প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (রেইন) ২০১৩

পদের নাম: সহকারী শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a বিশৃঙ্খলা
b এলোমেলো
c তাস খেলা ঘর
d ক্ষণস্থায়ী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ষণস্থায়ী ১. কেন সঠিক: - তাসের ঘর একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ তাসের তৈরি ঘর এবং ভাবার্থ হলো যা অত্যন্ত দুর্বল বা সহজেই ভেঙে যায়। - মানুষের জীবন বা কোনো পরিকল্পনা যখন খুব অল্প সময়ে বা সামান্য আঘাতেই ধ্বংস হয়ে যায়, তখন তাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা যার উৎপত্তি হয়েছে তাস দিয়ে ঘর বানানোর খেলার কৌশল থেকে। - বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দসমষ্টি যা শব্দের সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের জীবনটা যেন তাসের ঘর, কখন যে কী হয় বলা যায় না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মানুষের জীবনের অনিশ্চয়তা ও ক্ষণস্থায়িত্ব বোঝাতে তাসের ঘর বাগধারাটি সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: লোভের ওপর গড়া তার ব্যবসাটি তাসের ঘরের মতো একদিন ভেঙে পড়ল। ব্যাখ্যা: এখানে বেআইনি ও দুর্বল ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো ব্যবসার দ্রুত পতন বোঝাতে তাসের ঘর কথাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশৃঙ্খলা — বিশৃঙ্খলা বলতে কোনো নিয়মের অভাব বা অগোছালো অবস্থাকে বোঝায়, যা তাসের ঘরের নির্দিষ্ট ভাবার্থ ক্ষণস্থায়ী বা নশ্বর অবস্থার সঙ্গে মেলে না। B) এলোমেলো — এলোমেলো শব্দটি কোনো বস্তুর অগোছালো বা বিন্যস্ত না থাকার অবস্থাকে নির্দেশ করে, যা এই বাগধারার মূল অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) তাস খেলা ঘর — এটি তাসের ঘরের আক্ষরিক অর্থ হলেও বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ গ্রাহ্য হয় না, বরং এর রূপক বা বিশেষ অর্থটিই প্রধান। D) ক্ষণস্থায়ী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাসের ঘর বলতে এমন কিছুকে বোঝায় যা চিরস্থায়ী নয় এবং খুব দ্রুত নষ্ট বা ধ্বংস হয়ে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তাস দিয়ে ঘর বানালে যেমন সামান্য বাতাসে তা মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে, তেমনি যে বিষয় বা বস্তু সহজে নষ্ট হয় তা হলো ক্ষণস্থায়ী বা তাসের ঘর। - পরীক্ষার হলে বাগধারার রূপক অর্থটি খেয়াল করলেই সঠিক উত্তর খুব সহজে বের করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে রূপক ও ভাবগত অর্থ কোনটি, তা ভালোভাবে যাচাই করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a অজ্ঞাত
b গৃহীত
c বিদীর্ণ
d বিসর্জন
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অজ্ঞাত ১. কেন সঠিক: - বিদিত শব্দের অর্থ হলো যা জানা আছে বা জ্ঞাত। - এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করার জন্য অজ্ঞাত শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ যা জানা নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা একটি অন্যটির ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দ এবং অতুসম শব্দের ক্ষেত্রে অতুসম শব্দ দিয়েই সাধারণত বিপরীত শব্দ গঠন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রকাশ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো গোপন। ব্যাখ্যা: প্রকাশ মানে যা সবার সামনে দৃশ্যমান এবং গোপন মানে যা লুকিয়ে রাখা হয়। উদাহরণ ২: উন্নত শব্দের বিপরীত শব্দ হলো অবনত। ব্যাখ্যা: উন্নত অর্থ যা উঁচুতে অবস্থিত এবং অবনত অর্থ যা নিচু বা অবনমিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অজ্ঞাত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিদিত শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) গৃহীত — এর অর্থ যা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এর বিপরীত শব্দ বর্জিত বা ত্যক্ত। C) বিদীর্ণ — এর অর্থ যা ফেটে গেছে বা চিরে ফেলা হয়েছে এবং এটি আলাদা একটি বিশেষণের শব্দ। D) বিসর্জন — এর অর্থ ত্যাগ বা বিসর্জন দেওয়া এবং এর বিপরীত শব্দ গ্রহণ বা প্রাপ্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদিত মানে জানা এবং অজ্ঞাত মানে অজানা এভাবে সহজে মনে রাখা যায়। - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - জানা এবং না জানা সম্পর্কিত শব্দগুলোর ক্ষেত্রে জ্ঞাত, বিদিত এবং অজ্ঞাত শব্দগুলো খুব ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a বাবাকে
b বাঁশি
c ফলে
d পাপে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাঁশি ১. কেন সঠিক: কর্তায় শূন্য বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি হলো এমন যেখানে বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্য পদে কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি চিহ্ন যুক্ত থাকে না এবং তা দেখতে শব্দের মূল রূপের মতো মনে হয়। বাঁশি বাজে বাক্যে বাঁশি হলো ক্রিয়ার সম্পাদনকারী বা কর্তা এবং এর সাথে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি কর্তায় শূন্য বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যে যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে কর্তা বা কর্তৃকারক বলে এবং কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি হলো অ, অ-বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি যার নিজস্ব কোনো রূপ বা চিহ্ন নেই। শব্দের সাথে যখন কোনো বিভক্তি চিহ্ন বা প্রত্যয় যুক্ত না হয়ে স্বাধীনভাবে বসে কারক বোঝায় তখন তাকে শূন্য বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি গান গায়। ব্যাখ্যা: এখানে পাখি হলো কর্তা এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি না থাকায় এটি কর্তায় শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: ফুল ফুটেছে। ব্যাখ্যা: এখানে ফুল হলো বাক্যের কর্তা এবং এর সাথে কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি কর্তায় শূন্য বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবাকে — এটি কর্ম কারকে দ্বিতীয় বিভক্তি কারণ এখানে কে বিভক্তি যুক্ত রয়েছে। B) বাঁশি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই যা কর্তায় শূন্য বিভক্তি। C) ফলে — এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি কারণ এখানে এ বিভক্তি যুক্ত রয়েছে। D) পাপে — এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি কারণ এখানে এ বিভক্তি যুক্ত রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: কর্তা পদে যদি কোনো বিভক্তি চিহ্ন যেমন কে, রে, য়, তে, এ না থাকে এবং শব্দটি যদি মূল রূপেই বসে তবে চোখ বন্ধ করে তাকে শূন্য বিভক্তি বলে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে কে বা কারা দ্বারা প্রশ্ন করে কর্তা নির্ণয় করতে হবে এবং কর্তার গায়ে কোনো চিহ্ন না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হবে।
a করণ কারকে সপ্তমী
b অধিকরণে সপ্তমী
c কর্তৃকারকে সপ্তমী
d অপাদানে পঞ্চমী
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্তৃকারকে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: বাক্যে যার দ্বারা বা যিনি নিজে ক্রিয়া সম্পাদন করেন, তাঁকে কর্তা বা কর্তৃকারক বলে। এখানে ধান খাওয়ার কাজটি “বুলবুলি” পাখি সম্পন্ন করছে, তাই এটি কর্তৃকারক। “বুলবুলি” শব্দের সঙ্গে “এ” বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তির রূপ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়ার সম্পাদনকারীকে কর্তৃকারক বলে এবং শব্দের শেষে এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হলে তাকে সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি বলা হয়। সাধারণত বাক্যে স্বাধীনভাবে কর্তা নিজে কাজ করলে অথবা কোনো স্বাভাবিক ঘটিন বোঝালে কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাগলে কিনা বলে, ছাগলে কিনা খায় ব্যাখ্যা: এখানে পাগলে শব্দে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে। উদাহরণ ২: নদীতে মাছ আছে ব্যাখ্যা: এটি অধিকরণ কারকের উদাহরণ হলেও বিভক্তির দিক থেকে এতে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণ কারকে সপ্তমী — করণ অর্থ যন্ত্র বা সহায়ক বোঝায়, যা এখানে নেই। B) অধিকরণে সপ্তমী — স্থান বা সময় বোঝালে অধিকরণ হয়, কিন্তু এখানে বুলবুলি কোনো স্থান নয় বরং কাজটির সম্পাদনকারী বা কর্তা। D) অপাদানে পঞ্চমী — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত বা ভীত হয় তা অপাদান কারক, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: কে বা কারা প্রশ্ন করে যদি উত্তর পাওয়া যায় এবং সেই কর্তার সঙ্গে এ বা তে বিভক্তি থাকে, তবে তা সাধারণত কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়। পাগলে, ছাগলে, বুলবুলিতে—এগুলো সবই কর্তৃকারকের উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করে কর্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং শব্দের অন্তস্থিত বিভক্তি দেখতে হবে। বাণী প্রকাশ বা প্রবাদের মতো বাক্যে প্রায়ই কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহার দেখা যায়, যা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
a খারাপ
b মন্দ
c ভালো
d নিন্দিত
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিন্দিত ১. কেন সঠিক: - নন্দিত শব্দের অর্থ প্রশংসিত, আদৃত বা যা নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করা হয়েছে। - এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো নিন্দিত, যার অর্থ তিরস্কৃত বা যার নিন্দা করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - নন্দিত শব্দটি নন্দন বা আনন্দ ধাতু থেকে এসেছে, পক্ষান্তরে নিন্দিত শব্দটি নিন্দা ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ ব্যাখ্যা: বিষাদ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো আনন্দ। উদাহরণ ২: জন্ম ব্যাখ্যা: জন্ম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো মৃত্যু। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খারাপ — খারাপ শব্দের বিপরীত শব্দ ভালো, এটি নন্দিত শব্দের উপযুক্ত বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) মন্দ — মন্দ শব্দের বিপরীত শব্দ ভালো, এটি গুণগত দিক নির্দেশ করে কিন্তু নন্দিত শব্দের সরাসরি বিপরীত নয়। C) ভালো — ভালো শব্দের বিপরীত শব্দ মন্দ বা খারাপ, এটি নন্দিত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক নয়। D) নিন্দিত — নিন্দিত হলো নন্দিত শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ যা প্রশংসার বিপরীত নিন্দা প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নন্দিত মানে প্রশংসিত, আর নিন্দিত মানে নিন্দিত। প্রশংসা ও নিন্দা যেমন বিপরীত, নন্দিত ও নিন্দিত তেমনি বিপরীতার্থক শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাস ও প্রত্যয়সাধিত শব্দের বিপরীত শব্দ জানতে চাওয়া হয়। মূল শব্দের উৎস ও অর্থ বুঝতে পারলে সঠিক বিপরীত শব্দ সহজে নির্ণয় করা যায়।
a কাঠের পুতুল
b কৃপমন্ডুক
c তীব্র জ্বালা
d কেতাদুরস্ত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তীব্র জ্বালা কেন সঠিক: ১. কুল কাঠ খুব কঠিন এবং দীর্ঘ সময় ধরে প্রচণ্ড তাপ ও উত্তাপ ছড়ায়। ২. এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে বাংলা ভাষায় এটি গভীর ও অসহ্য যন্ত্রণার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং অর্থবহ প্রবচন বা বাগধারা। ২. সাহিত্যিক দিক থেকে মানুষের জীবনের তীব্র মানসিক কষ্ট বোঝাতে এই তুলনাটি আনা হয়। ৩. যেমন, সমাজ জীবনে অপমানের কারণে মনে যে দীর্ঘস্থায়ী কষ্ট জমে, তাকে কুল কাঠের আগুনের সাথে তুলনা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঠের পুতুল — এই শব্দটির দ্বারা মূলত মানুষের প্রাণহীন ও অনুভূতিহীন অবস্থাকে বোঝানো হয়। B) কৃপমন্ডুক — এই শব্দটির প্রকৃত অর্থ হলো কুয়োব্যাঙ বা সংকীর্ণ সীমার মধ্যে আবদ্ধ ব্যক্তি। D) কেতাদুরস্ত — এই শব্দটির অর্থ হলো ফ্যাশাদুরস্ত বা পরিপাটি এবং আধুনিক জীবনযাপনকারী ব্যক্তি। মনে রাখার টিপস: ১. কুল কাঠ দীর্ঘক্ষণ জ্বলে এবং খুব বেশি তাপ দেয়, তাই এর সাথে তীব্র জ্বালার তুলনা করা হয়। ২. পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে কাঠের তীব্র তাপ এবং কষ্টের কথাটি মনে রাখবে।
a অমাবষ্যার চাঁদ, আকাশ কুসুম
b আকাশে তোলা, আষাঢ়ে গল্প
c অহিনকুল সম্বন্ধ, আদায় কাচকলায়
d অগ্নি পরীক্ষা, অদৃষ্টের পরিহাস
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অহিনকুল সম্বন্ধ, আদায় কাচকলায় ১. কেন সঠিক: - 'অহিনকুল সম্বন্ধ' এবং 'আদায় কাচকলায়' উভয় বাগধারাটির অর্থ তীব্র শত্রুতা বা চিরশত্রুতা। - প্রশ্নটিতে এমন একটি জোড়া চাওয়া হয়েছে যেখানে দুটি বাগধারার অর্থ হুবহু মিলে যায় এবং সর্বাধিক সমার্থবাচক হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় অনেক বাগধারার অর্থ কাছাকাছি হলেও কিছু বাগধারা ঠিক সমার্থক বা বিপরীতার্থক হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিড়ালের আষাঢ়ে গল্প ব্যাখ্যা: এটি একটি কাল্পনিক বা অবাস্তব গল্পের উদাহরণ যা সহজে বিশ্বাসযোগ্য নয়। উদাহরণ ২: বিষের ছুরি ব্যাখ্যা: এর অর্থ মুখে মধু মনে বিষ বা বন্ধুবেশী শত্রু, যা শত্রুতার ভিন্ন একটি রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অমাবষ্যার চাঁদ, আকাশ কুসুম — অমাবষ্যার চাঁদ অর্থ দুর্লভ বস্তু এবং আকাশ কুসুম অর্থ অসম্ভব কল্পনা। B) আকাশে তোলা, আষাঢ়ে গল্প — আকাশে তোলা অর্থ অতিরিক্ত প্রশংসা করা এবং আষাঢ়ে গল্প অর্থ অবাস্তব বা কাল্পনিক গল্প। C) অহিনকুল সম্বন্ধ, আদায় কাচকলায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুটি বাগধারার অর্থই তীব্র শত্রুতা। D) অগ্নি পরীক্ষা, অদৃষ্টের পরিহাস — অগ্নি পরীক্ষা অর্থ কঠিন পরীক্ষা এবং অদৃষ্টের পরিহাস অর্থ ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - অহিন অর্থাৎ সাপ এবং নকুল অর্থাৎ বেজি। সাপ ও বেজির মতো যাদের চিরশত্রুতা, তাদের ক্ষেত্রে আদায় কাচকলায় বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক বাগধারা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ গভীরভাবে অনুধাবন করতে হবে।
a পিতা + আলয়
b পিত্রা + লয়
c পিত্রি + লয়
d পিতৃ + আলয়
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পিতৃ + আলয় ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে ঋ-কার কিংবা দীর্ঘ-ঋ কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে ঋ-কার বা দীর্ঘ-ঋ কারের স্থানে র-ফলা হয়। এখানে পিতৃ শব্দের শেষ বর্ণে ঋ-কার রয়েছে এবং আলয় শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনি আ রয়েছে, যা মিলে ত্র (ত + র + আ) সৃষ্টি করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: স্বরের সঙ্গে স্বরের মিলনকে স্বরসন্ধি বলে এবং এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। রি বা ঋ-কার এবং লি-কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে তা যথাক্রমে র এবং ল-এ রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিতৃ + আদেশ = পিত্রাদেশ ব্যাখ্যা: এখানে ঋ-কার ও আ মিলে ত্র গঠিত হয়ে পিত্রাদেশ শব্দ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: পিতৃ + ইচ্ছা = পিতৃইচ্ছা ব্যাখ্যা: এটিও ঋ-কারের পর স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ার নিয়মে সাধিত একটি সন্ধি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিতা + আলয় — এটি ভুল কারণ এখানে পিতা শব্দের শেষে আ আছে, যা সন্ধির এই নিয়মের সঙ্গে মিলে না। B) পিত্রা + লয় — এটি ভুল কারণ পিত্রা বলে কোনো মৌলিক শব্দ বাংলা ব্যাকরণে নেই। C) পিত্রি + লয় — এটি ভুল কারণ পিত্রি বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়, সঠিক শব্দ পিতৃ। D) পিতৃ + আলয় — এটি সঠিক কারণ নিয়ম অনুযায়ী এটি পিত্রালয় শব্দ গঠন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধিতে পিতৃ শব্দের সঙ্গে কোনো স্বরযুক্ত শব্দ যোগ হলে পিতৃ অংশটি সর্বদা পিতৃ হবে এবং পরের স্বরধ্বনি মিলে ত্র বা ত্রা রূপ ধারণ করবে। নিয়মটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো ঋ-কার + স্বরধ্বনি সমান র-ফলা যুক্ত বর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঋ-কার যুক্ত সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। একই নিয়মে মাতৃ + আদেশ সমান মাত্রাদেশ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদও খুব ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a আর সি মজুমদার
b আবদুল করিম
c নীহার রঞ্জন রায়
d অধ্যাপক সুনীত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নীহার রঞ্জন রায় ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সাহিত্য ও ইতিহাস বিষয়ক প্রশ্নের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক গ্রন্থের নাম। - বাঙালির উৎপত্তি, বিকাশ এবং প্রাচীন ইতিহাস জানার জন্য এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য ও ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত যেখানে প্রখ্যাত পন্ডিত নীহাররঞ্জন রায়ের ঐতিহাসিক গবেষণা কর্ম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। - বাঙালির ইতিহাস আদি পর্ব গ্রন্থটি বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক ও সামাজিক ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলার ইতিহাস ব্যাখ্যা: এটি সামগ্রিক বাংলা অঞ্চলের রাজনৈতিক ইতিহাস তুলে ধরে। উদাহরণ ২: হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার ভাষা ও সাহিত্যর ইতিহাস বোঝার অন্যতম প্রধান উপাদান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর সি মজুমদার — ইনি প্রাচীন বাংলার ইতিহাসের অন্যতম গবেষক হলেও বাঙালির ইতিহাস আদি পর্ব গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) আবদুল করিম — এই নামের সাহিত্যিক বা গবেষক থাকলেও তিনি এই নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক গ্রন্থটির লেখক নন। C) নীহার রঞ্জন রায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাঙালির ইতিহাস আদি পর্ব গ্রন্থটির প্রণেতা। D) অধ্যাপক সুনীত — এই নামের কোনো গবেষক এই বিখ্যাত গ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে পরিচিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাঙালির ইতিহাস একটি বিশাল গ্রন্থ এবং এর লেখক হলেন নীহাররঞ্জন রায় এটি মনে রাখার জন্য নাম দুটি একসাথে বারবার চর্চা করতে পারো। - ইতিহাস বিষয়ক প্রশ্ন সমাধানের জন্য লেখকের নামের সাথে বইটির নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক গ্রন্থ এবং এর লেখকের নাম প্রায়ই আসে। - একই নিয়মে অন্যান্য ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক গ্রন্থের রচয়িতাদের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a মুক্তি
b বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী
c হেনা
d বিদ্রোহী
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত সাহিত্যকর্ম হলো 'বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী' নামক একটি ছোটগল্প। ১৯১৯ সালে কলকাতার মাদারীপুর ইসলামিয়া হাইস্কুলে পড়ার সময় তাঁর এই প্রথম গল্পটি তৎকালীন 'সওগাত' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত হলেও তাঁর সাহিত্যজীবনের সূচনা ঘটেছিল ছোটগল্প রচনার মাধ্যমে। তাঁর এই প্রথম গল্পটি প্রকাশের মধ্য দিয়েই বাংলা কথাসাহিত্যে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল এবং পরবর্তীতে তিনি কবিতা, গান, উপন্যাস ও নাটক রচনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'মুক্তি' ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা তাঁর সাহিত্যিক জীবনের পরবর্তী পর্যায়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। উদাহরণ ২: 'বিদ্রোহী' ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের সবচেয়ে বিখ্যাত ও পরিচিত কবিতা, যা তাঁকে বিদ্রোহী কবির খ্যাতি এনে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা নয়। B) বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প। C) হেনা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম পরিচিত ছোটগল্প, যা তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা নয়। D) বিদ্রোহী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ও বহুল পঠিত কবিতা, যা তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম লেখার ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে তাঁর শুরুটা হয়েছিল গদ্য বা গল্প দিয়ে, যার নাম বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী। কবিতা দিয়ে খ্যাতি পেলেও তাঁর সাহিত্যিক জীবনের প্রথম পদচারণা ছিল ছোটগল্পের মাধ্যমে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রথম রচনা বা প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ প্রায়ই আসে। নজরুলের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প 'বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী' এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' - এই দুটি তথ্য বিশেষভাবে মনে রাখবে।
a রামায়ণ
b মহাভারত
c ভগবৎ
d কুমারসম্ভব
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামায়ণ কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর অমর মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্যের কাহিনী সংগৃহীত করেছেন বাল্মীকি রচিত আদি রামায়ণ থেকে। - রামায়ণ কাব্যের লঙ্কা কান্ড বা যুদ্ধ কান্ডের ঘটনা অবলম্বনে এই মহাকাব্য রচিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাকাব্য। - মহাকাব্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর কাহিনী পৌরাণিক বা ঐতিহাসিক উৎস থেকে সংগৃহীত হয়। - এই কাব্যের মূল বীর রাবণ এবং এর সবচেয়ে ট্র্যাজিক চরিত্র হলো মেঘনাদ বা ইন্দ্রজিৎ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) রামায়ণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ মেঘনাদবধ কাব্যের মূল উৎস হলো রামায়ণ। - B) মহাভারত — মহাভারত হলো ব্যাসদেব রচিত অন্য একটি বিখ্যাত মহাকাব্য যা এর উৎস নয়। - C) ভগবৎ — শ্রীমদ্ভগবদগীতা বা পুরাণ মহাভারতের অংশবিশেষ যা মেঘনাদবধের উৎস নয়। - D) কুমারসম্ভব — কুমারসম্ভব হলো মহাকবি কালিদাসের লেখা একটি সংস্কৃত মহাকাব্য। মনে রাখার টিপস: - রাবণ ও রামের যুদ্ধের কাহিনী রামায়ণে আছে, তাই মেঘনাদবধ কাব্যের উৎস রামায়ণ।
a ঘটক
b ঘোড়া
c উপদেশ
d গতি
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঘোড়া ১. কেন সঠিক: ঘোটক হলো একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ ঘোড়া। বাংলা ভাষায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংস্কৃত ভাষা থেকে বহু শব্দ অপরিবর্তিতভাবে প্রবেশ করেছে যেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। তৎসম শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য ব্যাখ্যা: সূর্য একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ রবি বা দিবাকর। উদাহরণ ২: চন্দ্র ব্যাখ্যা: চন্দ্র একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ চাঁদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘটক — ঘটক শব্দের অর্থ বিবাহাদির মধ্যস্থতাকারী বা সম্বন্ধ ঘটায় যে ব্যক্তি। এটি ঘোটক শব্দের সমার্থক নয়। B) ঘোড়া — এটি সঠিক উত্তর। C) উপদেশ — উপদেশ শব্দের অর্থ পরামর্শ বা শিক্ষা। এটি ঘোড়া শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। D) গতি — গতি শব্দের অর্থ চলন বা বেগ। এটি ঘোটক শব্দের অর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ঘোটক শব্দের শেষ অক্ষর ক দেখে তৎসম শব্দ চেনার চেষ্টা করতে পারো। ঘোটক মানে ঘোড়া, এটি একটি প্রাচীন ও তৎসম রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম ও তদ্ভব শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে। শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a অলুক সমাস
b রূপক সমাস
c নিত্য সমাস
d প্রাদি সমাস
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রাদি সমাস ১. কেন সঠিক: প্র-পরা-অপ ইত্যাদি উপসর্গ যদি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্য বা কৃদন্ত পদের পূর্বে বসে যে সমাস গঠন করে, তাকে প্রাদি সমাস বলে। এই সমাসে উপসর্গগুলো সাধারণত স্বতন্ত্র পদের মতো অবস্থান করে এবং বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণ বা বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী উপসর্গগুলো ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়ে যেমন নতুন শব্দ তৈরি করে, তেমনি বিশেষ্য বা কৃদন্ত পদের আগেও বসতে পারে। যখন উপসর্গ কৃৎ-সাধিত পদের পূর্বে বসে সমাস গঠন করে, তখন তাকে প্রাদি সমাস বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র যে ভাত = প্র ভাত (প্রভাত)। ব্যাখ্যা: এখানে প্র উপসর্গটি ভাত শব্দের পূর্বে বসে প্রাদি সমাস গঠন করেছে। উদাহরণ ২: পরি যে ভ্রমণ = পরি ভ্রমণ (পরিভ্রমণ)। ব্যাখ্যা: এখানে পরি উপসর্গটি ভ্রমণ বিশেষ্য পদের পূর্বে বসে প্রাদি সমাসের সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলুক সমাস - যে সমাসে সমাসবদ্ধ পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক সমাস বলে, যা পূর্ব পদে উপসর্গ বসার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) রূপক সমাস - উপমান ও উপমিত কর্মধারয় সমাসের যেখানে অভেদ কল্পনা করা হয়, তাকে রূপক সমাস বলে এবং এটি উপসর্গ সাধিত নয়। C) নিত্য সমাস - যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না বা ব্যাসবাক্য করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে এবং এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি ব্যাকরণিক নিয়ম। D) প্রাদি সমাস - এটি সঠিক উত্তর কারণ পূর্ব পদে উপসর্গ বসে এই সমাস গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাদি সমাসের নামেই এর মূল বৈশিষ্ট্য লুকিয়ে আছে। নামটির শুরুতেই প্র উপসর্গ আছে, যা মনে করিয়ে দেয় যে এই সমাসে পূর্ব পদে উপসর্গ থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাদি সমাস থেকে প্রশ্ন আসে। প্রবচণ, পরিভ্রমণ, উৎপথ ইত্যাদি শব্দগুলো প্রাদি সমাসের চমৎকার উদাহরণ যা বারবার পরীক্ষাতে আসে।
