জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (NSI)

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (NSI) পরীক্ষা ২০২১

পদের নাম: ফিল্ড স্টাফ (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত।
b সমাসবদ্ধ পদে সন্ধি করা অনুচিত।
c ধাতুর সঙ্গে প্রযুক্ত উপসর্গে সন্ধি করা অনুচিত।
d উপরের কোনোটিই নয়।
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত। ১. কেন সঠিক: সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য হলো দুটি ধ্বনির মিলন বা সহজ উচ্চারণ। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বরসন্ধি বা ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে সাধারণত একই উৎসের শব্দের মধ্যে সন্ধি হওয়া বাঞ্ছনীয়, তবে বাংলা ও সংস্কৃত শব্দের মিশ্রণে যথেচ্ছ সন্ধি করা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে অনুচিত বলে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি মূলত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ক্ষেত্রেই বেশি প্রযোজ্য এবং এর সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। বাংলা তদ্ভব বা দেশি শব্দের সঙ্গে তৎসম শব্দের মিলন ঘটিয়ে সন্ধি করলে ভাষার স্বাভাবিক ধ্বনিপ্রকৃতি ও প্রমিত রূপ নষ্ট হয়। তাই বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি সাধিত হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঠ + আসানি = কাঠাসানি বা হাত + কাটা = হাতকাটা। ব্যাখ্যা: এগুলো খাঁটি বাংলা শব্দ হওয়ায় এখানে কোনো সংস্কৃত সন্ধির নিয়ম প্রযোজ্য হয় না, বরং এগুলো সমাসবদ্ধ পদের মতো পাশাপাশি বসে। উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়। ব্যাখ্যা: এটি দুটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের মিলন, যেখানে সঠিকভাবে স্বরসন্ধির নিয়ম পালিত হয়েছে এবং এটি গ্রহণযোগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত — এটি সঠিক হওয়ার কারণে প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। B) সমাসবদ্ধ পদে সন্ধি করা অনুচিত — সমাসবদ্ধ পদে সাধারণত অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং সেখানে পদগুলো স্বাভাবিকভাবে বসে, তাই সেখানে সন্ধি করা বাধ্যতামূলক বা সর্বদা উচিত নয়। C) ধাতুর সঙ্গে প্রযুক্ত উপসর্গে সন্ধি করা অনুচিত — উপসর্গ ও ধাতুর সংযোগে সন্ধি হয় না, বরং উপসর্গ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সন্ধির ক্ষেত্রে সমজাতীয় শব্দের মিলনকে প্রাধান্য দেবে এবং বাংলা ও সংস্কৃত শব্দের মিশ্রণ এড়িয়ে চলবে। সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত এবং বাংলা শব্দের সঙ্গে বাংলা শব্দের মিলনই সন্ধির মূল নীতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধির নিয়ম ও ব্যতিক্রম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন ক্ষেত্রে সন্ধি করা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ঢাকে + ঈশ্বরী
b ঢাকা + ঈশ্বরী
c ঢাক + ঈশ্বরী
d ঢাকাই + ঈশ্বরী
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা + ঈশ্বরী ১. কেন সঠিক: - 'ঢাকা' শব্দের সাথে 'ঈশ্বরী' যুক্ত হয়ে স্বরসন্ধির নিয়মে 'ঢাকেশ্বরী' শব্দটি গঠিত হয়েছে। - এখানে প্রথম পদের শেষে থাকা অ এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে থাকা দীর্ঘ ঈ মিলে এ কার গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - স্বরবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের মিলনকে স্বরসন্ধি বলা হয়। - অ বা আ কারের পর দীর্ঘ ঈ কার থাকলে উভয় মিলে এ কার হয় এবং তা আগের বর্ণে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহা + ঈশ্বর = মহেশ্বরে ব্যাখ্যা: আ কারের পর দীর্ঘ ঈ কার থাকলে এ কার হয়, যার প্রমিত রূপ মহেশ্বর। উদাহরণ ২: যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট ব্যাখ্যা: আ কারের পর ই কার থাকলে এ কার হয়, যা সন্ধির একটি সাধারণ নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকে + ঈশ্বরী — এখানে প্রথম পদে 'ঢাকে' লেখা হয়েছে যা মূল শব্দ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক শব্দমূল রক্ষা করে না। B) ঢাকা + ঈশ্বরী — এটি সঠিক কারণ এতে মূল শব্দ 'ঢাকা' এবং 'ঈশ্বরী' সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। C) ঢাক + ঈশ্বরী — এখানে প্রথম অংশ 'ঢাক' লেখা হয়েছে যা সঠিক শব্দমূল বা স্থাননামের পূর্ণ রূপ নয়। D) ঢাকাই + ঈশ্বরী — এখানে 'ঢাকাই' একটি প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যা এই সন্ধির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খেয়াল রাখবে প্রথম অংশ যেন একটি অর্থপূর্ণ শব্দ হয়। - স্থানবাচক শব্দ 'ঢাকা' এর সাথে দেবীর নাম 'ঈশ্বরী' যোগ করে এই সন্ধিটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্থানবাচক শব্দের সন্ধি প্রায়ই আসে। - স্বরসন্ধির এই নিয়মটি মনে রাখলে অনুরূপ অনেক শব্দের সন্ধি সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d জীবনানন্দ দাশ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - ঝরা পালক কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। - ১৯২৭ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে কবির প্রাথমিক রচনার রোমান্টিক ভাবনা ও বিষণ্নতার সুর স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ ১৯১৮ সালে ব্রাহ্ম সমাজ লাইব্রেরি থেকে প্রকাশিত ব্রহ্মবাদী পত্রিকায় প্রথম কবিতা প্রকাশ করেন এবং তাকে আধুনিক কবিতার রূপকার বলা হয়। - তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী এবং সাতটি তারার তিমির। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের সর্বাধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতায় ক্লাসিকের মর্যাদা লাভ করেছে। উদাহরণ ২: ধূসর পাণ্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা কাব্যে প্রকৃতি ও নিঃসঙ্গতার এক অনন্য দলিল হিসেবে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — ইনি বাংলা সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ মেঘনাদবধ কাব্য। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নোবেলজয়ী কবি, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ মানসী ও সোনার তরী। C) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - জীবন ও জগত থেকে ঝরে পড়া পালকের মতো বিষণ্ন কবির প্রথম কাব্য হলো ঝরা পালক। - রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে ঝরা পালক নামটি প্রথমা হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মবার্ষিকী ও মৃত্যুবার্ষিকী এবং তার প্রথম কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a তরু
b অরুণ
c নীরদ
d কুজ
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তরু ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নে 'অটবী' শব্দের সমার্থক বা অর্থপূর্ণ শব্দ চাওয়া হয়েছে এবং 'অটবী' শব্দের অর্থ বন বা অরণ্য। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'তরু' শব্দটি গাছ অর্থে ব্যবহৃত হলেও অনেক সময় পরীক্ষার বহুচয়ন প্রশ্নে বনের গাছ বা বৃক্ষসমষ্টির কারণে এটি নিকটবর্তী বা সঠিক হিসেবে ধরা হয়, তবে মূল ব্যাকরণগত অর্থে অটবী অর্থ জঙ্গল বা কানন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সমার্থক শব্দ বা শব্দের অর্থ সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে। - বাংলা ভাষায় একটি শব্দের বহু সমার্থক শব্দ থাকতে পারে এবং প্রতিশব্দ মুখস্থ করার মাধ্যমে ভাষার প্রয়োগ ক্ষেত্র প্রসারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অরণ্য ব্যাখ্যা: এটি অটবী শব্দের সরাসরি সমার্থক এবং এর অর্থও বন বা জঙ্গল। উদাহরণ ২: কানন ব্যাখ্যা: এটিও অটবী শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরু — যদিও এটি গাছ অর্থে ব্যবহৃত হয়, তবে পরীক্ষার প্রমিত উত্তর হিসেবে এটি গৃহীত হয়েছে। B) অরুণ — এর অর্থ সূর্য বা ভোরের লাল আভা, যা অটবী শব্দের সমার্থক নয়। C) নীরদ — এর অর্থ মেঘ, কারণ নীর অর্থ জল এবং দ অর্থ যে দান করে। D) কুজ — এর অর্থ কুঁজো বা অবনত, যা অটবীর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অটবী শব্দের অর্থ মনে রাখতে অরণ্য বা কানন শব্দগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে পারো। - প্রতিশব্দ পড়ার সময় শব্দের উৎস ও প্রচলিত অর্থ একসঙ্গে মনে রাখা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বন, অরণ্য, আকাশ ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো বারবার আসে। - প্রমিত বাংলা অভিধান অনুসরণ করে শব্দের সঠিক অর্থ জেনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a চুপচাপ
b পটাপট
c ঝমঝম
d সুরে সুরে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঝমঝম ১. কেন সঠিক: - ঝমঝম হলো অনুকার দ্বিত্ব বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের একটি নিখুঁত উদাহরণ। - কোনো কিছুর বাস্তব বা কাল্পনিক ধ্বনির অনুকরণে যে শব্দ তৈরি হয়, তাকে অনুকার শব্দ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে এবং তা দুবার ব্যবহৃত হলে অনুকার দ্বিত্ব গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলো কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনি, কাজের শব্দ বা ভাবের অনুকরণে গঠিত হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা অনুকার শব্দ বলা হয়। - এই শব্দগুলো যখন পরপর দুবার বসে কোনো বিশেষ ভাব প্রকাশ করে, তখন তাকে অনুকার দ্বিত্ব বা ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রিমঝিম ব্যাখ্যা: এটি বৃষ্টির ঝরে পড়ার শব্দের অনুকার দ্বিত্ব, যা বৃষ্টির মৃদু শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ঘেউঘেউ ব্যাখ্যা: এটি কুকুরের ডাকের অনুকার দ্বিত্ব, যা কুকুরের আওয়াজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চুপচাপ — এটি অনুকার দ্বিত্ব নয়, কারণ এটি কোনো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয়নি বরং এটি একটি ভাববাচক শব্দ বা অবস্থাবাচক দ্বিরুক্ত শব্দ। B) পটাপট — এটি একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ হলেও এর রূপটি মূলত দ্রুত কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, যা পূর্ণাঙ্গ অনুকার দ্বিত্বের চেয়ে কাজের দ্রুততা নির্দেশক দ্বিরুক্তি। C) ঝমঝম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) সুরে সুরে — এটি সুর শব্দের বহুবচনান্তক বা পদভিত্তিক দ্বিরুক্তি, কোনো ধ্বনির অনুকার দ্বিত্ব নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, যে শব্দগুলো শোনার অনুভূতির সাথে জড়িত অর্থাৎ কান দিয়ে শোনা যায় এমন কোনো আওয়াজ বোঝায়, সেটাই মূলত অনুকার দ্বিত্ব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি এবং ভাববাচক দ্বিরুক্তির পার্থক্য প্রায়ই আসে, তাই শব্দ শোনার অনুভূতির সাথে জড়িত কি না তা খেয়াল রাখতে হবে।
a 7
b 37
c 32
d 39
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৭ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা ৩৭টি। এর মধ্যে স্বরধ্বনি ৭টি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি মিলে মোট ৩৭টি মৌলিক ধ্বনি রয়েছে। ভাষা বিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী যে ধ্বনিগুলোকে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক ধ্বনি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি হলেও উচ্চারণের দিক থেকে মৌলিক ধ্বনি ৩৭টি। মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা। বাকি বর্ণগুলো যুক্ত হয়ে বা পরাধীনভাবে উচ্চারিত হয় বলে সেগুলোকে মৌলিক ধ্বনির বাইরে রাখা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই একা উচ্চারিত হতে পারে। উদাহরণ ২: ক ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি যা মুখের ভেতর উচ্চারিত হয়ে শব্দ গঠনে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ — এটি কেবল মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা, কিন্তু প্রশ্নে মোট মৌলিক ধ্বনি জানতে চাওয়া হয়েছে। C) ৩২ — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা নির্দেশ করে না। D) ৩৯ — এটি বাংলা বর্ণমালার ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা, মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মৌলিক ধ্বনি ৩৭টি মনে রাখতে স্বরধ্বনি ৭টি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি আলাদা করে যোগ করে নেবে। ৭ যোগ ৩০ সমান ৩৭। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি এবং মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি, এই বিভাজনটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ধ্বনি ও বর্ণ পড়ার সময় এই সংখ্যা দুটি সবসময় আলাদা করে মনে রাখবে।
a অনুসর্গ
b নির্দেশক
c আবেগ
d যোজক
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যোজক ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'তবু' শব্দটি দুটি খণ্ডবাক্যকে সংযুক্ত করেছে, যা ব্যাকরণ অনুযায়ী যোজকের কাজ। - যোজক হলো এমন পদ যা দুটি শব্দ, বাক্যাংশ বা বাক্যকে যুক্ত করতে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে পদ এক বা একাধিক পদ, বাক্যাংশ বা বাক্যকে যুক্ত করে তাকে যোজক পদ বলে। - এটি বাক্যের অর্থ প্রকাশে সংগতি ও সংযোগ স্থাপন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে গরিব, কিন্তু সৎ। ব্যাখ্যা: এখানে 'কিন্তু' একটি যোজক যা দুটি বিপরীতার্থক বাক্যকে যুক্ত করেছে। উদাহরণ ২: বৃষ্টি হচ্ছে, অতএব বাইরে যাবো না। ব্যাখ্যা: এখানে 'অতএব' যোজকটি কারণ ও ফলাফল প্রকাশকারী দুটি বাক্যকে যুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুসর্গ — অনুসর্গ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে, কিন্তু এখানে পদের সংযোগ ঘটেছে। B) নির্দেশক — নির্দেশক পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায় যেমন টা, টি, খানা, খানি, যা এই বাক্যে নেই। C) আবেগ — আবেগ পদ মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে যেমন বাহ, ছি ছি, যা এই বাক্যের সংযোগকারী শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) যোজক — এটি সঠিক কারণ 'তবু' শব্দটি দুটি খণ্ডবাক্যকে সাফল্যের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যের মাঝখানে বসে যদি দুটি বাক্যকে এক করে দেয় এবং এবং, কিন্তু, অথবা, তবু, যদি থাকে তবে চোখ বন্ধ করে তাকে যোজক বলবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর ও পদ নির্ণয়ে যোজক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সংযোজক, বিয়োজক ও বৈপরীত্যবাচক যোজকগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন খুব সহজে সমাধান করা যায়।
a ই
b ঋ
c ও
d ঔ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঋ ১. কেন সঠিক: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট সাতটি কিন্তু প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী স্বরবর্ণ এগারোটি। ঋ কোনো মৌলিক স্বরধ্বনি নয় কারণ এটি উচ্চারণের সময় রি বা র এবং ই এর মতো ব্যঞ্জনধ্বনির মিশ্রণ ঘটায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব বর্ণ অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে সম্পূর্ণভাবে উচ্চারিত হয় তাদেরকে স্বরধ্বনি বলে। বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ হলো এগারোটি যথা অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি বিশুদ্ধ স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় মুখের ভেতর কোনো বাধা পায় না। উদাহরণ ২: ই ব্যাখ্যা: এটিও একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণে অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য লাগে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ই — এটি বাংলা বর্ণমালার একটি মৌলিক স্বরধ্বনি তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না। B) ঋ — এটি স্বরবর্ণের অন্তর্ভুক্ত হলেও আধুনিক ধ্বনিতত্ত্বে এটি ব্যঞ্জনধ্বনি র এবং ই এর যুক্তরূপ হিসেবে বিবেচিত হয়। C) ও — এটি একটি যৌগিক স্বরধ্বনি বা স্বরজ্ঞাপক বর্ণ যা স্বরধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। D) ঔ — এটিও একটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা স্বরবর্ণের তালিকায় স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। ৫. মনে রাখার টিপস: ঋ দেখতে স্বরবর্ণের মতো হলেও এর উচ্চারণ র এর মতো তাই এটি খাঁটি স্বরধ্বনি নয়। বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ দুটি অর্থাৎ ঐ এবং ঔ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণ এগারোটি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন বর্ণটি উচ্চারণে ব্যঞ্জনধ্বনির সাহায্য নেয়।
a আওয়াজ-নজরানা-ফরমান
b কলম-হাকিম-দখল
c দরিয়া-আজাদ-সুদ
d দাম-উর্দি-ভরসা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কলম-হাকিম-দখল ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দগুচ্ছের প্রতিটি শব্দ অর্থাৎ কলম, হাকিম ও দখল সরাসরি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আগত বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি শব্দসমূহ ধর্মীয়, প্রশাসনিক ও দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে উৎসের ভিত্তিতে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফার্সি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, তুর্কি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য এবং এসকল শব্দ দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আদালত, দলিল ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো বিচারালয় সংক্রান্ত আরবি শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: বাকি, তারিখ ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো হিসাব ও সময় নির্দেশক আরবি শব্দ যা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আওয়াজ-নজরানা-ফরমান — এই গুচ্ছের আওয়াজ ও ফরমান ফার্সি শব্দ এবং নজরানা একটি মিশ্র শব্দ। B) কলম-হাকিম-দখল — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর প্রতিটি শব্দই আরবি ভাষার অন্তর্গত। C) দরিয়া-আজাদ-সুদ — এই গুচ্ছের দরিয়া ও আজাদ ফার্সি শব্দ এবং সুদ একটি বাংলা শব্দ। D) দাম-উর্দি-ভরসা — এই গুচ্ছের দাম ও উর্দি যথাক্রমে গ্রিক ও তুর্কি শব্দ এবং ভরসা একটি তদ্ভব শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রশাসন, আদালত ও ধর্মের সাথে জড়িত বেশিরভাগ শব্দ সাধারণত আরবি বা ফার্সি হয়ে থাকে। - কলম, কাগজ, কিতাব, আদালত, হাকিম, রায় ইত্যাদি পরিচিত শব্দ দেখলে আরবি ভাষা হিসেবে বিবেচনা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দগুলোর অর্থ এবং কোন ভাষা থেকে এসেছে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
a পার্থিব-ইহলৌকিক
b জঙ্গম-সন্ন্যাসী
c নিরক্ষর- স্বাক্ষর
d অনুরাগ - বিরাগ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুরাগ - বিরাগ ১. কেন সঠিক: - অনুরাগ শব্দের অর্থ গভীর ভালোবাসা, প্রীতি বা আসক্তি এবং বিরাগ শব্দের অর্থ বিতৃষ্ণা, উদাসীনতা বা অনাসক্তি। - শব্দ দুটি অর্থের দিক থেকে একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত ভাব প্রকাশ করায় এটি একটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দজোড়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলো একে অপরের বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে বিপরীতার্থক শব্দ বলে। - তৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে ভাষার নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বিপরীত শব্দ ব্যবহার করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকুঞ্চন - প্রসারণ ব্যাখ্যা: আকুঞ্চন অর্থ সংকুচিত হওয়া এবং প্রসারণ অর্থ প্রসারিত বা ছড়ানো হওয়া, যা একে অপরের বিপরীত। উদাহরণ ২: উন্নত - অবনত ব্যাখ্যা: উন্নত অর্থ উঁচুতে অবস্থিত এবং অবনত অর্থ নিচু বা অবনমিত, যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দজোড়ের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার্থিব-ইহলৌকিক - পার্থিব শব্দের অর্থ পৃথিবীর বা লৌকিক এবং ইহলৌকিক শব্দের অর্থ এই জগতের, তাই এরা সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক নয়। B) জঙ্গম-সন্ন্যাসী - জঙ্গম শব্দের বিপরীত শব্দ স্থাবর এবং সন্ন্যাসী শব্দের বিপরীত গৃহী, তাই এই জোড়টি সঠিক নয়। C) নিরক্ষর- স্বাক্ষর - নিরক্ষর শব্দের অর্থ যিনি অক্ষর চেনেন না এবং স্বাক্ষর শব্দের অর্থ যিনি সাক্ষর বা সই করতে পারেন (তবে সঠিক বিপরীত শব্দ সাক্ষর বানান হিসেবে ভিন্ন), তাই শব্দের রূপগত মিল নেই। D) অনুরাগ - বিরাগ — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দজোড় কারণ এদের অর্থ পরস্পরবিরোধী। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুরাগ ও বিরাগ উভয় শব্দই ভাববাচক বিশেষ্য পদ এবং এদের শুরুতেই উপসর্গ যোগ করে বিপরীত অর্থ তৈরি করা হয়েছে। - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার সময় মূল শব্দের উৎসের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়, তাই অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সবসময় তৎসম শব্দ দ্বারাই গঠিত হয়।
a প্রত্যক্ষ
b পরোক্ষ
c চাক্ষুষ
d চক্ষুষ্মান
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চাক্ষুষ ১. কেন সঠিক: চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত বাক্যটির সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো চাক্ষুষ। কোনো ঘটনা চোখের সামনে বা প্রত্যক্ষভাবে ঘটলে তাকে এক কথায় চাক্ষুষ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাক্ষুষ প্রমাণ ব্যাখ্যা: চোখের সামনে দেখা বা প্রমাণিত কোনো সত্যকে চাক্ষুষ প্রমাণ বলা হয়। উদাহরণ ২: চাক্ষুষ অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা: নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করা কোনো ঘটনা থেকে অর্জিত জ্ঞান হলো চাক্ষুষ অভিজ্ঞতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যক্ষ — এর অর্থ যা অক্ষির প্রতি বা চোখের সামনে অবস্থিত, তবে বাক্য সংকোচন হিসেবে এটি সঠিক নয়। B) পরোক্ষ — এর অর্থ যা চোখের সামনে বা প্রত্যক্ষ নয়, অর্থাৎ আড়ালে বা দূরে সংঘটিত। D) চক্ষুষ্মান — এর অর্থ যার চক্ষু বা চোখ আছে, এটি কোনো ঘটনা বা সংঘটিত বিষয় বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: চক্ষু বা চোখ সংক্রান্ত কিছু ঘটলে এবং তার সাথে সম্পর্কিত শব্দ খুঁজলে চাক্ষুষ শব্দটি মনে রাখবে। চোখ থেকে চাক্ষুষ শব্দটি এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বাক্য এবং তার সংক্ষিপ্ত রূপের অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a ধৈর্য
b উল্লিখিত
c দারিদ্রব্যাপ্তি
d ব্যাপ্তি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দারিদ্রব্যাপ্তি ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটিতে দ্বিরুক্তিজনিত বা প্রত্যয়জনিত বাহুল্য দোষ রয়েছে। - দারিদ্র্য এবং ব্যাপ্তি দুটি শব্দ একসঙ্গে যুক্ত করে একটি অসিদ্ধ ও অপ্রমিত শব্দ গঠন করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের শব্দগঠন ও প্রত্যয় প্রকরণে শব্দের দ্বৈত ব্যবহার বা অর্থের পুনরাবৃত্তি দোষ হিসেবে গণ্য হয়। - দারিদ্র্য শব্দটির মধ্যে অবস্থা বোঝায় এবং এর সঙ্গে ব্যাপ্তি যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে সিদ্ধ নয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌজন্যতা ব্যাখ্যা: সুজন শব্দ থেকে সৌজন্য বা সৌজন্যতা গঠিত হয়, তবে প্রমিত রূপ হলো সৌজন্য। উদাহরণ ২: স্বরৈকতান ব্যাখ্যা: স্বর এবং ঐকতান দুটি একই অর্থ প্রকাশ করায় এটি একটি বাহুল্য দোষযুক্ত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধৈর্য — এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ শব্দ যার অর্থ সহনশীলতা বা সংযম। B) উল্লিখিত — এটি উত এবং লিখিত মিলে গঠিত একটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণসিদ্ধ শুদ্ধ শব্দ। D) ব্যাপ্তি — এটি বি পূর্বক আপ ধাতু এবং ক্তি প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি শুদ্ধ শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - একই অর্থে দুটি ভিন্ন শব্দ বা প্রত্যয় একসঙ্গে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের মূল রূপ এবং প্রত্যয় ব্যবহারের দিকে বিশেষ নজর দিন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ ও প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসরণ করে শুদ্ধ ও অশুদ্ধ শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
a দন্দ
b দ্বন্দ্ব
c দন্দ্ব
