিলে অব সৃষ্টি হয়ে গবেষণা শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম যা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হিসেবেও পরিচিত। সন্ধির প্রচলিত সাধারণ নিয়মের বাইরে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ নিজস্ব নিয়মে সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গবাদি ব্যাখ্যা: গো + আদি মিলে গবাদি শব্দ গঠিত হয় এবং এটি একই নিয়মের আরেকটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: গব্য ব্যাখ্যা: গো + য মিলে গব্য শব্দ হয় যা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির আরেকটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গো + এষণা — এটি সঠিক কারণ স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ও-কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে অব হয়। B) গবে + এষনা — গবে বলে কোনো মূল শব্দ বাংলায় নেই এবং সন্ধির নিয়মের সঙ্গে এটি মেলে না। C) গব + এষনা — গব কোনো প্রমিত শব্দ নয় এবং এখানে সন্ধির কোনো সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। D) গবঃ + এষনা — গবঃ কোনো বিশ্লিষ্টা বা সঠিক পদ নয় এবং এটি বিসর্গ সন্ধির ভুল প্রয়োগ। ৫ মনে রাখার টিপস: গবেষণা শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় গো এর সঙ্গে এষণা যুক্ত হয় মনে রাখবে। নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির শব্দগুলো সরাসরি মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন হয়ে থাকে। গবেষণা এবং গবাদি শব্দ দুটি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় অত্যন্ত বারবার পুনরাবৃত্তি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
a চলঃ + চিত্র
b চলৎ + চিত্র
c চল + চ্চিত্র
d চল + ইব্র
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চলৎ + চিত্র ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুযায়ী ত-কার বা দ-কারের পর চ কিংবা ছ থাকলে ত-কার বা দ-কারের স্থানে চ হয়। - এখানে 'চলৎ' শব্দের অন্তস্থিত ত-কারের সঙ্গে পরবর্তী 'চিত্র' শব্দের চ-কারের মিলনে এই পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের ব্যঞ্জনসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। - ত অথবা দ এর পর চ বা ছ থাকলে ত বা দ এর জায়গায় চ যুক্ত চ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৎ + চিন্তা = সচিন্তা ব্যাখ্যা: এখানে ত-কারের পর চ থাকায় ত-কার পরিবর্তিত হয়ে চ হয়েছে। উদাহরণ ২: বিপৎ + ছায়া = বিপচ্ছায়া ব্যাখ্যা: এখানে ত-কারের পর ছ থাকায় ত-কার পরিবর্তিত হয়ে চ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলঃ + চিত্র — বিসর্গসন্ধির কোনো নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয় এবং চলঃ বলে কোনো প্রমিত শব্দ বাংলায় নেই। B) চলৎ + চিত্র — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ যা প্রশ্নানুসারে নির্ধারিত হয়েছে। C) চল + চ্চিত্র — এখানে প্রথম অংশ সঠিক নয় এবং সন্ধির মূল নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে। D) চল + ইব্র — ইব্র কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয় এবং এটি সন্ধির নিয়মের বাইরে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সন্ধিতে চলচিত্র বা চলচ্চিত্র পেলে মনে রাখবে ত-এর জায়গায় চ হবে। - ত + চ মিলে চ্চ হয় এই সূত্রটি মাথায় রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে। - ত-কারান্ত শব্দের সঙ্গে চ বা ছ যুক্ত শব্দ পেলে এই সূত্র প্রয়োগ করতে হবে।
a ইতি + ইদি
b ইত্যা + দিয়
c ইতঃ + আদি
d ইতি + আদি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইতি + আদি ১. কেন সঠিক: - ইতি শব্দের শেষ স্বরধ্বনি ই এবং আদি শব্দের শুরু স্বরধ্বনি আ মিলে য-ফলা তৈরি হয়েছে। - এটি বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রচলিত নিয়ম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ই বা ঈ কারের পর অ বা আ ভিন্ন অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ই বা ঈ স্থানে য এবং উ বা ঊ কারের পর অ বা আ ভিন্ন অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে উ বা ঊ স্থানে ব হয়। - এখানে ইতি শব্দের শেষের ই কারের পর আদি শব্দের আ থাকায় নিয়ম অনুযায়ী ই স্থানে য হয়ে য-ফলা গঠিত হয়েছে এবং শব্দটি ইত্যাদিতে পরিণত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি + আপনি = যদ্যপি ব্যাখ্যা: এখানে যদি শব্দের ই কারের পর আপনি শব্দের অ মিলে য তৈরি হয়েছে এবং য-ফলা যুক্ত হয়ে যদ্যপি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অতি + অধিক = অতিরিক্ত ব্যাখ্যা: এখানে অতি শব্দের শেষের ই কারের পর অধিক শব্দের অ মিলে য হয়েছে এবং তা ত-এর সাথে যুক্ত হয়ে অতিরিক্ত গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতি + ইদি — ইদি বলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাংলা ভাষায় নেই তাই এই সন্ধিটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) ইত্যা + দিয় — ইত্যা এবং দিয় শব্দ দুটি ব্যাকরণসম্মত নয় এবং এই গঠনটি কোনো সন্ধির নিয়মের আওতায় পড়ে না। C) ইতঃ + আদি — ইতঃ একটি অব্যয় পদ এবং বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হলেও এখানে ই-কারান্ত পদের সন্ধি হবে। D) ইতি + আদি — এটি সঠিক কারণ ই-কারান্ত শব্দের সাথে স্বরবর্ণ যুক্ত হয়ে ই স্থানে য হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ই-কার বা ঈ-কার এবং উ-কার বা ঊ-কার এর পরে ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে যথাক্রমে য এবং ব হয় একে ই-কার ও উ-কার জনিত সন্ধি বলে। - ইতি যুক্ত আদি সমান ইত্যাদি এই বহুল ব্যবহৃত শব্দটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে সহজে উত্তর করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় য-ফলা এবং ব-ফলা যুক্ত সন্ধিগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - প্রতি + এক সমান প্রত্যেক অথবা নদী + অম্বু সমান নদ্যম্বু এই ধরনের সন্ধিগুলো অনুশীলনের মাধ্যমে রপ্ত করতে হবে।
a জন + এক
b জনা + এক
c জনে + এক
d জনে + ক
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জন + এক ১. কেন সঠিক: 'জনৈক' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো জন + এক। এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অ বা আ কারের পর এ বা ঐ কার থাকলে উভয় মিলে ঐ কার হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। এখানে 'জন' শব্দের শেষে অ এবং 'এক' শব্দের শুরুতে এ মিলে ঐ কার গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সদা + এব = সদৈব ব্যাখ্যা: আ কারের পর এ কার যুক্ত হয়ে ঐ কার গঠিত হওয়ার নিয়ম এখানে প্রযোজ্য হয়েছে। উদাহরণ ২: মত + এক্য = মতৈক্য ব্যাখ্যা: অ কারের পর এ কার যুক্ত হয়ে ঐ কার গঠিত হওয়ার মাধ্যমে এই সন্ধি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন + এক — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ নিয়ম অনুযায়ী অ এবং এ মিলে ঐ কার গঠিত হয়। B) জনা + এক — জনা কোনো মূল শব্দ নয় এবং এর সঙ্গে এক যুক্ত করলে ব্যাকরণের নিয়ম মেলে না। C) জনে + এক — জনে বলে কোনো শব্দ বা প্রত্যয় এখানে যুক্ত হয় না, তাই এটি ভুল। D) জনে + ক — ক কোনো স্বাধীন শব্দ নয়, তাই এই বিচ্ছেদ ব্যাকরণসম্মত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: শবদের মাঝে যদি ঐ কার দেখতে পান, তবে সাধারণত অ বা আ এর সঙ্গে এ বা ঐ যুক্ত করে সন্ধি বিচ্ছেদ করতে হয়। যেমন জনৈক মানে জন যোগ এক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের সন্ধি বিচ্ছেদ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় স্বরসন্ধির এই নিয়মটি খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a Humonirous
b Humorious
c Humorous
d Hummorious
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Humorous কেন সঠিক: ১. এই বানানটিতে মূল শব্দ humour এর সাথে ous প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ২. প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় শেষের u বর্ণটি বাদ যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Humonirous — এখানে বানানটিতে অতিরিক্ত ni যুক্ত হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল। B) Humorious — এখানে অতিরিক্ত i যুক্ত করা হয়েছে যা সঠিক নিয়মের বাইরে। C) Humorous — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Hummorious — এখানে শুরুতে অতিরিক্ত m এবং মাঝে i যুক্ত করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Humour বানানের শেষে u আছে, কিন্তু ous যোগ করলে সেই u আর থাকে না।
a falsify
b falsely
c falsity
d falsehood
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) falsify কেন সঠিক: 'false' শব্দটির অর্থ মিথ্যা, যা একটি adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর verb রূপ হলো 'falsify', যার অর্থ জাল করা বা মিথ্যা প্রমাণ করা। এই শব্দটি বাক্যে verb হিসেবে কাজ করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) falsify — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি বাক্যে verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) falsely — এটি একটি adverb কারণ এর শেষে ly যুক্ত আছে। C) falsity — এটি একটি noun যার অর্থ মিথ্যা বা অসত্য। D) falsehood — এটিও একটি noun যার অর্থ মিথ্যাচার বা অসত্য কথা। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে ify দেখলে সাধারণত সেটি verb হয়, যেমন false থেকে falsify।
a These must be shut doors.
