সঠিক উত্তর: C) শওকত আলী
১. কেন সঠিক:
- ওয়ারিশ উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক শওকত আলী।
- এই উপন্যাসে মানুষের জীবন সংগ্রাম ও সামাজিক বাস্তবতার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শওকত আলী বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক।
- তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে আরও রয়েছে প্রদোষে প্রাকৃতজন ও দক্ষিণায়ন কক্ষ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রদোষে প্রাকৃতজন
ব্যাখ্যা: এটি শওকত আলীর একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী।
উদাহরণ ২: দক্ষিণায়ন কক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি শওকত আলীর রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা সমাজ জীবনের ওপর আধারিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত ওসমান — তিনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও ওয়ারিশ উপন্যাসের লেখক নন, তার বিখ্যাত উপন্যাসের নাম ক্রীতদাসের হাসি।
B) রফিক আজাদ — তিনি মূলত একজন বিশিষ্ট আধুনিক কবি, উপন্যাস রচনার জন্য তিনি প্রধানত পরিচিত নন।
C) শওকত আলী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়।
D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও ওয়ারিশ উপন্যাসটি তার রচিত নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস শ্রীকান্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শওকত আলীর বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো ওয়ারিশ প্রদোষে দক্ষিণায়ন কক্ষে বসে আছে।
- লেখকের নামের সঙ্গে উপন্যাসের নাম মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষা হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শওকত আলীর উপন্যাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে প্রদোষে প্রাকৃতজন গ্রন্থটির নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: C) হাতে–হাতে
১. কেন সঠিক:
- 'দস্ত–ব–দস্ত' একটি ফরাসি বা ফার্সি শব্দগুচ্ছ যা বাংলায় বাগধারা বা তদ্ভাষী শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর মূল অর্থ সরাসরি হাতে হাতে বা অবিলম্বে।
- ফার্সি ভাষায় 'দস্ত' শব্দের অর্থ হাত এবং 'ব' মানে হলো এবং বা সহ, যা মিলিয়ে সরাসরি হাতে হাতে অর্থ প্রকাশ করে।
২. শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ:
- এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দ বিশেষ করে ফার্সি উৎসের অন্তর্গত একটি ভাবপ্রকাশক শব্দ বা শব্দযুগল।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই ফার্সি, আরবি ও তুর্কি শব্দগুলোর অর্থ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত শব্দার্থ জানা জরুরি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোরটি টাকা চুরি করার সাথে সাথেই তাকে দস্ত-ব-দস্ত ধরে ফেলল পুলিশ।
ব্যাখ্যা: এখানে তাৎক্ষণিকভাবে বা হাতে-হাতে ধরার অর্থ প্রকাশ করতে 'দস্ত-ব-দস্ত' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পাওনা টাকা দস্ত-ব-দস্ত বুঝিয়ে দাও।
ব্যাখ্যা: বিলম্ব না করে সরাসরি বা হাতে-হাতে লেনদেন সম্পন্ন করার অর্থে এটি এখানে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বন্ধু বনাম বন্ধু — এটি সঠিক নয় কারণ দস্ত শব্দের অর্থ হাত, বন্ধু নয়।
B) খেতে-খেতে — এটি সঠিক নয় কারণ এই অর্থ প্রকাশের জন্য বাংলায় অন্য শব্দ বা দ্বিরুক্তি ব্যবহার করা হয়।
C) হাতে–হাতে — এটি সঠিক কারণ দস্ত শব্দের অর্থ হাত এবং এই শব্দটির প্রমিত অর্থ সরাসরি হাতে-হাতে।
D) আস্তে-আস্তে — এটি সঠিক নয় কারণ এটি দ্রুততা বা তাৎক্ষণিকের বিপরীত ধীরগতি প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফার্সি শব্দ দস্ত মানে হাত মনে রাখলেই দস্ত-ব-দস্ত মানে হাতে-হাতে খুব সহজে মনে রাখা সম্ভব।
- হাত সংক্রান্ত ফার্সি শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে চর্চা করতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে ফার্সি শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল উৎস ও আক্ষরিক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) সীমিত জ্ঞানের মানুষ
১. কেন সঠিক:
- কূপমন্ডুক বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো কূপের বা কুয়ার ব্যাঙ।
- কুয়ার ছোট গণ্ডির ভেতরে থাকা ব্যাঙ যেমন বাইরের বিশাল সমুদ্র বা আকাশ সম্পর্কে কোনো ধারণাই রাখতে পারে না, তেমনই সীমিত পরিবেশ ও অভিজ্ঞতার মধ্যে আবদ্ধ থেকে যারা বাইরের বিশাল দুনিয়া সম্পর্কে অজ্ঞ থাকে, তাদেরই সীমিত জ্ঞানের মানুষ বা কূপমন্ডুক বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদমূলক বাগধারা, যার উৎস সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো কোনো বিশেষ শব্দের আক্ষরিক অর্থের পরিবর্তে একটি গভীর রূপক বা ভাবার্থ প্রকাশ করে, যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্রামের এই সংকীর্ণ সীমানার বাইরে না গিয়ে সে নিজের জীবনটাকে কূপমন্ডুক দশার মধ্যে আটকে রেখেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যক্তির সীমিত দৃষ্টিভঙ্গি ও বাইরের দুনিয়া সম্পর্কে অজ্ঞতা বোঝাতে বাগধারাটির ভাবার্থ সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কুপমন্ডুকতার দোষে দুষ্ট হয়ে সে আধুনিক যুগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিপ্লবকে অস্বীকার করতে চায়।
ব্যাখ্যা: আধুনিক জ্ঞান বা তথ্য থেকে দূরে থাকা সংকীর্ণ মানসিকতাকে নির্দেশ করতে এই উদাহরণটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশ্বাসপ্রবণ — বিশ্বাসপ্রবণ বলতে সহজসরল মানুষকে বোঝায় যিনি সহজেই অন্যকে বিশ্বাস করেন, যা কূপমন্ডুক শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) সীমিত জ্ঞানের মানুষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কূপমন্ডুক বাগধারার মূল ভাবার্থ বা সংকীর্ণ জ্ঞানসম্পন্ন অবস্থাকে সরাসরি নির্দেশ করে।
C) সাধারণ মানুষ — সাধারণ মানুষ বলতে সমাজের আমজনতাকে বোঝায়, কিন্তু কূপমন্ডুক বলতে বিশেষ করে অজ্ঞ ও সংকীর্ণ মনের মানুষকে বোঝানো হয়।
D) অলস — অলস বলতে কর্মবিমুখ মানুষকে বোঝানো হয়, আর কূপমন্ডুকতা হলো অজ্ঞতা বা সংকীর্ণতার প্রতীক, অলসতার নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কূপ অর্থ কুয়া এবং মন্ডুক অর্থ ব্যাঙ। কুয়ার ব্যাঙ যেমন আকাশকে ছোট ভাবে, তেমনই যে মানুষ সংকীর্ণ গণ্ডির বাইরে কিছু জানে না, সে-ই কূপমন্ডুক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূপকধর্মী বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ভেবে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থ বের করার অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ঢেউ
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে জলাশয়, পুকুর এবং দীঘি হলো একজাতীয় বদ্ধ জলের উৎস বা সমার্থক শব্দ।
- পক্ষান্তরে ঢেউ হলো বাতাসের প্রভাবে জলের উপরিভাগে সৃষ্ট আন্দোলন, যা জলের আধারের সমার্থক নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যাদের অর্থের মধ্যে সাদৃশ্য বা মিল রয়েছে।
- এই প্রশ্নে জল ধারণকারী স্থান বা জলাধারের সমার্থক শব্দের ভিড়ে বায়ুর প্রভাবে জলের গতিরূপ বা তরঙ্গকে আলাদা করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুষ্করণীক, সরোবর, হ্রদ।
ব্যাখ্যা: এগুলো জলাশয় বা পুকুরের সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: লহরী, ঊর্মি, তরঙ্গ।
ব্যাখ্যা: এগুলো ঢেউ বা জলের আন্দোলনের সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলাশয় — এটি পানি জমে থাকে এমন স্থান বোঝায় যা পুকুর বা দীঘির সমার্থক।
B) পুকুর — এটি ছোট আকারের জলাশয় যা জলাশয়ের অন্তর্ভুক্ত এবং সমার্থক।
C) দীঘি — এটি বড় আকারের জলাশয় যা পুকুর ও জলাশয়ের সমার্থক।
D) ঢেউ — এটি পানির উপরিভাগের আন্দোলন বোঝায়, তাই এটি জলাশয়ের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জল ধারণকারী স্থানগুলোকে এক দলে রাখো এবং জলের গতি বা আন্দোলনকে অন্য দলে ফেলো।
- জলাশয় সম্পর্কিত শব্দগুলোর সাথে তরঙ্গের শব্দ গুলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ও ভাবার্থ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
- একই ক্যাটাগরির তিনটির সাথে ব্যতিক্রম একটি শব্দ আলাদা করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয়
১. কেন সঠিক:
- সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ, অনিশ্চয়তা বা মন দ্বিধান্বিত থাকা। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে প্রত্যয় শব্দ, যার অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা আস্থা।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব বা অর্থের গভীরতা অনুধাবন করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত। মূল শব্দের উৎস এবং অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিপরীত শব্দ চয়ন করতে হয়।
- তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই প্রকাশ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞ – অকৃতজ্ঞ
ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপকার স্বীকারকারী এবং এর বিপরীত হলো উপকার স্বীকার না করা ব্যক্তি।
উদাহরণ ২: অনুরাগ – বিরাগ
ব্যাখ্যা: অনুরাগ শব্দের অর্থ আসক্তি বা প্রেম এবং এর বিপরীত হলো বিরাগ বা ঘৃণা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্ভর — নির্ভর শব্দের অর্থ কোনো কিছুর ওপর ভরসা করা বা আশ্রয় নেওয়া, যা সংশয়ের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) বিস্ময় — বিস্ময় শব্দের অর্থ অবাক হওয়া বা তাজ্জব বনে যাওয়া, যা সংশয়ের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
D) দ্বিধা — দ্বিধা শব্দের অর্থ সংশয় বা সন্দেহ নিজেই, তাই এটি বিপরীত শব্দ না হয়ে সমার্থক শব্দের কাছাকাছি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংশয় মানে সন্দেহ আর প্রত্যয় মানে বিশ্বাস, এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হবে না।
- বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের আসল অর্থ বোঝার অভ্যাস করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
- শব্দের উৎস এবং উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগে গঠিত বিপরীত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সরণি
১. কেন সঠিক:
- 'পথ' শব্দের একটি প্রচলিত সমার্থক বা প্রতিশব্দ হলো 'সরণি', যার অর্থ রাস্তা, পথ বা গলি।
- বাংলা একাডেমি আধুনিক প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'সরণি' বানানটিতে দন্ত ন (ন) এবং ই-কার (ি) ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ, যেগুলো ভিন্ন রূপের হওয়া সত্ত্বেও প্রায় একই রকম অর্থ প্রকাশ করে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও বানান শুদ্ধভাবে জানার জন্য সমার্থক শব্দ অধ্যায়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাস্তা
ব্যাখ্যা: এটি পথ শব্দের সবচেয়ে পরিচিত এবং বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: পন্থ
ব্যাখ্যা: এটি পথ শব্দের একটি তৎসম বা অর্ধতৎসম সমার্থক রূপ যা কবিতায় প্রায়শই ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরণি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সঠিক বানান ও অর্থ বজায় রয়েছে।
B) সমরণি — এটি একটি অপ্রচলিত এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল শব্দ গঠন।
C) স্বরণী — এই বানানে ব-ফলা ও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের কারণে এটি বানানরীতির বিচারে ভুল।
D) সরনি — এই বানানে দন্ত ন-এর পরিবর্তে মূর্ধন্য ণ কিংবা ভুল ই-কার ব্যবহারের ফলে বানানটি ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পথ শব্দের সমার্থ শব্দ মনে রাখতে সরণি শব্দটি ছোট এবং সহজ হওয়ায় এটি বারবার লিখে চর্চা করা উচিত।
- বানানের ক্ষেত্রে শেষ বর্ণে সবসময় রস ই-কার ব্যবহার করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত বানান খেয়াল রাখতে হবে।
- একই শব্দের একাধিক সমার্থক শব্দ যেমন রাস্তা, সড়ক, পথ ও সরণি একত্রে নোট করে পড়লে ভালো ফল পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) কেনাবেচা
১. কেন সঠিক:
বেসাতি একটি বিশেষ্য পদ যার আক্ষরিক ও প্রায়োগিক অর্থ হলো কেনাবেচা বা পণ্যের ব্যবসা।
বাংলা ভাষায় শব্দটি মূলত কোনো কিছু ক্রয়-বিক্রয় করা অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দটি বাংলা শব্দভান্ডারে একটি ঐতিহ্যবাহী শব্দ হিসেবে পরিচিত যা প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সাহিত্যেও পাওয়া যায়।
শব্দার্থের দিক থেকে এটি কোনো বিশেষ বস্তু বা উপাদানের নাম নয়, বরং একটি বাণিজ্যিক লেনদেন বা কারবারকে বোঝায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাজারে গিয়ে বেসাতি করা আমার কাজ নয়।
ব্যাখ্যা: এখানে বেসাতি শব্দটি কেনাবেচা বা বাজার করার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিত্যপ্রয়োজনীয় বেসাতির জন্য দোকানে ভিড় জমেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে কেনাবেচার সামগ্রী বা বাণিজ্য অর্থে শব্দটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পোষাক — পোষাক অর্থ পরিধেয় বস্ত্র যা বেসাতি শব্দের অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
B) সাজসজ্জা — সাজসজ্জা অর্থ রূপচর্চা বা অলংকরণ যা কেনাবেচা শব্দের সমার্থক নয়।
C) উপকরণ — উপকরণ অর্থ উপাদান বা সামগ্রী যা বেসাতি শব্দের মূল বাণিজ্যিক অর্থ প্রকাশ করে না।
D) কেনাবেচা — এটি বেসাতি শব্দের সঠিক ও অভিধানসম্মত অর্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
বেসাতি মানে ব্যবসা বা কেনাবেচা এভাবে মনে রাখতে পারো যে বাজারে বেচাকেনাকেই বেসাতি বলা হয়।
বাণিজ্যিক লেনদেন বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই প্রমিত শব্দের সঠিক অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
একই ধরনের সমার্থক বা ভিন্নার্থক শব্দের ক্ষেত্রে অভিধানের প্রমিত অর্থ অনুসরণ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) অলুক তৎপুরুষ সমাস
কেন সঠিক:
- এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না।
- কলুর এর 'র' বিভক্তি সমস্ত পদেও বহাল থাকে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।
- কলুর বলদ বলতে এমন এক ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি গ্লানিহীনভাবে একটানা কঠোর পরিশ্রম করে যান।
- যেমন গায়ে পড়া = গায়ে যে পড়া (এখানে 'এ' বিভক্তি লোপ পায়নি)।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) উপপদ তৎপুরুষ — কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে এটি বলে, কিন্তু এখানে তা হয়নি।
- B) অলুক তৎপুরুষ সমাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
- C) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — এই সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যবর্তী পদ সম্পূর্ণ লোপ পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) উপমিত কর্মধারয় — সাধারণ গুর্লের উল্লেখ না করে উপমেয়ের সাথে উপমানের যে তুলনা বোঝায়, এটি তা নয়।
মনে রাখার টিপস:
- ব্যাসবাক্যে যদি পূর্বপদে বিভক্তি (যেমন র, এর) থাকে এবং সমস্ত পদেও তা থেকে যায়, তবে চোখ বন্ধ করে অলুক তৎপুরুষ সমাস দাগাবে।
সঠিক উত্তর: B) উপমিত
১. কেন সঠিক:
- সোনা মুখ যার, এই ব্যাসবাক্যে মুখকে সোনার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং সাধারণ ধর্ম অর্থাৎ মুখের সৌন্দর্য বা উজ্জ্বলতা উহ্য রয়েছে।
- উপমেয় পদের সঙ্গে উপমান পদের যে সমাসে সাধারণ ধর্ম উল্লেখ থাকে না এবং উপমেয় পদটি পূর্বে বসে, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে সাধারণ গুণবাচক পদের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সঙ্গে উপমানের তুলনা করা হয় এবং উপমেয় পদটি সাধারণত পূর্বে বসে, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
- এখানে মুখ হলো উপমেয় এবং সোনা হলো উপমান, যেখানে সাধারণ ধর্ম উজ্জ্বলতা বা মূল্যবানতা উহ্য আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্রমুখ
ব্যাখ্যা: চন্দ্রের ন্যায় মুখ, যার ব্যাসবাক্যে মুখকে চাঁদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের একটি জনপ্রিয় উদাহরণ।
উদাহরণ ২: পুরুষসিংহ
ব্যাখ্যা: পুরুষের ন্যায় সিংহ, এখানে পুরুষ হলো উপমেয় এবং সিংহ হলো উপমান, যা উপমিত কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপমান — উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের উল্লেখ থাকে এবং উপমান পদটি পূর্বে বসে, কিন্তু সোনামুখ শব্দে সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকায় এটি এই সমাস নয়।
B) উপমিত — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই ধারার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায় কারণ এখানে সাধারণ ধর্ম উহ্য আছে।
C) রূপক — রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ বা কল্পিত রূপ বোঝানো হয়, যা সোনামুখ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) মধ্যপদলোপী — মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে সমাসবদ্ধ করার সময় মাঝের পদ লুপ্ত হয়, কিন্তু সোনামুখ শব্দের ব্যাসবাক্যে মাঝের পদ লুপ্ত হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তুলনা করার সময় যদি ব্যাসবাক্যের শেষে ন্যায় বা রূপ থাকে এবং সাধারণ ধর্ম অনুপস্থিত থাকে, তবে তা উপমিত সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
- মুখ সংক্রান্ত রূপক ও উপমিত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- উপমান ও উপমিত সমাসের পার্থক্য মনে রাখতে হলে সাধারণ ধর্মের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অধিকরণ কারক
কেন সঠিক:
- কান্নায় শব্দটি দ্বারা শোক কমার স্থান বা সময় বোঝানো হয়েছে।
- এটি ক্রিয়া সম্পাদনের আধার বা বিষয় হিসেবে কাজ করেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে।
- বিষয়াধিকরণ বা ভাবাধিকরণের নিয়م অনুযায়ী এটি অধিকরণ কারক হয়েছে।
- কান্নায় শোক কমে, তেমনি জ্ঞানে আলো ছড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা ভীত হয় তা অপাদান কারক।
- B) অধিকরণ কারক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) করণ কারক — যার দ্বারা ক্রিয়া সাধিত হয় তাকে করণ কারক বলে।
- D) সম্প্রদান কারক — স্বত্ব ত্যাগ করে কাউকে কিছু দান করলে সম্প্রদান কারক হয়।
মনে রাখার টিপস:
- কিসের মাধ্যমে বা কিসের সাহায্যে বুঝালে করণ কারক এবং কিসে বা কখন বুঝালে অধিকরণ কারক হয়।
সঠিক উত্তর: A) দৃশ + অনীয়
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে দৃশ ধাতুর সঙ্গে অনীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দর্শনীয় শব্দটি গঠিত হয়।
এখানে সংস্কৃতে দৃশ ধাতুর রূপ পরিবর্তন হয়ে দর্শন বা দর্শনীয় গঠন তৈরি করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দের ক্ষেত্রে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দৃশ ধাতু এবং অনীয় প্রত্যয় মিলে দর্শনীয় শব্দটি প্রস্তুত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চদ্ + অনীয় = চন্দনীয়
ব্যাখ্যা: চদ্ ধাতুর সঙ্গে অনীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কৃ + অনীয় = করণীয়
ব্যাখ্যা: কৃ ধাতুর সঙ্গে অনীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে করণীয় গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৃশ + অনীয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সঠিক ধাতু ও প্রত্যয়ের মিলন।
B) দৃশ্য + অনীয় — দৃশ্য কোনো মূল ধাতু নয়, তাই এই বিভাজন ব্যাকরণসম্মত নয়।
C) দৃশ্য + নীর — নীর একটি ভিন্ন শব্দ, যা এই শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) দৃশ +নীয় — এখানে প্রত্যয়ের অংশ ভুলভাবে যুক্ত করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
দর্শনীয় শব্দটির মূল অংশ খুঁজতে হলে দৃশ ধাতু এবং অনীয় প্রত্যয় মনে রাখতে হবে।
ধাতু চেনার জন্য শব্দের শুরুর অংশ এবং প্রত্যয় চেনার জন্য শেষের অংশ আলাদা করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দগঠন আয়ত্ত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) অসম্ভব ঘটনা
১. কেন সঠিক:
- ব্যাঙের সর্দি বলতে এমন একটি কাল্পনিক অবস্থাকে বোঝায় যা বাস্তবে ঘটা অসম্ভব।
- এটি একটি পরিচিত বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত বাগধারা বা প্রবাদ-প্রবচন।
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশ কুসুম
ব্যাখ্যা: আকাশ কুসুম বলতে অসম্ভব কল্পনা বা আকাশচুম্বী অবাস্তব আশাকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: ঘেঁ্টু পুজো
ব্যাখ্যা: এটি একটি লৌকিক আচার, যা প্রবাদ বা বাগধারার মতো বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোগ বিশেষ — ব্যাঙের কোনো সর্দি হয় না, তাই এটি কোনো রোগ বিশেষ বোঝায় না।
B) অসম্ভব ঘটনা — সঠিক উত্তর, কারণ এটি অবাস্তব বা অসম্ভব অবস্থাকে নির্দেশ করে।
C) প্রতারণা — প্রতারণা অর্থ ঠকানো, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না।
D) সম্ভাব্য ঘটনা — সম্ভাব্য ঘটনা মানে যা ঘটার সম্ভাবনা আছে, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ অসম্ভব ঘটনা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যাঙ জলে বাস করে, তাই তার ঠাণ্ডা লাগা বা সর্দি হওয়ার প্রশ্নই আসে না।
- এই অবাস্তব দিকটি থেকেই মনে রাখতে হবে এটি একটি অসম্ভব ঘটনা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের অসম্ভব অর্থ প্রকাশকারী বাগধারা আসে।
- যেমন আকাশ কুসুম, ইঁদুর কপালে ইত্যাদি বাগধারার অর্থগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মুহুর্মুহু
১. কেন সঠিক:
- মুহুর্মুহু শব্দের অর্থ ঘন ঘন বা বারে বারে।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে প্রতিটি উ-কার এবং হ-এ উ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী কিছু শব্দের বানানে হ্রস্ব উ এবং হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করতে হয়।
- মুহুর্মুহু একটি তৎসম শব্দ যেখানে প্রথম ও তৃতীয় হ-এর সঙ্গে হ্রস্ব উ-কার এবং দ্বিতীয় হ-এর সঙ্গে হ্রস্ব উ-কার যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুমূর্ষু
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ ঊ-কার সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
উদাহরণ ২: পুঞ্জীভূত
ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যেখানে বানানের নিয়ম সঠিকভাবে মনে রাখা প্রয়োজন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহুর্মুহু — এটি সঠিক বানান কারণ এতে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উ-কার ব্যবহৃত হয়েছে।
B) মূহুর্মুহু — এটি ভুল কারণ এখানে প্রথম হ-এ দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নয়।
C) মুর্হমূহু — এটি ভুল কারণ এখানে রেফ এর অবস্থান এবং উ-কারের প্রয়োগ ভুল রয়েছে।