d দ্বন্দ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্বন্দ্ব ১. কেন সঠিক: - দ্বন্দ্ব শব্দটিতে ব-ফলার সাথে দ যুক্ত হয়েছে এবং বানানে দুটি ব যুক্ত বর্ণ রয়েছে যা বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক। - এই শব্দটির অর্থ হলো ঝগড়া, লড়াই, বিরোধ কিংবা দুটি বিপরীত বা সমজাতীয় পদের মিলন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে ব-ফলার সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - দ্বন্দ্ব শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এতে দ এর নিচে ব এবং তার সাথে দ যুক্ত হয়ে এই রূপটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্বান ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দ এর নিচে ব যুক্ত হয়ে সঠিক প্রমিত রূপ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: স্বাধীনতা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব-ফলার সঠিক প্রয়োগ দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দন্দ — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে ব-ফলা বা যুক্তবর্ণের সঠিক প্রয়োগ নেই এবং এটি একটি অসম্পূর্ণ গঠন। B) দ্বন্দ্ব — এটি সঠিক উত্তর এবং এতে প্রমিত বানানরীতি সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। C) দন্দ্ব — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ন যুক্ত করা হয়েছে যা মূল শব্দের গঠনে অনুপস্থিত। D) দ্বন্দ — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে শেষ বর্ণে হসন্ত বা পূর্ণ যুক্তবর্ণের অভাব রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - দ্বন্দ্ব বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এই শব্দটিতে দুটি ব এবং একটি ন যুক্ত থাকে। - দ এর নিচে ব এবং ব এর সাথে দ যুক্ত করে এই বানানটি লিখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের মিশ্র যুক্তবর্ণের বানানগুলো পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। - প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন খুব সহজেই সঠিক উত্তর করা সম্ভব।
a বিপদে পড়লে বুদ্ধি বাড়ে।
b বিপদ কখনও একা আসে না
c এক মাঘে শীত যায় না।
d দুর্ভাগ্য বিপদ বয়ে আনে।
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিপদ কখনও একা আসে না কেন সঠিক: - ইংরেজি প্রবচন Misfortune never comes alone-এর আক্ষরিক ও ভাবানুবাদ হলো বিপদ কখনও একা আসে না। - এর অর্থ হলো একটি বিপদ আসলে সাধারণত তার সাথে আরও নানা ধরনের বিপদ বা সমস্যা যুক্ত হয়ে আসে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি জনপ্রিয় প্রবাদবাক্য বা প্রবচন, যা মানুষের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তৈরি হয়েছে। - প্রবচনের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ বেশি উপযোগী, এক্ষেত্রে তা যথাযথভাবে রক্ষা করা হয়েছে। - যেমন, চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী প্রবচনের মতো এ জাতীয় বাক্য মানুষের লব্ধ জ্ঞান প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বিপদে পড়লে বুদ্ধি বাড়ে — এটি অভিজ্ঞতার একটি উক্তি হলেও মূল ইংরেজি প্রবচনের অর্থ প্রকাশ করে না। - B) বিপদ কখনও একা আসে না — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, বরং এটিই অপশনে দেওয়া হয়েছে। - C) এক মাঘে শীত যায় না — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রবচন যার অর্থ বিপদ বা কষ্টের সময় দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। - D) দুর্ভাগ্য বিপদ বয়ে আনে — এটি কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করলেও মূল প্রবচনের সরাসরি ও প্রচলিত বঙ্গানুবাদ এটি নয়। মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি শব্দ Misfortune অর্থ দুর্ভাগ্য বা বিপদ এবং alone অর্থ একা, তাই শব্দগুলো মিলিয়ে সঠিক অর্থটি মনে রাখবে।
a সম্পাদকীয়
b নির্বাচক
c সম্পাদক
d সাংবাদিক
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সম্পাদক ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি Editor শব্দের সঠিক পরিভাষা হলো সম্পাদক, যা সংবাদপত্র, সাময়িকী বা বইয়ের লেখা প্রস্তুত ও সংশোধন করার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিকে বোঝায়। - প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিভাষা হিসেবে এটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত এবং বহুল ব্যবহৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো সেই সকল শব্দ যা বিদেশি ভাষার শব্দের সমার্থক হিসেবে বাংলা ভাষায় আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়। - প্রশাসনিক, সাহিত্যিক ও দাপ্তরিক কাজে সঠিক পরিভাষার ব্যবহার ভাষার নির্ভুলতা রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Sub-editor ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি পরিভাষার বাংলা রূপ হলো সহকারী সম্পাদক। উদাহরণ ২: Managing Editor ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি পরিভাষার বাংলা রূপ হলো ব্যবস্থাপনা সম্পাদক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্পাদকীয় — এই শব্দটি Editorial শব্দের পরিভাষা, যা কোনো সংবাদপত্রের নীতিগত মতামত প্রকাশ করে। B) নির্বাচক — এই শব্দটি Selector শব্দের পরিভাষা, যা কোনো দল বা কমিটি গঠনের জন্য সদস্য বাছাই করার কাজ বোঝায়। C) সম্পাদক — প্রদত্ত সঠিক উত্তর। D) সাংবাদিক — এই শব্দটি Journalist শব্দের পরিভাষা, যা সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনের সঙ্গে যুক্ত পেশাজীবীকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি -or যুক্ত পদ বা পেশা নির্দেশক অনেক শব্দ বাংলায় সম্পাদক বা রূপকার অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন Editor মানে সম্পাদক। - পরিভাষা মুখস্থ না করে কাজের ধরন ও দায়িত্বের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবাদপত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত পরিভাষাগুলো বারবার আসে। - Editorial এবং Editor এই দুটি শব্দের পরিভাষা প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a কর্ম কারক
b অপদান কারক
c করণ কারক
d অধিকরণ কারক
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণ কারক ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে। এখানে 'আকাশে' শব্দটি ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার স্থান বা ক্ষেত্র নির্দেশ করায় এটি অধিকরণ কারক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়া কখন, কোথায় বা কোন বিষয়ে সম্পন্ন হয় তা জানা গেলে অধিকরণ কারক হয়। স্থান বা ক্ষেত্র বোঝানোর কারণে একে স্থানাধিকরণ বা দেশাধিকরণ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: এখানে 'বনে' একটি স্থান বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণ কারক। উদাহরণ ২: পুকুরে মাছ আছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'পুকুরে' স্থান নির্দেশ করায় এটি অধিকরণ কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ম কারক — কর্তা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, কিন্তু এখানে কোনো কর্ম নেই। B) অপদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, রক্ষিত বা ভয় পায় তা অপদান কারক, কিন্তু এখানে বিচ্যুতি বোঝায়নি। C) করণ কারক — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তা করণ কারক, কিন্তু আকাশ কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম নয়। D) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার স্থান বা সময় নির্দেশ করায় এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: কোথায় বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা অধিকরণ কারক। স্থান বা সময় বুঝলেই চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্থান বা আধার বোঝালে প্রথমা বা সপ্তমী বিভক্তিযুক্ত পদ অধিকরণ কারক হয়। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a কর্মে ৭মী
b অপাদানে ৭মী
c করণে ৫মী
d অধিকরণে ৫মী
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে ৭মী ১. কেন সঠিক: - 'পাপে বিরত হও' বাক্যে পাপ হতে বা থেকে বিরত হওয়ার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে, যা অপাদান কারকের মূল ভাব ধারণ করে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, রক্ষিত, ভীত বা উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অপাদান কারক হলো বাক্যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে উৎস থেকে কোনো কিছুর বিচ্যুতি, সুরক্ষা, ভয় বা বিরত থাকা বোঝায়। - 'পাপ' শব্দের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে 'পাপে' রূপ ধারণ করেছে, যা সপ্তমী বিভক্তির নির্দেশক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি, কারণ এখানে গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হয়েছে। উদাহরণ ২: বধ্যভূমিতে ডরাবে না কো বীর। ব্যাখ্যা: এটি অপাদান কারকে শূন্য বিভক্তি, কারণ এখানে ভয়ের উৎস বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ৭মী — কর্ম কারকে কখনো বিচ্যুতি বা বিরত থাকা বোঝায় না, তাই এটি ভুল। B) অপাদানে ৭মী — এটি সঠিক কারণ এখানে পাপ থেকে বিরত থাকা বা বিচ্যুতির অর্থ বোঝাচ্ছে এবং এ বিভক্তিটি সপ্তমী। C) করণে ৫মী — করণ কারকে যন্ত্র বা সহায়ক বোঝায়, যা এখানে নেই। D) অধিকরণে ৫মী — অধিকরণ কারকে স্থান বা কাল বোঝায়, যা এই বাক্যের ভাবের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলায় বিচ্যুতি, জাত, বিরত, রক্ষিত, ভীত এবং উৎপন্ন শব্দগুলো দেখলে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে। - এ, তে, এগুলো শব্দের সঙ্গে থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরত থাকা, মুক্ত হওয়া বা বাঁচা শব্দগুলোর কারক প্রায়ই অপাদান কারক হিসেবে আসে। - বিভক্তি নির্ণয়ের সময় শব্দের শেষে এ বা তে যুক্ত থাকলে সাধারণত তা সপ্তমী বিভক্তি হয়।
a গোবর গণেশ
b জলপানি
c গৌরচন্দ্রিকা
d পত্রপাঠ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গৌরচন্দ্রিকা ১. কেন সঠিক: - 'গৌরচন্দ্রিকা' বাগধারাটির শাব্দিক ও প্রমিত অর্থ হলো কোনো গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপনের আগে বা আসল কথা শুরু করার পূর্বে অতিরিক্ত কথা বলে ভূমিকা তৈরি করা। - মূল বিষয়ে সরাসরি প্রবেশ না করে আশপাশের কথা বা স্তূতির মাধ্যমে বক্তব্য শুরু করাকে এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও প্রথাগত ভাব প্রকাশ করে। - 'গৌরচন্দ্রিকা' শব্দের পেছনে একটি ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক বা সাংস্কৃতিক পটভূমি রয়েছে, যেখানে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর স্তবগান বা কীর্তনের মাধ্যমে যেকোনো ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা করা হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসল কথা বাদ দিয়ে এত গৌরচন্দ্রিকা না করে সরাসরি মূল পয়েন্টে আসো। ব্যাখ্যা: এখানে কোনো রাখঢাক না রেখে সরাসরি আসল কথায় আসার তাগিদ দিতে গৌরচন্দ্রিকা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বক্তা মহাশয় দীর্ঘ এক ঘণ্টা গৌরচন্দ্রিকা গেয়ে অবশেষে সভার মূল এজেন্ডা উপস্থাপন করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে সভার শুরুতে অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় ভূমিকা বা প্রারম্ভিক কথা বলার জন্য এই বাগধারাটি উপযুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবর গণেশ — এই বাগধারাটির অর্থ অত্যন্ত বোকাসোকা বা নির্বুদ্ধি ব্যক্তি, যা কোনোভাবেই ভূমিকা বা প্রারম্ভিক অবস্থাকে বোঝায় না। B) জলপানি — এই বাগধারাটির অর্থ মাসিক বৃত্তি বা সাধারণ ভাতা, যা টাকা-পয়সার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ভূমিকার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) গৌরচন্দ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ভূমিকা বা প্রস্তাবনা। D) পত্রপাঠ — এই বাগধারাটির অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে বা বিনা দেরিতে কোনো কাজ সম্পন্ন করা, যা ভূমিকার অর্থের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - বক্তৃতার শুরুতে গৌরাঙ্গ বা শ্রীচৈতন্যের কীর্তন গেয়ে ভূমিকা শুরু করার প্রথা থেকেই 'গৌরচন্দ্রিকা' অর্থ ভূমিকা বা সূচনা মনে রাখা যায়। - পরীক্ষার হলে 'শুরু' বা 'ভূমিকা' শব্দ দেখলে এই বাগধারাটি নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রারম্ভিক বা সূচনা অর্থক বাগধারা হিসেবে 'গৌরচন্দ্রিকা' প্রশ্ন আকারে আসে। - বাগধারার ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থের চেয়ে প্রচলিত অন্তর্নিহিত অর্থ পরীক্ষার জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
a পূর্বপদ
b উত্তর পদ
c পরপদ
d দক্ষিণ পদ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পূর্বপদ ১. কেন সঠিক: সমাসবদ্ধ পদে একাধিক পদের মিলন ঘটে এবং প্রথম অংশটিকে বলা হয় পূর্বপদ। সমাসের প্রক্রিয়ায় মূলত দুই বা ততোধিক পদের অর্থ একত্রে মিলিত হয়ে একটি নতুন পদ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমাসের ব্যাকরণিক নিয়ম অনুযায়ী সমস্ত পদের বা সমাসবদ্ধ পদের প্রথম অংশকে পূর্বপদ এবং শেষ অংশকে পরপদ বা উত্তর পদ বলা হয়। একাধিক পদের সংক্ষেপণ বা মিলনের মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের সংক্ষিপ্ততা রক্ষা করাই সমাসের মূল কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এই সমস্ত পদে সিংহ হলো পূর্বপদ এবং আসন হলো পরপদ। উদাহরণ ২: তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: এই সমস্ত পদে তুষার হলো পূর্বপদ এবং শুভ্র হলো পরপদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্বপদ — এটি সঠিক কারণ সমাসবদ্ধ পদের প্রথম অংশকে ব্যাকরণে পূর্বপদ বলা হয়। B) উত্তর পদ — এটি ভুল কারণ উত্তর পদ বলতে সমাসবদ্ধ পদের শেষের অংশকে বোঝায়, প্রথম অংশকে নয়। C) পরপদ — এটি ভুল কারণ পরপদ বা উত্তর পদ হলো সমাসবদ্ধ পদের শেষ অংশ, যা প্রথম অংশের বিপরীতে অবস্থান করে। D) দক্ষিণ পদ — এটি ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে সমাসের ক্ষেত্রে দক্ষিণ পদ বলে কোনো পরিভাষা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: সমাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথম পদ মানে পূর্বপদ আর পরের পদ মানে পরপদ বা উত্তর পদ। ইংরেজি শব্দের সঙ্গে তুলনা করলে প্রথম অংশ প্রিফিক্স বা পূর্বপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমস্ত পদের অংশগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। পূর্বপদ ও পরপদের অবস্থান ভালোভাবে চিনলে বহুব্রীহি বা কর্মধারয় সমাস নির্ণয় করা সহজ হয়।
a বিদুর
b শিজন
c অজিন
d অঙ্কন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিজন কেন সঠিক: - 'অলংকারের বাংকার' বা অলংকার তৈরির স্থানকে এককথায় শিজন বলা হয়। - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট শব্দটি অলংকার শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহার করা হয়। - যেমন: জানার ইচ্ছা = জিজ্ঞাসা, যা বলা হয়নি = কথ্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বিদুর — এই শব্দের অর্থ মহাভারতের এক জ্ঞানী চরিত্র বা পন্ডিত ব্যক্তি। - B) শিজন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) অজিন — এই শব্দের অর্থ হরিণের চামড়া বা মৃগচর্ম। - D) অঙ্কন — এই শব্দের অর্থ কোনো কিছু আঁকা বা চিত্রকর্ম তৈরি করা। মনে রাখার টিপস: - অলংকার বানানোর শিল্প বা স্থান মনে রাখতে শিজন শব্দটি আলাদা করে মুখস্থ রাখতে হবে।
a a
b an
c the
d no article
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) no article কেন সঠিক: - breakfast একটি খাবারের নাম এবং খাবারের নামের পূর্বে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কোনো আর্টিকেল বসে না। - এখানে have breakfast অর্থ খাওয়া, তাই এর মাঝে কোনো আর্টিকেল বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — breakfast একটি খাবারের নাম এবং এটি ভাওয়েল দিয়ে শুরু হলেও এর পূর্বে সাধারণ নিয়মে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে না। B) an — breakfast শব্দটির শুরুতে কনসোনেন্ট সাউন্ড রয়েছে, তাই ভাওয়েল সাউন্ডের অনুপস্থিতিতে এখানে an বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) the — breakfast নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ খাবার বোঝাচ্ছে না, বরং সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী খাবারের নামের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে না। D) no article — খাবারের নামের পূর্বে কোনো আর্টিকেল বসে না, তাই এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ বা ডিনারের মতো খাবারের নামের সাধারণ ব্যবহারের পূর্বে কোনো আর্টিকেল বসে না।
a add
b abhor
c mention
d attend
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) mention কেন সঠিক: mention শব্দটির শেষে ion যুক্ত আছে যা ইংরেজি ব্যাকরণে সাধারণত নাউন চেনার একটি সহজ উপায়। বাক্যে এই শব্দটি সাধারণত কোনো কাজের নাম বা বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) add — এটি একটি ভার বা ক্রিয়াপদ যার অর্থ যোগ করা। B) abhor — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়াপদ যার অর্থ ঘৃণা করা। C) mention — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) attend — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়াপদ যার অর্থ উপস্থিত থাকা। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শেষে tion বা sion থাকলে সাধারণত সেটি নাউন হয়ে থাকে।
a mansion
b bastion
c man
d attention
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) man কেন সঠিক: 'Man' শব্দটির অর্থ মানুষ বা মনুষ্যত্ব দেওয়া। এটি সাধারণত বাক্যে কর্তা হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি কাজ করা অর্থে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mansion — এটি একটি নাউন যার অর্থ রাজপ্রাসাদ। B) bastion — এটি একটি নাউন যার অর্থ দুর্গ বা শক্ত ঘাঁটি। C) man — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) attention — এটি একটি নাউন যার অর্থ মনোযোগ। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায় তাকে ভার্ব বলে এবং 'man' শব্দটি অনেক সময় কাজ করা অর্থে ব্যবহৃত হয়।
a Cowardly
b Undaunted
c Valiant
d Indomitable
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Cowardly কেন সঠিক: - Courageous শব্দটির অর্থ সাহসী এবং Cowardly শব্দটির অর্থ ভীরু বা কাপুরুষ, যা এর বিপরীতার্থক শব্দ। - এটি সরাসরি Courageous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cowardly - এটি সঠিক উত্তর এবং সাহসী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Undaunted - এর অর্থ নির্ভীক, যা Courageous শব্দের সমার্থক এবং বিপরীত নয়। C) Valiant - এর অর্থ বীরত্বপূর্ণ বা সাহসী, যা Courageous শব্দের সমার্থক এবং বিপরীত নয়। D) Indomitable - এর অর্থ অদম্য বা অপ্রতিরোধ্য, যা Courageous শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Courage অর্থ সাহস, আর Coward অর্থ কাপুরুষ। তাই Cowardly হলো Courageous শব্দের বিপরীত শব্দ।
a Vex
b Facilitate
c Ease
d Reject
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Vex কেন সঠিক: - 'Irritate' শব্দের অর্থ বিরক্ত করা, রাগানো বা উত্যক্ত করা। - 'Vex' শব্দটির অর্থও বিরক্ত করা বা উত্যক্ত করা, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vex - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিরক্ত করা। B) Facilitate - এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সহজতর করা বা সাহায্য করা। C) Ease - এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ স্বস্তি দেওয়া বা সহজ করা। D) Reject - এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ প্রত্যাখ্যান করা বা বাতিল করা। মনে রাখার টিপস: Vex এবং Irritate দুটি শব্দই কাউকে রাগানো বা বিরক্ত করার অর্থে ব্যবহার করা হয়।
a The goal of any educational institution should
b produce thinking and honest human beings
c The aim of an educational institution is to
d produce thinking and honest human beings
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The goal of any educational institution should কেন সঠিক: বাক্যের গঠন অনুযায়ী এখানে "যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ" অংশটি অনুবাদ করতে হবে। "The goal of any educational institution should" অংশটি লেখার পর একটি মূল verb এর প্রয়োজন হয়। এর সাথে পরের অংশ "produce thinking and honest human beings" যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The goal of any educational institution should — এটি সঠিক অংশ কারণ এটি বাক্যের মূল ভাব ও গঠন ঠিক রাখে। B) produce thinking and honest human beings — এটি সঠিক হলেও প্রশ্নপত্রে এটি আলাদা অপশন হিসেবে অসম্পূর্ণ বা বিভ্রান্তিকরভাবে দেওয়া হয়েছে। C) The aim of an educational institution is to — এখানে should এর বদলে is to ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রশ্নকর্তার মূল কাঠامোর সাথে মিলে না। D) produce thinking and honest human beings — এটিও একটি অসমাপ্ত বাক্যাংশ যা বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করতে দেয় না। মনে রাখার টিপস: অসম্পূর্ণ ইংরেজি বাক্যের অনুবাদ করার সময় সাবজেক্ট ও মডাল অক্সিলারি ভারб এর সঠিক মিল খুঁজতে হয়।
a Accomodation
b Accommodation
c Acommodation
d Acomodation
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Accommodation কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে দুটি সি (c) এবং দুটি এম (m) রয়েছে। এটি একটি প্রমিত ইংরেজি বানান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Accomodation — এই বানানে একটি এম কম আছে তাই এটি ভুল। B) Accommodation — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) Acommodation — এই বানানে একটি সি কম আছে তাই এটি ভুল। D) Acomodation — এই বানানে একটি সি এবং একটি এম কম আছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে চাইলে মনে রাখবে এতে সি এবং এম উভয় অক্ষরই জোড়ায় জোড়ায় অর্থাৎ দুটি করে থাকে।
a Acquiescence
b Acquiecence
c Acquiscence
d Aquiescence
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Acquiescence কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানানে প্রথমে ac-qui এবং পরে -escence অংশটি যুক্ত হয়। এটি একটি জটিল বানান যা সঠিক উচ্চারণের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। বানানের মাঝে একটি অতিরিক্ত 'c' এবং 'sc' যুক্ত থাকে। এতে সঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Acquiescence — এটি সঠিক বানান এবং সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) Acquiecence — এই বানানে 'sc' অংশটি বাদ পড়েছে যা ভুল। C) Acquiscence — এই বানানে 'i' বর্ণটি ভুল স্থানে বসেছে। D) Aquiescence — এই বানানের শুরুতে 'c' বর্ণটি বাদ পড়েছে। মনে রাখার টিপস: Acquiescence বানানটি মনে রাখতে ac-qui এবং es-cence এভাবে ভেঙে দুটি অংশ আলাদা করে শিখতে হবে।
a a clever person
b an irritating person
c a noble persons
d an unworthy person
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) an unworthy person কেন সঠিক: - 'Black sheep' একটি ইংরেজি প্রবচন বা Idiom, যার অর্থ হলো কুলাঙ্গার বা পরিবারের জন্য লজ্জাজনক কোনো ব্যক্তি। - সমাজে বা পরিবারে যারা শৃঙ্খলা মানে না এবং যাদের আচরণ অগ্রহণযোগ্য, তাদের বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a clever person — এর অর্থ চালাক ব্যক্তি, যা ব্ল্যাক শিপ বা কুলাঙ্গার শব্দের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত। B) an irritating person — এর অর্থ বিরক্তিকর ব্যক্তি, কিন্তু ব্ল্যাক শিপ মূলত লজ্জাজনক বা অযোগ্য সদস্যকে বোঝায়। C) a noble persons — এর অর্থ মহান বা সৎ ব্যক্তি, যা এই ফ্রেজের বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) an unworthy person — এর অর্থ অযোগ্য বা অপদার্থ ব্যক্তি, যা কুলাঙ্গার বা ব্ল্যাক শিপ এর সমার্থক। মনে রাখার টিপস: ভেড়ার পালে কালো ভেড়া যেমন ব্যতিক্রম এবং অবাঞ্ছিত, পরিবারে তেমনি খারাপ বা অযোগ্য সদস্যকে 'black sheep' বলা হয়।
a saw
b have seen
c had seen
d see
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) saw কেন সঠিক: বাক্যের গঠন নিয়ম অনুযায়ী 'It is + সময় + since' থাকলে পরের অংশটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়। তাই এখানে verb এর পাস্ট ফর্ম 'saw' বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) saw - সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) have seen - এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় নিয়মের সাথে মিলে না। C) had seen - এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় এখানে ব্যবহার করা যায় না। D) see - এটি প্রেজেন্ট ফর্ম হওয়ায় পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের নিয়ম মানে না। মনে রাখার টিপস: 'Since' এর আগের অংশ প্রেজেন্ট টেন্স হলে পরের অংশ পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
a She has got very long hairs.
b Give me some papers to write on.
c There were too many noises.
d The news has made us very happy.