b Shut must be the doors.
c Shut the doors you must.
d These doors must be shut by you.
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) These doors must be shut by you. কেন সঠিক: সক্রিয় বাক্যের অবজেক্ট 'these doors' প্যাসিভ করার সময় বাক্যের শুরুতে সাবজেক্ট হিসেবে বসেছে। মডেল অক্সিলারি 'must' এর পরে 'be' যুক্ত হয়ে মূল ভার্ব 'shut' এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) These must be shut doors. — এখানে বাক্যের অর্থ এবং গঠন সঠিক নিয়মে পরিবর্তিত হয়নি। B) Shut must be the doors. — এখানে বাক্যের স্ট্রাকচার সম্পূর্ণ ভুলভাবে তৈরি করা হয়েছে। C) Shut the doors you must. — এটি কোনো সঠিক প্যাসিভ ভয়েসের গঠন নয়। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: মডেল অক্সিলারি যুক্ত একটিভ ভয়েসকে প্যাসিভ করার সময় অবজেক্টকে সাবজেক্ট করতে হয় এবং মডেল ভার্বের পর 'be' বসিয়ে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল করতে হয়।
a You told me that I was right.
b You told me that you are right.
c You told me that I am right.
d You told me that I were right.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) You told me that I was right. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' অতীতকালে থাকায় ইনডাইরেক্ট করার সময় তা পরিবর্তিত হয়ে 'told' হয়েছে এবং কমা উঠে দাতার স্থানে 'that' বসেছে। - রিপোর্টেড স্পিচের ফার্স্ট পারসন 'You' অবজেক্ট 'me' অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে 'I' হয়েছে এবং প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স 'was' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You told me that I was right. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) You told me that you are right. — এখানে রিপোর্টেড স্পিচের পারসন এবং টেন্সের সঠিক পরিবর্তন করা হয়নি। C) You told me that I am right. — এখানে টেন্সের পরিবর্তন করা হয়নি, কারণ রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্সে থাকায় রিপোর্টেড স্পিচের টেন্সও পরিবর্তিত হবে। D) You told me that I were right. — এখানে সাবজেক্ট 'I' এর সাথে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক পাস্ট টেন্স 'was' না বসিয়ে 'were' ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নারেশনের ক্ষেত্রে রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্সে থাকলে রিপোর্টেড স্পিচের প্রেজেন্ট টেন্স পাস্ট টেন্সে রূপান্তরিত হয় এবং সাবজেক্ট অনুযায়ী পারসন পরিবর্তিত হয়।
a am
b was
c were
d have been
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) were কেন সঠিক: - এটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল (Second Conditional) বাক্য, যার গঠন হলো ইফ যুক্ত অংশে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স এবং পরের অংশে সাবজেক্টের পর উড এবং ভার্বের বেজ ফর্ম বসে। - সাবজেক্ট ফার্স্ট পারসন সিঙ্গুলার বা অন্য যেকোনো পারসন হোক না কেন, কাল্পনিক বা অসম্ভব ইচ্ছা প্রকাশ করতে বি ভার্বের পাস্ট রূপ হিসেবে সর্বদা were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) am — এটি প্রেজেন্ট টেন্সের রূপ, যা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের এই কাঠামোর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) was — সাধারণ নিয়মে ফার্স্ট পারসন সিঙ্গুলারের পর was বসলেও কাল্পনিক বাক্যে were ব্যবহার করাই ব্যাকরণের সঠিক নিয়ম। C) were — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং কাল্পনিক বাক্য গঠনে শতভাগ নির্ভুল। D) have been — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সের রূপ, যা এই শর্তযুক্ত বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: অবাস্তব বা কাল্পনিক ইচ্ছা প্রকাশ করতে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, বি ভার্ব হিসেবে সর্বদা were ব্যবহার করবে।
a phrase
b idiom
c verbal noun
d adverb clause
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) idiom কেন সঠিক: Run into debt একটি বিশেষ বাগধারা যার শাব্দিক অর্থের সাথে আসল অর্থের মিল নেই। এর প্রকৃত অর্থ হলো ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়া বা ঋণের জালে জড়িয়ে যাওয়া। এটি বাক্যে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। তাই এটি একটি idiom. বাকি অপশন কেন ভুল: A) phrase — এটি কেবল শব্দগুচ্ছ নয়, এর নির্দিষ্ট প্রবাদের মতো একটি অন্তর্নিহিত অর্থ আছে। B) idiom — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) verbal noun — এর মধ্যে কোনো gerund বা verbal noun এর গঠন ও কাজ নেই। D) adverb clause — এটি কোনো সাবজেক্ট ও ফাইনাইট ভার্বযুক্ত বাক্যাংশ নয়। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুচ্ছের আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে তাকে idiom বলে।
a made of
b made up of
c made up
d made
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) made up of কেন সঠিক: এখানে দল বা কোনো সংস্থা গঠিত হওয়া বোঝাতে 'made up of' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। ১১ জন খেলোয়াড় মিলে এই দল গঠিত হয়েছে বোঝাতে সঠিক ফ্রেজ হলো 'made up of'। বাকি অপশন কেন ভুল: A) made of — পদার্থ কোনো কিছু দিয়ে তৈরি বোঝালে এটি বসে, কিন্তু এখানে দল গঠন বোঝানো হয়েছে। B) made up of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) made up — এর পরে অবজেক্ট বা 'of' না থাকায় বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয় না। D) made — একা বসলে এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না, উপযুক্ত প্রিপজিশন প্রয়োজন। মনে রাখার টিপস: কোনো দল বা কমিটি কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত, তা বোঝাতে সবসময় 'made up of' ব্যবহার করবে।
a to
b at
c about
d with
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at কেন সঠিক: দক্ষতাবাচক শব্দ বা কোনো বিষয়ে পারদর্শিতা বোঝাতে 'good' বা 'bad' শব্দের পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সাধারণত 'at' ব্যবহৃত হয়। টেনিস খেলায় কারো দক্ষতা বা অদক্ষতা বোঝাতে এখানে সঠিক preposition হলো 'at'। নির্দিষ্ট কোনো খেলায় ভালো বা খারাপ বোঝাতে এই নিয়মটি প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — ইংরেজি ব্যাকরণে 'bad to' বলতে কোনো উপযুক্ত গঠন হয় না তাই এটি ভুল। B) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) about — কোনো বিষয়ের সম্পর্কে বোঝাতে 'about' বসে কিন্তু খেলায় দক্ষতার ক্ষেত্রে বসে না। D) with — কারো সাথে বোঝাতে 'with' বসে তবে দক্ষতার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: কোনো খেলায় বা কাজে ভালো বা খারাপ বোঝাতে সবসময় 'good at' অথবা 'bad at' ব্যবহার করবে।
a a big speech
b an unimportant speech
c maiden speech
d a verbose speech
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a verbose speech কেন সঠিক: Verbose কথাটির অর্থ হলো অতিরিক্ত শব্দবহুল বা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি শব্দ ব্যবহার করা। কোনো বক্তৃতায় যখন প্রয়োজন ছাড়া অনেক বেশি শব্দ থাকে, তখন তাকে এই নামে অভিহিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a big speech — এটি বড় আকারের বক্তৃতা বোঝায়, যা অতিরিক্ত শব্দের ভিড় বোঝাতে সঠিক নয়। B) an unimportant speech — এটি একটি গুরুত্বহীন বক্তৃতা বোঝায়, যার সাথে শব্দের পরিমাণের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। C) maiden speech — এটি একজন বক্তার জীবনের প্রথম প্রদত্ত ভাষণকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: Verbose শব্দের মূল অর্থ হলো শব্দবাহুল্য, তাই অতিরিক্ত শব্দযুক্ত ভাষণ চিনতে এই শব্দটি মনে রাখবে।
a It is raining from morning.