D) মুর্হুমূহু — এটি ভুল কারণ এখানে শব্দের গঠন এবং কারচিহ্ন সঠিকভাবে বিন্যস্ত হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুহুর্মুহু শব্দটিতে সবসময় হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করতে হয়।
- এই বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে এখানে কোনো দীর্ঘ ঊ-কার নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসা বানানগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
- একই ধরনের অন্যান্য প্রমিত বানান চর্চা করলে এই জাতীয় প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) রূপতত্ত্বে
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচনার বিষয়গুলোর মধ্যে পদ প্রকরণ, কারক, বচন, লিঙ্গ, সমাস, প্রত্যয় ও উপসর্গ রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্বে আলোচিত হয়।
- বাক্যে ব্যবহৃত শব্দের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ক স্থাপন এবং পদের রূপান্তর ঘটার স্থান হলো রূপতত্ত্ব, যার একটি প্রধান অংশ কারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের যে অংশে শব্দের গঠন, পদের শ্রেণিবিভাগ, কারক, বিভক্তি ও বচন আলোচনা করা হয় তাকে রূপতত্ত্ব বলে।
- বাক্যস্থিত পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলা হয় এবং পদের এই রূপগত পরিবর্তনের বিষয়টি রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছে ফল ধরেছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে গাছ হলো অধিকরণ কারক, যা শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্বের আলোচনার অন্তর্ভুক্ত পদভিত্তিক ব্যাকরণিক অংশ।
উদাহরণ ২: ফুল দিয়ে ঘর সাজাও।
ব্যাখ্যা: এখানে ফুল দিয়ে হলো করণ কারক, যা পদের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে রূপতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনিতত্ত্বে — ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ, নত্ব ও ষত্ব বিধান এবং সন্ধি নিয়ে আলোচনা করা হয় বলে এটি ভুল।
B) অর্থতত্ত্বে — শব্দের অর্থবাচকতা, সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ এবং বাগধারা নিয়ে আলোচনা করা হয় বলে এটি ভুল।
C) বাক্যতত্ত্বে — বাক্যের গঠন, বাগধারা, বাক্য রূপান্তর এবং বাক্যের বিভিন্ন পদবিন্যাস নিয়ে আলোচনা করা হয় বলে এটি ভুল।
D) রূপতত্ত্বে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রূপ মানে আকৃতি বা শব্দ, তাই শব্দ গঠন ও পদের রূপ পরিবর্তন যেমন কারক, সমাস ও প্রত্যয় রূপতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।
- কারক মনে রাখতে রূপতত্ত্ব শব্দটির সঙ্গে কারক শব্দটি মিলিয়ে পড়বে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক কোন তত্ত্বে আলোচিত হয় তা প্রায়ই রূপতত্ত্ব ও বাক্যতত্ত্বের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে।
- মনে রাখবে, পদ ও কারক রূপতত্ত্বে এবং বাক্য ও বাচ্য বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপد
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন, যা বাংলা সাহিত্যের আদি গ্রন্থ হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে প্রথম প্রকাশ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা আচার্যগণের রচিত আধ্যাত্মিক গান।
- ড. সুকুমার সেন ও ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের গবেষণা অনুযায়ী এর ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ ধারণ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপটি পাণ তরু চঞ্চল চীএ
ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পংক্তি, যা কাগুজির রচিত চর্যা থেকে নেওয়া হয়েছে এবং প্রাচীন বাংলা ভাষার নমুনা।
উদাহরণ ২: চালএ বাজিল গঅন চন্দে
ব্যাখ্যা: এটি ভুসুকুপা রচিত চর্যাপদের পংক্তি, যা তৎকালীন সমাজের চিত্র ও বাংলা ভাষার রূপ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চর্যাপদ — এটি বাংলা ভাষার প্রথম কবিতা সংকলন ও আদি সাহিত্যিক নিদর্শন।
B) বৈষ্ণব পদাবী — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত শাখা, যা শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার প্রেমলীলা অবলম্বনে রচিত।
C) ঐতরেয় আরণ্যক — এটি প্রাচীন বৈদিক সাহিত্যের অংশ এবং বাংলা ভাষার কোনো কবিতা সংকলন বা সাহিত্যের নিদর্শন নয়।
D) দোহাকোষ — এটি অপভ্রংশ ও প্রাচীন ভারতীয় ভাষায় রচিত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের দোহার সংকলন, যা চর্যাপদের কাছাকাছি সময়ের হলেও বাংলা ভাষার প্রথম কবিতা সংকলন নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা ভাষার প্রথম সৃষ্টি মানেই চর্যাপদ। আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং সাল হলো ১৯০৭।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে (সাড়ে ছেচল্লিশ বা পঞ্চাশটি)। পরীক্ষার জন্য সাধারণত পঞ্চাশটি পদ বা সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ এবং আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নাম সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) ক্রীতদাসের হাসি
১. কেন সঠিক:
ক্রীতদাসের হাসি হলো বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
এই উপন্যাসে আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের পটভূমিতে মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণ এবং তোষামোদ সংস্কৃতির পৈশাচিক রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শওকত ওসমান ১৯১৭ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তার প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান।
তিনি মূলত মানুষের সমাজজীবন, মনস্তত্ত্ব ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে উপন্যাস ও ছোটগল্প লিখে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জলাঙ্গী
ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা গ্রামীণ সমাজের পটভূমিতে লেখা হয়েছে।
উদাহরণ ২: জাহান্নাম হইতে বিদায়
ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বহুল পঠিত ও জনপ্রিয় উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চৌচির — এটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন রচিত একটি উপন্যাস, শওকত ওসমানের রচনা নয়।
B) সত্য-মিথ্যা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ, যা শওকত ওসমানের সাহিত্যকর্ম নয়।
C) পদ্মা-মেঘনা-যমুনা — এটি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক আবু বকর সিদ্দিক রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
D) ক্রীতদাসের হাসি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি শওকত ওসমানের বিখ্যাত উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসের মূল চরিত্র আজমত উটচালক, যা মনে রাখলে পরীক্ষার উত্তর করা সহজ হয়।
তার রাজনৈতিক ও রূপক উপন্যাসগুলো সহজে মনে রাখতে ক্রীতদাসের হাসি ও জাহান্নাম হইতে বিদায় একসঙ্গে পড়তে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শওকত ওসমান রচিত ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসের রচয়িতা বা এর পটভূমি প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
একইভাবে অন্যান্য লেখকের বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস ও তার প্রেক্ষাপট ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য নীল লোহিত ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।
- নীল লোহিত চরিত্র ও এই ছদ্মনামে লেখা গল্প ও উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙালি ঔপন্যাসিক, কবি ও প্রাবন্ধিক।
- তাঁর সৃষ্ট নীল লোহিত চরিত্রটি এক চিরতরুণ ও রোমান্টিক যুবকের প্রতীক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম নীল লোহিত
ব্যাখ্যা: এই ছদ্মনামে তিনি বহু জনপ্রিয় গল্প ও উপন্যাস লিখেছেন।
উদাহরণ ২: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের আরেকটি ছদ্মনাম সনাতন পাঠক
ব্যাখ্যা: তিনি লেখার প্রয়োজনে একাধিক ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমরেশ মজুমদার — সমরেশ মজুমদারের বিখ্যাত ছদ্মনাম কালকূট হলেও তিনি নীল লোহিত নামে লেখেননি।
B) রাজ শেখর বসু — রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম পরশুরাম, যা বাংলা ব্যঙ্গসাহিত্যে বিখ্যাত।
D) সমর সেন — সমর সেন আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, তাঁর কোনো নির্দিষ্ট বিখ্যাত ছদ্মনাম নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নামের প্রথম অক্ষর স এবং তাঁর জনপ্রিয় ছদ্মনামের প্রথম অক্ষর ল দিয়ে নীল লোহিত মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রখ্যাত লেখকদের ছদ্মনাম ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) বন্দে আলী মিয়া
১. কেন সঠিক:
- ময়নামতি চর কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক বন্দে আলী মিয়া।
- গ্রামীণ প্রকৃতি, নদীমাতৃক বাংলাদেশ এবং সাধারণ মানুষের সহজ-সরল জীবনযাত্রা তাঁর রচনার মূল উপজীব্য।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বন্দে আলী মিয়া একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, চিত্রশিল্পী ও সাংবাদিক হিসেবে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছিলেন।
- তাঁর রচিত ময়নামতি চর বাংলা গ্রামীণ সাহিত্যধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ময়নামতি চর
ব্যাখ্যা: এটি বন্দে আলী মিয়ার বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ যা গ্রামীণ প্রকৃতি ও জনজীবনকে ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: ময়নামতি
ব্যাখ্যা: এটি কুমিল্লার একটি ঐতিহাসিক স্থান ও প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন যা বাংলা সাহিত্যে ও ইতিহাসে বিখ্যাত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যতীন্দ্রমোহন বাগচী — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি হলেও ময়নামতি চর কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়।
B) হুমায়ুন কবীর — তিনি মূলত আধুনিক যুগের প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, এই কাব্যের রচয়িতা নন।
C) রওশন ইজদানী — তিনি একজন লেখক ও গবেষক হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর নয়।
D) বন্দে আলী মিয়া — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বন্দে আলী মিয়া মানেই গ্রামীণ প্রকৃতি এবং চরভিত্তিক কবিতার এক অনন্য নাম।
- ময়নামতি চর নামটি দেখলেই বন্দে আলী মিয়ার নাম মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গ্রামীণ পটভূমির কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- কবি বন্দে আলী মিয়ার অন্যান্য বিখ্যাত রচনা সম্পর্কে ধারণা রাখা পরীক্ষার জন্য জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- পদ্মা নদীর মাঝি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলের কূর্ত্তিপাড়া গ্রামের জেলে সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা ও সংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজ বাস্তবতাবাদী উপন্যাসের অন্যতম প্রধান রূপকার।
- ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে আবহমান বাংলার খেটে খাওয়া মানুষের সুখ দুঃখের নিখুঁত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুতুলনাচের ইতিকথা
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত সমাজ বাস্তবতাবাদী উপন্যাস।
উদাহরণ ২: দিবারাত্রির কাব্য
ব্যাখ্যা: এটিও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বাংলা সাহিত্যের একটি ধ্রুপদী উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ পদ্মা নদীর মাঝি একটি কালজয়ী উপন্যাস।
B) ভ্রমণ কাহিনী — ভ্রমণ কাহিনী বলতে কোনো স্থান ভ্রমণের বিবরণ বোঝায়, যা এই গ্রন্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) রম্যরচনা — রম্যরচনা মূলত হাস্যরসাত্মক বা হালকা চালে লেখা প্রবন্ধ, যা এই উপন্যাসের গম্ভীর বিষয়ের সঙ্গে মেলে না।
D) নাটক — নাটক হলো অভিনয়ের জন্য লিখিত দৃশ্যকাব্য, কিন্তু পদ্মা নদীর মাঝি কোনো নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিগুলো মনে রাখতে পদ্মা নদীর মাঝির কথা মনে রাখবে।
- এটি একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস যা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পদ্মা নদীর মাঝির প্রকাশকাল ১৯৩৬ সাল এবং এর প্রধান চরিত্র কুবের ও মালা।
- লেখকের নাম মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর প্রকৃত নাম প্রবোধ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
সঠিক উত্তর: C) ক্রিয়া
কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ক্রিয়াপদের সাথে অন্য কোনো পদের সন্ধি সাধিত হয় না।
- ক্রিয়ামূল বা ধাতু এবং ক্রিয়াপদের গঠন প্রক্রিয়ায় সন্ধির নিয়ম সাধারণত প্রযোজ্য হয় না।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সন্ধি মূলত তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ব্যাকরণের নিয়মে বেশি কার্যকর হয়।
- পদের সাথে পদের মিলনের ক্ষেত্রে বিশেষ্য, বিশেষণ এবং অব্যয়ের মধ্যে সন্ধি হলেও ক্রিয়ার ক্ষেত্রে তা হয় না।
- যেমন: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় (বিশেষ্য পদের সন্ধি)।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদের সাথে অন্য পদের সন্ধি হওয়া সম্ভব।
- B) বিশেষণ — বিশেষণ পদের সাথেও সন্ধি সাধিত হতে পারে।
- C) ক্রিয়া — ক্রিয়াপদের সাথে সন্ধি হয় না বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
- D) অব্যয় — অব্যয় পদের সাথেও সন্ধির নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে, বিশেষ্য, বিশেষণ ও অব্যয়ের সন্ধি হয় কিন্তু ক্রিয়ার সাথে হয় না।
সঠিক উত্তর: D) populous
কেন সঠিক:
People শব্দটির অর্থ জনগণ বা মানুষ এবং এর সঠিক Adjective রূপ হলো populous।
যার বাংলা অর্থ জনবহুল বা লোকালয়পূর্ণ।
এটি কোনো স্থান বা অঞ্চলের মানুষের ঘনবসতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) popularity — এটি একটি Noun যার অর্থ জনপ্রিয়তা।
B) popularise — এটি একটি Verb যার অর্থ জনপ্রিয় করে তোলা।
C) popular — এটি Adjective হলেও এর অর্থ জনপ্রিয়, যা মানুষের ঘনবসতি বোঝায় না।
D) populous — এটি সঠিক Adjective যা জনবহুল এলাকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
People শব্দের সাথে ous যুক্ত করে populous বানালে তা জনবহুল বা Adjective বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) All of them
কেন সঠিক:
১. সংক্ষিপ্ত রূপ বা abbreviation লেখার সময় প্রথম অক্ষর উচ্চারণের সময় যদি ভাওয়েল বা স্বরবর্ণের উচ্চারণ আসে, তবে তার পূর্বে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে 'an' বসে।
২. এখানে M, M এবং L উচ্চারণ করতে শুরুতে এ বা এম এর মতো স্বরধ্বনি আসায় সবগুলোর আগেই an সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) You are an M.B.B.S — এখানে M উচ্চারণ করতে স্বরবর্ণ আসায় an সঠিক এবং বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল।
B) He was an M.A — এখানে M উচ্চারণে স্বরবর্ণের উচ্চারণ থাকায় an বসেছে এবং এটি সঠিক বাক্য।
C) He is an L.M.F — এখানে L উচ্চারণ করতে এল অর্থাৎ স্বরবর্ণ আসায় an ব্যবহৃত হয়েছে যা সঠিক।
D) All of them — উপরের সবগুলো অপশনেই an এর সঠিক ব্যবহার হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সংক্ষিপ্ত রূপের প্রথম অক্ষর উচ্চারণের সময় যদি স্বরবর্ণের মতো আ বা এ উচ্চারণ হয়, তবে তার আগে an বসবে।
সঠিক উত্তর: C) Worst
কেন সঠিক:
Worst শব্দটি Bad বা Ill শব্দের Superlative degree হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
তাই এটি কোনো Comparative degree নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Upper — এটি একটি Latin adjective যার শেষে er যুক্ত থাকায় এটি একটি Comparative degree হিসেবে গণ্য হয়।
B) Less — এটি Little শব্দের Comparative degree যা পরিমাণ কম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) Worst — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি Superlative degree।
D) Highest — এটি High শব্দের Superlative degree যার শেষে est যুক্ত আছে।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত শব্দের শেষে est বা most থাকলে তা Superlative degree হয় এবং er বা more থাকলে তা Comparative degree হয়।
সঠিক উত্তর: A) Transitive verb
কেন সঠিক:
- বাক্যের verb-টির পর একটি অবজেক্ট (me) রয়েছে এবং এর কার্যকারিতা সাবজেক্ট থেকে অবজেক্টে স্থানান্তরিত হয়।
- Transitive verb বা সকর্মক verb-এর অর্থ সম্পূর্ণ করতে অবজেক্টের প্রয়োজন হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Transitive verb — এটি সঠিক কারণ এই verb-টির অবজেক্ট রয়েছে।
B) Intransitive verb — এটি ভুল কারণ এই verb-টির অর্থ পূর্ণ করার জন্য অবজেক্টের প্রয়োজন হয়েছে।
C) Auxiliary verb — এটি ভুল কারণ এটি কোনো মূল verb-এর সাহায্যকারী হিসেবে কাজ করছে না, বরং নিজেই প্রধান verb।
D) Causative verb — এটি ভুল কারণ এখানে সাবজেক্ট নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে করাচ্ছে এমন বোঝাচ্ছে না।
মনে রাখার টিপস:
Verb-কে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা Transitive verb হয়।
সঠিক উত্তর: A) State of affair
কেন সঠিক:
- ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ status quo-র বাংলা অর্থ বর্তমান অবস্থা বা বিদ্যমান পরিস্থিতি।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে State of affair কথাটির অর্থ বর্তমান অবস্থা, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) State of affair — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি status quo শব্দের আসল অর্থ বর্তমান পরিস্থিতি প্রকাশ করে।
B) The former state — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ পূর্ববর্তী অবস্থা, যা বর্তমান অবস্থার বিপরীত।
C) Equal status — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সমান মর্যাদা, যা এই পরিভাষার সঙ্গে মিলে না।
D) High status — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ উচ্চ মর্যাদা, যা বর্তমান পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
Status অর্থ অবস্থা এবং Quo অর্থ যা, অর্থাৎ যা চলছে বা বর্তমান পরিস্থিতি।
সঠিক উত্তর: B) At ease
কেন সঠিক:
গ্রూপ ভার্ব বা ফ্রেজটির অর্থ হলো কোনো বিষয়ে দক্ষ বা আরামদায়ক অবস্থায় থাকা।
এটির সাথে অপশন বি এর অর্থের পুরোপুরি মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Family relation — এটি ফ্রেজটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও আসল ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
B) At ease — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ স্বাচ্ছন্দ্যে থাকা বা দক্ষ হওয়া।
C) Neighbour — এর অর্থ প্রতিবেশী যার সাথে আলোচ্য ফ্রেজটির কোনো সম্পর্ক নেই।
D) Free at — এটি একটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল ও অর্থহীন শব্দগুচ্ছ।
মনে রাখার টিপস:
বাড়িতে যেমন আমরা সব সময় স্বাচ্ছন্দ্যে থাকি, তেমনি At home with ফ্রেজটি দিয়ে কোনো বিষয়ে স্বাচ্ছন্দ্য বা দখল বোঝানো হয়।
সঠিক উত্তর: A) Sabotage
কেন সঠিক:
শব্দটির সঠিক বানানে মাঝখানে o এবং শেষে ge ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ নাশকতা।
ফরাসি ভাষা থেকে আসা এই শব্দটির বানান পদ্ধতি আন্তর্জাতিকভাবে এটিই স্বীকৃত।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত প্রমিত ইংরেজি বানান।
এর সঠিক উচ্চারণ ও গঠন প্রক্রিয়া অন্য সব বিকল্প থেকে আলাদা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sabotage — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা কাজের ক্ষতিসাধন করা।
B) Sabatage — এই বানানে o এর পরিবর্তে a ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
C) Salabatage — অতিরিক্ত l এবং ab যুক্ত করায় এটি একটি অর্থহীন বানানে পরিণত হয়েছে।
D) Sabotaze — শেষে ge এর বদলে ze ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে সাব এবং ওটাজ এই দুই ভাগে ভাগ করে পড়তে পারো।
সঠিক উত্তর: C) Jewellery
কেন সঠিক:
British English বানান রীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে দুটি l এবং শেষে lry যুক্ত হয়। এটি সঠিক ইংরেজি বানানের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে।
শব্দটির মূল শব্দ jewel এর সাথে lery প্রত্যय যোগ করে এটি গঠিত হয়।
এটি স্ট্যান্ডার্ড ব্রিটিশ ডিকশনারিতে স্বীকৃত একমাত্র সঠিক বানান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Jewelery — এই বানানে একটি l কম আছে যা ব্রিটিশ বানান নিয়মের পরিপন্থী।
B) Jewellry — এই বানানে অতিরিক্ত l ব্যবহৃত হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
C) Jewellery — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Jwellry — এই বানানে মূল শব্দের e অক্ষরটি বাদ দেওয়া হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Jewel শব্দের শেষে e আছে এবং ব্রিটিশ নিয়মে lry যোগ করার সময় l এবং lry একসাথে বসে Jewellery হয়।
সঠিক উত্তর: D) Lax
কেন সঠিক:
- Rigid শব্দের অর্থ অনমনীয়, কঠোর বা যা সহজে বাঁকে না।
- Lax শব্দের অর্থ শিথিল, অসতর্ক বা অনমনীয় নয় এমন, যা Rigid শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Autere — এটি একটি বানান ত্রুটিযুক্ত অপশন হতে পারে, মূলত Austere বোঝায় যার অর্থ কঠোর বা সংযত, যা সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
B) Stiff — এর অর্থ শক্ত বা অনমনীয়, যা Rigid শব্দের সমার্থক শব্দ এবং বিপরীত নয়।
C) Rigorous — এর অর্থ কঠোর বা পুঙ্খানুপুঙ্খ, যা Rigid শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
D) Lax — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ শিথিল বা অনমনীয় নয়।
মনে রাখার টিপস:
Rigid মানে কড়া নিয়ম, আর Lax মানে শিথিল বা ঢিলেঢালা ব্যবস্থা।
সঠিক উত্তর: C) Humorous
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বানান নিয়ਮ অনুযায়ী 'humour' শব্দের সাথে 'ous' প্রত্যয় যুক্ত করার সময় মাঝের 'u' বাদ দিতে হয়। তাই সঠিক রূপটি হলো humorous।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Humourous — এই বানানে 'ou' এর পরে অতিরিক্ত 'u' রাখা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Humourious — এই বানানে 'ous' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'ious' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Humorious — এই বানানে মূল শব্দের বানান পরিবর্তন করে ভুলভাবে 'orious' লেখা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Humour বানান লেখার পর r এর পরের ou যুক্ত করার সময় মাঝের u টি বাদ দিয়ে ous যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) He proposed to his friends that they should play then.