a নয় ধর্ম
b ধর্ম নেই যার
c ধর্মহীন যে
d ধর্মের অভাব
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নয় ধর্ম ১. কেন সঠিক: অর্ধম শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো নয় ধর্ম এবং এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। এখানে অ উপসর্গটি না বা অভাব অর্থ প্রকাশ না করে বিপরীত বা বিরুদ্ধ অর্থ প্রকাশ করেছে, যা নঞ তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না বা নঞার্থক অব্যয় যুক্ত হয়ে পদের অর্থের বিপরীত ভাব প্রকাশ করে তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে। এখানে অর্ধম শব্দটির অ অংশটি নঞর্থক অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং ধর্ম শব্দের বিপরীত অর্থ বোঝাচ্ছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অবিচার ব্যাখ্যা: অবিচার শব্দের ব্যাসবাক্য নয় বিচার এবং এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: অচেনা ব্যাখ্যা: অচেনা শব্দের ব্যাসবাক্য নয় চেনা এবং এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের অন্য একটি পরিচিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয় ধর্ম — এটি সঠিক অপশন এবং এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের সঠিক ব্যাসবাক্য। B) ধর্ম নেই যার — এই ব্যাসবাক্যটি বহুব্রীহি সমাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, নঞ তৎপুরুষের জন্য নয়। C) ধর্মহীন যে — এটি কর্মধারয় বা অন্য কোনো সমাসের রূপ হতে পারে, যা অর্ধম শব্দের জন্য সঠিক নয়। D) ধর্মের অভাব — অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়, যেমন নিরম বা হাভাত, কিন্তু অর্ধম শব্দের অর্থ অভাব নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নঞ তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শুরুতে নয় ব্যবহার করা এবং শব্দের শুরুতে অ, অনা বা না থাকলে তা সাধারণত নঞ তৎপুরুষ হয়। বিপরীত বা না বোধক অর্থ প্রকাশ করলে চোখ বন্ধ করে নয় শব্দটি দিয়ে ব্যাসবাক্য গঠন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নঞ তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যেখানে অ উপসর্গযুক্ত শব্দের ব্যাসবাক্য নির্ণয় করতে বলা হয়। সাধিত শব্দে অ বা অন্ উপসর্গ থাকলে সাধারণত নয় যোগ করে ব্যাসবাক্য করতে হয়।
a অব্যয়ীভাব
b রূপক
c উপমিত
d উপমান
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপমিত কেন সঠিক: এখানে চাঁদের সাথে মুখের তুলনা করা হয়েছে কিন্তু চাঁদকে সরাসরি মুখ বলা হয়নি। মুখ হলো উপমেয় এবং চাঁদ হলো উপমান, তাই এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: সাধারণ ধর্ম উহ্য রেখে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের যে সমাস হয় তাকে উপমিত কর্মধারয় বলে। এখানে মুখ চাঁদের মতো সুন্দর, এই সাধারণ সুন্দর ধর্মটি গায়ে উহ্য রয়েছে। যেমন: পুরুষ সিংহ সমান পুরুষসিংহ, করপল্লব সমান পল্লবের ন্যায় কর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের অর্থে যে সমাস হয় এবং অব্যয় পদটি পূর্বে বসে তা অব্যয়ীভাব সমাস। চাঁদ মুখ পদে কোনো অব্যয় পদ পূর্বে বসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়নি। B) রূপক — উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হলে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়। চাঁদ ও মুখের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়নি, বরং মুখের সাথে চাঁদের তুলনা করা হয়েছে। C) উপমিত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে বিচার করা হয়নি। D) উপমান — সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমান পদের যে সমাস হয় তাকে উপমান কর্মধারয় বলে। এখানে সাধারণ ধর্মটি উল্লেখ নেই বলে এটি উপমান নয়, উপমিত সমাস। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার সময় যদি উপমেয় এবং উপমান উভয়ই উপস্থিত থাকে এবং সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে তবে উপমিত হয়। ব্যাসবাক্যে মাঝে ন্যায় শব্দটি ব্যবহার করে এই সমাস সহজে চেনা যায়।
a অহংকার
b অহঙ্কার
c অহঞ্ঝার
d ক ও খ দুটিই
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক ও খ দুটিই ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি আধুনিক প্রমিত বাংলা বানরীতি অনুযায়ী 'অহংকার' এবং 'অহঙ্কার' উভয় বানানই শুদ্ধ হিসেবে স্বীকৃত। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের মাঝে ম এর পরে ক বর্গীয় বর্ণ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার লেখা যায় অথবা ম অক্ষত রাখা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে ম-ফলা বা অনুস্বার ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে যা বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে অনুস্বারের স্থানে ম লেখার নিয়ম থাকলেও বহুল প্রচলিত ও স্বীকৃত রূপ হিসেবে বিকল্প বানানগুলোও অনুমোদিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম + বাদ = সংবাদ বা সংবাদ ব্যাখ্যা: ম এর স্থানে অনুস্বার ব্যবহারের একটি প্রমিত উদাহরণ যেখানে উভয় রূপই ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বলে গণ্য হয়। উদাহরণ ২: গংগা বা গঙ্গা ব্যাখ্যা: ম বা অনুস্বারের সঠিক প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি এই শব্দটির উভয় রূপকেই প্রমিত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহংকার — এটি একটি শুদ্ধ বানান এবং বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি পরীক্ষণে সঠিক হিসেবে গৃহীত হয়। B) অহঙ্কার — এটিও একটি শুদ্ধ বানান এবং দীর্ঘকাল ধরে সাহিত্যে ও অভিধানে এই রূপটি সমানভাবে প্রচলিত আছে। C) অহঞ্ঝার — এই বানানটিতে ঞ্ঝ যুক্তবর্ণের ভুল প্রয়োগ করা হয়েছে যা বাংলা ব্যাকরণ ও প্রমিত বানানরীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। D) ক ও খ দুটিই — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক এবং খ উভয় বানানই বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত ও প্রমিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুস্বার যুক্ত বানান এবং ম যুক্ত বানান উভয়টিই যদি বাংলা একাডেমির অভিধানে থাকে তবে দুটিই শুদ্ধ হিসেবে ধরে নিতে হবে। - পরীক্ষার হলে এই ধরনের দ্ব্যর্থক প্রশ্নে উভয় অপشن সঠিক থাকলে বিকল্পটি সতর্কতার সাথে নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানরের নিয়মাবলী ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের বিকল্প শুদ্ধ রূপগুলো বিশেষ গুরুত্বের সাথে পড়তে হবে।
a দূষণীয়
b দোষণীয়
c দূষণিয়া
d দোষণিয়
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দূষণীয় ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি বাংলা বানানরীতির প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। এখানে 'দূষণ' শব্দের সঙ্গে যোগযোগ বোঝাতে 'ঈয়' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - 'দূষণ' শব্দটি গঠনে 'ষ' এবং 'ণ' ব্যবহৃত হয় এবং এর পরবর্তীতে প্রত্যয়ের ক্ষেত্রে 'ঈয়' যুক্ত হয়ে 'দূষণীয়' রূপ লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই-কার বা ঈ-কার এবং ণ-ত্ব বিধানের সঠিক প্রয়োগ ঘটে। - 'দূষণ' শব্দের মূল ধাতু 'দুষ্' এবং প্রত্যয় মিলে গঠিত শব্দে বিশেষণ পদ তৈরিতে 'ঈয়' প্রত্যয় যুক্ত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পূজনীয় ব্যাখ্যা: পূজা শব্দের সঙ্গে 'ঈয়' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রমিত বানানে পূজনীয় শব্দটি গঠিত হয়। উদাহরণ ২: হেয় ব্যাখ্যা: এটিও একই ধরনের প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যা প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে লেখা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দূষণীয় — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি সমর্থন করে। B) দোষণীয় — এখানে 'দূষণ' শব্দের জায়গায় 'দোষ' মূল ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের বানান রূপের সঙ্গে মানানসই নয়। C) দূষণিয়া — এখানে প্রত্যয়ে 'ইয়া' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। ডি) দোষণিয় — এখানে বানান ভুল রয়েছে এবং 'ই' কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবসময় মূল শব্দের বানান ঠিক রেখে শেষের প্রত্যয়টি 'ঈয়' মনে রাখবে। - দূষণ শব্দের সঙ্গে ঈয় যুক্ত করলে দূষণীয় হয়, যেখানে কোনো হ্রস্ব ই-কার থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যুক্ত বানান যেমন পূজনীয়, করণীয়, দর্শনীয় প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের সঙ্গে সঠিক প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়ম আয়ত্ত করলে এসব বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
a কথ্য ভাষায়
b আঞ্চলিক ভাষায়
c সাধু ভাষায়
d চলিত ভাষায়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাধু ভাষায় ১. কেন সঠিক: সাধু রীতি বাংলা ভাষার একটি লিখিত রূপ, যা এর তৎসম বা সংস্কৃত শব্দবহুলতা ও ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়মের কারণে অত্যন্ত গম্ভীর, মার্জিত ও আভিজাত্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। এই রূপটি প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় রীতির ধারাবাহিকতা রক্ষা করে চলে বিধায় এতে ভাবের গভীরতা ও শালীনতা বেশি প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সাধু ভাষা হলো বাংলা লেখার একটি মান্য রূপ, যাতে পদের রূপ ও অনুসর্গ দীর্ঘ বা পূর্ণাঙ্গ হয় এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে। ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের হাত ধরে সাধু ভাষার বিকাশ ঘটে এবং উনিশ শতক জুড়ে এটিই ছিল সাহিত্যের একমাত্র বাহন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলিয়াছে তরণী সলিল চিরে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সাধু ভাষার ক্রিয়াপদ ও তৎসম শব্দ ব্যবহারের ফলে এক ধরনের গম্ভীর ও কাব্যিক আবহ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: অতীত দিনের স্মৃতি মনে জাগরূক হয়। ব্যাখ্যা: এখানে সাধু রীতির শব্দচয়ন ভাবকে অত্যন্ত গাম্ভীর্যপূর্ণ ও ওজনদার করে তুলেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কথ্য ভাষায় — এটি মানুষের মুখে মুখে পরিবর্তিত হয় বিধায় এতে আনুষ্ঠানিক গাম্ভীর্যের চেয়ে সহজ প্রকাশ বেশি থাকে। B) আঞ্চলিক ভাষায় — এটি নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের মুখের ভাষা হওয়ায় সার্বজনীন ও গম্ভীর সাহিত্য রচনার উপযোগী নয়। D) চলিত ভাষায় — এটি গতিশীল ও সহজবোধ্য হলেও সাধু ভাষার মতো সুনির্দিষ্ট আভিজাত্য বা গাম্ভীর্য এতে সবসময় থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধু মানেই সাধুপুরুষের মতো গম্ভীর ও সংযত রূপ, যেখানে তৎসম শব্দের আধিক্য থাকে এবং যা দিয়ে গুরুগম্ভীর সাহিত্য রচিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাধু ভাষাকে পরিপক্বতা দান করেন। পরীক্ষায় গাম্ভীর্য ও আভিজাত্যের প্রশ্ন এলে উত্তর সবসময় সাধু ভাষা হবে।
a সারদা দেবী
b চন্দ্রাবতী
c স্বর্ণকুমারী দেবী
d সুফিয়া কামাল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চন্দ্রাবতী ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হিসেবে মধ্যযুগের কবি চন্দ্রাবতী সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত। - ষোড়শ শতাব্দীতে তাঁর আবির্ভাব ঘটে এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম নারী কবি হিসেবে নিজস্ব ধারার প্রবর্তন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি চন্দ্রাবতী ষোড়শ শতকের প্রথমার্ধে কিশোরগঞ্জ জেলার পীরেরচর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর পিতা দ্বিজ বংশীদাস একজন বিখ্যাত মনসা মঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রামায়ণ ব্যাখ্যা: চন্দ্রাবতী বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম নারী যিনি রামায়ণের সফল অনুবাদ বা রচনা করেন। উদাহরণ ২: মলুয়া ব্যাখ্যা: এটি চন্দ্রাবতীর রচিত একটি জনপ্রিয় পালাগান বা ট্র্যাজিক প্রেমের কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সারদা দেবী — ইনি কবি নন, রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের সহধর্মিণী ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব। B) চন্দ্রাবতী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়। C) স্বর্ণকুমারী দেবী — উনি আধুনিক যুগের লেখক, প্রথম মহিলা কবি নন। D) সুফিয়া কামাল — ইনি আধুনিক যুগের বিখ্যাত বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - চন্দ্রাবতীর নামের প্রথম অক্ষর চ দিয়ে মধ্যযুগের প্রথম নারী কবি মনে রাখতে পারো। - মধ্যযুগের নারী কবি মানেই চন্দ্রাবতী এই কৌশলটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চন্দ্রাবতীর লেখা রামায়ণ বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী রচিত রামায়ণ হিসেবে পরিচিত। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে কবির যুগ এবং জন্মস্থান ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a ইব্রাহীম খাঁ
b ডি. এল. রায়
c মীর মোশাররফ হোসেন
d দীনবন্ধু মিত্র
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দীনবন্ধু মিত্র ১. কেন সঠিক: - নীলদর্পণ নাটকটির রচিয়তা হলেন দীনবন্ধু মিত্র এবং এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নাটক। - নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো বাংলার নীলকর সাহেবদের দ্বারা সাধারণ কৃষকদের ওপর চালিত নির্মম নির্যাতন ও অত্যাচার। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনবন্ধু মিত্র উনিশ শতকের বিশিষ্ট নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক যিনি মূলত নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের প্রতিবাদে এই নাটকটি রচনা করেন। - ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে সামাজিক বাস্তবতার এক অনন্য দলিল হিসেবে চিরকাল স্বীকৃত হয়ে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা উনিশ শতকের সমাজচিত্র ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: হুতোম প্যাঁচার নকশা ব্যাখ্যা: এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত একটি প্রখ্যাত সামাজিক নকশা যা তৎকালীন কলকাতার সমাজের চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইব্রাহীম খাঁ — তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হলেও নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা নন। B) ডি. এল. রায় — দ্বিজেন্দ্রলাল রায় একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও তিনি নীলদর্পণ নাটকটি লেখেননি। C) মীর মোশাররফ হোসেন — তিনি বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত কিন্তু নীলদর্পণ নাটকের লেখক নন। D) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি নীলদর্পণ নাটকের সফল রচয়িতা হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। ৫ মনে রাখার টিপস: - নীল রঙ এবং দীনতার সঙ্গে নীলদর্পণ ও দীনবন্ধু মিত্র নাম দুটি সহজেই মিলিয়ে মনে রাখা যায়। - নীলকর সাহেবদের দীনহীন অত্যাচার ফুটিয়ে তুলেছেন দীনবন্ধু মিত্র। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নীলদর্পণ নাটকের প্রকাশকাল এবং রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন।
a I injsist on your goint there.
b I insist you to go there
c I insist upon your to go there.
d I insist yourself to go there.
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I injsist on your goint there. কেন সঠিক: Insist verb টির পর সাধারণত preposition হিসেবে on বসে। এছাড়া on preposition টির পর pronoun এর possessive form এবং verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I injsist on your goint there. — এটি সঠিক বাক্য তাই এখানে কোনো ভুল নেই। B) I insist you to go there — Insist verb এর পর সরাসরি object এবং infinitive বসে না। C) I insist upon your to go there. — Upon এর পর possessive form থাকলেও infinitive ব্যবহার করা নিয়মবিরুদ্ধ। D) I insist yourself to go there. — Insist এর পর reflexive pronoun এবং to বসে বাক্য গঠন করা যায় না। মনে রাখার টিপস: Insist verb এর পর on এবং gerund বসে এই নিয়মটি মনে রাখলেই সহজেই উত্তর করা যায়।
a reliment
b reliance
c rely
d None
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) reliance কেন সঠিক: ‘rely’ শব্দটির নাউন বা বিশেষ্য রূপ হলো ‘reliance’। শব্দের শেষে ance যুক্ত করে সাধারণত ভার্ব থেকে নাউন তৈরি করা হয়। এটি বাক্যে নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) reliment — এই রকম কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ প্রচলিত নেই। B) reliance — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) rely — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়াপদ, তাই এটি নাউন নয়। D) None — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভার্বের শেষে ance বা ence যুক্ত করে সাধারণত নাউন গঠন করা হয়।
a Go to featch some water
b Go and fetch some water for me.
c Fetch and bring some water for me
d Fetch some water for me.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Fetch some water for me. কেন সঠিক: এই বাক্যে কোনো অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় শব্দের পুনরাবৃত্তি নেই এবং এটি নিখুঁত একটি Imperative sentence। এটি শোনার সময় যেমন শ্রুতিমধুর তেমনি ব্যাকরণের সমস্ত নিয়ম নির্ভুলভাবে মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Go to featch some water — এখানে বানান ভুল আছে এবং বাক্যের গঠন অসমাপ্ত। B) Go and fetch some water for me — একই অর্থে দুটি ভিন্ন কাজের ক্রিয়াপদ ব্যবহার করার কারণে বাক্যটি অপ্রয়োজনীয়ভাবে বড় হয়েছে। C) Fetch and bring some water for me — fetch এবং bring দুটি শব্দের অর্থ একই হওয়ায় এখানে শব্দের মারাত্মক পুনরাবৃত্তি দোষ ঘটেছে। D) এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে একই অর্থে দুটি শব্দ যেমন fetch এবং bring একসাথে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
a get
b gets
c are getting
d have got
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) gets কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে At least one of থাকলে এর পর subject হিসেবে singular noun বসে এবং verb-ও singular হয়। এখানে students plural হলেও one প্রধান শব্দ হওয়ায় verb টি singular অর্থাৎ gets হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) get — এটি plural verb হওয়ায় singular subject-এর সাথে বসে না। B) gets — এটি সঠিক উত্তর এবং singular subject-এর সাথে বসে। C) are getting — এটি present continuous tense ও plural form হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) have got — এটি plural form হওয়ায় singular subject-এর সাথে বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে one of অথবা at least one of থাকলে সবসময় singular verb ব্যবহার করতে হবে।
a Shakespeare
b Wordsworth
c Keats
d Eliot
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Keats কেন সঠিক: জন কিটস তাঁর বিখ্যাত কবিতা ওডে অন আ গ্রেশিয়ান উর্ন এ এই অমর বাণীটি ব্যবহার করেছেন। এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একটি জনপ্রিয় ও বহুল পঠিত দার্শনিক উক্তি। শিল্প ও সত্যের গভীর সম্পর্ক বোঝাতে কবি এই লাইনটি লিখেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakespeare — তিনি ইংরেজি নাট্যসাহিত্যের মহান রচিয়তা হলেও এই বিখ্যাত লাইনটি তাঁর কোনো নাটক বা কবিতার অংশ নয়। B) Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রকৃতিবাদী কবি হলেও এই লাইনটি তাঁর কোনো সাহিত্যকর্মে পাওয়া যায় না। C) Keats — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক এবং এই রোমান্টিক ধারার উক্তিটি তাঁর নয়। মনে রাখার টিপস: কিটস ও গ্রেশিয়ান উর্ন মনে রাখলেই এই বিখ্যাত সত্য ও সৌন্দর্যের বাণীটি পরীক্ষার খাতায় সহজে সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে।
a Adjective
b Adverb
c Noun
d Pronoun
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে took place একটি ভার্ব এবং ago শব্দটি এই ভার্বটি কখন সংঘটিত হয়েছে তা নির্দেশ করছে। - কোনো শব্দ যদি ভার্বকে সময় নির্দেশক হিসেবে সংশোধন বা Modify করে, তবে তা Adverb হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective — Adjective শুধুমাত্র Noun বা Pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে ago কোনো Noun-কে বিশেষায়িত করেনি। B) Adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ ago শব্দটি এখানে took place ভার্বটিকে সময়বাচক অর্থে Modify করেছে। C) Noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু ago কোনো নাম বোঝাচ্ছে না বরং কাজের সময় নির্দেশ করছে। D) Pronoun — Pronoun হলো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শেষে বসে যখন কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়ার সময় বোঝায়, তখন সাধারণত ago একটি Adverb হিসেবে কাজ করে।
a Commission
b Commision
c Comission
d Comision
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Commission কেন সঠিক: ১. এই বানানটিতে ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী দুটি করে m এবং s বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। ২. শব্দের শুরুতে Com এবং শেষে sion যুক্ত হয়ে সঠিক গঠন তৈরি করেছে। ৩. বানানটি ইংরেজি প্রমিত রূপের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Commission — এটি সঠিক বানান এবং এতে কোনো ভুল নেই। B) Commision — এখানে একটি s কম আছে তাই এটি ভুল। C) Comission — এখানে একটি m এবং একটি s কম থাকায় এটি ভুল। D) Comission — এই অপশনটিতেও বানান ভুল রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে চাইলে এভাবে ভাগ করে পড়তে পারো: Com-mis-sion, যেখানে দুটি করে m এবং s বসে।
a Useful
b Useless
c Idle
d Comical
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Useful কেন সঠিক: Futile শব্দটির অর্থ হলো নিষ্ফল বা যার কোনো ভালো ফলাফল নেই। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে Useful শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ দরকারী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Useful — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Futile শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Useless — এটি Futile শব্দের সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক নয়। C) Idle — এর অর্থ অলস, যা এই শব্দের বিপরীত নয়। D) Comical — এর অর্থ হাস্যকর, যা এই শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Futile মানে বৃথা এবং Useful মানে কাজে লাগে, এভাবে বিপরীত শব্দ মনে রাখা সহজ হয়।
a He gave the examination
b He appeared at the examination
c He want for examination
d he passed at the examination
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He appeared at the examination কেন সঠিক: পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অর্থে ইংরেজি ক্রিয়াপদ হিসেবে appear ব্যবহার করা হয় এবং এর সাথে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে at বসে। তাই শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পরীক্ষায় বসা বোঝাতে appear at the examination লেখা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He gave the examination — বাংলায় পরীক্ষা দেওয়া মানে মনে হতে পারে give the examination, কিন্তু ইংরেজিতে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেয় না বরং শিক্ষক বা বোর্ড পরীক্ষা গ্রহণ করে। B) He appeared at the examination — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি সঠিক। C) He want for examination — এই বাক্যে want শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এখানে সঠিক রূপ wanted হতো, তাছাড়া বাক্যটির গঠনও সঠিক নয়। D) he passed at the examination — পরীক্ষায় পাস করা বোঝালেও এখানে passed এর সাথে at প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণের নিয়মের দিক থেকে ভুল। মনে রাখার টিপস: শিক্ষার্থীরা সবসময় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে appear at ব্যবহার করবে এবং শিক্ষক পরীক্ষা নিলে give ব্যবহার করতে হয়।
a after
b upon
c in
d with
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) after কেন সঠিক: হংকার শব্দের অর্থ তীব্র ইচ্ছা করা এবং এর পরে সঠিক প্রিপ্রোজিশন হিসেবে সবসময় after বসে। বাক্যটির অর্থ হলো সে খ্যাতির পেছনে ছুটেছিল বা খ্যাতির জন্য তীব্র আকাঙ্ক্ষা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) after — এই অপশনটি সঠিক কারণ hankered এর সাথে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে after ব্যবহৃত হয়। B) upon — hankered এর পরে upon বসে না কারণ এটি অর্থসঙ্গতি রক্ষা করে না। C) in — hankered এর সাথে in প্রিপজিশন ব্যবহার করলে কোনো সঠিক অর্থ প্রকাশ পায় না। D) with — hankered এর সাথে with যুক্ত হয়ে কোনো উপযুক্ত বা গ্রহণযোগ্য ফ্রেজ গঠন করে না। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুর জন্য তীব্র আকাঙ্ক্ষা বোঝাতে hanker শব্দের সাথে সবসময় after প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a to keep away from extreme poverty.
b To keep off an unwanted and undesirable person.
c to keep alive.
d to keep the difficulties and dangers in check.