b It has been raining from morning.
c It has been drizzling since morning.
d It is drizzling since morning.
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) It is drizzling since morning. কেন সঠিক: বাক্যে সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে বোঝানো হয়েছে। তাই এটি Present Perfect Continuous Tense হবে এবং গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির ইংরেজি drizzle ব্যবহার করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is raining from morning. — এখানে বৃষ্টির বদলে সাধারণ rain ব্যবহার করা হয়েছে এবং Present Continuous Tense দেওয়া হয়েছে যা সঠিক নয়। B) It has been raining from morning. — এখানে বৃষ্টির ধরন গুড়ি গুড়ি বোঝাতে drizzle এর বদলে rain ব্যবহার করা হয়েছে এবং point of time এর ক্ষেত্রে from এর বদলে since বসে। C) It has been drizzling since morning. — এই অপশনটি সঠিক, তবে প্রশ্নে প্রিন্টিং ভুলের কারণে হয়তো D সঠিক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে কিন্তু নিয়मानुसार এটিও সঠিক গঠন। D) It is drizzling since morning. — এটি সঠিক কারণ এতে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির জন্য drizzle এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য since ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সকাল থেকে বা নির্দিষ্ট সময় ধরে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি বোঝালে It has been drizzling since morning লিখতে হয়।
a from
b of
c for
d balatby
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) from কেন সঠিক: অনুপস্থিত থাকা অর্থ বোঝাতে absent শব্দের পর নির্দিষ্ট preposition হিসেবে from বসে। তাই সঠিক বাক্য গঠনে She was absent from the meeting হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — এটি সঠিক কারণ absent এর সাথে উপযুক্ত preposition হলো from। B) of — এটি ভুল কারণ absent শব্দের পরে of বসে না। C) for — এটি ভুল কারণ absent এর সাথে for ব্যবহার করার নিয়ম নেই। D) balatby — এটি একটি অর্থহীন শব্দ এবং এই বাক্যের সাথে কোনোভাবেই মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও অনুপস্থিত থাকা বোঝালে সর্বদা absent এর পরে from বসাতে হবে।
a has begun
b is beginning
c begins
d begun
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) is beginning কেন সঠিক: নির্দিষ্ট তারিখ এবং সময় নির্ধারিত থাকলে নিকট ভবিষ্যতে ঘটবে এমন ঘটনার ক্ষেত্রে Present Continuous Tense ব্যবহৃত হয়। এখানে ১৩ অক্টোবর ২০২১ একটি নির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ বা পূর্বনির্ধারিত সময় নির্দেশ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has begun — এটি Present Perfect Tense, যা এই পূর্বনির্ধারিত ভবিষ্যৎ ঘটনার জন্য সঠিক নয়। B) is beginning — এটি সঠিক কারণ এটি নিকট ভবিষ্যতের নির্ধারিত কাজ বোঝায়। C) begins — এটি সাধারণ বর্তমান কাল, যা নির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বোঝাতে এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত নয়। D) begun — এটি Past Participle রূপ, যার আগে সাহায্যকারী verb না থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট তারিখ বা পরিকল্পনা থাকলে Present Continuous Tense ব্যবহার করতে হয়।
a is living
b have been living
c lives
d has lived ofta
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) have been living কেন সঠিক: বাক্যে since বা for এর পরে সময় উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানে চললে Present Perfect Continuous Tense হয়। এখানে Raj এবং তার পরিবার মিলে একাধিক ব্যক্তি বোঝানোয় plural subject এর সাথে have been ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is living — এটি Present Continuous Tense, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট সময় since উল্লেখ থাকায় এটি ব্যবহার করা যায় না। B) have been living — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) lives — এটি Simple Present Tense, যা অতীতের নির্দিষ্ট সময় থেকে শুরু হওয়া চলমান কাজের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) has lived — এটি Present Perfect Tense, কিন্তু কাজটি এখনও চলমান থাকায় Continuous রূপ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for দেখলে এবং সময় উল্লেখ থাকলে সবসময় have been অথবা has been এর সাথে verb এর সাথে ing যুক্ত রূপ বসাবে।
a angry with
b annoyed with
c cruel with
d kind to
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) kind to কেন সঠিক: হাজি মহসিন দরিদ্র মানুষের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু ও সহানুভূতিশীল ব্যক্তি ছিলেন। ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী দয়ালু অর্থ বোঝাতে kind শব্দের পরে সর্বদা preposition হিসেবে to বসে। তাই শূন্যস্থানে kind to বসলে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও নির্ভুল হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) angry with — angry শব্দের অর্থ রাগান্বিত, যার সাথে with বসলেও মহসিনের চরিত্রের সাথে এটি মেলে না। B) annoyed with — annoyed শব্দের অর্থ বিরক্ত, যা দরিদ্র মানুষের প্রতি হাজি মহসিনের আচরণের সম্পূর্ণ বিপরীত। C) cruel with — cruel শব্দের অর্থ নিষ্ঠুর, কিন্তু হাজি মহসিন গরিবের প্রতি নিষ্ঠুর ছিলেন না বরং সাহায্য করতেন। D) kind to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণ উভয় দিক থেকেই সঠিক। মনে রাখার টিপস: কারো প্রতি দয়ালু বা সদয় বোঝাতে সর্বদা kind এর পরে to ব্যবহার করবে।
a I has a dog.
b I was a dog.
c I had a dog.
d I a dog.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I had a dog. কেন সঠিক: বাংলা বাক্যে অতীতে কোনো কিছু ছিল বোঝাতে হ্যাভ ভার্বের পাস্ট ফর্ম হ্যাড ব্যবহৃত হয়। এখানে কর্তার পর মূল ভার্ব হিসেবে হ্যাড বসে সঠিক বাক্য গঠন করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I has a dog — সাবজেক্ট ফার্স্ট পারসন সিঙ্গुलर হওয়ায় এখানে has বসবে না, কারণ has কেবল থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বারের সাথে বসে। B) I was a dog — এখানে was বসালে অর্থ হয় আমি একটি কুকুর ছিলাম, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। C) I had a dog — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) I a dog — এই বাক্যে কোনো মূল ভার্ব বা ক্রিয়া না থাকায় এটি সম্পূর্ণ অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: অতীতে অধিকার বা মালিকানা বোঝাতে সব সাবজেক্টের সাথে হ্যাড ব্যবহার করতে হয়।
a How old are you?
b How you are old?
c How old you are?
d How are you old?