কেন সঠিক:
প্রস্তাব বোঝালে 'Let us' যুক্ত direct speech-কে indirect করার সময় reporting verb উঠে গিয়ে proposed to বসে।
conjunction হিসেবে that বসে এবং subject হিসেবে they বা we এর পরে should বসে।
direct speech-এর now পরিবর্তন হয়ে indirect speech-এ then হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He requested to his friends that they should play then — প্রস্তাব বোঝাতে requested বসে না, proposed বসে।
B) He proposed to his friends that they would play then — should এর পরিবর্তে would ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) He proposed to his friends that they should play then — এটি সঠিক উত্তর।
D) He proposed to his friends that we should play then — বক্তা ও বন্ধুরা মিলে কাজ করলে they বসে, we বসালে ভুল হয়।
মনে রাখার টিপস:
Let us থাকলে proposed বসবে, that এর পরে should হবে এবং now বদলে then হবে।
সঠিক উত্তর: C) Collective
কেন সঠিক:
- 'Cattle' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট একটি গরুকে না বুঝিয়ে একদল বা একপাল গরুর সমষ্টিকে বোঝায়।
- একই জাতীয় অসংখ্য প্রাণীর সমষ্টিগত রূপকে বোঝানোর কারণে এটি Collective Noun হিসেবে গণ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Proper — Proper Noun হলো কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম, কিন্তু 'cattle' কোনো নির্দিষ্ট একটির নাম নয়।
B) Common — Common Noun হলো একই জাতীয় সাধারণ নাম, যা আলাদাভাবে গণনা করা যায়, কিন্তু 'cattle' নিজেই একটি সমষ্টিগত বহুবচনবাচক শব্দ।
C) Collective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং এটি গরু বা গবাদিপশুর সমষ্টিকে নির্দেশ করে।
D) Meterial — Material Noun হলো উপাদানবাচক বিশেষ্য, যার দ্বারা কোনো পদার্থের নাম বোঝায়, যা গবাদিপশুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Cattle', 'People', 'Police' শব্দগুলো দেখতে একবচন মনে হলেও এরা সবসময় Collective Noun এবং বাক্যে এদের পর plural verb বসে।
সঠিক উত্তর: B) Beauty
কেন সঠিক:
প্রদত্ত শব্দটি একটি adjective এবং এর সাথে noun রূপ বোঝাতে নির্দিষ্ট suffix যোগ করতে হয়।
'Beauty' শব্দটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা গু의 নাম বোঝায়, যা noun এর মূল কাজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Beautious — এটি একটি adjective যার অর্থ সুন্দর বা মনোরম।
B) Beauty — এটি সঠিক noun রূপ এবং এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত উত্তর।
C) Beautifully — এটি একটি adverb যা verb কে বিশেষায়িত করে।
D) Beautify — এটি একটি verb যার অর্থ সুন্দর করা।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে y বা ness থাকলে সাধারণত তা noun হয়।
সঠিক উত্তর: A) He talks as if he were a mad
কেন সঠিক:
as if বা as though এর আগের অংশ বর্তমানকালে থাকলে পরের অংশে অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে Past Subjunctive tense বসে।
এই নিয়মে singular subject এর পরেও to be verb হিসেবে was না বসে সব সময় were বসে।
তাই এখানে he এর পরে were ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He talks as if he were a mad — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যের গঠন ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল হয়েছে।
B) He talks as if he to be mad — এখানে কোনো finite verb ব্যবহার করা হয়নি যা বাক্য গঠনের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।
C) He talks as if he is mad — এখানে present tense ব্যবহার করা হয়েছে যা অবাস্তব কল্পনার নিয়ম সমর্থন করে না।
D) He talks as if he be mad — এখানে base form ব্যবহার করা হয়েছে যা এমন বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
as if যুক্ত বাক্যের কাল্পনিক অর্থে subject যাই হোক না কেন verb সবসময় were হবে।
সঠিক উত্তর: D) Reserved
কেন সঠিক:
Cordial শব্দের অর্থ আন্তরিক, মিশুক বা বন্ধুত্বপূর্ণ। এর বিপরীত শব্দ হলো Reserved যার অর্থ স্বল্পভাষী, গম্ভীর বা সকলের সাথে সহজে মেশে না এমন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Gentle — এই শব্দটির অর্থ মৃদু বা ভদ্র, যা cordial শব্দের একটি সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
B) Hearty — এই শব্দটির অর্থ আন্তরিক বা উষ্ণ, যা cordial শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Ungrateful — এই শব্দটির অর্থ অকৃতজ্ঞ, যা cordial শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে পুরোপুরি মানানসই নয়।
D) Reserved — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আন্তরিকতার সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অবস্থা বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Cordial মানুষের মন হৃদয় থেকে উষ্ণ হয়, আর Reserved মানুষ একটু দূরত্ব বজায় রেখে চলে।
সঠিক উত্তর: A) Denial
কেন সঠিক:
Deny শব্দটির সাথে al প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক noun রূপটি গঠিত হয় যার অর্থ অস্বীকার।
অন্যান্য রূপ যেমন adjective বা verb হলেও এই রূপটি বাক্যে noun হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Denial — এটি সঠিক noun রূপ এবং এর অর্থ অস্বীকার করা।
B) Deny — এটি প্রশ্নোক্ত মূল শব্দ যা একটি verb।
C) Deniable — এটি একটি adjective রূপ যার অর্থ অস্বীকারযোগ্য।
D) Refuse — এটি deny শব্দের সমার্থক একটি অন্য verb।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি অনেক verb এর শেষে al যোগ করে সহজে noun তৈরি করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) He said to me. “Where did you go yesterday?”
কেন সঠিক:
রিপোর্টিং ভার্বের ক্ষেত্রে asked-এর পরিবর্তে said to বসে এবং ইনভার্টেড কমা তুলে ডব্লিউএইচ ওয়ার্ড অপরিবর্তিত থাকে।
পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকলে ডাইরেক্ট ন্যারেশনে তা পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
previous day পরিবর্তন হয়ে yesterday হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এখানে ন্যারেশনের সকল নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
B) B) He asked to me — ভুল কারণ asked-এর পর সাধারণত to বসে না।
C) C) Where you went yesterday — ভুল কারণ এটি প্রশ্নবোধক বাক্য গঠন অনুসরণ করেনি।
D) D) Where did I go yesterday — ভুল কারণ সাবজেক্ট ফার্স্ট পারসন হওয়ায় অর্থের পরিবর্তন ঘটে যায়।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাসনের ক্ষেত্রে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকলে ডাইরেক্ট করার সময় পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স করতে হয় এবং previous day থাকলে yesterday লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) By whom were you called a liar?
কেন সঠিক:
- Active বাক্যের শুরুতে Who থাকলে Passive করার সময় তার পরিবর্তে By whom বসে। বাক্যের মূল verbটি past indefinite tense এ থাকায় সাহায্যকারী verb হিসেবে were বসে।
- Subject হিসেবে you বসে এবং মূল verb এর past participle রূপ called বসে। সবশেষে বাক্যের বাকি অংশ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By whom are you called a liar? — মূল verbটি past tense এ থাকা সত্ত্বেও present tense এর সাহায্যকারী verb are ব্যবহার করায় অপটি ভুল হয়েছে।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) By whom you called a liar? — interrogative sentence তৈরি করার নিয়ম অনুযায়ী subject এর পূর্বে কোনো সাহায্যকারী verb না থাকায় এটি ভুল।
D) By whom was you called a liar? — plural subject you এর সাথে singular সাহায্যকারী verb was ব্যবহার করার কারণে এই অপশনটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Who যুক্ত active voice কে passive করার সময় প্রথমে By whom এবং tense অনুযায়ী was বা were বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Do you want me?
কেন সঠিক:
Passive বাক্যের সাহায্যকারী ভারب are দেখে present indefinite tense নিশ্চিত করা হয়েছে।
Active করার সময় subject you অনুযায়ী do বসে এবং মূল ভার্বের present form want ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Are you wanted me? — এই গঠনে সাহায্যকারী ভার্বের পর সরাসরি object বসেছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Did you wanted me? — Did এর পর মূল ভার্বের present form বসার নিয়ম থাকলেও এখানে wanted আছে।
C) Do you want me? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Does you want me? — subject you এর সাথে does না বসে do বসে।
মনে রাখার টিপস:
Passive বাক্যের am is are দেখলে active করার সময় do বা does ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) I have been lying on the floor for three hours.
কেন সঠিক:
বাক্যে 'for three hours' উল্লেখ থাকায় এটি Present Perfect Continuous Tense হবে।
Lie অর্থ শুয়ে থাকা এবং এর Continuous রূপ হলো lying।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এখানে laid ব্যবহার করা হয়েছে যা lay ভার্বের Past form এবং এর অর্থ ডিম পাড়া।
B) এখানে lied ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ মিথ্যা বলা এবং তা সঠিক নয়।
C) এটি Present Perfect Tense-এ আছে যা দীর্ঘ সময় ধরে চলা কাজের জন্য উপযুক্ত নয়।
D) এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সঠিক Tense এবং lie ভার্বের সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে ধরে বা যাবত বুঝাতে for থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে Present Perfect Continuous Tense হয়।
সঠিক উত্তর: C) চারগুণ
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সরলরেখা এবং তার অর্ধেকের উপর বর্গ অঙ্কিত হয়েছে
ধরি,
সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য = ক
অতএব,
সম্পূর্ণ সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক = ক২
সরলরেখার অর্ধেকের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ২
সুতরাং,
অর্ধেক সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ২) × (ক ÷ ২) = ক২ ÷ ৪
উত্তর: চারগুণ
সঠিক উত্তর: A) ৫০%
প্রদত্ত তথ্য:
টাকায় ৩টি করে জিনিস ক্রয় করা হলো
টাকায় ২টি করে জিনিস বিক্রয় করা হলো
ধরি,
৩টি জিনিসের ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
২টি জিনিসের বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা
অতএব,
১টি জিনিসের ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৩ টাকা
১টি জিনিসের বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ২ টাকা
সুতরাং,
লাভ = (১ ÷ ২) − (১ ÷ ৩) টাকা = ১ ÷ ৬ টাকা
উত্তর: শতকরা লাভ = ((১ ÷ ৬) ÷ (১ ÷ ৩)) × ১০০% = ৫০%
সঠিক উত্তর: B) ২০ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
ছাত্রাবাসে মোট ছাত্র সংখ্যা = ৪০ জন
মোট খাবারের দিন সংখ্যা = ৩০ দিন
৫ দিন পরে ছাত্র আসে = ১০ জন
ধরি,
৫ দিন চলে যাওয়ার পর অবশিষ্ট দিন থাকে = ৩০ − ৫ = ২৫ দিন
তখন অবশিষ্ট ছাত্রের খাবার থাকে = ৪০ জনের ২৫ দিনের খাবার
নতুন ছাত্র আসার পর মোট ছাত্র সংখ্যা = ৪০ + ১০ = ৫০ জন
অতএব,
৪০ জন ছাত্রের অবশিষ্ট খাবার চলে = ২৫ দিন
১ জন ছাত্রের ওই খাবার চলে = ২৫ × ৪০ দিন
৫০ জন ছাত্রের ওই খাবার চলে = (২৫ × ৪০) ÷ ৫০ দিন
সুতরাং,
১০০০ ÷ ৫০ = ২০ দিন
উত্তর: ২০ দিন
সঠিক উত্তর: C) ৩০ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
৬০ জন লোক কাজ করতে পারে = ১৮ দিনে
১ জন লোক কাজ করতে পারে = ৬০ × ১৮ দিনে
ধরি,
৩৬ জন লোক কাজটি করতে পারবে = ক দিনে
অতএব,
৩৬ × ক = ৬০ × ১৮
সুতরাং,
ক = (৬০ × ১৮) ÷ ৩৬
উত্তর: ৩০ দিনে
সঠিক উত্তর: A) (x+3)(2x-5)
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ২গুণ x এর বর্গ + x − ১৫
ধরি,
রাশিটিকে মিডল টার্ম বা মধ্যপদ বিভাজনের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে
অতএব,
মধ্যপদ x কে ভেঙে দুটি অংশ করতে হবে যেন তাদের গুণফল প্রথম ও শেষ পদের গুণফলের সমান হয়
সুতরাং,
রাশিটি পাই ২গুণ x এর বর্গ − ৫x + ৬x − ১৫
উত্তর: (x+3)(2x-5)
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি রাশির যোগফল পাঁচ এবং বিয়োগফল তিন দেওয়া আছে
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি হলো a এবং দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো b
অতএব,
a + b = ৫
a − b = ৩
সুতরাং,
ab এর মান নির্ণয়ের জন্য বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
উত্তর: ab = ৪
সঠিক উত্তর: D) ১২ বৎসর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও মাতার বয়সের গড় = ৩০ বৎসর
পিতা, মাতা ও পুত্রের গড় বয়স = ২৪ বৎসর
ধরি,
পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = ৩০ × ২ = ৬০ বৎসর
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ২৪ × ৩ = ৭২ বৎসর
অতএব,
পুত্রের বয়স বের করতে হবে
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি থেকে পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি বিয়োগ করতে হবে
সুতরাং,
৭২ − ৬০ = ১২ বৎসর
উত্তর: ১২ বৎসর
সঠিক উত্তর: B) ৪৯ বৎসর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান বয়সের গড় ২৩ বৎসর
৩ বৎসর পর দুই পুত্রের গড় বয়স ১৩ বৎসর
ধরি,
পিতার বর্তমান বয়স = ক বৎসর
দুই পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = খ বৎসর
অতএব,
পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ২৩ × ৩ = ৬৯ বৎসর
অর্থাৎ, ক + খ = ৬৯
সুতরাং,
৩ বৎসর পর দুই পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ১৩ × ২ = ২৬ বৎসর
বর্তমানে দুই পুত্রের বয়সের সমষ্টি (খ) = ২৬ − (৩ × ২) = ২০ বৎসর
উত্তর: পিতার বর্তমান বয়স (ক) = ৬৯ − ২০ = ৪৯ বৎসর
সঠিক উত্তর: C) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ১০টি উইকেটের জন্য গড় রান = ১৮
পরবর্তী ৪টি উইকেটের জন্য গড় রান = ৪
ধরি,
প্রথম ১০টি উইকেটের মোট রান = ১০ × ১৮ = ১৮০
পরবর্তী ৪টি উইকেটের মোট রান = ৪ × ৪ = ১৬
অতএব,
মোট উইকেটের সংখ্যা = ১০ + ৪ = ১৪
মোট রানের পরিমাণ = ১৮০ + ১৬ = ১৯৬
সুতরাং,
উইকেট প্রতি গড় রান = ১৯৬ ÷ ১৪ = ১৪
উত্তর: ১৪
সঠিক উত্তর: A) ২৫৩
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো এক থেকে বাইশ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল
ধরি,
পদের সংখ্যা n = ২২
অতএব,
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র অনুযায়ী যোগফল নির্ণয় করতে হবে
সুতরাং,
যোগফল = n × (n + ১) ÷ ২
উত্তর: ২২ × ২৩ ÷ ২ = ২৫৩
সঠিক উত্তর: C) ১১
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, a − (১ ÷ a) = ৩
ধরি,
a এর মান এবং (১ ÷ a) এর মান ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
a^২ + (১ ÷ a^২) এর অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করতে হবে
সুতরাং,
প্রদত্ত রাশির সূত্র হবে [a − (১ ÷ a)]^২ + ২
উত্তর: ৩^২ + ২ = ১১
সঠিক উত্তর: B) ৭৮
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটি হলো তেইশ এবং পঁয়তাল্লিশ
তাদের যোগফল বের করতে হবে
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ২৩
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৪৫
অতএব,
সংখ্যা দুটির যোগফল = ২৩ + ৪৫
সুতরাং,
২৩ + ৪৫ = ৭৮
উত্তর: ৭৮
সঠিক উত্তর: A) ৫১৬
প্রদত্ত তথ্য:
১৩ ভাগ ৪৫ গুণ ৩৪
বা, হিসাবটি হলো ১৩ ÷ ৪৫ × ৩৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি সমান ১৩
দ্বিতীয় সংখ্যাটি সমান ৪৫
তৃতীয় সংখ্যাটি সমান ৩৪
অতএব,
১৩ কে ৪৫ দ্বারা ভাগ করতে হবে
ভাগফলকে ৩৪ দ্বারা গুণ করতে হবে
সম্পূর্ণ হিসাবটি হলো ১৩ ÷ ৪৫ × ৩৪
সুতরাং,
সঠিক নিয়মে হিসাব করলে মান পাওয়া যায়
চূড়ান্ত ফলাফল হলো ৫১৬
উত্তর: ৫১৬
সঠিক উত্তর: A) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x ÷ ২ + ৩ = x ÷ ৩ + ৪
ধরি,
x যুক্ত পদগুলোকে একপাশে এবং সংখ্যাগুলোকে অন্যপাশে স্থানান্তর করি
সমীকরণটি দাঁড়ায় x ÷ ২ − x ÷ ৩ = ৪ − ৩
অতএব,
বামপক্ষের ভগ্নাংশগুলোর হর দুই ও তিন এর লসাগু হলো ছয়
হিসাব করে পাই (৩x − ২x) ÷ ৬ = ১
সুতরাং,
x ÷ ৬ = ১
উত্তর: x = ৬
সঠিক উত্তর: D) ১০ ও ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৫ ও ৮
উভয়ের সাথে ২ যোগ করলে অনুপাত হয় ২ ও ৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৮ক
অতএব,
শর্তমতে, (৫ক + ২) ÷ (৮ক + ২) = ২ ÷ ৩
বা, ৩ × (৫ক + ২) = ২ × (৮ক + ২)
বা, ১৫ক + ৬ = ১৬ক + ৪
সুতরাং,
১৬ক − ১৫ক = ৬ − ৪
ক = ২
উত্তর: সংখ্যা দুটি হলো ৫ × ২ = ১০ এবং ৮ × ২ = ১৬
সঠিক উত্তর: C) ৪টা
প্রদত্ত তথ্য:
৫টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
২৫% লাভে বিক্রয়মূল্য বের করতে হবে
ধরি,
১টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৫ টাকা
অতএব,
২৫% লাভে ১টি লেবুর বিক্রয়মূল্য হবে
(১ ÷ ৫) × (১২৫ ÷ ১০০) টাকা
সুতরাং,
হিসাব করে পাই ১টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৪ টাকা
উত্তর: ১ টাকায় ৪টি লেবু বিক্রয় করতে হবে
সঠিক উত্তর: D) ভূমি * উচ্চতা
প্রদত্ত তথ্য:
সামন্তরিকের ক্ষেত্রਫਲ নির্ণয়ের সূত্র চাওয়া হয়েছে
ধরি,
সামন্তরিকের ভূমি = ক
সামন্তরিকের উচ্চতা = খ
অতএব,
সামন্তরিকের ক্ষেত্রফল হলো এর ভূমির দৈর্ঘ্য এবং উচ্চতার গুণফল
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা
উত্তর: ভূমি × উচ্চতা
সঠিক উত্তর: A) শুশুক
কেন সঠিক:
- শুশুক হলো স্তন্যপায়ী জলজ প্রাণী, যা ফুলকার বদলে ফুসফুসের সাহায্যে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- পানির ওপরে এসে এরা শ্বাস নেয় এবং ফুসফুসে বাতাস জমা করে দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুশুক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্তন্যপায়ী জলজ জীব এবং বাতাস থেকে সরাসরি নিঃশ্বাস নেয়।
B) তিমি — যদিও তিমি বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়, তবে বাংলাদেশের বিশেষ প্রেক্ষাপটে এবং সাধারণ জ্ঞান বইয়ে শুশুককে প্রধানত এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়।
C) হাঙ্গর — এটি মাছ জাতীয় প্রাণী এবং এরা ফুলকার সাহায্যে পানির নিচেই দ্রবীভূত অক্সিজেন থেকে শ্বাস নেয়।
D) ডলפן — ডলফিনও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের জন্য শুশুককে উত্তর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শুশুক একটি জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী, তাই মাছের মতো ফুলকা না থেকে মানুষের মতো ফুসফুস থাকে এবং বাতাস থেকে শ্বাস নেয়।
সঠিক উত্তর: B) ২০৬
কেন সঠিক:
- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের কঙ্কালতন্ত্রে জন্মগত ও স্বাভাবিকভাবে মোট ২০৬ খানা হাড় থাকে।
- শিশুকালে হাড়ের সংখ্যা প্রায় ৩০০ অধিক থাকে, যা পরবর্তীতে বৃদ্ধি ও বিকাশের সাথে পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে ২০৬ টিতে রূপ নেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০৬ — এই সংখ্যাটি মানবদেহের মোট হাড়ের সংখ্যার অর্ধেক এবং এটি বৈজ্ঞানিক দিক থেকে ভুল।
B) ২০৬ — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক ও সঠিক হাড়ের সংখ্যা, যা প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) ৩০৬ — নবজাতক শিশুর দেহে হাড়ের সংখ্যা প্রায় ৩০০ এর কাছাকাছি হলেও প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
D) ৪০৬ — এই সংখ্যাটি মানবদেহের স্বাভাবিক হাড়ের সংখ্যার দ্বিগুণেরও বেশি এবং এটি কাল্পনিক সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি টু ফিঙ্গার (Two) এবং সিক্স (Six) মিলিয়ে মনে রাখতে পারো মানুষের হাড় ২০৬ টি।
সঠিক উত্তর: D) লৌহ
কেন সঠিক:
- কচুশাকে প্রচুর পরিমাণে লৌহ বা আয়রন থাকে, যা আমাদের শরীরের রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে এবং রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে।
- মানবদেহে লোহিত রক্তকণিকা গঠনে লৌহ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য খনিজ উপাদান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন এ — কচুশাকে ভিটামিন এ থাকলেও এটি এই শাকের সবচেয়ে প্রধান ও বিশেষ পরিচিত বৈশিষ্ট্য নয়।
B) ভিটামিন সি — ভিটামিন সি কচুশাকে উপস্থিত থাকলেও এই উপাদানের জন্য শাকটি বিশেষভাবে মূল্যবান হিসেবে পরিচিত নয়।
C) ক্যালসিয়াম — কচুশাকে ক্যালসিয়াম থাকে, তবে এটি লৌহের মতো এই পদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে চিহ্নিত হয় না।
D) লৌহ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং তা প্রশ্নের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
কচু খেলেই রক্ত বাড়ে, এই কথাটি মনে রাখলেই সহজেই উত্তর হিসেবে লৌহ বা আয়রনকে চিনে নেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) সালফিউরিক এসিড
কেন সঠিক:
- সাধারণ স্টোরেজ ব্যাটারী বা সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারীতে ইলেকট্রোলাইট বা তরল হিসেবে সালফিউরিক এসিডের জলীয় দ্রবণ ব্যবহার করা হয়।
- এই এসিড ব্যাটারীর সিসা ইলেকট্রোডের সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন ও সঞ্চয় করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোক্লোরিক এসিড — এটি অত্যন্ত ক্ষয়কারী এসিড হলেও সাধারণ স্টোরেজ ব্যাটারীতে ইলেকট্রোলাইট হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
B) সালফিউরিক এসিড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি ব্যাটারীর চার্জ সংরক্ষণে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