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to keep away from extreme poverty. কেন সঠিক: ‘To keep the wolf away from the door’ একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ দরজা থেকে নেকড়ে তাড়ানো হলেও এর ভাবার্থ হলো চরম দারিদ্র্য বা না খেয়ে থাকা থেকে রক্ষা পাওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to keep away from extreme poverty — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এই ইডিয়ামের আসল ভাবার্থ প্রকাশ করে। B) To keep off an unwanted and undesirable person — এটি ভুল কারণ কোনো অপছন্দনীয় ব্যক্তিকে দূরে রাখার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) to keep alive — এটি ভুল কারণ শুধু বেঁচে থাকাকে বোঝায় না, বরং না খেয়ে মরার অবস্থা থেকে বাঁচার সংগ্রামকে বোঝায়। D) to keep the difficulties and dangers in check — এটি ভুল কারণ সাধারণ কোনো বিপদ বা অসুবিধা নিয়ন্ত্রণ করা এর মূল অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: দরজায় নেকড়ে আসা মানে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা, তাই নেকড়েকে দূরে রাখা মানে চরম দারিদ্র্য থেকে বেঁচে থাকা।
a Damp the spirits
b Throwing of cold water
c lee water
d None
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Damp the spirits কেন সঠিক: থ্রো কোল্ড ওয়াটার অন একটি ইংরেজি প্রবচন বা ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ ঠান্ডা পানি ঢালা হলেও এর ভাবার্থ হলো কোনো কাজের উৎসাহ বা উদ্দীপনা কমিয়ে দেওয়া। ড্যাম্প দ্য স্পিরিটস ফ্রেজটির অর্থও মানুষের উদ্দীপনা বা সাহস ভেঙে দেওয়া, তাই এটিই সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Damp the spirits — এটি সঠিক অপশন এবং এর অর্থ উৎসাহ বা উদ্দীপনা কমিয়ে দেওয়া। B) Throwing of cold water — এটি মূল প্রবচনটির হুবহু শাব্দিক রূপ যা ইডিয়মের আসল ভাবার্থ প্রকাশ করে না। C) lee water — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি ইডিয়ম নয় এবং প্রদত্ত প্রশ্নটির সাথে এর কোনো মিল নেই। D) None — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো গরম বিষয়ে ঠান্ডা পানি ঢাললে যেমন তা ঠান্ডা হয়ে যায়, তেমনি মানুষের উৎসাহেও পানি ঢাললে তার স্পৃহা বা উদ্দীপনা কমে যায়।
a Amusing
b Quick
c Dull
d Exciting
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dull কেন সঠিক: Tedious শব্দের অর্থ হলো ক্লান্তিকর, একঘেয়ে বা বিরক্তিকর কিছু। Dull শব্দের অর্থও ম্যাড়মেড়ে বা একঘেয়ে, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Amusing — এর অর্থ বিনোদনমূলক বা মজার, যা ক্লান্তিকর শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। B) Quick — এর অর্থ দ্রুত বা চটপটে, যা Tedious শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Dull — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) Exciting — এর অর্থ উত্তেজনাপূর্ণ বা রোমাঞ্চকর, যা একঘেয়ে শব্দের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Tedious কাজের শেষ নেই, তাই তা খুবই Dull লাগে।
a by
b from
c of
d for
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) from কেন সঠিক: অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে মারা যাওয়া বোঝালে 'die from' ব্যবহার করা হয়। কোনো বাহ্যিক বা অতিরিক্ত কারণ যেমন অতিরিক্ত খাওয়া বা বিষক্রিয়ায় মারা গেলে 'from' বসে। এটি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — সাধারণত দুর্ঘটনা বা আত্মহত্যার মাধ্যমে মারা যাওয়ার ক্ষেত্রে 'die by' ব্যবহার করা হয়। B) from — এটি এই বাক্যের জন্য সঠিক এবং প্রযোজ্য নিয়ম। C) of — সাধারণত কোনো রোগ বা না খেয়ে মারা যাওয়ার ক্ষেত্রে 'die of' ব্যবহার করা হয়। D) for — দেশের জন্য বা কোনো মহৎ উদ্দেশ্যে প্রাণ বিসর্জন দিলে 'die for' বসে। মনে রাখার টিপস: রোগে মরলে 'of' আর অতিরিক্ত খেয়ে মরলে 'from' বসবে।
a He is being gone to open a shop.
b A shop is being gone opened by him.
c A shop will be opened by him.
d A shop is going to be opened by him.
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A shop is going to be opened by him. কেন সঠিক: বাক્યটিতে 'is going to' থাকায় প্যাসিভ করার সময় 'is going to be' বসাতে হবে। মূল verb 'open'-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম 'opened' ব্যবহার করা হয়েছে। অবজেক্ট 'a shop' সাবজেক্ট হিসেবে প্রথমে বসেছে এবং সাবজেক্ট 'He' অবজেক্ট হয়ে 'him' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এই অপশনে 'gone' ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়মের বাইরে এবং অর্থ পরিবর্তন করে দেয়। B) এই অপশনে অতিরিক্ত এবং ভুল শব্দ ব্যবহারের কারণে বাক্যের গঠন সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে। C) এই অপশনে 'is going to'-এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'will be' সাহায্যকারী verb ব্যবহার করা হয়েছে। D) এই অপশনটি সঠিক নিয়মে গঠিত হয়েছে এবং সব ব্যাকরণগত শর্ত পূরণ করেছে। মনে রাখার টিপস: 'am is are going to' যুক্ত active voice-কে passive করার সময় 'am is are going to be' এবং মূল verb-এর past participle ফর্ম বসাতে হয়।
a Go to featch some water
b Go and fetch some water for me.
c Fetch and bring some water for me
d Fetch some water for me.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Fetch some water for me. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এর গঠন সঠিক (Verb + Object + Extension)। - 'Fetch' অর্থ কোনো কিছু এনে দেওয়া, যার সাথে অতিরিক্ত 'bring' ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Go to featch some water — বানানে ভুল আছে, 'featch' না হয়ে 'fetch' হবে। B) Go and fetch some water for me. — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল নয়, তবে সংক্ষিপ্ত ও সরাসরি অনুরোধের ক্ষেত্রে অপশন ডি বেশি উপযুক্ত এবং এটিই প্রমিত রূপ। C) Fetch and bring some water for me — 'Fetch' এবং 'bring' দুটি সমার্থক শব্দ একসাথে ব্যবহার করলে Redundancy বা বাহুল্য দোষ হয়। D) Fetch some water for me. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রমিত Imperative Sentence। মনে রাখার টিপস: একটি বাক্যে সমার্থক দুটি verb (যেমন: fetch এবং bring) একসাথে ব্যবহার করা বাহুল্য দোষ, তাই একটি ব্যবহার করাই শ্রেয়।
a meaningless
b Meaningful
c Certainly
d Uncertainly
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Certainly কেন সঠিক: ‘By all means’ একটি ইংরেজি গুচ্ছ বাক্যাংশ বা ইডিওম যার বাংলা অর্থ হলো অবশ্যই বা নিশ্চিতভাবে। তাই এই ফ্রেজটির সবচেয়ে কাছাকাছি সঠিক সমার্থক শব্দ হলো সার্টেনলি। এটি কোনো বিষয়ে জোরালো সম্মতি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। এই কারণে সি অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) meaningless — এই শব্দটির অর্থ অর্থহীন, যা প্রদত্ত ইডিওমটির সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Meaningful — এই শব্দটির অর্থ অর্থপূর্ণ, যা মূল ফ্রেজটির নির্দিষ্ট ভাবার্থের সাথে পুরোপুরি মিলে না। C) Certainly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Uncertainly — এই শব্দটির অর্থ অনিশ্চিতভাবে, যা মূল বাক্যাংশের নিশ্চিত ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: ‘By all means’ দেখলে মনে রাখবে এর অর্থ সব উপায়ে বা নিশ্চিতভাবে, যার মিল রয়েছে ‘Certainly’ শব্দের সাথে।
a Acceptable
b Acceptably
c Acceptance
d Acceptablying
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Acceptance কেন সঠিক: Acceptance শব্দের শেষে ance যুক্ত থাকায় এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ হয়েছে। এই শব্দটি কোনো কাজের নাম বা গ্রহণ করার অবস্থাকে বোঝায়। এটি বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Acceptable — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ কারণ এর শেষে able যুক্ত আছে। B) Acceptably — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়া-বিশেষণ কারণ এর শেষে ably যুক্ত আছে। C) Acceptance — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Acceptablying — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো শব্দের গঠন বা রূপ নেই। মনে রাখার টিপস: সাধারণত শব্দের শেষে ance, ence, tion বা sion থাকলে সেটি নাউন হয়।
a Gerund
b Verbal noun
c Participle
d Adjective
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Participle কেন সঠিক: এখানে rolling শব্দটি stone নাউনের ঠিক আগে বসে adjective এর কাজ করছে এবং এটি verb থেকে এসেছে। তাই এটি Present Participle এর কাজ সম্পন্ন করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করে কিন্তু এখানে এটি noun নয়। B) Verbal noun — এটি noun এর কাজ করে এবং এর সাথে article বা preposition থাকে যা এখানে নেই। C) Participle — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Adjective — যদিও এটি adjectival কাজ করে, তবে verb থেকে উৎপন্ন হওয়ায় ব্যাকরণগতভাবে এটি Participle। মনে রাখার টিপস: verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি একই সাথে verb এবং adjective এর কাজ করে, তবে তাকে Participle বলে।
a Nafisa said that she had to write a letter.
b Nafisa said that she had been to write a letter.
c Nafisa said that she has to write a letter.
d None of these
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Nafisa said that she had to write a letter. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্বটি পাস্ট টেন্সে (said) থাকায় ইনডাইরেক্ট স্পিচে ভেতরের মাস্ট (must) পরিবর্তিত হয়ে হ্যাড টু (had to) হয়। - ডাইরেক্ট স্পিচের ফার্স্ট পারসন আই (I) পরিবর্তীত হয়ে রিপোর্টিং ভার্বের সাবজেক্ট অনুযায়ী শি (she) হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nafisa said that she had to write a letter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Nafisa said that she had been to write a letter — এখানে অতিরিক্ত বিন (been) যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Nafisa said that she has to write a letter — রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্সে থাকায় এখানে হ্যাভ টু বা হ্যাজ টু অপরিবর্তিত রাখা যায় না। D) None of these — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নরমালি মাস্ট থাকলে হ্যাড টু হয় এবং রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্স হলে ভেতরের টেন্সও পরিবর্তন করতে হয়।
a What do he want?
b What did he want?
c What does he want?
d What is he wants?
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) What does he want? কেন সঠিক: প্রশ্নবোধক Passive voice-এর "What is wanted by him" বাক্যটিকে Active করতে হলে Present Indefinite Tense-এর নিয়ম মানতে হয়। এখানে "What" নিজেই Subject হিসেবে কাজ করে এবং Third Person Singular Number হওয়ায় সাহায্যকারী verb হিসেবে "does" বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What do he want? — "He"-এর সাথে "do" ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ এর সাথে "does" বসে। B) What did he want? — মূল বাক্যটি Present Tense-এ ছিল, তাই এখানে Past Tense ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। C) What does he want? — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরার কিছু নেই। D) What is he wants? — একটি বাক্যে একসাথে দুটি main verb বা "is" ও "wants" একসাথে বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Passive voice-এ "What is + V3" থাকলে Active করার সময় Tense অনুযায়ী "What + do/does/did" ব্যবহার করতে হয়।
a 6.14
b 4.12
c 6.14
d 4.12
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.২৫% প্রদত্ত তথ্য: গতকাল শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পায় ২৫% আজ শেয়ারের দাম হ্রাস পায় ২৫% ধরি, শেয়ারের প্রাথমিক দাম = ১০০ টাকা অতএব, ২৫% বৃদ্ধিতে গতকাল দাম হয় ১০০ + ২৫ = ১২৫ টাকা এই ১২৫ টাকার উপর ২৫% কমে আজ দাম হয় ১২৫ এর ৭৫% সমান ৯৩.৭৫ টাকা সুতরাং, মোট দাম কমেছে ১০০ − ৯৩.৭৫ = ৬.২৫ টাকা উত্তর: ৬.২৫% কমেছে
a 16.14
b ১৬ ২৩%
c 6.23
d 6.12
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ ২৩% প্রদত্ত তথ্য: ক জিনিসটি খ এর নিকট ২০% লাভে বিক্রি করে খ জিনিসটি গ এর নিকট ক এর ক্রয়মূল্যে বিক্রি করে ধরি, ক এর ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা খ এর ক্রয়মূল্য = ১০০ + ২০ = ১২০ টাকা অতএব, খ জিনিসটি ক এর ক্রয়মূল্য অর্থাৎ ১০০ টাকায় বিক্রি করে খ এর ক্ষতি হয় = ১২০ − ১০০ = ২০ টাকা সুতরাং, খ এর শতকরা ক্ষতি = (২০ ÷ ১২০) × ১০০% উত্তর: ১৬ ২৩%
a 48
b 0
c 24
d 6
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪ প্রدত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো এক্স স্কয়ার + পিএক্স + ৬ = ০ সমীকরণটির মূল দুটি পরস্পর সমান ধরি, সমীকরণের মূল দুটি সমান হওয়ার শর্ত হলো পৃথায়ক বা ডিস্ক্রিমিনেন্ট শূন্য হবে এখানে সমীকরণের সহগগুলো হলো এ = ১, বি = পি এবং সি = ৬ অতএব, পৃথায়কের সূত্রটি হলো বি স্কয়ার − ৪এসি = ০ মানগুলো বসিয়ে পাই পি স্কয়ার − ৪ গুণ ১ গুণ ৬ = ০ সমীকরণটি দাঁড়ায় পি স্কয়ার − ২৪ = ০ সুতরাং, পি স্কয়ার = ২৪ উত্তর: ২৪
a 49
b 39
c 29
d 19
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯ প্রদত্ত তথ্য: a + b + c = ৯ ab + bc + ca = ৩১ ধরি, নির্ণয় করতে হবে a এর ওপর বর্গ + b এর ওপর বর্গ + c এর ওপর বর্গ এর মান অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী a + b + কাউন্ট এর হোল স্কয়ার সমান a এর ওপর বর্গ + b এর ওপর বর্গ + c এর ওপর বর্গ + ২ ইন (ab + bc + ca) সুতরাং, ৯ এর ওপর বর্গ সমান a এর ওপর বর্গ + b এর ওপর বর্গ + c এর ওপর বর্গ + ২ ইন ৩১ উত্তর: ৮১ − ৬২ = ১৯
a a3+8b3-6a2b-12ab2
b a3-8b3-6a2b-12ab2
c a3-8b3-6a2b+12ab2
d a3-8b3-12a2b-6ab2
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a3-8b3-6a2b+12ab2 প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিমালা হলো a-2b এর ঘন বা কিউব ব্যবহার করার সূত্র: ঘন নির্ণয়ের সূত্র হলো প্রথম পদের ঘন বিয়োগ দ্বিতীয় পদের ঘন বিয়োগ তিন গুণ প্রথম পদের বর্গ গুণ দ্বিতীয় পদ যোগ তিন গুণ প্রথম পদ গুণ দ্বিতীয় পদের বর্গ হিসাব করার ধাপ: প্রথম অংশ হলো a এর ঘন অর্থাৎ a3 এবং দ্বিতীয় অংশ হলো 2b এর ঘন অর্থাৎ 8b3 বাকি হিসাব: মাঝের অংশগুলো গুণ করে পাই ছয় a বর্গ b যোগ বারো a b বর্গ সুতরাং, সম্পূর্ণ বিস্তার হলো a3 বিয়োগ 8b3 বিয়োগ 6a2b যোগ 12ab2 উত্তর: C) a3-8b3-6a2b+12ab2
a 22
b 18
c 16
d 14
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: a − (১ ÷ a) = ৪ ধরি, প্রদত্ত রাশির মান বের করতে হবে নির্ণেয় রাশিটি হলো a বর্গ + (১ ÷ a বর্গ) অতএব, অনুসিদ্ধান্ত অনুযায়ী লেখা যায় a বর্গ + (১ ÷ a বর্গ) = (a − (১ ÷ a)) বর্গ + ২ × a × (১ ÷ a) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই = (৪) বর্গ + ২ = ১৬ + ২ = ১৮ উত্তর: ১৮
a ৮ গুণ
b ৪ গুণ
c ১২ গুণ
d ১৬ গুণ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ গুণ প্রদত্ত তথ্য: মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য নির্দিষ্ট এবং তার উপর একটি বর্গ অঙ্কিত আছে। অপর বর্গটি গঠিত হয়েছে মূল সরলরেখার এক চতুর্থাংশের উপর। ধরি, মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য = ক মূল সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক অতএব, সরলরেখার এক চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ৪ এক চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের বাহু = ক ÷ ৪ সুতরাং, এক চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ৪) × (ক ÷ ৪) নতুন বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক × ক) ÷ ১৬ অতএব, মূল বর্গের ক্ষেত্রফল = ১৬ × নতুন বর্গের ক্ষেত্রফল উত্তর: ১৬ গুণ
a 0
b 144
c 256
d 400
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: বিলের মোট পরিমাণ = ১০০০০ টাকা এককালীন কমতি = ৪০% পরপর কমতি = ৩৬% এবং ৪% ধরি, প্রথম ক্ষেত্রের পরিশোধযোগ্য টাকা = এককালীন ৪০% কমতির পর অবশিষ্ট অংশ দ্বিতীয় ক্ষেত্রের পরিশোধযোগ্য টাকা = ৩৬% কমতির পর অবশিষ্ট অংশের ওপর আরও ৪% কমতি অতএব, এককালীন ৪০% কমতিতে ছাড়ের পরিমাণ = ১০০০০ টাকার ৪০% = ৪০০০ টাকা প্রথম ক্ষেত্রে পরিশোধ করতে হবে = ১০০০০ − ৪০০০ = ৬০০০ টাকা সুতরাং, ৩৬% কমতির পর মূল্য হয় = ১০০০০ টাকার ৬৪% = ৬৪০০ টাকা এর ওপর আবার ৪% কমতিতে মূল্য হয় = ৬৪০০ টাকার ৯৬% = ৬১৫৬ টাকা উত্তর: দুটি পদ্ধতির পার্থক্যের পরিমাণ = ৬১৫৬ − ৬০০০ = ১৪৪ টাকা
a ৬০ জন
b ৮০ জন
c ১০০ জন
d ১২০ জন
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ জন প্রদত্ত তথ্য: পাস করেছে ৩০% পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি ১২ জন এবং ৩০ জন ধরি, মোট পরীক্ষার্থী = ১০০ জন পাস করেছে = ৩০ জন অতএব, ফেল করেছে = ১০০ জন − ৩০ জন = ৭০ জন মোট ফেল করা পরীক্ষার্থী = ১২ জন + ৩০ জন = ৪২ জন সুতরাং, ৭০% পরীক্ষার্থী = ৪২ জন ১০০ জন পরীক্ষার্থী = (৪২ × ১০০) ÷ ৭০ = ৬০ জন উত্তর: ৬০ জন
a ৯৬ ফুট
b ৭২ ফুট
c ১৯২ ফুট
d ৪৪ ফুট
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯৬ ফুট প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের দৈর্ঘ্য = ৬ ফুট বাঁশের ছায়া = ৪ ফুট গাছের ছায়া = ৬৪ ফুট ধরি, গাছটির উচ্চতা = ক ফুট অতএব, বাঁশের দৈর্ঘ্য ÷ বাঁশের ছায়া = গাছের উচ্চতা ÷ গাছের ছায়া ৬ ÷ ৪ = ক ÷ ৬৪ সুতরাং, ৪ × ক = ৬ × ৬৪ ক = (৬ × ৬৪) ÷ ৪ = ৯৬ উত্তর: ৯৬ ফুট
a 0.1
b 0.08
c 0.05
d 0.04
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০৪ প্রদত্ত তথ্য: পেনসিলের ক্রয়মূল্য = ১.২৫ টাকা পেনসিলের বিক্রয়মূল্য = ১.৩০ টাকা ধরি, লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য অতএব, লাভ = ১.৩০ টাকা − ১.২৫ টাকা = ০.০৫ টাকা সুতরাং, শতকরা লাভ = (০.০৫ ÷ ১.২৫) × ১০০% = ৪% উত্তর: ০.০৪
a 0.085416666666667
b 0.21458333333333
c 0.21666666666667
d 0.3
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.২১৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৭ প্রদত্ত তথ্য: এ অনুপাত বি সমান ৩ অনুপাত ৪ বি অনুপাত সি সমান ৫ অনুপাত ৬ সি অনুপাত ডি সমান ২ অনুপাত ৩ ধরি, এ ভাগ ডি সমান (এ ভাগ বি) গুণ (বি ভাগ সি) গুণ (সি ভাগ ডি) অতএব, এ ভাগ ডি সমান (৩ ভাগ ৪) গুণ (৫ ভাগ ৬) গুণ (২ ভাগ ৩) সুতরাং, এ ভাগ ডি সমান ৩০ ভাগ ৭২ উত্তর: ০.২১৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৭
a 0.21319444444444
b 0.29375
c 0.12986111111111
d 0.17013888888889
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.২৯৩৭৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম চা এর প্রতি কেজি দাম = ১৫ টাকা দ্বিতীয় চা এর প্রতি কেজি দাম = ২০ টাকা মিশ্রিত চা এর প্রতি কেজি দাম = ১৬ টাকা ৫০ পয়সা ধরি, প্রথম প্রকার চা এর পরিমাণ = ১ কেজি দ্বিতীয় প্রকার চা এর পরিমাণ = ক কেজি মিশ্রিত চায়ের প্রতি কেজি দাম = ১৬.৫০ টাকা অতএব, প্রথম প্রকার চা এর দাম = ১৫×১ = ১৫ টাকা দ্বিতীয় প্রকার চা এর দাম = ২০×ক = ২০ক টাকা মোট মিশ্রণের দাম = (১৫ + ২০ক) টাকা সুতরাং, মোট চা এর পরিমাণ = (১ + ক) কেজি মিশ্রণের মোট দাম = ১৬.৫০ × (১ + ক) টাকা উত্তর: প্রশ্নমতে, ১৫ + ২০ক = ১৬.৫০ × (১ + ক) এবং সমাধান করলে অনুপাত ০.২৯৩৭৫ হয়
a ২৮% হ্রাস
b ১০৮% হ্রাস
c ৮% হ্রাস
d ৮% বৃদ্ধি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৮% হ্রাস প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্য হ্রাস করা হলো ২০% প্রস্থ হ্রাস করা হলো ১০% ধরি, আয়তক্ষেত্রের আদি দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আদি প্রস্থ = ১০০ একক অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক নতুন দৈর্ঘ্য = ১০০ − ২০ = ৮০ একক নতুন প্রস্থ = ১০০ − ১০ = ৯০ একক সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = ৮০ × ৯০ = ৭২০০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফলের পরিবর্তন = ১০০০০ − ৭২০০০ = ২৮০০ বর্গ একক উত্তর: ২৮% হ্রাস
a ৩২ বছর
b ৪২ বছর
c ৫২ বছর
d ৬২ বছর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫২ বছর প্রদত্ত তথ্য: ২০ জন ছাত্রের বয়সের গড় = ১০ বছর শিক্ষকসহ মোট ব্যক্তির সংখ্যা = ২১ জন শিক্ষকসহ তাদের বয়সের গড় = ১২ বছর ধরি, ২০ জন ছাত্রের বয়সের সমষ্টি = ২০ × ১০ বছর = ২০০ বছর শিক্ষকসহ ২১ জনের বয়সের সমষ্টি = ২১ × ১২ বছর = ২৫২ বছর অতএব, শিক্ষকের বয়স হলো শিক্ষকসহ মোট বয়স এবং শুধু ছাত্রদের বয়সের সমষ্টির পার্থক্য। সুতরাং, শিক্ষকের বয়স = ২৫২ বছর − ২০০ বছর = ৫২ বছর উত্তর: ৫২ বছর
a 64
b 60
c 50
d 62
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: ১০টি সংখ্যার যোগফল = ৪৬২ প্রথম ৪টির গড় = ৫২ শেষ ৫টির গড় = ৩৮ ধরি, প্রথম ৪টি সংখ্যার যোগফল = ৪ × ৫২ = ২০৮ শেষ ৫টি সংখ্যার যোগফল = ৫ × ৩৮ = ১৯০ অতএব, প্রথম ৪টি এবং শেষ ৫টি অর্থাৎ মোট ৯টি সংখ্যার যোগফল = ২০৮ + ১৯০ = ৩৯৮ সুতরাং, পঞ্চম সংখ্যাটি = মোট ১০টি সংখ্যার যোগফল − ৯টি সংখ্যার যোগফল উত্তর: ৪৬২ − ৩৯৮ = ৬৪
a 0.15
b 0.2
c 0.25
d 0.3
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.৩ প্রদত্ত তথ্য: সময় = ১০ বছর সুদাসল = আসলের ৪ গুণ ধরি, আসল = ১ টাকা সুদাসল = ৪ টাকা অতএব, মোট সুদ = সুদাসল − আসল মোট সুদ = ৪ টাকা − ১ টাকা = ৩ টাকা সুতরাং, সুদের হার = (১০০ × সুদ) ÷ (আসল × সময়) সুদের হার = (১০০ × ৩) ÷ (১ × ১০) = ৩০% উত্তর: ০.৩ বা ৩০%
a ১৮ দিনে
b ৩০ দিনে
c ৩৬ দিনে
d ৬০ দিনে
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ৬০ জন লোক কাজ করতে পারে ১৮ দিনে ৩৬ জন লোক কাজ করতে পারবে কত দিনে ধরি, প্রথম ক্ষেত্রে লোকসংখ্যা = ৬০ জন প্রথম ক্ষেত্রে দিন সংখ্যা = ১৮ দিন অতএব, মোট কাজের পরিমাণ = ৬০ × ১৮ = ১০৮০ জন-দিন সুতরাং, ৩৬ জন লোকের কাজটি করতে দিন লাগবে = ১০৮০ ÷ ৩৬ = ৩০ দিন উত্তর: ৩০ দিনে
a আয়তক্ষেত্র
b বর্গক্ষেত্র
c রম্বস
d ট্রাপিজিয়াম
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আয়তক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ভেতরে একটি সামান্তরিক আঁকা আছে সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলো পরস্পর সমান ধরি, সামান্তরিকের একটি কোণ = ক ডিগ্রি সামান্তরিকের বিপরীত কোণটিও = ক ডিগ্রি অতএব, বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণ দুটির সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি তাই ক + ক = ১৮০ ডিগ্রি বা ক = ৯০ ডিগ্রি সুতরাং, সামান্তরিকটির প্রতিটি কোণের মান হলো ৯০ ডিগ্রি এবং যে সামান্তরিকের কোণ সমকোণ তা আয়তক্ষেত্র উত্তর: আয়তক্ষেত্র
a নিউট্রন ও প্রোটেনের সংখ্যা সমান
b প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন সমান
c নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকে
d ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্য সমান
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান কেন সঠিক: - পরমাণুর কেন্দ্রে থাকা ধনাত্মক চার্জযুক্ত প্রোটন এবং বাইরে থাকা ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে। - সমান সংখ্যক ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ একে অপরকে neutralize করে, ফলে পরমাণু সামগ্রিকভাবে চার্জ নিরপেক্ষ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউট্রন ও প্রোটেনের সংখ্যা সমান — নিউট্রন চার্জহীন কণা, তাই এর সংখ্যার ওপর পরমাণুর চার্জ নিরপেক্ষতা নির্ভর করে না। B) প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন সমান — ওজন বা ভরের সঙ্গে পরমাণুর চার্জ নিরপেক্ষতার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকে — এটি সঠিক তথ্য হলেও এর অবস্থান পরমাণুর চার্জ নিরপেক্ষ হওয়ার কারণ নয়। D) ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এদের চার্জ পরস্পরকে প্রশমিত করে। মনে রাখার টিপস: প্রোটন ধনাত্মক এবং ইলেকট্রন ঋণাত্মক, সংখ্যা সমান হলে চার্জ শূন্য হয়।