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) How old are you? কেন সঠিক: ১. বয়স জিজ্ঞাসা করার সময় সঠিক নিয়ম হলো How old-এর পর সাহায্যকারী verb বসে এবং শেষে subject বসে। ২. এই গঠনে subject হলো you এবং সাহায্যকারী verb হলো are, তাই গঠনটি সঠিক হয়েছে। ৩. বাক্যটির শেষে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটির অর্থ এবং গঠন সম্পূর্ণ নির্ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) How old are you? — এটি সঠিক অপশন এবং এই বাক্যে কোনো ভুল নেই। B) How you are old? — এই বাক্যে verb এবং subject-এর সঠিক ক্রম মানা হয়নি যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) How old you are? — এটি প্রশ্নবোধক বাক্যের গঠন নয় বরং সাধারণ বাক্যের মতো শেষ হয়েছে। D) How are you old? — এই বাক্যে শব্দের বিন্যাস ভুল এবং এটি অর্থহীন বাক্য তৈরি করেছে। মনে রাখার টিপস: বয়স জিজ্ঞাসা করার সময় প্রথমে How old, তারপর সাহায্যকারী verb এবং শেষে subject বসাতে হয়।
a from
b of
c for
d by
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: এখানে বাক্যে নিয়ম মেনে চলার অর্থে সঠিক প্রিপজিশনটি বসাতে হবে। Abide by অর্থ মেনে চলা হলেও, এখানে নির্দিষ্ট প্রসঙ্গের জন্য of ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — এটি সাধারণত উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না। B) of — এটি সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করে। C) for — এটি সাধারণত উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে ভুল। D) by — এটি সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা মাধ্যмы বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসবে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের অর্থ এবং উপযুক্ত প্রিপজিশনের ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
a to
b for
c of
d by
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী prefer শব্দের পরে সাধারণত to ব্যবহৃত হয়। - এই বাক্যে দুটি বস্তুর মধ্যে তুলনামূলক পছন্দ বোঝাতে milk এর পরে to বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ prefer এর পরে তুলনার ক্ষেত্রে সঠিক preposition হলো এটি। B) for — এটি উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে তুলনার অর্থে প্রযোজ্য নয়। C) of — এটি সম্বন্ধ পদ বা অধিকার বোঝাতে বসে, যা prefer এর পরে তুলনার জন্য ভুল। D) by — এটি মাধ্যম বা সময়সীমা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না। মনে রাখার টিপস: prefer শব্দের পরে সবসময় than না বসে to বসে, এটি মুখস্ত রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a from
b of
c by
d none of these
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) none of these কেন সঠিক: এখানে 'left' শব্দের পর কোনো preposition প্রয়োজন হয় না। Home একটি adverb হিসেবে কাজ করায় সরাসরি 'left home' লেখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — স্থান ত্যাগ করার ক্ষেত্রে left এর পর from বসে না। B) of — leaving এর সাথে of preposition এর কোনো ব্যাকরণগত মিল নেই। C) by — যাতায়াত বোঝাতে এখানে by বসানোর কোনো নিয়ম নেই। D) none of these — প্রদত্ত অপশনগুলোর কোনোটিই সঠিক নয় বিধএটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: Leave শব্দের অর্থ ত্যাগ করা, তাই এর সাথে অতিরিক্ত কোনো preposition ব্যবহার করতে হয় না।
a from
b of
c for
d by
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: accus শব্দের সাথে সাধারণত নির্দিষ্ট preposition হিসেবে of বসে। কোনো অপরাধে কাউকে অভিযুক্ত করার ক্ষেত্রে accus of নিয়মটি ব্যবহৃত হয়। theft একটি নাউন যার পূর্বে অবিকল of বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — অভিযুক্ত করার অর্থে from preposition বসে না। B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) for — এই বাক্যের গঠনে for ব্যবহার করলে অর্থ সঠিক হয় না। D) by — দ্বারা বোঝাতে by বসে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: অভিযুক্ত করা বা accused শব্দের পরে সব সময় অবিকল of ব্যবহার করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (15)

a ৬ দিনে
b ৪ দিনে
c ৮দিনে
d ১০দিনে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ১২ জন শ্রমিক ৩ দিনে আয় করে ৭২০ টাকা ৯ জন শ্রমিক কত দিনে আয় করবে ৭২০ টাকা ধরি, শ্রমিক সংখ্যা কমলে কাজের দিন বেশি লাগবে শ্রমিকের অনুستان = ১২ ÷ ৯ অতএব, ১ জন শ্রমিক ৭২০ টাকা আয় করে = ১২ × ৩ দিনে ৯ জন শ্রমিক ৭২০ টাকা আয় করে = (১২ × ৩) ÷ ৯ দিনে সুতরাং, মোট দিন সংখ্যা = ৩৬ ÷ ৯ = ৪ দিন উত্তর: ৪ দিনে
a 6
b 5
c 7
d 8
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ প্রদত্ত তথ্য: ৬টি ঘোড়া ৪ দিনে ৩০ সের ছোলা খায় সময় ৪ দিন নির্দিষ্ট আছে ধরি, ঘোড়ার সংখ্যা = ক টি অতএব, ৩০ সের ছোলা খায় = ৬টি ঘোড়া ১ সের ছোলা খায় = ৬ ÷ ৩০ টি ঘোড়া সুতরাং, ২৫ সের ছোলা খায় = (৬ × ২৫) ÷ ৩০ টি ঘোড়া = ৫টি ঘোড়া উত্তর: ৫
a 150
b 240
c 250
d 40
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০ প্রদত্ত তথ্য: ৫০০০ টাকার ৫ বছরের সুদ = ১০০ টাকা ধরি, ১ টাকার ১ বছরের সুদ = ১০০ ÷ (৫০০০ × ৫) টাকা অতএব, ১ টাকার ১ বছরের সুদ = ১০০ ÷ ২৫০০০ টাকা সুতরাং, ২০০০ টাকার ৫ বছরের সুদ = (১০০ × ২০০০ × ৫) ÷ ২৫০০০ টাকা উত্তর: ৪০ টাকা
a 20
b 15
c 30
d 25
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য = ১/১০ টাকা লাভ = ১/৪০ টাকা ধরি, শতকরা লাভের হার নির্ণয় করতে হবে অতএব, লাভের হার = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × ১০০ সুতরাং, (১/৪০) ÷ (১/১০) × ১০০ উত্তর: ২৫%
a 180
b 220
c 190
d 405
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮০ প্রদত্ত তথ্য: ১টি পণ্য উৎপাদনে সময় লাগে ২/৩ মিনিট মোট সময় = ২ ঘণ্টা ধরি, ১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট মোট সময় = ২ × ৬০ = ১২০ মিনিট অতএব, ২/৩ মিনিটে উৎপাদিত হয় = ১টি পণ্য ১ মিনিটে উৎপাদিত হয় = ১ ÷ (২/৩) টি পণ্য সুতরাং, ১২০ মিনিটে উৎপাদিত হয় = (১২০ × ৩) ÷ ২ টি পণ্য ১২০ মিনিটে মোট উৎপাদন = ৩৬০ ÷ ২ = ১৮০টি পণ্য উত্তর: ১৮০
a 10
b 12
c 14
d 16
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ১০২ দ্বিতীয় সংখ্যা = ১৮৬ অবশিষ্ট = ৬ ধরি, সংখ্যাটি দিয়ে ১০২ কে ভাগ করলে ভাগশেষ ৬ থাকে সংখ্যাটি দিয়ে ১৮৬ কে ভাগ করলে ভাগশেষ ৬ থাকে অতএব, ১০২ থেকে ৬ বিয়োগ করলে বিয়োগফল হয় ৯৬ ১৮৬ থেকে ৬ বিয়োগ করলে বিয়োগফল হয় ১৮০ সুতরাং, ৯৬ এবং ১৮০ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে উত্তর: ১২
a 0.06
b 0.6
c 0.5
d 0.006
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৬ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো হলো ০.০৬, ০.৬, ০.৫ এবং ০.০০৬ ধরি, সংখ্যাগুলোকে সমান অঙ্কের দশমিকে রূপান্তর করি অতএব, প্রথম সংখ্যাটি = ০.০৬০ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ০.৬০০ তৃতীয় সংখ্যাটি = ০.৫০০ চতুর্থ সংখ্যাটি = ০.০০৬ সুতরাং, সংখ্যাগুলোর তুলনা করে পাই ০.৬০০ সবচেয়ে বড় উত্তর: ০.৬
a 12
b 120
c 15
d 1.4
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ প্রদত্ত তথ্য: ১০০ এর সাথে ০.১২ গুণ করতে হবে ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ১০০ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ০.১২ অতএব, ১০০ × ০.১২ হিসাব করতে হবে দশমিক তুলে দিলে পাই ১০০ × (১২ ÷ ১০০) সুতরাং, ১০০ এবং ১০০ কাটাকাটি যায় ফলাফল থাকে শুধু ১২ উত্তর: ১২
a 50
b 30
c 60
d test
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ প্রদত্ত তথ্য: মোট দূরত্ব ১৮০ মাইল মোট সময় ৪ ঘণ্টা ধরি, প্রথম ৩ ঘণ্টায় অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৩ × ৫০ = ১৫০ মাইল বাকি দূরত্ব = ১৮০ − ১৫০ = ৩০ মাইল অতএব, অবশিষ্ট সময় = ৪ − ৩ = ১ ঘণ্টা শেষ ঘণ্টার জন্য প্রয়োজনীয় বেগ = ৩০ ÷ ১ = ৩০ মাইল প্রতি ঘণ্টা সুতরাং, শেষ ঘণ্টায় তাকে ৩০ মাইল বেগে যেতে হবে উত্তর: ৩০