C) নাইট্রিক এসিড — এটি তীব্র জারক এসিড যা ব্যাটারীর ধাতব অংশের সাথে অনাকাঙ্ক্ষিত বিক্রিয়া ঘটাতে পারে এবং এটি এতে ব্যবহার করা হয় না।
D) এমোনিয়াম ক্লোরাইড — এটি মূলত শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ব্যাটারীতে পেস্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সিসার স্টোরেজ ব্যাটারীতে নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্টোরেজ ব্যাটারী বা আইপিএসের ব্যাটারীর সংক্ষিপ্ত রূপ মনে রাখতে 'এস' দিয়ে সিসা এবং সালফিউরিক এসিড মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) একই থাকে
কেন সঠিক:
- বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘোরার জন্য এর সাথে একটি রেজিস্টার বা নিয়ন্ত্রক ব্যবহার করা হয়, যা মূল বিদ্যুৎ প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করলেও মোট বিদ্যুৎ খরচে কোনো পরিবর্তন আনে না।
- পাখার গতি কমালেও মোট বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই থাকে কারণ এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শক্তি তাপ হিসেবে অপচয় হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেশি হয় — এটি ভুল কারণ ফ্যানের গতি কমালে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয় না।
B) কম হয় — এটি সাধারণ ধারণার বিপরীত, ফ্যান ধীরে চললেই বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় না।
C) খুব কম হয় — এটি ভুল কারণ নিয়ন্ত্রকের কারণে শক্তির অপচয় ঘটে ফলে খরচ কমে না।
D) একই থাকে — এটি সঠিক কারণ ফ্যানের গতির সাথে বিদ্যুৎ খরচের কোনো সরাসরি হ্রাসের সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
ফ্যানের গতি কমালেও বৈদ্যুতিক বিল একই থাকে, কারণ নিয়ন্ত্রক শুধু গতি কমায় কিন্তু বিদ্যুৎ খরচ কমায় না।
সঠিক উত্তর: A) অডিওমিটার
কেন সঠিক:
- অডিওমিটার হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যার সাহায্যে মানুষের শ্রবণশক্তি বা শব্দের তীব্রতা মাপা হয়।
- এটি বিশেষ করে কানের বিভিন্ন সমস্যা ও শোনার ক্ষমতা নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করতে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অডিওমিটার — এটি শব্দের তীব্রতা বা শ্রবণশক্তি পরিমাপের সঠিক যন্ত্র।
B) অডিওফোন — এটি মূলত বধির বা কম শোনা ব্যক্তিদের কানে লাগিয়ে শব্দ শোনার সহায়তা করার একটি যন্ত্র।
C) অ্যামিটার — এটি বৈদ্যুতিক সার্কিটে প্রবাহিত বিদ্যুতের প্রবাহ বা তড়িৎ প্রবাহ মাপা হয়।
D) অলটিমিটার — এটি বিমানের উচ্চতা নির্ণয় করার জন্য ব্যবহৃত একটি বিশেষ যন্ত্র।
মনে রাখার টিপস:
অডিও শব্দের অর্থ হলো শব্দ বা শোনার বিষয়, তাই শব্দের তীব্রতা মাপার যন্ত্রের নামের শুরুতে অডিও শব্দটি থাকে।
সঠিক উত্তর: C) সুর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে
কেন সঠিক:
- সূর্য ও চন্দ্রের মিলিত আকর্ষণ বল একই রেখায় কাজ করায় সমুদ্রের পানি বেশি ফুলে ওঠে এবং প্রবল জোয়ার সৃষ্টি হয়।
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় এই সরলরৈখিক অবস্থান ঘটে, যাকে সিজিজি বা বান ডাকে বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকে — চন্দ্র কাছে থাকলে জোয়ারের তীব্রতা কিছুটা বাড়ে, কিন্তু এটি প্রবল জোয়ারের মূল বৈজ্ঞানিক কারণ নয়।
B) পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে — জানুয়ারি মাসে পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে আসে, যা ঋতুভিত্তিক হলেও জোয়ারের প্রধান কারণ নয়।
C) সুর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রবল জোয়ার সৃষ্টির প্রধান কারণ।
D) সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণ করে থাকে — সমকোণে অবস্থান করলে সূর্য ও চন্দ্রের আকর্ষণ বল পরস্পরকে প্রতিহত করে, ফলে মরা জোয়ার বা লঘু জোয়ার সৃষ্টি হয়।
মনে রাখার টিপস:
সরলরেখা মানেই প্রবল টান, তাই সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকলে প্রবল জোয়ার হয়।
সঠিক উত্তর: B) অঙ্কোলজি
কেন সঠিক:
- অঙ্কোলজি হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে টিউমার ও ক্যানসার সংক্রান্ত রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- গ্রিক শব্দ অনকোস যার অর্থ টিউমার বা ভর এবং লজিয়া যার অর্থ অধ্যয়ন, এই দুটি শব্দ মিলে অঙ্কোলজি শব্দটি এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একোলজি — এটি কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শব্দ নয় এবং এর সঙ্গে টিউমার চর্চার কোনো সম্পর্ক নেই।
B) অঙ্কোলজি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) সাইটোলজি — এটি কোষ সংক্রান্ত বিজ্ঞান ও তার গঠন নিয়ে আলোচনা করে, টিউমার নিয়ে নয়।
D) টিউমারোলজি — এটি টিউমার চর্চার ক্ষেত্রে চিকিৎসাবিজ্ঞানের স্বীকৃত কোনো প্রমিত পরিভাষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
অংক বা টিউমার শরীরে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বৃদ্ধি পায়, তাই টিউমার চর্চাকে অঙ্কোলজি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) টিটেনাস
কেন সঠিক:
- টিটেনাস রোগটি ভাইরাস দ্বারা নয়, বরং ক্লোট্রিডিয়াম টেটানি নামক ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সংক্রমিত হয়।
- এই ব্যাকটেরিয়া ক্ষতস্থানের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এবং স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে বিষাক্ত উপাদান ছড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিটেনাস — এটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) ইনফ্লুয়েঞ্জা — এটি অর্থোমাইকসোভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি পরিচিত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ।
C) চিকেন পক্স — এটি ভেরিসেলা জোস্টার নামক ভাইরাসজনিত অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ।
D) হাম — এটি মরবিলিভাইরাস নামক ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত একটি অতি পরিচিত রোগ।
মনে রাখার টিপস:
ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ মনে রাখতে টিটেনাস শব্দটি মাথায় রাখুন, কারণ এটি ভাইরাস নয় বরং ব্যাকটেরিয়া ঘটিত।
সঠিক উত্তর: D) মূলে
কেন সঠিক:
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য উদ্ভিদের সবুজ অংশে ক্লোরোফিল এবং সূর্যালোকের উপস্থিতি আবশ্যক।
- উদ্ভিদের মূল সাধারণত মাটির নিচে অন্ধকারে থাকে এবং এতে ক্লোরোফিল না থাকায় সালোকসংশ্লেষণ ঘটে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাতায় — এটি উদ্ভিদের প্রধান অঙ্গ যেখানে প্রচুর ক্লোরোফিল থাকে এবং নিয়মিত সালোকসংশ্লেষণ ঘটে।
B) সবুজ কান্ডে — কচি ও সবুজ কান্ডে ক্লোরোফিল থাকে বলে সেখানেও সালোকসংশ্লেষণ হতে পারে।
C) শাখা-প্রশাখায় — কচি শাখা-প্রশাখার সবুজ ত্বকেও ক্লোরোফিল থাকায় সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
D) মূলে — এটি মাটির নিচে থাকে ও ক্লোরফিলহীন হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সবুজ অংশ মানেই ক্লোরোফিল আর সালোকসংশ্লেষণ, তাই মাটির নিচের অসবুজ মূল বা শেকড়ে কখনোই এটি ঘটে না।
সঠিক উত্তর: C) কার্বন ডাই–অক্সাইড
কেন সঠিক:
- শ্বসন প্রক্রিয়ায় জীবকোষ গ্লুকোজ ভেঙে শক্তি উৎপন্ন করে এবং উপজাত হিসেবে কার্বন ডাই–অক্সাইড ত্যাগ করে।
- এই উৎপাদিত কার্বন ডাই–অক্সাইড কোষ থেকে রক্তে মিশে ফুসফুসের মাধ্যমে দেহ থেকে বাইরে নির্গত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন — এটি শ্বসন প্রক্রিয়ায় পরিবেশ থেকে গৃহীত হয়, নির্গত হয় না।
B) নাইট্রোজেন — এটি শ্বাসবায়ুর সাথে প্রবেশ করে এবং যেভাবে প্রবেশ করে ঠিক সেভাবেই নির্গত হয়, শ্বসন প্রক্রিয়ায় এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
D) উপরের সবগুরোই — যেহেতু অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন শ্বসনে নির্গত হয় না, তাই এই অপশনটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
শ্বসন মানে অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাই–অক্সাইড ত্যাগ করা।
সঠিক উত্তর: A) ২১ জুন
কেন সঠিক:
- ২১ জুন তারিখটিকে উত্তর গোলার্ধের কর্কটসংক্রান্তি বলা হয়, যখন সূর্য উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে কাছাকাছি থাকে।
- এই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করে এবং বছরের দীর্ঘতম রাত ও ক্ষুদ্রতম দিন উপভোগ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ জুন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে সর্বোচ্চ দূরত্বে অবস্থান করে।
B) ২১ জুলাই — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এই দিনে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে সর্বোচ্চ দূরত্বের অবস্থানে থাকে না।
C) ২৩ সেপ্টেম্বর — এটি জলবিষুবের দিন, যখন দিন ও রাত সমান হয় এবং সূর্য নিরক্ষরেখার ওপর লম্বালম্বিভাবে কিরণ দেয়।
D) ২২ ডিসেম্বর — এটি মকরসংক্রান্তি, যা দক্ষিণ গোলার্ধের জন্য সূর্যের সবচেয়ে কাছের অবস্থান এবং দীর্ঘতম দিন।
মনে রাখার টিপস:
উত্তর গোলার্ধের বড় দিন ২১ জুন মানেই দক্ষিণ গোলার্ধের সবচেয়ে দূরে সূর্য থাকার দিন।
সঠিক উত্তর: B) ৬৮ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট ৬৮ জনকে বীরোত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬০ জন — এটি সঠিক সংখ্যা নয়, মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতিক খেতাবপ্রাপ্তের সংখ্যা ৪২৬ জন।
B) ৬৮ জন — এটি সঠিক উত্তর এবং মুক্তিযুদ্ধে বীরোত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা।
C) ৭২ জন — এটি ভুল সংখ্যা, বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত শহীদের সংখ্যা ৭ জন।
D) ৭৮ জন — এটি ভুল সংখ্যা, মুক্তিযুদ্ধে বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্তের সংখ্যা ১৭৫ জন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের খেতাবগুলো মনে রাখুন এভাবে: বীরশ্রেষ্ঠ ৭, বীরউত্তম ৬৮, বীরবিক্রম ১৭৫ এবং বীরপ্রতিক ৪২৬।
সঠিক উত্তর: D) হাকালুকি
কেন সঠিক:
- হাকালুকি হাওড় বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওড় এবং এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ১৮,১৫৬ হেক্টর এবং এটি জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইল — এটি শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত একটি ছোট জলাভূমি বা বিল, বৃহত্তম হাওড় নয়।
B) চলন বিল — এটি নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলায় বিস্তৃত দেশের বৃহত্তম বিল, হাওড় নয়।
সি) পাথর চাওলি — এটি কোনো পরিচিত হাওড় বা জলাভূমির নাম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
D) হাকালুকি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের আয়তনে সবচেয়ে বড় হাওড়।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বড় হাওড় হাকালুকি (হ দিয়ে শুরু), আর সবচেয়ে বড় বিল চলন বিল।
সঠিক উত্তর: C) উত্তরবঙ্গ কাগজ কল, পাকশী
কেন সঠিক:
- উত্তরবঙ্গ কাগজ কলে কাঁচামাল হিসেবে আখের ছোবড়া বা ব্যাগাস ব্যবহার করা হয়।
- এটি চিনিকলের উপজাত হিসেবে পাওয়া আখের বর্জ্য ব্যবহার করে কাগজ উৎপাদনের জন্য পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্ণফুলী কাগজ কল, চন্দ্রঘোনা — এখানে কাঁচামাল হিসেবে মূলত বাঁশ ও কাঠ ব্যবহার করা হয়।
B) খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল, খালিশপুর — এখানে কাঁচামাল হিসেবে গেওয়া কাঠ ব্যবহার করা হতো।
D) পার্টিকেল বোর্ড মিল, নারায়ণগঞ্জ — এটি কাগজ কল নয়, এবং এখানে সাধারণত কাঠের গুঁড়া ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
উত্তরবঙ্গ চিনিকল এলাকা, তাই সেখানে আখের ছোবড়া বা ব্যাগাস দিয়ে কাগজ তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
কেন সঠিক:
- হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- তিনি এই সম্মানজনক পদে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী — প্রদত্ত এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি ছিলেন।
B) বি. এ. সিদ্দিকী — তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন, তবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ছিলেন না।
C) খাজা ওয়াসী উদ্দিন — তিনি একজন প্রখ্যাত সামরিক কর্মকর্তা ও কূটনীতিক ছিলেন, কিন্তু এই পদে নির্বাচিত হননি।
D) ড. কামাল হোসেন — তিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, জাতিসংঘ সভাপতি নন।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম ওপরে তুলেছিলেন হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, যিনি সাধারণ পরিষদেরও প্রথম সভাপতি।
সঠিক উত্তর: C) পীর খান জাহান আলী
কেন সঠিক:
- খান জাহান আলী পঞ্চদশ শতাব্দীতে সুন্দরবন অঞ্চলের উন্নতিকল্পে ও ইসলাম প্রচারের জন্য খলিফাবাদ রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- তাঁর শাসনামলেই বাগেরহাটে ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদসহ বহু স্থাপত্য নির্মিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হযরত আমানত শাহ — তিনি চট্টগ্রামের একজন বিখ্যাত সুফি সাধক ও ইসলাম প্রচারক ছিলেন, বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ নির্মাণের সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) বায়েজীদ বোস্তামী — তিনি একজন বিশ্ববিখ্যাত ফার্সি সুফি সাধক, যাঁর মাজার চট্টগ্রামে অবস্থিত এবং তিনি এই মসজিদ নির্মাণ করেননি।
C) পীর খান জাহান আলী — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।
D) সুফী শাহ মখদুম — তিনি রাজশাহীর ইসলাম প্রচারের সাথে যুক্ত একজন খ্যাতনামা সাধক ছিলেন, বাগেরহাটের স্থাপত্যের সাথে তাঁর সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক স্থাপনা মানেই খান জাহান আলী।
সঠিক উত্তর: B) ময়নামতিতে
কেন সঠিক:
- আনন্দ বিহার কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার একটি অন্যতম প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।
- অষ্টম শতাব্দীতে দেববংশের রাজা শ্রীভবদেব এই ঐতিহাসিক বিহারটি নির্মাণ করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহীতে — এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের অংশ এবং এখানে পাহাড়পুর বা ময়নামতির মতো বিখ্যাত আনন্দ বিহার নেই।
B) ময়নামতিতে — এটি সঠিক উত্তর কারণ আনন্দ বিহার এখানেই অবস্থিত।
C) পাহাড়পুরে — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত এবং এখানে সোমপুর মহাবিহার রয়েছে, আনন্দ বিহার নয়।
D) মহাস্থানগড় — এটি বগুড়ায় অবস্থিত প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী, যেখানে গোবিন্দভিটা ও বৈরাগীর ভিটা রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
আনন্দ বিহার ও শালবন বিহার উভয়ই কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) জালালাবাদ
কেন সঠিক:
- হযরত শাহজালাল (রহ.) এর সিলেট বিজয়ের পর ত্রয়োদশ শতাব্দীতে এই অঞ্চলের নাম পরিবর্তন করে জালালাবাদ রাখা হয়।
- মুঘল আমল ও পরবর্তীতে বিভিন্ন শাসনামলে প্রশাসনিক নথিপত্র এবং মুদ্রায় সিলেটের নাম জালালাবাদ হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জালালাবাদ — এটি সিলেটের ঐতিহাসিক পূর্ব নাম, যা হযরত শাহজালাল (রহ.) এর নামানুসারে রাখা হয়েছিল।
B) নাসিরাবাদ — এটি বর্তমান ময়মনসিংহ জেলার প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নাম, যা সিলেট অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য নয়।
সি) বরেন্দ্রভূমি — এটি উত্তরবঙ্গের রাজশাহী বিভাগের প্রাচীন জনপদ ও ভূমিরূপ, যা সিলেট অঞ্চলের প্রাচীন নাম নয়।
ডি) সুবর্ণগ্রাম — এটি বর্তমান সোনারগাঁও এর প্রাচীন নাম এবং ঐতিহাসিক প্রশাসনিক কেন্দ্র, যা সিলেটের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিলেট ও শাহজালাল নামের সাথে মিলিয়ে মনে রাখবে যে, শাহজালালের নামানুসারেই সিলেটের পূর্ব নাম হয়েছিল জালালাবাদ।
সঠিক উত্তর: B) ময়মনসিংহে
কেন সঠিক:
- ন্যাপ (NAPE) অর্থাৎ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন, গবেষণা এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রধান জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকায় — এটি দেশের রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র হলেও ন্যাপ এখানে অবস্থিত নয়, এখানে বিসি প্রশাসন একাডেমি অবস্থিত।
B) ময়মনসিংহে — এটি সঠিক উত্তর কারণ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি এই জেলায় অবস্থিত।
C) রাজশাহীতে — এটি উত্তরবঙ্গের প্রধান শহর হলেও এখানে ন্যাপ অবস্থিত নয়, এখানে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর রয়েছে।
D) কুমিল্লায় — এটি ঐতিহাসিক স্থান হলেও এখানে ন্যাপ অবস্থিত নয়, এখানে বার্ড (BARD) অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে ময়মনসিংহ মনে রাখুন, কারণ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (ন্যাপ) সেখানেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) জর্ডান
কেন সঠিক:
- আকাবা হলো জর্ডানের একমাত্র সমুদ্র বন্দর এবং লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগরের উত্তর তীরে এর অবস্থান।
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশ জর্ডানের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান সামুদ্রিক পথ হিসেবে এই বন্দরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইয়েমেন — এটি আরব উপদ্বীপের একটি দেশ এবং এর প্রধান বন্দর হলো এডেন ও হুদায়দা, আকাবা নয়।
B) কাতার — এটি পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী একটি উপদ্বীপ দেশ এবং এর প্রধান বন্দর হলো হামাদ ও দোহা।
C) ওমান — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং এর প্রধান বন্দর হলো সালালাহ ও মাসকাট।
D) জর্ডান — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি জর্ডানের একমাত্র সমুদ্র বন্দর।
মনে রাখার টিপস:
জর্ডানের একমাত্র বন্দর আকাবা, যা লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) কেনাবেচা
১. কেন সঠিক:
বেসাতি একটি বিশেষ্য পদ যার আক্ষরিক ও প্রায়োগিক অর্থ হলো কেনাবেচা বা পণ্যের ব্যবসা।
বাংলা ভাষায় শব্দটি মূলত কোনো কিছু ক্রয়-বিক্রয় করা অর্থে বহুল ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দটি বাংলা শব্দভান্ডারে একটি ঐতিহ্যবাহী শব্দ হিসেবে পরিচিত যা প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সাহিত্যেও পাওয়া যায়।
শব্দার্থের দিক থেকে এটি কোনো বিশেষ বস্তু বা উপাদানের নাম নয়, বরং একটি বাণিজ্যিক লেনদেন বা কারবারকে বোঝায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাজারে গিয়ে বেসাতি করা আমার কাজ নয়।
ব্যাখ্যা: এখানে বেসাতি শব্দটি কেনাবেচা বা বাজার করার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: নিত্যপ্রয়োজনীয় বেসাতির জন্য দোকানে ভিড় জমেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে কেনাবেচার সামগ্রী বা বাণিজ্য অর্থে শব্দটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পোষাক — পোষাক অর্থ পরিধেয় বস্ত্র যা বেসাতি শব্দের অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
B) সাজসজ্জা — সাজসজ্জা অর্থ রূপচর্চা বা অলংকরণ যা কেনাবেচা শব্দের সমার্থক নয়।
C) উপকরণ — উপকরণ অর্থ উপাদান বা সামগ্রী যা বেসাতি শব্দের মূল বাণিজ্যিক অর্থ প্রকাশ করে না।
D) কেনাবেচা — এটি বেসাতি শব্দের সঠিক ও অভিধানসম্মত অর্থ।
৫. মনে রাখার টিপস:
বেসাতি মানে ব্যবসা বা কেনাবেচা এভাবে মনে রাখতে পারো যে বাজারে বেচাকেনাকেই বেসাতি বলা হয়।
বাণিজ্যিক লেনদেন বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই প্রমিত শব্দের সঠিক অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
একই ধরনের সমার্থক বা ভিন্নার্থক শব্দের ক্ষেত্রে অভিধানের প্রমিত অর্থ অনুসরণ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) শওকত আলী
১. কেন সঠিক:
- ওয়ারিশ উপন্যাসটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক শওকত আলী।
- এই উপন্যাসে মানুষের জীবন সংগ্রাম ও সামাজিক বাস্তবতার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শওকত আলী বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক।
- তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে আরও রয়েছে প্রদোষে প্রাকৃতজন ও দক্ষিণায়ন কক্ষ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রদোষে প্রাকৃতজন
ব্যাখ্যা: এটি শওকত আলীর একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী।
উদাহরণ ২: দক্ষিণায়ন কক্ষ
ব্যাখ্যা: এটি শওকত আলীর রচিত আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা সমাজ জীবনের ওপর আধারিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত ওসমান — তিনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও ওয়ারিশ উপন্যাসের লেখক নন, তার বিখ্যাত উপন্যাসের নাম ক্রীতদাসের হাসি।
B) রফিক আজাদ — তিনি মূলত একজন বিশিষ্ট আধুনিক কবি, উপন্যাস রচনার জন্য তিনি প্রধানত পরিচিত নন।
C) শওকত আলী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়।
D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও ওয়ারিশ উপন্যাসটি তার রচিত নয়, তার বিখ্যাত উপন্যাস শ্রীকান্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শওকত আলীর বিখ্যাত উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো ওয়ারিশ প্রদোষে দক্ষিণায়ন কক্ষে বসে আছে।
- লেখকের নামের সঙ্গে উপন্যাসের নাম মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষা হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শওকত আলীর উপন্যাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে প্রদোষে প্রাকৃতজন গ্রন্থটির নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: A) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