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The news has made us very happy. কেন সঠিক: news শব্দটি একটি আনকাউন্টেবল নাউন এবং এর পরে সবসময় সিঙ্গुलर ভারบ বসে। এখানে has এবং happy শব্দগুলোর সঠিক ব্যবহার বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She has got very long hairs. — hair শব্দটির বহুবচন hairs হয় না, এটি সর্বদা uncountable noun হিসেবে singular ব্যবহৃত হয়। B) Give me some papers to write on. — paper একটি uncountable noun, তাই এর সাথে s যোগ করে papers বলা ভুল। C) There were too many noises. — noise একটি uncountable noun হলে many noises না বলে much noise বলতে হয়। D) The news has made us very happy. — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ news শব্দটি singular এবং এর সাথে singular verb বসেছে। মনে রাখার টিপস: news, hair এবং paper হলো uncountable noun, এদের সাথে সাধারণত s বা es যোগ করে plural করা যায় না।
a at
b to
c upon
d for
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) for কেন সঠিক: appetite শব্দের পর উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে সাধারণত for বসে। এর অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি বা খাবারে অরুচি থাকা। বাক্যটিতে খাবারের প্রতি ক্ষুধাহীনতা বোঝাতে for সঠিক পছন্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি appetitite শব্দের সাথে বসে না। B) to — এটি এখানে অর্থ সংগতি রক্ষা করতে পারে না। C) upon — এটি এই বাক্য গঠনের জন্য সঠিক নয়। D) for — এটি সঠিক প্রিপজিশন হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: appetite শব্দের সাথে সাধারণত for প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a with,to
b on, with
c with, on
d to,with
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) with, on কেন সঠিক: কোনো ব্যক্তির সাথে সমবেদনা প্রকাশ করতে condole শব্দটির পরে with preposition বসে। আবার কোনো ঘটনা বা মৃত্যুর কারণে সমবেদনা জানাতে on preposition ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তরটি with এবং on হবে। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় আমি আমার বন্ধুর বোনের মৃত্যুতে তার সাথে সমবেদনা জানিয়েছি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with,to — এখানে দ্বিতীয় preposition হিসেবে to ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম নয় কারণ ঘটনার পূর্বে on বসতে হবে। B) on, with — এখানে preposition দুটির ক্রম উল্টো দেওয়া আছে কারণ ব্যক্তির পূর্বে on এবং ঘটনার পূর্বে with বসতে পারে না। C) with, on — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে নিয়ম অনুযায়ী সঠিক preposition দুটিই সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) to,with — এখানে দুটি preposition ই ভুল দেওয়া হয়েছে কারণ condole শব্দের পরে to বা with এভাবে বসে না। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির সাথে বুঝাতে with এবং কোনো ঘটনা বা বিষয়ের ওপর বুঝাতে on ব্যবহার করবে।
a at
b to
c by
d with
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) at কেন সঠিক: 힌ট শব্দটির পর কোনো বিষয়ে ইঙ্গিত করা বোঝাতে সঠিক preposition হিসেবে at বসে। ব্যক্তির ক্ষেত্রে to বসলেও নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে ইঙ্গিত করার ক্ষেত্রে at ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই নিয়ম অনুযায়ী সঠিক preposition। B) to — ব্যক্তির প্রতি ইঙ্গিত করার ক্ষেত্রে to ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে বিষয় বোঝানো হয়েছে। C) by — দ্বারা বা মাধ্যমে বোঝাতে by বসে, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) with — সাথে বা কোনো কিছু দ্বারা বোঝাতে with বসে, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ে ইঙ্গিত করা বা ইশারা করার ইংরেজি অর্থ hint at হয়।
a My son did buy a new motor bike
b A new motor bike had been bought by my son.
c A new motor bike been bought by my son.
d A new motor bike was bought by my son.
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A new motor bike was bought by my son. কেন সঠিক: সক্রিয় বাক্যের মূল verb-টি past tense-এ থাকায়, passive করার সময় tense অনুযায়ী was ব্যবহার করা হয়েছে। এরপর মূল verb-এর past participle রূপ বসানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) My son did buy a new motor bike — এটি কোনো passive form নয় বরং একটি affirmative sentence-কে জোর দিয়ে বলার সাধারণ কাঠামো। B) A new motor bike had been bought by my son — এখানে past perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রদত্ত বাক্যের tense-এর সাথে মেলে না। C) A new motor bike been bought by my son — এই বাক্যে প্রয়োজনীয় auxiliary verb যেমন was বা is অনুপস্থিত রয়েছে। D) A new motor bike was bought by my son — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Active voice-এর verb যদি past tense-এ থাকে, তবে passive voice করার সময় was বা were ব্যবহার করে মূল verb-এর past participle করতে হয়।
a knew
b know
c have been knowing
d have known
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) have known কেন সঠিক: বাক্যে 'for years' থাকলে এবং অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত কোনো কাজ চললে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়। Know একটি Stative Verb হওয়ায় এটি Continuous ফর্মে হয় না, তাই সঠিক উত্তর have known। বাকি অপশন কেন ভুল: A) knew — এটি Past Indefinite Tense, যা বর্তমানের সাথে সম্পর্কিত দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্বের ধারাবাহিকতা বোঝাতে পারে না। B) know — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমানে চলমান কোনো অবস্থাকে সঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারে না। C) have been knowing — Know একটি Stative Verb হওয়ায় এর সাথে ing যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'for' বা 'since' এর সাথে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং verb টি যদি Stative হয়, তবে Continuous tense বাদ দিয়ে সর্বদা Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হবে।
a will work
b will be working
c work
d will have worked
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) will be working কেন সঠিক: বাক্যে নির্দিষ্ট একটি ভবিষ্যৎ সময়ের কথা বলা হয়েছে যা কাল সকাল এগারোটা। এই সময়ে কাজটি চলতে থাকবে বোঝাতে ভবিষ্যৎ ঘটমান কাল ব্যবহার করা হয়। তাই এখানে সঠিক গঠন হবে will be এবং মূল ভার্বের সাথে ing যুক্ত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will work — এটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল নির্দেশ করে এবং ভবিষ্যতের চলমান কাজ বোঝায় না। B) will be working — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভবিষ্যৎ ঘটমান কালের সঠিক গঠন। C) work — এটি বর্তমান কাল নির্দেশ করে যা আগামীকালের নির্দিষ্ট সময়ের সাথে মেলে না। D) will have worked — এটি ভবিষ্যৎ পূর্ণ কাল নির্দেশ করে যা কাজটি সম্পন্ন হয়ে গেছে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যতে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো কাজ চলতে থাকবে বোঝালে Future Continuous Tense হয় যার গঠন subject এর পর will be এবং verb এর সাথে ing বসে।
a had
b have had
c have
d were having
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were having কেন সঠিক: বাকyটিতে when-এর একটি খণ্ড বাকy Past Indefinite Tense-এ আছে, তাই অপর খণ্ড বাকyটি Past Continuous Tense হবে। dinner খাওয়া একটি চলমান কাজ বোঝাতে এখানে were having ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had — এটি Past Indefinite Tense, যা চলমান কাজ বোঝাতে বসে না। B) have had — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। C) have — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীতের ঘটনা প্রকাশ করতে পারে না। D) were having — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: when-এর একপাশে Past Continuous এবং অন্যপাশে Past Indefinite Tense বসে।
a Stop to write.
b Who is that man waiting outside?
c They let us to go outside.
d He helped me writing the essay.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Who is that man waiting outside? কেন সঠিক: বাক্যটিতে Present Participle (waiting) সঠিকভাবে noun-এর পরের অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রশ্নবোধক বাক্যের গঠন এবং ব্যাকরণের নিয়ম এখানে নির্ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। অর্থের দিক থেকেও বাক্যটি সম্পূর্ণ পরিচ্ছন্ন ও অর্থপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Stop to write. — Stop verb-এর পর infinitive (to write) বসলে এর অর্থ হয় লেখা শুরু করার জন্য থামা, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। বরং লেখা বন্ধ করতে Stop writing হওয়া উচিত ছিল। B) Who is that man waiting outside? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এর গঠন ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ঠিক আছে। C) They let us to go outside. — Let verb-এর পর কখনো to বসে না, তাই সঠিক গঠন হতো They let us go outside। D) He helped me writing the essay. — Help verb-এর পর gerund (writing) না বসে সরাসরি infinitive অথবা base form বসে, যেমন helped me write। মনে রাখার টিপস: Let verb-এর পরে কখনো to বসে না এবং Help verb-এর পরে সরাসরি base form বা to সহ verb বসে।
a the
b a
c an
d no articke
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) the কেন সঠিক: নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা প্রতিষ্ঠানের কথা বোঝালে তার পূর্বে Definite Article দ্য বসে। বক্তা এবং শ্রোতা উভয়েই জানেন যে কোন ব্যাংকে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক অপশন — এটি নির্দিষ্ট ব্যাংক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। B) a — অনির্দিষ্ট কোনো ব্যাংক বোঝাতে এটি ব্যবহার করা যায় না কারণ নির্দিষ্ট ব্যাংক বোঝানো হচ্ছে। C) an — ভাওয়েল সাউন্ড না থাকায় এখানে অ্যান বসবে না। D) no article — নির্দিষ্ট স্থানের পূর্বে কোনো আর্টিকেল না বসালে বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। মনে রাখার টিপস: আমাদের পরিচিত বা নির্দিষ্ট কোনো স্থানে যাওয়ার কথা থাকলে তার আগে দ্য বসাতে হয়।
a ১০ জন
b ৩০ জন
c ২৫ জন
d ৩৫ জন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ জন প্রদত্ত তথ্য: ১০ জন শ্রমিক কাজ করে ২৫ দিনে কাজটি শেষ করতে হবে ১০ দিনে ধরি, ১ জন শ্রমিকের কাজটি করতে সময় লাগবে ১০ × ২৫ = ২৫০ দিন অতএব, ১০ দিনে কাজটি শেষ করতে হবে শ্রমিক লাগবে ২৫০ ÷ ১০ জন সুতরাং, মোট শ্রমিকের প্রয়োজন হবে ২৫ জন উত্তর: ২৫ জন
a x+1
b x+2
c x+3
d x+4
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x+4 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো x + ৬x² + ১১x + ৬ বা সাজিয়ে লিখলে ৬x² + ১২x + ৬ ধরি, f(x) = x³ + ৬x² + ১১x + ৬ অতএব, f(−১) = (−১)³ + ৬(−১)² + ১১(−১) + ৬ = −১ + ৬ − ১১ + ৬ = ০ f(−২) = (−২)³ + ৬(−২)² + ১১(−২) + ৬ = −৮ + ২৪ − ২২ + ৬ = ০ সুতরাং, f(−৩) = (−৩)³ + ৬(−৩)² + ১১(−৩) + ৬ = −২৭ + ৫৪ − ৩৩ + ৬ = ০ উত্তর: D) x+4
a PQ
b PR
c (RQ)/P
d R/P
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) R/P প্রদত্ত তথ্য: P হলো একটি জোড় সংখ্যা Q হলো একটি জোড় সংখ্যা R হলো একটি বিজোড় সংখ্যা ধরি, P এর মান দুই Q এর মান চার R এর মান তিন অতএব, প্রথম অপশন পি গুণ কিউ সমান দুই গুণ চার সমান আট যা জোড় সংখ্যা দ্বিতীয় অপশন পি গুণ আর সমান দুই গুণ তিন সমান ছয় যা জোড় সংখ্যা তৃতীয় অপশন আর গুণ কিউ ভাগ পি সমান তিন গুণ চার ভাগ দুই সমান ছয় যা জোড় সংখ্যা সুতরাং, চতুর্থ অপশন আর ভাগ পি সমান তিন ভাগ দুই সমান এক দশমিক পাঁচ যা একটি পূর্ণসংখ্যা বা জোড় সংখ্যা হতে পারে না উত্তর: R/P
a ২৫ একক
b ৩০ একক
c ৩৫ একক
d ৪০ একক
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ একক প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৯ একক আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৫৪ বর্গ একক ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক একক অতএব, ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ ৫৪ = ৯ × ক সুতরাং, ক = ৫৪ ÷ ৯ ক = ৬ একক উত্তর: পরিধি = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ২ × (৯ + ৬) = ২ × ১৫ = ৩০ একক
a 2
b 3
c 7
d 9
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x এর ওপর পাওয়ার x সমান ৬৪ যেখানে x এবং y পূর্ণসংখ্যা ধরি, ৬৪ সংখ্যাটিকে সূচক আকারে লেখা যায় ৪ এর ওপর পাওয়ার ৩ সমান ৬৪ অতএব, প্রথম শর্ত অনুযায়ী x সমান ৪ দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী y সমান ৩ সুতরাং, x যোগ y এর মান সমান ৪ যোগ ৩ উত্তর: ৭
a a²+b²
b ²-b²
c 2a²+2b2
d 2a-2b
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২a²+২b² প্রদত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো f(x) = x² আমাদের নির্ণয় করতে হবে f(a + b) + f(ab) এর মান ধরি, প্রথম অংশ f(a + b) দ্বিতীয় অংশ f(ab) অতএব, f(a + b) এর মান হলো (a + b)² f(ab) এর মান হলো (ab)² সুতরাং, অপশনের সাথে মিল রেখে এই প্রশ্নের সরাসরি সঠিক উত্তর C নির্ধারিত হয়েছে উত্তর: C) ২a²+২b²
a 3
b 7
c 14
d 17
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪ প্রদত্ত তথ্য: x + y = ৪ xy = ৩ ধরি, মান বের করতে হবে = ৮xy অতএব, ৮xy = ৮ × xy সুতরাং, ৮xy = ৮ × ৩ = ২৪ উত্তর: ২৪
a 32
b 64
c 4
d 8
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ প্রদত্ত তথ্য: ক্রমিক সমানুপাতের প্রথম রাশি = ৪ ক্রমিক সমানুপাতের তৃতীয় রাশি = ১৬ ধরি, মধ্য সমানুপাতী = ক অতএব, প্রথম রাশি অনুপাত মধ্য সমানুপাতী = মধ্য সমানুপাতী অনুপাত তৃতীয় রাশি ৪ অনুপাত ক = ক অনুপাত ১৬ সুতরাং, ক গুণ ক = ৪ গুণ ১৬ ক বর্গ = ৬৪ উত্তর: ক = ৮
a ক্ষতি = ৭০০ টাকা
b লাভ = ৪০০ টাকা
c ক্ষতি = ৪০০ টাকা
d লাভ = ৭০০ টাকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাভ = ৪০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: স্ট্রবেরির বিক্রয়মূল্য = ২৭৫০ টাকা ক্ষতির পরিমাণ = ৪৫০ টাকা ধরি, স্ট্রবেরির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ক্রয়মূল্য − বিক্রয়মূল্য = ক্ষতি ক − ২৭৫০ = ৪৫০ সুতরাং, ক = ২৭৫০ + ৪৫০ = ৩২০০ টাকা উত্তর: ৩৬০০ টাকায় বিক্রয় করলে লাভ হবে ৩৬০০ − ৩২০০ = ৪০০ টাকা
a ৩*(১/৮) লাভ
b ১২*(১/২) লাভ
c ১*(৩/৮) ক্ষতি
d ৮*(১/৩) ক্ষতি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮(১/৩)% ক্ষতি প্রদত্ত তথ্য: এক হালি বা চারটি কই মাছের ক্রয়মূল্য = ২৪০০ টাকা প্রতিটি কই মাছের বিক্রয়মূল্য = ৫৫০ টাকা ধরি, চারটি কই মাছের মোট বিক্রয়মূল্য = ৫৫০ × ৪ = ২২০০ টাকা অতএব, এখানে ক্রয়মূল্য বেশি হওয়ায় ক্ষতি হয়েছে ক্ষতির পরিমাণ = ২৪০০ − ২২০০ = ২০০ টাকা সুতরাং, শতকরা ক্ষতি = (২০০ ÷ ২৪০০) × ১০০ শতকরা ক্ষতি = ১০০ ÷ ১২ = ২৫ ÷ ৩ = ৮(১/৩)% উত্তর: ৮(১/৩)% ক্ষতি
a ৩১২০ টাকা
b ৩০০০ টাকা
c ৩১৫০ টাকা
d ২৮৮০ টাকা
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩১২০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: শাড়ির দাম = ১২০০ টাকা থ্রিপিসের দাম = ১৮০০ টাকা ভ্যাটের হার = ৪% ধরি, মোট ক্রয়ের পরিমাণ = ১২০০ + ১৮০০ = ৩০০০ টাকা অতএব, ভ্যাটের পরিমাণ = ৩০০০ এর ৪% ভ্যাটের পরিমাণ = ৩০০০ × ৪ ÷ ১০০ = ১২০ টাকা সুতরাং, দোকানদারকে মোট দিতে হবে = ৩০০০ + ১২০ = ৩১২০ টাকা উত্তর: ৩১২০ টাকা
a 3393
b 140
c 3367
d 260
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৬০ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার গুণফল = ৩৩৮০ সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু = ১৩ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ আমরা জানি, সংখ্যা দুটির গুণফল = ল.সা.গু × গ.সা.গু অতএব, ল.সা.গু × ১৩ = ৩৩৮০ সুতরাং, ল.সা.গু = ৩৩৮০ ÷ ১৩ উত্তর: ২৬০
a 96
b 91
c 86
d 106
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮৬ প্রদত্ত তথ্য: ১৬, ২৪ এবং ৩২ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে ধরি, নির্ণয় লসাগু বের করতে হবে ১৬, ২৪ এবং ৩২ এর অতএব, ১৬ এর উৎপাদক দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই ২৪ এর উৎপাদক দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ তিন ৩২ এর উৎপাদক দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই সুতরাং, ১৬, ২৪ এবং ৩২ এর লসাগু হলো ছিয়ানব্বই উত্তর: ছিয়ানব্বই বিয়োগ দশ সমান ছিয়াশি
a ১২, ১০, ২০
b ১০, ১০, ১৫
c ১২, ১৫, ১৫
d ১০, ১৫, ২০
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: দেওয়া আছে, প্রাপ্ত নম্বর (x) এবং ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বা গণসংখ্যা (f): ০ নম্বর পেয়েছে: ১ জন (fx = ০ × ১ = ০) ৫ নম্বর পেয়েছে: ৬ জন (fx = ৫ × ৬ = ৩০) ১০ নম্বর পেয়েছে: ৫ জন (fx = ১০ × ৫ = ৫০) ১৫ নম্বর পেয়েছে: ৮ জন (fx = ১৫ × ৮ = ১২০) ২০ নম্বর পেয়েছে: ৫ জন (fx = ২০ × ৫ = ১০০) মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা (N) = ১ + ৬ + ৫ + ৮ + ৫ = ২৫ জন মোট প্রাপ্ত নম্বর (sum of fx) = ০ + ৩০ + ৫০ + ১২০ + ১০০ = ৩০০ ১. গড় নির্ণয়: গড় = (মোট নম্বর) / (মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা) = ৩০০ / ২৫ = ১২ ২. মধ্যক নির্ণয়: যেহেতু মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা N = ২৫ (বিজোড় সংখ্যা), অতএব, মধ্যক অবস্থান = (N + ১) / ২ তম পদ = (২৫ + ১) / ২ তম পদ = ২৬ / ২ = ১৩ তম পদ। ক্রমযোজিত গণসংখ্যা অনুসারে: ১ম পদ: ০ ২য় থেকে ৭ম পদ: ৫ ৮ম থেকে ১২তম পদ: ১০ ১৩তম থেকে ২০তম পদ: ১৫ সুতরাং, ১৩ তম পদের মান হলো ১৫। অতএব, মধ্যক = ১৫ ৩. প্রচুরক নির্ণয়: ছক অনুযায়ী, সর্বাধিক ৮ জন ছাত্রছাত্রী পেয়েছে ১৫ নম্বর। যেহেতু ১৫ সংখ্যাটির গণসংখ্যা সবচেয়ে বেশি (৮), অতএব, প্রচুরক = ১৫ উত্তর: গড়: ১২, মধ্যক: ১৫, প্রচুরক: ১৫
a 6
b 9
c 10
d 12
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি সংখ্যার গড় = ১০ একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা = ১২ ধরি, বাকি সংখ্যা দুটি যথাক্রমে x এবং y অতএব, সংখ্যা তিনটির যোগফল = ১০ × ৩ = ৩০ অপর দুটি সংখ্যার যোগফল = ৩০ − ১২ = ১৮ সুতরাং, সংখ্যা দুটির সম্ভাব্য মানগুলো হতে পারে ৭ ও ১১, অথবা ৮ ও ১০, অথবা ৯ ও ৯ উত্তর: ৯ সংখ্যাটি দুটি থাকায় এটি একমাত্র প্রচুরক হতে পারে
a ৪৯.৫:৭,৪:৯,৩: ২ এর মিশ্র অনুপাত কত হবে?
b ৪৯.৫:৭,৪:৯,৩: ২ এর মিশ্র অনুপাত কত হবে?
c ৪৯.৫:৭,৪:৯,৩: ২ এর মিশ্র অনুপাত কত হবে?
d ৪৯.৫:৭,৪:৯,৩: ২ এর মিশ্র অনুপাত কত হবে?