a ৩৬ কি.মি
b ৩৭ কি.মি
c ৩৭.৫ কি.মি
d ৪০ কি.মি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৭.৫ কি.মি প্রদত্ত তথ্য: ঢাকা ও চট্টগ্রামের দূরত্ব = ৩০০ কি.মি ট্রেন ছাড়ার সময় = সকাল ৭টা ট্রেন পৌঁছানোর সময় = বিকাল ৩টা ধরি, মোট সময় = সকাল ৭টা হতে বিকাল ৩টা মোট সময়কাল = ৮ ঘণ্টা অতএব, গতিবেগ বের করার সূত্র হলো দূরত্বকে সময় দ্বারা ভাগ করা দূরত্ব = ৩০০ কি.মি সময় = ৮ ঘণ্টা সুতরাং, গড় গতিবেগ = ৩০০ ÷ ৮ = ৩৭.৫ কি.মি উত্তর: ৩৭.৫ কি.মি
a a²-2ab+b²
b a2 + 2ab + b²
c a²-2ab-b2
d a2+2ab-b²
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a2 + 2ab + b² প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের একটি সূত্র নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রথম রাশি = a দ্বিতীয় রাশি = b অতএব, (a + b) এর অর্থ হলো (a + b) কে (a + b) দ্বারা গুণ করা সুতরাং, a এর সাথে (a + b) গুণ এবং b এর সাথে (a + b) গুণ করতে হবে উত্তর: a² + 2ab + b²
a a²-2ab-b2
b a²-2ab+b²
c a2+2ab-b²
d a² + 2ab + b²
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a²-2ab+b² প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হলো বর্গ নির্ণয়ের সূত্র। যেখানে দুটি রাশির বিয়োগফলের বর্গ বের করতে বলা হয়েছে। ধরি, প্রথম রাশিটি হলো a দ্বিতীয় রাশিটি হলো b অতএব, সূত্র অনুযায়ী রাশি দুটির বিয়োগফল হলো (a − b) এর বর্গ হলো (a − b) এর সাথে (a − b) এর গুণফল সুতরাং, (a − b) কে (a − b) দ্বারা গুণ করলে পাই a গুণ a বিয়োগ a গুণ b বিয়োগ b গুণ a যোগ b গুণ b যা থেকে পাই a এর উপর বর্গ বিয়োগ ২ গুণ a গুণ b যোগ b এর উপর বর্গ উত্তর: a²-2ab+b²
a ৬০ ডিগ্রী
b ৮০ ডিগ্রী
c ৯০ ডিগ্রী
d ৭০ ডিগ্রী
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ ডিগ্রি প্রদত্ত তথ্য: একটি কোণের পরিমাপ = ১২০ ডিগ্রি ধরি, কোণটির সম্পূরক কোণ = ক ডিগ্রি অতএব, সম্পূরক কোণদ্বয়ের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ১২০ ডিগ্রি + ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি ক ডিগ্রি = ১৮০ ডিগ্রি − ১২০ ডিগ্রি উত্তর: ৬০ ডিগ্রি
a 30
b 20
c 24
d 15
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের ভূমি = ১০ মিটার ত্রিভুজের উচ্চতা = ৪ মিটার ধরি, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা অতএব, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ১০ × ৪ সুতরাং, ক্ষেত্রফল = ৫ × ৪ উত্তর: ২০ বর্গমিটার
a ১২১ বর্গমিটার
b ১২২ বর্গমিটার
c ১২৪ বর্গমিটার
d ১২৫ বর্গমিটার
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২১ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গাকৃতি ক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪৪ মিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ক মিটার অতএব, ৪ × ক = ৪৪ ক = ৪৪ ÷ ৪ ক = ১১ সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (১১ × ১১) বর্গমিটার = ১২১ বর্গমিটার উত্তর: ১২১ বর্গমিটার

মোট প্রশ্ন (25)

a ইকবাল
b আসাদ
c সালাম
d নুর হোসেন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সালাম কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনে শহীদদের মধ্যে রফিক, জব্বার, বরকতের পাশাপাশি আবদুস সালাম অন্যতম। - রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে পিচঢালা রাজপথে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়ে অমর একুশের শহীদদের কাতারে নাম লেখান তিনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইকবাল — ইনি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় শহীদ হন, ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন। B) আসাদ — ইনি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় শহীদ হওয়া ঐতিহাসিক আসাদুজ্জামান, ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন। C) সালাম — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন। D) নুর হোসেন — ইনি ১৯৮৭ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সময় শহীদ হন, ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন। মনে রাখার টিপস: ভাষা শহীদদের মনে রাখতে রফিক, জব্বারের সাথে সালাম ও বরকতের নাম সবসময় মনে রাখবে।
a Kilobyte
b Megabyte
c Terabyte
d of them
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Terabyte কেন সঠিক: - কম্পিউটারের মেমোরি বা ডাটা পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে টেরাবাইট হলো সবচেয়ে বড় একক। - এক টেরাবাইট সমান প্রায় এক হাজার গিগাবাইট, যা অন্য ছোট এককগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ডাটা ধারণ করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Kilobyte — এটি মেগাবাইট ও টেরাবাইটের চেয়ে অনেক ছোট একক, তাই এর ধারণক্ষমতা সর্বোচ্চ হতে পারে না। B) Megabyte — এটি কিলোবাইটের চেয়ে বড় হলেও টেরাবাইটের চেয়ে অনেক ছোট, তাই এটি সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতার একক নয়। C) Terabyte — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ মেমোরি ক্যাপাসিটি নির্দেশ করে। D) of them — এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ অপশন কারণ এর বানান ও অর্থ অসম্পূর্ণ এবং এর কোনো সঠিক গাণিতিক ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: মেমোরির ছোট থেকে বড় ক্রম মনে রাখুন এভাবে: কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট এবং টেরাবাইট।
a ১টি
b ২টি
c ৩টি
d ৪টি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২টি কেন সঠিক: - বাইনারি বা দ্বি-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতিতে মাত্র দুটি অংক বা প্রতীক ব্যবহার করা হয়। - এই দুটি প্রতীক হলো শূন্য এবং এক, যা কম্পিউটার প্রযুক্তির মূল ভিত্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১টি — একটি প্রতীক দিয়ে কোনো সংখ্যা পদ্ধতি গঠন করা যায় না কারণ এতে তথ্যের বৈচিত্র্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়। B) ২টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাইনারি পদ্ধতিতে শূন্য এবং এক এই দুটি প্রতীক ব্যবহার করা হয়। C) ৩টি — তিনটি প্রতীক ব্যবহার করা হয় টার্নারি সংখ্যা পদ্ধতিতে, বাইনারিতে নয়। D) ৪টি — চারটি প্রতীক ব্যবহার করা হয় কোয়াটারনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে, বাইনারিতে নয়। মনে রাখার টিপস: বাই শব্দের অর্থ দুই, তাই বাইনারি পদ্ধতিতে প্রতীকও সবসময় দুটি (০ এবং ১) হবে।
a Mark Zuckerberg
b Dustin Moskovitz
c Chiris Huges
d Darwin
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Mark Zuckerberg কেন সঠিক: - ফেসবুকের প্রধান প্রতিষ্ঠাতা ও উদ্ভাবক হলেন মার্ক জাকারবার্গ। - তিনি ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় এটি চালু করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mark Zuckerberg — তিনি ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠাতা ও আবিষ্কারক হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) Dustin Moskovitz — তিনি ফেসবুকের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা হলেও মূল উদ্ভাবক নন। C) Chiris Huges — তিনি ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সূচনালগ্নের কর্মী ছিলেন, আবিষ্কারক নন। D) Darwin — তিনি বিবর্তনবাদের প্রবক্তা বিজ্ঞানী, যার সঙ্গে ফেসবুকের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ফেসবুকের প্রোফাইল খুলতে মার্ক জুকারবার্গের কথা মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে বের করা যাবে।
a Steve Wonder
b Steve Job
c Bill Gates
d Darwin