a জিপসাম
b বালি
c সাজিমাটি
d চুনাপাথর
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বালি কেন সঠিক: - কাঁচ তৈরির প্রধান এবং মৌলিক কাঁচামাল হলো সিলিকা বা বালি। - প্রায় সত্তর শতাংশ বালি বা সিলিকা গলিয়ে অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে কাঁচ প্রস্তুত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিপসাম — এটি প্রধানত সিমেন্ট শিল্পে এবং প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, কাঁচ তৈরিতে নয়। B) বালি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) সাজিমাটি — এটি সোডা কার্বনেটের উৎস হিসেবে সাবান ও ডিটারজেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। D) চুনাপাথর — এটি কাঁচের মিশ্রণে সহায়ক উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হলেও প্রধান কাঁচামাল হলো বালি। মনে রাখার টিপস: কাঁচ মানেই বালির খেলা, তাই সিলিকা বা বালি হলো কাঁচের প্রধান খেলা।
a অপবর্তনে
b আলোর বিচ্ছুরণে
c বায়ুমন্ডলের প্রতিসরণে
d দৃষ্টিভ্রমে
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বায়ুমন্ডলের প্রতিসরণে কেন সঠিক: - দিগন্তের কাছে বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব বেশি থাকায় আলোর প্রতিসরণ বেশি ঘটে, যার ফলে চাঁদের অবস্থান কিছুটা ওপরে প্রতিভাত হয়। - এই প্রতিসরণের প্রভাবে চাঁদের উল্লম্ব ব্যাস সামান্য কমে যায় কিন্তু অনুভূমিক ব্যাস অপরিবর্তিত থাকে, ফলে চাঁদকে আকারে অনেক বড় দেখায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপবর্তনে — অপবর্তন হলো আলোর তরঙ্গ কোনো তীক্ষ্ণ প্রান্ত বা সরু ছিদ্রের ধার ঘেঁষে বেঁকে যাওয়ার ঘটনা, যা চাঁদের আকার বড় দেখানোর কারণ নয়। B) আলোর বিচ্ছুরণে — বিচ্ছুরণ হলো সাদা আলোর সাতটি রঙে বিভক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া, যা চাঁদের ক্ষেত্রে আকือ বড় দেখানোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) বায়ুমন্ডলের প্রতিসরণে — এটি সঠিক কারণ, যা বায়ুমণ্ডলের ঘনত্বের তারতম্যের কারণে আলোর দিক পরিবর্তনের মাধ্যমে চাঁদকে বড় দেখায়। D) দৃষ্টিভ্রমে — এটি কোনো বৈজ্ঞানিক কারণ নয়, বরং চোখের পলক বা মানসিক ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত যা এই ঘটনার আসল বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: দিগন্তে চাঁদের বড় দেখার কারণ হলো বায়ুমণ্ডলের প্রতিসরণ, অর্থাৎ মাধ্যম বদলানোর ফলে আলোর বেঁকে যাওয়া।
a ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
b ৮ ঘন্টা
c ১২ ঘন্টা ২০ মিনিট
d ১৩ ঘন্টা ১৫ মিনিট
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট কেন সঠিক: - চাঁদের দৈনিক আবর্তন এবং পৃথিবীর নিজ অক্ষে ঘোরার গতির পার্থক্যের কারণে একই স্থানে জোয়ারের ঠিক ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়। - চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে পৃথিবীতে জোয়ার এবং পরবর্তীতে পানি নেমে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ভাটা বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট — জোয়ার ও ভাটার মধ্যকার সঠিক সময় ব্যবধান নির্দেশ করে। B) ৮ ঘন্টা — জোয়ার ও ভাটার ব্যবধানের জন্য এটি ভুল এবং অতিরিক্ত সময়। C) ১২ ঘন্টা ২০ মিনিট — এটি মূলত একটি জোয়ার থেকে পরবর্তী একই ধরনের জোয়ারের মধ্যবর্তী সময়ের অর্ধেকের কাছাকাছি, যা সরাসরি ভাটার সময় নয়। D) ১৩ ঘন্টা ১৫ মিনিট — জোয়ার ও ভাটার স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এটি অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: জোয়ারের পর ভাটা আসে প্রায় সোয়া ছয় ঘণ্টায়।
a আইবিএম, ১৯৮৩
b এপসন, ১৯৮১
c অ্যাপল, ১৯৭৭
d কম্প্যাক, ১৯৮৫
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এপসন, ১৯৮১ কেন সঠিক: - জাপানি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এপসন ১৯৮১ সালে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক পোর্টেবল কম্পিউটার বা ল্যাপটপ বাজারে আনে, যার নাম ছিল এপসন এইচএক্স কুড়ি। - এই কম্পিউটারটি ছোট আকৃতির হওয়ায় ব্যবহারকারীরা সহজে বহন করতে পারত এবং এতে ব্যাটারির ব্যবস্থা ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইবিএম, ১৯৮৩ — আইবিএম এই ক্ষেত্রে প্রথম ল্যাপটপ প্রস্তুতকারক নয়, তারা পরবর্তীতে পিসি বাজারে নিয়ে আসে। B) এপসন, ১৯৮১ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই কোম্পানিই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল ল্যাপটপ কম্পিউটার তৈরি করেছিল। C) অ্যাপল, ১৯৭৭ — অ্যাপল ১৯৭৭ সালে পার্সোনাল কম্পিউটার অ্যাপল টু বাজারে এনেছিল, কিন্তু প্রথম ল্যাপটপ তৈরি করেনি। D) কম্প্যাক, ১৯৮৫ — কম্প্যাক পরবর্তী সময়ে কম্পিউটার বাজারে এলেও ১৯৮১ সালের প্রথম ল্যাপটপ তৈরির সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৮১ সালে জাপানের এপসন কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ বাজারে নিয়ে আসে।
a পিত্ত থলিতে
b কিডনীতে
c প্লীহায়
d যকৃতে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জীববিজ্ঞান) সঠিক উত্তর: C) প্লীহায় কেন সঠিক: - মানবদেহের পুরোনো ও নষ্ট লোহিত রক্তকণিকা প্লীহাতে ধ্বংস হয়। - লোহিত রক্তকণিকা ভাঙার ফলে হিমোগ্লোবিন থেকে বিলুরুবিন ও বিলিভারডিন নামক বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিত্ত থলিতে — এটি যকৃতে তৈরি পিত্তরস জমা করে রাখে, বিলুরুবিন তৈরি করে না। B) কিডনীতে — এটি রক্ত ছেঁকে মূত্র তৈরি করে এবং বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়। D) যকৃতে — যকৃতে বিলুরুবিন তৈরি হয় না, তবে প্লীহায় তৈরি বিলুরুবিন যকৃতে এসে প্রক্রিয়াজাত হয়ে পিত্তরসের মাধ্যমে দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয়। মনে রাখার টিপস: লোহিত রক্তকণিকা প্লীহায় ধ্বংস হয় বলেই সেখানে বিলুরুবিন তৈরি হয়।
a সোডিয়াম বাই-কার্বনেট
b পটাশিয়াম বাই-কার্বনেট
c মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট
d সোডিয়াম গ্লুামেট
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট কেন সঠিক: - টেস্টিং সল্ট হলো মূলত গ্লুটামিক এসিডের সোডিয়াম লবণ, যার রাসায়নিক নাম মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট। - এটি খাবারে উমামি বা সুস্বাদু স্বাদ বৃদ্ধি করতে খাদ্য উপাদান হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোডিয়াম বাই-কার্বনেট — এটি বেকিং সোডা হিসেবে পরিচিত এবং মূলত পাউরুটি বা কেক ফোলাতে ব্যবহৃত হয়। B) পটাশিয়াম বাই-কার্বনেট — এটি একটি অ্যান্টাসিড ও পটাশিয়ামের উৎস, যা টেস্টিং সল্ট নয়। C) মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে সঠিক হিসেবে বিবেচিত। D) সোডিয়াম গ্লুামেট — এটি বানান ভুল এবং অসম্পূর্ণ রাসায়নিক নাম, সঠিক নাম মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট। মনে রাখার টিপস: টেস্টিং সল্ট মানেই খাবারে মনো বা একা সোডিয়াম গ্লুটামেট যোগ করা।
a এম্পেয়ার
b ওহম
c ভোল্ট
d ওয়াট
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ওয়াট কেন সঠিক: - বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শাখায় তড়িৎ প্রবাহের হার বা বৈদ্যুতিক কাজের পরিমাপের একক হলো ওয়াট। - একক সময়ে শক্তি ব্যবহারের হার বোঝাতে এই এককটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এম্পেয়ার — এটি তড়িৎ প্রবাহ মাত্রা পরিমাপের একক, বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক নয়। B) ওহম — এটি বৈদ্যুতিক রোধ পরিমাপের একক, বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক নয়। C) ভোল্ট — এটি বৈদ্যুতিক বিভব বা বিভব পার্থক্য পরিমাপের একক, বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক নয়। D) ওয়াট — এটি বৈদ্যুতিক ক্ষমতা পরিমাপের সঠিক একক। মনে রাখার টিপস: ক্ষমতা মানেই কাজের হার, আর বৈদ্যুতিক ক্ষমতার আন্তর্জাতিক একক হলো ওয়াট।
a শূন্য মাধ্যমে
b কঠিন মাধ্যমে
c তরল মাধ্যমে
d বায়বীয় মাধ্যমে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শূন্য মাধ্যমে কেন সঠিক: - শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ, যার চলাচলের জন্য কোনো না কোনো জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। - শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা বা পদার্থ না থাকায় শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালিত হতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূন্য মাধ্যমে — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দ চলার জন্য কণার প্রয়োজন, যা শূন্য মাধ্যমে অনুপস্থিত। B) কঠিন মাধ্যমে — এটি ভুল কারণ কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি থাকে, তাই শব্দ দ্রুত চলতে পারে। C) তরল মাধ্যমে — এটি ভুল কারণ তরল পদার্থের মাধ্যমেও শব্দ সঞ্চালিত হতে পারে। D) বায়বীয় মাধ্যমে — এটি ভুল কারণ বায়ু বা গ্যাসীয় মাধ্যমের কণার মধ্য দিয়েও শব্দ চলতে পারে। মনে রাখার টিপস: শব্দের মাধ্যম চাই, শূন্য মাধ্যমে সে নাই।
a সাদা কাপড়ের তাপ বিকিরণ বেশি
b সাদা কাপড় তাপ শোষণ করে না
c সাদা কাপড়ের তাপ প্রতিফলন ক্ষমতা বেশি
d সাদা কাপড়ের প্রতিসরণ ক্ষমতা বেশি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাদা কাপড় তাপ শোষণ করে না কেন সঠিক: - সাদা রং আলো এবং তাপের বেশিরভাগ অংশ প্রতিফলিত করে, ফলে এটি নিজের মধ্যে তাপ আটকে রাখে না। - সাদা কাপড়ে তাপ শোষিত না হওয়ার কারণে গরমের দিনে শরীর তুলনামূলক ঠান্ডা ও আরামদায়ক থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদা কাপড়ের তাপ বিকিরণ বেশি — এটি সঠিক নয় কারণ সাদা কাপড় মূলত তাপ শোষণ কম করে এবং প্রতিফলন বেশি করে। B) সাদা কাপড় তাপ শোষণ করে না — এটি সঠিক কারণ সাদা রং তাপ শোষণ করার পরিবর্তে তা ফিরিয়ে দেয় বা প্রতিফলিত করে। সি) সাদা কাপড়ের তাপ প্রতিফলন ক্ষমতা বেশি — এই অপশনটি সত্য হলেও, মূল কারণ হলো এটি তাপ শোষণ করে না, যা সরাসরি আরামের সাথে সম্পর্কিত। D) সাদা কাপড়ের প্রতিসরণ ক্ষমতা বেশি — প্রতিসরণের সাথে কাপড়ের তাপীয় গুণের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সাদা রঙ তাপ শোষণ করে না, তাই গরমে সাদা পোশাক পরলে শরীর ঠান্ডা থাকে।
a লাল আলো
b হুলদ আলো
c বেগুনী আলো
d নীল আলো
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেগুনী আলো কেন সঠিক: - দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনী আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং কম্পাঙ্ক ও শক্তি সবচেয়ে বেশি। - আলোর বিচ্ছুরণের সময় তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম থাকার কারণে বেগুনী আলোর বিচ্যুতি বা বাঁকানোর মাত্রা সবচেয়ে বেশি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল আলো — এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি এবং বিচ্যুতি সবচেয়ে কম। B) হুলদ আলো — এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য লাল আলোর চেয়ে কম হলেও বেগুনী বা নীল আলোর চেয়ে বেশি। C) বেগুনী আলো — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) নীল আলো — এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেগুনী আলোর চেয়ে বেশি কিন্তু হলুদ ও লাল আলোর চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: দৃশ্যমান আলোতে ববেনিআহীহলা বা বেনীআসহীহলা মনে রাখুন; যেখানে বেগুনী সবার আগে থাকে তাই এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
a কার্পাস
b লোহা
c কাগজ
d রসায়ন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাগজ কেন সঠিক: - কানাডায় প্রচুর পরিমাণ বনাঞ্চল থাকায় সেখানে কাগজ ও কাঠজাত পণ্য উৎপাদনের বিশ্বখ্যাত শিল্প গড়ে উঠেছে। - বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কাগজ ও কাঠ উৎপাদনে কানাডা একটি অন্যতম প্রধান দেশ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্পাস — কার্পাস তুলার জন্য বিখ্যাত দেশগুলোর মধ্যে চীন ও ভারত উল্লেখযোগ্য, কানাডা নয়। B) লোহা — লোহা বা খনিজ উত্তোলনে অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিল বেশি বিখ্যাত। C) কাগজ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ কানাডা বনজ সম্পদের জন্য কাগজ শিল্পে বিখ্যাত। D) রসায়ন — রসায়ন শিল্প প্রধানত জার্মানি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেশি উন্নত। মনে রাখার টিপস: কানাডার মানচিত্রের বিশাল সবুজ বনভূমি দেখলে মনে রাখবে সবুজ বন মানেই কাগজ শিল্প।
a নাইজেরিয়া
b লেবানন
c নাইজার
d উগান্ডা
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) উগান্ডা কেন সঠিক: - উগান্ডা পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ যেখানে মুসলিম জনগোষ্ঠীর হার সংখ্যালঘু হওয়া সত্ত্বেও দেশটি ওআইসি বা ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছে। - ১৯৭৪ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি সম্মেলনে উগান্ডা আনুষ্ঠানিকভাবে এই সংস্থার সদস্যভুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইজেরিয়া — এই দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী হওয়ায় এটি মুসলিম প্রধান দেশগুলোর অন্তর্ভুক্ত। B) লেবানন — এই দেশের সংবিধানে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগি নিশ্চিত করা হলেও মুসলিম জনগোষ্ঠীর হার বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। C) নাইজার — এই দেশের প্রায় নিরানব্বই শতাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী হওয়ায় এটি একটি মুসলিম প্রধান দেশ। D) উগান্ডা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ খ্রিস্টান প্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও উগান্ডা ওআইসির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকা মহাদেশের উগান্ডা দেশটিতে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী বেশি হলেও তারা ওআইসির সদস্য।
a হাওয়াই
b আরিজোনা
c টেক্সাস
d ফ্লোরিডা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাওয়াই কেন সঠিক: - হাওয়াই ১৯৫৯ সালের ২১ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের ৫০তম এবং সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয়। - প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপপুঞ্জটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের বাইরে অবস্থিত একমাত্র অঙ্গরাজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাওয়াই — এটি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ বা ৫০তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। B) আরিজোনা — এটি ১৯১২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে যোগ দেয়। C) টেক্সাস — এটি ১৮৪৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। D) ফ্লোরিডা — এটি ১৮৪৫ সালের ৩ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের ২৭তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে যোগ দেয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ ৫০তম অঙ্গরাজ্য মনে রাখতে 'হাওয়াই' শব্দটি মনে রাখুন, যা তালিকার শেষ অক্ষর বা দ্বীপ রাজ্য হিসেবে পরিচিত।
a চীন
b মালয়েশিয়া
c ইন্দোনেশিয়া
d যগোশ্লাভিয়া
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: - বান্দুং শহরটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশে অবস্থিত। - ১৯৫৫ সালে ঐতিহাসিক এশিয়া-আফ্রিকা সম্মেলন বা বান্দুং সম্মেলন এই শহরেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন এশিয়ার একটি বৃহত্তম দেশ হলেও বান্দুং শহরটি এখানে অবস্থিত নয়। B) মালয়েশিয়া — মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ হলেও বান্দুং এর ভৌগোলিক অবস্থান এখানে নয়। C) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বান্দুং শহরটি এই দেশেই অবস্থিত। D) যগোশ্লাভিয়া — এটি ইউরোপের একটি সাবেক রাষ্ট্র, যার সঙ্গে বান্দুং শহরের কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বান্দুং সম্মেলন হয়েছিল ইন্দোনেশিয়ায়, তাই মনে রাখুন বান্দুং মানেই ইন্দোনেশিয়া।
a ৭৫টি
b ৫৯টি
c ৫০টি
d ৪৫টি
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ৫০টি কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু বা যমুনা সেতু যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বাংলাদেশের একটি দীর্ঘতম সেতু। - এই সেতুতে মোট ৫০টি পিলার বা পায়ার রয়েছে যার ওপর মূল অবকাঠামো দাঁড়িয়ে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭৫টি — এই সংখ্যাটি সেতুর পিলারের সঠিক পরিমাপের সঙ্গে মেলে না। B) ৫৯টি — এই সংখ্যাটি যমুনা সেতুর পিলারের সংখ্যার চেয়ে বেশি। C) ৫০টি — এটি বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুর পিলারের সঠিক সংখ্যা এবং তাই এটি সঠিক উত্তর। D) ৪৫টি — এই সংখ্যাটি সেতুর পিলারের বাস্তব সংখ্যার চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: যমুনা সেতুর পিলার মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, সেতুটি পূর্ণ পঞ্চাশটি (৫০) পিলারের ওপর শক্তভাবে দাঁড়িয়ে আছে।
a 1829
b 1819
c 1839
d 1849
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮২৯ কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ৪ ডিসেম্বর ১৮২৯ সালে ১৭ নম্বর রেগুলেশন জারি করে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ ও অবৈধ ঘোষণা করেন। - রাজা রামমোহন রায়ের মতো সংস্কারকদের দীর্ঘ আন্দোলন এবং সামাজিক কুসংস্কার দূর করার প্রচেষ্টার ফলেই এই আইন পাস হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮২৯ — এটি সঠিক সাল, এই সালেই লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক আইন পাস করে সতীদাহ প্রথা রহিত করেন। B) ১৮১৮ — এই সালে ব্রিটিশ সরকার সতীদাহ প্রথার পরিসংখ্যান সংগ্রহ শুরু করলেও প্রথাটি তখন রহিত করা হয়নি। C) ১৮৩৯ — এটি একটি ভুল সাল, এই সালের সঙ্গে সতীদাহ প্রথা রহিতের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। D) ১৮৪৯ — এই সালটি সতীদাহ প্রথা রহিতের অনেক পরের সময়, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: সতীদাহ প্রথার অবসান ঘটে ১৮২৯ সালে, যা মনে রাখতে বেন্টিংক ও রামমোহন রায়ের সামাজিক সংস্কারের সালগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে পারো।
a বাবর
b হুমায়ূন
c আকবর
d জাহাঙ্গীর
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হুমায়ূন কেন সঠিক: - মুঘল সম্রাট হুমায়ূন ১৫৩৮ সালে গৌড় দখল করার পর বাংলার নাম রাখেন জান্নাতাবাদ। - জান্নাতাবাদ শব্দের অর্থ স্বর্গের শহর, যা তিনি তৎকালীন প্রশাসনিক সুবিধার জন্য নামকরণ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবর — তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হলেও বাংলা জয়ের সময় পাননি এবং তিনি এই নামকরণ করেননি। B) হুমায়ূন — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী তিনি বাংলার নাম জান্নাতাবাদ রেখেছিলেন। C) আকবর — তিনি বাংলা জয় করে সুবাহ বা প্রদেশ হিসেবে গঠন করেন এবং এর নাম দেন জান্নাতাবাদ নয়, সুবাহ বাংলা। D) জাহাঙ্গীর — তার আমলেও বাংলার নাম জান্নাতাবাদ রাখা হয়নি, বরং তার শাসনামলে সুবাহ বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়। মনে রাখার টিপস: হুমায়ূন শব্দের অর্থ ভাগ্যবান, আর তিনি বাংলা জয় করে সৌভাগ্যবশত তার নাম দিয়েছিলেন জান্নাতাবাদ বা স্বর্গের শহর।
a ৩টি
b ২টি
c ৫টি
d ৪টি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩টি প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ জ্ঞান কেন সঠিক: - টেলিভিশনে রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য তিনটি মৌলিক বা প্রাথমিক রং ব্যবহার করা হয়। - এই তিনটি মৌলিক রং হলো লাল, সবুজ ও নীল, যা একত্রে আরজিবি নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ টেলিভিশনে লাল, সবুজ ও নীল এই তিনটি মৌলিক রং ব্যবহার করা হয়। B) ২টি — দুটি মৌলিক রং দিয়ে টেলিভিশনে সম্পূর্ণ রঙিন ছবি বা বর্ণালী তৈরি করা সম্ভব নয়। C) ৫টি — রঙিন টেলিভিশন প্রযুক্তিতে পাঁচটি মৌলিক রঙের কোনো ব্যবহার বা প্রয়োজন নেই। D) ৪টি — চারকম মৌলিক রং টেলিভিশনের মৌলিক প্রযুক্তিগত কাঠামোর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: টেলিভিশনের রঙের ক্ষেত্রে তিন সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ লাল, সবুজ ও নীল এই তিনটি রং মিলেই সব রঙিন ছবি তৈরি হয়।
a ১ সেকেন্ড
b ০.১ সেকেন্ড
c ০.০১ সেকেন্ড
d ০.০০১ সেকেন্ড
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১ সেকেন্ড কেন সঠিক: - মানব কানের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল প্রায় ০.১ সেকেন্ড বা দশ ভাগের এক ভাগ। - এই সময়ের মধ্যে মস্তিষ্কে শব্দের রেশ বা অনুভূতি স্থায়ী থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ সেকেন্ড — এই সময়ে মস্তিষ্ক অনেক বেশি তথ্য প্রক্রিয়া করতে পারে এবং এটি শব্দের রেশের স্বাভাবিক সময়সীমার চেয়ে অনেক বেশি। B) ০.১ সেকেন্ড — এটি কানের শ্রবণ অনুভূতির সঠিক স্থায়িত্বকাল এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) ০.০১ সেকেন্ড — এটি শব্দের রেশ থাকার সময়ের তুলনায় অতিরিক্ত কম এবং মানব কানের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। D) ০.০০১ সেকেন্ড — এটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত একটি সময় যা শব্দের রেশ ধরে রাখার জন্য বিজ্ঞানসম্মতভাবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের রেশ মনে রাখতে দশমিকের পর শূন্য এবং এক অর্থাৎ ০.১ মনে রাখুন।

মোট প্রশ্ন (20)

a অমাবষ্যার চাঁদ, আকাশ কুসুম
b আকাশে তোলা, আষাঢ়ে গল্প
c অহিনকুল সম্বন্ধ, আদায় কাচকলায়
d অগ্নি পরীক্ষা, অদৃষ্টের পরিহাস
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অহিনকুল সম্বন্ধ, আদায় কাচকলায় ১. কেন সঠিক: - 'অহিনকুল সম্বন্ধ' এবং 'আদায় কাচকলায়' উভয় বাগধারাটির অর্থ তীব্র শত্রুতা বা চিরশত্রুতা। - প্রশ্নটিতে এমন একটি জোড়া চাওয়া হয়েছে যেখানে দুটি বাগধারার অর্থ হুবহু মিলে যায় এবং সর্বাধিক সমার্থবাচক হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় অনেক বাগধারার অর্থ কাছাকাছি হলেও কিছু বাগধারা ঠিক সমার্থক বা বিপরীতার্থক হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিড়ালের আষাঢ়ে গল্প ব্যাখ্যা: এটি একটি কাল্পনিক বা অবাস্তব গল্পের উদাহরণ যা সহজে বিশ্বাসযোগ্য নয়। উদাহরণ ২: বিষের ছুরি ব্যাখ্যা: এর অর্থ মুখে মধু মনে বিষ বা বন্ধুবেশী শত্রু, যা শত্রুতার ভিন্ন একটি রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অমাবষ্যার চাঁদ, আকাশ কুসুম — অমাবষ্যার চাঁদ অর্থ দুর্লভ বস্তু এবং আকাশ কুসুম অর্থ অসম্ভব কল্পনা। B) আকাশে তোলা, আষাঢ়ে গল্প — আকাশে তোলা অর্থ অতিরিক্ত প্রশংসা করা এবং আষাঢ়ে গল্প অর্থ অবাস্তব বা কাল্পনিক গল্প। C) অহিনকুল সম্বন্ধ, আদায় কাচকলায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুটি বাগধারার অর্থই তীব্র শত্রুতা। D) অগ্নি পরীক্ষা, অদৃষ্টের পরিহাস — অগ্নি পরীক্ষা অর্থ কঠিন পরীক্ষা এবং অদৃষ্টের পরিহাস অর্থ ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। ৫ মনে রাখার টিপস: - অহিন অর্থাৎ সাপ এবং নকুল অর্থাৎ বেজি। সাপ ও বেজির মতো যাদের চিরশত্রুতা, তাদের ক্ষেত্রে আদায় কাচকলায় বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক বাগধারা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ গভীরভাবে অনুধাবন করতে হবে।
a বিশৃঙ্খলা
b এলোমেলো
c তাস খেলা ঘর