- পদ্মা নদীর মাঝি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলের কূর্ত্তিপাড়া গ্রামের জেলে সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা ও সংগ্রাম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজ বাস্তবতাবাদী উপন্যাসের অন্যতম প্রধান রূপকার।
- ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে আবহমান বাংলার খেটে খাওয়া মানুষের সুখ দুঃখের নিখুঁত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুতুলনাচের ইতিকথা
ব্যাখ্যা: এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত সমাজ বাস্তবতাবাদী উপন্যাস।
উদাহরণ ২: দিবারাত্রির কাব্য
ব্যাখ্যা: এটিও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বাংলা সাহিত্যের একটি ধ্রুপদী উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ পদ্মা নদীর মাঝি একটি কালজয়ী উপন্যাস।
B) ভ্রমণ কাহিনী — ভ্রমণ কাহিনী বলতে কোনো স্থান ভ্রমণের বিবরণ বোঝায়, যা এই গ্রন্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) রম্যরচনা — রম্যরচনা মূলত হাস্যরসাত্মক বা হালকা চালে লেখা প্রবন্ধ, যা এই উপন্যাসের গম্ভীর বিষয়ের সঙ্গে মেলে না।
D) নাটক — নাটক হলো অভিনয়ের জন্য লিখিত দৃশ্যকাব্য, কিন্তু পদ্মা নদীর মাঝি কোনো নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিগুলো মনে রাখতে পদ্মা নদীর মাঝির কথা মনে রাখবে।
- এটি একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস যা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পদ্মা নদীর মাঝির প্রকাশকাল ১৯৩৬ সাল এবং এর প্রধান চরিত্র কুবের ও মালা।
- লেখকের নাম মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর প্রকৃত নাম প্রবোধ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
সঠিক উত্তর: D) বন্দে আলী মিয়া
১. কেন সঠিক:
- ময়নামতি চর কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক বন্দে আলী মিয়া।
- গ্রামীণ প্রকৃতি, নদীমাতৃক বাংলাদেশ এবং সাধারণ মানুষের সহজ-সরল জীবনযাত্রা তাঁর রচনার মূল উপজীব্য।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বন্দে আলী মিয়া একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, চিত্রশিল্পী ও সাংবাদিক হিসেবে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছিলেন।
- তাঁর রচিত ময়নামতি চর বাংলা গ্রামীণ সাহিত্যধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ময়নামতি চর
ব্যাখ্যা: এটি বন্দে আলী মিয়ার বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ যা গ্রামীণ প্রকৃতি ও জনজীবনকে ফুটিয়ে তোলে।
উদাহরণ ২: ময়নামতি
ব্যাখ্যা: এটি কুমিল্লার একটি ঐতিহাসিক স্থান ও প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন যা বাংলা সাহিত্যে ও ইতিহাসে বিখ্যাত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যতীন্দ্রমোহন বাগচী — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি হলেও ময়নামতি চর কাব্যগ্রন্থটি তাঁর রচিত নয়।
B) হুমায়ুন কবীর — তিনি মূলত আধুনিক যুগের প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, এই কাব্যের রচয়িতা নন।
C) রওশন ইজদানী — তিনি একজন লেখক ও গবেষক হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর নয়।
D) বন্দে আলী মিয়া — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বন্দে আলী মিয়া মানেই গ্রামীণ প্রকৃতি এবং চরভিত্তিক কবিতার এক অনন্য নাম।
- ময়নামতি চর নামটি দেখলেই বন্দে আলী মিয়ার নাম মনে রাখতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গ্রামীণ পটভূমির কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- কবি বন্দে আলী মিয়ার অন্যান্য বিখ্যাত রচনা সম্পর্কে ধারণা রাখা পরীক্ষার জন্য জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য নীল লোহিত ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।
- নীল লোহিত চরিত্র ও এই ছদ্মনামে লেখা গল্প ও উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙালি ঔপন্যাসিক, কবি ও প্রাবন্ধিক।
- তাঁর সৃষ্ট নীল লোহিত চরিত্রটি এক চিরতরুণ ও রোমান্টিক যুবকের প্রতীক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম নীল লোহিত
ব্যাখ্যা: এই ছদ্মনামে তিনি বহু জনপ্রিয় গল্প ও উপন্যাস লিখেছেন।
উদাহরণ ২: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের আরেকটি ছদ্মনাম সনাতন পাঠক
ব্যাখ্যা: তিনি লেখার প্রয়োজনে একাধিক ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমরেশ মজুমদার — সমরেশ মজুমদারের বিখ্যাত ছদ্মনাম কালকূট হলেও তিনি নীল লোহিত নামে লেখেননি।
B) রাজ শেখর বসু — রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম পরশুরাম, যা বাংলা ব্যঙ্গসাহিত্যে বিখ্যাত।
D) সমর সেন — সমর সেন আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, তাঁর কোনো নির্দিষ্ট বিখ্যাত ছদ্মনাম নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নামের প্রথম অক্ষর স এবং তাঁর জনপ্রিয় ছদ্মনামের প্রথম অক্ষর ল দিয়ে নীল লোহিত মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রখ্যাত লেখকদের ছদ্মনাম ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ক্রিয়া
কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ক্রিয়াপদের সাথে অন্য কোনো পদের সন্ধি সাধিত হয় না।
- ক্রিয়ামূল বা ধাতু এবং ক্রিয়াপদের গঠন প্রক্রিয়ায় সন্ধির নিয়ম সাধারণত প্রযোজ্য হয় না।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সন্ধি মূলত তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ব্যাকরণের নিয়মে বেশি কার্যকর হয়।
- পদের সাথে পদের মিলনের ক্ষেত্রে বিশেষ্য, বিশেষণ এবং অব্যয়ের মধ্যে সন্ধি হলেও ক্রিয়ার ক্ষেত্রে তা হয় না।
- যেমন: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় (বিশেষ্য পদের সন্ধি)।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদের সাথে অন্য পদের সন্ধি হওয়া সম্ভব।
- B) বিশেষণ — বিশেষণ পদের সাথেও সন্ধি সাধিত হতে পারে।
- C) ক্রিয়া — ক্রিয়াপদের সাথে সন্ধি হয় না বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
- D) অব্যয় — অব্যয় পদের সাথেও সন্ধির নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে, বিশেষ্য, বিশেষণ ও অব্যয়ের সন্ধি হয় কিন্তু ক্রিয়ার সাথে হয় না।
সঠিক উত্তর: A) দৃশ + অনীয়
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে দৃশ ধাতুর সঙ্গে অনীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দর্শনীয় শব্দটি গঠিত হয়।
এখানে সংস্কৃতে দৃশ ধাতুর রূপ পরিবর্তন হয়ে দর্শন বা দর্শনীয় গঠন তৈরি করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দের ক্ষেত্রে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দৃশ ধাতু এবং অনীয় প্রত্যয় মিলে দর্শনীয় শব্দটি প্রস্তুত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চদ্ + অনীয় = চন্দনীয়
ব্যাখ্যা: চদ্ ধাতুর সঙ্গে অনীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কৃ + অনীয় = করণীয়
ব্যাখ্যা: কৃ ধাতুর সঙ্গে অনীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে করণীয় গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দৃশ + অনীয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সঠিক ধাতু ও প্রত্যয়ের মিলন।
B) দৃশ্য + অনীয় — দৃশ্য কোনো মূল ধাতু নয়, তাই এই বিভাজন ব্যাকরণসম্মত নয়।
C) দৃশ্য + নীর — নীর একটি ভিন্ন শব্দ, যা এই শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) দৃশ +নীয় — এখানে প্রত্যয়ের অংশ ভুলভাবে যুক্ত করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
দর্শনীয় শব্দটির মূল অংশ খুঁজতে হলে দৃশ ধাতু এবং অনীয় প্রত্যয় মনে রাখতে হবে।
ধাতু চেনার জন্য শব্দের শুরুর অংশ এবং প্রত্যয় চেনার জন্য শেষের অংশ আলাদা করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দগঠন আয়ত্ত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) অধিকরণ কারক
কেন সঠিক:
- কান্নায় শব্দটি দ্বারা শোক কমার স্থান বা সময় বোঝানো হয়েছে।
- এটি ক্রিয়া সম্পাদনের আধার বা বিষয় হিসেবে কাজ করেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে।
- বিষয়াধিকরণ বা ভাবাধিকরণের নিয়م অনুযায়ী এটি অধিকরণ কারক হয়েছে।
- কান্নায় শোক কমে, তেমনি জ্ঞানে আলো ছড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অপাদান কারক — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা ভীত হয় তা অপাদান কারক।
- B) অধিকরণ কারক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) করণ কারক — যার দ্বারা ক্রিয়া সাধিত হয় তাকে করণ কারক বলে।
- D) সম্প্রদান কারক — স্বত্ব ত্যাগ করে কাউকে কিছু দান করলে সম্প্রদান কারক হয়।
মনে রাখার টিপস:
- কিসের মাধ্যমে বা কিসের সাহায্যে বুঝালে করণ কারক এবং কিসে বা কখন বুঝালে অধিকরণ কারক হয়।
সঠিক উত্তর: B) উপমিত
১. কেন সঠিক:
- সোনা মুখ যার, এই ব্যাসবাক্যে মুখকে সোনার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং সাধারণ ধর্ম অর্থাৎ মুখের সৌন্দর্য বা উজ্জ্বলতা উহ্য রয়েছে।
- উপমেয় পদের সঙ্গে উপমান পদের যে সমাসে সাধারণ ধর্ম উল্লেখ থাকে না এবং উপমেয় পদটি পূর্বে বসে, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে সাধারণ গুণবাচক পদের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সঙ্গে উপমানের তুলনা করা হয় এবং উপমেয় পদটি সাধারণত পূর্বে বসে, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
- এখানে মুখ হলো উপমেয় এবং সোনা হলো উপমান, যেখানে সাধারণ ধর্ম উজ্জ্বলতা বা মূল্যবানতা উহ্য আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দ্রমুখ
ব্যাখ্যা: চন্দ্রের ন্যায় মুখ, যার ব্যাসবাক্যে মুখকে চাঁদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের একটি জনপ্রিয় উদাহরণ।
উদাহরণ ২: পুরুষসিংহ
ব্যাখ্যা: পুরুষের ন্যায় সিংহ, এখানে পুরুষ হলো উপমেয় এবং সিংহ হলো উপমান, যা উপমিত কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপমান — উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের উল্লেখ থাকে এবং উপমান পদটি পূর্বে বসে, কিন্তু সোনামুখ শব্দে সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকায় এটি এই সমাস নয়।
B) উপমিত — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই ধারার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায় কারণ এখানে সাধারণ ধর্ম উহ্য আছে।
C) রূপক — রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ বা কল্পিত রূপ বোঝানো হয়, যা সোনামুখ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) মধ্যপদলোপী — মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে সমাসবদ্ধ করার সময় মাঝের পদ লুপ্ত হয়, কিন্তু সোনামুখ শব্দের ব্যাসবাক্যে মাঝের পদ লুপ্ত হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তুলনা করার সময় যদি ব্যাসবাক্যের শেষে ন্যায় বা রূপ থাকে এবং সাধারণ ধর্ম অনুপস্থিত থাকে, তবে তা উপমিত সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে হয়।
- মুখ সংক্রান্ত রূপক ও উপমিত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- উপমান ও উপমিত সমাসের পার্থক্য মনে রাখতে হলে সাধারণ ধর্মের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অলুক তৎপুরুষ সমাস
কেন সঠিক:
- এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না।
- কলুর এর 'র' বিভক্তি সমস্ত পদেও বহাল থাকে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।
- কলুর বলদ বলতে এমন এক ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি গ্লানিহীনভাবে একটানা কঠোর পরিশ্রম করে যান।
- যেমন গায়ে পড়া = গায়ে যে পড়া (এখানে 'এ' বিভক্তি লোপ পায়নি)।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) উপপদ তৎপুরুষ — কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে এটি বলে, কিন্তু এখানে তা হয়নি।
- B) অলুক তৎপুরুষ সমাস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
- C) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — এই সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যবর্তী পদ সম্পূর্ণ লোপ পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) উপমিত কর্মধারয় — সাধারণ গুর্লের উল্লেখ না করে উপমেয়ের সাথে উপমানের যে তুলনা বোঝায়, এটি তা নয়।
মনে রাখার টিপস:
- ব্যাসবাক্যে যদি পূর্বপদে বিভক্তি (যেমন র, এর) থাকে এবং সমস্ত পদেও তা থেকে যায়, তবে চোখ বন্ধ করে অলুক তৎপুরুষ সমাস দাগাবে।
সঠিক উত্তর: D) ক্রীতদাসের হাসি
১. কেন সঠিক:
ক্রীতদাসের হাসি হলো বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
এই উপন্যাসে আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের পটভূমিতে মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণ এবং তোষামোদ সংস্কৃতির পৈশাচিক রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শওকত ওসমান ১৯১৭ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তার প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান।
তিনি মূলত মানুষের সমাজজীবন, মনস্তত্ত্ব ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে উপন্যাস ও ছোটগল্প লিখে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জলাঙ্গী
ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা গ্রামীণ সমাজের পটভূমিতে লেখা হয়েছে।
উদাহরণ ২: জাহান্নাম হইতে বিদায়
ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বহুল পঠিত ও জনপ্রিয় উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চৌচির — এটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন রচিত একটি উপন্যাস, শওকত ওসমানের রচনা নয়।
B) সত্য-মিথ্যা — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ, যা শওকত ওসমানের সাহিত্যকর্ম নয়।
C) পদ্মা-মেঘনা-যমুনা — এটি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক আবু বকর সিদ্দিক রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
D) ক্রীতদাসের হাসি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি শওকত ওসমানের বিখ্যাত উপন্যাস।
৫ মনে রাখার টিপস:
শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসের মূল চরিত্র আজমত উটচালক, যা মনে রাখলে পরীক্ষার উত্তর করা সহজ হয়।
তার রাজনৈতিক ও রূপক উপন্যাসগুলো সহজে মনে রাখতে ক্রীতদাসের হাসি ও জাহান্নাম হইতে বিদায় একসঙ্গে পড়তে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শওকত ওসমান রচিত ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসের রচয়িতা বা এর পটভূমি প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
একইভাবে অন্যান্য লেখকের বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস ও তার প্রেক্ষাপট ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সরণি
১. কেন সঠিক:
- 'পথ' শব্দের একটি প্রচলিত সমার্থক বা প্রতিশব্দ হলো 'সরণি', যার অর্থ রাস্তা, পথ বা গলি।
- বাংলা একাডেমি আধুনিক প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'সরণি' বানানটিতে দন্ত ন (ন) এবং ই-কার (ি) ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ, যেগুলো ভিন্ন রূপের হওয়া সত্ত্বেও প্রায় একই রকম অর্থ প্রকাশ করে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও বানান শুদ্ধভাবে জানার জন্য সমার্থক শব্দ অধ্যায়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাস্তা
ব্যাখ্যা: এটি পথ শব্দের সবচেয়ে পরিচিত এবং বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: পন্থ
ব্যাখ্যা: এটি পথ শব্দের একটি তৎসম বা অর্ধতৎসম সমার্থক রূপ যা কবিতায় প্রায়শই ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরণি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সঠিক বানান ও অর্থ বজায় রয়েছে।
B) সমরণি — এটি একটি অপ্রচলিত এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল শব্দ গঠন।
C) স্বরণী — এই বানানে ব-ফলা ও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের কারণে এটি বানানরীতির বিচারে ভুল।
D) সরনি — এই বানানে দন্ত ন-এর পরিবর্তে মূর্ধন্য ণ কিংবা ভুল ই-কার ব্যবহারের ফলে বানানটি ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পথ শব্দের সমার্থ শব্দ মনে রাখতে সরণি শব্দটি ছোট এবং সহজ হওয়ায় এটি বারবার লিখে চর্চা করা উচিত।
- বানানের ক্ষেত্রে শেষ বর্ণে সবসময় রস ই-কার ব্যবহার করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত বানান খেয়াল রাখতে হবে।
- একই শব্দের একাধিক সমার্থক শব্দ যেমন রাস্তা, সড়ক, পথ ও সরণি একত্রে নোট করে পড়লে ভালো ফল পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যয়
১. কেন সঠিক:
- সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ, অনিশ্চয়তা বা মন দ্বিধান্বিত থাকা। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে প্রত্যয় শব্দ, যার অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা আস্থা।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব বা অর্থের গভীরতা অনুধাবন করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত। মূল শব্দের উৎস এবং অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিপরীত শব্দ চয়ন করতে হয়।
- তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই প্রকাশ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞ – অকৃতজ্ঞ
ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপকার স্বীকারকারী এবং এর বিপরীত হলো উপকার স্বীকার না করা ব্যক্তি।
উদাহরণ ২: অনুরাগ – বিরাগ
ব্যাখ্যা: অনুরাগ শব্দের অর্থ আসক্তি বা প্রেম এবং এর বিপরীত হলো বিরাগ বা ঘৃণা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্ভর — নির্ভর শব্দের অর্থ কোনো কিছুর ওপর ভরসা করা বা আশ্রয় নেওয়া, যা সংশয়ের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) বিস্ময় — বিস্ময় শব্দের অর্থ অবাক হওয়া বা তাজ্জব বনে যাওয়া, যা সংশয়ের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
D) দ্বিধা — দ্বিধা শব্দের অর্থ সংশয় বা সন্দেহ নিজেই, তাই এটি বিপরীত শব্দ না হয়ে সমার্থক শব্দের কাছাকাছি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংশয় মানে সন্দেহ আর প্রত্যয় মানে বিশ্বাস, এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হবে না।
- বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের আসল অর্থ বোঝার অভ্যাস করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
- শব্দের উৎস এবং উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগে গঠিত বিপরীত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ঢেউ
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে জলাশয়, পুকুর এবং দীঘি হলো একজাতীয় বদ্ধ জলের উৎস বা সমার্থক শব্দ।
- পক্ষান্তরে ঢেউ হলো বাতাসের প্রভাবে জলের উপরিভাগে সৃষ্ট আন্দোলন, যা জলের আধারের সমার্থক নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যাদের অর্থের মধ্যে সাদৃশ্য বা মিল রয়েছে।
- এই প্রশ্নে জল ধারণকারী স্থান বা জলাধারের সমার্থক শব্দের ভিড়ে বায়ুর প্রভাবে জলের গতিরূপ বা তরঙ্গকে আলাদা করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুষ্করণীক, সরোবর, হ্রদ।
ব্যাখ্যা: এগুলো জলাশয় বা পুকুরের সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: লহরী, ঊর্মি, তরঙ্গ।
ব্যাখ্যা: এগুলো ঢেউ বা জলের আন্দোলনের সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলাশয় — এটি পানি জমে থাকে এমন স্থান বোঝায় যা পুকুর বা দীঘির সমার্থক।
B) পুকুর — এটি ছোট আকারের জলাশয় যা জলাশয়ের অন্তর্ভুক্ত এবং সমার্থক।
C) দীঘি — এটি বড় আকারের জলাশয় যা পুকুর ও জলাশয়ের সমার্থক।
D) ঢেউ — এটি পানির উপরিভাগের আন্দোলন বোঝায়, তাই এটি জলাশয়ের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জল ধারণকারী স্থানগুলোকে এক দলে রাখো এবং জলের গতি বা আন্দোলনকে অন্য দলে ফেলো।
- জলাশয় সম্পর্কিত শব্দগুলোর সাথে তরঙ্গের শব্দ গুলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ও ভাবার্থ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
- একই ক্যাটাগরির তিনটির সাথে ব্যতিক্রম একটি শব্দ আলাদা করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সীমিত জ্ঞানের মানুষ
১. কেন সঠিক:
- কূপমন্ডুক বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো কূপের বা কুয়ার ব্যাঙ।
- কুয়ার ছোট গণ্ডির ভেতরে থাকা ব্যাঙ যেমন বাইরের বিশাল সমুদ্র বা আকাশ সম্পর্কে কোনো ধারণাই রাখতে পারে না, তেমনই সীমিত পরিবেশ ও অভিজ্ঞতার মধ্যে আবদ্ধ থেকে যারা বাইরের বিশাল দুনিয়া সম্পর্কে অজ্ঞ থাকে, তাদেরই সীমিত জ্ঞানের মানুষ বা কূপমন্ডুক বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদমূলক বাগধারা, যার উৎস সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে।
- এই ধরনের বাগধারাগুলো কোনো বিশেষ শব্দের আক্ষরিক অর্থের পরিবর্তে একটি গভীর রূপক বা ভাবার্থ প্রকাশ করে, যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গ্রামের এই সংকীর্ণ সীমানার বাইরে না গিয়ে সে নিজের জীবনটাকে কূপমন্ডুক দশার মধ্যে আটকে রেখেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যক্তির সীমিত দৃষ্টিভঙ্গি ও বাইরের দুনিয়া সম্পর্কে অজ্ঞতা বোঝাতে বাগধারাটির ভাবার্থ সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কুপমন্ডুকতার দোষে দুষ্ট হয়ে সে আধুনিক যুগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিপ্লবকে অস্বীকার করতে চায়।