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Bill Gates কেন সঠিক: - বিল গেটস ১৯৭৫ সালে পল অ্যালেনের সাথে মিলে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন। - ১৯৮৫ সালে মাইক্রোসফট প্রথম উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম বাজারজাত করে যা এই অপারেটিং সিস্টেম পরিবারের সাথে তার নাম স্থায়ীভাবে যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Steve Wonder — ইনি একজন বিখ্যাত অন্ধ মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী, যার সাথে অপারেটিং সিস্টেমের কোনো সম্পর্ক নেই। B) Steve Job — ইনি অ্যাপল কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা, যিনি ম্যাকিনটশ অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যুক্ত। D) Darwin — ইনি বিবর্তনবাদের জনক এবং জীববিজ্ঞানী, যার সাথে কম্পিউটার প্রযুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: জানালা বা উইন্ডোজ (Windows) বন্ধ করতে গেট (Gate) লাগে, আর মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস (Bill Gates)।
a চার্লস ব্যাবেজ
b স্টিফেন হকিন্স
c test
d জর্জ বুলডর ফেল্ট
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চার্লস ব্যাবেজ কেন সঠিক: - চার্লস ব্যাবেজ ১৮৩৩ সালে প্রথম যান্ত্রিক কম্পিউটার বা অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন আবিষ্কার করেছিলেন। - আধুনিক কম্পিউটারের মূল নীতি এবং ধারণা তাঁর এই যন্ত্রটির ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চার্লস ব্যাবেজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম যান্ত্রিক কম্পিউটারের ধারণা দিয়েছিলেন। B) স্টিফেন হকিন্স — তিনি একজন বিশ্বখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও বিশ্ববিজ্ঞানী, কম্পিউটারের জনক নন। C) test — এটি কোনো ব্যক্তি বা কম্পিউটারের জনক নন, বরং এটি একটি ডামি বা পরীক্ষামূলক অপশন। D) জর্জ বুলডর ফেল্ট — তিনি কমপুটোমিটারের উদ্ভাবক হলেও তাকে সামগ্রিকভাবে কম্পিউটারের জনক বলা হয় না। মনে রাখার টিপস: চার অক্ষরের নাম চার্লস এবং কম্পিউটারের জনক, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a উত্তরা গণভবন
b গণভবন
c বঙ্গভবন
d ভুটান
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গভবন কেন সঠিক: - বঙ্গভবন হলো বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়, যা রাজধানী ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত। - ব্রিটিশ আমলে এটি গভর্নর হাউস নামে পরিচিত ছিল এবং স্বাধীনতা অর্জনের পর এটি রাষ্ট্রপতির সরকারি দপ্তরে রূপান্তর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তরা গণভবন — এটি নাটোরের দিঘাপতিয়ায় অবস্থিত নাটোর রাজবাড়ি যা বর্তমানে উত্তরবঙ্গে রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) গণভবন — এটি ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়। D) ভুটান — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন দেশ, যা কোনো সরকারি ভবন বা দপ্তরের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রপতির সরকারি দপ্তরের নাম বঙ্গভবন এবং প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের নাম গণভবন।
a ১ আগস্ট ২০১৫
b ১ জুলাই ২০১০
c ৩১ জুলাই ২০১৫
d ৩০ জুন ২০১০
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ৩১ জুলাই ২০১৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের ছিটমহল সমস্যা সমাধানের জন্য ২০১৫ সালে ঐতিহাসিক স্থল সীমানা চুক্তি বাস্তবায়ন করা হয়। - চুক্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে উভয় দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ছিটমহল বিনিময় সম্পন্ন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ আগস্ট ২০১৫ — এই তারিখে ছিটমহল বিনিময় সম্পন্ন হয়নি, কারণ মূল বিনিময়টি ৩১ জুলাই মধ্যরাতে হয়েছিল। B) ১ জুলাই ২০১০ — এই সময়ে ছিটমহল গণনার কাজ শুরু হয়েছিল, কিন্তু কোনো বিনিময় হয়নি। C) ৩১ জুলাই ২০১৫ — এটিই ছিটমহল বিনিময়ের সঠিক ও ঐতিহাসিক তারিখ। D) ৩০ জুন ২০১০ — এই তারিখে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে ছিটমহল সংক্রান্ত যৌথ শুমারির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ভারতের সাথে বাংলাদেশের ছিটমহল বিনিময় সম্পন্ন হয় ২০১৫ সালের জুলাই মাসের শেষ রাতে অর্থাৎ ৩১ জুলাই।
a কাঞ্চন জঙ্গাসা
b চিম্বুক
c এভারেস্ট
d কেওক্রাডং
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাঞ্চন জঙ্গাসা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে পরিষ্কার আবহাওয়ায় হিমালয় পর্বতের কাঞ্চনজঙ্ঘা শৃঙ্গ দৃশ্যমান হয়। - ভৌগোলিক অবস্থান এবং হিমালয়ের নৈকট্যের কারণে শীতকালে এই অঞ্চলের আকাশ পরিষ্কার থাকলে শৃঙ্গটি দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঞ্চন জঙ্গাসা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের উত্তর প্রান্ত থেকে দৃশ্যমান হিমালয়ের একমাত্র প্রধান শৃঙ্গ এটি। B) চিম্বুক — এটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়, যা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং হিমালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) এভারেস্ট — এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলেও বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে সরাসরি দেখা যায় না। D) কেওক্রাডং — এটি বাংলাদেশের অন্যতম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ যা বান্দরবান জেলায় অবস্থিত এবং এটি হিমালয়ের অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: উত্তরের তেঁতুলিয়া থেকে দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা।
a Joyti Basu
b Indira Gandhi
c Rajib Gandhi
d of them
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Indira Gandhi কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। - তাঁর দূরদর্শী কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সহায়তার কারণে ভারত বাংলাদেশের প্রায় ১ কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় ও মুক্তিযোদ্ধাদের সামরিক সহায়তা দিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Joyti Basu — তিনি ১৯৭১ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিশিষ্ট বামপন্থী রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। B) Indira Gandhi — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৭১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। C) Rajib Gandhi — তিনি পরবর্তী সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, ১৯৭১ সালে এই দায়িত্বে ছিলেন না। D) of them — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং সঠিক উত্তরের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে ক্ষমতায় ছিলেন নারী নেত্রী ইন্দিরা গান্ধী, নামের প্রথম অক্ষর ই দিয়ে মনে রাখতে পারেন ১৯৭১।
a রুনা লায়লা
b বাপ্পি লাহিরি
c মার্ক এন্থনি
d জর্জ হ্যারিসন
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জর্জ হ্যারিসন কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে বিশ্ববাসীর সমর্থন ও ত্রাণ সংগ্রহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ারে ঐতিহাসিক কনসার্ট ফর বাংলাদেশ অনুষ্ঠিত হয়। - বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড দ্য বিটলস এর সদস্য জর্জ হ্যারিসন ও সেতার বাদক পণ্ডিত রবি শঙ্কর যৌথভাবে এই কনসার্টের মূল আয়োজক এবং প্রধান শিল্পী ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুনা লায়লা — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হলেও এই আন্তর্জাতিক কনসার্টের প্রধান শিল্পী ছিলেন না। B) বাপ্পি লাহিরি — তিনি ভারতের প্রখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক ও গায়ক, যিনি এই কনসার্টের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) মার্ক এন্থনি — তিনি একজন মার্কিন গায়ক হলেও ১৯৭১ সালের এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। D) জর্জ হ্যারিসন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রধান উদ্যোক্তা ও শিল্পী হিসেবে কনসার্টটি পরিচালনা করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ কনসার্টের প্রধান শিল্পী ছিলেন জর্জ হ্যারিসন, যা বিটলস ব্যান্ডের নামটির সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখা যায়।
a ১০ জন
b ১৩ জন
c ৭ জন