d ক্ষণস্থায়ী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্ষণস্থায়ী ১. কেন সঠিক: - তাসের ঘর একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ তাসের তৈরি ঘর এবং ভাবার্থ হলো যা অত্যন্ত দুর্বল বা সহজেই ভেঙে যায়। - মানুষের জীবন বা কোনো পরিকল্পনা যখন খুব অল্প সময়ে বা সামান্য আঘাতেই ধ্বংস হয়ে যায়, তখন তাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা যার উৎপত্তি হয়েছে তাস দিয়ে ঘর বানানোর খেলার কৌশল থেকে। - বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দসমষ্টি যা শব্দের সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের জীবনটা যেন তাসের ঘর, কখন যে কী হয় বলা যায় না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মানুষের জীবনের অনিশ্চয়তা ও ক্ষণস্থায়িত্ব বোঝাতে তাসের ঘর বাগধারাটি সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: লোভের ওপর গড়া তার ব্যবসাটি তাসের ঘরের মতো একদিন ভেঙে পড়ল। ব্যাখ্যা: এখানে বেআইনি ও দুর্বল ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো ব্যবসার দ্রুত পতন বোঝাতে তাসের ঘর কথাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশৃঙ্খলা — বিশৃঙ্খলা বলতে কোনো নিয়মের অভাব বা অগোছালো অবস্থাকে বোঝায়, যা তাসের ঘরের নির্দিষ্ট ভাবার্থ ক্ষণস্থায়ী বা নশ্বর অবস্থার সঙ্গে মেলে না। B) এলোমেলো — এলোমেলো শব্দটি কোনো বস্তুর অগোছালো বা বিন্যস্ত না থাকার অবস্থাকে নির্দেশ করে, যা এই বাগধারার মূল অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) তাস খেলা ঘর — এটি তাসের ঘরের আক্ষরিক অর্থ হলেও বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ গ্রাহ্য হয় না, বরং এর রূপক বা বিশেষ অর্থটিই প্রধান। D) ক্ষণস্থায়ী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাসের ঘর বলতে এমন কিছুকে বোঝায় যা চিরস্থায়ী নয় এবং খুব দ্রুত নষ্ট বা ধ্বংস হয়ে যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তাস দিয়ে ঘর বানালে যেমন সামান্য বাতাসে তা মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে, তেমনি যে বিষয় বা বস্তু সহজে নষ্ট হয় তা হলো ক্ষণস্থায়ী বা তাসের ঘর। - পরীক্ষার হলে বাগধারার রূপক অর্থটি খেয়াল করলেই সঠিক উত্তর খুব সহজে বের করা সম্ভব। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্নে আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে রূপক ও ভাবগত অর্থ কোনটি, তা ভালোভাবে যাচাই করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a সারদা দেবী
b চন্দ্রাবতী
c স্বর্ণকুমারী দেবী
d সুফিয়া কামাল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চন্দ্রাবতী ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হিসেবে মধ্যযুগের কবি চন্দ্রাবতী সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত। - ষোড়শ শতাব্দীতে তাঁর আবির্ভাব ঘটে এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম নারী কবি হিসেবে নিজস্ব ধারার প্রবর্তন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি চন্দ্রাবতী ষোড়শ শতকের প্রথমার্ধে কিশোরগঞ্জ জেলার পীরেরচর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর পিতা দ্বিজ বংশীদাস একজন বিখ্যাত মনসা মঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রামায়ণ ব্যাখ্যা: চন্দ্রাবতী বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম নারী যিনি রামায়ণের সফল অনুবাদ বা রচনা করেন। উদাহরণ ২: মলুয়া ব্যাখ্যা: এটি চন্দ্রাবতীর রচিত একটি জনপ্রিয় পালাগান বা ট্র্যাজিক প্রেমের কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সারদা দেবী — ইনি কবি নন, রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের সহধর্মিণী ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব। B) চন্দ্রাবতী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়। C) স্বর্ণকুমারী দেবী — উনি আধুনিক যুগের লেখক, প্রথম মহিলা কবি নন। D) সুফিয়া কামাল — ইনি আধুনিক যুগের বিখ্যাত বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক। ৫ মনে রাখার টিপস: - চন্দ্রাবতীর নামের প্রথম অক্ষর চ দিয়ে মধ্যযুগের প্রথম নারী কবি মনে রাখতে পারো। - মধ্যযুগের নারী কবি মানেই চন্দ্রাবতী এই কৌশলটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চন্দ্রাবতীর লেখা রামায়ণ বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী রচিত রামায়ণ হিসেবে পরিচিত। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে কবির যুগ এবং জন্মস্থান ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।
a কথ্য ভাষায়
b আঞ্চলিক ভাষায়
c সাধু ভাষায়
d চলিত ভাষায়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাধু ভাষায় ১. কেন সঠিক: সাধু রীতি বাংলা ভাষার একটি লিখিত রূপ, যা এর তৎসম বা সংস্কৃত শব্দবহুলতা ও ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়মের কারণে অত্যন্ত গম্ভীর, মার্জিত ও আভিজাত্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। এই রূপটি প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় রীতির ধারাবাহিকতা রক্ষা করে চলে বিধায় এতে ভাবের গভীরতা ও শালীনতা বেশি প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সাধু ভাষা হলো বাংলা লেখার একটি মান্য রূপ, যাতে পদের রূপ ও অনুসর্গ দীর্ঘ বা পূর্ণাঙ্গ হয় এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে। ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের হাত ধরে সাধু ভাষার বিকাশ ঘটে এবং উনিশ শতক জুড়ে এটিই ছিল সাহিত্যের একমাত্র বাহন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলিয়াছে তরণী সলিল চিরে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সাধু ভাষার ক্রিয়াপদ ও তৎসম শব্দ ব্যবহারের ফলে এক ধরনের গম্ভীর ও কাব্যিক আবহ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: অতীত দিনের স্মৃতি মনে জাগরূক হয়। ব্যাখ্যা: এখানে সাধু রীতির শব্দচয়ন ভাবকে অত্যন্ত গাম্ভীর্যপূর্ণ ও ওজনদার করে তুলেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কথ্য ভাষায় — এটি মানুষের মুখে মুখে পরিবর্তিত হয় বিধায় এতে আনুষ্ঠানিক গাম্ভীর্যের চেয়ে সহজ প্রকাশ বেশি থাকে। B) আঞ্চলিক ভাষায় — এটি নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের মুখের ভাষা হওয়ায় সার্বজনীন ও গম্ভীর সাহিত্য রচনার উপযোগী নয়। D) চলিত ভাষায় — এটি গতিশীল ও সহজবোধ্য হলেও সাধু ভাষার মতো সুনির্দিষ্ট আভিজাত্য বা গাম্ভীর্য এতে সবসময় থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: সাধু মানেই সাধুপুরুষের মতো গম্ভীর ও সংযত রূপ, যেখানে তৎসম শব্দের আধিক্য থাকে এবং যা দিয়ে গুরুগম্ভীর সাহিত্য রচিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাধু ভাষাকে পরিপক্বতা দান করেন। পরীক্ষায় গাম্ভীর্য ও আভিজাত্যের প্রশ্ন এলে উত্তর সবসময় সাধু ভাষা হবে।
a দূষণীয়
b দোষণীয়
c দূষণিয়া
d দোষণিয়
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দূষণীয় ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি বাংলা বানানরীতির প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। এখানে 'দূষণ' শব্দের সঙ্গে যোগযোগ বোঝাতে 'ঈয়' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - 'দূষণ' শব্দটি গঠনে 'ষ' এবং 'ণ' ব্যবহৃত হয় এবং এর পরবর্তীতে প্রত্যয়ের ক্ষেত্রে 'ঈয়' যুক্ত হয়ে 'দূষণীয়' রূপ লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই-কার বা ঈ-কার এবং ণ-ত্ব বিধানের সঠিক প্রয়োগ ঘটে। - 'দূষণ' শব্দের মূল ধাতু 'দুষ্' এবং প্রত্যয় মিলে গঠিত শব্দে বিশেষণ পদ তৈরিতে 'ঈয়' প্রত্যয় যুক্ত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পূজনীয় ব্যাখ্যা: পূজা শব্দের সঙ্গে 'ঈয়' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রমিত বানানে পূজনীয় শব্দটি গঠিত হয়। উদাহরণ ২: হেয় ব্যাখ্যা: এটিও একই ধরনের প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যা প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে লেখা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দূষণীয় — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি সমর্থন করে। B) দোষণীয় — এখানে 'দূষণ' শব্দের জায়গায় 'দোষ' মূল ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের বানান রূপের সঙ্গে মানানসই নয়। C) দূষণিয়া — এখানে প্রত্যয়ে 'ইয়া' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। ডি) দোষণিয় — এখানে বানান ভুল রয়েছে এবং 'ই' কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সবসময় মূল শব্দের বানান ঠিক রেখে শেষের প্রত্যয়টি 'ঈয়' মনে রাখবে। - দূষণ শব্দের সঙ্গে ঈয় যুক্ত করলে দূষণীয় হয়, যেখানে কোনো হ্রস্ব ই-কার থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়যুক্ত বানান যেমন পূজনীয়, করণীয়, দর্শনীয় প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের সঙ্গে সঠিক প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়ম আয়ত্ত করলে এসব বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
a অহংকার
b অহঙ্কার
c অহঞ্ঝার
d ক ও খ দুটিই
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক ও খ দুটিই ১. কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি আধুনিক প্রমিত বাংলা বানরীতি অনুযায়ী 'অহংকার' এবং 'অহঙ্কার' উভয় বানানই শুদ্ধ হিসেবে স্বীকৃত। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের মাঝে ম এর পরে ক বর্গীয় বর্ণ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার লেখা যায় অথবা ম অক্ষত রাখা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে ম-ফলা বা অনুস্বার ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে যা বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে অনুস্বারের স্থানে ম লেখার নিয়ম থাকলেও বহুল প্রচলিত ও স্বীকৃত রূপ হিসেবে বিকল্প বানানগুলোও অনুমোদিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম + বাদ = সংবাদ বা সংবাদ ব্যাখ্যা: ম এর স্থানে অনুস্বার ব্যবহারের একটি প্রমিত উদাহরণ যেখানে উভয় রূপই ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বলে গণ্য হয়। উদাহরণ ২: গংগা বা গঙ্গা ব্যাখ্যা: ম বা অনুস্বারের সঠিক প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি এই শব্দটির উভয় রূপকেই প্রমিত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহংকার — এটি একটি শুদ্ধ বানান এবং বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি পরীক্ষণে সঠিক হিসেবে গৃহীত হয়। B) অহঙ্কার — এটিও একটি শুদ্ধ বানান এবং দীর্ঘকাল ধরে সাহিত্যে ও অভিধানে এই রূপটি সমানভাবে প্রচলিত আছে। C) অহঞ্ঝার — এই বানানটিতে ঞ্ঝ যুক্তবর্ণের ভুল প্রয়োগ করা হয়েছে যা বাংলা ব্যাকরণ ও প্রমিত বানানরীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। D) ক ও খ দুটিই — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক এবং খ উভয় বানানই বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত ও প্রমিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুস্বার যুক্ত বানান এবং ম যুক্ত বানান উভয়টিই যদি বাংলা একাডেমির অভিধানে থাকে তবে দুটিই শুদ্ধ হিসেবে ধরে নিতে হবে। - পরীক্ষার হলে এই ধরনের দ্ব্যর্থক প্রশ্নে উভয় অপشن সঠিক থাকলে বিকল্পটি সতর্কতার সাথে নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানরের নিয়মাবলী ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের বিকল্প শুদ্ধ রূপগুলো বিশেষ গুরুত্বের সাথে পড়তে হবে।
a অব্যয়ীভাব
b রূপক
c উপমিত
d উপমান
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপমিত কেন সঠিক: এখানে চাঁদের সাথে মুখের তুলনা করা হয়েছে কিন্তু চাঁদকে সরাসরি মুখ বলা হয়নি। মুখ হলো উপমেয় এবং চাঁদ হলো উপমান, তাই এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: সাধারণ ধর্ম উহ্য রেখে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের যে সমাস হয় তাকে উপমিত কর্মধারয় বলে। এখানে মুখ চাঁদের মতো সুন্দর, এই সাধারণ সুন্দর ধর্মটি গায়ে উহ্য রয়েছে। যেমন: পুরুষ সিংহ সমান পুরুষসিংহ, করপল্লব সমান পল্লবের ন্যায় কর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের অর্থে যে সমাস হয় এবং অব্যয় পদটি পূর্বে বসে তা অব্যয়ীভাব সমাস। চাঁদ মুখ পদে কোনো অব্যয় পদ পূর্বে বসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়নি। B) রূপক — উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হলে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়। চাঁদ ও মুখের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়নি, বরং মুখের সাথে চাঁদের তুলনা করা হয়েছে। C) উপমিত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে বিচার করা হয়নি। D) উপমান — সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমান পদের যে সমাস হয় তাকে উপমান কর্মধারয় বলে। এখানে সাধারণ ধর্মটি উল্লেখ নেই বলে এটি উপমান নয়, উপমিত সমাস। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার সময় যদি উপমেয় এবং উপমান উভয়ই উপস্থিত থাকে এবং সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকে তবে উপমিত হয়। ব্যাসবাক্যে মাঝে ন্যায় শব্দটি ব্যবহার করে এই সমাস সহজে চেনা যায়।
a নয় ধর্ম
b ধর্ম নেই যার
c ধর্মহীন যে
d ধর্মের অভাব
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নয় ধর্ম ১. কেন সঠিক: অর্ধম শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো নয় ধর্ম এবং এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। এখানে অ উপসর্গটি না বা অভাব অর্থ প্রকাশ না করে বিপরীত বা বিরুদ্ধ অর্থ প্রকাশ করেছে, যা নঞ তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না বা নঞার্থক অব্যয় যুক্ত হয়ে পদের অর্থের বিপরীত ভাব প্রকাশ করে তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে। এখানে অর্ধম শব্দটির অ অংশটি নঞর্থক অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং ধর্ম শব্দের বিপরীত অর্থ বোঝাচ্ছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অবিচার ব্যাখ্যা: অবিচার শব্দের ব্যাসবাক্য নয় বিচার এবং এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: অচেনা ব্যাখ্যা: অচেনা শব্দের ব্যাসবাক্য নয় চেনা এবং এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের অন্য একটি পরিচিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয় ধর্ম — এটি সঠিক অপশন এবং এটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের সঠিক ব্যাসবাক্য। B) ধর্ম নেই যার — এই ব্যাসবাক্যটি বহুব্রীহি সমাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, নঞ তৎপুরুষের জন্য নয়। C) ধর্মহীন যে — এটি কর্মধারয় বা অন্য কোনো সমাসের রূপ হতে পারে, যা অর্ধম শব্দের জন্য সঠিক নয়। D) ধর্মের অভাব — অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়, যেমন নিরম বা হাভাত, কিন্তু অর্ধম শব্দের অর্থ অভাব নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নঞ তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শুরুতে নয় ব্যবহার করা এবং শব্দের শুরুতে অ, অনা বা না থাকলে তা সাধারণত নঞ তৎপুরুষ হয়। বিপরীত বা না বোধক অর্থ প্রকাশ করলে চোখ বন্ধ করে নয় শব্দটি দিয়ে ব্যাসবাক্য গঠন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নঞ তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যেখানে অ উপসর্গযুক্ত শব্দের ব্যাসবাক্য নির্ণয় করতে বলা হয়। সাধিত শব্দে অ বা অন্ উপসর্গ থাকলে সাধারণত নয় যোগ করে ব্যাসবাক্য করতে হয়।
a অলুক সমাস
b রূপক সমাস
c নিত্য সমাস
d প্রাদি সমাস
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রাদি সমাস ১. কেন সঠিক: প্র-পরা-অপ ইত্যাদি উপসর্গ যদি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্য বা কৃদন্ত পদের পূর্বে বসে যে সমাস গঠন করে, তাকে প্রাদি সমাস বলে। এই সমাসে উপসর্গগুলো সাধারণত স্বতন্ত্র পদের মতো অবস্থান করে এবং বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণ বা বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী উপসর্গগুলো ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়ে যেমন নতুন শব্দ তৈরি করে, তেমনি বিশেষ্য বা কৃদন্ত পদের আগেও বসতে পারে। যখন উপসর্গ কৃৎ-সাধিত পদের পূর্বে বসে সমাস গঠন করে, তখন তাকে প্রাদি সমাস বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র যে ভাত = প্র ভাত (প্রভাত)। ব্যাখ্যা: এখানে প্র উপসর্গটি ভাত শব্দের পূর্বে বসে প্রাদি সমাস গঠন করেছে। উদাহরণ ২: পরি যে ভ্রমণ = পরি ভ্রমণ (পরিভ্রমণ)। ব্যাখ্যা: এখানে পরি উপসর্গটি ভ্রমণ বিশেষ্য পদের পূর্বে বসে প্রাদি সমাসের সৃষ্টি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলুক সমাস - যে সমাসে সমাসবদ্ধ পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক সমাস বলে, যা পূর্ব পদে উপসর্গ বসার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) রূপক সমাস - উপমান ও উপমিত কর্মধারয় সমাসের যেখানে অভেদ কল্পনা করা হয়, তাকে রূপক সমাস বলে এবং এটি উপসর্গ সাধিত নয়। C) নিত্য সমাস - যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না বা ব্যাসবাক্য করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে এবং এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি ব্যাকরণিক নিয়ম। D) প্রাদি সমাস - এটি সঠিক উত্তর কারণ পূর্ব পদে উপসর্গ বসে এই সমাস গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাদি সমাসের নামেই এর মূল বৈশিষ্ট্য লুকিয়ে আছে। নামটির শুরুতেই প্র উপসর্গ আছে, যা মনে করিয়ে দেয় যে এই সমাসে পূর্ব পদে উপসর্গ থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাদি সমাস থেকে প্রশ্ন আসে। প্রবচণ, পরিভ্রমণ, উৎপথ ইত্যাদি শব্দগুলো প্রাদি সমাসের চমৎকার উদাহরণ যা বারবার পরীক্ষাতে আসে।
a ঘটক
b ঘোড়া
c উপদেশ
d গতি
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঘোড়া ১. কেন সঠিক: ঘোটক হলো একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ ঘোড়া। বাংলা ভাষায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংস্কৃত ভাষা থেকে বহু শব্দ অপরিবর্তিতভাবে প্রবেশ করেছে যেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। তৎসম শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য ব্যাখ্যা: সূর্য একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ রবি বা দিবাকর। উদাহরণ ২: চন্দ্র ব্যাখ্যা: চন্দ্র একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ চাঁদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘটক — ঘটক শব্দের অর্থ বিবাহাদির মধ্যস্থতাকারী বা সম্বন্ধ ঘটায় যে ব্যক্তি। এটি ঘোটক শব্দের সমার্থক নয়। B) ঘোড়া — এটি সঠিক উত্তর। C) উপদেশ — উপদেশ শব্দের অর্থ পরামর্শ বা শিক্ষা। এটি ঘোড়া শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। D) গতি — গতি শব্দের অর্থ চলন বা বেগ। এটি ঘোটক শব্দের অর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ঘোটক শব্দের শেষ অক্ষর ক দেখে তৎসম শব্দ চেনার চেষ্টা করতে পারো। ঘোটক মানে ঘোড়া, এটি একটি প্রাচীন ও তৎসম রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম ও তদ্ভব শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে। শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
a ইব্রাহীম খাঁ
b ডি. এল. রায়
c মীর মোশাররফ হোসেন
d দীনবন্ধু মিত্র
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দীনবন্ধু মিত্র ১. কেন সঠিক: - নীলদর্পণ নাটকটির রচিয়তা হলেন দীনবন্ধু মিত্র এবং এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নাটক। - নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো বাংলার নীলকর সাহেবদের দ্বারা সাধারণ কৃষকদের ওপর চালিত নির্মম নির্যাতন ও অত্যাচার। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনবন্ধু মিত্র উনিশ শতকের বিশিষ্ট নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক যিনি মূলত নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের প্রতিবাদে এই নাটকটি রচনা করেন। - ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে সামাজিক বাস্তবতার এক অনন্য দলিল হিসেবে চিরকাল স্বীকৃত হয়ে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা উনিশ শতকের সমাজচিত্র ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: হুতোম প্যাঁচার নকশা ব্যাখ্যা: এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত একটি প্রখ্যাত সামাজিক নকশা যা তৎকালীন কলকাতার সমাজের চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইব্রাহীম খাঁ — তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক হলেও নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা নন। B) ডি. এল. রায় — দ্বিজেন্দ্রলাল রায় একজন বিখ্যাত নাট্যকার হলেও তিনি নীলদর্পণ নাটকটি লেখেননি। C) মীর মোশাররফ হোসেন — তিনি বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত কিন্তু নীলদর্পণ নাটকের লেখক নন। D) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি নীলদর্পণ নাটকের সফল রচয়িতা হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। ৫ মনে রাখার টিপস: - নীল রঙ এবং দীনতার সঙ্গে নীলদর্পণ ও দীনবন্ধু মিত্র নাম দুটি সহজেই মিলিয়ে মনে রাখা যায়। - নীলকর সাহেবদের দীনহীন অত্যাচার ফুটিয়ে তুলেছেন দীনবন্ধু মিত্র। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নীলদর্পণ নাটকের প্রকাশকাল এবং রচয়িতা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন।
a কাঠের পুতুল
b কৃপমন্ডুক
c তীব্র জ্বালা
d কেতাদুরস্ত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তীব্র জ্বালা কেন সঠিক: ১. কুল কাঠ খুব কঠিন এবং দীর্ঘ সময় ধরে প্রচণ্ড তাপ ও উত্তাপ ছড়ায়। ২. এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে বাংলা ভাষায় এটি গভীর ও অসহ্য যন্ত্রণার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং অর্থবহ প্রবচন বা বাগধারা। ২. সাহিত্যিক দিক থেকে মানুষের জীবনের তীব্র মানসিক কষ্ট বোঝাতে এই তুলনাটি আনা হয়। ৩. যেমন, সমাজ জীবনে অপমানের কারণে মনে যে দীর্ঘস্থায়ী কষ্ট জমে, তাকে কুল কাঠের আগুনের সাথে তুলনা করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঠের পুতুল — এই শব্দটির দ্বারা মূলত মানুষের প্রাণহীন ও অনুভূতিহীন অবস্থাকে বোঝানো হয়। B) কৃপমন্ডুক — এই শব্দটির প্রকৃত অর্থ হলো কুয়োব্যাঙ বা সংকীর্ণ সীমার মধ্যে আবদ্ধ ব্যক্তি। D) কেতাদুরস্ত — এই শব্দটির অর্থ হলো ফ্যাশাদুরস্ত বা পরিপাটি এবং আধুনিক জীবনযাপনকারী ব্যক্তি। মনে রাখার টিপস: ১. কুল কাঠ দীর্ঘক্ষণ জ্বলে এবং খুব বেশি তাপ দেয়, তাই এর সাথে তীব্র জ্বালার তুলনা করা হয়। ২. পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে কাঠের তীব্র তাপ এবং কষ্টের কথাটি মনে রাখবে।
a খারাপ
b মন্দ
c ভালো
d নিন্দিত
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিন্দিত ১. কেন সঠিক: - নন্দিত শব্দের অর্থ প্রশংসিত, আদৃত বা যা নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করা হয়েছে। - এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো নিন্দিত, যার অর্থ তিরস্কৃত বা যার নিন্দা করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - নন্দিত শব্দটি নন্দন বা আনন্দ ধাতু থেকে এসেছে, পক্ষান্তরে নিন্দিত শব্দটি নিন্দা ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ ব্যাখ্যা: বিষাদ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো আনন্দ। উদাহরণ ২: জন্ম ব্যাখ্যা: জন্ম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো মৃত্যু। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খারাপ — খারাপ শব্দের বিপরীত শব্দ ভালো, এটি নন্দিত শব্দের উপযুক্ত বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) মন্দ — মন্দ শব্দের বিপরীত শব্দ ভালো, এটি গুণগত দিক নির্দেশ করে কিন্তু নন্দিত শব্দের সরাসরি বিপরীত নয়। C) ভালো — ভালো শব্দের বিপরীত শব্দ মন্দ বা খারাপ, এটি নন্দিত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক নয়। D) নিন্দিত — নিন্দিত হলো নন্দিত শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ যা প্রশংসার বিপরীত নিন্দা প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নন্দিত মানে প্রশংসিত, আর নিন্দিত মানে নিন্দিত। প্রশংসা ও নিন্দা যেমন বিপরীত, নন্দিত ও নিন্দিত তেমনি বিপরীতার্থক শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাস ও প্রত্যয়সাধিত শব্দের বিপরীত শব্দ জানতে চাওয়া হয়। মূল শব্দের উৎস ও অর্থ বুঝতে পারলে সঠিক বিপরীত শব্দ সহজে নির্ণয় করা যায়।
a করণ কারকে সপ্তমী
b অধিকরণে সপ্তমী
c কর্তৃকারকে সপ্তমী
d অপাদানে পঞ্চমী