ব্যাখ্যা: আধুনিক জ্ঞান বা তথ্য থেকে দূরে থাকা সংকীর্ণ মানসিকতাকে নির্দেশ করতে এই উদাহরণটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশ্বাসপ্রবণ — বিশ্বাসপ্রবণ বলতে সহজসরল মানুষকে বোঝায় যিনি সহজেই অন্যকে বিশ্বাস করেন, যা কূপমন্ডুক শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) সীমিত জ্ঞানের মানুষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কূপমন্ডুক বাগধারার মূল ভাবার্থ বা সংকীর্ণ জ্ঞানসম্পন্ন অবস্থাকে সরাসরি নির্দেশ করে।
C) সাধারণ মানুষ — সাধারণ মানুষ বলতে সমাজের আমজনতাকে বোঝায়, কিন্তু কূপমন্ডুক বলতে বিশেষ করে অজ্ঞ ও সংকীর্ণ মনের মানুষকে বোঝানো হয়।
D) অলস — অলস বলতে কর্মবিমুখ মানুষকে বোঝানো হয়, আর কূপমন্ডুকতা হলো অজ্ঞতা বা সংকীর্ণতার প্রতীক, অলসতার নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কূপ অর্থ কুয়া এবং মন্ডুক অর্থ ব্যাঙ। কুয়ার ব্যাঙ যেমন আকাশকে ছোট ভাবে, তেমনই যে মানুষ সংকীর্ণ গণ্ডির বাইরে কিছু জানে না, সে-ই কূপমন্ডুক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূপকধর্মী বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ভেবে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থ বের করার অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) হাতে–হাতে
১. কেন সঠিক:
- 'দস্ত–ব–দস্ত' একটি ফরাসি বা ফার্সি শব্দগুচ্ছ যা বাংলায় বাগধারা বা তদ্ভাষী শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর মূল অর্থ সরাসরি হাতে হাতে বা অবিলম্বে।
- ফার্সি ভাষায় 'দস্ত' শব্দের অর্থ হাত এবং 'ব' মানে হলো এবং বা সহ, যা মিলিয়ে সরাসরি হাতে হাতে অর্থ প্রকাশ করে।
২. শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ:
- এটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দ বিশেষ করে ফার্সি উৎসের অন্তর্গত একটি ভাবপ্রকাশক শব্দ বা শব্দযুগল।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই ফার্সি, আরবি ও তুর্কি শব্দগুলোর অর্থ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত শব্দার্থ জানা জরুরি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চোরটি টাকা চুরি করার সাথে সাথেই তাকে দস্ত-ব-দস্ত ধরে ফেলল পুলিশ।
ব্যাখ্যা: এখানে তাৎক্ষণিকভাবে বা হাতে-হাতে ধরার অর্থ প্রকাশ করতে 'দস্ত-ব-দস্ত' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পাওনা টাকা দস্ত-ব-দস্ত বুঝিয়ে দাও।
ব্যাখ্যা: বিলম্ব না করে সরাসরি বা হাতে-হাতে লেনদেন সম্পন্ন করার অর্থে এটি এখানে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বন্ধু বনাম বন্ধু — এটি সঠিক নয় কারণ দস্ত শব্দের অর্থ হাত, বন্ধু নয়।
B) খেতে-খেতে — এটি সঠিক নয় কারণ এই অর্থ প্রকাশের জন্য বাংলায় অন্য শব্দ বা দ্বিরুক্তি ব্যবহার করা হয়।
C) হাতে–হাতে — এটি সঠিক কারণ দস্ত শব্দের অর্থ হাত এবং এই শব্দটির প্রমিত অর্থ সরাসরি হাতে-হাতে।
D) আস্তে-আস্তে — এটি সঠিক নয় কারণ এটি দ্রুততা বা তাৎক্ষণিকের বিপরীত ধীরগতি প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফার্সি শব্দ দস্ত মানে হাত মনে রাখলেই দস্ত-ব-দস্ত মানে হাতে-হাতে খুব সহজে মনে রাখা সম্ভব।
- হাত সংক্রান্ত ফার্সি শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে চর্চা করতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে ফার্সি শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে।
- শব্দের মূল উৎস ও আক্ষরিক অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) অসম্ভব ঘটনা
১. কেন সঠিক:
- ব্যাঙের সর্দি বলতে এমন একটি কাল্পনিক অবস্থাকে বোঝায় যা বাস্তবে ঘটা অসম্ভব।
- এটি একটি পরিচিত বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত বাগধারা বা প্রবাদ-প্রবচন।
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশ কুসুম
ব্যাখ্যা: আকাশ কুসুম বলতে অসম্ভব কল্পনা বা আকাশচুম্বী অবাস্তব আশাকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: ঘেঁ্টু পুজো
ব্যাখ্যা: এটি একটি লৌকিক আচার, যা প্রবাদ বা বাগধারার মতো বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোগ বিশেষ — ব্যাঙের কোনো সর্দি হয় না, তাই এটি কোনো রোগ বিশেষ বোঝায় না।
B) অসম্ভব ঘটনা — সঠিক উত্তর, কারণ এটি অবাস্তব বা অসম্ভব অবস্থাকে নির্দেশ করে।
C) প্রতারণা — প্রতারণা অর্থ ঠকানো, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না।
D) সম্ভাব্য ঘটনা — সম্ভাব্য ঘটনা মানে যা ঘটার সম্ভাবনা আছে, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ অসম্ভব ঘটনা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যাঙ জলে বাস করে, তাই তার ঠাণ্ডা লাগা বা সর্দি হওয়ার প্রশ্নই আসে না।
- এই অবাস্তব দিকটি থেকেই মনে রাখতে হবে এটি একটি অসম্ভব ঘটনা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের অসম্ভব অর্থ প্রকাশকারী বাগধারা আসে।
- যেমন আকাশ কুসুম, ইঁদুর কপালে ইত্যাদি বাগধারার অর্থগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মুহুর্মুহু
১. কেন সঠিক:
- মুহুর্মুহু শব্দের অর্থ ঘন ঘন বা বারে বারে।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে প্রতিটি উ-কার এবং হ-এ উ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী কিছু শব্দের বানানে হ্রস্ব উ এবং হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করতে হয়।
- মুহুর্মুহু একটি তৎসম শব্দ যেখানে প্রথম ও তৃতীয় হ-এর সঙ্গে হ্রস্ব উ-কার এবং দ্বিতীয় হ-এর সঙ্গে হ্রস্ব উ-কার যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুমূর্ষু
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ ঊ-কার সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
উদাহরণ ২: পুঞ্জীভূত
ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যেখানে বানানের নিয়ম সঠিকভাবে মনে রাখা প্রয়োজন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহুর্মুহু — এটি সঠিক বানান কারণ এতে প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উ-কার ব্যবহৃত হয়েছে।
B) মূহুর্মুহু — এটি ভুল কারণ এখানে প্রথম হ-এ দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নয়।
C) মুর্হমূহু — এটি ভুল কারণ এখানে রেফ এর অবস্থান এবং উ-কারের প্রয়োগ ভুল রয়েছে।
D) মুর্হুমূহু — এটি ভুল কারণ এখানে শব্দের গঠন এবং কারচিহ্ন সঠিকভাবে বিন্যস্ত হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুহুর্মুহু শব্দটিতে সবসময় হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করতে হয়।
- এই বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে এখানে কোনো দীর্ঘ ঊ-কার নেই।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসা বানানগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
- একই ধরনের অন্যান্য প্রমিত বানান চর্চা করলে এই জাতীয় প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) রূপতত্ত্বে
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচনার বিষয়গুলোর মধ্যে পদ প্রকরণ, কারক, বচন, লিঙ্গ, সমাস, প্রত্যয় ও উপসর্গ রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্বে আলোচিত হয়।
- বাক্যে ব্যবহৃত শব্দের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ক স্থাপন এবং পদের রূপান্তর ঘটার স্থান হলো রূপতত্ত্ব, যার একটি প্রধান অংশ কারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের যে অংশে শব্দের গঠন, পদের শ্রেণিবিভাগ, কারক, বিভক্তি ও বচন আলোচনা করা হয় তাকে রূপতত্ত্ব বলে।
- বাক্যস্থিত পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলা হয় এবং পদের এই রূপগত পরিবর্তনের বিষয়টি রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছে ফল ধরেছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে গাছ হলো অধিকরণ কারক, যা শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্বের আলোচনার অন্তর্ভুক্ত পদভিত্তিক ব্যাকরণিক অংশ।
উদাহরণ ২: ফুল দিয়ে ঘর সাজাও।
ব্যাখ্যা: এখানে ফুল দিয়ে হলো করণ কারক, যা পদের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে রূপতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনিতত্ত্বে — ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ, নত্ব ও ষত্ব বিধান এবং সন্ধি নিয়ে আলোচনা করা হয় বলে এটি ভুল।
B) অর্থতত্ত্বে — শব্দের অর্থবাচকতা, সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ এবং বাগধারা নিয়ে আলোচনা করা হয় বলে এটি ভুল।
C) বাক্যতত্ত্বে — বাক্যের গঠন, বাগধারা, বাক্য রূপান্তর এবং বাক্যের বিভিন্ন পদবিন্যাস নিয়ে আলোচনা করা হয় বলে এটি ভুল।
D) রূপতত্ত্বে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রূপ মানে আকৃতি বা শব্দ, তাই শব্দ গঠন ও পদের রূপ পরিবর্তন যেমন কারক, সমাস ও প্রত্যয় রূপতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।
- কারক মনে রাখতে রূপতত্ত্ব শব্দটির সঙ্গে কারক শব্দটি মিলিয়ে পড়বে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক কোন তত্ত্বে আলোচিত হয় তা প্রায়ই রূপতত্ত্ব ও বাক্যতত্ত্বের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে।
- মনে রাখবে, পদ ও কারক রূপতত্ত্বে এবং বাক্য ও বাচ্য বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) চর্যাপد
১. কেন সঠিক:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন, যা বাংলা সাহিত্যের আদি গ্রন্থ হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে প্রথম প্রকাশ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা আচার্যগণের রচিত আধ্যাত্মিক গান।
- ড. সুকুমার সেন ও ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের গবেষণা অনুযায়ী এর ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ ধারণ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপটি পাণ তরু চঞ্চল চীএ
ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পংক্তি, যা কাগুজির রচিত চর্যা থেকে নেওয়া হয়েছে এবং প্রাচীন বাংলা ভাষার নমুনা।
উদাহরণ ২: চালএ বাজিল গঅন চন্দে
ব্যাখ্যা: এটি ভুসুকুপা রচিত চর্যাপদের পংক্তি, যা তৎকালীন সমাজের চিত্র ও বাংলা ভাষার রূপ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চর্যাপদ — এটি বাংলা ভাষার প্রথম কবিতা সংকলন ও আদি সাহিত্যিক নিদর্শন।
B) বৈষ্ণব পদাবী — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত শাখা, যা শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার প্রেমলীলা অবলম্বনে রচিত।
C) ঐতরেয় আরণ্যক — এটি প্রাচীন বৈদিক সাহিত্যের অংশ এবং বাংলা ভাষার কোনো কবিতা সংকলন বা সাহিত্যের নিদর্শন নয়।
D) দোহাকোষ — এটি অপভ্রংশ ও প্রাচীন ভারতীয় ভাষায় রচিত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের দোহার সংকলন, যা চর্যাপদের কাছাকাছি সময়ের হলেও বাংলা ভাষার প্রথম কবিতা সংকলন নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা ভাষার প্রথম সৃষ্টি মানেই চর্যাপদ। আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং সাল হলো ১৯০৭।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে (সাড়ে ছেচল্লিশ বা পঞ্চাশটি)। পরীক্ষার জন্য সাধারণত পঞ্চাশটি পদ বা সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ এবং আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নাম সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) Denial
কেন সঠিক:
Deny শব্দটির সাথে al প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক noun রূপটি গঠিত হয় যার অর্থ অস্বীকার।
অন্যান্য রূপ যেমন adjective বা verb হলেও এই রূপটি বাক্যে noun হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Denial — এটি সঠিক noun রূপ এবং এর অর্থ অস্বীকার করা।
B) Deny — এটি প্রশ্নোক্ত মূল শব্দ যা একটি verb।
C) Deniable — এটি একটি adjective রূপ যার অর্থ অস্বীকারযোগ্য।
D) Refuse — এটি deny শব্দের সমার্থক একটি অন্য verb।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি অনেক verb এর শেষে al যোগ করে সহজে noun তৈরি করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) Lax
কেন সঠিক:
- Rigid শব্দের অর্থ অনমনীয়, কঠোর বা যা সহজে বাঁকে না।
- Lax শব্দের অর্থ শিথিল, অসতর্ক বা অনমনীয় নয় এমন, যা Rigid শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Autere — এটি একটি বানান ত্রুটিযুক্ত অপশন হতে পারে, মূলত Austere বোঝায় যার অর্থ কঠোর বা সংযত, যা সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
B) Stiff — এর অর্থ শক্ত বা অনমনীয়, যা Rigid শব্দের সমার্থক শব্দ এবং বিপরীত নয়।
C) Rigorous — এর অর্থ কঠোর বা পুঙ্খানুপুঙ্খ, যা Rigid শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
D) Lax — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ শিথিল বা অনমনীয় নয়।
মনে রাখার টিপস:
Rigid মানে কড়া নিয়ম, আর Lax মানে শিথিল বা ঢিলেঢালা ব্যবস্থা।
সঠিক উত্তর: C) Jewellery
কেন সঠিক:
British English বানান রীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে দুটি l এবং শেষে lry যুক্ত হয়। এটি সঠিক ইংরেজি বানানের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে।
শব্দটির মূল শব্দ jewel এর সাথে lery প্রত্যय যোগ করে এটি গঠিত হয়।
এটি স্ট্যান্ডার্ড ব্রিটিশ ডিকশনারিতে স্বীকৃত একমাত্র সঠিক বানান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Jewelery — এই বানানে একটি l কম আছে যা ব্রিটিশ বানান নিয়মের পরিপন্থী।
B) Jewellry — এই বানানে অতিরিক্ত l ব্যবহৃত হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
C) Jewellery — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Jwellry — এই বানানে মূল শব্দের e অক্ষরটি বাদ দেওয়া হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Jewel শব্দের শেষে e আছে এবং ব্রিটিশ নিয়মে lry যোগ করার সময় l এবং lry একসাথে বসে Jewellery হয়।
সঠিক উত্তর: A) Sabotage
কেন সঠিক:
শব্দটির সঠিক বানানে মাঝখানে o এবং শেষে ge ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ নাশকতা।
ফরাসি ভাষা থেকে আসা এই শব্দটির বানান পদ্ধতি আন্তর্জাতিকভাবে এটিই স্বীকৃত।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত প্রমিত ইংরেজি বানান।
এর সঠিক উচ্চারণ ও গঠন প্রক্রিয়া অন্য সব বিকল্প থেকে আলাদা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Sabotage — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা কাজের ক্ষতিসাধন করা।
B) Sabatage — এই বানানে o এর পরিবর্তে a ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
C) Salabatage — অতিরিক্ত l এবং ab যুক্ত করায় এটি একটি অর্থহীন বানানে পরিণত হয়েছে।
D) Sabotaze — শেষে ge এর বদলে ze ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে সাব এবং ওটাজ এই দুই ভাগে ভাগ করে পড়তে পারো।
সঠিক উত্তর: B) At ease
কেন সঠিক:
গ্রూপ ভার্ব বা ফ্রেজটির অর্থ হলো কোনো বিষয়ে দক্ষ বা আরামদায়ক অবস্থায় থাকা।
এটির সাথে অপশন বি এর অর্থের পুরোপুরি মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Family relation — এটি ফ্রেজটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও আসল ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
B) At ease — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ স্বাচ্ছন্দ্যে থাকা বা দক্ষ হওয়া।
C) Neighbour — এর অর্থ প্রতিবেশী যার সাথে আলোচ্য ফ্রেজটির কোনো সম্পর্ক নেই।
D) Free at — এটি একটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল ও অর্থহীন শব্দগুচ্ছ।
মনে রাখার টিপস:
বাড়িতে যেমন আমরা সব সময় স্বাচ্ছন্দ্যে থাকি, তেমনি At home with ফ্রেজটি দিয়ে কোনো বিষয়ে স্বাচ্ছন্দ্য বা দখল বোঝানো হয়।
সঠিক উত্তর: A) State of affair
কেন সঠিক:
- ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ status quo-র বাংলা অর্থ বর্তমান অবস্থা বা বিদ্যমান পরিস্থিতি।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে State of affair কথাটির অর্থ বর্তমান অবস্থা, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) State of affair — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি status quo শব্দের আসল অর্থ বর্তমান পরিস্থিতি প্রকাশ করে।
B) The former state — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ পূর্ববর্তী অবস্থা, যা বর্তমান অবস্থার বিপরীত।
C) Equal status — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সমান মর্যাদা, যা এই পরিভাষার সঙ্গে মিলে না।
D) High status — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ উচ্চ মর্যাদা, যা বর্তমান পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
Status অর্থ অবস্থা এবং Quo অর্থ যা, অর্থাৎ যা চলছে বা বর্তমান পরিস্থিতি।
সঠিক উত্তর: A) Transitive verb
কেন সঠিক:
- বাক্যের verb-টির পর একটি অবজেক্ট (me) রয়েছে এবং এর কার্যকারিতা সাবজেক্ট থেকে অবজেক্টে স্থানান্তরিত হয়।
- Transitive verb বা সকর্মক verb-এর অর্থ সম্পূর্ণ করতে অবজেক্টের প্রয়োজন হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Transitive verb — এটি সঠিক কারণ এই verb-টির অবজেক্ট রয়েছে।
B) Intransitive verb — এটি ভুল কারণ এই verb-টির অর্থ পূর্ণ করার জন্য অবজেক্টের প্রয়োজন হয়েছে।
C) Auxiliary verb — এটি ভুল কারণ এটি কোনো মূল verb-এর সাহায্যকারী হিসেবে কাজ করছে না, বরং নিজেই প্রধান verb।
D) Causative verb — এটি ভুল কারণ এখানে সাবজেক্ট নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে করাচ্ছে এমন বোঝাচ্ছে না।
মনে রাখার টিপস:
Verb-কে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা Transitive verb হয়।
সঠিক উত্তর: C) Worst
কেন সঠিক:
Worst শব্দটি Bad বা Ill শব্দের Superlative degree হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
তাই এটি কোনো Comparative degree নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Upper — এটি একটি Latin adjective যার শেষে er যুক্ত থাকায় এটি একটি Comparative degree হিসেবে গণ্য হয়।
B) Less — এটি Little শব্দের Comparative degree যা পরিমাণ কম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) Worst — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি Superlative degree।
D) Highest — এটি High শব্দের Superlative degree যার শেষে est যুক্ত আছে।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত শব্দের শেষে est বা most থাকলে তা Superlative degree হয় এবং er বা more থাকলে তা Comparative degree হয়।
সঠিক উত্তর: D) All of them
কেন সঠিক:
১. সংক্ষিপ্ত রূপ বা abbreviation লেখার সময় প্রথম অক্ষর উচ্চারণের সময় যদি ভাওয়েল বা স্বরবর্ণের উচ্চারণ আসে, তবে তার পূর্বে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল হিসেবে 'an' বসে।
২. এখানে M, M এবং L উচ্চারণ করতে শুরুতে এ বা এম এর মতো স্বরধ্বনি আসায় সবগুলোর আগেই an সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) You are an M.B.B.S — এখানে M উচ্চারণ করতে স্বরবর্ণ আসায় an সঠিক এবং বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল।
B) He was an M.A — এখানে M উচ্চারণে স্বরবর্ণের উচ্চারণ থাকায় an বসেছে এবং এটি সঠিক বাক্য।
C) He is an L.M.F — এখানে L উচ্চারণ করতে এল অর্থাৎ স্বরবর্ণ আসায় an ব্যবহৃত হয়েছে যা সঠিক।
D) All of them — উপরের সবগুলো অপশনেই an এর সঠিক ব্যবহার হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সংক্ষিপ্ত রূপের প্রথম অক্ষর উচ্চারণের সময় যদি স্বরবর্ণের মতো আ বা এ উচ্চারণ হয়, তবে তার আগে an বসবে।
সঠিক উত্তর: D) populous
কেন সঠিক:
People শব্দটির অর্থ জনগণ বা মানুষ এবং এর সঠিক Adjective রূপ হলো populous।
যার বাংলা অর্থ জনবহুল বা লোকালয়পূর্ণ।
এটি কোনো স্থান বা অঞ্চলের মানুষের ঘনবসতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) popularity — এটি একটি Noun যার অর্থ জনপ্রিয়তা।
B) popularise — এটি একটি Verb যার অর্থ জনপ্রিয় করে তোলা।
C) popular — এটি Adjective হলেও এর অর্থ জনপ্রিয়, যা মানুষের ঘনবসতি বোঝায় না।
D) populous — এটি সঠিক Adjective যা জনবহুল এলাকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
People শব্দের সাথে ous যুক্ত করে populous বানালে তা জনবহুল বা Adjective বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) Reserved
কেন সঠিক:
Cordial শব্দের অর্থ আন্তরিক, মিশুক বা বন্ধুত্বপূর্ণ। এর বিপরীত শব্দ হলো Reserved যার অর্থ স্বল্পভাষী, গম্ভীর বা সকলের সাথে সহজে মেশে না এমন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Gentle — এই শব্দটির অর্থ মৃদু বা ভদ্র, যা cordial শব্দের একটি সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
B) Hearty — এই শব্দটির অর্থ আন্তরিক বা উষ্ণ, যা cordial শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Ungrateful — এই শব্দটির অর্থ অকৃতজ্ঞ, যা cordial শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে পুরোপুরি মানানসই নয়।
D) Reserved — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আন্তরিকতার সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অবস্থা বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Cordial মানুষের মন হৃদয় থেকে উষ্ণ হয়, আর Reserved মানুষ একটু দূরত্ব বজায় রেখে চলে।
সঠিক উত্তর: C) He proposed to his friends that they should play then.