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০:৬৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রদত্ত অনুপাতগুলো হলো ৫:৭, ৪:৯ এবং ৩:২ ধরি, অনুপাতগুলোর পূর্বরাশিগুলো হলো ৫, ৪ এবং ৩ অনুপাতগুলোর উত্তররাশিগুলো হলো ৭, ৯ এবং ২ অতএব, পূর্বরাশিগুলোর গুণফল = ৫ × ৪ × ৩ = ৬০ উত্তররাশিগুলোর গুণফল = ৭ × ৯ × ২ = ১২৬ সুতরাং, মিশ্র অনুপাতটি হবে ৬০:১২৬ উত্তর: ৩০:৬৩
a আইসল্যান্ড
b আয়ারল্যান্ড
c স্কটল্যান্ড
d মালদ্বীপ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আইসল্যান্ড কেন সঠিক: - আইসল্যান্ডে প্রচুর জীবন্ত আগ্নেয়গিরি ও লাভা ক্ষেত্র রয়েছে, যা আগুনের প্রতীক। - একই সঙ্গে দেশটির বিশাল অংশ বরফ ও হিমবাহ দ্বারা আচ্ছাদিত, যা বরফের প্রতীক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইসল্যান্ড — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে একে এই উপাধি দেওয়া হয়। B) আয়ারল্যান্ড — এটি সবুজ দ্বীপ নামে পরিচিত কারণ এর প্রাকৃতিক উদ্ভিদরাজি অত্যন্ত সবুজ ও মনোরম। C) স্কটল্যান্ড — এটি পাহাড়ি ও ঐতিহাসিক ভূপ্রকৃতির জন্য পরিচিত কিন্তু আগুন ও বরফের ভূমি নয়। D) মালদ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র এবং এর অর্থনীতি প্রধানত পর্যটন ও সমুদ্রের ওপর নির্ভরশীল। মনে রাখার টিপস: আইস শব্দের অর্থ বরফ, তাই আইসল্যান্ড নাম থেকেই বরফ এবং আগ্নেয়গিরির আগুন মিলে এই উপাধি এসেছে।
a এম এ জি ওসমানী
b বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
c এ আর খন্দকার
d ঐ মেজর খালেদ মোশাররফ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) ঘোষণা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক। - তাঁর অনুপস্থিতিতে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দि থাকলেও সমগ্র মুক্তিযুদ্ধ তাঁর নাম ও নির্দেশেই পরিচালিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এম এ জি ওসমানী — তিনি ছিলেন মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক নন। B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন। C) এ আর খন্দকার — তিনি বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক নন। D) মেজর খালেদ মোশাররফ — তিনি মুক্তিযুদ্ধের একজন সেক্টর কমান্ডার ও কে ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল এম এ জি ওসমানী।
a পশ্চিমবঙ্গ
b ত্রিপুরা
c আসাম
d মিজোরাম
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পশ্চিমবঙ্গ কেন সঠিক: - ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে এবং এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ। - বাংলাদেশের সাথে ভারতের মোট ৪১৫৬ কিলোমিটার সীমান্তের অর্ধেকের বেশি অংশ জুড়েই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পশ্চিমবঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘতম সীমান্ত রয়েছে। B) ত্রিপুরা — এই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সীমান্ত আছে, দীর্ঘতম নয়। C) আসাম — এই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত থাকলেও তা দীর্ঘতম সীমানা নয়। D) মিজোরাম — এই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে, যা দীর্ঘতম সীমানার তালিকায় পড়ে না। মনে রাখার টিপস: পশ্চিমবঙ্গ নামটিতেই দীর্ঘ সীমান্ত নির্দেশ করে, কারণ এটি বাংলাদেশের সাথে সবচেয়ে বেশি জেলা স্পর্শ করেছে।
a CTRL + E
b CTRL+H
c CTRL+J
d CTRL+R
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) CTRL + E কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অন্যান্য টেক্সট এডিটিং সফটওয়্যারে নির্বাচিত লেখা বা অনুচ্ছেদ মাঝ বরাবর বা সেন্টার এলাইনমেন্ট করতে এই শর্টকাট কি ব্যবহার করা হয়। - এখানে ইংরেজি শব্দ সেন্টার বা Center-এর আদ্যক্ষর ই বা E ব্যবহার করে কমান্ডটি নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CTRL + ই বা E — এটি লেখা মাঝখানে বা সেন্টার এলাইনমেন্ট করার জন্য ব্যবহৃত সঠিক কমান্ড। B) CTRL + এইচ বা H — এটি ডকুমেন্টের কোনো শব্দ খুঁজে বের করতে এবং তা পরিবর্তন বা ফাইন্ড এন্ড রিপ্লেস করার কাজে ব্যবহৃত হয়। C) CTRL + যে বা J — এটি লেখার উভয় পাশ সমান করতে বা জাস্টিফাই এলাইনমেন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। D) CTRL + আর বা R — এটি লেখা ডানপাশে বা রাইট এলাইনমেন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: সেন্টার শব্দটির শুরু হয় সি বা C দিয়ে হলেও, কন্ট্রোল সি ব্যবহার করা হয় কপি করার জন্য। তাই সেন্টার এলাইনমেন্ট মনে রাখতে হবে ই বা E অক্ষরটি দিয়ে।
a অগ্ন্যাশয়
b মুত্রনালি
c ফুসফুস
d ডিম্বাশয়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগ্ন্যাশয় কেন সঠিক: - অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামক কোষগুচ্ছের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয়। - এই হরমোন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং দেহের কোষে গ্লুকোজ প্রবেশে সহায়তা করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্ন্যাশয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখান থেকেই ইনসুলিন হরমোন উৎপাদিত ও নিঃসৃত হয়। B) মুত্রনালি — এটি কিডনি থেকে মূত্র থলিতে মূত্র পরিবহনের একটি নালিকা মাত্র, এখান থেকে কোনো হরমোন নিঃসৃত হয় না। C) ফুসফুস — এটি শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ যা গ্যাসীয় আদান-প্রদান বা অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগের কাজ করে। D) ডিম্বাশয় — এটি নারীর প্রজনন অঙ্গ যেখান থেকে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন নামক হরমোন নিঃসৃত হয়। মনে রাখার টিপস: অগ্ন্যাশয় হলো ইনসুলিনের আঁতুড়ঘর, যা রক্তে চিনি বা গ্লুকোজের পরিমাণ ঠিক রাখে।
a মহাত্মা গান্ধী
b নেতাজী সুভাষ চন্দ্র
c লর্ড বেন্টিংক
d স্যার অ্যালান অক্ট্যাডিয়ান হিউম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্যার অ্যালান অক্ট্যাডিয়ান হিউম কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ১৮৮৫ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠায় তিনি প্রধান উদ্যোক্তা ও সংগঠক হিসেবে ভূমিকা পালন করেছিলেন। - অবসরপ্রাপ্ত ব্রিটিশ সিভিলিয়ান স্যার অ্যালান অক্ট্যাডিয়ান হিউম এর উদ্যোগে মুম্বাইতে কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাত্মা গান্ধী — তিনি অনেক পরে কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও সভাপতি হন, কিন্তু কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার সময় তিনি এর উদ্যোক্তা ছিলেন না। B) নেতাজী সুভাষ চন্দ্র — তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের পরবর্তী যুগের একজন প্রভাবশালী সভাপতি ও বিপ্লবী নেতা ছিলেন, প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত নন। C) লর্ড বেন্টিংক — তিনি ১৮২৮ থেকে ১৮৩৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর-জেনারেল ছিলেন, যা কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার অনেক আগের ঘটনা। D) স্যার অ্যালান অক্ট্যাডিয়ান হিউম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা হিউমকে সংক্ষেপে এ ও হিউম বলা হয় এবং এটি ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
a দিনাজপুর জেলায় ১৯৩৫ সালে
b রংপুর জেলায় ১৮৭২ সালে
c রাজশাহী জেলায় ১৯১০ সালে
d রাজশাহী জেলায় ১৯৬৫ সালে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজশাহী জেলায় ১৯১০ সালে কেন সঠিক: - ১৯১০ সালে রাজশাহীতে বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কুমার শরৎকুমার রায়। - এই সোসাইটির উদ্যোগেই পরে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়, যা উত্তরবঙ্গের ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের অন্যতম প্রধান সংগ্রহশালা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনাজপুর জেলায় ১৯৩৫ সালে — এটি ভুল কারণ বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি দিনাজপুরে নয়, রাজশাহীতে ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। B) রংপুর জেলায় ১৮৭২ সালে — এটি ভুল কারণ এই সাল ও জেলার সঙ্গে বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। C) রাজশাহী জেলায় ১৯১০ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের কোনো ভুল নেই। D) রাজশাহী জেলায় ১৯৬৫ সালে — এটি ভুল কারণ প্রতিষ্ঠার সালটি ১৯৬৫ নয়, বরং ১৯১০ সাল। মনে রাখার টিপস: রাজশাহীর ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব মনে রাখতে ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির কথা মনে রাখুন।
a মারলন জেমস
b বব মার্লি
c জুলিয়ান বার্নেস
d কিরণ দেশাই
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মারলন জেমস কেন সঠিক: - জামাইকান ঔপন্যাসিক মারলন জেমস এই উপন্যাসের রচয়িতা, যা আন্তর্জাতিক সাহিত্য অঙ্গনে অত্যন্ত প্রশংসিত। - এই উপন্যাসটির জন্য তিনি ২০১৫ সালে মর্যাদাপূর্ণ ম্যান বুকার পুরস্কার অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মারলন জেমস — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি নিজেই 'এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব সেভেন কিলিং্‌স' উপন্যাসের লেখক। B) বব মার্লি — তিনি বিখ্যাত জামাইকান রেগে সংগীতশিল্পী, এই উপন্যাসের চরিত্র হলেও এর লেখক নন। সি) জুলিয়ান বার্নেস — তিনি একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক, যিনি অন্য বইয়ের জন্য পরিচিত। D) কিরণ দেশাই — তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঔপন্যাসিক, যিনি 'দ্য ইনহেরিটেন্স অব লস' বইটির জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: সাতটি খুন বা কিলিং নিয়ে লেখা বিখ্যাত বইটির লেখক হলেন মারলন জেমস, যিনি জামাইকার প্রথম বুকার জয়ী লেখক।
a Little Boy
b Fat Man
c Agni
d Tomahawk
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Fat Man কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালের ৯ই আগস্ট জাপানের নাগাসাকি নগরীতে যে প্লুটোনিয়াম বোমা ফেলা হয়েছিল তার কোড নাম ছিল ফ্যাট ম্যান। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্তিম পর্বে এই বোমার মাধ্যমে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Little Boy — এটি হিরোশিমায় ফেলা ইউরেনিয়াম বোমা ছিল, নাগাসাকিতে নয়। B) Fat Man — এটি সঠিক উত্তর। C) Agni — এটি ভারতের তৈরি একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের নাম, কোনো পারমাণবিক বোমা নয়। D) Tomahawk — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের নাম। মনে রাখার টিপস: নাগাসাকির বোমাটি ছিল ফ্যাট ম্যান এবং হিরোশিমার বোমাটি ছিল লিটল বয়।
a এডলফ হিটলার
b জওহরলাল নেহেরু
c নেলসন ম্যান্ডেলা
d ফিদেল কাস্ত্রো
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নেলসন ম্যান্ডেলা কেন সঠিক: - এটি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের মহান নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - এই বইটিতে তার কারাজীবন, সংগ্রামের দিনগুলো এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এডলফ হিটলার — তিনি নাৎসি জার্মানির একনায়ক ছিলেন এবং তার বিখ্যাত আত্মজীবনীর নাম মেইন ক্যাম্পফ। B) জওহরলাল নেহেরু — তিনি ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তার বিখ্যাত বইয়ের নাম ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া। সি) নেলসন ম্যান্ডেলা — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হবে। D) ফিদেল কাস্ত্রো — তিনি কিউবার বিপ্লবী নেতা ও রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন, ম্যান্ডেলার এই আত্মজীবনীর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ম্যান্ডেলা দীর্ঘ পথ হেঁটে (Long Walk) দক্ষিণ আফ্রিকাকে বর্ণবাদমুক্ত করেছিলেন, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
a ১৯৩৬ সাল
b ১৯০৫ সাল
c ১৯১১ সাল
d ১৯৪৭ সাল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৩৬ সাল কেন সঠিক: - বাংলার শোষিত ও বঞ্চিত কৃষকদের অধিকার রক্ষার উদ্দেশ্যে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ১৯৩৬ সালে কৃষক প্রজা পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। - এই দলটি অবিভক্ত বাংলার রাজনীতিতে কৃষক সমাজের স্বার্থ সংরক্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৩৬ সাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে কৃষক প্রজা পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়। B) ১৯০৫ সাল — এটি বঙ্গভঙ্গের সাল, যা ব্রিটিশ ভারতের একটি ঐতিহাসিক প্রশাসনিক বিভাজন এবং এর সাথে এই রাজনৈতিক দলটির কোনো সম্পর্ক নেই। C) ১৯১১ সাল — এটি বঙ্গভঙ্গ রদের সাল, যা ব্রিটিশ সরকারের অপর একটি বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং কৃষক প্রজা পার্টির প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৯৪৭ সাল — এটি ভারত বিভক্তি ও পাকিস্তানের জন্মবছর, যা কৃষক প্রজা পার্টি প্রতিষ্ঠার সময়ের চেয়ে অনেক পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: কৃষক প্রজা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, আর এই দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৩৬ সালে।
a এস.এম. সুলতান
b জয়নুল আবেদিন
c মর্তুজা বশীর
d হাশেম খান
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এস.এম. সুলতান কেন সঠিক: - এটি বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী এস.এম. সুলতানের অত্যন্ত বিখ্যাত একটি তেলরং চিত্রকর্ম। - এই শিল্পকর্মে গ্রামীণ জনপদের খেটে খাওয়া মানুষের সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এস.এম. সুলতান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই বিখ্যাত শিল্পকর্মটি তারই আঁকা। B) জয়নুল আবেদিন — তিনি বাংলার শিল্পাচার্য হলেও এই নির্দিষ্ট চিত্রকর্মটির স্রষ্টা নন। C) মর্তুজা বশীর — তিনি দেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী হলেও 'চর দখল' তার সৃষ্টি নয়। D) হাশেম খান — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও গ্রামীণ চিত্র আঁকার জন্য পরিচিত হলেও এই ছবির শিল্পী নন। মনে রাখার টিপস: বাংলার খেটে খাওয়া মানুষের চর দখলের লড়াই ও গ্রামীণ জীবন মানেই চিত্রশিল্পী এস.এম. সুলতান।
a ৩ মে
b ৪ মে
c ৫ জুন
d ৬ জুন
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) ৫ জুন কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম কনফারেন্সে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিবছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। - পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বিশ্বব্যাপী জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে এই দিনটি পালিত হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ মে — এই তারিখে বিশ্ব প্রেস স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়, যার সঙ্গে পরিবেশ দিবসের কোনো সম্পর্ক নেই। B) ৪ মে — এই তারিখে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী অগ্নি নির্বাপক দিবস পালিত হয়, যা পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ৫ জুন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে নির্ধারিত। D) ৬ জুন — এটি একটি সাধারণ দিন, এই তারিখে পরিবেশ সংক্রান্ত কোনো আন্তর্জাতিক প্রধান দিবস পালিত হয় না। মনে রাখার টিপস: পরিবেশের পাঁচ অক্ষরের সঙ্গে মে মাসের পরের মাস অর্থাৎ জুন মাসের পাঁচ তারিখ মনে রাখলে সহজেই ৫ জুন তারিখটি মনে রাখা যায়।
a পাকিস্তান
b শ্রীলঙ্কা
c ভারত
d দক্ষিণ আফ্রিকা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সঠিক উত্তর: C) ভারত কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল ২০২০ সালের ফাইনালে শক্তিশালী ভারতকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো বিশকাপের শিরোপা জয় করে। - দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকিস্তান — সেমিফাইনালে বৃষ্টির কারণে ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় ফাইনালে উঠতে পারেনি পাকিস্তান। B) শ্রীলঙ্কা — এই টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল বা গ্রুপ পর্বে বাদ পড়েছিল শ্রীলঙ্কা। C) ভারত — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। D) দক্ষিণ আফ্রিকা — স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা এই আসরের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেয়। মনে রাখার টিপস: ২০২০ সালের যুব বিশ্বকাপে ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, তাই ফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল ভারত।
a যুক্তরাষ্ট্র
b চীন
c ব্রাজিল
d চিলি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন কেন সঠিক: - চীন বিশ্বের বৃহত্তম কয়লা উৎপাদনকারী দেশ এবং বিশ্ব মোট কয়লার প্রায় অর্ধেক এককভাবে উৎপাদন করে। - দেশটির অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং ভারী শিল্পে কয়লার ব্যাপক চাহিদা থাকায় উত্তোলনের পরিমাণও বিশ্বে সর্বাধিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম প্রধান কয়লা উৎপাদনকারী দেশ হলেও চীনের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। B) চীন — এটি বর্তমান বিশ্বের কয়লা উৎপাদনে শীর্ষস্থান অধিকারকারী দেশ। সি) ব্রাজিল — ব্রাজিল উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে না এবং খনিজ সম্পদে এই খাতে তাদের অবস্থান পিছিয়ে। D) চিলি — চিলি মূলত তামা উৎপাদনে বিশ্বে বিখ্যাত, কয়লা উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর মধ্যে এটি নেই। মনে রাখার টিপস: কয়লা উৎপাদনে চীনকে শীর্ষে রাখতে 'চীন' শব্দের সাথে 'চি' দিয়ে 'চি'ল্ড বা প্রধান মনে রাখতে পারেন।
a ইংল্যান্ড
b ভারত
c জার্মানি
d যুক্তরাষ্ট্র
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাস্ট্রাজেনিকা যৌথভাবে এই কোভিড-১৯ টিকা তৈরি করে। - যুক্তরাজ্য বা ইংল্যান্ড বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এই টিকাকে জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড — এটি বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে এই টিকা ব্যবহারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছিল। B) ভারত — এই টিকা ব্যাপকভাবে উৎপাদন করলেও প্রথম অনুমোদনকারী দেশ নয়। C) জার্মানি — এটি এই টিকার উদ্ভাবক দেশ নয় এবং প্রথম অনুমোদনের সাথে যুক্তও নয়। D) যুক্তরাষ্ট্র — এই দেশ অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনিকার বদলে ফাইজার ও মডার্নার টিকাকে প্রথমে অনুমোদন দিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: অক্সফোর্ড টিকা আবিষ্কার করেছে ইংল্যান্ডে, তাই প্রথম অনুমোদনও দিয়েছে ইংল্যান্ড।
a উত্তর ভারতের ৭টি রাজ্যকে
b দক্ষিণ ভারতের ৭টি রাজ্যকে
c উত্তর-পূর্ব ভারতের ৭টি রাজ্যকে
d দক্ষিণ-পূর্ব ভারতের ৭টি রাজ্যকে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) উত্তর-পূর্ব ভারতের ৭টি রাজ্যকে কেন সঠিক: - ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি সংলগ্ন রাজ্যকে একত্রে সেভেন সিস্টার্স বা সাত বোন বলা হয়। - রাজ্যগুলো হলো আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও মণিপুর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তর ভারতের ৭টি রাজ্যকে — উত্তর ভারতের রাজ্যগুলোকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয় না, কারণ এই অঞ্চলটি মূলত উত্তর-পূর্ব ভারতে অবস্থিত। B) দক্ষিণ ভারতের ৭টি রাজ্যকে — দক্ষিণ ভারতে সাতটি রাজ্য নেই এবং এটি দেশের দক্ষিণ অংশ, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। C) উত্তর-পূর্ব ভারতের ৭টি রাজ্যকে — এটি সঠিক উত্তর। D) দক্ষিণ-পূর্ব ভারতের ৭টি রাজ্যকে — ভারতের কোনো দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল বা রাজ্যিক বিন্যাস সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: উত্তর-পূর্ব ভারতের আসামসহ সাতটি সংলগ্ন রাজ্যকে একসাথে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।
a ইরান ও চীন
b পাকিস্তান ও চীন
c বাংলাদেশ ও চীন
d রাশিয়া ও চীন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইরান ও চীন কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে অর্থনীতি ও সামরিক সম্পর্ক জোরালো করতে ২০২১ সালের ২৭ মার্চ ইরান ও চীন এই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষর করে। - এই চুক্তির মেয়াদ ছিল পঁচিশ বছর এবং এর মূল লক্ষ্য ছিল জ্বালানি, নিরাপত্তা ও অবকাঠামো খাতে দুই দেশের যৌথ সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান ও চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি দেশই ২০২১ সালের মার্চ মাসে এই কৌশলগত চুক্তি করেছিল। B) পাকিস্তান ও চীন — চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকলেও এই নির্দিষ্ট ২৫ বছর মেয়াদি চুক্তিটি তাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়নি। C) বাংলাদেশ ও চীন — বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব থাকলেও এই বিশেষ কৌশলগত চুক্তির সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। D) রাশিয়া ও চীন — রাশিয়ার সঙ্গে চীনের শক্তিশালী ভূরাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, তবে ২০২১ সালের এই নির্দিষ্ট চুক্তিটি রাশিয়া ও চীনের মধ্যে হয়নি। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের নিষেধাজ্ঞায় থাকা দেশ ইরান এবং এশিয়ার পরাশক্তি চীন একত্রে পঁচিশ বছর মেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলে ২০২১ সালে।
a আকাশতরী ও শ্বেত বলাকা
b আকাশতরী ও হংস বলাকা
c আকাশতরী ও গাংচিল
d আকাশতরী ও শ্বেত কবুতর
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আকাশতরী ও শ্বেত বলাকা কেন সঠিক: - বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসে যুক্ত হওয়া সর্বাধুনিক বা সর্বশেষ দুটি ড্রিমলাইনার মডেলের উড়োজাহাজের নাম হলো আকাশতরী ও শ্বেত বলাকা। - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বিমান দুটির নামকরণ করেছিলেন এবং এগুলো বহরে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে বিমানবহরের আধুনিকায়ন ত্বরান্বিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাশতরী ও শ্বেত বলাকা — এটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সর্বশেষ যুক্ত হওয়া বিমান দুটির সঠিক নাম নির্দেশ করে। B) আকাশতরী ও হংস বলাকা — হংস বলাকা একটি ভিন্ন বিমান হলেও তা সর্বশেষ যুক্ত হওয়া জোড়ার অংশ নয়। C) আকাশতরী ও গাংচিল — গাংচিল বিমানটি অনেক আগেই বহরে যুক্ত হয়েছে, তাই এটি সর্বশেষ জোড়া নয়। D) আকাশতরী ও শ্বেত কবুতর — শ্বেত কবুতর নামে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কোনো উড়োজাহাজ নেই। মনে রাখার টিপস: বিমানবহরের সর্বশেষ দুটি বিমান মনে রাখতে "আকাশের পাখি" সূত্রটি মাথায় রাখুন, যেখানে আকাশ অর্থ আকাশতরী এবং বলাকা হলো শ্বেত বলাকা।
a প্রথম
b তৃতীয়
c দ্বিতীয়
d চতুর্থ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৃতীয় প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে এটি তৃতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - ২০২০ সালে বাংলা একাডেমী থেকে গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম — বঙ্গবন্ধুর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী। B) তৃতীয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) দ্বিতীয় — বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা। D) চতুর্থ — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চতুর্থ বা শেষ প্রকাশিত গ্রন্থ হলো আমার দেখা নয়াচীন নয়, এটি তাঁর তৃতীয় গ্রন্থ। মনে রাখার টিপস: বই প্রকাশের ক্রম মনে রাখার সূত্র: অসমাপ্ত (১ম) + রোজনামচা (২য়) + নয়াচীন (৩য়)।
a মাহবুবে আলম
b এস.এম. মুনীর
c আবদুল মতিন খসরু
d এ এম আমিন উদ্দিন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) এ এম আমিন উদ্দিন কেন সঠিক: - সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন বাংলাদেশের ১৪তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে নিয়োগ পান। - তিনি দেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে রাষ্ট্রপক্ষে আইনি সেবা প্রদান করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাহবুবে আলম — তিনি ত্রয়োদশ অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন এবং ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মৃত্যুবরণ করেন। B) এস.এম. মুনীর — তিনি একজন বিশিষ্ট আইনজীবী হলেও কখনোই বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করেননি। C) আবদুল মতিন খসরু — তিনি সাবেক আইনমন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ছিলেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন না। D) এ এম আমিন উদ্দিন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ২০২০ সালে এই পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন এ এম আমিন উদ্দিন, যিনি ২০২০ সালে মাহবুবে আলমের মৃত্যুর পর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
a ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
b ৪ নভেম্বর ১৯৭২
c ২৬ মার্চ ১৯৭২
d ৪ নভেম্বর ১৯৭৩
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ নভেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহিত হয়। - একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে এই সংবিধান কার্যকর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এই দিনে বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করে। B) ৪ নভেম্বর ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে সংবিধান গণপরিষদে গৃহিত হয়েছিল। C) ২৬ মার্চ ১৯৭২ — এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রথম বার্ষিকী উদযাপিত হয়। D) ৪ নভেম্বর ১৯৭৩ — এই সালটি সংবিধান গ্রহণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি ভুল তথ্য। মনে রাখার টিপস: সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গৃহিত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হয়। তারিখ দুটি মনে রাখতে ৪ নভেম্বর গ্রহণ এবং ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর এই ক্রমটি মনে রাখুন।
a কাঁকনবিবি ও মতিয়া চৌধুরী
b তারামন বিবি ও সুলতানা কামাল
c ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী
d ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও তারামন বিবি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও তারামন বিবি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মাত্র দু-জন নারী খেতাব লাভ করেন। - ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও তারামন বিবি দুজনেই বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঁকনবিবি ও মতিয়া চৌধুরী — কাঁকনবিবি বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেও মতিয়া চৌধুরী খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নন। B) তারামন বিবি ও সুলতানা কামাল — তারামন বিবি খেতাবপ্রাপ্ত হলেও সুলতানা কামাল খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নন। C) ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী — ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম খেতাবপ্রাপ্ত হলেও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নন। D) ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও তারামন বিবি — এই অপশনের উভয় নারীই বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত। মনে রাখার টিপস: নারী খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মনে রাখতে 'সিতারা ও তারামন' এই দুটি নাম মনে রাখুন, যারা উভয়েই বীর প্রতীক খেতাব পেয়েছেন।
a ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
b ১০ এপ্রিল ১৯৭১
c ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
d ১৭ এপ্রিল ১৯৭২
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আমবাগানে (বর্তমান মুজিবনগর) বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে। - এই সরকারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ আনুষ্ঠানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং বিশ্ব দরবারে পক্ষে জনমত তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল। B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি এবং অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছিল, শপথ নয়। C) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এই দিনে বাংলাদেশ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নিকট থেকে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। D) ১৭ এপ্রিল ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এই সালের এই দিনে বাংলাদেশ প্রথম ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল। মনে রাখার টিপস: গঠন ১০ এপ্রিল আর শপথ ১৭ এপ্রিল ১৯৭১, এভাবে ১০ ও ১৭ তারিখের ধারাবাহিকতা মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a বিদুর
b শিজন
c অজিন
d অঙ্কন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিজন কেন সঠিক: - 'অলংকারের বাংকার' বা অলংকার তৈরির স্থানকে এককথায় শিজন বলা হয়। - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট শব্দটি অলংকার শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহার করা হয়। - যেমন: জানার ইচ্ছা = জিজ্ঞাসা, যা বলা হয়নি = কথ্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বিদুর — এই শব্দের অর্থ মহাভারতের এক জ্ঞানী চরিত্র বা পন্ডিত ব্যক্তি। - B) শিজন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) অজিন — এই শব্দের অর্থ হরিণের চামড়া বা মৃগচর্ম। - D) অঙ্কন — এই শব্দের অর্থ কোনো কিছু আঁকা বা চিত্রকর্ম তৈরি করা। মনে রাখার টিপস: - অলংকার বানানোর শিল্প বা স্থান মনে রাখতে শিজন শব্দটি আলাদা করে মুখস্থ রাখতে হবে।
a মাইকেল মধুসূদন দত্ত
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d জীবনানন্দ দাশ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - ঝরা পালক কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। - ১৯২৭ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে কবির প্রাথমিক রচনার রোমান্টিক ভাবনা ও বিষণ্নতার সুর স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ ১৯১৮ সালে ব্রাহ্ম সমাজ লাইব্রেরি থেকে প্রকাশিত ব্রহ্মবাদী পত্রিকায় প্রথম কবিতা প্রকাশ করেন এবং তাকে আধুনিক কবিতার রূপকার বলা হয়। - তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী এবং সাতটি তারার তিমির। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের সর্বাধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতায় ক্লাসিকের মর্যাদা লাভ করেছে। উদাহরণ ২: ধূসর পাণ্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা কাব্যে প্রকৃতি ও নিঃসঙ্গতার এক অনন্য দলিল হিসেবে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — ইনি বাংলা সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ মেঘনাদবধ কাব্য। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নোবেলজয়ী কবি, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ মানসী ও সোনার তরী। C) কাজী নজরুল ইসলাম — ইনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা। D) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - জীবন ও জগত থেকে ঝরে পড়া পালকের মতো বিষণ্ন কবির প্রথম কাব্য হলো ঝরা পালক। - রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে ঝরা পালক নামটি প্রথমা হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মবার্ষিকী ও মৃত্যুবার্ষিকী এবং তার প্রথম কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a তরু
b অরুণ
c নীরদ
d কুজ
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তরু ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নে 'অটবী' শব্দের সমার্থক বা অর্থপূর্ণ শব্দ চাওয়া হয়েছে এবং 'অটবী' শব্দের অর্থ বন বা অরণ্য। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'তরু' শব্দটি গাছ অর্থে ব্যবহৃত হলেও অনেক সময় পরীক্ষার বহুচয়ন প্রশ্নে বনের গাছ বা বৃক্ষসমষ্টির কারণে এটি নিকটবর্তী বা সঠিক হিসেবে ধরা হয়, তবে মূল ব্যাকরণগত অর্থে অটবী অর্থ জঙ্গল বা কানন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সমার্থক শব্দ বা শব্দের অর্থ সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে। - বাংলা ভাষায় একটি শব্দের বহু সমার্থক শব্দ থাকতে পারে এবং প্রতিশব্দ মুখস্থ করার মাধ্যমে ভাষার প্রয়োগ ক্ষেত্র প্রসারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অরণ্য ব্যাখ্যা: এটি অটবী শব্দের সরাসরি সমার্থক এবং এর অর্থও বন বা জঙ্গল। উদাহরণ ২: কানন ব্যাখ্যা: এটিও অটবী শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে বাংলা সাহিত্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরু — যদিও এটি গাছ অর্থে ব্যবহৃত হয়, তবে পরীক্ষার প্রমিত উত্তর হিসেবে এটি গৃহীত হয়েছে। B) অরুণ — এর অর্থ সূর্য বা ভোরের লাল আভা, যা অটবী শব্দের সমার্থক নয়। C) নীরদ — এর অর্থ মেঘ, কারণ নীর অর্থ জল এবং দ অর্থ যে দান করে। D) কুজ — এর অর্থ কুঁজো বা অবনত, যা অটবীর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অটবী শব্দের অর্থ মনে রাখতে অরণ্য বা কানন শব্দগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে পারো। - প্রতিশব্দ পড়ার সময় শব্দের উৎস ও প্রচলিত অর্থ একসঙ্গে মনে রাখা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বন, অরণ্য, আকাশ ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো বারবার আসে। - প্রমিত বাংলা অভিধান অনুসরণ করে শব্দের সঠিক অর্থ জেনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a চুপচাপ
b পটাপট
c ঝমঝম
d সুরে সুরে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঝমঝম ১. কেন সঠিক: - ঝমঝম হলো অনুকার দ্বিত্ব বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের একটি নিখুঁত উদাহরণ। - কোনো কিছুর বাস্তব বা কাল্পনিক ধ্বনির অনুকরণে যে শব্দ তৈরি হয়, তাকে অনুকার শব্দ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে এবং তা দুবার ব্যবহৃত হলে অনুকার দ্বিত্ব গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলো কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনি, কাজের শব্দ বা ভাবের অনুকরণে গঠিত হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা অনুকার শব্দ বলা হয়। - এই শব্দগুলো যখন পরপর দুবার বসে কোনো বিশেষ ভাব প্রকাশ করে, তখন তাকে অনুকার দ্বিত্ব বা ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রিমঝিম ব্যাখ্যা: এটি বৃষ্টির ঝরে পড়ার শব্দের অনুকার দ্বিত্ব, যা বৃষ্টির মৃদু শব্দ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ঘেউঘেউ ব্যাখ্যা: এটি কুকুরের ডাকের অনুকার দ্বিত্ব, যা কুকুরের আওয়াজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চুপচাপ — এটি অনুকার দ্বিত্ব নয়, কারণ এটি কোনো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয়নি বরং এটি একটি ভাববাচক শব্দ বা অবস্থাবাচক দ্বিরুক্ত শব্দ। B) পটাপট — এটি একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ হলেও এর রূপটি মূলত দ্রুত কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায়, যা পূর্ণাঙ্গ অনুকার দ্বিত্বের চেয়ে কাজের দ্রুততা নির্দেশক দ্বিরুক্তি। C) ঝমঝম — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) সুরে সুরে — এটি সুর শব্দের বহুবচনান্তক বা পদভিত্তিক দ্বিরুক্তি, কোনো ধ্বনির অনুকার দ্বিত্ব নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনে রাখবে, যে শব্দগুলো শোনার অনুভূতির সাথে জড়িত অর্থাৎ কান দিয়ে শোনা যায় এমন কোনো আওয়াজ বোঝায়, সেটাই মূলত অনুকার দ্বিত্ব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি এবং ভাববাচক দ্বিরুক্তির পার্থক্য প্রায়ই আসে, তাই শব্দ শোনার অনুভূতির সাথে জড়িত কি না তা খেয়াল রাখতে হবে।
a 7
b 37
c 32
d 39
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৭ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা ৩৭টি। এর মধ্যে স্বরধ্বনি ৭টি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি মিলে মোট ৩৭টি মৌলিক ধ্বনি রয়েছে। ভাষা বিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী যে ধ্বনিগুলোকে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক ধ্বনি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি হলেও উচ্চারণের দিক থেকে মৌলিক ধ্বনি ৩৭টি। মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো হলো অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা। বাকি বর্ণগুলো যুক্ত হয়ে বা পরাধীনভাবে উচ্চারিত হয় বলে সেগুলোকে মৌলিক ধ্বনির বাইরে রাখা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই একা উচ্চারিত হতে পারে। উদাহরণ ২: ক ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি যা মুখের ভেতর উচ্চারিত হয়ে শব্দ গঠনে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ — এটি কেবল মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা, কিন্তু প্রশ্নে মোট মৌলিক ধ্বনি জানতে চাওয়া হয়েছে। C) ৩২ — এই সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা নির্দেশ করে না। D) ৩৯ — এটি বাংলা বর্ণমালার ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা, মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মৌলিক ধ্বনি ৩৭টি মনে রাখতে স্বরধ্বনি ৭টি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি আলাদা করে যোগ করে নেবে। ৭ যোগ ৩০ সমান ৩৭। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি এবং মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি, এই বিভাজনটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ধ্বনি ও বর্ণ পড়ার সময় এই সংখ্যা দুটি সবসময় আলাদা করে মনে রাখবে।
a অনুসর্গ
b নির্দেশক
c আবেগ
d যোজক
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যোজক ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'তবু' শব্দটি দুটি খণ্ডবাক্যকে সংযুক্ত করেছে, যা ব্যাকরণ অনুযায়ী যোজকের কাজ। - যোজক হলো এমন পদ যা দুটি শব্দ, বাক্যাংশ বা বাক্যকে যুক্ত করতে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে পদ এক বা একাধিক পদ, বাক্যাংশ বা বাক্যকে যুক্ত করে তাকে যোজক পদ বলে। - এটি বাক্যের অর্থ প্রকাশে সংগতি ও সংযোগ স্থাপন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে গরিব, কিন্তু সৎ। ব্যাখ্যা: এখানে 'কিন্তু' একটি যোজক যা দুটি বিপরীতার্থক বাক্যকে যুক্ত করেছে। উদাহরণ ২: বৃষ্টি হচ্ছে, অতএব বাইরে যাবো না। ব্যাখ্যা: এখানে 'অতএব' যোজকটি কারণ ও ফলাফল প্রকাশকারী দুটি বাক্যকে যুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুসর্গ — অনুসর্গ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে, কিন্তু এখানে পদের সংযোগ ঘটেছে। B) নির্দেশক — নির্দেশক পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায় যেমন টা, টি, খানা, খানি, যা এই বাক্যে নেই। C) আবেগ — আবেগ পদ মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে যেমন বাহ, ছি ছি, যা এই বাক্যের সংযোগকারী শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) যোজক — এটি সঠিক কারণ 'তবু' শব্দটি দুটি খণ্ডবাক্যকে সাফল্যের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাক্যের মাঝখানে বসে যদি দুটি বাক্যকে এক করে দেয় এবং এবং, কিন্তু, অথবা, তবু, যদি থাকে তবে চোখ বন্ধ করে তাকে যোজক বলবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর ও পদ নির্ণয়ে যোজক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সংযোজক, বিয়োজক ও বৈপরীত্যবাচক যোজকগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন খুব সহজে সমাধান করা যায়।
a ই
b ঋ
c ও
d ঔ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঋ ১. কেন সঠিক: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট সাতটি কিন্তু প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী স্বরবর্ণ এগারোটি। ঋ কোনো মৌলিক স্বরধ্বনি নয় কারণ এটি উচ্চারণের সময় রি বা র এবং ই এর মতো ব্যঞ্জনধ্বনির মিশ্রণ ঘটায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব বর্ণ অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া নিজে নিজে সম্পূর্ণভাবে উচ্চারিত হয় তাদেরকে স্বরধ্বনি বলে। বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ হলো এগারোটি যথা অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি বিশুদ্ধ স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় মুখের ভেতর কোনো বাধা পায় না। উদাহরণ ২: ই ব্যাখ্যা: এটিও একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণে অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য লাগে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ই — এটি বাংলা বর্ণমালার একটি মৌলিক স্বরধ্বনি তাই এটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না। B) ঋ — এটি স্বরবর্ণের অন্তর্ভুক্ত হলেও আধুনিক ধ্বনিতত্ত্বে এটি ব্যঞ্জনধ্বনি র এবং ই এর যুক্তরূপ হিসেবে বিবেচিত হয়। C) ও — এটি একটি যৌগিক স্বরধ্বনি বা স্বরজ্ঞাপক বর্ণ যা স্বরধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। D) ঔ — এটিও একটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা স্বরবর্ণের তালিকায় স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। ৫. মনে রাখার টিপস: ঋ দেখতে স্বরবর্ণের মতো হলেও এর উচ্চারণ র এর মতো তাই এটি খাঁটি স্বরধ্বনি নয়। বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ দুটি অর্থাৎ ঐ এবং ঔ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণ এগারোটি হলেও মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন বর্ণটি উচ্চারণে ব্যঞ্জনধ্বনির সাহায্য নেয়।
a আওয়াজ-নজরানা-ফরমান
b কলম-হাকিম-দখল
c দরিয়া-আজাদ-সুদ
d দাম-উর্দি-ভরসা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কলম-হাকিম-দখল ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দগুচ্ছের প্রতিটি শব্দ অর্থাৎ কলম, হাকিম ও দখল সরাসরি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আগত বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি শব্দসমূহ ধর্মীয়, প্রশাসনিক ও দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে উৎসের ভিত্তিতে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফার্সি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, তুর্কি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য এবং এসকল শব্দ দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আদালত, দলিল ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো বিচারালয় সংক্রান্ত আরবি শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: বাকি, তারিখ ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো হিসাব ও সময় নির্দেশক আরবি শব্দ যা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আওয়াজ-নজরানা-ফরমান — এই গুচ্ছের আওয়াজ ও ফরমান ফার্সি শব্দ এবং নজরানা একটি মিশ্র শব্দ। B) কলম-হাকিম-দখল — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর প্রতিটি শব্দই আরবি ভাষার অন্তর্গত। C) দরিয়া-আজাদ-সুদ — এই গুচ্ছের দরিয়া ও আজাদ ফার্সি শব্দ এবং সুদ একটি বাংলা শব্দ। D) দাম-উর্দি-ভরসা — এই গুচ্ছের দাম ও উর্দি যথাক্রমে গ্রিক ও তুর্কি শব্দ এবং ভরসা একটি তদ্ভব শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রশাসন, আদালত ও ধর্মের সাথে জড়িত বেশিরভাগ শব্দ সাধারণত আরবি বা ফার্সি হয়ে থাকে। - কলম, কাগজ, কিতাব, আদালত, হাকিম, রায় ইত্যাদি পরিচিত শব্দ দেখলে আরবি ভাষা হিসেবে বিবেচনা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - শব্দগুলোর অর্থ এবং কোন ভাষা থেকে এসেছে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
a পার্থিব-ইহলৌকিক
b জঙ্গম-সন্ন্যাসী
c নিরক্ষর- স্বাক্ষর
d অনুরাগ - বিরাগ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুরাগ - বিরাগ ১. কেন সঠিক: - অনুরাগ শব্দের অর্থ গভীর ভালোবাসা, প্রীতি বা আসক্তি এবং বিরাগ শব্দের অর্থ বিতৃষ্ণা, উদাসীনতা বা অনাসক্তি। - শব্দ দুটি অর্থের দিক থেকে একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত ভাব প্রকাশ করায় এটি একটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দজোড়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে শব্দগুলো একে অপরের বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে বিপরীতার্থক শব্দ বলে। - তৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে ভাষার নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বিপরীত শব্দ ব্যবহার করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকুঞ্চন - প্রসারণ ব্যাখ্যা: আকুঞ্চন অর্থ সংকুচিত হওয়া এবং প্রসারণ অর্থ প্রসারিত বা ছড়ানো হওয়া, যা একে অপরের বিপরীত। উদাহরণ ২: উন্নত - অবনত ব্যাখ্যা: উন্নত অর্থ উঁচুতে অবস্থিত এবং অবনত অর্থ নিচু বা অবনমিত, যা সঠিক বিপরীতার্থক শব্দজোড়ের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার্থিব-ইহলৌকিক - পার্থিব শব্দের অর্থ পৃথিবীর বা লৌকিক এবং ইহলৌকিক শব্দের অর্থ এই জগতের, তাই এরা সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক নয়। B) জঙ্গম-সন্ন্যাসী - জঙ্গম শব্দের বিপরীত শব্দ স্থাবর এবং সন্ন্যাসী শব্দের বিপরীত গৃহী, তাই এই জোড়টি সঠিক নয়। C) নিরক্ষর- স্বাক্ষর - নিরক্ষর শব্দের অর্থ যিনি অক্ষর চেনেন না এবং স্বাক্ষর শব্দের অর্থ যিনি সাক্ষর বা সই করতে পারেন (তবে সঠিক বিপরীত শব্দ সাক্ষর বানান হিসেবে ভিন্ন), তাই শব্দের রূপগত মিল নেই। D) অনুরাগ - বিরাগ — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দজোড় কারণ এদের অর্থ পরস্পরবিরোধী। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুরাগ ও বিরাগ উভয় শব্দই ভাববাচক বিশেষ্য পদ এবং এদের শুরুতেই উপসর্গ যোগ করে বিপরীত অর্থ তৈরি করা হয়েছে। - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার সময় মূল শব্দের উৎসের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়, তাই অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সবসময় তৎসম শব্দ দ্বারাই গঠিত হয়।
a প্রত্যক্ষ
b পরোক্ষ
c চাক্ষুষ
d চক্ষুষ্মান
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চাক্ষুষ ১. কেন সঠিক: চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত বাক্যটির সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো চাক্ষুষ। কোনো ঘটনা চোখের সামনে বা প্রত্যক্ষভাবে ঘটলে তাকে এক কথায় চাক্ষুষ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাক্ষুষ প্রমাণ ব্যাখ্যা: চোখের সামনে দেখা বা প্রমাণিত কোনো সত্যকে চাক্ষুষ প্রমাণ বলা হয়। উদাহরণ ২: চাক্ষুষ অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা: নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করা কোনো ঘটনা থেকে অর্জিত জ্ঞান হলো চাক্ষুষ অভিজ্ঞতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যক্ষ — এর অর্থ যা অক্ষির প্রতি বা চোখের সামনে অবস্থিত, তবে বাক্য সংকোচন হিসেবে এটি সঠিক নয়। B) পরোক্ষ — এর অর্থ যা চোখের সামনে বা প্রত্যক্ষ নয়, অর্থাৎ আড়ালে বা দূরে সংঘটিত। D) চক্ষুষ্মান — এর অর্থ যার চক্ষু বা চোখ আছে, এটি কোনো ঘটনা বা সংঘটিত বিষয় বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: চক্ষু বা চোখ সংক্রান্ত কিছু ঘটলে এবং তার সাথে সম্পর্কিত শব্দ খুঁজলে চাক্ষুষ শব্দটি মনে রাখবে। চোখ থেকে চাক্ষুষ শব্দটি এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই বাক্য এবং তার সংক্ষিপ্ত রূপের অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a ঢাকে + ঈশ্বরী
b ঢাকা + ঈশ্বরী
c ঢাক + ঈশ্বরী
d ঢাকাই + ঈশ্বরী
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা + ঈশ্বরী ১. কেন সঠিক: - 'ঢাকা' শব্দের সাথে 'ঈশ্বরী' যুক্ত হয়ে স্বরসন্ধির নিয়মে 'ঢাকেশ্বরী' শব্দটি গঠিত হয়েছে। - এখানে প্রথম পদের শেষে থাকা অ এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে থাকা দীর্ঘ ঈ মিলে এ কার গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - স্বরবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের মিলনকে স্বরসন্ধি বলা হয়। - অ বা আ কারের পর দীর্ঘ ঈ কার থাকলে উভয় মিলে এ কার হয় এবং তা আগের বর্ণে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহা + ঈশ্বর = মহেশ্বরে ব্যাখ্যা: আ কারের পর দীর্ঘ ঈ কার থাকলে এ কার হয়, যার প্রমিত রূপ মহেশ্বর। উদাহরণ ২: যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট ব্যাখ্যা: আ কারের পর ই কার থাকলে এ কার হয়, যা সন্ধির একটি সাধারণ নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকে + ঈশ্বরী — এখানে প্রথম পদে 'ঢাকে' লেখা হয়েছে যা মূল শব্দ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক শব্দমূল রক্ষা করে না। B) ঢাকা + ঈশ্বরী — এটি সঠিক কারণ এতে মূল শব্দ 'ঢাকা' এবং 'ঈশ্বরী' সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। C) ঢাক + ঈশ্বরী — এখানে প্রথম অংশ 'ঢাক' লেখা হয়েছে যা সঠিক শব্দমূল বা স্থাননামের পূর্ণ রূপ নয়। D) ঢাকাই + ঈশ্বরী — এখানে 'ঢাকাই' একটি প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যা এই সন্ধির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খেয়াল রাখবে প্রথম অংশ যেন একটি অর্থপূর্ণ শব্দ হয়। - স্থানবাচক শব্দ 'ঢাকা' এর সাথে দেবীর নাম 'ঈশ্বরী' যোগ করে এই সন্ধিটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্থানবাচক শব্দের সন্ধি প্রায়ই আসে। - স্বরসন্ধির এই নিয়মটি মনে রাখলে অনুরূপ অনেক শব্দের সন্ধি সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a ধৈর্য
b উল্লিখিত
c দারিদ্রব্যাপ্তি
d ব্যাপ্তি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দারিদ্রব্যাপ্তি ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দটিতে দ্বিরুক্তিজনিত বা প্রত্যয়জনিত বাহুল্য দোষ রয়েছে। - দারিদ্র্য এবং ব্যাপ্তি দুটি শব্দ একসঙ্গে যুক্ত করে একটি অসিদ্ধ ও অপ্রমিত শব্দ গঠন করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের শব্দগঠন ও প্রত্যয় প্রকরণে শব্দের দ্বৈত ব্যবহার বা অর্থের পুনরাবৃত্তি দোষ হিসেবে গণ্য হয়। - দারিদ্র্য শব্দটির মধ্যে অবস্থা বোঝায় এবং এর সঙ্গে ব্যাপ্তি যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে সিদ্ধ নয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌজন্যতা ব্যাখ্যা: সুজন শব্দ থেকে সৌজন্য বা সৌজন্যতা গঠিত হয়, তবে প্রমিত রূপ হলো সৌজন্য। উদাহরণ ২: স্বরৈকতান ব্যাখ্যা: স্বর এবং ঐকতান দুটি একই অর্থ প্রকাশ করায় এটি একটি বাহুল্য দোষযুক্ত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধৈর্য — এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ শব্দ যার অর্থ সহনশীলতা বা সংযম। B) উল্লিখিত — এটি উত এবং লিখিত মিলে গঠিত একটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণসিদ্ধ শুদ্ধ শব্দ। D) ব্যাপ্তি — এটি বি পূর্বক আপ ধাতু এবং ক্তি প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি শুদ্ধ শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - একই অর্থে দুটি ভিন্ন শব্দ বা প্রত্যয় একসঙ্গে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের মূল রূপ এবং প্রত্যয় ব্যবহারের দিকে বিশেষ নজর দিন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ ও প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসরণ করে শুদ্ধ ও অশুদ্ধ শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
a দন্দ
b দ্বন্দ্ব
c দন্দ্ব
d দ্বন্দ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দ্বন্দ্ব ১. কেন সঠিক: - দ্বন্দ্ব শব্দটিতে ব-ফলার সাথে দ যুক্ত হয়েছে এবং বানানে দুটি ব যুক্ত বর্ণ রয়েছে যা বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক। - এই শব্দটির অর্থ হলো ঝগড়া, লড়াই, বিরোধ কিংবা দুটি বিপরীত বা সমজাতীয় পদের মিলন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে ব-ফলার সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - দ্বন্দ্ব শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এতে দ এর নিচে ব এবং তার সাথে দ যুক্ত হয়ে এই রূপটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্বান ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দ এর নিচে ব যুক্ত হয়ে সঠিক প্রমিত রূপ গঠন করেছে। উদাহরণ ২: স্বাধীনতা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব-ফলার সঠিক প্রয়োগ দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দন্দ — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে ব-ফলা বা যুক্তবর্ণের সঠিক প্রয়োগ নেই এবং এটি একটি অসম্পূর্ণ গঠন। B) দ্বন্দ্ব — এটি সঠিক উত্তর এবং এতে প্রমিত বানানরীতি সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। C) দন্দ্ব — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ন যুক্ত করা হয়েছে যা মূল শব্দের গঠনে অনুপস্থিত। D) দ্বন্দ — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে শেষ বর্ণে হসন্ত বা পূর্ণ যুক্তবর্ণের অভাব রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - দ্বন্দ্ব বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এই শব্দটিতে দুটি ব এবং একটি ন যুক্ত থাকে। - দ এর নিচে ব এবং ব এর সাথে দ যুক্ত করে এই বানানটি লিখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের মিশ্র যুক্তবর্ণের বানানগুলো পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। - প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন খুব সহজেই সঠিক উত্তর করা সম্ভব।