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্তৃকারকে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: বাক্যে যার দ্বারা বা যিনি নিজে ক্রিয়া সম্পাদন করেন, তাঁকে কর্তা বা কর্তৃকারক বলে। এখানে ধান খাওয়ার কাজটি “বুলবুলি” পাখি সম্পন্ন করছে, তাই এটি কর্তৃকারক। “বুলবুলি” শব্দের সঙ্গে “এ” বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তির রূপ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়ার সম্পাদনকারীকে কর্তৃকারক বলে এবং শব্দের শেষে এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হলে তাকে সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি বলা হয়। সাধারণত বাক্যে স্বাধীনভাবে কর্তা নিজে কাজ করলে অথবা কোনো স্বাভাবিক ঘটিন বোঝালে কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাগলে কিনা বলে, ছাগলে কিনা খায় ব্যাখ্যা: এখানে পাগলে শব্দে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে। উদাহরণ ২: নদীতে মাছ আছে ব্যাখ্যা: এটি অধিকরণ কারকের উদাহরণ হলেও বিভক্তির দিক থেকে এতে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণ কারকে সপ্তমী — করণ অর্থ যন্ত্র বা সহায়ক বোঝায়, যা এখানে নেই। B) অধিকরণে সপ্তমী — স্থান বা সময় বোঝালে অধিকরণ হয়, কিন্তু এখানে বুলবুলি কোনো স্থান নয় বরং কাজটির সম্পাদনকারী বা কর্তা। D) অপাদানে পঞ্চমী — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত বা ভীত হয় তা অপাদান কারক, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: কে বা কারা প্রশ্ন করে যদি উত্তর পাওয়া যায় এবং সেই কর্তার সঙ্গে এ বা তে বিভক্তি থাকে, তবে তা সাধারণত কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়। পাগলে, ছাগলে, বুলবুলিতে—এগুলো সবই কর্তৃকারকের উদাহরণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করে কর্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং শব্দের অন্তস্থিত বিভক্তি দেখতে হবে। বাণী প্রকাশ বা প্রবাদের মতো বাক্যে প্রায়ই কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহার দেখা যায়, যা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
a বাবাকে
b বাঁশি
c ফলে
d পাপে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাঁশি ১. কেন সঠিক: কর্তায় শূন্য বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি হলো এমন যেখানে বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্য পদে কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি চিহ্ন যুক্ত থাকে না এবং তা দেখতে শব্দের মূল রূপের মতো মনে হয়। বাঁশি বাজে বাক্যে বাঁশি হলো ক্রিয়ার সম্পাদনকারী বা কর্তা এবং এর সাথে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি কর্তায় শূন্য বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যে যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে কর্তা বা কর্তৃকারক বলে এবং কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি হলো অ, অ-বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি যার নিজস্ব কোনো রূপ বা চিহ্ন নেই। শব্দের সাথে যখন কোনো বিভক্তি চিহ্ন বা প্রত্যয় যুক্ত না হয়ে স্বাধীনভাবে বসে কারক বোঝায় তখন তাকে শূন্য বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাখি গান গায়। ব্যাখ্যা: এখানে পাখি হলো কর্তা এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি না থাকায় এটি কর্তায় শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: ফুল ফুটেছে। ব্যাখ্যা: এখানে ফুল হলো বাক্যের কর্তা এবং এর সাথে কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি কর্তায় শূন্য বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবাকে — এটি কর্ম কারকে দ্বিতীয় বিভক্তি কারণ এখানে কে বিভক্তি যুক্ত রয়েছে। B) বাঁশি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই যা কর্তায় শূন্য বিভক্তি। C) ফলে — এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি কারণ এখানে এ বিভক্তি যুক্ত রয়েছে। D) পাপে — এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি কারণ এখানে এ বিভক্তি যুক্ত রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: কর্তা পদে যদি কোনো বিভক্তি চিহ্ন যেমন কে, রে, য়, তে, এ না থাকে এবং শব্দটি যদি মূল রূপেই বসে তবে চোখ বন্ধ করে তাকে শূন্য বিভক্তি বলে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে কে বা কারা দ্বারা প্রশ্ন করে কর্তা নির্ণয় করতে হবে এবং কর্তার গায়ে কোনো চিহ্ন না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হবে।
a অজ্ঞাত
b গৃহীত
c বিদীর্ণ
d বিসর্জন
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অজ্ঞাত ১. কেন সঠিক: - বিদিত শব্দের অর্থ হলো যা জানা আছে বা জ্ঞাত। - এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করার জন্য অজ্ঞাত শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ যা জানা নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা একটি অন্যটির ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দ এবং অতুসম শব্দের ক্ষেত্রে অতুসম শব্দ দিয়েই সাধারণত বিপরীত শব্দ গঠন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রকাশ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো গোপন। ব্যাখ্যা: প্রকাশ মানে যা সবার সামনে দৃশ্যমান এবং গোপন মানে যা লুকিয়ে রাখা হয়। উদাহরণ ২: উন্নত শব্দের বিপরীত শব্দ হলো অবনত। ব্যাখ্যা: উন্নত অর্থ যা উঁচুতে অবস্থিত এবং অবনত অর্থ যা নিচু বা অবনমিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অজ্ঞাত — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিদিত শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) গৃহীত — এর অর্থ যা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এর বিপরীত শব্দ বর্জিত বা ত্যক্ত। C) বিদীর্ণ — এর অর্থ যা ফেটে গেছে বা চিরে ফেলা হয়েছে এবং এটি আলাদা একটি বিশেষণের শব্দ। D) বিসর্জন — এর অর্থ ত্যাগ বা বিসর্জন দেওয়া এবং এর বিপরীত শব্দ গ্রহণ বা প্রাপ্তি। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদিত মানে জানা এবং অজ্ঞাত মানে অজানা এভাবে সহজে মনে রাখা যায়। - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - জানা এবং না জানা সম্পর্কিত শব্দগুলোর ক্ষেত্রে জ্ঞাত, বিদিত এবং অজ্ঞাত শব্দগুলো খুব ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a পিতা + আলয়
b পিত্রা + লয়
c পিত্রি + লয়
d পিতৃ + আলয়
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পিতৃ + আলয় ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে ঋ-কার কিংবা দীর্ঘ-ঋ কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে ঋ-কার বা দীর্ঘ-ঋ কারের স্থানে র-ফলা হয়। এখানে পিতৃ শব্দের শেষ বর্ণে ঋ-কার রয়েছে এবং আলয় শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনি আ রয়েছে, যা মিলে ত্র (ত + র + আ) সৃষ্টি করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: স্বরের সঙ্গে স্বরের মিলনকে স্বরসন্ধি বলে এবং এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। রি বা ঋ-কার এবং লি-কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে তা যথাক্রমে র এবং ল-এ রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পিতৃ + আদেশ = পিত্রাদেশ ব্যাখ্যা: এখানে ঋ-কার ও আ মিলে ত্র গঠিত হয়ে পিত্রাদেশ শব্দ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: পিতৃ + ইচ্ছা = পিতৃইচ্ছা ব্যাখ্যা: এটিও ঋ-কারের পর স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ার নিয়মে সাধিত একটি সন্ধি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিতা + আলয় — এটি ভুল কারণ এখানে পিতা শব্দের শেষে আ আছে, যা সন্ধির এই নিয়মের সঙ্গে মিলে না। B) পিত্রা + লয় — এটি ভুল কারণ পিত্রা বলে কোনো মৌলিক শব্দ বাংলা ব্যাকরণে নেই। C) পিত্রি + লয় — এটি ভুল কারণ পিত্রি বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়, সঠিক শব্দ পিতৃ। D) পিতৃ + আলয় — এটি সঠিক কারণ নিয়ম অনুযায়ী এটি পিত্রালয় শব্দ গঠন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধিতে পিতৃ শব্দের সঙ্গে কোনো স্বরযুক্ত শব্দ যোগ হলে পিতৃ অংশটি সর্বদা পিতৃ হবে এবং পরের স্বরধ্বনি মিলে ত্র বা ত্রা রূপ ধারণ করবে। নিয়মটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো ঋ-কার + স্বরধ্বনি সমান র-ফলা যুক্ত বর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঋ-কার যুক্ত সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। একই নিয়মে মাতৃ + আদেশ সমান মাত্রাদেশ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদও খুব ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a আর সি মজুমদার
b আবদুল করিম
c নীহার রঞ্জন রায়
d অধ্যাপক সুনীত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নীহার রঞ্জন রায় ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সাহিত্য ও ইতিহাস বিষয়ক প্রশ্নের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক গ্রন্থের নাম। - বাঙালির উৎপত্তি, বিকাশ এবং প্রাচীন ইতিহাস জানার জন্য এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য ও ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত যেখানে প্রখ্যাত পন্ডিত নীহাররঞ্জন রায়ের ঐতিহাসিক গবেষণা কর্ম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। - বাঙালির ইতিহাস আদি পর্ব গ্রন্থটি বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক ও সামাজিক ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলার ইতিহাস ব্যাখ্যা: এটি সামগ্রিক বাংলা অঞ্চলের রাজনৈতিক ইতিহাস তুলে ধরে। উদাহরণ ২: হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন বাংলার ভাষা ও সাহিত্যর ইতিহাস বোঝার অন্যতম প্রধান উপাদান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর সি মজুমদার — ইনি প্রাচীন বাংলার ইতিহাসের অন্যতম গবেষক হলেও বাঙালির ইতিহাস আদি পর্ব গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) আবদুল করিম — এই নামের সাহিত্যিক বা গবেষক থাকলেও তিনি এই নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক গ্রন্থটির লেখক নন। C) নীহার রঞ্জন রায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাঙালির ইতিহাস আদি পর্ব গ্রন্থটির প্রণেতা। D) অধ্যাপক সুনীত — এই নামের কোনো গবেষক এই বিখ্যাত গ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে পরিচিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাঙালির ইতিহাস একটি বিশাল গ্রন্থ এবং এর লেখক হলেন নীহাররঞ্জন রায় এটি মনে রাখার জন্য নাম দুটি একসাথে বারবার চর্চা করতে পারো। - ইতিহাস বিষয়ক প্রশ্ন সমাধানের জন্য লেখকের নামের সাথে বইটির নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক গ্রন্থ এবং এর লেখকের নাম প্রায়ই আসে। - একই নিয়মে অন্যান্য ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক গ্রন্থের রচয়িতাদের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a মুক্তি
b বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী
c হেনা
d বিদ্রোহী
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত সাহিত্যকর্ম হলো 'বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী' নামক একটি ছোটগল্প। ১৯১৯ সালে কলকাতার মাদারীপুর ইসলামিয়া হাইস্কুলে পড়ার সময় তাঁর এই প্রথম গল্পটি তৎকালীন 'সওগাত' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত হলেও তাঁর সাহিত্যজীবনের সূচনা ঘটেছিল ছোটগল্প রচনার মাধ্যমে। তাঁর এই প্রথম গল্পটি প্রকাশের মধ্য দিয়েই বাংলা কথাসাহিত্যে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল এবং পরবর্তীতে তিনি কবিতা, গান, উপন্যাস ও নাটক রচনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'মুক্তি' ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা তাঁর সাহিত্যিক জীবনের পরবর্তী পর্যায়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। উদাহরণ ২: 'বিদ্রোহী' ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের সবচেয়ে বিখ্যাত ও পরিচিত কবিতা, যা তাঁকে বিদ্রোহী কবির খ্যাতি এনে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুক্তি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতা, যা তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা নয়। B) বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প। C) হেনা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম পরিচিত ছোটগল্প, যা তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা নয়। D) বিদ্রোহী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ও বহুল পঠিত কবিতা, যা তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম লেখার ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে তাঁর শুরুটা হয়েছিল গদ্য বা গল্প দিয়ে, যার নাম বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী। কবিতা দিয়ে খ্যাতি পেলেও তাঁর সাহিত্যিক জীবনের প্রথম পদচারণা ছিল ছোটগল্পের মাধ্যমে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের প্রথম রচনা বা প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ প্রায়ই আসে। নজরুলের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প 'বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী' এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' - এই দুটি তথ্য বিশেষভাবে মনে রাখবে।
a রামায়ণ
b মহাভারত
c ভগবৎ
d কুমারসম্ভব
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রামায়ণ কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর অমর মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্যের কাহিনী সংগৃহীত করেছেন বাল্মীকি রচিত আদি রামায়ণ থেকে। - রামায়ণ কাব্যের লঙ্কা কান্ড বা যুদ্ধ কান্ডের ঘটনা অবলম্বনে এই মহাকাব্য রচিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মেঘনাদবধ কাব্য বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত মহাকাব্য। - মহাকাব্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর কাহিনী পৌরাণিক বা ঐতিহাসিক উৎস থেকে সংগৃহীত হয়। - এই কাব্যের মূল বীর রাবণ এবং এর সবচেয়ে ট্র্যাজিক চরিত্র হলো মেঘনাদ বা ইন্দ্রজিৎ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) রামায়ণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ মেঘনাদবধ কাব্যের মূল উৎস হলো রামায়ণ। - B) মহাভারত — মহাভারত হলো ব্যাসদেব রচিত অন্য একটি বিখ্যাত মহাকাব্য যা এর উৎস নয়। - C) ভগবৎ — শ্রীমদ্ভগবদগীতা বা পুরাণ মহাভারতের অংশবিশেষ যা মেঘনাদবধের উৎস নয়। - D) কুমারসম্ভব — কুমারসম্ভব হলো মহাকবি কালিদাসের লেখা একটি সংস্কৃত মহাকাব্য। মনে রাখার টিপস: - রাবণ ও রামের যুদ্ধের কাহিনী রামায়ণে আছে, তাই মেঘনাদবধ কাব্যের উৎস রামায়ণ।

মোট প্রশ্ন (21)

a to keep away from extreme poverty.
b To keep off an unwanted and undesirable person.
c to keep alive.
d to keep the difficulties and dangers in check.
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to keep away from extreme poverty. কেন সঠিক: ‘To keep the wolf away from the door’ একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ দরজা থেকে নেকড়ে তাড়ানো হলেও এর ভাবার্থ হলো চরম দারিদ্র্য বা না খেয়ে থাকা থেকে রক্ষা পাওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to keep away from extreme poverty — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এই ইডিয়ামের আসল ভাবার্থ প্রকাশ করে। B) To keep off an unwanted and undesirable person — এটি ভুল কারণ কোনো অপছন্দনীয় ব্যক্তিকে দূরে রাখার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) to keep alive — এটি ভুল কারণ শুধু বেঁচে থাকাকে বোঝায় না, বরং না খেয়ে মরার অবস্থা থেকে বাঁচার সংগ্রামকে বোঝায়। D) to keep the difficulties and dangers in check — এটি ভুল কারণ সাধারণ কোনো বিপদ বা অসুবিধা নিয়ন্ত্রণ করা এর মূল অর্থ নয়। মনে রাখার টিপস: দরজায় নেকড়ে আসা মানে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা, তাই নেকড়েকে দূরে রাখা মানে চরম দারিদ্র্য থেকে বেঁচে থাকা।
a He gave the examination
b He appeared at the examination
c He want for examination
d he passed at the examination
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He appeared at the examination কেন সঠিক: পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অর্থে ইংরেজি ক্রিয়াপদ হিসেবে appear ব্যবহার করা হয় এবং এর সাথে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে at বসে। তাই শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পরীক্ষায় বসা বোঝাতে appear at the examination লেখা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He gave the examination — বাংলায় পরীক্ষা দেওয়া মানে মনে হতে পারে give the examination, কিন্তু ইংরেজিতে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেয় না বরং শিক্ষক বা বোর্ড পরীক্ষা গ্রহণ করে। B) He appeared at the examination — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি সঠিক। C) He want for examination — এই বাক্যে want শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এখানে সঠিক রূপ wanted হতো, তাছাড়া বাক্যটির গঠনও সঠিক নয়। D) he passed at the examination — পরীক্ষায় পাস করা বোঝালেও এখানে passed এর সাথে at প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণের নিয়মের দিক থেকে ভুল। মনে রাখার টিপস: শিক্ষার্থীরা সবসময় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে appear at ব্যবহার করবে এবং শিক্ষক পরীক্ষা নিলে give ব্যবহার করতে হয়।
a Useful
b Useless
c Idle
d Comical
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Useful কেন সঠিক: Futile শব্দটির অর্থ হলো নিষ্ফল বা যার কোনো ভালো ফলাফল নেই। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে Useful শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ দরকারী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Useful — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Futile শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Useless — এটি Futile শব্দের সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক নয়। C) Idle — এর অর্থ অলস, যা এই শব্দের বিপরীত নয়। D) Comical — এর অর্থ হাস্যকর, যা এই শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Futile মানে বৃথা এবং Useful মানে কাজে লাগে, এভাবে বিপরীত শব্দ মনে রাখা সহজ হয়।
a Commission
b Commision
c Comission
d Comision
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Commission কেন সঠিক: ১. এই বানানটিতে ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী দুটি করে m এবং s বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। ২. শব্দের শুরুতে Com এবং শেষে sion যুক্ত হয়ে সঠিক গঠন তৈরি করেছে। ৩. বানানটি ইংরেজি প্রমিত রূপের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Commission — এটি সঠিক বানান এবং এতে কোনো ভুল নেই। B) Commision — এখানে একটি s কম আছে তাই এটি ভুল। C) Comission — এখানে একটি m এবং একটি s কম থাকায় এটি ভুল। D) Comission — এই অপশনটিতেও বানান ভুল রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে চাইলে এভাবে ভাগ করে পড়তে পারো: Com-mis-sion, যেখানে দুটি করে m এবং s বসে।
a Adjective
b Adverb
c Noun
d Pronoun
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Adverb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে took place একটি ভার্ব এবং ago শব্দটি এই ভার্বটি কখন সংঘটিত হয়েছে তা নির্দেশ করছে। - কোনো শব্দ যদি ভার্বকে সময় নির্দেশক হিসেবে সংশোধন বা Modify করে, তবে তা Adverb হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Adjective — Adjective শুধুমাত্র Noun বা Pronoun-এর দোষ, গুণ, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে, কিন্তু এখানে ago কোনো Noun-কে বিশেষায়িত করেনি। B) Adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ ago শব্দটি এখানে took place ভার্বটিকে সময়বাচক অর্থে Modify করেছে। C) Noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু ago কোনো নাম বোঝাচ্ছে না বরং কাজের সময় নির্দেশ করছে। D) Pronoun — Pronoun হলো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শেষে বসে যখন কোনো কাজ সম্পন্ন হওয়ার সময় বোঝায়, তখন সাধারণত ago একটি Adverb হিসেবে কাজ করে।
a Shakespeare
b Wordsworth
c Keats
d Eliot
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Keats কেন সঠিক: জন কিটস তাঁর বিখ্যাত কবিতা ওডে অন আ গ্রেশিয়ান উর্ন এ এই অমর বাণীটি ব্যবহার করেছেন। এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একটি জনপ্রিয় ও বহুল পঠিত দার্শনিক উক্তি। শিল্প ও সত্যের গভীর সম্পর্ক বোঝাতে কবি এই লাইনটি লিখেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shakespeare — তিনি ইংরেজি নাট্যসাহিত্যের মহান রচিয়তা হলেও এই বিখ্যাত লাইনটি তাঁর কোনো নাটক বা কবিতার অংশ নয়। B) Wordsworth — তিনি রোমান্টিক যুগের প্রকৃতিবাদী কবি হলেও এই লাইনটি তাঁর কোনো সাহিত্যকর্মে পাওয়া যায় না। C) Keats — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) Eliot — তিনি বিংশ শতাব্দীর আধুনিক কবি ও প্রাবন্ধিক এবং এই রোমান্টিক ধারার উক্তিটি তাঁর নয়। মনে রাখার টিপস: কিটস ও গ্রেশিয়ান উর্ন মনে রাখলেই এই বিখ্যাত সত্য ও সৌন্দর্যের বাণীটি পরীক্ষার খাতায় সহজে সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে।
a get
b gets
c are getting
d have got
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) gets কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে At least one of থাকলে এর পর subject হিসেবে singular noun বসে এবং verb-ও singular হয়। এখানে students plural হলেও one প্রধান শব্দ হওয়ায় verb টি singular অর্থাৎ gets হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) get — এটি plural verb হওয়ায় singular subject-এর সাথে বসে না। B) gets — এটি সঠিক উত্তর এবং singular subject-এর সাথে বসে। C) are getting — এটি present continuous tense ও plural form হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) have got — এটি plural form হওয়ায় singular subject-এর সাথে বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে one of অথবা at least one of থাকলে সবসময় singular verb ব্যবহার করতে হবে।
a Go to featch some water
b Go and fetch some water for me.
c Fetch and bring some water for me
d Fetch some water for me.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Fetch some water for me. কেন সঠিক: এই বাক্যে কোনো অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় শব্দের পুনরাবৃত্তি নেই এবং এটি নিখুঁত একটি Imperative sentence। এটি শোনার সময় যেমন শ্রুতিমধুর তেমনি ব্যাকরণের সমস্ত নিয়ম নির্ভুলভাবে মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Go to featch some water — এখানে বানান ভুল আছে এবং বাক্যের গঠন অসমাপ্ত। B) Go and fetch some water for me — একই অর্থে দুটি ভিন্ন কাজের ক্রিয়াপদ ব্যবহার করার কারণে বাক্যটি অপ্রয়োজনীয়ভাবে বড় হয়েছে। C) Fetch and bring some water for me — fetch এবং bring দুটি শব্দের অর্থ একই হওয়ায় এখানে শব্দের মারাত্মক পুনরাবৃত্তি দোষ ঘটেছে। D) এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে একই অর্থে দুটি শব্দ যেমন fetch এবং bring একসাথে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
a reliment
b reliance
c rely
d None
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) reliance কেন সঠিক: ‘rely’ শব্দটির নাউন বা বিশেষ্য রূপ হলো ‘reliance’। শব্দের শেষে ance যুক্ত করে সাধারণত ভার্ব থেকে নাউন তৈরি করা হয়। এটি বাক্যে নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) reliment — এই রকম কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ প্রচলিত নেই। B) reliance — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) rely — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়াপদ, তাই এটি নাউন নয়। D) None — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভার্বের শেষে ance বা ence যুক্ত করে সাধারণত নাউন গঠন করা হয়।
a I injsist on your goint there.
b I insist you to go there
c I insist upon your to go there.
d I insist yourself to go there.