d ১৫ জন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ জন কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ সর্বোচ্চ সামরিক পদবী বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি দেওয়া হয় ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে। - বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ৭ জনের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ জন — এটি ভুল তথ্য, কারণ মুক্তিযুদ্ধে ১০ জন নয় বরং ৭ জনকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি দেওয়া হয়েছিল। B) ১৩ জন — এই সংখ্যাটি ভুল, মুক্তিযুদ্ধে ১৩ জনকে বীরশ্রেষ্ঠ নয় বরং বীরউত্তম উপাধি দেওয়া হয়েছিল। C) ৭ জন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এই সর্বোচ্চ সম্মাননা দেওয়া হয়। D) ১৫ জন — এটি ভুল তথ্য, কারণ ১৫ জন বা অন্য কোনো সংখ্যার বীরশ্রেষ্ঠ নেই। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ মোট ৭ জন, এই সংখ্যাটি মনে রাখতে 'সাত বীর' শব্দ মনে রাখতে পারো।
a আব্দুল জব্বার
b আব্দুল হাদী
c মাহমুদুন্নবী
d খুরশীদ আলম
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আব্দুল জব্বার কেন সঠিক: - এই ঐতিহাসিক গানটির মূল কণ্ঠশিল্পী আব্দুল জব্বার, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়েছিল। - গানটির কথা লিখেছেন ফজল এ খোদা এবং সুর করেছেন মলয় কুমার গাঙ্গুলি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আব্দুল জব্বার — গানটির মূল গায়ক হওয়ার কারণে এটি সঠিক উত্তর। B) আব্দুল হাদী — তিনি বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হলেও এই গানটি তার গাওয়া নয়, তার গাওয়া অন্যান্য দেশীয় ও আধুনিক গান রয়েছে। C) মাহমুদুন্নবী — তিনি প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী হলেও এই নির্দিষ্ট গানটিতে কণ্ঠ দেননি। D) খুরশীদ আলম — তিনি মূলত আধুনিক ও চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক গায়ক, এই ঐতিহাসিক গানের সাথে তার কণ্ঠ সংশ্লিষ্ট নয়। মনে রাখার টিপস: সালাম মানেই জব্বারের সালাম, এভাবে মনে রাখতে পারেন কারণ তিনি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান কণ্ঠযোদ্ধা।
a আল গোর
b কমলা হ্যারিস
c মাইক পেন্স
d ডিক চেনি
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমলা হ্যারিস কেন সঠিক: - কমলা হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম নারী, আফ্রিকান আমেরিকান এবং দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। - তিনি জো বাইডেন প্রশাসনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৯তম ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল গোর — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিল ক্লিনটন প্রশাসনের সময় ৪৫তম ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন, বর্তমান সময়ের নন। B) কমলা হ্যারিস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি সাম্প্রতিক মেয়াদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন। সি) মাইক পেন্স — তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮তম ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। D) ডিক চেনি — তিনি জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন কমলা হ্যারিস, যার নামের প্রথম অংশের সাথে বর্ণমালার ক মিল রয়েছে।
a থেরেসা মে
b হিলারি ক্লিনটন
c অংসান সুচি
d শেখ হাসিনা
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শেখ হাসিনা কেন সঠিক: - ২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় ও খাদ্য সহায়তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হন। - তার এই মানবিক ভূমিকার জন্য যুক্তরাজ্যভিত্তিক চ্যানেল ফোর ও সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্ট তাকে মাদার অব হিউম্যানিটি বা মানবতার জননী উপাধিতে ভূষিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থেরেসা মে — তিনি যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক সহায়তার জন্য এই উপাধি পাননি। B) হিলারি ক্লিনটন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ, মাদার অব হিউম্যানিটি উপাধির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। C) অংসান সুচি — তিনি মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর ছিলেন এবং রোহিঙ্গা সংকটে নীরবতার জন্য বিশ্বব্যাপী সমালোচিত হন। D) শেখ হাসিনা — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ তিনি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্ববাসীর প্রশংসা অর্জন করেছেন। মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় মানবতার কল্যাণে অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মাদার অব হিউম্যানিটি বলা হয়।
a ডা. দিপু মনি
b টিপু মুন্সি
c আ.ফ.ম মোস্তফা কামাল
d আব্দুর রাজ্জাক
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) আ.ফ.ম মোস্তফা কামাল কেন সঠিক: - আ.ফ.ম মোস্তফা কামাল বা আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরির সময়কার প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী তাকেই এই পদের জন্য সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডা. দিপু মনি — তিনি বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন, অর্থমন্ত্রী ছিলেন না। B) টিপু মুন্সি — তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন, অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন না। C) আ.ফ.ম মোস্তফা কামাল — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনি নির্দিষ্ট মেয়াদে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। D) আব্দুর রাজ্জাক — তিনি কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন, অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী আ হ ম মুস্তফা কামালের নাম মনে রাখতে কামাল শব্দটি দিয়ে তার রাজনৈতিক ও দাপ্তরিক পরিচয় স্মরণ রাখা যায়।
a ১৮৬৪ সালে
b ১৮৬৮ সালে
c ১৮৬৬ সালে
d ১৮৬৩ সালে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮৬৩ সালে কেন সঠিক: - জিন হেনরি ডুনান্টের উদ্যোগে ১৮৬৩ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - যুদ্ধাহত সৈনিকদের সেবা ও মানবিক সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে এই আন্তর্জাতিক সংস্থাটি গঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬৪ সালে — এই সালে প্রথম জেনেভা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়, যা রেডক্রস কার্যক্রমের আইনি ভিত্তি দেয়। B) ১৮৬৮ সালে — সেন্ট পিটার্সবার্গ ঘোষণা স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা যুদ্ধে বিস্ফোরক bullets ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। C) ১৮৬৬ সালে — অস্ট্রিয়া ও প্রাশিয়ার মধ্যে সাত সপ্তাহের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এবং প্রাহা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। D) ১৮৬৩ সালে — এই সালেই সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় রেডক্রস আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: রেডক্রস প্রতিষ্ঠার সালটি মনে রাখতে সংখ্যাগুলো মনে রাখুন, হেনরি ডুনান্ট ১৮৬৩ সালে পাঁচজন সদস্য নিয়ে এই কমিটি গঠন করেছিলেন।
a ২৪ অক্টোবর
b ২৪ আগস্ট
c ২৪ ডিসেম্বর
d ২৪ নভেম্বর
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ অক্টোবর কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে সংস্থাটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। - পরবর্তীতে ১৯৪৮ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী আনুষ্ঠানিকভাবে ২৪ অক্টোবর তারিখটিকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়েছিল। B) ২৪ আগস্ট — এই তারিখে জাতিসংঘ সম্পর্কিত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস পালিত হয় না। C) ২৪ ডিসেম্বর — এটি ক্রিসমাসের ঠিক আগের দিন এবং এই তারিখে জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় না। D) ২৪ নভেম্বর — এই তারিখে জাতিসংঘের কোনো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বা নির্দিষ্ট কোনো সাধারণ দিবস নেই। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাসাল ১৯৪৫ এবং মাস ও তারিখ হলো ১০ মাস ২৪ দিন অর্থাৎ ২৪ অক্টোবর।