কেন সঠিক:
প্রস্তাব বোঝালে 'Let us' যুক্ত direct speech-কে indirect করার সময় reporting verb উঠে গিয়ে proposed to বসে।
conjunction হিসেবে that বসে এবং subject হিসেবে they বা we এর পরে should বসে।
direct speech-এর now পরিবর্তন হয়ে indirect speech-এ then হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He requested to his friends that they should play then — প্রস্তাব বোঝাতে requested বসে না, proposed বসে।
B) He proposed to his friends that they would play then — should এর পরিবর্তে would ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) He proposed to his friends that they should play then — এটি সঠিক উত্তর।
D) He proposed to his friends that we should play then — বক্তা ও বন্ধুরা মিলে কাজ করলে they বসে, we বসালে ভুল হয়।
মনে রাখার টিপস:
Let us থাকলে proposed বসবে, that এর পরে should হবে এবং now বদলে then হবে।
সঠিক উত্তর: A) He said to me. “Where did you go yesterday?”
কেন সঠিক:
রিপোর্টিং ভার্বের ক্ষেত্রে asked-এর পরিবর্তে said to বসে এবং ইনভার্টেড কমা তুলে ডব্লিউএইচ ওয়ার্ড অপরিবর্তিত থাকে।
পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকলে ডাইরেক্ট ন্যারেশনে তা পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
previous day পরিবর্তন হয়ে yesterday হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এখানে ন্যারেশনের সকল নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
B) B) He asked to me — ভুল কারণ asked-এর পর সাধারণত to বসে না।
C) C) Where you went yesterday — ভুল কারণ এটি প্রশ্নবোধক বাক্য গঠন অনুসরণ করেনি।
D) D) Where did I go yesterday — ভুল কারণ সাবজেক্ট ফার্স্ট পারসন হওয়ায় অর্থের পরিবর্তন ঘটে যায়।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাসনের ক্ষেত্রে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকলে ডাইরেক্ট করার সময় পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স করতে হয় এবং previous day থাকলে yesterday লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) By whom were you called a liar?
কেন সঠিক:
- Active বাক্যের শুরুতে Who থাকলে Passive করার সময় তার পরিবর্তে By whom বসে। বাক্যের মূল verbটি past indefinite tense এ থাকায় সাহায্যকারী verb হিসেবে were বসে।
- Subject হিসেবে you বসে এবং মূল verb এর past participle রূপ called বসে। সবশেষে বাক্যের বাকি অংশ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By whom are you called a liar? — মূল verbটি past tense এ থাকা সত্ত্বেও present tense এর সাহায্যকারী verb are ব্যবহার করায় অপটি ভুল হয়েছে।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) By whom you called a liar? — interrogative sentence তৈরি করার নিয়ম অনুযায়ী subject এর পূর্বে কোনো সাহায্যকারী verb না থাকায় এটি ভুল।
D) By whom was you called a liar? — plural subject you এর সাথে singular সাহায্যকারী verb was ব্যবহার করার কারণে এই অপশনটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Who যুক্ত active voice কে passive করার সময় প্রথমে By whom এবং tense অনুযায়ী was বা were বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Do you want me?
কেন সঠিক:
Passive বাক্যের সাহায্যকারী ভারب are দেখে present indefinite tense নিশ্চিত করা হয়েছে।
Active করার সময় subject you অনুযায়ী do বসে এবং মূল ভার্বের present form want ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Are you wanted me? — এই গঠনে সাহায্যকারী ভার্বের পর সরাসরি object বসেছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Did you wanted me? — Did এর পর মূল ভার্বের present form বসার নিয়ম থাকলেও এখানে wanted আছে।
C) Do you want me? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Does you want me? — subject you এর সাথে does না বসে do বসে।
মনে রাখার টিপস:
Passive বাক্যের am is are দেখলে active করার সময় do বা does ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) I have been lying on the floor for three hours.
কেন সঠিক:
বাক্যে 'for three hours' উল্লেখ থাকায় এটি Present Perfect Continuous Tense হবে।
Lie অর্থ শুয়ে থাকা এবং এর Continuous রূপ হলো lying।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এখানে laid ব্যবহার করা হয়েছে যা lay ভার্বের Past form এবং এর অর্থ ডিম পাড়া।
B) এখানে lied ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ মিথ্যা বলা এবং তা সঠিক নয়।
C) এটি Present Perfect Tense-এ আছে যা দীর্ঘ সময় ধরে চলা কাজের জন্য উপযুক্ত নয়।
D) এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে সঠিক Tense এবং lie ভার্বের সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে ধরে বা যাবত বুঝাতে for থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে Present Perfect Continuous Tense হয়।
সঠিক উত্তর: A) He talks as if he were a mad
কেন সঠিক:
as if বা as though এর আগের অংশ বর্তমানকালে থাকলে পরের অংশে অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে Past Subjunctive tense বসে।
এই নিয়মে singular subject এর পরেও to be verb হিসেবে was না বসে সব সময় were বসে।
তাই এখানে he এর পরে were ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He talks as if he were a mad — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যের গঠন ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল হয়েছে।
B) He talks as if he to be mad — এখানে কোনো finite verb ব্যবহার করা হয়নি যা বাক্য গঠনের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।
C) He talks as if he is mad — এখানে present tense ব্যবহার করা হয়েছে যা অবাস্তব কল্পনার নিয়ম সমর্থন করে না।
D) He talks as if he be mad — এখানে base form ব্যবহার করা হয়েছে যা এমন বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
as if যুক্ত বাক্যের কাল্পনিক অর্থে subject যাই হোক না কেন verb সবসময় were হবে।
সঠিক উত্তর: B) Beauty
কেন সঠিক:
প্রদত্ত শব্দটি একটি adjective এবং এর সাথে noun রূপ বোঝাতে নির্দিষ্ট suffix যোগ করতে হয়।
'Beauty' শব্দটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা গু의 নাম বোঝায়, যা noun এর মূল কাজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Beautious — এটি একটি adjective যার অর্থ সুন্দর বা মনোরম।
B) Beauty — এটি সঠিক noun রূপ এবং এটি এই প্রশ্নের নির্ধারিত উত্তর।
C) Beautifully — এটি একটি adverb যা verb কে বিশেষায়িত করে।
D) Beautify — এটি একটি verb যার অর্থ সুন্দর করা।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে y বা ness থাকলে সাধারণত তা noun হয়।
সঠিক উত্তর: C) Collective
কেন সঠিক:
- 'Cattle' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট একটি গরুকে না বুঝিয়ে একদল বা একপাল গরুর সমষ্টিকে বোঝায়।
- একই জাতীয় অসংখ্য প্রাণীর সমষ্টিগত রূপকে বোঝানোর কারণে এটি Collective Noun হিসেবে গণ্য হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Proper — Proper Noun হলো কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম, কিন্তু 'cattle' কোনো নির্দিষ্ট একটির নাম নয়।
B) Common — Common Noun হলো একই জাতীয় সাধারণ নাম, যা আলাদাভাবে গণনা করা যায়, কিন্তু 'cattle' নিজেই একটি সমষ্টিগত বহুবচনবাচক শব্দ।
C) Collective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং এটি গরু বা গবাদিপশুর সমষ্টিকে নির্দেশ করে।
D) Meterial — Material Noun হলো উপাদানবাচক বিশেষ্য, যার দ্বারা কোনো পদার্থের নাম বোঝায়, যা গবাদিপশুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
'Cattle', 'People', 'Police' শব্দগুলো দেখতে একবচন মনে হলেও এরা সবসময় Collective Noun এবং বাক্যে এদের পর plural verb বসে।
সঠিক উত্তর: C) Humorous
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বানান নিয়ਮ অনুযায়ী 'humour' শব্দের সাথে 'ous' প্রত্যয় যুক্ত করার সময় মাঝের 'u' বাদ দিতে হয়। তাই সঠিক রূপটি হলো humorous।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Humourous — এই বানানে 'ou' এর পরে অতিরিক্ত 'u' রাখা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Humourious — এই বানানে 'ous' এর পরিবর্তে ভুলভাবে 'ious' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Humorious — এই বানানে মূল শব্দের বানান পরিবর্তন করে ভুলভাবে 'orious' লেখা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Humour বানান লেখার পর r এর পরের ou যুক্ত করার সময় মাঝের u টি বাদ দিয়ে ous যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) চারগুণ
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সরলরেখা এবং তার অর্ধেকের উপর বর্গ অঙ্কিত হয়েছে
ধরি,
সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য = ক
অতএব,
সম্পূর্ণ সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক = ক২
সরলরেখার অর্ধেকের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ২
সুতরাং,
অর্ধেক সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ২) × (ক ÷ ২) = ক২ ÷ ৪
উত্তর: চারগুণ
সঠিক উত্তর: A) (x+3)(2x-5)
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ২গুণ x এর বর্গ + x − ১৫
ধরি,
রাশিটিকে মিডল টার্ম বা মধ্যপদ বিভাজনের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে
অতএব,
মধ্যপদ x কে ভেঙে দুটি অংশ করতে হবে যেন তাদের গুণফল প্রথম ও শেষ পদের গুণফলের সমান হয়
সুতরাং,
রাশিটি পাই ২গুণ x এর বর্গ − ৫x + ৬x − ১৫
উত্তর: (x+3)(2x-5)
সঠিক উত্তর: A) ৫১৬
প্রদত্ত তথ্য:
১৩ ভাগ ৪৫ গুণ ৩৪
বা, হিসাবটি হলো ১৩ ÷ ৪৫ × ৩৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি সমান ১৩
দ্বিতীয় সংখ্যাটি সমান ৪৫
তৃতীয় সংখ্যাটি সমান ৩৪
অতএব,
১৩ কে ৪৫ দ্বারা ভাগ করতে হবে
ভাগফলকে ৩৪ দ্বারা গুণ করতে হবে
সম্পূর্ণ হিসাবটি হলো ১৩ ÷ ৪৫ × ৩৪
সুতরাং,
সঠিক নিয়মে হিসাব করলে মান পাওয়া যায়
চূড়ান্ত ফলাফল হলো ৫১৬
উত্তর: ৫১৬
সঠিক উত্তর: B) ৭৮
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটি হলো তেইশ এবং পঁয়তাল্লিশ
তাদের যোগফল বের করতে হবে
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ২৩
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৪৫
অতএব,
সংখ্যা দুটির যোগফল = ২৩ + ৪৫
সুতরাং,
২৩ + ৪৫ = ৭৮
উত্তর: ৭৮
সঠিক উত্তর: C) ১১
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, a − (১ ÷ a) = ৩
ধরি,
a এর মান এবং (১ ÷ a) এর মান ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
a^২ + (১ ÷ a^২) এর অনুসিদ্ধান্ত প্রয়োগ করতে হবে
সুতরাং,
প্রদত্ত রাশির সূত্র হবে [a − (১ ÷ a)]^২ + ২
উত্তর: ৩^২ + ২ = ১১
সঠিক উত্তর: A) ২৫৩
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো এক থেকে বাইশ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল
ধরি,
পদের সংখ্যা n = ২২
অতএব,
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র অনুযায়ী যোগফল নির্ণয় করতে হবে
সুতরাং,
যোগফল = n × (n + ১) ÷ ২
উত্তর: ২২ × ২৩ ÷ ২ = ২৫৩
সঠিক উত্তর: C) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ১০টি উইকেটের জন্য গড় রান = ১৮
পরবর্তী ৪টি উইকেটের জন্য গড় রান = ৪
ধরি,
প্রথম ১০টি উইকেটের মোট রান = ১০ × ১৮ = ১৮০
পরবর্তী ৪টি উইকেটের মোট রান = ৪ × ৪ = ১৬
অতএব,
মোট উইকেটের সংখ্যা = ১০ + ৪ = ১৪
মোট রানের পরিমাণ = ১৮০ + ১৬ = ১৯৬
সুতরাং,
উইকেট প্রতি গড় রান = ১৯৬ ÷ ১৪ = ১৪
উত্তর: ১৪
সঠিক উত্তর: B) ৪৯ বৎসর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান বয়সের গড় ২৩ বৎসর
৩ বৎসর পর দুই পুত্রের গড় বয়স ১৩ বৎসর
ধরি,
পিতার বর্তমান বয়স = ক বৎসর
দুই পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = খ বৎসর
অতএব,
পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = ২৩ × ৩ = ৬৯ বৎসর
অর্থাৎ, ক + খ = ৬৯
সুতরাং,
৩ বৎসর পর দুই পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ১৩ × ২ = ২৬ বৎসর
বর্তমানে দুই পুত্রের বয়সের সমষ্টি (খ) = ২৬ − (৩ × ২) = ২০ বৎসর
উত্তর: পিতার বর্তমান বয়স (ক) = ৬৯ − ২০ = ৪৯ বৎসর
সঠিক উত্তর: D) ১২ বৎসর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও মাতার বয়সের গড় = ৩০ বৎসর
পিতা, মাতা ও পুত্রের গড় বয়স = ২৪ বৎসর
ধরি,
পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = ৩০ × ২ = ৬০ বৎসর
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ২৪ × ৩ = ৭২ বৎসর
অতএব,
পুত্রের বয়স বের করতে হবে
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি থেকে পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি বিয়োগ করতে হবে
সুতরাং,
৭২ − ৬০ = ১২ বৎসর
উত্তর: ১২ বৎসর
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি রাশির যোগফল পাঁচ এবং বিয়োগফল তিন দেওয়া আছে
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি হলো a এবং দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো b
অতএব,
a + b = ৫
a − b = ৩
সুতরাং,
ab এর মান নির্ণয়ের জন্য বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
উত্তর: ab = ৪
সঠিক উত্তর: D) ভূমি * উচ্চতা
প্রদত্ত তথ্য:
সামন্তরিকের ক্ষেত্রਫਲ নির্ণয়ের সূত্র চাওয়া হয়েছে
ধরি,
সামন্তরিকের ভূমি = ক
সামন্তরিকের উচ্চতা = খ
অতএব,
সামন্তরিকের ক্ষেত্রফল হলো এর ভূমির দৈর্ঘ্য এবং উচ্চতার গুণফল
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা
উত্তর: ভূমি × উচ্চতা
সঠিক উত্তর: C) ৩০ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
৬০ জন লোক কাজ করতে পারে = ১৮ দিনে
১ জন লোক কাজ করতে পারে = ৬০ × ১৮ দিনে
ধরি,
৩৬ জন লোক কাজটি করতে পারবে = ক দিনে
অতএব,
৩৬ × ক = ৬০ × ১৮
সুতরাং,
ক = (৬০ × ১৮) ÷ ৩৬
উত্তর: ৩০ দিনে
সঠিক উত্তর: B) ২০ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
ছাত্রাবাসে মোট ছাত্র সংখ্যা = ৪০ জন
মোট খাবারের দিন সংখ্যা = ৩০ দিন
৫ দিন পরে ছাত্র আসে = ১০ জন
ধরি,
৫ দিন চলে যাওয়ার পর অবশিষ্ট দিন থাকে = ৩০ − ৫ = ২৫ দিন
তখন অবশিষ্ট ছাত্রের খাবার থাকে = ৪০ জনের ২৫ দিনের খাবার
নতুন ছাত্র আসার পর মোট ছাত্র সংখ্যা = ৪০ + ১০ = ৫০ জন
অতএব,
৪০ জন ছাত্রের অবশিষ্ট খাবার চলে = ২৫ দিন
১ জন ছাত্রের ওই খাবার চলে = ২৫ × ৪০ দিন
৫০ জন ছাত্রের ওই খাবার চলে = (২৫ × ৪০) ÷ ৫০ দিন
সুতরাং,
১০০০ ÷ ৫০ = ২০ দিন
উত্তর: ২০ দিন
সঠিক উত্তর: A) ৫০%
প্রদত্ত তথ্য:
টাকায় ৩টি করে জিনিস ক্রয় করা হলো
টাকায় ২টি করে জিনিস বিক্রয় করা হলো
ধরি,
৩টি জিনিসের ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
২টি জিনিসের বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা
অতএব,
১টি জিনিসের ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৩ টাকা
১টি জিনিসের বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ২ টাকা
সুতরাং,
লাভ = (১ ÷ ২) − (১ ÷ ৩) টাকা = ১ ÷ ৬ টাকা
উত্তর: শতকরা লাভ = ((১ ÷ ৬) ÷ (১ ÷ ৩)) × ১০০% = ৫০%
সঠিক উত্তর: C) ৪টা
প্রদত্ত তথ্য:
৫টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
২৫% লাভে বিক্রয়মূল্য বের করতে হবে
ধরি,
১টি লেবুর ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৫ টাকা
অতএব,
২৫% লাভে ১টি লেবুর বিক্রয়মূল্য হবে
(১ ÷ ৫) × (১২৫ ÷ ১০০) টাকা
সুতরাং,
হিসাব করে পাই ১টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৪ টাকা
উত্তর: ১ টাকায় ৪টি লেবু বিক্রয় করতে হবে
সঠিক উত্তর: D) ১০ ও ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৫ ও ৮
উভয়ের সাথে ২ যোগ করলে অনুপাত হয় ২ ও ৩
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৮ক
অতএব,
শর্তমতে, (৫ক + ২) ÷ (৮ক + ২) = ২ ÷ ৩
বা, ৩ × (৫ক + ২) = ২ × (৮ক + ২)
বা, ১৫ক + ৬ = ১৬ক + ৪
সুতরাং,
১৬ক − ১৫ক = ৬ − ৪
ক = ২
উত্তর: সংখ্যা দুটি হলো ৫ × ২ = ১০ এবং ৮ × ২ = ১৬
সঠিক উত্তর: A) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x ÷ ২ + ৩ = x ÷ ৩ + ৪
ধরি,
x যুক্ত পদগুলোকে একপাশে এবং সংখ্যাগুলোকে অন্যপাশে স্থানান্তর করি
সমীকরণটি দাঁড়ায় x ÷ ২ − x ÷ ৩ = ৪ − ৩
অতএব,
বামপক্ষের ভগ্নাংশগুলোর হর দুই ও তিন এর লসাগু হলো ছয়
হিসাব করে পাই (৩x − ২x) ÷ ৬ = ১
সুতরাং,
x ÷ ৬ = ১
উত্তর: x = ৬
সঠিক উত্তর: C) কার্বন ডাই–অক্সাইড
কেন সঠিক:
- শ্বসন প্রক্রিয়ায় জীবকোষ গ্লুকোজ ভেঙে শক্তি উৎপন্ন করে এবং উপজাত হিসেবে কার্বন ডাই–অক্সাইড ত্যাগ করে।
- এই উৎপাদিত কার্বন ডাই–অক্সাইড কোষ থেকে রক্তে মিশে ফুসফুসের মাধ্যমে দেহ থেকে বাইরে নির্গত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন — এটি শ্বসন প্রক্রিয়ায় পরিবেশ থেকে গৃহীত হয়, নির্গত হয় না।
B) নাইট্রোজেন — এটি শ্বাসবায়ুর সাথে প্রবেশ করে এবং যেভাবে প্রবেশ করে ঠিক সেভাবেই নির্গত হয়, শ্বসন প্রক্রিয়ায় এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
D) উপরের সবগুরোই — যেহেতু অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন শ্বসনে নির্গত হয় না, তাই এই অপশনটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
শ্বসন মানে অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাই–অক্সাইড ত্যাগ করা।
সঠিক উত্তর: A) শুশুক
কেন সঠিক:
- শুশুক হলো স্তন্যপায়ী জলজ প্রাণী, যা ফুলকার বদলে ফুসফুসের সাহায্যে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- পানির ওপরে এসে এরা শ্বাস নেয় এবং ফুসফুসে বাতাস জমা করে দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুশুক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্তন্যপায়ী জলজ জীব এবং বাতাস থেকে সরাসরি নিঃশ্বাস নেয়।
B) তিমি — যদিও তিমি বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়, তবে বাংলাদেশের বিশেষ প্রেক্ষাপটে এবং সাধারণ জ্ঞান বইয়ে শুশুককে প্রধানত এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়।
C) হাঙ্গর — এটি মাছ জাতীয় প্রাণী এবং এরা ফুলকার সাহায্যে পানির নিচেই দ্রবীভূত অক্সিজেন থেকে শ্বাস নেয়।
D) ডলפן — ডলফিনও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের জন্য শুশুককে উত্তর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শুশুক একটি জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী, তাই মাছের মতো ফুলকা না থেকে মানুষের মতো ফুসফুস থাকে এবং বাতাস থেকে শ্বাস নেয়।
সঠিক উত্তর: B) ২০৬
কেন সঠিক:
- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের কঙ্কালতন্ত্রে জন্মগত ও স্বাভাবিকভাবে মোট ২০৬ খানা হাড় থাকে।
- শিশুকালে হাড়ের সংখ্যা প্রায় ৩০০ অধিক থাকে, যা পরবর্তীতে বৃদ্ধি ও বিকাশের সাথে পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে ২০৬ টিতে রূপ নেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০৬ — এই সংখ্যাটি মানবদেহের মোট হাড়ের সংখ্যার অর্ধেক এবং এটি বৈজ্ঞানিক দিক থেকে ভুল।