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I injsist on your goint there. কেন সঠিক: Insist verb টির পর সাধারণত preposition হিসেবে on বসে। এছাড়া on preposition টির পর pronoun এর possessive form এবং verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I injsist on your goint there. — এটি সঠিক বাক্য তাই এখানে কোনো ভুল নেই। B) I insist you to go there — Insist verb এর পর সরাসরি object এবং infinitive বসে না। C) I insist upon your to go there. — Upon এর পর possessive form থাকলেও infinitive ব্যবহার করা নিয়মবিরুদ্ধ। D) I insist yourself to go there. — Insist এর পর reflexive pronoun এবং to বসে বাক্য গঠন করা যায় না। মনে রাখার টিপস: Insist verb এর পর on এবং gerund বসে এই নিয়মটি মনে রাখলেই সহজেই উত্তর করা যায়।
a Amusing
b Quick
c Dull
d Exciting
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Dull কেন সঠিক: Tedious শব্দের অর্থ হলো ক্লান্তিকর, একঘেয়ে বা বিরক্তিকর কিছু। Dull শব্দের অর্থও ম্যাড়মেড়ে বা একঘেয়ে, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Amusing — এর অর্থ বিনোদনমূলক বা মজার, যা ক্লান্তিকর শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত। B) Quick — এর অর্থ দ্রুত বা চটপটে, যা Tedious শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) Dull — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) Exciting — এর অর্থ উত্তেজনাপূর্ণ বা রোমাঞ্চকর, যা একঘেয়ে শব্দের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Tedious কাজের শেষ নেই, তাই তা খুবই Dull লাগে।
a meaningless
b Meaningful
c Certainly
d Uncertainly
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Certainly কেন সঠিক: ‘By all means’ একটি ইংরেজি গুচ্ছ বাক্যাংশ বা ইডিওম যার বাংলা অর্থ হলো অবশ্যই বা নিশ্চিতভাবে। তাই এই ফ্রেজটির সবচেয়ে কাছাকাছি সঠিক সমার্থক শব্দ হলো সার্টেনলি। এটি কোনো বিষয়ে জোরালো সম্মতি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। এই কারণে সি অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) meaningless — এই শব্দটির অর্থ অর্থহীন, যা প্রদত্ত ইডিওমটির সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) Meaningful — এই শব্দটির অর্থ অর্থপূর্ণ, যা মূল ফ্রেজটির নির্দিষ্ট ভাবার্থের সাথে পুরোপুরি মিলে না। C) Certainly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Uncertainly — এই শব্দটির অর্থ অনিশ্চিতভাবে, যা মূল বাক্যাংশের নিশ্চিত ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: ‘By all means’ দেখলে মনে রাখবে এর অর্থ সব উপায়ে বা নিশ্চিতভাবে, যার মিল রয়েছে ‘Certainly’ শব্দের সাথে।
a Damp the spirits
b Throwing of cold water
c lee water
d None
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Damp the spirits কেন সঠিক: থ্রো কোল্ড ওয়াটার অন একটি ইংরেজি প্রবচন বা ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ ঠান্ডা পানি ঢালা হলেও এর ভাবার্থ হলো কোনো কাজের উৎসাহ বা উদ্দীপনা কমিয়ে দেওয়া। ড্যাম্প দ্য স্পিরিটস ফ্রেজটির অর্থও মানুষের উদ্দীপনা বা সাহস ভেঙে দেওয়া, তাই এটিই সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Damp the spirits — এটি সঠিক অপশন এবং এর অর্থ উৎসাহ বা উদ্দীপনা কমিয়ে দেওয়া। B) Throwing of cold water — এটি মূল প্রবচনটির হুবহু শাব্দিক রূপ যা ইডিয়মের আসল ভাবার্থ প্রকাশ করে না। C) lee water — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি ইডিয়ম নয় এবং প্রদত্ত প্রশ্নটির সাথে এর কোনো মিল নেই। D) None — সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো গরম বিষয়ে ঠান্ডা পানি ঢাললে যেমন তা ঠান্ডা হয়ে যায়, তেমনি মানুষের উৎসাহেও পানি ঢাললে তার স্পৃহা বা উদ্দীপনা কমে যায়।
a after
b upon
c in
d with
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) after কেন সঠিক: হংকার শব্দের অর্থ তীব্র ইচ্ছা করা এবং এর পরে সঠিক প্রিপ্রোজিশন হিসেবে সবসময় after বসে। বাক্যটির অর্থ হলো সে খ্যাতির পেছনে ছুটেছিল বা খ্যাতির জন্য তীব্র আকাঙ্ক্ষা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) after — এই অপশনটি সঠিক কারণ hankered এর সাথে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে after ব্যবহৃত হয়। B) upon — hankered এর পরে upon বসে না কারণ এটি অর্থসঙ্গতি রক্ষা করে না। C) in — hankered এর সাথে in প্রিপজিশন ব্যবহার করলে কোনো সঠিক অর্থ প্রকাশ পায় না। D) with — hankered এর সাথে with যুক্ত হয়ে কোনো উপযুক্ত বা গ্রহণযোগ্য ফ্রেজ গঠন করে না। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুর জন্য তীব্র আকাঙ্ক্ষা বোঝাতে hanker শব্দের সাথে সবসময় after প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a by
b from
c of
d for
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) from কেন সঠিক: অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে মারা যাওয়া বোঝালে 'die from' ব্যবহার করা হয়। কোনো বাহ্যিক বা অতিরিক্ত কারণ যেমন অতিরিক্ত খাওয়া বা বিষক্রিয়ায় মারা গেলে 'from' বসে। এটি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — সাধারণত দুর্ঘটনা বা আত্মহত্যার মাধ্যমে মারা যাওয়ার ক্ষেত্রে 'die by' ব্যবহার করা হয়। B) from — এটি এই বাক্যের জন্য সঠিক এবং প্রযোজ্য নিয়ম। C) of — সাধারণত কোনো রোগ বা না খেয়ে মারা যাওয়ার ক্ষেত্রে 'die of' ব্যবহার করা হয়। D) for — দেশের জন্য বা কোনো মহৎ উদ্দেশ্যে প্রাণ বিসর্জন দিলে 'die for' বসে। মনে রাখার টিপস: রোগে মরলে 'of' আর অতিরিক্ত খেয়ে মরলে 'from' বসবে।
a He is being gone to open a shop.
b A shop is being gone opened by him.
c A shop will be opened by him.
d A shop is going to be opened by him.
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A shop is going to be opened by him. কেন সঠিক: বাক્યটিতে 'is going to' থাকায় প্যাসিভ করার সময় 'is going to be' বসাতে হবে। মূল verb 'open'-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম 'opened' ব্যবহার করা হয়েছে। অবজেক্ট 'a shop' সাবজেক্ট হিসেবে প্রথমে বসেছে এবং সাবজেক্ট 'He' অবজেক্ট হয়ে 'him' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এই অপশনে 'gone' ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়মের বাইরে এবং অর্থ পরিবর্তন করে দেয়। B) এই অপশনে অতিরিক্ত এবং ভুল শব্দ ব্যবহারের কারণে বাক্যের গঠন সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে। C) এই অপশনে 'is going to'-এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'will be' সাহায্যকারী verb ব্যবহার করা হয়েছে। D) এই অপশনটি সঠিক নিয়মে গঠিত হয়েছে এবং সব ব্যাকরণগত শর্ত পূরণ করেছে। মনে রাখার টিপস: 'am is are going to' যুক্ত active voice-কে passive করার সময় 'am is are going to be' এবং মূল verb-এর past participle ফর্ম বসাতে হয়।
a Go to featch some water
b Go and fetch some water for me.
c Fetch and bring some water for me
d Fetch some water for me.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Fetch some water for me. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এর গঠন সঠিক (Verb + Object + Extension)। - 'Fetch' অর্থ কোনো কিছু এনে দেওয়া, যার সাথে অতিরিক্ত 'bring' ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Go to featch some water — বানানে ভুল আছে, 'featch' না হয়ে 'fetch' হবে। B) Go and fetch some water for me. — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল নয়, তবে সংক্ষিপ্ত ও সরাসরি অনুরোধের ক্ষেত্রে অপশন ডি বেশি উপযুক্ত এবং এটিই প্রমিত রূপ। C) Fetch and bring some water for me — 'Fetch' এবং 'bring' দুটি সমার্থক শব্দ একসাথে ব্যবহার করলে Redundancy বা বাহুল্য দোষ হয়। D) Fetch some water for me. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রমিত Imperative Sentence। মনে রাখার টিপস: একটি বাক্যে সমার্থক দুটি verb (যেমন: fetch এবং bring) একসাথে ব্যবহার করা বাহুল্য দোষ, তাই একটি ব্যবহার করাই শ্রেয়।
a What do he want?
b What did he want?
c What does he want?
d What is he wants?
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) What does he want? কেন সঠিক: প্রশ্নবোধক Passive voice-এর "What is wanted by him" বাক্যটিকে Active করতে হলে Present Indefinite Tense-এর নিয়ম মানতে হয়। এখানে "What" নিজেই Subject হিসেবে কাজ করে এবং Third Person Singular Number হওয়ায় সাহায্যকারী verb হিসেবে "does" বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) What do he want? — "He"-এর সাথে "do" ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ এর সাথে "does" বসে। B) What did he want? — মূল বাক্যটি Present Tense-এ ছিল, তাই এখানে Past Tense ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। C) What does he want? — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরার কিছু নেই। D) What is he wants? — একটি বাক্যে একসাথে দুটি main verb বা "is" ও "wants" একসাথে বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: Passive voice-এ "What is + V3" থাকলে Active করার সময় Tense অনুযায়ী "What + do/does/did" ব্যবহার করতে হয়।
a Nafisa said that she had to write a letter.
b Nafisa said that she had been to write a letter.
c Nafisa said that she has to write a letter.
d None of these
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Nafisa said that she had to write a letter. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্বটি পাস্ট টেন্সে (said) থাকায় ইনডাইরেক্ট স্পিচে ভেতরের মাস্ট (must) পরিবর্তিত হয়ে হ্যাড টু (had to) হয়। - ডাইরেক্ট স্পিচের ফার্স্ট পারসন আই (I) পরিবর্তীত হয়ে রিপোর্টিং ভার্বের সাবজেক্ট অনুযায়ী শি (she) হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nafisa said that she had to write a letter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Nafisa said that she had been to write a letter — এখানে অতিরিক্ত বিন (been) যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Nafisa said that she has to write a letter — রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্সে থাকায় এখানে হ্যাভ টু বা হ্যাজ টু অপরিবর্তিত রাখা যায় না। D) None of these — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: নরমালি মাস্ট থাকলে হ্যাড টু হয় এবং রিপোর্টিং ভার্ব পাস্ট টেন্স হলে ভেতরের টেন্সও পরিবর্তন করতে হয়।
a Gerund
b Verbal noun
c Participle
d Adjective
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Participle কেন সঠিক: এখানে rolling শব্দটি stone নাউনের ঠিক আগে বসে adjective এর কাজ করছে এবং এটি verb থেকে এসেছে। তাই এটি Present Participle এর কাজ সম্পন্ন করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Gerund — এটি verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে noun এর কাজ করে কিন্তু এখানে এটি noun নয়। B) Verbal noun — এটি noun এর কাজ করে এবং এর সাথে article বা preposition থাকে যা এখানে নেই। C) Participle — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Adjective — যদিও এটি adjectival কাজ করে, তবে verb থেকে উৎপন্ন হওয়ায় ব্যাকরণগতভাবে এটি Participle। মনে রাখার টিপস: verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি একই সাথে verb এবং adjective এর কাজ করে, তবে তাকে Participle বলে।
a Acceptable
b Acceptably
c Acceptance
d Acceptablying
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Acceptance কেন সঠিক: Acceptance শব্দের শেষে ance যুক্ত থাকায় এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ হয়েছে। এই শব্দটি কোনো কাজের নাম বা গ্রহণ করার অবস্থাকে বোঝায়। এটি বাক্যে সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Acceptable — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ কারণ এর শেষে able যুক্ত আছে। B) Acceptably — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়া-বিশেষণ কারণ এর শেষে ably যুক্ত আছে। C) Acceptance — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Acceptablying — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো শব্দের গঠন বা রূপ নেই। মনে রাখার টিপস: সাধারণত শব্দের শেষে ance, ence, tion বা sion থাকলে সেটি নাউন হয়।

মোট প্রশ্ন (19)

a ৯৬ ফুট
b ৭২ ফুট
c ১৯২ ফুট
d ৪৪ ফুট
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯৬ ফুট প্রদত্ত তথ্য: বাঁশের দৈর্ঘ্য = ৬ ফুট বাঁশের ছায়া = ৪ ফুট গাছের ছায়া = ৬৪ ফুট ধরি, গাছটির উচ্চতা = ক ফুট অতএব, বাঁশের দৈর্ঘ্য ÷ বাঁশের ছায়া = গাছের উচ্চতা ÷ গাছের ছায়া ৬ ÷ ৪ = ক ÷ ৬৪ সুতরাং, ৪ × ক = ৬ × ৬৪ ক = (৬ × ৬৪) ÷ ৪ = ৯৬ উত্তর: ৯৬ ফুট
a 6.14
b 4.12
c 6.14
d 4.12
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬.২৫% প্রদত্ত তথ্য: গতকাল শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পায় ২৫% আজ শেয়ারের দাম হ্রাস পায় ২৫% ধরি, শেয়ারের প্রাথমিক দাম = ১০০ টাকা অতএব, ২৫% বৃদ্ধিতে গতকাল দাম হয় ১০০ + ২৫ = ১২৫ টাকা এই ১২৫ টাকার উপর ২৫% কমে আজ দাম হয় ১২৫ এর ৭৫% সমান ৯৩.৭৫ টাকা সুতরাং, মোট দাম কমেছে ১০০ − ৯৩.৭৫ = ৬.২৫ টাকা উত্তর: ৬.২৫% কমেছে
a 16.14
b ১৬ ২৩%
c 6.23
d 6.12
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ ২৩% প্রদত্ত তথ্য: ক জিনিসটি খ এর নিকট ২০% লাভে বিক্রি করে খ জিনিসটি গ এর নিকট ক এর ক্রয়মূল্যে বিক্রি করে ধরি, ক এর ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা খ এর ক্রয়মূল্য = ১০০ + ২০ = ১২০ টাকা অতএব, খ জিনিসটি ক এর ক্রয়মূল্য অর্থাৎ ১০০ টাকায় বিক্রি করে খ এর ক্ষতি হয় = ১২০ − ১০০ = ২০ টাকা সুতরাং, খ এর শতকরা ক্ষতি = (২০ ÷ ১২০) × ১০০% উত্তর: ১৬ ২৩%
a 48
b 0
c 24
d 6
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪ প্রدত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো এক্স স্কয়ার + পিএক্স + ৬ = ০ সমীকরণটির মূল দুটি পরস্পর সমান ধরি, সমীকরণের মূল দুটি সমান হওয়ার শর্ত হলো পৃথায়ক বা ডিস্ক্রিমিনেন্ট শূন্য হবে এখানে সমীকরণের সহগগুলো হলো এ = ১, বি = পি এবং সি = ৬ অতএব, পৃথায়কের সূত্রটি হলো বি স্কয়ার − ৪এসি = ০ মানগুলো বসিয়ে পাই পি স্কয়ার − ৪ গুণ ১ গুণ ৬ = ০ সমীকরণটি দাঁড়ায় পি স্কয়ার − ২৪ = ০ সুতরাং, পি স্কয়ার = ২৪ উত্তর: ২৪
a 49
b 39
c 29
d 19
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯ প্রদত্ত তথ্য: a + b + c = ৯ ab + bc + ca = ৩১ ধরি, নির্ণয় করতে হবে a এর ওপর বর্গ + b এর ওপর বর্গ + c এর ওপর বর্গ এর মান অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী a + b + কাউন্ট এর হোল স্কয়ার সমান a এর ওপর বর্গ + b এর ওপর বর্গ + c এর ওপর বর্গ + ২ ইন (ab + bc + ca) সুতরাং, ৯ এর ওপর বর্গ সমান a এর ওপর বর্গ + b এর ওপর বর্গ + c এর ওপর বর্গ + ২ ইন ৩১ উত্তর: ৮১ − ৬২ = ১৯
a a3+8b3-6a2b-12ab2
b a3-8b3-6a2b-12ab2
c a3-8b3-6a2b+12ab2
d a3-8b3-12a2b-6ab2
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a3-8b3-6a2b+12ab2 প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিমালা হলো a-2b এর ঘন বা কিউব ব্যবহার করার সূত্র: ঘন নির্ণয়ের সূত্র হলো প্রথম পদের ঘন বিয়োগ দ্বিতীয় পদের ঘন বিয়োগ তিন গুণ প্রথম পদের বর্গ গুণ দ্বিতীয় পদ যোগ তিন গুণ প্রথম পদ গুণ দ্বিতীয় পদের বর্গ হিসাব করার ধাপ: প্রথম অংশ হলো a এর ঘন অর্থাৎ a3 এবং দ্বিতীয় অংশ হলো 2b এর ঘন অর্থাৎ 8b3 বাকি হিসাব: মাঝের অংশগুলো গুণ করে পাই ছয় a বর্গ b যোগ বারো a b বর্গ সুতরাং, সম্পূর্ণ বিস্তার হলো a3 বিয়োগ 8b3 বিয়োগ 6a2b যোগ 12ab2 উত্তর: C) a3-8b3-6a2b+12ab2
a 22
b 18
c 16
d 14
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: a − (১ ÷ a) = ৪ ধরি, প্রদত্ত রাশির মান বের করতে হবে নির্ণেয় রাশিটি হলো a বর্গ + (১ ÷ a বর্গ) অতএব, অনুসিদ্ধান্ত অনুযায়ী লেখা যায় a বর্গ + (১ ÷ a বর্গ) = (a − (১ ÷ a)) বর্গ + ২ × a × (১ ÷ a) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই = (৪) বর্গ + ২ = ১৬ + ২ = ১৮ উত্তর: ১৮
a ৮ গুণ
b ৪ গুণ
c ১২ গুণ
d ১৬ গুণ
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ গুণ প্রদত্ত তথ্য: মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য নির্দিষ্ট এবং তার উপর একটি বর্গ অঙ্কিত আছে। অপর বর্গটি গঠিত হয়েছে মূল সরলরেখার এক চতুর্থাংশের উপর। ধরি, মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য = ক মূল সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক অতএব, সরলরেখার এক চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ৪ এক চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের বাহু = ক ÷ ৪ সুতরাং, এক চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ৪) × (ক ÷ ৪) নতুন বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক × ক) ÷ ১৬ অতএব, মূল বর্গের ক্ষেত্রফল = ১৬ × নতুন বর্গের ক্ষেত্রফল উত্তর: ১৬ গুণ
a 0
b 144
c 256
d 400
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: বিলের মোট পরিমাণ = ১০০০০ টাকা এককালীন কমতি = ৪০% পরপর কমতি = ৩৬% এবং ৪% ধরি, প্রথম ক্ষেত্রের পরিশোধযোগ্য টাকা = এককালীন ৪০% কমতির পর অবশিষ্ট অংশ দ্বিতীয় ক্ষেত্রের পরিশোধযোগ্য টাকা = ৩৬% কমতির পর অবশিষ্ট অংশের ওপর আরও ৪% কমতি অতএব, এককালীন ৪০% কমতিতে ছাড়ের পরিমাণ = ১০০০০ টাকার ৪০% = ৪০০০ টাকা প্রথম ক্ষেত্রে পরিশোধ করতে হবে = ১০০০০ − ৪০০০ = ৬০০০ টাকা সুতরাং, ৩৬% কমতির পর মূল্য হয় = ১০০০০ টাকার ৬৪% = ৬৪০০ টাকা এর ওপর আবার ৪% কমতিতে মূল্য হয় = ৬৪০০ টাকার ৯৬% = ৬১৫৬ টাকা উত্তর: দুটি পদ্ধতির পার্থক্যের পরিমাণ = ৬১৫৬ − ৬০০০ = ১৪৪ টাকা
a ৬০ জন
b ৮০ জন
c ১০০ জন
d ১২০ জন
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ জন প্রদত্ত তথ্য: পাস করেছে ৩০% পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি ১২ জন এবং ৩০ জন ধরি, মোট পরীক্ষার্থী = ১০০ জন পাস করেছে = ৩০ জন অতএব, ফেল করেছে = ১০০ জন − ৩০ জন = ৭০ জন মোট ফেল করা পরীক্ষার্থী = ১২ জন + ৩০ জন = ৪২ জন সুতরাং, ৭০% পরীক্ষার্থী = ৪২ জন ১০০ জন পরীক্ষার্থী = (৪২ × ১০০) ÷ ৭০ = ৬০ জন উত্তর: ৬০ জন
a আয়তক্ষেত্র
b বর্গক্ষেত্র
c রম্বস
d ট্রাপিজিয়াম
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আয়তক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ভেতরে একটি সামান্তরিক আঁকা আছে সামান্তরিকের বিপরীত কোণগুলো পরস্পর সমান ধরি, সামান্তরিকের একটি কোণ = ক ডিগ্রি সামান্তরিকের বিপরীত কোণটিও = ক ডিগ্রি অতএব, বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণ দুটির সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি তাই ক + ক = ১৮০ ডিগ্রি বা ক = ৯০ ডিগ্রি সুতরাং, সামান্তরিকটির প্রতিটি কোণের মান হলো ৯০ ডিগ্রি এবং যে সামান্তরিকের কোণ সমকোণ তা আয়তক্ষেত্র উত্তর: আয়তক্ষেত্র
a 0.1
b 0.08
c 0.05
d 0.04
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০৪ প্রদত্ত তথ্য: পেনসিলের ক্রয়মূল্য = ১.২৫ টাকা পেনসিলের বিক্রয়মূল্য = ১.৩০ টাকা ধরি, লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য অতএব, লাভ = ১.৩০ টাকা − ১.২৫ টাকা = ০.০৫ টাকা সুতরাং, শতকরা লাভ = (০.০৫ ÷ ১.২৫) × ১০০% = ৪% উত্তর: ০.০৪
a 0.085416666666667
b 0.21458333333333
c 0.21666666666667
d 0.3
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.২১৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৭ প্রদত্ত তথ্য: এ অনুপাত বি সমান ৩ অনুপাত ৪ বি অনুপাত সি সমান ৫ অনুপাত ৬ সি অনুপাত ডি সমান ২ অনুপাত ৩ ধরি, এ ভাগ ডি সমান (এ ভাগ বি) গুণ (বি ভাগ সি) গুণ (সি ভাগ ডি) অতএব, এ ভাগ ডি সমান (৩ ভাগ ৪) গুণ (৫ ভাগ ৬) গুণ (২ ভাগ ৩) সুতরাং, এ ভাগ ডি সমান ৩০ ভাগ ৭২ উত্তর: ০.২১৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৭
a 0.21319444444444
b 0.29375
c 0.12986111111111
d 0.17013888888889
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.২৯৩৭৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম চা এর প্রতি কেজি দাম = ১৫ টাকা দ্বিতীয় চা এর প্রতি কেজি দাম = ২০ টাকা মিশ্রিত চা এর প্রতি কেজি দাম = ১৬ টাকা ৫০ পয়সা ধরি, প্রথম প্রকার চা এর পরিমাণ = ১ কেজি দ্বিতীয় প্রকার চা এর পরিমাণ = ক কেজি মিশ্রিত চায়ের প্রতি কেজি দাম = ১৬.৫০ টাকা অতএব, প্রথম প্রকার চা এর দাম = ১৫×১ = ১৫ টাকা দ্বিতীয় প্রকার চা এর দাম = ২০×ক = ২০ক টাকা মোট মিশ্রণের দাম = (১৫ + ২০ক) টাকা সুতরাং, মোট চা এর পরিমাণ = (১ + ক) কেজি মিশ্রণের মোট দাম = ১৬.৫০ × (১ + ক) টাকা উত্তর: প্রশ্নমতে, ১৫ + ২০ক = ১৬.৫০ × (১ + ক) এবং সমাধান করলে অনুপাত ০.২৯৩৭৫ হয়
a ৩২ বছর
b ৪২ বছর
c ৫২ বছর
d ৬২ বছর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫২ বছর প্রদত্ত তথ্য: ২০ জন ছাত্রের বয়সের গড় = ১০ বছর শিক্ষকসহ মোট ব্যক্তির সংখ্যা = ২১ জন শিক্ষকসহ তাদের বয়সের গড় = ১২ বছর ধরি, ২০ জন ছাত্রের বয়সের সমষ্টি = ২০ × ১০ বছর = ২০০ বছর শিক্ষকসহ ২১ জনের বয়সের সমষ্টি = ২১ × ১২ বছর = ২৫২ বছর অতএব, শিক্ষকের বয়স হলো শিক্ষকসহ মোট বয়স এবং শুধু ছাত্রদের বয়সের সমষ্টির পার্থক্য। সুতরাং, শিক্ষকের বয়স = ২৫২ বছর − ২০০ বছর = ৫২ বছর উত্তর: ৫২ বছর
a 64
b 60
c 50
d 62
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: ১০টি সংখ্যার যোগফল = ৪৬২ প্রথম ৪টির গড় = ৫২ শেষ ৫টির গড় = ৩৮ ধরি, প্রথম ৪টি সংখ্যার যোগফল = ৪ × ৫২ = ২০৮ শেষ ৫টি সংখ্যার যোগফল = ৫ × ৩৮ = ১৯০ অতএব, প্রথম ৪টি এবং শেষ ৫টি অর্থাৎ মোট ৯টি সংখ্যার যোগফল = ২০৮ + ১৯০ = ৩৯৮ সুতরাং, পঞ্চম সংখ্যাটি = মোট ১০টি সংখ্যার যোগফল − ৯টি সংখ্যার যোগফল উত্তর: ৪৬২ − ৩৯৮ = ৬৪
a 0.15
b 0.2
c 0.25
d 0.3
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.৩ প্রদত্ত তথ্য: সময় = ১০ বছর সুদাসল = আসলের ৪ গুণ ধরি, আসল = ১ টাকা সুদাসল = ৪ টাকা অতএব, মোট সুদ = সুদাসল − আসল মোট সুদ = ৪ টাকা − ১ টাকা = ৩ টাকা সুতরাং, সুদের হার = (১০০ × সুদ) ÷ (আসল × সময়) সুদের হার = (১০০ × ৩) ÷ (১ × ১০) = ৩০% উত্তর: ০.৩ বা ৩০%
a ১৮ দিনে
b ৩০ দিনে
c ৩৬ দিনে
d ৬০ দিনে
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ৬০ জন লোক কাজ করতে পারে ১৮ দিনে ৩৬ জন লোক কাজ করতে পারবে কত দিনে ধরি, প্রথম ক্ষেত্রে লোকসংখ্যা = ৬০ জন প্রথম ক্ষেত্রে দিন সংখ্যা = ১৮ দিন অতএব, মোট কাজের পরিমাণ = ৬০ × ১৮ = ১০৮০ জন-দিন সুতরাং, ৩৬ জন লোকের কাজটি করতে দিন লাগবে = ১০৮০ ÷ ৩৬ = ৩০ দিন উত্তর: ৩০ দিনে
a ২৮% হ্রাস
b ১০৮% হ্রাস
c ৮% হ্রাস