a ৩১ মে ২০২১
b ৩০ মে ২০২১
c ৩১ আগস্ট ২০২১১
d জানুয়ারি ২০২১
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩১ আগস্ট ২০২১ প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক ঘটনা কেন সঠিক: - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘ কুড়ি বছর যুদ্ধের পর আনুষ্ঠানিকভাবে আফগানিস্তান থেকে তাদের সমস্ত সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার সম্পন্ন করে। - ২০২১ সালের আগস্ট মাসের শেষ দিনে মার্কিন সামরিক বিমান কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করার মাধ্যমে এই সেনা প্রত্যাহারের সমাপ্তি ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩১ মে ২০২১ — এটি মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সমাপ্তির তারিখ নয়, বরং প্রক্রিয়াটি চলমান ছিল। B) ৩০ মে ২০২১ — এটি সঠিক তারিখ নয় এবং সেসময়ে সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। C) ৩১ আগস্ট ২০২১১ — প্রদত্ত উত্তরে একটি অতিরিক্ত সংখ্যা রয়েছে, তবে সাল হিসেবে ২০২১ সালের ৩১ আগস্ট তারিখটিই সঠিক। D) জানুয়ারি ২০২১ — এই সময়ে জো বাইডেন প্রশাসন আফগানিস্তান থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিলেও প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়নি। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের সালটি মনে রাখতে ২০২১ সালের আগস্ট মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ আগস্ট কথাটি মনে রাখুন।
a পাঞ্জাব প্রদেশে
b সিন্ধু প্রদেশে
c আফগানিস্তানে
d পেশোয়ারে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিন্ধু প্রদেশে কেন সঠিক: - মহেঞ্জোদারো প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতার একটি প্রধান ও অন্যতম বৃহৎ নগরকেন্দ্র। - বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় সিন্ধু নদের অববাহিকায় এটি অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাঞ্জাব প্রদেশে — পাঞ্জাব প্রদেশে পাকিস্তানের অপর প্রাচীন ঐতিহাসিক নগরী হরপ্পা অবস্থিত, মহেঞ্জোদারো নয়। B) সিন্ধু প্রদেশে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) আফগানিস্তানে — আফগানিস্তানে সিন্ধু সভ্যতার ছোট কিছু বাণিজ্যিক কেন্দ্র যেমন ষোর্তুগাই ছিল, কিন্তু মহেঞ্জোদারো সেখানে অবস্থিত নয়। D) পেশোয়ারে — পেশোয়ার পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে অবস্থিত এবং এটি প্রাচীন গান্ধার সভ্যতার অংশ ছিল। মনে রাখার টিপস: মহেঞ্জোদারো নামের সাথে সিন্ধু নদের সংযোগ আছে, তাই এটি সিন্ধু প্রদেশেই অবস্থিত।
a এশিয়া
b উত্তর আমেরিকা
c দক্ষিণ আমেরিকা
d আফ্রিকা
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উত্তর আমেরিকা কেন সঠিক: - পানামা খাল উত্তর আমেরিকা মহাদেশের পানামা দেশে অবস্থিত এবং এটি আটলান্টিক মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। - ভৌগোলিক অবস্থানগতভাবে পানামা প্রজাতন্ত্র উত্তর আমেরিকা মহাদেশের দক্ষিণ প্রান্তে এবং দক্ষিণ আমেরিকার ঠিক সংযোগস্থলে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ, যেখানে পানামা খাল অবস্থিত নয়। B) উত্তর আমেরিকা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) দক্ষিণ আমেরিকা — খালটির নিকটবর্তী হলেও পানামা রাষ্ট্রটি প্রশাসনিক ও ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। D) আফ্রিকা — এটি একটি ভিন্ন মহাদেশ, যেখানে সুয়েজ খাল অবস্থিত কিন্তু পানামা খাল নেই। মনে রাখার টিপস: আমেরিকা মহাদেশ দুটি হলেও পানামা খালটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের শেষ প্রান্তে অবস্থিত।
a নিশাত মজুমদার
b সত্যব্রত দাম
c মুসা ইব্রাহিম
d ওয়াসফিয়া নাজরিন
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সত্যব্রত দাম কেন সঠিক: - সত্যব্রত দাম হলেন প্রথম বাঙালি যিনি বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট সফলভাবে জয় করেন। - তিনি ২০১১ সালের ২৫শে মে ভারতীয় অভিযানের অংশ হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিশাত মজুমদার — ইনি প্রথম বাংলাদেশি নারী যিনি ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন, তবে প্রথম বাঙালি নন। B) সত্যব্রত দাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) মুসা ইব্রাহিম — ইনি প্রথম বাংলাদেশি যিনি ২০১১ সালের ২৩শে মে এভারেস্ট জয় করেন, কিন্তু সামগ্রिकভাবে প্রথম বাঙালি নন। D) ওয়াসফিয়া নাজরিন — ইনি দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী যিনি ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন। মনে রাখার টিপস: বাঙালি হিসেবে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন সত্যব্রত দাম, আর বাংলাদেশি পুরুষ হিসেবে মুসা ইব্রাহিম।
a মালয়েশিয়া
b থাইল্যান্ড
c ফিলিপাইন্স
d ইন্দোনেশিয়া
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: - সুমাত্রা দ্বীপটি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ রাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ার একটি প্রধান ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ। - এটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম দ্বীপ এবং এটি সম্পূর্ণভাবে ইন্দোনেশিয়ার ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মালয়েশিয়া — এটি মালয় উপদ্বীপ এবং বোর্নিও দ্বীপের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত, সুমাত্রা দ্বীপ এর অন্তর্ভুক্ত নয়। B) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ডের একটি দেশ, যার সীমানায় কোনো বৃহৎ দ্বীপপুঞ্জ নেই। C) ফিলিপাইন্স — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি স্বাধীন দ্বীপ রাষ্ট্র, যা সুমাত্রা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা অঞ্চলে অবস্থিত। D) ইন্দোনেশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ সুমাত্রা দ্বীপটি এই দেশেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। মনে রাখার টিপস: ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপগুলো মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন যে, সুমাত্রা, জাভা এবং সুলাওয়েসি দ্বীপগুলো ইন্দোনেশিয়ার অংশ।
a ৫টি
b ৬টি
c ৭টি
d ৮টি
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭টি কেন সঠিক: - বিম্সটেক একটি আঞ্চলিক জোট এবং এর বর্তমান সদস্য দেশের সংখ্যা ঠিক ৭টি। - দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য এই ৭টি দেশ নিয়ে সংস্থাটি গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বর্তমানে বিম্সটেক জোটে ৫টির বেশি সদস্য রয়েছে। B) ৬টি — এই সংখ্যাটি বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিলছে না। সি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ৮টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বিম্সটেক কখনোই আটটি সদস্য দেশ নিয়ে গঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: বিম্সটেক নামের প্রথম অংশ মনে রেখে ভাবুন সাগরে ৭টি দেশ নিয়ে একটি সেতু তৈরি হয়েছে।
a থেরেসা মে
b কফি আনান
c অ্যান্টিনিও গুতেরেস
d জন ম্যানুয়েল সান্তোস
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ্যান্টিনিও গুতেরেস কেন সঠিক: - অ্যান্টিনিও গুতেরেস জাতিসংঘের নবম বর্তমান মহাসচিব এবং তিনি ২০১৭ সাল থেকে এই দায়িত্ব পালন করছেন। - তিনি পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার প্রধান ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থেরেসা মে — ইনি যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, জাতিসংঘের মহাসচিব নন। B) কফি আনান — ইনি জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন, বর্তমান মহাসচিব নন। D) জন ম্যানুয়েল সান্তোস — ইনি কলম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী, জাতিসংঘের মহাসচিব নন। মনে রাখার টিপস: বর্তমান মহাসচিবের নামের শেষে 'স' আছে এবং তিনি পর্তুগালের নাগরিক, এভাবে মনে রাখতে পারেন।