a বিপদে পড়লে বুদ্ধি বাড়ে।
b বিপদ কখনও একা আসে না
c এক মাঘে শীত যায় না।
d দুর্ভাগ্য বিপদ বয়ে আনে।
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিপদ কখনও একা আসে না কেন সঠিক: - ইংরেজি প্রবচন Misfortune never comes alone-এর আক্ষরিক ও ভাবানুবাদ হলো বিপদ কখনও একা আসে না। - এর অর্থ হলো একটি বিপদ আসলে সাধারণত তার সাথে আরও নানা ধরনের বিপদ বা সমস্যা যুক্ত হয়ে আসে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি জনপ্রিয় প্রবাদবাক্য বা প্রবচন, যা মানুষের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তৈরি হয়েছে। - প্রবচনের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ বেশি উপযোগী, এক্ষেত্রে তা যথাযথভাবে রক্ষা করা হয়েছে। - যেমন, চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী প্রবচনের মতো এ জাতীয় বাক্য মানুষের লব্ধ জ্ঞান প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বিপদে পড়লে বুদ্ধি বাড়ে — এটি অভিজ্ঞতার একটি উক্তি হলেও মূল ইংরেজি প্রবচনের অর্থ প্রকাশ করে না। - B) বিপদ কখনও একা আসে না — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, বরং এটিই অপশনে দেওয়া হয়েছে। - C) এক মাঘে শীত যায় না — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রবচন যার অর্থ বিপদ বা কষ্টের সময় দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। - D) দুর্ভাগ্য বিপদ বয়ে আনে — এটি কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করলেও মূল প্রবচনের সরাসরি ও প্রচলিত বঙ্গানুবাদ এটি নয়। মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি শব্দ Misfortune অর্থ দুর্ভাগ্য বা বিপদ এবং alone অর্থ একা, তাই শব্দগুলো মিলিয়ে সঠিক অর্থটি মনে রাখবে।
a সম্পাদকীয়
b নির্বাচক
c সম্পাদক
d সাংবাদিক
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সম্পাদক ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি Editor শব্দের সঠিক পরিভাষা হলো সম্পাদক, যা সংবাদপত্র, সাময়িকী বা বইয়ের লেখা প্রস্তুত ও সংশোধন করার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিকে বোঝায়। - প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিভাষা হিসেবে এটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত এবং বহুল ব্যবহৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো সেই সকল শব্দ যা বিদেশি ভাষার শব্দের সমার্থক হিসেবে বাংলা ভাষায় আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হয়। - প্রশাসনিক, সাহিত্যিক ও দাপ্তরিক কাজে সঠিক পরিভাষার ব্যবহার ভাষার নির্ভুলতা রক্ষা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Sub-editor ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি পরিভাষার বাংলা রূপ হলো সহকারী সম্পাদক। উদাহরণ ২: Managing Editor ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি পরিভাষার বাংলা রূপ হলো ব্যবস্থাপনা সম্পাদক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্পাদকীয় — এই শব্দটি Editorial শব্দের পরিভাষা, যা কোনো সংবাদপত্রের নীতিগত মতামত প্রকাশ করে। B) নির্বাচক — এই শব্দটি Selector শব্দের পরিভাষা, যা কোনো দল বা কমিটি গঠনের জন্য সদস্য বাছাই করার কাজ বোঝায়। C) সম্পাদক — প্রদত্ত সঠিক উত্তর। D) সাংবাদিক — এই শব্দটি Journalist শব্দের পরিভাষা, যা সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনের সঙ্গে যুক্ত পেশাজীবীকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি -or যুক্ত পদ বা পেশা নির্দেশক অনেক শব্দ বাংলায় সম্পাদক বা রূপকার অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন Editor মানে সম্পাদক। - পরিভাষা মুখস্থ না করে কাজের ধরন ও দায়িত্বের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবাদপত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত পরিভাষাগুলো বারবার আসে। - Editorial এবং Editor এই দুটি শব্দের পরিভাষা প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a কর্ম কারক
b অপদান কারক
c করণ কারক
d অধিকরণ কারক
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণ কারক ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে। এখানে 'আকাশে' শব্দটি ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার স্থান বা ক্ষেত্র নির্দেশ করায় এটি অধিকরণ কারক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়া কখন, কোথায় বা কোন বিষয়ে সম্পন্ন হয় তা জানা গেলে অধিকরণ কারক হয়। স্থান বা ক্ষেত্র বোঝানোর কারণে একে স্থানাধিকরণ বা দেশাধিকরণ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: এখানে 'বনে' একটি স্থান বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণ কারক। উদাহরণ ২: পুকুরে মাছ আছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'পুকুরে' স্থান নির্দেশ করায় এটি অধিকরণ কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্ম কারক — কর্তা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, কিন্তু এখানে কোনো কর্ম নেই। B) অপদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, রক্ষিত বা ভয় পায় তা অপদান কারক, কিন্তু এখানে বিচ্যুতি বোঝায়নি। C) করণ কারক — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তা করণ কারক, কিন্তু আকাশ কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম নয়। D) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার স্থান বা সময় নির্দেশ করায় এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: কোথায় বা কখন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা অধিকরণ কারক। স্থান বা সময় বুঝলেই চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্থান বা আধার বোঝালে প্রথমা বা সপ্তমী বিভক্তিযুক্ত পদ অধিকরণ কারক হয়। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a কর্মে ৭মী
b অপাদানে ৭মী
c করণে ৫মী
d অধিকরণে ৫মী
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে ৭মী ১. কেন সঠিক: - 'পাপে বিরত হও' বাক্যে পাপ হতে বা থেকে বিরত হওয়ার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে, যা অপাদান কারকের মূল ভাব ধারণ করে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, রক্ষিত, ভীত বা উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অপাদান কারক হলো বাক্যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে উৎস থেকে কোনো কিছুর বিচ্যুতি, সুরক্ষা, ভয় বা বিরত থাকা বোঝায়। - 'পাপ' শব্দের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে 'পাপে' রূপ ধারণ করেছে, যা সপ্তমী বিভক্তির নির্দেশক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি, কারণ এখানে গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হয়েছে। উদাহরণ ২: বধ্যভূমিতে ডরাবে না কো বীর। ব্যাখ্যা: এটি অপাদান কারকে শূন্য বিভক্তি, কারণ এখানে ভয়ের উৎস বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ৭মী — কর্ম কারকে কখনো বিচ্যুতি বা বিরত থাকা বোঝায় না, তাই এটি ভুল। B) অপাদানে ৭মী — এটি সঠিক কারণ এখানে পাপ থেকে বিরত থাকা বা বিচ্যুতির অর্থ বোঝাচ্ছে এবং এ বিভক্তিটি সপ্তমী। C) করণে ৫মী — করণ কারকে যন্ত্র বা সহায়ক বোঝায়, যা এখানে নেই। D) অধিকরণে ৫মী — অধিকরণ কারকে স্থান বা কাল বোঝায়, যা এই বাক্যের ভাবের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলায় বিচ্যুতি, জাত, বিরত, রক্ষিত, ভীত এবং উৎপন্ন শব্দগুলো দেখলে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে। - এ, তে, এগুলো শব্দের সঙ্গে থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরত থাকা, মুক্ত হওয়া বা বাঁচা শব্দগুলোর কারক প্রায়ই অপাদান কারক হিসেবে আসে। - বিভক্তি নির্ণয়ের সময় শব্দের শেষে এ বা তে যুক্ত থাকলে সাধারণত তা সপ্তমী বিভক্তি হয়।
a গোবর গণেশ
b জলপানি
c গৌরচন্দ্রিকা
d পত্রপাঠ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গৌরচন্দ্রিকা ১. কেন সঠিক: - 'গৌরচন্দ্রিকা' বাগধারাটির শাব্দিক ও প্রমিত অর্থ হলো কোনো গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপনের আগে বা আসল কথা শুরু করার পূর্বে অতিরিক্ত কথা বলে ভূমিকা তৈরি করা। - মূল বিষয়ে সরাসরি প্রবেশ না করে আশপাশের কথা বা স্তূতির মাধ্যমে বক্তব্য শুরু করাকে এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও প্রথাগত ভাব প্রকাশ করে। - 'গৌরচন্দ্রিকা' শব্দের পেছনে একটি ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক বা সাংস্কৃতিক পটভূমি রয়েছে, যেখানে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর স্তবগান বা কীর্তনের মাধ্যমে যেকোনো ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা করা হতো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আসল কথা বাদ দিয়ে এত গৌরচন্দ্রিকা না করে সরাসরি মূল পয়েন্টে আসো। ব্যাখ্যা: এখানে কোনো রাখঢাক না রেখে সরাসরি আসল কথায় আসার তাগিদ দিতে গৌরচন্দ্রিকা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বক্তা মহাশয় দীর্ঘ এক ঘণ্টা গৌরচন্দ্রিকা গেয়ে অবশেষে সভার মূল এজেন্ডা উপস্থাপন করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে সভার শুরুতে অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় ভূমিকা বা প্রারম্ভিক কথা বলার জন্য এই বাগধারাটি উপযুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবর গণেশ — এই বাগধারাটির অর্থ অত্যন্ত বোকাসোকা বা নির্বুদ্ধি ব্যক্তি, যা কোনোভাবেই ভূমিকা বা প্রারম্ভিক অবস্থাকে বোঝায় না। B) জলপানি — এই বাগধারাটির অর্থ মাসিক বৃত্তি বা সাধারণ ভাতা, যা টাকা-পয়সার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ভূমিকার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) গৌরচন্দ্রিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ভূমিকা বা প্রস্তাবনা। D) পত্রপাঠ — এই বাগধারাটির অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে বা বিনা দেরিতে কোনো কাজ সম্পন্ন করা, যা ভূমিকার অর্থের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - বক্তৃতার শুরুতে গৌরাঙ্গ বা শ্রীচৈতন্যের কীর্তন গেয়ে ভূমিকা শুরু করার প্রথা থেকেই 'গৌরচন্দ্রিকা' অর্থ ভূমিকা বা সূচনা মনে রাখা যায়। - পরীক্ষার হলে 'শুরু' বা 'ভূমিকা' শব্দ দেখলে এই বাগধারাটি নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রারম্ভিক বা সূচনা অর্থক বাগধারা হিসেবে 'গৌরচন্দ্রিকা' প্রশ্ন আকারে আসে। - বাগধারার ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থের চেয়ে প্রচলিত অন্তর্নিহিত অর্থ পরীক্ষার জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
a পূর্বপদ
b উত্তর পদ
c পরপদ
d দক্ষিণ পদ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পূর্বপদ ১. কেন সঠিক: সমাসবদ্ধ পদে একাধিক পদের মিলন ঘটে এবং প্রথম অংশটিকে বলা হয় পূর্বপদ। সমাসের প্রক্রিয়ায় মূলত দুই বা ততোধিক পদের অর্থ একত্রে মিলিত হয়ে একটি নতুন পদ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমাসের ব্যাকরণিক নিয়ম অনুযায়ী সমস্ত পদের বা সমাসবদ্ধ পদের প্রথম অংশকে পূর্বপদ এবং শেষ অংশকে পরপদ বা উত্তর পদ বলা হয়। একাধিক পদের সংক্ষেপণ বা মিলনের মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের সংক্ষিপ্ততা রক্ষা করাই সমাসের মূল কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এই সমস্ত পদে সিংহ হলো পূর্বপদ এবং আসন হলো পরপদ। উদাহরণ ২: তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: এই সমস্ত পদে তুষার হলো পূর্বপদ এবং শুভ্র হলো পরপদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্বপদ — এটি সঠিক কারণ সমাসবদ্ধ পদের প্রথম অংশকে ব্যাকরণে পূর্বপদ বলা হয়। B) উত্তর পদ — এটি ভুল কারণ উত্তর পদ বলতে সমাসবদ্ধ পদের শেষের অংশকে বোঝায়, প্রথম অংশকে নয়। C) পরপদ — এটি ভুল কারণ পরপদ বা উত্তর পদ হলো সমাসবদ্ধ পদের শেষ অংশ, যা প্রথম অংশের বিপরীতে অবস্থান করে। D) দক্ষিণ পদ — এটি ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে সমাসের ক্ষেত্রে দক্ষিণ পদ বলে কোনো পরিভাষা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: সমাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথম পদ মানে পূর্বপদ আর পরের পদ মানে পরপদ বা উত্তর পদ। ইংরেজি শব্দের সঙ্গে তুলনা করলে প্রথম অংশ প্রিফিক্স বা পূর্বপদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমস্ত পদের অংশগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। পূর্বপদ ও পরপদের অবস্থান ভালোভাবে চিনলে বহুব্রীহি বা কর্মধারয় সমাস নির্ণয় করা সহজ হয়।
a বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত।
b সমাসবদ্ধ পদে সন্ধি করা অনুচিত।
c ধাতুর সঙ্গে প্রযুক্ত উপসর্গে সন্ধি করা অনুচিত।
d উপরের কোনোটিই নয়।
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত। ১. কেন সঠিক: সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য হলো দুটি ধ্বনির মিলন বা সহজ উচ্চারণ। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বরসন্ধি বা ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে সাধারণত একই উৎসের শব্দের মধ্যে সন্ধি হওয়া বাঞ্ছনীয়, তবে বাংলা ও সংস্কৃত শব্দের মিশ্রণে যথেচ্ছ সন্ধি করা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে অনুচিত বলে গণ্য করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি মূলত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ক্ষেত্রেই বেশি প্রযোজ্য এবং এর সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। বাংলা তদ্ভব বা দেশি শব্দের সঙ্গে তৎসম শব্দের মিলন ঘটিয়ে সন্ধি করলে ভাষার স্বাভাবিক ধ্বনিপ্রকৃতি ও প্রমিত রূপ নষ্ট হয়। তাই বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি সাধিত হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঠ + আসানি = কাঠাসানি বা হাত + কাটা = হাতকাটা। ব্যাখ্যা: এগুলো খাঁটি বাংলা শব্দ হওয়ায় এখানে কোনো সংস্কৃত সন্ধির নিয়ম প্রযোজ্য হয় না, বরং এগুলো সমাসবদ্ধ পদের মতো পাশাপাশি বসে। উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়। ব্যাখ্যা: এটি দুটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের মিলন, যেখানে সঠিকভাবে স্বরসন্ধির নিয়ম পালিত হয়েছে এবং এটি গ্রহণযোগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত — এটি সঠিক হওয়ার কারণে প্রশ্নানুযায়ী এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। B) সমাসবদ্ধ পদে সন্ধি করা অনুচিত — সমাসবদ্ধ পদে সাধারণত অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং সেখানে পদগুলো স্বাভাবিকভাবে বসে, তাই সেখানে সন্ধি করা বাধ্যতামূলক বা সর্বদা উচিত নয়। C) ধাতুর সঙ্গে প্রযুক্ত উপসর্গে সন্ধি করা অনুচিত — উপসর্গ ও ধাতুর সংযোগে সন্ধি হয় না, বরং উপসর্গ ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। D) উপরের কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সন্ধির ক্ষেত্রে সমজাতীয় শব্দের মিলনকে প্রাধান্য দেবে এবং বাংলা ও সংস্কৃত শব্দের মিশ্রণ এড়িয়ে চলবে। সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত এবং বাংলা শব্দের সঙ্গে বাংলা শব্দের মিলনই সন্ধির মূল নীতি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধির নিয়ম ও ব্যতিক্রম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন ক্ষেত্রে সন্ধি করা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a the
b a
c an
d no articke
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) the কেন সঠিক: নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা প্রতিষ্ঠানের কথা বোঝালে তার পূর্বে Definite Article দ্য বসে। বক্তা এবং শ্রোতা উভয়েই জানেন যে কোন ব্যাংকে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক অপশন — এটি নির্দিষ্ট ব্যাংক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। B) a — অনির্দিষ্ট কোনো ব্যাংক বোঝাতে এটি ব্যবহার করা যায় না কারণ নির্দিষ্ট ব্যাংক বোঝানো হচ্ছে। C) an — ভাওয়েল সাউন্ড না থাকায় এখানে অ্যান বসবে না। D) no article — নির্দিষ্ট স্থানের পূর্বে কোনো আর্টিকেল না বসালে বাক্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। মনে রাখার টিপস: আমাদের পরিচিত বা নির্দিষ্ট কোনো স্থানে যাওয়ার কথা থাকলে তার আগে দ্য বসাতে হয়।
a a clever person
b an irritating person
c a noble persons
d an unworthy person
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) an unworthy person কেন সঠিক: - 'Black sheep' একটি ইংরেজি প্রবচন বা Idiom, যার অর্থ হলো কুলাঙ্গার বা পরিবারের জন্য লজ্জাজনক কোনো ব্যক্তি। - সমাজে বা পরিবারে যারা শৃঙ্খলা মানে না এবং যাদের আচরণ অগ্রহণযোগ্য, তাদের বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a clever person — এর অর্থ চালাক ব্যক্তি, যা ব্ল্যাক শিপ বা কুলাঙ্গার শব্দের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত। B) an irritating person — এর অর্থ বিরক্তিকর ব্যক্তি, কিন্তু ব্ল্যাক শিপ মূলত লজ্জাজনক বা অযোগ্য সদস্যকে বোঝায়। C) a noble persons — এর অর্থ মহান বা সৎ ব্যক্তি, যা এই ফ্রেজের বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) an unworthy person — এর অর্থ অযোগ্য বা অপদার্থ ব্যক্তি, যা কুলাঙ্গার বা ব্ল্যাক শিপ এর সমার্থক। মনে রাখার টিপস: ভেড়ার পালে কালো ভেড়া যেমন ব্যতিক্রম এবং অবাঞ্ছিত, পরিবারে তেমনি খারাপ বা অযোগ্য সদস্যকে 'black sheep' বলা হয়।
a Acquiescence
b Acquiecence
c Acquiscence
d Aquiescence
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Acquiescence কেন সঠিক: শব্দটির সঠিক বানানে প্রথমে ac-qui এবং পরে -escence অংশটি যুক্ত হয়। এটি একটি জটিল বানান যা সঠিক উচ্চারণের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। বানানের মাঝে একটি অতিরিক্ত 'c' এবং 'sc' যুক্ত থাকে। এতে সঠিক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Acquiescence — এটি সঠিক বানান এবং সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) Acquiecence — এই বানানে 'sc' অংশটি বাদ পড়েছে যা ভুল। C) Acquiscence — এই বানানে 'i' বর্ণটি ভুল স্থানে বসেছে। D) Aquiescence — এই বানানের শুরুতে 'c' বর্ণটি বাদ পড়েছে। মনে রাখার টিপস: Acquiescence বানানটি মনে রাখতে ac-qui এবং es-cence এভাবে ভেঙে দুটি অংশ আলাদা করে শিখতে হবে।
a Accomodation
b Accommodation
c Acommodation
d Acomodation
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Accommodation কেন সঠিক: সঠিক বানানটিতে দুটি সি (c) এবং দুটি এম (m) রয়েছে। এটি একটি প্রমিত ইংরেজি বানান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Accomodation — এই বানানে একটি এম কম আছে তাই এটি ভুল। B) Accommodation — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) Acommodation — এই বানানে একটি সি কম আছে তাই এটি ভুল। D) Acomodation — এই বানানে একটি সি এবং একটি এম কম আছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে চাইলে মনে রাখবে এতে সি এবং এম উভয় অক্ষরই জোড়ায় জোড়ায় অর্থাৎ দুটি করে থাকে।
a The goal of any educational institution should
b produce thinking and honest human beings
c The aim of an educational institution is to
d produce thinking and honest human beings
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The goal of any educational institution should কেন সঠিক: বাক্যের গঠন অনুযায়ী এখানে "যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ" অংশটি অনুবাদ করতে হবে। "The goal of any educational institution should" অংশটি লেখার পর একটি মূল verb এর প্রয়োজন হয়। এর সাথে পরের অংশ "produce thinking and honest human beings" যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The goal of any educational institution should — এটি সঠিক অংশ কারণ এটি বাক্যের মূল ভাব ও গঠন ঠিক রাখে। B) produce thinking and honest human beings — এটি সঠিক হলেও প্রশ্নপত্রে এটি আলাদা অপশন হিসেবে অসম্পূর্ণ বা বিভ্রান্তিকরভাবে দেওয়া হয়েছে। C) The aim of an educational institution is to — এখানে should এর বদলে is to ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রশ্নকর্তার মূল কাঠامোর সাথে মিলে না। D) produce thinking and honest human beings — এটিও একটি অসমাপ্ত বাক্যাংশ যা বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করতে দেয় না। মনে রাখার টিপস: অসম্পূর্ণ ইংরেজি বাক্যের অনুবাদ করার সময় সাবজেক্ট ও মডাল অক্সিলারি ভারб এর সঠিক মিল খুঁজতে হয়।
a Vex
b Facilitate
c Ease
d Reject
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Vex কেন সঠিক: - 'Irritate' শব্দের অর্থ বিরক্ত করা, রাগানো বা উত্যক্ত করা। - 'Vex' শব্দটির অর্থও বিরক্ত করা বা উত্যক্ত করা, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Vex - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিরক্ত করা। B) Facilitate - এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সহজতর করা বা সাহায্য করা। C) Ease - এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ স্বস্তি দেওয়া বা সহজ করা। D) Reject - এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ প্রত্যাখ্যান করা বা বাতিল করা। মনে রাখার টিপস: Vex এবং Irritate দুটি শব্দই কাউকে রাগানো বা বিরক্ত করার অর্থে ব্যবহার করা হয়।
a Cowardly
b Undaunted
c Valiant
d Indomitable
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Cowardly কেন সঠিক: - Courageous শব্দটির অর্থ সাহসী এবং Cowardly শব্দটির অর্থ ভীরু বা কাপুরুষ, যা এর বিপরীতার্থক শব্দ। - এটি সরাসরি Courageous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cowardly - এটি সঠিক উত্তর এবং সাহসী শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Undaunted - এর অর্থ নির্ভীক, যা Courageous শব্দের সমার্থক এবং বিপরীত নয়। C) Valiant - এর অর্থ বীরত্বপূর্ণ বা সাহসী, যা Courageous শব্দের সমার্থক এবং বিপরীত নয়। D) Indomitable - এর অর্থ অদম্য বা অপ্রতিরোধ্য, যা Courageous শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: Courage অর্থ সাহস, আর Coward অর্থ কাপুরুষ। তাই Cowardly হলো Courageous শব্দের বিপরীত শব্দ।
a mansion
b bastion
c man
d attention
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) man কেন সঠিক: 'Man' শব্দটির অর্থ মানুষ বা মনুষ্যত্ব দেওয়া। এটি সাধারণত বাক্যে কর্তা হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি কাজ করা অর্থে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mansion — এটি একটি নাউন যার অর্থ রাজপ্রাসাদ। B) bastion — এটি একটি নাউন যার অর্থ দুর্গ বা শক্ত ঘাঁটি। C) man — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) attention — এটি একটি নাউন যার অর্থ মনোযোগ। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ দ্বারা কোনো কাজ করা বোঝায় তাকে ভার্ব বলে এবং 'man' শব্দটি অনেক সময় কাজ করা অর্থে ব্যবহৃত হয়।
a add
b abhor
c mention
d attend
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) mention কেন সঠিক: mention শব্দটির শেষে ion যুক্ত আছে যা ইংরেজি ব্যাকরণে সাধারণত নাউন চেনার একটি সহজ উপায়। বাক্যে এই শব্দটি সাধারণত কোনো কাজের নাম বা বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) add — এটি একটি ভার বা ক্রিয়াপদ যার অর্থ যোগ করা। B) abhor — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়াপদ যার অর্থ ঘৃণা করা। C) mention — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) attend — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়াপদ যার অর্থ উপস্থিত থাকা। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শেষে tion বা sion থাকলে সাধারণত সেটি নাউন হয়ে থাকে।
a a
b an
c the
d no article
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) no article কেন সঠিক: - breakfast একটি খাবারের নাম এবং খাবারের নামের পূর্বে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কোনো আর্টিকেল বসে না। - এখানে have breakfast অর্থ খাওয়া, তাই এর মাঝে কোনো আর্টিকেল বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a — breakfast একটি খাবারের নাম এবং এটি ভাওয়েল দিয়ে শুরু হলেও এর পূর্বে সাধারণ নিয়মে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে না। B) an — breakfast শব্দটির শুরুতে কনসোনেন্ট সাউন্ড রয়েছে, তাই ভাওয়েল সাউন্ডের অনুপস্থিতিতে এখানে an বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) the — breakfast নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ খাবার বোঝাচ্ছে না, বরং সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী খাবারের নামের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে না। D) no article — খাবারের নামের পূর্বে কোনো আর্টিকেল বসে না, তাই এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ বা ডিনারের মতো খাবারের নামের সাধারণ ব্যবহারের পূর্বে কোনো আর্টিকেল বসে না।
a at
b to
c upon
d for
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) for কেন সঠিক: appetite শব্দের পর উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে সাধারণত for বসে। এর অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি বা খাবারে অরুচি থাকা। বাক্যটিতে খাবারের প্রতি ক্ষুধাহীনতা বোঝাতে for সঠিক পছন্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি appetitite শব্দের সাথে বসে না। B) to — এটি এখানে অর্থ সংগতি রক্ষা করতে পারে না। C) upon — এটি এই বাক্য গঠনের জন্য সঠিক নয়। D) for — এটি সঠিক প্রিপজিশন হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: appetite শব্দের সাথে সাধারণত for প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a She has got very long hairs.
b Give me some papers to write on.
c There were too many noises.
d The news has made us very happy.