d ৮% বৃদ্ধি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৮% হ্রাস প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্য হ্রাস করা হলো ২০% প্রস্থ হ্রাস করা হলো ১০% ধরি, আয়তক্ষেত্রের আদি দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আদি প্রস্থ = ১০০ একক অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক নতুন দৈর্ঘ্য = ১০০ − ২০ = ৮০ একক নতুন প্রস্থ = ১০০ − ১০ = ৯০ একক সুতরাং, নতুন ক্ষেত্রফল = ৮০ × ৯০ = ৭২০০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফলের পরিবর্তন = ১০০০০ − ৭২০০০ = ২৮০০ বর্গ একক উত্তর: ২৮% হ্রাস

মোট প্রশ্ন (20)

a সাদা কাপড়ের তাপ বিকিরণ বেশি
b সাদা কাপড় তাপ শোষণ করে না
c সাদা কাপড়ের তাপ প্রতিফলন ক্ষমতা বেশি
d সাদা কাপড়ের প্রতিসরণ ক্ষমতা বেশি
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাদা কাপড় তাপ শোষণ করে না কেন সঠিক: - সাদা রং আলো এবং তাপের বেশিরভাগ অংশ প্রতিফলিত করে, ফলে এটি নিজের মধ্যে তাপ আটকে রাখে না। - সাদা কাপড়ে তাপ শোষিত না হওয়ার কারণে গরমের দিনে শরীর তুলনামূলক ঠান্ডা ও আরামদায়ক থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাদা কাপড়ের তাপ বিকিরণ বেশি — এটি সঠিক নয় কারণ সাদা কাপড় মূলত তাপ শোষণ কম করে এবং প্রতিফলন বেশি করে। B) সাদা কাপড় তাপ শোষণ করে না — এটি সঠিক কারণ সাদা রং তাপ শোষণ করার পরিবর্তে তা ফিরিয়ে দেয় বা প্রতিফলিত করে। সি) সাদা কাপড়ের তাপ প্রতিফলন ক্ষমতা বেশি — এই অপশনটি সত্য হলেও, মূল কারণ হলো এটি তাপ শোষণ করে না, যা সরাসরি আরামের সাথে সম্পর্কিত। D) সাদা কাপড়ের প্রতিসরণ ক্ষমতা বেশি — প্রতিসরণের সাথে কাপড়ের তাপীয় গুণের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সাদা রঙ তাপ শোষণ করে না, তাই গরমে সাদা পোশাক পরলে শরীর ঠান্ডা থাকে।
a নিউট্রন ও প্রোটেনের সংখ্যা সমান
b প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন সমান
c নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকে
d ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্য সমান
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান কেন সঠিক: - পরমাণুর কেন্দ্রে থাকা ধনাত্মক চার্জযুক্ত প্রোটন এবং বাইরে থাকা ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে। - সমান সংখ্যক ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ একে অপরকে neutralize করে, ফলে পরমাণু সামগ্রিকভাবে চার্জ নিরপেক্ষ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউট্রন ও প্রোটেনের সংখ্যা সমান — নিউট্রন চার্জহীন কণা, তাই এর সংখ্যার ওপর পরমাণুর চার্জ নিরপেক্ষতা নির্ভর করে না। B) প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন সমান — ওজন বা ভরের সঙ্গে পরমাণুর চার্জ নিরপেক্ষতার কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকে — এটি সঠিক তথ্য হলেও এর অবস্থান পরমাণুর চার্জ নিরপেক্ষ হওয়ার কারণ নয়। D) ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এদের চার্জ পরস্পরকে প্রশমিত করে। মনে রাখার টিপস: প্রোটন ধনাত্মক এবং ইলেকট্রন ঋণাত্মক, সংখ্যা সমান হলে চার্জ শূন্য হয়।
a জিপসাম
b বালি
c সাজিমাটি
d চুনাপাথর
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বালি কেন সঠিক: - কাঁচ তৈরির প্রধান এবং মৌলিক কাঁচামাল হলো সিলিকা বা বালি। - প্রায় সত্তর শতাংশ বালি বা সিলিকা গলিয়ে অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে কাঁচ প্রস্তুত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিপসাম — এটি প্রধানত সিমেন্ট শিল্পে এবং প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, কাঁচ তৈরিতে নয়। B) বালি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। C) সাজিমাটি — এটি সোডা কার্বনেটের উৎস হিসেবে সাবান ও ডিটারজেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। D) চুনাপাথর — এটি কাঁচের মিশ্রণে সহায়ক উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হলেও প্রধান কাঁচামাল হলো বালি। মনে রাখার টিপস: কাঁচ মানেই বালির খেলা, তাই সিলিকা বা বালি হলো কাঁচের প্রধান খেলা।
a অপবর্তনে
b আলোর বিচ্ছুরণে
c বায়ুমন্ডলের প্রতিসরণে
d দৃষ্টিভ্রমে
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বায়ুমন্ডলের প্রতিসরণে কেন সঠিক: - দিগন্তের কাছে বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব বেশি থাকায় আলোর প্রতিসরণ বেশি ঘটে, যার ফলে চাঁদের অবস্থান কিছুটা ওপরে প্রতিভাত হয়। - এই প্রতিসরণের প্রভাবে চাঁদের উল্লম্ব ব্যাস সামান্য কমে যায় কিন্তু অনুভূমিক ব্যাস অপরিবর্তিত থাকে, ফলে চাঁদকে আকারে অনেক বড় দেখায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপবর্তনে — অপবর্তন হলো আলোর তরঙ্গ কোনো তীক্ষ্ণ প্রান্ত বা সরু ছিদ্রের ধার ঘেঁষে বেঁকে যাওয়ার ঘটনা, যা চাঁদের আকার বড় দেখানোর কারণ নয়। B) আলোর বিচ্ছুরণে — বিচ্ছুরণ হলো সাদা আলোর সাতটি রঙে বিভক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া, যা চাঁদের ক্ষেত্রে আকือ বড় দেখানোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) বায়ুমন্ডলের প্রতিসরণে — এটি সঠিক কারণ, যা বায়ুমণ্ডলের ঘনত্বের তারতম্যের কারণে আলোর দিক পরিবর্তনের মাধ্যমে চাঁদকে বড় দেখায়। D) দৃষ্টিভ্রমে — এটি কোনো বৈজ্ঞানিক কারণ নয়, বরং চোখের পলক বা মানসিক ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত যা এই ঘটনার আসল বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নয়। মনে রাখার টিপস: দিগন্তে চাঁদের বড় দেখার কারণ হলো বায়ুমণ্ডলের প্রতিসরণ, অর্থাৎ মাধ্যম বদলানোর ফলে আলোর বেঁকে যাওয়া।
a ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
b ৮ ঘন্টা
c ১২ ঘন্টা ২০ মিনিট
d ১৩ ঘন্টা ১৫ মিনিট
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট কেন সঠিক: - চাঁদের দৈনিক আবর্তন এবং পৃথিবীর নিজ অক্ষে ঘোরার গতির পার্থক্যের কারণে একই স্থানে জোয়ারের ঠিক ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়। - চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে পৃথিবীতে জোয়ার এবং পরবর্তীতে পানি নেমে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ভাটা বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট — জোয়ার ও ভাটার মধ্যকার সঠিক সময় ব্যবধান নির্দেশ করে। B) ৮ ঘন্টা — জোয়ার ও ভাটার ব্যবধানের জন্য এটি ভুল এবং অতিরিক্ত সময়। C) ১২ ঘন্টা ২০ মিনিট — এটি মূলত একটি জোয়ার থেকে পরবর্তী একই ধরনের জোয়ারের মধ্যবর্তী সময়ের অর্ধেকের কাছাকাছি, যা সরাসরি ভাটার সময় নয়। D) ১৩ ঘন্টা ১৫ মিনিট — জোয়ার ও ভাটার স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এটি অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: জোয়ারের পর ভাটা আসে প্রায় সোয়া ছয় ঘণ্টায়।
a আইবিএম, ১৯৮৩
b এপসন, ১৯৮১
c অ্যাপল, ১৯৭৭
d কম্প্যাক, ১৯৮৫
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এপসন, ১৯৮১ কেন সঠিক: - জাপানি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এপসন ১৯৮১ সালে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক পোর্টেবল কম্পিউটার বা ল্যাপটপ বাজারে আনে, যার নাম ছিল এপসন এইচএক্স কুড়ি। - এই কম্পিউটারটি ছোট আকৃতির হওয়ায় ব্যবহারকারীরা সহজে বহন করতে পারত এবং এতে ব্যাটারির ব্যবস্থা ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইবিএম, ১৯৮৩ — আইবিএম এই ক্ষেত্রে প্রথম ল্যাপটপ প্রস্তুতকারক নয়, তারা পরবর্তীতে পিসি বাজারে নিয়ে আসে। B) এপসন, ১৯৮১ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই কোম্পানিই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল ল্যাপটপ কম্পিউটার তৈরি করেছিল। C) অ্যাপল, ১৯৭৭ — অ্যাপল ১৯৭৭ সালে পার্সোনাল কম্পিউটার অ্যাপল টু বাজারে এনেছিল, কিন্তু প্রথম ল্যাপটপ তৈরি করেনি। D) কম্প্যাক, ১৯৮৫ — কম্প্যাক পরবর্তী সময়ে কম্পিউটার বাজারে এলেও ১৯৮১ সালের প্রথম ল্যাপটপ তৈরির সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৮১ সালে জাপানের এপসন কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ বাজারে নিয়ে আসে।
a পিত্ত থলিতে
b কিডনীতে
c প্লীহায়
d যকৃতে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জীববিজ্ঞান) সঠিক উত্তর: C) প্লীহায় কেন সঠিক: - মানবদেহের পুরোনো ও নষ্ট লোহিত রক্তকণিকা প্লীহাতে ধ্বংস হয়। - লোহিত রক্তকণিকা ভাঙার ফলে হিমোগ্লোবিন থেকে বিলুরুবিন ও বিলিভারডিন নামক বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পিত্ত থলিতে — এটি যকৃতে তৈরি পিত্তরস জমা করে রাখে, বিলুরুবিন তৈরি করে না। B) কিডনীতে — এটি রক্ত ছেঁকে মূত্র তৈরি করে এবং বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়। D) যকৃতে — যকৃতে বিলুরুবিন তৈরি হয় না, তবে প্লীহায় তৈরি বিলুরুবিন যকৃতে এসে প্রক্রিয়াজাত হয়ে পিত্তরসের মাধ্যমে দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয়। মনে রাখার টিপস: লোহিত রক্তকণিকা প্লীহায় ধ্বংস হয় বলেই সেখানে বিলুরুবিন তৈরি হয়।
a সোডিয়াম বাই-কার্বনেট
b পটাশিয়াম বাই-কার্বনেট
c মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট
d সোডিয়াম গ্লুামেট
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট কেন সঠিক: - টেস্টিং সল্ট হলো মূলত গ্লুটামিক এসিডের সোডিয়াম লবণ, যার রাসায়নিক নাম মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট। - এটি খাবারে উমামি বা সুস্বাদু স্বাদ বৃদ্ধি করতে খাদ্য উপাদান হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোডিয়াম বাই-কার্বনেট — এটি বেকিং সোডা হিসেবে পরিচিত এবং মূলত পাউরুটি বা কেক ফোলাতে ব্যবহৃত হয়। B) পটাশিয়াম বাই-কার্বনেট — এটি একটি অ্যান্টাসিড ও পটাশিয়ামের উৎস, যা টেস্টিং সল্ট নয়। C) মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে সঠিক হিসেবে বিবেচিত। D) সোডিয়াম গ্লুামেট — এটি বানান ভুল এবং অসম্পূর্ণ রাসায়নিক নাম, সঠিক নাম মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট। মনে রাখার টিপস: টেস্টিং সল্ট মানেই খাবারে মনো বা একা সোডিয়াম গ্লুটামেট যোগ করা।
a এম্পেয়ার
b ওহম
c ভোল্ট
d ওয়াট
0 55 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ওয়াট কেন সঠিক: - বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শাখায় তড়িৎ প্রবাহের হার বা বৈদ্যুতিক কাজের পরিমাপের একক হলো ওয়াট। - একক সময়ে শক্তি ব্যবহারের হার বোঝাতে এই এককটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এম্পেয়ার — এটি তড়িৎ প্রবাহ মাত্রা পরিমাপের একক, বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক নয়। B) ওহম — এটি বৈদ্যুতিক রোধ পরিমাপের একক, বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক নয়। C) ভোল্ট — এটি বৈদ্যুতিক বিভব বা বিভব পার্থক্য পরিমাপের একক, বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক নয়। D) ওয়াট — এটি বৈদ্যুতিক ক্ষমতা পরিমাপের সঠিক একক। মনে রাখার টিপস: ক্ষমতা মানেই কাজের হার, আর বৈদ্যুতিক ক্ষমতার আন্তর্জাতিক একক হলো ওয়াট।
a শূন্য মাধ্যমে
b কঠিন মাধ্যমে
c তরল মাধ্যমে
d বায়বীয় মাধ্যমে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শূন্য মাধ্যমে কেন সঠিক: - শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ, যার চলাচলের জন্য কোনো না কোনো জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। - শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা বা পদার্থ না থাকায় শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালিত হতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূন্য মাধ্যমে — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দ চলার জন্য কণার প্রয়োজন, যা শূন্য মাধ্যমে অনুপস্থিত। B) কঠিন মাধ্যমে — এটি ভুল কারণ কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি থাকে, তাই শব্দ দ্রুত চলতে পারে। C) তরল মাধ্যমে — এটি ভুল কারণ তরল পদার্থের মাধ্যমেও শব্দ সঞ্চালিত হতে পারে। D) বায়বীয় মাধ্যমে — এটি ভুল কারণ বায়ু বা গ্যাসীয় মাধ্যমের কণার মধ্য দিয়েও শব্দ চলতে পারে। মনে রাখার টিপস: শব্দের মাধ্যম চাই, শূন্য মাধ্যমে সে নাই।
a কার্পাস
b লোহা
c কাগজ
d রসায়ন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাগজ কেন সঠিক: - কানাডায় প্রচুর পরিমাণ বনাঞ্চল থাকায় সেখানে কাগজ ও কাঠজাত পণ্য উৎপাদনের বিশ্বখ্যাত শিল্প গড়ে উঠেছে। - বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কাগজ ও কাঠ উৎপাদনে কানাডা একটি অন্যতম প্রধান দেশ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্পাস — কার্পাস তুলার জন্য বিখ্যাত দেশগুলোর মধ্যে চীন ও ভারত উল্লেখযোগ্য, কানাডা নয়। B) লোহা — লোহা বা খনিজ উত্তোলনে অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিল বেশি বিখ্যাত। C) কাগজ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ কানাডা বনজ সম্পদের জন্য কাগজ শিল্পে বিখ্যাত। D) রসায়ন — রসায়ন শিল্প প্রধানত জার্মানি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেশি উন্নত। মনে রাখার টিপস: কানাডার মানচিত্রের বিশাল সবুজ বনভূমি দেখলে মনে রাখবে সবুজ বন মানেই কাগজ শিল্প।
a লাল আলো
b হুলদ আলো
c বেগুনী আলো
d নীল আলো
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেগুনী আলো কেন সঠিক: - দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনী আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং কম্পাঙ্ক ও শক্তি সবচেয়ে বেশি। - আলোর বিচ্ছুরণের সময় তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম থাকার কারণে বেগুনী আলোর বিচ্যুতি বা বাঁকানোর মাত্রা সবচেয়ে বেশি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল আলো — এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি এবং বিচ্যুতি সবচেয়ে কম। B) হুলদ আলো — এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য লাল আলোর চেয়ে কম হলেও বেগুনী বা নীল আলোর চেয়ে বেশি। C) বেগুনী আলো — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) নীল আলো — এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেগুনী আলোর চেয়ে বেশি কিন্তু হলুদ ও লাল আলোর চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: দৃশ্যমান আলোতে ববেনিআহীহলা বা বেনীআসহীহলা মনে রাখুন; যেখানে বেগুনী সবার আগে থাকে তাই এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
a ১ সেকেন্ড
b ০.১ সেকেন্ড
c ০.০১ সেকেন্ড
d ০.০০১ সেকেন্ড
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.১ সেকেন্ড কেন সঠিক: - মানব কানের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল প্রায় ০.১ সেকেন্ড বা দশ ভাগের এক ভাগ। - এই সময়ের মধ্যে মস্তিষ্কে শব্দের রেশ বা অনুভূতি স্থায়ী থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ সেকেন্ড — এই সময়ে মস্তিষ্ক অনেক বেশি তথ্য প্রক্রিয়া করতে পারে এবং এটি শব্দের রেশের স্বাভাবিক সময়সীমার চেয়ে অনেক বেশি। B) ০.১ সেকেন্ড — এটি কানের শ্রবণ অনুভূতির সঠিক স্থায়িত্বকাল এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) ০.০১ সেকেন্ড — এটি শব্দের রেশ থাকার সময়ের তুলনায় অতিরিক্ত কম এবং মানব কানের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। D) ০.০০১ সেকেন্ড — এটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত একটি সময় যা শব্দের রেশ ধরে রাখার জন্য বিজ্ঞানসম্মতভাবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দের রেশ মনে রাখতে দশমিকের পর শূন্য এবং এক অর্থাৎ ০.১ মনে রাখুন।
a ৩টি
b ২টি
c ৫টি
d ৪টি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩টি প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ জ্ঞান কেন সঠিক: - টেলিভিশনে রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য তিনটি মৌলিক বা প্রাথমিক রং ব্যবহার করা হয়। - এই তিনটি মৌলিক রং হলো লাল, সবুজ ও নীল, যা একত্রে আরজিবি নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ টেলিভিশনে লাল, সবুজ ও নীল এই তিনটি মৌলিক রং ব্যবহার করা হয়। B) ২টি — দুটি মৌলিক রং দিয়ে টেলিভিশনে সম্পূর্ণ রঙিন ছবি বা বর্ণালী তৈরি করা সম্ভব নয়। C) ৫টি — রঙিন টেলিভিশন প্রযুক্তিতে পাঁচটি মৌলিক রঙের কোনো ব্যবহার বা প্রয়োজন নেই। D) ৪টি — চারকম মৌলিক রং টেলিভিশনের মৌলিক প্রযুক্তিগত কাঠামোর সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: টেলিভিশনের রঙের ক্ষেত্রে তিন সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ লাল, সবুজ ও নীল এই তিনটি রং মিলেই সব রঙিন ছবি তৈরি হয়।
a বাবর
b হুমায়ূন
c আকবর
d জাহাঙ্গীর
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হুমায়ূন কেন সঠিক: - মুঘল সম্রাট হুমায়ূন ১৫৩৮ সালে গৌড় দখল করার পর বাংলার নাম রাখেন জান্নাতাবাদ। - জান্নাতাবাদ শব্দের অর্থ স্বর্গের শহর, যা তিনি তৎকালীন প্রশাসনিক সুবিধার জন্য নামকরণ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবর — তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হলেও বাংলা জয়ের সময় পাননি এবং তিনি এই নামকরণ করেননি। B) হুমায়ূন — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী তিনি বাংলার নাম জান্নাতাবাদ রেখেছিলেন। C) আকবর — তিনি বাংলা জয় করে সুবাহ বা প্রদেশ হিসেবে গঠন করেন এবং এর নাম দেন জান্নাতাবাদ নয়, সুবাহ বাংলা। D) জাহাঙ্গীর — তার আমলেও বাংলার নাম জান্নাতাবাদ রাখা হয়নি, বরং তার শাসনামলে সুবাহ বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়। মনে রাখার টিপস: হুমায়ূন শব্দের অর্থ ভাগ্যবান, আর তিনি বাংলা জয় করে সৌভাগ্যবশত তার নাম দিয়েছিলেন জান্নাতাবাদ বা স্বর্গের শহর।
a 1829
b 1819
c 1839
d 1849
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮২৯ কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ৪ ডিসেম্বর ১৮২৯ সালে ১৭ নম্বর রেগুলেশন জারি করে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ ও অবৈধ ঘোষণা করেন। - রাজা রামমোহন রায়ের মতো সংস্কারকদের দীর্ঘ আন্দোলন এবং সামাজিক কুসংস্কার দূর করার প্রচেষ্টার ফলেই এই আইন পাস হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮২৯ — এটি সঠিক সাল, এই সালেই লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক আইন পাস করে সতীদাহ প্রথা রহিত করেন। B) ১৮১৮ — এই সালে ব্রিটিশ সরকার সতীদাহ প্রথার পরিসংখ্যান সংগ্রহ শুরু করলেও প্রথাটি তখন রহিত করা হয়নি। C) ১৮৩৯ — এটি একটি ভুল সাল, এই সালের সঙ্গে সতীদাহ প্রথা রহিতের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। D) ১৮৪৯ — এই সালটি সতীদাহ প্রথা রহিতের অনেক পরের সময়, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: সতীদাহ প্রথার অবসান ঘটে ১৮২৯ সালে, যা মনে রাখতে বেন্টিংক ও রামমোহন রায়ের সামাজিক সংস্কারের সালগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে পারো।
a ৭৫টি
b ৫৯টি
c ৫০টি
d ৪৫টি
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ৫০টি কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু বা যমুনা সেতু যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বাংলাদেশের একটি দীর্ঘতম সেতু। - এই সেতুতে মোট ৫০টি পিলার বা পায়ার রয়েছে যার ওপর মূল অবকাঠামো দাঁড়িয়ে আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭৫টি — এই সংখ্যাটি সেতুর পিলারের সঠিক পরিমাপের সঙ্গে মেলে না। B) ৫৯টি — এই সংখ্যাটি যমুনা সেতুর পিলারের সংখ্যার চেয়ে বেশি। C) ৫০টি — এটি বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুর পিলারের সঠিক সংখ্যা এবং তাই এটি সঠিক উত্তর। D) ৪৫টি — এই সংখ্যাটি সেতুর পিলারের বাস্তব সংখ্যার চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: যমুনা সেতুর পিলার মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, সেতুটি পূর্ণ পঞ্চাশটি (৫০) পিলারের ওপর শক্তভাবে দাঁড়িয়ে আছে।
a চীন
b মালয়েশিয়া
c ইন্দোনেশিয়া
d যগোশ্লাভিয়া
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইন্দোনেশিয়া কেন সঠিক: - বান্দুং শহরটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশে অবস্থিত। - ১৯৫৫ সালে ঐতিহাসিক এশিয়া-আফ্রিকা সম্মেলন বা বান্দুং সম্মেলন এই শহরেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন এশিয়ার একটি বৃহত্তম দেশ হলেও বান্দুং শহরটি এখানে অবস্থিত নয়। B) মালয়েশিয়া — মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ হলেও বান্দুং এর ভৌগোলিক অবস্থান এখানে নয়। C) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বান্দুং শহরটি এই দেশেই অবস্থিত। D) যগোশ্লাভিয়া — এটি ইউরোপের একটি সাবেক রাষ্ট্র, যার সঙ্গে বান্দুং শহরের কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বান্দুং সম্মেলন হয়েছিল ইন্দোনেশিয়ায়, তাই মনে রাখুন বান্দুং মানেই ইন্দোনেশিয়া।
a হাওয়াই
b আরিজোনা
c টেক্সাস
d ফ্লোরিডা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাওয়াই কেন সঠিক: - হাওয়াই ১৯৫৯ সালের ২১ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের ৫০তম এবং সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয়। - প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপপুঞ্জটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের বাইরে অবস্থিত একমাত্র অঙ্গরাজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাওয়াই — এটি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ বা ৫০তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। B) আরিজোনা — এটি ১৯১২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে যোগ দেয়। C) টেক্সাস — এটি ১৮৪৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। D) ফ্লোরিডা — এটি ১৮৪৫ সালের ৩ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের ২৭তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে যোগ দেয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ ৫০তম অঙ্গরাজ্য মনে রাখতে 'হাওয়াই' শব্দটি মনে রাখুন, যা তালিকার শেষ অক্ষর বা দ্বীপ রাজ্য হিসেবে পরিচিত।
a নাইজেরিয়া
b লেবানন
c নাইজার
d উগান্ডা
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) উগান্ডা কেন সঠিক: - উগান্ডা পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ যেখানে মুসলিম জনগোষ্ঠীর হার সংখ্যালঘু হওয়া সত্ত্বেও দেশটি ওআইসি বা ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছে। - ১৯৭৪ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি সম্মেলনে উগান্ডা আনুষ্ঠানিকভাবে এই সংস্থার সদস্যভুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইজেরিয়া — এই দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী হওয়ায় এটি মুসলিম প্রধান দেশগুলোর অন্তর্ভুক্ত। B) লেবানন — এই দেশের সংবিধানে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগি নিশ্চিত করা হলেও মুসলিম জনগোষ্ঠীর হার বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। C) নাইজার — এই দেশের প্রায় নিরানব্বই শতাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী হওয়ায় এটি একটি মুসলিম প্রধান দেশ। D) উগান্ডা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ খ্রিস্টান প্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও উগান্ডা ওআইসির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: আফ্রিকা মহাদেশের উগান্ডা দেশটিতে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী বেশি হলেও তারা ওআইসির সদস্য।