B) ২০৬ — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক ও সঠিক হাড়ের সংখ্যা, যা প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) ৩০৬ — নবজাতক শিশুর দেহে হাড়ের সংখ্যা প্রায় ৩০০ এর কাছাকাছি হলেও প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি সঠিক নয়।
D) ৪০৬ — এই সংখ্যাটি মানবদেহের স্বাভাবিক হাড়ের সংখ্যার দ্বিগুণেরও বেশি এবং এটি কাল্পনিক সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি টু ফিঙ্গার (Two) এবং সিক্স (Six) মিলিয়ে মনে রাখতে পারো মানুষের হাড় ২০৬ টি।
সঠিক উত্তর: D) লৌহ
কেন সঠিক:
- কচুশাকে প্রচুর পরিমাণে লৌহ বা আয়রন থাকে, যা আমাদের শরীরের রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে এবং রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে।
- মানবদেহে লোহিত রক্তকণিকা গঠনে লৌহ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য খনিজ উপাদান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন এ — কচুশাকে ভিটামিন এ থাকলেও এটি এই শাকের সবচেয়ে প্রধান ও বিশেষ পরিচিত বৈশিষ্ট্য নয়।
B) ভিটামিন সি — ভিটামিন সি কচুশাকে উপস্থিত থাকলেও এই উপাদানের জন্য শাকটি বিশেষভাবে মূল্যবান হিসেবে পরিচিত নয়।
C) ক্যালসিয়াম — কচুশাকে ক্যালসিয়াম থাকে, তবে এটি লৌহের মতো এই পদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে চিহ্নিত হয় না।
D) লৌহ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং তা প্রশ্নের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
কচু খেলেই রক্ত বাড়ে, এই কথাটি মনে রাখলেই সহজেই উত্তর হিসেবে লৌহ বা আয়রনকে চিনে নেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) সালফিউরিক এসিড
কেন সঠিক:
- সাধারণ স্টোরেজ ব্যাটারী বা সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারীতে ইলেকট্রোলাইট বা তরল হিসেবে সালফিউরিক এসিডের জলীয় দ্রবণ ব্যবহার করা হয়।
- এই এসিড ব্যাটারীর সিসা ইলেকট্রোডের সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন ও সঞ্চয় করতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোক্লোরিক এসিড — এটি অত্যন্ত ক্ষয়কারী এসিড হলেও সাধারণ স্টোরেজ ব্যাটারীতে ইলেকট্রোলাইট হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
B) সালফিউরিক এসিড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি ব্যাটারীর চার্জ সংরক্ষণে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
C) নাইট্রিক এসিড — এটি তীব্র জারক এসিড যা ব্যাটারীর ধাতব অংশের সাথে অনাকাঙ্ক্ষিত বিক্রিয়া ঘটাতে পারে এবং এটি এতে ব্যবহার করা হয় না।
D) এমোনিয়াম ক্লোরাইড — এটি মূলত শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ব্যাটারীতে পেস্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সিসার স্টোরেজ ব্যাটারীতে নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্টোরেজ ব্যাটারী বা আইপিএসের ব্যাটারীর সংক্ষিপ্ত রূপ মনে রাখতে 'এস' দিয়ে সিসা এবং সালফিউরিক এসিড মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) একই থাকে
কেন সঠিক:
- বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘোরার জন্য এর সাথে একটি রেজিস্টার বা নিয়ন্ত্রক ব্যবহার করা হয়, যা মূল বিদ্যুৎ প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করলেও মোট বিদ্যুৎ খরচে কোনো পরিবর্তন আনে না।
- পাখার গতি কমালেও মোট বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই থাকে কারণ এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শক্তি তাপ হিসেবে অপচয় হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেশি হয় — এটি ভুল কারণ ফ্যানের গতি কমালে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয় না।
B) কম হয় — এটি সাধারণ ধারণার বিপরীত, ফ্যান ধীরে চললেই বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় না।
C) খুব কম হয় — এটি ভুল কারণ নিয়ন্ত্রকের কারণে শক্তির অপচয় ঘটে ফলে খরচ কমে না।
D) একই থাকে — এটি সঠিক কারণ ফ্যানের গতির সাথে বিদ্যুৎ খরচের কোনো সরাসরি হ্রাসের সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
ফ্যানের গতি কমালেও বৈদ্যুতিক বিল একই থাকে, কারণ নিয়ন্ত্রক শুধু গতি কমায় কিন্তু বিদ্যুৎ খরচ কমায় না।
সঠিক উত্তর: A) অডিওমিটার
কেন সঠিক:
- অডিওমিটার হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যার সাহায্যে মানুষের শ্রবণশক্তি বা শব্দের তীব্রতা মাপা হয়।
- এটি বিশেষ করে কানের বিভিন্ন সমস্যা ও শোনার ক্ষমতা নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করতে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অডিওমিটার — এটি শব্দের তীব্রতা বা শ্রবণশক্তি পরিমাপের সঠিক যন্ত্র।
B) অডিওফোন — এটি মূলত বধির বা কম শোনা ব্যক্তিদের কানে লাগিয়ে শব্দ শোনার সহায়তা করার একটি যন্ত্র।
C) অ্যামিটার — এটি বৈদ্যুতিক সার্কিটে প্রবাহিত বিদ্যুতের প্রবাহ বা তড়িৎ প্রবাহ মাপা হয়।
D) অলটিমিটার — এটি বিমানের উচ্চতা নির্ণয় করার জন্য ব্যবহৃত একটি বিশেষ যন্ত্র।
মনে রাখার টিপস:
অডিও শব্দের অর্থ হলো শব্দ বা শোনার বিষয়, তাই শব্দের তীব্রতা মাপার যন্ত্রের নামের শুরুতে অডিও শব্দটি থাকে।
সঠিক উত্তর: C) সুর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে
কেন সঠিক:
- সূর্য ও চন্দ্রের মিলিত আকর্ষণ বল একই রেখায় কাজ করায় সমুদ্রের পানি বেশি ফুলে ওঠে এবং প্রবল জোয়ার সৃষ্টি হয়।
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় এই সরলরৈখিক অবস্থান ঘটে, যাকে সিজিজি বা বান ডাকে বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকে — চন্দ্র কাছে থাকলে জোয়ারের তীব্রতা কিছুটা বাড়ে, কিন্তু এটি প্রবল জোয়ারের মূল বৈজ্ঞানিক কারণ নয়।
B) পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে — জানুয়ারি মাসে পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে আসে, যা ঋতুভিত্তিক হলেও জোয়ারের প্রধান কারণ নয়।
C) সুর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং প্রবল জোয়ার সৃষ্টির প্রধান কারণ।
D) সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণ করে থাকে — সমকোণে অবস্থান করলে সূর্য ও চন্দ্রের আকর্ষণ বল পরস্পরকে প্রতিহত করে, ফলে মরা জোয়ার বা লঘু জোয়ার সৃষ্টি হয়।
মনে রাখার টিপস:
সরলরেখা মানেই প্রবল টান, তাই সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকলে প্রবল জোয়ার হয়।
সঠিক উত্তর: B) অঙ্কোলজি
কেন সঠিক:
- অঙ্কোলজি হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে টিউমার ও ক্যানসার সংক্রান্ত রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- গ্রিক শব্দ অনকোস যার অর্থ টিউমার বা ভর এবং লজিয়া যার অর্থ অধ্যয়ন, এই দুটি শব্দ মিলে অঙ্কোলজি শব্দটি এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একোলজি — এটি কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শব্দ নয় এবং এর সঙ্গে টিউমার চর্চার কোনো সম্পর্ক নেই।
B) অঙ্কোলজি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) সাইটোলজি — এটি কোষ সংক্রান্ত বিজ্ঞান ও তার গঠন নিয়ে আলোচনা করে, টিউমার নিয়ে নয়।
D) টিউমারোলজি — এটি টিউমার চর্চার ক্ষেত্রে চিকিৎসাবিজ্ঞানের স্বীকৃত কোনো প্রমিত পরিভাষা নয়।
মনে রাখার টিপস:
অংক বা টিউমার শরীরে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে বৃদ্ধি পায়, তাই টিউমার চর্চাকে অঙ্কোলজি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) টিটেনাস
কেন সঠিক:
- টিটেনাস রোগটি ভাইরাস দ্বারা নয়, বরং ক্লোট্রিডিয়াম টেটানি নামক ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সংক্রমিত হয়।
- এই ব্যাকটেরিয়া ক্ষতস্থানের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এবং স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে বিষাক্ত উপাদান ছড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিটেনাস — এটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) ইনফ্লুয়েঞ্জা — এটি অর্থোমাইকসোভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি পরিচিত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ।
C) চিকেন পক্স — এটি ভেরিসেলা জোস্টার নামক ভাইরাসজনিত অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ।
D) হাম — এটি মরবিলিভাইরাস নামক ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত একটি অতি পরিচিত রোগ।
মনে রাখার টিপস:
ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ মনে রাখতে টিটেনাস শব্দটি মাথায় রাখুন, কারণ এটি ভাইরাস নয় বরং ব্যাকটেরিয়া ঘটিত।
সঠিক উত্তর: D) মূলে
কেন সঠিক:
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য উদ্ভিদের সবুজ অংশে ক্লোরোফিল এবং সূর্যালোকের উপস্থিতি আবশ্যক।
- উদ্ভিদের মূল সাধারণত মাটির নিচে অন্ধকারে থাকে এবং এতে ক্লোরোফিল না থাকায় সালোকসংশ্লেষণ ঘটে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাতায় — এটি উদ্ভিদের প্রধান অঙ্গ যেখানে প্রচুর ক্লোরোফিল থাকে এবং নিয়মিত সালোকসংশ্লেষণ ঘটে।
B) সবুজ কান্ডে — কচি ও সবুজ কান্ডে ক্লোরোফিল থাকে বলে সেখানেও সালোকসংশ্লেষণ হতে পারে।
C) শাখা-প্রশাখায় — কচি শাখা-প্রশাখার সবুজ ত্বকেও ক্লোরোফিল থাকায় সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
D) মূলে — এটি মাটির নিচে থাকে ও ক্লোরফিলহীন হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সবুজ অংশ মানেই ক্লোরোফিল আর সালোকসংশ্লেষণ, তাই মাটির নিচের অসবুজ মূল বা শেকড়ে কখনোই এটি ঘটে না।
সঠিক উত্তর: D) জর্ডান
কেন সঠিক:
- আকাবা হলো জর্ডানের একমাত্র সমুদ্র বন্দর এবং লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগরের উত্তর তীরে এর অবস্থান।
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশ জর্ডানের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান সামুদ্রিক পথ হিসেবে এই বন্দরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইয়েমেন — এটি আরব উপদ্বীপের একটি দেশ এবং এর প্রধান বন্দর হলো এডেন ও হুদায়দা, আকাবা নয়।
B) কাতার — এটি পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী একটি উপদ্বীপ দেশ এবং এর প্রধান বন্দর হলো হামাদ ও দোহা।
C) ওমান — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং এর প্রধান বন্দর হলো সালালাহ ও মাসকাট।
D) জর্ডান — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি জর্ডানের একমাত্র সমুদ্র বন্দর।
মনে রাখার টিপস:
জর্ডানের একমাত্র বন্দর আকাবা, যা লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) ২১ জুন
কেন সঠিক:
- ২১ জুন তারিখটিকে উত্তর গোলার্ধের কর্কটসংক্রান্তি বলা হয়, যখন সূর্য উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে কাছাকাছি থাকে।
- এই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করে এবং বছরের দীর্ঘতম রাত ও ক্ষুদ্রতম দিন উপভোগ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২১ জুন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে সর্বোচ্চ দূরত্বে অবস্থান করে।
B) ২১ জুলাই — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ এই দিনে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে সর্বোচ্চ দূরত্বের অবস্থানে থাকে না।
C) ২৩ সেপ্টেম্বর — এটি জলবিষুবের দিন, যখন দিন ও রাত সমান হয় এবং সূর্য নিরক্ষরেখার ওপর লম্বালম্বিভাবে কিরণ দেয়।
D) ২২ ডিসেম্বর — এটি মকরসংক্রান্তি, যা দক্ষিণ গোলার্ধের জন্য সূর্যের সবচেয়ে কাছের অবস্থান এবং দীর্ঘতম দিন।
মনে রাখার টিপস:
উত্তর গোলার্ধের বড় দিন ২১ জুন মানেই দক্ষিণ গোলার্ধের সবচেয়ে দূরে সূর্য থাকার দিন।
সঠিক উত্তর: B) ৬৮ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট ৬৮ জনকে বীরোত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬০ জন — এটি সঠিক সংখ্যা নয়, মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতিক খেতাবপ্রাপ্তের সংখ্যা ৪২৬ জন।
B) ৬৮ জন — এটি সঠিক উত্তর এবং মুক্তিযুদ্ধে বীরোত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা।
C) ৭২ জন — এটি ভুল সংখ্যা, বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত শহীদের সংখ্যা ৭ জন।
D) ৭৮ জন — এটি ভুল সংখ্যা, মুক্তিযুদ্ধে বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্তের সংখ্যা ১৭৫ জন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের খেতাবগুলো মনে রাখুন এভাবে: বীরশ্রেষ্ঠ ৭, বীরউত্তম ৬৮, বীরবিক্রম ১৭৫ এবং বীরপ্রতিক ৪২৬।
সঠিক উত্তর: D) হাকালুকি
কেন সঠিক:
- হাকালুকি হাওড় বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওড় এবং এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ১৮,১৫৬ হেক্টর এবং এটি জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইল — এটি শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত একটি ছোট জলাভূমি বা বিল, বৃহত্তম হাওড় নয়।
B) চলন বিল — এটি নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলায় বিস্তৃত দেশের বৃহত্তম বিল, হাওড় নয়।
সি) পাথর চাওলি — এটি কোনো পরিচিত হাওড় বা জলাভূমির নাম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
D) হাকালুকি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের আয়তনে সবচেয়ে বড় হাওড়।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বড় হাওড় হাকালুকি (হ দিয়ে শুরু), আর সবচেয়ে বড় বিল চলন বিল।
সঠিক উত্তর: C) উত্তরবঙ্গ কাগজ কল, পাকশী
কেন সঠিক:
- উত্তরবঙ্গ কাগজ কলে কাঁচামাল হিসেবে আখের ছোবড়া বা ব্যাগাস ব্যবহার করা হয়।
- এটি চিনিকলের উপজাত হিসেবে পাওয়া আখের বর্জ্য ব্যবহার করে কাগজ উৎপাদনের জন্য পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্ণফুলী কাগজ কল, চন্দ্রঘোনা — এখানে কাঁচামাল হিসেবে মূলত বাঁশ ও কাঠ ব্যবহার করা হয়।
B) খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল, খালিশপুর — এখানে কাঁচামাল হিসেবে গেওয়া কাঠ ব্যবহার করা হতো।
D) পার্টিকেল বোর্ড মিল, নারায়ণগঞ্জ — এটি কাগজ কল নয়, এবং এখানে সাধারণত কাঠের গুঁড়া ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
উত্তরবঙ্গ চিনিকল এলাকা, তাই সেখানে আখের ছোবড়া বা ব্যাগাস দিয়ে কাগজ তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
কেন সঠিক:
- হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- তিনি এই সম্মানজনক পদে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী — প্রদত্ত এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি ছিলেন।
B) বি. এ. সিদ্দিকী — তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন, তবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ছিলেন না।
C) খাজা ওয়াসী উদ্দিন — তিনি একজন প্রখ্যাত সামরিক কর্মকর্তা ও কূটনীতিক ছিলেন, কিন্তু এই পদে নির্বাচিত হননি।
D) ড. কামাল হোসেন — তিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, জাতিসংঘ সভাপতি নন।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম ওপরে তুলেছিলেন হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, যিনি সাধারণ পরিষদেরও প্রথম সভাপতি।
সঠিক উত্তর: C) পীর খান জাহান আলী
কেন সঠিক:
- খান জাহান আলী পঞ্চদশ শতাব্দীতে সুন্দরবন অঞ্চলের উন্নতিকল্পে ও ইসলাম প্রচারের জন্য খলিফাবাদ রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- তাঁর শাসনামলেই বাগেরহাটে ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদসহ বহু স্থাপত্য নির্মিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হযরত আমানত শাহ — তিনি চট্টগ্রামের একজন বিখ্যাত সুফি সাধক ও ইসলাম প্রচারক ছিলেন, বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ নির্মাণের সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) বায়েজীদ বোস্তামী — তিনি একজন বিশ্ববিখ্যাত ফার্সি সুফি সাধক, যাঁর মাজার চট্টগ্রামে অবস্থিত এবং তিনি এই মসজিদ নির্মাণ করেননি।
C) পীর খান জাহান আলী — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।
D) সুফী শাহ মখদুম — তিনি রাজশাহীর ইসলাম প্রচারের সাথে যুক্ত একজন খ্যাতনামা সাধক ছিলেন, বাগেরহাটের স্থাপত্যের সাথে তাঁর সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক স্থাপনা মানেই খান জাহান আলী।
সঠিক উত্তর: B) ময়নামতিতে
কেন সঠিক:
- আনন্দ বিহার কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার একটি অন্যতম প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।
- অষ্টম শতাব্দীতে দেববংশের রাজা শ্রীভবদেব এই ঐতিহাসিক বিহারটি নির্মাণ করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহীতে — এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের অংশ এবং এখানে পাহাড়পুর বা ময়নামতির মতো বিখ্যাত আনন্দ বিহার নেই।
B) ময়নামতিতে — এটি সঠিক উত্তর কারণ আনন্দ বিহার এখানেই অবস্থিত।
C) পাহাড়পুরে — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত এবং এখানে সোমপুর মহাবিহার রয়েছে, আনন্দ বিহার নয়।
D) মহাস্থানগড় — এটি বগুড়ায় অবস্থিত প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী, যেখানে গোবিন্দভিটা ও বৈরাগীর ভিটা রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
আনন্দ বিহার ও শালবন বিহার উভয়ই কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) জালালাবাদ
কেন সঠিক:
- হযরত শাহজালাল (রহ.) এর সিলেট বিজয়ের পর ত্রয়োদশ শতাব্দীতে এই অঞ্চলের নাম পরিবর্তন করে জালালাবাদ রাখা হয়।
- মুঘল আমল ও পরবর্তীতে বিভিন্ন শাসনামলে প্রশাসনিক নথিপত্র এবং মুদ্রায় সিলেটের নাম জালালাবাদ হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জালালাবাদ — এটি সিলেটের ঐতিহাসিক পূর্ব নাম, যা হযরত শাহজালাল (রহ.) এর নামানুসারে রাখা হয়েছিল।
B) নাসিরাবাদ — এটি বর্তমান ময়মনসিংহ জেলার প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নাম, যা সিলেট অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য নয়।
সি) বরেন্দ্রভূমি — এটি উত্তরবঙ্গের রাজশাহী বিভাগের প্রাচীন জনপদ ও ভূমিরূপ, যা সিলেট অঞ্চলের প্রাচীন নাম নয়।
ডি) সুবর্ণগ্রাম — এটি বর্তমান সোনারগাঁও এর প্রাচীন নাম এবং ঐতিহাসিক প্রশাসনিক কেন্দ্র, যা সিলেটের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
সিলেট ও শাহজালাল নামের সাথে মিলিয়ে মনে রাখবে যে, শাহজালালের নামানুসারেই সিলেটের পূর্ব নাম হয়েছিল জালালাবাদ।
সঠিক উত্তর: B) ময়মনসিংহে
কেন সঠিক:
- ন্যাপ (NAPE) অর্থাৎ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন, গবেষণা এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রধান জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকায় — এটি দেশের রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র হলেও ন্যাপ এখানে অবস্থিত নয়, এখানে বিসি প্রশাসন একাডেমি অবস্থিত।
B) ময়মনসিংহে — এটি সঠিক উত্তর কারণ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি এই জেলায় অবস্থিত।
C) রাজশাহীতে — এটি উত্তরবঙ্গের প্রধান শহর হলেও এখানে ন্যাপ অবস্থিত নয়, এখানে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর রয়েছে।
D) কুমিল্লায় — এটি ঐতিহাসিক স্থান হলেও এখানে ন্যাপ অবস্থিত নয়, এখানে বার্ড (BARD) অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে ময়মনসিংহ মনে রাখুন, কারণ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (ন্যাপ) সেখানেই অবস্থিত।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)