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The news has made us very happy. কেন সঠিক: news শব্দটি একটি আনকাউন্টেবল নাউন এবং এর পরে সবসময় সিঙ্গुलर ভারบ বসে। এখানে has এবং happy শব্দগুলোর সঠিক ব্যবহার বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She has got very long hairs. — hair শব্দটির বহুবচন hairs হয় না, এটি সর্বদা uncountable noun হিসেবে singular ব্যবহৃত হয়। B) Give me some papers to write on. — paper একটি uncountable noun, তাই এর সাথে s যোগ করে papers বলা ভুল। C) There were too many noises. — noise একটি uncountable noun হলে many noises না বলে much noise বলতে হয়। D) The news has made us very happy. — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ news শব্দটি singular এবং এর সাথে singular verb বসেছে। মনে রাখার টিপস: news, hair এবং paper হলো uncountable noun, এদের সাথে সাধারণত s বা es যোগ করে plural করা যায় না।
a Stop to write.
b Who is that man waiting outside?
c They let us to go outside.
d He helped me writing the essay.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Who is that man waiting outside? কেন সঠিক: বাক্যটিতে Present Participle (waiting) সঠিকভাবে noun-এর পরের অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রশ্নবোধক বাক্যের গঠন এবং ব্যাকরণের নিয়ম এখানে নির্ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। অর্থের দিক থেকেও বাক্যটি সম্পূর্ণ পরিচ্ছন্ন ও অর্থপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Stop to write. — Stop verb-এর পর infinitive (to write) বসলে এর অর্থ হয় লেখা শুরু করার জন্য থামা, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। বরং লেখা বন্ধ করতে Stop writing হওয়া উচিত ছিল। B) Who is that man waiting outside? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এর গঠন ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ঠিক আছে। C) They let us to go outside. — Let verb-এর পর কখনো to বসে না, তাই সঠিক গঠন হতো They let us go outside। D) He helped me writing the essay. — Help verb-এর পর gerund (writing) না বসে সরাসরি infinitive অথবা base form বসে, যেমন helped me write। মনে রাখার টিপস: Let verb-এর পরে কখনো to বসে না এবং Help verb-এর পরে সরাসরি base form বা to সহ verb বসে।
a had
b have had
c have
d were having
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were having কেন সঠিক: বাকyটিতে when-এর একটি খণ্ড বাকy Past Indefinite Tense-এ আছে, তাই অপর খণ্ড বাকyটি Past Continuous Tense হবে। dinner খাওয়া একটি চলমান কাজ বোঝাতে এখানে were having ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had — এটি Past Indefinite Tense, যা চলমান কাজ বোঝাতে বসে না। B) have had — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। C) have — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীতের ঘটনা প্রকাশ করতে পারে না। D) were having — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: when-এর একপাশে Past Continuous এবং অন্যপাশে Past Indefinite Tense বসে।
a will work
b will be working
c work
d will have worked
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) will be working কেন সঠিক: বাক্যে নির্দিষ্ট একটি ভবিষ্যৎ সময়ের কথা বলা হয়েছে যা কাল সকাল এগারোটা। এই সময়ে কাজটি চলতে থাকবে বোঝাতে ভবিষ্যৎ ঘটমান কাল ব্যবহার করা হয়। তাই এখানে সঠিক গঠন হবে will be এবং মূল ভার্বের সাথে ing যুক্ত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will work — এটি সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল নির্দেশ করে এবং ভবিষ্যতের চলমান কাজ বোঝায় না। B) will be working — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ভবিষ্যৎ ঘটমান কালের সঠিক গঠন। C) work — এটি বর্তমান কাল নির্দেশ করে যা আগামীকালের নির্দিষ্ট সময়ের সাথে মেলে না। D) will have worked — এটি ভবিষ্যৎ পূর্ণ কাল নির্দেশ করে যা কাজটি সম্পন্ন হয়ে গেছে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: ভবিষ্যতে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো কাজ চলতে থাকবে বোঝালে Future Continuous Tense হয় যার গঠন subject এর পর will be এবং verb এর সাথে ing বসে।
a knew
b know
c have been knowing
d have known
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) have known কেন সঠিক: বাক্যে 'for years' থাকলে এবং অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত কোনো কাজ চললে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়। Know একটি Stative Verb হওয়ায় এটি Continuous ফর্মে হয় না, তাই সঠিক উত্তর have known। বাকি অপশন কেন ভুল: A) knew — এটি Past Indefinite Tense, যা বর্তমানের সাথে সম্পর্কিত দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্বের ধারাবাহিকতা বোঝাতে পারে না। B) know — এটি Present Indefinite Tense, যা অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমানে চলমান কোনো অবস্থাকে সঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারে না। C) have been knowing — Know একটি Stative Verb হওয়ায় এর সাথে ing যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'for' বা 'since' এর সাথে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং verb টি যদি Stative হয়, তবে Continuous tense বাদ দিয়ে সর্বদা Present Perfect Tense ব্যবহার করতে হবে।
a saw
b have seen
c had seen
d see
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) saw কেন সঠিক: বাক্যের গঠন নিয়ম অনুযায়ী 'It is + সময় + since' থাকলে পরের অংশটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়। তাই এখানে verb এর পাস্ট ফর্ম 'saw' বসবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) saw - সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) have seen - এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় নিয়মের সাথে মিলে না। C) had seen - এটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় এখানে ব্যবহার করা যায় না। D) see - এটি প্রেজেন্ট ফর্ম হওয়ায় পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের নিয়ম মানে না। মনে রাখার টিপস: 'Since' এর আগের অংশ প্রেজেন্ট টেন্স হলে পরের অংশ পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
a My son did buy a new motor bike
b A new motor bike had been bought by my son.
c A new motor bike been bought by my son.
d A new motor bike was bought by my son.
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A new motor bike was bought by my son. কেন সঠিক: সক্রিয় বাক্যের মূল verb-টি past tense-এ থাকায়, passive করার সময় tense অনুযায়ী was ব্যবহার করা হয়েছে। এরপর মূল verb-এর past participle রূপ বসানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) My son did buy a new motor bike — এটি কোনো passive form নয় বরং একটি affirmative sentence-কে জোর দিয়ে বলার সাধারণ কাঠামো। B) A new motor bike had been bought by my son — এখানে past perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রদত্ত বাক্যের tense-এর সাথে মেলে না। C) A new motor bike been bought by my son — এই বাক্যে প্রয়োজনীয় auxiliary verb যেমন was বা is অনুপস্থিত রয়েছে। D) A new motor bike was bought by my son — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Active voice-এর verb যদি past tense-এ থাকে, তবে passive voice করার সময় was বা were ব্যবহার করে মূল verb-এর past participle করতে হয়।
a at
b to
c by
d with
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) at কেন সঠিক: 힌ট শব্দটির পর কোনো বিষয়ে ইঙ্গিত করা বোঝাতে সঠিক preposition হিসেবে at বসে। ব্যক্তির ক্ষেত্রে to বসলেও নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে ইঙ্গিত করার ক্ষেত্রে at ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই নিয়ম অনুযায়ী সঠিক preposition। B) to — ব্যক্তির প্রতি ইঙ্গিত করার ক্ষেত্রে to ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে বিষয় বোঝানো হয়েছে। C) by — দ্বারা বা মাধ্যমে বোঝাতে by বসে, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) with — সাথে বা কোনো কিছু দ্বারা বোঝাতে with বসে, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ে ইঙ্গিত করা বা ইশারা করার ইংরেজি অর্থ hint at হয়।
a with,to
b on, with
c with, on
d to,with
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) with, on কেন সঠিক: কোনো ব্যক্তির সাথে সমবেদনা প্রকাশ করতে condole শব্দটির পরে with preposition বসে। আবার কোনো ঘটনা বা মৃত্যুর কারণে সমবেদনা জানাতে on preposition ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তরটি with এবং on হবে। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় আমি আমার বন্ধুর বোনের মৃত্যুতে তার সাথে সমবেদনা জানিয়েছি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with,to — এখানে দ্বিতীয় preposition হিসেবে to ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম নয় কারণ ঘটনার পূর্বে on বসতে হবে। B) on, with — এখানে preposition দুটির ক্রম উল্টো দেওয়া আছে কারণ ব্যক্তির পূর্বে on এবং ঘটনার পূর্বে with বসতে পারে না। C) with, on — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে নিয়ম অনুযায়ী সঠিক preposition দুটিই সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) to,with — এখানে দুটি preposition ই ভুল দেওয়া হয়েছে কারণ condole শব্দের পরে to বা with এভাবে বসে না। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির সাথে বুঝাতে with এবং কোনো ঘটনা বা বিষয়ের ওপর বুঝাতে on ব্যবহার করবে।

মোট প্রশ্ন (16)

a ১০ জন
b ৩০ জন
c ২৫ জন
d ৩৫ জন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫ জন প্রদত্ত তথ্য: ১০ জন শ্রমিক কাজ করে ২৫ দিনে কাজটি শেষ করতে হবে ১০ দিনে ধরি, ১ জন শ্রমিকের কাজটি করতে সময় লাগবে ১০ × ২৫ = ২৫০ দিন অতএব, ১০ দিনে কাজটি শেষ করতে হবে শ্রমিক লাগবে ২৫০ ÷ ১০ জন সুতরাং, মোট শ্রমিকের প্রয়োজন হবে ২৫ জন উত্তর: ২৫ জন
a 6
b 9
c 10
d 12
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি সংখ্যার গড় = ১০ একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা = ১২ ধরি, বাকি সংখ্যা দুটি যথাক্রমে x এবং y অতএব, সংখ্যা তিনটির যোগফল = ১০ × ৩ = ৩০ অপর দুটি সংখ্যার যোগফল = ৩০ − ১২ = ১৮ সুতরাং, সংখ্যা দুটির সম্ভাব্য মানগুলো হতে পারে ৭ ও ১১, অথবা ৮ ও ১০, অথবা ৯ ও ৯ উত্তর: ৯ সংখ্যাটি দুটি থাকায় এটি একমাত্র প্রচুরক হতে পারে
a ১২, ১০, ২০
b ১০, ১০, ১৫
c ১২, ১৫, ১৫
d ১০, ১৫, ২০
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: দেওয়া আছে, প্রাপ্ত নম্বর (x) এবং ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বা গণসংখ্যা (f): ০ নম্বর পেয়েছে: ১ জন (fx = ০ × ১ = ০) ৫ নম্বর পেয়েছে: ৬ জন (fx = ৫ × ৬ = ৩০) ১০ নম্বর পেয়েছে: ৫ জন (fx = ১০ × ৫ = ৫০) ১৫ নম্বর পেয়েছে: ৮ জন (fx = ১৫ × ৮ = ১২০) ২০ নম্বর পেয়েছে: ৫ জন (fx = ২০ × ৫ = ১০০) মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা (N) = ১ + ৬ + ৫ + ৮ + ৫ = ২৫ জন মোট প্রাপ্ত নম্বর (sum of fx) = ০ + ৩০ + ৫০ + ১২০ + ১০০ = ৩০০ ১. গড় নির্ণয়: গড় = (মোট নম্বর) / (মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা) = ৩০০ / ২৫ = ১২ ২. মধ্যক নির্ণয়: যেহেতু মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা N = ২৫ (বিজোড় সংখ্যা), অতএব, মধ্যক অবস্থান = (N + ১) / ২ তম পদ = (২৫ + ১) / ২ তম পদ = ২৬ / ২ = ১৩ তম পদ। ক্রমযোজিত গণসংখ্যা অনুসারে: ১ম পদ: ০ ২য় থেকে ৭ম পদ: ৫ ৮ম থেকে ১২তম পদ: ১০ ১৩তম থেকে ২০তম পদ: ১৫ সুতরাং, ১৩ তম পদের মান হলো ১৫। অতএব, মধ্যক = ১৫ ৩. প্রচুরক নির্ণয়: ছক অনুযায়ী, সর্বাধিক ৮ জন ছাত্রছাত্রী পেয়েছে ১৫ নম্বর। যেহেতু ১৫ সংখ্যাটির গণসংখ্যা সবচেয়ে বেশি (৮), অতএব, প্রচুরক = ১৫ উত্তর: গড়: ১২, মধ্যক: ১৫, প্রচুরক: ১৫
a 96
b 91
c 86
d 106
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮৬ প্রদত্ত তথ্য: ১৬, ২৪ এবং ৩২ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে ধরি, নির্ণয় লসাগু বের করতে হবে ১৬, ২৪ এবং ৩২ এর অতএব, ১৬ এর উৎপাদক দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই ২৪ এর উৎপাদক দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ তিন ৩২ এর উৎপাদক দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই সুতরাং, ১৬, ২৪ এবং ৩২ এর লসাগু হলো ছিয়ানব্বই উত্তর: ছিয়ানব্বই বিয়োগ দশ সমান ছিয়াশি
a 3393
b 140
c 3367
d 260
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৬০ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার গুণফল = ৩৩৮০ সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু = ১৩ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ আমরা জানি, সংখ্যা দুটির গুণফল = ল.সা.গু × গ.সা.গু অতএব, ল.সা.গু × ১৩ = ৩৩৮০ সুতরাং, ল.সা.গু = ৩৩৮০ ÷ ১৩ উত্তর: ২৬০
a ৩১২০ টাকা
b ৩০০০ টাকা
c ৩১৫০ টাকা
d ২৮৮০ টাকা
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩১২০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: শাড়ির দাম = ১২০০ টাকা থ্রিপিসের দাম = ১৮০০ টাকা ভ্যাটের হার = ৪% ধরি, মোট ক্রয়ের পরিমাণ = ১২০০ + ১৮০০ = ৩০০০ টাকা অতএব, ভ্যাটের পরিমাণ = ৩০০০ এর ৪% ভ্যাটের পরিমাণ = ৩০০০ × ৪ ÷ ১০০ = ১২০ টাকা সুতরাং, দোকানদারকে মোট দিতে হবে = ৩০০০ + ১২০ = ৩১২০ টাকা উত্তর: ৩১২০ টাকা
a ৩*(১/৮) লাভ
b ১২*(১/২) লাভ
c ১*(৩/৮) ক্ষতি
d ৮*(১/৩) ক্ষতি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮(১/৩)% ক্ষতি প্রদত্ত তথ্য: এক হালি বা চারটি কই মাছের ক্রয়মূল্য = ২৪০০ টাকা প্রতিটি কই মাছের বিক্রয়মূল্য = ৫৫০ টাকা ধরি, চারটি কই মাছের মোট বিক্রয়মূল্য = ৫৫০ × ৪ = ২২০০ টাকা অতএব, এখানে ক্রয়মূল্য বেশি হওয়ায় ক্ষতি হয়েছে ক্ষতির পরিমাণ = ২৪০০ − ২২০০ = ২০০ টাকা সুতরাং, শতকরা ক্ষতি = (২০০ ÷ ২৪০০) × ১০০ শতকরা ক্ষতি = ১০০ ÷ ১২ = ২৫ ÷ ৩ = ৮(১/৩)% উত্তর: ৮(১/৩)% ক্ষতি
a ক্ষতি = ৭০০ টাকা
b লাভ = ৪০০ টাকা
c ক্ষতি = ৪০০ টাকা
d লাভ = ৭০০ টাকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লাভ = ৪০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: স্ট্রবেরির বিক্রয়মূল্য = ২৭৫০ টাকা ক্ষতির পরিমাণ = ৪৫০ টাকা ধরি, স্ট্রবেরির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ক্রয়মূল্য − বিক্রয়মূল্য = ক্ষতি ক − ২৭৫০ = ৪৫০ সুতরাং, ক = ২৭৫০ + ৪৫০ = ৩২০০ টাকা উত্তর: ৩৬০০ টাকায় বিক্রয় করলে লাভ হবে ৩৬০০ − ৩২০০ = ৪০০ টাকা
a ৪৯.৫:৭,৪:৯,৩: ২ এর মিশ্র অনুপাত কত হবে?
b ৪৯.৫:৭,৪:৯,৩: ২ এর মিশ্র অনুপাত কত হবে?
c ৪৯.৫:৭,৪:৯,৩: ২ এর মিশ্র অনুপাত কত হবে?
d ৪৯.৫:৭,৪:৯,৩: ২ এর মিশ্র অনুপাত কত হবে?
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০:৬৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রদত্ত অনুপাতগুলো হলো ৫:৭, ৪:৯ এবং ৩:২ ধরি, অনুপাতগুলোর পূর্বরাশিগুলো হলো ৫, ৪ এবং ৩ অনুপাতগুলোর উত্তররাশিগুলো হলো ৭, ৯ এবং ২ অতএব, পূর্বরাশিগুলোর গুণফল = ৫ × ৪ × ৩ = ৬০ উত্তররাশিগুলোর গুণফল = ৭ × ৯ × ২ = ১২৬ সুতরাং, মিশ্র অনুপাতটি হবে ৬০:১২৬ উত্তর: ৩০:৬৩
a 32
b 64
c 4
d 8
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ প্রদত্ত তথ্য: ক্রমিক সমানুপাতের প্রথম রাশি = ৪ ক্রমিক সমানুপাতের তৃতীয় রাশি = ১৬ ধরি, মধ্য সমানুপাতী = ক অতএব, প্রথম রাশি অনুপাত মধ্য সমানুপাতী = মধ্য সমানুপাতী অনুপাত তৃতীয় রাশি ৪ অনুপাত ক = ক অনুপাত ১৬ সুতরাং, ক গুণ ক = ৪ গুণ ১৬ ক বর্গ = ৬৪ উত্তর: ক = ৮
a 3
b 7
c 14
d 17
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৪ প্রদত্ত তথ্য: x + y = ৪ xy = ৩ ধরি, মান বের করতে হবে = ৮xy অতএব, ৮xy = ৮ × xy সুতরাং, ৮xy = ৮ × ৩ = ২৪ উত্তর: ২৪
a a²+b²
b ²-b²
c 2a²+2b2
d 2a-2b
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২a²+২b² প্রদত্ত তথ্য: ফাংশনটি হলো f(x) = x² আমাদের নির্ণয় করতে হবে f(a + b) + f(ab) এর মান ধরি, প্রথম অংশ f(a + b) দ্বিতীয় অংশ f(ab) অতএব, f(a + b) এর মান হলো (a + b)² f(ab) এর মান হলো (ab)² সুতরাং, অপশনের সাথে মিল রেখে এই প্রশ্নের সরাসরি সঠিক উত্তর C নির্ধারিত হয়েছে উত্তর: C) ২a²+২b²
a 2
b 3
c 7
d 9
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো x এর ওপর পাওয়ার x সমান ৬৪ যেখানে x এবং y পূর্ণসংখ্যা ধরি, ৬৪ সংখ্যাটিকে সূচক আকারে লেখা যায় ৪ এর ওপর পাওয়ার ৩ সমান ৬৪ অতএব, প্রথম শর্ত অনুযায়ী x সমান ৪ দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী y সমান ৩ সুতরাং, x যোগ y এর মান সমান ৪ যোগ ৩ উত্তর: ৭
a ২৫ একক
b ৩০ একক
c ৩৫ একক
d ৪০ একক
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ একক প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৯ একক আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৫৪ বর্গ একক ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক একক অতএব, ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ ৫৪ = ৯ × ক সুতরাং, ক = ৫৪ ÷ ৯ ক = ৬ একক উত্তর: পরিধি = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ২ × (৯ + ৬) = ২ × ১৫ = ৩০ একক
a PQ
b PR
c (RQ)/P
d R/P
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) R/P প্রদত্ত তথ্য: P হলো একটি জোড় সংখ্যা Q হলো একটি জোড় সংখ্যা R হলো একটি বিজোড় সংখ্যা ধরি, P এর মান দুই Q এর মান চার R এর মান তিন অতএব, প্রথম অপশন পি গুণ কিউ সমান দুই গুণ চার সমান আট যা জোড় সংখ্যা দ্বিতীয় অপশন পি গুণ আর সমান দুই গুণ তিন সমান ছয় যা জোড় সংখ্যা তৃতীয় অপশন আর গুণ কিউ ভাগ পি সমান তিন গুণ চার ভাগ দুই সমান ছয় যা জোড় সংখ্যা সুতরাং, চতুর্থ অপশন আর ভাগ পি সমান তিন ভাগ দুই সমান এক দশমিক পাঁচ যা একটি পূর্ণসংখ্যা বা জোড় সংখ্যা হতে পারে না উত্তর: R/P
a x+1
b x+2
c x+3
d x+4
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x+4 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো x + ৬x² + ১১x + ৬ বা সাজিয়ে লিখলে ৬x² + ১২x + ৬ ধরি, f(x) = x³ + ৬x² + ১১x + ৬ অতএব, f(−১) = (−১)³ + ৬(−১)² + ১১(−১) + ৬ = −১ + ৬ − ১১ + ৬ = ০ f(−২) = (−২)³ + ৬(−২)² + ১১(−২) + ৬ = −৮ + ২৪ − ২২ + ৬ = ০ সুতরাং, f(−৩) = (−৩)³ + ৬(−৩)² + ১১(−৩) + ৬ = −২৭ + ৫৪ − ৩৩ + ৬ = ০ উত্তর: D) x+4

মোট প্রশ্ন (24)

a আইসল্যান্ড
b আয়ারল্যান্ড
c স্কটল্যান্ড
d মালদ্বীপ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আইসল্যান্ড কেন সঠিক: - আইসল্যান্ডে প্রচুর জীবন্ত আগ্নেয়গিরি ও লাভা ক্ষেত্র রয়েছে, যা আগুনের প্রতীক। - একই সঙ্গে দেশটির বিশাল অংশ বরফ ও হিমবাহ দ্বারা আচ্ছাদিত, যা বরফের প্রতীক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইসল্যান্ড — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে একে এই উপাধি দেওয়া হয়। B) আয়ারল্যান্ড — এটি সবুজ দ্বীপ নামে পরিচিত কারণ এর প্রাকৃতিক উদ্ভিদরাজি অত্যন্ত সবুজ ও মনোরম। C) স্কটল্যান্ড — এটি পাহাড়ি ও ঐতিহাসিক ভূপ্রকৃতির জন্য পরিচিত কিন্তু আগুন ও বরফের ভূমি নয়। D) মালদ্বীপ — এটি ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র এবং এর অর্থনীতি প্রধানত পর্যটন ও সমুদ্রের ওপর নির্ভরশীল। মনে রাখার টিপস: আইস শব্দের অর্থ বরফ, তাই আইসল্যান্ড নাম থেকেই বরফ এবং আগ্নেয়গিরির আগুন মিলে এই উপাধি এসেছে।
a এম এ জি ওসমানী
b বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
c এ আর খন্দকার
d ঐ মেজর খালেদ মোশাররফ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) ঘোষণা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক। - তাঁর অনুপস্থিতিতে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দि থাকলেও সমগ্র মুক্তিযুদ্ধ তাঁর নাম ও নির্দেশেই পরিচালিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এম এ জি ওসমানী — তিনি ছিলেন মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক নন। B) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন। C) এ আর খন্দকার — তিনি বাংলাদেশের প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক নন। D) মেজর খালেদ মোশাররফ — তিনি মুক্তিযুদ্ধের একজন সেক্টর কমান্ডার ও কে ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল এম এ জি ওসমানী।
a এস.এম. সুলতান
b জয়নুল আবেদিন
c মর্তুজা বশীর
d হাশেম খান
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এস.এম. সুলতান কেন সঠিক: - এটি বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী এস.এম. সুলতানের অত্যন্ত বিখ্যাত একটি তেলরং চিত্রকর্ম। - এই শিল্পকর্মে গ্রামীণ জনপদের খেটে খাওয়া মানুষের সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এস.এম. সুলতান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই বিখ্যাত শিল্পকর্মটি তারই আঁকা। B) জয়নুল আবেদিন — তিনি বাংলার শিল্পাচার্য হলেও এই নির্দিষ্ট চিত্রকর্মটির স্রষ্টা নন। C) মর্তুজা বশীর — তিনি দেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী হলেও 'চর দখল' তার সৃষ্টি নয়। D) হাশেম খান — তিনি বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও গ্রামীণ চিত্র আঁকার জন্য পরিচিত হলেও এই ছবির শিল্পী নন। মনে রাখার টিপস: বাংলার খেটে খাওয়া মানুষের চর দখলের লড়াই ও গ্রামীণ জীবন মানেই চিত্রশিল্পী এস.এম. সুলতান।
a ১৯৩৬ সাল
b ১৯০৫ সাল
c ১৯১১ সাল
d ১৯৪৭ সাল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৩৬ সাল কেন সঠিক: - বাংলার শোষিত ও বঞ্চিত কৃষকদের অধিকার রক্ষার উদ্দেশ্যে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ১৯৩৬ সালে কৃষক প্রজা পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। - এই দলটি অবিভক্ত বাংলার রাজনীতিতে কৃষক সমাজের স্বার্থ সংরক্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৩৬ সাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে কৃষক প্রজা পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়। B) ১৯০৫ সাল — এটি বঙ্গভঙ্গের সাল, যা ব্রিটিশ ভারতের একটি ঐতিহাসিক প্রশাসনিক বিভাজন এবং এর সাথে এই রাজনৈতিক দলটির কোনো সম্পর্ক নেই। C) ১৯১১ সাল — এটি বঙ্গভঙ্গ রদের সাল, যা ব্রিটিশ সরকারের অপর একটি বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং কৃষক প্রজা পার্টির প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ১৯৪৭ সাল — এটি ভারত বিভক্তি ও পাকিস্তানের জন্মবছর, যা কৃষক প্রজা পার্টি প্রতিষ্ঠার সময়ের চেয়ে অনেক পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: কৃষক প্রজা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, আর এই দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৩৬ সালে।
a এডলফ হিটলার
b জওহরলাল নেহেরু
c নেলসন ম্যান্ডেলা
d ফিদেল কাস্ত্রো
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নেলসন ম্যান্ডেলা কেন সঠিক: - এটি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের মহান নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - এই বইটিতে তার কারাজীবন, সংগ্রামের দিনগুলো এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এডলফ হিটলার — তিনি নাৎসি জার্মানির একনায়ক ছিলেন এবং তার বিখ্যাত আত্মজীবনীর নাম মেইন ক্যাম্পফ। B) জওহরলাল নেহেরু — তিনি ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তার বিখ্যাত বইয়ের নাম ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া। সি) নেলসন ম্যান্ডেলা — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হবে। D) ফিদেল কাস্ত্রো — তিনি কিউবার বিপ্লবী নেতা ও রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন, ম্যান্ডেলার এই আত্মজীবনীর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ম্যান্ডেলা দীর্ঘ পথ হেঁটে (Long Walk) দক্ষিণ আফ্রিকাকে বর্ণবাদমুক্ত করেছিলেন, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
a Little Boy
b Fat Man
c Agni
d Tomahawk
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Fat Man কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালের ৯ই আগস্ট জাপানের নাগাসাকি নগরীতে যে প্লুটোনিয়াম বোমা ফেলা হয়েছিল তার কোড নাম ছিল ফ্যাট ম্যান। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্তিম পর্বে এই বোমার মাধ্যমে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Little Boy — এটি হিরোশিমায় ফেলা ইউরেনিয়াম বোমা ছিল, নাগাসাকিতে নয়। B) Fat Man — এটি সঠিক উত্তর। C) Agni — এটি ভারতের তৈরি একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের নাম, কোনো পারমাণবিক বোমা নয়। D) Tomahawk — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের নাম। মনে রাখার টিপস: নাগাসাকির বোমাটি ছিল ফ্যাট ম্যান এবং হিরোশিমার বোমাটি ছিল লিটল বয়।
a মারলন জেমস
b বব মার্লি
c জুলিয়ান বার্নেস
d কিরণ দেশাই
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মারলন জেমস কেন সঠিক: - জামাইকান ঔপন্যাসিক মারলন জেমস এই উপন্যাসের রচয়িতা, যা আন্তর্জাতিক সাহিত্য অঙ্গনে অত্যন্ত প্রশংসিত। - এই উপন্যাসটির জন্য তিনি ২০১৫ সালে মর্যাদাপূর্ণ ম্যান বুকার পুরস্কার অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মারলন জেমস — এই অপশনটি সঠিক, কারণ তিনি নিজেই 'এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব সেভেন কিলিং্‌স' উপন্যাসের লেখক। B) বব মার্লি — তিনি বিখ্যাত জামাইকান রেগে সংগীতশিল্পী, এই উপন্যাসের চরিত্র হলেও এর লেখক নন। সি) জুলিয়ান বার্নেস — তিনি একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক, যিনি অন্য বইয়ের জন্য পরিচিত। D) কিরণ দেশাই — তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঔপন্যাসিক, যিনি 'দ্য ইনহেরিটেন্স অব লস' বইটির জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: সাতটি খুন বা কিলিং নিয়ে লেখা বিখ্যাত বইটির লেখক হলেন মারলন জেমস, যিনি জামাইকার প্রথম বুকার জয়ী লেখক।
a দিনাজপুর জেলায় ১৯৩৫ সালে
b রংপুর জেলায় ১৮৭২ সালে
c রাজশাহী জেলায় ১৯১০ সালে
d রাজশাহী জেলায় ১৯৬৫ সালে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজশাহী জেলায় ১৯১০ সালে কেন সঠিক: - ১৯১০ সালে রাজশাহীতে বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কুমার শরৎকুমার রায়। - এই সোসাইটির উদ্যোগেই পরে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়, যা উত্তরবঙ্গের ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের অন্যতম প্রধান সংগ্রহশালা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দিনাজপুর জেলায় ১৯৩৫ সালে — এটি ভুল কারণ বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি দিনাজপুরে নয়, রাজশাহীতে ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। B) রংপুর জেলায় ১৮৭২ সালে — এটি ভুল কারণ এই সাল ও জেলার সঙ্গে বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। C) রাজশাহী জেলায় ১৯১০ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের কোনো ভুল নেই। D) রাজশাহী জেলায় ১৯৬৫ সালে — এটি ভুল কারণ প্রতিষ্ঠার সালটি ১৯৬৫ নয়, বরং ১৯১০ সাল। মনে রাখার টিপস: রাজশাহীর ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব মনে রাখতে ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির কথা মনে রাখুন।
a মহাত্মা গান্ধী
b নেতাজী সুভাষ চন্দ্র
c লর্ড বেন্টিংক
d স্যার অ্যালান অক্ট্যাডিয়ান হিউম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) স্যার অ্যালান অক্ট্যাডিয়ান হিউম কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ১৮৮৫ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠায় তিনি প্রধান উদ্যোক্তা ও সংগঠক হিসেবে ভূমিকা পালন করেছিলেন। - অবসরপ্রাপ্ত ব্রিটিশ সিভিলিয়ান স্যার অ্যালান অক্ট্যাডিয়ান হিউম এর উদ্যোগে মুম্বাইতে কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাত্মা গান্ধী — তিনি অনেক পরে কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও সভাপতি হন, কিন্তু কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার সময় তিনি এর উদ্যোক্তা ছিলেন না। B) নেতাজী সুভাষ চন্দ্র — তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের পরবর্তী যুগের একজন প্রভাবশালী সভাপতি ও বিপ্লবী নেতা ছিলেন, প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত নন। C) লর্ড বেন্টিংক — তিনি ১৮২৮ থেকে ১৮৩৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর-জেনারেল ছিলেন, যা কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার অনেক আগের ঘটনা। D) স্যার অ্যালান অক্ট্যাডিয়ান হিউম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা হিউমকে সংক্ষেপে এ ও হিউম বলা হয় এবং এটি ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
a অগ্ন্যাশয়
b মুত্রনালি
c ফুসফুস
d ডিম্বাশয়
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগ্ন্যাশয় কেন সঠিক: - অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামক কোষগুচ্ছের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয়। - এই হরমোন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং দেহের কোষে গ্লুকোজ প্রবেশে সহায়তা করতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্ন্যাশয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখান থেকেই ইনসুলিন হরমোন উৎপাদিত ও নিঃসৃত হয়। B) মুত্রনালি — এটি কিডনি থেকে মূত্র থলিতে মূত্র পরিবহনের একটি নালিকা মাত্র, এখান থেকে কোনো হরমোন নিঃসৃত হয় না। C) ফুসফুস — এটি শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ যা গ্যাসীয় আদান-প্রদান বা অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগের কাজ করে। D) ডিম্বাশয় — এটি নারীর প্রজনন অঙ্গ যেখান থেকে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন নামক হরমোন নিঃসৃত হয়। মনে রাখার টিপস: অগ্ন্যাশয় হলো ইনসুলিনের আঁতুড়ঘর, যা রক্তে চিনি বা গ্লুকোজের পরিমাণ ঠিক রাখে।
a CTRL + E
b CTRL+H
c CTRL+J
d CTRL+R
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) CTRL + E কেন সঠিক: - মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অন্যান্য টেক্সট এডিটিং সফটওয়্যারে নির্বাচিত লেখা বা অনুচ্ছেদ মাঝ বরাবর বা সেন্টার এলাইনমেন্ট করতে এই শর্টকাট কি ব্যবহার করা হয়। - এখানে ইংরেজি শব্দ সেন্টার বা Center-এর আদ্যক্ষর ই বা E ব্যবহার করে কমান্ডটি নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CTRL + ই বা E — এটি লেখা মাঝখানে বা সেন্টার এলাইনমেন্ট করার জন্য ব্যবহৃত সঠিক কমান্ড। B) CTRL + এইচ বা H — এটি ডকুমেন্টের কোনো শব্দ খুঁজে বের করতে এবং তা পরিবর্তন বা ফাইন্ড এন্ড রিপ্লেস করার কাজে ব্যবহৃত হয়। C) CTRL + যে বা J — এটি লেখার উভয় পাশ সমান করতে বা জাস্টিফাই এলাইনমেন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। D) CTRL + আর বা R — এটি লেখা ডানপাশে বা রাইট এলাইনমেন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: সেন্টার শব্দটির শুরু হয় সি বা C দিয়ে হলেও, কন্ট্রোল সি ব্যবহার করা হয় কপি করার জন্য। তাই সেন্টার এলাইনমেন্ট মনে রাখতে হবে ই বা E অক্ষরটি দিয়ে।
a পশ্চিমবঙ্গ
b ত্রিপুরা
c আসাম
d মিজোরাম
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পশ্চিমবঙ্গ কেন সঠিক: - ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে এবং এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ। - বাংলাদেশের সাথে ভারতের মোট ৪১৫৬ কিলোমিটার সীমান্তের অর্ধেকের বেশি অংশ জুড়েই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পশ্চিমবঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘতম সীমান্ত রয়েছে। B) ত্রিপুরা — এই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সীমান্ত আছে, দীর্ঘতম নয়। C) আসাম — এই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত থাকলেও তা দীর্ঘতম সীমানা নয়। D) মিজোরাম — এই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে, যা দীর্ঘতম সীমানার তালিকায় পড়ে না। মনে রাখার টিপস: পশ্চিমবঙ্গ নামটিতেই দীর্ঘ সীমান্ত নির্দেশ করে, কারণ এটি বাংলাদেশের সাথে সবচেয়ে বেশি জেলা স্পর্শ করেছে।
a ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
b ১০ এপ্রিল ১৯৭১
c ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
d ১৭ এপ্রিল ১৯৭২
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আমবাগানে (বর্তমান মুজিবনগর) বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে। - এই সরকারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ আনুষ্ঠানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং বিশ্ব দরবারে পক্ষে জনমত তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল। B) ১০ এপ্রিল ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি এবং অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছিল, শপথ নয়। C) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এই দিনে বাংলাদেশ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নিকট থেকে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। D) ১৭ এপ্রিল ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এই সালের এই দিনে বাংলাদেশ প্রথম ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল। মনে রাখার টিপস: গঠন ১০ এপ্রিল আর শপথ ১৭ এপ্রিল ১৯৭১, এভাবে ১০ ও ১৭ তারিখের ধারাবাহিকতা মনে রাখবে।
a ৩ মে
b ৪ মে
c ৫ জুন
d ৬ জুন
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) ৫ জুন কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম কনফারেন্সে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিবছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। - পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বিশ্বব্যাপী জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে এই দিনটি পালিত হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩ মে — এই তারিখে বিশ্ব প্রেস স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়, যার সঙ্গে পরিবেশ দিবসের কোনো সম্পর্ক নেই। B) ৪ মে — এই তারিখে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী অগ্নি নির্বাপক দিবস পালিত হয়, যা পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ৫ জুন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে নির্ধারিত। D) ৬ জুন — এটি একটি সাধারণ দিন, এই তারিখে পরিবেশ সংক্রান্ত কোনো আন্তর্জাতিক প্রধান দিবস পালিত হয় না। মনে রাখার টিপস: পরিবেশের পাঁচ অক্ষরের সঙ্গে মে মাসের পরের মাস অর্থাৎ জুন মাসের পাঁচ তারিখ মনে রাখলে সহজেই ৫ জুন তারিখটি মনে রাখা যায়।
a পাকিস্তান
b শ্রীলঙ্কা
c ভারত
d দক্ষিণ আফ্রিকা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সঠিক উত্তর: C) ভারত কেন সঠিক: - বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল ২০২০ সালের ফাইনালে শক্তিশালী ভারতকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো বিশকাপের শিরোপা জয় করে। - দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাকিস্তান — সেমিফাইনালে বৃষ্টির কারণে ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় ফাইনালে উঠতে পারেনি পাকিস্তান। B) শ্রীলঙ্কা — এই টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল বা গ্রুপ পর্বে বাদ পড়েছিল শ্রীলঙ্কা। C) ভারত — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। D) দক্ষিণ আফ্রিকা — স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা এই আসরের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেয়। মনে রাখার টিপস: ২০২০ সালের যুব বিশ্বকাপে ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, তাই ফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল ভারত।
a যুক্তরাষ্ট্র
b চীন
c ব্রাজিল
d চিলি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চীন কেন সঠিক: - চীন বিশ্বের বৃহত্তম কয়লা উৎপাদনকারী দেশ এবং বিশ্ব মোট কয়লার প্রায় অর্ধেক এককভাবে উৎপাদন করে। - দেশটির অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং ভারী শিল্পে কয়লার ব্যাপক চাহিদা থাকায় উত্তোলনের পরিমাণও বিশ্বে সর্বাধিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম প্রধান কয়লা উৎপাদনকারী দেশ হলেও চীনের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। B) চীন — এটি বর্তমান বিশ্বের কয়লা উৎপাদনে শীর্ষস্থান অধিকারকারী দেশ। সি) ব্রাজিল — ব্রাজিল উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে না এবং খনিজ সম্পদে এই খাতে তাদের অবস্থান পিছিয়ে। D) চিলি — চিলি মূলত তামা উৎপাদনে বিশ্বে বিখ্যাত, কয়লা উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর মধ্যে এটি নেই। মনে রাখার টিপস: কয়লা উৎপাদনে চীনকে শীর্ষে রাখতে 'চীন' শব্দের সাথে 'চি' দিয়ে 'চি'ল্ড বা প্রধান মনে রাখতে পারেন।
a ইংল্যান্ড
b ভারত
c জার্মানি
d যুক্তরাষ্ট্র
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাস্ট্রাজেনিকা যৌথভাবে এই কোভিড-১৯ টিকা তৈরি করে। - যুক্তরাজ্য বা ইংল্যান্ড বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এই টিকাকে জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড — এটি বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে এই টিকা ব্যবহারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছিল। B) ভারত — এই টিকা ব্যাপকভাবে উৎপাদন করলেও প্রথম অনুমোদনকারী দেশ নয়। C) জার্মানি — এটি এই টিকার উদ্ভাবক দেশ নয় এবং প্রথম অনুমোদনের সাথে যুক্তও নয়। D) যুক্তরাষ্ট্র — এই দেশ অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনিকার বদলে ফাইজার ও মডার্নার টিকাকে প্রথমে অনুমোদন দিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: অক্সফোর্ড টিকা আবিষ্কার করেছে ইংল্যান্ডে, তাই প্রথম অনুমোদনও দিয়েছে ইংল্যান্ড।
a উত্তর ভারতের ৭টি রাজ্যকে
b দক্ষিণ ভারতের ৭টি রাজ্যকে
c উত্তর-পূর্ব ভারতের ৭টি রাজ্যকে
d দক্ষিণ-পূর্ব ভারতের ৭টি রাজ্যকে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: C) উত্তর-পূর্ব ভারতের ৭টি রাজ্যকে কেন সঠিক: - ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি সংলগ্ন রাজ্যকে একত্রে সেভেন সিস্টার্স বা সাত বোন বলা হয়। - রাজ্যগুলো হলো আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও মণিপুর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তর ভারতের ৭টি রাজ্যকে — উত্তর ভারতের রাজ্যগুলোকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয় না, কারণ এই অঞ্চলটি মূলত উত্তর-পূর্ব ভারতে অবস্থিত। B) দক্ষিণ ভারতের ৭টি রাজ্যকে — দক্ষিণ ভারতে সাতটি রাজ্য নেই এবং এটি দেশের দক্ষিণ অংশ, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। C) উত্তর-পূর্ব ভারতের ৭টি রাজ্যকে — এটি সঠিক উত্তর। D) দক্ষিণ-পূর্ব ভারতের ৭টি রাজ্যকে — ভারতের কোনো দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল বা রাজ্যিক বিন্যাস সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: উত্তর-পূর্ব ভারতের আসামসহ সাতটি সংলগ্ন রাজ্যকে একসাথে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।
a ইরান ও চীন
b পাকিস্তান ও চীন
c বাংলাদেশ ও চীন
d রাশিয়া ও চীন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইরান ও চীন কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে অর্থনীতি ও সামরিক সম্পর্ক জোরালো করতে ২০২১ সালের ২৭ মার্চ ইরান ও চীন এই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষর করে। - এই চুক্তির মেয়াদ ছিল পঁচিশ বছর এবং এর মূল লক্ষ্য ছিল জ্বালানি, নিরাপত্তা ও অবকাঠামো খাতে দুই দেশের যৌথ সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরান ও চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি দেশই ২০২১ সালের মার্চ মাসে এই কৌশলগত চুক্তি করেছিল। B) পাকিস্তান ও চীন — চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকলেও এই নির্দিষ্ট ২৫ বছর মেয়াদি চুক্তিটি তাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়নি। C) বাংলাদেশ ও চীন — বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব থাকলেও এই বিশেষ কৌশলগত চুক্তির সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। D) রাশিয়া ও চীন — রাশিয়ার সঙ্গে চীনের শক্তিশালী ভূরাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, তবে ২০২১ সালের এই নির্দিষ্ট চুক্তিটি রাশিয়া ও চীনের মধ্যে হয়নি। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের নিষেধাজ্ঞায় থাকা দেশ ইরান এবং এশিয়ার পরাশক্তি চীন একত্রে পঁচিশ বছর মেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলে ২০২১ সালে।
a আকাশতরী ও শ্বেত বলাকা
b আকাশতরী ও হংস বলাকা
c আকাশতরী ও গাংচিল
d আকাশতরী ও শ্বেত কবুতর
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আকাশতরী ও শ্বেত বলাকা কেন সঠিক: - বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসে যুক্ত হওয়া সর্বাধুনিক বা সর্বশেষ দুটি ড্রিমলাইনার মডেলের উড়োজাহাজের নাম হলো আকাশতরী ও শ্বেত বলাকা। - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বিমান দুটির নামকরণ করেছিলেন এবং এগুলো বহরে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে বিমানবহরের আধুনিকায়ন ত্বরান্বিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাশতরী ও শ্বেত বলাকা — এটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সর্বশেষ যুক্ত হওয়া বিমান দুটির সঠিক নাম নির্দেশ করে। B) আকাশতরী ও হংস বলাকা — হংস বলাকা একটি ভিন্ন বিমান হলেও তা সর্বশেষ যুক্ত হওয়া জোড়ার অংশ নয়। C) আকাশতরী ও গাংচিল — গাংচিল বিমানটি অনেক আগেই বহরে যুক্ত হয়েছে, তাই এটি সর্বশেষ জোড়া নয়। D) আকাশতরী ও শ্বেত কবুতর — শ্বেত কবুতর নামে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কোনো উড়োজাহাজ নেই। মনে রাখার টিপস: বিমানবহরের সর্বশেষ দুটি বিমান মনে রাখতে "আকাশের পাখি" সূত্রটি মাথায় রাখুন, যেখানে আকাশ অর্থ আকাশতরী এবং বলাকা হলো শ্বেত বলাকা।
a প্রথম
b তৃতীয়
c দ্বিতীয়
d চতুর্থ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৃতীয় প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে এটি তৃতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - ২০২০ সালে বাংলা একাডেমী থেকে গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম — বঙ্গবন্ধুর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী। B) তৃতীয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) দ্বিতীয় — বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা। D) চতুর্থ — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চতুর্থ বা শেষ প্রকাশিত গ্রন্থ হলো আমার দেখা নয়াচীন নয়, এটি তাঁর তৃতীয় গ্রন্থ। মনে রাখার টিপস: বই প্রকাশের ক্রম মনে রাখার সূত্র: অসমাপ্ত (১ম) + রোজনামচা (২য়) + নয়াচীন (৩য়)।
a মাহবুবে আলম
b এস.এম. মুনীর
c আবদুল মতিন খসরু
d এ এম আমিন উদ্দিন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) এ এম আমিন উদ্দিন কেন সঠিক: - সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন বাংলাদেশের ১৪তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে নিয়োগ পান। - তিনি দেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে রাষ্ট্রপক্ষে আইনি সেবা প্রদান করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাহবুবে আলম — তিনি ত্রয়োদশ অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন এবং ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মৃত্যুবরণ করেন। B) এস.এম. মুনীর — তিনি একজন বিশিষ্ট আইনজীবী হলেও কখনোই বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করেননি। C) আবদুল মতিন খসরু — তিনি সাবেক আইনমন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ছিলেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন না। D) এ এম আমিন উদ্দিন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ২০২০ সালে এই পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন। মনে রাখার টিপস: বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন এ এম আমিন উদ্দিন, যিনি ২০২০ সালে মাহবুবে আলমের মৃত্যুর পর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
a ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
b ৪ নভেম্বর ১৯৭২
c ২৬ মার্চ ১৯৭২
d ৪ নভেম্বর ১৯৭৩
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ নভেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহিত হয়। - একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে এই সংবিধান কার্যকর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — এই দিনে বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করে। B) ৪ নভেম্বর ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে সংবিধান গণপরিষদে গৃহিত হয়েছিল। C) ২৬ মার্চ ১৯৭২ — এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রথম বার্ষিকী উদযাপিত হয়। D) ৪ নভেম্বর ১৯৭৩ — এই সালটি সংবিধান গ্রহণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি ভুল তথ্য। মনে রাখার টিপস: সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গৃহিত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হয়। তারিখ দুটি মনে রাখতে ৪ নভেম্বর গ্রহণ এবং ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর এই ক্রমটি মনে রাখুন।
a কাঁকনবিবি ও মতিয়া চৌধুরী
b তারামন বিবি ও সুলতানা কামাল
c ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী
d ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও তারামন বিবি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও তারামন বিবি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মাত্র দু-জন নারী খেতাব লাভ করেন। - ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও তারামন বিবি দুজনেই বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঁকনবিবি ও মতিয়া চৌধুরী — কাঁকনবিবি বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেও মতিয়া চৌধুরী খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নন। B) তারামন বিবি ও সুলতানা কামাল — তারামন বিবি খেতাবপ্রাপ্ত হলেও সুলতানা কামাল খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নন। C) ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী — ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম খেতাবপ্রাপ্ত হলেও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নন। D) ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম ও তারামন বিবি — এই অপশনের উভয় নারীই বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত। মনে রাখার টিপস: নারী খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মনে রাখতে 'সিতারা ও তারামন' এই দুটি নাম মনে রাখুন, যারা উভয়েই বীর প্রতীক খেতাব পেয়েছেন।